উইকিউক্তি bnwikiquote https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.46.0-wmf.24 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিউক্তি উইকিউক্তি আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ Event Event talk ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil 3 4 81744 80960 2026-04-27T20:49:49Z ~2026-25693-60 5734 /* MD Wasim Akram */ নতুন অনুচ্ছেদ 81744 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == সুপ্রিয়, MdsShakil, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! [[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:২৮, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == [[ওবায়দুল কাদের]] নিবন্ধটি সম্পর্কে == [[File:Usermsg.svg|25px|alt=|link=]] সুপ্রিয় MdsShakil, আমি [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ মারুফ|মোহাম্মদ মারুফ]]। উইকিউক্তিতে [[বিশেষ:অবদান/MdsShakil|আপনার অবদানের]] জন্য ধন্যবাদ। আপনি ১ এপ্রিল, ২০২২ তারিখে অর্থাৎ এই বার্তা প্রদানের '''<span style="color:red">২৩৮ দিন পূর্বে </span>''' '''ওবায়দুল কাদের''' নিবন্ধটি তৈরি করেছেন। যদিও উইকিউক্তিতে যে কেউই সম্পাদনা করতে পারে, কিন্তু উইকিউক্তিতে গঠনমূলক সম্পাদনার করার জন্য একটি নীতিমালা রয়েছে। <!--আমাদের [[উইকিপিডিয়া:স্বাগতম, নবাগত|স্বাগত পাতায়]] এই নীতিমালার বিস্তারিত ব্যখ্যা রয়েছে।--> নীতিমালা অনুসারে, আপনার তৈরি করা [[ওবায়দুল কাদের|নিবন্ধটিতে]] একটি সমস্যা পরিলক্ষিত হয়েছে। সমস্যাটি হলো: # নিবন্ধটিতে কোন [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|উৎস বা তথ্যসূত্র]] [[উইকিউক্তি:উৎসনির্দেশ|উদ্ধৃত]] নেই '''আপনি যা করতে পারেন:''' #[[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|তথ্যসূত্র প্রদান করে]] এই নিবন্ধটির মানোন্নয়ন করুন। তা নাহলে নিবন্ধটি অপসারণ করা হতে পারে এ সম্পর্কে আপনার মতামত বা পরামর্শ জানাতে [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ মারুফ|আমার আলাপ]] পাতায় বার্তা দিতে পারেন। উইকিউক্তিতে আপনার যাত্রা শুভ হোক। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ মারুফ|মোহাম্মদ মারুফ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ মারুফ|আলাপ]]) ১৫:৪১, ২৫ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় MdsShakil, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি == সুপ্রিয় MdsShakil, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]): * যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন। * যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন == [[কিম ইল-সাং]] পাতাটিতে চিহ্নিত ভূল গুলো সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবে। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১২:৪৭, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] এই পাতাটিতে আমি সেরকম কোন ত্রুটি দেখতে পেলাম না আপনি যদি একটু কোন প্যারাগ্রাফে ত্রুটি আছে বলে দেন তাহলে সংশোধন করতে সুবিধা হয়। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৩:৫৩, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] উক্তিগুলোতে সমস্যা আছে, এগুলো আরও সুবোধ্য ভাষায় লিখতে হবে। যেমন একটি উক্তিতে আপনি লিখেছেন, "{{সবুজ|সমসাময়িক সংস্কৃতিতে 'সামগ্রিক' দৃষ্টিভঙ্গিকে এক ধরণের সর্বরোগহর ওষুধ হিসেবে প্রচার করার একটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে সংক্ষেপণবাদ বা রিডাকশনিজম বলতে নিচের স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, আর সামগ্রিকতা বলতে উচ্চতর স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়। যেকোনো সন্তোষজনক বর্ণনায় এই দুটি একে অপরের সাথে জড়িত: এবং প্রতিটি আমাদের জ্ঞানীয় পছন্দের ক্ষেত্রে কিছুটা ক্ষতির পাশাপাশি কিছু লাভও নিয়ে আসে অংশগুলোর পারস্পরিক সংযোগ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা হয় না এবং পরিবেশ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা থাকা সম্ভব নয়।}}" এই বাক্যটিকে এভাবে লেখা যেতো, ''{{লাল|বর্তমান সংস্কৃতিতে ‘সামগ্রিক’ দৃষ্টিভঙ্গিকে সব সমস্যার সমাধান হিসেবে দেখার একটি প্রবণতা রয়েছে। সাধারণত ‘হ্রাসবাদ’ বা ক্ষুদ্র বিশ্লেষণ বলতে আমরা কোনো বিষয়ের ছোট বা গভীর অংশ নিয়ে কাজ করা বুঝি, আর ‘সামগ্রিকতা’ বলতে বুঝি বড় বা ওপরের স্তরে নজর দেওয়া। কিন্তু যেকোনো সঠিক বর্ণনায় এই দুই পদ্ধতিই একে অপরের সাথে জড়িয়ে থাকে। আমাদের বোঝার সুবিধার্থে আমরা একেক সময় একেকটা বেছে নেই, তবে দুটোরই যেমন কিছু ভালো দিক আছে, তেমনি কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে। মূলত উভয়ের ভেতরের অংশগুলোর যোগসূত্র ছাড়া যেমন কোনো পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে না, তেমনি চারপাশের পরিবেশ ছাড়াও কোনো ব্যবস্থা সম্পূর্ণ হতে পারে না।}}'' আপনি এভাবে ভাবানুবাদ করেন, আক্ষরিক বা যান্ত্রিক অনুবাদ করলে তো হবে না। ইংরেজি বাক্যগুলো পড়ে বুঝে সেগুলো বাংলা ভাষায় সহজে বুঝিয়ে লিখুন, যাতে আপনি নিজে একবার পড়লেই বুঝতে পারেন। ইংরেজি বড় বাক্যগুলো প্রয়োজনে ভেঙ্গে লিখবেন। এভাবে পুরো নিবন্ধ সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil#top|আলাপ]]) ১৫:৩২, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আল খোয়ারিজমি]] == @[[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]],<br>[[আল খোয়ারিজমি]] পাতাটি পর্যালোচক @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] কর্তৃক 'not accepted' হিসেবে চিহ্নিতের পর প্রায় ৮৪ ঘন্টা হয়ে গেছে। কিন্তু যথাযথ কারন বা সংশোধনের ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়নি। তাই পাতাটি পর্যালোচনা করে গ্রহণ করার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি।<br>ধন্যবাদান্তে,<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দুঃখিত। এটা আমার একটা মিস্টেক ছিল। কিন্তু আমাকে না জানিয়ে অন্য কারও কাছে অভিযোগ জানানোর কারণ কী? [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ২৩:৩৬, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]আমি আপনার আলাপ পাতায় ৩ বার মেন্শন করেছি। যাইহোক, এটিঅভিযোগ হিসেবে নেওয়ার কারণ নেই। আপনার প্রত্যুত্তর না পেয়ে এখানে পর্যালোচনা করার আহ্বান জানিয়েছিলাম। ::ধন্যবাদ। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০২:১৫, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] == @[[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২৫, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == গোল্ড কয়েন == গোল্ড পয়েন্ট [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24763-08|&#126;2026-24763-08]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24763-08|আলাপ]]) ১৮:১২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] == @[[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] পাতাটি পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৪:০২, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কোরীয় যুদ্ধ]] == @[[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] আমি [[কোরীয় যুদ্ধ]] নিবন্ধে সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৬:২৫, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] অনুগ্রহ করে এটিকে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:৩৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == MD Wasim Akram == MD Wasim Akram [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25693-60|&#126;2026-25693-60]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25693-60|আলাপ]]) ২০:৪৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 6s51slt55vwxwb2jkntw0nu16w6iotm শিক্ষা 0 470 81905 47571 2026-04-28T08:58:09Z Nihabd1 5745 81905 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Schoolgirls in Bamozai.JPG|t{{উক্তি|সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত|প্রমথ চৌধুরী|বই পড়া}} {{উক্তি|শিক্ষার শেকড়ের স্বাদ তেতো হলেও এর ফল মিষ্টি|অ্যারিস্টটল}} {{উক্তি|একটি বই একশটি বন্ধুর সমান|বাংলা প্রবাদ}} == উৎস == * প্রমথ চৌধুরী, প্রবন্ধ সংগ্রহ [[বিষয়শ্রেণী:শিক্ষা বিষয়ক উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা উক্তি]]humb|280px|আফগানিস্তানের একটি পাঠশালায় শিক্ষারত শিশুরা]] '''[[:w:শিক্ষা|শিক্ষা]]''' শব্দের উৎপত্তি সংস্কৃত "শাস" ধাতু থেকে। যার অর্থ শাসন করা বা উপদেশ দান করা। অন্যদিকে শিক্ষার ইংরেজি প্রতিশব্দ এডুকেশন এসেছে ল্যাটিন শব্দ এডুকেয়ার বা এডুকাতুম থেকে। যার অর্থ বের করে আনা অর্থাৎ ভেতরের সম্ভাবনাকে বাইরে বের করে নিয়ে আসা বা বিকশিত করা। যুগে যুগে নানা মনীষী নানাভাবে শিক্ষাকে সজ্ঞায়িত করেছেন। আবার সময়ের সাথে সাথে শিক্ষার সংজ্ঞা বা ধারণাতেও পরির্বতন এসেছে। == উক্তি == * শিক্ষা হল মিথ্যার অপনোদন ও সত্যের বিকাশ। **[[সক্রেটিস]] * সুস্থ দেহে সুস্থ মন তৈরি করাই হল শিক্ষা। **[[এরিস্টটল]] *শিক্ষার শেকড়ের স্বাদ তেঁতো হলেও এর ফল মিষ্টি। **[[এরিস্টটল]] *হৃদয়কে শিক্ষিত না করে মনকে শিক্ষিত করা মোটেই শিক্ষা নয়। **[[এরিস্টটল]] * শিক্ষা হল তাই যা আমাদের কেবল তথ্য পরিবেশনই করে না বিশ্বসত্তার সাথে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের জীবনকে গড়ে তোলে। **[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] * যে শিক্ষা দুর্বলের উপর অত্যাচার শেখায়, যে শিক্ষা আমাদের জমি ও বিশ্বের ভৃত্যে পরিণত করে, যে শিক্ষা মানুষকে ভোগবিলাসে মত্ত রাখে, যে শিক্ষা অপরের রক্ত চুষে মোটা হতে শেখায়, সে শিক্ষা শিক্ষা নয়। ** [[মুন্সি প্রেমচাঁদ]], পশু থেকে মানুষ, প্রেমচন্দ গল্পসংগ্রহ- প্রেমচন্দ, প্রকাশক- পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, কলকাতা, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- নভেম্বর ২০০১, পৃষ্ঠা ১০৪ * যাতে চরিত্র তৈরী হয়, মনের শক্তি বাড়ে, বুদ্ধির বিকাশ হয়, নিজের পায়ে নিজে দাঁড়াতে পারে, এই রকম শিক্ষা চাই। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]] * শিক্ষার জন্য আমরা আব্দার করিয়াছি, গরজ করি নাই। শিক্ষাবিস্তারে আমাদের গা নাই। তার মানে, শিক্ষার ভোজে নিজেরা বসিয়া যাইব, পাতের প্রসাদটুকু পর্যন্ত আর-কোনো ক্ষুধিত পায় বা না পায় সে দিকে খেয়ালই নাই। এমন কথা যারা বলে ‘নিম্নসাধারণের জন্য যথেষ্ট শিক্ষার দরকার নাই, তাতে তাদের ক্ষতিই করিবে’ তারা কর্তৃপক্ষদের কাছ হইতে এ কথা শুনিবার অধিকারী যে, বাঙালির পক্ষে বেশি শিক্ষা অনাবশ্যক, এমনকি অনিষ্টকর। ‘জনসাধারণকে লেখাপড়া শিখাইলে আমাদের চাকর জুটিবে না’ এ কথা যদি সত্য হয় তবে আমরা লেখাপড়া শিখিলে আমাদেরও দাস্যভাবের ব্যাঘাত হইবে এ আশঙ্কাও মিথ্যা নহে। **[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/শিক্ষা/শিক্ষার_বাহন শিক্ষার বাহন]) * শিক্ষা হচ্ছে, মানুুষের ভিতর যে পূর্ণতা প্রথম থেকেই বিদ্যমান, তারই প্রকাশ। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Education}} [[বিষয়শ্রেণী:আবহ]] [[বিষয়শ্রেণী:শিক্ষা]] 4an6i6lh3ge8i8uvzcjvyoc2u1osytq 81920 81905 2026-04-28T10:24:55Z Nihabd1 5745 /* বহিঃসংযোগ */ 81920 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Schoolgirls in Bamozai.JPG|t{{উক্তি|সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত|প্রমথ চৌধুরী|বই পড়া}} {{উক্তি|শিক্ষার শেকড়ের স্বাদ তেতো হলেও এর ফল মিষ্টি|অ্যারিস্টটল}} {{উক্তি|একটি বই একশটি বন্ধুর সমান|বাংলা প্রবাদ}} == উৎস == * প্রমথ চৌধুরী, প্রবন্ধ সংগ্রহ [[বিষয়শ্রেণী:শিক্ষা বিষয়ক উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা উক্তি]]humb|280px|আফগানিস্তানের একটি পাঠশালায় শিক্ষারত শিশুরা]] '''[[:w:শিক্ষা|শিক্ষা]]''' শব্দের উৎপত্তি সংস্কৃত "শাস" ধাতু থেকে। যার অর্থ শাসন করা বা উপদেশ দান করা। অন্যদিকে শিক্ষার ইংরেজি প্রতিশব্দ এডুকেশন এসেছে ল্যাটিন শব্দ এডুকেয়ার বা এডুকাতুম থেকে। যার অর্থ বের করে আনা অর্থাৎ ভেতরের সম্ভাবনাকে বাইরে বের করে নিয়ে আসা বা বিকশিত করা। যুগে যুগে নানা মনীষী নানাভাবে শিক্ষাকে সজ্ঞায়িত করেছেন। আবার সময়ের সাথে সাথে শিক্ষার সংজ্ঞা বা ধারণাতেও পরির্বতন এসেছে। == উক্তি == * শিক্ষা হল মিথ্যার অপনোদন ও সত্যের বিকাশ। **[[সক্রেটিস]] * সুস্থ দেহে সুস্থ মন তৈরি করাই হল শিক্ষা। **[[এরিস্টটল]] *শিক্ষার শেকড়ের স্বাদ তেঁতো হলেও এর ফল মিষ্টি। **[[এরিস্টটল]] *হৃদয়কে শিক্ষিত না করে মনকে শিক্ষিত করা মোটেই শিক্ষা নয়। **[[এরিস্টটল]] * শিক্ষা হল তাই যা আমাদের কেবল তথ্য পরিবেশনই করে না বিশ্বসত্তার সাথে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের জীবনকে গড়ে তোলে। **[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] * যে শিক্ষা দুর্বলের উপর অত্যাচার শেখায়, যে শিক্ষা আমাদের জমি ও বিশ্বের ভৃত্যে পরিণত করে, যে শিক্ষা মানুষকে ভোগবিলাসে মত্ত রাখে, যে শিক্ষা অপরের রক্ত চুষে মোটা হতে শেখায়, সে শিক্ষা শিক্ষা নয়। ** [[মুন্সি প্রেমচাঁদ]], পশু থেকে মানুষ, প্রেমচন্দ গল্পসংগ্রহ- প্রেমচন্দ, প্রকাশক- পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, কলকাতা, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- নভেম্বর ২০০১, পৃষ্ঠা ১০৪ * যাতে চরিত্র তৈরী হয়, মনের শক্তি বাড়ে, বুদ্ধির বিকাশ হয়, নিজের পায়ে নিজে দাঁড়াতে পারে, এই রকম শিক্ষা চাই। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]] * শিক্ষার জন্য আমরা আব্দার করিয়াছি, গরজ করি নাই। শিক্ষাবিস্তারে আমাদের গা নাই। তার মানে, শিক্ষার ভোজে নিজেরা বসিয়া যাইব, পাতের প্রসাদটুকু পর্যন্ত আর-কোনো ক্ষুধিত পায় বা না পায় সে দিকে খেয়ালই নাই। এমন কথা যারা বলে ‘নিম্নসাধারণের জন্য যথেষ্ট শিক্ষার দরকার নাই, তাতে তাদের ক্ষতিই করিবে’ তারা কর্তৃপক্ষদের কাছ হইতে এ কথা শুনিবার অধিকারী যে, বাঙালির পক্ষে বেশি শিক্ষা অনাবশ্যক, এমনকি অনিষ্টকর। ‘জনসাধারণকে লেখাপড়া শিখাইলে আমাদের চাকর জুটিবে না’ এ কথা যদি সত্য হয় তবে আমরা লেখাপড়া শিখিলে আমাদেরও দাস্যভাবের ব্যাঘাত হইবে এ আশঙ্কাও মিথ্যা নহে। **[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/শিক্ষা/শিক্ষার_বাহন শিক্ষার বাহন]) * শিক্ষা হচ্ছে, মানুুষের ভিতর যে পূর্ণতা প্রথম থেকেই বিদ্যমান, তারই প্রকাশ। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]] ==বহিঃসংযোগ== [[বিষয়শ্রেণী:আবহ]] [[বিষয়শ্রেণী:শিক্ষা]] jrb0xp0mchvclxwlel0u2tdvskxlp5g 81921 81920 2026-04-28T10:26:02Z Nihabd1 5745 81921 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Schoolgirls in Bamozai.JPG|t{{উক্তি|সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত|প্রমথ চৌধুরী|বই পড়া}} {{উক্তি|শিক্ষার শেকড়ের স্বাদ তেতো হলেও এর ফল মিষ্টি|অ্যারিস্টটল}} {{উক্তি|একটি বই একশটি বন্ধুর সমান|বাংলা প্রবাদ}}== উৎস == * [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] == উৎস == * প্রমথ চৌধুরী, প্রবন্ধ সংগ্রহ [[বিষয়শ্রেণী:শিক্ষা বিষয়ক উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা উক্তি]]humb|280px|আফগানিস্তানের একটি পাঠশালায় শিক্ষারত শিশুরা]] '''[[:w:শিক্ষা|শিক্ষা]]''' শব্দের উৎপত্তি সংস্কৃত "শাস" ধাতু থেকে। যার অর্থ শাসন করা বা উপদেশ দান করা। অন্যদিকে শিক্ষার ইংরেজি প্রতিশব্দ এডুকেশন এসেছে ল্যাটিন শব্দ এডুকেয়ার বা এডুকাতুম থেকে। যার অর্থ বের করে আনা অর্থাৎ ভেতরের সম্ভাবনাকে বাইরে বের করে নিয়ে আসা বা বিকশিত করা। যুগে যুগে নানা মনীষী নানাভাবে শিক্ষাকে সজ্ঞায়িত করেছেন। আবার সময়ের সাথে সাথে শিক্ষার সংজ্ঞা বা ধারণাতেও পরির্বতন এসেছে। == উক্তি == * শিক্ষা হল মিথ্যার অপনোদন ও সত্যের বিকাশ। **[[সক্রেটিস]] * সুস্থ দেহে সুস্থ মন তৈরি করাই হল শিক্ষা। **[[এরিস্টটল]] *শিক্ষার শেকড়ের স্বাদ তেঁতো হলেও এর ফল মিষ্টি। **[[এরিস্টটল]] *হৃদয়কে শিক্ষিত না করে মনকে শিক্ষিত করা মোটেই শিক্ষা নয়। **[[এরিস্টটল]] * শিক্ষা হল তাই যা আমাদের কেবল তথ্য পরিবেশনই করে না বিশ্বসত্তার সাথে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের জীবনকে গড়ে তোলে। **[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] * যে শিক্ষা দুর্বলের উপর অত্যাচার শেখায়, যে শিক্ষা আমাদের জমি ও বিশ্বের ভৃত্যে পরিণত করে, যে শিক্ষা মানুষকে ভোগবিলাসে মত্ত রাখে, যে শিক্ষা অপরের রক্ত চুষে মোটা হতে শেখায়, সে শিক্ষা শিক্ষা নয়। ** [[মুন্সি প্রেমচাঁদ]], পশু থেকে মানুষ, প্রেমচন্দ গল্পসংগ্রহ- প্রেমচন্দ, প্রকাশক- পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, কলকাতা, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- নভেম্বর ২০০১, পৃষ্ঠা ১০৪ * যাতে চরিত্র তৈরী হয়, মনের শক্তি বাড়ে, বুদ্ধির বিকাশ হয়, নিজের পায়ে নিজে দাঁড়াতে পারে, এই রকম শিক্ষা চাই। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]] * শিক্ষার জন্য আমরা আব্দার করিয়াছি, গরজ করি নাই। শিক্ষাবিস্তারে আমাদের গা নাই। তার মানে, শিক্ষার ভোজে নিজেরা বসিয়া যাইব, পাতের প্রসাদটুকু পর্যন্ত আর-কোনো ক্ষুধিত পায় বা না পায় সে দিকে খেয়ালই নাই। এমন কথা যারা বলে ‘নিম্নসাধারণের জন্য যথেষ্ট শিক্ষার দরকার নাই, তাতে তাদের ক্ষতিই করিবে’ তারা কর্তৃপক্ষদের কাছ হইতে এ কথা শুনিবার অধিকারী যে, বাঙালির পক্ষে বেশি শিক্ষা অনাবশ্যক, এমনকি অনিষ্টকর। ‘জনসাধারণকে লেখাপড়া শিখাইলে আমাদের চাকর জুটিবে না’ এ কথা যদি সত্য হয় তবে আমরা লেখাপড়া শিখিলে আমাদেরও দাস্যভাবের ব্যাঘাত হইবে এ আশঙ্কাও মিথ্যা নহে। **[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/শিক্ষা/শিক্ষার_বাহন শিক্ষার বাহন]) * শিক্ষা হচ্ছে, মানুুষের ভিতর যে পূর্ণতা প্রথম থেকেই বিদ্যমান, তারই প্রকাশ। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]] ==বহিঃসংযোগ== [[বিষয়শ্রেণী:আবহ]] [[বিষয়শ্রেণী:শিক্ষা]] ds12vtdq7tpkeruwgeiw2jpmyw5szrb মডিউল:উদ্ধৃতি/শনাক্তকারী 828 619 81819 7490 2026-04-28T03:37:32Z ARI 356 হালনাগাদ 81819 Scribunto text/plain local identifiers = {}; --[[--------------------------< F O R W A R D D E C L A R A T I O N S >-------------------------------------- ]] local is_set, in_array, set_error, select_one, add_maint_cat, substitute, make_wikilink; -- functions in Module:Citation/CS1/Utilities local z; -- table of tables defined in Module:Citation/CS1/Utilities local cfg; -- table of configuration tables that are defined in Module:Citation/CS1/Configuration local wd_int_lang = (mw.site.server:match ('wikidata') and mw.getCurrentFrame():preprocess('{{int:lang}}')) or ''; --============================<< H E L P E R F U N C T I O N S >>============================================ --[[--------------------------< E X T E R N A L _ L I N K _ I D >---------------------------------------------- Formats a wiki style external link ]] local function external_link_id(options) local url_string = options.id; local ext_link; local this_wiki_code; -- wikipedia subdomain; 'en' for en.wikipedia.org local wd_article; -- article title from wikidata if options.encode == true or options.encode == nil then url_string = mw.uri.encode( url_string ); end ext_link = mw.ustring.format ('[%s%s%s %s]', options.prefix, url_string, options.suffix or "", mw.text.nowiki(options.id)); if is_set(options.access) then ext_link = substitute (cfg.presentation['access-signal'], {ext_link, cfg.presentation[options.access]}); -- add the free-to-read / paywall lock end this_wiki_code = mw.language.getContentLanguage():getCode(); -- get this wikipedia's language code (subdomain) if string.match (mw.site.server, 'wikidata') then this_wiki_code = mw.getCurrentFrame():preprocess('{{int:lang}}'); -- on wikidata so use interface language setting instead end if is_set (options.q) then wd_article = mw.wikibase.getEntity (options.q):getSitelink (this_wiki_code .. 'wiki'); -- fetch article title from wd if wd_article then wd_article = table.concat ({':', this_wiki_code, ':', wd_article}); -- make interwiki link if taken from wd; leading colon required end end return table.concat ({ make_wikilink (wd_article or options.link, options.label), -- wikidata link or locally specified options.separator or '&nbsp;', ext_link }); end --[[--------------------------< I N T E R N A L _ L I N K _ I D >---------------------------------------------- Formats a wiki style internal link ]] local function bn_to_en_digits(str) if not str then return str end local map = { ['০']='0',['১']='1',['২']='2',['৩']='3',['৪']='4', ['৫']='5',['৬']='6',['৭']='7',['৮']='8',['৯']='9' } return (mw.ustring.gsub(str, '[০-৯]', map)) end local function internal_link_id(options) return table.concat ( { make_wikilink (options.link, options.label), options.separator or '&nbsp;', make_wikilink ( table.concat ( { options.prefix, options.id, options.suffix or '' }), mw.text.nowiki (options.id) ); }); end --[[--------------------------< I S _ E M B A R G O E D >------------------------------------------------------ Determines if a PMC identifier's online version is embargoed. Compares the date in |embargo= against today's date. If embargo date is in the future, returns the content of |embargo=; otherwise, returns and empty string because the embargo has expired or because |embargo= was not set in this cite. ]] local function is_embargoed (embargo) if is_set (embargo) then local lang = mw.getContentLanguage(); local good1, embargo_date, good2, todays_date; good1, embargo_date = pcall( lang.formatDate, lang, 'U', embargo ); good2, todays_date = pcall( lang.formatDate, lang, 'U' ); if good1 and good2 then -- if embargo date and today's date are good dates if tonumber( embargo_date ) >= tonumber( todays_date ) then -- is embargo date is in the future? return embargo; -- still embargoed else add_maint_cat ('embargo') return ''; -- unset because embargo has expired end end end return ''; -- |embargo= not set return empty string end --[[--------------------------< IS _ V A L I D _ I S X N >----------------------------------------------------- ISBN-10 and ISSN validator code calculates checksum across all isbn/issn digits including the check digit. ISBN-13 is checked in isbn(). If the number is valid the result will be 0. Before calling this function, issbn/issn must be checked for length and stripped of dashes, spaces and other non-isxn characters. ]] local function is_valid_isxn (isxn_str, len) local temp = 0; isxn_str = { isxn_str:byte(1, len) }; -- make a table of byte values '0' → 0x30 .. '9' → 0x39, 'X' → 0x58 len = len+1; -- adjust to be a loop counter for i, v in ipairs( isxn_str ) do -- loop through all of the bytes and calculate the checksum if v == string.byte( "X" ) then -- if checkdigit is X (compares the byte value of 'X' which is 0x58) temp = temp + 10*( len - i ); -- it represents 10 decimal else temp = temp + tonumber( string.char(v) )*(len-i); end end return temp % 11 == 0; -- returns true if calculation result is zero end --[[--------------------------< IS _ V A L I D _ I S X N _ 1 3 >----------------------------------------------- ISBN-13 and ISMN validator code calculates checksum across all 13 isbn/ismn digits including the check digit. If the number is valid, the result will be 0. Before calling this function, isbn-13/ismn must be checked for length and stripped of dashes, spaces and other non-isxn-13 characters. ]] local function is_valid_isxn_13 (isxn_str) local temp=0; isxn_str = { isxn_str:byte(1, 13) }; -- make a table of byte values '0' → 0x30 .. '9' → 0x39 for i, v in ipairs( isxn_str ) do temp = temp + (3 - 2*(i % 2)) * tonumber( string.char(v) ); -- multiply odd index digits by 1, even index digits by 3 and sum; includes check digit end return temp % 10 == 0; -- sum modulo 10 is zero when isbn-13/ismn is correct end --[[--------------------------< N O R M A L I Z E _ L C C N >-------------------------------------------------- lccn normalization (http://www.loc.gov/marc/lccn-namespace.html#normalization) 1. Remove all blanks. 2. If there is a forward slash (/) in the string, remove it, and remove all characters to the right of the forward slash. 3. If there is a hyphen in the string: a. Remove it. b. Inspect the substring following (to the right of) the (removed) hyphen. Then (and assuming that steps 1 and 2 have been carried out): 1. All these characters should be digits, and there should be six or less. (not done in this function) 2. If the length of the substring is less than 6, left-fill the substring with zeroes until the length is six. Returns a normalized lccn for lccn() to validate. There is no error checking (step 3.b.1) performed in this function. ]] local function normalize_lccn (lccn) lccn = lccn:gsub ("%s", ""); -- 1. strip whitespace if nil ~= string.find (lccn,'/') then lccn = lccn:match ("(.-)/"); -- 2. remove forward slash and all character to the right of it end local prefix local suffix prefix, suffix = lccn:match ("(.+)%-(.+)"); -- 3.a remove hyphen by splitting the string into prefix and suffix if nil ~= suffix then -- if there was a hyphen suffix=string.rep("0", 6-string.len (suffix)) .. suffix; -- 3.b.2 left fill the suffix with 0s if suffix length less than 6 lccn=prefix..suffix; -- reassemble the lccn end return lccn; end --============================<< I D E N T I F I E R F U N C T I O N S >>==================================== --[[--------------------------< A R X I V >-------------------------------------------------------------------- See: http://arxiv.org/help/arxiv_identifier format and error check arXiv identifier. There are three valid forms of the identifier: the first form, valid only between date codes 9108 and 0703 is: arXiv:<archive>.<class>/<date code><number><version> where: <archive> is a string of alpha characters - may be hyphenated; no other punctuation <class> is a string of alpha characters - may be hyphenated; no other punctuation <date code> is four digits in the form YYMM where YY is the last two digits of the four-digit year and MM is the month number January = 01 first digit of YY for this form can only 9 and 0 <number> is a three-digit number <version> is a 1 or more digit number preceded with a lowercase v; no spaces (undocumented) the second form, valid from April 2007 through December 2014 is: arXiv:<date code>.<number><version> where: <date code> is four digits in the form YYMM where YY is the last two digits of the four-digit year and MM is the month number January = 01 <number> is a four-digit number <version> is a 1 or more digit number preceded with a lowercase v; no spaces the third form, valid from January 2015 is: arXiv:<date code>.<number><version> where: <date code> and <version> are as defined for 0704-1412 <number> is a five-digit number ]] local function arxiv (id, class) local handler = cfg.id_handlers['ARXIV']; local year, month, version; local err_cat = ''; local text; if id:match("^%a[%a%.%-]+/[90]%d[01]%d%d%d%d$") or id:match("^%a[%a%.%-]+/[90]%d[01]%d%d%d%dv%d+$") then -- test for the 9108-0703 format w/ & w/o version year, month = id:match("^%a[%a%.%-]+/([90]%d)([01]%d)%d%d%d[v%d]*$"); year = tonumber(year); month = tonumber(month); if ((not (90 < year or 8 > year)) or (1 > month or 12 < month)) or -- if invalid year or invalid month ((91 == year and 7 > month) or (7 == year and 3 < month)) then -- if years ok, are starting and ending months ok? err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_arxiv' ); -- set error message end elseif id:match("^%d%d[01]%d%.%d%d%d%d$") or id:match("^%d%d[01]%d%.%d%d%d%dv%d+$") then -- test for the 0704-1412 w/ & w/o version year, month = id:match("^(%d%d)([01]%d)%.%d%d%d%d[v%d]*$"); year = tonumber(year); month = tonumber(month); if ((7 > year) or (14 < year) or (1 > month or 12 < month)) or -- is year invalid or is month invalid? (doesn't test for future years) ((7 == year) and (4 > month)) then --or -- when year is 07, is month invalid (before April)? err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_arxiv' ); -- set error message end elseif id:match("^%d%d[01]%d%.%d%d%d%d%d$") or id:match("^%d%d[01]%d%.%d%d%d%d%dv%d+$") then -- test for the 1501- format w/ & w/o version year, month = id:match("^(%d%d)([01]%d)%.%d%d%d%d%d[v%d]*$"); year = tonumber(year); month = tonumber(month); if ((15 > year) or (1 > month or 12 < month)) then -- is year invalid or is month invalid? (doesn't test for future years) err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_arxiv' ); -- set error message end else err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_arxiv' ); -- arXiv id doesn't match any format end text = external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=handler.access}) .. err_cat; if is_set (class) then class = ' [[' .. '//arxiv.org/archive/' .. class .. ' ' .. class .. ']]'; -- external link within square brackets, not wikilink else class = ''; -- empty string for concatenation end return text .. class; end --[[--------------------------< B I B C O D E >-------------------------------------------------------------------- Validates (sort of) and formats a bibcode id. Format for bibcodes is specified here: http://adsabs.harvard.edu/abs_doc/help_pages/data.html#bibcodes But, this: 2015arXiv151206696F is apparently valid so apparently, the only things that really matter are length, 19 characters and first four digits must be a year. This function makes these tests: length must be 19 characters characters in position 1–4 must be digits and must represent a year in the range of 1000 – next year 5 must be a letter 6 must be letter, ampersand, or dot (ampersand cannot directly precede a dot; &. ) 7–8 must be letter, digit, ampersand, or dot (ampersand cannot directly precede a dot; &. ) 9–18 must be letter, digit, or dot 19 must be a letter or dot ]] local function bibcode (id, access) local handler = cfg.id_handlers['BIBCODE']; local err_type; local year; local text = external_link_id({link=handler.link, label=handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix, id=id, separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=access}); if 19 ~= id:len() then err_type = 'length'; else year = id:match ("^(%d%d%d%d)[%a][%a&%.][%a&%.%d][%a&%.%d][%a%d%.]+[%a%.]$") -- if not year then -- if nil then no pattern match err_type = 'value'; -- so value error else local next_year = tonumber(os.date ('%Y'))+1; -- get the current year as a number and add one for next year year = tonumber (year); -- convert year portion of bibcode to a number if (1000 > year) or (year > next_year) then err_type = 'year'; -- year out of bounds end if id:find('&%.') then err_type = 'journal'; -- journal abbreviation must not have '&.' (if it does its missing a letter) end end end if is_set (err_type) then -- if there was an error detected text = text .. ' ' .. set_error( 'bad_bibcode', {err_type}); end return text; end --[[--------------------------< B I O R X I V >----------------------------------------------------------------- Format bioRxiv id and do simple error checking. BiorXiv ids are exactly 6 digits. The bioRxiv id is the number following the last slash in the bioRxiv-issued DOI: https://doi.org/10.1101/078733 -> 078733 ]] local function biorxiv(id) local handler = cfg.id_handlers['BIORXIV']; local err_cat = ''; -- presume that bioRxiv id is valid if nil == id:match("^%d%d%d%d%d%d$") then -- if bioRxiv id has anything but six digits err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_biorxiv'); -- set an error message end return external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=handler.access}) .. err_cat; end --[[--------------------------< C I T E S E E R X >------------------------------------------------------------ CiteSeerX use their own notion of "doi" (not to be confused with the identifiers resolved via doi.org). The description of the structure of this identifier can be found at Help_talk:Citation_Style_1/Archive_26#CiteSeerX_id_structure ]] local function citeseerx (id) local handler = cfg.id_handlers['CITESEERX']; local matched; local text = external_link_id({link=handler.link, label=handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix, id=id, separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=handler.access}); matched = id:match ("^10%.1%.1%.[1-9]%d?%d?%d?%.[1-9]%d?%d?%d?$"); if not matched then text = text .. ' ' .. set_error( 'bad_citeseerx' ); end return text; end --[[--------------------------< D O I >------------------------------------------------------------------------ Formats a DOI and checks for DOI errors. DOI names contain two parts: prefix and suffix separated by a forward slash. Prefix: directory indicator '10.' followed by a registrant code Suffix: character string of any length chosen by the registrant This function checks a DOI name for: prefix/suffix. If the doi name contains spaces or endashes, or, if it ends with a period or a comma, this function will emit a bad_doi error message. DOI names are case-insensitive and can incorporate any printable Unicode characters so the test for spaces, endash, and terminal punctuation may not be technically correct but it appears, that in practice these characters are rarely if ever used in doi names. ]] local function doi(id, inactive, access) local cat = "" local handler = cfg.id_handlers['DOI']; local text; if is_set(inactive) then local inactive_year = inactive:match("%d%d%d%d") or ''; -- try to get the year portion from the inactive date if is_set(inactive_year) then table.insert( z.error_categories, "" .. inactive_year .. " থেকে নিষ্ক্রিয় ডিওআইসহ পাতা" ); else table.insert( z.error_categories, "নিষ্ক্রিয় ডিওআইসহ পাতা" ); -- when inactive doesn't contain a recognizable year end inactive = " (" .. cfg.messages['inactive'] .. " " .. inactive .. ")" end text = external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=access}) .. (inactive or '') if nil == id:match("^10%.[^%s–]-/[^%s–]-[^%.,]$") then -- doi must begin with '10.', must contain a fwd slash, must not contain spaces or endashes, and must not end with period or comma cat = ' ' .. set_error( 'bad_doi' ); end return text .. cat end --[[--------------------------< H D L >------------------------------------------------------------------------ Formats an HDL with minor error checking. HDL names contain two parts: prefix and suffix separated by a forward slash. Prefix: character string using any character in the UCS-2 character set except '/' Suffix: character string of any length using any character in the UCS-2 character set chosen by the registrant This function checks a HDL name for: prefix/suffix. If the HDL name contains spaces, endashes, or, if it ends with a period or a comma, this function will emit a bad_hdl error message. HDL names are case-insensitive and can incorporate any printable Unicode characters so the test for endashes and terminal punctuation may not be technically correct but it appears, that in practice these characters are rarely if ever used in HDLs. ]] local function hdl(id, access) local handler = cfg.id_handlers['HDL']; local text = external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=access}) if nil == id:match("^[^%s–]-/[^%s–]-[^%.,]$") then -- hdl must contain a fwd slash, must not contain spaces, endashes, and must not end with period or comma text = text .. ' ' .. set_error( 'bad_hdl' ); end return text; end --[[--------------------------< I S B N >---------------------------------------------------------------------- Determines whether an ISBN string is valid ]] local function isbn( isbn_str ) isbn_str = bn_to_en_digits(isbn_str) if nil ~= isbn_str:match("[^%s-0-9X]") then return false, 'invalid character'; -- fail if isbn_str contains anything but digits, hyphens, or the uppercase X end isbn_str = isbn_str:gsub( "-", "" ):gsub( " ", "" ); -- remove hyphens and spaces local len = isbn_str:len(); if len ~= 10 and len ~= 13 then return false, 'length'; -- fail if incorrect length end if len == 10 then if isbn_str:match( "^%d*X?$" ) == nil then -- fail if isbn_str has 'X' anywhere but last position return false, 'invalid form'; end return is_valid_isxn(isbn_str, 10), 'checksum'; else if isbn_str:match( "^%d+$" ) == nil then return false, 'invalid character'; -- fail if isbn13 is not all digits end if isbn_str:match( "^97[89]%d*$" ) == nil then return false, 'invalid prefix'; -- fail when isbn13 does not begin with 978 or 979 end return is_valid_isxn_13 (isbn_str), 'checksum'; end end --[[--------------------------< A M A Z O N >------------------------------------------------------------------ Formats a link to Amazon. Do simple error checking: asin must be mix of 10 numeric or uppercase alpha characters. If a mix, first character must be uppercase alpha; if all numeric, asins must be 10-digit isbn. If 10-digit isbn, add a maintenance category so a bot or awb script can replace |asin= with |isbn=. Error message if not 10 characters, if not isbn10, if mixed and first character is a digit. This function is positioned here because it calls isbn() ]] local function asin(id, domain) local err_cat = "" if not id:match("^[%d%u][%d%u][%d%u][%d%u][%d%u][%d%u][%d%u][%d%u][%d%u][%d%u]$") then err_cat = ' ' .. set_error ('bad_asin'); -- asin is not a mix of 10 uppercase alpha and numeric characters else if id:match("^%d%d%d%d%d%d%d%d%d[%dX]$") then -- if 10-digit numeric (or 9 digits with terminal X) if isbn( id ) then -- see if asin value is isbn10 add_maint_cat ('ASIN'); elseif not is_set (err_cat) then err_cat = ' ' .. set_error ('bad_asin'); -- asin is not isbn10 end elseif not id:match("^%u[%d%u]+$") then err_cat = ' ' .. set_error ('bad_asin'); -- asin doesn't begin with uppercase alpha end end if not is_set(domain) then domain = "com"; elseif in_array (domain, {'jp', 'uk'}) then -- Japan, United Kingdom domain = "co." .. domain; elseif in_array (domain, {'au', 'br', 'mx'}) then -- Australia, Brazil, Mexico domain = "com." .. domain; end local handler = cfg.id_handlers['ASIN']; return external_link_id({link=handler.link, label=handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix .. domain .. "/dp/", id=id, encode=handler.encode, separator = handler.separator}) .. err_cat; end --[[--------------------------< I S M N >---------------------------------------------------------------------- Determines whether an ISMN string is valid. Similar to isbn-13, ismn is 13 digits begining 979-0-... and uses the same check digit calculations. See http://www.ismn-international.org/download/Web_ISMN_Users_Manual_2008-6.pdf section 2, pages 9–12. ]] local function ismn (id) local handler = cfg.id_handlers['ISMN']; local text; local valid_ismn = true; local id_copy; id_copy = id; -- save a copy because this testing is destructive id=id:gsub( "[%s-–]", "" ); -- strip spaces, hyphens, and endashes from the ismn if 13 ~= id:len() or id:match( "^9790%d*$" ) == nil then -- ismn must be 13 digits and begin 9790 valid_ismn = false; else valid_ismn=is_valid_isxn_13 (id); -- validate ismn end -- text = internal_link_id({link = handler.link, label = handler.label, -- use this (or external version) when there is some place to link to -- prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode}) text = table.concat ( { make_wikilink (handler.link, handler.label), handler.separator, id_copy }); -- because no place to link to yet if false == valid_ismn then text = text .. ' ' .. set_error( 'bad_ismn' ) -- add an error message if the ismn is invalid end return text; end --[[--------------------------< I S S N >---------------------------------------------------------------------- Validate and format an issn. This code fixes the case where an editor has included an ISSN in the citation but has separated the two groups of four digits with a space. When that condition occurred, the resulting link looked like this: |issn=0819 4327 gives: [http://www.worldcat.org/issn/0819 4327 0819 4327] -- can't have spaces in an external link This code now prevents that by inserting a hyphen at the issn midpoint. It also validates the issn for length and makes sure that the checkdigit agrees with the calculated value. Incorrect length (8 digits), characters other than 0-9 and X, or checkdigit / calculated value mismatch will all cause a check issn error message. The issn is always displayed with a hyphen, even if the issn was given as a single group of 8 digits. ]] local function issn(id, e) local issn_copy = id; -- save a copy of unadulterated issn; use this version for display if issn does not validate local handler; local text; local valid_issn = true; if e then handler = cfg.id_handlers['EISSN']; else handler = cfg.id_handlers['ISSN']; end id=id:gsub( "[%s-–]", "" ); -- strip spaces, hyphens, and endashes from the issn if 8 ~= id:len() or nil == id:match( "^%d*X?$" ) then -- validate the issn: 8 digits long, containing only 0-9 or X in the last position valid_issn=false; -- wrong length or improper character else valid_issn=is_valid_isxn(id, 8); -- validate issn end if true == valid_issn then id = string.sub( id, 1, 4 ) .. "-" .. string.sub( id, 5 ); -- if valid, display correctly formatted version else id = issn_copy; -- if not valid, use the show the invalid issn with error message end text = external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode}) if false == valid_issn then text = text .. ' ' .. set_error( 'bad_issn', e and 'e' or '' ) -- add an error message if the issn is invalid end return text end --[[--------------------------< J F M >----------------------------------------------------------------------- A numerical identifier in the form nn.nnnn.nn ]] local function jfm (id) local handler = cfg.id_handlers['JFM']; local id_num; local err_cat = ''; id_num = id:match ('^[Jj][Ff][Mm](.*)$'); -- identifier with jfm prefix; extract identifier if is_set (id_num) then add_maint_cat ('jfm_format'); else -- plain number without mr prefix id_num = id; -- if here id does not have prefix end if id_num and id_num:match('^%d%d%.%d%d%d%d%.%d%d$') then id = id_num; -- jfm matches pattern else err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_jfm' ); -- set an error message end return external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode}) .. err_cat; end --[[--------------------------< L C C N >---------------------------------------------------------------------- Format LCCN link and do simple error checking. LCCN is a character string 8-12 characters long. The length of the LCCN dictates the character type of the first 1-3 characters; the rightmost eight are always digits. http://info-uri.info/registry/OAIHandler?verb=GetRecord&metadataPrefix=reg&identifier=info:lccn/ length = 8 then all digits length = 9 then lccn[1] is lower case alpha length = 10 then lccn[1] and lccn[2] are both lower case alpha or both digits length = 11 then lccn[1] is lower case alpha, lccn[2] and lccn[3] are both lower case alpha or both digits length = 12 then lccn[1] and lccn[2] are both lower case alpha ]] local function lccn(lccn) local handler = cfg.id_handlers['LCCN']; local err_cat = ''; -- presume that LCCN is valid local id = lccn; -- local copy of the lccn id = normalize_lccn (id); -- get canonical form (no whitespace, hyphens, forward slashes) local len = id:len(); -- get the length of the lccn if 8 == len then if id:match("[^%d]") then -- if LCCN has anything but digits (nil if only digits) err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_lccn' ); -- set an error message end elseif 9 == len then -- LCCN should be adddddddd if nil == id:match("%l%d%d%d%d%d%d%d%d") then -- does it match our pattern? err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_lccn' ); -- set an error message end elseif 10 == len then -- LCCN should be aadddddddd or dddddddddd if id:match("[^%d]") then -- if LCCN has anything but digits (nil if only digits) ... if nil == id:match("^%l%l%d%d%d%d%d%d%d%d") then -- ... see if it matches our pattern err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_lccn' ); -- no match, set an error message end end elseif 11 == len then -- LCCN should be aaadddddddd or adddddddddd if not (id:match("^%l%l%l%d%d%d%d%d%d%d%d") or id:match("^%l%d%d%d%d%d%d%d%d%d%d")) then -- see if it matches one of our patterns err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_lccn' ); -- no match, set an error message end elseif 12 == len then -- LCCN should be aadddddddddd if not id:match("^%l%l%d%d%d%d%d%d%d%d%d%d") then -- see if it matches our pattern err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_lccn' ); -- no match, set an error message end else err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_lccn' ); -- wrong length, set an error message end if not is_set (err_cat) and nil ~= lccn:find ('%s') then err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_lccn' ); -- lccn contains a space, set an error message end return external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=lccn,separator=handler.separator, encode=handler.encode}) .. err_cat; end --[[--------------------------< M R >-------------------------------------------------------------------------- A seven digit number; if not seven digits, zero-fill leading digits to make seven digits. ]] local function mr (id) local handler = cfg.id_handlers['MR']; local id_num; local id_len; local err_cat = ''; id_num = id:match ('^[Mm][Rr](%d+)$'); -- identifier with mr prefix if is_set (id_num) then add_maint_cat ('mr_format'); else -- plain number without mr prefix id_num = id:match ('^%d+$'); -- if here id is all digits end id_len = id_num and id_num:len() or 0; if (7 >= id_len) and (0 ~= id_len) then id = string.rep ('0', 7-id_len ) .. id_num; -- zero-fill leading digits else err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_mr' ); -- set an error message end return external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode}) .. err_cat; end --[[--------------------------< O C L C >---------------------------------------------------------------------- Validate and format an oclc id. https://www.oclc.org/batchload/controlnumber.en.html ]] local function oclc (id) local handler = cfg.id_handlers['OCLC']; local number; local err_msg = ''; -- empty string for concatenation if id:match('^ocm%d%d%d%d%d%d%d%d$') then -- ocm prefix and 8 digits; 001 field (12 characters) number = id:match('ocm(%d+)'); -- get the number elseif id:match('^ocn%d%d%d%d%d%d%d%d%d$') then -- ocn prefix and 9 digits; 001 field (12 characters) number = id:match('ocn(%d+)'); -- get the number elseif id:match('^on%d%d%d%d%d%d%d%d%d%d+$') then -- on prefix and 10 or more digits; 001 field (12 characters) number = id:match('^on(%d%d%d%d%d%d%d%d%d%d+)$'); -- get the number elseif id:match('^%(OCoLC%)[1-9]%d*$') then -- (OCoLC) prefix and variable number digits; no leading zeros; 035 field number = id:match('%(OCoLC%)([1-9]%d*)'); -- get the number if 9 < number:len() then number = nil; -- contrain to 1 to 9 digits; change this when oclc issues 10-digit numbers end elseif id:match('^%d+$') then -- no prefix number = id; -- get the number if 10 < number:len() then number = nil; -- contrain to 1 to 10 digits; change this when oclc issues 11-digit numbers end end if number then -- proper format id = number; -- exclude prefix, if any, from external link else err_msg = ' ' .. set_error( 'bad_oclc' ) -- add an error message if the id is malformed end local text = external_link_id({link=handler.link, label=handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix, id=id, separator=handler.separator, encode=handler.encode}) .. err_msg; return text; end --[[--------------------------< O P E N L I B R A R Y >-------------------------------------------------------- Formats an OpenLibrary link, and checks for associated errors. ]] local function openlibrary(id, access) local code; local handler = cfg.id_handlers['OL']; local ident; ident, code = id:gsub('^OL', ''):match("^(%d+([AMW]))$"); -- optional OL prefix followed immediately by digits followed by 'A', 'M', or 'W'; remove OL prefix if not is_set (ident) then -- if malformed return an error return external_link_id({link=handler.link, label=handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix .. 'OL', id=id, separator=handler.separator, encode = handler.encode, access = access}) .. ' ' .. set_error( 'bad_ol' ); end id = ident; -- use ident without the optional OL prefix (it has been removed) if ( code == "A" ) then return external_link_id({link=handler.link, label=handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix .. 'authors/OL', id=id, separator=handler.separator, encode = handler.encode, access = access}) end if ( code == "M" ) then return external_link_id({link=handler.link, label=handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix .. 'books/OL', id=id, separator=handler.separator, encode = handler.encode, access = access}) end if ( code == "W" ) then return external_link_id({link=handler.link, label=handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix .. 'works/OL', id=id, separator=handler.separator, encode = handler.encode, access = access}) end end --[[--------------------------< P M C >------------------------------------------------------------------------ Format a PMC, do simple error checking, and check for embargoed articles. The embargo parameter takes a date for a value. If the embargo date is in the future the PMC identifier will not be linked to the article. If the embargo date is today or in the past, or if it is empty or omitted, then the PMC identifier is linked to the article through the link at cfg.id_handlers['PMC'].prefix. PMC embargo date testing is done in function is_embargoed () which is called earlier because when the citation has |pmc=<value> but does not have a |url= then |title= is linked with the PMC link. Function is_embargoed () returns the embargo date if the PMC article is still embargoed, otherwise it returns an empty string. PMCs are sequential numbers beginning at 1 and counting up. This code checks the PMC to see that it contains only digits and is less than test_limit; the value in local variable test_limit will need to be updated periodically as more PMCs are issued. ]] local function pmc(id, embargo) local test_limit = 7000000; -- update this value as PMCs approach local handler = cfg.id_handlers['PMC']; local err_cat = ''; -- presume that PMC is valid local id_num; local text; id_num = id:match ('^[Pp][Mm][Cc](%d+)$'); -- identifier with pmc prefix if is_set (id_num) then add_maint_cat ('pmc_format'); else -- plain number without pmc prefix id_num = id:match ('^%d+$'); -- if here id is all digits end if is_set (id_num) then -- id_num has a value so test it id_num = tonumber(id_num); -- convert id_num to a number for range testing if 1 > id_num or test_limit < id_num then -- if PMC is outside test limit boundaries err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_pmc' ); -- set an error message else id = tostring (id_num); -- make sure id is a string end else -- when id format incorrect err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_pmc' ); -- set an error message end if is_set (embargo) then -- is PMC is still embargoed? text = table.concat ( -- still embargoed so no external link { make_wikilink (handler.link, handler.label), handler.separator, id, err_cat }); else text = external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, -- no embargo date or embargo has expired, ok to link to article prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=handler.access}) .. err_cat; end return text; end --[[--------------------------< P M I D >---------------------------------------------------------------------- Format PMID and do simple error checking. PMIDs are sequential numbers beginning at 1 and counting up. This code checks the PMID to see that it contains only digits and is less than test_limit; the value in local variable test_limit will need to be updated periodically as more PMIDs are issued. ]] local function pmid(id) local test_limit = 32000000; -- update this value as PMIDs approach local handler = cfg.id_handlers['PMID']; local err_cat = ''; -- presume that PMID is valid if id:match("[^%d]") then -- if PMID has anything but digits err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_pmid' ); -- set an error message else -- PMID is only digits local id_num = tonumber(id); -- convert id to a number for range testing if 1 > id_num or test_limit < id_num then -- if PMID is outside test limit boundaries err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_pmid' ); -- set an error message end end return external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode}) .. err_cat; end --[[--------------------------< S 2 C I D >-------------------------------------------------------------------- Format an s2cid, do simple error checking S2CIDs are sequential numbers beginning at 1 and counting up. This code checks the s2cid to see that it is only digits and is less than test_limit; the value in local variable test_limit will need to be updated periodically as more S2CIDs are issued. ]] local function s2cid (id, access) local handler = cfg.id_handlers['S2CID']; local err_cat = ''; -- presume that S2CID is valid local id_num; local text; id_num = id:match ('^[1-9]%d*$'); -- id must be all digits; must not begin with 0; no open access flag if is_set (id_num) then -- id_num has a value so test it id_num = tonumber(id_num); -- convert id_num to a number for range testing if handler.id_limit < id_num then -- if S2CID is outside test limit boundaries err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_s2cid' ); -- set an error message end else -- when id format incorrect err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_s2cid' ); -- set an error message end text = external_link_id ({link=handler.link, label=handler.label, q=handler.q, redirect=handler.redirect, prefix=handler.prefix, id=id:gsub ('%.%a%a', ''), separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=access}) .. err_cat; return text; end --[[--------------------------< S B N >------------------------------------------------------------------------ 9-digit form of isbn10; uses same check-digit validation when sbn is prefixed with an additional '0' to make 10 digits ]] local function sbn (id) local check; local err_type = ''; if nil ~= id:match("[^%s-0-9X]") then return false, cfg.err_msg_supl.char; -- fail if sbn contains anything but digits, hyphens, or the uppercase X end id=id:gsub( "[%s-]", "" ); -- strip spaces and hyphens from the sbn if 9 ~= id:len() then return false, cfg.err_msg_supl.length; -- fail if incorrect length end if id:match( "^%d*X?$" ) == nil then -- fail if sbn has 'X' anywhere but last position return false, cfg.err_msg_supl.form; end return is_valid_isxn('0' .. id, 10), cfg.err_msg_supl.check; -- prefix sbn with '0' and validate as isbn10 end --[[--------------------------< S S R N >---------------------------------------------------------------------- Format an ssrn, do simple error checking SSRNs are sequential numbers beginning at 100? and counting up. This code checks the ssrn to see that it is only digits and is greater than 99 and less than test_limit; the value in local variable test_limit will need to be updated periodically as more SSRNs are issued. ]] local function ssrn (id) local test_limit = 3500000; -- update this value as SSRNs approach local handler = cfg.id_handlers['SSRN']; local err_cat = ''; -- presume that SSRN is valid local id_num; local text; id_num = id:match ('^%d+$'); -- id must be all digits if is_set (id_num) then -- id_num has a value so test it id_num = tonumber(id_num); -- convert id_num to a number for range testing if 100 > id_num or test_limit < id_num then -- if SSRN is outside test limit boundaries err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_ssrn' ); -- set an error message end else -- when id format incorrect err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_ssrn' ); -- set an error message end text = external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=handler.access}) .. err_cat; return text; end --[[--------------------------< U S E N E T _ I D >------------------------------------------------------------ Validate and format a usenet message id. Simple error checking, looks for 'id-left@id-right' not enclosed in '<' and/or '>' angle brackets. ]] local function usenet_id (id) local handler = cfg.id_handlers['USENETID']; local text = external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode}) if not id:match('^.+@.+$') or not id:match('^[^<].*[^>]$')then -- doesn't have '@' or has one or first or last character is '< or '>' text = text .. ' ' .. set_error( 'bad_usenet_id' ) -- add an error message if the message id is invalid end return text end --[[--------------------------< Z B L >----------------------------------------------------------------------- A numerical identifier in the form nnnn.nnnnn - leading zeros in the first quartet optional ]] local function zbl (id) local handler = cfg.id_handlers['ZBL']; local id_num; local err_cat = ''; id_num = id:match ('^[Zz][Bb][Ll](.*)$'); -- identifier with zbl prefix; extract identifier if is_set (id_num) then add_maint_cat ('zbl_format'); else -- plain number without zbl prefix id_num = id; -- if here id does not have prefix end if id_num:match('^%d?%d?%d?%d%.%d%d%d%d%d$') then id = id_num; -- id matches pattern else err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_zbl' ); -- set an error message end return external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode}) .. err_cat; end --============================<< I N T E R F A C E F U N C T I O N S >>========================================== --[[--------------------------< B U I L D _ I D _ L I S T >-------------------------------------------------------- Takes a table of IDs created by extract_ids() and turns it into a table of formatted ID outputs. inputs: id_list – table of identifiers built by extract_ids() options – table of various template parameter values used to modify some manually handled identifiers ]] local function build_id_list( id_list, options ) local new_list, handler = {}; local function fallback(k) return { __index = function(t,i) return cfg.id_handlers[k][i] end } end; for k, v in pairs( id_list ) do -- k is uc identifier name as index to cfg.id_handlers; e.g. cfg.id_handlers['ISBN'], v is a table -- fallback to read-only cfg handler = setmetatable( { ['id'] = v, ['access'] = options.IdAccessLevels[k] }, fallback(k) ); if handler.mode == 'external' then table.insert( new_list, {handler.label, external_link_id( handler ) } ); elseif handler.mode == 'internal' then table.insert( new_list, {handler.label, internal_link_id( handler ) } ); elseif handler.mode ~= 'manual' then error( cfg.messages['unknown_ID_mode'] ); elseif k == 'ARXIV' then table.insert( new_list, {handler.label, arxiv( v, options.Class ) } ); elseif k == 'ASIN' then table.insert( new_list, {handler.label, asin( v, options.ASINTLD ) } ); elseif k == 'BIBCODE' then table.insert( new_list, {handler.label, bibcode( v, handler.access ) } ); elseif k == 'BIORXIV' then table.insert( new_list, {handler.label, biorxiv( v ) } ); elseif k == 'CITESEERX' then table.insert( new_list, {handler.label, citeseerx( v ) } ); elseif k == 'DOI' then table.insert( new_list, {handler.label, doi( v, options.DoiBroken, handler.access ) } ); elseif k == 'EISSN' then table.insert( new_list, {handler.label, issn( v, true ) } ); -- true distinguishes eissn from issn elseif k == 'HDL' then table.insert( new_list, {handler.label, hdl( v, handler.access ) } ); elseif k == 'ISBN' then v = bn_to_en_digits(v) handler.id = v local ISBN = internal_link_id( handler ); local check; local err_type = ''; check, err_type = isbn( v ); if not check then if is_set(options.IgnoreISBN) then -- ISBN is invalid; if |ignore-isbn-error= set add_maint_cat ('ignore_isbn_err'); -- ad a maint category else ISBN = ISBN .. set_error( 'bad_isbn', {err_type}, false, " ", "" ); -- else display an error message end elseif is_set(options.IgnoreISBN) then -- ISBN is OK; if |ignore-isbn-error= set add_maint_cat ('ignore_isbn_err'); -- because |ignore-isbn-error= unnecessary end table.insert( new_list, {handler.label, ISBN } ); elseif k == 'ISMN' then table.insert( new_list, {handler.label, ismn( v ) } ); elseif k == 'ISSN' then table.insert( new_list, {handler.label, issn( v ) } ); elseif k == 'JFM' then table.insert( new_list, {handler.label, jfm( v ) } ); elseif k == 'LCCN' then table.insert( new_list, {handler.label, lccn( v ) } ); elseif k == 'MR' then table.insert( new_list, {handler.label, mr( v ) } ); elseif k == 'OCLC' then table.insert( new_list, {handler.label, oclc( v ) } ); elseif k == 'OL' or k == 'OLA' then table.insert( new_list, {handler.label, openlibrary( v, handler.access ) } ); elseif k == 'PMC' then table.insert( new_list, {handler.label, pmc( v, options.Embargo ) } ); elseif k == 'PMID' then table.insert( new_list, {handler.label, pmid( v ) } ); elseif k == 'S2CID' then table.insert( new_list, {handler.label, s2cid( v, handler.access ) } ); elseif k == 'SBN' then local SBN = internal_link_id (handler); local check; -- boolean validation result local err_type = ''; check, err_type = sbn (v); if not check then SBN = SBN .. set_error( 'bad_sbn', {err_type}, false, " ", "" ); -- display an error message end table.insert( new_list, {handler.label, SBN } ); elseif k == 'SSRN' then table.insert( new_list, {handler.label, ssrn( v ) } ); elseif k == 'USENETID' then table.insert( new_list, {handler.label, usenet_id( v ) } ); elseif k == 'ZBL' then table.insert( new_list, {handler.label, zbl( v ) } ); else error( cfg.messages['unknown_manual_ID'] ); end end local function comp( a, b ) -- used in following table.sort() return a[1]:lower() < b[1]:lower(); end table.sort( new_list, comp ); for k, v in ipairs( new_list ) do new_list[k] = v[2]; end return new_list; end --[[--------------------------< E X T R A C T _ I D S >------------------------------------------------------------ Populates ID table from arguments using configuration settings. Loops through cfg.id_handlers and searches args for any of the parameters listed in each cfg.id_handlers['...'].parameters. If found, adds the parameter and value to the identifier list. Emits redundant error message is more than one alias exists in args ]] local function extract_ids( args ) local id_list = {}; -- list of identifiers found in args for k, v in pairs( cfg.id_handlers ) do -- k is uc identifier name as index to cfg.id_handlers; e.g. cfg.id_handlers['ISBN'], v is a table v = select_one( args, v.parameters, 'redundant_parameters' ); -- v.parameters is a table of aliases for k; here we pick one from args if present if is_set(v) then id_list[k] = v; end -- if found in args, add identifier to our list end return id_list; end --[[--------------------------< E X T R A C T _ I D _ A C C E S S _ L E V E L S >-------------------------------------- Fetches custom id access levels from arguments using configuration settings. Parameters which have a predefined access level (e.g. arxiv) do not use this function as they are directly rendered as free without using an additional parameter. ]] local function extract_id_access_levels( args, id_list ) local id_accesses_list = {}; for k, v in pairs( cfg.id_handlers ) do local access_param = v.custom_access; local k_lower = string.lower(k); if is_set(access_param) then local access_level = args[access_param]; if is_set(access_level) then if not in_array (access_level:lower(), cfg.keywords['id-access']) then table.insert( z.message_tail, { set_error( 'invalid_param_val', {access_param, access_level}, true ) } ); access_level = nil; end if not is_set(id_list[k]) then table.insert( z.message_tail, { set_error( 'param_access_requires_param', {k_lower}, true ) } ); end if is_set(access_level) then access_level = access_level:lower(); end id_accesses_list[k] = access_level; end end end return id_accesses_list; end --[[--------------------------< S E T _ S E L E C T E D _ M O D U L E S >-------------------------------------- Sets local cfg table and imported functions table to same (live or sandbox) as that used by the other modules. ]] local function set_selected_modules (cfg_table_ptr, utilities_page_ptr) cfg = cfg_table_ptr; is_set = utilities_page_ptr.is_set; -- import functions from select Module:Citation/CS1/Utilities module in_array = utilities_page_ptr.in_array; set_error = utilities_page_ptr.set_error; select_one = utilities_page_ptr.select_one; add_maint_cat = utilities_page_ptr.add_maint_cat; substitute = utilities_page_ptr.substitute; make_wikilink = utilities_page_ptr.make_wikilink; z = utilities_page_ptr.z; -- table of tables in Module:Citation/CS1/Utilities end return { build_id_list = build_id_list, extract_ids = extract_ids, extract_id_access_levels = extract_id_access_levels, is_embargoed = is_embargoed; set_selected_modules = set_selected_modules; } nfxwc0qukfukhju5jheyoekocg2ab7l 81825 81819 2026-04-28T03:47:02Z ARI 356 81825 Scribunto text/plain local identifiers = {}; --[[--------------------------< F O R W A R D D E C L A R A T I O N S >-------------------------------------- ]] local is_set, in_array, set_error, select_one, add_maint_cat, substitute, make_wikilink; -- functions in Module:Citation/CS1/Utilities local z; -- table of tables defined in Module:Citation/CS1/Utilities local cfg; -- table of configuration tables that are defined in Module:Citation/CS1/Configuration local wd_int_lang = (mw.site.server:match ('wikidata') and mw.getCurrentFrame():preprocess('{{int:lang}}')) or ''; --============================<< H E L P E R F U N C T I O N S >>============================================ --[[--------------------------< E X T E R N A L _ L I N K _ I D >---------------------------------------------- Formats a wiki style external link ]] local function external_link_id(options) local url_string = options.id; local ext_link; local this_wiki_code; -- wikipedia subdomain; 'en' for en.wikipedia.org local wd_article; -- article title from wikidata if options.encode == true or options.encode == nil then url_string = mw.uri.encode( url_string ); end ext_link = mw.ustring.format ('[%s%s%s %s]', options.prefix, url_string, options.suffix or "", mw.text.nowiki(options.id)); if is_set(options.access) then ext_link = substitute (cfg.presentation['access-signal'], {ext_link, cfg.presentation[options.access]}); -- add the free-to-read / paywall lock end this_wiki_code = mw.language.getContentLanguage():getCode(); -- get this wikipedia's language code (subdomain) if string.match (mw.site.server, 'wikidata') then this_wiki_code = mw.getCurrentFrame():preprocess('{{int:lang}}'); -- on wikidata so use interface language setting instead end if is_set (options.q) then wd_article = mw.wikibase.getEntity (options.q):getSitelink (this_wiki_code .. 'wiki'); -- fetch article title from wd if wd_article then wd_article = table.concat ({':', this_wiki_code, ':', wd_article}); -- make interwiki link if taken from wd; leading colon required end end return table.concat ({ make_wikilink (wd_article or options.link, options.label), -- wikidata link or locally specified options.separator or '&nbsp;', ext_link }); end --[[--------------------------< I N T E R N A L _ L I N K _ I D >---------------------------------------------- Formats a wiki style internal link ]] local function bn_to_en_digits(str) if not str then return str end local map = { ['০']='0',['১']='1',['২']='2',['৩']='3',['৪']='4', ['৫']='5',['৬']='6',['৭']='7',['৮']='8',['৯']='9' } return (mw.ustring.gsub(str, '[০-৯]', map)) end local function internal_link_id(options) return table.concat ( { make_wikilink (options.link, options.label), options.separator or '&nbsp;', make_wikilink ( table.concat ( { options.prefix, options.id, options.suffix or '' }), mw.text.nowiki (options.id) ); }); end --[[--------------------------< I S _ E M B A R G O E D >------------------------------------------------------ Determines if a PMC identifier's online version is embargoed. Compares the date in |embargo= against today's date. If embargo date is in the future, returns the content of |embargo=; otherwise, returns and empty string because the embargo has expired or because |embargo= was not set in this cite. ]] local function is_embargoed (embargo) if is_set (embargo) then local lang = mw.getContentLanguage(); local good1, embargo_date, good2, todays_date; good1, embargo_date = pcall( lang.formatDate, lang, 'U', embargo ); good2, todays_date = pcall( lang.formatDate, lang, 'U' ); if good1 and good2 then -- if embargo date and today's date are good dates if tonumber( embargo_date ) >= tonumber( todays_date ) then -- is embargo date is in the future? return embargo; -- still embargoed else add_maint_cat ('embargo') return ''; -- unset because embargo has expired end end end return ''; -- |embargo= not set return empty string end --[[--------------------------< IS _ V A L I D _ I S X N >----------------------------------------------------- ISBN-10 and ISSN validator code calculates checksum across all isbn/issn digits including the check digit. ISBN-13 is checked in isbn(). If the number is valid the result will be 0. Before calling this function, issbn/issn must be checked for length and stripped of dashes, spaces and other non-isxn characters. ]] local function is_valid_isxn (isxn_str, len) local temp = 0; isxn_str = { isxn_str:byte(1, len) }; -- make a table of byte values '0' → 0x30 .. '9' → 0x39, 'X' → 0x58 len = len+1; -- adjust to be a loop counter for i, v in ipairs( isxn_str ) do -- loop through all of the bytes and calculate the checksum if v == string.byte( "X" ) then -- if checkdigit is X (compares the byte value of 'X' which is 0x58) temp = temp + 10*( len - i ); -- it represents 10 decimal else temp = temp + tonumber( string.char(v) )*(len-i); end end return temp % 11 == 0; -- returns true if calculation result is zero end --[[--------------------------< IS _ V A L I D _ I S X N _ 1 3 >----------------------------------------------- ISBN-13 and ISMN validator code calculates checksum across all 13 isbn/ismn digits including the check digit. If the number is valid, the result will be 0. Before calling this function, isbn-13/ismn must be checked for length and stripped of dashes, spaces and other non-isxn-13 characters. ]] local function is_valid_isxn_13 (isxn_str) local temp=0; isxn_str = { isxn_str:byte(1, 13) }; -- make a table of byte values '0' → 0x30 .. '9' → 0x39 for i, v in ipairs( isxn_str ) do temp = temp + (3 - 2*(i % 2)) * tonumber( string.char(v) ); -- multiply odd index digits by 1, even index digits by 3 and sum; includes check digit end return temp % 10 == 0; -- sum modulo 10 is zero when isbn-13/ismn is correct end --[[--------------------------< N O R M A L I Z E _ L C C N >-------------------------------------------------- lccn normalization (http://www.loc.gov/marc/lccn-namespace.html#normalization) 1. Remove all blanks. 2. If there is a forward slash (/) in the string, remove it, and remove all characters to the right of the forward slash. 3. If there is a hyphen in the string: a. Remove it. b. Inspect the substring following (to the right of) the (removed) hyphen. Then (and assuming that steps 1 and 2 have been carried out): 1. All these characters should be digits, and there should be six or less. (not done in this function) 2. If the length of the substring is less than 6, left-fill the substring with zeroes until the length is six. Returns a normalized lccn for lccn() to validate. There is no error checking (step 3.b.1) performed in this function. ]] local function normalize_lccn (lccn) lccn = lccn:gsub ("%s", ""); -- 1. strip whitespace if nil ~= string.find (lccn,'/') then lccn = lccn:match ("(.-)/"); -- 2. remove forward slash and all character to the right of it end local prefix local suffix prefix, suffix = lccn:match ("(.+)%-(.+)"); -- 3.a remove hyphen by splitting the string into prefix and suffix if nil ~= suffix then -- if there was a hyphen suffix=string.rep("0", 6-string.len (suffix)) .. suffix; -- 3.b.2 left fill the suffix with 0s if suffix length less than 6 lccn=prefix..suffix; -- reassemble the lccn end return lccn; end --============================<< I D E N T I F I E R F U N C T I O N S >>==================================== --[[--------------------------< A R X I V >-------------------------------------------------------------------- See: http://arxiv.org/help/arxiv_identifier format and error check arXiv identifier. There are three valid forms of the identifier: the first form, valid only between date codes 9108 and 0703 is: arXiv:<archive>.<class>/<date code><number><version> where: <archive> is a string of alpha characters - may be hyphenated; no other punctuation <class> is a string of alpha characters - may be hyphenated; no other punctuation <date code> is four digits in the form YYMM where YY is the last two digits of the four-digit year and MM is the month number January = 01 first digit of YY for this form can only 9 and 0 <number> is a three-digit number <version> is a 1 or more digit number preceded with a lowercase v; no spaces (undocumented) the second form, valid from April 2007 through December 2014 is: arXiv:<date code>.<number><version> where: <date code> is four digits in the form YYMM where YY is the last two digits of the four-digit year and MM is the month number January = 01 <number> is a four-digit number <version> is a 1 or more digit number preceded with a lowercase v; no spaces the third form, valid from January 2015 is: arXiv:<date code>.<number><version> where: <date code> and <version> are as defined for 0704-1412 <number> is a five-digit number ]] local function arxiv (id, class) local handler = cfg.id_handlers['ARXIV']; local year, month, version; local err_cat = ''; local text; if id:match("^%a[%a%.%-]+/[90]%d[01]%d%d%d%d$") or id:match("^%a[%a%.%-]+/[90]%d[01]%d%d%d%dv%d+$") then -- test for the 9108-0703 format w/ & w/o version year, month = id:match("^%a[%a%.%-]+/([90]%d)([01]%d)%d%d%d[v%d]*$"); year = tonumber(year); month = tonumber(month); if ((not (90 < year or 8 > year)) or (1 > month or 12 < month)) or -- if invalid year or invalid month ((91 == year and 7 > month) or (7 == year and 3 < month)) then -- if years ok, are starting and ending months ok? err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_arxiv' ); -- set error message end elseif id:match("^%d%d[01]%d%.%d%d%d%d$") or id:match("^%d%d[01]%d%.%d%d%d%dv%d+$") then -- test for the 0704-1412 w/ & w/o version year, month = id:match("^(%d%d)([01]%d)%.%d%d%d%d[v%d]*$"); year = tonumber(year); month = tonumber(month); if ((7 > year) or (14 < year) or (1 > month or 12 < month)) or -- is year invalid or is month invalid? (doesn't test for future years) ((7 == year) and (4 > month)) then --or -- when year is 07, is month invalid (before April)? err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_arxiv' ); -- set error message end elseif id:match("^%d%d[01]%d%.%d%d%d%d%d$") or id:match("^%d%d[01]%d%.%d%d%d%d%dv%d+$") then -- test for the 1501- format w/ & w/o version year, month = id:match("^(%d%d)([01]%d)%.%d%d%d%d%d[v%d]*$"); year = tonumber(year); month = tonumber(month); if ((15 > year) or (1 > month or 12 < month)) then -- is year invalid or is month invalid? (doesn't test for future years) err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_arxiv' ); -- set error message end else err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_arxiv' ); -- arXiv id doesn't match any format end text = external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=handler.access}) .. err_cat; if is_set (class) then class = ' [[' .. '//arxiv.org/archive/' .. class .. ' ' .. class .. ']]'; -- external link within square brackets, not wikilink else class = ''; -- empty string for concatenation end return text .. class; end --[[--------------------------< B I B C O D E >-------------------------------------------------------------------- Validates (sort of) and formats a bibcode id. Format for bibcodes is specified here: http://adsabs.harvard.edu/abs_doc/help_pages/data.html#bibcodes But, this: 2015arXiv151206696F is apparently valid so apparently, the only things that really matter are length, 19 characters and first four digits must be a year. This function makes these tests: length must be 19 characters characters in position 1–4 must be digits and must represent a year in the range of 1000 – next year 5 must be a letter 6 must be letter, ampersand, or dot (ampersand cannot directly precede a dot; &. ) 7–8 must be letter, digit, ampersand, or dot (ampersand cannot directly precede a dot; &. ) 9–18 must be letter, digit, or dot 19 must be a letter or dot ]] local function bibcode (id, access) local handler = cfg.id_handlers['BIBCODE']; local err_type; local year; local text = external_link_id({link=handler.link, label=handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix, id=id, separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=access}); if 19 ~= id:len() then err_type = 'length'; else year = id:match ("^(%d%d%d%d)[%a][%a&%.][%a&%.%d][%a&%.%d][%a%d%.]+[%a%.]$") -- if not year then -- if nil then no pattern match err_type = 'value'; -- so value error else local next_year = tonumber(os.date ('%Y'))+1; -- get the current year as a number and add one for next year year = tonumber (year); -- convert year portion of bibcode to a number if (1000 > year) or (year > next_year) then err_type = 'year'; -- year out of bounds end if id:find('&%.') then err_type = 'journal'; -- journal abbreviation must not have '&.' (if it does its missing a letter) end end end if is_set (err_type) then -- if there was an error detected text = text .. ' ' .. set_error( 'bad_bibcode', {err_type}); end return text; end --[[--------------------------< B I O R X I V >----------------------------------------------------------------- Format bioRxiv id and do simple error checking. BiorXiv ids are exactly 6 digits. The bioRxiv id is the number following the last slash in the bioRxiv-issued DOI: https://doi.org/10.1101/078733 -> 078733 ]] local function biorxiv(id) local handler = cfg.id_handlers['BIORXIV']; local err_cat = ''; -- presume that bioRxiv id is valid if nil == id:match("^%d%d%d%d%d%d$") then -- if bioRxiv id has anything but six digits err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_biorxiv'); -- set an error message end return external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=handler.access}) .. err_cat; end --[[--------------------------< C I T E S E E R X >------------------------------------------------------------ CiteSeerX use their own notion of "doi" (not to be confused with the identifiers resolved via doi.org). The description of the structure of this identifier can be found at Help_talk:Citation_Style_1/Archive_26#CiteSeerX_id_structure ]] local function citeseerx (id) local handler = cfg.id_handlers['CITESEERX']; local matched; local text = external_link_id({link=handler.link, label=handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix, id=id, separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=handler.access}); matched = id:match ("^10%.1%.1%.[1-9]%d?%d?%d?%.[1-9]%d?%d?%d?$"); if not matched then text = text .. ' ' .. set_error( 'bad_citeseerx' ); end return text; end --[[--------------------------< D O I >------------------------------------------------------------------------ Formats a DOI and checks for DOI errors. DOI names contain two parts: prefix and suffix separated by a forward slash. Prefix: directory indicator '10.' followed by a registrant code Suffix: character string of any length chosen by the registrant This function checks a DOI name for: prefix/suffix. If the doi name contains spaces or endashes, or, if it ends with a period or a comma, this function will emit a bad_doi error message. DOI names are case-insensitive and can incorporate any printable Unicode characters so the test for spaces, endash, and terminal punctuation may not be technically correct but it appears, that in practice these characters are rarely if ever used in doi names. ]] local function doi(id, inactive, access) local cat = "" local handler = cfg.id_handlers['DOI']; local text; if is_set(inactive) then local inactive_year = inactive:match("%d%d%d%d") or ''; -- try to get the year portion from the inactive date if is_set(inactive_year) then table.insert( z.error_categories, "" .. inactive_year .. " থেকে নিষ্ক্রিয় ডিওআইসহ পাতা" ); else table.insert( z.error_categories, "নিষ্ক্রিয় ডিওআইসহ পাতা" ); -- when inactive doesn't contain a recognizable year end inactive = " (" .. cfg.messages['inactive'] .. " " .. inactive .. ")" end text = external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=access}) .. (inactive or '') if nil == id:match("^10%.[^%s–]-/[^%s–]-[^%.,]$") then -- doi must begin with '10.', must contain a fwd slash, must not contain spaces or endashes, and must not end with period or comma cat = ' ' .. set_error( 'bad_doi' ); end return text .. cat end --[[--------------------------< H D L >------------------------------------------------------------------------ Formats an HDL with minor error checking. HDL names contain two parts: prefix and suffix separated by a forward slash. Prefix: character string using any character in the UCS-2 character set except '/' Suffix: character string of any length using any character in the UCS-2 character set chosen by the registrant This function checks a HDL name for: prefix/suffix. If the HDL name contains spaces, endashes, or, if it ends with a period or a comma, this function will emit a bad_hdl error message. HDL names are case-insensitive and can incorporate any printable Unicode characters so the test for endashes and terminal punctuation may not be technically correct but it appears, that in practice these characters are rarely if ever used in HDLs. ]] local function hdl(id, access) local handler = cfg.id_handlers['HDL']; local text = external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=access}) if nil == id:match("^[^%s–]-/[^%s–]-[^%.,]$") then -- hdl must contain a fwd slash, must not contain spaces, endashes, and must not end with period or comma text = text .. ' ' .. set_error( 'bad_hdl' ); end return text; end --[[--------------------------< I S B N >---------------------------------------------------------------------- Determines whether an ISBN string is valid ]] local function isbn( isbn_str ) isbn_str = bn_to_en_digits(isbn_str) if nil ~= isbn_str:match("[^%s-0-9X]") then return false, 'invalid character'; -- fail if isbn_str contains anything but digits, hyphens, or the uppercase X end isbn_str = isbn_str:gsub( "-", "" ):gsub( " ", "" ); -- remove hyphens and spaces local len = isbn_str:len(); if len ~= 10 and len ~= 13 then return false, 'length'; -- fail if incorrect length end if len == 10 then if isbn_str:match( "^%d*X?$" ) == nil then -- fail if isbn_str has 'X' anywhere but last position return false, 'invalid form'; end return is_valid_isxn(isbn_str, 10), 'checksum'; else if isbn_str:match( "^%d+$" ) == nil then return false, 'invalid character'; -- fail if isbn13 is not all digits end if isbn_str:match( "^97[89]%d*$" ) == nil then return false, 'invalid prefix'; -- fail when isbn13 does not begin with 978 or 979 end return is_valid_isxn_13 (isbn_str), 'checksum'; end end --[[--------------------------< A M A Z O N >------------------------------------------------------------------ Formats a link to Amazon. Do simple error checking: asin must be mix of 10 numeric or uppercase alpha characters. If a mix, first character must be uppercase alpha; if all numeric, asins must be 10-digit isbn. If 10-digit isbn, add a maintenance category so a bot or awb script can replace |asin= with |isbn=. Error message if not 10 characters, if not isbn10, if mixed and first character is a digit. This function is positioned here because it calls isbn() ]] local function asin(id, domain) local err_cat = "" if not id:match("^[%d%u][%d%u][%d%u][%d%u][%d%u][%d%u][%d%u][%d%u][%d%u][%d%u]$") then err_cat = ' ' .. set_error ('bad_asin'); -- asin is not a mix of 10 uppercase alpha and numeric characters else if id:match("^%d%d%d%d%d%d%d%d%d[%dX]$") then -- if 10-digit numeric (or 9 digits with terminal X) if isbn( id ) then -- see if asin value is isbn10 add_maint_cat ('ASIN'); elseif not is_set (err_cat) then err_cat = ' ' .. set_error ('bad_asin'); -- asin is not isbn10 end elseif not id:match("^%u[%d%u]+$") then err_cat = ' ' .. set_error ('bad_asin'); -- asin doesn't begin with uppercase alpha end end if not is_set(domain) then domain = "com"; elseif in_array (domain, {'jp', 'uk'}) then -- Japan, United Kingdom domain = "co." .. domain; elseif in_array (domain, {'au', 'br', 'mx'}) then -- Australia, Brazil, Mexico domain = "com." .. domain; end local handler = cfg.id_handlers['ASIN']; return external_link_id({link=handler.link, label=handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix .. domain .. "/dp/", id=id, encode=handler.encode, separator = handler.separator}) .. err_cat; end --[[--------------------------< I S M N >---------------------------------------------------------------------- Determines whether an ISMN string is valid. Similar to isbn-13, ismn is 13 digits begining 979-0-... and uses the same check digit calculations. See http://www.ismn-international.org/download/Web_ISMN_Users_Manual_2008-6.pdf section 2, pages 9–12. ]] local function ismn (id) local handler = cfg.id_handlers['ISMN']; local text; local valid_ismn = true; local id_copy; id_copy = id; -- save a copy because this testing is destructive id=id:gsub( "[%s-–]", "" ); -- strip spaces, hyphens, and endashes from the ismn if 13 ~= id:len() or id:match( "^9790%d*$" ) == nil then -- ismn must be 13 digits and begin 9790 valid_ismn = false; else valid_ismn=is_valid_isxn_13 (id); -- validate ismn end -- text = internal_link_id({link = handler.link, label = handler.label, -- use this (or external version) when there is some place to link to -- prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode}) text = table.concat ( { make_wikilink (handler.link, handler.label), handler.separator, id_copy }); -- because no place to link to yet if false == valid_ismn then text = text .. ' ' .. set_error( 'bad_ismn' ) -- add an error message if the ismn is invalid end return text; end --[[--------------------------< I S S N >---------------------------------------------------------------------- Validate and format an issn. This code fixes the case where an editor has included an ISSN in the citation but has separated the two groups of four digits with a space. When that condition occurred, the resulting link looked like this: |issn=0819 4327 gives: [http://www.worldcat.org/issn/0819 4327 0819 4327] -- can't have spaces in an external link This code now prevents that by inserting a hyphen at the issn midpoint. It also validates the issn for length and makes sure that the checkdigit agrees with the calculated value. Incorrect length (8 digits), characters other than 0-9 and X, or checkdigit / calculated value mismatch will all cause a check issn error message. The issn is always displayed with a hyphen, even if the issn was given as a single group of 8 digits. ]] local function issn(id, e) local issn_copy = id; -- save a copy of unadulterated issn; use this version for display if issn does not validate local handler; local text; local valid_issn = true; if e then handler = cfg.id_handlers['EISSN']; else handler = cfg.id_handlers['ISSN']; end id=id:gsub( "[%s-–]", "" ); -- strip spaces, hyphens, and endashes from the issn if 8 ~= id:len() or nil == id:match( "^%d*X?$" ) then -- validate the issn: 8 digits long, containing only 0-9 or X in the last position valid_issn=false; -- wrong length or improper character else valid_issn=is_valid_isxn(id, 8); -- validate issn end if true == valid_issn then id = string.sub( id, 1, 4 ) .. "-" .. string.sub( id, 5 ); -- if valid, display correctly formatted version else id = issn_copy; -- if not valid, use the show the invalid issn with error message end text = external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode}) if false == valid_issn then text = text .. ' ' .. set_error( 'bad_issn', e and 'e' or '' ) -- add an error message if the issn is invalid end return text end --[[--------------------------< J F M >----------------------------------------------------------------------- A numerical identifier in the form nn.nnnn.nn ]] local function jfm (id) local handler = cfg.id_handlers['JFM']; local id_num; local err_cat = ''; id_num = id:match ('^[Jj][Ff][Mm](.*)$'); -- identifier with jfm prefix; extract identifier if is_set (id_num) then add_maint_cat ('jfm_format'); else -- plain number without mr prefix id_num = id; -- if here id does not have prefix end if id_num and id_num:match('^%d%d%.%d%d%d%d%.%d%d$') then id = id_num; -- jfm matches pattern else err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_jfm' ); -- set an error message end return external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode}) .. err_cat; end --[[--------------------------< L C C N >---------------------------------------------------------------------- Format LCCN link and do simple error checking. LCCN is a character string 8-12 characters long. The length of the LCCN dictates the character type of the first 1-3 characters; the rightmost eight are always digits. http://info-uri.info/registry/OAIHandler?verb=GetRecord&metadataPrefix=reg&identifier=info:lccn/ length = 8 then all digits length = 9 then lccn[1] is lower case alpha length = 10 then lccn[1] and lccn[2] are both lower case alpha or both digits length = 11 then lccn[1] is lower case alpha, lccn[2] and lccn[3] are both lower case alpha or both digits length = 12 then lccn[1] and lccn[2] are both lower case alpha ]] local function lccn(lccn) local handler = cfg.id_handlers['LCCN']; local err_cat = ''; -- presume that LCCN is valid local id = lccn; -- local copy of the lccn id = normalize_lccn (id); -- get canonical form (no whitespace, hyphens, forward slashes) local len = id:len(); -- get the length of the lccn if 8 == len then if id:match("[^%d]") then -- if LCCN has anything but digits (nil if only digits) err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_lccn' ); -- set an error message end elseif 9 == len then -- LCCN should be adddddddd if nil == id:match("%l%d%d%d%d%d%d%d%d") then -- does it match our pattern? err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_lccn' ); -- set an error message end elseif 10 == len then -- LCCN should be aadddddddd or dddddddddd if id:match("[^%d]") then -- if LCCN has anything but digits (nil if only digits) ... if nil == id:match("^%l%l%d%d%d%d%d%d%d%d") then -- ... see if it matches our pattern err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_lccn' ); -- no match, set an error message end end elseif 11 == len then -- LCCN should be aaadddddddd or adddddddddd if not (id:match("^%l%l%l%d%d%d%d%d%d%d%d") or id:match("^%l%d%d%d%d%d%d%d%d%d%d")) then -- see if it matches one of our patterns err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_lccn' ); -- no match, set an error message end elseif 12 == len then -- LCCN should be aadddddddddd if not id:match("^%l%l%d%d%d%d%d%d%d%d%d%d") then -- see if it matches our pattern err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_lccn' ); -- no match, set an error message end else err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_lccn' ); -- wrong length, set an error message end if not is_set (err_cat) and nil ~= lccn:find ('%s') then err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_lccn' ); -- lccn contains a space, set an error message end return external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=lccn,separator=handler.separator, encode=handler.encode}) .. err_cat; end --[[--------------------------< M R >-------------------------------------------------------------------------- A seven digit number; if not seven digits, zero-fill leading digits to make seven digits. ]] local function mr (id) local handler = cfg.id_handlers['MR']; local id_num; local id_len; local err_cat = ''; id_num = id:match ('^[Mm][Rr](%d+)$'); -- identifier with mr prefix if is_set (id_num) then add_maint_cat ('mr_format'); else -- plain number without mr prefix id_num = id:match ('^%d+$'); -- if here id is all digits end id_len = id_num and id_num:len() or 0; if (7 >= id_len) and (0 ~= id_len) then id = string.rep ('0', 7-id_len ) .. id_num; -- zero-fill leading digits else err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_mr' ); -- set an error message end return external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode}) .. err_cat; end --[[--------------------------< O C L C >---------------------------------------------------------------------- Validate and format an oclc id. https://www.oclc.org/batchload/controlnumber.en.html ]] local function oclc (id) id = bn_to_en_digits(id) local handler = cfg.id_handlers['OCLC']; local number; local err_msg = ''; -- empty string for concatenation if id:match('^ocm%d%d%d%d%d%d%d%d$') then -- ocm prefix and 8 digits; 001 field (12 characters) number = id:match('ocm(%d+)'); -- get the number elseif id:match('^ocn%d%d%d%d%d%d%d%d%d$') then -- ocn prefix and 9 digits; 001 field (12 characters) number = id:match('ocn(%d+)'); -- get the number elseif id:match('^on%d%d%d%d%d%d%d%d%d%d+$') then -- on prefix and 10 or more digits; 001 field (12 characters) number = id:match('^on(%d%d%d%d%d%d%d%d%d%d+)$'); -- get the number elseif id:match('^%(OCoLC%)[1-9]%d*$') then -- (OCoLC) prefix and variable number digits; no leading zeros; 035 field number = id:match('%(OCoLC%)([1-9]%d*)'); -- get the number if 9 < number:len() then number = nil; -- contrain to 1 to 9 digits; change this when oclc issues 10-digit numbers end elseif id:match('^%d+$') then -- no prefix number = id; -- get the number if 10 < number:len() then number = nil; -- contrain to 1 to 10 digits; change this when oclc issues 11-digit numbers end end if number then -- proper format id = number; -- exclude prefix, if any, from external link else err_msg = ' ' .. set_error( 'bad_oclc' ) -- add an error message if the id is malformed end local text = external_link_id({link=handler.link, label=handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix, id=id, separator=handler.separator, encode=handler.encode}) .. err_msg; return text; end --[[--------------------------< O P E N L I B R A R Y >-------------------------------------------------------- Formats an OpenLibrary link, and checks for associated errors. ]] local function openlibrary(id, access) local code; local handler = cfg.id_handlers['OL']; local ident; ident, code = id:gsub('^OL', ''):match("^(%d+([AMW]))$"); -- optional OL prefix followed immediately by digits followed by 'A', 'M', or 'W'; remove OL prefix if not is_set (ident) then -- if malformed return an error return external_link_id({link=handler.link, label=handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix .. 'OL', id=id, separator=handler.separator, encode = handler.encode, access = access}) .. ' ' .. set_error( 'bad_ol' ); end id = ident; -- use ident without the optional OL prefix (it has been removed) if ( code == "A" ) then return external_link_id({link=handler.link, label=handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix .. 'authors/OL', id=id, separator=handler.separator, encode = handler.encode, access = access}) end if ( code == "M" ) then return external_link_id({link=handler.link, label=handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix .. 'books/OL', id=id, separator=handler.separator, encode = handler.encode, access = access}) end if ( code == "W" ) then return external_link_id({link=handler.link, label=handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix .. 'works/OL', id=id, separator=handler.separator, encode = handler.encode, access = access}) end end --[[--------------------------< P M C >------------------------------------------------------------------------ Format a PMC, do simple error checking, and check for embargoed articles. The embargo parameter takes a date for a value. If the embargo date is in the future the PMC identifier will not be linked to the article. If the embargo date is today or in the past, or if it is empty or omitted, then the PMC identifier is linked to the article through the link at cfg.id_handlers['PMC'].prefix. PMC embargo date testing is done in function is_embargoed () which is called earlier because when the citation has |pmc=<value> but does not have a |url= then |title= is linked with the PMC link. Function is_embargoed () returns the embargo date if the PMC article is still embargoed, otherwise it returns an empty string. PMCs are sequential numbers beginning at 1 and counting up. This code checks the PMC to see that it contains only digits and is less than test_limit; the value in local variable test_limit will need to be updated periodically as more PMCs are issued. ]] local function pmc(id, embargo) local test_limit = 7000000; -- update this value as PMCs approach local handler = cfg.id_handlers['PMC']; local err_cat = ''; -- presume that PMC is valid local id_num; local text; id_num = id:match ('^[Pp][Mm][Cc](%d+)$'); -- identifier with pmc prefix if is_set (id_num) then add_maint_cat ('pmc_format'); else -- plain number without pmc prefix id_num = id:match ('^%d+$'); -- if here id is all digits end if is_set (id_num) then -- id_num has a value so test it id_num = tonumber(id_num); -- convert id_num to a number for range testing if 1 > id_num or test_limit < id_num then -- if PMC is outside test limit boundaries err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_pmc' ); -- set an error message else id = tostring (id_num); -- make sure id is a string end else -- when id format incorrect err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_pmc' ); -- set an error message end if is_set (embargo) then -- is PMC is still embargoed? text = table.concat ( -- still embargoed so no external link { make_wikilink (handler.link, handler.label), handler.separator, id, err_cat }); else text = external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, -- no embargo date or embargo has expired, ok to link to article prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=handler.access}) .. err_cat; end return text; end --[[--------------------------< P M I D >---------------------------------------------------------------------- Format PMID and do simple error checking. PMIDs are sequential numbers beginning at 1 and counting up. This code checks the PMID to see that it contains only digits and is less than test_limit; the value in local variable test_limit will need to be updated periodically as more PMIDs are issued. ]] local function pmid(id) local test_limit = 32000000; -- update this value as PMIDs approach local handler = cfg.id_handlers['PMID']; local err_cat = ''; -- presume that PMID is valid if id:match("[^%d]") then -- if PMID has anything but digits err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_pmid' ); -- set an error message else -- PMID is only digits local id_num = tonumber(id); -- convert id to a number for range testing if 1 > id_num or test_limit < id_num then -- if PMID is outside test limit boundaries err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_pmid' ); -- set an error message end end return external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode}) .. err_cat; end --[[--------------------------< S 2 C I D >-------------------------------------------------------------------- Format an s2cid, do simple error checking S2CIDs are sequential numbers beginning at 1 and counting up. This code checks the s2cid to see that it is only digits and is less than test_limit; the value in local variable test_limit will need to be updated periodically as more S2CIDs are issued. ]] local function s2cid (id, access) local handler = cfg.id_handlers['S2CID']; local err_cat = ''; -- presume that S2CID is valid local id_num; local text; id_num = id:match ('^[1-9]%d*$'); -- id must be all digits; must not begin with 0; no open access flag if is_set (id_num) then -- id_num has a value so test it id_num = tonumber(id_num); -- convert id_num to a number for range testing if handler.id_limit < id_num then -- if S2CID is outside test limit boundaries err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_s2cid' ); -- set an error message end else -- when id format incorrect err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_s2cid' ); -- set an error message end text = external_link_id ({link=handler.link, label=handler.label, q=handler.q, redirect=handler.redirect, prefix=handler.prefix, id=id:gsub ('%.%a%a', ''), separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=access}) .. err_cat; return text; end --[[--------------------------< S B N >------------------------------------------------------------------------ 9-digit form of isbn10; uses same check-digit validation when sbn is prefixed with an additional '0' to make 10 digits ]] local function sbn (id) local check; local err_type = ''; if nil ~= id:match("[^%s-0-9X]") then return false, cfg.err_msg_supl.char; -- fail if sbn contains anything but digits, hyphens, or the uppercase X end id=id:gsub( "[%s-]", "" ); -- strip spaces and hyphens from the sbn if 9 ~= id:len() then return false, cfg.err_msg_supl.length; -- fail if incorrect length end if id:match( "^%d*X?$" ) == nil then -- fail if sbn has 'X' anywhere but last position return false, cfg.err_msg_supl.form; end return is_valid_isxn('0' .. id, 10), cfg.err_msg_supl.check; -- prefix sbn with '0' and validate as isbn10 end --[[--------------------------< S S R N >---------------------------------------------------------------------- Format an ssrn, do simple error checking SSRNs are sequential numbers beginning at 100? and counting up. This code checks the ssrn to see that it is only digits and is greater than 99 and less than test_limit; the value in local variable test_limit will need to be updated periodically as more SSRNs are issued. ]] local function ssrn (id) local test_limit = 3500000; -- update this value as SSRNs approach local handler = cfg.id_handlers['SSRN']; local err_cat = ''; -- presume that SSRN is valid local id_num; local text; id_num = id:match ('^%d+$'); -- id must be all digits if is_set (id_num) then -- id_num has a value so test it id_num = tonumber(id_num); -- convert id_num to a number for range testing if 100 > id_num or test_limit < id_num then -- if SSRN is outside test limit boundaries err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_ssrn' ); -- set an error message end else -- when id format incorrect err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_ssrn' ); -- set an error message end text = external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode, access=handler.access}) .. err_cat; return text; end --[[--------------------------< U S E N E T _ I D >------------------------------------------------------------ Validate and format a usenet message id. Simple error checking, looks for 'id-left@id-right' not enclosed in '<' and/or '>' angle brackets. ]] local function usenet_id (id) local handler = cfg.id_handlers['USENETID']; local text = external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode}) if not id:match('^.+@.+$') or not id:match('^[^<].*[^>]$')then -- doesn't have '@' or has one or first or last character is '< or '>' text = text .. ' ' .. set_error( 'bad_usenet_id' ) -- add an error message if the message id is invalid end return text end --[[--------------------------< Z B L >----------------------------------------------------------------------- A numerical identifier in the form nnnn.nnnnn - leading zeros in the first quartet optional ]] local function zbl (id) local handler = cfg.id_handlers['ZBL']; local id_num; local err_cat = ''; id_num = id:match ('^[Zz][Bb][Ll](.*)$'); -- identifier with zbl prefix; extract identifier if is_set (id_num) then add_maint_cat ('zbl_format'); else -- plain number without zbl prefix id_num = id; -- if here id does not have prefix end if id_num:match('^%d?%d?%d?%d%.%d%d%d%d%d$') then id = id_num; -- id matches pattern else err_cat = ' ' .. set_error( 'bad_zbl' ); -- set an error message end return external_link_id({link = handler.link, label = handler.label, q = handler.q, prefix=handler.prefix,id=id,separator=handler.separator, encode=handler.encode}) .. err_cat; end --============================<< I N T E R F A C E F U N C T I O N S >>========================================== --[[--------------------------< B U I L D _ I D _ L I S T >-------------------------------------------------------- Takes a table of IDs created by extract_ids() and turns it into a table of formatted ID outputs. inputs: id_list – table of identifiers built by extract_ids() options – table of various template parameter values used to modify some manually handled identifiers ]] local function build_id_list( id_list, options ) local new_list, handler = {}; local function fallback(k) return { __index = function(t,i) return cfg.id_handlers[k][i] end } end; for k, v in pairs( id_list ) do -- k is uc identifier name as index to cfg.id_handlers; e.g. cfg.id_handlers['ISBN'], v is a table -- fallback to read-only cfg handler = setmetatable( { ['id'] = v, ['access'] = options.IdAccessLevels[k] }, fallback(k) ); if handler.mode == 'external' then table.insert( new_list, {handler.label, external_link_id( handler ) } ); elseif handler.mode == 'internal' then table.insert( new_list, {handler.label, internal_link_id( handler ) } ); elseif handler.mode ~= 'manual' then error( cfg.messages['unknown_ID_mode'] ); elseif k == 'ARXIV' then table.insert( new_list, {handler.label, arxiv( v, options.Class ) } ); elseif k == 'ASIN' then table.insert( new_list, {handler.label, asin( v, options.ASINTLD ) } ); elseif k == 'BIBCODE' then table.insert( new_list, {handler.label, bibcode( v, handler.access ) } ); elseif k == 'BIORXIV' then table.insert( new_list, {handler.label, biorxiv( v ) } ); elseif k == 'CITESEERX' then table.insert( new_list, {handler.label, citeseerx( v ) } ); elseif k == 'DOI' then table.insert( new_list, {handler.label, doi( v, options.DoiBroken, handler.access ) } ); elseif k == 'EISSN' then table.insert( new_list, {handler.label, issn( v, true ) } ); -- true distinguishes eissn from issn elseif k == 'HDL' then table.insert( new_list, {handler.label, hdl( v, handler.access ) } ); elseif k == 'ISBN' then v = bn_to_en_digits(v) handler.id = v local ISBN = internal_link_id( handler ); local check; local err_type = ''; check, err_type = isbn( v ); if not check then if is_set(options.IgnoreISBN) then -- ISBN is invalid; if |ignore-isbn-error= set add_maint_cat ('ignore_isbn_err'); -- ad a maint category else ISBN = ISBN .. set_error( 'bad_isbn', {err_type}, false, " ", "" ); -- else display an error message end elseif is_set(options.IgnoreISBN) then -- ISBN is OK; if |ignore-isbn-error= set add_maint_cat ('ignore_isbn_err'); -- because |ignore-isbn-error= unnecessary end table.insert( new_list, {handler.label, ISBN } ); elseif k == 'ISMN' then table.insert( new_list, {handler.label, ismn( v ) } ); elseif k == 'ISSN' then table.insert( new_list, {handler.label, issn( v ) } ); elseif k == 'JFM' then table.insert( new_list, {handler.label, jfm( v ) } ); elseif k == 'LCCN' then table.insert( new_list, {handler.label, lccn( v ) } ); elseif k == 'MR' then table.insert( new_list, {handler.label, mr( v ) } ); elseif k == 'OCLC' then v = bn_to_en_digits(v) handler.id = v table.insert( new_list, {handler.label, oclc( v ) } ); elseif k == 'OL' or k == 'OLA' then table.insert( new_list, {handler.label, openlibrary( v, handler.access ) } ); elseif k == 'PMC' then table.insert( new_list, {handler.label, pmc( v, options.Embargo ) } ); elseif k == 'PMID' then table.insert( new_list, {handler.label, pmid( v ) } ); elseif k == 'S2CID' then table.insert( new_list, {handler.label, s2cid( v, handler.access ) } ); elseif k == 'SBN' then local SBN = internal_link_id (handler); local check; -- boolean validation result local err_type = ''; check, err_type = sbn (v); if not check then SBN = SBN .. set_error( 'bad_sbn', {err_type}, false, " ", "" ); -- display an error message end table.insert( new_list, {handler.label, SBN } ); elseif k == 'SSRN' then table.insert( new_list, {handler.label, ssrn( v ) } ); elseif k == 'USENETID' then table.insert( new_list, {handler.label, usenet_id( v ) } ); elseif k == 'ZBL' then table.insert( new_list, {handler.label, zbl( v ) } ); else error( cfg.messages['unknown_manual_ID'] ); end end local function comp( a, b ) -- used in following table.sort() return a[1]:lower() < b[1]:lower(); end table.sort( new_list, comp ); for k, v in ipairs( new_list ) do new_list[k] = v[2]; end return new_list; end --[[--------------------------< E X T R A C T _ I D S >------------------------------------------------------------ Populates ID table from arguments using configuration settings. Loops through cfg.id_handlers and searches args for any of the parameters listed in each cfg.id_handlers['...'].parameters. If found, adds the parameter and value to the identifier list. Emits redundant error message is more than one alias exists in args ]] local function extract_ids( args ) local id_list = {}; -- list of identifiers found in args for k, v in pairs( cfg.id_handlers ) do -- k is uc identifier name as index to cfg.id_handlers; e.g. cfg.id_handlers['ISBN'], v is a table v = select_one( args, v.parameters, 'redundant_parameters' ); -- v.parameters is a table of aliases for k; here we pick one from args if present if is_set(v) then id_list[k] = v; end -- if found in args, add identifier to our list end return id_list; end --[[--------------------------< E X T R A C T _ I D _ A C C E S S _ L E V E L S >-------------------------------------- Fetches custom id access levels from arguments using configuration settings. Parameters which have a predefined access level (e.g. arxiv) do not use this function as they are directly rendered as free without using an additional parameter. ]] local function extract_id_access_levels( args, id_list ) local id_accesses_list = {}; for k, v in pairs( cfg.id_handlers ) do local access_param = v.custom_access; local k_lower = string.lower(k); if is_set(access_param) then local access_level = args[access_param]; if is_set(access_level) then if not in_array (access_level:lower(), cfg.keywords['id-access']) then table.insert( z.message_tail, { set_error( 'invalid_param_val', {access_param, access_level}, true ) } ); access_level = nil; end if not is_set(id_list[k]) then table.insert( z.message_tail, { set_error( 'param_access_requires_param', {k_lower}, true ) } ); end if is_set(access_level) then access_level = access_level:lower(); end id_accesses_list[k] = access_level; end end end return id_accesses_list; end --[[--------------------------< S E T _ S E L E C T E D _ M O D U L E S >-------------------------------------- Sets local cfg table and imported functions table to same (live or sandbox) as that used by the other modules. ]] local function set_selected_modules (cfg_table_ptr, utilities_page_ptr) cfg = cfg_table_ptr; is_set = utilities_page_ptr.is_set; -- import functions from select Module:Citation/CS1/Utilities module in_array = utilities_page_ptr.in_array; set_error = utilities_page_ptr.set_error; select_one = utilities_page_ptr.select_one; add_maint_cat = utilities_page_ptr.add_maint_cat; substitute = utilities_page_ptr.substitute; make_wikilink = utilities_page_ptr.make_wikilink; z = utilities_page_ptr.z; -- table of tables in Module:Citation/CS1/Utilities end return { build_id_list = build_id_list, extract_ids = extract_ids, extract_id_access_levels = extract_id_access_levels, is_embargoed = is_embargoed; set_selected_modules = set_selected_modules; } s9welio7yjpv4frp1ioe5p3wit6c4il ব্যবহারকারী আলাপ:MS Sakib 3 765 81660 81422 2026-04-27T15:03:40Z Oindrojalik Watch 4169 81660 wikitext text/x-wiki == আন্তঃভাষা সংযোগ == টেমপ্লেট/মডিউল তৈরি করলে সেগুলোতে উইকিউপাত্ত সংযোগ দিয়ে দিয়ো। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ২১:৩৪, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == ঠিক করেছি! == [[সাওম]] এবং [[আগুন]] নিবন্ধ ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rifat008|আলাপ]]) ১২:৪৫, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == আবুবকর সিদ্দিক == [[আবুবকর সিদ্দিক]] উক্তি আরো যুক্ত করা হয়ছে এখম সম্ভব ১৫০ শব্দ হবে। যদি আবার একটু দেখতেন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:২৮, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]], গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == ১৫০ শব্দের অধিক করেছি == ' শকুনি ' পেজে উক্তি আরো যোগ করা হয়েছে এবং ১৫০ চেয়ে বেশি শব্দ হয়েছে। প্লিজ চেক করে পয়েন্ট এড করে দিয়েন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১০:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] "শকুনি সম্পর্কে উক্তি"টা <s>লার</s>কার উক্তি? উৎস প্রয়োজন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ২১:১৯, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন উক্ত সেকশানে লেখাটা কার বা কথা থেকে উল্লেখ করেছি? ::এমন হলে এটা আমি লিখেছি। নাকি উক্ত অংশ টি বাদ দিয়ে দিব? [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১১:৫০, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] কারো সম্পর্কে নিজের উক্তি যোগ করা যাবে না। বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি যোগ করতে হবে। এটা বাদ দিন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১১:৫২, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::::ও জানতাম না ।বাদ দিয়েছি। চেক করেন।।ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১৩:১৪, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ১৫০ শব্দ হয়নি। তাছাড়া উক্তির চেয়ে ভূমিকার আকার বেশি। আরও কয়েকটা উক্তি যোগ করুন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৫৩, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == জুলুম == [[জুলুম]] ভুক্তি আরও ৩ উক্তি যুক্ত করা হয়ছে, [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:১৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো খান আতাউর রহমান পৃষ্ঠায় কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি। অনুগ্রহ করে একবার দেখে নেবেন। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ১৩:৪৯, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] হ্যাঁ, ঠিকমতোই করেছেন। সংশোধনের জন্যে ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৬:২৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনাকেও ধন্যবাদ😁 [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৬:০৪, ১ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == পাতা তৈরি প্রসংঙ্গে == অনিতা আগ্নেহোত্রী পাতায় তো যোগ করা উক্তি ঠিক ছিলো। তবে কেনো আমাকে পয়েন্ট দেওয়া হলো না? [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৬:৪২, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] আপনি কেবল একটি উক্তি যোগ করেছেন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪|প্রতিযোগিতার নিয়ম]] অনুসারে কমপক্ষে তিনটি উক্তি এবং কমপক্ষে ১৫০ শব্দ থাকতে হবে প্রতিটি ভুক্তিতে। তাই গৃহীত হয়নি। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৪৯, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৯:৪০, ৫ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই == সুধী, আশা করি ভালো আছেন। রফিকুল ইসলাম (অধ্যাপক) পাতায় সংশোধনী আনা বলার জন্য ধন্যবাদ। আপনি যা উল্লেখ করেছিলেন "যেসব উক্তির উৎস নেই, সেগুলো যোগ করুন।" আমি মূলত ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই। তাই একই উৎস থেকে পর পর উক্তিগুলো দেওয়ার পর আমি প্রত্যেকটা শেষের উক্তিতে উৎস যোগ করেছিলাম। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৩:৫৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :bhai compition er rerult kobe diben [[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Rafiqul Islam Siyam334|আলাপ]]) ০৯:৩৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ধন্যবাদ। বুঝতে পেরেছি। ::@[[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]]: [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান|এই পাতায়]] শব্দগণনার কাজ শুরু হয়েছে। শব্দগণনা শেষ হলেই ফলাফল পেয়ে যাবেন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১০:৫৮, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == নারীবাণী ২০২৪ পদক == {| style="background-color: #fee5e5; border: 2px solid #754796;" |rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[File:Shesaid project Barnstar.png|100px|link=]] |style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em; color:#642882;" | '''#নারীবাণী পদক |- |style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | '''সুপ্রিয় MS Sakib!,<br>''' '''[[উইকিউক্তি:নারীবাণী|<nowiki>#</nowiki>নারীবাণী ২০২৪]]''' প্রকল্পে অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! এই প্রকল্পে আপনি ৩টি নতুন ভুক্তি তৈরি করেছেন। প্রকল্পে অংশ নিয়ে নতুন ভুক্তি তৈরির জন্য আপনাকে এই পদক প্রদান করা হয়েছে। আশা করি, আপনার আগামীর যাত্রা শুভ হোক, আরো সাফল্যমণ্ডিত হোক।'''</br></br>শুভেচ্ছান্তে, </br> নারীবাণী আয়োজকবৃন্দ''' |} == উক্তি জমা দিয়েছি দেখেন == ভাই আমি উক্তি পেজ জমা দিয়েছি , আমার পরে যারা জমা দিয়েছে সেগুলো এপ্রুভ হচ্ছে কিন্তু আমারটা এখনো পেন্ডিং পরে আছে। একটু দেখবেন প্লিজ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৫:৫৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :অপেক্ষা করুন, আপনার ভুক্তি পর্যালোচনা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৬:৫৬, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে ভাই, ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] আরেকটা ব্যাপার সেটা হলো ফলাফল ৭ই মের পরে দিবে আর প্রতিযোগিতা ৭ই মে পর্যন্ত থাকবে। তাই তাড়াহুড়ার কিছুই নাই। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৪:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আপনি কি পর্যালোচনা কমিটিতে আছেন? ::::আপনি নিজেও তো মনে হয় উক্তি জমা দিচ্ছেন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৬:৩৫, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]], শেষ প্রশ্নটা কি মোবাশশিরকে করেছেন? ওনি পর্যালোচক দলে নেই, প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছে। :::::দ্বিতীয়ত, ওনার উত্তরটা সঠিক। সব নিবন্ধই পর্যালোচনা করা হবে; অনেক সময় আছে, তাই তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আপনি বেশি বেশি মানসম্মত পাতা তৈরি করে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যান। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::জ্বী মোবাশশিরকে করেছিলাম। ::::::ঠিক আছে ধন্যবাদ ভাই, অপেক্ষায় রইলাম। পর্যালোচনা করলে কাজের আগ্রহ বাড়ে, এই জন্য আপনাকে নক দিয়েছিলাম আর কি। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৭:১৮, ১৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :2000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-22362-67|&#126;2026-22362-67]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-22362-67|আলাপ]]) ২২:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ২ টা নিবন্ধ একই == [[নিউজিল্যান্ড]] ও [[নেদারল্যান্ডস]] একই নিবন্ধ হয়ে গেলো মনে হয় একটু দেখা অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী: Malihamoni| Malihamoni]], আপনি [[নেদারল্যান্ডস]] নিবন্ধে [[নিউজিল্যান্ড]]-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উক্তি লিখেছেন। অনুগ্রহপূর্বক [[নেদারল্যান্ডস]] পাতাটি পুরোপুরি খালি করে এখানে [[:en:Netherlands]] থেকে লেখা অনুবাদ করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩৭, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যবেক্ষণের আবেদন == প্রিয় প্রশাসক, চিহ্নিত করা সমস্যাগুলো সংশোধন করা হয়েছে । *[[শিমন পেরেজ]] *[[শার্লমাইন]] *[[সিঙ্গাপুর]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:২৪, ৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] শিমন পেরেজে সব লিংক যোগ করা হয়নি! একবার পুনঃপর্যালোচনার পর ত্রুটি থাকলে গ্রহণ করার সুযোগ নেই। তবুও আপনাকে এগুলো সব বাকি সব দ্রুত সংশোধনের সুযোগ দিচ্ছি। আপনার বিভিন্ন পাতায় অপরিশোধিত AI অনুবাদ, লিংক ঘাটতি সহ নানান ত্রুটি আছে। সবগুলো দ্রুত ঠিক করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩০, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সিঙ্গাপুরেও লিংক যুক্ত কতা হয়নি। উক্তিগুলো যাচাইযোগ্য নয়। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩২, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == লিন্ডন বি. জনসন == [[লিন্ডন বি. জনসন]] পাতাটিতে যেসব সংখ্যা রয়েছে তার অনেকগুলো ইংরেজিতে রয়েছে, বাংলা করা প্রয়োজন। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৩:০৬, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] অনেক ধন্যবাদ। ঠিক করা হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৪৮, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == অপসারণ কেনো? যুক্তি প্রয়োজন == ভাই, আপনি [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পাতাটিতে অপসারণের ট্যাগ লাগিয়েছেন। কিন্তু কারণ দেখতে পাচ্ছিনা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:৫৩, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]]: ও হ্যাঁ। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker]] অর্থাৎ, প্রণেতাই বলেছিল অপসারণ করতে। তার ভাষ্যমতে সে এই পাতায় কোনো সংশোধনই করতে পারেনি। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] পাতাটিকেও সে ডিলেট করে দিতে বলেছে। এগুলোতে সে যান্ত্রিকতা সংশোধনের সময় বা সুযোগ পায়নি। বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২০:৪৪, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমার মনে হয়, আন্তঃউইকি সংযোগ দিয়ে রাখা যেতে পারে; ভবিষ্যতে যদি কেউ সম্পাদনা করতে চায়; করতে পারবে। এগুলি তো ইংরেজি থেকেই অনুবাদ করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার বিষয় তো ভিন্ন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] রাখা যেতে পারে। তবে [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পুরোপুরি অপরিশোধিত পাতা। এটা অপসারণ করলেই ভালো হবে আমার মতে। বিশেষত প্রণেতাই যখন রাখতে চাচ্ছে না। db-author বিবেচনা করতে পারেন। :::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]]। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৬:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন == [[মারিয়া রেসা]] এবং [[শিমন পেরেজ]] পাতা গুলোতে চিহ্নিত ভূল গুলো সংশোধন করা হয়েছে। এবার গ্রহণ করতে পারেন। [[আপনার মেসেজ ছিল "তথ্যসূত্রগুলোতে লিংক যোগ করা হয়নি। দ্রুত ইংরেজি পাতা থেকে লিংকগুলো কপি করে বসিয়ে আমাকে জানান। তারপর গ্রহণ করে নিব।"]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১১:২৯, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] দুঃখিত। যান্ত্রিক হওয়ায় একটাও গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৭:৫৩, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে। আচ্ছা [[জন হার্ভে কেলোগ]] এই পাতাটিতে এত বড় অনুবাদ কিভাবে করেছে এবং কি কি উপায়ে আমি অনুবাদ করতে পারি। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৭:৫৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain]] -এর [[সুইডেন]] এবং [[ব্যবহারকারী: MD Sahib]] -এর [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] গৃহীত হয়েছে। ফলাফলে যোগ করে দিবেন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৭:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা সম্পর্কে == ছাকিব ভাই, শুভেচ্ছা নিবেন। আশা করি ভালো আছেন। আপনি দেখলাম, উক্তি প্রতিযোগিতা নিয়ে কাজ করছেন। দেখে ভালো লাগলো। ব্যস্ততার কারণে আমি এবারও আপনার সাথ দিতে পারছিনা সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি একটা বিশেষ দিকে নজর দেয়ার জন্য অনুরোধ করবো, যেটা আপনি ইতোমধ্যে নীতিমালায় যুক্ত করেছেন। কিন্তু গত বছরের প্রতিযোগিতায় অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড সূত্র দিয়ে পাতা তৈরি করা হয়েছিল ও গৃহীত হয়েছিল, যেগুলি আমি সময়ে সময়ে অপসারণ করছি ও করে যাচ্ছি। এমনকি, কিছুদিন আগে এর চেয়েও মারাত্মক বিষয় নজরে এসেছে, একজন অবদানকারীর সবগুলি অবদানই এআইয়ের ছিল, যেটা আলোচনাসভায় একজন ভিন্নভাষী দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আমি ১০টার মতো পাতা অপসারণ করি। বিষয়টা কীভাবে সুরাহা করা যায়, সেটার দিকে বিশেষ নজর দেয়ার অনুরোধ থাকবে। (এআইকে পুরোপুরি বাদ দেয়া যায় কিনা যে, এআই যুক্ত হলে পাতা অপসারিত হবে; বা এই ধরনের। কারণ, এআই অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড তথ্য যুক্ত করে। এমনকি আমি কয়েক দিন আগেও জেমিনাইয়ের লেটেস্ট প্রো সংস্করণ দিয়ে চেষ্টা করে দেখেছি। প্রথমে ঠিক থাকলেও হঠাৎ মিথ্যা তথ্য দেয়া শুরু করে, সেটাও খুবই পাণ্ডিত্যের সাথে। বিষয়টা নিয়ে কী করবো, আমি সময় করে ভাবতে পারিনি, কিন্তু আজকে আপনার কাজ দেখে মনে এলো। সেজন্য উল্লেখ করলাম।) আপনাকে আবারও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২২:০৩, ২২ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রতিযোগিতায় আপনাকে পেলে ভালো লাগতো, তবে ব্যক্তিগত ব্যস্ততার বিষয়টি বুঝতে পেরেছি। :আমি আপাতত আগের প্রতিযোগিতার পাতাগুলো কপি-পেস্ট করেছি। তবে সেগুলো ধাপে ধাপে সংশোধন ও হালনাগাদ করা হবে। গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে আপনার উদ্‌বেগ আমারও নজর এড়ায়নি। এআই ব্যবহারের নীতিমালা আরও কিছুটা কঠোর করার পরিকল্পনা আছে। তবে সহ-প্রকল্পে অনুবাদ সরঞ্জাম না থাকায় অনুবাদের ক্ষেত্রে এআই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সময় হয়তো এখনও আসেনি। :প্রাথমিকভাবে আমি যা ভাবছি: :* সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড উক্তি সরাসরি বাতিল করা হবে, সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে না। :* অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে :* তবে যদি পাতার কাঠামো ঠিকঠাক থাকে এবং কেবল যান্ত্রিকতা বা ছোটখাটো সমস্যা থাকে, তাহলে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। :শাস্তিমূলক দিক: :* ৩টি সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড পাতা হলে প্রতিযোগী সরাসরি অযোগ্য :* ৫টি ত্রুটিপূর্ণ/অপরিশোধিত এআই অনুবাদ হলে প্রতিযোগিকে একটি সতর্কতা সাপেক্ষে অযোগ্য ঘোষণা :* কাঠামো সঠিক, কিন্তু এআই-নির্ভর যান্ত্রিকতা থাকলে ৩ থেকে ৫টা সতর্কতার পর অযোগ্য ঘোষণা। :এটি আপাতত একটি খসড়া পরিকল্পনা। এ বিষয়ে আপনার কোনো পরামর্শ থাকলে জানানোর অনুরোধ রইল। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:৫৫, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ধন্যবাদ! আপনার চিন্তা ঠিক আছে, পুরোপুরি বাদ দেয়া সম্ভব না। আসলে আমিও এটাই ভাবছিলাম, কিন্তু কী করা যায়, সেটা নিয়ে বেশি সময় দেয়া হয়নি। আপনার এই চিন্তায় আমার সমর্থন থাকবে। আবারও ধন্যবাদ ভাই। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:০৮, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) == Khokon == [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20837-51|&#126;2026-20837-51]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20837-51|আলাপ]]) ১৩:২৩, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী নিম্নোক্ত নিবন্ধসমূহ সংশোধন করা হয়েছে, * [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] * [[উভকামিতা]] * [[সমকামী যৌন চর্চা]] [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৪:৫৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] [[ডেনিস রিচি]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৫:০১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == হুগো দ্য ভ্রিস পর্যালোচনা প্রসঙ্গে == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর নীতিমালা অনুসারে অন্তত ৩টি উক্তি থাকতে হবে। আপনি টুলফোর্জেও [[হুগো দ্য ভ্রিস]] এজন্যই গ্রহণ করেননি। তবে এখানে তো তাঁর সম্পর্কে ১টি উক্তি আছে। মোট ৩টি উক্তিই তো হয়। আর ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এই মোট ৩টিই ছিল। তাই অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন অথবা দ্বিমত/অসুবিধা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৬:৫৪, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আপনি কি এটি পুনঃপর্যালোচনা করেছেন? করে একটু জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩১, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এভাবে কাউকে বার বার মেনশন দেয়া হতে বিরত থাকুন। আপনি এত পূর্বেও একাধিক ব্যবহারকারীর আলাপ পাতায় ব্যবহারকারীকে একাধিক বার মেনসন করেছেন। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১২:১৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আপনি বার বার আমাকে বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। আপনি আমাকে একবার সতর্ক করেছেন, আমি আর কাউকে বার বার মেনশন করিনি। তবে আপনি আগের আলোচনাগুলোতে বার বার গিয়ে মেনশন করে সতর্ক বার্তা দিচ্ছেন। দেওয়ার আগে লক্ষ করুন মেনশন আমি কবে করেছিলাম এবং আপনার সতর্কতার পর আমি কাউকে মেনশন করছি কি-না। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাতে দুটো উক্তিই আছে। শুরুর ভূমিকাংশটা ব্যক্তির পরিচিত। এটা কোনও উক্তি না। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:২০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতে যতগুলো ছিল আমি ততগুলোই অনুবাদ করেছি। আমি আর কোথায় পাবো? — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এক্ষেত্রে কিছুই করার নেই। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা আছে ৩টা উক্তি থাকা বাধ্যতামূলক। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৪:২৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমি ইন্টারনেট থেকে সূত্রসহ আরো একটি উক্তি যুক্ত করেছি। অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ইন্টারনেট ঘেঁটে একটি উক্তি খুঁজে বের করুন ও সুত্রসহ যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০৩, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। যোগ করেছি — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[ই. ও. উইলসন]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:৩০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] এখনও যান্ত্রিক ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৫৯, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মোপলা বিদ্রোহ]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৬:১৪, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[শামছুল হুদা]] পৃষ্ঠার বিষয়ে == আসসালামু আলাইকুম ছাকিব ভাই, আশা করি ভালো আছেন। শামছুল হুদা পাঁচবাগী প্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব। তবে উইকিপিডিয়ায় তার নামে নিবন্ধ [[W:শামছুল হুদা পাঁচবাগী|শামছুল হুদা পাঁচবাগী]] নামে, শুধু শামছুল হুদা নামে নয়। আমি সেজন্য অপসারণ ট্যাগ সরিয়ে দিচ্ছি। এখানে কী করা যেতে পারে, যেহেতু প্রতিযোগিতা সংশ্লিষ্ট বিষয়; আপনি ভেবে দেখবেন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০৭, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। পাতাটিকে পুনর্দির্দেশ ছাড়াই [[শামছুল হুদা পাঁচবাগী]] নামে স্থানান্তর করা প্রয়োজন। আমার এই অধিকার না থাকায় আপনাকে করে দেওয়ার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:২৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] {{করা হয়েছে}}। ধন্যবাদ! ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০১:১৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা গ্রহণ বিষয়ে == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই, আমি [[স্নায়ুযুদ্ধ]] এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাদ্বয় যথা সাধ্য সংশোধনের চেষ্টা করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। দীর্ঘ নিবন্ধ হওয়ায় ভ্রান্তি থেকে যেত পারে। কোনো সংশোধনে র প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে আমাকে জানাবেন। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:২১, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) n5krtv0m92yk5bpf9hnzwj9ydsetof6 81662 81660 2026-04-27T15:05:02Z Oindrojalik Watch 4169 81662 wikitext text/x-wiki == আন্তঃভাষা সংযোগ == টেমপ্লেট/মডিউল তৈরি করলে সেগুলোতে উইকিউপাত্ত সংযোগ দিয়ে দিয়ো। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ২১:৩৪, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == ঠিক করেছি! == [[সাওম]] এবং [[আগুন]] নিবন্ধ ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rifat008|আলাপ]]) ১২:৪৫, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == আবুবকর সিদ্দিক == [[আবুবকর সিদ্দিক]] উক্তি আরো যুক্ত করা হয়ছে এখম সম্ভব ১৫০ শব্দ হবে। যদি আবার একটু দেখতেন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:২৮, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]], গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == ১৫০ শব্দের অধিক করেছি == ' শকুনি ' পেজে উক্তি আরো যোগ করা হয়েছে এবং ১৫০ চেয়ে বেশি শব্দ হয়েছে। প্লিজ চেক করে পয়েন্ট এড করে দিয়েন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১০:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] "শকুনি সম্পর্কে উক্তি"টা <s>লার</s>কার উক্তি? উৎস প্রয়োজন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ২১:১৯, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন উক্ত সেকশানে লেখাটা কার বা কথা থেকে উল্লেখ করেছি? ::এমন হলে এটা আমি লিখেছি। নাকি উক্ত অংশ টি বাদ দিয়ে দিব? [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১১:৫০, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] কারো সম্পর্কে নিজের উক্তি যোগ করা যাবে না। বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি যোগ করতে হবে। এটা বাদ দিন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১১:৫২, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::::ও জানতাম না ।বাদ দিয়েছি। চেক করেন।।ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১৩:১৪, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ১৫০ শব্দ হয়নি। তাছাড়া উক্তির চেয়ে ভূমিকার আকার বেশি। আরও কয়েকটা উক্তি যোগ করুন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৫৩, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == জুলুম == [[জুলুম]] ভুক্তি আরও ৩ উক্তি যুক্ত করা হয়ছে, [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:১৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো খান আতাউর রহমান পৃষ্ঠায় কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি। অনুগ্রহ করে একবার দেখে নেবেন। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ১৩:৪৯, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] হ্যাঁ, ঠিকমতোই করেছেন। সংশোধনের জন্যে ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৬:২৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনাকেও ধন্যবাদ😁 [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৬:০৪, ১ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == পাতা তৈরি প্রসংঙ্গে == অনিতা আগ্নেহোত্রী পাতায় তো যোগ করা উক্তি ঠিক ছিলো। তবে কেনো আমাকে পয়েন্ট দেওয়া হলো না? [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৬:৪২, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] আপনি কেবল একটি উক্তি যোগ করেছেন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪|প্রতিযোগিতার নিয়ম]] অনুসারে কমপক্ষে তিনটি উক্তি এবং কমপক্ষে ১৫০ শব্দ থাকতে হবে প্রতিটি ভুক্তিতে। তাই গৃহীত হয়নি। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৪৯, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৯:৪০, ৫ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই == সুধী, আশা করি ভালো আছেন। রফিকুল ইসলাম (অধ্যাপক) পাতায় সংশোধনী আনা বলার জন্য ধন্যবাদ। আপনি যা উল্লেখ করেছিলেন "যেসব উক্তির উৎস নেই, সেগুলো যোগ করুন।" আমি মূলত ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই। তাই একই উৎস থেকে পর পর উক্তিগুলো দেওয়ার পর আমি প্রত্যেকটা শেষের উক্তিতে উৎস যোগ করেছিলাম। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৩:৫৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :bhai compition er rerult kobe diben [[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Rafiqul Islam Siyam334|আলাপ]]) ০৯:৩৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ধন্যবাদ। বুঝতে পেরেছি। ::@[[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]]: [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান|এই পাতায়]] শব্দগণনার কাজ শুরু হয়েছে। শব্দগণনা শেষ হলেই ফলাফল পেয়ে যাবেন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১০:৫৮, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == নারীবাণী ২০২৪ পদক == {| style="background-color: #fee5e5; border: 2px solid #754796;" |rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[File:Shesaid project Barnstar.png|100px|link=]] |style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em; color:#642882;" | '''#নারীবাণী পদক |- |style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | '''সুপ্রিয় MS Sakib!,<br>''' '''[[উইকিউক্তি:নারীবাণী|<nowiki>#</nowiki>নারীবাণী ২০২৪]]''' প্রকল্পে অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! এই প্রকল্পে আপনি ৩টি নতুন ভুক্তি তৈরি করেছেন। প্রকল্পে অংশ নিয়ে নতুন ভুক্তি তৈরির জন্য আপনাকে এই পদক প্রদান করা হয়েছে। আশা করি, আপনার আগামীর যাত্রা শুভ হোক, আরো সাফল্যমণ্ডিত হোক।'''</br></br>শুভেচ্ছান্তে, </br> নারীবাণী আয়োজকবৃন্দ''' |} == উক্তি জমা দিয়েছি দেখেন == ভাই আমি উক্তি পেজ জমা দিয়েছি , আমার পরে যারা জমা দিয়েছে সেগুলো এপ্রুভ হচ্ছে কিন্তু আমারটা এখনো পেন্ডিং পরে আছে। একটু দেখবেন প্লিজ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৫:৫৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :অপেক্ষা করুন, আপনার ভুক্তি পর্যালোচনা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৬:৫৬, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে ভাই, ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] আরেকটা ব্যাপার সেটা হলো ফলাফল ৭ই মের পরে দিবে আর প্রতিযোগিতা ৭ই মে পর্যন্ত থাকবে। তাই তাড়াহুড়ার কিছুই নাই। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৪:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আপনি কি পর্যালোচনা কমিটিতে আছেন? ::::আপনি নিজেও তো মনে হয় উক্তি জমা দিচ্ছেন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৬:৩৫, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]], শেষ প্রশ্নটা কি মোবাশশিরকে করেছেন? ওনি পর্যালোচক দলে নেই, প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছে। :::::দ্বিতীয়ত, ওনার উত্তরটা সঠিক। সব নিবন্ধই পর্যালোচনা করা হবে; অনেক সময় আছে, তাই তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আপনি বেশি বেশি মানসম্মত পাতা তৈরি করে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যান। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::জ্বী মোবাশশিরকে করেছিলাম। ::::::ঠিক আছে ধন্যবাদ ভাই, অপেক্ষায় রইলাম। পর্যালোচনা করলে কাজের আগ্রহ বাড়ে, এই জন্য আপনাকে নক দিয়েছিলাম আর কি। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৭:১৮, ১৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :2000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-22362-67|&#126;2026-22362-67]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-22362-67|আলাপ]]) ২২:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ২ টা নিবন্ধ একই == [[নিউজিল্যান্ড]] ও [[নেদারল্যান্ডস]] একই নিবন্ধ হয়ে গেলো মনে হয় একটু দেখা অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী: Malihamoni| Malihamoni]], আপনি [[নেদারল্যান্ডস]] নিবন্ধে [[নিউজিল্যান্ড]]-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উক্তি লিখেছেন। অনুগ্রহপূর্বক [[নেদারল্যান্ডস]] পাতাটি পুরোপুরি খালি করে এখানে [[:en:Netherlands]] থেকে লেখা অনুবাদ করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩৭, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যবেক্ষণের আবেদন == প্রিয় প্রশাসক, চিহ্নিত করা সমস্যাগুলো সংশোধন করা হয়েছে । *[[শিমন পেরেজ]] *[[শার্লমাইন]] *[[সিঙ্গাপুর]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:২৪, ৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] শিমন পেরেজে সব লিংক যোগ করা হয়নি! একবার পুনঃপর্যালোচনার পর ত্রুটি থাকলে গ্রহণ করার সুযোগ নেই। তবুও আপনাকে এগুলো সব বাকি সব দ্রুত সংশোধনের সুযোগ দিচ্ছি। আপনার বিভিন্ন পাতায় অপরিশোধিত AI অনুবাদ, লিংক ঘাটতি সহ নানান ত্রুটি আছে। সবগুলো দ্রুত ঠিক করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩০, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সিঙ্গাপুরেও লিংক যুক্ত কতা হয়নি। উক্তিগুলো যাচাইযোগ্য নয়। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩২, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == লিন্ডন বি. জনসন == [[লিন্ডন বি. জনসন]] পাতাটিতে যেসব সংখ্যা রয়েছে তার অনেকগুলো ইংরেজিতে রয়েছে, বাংলা করা প্রয়োজন। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৩:০৬, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] অনেক ধন্যবাদ। ঠিক করা হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৪৮, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == অপসারণ কেনো? যুক্তি প্রয়োজন == ভাই, আপনি [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পাতাটিতে অপসারণের ট্যাগ লাগিয়েছেন। কিন্তু কারণ দেখতে পাচ্ছিনা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:৫৩, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]]: ও হ্যাঁ। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker]] অর্থাৎ, প্রণেতাই বলেছিল অপসারণ করতে। তার ভাষ্যমতে সে এই পাতায় কোনো সংশোধনই করতে পারেনি। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] পাতাটিকেও সে ডিলেট করে দিতে বলেছে। এগুলোতে সে যান্ত্রিকতা সংশোধনের সময় বা সুযোগ পায়নি। বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২০:৪৪, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমার মনে হয়, আন্তঃউইকি সংযোগ দিয়ে রাখা যেতে পারে; ভবিষ্যতে যদি কেউ সম্পাদনা করতে চায়; করতে পারবে। এগুলি তো ইংরেজি থেকেই অনুবাদ করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার বিষয় তো ভিন্ন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] রাখা যেতে পারে। তবে [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পুরোপুরি অপরিশোধিত পাতা। এটা অপসারণ করলেই ভালো হবে আমার মতে। বিশেষত প্রণেতাই যখন রাখতে চাচ্ছে না। db-author বিবেচনা করতে পারেন। :::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]]। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৬:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন == [[মারিয়া রেসা]] এবং [[শিমন পেরেজ]] পাতা গুলোতে চিহ্নিত ভূল গুলো সংশোধন করা হয়েছে। এবার গ্রহণ করতে পারেন। [[আপনার মেসেজ ছিল "তথ্যসূত্রগুলোতে লিংক যোগ করা হয়নি। দ্রুত ইংরেজি পাতা থেকে লিংকগুলো কপি করে বসিয়ে আমাকে জানান। তারপর গ্রহণ করে নিব।"]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১১:২৯, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] দুঃখিত। যান্ত্রিক হওয়ায় একটাও গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৭:৫৩, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে। আচ্ছা [[জন হার্ভে কেলোগ]] এই পাতাটিতে এত বড় অনুবাদ কিভাবে করেছে এবং কি কি উপায়ে আমি অনুবাদ করতে পারি। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৭:৫৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain]] -এর [[সুইডেন]] এবং [[ব্যবহারকারী: MD Sahib]] -এর [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] গৃহীত হয়েছে। ফলাফলে যোগ করে দিবেন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৭:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা সম্পর্কে == ছাকিব ভাই, শুভেচ্ছা নিবেন। আশা করি ভালো আছেন। আপনি দেখলাম, উক্তি প্রতিযোগিতা নিয়ে কাজ করছেন। দেখে ভালো লাগলো। ব্যস্ততার কারণে আমি এবারও আপনার সাথ দিতে পারছিনা সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি একটা বিশেষ দিকে নজর দেয়ার জন্য অনুরোধ করবো, যেটা আপনি ইতোমধ্যে নীতিমালায় যুক্ত করেছেন। কিন্তু গত বছরের প্রতিযোগিতায় অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড সূত্র দিয়ে পাতা তৈরি করা হয়েছিল ও গৃহীত হয়েছিল, যেগুলি আমি সময়ে সময়ে অপসারণ করছি ও করে যাচ্ছি। এমনকি, কিছুদিন আগে এর চেয়েও মারাত্মক বিষয় নজরে এসেছে, একজন অবদানকারীর সবগুলি অবদানই এআইয়ের ছিল, যেটা আলোচনাসভায় একজন ভিন্নভাষী দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আমি ১০টার মতো পাতা অপসারণ করি। বিষয়টা কীভাবে সুরাহা করা যায়, সেটার দিকে বিশেষ নজর দেয়ার অনুরোধ থাকবে। (এআইকে পুরোপুরি বাদ দেয়া যায় কিনা যে, এআই যুক্ত হলে পাতা অপসারিত হবে; বা এই ধরনের। কারণ, এআই অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড তথ্য যুক্ত করে। এমনকি আমি কয়েক দিন আগেও জেমিনাইয়ের লেটেস্ট প্রো সংস্করণ দিয়ে চেষ্টা করে দেখেছি। প্রথমে ঠিক থাকলেও হঠাৎ মিথ্যা তথ্য দেয়া শুরু করে, সেটাও খুবই পাণ্ডিত্যের সাথে। বিষয়টা নিয়ে কী করবো, আমি সময় করে ভাবতে পারিনি, কিন্তু আজকে আপনার কাজ দেখে মনে এলো। সেজন্য উল্লেখ করলাম।) আপনাকে আবারও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২২:০৩, ২২ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রতিযোগিতায় আপনাকে পেলে ভালো লাগতো, তবে ব্যক্তিগত ব্যস্ততার বিষয়টি বুঝতে পেরেছি। :আমি আপাতত আগের প্রতিযোগিতার পাতাগুলো কপি-পেস্ট করেছি। তবে সেগুলো ধাপে ধাপে সংশোধন ও হালনাগাদ করা হবে। গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে আপনার উদ্‌বেগ আমারও নজর এড়ায়নি। এআই ব্যবহারের নীতিমালা আরও কিছুটা কঠোর করার পরিকল্পনা আছে। তবে সহ-প্রকল্পে অনুবাদ সরঞ্জাম না থাকায় অনুবাদের ক্ষেত্রে এআই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সময় হয়তো এখনও আসেনি। :প্রাথমিকভাবে আমি যা ভাবছি: :* সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড উক্তি সরাসরি বাতিল করা হবে, সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে না। :* অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে :* তবে যদি পাতার কাঠামো ঠিকঠাক থাকে এবং কেবল যান্ত্রিকতা বা ছোটখাটো সমস্যা থাকে, তাহলে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। :শাস্তিমূলক দিক: :* ৩টি সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড পাতা হলে প্রতিযোগী সরাসরি অযোগ্য :* ৫টি ত্রুটিপূর্ণ/অপরিশোধিত এআই অনুবাদ হলে প্রতিযোগিকে একটি সতর্কতা সাপেক্ষে অযোগ্য ঘোষণা :* কাঠামো সঠিক, কিন্তু এআই-নির্ভর যান্ত্রিকতা থাকলে ৩ থেকে ৫টা সতর্কতার পর অযোগ্য ঘোষণা। :এটি আপাতত একটি খসড়া পরিকল্পনা। এ বিষয়ে আপনার কোনো পরামর্শ থাকলে জানানোর অনুরোধ রইল। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:৫৫, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ধন্যবাদ! আপনার চিন্তা ঠিক আছে, পুরোপুরি বাদ দেয়া সম্ভব না। আসলে আমিও এটাই ভাবছিলাম, কিন্তু কী করা যায়, সেটা নিয়ে বেশি সময় দেয়া হয়নি। আপনার এই চিন্তায় আমার সমর্থন থাকবে। আবারও ধন্যবাদ ভাই। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:০৮, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) == Khokon == [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20837-51|&#126;2026-20837-51]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20837-51|আলাপ]]) ১৩:২৩, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী নিম্নোক্ত নিবন্ধসমূহ সংশোধন করা হয়েছে, * [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] * [[উভকামিতা]] * [[সমকামী যৌন চর্চা]] [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৪:৫৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] [[ডেনিস রিচি]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৫:০১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == হুগো দ্য ভ্রিস পর্যালোচনা প্রসঙ্গে == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর নীতিমালা অনুসারে অন্তত ৩টি উক্তি থাকতে হবে। আপনি টুলফোর্জেও [[হুগো দ্য ভ্রিস]] এজন্যই গ্রহণ করেননি। তবে এখানে তো তাঁর সম্পর্কে ১টি উক্তি আছে। মোট ৩টি উক্তিই তো হয়। আর ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এই মোট ৩টিই ছিল। তাই অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন অথবা দ্বিমত/অসুবিধা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৬:৫৪, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আপনি কি এটি পুনঃপর্যালোচনা করেছেন? করে একটু জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩১, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এভাবে কাউকে বার বার মেনশন দেয়া হতে বিরত থাকুন। আপনি এত পূর্বেও একাধিক ব্যবহারকারীর আলাপ পাতায় ব্যবহারকারীকে একাধিক বার মেনসন করেছেন। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১২:১৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আপনি বার বার আমাকে বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। আপনি আমাকে একবার সতর্ক করেছেন, আমি আর কাউকে বার বার মেনশন করিনি। তবে আপনি আগের আলোচনাগুলোতে বার বার গিয়ে মেনশন করে সতর্ক বার্তা দিচ্ছেন। দেওয়ার আগে লক্ষ করুন মেনশন আমি কবে করেছিলাম এবং আপনার সতর্কতার পর আমি কাউকে মেনশন করছি কি-না। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাতে দুটো উক্তিই আছে। শুরুর ভূমিকাংশটা ব্যক্তির পরিচিত। এটা কোনও উক্তি না। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:২০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতে যতগুলো ছিল আমি ততগুলোই অনুবাদ করেছি। আমি আর কোথায় পাবো? — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এক্ষেত্রে কিছুই করার নেই। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা আছে ৩টা উক্তি থাকা বাধ্যতামূলক। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৪:২৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমি ইন্টারনেট থেকে সূত্রসহ আরো একটি উক্তি যুক্ত করেছি। অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ইন্টারনেট ঘেঁটে একটি উক্তি খুঁজে বের করুন ও সুত্রসহ যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০৩, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। যোগ করেছি — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[ই. ও. উইলসন]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:৩০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] এখনও যান্ত্রিক ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৫৯, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মোপলা বিদ্রোহ]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৬:১৪, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[শামছুল হুদা]] পৃষ্ঠার বিষয়ে == আসসালামু আলাইকুম ছাকিব ভাই, আশা করি ভালো আছেন। শামছুল হুদা পাঁচবাগী প্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব। তবে উইকিপিডিয়ায় তার নামে নিবন্ধ [[W:শামছুল হুদা পাঁচবাগী|শামছুল হুদা পাঁচবাগী]] নামে, শুধু শামছুল হুদা নামে নয়। আমি সেজন্য অপসারণ ট্যাগ সরিয়ে দিচ্ছি। এখানে কী করা যেতে পারে, যেহেতু প্রতিযোগিতা সংশ্লিষ্ট বিষয়; আপনি ভেবে দেখবেন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০৭, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। পাতাটিকে পুনর্দির্দেশ ছাড়াই [[শামছুল হুদা পাঁচবাগী]] নামে স্থানান্তর করা প্রয়োজন। আমার এই অধিকার না থাকায় আপনাকে করে দেওয়ার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:২৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] {{করা হয়েছে}}। ধন্যবাদ! ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০১:১৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা গ্রহণ বিষয়ে == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই, আমি [[স্নায়ুযুদ্ধ]] এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাদ্বয় যথা সাধ্য সংশোধনের চেষ্টা করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। দীর্ঘ নিবন্ধ হওয়ায় ভ্রান্তি থেকে যেত পারে। কোনো সংশোধনে র প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে আমাকে জানাবেন। @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:২১, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 41rjv8f4bs9z3rnvlkeijf6p6ui5iqx 81663 81662 2026-04-27T15:05:21Z Oindrojalik Watch 4169 81663 wikitext text/x-wiki == আন্তঃভাষা সংযোগ == টেমপ্লেট/মডিউল তৈরি করলে সেগুলোতে উইকিউপাত্ত সংযোগ দিয়ে দিয়ো। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ২১:৩৪, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == ঠিক করেছি! == [[সাওম]] এবং [[আগুন]] নিবন্ধ ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rifat008|আলাপ]]) ১২:৪৫, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == আবুবকর সিদ্দিক == [[আবুবকর সিদ্দিক]] উক্তি আরো যুক্ত করা হয়ছে এখম সম্ভব ১৫০ শব্দ হবে। যদি আবার একটু দেখতেন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:২৮, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]], গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == ১৫০ শব্দের অধিক করেছি == ' শকুনি ' পেজে উক্তি আরো যোগ করা হয়েছে এবং ১৫০ চেয়ে বেশি শব্দ হয়েছে। প্লিজ চেক করে পয়েন্ট এড করে দিয়েন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১০:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] "শকুনি সম্পর্কে উক্তি"টা <s>লার</s>কার উক্তি? উৎস প্রয়োজন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ২১:১৯, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন উক্ত সেকশানে লেখাটা কার বা কথা থেকে উল্লেখ করেছি? ::এমন হলে এটা আমি লিখেছি। নাকি উক্ত অংশ টি বাদ দিয়ে দিব? [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১১:৫০, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] কারো সম্পর্কে নিজের উক্তি যোগ করা যাবে না। বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি যোগ করতে হবে। এটা বাদ দিন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১১:৫২, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::::ও জানতাম না ।বাদ দিয়েছি। চেক করেন।।ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১৩:১৪, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ১৫০ শব্দ হয়নি। তাছাড়া উক্তির চেয়ে ভূমিকার আকার বেশি। আরও কয়েকটা উক্তি যোগ করুন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৫৩, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == জুলুম == [[জুলুম]] ভুক্তি আরও ৩ উক্তি যুক্ত করা হয়ছে, [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:১৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো খান আতাউর রহমান পৃষ্ঠায় কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি। অনুগ্রহ করে একবার দেখে নেবেন। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ১৩:৪৯, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] হ্যাঁ, ঠিকমতোই করেছেন। সংশোধনের জন্যে ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৬:২৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনাকেও ধন্যবাদ😁 [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৬:০৪, ১ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == পাতা তৈরি প্রসংঙ্গে == অনিতা আগ্নেহোত্রী পাতায় তো যোগ করা উক্তি ঠিক ছিলো। তবে কেনো আমাকে পয়েন্ট দেওয়া হলো না? [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৬:৪২, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] আপনি কেবল একটি উক্তি যোগ করেছেন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪|প্রতিযোগিতার নিয়ম]] অনুসারে কমপক্ষে তিনটি উক্তি এবং কমপক্ষে ১৫০ শব্দ থাকতে হবে প্রতিটি ভুক্তিতে। তাই গৃহীত হয়নি। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৪৯, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৯:৪০, ৫ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই == সুধী, আশা করি ভালো আছেন। রফিকুল ইসলাম (অধ্যাপক) পাতায় সংশোধনী আনা বলার জন্য ধন্যবাদ। আপনি যা উল্লেখ করেছিলেন "যেসব উক্তির উৎস নেই, সেগুলো যোগ করুন।" আমি মূলত ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই। তাই একই উৎস থেকে পর পর উক্তিগুলো দেওয়ার পর আমি প্রত্যেকটা শেষের উক্তিতে উৎস যোগ করেছিলাম। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৩:৫৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :bhai compition er rerult kobe diben [[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Rafiqul Islam Siyam334|আলাপ]]) ০৯:৩৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ধন্যবাদ। বুঝতে পেরেছি। ::@[[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]]: [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান|এই পাতায়]] শব্দগণনার কাজ শুরু হয়েছে। শব্দগণনা শেষ হলেই ফলাফল পেয়ে যাবেন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১০:৫৮, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == নারীবাণী ২০২৪ পদক == {| style="background-color: #fee5e5; border: 2px solid #754796;" |rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[File:Shesaid project Barnstar.png|100px|link=]] |style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em; color:#642882;" | '''#নারীবাণী পদক |- |style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | '''সুপ্রিয় MS Sakib!,<br>''' '''[[উইকিউক্তি:নারীবাণী|<nowiki>#</nowiki>নারীবাণী ২০২৪]]''' প্রকল্পে অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! এই প্রকল্পে আপনি ৩টি নতুন ভুক্তি তৈরি করেছেন। প্রকল্পে অংশ নিয়ে নতুন ভুক্তি তৈরির জন্য আপনাকে এই পদক প্রদান করা হয়েছে। আশা করি, আপনার আগামীর যাত্রা শুভ হোক, আরো সাফল্যমণ্ডিত হোক।'''</br></br>শুভেচ্ছান্তে, </br> নারীবাণী আয়োজকবৃন্দ''' |} == উক্তি জমা দিয়েছি দেখেন == ভাই আমি উক্তি পেজ জমা দিয়েছি , আমার পরে যারা জমা দিয়েছে সেগুলো এপ্রুভ হচ্ছে কিন্তু আমারটা এখনো পেন্ডিং পরে আছে। একটু দেখবেন প্লিজ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৫:৫৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :অপেক্ষা করুন, আপনার ভুক্তি পর্যালোচনা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৬:৫৬, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে ভাই, ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] আরেকটা ব্যাপার সেটা হলো ফলাফল ৭ই মের পরে দিবে আর প্রতিযোগিতা ৭ই মে পর্যন্ত থাকবে। তাই তাড়াহুড়ার কিছুই নাই। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৪:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আপনি কি পর্যালোচনা কমিটিতে আছেন? ::::আপনি নিজেও তো মনে হয় উক্তি জমা দিচ্ছেন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৬:৩৫, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]], শেষ প্রশ্নটা কি মোবাশশিরকে করেছেন? ওনি পর্যালোচক দলে নেই, প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছে। :::::দ্বিতীয়ত, ওনার উত্তরটা সঠিক। সব নিবন্ধই পর্যালোচনা করা হবে; অনেক সময় আছে, তাই তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আপনি বেশি বেশি মানসম্মত পাতা তৈরি করে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যান। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::জ্বী মোবাশশিরকে করেছিলাম। ::::::ঠিক আছে ধন্যবাদ ভাই, অপেক্ষায় রইলাম। পর্যালোচনা করলে কাজের আগ্রহ বাড়ে, এই জন্য আপনাকে নক দিয়েছিলাম আর কি। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৭:১৮, ১৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :2000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-22362-67|&#126;2026-22362-67]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-22362-67|আলাপ]]) ২২:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ২ টা নিবন্ধ একই == [[নিউজিল্যান্ড]] ও [[নেদারল্যান্ডস]] একই নিবন্ধ হয়ে গেলো মনে হয় একটু দেখা অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী: Malihamoni| Malihamoni]], আপনি [[নেদারল্যান্ডস]] নিবন্ধে [[নিউজিল্যান্ড]]-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উক্তি লিখেছেন। অনুগ্রহপূর্বক [[নেদারল্যান্ডস]] পাতাটি পুরোপুরি খালি করে এখানে [[:en:Netherlands]] থেকে লেখা অনুবাদ করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩৭, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যবেক্ষণের আবেদন == প্রিয় প্রশাসক, চিহ্নিত করা সমস্যাগুলো সংশোধন করা হয়েছে । *[[শিমন পেরেজ]] *[[শার্লমাইন]] *[[সিঙ্গাপুর]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:২৪, ৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] শিমন পেরেজে সব লিংক যোগ করা হয়নি! একবার পুনঃপর্যালোচনার পর ত্রুটি থাকলে গ্রহণ করার সুযোগ নেই। তবুও আপনাকে এগুলো সব বাকি সব দ্রুত সংশোধনের সুযোগ দিচ্ছি। আপনার বিভিন্ন পাতায় অপরিশোধিত AI অনুবাদ, লিংক ঘাটতি সহ নানান ত্রুটি আছে। সবগুলো দ্রুত ঠিক করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩০, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সিঙ্গাপুরেও লিংক যুক্ত কতা হয়নি। উক্তিগুলো যাচাইযোগ্য নয়। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩২, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == লিন্ডন বি. জনসন == [[লিন্ডন বি. জনসন]] পাতাটিতে যেসব সংখ্যা রয়েছে তার অনেকগুলো ইংরেজিতে রয়েছে, বাংলা করা প্রয়োজন। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৩:০৬, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] অনেক ধন্যবাদ। ঠিক করা হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৪৮, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == অপসারণ কেনো? যুক্তি প্রয়োজন == ভাই, আপনি [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পাতাটিতে অপসারণের ট্যাগ লাগিয়েছেন। কিন্তু কারণ দেখতে পাচ্ছিনা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:৫৩, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]]: ও হ্যাঁ। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker]] অর্থাৎ, প্রণেতাই বলেছিল অপসারণ করতে। তার ভাষ্যমতে সে এই পাতায় কোনো সংশোধনই করতে পারেনি। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] পাতাটিকেও সে ডিলেট করে দিতে বলেছে। এগুলোতে সে যান্ত্রিকতা সংশোধনের সময় বা সুযোগ পায়নি। বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২০:৪৪, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমার মনে হয়, আন্তঃউইকি সংযোগ দিয়ে রাখা যেতে পারে; ভবিষ্যতে যদি কেউ সম্পাদনা করতে চায়; করতে পারবে। এগুলি তো ইংরেজি থেকেই অনুবাদ করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার বিষয় তো ভিন্ন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] রাখা যেতে পারে। তবে [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পুরোপুরি অপরিশোধিত পাতা। এটা অপসারণ করলেই ভালো হবে আমার মতে। বিশেষত প্রণেতাই যখন রাখতে চাচ্ছে না। db-author বিবেচনা করতে পারেন। :::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]]। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৬:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন == [[মারিয়া রেসা]] এবং [[শিমন পেরেজ]] পাতা গুলোতে চিহ্নিত ভূল গুলো সংশোধন করা হয়েছে। এবার গ্রহণ করতে পারেন। [[আপনার মেসেজ ছিল "তথ্যসূত্রগুলোতে লিংক যোগ করা হয়নি। দ্রুত ইংরেজি পাতা থেকে লিংকগুলো কপি করে বসিয়ে আমাকে জানান। তারপর গ্রহণ করে নিব।"]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১১:২৯, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] দুঃখিত। যান্ত্রিক হওয়ায় একটাও গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৭:৫৩, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে। আচ্ছা [[জন হার্ভে কেলোগ]] এই পাতাটিতে এত বড় অনুবাদ কিভাবে করেছে এবং কি কি উপায়ে আমি অনুবাদ করতে পারি। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৭:৫৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain]] -এর [[সুইডেন]] এবং [[ব্যবহারকারী: MD Sahib]] -এর [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] গৃহীত হয়েছে। ফলাফলে যোগ করে দিবেন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৭:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা সম্পর্কে == ছাকিব ভাই, শুভেচ্ছা নিবেন। আশা করি ভালো আছেন। আপনি দেখলাম, উক্তি প্রতিযোগিতা নিয়ে কাজ করছেন। দেখে ভালো লাগলো। ব্যস্ততার কারণে আমি এবারও আপনার সাথ দিতে পারছিনা সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি একটা বিশেষ দিকে নজর দেয়ার জন্য অনুরোধ করবো, যেটা আপনি ইতোমধ্যে নীতিমালায় যুক্ত করেছেন। কিন্তু গত বছরের প্রতিযোগিতায় অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড সূত্র দিয়ে পাতা তৈরি করা হয়েছিল ও গৃহীত হয়েছিল, যেগুলি আমি সময়ে সময়ে অপসারণ করছি ও করে যাচ্ছি। এমনকি, কিছুদিন আগে এর চেয়েও মারাত্মক বিষয় নজরে এসেছে, একজন অবদানকারীর সবগুলি অবদানই এআইয়ের ছিল, যেটা আলোচনাসভায় একজন ভিন্নভাষী দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আমি ১০টার মতো পাতা অপসারণ করি। বিষয়টা কীভাবে সুরাহা করা যায়, সেটার দিকে বিশেষ নজর দেয়ার অনুরোধ থাকবে। (এআইকে পুরোপুরি বাদ দেয়া যায় কিনা যে, এআই যুক্ত হলে পাতা অপসারিত হবে; বা এই ধরনের। কারণ, এআই অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড তথ্য যুক্ত করে। এমনকি আমি কয়েক দিন আগেও জেমিনাইয়ের লেটেস্ট প্রো সংস্করণ দিয়ে চেষ্টা করে দেখেছি। প্রথমে ঠিক থাকলেও হঠাৎ মিথ্যা তথ্য দেয়া শুরু করে, সেটাও খুবই পাণ্ডিত্যের সাথে। বিষয়টা নিয়ে কী করবো, আমি সময় করে ভাবতে পারিনি, কিন্তু আজকে আপনার কাজ দেখে মনে এলো। সেজন্য উল্লেখ করলাম।) আপনাকে আবারও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২২:০৩, ২২ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রতিযোগিতায় আপনাকে পেলে ভালো লাগতো, তবে ব্যক্তিগত ব্যস্ততার বিষয়টি বুঝতে পেরেছি। :আমি আপাতত আগের প্রতিযোগিতার পাতাগুলো কপি-পেস্ট করেছি। তবে সেগুলো ধাপে ধাপে সংশোধন ও হালনাগাদ করা হবে। গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে আপনার উদ্‌বেগ আমারও নজর এড়ায়নি। এআই ব্যবহারের নীতিমালা আরও কিছুটা কঠোর করার পরিকল্পনা আছে। তবে সহ-প্রকল্পে অনুবাদ সরঞ্জাম না থাকায় অনুবাদের ক্ষেত্রে এআই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সময় হয়তো এখনও আসেনি। :প্রাথমিকভাবে আমি যা ভাবছি: :* সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড উক্তি সরাসরি বাতিল করা হবে, সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে না। :* অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে :* তবে যদি পাতার কাঠামো ঠিকঠাক থাকে এবং কেবল যান্ত্রিকতা বা ছোটখাটো সমস্যা থাকে, তাহলে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। :শাস্তিমূলক দিক: :* ৩টি সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড পাতা হলে প্রতিযোগী সরাসরি অযোগ্য :* ৫টি ত্রুটিপূর্ণ/অপরিশোধিত এআই অনুবাদ হলে প্রতিযোগিকে একটি সতর্কতা সাপেক্ষে অযোগ্য ঘোষণা :* কাঠামো সঠিক, কিন্তু এআই-নির্ভর যান্ত্রিকতা থাকলে ৩ থেকে ৫টা সতর্কতার পর অযোগ্য ঘোষণা। :এটি আপাতত একটি খসড়া পরিকল্পনা। এ বিষয়ে আপনার কোনো পরামর্শ থাকলে জানানোর অনুরোধ রইল। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:৫৫, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ধন্যবাদ! আপনার চিন্তা ঠিক আছে, পুরোপুরি বাদ দেয়া সম্ভব না। আসলে আমিও এটাই ভাবছিলাম, কিন্তু কী করা যায়, সেটা নিয়ে বেশি সময় দেয়া হয়নি। আপনার এই চিন্তায় আমার সমর্থন থাকবে। আবারও ধন্যবাদ ভাই। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:০৮, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) == Khokon == [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20837-51|&#126;2026-20837-51]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20837-51|আলাপ]]) ১৩:২৩, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী নিম্নোক্ত নিবন্ধসমূহ সংশোধন করা হয়েছে, * [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] * [[উভকামিতা]] * [[সমকামী যৌন চর্চা]] [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৪:৫৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] [[ডেনিস রিচি]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৫:০১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == হুগো দ্য ভ্রিস পর্যালোচনা প্রসঙ্গে == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর নীতিমালা অনুসারে অন্তত ৩টি উক্তি থাকতে হবে। আপনি টুলফোর্জেও [[হুগো দ্য ভ্রিস]] এজন্যই গ্রহণ করেননি। তবে এখানে তো তাঁর সম্পর্কে ১টি উক্তি আছে। মোট ৩টি উক্তিই তো হয়। আর ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এই মোট ৩টিই ছিল। তাই অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন অথবা দ্বিমত/অসুবিধা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৬:৫৪, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আপনি কি এটি পুনঃপর্যালোচনা করেছেন? করে একটু জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩১, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এভাবে কাউকে বার বার মেনশন দেয়া হতে বিরত থাকুন। আপনি এত পূর্বেও একাধিক ব্যবহারকারীর আলাপ পাতায় ব্যবহারকারীকে একাধিক বার মেনসন করেছেন। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১২:১৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আপনি বার বার আমাকে বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। আপনি আমাকে একবার সতর্ক করেছেন, আমি আর কাউকে বার বার মেনশন করিনি। তবে আপনি আগের আলোচনাগুলোতে বার বার গিয়ে মেনশন করে সতর্ক বার্তা দিচ্ছেন। দেওয়ার আগে লক্ষ করুন মেনশন আমি কবে করেছিলাম এবং আপনার সতর্কতার পর আমি কাউকে মেনশন করছি কি-না। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাতে দুটো উক্তিই আছে। শুরুর ভূমিকাংশটা ব্যক্তির পরিচিত। এটা কোনও উক্তি না। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:২০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতে যতগুলো ছিল আমি ততগুলোই অনুবাদ করেছি। আমি আর কোথায় পাবো? — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এক্ষেত্রে কিছুই করার নেই। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা আছে ৩টা উক্তি থাকা বাধ্যতামূলক। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৪:২৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমি ইন্টারনেট থেকে সূত্রসহ আরো একটি উক্তি যুক্ত করেছি। অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ইন্টারনেট ঘেঁটে একটি উক্তি খুঁজে বের করুন ও সুত্রসহ যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০৩, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। যোগ করেছি — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[ই. ও. উইলসন]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:৩০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] এখনও যান্ত্রিক ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৫৯, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মোপলা বিদ্রোহ]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৬:১৪, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[শামছুল হুদা]] পৃষ্ঠার বিষয়ে == আসসালামু আলাইকুম ছাকিব ভাই, আশা করি ভালো আছেন। শামছুল হুদা পাঁচবাগী প্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব। তবে উইকিপিডিয়ায় তার নামে নিবন্ধ [[W:শামছুল হুদা পাঁচবাগী|শামছুল হুদা পাঁচবাগী]] নামে, শুধু শামছুল হুদা নামে নয়। আমি সেজন্য অপসারণ ট্যাগ সরিয়ে দিচ্ছি। এখানে কী করা যেতে পারে, যেহেতু প্রতিযোগিতা সংশ্লিষ্ট বিষয়; আপনি ভেবে দেখবেন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০৭, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। পাতাটিকে পুনর্দির্দেশ ছাড়াই [[শামছুল হুদা পাঁচবাগী]] নামে স্থানান্তর করা প্রয়োজন। আমার এই অধিকার না থাকায় আপনাকে করে দেওয়ার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:২৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] {{করা হয়েছে}}। ধন্যবাদ! ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০১:১৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা গ্রহণ বিষয়ে == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই, আমি [[স্নায়ুযুদ্ধ]] এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাদ্বয় যথা সাধ্য সংশোধনের চেষ্টা করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। দীর্ঘ নিবন্ধ হওয়ায় ভ্রান্তি থেকে যেত পারে। কোনো সংশোধনে র প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে আমাকে জানাবেন। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:২১, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) mwi3c617xvapsxwp26g4u8bmver41d1 81755 81663 2026-04-27T23:37:33Z Oindrojalik Watch 4169 81755 wikitext text/x-wiki == আন্তঃভাষা সংযোগ == টেমপ্লেট/মডিউল তৈরি করলে সেগুলোতে উইকিউপাত্ত সংযোগ দিয়ে দিয়ো। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ২১:৩৪, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == ঠিক করেছি! == [[সাওম]] এবং [[আগুন]] নিবন্ধ ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rifat008|আলাপ]]) ১২:৪৫, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == আবুবকর সিদ্দিক == [[আবুবকর সিদ্দিক]] উক্তি আরো যুক্ত করা হয়ছে এখম সম্ভব ১৫০ শব্দ হবে। যদি আবার একটু দেখতেন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:২৮, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]], গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == ১৫০ শব্দের অধিক করেছি == ' শকুনি ' পেজে উক্তি আরো যোগ করা হয়েছে এবং ১৫০ চেয়ে বেশি শব্দ হয়েছে। প্লিজ চেক করে পয়েন্ট এড করে দিয়েন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১০:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] "শকুনি সম্পর্কে উক্তি"টা <s>লার</s>কার উক্তি? উৎস প্রয়োজন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ২১:১৯, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন উক্ত সেকশানে লেখাটা কার বা কথা থেকে উল্লেখ করেছি? ::এমন হলে এটা আমি লিখেছি। নাকি উক্ত অংশ টি বাদ দিয়ে দিব? [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১১:৫০, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] কারো সম্পর্কে নিজের উক্তি যোগ করা যাবে না। বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি যোগ করতে হবে। এটা বাদ দিন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১১:৫২, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::::ও জানতাম না ।বাদ দিয়েছি। চেক করেন।।ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১৩:১৪, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ১৫০ শব্দ হয়নি। তাছাড়া উক্তির চেয়ে ভূমিকার আকার বেশি। আরও কয়েকটা উক্তি যোগ করুন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৫৩, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == জুলুম == [[জুলুম]] ভুক্তি আরও ৩ উক্তি যুক্ত করা হয়ছে, [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:১৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো খান আতাউর রহমান পৃষ্ঠায় কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি। অনুগ্রহ করে একবার দেখে নেবেন। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ১৩:৪৯, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] হ্যাঁ, ঠিকমতোই করেছেন। সংশোধনের জন্যে ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৬:২৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনাকেও ধন্যবাদ😁 [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৬:০৪, ১ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == পাতা তৈরি প্রসংঙ্গে == অনিতা আগ্নেহোত্রী পাতায় তো যোগ করা উক্তি ঠিক ছিলো। তবে কেনো আমাকে পয়েন্ট দেওয়া হলো না? [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৬:৪২, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] আপনি কেবল একটি উক্তি যোগ করেছেন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪|প্রতিযোগিতার নিয়ম]] অনুসারে কমপক্ষে তিনটি উক্তি এবং কমপক্ষে ১৫০ শব্দ থাকতে হবে প্রতিটি ভুক্তিতে। তাই গৃহীত হয়নি। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৪৯, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৯:৪০, ৫ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই == সুধী, আশা করি ভালো আছেন। রফিকুল ইসলাম (অধ্যাপক) পাতায় সংশোধনী আনা বলার জন্য ধন্যবাদ। আপনি যা উল্লেখ করেছিলেন "যেসব উক্তির উৎস নেই, সেগুলো যোগ করুন।" আমি মূলত ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই। তাই একই উৎস থেকে পর পর উক্তিগুলো দেওয়ার পর আমি প্রত্যেকটা শেষের উক্তিতে উৎস যোগ করেছিলাম। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৩:৫৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :bhai compition er rerult kobe diben [[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Rafiqul Islam Siyam334|আলাপ]]) ০৯:৩৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ধন্যবাদ। বুঝতে পেরেছি। ::@[[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]]: [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান|এই পাতায়]] শব্দগণনার কাজ শুরু হয়েছে। শব্দগণনা শেষ হলেই ফলাফল পেয়ে যাবেন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১০:৫৮, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == নারীবাণী ২০২৪ পদক == {| style="background-color: #fee5e5; border: 2px solid #754796;" |rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[File:Shesaid project Barnstar.png|100px|link=]] |style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em; color:#642882;" | '''#নারীবাণী পদক |- |style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | '''সুপ্রিয় MS Sakib!,<br>''' '''[[উইকিউক্তি:নারীবাণী|<nowiki>#</nowiki>নারীবাণী ২০২৪]]''' প্রকল্পে অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! এই প্রকল্পে আপনি ৩টি নতুন ভুক্তি তৈরি করেছেন। প্রকল্পে অংশ নিয়ে নতুন ভুক্তি তৈরির জন্য আপনাকে এই পদক প্রদান করা হয়েছে। আশা করি, আপনার আগামীর যাত্রা শুভ হোক, আরো সাফল্যমণ্ডিত হোক।'''</br></br>শুভেচ্ছান্তে, </br> নারীবাণী আয়োজকবৃন্দ''' |} == উক্তি জমা দিয়েছি দেখেন == ভাই আমি উক্তি পেজ জমা দিয়েছি , আমার পরে যারা জমা দিয়েছে সেগুলো এপ্রুভ হচ্ছে কিন্তু আমারটা এখনো পেন্ডিং পরে আছে। একটু দেখবেন প্লিজ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৫:৫৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :অপেক্ষা করুন, আপনার ভুক্তি পর্যালোচনা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৬:৫৬, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে ভাই, ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] আরেকটা ব্যাপার সেটা হলো ফলাফল ৭ই মের পরে দিবে আর প্রতিযোগিতা ৭ই মে পর্যন্ত থাকবে। তাই তাড়াহুড়ার কিছুই নাই। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৪:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আপনি কি পর্যালোচনা কমিটিতে আছেন? ::::আপনি নিজেও তো মনে হয় উক্তি জমা দিচ্ছেন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৬:৩৫, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]], শেষ প্রশ্নটা কি মোবাশশিরকে করেছেন? ওনি পর্যালোচক দলে নেই, প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছে। :::::দ্বিতীয়ত, ওনার উত্তরটা সঠিক। সব নিবন্ধই পর্যালোচনা করা হবে; অনেক সময় আছে, তাই তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আপনি বেশি বেশি মানসম্মত পাতা তৈরি করে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যান। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::জ্বী মোবাশশিরকে করেছিলাম। ::::::ঠিক আছে ধন্যবাদ ভাই, অপেক্ষায় রইলাম। পর্যালোচনা করলে কাজের আগ্রহ বাড়ে, এই জন্য আপনাকে নক দিয়েছিলাম আর কি। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৭:১৮, ১৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :2000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-22362-67|&#126;2026-22362-67]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-22362-67|আলাপ]]) ২২:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ২ টা নিবন্ধ একই == [[নিউজিল্যান্ড]] ও [[নেদারল্যান্ডস]] একই নিবন্ধ হয়ে গেলো মনে হয় একটু দেখা অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী: Malihamoni| Malihamoni]], আপনি [[নেদারল্যান্ডস]] নিবন্ধে [[নিউজিল্যান্ড]]-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উক্তি লিখেছেন। অনুগ্রহপূর্বক [[নেদারল্যান্ডস]] পাতাটি পুরোপুরি খালি করে এখানে [[:en:Netherlands]] থেকে লেখা অনুবাদ করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩৭, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যবেক্ষণের আবেদন == প্রিয় প্রশাসক, চিহ্নিত করা সমস্যাগুলো সংশোধন করা হয়েছে । *[[শিমন পেরেজ]] *[[শার্লমাইন]] *[[সিঙ্গাপুর]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:২৪, ৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] শিমন পেরেজে সব লিংক যোগ করা হয়নি! একবার পুনঃপর্যালোচনার পর ত্রুটি থাকলে গ্রহণ করার সুযোগ নেই। তবুও আপনাকে এগুলো সব বাকি সব দ্রুত সংশোধনের সুযোগ দিচ্ছি। আপনার বিভিন্ন পাতায় অপরিশোধিত AI অনুবাদ, লিংক ঘাটতি সহ নানান ত্রুটি আছে। সবগুলো দ্রুত ঠিক করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩০, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সিঙ্গাপুরেও লিংক যুক্ত কতা হয়নি। উক্তিগুলো যাচাইযোগ্য নয়। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩২, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == লিন্ডন বি. জনসন == [[লিন্ডন বি. জনসন]] পাতাটিতে যেসব সংখ্যা রয়েছে তার অনেকগুলো ইংরেজিতে রয়েছে, বাংলা করা প্রয়োজন। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৩:০৬, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] অনেক ধন্যবাদ। ঠিক করা হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৪৮, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == অপসারণ কেনো? যুক্তি প্রয়োজন == ভাই, আপনি [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পাতাটিতে অপসারণের ট্যাগ লাগিয়েছেন। কিন্তু কারণ দেখতে পাচ্ছিনা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:৫৩, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]]: ও হ্যাঁ। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker]] অর্থাৎ, প্রণেতাই বলেছিল অপসারণ করতে। তার ভাষ্যমতে সে এই পাতায় কোনো সংশোধনই করতে পারেনি। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] পাতাটিকেও সে ডিলেট করে দিতে বলেছে। এগুলোতে সে যান্ত্রিকতা সংশোধনের সময় বা সুযোগ পায়নি। বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২০:৪৪, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমার মনে হয়, আন্তঃউইকি সংযোগ দিয়ে রাখা যেতে পারে; ভবিষ্যতে যদি কেউ সম্পাদনা করতে চায়; করতে পারবে। এগুলি তো ইংরেজি থেকেই অনুবাদ করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার বিষয় তো ভিন্ন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] রাখা যেতে পারে। তবে [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পুরোপুরি অপরিশোধিত পাতা। এটা অপসারণ করলেই ভালো হবে আমার মতে। বিশেষত প্রণেতাই যখন রাখতে চাচ্ছে না। db-author বিবেচনা করতে পারেন। :::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]]। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৬:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন == [[মারিয়া রেসা]] এবং [[শিমন পেরেজ]] পাতা গুলোতে চিহ্নিত ভূল গুলো সংশোধন করা হয়েছে। এবার গ্রহণ করতে পারেন। [[আপনার মেসেজ ছিল "তথ্যসূত্রগুলোতে লিংক যোগ করা হয়নি। দ্রুত ইংরেজি পাতা থেকে লিংকগুলো কপি করে বসিয়ে আমাকে জানান। তারপর গ্রহণ করে নিব।"]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১১:২৯, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] দুঃখিত। যান্ত্রিক হওয়ায় একটাও গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৭:৫৩, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে। আচ্ছা [[জন হার্ভে কেলোগ]] এই পাতাটিতে এত বড় অনুবাদ কিভাবে করেছে এবং কি কি উপায়ে আমি অনুবাদ করতে পারি। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৭:৫৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain]] -এর [[সুইডেন]] এবং [[ব্যবহারকারী: MD Sahib]] -এর [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] গৃহীত হয়েছে। ফলাফলে যোগ করে দিবেন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৭:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা সম্পর্কে == ছাকিব ভাই, শুভেচ্ছা নিবেন। আশা করি ভালো আছেন। আপনি দেখলাম, উক্তি প্রতিযোগিতা নিয়ে কাজ করছেন। দেখে ভালো লাগলো। ব্যস্ততার কারণে আমি এবারও আপনার সাথ দিতে পারছিনা সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি একটা বিশেষ দিকে নজর দেয়ার জন্য অনুরোধ করবো, যেটা আপনি ইতোমধ্যে নীতিমালায় যুক্ত করেছেন। কিন্তু গত বছরের প্রতিযোগিতায় অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড সূত্র দিয়ে পাতা তৈরি করা হয়েছিল ও গৃহীত হয়েছিল, যেগুলি আমি সময়ে সময়ে অপসারণ করছি ও করে যাচ্ছি। এমনকি, কিছুদিন আগে এর চেয়েও মারাত্মক বিষয় নজরে এসেছে, একজন অবদানকারীর সবগুলি অবদানই এআইয়ের ছিল, যেটা আলোচনাসভায় একজন ভিন্নভাষী দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আমি ১০টার মতো পাতা অপসারণ করি। বিষয়টা কীভাবে সুরাহা করা যায়, সেটার দিকে বিশেষ নজর দেয়ার অনুরোধ থাকবে। (এআইকে পুরোপুরি বাদ দেয়া যায় কিনা যে, এআই যুক্ত হলে পাতা অপসারিত হবে; বা এই ধরনের। কারণ, এআই অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড তথ্য যুক্ত করে। এমনকি আমি কয়েক দিন আগেও জেমিনাইয়ের লেটেস্ট প্রো সংস্করণ দিয়ে চেষ্টা করে দেখেছি। প্রথমে ঠিক থাকলেও হঠাৎ মিথ্যা তথ্য দেয়া শুরু করে, সেটাও খুবই পাণ্ডিত্যের সাথে। বিষয়টা নিয়ে কী করবো, আমি সময় করে ভাবতে পারিনি, কিন্তু আজকে আপনার কাজ দেখে মনে এলো। সেজন্য উল্লেখ করলাম।) আপনাকে আবারও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২২:০৩, ২২ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রতিযোগিতায় আপনাকে পেলে ভালো লাগতো, তবে ব্যক্তিগত ব্যস্ততার বিষয়টি বুঝতে পেরেছি। :আমি আপাতত আগের প্রতিযোগিতার পাতাগুলো কপি-পেস্ট করেছি। তবে সেগুলো ধাপে ধাপে সংশোধন ও হালনাগাদ করা হবে। গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে আপনার উদ্‌বেগ আমারও নজর এড়ায়নি। এআই ব্যবহারের নীতিমালা আরও কিছুটা কঠোর করার পরিকল্পনা আছে। তবে সহ-প্রকল্পে অনুবাদ সরঞ্জাম না থাকায় অনুবাদের ক্ষেত্রে এআই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সময় হয়তো এখনও আসেনি। :প্রাথমিকভাবে আমি যা ভাবছি: :* সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড উক্তি সরাসরি বাতিল করা হবে, সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে না। :* অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে :* তবে যদি পাতার কাঠামো ঠিকঠাক থাকে এবং কেবল যান্ত্রিকতা বা ছোটখাটো সমস্যা থাকে, তাহলে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। :শাস্তিমূলক দিক: :* ৩টি সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড পাতা হলে প্রতিযোগী সরাসরি অযোগ্য :* ৫টি ত্রুটিপূর্ণ/অপরিশোধিত এআই অনুবাদ হলে প্রতিযোগিকে একটি সতর্কতা সাপেক্ষে অযোগ্য ঘোষণা :* কাঠামো সঠিক, কিন্তু এআই-নির্ভর যান্ত্রিকতা থাকলে ৩ থেকে ৫টা সতর্কতার পর অযোগ্য ঘোষণা। :এটি আপাতত একটি খসড়া পরিকল্পনা। এ বিষয়ে আপনার কোনো পরামর্শ থাকলে জানানোর অনুরোধ রইল। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:৫৫, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ধন্যবাদ! আপনার চিন্তা ঠিক আছে, পুরোপুরি বাদ দেয়া সম্ভব না। আসলে আমিও এটাই ভাবছিলাম, কিন্তু কী করা যায়, সেটা নিয়ে বেশি সময় দেয়া হয়নি। আপনার এই চিন্তায় আমার সমর্থন থাকবে। আবারও ধন্যবাদ ভাই। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:০৮, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) == Khokon == [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20837-51|&#126;2026-20837-51]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20837-51|আলাপ]]) ১৩:২৩, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী নিম্নোক্ত নিবন্ধসমূহ সংশোধন করা হয়েছে, * [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] * [[উভকামিতা]] * [[সমকামী যৌন চর্চা]] [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৪:৫৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] [[ডেনিস রিচি]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৫:০১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == হুগো দ্য ভ্রিস পর্যালোচনা প্রসঙ্গে == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর নীতিমালা অনুসারে অন্তত ৩টি উক্তি থাকতে হবে। আপনি টুলফোর্জেও [[হুগো দ্য ভ্রিস]] এজন্যই গ্রহণ করেননি। তবে এখানে তো তাঁর সম্পর্কে ১টি উক্তি আছে। মোট ৩টি উক্তিই তো হয়। আর ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এই মোট ৩টিই ছিল। তাই অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন অথবা দ্বিমত/অসুবিধা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৬:৫৪, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আপনি কি এটি পুনঃপর্যালোচনা করেছেন? করে একটু জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩১, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এভাবে কাউকে বার বার মেনশন দেয়া হতে বিরত থাকুন। আপনি এত পূর্বেও একাধিক ব্যবহারকারীর আলাপ পাতায় ব্যবহারকারীকে একাধিক বার মেনসন করেছেন। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১২:১৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আপনি বার বার আমাকে বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। আপনি আমাকে একবার সতর্ক করেছেন, আমি আর কাউকে বার বার মেনশন করিনি। তবে আপনি আগের আলোচনাগুলোতে বার বার গিয়ে মেনশন করে সতর্ক বার্তা দিচ্ছেন। দেওয়ার আগে লক্ষ করুন মেনশন আমি কবে করেছিলাম এবং আপনার সতর্কতার পর আমি কাউকে মেনশন করছি কি-না। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাতে দুটো উক্তিই আছে। শুরুর ভূমিকাংশটা ব্যক্তির পরিচিত। এটা কোনও উক্তি না। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:২০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতে যতগুলো ছিল আমি ততগুলোই অনুবাদ করেছি। আমি আর কোথায় পাবো? — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এক্ষেত্রে কিছুই করার নেই। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা আছে ৩টা উক্তি থাকা বাধ্যতামূলক। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৪:২৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমি ইন্টারনেট থেকে সূত্রসহ আরো একটি উক্তি যুক্ত করেছি। অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ইন্টারনেট ঘেঁটে একটি উক্তি খুঁজে বের করুন ও সুত্রসহ যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০৩, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। যোগ করেছি — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[ই. ও. উইলসন]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:৩০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] এখনও যান্ত্রিক ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৫৯, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মোপলা বিদ্রোহ]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৬:১৪, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[শামছুল হুদা]] পৃষ্ঠার বিষয়ে == আসসালামু আলাইকুম ছাকিব ভাই, আশা করি ভালো আছেন। শামছুল হুদা পাঁচবাগী প্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব। তবে উইকিপিডিয়ায় তার নামে নিবন্ধ [[W:শামছুল হুদা পাঁচবাগী|শামছুল হুদা পাঁচবাগী]] নামে, শুধু শামছুল হুদা নামে নয়। আমি সেজন্য অপসারণ ট্যাগ সরিয়ে দিচ্ছি। এখানে কী করা যেতে পারে, যেহেতু প্রতিযোগিতা সংশ্লিষ্ট বিষয়; আপনি ভেবে দেখবেন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০৭, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। পাতাটিকে পুনর্দির্দেশ ছাড়াই [[শামছুল হুদা পাঁচবাগী]] নামে স্থানান্তর করা প্রয়োজন। আমার এই অধিকার না থাকায় আপনাকে করে দেওয়ার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:২৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] {{করা হয়েছে}}। ধন্যবাদ! ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০১:১৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) hy3xt0e5lrri4a6hrrlmg9m6pxnjkek 81758 81755 2026-04-27T23:43:49Z Oindrojalik Watch 4169 /* স্নায়ুযুদ্ধ */ নতুন অনুচ্ছেদ 81758 wikitext text/x-wiki == আন্তঃভাষা সংযোগ == টেমপ্লেট/মডিউল তৈরি করলে সেগুলোতে উইকিউপাত্ত সংযোগ দিয়ে দিয়ো। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ২১:৩৪, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == ঠিক করেছি! == [[সাওম]] এবং [[আগুন]] নিবন্ধ ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rifat008|আলাপ]]) ১২:৪৫, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == আবুবকর সিদ্দিক == [[আবুবকর সিদ্দিক]] উক্তি আরো যুক্ত করা হয়ছে এখম সম্ভব ১৫০ শব্দ হবে। যদি আবার একটু দেখতেন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:২৮, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]], গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == ১৫০ শব্দের অধিক করেছি == ' শকুনি ' পেজে উক্তি আরো যোগ করা হয়েছে এবং ১৫০ চেয়ে বেশি শব্দ হয়েছে। প্লিজ চেক করে পয়েন্ট এড করে দিয়েন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১০:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] "শকুনি সম্পর্কে উক্তি"টা <s>লার</s>কার উক্তি? উৎস প্রয়োজন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ২১:১৯, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন উক্ত সেকশানে লেখাটা কার বা কথা থেকে উল্লেখ করেছি? ::এমন হলে এটা আমি লিখেছি। নাকি উক্ত অংশ টি বাদ দিয়ে দিব? [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১১:৫০, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] কারো সম্পর্কে নিজের উক্তি যোগ করা যাবে না। বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি যোগ করতে হবে। এটা বাদ দিন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১১:৫২, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::::ও জানতাম না ।বাদ দিয়েছি। চেক করেন।।ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১৩:১৪, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ১৫০ শব্দ হয়নি। তাছাড়া উক্তির চেয়ে ভূমিকার আকার বেশি। আরও কয়েকটা উক্তি যোগ করুন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৫৩, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == জুলুম == [[জুলুম]] ভুক্তি আরও ৩ উক্তি যুক্ত করা হয়ছে, [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:১৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো খান আতাউর রহমান পৃষ্ঠায় কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি। অনুগ্রহ করে একবার দেখে নেবেন। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ১৩:৪৯, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] হ্যাঁ, ঠিকমতোই করেছেন। সংশোধনের জন্যে ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৬:২৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনাকেও ধন্যবাদ😁 [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৬:০৪, ১ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == পাতা তৈরি প্রসংঙ্গে == অনিতা আগ্নেহোত্রী পাতায় তো যোগ করা উক্তি ঠিক ছিলো। তবে কেনো আমাকে পয়েন্ট দেওয়া হলো না? [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৬:৪২, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] আপনি কেবল একটি উক্তি যোগ করেছেন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪|প্রতিযোগিতার নিয়ম]] অনুসারে কমপক্ষে তিনটি উক্তি এবং কমপক্ষে ১৫০ শব্দ থাকতে হবে প্রতিটি ভুক্তিতে। তাই গৃহীত হয়নি। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৪৯, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৯:৪০, ৫ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই == সুধী, আশা করি ভালো আছেন। রফিকুল ইসলাম (অধ্যাপক) পাতায় সংশোধনী আনা বলার জন্য ধন্যবাদ। আপনি যা উল্লেখ করেছিলেন "যেসব উক্তির উৎস নেই, সেগুলো যোগ করুন।" আমি মূলত ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই। তাই একই উৎস থেকে পর পর উক্তিগুলো দেওয়ার পর আমি প্রত্যেকটা শেষের উক্তিতে উৎস যোগ করেছিলাম। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৩:৫৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :bhai compition er rerult kobe diben [[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Rafiqul Islam Siyam334|আলাপ]]) ০৯:৩৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ধন্যবাদ। বুঝতে পেরেছি। ::@[[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]]: [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান|এই পাতায়]] শব্দগণনার কাজ শুরু হয়েছে। শব্দগণনা শেষ হলেই ফলাফল পেয়ে যাবেন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১০:৫৮, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == নারীবাণী ২০২৪ পদক == {| style="background-color: #fee5e5; border: 2px solid #754796;" |rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[File:Shesaid project Barnstar.png|100px|link=]] |style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em; color:#642882;" | '''#নারীবাণী পদক |- |style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | '''সুপ্রিয় MS Sakib!,<br>''' '''[[উইকিউক্তি:নারীবাণী|<nowiki>#</nowiki>নারীবাণী ২০২৪]]''' প্রকল্পে অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! এই প্রকল্পে আপনি ৩টি নতুন ভুক্তি তৈরি করেছেন। প্রকল্পে অংশ নিয়ে নতুন ভুক্তি তৈরির জন্য আপনাকে এই পদক প্রদান করা হয়েছে। আশা করি, আপনার আগামীর যাত্রা শুভ হোক, আরো সাফল্যমণ্ডিত হোক।'''</br></br>শুভেচ্ছান্তে, </br> নারীবাণী আয়োজকবৃন্দ''' |} == উক্তি জমা দিয়েছি দেখেন == ভাই আমি উক্তি পেজ জমা দিয়েছি , আমার পরে যারা জমা দিয়েছে সেগুলো এপ্রুভ হচ্ছে কিন্তু আমারটা এখনো পেন্ডিং পরে আছে। একটু দেখবেন প্লিজ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৫:৫৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :অপেক্ষা করুন, আপনার ভুক্তি পর্যালোচনা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৬:৫৬, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে ভাই, ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] আরেকটা ব্যাপার সেটা হলো ফলাফল ৭ই মের পরে দিবে আর প্রতিযোগিতা ৭ই মে পর্যন্ত থাকবে। তাই তাড়াহুড়ার কিছুই নাই। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৪:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আপনি কি পর্যালোচনা কমিটিতে আছেন? ::::আপনি নিজেও তো মনে হয় উক্তি জমা দিচ্ছেন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৬:৩৫, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]], শেষ প্রশ্নটা কি মোবাশশিরকে করেছেন? ওনি পর্যালোচক দলে নেই, প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছে। :::::দ্বিতীয়ত, ওনার উত্তরটা সঠিক। সব নিবন্ধই পর্যালোচনা করা হবে; অনেক সময় আছে, তাই তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আপনি বেশি বেশি মানসম্মত পাতা তৈরি করে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যান। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::জ্বী মোবাশশিরকে করেছিলাম। ::::::ঠিক আছে ধন্যবাদ ভাই, অপেক্ষায় রইলাম। পর্যালোচনা করলে কাজের আগ্রহ বাড়ে, এই জন্য আপনাকে নক দিয়েছিলাম আর কি। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৭:১৮, ১৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :2000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-22362-67|&#126;2026-22362-67]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-22362-67|আলাপ]]) ২২:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ২ টা নিবন্ধ একই == [[নিউজিল্যান্ড]] ও [[নেদারল্যান্ডস]] একই নিবন্ধ হয়ে গেলো মনে হয় একটু দেখা অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী: Malihamoni| Malihamoni]], আপনি [[নেদারল্যান্ডস]] নিবন্ধে [[নিউজিল্যান্ড]]-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উক্তি লিখেছেন। অনুগ্রহপূর্বক [[নেদারল্যান্ডস]] পাতাটি পুরোপুরি খালি করে এখানে [[:en:Netherlands]] থেকে লেখা অনুবাদ করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩৭, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যবেক্ষণের আবেদন == প্রিয় প্রশাসক, চিহ্নিত করা সমস্যাগুলো সংশোধন করা হয়েছে । *[[শিমন পেরেজ]] *[[শার্লমাইন]] *[[সিঙ্গাপুর]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:২৪, ৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] শিমন পেরেজে সব লিংক যোগ করা হয়নি! একবার পুনঃপর্যালোচনার পর ত্রুটি থাকলে গ্রহণ করার সুযোগ নেই। তবুও আপনাকে এগুলো সব বাকি সব দ্রুত সংশোধনের সুযোগ দিচ্ছি। আপনার বিভিন্ন পাতায় অপরিশোধিত AI অনুবাদ, লিংক ঘাটতি সহ নানান ত্রুটি আছে। সবগুলো দ্রুত ঠিক করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩০, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সিঙ্গাপুরেও লিংক যুক্ত কতা হয়নি। উক্তিগুলো যাচাইযোগ্য নয়। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩২, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == লিন্ডন বি. জনসন == [[লিন্ডন বি. জনসন]] পাতাটিতে যেসব সংখ্যা রয়েছে তার অনেকগুলো ইংরেজিতে রয়েছে, বাংলা করা প্রয়োজন। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৩:০৬, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] অনেক ধন্যবাদ। ঠিক করা হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৪৮, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == অপসারণ কেনো? যুক্তি প্রয়োজন == ভাই, আপনি [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পাতাটিতে অপসারণের ট্যাগ লাগিয়েছেন। কিন্তু কারণ দেখতে পাচ্ছিনা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:৫৩, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]]: ও হ্যাঁ। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker]] অর্থাৎ, প্রণেতাই বলেছিল অপসারণ করতে। তার ভাষ্যমতে সে এই পাতায় কোনো সংশোধনই করতে পারেনি। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] পাতাটিকেও সে ডিলেট করে দিতে বলেছে। এগুলোতে সে যান্ত্রিকতা সংশোধনের সময় বা সুযোগ পায়নি। বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২০:৪৪, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমার মনে হয়, আন্তঃউইকি সংযোগ দিয়ে রাখা যেতে পারে; ভবিষ্যতে যদি কেউ সম্পাদনা করতে চায়; করতে পারবে। এগুলি তো ইংরেজি থেকেই অনুবাদ করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার বিষয় তো ভিন্ন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] রাখা যেতে পারে। তবে [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পুরোপুরি অপরিশোধিত পাতা। এটা অপসারণ করলেই ভালো হবে আমার মতে। বিশেষত প্রণেতাই যখন রাখতে চাচ্ছে না। db-author বিবেচনা করতে পারেন। :::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]]। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৬:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন == [[মারিয়া রেসা]] এবং [[শিমন পেরেজ]] পাতা গুলোতে চিহ্নিত ভূল গুলো সংশোধন করা হয়েছে। এবার গ্রহণ করতে পারেন। [[আপনার মেসেজ ছিল "তথ্যসূত্রগুলোতে লিংক যোগ করা হয়নি। দ্রুত ইংরেজি পাতা থেকে লিংকগুলো কপি করে বসিয়ে আমাকে জানান। তারপর গ্রহণ করে নিব।"]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১১:২৯, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] দুঃখিত। যান্ত্রিক হওয়ায় একটাও গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৭:৫৩, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে। আচ্ছা [[জন হার্ভে কেলোগ]] এই পাতাটিতে এত বড় অনুবাদ কিভাবে করেছে এবং কি কি উপায়ে আমি অনুবাদ করতে পারি। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৭:৫৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain]] -এর [[সুইডেন]] এবং [[ব্যবহারকারী: MD Sahib]] -এর [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] গৃহীত হয়েছে। ফলাফলে যোগ করে দিবেন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৭:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা সম্পর্কে == ছাকিব ভাই, শুভেচ্ছা নিবেন। আশা করি ভালো আছেন। আপনি দেখলাম, উক্তি প্রতিযোগিতা নিয়ে কাজ করছেন। দেখে ভালো লাগলো। ব্যস্ততার কারণে আমি এবারও আপনার সাথ দিতে পারছিনা সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি একটা বিশেষ দিকে নজর দেয়ার জন্য অনুরোধ করবো, যেটা আপনি ইতোমধ্যে নীতিমালায় যুক্ত করেছেন। কিন্তু গত বছরের প্রতিযোগিতায় অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড সূত্র দিয়ে পাতা তৈরি করা হয়েছিল ও গৃহীত হয়েছিল, যেগুলি আমি সময়ে সময়ে অপসারণ করছি ও করে যাচ্ছি। এমনকি, কিছুদিন আগে এর চেয়েও মারাত্মক বিষয় নজরে এসেছে, একজন অবদানকারীর সবগুলি অবদানই এআইয়ের ছিল, যেটা আলোচনাসভায় একজন ভিন্নভাষী দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আমি ১০টার মতো পাতা অপসারণ করি। বিষয়টা কীভাবে সুরাহা করা যায়, সেটার দিকে বিশেষ নজর দেয়ার অনুরোধ থাকবে। (এআইকে পুরোপুরি বাদ দেয়া যায় কিনা যে, এআই যুক্ত হলে পাতা অপসারিত হবে; বা এই ধরনের। কারণ, এআই অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড তথ্য যুক্ত করে। এমনকি আমি কয়েক দিন আগেও জেমিনাইয়ের লেটেস্ট প্রো সংস্করণ দিয়ে চেষ্টা করে দেখেছি। প্রথমে ঠিক থাকলেও হঠাৎ মিথ্যা তথ্য দেয়া শুরু করে, সেটাও খুবই পাণ্ডিত্যের সাথে। বিষয়টা নিয়ে কী করবো, আমি সময় করে ভাবতে পারিনি, কিন্তু আজকে আপনার কাজ দেখে মনে এলো। সেজন্য উল্লেখ করলাম।) আপনাকে আবারও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২২:০৩, ২২ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রতিযোগিতায় আপনাকে পেলে ভালো লাগতো, তবে ব্যক্তিগত ব্যস্ততার বিষয়টি বুঝতে পেরেছি। :আমি আপাতত আগের প্রতিযোগিতার পাতাগুলো কপি-পেস্ট করেছি। তবে সেগুলো ধাপে ধাপে সংশোধন ও হালনাগাদ করা হবে। গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে আপনার উদ্‌বেগ আমারও নজর এড়ায়নি। এআই ব্যবহারের নীতিমালা আরও কিছুটা কঠোর করার পরিকল্পনা আছে। তবে সহ-প্রকল্পে অনুবাদ সরঞ্জাম না থাকায় অনুবাদের ক্ষেত্রে এআই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সময় হয়তো এখনও আসেনি। :প্রাথমিকভাবে আমি যা ভাবছি: :* সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড উক্তি সরাসরি বাতিল করা হবে, সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে না। :* অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে :* তবে যদি পাতার কাঠামো ঠিকঠাক থাকে এবং কেবল যান্ত্রিকতা বা ছোটখাটো সমস্যা থাকে, তাহলে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। :শাস্তিমূলক দিক: :* ৩টি সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড পাতা হলে প্রতিযোগী সরাসরি অযোগ্য :* ৫টি ত্রুটিপূর্ণ/অপরিশোধিত এআই অনুবাদ হলে প্রতিযোগিকে একটি সতর্কতা সাপেক্ষে অযোগ্য ঘোষণা :* কাঠামো সঠিক, কিন্তু এআই-নির্ভর যান্ত্রিকতা থাকলে ৩ থেকে ৫টা সতর্কতার পর অযোগ্য ঘোষণা। :এটি আপাতত একটি খসড়া পরিকল্পনা। এ বিষয়ে আপনার কোনো পরামর্শ থাকলে জানানোর অনুরোধ রইল। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:৫৫, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ধন্যবাদ! আপনার চিন্তা ঠিক আছে, পুরোপুরি বাদ দেয়া সম্ভব না। আসলে আমিও এটাই ভাবছিলাম, কিন্তু কী করা যায়, সেটা নিয়ে বেশি সময় দেয়া হয়নি। আপনার এই চিন্তায় আমার সমর্থন থাকবে। আবারও ধন্যবাদ ভাই। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:০৮, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) == Khokon == [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20837-51|&#126;2026-20837-51]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20837-51|আলাপ]]) ১৩:২৩, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী নিম্নোক্ত নিবন্ধসমূহ সংশোধন করা হয়েছে, * [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] * [[উভকামিতা]] * [[সমকামী যৌন চর্চা]] [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৪:৫৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] [[ডেনিস রিচি]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৫:০১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == হুগো দ্য ভ্রিস পর্যালোচনা প্রসঙ্গে == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর নীতিমালা অনুসারে অন্তত ৩টি উক্তি থাকতে হবে। আপনি টুলফোর্জেও [[হুগো দ্য ভ্রিস]] এজন্যই গ্রহণ করেননি। তবে এখানে তো তাঁর সম্পর্কে ১টি উক্তি আছে। মোট ৩টি উক্তিই তো হয়। আর ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এই মোট ৩টিই ছিল। তাই অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন অথবা দ্বিমত/অসুবিধা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৬:৫৪, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আপনি কি এটি পুনঃপর্যালোচনা করেছেন? করে একটু জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩১, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এভাবে কাউকে বার বার মেনশন দেয়া হতে বিরত থাকুন। আপনি এত পূর্বেও একাধিক ব্যবহারকারীর আলাপ পাতায় ব্যবহারকারীকে একাধিক বার মেনসন করেছেন। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১২:১৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আপনি বার বার আমাকে বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। আপনি আমাকে একবার সতর্ক করেছেন, আমি আর কাউকে বার বার মেনশন করিনি। তবে আপনি আগের আলোচনাগুলোতে বার বার গিয়ে মেনশন করে সতর্ক বার্তা দিচ্ছেন। দেওয়ার আগে লক্ষ করুন মেনশন আমি কবে করেছিলাম এবং আপনার সতর্কতার পর আমি কাউকে মেনশন করছি কি-না। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাতে দুটো উক্তিই আছে। শুরুর ভূমিকাংশটা ব্যক্তির পরিচিত। এটা কোনও উক্তি না। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:২০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতে যতগুলো ছিল আমি ততগুলোই অনুবাদ করেছি। আমি আর কোথায় পাবো? — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এক্ষেত্রে কিছুই করার নেই। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা আছে ৩টা উক্তি থাকা বাধ্যতামূলক। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৪:২৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমি ইন্টারনেট থেকে সূত্রসহ আরো একটি উক্তি যুক্ত করেছি। অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ইন্টারনেট ঘেঁটে একটি উক্তি খুঁজে বের করুন ও সুত্রসহ যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০৩, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। যোগ করেছি — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[ই. ও. উইলসন]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:৩০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] এখনও যান্ত্রিক ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৫৯, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মোপলা বিদ্রোহ]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৬:১৪, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[শামছুল হুদা]] পৃষ্ঠার বিষয়ে == আসসালামু আলাইকুম ছাকিব ভাই, আশা করি ভালো আছেন। শামছুল হুদা পাঁচবাগী প্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব। তবে উইকিপিডিয়ায় তার নামে নিবন্ধ [[W:শামছুল হুদা পাঁচবাগী|শামছুল হুদা পাঁচবাগী]] নামে, শুধু শামছুল হুদা নামে নয়। আমি সেজন্য অপসারণ ট্যাগ সরিয়ে দিচ্ছি। এখানে কী করা যেতে পারে, যেহেতু প্রতিযোগিতা সংশ্লিষ্ট বিষয়; আপনি ভেবে দেখবেন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০৭, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। পাতাটিকে পুনর্দির্দেশ ছাড়াই [[শামছুল হুদা পাঁচবাগী]] নামে স্থানান্তর করা প্রয়োজন। আমার এই অধিকার না থাকায় আপনাকে করে দেওয়ার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:২৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] {{করা হয়েছে}}। ধন্যবাদ! ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০১:১৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[স্নায়ুযুদ্ধ]] == আসসালামু আলাইকুম @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই, আমি [[স্নায়ুযুদ্ধ]] পাতাটি যথা সাধ্য সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। দীর্ঘ নিবন্ধ হওয়ায় ভ্রান্তি থেকে যেত পারে। কোনো সংশোধনে র প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে আমাকে জানাবেন। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 0mb9grs6rpdcp2ca5s9dngl1m3ei8rn ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin 3 768 81783 78644 2026-04-28T02:25:10Z ARI 356 /* সীতা রাম গোয়েল */ নতুন অনুচ্ছেদ 81783 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == সুপ্রিয়, Mehediabedin, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! —[[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:৫৯, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == কারাগার পাতা সম্পর্কে == মেহেদী ভাই, আপনার কাজ সুন্দর ছিল। নিচে চরিত্র নামে অনুচ্ছেদ যুক্ত করে দিয়েছি। কে কে অভিনয় করেছে যুক্ত করে দিয়েন। আর আরও কয়েকটা উক্তি যোগ কইরেন ও পাশাপাশি কপিরাইটের বিষয়টাও মাথায় রাইখেন। আমি এটাকে উল্লেখযোগ্য পাতায় যুক্ত করার চিন্তা করছি। ‍~ {{পতাকা আইকন চিত্র|BarbarosSancagi.svg}} [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] <sup>([[ব্যবহারকারী আলাপ:খাত্তাব হাসান|বার্তা]] - [[বিশেষ:অবদান/খাত্তাব হাসান|অবদান]])</sup> ১৫:৪৪, ২৬ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) {{উত্তর|খাত্তাব হাসান}} চরিত্র অনুচ্ছেদ রাখার কি আসলেই প্রয়োজন আছে? আমি ইংরেজি উইকিউক্তির টেলিভিশন নাটকের কিছু পাতায় চরিত্র অনুচ্ছেদ দেখতে পাইনি। আবার কিছু পাতায় দেখেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehediabedin|Mehediabedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehediabedin|আলাপ]]) ২২:৩৬, ২৬ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :ভাই আমি উত্তর কোরিয়া পাতাটি কাজ করতেছিলাম। এরই মাঝে কোনো একজন সেই পাতাটি হালকা কাজ করেই জমা দিয়েছেন। এখন আমি কাজ শেষ করে আর জমা দিতে পারতেছি না। আমি ৬/৭ ঘন্টার উপর সময় দিয়ে পাতাটি ঠিক করতেছিলাম, এখন অন্য কেউ সেটা জমা দিয়ে দিবে, এটা কি করে হয় । প্লিজ একটা সমাধান করে দিন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৯:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == ধন্যবাদ == ভাই, [[উইকিউক্তি:আজকের উক্তি/ফেব্রুয়ারি ২০২৩]] পাতায় উক্তি যোগ করার জন্য ধন্যবাদ! ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:৫৮, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ (ইউটিসি) == আপনার জন্য একটি পদক! == {| style="background-color: var(--background-color-success-subtle, #fdffe7); border: 1px solid var(--border-color-success, #fceb92); color: var(--color-base, #202122);" |rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[চিত্র:Copyeditor Barnstar Hires.png|100px]] |style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em;" | '''অনুলিপি সম্পাদকের পদক''' |- |style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫ উপলক্ষে বানানো ভুক্তিগুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি সম্পাদনা করে ভুক্তির মান-উন্নয়ন করায় আপনার জন্য এই উপহার! এভাবেই এগিয়ে যান বহুদূর, উইকিউক্তির সাথে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৮:২৫, ১৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) |} :Congratulations vai [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৯:২৮, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে == [[জন ডিকিনসন]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৩:৫৮, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:৫৯, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[পাকিস্তান গণপরিষদ নির্বাচন, ১৯৫৫]] == শুধু অনুবাদ রাখুন, ইংরেজি সাথে রাখার প্রয়োজন নেই। সংশোধন করে জানান [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil|আলাপ]]) ১৪:১২, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৫:০৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil|আলাপ]]) ১৫:৪৬, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উইকি রমজান উক্তি প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]Abedin ভাই, https://checkmate.toolforge.org/dashboard?key=4m81yh748gpX3wCxG31yrEirS7WQWO উইকি রমজান উক্তি প্রতিযোগিতায় প্রত্যাখানকৃত নিবন্ধসমূহের সমস্যা সম্পর্কে জানালে নিবন্ধের মান উন্নয়ন সহজ হত।তাই,নিবন্ধসমূহ প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারন জানানোর অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ১৫:৪৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] স্কোপের বাইরে। অনেক নিবন্ধ ইসলাম সম্পর্কিত নয়। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ২১:৪২, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]<nowiki/>ভাই, আপনি উইকিপিডিয়া রমজান ভালবাসে এর নিবন্ধ তালিকা দেখলে দেখবেন যে,ইসলামিক ব্যাক্তিত্ব সম্পর্কিত বেশ বড় একটি তালিকা আছে।আমার অনেক ভুক্তিই '''উল্লেখযোগ্য''' ইসলামিক ব্যাক্তিত্ব নিয়ে লিখিত।আর, উইকিপিডিয়া রমজান ভালবাসে এডিটাথনের গৃহীত অনেক নিবন্ধই তো তাহলে বাতিল হয়ে যাবে।@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই আপনাকে আলোচনায় যোগদানের অনুরোধ জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৪:৩৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] কোন মুসলিম দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধান ইসলামি ব্যক্তিত্ব সেটা জানতাম না। এমনও নয় যে তারা ইসলামপন্থী দলের সদস্য। বলা হয়েছে যে নিবন্ধ ইসলাম সম্পর্কিত হতে হবে। ইসলামি পণ্ডিত বা গবেষকদের পাতা আমি প্রত্যাখ্যান করিনি। তবে আয়োজক থেকে ব্যাপারটা স্পষ্ট করা হলে আমি পুনর্বিবেচনা করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৪:৩৯, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ও @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, সাধারণ প্রদেশ বা এলাকাগুলি তো স্কোপের মধ্যে পড়েনা। তবে ইসলামের ঐতিহ্যের সাথে সম্পৃক্ত এলাকা, যেমন- মক্কা, মদিনা, বিভিন্ন জিহাদের সাথে সম্পৃক্ত দুর্গ ইত্যাদি গ্রহণ করা যেতে পারে। আরও দেখুন: [[:m:Wiki_Loves_Ramadan_2025/List_of_Articles/Landmarks/1|১]] ও [[:m:Wiki Loves Ramadan 2025/List of Articles/Landmarks/2|২]]। আর ব্যক্তিত্বের ব্যাপারে [[M:Wiki Loves Ramadan 2025/List of Articles/Figures/2|বৈশ্বিক তালিকার পরিসর বৃহৎ]], সেই হিসেবে অনেকগুলি নেয়া যায়। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:১৪, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] তাহলে আমি গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। @[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] আপনি পাতাগুলোকে উইকিউপাত্তের সাথে একটু কষ্ট করে যোগ করে দিন। আমার পর্যালোচনায় সুবিধা হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৮:৩৪, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই ও@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই আপনাদের ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ১২:৩৭, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ == [[কোস্টা রিকা]] "যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছিলেন সেগুলো সংশোধন করা হয়েছে।" [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৮:২০, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উইকিউক্তি ফলাফল == উইকিউক্তি ২৫ এর ফলাফল কি প্রকাশিত হয়েছে? [[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yasser Raihan|আলাপ]]) ০২:০৯, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] এখনো হয়নি। সময় লাগবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৮:৫৫, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == আপনাকে স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক-এ যুক্ত করা হয়েছে == [[File:Wikiquote Autopatrolled.png|50px|right]] সুধী! আপনার নিরলস অবদানের জন্য ও আপনার বিশ্বস্ততাকে সামনে রেখে আপনাকে [[বিশেষ:দলগত অধিকারের তালিকা#autopatrolled|স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক]] ব্যবহারকারী দলে যুক্ত করা হয়েছে। এই সুবিধা আপনাকে কোনো বিশেষ সুবিধা প্রদান করবেনা, তবে আপনার সম্পাদনাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরীক্ষিত হিসেবে চিহ্নিত করবে। হ্যাপি কোয়োটিং! ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৯:৫২, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি) == অম্লান দত্ত ও অখিলচন্দ্র দত্ত == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এই দুইটি নিবন্ধকেই সংশোধন করেছি। এখন আর কোন ভুল না থাকলে অনুগ্রহ করে এগুলোকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনি কি বুঝতে পেরেছেন আমি আপনার নিবন্ধের কোন সমস্যাগুলো নিয়ে বলেছি? কারণ পড়ে দেখলাম যে আমি যে বিষয় তুলে ধরেছিলাম সেটার ব্যাপারে আপনি কার্যত তেমন কিছু করেননি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৮:৪১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] নমস্কার আমি প্রথমে একবার দেখলাম আপনি [[এডমন্ড হ্যালি]] এই পাতাটি গ্রহণ করেননি, মন্তব্যে লিখেছিলেন যে অল্প কিছু সমস্যা আছে তার কিছুক্ষণ পর দেখলাম গ্রহণ করেছেন যদি সে রকম কোনো সমস্যা থেকে থাকে, আমাকে জানান আমি সংশোধন করে নেব। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৪:৫৬, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] অল্প সমস্যা ছিল। পরে দেখলাম ওগুলো খুবই অল্প যে সরাসরি গ্রহণ করা যায় তাই গ্রহণ করেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৪:৫৮, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০০, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বিন্যাস সংশোধন [[অম্লান দত্ত]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] [[অম্লান দত্ত]] নিবন্ধের বিন্যাস সংশোধিত হয়েছে। অনুগ্রহ করে এবার এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৫৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পরে কিছু সমস্যার ব্যাপারে আপনার একাউন্টে উল্লেখ করেছিলাম। সেগুলো ঠিক করে নিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা গ্রহণের অনুরোধ == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]<br> [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটিতে বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে এবং বিন্যাসে যথাসাধ্য সংশোধন করা হয়েছে। পাতাটি গ্রহণ করার জন্য সবিনয় অনুরোধ রইলো।<br>ধন্যবাদান্তে,<br>''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:২৯, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] গৃহীত হয়েছে। আপনার আলাপ পাতা দ্রষ্টব্য। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৪:১৮, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এই পাতাটির উক্তি টা একবার দেখুন প্রথমে স্পেনীয় ভাষায় আছে তারপর বাংলা ভাষায় আছে। তাহলে কি দুটো ভাষায় রাখবো নাকি শুধু বাংলা ভাষাটা রাখবো [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:১৮, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] এটা আমি আপনাকে কিছুদিনের মধ্যে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:৩৯, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] কিছুদিন না, এখনই জানাচ্ছি। দুটোই রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:৪১, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আল খোয়ারিজমি]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] পাতাটি পর্যালোচনা করার অনুরোধ রইলো। (পাতাটির সংশোধনের প্রয়োজন হলে সংশোধনী ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে দিলে সহজ হবে) '''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৫৭, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমি বা অন্য কোন পর্যালোচক উপযুক্ত সময়ে পর্যালোচনা করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]জী ভাই, তবে আমি [[অ্যানিমেশন]] পাতাটি তৈরী করেছি কিন্তু আন্তঃভাষা সংযোগ করতে পারছিনা। জমা দিয়ে রাখবো?[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৬:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] জমা দিয়ে দিন। পর্যালোচক সংযোগ করতে বললে তখন করা যাবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:১৭, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আমি করে দিছি আর @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]ভাই আমার করা নিবন্ধ [[চোং নানশান]] আবার চেক করা অনুরোধ রইল [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ০০:৩৬, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ::::অসংখ্য ধন্যবাদ... ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০২:৫৩, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[যশবন্ত সিং]] == শিরোনাম ত্রুটি সংশোধন করা হয়েছে। গ্রহণ করার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৫:১৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৫:১৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুম্বই]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], আমি পাতা তৈরির সময় [একবারেই] সবকিছু ঠিক আছে কিনা চেক করে প্রকাশ করে থাকি। তারপরও কোনো ত্রুটি থাকতে পারে, তবে সেটি উল্লেখ করলে বুঝতে সুবিধা হতো। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:৪১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] কিছু উদাহরণ দিতে পারি: :* পারসিরা – প্রাক্তন জরথুষ্ট্রীয় যারা পারস্যে নির্যাতিত হয়েছিল... :*... করার জন্য দেবী [[দেবী]]কে তৈরি করেন :[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], উদাহরণ দিয়ে দেখানোর জন্য ধন্যবাদ। আমি সম্পূর্ণ নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি এবং পর্যালোচনার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:১৯, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[সীতা রাম গোয়েল]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] [[সীতা রাম গোয়েল]] পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০২:২৫, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ain0xng3ria0vcdzsgv2y5g1ve8rzr2 81784 81783 2026-04-28T02:27:46Z Mehedi Abedin 50 /* সীতা রাম গোয়েল */ উত্তর 81784 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == সুপ্রিয়, Mehediabedin, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! —[[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:৫৯, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == কারাগার পাতা সম্পর্কে == মেহেদী ভাই, আপনার কাজ সুন্দর ছিল। নিচে চরিত্র নামে অনুচ্ছেদ যুক্ত করে দিয়েছি। কে কে অভিনয় করেছে যুক্ত করে দিয়েন। আর আরও কয়েকটা উক্তি যোগ কইরেন ও পাশাপাশি কপিরাইটের বিষয়টাও মাথায় রাইখেন। আমি এটাকে উল্লেখযোগ্য পাতায় যুক্ত করার চিন্তা করছি। ‍~ {{পতাকা আইকন চিত্র|BarbarosSancagi.svg}} [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] <sup>([[ব্যবহারকারী আলাপ:খাত্তাব হাসান|বার্তা]] - [[বিশেষ:অবদান/খাত্তাব হাসান|অবদান]])</sup> ১৫:৪৪, ২৬ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) {{উত্তর|খাত্তাব হাসান}} চরিত্র অনুচ্ছেদ রাখার কি আসলেই প্রয়োজন আছে? আমি ইংরেজি উইকিউক্তির টেলিভিশন নাটকের কিছু পাতায় চরিত্র অনুচ্ছেদ দেখতে পাইনি। আবার কিছু পাতায় দেখেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehediabedin|Mehediabedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehediabedin|আলাপ]]) ২২:৩৬, ২৬ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :ভাই আমি উত্তর কোরিয়া পাতাটি কাজ করতেছিলাম। এরই মাঝে কোনো একজন সেই পাতাটি হালকা কাজ করেই জমা দিয়েছেন। এখন আমি কাজ শেষ করে আর জমা দিতে পারতেছি না। আমি ৬/৭ ঘন্টার উপর সময় দিয়ে পাতাটি ঠিক করতেছিলাম, এখন অন্য কেউ সেটা জমা দিয়ে দিবে, এটা কি করে হয় । প্লিজ একটা সমাধান করে দিন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৯:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == ধন্যবাদ == ভাই, [[উইকিউক্তি:আজকের উক্তি/ফেব্রুয়ারি ২০২৩]] পাতায় উক্তি যোগ করার জন্য ধন্যবাদ! ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:৫৮, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ (ইউটিসি) == আপনার জন্য একটি পদক! == {| style="background-color: var(--background-color-success-subtle, #fdffe7); border: 1px solid var(--border-color-success, #fceb92); color: var(--color-base, #202122);" |rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[চিত্র:Copyeditor Barnstar Hires.png|100px]] |style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em;" | '''অনুলিপি সম্পাদকের পদক''' |- |style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫ উপলক্ষে বানানো ভুক্তিগুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি সম্পাদনা করে ভুক্তির মান-উন্নয়ন করায় আপনার জন্য এই উপহার! এভাবেই এগিয়ে যান বহুদূর, উইকিউক্তির সাথে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৮:২৫, ১৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) |} :Congratulations vai [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৯:২৮, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে == [[জন ডিকিনসন]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৩:৫৮, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:৫৯, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[পাকিস্তান গণপরিষদ নির্বাচন, ১৯৫৫]] == শুধু অনুবাদ রাখুন, ইংরেজি সাথে রাখার প্রয়োজন নেই। সংশোধন করে জানান [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil|আলাপ]]) ১৪:১২, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৫:০৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil|আলাপ]]) ১৫:৪৬, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উইকি রমজান উক্তি প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]Abedin ভাই, https://checkmate.toolforge.org/dashboard?key=4m81yh748gpX3wCxG31yrEirS7WQWO উইকি রমজান উক্তি প্রতিযোগিতায় প্রত্যাখানকৃত নিবন্ধসমূহের সমস্যা সম্পর্কে জানালে নিবন্ধের মান উন্নয়ন সহজ হত।তাই,নিবন্ধসমূহ প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারন জানানোর অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ১৫:৪৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] স্কোপের বাইরে। অনেক নিবন্ধ ইসলাম সম্পর্কিত নয়। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ২১:৪২, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]<nowiki/>ভাই, আপনি উইকিপিডিয়া রমজান ভালবাসে এর নিবন্ধ তালিকা দেখলে দেখবেন যে,ইসলামিক ব্যাক্তিত্ব সম্পর্কিত বেশ বড় একটি তালিকা আছে।আমার অনেক ভুক্তিই '''উল্লেখযোগ্য''' ইসলামিক ব্যাক্তিত্ব নিয়ে লিখিত।আর, উইকিপিডিয়া রমজান ভালবাসে এডিটাথনের গৃহীত অনেক নিবন্ধই তো তাহলে বাতিল হয়ে যাবে।@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই আপনাকে আলোচনায় যোগদানের অনুরোধ জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৪:৩৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] কোন মুসলিম দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধান ইসলামি ব্যক্তিত্ব সেটা জানতাম না। এমনও নয় যে তারা ইসলামপন্থী দলের সদস্য। বলা হয়েছে যে নিবন্ধ ইসলাম সম্পর্কিত হতে হবে। ইসলামি পণ্ডিত বা গবেষকদের পাতা আমি প্রত্যাখ্যান করিনি। তবে আয়োজক থেকে ব্যাপারটা স্পষ্ট করা হলে আমি পুনর্বিবেচনা করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৪:৩৯, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ও @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, সাধারণ প্রদেশ বা এলাকাগুলি তো স্কোপের মধ্যে পড়েনা। তবে ইসলামের ঐতিহ্যের সাথে সম্পৃক্ত এলাকা, যেমন- মক্কা, মদিনা, বিভিন্ন জিহাদের সাথে সম্পৃক্ত দুর্গ ইত্যাদি গ্রহণ করা যেতে পারে। আরও দেখুন: [[:m:Wiki_Loves_Ramadan_2025/List_of_Articles/Landmarks/1|১]] ও [[:m:Wiki Loves Ramadan 2025/List of Articles/Landmarks/2|২]]। আর ব্যক্তিত্বের ব্যাপারে [[M:Wiki Loves Ramadan 2025/List of Articles/Figures/2|বৈশ্বিক তালিকার পরিসর বৃহৎ]], সেই হিসেবে অনেকগুলি নেয়া যায়। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:১৪, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] তাহলে আমি গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। @[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] আপনি পাতাগুলোকে উইকিউপাত্তের সাথে একটু কষ্ট করে যোগ করে দিন। আমার পর্যালোচনায় সুবিধা হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৮:৩৪, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই ও@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই আপনাদের ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ১২:৩৭, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ == [[কোস্টা রিকা]] "যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছিলেন সেগুলো সংশোধন করা হয়েছে।" [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৮:২০, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উইকিউক্তি ফলাফল == উইকিউক্তি ২৫ এর ফলাফল কি প্রকাশিত হয়েছে? [[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yasser Raihan|আলাপ]]) ০২:০৯, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] এখনো হয়নি। সময় লাগবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৮:৫৫, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == আপনাকে স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক-এ যুক্ত করা হয়েছে == [[File:Wikiquote Autopatrolled.png|50px|right]] সুধী! আপনার নিরলস অবদানের জন্য ও আপনার বিশ্বস্ততাকে সামনে রেখে আপনাকে [[বিশেষ:দলগত অধিকারের তালিকা#autopatrolled|স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক]] ব্যবহারকারী দলে যুক্ত করা হয়েছে। এই সুবিধা আপনাকে কোনো বিশেষ সুবিধা প্রদান করবেনা, তবে আপনার সম্পাদনাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরীক্ষিত হিসেবে চিহ্নিত করবে। হ্যাপি কোয়োটিং! ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৯:৫২, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি) == অম্লান দত্ত ও অখিলচন্দ্র দত্ত == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এই দুইটি নিবন্ধকেই সংশোধন করেছি। এখন আর কোন ভুল না থাকলে অনুগ্রহ করে এগুলোকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনি কি বুঝতে পেরেছেন আমি আপনার নিবন্ধের কোন সমস্যাগুলো নিয়ে বলেছি? কারণ পড়ে দেখলাম যে আমি যে বিষয় তুলে ধরেছিলাম সেটার ব্যাপারে আপনি কার্যত তেমন কিছু করেননি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৮:৪১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] নমস্কার আমি প্রথমে একবার দেখলাম আপনি [[এডমন্ড হ্যালি]] এই পাতাটি গ্রহণ করেননি, মন্তব্যে লিখেছিলেন যে অল্প কিছু সমস্যা আছে তার কিছুক্ষণ পর দেখলাম গ্রহণ করেছেন যদি সে রকম কোনো সমস্যা থেকে থাকে, আমাকে জানান আমি সংশোধন করে নেব। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৪:৫৬, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] অল্প সমস্যা ছিল। পরে দেখলাম ওগুলো খুবই অল্প যে সরাসরি গ্রহণ করা যায় তাই গ্রহণ করেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৪:৫৮, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০০, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বিন্যাস সংশোধন [[অম্লান দত্ত]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] [[অম্লান দত্ত]] নিবন্ধের বিন্যাস সংশোধিত হয়েছে। অনুগ্রহ করে এবার এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৫৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পরে কিছু সমস্যার ব্যাপারে আপনার একাউন্টে উল্লেখ করেছিলাম। সেগুলো ঠিক করে নিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা গ্রহণের অনুরোধ == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]<br> [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটিতে বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে এবং বিন্যাসে যথাসাধ্য সংশোধন করা হয়েছে। পাতাটি গ্রহণ করার জন্য সবিনয় অনুরোধ রইলো।<br>ধন্যবাদান্তে,<br>''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:২৯, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] গৃহীত হয়েছে। আপনার আলাপ পাতা দ্রষ্টব্য। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৪:১৮, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এই পাতাটির উক্তি টা একবার দেখুন প্রথমে স্পেনীয় ভাষায় আছে তারপর বাংলা ভাষায় আছে। তাহলে কি দুটো ভাষায় রাখবো নাকি শুধু বাংলা ভাষাটা রাখবো [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:১৮, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] এটা আমি আপনাকে কিছুদিনের মধ্যে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:৩৯, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] কিছুদিন না, এখনই জানাচ্ছি। দুটোই রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:৪১, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আল খোয়ারিজমি]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] পাতাটি পর্যালোচনা করার অনুরোধ রইলো। (পাতাটির সংশোধনের প্রয়োজন হলে সংশোধনী ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে দিলে সহজ হবে) '''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৫৭, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমি বা অন্য কোন পর্যালোচক উপযুক্ত সময়ে পর্যালোচনা করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]জী ভাই, তবে আমি [[অ্যানিমেশন]] পাতাটি তৈরী করেছি কিন্তু আন্তঃভাষা সংযোগ করতে পারছিনা। জমা দিয়ে রাখবো?[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৬:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] জমা দিয়ে দিন। পর্যালোচক সংযোগ করতে বললে তখন করা যাবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:১৭, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আমি করে দিছি আর @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]ভাই আমার করা নিবন্ধ [[চোং নানশান]] আবার চেক করা অনুরোধ রইল [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ০০:৩৬, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ::::অসংখ্য ধন্যবাদ... ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০২:৫৩, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[যশবন্ত সিং]] == শিরোনাম ত্রুটি সংশোধন করা হয়েছে। গ্রহণ করার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৫:১৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৫:১৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুম্বই]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], আমি পাতা তৈরির সময় [একবারেই] সবকিছু ঠিক আছে কিনা চেক করে প্রকাশ করে থাকি। তারপরও কোনো ত্রুটি থাকতে পারে, তবে সেটি উল্লেখ করলে বুঝতে সুবিধা হতো। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:৪১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] কিছু উদাহরণ দিতে পারি: :* পারসিরা – প্রাক্তন জরথুষ্ট্রীয় যারা পারস্যে নির্যাতিত হয়েছিল... :*... করার জন্য দেবী [[দেবী]]কে তৈরি করেন :[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], উদাহরণ দিয়ে দেখানোর জন্য ধন্যবাদ। আমি সম্পূর্ণ নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি এবং পর্যালোচনার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:১৯, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[সীতা রাম গোয়েল]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] [[সীতা রাম গোয়েল]] পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০২:২৫, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] পাতা এখনো অসম্পূর্ণ আছে দেখলাম। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০২:২৭, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 4fhu3ditemxtxn1vkyjwci3cxde8338 81788 81784 2026-04-28T02:34:28Z ARI 356 /* সীতা রাম গোয়েল */ উত্তর 81788 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == সুপ্রিয়, Mehediabedin, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! —[[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:৫৯, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == কারাগার পাতা সম্পর্কে == মেহেদী ভাই, আপনার কাজ সুন্দর ছিল। নিচে চরিত্র নামে অনুচ্ছেদ যুক্ত করে দিয়েছি। কে কে অভিনয় করেছে যুক্ত করে দিয়েন। আর আরও কয়েকটা উক্তি যোগ কইরেন ও পাশাপাশি কপিরাইটের বিষয়টাও মাথায় রাইখেন। আমি এটাকে উল্লেখযোগ্য পাতায় যুক্ত করার চিন্তা করছি। ‍~ {{পতাকা আইকন চিত্র|BarbarosSancagi.svg}} [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] <sup>([[ব্যবহারকারী আলাপ:খাত্তাব হাসান|বার্তা]] - [[বিশেষ:অবদান/খাত্তাব হাসান|অবদান]])</sup> ১৫:৪৪, ২৬ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) {{উত্তর|খাত্তাব হাসান}} চরিত্র অনুচ্ছেদ রাখার কি আসলেই প্রয়োজন আছে? আমি ইংরেজি উইকিউক্তির টেলিভিশন নাটকের কিছু পাতায় চরিত্র অনুচ্ছেদ দেখতে পাইনি। আবার কিছু পাতায় দেখেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehediabedin|Mehediabedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehediabedin|আলাপ]]) ২২:৩৬, ২৬ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :ভাই আমি উত্তর কোরিয়া পাতাটি কাজ করতেছিলাম। এরই মাঝে কোনো একজন সেই পাতাটি হালকা কাজ করেই জমা দিয়েছেন। এখন আমি কাজ শেষ করে আর জমা দিতে পারতেছি না। আমি ৬/৭ ঘন্টার উপর সময় দিয়ে পাতাটি ঠিক করতেছিলাম, এখন অন্য কেউ সেটা জমা দিয়ে দিবে, এটা কি করে হয় । প্লিজ একটা সমাধান করে দিন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৯:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == ধন্যবাদ == ভাই, [[উইকিউক্তি:আজকের উক্তি/ফেব্রুয়ারি ২০২৩]] পাতায় উক্তি যোগ করার জন্য ধন্যবাদ! ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:৫৮, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ (ইউটিসি) == আপনার জন্য একটি পদক! == {| style="background-color: var(--background-color-success-subtle, #fdffe7); border: 1px solid var(--border-color-success, #fceb92); color: var(--color-base, #202122);" |rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[চিত্র:Copyeditor Barnstar Hires.png|100px]] |style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em;" | '''অনুলিপি সম্পাদকের পদক''' |- |style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫ উপলক্ষে বানানো ভুক্তিগুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি সম্পাদনা করে ভুক্তির মান-উন্নয়ন করায় আপনার জন্য এই উপহার! এভাবেই এগিয়ে যান বহুদূর, উইকিউক্তির সাথে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৮:২৫, ১৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) |} :Congratulations vai [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৯:২৮, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে == [[জন ডিকিনসন]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৩:৫৮, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:৫৯, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[পাকিস্তান গণপরিষদ নির্বাচন, ১৯৫৫]] == শুধু অনুবাদ রাখুন, ইংরেজি সাথে রাখার প্রয়োজন নেই। সংশোধন করে জানান [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil|আলাপ]]) ১৪:১২, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৫:০৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil|আলাপ]]) ১৫:৪৬, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উইকি রমজান উক্তি প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]Abedin ভাই, https://checkmate.toolforge.org/dashboard?key=4m81yh748gpX3wCxG31yrEirS7WQWO উইকি রমজান উক্তি প্রতিযোগিতায় প্রত্যাখানকৃত নিবন্ধসমূহের সমস্যা সম্পর্কে জানালে নিবন্ধের মান উন্নয়ন সহজ হত।তাই,নিবন্ধসমূহ প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারন জানানোর অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ১৫:৪৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] স্কোপের বাইরে। অনেক নিবন্ধ ইসলাম সম্পর্কিত নয়। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ২১:৪২, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]<nowiki/>ভাই, আপনি উইকিপিডিয়া রমজান ভালবাসে এর নিবন্ধ তালিকা দেখলে দেখবেন যে,ইসলামিক ব্যাক্তিত্ব সম্পর্কিত বেশ বড় একটি তালিকা আছে।আমার অনেক ভুক্তিই '''উল্লেখযোগ্য''' ইসলামিক ব্যাক্তিত্ব নিয়ে লিখিত।আর, উইকিপিডিয়া রমজান ভালবাসে এডিটাথনের গৃহীত অনেক নিবন্ধই তো তাহলে বাতিল হয়ে যাবে।@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই আপনাকে আলোচনায় যোগদানের অনুরোধ জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৪:৩৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] কোন মুসলিম দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধান ইসলামি ব্যক্তিত্ব সেটা জানতাম না। এমনও নয় যে তারা ইসলামপন্থী দলের সদস্য। বলা হয়েছে যে নিবন্ধ ইসলাম সম্পর্কিত হতে হবে। ইসলামি পণ্ডিত বা গবেষকদের পাতা আমি প্রত্যাখ্যান করিনি। তবে আয়োজক থেকে ব্যাপারটা স্পষ্ট করা হলে আমি পুনর্বিবেচনা করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৪:৩৯, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ও @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, সাধারণ প্রদেশ বা এলাকাগুলি তো স্কোপের মধ্যে পড়েনা। তবে ইসলামের ঐতিহ্যের সাথে সম্পৃক্ত এলাকা, যেমন- মক্কা, মদিনা, বিভিন্ন জিহাদের সাথে সম্পৃক্ত দুর্গ ইত্যাদি গ্রহণ করা যেতে পারে। আরও দেখুন: [[:m:Wiki_Loves_Ramadan_2025/List_of_Articles/Landmarks/1|১]] ও [[:m:Wiki Loves Ramadan 2025/List of Articles/Landmarks/2|২]]। আর ব্যক্তিত্বের ব্যাপারে [[M:Wiki Loves Ramadan 2025/List of Articles/Figures/2|বৈশ্বিক তালিকার পরিসর বৃহৎ]], সেই হিসেবে অনেকগুলি নেয়া যায়। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:১৪, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] তাহলে আমি গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। @[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] আপনি পাতাগুলোকে উইকিউপাত্তের সাথে একটু কষ্ট করে যোগ করে দিন। আমার পর্যালোচনায় সুবিধা হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৮:৩৪, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই ও@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই আপনাদের ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ১২:৩৭, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ == [[কোস্টা রিকা]] "যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছিলেন সেগুলো সংশোধন করা হয়েছে।" [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৮:২০, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উইকিউক্তি ফলাফল == উইকিউক্তি ২৫ এর ফলাফল কি প্রকাশিত হয়েছে? [[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yasser Raihan|আলাপ]]) ০২:০৯, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] এখনো হয়নি। সময় লাগবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৮:৫৫, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == আপনাকে স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক-এ যুক্ত করা হয়েছে == [[File:Wikiquote Autopatrolled.png|50px|right]] সুধী! আপনার নিরলস অবদানের জন্য ও আপনার বিশ্বস্ততাকে সামনে রেখে আপনাকে [[বিশেষ:দলগত অধিকারের তালিকা#autopatrolled|স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক]] ব্যবহারকারী দলে যুক্ত করা হয়েছে। এই সুবিধা আপনাকে কোনো বিশেষ সুবিধা প্রদান করবেনা, তবে আপনার সম্পাদনাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরীক্ষিত হিসেবে চিহ্নিত করবে। হ্যাপি কোয়োটিং! ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৯:৫২, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি) == অম্লান দত্ত ও অখিলচন্দ্র দত্ত == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এই দুইটি নিবন্ধকেই সংশোধন করেছি। এখন আর কোন ভুল না থাকলে অনুগ্রহ করে এগুলোকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনি কি বুঝতে পেরেছেন আমি আপনার নিবন্ধের কোন সমস্যাগুলো নিয়ে বলেছি? কারণ পড়ে দেখলাম যে আমি যে বিষয় তুলে ধরেছিলাম সেটার ব্যাপারে আপনি কার্যত তেমন কিছু করেননি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৮:৪১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] নমস্কার আমি প্রথমে একবার দেখলাম আপনি [[এডমন্ড হ্যালি]] এই পাতাটি গ্রহণ করেননি, মন্তব্যে লিখেছিলেন যে অল্প কিছু সমস্যা আছে তার কিছুক্ষণ পর দেখলাম গ্রহণ করেছেন যদি সে রকম কোনো সমস্যা থেকে থাকে, আমাকে জানান আমি সংশোধন করে নেব। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৪:৫৬, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] অল্প সমস্যা ছিল। পরে দেখলাম ওগুলো খুবই অল্প যে সরাসরি গ্রহণ করা যায় তাই গ্রহণ করেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৪:৫৮, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০০, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বিন্যাস সংশোধন [[অম্লান দত্ত]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] [[অম্লান দত্ত]] নিবন্ধের বিন্যাস সংশোধিত হয়েছে। অনুগ্রহ করে এবার এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৫৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পরে কিছু সমস্যার ব্যাপারে আপনার একাউন্টে উল্লেখ করেছিলাম। সেগুলো ঠিক করে নিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা গ্রহণের অনুরোধ == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]<br> [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটিতে বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে এবং বিন্যাসে যথাসাধ্য সংশোধন করা হয়েছে। পাতাটি গ্রহণ করার জন্য সবিনয় অনুরোধ রইলো।<br>ধন্যবাদান্তে,<br>''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:২৯, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] গৃহীত হয়েছে। আপনার আলাপ পাতা দ্রষ্টব্য। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৪:১৮, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এই পাতাটির উক্তি টা একবার দেখুন প্রথমে স্পেনীয় ভাষায় আছে তারপর বাংলা ভাষায় আছে। তাহলে কি দুটো ভাষায় রাখবো নাকি শুধু বাংলা ভাষাটা রাখবো [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:১৮, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] এটা আমি আপনাকে কিছুদিনের মধ্যে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:৩৯, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] কিছুদিন না, এখনই জানাচ্ছি। দুটোই রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:৪১, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আল খোয়ারিজমি]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] পাতাটি পর্যালোচনা করার অনুরোধ রইলো। (পাতাটির সংশোধনের প্রয়োজন হলে সংশোধনী ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে দিলে সহজ হবে) '''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৫৭, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমি বা অন্য কোন পর্যালোচক উপযুক্ত সময়ে পর্যালোচনা করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]জী ভাই, তবে আমি [[অ্যানিমেশন]] পাতাটি তৈরী করেছি কিন্তু আন্তঃভাষা সংযোগ করতে পারছিনা। জমা দিয়ে রাখবো?[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৬:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] জমা দিয়ে দিন। পর্যালোচক সংযোগ করতে বললে তখন করা যাবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:১৭, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আমি করে দিছি আর @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]ভাই আমার করা নিবন্ধ [[চোং নানশান]] আবার চেক করা অনুরোধ রইল [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ০০:৩৬, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ::::অসংখ্য ধন্যবাদ... ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০২:৫৩, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[যশবন্ত সিং]] == শিরোনাম ত্রুটি সংশোধন করা হয়েছে। গ্রহণ করার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৫:১৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৫:১৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুম্বই]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], আমি পাতা তৈরির সময় [একবারেই] সবকিছু ঠিক আছে কিনা চেক করে প্রকাশ করে থাকি। তারপরও কোনো ত্রুটি থাকতে পারে, তবে সেটি উল্লেখ করলে বুঝতে সুবিধা হতো। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:৪১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] কিছু উদাহরণ দিতে পারি: :* পারসিরা – প্রাক্তন জরথুষ্ট্রীয় যারা পারস্যে নির্যাতিত হয়েছিল... :*... করার জন্য দেবী [[দেবী]]কে তৈরি করেন :[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], উদাহরণ দিয়ে দেখানোর জন্য ধন্যবাদ। আমি সম্পূর্ণ নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি এবং পর্যালোচনার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:১৯, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[সীতা রাম গোয়েল]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] [[সীতা রাম গোয়েল]] পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০২:২৫, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] পাতা এখনো অসম্পূর্ণ আছে দেখলাম। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০২:২৭, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] না তো, আমি আবার ইংরেজি বাংলা পাশাপাশি রেখে মিলিয়ে দেখলাম। যদি আপনার নজরে থেকে থাকে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০২:৩৪, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) pkydr5pv7emnftwiuoq73jw00tehn04 ব্যবহারকারী আলাপ:ARI 3 4407 81647 81625 2026-04-27T13:59:19Z Oindrojalik Watch 4169 /* দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পাতাটি */ উত্তর 81647 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' == [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:০১, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত বার বার মেনশন করবেন না, একবার মেনশন হবে, অধৈর্য হবেন না, আমি ঠিক দেখব।<br><br> সম্পূর্ণ পাতা না দেখেও বলা যায় এটি অপরিশোধিত যান্ত্রিক অনুবাদ। :*<code>'''গণহত্যা '''(যার মধ্যে '''হলোকাস্ট '''অন্তর্ভুক্ত),</code> লাইনে দুটি শব্দেই উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন/করা আছে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় ''হলোকাস্ট '' কোনোও শব্দ নেই, আর এখানে যে ''গণহত্যা'' শব্দে উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন তার অর্থ ভিন্ন। :* <code>More and more we felt that only a resolution of the European situation could save Spain, if Spain was to be saved</code> → <code>আমরা আমাদের অস্তিত্বের প্রতিটি স্পন্দনে... মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছিলাম</code> এতটা নাটকীয় অনুবাদ? :* <code>they had given thousands of their best sons</code> → <code>হাজার হাজার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মুক্তির লড়াইয়ে যুদ্ধের অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ করেছিল"।</code> মূল লেখায় '''মুক্তির লড়াই''' বা '''অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ''' এরকম কোনো কথা নেই। :* সূত্রগুলো তে লিংক নেই, সূত্রের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় — (em dash) চিহ্ন। :* বিভিন্ন জায়গায় টেক্সট ফর্ম্যাটিংয়ের সমস্যা, যেখানে বোল্ড/ইটালিক প্রয়োজন সেখানে বোল্ড/ইটালিক নেই, যেখানে প্রয়োজন নয়, সেখানে আছে। :এগুলো দেখলেই বোঝা যায়। আমি শুধুমাত্র প্রথমের কিছু উক্তির ভুলগুলো তুলে ধরলাম। আপনার সম্পূর্ণ পাতাতেই এই ভুলগুলো রয়েছে। :এই সমস্যাগুলো ঠিক করে জানান, বিশেষ করে শব্দসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরঞ্জন করবেন না। খেয়াল রাখবেন [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে '''প্রতিটি নিবন্ধ সর্বোচ্চ দুই (২) বার পর্যালোচনা করা যাবে।''' [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], প্রথমত বারবার মেনশন করলাম না। তবে অতিরিক্ত দেরি না করার পরামর্শ দিচ্ছি। ::দ্বিতীয়ত, কিছু জায়গায় ভাবানুবাদ না করলে একদমই '''আক্ষরিক''' হয়ে যায় যা পরিহারযোগ্য। তবুও, উপরোক্ত উদাহরণের মতো অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণের চেষ্টা করা হবে। এবং সূত্র থেকে লিঙ্ক তেমন বাদ না পড়লেও লিঙ্কগুলো খুঁজে দেখা হবে। এছাড়া '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' পরিমার্জন করা হবে, '''কিন্তু''' ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল। পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ ব্যাপারে মন্তব্য রাখবেন। ~'''আল-মাহমুদ''' ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এও মন্তব্যটাও পড়ে মনে হচ্ছে এআই জেনারেটেড। :::যাই হোক, ভাবানুবাদ আর অতিরঞ্জন দুটো আলাদা জিনিস। আরও একটি কথা, যখন একই প্যাটর্নে কিছু জিনিস পাল্টাতে থাকে তখন সেটা স্পষ্ট যান্ত্রিক অনুবাদ। :::"বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল"- এই কথার অর্থ কি ? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:০২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], খুবই অনুমানযোগ্য উত্তর। এআই জেনেরাটেড উত্তর আপনাকে কেন দিতে যাব? নিজের Key-Board চেপে দিচ্ছি। ভাষা একটু গোছানো হলেই তাকে 'এ-আই জেনেরেটেড' ভাববেন না। যেহেতু আমিই সম্পাদনাটি করছি তাই অতিরিক্ত সন্দিহান হবেন না।। উইকিপিডিয়াতে আমি একদম নবাগত ('''৪৩ দিন''', উইকিউক্তিতে '''২৫ দিন''') হলেও আমার দীর্ঘদিন সাহিত্যিক-কাব্যিক ঘরানার লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে। ::::যাইহোক সেসব বাদ (''ব্যক্তিগত হিসেবে নেওয়ার দরকার নেই। \ আলোচনায় কেউ এসব বললে সেটা পছন্দ করিনা''), এটা আগেই বলা হয়েছে যে অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণ করা হবে। :::: ::::"বুঝাতে চেয়েছি যে ''''ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে''''। যেমনঃ এক জায়গায় ''ফরাসি অথবা জার্মান ভাষা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ওই ভাষাটিকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বোল্ড করা হবে। এই বিষয়েই মন্তব্য করবেন।" ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:৪৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ৭ লাইনের ইংরেজি থেকে বাংলা ভাবানুবাদ করলেও তা কখনোই ১৮ লাইন হতে পারে না। :::::[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|প্রতিযোগিতার নিয়মে]] স্পষ্ট উল্লেখ আছে '''অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি, অপ্রয়োজনীয় বোল্ড, অপ্রয়োজনীয় বুলেট পয়েন্ট, বাংলার পাশে বারবার ব্র্যাকেটে ইংরেজি টার্ম, তথ্যসূত্র অনুপস্থিত ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে।''' :::::আপনার যদি আমার পর্যালোচনা নিয়ে অন্য কোনও রকম আপত্তি থেকে থাকে তা আপনি প্রতিযোগিতার আলাপ পাতায় তুলে ধরতে পারেন। আর যদি না তা না থাকে তাহলে উল্লিখিত বিয়ষয়গুলো সংশোধন করে আমাকে এখানে মেনশন করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:১৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]],আদাব<br>[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি সংশোধন করেছি।<br>(পাতা থেকে যথাসাধ্য অতিরঞ্জিত ভাবানুবাদ ছেটে, সূত্র-ও যুক্ত করেছি। তবে দীর্ঘ পাতা হওয়া, কিছু ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে, তাই কোনো প্র য়োজন হলে মেন্শন করবেন) ::::::ধন্যবাদ,, ::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:৫৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শার্প: পুনঃপর্যালোচনা == [[উইলিয়াম শার্প]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ~ [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Muqtadir Fuad|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[বমি]] নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ == @[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] আমি [[বমি]] নিবন্ধটি সংশোধন করে [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]]কে জানিয়েছিলাম। সে গ্রহণ করে নিলেও আপনি দেখলাম গ্রহণ করেননি। তাই ফাউন্টেইন টুলফোর্জে না দেখাচ্ছে 0 না দেখাচ্ছে 1। তাই অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) bg504k0skbmyg00emrxobwbh1kqv36j 81751 81647 2026-04-27T23:33:30Z Oindrojalik Watch 4169 /* দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ */ নতুন অনুচ্ছেদ 81751 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' == [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:০১, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত বার বার মেনশন করবেন না, একবার মেনশন হবে, অধৈর্য হবেন না, আমি ঠিক দেখব।<br><br> সম্পূর্ণ পাতা না দেখেও বলা যায় এটি অপরিশোধিত যান্ত্রিক অনুবাদ। :*<code>'''গণহত্যা '''(যার মধ্যে '''হলোকাস্ট '''অন্তর্ভুক্ত),</code> লাইনে দুটি শব্দেই উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন/করা আছে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় ''হলোকাস্ট '' কোনোও শব্দ নেই, আর এখানে যে ''গণহত্যা'' শব্দে উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন তার অর্থ ভিন্ন। :* <code>More and more we felt that only a resolution of the European situation could save Spain, if Spain was to be saved</code> → <code>আমরা আমাদের অস্তিত্বের প্রতিটি স্পন্দনে... মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছিলাম</code> এতটা নাটকীয় অনুবাদ? :* <code>they had given thousands of their best sons</code> → <code>হাজার হাজার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মুক্তির লড়াইয়ে যুদ্ধের অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ করেছিল"।</code> মূল লেখায় '''মুক্তির লড়াই''' বা '''অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ''' এরকম কোনো কথা নেই। :* সূত্রগুলো তে লিংক নেই, সূত্রের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় — (em dash) চিহ্ন। :* বিভিন্ন জায়গায় টেক্সট ফর্ম্যাটিংয়ের সমস্যা, যেখানে বোল্ড/ইটালিক প্রয়োজন সেখানে বোল্ড/ইটালিক নেই, যেখানে প্রয়োজন নয়, সেখানে আছে। :এগুলো দেখলেই বোঝা যায়। আমি শুধুমাত্র প্রথমের কিছু উক্তির ভুলগুলো তুলে ধরলাম। আপনার সম্পূর্ণ পাতাতেই এই ভুলগুলো রয়েছে। :এই সমস্যাগুলো ঠিক করে জানান, বিশেষ করে শব্দসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরঞ্জন করবেন না। খেয়াল রাখবেন [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে '''প্রতিটি নিবন্ধ সর্বোচ্চ দুই (২) বার পর্যালোচনা করা যাবে।''' [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], প্রথমত বারবার মেনশন করলাম না। তবে অতিরিক্ত দেরি না করার পরামর্শ দিচ্ছি। ::দ্বিতীয়ত, কিছু জায়গায় ভাবানুবাদ না করলে একদমই '''আক্ষরিক''' হয়ে যায় যা পরিহারযোগ্য। তবুও, উপরোক্ত উদাহরণের মতো অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণের চেষ্টা করা হবে। এবং সূত্র থেকে লিঙ্ক তেমন বাদ না পড়লেও লিঙ্কগুলো খুঁজে দেখা হবে। এছাড়া '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' পরিমার্জন করা হবে, '''কিন্তু''' ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল। পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ ব্যাপারে মন্তব্য রাখবেন। ~'''আল-মাহমুদ''' ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এও মন্তব্যটাও পড়ে মনে হচ্ছে এআই জেনারেটেড। :::যাই হোক, ভাবানুবাদ আর অতিরঞ্জন দুটো আলাদা জিনিস। আরও একটি কথা, যখন একই প্যাটর্নে কিছু জিনিস পাল্টাতে থাকে তখন সেটা স্পষ্ট যান্ত্রিক অনুবাদ। :::"বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল"- এই কথার অর্থ কি ? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:০২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], খুবই অনুমানযোগ্য উত্তর। এআই জেনেরাটেড উত্তর আপনাকে কেন দিতে যাব? নিজের Key-Board চেপে দিচ্ছি। ভাষা একটু গোছানো হলেই তাকে 'এ-আই জেনেরেটেড' ভাববেন না। যেহেতু আমিই সম্পাদনাটি করছি তাই অতিরিক্ত সন্দিহান হবেন না।। উইকিপিডিয়াতে আমি একদম নবাগত ('''৪৩ দিন''', উইকিউক্তিতে '''২৫ দিন''') হলেও আমার দীর্ঘদিন সাহিত্যিক-কাব্যিক ঘরানার লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে। ::::যাইহোক সেসব বাদ (''ব্যক্তিগত হিসেবে নেওয়ার দরকার নেই। \ আলোচনায় কেউ এসব বললে সেটা পছন্দ করিনা''), এটা আগেই বলা হয়েছে যে অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণ করা হবে। :::: ::::"বুঝাতে চেয়েছি যে ''''ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে''''। যেমনঃ এক জায়গায় ''ফরাসি অথবা জার্মান ভাষা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ওই ভাষাটিকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বোল্ড করা হবে। এই বিষয়েই মন্তব্য করবেন।" ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:৪৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ৭ লাইনের ইংরেজি থেকে বাংলা ভাবানুবাদ করলেও তা কখনোই ১৮ লাইন হতে পারে না। :::::[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|প্রতিযোগিতার নিয়মে]] স্পষ্ট উল্লেখ আছে '''অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি, অপ্রয়োজনীয় বোল্ড, অপ্রয়োজনীয় বুলেট পয়েন্ট, বাংলার পাশে বারবার ব্র্যাকেটে ইংরেজি টার্ম, তথ্যসূত্র অনুপস্থিত ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে।''' :::::আপনার যদি আমার পর্যালোচনা নিয়ে অন্য কোনও রকম আপত্তি থেকে থাকে তা আপনি প্রতিযোগিতার আলাপ পাতায় তুলে ধরতে পারেন। আর যদি না তা না থাকে তাহলে উল্লিখিত বিয়ষয়গুলো সংশোধন করে আমাকে এখানে মেনশন করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:১৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]],আদাব<br>[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি সংশোধন করেছি।<br>(পাতা থেকে যথাসাধ্য অতিরঞ্জিত ভাবানুবাদ ছেটে, সূত্র-ও যুক্ত করেছি। তবে দীর্ঘ পাতা হওয়া, কিছু ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে, তাই কোনো প্র য়োজন হলে মেন্শন করবেন) ::::::ধন্যবাদ,, ::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:৫৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শার্প: পুনঃপর্যালোচনা == [[উইলিয়াম শার্প]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ~ [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Muqtadir Fuad|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[বমি]] নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ == @[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] আমি [[বমি]] নিবন্ধটি সংশোধন করে [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]]কে জানিয়েছিলাম। সে গ্রহণ করে নিলেও আপনি দেখলাম গ্রহণ করেননি। তাই ফাউন্টেইন টুলফোর্জে না দেখাচ্ছে 0 না দেখাচ্ছে 1। তাই অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]],আদাব<br>[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি সংশোধন করেছি।<br>(পাতা থেকে যথাসাধ্য অতিরঞ্জিত ভাবানুবাদ ছেটে, সূত্র-ও যুক্ত করেছি। তবে দীর্ঘ পাতা হওয়া, কিছু ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে, তাই কোনো প্র য়োজন হলে অনুগ্রহপূর্বক মেন্শন করবেন) ধন্যবাদ,, [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 205lzicz3d8g0bb8ctm4vxbu2mj78aj 81752 81751 2026-04-27T23:34:22Z Oindrojalik Watch 4169 81752 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' == [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:০১, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত বার বার মেনশন করবেন না, একবার মেনশন হবে, অধৈর্য হবেন না, আমি ঠিক দেখব।<br><br> সম্পূর্ণ পাতা না দেখেও বলা যায় এটি অপরিশোধিত যান্ত্রিক অনুবাদ। :*<code>'''গণহত্যা '''(যার মধ্যে '''হলোকাস্ট '''অন্তর্ভুক্ত),</code> লাইনে দুটি শব্দেই উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন/করা আছে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় ''হলোকাস্ট '' কোনোও শব্দ নেই, আর এখানে যে ''গণহত্যা'' শব্দে উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন তার অর্থ ভিন্ন। :* <code>More and more we felt that only a resolution of the European situation could save Spain, if Spain was to be saved</code> → <code>আমরা আমাদের অস্তিত্বের প্রতিটি স্পন্দনে... মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছিলাম</code> এতটা নাটকীয় অনুবাদ? :* <code>they had given thousands of their best sons</code> → <code>হাজার হাজার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মুক্তির লড়াইয়ে যুদ্ধের অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ করেছিল"।</code> মূল লেখায় '''মুক্তির লড়াই''' বা '''অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ''' এরকম কোনো কথা নেই। :* সূত্রগুলো তে লিংক নেই, সূত্রের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় — (em dash) চিহ্ন। :* বিভিন্ন জায়গায় টেক্সট ফর্ম্যাটিংয়ের সমস্যা, যেখানে বোল্ড/ইটালিক প্রয়োজন সেখানে বোল্ড/ইটালিক নেই, যেখানে প্রয়োজন নয়, সেখানে আছে। :এগুলো দেখলেই বোঝা যায়। আমি শুধুমাত্র প্রথমের কিছু উক্তির ভুলগুলো তুলে ধরলাম। আপনার সম্পূর্ণ পাতাতেই এই ভুলগুলো রয়েছে। :এই সমস্যাগুলো ঠিক করে জানান, বিশেষ করে শব্দসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরঞ্জন করবেন না। খেয়াল রাখবেন [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে '''প্রতিটি নিবন্ধ সর্বোচ্চ দুই (২) বার পর্যালোচনা করা যাবে।''' [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], প্রথমত বারবার মেনশন করলাম না। তবে অতিরিক্ত দেরি না করার পরামর্শ দিচ্ছি। ::দ্বিতীয়ত, কিছু জায়গায় ভাবানুবাদ না করলে একদমই '''আক্ষরিক''' হয়ে যায় যা পরিহারযোগ্য। তবুও, উপরোক্ত উদাহরণের মতো অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণের চেষ্টা করা হবে। এবং সূত্র থেকে লিঙ্ক তেমন বাদ না পড়লেও লিঙ্কগুলো খুঁজে দেখা হবে। এছাড়া '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' পরিমার্জন করা হবে, '''কিন্তু''' ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল। পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ ব্যাপারে মন্তব্য রাখবেন। ~'''আল-মাহমুদ''' ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এও মন্তব্যটাও পড়ে মনে হচ্ছে এআই জেনারেটেড। :::যাই হোক, ভাবানুবাদ আর অতিরঞ্জন দুটো আলাদা জিনিস। আরও একটি কথা, যখন একই প্যাটর্নে কিছু জিনিস পাল্টাতে থাকে তখন সেটা স্পষ্ট যান্ত্রিক অনুবাদ। :::"বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল"- এই কথার অর্থ কি ? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:০২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], খুবই অনুমানযোগ্য উত্তর। এআই জেনেরাটেড উত্তর আপনাকে কেন দিতে যাব? নিজের Key-Board চেপে দিচ্ছি। ভাষা একটু গোছানো হলেই তাকে 'এ-আই জেনেরেটেড' ভাববেন না। যেহেতু আমিই সম্পাদনাটি করছি তাই অতিরিক্ত সন্দিহান হবেন না।। উইকিপিডিয়াতে আমি একদম নবাগত ('''৪৩ দিন''', উইকিউক্তিতে '''২৫ দিন''') হলেও আমার দীর্ঘদিন সাহিত্যিক-কাব্যিক ঘরানার লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে। ::::যাইহোক সেসব বাদ (''ব্যক্তিগত হিসেবে নেওয়ার দরকার নেই। \ আলোচনায় কেউ এসব বললে সেটা পছন্দ করিনা''), এটা আগেই বলা হয়েছে যে অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণ করা হবে। :::: ::::"বুঝাতে চেয়েছি যে ''''ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে''''। যেমনঃ এক জায়গায় ''ফরাসি অথবা জার্মান ভাষা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ওই ভাষাটিকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বোল্ড করা হবে। এই বিষয়েই মন্তব্য করবেন।" ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:৪৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ৭ লাইনের ইংরেজি থেকে বাংলা ভাবানুবাদ করলেও তা কখনোই ১৮ লাইন হতে পারে না। :::::[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|প্রতিযোগিতার নিয়মে]] স্পষ্ট উল্লেখ আছে '''অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি, অপ্রয়োজনীয় বোল্ড, অপ্রয়োজনীয় বুলেট পয়েন্ট, বাংলার পাশে বারবার ব্র্যাকেটে ইংরেজি টার্ম, তথ্যসূত্র অনুপস্থিত ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে।''' :::::আপনার যদি আমার পর্যালোচনা নিয়ে অন্য কোনও রকম আপত্তি থেকে থাকে তা আপনি প্রতিযোগিতার আলাপ পাতায় তুলে ধরতে পারেন। আর যদি না তা না থাকে তাহলে উল্লিখিত বিয়ষয়গুলো সংশোধন করে আমাকে এখানে মেনশন করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:১৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শার্প: পুনঃপর্যালোচনা == [[উইলিয়াম শার্প]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ~ [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Muqtadir Fuad|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[বমি]] নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ == @[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] আমি [[বমি]] নিবন্ধটি সংশোধন করে [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]]কে জানিয়েছিলাম। সে গ্রহণ করে নিলেও আপনি দেখলাম গ্রহণ করেননি। তাই ফাউন্টেইন টুলফোর্জে না দেখাচ্ছে 0 না দেখাচ্ছে 1। তাই অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]],আদাব<br>[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি সংশোধন করেছি।<br>(পাতা থেকে যথাসাধ্য অতিরঞ্জিত ভাবানুবাদ ছেটে, সূত্র-ও যুক্ত করেছি। তবে দীর্ঘ পাতা হওয়া, কিছু ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে, তাই কোনো প্র য়োজন হলে অনুগ্রহপূর্বক মেন্শন করবেন) ধন্যবাদ,, [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) hn7f4zbvagduh7iy8zuagsej1adv2mw 81754 81752 2026-04-27T23:37:16Z ARI 356 /* দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ 2 */ উত্তর 81754 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' == [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:০১, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত বার বার মেনশন করবেন না, একবার মেনশন হবে, অধৈর্য হবেন না, আমি ঠিক দেখব।<br><br> সম্পূর্ণ পাতা না দেখেও বলা যায় এটি অপরিশোধিত যান্ত্রিক অনুবাদ। :*<code>'''গণহত্যা '''(যার মধ্যে '''হলোকাস্ট '''অন্তর্ভুক্ত),</code> লাইনে দুটি শব্দেই উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন/করা আছে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় ''হলোকাস্ট '' কোনোও শব্দ নেই, আর এখানে যে ''গণহত্যা'' শব্দে উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন তার অর্থ ভিন্ন। :* <code>More and more we felt that only a resolution of the European situation could save Spain, if Spain was to be saved</code> → <code>আমরা আমাদের অস্তিত্বের প্রতিটি স্পন্দনে... মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছিলাম</code> এতটা নাটকীয় অনুবাদ? :* <code>they had given thousands of their best sons</code> → <code>হাজার হাজার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মুক্তির লড়াইয়ে যুদ্ধের অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ করেছিল"।</code> মূল লেখায় '''মুক্তির লড়াই''' বা '''অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ''' এরকম কোনো কথা নেই। :* সূত্রগুলো তে লিংক নেই, সূত্রের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় — (em dash) চিহ্ন। :* বিভিন্ন জায়গায় টেক্সট ফর্ম্যাটিংয়ের সমস্যা, যেখানে বোল্ড/ইটালিক প্রয়োজন সেখানে বোল্ড/ইটালিক নেই, যেখানে প্রয়োজন নয়, সেখানে আছে। :এগুলো দেখলেই বোঝা যায়। আমি শুধুমাত্র প্রথমের কিছু উক্তির ভুলগুলো তুলে ধরলাম। আপনার সম্পূর্ণ পাতাতেই এই ভুলগুলো রয়েছে। :এই সমস্যাগুলো ঠিক করে জানান, বিশেষ করে শব্দসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরঞ্জন করবেন না। খেয়াল রাখবেন [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে '''প্রতিটি নিবন্ধ সর্বোচ্চ দুই (২) বার পর্যালোচনা করা যাবে।''' [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], প্রথমত বারবার মেনশন করলাম না। তবে অতিরিক্ত দেরি না করার পরামর্শ দিচ্ছি। ::দ্বিতীয়ত, কিছু জায়গায় ভাবানুবাদ না করলে একদমই '''আক্ষরিক''' হয়ে যায় যা পরিহারযোগ্য। তবুও, উপরোক্ত উদাহরণের মতো অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণের চেষ্টা করা হবে। এবং সূত্র থেকে লিঙ্ক তেমন বাদ না পড়লেও লিঙ্কগুলো খুঁজে দেখা হবে। এছাড়া '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' পরিমার্জন করা হবে, '''কিন্তু''' ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল। পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ ব্যাপারে মন্তব্য রাখবেন। ~'''আল-মাহমুদ''' ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এও মন্তব্যটাও পড়ে মনে হচ্ছে এআই জেনারেটেড। :::যাই হোক, ভাবানুবাদ আর অতিরঞ্জন দুটো আলাদা জিনিস। আরও একটি কথা, যখন একই প্যাটর্নে কিছু জিনিস পাল্টাতে থাকে তখন সেটা স্পষ্ট যান্ত্রিক অনুবাদ। :::"বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল"- এই কথার অর্থ কি ? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:০২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], খুবই অনুমানযোগ্য উত্তর। এআই জেনেরাটেড উত্তর আপনাকে কেন দিতে যাব? নিজের Key-Board চেপে দিচ্ছি। ভাষা একটু গোছানো হলেই তাকে 'এ-আই জেনেরেটেড' ভাববেন না। যেহেতু আমিই সম্পাদনাটি করছি তাই অতিরিক্ত সন্দিহান হবেন না।। উইকিপিডিয়াতে আমি একদম নবাগত ('''৪৩ দিন''', উইকিউক্তিতে '''২৫ দিন''') হলেও আমার দীর্ঘদিন সাহিত্যিক-কাব্যিক ঘরানার লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে। ::::যাইহোক সেসব বাদ (''ব্যক্তিগত হিসেবে নেওয়ার দরকার নেই। \ আলোচনায় কেউ এসব বললে সেটা পছন্দ করিনা''), এটা আগেই বলা হয়েছে যে অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণ করা হবে। :::: ::::"বুঝাতে চেয়েছি যে ''''ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে''''। যেমনঃ এক জায়গায় ''ফরাসি অথবা জার্মান ভাষা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ওই ভাষাটিকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বোল্ড করা হবে। এই বিষয়েই মন্তব্য করবেন।" ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:৪৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ৭ লাইনের ইংরেজি থেকে বাংলা ভাবানুবাদ করলেও তা কখনোই ১৮ লাইন হতে পারে না। :::::[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|প্রতিযোগিতার নিয়মে]] স্পষ্ট উল্লেখ আছে '''অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি, অপ্রয়োজনীয় বোল্ড, অপ্রয়োজনীয় বুলেট পয়েন্ট, বাংলার পাশে বারবার ব্র্যাকেটে ইংরেজি টার্ম, তথ্যসূত্র অনুপস্থিত ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে।''' :::::আপনার যদি আমার পর্যালোচনা নিয়ে অন্য কোনও রকম আপত্তি থেকে থাকে তা আপনি প্রতিযোগিতার আলাপ পাতায় তুলে ধরতে পারেন। আর যদি না তা না থাকে তাহলে উল্লিখিত বিয়ষয়গুলো সংশোধন করে আমাকে এখানে মেনশন করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:১৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শার্প: পুনঃপর্যালোচনা == [[উইলিয়াম শার্প]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ~ [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Muqtadir Fuad|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[বমি]] নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ == @[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] আমি [[বমি]] নিবন্ধটি সংশোধন করে [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]]কে জানিয়েছিলাম। সে গ্রহণ করে নিলেও আপনি দেখলাম গ্রহণ করেননি। তাই ফাউন্টেইন টুলফোর্জে না দেখাচ্ছে 0 না দেখাচ্ছে 1। তাই অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]],আদাব<br>[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি সংশোধন করেছি।<br>(পাতা থেকে যথাসাধ্য অতিরঞ্জিত ভাবানুবাদ ছেটে, সূত্র-ও যুক্ত করেছি। তবে দীর্ঘ পাতা হওয়া, কিছু ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে, তাই কোনো প্র য়োজন হলে অনুগ্রহপূর্বক মেন্শন করবেন) ধন্যবাদ,, [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] গতকাল ইতিমধ্যেই একবার মেনশন করেছেন, বারবার মেনশন করবেন না। পর্যালোচকদেরও বাস্তব জীবনে ব্যস্ততা থাকতে পারে। আমি দেখে পর জানাব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) hu3tbrubuqv08u7jz9o58mpege9zd7t 81756 81754 2026-04-27T23:39:58Z Oindrojalik Watch 4169 /* দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ 2 */ উত্তর 81756 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' == [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:০১, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত বার বার মেনশন করবেন না, একবার মেনশন হবে, অধৈর্য হবেন না, আমি ঠিক দেখব।<br><br> সম্পূর্ণ পাতা না দেখেও বলা যায় এটি অপরিশোধিত যান্ত্রিক অনুবাদ। :*<code>'''গণহত্যা '''(যার মধ্যে '''হলোকাস্ট '''অন্তর্ভুক্ত),</code> লাইনে দুটি শব্দেই উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন/করা আছে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় ''হলোকাস্ট '' কোনোও শব্দ নেই, আর এখানে যে ''গণহত্যা'' শব্দে উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন তার অর্থ ভিন্ন। :* <code>More and more we felt that only a resolution of the European situation could save Spain, if Spain was to be saved</code> → <code>আমরা আমাদের অস্তিত্বের প্রতিটি স্পন্দনে... মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছিলাম</code> এতটা নাটকীয় অনুবাদ? :* <code>they had given thousands of their best sons</code> → <code>হাজার হাজার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মুক্তির লড়াইয়ে যুদ্ধের অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ করেছিল"।</code> মূল লেখায় '''মুক্তির লড়াই''' বা '''অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ''' এরকম কোনো কথা নেই। :* সূত্রগুলো তে লিংক নেই, সূত্রের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় — (em dash) চিহ্ন। :* বিভিন্ন জায়গায় টেক্সট ফর্ম্যাটিংয়ের সমস্যা, যেখানে বোল্ড/ইটালিক প্রয়োজন সেখানে বোল্ড/ইটালিক নেই, যেখানে প্রয়োজন নয়, সেখানে আছে। :এগুলো দেখলেই বোঝা যায়। আমি শুধুমাত্র প্রথমের কিছু উক্তির ভুলগুলো তুলে ধরলাম। আপনার সম্পূর্ণ পাতাতেই এই ভুলগুলো রয়েছে। :এই সমস্যাগুলো ঠিক করে জানান, বিশেষ করে শব্দসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরঞ্জন করবেন না। খেয়াল রাখবেন [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে '''প্রতিটি নিবন্ধ সর্বোচ্চ দুই (২) বার পর্যালোচনা করা যাবে।''' [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], প্রথমত বারবার মেনশন করলাম না। তবে অতিরিক্ত দেরি না করার পরামর্শ দিচ্ছি। ::দ্বিতীয়ত, কিছু জায়গায় ভাবানুবাদ না করলে একদমই '''আক্ষরিক''' হয়ে যায় যা পরিহারযোগ্য। তবুও, উপরোক্ত উদাহরণের মতো অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণের চেষ্টা করা হবে। এবং সূত্র থেকে লিঙ্ক তেমন বাদ না পড়লেও লিঙ্কগুলো খুঁজে দেখা হবে। এছাড়া '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' পরিমার্জন করা হবে, '''কিন্তু''' ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল। পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ ব্যাপারে মন্তব্য রাখবেন। ~'''আল-মাহমুদ''' ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এও মন্তব্যটাও পড়ে মনে হচ্ছে এআই জেনারেটেড। :::যাই হোক, ভাবানুবাদ আর অতিরঞ্জন দুটো আলাদা জিনিস। আরও একটি কথা, যখন একই প্যাটর্নে কিছু জিনিস পাল্টাতে থাকে তখন সেটা স্পষ্ট যান্ত্রিক অনুবাদ। :::"বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল"- এই কথার অর্থ কি ? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:০২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], খুবই অনুমানযোগ্য উত্তর। এআই জেনেরাটেড উত্তর আপনাকে কেন দিতে যাব? নিজের Key-Board চেপে দিচ্ছি। ভাষা একটু গোছানো হলেই তাকে 'এ-আই জেনেরেটেড' ভাববেন না। যেহেতু আমিই সম্পাদনাটি করছি তাই অতিরিক্ত সন্দিহান হবেন না।। উইকিপিডিয়াতে আমি একদম নবাগত ('''৪৩ দিন''', উইকিউক্তিতে '''২৫ দিন''') হলেও আমার দীর্ঘদিন সাহিত্যিক-কাব্যিক ঘরানার লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে। ::::যাইহোক সেসব বাদ (''ব্যক্তিগত হিসেবে নেওয়ার দরকার নেই। \ আলোচনায় কেউ এসব বললে সেটা পছন্দ করিনা''), এটা আগেই বলা হয়েছে যে অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণ করা হবে। :::: ::::"বুঝাতে চেয়েছি যে ''''ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে''''। যেমনঃ এক জায়গায় ''ফরাসি অথবা জার্মান ভাষা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ওই ভাষাটিকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বোল্ড করা হবে। এই বিষয়েই মন্তব্য করবেন।" ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:৪৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ৭ লাইনের ইংরেজি থেকে বাংলা ভাবানুবাদ করলেও তা কখনোই ১৮ লাইন হতে পারে না। :::::[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|প্রতিযোগিতার নিয়মে]] স্পষ্ট উল্লেখ আছে '''অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি, অপ্রয়োজনীয় বোল্ড, অপ্রয়োজনীয় বুলেট পয়েন্ট, বাংলার পাশে বারবার ব্র্যাকেটে ইংরেজি টার্ম, তথ্যসূত্র অনুপস্থিত ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে।''' :::::আপনার যদি আমার পর্যালোচনা নিয়ে অন্য কোনও রকম আপত্তি থেকে থাকে তা আপনি প্রতিযোগিতার আলাপ পাতায় তুলে ধরতে পারেন। আর যদি না তা না থাকে তাহলে উল্লিখিত বিয়ষয়গুলো সংশোধন করে আমাকে এখানে মেনশন করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:১৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শার্প: পুনঃপর্যালোচনা == [[উইলিয়াম শার্প]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ~ [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Muqtadir Fuad|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[বমি]] নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ == @[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] আমি [[বমি]] নিবন্ধটি সংশোধন করে [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]]কে জানিয়েছিলাম। সে গ্রহণ করে নিলেও আপনি দেখলাম গ্রহণ করেননি। তাই ফাউন্টেইন টুলফোর্জে না দেখাচ্ছে 0 না দেখাচ্ছে 1। তাই অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]],আদাব<br>[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি সংশোধন করেছি।<br>(পাতা থেকে যথাসাধ্য অতিরঞ্জিত ভাবানুবাদ ছেটে, সূত্র-ও যুক্ত করেছি। তবে দীর্ঘ পাতা হওয়া, কিছু ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে, তাই কোনো প্র য়োজন হলে অনুগ্রহপূর্বক মেন্শন করবেন) ধন্যবাদ,, [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] গতকাল ইতিমধ্যেই একবার মেনশন করেছেন, বারবার মেনশন করবেন না। পর্যালোচকদেরও বাস্তব জীবনে ব্যস্ততা থাকতে পারে। আমি দেখে পর জানাব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ভাবলাম বোধহয় টেকনিক্যাল সমস্যা হয়েছ। তাই দ্বিতীয়বার করেছি। আপনার ব্যক্তিগত ইমেইল এড্রেস হলে এক্ষেত্রে ভালো হত। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 4b827pu0ma467n8pzhmu8awnqz100n5 81757 81756 2026-04-27T23:40:51Z Oindrojalik Watch 4169 81757 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' == [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:০১, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত বার বার মেনশন করবেন না, একবার মেনশন হবে, অধৈর্য হবেন না, আমি ঠিক দেখব।<br><br> সম্পূর্ণ পাতা না দেখেও বলা যায় এটি অপরিশোধিত যান্ত্রিক অনুবাদ। :*<code>'''গণহত্যা '''(যার মধ্যে '''হলোকাস্ট '''অন্তর্ভুক্ত),</code> লাইনে দুটি শব্দেই উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন/করা আছে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় ''হলোকাস্ট '' কোনোও শব্দ নেই, আর এখানে যে ''গণহত্যা'' শব্দে উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন তার অর্থ ভিন্ন। :* <code>More and more we felt that only a resolution of the European situation could save Spain, if Spain was to be saved</code> → <code>আমরা আমাদের অস্তিত্বের প্রতিটি স্পন্দনে... মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছিলাম</code> এতটা নাটকীয় অনুবাদ? :* <code>they had given thousands of their best sons</code> → <code>হাজার হাজার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মুক্তির লড়াইয়ে যুদ্ধের অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ করেছিল"।</code> মূল লেখায় '''মুক্তির লড়াই''' বা '''অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ''' এরকম কোনো কথা নেই। :* সূত্রগুলো তে লিংক নেই, সূত্রের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় — (em dash) চিহ্ন। :* বিভিন্ন জায়গায় টেক্সট ফর্ম্যাটিংয়ের সমস্যা, যেখানে বোল্ড/ইটালিক প্রয়োজন সেখানে বোল্ড/ইটালিক নেই, যেখানে প্রয়োজন নয়, সেখানে আছে। :এগুলো দেখলেই বোঝা যায়। আমি শুধুমাত্র প্রথমের কিছু উক্তির ভুলগুলো তুলে ধরলাম। আপনার সম্পূর্ণ পাতাতেই এই ভুলগুলো রয়েছে। :এই সমস্যাগুলো ঠিক করে জানান, বিশেষ করে শব্দসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরঞ্জন করবেন না। খেয়াল রাখবেন [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে '''প্রতিটি নিবন্ধ সর্বোচ্চ দুই (২) বার পর্যালোচনা করা যাবে।''' [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], প্রথমত বারবার মেনশন করলাম না। তবে অতিরিক্ত দেরি না করার পরামর্শ দিচ্ছি। ::দ্বিতীয়ত, কিছু জায়গায় ভাবানুবাদ না করলে একদমই '''আক্ষরিক''' হয়ে যায় যা পরিহারযোগ্য। তবুও, উপরোক্ত উদাহরণের মতো অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণের চেষ্টা করা হবে। এবং সূত্র থেকে লিঙ্ক তেমন বাদ না পড়লেও লিঙ্কগুলো খুঁজে দেখা হবে। এছাড়া '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' পরিমার্জন করা হবে, '''কিন্তু''' ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল। পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ ব্যাপারে মন্তব্য রাখবেন। ~'''আল-মাহমুদ''' ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এও মন্তব্যটাও পড়ে মনে হচ্ছে এআই জেনারেটেড। :::যাই হোক, ভাবানুবাদ আর অতিরঞ্জন দুটো আলাদা জিনিস। আরও একটি কথা, যখন একই প্যাটর্নে কিছু জিনিস পাল্টাতে থাকে তখন সেটা স্পষ্ট যান্ত্রিক অনুবাদ। :::"বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল"- এই কথার অর্থ কি ? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:০২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], খুবই অনুমানযোগ্য উত্তর। এআই জেনেরাটেড উত্তর আপনাকে কেন দিতে যাব? নিজের Key-Board চেপে দিচ্ছি। ভাষা একটু গোছানো হলেই তাকে 'এ-আই জেনেরেটেড' ভাববেন না। যেহেতু আমিই সম্পাদনাটি করছি তাই অতিরিক্ত সন্দিহান হবেন না।। উইকিপিডিয়াতে আমি একদম নবাগত ('''৪৩ দিন''', উইকিউক্তিতে '''২৫ দিন''') হলেও আমার দীর্ঘদিন সাহিত্যিক-কাব্যিক ঘরানার লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে। ::::যাইহোক সেসব বাদ (''ব্যক্তিগত হিসেবে নেওয়ার দরকার নেই। \ আলোচনায় কেউ এসব বললে সেটা পছন্দ করিনা''), এটা আগেই বলা হয়েছে যে অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণ করা হবে। :::: ::::"বুঝাতে চেয়েছি যে ''''ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে''''। যেমনঃ এক জায়গায় ''ফরাসি অথবা জার্মান ভাষা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ওই ভাষাটিকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বোল্ড করা হবে। এই বিষয়েই মন্তব্য করবেন।" ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:৪৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ৭ লাইনের ইংরেজি থেকে বাংলা ভাবানুবাদ করলেও তা কখনোই ১৮ লাইন হতে পারে না। :::::[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|প্রতিযোগিতার নিয়মে]] স্পষ্ট উল্লেখ আছে '''অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি, অপ্রয়োজনীয় বোল্ড, অপ্রয়োজনীয় বুলেট পয়েন্ট, বাংলার পাশে বারবার ব্র্যাকেটে ইংরেজি টার্ম, তথ্যসূত্র অনুপস্থিত ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে।''' :::::আপনার যদি আমার পর্যালোচনা নিয়ে অন্য কোনও রকম আপত্তি থেকে থাকে তা আপনি প্রতিযোগিতার আলাপ পাতায় তুলে ধরতে পারেন। আর যদি না তা না থাকে তাহলে উল্লিখিত বিয়ষয়গুলো সংশোধন করে আমাকে এখানে মেনশন করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:১৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শার্প: পুনঃপর্যালোচনা == [[উইলিয়াম শার্প]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ~ [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Muqtadir Fuad|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[বমি]] নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ == @[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] আমি [[বমি]] নিবন্ধটি সংশোধন করে [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]]কে জানিয়েছিলাম। সে গ্রহণ করে নিলেও আপনি দেখলাম গ্রহণ করেননি। তাই ফাউন্টেইন টুলফোর্জে না দেখাচ্ছে 0 না দেখাচ্ছে 1। তাই অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]],আদাব<br>[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি সংশোধন করেছি।<br>(পাতা থেকে যথাসাধ্য অতিরঞ্জিত ভাবানুবাদ ছেটে, সূত্র-ও যুক্ত করেছি। তবে দীর্ঘ পাতা হওয়া, কিছু ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে, তাই কোনো প্র য়োজন হলে অনুগ্রহপূর্বক মেন্শন করবেন) ধন্যবাদ,, [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] গতকাল ইতিমধ্যেই একবার মেনশন করেছেন, বারবার মেনশন করবেন না। পর্যালোচকদেরও বাস্তব জীবনে ব্যস্ততা থাকতে পারে। আমি দেখে পর জানাব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ভাবলাম বোধহয় টেকনিক্যাল সমস্যা হয়েছে। তাই দ্বিতীয়বার করেছি। আপনার ব্যক্তিগত ইমেইল এড্রেস হলে এক্ষেত্রে ভালো হত। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) pkgnc987h6yvn8ecocdpf27pf1ofkik 81922 81757 2026-04-28T11:02:44Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* বমি নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ */ উত্তর 81922 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' == [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:০১, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত বার বার মেনশন করবেন না, একবার মেনশন হবে, অধৈর্য হবেন না, আমি ঠিক দেখব।<br><br> সম্পূর্ণ পাতা না দেখেও বলা যায় এটি অপরিশোধিত যান্ত্রিক অনুবাদ। :*<code>'''গণহত্যা '''(যার মধ্যে '''হলোকাস্ট '''অন্তর্ভুক্ত),</code> লাইনে দুটি শব্দেই উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন/করা আছে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় ''হলোকাস্ট '' কোনোও শব্দ নেই, আর এখানে যে ''গণহত্যা'' শব্দে উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন তার অর্থ ভিন্ন। :* <code>More and more we felt that only a resolution of the European situation could save Spain, if Spain was to be saved</code> → <code>আমরা আমাদের অস্তিত্বের প্রতিটি স্পন্দনে... মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছিলাম</code> এতটা নাটকীয় অনুবাদ? :* <code>they had given thousands of their best sons</code> → <code>হাজার হাজার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মুক্তির লড়াইয়ে যুদ্ধের অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ করেছিল"।</code> মূল লেখায় '''মুক্তির লড়াই''' বা '''অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ''' এরকম কোনো কথা নেই। :* সূত্রগুলো তে লিংক নেই, সূত্রের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় — (em dash) চিহ্ন। :* বিভিন্ন জায়গায় টেক্সট ফর্ম্যাটিংয়ের সমস্যা, যেখানে বোল্ড/ইটালিক প্রয়োজন সেখানে বোল্ড/ইটালিক নেই, যেখানে প্রয়োজন নয়, সেখানে আছে। :এগুলো দেখলেই বোঝা যায়। আমি শুধুমাত্র প্রথমের কিছু উক্তির ভুলগুলো তুলে ধরলাম। আপনার সম্পূর্ণ পাতাতেই এই ভুলগুলো রয়েছে। :এই সমস্যাগুলো ঠিক করে জানান, বিশেষ করে শব্দসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরঞ্জন করবেন না। খেয়াল রাখবেন [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে '''প্রতিটি নিবন্ধ সর্বোচ্চ দুই (২) বার পর্যালোচনা করা যাবে।''' [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], প্রথমত বারবার মেনশন করলাম না। তবে অতিরিক্ত দেরি না করার পরামর্শ দিচ্ছি। ::দ্বিতীয়ত, কিছু জায়গায় ভাবানুবাদ না করলে একদমই '''আক্ষরিক''' হয়ে যায় যা পরিহারযোগ্য। তবুও, উপরোক্ত উদাহরণের মতো অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণের চেষ্টা করা হবে। এবং সূত্র থেকে লিঙ্ক তেমন বাদ না পড়লেও লিঙ্কগুলো খুঁজে দেখা হবে। এছাড়া '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' পরিমার্জন করা হবে, '''কিন্তু''' ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল। পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ ব্যাপারে মন্তব্য রাখবেন। ~'''আল-মাহমুদ''' ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এও মন্তব্যটাও পড়ে মনে হচ্ছে এআই জেনারেটেড। :::যাই হোক, ভাবানুবাদ আর অতিরঞ্জন দুটো আলাদা জিনিস। আরও একটি কথা, যখন একই প্যাটর্নে কিছু জিনিস পাল্টাতে থাকে তখন সেটা স্পষ্ট যান্ত্রিক অনুবাদ। :::"বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল"- এই কথার অর্থ কি ? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:০২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], খুবই অনুমানযোগ্য উত্তর। এআই জেনেরাটেড উত্তর আপনাকে কেন দিতে যাব? নিজের Key-Board চেপে দিচ্ছি। ভাষা একটু গোছানো হলেই তাকে 'এ-আই জেনেরেটেড' ভাববেন না। যেহেতু আমিই সম্পাদনাটি করছি তাই অতিরিক্ত সন্দিহান হবেন না।। উইকিপিডিয়াতে আমি একদম নবাগত ('''৪৩ দিন''', উইকিউক্তিতে '''২৫ দিন''') হলেও আমার দীর্ঘদিন সাহিত্যিক-কাব্যিক ঘরানার লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে। ::::যাইহোক সেসব বাদ (''ব্যক্তিগত হিসেবে নেওয়ার দরকার নেই। \ আলোচনায় কেউ এসব বললে সেটা পছন্দ করিনা''), এটা আগেই বলা হয়েছে যে অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণ করা হবে। :::: ::::"বুঝাতে চেয়েছি যে ''''ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে''''। যেমনঃ এক জায়গায় ''ফরাসি অথবা জার্মান ভাষা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ওই ভাষাটিকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বোল্ড করা হবে। এই বিষয়েই মন্তব্য করবেন।" ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:৪৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ৭ লাইনের ইংরেজি থেকে বাংলা ভাবানুবাদ করলেও তা কখনোই ১৮ লাইন হতে পারে না। :::::[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|প্রতিযোগিতার নিয়মে]] স্পষ্ট উল্লেখ আছে '''অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি, অপ্রয়োজনীয় বোল্ড, অপ্রয়োজনীয় বুলেট পয়েন্ট, বাংলার পাশে বারবার ব্র্যাকেটে ইংরেজি টার্ম, তথ্যসূত্র অনুপস্থিত ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে।''' :::::আপনার যদি আমার পর্যালোচনা নিয়ে অন্য কোনও রকম আপত্তি থেকে থাকে তা আপনি প্রতিযোগিতার আলাপ পাতায় তুলে ধরতে পারেন। আর যদি না তা না থাকে তাহলে উল্লিখিত বিয়ষয়গুলো সংশোধন করে আমাকে এখানে মেনশন করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:১৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শার্প: পুনঃপর্যালোচনা == [[উইলিয়াম শার্প]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ~ [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Muqtadir Fuad|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[বমি]] নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ == @[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] আমি [[বমি]] নিবন্ধটি সংশোধন করে [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]]কে জানিয়েছিলাম। সে গ্রহণ করে নিলেও আপনি দেখলাম গ্রহণ করেননি। তাই ফাউন্টেইন টুলফোর্জে না দেখাচ্ছে 0 না দেখাচ্ছে 1। তাই অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:০২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]],আদাব<br>[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি সংশোধন করেছি।<br>(পাতা থেকে যথাসাধ্য অতিরঞ্জিত ভাবানুবাদ ছেটে, সূত্র-ও যুক্ত করেছি। তবে দীর্ঘ পাতা হওয়া, কিছু ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে, তাই কোনো প্র য়োজন হলে অনুগ্রহপূর্বক মেন্শন করবেন) ধন্যবাদ,, [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] গতকাল ইতিমধ্যেই একবার মেনশন করেছেন, বারবার মেনশন করবেন না। পর্যালোচকদেরও বাস্তব জীবনে ব্যস্ততা থাকতে পারে। আমি দেখে পর জানাব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ভাবলাম বোধহয় টেকনিক্যাল সমস্যা হয়েছে। তাই দ্বিতীয়বার করেছি। আপনার ব্যক্তিগত ইমেইল এড্রেস হলে এক্ষেত্রে ভালো হত। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 460o7ikimnxos1a4myxd3xzyo33b4gm স্বাধীনতা 0 4723 81904 47608 2026-04-28T08:56:30Z Nihabd1 5745 81904 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:JuraIndependencia.jpg|thumb|250px|১৮১৮ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি চিলির স্বাধীনতা ঘোষণা]] '''[[:w:স্বাধীনতা|স্বাধীন{{উক্তি|স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে<br>কে বাঁচিতে চায়|রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়|স্বাধীনতা হীনতায়}} {{উক্তি|এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম|শেখ মুজিবুর রহমান|৭ই মার্চের ভাষণ, ১৯৭১}} {{উক্তি|স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন|বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান}} == উৎস == * শেখ মুজিবুর রহমান, ৭ই মার্চের ভাষণ [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক উক্তি]]তা]]''' হলো অন্যের উপর নির্ভরতা বা নিয়ন্ত্রণ থেকে অব্যাহতি। '''স্বাধীনতা''' হলো ব্যক্তি, জাতি, [[দেশ]] বা রাষ্ট্রের একটি শর্ত যেখানে জনগণ বা এর কিছু অংশে থাকবে নিজস্ব শাসনব্যবস্থা এবং সার্বভৌমত্ব বজায় থকবে। স্বাধীনতা মানে যা খুশি তা করা নয়। স্বাধীনতার বিপরীত হচ্ছে পরাধীনতা। একটি দেশের বা জাতির স্বাধীনতা লাভের অনেক উদ্দেশ্য থাকে। স্বাধীনতা লাভ নানা পথ ধরে হতে পারে। কখনো শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের মাধ্যমে অথবা সহিংসতার পথে। ==উক্তি== * [[জীবন]], জীবন, জীবন, আমি জীবন চাই। আর জীবনের একমাত্র প্রতিশব্দ হল স্বাধীনতা। তা না থাকলে [[মৃত্যু|মৃত্যুও]] শ্রেয়। ** [[ভগিনী নিবেদিতা]], ভারতের নিবেদিতা, রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচার (১৯৯৮); গোলপার্ক, কলকাতা; পৃষ্ঠা-৬২ * আধ্যাত্মিক-স্বাধীনতা বা মুক্তিই আদর্শ এবং তাহা লাভই আমাদের জীবনের লক্ষ্য হওয়া উচিত। উহা লাভ করিবার জন্য আমাদের প্রাণপণে চেষ্টা করা কর্তব্য, কারণ সর্বপ্রকার স্বাধীনতার মধ্যে উহাই শ্রেষ্ঠ ও সর্বোচ্চ। ** কলিকাতায় ছাত্রগণের উদ্দেশে স্বামী অভেদানন্দের বক্তৃতা, আমার জীবনকথা - [[স্বামী অভেদানন্দ]], দ্বিতীয় ভাগ, প্রকাশক- শ্রীরামকৃষ্ণ বেদান্ত মঠ, কলিকাতা, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশকাল- সেপ্টেম্বর ১৯৯৮, পৃষ্ঠা ৩৪০ * স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে,<br>কে বাঁচিতে চায়?<br>দাসত্ব-শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে,<br>কে পরিবে পায়?<br>কোটিকল্প দাস থাকা নরকের প্রায় হে,<br>নরকের প্রায়।<br>দিনেকের স্বাধীনতা, স্বর্গ-সুখ তায় হে,<br>স্বর্গসুখ তায়।৷ ** [[রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়]], পদ্মিনী উপাখ্যান- রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীপূর্ণচন্দ্র মুখোপাধ্যায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩১২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৪ * সাম্যবাদ ও স্বাধীনতা মন্ত্র প্রচার করিবার জন্য তােমরা গ্রামে গ্রামে ছড়াইয়া পড়। স্বাধীন ভারতের যে দৃশ্য আজ তােমাদের সম্মুখে ধরিলাম তাহা সমগ্র দেশবাসীর সম্মুখে ধর। স্বাধীনতার পুর্ব্বাস্বাদ নিজের অন্তরে পাইলে সকলেই পাগল হইয়া উঠিবে। এই আস্বাদ—এই অনুভূতি নিজের অন্তরে আগে অবশ্য পাওয়া চাই। নিজের অন্তরে এই আলােক জ্বালাে—সেই দীপ হস্তে লইয়াই দেশবাসীর দ্বারস্থ হও। ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], হুগলী জেলা ছাত্র-সম্মেলনে প্রদত্ত ভাষণ, নূতনের সন্ধান - সুভাষচন্দ্র বসু, শ্রীগোপাললাল সান্যাল কর্ত্তৃক সঙ্কলিত ও প্রকাশিত, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা! ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]], [[s:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বিতীয় খণ্ড)/১৭৮|১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে]], [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ]] দলিলপত্র- দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭০৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:আবহ]] [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] a1ibee0zgljub21amykaduz2o4y2wr0 ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker 3 9527 81654 81493 2026-04-27T14:55:18Z Dr. Mosaddek Khondoker 2987 /* নার্গিস মোহাম্মাদি */ উত্তর 81654 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Dr. Mosaddek Khondoker,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১৯:১৩, ৯ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[জাইর বলসোনারু]] == বেশ কিছু উক্তিতে লিংক করা বাকি। এগুলো সংশোধন এবং বহিঃসংযোগ যোগ করে আমাকে মেনশন করে জানালে গ্রহণ করে নিব।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০০:৩৪, ৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == অনুবাদ == আপনি অনুবাদগুলো কিভাবে করেন । আমি নতুন তাই কিছু পরামর্শ চাচ্ছি।[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৩:০৫, ৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] == বেশিরভাগ তথ্যসূত্রে লিংক যোগ করা হয়নি। এছাড়া উক্তিতে যান্ত্রিকতা আছে। দ্রুত লিংক যোগ না করলে গ্রহণ করা হবে না।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৩:২০, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] == এই পাতাতেও কোনো উক্তির উৎসে লিংক যোগ করা হয়নি। একই কথা প্রযোজ্য।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৩:২৩, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই দুঃখিত। আমি অপ্রত্যাশিত ভাবে হঠাৎ একটি সমস্যায় পড়ে যাওয়ায় কাজ করার সময় পাচ্ছি না। আমি এই ২ টা উক্তির লেখা ভালো করে ঠিক করতে পারি নাই। <nowiki>[[ফ্রেডরিক ডগলাস]]</nowiki> এ কিছু করতে পারি নাই। গ্রহণ করা না হলে এই দুইটা উক্তি ডিলেট করে দিতে পারেন। আমি সময় পেলে করতাম। কিন্তু এখন প্রতিযোগিতা শেষ। আমি এখন ফ্রি সময় এবং মেন্টাল এবিলিটি কিছুই পাচ্ছি না। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ২২:৪১, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == জন হার্ভে কেলোগ == পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫৩, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই আমি করেছি। এখন ঠিক আছে? আর সংশোধন করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১০:৩৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই আমি ঠিক করেছিলাম। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ০৮:৫২, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] দুঃখিত, গ্রহণ করা গেলো না। অনুবাদ এখনো যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] তাহলে এটা ডিলেট করে দিয়েন। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১২:১৪, ১৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == নার্গিস মোহাম্মাদি == [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] পাতাটি পর্যাপ্ত সম্পাদনা না করে জমা দেওয়া হয়েছে। ভালোভাবে সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ধন্যবাদ। আমি আবার পড়ে সংশোধন করেছি। কোনও ভুল পেলে জানাবেন। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৪:৫৫, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) kmon1xqoir1azzcmy8n3o7nvq8agfa6 81659 81654 2026-04-27T14:59:19Z Dr. Mosaddek Khondoker 2987 /* উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন */ উত্তর 81659 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Dr. Mosaddek Khondoker,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১৯:১৩, ৯ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[জাইর বলসোনারু]] == বেশ কিছু উক্তিতে লিংক করা বাকি। এগুলো সংশোধন এবং বহিঃসংযোগ যোগ করে আমাকে মেনশন করে জানালে গ্রহণ করে নিব।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০০:৩৪, ৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == অনুবাদ == আপনি অনুবাদগুলো কিভাবে করেন । আমি নতুন তাই কিছু পরামর্শ চাচ্ছি।[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৩:০৫, ৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] == বেশিরভাগ তথ্যসূত্রে লিংক যোগ করা হয়নি। এছাড়া উক্তিতে যান্ত্রিকতা আছে। দ্রুত লিংক যোগ না করলে গ্রহণ করা হবে না।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৩:২০, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] == এই পাতাতেও কোনো উক্তির উৎসে লিংক যোগ করা হয়নি। একই কথা প্রযোজ্য।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৩:২৩, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই দুঃখিত। আমি অপ্রত্যাশিত ভাবে হঠাৎ একটি সমস্যায় পড়ে যাওয়ায় কাজ করার সময় পাচ্ছি না। আমি এই ২ টা উক্তির লেখা ভালো করে ঠিক করতে পারি নাই। <nowiki>[[ফ্রেডরিক ডগলাস]]</nowiki> এ কিছু করতে পারি নাই। গ্রহণ করা না হলে এই দুইটা উক্তি ডিলেট করে দিতে পারেন। আমি সময় পেলে করতাম। কিন্তু এখন প্রতিযোগিতা শেষ। আমি এখন ফ্রি সময় এবং মেন্টাল এবিলিটি কিছুই পাচ্ছি না। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ২২:৪১, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == জন হার্ভে কেলোগ == পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫৩, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই আমি করেছি। এখন ঠিক আছে? আর সংশোধন করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১০:৩৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই আমি ঠিক করেছিলাম। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ০৮:৫২, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] দুঃখিত, গ্রহণ করা গেলো না। অনুবাদ এখনো যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] তাহলে এটা ডিলেট করে দিয়েন। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১২:১৪, ১৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমি নিবন্ধটি সংশোধন করেছি। [[মারে গেল-মান]] [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৪:৫৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == নার্গিস মোহাম্মাদি == [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] পাতাটি পর্যাপ্ত সম্পাদনা না করে জমা দেওয়া হয়েছে। ভালোভাবে সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ধন্যবাদ। আমি আবার পড়ে সংশোধন করেছি। কোনও ভুল পেলে জানাবেন। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৪:৫৫, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) tbd9r6hw06prurdq0bboag8s9j9oem6 81748 81659 2026-04-27T22:48:43Z MS Sakib 35 /* উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন */ উত্তর 81748 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Dr. Mosaddek Khondoker,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১৯:১৩, ৯ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[জাইর বলসোনারু]] == বেশ কিছু উক্তিতে লিংক করা বাকি। এগুলো সংশোধন এবং বহিঃসংযোগ যোগ করে আমাকে মেনশন করে জানালে গ্রহণ করে নিব।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০০:৩৪, ৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == অনুবাদ == আপনি অনুবাদগুলো কিভাবে করেন । আমি নতুন তাই কিছু পরামর্শ চাচ্ছি।[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৩:০৫, ৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] == বেশিরভাগ তথ্যসূত্রে লিংক যোগ করা হয়নি। এছাড়া উক্তিতে যান্ত্রিকতা আছে। দ্রুত লিংক যোগ না করলে গ্রহণ করা হবে না।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৩:২০, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] == এই পাতাতেও কোনো উক্তির উৎসে লিংক যোগ করা হয়নি। একই কথা প্রযোজ্য।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৩:২৩, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই দুঃখিত। আমি অপ্রত্যাশিত ভাবে হঠাৎ একটি সমস্যায় পড়ে যাওয়ায় কাজ করার সময় পাচ্ছি না। আমি এই ২ টা উক্তির লেখা ভালো করে ঠিক করতে পারি নাই। <nowiki>[[ফ্রেডরিক ডগলাস]]</nowiki> এ কিছু করতে পারি নাই। গ্রহণ করা না হলে এই দুইটা উক্তি ডিলেট করে দিতে পারেন। আমি সময় পেলে করতাম। কিন্তু এখন প্রতিযোগিতা শেষ। আমি এখন ফ্রি সময় এবং মেন্টাল এবিলিটি কিছুই পাচ্ছি না। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ২২:৪১, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == জন হার্ভে কেলোগ == পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫৩, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই আমি করেছি। এখন ঠিক আছে? আর সংশোধন করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১০:৩৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই আমি ঠিক করেছিলাম। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ০৮:৫২, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] দুঃখিত, গ্রহণ করা গেলো না। অনুবাদ এখনো যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] তাহলে এটা ডিলেট করে দিয়েন। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১২:১৪, ১৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমি নিবন্ধটি সংশোধন করেছি। [[মারে গেল-মান]] [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৪:৫৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২২:৪৮, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == নার্গিস মোহাম্মাদি == [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] পাতাটি পর্যাপ্ত সম্পাদনা না করে জমা দেওয়া হয়েছে। ভালোভাবে সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ধন্যবাদ। আমি আবার পড়ে সংশোধন করেছি। কোনও ভুল পেলে জানাবেন। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৪:৫৫, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 1g0otg9vqydx36u6lvyz4xdg3gdgb7o 81749 81748 2026-04-27T23:14:50Z Mehedi Abedin 50 /* নার্গিস মোহাম্মাদি */ উত্তর 81749 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Dr. Mosaddek Khondoker,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১৯:১৩, ৯ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[জাইর বলসোনারু]] == বেশ কিছু উক্তিতে লিংক করা বাকি। এগুলো সংশোধন এবং বহিঃসংযোগ যোগ করে আমাকে মেনশন করে জানালে গ্রহণ করে নিব।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০০:৩৪, ৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == অনুবাদ == আপনি অনুবাদগুলো কিভাবে করেন । আমি নতুন তাই কিছু পরামর্শ চাচ্ছি।[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৩:০৫, ৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] == বেশিরভাগ তথ্যসূত্রে লিংক যোগ করা হয়নি। এছাড়া উক্তিতে যান্ত্রিকতা আছে। দ্রুত লিংক যোগ না করলে গ্রহণ করা হবে না।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৩:২০, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] == এই পাতাতেও কোনো উক্তির উৎসে লিংক যোগ করা হয়নি। একই কথা প্রযোজ্য।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৩:২৩, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই দুঃখিত। আমি অপ্রত্যাশিত ভাবে হঠাৎ একটি সমস্যায় পড়ে যাওয়ায় কাজ করার সময় পাচ্ছি না। আমি এই ২ টা উক্তির লেখা ভালো করে ঠিক করতে পারি নাই। <nowiki>[[ফ্রেডরিক ডগলাস]]</nowiki> এ কিছু করতে পারি নাই। গ্রহণ করা না হলে এই দুইটা উক্তি ডিলেট করে দিতে পারেন। আমি সময় পেলে করতাম। কিন্তু এখন প্রতিযোগিতা শেষ। আমি এখন ফ্রি সময় এবং মেন্টাল এবিলিটি কিছুই পাচ্ছি না। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ২২:৪১, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == জন হার্ভে কেলোগ == পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫৩, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই আমি করেছি। এখন ঠিক আছে? আর সংশোধন করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১০:৩৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই আমি ঠিক করেছিলাম। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ০৮:৫২, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] দুঃখিত, গ্রহণ করা গেলো না। অনুবাদ এখনো যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] তাহলে এটা ডিলেট করে দিয়েন। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১২:১৪, ১৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমি নিবন্ধটি সংশোধন করেছি। [[মারে গেল-মান]] [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৪:৫৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২২:৪৮, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == নার্গিস মোহাম্মাদি == [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] পাতাটি পর্যাপ্ত সম্পাদনা না করে জমা দেওয়া হয়েছে। ভালোভাবে সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ধন্যবাদ। আমি আবার পড়ে সংশোধন করেছি। কোনও ভুল পেলে জানাবেন। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৪:৫৫, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] আরো করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:১৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 1jhyfz4a6cp6ws4t76989upje4rnkop টমাস জন সার্জেন্ট 0 10765 81740 67264 2026-04-27T19:43:25Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]] যোগ 81740 wikitext text/x-wiki [[File:Nobel Prize 2011-Press Conference KVA-DSC 7770.jpg|thumb|২০১১ সালে নোবেল পুরস্কারের সংবাদ সম্মেলনে থমাস জে. সার্জেন্ট]] '''{{W|টমাস জন সার্জেন্ট}}''' (জন্ম: ১৯ জুলাই ১৯৪৩) একজন মার্কিন [[অর্থনীতিবিদ]]। তিনি বর্তমানে {{w|নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়|নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের}} অর্থনীতি ও ব্যবসায় বিষয়ে ডব্লিউ.আর. বার্কলি অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি [[সমষ্টিগত অর্থনীতি]], [[আর্থিক অর্থনীতি]] এবং সময়-শ্রেণী [[অর্থমিতি]]র ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ। তিনি ২০১১ সালে অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার লাভ করেন। == উক্তি == * নীতির প্রশ্নে, কেইনসীয় অর্থনৈতিক সুপারিশের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি প্রায় শূন্য। বরং অ-কেইনসীয় অর্থনীতিবিদ বা এমনকি অ-অর্থনীতিবিদদের দৃষ্টিভঙ্গির তুলনায় এগুলোর ভিত্তি দুর্বল। ** রবার্ট লুকাস, জুনিয়র এবং থমাস জে. সার্জেন্ট, ''অ্যাফটার দ্য ফিলিপস কার্ভ: পেরম্যানেন্ট ইনফ্লেশন অ্যান্ড হাই আনএমপ্লয়মেন্ট'' (১৯৭৮)। * "যৌক্তিক প্রত্যাশা" দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বাস করে না যে মুদ্রাস্ফীতির কোনো স্বয়ংক্রিয় গতি রয়েছে। বরং ব্যবসায়ী ও শ্রমিকেরা ভবিষ্যতে মুদ্রাস্ফীতির সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ** থমাস জে. সার্জেন্ট, ''দ্য এন্ডস অফ ফোর বিগ ইনফ্লেশনস'' (১৯৮১)। * একটি সরকার যেটি শুরুতেই পুরো কেইনসীয় নীতিকে অস্বীকার করেছিল, সেই একই সরকার এখন ক্রমাগত বাজেট ঘাটতির আশঙ্কায় পরিচালিত হচ্ছে — এই দ্বৈততা গভীর মনোযোগ দাবি করে। ** থমাস জে. সার্জেন্ট, ''ব্যাক টু বেসিকস অন বাজেটস'', ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১০ আগস্ট ১৯৮৩)। * আমার কাজ কেবল আমার শেখার ইতিহাস। আমি তা ভাগ করে নিই যেন অন্যরা আমার মতো ভুলগুলো এড়িয়ে চলতে পারে। এটি ছিল ধীর, শ্রমসাধ্য একটি যাত্রা — আবিষ্কারের যাত্রা। ** থমাস জে. সার্জেন্ট, ''কনভার্সেশনস উইথ ইকোনমিস্টস'' (১৯৮৩), আর্জো ক্লামারের সঙ্গে সাক্ষাৎকার। * যৌক্তিক প্রত্যাশা তত্ত্ব আমাদের উপর কঠিন মানদণ্ড চাপিয়ে দেয়, যেমনটি আমরা অতীতে কেইনসীয়দের দোষারোপ করতাম। পরবর্তীতে যখন আমরা এই মডেলগুলিকে পরীক্ষায় ফেললাম, তখন দেখা গেল অনেক ভালো মডেলও বাতিল হয়ে যাচ্ছে। ** থমাস জে. সার্জেন্ট, সাক্ষাৎকার, ''ম্যাক্রোইকোনমিক ডায়নামিক্স'' ৯ (২০০৫), গরজে. ডব্লিউ. ইভান্স এবং সেপ্পো হনকাপোহজা দ্বারা। * বার্কলিতে আমার স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের দিনটি আমার জীবনের অন্যতম আনন্দের মুহূর্ত ছিল।<br>অর্থনীতি কিছু সাধারণ, কিন্তু গভীর শিক্ষার বিষয়:<br>১. চাহিদা থাকা সত্ত্বেও সবকিছু কার্যকর নয়।<br>২. আমরা বিনিময়ের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করি।<br>৩. মানুষ নিজের পরিশ্রম ও পছন্দ বিষয়ে বাইরের লোকের চেয়ে বেশি জানে।<br>৪. সবাই নিজস্ব স্বার্থে উদ্দীপনার প্রতি সাড়া দেয়, এমনকি সাহায্যপ্রবণ কর্মেও।<br>৫. সমতা ও দক্ষতার মধ্যে সর্বদা একধরনের বিনিময় থাকে।<br>৬. মানুষ তাদের নিজস্ব স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেয়; বাইরের হস্তক্ষেপ অনেক সময় কাজে আসে না।<br>৭. প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে ভেবে দেখো ভবিষ্যতে তুমি তা রাখতে পারবে কিনা।<br>৮. সরকার ও জনগণ উভয়ই উদ্দীপনার প্রভাবাধীন।<br>৯. একটি প্রজন্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উপর ব্যয় চাপিয়ে দিতে পারে।<br>১০. সরকারের ব্যয়ের বোঝা শেষ পর্যন্ত জনগণকেই বহন করতে হয়।<br>১১. বেশিরভাগ মানুষ চায় অন্যরা ট্যাক্স দিক, তারা নয়।<br>১২. বাজারদর ভবিষ্যতের প্রতিফলন — তাই পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন। ** থমাস জে. সার্জেন্ট, বার্কলি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক বক্তৃতা (২০০৭); উদ্ধৃতি: ডেভিড গ্লাসনার, "[https://uneasymoney.com/2014/04/25/memo-to-tom-sargent-economics-is-more-than-just-common-sense/ অর্থনীতি শুধু সাধারণ বোধ নয়]" (২০১৪)। * প্রশ্ন: “প্রফেসর সার্জেন্ট, আপনি কি বলতে পারেন দুই বছর পর সুদের হার কেমন হবে?”<br>সার্জেন্ট: “না।” ** থমাস জে. সার্জেন্ট, ''অ্যালি ব্যাংক''-এর টিভি বিজ্ঞাপন, 'প্রেডিকশনস'। === "যৌক্তিক প্রত্যাশা এবং অতিমুদ্রাস্ফীতি গতিবিদ্যা", ১৯৭৩ === থমাস জে. সার্জেন্ট ও নীল ওয়ালেস, ''ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক রিভিউ'' (১৯৭৩): ৩২৮-৩৫০। * ক্যাগানের অভিযোজনমূলক প্রত্যাশার মডেলকে অনেক সময় যৌক্তিক প্রত্যাশার সঙ্গে অসঙ্গত বলা হয়। তবে আমরা দেখিয়েছি, নির্দিষ্ট শর্তে এই অভিযোজনমূলক প্রত্যাশাও যৌক্তিক হতে পারে। * নীতিনির্ধারকদের মনে রাখা উচিত — সমাজগুলো সবসময়ই বিকল্প অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে নির্বাচনের মুখোমুখি হয়। * যৌক্তিক প্রত্যাশা শুধু একটি তত্ত্ব নয় — এটি নীতিনির্ধারণ এবং অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তগ্রহণের পদ্ধতির একটি মৌলিক পরিবর্তন। এটি একক পদক্ষেপ নয়, বরং গেমের নিয়ম পরিবর্তনের দিকেই দৃষ্টি দেয়। == আরও দেখুন == * [[রবার্ট লুকাস]] * [[নোবেল অর্থনীতি পুরস্কার]] * [[যৌক্তিক প্রত্যাশা]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} * [https://www.nobelprize.org/prizes/economic-sciences/2011/sargent/ সার্জেন্টের নোবেল পুরস্কার জীবনী – নোবেল ফাউন্ডেশন] * [https://www.minneapolisfed.org/authors/thomas-j-sargent মিনিয়াপলিস ফেডারেল রিজার্ভে সার্জেন্টের প্রবন্ধ ও সাক্ষাৎকার] * [https://ideas.repec.org/e/psa29.html RePEc-তে থমাস সার্জেন্টের প্রোফাইল] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]] j4ytmiv0q8f0nxpqg5m2q74o3qstkth আমার সোনার বাংলা 0 11576 81900 72578 2026-04-28T08:34:22Z Nihabd1 5745 81900 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:আমার সোনার বাং{{উক্তি|আমার সোনার বাংলা<br>আমি তোমায় ভালোবাসি|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|আমার সোনার বাংলা}} == উৎস == * রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, গান: আমার সোনার বাংলা [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]]লা|আমার সোনার বাংলা]]''' হলো বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। বঙ্গমাতা সম্পর্কে এই গানটি [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] কর্তৃক রচিত হয়, রচনাসাল অজানা। বাউল গায়ক [[গগন হরকরা|গগন হরকরার]] গান "আমি কোথায় পাব তারে" থেকে এই গানের সুর ও সঙ্গীত উদ্ভূত। == উক্তি == * ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে আমি যখন শেষবারের মতো জনসভা করি, যেখানে ১০ লাখ লোক হাজির হয়েছিল আর “স্বাধীন বাংলা স্বাধীন বাংলা” স্লোগান দিচ্ছিল, তখন ছেলেরা গানটা গাইতে শুরু করে। আমরা সবাই, ১০ লাখ লোক দাঁড়িয়ে গানটাকে শ্রদ্ধা জানাই। তখনই আমরা আমাদের বর্তমান জাতীয় সংগীতকে গ্রহণ করে নিই। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ১৯৭২ সালের ১৮ জানুয়ারি ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%A4-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E2%80%93%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A6%BE] * সেদিন রাতে খেতে বসে বঙ্গবন্ধু একপর্যায়ে গম্ভীর হয়ে আমাদের উদ্দেশ করে বললেন, “দেশটা যদি কোনো দিন স্বাধীন হয়, তাহলে দেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে কবিগুরুর ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটিকে গ্রহণ করো।” ** [[w:bn:এম এ ওয়াজেদ মিয়া|এম এ ওয়াজেদ মিয়া]], তার বইয়ে এটি লিখেছেন [https://www.prothomalo.com/opinion/column/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF] * পঞ্চাশ দশকে একবার আমার খুব ভাল করে মনে আছে- কার্জন হলে একটা অনুষ্ঠান হচ্ছিলো। আমাকে গান গাইতে বলা হয়েছিল। আমি খুব বিস্মিত হয়ে গেলাম গান গাইতে। কী গান গাইবো? এমন সময় দেখা গেল সেখানে বঙ্গবন্ধু। তখন তো তাকে কেউ বঙ্গবন্ধু বলে না- [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। তিনি লোক দিয়ে আমাকে বলে পাঠালেন আমি যেন ‘সোনার বাংলা’ গানটা গাই- ‘আমার সোনার বাংলা’। আমি খুব ঘাবড়ে গেলাম। এত লম্বা একটা গান। তখন তো আর এটা জাতীয় সঙ্গীত নয়। পুরো গানটা আমি কেমন করে শোনাবো? আমি তখন চেষ্টা করে গীতবিতান সংগ্রহ করে সে গান গেয়েছিলাম কোনমতে। জানি না কতটা শুদ্ধ গেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি এইভাবে গান শুনতে চাওয়ার একটা কারণ ছিল। তিনি যে অনুষ্ঠান করছিলেন, সেখানে পাকিস্তানীরাও ছিল। তিনি দেখাতে চেষ্টা করেছিলেন তাদেরকে ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি’ কথাটা আমরা কত সুন্দর করে উচ্চারণ করি। এই গানটার ভিতরে যে অনুভূতি সেটা তিনি তাদের কাছে পৌঁছাবার চেষ্টা করেছিলেন। এবং আমার তো মনে হয় তখনই তার মনে বোধহয় এটাকে জাতীয় সঙ্গীত করবার কথা মনে এসেছিল। ** [[w:bn:সনজীদা খাতুন|সনজীদা খাতুন]]। ‘বঙ্গবন্ধুর ভাবনায় আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক এক লেখায়। [https://www.channelionline.com/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%86/] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা ভাষার গান]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি জাতীয়তাবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] b5b1s4sjmm0280272c1m6trqsmvl7nt 81901 81900 2026-04-28T08:35:57Z Nihabd1 5745 81901 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:আমার সোনার বাং{{উক্তি|আমার সোনার বাংলা<br>আমি তোমায় ভালোবাসি|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|আমার সোনার বাংলা}} == উৎস == * রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, গান: আমার সোনার বাংলা [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ {{উক্তি|আমার সোনার বাংলা<br>আমি তোমায় ভালোবাসি|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|আমার সোনার বাংলা}} == উৎস == * রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, গান: আমার সোনার বাংলা [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]]ঠাকুরের উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]]লা|আমার সোনার বাংলা]]''' হলো বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। বঙ্গমাতা সম্পর্কে এই গানটি [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] কর্তৃক রচিত হয়, রচনাসাল অজানা। বাউল গায়ক [[গগন হরকরা|গগন হরকরার]] গান "আমি কোথায় পাব তারে" থেকে এই গানের সুর ও সঙ্গীত উদ্ভূত। == উক্তি == * ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে আমি যখন শেষবারের মতো জনসভা করি, যেখানে ১০ লাখ লোক হাজির হয়েছিল আর “স্বাধীন বাংলা স্বাধীন বাংলা” স্লোগান দিচ্ছিল, তখন ছেলেরা গানটা গাইতে শুরু করে। আমরা সবাই, ১০ লাখ লোক দাঁড়িয়ে গানটাকে শ্রদ্ধা জানাই। তখনই আমরা আমাদের বর্তমান জাতীয় সংগীতকে গ্রহণ করে নিই। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ১৯৭২ সালের ১৮ জানুয়ারি ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%A4-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E2%80%93%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A6%BE] * সেদিন রাতে খেতে বসে বঙ্গবন্ধু একপর্যায়ে গম্ভীর হয়ে আমাদের উদ্দেশ করে বললেন, “দেশটা যদি কোনো দিন স্বাধীন হয়, তাহলে দেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে কবিগুরুর ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটিকে গ্রহণ করো।” ** [[w:bn:এম এ ওয়াজেদ মিয়া|এম এ ওয়াজেদ মিয়া]], তার বইয়ে এটি লিখেছেন [https://www.prothomalo.com/opinion/column/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF] * পঞ্চাশ দশকে একবার আমার খুব ভাল করে মনে আছে- কার্জন হলে একটা অনুষ্ঠান হচ্ছিলো। আমাকে গান গাইতে বলা হয়েছিল। আমি খুব বিস্মিত হয়ে গেলাম গান গাইতে। কী গান গাইবো? এমন সময় দেখা গেল সেখানে বঙ্গবন্ধু। তখন তো তাকে কেউ বঙ্গবন্ধু বলে না- [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। তিনি লোক দিয়ে আমাকে বলে পাঠালেন আমি যেন ‘সোনার বাংলা’ গানটা গাই- ‘আমার সোনার বাংলা’। আমি খুব ঘাবড়ে গেলাম। এত লম্বা একটা গান। তখন তো আর এটা জাতীয় সঙ্গীত নয়। পুরো গানটা আমি কেমন করে শোনাবো? আমি তখন চেষ্টা করে গীতবিতান সংগ্রহ করে সে গান গেয়েছিলাম কোনমতে। জানি না কতটা শুদ্ধ গেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি এইভাবে গান শুনতে চাওয়ার একটা কারণ ছিল। তিনি যে অনুষ্ঠান করছিলেন, সেখানে পাকিস্তানীরাও ছিল। তিনি দেখাতে চেষ্টা করেছিলেন তাদেরকে ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি’ কথাটা আমরা কত সুন্দর করে উচ্চারণ করি। এই গানটার ভিতরে যে অনুভূতি সেটা তিনি তাদের কাছে পৌঁছাবার চেষ্টা করেছিলেন। এবং আমার তো মনে হয় তখনই তার মনে বোধহয় এটাকে জাতীয় সঙ্গীত করবার কথা মনে এসেছিল। ** [[w:bn:সনজীদা খাতুন|সনজীদা খাতুন]]। ‘বঙ্গবন্ধুর ভাবনায় আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক এক লেখায়। [https://www.channelionline.com/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%86/] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা ভাষার গান]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি জাতীয়তাবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ijddtc9fbgu2nqtuvfndckxer4aizlu 81910 81901 2026-04-28T09:29:44Z Nihabd1 5745 [[আমার সোনার বাংলা]]-এ পুনর্নির্দেশ করা হল 81910 wikitext text/x-wiki #পুনর্নির্দেশ [[আমার সোনার বাংলা]] == উৎস == * রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, গান: আমার সোনার বাংলা [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ {{উক্তি|আমার সোনার বাংলা<br>আমি তোমায় ভালোবাসি|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|আমার সোনার বাংলা}} == উৎস == * রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, গান: আমার সোনার বাংলা [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]]ঠাকুরের উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]]লা|আমার সোনার বাংলা]]''' হলো বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। বঙ্গমাতা সম্পর্কে এই গানটি [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] কর্তৃক রচিত হয়, রচনাসাল অজানা। বাউল গায়ক [[গগন হরকরা|গগন হরকরার]] গান "আমি কোথায় পাব তারে" থেকে এই গানের সুর ও সঙ্গীত উদ্ভূত। == উক্তি == * ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে আমি যখন শেষবারের মতো জনসভা করি, যেখানে ১০ লাখ লোক হাজির হয়েছিল আর “স্বাধীন বাংলা স্বাধীন বাংলা” স্লোগান দিচ্ছিল, তখন ছেলেরা গানটা গাইতে শুরু করে। আমরা সবাই, ১০ লাখ লোক দাঁড়িয়ে গানটাকে শ্রদ্ধা জানাই। তখনই আমরা আমাদের বর্তমান জাতীয় সংগীতকে গ্রহণ করে নিই। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ১৯৭২ সালের ১৮ জানুয়ারি ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%A4-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E2%80%93%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A6%BE] * সেদিন রাতে খেতে বসে বঙ্গবন্ধু একপর্যায়ে গম্ভীর হয়ে আমাদের উদ্দেশ করে বললেন, “দেশটা যদি কোনো দিন স্বাধীন হয়, তাহলে দেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে কবিগুরুর ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটিকে গ্রহণ করো।” ** [[w:bn:এম এ ওয়াজেদ মিয়া|এম এ ওয়াজেদ মিয়া]], তার বইয়ে এটি লিখেছেন [https://www.prothomalo.com/opinion/column/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF] * পঞ্চাশ দশকে একবার আমার খুব ভাল করে মনে আছে- কার্জন হলে একটা অনুষ্ঠান হচ্ছিলো। আমাকে গান গাইতে বলা হয়েছিল। আমি খুব বিস্মিত হয়ে গেলাম গান গাইতে। কী গান গাইবো? এমন সময় দেখা গেল সেখানে বঙ্গবন্ধু। তখন তো তাকে কেউ বঙ্গবন্ধু বলে না- [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। তিনি লোক দিয়ে আমাকে বলে পাঠালেন আমি যেন ‘সোনার বাংলা’ গানটা গাই- ‘আমার সোনার বাংলা’। আমি খুব ঘাবড়ে গেলাম। এত লম্বা একটা গান। তখন তো আর এটা জাতীয় সঙ্গীত নয়। পুরো গানটা আমি কেমন করে শোনাবো? আমি তখন চেষ্টা করে গীতবিতান সংগ্রহ করে সে গান গেয়েছিলাম কোনমতে। জানি না কতটা শুদ্ধ গেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি এইভাবে গান শুনতে চাওয়ার একটা কারণ ছিল। তিনি যে অনুষ্ঠান করছিলেন, সেখানে পাকিস্তানীরাও ছিল। তিনি দেখাতে চেষ্টা করেছিলেন তাদেরকে ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি’ কথাটা আমরা কত সুন্দর করে উচ্চারণ করি। এই গানটার ভিতরে যে অনুভূতি সেটা তিনি তাদের কাছে পৌঁছাবার চেষ্টা করেছিলেন। এবং আমার তো মনে হয় তখনই তার মনে বোধহয় এটাকে জাতীয় সঙ্গীত করবার কথা মনে এসেছিল। ** [[w:bn:সনজীদা খাতুন|সনজীদা খাতুন]]। ‘বঙ্গবন্ধুর ভাবনায় আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক এক লেখায়। [https://www.channelionline.com/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%86/] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা ভাষার গান]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি জাতীয়তাবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] d6c80y702ts8z6wkkpm1zpa1wvj03wx উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/কীভাবে 4 11850 81776 77297 2026-04-28T01:45:16Z Nazmul Nahib 5739 81776 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=4}} আমার উক্তিটি হল-: চ ওকা চো- দ একারে দে না চোরে, ভাব চ ওকা চো- দাইয়া ঘোরে।🤷🏼‍♂️ == নতুন উক্তির পাতা তৈরি করা == আপনি যে পাতাটি তৈরি করতে চাইছেন, সেই পাতাটির নাম নিচের বাক্সে লিখুন। তারপর '''পাতা তৈরি করুন''' ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর, আপনাকে একটি নতুন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে ও তাতে একটি বাক্স দেওয়া থাকবে। বাক্সে উক্তি লিখুন ও উক্ত পাতাটি প্রকাশ করুন। নতুন উক্তির পাতা প্রকাশের পর, উক্ত পাতায় থাকা কলম আইকনে ক্লিক করে আপনি উক্ত পাতাটি আবার সম্পাদনা করতে পারবেন।<inputbox> type=create Preload=টেমপ্লেট:নতুন_পাতা_তৈরি placeholder=শিরোনাম লিখুন (উদা: কাজী নজরুল ইসলাম) </inputbox> == কীভাবে উক্তি যোগ করব? == * ব্যক্তি যদি বাঙালি হয়, তবে তার উক্তি হুবহু তুলে দিন (উদা: [[চঞ্চল চৌধুরী]] দেখুন)। ব্যক্তি যদি বিদেশি হয়, তবে উক্তি অনুবাদ করে যোগ করুন (উদা: [[নোম চম্‌স্কি]] দেখুন)। নমুনা কাঠামো:<pre> বিষয় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ .... == উক্তি == * ১ম উক্তি ** ১ম উক্তির উৎস, অর্থাৎ কোথা থেকে উক্তিটি পেয়েছেন * ২য় উক্তি ** ২য় উক্তির উৎস, অর্থাৎ কোথা থেকে উক্তিটি পেয়েছেন * ৩য় উক্তি ** ৩য় উক্তির উৎস, অর্থাৎ কোথা থেকে উক্তিটি পেয়েছেন ... এভাবে যত সম্ভব উক্তি যোগ করুন... == আরও দেখুন == * [[নিবন্ধের নাম]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} </pre>উদাহরণ হিসেবে [[কাজী নজরুল ইসলাম]], [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] পাতা দেখুন। 5kkdxfpddos0fqlleb4zg605iibbljy উইকিউক্তি আলোচনা:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ 5 11851 81680 81612 2026-04-27T15:41:48Z ~2026-25687-73 5721 /* FAhimsk */ নতুন অনুচ্ছেদ 81680 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] যুক্ত করা যেতে পারে। বিস্তারিত দেখুন: [[উইকিউক্তি:উদ্ধৃতিযুক্ত ও উদ্ধৃতিবিহীন অনুচ্ছেদ#ভুলভাবে আরোপিত]]। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:২৪, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] প্রতিবর্ণীকরণ করুন। যদি একটি সম্পূর্ণ বাক্য থাকে, যেমন আছে তেমন রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২২:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == রায়হান আহমদ == তারা মাছ [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25591-27|&#126;2026-25591-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25591-27|আলাপ]]) ০৮:৪৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == FAhimsk == Sujapur [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25687-73|&#126;2026-25687-73]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25687-73|আলাপ]]) ১৫:৪১, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) cm7bsvbbxne252vynn5t28njsqqvivr 81702 81680 2026-04-27T18:09:48Z ~2026-25836-95 5727 81702 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] যুক্ত করা যেতে পারে। বিস্তারিত দেখুন: [[উইকিউক্তি:উদ্ধৃতিযুক্ত ও উদ্ধৃতিবিহীন অনুচ্ছেদ#ভুলভাবে আরোপিত]]। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:২৪, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] প্রতিবর্ণীকরণ করুন। যদি একটি সম্পূর্ণ বাক্য থাকে, যেমন আছে তেমন রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২২:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == রায়হান আহমদ == তারা মাছ [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25591-27|&#126;2026-25591-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25591-27|আলাপ]]) ০৮:৪৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == FAhimsk == Sujapur [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25687-73|&#126;2026-25687-73]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25687-73|আলাপ]]) ১৫:৪১, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) gjj [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25836-95|&#126;2026-25836-95]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25836-95|আলাপ]]) ১৮:০৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) fx431sjp0yc9zylllcnw3i3enfwwzku 81726 81702 2026-04-27T19:25:12Z ~2026-25826-18 5726 /* PG */ নতুন অনুচ্ছেদ 81726 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] যুক্ত করা যেতে পারে। বিস্তারিত দেখুন: [[উইকিউক্তি:উদ্ধৃতিযুক্ত ও উদ্ধৃতিবিহীন অনুচ্ছেদ#ভুলভাবে আরোপিত]]। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:২৪, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] প্রতিবর্ণীকরণ করুন। যদি একটি সম্পূর্ণ বাক্য থাকে, যেমন আছে তেমন রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২২:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == রায়হান আহমদ == তারা মাছ [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25591-27|&#126;2026-25591-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25591-27|আলাপ]]) ০৮:৪৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == FAhimsk == Sujapur [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25687-73|&#126;2026-25687-73]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25687-73|আলাপ]]) ১৫:৪১, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) gjj [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25836-95|&#126;2026-25836-95]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25836-95|আলাপ]]) ১৮:০৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == PG == 1000000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25826-18|&#126;2026-25826-18]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25826-18|আলাপ]]) ১৯:২৫, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 8hyiklvrg4ovud4cwp19xhymifrp6am 81810 81726 2026-04-28T03:24:11Z ~2026-25910-75 5741 /* Sojib */ নতুন অনুচ্ছেদ 81810 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] যুক্ত করা যেতে পারে। বিস্তারিত দেখুন: [[উইকিউক্তি:উদ্ধৃতিযুক্ত ও উদ্ধৃতিবিহীন অনুচ্ছেদ#ভুলভাবে আরোপিত]]। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:২৪, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] প্রতিবর্ণীকরণ করুন। যদি একটি সম্পূর্ণ বাক্য থাকে, যেমন আছে তেমন রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২২:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == রায়হান আহমদ == তারা মাছ [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25591-27|&#126;2026-25591-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25591-27|আলাপ]]) ০৮:৪৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == FAhimsk == Sujapur [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25687-73|&#126;2026-25687-73]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25687-73|আলাপ]]) ১৫:৪১, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) gjj [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25836-95|&#126;2026-25836-95]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25836-95|আলাপ]]) ১৮:০৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == PG == 1000000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25826-18|&#126;2026-25826-18]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25826-18|আলাপ]]) ১৯:২৫, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Sojib == সঠিক [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25910-75|&#126;2026-25910-75]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25910-75|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) jb8z0xba7n0la7pq9p38v3gdqgikl37 81927 81810 2026-04-28T11:33:11Z ~2026-25675-68 5754 /* Msrupa123 */ নতুন অনুচ্ছেদ 81927 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] যুক্ত করা যেতে পারে। বিস্তারিত দেখুন: [[উইকিউক্তি:উদ্ধৃতিযুক্ত ও উদ্ধৃতিবিহীন অনুচ্ছেদ#ভুলভাবে আরোপিত]]। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:২৪, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] প্রতিবর্ণীকরণ করুন। যদি একটি সম্পূর্ণ বাক্য থাকে, যেমন আছে তেমন রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২২:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == রায়হান আহমদ == তারা মাছ [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25591-27|&#126;2026-25591-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25591-27|আলাপ]]) ০৮:৪৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == FAhimsk == Sujapur [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25687-73|&#126;2026-25687-73]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25687-73|আলাপ]]) ১৫:৪১, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) gjj [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25836-95|&#126;2026-25836-95]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25836-95|আলাপ]]) ১৮:০৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == PG == 1000000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25826-18|&#126;2026-25826-18]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25826-18|আলাপ]]) ১৯:২৫, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Sojib == সঠিক [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25910-75|&#126;2026-25910-75]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25910-75|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Msrupa123 == m [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25675-68|&#126;2026-25675-68]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25675-68|আলাপ]]) ১১:৩৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) kwfnhdm6i48p20kxqdkjzvmkr6tt173 81929 81927 2026-04-28T11:34:20Z ~2026-25675-68 5754 /* Misrupa123 */ নতুন অনুচ্ছেদ 81929 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] যুক্ত করা যেতে পারে। বিস্তারিত দেখুন: [[উইকিউক্তি:উদ্ধৃতিযুক্ত ও উদ্ধৃতিবিহীন অনুচ্ছেদ#ভুলভাবে আরোপিত]]। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:২৪, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] প্রতিবর্ণীকরণ করুন। যদি একটি সম্পূর্ণ বাক্য থাকে, যেমন আছে তেমন রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২২:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == রায়হান আহমদ == তারা মাছ [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25591-27|&#126;2026-25591-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25591-27|আলাপ]]) ০৮:৪৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == FAhimsk == Sujapur [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25687-73|&#126;2026-25687-73]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25687-73|আলাপ]]) ১৫:৪১, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) gjj [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25836-95|&#126;2026-25836-95]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25836-95|আলাপ]]) ১৮:০৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == PG == 1000000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25826-18|&#126;2026-25826-18]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25826-18|আলাপ]]) ১৯:২৫, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Sojib == সঠিক [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25910-75|&#126;2026-25910-75]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25910-75|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Msrupa123 == m [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25675-68|&#126;2026-25675-68]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25675-68|আলাপ]]) ১১:৩৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Misrupa123 == misrupa123 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25675-68|&#126;2026-25675-68]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25675-68|আলাপ]]) ১১:৩৪, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) gkhk3q42pfsw79p1ikmsqkoy0hds0d0 উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী 4 11853 81850 81615 2026-04-28T05:59:17Z Subha Sen Debjit 5748 81850 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} * {{ব্যবহারকারী|Ak mahmudul sharif}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rashed kha}} * {{ব্যবহারকারী|Anik Kanti Dey}} * {{ব্যবহারকারী|Muhammad Fahim Faisal}} * {{ব্যবহারকারী|Muhammad Fahim Faisal}} * {{ব্যবহারকারী|সাজ্জাদ হোসেন-346}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ আরিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|ফারুক ফরায়েজি}} * {{ব্যবহারকারী|Rana mundari}} * {{ব্যবহারকারী|Sahem Sk}} * {{ব্যবহারকারী|Ashik212072}} * {{ব্যবহারকারী|MojahidShaikh1}} * {{ব্যবহারকারী|Shahjalal84}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ মুফতাখেরুল ইসলাম মিরাজ}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ মুফতাখেরুল ইসলাম মিরাজ}} * {{ব্যবহারকারী|SykoPrabhash}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Jubaer Hasan Rafat}} * {{ব্যবহারকারী|Karno Roy Shuprto}} * {{ব্যবহারকারী|Md Nayed Ahmed Riaj}} * {{ব্যবহারকারী|Arefintaher}} * {{ব্যবহারকারী|Redoyanul Haque}} * {{ব্যবহারকারী|Lostboy044}} * {{ব্যবহারকারী|দিশা রানী ঘোষ}} * {{ব্যবহারকারী|Sattajit Banik Linkon}} * {{ব্যবহারকারী|Farial Mostajir}} * {{ব্যবহারকারী|Farial Mostajir}} * {{ব্যবহারকারী|MD Shohag Mridha}} * {{ব্যবহারকারী|DNA2026}} * {{ব্যবহারকারী|মিজানুর রহমান -হবিগঞ্জ}} * {{ব্যবহারকারী|Faisal al mahmud farhad}} * {{ব্যবহারকারী|Subha Sen Debjit}} 1v5mvlbfhts8zryk3j44n7fzcogushw 81863 81850 2026-04-28T06:52:10Z Rabbi1677 5749 81863 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} * {{ব্যবহারকারী|Ak mahmudul sharif}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rashed kha}} * {{ব্যবহারকারী|Anik Kanti Dey}} * {{ব্যবহারকারী|Muhammad Fahim Faisal}} * {{ব্যবহারকারী|Muhammad Fahim Faisal}} * {{ব্যবহারকারী|সাজ্জাদ হোসেন-346}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ আরিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|ফারুক ফরায়েজি}} * {{ব্যবহারকারী|Rana mundari}} * {{ব্যবহারকারী|Sahem Sk}} * {{ব্যবহারকারী|Ashik212072}} * {{ব্যবহারকারী|MojahidShaikh1}} * {{ব্যবহারকারী|Shahjalal84}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ মুফতাখেরুল ইসলাম মিরাজ}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ মুফতাখেরুল ইসলাম মিরাজ}} * {{ব্যবহারকারী|SykoPrabhash}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Jubaer Hasan Rafat}} * {{ব্যবহারকারী|Karno Roy Shuprto}} * {{ব্যবহারকারী|Md Nayed Ahmed Riaj}} * {{ব্যবহারকারী|Arefintaher}} * {{ব্যবহারকারী|Redoyanul Haque}} * {{ব্যবহারকারী|Lostboy044}} * {{ব্যবহারকারী|দিশা রানী ঘোষ}} * {{ব্যবহারকারী|Sattajit Banik Linkon}} * {{ব্যবহারকারী|Farial Mostajir}} * {{ব্যবহারকারী|Farial Mostajir}} * {{ব্যবহারকারী|MD Shohag Mridha}} * {{ব্যবহারকারী|DNA2026}} * {{ব্যবহারকারী|মিজানুর রহমান -হবিগঞ্জ}} * {{ব্যবহারকারী|Faisal al mahmud farhad}} * {{ব্যবহারকারী|Subha Sen Debjit}} Hi rvovfhnp0utdbn7h0pc4o3o5s6dxvux ব্যবহারকারী:ARI/common.js 2 11858 81689 79856 2026-04-27T16:22:22Z ARI 356 81689 javascript text/javascript importScript('ব্যবহারকারী:ARI/test.js'); importScript('ব্যবহারকারী:ARI/CatLinker.js'); mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/WDConnect.js&action=raw&ctype=text/javascript'); // [[ব্যবহারকারী:ARI/WDConnect.js]] //BNWQ Tools mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:খাত্তাব_হাসান/bnwq-tools.js&action=raw&ctype=text/javascript'); mw.loader.load('//bn.m.wikiquote.org/w/index.php?title=User%3ARifat008%2Fscript-installer.js&action=raw&ctype=text/javascript'); mw.loader.load('//bn.m.wikiquote.org/w/index.php?title=User%3ARifat008%2Fscript-installer.js&action=raw&ctype=text/javascript'); mw.loader.load('https://bn.wiktionary.org/w/index.php?title=মিডিয়াউইকি:Gadget-VisualEditorEverywhere.js&action=raw&ctype=text/javascript') 5es9kaegz58j5zprfp0mpdck5aw93nh ব্যবহারকারী:ARI/খেলাঘর১ 2 11882 81809 73008 2026-04-28T03:20:58Z ARI 356 পাতাকে '*এম. এন. রায় (১৮৮৭-১৯৫৪), [[সাম্যবাদ|সাম্যবাদী]] বিপ্লবী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=রিজন, রোমান্টিসিজম অ্যান্ড রেভল্যুশন|url=https://www.google.co.in/books/edition/Reason_Romanticism_and_Revolution/KOx3PwAACAAJ?hl=en|পৃষ্...' দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা হল 81809 wikitext text/x-wiki *এম. এন. রায় (১৮৮৭-১৯৫৪), [[সাম্যবাদ|সাম্যবাদী]] বিপ্লবী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=রিজন, রোমান্টিসিজম অ্যান্ড রেভল্যুশন|url=https://www.google.co.in/books/edition/Reason_Romanticism_and_Revolution/KOx3PwAACAAJ?hl=en|পৃষ্ঠা=৫৯|ISBN=9788120201675}} *এম. এন. রায় (১৮৮৭-১৯৫৪), [[সাম্যবাদ|সাম্যবাদী]] বিপ্লবী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=রিজন, রোমান্টিসিজম অ্যান্ড রেভল্যুশন|url=https://www.google.co.in/books/edition/Reason_Romanticism_and_Revolution/KOx3PwAACAAJ?hl=en|পৃষ্ঠা=৫৯|ISBN=৯৭৮৮১২০২০১৬৭৫}} j0fr2tnjqble69qa4n53bhwsqgu71bh 81822 81809 2026-04-28T03:44:19Z ARI 356 81822 wikitext text/x-wiki *এম. এন. রায় (১৮৮৭-১৯৫৪), [[সাম্যবাদ|সাম্যবাদী]] বিপ্লবী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=রিজন, রোমান্টিসিজম অ্যান্ড রেভল্যুশন|url=https://www.google.co.in/books/edition/Reason_Romanticism_and_Revolution/KOx3PwAACAAJ?hl=en|পৃষ্ঠা=৫৯|ISBN=9788120201675}} *{{বই উদ্ধৃতি|title=Scientific Method|page=28|year=1964|publisher=Allied Publishers|oclc=593639163}} *{{বই উদ্ধৃতি|title=Scientific Method|page=28|year=1964|publisher=Allied Publishers|oclc=৫৯৩৬৩৯১৬৩}} ht8ghldhapfev4o7oqmvdejh1g116l2 ব্যবহারকারী আলাপ:Anaf Ibn Shahibul 3 11922 81745 81619 2026-04-27T21:13:09Z ~2026-25724-27 5736 /* MD BISAL */ নতুন অনুচ্ছেদ 81745 wikitext text/x-wiki == অম্লান দত্ত == পাতাটির বিন্যাস ঠিক নেই। উইকিউক্তির নিবন্ধের বিন্যাস উইকিপিডিয়ার থেকে আলাদা। এখানে আমরা প্রতিটি উক্তির নিচে দুটি বুলেট পয়েন্ট দিয়ে সেটির সূত্র সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করি। বিন্যাস ঠিক করে আমাকে জানালে আমি দেখে গ্রহণ বা বর্জন করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:০৪, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত আমি এই সম্পর্কে জানতাম না। আমি এটা সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১০, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাটি আবার পড়েছি। তবে উক্তির সূত্রগুলোর পৃষ্ঠা সংখ্যা দেওয়া নেই কিংবা লিংক দেওয়া নেই। যেহেতু যাচাই করা সম্ভব হচ্ছেনা, তাই নিবন্ধটি গ্রহণ করার জন্য সূত্রগুলো সুস্পষ্ট করতে সেগুলোর সাথে পৃষ্ঠা বা লিংক দেওয়া প্রয়োজন। একটা প্রশ্ন, আপনি সূত্রগুলো কিভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] প্রথমে আমি গুগল সার্চের এআই মোড ব্যবহার করেছিলাম। তবে বর্তমানে একদম সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৪৩, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[অম্লান দত্ত]] নিবন্ধটিতে commonscat|Amlan Datta নাই তো এটা দেওয়া প্রয়োজন নাই। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৩:০৫, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] কমন্স বিষয়শ্রেণীটি আছে তবে সেখানে কোনো মিডিয়া নেই। তবে অপসারণ করেছেন, ঠিক আছে। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৮:০৫, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ধন্যবাদ। এআই অধিকাংশ ক্ষেত্রে উক্তি বানিয়ে দেয়। তাই উক্তির জন্য সরাসরি এআই ব্যবহার অনুচিত। তবে একটা প্রশ্ন, পাতায় দুটি উক্তির জন্য আপনি "For Democracy (৩য় সংস্করণ)। কলকাতা: The Minerva Associates" সূত্রটি উদ্ধৃত করেছেন। যেহেতু আপনি আগে এআই ব্যবহার করেছিলেন তাই আমাকে জানতে হবে এই বই আপনি কিভাবে পেয়েছেন। আপনি কি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করেছেন বা পড়েছেন নাকি অন্য কোনো ভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৪৫, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বইটি অনলাইন করে পিডিএফ ডাউনলোড করে পেয়েছি। সম্পূর্ণ পড়ে যুক্ত করেছি। [https://ia801402.us.archive.org/18/items/in.ernet.dli.2015.90063/2015.90063.For-Democracy.pdf লিংক]। আর এআই এর ভুল তথ্যের কারণে এবার আমি নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র যোগ করেছি — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৮:০৪, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] যেহেতু আপনি নতুন তাই এই বিবেচনায় পাতাটি গ্রহণ করলাম৷ এরপর থেকে প্রতিযোগিতায় এআই ব্যবহার করে পাতা তৈরি করবেন না। তবে অনুবাদ করতে পারবেন, কিন্তু পর্যাপ্ত সংশোধন করে নিতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:০৮, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আপনি বর্ণনায় গ্রহণ করেছেন লিখেছেন তবে গ্রহণ করেননি। [https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 এখানে দেখুন]। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:২১, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ভুলবশত বাদ পড়ে গিয়েছিল। এখন গ্রহণ করেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:২৫, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::::ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:০৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দিমিত্রি মুরাতভ == [[দিমিত্রি মুরাতভ]] নিবন্ধটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ, জমদানের পূর্বে নিবন্ধটি ভালোভাবে দেখুন। ওপর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে বিভিন্ন চিহ্ন পাল্টে গেছে। "→' হয়ে গেছে ইত্যাদি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:২২, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এটি সংক্ষিপ্ত ছিল এবং আমি "→"-এমন কোনো চিহ্নই দেখছি না। আপনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। নিবন্ধটি পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৬:২৩, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::"→"- বলতে বুঝিয়েছ, যেমন '''“enemies of the people.”''' হয়ে গেছে ''''জনগণের শত্রু।''''। ::অর্থাৎ double quote হয়ে গেছে single quote। এগুলো সাধারনত '''যান্ত্রিক অনুবাদের''' ক্ষেত্রে হয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সংশোধন করা হয়েছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৫৫, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] সংশোধনের পরও অনেক ভুল রয়ে গিয়েছিল। যেমন- সূত্রর ফরম্যাট, অনেক উক্তি অসলের চেয়ে সংক্ষিপ্ত। ::::যাই হোক, আমি সংশোধন করে গ্রহণ করে নিয়েছি। আপনি খেয়াল করুন আমি কিভাবে সুত্রগুলো সংশোধন করেছি, পরবর্তীতে ওই ফরম্যাট অনুসরণ করবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৬:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি উইকিউক্তি সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না। তাই ভুল হয়েছে। দুঃখিত। এরপরের নিবন্ধগুলো আরো মানসম্মত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৩০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == অখিলচন্দ্র দত্ত == সুধী, [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] নিবন্ধের অধিকাংশ উক্তির সূত্র নেই, যেগুলোর আছে সেগুলোর সূত্র সুস্পষ্ট নয়। আপনি উক্তিগুলো কিভাবে পেয়েছেন আর কোথায় পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫১, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে! — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ == @[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনার অনুবাদকৃত নিবন্ধগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় যান্ত্রিক অনুবাদের সাধরনতম বৈশিষ্টগুলো বিদ্যমান। নতুন নিবন্ধ আপাতত তৈরি না করে অনুগ্রহ করে সেগুলো প্রথমে সংশোধন করুন।<br>অন্যথায় [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#১. এআই ও মেশিন ট্রান্সলেশন নীতি|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে আপনাকে প্রতিযোগিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :[[রবার্ট জে. শিলার]] সংশোধন করেছি। বাকিগুলোও শিঘই সংশোধন করে জানাব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] - [[জন চার্লস পোলানি]], [[লেয়োঁ ফুকো]] ও [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধিত হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[লেয়োঁ ফুকো]] নিবন্ধের প্রথম উক্তি <code>''সবকিছুর ঊর্ধ্বে, আমাদের অবশ্যই নির্ভুল হতে হবে, এবং এটি এমন একটি বাধ্যবাধকতা যা আমরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পূরণ করতে চাই।''</code> কিভাবে অর্থপূর্ণ হয়? '''তাড়াহুড়ো করবেন না''', খুঁটিয়ে দেখবেন। প্রতিযোগিতার [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#২. পর্যালোচনার সীমাবদ্ধতা|নিয়ম অনুযায়ী একটি নিবন্ধ ২বারের বেশি পর্যালোচনা করা যাবে না]]।</br>যাই হোক, আমি ঠিক করে দিয়েছি, এবং অন্যান্য সমস্যাগুলোও ঠিক করে দিয়েছি। আমার পরিবর্তনগুলো দেখুন এবং পরবর্তী অনুবাদে সেগুলো খেয়াল রাখবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৪:৩০, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == 01762168902 == 111000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-21999-52|&#126;2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:০৮, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-21999-52|&#126;2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:১০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:~2026-21999-52|~2026-21999-52]] কি বলতে চাচ্ছেন? বলুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:১৭, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ফ্রান্সিস কলিন্স == [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] পাতায় ফিনিশিং দেওয়া নেই৷ অনেক উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের লিংক করা হয়নি। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:০১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এটিকে সংশোধন করেছি। তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতেও ফিনিশিং ঠিকভাবে ছিল না। তবে সূত্রগুলো যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:২১, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == vloনি? == [[ইভো আন্দ্রিচ]] [[ইভো আন্দ্রিক]] নামে ২টি পাতা!<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনার কথা বুঝলাম না। তবে [[ইভো আন্দ্রিক]] পাতাটি এখন [[ইভো আন্দ্রিচ]] পাতায় পুনঃনির্দেশিত করা হয়েছে। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১১, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ডরোথি হজকিন == উক্তি প্রতিযোগিতায় আপনার তৈরি করা [[ডরোথি হজকিন]] পাতাটিতে (এআই দিয়ে করা) ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ পরিলক্ষিত হওয়ায় তা গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১০:৪৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। আমি সংশোধন করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:১৯, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বমি == [[বমি]] পাতাটির উক্তিগুলো আরো প্রাঞ্জল হতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]], আমি [[বমি]] নিবন্ধটিকে আরও প্রাঞ্জল ও সাবলীল করেছি। গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫১, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == রুবি (প্রোগ্রামিং ভাষা) == [[রুবি (প্রোগ্রামিং ভাষা)]] পাতায় সূত্রগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৫৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] নিবন্ধটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৪৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == MD BISAL == MD Bisalhd76@gmail.com [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25724-27|&#126;2026-25724-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25724-27|আলাপ]]) ২১:১৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 2g93vg1or3e56s8ptsadq9clxlxzd24 81750 81745 2026-04-27T23:16:54Z Mehedi Abedin 50 /* রুবি (প্রোগ্রামিং ভাষা) */ উত্তর 81750 wikitext text/x-wiki == অম্লান দত্ত == পাতাটির বিন্যাস ঠিক নেই। উইকিউক্তির নিবন্ধের বিন্যাস উইকিপিডিয়ার থেকে আলাদা। এখানে আমরা প্রতিটি উক্তির নিচে দুটি বুলেট পয়েন্ট দিয়ে সেটির সূত্র সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করি। বিন্যাস ঠিক করে আমাকে জানালে আমি দেখে গ্রহণ বা বর্জন করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:০৪, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত আমি এই সম্পর্কে জানতাম না। আমি এটা সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১০, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাটি আবার পড়েছি। তবে উক্তির সূত্রগুলোর পৃষ্ঠা সংখ্যা দেওয়া নেই কিংবা লিংক দেওয়া নেই। যেহেতু যাচাই করা সম্ভব হচ্ছেনা, তাই নিবন্ধটি গ্রহণ করার জন্য সূত্রগুলো সুস্পষ্ট করতে সেগুলোর সাথে পৃষ্ঠা বা লিংক দেওয়া প্রয়োজন। একটা প্রশ্ন, আপনি সূত্রগুলো কিভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] প্রথমে আমি গুগল সার্চের এআই মোড ব্যবহার করেছিলাম। তবে বর্তমানে একদম সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৪৩, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[অম্লান দত্ত]] নিবন্ধটিতে commonscat|Amlan Datta নাই তো এটা দেওয়া প্রয়োজন নাই। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৩:০৫, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] কমন্স বিষয়শ্রেণীটি আছে তবে সেখানে কোনো মিডিয়া নেই। তবে অপসারণ করেছেন, ঠিক আছে। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৮:০৫, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ধন্যবাদ। এআই অধিকাংশ ক্ষেত্রে উক্তি বানিয়ে দেয়। তাই উক্তির জন্য সরাসরি এআই ব্যবহার অনুচিত। তবে একটা প্রশ্ন, পাতায় দুটি উক্তির জন্য আপনি "For Democracy (৩য় সংস্করণ)। কলকাতা: The Minerva Associates" সূত্রটি উদ্ধৃত করেছেন। যেহেতু আপনি আগে এআই ব্যবহার করেছিলেন তাই আমাকে জানতে হবে এই বই আপনি কিভাবে পেয়েছেন। আপনি কি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করেছেন বা পড়েছেন নাকি অন্য কোনো ভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৪৫, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বইটি অনলাইন করে পিডিএফ ডাউনলোড করে পেয়েছি। সম্পূর্ণ পড়ে যুক্ত করেছি। [https://ia801402.us.archive.org/18/items/in.ernet.dli.2015.90063/2015.90063.For-Democracy.pdf লিংক]। আর এআই এর ভুল তথ্যের কারণে এবার আমি নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র যোগ করেছি — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৮:০৪, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] যেহেতু আপনি নতুন তাই এই বিবেচনায় পাতাটি গ্রহণ করলাম৷ এরপর থেকে প্রতিযোগিতায় এআই ব্যবহার করে পাতা তৈরি করবেন না। তবে অনুবাদ করতে পারবেন, কিন্তু পর্যাপ্ত সংশোধন করে নিতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:০৮, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আপনি বর্ণনায় গ্রহণ করেছেন লিখেছেন তবে গ্রহণ করেননি। [https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 এখানে দেখুন]। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:২১, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ভুলবশত বাদ পড়ে গিয়েছিল। এখন গ্রহণ করেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:২৫, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::::ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:০৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দিমিত্রি মুরাতভ == [[দিমিত্রি মুরাতভ]] নিবন্ধটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ, জমদানের পূর্বে নিবন্ধটি ভালোভাবে দেখুন। ওপর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে বিভিন্ন চিহ্ন পাল্টে গেছে। "→' হয়ে গেছে ইত্যাদি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:২২, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এটি সংক্ষিপ্ত ছিল এবং আমি "→"-এমন কোনো চিহ্নই দেখছি না। আপনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। নিবন্ধটি পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৬:২৩, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::"→"- বলতে বুঝিয়েছ, যেমন '''“enemies of the people.”''' হয়ে গেছে ''''জনগণের শত্রু।''''। ::অর্থাৎ double quote হয়ে গেছে single quote। এগুলো সাধারনত '''যান্ত্রিক অনুবাদের''' ক্ষেত্রে হয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সংশোধন করা হয়েছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৫৫, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] সংশোধনের পরও অনেক ভুল রয়ে গিয়েছিল। যেমন- সূত্রর ফরম্যাট, অনেক উক্তি অসলের চেয়ে সংক্ষিপ্ত। ::::যাই হোক, আমি সংশোধন করে গ্রহণ করে নিয়েছি। আপনি খেয়াল করুন আমি কিভাবে সুত্রগুলো সংশোধন করেছি, পরবর্তীতে ওই ফরম্যাট অনুসরণ করবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৬:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি উইকিউক্তি সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না। তাই ভুল হয়েছে। দুঃখিত। এরপরের নিবন্ধগুলো আরো মানসম্মত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৩০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == অখিলচন্দ্র দত্ত == সুধী, [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] নিবন্ধের অধিকাংশ উক্তির সূত্র নেই, যেগুলোর আছে সেগুলোর সূত্র সুস্পষ্ট নয়। আপনি উক্তিগুলো কিভাবে পেয়েছেন আর কোথায় পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫১, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে! — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ == @[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনার অনুবাদকৃত নিবন্ধগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় যান্ত্রিক অনুবাদের সাধরনতম বৈশিষ্টগুলো বিদ্যমান। নতুন নিবন্ধ আপাতত তৈরি না করে অনুগ্রহ করে সেগুলো প্রথমে সংশোধন করুন।<br>অন্যথায় [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#১. এআই ও মেশিন ট্রান্সলেশন নীতি|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে আপনাকে প্রতিযোগিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :[[রবার্ট জে. শিলার]] সংশোধন করেছি। বাকিগুলোও শিঘই সংশোধন করে জানাব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] - [[জন চার্লস পোলানি]], [[লেয়োঁ ফুকো]] ও [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধিত হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[লেয়োঁ ফুকো]] নিবন্ধের প্রথম উক্তি <code>''সবকিছুর ঊর্ধ্বে, আমাদের অবশ্যই নির্ভুল হতে হবে, এবং এটি এমন একটি বাধ্যবাধকতা যা আমরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পূরণ করতে চাই।''</code> কিভাবে অর্থপূর্ণ হয়? '''তাড়াহুড়ো করবেন না''', খুঁটিয়ে দেখবেন। প্রতিযোগিতার [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#২. পর্যালোচনার সীমাবদ্ধতা|নিয়ম অনুযায়ী একটি নিবন্ধ ২বারের বেশি পর্যালোচনা করা যাবে না]]।</br>যাই হোক, আমি ঠিক করে দিয়েছি, এবং অন্যান্য সমস্যাগুলোও ঠিক করে দিয়েছি। আমার পরিবর্তনগুলো দেখুন এবং পরবর্তী অনুবাদে সেগুলো খেয়াল রাখবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৪:৩০, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == 01762168902 == 111000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-21999-52|&#126;2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:০৮, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-21999-52|&#126;2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:১০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:~2026-21999-52|~2026-21999-52]] কি বলতে চাচ্ছেন? বলুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:১৭, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ফ্রান্সিস কলিন্স == [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] পাতায় ফিনিশিং দেওয়া নেই৷ অনেক উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের লিংক করা হয়নি। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:০১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এটিকে সংশোধন করেছি। তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতেও ফিনিশিং ঠিকভাবে ছিল না। তবে সূত্রগুলো যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:২১, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == vloনি? == [[ইভো আন্দ্রিচ]] [[ইভো আন্দ্রিক]] নামে ২টি পাতা!<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনার কথা বুঝলাম না। তবে [[ইভো আন্দ্রিক]] পাতাটি এখন [[ইভো আন্দ্রিচ]] পাতায় পুনঃনির্দেশিত করা হয়েছে। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১১, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ডরোথি হজকিন == উক্তি প্রতিযোগিতায় আপনার তৈরি করা [[ডরোথি হজকিন]] পাতাটিতে (এআই দিয়ে করা) ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ পরিলক্ষিত হওয়ায় তা গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১০:৪৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। আমি সংশোধন করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:১৯, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বমি == [[বমি]] পাতাটির উক্তিগুলো আরো প্রাঞ্জল হতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]], আমি [[বমি]] নিবন্ধটিকে আরও প্রাঞ্জল ও সাবলীল করেছি। গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫১, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == রুবি (প্রোগ্রামিং ভাষা) == [[রুবি (প্রোগ্রামিং ভাষা)]] পাতায় সূত্রগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৫৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] নিবন্ধটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৪৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:১৬, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == MD BISAL == MD Bisalhd76@gmail.com [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25724-27|&#126;2026-25724-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25724-27|আলাপ]]) ২১:১৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) mid80qbo0tkxe4kvnphd4774cc0nu52 81762 81750 2026-04-28T00:50:40Z Mehedi Abedin 50 /* ওয়েন্ডি বোম্যান (কর্মী) */ নতুন অনুচ্ছেদ 81762 wikitext text/x-wiki == অম্লান দত্ত == পাতাটির বিন্যাস ঠিক নেই। উইকিউক্তির নিবন্ধের বিন্যাস উইকিপিডিয়ার থেকে আলাদা। এখানে আমরা প্রতিটি উক্তির নিচে দুটি বুলেট পয়েন্ট দিয়ে সেটির সূত্র সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করি। বিন্যাস ঠিক করে আমাকে জানালে আমি দেখে গ্রহণ বা বর্জন করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:০৪, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত আমি এই সম্পর্কে জানতাম না। আমি এটা সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১০, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাটি আবার পড়েছি। তবে উক্তির সূত্রগুলোর পৃষ্ঠা সংখ্যা দেওয়া নেই কিংবা লিংক দেওয়া নেই। যেহেতু যাচাই করা সম্ভব হচ্ছেনা, তাই নিবন্ধটি গ্রহণ করার জন্য সূত্রগুলো সুস্পষ্ট করতে সেগুলোর সাথে পৃষ্ঠা বা লিংক দেওয়া প্রয়োজন। একটা প্রশ্ন, আপনি সূত্রগুলো কিভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] প্রথমে আমি গুগল সার্চের এআই মোড ব্যবহার করেছিলাম। তবে বর্তমানে একদম সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৪৩, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[অম্লান দত্ত]] নিবন্ধটিতে commonscat|Amlan Datta নাই তো এটা দেওয়া প্রয়োজন নাই। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৩:০৫, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] কমন্স বিষয়শ্রেণীটি আছে তবে সেখানে কোনো মিডিয়া নেই। তবে অপসারণ করেছেন, ঠিক আছে। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৮:০৫, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ধন্যবাদ। এআই অধিকাংশ ক্ষেত্রে উক্তি বানিয়ে দেয়। তাই উক্তির জন্য সরাসরি এআই ব্যবহার অনুচিত। তবে একটা প্রশ্ন, পাতায় দুটি উক্তির জন্য আপনি "For Democracy (৩য় সংস্করণ)। কলকাতা: The Minerva Associates" সূত্রটি উদ্ধৃত করেছেন। যেহেতু আপনি আগে এআই ব্যবহার করেছিলেন তাই আমাকে জানতে হবে এই বই আপনি কিভাবে পেয়েছেন। আপনি কি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করেছেন বা পড়েছেন নাকি অন্য কোনো ভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৪৫, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বইটি অনলাইন করে পিডিএফ ডাউনলোড করে পেয়েছি। সম্পূর্ণ পড়ে যুক্ত করেছি। [https://ia801402.us.archive.org/18/items/in.ernet.dli.2015.90063/2015.90063.For-Democracy.pdf লিংক]। আর এআই এর ভুল তথ্যের কারণে এবার আমি নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র যোগ করেছি — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৮:০৪, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] যেহেতু আপনি নতুন তাই এই বিবেচনায় পাতাটি গ্রহণ করলাম৷ এরপর থেকে প্রতিযোগিতায় এআই ব্যবহার করে পাতা তৈরি করবেন না। তবে অনুবাদ করতে পারবেন, কিন্তু পর্যাপ্ত সংশোধন করে নিতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:০৮, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আপনি বর্ণনায় গ্রহণ করেছেন লিখেছেন তবে গ্রহণ করেননি। [https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 এখানে দেখুন]। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:২১, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ভুলবশত বাদ পড়ে গিয়েছিল। এখন গ্রহণ করেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:২৫, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::::ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:০৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দিমিত্রি মুরাতভ == [[দিমিত্রি মুরাতভ]] নিবন্ধটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ, জমদানের পূর্বে নিবন্ধটি ভালোভাবে দেখুন। ওপর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে বিভিন্ন চিহ্ন পাল্টে গেছে। "→' হয়ে গেছে ইত্যাদি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:২২, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এটি সংক্ষিপ্ত ছিল এবং আমি "→"-এমন কোনো চিহ্নই দেখছি না। আপনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। নিবন্ধটি পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৬:২৩, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::"→"- বলতে বুঝিয়েছ, যেমন '''“enemies of the people.”''' হয়ে গেছে ''''জনগণের শত্রু।''''। ::অর্থাৎ double quote হয়ে গেছে single quote। এগুলো সাধারনত '''যান্ত্রিক অনুবাদের''' ক্ষেত্রে হয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সংশোধন করা হয়েছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৫৫, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] সংশোধনের পরও অনেক ভুল রয়ে গিয়েছিল। যেমন- সূত্রর ফরম্যাট, অনেক উক্তি অসলের চেয়ে সংক্ষিপ্ত। ::::যাই হোক, আমি সংশোধন করে গ্রহণ করে নিয়েছি। আপনি খেয়াল করুন আমি কিভাবে সুত্রগুলো সংশোধন করেছি, পরবর্তীতে ওই ফরম্যাট অনুসরণ করবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৬:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি উইকিউক্তি সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না। তাই ভুল হয়েছে। দুঃখিত। এরপরের নিবন্ধগুলো আরো মানসম্মত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৩০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == অখিলচন্দ্র দত্ত == সুধী, [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] নিবন্ধের অধিকাংশ উক্তির সূত্র নেই, যেগুলোর আছে সেগুলোর সূত্র সুস্পষ্ট নয়। আপনি উক্তিগুলো কিভাবে পেয়েছেন আর কোথায় পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫১, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে! — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ == @[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনার অনুবাদকৃত নিবন্ধগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় যান্ত্রিক অনুবাদের সাধরনতম বৈশিষ্টগুলো বিদ্যমান। নতুন নিবন্ধ আপাতত তৈরি না করে অনুগ্রহ করে সেগুলো প্রথমে সংশোধন করুন।<br>অন্যথায় [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#১. এআই ও মেশিন ট্রান্সলেশন নীতি|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে আপনাকে প্রতিযোগিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :[[রবার্ট জে. শিলার]] সংশোধন করেছি। বাকিগুলোও শিঘই সংশোধন করে জানাব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] - [[জন চার্লস পোলানি]], [[লেয়োঁ ফুকো]] ও [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধিত হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[লেয়োঁ ফুকো]] নিবন্ধের প্রথম উক্তি <code>''সবকিছুর ঊর্ধ্বে, আমাদের অবশ্যই নির্ভুল হতে হবে, এবং এটি এমন একটি বাধ্যবাধকতা যা আমরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পূরণ করতে চাই।''</code> কিভাবে অর্থপূর্ণ হয়? '''তাড়াহুড়ো করবেন না''', খুঁটিয়ে দেখবেন। প্রতিযোগিতার [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#২. পর্যালোচনার সীমাবদ্ধতা|নিয়ম অনুযায়ী একটি নিবন্ধ ২বারের বেশি পর্যালোচনা করা যাবে না]]।</br>যাই হোক, আমি ঠিক করে দিয়েছি, এবং অন্যান্য সমস্যাগুলোও ঠিক করে দিয়েছি। আমার পরিবর্তনগুলো দেখুন এবং পরবর্তী অনুবাদে সেগুলো খেয়াল রাখবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৪:৩০, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == 01762168902 == 111000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-21999-52|&#126;2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:০৮, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-21999-52|&#126;2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:১০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:~2026-21999-52|~2026-21999-52]] কি বলতে চাচ্ছেন? বলুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:১৭, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ফ্রান্সিস কলিন্স == [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] পাতায় ফিনিশিং দেওয়া নেই৷ অনেক উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের লিংক করা হয়নি। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:০১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এটিকে সংশোধন করেছি। তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতেও ফিনিশিং ঠিকভাবে ছিল না। তবে সূত্রগুলো যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:২১, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == vloনি? == [[ইভো আন্দ্রিচ]] [[ইভো আন্দ্রিক]] নামে ২টি পাতা!<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনার কথা বুঝলাম না। তবে [[ইভো আন্দ্রিক]] পাতাটি এখন [[ইভো আন্দ্রিচ]] পাতায় পুনঃনির্দেশিত করা হয়েছে। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১১, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ডরোথি হজকিন == উক্তি প্রতিযোগিতায় আপনার তৈরি করা [[ডরোথি হজকিন]] পাতাটিতে (এআই দিয়ে করা) ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ পরিলক্ষিত হওয়ায় তা গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১০:৪৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। আমি সংশোধন করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:১৯, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বমি == [[বমি]] পাতাটির উক্তিগুলো আরো প্রাঞ্জল হতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]], আমি [[বমি]] নিবন্ধটিকে আরও প্রাঞ্জল ও সাবলীল করেছি। গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫১, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == রুবি (প্রোগ্রামিং ভাষা) == [[রুবি (প্রোগ্রামিং ভাষা)]] পাতায় সূত্রগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৫৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] নিবন্ধটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৪৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:১৬, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == MD BISAL == MD Bisalhd76@gmail.com [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25724-27|&#126;2026-25724-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25724-27|আলাপ]]) ২১:১৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ওয়েন্ডি বোম্যান (কর্মী) == [[ওয়েন্ডি বোম্যান (কর্মী)]] পাতাটি অসম্পূর্ণ। ইংরেজি পাতাটি অনুসরণ করে পাতাটি ঠিক করে নিন। পাশাপাশি উক্তির অনুবাদে প্রাঞ্জলতা আনতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০০:৫০, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) p22omqs29k7fyw12r2gtxegnd6d5uzt টিন 0 11983 81830 76412 2026-04-28T03:57:14Z Salil Kumar Mukherjee 39 সংশোধন 81830 wikitext text/x-wiki '''[[:w:টিন|টিন]]''' একটি ধাতব মৌলিক পদার্থ। টিন একটি ধাতব-ধূসর ধাতু, যা যথেষ্ট নরম হওয়ায় সামান্য বল প্রয়োগেই কাটা যায়। টিনের একটি দণ্ড অল্প চেষ্টাতেই হাত দিয়ে বাঁকানো যায়। এটি একটি নরম, নমনীয়, প্রসারণশীল এবং অত্যন্ত স্ফটিকাকার রূপালি-সাদা ধাতু। টিনের দণ্ড বাঁকানোর সময় একটি শব্দ তৈরি করে, যা তথাকথিত "টিন ক্রাই" বা ''টিনের কান্না'' নামে পরিচিত। == উক্তি == * মোমের [[পুতুল]] ঘুমিয়ে থাকুক দাঁত মেলে আর চুল খুলে,<br>টিনের পুতুল চীনের পুতুল, কেউ কি এমন তুলতুলে? ** [[সুকুমার রায়]], আদুরে পুতুল, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ),পৃষ্ঠা ১৬৬ * সুবর্ণের পরে তাম্র আবিষ্কৃত হইয়াছিল। মানবজাতির সর্ব্বপ্রাচীন ধাতব অস্ত্রসমূহ তাম্রনির্ম্মিত। তাম্রনির্ম্মিত অস্ত্রশস্ত্র তীক্ষ্ণধার, কিন্তু সুকঠিন নহে। টিন্ আবিষ্কৃত হইবার পরে, তাম্রনির্ম্মিত দ্রব্যাদি কঠিন করিবার জন্য নয়ভাগ তাম্রের সহিত একভাগ টিন্ মিশ্রিত হইত, এই মিশ্রধাতুর নাম ব্রঞ্জ। ** [[রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়]], বাঙ্গালার ইতিহাস- রাখালদাস বন্দোপাধ্যায়, প্রথম ভাগ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * কুলুঙ্গির মধ্যে ক্ষুদ্র টিনের ডিবায় ম্লানভাবে কেরোসিন জ্বলিতেছিল, আমি তাহা উস্কাইয়া দিলাম; একটুখানি আলো জাগিয়া উঠিল এবং অনেকখানি ধোঁয়া বাহির হইতে লাগিল। কোঁচাখানা গায়ের উপর টানিয়া একখানা খবরের-কাগজ-পাতা প্যাক্‌বাক্সের উপর বসিলাম। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নিশীথে, গল্পগুচ্ছ (দ্বিতীয় খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ২৬৩ * ডানদিকে সারি সারি করোগেট লোহার গুদাম ও তাহারই ও-ধারে কারিগর ও মজুরদিগের বাস করিবার ভাঙা কাঠ ও ভাঙা টিনের লম্বা লাইনবদী বস্তি। সুমুখ দিয়া সারি সারি কয়েকটা জলের কল এবং পিছন দিকে সারি সারি টিনের পায়খানা। গোড়াতে হয়তো দরজা ছিল, এখন থলে ও চট-ছেঁড়া ঝুলিতেছে। ইহাই ভারতবর্ষীয় কুলী-লাইন। ** [[শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], পথের দাবী - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩১ * আমরা [[বর্ষা]]কালে রথের সময়ে তালপাতার ভেঁপু কিনে বাজাতুম; আর টিনের রথে মাটির জগন্নাথ চাপিয়ে টানতুম, রথের চাকা শব্দ দিত ঝন্‌ ঝন্‌; যেন সেতার নূপুর সব একসঙ্গে বাজছে। আকাশ ভেঙে [[বৃষ্টি]] পড়ত দেখতে পেতুম, থেকে থেকে মেঘলা আলোকে রোদ পরাত চাপাই শাড়ি—কি বাহার খুলত! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * কখনো গােয়েন্দাদের চোখে ধুলি দিতে আত্মগােপন করেছে রকম-বেরকমের ছদ্মবেশে। শহরে শহরে চালান করেছে শত শত নিষিদ্ধ পুস্তক। নির্বাসিত সঙ্গীদের মুক্তির আয়োজন ক’রে দিয়েছে···সঙ্গে করে তাদের বিপদ সীমার বাইরে রেখে এসেছে। তার বাড়িতে একটা ছাপাখানা ছিল···পুলিস খানাতল্লাশ করতে এলে এক মিনিটের মধ্যে ভেল বদলে চাকরের সাজে আগন্তুকদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলো সে···তারপর গায়ে একখানা র‍্যাপার জড়িয়ে, মাথায় রুমাল বেঁধে, হাতে একটা কেরোসিনের টিন নিয়ে কেরোসিন-ওয়ালীর বেশে শীতের কনকনে হাওয়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চ’লে গেলো।··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৪-১৩৫ * পরদেশিয়া নৌকোগুলাের এল ফেরার দিন,<br>নিল ভরে খালি-করা কেরােসিনের টিন—<br>একটা পালের ’পরে ছােটো আরেকটা পাল তুলে<br>চলার বিপুল গর্বে তরীর বুক উঠেছে ফুলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পদ্মায়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৪১ * লৌহ জল অপেক্ষা সাত আট গুণ ভারি। ইহা টিন ভিন্ন আর সকল ধাতু অপেক্ষা হালকী। লোহাতে মানুষের চুলের সমান সরু তার হইতে পারে। ইহা সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক ভারসহ; এক যবে্দর স্থূল তারে ৬ মন ১৭ সের ভারি বস্ত ঝুলাইলেও ছিঁড়িয়া যাইবেক না।<br>লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক পাওয়া যায় এবং সকল দেশেই ইহার আকর আছে। কিন্তু ইংলণ্ড, ফ্রান্স, সুইডেন, রুশিয়া এই কয়েক দেশে অধিক। ** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯ * চৈৎ-বৈশাখ মাসে রাস্তায় ফেরিওয়ালা হেঁকে যেত ‘বরীফ’। হাঁড়িতে বরফ দেওয়া নোনতা জলে ছোটো ছোটো টিনের চোঙে থাকত যাকে বলা হ’ত কুলফির বরফ, এখন যাকে বলে আইস কিংবা আইস্‌ক্রিম। রাস্তার দিকের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সেই ডাকে মন কিরকম করত তা মনই জানে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ছেলেবেলা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * দেশলাইয়ের বাক্স একটা, সিগারেটের টিন একটা, লোহার সিন্দুক একটা এবং কালীঘাটের কৌটা একটা—এদের ভাল-মন্দের হিসেব এদের রূপের মধ্যেই রয়েছে। দেশলাইয়ের বাক্সর কবি বাক্সটার রূপ বড় উপমার সঙ্গে জুড়ে দিয়ে হয়তো কালীঘাটের কৌটোর চেয়ে তাকে ভাল বলে’ প্রমাণ করতে পারেন কারো কাছে, কিন্তু আর্টিষ্ট রূপ দিয়েই রূপের পরিমাপ করে দেখবে, উপমার ভাল-মন্দ দিয়ে নয়। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অরূপ না রূপ, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৫ * আমি হাতে তুলে নিলাম, একটা ছোট টিনের বাক্স, চাবি বন্ধ! এ ধরনের টিনের বাক্সকে পাড়াগাঁ অঞ্চলে বলে, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। টাকাকড়ি রাখে পাড়াগাঁয়ে। এ আমরা জানি।<br>বাদল হঠাৎ বড় উত্তেজিত হয়ে পড়লো। বললে—দেখি জিনিসটা?<br>—দ্যাখ তো, চিনিস?<br>—চিনি, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], বরো বাগদিনী, নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বিভূতি প্রকাশন, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯৮ * প্রাচীরবেষ্টিত স্বল্প স্থানের মধ্যে কয়েক শত মনুষ্য—সকলের এক বেশ, মোটা কাপড়ের হাঁটু পর্য্যন্ত পায়জামা, গায়ে সেই কাপড়ের পিরাণ, মাথায় সেই রকম টুপী। মোটা কাপড়, তাহাতে নীল ডোরা। সকলের গলায় একটা টিনের চাক্‌তি, তাহাতে একটা নম্বর খোদা। এই সকল লোকদের নাম নাই, শুধু নম্বর। যাহার যে নম্বর তাহাকে সেই নম্বর বলিয়া ডাকে।<br>ইহারা বন্দী, ইহাদের বাসস্থান কারাগার। ** [[নগেন্দ্রনাথ গুপ্ত]], বন্দী, রথযাত্রা ও অন্যান্য গল্প - নগেন্দ্রনাথ গুপ্ত, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড , প্রকাশস্থান- প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৮ বঙ্গাব্দ),পৃষ্ঠা ১৮৯ * দেউড়ি আর বৈঠকখানায় ছিল এইরকম দোল-উৎসব, আর আমাদের জন্য আসত টিনের পিচকারি। ওইতেই আনন্দ। টিনের পিচকারি বালতিভরা লাল জলে ডুবিয়ে যাকে সামনে পাচ্ছি পিচকারি দিয়ে রঙ ছিটিয়ে দিচ্ছি আর তারা চেঁচামেচি করে উঠছে, দেখে আমাদের ফুর্তি কী। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * আকরিকের মধ্যে স্বর্ণ, রৌপ্য, তাম্র, টিন, পাথুরিয়া কয়লা প্রচুর পাওয়া যায়। লৌহ অধিক পাওয়া যায় না। লৌহের অনেক কার্য্য তাম্র দ্বারা সম্পন্ন হইয়া থাকে। এখানকার তাম্রের ন্যায় উৎকৃষ্ট তাম্র পৃথিবীর কুত্রাপি পাওয়া যায় না। জাপানীরা ইহা এক ইঞ্চ মােটা ও এক ফুট লম্বা পাত করিয়া বিক্রয় করে। অপকৃষ্ট তাম্র ইষ্টকাকারে বিক্রীত হয়। জাপানে তামার খনিতে সময়ে সময়ে স্বর্ণ পাওয়া যায়। সম্রাটের অনুমতি ব্যতীত কেহই স্বর্ণখনির কার্য্য করিতে পারে না। এখানকার টিন রৌপ্যের ন্যায় শুভ্র ও উজ্জ্বল। জাপানের নানাস্থানে একরূপ মৃত্তিকা পাওয়া যায়, তাহা হইতে মনােহর বাসন প্রস্তুত হয়। চীনাবাসন বলিয়া ইহা পৃথিবীর নানাদেশে বিক্রয় হইয়া থাকে। ** [[উমাকান্ত হাজারী]], নব্য জাপান, নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস - উমাকান্ত হাজারী, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭ * কর্পোরেশনের পাম্পিং স্টেশনে অথবা জল সরবরাহের যে কোনও কেন্দ্রে ইঞ্জিন ড্রাইভারের পদের জন্য এন্তাজ আলি নামে একটি লোক দরখাস্ত করিয়াছিল। বাঁশের মত গোলাকৃতি একটি টিন কেসের মধ্যে পুরিয়া সে তাহার দরখাস্তের সঙ্গে প্রশংসাপত্রগুলি আমাকে দিয়াছিল। উহা আমার অফিসে হয় টেবিলের উপর নতুবা আমার চেয়ারের বাঁ দিকে whatnot-এর মধ্যে আছে। টিন কেসটি দেখিতে এত অদ্ভুত যে, উহা ভুল হইবার নয়। লােকটি আমাকে ঐ প্রশংসাপত্রগুলির কথা লিখিয়াছে। ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শ্রীমতী মাতাঠাকুরাণীকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২১-১২২ * দেয়ালের যে-অংশে দরজা সেই দিকে বাতির মোড়ক থেকে কাটা ছবিগুলি এঁটে দিয়ে কোনো এক ভৃত্য সৌন্দর্যবোধের তৃপ্তিসাধন করেছিল। এক কোণে টিনের বাক্সে আছে গুঁড়োকরা খড়ি, তার পাশে ঝুড়িতে শুকনো তেঁতুল, এবং কতকগুলো ময়লা ঝাড়ন; আর সারি সারি কেরোসিনের টিন, অধিকাংশই খালি, গুটি দুই-তিন ভরা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], যোগাযোগ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৫ * এ বাড়ীর কেহ কোনো কথা বলিবার পূর্ব্বেই টুনু ও সতু, দুজনে মিলিয়া দুর্গার টিনের পুতুলের বাক্সটা ঘর হইতে বাহির করিয়া আনিয়া রোয়াকে নামাইল এবং টুনু বাক্স খুলিয়া খানিকটা খুঁজিবার পর একছড়া পুঁতির মালা বাহির করিয়া বলিল—এই দ্যাখো মা, আমার সেই মালাটা—সেদিন যে সেই খেল্‌তে গিয়েছিল, সেদিন চুরি করে এনেচে। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], পথের পাঁচালী, দশম পরিচ্ছেদ, পথের পাঁচালী- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সপ্তম সংস্করণ, প্রকাশক- পি. মিত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪০ * দাৰ্জিলিঙ মেল আসতে এখনো তিন ঘণ্টা। স্টেশনে লোকজন নেই, হোটেলগুলোর টিনের ছাত বিষ্টিতে ভিজে চাঁদের আলোয় ঝকঝক করছে। পাহাড়ের অন্ধকার ছেড়ে হঠাৎ ফাঁকায় পড়ে রিদয়ের ধাঁধা লেগে গেল। আকাশ থেকে সে টিনের ছাতগুলোকে দেখছে যেন ছোট-ছোট পাহাড়ের চুড়ো শাদা বরফে ঢাকা! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বুড়ো আংলা-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, প্রকাশস্থান-কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৩ * বাংলা করোগেট টিনের প্রধান খরিদ্দার,—বাংলার দরিদ্র লোকেরা বিশেষ পূর্ব বঙ্গের কৃষকেরা এই আমদানী শুল্ক বৃদ্ধির জন্য করোগেট টিনের জন্য বেশী মূল্য দিতে বাধ্য হয়। যখন প্রতি টনে দশ টাকা শুল্ক ছিল, তখন করোগেট টিনের দাম ছিল—প্রতি টন ১৩৭৲ টাকা। ১৯২৫—২৬ সালে টাটা কোম্পানীর চীৎকারের ফলে ঐ শ‍ুল্ক বৃদ্ধি পাইয়া টন প্রতি ৪৫৲ টাকা হইল। **[[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়|প্রফুল্লচন্দ্র রায়]], আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * বৃদ্ধ নিশ্চিন্ত হইয়া প্রস্থান করিল। রামধন বৃক্ষচূড় হইতে যখন দেখিল যে বৃদ্ধ বহুদূরে চলিয়া গেল, তখন সে বৃক্ষাবরোহণ করিয়া দেবদারুর একটা শাখা ভগ্ন করিয়া তৎসাহায্যেই সেই গর্ত্তের উপরকার আলগা মাটি খুঁড়িয়া বৃদ্ধপ্রোথিত পুলিন্দাটি বাহির করিয়া লইল। এবং পকেট হইতে রজর্সের চকচকে একখানা ছুরি বাহির করিয়া সেই পুলিন্দা জড়ানো মোমজমা কাপড়ের সেলাই কাটিয়া ফেলিল। কাপড় ছাড়িয়া বাহির হইল একটা টিনের চোঙ। টিনের চোঙের ঢাকনি খুলিয়া বাহির হইল একটা লম্বা মোটা বাঁশের চোঙা। চোঙার ভিতরে দেখা গেল কতকগুলি করেন্সি নোট। ** [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], রামধনের কীর্ত্তি, পুষ্পপাত্র - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮০-৮১ * যে টিনের বাক্সের ভিতর সেই মৃতদেহ পাওয়া গিয়াছিল, সেই টিনের বাক্সটীর মধ্যে উত্তমরূপে দেখাতে, দেখিতে পাইলাম, তাহার ভিতর একটী পুরাতন ও নিতান্ত ক্ষুদ্র শিশি রহিয়াছে। সেই শিশিটী নিজের হাতে করিয়া উত্তমরূপে পরীক্ষা করিয়া দেখিলাম। দেখিলাম, প্রায় পাঁচ ছয় বৎসর পূর্ব্বে সেই শিশিতে করিয়া ব্যাথগেট কোম্পানির ঔষধালয় হইতে একজন সাহেবের নিমিত্ত ঔষধ আসিয়াছিল। ** [[প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়]], বেওয়ারিশ লাস, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, বেওয়ারিশ লাস - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- গ্রেট টাউন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * প্রত্যেকটি ঘরের পেছনে স্তূপাকৃতি পুরান টায়ার টিউব, দুধ, মাছ, মাংস, মাখন এসবের খালি টিন পড়ে রয়েছিল। আমেরিকার নগরে, শহরে এবং গ্রামে কেউ টিনের দুধ ব্যবহার করে না। কাগজের এক রকম বোতল হয় তাতেই দই, দুধ, ঘোল বিক্রি হয়ে থাকে। দুধের টিন দেখেই মনে হল, অনেক দূর হতে যারা আসে এবং নানা অসুবিধায় পতিত হয় তারাই এই গ্রামে থাকতে বাধা হয়। এরূপ গ্রাম বাস্তবিকই আনন্দদায়ক। **[[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২২ * রামকেষ্টপুরের রেলের কুলিরা খবর দিলে, বাবুরা যদি আসেন আমাদের কাছে তবে আমরাও টাকা দেব। আমরা রবিকাকা সবাই ছুটলুম। তখন বর্ষাকাল—একটা টিনের ঘরে আমাদের আড্ডা হল। এক মুহুরি টাকা গুণে নিলে। অতটুকু টিনের ঘরে তো মিটিং হতে পারে না। ঝুপ্‌ ঝুপ্‌ বৃষ্টি পড়ছে—বাইরে সারি সারি রেলগাড়ির নীচে শতরঞ্জি বিছিয়ে বক্তৃতা হচ্ছে আর আমি ভাবছি—এই সময়েই যদি ইঞ্জিন এসে মালগাড়ি টানতে শুরু করে তবেই গেছি আর কি। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঘরোয়া, প্রথম পরিচ্ছেদ, ঘরোয়া-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪-২৫ * এমন একটা অসাধারণ প্ল্যানচেট করার জন্য প্রয়োজন একটি শ্লেট। টিনের শ্লেট হলেই ভাল হয়। ফ্রেমে আটকানো কালো টিনটার মাপের দু-পিঠ কালো একটা টিনের সীট। টিন-সীটের একটা কোণা ছবির মতো করে কেটে রাখুন। এক টুকরো চক। একটা রুমাল বা খাম। যিনি আত্মা আনবেন, তাঁর হাতের একটা আঙুলের নখ রাখতে হবে একটু বড়। নখটা সামান্য ফাড়া থাকলে আরও ভাল হয়। শ্লেটে আগে থেকেই একজন সম্ভাব্য আত্মার নাম চক দিয়ে লিখে রাখতে হবে। ** [[প্রবীর ঘোষ]], অলৌকিক নয় লৌকিক (প্রথম খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ, প্রকাশক- দে’জ পাবলিশিং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- প্রকাশসাল ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:মৌলিক পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:খনিজ পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রকৃতি]] e8uxx6s6l4tc751hvqdp7nq4fcfc5f8 81831 81830 2026-04-28T04:05:06Z Salil Kumar Mukherjee 39 সংশোধন 81831 wikitext text/x-wiki '''[[:w:টিন|টিন]]''' একটি ধাতব মৌলিক পদার্থ। টিন একটি ধাতব-ধূসর ধাতু, যা যথেষ্ট নরম হওয়ায় সামান্য বল প্রয়োগেই কাটা যায়। টিনের একটি দণ্ড অল্প চেষ্টাতেই হাত দিয়ে বাঁকানো যায়। এটি একটি নরম, নমনীয়, প্রসারণশীল এবং অত্যন্ত স্ফটিকাকার রূপালি-সাদা ধাতু। টিনের দণ্ড বাঁকানোর সময় একটি শব্দ তৈরি করে, যা তথাকথিত "টিন ক্রাই" বা ''টিনের কান্না'' নামে পরিচিত। == উক্তি == * মোমের [[পুতুল]] ঘুমিয়ে থাকুক দাঁত মেলে আর চুল খুলে,<br>টিনের পুতুল চীনের পুতুল, কেউ কি এমন তুলতুলে? ** [[সুকুমার রায়]], আদুরে পুতুল, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ),পৃষ্ঠা ১৬৬ * পরিষ্কার ও শুষ্ক বাতাসে টিন বহু দিন ধরে তার উজ্জ্বলতা ধরে রাখে। গবেষণা অনুসারে, ১০০ দিন পর আলোতে এর উজ্জ্বলতা কমে যেতে দেখা যায় এবং ১৫০ দিন পর হালকা হলদে-ধূসর রঙের একটি বিবর্ণতা দেখা যায়। সাবান ও জল দিয়ে ধোয়া হলে টিনের প্রতিফলন ক্ষমতা দীর্ঘ সময় ধরেও অপরিবর্তিত থাকে। ** ব্রুস ডি. ক্রেইগ, ডেভিড এস. অ্যান্ডারসন, ''[http://books.google.co.in/books?id=KXwgAZJBWb0C&pg=RA1-PT126&redir_esc=y#v=onepage&q&f=true হ্যান্ডবুক অফ করোশন ডেটা]'', এএসএম ইন্টারন্যাশনাল, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৪ * সুবর্ণের পরে তাম্র আবিষ্কৃত হইয়াছিল। মানবজাতির সর্ব্বপ্রাচীন ধাতব অস্ত্রসমূহ তাম্রনির্ম্মিত। তাম্রনির্ম্মিত অস্ত্রশস্ত্র তীক্ষ্ণধার, কিন্তু সুকঠিন নহে। টিন্ আবিষ্কৃত হইবার পরে, তাম্রনির্ম্মিত দ্রব্যাদি কঠিন করিবার জন্য নয়ভাগ তাম্রের সহিত একভাগ টিন্ মিশ্রিত হইত, এই মিশ্রধাতুর নাম ব্রঞ্জ। ** [[রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়]], বাঙ্গালার ইতিহাস- রাখালদাস বন্দোপাধ্যায়, প্রথম ভাগ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * কুলুঙ্গির মধ্যে ক্ষুদ্র টিনের ডিবায় ম্লানভাবে কেরোসিন জ্বলিতেছিল, আমি তাহা উস্কাইয়া দিলাম; একটুখানি আলো জাগিয়া উঠিল এবং অনেকখানি ধোঁয়া বাহির হইতে লাগিল। কোঁচাখানা গায়ের উপর টানিয়া একখানা খবরের-কাগজ-পাতা প্যাক্‌বাক্সের উপর বসিলাম। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নিশীথে, গল্পগুচ্ছ (দ্বিতীয় খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ২৬৩ * ডানদিকে সারি সারি করোগেট লোহার গুদাম ও তাহারই ও-ধারে কারিগর ও মজুরদিগের বাস করিবার ভাঙা কাঠ ও ভাঙা টিনের লম্বা লাইনবদী বস্তি। সুমুখ দিয়া সারি সারি কয়েকটা জলের কল এবং পিছন দিকে সারি সারি টিনের পায়খানা। গোড়াতে হয়তো দরজা ছিল, এখন থলে ও চট-ছেঁড়া ঝুলিতেছে। ইহাই ভারতবর্ষীয় কুলী-লাইন। ** [[শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], পথের দাবী - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩১ * আমরা [[বর্ষা]]কালে রথের সময়ে তালপাতার ভেঁপু কিনে বাজাতুম; আর টিনের রথে মাটির জগন্নাথ চাপিয়ে টানতুম, রথের চাকা শব্দ দিত ঝন্‌ ঝন্‌; যেন সেতার নূপুর সব একসঙ্গে বাজছে। আকাশ ভেঙে [[বৃষ্টি]] পড়ত দেখতে পেতুম, থেকে থেকে মেঘলা আলোকে রোদ পরাত চাপাই শাড়ি—কি বাহার খুলত! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * কখনো গােয়েন্দাদের চোখে ধুলি দিতে আত্মগােপন করেছে রকম-বেরকমের ছদ্মবেশে। শহরে শহরে চালান করেছে শত শত নিষিদ্ধ পুস্তক। নির্বাসিত সঙ্গীদের মুক্তির আয়োজন ক’রে দিয়েছে···সঙ্গে করে তাদের বিপদ সীমার বাইরে রেখে এসেছে। তার বাড়িতে একটা ছাপাখানা ছিল···পুলিস খানাতল্লাশ করতে এলে এক মিনিটের মধ্যে ভেল বদলে চাকরের সাজে আগন্তুকদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলো সে···তারপর গায়ে একখানা র‍্যাপার জড়িয়ে, মাথায় রুমাল বেঁধে, হাতে একটা কেরোসিনের টিন নিয়ে কেরোসিন-ওয়ালীর বেশে শীতের কনকনে হাওয়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চ’লে গেলো।··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৪-১৩৫ * পরদেশিয়া নৌকোগুলাের এল ফেরার দিন,<br>নিল ভরে খালি-করা কেরােসিনের টিন—<br>একটা পালের ’পরে ছােটো আরেকটা পাল তুলে<br>চলার বিপুল গর্বে তরীর বুক উঠেছে ফুলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পদ্মায়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৪১ * লৌহ জল অপেক্ষা সাত আট গুণ ভারি। ইহা টিন ভিন্ন আর সকল ধাতু অপেক্ষা হালকী। লোহাতে মানুষের চুলের সমান সরু তার হইতে পারে। ইহা সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক ভারসহ; এক যবে্দর স্থূল তারে ৬ মন ১৭ সের ভারি বস্ত ঝুলাইলেও ছিঁড়িয়া যাইবেক না।<br>লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক পাওয়া যায় এবং সকল দেশেই ইহার আকর আছে। কিন্তু ইংলণ্ড, ফ্রান্স, সুইডেন, রুশিয়া এই কয়েক দেশে অধিক। ** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯ * চৈৎ-বৈশাখ মাসে রাস্তায় ফেরিওয়ালা হেঁকে যেত ‘বরীফ’। হাঁড়িতে বরফ দেওয়া নোনতা জলে ছোটো ছোটো টিনের চোঙে থাকত যাকে বলা হ’ত কুলফির বরফ, এখন যাকে বলে আইস কিংবা আইস্‌ক্রিম। রাস্তার দিকের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সেই ডাকে মন কিরকম করত তা মনই জানে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ছেলেবেলা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * দেশলাইয়ের বাক্স একটা, সিগারেটের টিন একটা, লোহার সিন্দুক একটা এবং কালীঘাটের কৌটা একটা—এদের ভাল-মন্দের হিসেব এদের রূপের মধ্যেই রয়েছে। দেশলাইয়ের বাক্সর কবি বাক্সটার রূপ বড় উপমার সঙ্গে জুড়ে দিয়ে হয়তো কালীঘাটের কৌটোর চেয়ে তাকে ভাল বলে’ প্রমাণ করতে পারেন কারো কাছে, কিন্তু আর্টিষ্ট রূপ দিয়েই রূপের পরিমাপ করে দেখবে, উপমার ভাল-মন্দ দিয়ে নয়। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অরূপ না রূপ, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৫ * আমি হাতে তুলে নিলাম, একটা ছোট টিনের বাক্স, চাবি বন্ধ! এ ধরনের টিনের বাক্সকে পাড়াগাঁ অঞ্চলে বলে, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। টাকাকড়ি রাখে পাড়াগাঁয়ে। এ আমরা জানি।<br>বাদল হঠাৎ বড় উত্তেজিত হয়ে পড়লো। বললে—দেখি জিনিসটা?<br>—দ্যাখ তো, চিনিস?<br>—চিনি, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], বরো বাগদিনী, নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বিভূতি প্রকাশন, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯৮ * প্রাচীরবেষ্টিত স্বল্প স্থানের মধ্যে কয়েক শত মনুষ্য—সকলের এক বেশ, মোটা কাপড়ের হাঁটু পর্য্যন্ত পায়জামা, গায়ে সেই কাপড়ের পিরাণ, মাথায় সেই রকম টুপী। মোটা কাপড়, তাহাতে নীল ডোরা। সকলের গলায় একটা টিনের চাক্‌তি, তাহাতে একটা নম্বর খোদা। এই সকল লোকদের নাম নাই, শুধু নম্বর। যাহার যে নম্বর তাহাকে সেই নম্বর বলিয়া ডাকে।<br>ইহারা বন্দী, ইহাদের বাসস্থান কারাগার। ** [[নগেন্দ্রনাথ গুপ্ত]], বন্দী, রথযাত্রা ও অন্যান্য গল্প - নগেন্দ্রনাথ গুপ্ত, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড , প্রকাশস্থান- প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৮ বঙ্গাব্দ),পৃষ্ঠা ১৮৯ * দেউড়ি আর বৈঠকখানায় ছিল এইরকম দোল-উৎসব, আর আমাদের জন্য আসত টিনের পিচকারি। ওইতেই আনন্দ। টিনের পিচকারি বালতিভরা লাল জলে ডুবিয়ে যাকে সামনে পাচ্ছি পিচকারি দিয়ে রঙ ছিটিয়ে দিচ্ছি আর তারা চেঁচামেচি করে উঠছে, দেখে আমাদের ফুর্তি কী। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * আকরিকের মধ্যে স্বর্ণ, রৌপ্য, তাম্র, টিন, পাথুরিয়া কয়লা প্রচুর পাওয়া যায়। লৌহ অধিক পাওয়া যায় না। লৌহের অনেক কার্য্য তাম্র দ্বারা সম্পন্ন হইয়া থাকে। এখানকার তাম্রের ন্যায় উৎকৃষ্ট তাম্র পৃথিবীর কুত্রাপি পাওয়া যায় না। জাপানীরা ইহা এক ইঞ্চ মােটা ও এক ফুট লম্বা পাত করিয়া বিক্রয় করে। অপকৃষ্ট তাম্র ইষ্টকাকারে বিক্রীত হয়। জাপানে তামার খনিতে সময়ে সময়ে স্বর্ণ পাওয়া যায়। সম্রাটের অনুমতি ব্যতীত কেহই স্বর্ণখনির কার্য্য করিতে পারে না। এখানকার টিন রৌপ্যের ন্যায় শুভ্র ও উজ্জ্বল। জাপানের নানাস্থানে একরূপ মৃত্তিকা পাওয়া যায়, তাহা হইতে মনােহর বাসন প্রস্তুত হয়। চীনাবাসন বলিয়া ইহা পৃথিবীর নানাদেশে বিক্রয় হইয়া থাকে। ** [[উমাকান্ত হাজারী]], নব্য জাপান, নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস - উমাকান্ত হাজারী, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭ * কর্পোরেশনের পাম্পিং স্টেশনে অথবা জল সরবরাহের যে কোনও কেন্দ্রে ইঞ্জিন ড্রাইভারের পদের জন্য এন্তাজ আলি নামে একটি লোক দরখাস্ত করিয়াছিল। বাঁশের মত গোলাকৃতি একটি টিন কেসের মধ্যে পুরিয়া সে তাহার দরখাস্তের সঙ্গে প্রশংসাপত্রগুলি আমাকে দিয়াছিল। উহা আমার অফিসে হয় টেবিলের উপর নতুবা আমার চেয়ারের বাঁ দিকে whatnot-এর মধ্যে আছে। টিন কেসটি দেখিতে এত অদ্ভুত যে, উহা ভুল হইবার নয়। লােকটি আমাকে ঐ প্রশংসাপত্রগুলির কথা লিখিয়াছে। ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শ্রীমতী মাতাঠাকুরাণীকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২১-১২২ * দেয়ালের যে-অংশে দরজা সেই দিকে বাতির মোড়ক থেকে কাটা ছবিগুলি এঁটে দিয়ে কোনো এক ভৃত্য সৌন্দর্যবোধের তৃপ্তিসাধন করেছিল। এক কোণে টিনের বাক্সে আছে গুঁড়োকরা খড়ি, তার পাশে ঝুড়িতে শুকনো তেঁতুল, এবং কতকগুলো ময়লা ঝাড়ন; আর সারি সারি কেরোসিনের টিন, অধিকাংশই খালি, গুটি দুই-তিন ভরা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], যোগাযোগ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৫ * এ বাড়ীর কেহ কোনো কথা বলিবার পূর্ব্বেই টুনু ও সতু, দুজনে মিলিয়া দুর্গার টিনের পুতুলের বাক্সটা ঘর হইতে বাহির করিয়া আনিয়া রোয়াকে নামাইল এবং টুনু বাক্স খুলিয়া খানিকটা খুঁজিবার পর একছড়া পুঁতির মালা বাহির করিয়া বলিল—এই দ্যাখো মা, আমার সেই মালাটা—সেদিন যে সেই খেল্‌তে গিয়েছিল, সেদিন চুরি করে এনেচে। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], পথের পাঁচালী, দশম পরিচ্ছেদ, পথের পাঁচালী- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সপ্তম সংস্করণ, প্রকাশক- পি. মিত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪০ * দাৰ্জিলিঙ মেল আসতে এখনো তিন ঘণ্টা। স্টেশনে লোকজন নেই, হোটেলগুলোর টিনের ছাত বিষ্টিতে ভিজে চাঁদের আলোয় ঝকঝক করছে। পাহাড়ের অন্ধকার ছেড়ে হঠাৎ ফাঁকায় পড়ে রিদয়ের ধাঁধা লেগে গেল। আকাশ থেকে সে টিনের ছাতগুলোকে দেখছে যেন ছোট-ছোট পাহাড়ের চুড়ো শাদা বরফে ঢাকা! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বুড়ো আংলা-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, প্রকাশস্থান-কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৩ * বাংলা করোগেট টিনের প্রধান খরিদ্দার,—বাংলার দরিদ্র লোকেরা বিশেষ পূর্ব বঙ্গের কৃষকেরা এই আমদানী শুল্ক বৃদ্ধির জন্য করোগেট টিনের জন্য বেশী মূল্য দিতে বাধ্য হয়। যখন প্রতি টনে দশ টাকা শুল্ক ছিল, তখন করোগেট টিনের দাম ছিল—প্রতি টন ১৩৭৲ টাকা। ১৯২৫—২৬ সালে টাটা কোম্পানীর চীৎকারের ফলে ঐ শ‍ুল্ক বৃদ্ধি পাইয়া টন প্রতি ৪৫৲ টাকা হইল। **[[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়|প্রফুল্লচন্দ্র রায়]], আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * বৃদ্ধ নিশ্চিন্ত হইয়া প্রস্থান করিল। রামধন বৃক্ষচূড় হইতে যখন দেখিল যে বৃদ্ধ বহুদূরে চলিয়া গেল, তখন সে বৃক্ষাবরোহণ করিয়া দেবদারুর একটা শাখা ভগ্ন করিয়া তৎসাহায্যেই সেই গর্ত্তের উপরকার আলগা মাটি খুঁড়িয়া বৃদ্ধপ্রোথিত পুলিন্দাটি বাহির করিয়া লইল। এবং পকেট হইতে রজর্সের চকচকে একখানা ছুরি বাহির করিয়া সেই পুলিন্দা জড়ানো মোমজমা কাপড়ের সেলাই কাটিয়া ফেলিল। কাপড় ছাড়িয়া বাহির হইল একটা টিনের চোঙ। টিনের চোঙের ঢাকনি খুলিয়া বাহির হইল একটা লম্বা মোটা বাঁশের চোঙা। চোঙার ভিতরে দেখা গেল কতকগুলি করেন্সি নোট। ** [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], রামধনের কীর্ত্তি, পুষ্পপাত্র - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮০-৮১ * যে টিনের বাক্সের ভিতর সেই মৃতদেহ পাওয়া গিয়াছিল, সেই টিনের বাক্সটীর মধ্যে উত্তমরূপে দেখাতে, দেখিতে পাইলাম, তাহার ভিতর একটী পুরাতন ও নিতান্ত ক্ষুদ্র শিশি রহিয়াছে। সেই শিশিটী নিজের হাতে করিয়া উত্তমরূপে পরীক্ষা করিয়া দেখিলাম। দেখিলাম, প্রায় পাঁচ ছয় বৎসর পূর্ব্বে সেই শিশিতে করিয়া ব্যাথগেট কোম্পানির ঔষধালয় হইতে একজন সাহেবের নিমিত্ত ঔষধ আসিয়াছিল। ** [[প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়]], বেওয়ারিশ লাস, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, বেওয়ারিশ লাস - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- গ্রেট টাউন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * প্রত্যেকটি ঘরের পেছনে স্তূপাকৃতি পুরান টায়ার টিউব, দুধ, মাছ, মাংস, মাখন এসবের খালি টিন পড়ে রয়েছিল। আমেরিকার নগরে, শহরে এবং গ্রামে কেউ টিনের দুধ ব্যবহার করে না। কাগজের এক রকম বোতল হয় তাতেই দই, দুধ, ঘোল বিক্রি হয়ে থাকে। দুধের টিন দেখেই মনে হল, অনেক দূর হতে যারা আসে এবং নানা অসুবিধায় পতিত হয় তারাই এই গ্রামে থাকতে বাধা হয়। এরূপ গ্রাম বাস্তবিকই আনন্দদায়ক। **[[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২২ * রামকেষ্টপুরের রেলের কুলিরা খবর দিলে, বাবুরা যদি আসেন আমাদের কাছে তবে আমরাও টাকা দেব। আমরা রবিকাকা সবাই ছুটলুম। তখন বর্ষাকাল—একটা টিনের ঘরে আমাদের আড্ডা হল। এক মুহুরি টাকা গুণে নিলে। অতটুকু টিনের ঘরে তো মিটিং হতে পারে না। ঝুপ্‌ ঝুপ্‌ বৃষ্টি পড়ছে—বাইরে সারি সারি রেলগাড়ির নীচে শতরঞ্জি বিছিয়ে বক্তৃতা হচ্ছে আর আমি ভাবছি—এই সময়েই যদি ইঞ্জিন এসে মালগাড়ি টানতে শুরু করে তবেই গেছি আর কি। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঘরোয়া, প্রথম পরিচ্ছেদ, ঘরোয়া-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪-২৫ * এমন একটা অসাধারণ প্ল্যানচেট করার জন্য প্রয়োজন একটি শ্লেট। টিনের শ্লেট হলেই ভাল হয়। ফ্রেমে আটকানো কালো টিনটার মাপের দু-পিঠ কালো একটা টিনের সীট। টিন-সীটের একটা কোণা ছবির মতো করে কেটে রাখুন। এক টুকরো চক। একটা রুমাল বা খাম। যিনি আত্মা আনবেন, তাঁর হাতের একটা আঙুলের নখ রাখতে হবে একটু বড়। নখটা সামান্য ফাড়া থাকলে আরও ভাল হয়। শ্লেটে আগে থেকেই একজন সম্ভাব্য আত্মার নাম চক দিয়ে লিখে রাখতে হবে। ** [[প্রবীর ঘোষ]], অলৌকিক নয় লৌকিক (প্রথম খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ, প্রকাশক- দে’জ পাবলিশিং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- প্রকাশসাল ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:মৌলিক পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:খনিজ পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রকৃতি]] 6zvcu415p2jui3z8st2oulvqeo0uk8w 81834 81831 2026-04-28T04:13:35Z Salil Kumar Mukherjee 39 /* উক্তি */ 81834 wikitext text/x-wiki '''[[:w:টিন|টিন]]''' একটি ধাতব মৌলিক পদার্থ। টিন একটি ধাতব-ধূসর ধাতু, যা যথেষ্ট নরম হওয়ায় সামান্য বল প্রয়োগেই কাটা যায়। টিনের একটি দণ্ড অল্প চেষ্টাতেই হাত দিয়ে বাঁকানো যায়। এটি একটি নরম, নমনীয়, প্রসারণশীল এবং অত্যন্ত স্ফটিকাকার রূপালি-সাদা ধাতু। টিনের দণ্ড বাঁকানোর সময় একটি শব্দ তৈরি করে, যা তথাকথিত "টিন ক্রাই" বা ''টিনের কান্না'' নামে পরিচিত। == উক্তি == * মোমের [[পুতুল]] ঘুমিয়ে থাকুক দাঁত মেলে আর চুল খুলে,<br>টিনের পুতুল চীনের পুতুল, কেউ কি এমন তুলতুলে? ** [[সুকুমার রায়]], আদুরে পুতুল, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ),পৃষ্ঠা ১৬৬ * পরিষ্কার ও শুষ্ক বাতাসে টিন বহু দিন ধরে তার উজ্জ্বলতা ধরে রাখে। গবেষণা অনুসারে, ১০০ দিন পর আলোতে এর উজ্জ্বলতা কমে যেতে দেখা যায় এবং ১৫০ দিন পর হালকা হলদে-ধূসর রঙের একটি বিবর্ণতা দেখা যায়। সাবান ও জল দিয়ে ধোয়া হলে টিনের প্রতিফলন ক্ষমতা দীর্ঘ সময় ধরেও অপরিবর্তিত থাকে। ** ব্রুস ডি. ক্রেইগ, ডেভিড এস. অ্যান্ডারসন, ''[http://books.google.co.in/books?id=KXwgAZJBWb0C&pg=RA1-PT126&redir_esc=y#v=onepage&q&f=true হ্যান্ডবুক অফ করোশন ডেটা]'', এএসএম ইন্টারন্যাশনাল, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৪ * টিন্ আবিষ্কৃত হইবার পরে, তাম্রনির্ম্মিত দ্রব্যাদি কঠিন করিবার জন্য নয়ভাগ তাম্রের সহিত একভাগ টিন্ মিশ্রিত হইত, এই মিশ্রধাতুর নাম ব্রঞ্জ। ** [[রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়]], বাঙ্গালার ইতিহাস- রাখালদাস বন্দোপাধ্যায়, প্রথম ভাগ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * টিন প্রিন্টিং, যা প্রায় ১৮৭৫ সালে প্রবর্তিত হয়েছিল, এট হলো ধাতব পাত অলঙ্করণের জন্য লিথোগ্রাফিক প্রক্রিয়ার প্রয়োগ। পূর্বে কাগজের লিথোগ্রাফারদের দ্বারা সম্পাদিত ক্যানের লেবেলের কাজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সাম্প্রতিক বছরগুলিতে টিন লিথোগ্রাফারদের হাতে চলে গেছে... প্রস্তুত টিনের পাত প্রেসে প্রবেশ করানো হয় এবং তারপর উচ্চ তাপমাত্রায় ওভেনে শুকানো হয়, এই প্রক্রিয়াটি প্রতিটি অতিরিক্ত রঙের জন্য পুনরাবৃত্তি করা হয়। হ্যারি এস. অ্যাশমোর , এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা: আ নিউ সার্ভে অফ ইউনিভার্সাল নলেজ, খণ্ড ১৪ , এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১৯৬১, পৃ. ২১৪ ** হ্যারি এস. অ্যাশমোর, ''[http://books.google.co.in/books?id=6yVGAQAAIAAJ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা: আ নিউ সার্ভে অফ ইউনিভার্সাল নলেজ, খণ্ড ১৪]'', এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১৯৬১, পৃষ্ঠা ২১৪ * কুলুঙ্গির মধ্যে ক্ষুদ্র টিনের ডিবায় ম্লানভাবে কেরোসিন জ্বলিতেছিল, আমি তাহা উস্কাইয়া দিলাম; একটুখানি আলো জাগিয়া উঠিল এবং অনেকখানি ধোঁয়া বাহির হইতে লাগিল। কোঁচাখানা গায়ের উপর টানিয়া একখানা খবরের-কাগজ-পাতা প্যাক্‌বাক্সের উপর বসিলাম। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নিশীথে, গল্পগুচ্ছ (দ্বিতীয় খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ২৬৩ * ডানদিকে সারি সারি করোগেট লোহার গুদাম ও তাহারই ও-ধারে কারিগর ও মজুরদিগের বাস করিবার ভাঙা কাঠ ও ভাঙা টিনের লম্বা লাইনবদী বস্তি। সুমুখ দিয়া সারি সারি কয়েকটা জলের কল এবং পিছন দিকে সারি সারি টিনের পায়খানা। গোড়াতে হয়তো দরজা ছিল, এখন থলে ও চট-ছেঁড়া ঝুলিতেছে। ইহাই ভারতবর্ষীয় কুলী-লাইন। ** [[শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], পথের দাবী - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩১ * আমরা [[বর্ষা]]কালে রথের সময়ে তালপাতার ভেঁপু কিনে বাজাতুম; আর টিনের রথে মাটির জগন্নাথ চাপিয়ে টানতুম, রথের চাকা শব্দ দিত ঝন্‌ ঝন্‌; যেন সেতার নূপুর সব একসঙ্গে বাজছে। আকাশ ভেঙে [[বৃষ্টি]] পড়ত দেখতে পেতুম, থেকে থেকে মেঘলা আলোকে রোদ পরাত চাপাই শাড়ি—কি বাহার খুলত! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * কখনো গােয়েন্দাদের চোখে ধুলি দিতে আত্মগােপন করেছে রকম-বেরকমের ছদ্মবেশে। শহরে শহরে চালান করেছে শত শত নিষিদ্ধ পুস্তক। নির্বাসিত সঙ্গীদের মুক্তির আয়োজন ক’রে দিয়েছে···সঙ্গে করে তাদের বিপদ সীমার বাইরে রেখে এসেছে। তার বাড়িতে একটা ছাপাখানা ছিল···পুলিস খানাতল্লাশ করতে এলে এক মিনিটের মধ্যে ভেল বদলে চাকরের সাজে আগন্তুকদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলো সে···তারপর গায়ে একখানা র‍্যাপার জড়িয়ে, মাথায় রুমাল বেঁধে, হাতে একটা কেরোসিনের টিন নিয়ে কেরোসিন-ওয়ালীর বেশে শীতের কনকনে হাওয়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চ’লে গেলো।··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৪-১৩৫ * পরদেশিয়া নৌকোগুলাের এল ফেরার দিন,<br>নিল ভরে খালি-করা কেরােসিনের টিন—<br>একটা পালের ’পরে ছােটো আরেকটা পাল তুলে<br>চলার বিপুল গর্বে তরীর বুক উঠেছে ফুলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পদ্মায়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৪১ * চৈৎ-বৈশাখ মাসে রাস্তায় ফেরিওয়ালা হেঁকে যেত ‘বরীফ’। হাঁড়িতে বরফ দেওয়া নোনতা জলে ছোটো ছোটো টিনের চোঙে থাকত যাকে বলা হ’ত কুলফির বরফ, এখন যাকে বলে আইস কিংবা আইস্‌ক্রিম। রাস্তার দিকের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সেই ডাকে মন কিরকম করত তা মনই জানে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ছেলেবেলা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * দেশলাইয়ের বাক্স একটা, সিগারেটের টিন একটা, লোহার সিন্দুক একটা এবং কালীঘাটের কৌটা একটা—এদের ভাল-মন্দের হিসেব এদের রূপের মধ্যেই রয়েছে। দেশলাইয়ের বাক্সর কবি বাক্সটার রূপ বড় উপমার সঙ্গে জুড়ে দিয়ে হয়তো কালীঘাটের কৌটোর চেয়ে তাকে ভাল বলে’ প্রমাণ করতে পারেন কারো কাছে, কিন্তু আর্টিষ্ট রূপ দিয়েই রূপের পরিমাপ করে দেখবে, উপমার ভাল-মন্দ দিয়ে নয়। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অরূপ না রূপ, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৫ * আমি হাতে তুলে নিলাম, একটা ছোট টিনের বাক্স, চাবি বন্ধ! এ ধরনের টিনের বাক্সকে পাড়াগাঁ অঞ্চলে বলে, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। টাকাকড়ি রাখে পাড়াগাঁয়ে। এ আমরা জানি।<br>বাদল হঠাৎ বড় উত্তেজিত হয়ে পড়লো। বললে—দেখি জিনিসটা?<br>—দ্যাখ তো, চিনিস?<br>—চিনি, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], বরো বাগদিনী, নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বিভূতি প্রকাশন, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯৮ * প্রাচীরবেষ্টিত স্বল্প স্থানের মধ্যে কয়েক শত মনুষ্য—সকলের এক বেশ, মোটা কাপড়ের হাঁটু পর্য্যন্ত পায়জামা, গায়ে সেই কাপড়ের পিরাণ, মাথায় সেই রকম টুপী। মোটা কাপড়, তাহাতে নীল ডোরা। সকলের গলায় একটা টিনের চাক্‌তি, তাহাতে একটা নম্বর খোদা। এই সকল লোকদের নাম নাই, শুধু নম্বর। যাহার যে নম্বর তাহাকে সেই নম্বর বলিয়া ডাকে।<br>ইহারা বন্দী, ইহাদের বাসস্থান কারাগার। ** [[নগেন্দ্রনাথ গুপ্ত]], বন্দী, রথযাত্রা ও অন্যান্য গল্প - নগেন্দ্রনাথ গুপ্ত, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড , প্রকাশস্থান- প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৮ বঙ্গাব্দ),পৃষ্ঠা ১৮৯ * দেউড়ি আর বৈঠকখানায় ছিল এইরকম দোল-উৎসব, আর আমাদের জন্য আসত টিনের পিচকারি। ওইতেই আনন্দ। টিনের পিচকারি বালতিভরা লাল জলে ডুবিয়ে যাকে সামনে পাচ্ছি পিচকারি দিয়ে রঙ ছিটিয়ে দিচ্ছি আর তারা চেঁচামেচি করে উঠছে, দেখে আমাদের ফুর্তি কী। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * আকরিকের মধ্যে স্বর্ণ, রৌপ্য, তাম্র, টিন, পাথুরিয়া কয়লা প্রচুর পাওয়া যায়। লৌহ অধিক পাওয়া যায় না। লৌহের অনেক কার্য্য তাম্র দ্বারা সম্পন্ন হইয়া থাকে। এখানকার তাম্রের ন্যায় উৎকৃষ্ট তাম্র পৃথিবীর কুত্রাপি পাওয়া যায় না। জাপানীরা ইহা এক ইঞ্চ মােটা ও এক ফুট লম্বা পাত করিয়া বিক্রয় করে। অপকৃষ্ট তাম্র ইষ্টকাকারে বিক্রীত হয়। জাপানে তামার খনিতে সময়ে সময়ে স্বর্ণ পাওয়া যায়। সম্রাটের অনুমতি ব্যতীত কেহই স্বর্ণখনির কার্য্য করিতে পারে না। এখানকার টিন রৌপ্যের ন্যায় শুভ্র ও উজ্জ্বল। জাপানের নানাস্থানে একরূপ মৃত্তিকা পাওয়া যায়, তাহা হইতে মনােহর বাসন প্রস্তুত হয়। চীনাবাসন বলিয়া ইহা পৃথিবীর নানাদেশে বিক্রয় হইয়া থাকে। ** [[উমাকান্ত হাজারী]], নব্য জাপান, নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস - উমাকান্ত হাজারী, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭ * কর্পোরেশনের পাম্পিং স্টেশনে অথবা জল সরবরাহের যে কোনও কেন্দ্রে ইঞ্জিন ড্রাইভারের পদের জন্য এন্তাজ আলি নামে একটি লোক দরখাস্ত করিয়াছিল। বাঁশের মত গোলাকৃতি একটি টিন কেসের মধ্যে পুরিয়া সে তাহার দরখাস্তের সঙ্গে প্রশংসাপত্রগুলি আমাকে দিয়াছিল। উহা আমার অফিসে হয় টেবিলের উপর নতুবা আমার চেয়ারের বাঁ দিকে whatnot-এর মধ্যে আছে। টিন কেসটি দেখিতে এত অদ্ভুত যে, উহা ভুল হইবার নয়। লােকটি আমাকে ঐ প্রশংসাপত্রগুলির কথা লিখিয়াছে। ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শ্রীমতী মাতাঠাকুরাণীকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২১-১২২ * দেয়ালের যে-অংশে দরজা সেই দিকে বাতির মোড়ক থেকে কাটা ছবিগুলি এঁটে দিয়ে কোনো এক ভৃত্য সৌন্দর্যবোধের তৃপ্তিসাধন করেছিল। এক কোণে টিনের বাক্সে আছে গুঁড়োকরা খড়ি, তার পাশে ঝুড়িতে শুকনো তেঁতুল, এবং কতকগুলো ময়লা ঝাড়ন; আর সারি সারি কেরোসিনের টিন, অধিকাংশই খালি, গুটি দুই-তিন ভরা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], যোগাযোগ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৫ * এ বাড়ীর কেহ কোনো কথা বলিবার পূর্ব্বেই টুনু ও সতু, দুজনে মিলিয়া দুর্গার টিনের পুতুলের বাক্সটা ঘর হইতে বাহির করিয়া আনিয়া রোয়াকে নামাইল এবং টুনু বাক্স খুলিয়া খানিকটা খুঁজিবার পর একছড়া পুঁতির মালা বাহির করিয়া বলিল—এই দ্যাখো মা, আমার সেই মালাটা—সেদিন যে সেই খেল্‌তে গিয়েছিল, সেদিন চুরি করে এনেচে। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], পথের পাঁচালী, দশম পরিচ্ছেদ, পথের পাঁচালী- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সপ্তম সংস্করণ, প্রকাশক- পি. মিত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪০ * দাৰ্জিলিঙ মেল আসতে এখনো তিন ঘণ্টা। স্টেশনে লোকজন নেই, হোটেলগুলোর টিনের ছাত বিষ্টিতে ভিজে চাঁদের আলোয় ঝকঝক করছে। পাহাড়ের অন্ধকার ছেড়ে হঠাৎ ফাঁকায় পড়ে রিদয়ের ধাঁধা লেগে গেল। আকাশ থেকে সে টিনের ছাতগুলোকে দেখছে যেন ছোট-ছোট পাহাড়ের চুড়ো শাদা বরফে ঢাকা! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বুড়ো আংলা-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, প্রকাশস্থান-কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৩ * বাংলা করোগেট টিনের প্রধান খরিদ্দার,—বাংলার দরিদ্র লোকেরা বিশেষ পূর্ব বঙ্গের কৃষকেরা এই আমদানী শুল্ক বৃদ্ধির জন্য করোগেট টিনের জন্য বেশী মূল্য দিতে বাধ্য হয়। যখন প্রতি টনে দশ টাকা শুল্ক ছিল, তখন করোগেট টিনের দাম ছিল—প্রতি টন ১৩৭৲ টাকা। ১৯২৫—২৬ সালে টাটা কোম্পানীর চীৎকারের ফলে ঐ শ‍ুল্ক বৃদ্ধি পাইয়া টন প্রতি ৪৫৲ টাকা হইল। **[[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়|প্রফুল্লচন্দ্র রায়]], আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * বৃদ্ধ নিশ্চিন্ত হইয়া প্রস্থান করিল। রামধন বৃক্ষচূড় হইতে যখন দেখিল যে বৃদ্ধ বহুদূরে চলিয়া গেল, তখন সে বৃক্ষাবরোহণ করিয়া দেবদারুর একটা শাখা ভগ্ন করিয়া তৎসাহায্যেই সেই গর্ত্তের উপরকার আলগা মাটি খুঁড়িয়া বৃদ্ধপ্রোথিত পুলিন্দাটি বাহির করিয়া লইল। এবং পকেট হইতে রজর্সের চকচকে একখানা ছুরি বাহির করিয়া সেই পুলিন্দা জড়ানো মোমজমা কাপড়ের সেলাই কাটিয়া ফেলিল। কাপড় ছাড়িয়া বাহির হইল একটা টিনের চোঙ। টিনের চোঙের ঢাকনি খুলিয়া বাহির হইল একটা লম্বা মোটা বাঁশের চোঙা। চোঙার ভিতরে দেখা গেল কতকগুলি করেন্সি নোট। ** [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], রামধনের কীর্ত্তি, পুষ্পপাত্র - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮০-৮১ * যে টিনের বাক্সের ভিতর সেই মৃতদেহ পাওয়া গিয়াছিল, সেই টিনের বাক্সটীর মধ্যে উত্তমরূপে দেখাতে, দেখিতে পাইলাম, তাহার ভিতর একটী পুরাতন ও নিতান্ত ক্ষুদ্র শিশি রহিয়াছে। সেই শিশিটী নিজের হাতে করিয়া উত্তমরূপে পরীক্ষা করিয়া দেখিলাম। দেখিলাম, প্রায় পাঁচ ছয় বৎসর পূর্ব্বে সেই শিশিতে করিয়া ব্যাথগেট কোম্পানির ঔষধালয় হইতে একজন সাহেবের নিমিত্ত ঔষধ আসিয়াছিল। ** [[প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়]], বেওয়ারিশ লাস, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, বেওয়ারিশ লাস - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- গ্রেট টাউন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * প্রত্যেকটি ঘরের পেছনে স্তূপাকৃতি পুরান টায়ার টিউব, দুধ, মাছ, মাংস, মাখন এসবের খালি টিন পড়ে রয়েছিল। আমেরিকার নগরে, শহরে এবং গ্রামে কেউ টিনের দুধ ব্যবহার করে না। কাগজের এক রকম বোতল হয় তাতেই দই, দুধ, ঘোল বিক্রি হয়ে থাকে। দুধের টিন দেখেই মনে হল, অনেক দূর হতে যারা আসে এবং নানা অসুবিধায় পতিত হয় তারাই এই গ্রামে থাকতে বাধা হয়। এরূপ গ্রাম বাস্তবিকই আনন্দদায়ক। **[[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২২ * রামকেষ্টপুরের রেলের কুলিরা খবর দিলে, বাবুরা যদি আসেন আমাদের কাছে তবে আমরাও টাকা দেব। আমরা রবিকাকা সবাই ছুটলুম। তখন বর্ষাকাল—একটা টিনের ঘরে আমাদের আড্ডা হল। এক মুহুরি টাকা গুণে নিলে। অতটুকু টিনের ঘরে তো মিটিং হতে পারে না। ঝুপ্‌ ঝুপ্‌ বৃষ্টি পড়ছে—বাইরে সারি সারি রেলগাড়ির নীচে শতরঞ্জি বিছিয়ে বক্তৃতা হচ্ছে আর আমি ভাবছি—এই সময়েই যদি ইঞ্জিন এসে মালগাড়ি টানতে শুরু করে তবেই গেছি আর কি। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঘরোয়া, প্রথম পরিচ্ছেদ, ঘরোয়া-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪-২৫ * এমন একটা অসাধারণ প্ল্যানচেট করার জন্য প্রয়োজন একটি শ্লেট। টিনের শ্লেট হলেই ভাল হয়। ফ্রেমে আটকানো কালো টিনটার মাপের দু-পিঠ কালো একটা টিনের সীট। টিন-সীটের একটা কোণা ছবির মতো করে কেটে রাখুন। এক টুকরো চক। একটা রুমাল বা খাম। যিনি আত্মা আনবেন, তাঁর হাতের একটা আঙুলের নখ রাখতে হবে একটু বড়। নখটা সামান্য ফাড়া থাকলে আরও ভাল হয়। শ্লেটে আগে থেকেই একজন সম্ভাব্য আত্মার নাম চক দিয়ে লিখে রাখতে হবে। ** [[প্রবীর ঘোষ]], অলৌকিক নয় লৌকিক (প্রথম খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ, প্রকাশক- দে’জ পাবলিশিং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- প্রকাশসাল ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:মৌলিক পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:খনিজ পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রকৃতি]] auxmo7gqmsrdgcactzem44xbk0wsg7i 81835 81834 2026-04-28T04:14:12Z Salil Kumar Mukherjee 39 /* উক্তি */ 81835 wikitext text/x-wiki '''[[:w:টিন|টিন]]''' একটি ধাতব মৌলিক পদার্থ। টিন একটি ধাতব-ধূসর ধাতু, যা যথেষ্ট নরম হওয়ায় সামান্য বল প্রয়োগেই কাটা যায়। টিনের একটি দণ্ড অল্প চেষ্টাতেই হাত দিয়ে বাঁকানো যায়। এটি একটি নরম, নমনীয়, প্রসারণশীল এবং অত্যন্ত স্ফটিকাকার রূপালি-সাদা ধাতু। টিনের দণ্ড বাঁকানোর সময় একটি শব্দ তৈরি করে, যা তথাকথিত "টিন ক্রাই" বা ''টিনের কান্না'' নামে পরিচিত। == উক্তি == * মোমের [[পুতুল]] ঘুমিয়ে থাকুক দাঁত মেলে আর চুল খুলে,<br>টিনের পুতুল চীনের পুতুল, কেউ কি এমন তুলতুলে? ** [[সুকুমার রায়]], আদুরে পুতুল, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ),পৃষ্ঠা ১৬৬ * পরিষ্কার ও শুষ্ক বাতাসে টিন বহু দিন ধরে তার উজ্জ্বলতা ধরে রাখে। গবেষণা অনুসারে, ১০০ দিন পর আলোতে এর উজ্জ্বলতা কমে যেতে দেখা যায় এবং ১৫০ দিন পর হালকা হলদে-ধূসর রঙের একটি বিবর্ণতা দেখা যায়। সাবান ও জল দিয়ে ধোয়া হলে টিনের প্রতিফলন ক্ষমতা দীর্ঘ সময় ধরেও অপরিবর্তিত থাকে। ** ব্রুস ডি. ক্রেইগ, ডেভিড এস. অ্যান্ডারসন, ''[http://books.google.co.in/books?id=KXwgAZJBWb0C&pg=RA1-PT126&redir_esc=y#v=onepage&q&f=true হ্যান্ডবুক অফ করোশন ডেটা]'', এএসএম ইন্টারন্যাশনাল, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৪ * টিন্ আবিষ্কৃত হইবার পরে, তাম্রনির্ম্মিত দ্রব্যাদি কঠিন করিবার জন্য নয়ভাগ তাম্রের সহিত একভাগ টিন্ মিশ্রিত হইত, এই মিশ্রধাতুর নাম ব্রঞ্জ। ** [[রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়]], বাঙ্গালার ইতিহাস- রাখালদাস বন্দোপাধ্যায়, প্রথম ভাগ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * টিন প্রিন্টিং, যা প্রায় ১৮৭৫ সালে প্রবর্তিত হয়েছিল, এট হলো ধাতব পাত অলঙ্করণের জন্য লিথোগ্রাফিক প্রক্রিয়ার প্রয়োগ। পূর্বে কাগজের লিথোগ্রাফারদের দ্বারা সম্পাদিত ক্যানের লেবেলের কাজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সাম্প্রতিক বছরগুলিতে টিন লিথোগ্রাফারদের হাতে চলে গেছে... প্রস্তুত টিনের পাত প্রেসে প্রবেশ করানো হয় এবং তারপর উচ্চ তাপমাত্রায় ওভেনে শুকানো হয়, এই প্রক্রিয়াটি প্রতিটি অতিরিক্ত রঙের জন্য পুনরাবৃত্তি করা হয়। ** হ্যারি এস. অ্যাশমোর, ''[http://books.google.co.in/books?id=6yVGAQAAIAAJ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা: আ নিউ সার্ভে অফ ইউনিভার্সাল নলেজ, খণ্ড ১৪]'', এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১৯৬১, পৃষ্ঠা ২১৪ * কুলুঙ্গির মধ্যে ক্ষুদ্র টিনের ডিবায় ম্লানভাবে কেরোসিন জ্বলিতেছিল, আমি তাহা উস্কাইয়া দিলাম; একটুখানি আলো জাগিয়া উঠিল এবং অনেকখানি ধোঁয়া বাহির হইতে লাগিল। কোঁচাখানা গায়ের উপর টানিয়া একখানা খবরের-কাগজ-পাতা প্যাক্‌বাক্সের উপর বসিলাম। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নিশীথে, গল্পগুচ্ছ (দ্বিতীয় খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ২৬৩ * ডানদিকে সারি সারি করোগেট লোহার গুদাম ও তাহারই ও-ধারে কারিগর ও মজুরদিগের বাস করিবার ভাঙা কাঠ ও ভাঙা টিনের লম্বা লাইনবদী বস্তি। সুমুখ দিয়া সারি সারি কয়েকটা জলের কল এবং পিছন দিকে সারি সারি টিনের পায়খানা। গোড়াতে হয়তো দরজা ছিল, এখন থলে ও চট-ছেঁড়া ঝুলিতেছে। ইহাই ভারতবর্ষীয় কুলী-লাইন। ** [[শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], পথের দাবী - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩১ * আমরা [[বর্ষা]]কালে রথের সময়ে তালপাতার ভেঁপু কিনে বাজাতুম; আর টিনের রথে মাটির জগন্নাথ চাপিয়ে টানতুম, রথের চাকা শব্দ দিত ঝন্‌ ঝন্‌; যেন সেতার নূপুর সব একসঙ্গে বাজছে। আকাশ ভেঙে [[বৃষ্টি]] পড়ত দেখতে পেতুম, থেকে থেকে মেঘলা আলোকে রোদ পরাত চাপাই শাড়ি—কি বাহার খুলত! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * কখনো গােয়েন্দাদের চোখে ধুলি দিতে আত্মগােপন করেছে রকম-বেরকমের ছদ্মবেশে। শহরে শহরে চালান করেছে শত শত নিষিদ্ধ পুস্তক। নির্বাসিত সঙ্গীদের মুক্তির আয়োজন ক’রে দিয়েছে···সঙ্গে করে তাদের বিপদ সীমার বাইরে রেখে এসেছে। তার বাড়িতে একটা ছাপাখানা ছিল···পুলিস খানাতল্লাশ করতে এলে এক মিনিটের মধ্যে ভেল বদলে চাকরের সাজে আগন্তুকদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলো সে···তারপর গায়ে একখানা র‍্যাপার জড়িয়ে, মাথায় রুমাল বেঁধে, হাতে একটা কেরোসিনের টিন নিয়ে কেরোসিন-ওয়ালীর বেশে শীতের কনকনে হাওয়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চ’লে গেলো।··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৪-১৩৫ * পরদেশিয়া নৌকোগুলাের এল ফেরার দিন,<br>নিল ভরে খালি-করা কেরােসিনের টিন—<br>একটা পালের ’পরে ছােটো আরেকটা পাল তুলে<br>চলার বিপুল গর্বে তরীর বুক উঠেছে ফুলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পদ্মায়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৪১ * চৈৎ-বৈশাখ মাসে রাস্তায় ফেরিওয়ালা হেঁকে যেত ‘বরীফ’। হাঁড়িতে বরফ দেওয়া নোনতা জলে ছোটো ছোটো টিনের চোঙে থাকত যাকে বলা হ’ত কুলফির বরফ, এখন যাকে বলে আইস কিংবা আইস্‌ক্রিম। রাস্তার দিকের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সেই ডাকে মন কিরকম করত তা মনই জানে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ছেলেবেলা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * দেশলাইয়ের বাক্স একটা, সিগারেটের টিন একটা, লোহার সিন্দুক একটা এবং কালীঘাটের কৌটা একটা—এদের ভাল-মন্দের হিসেব এদের রূপের মধ্যেই রয়েছে। দেশলাইয়ের বাক্সর কবি বাক্সটার রূপ বড় উপমার সঙ্গে জুড়ে দিয়ে হয়তো কালীঘাটের কৌটোর চেয়ে তাকে ভাল বলে’ প্রমাণ করতে পারেন কারো কাছে, কিন্তু আর্টিষ্ট রূপ দিয়েই রূপের পরিমাপ করে দেখবে, উপমার ভাল-মন্দ দিয়ে নয়। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অরূপ না রূপ, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৫ * আমি হাতে তুলে নিলাম, একটা ছোট টিনের বাক্স, চাবি বন্ধ! এ ধরনের টিনের বাক্সকে পাড়াগাঁ অঞ্চলে বলে, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। টাকাকড়ি রাখে পাড়াগাঁয়ে। এ আমরা জানি।<br>বাদল হঠাৎ বড় উত্তেজিত হয়ে পড়লো। বললে—দেখি জিনিসটা?<br>—দ্যাখ তো, চিনিস?<br>—চিনি, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], বরো বাগদিনী, নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বিভূতি প্রকাশন, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯৮ * প্রাচীরবেষ্টিত স্বল্প স্থানের মধ্যে কয়েক শত মনুষ্য—সকলের এক বেশ, মোটা কাপড়ের হাঁটু পর্য্যন্ত পায়জামা, গায়ে সেই কাপড়ের পিরাণ, মাথায় সেই রকম টুপী। মোটা কাপড়, তাহাতে নীল ডোরা। সকলের গলায় একটা টিনের চাক্‌তি, তাহাতে একটা নম্বর খোদা। এই সকল লোকদের নাম নাই, শুধু নম্বর। যাহার যে নম্বর তাহাকে সেই নম্বর বলিয়া ডাকে।<br>ইহারা বন্দী, ইহাদের বাসস্থান কারাগার। ** [[নগেন্দ্রনাথ গুপ্ত]], বন্দী, রথযাত্রা ও অন্যান্য গল্প - নগেন্দ্রনাথ গুপ্ত, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড , প্রকাশস্থান- প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৮ বঙ্গাব্দ),পৃষ্ঠা ১৮৯ * দেউড়ি আর বৈঠকখানায় ছিল এইরকম দোল-উৎসব, আর আমাদের জন্য আসত টিনের পিচকারি। ওইতেই আনন্দ। টিনের পিচকারি বালতিভরা লাল জলে ডুবিয়ে যাকে সামনে পাচ্ছি পিচকারি দিয়ে রঙ ছিটিয়ে দিচ্ছি আর তারা চেঁচামেচি করে উঠছে, দেখে আমাদের ফুর্তি কী। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * আকরিকের মধ্যে স্বর্ণ, রৌপ্য, তাম্র, টিন, পাথুরিয়া কয়লা প্রচুর পাওয়া যায়। লৌহ অধিক পাওয়া যায় না। লৌহের অনেক কার্য্য তাম্র দ্বারা সম্পন্ন হইয়া থাকে। এখানকার তাম্রের ন্যায় উৎকৃষ্ট তাম্র পৃথিবীর কুত্রাপি পাওয়া যায় না। জাপানীরা ইহা এক ইঞ্চ মােটা ও এক ফুট লম্বা পাত করিয়া বিক্রয় করে। অপকৃষ্ট তাম্র ইষ্টকাকারে বিক্রীত হয়। জাপানে তামার খনিতে সময়ে সময়ে স্বর্ণ পাওয়া যায়। সম্রাটের অনুমতি ব্যতীত কেহই স্বর্ণখনির কার্য্য করিতে পারে না। এখানকার টিন রৌপ্যের ন্যায় শুভ্র ও উজ্জ্বল। জাপানের নানাস্থানে একরূপ মৃত্তিকা পাওয়া যায়, তাহা হইতে মনােহর বাসন প্রস্তুত হয়। চীনাবাসন বলিয়া ইহা পৃথিবীর নানাদেশে বিক্রয় হইয়া থাকে। ** [[উমাকান্ত হাজারী]], নব্য জাপান, নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস - উমাকান্ত হাজারী, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭ * কর্পোরেশনের পাম্পিং স্টেশনে অথবা জল সরবরাহের যে কোনও কেন্দ্রে ইঞ্জিন ড্রাইভারের পদের জন্য এন্তাজ আলি নামে একটি লোক দরখাস্ত করিয়াছিল। বাঁশের মত গোলাকৃতি একটি টিন কেসের মধ্যে পুরিয়া সে তাহার দরখাস্তের সঙ্গে প্রশংসাপত্রগুলি আমাকে দিয়াছিল। উহা আমার অফিসে হয় টেবিলের উপর নতুবা আমার চেয়ারের বাঁ দিকে whatnot-এর মধ্যে আছে। টিন কেসটি দেখিতে এত অদ্ভুত যে, উহা ভুল হইবার নয়। লােকটি আমাকে ঐ প্রশংসাপত্রগুলির কথা লিখিয়াছে। ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শ্রীমতী মাতাঠাকুরাণীকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২১-১২২ * দেয়ালের যে-অংশে দরজা সেই দিকে বাতির মোড়ক থেকে কাটা ছবিগুলি এঁটে দিয়ে কোনো এক ভৃত্য সৌন্দর্যবোধের তৃপ্তিসাধন করেছিল। এক কোণে টিনের বাক্সে আছে গুঁড়োকরা খড়ি, তার পাশে ঝুড়িতে শুকনো তেঁতুল, এবং কতকগুলো ময়লা ঝাড়ন; আর সারি সারি কেরোসিনের টিন, অধিকাংশই খালি, গুটি দুই-তিন ভরা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], যোগাযোগ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৫ * এ বাড়ীর কেহ কোনো কথা বলিবার পূর্ব্বেই টুনু ও সতু, দুজনে মিলিয়া দুর্গার টিনের পুতুলের বাক্সটা ঘর হইতে বাহির করিয়া আনিয়া রোয়াকে নামাইল এবং টুনু বাক্স খুলিয়া খানিকটা খুঁজিবার পর একছড়া পুঁতির মালা বাহির করিয়া বলিল—এই দ্যাখো মা, আমার সেই মালাটা—সেদিন যে সেই খেল্‌তে গিয়েছিল, সেদিন চুরি করে এনেচে। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], পথের পাঁচালী, দশম পরিচ্ছেদ, পথের পাঁচালী- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সপ্তম সংস্করণ, প্রকাশক- পি. মিত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪০ * দাৰ্জিলিঙ মেল আসতে এখনো তিন ঘণ্টা। স্টেশনে লোকজন নেই, হোটেলগুলোর টিনের ছাত বিষ্টিতে ভিজে চাঁদের আলোয় ঝকঝক করছে। পাহাড়ের অন্ধকার ছেড়ে হঠাৎ ফাঁকায় পড়ে রিদয়ের ধাঁধা লেগে গেল। আকাশ থেকে সে টিনের ছাতগুলোকে দেখছে যেন ছোট-ছোট পাহাড়ের চুড়ো শাদা বরফে ঢাকা! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বুড়ো আংলা-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, প্রকাশস্থান-কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৩ * বাংলা করোগেট টিনের প্রধান খরিদ্দার,—বাংলার দরিদ্র লোকেরা বিশেষ পূর্ব বঙ্গের কৃষকেরা এই আমদানী শুল্ক বৃদ্ধির জন্য করোগেট টিনের জন্য বেশী মূল্য দিতে বাধ্য হয়। যখন প্রতি টনে দশ টাকা শুল্ক ছিল, তখন করোগেট টিনের দাম ছিল—প্রতি টন ১৩৭৲ টাকা। ১৯২৫—২৬ সালে টাটা কোম্পানীর চীৎকারের ফলে ঐ শ‍ুল্ক বৃদ্ধি পাইয়া টন প্রতি ৪৫৲ টাকা হইল। **[[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়|প্রফুল্লচন্দ্র রায়]], আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * বৃদ্ধ নিশ্চিন্ত হইয়া প্রস্থান করিল। রামধন বৃক্ষচূড় হইতে যখন দেখিল যে বৃদ্ধ বহুদূরে চলিয়া গেল, তখন সে বৃক্ষাবরোহণ করিয়া দেবদারুর একটা শাখা ভগ্ন করিয়া তৎসাহায্যেই সেই গর্ত্তের উপরকার আলগা মাটি খুঁড়িয়া বৃদ্ধপ্রোথিত পুলিন্দাটি বাহির করিয়া লইল। এবং পকেট হইতে রজর্সের চকচকে একখানা ছুরি বাহির করিয়া সেই পুলিন্দা জড়ানো মোমজমা কাপড়ের সেলাই কাটিয়া ফেলিল। কাপড় ছাড়িয়া বাহির হইল একটা টিনের চোঙ। টিনের চোঙের ঢাকনি খুলিয়া বাহির হইল একটা লম্বা মোটা বাঁশের চোঙা। চোঙার ভিতরে দেখা গেল কতকগুলি করেন্সি নোট। ** [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], রামধনের কীর্ত্তি, পুষ্পপাত্র - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮০-৮১ * যে টিনের বাক্সের ভিতর সেই মৃতদেহ পাওয়া গিয়াছিল, সেই টিনের বাক্সটীর মধ্যে উত্তমরূপে দেখাতে, দেখিতে পাইলাম, তাহার ভিতর একটী পুরাতন ও নিতান্ত ক্ষুদ্র শিশি রহিয়াছে। সেই শিশিটী নিজের হাতে করিয়া উত্তমরূপে পরীক্ষা করিয়া দেখিলাম। দেখিলাম, প্রায় পাঁচ ছয় বৎসর পূর্ব্বে সেই শিশিতে করিয়া ব্যাথগেট কোম্পানির ঔষধালয় হইতে একজন সাহেবের নিমিত্ত ঔষধ আসিয়াছিল। ** [[প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়]], বেওয়ারিশ লাস, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, বেওয়ারিশ লাস - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- গ্রেট টাউন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * প্রত্যেকটি ঘরের পেছনে স্তূপাকৃতি পুরান টায়ার টিউব, দুধ, মাছ, মাংস, মাখন এসবের খালি টিন পড়ে রয়েছিল। আমেরিকার নগরে, শহরে এবং গ্রামে কেউ টিনের দুধ ব্যবহার করে না। কাগজের এক রকম বোতল হয় তাতেই দই, দুধ, ঘোল বিক্রি হয়ে থাকে। দুধের টিন দেখেই মনে হল, অনেক দূর হতে যারা আসে এবং নানা অসুবিধায় পতিত হয় তারাই এই গ্রামে থাকতে বাধা হয়। এরূপ গ্রাম বাস্তবিকই আনন্দদায়ক। **[[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২২ * রামকেষ্টপুরের রেলের কুলিরা খবর দিলে, বাবুরা যদি আসেন আমাদের কাছে তবে আমরাও টাকা দেব। আমরা রবিকাকা সবাই ছুটলুম। তখন বর্ষাকাল—একটা টিনের ঘরে আমাদের আড্ডা হল। এক মুহুরি টাকা গুণে নিলে। অতটুকু টিনের ঘরে তো মিটিং হতে পারে না। ঝুপ্‌ ঝুপ্‌ বৃষ্টি পড়ছে—বাইরে সারি সারি রেলগাড়ির নীচে শতরঞ্জি বিছিয়ে বক্তৃতা হচ্ছে আর আমি ভাবছি—এই সময়েই যদি ইঞ্জিন এসে মালগাড়ি টানতে শুরু করে তবেই গেছি আর কি। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঘরোয়া, প্রথম পরিচ্ছেদ, ঘরোয়া-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪-২৫ * এমন একটা অসাধারণ প্ল্যানচেট করার জন্য প্রয়োজন একটি শ্লেট। টিনের শ্লেট হলেই ভাল হয়। ফ্রেমে আটকানো কালো টিনটার মাপের দু-পিঠ কালো একটা টিনের সীট। টিন-সীটের একটা কোণা ছবির মতো করে কেটে রাখুন। এক টুকরো চক। একটা রুমাল বা খাম। যিনি আত্মা আনবেন, তাঁর হাতের একটা আঙুলের নখ রাখতে হবে একটু বড়। নখটা সামান্য ফাড়া থাকলে আরও ভাল হয়। শ্লেটে আগে থেকেই একজন সম্ভাব্য আত্মার নাম চক দিয়ে লিখে রাখতে হবে। ** [[প্রবীর ঘোষ]], অলৌকিক নয় লৌকিক (প্রথম খণ্ড) - প্রবীর ঘোষ, প্রকাশক- দে’জ পাবলিশিং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- প্রকাশসাল ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:মৌলিক পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:খনিজ পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রকৃতি]] ixe855l2qfgxxxpzn4mo85t01jv10am 81841 81835 2026-04-28T05:09:26Z Salil Kumar Mukherjee 39 /* উক্তি */ 81841 wikitext text/x-wiki '''[[:w:টিন|টিন]]''' একটি ধাতব মৌলিক পদার্থ। টিন একটি ধাতব-ধূসর ধাতু, যা যথেষ্ট নরম হওয়ায় সামান্য বল প্রয়োগেই কাটা যায়। টিনের একটি দণ্ড অল্প চেষ্টাতেই হাত দিয়ে বাঁকানো যায়। এটি একটি নরম, নমনীয়, প্রসারণশীল এবং অত্যন্ত স্ফটিকাকার রূপালি-সাদা ধাতু। টিনের দণ্ড বাঁকানোর সময় একটি শব্দ তৈরি করে, যা তথাকথিত "টিন ক্রাই" বা ''টিনের কান্না'' নামে পরিচিত। == উক্তি == * পরিষ্কার ও শুষ্ক বাতাসে টিন বহু দিন ধরে তার উজ্জ্বলতা ধরে রাখে। গবেষণা অনুসারে, ১০০ দিন পর আলোতে এর উজ্জ্বলতা কমে যেতে দেখা যায় এবং ১৫০ দিন পর হালকা হলদে-ধূসর রঙের একটি বিবর্ণতা দেখা যায়। সাবান ও জল দিয়ে ধোয়া হলে টিনের প্রতিফলন ক্ষমতা দীর্ঘ সময় ধরেও অপরিবর্তিত থাকে। ** ব্রুস ডি. ক্রেইগ, ডেভিড এস. অ্যান্ডারসন, ''[http://books.google.co.in/books?id=KXwgAZJBWb0C&pg=RA1-PT126&redir_esc=y#v=onepage&q&f=true হ্যান্ডবুক অফ করোশন ডেটা]'', এএসএম ইন্টারন্যাশনাল, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৪ * টিন্ আবিষ্কৃত হইবার পরে, তাম্রনির্ম্মিত দ্রব্যাদি কঠিন করিবার জন্য নয়ভাগ তাম্রের সহিত একভাগ টিন্ মিশ্রিত হইত, এই মিশ্রধাতুর নাম ব্রঞ্জ। ** [[রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়]], বাঙ্গালার ইতিহাস- রাখালদাস বন্দোপাধ্যায়, প্রথম ভাগ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * টিন প্রিন্টিং, যা প্রায় ১৮৭৫ সালে প্রবর্তিত হয়েছিল, এট হলো ধাতব পাত অলঙ্করণের জন্য লিথোগ্রাফিক প্রক্রিয়ার প্রয়োগ। পূর্বে কাগজের লিথোগ্রাফারদের দ্বারা সম্পাদিত ক্যানের লেবেলের কাজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সাম্প্রতিক বছরগুলিতে টিন লিথোগ্রাফারদের হাতে চলে গেছে... প্রস্তুত টিনের পাত প্রেসে প্রবেশ করানো হয় এবং তারপর উচ্চ তাপমাত্রায় ওভেনে শুকানো হয়, এই প্রক্রিয়াটি প্রতিটি অতিরিক্ত রঙের জন্য পুনরাবৃত্তি করা হয়। ** হ্যারি এস. অ্যাশমোর, ''[http://books.google.co.in/books?id=6yVGAQAAIAAJ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা: আ নিউ সার্ভে অফ ইউনিভার্সাল নলেজ, খণ্ড ১৪]'', এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১৯৬১, পৃষ্ঠা ২১৪ * কুলুঙ্গির মধ্যে ক্ষুদ্র টিনের ডিবায় ম্লানভাবে কেরোসিন জ্বলিতেছিল, আমি তাহা উস্কাইয়া দিলাম; একটুখানি আলো জাগিয়া উঠিল এবং অনেকখানি ধোঁয়া বাহির হইতে লাগিল। কোঁচাখানা গায়ের উপর টানিয়া একখানা খবরের-কাগজ-পাতা প্যাক্‌বাক্সের উপর বসিলাম। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নিশীথে, গল্পগুচ্ছ (দ্বিতীয় খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ২৬৩ * টিন নামটি এসেছে অ্যাংলো-স্যাক্সন শব্দ ‘টিআইন’ থেকে। এর রাসায়নিক প্রতীক ‘Sn’ এসেছে ল্যাটিন শব্দ ‘স্ট্যানাম’ থেকে। টিনের প্রথম ব্যবহার সম্ভবত তামা ও দস্তার সাথে সংকর ধাতু হিসেবে পিতল ও ব্রোঞ্জ তৈরিতে হয়েছিল এবং এর সময়কাল প্রায় ৩৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত নির্ধারণ করা যায়। টিনকে একটি মৌল হিসেবে কে শনাক্ত করেছিলেন তা জানা যায়নি এবং সম্ভবত রসায়নবিদ ও পরীক্ষকেরা এটিকে এমন কিছু হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন যাকে আর ভাঙ্গা যায় না, বা যা ছিল মৌলিক। ** অ্যাভালন ইন: ''[http://www.avalonraremetals.com/rare_earth_metal/elements/tin.html টিন]'' * আমরা [[বর্ষা]]কালে রথের সময়ে তালপাতার ভেঁপু কিনে বাজাতুম; আর টিনের রথে মাটির জগন্নাথ চাপিয়ে টানতুম, রথের চাকা শব্দ দিত ঝন্‌ ঝন্‌; যেন সেতার নূপুর সব একসঙ্গে বাজছে। আকাশ ভেঙে [[বৃষ্টি]] পড়ত দেখতে পেতুম, থেকে থেকে মেঘলা আলোকে রোদ পরাত চাপাই শাড়ি—কি বাহার খুলত! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * পরদেশিয়া নৌকোগুলাের এল ফেরার দিন,<br>নিল ভরে খালি-করা কেরােসিনের টিন—<br>একটা পালের ’পরে ছােটো আরেকটা পাল তুলে<br>চলার বিপুল গর্বে তরীর বুক উঠেছে ফুলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পদ্মায়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৪১ * চৈৎ-বৈশাখ মাসে রাস্তায় ফেরিওয়ালা হেঁকে যেত ‘বরীফ’। হাঁড়িতে বরফ দেওয়া নোনতা জলে ছোটো ছোটো টিনের চোঙে থাকত যাকে বলা হ’ত কুলফির বরফ, এখন যাকে বলে আইস কিংবা আইস্‌ক্রিম। রাস্তার দিকের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সেই ডাকে মন কিরকম করত তা মনই জানে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ছেলেবেলা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * আমি হাতে তুলে নিলাম, একটা ছোট টিনের বাক্স, চাবি বন্ধ! এ ধরনের টিনের বাক্সকে পাড়াগাঁ অঞ্চলে বলে, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। টাকাকড়ি রাখে পাড়াগাঁয়ে। এ আমরা জানি।<br>বাদল হঠাৎ বড় উত্তেজিত হয়ে পড়লো। বললে—দেখি জিনিসটা?<br>—দ্যাখ তো, চিনিস?<br>—চিনি, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], বরো বাগদিনী, নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বিভূতি প্রকাশন, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯৮ * দেউড়ি আর বৈঠকখানায় ছিল এইরকম দোল-উৎসব, আর আমাদের জন্য আসত টিনের পিচকারি। ওইতেই আনন্দ। টিনের পিচকারি বালতিভরা লাল জলে ডুবিয়ে যাকে সামনে পাচ্ছি পিচকারি দিয়ে রঙ ছিটিয়ে দিচ্ছি আর তারা চেঁচামেচি করে উঠছে, দেখে আমাদের ফুর্তি কী। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * আকরিকের মধ্যে স্বর্ণ, রৌপ্য, তাম্র, টিন, পাথুরিয়া কয়লা প্রচুর পাওয়া যায়। লৌহ অধিক পাওয়া যায় না। লৌহের অনেক কার্য্য তাম্র দ্বারা সম্পন্ন হইয়া থাকে। এখানকার তাম্রের ন্যায় উৎকৃষ্ট তাম্র পৃথিবীর কুত্রাপি পাওয়া যায় না। জাপানীরা ইহা এক ইঞ্চ মােটা ও এক ফুট লম্বা পাত করিয়া বিক্রয় করে। অপকৃষ্ট তাম্র ইষ্টকাকারে বিক্রীত হয়। জাপানে তামার খনিতে সময়ে সময়ে স্বর্ণ পাওয়া যায়। সম্রাটের অনুমতি ব্যতীত কেহই স্বর্ণখনির কার্য্য করিতে পারে না। এখানকার টিন রৌপ্যের ন্যায় শুভ্র ও উজ্জ্বল। জাপানের নানাস্থানে একরূপ মৃত্তিকা পাওয়া যায়, তাহা হইতে মনােহর বাসন প্রস্তুত হয়। চীনাবাসন বলিয়া ইহা পৃথিবীর নানাদেশে বিক্রয় হইয়া থাকে। ** [[উমাকান্ত হাজারী]], নব্য জাপান, নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস - উমাকান্ত হাজারী, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭ * কর্পোরেশনের পাম্পিং স্টেশনে অথবা জল সরবরাহের যে কোনও কেন্দ্রে ইঞ্জিন ড্রাইভারের পদের জন্য এন্তাজ আলি নামে একটি লোক দরখাস্ত করিয়াছিল। বাঁশের মত গোলাকৃতি একটি টিন কেসের মধ্যে পুরিয়া সে তাহার দরখাস্তের সঙ্গে প্রশংসাপত্রগুলি আমাকে দিয়াছিল। উহা আমার অফিসে হয় টেবিলের উপর নতুবা আমার চেয়ারের বাঁ দিকে whatnot-এর মধ্যে আছে। টিন কেসটি দেখিতে এত অদ্ভুত যে, উহা ভুল হইবার নয়। ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শ্রীমতী মাতাঠাকুরাণীকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২১-১২২ * দেয়ালের যে-অংশে দরজা সেই দিকে বাতির মোড়ক থেকে কাটা ছবিগুলি এঁটে দিয়ে কোনো এক ভৃত্য সৌন্দর্যবোধের তৃপ্তিসাধন করেছিল। এক কোণে টিনের বাক্সে আছে গুঁড়োকরা খড়ি, তার পাশে ঝুড়িতে শুকনো তেঁতুল, এবং কতকগুলো ময়লা ঝাড়ন; আর সারি সারি কেরোসিনের টিন, অধিকাংশই খালি, গুটি দুই-তিন ভরা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], যোগাযোগ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৫ * এ বাড়ীর কেহ কোনো কথা বলিবার পূর্ব্বেই টুনু ও সতু, দুজনে মিলিয়া দুর্গার টিনের পুতুলের বাক্সটা ঘর হইতে বাহির করিয়া আনিয়া রোয়াকে নামাইল এবং টুনু বাক্স খুলিয়া খানিকটা খুঁজিবার পর একছড়া পুঁতির মালা বাহির করিয়া বলিল—এই দ্যাখো মা, আমার সেই মালাটা—সেদিন যে সেই খেল্‌তে গিয়েছিল, সেদিন চুরি করে এনেচে। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], পথের পাঁচালী, দশম পরিচ্ছেদ, পথের পাঁচালী- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সপ্তম সংস্করণ, প্রকাশক- পি. মিত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪০ * দাৰ্জিলিঙ মেল আসতে এখনো তিন ঘণ্টা। স্টেশনে লোকজন নেই, হোটেলগুলোর টিনের ছাত বিষ্টিতে ভিজে চাঁদের আলোয় ঝকঝক করছে। পাহাড়ের অন্ধকার ছেড়ে হঠাৎ ফাঁকায় পড়ে রিদয়ের ধাঁধা লেগে গেল। আকাশ থেকে সে টিনের ছাতগুলোকে দেখছে যেন ছোট-ছোট পাহাড়ের চুড়ো শাদা বরফে ঢাকা! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বুড়ো আংলা-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, প্রকাশস্থান-কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৩ * বাংলা করোগেট টিনের প্রধান খরিদ্দার,—বাংলার দরিদ্র লোকেরা বিশেষ পূর্ব বঙ্গের কৃষকেরা এই আমদানী শুল্ক বৃদ্ধির জন্য করোগেট টিনের জন্য বেশী মূল্য দিতে বাধ্য হয়। যখন প্রতি টনে দশ টাকা শুল্ক ছিল, তখন করোগেট টিনের দাম ছিল—প্রতি টন ১৩৭৲ টাকা। ১৯২৫—২৬ সালে টাটা কোম্পানীর চীৎকারের ফলে ঐ শ‍ুল্ক বৃদ্ধি পাইয়া টন প্রতি ৪৫৲ টাকা হইল। **[[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়|প্রফুল্লচন্দ্র রায়]], আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * যে টিনের বাক্সের ভিতর সেই মৃতদেহ পাওয়া গিয়াছিল, সেই টিনের বাক্সটীর মধ্যে উত্তমরূপে দেখাতে, দেখিতে পাইলাম, তাহার ভিতর একটী পুরাতন ও নিতান্ত ক্ষুদ্র শিশি রহিয়াছে। সেই শিশিটী নিজের হাতে করিয়া উত্তমরূপে পরীক্ষা করিয়া দেখিলাম। দেখিলাম, প্রায় পাঁচ ছয় বৎসর পূর্ব্বে সেই শিশিতে করিয়া ব্যাথগেট কোম্পানির ঔষধালয় হইতে একজন সাহেবের নিমিত্ত ঔষধ আসিয়াছিল। ** [[প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়]], বেওয়ারিশ লাস, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, বেওয়ারিশ লাস - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- গ্রেট টাউন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * প্রত্যেকটি ঘরের পেছনে স্তূপাকৃতি পুরান টায়ার টিউব, দুধ, মাছ, মাংস, মাখন এসবের খালি টিন পড়ে রয়েছিল। আমেরিকার নগরে, শহরে এবং গ্রামে কেউ টিনের দুধ ব্যবহার করে না। কাগজের এক রকম বোতল হয় তাতেই দই, দুধ, ঘোল বিক্রি হয়ে থাকে। দুধের টিন দেখেই মনে হল, অনেক দূর হতে যারা আসে এবং নানা অসুবিধায় পতিত হয় তারাই এই গ্রামে থাকতে বাধা হয়। এরূপ গ্রাম বাস্তবিকই আনন্দদায়ক। **[[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২২ * আমরা রবিকাকা সবাই ছুটলুম। তখন বর্ষাকাল—একটা টিনের ঘরে আমাদের আড্ডা হল। এক মুহুরি টাকা গুণে নিলে। অতটুকু টিনের ঘরে তো মিটিং হতে পারে না। ঝুপ্‌ ঝুপ্‌ বৃষ্টি পড়ছে—বাইরে সারি সারি রেলগাড়ির নীচে শতরঞ্জি বিছিয়ে বক্তৃতা হচ্ছে আর আমি ভাবছি—এই সময়েই যদি ইঞ্জিন এসে মালগাড়ি টানতে শুরু করে তবেই গেছি আর কি। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঘরোয়া, প্রথম পরিচ্ছেদ, ঘরোয়া-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪-২৫ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:মৌলিক পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:খনিজ পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রকৃতি]] ev1gxs0qcwe0trjxhxpivg42urajghf 81842 81841 2026-04-28T05:23:39Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81842 wikitext text/x-wiki '''[[:w:টিন|টিন]]''' একটি ধাতব মৌলিক পদার্থ। টিন একটি ধাতব-ধূসর ধাতু, যা যথেষ্ট নরম হওয়ায় সামান্য বল প্রয়োগেই কাটা যায়। টিনের একটি দণ্ড অল্প চেষ্টাতেই হাত দিয়ে বাঁকানো যায়। এটি একটি নরম, নমনীয়, প্রসারণশীল এবং অত্যন্ত স্ফটিকাকার রূপালি-সাদা ধাতু। টিনের দণ্ড বাঁকানোর সময় একটি শব্দ তৈরি করে, যা তথাকথিত "টিন ক্রাই" বা ''টিনের কান্না'' নামে পরিচিত। == উক্তি == * পরিষ্কার ও শুষ্ক বাতাসে টিন বহু দিন ধরে তার উজ্জ্বলতা ধরে রাখে। গবেষণা অনুসারে, ১০০ দিন পর আলোতে এর উজ্জ্বলতা কমে যেতে দেখা যায় এবং ১৫০ দিন পর হালকা হলদে-ধূসর রঙের একটি বিবর্ণতা দেখা যায়। সাবান ও জল দিয়ে ধোয়া হলে টিনের প্রতিফলন ক্ষমতা দীর্ঘ সময় ধরেও অপরিবর্তিত থাকে। ** ব্রুস ডি. ক্রেইগ, ডেভিড এস. অ্যান্ডারসন, ''[http://books.google.co.in/books?id=KXwgAZJBWb0C&pg=RA1-PT126&redir_esc=y#v=onepage&q&f=true হ্যান্ডবুক অফ করোশন ডেটা]'', এএসএম ইন্টারন্যাশনাল, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৪ * টিন্ আবিষ্কৃত হইবার পরে, তাম্রনির্ম্মিত দ্রব্যাদি কঠিন করিবার জন্য নয়ভাগ তাম্রের সহিত একভাগ টিন্ মিশ্রিত হইত, এই মিশ্রধাতুর নাম ব্রঞ্জ। ** [[রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়]], বাঙ্গালার ইতিহাস- রাখালদাস বন্দোপাধ্যায়, প্রথম ভাগ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * টিন প্রিন্টিং, যা প্রায় ১৮৭৫ সালে প্রবর্তিত হয়েছিল, এট হলো ধাতব পাত অলঙ্করণের জন্য লিথোগ্রাফিক প্রক্রিয়ার প্রয়োগ। পূর্বে কাগজের লিথোগ্রাফারদের দ্বারা সম্পাদিত ক্যানের লেবেলের কাজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সাম্প্রতিক বছরগুলিতে টিন লিথোগ্রাফারদের হাতে চলে গেছে... প্রস্তুত টিনের পাত প্রেসে প্রবেশ করানো হয় এবং তারপর উচ্চ তাপমাত্রায় ওভেনে শুকানো হয়, এই প্রক্রিয়াটি প্রতিটি অতিরিক্ত রঙের জন্য পুনরাবৃত্তি করা হয়। ** হ্যারি এস. অ্যাশমোর, ''[http://books.google.co.in/books?id=6yVGAQAAIAAJ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা: আ নিউ সার্ভে অফ ইউনিভার্সাল নলেজ, খণ্ড ১৪]'', এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১৯৬১, পৃষ্ঠা ২১৪ * কুলুঙ্গির মধ্যে ক্ষুদ্র টিনের ডিবায় ম্লানভাবে কেরোসিন জ্বলিতেছিল, আমি তাহা উস্কাইয়া দিলাম; একটুখানি আলো জাগিয়া উঠিল এবং অনেকখানি ধোঁয়া বাহির হইতে লাগিল। কোঁচাখানা গায়ের উপর টানিয়া একখানা খবরের-কাগজ-পাতা প্যাক্‌বাক্সের উপর বসিলাম। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নিশীথে, গল্পগুচ্ছ (দ্বিতীয় খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ২৬৩ * টিন নামটি এসেছে অ্যাংলো-স্যাক্সন শব্দ ‘টিআইন’ থেকে। এর রাসায়নিক প্রতীক ‘Sn’ এসেছে ল্যাটিন শব্দ ‘স্ট্যানাম’ থেকে। টিনের প্রথম ব্যবহার সম্ভবত তামা ও দস্তার সাথে সংকর ধাতু হিসেবে পিতল ও ব্রোঞ্জ তৈরিতে হয়েছিল এবং এর সময়কাল প্রায় ৩৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত নির্ধারণ করা যায়। টিনকে একটি মৌল হিসেবে কে শনাক্ত করেছিলেন তা জানা যায়নি এবং সম্ভবত রসায়নবিদ ও পরীক্ষকেরা এটিকে এমন কিছু হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন যাকে আর ভাঙ্গা যায় না, বা যা ছিল মৌলিক। ** অ্যাভালন ইন: ''[http://www.avalonraremetals.com/rare_earth_metal/elements/tin.html টিন]'' * আমরা [[বর্ষা]]কালে রথের সময়ে তালপাতার ভেঁপু কিনে বাজাতুম; আর টিনের রথে মাটির জগন্নাথ চাপিয়ে টানতুম, রথের চাকা শব্দ দিত ঝন্‌ ঝন্‌; যেন সেতার নূপুর সব একসঙ্গে বাজছে। আকাশ ভেঙে [[বৃষ্টি]] পড়ত দেখতে পেতুম, থেকে থেকে মেঘলা আলোকে রোদ পরাত চাপাই শাড়ি—কি বাহার খুলত! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * ''পিউটার'' একটি সংকর ধাতু, যাতে ৯০% টিন, ১ থেকে ৮% অ্যান্টিমনি, ০.২৫ থেকে ৫% তামা এবং সর্বোচ্চ ০.০৫ শতাংশ সীসা ও আর্সেনিক থাকে এবং এর ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতা বিশুদ্ধ টিনের সমান। এই পরিসরের সংকর ধাতুগুলো আলংকারিক সামগ্রী, পাত্র এবং বাসনপত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ** ব্রুস ডি. ক্রেইগ, ডেভিড এস. অ্যান্ডারসন, "হ্যান্ডবুক অফ করোশন ডেটা" গ্রন্থে * পরদেশিয়া নৌকোগুলাের এল ফেরার দিন,<br>নিল ভরে খালি-করা কেরােসিনের টিন—<br>একটা পালের ’পরে ছােটো আরেকটা পাল তুলে<br>চলার বিপুল গর্বে তরীর বুক উঠেছে ফুলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পদ্মায়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৪১ * টিনের সাথে সামান্য পরিমাণে সীসা মেশানো হলে নরম সোল্ডারে সাধারণ পরিবেশে এটি প্রতিফলক পৃষ্ঠের উজ্জ্বলতা ধরে রাখে। ** ব্রুস ডি. ক্রেইগ, ডেভিড এস. অ্যান্ডারসন, "হ্যান্ডবুক অফ করোশন ডেটা" গ্রন্থে। * চৈৎ-বৈশাখ মাসে রাস্তায় ফেরিওয়ালা হেঁকে যেত ‘বরীফ’। হাঁড়িতে বরফ দেওয়া নোনতা জলে ছোটো ছোটো টিনের চোঙে থাকত যাকে বলা হ’ত কুলফির বরফ, এখন যাকে বলে আইস কিংবা আইস্‌ক্রিম। রাস্তার দিকের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সেই ডাকে মন কিরকম করত তা মনই জানে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ছেলেবেলা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * আমি হাতে তুলে নিলাম, একটা ছোট টিনের বাক্স, চাবি বন্ধ! এ ধরনের টিনের বাক্সকে পাড়াগাঁ অঞ্চলে বলে, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। টাকাকড়ি রাখে পাড়াগাঁয়ে। এ আমরা জানি।<br>বাদল হঠাৎ বড় উত্তেজিত হয়ে পড়লো। বললে—দেখি জিনিসটা?<br>—দ্যাখ তো, চিনিস?<br>—চিনি, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], বরো বাগদিনী, নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বিভূতি প্রকাশন, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯৮ * দেউড়ি আর বৈঠকখানায় ছিল এইরকম দোল-উৎসব, আর আমাদের জন্য আসত টিনের পিচকারি। ওইতেই আনন্দ। টিনের পিচকারি বালতিভরা লাল জলে ডুবিয়ে যাকে সামনে পাচ্ছি পিচকারি দিয়ে রঙ ছিটিয়ে দিচ্ছি আর তারা চেঁচামেচি করে উঠছে, দেখে আমাদের ফুর্তি কী। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * আকরিকের মধ্যে স্বর্ণ, রৌপ্য, তাম্র, টিন, পাথুরিয়া কয়লা প্রচুর পাওয়া যায়। লৌহ অধিক পাওয়া যায় না। লৌহের অনেক কার্য্য তাম্র দ্বারা সম্পন্ন হইয়া থাকে। এখানকার তাম্রের ন্যায় উৎকৃষ্ট তাম্র পৃথিবীর কুত্রাপি পাওয়া যায় না। জাপানীরা ইহা এক ইঞ্চ মােটা ও এক ফুট লম্বা পাত করিয়া বিক্রয় করে। অপকৃষ্ট তাম্র ইষ্টকাকারে বিক্রীত হয়। জাপানে তামার খনিতে সময়ে সময়ে স্বর্ণ পাওয়া যায়। সম্রাটের অনুমতি ব্যতীত কেহই স্বর্ণখনির কার্য্য করিতে পারে না। এখানকার টিন রৌপ্যের ন্যায় শুভ্র ও উজ্জ্বল। জাপানের নানাস্থানে একরূপ মৃত্তিকা পাওয়া যায়, তাহা হইতে মনােহর বাসন প্রস্তুত হয়। চীনাবাসন বলিয়া ইহা পৃথিবীর নানাদেশে বিক্রয় হইয়া থাকে। ** [[উমাকান্ত হাজারী]], নব্য জাপান, নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস - উমাকান্ত হাজারী, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭ * কর্পোরেশনের পাম্পিং স্টেশনে অথবা জল সরবরাহের যে কোনও কেন্দ্রে ইঞ্জিন ড্রাইভারের পদের জন্য এন্তাজ আলি নামে একটি লোক দরখাস্ত করিয়াছিল। বাঁশের মত গোলাকৃতি একটি টিন কেসের মধ্যে পুরিয়া সে তাহার দরখাস্তের সঙ্গে প্রশংসাপত্রগুলি আমাকে দিয়াছিল। উহা আমার অফিসে হয় টেবিলের উপর নতুবা আমার চেয়ারের বাঁ দিকে whatnot-এর মধ্যে আছে। টিন কেসটি দেখিতে এত অদ্ভুত যে, উহা ভুল হইবার নয়। ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শ্রীমতী মাতাঠাকুরাণীকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২১-১২২ * দেয়ালের যে-অংশে দরজা সেই দিকে বাতির মোড়ক থেকে কাটা ছবিগুলি এঁটে দিয়ে কোনো এক ভৃত্য সৌন্দর্যবোধের তৃপ্তিসাধন করেছিল। এক কোণে টিনের বাক্সে আছে গুঁড়োকরা খড়ি, তার পাশে ঝুড়িতে শুকনো তেঁতুল, এবং কতকগুলো ময়লা ঝাড়ন; আর সারি সারি কেরোসিনের টিন, অধিকাংশই খালি, গুটি দুই-তিন ভরা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], যোগাযোগ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৫ * এ বাড়ীর কেহ কোনো কথা বলিবার পূর্ব্বেই টুনু ও সতু, দুজনে মিলিয়া দুর্গার টিনের পুতুলের বাক্সটা ঘর হইতে বাহির করিয়া আনিয়া রোয়াকে নামাইল এবং টুনু বাক্স খুলিয়া খানিকটা খুঁজিবার পর একছড়া পুঁতির মালা বাহির করিয়া বলিল—এই দ্যাখো মা, আমার সেই মালাটা—সেদিন যে সেই খেল্‌তে গিয়েছিল, সেদিন চুরি করে এনেচে। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], পথের পাঁচালী, দশম পরিচ্ছেদ, পথের পাঁচালী- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সপ্তম সংস্করণ, প্রকাশক- পি. মিত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪০ * দাৰ্জিলিঙ মেল আসতে এখনো তিন ঘণ্টা। স্টেশনে লোকজন নেই, হোটেলগুলোর টিনের ছাত বিষ্টিতে ভিজে চাঁদের আলোয় ঝকঝক করছে। পাহাড়ের অন্ধকার ছেড়ে হঠাৎ ফাঁকায় পড়ে রিদয়ের ধাঁধা লেগে গেল। আকাশ থেকে সে টিনের ছাতগুলোকে দেখছে যেন ছোট-ছোট পাহাড়ের চুড়ো শাদা বরফে ঢাকা! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বুড়ো আংলা-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, প্রকাশস্থান-কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৩ * বাংলা করোগেট টিনের প্রধান খরিদ্দার,—বাংলার দরিদ্র লোকেরা বিশেষ পূর্ব বঙ্গের কৃষকেরা এই আমদানী শুল্ক বৃদ্ধির জন্য করোগেট টিনের জন্য বেশী মূল্য দিতে বাধ্য হয়। যখন প্রতি টনে দশ টাকা শুল্ক ছিল, তখন করোগেট টিনের দাম ছিল—প্রতি টন ১৩৭৲ টাকা। ১৯২৫—২৬ সালে টাটা কোম্পানীর চীৎকারের ফলে ঐ শ‍ুল্ক বৃদ্ধি পাইয়া টন প্রতি ৪৫৲ টাকা হইল। **[[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়|প্রফুল্লচন্দ্র রায়]], আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * যে টিনের বাক্সের ভিতর সেই মৃতদেহ পাওয়া গিয়াছিল, সেই টিনের বাক্সটীর মধ্যে উত্তমরূপে দেখাতে, দেখিতে পাইলাম, তাহার ভিতর একটী পুরাতন ও নিতান্ত ক্ষুদ্র শিশি রহিয়াছে। সেই শিশিটী নিজের হাতে করিয়া উত্তমরূপে পরীক্ষা করিয়া দেখিলাম। দেখিলাম, প্রায় পাঁচ ছয় বৎসর পূর্ব্বে সেই শিশিতে করিয়া ব্যাথগেট কোম্পানির ঔষধালয় হইতে একজন সাহেবের নিমিত্ত ঔষধ আসিয়াছিল। ** [[প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়]], বেওয়ারিশ লাস, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, বেওয়ারিশ লাস - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- গ্রেট টাউন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * প্রত্যেকটি ঘরের পেছনে স্তূপাকৃতি পুরান টায়ার টিউব, দুধ, মাছ, মাংস, মাখন এসবের খালি টিন পড়ে রয়েছিল। আমেরিকার নগরে, শহরে এবং গ্রামে কেউ টিনের দুধ ব্যবহার করে না। কাগজের এক রকম বোতল হয় তাতেই দই, দুধ, ঘোল বিক্রি হয়ে থাকে। দুধের টিন দেখেই মনে হল, অনেক দূর হতে যারা আসে এবং নানা অসুবিধায় পতিত হয় তারাই এই গ্রামে থাকতে বাধা হয়। এরূপ গ্রাম বাস্তবিকই আনন্দদায়ক। **[[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২২ * আমরা রবিকাকা সবাই ছুটলুম। তখন বর্ষাকাল—একটা টিনের ঘরে আমাদের আড্ডা হল। এক মুহুরি টাকা গুণে নিলে। অতটুকু টিনের ঘরে তো মিটিং হতে পারে না। ঝুপ্‌ ঝুপ্‌ বৃষ্টি পড়ছে—বাইরে সারি সারি রেলগাড়ির নীচে শতরঞ্জি বিছিয়ে বক্তৃতা হচ্ছে আর আমি ভাবছি—এই সময়েই যদি ইঞ্জিন এসে মালগাড়ি টানতে শুরু করে তবেই গেছি আর কি। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঘরোয়া, প্রথম পরিচ্ছেদ, ঘরোয়া-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪-২৫ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:মৌলিক পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:খনিজ পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রকৃতি]] dq0lji5uyoe7nrwbp7qr40gz4ap52do 81844 81842 2026-04-28T05:49:29Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81844 wikitext text/x-wiki '''[[:w:টিন|টিন]]''' একটি ধাতব মৌলিক পদার্থ। টিন একটি ধাতব-ধূসর ধাতু, যা যথেষ্ট নরম হওয়ায় সামান্য বল প্রয়োগেই কাটা যায়। টিনের একটি দণ্ড অল্প চেষ্টাতেই হাত দিয়ে বাঁকানো যায়। এটি একটি নরম, নমনীয়, প্রসারণশীল এবং অত্যন্ত স্ফটিকাকার রূপালি-সাদা ধাতু। টিনের দণ্ড বাঁকানোর সময় একটি শব্দ তৈরি করে, যা তথাকথিত "টিন ক্রাই" বা ''টিনের কান্না'' নামে পরিচিত। == উক্তি == * পরিষ্কার ও শুষ্ক বাতাসে টিন বহু দিন ধরে তার উজ্জ্বলতা ধরে রাখে। গবেষণা অনুসারে, ১০০ দিন পর আলোতে এর উজ্জ্বলতা কমে যেতে দেখা যায় এবং ১৫০ দিন পর হালকা হলদে-ধূসর রঙের একটি বিবর্ণতা দেখা যায়। সাবান ও জল দিয়ে ধোয়া হলে টিনের প্রতিফলন ক্ষমতা দীর্ঘ সময় ধরেও অপরিবর্তিত থাকে। ** ব্রুস ডি. ক্রেইগ, ডেভিড এস. অ্যান্ডারসন, ''[http://books.google.co.in/books?id=KXwgAZJBWb0C&pg=RA1-PT126&redir_esc=y#v=onepage&q&f=true হ্যান্ডবুক অফ করোশন ডেটা]'', এএসএম ইন্টারন্যাশনাল, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৪ * টিন্ আবিষ্কৃত হইবার পরে, তাম্রনির্ম্মিত দ্রব্যাদি কঠিন করিবার জন্য নয়ভাগ তাম্রের সহিত একভাগ টিন্ মিশ্রিত হইত, এই মিশ্রধাতুর নাম ব্রঞ্জ। ** [[রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়]], বাঙ্গালার ইতিহাস- রাখালদাস বন্দোপাধ্যায়, প্রথম ভাগ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * টিন প্রিন্টিং, যা প্রায় ১৮৭৫ সালে প্রবর্তিত হয়েছিল, এট হলো ধাতব পাত অলঙ্করণের জন্য লিথোগ্রাফিক প্রক্রিয়ার প্রয়োগ। পূর্বে কাগজের লিথোগ্রাফারদের দ্বারা সম্পাদিত ক্যানের লেবেলের কাজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সাম্প্রতিক বছরগুলিতে টিন লিথোগ্রাফারদের হাতে চলে গেছে... প্রস্তুত টিনের পাত প্রেসে প্রবেশ করানো হয় এবং তারপর উচ্চ তাপমাত্রায় ওভেনে শুকানো হয়, এই প্রক্রিয়াটি প্রতিটি অতিরিক্ত রঙের জন্য পুনরাবৃত্তি করা হয়। ** হ্যারি এস. অ্যাশমোর, ''[http://books.google.co.in/books?id=6yVGAQAAIAAJ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা: আ নিউ সার্ভে অফ ইউনিভার্সাল নলেজ, খণ্ড ১৪]'', এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১৯৬১, পৃষ্ঠা ২১৪ * কুলুঙ্গির মধ্যে ক্ষুদ্র টিনের ডিবায় ম্লানভাবে কেরোসিন জ্বলিতেছিল, আমি তাহা উস্কাইয়া দিলাম; একটুখানি আলো জাগিয়া উঠিল এবং অনেকখানি ধোঁয়া বাহির হইতে লাগিল। কোঁচাখানা গায়ের উপর টানিয়া একখানা খবরের-কাগজ-পাতা প্যাক্‌বাক্সের উপর বসিলাম। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নিশীথে, গল্পগুচ্ছ (দ্বিতীয় খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ২৬৩ * টিন নামটি এসেছে অ্যাংলো-স্যাক্সন শব্দ ‘টিআইন’ থেকে। এর রাসায়নিক প্রতীক ‘Sn’ এসেছে ল্যাটিন শব্দ ‘স্ট্যানাম’ থেকে। টিনের প্রথম ব্যবহার সম্ভবত তামা ও দস্তার সাথে সংকর ধাতু হিসেবে পিতল ও ব্রোঞ্জ তৈরিতে হয়েছিল এবং এর সময়কাল প্রায় ৩৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত নির্ধারণ করা যায়। টিনকে একটি মৌল হিসেবে কে শনাক্ত করেছিলেন তা জানা যায়নি এবং সম্ভবত রসায়নবিদ ও পরীক্ষকেরা এটিকে এমন কিছু হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন যাকে আর ভাঙ্গা যায় না, বা যা ছিল মৌলিক। ** অ্যাভালন ইন: ''[http://www.avalonraremetals.com/rare_earth_metal/elements/tin.html টিন]'' * আমরা [[বর্ষা]]কালে রথের সময়ে তালপাতার ভেঁপু কিনে বাজাতুম; আর টিনের রথে মাটির জগন্নাথ চাপিয়ে টানতুম, রথের চাকা শব্দ দিত ঝন্‌ ঝন্‌; যেন সেতার নূপুর সব একসঙ্গে বাজছে। আকাশ ভেঙে [[বৃষ্টি]] পড়ত দেখতে পেতুম, থেকে থেকে মেঘলা আলোকে রোদ পরাত চাপাই শাড়ি—কি বাহার খুলত! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * ''পিউটার'' একটি সংকর ধাতু, যাতে ৯০% টিন, ১ থেকে ৮% অ্যান্টিমনি, ০.২৫ থেকে ৫% তামা এবং সর্বোচ্চ ০.০৫ শতাংশ সীসা ও আর্সেনিক থাকে এবং এর ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতা বিশুদ্ধ টিনের সমান। এই পরিসরের সংকর ধাতুগুলো আলংকারিক সামগ্রী, পাত্র এবং বাসনপত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ** ব্রুস ডি. ক্রেইগ, ডেভিড এস. অ্যান্ডারসন, "হ্যান্ডবুক অফ করোশন ডেটা" গ্রন্থে * পরদেশিয়া নৌকোগুলাের এল ফেরার দিন,<br>নিল ভরে খালি-করা কেরােসিনের টিন—<br>একটা পালের ’পরে ছােটো আরেকটা পাল তুলে<br>চলার বিপুল গর্বে তরীর বুক উঠেছে ফুলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পদ্মায়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৪১ * টিনের সাথে সামান্য পরিমাণে সীসা মেশানো হলে নরম সোল্ডারে সাধারণ পরিবেশে এটি প্রতিফলক পৃষ্ঠের উজ্জ্বলতা ধরে রাখে। ** ব্রুস ডি. ক্রেইগ, ডেভিড এস. অ্যান্ডারসন, "হ্যান্ডবুক অফ করোশন ডেটা" গ্রন্থে। * চৈৎ-বৈশাখ মাসে রাস্তায় ফেরিওয়ালা হেঁকে যেত ‘বরীফ’। হাঁড়িতে বরফ দেওয়া নোনতা জলে ছোটো ছোটো টিনের চোঙে থাকত যাকে বলা হ’ত কুলফির বরফ, এখন যাকে বলে আইস কিংবা আইস্‌ক্রিম। রাস্তার দিকের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সেই ডাকে মন কিরকম করত তা মনই জানে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ছেলেবেলা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * টিনের দেবতাদের কথা আপনি হয়তো প্রায়ই শুনে বা পড়ে থাকবেন। কিন্তু এটি সম্পূর্ণভাবে সীসা দিয়ে তৈরি ছিল। ** রয় ক্যাম্পবেল, ''[http://books.google.co.in/books?id=_CrQAAAAMAAJ কবিতা]'', এডি ডঙ্কার, ১৯৮৫, পৃষ্ঠা ৮৬ * আমি হাতে তুলে নিলাম, একটা ছোট টিনের বাক্স, চাবি বন্ধ! এ ধরনের টিনের বাক্সকে পাড়াগাঁ অঞ্চলে বলে, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। টাকাকড়ি রাখে পাড়াগাঁয়ে। এ আমরা জানি।<br>বাদল হঠাৎ বড় উত্তেজিত হয়ে পড়লো। বললে—দেখি জিনিসটা?<br>—দ্যাখ তো, চিনিস?<br>—চিনি, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], বরো বাগদিনী, নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বিভূতি প্রকাশন, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯৮ * এটি একটি নিম্ন গলনাঙ্কবিশিষ্ট, নমনীয় ও প্রসারণশীল ধাতব মৌল, যার রঙ ও দ্যুতি প্রায় রূপার কাছাকাছি। এটি প্রলেপ দিতে এবং সংকর ধাতু, টিনফয়েল ও নরম ঝালাই তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। **[http://dictionary.reference.com/browse/tin টিন] * দেউড়ি আর বৈঠকখানায় ছিল এইরকম দোল-উৎসব, আর আমাদের জন্য আসত টিনের পিচকারি। ওইতেই আনন্দ। টিনের পিচকারি বালতিভরা লাল জলে ডুবিয়ে যাকে সামনে পাচ্ছি পিচকারি দিয়ে রঙ ছিটিয়ে দিচ্ছি আর তারা চেঁচামেচি করে উঠছে, দেখে আমাদের ফুর্তি কী। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * এটি একটি ধাতব মৌল, যা ক্যাসটেরাইটে পাওয়া যায় এবং এর বেশ কয়েকটি ''অ্যালোট্রোপ'' রয়েছে; সাধারণ নমনীয় রূপালি-সাদা ধাতুটি ১৩.২° সেলসিয়াসের নিচে ধীরে ধীরে একটি ধূসর গুঁড়োতে রূপান্তরিত হয়। এটি সংকর ধাতু, বিশেষ করে ব্রোঞ্জ ও পিউটারে, এবং ইস্পাতের জন্য একটি ক্ষয়রোধী প্রলেপ হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ** ''ওয়ার্ল্ড ইংলিশ ডিকশনারি''তে 'টিন' শব্দটির উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে * আকরিকের মধ্যে স্বর্ণ, রৌপ্য, তাম্র, টিন, পাথুরিয়া কয়লা প্রচুর পাওয়া যায়। লৌহ অধিক পাওয়া যায় না। লৌহের অনেক কার্য্য তাম্র দ্বারা সম্পন্ন হইয়া থাকে। এখানকার তাম্রের ন্যায় উৎকৃষ্ট তাম্র পৃথিবীর কুত্রাপি পাওয়া যায় না। জাপানীরা ইহা এক ইঞ্চ মােটা ও এক ফুট লম্বা পাত করিয়া বিক্রয় করে। অপকৃষ্ট তাম্র ইষ্টকাকারে বিক্রীত হয়। জাপানে তামার খনিতে সময়ে সময়ে স্বর্ণ পাওয়া যায়। সম্রাটের অনুমতি ব্যতীত কেহই স্বর্ণখনির কার্য্য করিতে পারে না। এখানকার টিন রৌপ্যের ন্যায় শুভ্র ও উজ্জ্বল। জাপানের নানাস্থানে একরূপ মৃত্তিকা পাওয়া যায়, তাহা হইতে মনােহর বাসন প্রস্তুত হয়। চীনাবাসন বলিয়া ইহা পৃথিবীর নানাদেশে বিক্রয় হইয়া থাকে। ** [[উমাকান্ত হাজারী]], নব্য জাপান, নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস - উমাকান্ত হাজারী, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭ * টিন হলো একটি নমনীয়, রূপালী ধাতব মৌল যা আগ্নেয় শিলায় পাওয়া যায়। এর একটি স্ফটিক কাঠামো রয়েছে এবং বাঁকালে এটি মটমট করে শব্দ করে। টিন ক্ষয়রোধী পদার্থ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং ব্রোঞ্জসহ অসংখ্য সংকর ধাতুর একটি অংশ। ** ''সায়েন্স ডিকশনারি'': "টিন" * কর্পোরেশনের পাম্পিং স্টেশনে অথবা জল সরবরাহের যে কোনও কেন্দ্রে ইঞ্জিন ড্রাইভারের পদের জন্য এন্তাজ আলি নামে একটি লোক দরখাস্ত করিয়াছিল। বাঁশের মত গোলাকৃতি একটি টিন কেসের মধ্যে পুরিয়া সে তাহার দরখাস্তের সঙ্গে প্রশংসাপত্রগুলি আমাকে দিয়াছিল। উহা আমার অফিসে হয় টেবিলের উপর নতুবা আমার চেয়ারের বাঁ দিকে whatnot-এর মধ্যে আছে। টিন কেসটি দেখিতে এত অদ্ভুত যে, উহা ভুল হইবার নয়। ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শ্রীমতী মাতাঠাকুরাণীকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২১-১২২ * রাশিয়ার মতো ঠান্ডা দেশগুলিতে, কখনও কখনও দেখা যায় যে টিনের তৈরি কোনো ছাদ বা অন্য কোনো বস্তু হঠাৎ করে এক অদ্ভুত উপায়ে ক্ষয় হতে শুরু করে। মধ্য ইউরোপের অর্গান পাইপগুলি প্রায়শই টিনের তৈরি হয় এবং সেগুলির ক্ষেত্রেও একই রকম ক্ষয় লক্ষ্য করা গেছে। এও দেখা যায় যে, তাপমাত্রা ১৮° সেলসিয়াসের নিচে থাকলেই টিন অস্থিতিশীল অবস্থায় থাকে। ** জন আর. ডানল্যাপ, ''[http://books.google.co.in/books?id=scs2AQAAMAAJ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ম্যানেজমেন্ট: দ্য ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যাগাজিন, খণ্ড ৫১]'', ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যাগাজিন কোম্পানি, ১৯১৬, পৃষ্ঠা ২৪৬ * দেয়ালের যে-অংশে দরজা সেই দিকে বাতির মোড়ক থেকে কাটা ছবিগুলি এঁটে দিয়ে কোনো এক ভৃত্য সৌন্দর্যবোধের তৃপ্তিসাধন করেছিল। এক কোণে টিনের বাক্সে আছে গুঁড়োকরা খড়ি, তার পাশে ঝুড়িতে শুকনো তেঁতুল, এবং কতকগুলো ময়লা ঝাড়ন; আর সারি সারি কেরোসিনের টিন, অধিকাংশই খালি, গুটি দুই-তিন ভরা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], যোগাযোগ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৫ * এ বাড়ীর কেহ কোনো কথা বলিবার পূর্ব্বেই টুনু ও সতু, দুজনে মিলিয়া দুর্গার টিনের পুতুলের বাক্সটা ঘর হইতে বাহির করিয়া আনিয়া রোয়াকে নামাইল এবং টুনু বাক্স খুলিয়া খানিকটা খুঁজিবার পর একছড়া পুঁতির মালা বাহির করিয়া বলিল—এই দ্যাখো মা, আমার সেই মালাটা—সেদিন যে সেই খেল্‌তে গিয়েছিল, সেদিন চুরি করে এনেচে। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], পথের পাঁচালী, দশম পরিচ্ছেদ, পথের পাঁচালী- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সপ্তম সংস্করণ, প্রকাশক- পি. মিত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪০ * দাৰ্জিলিঙ মেল আসতে এখনো তিন ঘণ্টা। স্টেশনে লোকজন নেই, হোটেলগুলোর টিনের ছাত বিষ্টিতে ভিজে চাঁদের আলোয় ঝকঝক করছে। পাহাড়ের অন্ধকার ছেড়ে হঠাৎ ফাঁকায় পড়ে রিদয়ের ধাঁধা লেগে গেল। আকাশ থেকে সে টিনের ছাতগুলোকে দেখছে যেন ছোট-ছোট পাহাড়ের চুড়ো শাদা বরফে ঢাকা! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বুড়ো আংলা-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, প্রকাশস্থান-কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৩ * বাংলা করোগেট টিনের প্রধান খরিদ্দার,—বাংলার দরিদ্র লোকেরা বিশেষ পূর্ব বঙ্গের কৃষকেরা এই আমদানী শুল্ক বৃদ্ধির জন্য করোগেট টিনের জন্য বেশী মূল্য দিতে বাধ্য হয়। যখন প্রতি টনে দশ টাকা শুল্ক ছিল, তখন করোগেট টিনের দাম ছিল—প্রতি টন ১৩৭৲ টাকা। ১৯২৫—২৬ সালে টাটা কোম্পানীর চীৎকারের ফলে ঐ শ‍ুল্ক বৃদ্ধি পাইয়া টন প্রতি ৪৫৲ টাকা হইল। **[[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়|প্রফুল্লচন্দ্র রায়]], আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * যে টিনের বাক্সের ভিতর সেই মৃতদেহ পাওয়া গিয়াছিল, সেই টিনের বাক্সটীর মধ্যে উত্তমরূপে দেখাতে, দেখিতে পাইলাম, তাহার ভিতর একটী পুরাতন ও নিতান্ত ক্ষুদ্র শিশি রহিয়াছে। সেই শিশিটী নিজের হাতে করিয়া উত্তমরূপে পরীক্ষা করিয়া দেখিলাম। দেখিলাম, প্রায় পাঁচ ছয় বৎসর পূর্ব্বে সেই শিশিতে করিয়া ব্যাথগেট কোম্পানির ঔষধালয় হইতে একজন সাহেবের নিমিত্ত ঔষধ আসিয়াছিল। ** [[প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়]], বেওয়ারিশ লাস, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, বেওয়ারিশ লাস - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- গ্রেট টাউন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * প্রত্যেকটি ঘরের পেছনে স্তূপাকৃতি পুরান টায়ার টিউব, দুধ, মাছ, মাংস, মাখন এসবের খালি টিন পড়ে রয়েছিল। আমেরিকার নগরে, শহরে এবং গ্রামে কেউ টিনের দুধ ব্যবহার করে না। কাগজের এক রকম বোতল হয় তাতেই দই, দুধ, ঘোল বিক্রি হয়ে থাকে। দুধের টিন দেখেই মনে হল, অনেক দূর হতে যারা আসে এবং নানা অসুবিধায় পতিত হয় তারাই এই গ্রামে থাকতে বাধা হয়। এরূপ গ্রাম বাস্তবিকই আনন্দদায়ক। **[[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২২ * আমরা রবিকাকা সবাই ছুটলুম। তখন বর্ষাকাল—একটা টিনের ঘরে আমাদের আড্ডা হল। এক মুহুরি টাকা গুণে নিলে। অতটুকু টিনের ঘরে তো মিটিং হতে পারে না। ঝুপ্‌ ঝুপ্‌ বৃষ্টি পড়ছে—বাইরে সারি সারি রেলগাড়ির নীচে শতরঞ্জি বিছিয়ে বক্তৃতা হচ্ছে আর আমি ভাবছি—এই সময়েই যদি ইঞ্জিন এসে মালগাড়ি টানতে শুরু করে তবেই গেছি আর কি। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঘরোয়া, প্রথম পরিচ্ছেদ, ঘরোয়া-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪-২৫ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:মৌলিক পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:খনিজ পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রকৃতি]] e1hrr81unto6wyrz0whrmgyzgikf1sx 81852 81844 2026-04-28T06:04:54Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81852 wikitext text/x-wiki '''[[:w:টিন|টিন]]''' একটি ধাতব মৌলিক পদার্থ। টিন একটি ধাতব-ধূসর ধাতু, যা যথেষ্ট নরম হওয়ায় সামান্য বল প্রয়োগেই কাটা যায়। টিনের একটি দণ্ড অল্প চেষ্টাতেই হাত দিয়ে বাঁকানো যায়। এটি একটি নরম, নমনীয়, প্রসারণশীল এবং অত্যন্ত স্ফটিকাকার রূপালি-সাদা ধাতু। টিনের দণ্ড বাঁকানোর সময় একটি শব্দ তৈরি করে, যা তথাকথিত "টিন ক্রাই" বা ''টিনের কান্না'' নামে পরিচিত। == উক্তি == * পরিষ্কার ও শুষ্ক বাতাসে টিন বহু দিন ধরে তার উজ্জ্বলতা ধরে রাখে। গবেষণা অনুসারে, ১০০ দিন পর আলোতে এর উজ্জ্বলতা কমে যেতে দেখা যায় এবং ১৫০ দিন পর হালকা হলদে-ধূসর রঙের একটি বিবর্ণতা দেখা যায়। সাবান ও জল দিয়ে ধোয়া হলে টিনের প্রতিফলন ক্ষমতা দীর্ঘ সময় ধরেও অপরিবর্তিত থাকে। ** ব্রুস ডি. ক্রেইগ, ডেভিড এস. অ্যান্ডারসন, ''[http://books.google.co.in/books?id=KXwgAZJBWb0C&pg=RA1-PT126&redir_esc=y#v=onepage&q&f=true হ্যান্ডবুক অফ করোশন ডেটা]'', এএসএম ইন্টারন্যাশনাল, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৪ * টিন্ আবিষ্কৃত হইবার পরে, তাম্রনির্ম্মিত দ্রব্যাদি কঠিন করিবার জন্য নয়ভাগ তাম্রের সহিত একভাগ টিন্ মিশ্রিত হইত, এই মিশ্রধাতুর নাম ব্রঞ্জ। ** [[রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়]], বাঙ্গালার ইতিহাস- রাখালদাস বন্দোপাধ্যায়, প্রথম ভাগ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * টিন প্রিন্টিং, যা প্রায় ১৮৭৫ সালে প্রবর্তিত হয়েছিল, এট হলো ধাতব পাত অলঙ্করণের জন্য লিথোগ্রাফিক প্রক্রিয়ার প্রয়োগ। পূর্বে কাগজের লিথোগ্রাফারদের দ্বারা সম্পাদিত ক্যানের লেবেলের কাজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সাম্প্রতিক বছরগুলিতে টিন লিথোগ্রাফারদের হাতে চলে গেছে... প্রস্তুত টিনের পাত প্রেসে প্রবেশ করানো হয় এবং তারপর উচ্চ তাপমাত্রায় ওভেনে শুকানো হয়, এই প্রক্রিয়াটি প্রতিটি অতিরিক্ত রঙের জন্য পুনরাবৃত্তি করা হয়। ** হ্যারি এস. অ্যাশমোর, ''[http://books.google.co.in/books?id=6yVGAQAAIAAJ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা: আ নিউ সার্ভে অফ ইউনিভার্সাল নলেজ, খণ্ড ১৪]'', এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১৯৬১, পৃষ্ঠা ২১৪ * কুলুঙ্গির মধ্যে ক্ষুদ্র টিনের ডিবায় ম্লানভাবে কেরোসিন জ্বলিতেছিল, আমি তাহা উস্কাইয়া দিলাম; একটুখানি আলো জাগিয়া উঠিল এবং অনেকখানি ধোঁয়া বাহির হইতে লাগিল। কোঁচাখানা গায়ের উপর টানিয়া একখানা খবরের-কাগজ-পাতা প্যাক্‌বাক্সের উপর বসিলাম। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নিশীথে, গল্পগুচ্ছ (দ্বিতীয় খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ২৬৩ * টিন নামটি এসেছে অ্যাংলো-স্যাক্সন শব্দ ‘টিআইন’ থেকে। এর রাসায়নিক প্রতীক ‘Sn’ এসেছে ল্যাটিন শব্দ ‘স্ট্যানাম’ থেকে। টিনের প্রথম ব্যবহার সম্ভবত তামা ও দস্তার সাথে সংকর ধাতু হিসেবে পিতল ও ব্রোঞ্জ তৈরিতে হয়েছিল এবং এর সময়কাল প্রায় ৩৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত নির্ধারণ করা যায়। টিনকে একটি মৌল হিসেবে কে শনাক্ত করেছিলেন তা জানা যায়নি এবং সম্ভবত রসায়নবিদ ও পরীক্ষকেরা এটিকে এমন কিছু হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন যাকে আর ভাঙ্গা যায় না, বা যা ছিল মৌলিক। ** অ্যাভালন ইন: ''[http://www.avalonraremetals.com/rare_earth_metal/elements/tin.html টিন]'' * আমরা [[বর্ষা]]কালে রথের সময়ে তালপাতার ভেঁপু কিনে বাজাতুম; আর টিনের রথে মাটির জগন্নাথ চাপিয়ে টানতুম, রথের চাকা শব্দ দিত ঝন্‌ ঝন্‌; যেন সেতার নূপুর সব একসঙ্গে বাজছে। আকাশ ভেঙে [[বৃষ্টি]] পড়ত দেখতে পেতুম, থেকে থেকে মেঘলা আলোকে রোদ পরাত চাপাই শাড়ি—কি বাহার খুলত! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * ''পিউটার'' একটি সংকর ধাতু, যাতে ৯০% টিন, ১ থেকে ৮% অ্যান্টিমনি, ০.২৫ থেকে ৫% তামা এবং সর্বোচ্চ ০.০৫ শতাংশ সীসা ও আর্সেনিক থাকে এবং এর ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতা বিশুদ্ধ টিনের সমান। এই পরিসরের সংকর ধাতুগুলো আলংকারিক সামগ্রী, পাত্র এবং বাসনপত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ** ব্রুস ডি. ক্রেইগ, ডেভিড এস. অ্যান্ডারসন, "হ্যান্ডবুক অফ করোশন ডেটা" গ্রন্থে * পরদেশিয়া নৌকোগুলাের এল ফেরার দিন,<br>নিল ভরে খালি-করা কেরােসিনের টিন—<br>একটা পালের ’পরে ছােটো আরেকটা পাল তুলে<br>চলার বিপুল গর্বে তরীর বুক উঠেছে ফুলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পদ্মায়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৪১ * টিনের সাথে সামান্য পরিমাণে সীসা মেশানো হলে নরম সোল্ডারে সাধারণ পরিবেশে এটি প্রতিফলক পৃষ্ঠের উজ্জ্বলতা ধরে রাখে। ** ব্রুস ডি. ক্রেইগ, ডেভিড এস. অ্যান্ডারসন, "হ্যান্ডবুক অফ করোশন ডেটা" গ্রন্থে। * চৈৎ-বৈশাখ মাসে রাস্তায় ফেরিওয়ালা হেঁকে যেত ‘বরীফ’। হাঁড়িতে বরফ দেওয়া নোনতা জলে ছোটো ছোটো টিনের চোঙে থাকত যাকে বলা হ’ত কুলফির বরফ, এখন যাকে বলে আইস কিংবা আইস্‌ক্রিম। রাস্তার দিকের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সেই ডাকে মন কিরকম করত তা মনই জানে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ছেলেবেলা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * টিনের দেবতাদের কথা আপনি হয়তো প্রায়ই শুনে বা পড়ে থাকবেন। কিন্তু এটি সম্পূর্ণভাবে সীসা দিয়ে তৈরি ছিল। ** রয় ক্যাম্পবেল, ''[http://books.google.co.in/books?id=_CrQAAAAMAAJ কবিতা]'', এডি ডঙ্কার, ১৯৮৫, পৃষ্ঠা ৮৬ * আমি হাতে তুলে নিলাম, একটা ছোট টিনের বাক্স, চাবি বন্ধ! এ ধরনের টিনের বাক্সকে পাড়াগাঁ অঞ্চলে বলে, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। টাকাকড়ি রাখে পাড়াগাঁয়ে। এ আমরা জানি।<br>বাদল হঠাৎ বড় উত্তেজিত হয়ে পড়লো। বললে—দেখি জিনিসটা?<br>—দ্যাখ তো, চিনিস?<br>—চিনি, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], বরো বাগদিনী, নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বিভূতি প্রকাশন, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯৮ * এটি একটি নিম্ন গলনাঙ্কবিশিষ্ট, নমনীয় ও প্রসারণশীল ধাতব মৌল, যার রঙ ও দ্যুতি প্রায় রূপার কাছাকাছি। এটি প্রলেপ দিতে এবং সংকর ধাতু, টিনফয়েল ও নরম ঝালাই তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। **[http://dictionary.reference.com/browse/tin টিন] * দেউড়ি আর বৈঠকখানায় ছিল এইরকম দোল-উৎসব, আর আমাদের জন্য আসত টিনের পিচকারি। ওইতেই আনন্দ। টিনের পিচকারি বালতিভরা লাল জলে ডুবিয়ে যাকে সামনে পাচ্ছি পিচকারি দিয়ে রঙ ছিটিয়ে দিচ্ছি আর তারা চেঁচামেচি করে উঠছে, দেখে আমাদের ফুর্তি কী। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * এটি একটি ধাতব মৌল, যা ক্যাসটেরাইটে পাওয়া যায় এবং এর বেশ কয়েকটি ''অ্যালোট্রোপ'' রয়েছে; সাধারণ নমনীয় রূপালি-সাদা ধাতুটি ১৩.২° সেলসিয়াসের নিচে ধীরে ধীরে একটি ধূসর গুঁড়োতে রূপান্তরিত হয়। এটি সংকর ধাতু, বিশেষ করে ব্রোঞ্জ ও পিউটারে, এবং ইস্পাতের জন্য একটি ক্ষয়রোধী প্রলেপ হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ** ''ওয়ার্ল্ড ইংলিশ ডিকশনারি''তে 'টিন' শব্দটির উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে * আকরিকের মধ্যে স্বর্ণ, রৌপ্য, তাম্র, টিন, পাথুরিয়া কয়লা প্রচুর পাওয়া যায়। লৌহ অধিক পাওয়া যায় না। লৌহের অনেক কার্য্য তাম্র দ্বারা সম্পন্ন হইয়া থাকে। এখানকার তাম্রের ন্যায় উৎকৃষ্ট তাম্র পৃথিবীর কুত্রাপি পাওয়া যায় না। জাপানীরা ইহা এক ইঞ্চ মােটা ও এক ফুট লম্বা পাত করিয়া বিক্রয় করে। অপকৃষ্ট তাম্র ইষ্টকাকারে বিক্রীত হয়। জাপানে তামার খনিতে সময়ে সময়ে স্বর্ণ পাওয়া যায়। সম্রাটের অনুমতি ব্যতীত কেহই স্বর্ণখনির কার্য্য করিতে পারে না। এখানকার টিন রৌপ্যের ন্যায় শুভ্র ও উজ্জ্বল। জাপানের নানাস্থানে একরূপ মৃত্তিকা পাওয়া যায়, তাহা হইতে মনােহর বাসন প্রস্তুত হয়। চীনাবাসন বলিয়া ইহা পৃথিবীর নানাদেশে বিক্রয় হইয়া থাকে। ** [[উমাকান্ত হাজারী]], নব্য জাপান, নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস - উমাকান্ত হাজারী, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭ * টিন হলো একটি নমনীয়, রূপালী ধাতব মৌল যা আগ্নেয় শিলায় পাওয়া যায়। এর একটি স্ফটিক কাঠামো রয়েছে এবং বাঁকালে এটি মটমট করে শব্দ করে। টিন ক্ষয়রোধী পদার্থ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং ব্রোঞ্জসহ অসংখ্য সংকর ধাতুর একটি অংশ। ** ''সায়েন্স ডিকশনারি'': "টিন" * কর্পোরেশনের পাম্পিং স্টেশনে অথবা জল সরবরাহের যে কোনও কেন্দ্রে ইঞ্জিন ড্রাইভারের পদের জন্য এন্তাজ আলি নামে একটি লোক দরখাস্ত করিয়াছিল। বাঁশের মত গোলাকৃতি একটি টিন কেসের মধ্যে পুরিয়া সে তাহার দরখাস্তের সঙ্গে প্রশংসাপত্রগুলি আমাকে দিয়াছিল। উহা আমার অফিসে হয় টেবিলের উপর নতুবা আমার চেয়ারের বাঁ দিকে whatnot-এর মধ্যে আছে। টিন কেসটি দেখিতে এত অদ্ভুত যে, উহা ভুল হইবার নয়। ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শ্রীমতী মাতাঠাকুরাণীকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২১-১২২ * রাশিয়ার মতো ঠান্ডা দেশগুলিতে, কখনও কখনও দেখা যায় যে টিনের তৈরি কোনো ছাদ বা অন্য কোনো বস্তু হঠাৎ করে এক অদ্ভুত উপায়ে ক্ষয় হতে শুরু করে। মধ্য ইউরোপের অর্গান পাইপগুলি প্রায়শই টিনের তৈরি হয় এবং সেগুলির ক্ষেত্রেও একই রকম ক্ষয় লক্ষ্য করা গেছে। এও দেখা যায় যে, তাপমাত্রা ১৮° সেলসিয়াসের নিচে থাকলেই টিন অস্থিতিশীল অবস্থায় থাকে। ** জন আর. ডানল্যাপ, ''[http://books.google.co.in/books?id=scs2AQAAMAAJ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ম্যানেজমেন্ট: দ্য ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যাগাজিন, খণ্ড ৫১]'', ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যাগাজিন কোম্পানি, ১৯১৬, পৃষ্ঠা ২৪৬ * দেয়ালের যে-অংশে দরজা সেই দিকে বাতির মোড়ক থেকে কাটা ছবিগুলি এঁটে দিয়ে কোনো এক ভৃত্য সৌন্দর্যবোধের তৃপ্তিসাধন করেছিল। এক কোণে টিনের বাক্সে আছে গুঁড়োকরা খড়ি, তার পাশে ঝুড়িতে শুকনো তেঁতুল, এবং কতকগুলো ময়লা ঝাড়ন; আর সারি সারি কেরোসিনের টিন, অধিকাংশই খালি, গুটি দুই-তিন ভরা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], যোগাযোগ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৫ * এ বাড়ীর কেহ কোনো কথা বলিবার পূর্ব্বেই টুনু ও সতু, দুজনে মিলিয়া দুর্গার টিনের পুতুলের বাক্সটা ঘর হইতে বাহির করিয়া আনিয়া রোয়াকে নামাইল এবং টুনু বাক্স খুলিয়া খানিকটা খুঁজিবার পর একছড়া পুঁতির মালা বাহির করিয়া বলিল—এই দ্যাখো মা, আমার সেই মালাটা—সেদিন যে সেই খেল্‌তে গিয়েছিল, সেদিন চুরি করে এনেচে। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], পথের পাঁচালী, দশম পরিচ্ছেদ, পথের পাঁচালী- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সপ্তম সংস্করণ, প্রকাশক- পি. মিত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪০ * তাপমাত্রা কমার সাথে সাথে সাদা টিন বর্ধিত হারে ধূসর হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখায়, এবং -৫০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এই পরিবর্তনের গতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। সাদা ধাতুটি প্রথমে বিবর্ণ হয়ে যায়, তারপর এর উপর অসংখ্য ধূসর আঁচিলের মতো দাগ দেখা দেয় এবং অবশেষে এটি গুঁড়ো হয়ে যায়। সৌভাগ্যবশত, ব্রিটেনের সাধারণ শীতকালীন তাপমাত্রায় এই পরিবর্তনের হার খুবই কম থাকে। ** জন নিউটন ফ্রেন্ড, ''[http://books.google.co.in/books?id=E3sMAQAAIAAJ ম্যান অ্যান্ড দ্য কেমিক্যাল এলিমেন্টস]'', স্ক্রিবনার, ১৯৬১, পৃষ্ঠা ২০৪ * দাৰ্জিলিঙ মেল আসতে এখনো তিন ঘণ্টা। স্টেশনে লোকজন নেই, হোটেলগুলোর টিনের ছাত বিষ্টিতে ভিজে চাঁদের আলোয় ঝকঝক করছে। পাহাড়ের অন্ধকার ছেড়ে হঠাৎ ফাঁকায় পড়ে রিদয়ের ধাঁধা লেগে গেল। আকাশ থেকে সে টিনের ছাতগুলোকে দেখছে যেন ছোট-ছোট পাহাড়ের চুড়ো শাদা বরফে ঢাকা! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বুড়ো আংলা-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, প্রকাশস্থান-কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৩ * সম্পূর্ণ টিন দিয়ে তৈরি অত্যন্ত প্রাচীন বস্তুর অভাব রয়েছে বলে মনে হয় — এই অভাবের জন্য কখনও কখনও "টিন পেস্ট" এর কারণে টিনের ক্ষয়কে দায়ী করা হয়। এটি কোনোভাবেই যথেষ্ট কারণ নয়, কারণ "টিন পেস্ট" শুরু করাই যথেষ্ট কঠিন। ** আর্নেস্ট সিডনি হেজেস: ''[http://books.google.co.in/books?id=16RTAAAAMAAJ টিন অ্যান্ড ইটস্ অ্যালয়]'', আর্নল্ড, ১৯৬০, পৃষ্টা ২ * বাংলা করোগেট টিনের প্রধান খরিদ্দার,—বাংলার দরিদ্র লোকেরা বিশেষ পূর্ব বঙ্গের কৃষকেরা এই আমদানী শুল্ক বৃদ্ধির জন্য করোগেট টিনের জন্য বেশী মূল্য দিতে বাধ্য হয়। যখন প্রতি টনে দশ টাকা শুল্ক ছিল, তখন করোগেট টিনের দাম ছিল—প্রতি টন ১৩৭৲ টাকা। ১৯২৫—২৬ সালে টাটা কোম্পানীর চীৎকারের ফলে ঐ শ‍ুল্ক বৃদ্ধি পাইয়া টন প্রতি ৪৫৲ টাকা হইল। **[[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়|প্রফুল্লচন্দ্র রায়]], আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * অনেক উপনিবেশবাসী ছিদ্র করা টিন দিয়ে তৈরি জিনিসপত্র দিয়ে তাদের ঘর সাজাতো। কখনও কখনও তাদের ছিদ্র করা টিনের লণ্ঠন বা মোমবাতিদানি থাকতো । তারা তাদের দেয়ালে ছিদ্র করা টিনের ছবিও টাঙাতো। ** টেরি অ্যালান হিকস: ''[http://books.google.co.in/books?id=ZpVmN-2plcIC&pg=PT33 মেইন]'', মার্শাল ক্যাভেন্ডিশ, ২০০৬, পৃষ্ঠা ৩৩ * যে টিনের বাক্সের ভিতর সেই মৃতদেহ পাওয়া গিয়াছিল, সেই টিনের বাক্সটীর মধ্যে উত্তমরূপে দেখাতে, দেখিতে পাইলাম, তাহার ভিতর একটী পুরাতন ও নিতান্ত ক্ষুদ্র শিশি রহিয়াছে। সেই শিশিটী নিজের হাতে করিয়া উত্তমরূপে পরীক্ষা করিয়া দেখিলাম। দেখিলাম, প্রায় পাঁচ ছয় বৎসর পূর্ব্বে সেই শিশিতে করিয়া ব্যাথগেট কোম্পানির ঔষধালয় হইতে একজন সাহেবের নিমিত্ত ঔষধ আসিয়াছিল। ** [[প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়]], বেওয়ারিশ লাস, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, বেওয়ারিশ লাস - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- গ্রেট টাউন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * প্রত্যেকটি ঘরের পেছনে স্তূপাকৃতি পুরান টায়ার টিউব, দুধ, মাছ, মাংস, মাখন এসবের খালি টিন পড়ে রয়েছিল। আমেরিকার নগরে, শহরে এবং গ্রামে কেউ টিনের দুধ ব্যবহার করে না। কাগজের এক রকম বোতল হয় তাতেই দই, দুধ, ঘোল বিক্রি হয়ে থাকে। দুধের টিন দেখেই মনে হল, অনেক দূর হতে যারা আসে এবং নানা অসুবিধায় পতিত হয় তারাই এই গ্রামে থাকতে বাধা হয়। এরূপ গ্রাম বাস্তবিকই আনন্দদায়ক। **[[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২২ * আমরা রবিকাকা সবাই ছুটলুম। তখন বর্ষাকাল—একটা টিনের ঘরে আমাদের আড্ডা হল। এক মুহুরি টাকা গুণে নিলে। অতটুকু টিনের ঘরে তো মিটিং হতে পারে না। ঝুপ্‌ ঝুপ্‌ বৃষ্টি পড়ছে—বাইরে সারি সারি রেলগাড়ির নীচে শতরঞ্জি বিছিয়ে বক্তৃতা হচ্ছে আর আমি ভাবছি—এই সময়েই যদি ইঞ্জিন এসে মালগাড়ি টানতে শুরু করে তবেই গেছি আর কি। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঘরোয়া, প্রথম পরিচ্ছেদ, ঘরোয়া-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪-২৫ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:মৌলিক পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:খনিজ পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রকৃতি]] 7ji25thpx6aqha162k67yyp2kwn9qn6 81860 81852 2026-04-28T06:34:41Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81860 wikitext text/x-wiki '''[[:w:টিন|টিন]]''' একটি ধাতব মৌলিক পদার্থ। টিন একটি ধাতব-ধূসর ধাতু, যা যথেষ্ট নরম হওয়ায় সামান্য বল প্রয়োগেই কাটা যায়। টিনের একটি দণ্ড অল্প চেষ্টাতেই হাত দিয়ে বাঁকানো যায়। এটি একটি নরম, নমনীয়, প্রসারণশীল এবং অত্যন্ত স্ফটিকাকার রূপালি-সাদা ধাতু। টিনের দণ্ড বাঁকানোর সময় একটি শব্দ তৈরি করে, যা তথাকথিত "টিন ক্রাই" বা ''টিনের কান্না'' নামে পরিচিত। == উক্তি == * পরিষ্কার ও শুষ্ক বাতাসে টিন বহু দিন ধরে তার উজ্জ্বলতা ধরে রাখে। গবেষণা অনুসারে, ১০০ দিন পর আলোতে এর উজ্জ্বলতা কমে যেতে দেখা যায় এবং ১৫০ দিন পর হালকা হলদে-ধূসর রঙের একটি বিবর্ণতা দেখা যায়। সাবান ও জল দিয়ে ধোয়া হলে টিনের প্রতিফলন ক্ষমতা দীর্ঘ সময় ধরেও অপরিবর্তিত থাকে। ** ব্রুস ডি. ক্রেইগ, ডেভিড এস. অ্যান্ডারসন, ''[http://books.google.co.in/books?id=KXwgAZJBWb0C&pg=RA1-PT126&redir_esc=y#v=onepage&q&f=true হ্যান্ডবুক অফ করোশন ডেটা]'', এএসএম ইন্টারন্যাশনাল, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৪ * টিন্ আবিষ্কৃত হইবার পরে, তাম্রনির্ম্মিত দ্রব্যাদি কঠিন করিবার জন্য নয়ভাগ তাম্রের সহিত একভাগ টিন্ মিশ্রিত হইত, এই মিশ্রধাতুর নাম ব্রঞ্জ। ** [[রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়]], বাঙ্গালার ইতিহাস- রাখালদাস বন্দোপাধ্যায়, প্রথম ভাগ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * টিন প্রিন্টিং, যা প্রায় ১৮৭৫ সালে প্রবর্তিত হয়েছিল, এট হলো ধাতব পাত অলঙ্করণের জন্য লিথোগ্রাফিক প্রক্রিয়ার প্রয়োগ। পূর্বে কাগজের লিথোগ্রাফারদের দ্বারা সম্পাদিত ক্যানের লেবেলের কাজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সাম্প্রতিক বছরগুলিতে টিন লিথোগ্রাফারদের হাতে চলে গেছে... প্রস্তুত টিনের পাত প্রেসে প্রবেশ করানো হয় এবং তারপর উচ্চ তাপমাত্রায় ওভেনে শুকানো হয়, এই প্রক্রিয়াটি প্রতিটি অতিরিক্ত রঙের জন্য পুনরাবৃত্তি করা হয়। ** হ্যারি এস. অ্যাশমোর, ''[http://books.google.co.in/books?id=6yVGAQAAIAAJ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা: আ নিউ সার্ভে অফ ইউনিভার্সাল নলেজ, খণ্ড ১৪]'', এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১৯৬১, পৃষ্ঠা ২১৪ * কুলুঙ্গির মধ্যে ক্ষুদ্র টিনের ডিবায় ম্লানভাবে কেরোসিন জ্বলিতেছিল, আমি তাহা উস্কাইয়া দিলাম; একটুখানি আলো জাগিয়া উঠিল এবং অনেকখানি ধোঁয়া বাহির হইতে লাগিল। কোঁচাখানা গায়ের উপর টানিয়া একখানা খবরের-কাগজ-পাতা প্যাক্‌বাক্সের উপর বসিলাম। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নিশীথে, গল্পগুচ্ছ (দ্বিতীয় খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ২৬৩ * টিন নামটি এসেছে অ্যাংলো-স্যাক্সন শব্দ ‘টিআইন’ থেকে। এর রাসায়নিক প্রতীক ‘Sn’ এসেছে ল্যাটিন শব্দ ‘স্ট্যানাম’ থেকে। টিনের প্রথম ব্যবহার সম্ভবত তামা ও দস্তার সাথে সংকর ধাতু হিসেবে পিতল ও ব্রোঞ্জ তৈরিতে হয়েছিল এবং এর সময়কাল প্রায় ৩৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত নির্ধারণ করা যায়। টিনকে একটি মৌল হিসেবে কে শনাক্ত করেছিলেন তা জানা যায়নি এবং সম্ভবত রসায়নবিদ ও পরীক্ষকেরা এটিকে এমন কিছু হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন যাকে আর ভাঙ্গা যায় না, বা যা ছিল মৌলিক। ** অ্যাভালন ইন: ''[http://www.avalonraremetals.com/rare_earth_metal/elements/tin.html টিন]'' * আমরা [[বর্ষা]]কালে রথের সময়ে তালপাতার ভেঁপু কিনে বাজাতুম; আর টিনের রথে মাটির জগন্নাথ চাপিয়ে টানতুম, রথের চাকা শব্দ দিত ঝন্‌ ঝন্‌; যেন সেতার নূপুর সব একসঙ্গে বাজছে। আকাশ ভেঙে [[বৃষ্টি]] পড়ত দেখতে পেতুম, থেকে থেকে মেঘলা আলোকে রোদ পরাত চাপাই শাড়ি—কি বাহার খুলত! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * ''পিউটার'' একটি সংকর ধাতু, যাতে ৯০% টিন, ১ থেকে ৮% অ্যান্টিমনি, ০.২৫ থেকে ৫% তামা এবং সর্বোচ্চ ০.০৫ শতাংশ সীসা ও আর্সেনিক থাকে এবং এর ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতা বিশুদ্ধ টিনের সমান। এই পরিসরের সংকর ধাতুগুলো আলংকারিক সামগ্রী, পাত্র এবং বাসনপত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ** ব্রুস ডি. ক্রেইগ, ডেভিড এস. অ্যান্ডারসন, "হ্যান্ডবুক অফ করোশন ডেটা" গ্রন্থে * পরদেশিয়া নৌকোগুলাের এল ফেরার দিন,<br>নিল ভরে খালি-করা কেরােসিনের টিন—<br>একটা পালের ’পরে ছােটো আরেকটা পাল তুলে<br>চলার বিপুল গর্বে তরীর বুক উঠেছে ফুলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পদ্মায়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৪১ * টিনের সাথে সামান্য পরিমাণে সীসা মেশানো হলে নরম সোল্ডারে সাধারণ পরিবেশে এটি প্রতিফলক পৃষ্ঠের উজ্জ্বলতা ধরে রাখে। ** ব্রুস ডি. ক্রেইগ, ডেভিড এস. অ্যান্ডারসন, "হ্যান্ডবুক অফ করোশন ডেটা" গ্রন্থে। * চৈৎ-বৈশাখ মাসে রাস্তায় ফেরিওয়ালা হেঁকে যেত ‘বরীফ’। হাঁড়িতে বরফ দেওয়া নোনতা জলে ছোটো ছোটো টিনের চোঙে থাকত যাকে বলা হ’ত কুলফির বরফ, এখন যাকে বলে আইস কিংবা আইস্‌ক্রিম। রাস্তার দিকের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সেই ডাকে মন কিরকম করত তা মনই জানে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ছেলেবেলা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * টিনের দেবতাদের কথা আপনি হয়তো প্রায়ই শুনে বা পড়ে থাকবেন। কিন্তু এটি সম্পূর্ণভাবে সীসা দিয়ে তৈরি ছিল। ** রয় ক্যাম্পবেল, ''[http://books.google.co.in/books?id=_CrQAAAAMAAJ কবিতা]'', এডি ডঙ্কার, ১৯৮৫, পৃষ্ঠা ৮৬ * আমি হাতে তুলে নিলাম, একটা ছোট টিনের বাক্স, চাবি বন্ধ! এ ধরনের টিনের বাক্সকে পাড়াগাঁ অঞ্চলে বলে, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। টাকাকড়ি রাখে পাড়াগাঁয়ে। এ আমরা জানি।<br>বাদল হঠাৎ বড় উত্তেজিত হয়ে পড়লো। বললে—দেখি জিনিসটা?<br>—দ্যাখ তো, চিনিস?<br>—চিনি, ‘ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স’। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], বরো বাগদিনী, নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বিভূতি প্রকাশন, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯৮ * এটি একটি নিম্ন গলনাঙ্কবিশিষ্ট, নমনীয় ও প্রসারণশীল ধাতব মৌল, যার রঙ ও দ্যুতি প্রায় রূপার কাছাকাছি। এটি প্রলেপ দিতে এবং সংকর ধাতু, টিনফয়েল ও নরম ঝালাই তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। **[http://dictionary.reference.com/browse/tin টিন] * দেউড়ি আর বৈঠকখানায় ছিল এইরকম দোল-উৎসব, আর আমাদের জন্য আসত টিনের পিচকারি। ওইতেই আনন্দ। টিনের পিচকারি বালতিভরা লাল জলে ডুবিয়ে যাকে সামনে পাচ্ছি পিচকারি দিয়ে রঙ ছিটিয়ে দিচ্ছি আর তারা চেঁচামেচি করে উঠছে, দেখে আমাদের ফুর্তি কী। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-জোড়াসাঁকোর ধারে, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * এটি একটি ধাতব মৌল, যা ক্যাসটেরাইটে পাওয়া যায় এবং এর বেশ কয়েকটি ''অ্যালোট্রোপ'' রয়েছে; সাধারণ নমনীয় রূপালি-সাদা ধাতুটি ১৩.২° সেলসিয়াসের নিচে ধীরে ধীরে একটি ধূসর গুঁড়োতে রূপান্তরিত হয়। এটি সংকর ধাতু, বিশেষ করে ব্রোঞ্জ ও পিউটারে, এবং ইস্পাতের জন্য একটি ক্ষয়রোধী প্রলেপ হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ** ''ওয়ার্ল্ড ইংলিশ ডিকশনারি''তে 'টিন' শব্দটির উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে * আকরিকের মধ্যে স্বর্ণ, রৌপ্য, তাম্র, টিন, পাথুরিয়া কয়লা প্রচুর পাওয়া যায়। লৌহ অধিক পাওয়া যায় না। লৌহের অনেক কার্য্য তাম্র দ্বারা সম্পন্ন হইয়া থাকে। এখানকার তাম্রের ন্যায় উৎকৃষ্ট তাম্র পৃথিবীর কুত্রাপি পাওয়া যায় না। জাপানীরা ইহা এক ইঞ্চ মােটা ও এক ফুট লম্বা পাত করিয়া বিক্রয় করে। অপকৃষ্ট তাম্র ইষ্টকাকারে বিক্রীত হয়। জাপানে তামার খনিতে সময়ে সময়ে স্বর্ণ পাওয়া যায়। সম্রাটের অনুমতি ব্যতীত কেহই স্বর্ণখনির কার্য্য করিতে পারে না। এখানকার টিন রৌপ্যের ন্যায় শুভ্র ও উজ্জ্বল। জাপানের নানাস্থানে একরূপ মৃত্তিকা পাওয়া যায়, তাহা হইতে মনােহর বাসন প্রস্তুত হয়। চীনাবাসন বলিয়া ইহা পৃথিবীর নানাদেশে বিক্রয় হইয়া থাকে। ** [[উমাকান্ত হাজারী]], নব্য জাপান, নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস - উমাকান্ত হাজারী, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭ * টিন হলো একটি নমনীয়, রূপালী ধাতব মৌল যা আগ্নেয় শিলায় পাওয়া যায়। এর একটি স্ফটিক কাঠামো রয়েছে এবং বাঁকালে এটি মটমট করে শব্দ করে। টিন ক্ষয়রোধী পদার্থ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং ব্রোঞ্জসহ অসংখ্য সংকর ধাতুর একটি অংশ। ** ''সায়েন্স ডিকশনারি'': "টিন" * কর্পোরেশনের পাম্পিং স্টেশনে অথবা জল সরবরাহের যে কোনও কেন্দ্রে ইঞ্জিন ড্রাইভারের পদের জন্য এন্তাজ আলি নামে একটি লোক দরখাস্ত করিয়াছিল। বাঁশের মত গোলাকৃতি একটি টিন কেসের মধ্যে পুরিয়া সে তাহার দরখাস্তের সঙ্গে প্রশংসাপত্রগুলি আমাকে দিয়াছিল। উহা আমার অফিসে হয় টেবিলের উপর নতুবা আমার চেয়ারের বাঁ দিকে whatnot-এর মধ্যে আছে। টিন কেসটি দেখিতে এত অদ্ভুত যে, উহা ভুল হইবার নয়। ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শ্রীমতী মাতাঠাকুরাণীকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২১-১২২ * রাশিয়ার মতো ঠান্ডা দেশগুলিতে, কখনও কখনও দেখা যায় যে টিনের তৈরি কোনো ছাদ বা অন্য কোনো বস্তু হঠাৎ করে এক অদ্ভুত উপায়ে ক্ষয় হতে শুরু করে। মধ্য ইউরোপের অর্গান পাইপগুলি প্রায়শই টিনের তৈরি হয় এবং সেগুলির ক্ষেত্রেও একই রকম ক্ষয় লক্ষ্য করা গেছে। এও দেখা যায় যে, তাপমাত্রা ১৮° সেলসিয়াসের নিচে থাকলেই টিন অস্থিতিশীল অবস্থায় থাকে। ** জন আর. ডানল্যাপ, ''[http://books.google.co.in/books?id=scs2AQAAMAAJ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ম্যানেজমেন্ট: দ্য ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যাগাজিন, খণ্ড ৫১]'', ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যাগাজিন কোম্পানি, ১৯১৬, পৃষ্ঠা ২৪৬ * দেয়ালের যে-অংশে দরজা সেই দিকে বাতির মোড়ক থেকে কাটা ছবিগুলি এঁটে দিয়ে কোনো এক ভৃত্য সৌন্দর্যবোধের তৃপ্তিসাধন করেছিল। এক কোণে টিনের বাক্সে আছে গুঁড়োকরা খড়ি, তার পাশে ঝুড়িতে শুকনো তেঁতুল, এবং কতকগুলো ময়লা ঝাড়ন; আর সারি সারি কেরোসিনের টিন, অধিকাংশই খালি, গুটি দুই-তিন ভরা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], যোগাযোগ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৫ * এ বাড়ীর কেহ কোনো কথা বলিবার পূর্ব্বেই টুনু ও সতু, দুজনে মিলিয়া দুর্গার টিনের পুতুলের বাক্সটা ঘর হইতে বাহির করিয়া আনিয়া রোয়াকে নামাইল এবং টুনু বাক্স খুলিয়া খানিকটা খুঁজিবার পর একছড়া পুঁতির মালা বাহির করিয়া বলিল—এই দ্যাখো মা, আমার সেই মালাটা—সেদিন যে সেই খেল্‌তে গিয়েছিল, সেদিন চুরি করে এনেচে। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], পথের পাঁচালী, দশম পরিচ্ছেদ, পথের পাঁচালী- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সপ্তম সংস্করণ, প্রকাশক- পি. মিত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪০ * তাপমাত্রা কমার সাথে সাথে সাদা টিন বর্ধিত হারে ধূসর হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখায়, এবং -৫০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এই পরিবর্তনের গতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। সাদা ধাতুটি প্রথমে বিবর্ণ হয়ে যায়, তারপর এর উপর অসংখ্য ধূসর আঁচিলের মতো দাগ দেখা দেয় এবং অবশেষে এটি গুঁড়ো হয়ে যায়। সৌভাগ্যবশত, ব্রিটেনের সাধারণ শীতকালীন তাপমাত্রায় এই পরিবর্তনের হার খুবই কম থাকে। ** জন নিউটন ফ্রেন্ড, ''[http://books.google.co.in/books?id=E3sMAQAAIAAJ ম্যান অ্যান্ড দ্য কেমিক্যাল এলিমেন্টস]'', স্ক্রিবনার, ১৯৬১, পৃষ্ঠা ২০৪ * দাৰ্জিলিঙ মেল আসতে এখনো তিন ঘণ্টা। স্টেশনে লোকজন নেই, হোটেলগুলোর টিনের ছাত বিষ্টিতে ভিজে চাঁদের আলোয় ঝকঝক করছে। পাহাড়ের অন্ধকার ছেড়ে হঠাৎ ফাঁকায় পড়ে রিদয়ের ধাঁধা লেগে গেল। আকাশ থেকে সে টিনের ছাতগুলোকে দেখছে যেন ছোট-ছোট পাহাড়ের চুড়ো শাদা বরফে ঢাকা! ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বুড়ো আংলা-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, প্রকাশস্থান-কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৩ * সম্পূর্ণ টিন দিয়ে তৈরি অত্যন্ত প্রাচীন বস্তুর অভাব রয়েছে বলে মনে হয় — এই অভাবের জন্য কখনও কখনও "টিন পেস্ট" এর কারণে টিনের ক্ষয়কে দায়ী করা হয়। এটি কোনোভাবেই যথেষ্ট কারণ নয়, কারণ "টিন পেস্ট" শুরু করাই যথেষ্ট কঠিন। ** আর্নেস্ট সিডনি হেজেস: ''[http://books.google.co.in/books?id=16RTAAAAMAAJ টিন অ্যান্ড ইটস্ অ্যালয়]'', আর্নল্ড, ১৯৬০, পৃষ্টা ২ * বাংলা করোগেট টিনের প্রধান খরিদ্দার,—বাংলার দরিদ্র লোকেরা বিশেষ পূর্ব বঙ্গের কৃষকেরা এই আমদানী শুল্ক বৃদ্ধির জন্য করোগেট টিনের জন্য বেশী মূল্য দিতে বাধ্য হয়। যখন প্রতি টনে দশ টাকা শুল্ক ছিল, তখন করোগেট টিনের দাম ছিল—প্রতি টন ১৩৭৲ টাকা। ১৯২৫—২৬ সালে টাটা কোম্পানীর চীৎকারের ফলে ঐ শ‍ুল্ক বৃদ্ধি পাইয়া টন প্রতি ৪৫৲ টাকা হইল। **[[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়|প্রফুল্লচন্দ্র রায়]], আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * সাধারণ তাপমাত্রায় (+২০° সেলসিয়াসের নিচে) সাদা টিনকে ধূসর টিনের সংস্পর্শে আনলে, সম্ভবত আয়তন বৃদ্ধির কারণে এটি খুব ধীরে ধীরে ধূসর টিনে পরিণত হয়ে গুঁড়ো হয়ে যায় (এই ঘটনাকে "টিন-রোগ" বলা হয়)। ** আর্নল্ড ফ্রেডেরিক হোলেম্যান, হারমন চার্লস কুপার, ''[http://books.google.co.in/books?ei=JyDnU9nxHY7e8AWdhICgDA&id=HQ5DAAAAIAAJ এ টেক্সট-বুক অফ অর্গানিক কেমিস্ট্রি]'', উইলি, ১৯১১, পৃষ্ঠা ২৭৫ * যে টিনের বাক্সের ভিতর সেই মৃতদেহ পাওয়া গিয়াছিল, সেই টিনের বাক্সটীর মধ্যে উত্তমরূপে দেখাতে, দেখিতে পাইলাম, তাহার ভিতর একটী পুরাতন ও নিতান্ত ক্ষুদ্র শিশি রহিয়াছে। সেই শিশিটী নিজের হাতে করিয়া উত্তমরূপে পরীক্ষা করিয়া দেখিলাম। দেখিলাম, প্রায় পাঁচ ছয় বৎসর পূর্ব্বে সেই শিশিতে করিয়া ব্যাথগেট কোম্পানির ঔষধালয় হইতে একজন সাহেবের নিমিত্ত ঔষধ আসিয়াছিল। ** [[প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়]], বেওয়ারিশ লাস, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, বেওয়ারিশ লাস - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- গ্রেট টাউন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * অনেক উপনিবেশবাসী ছিদ্র করা টিন দিয়ে তৈরি জিনিসপত্র দিয়ে তাদের ঘর সাজাতো। কখনও কখনও তাদের ছিদ্র করা টিনের লণ্ঠন বা মোমবাতিদানি থাকতো । তারা তাদের দেয়ালে ছিদ্র করা টিনের ছবিও টাঙাতো। ** টেরি অ্যালান হিকস: ''[http://books.google.co.in/books?id=ZpVmN-2plcIC&pg=PT33 মেইন]'', মার্শাল ক্যাভেন্ডিশ, ২০০৬, পৃষ্ঠা ৩৩ * প্রত্যেকটি ঘরের পেছনে স্তূপাকৃতি পুরান টায়ার টিউব, দুধ, মাছ, মাংস, মাখন এসবের খালি টিন পড়ে রয়েছিল। আমেরিকার নগরে, শহরে এবং গ্রামে কেউ টিনের দুধ ব্যবহার করে না। কাগজের এক রকম বোতল হয় তাতেই দই, দুধ, ঘোল বিক্রি হয়ে থাকে। দুধের টিন দেখেই মনে হল, অনেক দূর হতে যারা আসে এবং নানা অসুবিধায় পতিত হয় তারাই এই গ্রামে থাকতে বাধা হয়। এরূপ গ্রাম বাস্তবিকই আনন্দদায়ক। **[[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২২ * ছোট্ট টিনের দেবতারা তাদের ছোট্ট টিনের আত্মাদের তাড়া করত।<br>যেহেতু সে চেথাম থেকে আসেনি, তাই তার পায়ের গোড়ালিতে কোনো স্পার ঝনঝন করে বাজত না।<br>তা সত্ত্বেও, সে-ই ছিল সরকারি তালিকায় প্রথম,<br>চাকাওয়ালা ছোট্ট টিনের দেবতাদের রেল পরিদর্শকের পদের জন্য। ** [[রাডইয়ার্ড কিপলিং]] :''[http://books.google.co.in/books?id=GobAftp888kC&pg=PA1752 দি কালেকটেড ভার্স অফ রুডইয়ার্ড কিপলিং]'', ডিজিরিডস.কম পাবলিশিং, ২০০১, পৃষ্ঠা ১৭৫২ * আমরা রবিকাকা সবাই ছুটলুম। তখন বর্ষাকাল—একটা টিনের ঘরে আমাদের আড্ডা হল। এক মুহুরি টাকা গুণে নিলে। অতটুকু টিনের ঘরে তো মিটিং হতে পারে না। ঝুপ্‌ ঝুপ্‌ বৃষ্টি পড়ছে—বাইরে সারি সারি রেলগাড়ির নীচে শতরঞ্জি বিছিয়ে বক্তৃতা হচ্ছে আর আমি ভাবছি—এই সময়েই যদি ইঞ্জিন এসে মালগাড়ি টানতে শুরু করে তবেই গেছি আর কি। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঘরোয়া, প্রথম পরিচ্ছেদ, ঘরোয়া-অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪-২৫ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:মৌলিক পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:খনিজ পদার্থ]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রকৃতি]] 1sy6042qrtctlu098a2cbc34ictpd0b এ. সি. ব্র্যাডলি 0 12028 81880 74333 2026-04-28T07:31:25Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 /* উক্তি */ 81880 wikitext text/x-wiki [[File:Andrew Cecil Bradley1891 (cropped).jpg|thumb|]] '''[[w:এ. সি. ব্র্যাডলি|অ্যান্ড্রু সিসিল ব্র্যাডলি]]''', <small>এফবিএ</small> (২৬ মার্চ ১৮৫১ – ২ সেপ্টেম্বর ১৯৩৫) ছিলেন একজন ইংরেজ সাহিত্য গবেষক ও সমালোচক। তিনি মূলত [[উইলিয়াম শেকসপিয়র|শেকসপিয়র]] বিষয়ক গবেষণার জন্য বিশেষভাবে স্মরণীয়। == উক্তি == * এটি একটি আত্মা। এটি কোত্থেকে আসে আমরা জানি না। এটি আমাদের আদেশে কথা বলবে না, কিংবা আমাদের ভাষায় উত্তর দেবে না। এটি আমাদের ভৃত্য নয়; এটি আমাদের প্রভু। ** [[s:Poetry for Poetry's Sake|''Poetry for Poetry's Sake'']] (১৯০১) পৃষ্ঠা ৩২ * আমি হ্যামলেটের বিষাদ নিয়ে এত দীর্ঘ আলোচনা করেছি কারণ, মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটিই এই ট্র্যাজেডির কেন্দ্রবিন্দু। এটিকে বিবেচনায় না আনা বা এর তীব্রতাকে অবমূল্যায়ন করা মানে শেক্সপিয়রের গল্পটিকে অবোধ্য করে তোলা। তবে মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ আর ট্র্যাজিক দৃষ্টিকোণ এক নয়; এবং হ্যামলেটের বিষাদকে তার যথাযথ গুরুত্ব দেওয়ার পর, আমরা নির্দ্বিধায় স্বীকার করতে পারি-অথবা বরং জোর দিয়ে বলতে পারি—যে, এই রোগতাত্ত্বিক অবস্থাটি খুব সামান্যই ট্র্যাজিক আগ্রহ তৈরি করত যদি না এটি এমন এক প্রকৃতির অবস্থা হতো যা সেই মননশীল প্রতিভা দ্বারা স্বতন্ত্র, যার ওপর [[Friedrich Schlegel|শ্লেগেল]] [[Samuel Taylor Coleridge|কোলরিজ]] ঘরানার তত্ত্বগুলো গুরুত্বারোপ করে। এই তত্ত্বগুলো সেই প্রতিভা এবং হ্যামলেটের ব্যর্থতার মধ্যকার সম্পর্ককে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে, তবুও এই সংযোগই তার গল্পকে এক অনন্য আকর্ষণ দান করে এবং এটিকে মানব প্রকৃতির অন্তর্নিহিত এক ট্র্যাজিক রহস্যের প্রতীক (যদি শব্দগুচ্ছটি ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়) হিসেবে উপস্থাপন করে। যেখানেই এই রহস্য আমাদের স্পর্শ করে, যেখানেই আমরা মানুষের ঈশ্বরতুল্য 'উপলব্ধি' এবং তার 'চিন্তা যা অনন্তকাল ধরে ঘুরে বেড়ায়'-তার বিস্ময় ও ভীতি অনুভব করতে বাধ্য হই, এবং একই সাথে তাকে তার তুচ্ছ কর্মক্ষেত্রে অসহায় হতে দেখি, এবং (যেমনটা মনে হয়) তার চিন্তার অতিশয় দিব্যত্বের কারণেই সে অসহায়, সেখানেই আমরা হ্যামলেটকে স্মরণ করি। আর এই কারণেই, আঠারো শতকের শেষের দিকে শুরু হওয়া মহান [[w:আদর্শবাদী|আদর্শবাদী]] আন্দোলনে, শেক্সপিয়রের নাটকগুলোর মধ্যে এই ট্র্যাজেডিটি এক অনন্য অবস্থান লাভ করেছিল, যার অংশীদার কেবল গ্যোতের [[Goethe's Faust|''ফাউস্ট'']]। এটি এমন নয় যে ''[[হ্যামলেট|হ্যামলেট]]'' শেক্সপিয়রের শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি বা শিল্পের সবচেয়ে নিখুঁত কাজ; বরং এটি এই কারণে যে, '''''হ্যামলেট'' আমাদের কাছে একই সাথে আত্মার অসীমতা এবং সেই নিয়তির বোধকে সবচেয়ে বেশি স্পষ্ট করে তোলে যা কেবল সেই অসীমতাকে সীমাবদ্ধই করে না, বরং মনে হয় যেন এটি সেই অসীমতারই সন্তান।''' ** [[s:Shakespearean Tragedy|''Shakespearean Tragedy'']] (১৯১২) লেকচার ৩: শেক্সপিয়রের ট্র্যাজিক কাল—হ্যামলেট == ব্র্যাডলি সম্পর্কে উক্তি == * গতরাতে আমি স্বপ্ন দেখলাম শেক্সপিয়রের ভূত<br>একটি সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বসেছে।<br>সেই বছরের ইংরেজি প্রশ্নপত্রে<br> ''কিং লিয়ার'' নিয়ে কয়েকটি প্রশ্ন ছিল,<br>যেগুলোর উত্তর শেক্সপিয়র খুব খারাপভাবে দিয়েছিল<br>কারণ সে ব্র্যাডলির লেখা পড়েনি। ** [[গাই বোয়াস]], "শিক্ষার লীড" (Lays of Learning), [[w:পাঞ্চ (ম্যাগাজিন)|''পাঞ্চ ম্যাগাজিন'']] (১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬); উদ্ধৃত: [[মাইকেল টেইলর]], ''বিশ শতকের শেক্সপিয়ার সমালোচনা'' (অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, ২০০১) অধ্যায় ২, পৃষ্ঠা ৪৬ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:সাহিত্য সমালোচক]] [[বিষয়শ্রেণী:লন্ডনের ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ অ্যাকাডেমির সভ্য]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৫১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৫-এ মৃত্যু]] m19bzzdcsw55r755ujockyqz1u0s5zi ঘাস 0 12168 81639 81622 2026-04-27T13:06:47Z Salil Kumar Mukherjee 39 /* উক্তি */ 81639 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঘাস|ঘাস]]''' বা '''তৃণ''' হলো একবীজপত্রী তৃণজাতীয় উদ্ভিদ, যার গোড়া থেকে সরু পাতা গজায়। বিভিন্ন ধরনের ফসল যেমন ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি ঘাস বা তৃণ জাতীয় উদ্ভিদ। যতো রকম গাছ আছে তার ভেতর ঘাসের ভূমিকাই প্রাণিদের জীবনে সবচেয়ে বেশি। জলে, ডাঙ্গায়, পাহাড়, মরু অঞ্চল সব জায়গাতেই ঘাস দেখতে পাওয়া যায়। এমনকি বরফে ঢাকা তুন্দ্রা অঞ্চলও ঘাস জন্মে। পৃথিবীর সমগ্র সবুজ অঞ্চলের প্রায় শতকরা ২০ভাগ ঘাস দিয়ে আবৃত। এ যাবৎ প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির ঘাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। == উক্তি == * ঘাসের বনে আনন্দে আজ<br>সবুজ ফড়িং লাফিয়ে আসে,<br>আমার মনের চপল ফড়িং<br>ঘুরছে তাহার আশে-পাশে। ** [[সুনির্মল বসু]], সবুজ-ফড়িং, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০ * সুন্দরভাবে ছাঁটা সবুজ ঘাসের চেয়ে চোখের জন্য মনোরম আর কিছুই নেই। ** [[ফ্রান্সিস বেকন]], প্রবন্ধ (১৬২৫), ''অফ গর্ডেন'' * এসেছে শরৎ, হিমের পরশ<br>লেগেছে হাওয়ার ’পরে।<br>সকাল বেলায় ঘাসের আগায়<br>[[শিশির|শিশিরের]] রেখা ধরে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], চিত্রবিচিত্র - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫ * সেপটিক ট্যাংকের ওপরের ঘাস সবসময়ই বেশি সবুজ মনে হয়। ** এরমা বোমবেক, ''টাইটেল অফ বুক'' (১৯৭৬)। * হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশ‍ু এক উঠানের ঘাসে;<br>র‍ূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালে<br>ডিঙা বায়;— ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * প্রিয়, আজই পাতা আর ঘাস সংগ্রহ করো;<br>কারণ শরৎকাল<br>শীঘ্রই বিদায় নেবে।<br>হাড় কাঁপানো বাতাস বইছে।<br>শীঘ্রই বরফ পড়বে। ** জন হেনরি বোনার , ''গেদার লিভস অ্যান্ড গ্রাসেস'', ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস'', ১০ম সংস্করণ (১৯১৯)-এ উল্লিখিত * পক্ষীর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এড়াইয়া জীবিত থাকিবার জন্যই ঘাসের ভিতরকার ফড়িঙের রঙ্ সবুজ এবং শুষ্ক তৃণমধ্যস্থ ফড়িঙের রঙ্ পাটল হইয়াছে। ** [[জগদানন্দ রায়]], প্রকৃতির বর্ণ-বৈচিত্র্য, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৫ * গাছকে দেখে আমি ধৈর্যের অর্থ বুঝি। ঘাসকে দেখে আমি অধ্যবসায়ের কদর করতে পারি। ** হাল বোরল্যান্ড, ''কান্ট্রিম্যান: এ সামারি অফ বিলিফ'' * এ গ্রামের পাশে মজা নদী বারো মাস<br>বর্ষায় আজ বিদ্রোহ বুঝি করে,<br>গোয়ালে পাঠায় ইশারা সবুজ ঘাস<br>এ গ্রাম নতুন সবুজ ঘাগরা পরে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চিরদিনের, সুকান্ত সমগ্র, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৯ * এই পৃথিবীতে এমন একটিও ছোট্ট ঘাসের ডগা নেই, এমন কোনো রঙ নেই যা মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্য নয়। ** জন ক্যালভিন, টমাস এফ. টিয়ারনি-র ''দ্য ভ্যালু অফ কনভিনিয়েন্স: জিনোলজি অফ টেকনিক্যাল কালচার'' (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১২৮ * খায় না সে দানাপানি—ঘাস পাতা বিচালি,<br>খায় না সে ছোলা ছাতু ময়দা কি পিঠালি; ** [[সুকুমার রায়]], ট্যাঁশ্ গরু, আবোল তাবোল, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * যদি সিমেন্টের মধ্য দিয়েও ঘাস গজাতে পারে, তবে ভালোবাসা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আপনাকে খুঁজে নিতে পারে। ** শের (শেরিলিন সার্কিসিয়ান), ''দ্য টাইমস''- এ উদ্ধৃত, ৩০ মে ১৯৯৮ *আমি এ ঘাসের বুকে শ‍ুয়ে থাকি—শালিখ নিয়েছে নিঙড়ায়ে<br>নরম হলুদ পায়ে এই ঘাস; এ সবুজ ঘাসের ভিতরে<br>সোঁদা ধুলো শ‍ুয়ে আছে—কাঁচের মতন পাখা এ ঘাসের গায়ে<br>ভেরেণ্‍ডাফুলের নীল ভোমরারা বুলাতেছে—শাদা স্তন ঝরে<br>করবীর: কোন্ এক কিশোরী এসে ছিঁড়ে নিয়ে চ’লে গেছে ফুল,<br>তাই দুধ ঝরিতেছে করবীর ঘাসে ঘাসে: নরম ব্যাকুল। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮ * পৃথিবীতে প্রতিটি ঘাসের পাতারই একটি নির্দিষ্ট স্থান আছে, যেখান থেকে সে তার জীবন ও শক্তি আহরণ করে; তেমনি মানুষও সেই ভূমিতে প্রোথিত, যেখান থেকে সে তার জীবনের পাশাপাশি বিশ্বাসও আহরণ করে। ** জোসেফ কনরাড, ''লর্ড জিম'', অধ্যায় ২১ * মৌমাছি সে গুনগুনিয়ে<br/>খুঁজে বেড়ায় কা’কে,<br/>ঘাসের মধ্যে ঝিঁঝিঁ করে<br/>ঝিঁঝিঁ পোক ডাকে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], সাত ভাই চম্পা, কড়ি ও কোমল-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- পীপ্‌ল্‌স লাইব্রেরি, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৯৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮১ * আপনি হয়তো পুরো বিশ্বকে অ্যাসফল্ট দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন, কিন্তু আজ হোক বা কাল হোক, সবুজ ঘাস ঠিকই বেরিয়ে আসবে। ** ইলিয়া এরেনবার্গ, প্যাট্রিসিয়া ব্লেক কর্তৃক ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস বুক রিভিউ''- তে লিখিত, ২২ অক্টোবর ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১ * বাবুই পাখির বাসা তোমরা অনেকেই দেখেছ বোধ হয়। কেমন সন্দর করে শুকনো ঘাস দিয়ে বুনে তার বাসাটি সে তৈরি করে। পাছে কোনো জন্ত বা সাপ বাসা আক্রমণ করে, সেইজন্য বাসায় ঢুকবার রাস্তা তলার দিকে। ** [[সুকুমার রায়]], পাখির বাসা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * বেড়ার ওপারের ঘাস সবসময় বেশি সবুজ হয় না। আসলে, এর সাথে বেড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। যেখানে জল দেওয়া হয়, সেখানকার ঘাসই সবচেয়ে সবুজ হয়। বেড়া পার হওয়ার সময় সাথে জল রাখুন এবং যেখানেই থাকুন না কেন, সেখানকার ঘাসের যত্ন নিন। ** রবার্ট ফুলগাম, ''ইট ওয়াজ অন ফায়ার হোয়েন আই লে ডাউন অন ইট'' (১৯৮৮) * মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান]) * সমস্ত প্রাণীই ঘাসের মতো, এবং তার সৌন্দর্য মাঠের ফুলের ন্যায়। ঘাস শুকিয়ে যায়, ফুল ঝরে যায়, কারণ প্রভুর আত্মা তার উপর দিয়ে বয়ে যায়; নিশ্চয়ই মানুষ ঘাসের মতো। ** [https://en.wikisource.org/wiki/Bible_(King_James)/Isaiah#40:6-7 যিশাইয় ৪০:৬-৭], [[w:কিং জেমস সংস্করণ|কিং জেমস বাইবেল]] * কাব্যলোকে বাস না করলে বাস কি করব ইতিহাসলোকে, না দর্শনলোক, না ডাক্তারদের ছেঁড়া-খোঁড়ার শবলোকে? আর এ সব কোনও লোকেই যদি বাস না করি তবে তো নেমে আসবও সেই লোকে – গাধা গরু যেখানে ঘাস চিবোয় আর জাবর কাটে। ** [[সৈয়দ মুজতবা আলী]], শবনম, দ্বিতীয় খণ্ড, অধ্যায় সাত, পৃ. ১০৮, ৬ষ্ঠ মুদ্রণ (২০০৮), স্টুডেন্ট ওয়েজ, ঢাকা * আমরা ঘাস মাড়াই আর মে মাসের ফুলকে কদর করি,<br>অথচ ফুল ঝরে গেলেও ঘাস সবুজই থাকে। ** রবার্ট সাউথওয়েল, ''স্কর্ন নট দ্য লিস্ট'' * আমি এই অঘ্রাণেরে ভালোবাসি—বিকেলের এই রঙ—রঙের শূন্যতা<br/>রোদের নরম রোম—ঢালু মাঠ—বিবর্ণ বাদামি পাখি—হলুদ বিচালি<br/>পাতা কুড়াবার দিন ঘাসে-ঘাসে—কুড়ুনির মুখে তাই নাই কোনো কথা। **[[জীবনানন্দ দাশ]], জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড) - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- বেঙ্গল পাবলিশার্স, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * একটি শিশু দু’হাত ভর্তি ঘাস আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, “ঘাসটা কী?”<br>আমি শিশুটিকে কী উত্তর দেব? সে যেমন জানে না, আমিও তার চেয়ে বেশি জানি না।<br>আমার মনে হয়, এটা নিশ্চয়ই আমার স্বভাবের পতাকা, যা আশার সবুজ উপাদান দিয়ে বোনা। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৬) (১৮৫৫-১৮৮১) * সবুজ ঘাসে রোদের পাশে আলোর কেরামতি,<br>রঙিন বেশে, রঙিন ফুলে রঙিন প্রজাপতি! ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * মহৎ ব্যক্তির গুণাবলী বাতাসের মতো; সাধারণ মানুষের গুণাবলী ঘাসের মতো—হাওয়া বয়ে গেলে ঘাস নুয়ে পড়ে। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ৮, ''দ্য ভিলেজ'' * আমরা ধন্য হতাম যদি সর্বদা বর্তমানেই বাঁচতাম এবং আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া প্রতিটি সুযোগের সদ্ব্যবহার করতাম, ঠিক যেন সেই ঘাসের মতো যা তার উপর পড়া সামান্যতম শিশিরের প্রভাবও স্বীকার করে নেয়। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ১৭, ''স্প্রিং'' * অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে। ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * আমি বিশ্বাস করি, ঘাসের একটি পাতাও নক্ষত্রদের যাত্রাপথ থেকে কোনো অংশে কম নয়। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৩১) (১৮৫৫-১৮৮১) * তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষা গরু,<br/>শিখিনি সিং বাঁকানো,<br/>কেবল খাবো খোল, বিচিলি ঘাস্।৷<br/>যেন রাঙা আমলা, তুলে মামলা,<br/>গামলা ভাঙে না,<br/>আমরা ভুসি পেলেই খুশি হব,<br/>ঘুসি খেলে বাঁচব না।৷ ** [[ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত]], নীলকর, কবিতাসংগ্রহ - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, সম্পাদনা- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * সে আমাকে বলেছিল বাঁধের উপর ঘাসের মতো জীবনটাকে সহজভাবে নিতে;<br>কিন্তু আমি ছিলাম তরুণ ও নির্বোধ, আর এখন আমার মন অশ্রুতে পূর্ণ। ** [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]], ''ক্রসওয়েজ'' (১৮৮৯), "ডাউন বাই দ্য স্যালি গার্ডেনস"। * উটের শরীরটিকে মরুভূমির উপযোগী করিয়াই গড়া হইয়াছে। চ্যাটাল চ্যাটাল পা, তার আষ্টেপৃষ্টে কড়ায় ঢাকা-ঝামা দিয়া ঘসিলেও তাহাতে ফোস্কা পড়ে না। ক্ষুধা নাই, তৃষ্ণা নাই—এক পেট ঘাস খাইয়া তিন দিন উপোস থাকে—এক ঢোক জল লইয়া সারাদিন পথ চলে। ** [[সুকুমার রায়]], মরুর দেশে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * অবশেষে সব কবরের উপরে ঘাস গজায়। ** জুলিয়া সিআর ডর, ''গ্রাস গ্রোন'', [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * হাট করতে চলে মেয়ে ঘাসের আঁঠি মাথায়,<br>তখন মনে হঠাৎ এসে এই বেদনাই বাজে—<br>ঠাঁই রবে না কোনােকালেই ঐ যা-কিছুর মাঝে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পিছু-ডাকা, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৯৩ * এক দেশে হোক বা অন্য দেশে, ঘাসের একটি পাতা সবসময়ই ঘাসের একটি পাতাই থাকে। ** [[স্যামুয়েল জনসন]], মিসেস পিওজির জনসনের উপাখ্যান , পৃষ্ঠা ১০০, [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * এখানে গাছের পাতা যেতেছে হলুদ হয়ে—নিঃশব্দে উল্কার মতাে ঝ’রে<br/>একদিন তুমি এসে তবু এই হলুদ আঁচল রেখে ঘাসের ভিতরে<br/>শান্তি পাবে; সন্ধ্যার জলের দিকে শূন্য চোখে রবেনাকো তাকিয়ে এমন<br/>অস্পষ্ট সংকটে এসে—মুখে কথা ফুরােবে না—এখন যা গভীর গােপন<br/>প্রাণের চারুণা পাবে অন্ধকারে; ব্যাপ্তি পাবে; ** [[জীবনানন্দ দাশ]], নদী নক্ষত্র মানুষ, বনলতা সেন - [[জীবনানন্দ দাশ]], কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * সবুজ ঘাস স্রোতের মতো বয়ে যায়<br/>সাগরের নীলিমায়। ** জেমস রাসেল লোয়েল, ''দ্য সাইরেন্স'', লাইন ৮৭,[https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Grass}} [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভিদ]] snhmmz0zc0dek8ka6e385x4eloaf5ui 81640 81639 2026-04-27T13:13:00Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81640 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঘাস|ঘাস]]''' বা '''তৃণ''' হলো একবীজপত্রী তৃণজাতীয় উদ্ভিদ, যার গোড়া থেকে সরু পাতা গজায়। বিভিন্ন ধরনের ফসল যেমন ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি ঘাস বা তৃণ জাতীয় উদ্ভিদ। যতো রকম গাছ আছে তার ভেতর ঘাসের ভূমিকাই প্রাণিদের জীবনে সবচেয়ে বেশি। জলে, ডাঙ্গায়, পাহাড়, মরু অঞ্চল সব জায়গাতেই ঘাস দেখতে পাওয়া যায়। এমনকি বরফে ঢাকা তুন্দ্রা অঞ্চলও ঘাস জন্মে। পৃথিবীর সমগ্র সবুজ অঞ্চলের প্রায় শতকরা ২০ভাগ ঘাস দিয়ে আবৃত। এ যাবৎ প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির ঘাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। == উক্তি == * ঘাসের বনে আনন্দে আজ<br>সবুজ ফড়িং লাফিয়ে আসে,<br>আমার মনের চপল ফড়িং<br>ঘুরছে তাহার আশে-পাশে। ** [[সুনির্মল বসু]], সবুজ-ফড়িং, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০ * সুন্দরভাবে ছাঁটা সবুজ ঘাসের চেয়ে চোখের জন্য মনোরম আর কিছুই নেই। ** [[ফ্রান্সিস বেকন]], প্রবন্ধ (১৬২৫), ''অফ গর্ডেন'' * এসেছে শরৎ, হিমের পরশ<br>লেগেছে হাওয়ার ’পরে।<br>সকাল বেলায় ঘাসের আগায়<br>[[শিশির|শিশিরের]] রেখা ধরে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], চিত্রবিচিত্র - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫ * সেপটিক ট্যাংকের ওপরের ঘাস সবসময়ই বেশি সবুজ মনে হয়। ** এরমা বোমবেক, ''টাইটেল অফ বুক'' (১৯৭৬)। * হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশ‍ু এক উঠানের ঘাসে;<br>র‍ূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালে<br>ডিঙা বায়;— ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * প্রিয়, আজই পাতা আর ঘাস সংগ্রহ করো;<br>কারণ শরৎকাল<br>শীঘ্রই বিদায় নেবে।<br>হাড় কাঁপানো বাতাস বইছে।<br>শীঘ্রই বরফ পড়বে। ** জন হেনরি বোনার , ''গেদার লিভস অ্যান্ড গ্রাসেস'', ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস'', ১০ম সংস্করণ (১৯১৯)-এ উল্লিখিত * পক্ষীর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এড়াইয়া জীবিত থাকিবার জন্যই ঘাসের ভিতরকার ফড়িঙের রঙ্ সবুজ এবং শুষ্ক তৃণমধ্যস্থ ফড়িঙের রঙ্ পাটল হইয়াছে। ** [[জগদানন্দ রায়]], প্রকৃতির বর্ণ-বৈচিত্র্য, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৫ * গাছকে দেখে আমি ধৈর্যের অর্থ বুঝি। ঘাসকে দেখে আমি অধ্যবসায়ের কদর করতে পারি। ** হাল বোরল্যান্ড, ''কান্ট্রিম্যান: এ সামারি অফ বিলিফ'' * এ গ্রামের পাশে মজা নদী বারো মাস<br>বর্ষায় আজ বিদ্রোহ বুঝি করে,<br>গোয়ালে পাঠায় ইশারা সবুজ ঘাস<br>এ গ্রাম নতুন সবুজ ঘাগরা পরে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চিরদিনের, সুকান্ত সমগ্র, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৯ * এই পৃথিবীতে এমন একটিও ছোট্ট ঘাসের ডগা নেই, এমন কোনো রঙ নেই যা মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্য নয়। ** জন ক্যালভিন, টমাস এফ. টিয়ারনি-র ''দ্য ভ্যালু অফ কনভিনিয়েন্স: জিনোলজি অফ টেকনিক্যাল কালচার'' (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১২৮ * খায় না সে দানাপানি—ঘাস পাতা বিচালি,<br>খায় না সে ছোলা ছাতু ময়দা কি পিঠালি; ** [[সুকুমার রায়]], ট্যাঁশ্ গরু, আবোল তাবোল, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * যদি সিমেন্টের মধ্য দিয়েও ঘাস গজাতে পারে, তবে ভালোবাসা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আপনাকে খুঁজে নিতে পারে। ** শের (শেরিলিন সার্কিসিয়ান), ''দ্য টাইমস''- এ উদ্ধৃত, ৩০ মে ১৯৯৮ *আমি এ ঘাসের বুকে শ‍ুয়ে থাকি—শালিখ নিয়েছে নিঙড়ায়ে<br>নরম হলুদ পায়ে এই ঘাস; এ সবুজ ঘাসের ভিতরে<br>সোঁদা ধুলো শ‍ুয়ে আছে—কাঁচের মতন পাখা এ ঘাসের গায়ে<br>ভেরেণ্‍ডাফুলের নীল ভোমরারা বুলাতেছে—শাদা স্তন ঝরে<br>করবীর: কোন্ এক কিশোরী এসে ছিঁড়ে নিয়ে চ’লে গেছে ফুল,<br>তাই দুধ ঝরিতেছে করবীর ঘাসে ঘাসে: নরম ব্যাকুল। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮ * পৃথিবীতে প্রতিটি ঘাসের পাতারই একটি নির্দিষ্ট স্থান আছে, যেখান থেকে সে তার জীবন ও শক্তি আহরণ করে; তেমনি মানুষও সেই ভূমিতে প্রোথিত, যেখান থেকে সে তার জীবনের পাশাপাশি বিশ্বাসও আহরণ করে। ** জোসেফ কনরাড, ''লর্ড জিম'', অধ্যায় ২১ * মৌমাছি সে গুনগুনিয়ে<br/>খুঁজে বেড়ায় কা’কে,<br/>ঘাসের মধ্যে ঝিঁঝিঁ করে<br/>ঝিঁঝিঁ পোক ডাকে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], সাত ভাই চম্পা, কড়ি ও কোমল-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- পীপ্‌ল্‌স লাইব্রেরি, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৯৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮১ * আপনি হয়তো পুরো বিশ্বকে অ্যাসফল্ট দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন, কিন্তু আজ হোক বা কাল হোক, সবুজ ঘাস ঠিকই বেরিয়ে আসবে। ** ইলিয়া এরেনবার্গ, প্যাট্রিসিয়া ব্লেক কর্তৃক ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস বুক রিভিউ''- তে লিখিত, ২২ অক্টোবর ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১ * বাবুই পাখির বাসা তোমরা অনেকেই দেখেছ বোধ হয়। কেমন সন্দর করে শুকনো ঘাস দিয়ে বুনে তার বাসাটি সে তৈরি করে। পাছে কোনো জন্ত বা সাপ বাসা আক্রমণ করে, সেইজন্য বাসায় ঢুকবার রাস্তা তলার দিকে। ** [[সুকুমার রায়]], পাখির বাসা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * বেড়ার ওপারের ঘাস সবসময় বেশি সবুজ হয় না। আসলে, এর সাথে বেড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। যেখানে জল দেওয়া হয়, সেখানকার ঘাসই সবচেয়ে সবুজ হয়। বেড়া পার হওয়ার সময় সাথে জল রাখুন এবং যেখানেই থাকুন না কেন, সেখানকার ঘাসের যত্ন নিন। ** রবার্ট ফুলগাম, ''ইট ওয়াজ অন ফায়ার হোয়েন আই লে ডাউন অন ইট'' (১৯৮৮) * মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান]) * সমস্ত প্রাণীই ঘাসের মতো, এবং তার সৌন্দর্য মাঠের ফুলের ন্যায়। ঘাস শুকিয়ে যায়, ফুল ঝরে যায়, কারণ প্রভুর আত্মা তার উপর দিয়ে বয়ে যায়; নিশ্চয়ই মানুষ ঘাসের মতো। ** [https://en.wikisource.org/wiki/Bible_(King_James)/Isaiah#40:6-7 যিশাইয় ৪০:৬-৭], [[w:কিং জেমস সংস্করণ|কিং জেমস বাইবেল]] * কাব্যলোকে বাস না করলে বাস কি করব ইতিহাসলোকে, না দর্শনলোক, না ডাক্তারদের ছেঁড়া-খোঁড়ার শবলোকে? আর এ সব কোনও লোকেই যদি বাস না করি তবে তো নেমে আসবও সেই লোকে – গাধা গরু যেখানে ঘাস চিবোয় আর জাবর কাটে। ** [[সৈয়দ মুজতবা আলী]], শবনম, দ্বিতীয় খণ্ড, অধ্যায় সাত, পৃ. ১০৮, ৬ষ্ঠ মুদ্রণ (২০০৮), স্টুডেন্ট ওয়েজ, ঢাকা * আমরা ঘাস মাড়াই আর মে মাসের ফুলকে কদর করি,<br>অথচ ফুল ঝরে গেলেও ঘাস সবুজই থাকে। ** রবার্ট সাউথওয়েল, ''স্কর্ন নট দ্য লিস্ট'' * আমি এই অঘ্রাণেরে ভালোবাসি—বিকেলের এই রঙ—রঙের শূন্যতা<br/>রোদের নরম রোম—ঢালু মাঠ—বিবর্ণ বাদামি পাখি—হলুদ বিচালি<br/>পাতা কুড়াবার দিন ঘাসে-ঘাসে—কুড়ুনির মুখে তাই নাই কোনো কথা। **[[জীবনানন্দ দাশ]], জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড) - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- বেঙ্গল পাবলিশার্স, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * একটি শিশু দু’হাত ভর্তি ঘাস আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, “ঘাসটা কী?”<br>আমি শিশুটিকে কী উত্তর দেব? সে যেমন জানে না, আমিও তার চেয়ে বেশি জানি না।<br>আমার মনে হয়, এটা নিশ্চয়ই আমার স্বভাবের পতাকা, যা আশার সবুজ উপাদান দিয়ে বোনা। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৬) (১৮৫৫-১৮৮১) * সবুজ ঘাসে রোদের পাশে আলোর কেরামতি,<br>রঙিন বেশে, রঙিন ফুলে রঙিন প্রজাপতি! ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * মহৎ ব্যক্তির গুণাবলী বাতাসের মতো; সাধারণ মানুষের গুণাবলী ঘাসের মতো—হাওয়া বয়ে গেলে ঘাস নুয়ে পড়ে। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ৮, ''দ্য ভিলেজ'' * গাছের তাজ পাতা ও কচি ঘাস যে-সকল ফড়িঙের খাদ্য, তাহারা প্রায়ই সবুজ রঙের হয় এবং মাঠের শুক্‌নো ঘাস ও খড়ের মধ্যে যাহারা লুকাইয়া থাকে, তাহাদের রঙ্ মাটি ও শুক্‌নো ঘাসের রঙের মত হয়। পাখী ব্যাঙ্ প্রভৃতি প্রাণীরা ফড়িঙের পরম শত্রু। তাই ঘাস পাতার সঙ্গে রঙ্ মিলাইয়া ইহারা শত্রুদের ফাঁকি দেয়। **[[জগদানন্দ রায়]], ফড়িং, পোকা-মাকড়— জগদানন্দ রায়, প্রকাশক— ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল— ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩১৮ * আমরা ধন্য হতাম যদি সর্বদা বর্তমানেই বাঁচতাম এবং আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া প্রতিটি সুযোগের সদ্ব্যবহার করতাম, ঠিক যেন সেই ঘাসের মতো যা তার উপর পড়া সামান্যতম শিশিরের প্রভাবও স্বীকার করে নেয়। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ১৭, ''স্প্রিং'' * অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে। ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * আমি বিশ্বাস করি, ঘাসের একটি পাতাও নক্ষত্রদের যাত্রাপথ থেকে কোনো অংশে কম নয়। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৩১) (১৮৫৫-১৮৮১) * তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষা গরু,<br/>শিখিনি সিং বাঁকানো,<br/>কেবল খাবো খোল, বিচিলি ঘাস্।৷<br/>যেন রাঙা আমলা, তুলে মামলা,<br/>গামলা ভাঙে না,<br/>আমরা ভুসি পেলেই খুশি হব,<br/>ঘুসি খেলে বাঁচব না।৷ ** [[ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত]], নীলকর, কবিতাসংগ্রহ - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, সম্পাদনা- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * সে আমাকে বলেছিল বাঁধের উপর ঘাসের মতো জীবনটাকে সহজভাবে নিতে;<br>কিন্তু আমি ছিলাম তরুণ ও নির্বোধ, আর এখন আমার মন অশ্রুতে পূর্ণ। ** [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]], ''ক্রসওয়েজ'' (১৮৮৯), "ডাউন বাই দ্য স্যালি গার্ডেনস"। * উটের শরীরটিকে মরুভূমির উপযোগী করিয়াই গড়া হইয়াছে। চ্যাটাল চ্যাটাল পা, তার আষ্টেপৃষ্টে কড়ায় ঢাকা-ঝামা দিয়া ঘসিলেও তাহাতে ফোস্কা পড়ে না। ক্ষুধা নাই, তৃষ্ণা নাই—এক পেট ঘাস খাইয়া তিন দিন উপোস থাকে—এক ঢোক জল লইয়া সারাদিন পথ চলে। ** [[সুকুমার রায়]], মরুর দেশে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * অবশেষে সব কবরের উপরে ঘাস গজায়। ** জুলিয়া সিআর ডর, ''গ্রাস গ্রোন'', [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * হাট করতে চলে মেয়ে ঘাসের আঁঠি মাথায়,<br>তখন মনে হঠাৎ এসে এই বেদনাই বাজে—<br>ঠাঁই রবে না কোনােকালেই ঐ যা-কিছুর মাঝে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পিছু-ডাকা, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৯৩ * এক দেশে হোক বা অন্য দেশে, ঘাসের একটি পাতা সবসময়ই ঘাসের একটি পাতাই থাকে। ** [[স্যামুয়েল জনসন]], মিসেস পিওজির জনসনের উপাখ্যান , পৃষ্ঠা ১০০, [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * এখানে গাছের পাতা যেতেছে হলুদ হয়ে—নিঃশব্দে উল্কার মতাে ঝ’রে<br/>একদিন তুমি এসে তবু এই হলুদ আঁচল রেখে ঘাসের ভিতরে<br/>শান্তি পাবে; সন্ধ্যার জলের দিকে শূন্য চোখে রবেনাকো তাকিয়ে এমন<br/>অস্পষ্ট সংকটে এসে—মুখে কথা ফুরােবে না—এখন যা গভীর গােপন<br/>প্রাণের চারুণা পাবে অন্ধকারে; ব্যাপ্তি পাবে; ** [[জীবনানন্দ দাশ]], নদী নক্ষত্র মানুষ, বনলতা সেন - [[জীবনানন্দ দাশ]], কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * সবুজ ঘাস স্রোতের মতো বয়ে যায়<br/>সাগরের নীলিমায়। ** জেমস রাসেল লোয়েল, ''দ্য সাইরেন্স'', লাইন ৮৭,[https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Grass}} [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভিদ]] 2v6fqw90bfabne08dqqar4k4dozzo4b 81642 81640 2026-04-27T13:28:56Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81642 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঘাস|ঘাস]]''' বা '''তৃণ''' হলো একবীজপত্রী তৃণজাতীয় উদ্ভিদ, যার গোড়া থেকে সরু পাতা গজায়। বিভিন্ন ধরনের ফসল যেমন ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি ঘাস বা তৃণ জাতীয় উদ্ভিদ। যতো রকম গাছ আছে তার ভেতর ঘাসের ভূমিকাই প্রাণিদের জীবনে সবচেয়ে বেশি। জলে, ডাঙ্গায়, পাহাড়, মরু অঞ্চল সব জায়গাতেই ঘাস দেখতে পাওয়া যায়। এমনকি বরফে ঢাকা তুন্দ্রা অঞ্চলও ঘাস জন্মে। পৃথিবীর সমগ্র সবুজ অঞ্চলের প্রায় শতকরা ২০ভাগ ঘাস দিয়ে আবৃত। এ যাবৎ প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির ঘাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। == উক্তি == * ঘাসের বনে আনন্দে আজ<br>সবুজ ফড়িং লাফিয়ে আসে,<br>আমার মনের চপল ফড়িং<br>ঘুরছে তাহার আশে-পাশে। ** [[সুনির্মল বসু]], সবুজ-ফড়িং, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০ * সুন্দরভাবে ছাঁটা সবুজ ঘাসের চেয়ে চোখের জন্য মনোরম আর কিছুই নেই। ** [[ফ্রান্সিস বেকন]], প্রবন্ধ (১৬২৫), ''অফ গর্ডেন'' * এসেছে শরৎ, হিমের পরশ<br>লেগেছে হাওয়ার ’পরে।<br>সকাল বেলায় ঘাসের আগায়<br>[[শিশির|শিশিরের]] রেখা ধরে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], চিত্রবিচিত্র - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫ * সেপটিক ট্যাংকের ওপরের ঘাস সবসময়ই বেশি সবুজ মনে হয়। ** এরমা বোমবেক, ''টাইটেল অফ বুক'' (১৯৭৬)। * হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশ‍ু এক উঠানের ঘাসে;<br>র‍ূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালে<br>ডিঙা বায়;— ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * প্রিয়, আজই পাতা আর ঘাস সংগ্রহ করো;<br>কারণ শরৎকাল<br>শীঘ্রই বিদায় নেবে।<br>হাড় কাঁপানো বাতাস বইছে।<br>শীঘ্রই বরফ পড়বে। ** জন হেনরি বোনার , ''গেদার লিভস অ্যান্ড গ্রাসেস'', ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস'', ১০ম সংস্করণ (১৯১৯)-এ উল্লিখিত * পক্ষীর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এড়াইয়া জীবিত থাকিবার জন্যই ঘাসের ভিতরকার ফড়িঙের রঙ্ সবুজ এবং শুষ্ক তৃণমধ্যস্থ ফড়িঙের রঙ্ পাটল হইয়াছে। ** [[জগদানন্দ রায়]], প্রকৃতির বর্ণ-বৈচিত্র্য, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৫ * গাছকে দেখে আমি ধৈর্যের অর্থ বুঝি। ঘাসকে দেখে আমি অধ্যবসায়ের কদর করতে পারি। ** হাল বোরল্যান্ড, ''কান্ট্রিম্যান: এ সামারি অফ বিলিফ'' * এ গ্রামের পাশে মজা নদী বারো মাস<br>বর্ষায় আজ বিদ্রোহ বুঝি করে,<br>গোয়ালে পাঠায় ইশারা সবুজ ঘাস<br>এ গ্রাম নতুন সবুজ ঘাগরা পরে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চিরদিনের, সুকান্ত সমগ্র, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৯ * এই পৃথিবীতে এমন একটিও ছোট্ট ঘাসের ডগা নেই, এমন কোনো রঙ নেই যা মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্য নয়। ** জন ক্যালভিন, টমাস এফ. টিয়ারনি-র ''দ্য ভ্যালু অফ কনভিনিয়েন্স: জিনোলজি অফ টেকনিক্যাল কালচার'' (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১২৮ * খায় না সে দানাপানি—ঘাস পাতা বিচালি,<br>খায় না সে ছোলা ছাতু ময়দা কি পিঠালি; ** [[সুকুমার রায়]], ট্যাঁশ্ গরু, আবোল তাবোল, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * যদি সিমেন্টের মধ্য দিয়েও ঘাস গজাতে পারে, তবে ভালোবাসা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আপনাকে খুঁজে নিতে পারে। ** শের (শেরিলিন সার্কিসিয়ান), ''দ্য টাইমস''- এ উদ্ধৃত, ৩০ মে ১৯৯৮ *আমি এ ঘাসের বুকে শ‍ুয়ে থাকি—শালিখ নিয়েছে নিঙড়ায়ে<br>নরম হলুদ পায়ে এই ঘাস; এ সবুজ ঘাসের ভিতরে<br>সোঁদা ধুলো শ‍ুয়ে আছে—কাঁচের মতন পাখা এ ঘাসের গায়ে<br>ভেরেণ্‍ডাফুলের নীল ভোমরারা বুলাতেছে—শাদা স্তন ঝরে<br>করবীর: কোন্ এক কিশোরী এসে ছিঁড়ে নিয়ে চ’লে গেছে ফুল,<br>তাই দুধ ঝরিতেছে করবীর ঘাসে ঘাসে: নরম ব্যাকুল। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮ * পৃথিবীতে প্রতিটি ঘাসের পাতারই একটি নির্দিষ্ট স্থান আছে, যেখান থেকে সে তার জীবন ও শক্তি আহরণ করে; তেমনি মানুষও সেই ভূমিতে প্রোথিত, যেখান থেকে সে তার জীবনের পাশাপাশি বিশ্বাসও আহরণ করে। ** জোসেফ কনরাড, ''লর্ড জিম'', অধ্যায় ২১ * মৌমাছি সে গুনগুনিয়ে<br/>খুঁজে বেড়ায় কা’কে,<br/>ঘাসের মধ্যে ঝিঁঝিঁ করে<br/>ঝিঁঝিঁ পোক ডাকে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], সাত ভাই চম্পা, কড়ি ও কোমল-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- পীপ্‌ল্‌স লাইব্রেরি, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৯৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮১ * আপনি হয়তো পুরো বিশ্বকে অ্যাসফল্ট দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন, কিন্তু আজ হোক বা কাল হোক, সবুজ ঘাস ঠিকই বেরিয়ে আসবে। ** ইলিয়া এরেনবার্গ, প্যাট্রিসিয়া ব্লেক কর্তৃক ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস বুক রিভিউ''- তে লিখিত, ২২ অক্টোবর ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১ * বাবুই পাখির বাসা তোমরা অনেকেই দেখেছ বোধ হয়। কেমন সন্দর করে শুকনো ঘাস দিয়ে বুনে তার বাসাটি সে তৈরি করে। পাছে কোনো জন্ত বা সাপ বাসা আক্রমণ করে, সেইজন্য বাসায় ঢুকবার রাস্তা তলার দিকে। ** [[সুকুমার রায়]], পাখির বাসা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * বেড়ার ওপারের ঘাস সবসময় বেশি সবুজ হয় না। আসলে, এর সাথে বেড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। যেখানে জল দেওয়া হয়, সেখানকার ঘাসই সবচেয়ে সবুজ হয়। বেড়া পার হওয়ার সময় সাথে জল রাখুন এবং যেখানেই থাকুন না কেন, সেখানকার ঘাসের যত্ন নিন। ** রবার্ট ফুলগাম, ''ইট ওয়াজ অন ফায়ার হোয়েন আই লে ডাউন অন ইট'' (১৯৮৮) * মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান]) * সমস্ত প্রাণীই ঘাসের মতো, এবং তার সৌন্দর্য মাঠের ফুলের ন্যায়। ঘাস শুকিয়ে যায়, ফুল ঝরে যায়, কারণ প্রভুর আত্মা তার উপর দিয়ে বয়ে যায়; নিশ্চয়ই মানুষ ঘাসের মতো। ** [https://en.wikisource.org/wiki/Bible_(King_James)/Isaiah#40:6-7 যিশাইয় ৪০:৬-৭], [[w:কিং জেমস সংস্করণ|কিং জেমস বাইবেল]] * কাব্যলোকে বাস না করলে বাস কি করব ইতিহাসলোকে, না দর্শনলোক, না ডাক্তারদের ছেঁড়া-খোঁড়ার শবলোকে? আর এ সব কোনও লোকেই যদি বাস না করি তবে তো নেমে আসবও সেই লোকে – গাধা গরু যেখানে ঘাস চিবোয় আর জাবর কাটে। ** [[সৈয়দ মুজতবা আলী]], শবনম, দ্বিতীয় খণ্ড, অধ্যায় সাত, পৃ. ১০৮, ৬ষ্ঠ মুদ্রণ (২০০৮), স্টুডেন্ট ওয়েজ, ঢাকা * আমরা ঘাস মাড়াই আর মে মাসের ফুলকে কদর করি,<br>অথচ ফুল ঝরে গেলেও ঘাস সবুজই থাকে। ** রবার্ট সাউথওয়েল, ''স্কর্ন নট দ্য লিস্ট'' * আমি এই অঘ্রাণেরে ভালোবাসি—বিকেলের এই রঙ—রঙের শূন্যতা<br/>রোদের নরম রোম—ঢালু মাঠ—বিবর্ণ বাদামি পাখি—হলুদ বিচালি<br/>পাতা কুড়াবার দিন ঘাসে-ঘাসে—কুড়ুনির মুখে তাই নাই কোনো কথা। **[[জীবনানন্দ দাশ]], জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড) - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- বেঙ্গল পাবলিশার্স, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * একটি শিশু দু’হাত ভর্তি ঘাস আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, “ঘাসটা কী?”<br>আমি শিশুটিকে কী উত্তর দেব? সে যেমন জানে না, আমিও তার চেয়ে বেশি জানি না।<br>আমার মনে হয়, এটা নিশ্চয়ই আমার স্বভাবের পতাকা, যা আশার সবুজ উপাদান দিয়ে বোনা। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৬) (১৮৫৫-১৮৮১) * সবুজ ঘাসে রোদের পাশে আলোর কেরামতি,<br>রঙিন বেশে, রঙিন ফুলে রঙিন প্রজাপতি! ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * মহৎ ব্যক্তির গুণাবলী বাতাসের মতো; সাধারণ মানুষের গুণাবলী ঘাসের মতো—হাওয়া বয়ে গেলে ঘাস নুয়ে পড়ে। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ৮, ''দ্য ভিলেজ'' * গাছের তাজ পাতা ও কচি ঘাস যে-সকল ফড়িঙের খাদ্য, তাহারা প্রায়ই সবুজ রঙের হয় এবং মাঠের শুক্‌নো ঘাস ও খড়ের মধ্যে যাহারা লুকাইয়া থাকে, তাহাদের রঙ্ মাটি ও শুক্‌নো ঘাসের রঙের মত হয়। পাখী ব্যাঙ্ প্রভৃতি প্রাণীরা ফড়িঙের পরম শত্রু। তাই ঘাস পাতার সঙ্গে রঙ্ মিলাইয়া ইহারা শত্রুদের ফাঁকি দেয়। **[[জগদানন্দ রায়]], ফড়িং, পোকা-মাকড়— জগদানন্দ রায়, প্রকাশক— ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল— ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩১৮ * আমরা ধন্য হতাম যদি সর্বদা বর্তমানেই বাঁচতাম এবং আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া প্রতিটি সুযোগের সদ্ব্যবহার করতাম, ঠিক যেন সেই ঘাসের মতো যা তার উপর পড়া সামান্যতম শিশিরের প্রভাবও স্বীকার করে নেয়। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ১৭, ''স্প্রিং'' * অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে। ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * আমি বিশ্বাস করি, ঘাসের একটি পাতাও নক্ষত্রদের যাত্রাপথ থেকে কোনো অংশে কম নয়। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৩১) (১৮৫৫-১৮৮১) * তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষা গরু,<br/>শিখিনি সিং বাঁকানো,<br/>কেবল খাবো খোল, বিচিলি ঘাস্।৷<br/>যেন রাঙা আমলা, তুলে মামলা,<br/>গামলা ভাঙে না,<br/>আমরা ভুসি পেলেই খুশি হব,<br/>ঘুসি খেলে বাঁচব না।৷ ** [[ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত]], নীলকর, কবিতাসংগ্রহ - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, সম্পাদনা- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * সে আমাকে বলেছিল বাঁধের উপর ঘাসের মতো জীবনটাকে সহজভাবে নিতে;<br>কিন্তু আমি ছিলাম তরুণ ও নির্বোধ, আর এখন আমার মন অশ্রুতে পূর্ণ। ** [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]], ''ক্রসওয়েজ'' (১৮৮৯), "ডাউন বাই দ্য স্যালি গার্ডেনস"। * উটের শরীরটিকে মরুভূমির উপযোগী করিয়াই গড়া হইয়াছে। চ্যাটাল চ্যাটাল পা, তার আষ্টেপৃষ্টে কড়ায় ঢাকা-ঝামা দিয়া ঘসিলেও তাহাতে ফোস্কা পড়ে না। ক্ষুধা নাই, তৃষ্ণা নাই—এক পেট ঘাস খাইয়া তিন দিন উপোস থাকে—এক ঢোক জল লইয়া সারাদিন পথ চলে। ** [[সুকুমার রায়]], মরুর দেশে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * অবশেষে সব কবরের উপরে ঘাস গজায়। ** জুলিয়া সিআর ডর, ''গ্রাস গ্রোন'', [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * হাট করতে চলে মেয়ে ঘাসের আঁঠি মাথায়,<br>তখন মনে হঠাৎ এসে এই বেদনাই বাজে—<br>ঠাঁই রবে না কোনােকালেই ঐ যা-কিছুর মাঝে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পিছু-ডাকা, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৯৩ * এক দেশে হোক বা অন্য দেশে, ঘাসের একটি পাতা সবসময়ই ঘাসের একটি পাতাই থাকে। ** [[স্যামুয়েল জনসন]], মিসেস পিওজির জনসনের উপাখ্যান , পৃষ্ঠা ১০০, [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * এখানে গাছের পাতা যেতেছে হলুদ হয়ে—নিঃশব্দে উল্কার মতাে ঝ’রে<br/>একদিন তুমি এসে তবু এই হলুদ আঁচল রেখে ঘাসের ভিতরে<br/>শান্তি পাবে; সন্ধ্যার জলের দিকে শূন্য চোখে রবেনাকো তাকিয়ে এমন<br/>অস্পষ্ট সংকটে এসে—মুখে কথা ফুরােবে না—এখন যা গভীর গােপন<br/>প্রাণের চারুণা পাবে অন্ধকারে; ব্যাপ্তি পাবে; ** [[জীবনানন্দ দাশ]], নদী নক্ষত্র মানুষ, বনলতা সেন - [[জীবনানন্দ দাশ]], কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * সবুজ ঘাস স্রোতের মতো বয়ে যায়<br/>সাগরের নীলিমায়। ** জেমস রাসেল লোয়েল, ''দ্য সাইরেন্স'', লাইন ৮৭,[https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * রামচন্দ্রের তেরটি হনু ঘাস খায়, আর একটা হনু ঘাস খায় না। শ্রী রামচন্দ্র সেই হনুটাকে বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো কোন প্রকারে ঘাস খায় না, তখন শ্রী রামচন্দ্র বৃক্ষ হইতে অবতরণ পূর্ব্বক বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো তথাপি ঘাস খায় না। তখন শ্রী রামচন্দ্র ক্রুদ্ধ হইয়া গালি দিতে লাগিলেন, ‘ওরে দুর্ব্বৃত্ত দশানন! ওরে লম্বোদর গজানন! ওরে মলিম্লচ! ওরে জরদ্গব! ওরে পাষণ্ড! ঘাস খা।” ** রাজনারায়ণ বসু, গ্রাম্য উপাখ্যান - রাজনারায়ণ বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৪ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Grass}} [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভিদ]] 3xotb7z9tn1wcngo1ylqc87x8zh9uej 81643 81642 2026-04-27T13:39:30Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81643 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঘাস|ঘাস]]''' বা '''তৃণ''' হলো একবীজপত্রী তৃণজাতীয় উদ্ভিদ, যার গোড়া থেকে সরু পাতা গজায়। বিভিন্ন ধরনের ফসল যেমন ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি ঘাস বা তৃণ জাতীয় উদ্ভিদ। যতো রকম গাছ আছে তার ভেতর ঘাসের ভূমিকাই প্রাণিদের জীবনে সবচেয়ে বেশি। জলে, ডাঙ্গায়, পাহাড়, মরু অঞ্চল সব জায়গাতেই ঘাস দেখতে পাওয়া যায়। এমনকি বরফে ঢাকা তুন্দ্রা অঞ্চলও ঘাস জন্মে। পৃথিবীর সমগ্র সবুজ অঞ্চলের প্রায় শতকরা ২০ভাগ ঘাস দিয়ে আবৃত। এ যাবৎ প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির ঘাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। == উক্তি == * ঘাসের বনে আনন্দে আজ<br>সবুজ ফড়িং লাফিয়ে আসে,<br>আমার মনের চপল ফড়িং<br>ঘুরছে তাহার আশে-পাশে। ** [[সুনির্মল বসু]], সবুজ-ফড়িং, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০ * সুন্দরভাবে ছাঁটা সবুজ ঘাসের চেয়ে চোখের জন্য মনোরম আর কিছুই নেই। ** [[ফ্রান্সিস বেকন]], প্রবন্ধ (১৬২৫), ''অফ গর্ডেন'' * এসেছে শরৎ, হিমের পরশ<br>লেগেছে হাওয়ার ’পরে।<br>সকাল বেলায় ঘাসের আগায়<br>[[শিশির|শিশিরের]] রেখা ধরে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], চিত্রবিচিত্র - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫ * সেপটিক ট্যাংকের ওপরের ঘাস সবসময়ই বেশি সবুজ মনে হয়। ** এরমা বোমবেক, ''টাইটেল অফ বুক'' (১৯৭৬)। * হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশ‍ু এক উঠানের ঘাসে;<br>র‍ূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালে<br>ডিঙা বায়;— ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * প্রিয়, আজই পাতা আর ঘাস সংগ্রহ করো;<br>কারণ শরৎকাল<br>শীঘ্রই বিদায় নেবে।<br>হাড় কাঁপানো বাতাস বইছে।<br>শীঘ্রই বরফ পড়বে। ** জন হেনরি বোনার , ''গেদার লিভস অ্যান্ড গ্রাসেস'', ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস'', ১০ম সংস্করণ (১৯১৯)-এ উল্লিখিত * পক্ষীর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এড়াইয়া জীবিত থাকিবার জন্যই ঘাসের ভিতরকার ফড়িঙের রঙ্ সবুজ এবং শুষ্ক তৃণমধ্যস্থ ফড়িঙের রঙ্ পাটল হইয়াছে। ** [[জগদানন্দ রায়]], প্রকৃতির বর্ণ-বৈচিত্র্য, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৫ * গাছকে দেখে আমি ধৈর্যের অর্থ বুঝি। ঘাসকে দেখে আমি অধ্যবসায়ের কদর করতে পারি। ** হাল বোরল্যান্ড, ''কান্ট্রিম্যান: এ সামারি অফ বিলিফ'' * এ গ্রামের পাশে মজা নদী বারো মাস<br>বর্ষায় আজ বিদ্রোহ বুঝি করে,<br>গোয়ালে পাঠায় ইশারা সবুজ ঘাস<br>এ গ্রাম নতুন সবুজ ঘাগরা পরে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চিরদিনের, সুকান্ত সমগ্র, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৯ * এই পৃথিবীতে এমন একটিও ছোট্ট ঘাসের ডগা নেই, এমন কোনো রঙ নেই যা মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্য নয়। ** জন ক্যালভিন, টমাস এফ. টিয়ারনি-র ''দ্য ভ্যালু অফ কনভিনিয়েন্স: জিনোলজি অফ টেকনিক্যাল কালচার'' (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১২৮ * খায় না সে দানাপানি—ঘাস পাতা বিচালি,<br>খায় না সে ছোলা ছাতু ময়দা কি পিঠালি; ** [[সুকুমার রায়]], ট্যাঁশ্ গরু, আবোল তাবোল, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * যদি সিমেন্টের মধ্য দিয়েও ঘাস গজাতে পারে, তবে ভালোবাসা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আপনাকে খুঁজে নিতে পারে। ** শের (শেরিলিন সার্কিসিয়ান), ''দ্য টাইমস''- এ উদ্ধৃত, ৩০ মে ১৯৯৮ *আমি এ ঘাসের বুকে শ‍ুয়ে থাকি—শালিখ নিয়েছে নিঙড়ায়ে<br>নরম হলুদ পায়ে এই ঘাস; এ সবুজ ঘাসের ভিতরে<br>সোঁদা ধুলো শ‍ুয়ে আছে—কাঁচের মতন পাখা এ ঘাসের গায়ে<br>ভেরেণ্‍ডাফুলের নীল ভোমরারা বুলাতেছে—শাদা স্তন ঝরে<br>করবীর: কোন্ এক কিশোরী এসে ছিঁড়ে নিয়ে চ’লে গেছে ফুল,<br>তাই দুধ ঝরিতেছে করবীর ঘাসে ঘাসে: নরম ব্যাকুল। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮ * পৃথিবীতে প্রতিটি ঘাসের পাতারই একটি নির্দিষ্ট স্থান আছে, যেখান থেকে সে তার জীবন ও শক্তি আহরণ করে; তেমনি মানুষও সেই ভূমিতে প্রোথিত, যেখান থেকে সে তার জীবনের পাশাপাশি বিশ্বাসও আহরণ করে। ** জোসেফ কনরাড, ''লর্ড জিম'', অধ্যায় ২১ * মৌমাছি সে গুনগুনিয়ে<br/>খুঁজে বেড়ায় কা’কে,<br/>ঘাসের মধ্যে ঝিঁঝিঁ করে<br/>ঝিঁঝিঁ পোক ডাকে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], সাত ভাই চম্পা, কড়ি ও কোমল-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- পীপ্‌ল্‌স লাইব্রেরি, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৯৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮১ * আপনি হয়তো পুরো বিশ্বকে অ্যাসফল্ট দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন, কিন্তু আজ হোক বা কাল হোক, সবুজ ঘাস ঠিকই বেরিয়ে আসবে। ** ইলিয়া এরেনবার্গ, প্যাট্রিসিয়া ব্লেক কর্তৃক ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস বুক রিভিউ''- তে লিখিত, ২২ অক্টোবর ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১ * বাবুই পাখির বাসা তোমরা অনেকেই দেখেছ বোধ হয়। কেমন সন্দর করে শুকনো ঘাস দিয়ে বুনে তার বাসাটি সে তৈরি করে। পাছে কোনো জন্ত বা সাপ বাসা আক্রমণ করে, সেইজন্য বাসায় ঢুকবার রাস্তা তলার দিকে। ** [[সুকুমার রায়]], পাখির বাসা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * বেড়ার ওপারের ঘাস সবসময় বেশি সবুজ হয় না। আসলে, এর সাথে বেড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। যেখানে জল দেওয়া হয়, সেখানকার ঘাসই সবচেয়ে সবুজ হয়। বেড়া পার হওয়ার সময় সাথে জল রাখুন এবং যেখানেই থাকুন না কেন, সেখানকার ঘাসের যত্ন নিন। ** রবার্ট ফুলগাম, ''ইট ওয়াজ অন ফায়ার হোয়েন আই লে ডাউন অন ইট'' (১৯৮৮) * মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান]) * সমস্ত প্রাণীই ঘাসের মতো, এবং তার সৌন্দর্য মাঠের ফুলের ন্যায়। ঘাস শুকিয়ে যায়, ফুল ঝরে যায়, কারণ প্রভুর আত্মা তার উপর দিয়ে বয়ে যায়; নিশ্চয়ই মানুষ ঘাসের মতো। ** [https://en.wikisource.org/wiki/Bible_(King_James)/Isaiah#40:6-7 যিশাইয় ৪০:৬-৭], [[w:কিং জেমস সংস্করণ|কিং জেমস বাইবেল]] * কাব্যলোকে বাস না করলে বাস কি করব ইতিহাসলোকে, না দর্শনলোক, না ডাক্তারদের ছেঁড়া-খোঁড়ার শবলোকে? আর এ সব কোনও লোকেই যদি বাস না করি তবে তো নেমে আসবও সেই লোকে – গাধা গরু যেখানে ঘাস চিবোয় আর জাবর কাটে। ** [[সৈয়দ মুজতবা আলী]], শবনম, দ্বিতীয় খণ্ড, অধ্যায় সাত, পৃ. ১০৮, ৬ষ্ঠ মুদ্রণ (২০০৮), স্টুডেন্ট ওয়েজ, ঢাকা * আমরা ঘাস মাড়াই আর মে মাসের ফুলকে কদর করি,<br>অথচ ফুল ঝরে গেলেও ঘাস সবুজই থাকে। ** রবার্ট সাউথওয়েল, ''স্কর্ন নট দ্য লিস্ট'' * আমি এই অঘ্রাণেরে ভালোবাসি—বিকেলের এই রঙ—রঙের শূন্যতা<br/>রোদের নরম রোম—ঢালু মাঠ—বিবর্ণ বাদামি পাখি—হলুদ বিচালি<br/>পাতা কুড়াবার দিন ঘাসে-ঘাসে—কুড়ুনির মুখে তাই নাই কোনো কথা। **[[জীবনানন্দ দাশ]], জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড) - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- বেঙ্গল পাবলিশার্স, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * সকল ঘাস ধান হয় না। পৃথিবীতে ঘাসই প্রায় সমস্ত, ধান অল্পই। কিন্তু ঘাস যেন আপনার স্বাভাবিক নিস্ফলতা লইয়া বিলাপ না করে– সে যেন স্মরণ করে যে, পৃথিবীর শুষ্কধূলিকে সে শ্যামলতার দ্বারা আচ্ছন্ন করিতেছে, রৌদ্রতাপকে সে চিরপ্রসন্ন স্নিগ্ধতার দ্বারা কোমল করিয়া লইতেছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পনেরাে-আনা, বিচিত্র প্রবন্ধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৫ * একটি শিশু দু’হাত ভর্তি ঘাস আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, “ঘাসটা কী?”<br>আমি শিশুটিকে কী উত্তর দেব? সে যেমন জানে না, আমিও তার চেয়ে বেশি জানি না।<br>আমার মনে হয়, এটা নিশ্চয়ই আমার স্বভাবের পতাকা, যা আশার সবুজ উপাদান দিয়ে বোনা। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৬) (১৮৫৫-১৮৮১) * সবুজ ঘাসে রোদের পাশে আলোর কেরামতি,<br>রঙিন বেশে, রঙিন ফুলে রঙিন প্রজাপতি! ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * মহৎ ব্যক্তির গুণাবলী বাতাসের মতো; সাধারণ মানুষের গুণাবলী ঘাসের মতো—হাওয়া বয়ে গেলে ঘাস নুয়ে পড়ে। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ৮, ''দ্য ভিলেজ'' * গাছের তাজ পাতা ও কচি ঘাস যে-সকল ফড়িঙের খাদ্য, তাহারা প্রায়ই সবুজ রঙের হয় এবং মাঠের শুক্‌নো ঘাস ও খড়ের মধ্যে যাহারা লুকাইয়া থাকে, তাহাদের রঙ্ মাটি ও শুক্‌নো ঘাসের রঙের মত হয়। পাখী ব্যাঙ্ প্রভৃতি প্রাণীরা ফড়িঙের পরম শত্রু। তাই ঘাস পাতার সঙ্গে রঙ্ মিলাইয়া ইহারা শত্রুদের ফাঁকি দেয়। **[[জগদানন্দ রায়]], ফড়িং, পোকা-মাকড়— জগদানন্দ রায়, প্রকাশক— ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল— ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩১৮ * আমরা ধন্য হতাম যদি সর্বদা বর্তমানেই বাঁচতাম এবং আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া প্রতিটি সুযোগের সদ্ব্যবহার করতাম, ঠিক যেন সেই ঘাসের মতো যা তার উপর পড়া সামান্যতম শিশিরের প্রভাবও স্বীকার করে নেয়। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ১৭, ''স্প্রিং'' * অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে। ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * আমি বিশ্বাস করি, ঘাসের একটি পাতাও নক্ষত্রদের যাত্রাপথ থেকে কোনো অংশে কম নয়। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৩১) (১৮৫৫-১৮৮১) * তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষা গরু,<br/>শিখিনি সিং বাঁকানো,<br/>কেবল খাবো খোল, বিচিলি ঘাস্।৷<br/>যেন রাঙা আমলা, তুলে মামলা,<br/>গামলা ভাঙে না,<br/>আমরা ভুসি পেলেই খুশি হব,<br/>ঘুসি খেলে বাঁচব না।৷ ** [[ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত]], নীলকর, কবিতাসংগ্রহ - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, সম্পাদনা- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * সে আমাকে বলেছিল বাঁধের উপর ঘাসের মতো জীবনটাকে সহজভাবে নিতে;<br>কিন্তু আমি ছিলাম তরুণ ও নির্বোধ, আর এখন আমার মন অশ্রুতে পূর্ণ। ** [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]], ''ক্রসওয়েজ'' (১৮৮৯), "ডাউন বাই দ্য স্যালি গার্ডেনস"। * উটের শরীরটিকে মরুভূমির উপযোগী করিয়াই গড়া হইয়াছে। চ্যাটাল চ্যাটাল পা, তার আষ্টেপৃষ্টে কড়ায় ঢাকা-ঝামা দিয়া ঘসিলেও তাহাতে ফোস্কা পড়ে না। ক্ষুধা নাই, তৃষ্ণা নাই—এক পেট ঘাস খাইয়া তিন দিন উপোস থাকে—এক ঢোক জল লইয়া সারাদিন পথ চলে। ** [[সুকুমার রায়]], মরুর দেশে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * অবশেষে সব কবরের উপরে ঘাস গজায়। ** জুলিয়া সিআর ডর, ''গ্রাস গ্রোন'', [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * হাট করতে চলে মেয়ে ঘাসের আঁঠি মাথায়,<br>তখন মনে হঠাৎ এসে এই বেদনাই বাজে—<br>ঠাঁই রবে না কোনােকালেই ঐ যা-কিছুর মাঝে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পিছু-ডাকা, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৯৩ * এক দেশে হোক বা অন্য দেশে, ঘাসের একটি পাতা সবসময়ই ঘাসের একটি পাতাই থাকে। ** [[স্যামুয়েল জনসন]], মিসেস পিওজির জনসনের উপাখ্যান , পৃষ্ঠা ১০০, [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * এখানে গাছের পাতা যেতেছে হলুদ হয়ে—নিঃশব্দে উল্কার মতাে ঝ’রে<br/>একদিন তুমি এসে তবু এই হলুদ আঁচল রেখে ঘাসের ভিতরে<br/>শান্তি পাবে; সন্ধ্যার জলের দিকে শূন্য চোখে রবেনাকো তাকিয়ে এমন<br/>অস্পষ্ট সংকটে এসে—মুখে কথা ফুরােবে না—এখন যা গভীর গােপন<br/>প্রাণের চারুণা পাবে অন্ধকারে; ব্যাপ্তি পাবে; ** [[জীবনানন্দ দাশ]], নদী নক্ষত্র মানুষ, বনলতা সেন - [[জীবনানন্দ দাশ]], কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * সবুজ ঘাস স্রোতের মতো বয়ে যায়<br/>সাগরের নীলিমায়। ** জেমস রাসেল লোয়েল, ''দ্য সাইরেন্স'', লাইন ৮৭,[https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * রামচন্দ্রের তেরটি হনু ঘাস খায়, আর একটা হনু ঘাস খায় না। শ্রী রামচন্দ্র সেই হনুটাকে বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো কোন প্রকারে ঘাস খায় না, তখন শ্রী রামচন্দ্র বৃক্ষ হইতে অবতরণ পূর্ব্বক বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো তথাপি ঘাস খায় না। তখন শ্রী রামচন্দ্র ক্রুদ্ধ হইয়া গালি দিতে লাগিলেন, ‘ওরে দুর্ব্বৃত্ত দশানন! ওরে লম্বোদর গজানন! ওরে মলিম্লচ! ওরে জরদ্গব! ওরে পাষণ্ড! ঘাস খা।” ** রাজনারায়ণ বসু, গ্রাম্য উপাখ্যান - রাজনারায়ণ বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৪ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Grass}} [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভিদ]] dgkcqfciqaucrl8km3yo56hpou7fmoe 81645 81643 2026-04-27T13:47:29Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81645 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঘাস|ঘাস]]''' বা '''তৃণ''' হলো একবীজপত্রী তৃণজাতীয় উদ্ভিদ, যার গোড়া থেকে সরু পাতা গজায়। বিভিন্ন ধরনের ফসল যেমন ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি ঘাস বা তৃণ জাতীয় উদ্ভিদ। যতো রকম গাছ আছে তার ভেতর ঘাসের ভূমিকাই প্রাণিদের জীবনে সবচেয়ে বেশি। জলে, ডাঙ্গায়, পাহাড়, মরু অঞ্চল সব জায়গাতেই ঘাস দেখতে পাওয়া যায়। এমনকি বরফে ঢাকা তুন্দ্রা অঞ্চলও ঘাস জন্মে। পৃথিবীর সমগ্র সবুজ অঞ্চলের প্রায় শতকরা ২০ভাগ ঘাস দিয়ে আবৃত। এ যাবৎ প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির ঘাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। == উক্তি == * ঘাসের বনে আনন্দে আজ<br>সবুজ ফড়িং লাফিয়ে আসে,<br>আমার মনের চপল ফড়িং<br>ঘুরছে তাহার আশে-পাশে। ** [[সুনির্মল বসু]], সবুজ-ফড়িং, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০ * সুন্দরভাবে ছাঁটা সবুজ ঘাসের চেয়ে চোখের জন্য মনোরম আর কিছুই নেই। ** [[ফ্রান্সিস বেকন]], প্রবন্ধ (১৬২৫), ''অফ গর্ডেন'' * এসেছে শরৎ, হিমের পরশ<br>লেগেছে হাওয়ার ’পরে।<br>সকাল বেলায় ঘাসের আগায়<br>[[শিশির|শিশিরের]] রেখা ধরে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], চিত্রবিচিত্র - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫ * সেপটিক ট্যাংকের ওপরের ঘাস সবসময়ই বেশি সবুজ মনে হয়। ** এরমা বোমবেক, ''টাইটেল অফ বুক'' (১৯৭৬)। * হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশ‍ু এক উঠানের ঘাসে;<br>র‍ূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালে<br>ডিঙা বায়;— ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * প্রিয়, আজই পাতা আর ঘাস সংগ্রহ করো;<br>কারণ শরৎকাল<br>শীঘ্রই বিদায় নেবে।<br>হাড় কাঁপানো বাতাস বইছে।<br>শীঘ্রই বরফ পড়বে। ** জন হেনরি বোনার , ''গেদার লিভস অ্যান্ড গ্রাসেস'', ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস'', ১০ম সংস্করণ (১৯১৯)-এ উল্লিখিত * পক্ষীর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এড়াইয়া জীবিত থাকিবার জন্যই ঘাসের ভিতরকার ফড়িঙের রঙ্ সবুজ এবং শুষ্ক তৃণমধ্যস্থ ফড়িঙের রঙ্ পাটল হইয়াছে। ** [[জগদানন্দ রায়]], প্রকৃতির বর্ণ-বৈচিত্র্য, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৫ * গাছকে দেখে আমি ধৈর্যের অর্থ বুঝি। ঘাসকে দেখে আমি অধ্যবসায়ের কদর করতে পারি। ** হাল বোরল্যান্ড, ''কান্ট্রিম্যান: এ সামারি অফ বিলিফ'' * এ গ্রামের পাশে মজা নদী বারো মাস<br>বর্ষায় আজ বিদ্রোহ বুঝি করে,<br>গোয়ালে পাঠায় ইশারা সবুজ ঘাস<br>এ গ্রাম নতুন সবুজ ঘাগরা পরে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চিরদিনের, সুকান্ত সমগ্র, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৯ * এই পৃথিবীতে এমন একটিও ছোট্ট ঘাসের ডগা নেই, এমন কোনো রঙ নেই যা মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্য নয়। ** জন ক্যালভিন, টমাস এফ. টিয়ারনি-র ''দ্য ভ্যালু অফ কনভিনিয়েন্স: জিনোলজি অফ টেকনিক্যাল কালচার'' (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১২৮ * খায় না সে দানাপানি—ঘাস পাতা বিচালি,<br>খায় না সে ছোলা ছাতু ময়দা কি পিঠালি; ** [[সুকুমার রায়]], ট্যাঁশ্ গরু, আবোল তাবোল, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * যদি সিমেন্টের মধ্য দিয়েও ঘাস গজাতে পারে, তবে ভালোবাসা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আপনাকে খুঁজে নিতে পারে। ** শের (শেরিলিন সার্কিসিয়ান), ''দ্য টাইমস''- এ উদ্ধৃত, ৩০ মে ১৯৯৮ *আমি এ ঘাসের বুকে শ‍ুয়ে থাকি—শালিখ নিয়েছে নিঙড়ায়ে<br>নরম হলুদ পায়ে এই ঘাস; এ সবুজ ঘাসের ভিতরে<br>সোঁদা ধুলো শ‍ুয়ে আছে—কাঁচের মতন পাখা এ ঘাসের গায়ে<br>ভেরেণ্‍ডাফুলের নীল ভোমরারা বুলাতেছে—শাদা স্তন ঝরে<br>করবীর: কোন্ এক কিশোরী এসে ছিঁড়ে নিয়ে চ’লে গেছে ফুল,<br>তাই দুধ ঝরিতেছে করবীর ঘাসে ঘাসে: নরম ব্যাকুল। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮ * পৃথিবীতে প্রতিটি ঘাসের পাতারই একটি নির্দিষ্ট স্থান আছে, যেখান থেকে সে তার জীবন ও শক্তি আহরণ করে; তেমনি মানুষও সেই ভূমিতে প্রোথিত, যেখান থেকে সে তার জীবনের পাশাপাশি বিশ্বাসও আহরণ করে। ** জোসেফ কনরাড, ''লর্ড জিম'', অধ্যায় ২১ * মৌমাছি সে গুনগুনিয়ে<br/>খুঁজে বেড়ায় কা’কে,<br/>ঘাসের মধ্যে ঝিঁঝিঁ করে<br/>ঝিঁঝিঁ পোক ডাকে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], সাত ভাই চম্পা, কড়ি ও কোমল-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- পীপ্‌ল্‌স লাইব্রেরি, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৯৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮১ * আপনি হয়তো পুরো বিশ্বকে অ্যাসফল্ট দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন, কিন্তু আজ হোক বা কাল হোক, সবুজ ঘাস ঠিকই বেরিয়ে আসবে। ** ইলিয়া এরেনবার্গ, প্যাট্রিসিয়া ব্লেক কর্তৃক ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস বুক রিভিউ''- তে লিখিত, ২২ অক্টোবর ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১ * বাবুই পাখির বাসা তোমরা অনেকেই দেখেছ বোধ হয়। কেমন সন্দর করে শুকনো ঘাস দিয়ে বুনে তার বাসাটি সে তৈরি করে। পাছে কোনো জন্ত বা সাপ বাসা আক্রমণ করে, সেইজন্য বাসায় ঢুকবার রাস্তা তলার দিকে। ** [[সুকুমার রায়]], পাখির বাসা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * বেড়ার ওপারের ঘাস সবসময় বেশি সবুজ হয় না। আসলে, এর সাথে বেড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। যেখানে জল দেওয়া হয়, সেখানকার ঘাসই সবচেয়ে সবুজ হয়। বেড়া পার হওয়ার সময় সাথে জল রাখুন এবং যেখানেই থাকুন না কেন, সেখানকার ঘাসের যত্ন নিন। ** রবার্ট ফুলগাম, ''ইট ওয়াজ অন ফায়ার হোয়েন আই লে ডাউন অন ইট'' (১৯৮৮) * মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান]) * সমস্ত প্রাণীই ঘাসের মতো, এবং তার সৌন্দর্য মাঠের ফুলের ন্যায়। ঘাস শুকিয়ে যায়, ফুল ঝরে যায়, কারণ প্রভুর আত্মা তার উপর দিয়ে বয়ে যায়; নিশ্চয়ই মানুষ ঘাসের মতো। ** [https://en.wikisource.org/wiki/Bible_(King_James)/Isaiah#40:6-7 যিশাইয় ৪০:৬-৭], [[w:কিং জেমস সংস্করণ|কিং জেমস বাইবেল]] * কাব্যলোকে বাস না করলে বাস কি করব ইতিহাসলোকে, না দর্শনলোক, না ডাক্তারদের ছেঁড়া-খোঁড়ার শবলোকে? আর এ সব কোনও লোকেই যদি বাস না করি তবে তো নেমে আসবও সেই লোকে – গাধা গরু যেখানে ঘাস চিবোয় আর জাবর কাটে। ** [[সৈয়দ মুজতবা আলী]], শবনম, দ্বিতীয় খণ্ড, অধ্যায় সাত, পৃ. ১০৮, ৬ষ্ঠ মুদ্রণ (২০০৮), স্টুডেন্ট ওয়েজ, ঢাকা * আমরা ঘাস মাড়াই আর মে মাসের ফুলকে কদর করি,<br>অথচ ফুল ঝরে গেলেও ঘাস সবুজই থাকে। ** রবার্ট সাউথওয়েল, ''স্কর্ন নট দ্য লিস্ট'' * আমি এই অঘ্রাণেরে ভালোবাসি—বিকেলের এই রঙ—রঙের শূন্যতা<br/>রোদের নরম রোম—ঢালু মাঠ—বিবর্ণ বাদামি পাখি—হলুদ বিচালি<br/>পাতা কুড়াবার দিন ঘাসে-ঘাসে—কুড়ুনির মুখে তাই নাই কোনো কথা। **[[জীবনানন্দ দাশ]], জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড) - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- বেঙ্গল পাবলিশার্স, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * সকল ঘাস ধান হয় না। পৃথিবীতে ঘাসই প্রায় সমস্ত, ধান অল্পই। কিন্তু ঘাস যেন আপনার স্বাভাবিক নিস্ফলতা লইয়া বিলাপ না করে– সে যেন স্মরণ করে যে, পৃথিবীর শুষ্কধূলিকে সে শ্যামলতার দ্বারা আচ্ছন্ন করিতেছে, রৌদ্রতাপকে সে চিরপ্রসন্ন স্নিগ্ধতার দ্বারা কোমল করিয়া লইতেছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পনেরাে-আনা, বিচিত্র প্রবন্ধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৫ * একটি শিশু দু’হাত ভর্তি ঘাস আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, “ঘাসটা কী?”<br>আমি শিশুটিকে কী উত্তর দেব? সে যেমন জানে না, আমিও তার চেয়ে বেশি জানি না।<br>আমার মনে হয়, এটা নিশ্চয়ই আমার স্বভাবের পতাকা, যা আশার সবুজ উপাদান দিয়ে বোনা। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৬) (১৮৫৫-১৮৮১) * সবুজ ঘাসে রোদের পাশে আলোর কেরামতি,<br>রঙিন বেশে, রঙিন ফুলে রঙিন প্রজাপতি! ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * মহৎ ব্যক্তির গুণাবলী বাতাসের মতো; সাধারণ মানুষের গুণাবলী ঘাসের মতো—হাওয়া বয়ে গেলে ঘাস নুয়ে পড়ে। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ৮, ''দ্য ভিলেজ'' * গাছের তাজ পাতা ও কচি ঘাস যে-সকল ফড়িঙের খাদ্য, তাহারা প্রায়ই সবুজ রঙের হয় এবং মাঠের শুক্‌নো ঘাস ও খড়ের মধ্যে যাহারা লুকাইয়া থাকে, তাহাদের রঙ্ মাটি ও শুক্‌নো ঘাসের রঙের মত হয়। পাখী ব্যাঙ্ প্রভৃতি প্রাণীরা ফড়িঙের পরম শত্রু। তাই ঘাস পাতার সঙ্গে রঙ্ মিলাইয়া ইহারা শত্রুদের ফাঁকি দেয়। **[[জগদানন্দ রায়]], ফড়িং, পোকা-মাকড়— জগদানন্দ রায়, প্রকাশক— ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল— ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩১৮ * আমরা ধন্য হতাম যদি সর্বদা বর্তমানেই বাঁচতাম এবং আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া প্রতিটি সুযোগের সদ্ব্যবহার করতাম, ঠিক যেন সেই ঘাসের মতো যা তার উপর পড়া সামান্যতম শিশিরের প্রভাবও স্বীকার করে নেয়। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ১৭, ''স্প্রিং'' * অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে। ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * আমি বিশ্বাস করি, ঘাসের একটি পাতাও নক্ষত্রদের যাত্রাপথ থেকে কোনো অংশে কম নয়। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৩১) (১৮৫৫-১৮৮১) * তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষা গরু,<br/>শিখিনি সিং বাঁকানো,<br/>কেবল খাবো খোল, বিচিলি ঘাস্।৷<br/>যেন রাঙা আমলা, তুলে মামলা,<br/>গামলা ভাঙে না,<br/>আমরা ভুসি পেলেই খুশি হব,<br/>ঘুসি খেলে বাঁচব না।৷ ** [[ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত]], নীলকর, কবিতাসংগ্রহ - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, সম্পাদনা- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * দীর্ঘ দীর্ঘ ঘাসের বনের মধ্যে দিয়ে সুঁড়িপথ। আলভারেজ বল্লে—খুব সাবধান, এই সব ঘাসের বনেই সিংহের আড্ডা; বেশী পেছনে থেকো না। আলভারেজের বন্দুক আছে, এই একটা ভরসা। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম পরিচ্ছেদ, চাঁদের পাহাড় - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪ * সে আমাকে বলেছিল বাঁধের উপর ঘাসের মতো জীবনটাকে সহজভাবে নিতে;<br>কিন্তু আমি ছিলাম তরুণ ও নির্বোধ, আর এখন আমার মন অশ্রুতে পূর্ণ। ** [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]], ''ক্রসওয়েজ'' (১৮৮৯), "ডাউন বাই দ্য স্যালি গার্ডেনস"। * উটের শরীরটিকে মরুভূমির উপযোগী করিয়াই গড়া হইয়াছে। চ্যাটাল চ্যাটাল পা, তার আষ্টেপৃষ্টে কড়ায় ঢাকা-ঝামা দিয়া ঘসিলেও তাহাতে ফোস্কা পড়ে না। ক্ষুধা নাই, তৃষ্ণা নাই—এক পেট ঘাস খাইয়া তিন দিন উপোস থাকে—এক ঢোক জল লইয়া সারাদিন পথ চলে। ** [[সুকুমার রায়]], মরুর দেশে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * অবশেষে সব কবরের উপরে ঘাস গজায়। ** জুলিয়া সিআর ডর, ''গ্রাস গ্রোন'', [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * হাট করতে চলে মেয়ে ঘাসের আঁঠি মাথায়,<br>তখন মনে হঠাৎ এসে এই বেদনাই বাজে—<br>ঠাঁই রবে না কোনােকালেই ঐ যা-কিছুর মাঝে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পিছু-ডাকা, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৯৩ * এক দেশে হোক বা অন্য দেশে, ঘাসের একটি পাতা সবসময়ই ঘাসের একটি পাতাই থাকে। ** [[স্যামুয়েল জনসন]], মিসেস পিওজির জনসনের উপাখ্যান , পৃষ্ঠা ১০০, [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * এখানে গাছের পাতা যেতেছে হলুদ হয়ে—নিঃশব্দে উল্কার মতাে ঝ’রে<br/>একদিন তুমি এসে তবু এই হলুদ আঁচল রেখে ঘাসের ভিতরে<br/>শান্তি পাবে; সন্ধ্যার জলের দিকে শূন্য চোখে রবেনাকো তাকিয়ে এমন<br/>অস্পষ্ট সংকটে এসে—মুখে কথা ফুরােবে না—এখন যা গভীর গােপন<br/>প্রাণের চারুণা পাবে অন্ধকারে; ব্যাপ্তি পাবে; ** [[জীবনানন্দ দাশ]], নদী নক্ষত্র মানুষ, বনলতা সেন - [[জীবনানন্দ দাশ]], কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * সবুজ ঘাস স্রোতের মতো বয়ে যায়<br/>সাগরের নীলিমায়। ** জেমস রাসেল লোয়েল, ''দ্য সাইরেন্স'', লাইন ৮৭,[https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * রামচন্দ্রের তেরটি হনু ঘাস খায়, আর একটা হনু ঘাস খায় না। শ্রী রামচন্দ্র সেই হনুটাকে বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো কোন প্রকারে ঘাস খায় না, তখন শ্রী রামচন্দ্র বৃক্ষ হইতে অবতরণ পূর্ব্বক বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো তথাপি ঘাস খায় না। তখন শ্রী রামচন্দ্র ক্রুদ্ধ হইয়া গালি দিতে লাগিলেন, ‘ওরে দুর্ব্বৃত্ত দশানন! ওরে লম্বোদর গজানন! ওরে মলিম্লচ! ওরে জরদ্গব! ওরে পাষণ্ড! ঘাস খা।” ** রাজনারায়ণ বসু, গ্রাম্য উপাখ্যান - রাজনারায়ণ বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৪ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Grass}} [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভিদ]] hruppq4uwr57l8dw6k7jtg6ye4rdfgw 81646 81645 2026-04-27T13:55:48Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81646 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঘাস|ঘাস]]''' বা '''তৃণ''' হলো একবীজপত্রী তৃণজাতীয় উদ্ভিদ, যার গোড়া থেকে সরু পাতা গজায়। বিভিন্ন ধরনের ফসল যেমন ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি ঘাস বা তৃণ জাতীয় উদ্ভিদ। যতো রকম গাছ আছে তার ভেতর ঘাসের ভূমিকাই প্রাণিদের জীবনে সবচেয়ে বেশি। জলে, ডাঙ্গায়, পাহাড়, মরু অঞ্চল সব জায়গাতেই ঘাস দেখতে পাওয়া যায়। এমনকি বরফে ঢাকা তুন্দ্রা অঞ্চলও ঘাস জন্মে। পৃথিবীর সমগ্র সবুজ অঞ্চলের প্রায় শতকরা ২০ভাগ ঘাস দিয়ে আবৃত। এ যাবৎ প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির ঘাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। == উক্তি == * ঘাসের বনে আনন্দে আজ<br>সবুজ ফড়িং লাফিয়ে আসে,<br>আমার মনের চপল ফড়িং<br>ঘুরছে তাহার আশে-পাশে। ** [[সুনির্মল বসু]], সবুজ-ফড়িং, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০ * সুন্দরভাবে ছাঁটা সবুজ ঘাসের চেয়ে চোখের জন্য মনোরম আর কিছুই নেই। ** [[ফ্রান্সিস বেকন]], প্রবন্ধ (১৬২৫), ''অফ গর্ডেন'' * এসেছে শরৎ, হিমের পরশ<br>লেগেছে হাওয়ার ’পরে।<br>সকাল বেলায় ঘাসের আগায়<br>[[শিশির|শিশিরের]] রেখা ধরে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], চিত্রবিচিত্র - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫ * সেপটিক ট্যাংকের ওপরের ঘাস সবসময়ই বেশি সবুজ মনে হয়। ** এরমা বোমবেক, ''টাইটেল অফ বুক'' (১৯৭৬)। * হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশ‍ু এক উঠানের ঘাসে;<br>র‍ূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালে<br>ডিঙা বায়;— ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * প্রিয়, আজই পাতা আর ঘাস সংগ্রহ করো;<br>কারণ শরৎকাল<br>শীঘ্রই বিদায় নেবে।<br>হাড় কাঁপানো বাতাস বইছে।<br>শীঘ্রই বরফ পড়বে। ** জন হেনরি বোনার , ''গেদার লিভস অ্যান্ড গ্রাসেস'', ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস'', ১০ম সংস্করণ (১৯১৯)-এ উল্লিখিত * পক্ষীর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এড়াইয়া জীবিত থাকিবার জন্যই ঘাসের ভিতরকার ফড়িঙের রঙ্ সবুজ এবং শুষ্ক তৃণমধ্যস্থ ফড়িঙের রঙ্ পাটল হইয়াছে। ** [[জগদানন্দ রায়]], প্রকৃতির বর্ণ-বৈচিত্র্য, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৫ * গাছকে দেখে আমি ধৈর্যের অর্থ বুঝি। ঘাসকে দেখে আমি অধ্যবসায়ের কদর করতে পারি। ** হাল বোরল্যান্ড, ''কান্ট্রিম্যান: এ সামারি অফ বিলিফ'' * এ গ্রামের পাশে মজা নদী বারো মাস<br>বর্ষায় আজ বিদ্রোহ বুঝি করে,<br>গোয়ালে পাঠায় ইশারা সবুজ ঘাস<br>এ গ্রাম নতুন সবুজ ঘাগরা পরে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চিরদিনের, সুকান্ত সমগ্র, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৯ * এই পৃথিবীতে এমন একটিও ছোট্ট ঘাসের ডগা নেই, এমন কোনো রঙ নেই যা মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্য নয়। ** জন ক্যালভিন, টমাস এফ. টিয়ারনি-র ''দ্য ভ্যালু অফ কনভিনিয়েন্স: জিনোলজি অফ টেকনিক্যাল কালচার'' (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১২৮ * খায় না সে দানাপানি—ঘাস পাতা বিচালি,<br>খায় না সে ছোলা ছাতু ময়দা কি পিঠালি; ** [[সুকুমার রায়]], ট্যাঁশ্ গরু, আবোল তাবোল, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * কতরকম লোক আসত, কত রকম কাণ্ড হত ওই বারান্দায়। একবার মাইক্রসকোপ এসেছে বিলেত থেকে, প্যাকিং বাক্স খোলা হচ্ছে। কি ঘাস দিয়ে যেন তারা প্যাক করে দিয়েছে, বাক্স খোলা মাত্র বারান্দা সুগন্ধে ভরপুর। ‘কি ঘাস, কি ঘাস’, বলে মুঠো মুঠো ঘাস ওখানে যারা ছিলেন সবাই পকেটে পুরলেন, বাড়ির ভিতরেও গেল কিছু, মেয়েদের মাথা ঘষার মসলা হবে। মাইক্রসকোপ রইল পড়ে, ঘাস নিয়েই মাতামাতি, দেখতে দেখতে সব ঘাস গেল উড়ে। আমিও এক ফাঁকে একটু নিলুম, বহুদিন অবধি পকেটে থাকত হাতের মুঠোয় নিয়ে গন্ধ শুঁকতুম। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জোড়াসাঁকোর ধারে, জোড়াসাঁকোর ধারে- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৭ * যদি সিমেন্টের মধ্য দিয়েও ঘাস গজাতে পারে, তবে ভালোবাসা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আপনাকে খুঁজে নিতে পারে। ** শের (শেরিলিন সার্কিসিয়ান), ''দ্য টাইমস''- এ উদ্ধৃত, ৩০ মে ১৯৯৮ *আমি এ ঘাসের বুকে শ‍ুয়ে থাকি—শালিখ নিয়েছে নিঙড়ায়ে<br>নরম হলুদ পায়ে এই ঘাস; এ সবুজ ঘাসের ভিতরে<br>সোঁদা ধুলো শ‍ুয়ে আছে—কাঁচের মতন পাখা এ ঘাসের গায়ে<br>ভেরেণ্‍ডাফুলের নীল ভোমরারা বুলাতেছে—শাদা স্তন ঝরে<br>করবীর: কোন্ এক কিশোরী এসে ছিঁড়ে নিয়ে চ’লে গেছে ফুল,<br>তাই দুধ ঝরিতেছে করবীর ঘাসে ঘাসে: নরম ব্যাকুল। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮ * পৃথিবীতে প্রতিটি ঘাসের পাতারই একটি নির্দিষ্ট স্থান আছে, যেখান থেকে সে তার জীবন ও শক্তি আহরণ করে; তেমনি মানুষও সেই ভূমিতে প্রোথিত, যেখান থেকে সে তার জীবনের পাশাপাশি বিশ্বাসও আহরণ করে। ** জোসেফ কনরাড, ''লর্ড জিম'', অধ্যায় ২১ * মৌমাছি সে গুনগুনিয়ে<br/>খুঁজে বেড়ায় কা’কে,<br/>ঘাসের মধ্যে ঝিঁঝিঁ করে<br/>ঝিঁঝিঁ পোক ডাকে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], সাত ভাই চম্পা, কড়ি ও কোমল-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- পীপ্‌ল্‌স লাইব্রেরি, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৯৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮১ * আপনি হয়তো পুরো বিশ্বকে অ্যাসফল্ট দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন, কিন্তু আজ হোক বা কাল হোক, সবুজ ঘাস ঠিকই বেরিয়ে আসবে। ** ইলিয়া এরেনবার্গ, প্যাট্রিসিয়া ব্লেক কর্তৃক ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস বুক রিভিউ''- তে লিখিত, ২২ অক্টোবর ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১ * বাবুই পাখির বাসা তোমরা অনেকেই দেখেছ বোধ হয়। কেমন সন্দর করে শুকনো ঘাস দিয়ে বুনে তার বাসাটি সে তৈরি করে। পাছে কোনো জন্ত বা সাপ বাসা আক্রমণ করে, সেইজন্য বাসায় ঢুকবার রাস্তা তলার দিকে। ** [[সুকুমার রায়]], পাখির বাসা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * বেড়ার ওপারের ঘাস সবসময় বেশি সবুজ হয় না। আসলে, এর সাথে বেড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। যেখানে জল দেওয়া হয়, সেখানকার ঘাসই সবচেয়ে সবুজ হয়। বেড়া পার হওয়ার সময় সাথে জল রাখুন এবং যেখানেই থাকুন না কেন, সেখানকার ঘাসের যত্ন নিন। ** রবার্ট ফুলগাম, ''ইট ওয়াজ অন ফায়ার হোয়েন আই লে ডাউন অন ইট'' (১৯৮৮) * মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান]) * সমস্ত প্রাণীই ঘাসের মতো, এবং তার সৌন্দর্য মাঠের ফুলের ন্যায়। ঘাস শুকিয়ে যায়, ফুল ঝরে যায়, কারণ প্রভুর আত্মা তার উপর দিয়ে বয়ে যায়; নিশ্চয়ই মানুষ ঘাসের মতো। ** [https://en.wikisource.org/wiki/Bible_(King_James)/Isaiah#40:6-7 যিশাইয় ৪০:৬-৭], [[w:কিং জেমস সংস্করণ|কিং জেমস বাইবেল]] * কাব্যলোকে বাস না করলে বাস কি করব ইতিহাসলোকে, না দর্শনলোক, না ডাক্তারদের ছেঁড়া-খোঁড়ার শবলোকে? আর এ সব কোনও লোকেই যদি বাস না করি তবে তো নেমে আসবও সেই লোকে – গাধা গরু যেখানে ঘাস চিবোয় আর জাবর কাটে। ** [[সৈয়দ মুজতবা আলী]], শবনম, দ্বিতীয় খণ্ড, অধ্যায় সাত, পৃ. ১০৮, ৬ষ্ঠ মুদ্রণ (২০০৮), স্টুডেন্ট ওয়েজ, ঢাকা * আমরা ঘাস মাড়াই আর মে মাসের ফুলকে কদর করি,<br>অথচ ফুল ঝরে গেলেও ঘাস সবুজই থাকে। ** রবার্ট সাউথওয়েল, ''স্কর্ন নট দ্য লিস্ট'' * আমি এই অঘ্রাণেরে ভালোবাসি—বিকেলের এই রঙ—রঙের শূন্যতা<br/>রোদের নরম রোম—ঢালু মাঠ—বিবর্ণ বাদামি পাখি—হলুদ বিচালি<br/>পাতা কুড়াবার দিন ঘাসে-ঘাসে—কুড়ুনির মুখে তাই নাই কোনো কথা। **[[জীবনানন্দ দাশ]], জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড) - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- বেঙ্গল পাবলিশার্স, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * সকল ঘাস ধান হয় না। পৃথিবীতে ঘাসই প্রায় সমস্ত, ধান অল্পই। কিন্তু ঘাস যেন আপনার স্বাভাবিক নিস্ফলতা লইয়া বিলাপ না করে– সে যেন স্মরণ করে যে, পৃথিবীর শুষ্কধূলিকে সে শ্যামলতার দ্বারা আচ্ছন্ন করিতেছে, রৌদ্রতাপকে সে চিরপ্রসন্ন স্নিগ্ধতার দ্বারা কোমল করিয়া লইতেছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পনেরাে-আনা, বিচিত্র প্রবন্ধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৫ * একটি শিশু দু’হাত ভর্তি ঘাস আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, “ঘাসটা কী?”<br>আমি শিশুটিকে কী উত্তর দেব? সে যেমন জানে না, আমিও তার চেয়ে বেশি জানি না।<br>আমার মনে হয়, এটা নিশ্চয়ই আমার স্বভাবের পতাকা, যা আশার সবুজ উপাদান দিয়ে বোনা। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৬) (১৮৫৫-১৮৮১) * সবুজ ঘাসে রোদের পাশে আলোর কেরামতি,<br>রঙিন বেশে, রঙিন ফুলে রঙিন প্রজাপতি! ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * মহৎ ব্যক্তির গুণাবলী বাতাসের মতো; সাধারণ মানুষের গুণাবলী ঘাসের মতো—হাওয়া বয়ে গেলে ঘাস নুয়ে পড়ে। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ৮, ''দ্য ভিলেজ'' * গাছের তাজ পাতা ও কচি ঘাস যে-সকল ফড়িঙের খাদ্য, তাহারা প্রায়ই সবুজ রঙের হয় এবং মাঠের শুক্‌নো ঘাস ও খড়ের মধ্যে যাহারা লুকাইয়া থাকে, তাহাদের রঙ্ মাটি ও শুক্‌নো ঘাসের রঙের মত হয়। পাখী ব্যাঙ্ প্রভৃতি প্রাণীরা ফড়িঙের পরম শত্রু। তাই ঘাস পাতার সঙ্গে রঙ্ মিলাইয়া ইহারা শত্রুদের ফাঁকি দেয়। **[[জগদানন্দ রায়]], ফড়িং, পোকা-মাকড়— জগদানন্দ রায়, প্রকাশক— ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল— ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩১৮ * আমরা ধন্য হতাম যদি সর্বদা বর্তমানেই বাঁচতাম এবং আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া প্রতিটি সুযোগের সদ্ব্যবহার করতাম, ঠিক যেন সেই ঘাসের মতো যা তার উপর পড়া সামান্যতম শিশিরের প্রভাবও স্বীকার করে নেয়। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ১৭, ''স্প্রিং'' * অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে। ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * আমি বিশ্বাস করি, ঘাসের একটি পাতাও নক্ষত্রদের যাত্রাপথ থেকে কোনো অংশে কম নয়। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৩১) (১৮৫৫-১৮৮১) * তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষা গরু,<br/>শিখিনি সিং বাঁকানো,<br/>কেবল খাবো খোল, বিচিলি ঘাস্।৷<br/>যেন রাঙা আমলা, তুলে মামলা,<br/>গামলা ভাঙে না,<br/>আমরা ভুসি পেলেই খুশি হব,<br/>ঘুসি খেলে বাঁচব না।৷ ** [[ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত]], নীলকর, কবিতাসংগ্রহ - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, সম্পাদনা- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * দীর্ঘ দীর্ঘ ঘাসের বনের মধ্যে দিয়ে সুঁড়িপথ। আলভারেজ বল্লে—খুব সাবধান, এই সব ঘাসের বনেই সিংহের আড্ডা; বেশী পেছনে থেকো না। আলভারেজের বন্দুক আছে, এই একটা ভরসা। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম পরিচ্ছেদ, চাঁদের পাহাড় - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪ * সে আমাকে বলেছিল বাঁধের উপর ঘাসের মতো জীবনটাকে সহজভাবে নিতে;<br>কিন্তু আমি ছিলাম তরুণ ও নির্বোধ, আর এখন আমার মন অশ্রুতে পূর্ণ। ** [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]], ''ক্রসওয়েজ'' (১৮৮৯), "ডাউন বাই দ্য স্যালি গার্ডেনস"। * উটের শরীরটিকে মরুভূমির উপযোগী করিয়াই গড়া হইয়াছে। চ্যাটাল চ্যাটাল পা, তার আষ্টেপৃষ্টে কড়ায় ঢাকা-ঝামা দিয়া ঘসিলেও তাহাতে ফোস্কা পড়ে না। ক্ষুধা নাই, তৃষ্ণা নাই—এক পেট ঘাস খাইয়া তিন দিন উপোস থাকে—এক ঢোক জল লইয়া সারাদিন পথ চলে। ** [[সুকুমার রায়]], মরুর দেশে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * অবশেষে সব কবরের উপরে ঘাস গজায়। ** জুলিয়া সিআর ডর, ''গ্রাস গ্রোন'', [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * হাট করতে চলে মেয়ে ঘাসের আঁঠি মাথায়,<br>তখন মনে হঠাৎ এসে এই বেদনাই বাজে—<br>ঠাঁই রবে না কোনােকালেই ঐ যা-কিছুর মাঝে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পিছু-ডাকা, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৯৩ * এক দেশে হোক বা অন্য দেশে, ঘাসের একটি পাতা সবসময়ই ঘাসের একটি পাতাই থাকে। ** [[স্যামুয়েল জনসন]], মিসেস পিওজির জনসনের উপাখ্যান , পৃষ্ঠা ১০০, [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * এখানে গাছের পাতা যেতেছে হলুদ হয়ে—নিঃশব্দে উল্কার মতাে ঝ’রে<br/>একদিন তুমি এসে তবু এই হলুদ আঁচল রেখে ঘাসের ভিতরে<br/>শান্তি পাবে; সন্ধ্যার জলের দিকে শূন্য চোখে রবেনাকো তাকিয়ে এমন<br/>অস্পষ্ট সংকটে এসে—মুখে কথা ফুরােবে না—এখন যা গভীর গােপন<br/>প্রাণের চারুণা পাবে অন্ধকারে; ব্যাপ্তি পাবে; ** [[জীবনানন্দ দাশ]], নদী নক্ষত্র মানুষ, বনলতা সেন - [[জীবনানন্দ দাশ]], কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * সবুজ ঘাস স্রোতের মতো বয়ে যায়<br/>সাগরের নীলিমায়। ** জেমস রাসেল লোয়েল, ''দ্য সাইরেন্স'', লাইন ৮৭,[https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * রামচন্দ্রের তেরটি হনু ঘাস খায়, আর একটা হনু ঘাস খায় না। শ্রী রামচন্দ্র সেই হনুটাকে বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো কোন প্রকারে ঘাস খায় না, তখন শ্রী রামচন্দ্র বৃক্ষ হইতে অবতরণ পূর্ব্বক বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো তথাপি ঘাস খায় না। তখন শ্রী রামচন্দ্র ক্রুদ্ধ হইয়া গালি দিতে লাগিলেন, ‘ওরে দুর্ব্বৃত্ত দশানন! ওরে লম্বোদর গজানন! ওরে মলিম্লচ! ওরে জরদ্গব! ওরে পাষণ্ড! ঘাস খা।” ** রাজনারায়ণ বসু, গ্রাম্য উপাখ্যান - রাজনারায়ণ বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৪ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Grass}} [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভিদ]] evuag2j18soi5uii7qfjsu7bqh80i9m 81650 81646 2026-04-27T14:10:12Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81650 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঘাস|ঘাস]]''' বা '''তৃণ''' হলো একবীজপত্রী তৃণজাতীয় উদ্ভিদ, যার গোড়া থেকে সরু পাতা গজায়। বিভিন্ন ধরনের ফসল যেমন ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি ঘাস বা তৃণ জাতীয় উদ্ভিদ। যতো রকম গাছ আছে তার ভেতর ঘাসের ভূমিকাই প্রাণিদের জীবনে সবচেয়ে বেশি। জলে, ডাঙ্গায়, পাহাড়, মরু অঞ্চল সব জায়গাতেই ঘাস দেখতে পাওয়া যায়। এমনকি বরফে ঢাকা তুন্দ্রা অঞ্চলও ঘাস জন্মে। পৃথিবীর সমগ্র সবুজ অঞ্চলের প্রায় শতকরা ২০ভাগ ঘাস দিয়ে আবৃত। এ যাবৎ প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির ঘাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। == উক্তি == * ঘাসের বনে আনন্দে আজ<br>সবুজ ফড়িং লাফিয়ে আসে,<br>আমার মনের চপল ফড়িং<br>ঘুরছে তাহার আশে-পাশে। ** [[সুনির্মল বসু]], সবুজ-ফড়িং, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০ * সুন্দরভাবে ছাঁটা সবুজ ঘাসের চেয়ে চোখের জন্য মনোরম আর কিছুই নেই। ** [[ফ্রান্সিস বেকন]], প্রবন্ধ (১৬২৫), ''অফ গর্ডেন'' * এসেছে শরৎ, হিমের পরশ<br>লেগেছে হাওয়ার ’পরে।<br>সকাল বেলায় ঘাসের আগায়<br>[[শিশির|শিশিরের]] রেখা ধরে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], চিত্রবিচিত্র - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫ * সেপটিক ট্যাংকের ওপরের ঘাস সবসময়ই বেশি সবুজ মনে হয়। ** এরমা বোমবেক, ''টাইটেল অফ বুক'' (১৯৭৬)। * হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশ‍ু এক উঠানের ঘাসে;<br>র‍ূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালে<br>ডিঙা বায়;— ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * প্রিয়, আজই পাতা আর ঘাস সংগ্রহ করো;<br>কারণ শরৎকাল<br>শীঘ্রই বিদায় নেবে।<br>হাড় কাঁপানো বাতাস বইছে।<br>শীঘ্রই বরফ পড়বে। ** জন হেনরি বোনার , ''গেদার লিভস অ্যান্ড গ্রাসেস'', ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস'', ১০ম সংস্করণ (১৯১৯)-এ উল্লিখিত * পক্ষীর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এড়াইয়া জীবিত থাকিবার জন্যই ঘাসের ভিতরকার ফড়িঙের রঙ্ সবুজ এবং শুষ্ক তৃণমধ্যস্থ ফড়িঙের রঙ্ পাটল হইয়াছে। ** [[জগদানন্দ রায়]], প্রকৃতির বর্ণ-বৈচিত্র্য, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৫ * গাছকে দেখে আমি ধৈর্যের অর্থ বুঝি। ঘাসকে দেখে আমি অধ্যবসায়ের কদর করতে পারি। ** হাল বোরল্যান্ড, ''কান্ট্রিম্যান: এ সামারি অফ বিলিফ'' * এ গ্রামের পাশে মজা নদী বারো মাস<br>বর্ষায় আজ বিদ্রোহ বুঝি করে,<br>গোয়ালে পাঠায় ইশারা সবুজ ঘাস<br>এ গ্রাম নতুন সবুজ ঘাগরা পরে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চিরদিনের, সুকান্ত সমগ্র, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৯ * এই পৃথিবীতে এমন একটিও ছোট্ট ঘাসের ডগা নেই, এমন কোনো রঙ নেই যা মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্য নয়। ** জন ক্যালভিন, টমাস এফ. টিয়ারনি-র ''দ্য ভ্যালু অফ কনভিনিয়েন্স: জিনোলজি অফ টেকনিক্যাল কালচার'' (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১২৮ * খায় না সে দানাপানি—ঘাস পাতা বিচালি,<br>খায় না সে ছোলা ছাতু ময়দা কি পিঠালি; ** [[সুকুমার রায়]], ট্যাঁশ্ গরু, আবোল তাবোল, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * কতরকম লোক আসত, কত রকম কাণ্ড হত ওই বারান্দায়। একবার মাইক্রসকোপ এসেছে বিলেত থেকে, প্যাকিং বাক্স খোলা হচ্ছে। কি ঘাস দিয়ে যেন তারা প্যাক করে দিয়েছে, বাক্স খোলা মাত্র বারান্দা সুগন্ধে ভরপুর। ‘কি ঘাস, কি ঘাস’, বলে মুঠো মুঠো ঘাস ওখানে যারা ছিলেন সবাই পকেটে পুরলেন, বাড়ির ভিতরেও গেল কিছু, মেয়েদের মাথা ঘষার মসলা হবে। মাইক্রসকোপ রইল পড়ে, ঘাস নিয়েই মাতামাতি, দেখতে দেখতে সব ঘাস গেল উড়ে। আমিও এক ফাঁকে একটু নিলুম, বহুদিন অবধি পকেটে থাকত হাতের মুঠোয় নিয়ে গন্ধ শুঁকতুম। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জোড়াসাঁকোর ধারে, জোড়াসাঁকোর ধারে- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৭ * যদি সিমেন্টের মধ্য দিয়েও ঘাস গজাতে পারে, তবে ভালোবাসা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আপনাকে খুঁজে নিতে পারে। ** শের (শেরিলিন সার্কিসিয়ান), ''দ্য টাইমস''- এ উদ্ধৃত, ৩০ মে ১৯৯৮ *আমি এ ঘাসের বুকে শ‍ুয়ে থাকি—শালিখ নিয়েছে নিঙড়ায়ে<br>নরম হলুদ পায়ে এই ঘাস; এ সবুজ ঘাসের ভিতরে<br>সোঁদা ধুলো শ‍ুয়ে আছে—কাঁচের মতন পাখা এ ঘাসের গায়ে<br>ভেরেণ্‍ডাফুলের নীল ভোমরারা বুলাতেছে—শাদা স্তন ঝরে<br>করবীর: কোন্ এক কিশোরী এসে ছিঁড়ে নিয়ে চ’লে গেছে ফুল,<br>তাই দুধ ঝরিতেছে করবীর ঘাসে ঘাসে: নরম ব্যাকুল। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮ * পৃথিবীতে প্রতিটি ঘাসের পাতারই একটি নির্দিষ্ট স্থান আছে, যেখান থেকে সে তার জীবন ও শক্তি আহরণ করে; তেমনি মানুষও সেই ভূমিতে প্রোথিত, যেখান থেকে সে তার জীবনের পাশাপাশি বিশ্বাসও আহরণ করে। ** জোসেফ কনরাড, ''লর্ড জিম'', অধ্যায় ২১ * মৌমাছি সে গুনগুনিয়ে<br/>খুঁজে বেড়ায় কা’কে,<br/>ঘাসের মধ্যে ঝিঁঝিঁ করে<br/>ঝিঁঝিঁ পোক ডাকে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], সাত ভাই চম্পা, কড়ি ও কোমল-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- পীপ্‌ল্‌স লাইব্রেরি, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৯৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮১ * আপনি হয়তো পুরো বিশ্বকে অ্যাসফল্ট দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন, কিন্তু আজ হোক বা কাল হোক, সবুজ ঘাস ঠিকই বেরিয়ে আসবে। ** ইলিয়া এরেনবার্গ, প্যাট্রিসিয়া ব্লেক কর্তৃক ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস বুক রিভিউ''- তে লিখিত, ২২ অক্টোবর ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১ * বাবুই পাখির বাসা তোমরা অনেকেই দেখেছ বোধ হয়। কেমন সন্দর করে শুকনো ঘাস দিয়ে বুনে তার বাসাটি সে তৈরি করে। পাছে কোনো জন্ত বা সাপ বাসা আক্রমণ করে, সেইজন্য বাসায় ঢুকবার রাস্তা তলার দিকে। ** [[সুকুমার রায়]], পাখির বাসা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * বেড়ার ওপারের ঘাস সবসময় বেশি সবুজ হয় না। আসলে, এর সাথে বেড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। যেখানে জল দেওয়া হয়, সেখানকার ঘাসই সবচেয়ে সবুজ হয়। বেড়া পার হওয়ার সময় সাথে জল রাখুন এবং যেখানেই থাকুন না কেন, সেখানকার ঘাসের যত্ন নিন। ** রবার্ট ফুলগাম, ''ইট ওয়াজ অন ফায়ার হোয়েন আই লে ডাউন অন ইট'' (১৯৮৮) * মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান]) * সমস্ত প্রাণীই ঘাসের মতো, এবং তার সৌন্দর্য মাঠের ফুলের ন্যায়। ঘাস শুকিয়ে যায়, ফুল ঝরে যায়, কারণ প্রভুর আত্মা তার উপর দিয়ে বয়ে যায়; নিশ্চয়ই মানুষ ঘাসের মতো। ** [https://en.wikisource.org/wiki/Bible_(King_James)/Isaiah#40:6-7 যিশাইয় ৪০:৬-৭], [[w:কিং জেমস সংস্করণ|কিং জেমস বাইবেল]] * কাব্যলোকে বাস না করলে বাস কি করব ইতিহাসলোকে, না দর্শনলোক, না ডাক্তারদের ছেঁড়া-খোঁড়ার শবলোকে? আর এ সব কোনও লোকেই যদি বাস না করি তবে তো নেমে আসবও সেই লোকে – গাধা গরু যেখানে ঘাস চিবোয় আর জাবর কাটে। ** [[সৈয়দ মুজতবা আলী]], শবনম, দ্বিতীয় খণ্ড, অধ্যায় সাত, পৃ. ১০৮, ৬ষ্ঠ মুদ্রণ (২০০৮), স্টুডেন্ট ওয়েজ, ঢাকা * আমরা ঘাস মাড়াই আর মে মাসের ফুলকে কদর করি,<br>অথচ ফুল ঝরে গেলেও ঘাস সবুজই থাকে। ** রবার্ট সাউথওয়েল, ''স্কর্ন নট দ্য লিস্ট'' * আমি এই অঘ্রাণেরে ভালোবাসি—বিকেলের এই রঙ—রঙের শূন্যতা<br/>রোদের নরম রোম—ঢালু মাঠ—বিবর্ণ বাদামি পাখি—হলুদ বিচালি<br/>পাতা কুড়াবার দিন ঘাসে-ঘাসে—কুড়ুনির মুখে তাই নাই কোনো কথা। **[[জীবনানন্দ দাশ]], জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড) - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- বেঙ্গল পাবলিশার্স, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * সকল ঘাস ধান হয় না। পৃথিবীতে ঘাসই প্রায় সমস্ত, ধান অল্পই। কিন্তু ঘাস যেন আপনার স্বাভাবিক নিস্ফলতা লইয়া বিলাপ না করে– সে যেন স্মরণ করে যে, পৃথিবীর শুষ্কধূলিকে সে শ্যামলতার দ্বারা আচ্ছন্ন করিতেছে, রৌদ্রতাপকে সে চিরপ্রসন্ন স্নিগ্ধতার দ্বারা কোমল করিয়া লইতেছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পনেরাে-আনা, বিচিত্র প্রবন্ধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৫ * একটি শিশু দু’হাত ভর্তি ঘাস আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, “ঘাসটা কী?”<br>আমি শিশুটিকে কী উত্তর দেব? সে যেমন জানে না, আমিও তার চেয়ে বেশি জানি না।<br>আমার মনে হয়, এটা নিশ্চয়ই আমার স্বভাবের পতাকা, যা আশার সবুজ উপাদান দিয়ে বোনা। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৬) (১৮৫৫-১৮৮১) * সবুজ ঘাসে রোদের পাশে আলোর কেরামতি,<br>রঙিন বেশে, রঙিন ফুলে রঙিন প্রজাপতি! ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * মহৎ ব্যক্তির গুণাবলী বাতাসের মতো; সাধারণ মানুষের গুণাবলী ঘাসের মতো—হাওয়া বয়ে গেলে ঘাস নুয়ে পড়ে। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ৮, ''দ্য ভিলেজ'' * গাছের তাজ পাতা ও কচি ঘাস যে-সকল ফড়িঙের খাদ্য, তাহারা প্রায়ই সবুজ রঙের হয় এবং মাঠের শুক্‌নো ঘাস ও খড়ের মধ্যে যাহারা লুকাইয়া থাকে, তাহাদের রঙ্ মাটি ও শুক্‌নো ঘাসের রঙের মত হয়। পাখী ব্যাঙ্ প্রভৃতি প্রাণীরা ফড়িঙের পরম শত্রু। তাই ঘাস পাতার সঙ্গে রঙ্ মিলাইয়া ইহারা শত্রুদের ফাঁকি দেয়। **[[জগদানন্দ রায়]], ফড়িং, পোকা-মাকড়— জগদানন্দ রায়, প্রকাশক— ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল— ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩১৮ * আমরা ধন্য হতাম যদি সর্বদা বর্তমানেই বাঁচতাম এবং আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া প্রতিটি সুযোগের সদ্ব্যবহার করতাম, ঠিক যেন সেই ঘাসের মতো যা তার উপর পড়া সামান্যতম শিশিরের প্রভাবও স্বীকার করে নেয়। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ১৭, ''স্প্রিং'' * অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে। ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * আমি বিশ্বাস করি, ঘাসের একটি পাতাও নক্ষত্রদের যাত্রাপথ থেকে কোনো অংশে কম নয়। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৩১) (১৮৫৫-১৮৮১) * তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষা গরু,<br/>শিখিনি সিং বাঁকানো,<br/>কেবল খাবো খোল, বিচিলি ঘাস্।৷<br/>যেন রাঙা আমলা, তুলে মামলা,<br/>গামলা ভাঙে না,<br/>আমরা ভুসি পেলেই খুশি হব,<br/>ঘুসি খেলে বাঁচব না।৷ ** [[ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত]], নীলকর, কবিতাসংগ্রহ - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, সম্পাদনা- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * দীর্ঘ দীর্ঘ ঘাসের বনের মধ্যে দিয়ে সুঁড়িপথ। আলভারেজ বল্লে—খুব সাবধান, এই সব ঘাসের বনেই সিংহের আড্ডা; বেশী পেছনে থেকো না। আলভারেজের বন্দুক আছে, এই একটা ভরসা। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম পরিচ্ছেদ, চাঁদের পাহাড় - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪ * সে আমাকে বলেছিল বাঁধের উপর ঘাসের মতো জীবনটাকে সহজভাবে নিতে;<br>কিন্তু আমি ছিলাম তরুণ ও নির্বোধ, আর এখন আমার মন অশ্রুতে পূর্ণ। ** [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]], ''ক্রসওয়েজ'' (১৮৮৯), "ডাউন বাই দ্য স্যালি গার্ডেনস"। * উটের শরীরটিকে মরুভূমির উপযোগী করিয়াই গড়া হইয়াছে। চ্যাটাল চ্যাটাল পা, তার আষ্টেপৃষ্টে কড়ায় ঢাকা-ঝামা দিয়া ঘসিলেও তাহাতে ফোস্কা পড়ে না। ক্ষুধা নাই, তৃষ্ণা নাই—এক পেট ঘাস খাইয়া তিন দিন উপোস থাকে—এক ঢোক জল লইয়া সারাদিন পথ চলে। ** [[সুকুমার রায়]], মরুর দেশে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * অবশেষে সব কবরের উপরে ঘাস গজায়। ** জুলিয়া সিআর ডর, ''গ্রাস গ্রোন'', [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * হাট করতে চলে মেয়ে ঘাসের আঁঠি মাথায়,<br>তখন মনে হঠাৎ এসে এই বেদনাই বাজে—<br>ঠাঁই রবে না কোনােকালেই ঐ যা-কিছুর মাঝে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পিছু-ডাকা, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৯৩ * মনুষ্যেরা ফল মূল লতা গুল্মাদি ভোজন করে বটে, কিন্তু ঘাস খায় কি না, বলিতে পারি না। কখন কোন মনুষ্যকে ঘাস খাইতে দেখি নাই। কিন্তু এ বিষয়ে আমার কিছু সংশয় আছে। শ্বেতবর্ণ মনুষ্যেরা এবং কৃষ্ণবর্ণ ধনবান্ মনুষ্যেরা বহুযত্নে আপন আপন উদ্যানে ঘাস তৈয়ার করে। আমার বিবেচনায় উহারা ঐ ঘাস খাইয়া থাকে। নহিলে ঘাসে তাহাদের এত যত্ন কেন? এরূপ আমি একজন কৃষ্ণবর্ণ মনুষ্যের মুখে শুনিয়াছিলাম। সে বলিতেছিল, ‘দেশটা উচ্ছন্ন গেল—যত সাহেব সুবো বড় মানুষে বসে বসে ঘাস খাইতেছে।’ সুতরাং প্রধান মনুষ্যেরা যে ঘাস খায়, তাহা এক প্রকার নিশ্চয়। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], ব্যাঘ্রাচার্য্য বৃহল্লাঙ্গুল, লোকরহস্য-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮ * এক দেশে হোক বা অন্য দেশে, ঘাসের একটি পাতা সবসময়ই ঘাসের একটি পাতাই থাকে। ** [[স্যামুয়েল জনসন]], মিসেস পিওজির জনসনের উপাখ্যান , পৃষ্ঠা ১০০, [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * এখানে গাছের পাতা যেতেছে হলুদ হয়ে—নিঃশব্দে উল্কার মতাে ঝ’রে<br/>একদিন তুমি এসে তবু এই হলুদ আঁচল রেখে ঘাসের ভিতরে<br/>শান্তি পাবে; সন্ধ্যার জলের দিকে শূন্য চোখে রবেনাকো তাকিয়ে এমন<br/>অস্পষ্ট সংকটে এসে—মুখে কথা ফুরােবে না—এখন যা গভীর গােপন<br/>প্রাণের চারুণা পাবে অন্ধকারে; ব্যাপ্তি পাবে; ** [[জীবনানন্দ দাশ]], নদী নক্ষত্র মানুষ, বনলতা সেন - [[জীবনানন্দ দাশ]], কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * সবুজ ঘাস স্রোতের মতো বয়ে যায়<br/>সাগরের নীলিমায়। ** জেমস রাসেল লোয়েল, ''দ্য সাইরেন্স'', লাইন ৮৭,[https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * রামচন্দ্রের তেরটি হনু ঘাস খায়, আর একটা হনু ঘাস খায় না। শ্রী রামচন্দ্র সেই হনুটাকে বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো কোন প্রকারে ঘাস খায় না, তখন শ্রী রামচন্দ্র বৃক্ষ হইতে অবতরণ পূর্ব্বক বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো তথাপি ঘাস খায় না। তখন শ্রী রামচন্দ্র ক্রুদ্ধ হইয়া গালি দিতে লাগিলেন, ‘ওরে দুর্ব্বৃত্ত দশানন! ওরে লম্বোদর গজানন! ওরে মলিম্লচ! ওরে জরদ্গব! ওরে পাষণ্ড! ঘাস খা।” ** রাজনারায়ণ বসু, গ্রাম্য উপাখ্যান - রাজনারায়ণ বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৪ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Grass}} [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভিদ]] jsrn1j5cbv8au0qlagp5jak4vvbi8l4 81674 81650 2026-04-27T15:20:09Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81674 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঘাস|ঘাস]]''' বা '''তৃণ''' হলো একবীজপত্রী তৃণজাতীয় উদ্ভিদ, যার গোড়া থেকে সরু পাতা গজায়। বিভিন্ন ধরনের ফসল যেমন ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি ঘাস বা তৃণ জাতীয় উদ্ভিদ। যতো রকম গাছ আছে তার ভেতর ঘাসের ভূমিকাই প্রাণিদের জীবনে সবচেয়ে বেশি। জলে, ডাঙ্গায়, পাহাড়, মরু অঞ্চল সব জায়গাতেই ঘাস দেখতে পাওয়া যায়। এমনকি বরফে ঢাকা তুন্দ্রা অঞ্চলও ঘাস জন্মে। পৃথিবীর সমগ্র সবুজ অঞ্চলের প্রায় শতকরা ২০ভাগ ঘাস দিয়ে আবৃত। এ যাবৎ প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির ঘাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। == উক্তি == * ঘাসের বনে আনন্দে আজ<br>সবুজ ফড়িং লাফিয়ে আসে,<br>আমার মনের চপল ফড়িং<br>ঘুরছে তাহার আশে-পাশে। ** [[সুনির্মল বসু]], সবুজ-ফড়িং, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০ * সুন্দরভাবে ছাঁটা সবুজ ঘাসের চেয়ে চোখের জন্য মনোরম আর কিছুই নেই। ** [[ফ্রান্সিস বেকন]], প্রবন্ধ (১৬২৫), ''অফ গর্ডেন'' * এসেছে শরৎ, হিমের পরশ<br>লেগেছে হাওয়ার ’পরে।<br>সকাল বেলায় ঘাসের আগায়<br>[[শিশির|শিশিরের]] রেখা ধরে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], চিত্রবিচিত্র - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫ * সেপটিক ট্যাংকের ওপরের ঘাস সবসময়ই বেশি সবুজ মনে হয়। ** এরমা বোমবেক, ''টাইটেল অফ বুক'' (১৯৭৬)। * হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশ‍ু এক উঠানের ঘাসে;<br>র‍ূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালে<br>ডিঙা বায়;— ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * প্রিয়, আজই পাতা আর ঘাস সংগ্রহ করো;<br>কারণ শরৎকাল<br>শীঘ্রই বিদায় নেবে।<br>হাড় কাঁপানো বাতাস বইছে।<br>শীঘ্রই বরফ পড়বে। ** জন হেনরি বোনার , ''গেদার লিভস অ্যান্ড গ্রাসেস'', ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস'', ১০ম সংস্করণ (১৯১৯)-এ উল্লিখিত * পক্ষীর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এড়াইয়া জীবিত থাকিবার জন্যই ঘাসের ভিতরকার ফড়িঙের রঙ্ সবুজ এবং শুষ্ক তৃণমধ্যস্থ ফড়িঙের রঙ্ পাটল হইয়াছে। ** [[জগদানন্দ রায়]], প্রকৃতির বর্ণ-বৈচিত্র্য, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৫ * গাছকে দেখে আমি ধৈর্যের অর্থ বুঝি। ঘাসকে দেখে আমি অধ্যবসায়ের কদর করতে পারি। ** হাল বোরল্যান্ড, ''কান্ট্রিম্যান: এ সামারি অফ বিলিফ'' * এ গ্রামের পাশে মজা নদী বারো মাস<br>বর্ষায় আজ বিদ্রোহ বুঝি করে,<br>গোয়ালে পাঠায় ইশারা সবুজ ঘাস<br>এ গ্রাম নতুন সবুজ ঘাগরা পরে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চিরদিনের, সুকান্ত সমগ্র, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৯ * এই পৃথিবীতে এমন একটিও ছোট্ট ঘাসের ডগা নেই, এমন কোনো রঙ নেই যা মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্য নয়। ** জন ক্যালভিন, টমাস এফ. টিয়ারনি-র ''দ্য ভ্যালু অফ কনভিনিয়েন্স: জিনোলজি অফ টেকনিক্যাল কালচার'' (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১২৮ * খায় না সে দানাপানি—ঘাস পাতা বিচালি,<br>খায় না সে ছোলা ছাতু ময়দা কি পিঠালি; ** [[সুকুমার রায়]], ট্যাঁশ্ গরু, আবোল তাবোল, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * কতরকম লোক আসত, কত রকম কাণ্ড হত ওই বারান্দায়। একবার মাইক্রসকোপ এসেছে বিলেত থেকে, প্যাকিং বাক্স খোলা হচ্ছে। কি ঘাস দিয়ে যেন তারা প্যাক করে দিয়েছে, বাক্স খোলা মাত্র বারান্দা সুগন্ধে ভরপুর। ‘কি ঘাস, কি ঘাস’, বলে মুঠো মুঠো ঘাস ওখানে যারা ছিলেন সবাই পকেটে পুরলেন, বাড়ির ভিতরেও গেল কিছু, মেয়েদের মাথা ঘষার মসলা হবে। মাইক্রসকোপ রইল পড়ে, ঘাস নিয়েই মাতামাতি, দেখতে দেখতে সব ঘাস গেল উড়ে। আমিও এক ফাঁকে একটু নিলুম, বহুদিন অবধি পকেটে থাকত হাতের মুঠোয় নিয়ে গন্ধ শুঁকতুম। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জোড়াসাঁকোর ধারে, জোড়াসাঁকোর ধারে- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৭ * যদি সিমেন্টের মধ্য দিয়েও ঘাস গজাতে পারে, তবে ভালোবাসা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আপনাকে খুঁজে নিতে পারে। ** শের (শেরিলিন সার্কিসিয়ান), ''দ্য টাইমস''- এ উদ্ধৃত, ৩০ মে ১৯৯৮ * আমি এ ঘাসের বুকে শ‍ুয়ে থাকি—শালিখ নিয়েছে নিঙড়ায়ে<br>নরম হলুদ পায়ে এই ঘাস; এ সবুজ ঘাসের ভিতরে<br>সোঁদা ধুলো শ‍ুয়ে আছে—কাঁচের মতন পাখা এ ঘাসের গায়ে<br>ভেরেণ্‍ডাফুলের নীল ভোমরারা বুলাতেছে—শাদা স্তন ঝরে<br>করবীর: কোন্ এক কিশোরী এসে ছিঁড়ে নিয়ে চ’লে গেছে ফুল,<br>তাই দুধ ঝরিতেছে করবীর ঘাসে ঘাসে: নরম ব্যাকুল। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮ * পৃথিবীতে প্রতিটি ঘাসের পাতারই একটি নির্দিষ্ট স্থান আছে, যেখান থেকে সে তার জীবন ও শক্তি আহরণ করে; তেমনি মানুষও সেই ভূমিতে প্রোথিত, যেখান থেকে সে তার জীবনের পাশাপাশি বিশ্বাসও আহরণ করে। ** জোসেফ কনরাড, ''লর্ড জিম'', অধ্যায় ২১ * মৌমাছি সে গুনগুনিয়ে<br/>খুঁজে বেড়ায় কা’কে,<br/>ঘাসের মধ্যে ঝিঁঝিঁ করে<br/>ঝিঁঝিঁ পোক ডাকে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], সাত ভাই চম্পা, কড়ি ও কোমল-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- পীপ্‌ল্‌স লাইব্রেরি, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৯৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮১ * আপনি হয়তো পুরো বিশ্বকে অ্যাসফল্ট দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন, কিন্তু আজ হোক বা কাল হোক, সবুজ ঘাস ঠিকই বেরিয়ে আসবে। ** ইলিয়া এরেনবার্গ, প্যাট্রিসিয়া ব্লেক কর্তৃক ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস বুক রিভিউ''- তে লিখিত, ২২ অক্টোবর ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১ * বাবুই পাখির বাসা তোমরা অনেকেই দেখেছ বোধ হয়। কেমন সন্দর করে শুকনো ঘাস দিয়ে বুনে তার বাসাটি সে তৈরি করে। পাছে কোনো জন্ত বা সাপ বাসা আক্রমণ করে, সেইজন্য বাসায় ঢুকবার রাস্তা তলার দিকে। ** [[সুকুমার রায়]], পাখির বাসা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * বেড়ার ওপারের ঘাস সবসময় বেশি সবুজ হয় না। আসলে, এর সাথে বেড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। যেখানে জল দেওয়া হয়, সেখানকার ঘাসই সবচেয়ে সবুজ হয়। বেড়া পার হওয়ার সময় সাথে জল রাখুন এবং যেখানেই থাকুন না কেন, সেখানকার ঘাসের যত্ন নিন। ** রবার্ট ফুলগাম, ''ইট ওয়াজ অন ফায়ার হোয়েন আই লে ডাউন অন ইট'' (১৯৮৮) * মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান]) * সমস্ত প্রাণীই ঘাসের মতো, এবং তার সৌন্দর্য মাঠের ফুলের ন্যায়। ঘাস শুকিয়ে যায়, ফুল ঝরে যায়, কারণ প্রভুর আত্মা তার উপর দিয়ে বয়ে যায়; নিশ্চয়ই মানুষ ঘাসের মতো। ** [https://en.wikisource.org/wiki/Bible_(King_James)/Isaiah#40:6-7 যিশাইয় ৪০:৬-৭], [[w:কিং জেমস সংস্করণ|কিং জেমস বাইবেল]] * কাব্যলোকে বাস না করলে বাস কি করব ইতিহাসলোকে, না দর্শনলোক, না ডাক্তারদের ছেঁড়া-খোঁড়ার শবলোকে? আর এ সব কোনও লোকেই যদি বাস না করি তবে তো নেমে আসবও সেই লোকে – গাধা গরু যেখানে ঘাস চিবোয় আর জাবর কাটে। ** [[সৈয়দ মুজতবা আলী]], শবনম, দ্বিতীয় খণ্ড, অধ্যায় সাত, পৃ. ১০৮, ৬ষ্ঠ মুদ্রণ (২০০৮), স্টুডেন্ট ওয়েজ, ঢাকা * আমরা ঘাস মাড়াই আর মে মাসের ফুলকে কদর করি,<br>অথচ ফুল ঝরে গেলেও ঘাস সবুজই থাকে। ** রবার্ট সাউথওয়েল, ''স্কর্ন নট দ্য লিস্ট'' * আমি এই অঘ্রাণেরে ভালোবাসি—বিকেলের এই রঙ—রঙের শূন্যতা<br/>রোদের নরম রোম—ঢালু মাঠ—বিবর্ণ বাদামি পাখি—হলুদ বিচালি<br/>পাতা কুড়াবার দিন ঘাসে-ঘাসে—কুড়ুনির মুখে তাই নাই কোনো কথা। **[[জীবনানন্দ দাশ]], জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড) - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- বেঙ্গল পাবলিশার্স, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * সকল ঘাস ধান হয় না। পৃথিবীতে ঘাসই প্রায় সমস্ত, ধান অল্পই। কিন্তু ঘাস যেন আপনার স্বাভাবিক নিস্ফলতা লইয়া বিলাপ না করে– সে যেন স্মরণ করে যে, পৃথিবীর শুষ্কধূলিকে সে শ্যামলতার দ্বারা আচ্ছন্ন করিতেছে, রৌদ্রতাপকে সে চিরপ্রসন্ন স্নিগ্ধতার দ্বারা কোমল করিয়া লইতেছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পনেরাে-আনা, বিচিত্র প্রবন্ধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৫ * একটি শিশু দু’হাত ভর্তি ঘাস আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, “ঘাসটা কী?”<br>আমি শিশুটিকে কী উত্তর দেব? সে যেমন জানে না, আমিও তার চেয়ে বেশি জানি না।<br>আমার মনে হয়, এটা নিশ্চয়ই আমার স্বভাবের পতাকা, যা আশার সবুজ উপাদান দিয়ে বোনা। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৬) (১৮৫৫-১৮৮১) * সবুজ ঘাসে রোদের পাশে আলোর কেরামতি,<br>রঙিন বেশে, রঙিন ফুলে রঙিন প্রজাপতি! ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * মহৎ ব্যক্তির গুণাবলী বাতাসের মতো; সাধারণ মানুষের গুণাবলী ঘাসের মতো—হাওয়া বয়ে গেলে ঘাস নুয়ে পড়ে। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ৮, ''দ্য ভিলেজ'' * গাছের তাজ পাতা ও কচি ঘাস যে-সকল ফড়িঙের খাদ্য, তাহারা প্রায়ই সবুজ রঙের হয় এবং মাঠের শুক্‌নো ঘাস ও খড়ের মধ্যে যাহারা লুকাইয়া থাকে, তাহাদের রঙ্ মাটি ও শুক্‌নো ঘাসের রঙের মত হয়। পাখী ব্যাঙ্ প্রভৃতি প্রাণীরা ফড়িঙের পরম শত্রু। তাই ঘাস পাতার সঙ্গে রঙ্ মিলাইয়া ইহারা শত্রুদের ফাঁকি দেয়। **[[জগদানন্দ রায়]], ফড়িং, পোকা-মাকড়— জগদানন্দ রায়, প্রকাশক— ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল— ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩১৮ * আমরা ধন্য হতাম যদি সর্বদা বর্তমানেই বাঁচতাম এবং আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া প্রতিটি সুযোগের সদ্ব্যবহার করতাম, ঠিক যেন সেই ঘাসের মতো যা তার উপর পড়া সামান্যতম শিশিরের প্রভাবও স্বীকার করে নেয়। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ১৭, ''স্প্রিং'' * অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে। ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * আমি বিশ্বাস করি, ঘাসের একটি পাতাও নক্ষত্রদের যাত্রাপথ থেকে কোনো অংশে কম নয়। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৩১) (১৮৫৫-১৮৮১) * তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষা গরু,<br/>শিখিনি সিং বাঁকানো,<br/>কেবল খাবো খোল, বিচিলি ঘাস্।৷<br/>যেন রাঙা আমলা, তুলে মামলা,<br/>গামলা ভাঙে না,<br/>আমরা ভুসি পেলেই খুশি হব,<br/>ঘুসি খেলে বাঁচব না।৷ ** [[ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত]], নীলকর, কবিতাসংগ্রহ - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, সম্পাদনা- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * দীর্ঘ দীর্ঘ ঘাসের বনের মধ্যে দিয়ে সুঁড়িপথ। আলভারেজ বল্লে—খুব সাবধান, এই সব ঘাসের বনেই সিংহের আড্ডা; বেশী পেছনে থেকো না। আলভারেজের বন্দুক আছে, এই একটা ভরসা। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম পরিচ্ছেদ, চাঁদের পাহাড় - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪ * সে আমাকে বলেছিল বাঁধের উপর ঘাসের মতো জীবনটাকে সহজভাবে নিতে;<br>কিন্তু আমি ছিলাম তরুণ ও নির্বোধ, আর এখন আমার মন অশ্রুতে পূর্ণ। ** [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]], ''ক্রসওয়েজ'' (১৮৮৯), "ডাউন বাই দ্য স্যালি গার্ডেনস"। * উটের শরীরটিকে মরুভূমির উপযোগী করিয়াই গড়া হইয়াছে। চ্যাটাল চ্যাটাল পা, তার আষ্টেপৃষ্টে কড়ায় ঢাকা-ঝামা দিয়া ঘসিলেও তাহাতে ফোস্কা পড়ে না। ক্ষুধা নাই, তৃষ্ণা নাই—এক পেট ঘাস খাইয়া তিন দিন উপোস থাকে—এক ঢোক জল লইয়া সারাদিন পথ চলে। ** [[সুকুমার রায়]], মরুর দেশে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * অবশেষে সব কবরের উপরে ঘাস গজায়। ** জুলিয়া সিআর ডর, ''গ্রাস গ্রোন'', [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * হাট করতে চলে মেয়ে ঘাসের আঁঠি মাথায়,<br>তখন মনে হঠাৎ এসে এই বেদনাই বাজে—<br>ঠাঁই রবে না কোনােকালেই ঐ যা-কিছুর মাঝে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পিছু-ডাকা, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৯৩ * জীবন অথবা মৃত্যু চোখে র’বে—আর এই বাংলার ঘাস<br>র’বে বুকে; এই ঘাস: সীতারাম রাজারাম রামনাথ রায়—<br>ইহাদের ঘোড়া আজো অন্ধকারে এই ঘাস ভেঙে চ’লে যায়—<br>এই ঘাস: এরি নিচে কঙ্কাবতী শঙ্খমালা করিতেছে বাস:<br>তাদের দেহের গন্ধ, চাঁপাফুল মাখা ম্লান চুলের বিন্যাস<br>ঘাস আজো ঢেকে আছে; ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮ * মনুষ্যেরা ফল মূল লতা গুল্মাদি ভোজন করে বটে, কিন্তু ঘাস খায় কি না, বলিতে পারি না। কখন কোন মনুষ্যকে ঘাস খাইতে দেখি নাই। কিন্তু এ বিষয়ে আমার কিছু সংশয় আছে। শ্বেতবর্ণ মনুষ্যেরা এবং কৃষ্ণবর্ণ ধনবান্ মনুষ্যেরা বহুযত্নে আপন আপন উদ্যানে ঘাস তৈয়ার করে। আমার বিবেচনায় উহারা ঐ ঘাস খাইয়া থাকে। নহিলে ঘাসে তাহাদের এত যত্ন কেন? এরূপ আমি একজন কৃষ্ণবর্ণ মনুষ্যের মুখে শুনিয়াছিলাম। সে বলিতেছিল, ‘দেশটা উচ্ছন্ন গেল—যত সাহেব সুবো বড় মানুষে বসে বসে ঘাস খাইতেছে।’ সুতরাং প্রধান মনুষ্যেরা যে ঘাস খায়, তাহা এক প্রকার নিশ্চয়। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], ব্যাঘ্রাচার্য্য বৃহল্লাঙ্গুল, লোকরহস্য-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮ * এক দেশে হোক বা অন্য দেশে, ঘাসের একটি পাতা সবসময়ই ঘাসের একটি পাতাই থাকে। ** [[স্যামুয়েল জনসন]], মিসেস পিওজির জনসনের উপাখ্যান , পৃষ্ঠা ১০০, [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * এখানে গাছের পাতা যেতেছে হলুদ হয়ে—নিঃশব্দে উল্কার মতাে ঝ’রে<br/>একদিন তুমি এসে তবু এই হলুদ আঁচল রেখে ঘাসের ভিতরে<br/>শান্তি পাবে; সন্ধ্যার জলের দিকে শূন্য চোখে রবেনাকো তাকিয়ে এমন<br/>অস্পষ্ট সংকটে এসে—মুখে কথা ফুরােবে না—এখন যা গভীর গােপন<br/>প্রাণের চারুণা পাবে অন্ধকারে; ব্যাপ্তি পাবে; ** [[জীবনানন্দ দাশ]], নদী নক্ষত্র মানুষ, বনলতা সেন - [[জীবনানন্দ দাশ]], কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * সবুজ ঘাস স্রোতের মতো বয়ে যায়<br/>সাগরের নীলিমায়। ** জেমস রাসেল লোয়েল, ''দ্য সাইরেন্স'', লাইন ৮৭,[https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * রামচন্দ্রের তেরটি হনু ঘাস খায়, আর একটা হনু ঘাস খায় না। শ্রী রামচন্দ্র সেই হনুটাকে বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো কোন প্রকারে ঘাস খায় না, তখন শ্রী রামচন্দ্র বৃক্ষ হইতে অবতরণ পূর্ব্বক বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো তথাপি ঘাস খায় না। তখন শ্রী রামচন্দ্র ক্রুদ্ধ হইয়া গালি দিতে লাগিলেন, ‘ওরে দুর্ব্বৃত্ত দশানন! ওরে লম্বোদর গজানন! ওরে মলিম্লচ! ওরে জরদ্গব! ওরে পাষণ্ড! ঘাস খা।” ** রাজনারায়ণ বসু, গ্রাম্য উপাখ্যান - রাজনারায়ণ বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৪ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Grass}} [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভিদ]] 1ligqlxir8vatc7rc4d2w09qz756rz0 81796 81674 2026-04-28T02:47:32Z Salil Kumar Mukherjee 39 চিত্র 81796 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Cynodon dactylon (Couch Grass).jpg|thumb|300px|ঘাসের বনে আনন্দে আজ<br>সবুজ ফড়িং লাফিয়ে আসে,<br>আমার মনের চপল ফড়িং<br>ঘুরছে তাহার আশে-পাশে।<br>—[[সুনির্মল বসু]]]] '''[[:w:ঘাস|ঘাস]]''' বা '''তৃণ''' হলো একবীজপত্রী তৃণজাতীয় উদ্ভিদ, যার গোড়া থেকে সরু পাতা গজায়। বিভিন্ন ধরনের ফসল যেমন ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি ঘাস বা তৃণ জাতীয় উদ্ভিদ। যতো রকম গাছ আছে তার ভেতর ঘাসের ভূমিকাই প্রাণিদের জীবনে সবচেয়ে বেশি। জলে, ডাঙ্গায়, পাহাড়, মরু অঞ্চল সব জায়গাতেই ঘাস দেখতে পাওয়া যায়। এমনকি বরফে ঢাকা তুন্দ্রা অঞ্চলও ঘাস জন্মে। পৃথিবীর সমগ্র সবুজ অঞ্চলের প্রায় শতকরা ২০ভাগ ঘাস দিয়ে আবৃত। এ যাবৎ প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির ঘাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। == উক্তি == * ঘাসের বনে আনন্দে আজ<br>সবুজ ফড়িং লাফিয়ে আসে,<br>আমার মনের চপল ফড়িং<br>ঘুরছে তাহার আশে-পাশে। ** [[সুনির্মল বসু]], সবুজ-ফড়িং, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০ * সুন্দরভাবে ছাঁটা সবুজ ঘাসের চেয়ে চোখের জন্য মনোরম আর কিছুই নেই। ** [[ফ্রান্সিস বেকন]], প্রবন্ধ (১৬২৫), ''অফ গর্ডেন'' * এসেছে শরৎ, হিমের পরশ<br>লেগেছে হাওয়ার ’পরে।<br>সকাল বেলায় ঘাসের আগায়<br>[[শিশির|শিশিরের]] রেখা ধরে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], চিত্রবিচিত্র - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫ * সেপটিক ট্যাংকের ওপরের ঘাস সবসময়ই বেশি সবুজ মনে হয়। ** এরমা বোমবেক, ''টাইটেল অফ বুক'' (১৯৭৬)। * হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশ‍ু এক উঠানের ঘাসে;<br>র‍ূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালে<br>ডিঙা বায়;— ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * প্রিয়, আজই পাতা আর ঘাস সংগ্রহ করো;<br>কারণ শরৎকাল<br>শীঘ্রই বিদায় নেবে।<br>হাড় কাঁপানো বাতাস বইছে।<br>শীঘ্রই বরফ পড়বে। ** জন হেনরি বোনার , ''গেদার লিভস অ্যান্ড গ্রাসেস'', ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস'', ১০ম সংস্করণ (১৯১৯)-এ উল্লিখিত * পক্ষীর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এড়াইয়া জীবিত থাকিবার জন্যই ঘাসের ভিতরকার ফড়িঙের রঙ্ সবুজ এবং শুষ্ক তৃণমধ্যস্থ ফড়িঙের রঙ্ পাটল হইয়াছে। ** [[জগদানন্দ রায়]], প্রকৃতির বর্ণ-বৈচিত্র্য, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৫ * গাছকে দেখে আমি ধৈর্যের অর্থ বুঝি। ঘাসকে দেখে আমি অধ্যবসায়ের কদর করতে পারি। ** হাল বোরল্যান্ড, ''কান্ট্রিম্যান: এ সামারি অফ বিলিফ'' * এ গ্রামের পাশে মজা নদী বারো মাস<br>বর্ষায় আজ বিদ্রোহ বুঝি করে,<br>গোয়ালে পাঠায় ইশারা সবুজ ঘাস<br>এ গ্রাম নতুন সবুজ ঘাগরা পরে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চিরদিনের, সুকান্ত সমগ্র, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৯ * এই পৃথিবীতে এমন একটিও ছোট্ট ঘাসের ডগা নেই, এমন কোনো রঙ নেই যা মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্য নয়। ** জন ক্যালভিন, টমাস এফ. টিয়ারনি-র ''দ্য ভ্যালু অফ কনভিনিয়েন্স: জিনোলজি অফ টেকনিক্যাল কালচার'' (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১২৮ * খায় না সে দানাপানি—ঘাস পাতা বিচালি,<br>খায় না সে ছোলা ছাতু ময়দা কি পিঠালি; ** [[সুকুমার রায়]], ট্যাঁশ্ গরু, আবোল তাবোল, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * কতরকম লোক আসত, কত রকম কাণ্ড হত ওই বারান্দায়। একবার মাইক্রসকোপ এসেছে বিলেত থেকে, প্যাকিং বাক্স খোলা হচ্ছে। কি ঘাস দিয়ে যেন তারা প্যাক করে দিয়েছে, বাক্স খোলা মাত্র বারান্দা সুগন্ধে ভরপুর। ‘কি ঘাস, কি ঘাস’, বলে মুঠো মুঠো ঘাস ওখানে যারা ছিলেন সবাই পকেটে পুরলেন, বাড়ির ভিতরেও গেল কিছু, মেয়েদের মাথা ঘষার মসলা হবে। মাইক্রসকোপ রইল পড়ে, ঘাস নিয়েই মাতামাতি, দেখতে দেখতে সব ঘাস গেল উড়ে। আমিও এক ফাঁকে একটু নিলুম, বহুদিন অবধি পকেটে থাকত হাতের মুঠোয় নিয়ে গন্ধ শুঁকতুম। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জোড়াসাঁকোর ধারে, জোড়াসাঁকোর ধারে- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৭ * যদি সিমেন্টের মধ্য দিয়েও ঘাস গজাতে পারে, তবে ভালোবাসা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আপনাকে খুঁজে নিতে পারে। ** শের (শেরিলিন সার্কিসিয়ান), ''দ্য টাইমস''- এ উদ্ধৃত, ৩০ মে ১৯৯৮ * আমি এ ঘাসের বুকে শ‍ুয়ে থাকি—শালিখ নিয়েছে নিঙড়ায়ে<br>নরম হলুদ পায়ে এই ঘাস; এ সবুজ ঘাসের ভিতরে<br>সোঁদা ধুলো শ‍ুয়ে আছে—কাঁচের মতন পাখা এ ঘাসের গায়ে<br>ভেরেণ্‍ডাফুলের নীল ভোমরারা বুলাতেছে—শাদা স্তন ঝরে<br>করবীর: কোন্ এক কিশোরী এসে ছিঁড়ে নিয়ে চ’লে গেছে ফুল,<br>তাই দুধ ঝরিতেছে করবীর ঘাসে ঘাসে: নরম ব্যাকুল। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮ * পৃথিবীতে প্রতিটি ঘাসের পাতারই একটি নির্দিষ্ট স্থান আছে, যেখান থেকে সে তার জীবন ও শক্তি আহরণ করে; তেমনি মানুষও সেই ভূমিতে প্রোথিত, যেখান থেকে সে তার জীবনের পাশাপাশি বিশ্বাসও আহরণ করে। ** জোসেফ কনরাড, ''লর্ড জিম'', অধ্যায় ২১ * মৌমাছি সে গুনগুনিয়ে<br/>খুঁজে বেড়ায় কা’কে,<br/>ঘাসের মধ্যে ঝিঁঝিঁ করে<br/>ঝিঁঝিঁ পোক ডাকে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], সাত ভাই চম্পা, কড়ি ও কোমল-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- পীপ্‌ল্‌স লাইব্রেরি, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৯৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮১ * আপনি হয়তো পুরো বিশ্বকে অ্যাসফল্ট দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন, কিন্তু আজ হোক বা কাল হোক, সবুজ ঘাস ঠিকই বেরিয়ে আসবে। ** ইলিয়া এরেনবার্গ, প্যাট্রিসিয়া ব্লেক কর্তৃক ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস বুক রিভিউ''- তে লিখিত, ২২ অক্টোবর ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১ * বাবুই পাখির বাসা তোমরা অনেকেই দেখেছ বোধ হয়। কেমন সন্দর করে শুকনো ঘাস দিয়ে বুনে তার বাসাটি সে তৈরি করে। পাছে কোনো জন্ত বা সাপ বাসা আক্রমণ করে, সেইজন্য বাসায় ঢুকবার রাস্তা তলার দিকে। ** [[সুকুমার রায়]], পাখির বাসা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * বেড়ার ওপারের ঘাস সবসময় বেশি সবুজ হয় না। আসলে, এর সাথে বেড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। যেখানে জল দেওয়া হয়, সেখানকার ঘাসই সবচেয়ে সবুজ হয়। বেড়া পার হওয়ার সময় সাথে জল রাখুন এবং যেখানেই থাকুন না কেন, সেখানকার ঘাসের যত্ন নিন। ** রবার্ট ফুলগাম, ''ইট ওয়াজ অন ফায়ার হোয়েন আই লে ডাউন অন ইট'' (১৯৮৮) * মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান]) * সমস্ত প্রাণীই ঘাসের মতো, এবং তার সৌন্দর্য মাঠের ফুলের ন্যায়। ঘাস শুকিয়ে যায়, ফুল ঝরে যায়, কারণ প্রভুর আত্মা তার উপর দিয়ে বয়ে যায়; নিশ্চয়ই মানুষ ঘাসের মতো। ** [https://en.wikisource.org/wiki/Bible_(King_James)/Isaiah#40:6-7 যিশাইয় ৪০:৬-৭], [[w:কিং জেমস সংস্করণ|কিং জেমস বাইবেল]] * কাব্যলোকে বাস না করলে বাস কি করব ইতিহাসলোকে, না দর্শনলোক, না ডাক্তারদের ছেঁড়া-খোঁড়ার শবলোকে? আর এ সব কোনও লোকেই যদি বাস না করি তবে তো নেমে আসবও সেই লোকে – গাধা গরু যেখানে ঘাস চিবোয় আর জাবর কাটে। ** [[সৈয়দ মুজতবা আলী]], শবনম, দ্বিতীয় খণ্ড, অধ্যায় সাত, পৃ. ১০৮, ৬ষ্ঠ মুদ্রণ (২০০৮), স্টুডেন্ট ওয়েজ, ঢাকা * আমরা ঘাস মাড়াই আর মে মাসের ফুলকে কদর করি,<br>অথচ ফুল ঝরে গেলেও ঘাস সবুজই থাকে। ** রবার্ট সাউথওয়েল, ''স্কর্ন নট দ্য লিস্ট'' * আমি এই অঘ্রাণেরে ভালোবাসি—বিকেলের এই রঙ—রঙের শূন্যতা<br/>রোদের নরম রোম—ঢালু মাঠ—বিবর্ণ বাদামি পাখি—হলুদ বিচালি<br/>পাতা কুড়াবার দিন ঘাসে-ঘাসে—কুড়ুনির মুখে তাই নাই কোনো কথা। **[[জীবনানন্দ দাশ]], জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড) - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- বেঙ্গল পাবলিশার্স, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * সকল ঘাস ধান হয় না। পৃথিবীতে ঘাসই প্রায় সমস্ত, ধান অল্পই। কিন্তু ঘাস যেন আপনার স্বাভাবিক নিস্ফলতা লইয়া বিলাপ না করে– সে যেন স্মরণ করে যে, পৃথিবীর শুষ্কধূলিকে সে শ্যামলতার দ্বারা আচ্ছন্ন করিতেছে, রৌদ্রতাপকে সে চিরপ্রসন্ন স্নিগ্ধতার দ্বারা কোমল করিয়া লইতেছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পনেরাে-আনা, বিচিত্র প্রবন্ধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৫ * একটি শিশু দু’হাত ভর্তি ঘাস আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, “ঘাসটা কী?”<br>আমি শিশুটিকে কী উত্তর দেব? সে যেমন জানে না, আমিও তার চেয়ে বেশি জানি না।<br>আমার মনে হয়, এটা নিশ্চয়ই আমার স্বভাবের পতাকা, যা আশার সবুজ উপাদান দিয়ে বোনা। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৬) (১৮৫৫-১৮৮১) * সবুজ ঘাসে রোদের পাশে আলোর কেরামতি,<br>রঙিন বেশে, রঙিন ফুলে রঙিন প্রজাপতি! ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * মহৎ ব্যক্তির গুণাবলী বাতাসের মতো; সাধারণ মানুষের গুণাবলী ঘাসের মতো—হাওয়া বয়ে গেলে ঘাস নুয়ে পড়ে। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ৮, ''দ্য ভিলেজ'' * গাছের তাজ পাতা ও কচি ঘাস যে-সকল ফড়িঙের খাদ্য, তাহারা প্রায়ই সবুজ রঙের হয় এবং মাঠের শুক্‌নো ঘাস ও খড়ের মধ্যে যাহারা লুকাইয়া থাকে, তাহাদের রঙ্ মাটি ও শুক্‌নো ঘাসের রঙের মত হয়। পাখী ব্যাঙ্ প্রভৃতি প্রাণীরা ফড়িঙের পরম শত্রু। তাই ঘাস পাতার সঙ্গে রঙ্ মিলাইয়া ইহারা শত্রুদের ফাঁকি দেয়। **[[জগদানন্দ রায়]], ফড়িং, পোকা-মাকড়— জগদানন্দ রায়, প্রকাশক— ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল— ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩১৮ * আমরা ধন্য হতাম যদি সর্বদা বর্তমানেই বাঁচতাম এবং আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া প্রতিটি সুযোগের সদ্ব্যবহার করতাম, ঠিক যেন সেই ঘাসের মতো যা তার উপর পড়া সামান্যতম শিশিরের প্রভাবও স্বীকার করে নেয়। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ১৭, ''স্প্রিং'' * অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে। ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * আমি বিশ্বাস করি, ঘাসের একটি পাতাও নক্ষত্রদের যাত্রাপথ থেকে কোনো অংশে কম নয়। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৩১) (১৮৫৫-১৮৮১) * তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষা গরু,<br/>শিখিনি সিং বাঁকানো,<br/>কেবল খাবো খোল, বিচিলি ঘাস্।৷<br/>যেন রাঙা আমলা, তুলে মামলা,<br/>গামলা ভাঙে না,<br/>আমরা ভুসি পেলেই খুশি হব,<br/>ঘুসি খেলে বাঁচব না।৷ ** [[ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত]], নীলকর, কবিতাসংগ্রহ - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, সম্পাদনা- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * দীর্ঘ দীর্ঘ ঘাসের বনের মধ্যে দিয়ে সুঁড়িপথ। আলভারেজ বল্লে—খুব সাবধান, এই সব ঘাসের বনেই সিংহের আড্ডা; বেশী পেছনে থেকো না। আলভারেজের বন্দুক আছে, এই একটা ভরসা। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম পরিচ্ছেদ, চাঁদের পাহাড় - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪ * সে আমাকে বলেছিল বাঁধের উপর ঘাসের মতো জীবনটাকে সহজভাবে নিতে;<br>কিন্তু আমি ছিলাম তরুণ ও নির্বোধ, আর এখন আমার মন অশ্রুতে পূর্ণ। ** [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]], ''ক্রসওয়েজ'' (১৮৮৯), "ডাউন বাই দ্য স্যালি গার্ডেনস"। * উটের শরীরটিকে মরুভূমির উপযোগী করিয়াই গড়া হইয়াছে। চ্যাটাল চ্যাটাল পা, তার আষ্টেপৃষ্টে কড়ায় ঢাকা-ঝামা দিয়া ঘসিলেও তাহাতে ফোস্কা পড়ে না। ক্ষুধা নাই, তৃষ্ণা নাই—এক পেট ঘাস খাইয়া তিন দিন উপোস থাকে—এক ঢোক জল লইয়া সারাদিন পথ চলে। ** [[সুকুমার রায়]], মরুর দেশে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * অবশেষে সব কবরের উপরে ঘাস গজায়। ** জুলিয়া সিআর ডর, ''গ্রাস গ্রোন'', [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * হাট করতে চলে মেয়ে ঘাসের আঁঠি মাথায়,<br>তখন মনে হঠাৎ এসে এই বেদনাই বাজে—<br>ঠাঁই রবে না কোনােকালেই ঐ যা-কিছুর মাঝে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পিছু-ডাকা, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৯৩ * জীবন অথবা মৃত্যু চোখে র’বে—আর এই বাংলার ঘাস<br>র’বে বুকে; এই ঘাস: সীতারাম রাজারাম রামনাথ রায়—<br>ইহাদের ঘোড়া আজো অন্ধকারে এই ঘাস ভেঙে চ’লে যায়—<br>এই ঘাস: এরি নিচে কঙ্কাবতী শঙ্খমালা করিতেছে বাস:<br>তাদের দেহের গন্ধ, চাঁপাফুল মাখা ম্লান চুলের বিন্যাস<br>ঘাস আজো ঢেকে আছে; ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮ * মনুষ্যেরা ফল মূল লতা গুল্মাদি ভোজন করে বটে, কিন্তু ঘাস খায় কি না, বলিতে পারি না। কখন কোন মনুষ্যকে ঘাস খাইতে দেখি নাই। কিন্তু এ বিষয়ে আমার কিছু সংশয় আছে। শ্বেতবর্ণ মনুষ্যেরা এবং কৃষ্ণবর্ণ ধনবান্ মনুষ্যেরা বহুযত্নে আপন আপন উদ্যানে ঘাস তৈয়ার করে। আমার বিবেচনায় উহারা ঐ ঘাস খাইয়া থাকে। নহিলে ঘাসে তাহাদের এত যত্ন কেন? এরূপ আমি একজন কৃষ্ণবর্ণ মনুষ্যের মুখে শুনিয়াছিলাম। সে বলিতেছিল, ‘দেশটা উচ্ছন্ন গেল—যত সাহেব সুবো বড় মানুষে বসে বসে ঘাস খাইতেছে।’ সুতরাং প্রধান মনুষ্যেরা যে ঘাস খায়, তাহা এক প্রকার নিশ্চয়। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], ব্যাঘ্রাচার্য্য বৃহল্লাঙ্গুল, লোকরহস্য-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮ * এক দেশে হোক বা অন্য দেশে, ঘাসের একটি পাতা সবসময়ই ঘাসের একটি পাতাই থাকে। ** [[স্যামুয়েল জনসন]], মিসেস পিওজির জনসনের উপাখ্যান , পৃষ্ঠা ১০০, [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * এখানে গাছের পাতা যেতেছে হলুদ হয়ে—নিঃশব্দে উল্কার মতাে ঝ’রে<br/>একদিন তুমি এসে তবু এই হলুদ আঁচল রেখে ঘাসের ভিতরে<br/>শান্তি পাবে; সন্ধ্যার জলের দিকে শূন্য চোখে রবেনাকো তাকিয়ে এমন<br/>অস্পষ্ট সংকটে এসে—মুখে কথা ফুরােবে না—এখন যা গভীর গােপন<br/>প্রাণের চারুণা পাবে অন্ধকারে; ব্যাপ্তি পাবে; ** [[জীবনানন্দ দাশ]], নদী নক্ষত্র মানুষ, বনলতা সেন - [[জীবনানন্দ দাশ]], কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * সবুজ ঘাস স্রোতের মতো বয়ে যায়<br/>সাগরের নীলিমায়। ** জেমস রাসেল লোয়েল, ''দ্য সাইরেন্স'', লাইন ৮৭,[https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * রামচন্দ্রের তেরটি হনু ঘাস খায়, আর একটা হনু ঘাস খায় না। শ্রী রামচন্দ্র সেই হনুটাকে বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো কোন প্রকারে ঘাস খায় না, তখন শ্রী রামচন্দ্র বৃক্ষ হইতে অবতরণ পূর্ব্বক বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো তথাপি ঘাস খায় না। তখন শ্রী রামচন্দ্র ক্রুদ্ধ হইয়া গালি দিতে লাগিলেন, ‘ওরে দুর্ব্বৃত্ত দশানন! ওরে লম্বোদর গজানন! ওরে মলিম্লচ! ওরে জরদ্গব! ওরে পাষণ্ড! ঘাস খা।” ** রাজনারায়ণ বসু, গ্রাম্য উপাখ্যান - রাজনারায়ণ বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৪ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Grass}} [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভিদ]] l02rzz5jhp0f5p1uu3kh96b0qfd9g1z 81820 81796 2026-04-28T03:38:45Z Salil Kumar Mukherjee 39 ট্যাগ বাতিল 81820 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Cynodon dactylon (Couch Grass).jpg|thumb|300px|ঘাসের বনে আনন্দে আজ<br>সবুজ ফড়িং লাফিয়ে আসে,<br>আমার মনের চপল ফড়িং<br>ঘুরছে তাহার আশে-পাশে।<br>—[[সুনির্মল বসু]]]] '''[[:w:ঘাস|ঘাস]]''' বা '''তৃণ''' হলো একবীজপত্রী তৃণজাতীয় উদ্ভিদ, যার গোড়া থেকে সরু পাতা গজায়। বিভিন্ন ধরনের ফসল যেমন ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি ঘাস বা তৃণ জাতীয় উদ্ভিদ। যতো রকম গাছ আছে তার ভেতর ঘাসের ভূমিকাই প্রাণিদের জীবনে সবচেয়ে বেশি। জলে, ডাঙ্গায়, পাহাড়, মরু অঞ্চল সব জায়গাতেই ঘাস দেখতে পাওয়া যায়। এমনকি বরফে ঢাকা তুন্দ্রা অঞ্চলও ঘাস জন্মে। পৃথিবীর সমগ্র সবুজ অঞ্চলের প্রায় শতকরা ২০ভাগ ঘাস দিয়ে আবৃত। এ যাবৎ প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির ঘাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। == উক্তি == * ঘাসের বনে আনন্দে আজ<br>সবুজ ফড়িং লাফিয়ে আসে,<br>আমার মনের চপল ফড়িং<br>ঘুরছে তাহার আশে-পাশে। ** [[সুনির্মল বসু]], সবুজ-ফড়িং, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০ * সুন্দরভাবে ছাঁটা সবুজ ঘাসের চেয়ে চোখের জন্য মনোরম আর কিছুই নেই। ** [[ফ্রান্সিস বেকন]], প্রবন্ধ (১৬২৫), ''অফ গর্ডেন'' * এসেছে শরৎ, হিমের পরশ<br>লেগেছে হাওয়ার ’পরে।<br>সকাল বেলায় ঘাসের আগায়<br>[[শিশির|শিশিরের]] রেখা ধরে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], চিত্রবিচিত্র - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫ * সেপটিক ট্যাংকের ওপরের ঘাস সবসময়ই বেশি সবুজ মনে হয়। ** এরমা বোমবেক, ''টাইটেল অফ বুক'' (১৯৭৬)। * হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশ‍ু এক উঠানের ঘাসে;<br>র‍ূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালে<br>ডিঙা বায়;— ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * প্রিয়, আজই পাতা আর ঘাস সংগ্রহ করো;<br>কারণ শরৎকাল<br>শীঘ্রই বিদায় নেবে।<br>হাড় কাঁপানো বাতাস বইছে।<br>শীঘ্রই বরফ পড়বে। ** জন হেনরি বোনার , ''গেদার লিভস অ্যান্ড গ্রাসেস'', ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস'', ১০ম সংস্করণ (১৯১৯)-এ উল্লিখিত * পক্ষীর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এড়াইয়া জীবিত থাকিবার জন্যই ঘাসের ভিতরকার ফড়িঙের রঙ্ সবুজ এবং শুষ্ক তৃণমধ্যস্থ ফড়িঙের রঙ্ পাটল হইয়াছে। ** [[জগদানন্দ রায়]], প্রকৃতির বর্ণ-বৈচিত্র্য, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৫ * গাছকে দেখে আমি ধৈর্যের অর্থ বুঝি। ঘাসকে দেখে আমি অধ্যবসায়ের কদর করতে পারি। ** হাল বোরল্যান্ড, ''কান্ট্রিম্যান: এ সামারি অফ বিলিফ'' * এ গ্রামের পাশে মজা নদী বারো মাস<br>বর্ষায় আজ বিদ্রোহ বুঝি করে,<br>গোয়ালে পাঠায় ইশারা সবুজ ঘাস<br>এ গ্রাম নতুন সবুজ ঘাগরা পরে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চিরদিনের, সুকান্ত সমগ্র, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৯ * এই পৃথিবীতে এমন একটিও ছোট্ট ঘাসের ডগা নেই, এমন কোনো রঙ নেই যা মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্য নয়। ** জন ক্যালভিন, টমাস এফ. টিয়ারনি-র ''দ্য ভ্যালু অফ কনভিনিয়েন্স: জিনোলজি অফ টেকনিক্যাল কালচার'' (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১২৮ * খায় না সে দানাপানি—ঘাস পাতা বিচালি,<br>খায় না সে ছোলা ছাতু ময়দা কি পিঠালি; ** [[সুকুমার রায়]], ট্যাঁশ্ গরু, আবোল তাবোল, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * কতরকম লোক আসত, কত রকম কাণ্ড হত ওই বারান্দায়। একবার মাইক্রসকোপ এসেছে বিলেত থেকে, প্যাকিং বাক্স খোলা হচ্ছে। কি ঘাস দিয়ে যেন তারা প্যাক করে দিয়েছে, বাক্স খোলা মাত্র বারান্দা সুগন্ধে ভরপুর। ‘কি ঘাস, কি ঘাস’, বলে মুঠো মুঠো ঘাস ওখানে যারা ছিলেন সবাই পকেটে পুরলেন, বাড়ির ভিতরেও গেল কিছু, মেয়েদের মাথা ঘষার মসলা হবে। মাইক্রসকোপ রইল পড়ে, ঘাস নিয়েই মাতামাতি, দেখতে দেখতে সব ঘাস গেল উড়ে। আমিও এক ফাঁকে একটু নিলুম, বহুদিন অবধি পকেটে থাকত হাতের মুঠোয় নিয়ে গন্ধ শুঁকতুম। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জোড়াসাঁকোর ধারে, জোড়াসাঁকোর ধারে- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৭ * যদি সিমেন্টের মধ্য দিয়েও ঘাস গজাতে পারে, তবে ভালোবাসা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আপনাকে খুঁজে নিতে পারে। ** শের (শেরিলিন সার্কিসিয়ান), ''দ্য টাইমস''- এ উদ্ধৃত, ৩০ মে ১৯৯৮ * আমি এ ঘাসের বুকে শ‍ুয়ে থাকি—শালিখ নিয়েছে নিঙড়ায়ে<br>নরম হলুদ পায়ে এই ঘাস; এ সবুজ ঘাসের ভিতরে<br>সোঁদা ধুলো শ‍ুয়ে আছে—কাঁচের মতন পাখা এ ঘাসের গায়ে<br>ভেরেণ্‍ডাফুলের নীল ভোমরারা বুলাতেছে—শাদা স্তন ঝরে<br>করবীর: কোন্ এক কিশোরী এসে ছিঁড়ে নিয়ে চ’লে গেছে ফুল,<br>তাই দুধ ঝরিতেছে করবীর ঘাসে ঘাসে: নরম ব্যাকুল। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮ * পৃথিবীতে প্রতিটি ঘাসের পাতারই একটি নির্দিষ্ট স্থান আছে, যেখান থেকে সে তার জীবন ও শক্তি আহরণ করে; তেমনি মানুষও সেই ভূমিতে প্রোথিত, যেখান থেকে সে তার জীবনের পাশাপাশি বিশ্বাসও আহরণ করে। ** জোসেফ কনরাড, ''লর্ড জিম'', অধ্যায় ২১ * মৌমাছি সে গুনগুনিয়ে<br/>খুঁজে বেড়ায় কা’কে,<br/>ঘাসের মধ্যে ঝিঁঝিঁ করে<br/>ঝিঁঝিঁ পোক ডাকে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], সাত ভাই চম্পা, কড়ি ও কোমল-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- পীপ্‌ল্‌স লাইব্রেরি, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৯৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮১ * আপনি হয়তো পুরো বিশ্বকে অ্যাসফল্ট দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন, কিন্তু আজ হোক বা কাল হোক, সবুজ ঘাস ঠিকই বেরিয়ে আসবে। ** ইলিয়া এরেনবার্গ, প্যাট্রিসিয়া ব্লেক কর্তৃক ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস বুক রিভিউ''- তে লিখিত, ২২ অক্টোবর ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১ * বাবুই পাখির বাসা তোমরা অনেকেই দেখেছ বোধ হয়। কেমন সন্দর করে শুকনো ঘাস দিয়ে বুনে তার বাসাটি সে তৈরি করে। পাছে কোনো জন্ত বা সাপ বাসা আক্রমণ করে, সেইজন্য বাসায় ঢুকবার রাস্তা তলার দিকে। ** [[সুকুমার রায়]], পাখির বাসা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * বেড়ার ওপারের ঘাস সবসময় বেশি সবুজ হয় না। আসলে, এর সাথে বেড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। যেখানে জল দেওয়া হয়, সেখানকার ঘাসই সবচেয়ে সবুজ হয়। বেড়া পার হওয়ার সময় সাথে জল রাখুন এবং যেখানেই থাকুন না কেন, সেখানকার ঘাসের যত্ন নিন। ** রবার্ট ফুলগাম, ''ইট ওয়াজ অন ফায়ার হোয়েন আই লে ডাউন অন ইট'' (১৯৮৮) * মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান]) * সমস্ত প্রাণীই ঘাসের মতো, এবং তার সৌন্দর্য মাঠের ফুলের ন্যায়। ঘাস শুকিয়ে যায়, ফুল ঝরে যায়, কারণ প্রভুর আত্মা তার উপর দিয়ে বয়ে যায়; নিশ্চয়ই মানুষ ঘাসের মতো। ** [https://en.wikisource.org/wiki/Bible_(King_James)/Isaiah#40:6-7 যিশাইয় ৪০:৬-৭], [[w:কিং জেমস সংস্করণ|কিং জেমস বাইবেল]] * কাব্যলোকে বাস না করলে বাস কি করব ইতিহাসলোকে, না দর্শনলোক, না ডাক্তারদের ছেঁড়া-খোঁড়ার শবলোকে? আর এ সব কোনও লোকেই যদি বাস না করি তবে তো নেমে আসবও সেই লোকে – গাধা গরু যেখানে ঘাস চিবোয় আর জাবর কাটে। ** [[সৈয়দ মুজতবা আলী]], শবনম, দ্বিতীয় খণ্ড, অধ্যায় সাত, পৃ. ১০৮, ৬ষ্ঠ মুদ্রণ (২০০৮), স্টুডেন্ট ওয়েজ, ঢাকা * আমরা ঘাস মাড়াই আর মে মাসের ফুলকে কদর করি,<br>অথচ ফুল ঝরে গেলেও ঘাস সবুজই থাকে। ** রবার্ট সাউথওয়েল, ''স্কর্ন নট দ্য লিস্ট'' * আমি এই অঘ্রাণেরে ভালোবাসি—বিকেলের এই রঙ—রঙের শূন্যতা<br/>রোদের নরম রোম—ঢালু মাঠ—বিবর্ণ বাদামি পাখি—হলুদ বিচালি<br/>পাতা কুড়াবার দিন ঘাসে-ঘাসে—কুড়ুনির মুখে তাই নাই কোনো কথা। **[[জীবনানন্দ দাশ]], জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড) - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- বেঙ্গল পাবলিশার্স, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * সকল ঘাস ধান হয় না। পৃথিবীতে ঘাসই প্রায় সমস্ত, ধান অল্পই। কিন্তু ঘাস যেন আপনার স্বাভাবিক নিস্ফলতা লইয়া বিলাপ না করে– সে যেন স্মরণ করে যে, পৃথিবীর শুষ্কধূলিকে সে শ্যামলতার দ্বারা আচ্ছন্ন করিতেছে, রৌদ্রতাপকে সে চিরপ্রসন্ন স্নিগ্ধতার দ্বারা কোমল করিয়া লইতেছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পনেরাে-আনা, বিচিত্র প্রবন্ধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৫ * একটি শিশু দু’হাত ভর্তি ঘাস আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, “ঘাসটা কী?”<br>আমি শিশুটিকে কী উত্তর দেব? সে যেমন জানে না, আমিও তার চেয়ে বেশি জানি না।<br>আমার মনে হয়, এটা নিশ্চয়ই আমার স্বভাবের পতাকা, যা আশার সবুজ উপাদান দিয়ে বোনা। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৬) (১৮৫৫-১৮৮১) * সবুজ ঘাসে রোদের পাশে আলোর কেরামতি,<br>রঙিন বেশে, রঙিন ফুলে রঙিন প্রজাপতি! ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * মহৎ ব্যক্তির গুণাবলী বাতাসের মতো; সাধারণ মানুষের গুণাবলী ঘাসের মতো—হাওয়া বয়ে গেলে ঘাস নুয়ে পড়ে। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ৮, ''দ্য ভিলেজ'' * গাছের তাজ পাতা ও কচি ঘাস যে-সকল ফড়িঙের খাদ্য, তাহারা প্রায়ই সবুজ রঙের হয় এবং মাঠের শুক্‌নো ঘাস ও খড়ের মধ্যে যাহারা লুকাইয়া থাকে, তাহাদের রঙ্ মাটি ও শুক্‌নো ঘাসের রঙের মত হয়। পাখী ব্যাঙ্ প্রভৃতি প্রাণীরা ফড়িঙের পরম শত্রু। তাই ঘাস পাতার সঙ্গে রঙ্ মিলাইয়া ইহারা শত্রুদের ফাঁকি দেয়। **[[জগদানন্দ রায়]], ফড়িং, পোকা-মাকড়— জগদানন্দ রায়, প্রকাশক— ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল— ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩১৮ * আমরা ধন্য হতাম যদি সর্বদা বর্তমানেই বাঁচতাম এবং আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া প্রতিটি সুযোগের সদ্ব্যবহার করতাম, ঠিক যেন সেই ঘাসের মতো যা তার উপর পড়া সামান্যতম শিশিরের প্রভাবও স্বীকার করে নেয়। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ১৭, ''স্প্রিং'' * অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে। ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * আমি বিশ্বাস করি, ঘাসের একটি পাতাও নক্ষত্রদের যাত্রাপথ থেকে কোনো অংশে কম নয়। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৩১) (১৮৫৫-১৮৮১) * তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষা গরু,<br/>শিখিনি সিং বাঁকানো,<br/>কেবল খাবো খোল, বিচিলি ঘাস্।৷<br/>যেন রাঙা আমলা, তুলে মামলা,<br/>গামলা ভাঙে না,<br/>আমরা ভুসি পেলেই খুশি হব,<br/>ঘুসি খেলে বাঁচব না।৷ ** [[ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত]], নীলকর, কবিতাসংগ্রহ - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, সম্পাদনা- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * দীর্ঘ দীর্ঘ ঘাসের বনের মধ্যে দিয়ে সুঁড়িপথ। আলভারেজ বল্লে—খুব সাবধান, এই সব ঘাসের বনেই সিংহের আড্ডা; বেশী পেছনে থেকো না। আলভারেজের বন্দুক আছে, এই একটা ভরসা। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম পরিচ্ছেদ, চাঁদের পাহাড় - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪ * সে আমাকে বলেছিল বাঁধের উপর ঘাসের মতো জীবনটাকে সহজভাবে নিতে;<br>কিন্তু আমি ছিলাম তরুণ ও নির্বোধ, আর এখন আমার মন অশ্রুতে পূর্ণ। ** [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]], ''ক্রসওয়েজ'' (১৮৮৯), "ডাউন বাই দ্য স্যালি গার্ডেনস"। * উটের শরীরটিকে মরুভূমির উপযোগী করিয়াই গড়া হইয়াছে। চ্যাটাল চ্যাটাল পা, তার আষ্টেপৃষ্টে কড়ায় ঢাকা-ঝামা দিয়া ঘসিলেও তাহাতে ফোস্কা পড়ে না। ক্ষুধা নাই, তৃষ্ণা নাই—এক পেট ঘাস খাইয়া তিন দিন উপোস থাকে—এক ঢোক জল লইয়া সারাদিন পথ চলে। ** [[সুকুমার রায়]], মরুর দেশে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * অবশেষে সব কবরের উপরে ঘাস গজায়। ** জুলিয়া সিআর ডর, ''গ্রাস গ্রোন'', [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * হাট করতে চলে মেয়ে ঘাসের আঁঠি মাথায়,<br>তখন মনে হঠাৎ এসে এই বেদনাই বাজে—<br>ঠাঁই রবে না কোনােকালেই ঐ যা-কিছুর মাঝে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পিছু-ডাকা, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৯৩ * জীবন অথবা মৃত্যু চোখে র’বে—আর এই বাংলার ঘাস<br>র’বে বুকে; এই ঘাস: সীতারাম রাজারাম রামনাথ রায়—<br>ইহাদের ঘোড়া আজো অন্ধকারে এই ঘাস ভেঙে চ’লে যায়—<br>এই ঘাস: এরি নিচে কঙ্কাবতী শঙ্খমালা করিতেছে বাস:<br>তাদের দেহের গন্ধ, চাঁপাফুল মাখা ম্লান চুলের বিন্যাস<br>ঘাস আজো ঢেকে আছে; ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮ * মনুষ্যেরা ফল মূল লতা গুল্মাদি ভোজন করে বটে, কিন্তু ঘাস খায় কি না, বলিতে পারি না। কখন কোন মনুষ্যকে ঘাস খাইতে দেখি নাই। কিন্তু এ বিষয়ে আমার কিছু সংশয় আছে। শ্বেতবর্ণ মনুষ্যেরা এবং কৃষ্ণবর্ণ ধনবান্ মনুষ্যেরা বহুযত্নে আপন আপন উদ্যানে ঘাস তৈয়ার করে। আমার বিবেচনায় উহারা ঐ ঘাস খাইয়া থাকে। নহিলে ঘাসে তাহাদের এত যত্ন কেন? এরূপ আমি একজন কৃষ্ণবর্ণ মনুষ্যের মুখে শুনিয়াছিলাম। সে বলিতেছিল, ‘দেশটা উচ্ছন্ন গেল—যত সাহেব সুবো বড় মানুষে বসে বসে ঘাস খাইতেছে।’ সুতরাং প্রধান মনুষ্যেরা যে ঘাস খায়, তাহা এক প্রকার নিশ্চয়। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], ব্যাঘ্রাচার্য্য বৃহল্লাঙ্গুল, লোকরহস্য-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮ * এক দেশে হোক বা অন্য দেশে, ঘাসের একটি পাতা সবসময়ই ঘাসের একটি পাতাই থাকে। ** [[স্যামুয়েল জনসন]], মিসেস পিওজির জনসনের উপাখ্যান , পৃষ্ঠা ১০০, [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * এখানে গাছের পাতা যেতেছে হলুদ হয়ে—নিঃশব্দে উল্কার মতাে ঝ’রে<br/>একদিন তুমি এসে তবু এই হলুদ আঁচল রেখে ঘাসের ভিতরে<br/>শান্তি পাবে; সন্ধ্যার জলের দিকে শূন্য চোখে রবেনাকো তাকিয়ে এমন<br/>অস্পষ্ট সংকটে এসে—মুখে কথা ফুরােবে না—এখন যা গভীর গােপন<br/>প্রাণের চারুণা পাবে অন্ধকারে; ব্যাপ্তি পাবে; ** [[জীবনানন্দ দাশ]], নদী নক্ষত্র মানুষ, বনলতা সেন - [[জীবনানন্দ দাশ]], কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * সবুজ ঘাস স্রোতের মতো বয়ে যায়<br/>সাগরের নীলিমায়। ** জেমস রাসেল লোয়েল, ''দ্য সাইরেন্স'', লাইন ৮৭,[https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * রামচন্দ্রের তেরটি হনু ঘাস খায়, আর একটা হনু ঘাস খায় না। শ্রী রামচন্দ্র সেই হনুটাকে বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো কোন প্রকারে ঘাস খায় না, তখন শ্রী রামচন্দ্র বৃক্ষ হইতে অবতরণ পূর্ব্বক বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো তথাপি ঘাস খায় না। তখন শ্রী রামচন্দ্র ক্রুদ্ধ হইয়া গালি দিতে লাগিলেন, ‘ওরে দুর্ব্বৃত্ত দশানন! ওরে লম্বোদর গজানন! ওরে মলিম্লচ! ওরে জরদ্গব! ওরে পাষণ্ড! ঘাস খা।” ** রাজনারায়ণ বসু, গ্রাম্য উপাখ্যান - রাজনারায়ণ বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৪ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Grass}} [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভিদ]] mo0whcy0wp6zarljyq8nq95ieavr7oa 81828 81820 2026-04-28T03:54:21Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81828 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Cynodon dactylon (Couch Grass).jpg|thumb|300px|ঘাসের বনে আনন্দে আজ<br>সবুজ ফড়িং লাফিয়ে আসে,<br>আমার মনের চপল ফড়িং<br>ঘুরছে তাহার আশে-পাশে।<br>—[[সুনির্মল বসু]]]] '''[[:w:ঘাস|ঘাস]]''' বা '''তৃণ''' হলো একবীজপত্রী তৃণজাতীয় উদ্ভিদ, যার গোড়া থেকে সরু পাতা গজায়। বিভিন্ন ধরনের ফসল যেমন ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি ঘাস বা তৃণ জাতীয় উদ্ভিদ। যতো রকম গাছ আছে তার ভেতর ঘাসের ভূমিকাই প্রাণিদের জীবনে সবচেয়ে বেশি। জলে, ডাঙ্গায়, পাহাড়, মরু অঞ্চল সব জায়গাতেই ঘাস দেখতে পাওয়া যায়। এমনকি বরফে ঢাকা তুন্দ্রা অঞ্চলও ঘাস জন্মে। পৃথিবীর সমগ্র সবুজ অঞ্চলের প্রায় শতকরা ২০ভাগ ঘাস দিয়ে আবৃত। এ যাবৎ প্রায় ১০ হাজার প্রজাতির ঘাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। == উক্তি == * ঘাসের বনে আনন্দে আজ<br>সবুজ ফড়িং লাফিয়ে আসে,<br>আমার মনের চপল ফড়িং<br>ঘুরছে তাহার আশে-পাশে। ** [[সুনির্মল বসু]], সবুজ-ফড়িং, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০ * সুন্দরভাবে ছাঁটা সবুজ ঘাসের চেয়ে চোখের জন্য মনোরম আর কিছুই নেই। ** [[ফ্রান্সিস বেকন]], প্রবন্ধ (১৬২৫), ''অফ গর্ডেন'' * আমারো ইচ্ছা করে এই ঘাসের ঘ্রাণ হরিৎ মদের মতো<br>গেলাসে-গেলাসে পান করি,<br>এই ঘাসের শরীর ছানি– চোখে চোখ ঘষি,<br>ঘাসের পাখনায় আমার পালক,<br>ঘাসের ভিতর ঘাস হ’য়ে জন্মাই কোনো এক নিবিড় ঘাস-মাতার<br>শরীরের সুস্বাদ অন্ধকার থেকে নেমে। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], ঘাস, জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা, প্রকাশক- নাভানা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৬-৬৭ * এসেছে শরৎ, হিমের পরশ<br>লেগেছে হাওয়ার ’পরে।<br>সকাল বেলায় ঘাসের আগায়<br>[[শিশির|শিশিরের]] রেখা ধরে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], চিত্রবিচিত্র - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫ * সেপটিক ট্যাংকের ওপরের ঘাস সবসময়ই বেশি সবুজ মনে হয়। ** এরমা বোমবেক, ''টাইটেল অফ বুক'' (১৯৭৬)। * হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশ‍ু এক উঠানের ঘাসে;<br>র‍ূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালে<br>ডিঙা বায়;— ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * প্রিয়, আজই পাতা আর ঘাস সংগ্রহ করো;<br>কারণ শরৎকাল<br>শীঘ্রই বিদায় নেবে।<br>হাড় কাঁপানো বাতাস বইছে।<br>শীঘ্রই বরফ পড়বে। ** জন হেনরি বোনার , ''গেদার লিভস অ্যান্ড গ্রাসেস'', ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস'', ১০ম সংস্করণ (১৯১৯)-এ উল্লিখিত * পক্ষীর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এড়াইয়া জীবিত থাকিবার জন্যই ঘাসের ভিতরকার ফড়িঙের রঙ্ সবুজ এবং শুষ্ক তৃণমধ্যস্থ ফড়িঙের রঙ্ পাটল হইয়াছে। ** [[জগদানন্দ রায়]], প্রকৃতির বর্ণ-বৈচিত্র্য, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৫ * গাছকে দেখে আমি ধৈর্যের অর্থ বুঝি। ঘাসকে দেখে আমি অধ্যবসায়ের কদর করতে পারি। ** হাল বোরল্যান্ড, ''কান্ট্রিম্যান: এ সামারি অফ বিলিফ'' * এ গ্রামের পাশে মজা নদী বারো মাস<br>বর্ষায় আজ বিদ্রোহ বুঝি করে,<br>গোয়ালে পাঠায় ইশারা সবুজ ঘাস<br>এ গ্রাম নতুন সবুজ ঘাগরা পরে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চিরদিনের, সুকান্ত সমগ্র, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৯ * এই পৃথিবীতে এমন একটিও ছোট্ট ঘাসের ডগা নেই, এমন কোনো রঙ নেই যা মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্য নয়। ** জন ক্যালভিন, টমাস এফ. টিয়ারনি-র ''দ্য ভ্যালু অফ কনভিনিয়েন্স: জিনোলজি অফ টেকনিক্যাল কালচার'' (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১২৮ * খায় না সে দানাপানি—ঘাস পাতা বিচালি,<br>খায় না সে ছোলা ছাতু ময়দা কি পিঠালি; ** [[সুকুমার রায়]], ট্যাঁশ্ গরু, আবোল তাবোল, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * কতরকম লোক আসত, কত রকম কাণ্ড হত ওই বারান্দায়। একবার মাইক্রসকোপ এসেছে বিলেত থেকে, প্যাকিং বাক্স খোলা হচ্ছে। কি ঘাস দিয়ে যেন তারা প্যাক করে দিয়েছে, বাক্স খোলা মাত্র বারান্দা সুগন্ধে ভরপুর। ‘কি ঘাস, কি ঘাস’, বলে মুঠো মুঠো ঘাস ওখানে যারা ছিলেন সবাই পকেটে পুরলেন, বাড়ির ভিতরেও গেল কিছু, মেয়েদের মাথা ঘষার মসলা হবে। মাইক্রসকোপ রইল পড়ে, ঘাস নিয়েই মাতামাতি, দেখতে দেখতে সব ঘাস গেল উড়ে। আমিও এক ফাঁকে একটু নিলুম, বহুদিন অবধি পকেটে থাকত হাতের মুঠোয় নিয়ে গন্ধ শুঁকতুম। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জোড়াসাঁকোর ধারে, জোড়াসাঁকোর ধারে- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৭ * যদি সিমেন্টের মধ্য দিয়েও ঘাস গজাতে পারে, তবে ভালোবাসা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আপনাকে খুঁজে নিতে পারে। ** শের (শেরিলিন সার্কিসিয়ান), ''দ্য টাইমস''- এ উদ্ধৃত, ৩০ মে ১৯৯৮ * আমি এ ঘাসের বুকে শ‍ুয়ে থাকি—শালিখ নিয়েছে নিঙড়ায়ে<br>নরম হলুদ পায়ে এই ঘাস; এ সবুজ ঘাসের ভিতরে<br>সোঁদা ধুলো শ‍ুয়ে আছে—কাঁচের মতন পাখা এ ঘাসের গায়ে<br>ভেরেণ্‍ডাফুলের নীল ভোমরারা বুলাতেছে—শাদা স্তন ঝরে<br>করবীর: কোন্ এক কিশোরী এসে ছিঁড়ে নিয়ে চ’লে গেছে ফুল,<br>তাই দুধ ঝরিতেছে করবীর ঘাসে ঘাসে: নরম ব্যাকুল। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮ * পৃথিবীতে প্রতিটি ঘাসের পাতারই একটি নির্দিষ্ট স্থান আছে, যেখান থেকে সে তার জীবন ও শক্তি আহরণ করে; তেমনি মানুষও সেই ভূমিতে প্রোথিত, যেখান থেকে সে তার জীবনের পাশাপাশি বিশ্বাসও আহরণ করে। ** জোসেফ কনরাড, ''লর্ড জিম'', অধ্যায় ২১ * মৌমাছি সে গুনগুনিয়ে<br/>খুঁজে বেড়ায় কা’কে,<br/>ঘাসের মধ্যে ঝিঁঝিঁ করে<br/>ঝিঁঝিঁ পোক ডাকে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], সাত ভাই চম্পা, কড়ি ও কোমল-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- পীপ্‌ল্‌স লাইব্রেরি, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৯৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮১ * আপনি হয়তো পুরো বিশ্বকে অ্যাসফল্ট দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন, কিন্তু আজ হোক বা কাল হোক, সবুজ ঘাস ঠিকই বেরিয়ে আসবে। ** ইলিয়া এরেনবার্গ, প্যাট্রিসিয়া ব্লেক কর্তৃক ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস বুক রিভিউ''- তে লিখিত, ২২ অক্টোবর ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১ * বাবুই পাখির বাসা তোমরা অনেকেই দেখেছ বোধ হয়। কেমন সন্দর করে শুকনো ঘাস দিয়ে বুনে তার বাসাটি সে তৈরি করে। পাছে কোনো জন্ত বা সাপ বাসা আক্রমণ করে, সেইজন্য বাসায় ঢুকবার রাস্তা তলার দিকে। ** [[সুকুমার রায়]], পাখির বাসা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২৩ * বেড়ার ওপারের ঘাস সবসময় বেশি সবুজ হয় না। আসলে, এর সাথে বেড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। যেখানে জল দেওয়া হয়, সেখানকার ঘাসই সবচেয়ে সবুজ হয়। বেড়া পার হওয়ার সময় সাথে জল রাখুন এবং যেখানেই থাকুন না কেন, সেখানকার ঘাসের যত্ন নিন। ** রবার্ট ফুলগাম, ''ইট ওয়াজ অন ফায়ার হোয়েন আই লে ডাউন অন ইট'' (১৯৮৮) * মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান]) * সমস্ত প্রাণীই ঘাসের মতো, এবং তার সৌন্দর্য মাঠের ফুলের ন্যায়। ঘাস শুকিয়ে যায়, ফুল ঝরে যায়, কারণ প্রভুর আত্মা তার উপর দিয়ে বয়ে যায়; নিশ্চয়ই মানুষ ঘাসের মতো। ** [https://en.wikisource.org/wiki/Bible_(King_James)/Isaiah#40:6-7 যিশাইয় ৪০:৬-৭], [[w:কিং জেমস সংস্করণ|কিং জেমস বাইবেল]] * কাব্যলোকে বাস না করলে বাস কি করব ইতিহাসলোকে, না দর্শনলোক, না ডাক্তারদের ছেঁড়া-খোঁড়ার শবলোকে? আর এ সব কোনও লোকেই যদি বাস না করি তবে তো নেমে আসবও সেই লোকে – গাধা গরু যেখানে ঘাস চিবোয় আর জাবর কাটে। ** [[সৈয়দ মুজতবা আলী]], শবনম, দ্বিতীয় খণ্ড, অধ্যায় সাত, পৃ. ১০৮, ৬ষ্ঠ মুদ্রণ (২০০৮), স্টুডেন্ট ওয়েজ, ঢাকা * আমরা ঘাস মাড়াই আর মে মাসের ফুলকে কদর করি,<br>অথচ ফুল ঝরে গেলেও ঘাস সবুজই থাকে। ** রবার্ট সাউথওয়েল, ''স্কর্ন নট দ্য লিস্ট'' * আমি এই অঘ্রাণেরে ভালোবাসি—বিকেলের এই রঙ—রঙের শূন্যতা<br/>রোদের নরম রোম—ঢালু মাঠ—বিবর্ণ বাদামি পাখি—হলুদ বিচালি<br/>পাতা কুড়াবার দিন ঘাসে-ঘাসে—কুড়ুনির মুখে তাই নাই কোনো কথা। **[[জীবনানন্দ দাশ]], জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড) - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- বেঙ্গল পাবলিশার্স, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * সকল ঘাস ধান হয় না। পৃথিবীতে ঘাসই প্রায় সমস্ত, ধান অল্পই। কিন্তু ঘাস যেন আপনার স্বাভাবিক নিস্ফলতা লইয়া বিলাপ না করে– সে যেন স্মরণ করে যে, পৃথিবীর শুষ্কধূলিকে সে শ্যামলতার দ্বারা আচ্ছন্ন করিতেছে, রৌদ্রতাপকে সে চিরপ্রসন্ন স্নিগ্ধতার দ্বারা কোমল করিয়া লইতেছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পনেরাে-আনা, বিচিত্র প্রবন্ধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৫ * একটি শিশু দু’হাত ভর্তি ঘাস আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, “ঘাসটা কী?”<br>আমি শিশুটিকে কী উত্তর দেব? সে যেমন জানে না, আমিও তার চেয়ে বেশি জানি না।<br>আমার মনে হয়, এটা নিশ্চয়ই আমার স্বভাবের পতাকা, যা আশার সবুজ উপাদান দিয়ে বোনা। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৬) (১৮৫৫-১৮৮১) * সবুজ ঘাসে রোদের পাশে আলোর কেরামতি,<br>রঙিন বেশে, রঙিন ফুলে রঙিন প্রজাপতি! ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * মহৎ ব্যক্তির গুণাবলী বাতাসের মতো; সাধারণ মানুষের গুণাবলী ঘাসের মতো—হাওয়া বয়ে গেলে ঘাস নুয়ে পড়ে। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ৮, ''দ্য ভিলেজ'' * গাছের তাজ পাতা ও কচি ঘাস যে-সকল ফড়িঙের খাদ্য, তাহারা প্রায়ই সবুজ রঙের হয় এবং মাঠের শুক্‌নো ঘাস ও খড়ের মধ্যে যাহারা লুকাইয়া থাকে, তাহাদের রঙ্ মাটি ও শুক্‌নো ঘাসের রঙের মত হয়। পাখী ব্যাঙ্ প্রভৃতি প্রাণীরা ফড়িঙের পরম শত্রু। তাই ঘাস পাতার সঙ্গে রঙ্ মিলাইয়া ইহারা শত্রুদের ফাঁকি দেয়। **[[জগদানন্দ রায়]], ফড়িং, পোকা-মাকড়— জগদানন্দ রায়, প্রকাশক— ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল— ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩১৮ * আমরা ধন্য হতাম যদি সর্বদা বর্তমানেই বাঁচতাম এবং আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া প্রতিটি সুযোগের সদ্ব্যবহার করতাম, ঠিক যেন সেই ঘাসের মতো যা তার উপর পড়া সামান্যতম শিশিরের প্রভাবও স্বীকার করে নেয়। ** হেনরি ডেভিড থোরো, ''ওয়াল্ডেন'' (১৮৫৪), অধ্যায় ১৭, ''স্প্রিং'' * অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি! ** [[সুকুমার রায়]], অন্ধ মেয়ে, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * আমি বিশ্বাস করি, ঘাসের একটি পাতাও নক্ষত্রদের যাত্রাপথ থেকে কোনো অংশে কম নয়। ** [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], ''লিভস অফ গ্রাস'', ''সং অফ মাইসেলফ'' (৩১) (১৮৫৫-১৮৮১) * তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষা গরু,<br/>শিখিনি সিং বাঁকানো,<br/>কেবল খাবো খোল, বিচিলি ঘাস্।৷<br/>যেন রাঙা আমলা, তুলে মামলা,<br/>গামলা ভাঙে না,<br/>আমরা ভুসি পেলেই খুশি হব,<br/>ঘুসি খেলে বাঁচব না।৷ ** [[ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত]], নীলকর, কবিতাসংগ্রহ - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, সম্পাদনা- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * দীর্ঘ দীর্ঘ ঘাসের বনের মধ্যে দিয়ে সুঁড়িপথ। আলভারেজ বল্লে—খুব সাবধান, এই সব ঘাসের বনেই সিংহের আড্ডা; বেশী পেছনে থেকো না। আলভারেজের বন্দুক আছে, এই একটা ভরসা। ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম পরিচ্ছেদ, চাঁদের পাহাড় - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪ * সে আমাকে বলেছিল বাঁধের উপর ঘাসের মতো জীবনটাকে সহজভাবে নিতে;<br>কিন্তু আমি ছিলাম তরুণ ও নির্বোধ, আর এখন আমার মন অশ্রুতে পূর্ণ। ** [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]], ''ক্রসওয়েজ'' (১৮৮৯), "ডাউন বাই দ্য স্যালি গার্ডেনস"। * উটের শরীরটিকে মরুভূমির উপযোগী করিয়াই গড়া হইয়াছে। চ্যাটাল চ্যাটাল পা, তার আষ্টেপৃষ্টে কড়ায় ঢাকা-ঝামা দিয়া ঘসিলেও তাহাতে ফোস্কা পড়ে না। ক্ষুধা নাই, তৃষ্ণা নাই—এক পেট ঘাস খাইয়া তিন দিন উপোস থাকে—এক ঢোক জল লইয়া সারাদিন পথ চলে। ** [[সুকুমার রায়]], মরুর দেশে, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * অবশেষে সব কবরের উপরে ঘাস গজায়। ** জুলিয়া সিআর ডর, ''গ্রাস গ্রোন'', [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * হাট করতে চলে মেয়ে ঘাসের আঁঠি মাথায়,<br>তখন মনে হঠাৎ এসে এই বেদনাই বাজে—<br>ঠাঁই রবে না কোনােকালেই ঐ যা-কিছুর মাঝে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পিছু-ডাকা, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৯৩ * জীবন অথবা মৃত্যু চোখে র’বে—আর এই বাংলার ঘাস<br>র’বে বুকে; এই ঘাস: সীতারাম রাজারাম রামনাথ রায়—<br>ইহাদের ঘোড়া আজো অন্ধকারে এই ঘাস ভেঙে চ’লে যায়—<br>এই ঘাস: এরি নিচে কঙ্কাবতী শঙ্খমালা করিতেছে বাস:<br>তাদের দেহের গন্ধ, চাঁপাফুল মাখা ম্লান চুলের বিন্যাস<br>ঘাস আজো ঢেকে আছে; ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮ * মনুষ্যেরা ফল মূল লতা গুল্মাদি ভোজন করে বটে, কিন্তু ঘাস খায় কি না, বলিতে পারি না। কখন কোন মনুষ্যকে ঘাস খাইতে দেখি নাই। কিন্তু এ বিষয়ে আমার কিছু সংশয় আছে। শ্বেতবর্ণ মনুষ্যেরা এবং কৃষ্ণবর্ণ ধনবান্ মনুষ্যেরা বহুযত্নে আপন আপন উদ্যানে ঘাস তৈয়ার করে। আমার বিবেচনায় উহারা ঐ ঘাস খাইয়া থাকে। নহিলে ঘাসে তাহাদের এত যত্ন কেন? এরূপ আমি একজন কৃষ্ণবর্ণ মনুষ্যের মুখে শুনিয়াছিলাম। সে বলিতেছিল, ‘দেশটা উচ্ছন্ন গেল—যত সাহেব সুবো বড় মানুষে বসে বসে ঘাস খাইতেছে।’ সুতরাং প্রধান মনুষ্যেরা যে ঘাস খায়, তাহা এক প্রকার নিশ্চয়। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], ব্যাঘ্রাচার্য্য বৃহল্লাঙ্গুল, লোকরহস্য-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮ * এক দেশে হোক বা অন্য দেশে, ঘাসের একটি পাতা সবসময়ই ঘাসের একটি পাতাই থাকে। ** [[স্যামুয়েল জনসন]], মিসেস পিওজির জনসনের উপাখ্যান , পৃষ্ঠা ১০০, [https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * এখানে গাছের পাতা যেতেছে হলুদ হয়ে—নিঃশব্দে উল্কার মতাে ঝ’রে<br/>একদিন তুমি এসে তবু এই হলুদ আঁচল রেখে ঘাসের ভিতরে<br/>শান্তি পাবে; সন্ধ্যার জলের দিকে শূন্য চোখে রবেনাকো তাকিয়ে এমন<br/>অস্পষ্ট সংকটে এসে—মুখে কথা ফুরােবে না—এখন যা গভীর গােপন<br/>প্রাণের চারুণা পাবে অন্ধকারে; ব্যাপ্তি পাবে; ** [[জীবনানন্দ দাশ]], নদী নক্ষত্র মানুষ, বনলতা সেন - [[জীবনানন্দ দাশ]], কলকাতা, প্রকাশসাল- ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ (১৪২৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬২ * সবুজ ঘাস স্রোতের মতো বয়ে যায়<br/>সাগরের নীলিমায়। ** জেমস রাসেল লোয়েল, ''দ্য সাইরেন্স'', লাইন ৮৭,[https://en.wikisource.org/wiki/Page:Hoyt%27s_New_Cyclopedia_Of_Practical_Quotations_(1922).djvu/374 হয়েটের 'নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৩৩৬] * রামচন্দ্রের তেরটি হনু ঘাস খায়, আর একটা হনু ঘাস খায় না। শ্রী রামচন্দ্র সেই হনুটাকে বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো কোন প্রকারে ঘাস খায় না, তখন শ্রী রামচন্দ্র বৃক্ষ হইতে অবতরণ পূর্ব্বক বলিলেন যে ‘ওরে হোনো! ঘাস খা।’ হোনো তথাপি ঘাস খায় না। তখন শ্রী রামচন্দ্র ক্রুদ্ধ হইয়া গালি দিতে লাগিলেন, ‘ওরে দুর্ব্বৃত্ত দশানন! ওরে লম্বোদর গজানন! ওরে মলিম্লচ! ওরে জরদ্গব! ওরে পাষণ্ড! ঘাস খা।” ** রাজনারায়ণ বসু, গ্রাম্য উপাখ্যান - রাজনারায়ণ বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৪ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Grass}} [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভিদ]] 0wwbbkrorwhg8binlifd9qn7fghf0jp শহর 0 12185 81698 74673 2026-04-27T17:57:36Z Salil Kumar Mukherjee 39 /* উক্তি */ 81698 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:শহর|শহর]]''' হলো এক প্রকার মানব বসতি, যা সাধারণত কোনও গ্রামের চাইতে বড় এবং বৃহৎ শহর তথা নগর অপেক্ষা ছোট। বিশ্বজুড়ে শহরকে চিহ্নিত করার মানদণ্ড ভিন্ন ভিন্ন হয়, যা প্রায়শই জনসংখ্যার আকার, অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য, প্রশাসনিক অবস্থা বা ঐতিহাসিক তাৎপর্যের মতো বিষয়ের উপর নির্ভর করে। কিছু অঞ্চলে, আইনি সনদ বা সরকারি পদবির মাধ্যমে শহরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, আবার অন্য কিছু অঞ্চলে এই শব্দটি অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়। শহরগুলিতে সাধারণত পৌর কর্তৃপক্ষের মতো কেন্দ্রীভূত পরিষেবা এবং শাসনব্যবস্থা থাকে এবং এগুলি নিজ নিজ অঞ্চলের মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। == উক্তি == * আজকাল শহরে শহরে বিদ্যুতের আলো দেখা যায়। জাহাজে রেলগাড়িতে সবখানেই ‘বিজলীবাতি’র আমদানি হইয়াছে। জল জোগাইবার জন্য রাস্তায় যেমন নল বসানো হয়, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পাঠাইবার জন্য সেইরকম লোহা বা তামার তার খাটাইতে হয়। জলের কারখানায় বড়ো-বড়ো দমকলের চাপে জল ঠেলিয়া উঁচুতে তোলে, সেই তোলা-জল শহরের নল বাহিয়া চারিদিকে ছড়াইয়া পড়ে। বিদ্যুতের ব্যবস্থাও কতকটা সেইরকম —বিদ্যুতের কারখানায় বড়ো-বড়ো কলে বিদ্যুৎ জমাইয়া রাখে, আর সেই বিদ্যুৎ আপনার চাপে তারের পথ ধরিয়া বহুদূর পর্যন্ত ছুটিয়া যায়। ** [[সুকুমার রায়]], আশ্চর্য আলো, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৮ * কখনো গােয়েন্দাদের চোখে ধুলি দিতে আত্মগােপন করেছে রকম-বেরকমের ছদ্মবেশে। শহরে শহরে চালান করেছে শত শত নিষিদ্ধ পুস্তক। নির্বাসিত সঙ্গীদের মুক্তির আয়োজন ক’রে দিয়েছে···সঙ্গে করে তাদের বিপদ সীমার বাইরে রেখে এসেছে। তার বাড়িতে একটা ছাপাখানা ছিল···পুলিস খানাতল্লাশ করতে এলে এক মিনিটের মধ্যে ভেল বদলে চাকরের সাজে আগন্তুকদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলো সে···তারপর গায়ে একখানা র‍্যাপার জড়িয়ে, মাথায় রুমাল বেঁধে, হাতে একটা কেরোসিনের টিন নিয়ে কেরোসিন-ওয়ালীর বেশে শীতের কনকনে হাওয়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চ’লে গেলো।··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৪-১৩৫ * সেদিন সে লিখেছিল, ঘুঁটে চাই চালানো,<br>শহরের ঘরে ঘরে ঘুঁটে হোক জ্বালানো।<br>কয়লা ঘুঁটেতে যেন সাপে আর নেউলে<br>ঝরিয়াকে করে দিক একদম দেউলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], আজ হল রবিবার— খুব মোটা বহরের, ছড়া- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৯ * আমরা কোহিমা শহরটি চারিদিকে ঘিরিয়া ফেলিয়াছি। এবার যুদ্ধ হইতেছে শহর দখলের জন্য। আমাদের আক্রমণকারী সেনাদলের উপর কামান দাগিতেছে। জাপানী সেনারা আমাদের সহিত সহযোগিতা করিতেছে। আমাদের এরোপ্লেন হইতে কোহিমার উপর বোমা ফেলা হইল। আমাদের একদল গিয়াছে জি-টি পাহাড়ের দিকে। এই পাহাড় হইতে কোহিমা শহরে জল সরবরাহ হয়। পানীয় জল বন্ধ হইলে শহরের পতনে দেরী হইবে না। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ৭ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ * সন্ধ্যার সময় জাহাজঘাটে দাঁড়াইলে দেখা যায় নদীর বুকে শত শত আলাে অনির্বাণ জোনাকির মতাে ঘুরিয়া বেড়াইতেছে। জেলে নৌকার আলাে ওগুলি। সমস্তরাত্রি আলোগুলি এমনিভাবে নদীবক্ষের রহস্যময় ম্লান অন্ধকারে দুর্বোধ্য সংকেতের মতাে সঞ্চালিত হয়। একসময় মাঝরাত্রি পার হইয়া যায়। শহরে গ্রামে রেলস্টেশনে ও জাহাজঘাটে শান্ত মানুষ চোখ বুজিয়া ঘুমাইয়া পড়ে। শেষ রাত্রে ভাঙা ভাঙা মেঘে ঢাকা আকাশে ক্ষীণ চাঁদটি ওঠে। জেলে নৌকার আলােগুলি তখনও নেভে না। ** [[মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়]], পদ্মানদীর মাঝি - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বেঙ্গল পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, ষষ্ঠ সংস্করণ, ভাদ্র ১৩৬১, পৃষ্ঠা ৭ * পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭ * বিদেশী মাল জাহাজে করিয়া শহরের ঘাট পর্যন্ত আসিয়া পৌঁছিতে পারে, কিন্তু সেই জাহাজটাতে করিয়াই দেশের হাটে হাটে আমদানি রফ্‌তানি করাইবার দুরাশা মিথ্যা। যদি বিলিতি জাহাজটাকেই কায়মনে আঁকড়াইয়া ধরিতে চাই তবে ব্যাবসা শহরেই আটকা পড়িয়া থাকিবে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিক্ষার বাহন, শিক্ষা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * এই নাটকের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পেরেছিলাম বলেই গ্রামগঞ্জে, সর্বত্র এই নাটক আমাদের করতে হয়েছে। আমরা প্রথম থেকেই এই নাটককে গণনাট্যের আদর্শে গড়ে তুলতে চেয়েছিলাম। যা আমি এখনো আছি। কলকাতা শহরের কয়েকটা হল কেন্দ্রিক নাট্য আন্দোলনে আমার বিশ্বাস কম, ওই কটা জায়গায় কয়জন "গণ" যায়? আজকের গ্রুপ থিয়েটার আন্দোলন অনেকটা সেইরকম নাটকবিলাসীদের হাতে পড়েছে। ** [[ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়]], আত্মজীবনী, ভানু সমগ্র, পত্রভারতী থেকে প্রকাশিত, পৃষ্ঠা ১১৫ * বাহির থেকে মস্কৌ শহর যখন চোখে পড়ল দেখলুম য়ুরোপের অন্য সমস্ত ধনী শহরের তুলনায় অত্যন্ত মলিন। রাস্তায় যারা চলেছে তারা একজনও শৌখিন নয়,সমস্ত শহর আটপৌরে কাপড়-পরা। আটপৌরে কাপড়ে শ্রেণীভেদ থাকে না, শ্রেণীভেদ পোশকী কাপড়ে। এখানে সাজে পরিচ্ছদে সবাই এক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রাশিয়ার চিঠি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২ * কান্দাহার সেরূপ নয়। বেশ সুন্দর সমতল ভূমি। শহরের মধ্যে প্রবেশ করলে মনে হয় না আশেপাশে পাহাড় রয়েছে। অথচ চামনের দিক থেকে যদি কান্দাহার যাওয়া যায় তবে বুঝতে পারা যাবে কত পাহাড় ডিঙ্গিয়ে তারপর কান্দাহার পৌঁছান যায়। ** [[রামনাথ বিশ্বাস]], কান্দাহার, আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮ * পাগলা-ঝোড়া ঝরনা শাদা পৈতের মতো পাহাড়ের গা বেয়ে গাছ-পালার মধ্যে দিয়ে ঝুলে পড়েছে—এই পাহাড়ের দেওয়াল ডিঙিয়ে হাঁসেরা কার্সিয়ংয়ের মুখে চলল—পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭ * আজ আমরা অজস্র গোলা বর্ষণ ও গ্রেনেড্ বোমা বিস্ফোরণের মধ্যে কোহিমা শহরে প্রবেশ করিয়াছি। কোহিমার ডেপুটি কমিশনারের বাংলো আমাদের অধিকারে। কিন্তু শহরটি এখনো সম্পূর্ণ দখল হয় নাই। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ১০ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ *আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।<br/>পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস<br/>এ শহরে বেশি ভাসে,<br/>মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না। ** বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [https://books.google.com.bd/books?id=l4hsEAAAQBAJ&pg=PT1] * অন্য শহরের কথা ছেড়েই দিলাম, এত যে বড়ো লণ্ডন শহর, কয়েকশত বছর আগে তার যেরকম দুরবস্থা ছিল তা শুনলে অবাক হয়ে যেতে হয়। শহরের রাস্তাগুলো ছিল উঁচু নিচু, রাত্রে বাতি জ্বলে না, গাড়ি ঘোড়ার চল নাই, চোর ডাকাতের ভয়ে লোকে সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বেরোতে সাহস পায় না। সে সময় শহরে দু-দশ জন বড়োলোক ছাড়া কারও গাড়ি চড়বার উপায় ছিল না। ** [[সুকুমার রায়]], আদ্যিকালের গাড়ি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Town}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:আবহ]] 951ii9x1g9h76kus9i4amk4306g9t5d 81701 81698 2026-04-27T18:07:49Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81701 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:শহর|শহর]]''' হলো এক প্রকার মানব বসতি, যা সাধারণত কোনও গ্রামের চাইতে বড় এবং বৃহৎ শহর তথা নগর অপেক্ষা ছোট। বিশ্বজুড়ে শহরকে চিহ্নিত করার মানদণ্ড ভিন্ন ভিন্ন হয়, যা প্রায়শই জনসংখ্যার আকার, অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য, প্রশাসনিক অবস্থা বা ঐতিহাসিক তাৎপর্যের মতো বিষয়ের উপর নির্ভর করে। কিছু অঞ্চলে, আইনি সনদ বা সরকারি পদবির মাধ্যমে শহরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, আবার অন্য কিছু অঞ্চলে এই শব্দটি অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়। শহরগুলিতে সাধারণত পৌর কর্তৃপক্ষের মতো কেন্দ্রীভূত পরিষেবা এবং শাসনব্যবস্থা থাকে এবং এগুলি নিজ নিজ অঞ্চলের মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। == উক্তি == * আজকাল শহরে শহরে বিদ্যুতের আলো দেখা যায়। জাহাজে রেলগাড়িতে সবখানেই ‘বিজলীবাতি’র আমদানি হইয়াছে। জল জোগাইবার জন্য রাস্তায় যেমন নল বসানো হয়, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পাঠাইবার জন্য সেইরকম লোহা বা তামার তার খাটাইতে হয়। জলের কারখানায় বড়ো-বড়ো দমকলের চাপে জল ঠেলিয়া উঁচুতে তোলে, সেই তোলা-জল শহরের নল বাহিয়া চারিদিকে ছড়াইয়া পড়ে। বিদ্যুতের ব্যবস্থাও কতকটা সেইরকম —বিদ্যুতের কারখানায় বড়ো-বড়ো কলে বিদ্যুৎ জমাইয়া রাখে, আর সেই বিদ্যুৎ আপনার চাপে তারের পথ ধরিয়া বহুদূর পর্যন্ত ছুটিয়া যায়। ** [[সুকুমার রায়]], আশ্চর্য আলো, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৮ * কখনো গােয়েন্দাদের চোখে ধুলি দিতে আত্মগােপন করেছে রকম-বেরকমের ছদ্মবেশে। শহরে শহরে চালান করেছে শত শত নিষিদ্ধ পুস্তক। নির্বাসিত সঙ্গীদের মুক্তির আয়োজন ক’রে দিয়েছে···সঙ্গে করে তাদের বিপদ সীমার বাইরে রেখে এসেছে। তার বাড়িতে একটা ছাপাখানা ছিল···পুলিস খানাতল্লাশ করতে এলে এক মিনিটের মধ্যে ভেল বদলে চাকরের সাজে আগন্তুকদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলো সে···তারপর গায়ে একখানা র‍্যাপার জড়িয়ে, মাথায় রুমাল বেঁধে, হাতে একটা কেরোসিনের টিন নিয়ে কেরোসিন-ওয়ালীর বেশে শীতের কনকনে হাওয়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চ’লে গেলো।··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৪-১৩৫ * সেদিন সে লিখেছিল, ঘুঁটে চাই চালানো,<br>শহরের ঘরে ঘরে ঘুঁটে হোক জ্বালানো।<br>কয়লা ঘুঁটেতে যেন সাপে আর নেউলে<br>ঝরিয়াকে করে দিক একদম দেউলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], আজ হল রবিবার— খুব মোটা বহরের, ছড়া- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৯ * আমরা কোহিমা শহরটি চারিদিকে ঘিরিয়া ফেলিয়াছি। এবার যুদ্ধ হইতেছে শহর দখলের জন্য। আমাদের আক্রমণকারী সেনাদলের উপর কামান দাগিতেছে। জাপানী সেনারা আমাদের সহিত সহযোগিতা করিতেছে। আমাদের এরোপ্লেন হইতে কোহিমার উপর বোমা ফেলা হইল। আমাদের একদল গিয়াছে জি-টি পাহাড়ের দিকে। এই পাহাড় হইতে কোহিমা শহরে জল সরবরাহ হয়। পানীয় জল বন্ধ হইলে শহরের পতনে দেরী হইবে না। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ৭ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ * সন্ধ্যার সময় জাহাজঘাটে দাঁড়াইলে দেখা যায় নদীর বুকে শত শত আলাে অনির্বাণ জোনাকির মতাে ঘুরিয়া বেড়াইতেছে। জেলে নৌকার আলাে ওগুলি। সমস্তরাত্রি আলোগুলি এমনিভাবে নদীবক্ষের রহস্যময় ম্লান অন্ধকারে দুর্বোধ্য সংকেতের মতাে সঞ্চালিত হয়। একসময় মাঝরাত্রি পার হইয়া যায়। শহরে গ্রামে রেলস্টেশনে ও জাহাজঘাটে শান্ত মানুষ চোখ বুজিয়া ঘুমাইয়া পড়ে। শেষ রাত্রে ভাঙা ভাঙা মেঘে ঢাকা আকাশে ক্ষীণ চাঁদটি ওঠে। জেলে নৌকার আলােগুলি তখনও নেভে না। ** [[মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়]], পদ্মানদীর মাঝি - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বেঙ্গল পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, ষষ্ঠ সংস্করণ, ভাদ্র ১৩৬১, পৃষ্ঠা ৭ * পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭ * বিদেশী মাল জাহাজে করিয়া শহরের ঘাট পর্যন্ত আসিয়া পৌঁছিতে পারে, কিন্তু সেই জাহাজটাতে করিয়াই দেশের হাটে হাটে আমদানি রফ্‌তানি করাইবার দুরাশা মিথ্যা। যদি বিলিতি জাহাজটাকেই কায়মনে আঁকড়াইয়া ধরিতে চাই তবে ব্যাবসা শহরেই আটকা পড়িয়া থাকিবে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিক্ষার বাহন, শিক্ষা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * এই নাটকের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পেরেছিলাম বলেই গ্রামগঞ্জে, সর্বত্র এই নাটক আমাদের করতে হয়েছে। আমরা প্রথম থেকেই এই নাটককে গণনাট্যের আদর্শে গড়ে তুলতে চেয়েছিলাম। যা আমি এখনো আছি। কলকাতা শহরের কয়েকটা হল কেন্দ্রিক নাট্য আন্দোলনে আমার বিশ্বাস কম, ওই কটা জায়গায় কয়জন "গণ" যায়? আজকের গ্রুপ থিয়েটার আন্দোলন অনেকটা সেইরকম নাটকবিলাসীদের হাতে পড়েছে। ** [[ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়]], আত্মজীবনী, ভানু সমগ্র, পত্রভারতী থেকে প্রকাশিত, পৃষ্ঠা ১১৫ * বাহির থেকে মস্কৌ শহর যখন চোখে পড়ল দেখলুম য়ুরোপের অন্য সমস্ত ধনী শহরের তুলনায় অত্যন্ত মলিন। রাস্তায় যারা চলেছে তারা একজনও শৌখিন নয়,সমস্ত শহর আটপৌরে কাপড়-পরা। আটপৌরে কাপড়ে শ্রেণীভেদ থাকে না, শ্রেণীভেদ পোশকী কাপড়ে। এখানে সাজে পরিচ্ছদে সবাই এক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রাশিয়ার চিঠি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২ * কান্দাহার সেরূপ নয়। বেশ সুন্দর সমতল ভূমি। শহরের মধ্যে প্রবেশ করলে মনে হয় না আশেপাশে পাহাড় রয়েছে। অথচ চামনের দিক থেকে যদি কান্দাহার যাওয়া যায় তবে বুঝতে পারা যাবে কত পাহাড় ডিঙ্গিয়ে তারপর কান্দাহার পৌঁছান যায়। ** [[রামনাথ বিশ্বাস]], কান্দাহার, আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮ * কয়েক বৎসর আগে সানফ্রান্সিসকো শহরে যে ভূমিকম্প হইয়াছিল সে কেবল বাড়ি ঘর ফেলিয়াই ক্ষান্ত হয় নাই, গ্যাসের নল আর বিদ্যুতের তার ভাঙিয়া জড়াইয়া সে শহরে আগুন লাগাইয়া দেয়। সে এমন সর্বনেশে আগুন যে শহরের সমস্ত দমকল মিলিয়াও তাহাকে কিছুমাত্র জব্দ করিতে পারে নাই। তার পরে শহরের কর্তা বোমাবারুদ ফাটাইয়া আগুনের আশেপাশে অনেকগুলা বাড়ি উড়াইয়া দিয়া মনে করিলেন আগুন আর ছড়াইতে পারিবে না। কিন্তু আগুন প্রায় সিকি মাইল ফাঁকা জমি টপকাইয়া শহরের আর একদিকে ফুটিয়া বাহির হইল। যাহা হউক, খানিক বাদে বাতাসের মুখ ঘুরিয়া গেল তাই রক্ষা, তাহা না হইলে শহরের চিহ্নমাত্র থাকিত কি না সন্দেহ। ** [[সুকুমার রায়]], ভূমিকম্প, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২১ * পাগলা-ঝোড়া ঝরনা শাদা পৈতের মতো পাহাড়ের গা বেয়ে গাছ-পালার মধ্যে দিয়ে ঝুলে পড়েছে—এই পাহাড়ের দেওয়াল ডিঙিয়ে হাঁসেরা কার্সিয়ংয়ের মুখে চলল—পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭ * আজ আমরা অজস্র গোলা বর্ষণ ও গ্রেনেড্ বোমা বিস্ফোরণের মধ্যে কোহিমা শহরে প্রবেশ করিয়াছি। কোহিমার ডেপুটি কমিশনারের বাংলো আমাদের অধিকারে। কিন্তু শহরটি এখনো সম্পূর্ণ দখল হয় নাই। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ১০ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ *আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।<br/>পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস<br/>এ শহরে বেশি ভাসে,<br/>মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না। ** বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [https://books.google.com.bd/books?id=l4hsEAAAQBAJ&pg=PT1] * অন্য শহরের কথা ছেড়েই দিলাম, এত যে বড়ো লণ্ডন শহর, কয়েকশত বছর আগে তার যেরকম দুরবস্থা ছিল তা শুনলে অবাক হয়ে যেতে হয়। শহরের রাস্তাগুলো ছিল উঁচু নিচু, রাত্রে বাতি জ্বলে না, গাড়ি ঘোড়ার চল নাই, চোর ডাকাতের ভয়ে লোকে সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বেরোতে সাহস পায় না। সে সময় শহরে দু-দশ জন বড়োলোক ছাড়া কারও গাড়ি চড়বার উপায় ছিল না। ** [[সুকুমার রায়]], আদ্যিকালের গাড়ি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Town}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:আবহ]] iixzvg895i3bwsztslvnxr5valoorgb 81703 81701 2026-04-27T18:16:38Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81703 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:শহর|শহর]]''' হলো এক প্রকার মানব বসতি, যা সাধারণত কোনও গ্রামের চাইতে বড় এবং বৃহৎ শহর তথা নগর অপেক্ষা ছোট। বিশ্বজুড়ে শহরকে চিহ্নিত করার মানদণ্ড ভিন্ন ভিন্ন হয়, যা প্রায়শই জনসংখ্যার আকার, অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য, প্রশাসনিক অবস্থা বা ঐতিহাসিক তাৎপর্যের মতো বিষয়ের উপর নির্ভর করে। কিছু অঞ্চলে, আইনি সনদ বা সরকারি পদবির মাধ্যমে শহরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, আবার অন্য কিছু অঞ্চলে এই শব্দটি অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়। শহরগুলিতে সাধারণত পৌর কর্তৃপক্ষের মতো কেন্দ্রীভূত পরিষেবা এবং শাসনব্যবস্থা থাকে এবং এগুলি নিজ নিজ অঞ্চলের মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। == উক্তি == * আজকাল শহরে শহরে বিদ্যুতের আলো দেখা যায়। জাহাজে রেলগাড়িতে সবখানেই ‘বিজলীবাতি’র আমদানি হইয়াছে। জল জোগাইবার জন্য রাস্তায় যেমন নল বসানো হয়, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পাঠাইবার জন্য সেইরকম লোহা বা তামার তার খাটাইতে হয়। জলের কারখানায় বড়ো-বড়ো দমকলের চাপে জল ঠেলিয়া উঁচুতে তোলে, সেই তোলা-জল শহরের নল বাহিয়া চারিদিকে ছড়াইয়া পড়ে। বিদ্যুতের ব্যবস্থাও কতকটা সেইরকম —বিদ্যুতের কারখানায় বড়ো-বড়ো কলে বিদ্যুৎ জমাইয়া রাখে, আর সেই বিদ্যুৎ আপনার চাপে তারের পথ ধরিয়া বহুদূর পর্যন্ত ছুটিয়া যায়। ** [[সুকুমার রায়]], আশ্চর্য আলো, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৮ * কখনো গােয়েন্দাদের চোখে ধুলি দিতে আত্মগােপন করেছে রকম-বেরকমের ছদ্মবেশে। শহরে শহরে চালান করেছে শত শত নিষিদ্ধ পুস্তক। নির্বাসিত সঙ্গীদের মুক্তির আয়োজন ক’রে দিয়েছে···সঙ্গে করে তাদের বিপদ সীমার বাইরে রেখে এসেছে। তার বাড়িতে একটা ছাপাখানা ছিল···পুলিস খানাতল্লাশ করতে এলে এক মিনিটের মধ্যে ভেল বদলে চাকরের সাজে আগন্তুকদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলো সে···তারপর গায়ে একখানা র‍্যাপার জড়িয়ে, মাথায় রুমাল বেঁধে, হাতে একটা কেরোসিনের টিন নিয়ে কেরোসিন-ওয়ালীর বেশে শীতের কনকনে হাওয়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চ’লে গেলো।··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৪-১৩৫ * সেই মহাভারতের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি শহরে বা তার আশেপাশে কত মানুষ বসবাস করে এসেছে। কত লোক কত নামে ডেকেছে এই শহরকে: ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর, তুঘ্‌লকাবাদ, শাজাহানাবাদ এবং আরও কত নামে। শোনা যায়, যমুনা নদীর ধারার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সাত-সাতটা ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় এই একই দিল্লি শহর পত্তন করা হয়। আজ যে নূতন দিল্লি বা রায়সিনা শহর দেশের বর্তমান শাসনকর্তাদের হুকুমে নির্মিত হয়েছে, এক হিসাবে তাকে অষ্টম দিল্লি বলা চলে। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], অতীতের আহ্বান, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮ * সেদিন সে লিখেছিল, ঘুঁটে চাই চালানো,<br>শহরের ঘরে ঘরে ঘুঁটে হোক জ্বালানো।<br>কয়লা ঘুঁটেতে যেন সাপে আর নেউলে<br>ঝরিয়াকে করে দিক একদম দেউলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], আজ হল রবিবার— খুব মোটা বহরের, ছড়া- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৯ * আমরা কোহিমা শহরটি চারিদিকে ঘিরিয়া ফেলিয়াছি। এবার যুদ্ধ হইতেছে শহর দখলের জন্য। আমাদের আক্রমণকারী সেনাদলের উপর কামান দাগিতেছে। জাপানী সেনারা আমাদের সহিত সহযোগিতা করিতেছে। আমাদের এরোপ্লেন হইতে কোহিমার উপর বোমা ফেলা হইল। আমাদের একদল গিয়াছে জি-টি পাহাড়ের দিকে। এই পাহাড় হইতে কোহিমা শহরে জল সরবরাহ হয়। পানীয় জল বন্ধ হইলে শহরের পতনে দেরী হইবে না। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ৭ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ * সন্ধ্যার সময় জাহাজঘাটে দাঁড়াইলে দেখা যায় নদীর বুকে শত শত আলাে অনির্বাণ জোনাকির মতাে ঘুরিয়া বেড়াইতেছে। জেলে নৌকার আলাে ওগুলি। সমস্তরাত্রি আলোগুলি এমনিভাবে নদীবক্ষের রহস্যময় ম্লান অন্ধকারে দুর্বোধ্য সংকেতের মতাে সঞ্চালিত হয়। একসময় মাঝরাত্রি পার হইয়া যায়। শহরে গ্রামে রেলস্টেশনে ও জাহাজঘাটে শান্ত মানুষ চোখ বুজিয়া ঘুমাইয়া পড়ে। শেষ রাত্রে ভাঙা ভাঙা মেঘে ঢাকা আকাশে ক্ষীণ চাঁদটি ওঠে। জেলে নৌকার আলােগুলি তখনও নেভে না। ** [[মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়]], পদ্মানদীর মাঝি - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বেঙ্গল পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, ষষ্ঠ সংস্করণ, ভাদ্র ১৩৬১, পৃষ্ঠা ৭ * পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭ * বিদেশী মাল জাহাজে করিয়া শহরের ঘাট পর্যন্ত আসিয়া পৌঁছিতে পারে, কিন্তু সেই জাহাজটাতে করিয়াই দেশের হাটে হাটে আমদানি রফ্‌তানি করাইবার দুরাশা মিথ্যা। যদি বিলিতি জাহাজটাকেই কায়মনে আঁকড়াইয়া ধরিতে চাই তবে ব্যাবসা শহরেই আটকা পড়িয়া থাকিবে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিক্ষার বাহন, শিক্ষা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * এই নাটকের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পেরেছিলাম বলেই গ্রামগঞ্জে, সর্বত্র এই নাটক আমাদের করতে হয়েছে। আমরা প্রথম থেকেই এই নাটককে গণনাট্যের আদর্শে গড়ে তুলতে চেয়েছিলাম। যা আমি এখনো আছি। কলকাতা শহরের কয়েকটা হল কেন্দ্রিক নাট্য আন্দোলনে আমার বিশ্বাস কম, ওই কটা জায়গায় কয়জন "গণ" যায়? আজকের গ্রুপ থিয়েটার আন্দোলন অনেকটা সেইরকম নাটকবিলাসীদের হাতে পড়েছে। ** [[ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়]], আত্মজীবনী, ভানু সমগ্র, পত্রভারতী থেকে প্রকাশিত, পৃষ্ঠা ১১৫ * বাহির থেকে মস্কৌ শহর যখন চোখে পড়ল দেখলুম য়ুরোপের অন্য সমস্ত ধনী শহরের তুলনায় অত্যন্ত মলিন। রাস্তায় যারা চলেছে তারা একজনও শৌখিন নয়,সমস্ত শহর আটপৌরে কাপড়-পরা। আটপৌরে কাপড়ে শ্রেণীভেদ থাকে না, শ্রেণীভেদ পোশকী কাপড়ে। এখানে সাজে পরিচ্ছদে সবাই এক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রাশিয়ার চিঠি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২ * কান্দাহার সেরূপ নয়। বেশ সুন্দর সমতল ভূমি। শহরের মধ্যে প্রবেশ করলে মনে হয় না আশেপাশে পাহাড় রয়েছে। অথচ চামনের দিক থেকে যদি কান্দাহার যাওয়া যায় তবে বুঝতে পারা যাবে কত পাহাড় ডিঙ্গিয়ে তারপর কান্দাহার পৌঁছান যায়। ** [[রামনাথ বিশ্বাস]], কান্দাহার, আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮ * কয়েক বৎসর আগে সানফ্রান্সিসকো শহরে যে ভূমিকম্প হইয়াছিল সে কেবল বাড়ি ঘর ফেলিয়াই ক্ষান্ত হয় নাই, গ্যাসের নল আর বিদ্যুতের তার ভাঙিয়া জড়াইয়া সে শহরে আগুন লাগাইয়া দেয়। সে এমন সর্বনেশে আগুন যে শহরের সমস্ত দমকল মিলিয়াও তাহাকে কিছুমাত্র জব্দ করিতে পারে নাই। তার পরে শহরের কর্তা বোমাবারুদ ফাটাইয়া আগুনের আশেপাশে অনেকগুলা বাড়ি উড়াইয়া দিয়া মনে করিলেন আগুন আর ছড়াইতে পারিবে না। কিন্তু আগুন প্রায় সিকি মাইল ফাঁকা জমি টপকাইয়া শহরের আর একদিকে ফুটিয়া বাহির হইল। যাহা হউক, খানিক বাদে বাতাসের মুখ ঘুরিয়া গেল তাই রক্ষা, তাহা না হইলে শহরের চিহ্নমাত্র থাকিত কি না সন্দেহ। ** [[সুকুমার রায়]], ভূমিকম্প, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২১ * পাগলা-ঝোড়া ঝরনা শাদা পৈতের মতো পাহাড়ের গা বেয়ে গাছ-পালার মধ্যে দিয়ে ঝুলে পড়েছে—এই পাহাড়ের দেওয়াল ডিঙিয়ে হাঁসেরা কার্সিয়ংয়ের মুখে চলল—পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭ * আজ আমরা অজস্র গোলা বর্ষণ ও গ্রেনেড্ বোমা বিস্ফোরণের মধ্যে কোহিমা শহরে প্রবেশ করিয়াছি। কোহিমার ডেপুটি কমিশনারের বাংলো আমাদের অধিকারে। কিন্তু শহরটি এখনো সম্পূর্ণ দখল হয় নাই। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ১০ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ *আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।<br/>পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস<br/>এ শহরে বেশি ভাসে,<br/>মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না। ** বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [https://books.google.com.bd/books?id=l4hsEAAAQBAJ&pg=PT1] * অন্য শহরের কথা ছেড়েই দিলাম, এত যে বড়ো লণ্ডন শহর, কয়েকশত বছর আগে তার যেরকম দুরবস্থা ছিল তা শুনলে অবাক হয়ে যেতে হয়। শহরের রাস্তাগুলো ছিল উঁচু নিচু, রাত্রে বাতি জ্বলে না, গাড়ি ঘোড়ার চল নাই, চোর ডাকাতের ভয়ে লোকে সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বেরোতে সাহস পায় না। সে সময় শহরে দু-দশ জন বড়োলোক ছাড়া কারও গাড়ি চড়বার উপায় ছিল না। ** [[সুকুমার রায়]], আদ্যিকালের গাড়ি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Town}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:আবহ]] 0rfo8qt5jsadlm3ddo0n7gdy834al46 81704 81703 2026-04-27T18:28:10Z Salil Kumar Mukherjee 39 চিত্র 81704 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Delhi aerial photo 04-2016 img11.jpg|thumb|300px|সেই মহাভারতের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি শহরে বা তার আশেপাশে কত মানুষ বসবাস করে এসেছে। কত লোক কত নামে ডেকেছে এই শহরকে: ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর, তুঘ্‌লকাবাদ, শাজাহানাবাদ এবং আরও কত নামে।<br>—[[জওহরলাল নেহেরু]]]] '''[[:w:শহর|শহর]]''' হলো এক প্রকার মানব বসতি, যা সাধারণত কোনও গ্রামের চাইতে বড় এবং বৃহৎ শহর তথা নগর অপেক্ষা ছোট। বিশ্বজুড়ে শহরকে চিহ্নিত করার মানদণ্ড ভিন্ন ভিন্ন হয়, যা প্রায়শই জনসংখ্যার আকার, অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য, প্রশাসনিক অবস্থা বা ঐতিহাসিক তাৎপর্যের মতো বিষয়ের উপর নির্ভর করে। কিছু অঞ্চলে, আইনি সনদ বা সরকারি পদবির মাধ্যমে শহরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, আবার অন্য কিছু অঞ্চলে এই শব্দটি অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়। শহরগুলিতে সাধারণত পৌর কর্তৃপক্ষের মতো কেন্দ্রীভূত পরিষেবা এবং শাসনব্যবস্থা থাকে এবং এগুলি নিজ নিজ অঞ্চলের মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। == উক্তি == * আজকাল শহরে শহরে বিদ্যুতের আলো দেখা যায়। জাহাজে রেলগাড়িতে সবখানেই ‘বিজলীবাতি’র আমদানি হইয়াছে। জল জোগাইবার জন্য রাস্তায় যেমন নল বসানো হয়, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পাঠাইবার জন্য সেইরকম লোহা বা তামার তার খাটাইতে হয়। জলের কারখানায় বড়ো-বড়ো দমকলের চাপে জল ঠেলিয়া উঁচুতে তোলে, সেই তোলা-জল শহরের নল বাহিয়া চারিদিকে ছড়াইয়া পড়ে। বিদ্যুতের ব্যবস্থাও কতকটা সেইরকম —বিদ্যুতের কারখানায় বড়ো-বড়ো কলে বিদ্যুৎ জমাইয়া রাখে, আর সেই বিদ্যুৎ আপনার চাপে তারের পথ ধরিয়া বহুদূর পর্যন্ত ছুটিয়া যায়। ** [[সুকুমার রায়]], আশ্চর্য আলো, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৮ * কখনো গােয়েন্দাদের চোখে ধুলি দিতে আত্মগােপন করেছে রকম-বেরকমের ছদ্মবেশে। শহরে শহরে চালান করেছে শত শত নিষিদ্ধ পুস্তক। নির্বাসিত সঙ্গীদের মুক্তির আয়োজন ক’রে দিয়েছে···সঙ্গে করে তাদের বিপদ সীমার বাইরে রেখে এসেছে। তার বাড়িতে একটা ছাপাখানা ছিল···পুলিস খানাতল্লাশ করতে এলে এক মিনিটের মধ্যে ভেল বদলে চাকরের সাজে আগন্তুকদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলো সে···তারপর গায়ে একখানা র‍্যাপার জড়িয়ে, মাথায় রুমাল বেঁধে, হাতে একটা কেরোসিনের টিন নিয়ে কেরোসিন-ওয়ালীর বেশে শীতের কনকনে হাওয়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চ’লে গেলো।··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৪-১৩৫ * সেই মহাভারতের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি শহরে বা তার আশেপাশে কত মানুষ বসবাস করে এসেছে। কত লোক কত নামে ডেকেছে এই শহরকে: ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর, তুঘ্‌লকাবাদ, শাজাহানাবাদ এবং আরও কত নামে। শোনা যায়, যমুনা নদীর ধারার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সাত-সাতটা ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় এই একই দিল্লি শহর পত্তন করা হয়। আজ যে নূতন দিল্লি বা রায়সিনা শহর দেশের বর্তমান শাসনকর্তাদের হুকুমে নির্মিত হয়েছে, এক হিসাবে তাকে অষ্টম দিল্লি বলা চলে। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], অতীতের আহ্বান, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮ * সেদিন সে লিখেছিল, ঘুঁটে চাই চালানো,<br>শহরের ঘরে ঘরে ঘুঁটে হোক জ্বালানো।<br>কয়লা ঘুঁটেতে যেন সাপে আর নেউলে<br>ঝরিয়াকে করে দিক একদম দেউলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], আজ হল রবিবার— খুব মোটা বহরের, ছড়া- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৯ * আমরা কোহিমা শহরটি চারিদিকে ঘিরিয়া ফেলিয়াছি। এবার যুদ্ধ হইতেছে শহর দখলের জন্য। আমাদের আক্রমণকারী সেনাদলের উপর কামান দাগিতেছে। জাপানী সেনারা আমাদের সহিত সহযোগিতা করিতেছে। আমাদের এরোপ্লেন হইতে কোহিমার উপর বোমা ফেলা হইল। আমাদের একদল গিয়াছে জি-টি পাহাড়ের দিকে। এই পাহাড় হইতে কোহিমা শহরে জল সরবরাহ হয়। পানীয় জল বন্ধ হইলে শহরের পতনে দেরী হইবে না। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ৭ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ * সন্ধ্যার সময় জাহাজঘাটে দাঁড়াইলে দেখা যায় নদীর বুকে শত শত আলাে অনির্বাণ জোনাকির মতাে ঘুরিয়া বেড়াইতেছে। জেলে নৌকার আলাে ওগুলি। সমস্তরাত্রি আলোগুলি এমনিভাবে নদীবক্ষের রহস্যময় ম্লান অন্ধকারে দুর্বোধ্য সংকেতের মতাে সঞ্চালিত হয়। একসময় মাঝরাত্রি পার হইয়া যায়। শহরে গ্রামে রেলস্টেশনে ও জাহাজঘাটে শান্ত মানুষ চোখ বুজিয়া ঘুমাইয়া পড়ে। শেষ রাত্রে ভাঙা ভাঙা মেঘে ঢাকা আকাশে ক্ষীণ চাঁদটি ওঠে। জেলে নৌকার আলােগুলি তখনও নেভে না। ** [[মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়]], পদ্মানদীর মাঝি - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বেঙ্গল পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, ষষ্ঠ সংস্করণ, ভাদ্র ১৩৬১, পৃষ্ঠা ৭ * পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭ * বিদেশী মাল জাহাজে করিয়া শহরের ঘাট পর্যন্ত আসিয়া পৌঁছিতে পারে, কিন্তু সেই জাহাজটাতে করিয়াই দেশের হাটে হাটে আমদানি রফ্‌তানি করাইবার দুরাশা মিথ্যা। যদি বিলিতি জাহাজটাকেই কায়মনে আঁকড়াইয়া ধরিতে চাই তবে ব্যাবসা শহরেই আটকা পড়িয়া থাকিবে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিক্ষার বাহন, শিক্ষা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * এই নাটকের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পেরেছিলাম বলেই গ্রামগঞ্জে, সর্বত্র এই নাটক আমাদের করতে হয়েছে। আমরা প্রথম থেকেই এই নাটককে গণনাট্যের আদর্শে গড়ে তুলতে চেয়েছিলাম। যা আমি এখনো আছি। কলকাতা শহরের কয়েকটা হল কেন্দ্রিক নাট্য আন্দোলনে আমার বিশ্বাস কম, ওই কটা জায়গায় কয়জন "গণ" যায়? আজকের গ্রুপ থিয়েটার আন্দোলন অনেকটা সেইরকম নাটকবিলাসীদের হাতে পড়েছে। ** [[ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়]], আত্মজীবনী, ভানু সমগ্র, পত্রভারতী থেকে প্রকাশিত, পৃষ্ঠা ১১৫ * বাহির থেকে মস্কৌ শহর যখন চোখে পড়ল দেখলুম য়ুরোপের অন্য সমস্ত ধনী শহরের তুলনায় অত্যন্ত মলিন। রাস্তায় যারা চলেছে তারা একজনও শৌখিন নয়,সমস্ত শহর আটপৌরে কাপড়-পরা। আটপৌরে কাপড়ে শ্রেণীভেদ থাকে না, শ্রেণীভেদ পোশকী কাপড়ে। এখানে সাজে পরিচ্ছদে সবাই এক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রাশিয়ার চিঠি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২ * কান্দাহার সেরূপ নয়। বেশ সুন্দর সমতল ভূমি। শহরের মধ্যে প্রবেশ করলে মনে হয় না আশেপাশে পাহাড় রয়েছে। অথচ চামনের দিক থেকে যদি কান্দাহার যাওয়া যায় তবে বুঝতে পারা যাবে কত পাহাড় ডিঙ্গিয়ে তারপর কান্দাহার পৌঁছান যায়। ** [[রামনাথ বিশ্বাস]], কান্দাহার, আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮ * কয়েক বৎসর আগে সানফ্রান্সিসকো শহরে যে ভূমিকম্প হইয়াছিল সে কেবল বাড়ি ঘর ফেলিয়াই ক্ষান্ত হয় নাই, গ্যাসের নল আর বিদ্যুতের তার ভাঙিয়া জড়াইয়া সে শহরে আগুন লাগাইয়া দেয়। সে এমন সর্বনেশে আগুন যে শহরের সমস্ত দমকল মিলিয়াও তাহাকে কিছুমাত্র জব্দ করিতে পারে নাই। তার পরে শহরের কর্তা বোমাবারুদ ফাটাইয়া আগুনের আশেপাশে অনেকগুলা বাড়ি উড়াইয়া দিয়া মনে করিলেন আগুন আর ছড়াইতে পারিবে না। কিন্তু আগুন প্রায় সিকি মাইল ফাঁকা জমি টপকাইয়া শহরের আর একদিকে ফুটিয়া বাহির হইল। যাহা হউক, খানিক বাদে বাতাসের মুখ ঘুরিয়া গেল তাই রক্ষা, তাহা না হইলে শহরের চিহ্নমাত্র থাকিত কি না সন্দেহ। ** [[সুকুমার রায়]], ভূমিকম্প, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২১ * পাগলা-ঝোড়া ঝরনা শাদা পৈতের মতো পাহাড়ের গা বেয়ে গাছ-পালার মধ্যে দিয়ে ঝুলে পড়েছে—এই পাহাড়ের দেওয়াল ডিঙিয়ে হাঁসেরা কার্সিয়ংয়ের মুখে চলল—পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭ * আজ আমরা অজস্র গোলা বর্ষণ ও গ্রেনেড্ বোমা বিস্ফোরণের মধ্যে কোহিমা শহরে প্রবেশ করিয়াছি। কোহিমার ডেপুটি কমিশনারের বাংলো আমাদের অধিকারে। কিন্তু শহরটি এখনো সম্পূর্ণ দখল হয় নাই। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ১০ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ *আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।<br/>পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস<br/>এ শহরে বেশি ভাসে,<br/>মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না। ** বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [https://books.google.com.bd/books?id=l4hsEAAAQBAJ&pg=PT1] * অন্য শহরের কথা ছেড়েই দিলাম, এত যে বড়ো লণ্ডন শহর, কয়েকশত বছর আগে তার যেরকম দুরবস্থা ছিল তা শুনলে অবাক হয়ে যেতে হয়। শহরের রাস্তাগুলো ছিল উঁচু নিচু, রাত্রে বাতি জ্বলে না, গাড়ি ঘোড়ার চল নাই, চোর ডাকাতের ভয়ে লোকে সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বেরোতে সাহস পায় না। সে সময় শহরে দু-দশ জন বড়োলোক ছাড়া কারও গাড়ি চড়বার উপায় ছিল না। ** [[সুকুমার রায়]], আদ্যিকালের গাড়ি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Town}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:আবহ]] 87hou1w381bz93t9ervrhav9keumgum 81869 81704 2026-04-28T07:02:42Z Salil Kumar Mukherjee 39 /* উক্তি */ 81869 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Delhi aerial photo 04-2016 img11.jpg|thumb|300px|সেই মহাভারতের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি শহরে বা তার আশেপাশে কত মানুষ বসবাস করে এসেছে। কত লোক কত নামে ডেকেছে এই শহরকে: ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর, তুঘ্‌লকাবাদ, শাজাহানাবাদ এবং আরও কত নামে।<br>—[[জওহরলাল নেহেরু]]]] '''[[:w:শহর|শহর]]''' হলো এক প্রকার মানব বসতি, যা সাধারণত কোনও গ্রামের চাইতে বড় এবং বৃহৎ শহর তথা নগর অপেক্ষা ছোট। বিশ্বজুড়ে শহরকে চিহ্নিত করার মানদণ্ড ভিন্ন ভিন্ন হয়, যা প্রায়শই জনসংখ্যার আকার, অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য, প্রশাসনিক অবস্থা বা ঐতিহাসিক তাৎপর্যের মতো বিষয়ের উপর নির্ভর করে। কিছু অঞ্চলে, আইনি সনদ বা সরকারি পদবির মাধ্যমে শহরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, আবার অন্য কিছু অঞ্চলে এই শব্দটি অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়। শহরগুলিতে সাধারণত পৌর কর্তৃপক্ষের মতো কেন্দ্রীভূত পরিষেবা এবং শাসনব্যবস্থা থাকে এবং এগুলি নিজ নিজ অঞ্চলের মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। == উক্তি == * সেই মহাভারতের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি শহরে বা তার আশেপাশে কত মানুষ বসবাস করে এসেছে। কত লোক কত নামে ডেকেছে এই শহরকে: ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর, তুঘ্‌লকাবাদ, শাজাহানাবাদ এবং আরও কত নামে। শোনা যায়, যমুনা নদীর ধারার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সাত-সাতটা ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় এই একই দিল্লি শহর পত্তন করা হয়। আজ যে নূতন দিল্লি বা রায়সিনা শহর দেশের বর্তমান শাসনকর্তাদের হুকুমে নির্মিত হয়েছে, এক হিসাবে তাকে অষ্টম দিল্লি বলা চলে। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], অতীতের আহ্বান, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮ * আমরা কোহিমা শহরটি চারিদিকে ঘিরিয়া ফেলিয়াছি। এবার যুদ্ধ হইতেছে শহর দখলের জন্য। আমাদের আক্রমণকারী সেনাদলের উপর কামান দাগিতেছে। জাপানী সেনারা আমাদের সহিত সহযোগিতা করিতেছে। আমাদের এরোপ্লেন হইতে কোহিমার উপর বোমা ফেলা হইল। আমাদের একদল গিয়াছে জি-টি পাহাড়ের দিকে। এই পাহাড় হইতে কোহিমা শহরে জল সরবরাহ হয়। পানীয় জল বন্ধ হইলে শহরের পতনে দেরী হইবে না। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ৭ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ * আজকাল শহরে শহরে বিদ্যুতের আলো দেখা যায়। জাহাজে রেলগাড়িতে সবখানেই ‘বিজলীবাতি’র আমদানি হইয়াছে। জল জোগাইবার জন্য রাস্তায় যেমন নল বসানো হয়, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পাঠাইবার জন্য সেইরকম লোহা বা তামার তার খাটাইতে হয়। জলের কারখানায় বড়ো-বড়ো দমকলের চাপে জল ঠেলিয়া উঁচুতে তোলে, সেই তোলা-জল শহরের নল বাহিয়া চারিদিকে ছড়াইয়া পড়ে। ** [[সুকুমার রায়]], আশ্চর্য আলো, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৮ * কখনো গােয়েন্দাদের চোখে ধুলি দিতে আত্মগােপন করেছে রকম-বেরকমের ছদ্মবেশে। শহরে শহরে চালান করেছে শত শত নিষিদ্ধ পুস্তক। নির্বাসিত সঙ্গীদের মুক্তির আয়োজন ক’রে দিয়েছে···সঙ্গে করে তাদের বিপদ সীমার বাইরে রেখে এসেছে। তার বাড়িতে একটা ছাপাখানা ছিল···পুলিস খানাতল্লাশ করতে এলে এক মিনিটের মধ্যে ভেল বদলে চাকরের সাজে আগন্তুকদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলো সে···তারপর গায়ে একখানা র‍্যাপার জড়িয়ে, মাথায় রুমাল বেঁধে, হাতে একটা কেরোসিনের টিন নিয়ে কেরোসিন-ওয়ালীর বেশে শীতের কনকনে হাওয়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চ’লে গেলো।··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৪-১৩৫ * সেদিন সে লিখেছিল, ঘুঁটে চাই চালানো,<br>শহরের ঘরে ঘরে ঘুঁটে হোক জ্বালানো।<br>কয়লা ঘুঁটেতে যেন সাপে আর নেউলে<br>ঝরিয়াকে করে দিক একদম দেউলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], আজ হল রবিবার— খুব মোটা বহরের, ছড়া- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৯ * পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭ * বিদেশী মাল জাহাজে করিয়া শহরের ঘাট পর্যন্ত আসিয়া পৌঁছিতে পারে, কিন্তু সেই জাহাজটাতে করিয়াই দেশের হাটে হাটে আমদানি রফ্‌তানি করাইবার দুরাশা মিথ্যা। যদি বিলিতি জাহাজটাকেই কায়মনে আঁকড়াইয়া ধরিতে চাই তবে ব্যাবসা শহরেই আটকা পড়িয়া থাকিবে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিক্ষার বাহন, শিক্ষা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * বাহির থেকে মস্কৌ শহর যখন চোখে পড়ল দেখলুম য়ুরোপের অন্য সমস্ত ধনী শহরের তুলনায় অত্যন্ত মলিন। রাস্তায় যারা চলেছে তারা একজনও শৌখিন নয়,সমস্ত শহর আটপৌরে কাপড়-পরা। আটপৌরে কাপড়ে শ্রেণীভেদ থাকে না, শ্রেণীভেদ পোশকী কাপড়ে। এখানে সাজে পরিচ্ছদে সবাই এক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রাশিয়ার চিঠি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২ * কান্দাহার সেরূপ নয়। বেশ সুন্দর সমতল ভূমি। শহরের মধ্যে প্রবেশ করলে মনে হয় না আশেপাশে পাহাড় রয়েছে। অথচ চামনের দিক থেকে যদি কান্দাহার যাওয়া যায় তবে বুঝতে পারা যাবে কত পাহাড় ডিঙ্গিয়ে তারপর কান্দাহার পৌঁছান যায়। ** [[রামনাথ বিশ্বাস]], কান্দাহার, আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮ * কয়েক বৎসর আগে সানফ্রান্সিসকো শহরে যে ভূমিকম্প হইয়াছিল সে কেবল বাড়ি ঘর ফেলিয়াই ক্ষান্ত হয় নাই, গ্যাসের নল আর বিদ্যুতের তার ভাঙিয়া জড়াইয়া সে শহরে আগুন লাগাইয়া দেয়। সে এমন সর্বনেশে আগুন যে শহরের সমস্ত দমকল মিলিয়াও তাহাকে কিছুমাত্র জব্দ করিতে পারে নাই। তার পরে শহরের কর্তা বোমাবারুদ ফাটাইয়া আগুনের আশেপাশে অনেকগুলা বাড়ি উড়াইয়া দিয়া মনে করিলেন আগুন আর ছড়াইতে পারিবে না। কিন্তু আগুন প্রায় সিকি মাইল ফাঁকা জমি টপকাইয়া শহরের আর একদিকে ফুটিয়া বাহির হইল। যাহা হউক, খানিক বাদে বাতাসের মুখ ঘুরিয়া গেল তাই রক্ষা, তাহা না হইলে শহরের চিহ্নমাত্র থাকিত কি না সন্দেহ। ** [[সুকুমার রায়]], ভূমিকম্প, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২১ * আজ আমরা অজস্র গোলা বর্ষণ ও গ্রেনেড্ বোমা বিস্ফোরণের মধ্যে কোহিমা শহরে প্রবেশ করিয়াছি। কোহিমার ডেপুটি কমিশনারের বাংলো আমাদের অধিকারে। কিন্তু শহরটি এখনো সম্পূর্ণ দখল হয় নাই। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ১০ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ *আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।<br/>পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস<br/>এ শহরে বেশি ভাসে,<br/>মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না। ** বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [https://books.google.com.bd/books?id=l4hsEAAAQBAJ&pg=PT1] * অন্য শহরের কথা ছেড়েই দিলাম, এত যে বড়ো লণ্ডন শহর, কয়েকশত বছর আগে তার যেরকম দুরবস্থা ছিল তা শুনলে অবাক হয়ে যেতে হয়। শহরের রাস্তাগুলো ছিল উঁচু নিচু, রাত্রে বাতি জ্বলে না, গাড়ি ঘোড়ার চল নাই, চোর ডাকাতের ভয়ে লোকে সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বেরোতে সাহস পায় না। সে সময় শহরে দু-দশ জন বড়োলোক ছাড়া কারও গাড়ি চড়বার উপায় ছিল না। ** [[সুকুমার রায়]], আদ্যিকালের গাড়ি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Town}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:আবহ]] eeglwn42v70vyoucyrtdn5i989yqrs4 81879 81869 2026-04-28T07:25:42Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81879 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Delhi aerial photo 04-2016 img11.jpg|thumb|300px|সেই মহাভারতের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি শহরে বা তার আশেপাশে কত মানুষ বসবাস করে এসেছে। কত লোক কত নামে ডেকেছে এই শহরকে: ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর, তুঘ্‌লকাবাদ, শাজাহানাবাদ এবং আরও কত নামে।<br>—[[জওহরলাল নেহেরু]]]] '''[[:w:শহর|শহর]]''' হলো এক প্রকার মানব বসতি, যা সাধারণত কোনও গ্রামের চাইতে বড় এবং বৃহৎ শহর তথা নগর অপেক্ষা ছোট। বিশ্বজুড়ে শহরকে চিহ্নিত করার মানদণ্ড ভিন্ন ভিন্ন হয়, যা প্রায়শই জনসংখ্যার আকার, অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য, প্রশাসনিক অবস্থা বা ঐতিহাসিক তাৎপর্যের মতো বিষয়ের উপর নির্ভর করে। কিছু অঞ্চলে, আইনি সনদ বা সরকারি পদবির মাধ্যমে শহরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, আবার অন্য কিছু অঞ্চলে এই শব্দটি অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়। শহরগুলিতে সাধারণত পৌর কর্তৃপক্ষের মতো কেন্দ্রীভূত পরিষেবা এবং শাসনব্যবস্থা থাকে এবং এগুলি নিজ নিজ অঞ্চলের মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। == উক্তি == * সেই মহাভারতের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি শহরে বা তার আশেপাশে কত মানুষ বসবাস করে এসেছে। কত লোক কত নামে ডেকেছে এই শহরকে: ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর, তুঘ্‌লকাবাদ, শাজাহানাবাদ এবং আরও কত নামে। শোনা যায়, যমুনা নদীর ধারার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সাত-সাতটা ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় এই একই দিল্লি শহর পত্তন করা হয়। আজ যে নূতন দিল্লি বা রায়সিনা শহর দেশের বর্তমান শাসনকর্তাদের হুকুমে নির্মিত হয়েছে, এক হিসাবে তাকে অষ্টম দিল্লি বলা চলে। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], অতীতের আহ্বান, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮ * আমরা কোহিমা শহরটি চারিদিকে ঘিরিয়া ফেলিয়াছি। এবার যুদ্ধ হইতেছে শহর দখলের জন্য। আমাদের আক্রমণকারী সেনাদলের উপর কামান দাগিতেছে। জাপানী সেনারা আমাদের সহিত সহযোগিতা করিতেছে। আমাদের এরোপ্লেন হইতে কোহিমার উপর বোমা ফেলা হইল। আমাদের একদল গিয়াছে জি-টি পাহাড়ের দিকে। এই পাহাড় হইতে কোহিমা শহরে জল সরবরাহ হয়। পানীয় জল বন্ধ হইলে শহরের পতনে দেরী হইবে না। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ৭ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ * আজকাল শহরে শহরে বিদ্যুতের আলো দেখা যায়। জাহাজে রেলগাড়িতে সবখানেই ‘বিজলীবাতি’র আমদানি হইয়াছে। জল জোগাইবার জন্য রাস্তায় যেমন নল বসানো হয়, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পাঠাইবার জন্য সেইরকম লোহা বা তামার তার খাটাইতে হয়। জলের কারখানায় বড়ো-বড়ো দমকলের চাপে জল ঠেলিয়া উঁচুতে তোলে, সেই তোলা-জল শহরের নল বাহিয়া চারিদিকে ছড়াইয়া পড়ে। ** [[সুকুমার রায়]], আশ্চর্য আলো, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৮ * দু’চারজন এ পল্লিরই লােক···বাকি আসবে শহর থেকে।<br>শহর থেকে? মাথা নেড়ে মা বললেন, পরক্ষণেই তিনি ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলেন।<br>পেভেল ব্যথিত হয়ে বললাে, এ কি মা, কাঁদছ কেন? কি হয়েছে?<br>জামার হাতায় ছােখ মুছে মা বললেন, জানি না, কান্না পাচ্ছে।<br>ঘরের এদিক-ওদিক পায়চারি ক’রে মায়ের সামনে দাঁড়িয়ে পেভেল প্রশ্ন করলো, ভয় পাচ্ছ, মা?<br>মা ঘাড় নাড়লেন, হাঁ—শহরের লােক, কে জানে কেমন!··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * সেদিন সে লিখেছিল, ঘুঁটে চাই চালানো,<br>শহরের ঘরে ঘরে ঘুঁটে হোক জ্বালানো।<br>কয়লা ঘুঁটেতে যেন সাপে আর নেউলে<br>ঝরিয়াকে করে দিক একদম দেউলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], আজ হল রবিবার— খুব মোটা বহরের, ছড়া- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৯ * পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭ * বিদেশী মাল জাহাজে করিয়া শহরের ঘাট পর্যন্ত আসিয়া পৌঁছিতে পারে, কিন্তু সেই জাহাজটাতে করিয়াই দেশের হাটে হাটে আমদানি রফ্‌তানি করাইবার দুরাশা মিথ্যা। যদি বিলিতি জাহাজটাকেই কায়মনে আঁকড়াইয়া ধরিতে চাই তবে ব্যাবসা শহরেই আটকা পড়িয়া থাকিবে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিক্ষার বাহন, শিক্ষা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * বাহির থেকে মস্কৌ শহর যখন চোখে পড়ল দেখলুম য়ুরোপের অন্য সমস্ত ধনী শহরের তুলনায় অত্যন্ত মলিন। রাস্তায় যারা চলেছে তারা একজনও শৌখিন নয়,সমস্ত শহর আটপৌরে কাপড়-পরা। আটপৌরে কাপড়ে শ্রেণীভেদ থাকে না, শ্রেণীভেদ পোশকী কাপড়ে। এখানে সাজে পরিচ্ছদে সবাই এক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রাশিয়ার চিঠি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২ * কান্দাহার সেরূপ নয়। বেশ সুন্দর সমতল ভূমি। শহরের মধ্যে প্রবেশ করলে মনে হয় না আশেপাশে পাহাড় রয়েছে। অথচ চামনের দিক থেকে যদি কান্দাহার যাওয়া যায় তবে বুঝতে পারা যাবে কত পাহাড় ডিঙ্গিয়ে তারপর কান্দাহার পৌঁছান যায়। ** [[রামনাথ বিশ্বাস]], কান্দাহার, আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮ * কয়েক বৎসর আগে সানফ্রান্সিসকো শহরে যে ভূমিকম্প হইয়াছিল সে কেবল বাড়ি ঘর ফেলিয়াই ক্ষান্ত হয় নাই, গ্যাসের নল আর বিদ্যুতের তার ভাঙিয়া জড়াইয়া সে শহরে আগুন লাগাইয়া দেয়। সে এমন সর্বনেশে আগুন যে শহরের সমস্ত দমকল মিলিয়াও তাহাকে কিছুমাত্র জব্দ করিতে পারে নাই। তার পরে শহরের কর্তা বোমাবারুদ ফাটাইয়া আগুনের আশেপাশে অনেকগুলা বাড়ি উড়াইয়া দিয়া মনে করিলেন আগুন আর ছড়াইতে পারিবে না। কিন্তু আগুন প্রায় সিকি মাইল ফাঁকা জমি টপকাইয়া শহরের আর একদিকে ফুটিয়া বাহির হইল। যাহা হউক, খানিক বাদে বাতাসের মুখ ঘুরিয়া গেল তাই রক্ষা, তাহা না হইলে শহরের চিহ্নমাত্র থাকিত কি না সন্দেহ। ** [[সুকুমার রায়]], ভূমিকম্প, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২১ * কখনো গােয়েন্দাদের চোখে ধুলি দিতে আত্মগােপন করেছে রকম-বেরকমের ছদ্মবেশে। শহরে শহরে চালান করেছে শত শত নিষিদ্ধ পুস্তক। নির্বাসিত সঙ্গীদের মুক্তির আয়োজন ক’রে দিয়েছে···সঙ্গে করে তাদের বিপদ সীমার বাইরে রেখে এসেছে। তার বাড়িতে একটা ছাপাখানা ছিল···পুলিস খানাতল্লাশ করতে এলে এক মিনিটের মধ্যে ভেল বদলে চাকরের সাজে আগন্তুকদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলো সে···তারপর গায়ে একখানা র‍্যাপার জড়িয়ে, মাথায় রুমাল বেঁধে, হাতে একটা কেরোসিনের টিন নিয়ে কেরোসিন-ওয়ালীর বেশে শীতের কনকনে হাওয়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চ’লে গেলো।··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৪-১৩৫ * আজ আমরা অজস্র গোলা বর্ষণ ও গ্রেনেড্ বোমা বিস্ফোরণের মধ্যে কোহিমা শহরে প্রবেশ করিয়াছি। কোহিমার ডেপুটি কমিশনারের বাংলো আমাদের অধিকারে। কিন্তু শহরটি এখনো সম্পূর্ণ দখল হয় নাই। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ১০ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ *আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।<br/>পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস<br/>এ শহরে বেশি ভাসে,<br/>মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না। ** বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [https://books.google.com.bd/books?id=l4hsEAAAQBAJ&pg=PT1] * অন্য শহরের কথা ছেড়েই দিলাম, এত যে বড়ো লণ্ডন শহর, কয়েকশত বছর আগে তার যেরকম দুরবস্থা ছিল তা শুনলে অবাক হয়ে যেতে হয়। শহরের রাস্তাগুলো ছিল উঁচু নিচু, রাত্রে বাতি জ্বলে না, গাড়ি ঘোড়ার চল নাই, চোর ডাকাতের ভয়ে লোকে সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বেরোতে সাহস পায় না। সে সময় শহরে দু-দশ জন বড়োলোক ছাড়া কারও গাড়ি চড়বার উপায় ছিল না। ** [[সুকুমার রায়]], আদ্যিকালের গাড়ি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Town}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:আবহ]] sw3sk343ayt7jfnlhuphqjtdb4bf6dr 81882 81879 2026-04-28T07:43:10Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81882 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Delhi aerial photo 04-2016 img11.jpg|thumb|300px|সেই মহাভারতের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি শহরে বা তার আশেপাশে কত মানুষ বসবাস করে এসেছে। কত লোক কত নামে ডেকেছে এই শহরকে: ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর, তুঘ্‌লকাবাদ, শাজাহানাবাদ এবং আরও কত নামে।<br>—[[জওহরলাল নেহেরু]]]] '''[[:w:শহর|শহর]]''' হলো এক প্রকার মানব বসতি, যা সাধারণত কোনও গ্রামের চাইতে বড় এবং বৃহৎ শহর তথা নগর অপেক্ষা ছোট। বিশ্বজুড়ে শহরকে চিহ্নিত করার মানদণ্ড ভিন্ন ভিন্ন হয়, যা প্রায়শই জনসংখ্যার আকার, অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য, প্রশাসনিক অবস্থা বা ঐতিহাসিক তাৎপর্যের মতো বিষয়ের উপর নির্ভর করে। কিছু অঞ্চলে, আইনি সনদ বা সরকারি পদবির মাধ্যমে শহরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, আবার অন্য কিছু অঞ্চলে এই শব্দটি অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়। শহরগুলিতে সাধারণত পৌর কর্তৃপক্ষের মতো কেন্দ্রীভূত পরিষেবা এবং শাসনব্যবস্থা থাকে এবং এগুলি নিজ নিজ অঞ্চলের মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। == উক্তি == * সেই মহাভারতের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি শহরে বা তার আশেপাশে কত মানুষ বসবাস করে এসেছে। কত লোক কত নামে ডেকেছে এই শহরকে: ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর, তুঘ্‌লকাবাদ, শাজাহানাবাদ এবং আরও কত নামে। শোনা যায়, যমুনা নদীর ধারার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সাত-সাতটা ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় এই একই দিল্লি শহর পত্তন করা হয়। আজ যে নূতন দিল্লি বা রায়সিনা শহর দেশের বর্তমান শাসনকর্তাদের হুকুমে নির্মিত হয়েছে, এক হিসাবে তাকে অষ্টম দিল্লি বলা চলে। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], অতীতের আহ্বান, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮ * আমরা কোহিমা শহরটি চারিদিকে ঘিরিয়া ফেলিয়াছি। এবার যুদ্ধ হইতেছে শহর দখলের জন্য। আমাদের আক্রমণকারী সেনাদলের উপর কামান দাগিতেছে। জাপানী সেনারা আমাদের সহিত সহযোগিতা করিতেছে। আমাদের এরোপ্লেন হইতে কোহিমার উপর বোমা ফেলা হইল। আমাদের একদল গিয়াছে জি-টি পাহাড়ের দিকে। এই পাহাড় হইতে কোহিমা শহরে জল সরবরাহ হয়। পানীয় জল বন্ধ হইলে শহরের পতনে দেরী হইবে না। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ৭ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ * আজকাল শহরে শহরে বিদ্যুতের আলো দেখা যায়। জাহাজে রেলগাড়িতে সবখানেই ‘বিজলীবাতি’র আমদানি হইয়াছে। জল জোগাইবার জন্য রাস্তায় যেমন নল বসানো হয়, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পাঠাইবার জন্য সেইরকম লোহা বা তামার তার খাটাইতে হয়। জলের কারখানায় বড়ো-বড়ো দমকলের চাপে জল ঠেলিয়া উঁচুতে তোলে, সেই তোলা-জল শহরের নল বাহিয়া চারিদিকে ছড়াইয়া পড়ে। ** [[সুকুমার রায়]], আশ্চর্য আলো, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৮ * দু’চারজন এ পল্লিরই লােক···বাকি আসবে শহর থেকে।<br>শহর থেকে? মাথা নেড়ে মা বললেন, পরক্ষণেই তিনি ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলেন।<br>পেভেল ব্যথিত হয়ে বললাে, এ কি মা, কাঁদছ কেন? কি হয়েছে?<br>জামার হাতায় ছােখ মুছে মা বললেন, জানি না, কান্না পাচ্ছে।<br>ঘরের এদিক-ওদিক পায়চারি ক’রে মায়ের সামনে দাঁড়িয়ে পেভেল প্রশ্ন করলো, ভয় পাচ্ছ, মা?<br>মা ঘাড় নাড়লেন, হাঁ—শহরের লােক, কে জানে কেমন!··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * সেদিন সে লিখেছিল, ঘুঁটে চাই চালানো,<br>শহরের ঘরে ঘরে ঘুঁটে হোক জ্বালানো।<br>কয়লা ঘুঁটেতে যেন সাপে আর নেউলে<br>ঝরিয়াকে করে দিক একদম দেউলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], আজ হল রবিবার— খুব মোটা বহরের, ছড়া- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৯ * খবরটা দেখতে সারা শহরে ছড়িয়ে পড়ল। ঘুমন্ত মানুষ শয্যা ছেড়ে উঠে বসল। ইতিমধ্যে পথে আওয়াজ উঠেছে- প্রতিরোধ চাই; প্রররোধ। ছাত্র আর শ্রমিকদের মিছিল বেরিয়ে গেছে। তারা সারা শহরের পথে পথে ঘুরে প্রতিরোধ সংগ্রামের আওয়াজ তুলেছে। সেই আওয়াজে ঘরের মানুষ ঘর ছেড়ে পথে এসে দাঁড়িয়েছে। ** বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- নবম খণ্ড, সম্পাদনা- হাসান হাফিজুর রহমান, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩৬-৩৩৭ * পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭ * বিদেশী মাল জাহাজে করিয়া শহরের ঘাট পর্যন্ত আসিয়া পৌঁছিতে পারে, কিন্তু সেই জাহাজটাতে করিয়াই দেশের হাটে হাটে আমদানি রফ্‌তানি করাইবার দুরাশা মিথ্যা। যদি বিলিতি জাহাজটাকেই কায়মনে আঁকড়াইয়া ধরিতে চাই তবে ব্যাবসা শহরেই আটকা পড়িয়া থাকিবে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিক্ষার বাহন, শিক্ষা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * বাহির থেকে মস্কৌ শহর যখন চোখে পড়ল দেখলুম য়ুরোপের অন্য সমস্ত ধনী শহরের তুলনায় অত্যন্ত মলিন। রাস্তায় যারা চলেছে তারা একজনও শৌখিন নয়,সমস্ত শহর আটপৌরে কাপড়-পরা। আটপৌরে কাপড়ে শ্রেণীভেদ থাকে না, শ্রেণীভেদ পোশকী কাপড়ে। এখানে সাজে পরিচ্ছদে সবাই এক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রাশিয়ার চিঠি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২ * কান্দাহার সেরূপ নয়। বেশ সুন্দর সমতল ভূমি। শহরের মধ্যে প্রবেশ করলে মনে হয় না আশেপাশে পাহাড় রয়েছে। অথচ চামনের দিক থেকে যদি কান্দাহার যাওয়া যায় তবে বুঝতে পারা যাবে কত পাহাড় ডিঙ্গিয়ে তারপর কান্দাহার পৌঁছান যায়। ** [[রামনাথ বিশ্বাস]], কান্দাহার, আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮ * কয়েক বৎসর আগে সানফ্রান্সিসকো শহরে যে ভূমিকম্প হইয়াছিল সে কেবল বাড়ি ঘর ফেলিয়াই ক্ষান্ত হয় নাই, গ্যাসের নল আর বিদ্যুতের তার ভাঙিয়া জড়াইয়া সে শহরে আগুন লাগাইয়া দেয়। সে এমন সর্বনেশে আগুন যে শহরের সমস্ত দমকল মিলিয়াও তাহাকে কিছুমাত্র জব্দ করিতে পারে নাই। তার পরে শহরের কর্তা বোমাবারুদ ফাটাইয়া আগুনের আশেপাশে অনেকগুলা বাড়ি উড়াইয়া দিয়া মনে করিলেন আগুন আর ছড়াইতে পারিবে না। কিন্তু আগুন প্রায় সিকি মাইল ফাঁকা জমি টপকাইয়া শহরের আর একদিকে ফুটিয়া বাহির হইল। যাহা হউক, খানিক বাদে বাতাসের মুখ ঘুরিয়া গেল তাই রক্ষা, তাহা না হইলে শহরের চিহ্নমাত্র থাকিত কি না সন্দেহ। ** [[সুকুমার রায়]], ভূমিকম্প, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২১ * কখনো গােয়েন্দাদের চোখে ধুলি দিতে আত্মগােপন করেছে রকম-বেরকমের ছদ্মবেশে। শহরে শহরে চালান করেছে শত শত নিষিদ্ধ পুস্তক। নির্বাসিত সঙ্গীদের মুক্তির আয়োজন ক’রে দিয়েছে···সঙ্গে করে তাদের বিপদ সীমার বাইরে রেখে এসেছে। তার বাড়িতে একটা ছাপাখানা ছিল···পুলিস খানাতল্লাশ করতে এলে এক মিনিটের মধ্যে ভেল বদলে চাকরের সাজে আগন্তুকদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলো সে···তারপর গায়ে একখানা র‍্যাপার জড়িয়ে, মাথায় রুমাল বেঁধে, হাতে একটা কেরোসিনের টিন নিয়ে কেরোসিন-ওয়ালীর বেশে শীতের কনকনে হাওয়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চ’লে গেলো।··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৪-১৩৫ * আজ আমরা অজস্র গোলা বর্ষণ ও গ্রেনেড্ বোমা বিস্ফোরণের মধ্যে কোহিমা শহরে প্রবেশ করিয়াছি। কোহিমার ডেপুটি কমিশনারের বাংলো আমাদের অধিকারে। কিন্তু শহরটি এখনো সম্পূর্ণ দখল হয় নাই। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ১০ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ সৈন্যরা মহাস্থানগড় হয়ে বগুড়া শহরের দিকে মার্চ করে চলে আসছিল। ওরা সকালবেলা বগুড়া শহরের সামনে এসে পৌছল। শহরে ঢোকার একমাত্র পথ সুবিলখালের পুল। ওরা সেই পথ দিয়েই চলে এল। ** বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- নবম খণ্ড, সম্পাদনা- হাসান হাফিজুর রহমান, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩৭ *আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।<br/>পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস<br/>এ শহরে বেশি ভাসে,<br/>মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না। ** বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [https://books.google.com.bd/books?id=l4hsEAAAQBAJ&pg=PT1] * অন্য শহরের কথা ছেড়েই দিলাম, এত যে বড়ো লণ্ডন শহর, কয়েকশত বছর আগে তার যেরকম দুরবস্থা ছিল তা শুনলে অবাক হয়ে যেতে হয়। শহরের রাস্তাগুলো ছিল উঁচু নিচু, রাত্রে বাতি জ্বলে না, গাড়ি ঘোড়ার চল নাই, চোর ডাকাতের ভয়ে লোকে সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বেরোতে সাহস পায় না। সে সময় শহরে দু-দশ জন বড়োলোক ছাড়া কারও গাড়ি চড়বার উপায় ছিল না। ** [[সুকুমার রায়]], আদ্যিকালের গাড়ি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Town}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:আবহ]] krvz8p4fz62fs7i1g58d5vy3tshasvj 81887 81882 2026-04-28T07:51:04Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81887 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Delhi aerial photo 04-2016 img11.jpg|thumb|300px|সেই মহাভারতের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি শহরে বা তার আশেপাশে কত মানুষ বসবাস করে এসেছে। কত লোক কত নামে ডেকেছে এই শহরকে: ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর, তুঘ্‌লকাবাদ, শাজাহানাবাদ এবং আরও কত নামে।<br>—[[জওহরলাল নেহেরু]]]] '''[[:w:শহর|শহর]]''' হলো এক প্রকার মানব বসতি, যা সাধারণত কোনও গ্রামের চাইতে বড় এবং বৃহৎ শহর তথা নগর অপেক্ষা ছোট। বিশ্বজুড়ে শহরকে চিহ্নিত করার মানদণ্ড ভিন্ন ভিন্ন হয়, যা প্রায়শই জনসংখ্যার আকার, অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য, প্রশাসনিক অবস্থা বা ঐতিহাসিক তাৎপর্যের মতো বিষয়ের উপর নির্ভর করে। কিছু অঞ্চলে, আইনি সনদ বা সরকারি পদবির মাধ্যমে শহরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, আবার অন্য কিছু অঞ্চলে এই শব্দটি অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়। শহরগুলিতে সাধারণত পৌর কর্তৃপক্ষের মতো কেন্দ্রীভূত পরিষেবা এবং শাসনব্যবস্থা থাকে এবং এগুলি নিজ নিজ অঞ্চলের মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। == উক্তি == * সেই মহাভারতের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি শহরে বা তার আশেপাশে কত মানুষ বসবাস করে এসেছে। কত লোক কত নামে ডেকেছে এই শহরকে: ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর, তুঘ্‌লকাবাদ, শাজাহানাবাদ এবং আরও কত নামে। শোনা যায়, যমুনা নদীর ধারার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সাত-সাতটা ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় এই একই দিল্লি শহর পত্তন করা হয়। আজ যে নূতন দিল্লি বা রায়সিনা শহর দেশের বর্তমান শাসনকর্তাদের হুকুমে নির্মিত হয়েছে, এক হিসাবে তাকে অষ্টম দিল্লি বলা চলে। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], অতীতের আহ্বান, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮ * আমরা কোহিমা শহরটি চারিদিকে ঘিরিয়া ফেলিয়াছি। এবার যুদ্ধ হইতেছে শহর দখলের জন্য। আমাদের আক্রমণকারী সেনাদলের উপর কামান দাগিতেছে। জাপানী সেনারা আমাদের সহিত সহযোগিতা করিতেছে। আমাদের এরোপ্লেন হইতে কোহিমার উপর বোমা ফেলা হইল। আমাদের একদল গিয়াছে জি-টি পাহাড়ের দিকে। এই পাহাড় হইতে কোহিমা শহরে জল সরবরাহ হয়। পানীয় জল বন্ধ হইলে শহরের পতনে দেরী হইবে না। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ৭ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ * আজকাল শহরে শহরে বিদ্যুতের আলো দেখা যায়। জাহাজে রেলগাড়িতে সবখানেই ‘বিজলীবাতি’র আমদানি হইয়াছে। জল জোগাইবার জন্য রাস্তায় যেমন নল বসানো হয়, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পাঠাইবার জন্য সেইরকম লোহা বা তামার তার খাটাইতে হয়। জলের কারখানায় বড়ো-বড়ো দমকলের চাপে জল ঠেলিয়া উঁচুতে তোলে, সেই তোলা-জল শহরের নল বাহিয়া চারিদিকে ছড়াইয়া পড়ে। ** [[সুকুমার রায়]], আশ্চর্য আলো, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৮ * দু’চারজন এ পল্লিরই লােক···বাকি আসবে শহর থেকে।<br>শহর থেকে? মাথা নেড়ে মা বললেন, পরক্ষণেই তিনি ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলেন।<br>পেভেল ব্যথিত হয়ে বললাে, এ কি মা, কাঁদছ কেন? কি হয়েছে?<br>জামার হাতায় ছােখ মুছে মা বললেন, জানি না, কান্না পাচ্ছে।<br>ঘরের এদিক-ওদিক পায়চারি ক’রে মায়ের সামনে দাঁড়িয়ে পেভেল প্রশ্ন করলো, ভয় পাচ্ছ, মা?<br>মা ঘাড় নাড়লেন, হাঁ—শহরের লােক, কে জানে কেমন!··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * সেদিন সে লিখেছিল, ঘুঁটে চাই চালানো,<br>শহরের ঘরে ঘরে ঘুঁটে হোক জ্বালানো।<br>কয়লা ঘুঁটেতে যেন সাপে আর নেউলে<br>ঝরিয়াকে করে দিক একদম দেউলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], আজ হল রবিবার— খুব মোটা বহরের, ছড়া- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৯ * খবরটা দেখতে সারা শহরে ছড়িয়ে পড়ল। ঘুমন্ত মানুষ শয্যা ছেড়ে উঠে বসল। ইতিমধ্যে পথে আওয়াজ উঠেছে- প্রতিরোধ চাই; প্রররোধ। ছাত্র আর শ্রমিকদের মিছিল বেরিয়ে গেছে। তারা সারা শহরের পথে পথে ঘুরে প্রতিরোধ সংগ্রামের আওয়াজ তুলেছে। সেই আওয়াজে ঘরের মানুষ ঘর ছেড়ে পথে এসে দাঁড়িয়েছে। ** বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- নবম খণ্ড, সম্পাদনা- হাসান হাফিজুর রহমান, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩৬-৩৩৭ * পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭ * বিদেশী মাল জাহাজে করিয়া শহরের ঘাট পর্যন্ত আসিয়া পৌঁছিতে পারে, কিন্তু সেই জাহাজটাতে করিয়াই দেশের হাটে হাটে আমদানি রফ্‌তানি করাইবার দুরাশা মিথ্যা। যদি বিলিতি জাহাজটাকেই কায়মনে আঁকড়াইয়া ধরিতে চাই তবে ব্যাবসা শহরেই আটকা পড়িয়া থাকিবে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিক্ষার বাহন, শিক্ষা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * এখানে যে জায়গার কথা বলিতেছি সেটাকে পাতালপুরী বলা হইল এইজন্য যে সেটা মাটির নীচে। মাটির নীচে ঘরবাড়ি, মাটির নীচে রেলগাড়ি, মাটির নীচে হোটেল সরাই গির্জা—সমস্ত শহরটাই মাটির নীচে। শহরটা কিসের তৈয়ারি জান? নুনের! অসলে সেটা একটা নুনের খনি। অস্ট্রিয়ার কাছে—মাটির নীচে এই অদ্ভুত শহর। হাজার হাজার বৎসর লোকে এই খনিতে খুঁড়িয়া খুঁড়িয়া লবণ তুলিয়াছে। ** [[সুকুমার রায়]], পাতাল পুরী, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৭ * বাহির থেকে মস্কৌ শহর যখন চোখে পড়ল দেখলুম য়ুরোপের অন্য সমস্ত ধনী শহরের তুলনায় অত্যন্ত মলিন। রাস্তায় যারা চলেছে তারা একজনও শৌখিন নয়,সমস্ত শহর আটপৌরে কাপড়-পরা। আটপৌরে কাপড়ে শ্রেণীভেদ থাকে না, শ্রেণীভেদ পোশকী কাপড়ে। এখানে সাজে পরিচ্ছদে সবাই এক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রাশিয়ার চিঠি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২ * কান্দাহার সেরূপ নয়। বেশ সুন্দর সমতল ভূমি। শহরের মধ্যে প্রবেশ করলে মনে হয় না আশেপাশে পাহাড় রয়েছে। অথচ চামনের দিক থেকে যদি কান্দাহার যাওয়া যায় তবে বুঝতে পারা যাবে কত পাহাড় ডিঙ্গিয়ে তারপর কান্দাহার পৌঁছান যায়। ** [[রামনাথ বিশ্বাস]], কান্দাহার, আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮ * কয়েক বৎসর আগে সানফ্রান্সিসকো শহরে যে ভূমিকম্প হইয়াছিল সে কেবল বাড়ি ঘর ফেলিয়াই ক্ষান্ত হয় নাই, গ্যাসের নল আর বিদ্যুতের তার ভাঙিয়া জড়াইয়া সে শহরে আগুন লাগাইয়া দেয়। সে এমন সর্বনেশে আগুন যে শহরের সমস্ত দমকল মিলিয়াও তাহাকে কিছুমাত্র জব্দ করিতে পারে নাই। তার পরে শহরের কর্তা বোমাবারুদ ফাটাইয়া আগুনের আশেপাশে অনেকগুলা বাড়ি উড়াইয়া দিয়া মনে করিলেন আগুন আর ছড়াইতে পারিবে না। কিন্তু আগুন প্রায় সিকি মাইল ফাঁকা জমি টপকাইয়া শহরের আর একদিকে ফুটিয়া বাহির হইল। যাহা হউক, খানিক বাদে বাতাসের মুখ ঘুরিয়া গেল তাই রক্ষা, তাহা না হইলে শহরের চিহ্নমাত্র থাকিত কি না সন্দেহ। ** [[সুকুমার রায়]], ভূমিকম্প, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২১ * কখনো গােয়েন্দাদের চোখে ধুলি দিতে আত্মগােপন করেছে রকম-বেরকমের ছদ্মবেশে। শহরে শহরে চালান করেছে শত শত নিষিদ্ধ পুস্তক। নির্বাসিত সঙ্গীদের মুক্তির আয়োজন ক’রে দিয়েছে···সঙ্গে করে তাদের বিপদ সীমার বাইরে রেখে এসেছে। তার বাড়িতে একটা ছাপাখানা ছিল···পুলিস খানাতল্লাশ করতে এলে এক মিনিটের মধ্যে ভেল বদলে চাকরের সাজে আগন্তুকদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলো সে···তারপর গায়ে একখানা র‍্যাপার জড়িয়ে, মাথায় রুমাল বেঁধে, হাতে একটা কেরোসিনের টিন নিয়ে কেরোসিন-ওয়ালীর বেশে শীতের কনকনে হাওয়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চ’লে গেলো।··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৪-১৩৫ * আজ আমরা অজস্র গোলা বর্ষণ ও গ্রেনেড্ বোমা বিস্ফোরণের মধ্যে কোহিমা শহরে প্রবেশ করিয়াছি। কোহিমার ডেপুটি কমিশনারের বাংলো আমাদের অধিকারে। কিন্তু শহরটি এখনো সম্পূর্ণ দখল হয় নাই। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ১০ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ সৈন্যরা মহাস্থানগড় হয়ে বগুড়া শহরের দিকে মার্চ করে চলে আসছিল। ওরা সকালবেলা বগুড়া শহরের সামনে এসে পৌছল। শহরে ঢোকার একমাত্র পথ সুবিলখালের পুল। ওরা সেই পথ দিয়েই চলে এল। ** বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- নবম খণ্ড, সম্পাদনা- হাসান হাফিজুর রহমান, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩৭ *আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।<br/>পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস<br/>এ শহরে বেশি ভাসে,<br/>মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না। ** বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [https://books.google.com.bd/books?id=l4hsEAAAQBAJ&pg=PT1] * অন্য শহরের কথা ছেড়েই দিলাম, এত যে বড়ো লণ্ডন শহর, কয়েকশত বছর আগে তার যেরকম দুরবস্থা ছিল তা শুনলে অবাক হয়ে যেতে হয়। শহরের রাস্তাগুলো ছিল উঁচু নিচু, রাত্রে বাতি জ্বলে না, গাড়ি ঘোড়ার চল নাই, চোর ডাকাতের ভয়ে লোকে সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বেরোতে সাহস পায় না। সে সময় শহরে দু-দশ জন বড়োলোক ছাড়া কারও গাড়ি চড়বার উপায় ছিল না। ** [[সুকুমার রায়]], আদ্যিকালের গাড়ি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Town}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:আবহ]] 9ij7ot98uyfw4f9bc69bqzg89xwhyzq 81890 81887 2026-04-28T07:56:48Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81890 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Delhi aerial photo 04-2016 img11.jpg|thumb|300px|সেই মহাভারতের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি শহরে বা তার আশেপাশে কত মানুষ বসবাস করে এসেছে। কত লোক কত নামে ডেকেছে এই শহরকে: ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর, তুঘ্‌লকাবাদ, শাজাহানাবাদ এবং আরও কত নামে।<br>—[[জওহরলাল নেহেরু]]]] '''[[:w:শহর|শহর]]''' হলো এক প্রকার মানব বসতি, যা সাধারণত কোনও গ্রামের চাইতে বড় এবং বৃহৎ শহর তথা নগর অপেক্ষা ছোট। বিশ্বজুড়ে শহরকে চিহ্নিত করার মানদণ্ড ভিন্ন ভিন্ন হয়, যা প্রায়শই জনসংখ্যার আকার, অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য, প্রশাসনিক অবস্থা বা ঐতিহাসিক তাৎপর্যের মতো বিষয়ের উপর নির্ভর করে। কিছু অঞ্চলে, আইনি সনদ বা সরকারি পদবির মাধ্যমে শহরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, আবার অন্য কিছু অঞ্চলে এই শব্দটি অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়। শহরগুলিতে সাধারণত পৌর কর্তৃপক্ষের মতো কেন্দ্রীভূত পরিষেবা এবং শাসনব্যবস্থা থাকে এবং এগুলি নিজ নিজ অঞ্চলের মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। == উক্তি == * সেই মহাভারতের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি শহরে বা তার আশেপাশে কত মানুষ বসবাস করে এসেছে। কত লোক কত নামে ডেকেছে এই শহরকে: ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর, তুঘ্‌লকাবাদ, শাজাহানাবাদ এবং আরও কত নামে। শোনা যায়, যমুনা নদীর ধারার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সাত-সাতটা ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় এই একই দিল্লি শহর পত্তন করা হয়। আজ যে নূতন দিল্লি বা রায়সিনা শহর দেশের বর্তমান শাসনকর্তাদের হুকুমে নির্মিত হয়েছে, এক হিসাবে তাকে অষ্টম দিল্লি বলা চলে। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], অতীতের আহ্বান, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮ * আমরা কোহিমা শহরটি চারিদিকে ঘিরিয়া ফেলিয়াছি। এবার যুদ্ধ হইতেছে শহর দখলের জন্য। আমাদের আক্রমণকারী সেনাদলের উপর কামান দাগিতেছে। জাপানী সেনারা আমাদের সহিত সহযোগিতা করিতেছে। আমাদের এরোপ্লেন হইতে কোহিমার উপর বোমা ফেলা হইল। আমাদের একদল গিয়াছে জি-টি পাহাড়ের দিকে। এই পাহাড় হইতে কোহিমা শহরে জল সরবরাহ হয়। পানীয় জল বন্ধ হইলে শহরের পতনে দেরী হইবে না। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ৭ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ * আজকাল শহরে শহরে বিদ্যুতের আলো দেখা যায়। জাহাজে রেলগাড়িতে সবখানেই ‘বিজলীবাতি’র আমদানি হইয়াছে। জল জোগাইবার জন্য রাস্তায় যেমন নল বসানো হয়, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পাঠাইবার জন্য সেইরকম লোহা বা তামার তার খাটাইতে হয়। জলের কারখানায় বড়ো-বড়ো দমকলের চাপে জল ঠেলিয়া উঁচুতে তোলে, সেই তোলা-জল শহরের নল বাহিয়া চারিদিকে ছড়াইয়া পড়ে। ** [[সুকুমার রায়]], আশ্চর্য আলো, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৮ * দু’চারজন এ পল্লিরই লােক···বাকি আসবে শহর থেকে।<br>শহর থেকে? মাথা নেড়ে মা বললেন, পরক্ষণেই তিনি ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলেন।<br>পেভেল ব্যথিত হয়ে বললাে, এ কি মা, কাঁদছ কেন? কি হয়েছে?<br>জামার হাতায় ছােখ মুছে মা বললেন, জানি না, কান্না পাচ্ছে।<br>ঘরের এদিক-ওদিক পায়চারি ক’রে মায়ের সামনে দাঁড়িয়ে পেভেল প্রশ্ন করলো, ভয় পাচ্ছ, মা?<br>মা ঘাড় নাড়লেন, হাঁ—শহরের লােক, কে জানে কেমন!··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * সেদিন সে লিখেছিল, ঘুঁটে চাই চালানো,<br>শহরের ঘরে ঘরে ঘুঁটে হোক জ্বালানো।<br>কয়লা ঘুঁটেতে যেন সাপে আর নেউলে<br>ঝরিয়াকে করে দিক একদম দেউলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], আজ হল রবিবার— খুব মোটা বহরের, ছড়া- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৯ * খবরটা দেখতে সারা শহরে ছড়িয়ে পড়ল। ঘুমন্ত মানুষ শয্যা ছেড়ে উঠে বসল। ইতিমধ্যে পথে আওয়াজ উঠেছে- প্রতিরোধ চাই; প্রররোধ। ছাত্র আর শ্রমিকদের মিছিল বেরিয়ে গেছে। তারা সারা শহরের পথে পথে ঘুরে প্রতিরোধ সংগ্রামের আওয়াজ তুলেছে। সেই আওয়াজে ঘরের মানুষ ঘর ছেড়ে পথে এসে দাঁড়িয়েছে। ** বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- নবম খণ্ড, সম্পাদনা- হাসান হাফিজুর রহমান, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩৬-৩৩৭ * পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭ * বিদেশী মাল জাহাজে করিয়া শহরের ঘাট পর্যন্ত আসিয়া পৌঁছিতে পারে, কিন্তু সেই জাহাজটাতে করিয়াই দেশের হাটে হাটে আমদানি রফ্‌তানি করাইবার দুরাশা মিথ্যা। যদি বিলিতি জাহাজটাকেই কায়মনে আঁকড়াইয়া ধরিতে চাই তবে ব্যাবসা শহরেই আটকা পড়িয়া থাকিবে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিক্ষার বাহন, শিক্ষা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * কর্ডোবা শহরটি যেমন বড়ো ছিল তেমনি সুদশ্য; উদ্যানের মতো পরিপাটি ও মনোরম ছিল এর ঘরবাড়ি, পথঘাট। এ শহরে দশ লক্ষ লোক বাস করত। কর্ডোবা লম্বায় ছিল দশ মাইল, শহরতলী অঞ্চলের আয়তন ছিল চব্বিশ মাইল। লিখিত আছে যে, এই শহরে প্রাসাদ ও অট্টালিকাদির সংখ্যা ছিল ষাট হাজার, সাধারণ বসতবাটী ছিল দুই লক্ষ, দোকান ছিল আশি হাজার, ও সাধারণের ব্যবহারের জন্য সাত শো হামাম। সংখ্যাগুলি হয়তো একটু বাড়িয়ে বলা হয়েছে, তবু এর থেকেই বোঝা যায় কীরকম প্রকাণ্ড ও জমকালো শহর ছিল কর্ডোবা। শহরে অনেকগুলি গ্রন্থাগার ছিল, তার মধ্যে সবচেয়ে বড়ো ছিল আমিরের খাস প্রন্থাগার। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], কর্ডোবা ও গ্রানাডা, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * এখানে যে জায়গার কথা বলিতেছি সেটাকে পাতালপুরী বলা হইল এইজন্য যে সেটা মাটির নীচে। মাটির নীচে ঘরবাড়ি, মাটির নীচে রেলগাড়ি, মাটির নীচে হোটেল সরাই গির্জা—সমস্ত শহরটাই মাটির নীচে। শহরটা কিসের তৈয়ারি জান? নুনের! অসলে সেটা একটা নুনের খনি। অস্ট্রিয়ার কাছে—মাটির নীচে এই অদ্ভুত শহর। হাজার হাজার বৎসর লোকে এই খনিতে খুঁড়িয়া খুঁড়িয়া লবণ তুলিয়াছে। ** [[সুকুমার রায়]], পাতাল পুরী, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৭ * বাহির থেকে মস্কৌ শহর যখন চোখে পড়ল দেখলুম য়ুরোপের অন্য সমস্ত ধনী শহরের তুলনায় অত্যন্ত মলিন। রাস্তায় যারা চলেছে তারা একজনও শৌখিন নয়,সমস্ত শহর আটপৌরে কাপড়-পরা। আটপৌরে কাপড়ে শ্রেণীভেদ থাকে না, শ্রেণীভেদ পোশকী কাপড়ে। এখানে সাজে পরিচ্ছদে সবাই এক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রাশিয়ার চিঠি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২ * কান্দাহার সেরূপ নয়। বেশ সুন্দর সমতল ভূমি। শহরের মধ্যে প্রবেশ করলে মনে হয় না আশেপাশে পাহাড় রয়েছে। অথচ চামনের দিক থেকে যদি কান্দাহার যাওয়া যায় তবে বুঝতে পারা যাবে কত পাহাড় ডিঙ্গিয়ে তারপর কান্দাহার পৌঁছান যায়। ** [[রামনাথ বিশ্বাস]], কান্দাহার, আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮ * কয়েক বৎসর আগে সানফ্রান্সিসকো শহরে যে ভূমিকম্প হইয়াছিল সে কেবল বাড়ি ঘর ফেলিয়াই ক্ষান্ত হয় নাই, গ্যাসের নল আর বিদ্যুতের তার ভাঙিয়া জড়াইয়া সে শহরে আগুন লাগাইয়া দেয়। সে এমন সর্বনেশে আগুন যে শহরের সমস্ত দমকল মিলিয়াও তাহাকে কিছুমাত্র জব্দ করিতে পারে নাই। তার পরে শহরের কর্তা বোমাবারুদ ফাটাইয়া আগুনের আশেপাশে অনেকগুলা বাড়ি উড়াইয়া দিয়া মনে করিলেন আগুন আর ছড়াইতে পারিবে না। কিন্তু আগুন প্রায় সিকি মাইল ফাঁকা জমি টপকাইয়া শহরের আর একদিকে ফুটিয়া বাহির হইল। যাহা হউক, খানিক বাদে বাতাসের মুখ ঘুরিয়া গেল তাই রক্ষা, তাহা না হইলে শহরের চিহ্নমাত্র থাকিত কি না সন্দেহ। ** [[সুকুমার রায়]], ভূমিকম্প, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২১ * কখনো গােয়েন্দাদের চোখে ধুলি দিতে আত্মগােপন করেছে রকম-বেরকমের ছদ্মবেশে। শহরে শহরে চালান করেছে শত শত নিষিদ্ধ পুস্তক। নির্বাসিত সঙ্গীদের মুক্তির আয়োজন ক’রে দিয়েছে···সঙ্গে করে তাদের বিপদ সীমার বাইরে রেখে এসেছে। তার বাড়িতে একটা ছাপাখানা ছিল···পুলিস খানাতল্লাশ করতে এলে এক মিনিটের মধ্যে ভেল বদলে চাকরের সাজে আগন্তুকদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলো সে···তারপর গায়ে একখানা র‍্যাপার জড়িয়ে, মাথায় রুমাল বেঁধে, হাতে একটা কেরোসিনের টিন নিয়ে কেরোসিন-ওয়ালীর বেশে শীতের কনকনে হাওয়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চ’লে গেলো।··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৪-১৩৫ * আজ আমরা অজস্র গোলা বর্ষণ ও গ্রেনেড্ বোমা বিস্ফোরণের মধ্যে কোহিমা শহরে প্রবেশ করিয়াছি। কোহিমার ডেপুটি কমিশনারের বাংলো আমাদের অধিকারে। কিন্তু শহরটি এখনো সম্পূর্ণ দখল হয় নাই। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ১০ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ সৈন্যরা মহাস্থানগড় হয়ে বগুড়া শহরের দিকে মার্চ করে চলে আসছিল। ওরা সকালবেলা বগুড়া শহরের সামনে এসে পৌছল। শহরে ঢোকার একমাত্র পথ সুবিলখালের পুল। ওরা সেই পথ দিয়েই চলে এল। ** বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- নবম খণ্ড, সম্পাদনা- হাসান হাফিজুর রহমান, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩৭ *আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।<br/>পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস<br/>এ শহরে বেশি ভাসে,<br/>মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না। ** বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [https://books.google.com.bd/books?id=l4hsEAAAQBAJ&pg=PT1] * অন্য শহরের কথা ছেড়েই দিলাম, এত যে বড়ো লণ্ডন শহর, কয়েকশত বছর আগে তার যেরকম দুরবস্থা ছিল তা শুনলে অবাক হয়ে যেতে হয়। শহরের রাস্তাগুলো ছিল উঁচু নিচু, রাত্রে বাতি জ্বলে না, গাড়ি ঘোড়ার চল নাই, চোর ডাকাতের ভয়ে লোকে সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বেরোতে সাহস পায় না। সে সময় শহরে দু-দশ জন বড়োলোক ছাড়া কারও গাড়ি চড়বার উপায় ছিল না। ** [[সুকুমার রায়]], আদ্যিকালের গাড়ি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Town}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:আবহ]] 3hblescikllrggxwofynyacnys5ljh0 81891 81890 2026-04-28T07:57:22Z Salil Kumar Mukherjee 39 ট্যাগ বাতিল 81891 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Delhi aerial photo 04-2016 img11.jpg|thumb|300px|সেই মহাভারতের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি শহরে বা তার আশেপাশে কত মানুষ বসবাস করে এসেছে। কত লোক কত নামে ডেকেছে এই শহরকে: ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর, তুঘ্‌লকাবাদ, শাজাহানাবাদ এবং আরও কত নামে।<br>—[[জওহরলাল নেহেরু]]]] '''[[:w:শহর|শহর]]''' হলো এক প্রকার মানব বসতি, যা সাধারণত কোনও গ্রামের চাইতে বড় এবং বৃহৎ শহর তথা নগর অপেক্ষা ছোট। বিশ্বজুড়ে শহরকে চিহ্নিত করার মানদণ্ড ভিন্ন ভিন্ন হয়, যা প্রায়শই জনসংখ্যার আকার, অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য, প্রশাসনিক অবস্থা বা ঐতিহাসিক তাৎপর্যের মতো বিষয়ের উপর নির্ভর করে। কিছু অঞ্চলে, আইনি সনদ বা সরকারি পদবির মাধ্যমে শহরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, আবার অন্য কিছু অঞ্চলে এই শব্দটি অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়। শহরগুলিতে সাধারণত পৌর কর্তৃপক্ষের মতো কেন্দ্রীভূত পরিষেবা এবং শাসনব্যবস্থা থাকে এবং এগুলি নিজ নিজ অঞ্চলের মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। == উক্তি == * সেই মহাভারতের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি শহরে বা তার আশেপাশে কত মানুষ বসবাস করে এসেছে। কত লোক কত নামে ডেকেছে এই শহরকে: ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর, তুঘ্‌লকাবাদ, শাজাহানাবাদ এবং আরও কত নামে। শোনা যায়, যমুনা নদীর ধারার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সাত-সাতটা ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় এই একই দিল্লি শহর পত্তন করা হয়। আজ যে নূতন দিল্লি বা রায়সিনা শহর দেশের বর্তমান শাসনকর্তাদের হুকুমে নির্মিত হয়েছে, এক হিসাবে তাকে অষ্টম দিল্লি বলা চলে। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], অতীতের আহ্বান, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮ * আমরা কোহিমা শহরটি চারিদিকে ঘিরিয়া ফেলিয়াছি। এবার যুদ্ধ হইতেছে শহর দখলের জন্য। আমাদের আক্রমণকারী সেনাদলের উপর কামান দাগিতেছে। জাপানী সেনারা আমাদের সহিত সহযোগিতা করিতেছে। আমাদের এরোপ্লেন হইতে কোহিমার উপর বোমা ফেলা হইল। আমাদের একদল গিয়াছে জি-টি পাহাড়ের দিকে। এই পাহাড় হইতে কোহিমা শহরে জল সরবরাহ হয়। পানীয় জল বন্ধ হইলে শহরের পতনে দেরী হইবে না। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ৭ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ * আজকাল শহরে শহরে বিদ্যুতের আলো দেখা যায়। জাহাজে রেলগাড়িতে সবখানেই ‘বিজলীবাতি’র আমদানি হইয়াছে। জল জোগাইবার জন্য রাস্তায় যেমন নল বসানো হয়, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পাঠাইবার জন্য সেইরকম লোহা বা তামার তার খাটাইতে হয়। জলের কারখানায় বড়ো-বড়ো দমকলের চাপে জল ঠেলিয়া উঁচুতে তোলে, সেই তোলা-জল শহরের নল বাহিয়া চারিদিকে ছড়াইয়া পড়ে। ** [[সুকুমার রায়]], আশ্চর্য আলো, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৮ * দু’চারজন এ পল্লিরই লােক···বাকি আসবে শহর থেকে।<br>শহর থেকে? মাথা নেড়ে মা বললেন, পরক্ষণেই তিনি ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলেন।<br>পেভেল ব্যথিত হয়ে বললাে, এ কি মা, কাঁদছ কেন? কি হয়েছে?<br>জামার হাতায় ছােখ মুছে মা বললেন, জানি না, কান্না পাচ্ছে।<br>ঘরের এদিক-ওদিক পায়চারি ক’রে মায়ের সামনে দাঁড়িয়ে পেভেল প্রশ্ন করলো, ভয় পাচ্ছ, মা?<br>মা ঘাড় নাড়লেন, হাঁ—শহরের লােক, কে জানে কেমন!··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * সেদিন সে লিখেছিল, ঘুঁটে চাই চালানো,<br>শহরের ঘরে ঘরে ঘুঁটে হোক জ্বালানো।<br>কয়লা ঘুঁটেতে যেন সাপে আর নেউলে<br>ঝরিয়াকে করে দিক একদম দেউলে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], আজ হল রবিবার— খুব মোটা বহরের, ছড়া- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৯ * খবরটা দেখতে সারা শহরে ছড়িয়ে পড়ল। ঘুমন্ত মানুষ শয্যা ছেড়ে উঠে বসল। ইতিমধ্যে পথে আওয়াজ উঠেছে- প্রতিরোধ চাই; প্রররোধ। ছাত্র আর শ্রমিকদের মিছিল বেরিয়ে গেছে। তারা সারা শহরের পথে পথে ঘুরে প্রতিরোধ সংগ্রামের আওয়াজ তুলেছে। সেই আওয়াজে ঘরের মানুষ ঘর ছেড়ে পথে এসে দাঁড়িয়েছে। ** বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- নবম খণ্ড, সম্পাদনা- হাসান হাফিজুর রহমান, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩৬-৩৩৭ * পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭ * বিদেশী মাল জাহাজে করিয়া শহরের ঘাট পর্যন্ত আসিয়া পৌঁছিতে পারে, কিন্তু সেই জাহাজটাতে করিয়াই দেশের হাটে হাটে আমদানি রফ্‌তানি করাইবার দুরাশা মিথ্যা। যদি বিলিতি জাহাজটাকেই কায়মনে আঁকড়াইয়া ধরিতে চাই তবে ব্যাবসা শহরেই আটকা পড়িয়া থাকিবে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিক্ষার বাহন, শিক্ষা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯ * কর্ডোবা শহরটি যেমন বড়ো ছিল তেমনি সুদশ্য; উদ্যানের মতো পরিপাটি ও মনোরম ছিল এর ঘরবাড়ি, পথঘাট। এ শহরে দশ লক্ষ লোক বাস করত। কর্ডোবা লম্বায় ছিল দশ মাইল, শহরতলী অঞ্চলের আয়তন ছিল চব্বিশ মাইল। লিখিত আছে যে, এই শহরে প্রাসাদ ও অট্টালিকাদির সংখ্যা ছিল ষাট হাজার, সাধারণ বসতবাটী ছিল দুই লক্ষ, দোকান ছিল আশি হাজার, ও সাধারণের ব্যবহারের জন্য সাত শো হামাম। সংখ্যাগুলি হয়তো একটু বাড়িয়ে বলা হয়েছে, তবু এর থেকেই বোঝা যায় কীরকম প্রকাণ্ড ও জমকালো শহর ছিল কর্ডোবা। শহরে অনেকগুলি গ্রন্থাগার ছিল, তার মধ্যে সবচেয়ে বড়ো ছিল আমিরের খাস প্রন্থাগার। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], কর্ডোবা ও গ্রানাডা, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * এখানে যে জায়গার কথা বলিতেছি সেটাকে পাতালপুরী বলা হইল এইজন্য যে সেটা মাটির নীচে। মাটির নীচে ঘরবাড়ি, মাটির নীচে রেলগাড়ি, মাটির নীচে হোটেল সরাই গির্জা—সমস্ত শহরটাই মাটির নীচে। শহরটা কিসের তৈয়ারি জান? নুনের! অসলে সেটা একটা নুনের খনি। অস্ট্রিয়ার কাছে—মাটির নীচে এই অদ্ভুত শহর। হাজার হাজার বৎসর লোকে এই খনিতে খুঁড়িয়া খুঁড়িয়া লবণ তুলিয়াছে। ** [[সুকুমার রায়]], পাতাল পুরী, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৭ * বাহির থেকে মস্কৌ শহর যখন চোখে পড়ল দেখলুম য়ুরোপের অন্য সমস্ত ধনী শহরের তুলনায় অত্যন্ত মলিন। রাস্তায় যারা চলেছে তারা একজনও শৌখিন নয়,সমস্ত শহর আটপৌরে কাপড়-পরা। আটপৌরে কাপড়ে শ্রেণীভেদ থাকে না, শ্রেণীভেদ পোশকী কাপড়ে। এখানে সাজে পরিচ্ছদে সবাই এক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রাশিয়ার চিঠি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২ * কান্দাহার সেরূপ নয়। বেশ সুন্দর সমতল ভূমি। শহরের মধ্যে প্রবেশ করলে মনে হয় না আশেপাশে পাহাড় রয়েছে। অথচ চামনের দিক থেকে যদি কান্দাহার যাওয়া যায় তবে বুঝতে পারা যাবে কত পাহাড় ডিঙ্গিয়ে তারপর কান্দাহার পৌঁছান যায়। ** [[রামনাথ বিশ্বাস]], কান্দাহার, আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮ * কয়েক বৎসর আগে সানফ্রান্সিসকো শহরে যে ভূমিকম্প হইয়াছিল সে কেবল বাড়ি ঘর ফেলিয়াই ক্ষান্ত হয় নাই, গ্যাসের নল আর বিদ্যুতের তার ভাঙিয়া জড়াইয়া সে শহরে আগুন লাগাইয়া দেয়। সে এমন সর্বনেশে আগুন যে শহরের সমস্ত দমকল মিলিয়াও তাহাকে কিছুমাত্র জব্দ করিতে পারে নাই। তার পরে শহরের কর্তা বোমাবারুদ ফাটাইয়া আগুনের আশেপাশে অনেকগুলা বাড়ি উড়াইয়া দিয়া মনে করিলেন আগুন আর ছড়াইতে পারিবে না। কিন্তু আগুন প্রায় সিকি মাইল ফাঁকা জমি টপকাইয়া শহরের আর একদিকে ফুটিয়া বাহির হইল। যাহা হউক, খানিক বাদে বাতাসের মুখ ঘুরিয়া গেল তাই রক্ষা, তাহা না হইলে শহরের চিহ্নমাত্র থাকিত কি না সন্দেহ। ** [[সুকুমার রায়]], ভূমিকম্প, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২১ * কখনো গােয়েন্দাদের চোখে ধুলি দিতে আত্মগােপন করেছে রকম-বেরকমের ছদ্মবেশে। শহরে শহরে চালান করেছে শত শত নিষিদ্ধ পুস্তক। নির্বাসিত সঙ্গীদের মুক্তির আয়োজন ক’রে দিয়েছে···সঙ্গে করে তাদের বিপদ সীমার বাইরে রেখে এসেছে। তার বাড়িতে একটা ছাপাখানা ছিল···পুলিস খানাতল্লাশ করতে এলে এক মিনিটের মধ্যে ভেল বদলে চাকরের সাজে আগন্তুকদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলো সে···তারপর গায়ে একখানা র‍্যাপার জড়িয়ে, মাথায় রুমাল বেঁধে, হাতে একটা কেরোসিনের টিন নিয়ে কেরোসিন-ওয়ালীর বেশে শীতের কনকনে হাওয়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চ’লে গেলো।··· ** [[মাক্সিম গোর্কি]], মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৪-১৩৫ * আজ আমরা অজস্র গোলা বর্ষণ ও গ্রেনেড্ বোমা বিস্ফোরণের মধ্যে কোহিমা শহরে প্রবেশ করিয়াছি। কোহিমার ডেপুটি কমিশনারের বাংলো আমাদের অধিকারে। কিন্তু শহরটি এখনো সম্পূর্ণ দখল হয় নাই। ** এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ১০ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১ সৈন্যরা মহাস্থানগড় হয়ে বগুড়া শহরের দিকে মার্চ করে চলে আসছিল। ওরা সকালবেলা বগুড়া শহরের সামনে এসে পৌছল। শহরে ঢোকার একমাত্র পথ সুবিলখালের পুল। ওরা সেই পথ দিয়েই চলে এল। ** বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- নবম খণ্ড, সম্পাদনা- হাসান হাফিজুর রহমান, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩৭ *আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।<br/>পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস<br/>এ শহরে বেশি ভাসে,<br/>মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না। ** বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [https://books.google.com.bd/books?id=l4hsEAAAQBAJ&pg=PT1] * অন্য শহরের কথা ছেড়েই দিলাম, এত যে বড়ো লণ্ডন শহর, কয়েকশত বছর আগে তার যেরকম দুরবস্থা ছিল তা শুনলে অবাক হয়ে যেতে হয়। শহরের রাস্তাগুলো ছিল উঁচু নিচু, রাত্রে বাতি জ্বলে না, গাড়ি ঘোড়ার চল নাই, চোর ডাকাতের ভয়ে লোকে সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বেরোতে সাহস পায় না। সে সময় শহরে দু-দশ জন বড়োলোক ছাড়া কারও গাড়ি চড়বার উপায় ছিল না। ** [[সুকুমার রায়]], আদ্যিকালের গাড়ি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Town}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:আবহ]] l24w2ujtq57xa7hfrsvsc1ai37whf51 চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় 0 12210 81917 80112 2026-04-28T10:07:19Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81917 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়|চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]]''' (১১ অক্টোবর ১৮৭৭ ― ১৭ ডিসেম্বর ১৯৩৮) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক ও ঔপন্যাসিক। চারুচন্দ্রের সাহিত্য জীবনের শুরু ‘মেঘদূত’,‘মাঘ’ প্রভৃতি পত্রিকায় সংস্কৃত সাহিত্যের সমালোচক হিসাবে। ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস-এ যোগ দিয়ে পুস্তক প্রকাশন ব্যপারে কৃতী সম্পাদক ও অনুবাদক হিসাবে বিশেষ প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। কিছুকাল তিনি "ভারতী" পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তিনি ‘প্রবাসী’র সহ-সম্পাদক হিসাবে সমধিক পরিচিতি পান। তিনি ২৫টি উপন্যাস রচনা করেছেন। এছাড়া রয়েছে নাটক, ছোটগল্প ও প্রবন্ধ সংকলন। তিনি বেশ কয়েকটি গ্রন্থের অনুবাদ প্রকাশ করেছেন ছোটদের উপযোগী করে। তবে তিনি সমধিক পরিচিত তার রবীন্দ্র-গবেষণামূলক গ্রন্থ ‘রবি-রশ্মি’র জন্য। তার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলি হলো, ''আলোক-লতা'', ''চোরকাঁটা'', ''ধোঁকার টাটি'', ''পঙ্ক-তিলক'', ''পরগাছা'', ''বিয়ের ফুল'', ''যমুনা-পুলিনের ভিখারিণী'', ''সর্ব্বনাশের নেশা'', ''হেরফের'' প্রভৃতি। == উক্তি == * যেহেতু স্কুলের নাম দুষ্টুশাসন ও সেখানকার পড়ুয়া মাত্রেই দুষ্ট, সুতরাং আমরা দুষ্টু, আমাদের শাসন করা অতি আবশ্যক। রোজ সকালে [[ঘুম]] থেকে উঠেই পাঁচ ঘা ক’রে বেত খেয়ে তবে আমরা অন্য কিছু খেতে পাই; রাত্রে শুতে যাবার আগেও বেত খেয়ে যাওয়া বরাদ্দ। লিখ্‌তে লিখ্‌তে শ্লেটের উপর [[পেন্সিল|পেন্সিলটা]] ক্যাঁ ক’রে যদি একটু ডাক্‌ল ত’ খাও বেত; পাশের ছেলের সঙ্গে একটা কথা কয়েছি কি হেসেছি, অমনি দুজনে দুজনের কান ধ’রে বেঞ্চির ওপর সমস্ত দিন খাড়া। টিফিনের সময় একটু ছুটে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলে টিফিন বন্ধ, নিল-ডাউন। ** চোরকাঁটা - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃতীয় পরিচ্ছেদ, প্রকাশক- দীপনী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের কাব্য আমার জীবন-যাত্রায় নিত্য সহচর। সুখে সহানুভূতি, দুঃখে সান্ত্বনা, সম্পদে উপদেশ, বিপদে আশ্বাস জোগাইয়া এই কাব্য আমার প্রাণে দিনে দিনে যে নব নব ইন্দ্রজাল রচনা করিয়াছে, সুখস্বপ্নের আবেশের মত যে মাদকরসে আমার অন্তরকে পরিপূর্ণ করিয়া তুলিয়াছে, তাহারই কিঞ্চিৎ আজ আমি পরিবেশন করিব। কবির অফুরন্ত ভাবভাণ্ডার হইতে আমার ব্যক্তিগত রুচির প্ররোচনায় আমি যাহা সঞ্চয় করিয়াছি, তাহারই এক কণা বিতরণ করিয়া দেখাইব কবির ভাণ্ডার অনন্ত রসমাধুর্যে পরিপূর্ণ, ঐশ্বর্যে অদ্বিতীয়, অথচ ভোগে দানে সার্থক। ** কাব্যের স্বরূপ, রবীন্দ্রসাহিত্য-পরিচিতি - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- ৰোস মুখার্জ্জি এণ্ড কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বৃদ্ধ নিশ্চিন্ত হইয়া প্রস্থান করিল। রামধন বৃক্ষচূড় হইতে যখন দেখিল যে বৃদ্ধ বহুদূরে চলিয়া গেল, তখন সে বৃক্ষাবরোহণ করিয়া দেবদারুর একটা শাখা ভগ্ন করিয়া তৎসাহায্যেই সেই গর্ত্তের উপরকার আলগা মাটি খুঁড়িয়া বৃদ্ধপ্রোথিত পুলিন্দাটি বাহির করিয়া লইল। এবং পকেট হইতে রজর্সের চকচকে একখানা ছুরি বাহির করিয়া সেই পুলিন্দা জড়ানো মোমজমা কাপড়ের সেলাই কাটিয়া ফেলিল। কাপড় ছাড়িয়া বাহির হইল একটা টিনের চোঙ। টিনের চোঙের ঢাকনি খুলিয়া বাহির হইল একটা লম্বা মোটা বাঁশের চোঙা। চোঙার ভিতরে দেখা গেল কতকগুলি করেন্সি নোট। ** রামধনের কীর্ত্তি, পুষ্পপাত্র - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮০-৮১ * চুরি করিতে এ বাড়ীতে আসিয়াছিলাম, চুরি করিয়াই এ বাড়ী ছাড়িলাম। চোরকাঁটা কাপড়ে লাগিয়া মাঠ হইতে বাড়ীতে আসে, আবার তাকে কাপড় হইতে ছাড়াইয়া লোকে বাহিরেই ফেলে। অল্প দিনের জন্য যে আশ্রয়টকু পাইয়াছিলাম তাই আমার যথেষ্ট—কথায় বলে চোরের রাত্রিবাসই লাভ! নামের মতন চরিত্রেও সাধু হইবার চেষ্টা সত্ত্বেও চোরই থাকিয়া গেলাম—বোধ হয় এই আমার বিধাতার হাতের অদৃষ্ট বিধান। যে দণ্ড এখন থেকে আমি অহরহ সহ্য করিব, সেই আমার চরম শাস্তি, পাপের প্রায়শ্চিত্ত। ** চোরকাঁটা - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, ১১ পরিচ্ছেদ, প্রকাশক- দীপনী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * কলিকাতার কোলাহল, ঠিকা ঝিয়ের শাসন, গোয়ালার সজল দুগ্ধ, ধোবার অত্যাচার, সকল সামগ্রীর মহার্ঘতা প্রভৃতি যাবতীয় উপদ্রবের মধ্যে বিশেষ একটি উপদ্রব জুটিয়াছিল, আমাদের প্রতিবেশী মহেন্দ্র বাবু তিনি একটি ষোড়শী কন্যার পিতা হইয়া আমার চিরকৌমার্য্য ক্ষুণ্ণ করিবার উপক্রম করিরাছিলেন। ** লেখকের বিপদ, পুষ্পপাত্র - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫ * সাধুর দুই চোখ দিয়া জল উপচিয়া পড়িতেছিল। এ জগৎটায় যেমন পুলিশও আছে তেমনি ক্ষমাও আছে; কেউ কুকুর যেমন লেলাইয়া দেয়, কেউ তেমনি মুখের অন্ন পরকে ধরিয়া দিতেও পারে; যার বাড়ীতে সে চুরি করিতে যায় তারাই তাকে দয়া করে! ** চোরকাঁটা - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, ১১ পরিচ্ছেদ, প্রকাশক- দীপনী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৮-১০৯ * রামধনের বিশেষত্ব সকল দিকে। হেয়ারকাটার চুল ছাঁটিত; লেড্‌ল কোম্পানি শার্ট জোগাইত, নৃত্য ধোপা তিন দিন অন্তর কাপড় কাচিত; এবং দন্তমঞ্জন হইতে সাবান এসেন্স পর্য্যন্ত রামধনের চেরিব্লশমের প্রতি পক্ষপাতিত্ব দেখা যাইত। ** রামধনের কীর্ত্তি, পুষ্পপাত্র - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৮ * সাধু নীরবে নিঃশব্দে মমতার পায়ের কাছে মাথা ঠেকাইয়া প্রণাম করিল, তারপর আস্তে আস্তে ঘর হইতে বাহির হইয়া গেল। সে যেদিন প্রথম এ বাড়ীতে পরের বিত্ত চুরি করিতে আসিয়াছিল তখনও যেমন একটা কাল-পেঁচা চ্যার্‌র্ চ্যার্‌র্ করিয়া ডাকিতেছিল; তেমনি আজও যখন সে পরের অপরাধ ও নিজের সুখ চুরি করিয়া এ বাড়ী ছাড়িয়া বাহির হইল তখনও সেই কাল-পেঁচাটা থাকিয়া থাকিয়া ডাকিয়া উঠিতেছিল। ** চোরকাঁটা - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দশম পরিচ্ছেদ, প্রকাশক- দীপনী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৭ ==চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে উক্তি== * চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসগুলি ভিন্ন প্রকৃতির। তাহার চোরকাঁটা, যমুনা-পুলিনে ভিখারিনী, দোটানা প্রভৃতি উপন্যাসকে ঠিক মৌলিক বলা চলে না। তাহাদের উপর বৈদেশিক উপন্যাসের ছয়াপাত হইয়াছে। হেরফের উপন্যাসের গল্পাংশ রবীন্দ্রনাথের দান বলিয়া লেখক স্বীকার করিয়াছেন। তাহার অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে পঙ্কতিলক, নষ্টচন্দ্র, রূপের ফাঁদ, মন না মতি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। উপন্যাস ছাড়া ছোটগল্প রচনায়ও লেখক সিদ্ধহস্ততার পরিচয় দিয়াছেন। তাহার পুষ্পপাত্র, পঞ্চদশী, বরণডালা প্রভৃতি গল্পসংগ্রহে কয়েকটি গল্প উচ্চতর উৎকর্ষের দাবী করিতে পারে। ** শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, ছেটিগল্প ও উপন্যাসের উত্তরপর্ব, বাংলা সাহত্যের বিকাশের ধারা - শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, দ্বিতীয় খণ্ড: আধুনিক যুগ, প্রকাশক- ওরিয়েপ্ট বুক কোম্পানি, প্রথম প্রকাশ ১৯৫৯, পৃষ্ঠা ২২১ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৭৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর বাঙালি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের লেখক]] cs858mdha82cp9usc25s67h0dfxo5im 81923 81917 2026-04-28T11:08:29Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 81923 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়|চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]]''' (১১ অক্টোবর ১৮৭৭ ― ১৭ ডিসেম্বর ১৯৩৮) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক ও ঔপন্যাসিক। চারুচন্দ্রের সাহিত্য জীবনের শুরু ‘মেঘদূত’,‘মাঘ’ প্রভৃতি পত্রিকায় সংস্কৃত সাহিত্যের সমালোচক হিসাবে। ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস-এ যোগ দিয়ে পুস্তক প্রকাশন ব্যপারে কৃতী সম্পাদক ও অনুবাদক হিসাবে বিশেষ প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। কিছুকাল তিনি "ভারতী" পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তিনি ‘প্রবাসী’র সহ-সম্পাদক হিসাবে সমধিক পরিচিতি পান। তিনি ২৫টি উপন্যাস রচনা করেছেন। এছাড়া রয়েছে নাটক, ছোটগল্প ও প্রবন্ধ সংকলন। তিনি বেশ কয়েকটি গ্রন্থের অনুবাদ প্রকাশ করেছেন ছোটদের উপযোগী করে। তবে তিনি সমধিক পরিচিত তার রবীন্দ্র-গবেষণামূলক গ্রন্থ ‘রবি-রশ্মি’র জন্য। তার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলি হলো, ''আলোক-লতা'', ''চোরকাঁটা'', ''ধোঁকার টাটি'', ''পঙ্ক-তিলক'', ''পরগাছা'', ''বিয়ের ফুল'', ''যমুনা-পুলিনের ভিখারিণী'', ''সর্ব্বনাশের নেশা'', ''হেরফের'' প্রভৃতি। == উক্তি == * যেহেতু স্কুলের নাম দুষ্টুশাসন ও সেখানকার পড়ুয়া মাত্রেই দুষ্ট, সুতরাং আমরা দুষ্টু, আমাদের শাসন করা অতি আবশ্যক। রোজ সকালে [[ঘুম]] থেকে উঠেই পাঁচ ঘা ক’রে বেত খেয়ে তবে আমরা অন্য কিছু খেতে পাই; রাত্রে শুতে যাবার আগেও বেত খেয়ে যাওয়া বরাদ্দ। লিখ্‌তে লিখ্‌তে শ্লেটের উপর [[পেন্সিল|পেন্সিলটা]] ক্যাঁ ক’রে যদি একটু ডাক্‌ল ত’ খাও বেত; পাশের ছেলের সঙ্গে একটা কথা কয়েছি কি হেসেছি, অমনি দুজনে দুজনের কান ধ’রে বেঞ্চির ওপর সমস্ত দিন খাড়া। টিফিনের সময় একটু ছুটে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলে টিফিন বন্ধ, নিল-ডাউন। ** চোরকাঁটা - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃতীয় পরিচ্ছেদ, প্রকাশক- দীপনী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের কাব্য আমার জীবন-যাত্রায় নিত্য সহচর। সুখে সহানুভূতি, দুঃখে সান্ত্বনা, সম্পদে উপদেশ, বিপদে আশ্বাস জোগাইয়া এই কাব্য আমার প্রাণে দিনে দিনে যে নব নব ইন্দ্রজাল রচনা করিয়াছে, সুখস্বপ্নের আবেশের মত যে মাদকরসে আমার অন্তরকে পরিপূর্ণ করিয়া তুলিয়াছে, তাহারই কিঞ্চিৎ আজ আমি পরিবেশন করিব। কবির অফুরন্ত ভাবভাণ্ডার হইতে আমার ব্যক্তিগত রুচির প্ররোচনায় আমি যাহা সঞ্চয় করিয়াছি, তাহারই এক কণা বিতরণ করিয়া দেখাইব কবির ভাণ্ডার অনন্ত রসমাধুর্যে পরিপূর্ণ, ঐশ্বর্যে অদ্বিতীয়, অথচ ভোগে দানে সার্থক। ** কাব্যের স্বরূপ, রবীন্দ্রসাহিত্য-পরিচিতি - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- ৰোস মুখার্জ্জি এণ্ড কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বৃদ্ধ নিশ্চিন্ত হইয়া প্রস্থান করিল। রামধন বৃক্ষচূড় হইতে যখন দেখিল যে বৃদ্ধ বহুদূরে চলিয়া গেল, তখন সে বৃক্ষাবরোহণ করিয়া দেবদারুর একটা শাখা ভগ্ন করিয়া তৎসাহায্যেই সেই গর্ত্তের উপরকার আলগা মাটি খুঁড়িয়া বৃদ্ধপ্রোথিত পুলিন্দাটি বাহির করিয়া লইল। এবং পকেট হইতে রজর্সের চকচকে একখানা ছুরি বাহির করিয়া সেই পুলিন্দা জড়ানো মোমজমা কাপড়ের সেলাই কাটিয়া ফেলিল। কাপড় ছাড়িয়া বাহির হইল একটা টিনের চোঙ। টিনের চোঙের ঢাকনি খুলিয়া বাহির হইল একটা লম্বা মোটা বাঁশের চোঙা। চোঙার ভিতরে দেখা গেল কতকগুলি করেন্সি নোট। ** রামধনের কীর্ত্তি, পুষ্পপাত্র - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮০-৮১ * চুরি করিতে এ বাড়ীতে আসিয়াছিলাম, চুরি করিয়াই এ বাড়ী ছাড়িলাম। চোরকাঁটা কাপড়ে লাগিয়া মাঠ হইতে বাড়ীতে আসে, আবার তাকে কাপড় হইতে ছাড়াইয়া লোকে বাহিরেই ফেলে। অল্প দিনের জন্য যে আশ্রয়টকু পাইয়াছিলাম তাই আমার যথেষ্ট—কথায় বলে চোরের রাত্রিবাসই লাভ! নামের মতন চরিত্রেও সাধু হইবার চেষ্টা সত্ত্বেও চোরই থাকিয়া গেলাম—বোধ হয় এই আমার বিধাতার হাতের অদৃষ্ট বিধান। যে দণ্ড এখন থেকে আমি অহরহ সহ্য করিব, সেই আমার চরম শাস্তি, পাপের প্রায়শ্চিত্ত। ** চোরকাঁটা - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, ১১ পরিচ্ছেদ, প্রকাশক- দীপনী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * আমাদের মনে হয় উচ্চতম কবি তিনি,—যাহার কাব্য অতিমাত্র ব্যাপক, যাহা নিজে শাস্তং শিবম্ অদ্বৈতম্। যাহার শিক্ষা—নাল্পে সুখমস্তি, যো বৈ ভূমা তৎ সুখম্। যাহা বিশ্বপ্রকৃতি ও বিশ্বমানবের সহিত একাত্ম, যাহার মধ্যে জগতের স্পন্দন স্পষ্ট অনুভূত হয়, যাহা সামান্যতা পরিহার করিয়া ভূমানন্দের অন্তরঙ্গ আত্মীয়রূপে প্রকাশিত হইয়া উঠে, যাহা মানবের মনকে আমিত্ব পরিহার করিয়া বিশ্বের দিকে প্রসারিত করিয়া দেয়, যাহা বিশ্বের ভিতর দিয়া মানব-মনকে বিশ্বেশ্বরের চরণপদ্মের অভিমুখীন করে। ইহা ভারতবর্ষের একান্ত নিজস্ব সাধনা, এবং এই লক্ষণটি আমরা কেবলমাত্র রবীন্দ্রনাথের কাব্যেই অত্যন্ত পরিস্ফুট দেখিতে পাই। ** রবি-রশ্মি - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রথম খণ্ড, ষষ্ঠ সংস্করণ (পুনর্মুদ্রণ), প্রকাশক- এ. মুখার্জী অ্যাণ্ড কোং প্রাইভেট লিঃ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫-৬ * কলিকাতার কোলাহল, ঠিকা ঝিয়ের শাসন, গোয়ালার সজল দুগ্ধ, ধোবার অত্যাচার, সকল সামগ্রীর মহার্ঘতা প্রভৃতি যাবতীয় উপদ্রবের মধ্যে বিশেষ একটি উপদ্রব জুটিয়াছিল, আমাদের প্রতিবেশী মহেন্দ্র বাবু তিনি একটি ষোড়শী কন্যার পিতা হইয়া আমার চিরকৌমার্য্য ক্ষুণ্ণ করিবার উপক্রম করিরাছিলেন। ** লেখকের বিপদ, পুষ্পপাত্র - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫ * সাধুর দুই চোখ দিয়া জল উপচিয়া পড়িতেছিল। এ জগৎটায় যেমন পুলিশও আছে তেমনি ক্ষমাও আছে; কেউ কুকুর যেমন লেলাইয়া দেয়, কেউ তেমনি মুখের অন্ন পরকে ধরিয়া দিতেও পারে; যার বাড়ীতে সে চুরি করিতে যায় তারাই তাকে দয়া করে! ** চোরকাঁটা - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, ১১ পরিচ্ছেদ, প্রকাশক- দীপনী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৮-১০৯ * রামধনের বিশেষত্ব সকল দিকে। হেয়ারকাটার চুল ছাঁটিত; লেড্‌ল কোম্পানি শার্ট জোগাইত, নৃত্য ধোপা তিন দিন অন্তর কাপড় কাচিত; এবং দন্তমঞ্জন হইতে সাবান এসেন্স পর্য্যন্ত রামধনের চেরিব্লশমের প্রতি পক্ষপাতিত্ব দেখা যাইত। ** রামধনের কীর্ত্তি, পুষ্পপাত্র - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৮ * সাধু নীরবে নিঃশব্দে মমতার পায়ের কাছে মাথা ঠেকাইয়া প্রণাম করিল, তারপর আস্তে আস্তে ঘর হইতে বাহির হইয়া গেল। সে যেদিন প্রথম এ বাড়ীতে পরের বিত্ত চুরি করিতে আসিয়াছিল তখনও যেমন একটা কাল-পেঁচা চ্যার্‌র্ চ্যার্‌র্ করিয়া ডাকিতেছিল; তেমনি আজও যখন সে পরের অপরাধ ও নিজের সুখ চুরি করিয়া এ বাড়ী ছাড়িয়া বাহির হইল তখনও সেই কাল-পেঁচাটা থাকিয়া থাকিয়া ডাকিয়া উঠিতেছিল। ** চোরকাঁটা - চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দশম পরিচ্ছেদ, প্রকাশক- দীপনী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৭ ==চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে উক্তি== * চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসগুলি ভিন্ন প্রকৃতির। তাহার চোরকাঁটা, যমুনা-পুলিনে ভিখারিনী, দোটানা প্রভৃতি উপন্যাসকে ঠিক মৌলিক বলা চলে না। তাহাদের উপর বৈদেশিক উপন্যাসের ছয়াপাত হইয়াছে। হেরফের উপন্যাসের গল্পাংশ রবীন্দ্রনাথের দান বলিয়া লেখক স্বীকার করিয়াছেন। তাহার অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে পঙ্কতিলক, নষ্টচন্দ্র, রূপের ফাঁদ, মন না মতি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। উপন্যাস ছাড়া ছোটগল্প রচনায়ও লেখক সিদ্ধহস্ততার পরিচয় দিয়াছেন। তাহার পুষ্পপাত্র, পঞ্চদশী, বরণডালা প্রভৃতি গল্পসংগ্রহে কয়েকটি গল্প উচ্চতর উৎকর্ষের দাবী করিতে পারে। ** শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, ছেটিগল্প ও উপন্যাসের উত্তরপর্ব, বাংলা সাহত্যের বিকাশের ধারা - শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, দ্বিতীয় খণ্ড: আধুনিক যুগ, প্রকাশক- ওরিয়েপ্ট বুক কোম্পানি, প্রথম প্রকাশ ১৯৫৯, পৃষ্ঠা ২২১ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৭৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর বাঙালি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের লেখক]] smhiqduqzrju03vxqxlncqml4mvcntl ফেদেরিকো ফাগিন 0 12431 81746 76725 2026-04-27T22:31:05Z MS Sakib 35 81746 wikitext text/x-wiki [[File:Federico Faggin (cropped).jpg|thumb|right|২০১১ সালে ফেদেরিকো ফাজিন]] '''[[w:ফেদেরিকো ফাজিন|ফেদেরিকো ফাজিন]]''' (জন্ম ১ ডিসেম্বর ১৯৪১) একজন ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক এবং উদ্যোক্তা। == উক্তি == * মানবজাতি এখন এক ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে আছে। হয় তাকে এই বিশ্বাসে ফিরে আসতে হবে যে মানুষের প্রকৃতি যন্ত্র থেকে ভিন্ন নতুবা সে যন্ত্রের ভিড়ে একটি যন্ত্রে পরিণত হবে। ঝুঁকিটা এটি নয় যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের চেয়ে ভালো হয়ে উঠবে।বরং ঝুঁকি হলো আমরা স্বেচ্ছায় নিজেদের এবং আমাদের মনিবদের কাছে আত্মসমর্পণ করার সিদ্ধান্ত নেব। **[https://innovazione.tiscali.it/intelligenza-artificiale/articoli/lectio-fisico-faggin-nessuna-ia-potra-mai-sostituire-uomo-00001/ L' intelligenza artificiale sostituirà l'uomo? La risposta di Federico Faggin, padre del microchip], ''তিসকালি নতিৎসিয়ে'' (৯ মে, ২০২৪) * কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সবচেয়ে উন্নত রূপও কখনো মানুষের জায়গা নিতে পারবে না। কারণ মানুষের মধ্যে এমন কিছু আছে যা যন্ত্রের জ্ঞানের মাধ্যমে বোঝা সম্ভব নয়। আত্মসচেতনতা, স্বাধীন ইচ্ছা, সংশয় এবং অনুভূতি। **[https://innovazione.tiscali.it/intelligenza-artificiale/articoli/lectio-fisico-faggin-nessuna-ia-potra-mai-sostituire-uomo-00001/ L' intelligenza artificiale sostituirà l'uomo? La risposta di Federico Faggin, padre del microchip],''তিসকালি নতিৎসিয়ে'' (৯ মে, ২০২৪) * কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সৃজনশীল হওয়ার ক্ষমতা নেই। প্রকৃত সৃজনশীলতা এমন কিছু তৈরি করে যা আগে কখনো ছিল না। এটি কেবল বিদ্যমান জিনিসের সংমিশ্রণের চেয়ে অনেক বেশি কিছু। আমরা যদি এটিকে এই থিয়েটারটি নতুন করে সাজাতে বলি, তবে এআই ঘরে থাকা চেয়ারগুলো কেবল এলোমেলো করবে। কিন্তু এটি আমাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে এর কাজ আমাদের পছন্দ হয়েছে কি না। মনে রাখতে হবে, ওই চেয়ারগুলো আমাদের তৈরি করা তথ্যের অ্যালগরিদম থেকেই এসেছে। কম্পিউটার প্রতীকের মধ্যকার সম্পর্ক চিনতে পারে, কিন্তু সে বুঝতে পারে না। আর এটা বোঝার ভান করা নিরর্থক, কারণ সে কখনোই কিছুই বুঝবে না। **[https://www.wired.it/article/federico-faggin-wired-next-fest-2024-trentino/ Wired Next Festa Trentino] (২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪) * পদার্থ হলো সেই কালি, যা দিয়ে চেতনা নিজের অভিজ্ঞতার কথা লেখে। ** এলেওনোরা চিওদা (১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২), ''[https://www.repubblica.it/tecnologia/dossier/speciale-itw-2022/2022/09/10/news/faggin_intervista-364947457/amp/ ফেদেরিকো ফাজিন: "Siamo molto più delle macchine"]'', ''রেপুবলিকা ডট ইট''। * আমরা আধ্যাত্মিক সত্তা, সাময়িকভাবে একটি শারীরিক শরীরে বন্দী, যা যন্ত্রের মতো। কিন্তু আমরা যন্ত্রের চেয়ে অনেক বেশি কিছু। আমরা চেতনা, অসীম এবং অবিভাজ্য সত্তা। ** এলেওনোরা চিওদা (১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২), ''[https://www.repubblica.it/tecnologia/dossier/speciale-itw-2022/2022/09/10/news/faggin_intervista-364947457/amp/ ফেদেরিকো ফাজিন: "Siamo molto più delle macchine"]'', ''রেপুবলিকা ডট ইট''। * একটি রোবট কখনোই আমাদের মতো হতে পারবে না। এটি কেবল একটি প্রতীকী উপস্থাপনা মাত্র, এটি কেবল তাই করে যা আমরা করতে বলি। কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানে বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জিয়াকোমো ডি'আরিয়ানোর সাথে আমি চেতনার প্রথম তত্ত্বটি তৈরি করেছি। কোয়ান্টাম তথ্য এবং চেতনার মধ্যে একটি সংযোগ রয়েছে এবং এই সংযোগের মাধ্যমেই আমরা এমন সব বিষয় ব্যাখ্যা করতে সক্ষম, যা আগে ব্যাখ্যা করা যায়নি। ** সিলভিয়া বোম্বিনো (১৩ অক্টোবর, ২০২২), [https://www.vanityfair.it/article/federico-faggin-fisico-coscienza-dio-ce-e-si-chiama-uno-vita-morte/amp ''ফেদেরিকো ফাজিন: «Dio c'è e si chiama Uno»''], ''ভ্যানিটি ফেয়ার''। * প্রকৃত বাস্তবতা হলো অভ্যন্তরীণ, কোয়ান্টাম এবং ব্যক্তিগত। সচেতন সত্তা হিসেবে আমরা 'ওয়ান' বা 'এক'-এর অবিচ্ছেদ্য অংশ। 'ওয়ান' বা 'এক' হলো অস্তিত্বের সবটুকু, একেই আমরা ঈশ্বর বলি। ** সিলভিয়া বোম্বিনো (১৩ অক্টোবর, ২০২২), [https://www.vanityfair.it/article/federico-faggin-fisico-coscienza-dio-ce-e-si-chiama-uno-vita-morte/amp ''ফেদেরিকো ফাজিন: «Dio c'è e si chiama Uno»''], ''ভ্যানিটি ফেয়ার''। * চেতনা হলো বোঝার ক্ষমতা। অর্থাৎ, অনুভূতি ও আবেগের অভিজ্ঞতা লাভ করা এবং তাদের অর্থ বুঝতে পারা। এটি কম্পিউটারের ক্ষমতার বাইরে। চেতনা এমন একটি ঘটনা যা আরও গভীর বাস্তবতা থেকে উদ্ভূত, যা স্থান-কালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় এবং যাকে ধ্রুপদী পদার্থবিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। কেবল 'কোয়ান্টাম স্টেট' বা কোয়ান্টাম অবস্থাই সচেতন অভিজ্ঞতাকে বর্ণনা করতে পারে। তাই অনিবার্যভাবেই, পদার্থ, শক্তি, স্থান এবং সময়ের আগেই চেতনার অস্তিত্ব থাকতে হবে। ভৌত বিষয়গুলো বাস্তবের চেয়ে বেশি ভার্চুয়াল, এগুলো একটি সচেতন ক্ষেত্রের সৃষ্টি। এই ক্ষেত্রটি শরীরের মাধ্যমে স্থান-কালে চলমান বস্তুগুলোকে পর্যবেক্ষণ করে। ক্ষেত্রের কোয়ান্টাম অবস্থা হলো ''কোয়ালিয়া'' বা অনুভূতির প্রতিনিধিত্ব, যা একটি সচেতন অভিজ্ঞতা তৈরি করে। ''কোয়ালিয়া'' কেবল সেই ক্ষেত্র দ্বারাই জানা সম্ভব যা ওই অবস্থায় থাকে এবং এটি গাণিতিক ধারণা দিয়ে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। **ফেদেরিকো ফাজিন। দাভিদে রে'র নিবন্ধে উদ্ধৃত, ''[https://www.avvenire.it/agora/pagine/faggin-spiritualit-e-scienza-sono-pi-della-loro-somma ফাজিন: "spiritualità e scienza sono più della loro somma"]'', ''[[w:en: Avvenire|আভেনিয়েরে ডট ইট]]'' (১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪) * সিলিকন ভ্যালিতে এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি আছে যা বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে প্রচলিত। এটি বস্তুবাদী এবং হ্রাসবাদী। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, মানুষ একটি যন্ত্র এবং বাস্তবতা স্থান-কালে চলমান বস্তুর ধ্রুপদী পদার্থবিজ্ঞান দ্বারা বর্ণনাযোগ্য। এটি আজকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রেও এক ধরনের প্রতারণা, যা বিক্রির জন্য লোগো ছাড়া আর কিছুই নয়। এই দর্শনে, চেতনা এবং অভিজ্ঞতাকে কেবল সাধারণ ঘটনা হিসেবে গণ্য করা হয়, যা পরিমাপ করা এবং গাণিতিকভাবে বর্ণনা করা সম্ভব, যদিও বাস্তবে তা নয়। একারণেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বর্তমান বর্ণনা বিভ্রান্তিকর। **ফেদেরিকো ফাজিন। দাভিদে রে'র নিবন্ধে উদ্ধৃত, ''[https://www.avvenire.it/agora/pagine/faggin-spiritualit-e-scienza-sono-pi-della-loro-somma ফাজিন: "spiritualità e scienza sono più della loro somma"]'', ''[[w:en: Avvenire|আভেনিয়েরে ডট ইট]]'' (১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪) == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভাবক]] [[বিষয়শ্রেণী:অভিবাসী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৌশলী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] 1q9e4annkbygt691md4uld0wj6vjvt2 আলাপ:টিন 1 12442 81861 76413 2026-04-28T06:41:01Z Salil Kumar Mukherjee 39 /* অপ্রাসঙ্গিক উক্তিগুলো সরান */ নতুন অনুচ্ছেদ 81861 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} == অপ্রাসঙ্গিক উক্তিগুলো সরান == @ [[ব্যবহারকারী আলাপ:MS Sakib|MS Sakib]]: [[টিন]] নিবন্ধে অনেক পরিবর্তন করা হলো। এবার দেখুন সব গ্রহণযোগ্য কিনা। [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee|Salil Kumar Mukherjee]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Salil Kumar Mukherjee|আলাপ]]) ০৬:৪১, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) rft7d4lfg1qpepez6waspiu9ikxeqwj পারভীন এতেসামি 0 12454 81747 76484 2026-04-27T22:33:28Z MS Sakib 35 Requesting deletion ([[:m:Special:MyLanguage/User:TenWhile6/XReport|XReport]] v3.1b) 81747 wikitext text/x-wiki <noinclude>{{delete|Test page <small>[[:m:Special:MyLanguage/User:TenWhile6/XReport|XReport]]</small>}}</noinclude> রাখশন্দেহ এ'তেসামি [ a ] ​​(১৭ মার্চ ১৯০৭ [ 1 ] – ৪ এপ্রিল ১৯৪১), যিনি পারভিন এ'তেসামি [ b ] নামে অধিক পরিচিত , ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন ইরানি ফারসি ভাষার কবি । [ 2 ] [ 3 ] == উক্তি == ​"যিনি অন্যের চোখের জল মোছেন না, তিনি নিজের আনন্দকেও দীর্ঘস্থায়ী করতে পারেন না।" ​উৎস: ​পারভিন এতেসামির কবিতা সমগ্র (Diwan-e-Parvin E'tesami) == পারভীন এতেসামি সম্পর্কে উক্তি == পারভিন এতেসামি-র উক্তি ​উক্তি: ​"মানুষের জীবন একটি বইয়ের মতো; যার প্রতিটি দিন একেকটি পৃষ্ঠা। তাই প্রতিটি পৃষ্ঠায় ভালো কিছু লেখার চেষ্টা করো, যাতে দিনশেষে যখন বইটি বন্ধ হবে, তখন তোমার কোনো অনুশোচনা না থাকে।" == আরও দেখুন == https://en-wikipedia-org.translate.goog/wiki/Simin_Behbahani?_x_tr_sl=en&_x_tr_tl=bn&_x_tr_hl=bn&_x_tr_pto=tc https://en-wikipedia-org.translate.goog/wiki/Mina_Assadi?_x_tr_sl=en&_x_tr_tl=bn&_x_tr_hl=bn&_x_tr_pto=tc == বহিঃসংযোগ == https://translate.google.com/website?sl=en&tl=bn&hl=bn&client=srp&u=http://rira.ir/rira/php/?page%3Dview%26mod%3Dclassicpoems%26obj%3Dpoet%26id%3D6 kaj4dbsbbodgdfmq05npflu0wf45c3z বিষয়শ্রেণী:ফুটবল 14 12922 81711 78687 2026-04-27T19:08:35Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়া]] যোগ 81711 wikitext text/x-wiki * বিশ্বকাপ [[বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়া]] qc0jz3saer1bkekzunm4y7fpxqv8ohj বিষয়শ্রেণী:ফিফা বিশ্বকাপ 14 12924 81706 78690 2026-04-27T19:03:33Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা]] যোগ 81706 wikitext text/x-wiki * ফিফা বিশ্বকাপ [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা]] bdkjvfc4s4y6vfcpd4slh0wvk781ct2 81707 81706 2026-04-27T19:03:44Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়ামূলক ঘটনা]] যোগ 81707 wikitext text/x-wiki * ফিফা বিশ্বকাপ [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়ামূলক ঘটনা]] qnc4uvofh70bvadgkjcdpelk8pcsyl8 81712 81707 2026-04-27T19:09:27Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] অপসারণ 81712 wikitext text/x-wiki * ফিফা বিশ্বকাপ [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়ামূলক ঘটনা]] ig9ecyoowx03q4nelrc05yg5mjnm4l4 ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ 0 12944 81789 78793 2026-04-28T02:35:18Z Oindrojalik Watch 4169 81789 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> '''[[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ|২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]]''' ছিল ফিফা বিশ্বকাপের ২০তম আসর, যা ফিফা কর্তৃক আয়োজিত পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর একটি চতুর্বার্ষিক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ। ২০০৭ সালে আয়োজক হিসেবে স্বত্ব পাওয়ার পর, ২০১৪ সালের ১২ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত ব্রাজিলে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল ব্রাজিলে আয়োজিত দ্বিতীয় বিশ্বকাপ (প্রথমটি ১৯৫০ সালে) এবং দক্ষিণ আমেরিকায় অনুষ্ঠিত পঞ্চম আসর। অনেক ভক্ত ও পণ্ডিত এই আসরটিকে এ যাবৎকালের অন্যতম সেরা বিশ্বকাপ হিসেবে বিবেচনা করেন। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == উক্তি == [[চিত্র:Philipp Lahm lifts the 2014 FIFA World Cup.jpg|thumb|upright|এই যে [[:w:মারিও গোটজে|গোটজে]]! তিনি [[:w:মারিও গোটজে|মারিও গোটজে]]! তিনি [[:w:মারিও গোটজে|সুপার মারিও]]! [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] হয়ে সম্ভবত [[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ|বিশ্বকাপটি]] তিনিই জিতে নিলেন! ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Crying boy.jpg|thumb|upright|বিরতির আগেই যে চোখের জল ঝরবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। কেউ ভাবেনি যে রাতের ডিনারের আগেই রাজপথে পতাকায় আগুন জ্বলবে। ~ '''''[[:w:স্যাম বোর্ডেন|স্যাম বোর্ডেন]]''''']] [[চিত্র:Stadion Belo Horizonte Halbfinale WM 2014 (22117986076).jpg|thumb|upright|মাঠে ইতিমধ্যেই অনেক ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়েছে। ব্রাজিলকে রক্ষণ আর আক্রমণের দূরত্ব কমিয়ে আরও আটসাট হয়ে খেলতে হবে, '''''ইয়ান'''''। তারা এভাবে ছন্নছাড়া হয়ে থাকতে পারে না; অন্যথায় জার্মানরা তাদের ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলবে। ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 07.jpg|thumb|upright|পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে; [[:w:সামি খেদিরা|খেদিরা]] বল পাস দিলেন ভেতরে। ওহ! চার-শূন্য! অবিশ্বাস্য! আবারও [[:w:টনি ক্রুস|ক্রুস]]! ব্রাজিল স্রেফ মাঠের বাইরে ছিটকে যাচ্ছে! এটি সত্যিই বিস্ময়কর। ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Alemanha7x1brasil.jpg|thumb|upright|আর এই হলো তিন নম্বর গোল, [[:w:টনি ক্রুস|টনি ক্রুস]]! জার্মানরা আজ রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে! ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 11.jpg|thumb|upright|আসলে আমরা দুজনেই নিজেদের চিমটি কেটে দেখছি যে এটি স্বপ্ন না বাস্তব। আমার মনে হয় এখানে উপস্থিত সবাই একই কাজ করছেন। সাত-শূন্য? ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 03.jpg|thumb|upright|খেদিরা বলটি বাড়িয়ে দিলেন সাইডলাইনে, [[:w:মেসুত ওজিল|ওজিল]]! আবারও খেদিরা! পাঁচ-শূন্য! এটি পুরোপুরি বিশ্বাসের অতীত! এই গোল উৎসব কোথায় গিয়ে থামবে? ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 07.jpg|thumb|upright|তোমরা চার-শূন্য গোলে পিছিয়ে আছো! মাঠে একটু আগ্রাসী হও, প্রতিপক্ষকে বাধা দাও! এই খেলার মোড় ঘোরানোর জন্য অন্তত কিছু একটা তো করো! ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 12.jpg|thumb|upright|ব্রাজিলকে সতর্ক হতে হবে; তাদের ইতিমধ্যেই হুঁশিয়ার করা হয়েছে। যদি তারা এভাবেই খেলতে থাকে, তবে হারের ব্যবধান আরও অনেক বড় হতে যাচ্ছে। ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 02.jpg|thumb|আরও হতে পারে, এই যে শুরলে! আবারও, এটা সাত নম্বর! ব্রাজিলের জন্য এক চরম অবমাননা, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলো! জার্মানি এখন সপ্তম স্বর্গে! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 04.jpg|thumb|তিন নম্বর গোল, টনি ক্রুস! ২৫ মিনিটের মধ্যেই ব্রাজিল তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল! জার্মানি ৩, ব্রাজিল ০! ~ স্টিভ উইলসন]] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 08.jpg|thumb|আজ ব্রাজিল কতটা খারাপ খেলছে তা আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না। মনে হচ্ছে কোনো অপেশাদার দলের খেলা দেখছি। তাদের মানসিকতা ছিল একেবারেই শোচনীয়। আমি বারবার 'শোচনীয়' বলছি কারণ আমার শব্দ ফুরিয়ে আসছে। তারা স্রেফ হাল ছেড়ে দিয়েছে। ~ স্টিভ ম্যাকমানামান]] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 05.jpg|thumb|জার্মানি ব্রাজিলকে অপদস্থ করছে, বিনম্র করছে এবং টুকরো টুকরো করে দিচ্ছে! ~ স্টিভ উইলসন]] [[চিত্র:Alemanha7x1brasil.jpg|thumb|এই বিশ্বকাপে তার পঞ্চম গোল! তাকে কে মার্ক করছিল? কেউ তাকে ধরেনি! ~ স্টিভ উইলসন]] [[চিত্র:Austria vs. USA 2013-11-19 (087).jpg|thumb|কেমন হলো সেটা? জন ব্রুকস! জন ব্রুকস! আমেরিকার জন্য গোল! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:Julian Green cropped (15096232789).jpg|thumb|এটা দেখুন! জুলিয়ান গ্রিন! আপনি কি বিশ্বাস করবেন? এই তরুণ আমেরিকার জন্য আশার আলো জ্বালিয়ে দিল! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:Austria vs. USA 2013-11-19 (109).jpg|thumb|ওহ, হ্যাঁ! জার্মেইন জোনস, তার পা থেকে কী দুর্দান্ত এক শট! আমেরিকা সমতায় ফিরল! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:USMNT players vs Turkey 2014 (15282567592).jpg|thumb|দেখছেন? এটাই আসল কথা। আপনি আমাদের নিয়ে সন্দেহ করছেন? দারুণ। আমাদের অবজ্ঞা করছেন? ঠিক আছে। চ্যালেঞ্জের জন্যই আমরা জেগে উঠি। কঠোর পরিশ্রমই আমাদের কাজ, আর এটাই আমরা। ~ কিফার সাদারল্যান্ড]] [[চিত্র:Jürgen Klinsmann USA.jpg|thumb|ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানের জাদুকরী স্পর্শ অব্যাহত রয়েছে! ~ টেলর টুয়েলম্যান]] [[চিত্র:DeAndre Yedlin training 2014 Brazil (cropped).jpg|thumb|এই আক্রমণটি কে শুরু করছে? ডিয়ান্দ্রে ইয়েডলিন! বাইলাইনের শেষ প্রান্ত থেকে চমৎকার একটি বল পাঠাচ্ছেন! ~ টেলর টুয়েলম্যান]] [[চিত্র:20131119 AT-USA Tim Howard IP2O2982.JPG|thumb|আপনারা কি আমার সাথে মজা করছেন? টিম হাওয়ার্ড কতবার আমেরিকাকে বাঁচাবেন? আজ তার পজিশনিং ছিল নিখুঁত। একবারের জন্যও তিনি ভুল দিকে ঝুঁকে পড়েননি। ~ টেলর টুয়েলম্যান]] === B === * ভোরের আলো ফুটতেই আতশবাজি ফোটা শুরু হয়ে গিয়েছিল। পুরো শহর জুড়ে পপ আর ব্যাং শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল; নারী, পুরুষ আর শিশুরা—যাদের বেশিরভাগেরই পরনে ছিল হলুদ পোশাক—ফ্লেয়ার জ্বালাচ্ছিল আর গাড়ির হর্ন বাজাচ্ছিল। দিনটি একটি জাদুকরী দিন হওয়ার কথা ছিল। নিজ দেশে খেলতে নামা ব্রাজিলীয় জাতীয় ফুটবল দল বিশ্বকাপ ফাইনাল থেকে মাত্র এক ম্যাচ দূরে ছিল। '''কেউ ভাবতেও পারেনি যে হাফটাইমের আগেই চোখের জল ঝরবে। কেউ কল্পনাও করেনি যে রাতের খাবারের আগেই রাস্তায় পতাকা পোড়ানো হবে। নিশ্চিতভাবেই কেউ ভাবেনি যে কোনো ব্রাজিলীয় ভক্ত তাদের প্রিয় স্টেডিয়ামে সেমিফাইনাল দেখতে এসে খেলা শেষ হওয়ার অনেক আগেই মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তা করবে।''' কিন্তু এসবই ঘটেছে। ২০১৪ বিশ্বকাপ—যা শুরুতে অর্থায়ন, প্রতিবাদ আর অবকাঠামো নিয়ে নানা প্রশ্নে জর্জরিত ছিল, পরে গোলের বন্যা আর নাটকীয় সমাপ্তিতে যা আনন্দের জোয়ারে ভেসেছিল—শেষ পর্যন্ত এই একটি কারণেই মনে রাখা হবে: ফুটবলের পরাশক্তি হিসেবে বিবেচিত আয়োজক দলটিকে আজ জুনিয়র দলের মতো নাজেহাল হতে হয়েছে। ** স্যাম বোর্ডেন, [http://archive.is/GjWtD "গোল: এ ডার্ক ডে ফর ব্রাজিল"] (৮ জুলাই ২০১৪), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''। === D === * ডেম্পসি, দারুণ শুরু এখানে। '''ক্লিন্ট ডেম্পসি কি গোল করতে পারবেন? তিনি পেরেছেন! আমেরিকা এগিয়ে গেল! অবিশ্বাস্যভাবে, মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মাথায়! এটা স্রেফ স্বপ্নের মতো!''' ক্লিন্ট ডেম্পসি প্রথম আমেরিকান হিসেবে তিনটি ভিন্ন [[:w:ফিফা বিশ্বকাপ|ফিফা বিশ্বকাপে]] গোল করার গৌরব অর্জন করলেন! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * আমেরিকা যদি এই লিড ধরে রাখতে পারে, তবে গ্রুপের সমীকরণ পুরোপুরি বদলে যাবে। গিয়ানের চমৎকার একটি পাস। আন্দ্রে আইয়ু—সমতায় ফিরল ঘানা! আমেরিকানদের হৃদয় ভেঙে দেওয়ার মতো এক অনবদ্য গোল! রক্ষণব্যুহ ভেঙে গেল! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * জুসি কর্নার নিচ্ছেন, এবং ওই তো! গোল! '''কেমন হলো সেটা? জন ব্রুকস! জন ব্রুকস! আমেরিকার জন্য গোল!''' তারা কি তবে [[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ গ্রুপ জি|ম্যাচটি]] ছিনিয়ে নিল? একেবারে অবিশ্বাস্য, সে হয়তো নিজেও এমন কিছু স্বপ্নেও ভাবেনি। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * প্রতিশোধ, আমেরিকার জন্য! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=ikX_nJszeYw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * আমার মনে হয়, [[:w:ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো|রোনালদো]] যখন ব্রাজিলের হোটেলে পৌঁছান, তখন তাকে একজন টপলেস মডেল এবং ডোনাল্ড ডাকের পোশাক পরা এক ব্যক্তি অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://web.archive.org/web/20140706035347/http://www.sbnation.com/soccer/2014/6/22/5832892/ian-darke-cristiano-ronaldo-topless-model-donald-duck মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * আন্দ্রে আলমেইদা। ভেলোসোর পাস। ওহ, এটা তো ভুল করে নানির পায়ে চলে গেল! হে ঈশ্বর! আমেরিকা এখানে স্রেফ নিজেদের বিপদ নিজেরা ডেকে আনল! ইউএস ডিফেন্সে এক মহাবিপর্যয়। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * তিনি একটু দেরিতে আসলেন, কর্নারটি সাদা জার্সি পরা কারো পায়ে পড়ল না। এখন পড়েছে—জার্মেইন জোনস। '''ওহ, হ্যাঁ! জার্মেইন জোনস, তার পা থেকে কী দুর্দান্ত এক শট! আমেরিকা সমতায়!''' স্রেফ অসাধারণ এক স্ট্রাইক। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=MUnO2AJVJ6c মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * চমৎকার পাস। জোনস থেকে ইয়েডলিন। প্রায় পৌঁছে গিয়েছিল! বল পেলেন ব্র্যাডলি, তারপর জুসি এবং ডেম্পসি! '''তিনি কি [[:w:অফসাইড (ফুটবল)|অফসাইড]]? না, তিনি অনসাইড! ২-১! এগিয়ে গেল আমেরিকা!''' আবারো সেই 'ক্যাপ্টেন মার্ভেল'! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * তারা কি এখানে কিছু করতে পারবে? বল ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পায়ে। ওহ, দারুণ একটি ক্রস! এবং এটি একটি সমতাসূচক গোল, ভারেলার পা থেকে! খেলার একেবারে শেষ মুহূর্তে আমেরিকাকে জয়বঞ্চিত করা হলো! এবং বলতেই হবে, এটি একটি দুর্দান্ত গোল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * বল অনেক দূর গেল, এবং এখানে মার্টেস্যাকারকে রুখে দিলেন হাওয়ার্ড; কিন্তু এবার জার্মানি গোল করে ফেলল, গোলদাতা থমাস মুলার! ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল জার্মানি। আবারো তিনি, আর এখন উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম জার্মানি] (২৬ জুন ২০১৪)। * আমেরিকার এখন ঝুঁকি নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। যার অর্থ হলো তারা হয়তো আরও দু-একটি পাল্টা আক্রমণের শিকার হতে পারে। মাইকেল ব্র্যাডলি। চিপ করে বল সামনে বাড়ালেন, আর এটা দেখুন! জুলিয়ান গ্রিন! আপনি কি বিশ্বাস করবেন? এই তরুণ আমেরিকার জন্য আশার আলো জ্বালিয়ে দিল! অসাধারণ! ২-১! কিশোর গ্রিন বাজিমাত করলেন! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://listenonrepeat.com/watch/?v=ZYFWEdYReHk বেলজিয়াম বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১ জুলাই ২০১৪)। * আমার মনে হয় তিনি (ক্লিন্সম্যান) বলছেন যে এখানে এক মিনিটের বেশি সময় দেওয়া উচিত ছিল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', বেলজিয়াম বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (১ জুলাই ২০১৪)। * আমেরিকার বীরত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা ছিল, তবে এটি কোনো দুর্ভাগ্যের গল্প নয়। অপেক্ষাকৃত ভালো দলটিই জিতেছে। শেষ ১৬ পর্যন্ত পৌঁছানোই আমেরিকার বর্তমান সক্ষমতার প্রমাণ, তবে তারা এখন এক সুপ্রতিষ্ঠিত দল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736 টুইটার] (২ জুলাই ২০১৪)। * এটি যদি টিম হাওয়ার্ডের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ হয়ে থাকে, তবে বিদায় জানানোর জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর হতে পারে না! তিনি ছিলেন অভাবনীয়। গত ৫০ বছরে বিশ্বকাপে একজন গোলরক্ষক হিসেবে তিনি সর্বোচ্চ সেভ করেছেন। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484268327221874688 টুইটার] (২ জুলাই ২০১৪)। * আমেরিকার এখন দল পুনর্গঠনের দিকে নজর দেওয়া উচিত। ২০১৮ সালের মধ্যে ডেম্পসির বয়স হবে ৩৫; জোনস, বিজলি এবং বেকারম্যানের বয়স হবে ৩৬ এবং হাওয়ার্ডের ৩৯। তারা সবাই মার্কিন ফুটবলের দুর্দান্ত সেবক। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484272268819038208 টুইটার] (২ জুলাই ২০১৪)। * টেলর টুয়েলম্যানের সাথে আমেরিকার ম্যাচগুলোর কভারেজ নিয়ে আপনাদের সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। তবে সাথেই থাকুন; বিশ্বকাপ এখনও চলছে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484276578189574144 টুইটার] (২ জুলাই ২০১৪)। * এই যে টনি ক্রুস। সামি খেদিরা। এবার থমাস মুলার। ফ্রি কিক ব্রাজিলের পক্ষে দেওয়া হবে; খেলা এখন তুঙ্গে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। j99s3eiatdluh0s5p4wkob2d8sx6f6w 81794 81789 2026-04-28T02:41:59Z Oindrojalik Watch 4169 81794 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> '''[[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ|২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]]''' ছিল ফিফা বিশ্বকাপের ২০তম আসর, যা ফিফা কর্তৃক আয়োজিত পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর একটি চতুর্বার্ষিক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ। ২০০৭ সালে আয়োজক হিসেবে স্বত্ব পাওয়ার পর, ২০১৪ সালের ১২ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত ব্রাজিলে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল ব্রাজিলে আয়োজিত দ্বিতীয় বিশ্বকাপ (প্রথমটি ১৯৫০ সালে) এবং দক্ষিণ আমেরিকায় অনুষ্ঠিত পঞ্চম আসর। অনেক ভক্ত ও পণ্ডিত এই আসরটিকে এ যাবৎকালের অন্যতম সেরা বিশ্বকাপ হিসেবে বিবেচনা করেন। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == উক্তি == [[চিত্র:Philipp Lahm lifts the 2014 FIFA World Cup.jpg|thumb|upright|এই যে [[:w:মারিও গোটজে|গোটজে]]! তিনি [[:w:মারিও গোটজে|মারিও গোটজে]]! তিনি [[:w:মারিও গোটজে|সুপার মারিও]]! [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] হয়ে সম্ভবত [[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ|বিশ্বকাপটি]] তিনিই জিতে নিলেন! ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Crying boy.jpg|thumb|upright|বিরতির আগেই যে চোখের জল ঝরবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। কেউ ভাবেনি যে রাতের ডিনারের আগেই রাজপথে পতাকায় আগুন জ্বলবে। ~ '''''[[:w:স্যাম বোর্ডেন|স্যাম বোর্ডেন]]''''']] [[চিত্র:Stadion Belo Horizonte Halbfinale WM 2014 (22117986076).jpg|thumb|upright|মাঠে ইতিমধ্যেই অনেক ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়েছে। ব্রাজিলকে রক্ষণ আর আক্রমণের দূরত্ব কমিয়ে আরও আটসাট হয়ে খেলতে হবে, '''''ইয়ান'''''। তারা এভাবে ছন্নছাড়া হয়ে থাকতে পারে না; অন্যথায় জার্মানরা তাদের ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলবে। ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 07.jpg|thumb|upright|পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে; [[:w:সামি খেদিরা|খেদিরা]] বল পাস দিলেন ভেতরে। ওহ! চার-শূন্য! অবিশ্বাস্য! আবারও [[:w:টনি ক্রুস|ক্রুস]]! ব্রাজিল স্রেফ মাঠের বাইরে ছিটকে যাচ্ছে! এটি সত্যিই বিস্ময়কর। ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Alemanha7x1brasil.jpg|thumb|upright|আর এই হলো তিন নম্বর গোল, [[:w:টনি ক্রুস|টনি ক্রুস]]! জার্মানরা আজ রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে! ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 11.jpg|thumb|upright|আসলে আমরা দুজনেই নিজেদের চিমটি কেটে দেখছি যে এটি স্বপ্ন না বাস্তব। আমার মনে হয় এখানে উপস্থিত সবাই একই কাজ করছেন। সাত-শূন্য? ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 03.jpg|thumb|upright|খেদিরা বলটি বাড়িয়ে দিলেন সাইডলাইনে, [[:w:মেসুত ওজিল|ওজিল]]! আবারও খেদিরা! পাঁচ-শূন্য! এটি পুরোপুরি বিশ্বাসের অতীত! এই গোল উৎসব কোথায় গিয়ে থামবে? ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 07.jpg|thumb|upright|তোমরা চার-শূন্য গোলে পিছিয়ে আছো! মাঠে একটু আগ্রাসী হও, প্রতিপক্ষকে বাধা দাও! এই খেলার মোড় ঘোরানোর জন্য অন্তত কিছু একটা তো করো! ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 12.jpg|thumb|upright|ব্রাজিলকে সতর্ক হতে হবে; তাদের ইতিমধ্যেই হুঁশিয়ার করা হয়েছে। যদি তারা এভাবেই খেলতে থাকে, তবে হারের ব্যবধান আরও অনেক বড় হতে যাচ্ছে। ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 02.jpg|thumb|আরও হতে পারে, এই যে শুরলে! আবারও, এটা সাত নম্বর! ব্রাজিলের জন্য এক চরম অবমাননা, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলো! জার্মানি এখন সপ্তম স্বর্গে! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 04.jpg|thumb|তিন নম্বর গোল, টনি ক্রুস! ২৫ মিনিটের মধ্যেই ব্রাজিল তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল! জার্মানি ৩, ব্রাজিল ০! ~ স্টিভ উইলসন]] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 08.jpg|thumb|আজ ব্রাজিল কতটা খারাপ খেলছে তা আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না। মনে হচ্ছে কোনো অপেশাদার দলের খেলা দেখছি। তাদের মানসিকতা ছিল একেবারেই শোচনীয়। আমি বারবার 'শোচনীয়' বলছি কারণ আমার শব্দ ফুরিয়ে আসছে। তারা স্রেফ হাল ছেড়ে দিয়েছে। ~ স্টিভ ম্যাকমানামান]] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 05.jpg|thumb|জার্মানি ব্রাজিলকে অপদস্থ করছে, বিনম্র করছে এবং টুকরো টুকরো করে দিচ্ছে! ~ স্টিভ উইলসন]] [[চিত্র:Alemanha7x1brasil.jpg|thumb|এই বিশ্বকাপে তার পঞ্চম গোল! তাকে কে মার্ক করছিল? কেউ তাকে ধরেনি! ~ স্টিভ উইলসন]] [[চিত্র:Austria vs. USA 2013-11-19 (087).jpg|thumb|কেমন হলো সেটা? জন ব্রুকস! জন ব্রুকস! আমেরিকার জন্য গোল! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:Julian Green cropped (15096232789).jpg|thumb|এটা দেখুন! জুলিয়ান গ্রিন! আপনি কি বিশ্বাস করবেন? এই তরুণ আমেরিকার জন্য আশার আলো জ্বালিয়ে দিল! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:Austria vs. USA 2013-11-19 (109).jpg|thumb|ওহ, হ্যাঁ! জার্মেইন জোনস, তার পা থেকে কী দুর্দান্ত এক শট! আমেরিকা সমতায় ফিরল! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:USMNT players vs Turkey 2014 (15282567592).jpg|thumb|দেখছেন? এটাই আসল কথা। আপনি আমাদের নিয়ে সন্দেহ করছেন? দারুণ। আমাদের অবজ্ঞা করছেন? ঠিক আছে। চ্যালেঞ্জের জন্যই আমরা জেগে উঠি। কঠোর পরিশ্রমই আমাদের কাজ, আর এটাই আমরা। ~ কিফার সাদারল্যান্ড]] [[চিত্র:Jürgen Klinsmann USA.jpg|thumb|ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানের জাদুকরী স্পর্শ অব্যাহত রয়েছে! ~ টেলর টুয়েলম্যান]] [[চিত্র:DeAndre Yedlin training 2014 Brazil (cropped).jpg|thumb|এই আক্রমণটি কে শুরু করছে? ডিয়ান্দ্রে ইয়েডলিন! বাইলাইনের শেষ প্রান্ত থেকে চমৎকার একটি বল পাঠাচ্ছেন! ~ টেলর টুয়েলম্যান]] [[চিত্র:20131119 AT-USA Tim Howard IP2O2982.JPG|thumb|আপনারা কি আমার সাথে মজা করছেন? টিম হাওয়ার্ড কতবার আমেরিকাকে বাঁচাবেন? আজ তার পজিশনিং ছিল নিখুঁত। একবারের জন্যও তিনি ভুল দিকে ঝুঁকে পড়েননি। ~ টেলর টুয়েলম্যান]] === B === * ভোরের আলো ফুটতেই আতশবাজি ফোটা শুরু হয়ে গিয়েছিল। পুরো শহর জুড়ে পপ আর ব্যাং শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল; নারী, পুরুষ আর শিশুরা—যাদের বেশিরভাগেরই পরনে ছিল হলুদ পোশাক—ফ্লেয়ার জ্বালাচ্ছিল আর গাড়ির হর্ন বাজাচ্ছিল। দিনটি একটি জাদুকরী দিন হওয়ার কথা ছিল। নিজ দেশে খেলতে নামা ব্রাজিলীয় জাতীয় ফুটবল দল বিশ্বকাপ ফাইনাল থেকে মাত্র এক ম্যাচ দূরে ছিল। '''কেউ ভাবতেও পারেনি যে হাফটাইমের আগেই চোখের জল ঝরবে। কেউ কল্পনাও করেনি যে রাতের খাবারের আগেই রাস্তায় পতাকা পোড়ানো হবে। নিশ্চিতভাবেই কেউ ভাবেনি যে কোনো ব্রাজিলীয় ভক্ত তাদের প্রিয় স্টেডিয়ামে সেমিফাইনাল দেখতে এসে খেলা শেষ হওয়ার অনেক আগেই মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তা করবে।''' কিন্তু এসবই ঘটেছে। ২০১৪ বিশ্বকাপ—যা শুরুতে অর্থায়ন, প্রতিবাদ আর অবকাঠামো নিয়ে নানা প্রশ্নে জর্জরিত ছিল, পরে গোলের বন্যা আর নাটকীয় সমাপ্তিতে যা আনন্দের জোয়ারে ভেসেছিল—শেষ পর্যন্ত এই একটি কারণেই মনে রাখা হবে: ফুটবলের পরাশক্তি হিসেবে বিবেচিত আয়োজক দলটিকে আজ জুনিয়র দলের মতো নাজেহাল হতে হয়েছে। ** স্যাম বোর্ডেন, [http://archive.is/GjWtD "গোল: এ ডার্ক ডে ফর ব্রাজিল"] (৮ জুলাই ২০১৪), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''। === D === * ডেম্পসি, দারুণ শুরু এখানে। '''ক্লিন্ট ডেম্পসি কি গোল করতে পারবেন? তিনি পেরেছেন! আমেরিকা এগিয়ে গেল! অবিশ্বাস্যভাবে, মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মাথায়! এটা স্রেফ স্বপ্নের মতো!''' ক্লিন্ট ডেম্পসি প্রথম আমেরিকান হিসেবে তিনটি ভিন্ন [[:w:ফিফা বিশ্বকাপ|ফিফা বিশ্বকাপে]] গোল করার গৌরব অর্জন করলেন! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * আমেরিকা যদি এই লিড ধরে রাখতে পারে, তবে গ্রুপের সমীকরণ পুরোপুরি বদলে যাবে। গিয়ানের চমৎকার একটি পাস। আন্দ্রে আইয়ু—সমতায় ফিরল ঘানা! আমেরিকানদের হৃদয় ভেঙে দেওয়ার মতো এক অনবদ্য গোল! রক্ষণব্যুহ ভেঙে গেল! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * জুসি কর্নার নিচ্ছেন, এবং ওই তো! গোল! '''কেমন হলো সেটা? জন ব্রুকস! জন ব্রুকস! আমেরিকার জন্য গোল!''' তারা কি তবে [[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ গ্রুপ জি|ম্যাচটি]] ছিনিয়ে নিল? একেবারে অবিশ্বাস্য, সে হয়তো নিজেও এমন কিছু স্বপ্নেও ভাবেনি। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * প্রতিশোধ, আমেরিকার জন্য! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=ikX_nJszeYw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * আমার মনে হয়, [[:w:ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো|রোনালদো]] যখন ব্রাজিলের হোটেলে পৌঁছান, তখন তাকে একজন টপলেস মডেল এবং ডোনাল্ড ডাকের পোশাক পরা এক ব্যক্তি অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://web.archive.org/web/20140706035347/http://www.sbnation.com/soccer/2014/6/22/5832892/ian-darke-cristiano-ronaldo-topless-model-donald-duck মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * আন্দ্রে আলমেইদা। ভেলোসোর পাস। ওহ, এটা তো ভুল করে নানির পায়ে চলে গেল! হে ঈশ্বর! আমেরিকা এখানে স্রেফ নিজেদের বিপদ নিজেরা ডেকে আনল! ইউএস ডিফেন্সে এক মহাবিপর্যয়। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * তিনি একটু দেরিতে আসলেন, কর্নারটি সাদা জার্সি পরা কারো পায়ে পড়ল না। এখন পড়েছে—জার্মেইন জোনস। '''ওহ, হ্যাঁ! জার্মেইন জোনস, তার পা থেকে কী দুর্দান্ত এক শট! আমেরিকা সমতায়!''' স্রেফ অসাধারণ এক স্ট্রাইক। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=MUnO2AJVJ6c মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * চমৎকার পাস। জোনস থেকে ইয়েডলিন। প্রায় পৌঁছে গিয়েছিল! বল পেলেন ব্র্যাডলি, তারপর জুসি এবং ডেম্পসি! '''তিনি কি [[:w:অফসাইড (ফুটবল)|অফসাইড]]? না, তিনি অনসাইড! ২-১! এগিয়ে গেল আমেরিকা!''' আবারো সেই 'ক্যাপ্টেন মার্ভেল'! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * তারা কি এখানে কিছু করতে পারবে? বল ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পায়ে। ওহ, দারুণ একটি ক্রস! এবং এটি একটি সমতাসূচক গোল, ভারেলার পা থেকে! খেলার একেবারে শেষ মুহূর্তে আমেরিকাকে জয়বঞ্চিত করা হলো! এবং বলতেই হবে, এটি একটি দুর্দান্ত গোল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * বল অনেক দূর গেল, এবং এখানে মার্টেস্যাকারকে রুখে দিলেন হাওয়ার্ড; কিন্তু এবার জার্মানি গোল করে ফেলল, গোলদাতা থমাস মুলার! ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল জার্মানি। আবারো তিনি, আর এখন উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম জার্মানি] (২৬ জুন ২০১৪)। * আমেরিকার এখন ঝুঁকি নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। যার অর্থ হলো তারা হয়তো আরও দু-একটি পাল্টা আক্রমণের শিকার হতে পারে। মাইকেল ব্র্যাডলি। চিপ করে বল সামনে বাড়ালেন, আর এটা দেখুন! জুলিয়ান গ্রিন! আপনি কি বিশ্বাস করবেন? এই তরুণ আমেরিকার জন্য আশার আলো জ্বালিয়ে দিল! অসাধারণ! ২-১! কিশোর গ্রিন বাজিমাত করলেন! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://listenonrepeat.com/watch/?v=ZYFWEdYReHk বেলজিয়াম বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১ জুলাই ২০১৪)। * আমার মনে হয় তিনি (ক্লিন্সম্যান) বলছেন যে এখানে এক মিনিটের বেশি সময় দেওয়া উচিত ছিল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', বেলজিয়াম বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (১ জুলাই ২০১৪)। * আমেরিকার বীরত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা ছিল, তবে এটি কোনো দুর্ভাগ্যের গল্প নয়। অপেক্ষাকৃত ভালো দলটিই জিতেছে। শেষ ১৬ পর্যন্ত পৌঁছানোই আমেরিকার বর্তমান সক্ষমতার প্রমাণ, তবে তারা এখন এক সুপ্রতিষ্ঠিত দল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736 এক্স] (২ জুলাই ২০১৪)। * এটি যদি টিম হাওয়ার্ডের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ হয়ে থাকে, তবে বিদায় জানানোর জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর হতে পারে না! তিনি ছিলেন অভাবনীয়। গত ৫০ বছরে বিশ্বকাপে একজন গোলরক্ষক হিসেবে তিনি সর্বোচ্চ সেভ করেছেন। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736][https://twitter.com/IanDarke/status/484268327221874688 এক্স] (২ জুলাই ২০১৪)। * আমেরিকার এখন দল পুনর্গঠনের দিকে নজর দেওয়া উচিত। ২০১৮ সালের মধ্যে ডেম্পসির বয়স হবে ৩৫; জোনস, বিজলি এবং বেকারম্যানের বয়স হবে ৩৬ এবং হাওয়ার্ডের ৩৯। তারা সবাই মার্কিন ফুটবলের দুর্দান্ত সেবক। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736][https://twitter.com/IanDarke/status/484272268819038208 এক্স] (২ জুলাই ২০১৪)। * টেলর টুয়েলম্যানের সাথে আমেরিকার ম্যাচগুলোর কভারেজ নিয়ে আপনাদের সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। তবে সাথেই থাকুন; বিশ্বকাপ এখনও চলছে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736][https://twitter.com/IanDarke/status/484276578189574144 এক্স] (২ জুলাই ২০১৪)। * এই যে টনি ক্রুস। সামি খেদিরা। এবার থমাস মুলার। ফ্রি কিক ব্রাজিলের পক্ষে দেওয়া হবে; খেলা এখন তুঙ্গে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। g2jhrhs6k85w1fmm8q6dtm8cnue603v 81798 81794 2026-04-28T02:52:06Z Oindrojalik Watch 4169 উক্তি 81798 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> '''[[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ|২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]]''' ছিল ফিফা বিশ্বকাপের ২০তম আসর, যা ফিফা কর্তৃক আয়োজিত পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর একটি চতুর্বার্ষিক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ। ২০০৭ সালে আয়োজক হিসেবে স্বত্ব পাওয়ার পর, ২০১৪ সালের ১২ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত ব্রাজিলে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল ব্রাজিলে আয়োজিত দ্বিতীয় বিশ্বকাপ (প্রথমটি ১৯৫০ সালে) এবং দক্ষিণ আমেরিকায় অনুষ্ঠিত পঞ্চম আসর। অনেক ভক্ত ও পণ্ডিত এই আসরটিকে এ যাবৎকালের অন্যতম সেরা বিশ্বকাপ হিসেবে বিবেচনা করেন। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == উক্তি == [[চিত্র:Philipp Lahm lifts the 2014 FIFA World Cup.jpg|thumb|upright|এই যে [[:w:মারিও গোটজে|গোটজে]]! তিনি [[:w:মারিও গোটজে|মারিও গোটজে]]! তিনি [[:w:মারিও গোটজে|সুপার মারিও]]! [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] হয়ে সম্ভবত [[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ|বিশ্বকাপটি]] তিনিই জিতে নিলেন! ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Crying boy.jpg|thumb|upright|বিরতির আগেই যে চোখের জল ঝরবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। কেউ ভাবেনি যে রাতের ডিনারের আগেই রাজপথে পতাকায় আগুন জ্বলবে। ~ '''''[[:w:স্যাম বোর্ডেন|স্যাম বোর্ডেন]]''''']] [[চিত্র:Stadion Belo Horizonte Halbfinale WM 2014 (22117986076).jpg|thumb|upright|মাঠে ইতিমধ্যেই অনেক ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়েছে। ব্রাজিলকে রক্ষণ আর আক্রমণের দূরত্ব কমিয়ে আরও আটসাট হয়ে খেলতে হবে, '''''ইয়ান'''''। তারা এভাবে ছন্নছাড়া হয়ে থাকতে পারে না; অন্যথায় জার্মানরা তাদের ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলবে। ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 07.jpg|thumb|upright|পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে; [[:w:সামি খেদিরা|খেদিরা]] বল পাস দিলেন ভেতরে। ওহ! চার-শূন্য! অবিশ্বাস্য! আবারও [[:w:টনি ক্রুস|ক্রুস]]! ব্রাজিল স্রেফ মাঠের বাইরে ছিটকে যাচ্ছে! এটি সত্যিই বিস্ময়কর। ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Alemanha7x1brasil.jpg|thumb|upright|আর এই হলো তিন নম্বর গোল, [[:w:টনি ক্রুস|টনি ক্রুস]]! জার্মানরা আজ রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে! ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 11.jpg|thumb|upright|আসলে আমরা দুজনেই নিজেদের চিমটি কেটে দেখছি যে এটি স্বপ্ন না বাস্তব। আমার মনে হয় এখানে উপস্থিত সবাই একই কাজ করছেন। সাত-শূন্য? ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 03.jpg|thumb|upright|খেদিরা বলটি বাড়িয়ে দিলেন সাইডলাইনে, [[:w:মেসুত ওজিল|ওজিল]]! আবারও খেদিরা! পাঁচ-শূন্য! এটি পুরোপুরি বিশ্বাসের অতীত! এই গোল উৎসব কোথায় গিয়ে থামবে? ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 07.jpg|thumb|upright|তোমরা চার-শূন্য গোলে পিছিয়ে আছো! মাঠে একটু আগ্রাসী হও, প্রতিপক্ষকে বাধা দাও! এই খেলার মোড় ঘোরানোর জন্য অন্তত কিছু একটা তো করো! ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 12.jpg|thumb|upright|ব্রাজিলকে সতর্ক হতে হবে; তাদের ইতিমধ্যেই হুঁশিয়ার করা হয়েছে। যদি তারা এভাবেই খেলতে থাকে, তবে হারের ব্যবধান আরও অনেক বড় হতে যাচ্ছে। ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 02.jpg|thumb|আরও হতে পারে, এই যে শুরলে! আবারও, এটা সাত নম্বর! ব্রাজিলের জন্য এক চরম অবমাননা, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলো! জার্মানি এখন সপ্তম স্বর্গে! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 04.jpg|thumb|তিন নম্বর গোল, টনি ক্রুস! ২৫ মিনিটের মধ্যেই ব্রাজিল তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল! জার্মানি ৩, ব্রাজিল ০! ~ স্টিভ উইলসন]] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 08.jpg|thumb|আজ ব্রাজিল কতটা খারাপ খেলছে তা আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না। মনে হচ্ছে কোনো অপেশাদার দলের খেলা দেখছি। তাদের মানসিকতা ছিল একেবারেই শোচনীয়। আমি বারবার 'শোচনীয়' বলছি কারণ আমার শব্দ ফুরিয়ে আসছে। তারা স্রেফ হাল ছেড়ে দিয়েছে। ~ স্টিভ ম্যাকমানামান]] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 05.jpg|thumb|জার্মানি ব্রাজিলকে অপদস্থ করছে, বিনম্র করছে এবং টুকরো টুকরো করে দিচ্ছে! ~ স্টিভ উইলসন]] [[চিত্র:Alemanha7x1brasil.jpg|thumb|এই বিশ্বকাপে তার পঞ্চম গোল! তাকে কে মার্ক করছিল? কেউ তাকে ধরেনি! ~ স্টিভ উইলসন]] [[চিত্র:Austria vs. USA 2013-11-19 (087).jpg|thumb|কেমন হলো সেটা? জন ব্রুকস! জন ব্রুকস! আমেরিকার জন্য গোল! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:Julian Green cropped (15096232789).jpg|thumb|এটা দেখুন! জুলিয়ান গ্রিন! আপনি কি বিশ্বাস করবেন? এই তরুণ আমেরিকার জন্য আশার আলো জ্বালিয়ে দিল! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:Austria vs. USA 2013-11-19 (109).jpg|thumb|ওহ, হ্যাঁ! জার্মেইন জোনস, তার পা থেকে কী দুর্দান্ত এক শট! আমেরিকা সমতায় ফিরল! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:USMNT players vs Turkey 2014 (15282567592).jpg|thumb|দেখছেন? এটাই আসল কথা। আপনি আমাদের নিয়ে সন্দেহ করছেন? দারুণ। আমাদের অবজ্ঞা করছেন? ঠিক আছে। চ্যালেঞ্জের জন্যই আমরা জেগে উঠি। কঠোর পরিশ্রমই আমাদের কাজ, আর এটাই আমরা। ~ কিফার সাদারল্যান্ড]] [[চিত্র:Jürgen Klinsmann USA.jpg|thumb|ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানের জাদুকরী স্পর্শ অব্যাহত রয়েছে! ~ টেলর টুয়েলম্যান]] [[চিত্র:DeAndre Yedlin training 2014 Brazil (cropped).jpg|thumb|এই আক্রমণটি কে শুরু করছে? ডিয়ান্দ্রে ইয়েডলিন! বাইলাইনের শেষ প্রান্ত থেকে চমৎকার একটি বল পাঠাচ্ছেন! ~ টেলর টুয়েলম্যান]] [[চিত্র:20131119 AT-USA Tim Howard IP2O2982.JPG|thumb|আপনারা কি আমার সাথে মজা করছেন? টিম হাওয়ার্ড কতবার আমেরিকাকে বাঁচাবেন? আজ তার পজিশনিং ছিল নিখুঁত। একবারের জন্যও তিনি ভুল দিকে ঝুঁকে পড়েননি। ~ টেলর টুয়েলম্যান]] === B === * ভোরের আলো ফুটতেই আতশবাজি ফোটা শুরু হয়ে গিয়েছিল। পুরো শহর জুড়ে পপ আর ব্যাং শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল; নারী, পুরুষ আর শিশুরা—যাদের বেশিরভাগেরই পরনে ছিল হলুদ পোশাক—ফ্লেয়ার জ্বালাচ্ছিল আর গাড়ির হর্ন বাজাচ্ছিল। দিনটি একটি জাদুকরী দিন হওয়ার কথা ছিল। নিজ দেশে খেলতে নামা ব্রাজিলীয় জাতীয় ফুটবল দল বিশ্বকাপ ফাইনাল থেকে মাত্র এক ম্যাচ দূরে ছিল। '''কেউ ভাবতেও পারেনি যে হাফটাইমের আগেই চোখের জল ঝরবে। কেউ কল্পনাও করেনি যে রাতের খাবারের আগেই রাস্তায় পতাকা পোড়ানো হবে। নিশ্চিতভাবেই কেউ ভাবেনি যে কোনো ব্রাজিলীয় ভক্ত তাদের প্রিয় স্টেডিয়ামে সেমিফাইনাল দেখতে এসে খেলা শেষ হওয়ার অনেক আগেই মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তা করবে।''' কিন্তু এসবই ঘটেছে। ২০১৪ বিশ্বকাপ—যা শুরুতে অর্থায়ন, প্রতিবাদ আর অবকাঠামো নিয়ে নানা প্রশ্নে জর্জরিত ছিল, পরে গোলের বন্যা আর নাটকীয় সমাপ্তিতে যা আনন্দের জোয়ারে ভেসেছিল—শেষ পর্যন্ত এই একটি কারণেই মনে রাখা হবে: ফুটবলের পরাশক্তি হিসেবে বিবেচিত আয়োজক দলটিকে আজ জুনিয়র দলের মতো নাজেহাল হতে হয়েছে। ** স্যাম বোর্ডেন, [http://archive.is/GjWtD "গোল: এ ডার্ক ডে ফর ব্রাজিল"] (৮ জুলাই ২০১৪), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''। === D === * ডেম্পসি, দারুণ শুরু এখানে। '''ক্লিন্ট ডেম্পসি কি গোল করতে পারবেন? তিনি পেরেছেন! আমেরিকা এগিয়ে গেল! অবিশ্বাস্যভাবে, মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মাথায়! এটা স্রেফ স্বপ্নের মতো!''' ক্লিন্ট ডেম্পসি প্রথম আমেরিকান হিসেবে তিনটি ভিন্ন [[:w:ফিফা বিশ্বকাপ|ফিফা বিশ্বকাপে]] গোল করার গৌরব অর্জন করলেন! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * আমেরিকা যদি এই লিড ধরে রাখতে পারে, তবে গ্রুপের সমীকরণ পুরোপুরি বদলে যাবে। গিয়ানের চমৎকার একটি পাস। আন্দ্রে আইয়ু—সমতায় ফিরল ঘানা! আমেরিকানদের হৃদয় ভেঙে দেওয়ার মতো এক অনবদ্য গোল! রক্ষণব্যুহ ভেঙে গেল! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * জুসি কর্নার নিচ্ছেন, এবং ওই তো! গোল! '''কেমন হলো সেটা? জন ব্রুকস! জন ব্রুকস! আমেরিকার জন্য গোল!''' তারা কি তবে [[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ গ্রুপ জি|ম্যাচটি]] ছিনিয়ে নিল? একেবারে অবিশ্বাস্য, সে হয়তো নিজেও এমন কিছু স্বপ্নেও ভাবেনি। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * প্রতিশোধ, আমেরিকার জন্য! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=ikX_nJszeYw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * আমার মনে হয়, [[:w:ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো|রোনালদো]] যখন ব্রাজিলের হোটেলে পৌঁছান, তখন তাকে একজন টপলেস মডেল এবং ডোনাল্ড ডাকের পোশাক পরা এক ব্যক্তি অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://web.archive.org/web/20140706035347/http://www.sbnation.com/soccer/2014/6/22/5832892/ian-darke-cristiano-ronaldo-topless-model-donald-duck মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * আন্দ্রে আলমেইদা। ভেলোসোর পাস। ওহ, এটা তো ভুল করে নানির পায়ে চলে গেল! হে ঈশ্বর! আমেরিকা এখানে স্রেফ নিজেদের বিপদ নিজেরা ডেকে আনল! ইউএস ডিফেন্সে এক মহাবিপর্যয়। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * তিনি একটু দেরিতে আসলেন, কর্নারটি সাদা জার্সি পরা কারো পায়ে পড়ল না। এখন পড়েছে—জার্মেইন জোনস। '''ওহ, হ্যাঁ! জার্মেইন জোনস, তার পা থেকে কী দুর্দান্ত এক শট! আমেরিকা সমতায়!''' স্রেফ অসাধারণ এক স্ট্রাইক। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=MUnO2AJVJ6c মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * চমৎকার পাস। জোনস থেকে ইয়েডলিন। প্রায় পৌঁছে গিয়েছিল! বল পেলেন ব্র্যাডলি, তারপর জুসি এবং ডেম্পসি! '''তিনি কি [[:w:অফসাইড (ফুটবল)|অফসাইড]]? না, তিনি অনসাইড! ২-১! এগিয়ে গেল আমেরিকা!''' আবারো সেই 'ক্যাপ্টেন মার্ভেল'! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * তারা কি এখানে কিছু করতে পারবে? বল ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পায়ে। ওহ, দারুণ একটি ক্রস! এবং এটি একটি সমতাসূচক গোল, ভারেলার পা থেকে! খেলার একেবারে শেষ মুহূর্তে আমেরিকাকে জয়বঞ্চিত করা হলো! এবং বলতেই হবে, এটি একটি দুর্দান্ত গোল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * বল অনেক দূর গেল, এবং এখানে মার্টেস্যাকারকে রুখে দিলেন হাওয়ার্ড; কিন্তু এবার জার্মানি গোল করে ফেলল, গোলদাতা থমাস মুলার! ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল জার্মানি। আবারো তিনি, আর এখন উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম জার্মানি] (২৬ জুন ২০১৪)। * আমেরিকার এখন ঝুঁকি নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। যার অর্থ হলো তারা হয়তো আরও দু-একটি পাল্টা আক্রমণের শিকার হতে পারে। মাইকেল ব্র্যাডলি। চিপ করে বল সামনে বাড়ালেন, আর এটা দেখুন! জুলিয়ান গ্রিন! আপনি কি বিশ্বাস করবেন? এই তরুণ আমেরিকার জন্য আশার আলো জ্বালিয়ে দিল! অসাধারণ! ২-১! কিশোর গ্রিন বাজিমাত করলেন! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://listenonrepeat.com/watch/?v=ZYFWEdYReHk বেলজিয়াম বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১ জুলাই ২০১৪)। * আমার মনে হয় তিনি (ক্লিন্সম্যান) বলছেন যে এখানে এক মিনিটের বেশি সময় দেওয়া উচিত ছিল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', বেলজিয়াম বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (১ জুলাই ২০১৪)। * আমেরিকার বীরত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা ছিল, তবে এটি কোনো দুর্ভাগ্যের গল্প নয়। অপেক্ষাকৃত ভালো দলটিই জিতেছে। শেষ ১৬ পর্যন্ত পৌঁছানোই আমেরিকার বর্তমান সক্ষমতার প্রমাণ, তবে তারা এখন এক সুপ্রতিষ্ঠিত দল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736 এক্স] (২ জুলাই ২০১৪)। * এটি যদি টিম হাওয়ার্ডের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ হয়ে থাকে, তবে বিদায় জানানোর জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর হতে পারে না! তিনি ছিলেন অভাবনীয়। গত ৫০ বছরে বিশ্বকাপে একজন গোলরক্ষক হিসেবে তিনি সর্বোচ্চ সেভ করেছেন। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736][https://twitter.com/IanDarke/status/484268327221874688 এক্স] (২ জুলাই ২০১৪)। * আমেরিকার এখন দল পুনর্গঠনের দিকে নজর দেওয়া উচিত। ২০১৮ সালের মধ্যে ডেম্পসির বয়স হবে ৩৫; জোনস, বিজলি এবং বেকারম্যানের বয়স হবে ৩৬ এবং হাওয়ার্ডের ৩৯। তারা সবাই মার্কিন ফুটবলের দুর্দান্ত সেবক। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736][https://twitter.com/IanDarke/status/484272268819038208 এক্স] (২ জুলাই ২০১৪)। * টেলর টুয়েলম্যানের সাথে আমেরিকার ম্যাচগুলোর কভারেজ নিয়ে আপনাদের সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। তবে সাথেই থাকুন; বিশ্বকাপ এখনও চলছে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736][https://twitter.com/IanDarke/status/484276578189574144 এক্স] (২ জুলাই ২০১৪)। * এই যে টনি ক্রুস। সামি খেদিরা। এবার থমাস মুলার। ফ্রি কিক ব্রাজিলের পক্ষে দেওয়া হবে; খেলা এখন তুঙ্গে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)।<!--http://listenonrepeat.com/watch/?v=_4JHL0436E0#Germany_Brazil_2014_World_Cup_Semifinal_Full_Game_ESPN--> * '''ইয়ান ডার্ক:''' ক্লোসা কর্নার নিচ্ছেন। বল অনেক দূর গেল এবং গোল! আবারো সেই থমাস মুলার! এটি তার ক্যারিয়ারের দশম বিশ্বকাপ গোল, যা জার্মানিকে এগিয়ে দিল! ব্রাজিল এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়লাভ করেছিল। কিন্তু এবার কাজটা অনেক বেশি কঠিন হতে পারে। কারণ এবার তাদের তাড়া করতে হচ্ছে জার্মানিকে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)।<!--http://listenonrepeat.com/watch/?v=_4JHL0436E0#Germany_Brazil_2014_World_Cup_Semifinal_Full_Game_ESPN--> * ওহ, ক্রুস। এখানে আরও সমস্যা তৈরি হচ্ছে, এই যে ক্লোসা! ইতিহাসের সেই নায়ক, তিনি এটি করে দেখালেন! ২-০! এবং এই গোলটিই তাকে চিরদিনের জন্য রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে দিল! ব্রাজিলকে এখন স্রেফ ধুয়েমুছে সাফ করে দেওয়া হচ্ছে। ১৬টি গোল—বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা রেকর্ড। এটি তার ২৩তম বিশ্বকাপ ম্যাচ। ব্রাজিলের কান্না, আর সেই তরুণীটিই কেবল একা নয় যে বর্তমানে এই পুরো দেশে চোখের জল ফেলছে। কিন্তু দাঁড়ান এক মিনিট! এই যে বার্নার্ড! তিনি কি ব্রাজিলকে ম্যাচে ফেরাতে কিছু করতে পারবেন? ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। তারা দুই গোলে পিছিয়ে। এবার লাম। মুলার বলটি মিস করলেন! এবং এটি তিন নম্বর গোল, টনি ক্রুস! জার্মানি তাণ্ডব চালাচ্ছে! তারা নিজেরাও এটি বিশ্বাস করতে পারছে না! ক্রুসের অনবদ্য এক হিট। জুলিও সিজার বলটি ঠেকাতে পারতেন, কিন্তু পারলেন না। টনি ক্রুস জার্মানির হয়ে তার ৫০তম ম্যাচটিকে একটি গোল দিয়ে স্মরণীয় করে রাখলেন। মাঝেমধ্যে এটি স্রেফ শুটিং গ্যালারির মতো মনে হচ্ছে। ওহ, আর এখন এটি দেখুন। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে; খেদিরা বলটি ভেতরে পাস দিলেন। ওহ! ৪-০! অবিশ্বাস্য! আবারো ক্রুস! ব্রাজিলকে স্রেফ মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে! এটি অত্যন্ত বিস্ময়কর। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * দুই মিনিটে তার দুটি গোল, আর ব্রাজিলের বিশ্বকাপ নিশ্চিতভাবেই শেষ। এটিই প্রথমবার যে ব্রাজিল কোনো বিশ্বকাপ ম্যাচে চার গোলে পিছিয়ে রয়েছে। মাত্র ২৬ মিনিটেই ৪-০ ব্যবধান। জার্মানি কি এতটাই সেরা? নেইমারহীন ব্রাজিলের চেয়েও এটি থিয়াগো সিলভাহীন ব্রাজিল, যারা তাদের রক্ষণভাগ গুছিয়ে নিতে পারছে না; আর পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। গত গোলে ফার্নান্দিনহোর এক মারাত্মক ভুল ছিল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আবারো দেখুন! খেদিরা বলটি পাস দিলেন ওজিলকে! আবারো খেদিরা! ৫-০! এটি বিশ্বাসের অতীত! এই গোল করার উৎসব কোথায় গিয়ে থামবে? এটি যদি বক্সিং হতো, তবে রেফারি হয়তো খেলা থামিয়ে দিতেন ব্রাজিলকে আরও অপমান থেকে রক্ষা করার জন্য। প্রথম ২৯ মিনিটে অপ্রতিরোধ্য জার্মানির পাঁচটি গোল; ব্রাজিল স্রেফ এলোমেলো হয়ে গেছে। ফ্রেড, এই যে লুইস গুস্তাভো। মার্সেলো। তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য কেবল একটি গোল বা কিছু একটা প্রয়োজন, কিন্তু... ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://web.archive.org/web/20140709072936/http://www.newyorker.com/online/blogs/johncassidy/2014/07/brazil-world-cup-humiliation.html ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * লাম, খেদিরা। আবারো লাম। নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন, এবং তারা তা করলেন! ৬-০! আপনি অবাক হয়ে ভাবছেন জার্মানির জন্য এই সবকিছু কোথায় গিয়ে শেষ হবে? শুরলেও উৎসবে যোগ দিলেন। দর্শকরা এখন সত্যিই দুয়ো দিচ্ছে। আন্দ্রে শুরলে। এর মাঝেই ফ্রেড যখন মাঠ ছাড়ছিলেন তখন তাকে দুয়ো দেওয়া হয়েছিল। শুরলে এই টুর্নামেন্টে তার দ্বিতীয় গোলটি পেলেন, আলজেরিয়ার বিপক্ষেও তিনি একটি করেছিলেন। ৬-০। জার্মানি যেন ব্রাজিলের নাকে ঝামা ঘষে দিচ্ছে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আমার মনে হয় ব্রাজিলের ভক্তদের কাছে এটি এখন এক ধরণের করুণ কৌতূহল। তারা টিকিটের জন্য অনেক টাকা দিয়েছেন, তাই ফলাফল যা-ই হোক তারা এটি শেষ পর্যন্ত দেখতে যাচ্ছেন। আমার মনে হয় না বাড়ি ফিরে গিয়ে তারা এই ম্যাচের রিপ্লে আর দেখবেন। এই জার্মান দলটি আসলে কতটা শক্তিশালী? ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আরও হতে পারে, এই যে শুরলে! আবারো, ওটা সাত নম্বর! ব্রাজিলের জন্য এক চরম অবমাননা, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলো! জার্মানি এখন সপ্তম স্বর্গে! কী দুর্দান্ত এক হিট; জুলিও সিজারের আসলে কিছুই করার ছিল না। বলটি শব্দের গতিতে ছুটছিল। এক বিধ্বস্ত জুলিও সিজার। এক বিধ্বস্ত ব্রাজিল; এক বিধ্বস্ত জাতি। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে এক দলের করা সর্বোচ্চ গোল। মনে হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডেই রেকর্ডগুলো ভেঙে পড়ছে। রামিরেজ। আমার মনে হয় এই খেলোয়াড়রা ফ্র্যাঙ্কলি মাঠ থেকে বেরিয়ে টানেলে চলে যেতে চাইছেন, যা হয়তো ট্রিস্টান দা কুনহা বা অন্য কোথাও গিয়ে শেষ হয়েছে। বার্নার্ডের ক্রস, মার্সেলো। ক্যাপশনে আর জায়গা নেই। সব গোলদাতার নাম দেখানোর জন্য এটিকে বারবার স্ক্রল করতে হবে। বদলি হিসেবে নামার পর আন্দ্রে শুরলের এটি দ্বিতীয় গোল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://archive.is/uWk2Y ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ব্রাজিলের বিখ্যাত ইতিহাসে তারা কেবল আর একবারই সাতটি গোল হজম করেছিল। সেটি ছিল ১৯৩৪ সালে, যখন তারা যুগোস্লাভিয়ার কাছে ৮-৪ ব্যবধানে হেরেছিল। '''আমরা কি সত্যিই এটা দেখছি? আমার মনে হয় এখানে উপস্থিত সবাই অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। সাত-শূন্য?''' হ্যাঁ, আমারও তাই মনে হচ্ছে। ব্রাজিল যতটা খারাপ খেলেছে, জার্মানি ঠিক ততটাই উজ্জ্বল ছিল। শুরলে। গ্যালারিতে এখন 'ওলে' ধ্বনি উঠছে, এবং আমার মনে হয় ব্রাজিলের সমর্থকরাও এখন তাতে যোগ দিচ্ছে। তারা জার্মানদের করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছে, এছাড়া তারা আর কী-ই বা করতে পারে? কোচ হিসেবে লুইজ ফেলিপে স্কোলারির জন্য এটি চরম এক লজ্জার বিষয়। এই হারের পর সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে? আমরা তো এই বিশ্বকাপ নিয়ে নানা প্রতিবাদের কথা শুনেছি—মানুষ বলছিল অবকাঠামোতে বিনিয়োগ না করে বিশ্বকাপে এই বিপুল অর্থ অপচয় ঠিক হয়নি। সেই প্রতিবাদগুলো কি আবার ফিরে আসবে? এই বিশ্বকাপের পর নিশ্চিতভাবেই দলে বড় ধরণের রদবদল হবে। ঠিক আছে, তারা সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছে, যা ছোট কোনো অর্জন নয়। এই যে লাম, তিনিও উৎসবে যোগ দিতে চাইছেন। শুরলে চাইছেন হ্যাটট্রিক করতে। আপনারা এমন একটি ম্যাচ দেখছেন যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম বিস্ময়কর ম্যাচ হিসেবে লেখা থাকবে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * লাইব্রেরির মতোই নিস্তব্ধ। (ব্রাজিল সমর্থকদের স্তব্ধতা বুঝিয়ে) ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * এই যে গোটশে! মারিও গোটশে! 'সুপার মারিও'! তিনি হয়তো জার্মানির জন্য বিশ্বকাপটা জিতে নিলেন! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', জার্মানি বনাম আর্জেন্টিনা (জুলাই ২০১৪)। === K === * '''এক মিনিট? কোন নরক থেকে এক মিনিট (অতিরিক্ত সময়) আসলো?''' (রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে) ** '''''ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যান''''', বেলজিয়াম বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (১ জুলাই ২০১৪)। * আজ রাতে টিম যা খেলেছে তা স্রেফ অবিশ্বাস্য, অনন্য। সে দীর্ঘ সময় আমাদের ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিল। তাকে দলে পেয়ে আমরা গর্বিত। ১২০ মিনিটের এই নাটকীয় লড়াই দর্শকদের সবটুকু বিনোদন দিলেও হেরে বিদায় নেওয়াটা আমাদের জন্য কষ্টের। দিনশেষে বেলজিয়ামকে অভিনন্দন, তারা ভালো খেলেছে। তবে আমি আমার দল নিয়ে গর্বিত। এই বিশ্বকাপে প্রত্যেক খেলোয়াড় তাদের সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে খেলেছে। ** '''''ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যান''''', ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন (১ জুলাই ২০১৪)। === M === * খেলার বয়স প্রায় ১১ মিনিট। '''মাঠে এখনই অনেক জায়গা দেখা যাচ্ছে। ব্রাজিলকে আরও রক্ষণাত্মক হতে হবে, ইয়ান। ডিফেন্স থেকে ফরোয়ার্ড পর্যন্ত তারা এত ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে পারে না। নাহলে জার্মানরা তাদের ছিন্নভিন্ন করে দেবে।''' ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * এটি তো স্রেফ রবিবারের ছুটির মেজাজের গোল; আর রক্ষণভাগও ঠিক তেমনি উদাসীন। একেবারে সহজ, অনেক ধন্যবাদ! কী চমৎকার উপহার! ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * কতটাই না সহজ। গোলের দৃশ্যটি দেখুন। টনি ক্রুস সময় নিয়ে বলটি বাড়ালেন। পাসটি দেখুন। অসাধারণ। মুলারের বুদ্ধিমত্তা। জুলিও সিজার ভালো চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু রিবাউন্ডে ক্লোসা প্রস্তুত ছিলেন। কী সুন্দর গোল, কত সহজ। মাঠজুড়ে দৌড়ানো আর নিখুঁত পাস। '''ব্রাজিলকে সতর্ক হতে হবে; তারা ইতোমধ্যে একবার সতর্কবার্তা পেয়েছে। এভাবে খেলতে থাকলে তারা আরও অনেক গোল হজম করবে।''' তবে মিরোস্লাভ ক্লোসার জন্য এটি এক অভাবনীয় অর্জন। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ওই দেখুন জায়গা, ইয়ান! কী পরিমাণ জায়গা ফাঁকা পড়ে আছে! ওহ, দারুণ শট। কিন্তু ইয়ান, এটা কতটা খারাপ ডিফেন্ডিং ছিল? সাধারণ গোল, তাই না? কেউ কি ক্লোজ ডাউন করছে না? কেউ কি বাধা দিচ্ছে না? ব্রাজিল কি আদৌ সুসংগঠিত? কারণ এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে ১১ জন খেলোয়াড় মাঠে কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই দৌড়াদৌড়ি করছে। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আবারো! ওহ, আপনি কী বলতে পারেন? ফার্নান্দিনহো, নাকি লুইজ গুস্তাভো? মনে হয় ফার্নান্দিনহো। সামি খেদিরার কী চমৎকার এক পাস! মানসিক শক্তির কথা বললে, এটা স্রেফ বরফের মতো ঠান্ডা। টনি ক্রুসের জন্য দ্বিতীয় গোলটি স্রেফ থালায় সাজিয়ে দিলেন। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * হ্যাঁ, তারা (জার্মানি) স্রেফ অনেক বেশি শক্তিশালী। তবে আমি ব্রাজিলকে কখনও এত খারাপ শুরু করতে দেখিনি। এর আগে ফ্রান্স কোয়ার্টার ফাইনালে খুব কমপ্যাক্ট ছিল যাতে জার্মানরা তাদের খেলা খেলতে না পারে। কিন্তু ব্রাজিল মাঠের সবখানে ছড়িয়ে আছে, স্রেফ খোলা মাঠ। আমাদের সবারই ধারণা ছিল জার্মানি জিতবে, কিন্তু এত সহজে জিতবে তা ভাবিনি। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * যখনই তারা রক্ষণভাগ সামলাতে শুরু করছে, ম্যাটস হুমেলস বল নিয়ে ২০ গজ এগিয়ে আসছেন, আর তারপর? আমার মনে হয় ডেভিড লুইজ তার সাথে চ্যালেঞ্জে না গিয়ে স্রেফ এড়িয়ে যাচ্ছেন। '''আপনারা ৪-০ গোলে পিছিয়ে আছেন! একটু আক্রমণাত্মক হোন, কাউকে ট্যাকল করুন! এই ম্যাচে প্রভাব ফেলতে অন্তত কিছু একটা তো করুন!''' ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * '''আমি আশা করি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষজন বসে এই খেলাটি উপভোগ করছেন। কারণ, তারা তাদের বাকি জীবনে বিশ্বকাপের এমন সেমিফাইনাল আর কখনোই দেখবেন না। আমি স্রেফ স্তব্ধ হয়ে গেছি!''' ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ইয়ান, আপনি তো নিজেকে বারবার পুনরাবৃত্তি করছেন, তাই না? কিন্তু এই গোলটির সময় পরিস্থিতি কতটা খারাপ ছিল দেখুন। ওই যে ফাঁকা জায়গা। ফিলিপ লামকে কে মার্ক করছে? কেউ না, কেউ না। দর্শকরা আবারও তাদের ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * '''উইলিয়ানকে দেখে মনে হচ্ছে ৬-০ গোলে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় মাঠে নামতে পেরে তিনি খুশি। আসুন উইলিয়ান, মাঠে নামুন! সাত নম্বর গোলটি করুন, দেশকে গর্বিত করুন!''' হ্যাঁ, জার্মানি আবারও গোল করবে, তাই না? এখনও ২০ মিনিট বাকি আছে। তারা যদি এভাবে চালিয়ে যায়? দেখুন, মার্সেলোকে দেখে মনে হচ্ছে তিনি আর দৌড়াতে পারছেন না। জার্মানি চাইলে আবারও গোল করবে। মনে হচ্ছে ব্রাজিলের মাত্র ৯ জন খেলোয়াড় মাঠে আছে; খেলাটা যেন ১১ বনাম ৯ জনের। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * রক্ষণাত্মক খেলা তো অনেক হলো, কিন্তু এটি সেই সব ধারণা স্রেফ উড়িয়ে দিল। শূন্য-সাত! আমি জানি! '''ভাগ্যিস কয়েকজন খেলোয়াড় একাধিকবার গোল করেছেন, তাই স্কোরবোর্ডে তাদের নামের পাশে শুধু সংখ্যা বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।''' নাহলে সব গোলদাতার নাম লেখার জায়গাই হতো না। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * হ্যাঁ। '''আমরা এক বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে আছি, ইয়ান। আমরা আমাদের সময়ে অনেক ফুটবল ম্যাচ দেখেছি। কিন্তু আমি এমন ম্যাচ আর কখনোই দেখিনি, কিংবা এমন কোনো দৃশ্যের অংশ হইনি। আমি আমার বাকি জীবন এটি মনে রাখব।''' হ্যাঁ, অবশ্যই। ১-০ গোলের রক্ষণাত্মক খেলার চেয়ে ৭ গোলের উৎসব দেখা অনেক ভালো, তাই না? অন্তত দর্শকরা বিনোদন তো পাচ্ছে। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * এই ম্যাচটি ব্যাখ্যা করা কঠিন। এটি জার্মানির পক্ষ থেকে অত্যন্ত ভালো একটি পারফরম্যান্স ছিল। কিন্তু ইয়ান, আপনি আজ ব্রাজিল কতটা খারাপ খেলেছে তা অবমূল্যায়ন করতে পারবেন না। মনে হচ্ছে কোনো অপেশাদার দলের খেলা দেখছি। তাদের মানসিকতা ছিল একেবারেই শোচনীয়। আমি জানি, '''আমি বারবার 'শোচনীয়' বলছি কারণ আমার শব্দ ফুরিয়ে আসছে। তারা স্রেফ হাল ছেড়ে দিয়েছে। মাঠে দৌড়ানো এবং ফুটবল খেলার যে নূন্যতম চেষ্টা, তারা তা সম্পূর্ণভাবে ত্যাগ করেছে।''' ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আজ তাদের প্রচেষ্টার অভাব আমাকে অবাক করেছে। সত্যি বলছি; আপনি রাস্তা থেকে ১০ জন মানুষকে ধরে আনলে তারাও হয়তো এই খেলোয়াড়দের চেয়ে বেশি পরিশ্রম করত। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * হ্যাঁ। এই ম্যাচটি নিয়ে অনেক, অনেক, অনেক বছর ধরে আলোচনা হবে। আমরা যেমন ১৯৫০ সালের সেই ম্যাচ (মারাকানাজো) নিয়ে কথা বলি, এই ম্যাচটিও সেরকম হতে যাচ্ছে। আজ থেকে ৫০ বছর পরও আমরা এই ম্যাচের কথা বলব। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * তারা স্রেফ তোয়ালে ছুড়ে মেরেছে (হাল ছেড়ে দেওয়া); এই হাল তারা ৪০-৫০ মিনিট আগেই ছেড়ে দিয়েছিল। তারা এমনকি বলের কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারছে না। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * দয়া করে আপনাদের টেলিভিশন সেট ঠিক করতে যাবেন না (স্কোরলাইন দেখে বিভ্রান্ত হয়ে)। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ইয়ান, এটি ছিল পুরুষ বনাম কিশোরদের লড়াই। তাই নয় কি? ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আমরা যেভাবে খেলাটি শুরু করেছিলাম আর যেভাবে শেষ করতে যাচ্ছি, তা স্রেফ অসাধারণ। একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ইয়ান, আমার মনে হয়—এটিই নিশ্চিতভাবে আমাদের দেখা সর্বকালের সেরা বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে। আমরা ভাগ্যবান এবং আমরা এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে পেরে গর্বিত। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। === S === * দেখছেন? আসল কথাটি হলো—আপনারা আমাদের নিয়ে সন্দেহ করছেন? দারুণ। আমাদের অবমূল্যায়ন করছেন? ঠিক আছে। চ্যালেঞ্জের জন্যই আমরা প্রতিদিন জেগে উঠি। কঠোর পরিশ্রমই আমাদের কাজ, আর এটাই আমাদের পরিচয়। ** '''''কিফার সাদারল্যান্ড''''', [https://www.youtube.com/watch?v=6U5XXoUj9Q0 ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। === T === * ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানের জাদুকরী স্পর্শ অব্যাহত রয়েছে! এই আক্রমণটি কে শুরু করছে? ডিয়ান্দ্রে ইয়েডলিন! বাইলাইনের শেষ প্রান্ত থেকে চমৎকার একটি ক্রস পাঠাচ্ছেন! ** '''''টেলর টুয়েলম্যান''''', [http://listenonrepeat.com/watch/?v=CR9ifcaGG8c মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * আপনারা কি আমার সাথে মজা করছেন? টিম হাওয়ার্ড কতবার আমেরিকাকে বাঁচাবেন? আজ রাতে তার পজিশনিং ছিল ত্রুটিহীন। একবারের জন্যও তিনি ভুল দিকে ঝুঁকে পড়েননি। ** '''''টেলর টুয়েলম্যান''''', [https://www.nj.com/soccer-news/2014/07/world_cup_2014_north_brunswicks_tim_howard_heroic_in_loss_to_belgium_as_hometown_cheers_proudly.html "ওয়ার্ল্ড কাপ ২০১৪: টিম হাওয়ার্ড হিরোইক ইন লস টু বেলজিয়াম"], (১ জুলাই ২০১৪)। === W === * এই বিশ্বকাপে তার পঞ্চম গোল! তাকে কে পাহারা দিচ্ছিল? কেউ তাকে মার্ক করেনি! ** '''''স্টিভ উইলসন''''', [https://www.youtube.com/watch?v=jiGdTbo7hw4 ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * তিন নম্বর গোল, টনি ক্রুস! মাত্র ২৫ মিনিটের মধ্যেই ব্রাজিল ভেঙে চুরমার হয়ে গেল! জার্মানি ৩, ব্রাজিল ০! ** '''''স্টিভ উইলসন''''', [https://www.youtube.com/watch?v=jiGdTbo7hw4 ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ফার্নান্দিনহোর কাছ থেকে বল কেড়ে নেওয়া হলো! জার্মানির হাতে ব্রাজিল এখন চরমভাবে লাঞ্ছিত, অপদস্থ এবং ছিন্নভিন্ন হচ্ছে! ** '''''স্টিভ উইলসন''''', [https://www.youtube.com/watch?v=jiGdTbo7hw4 ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * পাঁচ গোল, শূন্য! পাঁচ-শূন্য! এ এক চূড়ান্ত অবমাননা! ** '''''স্টিভ উইলসন''''', [https://www.youtube.com/watch?v=jiGdTbo7hw4 ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * শুরলে, ওহ! আন্দ্রে শুরলে, এটা সাত নম্বর গোল! ** '''''স্টিভ উইলসন''''', [https://www.youtube.com/watch?v=jiGdTbo7hw4 ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রাজিলের ক্রীড়া ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১৪|ফিফা বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১০-এর দশকের ফুটবল]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১০-এর দশকের দক্ষিণ আমেরিকা]] lszcnu3lsy6w67tdemsp1mjszg8afq1 81832 81798 2026-04-28T04:07:29Z Oindrojalik Watch 4169 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা]] যোগ 81832 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> '''[[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ|২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]]''' ছিল ফিফা বিশ্বকাপের ২০তম আসর, যা ফিফা কর্তৃক আয়োজিত পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর একটি চতুর্বার্ষিক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ। ২০০৭ সালে আয়োজক হিসেবে স্বত্ব পাওয়ার পর, ২০১৪ সালের ১২ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত ব্রাজিলে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল ব্রাজিলে আয়োজিত দ্বিতীয় বিশ্বকাপ (প্রথমটি ১৯৫০ সালে) এবং দক্ষিণ আমেরিকায় অনুষ্ঠিত পঞ্চম আসর। অনেক ভক্ত ও পণ্ডিত এই আসরটিকে এ যাবৎকালের অন্যতম সেরা বিশ্বকাপ হিসেবে বিবেচনা করেন। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == উক্তি == [[চিত্র:Philipp Lahm lifts the 2014 FIFA World Cup.jpg|thumb|upright|এই যে [[:w:মারিও গোটজে|গোটজে]]! তিনি [[:w:মারিও গোটজে|মারিও গোটজে]]! তিনি [[:w:মারিও গোটজে|সুপার মারিও]]! [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] হয়ে সম্ভবত [[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ|বিশ্বকাপটি]] তিনিই জিতে নিলেন! ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Crying boy.jpg|thumb|upright|বিরতির আগেই যে চোখের জল ঝরবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। কেউ ভাবেনি যে রাতের ডিনারের আগেই রাজপথে পতাকায় আগুন জ্বলবে। ~ '''''[[:w:স্যাম বোর্ডেন|স্যাম বোর্ডেন]]''''']] [[চিত্র:Stadion Belo Horizonte Halbfinale WM 2014 (22117986076).jpg|thumb|upright|মাঠে ইতিমধ্যেই অনেক ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়েছে। ব্রাজিলকে রক্ষণ আর আক্রমণের দূরত্ব কমিয়ে আরও আটসাট হয়ে খেলতে হবে, '''''ইয়ান'''''। তারা এভাবে ছন্নছাড়া হয়ে থাকতে পারে না; অন্যথায় জার্মানরা তাদের ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলবে। ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 07.jpg|thumb|upright|পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে; [[:w:সামি খেদিরা|খেদিরা]] বল পাস দিলেন ভেতরে। ওহ! চার-শূন্য! অবিশ্বাস্য! আবারও [[:w:টনি ক্রুস|ক্রুস]]! ব্রাজিল স্রেফ মাঠের বাইরে ছিটকে যাচ্ছে! এটি সত্যিই বিস্ময়কর। ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Alemanha7x1brasil.jpg|thumb|upright|আর এই হলো তিন নম্বর গোল, [[:w:টনি ক্রুস|টনি ক্রুস]]! জার্মানরা আজ রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে! ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 11.jpg|thumb|upright|আসলে আমরা দুজনেই নিজেদের চিমটি কেটে দেখছি যে এটি স্বপ্ন না বাস্তব। আমার মনে হয় এখানে উপস্থিত সবাই একই কাজ করছেন। সাত-শূন্য? ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 03.jpg|thumb|upright|খেদিরা বলটি বাড়িয়ে দিলেন সাইডলাইনে, [[:w:মেসুত ওজিল|ওজিল]]! আবারও খেদিরা! পাঁচ-শূন্য! এটি পুরোপুরি বিশ্বাসের অতীত! এই গোল উৎসব কোথায় গিয়ে থামবে? ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 07.jpg|thumb|upright|তোমরা চার-শূন্য গোলে পিছিয়ে আছো! মাঠে একটু আগ্রাসী হও, প্রতিপক্ষকে বাধা দাও! এই খেলার মোড় ঘোরানোর জন্য অন্তত কিছু একটা তো করো! ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 12.jpg|thumb|upright|ব্রাজিলকে সতর্ক হতে হবে; তাদের ইতিমধ্যেই হুঁশিয়ার করা হয়েছে। যদি তারা এভাবেই খেলতে থাকে, তবে হারের ব্যবধান আরও অনেক বড় হতে যাচ্ছে। ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 02.jpg|thumb|আরও হতে পারে, এই যে শুরলে! আবারও, এটা সাত নম্বর! ব্রাজিলের জন্য এক চরম অবমাননা, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলো! জার্মানি এখন সপ্তম স্বর্গে! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 04.jpg|thumb|তিন নম্বর গোল, টনি ক্রুস! ২৫ মিনিটের মধ্যেই ব্রাজিল তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল! জার্মানি ৩, ব্রাজিল ০! ~ স্টিভ উইলসন]] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 08.jpg|thumb|আজ ব্রাজিল কতটা খারাপ খেলছে তা আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না। মনে হচ্ছে কোনো অপেশাদার দলের খেলা দেখছি। তাদের মানসিকতা ছিল একেবারেই শোচনীয়। আমি বারবার 'শোচনীয়' বলছি কারণ আমার শব্দ ফুরিয়ে আসছে। তারা স্রেফ হাল ছেড়ে দিয়েছে। ~ স্টিভ ম্যাকমানামান]] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 05.jpg|thumb|জার্মানি ব্রাজিলকে অপদস্থ করছে, বিনম্র করছে এবং টুকরো টুকরো করে দিচ্ছে! ~ স্টিভ উইলসন]] [[চিত্র:Alemanha7x1brasil.jpg|thumb|এই বিশ্বকাপে তার পঞ্চম গোল! তাকে কে মার্ক করছিল? কেউ তাকে ধরেনি! ~ স্টিভ উইলসন]] [[চিত্র:Austria vs. USA 2013-11-19 (087).jpg|thumb|কেমন হলো সেটা? জন ব্রুকস! জন ব্রুকস! আমেরিকার জন্য গোল! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:Julian Green cropped (15096232789).jpg|thumb|এটা দেখুন! জুলিয়ান গ্রিন! আপনি কি বিশ্বাস করবেন? এই তরুণ আমেরিকার জন্য আশার আলো জ্বালিয়ে দিল! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:Austria vs. USA 2013-11-19 (109).jpg|thumb|ওহ, হ্যাঁ! জার্মেইন জোনস, তার পা থেকে কী দুর্দান্ত এক শট! আমেরিকা সমতায় ফিরল! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:USMNT players vs Turkey 2014 (15282567592).jpg|thumb|দেখছেন? এটাই আসল কথা। আপনি আমাদের নিয়ে সন্দেহ করছেন? দারুণ। আমাদের অবজ্ঞা করছেন? ঠিক আছে। চ্যালেঞ্জের জন্যই আমরা জেগে উঠি। কঠোর পরিশ্রমই আমাদের কাজ, আর এটাই আমরা। ~ কিফার সাদারল্যান্ড]] [[চিত্র:Jürgen Klinsmann USA.jpg|thumb|ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানের জাদুকরী স্পর্শ অব্যাহত রয়েছে! ~ টেলর টুয়েলম্যান]] [[চিত্র:DeAndre Yedlin training 2014 Brazil (cropped).jpg|thumb|এই আক্রমণটি কে শুরু করছে? ডিয়ান্দ্রে ইয়েডলিন! বাইলাইনের শেষ প্রান্ত থেকে চমৎকার একটি বল পাঠাচ্ছেন! ~ টেলর টুয়েলম্যান]] [[চিত্র:20131119 AT-USA Tim Howard IP2O2982.JPG|thumb|আপনারা কি আমার সাথে মজা করছেন? টিম হাওয়ার্ড কতবার আমেরিকাকে বাঁচাবেন? আজ তার পজিশনিং ছিল নিখুঁত। একবারের জন্যও তিনি ভুল দিকে ঝুঁকে পড়েননি। ~ টেলর টুয়েলম্যান]] === B === * ভোরের আলো ফুটতেই আতশবাজি ফোটা শুরু হয়ে গিয়েছিল। পুরো শহর জুড়ে পপ আর ব্যাং শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল; নারী, পুরুষ আর শিশুরা—যাদের বেশিরভাগেরই পরনে ছিল হলুদ পোশাক—ফ্লেয়ার জ্বালাচ্ছিল আর গাড়ির হর্ন বাজাচ্ছিল। দিনটি একটি জাদুকরী দিন হওয়ার কথা ছিল। নিজ দেশে খেলতে নামা ব্রাজিলীয় জাতীয় ফুটবল দল বিশ্বকাপ ফাইনাল থেকে মাত্র এক ম্যাচ দূরে ছিল। '''কেউ ভাবতেও পারেনি যে হাফটাইমের আগেই চোখের জল ঝরবে। কেউ কল্পনাও করেনি যে রাতের খাবারের আগেই রাস্তায় পতাকা পোড়ানো হবে। নিশ্চিতভাবেই কেউ ভাবেনি যে কোনো ব্রাজিলীয় ভক্ত তাদের প্রিয় স্টেডিয়ামে সেমিফাইনাল দেখতে এসে খেলা শেষ হওয়ার অনেক আগেই মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তা করবে।''' কিন্তু এসবই ঘটেছে। ২০১৪ বিশ্বকাপ—যা শুরুতে অর্থায়ন, প্রতিবাদ আর অবকাঠামো নিয়ে নানা প্রশ্নে জর্জরিত ছিল, পরে গোলের বন্যা আর নাটকীয় সমাপ্তিতে যা আনন্দের জোয়ারে ভেসেছিল—শেষ পর্যন্ত এই একটি কারণেই মনে রাখা হবে: ফুটবলের পরাশক্তি হিসেবে বিবেচিত আয়োজক দলটিকে আজ জুনিয়র দলের মতো নাজেহাল হতে হয়েছে। ** স্যাম বোর্ডেন, [http://archive.is/GjWtD "গোল: এ ডার্ক ডে ফর ব্রাজিল"] (৮ জুলাই ২০১৪), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''। === D === * ডেম্পসি, দারুণ শুরু এখানে। '''ক্লিন্ট ডেম্পসি কি গোল করতে পারবেন? তিনি পেরেছেন! আমেরিকা এগিয়ে গেল! অবিশ্বাস্যভাবে, মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মাথায়! এটা স্রেফ স্বপ্নের মতো!''' ক্লিন্ট ডেম্পসি প্রথম আমেরিকান হিসেবে তিনটি ভিন্ন [[:w:ফিফা বিশ্বকাপ|ফিফা বিশ্বকাপে]] গোল করার গৌরব অর্জন করলেন! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * আমেরিকা যদি এই লিড ধরে রাখতে পারে, তবে গ্রুপের সমীকরণ পুরোপুরি বদলে যাবে। গিয়ানের চমৎকার একটি পাস। আন্দ্রে আইয়ু—সমতায় ফিরল ঘানা! আমেরিকানদের হৃদয় ভেঙে দেওয়ার মতো এক অনবদ্য গোল! রক্ষণব্যুহ ভেঙে গেল! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * জুসি কর্নার নিচ্ছেন, এবং ওই তো! গোল! '''কেমন হলো সেটা? জন ব্রুকস! জন ব্রুকস! আমেরিকার জন্য গোল!''' তারা কি তবে [[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ গ্রুপ জি|ম্যাচটি]] ছিনিয়ে নিল? একেবারে অবিশ্বাস্য, সে হয়তো নিজেও এমন কিছু স্বপ্নেও ভাবেনি। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * প্রতিশোধ, আমেরিকার জন্য! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=ikX_nJszeYw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * আমার মনে হয়, [[:w:ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো|রোনালদো]] যখন ব্রাজিলের হোটেলে পৌঁছান, তখন তাকে একজন টপলেস মডেল এবং ডোনাল্ড ডাকের পোশাক পরা এক ব্যক্তি অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://web.archive.org/web/20140706035347/http://www.sbnation.com/soccer/2014/6/22/5832892/ian-darke-cristiano-ronaldo-topless-model-donald-duck মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * আন্দ্রে আলমেইদা। ভেলোসোর পাস। ওহ, এটা তো ভুল করে নানির পায়ে চলে গেল! হে ঈশ্বর! আমেরিকা এখানে স্রেফ নিজেদের বিপদ নিজেরা ডেকে আনল! ইউএস ডিফেন্সে এক মহাবিপর্যয়। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * তিনি একটু দেরিতে আসলেন, কর্নারটি সাদা জার্সি পরা কারো পায়ে পড়ল না। এখন পড়েছে—জার্মেইন জোনস। '''ওহ, হ্যাঁ! জার্মেইন জোনস, তার পা থেকে কী দুর্দান্ত এক শট! আমেরিকা সমতায়!''' স্রেফ অসাধারণ এক স্ট্রাইক। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=MUnO2AJVJ6c মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * চমৎকার পাস। জোনস থেকে ইয়েডলিন। প্রায় পৌঁছে গিয়েছিল! বল পেলেন ব্র্যাডলি, তারপর জুসি এবং ডেম্পসি! '''তিনি কি [[:w:অফসাইড (ফুটবল)|অফসাইড]]? না, তিনি অনসাইড! ২-১! এগিয়ে গেল আমেরিকা!''' আবারো সেই 'ক্যাপ্টেন মার্ভেল'! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * তারা কি এখানে কিছু করতে পারবে? বল ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পায়ে। ওহ, দারুণ একটি ক্রস! এবং এটি একটি সমতাসূচক গোল, ভারেলার পা থেকে! খেলার একেবারে শেষ মুহূর্তে আমেরিকাকে জয়বঞ্চিত করা হলো! এবং বলতেই হবে, এটি একটি দুর্দান্ত গোল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * বল অনেক দূর গেল, এবং এখানে মার্টেস্যাকারকে রুখে দিলেন হাওয়ার্ড; কিন্তু এবার জার্মানি গোল করে ফেলল, গোলদাতা থমাস মুলার! ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল জার্মানি। আবারো তিনি, আর এখন উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম জার্মানি] (২৬ জুন ২০১৪)। * আমেরিকার এখন ঝুঁকি নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। যার অর্থ হলো তারা হয়তো আরও দু-একটি পাল্টা আক্রমণের শিকার হতে পারে। মাইকেল ব্র্যাডলি। চিপ করে বল সামনে বাড়ালেন, আর এটা দেখুন! জুলিয়ান গ্রিন! আপনি কি বিশ্বাস করবেন? এই তরুণ আমেরিকার জন্য আশার আলো জ্বালিয়ে দিল! অসাধারণ! ২-১! কিশোর গ্রিন বাজিমাত করলেন! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://listenonrepeat.com/watch/?v=ZYFWEdYReHk বেলজিয়াম বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১ জুলাই ২০১৪)। * আমার মনে হয় তিনি (ক্লিন্সম্যান) বলছেন যে এখানে এক মিনিটের বেশি সময় দেওয়া উচিত ছিল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', বেলজিয়াম বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (১ জুলাই ২০১৪)। * আমেরিকার বীরত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা ছিল, তবে এটি কোনো দুর্ভাগ্যের গল্প নয়। অপেক্ষাকৃত ভালো দলটিই জিতেছে। শেষ ১৬ পর্যন্ত পৌঁছানোই আমেরিকার বর্তমান সক্ষমতার প্রমাণ, তবে তারা এখন এক সুপ্রতিষ্ঠিত দল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736 এক্স] (২ জুলাই ২০১৪)। * এটি যদি টিম হাওয়ার্ডের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ হয়ে থাকে, তবে বিদায় জানানোর জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর হতে পারে না! তিনি ছিলেন অভাবনীয়। গত ৫০ বছরে বিশ্বকাপে একজন গোলরক্ষক হিসেবে তিনি সর্বোচ্চ সেভ করেছেন। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736][https://twitter.com/IanDarke/status/484268327221874688 এক্স] (২ জুলাই ২০১৪)। * আমেরিকার এখন দল পুনর্গঠনের দিকে নজর দেওয়া উচিত। ২০১৮ সালের মধ্যে ডেম্পসির বয়স হবে ৩৫; জোনস, বিজলি এবং বেকারম্যানের বয়স হবে ৩৬ এবং হাওয়ার্ডের ৩৯। তারা সবাই মার্কিন ফুটবলের দুর্দান্ত সেবক। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736][https://twitter.com/IanDarke/status/484272268819038208 এক্স] (২ জুলাই ২০১৪)। * টেলর টুয়েলম্যানের সাথে আমেরিকার ম্যাচগুলোর কভারেজ নিয়ে আপনাদের সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। তবে সাথেই থাকুন; বিশ্বকাপ এখনও চলছে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736][https://twitter.com/IanDarke/status/484276578189574144 এক্স] (২ জুলাই ২০১৪)। * এই যে টনি ক্রুস। সামি খেদিরা। এবার থমাস মুলার। ফ্রি কিক ব্রাজিলের পক্ষে দেওয়া হবে; খেলা এখন তুঙ্গে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)।<!--http://listenonrepeat.com/watch/?v=_4JHL0436E0#Germany_Brazil_2014_World_Cup_Semifinal_Full_Game_ESPN--> * '''ইয়ান ডার্ক:''' ক্লোসা কর্নার নিচ্ছেন। বল অনেক দূর গেল এবং গোল! আবারো সেই থমাস মুলার! এটি তার ক্যারিয়ারের দশম বিশ্বকাপ গোল, যা জার্মানিকে এগিয়ে দিল! ব্রাজিল এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়লাভ করেছিল। কিন্তু এবার কাজটা অনেক বেশি কঠিন হতে পারে। কারণ এবার তাদের তাড়া করতে হচ্ছে জার্মানিকে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)।<!--http://listenonrepeat.com/watch/?v=_4JHL0436E0#Germany_Brazil_2014_World_Cup_Semifinal_Full_Game_ESPN--> * ওহ, ক্রুস। এখানে আরও সমস্যা তৈরি হচ্ছে, এই যে ক্লোসা! ইতিহাসের সেই নায়ক, তিনি এটি করে দেখালেন! ২-০! এবং এই গোলটিই তাকে চিরদিনের জন্য রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে দিল! ব্রাজিলকে এখন স্রেফ ধুয়েমুছে সাফ করে দেওয়া হচ্ছে। ১৬টি গোল—বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা রেকর্ড। এটি তার ২৩তম বিশ্বকাপ ম্যাচ। ব্রাজিলের কান্না, আর সেই তরুণীটিই কেবল একা নয় যে বর্তমানে এই পুরো দেশে চোখের জল ফেলছে। কিন্তু দাঁড়ান এক মিনিট! এই যে বার্নার্ড! তিনি কি ব্রাজিলকে ম্যাচে ফেরাতে কিছু করতে পারবেন? ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। তারা দুই গোলে পিছিয়ে। এবার লাম। মুলার বলটি মিস করলেন! এবং এটি তিন নম্বর গোল, টনি ক্রুস! জার্মানি তাণ্ডব চালাচ্ছে! তারা নিজেরাও এটি বিশ্বাস করতে পারছে না! ক্রুসের অনবদ্য এক হিট। জুলিও সিজার বলটি ঠেকাতে পারতেন, কিন্তু পারলেন না। টনি ক্রুস জার্মানির হয়ে তার ৫০তম ম্যাচটিকে একটি গোল দিয়ে স্মরণীয় করে রাখলেন। মাঝেমধ্যে এটি স্রেফ শুটিং গ্যালারির মতো মনে হচ্ছে। ওহ, আর এখন এটি দেখুন। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে; খেদিরা বলটি ভেতরে পাস দিলেন। ওহ! ৪-০! অবিশ্বাস্য! আবারো ক্রুস! ব্রাজিলকে স্রেফ মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে! এটি অত্যন্ত বিস্ময়কর। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * দুই মিনিটে তার দুটি গোল, আর ব্রাজিলের বিশ্বকাপ নিশ্চিতভাবেই শেষ। এটিই প্রথমবার যে ব্রাজিল কোনো বিশ্বকাপ ম্যাচে চার গোলে পিছিয়ে রয়েছে। মাত্র ২৬ মিনিটেই ৪-০ ব্যবধান। জার্মানি কি এতটাই সেরা? নেইমারহীন ব্রাজিলের চেয়েও এটি থিয়াগো সিলভাহীন ব্রাজিল, যারা তাদের রক্ষণভাগ গুছিয়ে নিতে পারছে না; আর পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। গত গোলে ফার্নান্দিনহোর এক মারাত্মক ভুল ছিল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আবারো দেখুন! খেদিরা বলটি পাস দিলেন ওজিলকে! আবারো খেদিরা! ৫-০! এটি বিশ্বাসের অতীত! এই গোল করার উৎসব কোথায় গিয়ে থামবে? এটি যদি বক্সিং হতো, তবে রেফারি হয়তো খেলা থামিয়ে দিতেন ব্রাজিলকে আরও অপমান থেকে রক্ষা করার জন্য। প্রথম ২৯ মিনিটে অপ্রতিরোধ্য জার্মানির পাঁচটি গোল; ব্রাজিল স্রেফ এলোমেলো হয়ে গেছে। ফ্রেড, এই যে লুইস গুস্তাভো। মার্সেলো। তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য কেবল একটি গোল বা কিছু একটা প্রয়োজন, কিন্তু... ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://web.archive.org/web/20140709072936/http://www.newyorker.com/online/blogs/johncassidy/2014/07/brazil-world-cup-humiliation.html ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * লাম, খেদিরা। আবারো লাম। নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন, এবং তারা তা করলেন! ৬-০! আপনি অবাক হয়ে ভাবছেন জার্মানির জন্য এই সবকিছু কোথায় গিয়ে শেষ হবে? শুরলেও উৎসবে যোগ দিলেন। দর্শকরা এখন সত্যিই দুয়ো দিচ্ছে। আন্দ্রে শুরলে। এর মাঝেই ফ্রেড যখন মাঠ ছাড়ছিলেন তখন তাকে দুয়ো দেওয়া হয়েছিল। শুরলে এই টুর্নামেন্টে তার দ্বিতীয় গোলটি পেলেন, আলজেরিয়ার বিপক্ষেও তিনি একটি করেছিলেন। ৬-০। জার্মানি যেন ব্রাজিলের নাকে ঝামা ঘষে দিচ্ছে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আমার মনে হয় ব্রাজিলের ভক্তদের কাছে এটি এখন এক ধরণের করুণ কৌতূহল। তারা টিকিটের জন্য অনেক টাকা দিয়েছেন, তাই ফলাফল যা-ই হোক তারা এটি শেষ পর্যন্ত দেখতে যাচ্ছেন। আমার মনে হয় না বাড়ি ফিরে গিয়ে তারা এই ম্যাচের রিপ্লে আর দেখবেন। এই জার্মান দলটি আসলে কতটা শক্তিশালী? ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আরও হতে পারে, এই যে শুরলে! আবারো, ওটা সাত নম্বর! ব্রাজিলের জন্য এক চরম অবমাননা, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলো! জার্মানি এখন সপ্তম স্বর্গে! কী দুর্দান্ত এক হিট; জুলিও সিজারের আসলে কিছুই করার ছিল না। বলটি শব্দের গতিতে ছুটছিল। এক বিধ্বস্ত জুলিও সিজার। এক বিধ্বস্ত ব্রাজিল; এক বিধ্বস্ত জাতি। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে এক দলের করা সর্বোচ্চ গোল। মনে হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডেই রেকর্ডগুলো ভেঙে পড়ছে। রামিরেজ। আমার মনে হয় এই খেলোয়াড়রা ফ্র্যাঙ্কলি মাঠ থেকে বেরিয়ে টানেলে চলে যেতে চাইছেন, যা হয়তো ট্রিস্টান দা কুনহা বা অন্য কোথাও গিয়ে শেষ হয়েছে। বার্নার্ডের ক্রস, মার্সেলো। ক্যাপশনে আর জায়গা নেই। সব গোলদাতার নাম দেখানোর জন্য এটিকে বারবার স্ক্রল করতে হবে। বদলি হিসেবে নামার পর আন্দ্রে শুরলের এটি দ্বিতীয় গোল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://archive.is/uWk2Y ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ব্রাজিলের বিখ্যাত ইতিহাসে তারা কেবল আর একবারই সাতটি গোল হজম করেছিল। সেটি ছিল ১৯৩৪ সালে, যখন তারা যুগোস্লাভিয়ার কাছে ৮-৪ ব্যবধানে হেরেছিল। '''আমরা কি সত্যিই এটা দেখছি? আমার মনে হয় এখানে উপস্থিত সবাই অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। সাত-শূন্য?''' হ্যাঁ, আমারও তাই মনে হচ্ছে। ব্রাজিল যতটা খারাপ খেলেছে, জার্মানি ঠিক ততটাই উজ্জ্বল ছিল। শুরলে। গ্যালারিতে এখন 'ওলে' ধ্বনি উঠছে, এবং আমার মনে হয় ব্রাজিলের সমর্থকরাও এখন তাতে যোগ দিচ্ছে। তারা জার্মানদের করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছে, এছাড়া তারা আর কী-ই বা করতে পারে? কোচ হিসেবে লুইজ ফেলিপে স্কোলারির জন্য এটি চরম এক লজ্জার বিষয়। এই হারের পর সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে? আমরা তো এই বিশ্বকাপ নিয়ে নানা প্রতিবাদের কথা শুনেছি—মানুষ বলছিল অবকাঠামোতে বিনিয়োগ না করে বিশ্বকাপে এই বিপুল অর্থ অপচয় ঠিক হয়নি। সেই প্রতিবাদগুলো কি আবার ফিরে আসবে? এই বিশ্বকাপের পর নিশ্চিতভাবেই দলে বড় ধরণের রদবদল হবে। ঠিক আছে, তারা সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছে, যা ছোট কোনো অর্জন নয়। এই যে লাম, তিনিও উৎসবে যোগ দিতে চাইছেন। শুরলে চাইছেন হ্যাটট্রিক করতে। আপনারা এমন একটি ম্যাচ দেখছেন যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম বিস্ময়কর ম্যাচ হিসেবে লেখা থাকবে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * লাইব্রেরির মতোই নিস্তব্ধ। (ব্রাজিল সমর্থকদের স্তব্ধতা বুঝিয়ে) ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * এই যে গোটশে! মারিও গোটশে! 'সুপার মারিও'! তিনি হয়তো জার্মানির জন্য বিশ্বকাপটা জিতে নিলেন! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', জার্মানি বনাম আর্জেন্টিনা (জুলাই ২০১৪)। === K === * '''এক মিনিট? কোন নরক থেকে এক মিনিট (অতিরিক্ত সময়) আসলো?''' (রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে) ** '''''ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যান''''', বেলজিয়াম বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (১ জুলাই ২০১৪)। * আজ রাতে টিম যা খেলেছে তা স্রেফ অবিশ্বাস্য, অনন্য। সে দীর্ঘ সময় আমাদের ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিল। তাকে দলে পেয়ে আমরা গর্বিত। ১২০ মিনিটের এই নাটকীয় লড়াই দর্শকদের সবটুকু বিনোদন দিলেও হেরে বিদায় নেওয়াটা আমাদের জন্য কষ্টের। দিনশেষে বেলজিয়ামকে অভিনন্দন, তারা ভালো খেলেছে। তবে আমি আমার দল নিয়ে গর্বিত। এই বিশ্বকাপে প্রত্যেক খেলোয়াড় তাদের সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে খেলেছে। ** '''''ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যান''''', ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন (১ জুলাই ২০১৪)। === M === * খেলার বয়স প্রায় ১১ মিনিট। '''মাঠে এখনই অনেক জায়গা দেখা যাচ্ছে। ব্রাজিলকে আরও রক্ষণাত্মক হতে হবে, ইয়ান। ডিফেন্স থেকে ফরোয়ার্ড পর্যন্ত তারা এত ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে পারে না। নাহলে জার্মানরা তাদের ছিন্নভিন্ন করে দেবে।''' ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * এটি তো স্রেফ রবিবারের ছুটির মেজাজের গোল; আর রক্ষণভাগও ঠিক তেমনি উদাসীন। একেবারে সহজ, অনেক ধন্যবাদ! কী চমৎকার উপহার! ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * কতটাই না সহজ। গোলের দৃশ্যটি দেখুন। টনি ক্রুস সময় নিয়ে বলটি বাড়ালেন। পাসটি দেখুন। অসাধারণ। মুলারের বুদ্ধিমত্তা। জুলিও সিজার ভালো চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু রিবাউন্ডে ক্লোসা প্রস্তুত ছিলেন। কী সুন্দর গোল, কত সহজ। মাঠজুড়ে দৌড়ানো আর নিখুঁত পাস। '''ব্রাজিলকে সতর্ক হতে হবে; তারা ইতোমধ্যে একবার সতর্কবার্তা পেয়েছে। এভাবে খেলতে থাকলে তারা আরও অনেক গোল হজম করবে।''' তবে মিরোস্লাভ ক্লোসার জন্য এটি এক অভাবনীয় অর্জন। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ওই দেখুন জায়গা, ইয়ান! কী পরিমাণ জায়গা ফাঁকা পড়ে আছে! ওহ, দারুণ শট। কিন্তু ইয়ান, এটা কতটা খারাপ ডিফেন্ডিং ছিল? সাধারণ গোল, তাই না? কেউ কি ক্লোজ ডাউন করছে না? কেউ কি বাধা দিচ্ছে না? ব্রাজিল কি আদৌ সুসংগঠিত? কারণ এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে ১১ জন খেলোয়াড় মাঠে কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই দৌড়াদৌড়ি করছে। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আবারো! ওহ, আপনি কী বলতে পারেন? ফার্নান্দিনহো, নাকি লুইজ গুস্তাভো? মনে হয় ফার্নান্দিনহো। সামি খেদিরার কী চমৎকার এক পাস! মানসিক শক্তির কথা বললে, এটা স্রেফ বরফের মতো ঠান্ডা। টনি ক্রুসের জন্য দ্বিতীয় গোলটি স্রেফ থালায় সাজিয়ে দিলেন। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * হ্যাঁ, তারা (জার্মানি) স্রেফ অনেক বেশি শক্তিশালী। তবে আমি ব্রাজিলকে কখনও এত খারাপ শুরু করতে দেখিনি। এর আগে ফ্রান্স কোয়ার্টার ফাইনালে খুব কমপ্যাক্ট ছিল যাতে জার্মানরা তাদের খেলা খেলতে না পারে। কিন্তু ব্রাজিল মাঠের সবখানে ছড়িয়ে আছে, স্রেফ খোলা মাঠ। আমাদের সবারই ধারণা ছিল জার্মানি জিতবে, কিন্তু এত সহজে জিতবে তা ভাবিনি। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * যখনই তারা রক্ষণভাগ সামলাতে শুরু করছে, ম্যাটস হুমেলস বল নিয়ে ২০ গজ এগিয়ে আসছেন, আর তারপর? আমার মনে হয় ডেভিড লুইজ তার সাথে চ্যালেঞ্জে না গিয়ে স্রেফ এড়িয়ে যাচ্ছেন। '''আপনারা ৪-০ গোলে পিছিয়ে আছেন! একটু আক্রমণাত্মক হোন, কাউকে ট্যাকল করুন! এই ম্যাচে প্রভাব ফেলতে অন্তত কিছু একটা তো করুন!''' ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * '''আমি আশা করি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষজন বসে এই খেলাটি উপভোগ করছেন। কারণ, তারা তাদের বাকি জীবনে বিশ্বকাপের এমন সেমিফাইনাল আর কখনোই দেখবেন না। আমি স্রেফ স্তব্ধ হয়ে গেছি!''' ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ইয়ান, আপনি তো নিজেকে বারবার পুনরাবৃত্তি করছেন, তাই না? কিন্তু এই গোলটির সময় পরিস্থিতি কতটা খারাপ ছিল দেখুন। ওই যে ফাঁকা জায়গা। ফিলিপ লামকে কে মার্ক করছে? কেউ না, কেউ না। দর্শকরা আবারও তাদের ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * '''উইলিয়ানকে দেখে মনে হচ্ছে ৬-০ গোলে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় মাঠে নামতে পেরে তিনি খুশি। আসুন উইলিয়ান, মাঠে নামুন! সাত নম্বর গোলটি করুন, দেশকে গর্বিত করুন!''' হ্যাঁ, জার্মানি আবারও গোল করবে, তাই না? এখনও ২০ মিনিট বাকি আছে। তারা যদি এভাবে চালিয়ে যায়? দেখুন, মার্সেলোকে দেখে মনে হচ্ছে তিনি আর দৌড়াতে পারছেন না। জার্মানি চাইলে আবারও গোল করবে। মনে হচ্ছে ব্রাজিলের মাত্র ৯ জন খেলোয়াড় মাঠে আছে; খেলাটা যেন ১১ বনাম ৯ জনের। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * রক্ষণাত্মক খেলা তো অনেক হলো, কিন্তু এটি সেই সব ধারণা স্রেফ উড়িয়ে দিল। শূন্য-সাত! আমি জানি! '''ভাগ্যিস কয়েকজন খেলোয়াড় একাধিকবার গোল করেছেন, তাই স্কোরবোর্ডে তাদের নামের পাশে শুধু সংখ্যা বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।''' নাহলে সব গোলদাতার নাম লেখার জায়গাই হতো না। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * হ্যাঁ। '''আমরা এক বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে আছি, ইয়ান। আমরা আমাদের সময়ে অনেক ফুটবল ম্যাচ দেখেছি। কিন্তু আমি এমন ম্যাচ আর কখনোই দেখিনি, কিংবা এমন কোনো দৃশ্যের অংশ হইনি। আমি আমার বাকি জীবন এটি মনে রাখব।''' হ্যাঁ, অবশ্যই। ১-০ গোলের রক্ষণাত্মক খেলার চেয়ে ৭ গোলের উৎসব দেখা অনেক ভালো, তাই না? অন্তত দর্শকরা বিনোদন তো পাচ্ছে। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * এই ম্যাচটি ব্যাখ্যা করা কঠিন। এটি জার্মানির পক্ষ থেকে অত্যন্ত ভালো একটি পারফরম্যান্স ছিল। কিন্তু ইয়ান, আপনি আজ ব্রাজিল কতটা খারাপ খেলেছে তা অবমূল্যায়ন করতে পারবেন না। মনে হচ্ছে কোনো অপেশাদার দলের খেলা দেখছি। তাদের মানসিকতা ছিল একেবারেই শোচনীয়। আমি জানি, '''আমি বারবার 'শোচনীয়' বলছি কারণ আমার শব্দ ফুরিয়ে আসছে। তারা স্রেফ হাল ছেড়ে দিয়েছে। মাঠে দৌড়ানো এবং ফুটবল খেলার যে নূন্যতম চেষ্টা, তারা তা সম্পূর্ণভাবে ত্যাগ করেছে।''' ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আজ তাদের প্রচেষ্টার অভাব আমাকে অবাক করেছে। সত্যি বলছি; আপনি রাস্তা থেকে ১০ জন মানুষকে ধরে আনলে তারাও হয়তো এই খেলোয়াড়দের চেয়ে বেশি পরিশ্রম করত। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * হ্যাঁ। এই ম্যাচটি নিয়ে অনেক, অনেক, অনেক বছর ধরে আলোচনা হবে। আমরা যেমন ১৯৫০ সালের সেই ম্যাচ (মারাকানাজো) নিয়ে কথা বলি, এই ম্যাচটিও সেরকম হতে যাচ্ছে। আজ থেকে ৫০ বছর পরও আমরা এই ম্যাচের কথা বলব। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * তারা স্রেফ তোয়ালে ছুড়ে মেরেছে (হাল ছেড়ে দেওয়া); এই হাল তারা ৪০-৫০ মিনিট আগেই ছেড়ে দিয়েছিল। তারা এমনকি বলের কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারছে না। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * দয়া করে আপনাদের টেলিভিশন সেট ঠিক করতে যাবেন না (স্কোরলাইন দেখে বিভ্রান্ত হয়ে)। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ইয়ান, এটি ছিল পুরুষ বনাম কিশোরদের লড়াই। তাই নয় কি? ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আমরা যেভাবে খেলাটি শুরু করেছিলাম আর যেভাবে শেষ করতে যাচ্ছি, তা স্রেফ অসাধারণ। একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ইয়ান, আমার মনে হয়—এটিই নিশ্চিতভাবে আমাদের দেখা সর্বকালের সেরা বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে। আমরা ভাগ্যবান এবং আমরা এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে পেরে গর্বিত। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। === S === * দেখছেন? আসল কথাটি হলো—আপনারা আমাদের নিয়ে সন্দেহ করছেন? দারুণ। আমাদের অবমূল্যায়ন করছেন? ঠিক আছে। চ্যালেঞ্জের জন্যই আমরা প্রতিদিন জেগে উঠি। কঠোর পরিশ্রমই আমাদের কাজ, আর এটাই আমাদের পরিচয়। ** '''''কিফার সাদারল্যান্ড''''', [https://www.youtube.com/watch?v=6U5XXoUj9Q0 ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। === T === * ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানের জাদুকরী স্পর্শ অব্যাহত রয়েছে! এই আক্রমণটি কে শুরু করছে? ডিয়ান্দ্রে ইয়েডলিন! বাইলাইনের শেষ প্রান্ত থেকে চমৎকার একটি ক্রস পাঠাচ্ছেন! ** '''''টেলর টুয়েলম্যান''''', [http://listenonrepeat.com/watch/?v=CR9ifcaGG8c মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * আপনারা কি আমার সাথে মজা করছেন? টিম হাওয়ার্ড কতবার আমেরিকাকে বাঁচাবেন? আজ রাতে তার পজিশনিং ছিল ত্রুটিহীন। একবারের জন্যও তিনি ভুল দিকে ঝুঁকে পড়েননি। ** '''''টেলর টুয়েলম্যান''''', [https://www.nj.com/soccer-news/2014/07/world_cup_2014_north_brunswicks_tim_howard_heroic_in_loss_to_belgium_as_hometown_cheers_proudly.html "ওয়ার্ল্ড কাপ ২০১৪: টিম হাওয়ার্ড হিরোইক ইন লস টু বেলজিয়াম"], (১ জুলাই ২০১৪)। === W === * এই বিশ্বকাপে তার পঞ্চম গোল! তাকে কে পাহারা দিচ্ছিল? কেউ তাকে মার্ক করেনি! ** '''''স্টিভ উইলসন''''', [https://www.youtube.com/watch?v=jiGdTbo7hw4 ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * তিন নম্বর গোল, টনি ক্রুস! মাত্র ২৫ মিনিটের মধ্যেই ব্রাজিল ভেঙে চুরমার হয়ে গেল! জার্মানি ৩, ব্রাজিল ০! ** '''''স্টিভ উইলসন''''', [https://www.youtube.com/watch?v=jiGdTbo7hw4 ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ফার্নান্দিনহোর কাছ থেকে বল কেড়ে নেওয়া হলো! জার্মানির হাতে ব্রাজিল এখন চরমভাবে লাঞ্ছিত, অপদস্থ এবং ছিন্নভিন্ন হচ্ছে! ** '''''স্টিভ উইলসন''''', [https://www.youtube.com/watch?v=jiGdTbo7hw4 ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * পাঁচ গোল, শূন্য! পাঁচ-শূন্য! এ এক চূড়ান্ত অবমাননা! ** '''''স্টিভ উইলসন''''', [https://www.youtube.com/watch?v=jiGdTbo7hw4 ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * শুরলে, ওহ! আন্দ্রে শুরলে, এটা সাত নম্বর গোল! ** '''''স্টিভ উইলসন''''', [https://www.youtube.com/watch?v=jiGdTbo7hw4 ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রাজিলের ক্রীড়া ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১৪|ফিফা বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১০-এর দশকের ফুটবল]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১০-এর দশকের দক্ষিণ আমেরিকা]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা]] o1ujmjrvioh8xltrv26yultzh1aw2os 81851 81832 2026-04-28T06:01:17Z Oindrojalik Watch 4169 81851 wikitext text/x-wiki '''[[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ|২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]]''' ছিল ফিফা বিশ্বকাপের ২০তম আসর, যা ফিফা কর্তৃক আয়োজিত পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর একটি চতুর্বার্ষিক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ। ২০০৭ সালে আয়োজক হিসেবে স্বত্ব পাওয়ার পর, ২০১৪ সালের ১২ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত [[ব্রাজিল|ব্রাজিলে]] এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল ব্রাজিলে আয়োজিত দ্বিতীয় বিশ্বকাপ (প্রথমটি ১৯৫০ সালে) এবং [[w:দক্ষিণ_আমেরিকা|দক্ষিণ আমেরিকায়]] অনুষ্ঠিত পঞ্চম আসর। অনেক ভক্ত ও পণ্ডিত এই আসরটিকে এ যাবৎকালের অন্যতম সেরা বিশ্বকাপ হিসেবে অভিহিত করেন।__NOTOC__ {{TOCalpha}} == উক্তি == [[চিত্র:Philipp Lahm lifts the 2014 FIFA World Cup.jpg|thumb|upright|এই যে [[:w:মারিও গোটজে|গোটজে]]! তিনি [[:w:মারিও গোটজে|মারিও গোটজে]]! তিনি [[:w:মারিও গোটজে|সুপার মারিও]]! [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] হয়ে সম্ভবত [[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ|বিশ্বকাপটি]] যেন তিনিই জিতে নিলেন! ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Crying boy.jpg|thumb|upright|বিরতির আগেই যে চোখের জল ঝরবে, তা কেউ কোনোদিন কল্পনাও করতে পারেনি। কেউ ভাবেনি যে রাতের খাবারের আগেই রাজপথে পতাকায় আগুন জ্বলে উঠবে! ~ '''''স্যাম বোর্ডেন''''']] [[চিত্র:Stadion Belo Horizonte Halbfinale WM 2014 (22117986076).jpg|thumb|upright|মাঠে ইতিমধ্যেই অনেক ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়েছে। ব্রাজিলকে রক্ষণ আর আক্রমণ থেকে দূরে গিয়ে কমিয়ে আরও আটসাট হয়ে খেলতে হবে, ইয়ান। তারা এভাবে ছন্নছাড়া হয়ে থাকতে পারে না; অন্যথায় জার্মানরা তাদের ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলবে। ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 07.jpg|thumb|upright|পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে; [[:w:সামি খেদিরা|খেদিরা]] বল পাস দিলেন ভেতরে। ওহ! চার-শূন্য! অবিশ্বাস্য! আবারও [[:w:টনি ক্রুস|ক্রুস]]! ব্রাজিল স্রেফ মাঠের বাইরে ছিটকে যাচ্ছে! এটি সত্যিই বিস্ময়কর। ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Alemanha7x1brasil.jpg|thumb|upright|আর এই হলো তিন নম্বর গোল, [[:w:টনি ক্রুস|টনি ক্রুস]]! জার্মানরা আজ রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে! ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 11.jpg|thumb|upright|আসলে আমরা দুজনেই নিজেদের চিমটি কেটে দেখছি যে এটি স্বপ্ন না বাস্তব। আমার মনে হয় এখানে উপস্থিত সবাই একই কাজ করছেন। সাত-শূন্য? ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 03.jpg|thumb|upright|খেদিরা বলটি বাড়িয়ে দিলেন সাইডলাইনে, [[:w:মেসুত ওজিল|ওজিল]]! আবারও খেদিরা! পাঁচ-শূন্য! এটি পুরোপুরি বিশ্বাসের অতীত! এই গোল উৎসব কোথায় গিয়ে থামবে? ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 07.jpg|thumb|upright|তোমরা চার-শূন্য গোলে পিছিয়ে আছো! মাঠে একটু আগ্রাসী হও, প্রতিপক্ষকে বাধা দাও! এই খেলার মোড় ঘোরানোর জন্য অন্তত কিছু একটা তো করো! ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 12.jpg|thumb|upright|ব্রাজিলকে সতর্ক হতে হবে; তাদের ইতিমধ্যেই হুঁশিয়ার করা হয়েছে। যদি তারা এভাবেই খেলতে থাকে, তবে হারের ব্যবধান আরও অনেক বড় হতে যাচ্ছে। ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 02.jpg|thumb|আরও হতে পারে, এই যে শুরলে! আবারও, এটা সাত নম্বর! ব্রাজিলের জন্য এক চরম অবমাননা, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলো! জার্মানি এখন সপ্তম স্বর্গে! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 04.jpg|thumb|তিন নম্বর গোল, টনি ক্রুস! ২৫ মিনিটের মধ্যেই ব্রাজিল তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল! জার্মানি ৩, ব্রাজিল ০! ~ স্টিভ উইলসন]] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 08.jpg|thumb|আজ ব্রাজিল কতটা খারাপ খেলছে তা আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না। মনে হচ্ছে কোনো অপেশাদার দলের খেলা দেখছি। তাদের মানসিকতা ছিল একেবারেই শোচনীয়। আমি বারবার 'শোচনীয়' বলছি কারণ আমার শব্দ ফুরিয়ে আসছে। তারা স্রেফ হাল ছেড়ে দিয়েছে। ~ স্টিভ ম্যাকমানামান]] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 05.jpg|thumb|জার্মানি ব্রাজিলকে অপদস্থ করছে, বিনম্র করছে এবং টুকরো টুকরো করে দিচ্ছে! ~ স্টিভ উইলসন]] [[চিত্র:Alemanha7x1brasil.jpg|thumb|এই বিশ্বকাপে তার পঞ্চম গোল! তাকে কে মার্ক করছিল? কেউ তাকে ধরেনি! ~ স্টিভ উইলসন]] [[চিত্র:Austria vs. USA 2013-11-19 (087).jpg|thumb|কেমন হলো সেটা? জন ব্রুকস! জন ব্রুকস! আমেরিকার জন্য গোল! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:Julian Green cropped (15096232789).jpg|thumb|এটা দেখুন! জুলিয়ান গ্রিন! আপনি কি বিশ্বাস করবেন? এই তরুণ আমেরিকার জন্য আশার আলো জ্বালিয়ে দিল! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:Austria vs. USA 2013-11-19 (109).jpg|thumb|ওহ, হ্যাঁ! জার্মেইন জোনস, তার পা থেকে কী দুর্দান্ত এক শট! আমেরিকা সমতায় ফিরল! ~ ইয়ান ডার্ক]] [[চিত্র:USMNT players vs Turkey 2014 (15282567592).jpg|thumb|দেখছেন? এটাই আসল কথা। আপনি আমাদের নিয়ে সন্দেহ করছেন? দারুণ। আমাদের অবজ্ঞা করছেন? ঠিক আছে। চ্যালেঞ্জের জন্যই আমরা জেগে উঠি। কঠোর পরিশ্রমই আমাদের কাজ, আর এটাই আমরা। ~ কিফার সাদারল্যান্ড]] [[চিত্র:Jürgen Klinsmann USA.jpg|thumb|ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানের জাদুকরী স্পর্শ অব্যাহত রয়েছে! ~ টেলর টুয়েলম্যান]] [[চিত্র:DeAndre Yedlin training 2014 Brazil (cropped).jpg|thumb|এই আক্রমণটি কে শুরু করছে? ডিয়ান্দ্রে ইয়েডলিন! বাইলাইনের শেষ প্রান্ত থেকে চমৎকার একটি বল পাঠাচ্ছেন! ~ টেলর টুয়েলম্যান]] [[চিত্র:20131119 AT-USA Tim Howard IP2O2982.JPG|thumb|আপনারা কি আমার সাথে মজা করছেন? টিম হাওয়ার্ড কতবার আমেরিকাকে বাঁচাবেন? আজ তার পজিশনিং ছিল নিখুঁত। একবারের জন্যও তিনি ভুল দিকে ঝুঁকে পড়েননি। ~ টেলর টুয়েলম্যান]] === B === * ভোরের আলো ফুটতেই আতশবাজি ফোটা শুরু হয়ে গিয়েছিল। পুরো শহর জুড়ে পপ ব্যাং শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল; নারী, পুরুষ নির্বিশেষে শিশুরা—যাদের বেশিরভাগেরই পরনে ছিল হলুদ জার্সি—ফ্লেয়ার জ্বালাচ্ছিল আর গাড়ির হর্ন বাজাচ্ছিল। এই দিনটি এক জাদুকরী দিন হওয়ার কথা ছিল। নিজ দেশে খেলতে নামা [[w:ব্রাজিল_জাতীয়_ফুটবল_দল|ব্রাজিলীয় জাতীয় ফুটবল দল]] বিশ্বকাপ ফাইনাল থেকে আর মাত্র এক ম্যাচ দূরে ছিল। '''কেউ ভাবতেও পারেনি যে হাফটাইমের আগেই চোখের জল ঝরবে! কেউ কল্পনাও করেনি যে রাতের খাবারের আগেই রাস্তায় পতাকা পোড়ানো হবে! নিশ্চিতভাবেই কেউ ভাবেনি যে কোনো ব্রাজিলীয় ভক্ত তাদের প্রিয় স্টেডিয়ামে সেমিফাইনাল দেখতে এসে খেলা শেষ হওয়ার অনেক আগেই মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ার চিন্তা পর্যন্ত করবে।''' কিন্তু আসলে এসবই ঘটেছে। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ—যা শুরুতে অর্থায়ন, প্রতিবাদ আর অবকাঠামো নিয়ে নানা প্রশ্নে জর্জরিত ছিল, পরে গোলের বন্যা আর নাটকীয় সমাপ্তিতে যা আনন্দের জোয়ারে ভেসেছিল—শেষ পর্যন্ত এই একটি কারণেই মনে রাখা হবে: ফুটবলের পরাশক্তি হিসেবে বিবেচিত আয়োজক দলটিকে আজ জুনিয়র দলের মতো নাজেহাল হতে হয়েছে। ** স্যাম বোর্ডেন, [http://archive.is/GjWtD "গোল: এ ডার্ক ডে ফর ব্রাজিল"] (৮ জুলাই ২০১৪), [[w:দ্য_নিউ_ইয়র্ক_টাইমস|''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''।]] === D === * ডেম্পসি, দারুণ শুরু এখান থেকে। '''ক্লিন্ট ডেম্পসি কি গোল করতে পারবেন? তিনি এবার পেরেছেন! আমেরিকা এগিয়ে গেল! অবিশ্বাস্যভাবে, মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মাথায়! এটা স্রেফ স্বপ্নের মতো!''' ক্লিন্ট ডেম্পসি প্রথম আমেরিকান হিসেবে তিনটি ভিন্ন [[:w:ফিফা বিশ্বকাপ|ফিফা বিশ্বকাপে]] গোল করার গৌরব অর্জন করলেন! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * আমেরিকা যদি এই লিড ধরে রাখতে পারে, তবে গ্রুপের সমীকরণ পুরোপুরি বদলে যাবে। গিয়ানের চমৎকার একটি পাস। আন্দ্রে আইয়ু—সমতায় ফিরল ঘানা! আমেরিকানদের হৃদয় ভেঙে দেওয়ার মতো এক অনবদ্য গোল! রক্ষণব্যুহ ভেঙেই গেল! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * জুসি কর্নার নিচ্ছেন, এবং এই তো! গোল! '''কেমন হলো এটা? জন ব্রুকস! জন ব্রুকস! আমেরিকার জন্য গোলল!''' তারা কি তবে [[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ গ্রুপ জি|ম্যাচটি]] ছিনিয়ে নিল? একেবারে অবিশ্বাস্য, সে হয়তো নিজেও এমন কিছু স্বপ্নেও ভাবেনি। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * প্রতিশোধ, আমেরিকার জন্য! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=ikX_nJszeYw ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। * আমার মনে হয়, [[:w:ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো|রোনালদো]] যখন ব্রাজিলের হোটেলে পৌঁছান, তখন তাকে একজন টপলেস মডেল এবং ডোনাল্ড ডাকের পোশাক পরা এক ব্যক্তি অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://web.archive.org/web/20140706035347/http://www.sbnation.com/soccer/2014/6/22/5832892/ian-darke-cristiano-ronaldo-topless-model-donald-duck মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * আন্দ্রে আলমেইদা। ভেলোসোর পাস। ওহ, এটা তো ভুল করে নানির পায়ে চলে গেল! হে ঈশ্বর! আমেরিকা এখানে স্রেফ নিজেদের বিপদ নিজেরা ডেকে আনল! ইউএস ডিফেন্সে এক মহাবিপর্যয়। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * তিনি একটু দেরিতে আসলেন, কর্নারটি সাদা জার্সি পরা কারো পায়ে পড়ল না। এখন পড়েছে—জার্মেইন জোনস। '''ওহ, হ্যাঁ! জার্মেইন জোনস, তার পা থেকে কী দুর্দান্ত এক শট! আমেরিকা সমতায়!''' স্রেফ অসাধারণ এক স্ট্রাইক। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=MUnO2AJVJ6c মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * চমৎকার পাস। জোনস থেকে ইয়েডলিন। প্রায় পৌঁছে গিয়েছিল! বল পেলেন ব্র্যাডলি, তারপর জুসি এবং ডেম্পসি! '''তিনি কি [[:w:অফসাইড (ফুটবল)|অফসাইড]]? না, তিনি অনসাইড! ২-১! এগিয়ে গেল আমেরিকা!''' আবারো সেই 'ক্যাপ্টেন মার্ভেল'! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * তারা কি এখানে কিছু করতে পারবে? বল ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পায়ে। ওহ, দারুণ একটি ক্রস! এবং এটি একটি সমতাসূচক গোল, ভারেলার পা থেকে! খেলার একেবারে শেষ মুহূর্তে আমেরিকাকে জয়বঞ্চিত করা হলো! এবং বলতেই হবে, এটি একটি দুর্দান্ত গোল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * বল অনেক দূর গেল, এবং এখানে মার্টেস্যাকারকে রুখে দিলেন হাওয়ার্ড; কিন্তু এবার জার্মানি গোল করে ফেলল, গোলদাতা থমাস মুলার! ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল জার্মানি। আবারো তিনি, আর এখন উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=gQC2SusDfIw মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম জার্মানি] (২৬ জুন ২০১৪)। * আমেরিকার এখন ঝুঁকি নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। যার অর্থ হলো তারা হয়তো আরও দু-একটি পাল্টা আক্রমণের শিকার হতে পারে। মাইকেল ব্র্যাডলি। চিপ করে বল সামনে বাড়ালেন, আর এটা দেখুন! জুলিয়ান গ্রিন! আপনি কি বিশ্বাস করবেন? এই তরুণ আমেরিকার জন্য আশার আলো জ্বালিয়ে দিল! অসাধারণ! ২-১! কিশোর গ্রিন বাজিমাত করলেন! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://listenonrepeat.com/watch/?v=ZYFWEdYReHk বেলজিয়াম বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১ জুলাই ২০১৪)। * আমার মনে হয় তিনি (ক্লিন্সম্যান) বলছেন যে এখানে এক মিনিটের বেশি সময় দেওয়া উচিত ছিল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', বেলজিয়াম বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (১ জুলাই ২০১৪)। * আমেরিকার বীরত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা ছিল, তবে এটি কোনো দুর্ভাগ্যের গল্প নয়। অপেক্ষাকৃত ভালো দলটিই জিতেছে। শেষ ১৬ পর্যন্ত পৌঁছানোই আমেরিকার বর্তমান সক্ষমতার প্রমাণ, তবে তারা এখন এক সুপ্রতিষ্ঠিত দল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736 এক্স] (২ জুলাই ২০১৪)। * এটি যদি টিম হাওয়ার্ডের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ হয়ে থাকে, তবে বিদায় জানানোর জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর হতে পারে না! তিনি ছিলেন অভাবনীয়। গত ৫০ বছরে বিশ্বকাপে একজন গোলরক্ষক হিসেবে তিনি সর্বোচ্চ সেভ করেছেন। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736][https://twitter.com/IanDarke/status/484268327221874688 এক্স] (২ জুলাই ২০১৪)। * আমেরিকার এখন দল পুনর্গঠনের দিকে নজর দেওয়া উচিত। ২০১৮ সালের মধ্যে ডেম্পসির বয়স হবে ৩৫; জোনস, বিজলি এবং বেকারম্যানের বয়স হবে ৩৬ এবং হাওয়ার্ডের ৩৯। তারা সবাই মার্কিন ফুটবলের দুর্দান্ত সেবক। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736][https://twitter.com/IanDarke/status/484272268819038208 এক্স] (২ জুলাই ২০১৪)। * টেলর টুয়েলম্যানের সাথে আমেরিকার ম্যাচগুলোর কভারেজ নিয়ে আপনাদের সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। তবে সাথেই থাকুন; বিশ্বকাপ এখনও চলছে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://twitter.com/IanDarke/status/484267783895924736][https://twitter.com/IanDarke/status/484276578189574144 এক্স] (২ জুলাই ২০১৪)। * এই যে টনি ক্রুস। সামি খেদিরা। এবার থমাস মুলার। ফ্রি কিক ব্রাজিলের পক্ষে দেওয়া হবে; খেলা এখন তুঙ্গে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)।<!--http://listenonrepeat.com/watch/?v=_4JHL0436E0#Germany_Brazil_2014_World_Cup_Semifinal_Full_Game_ESPN--> * '''ইয়ান ডার্ক:''' ক্লোসা কর্নার নিচ্ছেন। বল অনেক দূর গেল এবং গোল! আবারো সেই থমাস মুলার! এটি তার ক্যারিয়ারের দশম বিশ্বকাপ গোল, যা জার্মানিকে এগিয়ে দিল! ব্রাজিল এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়লাভ করেছিল। কিন্তু এবার কাজটা অনেক বেশি কঠিন হতে পারে। কারণ এবার তাদের তাড়া করতে হচ্ছে জার্মানিকে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)।<!--http://listenonrepeat.com/watch/?v=_4JHL0436E0#Germany_Brazil_2014_World_Cup_Semifinal_Full_Game_ESPN--> * ওহ, ক্রুস। এখানে আরও সমস্যা তৈরি হচ্ছে, এই যে ক্লোসা! ইতিহাসের সেই নায়ক, তিনি এটি করে দেখালেন! ২-০! এবং এই গোলটিই তাকে চিরদিনের জন্য রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে দিল! ব্রাজিলকে এখন স্রেফ ধুয়েমুছে সাফ করে দেওয়া হচ্ছে। ১৬টি গোল—বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা রেকর্ড। এটি তার ২৩তম বিশ্বকাপ ম্যাচ। ব্রাজিলের কান্না, আর সেই তরুণীটিই কেবল একা নয় যে বর্তমানে এই পুরো দেশে চোখের জল ফেলছে। কিন্তু দাঁড়ান এক মিনিট! এই যে বার্নার্ড! তিনি কি ব্রাজিলকে ম্যাচে ফেরাতে কিছু করতে পারবেন? ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)।<!--http://listenonrepeat.com/watch/?v=_4JHL0436E0#Germany_Brazil_2014_World_Cup_Semifinal_Full_Game_ESPN--> * কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। তারা দুই গোলে পিছিয়ে। এবার লাম। মুলার বলটি মিস করলেন! এবং এটি তিন নম্বর গোল, টনি ক্রুস! জার্মানি তাণ্ডব চালাচ্ছে! তারা নিজেরাও এটি বিশ্বাস করতে পারছে না! ক্রুসের অনবদ্য এক হিট। জুলিও সিজার বলটি ঠেকাতে পারতেন, কিন্তু পারলেন না। টনি ক্রুস জার্মানির হয়ে তার ৫০তম ম্যাচটিকে একটি গোল দিয়ে স্মরণীয় করে রাখলেন। মাঝেমধ্যে এটি স্রেফ শুটিং গ্যালারির মতো মনে হচ্ছে। ওহ, আর এখন এটি দেখুন। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে; খেদিরা বলটি ভেতরে পাস দিলেন। ওহ! ৪-০! অবিশ্বাস্য! আবারো ক্রুস! ব্রাজিলকে স্রেফ মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে! এটি অত্যন্ত বিস্ময়কর। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * দুই মিনিটে তার দুটি গোল, আর ব্রাজিলের বিশ্বকাপ নিশ্চিতভাবেই শেষ। এটিই প্রথমবার যে ব্রাজিল কোনো বিশ্বকাপ ম্যাচে চার গোলে পিছিয়ে রয়েছে। মাত্র ২৬ মিনিটেই ৪-০ ব্যবধান। জার্মানি কি এতটাই সেরা? নেইমারহীন ব্রাজিলের চেয়েও এটি থিয়াগো সিলভাহীন ব্রাজিল, যারা তাদের রক্ষণভাগ গুছিয়ে নিতে পারছে না; আর পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। গত গোলে ফার্নান্দিনহোর এক মারাত্মক ভুল ছিল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আবারো দেখুন! খেদিরা বলটি পাস দিলেন ওজিলকে! আবারো খেদিরা! ৫-০! এটি বিশ্বাসের অতীত! এই গোল করার উৎসব কোথায় গিয়ে থামবে? এটি যদি বক্সিং হতো, তবে রেফারি হয়তো খেলা থামিয়ে দিতেন ব্রাজিলকে আরও অপমান থেকে রক্ষা করার জন্য। প্রথম ২৯ মিনিটে অপ্রতিরোধ্য জার্মানির পাঁচটি গোল; ব্রাজিল স্রেফ এলোমেলো হয়ে গেছে। ফ্রেড, এই যে লুইস গুস্তাভো। মার্সেলো। তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য কেবল একটি গোল বা কিছু একটা প্রয়োজন, কিন্তু... ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [https://web.archive.org/web/20140709072936/http://www.newyorker.com/online/blogs/johncassidy/2014/07/brazil-world-cup-humiliation.html ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * লাম, খেদিরা। আবারো লাম। নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন, এবং তারা তা করলেন! ৬-০! আপনি অবাক হয়ে ভাবছেন জার্মানির জন্য এই সবকিছু কোথায় গিয়ে শেষ হবে? শুরলেও উৎসবে যোগ দিলেন। দর্শকরা এখন সত্যিই দুয়ো দিচ্ছে। আন্দ্রে শুরলে। এর মাঝেই ফ্রেড যখন মাঠ ছাড়ছিলেন তখন তাকে দুয়ো দেওয়া হয়েছিল। শুরলে এই টুর্নামেন্টে তার দ্বিতীয় গোলটি পেলেন, আলজেরিয়ার বিপক্ষেও তিনি একটি করেছিলেন। ৬-০। জার্মানি যেন ব্রাজিলের নাকে ঝামা ঘষে দিচ্ছে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আমার মনে হয় ব্রাজিলের ভক্তদের কাছে এটি এখন এক ধরণের করুণ কৌতূহল। তারা টিকিটের জন্য অনেক টাকা দিয়েছেন, তাই ফলাফল যা-ই হোক তারা এটি শেষ পর্যন্ত দেখতে যাচ্ছেন। আমার মনে হয় না বাড়ি ফিরে গিয়ে তারা এই ম্যাচের রিপ্লে আর দেখবেন। এই জার্মান দলটি আসলে কতটা শক্তিশালী? ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আরও হতে পারে, এই যে শুরলে! আবারো, ওটা সাত নম্বর! ব্রাজিলের জন্য এক চরম অবমাননা, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলো! জার্মানি এখন সপ্তম স্বর্গে! কী দুর্দান্ত এক হিট; জুলিও সিজারের আসলে কিছুই করার ছিল না। বলটি শব্দের গতিতে ছুটছিল। এক বিধ্বস্ত জুলিও সিজার। এক বিধ্বস্ত ব্রাজিল; এক বিধ্বস্ত জাতি। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে এক দলের করা সর্বোচ্চ গোল। মনে হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডেই রেকর্ডগুলো ভেঙে পড়ছে। রামিরেজ। আমার মনে হয় এই খেলোয়াড়রা ফ্র্যাঙ্কলি মাঠ থেকে বেরিয়ে টানেলে চলে যেতে চাইছেন, যা হয়তো ট্রিস্টান দা কুনহা বা অন্য কোথাও গিয়ে শেষ হয়েছে। বার্নার্ডের ক্রস, মার্সেলো। ক্যাপশনে আর জায়গা নেই। সব গোলদাতার নাম দেখানোর জন্য এটিকে বারবার স্ক্রল করতে হবে। বদলি হিসেবে নামার পর আন্দ্রে শুরলের এটি দ্বিতীয় গোল। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://archive.is/uWk2Y ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ব্রাজিলের বিখ্যাত ইতিহাসে তারা কেবল আর একবারই সাতটি গোল হজম করেছিল। সেটি ছিল ১৯৩৪ সালে, যখন তারা যুগোস্লাভিয়ার কাছে ৮-৪ ব্যবধানে হেরেছিল। '''আমরা কি সত্যিই এটা দেখছি? আমার মনে হয় এখানে উপস্থিত সবাই অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। সাত-শূন্য?''' হ্যাঁ, আমারও তাই মনে হচ্ছে। ব্রাজিল যতটা খারাপ খেলেছে, জার্মানি ঠিক ততটাই উজ্জ্বল ছিল। শুরলে। গ্যালারিতে এখন 'ওলে' ধ্বনি উঠছে, এবং আমার মনে হয় ব্রাজিলের সমর্থকরাও এখন তাতে যোগ দিচ্ছে। তারা জার্মানদের করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছে, এছাড়া তারা আর কী-ই বা করতে পারে? কোচ হিসেবে লুইজ ফেলিপে স্কোলারির জন্য এটি চরম এক লজ্জার বিষয়। এই হারের পর সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে? আমরা তো এই বিশ্বকাপ নিয়ে নানা প্রতিবাদের কথা শুনেছি—মানুষ বলছিল অবকাঠামোতে বিনিয়োগ না করে বিশ্বকাপে এই বিপুল অর্থ অপচয় ঠিক হয়নি। সেই প্রতিবাদগুলো কি আবার ফিরে আসবে? এই বিশ্বকাপের পর নিশ্চিতভাবেই দলে বড় ধরণের রদবদল হবে। ঠিক আছে, তারা সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছে, যা ছোট কোনো অর্জন নয়। এই যে লাম, তিনিও উৎসবে যোগ দিতে চাইছেন। শুরলে চাইছেন হ্যাটট্রিক করতে। আপনারা এমন একটি ম্যাচ দেখছেন যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম বিস্ময়কর ম্যাচ হিসেবে লেখা থাকবে। ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * লাইব্রেরির মতোই নিস্তব্ধ। (ব্রাজিল সমর্থকদের স্তব্ধতা বুঝিয়ে) ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * এই যে গোটশে! মারিও গোটশে! 'সুপার মারিও'! তিনি হয়তো জার্মানির জন্য বিশ্বকাপটা জিতে নিলেন! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', জার্মানি বনাম আর্জেন্টিনা (জুলাই ২০১৪)। === K === * '''এক মিনিট? কোন নরক থেকে এক মিনিট (অতিরিক্ত সময়) আসলো?''' (রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে) ** '''''ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যান''''', বেলজিয়াম বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (১ জুলাই ২০১৪)। * আজ রাতে টিম যা খেলেছে তা স্রেফ অবিশ্বাস্য, অনন্য। সে দীর্ঘ সময় আমাদের ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিল। তাকে দলে পেয়ে আমরা গর্বিত। ১২০ মিনিটের এই নাটকীয় লড়াই দর্শকদের সবটুকু বিনোদন দিলেও হেরে বিদায় নেওয়াটা আমাদের জন্য কষ্টের। দিনশেষে বেলজিয়ামকে অভিনন্দন, তারা ভালো খেলেছে। তবে আমি আমার দল নিয়ে গর্বিত। এই বিশ্বকাপে প্রত্যেক খেলোয়াড় তাদের সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে খেলেছে। ** '''''ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যান''''', ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন (১ জুলাই ২০১৪)। === M === * খেলার বয়স প্রায় ১১ মিনিট। '''মাঠে এখনই অনেক জায়গা দেখা যাচ্ছে। ব্রাজিলকে আরও রক্ষণাত্মক হতে হবে, ইয়ান। ডিফেন্স থেকে ফরোয়ার্ড পর্যন্ত তারা এত ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে পারে না। নাহলে জার্মানরা তাদের ছিন্নভিন্ন করে দেবে।''' ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * এটি তো স্রেফ রবিবারের ছুটির মেজাজের গোল; আর রক্ষণভাগও ঠিক তেমনি উদাসীন। একেবারে সহজ, অনেক ধন্যবাদ! কী চমৎকার উপহার! ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * কতটাই না সহজ। গোলের দৃশ্যটি দেখুন। টনি ক্রুস সময় নিয়ে বলটি বাড়ালেন। পাসটি দেখুন। অসাধারণ। মুলারের বুদ্ধিমত্তা। জুলিও সিজার ভালো চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু রিবাউন্ডে ক্লোসা প্রস্তুত ছিলেন। কী সুন্দর গোল, কত সহজ। মাঠজুড়ে দৌড়ানো আর নিখুঁত পাস। '''ব্রাজিলকে সতর্ক হতে হবে; তারা ইতোমধ্যে একবার সতর্কবার্তা পেয়েছে। এভাবে খেলতে থাকলে তারা আরও অনেক গোল হজম করবে।''' তবে মিরোস্লাভ ক্লোসার জন্য এটি এক অভাবনীয় অর্জন। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ওই দেখুন জায়গা, ইয়ান! কী পরিমাণ জায়গা ফাঁকা পড়ে আছে! ওহ, দারুণ শট। কিন্তু ইয়ান, এটা কতটা খারাপ ডিফেন্ডিং ছিল? সাধারণ গোল, তাই না? কেউ কি ক্লোজ ডাউন করছে না? কেউ কি বাধা দিচ্ছে না? ব্রাজিল কি আদৌ সুসংগঠিত? কারণ এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে ১১ জন খেলোয়াড় মাঠে কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই দৌড়াদৌড়ি করছে। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আবারো! ওহ, আপনি কী বলতে পারেন? ফার্নান্দিনহো, নাকি লুইজ গুস্তাভো? মনে হয় ফার্নান্দিনহো। সামি খেদিরার কী চমৎকার এক পাস! মানসিক শক্তির কথা বললে, এটা স্রেফ বরফের মতো ঠান্ডা। টনি ক্রুসের জন্য দ্বিতীয় গোলটি স্রেফ থালায় সাজিয়ে দিলেন। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * হ্যাঁ, তারা (জার্মানি) স্রেফ অনেক বেশি শক্তিশালী। তবে আমি ব্রাজিলকে কখনও এত খারাপ শুরু করতে দেখিনি। এর আগে ফ্রান্স কোয়ার্টার ফাইনালে খুব কমপ্যাক্ট ছিল যাতে জার্মানরা তাদের খেলা খেলতে না পারে। কিন্তু ব্রাজিল মাঠের সবখানে ছড়িয়ে আছে, স্রেফ খোলা মাঠ। আমাদের সবারই ধারণা ছিল জার্মানি জিতবে, কিন্তু এত সহজে জিতবে তা ভাবিনি। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [[:w:ব্রাজিল বনাম জার্মানি (২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ)|ব্রাজিল বনাম জার্মানি]] (৮ জুলাই ২০১৪)। * যখনই তারা রক্ষণভাগ সামলাতে শুরু করছে, ম্যাটস হুমেলস বল নিয়ে ২০ গজ এগিয়ে আসছেন, আর তারপর? আমার মনে হয় ডেভিড লুইজ তার সাথে চ্যালেঞ্জে না গিয়ে স্রেফ এড়িয়ে যাচ্ছেন। '''আপনারা ৪-০ গোলে পিছিয়ে আছেন! একটু আক্রমণাত্মক হোন, কাউকে ট্যাকল করুন! এই ম্যাচে প্রভাব ফেলতে অন্তত কিছু একটা তো করুন!''' ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * '''আমি আশা করি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষজন বসে এই খেলাটি উপভোগ করছেন। কারণ, তারা তাদের বাকি জীবনে বিশ্বকাপের এমন সেমিফাইনাল আর কখনোই দেখবেন না। আমি স্রেফ স্তব্ধ হয়ে গেছি!''' ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ইয়ান, আপনি তো নিজেকে বারবার পুনরাবৃত্তি করছেন, তাই না? কিন্তু এই গোলটির সময় পরিস্থিতি কতটা খারাপ ছিল দেখুন। ওই যে ফাঁকা জায়গা। ফিলিপ লামকে কে মার্ক করছে? কেউ না, কেউ না। দর্শকরা আবারও তাদের ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * '''উইলিয়ানকে দেখে মনে হচ্ছে ৬-০ গোলে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় মাঠে নামতে পেরে তিনি খুশি। আসুন উইলিয়ান, মাঠে নামুন! সাত নম্বর গোলটি করুন, দেশকে গর্বিত করুন!''' হ্যাঁ, জার্মানি আবারও গোল করবে, তাই না? এখনও ২০ মিনিট বাকি আছে। তারা যদি এভাবে চালিয়ে যায়? দেখুন, মার্সেলোকে দেখে মনে হচ্ছে তিনি আর দৌড়াতে পারছেন না। জার্মানি চাইলে আবারও গোল করবে। মনে হচ্ছে ব্রাজিলের মাত্র ৯ জন খেলোয়াড় মাঠে আছে; খেলাটা যেন ১১ বনাম ৯ জনের। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * রক্ষণাত্মক খেলা তো অনেক হলো, কিন্তু এটি সেই সব ধারণা স্রেফ উড়িয়ে দিল। শূন্য-সাত! আমি জানি! '''ভাগ্যিস কয়েকজন খেলোয়াড় একাধিকবার গোল করেছেন, তাই স্কোরবোর্ডে তাদের নামের পাশে শুধু সংখ্যা বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।''' নাহলে সব গোলদাতার নাম লেখার জায়গাই হতো না। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * হ্যাঁ। '''আমরা এক বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে আছি, ইয়ান। আমরা আমাদের সময়ে অনেক ফুটবল ম্যাচ দেখেছি। কিন্তু আমি এমন ম্যাচ আর কখনোই দেখিনি, কিংবা এমন কোনো দৃশ্যের অংশ হইনি। আমি আমার বাকি জীবন এটি মনে রাখব।''' হ্যাঁ, অবশ্যই। ১-০ গোলের রক্ষণাত্মক খেলার চেয়ে ৭ গোলের উৎসব দেখা অনেক ভালো, তাই না? অন্তত দর্শকরা বিনোদন তো পাচ্ছে। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * এই ম্যাচটি ব্যাখ্যা করা কঠিন। এটি জার্মানির পক্ষ থেকে অত্যন্ত ভালো একটি পারফরম্যান্স ছিল। কিন্তু ইয়ান, আপনি আজ ব্রাজিল কতটা খারাপ খেলেছে তা অবমূল্যায়ন করতে পারবেন না। মনে হচ্ছে কোনো অপেশাদার দলের খেলা দেখছি। তাদের মানসিকতা ছিল একেবারেই শোচনীয়। আমি জানি, '''আমি বারবার 'শোচনীয়' বলছি কারণ আমার শব্দ ফুরিয়ে আসছে। তারা স্রেফ হাল ছেড়ে দিয়েছে। মাঠে দৌড়ানো এবং ফুটবল খেলার যে নূন্যতম চেষ্টা, তারা তা সম্পূর্ণভাবে ত্যাগ করেছে।''' ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আজ তাদের প্রচেষ্টার অভাব আমাকে অবাক করেছে। সত্যি বলছি; আপনি রাস্তা থেকে ১০ জন মানুষকে ধরে আনলে তারাও হয়তো এই খেলোয়াড়দের চেয়ে বেশি পরিশ্রম করত। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * হ্যাঁ। এই ম্যাচটি নিয়ে অনেক, অনেক, অনেক বছর ধরে আলোচনা হবে। আমরা যেমন ১৯৫০ সালের সেই ম্যাচ (মারাকানাজো) নিয়ে কথা বলি, এই ম্যাচটিও সেরকম হতে যাচ্ছে। আজ থেকে ৫০ বছর পরও আমরা এই ম্যাচের কথা বলব। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * তারা স্রেফ তোয়ালে ছুড়ে মেরেছে (হাল ছেড়ে দেওয়া); এই হাল তারা ৪০-৫০ মিনিট আগেই ছেড়ে দিয়েছিল। তারা এমনকি বলের কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারছে না। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * দয়া করে আপনাদের টেলিভিশন সেট ঠিক করতে যাবেন না (স্কোরলাইন দেখে বিভ্রান্ত হয়ে)। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ইয়ান, এটি ছিল পুরুষ বনাম কিশোরদের লড়াই। তাই নয় কি? ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * আমরা যেভাবে খেলাটি শুরু করেছিলাম আর যেভাবে শেষ করতে যাচ্ছি, তা স্রেফ অসাধারণ। একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ইয়ান, আমার মনে হয়—এটিই নিশ্চিতভাবে আমাদের দেখা সর্বকালের সেরা বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে। আমরা ভাগ্যবান এবং আমরা এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে পেরে গর্বিত। ** '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''', [http://espn.go.com/watchespn/player/_/id/1844149/ ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। === S === * দেখছেন? আসল কথাটি হলো—আপনারা আমাদের নিয়ে সন্দেহ করছেন? দারুণ। আমাদের অবমূল্যায়ন করছেন? ঠিক আছে। চ্যালেঞ্জের জন্যই আমরা প্রতিদিন জেগে উঠি। কঠোর পরিশ্রমই আমাদের কাজ, আর এটাই আমাদের পরিচয়। ** '''''কিফার সাদারল্যান্ড''''', [https://www.youtube.com/watch?v=6U5XXoUj9Q0 ঘানা বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৬ জুন ২০১৪)। === T === * ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানের জাদুকরী স্পর্শ অব্যাহত রয়েছে! এই আক্রমণটি কে শুরু করছে? ডিয়ান্দ্রে ইয়েডলিন! বাইলাইনের শেষ প্রান্ত থেকে চমৎকার একটি ক্রস পাঠাচ্ছেন! ** '''''টেলর টুয়েলম্যান''''', [http://listenonrepeat.com/watch/?v=CR9ifcaGG8c মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (২২ জুন ২০১৪)। * আপনারা কি আমার সাথে মজা করছেন? টিম হাওয়ার্ড কতবার আমেরিকাকে বাঁচাবেন? আজ রাতে তার পজিশনিং ছিল ত্রুটিহীন। একবারের জন্যও তিনি ভুল দিকে ঝুঁকে পড়েননি। ** '''''টেলর টুয়েলম্যান''''', [https://www.nj.com/soccer-news/2014/07/world_cup_2014_north_brunswicks_tim_howard_heroic_in_loss_to_belgium_as_hometown_cheers_proudly.html "ওয়ার্ল্ড কাপ ২০১৪: টিম হাওয়ার্ড হিরোইক ইন লস টু বেলজিয়াম"], (১ জুলাই ২০১৪)। === W === * এই বিশ্বকাপে তার পঞ্চম গোল! তাকে কে পাহারা দিচ্ছিল? কেউ তাকে মার্ক করেনি! ** '''''স্টিভ উইলসন''''', [https://www.youtube.com/watch?v=jiGdTbo7hw4 ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * তিন নম্বর গোল, টনি ক্রুস! মাত্র ২৫ মিনিটের মধ্যেই ব্রাজিল ভেঙে চুরমার হয়ে গেল! জার্মানি ৩, ব্রাজিল ০! ** '''''স্টিভ উইলসন''''', [https://www.youtube.com/watch?v=jiGdTbo7hw4 ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * ফার্নান্দিনহোর কাছ থেকে বল কেড়ে নেওয়া হলো! জার্মানির হাতে ব্রাজিল এখন চরমভাবে লাঞ্ছিত, অপদস্থ এবং ছিন্নভিন্ন হচ্ছে! ** '''''স্টিভ উইলসন''''', [https://www.youtube.com/watch?v=jiGdTbo7hw4 ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * পাঁচ গোল, শূন্য! পাঁচ-শূন্য! এ এক চূড়ান্ত অবমাননা! ** '''''স্টিভ উইলসন''''', [https://www.youtube.com/watch?v=jiGdTbo7hw4 ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। * শুরলে, ওহ! আন্দ্রে শুরলে, এটা সাত নম্বর গোল! ** '''''স্টিভ উইলসন''''', [https://www.youtube.com/watch?v=jiGdTbo7hw4 ব্রাজিল বনাম জার্মানি] (৮ জুলাই ২০১৪)। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রাজিলের ক্রীড়া ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১৪|ফিফা বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১০-এর দশকের ফুটবল]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১০-এর দশকের দক্ষিণ আমেরিকা]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা]] cufpvr8f54rwqgam24o52ejyp7yewje ২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ 0 12946 81694 78796 2026-04-27T17:22:12Z Oindrojalik Watch 4169 81694 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:Seoul Plaza 2002 FIFA World Cup.jpg|thumb|বিশ্বকাপ চলাকালীন, যখন প্রত্যেক কোরিয়ান কোরিয়া দলের ‘রেড ডেভিল’ সমর্থক হয়ে উঠেছিল, তখন তারা এমন এক অসাধারণ ছাপ ফেলেছিল যে, বিদেশী ভক্তরাও তাদের সেই কর্মকাণ্ডের অংশ হতে ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল। ~মাইকেল ব্রিন]] '''[[:w:২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ|২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]]''' ছিল ফিফা আয়োজিত পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর ১৭তম বিশ্ব আসর। ২০০২ সালের ৩১ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানের মাটিতে যৌথভাবে এই ফুটবল মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। টুর্নামেন্টের জমকালো ফাইনাল ম্যাচটি বসেছিল জাপানের ইয়োকোহামা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। প্রথমবারের মতো এশিয়া মহাদেশে এবং ইউরোপ ও আমেরিকার বাইরে আয়োজিত এই বিশ্বকাপে মোট ৩২টি দল লড়াই করেছিল। চীন, ইকুয়েডর, সেনেগাল এবং স্লোভেনিয়া—এই চারটি দেশের জন্য এটিই ছিল বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম পদার্পণ। == উক্তি == [[চিত্র:Fabian Johnson celebrates goal vs Turkey 2014 (15259946016).jpg|thumb|এই খেলাটি জিততে হলে সত্যিকারের পুরুষ হতে হবে, বুঝেছ? ছোট ছেলেদের মতো খেললে চলবে না। আর [[:w:১৭ জুন, ২০০২|আজকে]] আমরা সেই পৌরুষই প্রমাণ করতে যাচ্ছি। [[:w:মেক্সিকো|এই দলটিকে]] [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমাদের]] হারানোর সক্ষমতা আছে, এবং [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমরা]] তাদের হারাবই। ~ '''''[[:w:ব্রুস এরিনা|ব্রুস এরিনা]]''''']] * এই খেলাটি জিততে হলে সত্যিকারের পুরুষ হতে হবে, বুঝেছ? ছোট ছেলেদের মতো খেললে চলবে না। আর আজকে আমরা সেই পৌরুষই প্রমাণ করতে যাচ্ছি। [[:w:মেক্সিকো|এই দলটিকে]] [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমাদের]] হারানোর সক্ষমতা আছে, এবং [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমরা]] তাদের হারাবই। ** '''''[[:w:ব্রুস এরিনা|ব্রুস এরিনা]]''''', [http://web.archive.org/web/20021208075618/http://www.ussoccer.com/news/fullstory.sps?iNewsid=24347&itype= ''আওয়ার ওয়ে: দ্য এক্সক্লুসিভ বিহাইন্ড-দ্য-সিনস স্টোরি অফ দ্য ইউএসএ’স ২০০২ ওয়ার্ল্ড কাপ জার্নি'']; ডিসেম্বর ২০০২ তারিখে উদ্ধৃত। * বিশ্বকাপের সেই সময়ে [[দক্ষিণ কোরিয়ার]] প্রতিটি মানুষ যখন তাদের জাতীয় দলের সমর্থনে 'রেড ডেভিল' হয়ে উঠেছিল, তখন তারা এমন এক অভাবনীয় আবহ তৈরি করেছিল যে—বিদেশি ভক্তরাও মনেপ্রাণে সেই উন্মাদনার অংশ হতে চেয়েছিলেন। ** '''''[[:w:মাইকেল ব্রিন (লেখক)|মাইকেল ব্রিন]]''''', [https://books.google.com/books?id=0V0ODQAAQBAJ ''দ্য নিউ কোরিয়ানস: দ্য স্টোরি অফ আ নেশন''] (২০১৭), নিউ ইয়র্ক: সেন্ট মার্টিন প্রেস, পৃষ্ঠা ৪১। * অভিজ্ঞ [[:w:আর্নি স্টুয়ার্ট|স্টুয়ার্ট]] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে কর্নার নিচ্ছেন। এই যে [[:w:ব্রায়ান ম্যাকব্রাইড|ব্রায়ান ম্যাকব্রাইড]], বলটি ক্লিয়ার হলো না, [[:w:জন ও'ব্রায়েন|ও'ব্রায়েন]] পেয়ে গেলেন! চার মিনিটের মধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র লিড নিল... পর্তুগাল এখানে একদম খেই হারিয়ে ফেলেছে এবং তারা আবারও ভুল করে বসল। এই যে বল নিয়ে [[:w:ল্যান্ডন ডনোভান|ডনোভান]], ক্রস বাড়ালেন। ডিফ্লেক্টেড হলো এবং গোল! দুই-শূন্য! আপনি কি বিশ্বাস করতে পারছেন না? ল্যান্ডন ডনোভানের ক্রসটি [[:w:জর্জ কস্তা|কস্তার]] গায়ে লেগে ভেতরে ঢুকে গেল। দুই-শূন্য... এই যে [[:w:টনি সানহ|সানহ]]। আমেরিকানদের কী দারুণ শুরু, আর এটি হলো তিন নম্বর গোল! [[:w:ব্রায়ান ম্যাকব্রাইড|ব্রায়ান ম্যাকব্রাইড]]! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=21CuiSWJ4iY মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (৫ জুন ২০০২)। * মাঝমাঠে [[:w:সিগিফ্রেডো মার্কাডো|মার্কাডো]]। পাসটি আটকে দিতে বল ফিরে এলো, [[:w:টনি সানহ|সানহ]] বলটি নিয়ে বাড়ালেন [[:w:ক্লদিও রেইনা|রেইনার]] দিকে। রেইনা আবার বল ঘুরিয়ে দিলেন [[:w:জন ও'ব্রায়েন|ও'ব্রায়েনকে]]। [[:w:এডি লুইস (আমেরিকান ফুটবলার)|লুইস]] লম্বা দৌড়ে ওভারল্যাপ করছেন। ও'ব্রায়েন বলটি ধরে রেখে মাঠের একদম কোণায় পাঠালেন। লুইস দারুণ গতিতে এগোচ্ছেন। তিনি মাঠের কোণ থেকে বল ঘুরিয়ে দিলেন, আর মাঝ বরাবর এগোচ্ছেন [[:w:ল্যান্ডন ডনোভান|ডনোভান]]। বলটি একজনের গায়ে লেগে মাঝখানে আসতেই ডনোভান! গোল! দুই-শূন্য! [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] এগিয়ে... আমেরিকান সকার ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ মুহূর্তটি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর মাত্র আড়াই মিনিট দূরে... ১৯৫০ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো গোল না খেয়ে (শাটআউট) খেলা শেষ করতে যাচ্ছে... 'মুক্ত মানুষের দেশ আর সাহসীদের আবাহন' আজ বিশ্বকাপের সেরা আটে পৌঁছে গেছে! বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে মেক্সিকোকে দুই-শূন্য গোলে হারিয়ে দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র! ** '''''[[:w:জ্যাক এডওয়ার্ডস (স্পোর্টসকাস্টার)|জ্যাক এডওয়ার্ডস]]''''', [http://web.archive.org/web/20021208075618/http://bostinno.streetwise.co/2014/06/05/world-cup-usa-v-portugal-highlights-bruins-announcer-jack-edwards-had-the-play-by-play-call-of-the-greatest-u-s-win-in-world-cup-history-video/ মেক্সিকো বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৭ জুন ২০০২), [[:w:২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ|২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] (২০০২), [[:w:ছনজু বিশ্বকাপ স্টেডিয়াম|ছনজু বিশ্বকাপ স্টেডিয়াম]], [[:w:ছনজু|ছনজু]], [[:w:দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]] * বিশ্বকাপের মঞ্চে আমাদের কাছে হেরে যাচ্ছে দেখে ওরা হতাশ হয়ে পড়েছিল। আমার কথা হলো—তুমি আমায় মাথা দিয়ে ঢুস মারতে পারো, লাথি মারতে পারো কিংবা আঘাত করতে পারো, কিন্তু আমি ঠিকই আবার উঠে দাঁড়াব এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাব। মেক্সিকোর বিরুদ্ধে আমার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি ছিল এই বিশ্বকাপের লড়াই এবং আমি একজন বিজয়ী হিসেবেই মাঠ ছেড়েছিলাম। ** '''''[[:w:কোবি জোন্স|কোবি জোন্স]]''''', [http://web.archive.org/web/20021208075618/http://sports.espn.go.com/los-angeles/worldcup/news/story?id=5312920 "ফ্লাড অফ মেমোরিস ফর জোন্স"] (২২ জুন ২০১০), ''ইএসপিএন''-এ উদ্ধৃত। * আমরা স্রেফ মাঠে নেমেছি এবং কাজটা করে দেখিয়েছি। ** '''''[[:w:টনি সানহ|টনি সানহ]]''''', [https://web.archive.org/web/20021004161441/http://sportsillustrated.cnn.com/soccer/world/2002/world_cup/news/2002/06/04/us_portugal_gamer/ "ইউ.এস. হোল্ডস অন টু আপসেট পর্তুগাল ৩-২ অ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ"] (৫ জুন ২০০২), ''স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেডে'' উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == * {{Wikipedia-inline}} [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:জাপানে ২১তম শতাব্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:দক্ষিণ কোরিয়ায় ২১তম শতাব্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:অ্যাসোসিয়েশন ফুটবলের ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:২০০২|ফিফা বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ায় ২০০০-এর দশক]] qr9qfel59bcwi1bb9bhxdmsi1fjmhc9 81695 81694 2026-04-27T17:36:04Z Oindrojalik Watch 4169 81695 wikitext text/x-wiki [[File:Seoul Plaza 2002 FIFA World Cup.jpg|thumb|বিশ্বকাপ চলাকালীন, যখন প্রত্যেক কোরিয়ান তাদের কোরিয়া দলের ‘রেড ডেভিল’ সমর্থক হয়ে উঠেছিল, তখন তারা এমন এক অসাধারণ ছাপ ফেলেছিল যে, বিদেশী ভক্তরাও তাদের সেই কর্মকাণ্ডের অংশ হতে একদম ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল। ~মাইকেল ব্রিন]] '''[[w:২০০২_ফিফা_বিশ্বকাপ|২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]]''' ছিল ফিফা আয়োজিত পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর ১৭তম বিশ্ব আসর। ২০০২ সালের ৩১ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত [[w:দক্ষিণ_কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]] এবং [[w:জাপান|জাপানের]] মাটিতে যৌথভাবে এই [[w:ফুটবল|ফুটবল]] মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। টুর্নামেন্টের জমকালো ফাইনাল ম্যাচটি বসেছিল জাপানের ইয়োকোহামা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। প্রথমবারের মতো এশিয়া মহাদেশে এবং ইউরোপ ও আমেরিকার বাইরে আয়োজিত এই বিশ্বকাপে মোট ৩২টি দল লড়াই করেছিল। চীন, ইকুয়েডর, সেনেগাল এবং স্লোভেনিয়া—এই চারটি দেশের জন্য এটিই ছিল বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম পদার্পণ। == উক্তি == [[চিত্র:Fabian Johnson celebrates goal vs Turkey 2014 (15259946016).jpg|thumb|এই খেলাটি জিততে হলে সত্যিকারের পুরুষ হতে হবে, বুঝেছ? ছোট ছেলেদের মতো খেললে চলবে না। আর আজকে আমরা সেই পৌরুষই প্রমাণ করতে যাচ্ছি। এই দলটিকে ([[w:মেক্সিকো_জাতীয়_ফুটবল_দল|মেক্সিকো জাতীয় ফুটবল দল]]) আমাদের ([[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র_জাতীয়_পুরুষ_ফুটবল_দল|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পুরুষ ফুটবল দল]]) হারানোর সক্ষমতা আছে, এবং [[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র_জাতীয়_পুরুষ_ফুটবল_দল|আমরা]] তাদের হারাবই। ~ '''''ব্রুস এরিনা''''']] * এই খেলাটি জিততে হলে সত্যিকারের পুরুষ হতে হবে, বুঝেছ? ছোট ছেলেদের মতো খেললে চলবে না। আর আজকে আমরা সেই পৌরুষই প্রমাণ করতে যাচ্ছি। এই দলটিকে ([[w:মেক্সিকো_জাতীয়_ফুটবল_দল|মেক্সিকো জাতীয় ফুটবল দল]]) আমাদের ([[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র_জাতীয়_পুরুষ_ফুটবল_দল|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পুরুষ ফুটবল দল]]) হারানোর সক্ষমতা আছে, এবং [[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র_জাতীয়_পুরুষ_ফুটবল_দল|আমরা]] তাদের হারাবই। ** '''''ব্রুস এরিনা''''', [http://web.archive.org/web/20021208075618/http://www.ussoccer.com/news/fullstory.sps?iNewsid=24347&itype= ''আওয়ার ওয়ে: দ্য এক্সক্লুসিভ বিহাইন্ড-দ্য-সিনস স্টোরি অফ দ্য ইউএসএ’স ২০০২ ওয়ার্ল্ড কাপ জার্নি'']; ডিসেম্বর ২০০২ তারিখে উদ্ধৃত। * বিশ্বকাপের সেই সময়ে [[দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়ার]] প্রতিটি মানুষ যখন তাদের জাতীয় দলের সমর্থনে 'রেড ডেভিল' হয়ে উঠেছিল, তখন তারা এমন এক অভাবনীয় আবহ তৈরি করেছিল যে—বিদেশি ভক্তরাও মনেপ্রাণে সেই উন্মাদনার অংশ হতে চেয়েছিলেন। ** '''''মাইকেল ব্রিন''''', [https://books.google.com/books?id=0V0ODQAAQBAJ ''দ্য নিউ কোরিয়ানস: দ্য স্টোরি অফ আ নেশন''] (২০১৭), নিউ ইয়র্ক: সেন্ট মার্টিন প্রেস, পৃষ্ঠা ৪১। * অভিজ্ঞ স্টুয়ার্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে কর্নার নিচ্ছেন। এই যে ব্রায়ান ম্যাকব্রাইড, বলটি ক্লিয়ার হলো না, জন ও'ব্রায়েন পেয়ে গেলেন! চার মিনিটের মধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র লিড নিল... পর্তুগাল এখানে একদম খেই হারিয়ে ফেলেছে এবং তারা আবারও ভুল করে বসল। এই যে বল নিয়ে ডনোভান, ক্রস বাড়ালেন। ডিফ্লেক্টেড হলো এবং গোললল!!! দুই-শূন্য! আপনারা কি বিশ্বাস করতে পারছেন না? ল্যান্ডন ডনোভানের ক্রসটি কস্তার গায়ে লেগে ভেতরে ঢুকে গেল। দুই-শূন্য... এই যে সানাহ। আমেরিকানদের কী দারুণ সূচনা, আর এটি হলো তিন নম্বর গোল! ব্রায়ান ম্যাকব্রাইড! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=21CuiSWJ4iY মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (৫ জুন ২০০২)। * মাঝ মাঠে মার্কাডো। পাসটি আটকে দিতে বল ফিরে এলো, সানহ বলটি নিয়ে বাড়ালেন ক্লদিও রেইনার দিকে। রেইনা আবার বল ঘুরিয়ে দিলেন ও'ব্রায়েনকে। লুইস লম্বা দৌড়ে ওভারল্যাপ করছেন। ও'ব্রায়েন বলটি ধরে রেখে মাঠের একদম কোণায় পাঠালেন। লুইস দারুণ গতিতে এগোচ্ছেন। তিনি মাঠের কোণা থেকে বল ঘুরিয়ে দিলেন, এবার মাঝ বরাবর এগিয়ে যাচ্ছেন ডনোভান। বলটি একজনের গায়ে লেগে মাঝখানে আসতেই ডনোভান! গোলল!! দুই-শূন্য! [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] এগিয়ে... আমেরিকান সকার ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ মুহূর্তটি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর মাত্র আড়াই মিনিট দূরে!... ১৯৫০ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো গোল না খেয়ে (শাটআউট) খেলা শেষ করতে যাচ্ছে... 'মুক্ত মানুষের দেশ আর সাহসীদের আবাহন' আজ বিশ্বকাপের সেরা আটে পৌঁছে গেছে! বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে মেক্সিকোকে দুই-শূন্য গোলে হারিয়ে দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র! ** '''''জ্যাক এডওয়ার্ডস''''', [http://web.archive.org/web/20021208075618/http://bostinno.streetwise.co/2014/06/05/world-cup-usa-v-portugal-highlights-bruins-announcer-jack-edwards-had-the-play-by-play-call-of-the-greatest-u-s-win-in-world-cup-history-video/ মেক্সিকো বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৭ জুন ২০০২), [[:w:২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ|২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] (২০০২), ছনজু বিশ্বকাপ স্টেডিয়াম, ছনজু, [[:w:দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]] * বিশ্বকাপের মঞ্চে আমাদের কাছে হেরে যাচ্ছে দেখে ওরা হতাশ হয়ে পড়েছিল। আমার কথা হলো—তুমি আমায় মাথা দিয়ে ঢুস মারতে পারো, লাথি মারতে পারো কিংবা আঘাত করতে পারো, কিন্তু আমি ঠিকই আবার উঠে দাঁড়াব এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাব। মেক্সিকোর বিরুদ্ধে আমার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি ছিল এই বিশ্বকাপের লড়াই এবং আমি একজন বিজয়ী হিসেবেই মাঠ ছেড়েছিলাম। ** '''''কোবি জোন্স''''', [http://web.archive.org/web/20021208075618/http://sports.espn.go.com/los-angeles/worldcup/news/story?id=5312920 "ফ্লাড অফ মেমোরিস ফর জোন্স"] (২২ জুন ২০১০), ''ইএসপিএন''-এ উদ্ধৃত। * আমরা স্রেফ মাঠে নেমেছি এবং কাজটা করেও দেখিয়েছি। ** '''''টনি সানহ''''', [https://web.archive.org/web/20021004161441/http://sportsillustrated.cnn.com/soccer/world/2002/world_cup/news/2002/06/04/us_portugal_gamer/ "ইউ.এস. হোল্ডস অন টু আপসেট পর্তুগাল ৩-২ অ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ"] (৫ জুন ২০০২), ''স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেডে'' উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == * {{Wikipedia-inline}} [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:জাপানে ২১তম শতাব্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:দক্ষিণ কোরিয়ায় ২১তম শতাব্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:অ্যাসোসিয়েশন ফুটবলের ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:২০০২|ফিফা বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ায় ২০০০-এর দশক]] ae04mxh07l3ndz9kbrywr74amv6muq4 81696 81695 2026-04-27T17:41:38Z Oindrojalik Watch 4169 81696 wikitext text/x-wiki [[File:Seoul Plaza 2002 FIFA World Cup.jpg|thumb|বিশ্বকাপ চলাকালীন, যখন প্রত্যেক কোরিয়ান তাদের কোরিয়া দলের ‘রেড ডেভিল’ সমর্থক হয়ে উঠেছিল, তখন তারা এমন এক অসাধারণ ছাপ ফেলেছিল যে, বিদেশী ভক্তরাও তাদের সেই কর্মকাণ্ডের অংশ হতে একদম ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল। ~মাইকেল ব্রিন]] '''[[w:২০০২_ফিফা_বিশ্বকাপ|২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]]''' ছিল ফিফা আয়োজিত পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর ১৭তম বিশ্ব আসর। ২০০২ সালের ৩১ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত [[w:দক্ষিণ_কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]] এবং [[w:জাপান|জাপানের]] মাটিতে যৌথভাবে এই [[w:ফুটবল|ফুটবল]] মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। টুর্নামেন্টের জমকালো ফাইনাল ম্যাচটি বসেছিল জাপানের [[w:নিসান_স্টেডিয়াম_(ইয়োকোহামা)|ইয়োকোহামা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে]]। প্রথমবারের মতো [[w:এশিয়া|এশিয়া মহাদেশে]] এবং [[ইউরোপ]] ও [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] বাইরে আয়োজিত এই বিশ্বকাপে মোট ৩২টি দল লড়াই করেছিল। [[চীন]], [[ইকুয়েডর]], [[w:সেনেগাল|সেনেগাল]] এবং [[w:স্লোভেনিয়া|স্লোভেনিয়া]]—এই চারটি দেশের জন্য এটিই ছিল বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম পদার্পণ। == উক্তি == [[চিত্র:Fabian Johnson celebrates goal vs Turkey 2014 (15259946016).jpg|thumb|এই খেলাটি জিততে হলে সত্যিকারের পুরুষ হতে হবে, বুঝেছ? ছোট ছেলেদের মতো খেললে চলবে না। আর আজকে আমরা সেই পৌরুষই প্রমাণ করতে যাচ্ছি। এই দলটিকে ([[w:মেক্সিকো_জাতীয়_ফুটবল_দল|মেক্সিকো জাতীয় ফুটবল দল]]) আমাদের ([[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র_জাতীয়_পুরুষ_ফুটবল_দল|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পুরুষ ফুটবল দল]]) হারানোর সক্ষমতা আছে, এবং [[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র_জাতীয়_পুরুষ_ফুটবল_দল|আমরা]] তাদের হারাবই। ~ '''''ব্রুস এরিনা''''']] * এই খেলাটি জিততে হলে সত্যিকারের পুরুষ হতে হবে, বুঝেছ? ছোট ছেলেদের মতো খেললে চলবে না। আর আজকে আমরা সেই পৌরুষই প্রমাণ করতে যাচ্ছি। এই দলটিকে ([[w:মেক্সিকো_জাতীয়_ফুটবল_দল|মেক্সিকো জাতীয় ফুটবল দল]]) আমাদের ([[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র_জাতীয়_পুরুষ_ফুটবল_দল|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পুরুষ ফুটবল দল]]) হারানোর সক্ষমতা আছে, এবং [[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র_জাতীয়_পুরুষ_ফুটবল_দল|আমরা]] তাদের হারাবই। ** '''''ব্রুস এরিনা''''', [http://web.archive.org/web/20021208075618/http://www.ussoccer.com/news/fullstory.sps?iNewsid=24347&itype= ''আওয়ার ওয়ে: দ্য এক্সক্লুসিভ বিহাইন্ড-দ্য-সিনস স্টোরি অফ দ্য ইউএসএ’স ২০০২ ওয়ার্ল্ড কাপ জার্নি'']; ডিসেম্বর ২০০২ তারিখে উদ্ধৃত। * বিশ্বকাপের সেই সময়ে [[দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়ার]] প্রতিটি মানুষ যখন তাদের জাতীয় দলের সমর্থনে 'রেড ডেভিল' হয়ে উঠেছিল, তখন তারা এমন এক অভাবনীয় আবহ তৈরি করেছিল যে—বিদেশি ভক্তরাও মনেপ্রাণে সেই উন্মাদনার অংশ হতে চেয়েছিলেন। ** '''''মাইকেল ব্রিন''''', [https://books.google.com/books?id=0V0ODQAAQBAJ ''দ্য নিউ কোরিয়ানস: দ্য স্টোরি অফ আ নেশন''] (২০১৭), নিউ ইয়র্ক: সেন্ট মার্টিন প্রেস, পৃষ্ঠা ৪১। * অভিজ্ঞ স্টুয়ার্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে কর্নার নিতে যাচ্ছেন। এই যে ব্রায়ান ম্যাকব্রাইড, বলটি তবে ক্লিয়ার হলো না, এইতো জন ও'ব্রায়েন পেয়ে গেলেন! চার মিনিটের মধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র লিড নিয়ে নিল... পর্তুগাল এখন একদম খেই হারিয়ে ফেলেছে এবং তারা আবারও ভুল করে বসল। এই যে বল নিলেন ডনোভান, ক্রস বাড়ালেন। ডিফ্লেক্টেড হলো এবং গোললল!!! দুই-শূন্য! আপনারা কি বিশ্বাস করতে পারছেন না? ল্যান্ডন ডনোভানের ক্রসটি কস্তার গায়ে লেগে ভেতরে ঢুকে গেল। দুই-শূন্য... এই যে সানাহ। আমেরিকানদের কী দারুণ সূচনা, আর এটি হলো তিন নম্বর গোল! ব্রায়ান ম্যাকব্রাইড! ** '''''ইয়ান ডার্ক''''', [http://www.listenonrepeat.com/watch/?v=21CuiSWJ4iY মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পর্তুগাল] (৫ জুন ২০০২)। * মাঝ মাঠে মার্কাডো। পাসটি আটকে দিতে বল ফিরে এলো, সানহ বলটি নিয়ে বাড়ালেন ক্লদিও রেইনার দিকে। রেইনা আবার বল ঘুরিয়ে দিলেন ও'ব্রায়েনকে। লুইস লম্বা দৌড়ে ওভারল্যাপ করছেন। ও'ব্রায়েন বলটি ধরে রেখে মাঠের একদম কোণায় পাঠালেন। লুইস দারুণ গতিতে এগোচ্ছেন। তিনি মাঠের কোণা থেকে বল ঘুরিয়ে দিলেন, এবার মাঝ বরাবর এগিয়ে যাচ্ছেন ডনোভান। বলটি একজনের গায়ে লেগে মাঝখানে আসতেই ডনোভান! গোলল!! দুই-শূন্য! [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] এগিয়ে... আমেরিকান সকার ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ মুহূর্তটি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর মাত্র আড়াই মিনিট দূরে!... ১৯৫০ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো গোল না খেয়ে (শাটআউট) খেলা শেষ করতে যাচ্ছে... 'মুক্ত মানুষের দেশ আর সাহসীদের আবাহন' আজ বিশ্বকাপের সেরা আটে পৌঁছে গেছে! বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে মেক্সিকোকে দুই-শূন্য গোলে হারিয়ে দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র! ** '''''জ্যাক এডওয়ার্ডস''''', [http://web.archive.org/web/20021208075618/http://bostinno.streetwise.co/2014/06/05/world-cup-usa-v-portugal-highlights-bruins-announcer-jack-edwards-had-the-play-by-play-call-of-the-greatest-u-s-win-in-world-cup-history-video/ মেক্সিকো বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র] (১৭ জুন ২০০২), [[:w:২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ|২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] (২০০২), ছনজু বিশ্বকাপ স্টেডিয়াম, ছনজু, [[:w:দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]] * বিশ্বকাপের মঞ্চে আমাদের কাছে হেরে যাচ্ছে দেখে ওরা হতাশ হয়ে পড়েছিল। আমার কথা হলো—তুমি আমায় মাথা দিয়ে ঢুস মারতে পারো, লাথি মারতে পারো কিংবা আঘাত করতে পারো, কিন্তু আমি ঠিকই আবার উঠে দাঁড়াব এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাব। মেক্সিকোর বিরুদ্ধে আমার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি ছিল এই বিশ্বকাপের লড়াই এবং আমি একজন বিজয়ী হিসেবেই মাঠ ছেড়েছিলাম। ** '''''কোবি জোন্স''''', [http://web.archive.org/web/20021208075618/http://sports.espn.go.com/los-angeles/worldcup/news/story?id=5312920 "ফ্লাড অফ মেমোরিস ফর জোন্স"] (২২ জুন ২০১০), ''ইএসপিএন''-এ উদ্ধৃত। * আমরা স্রেফ মাঠে নেমেছি এবং কাজটা করেও দেখিয়েছি। ** '''''টনি সানহ''''', [https://web.archive.org/web/20021004161441/http://sportsillustrated.cnn.com/soccer/world/2002/world_cup/news/2002/06/04/us_portugal_gamer/ "ইউ.এস. হোল্ডস অন টু আপসেট পর্তুগাল ৩-২ অ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ"] (৫ জুন ২০০২), ''স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেডে'' উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == * {{Wikipedia-inline}} [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:জাপানে ২১তম শতাব্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:দক্ষিণ কোরিয়ায় ২১তম শতাব্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:অ্যাসোসিয়েশন ফুটবলের ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:২০০২|ফিফা বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ায় ২০০০-এর দশক]] 0cz3iuwdrqu743r2o97bert8z01szk4 ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ 0 12947 81699 78797 2026-04-27T18:05:38Z Oindrojalik Watch 4169 81699 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:Watching South Africa & Mexico match at World Cup 2010-06-11 in Soweto 7.jpg|thumb|তুমি সম্মুখ সারিতে আছো। সবাই দেখছে। তুমি জানো পরিস্থিতি গুরুতর, আমরা আরও কাছে চলে আসছি, এটা এখনো শেষ হয়নি।~শাকিরা]] '''[[:w:২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ|২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]]''' ছিল পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ, ১৯তম ফিফা বিশ্বকাপ । এটি ২০১০ সালের ১১ জুন থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত [[:w:দক্ষিণ আফ্রিকা|দক্ষিণ আফ্রিকায়]] অনুষ্ঠিত হয়েছিল। টুর্নামেন্টের ফাইনাল আয়োজনের জন্য বিডিং প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র আফ্রিকান দেশগুলোর জন্য উন্মুক্ত ছিল। ২০০৪ সালে, আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন, [[:w:ফিফা|ফিফা]] , [[:w:মিশর|মিশর]] ও [[:w:মরক্কো|মরক্কোকে]] পেছনে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ফাইনাল আয়োজনকারী প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে নির্বাচিত করে। ফাইনালে, ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন স্পেন , তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে পরাজিত [[:w:নেদারল্যান্ডস|নেদারল্যান্ডসকে]] অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে হারিয়ে তাদের প্রথম বিশ্ব শিরোপা জয় করে। স্পেন এই টুর্নামেন্ট জয়ী অষ্টম দেশ এবং নিজ মহাদেশের বাইরে আয়োজিত বিশ্বকাপ জেতা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে ইতিহাস গড়ে; এর আগে ইউরোপের বাইরে অনুষ্ঠিত সমস্ত বিশ্বকাপেই [[:w:দক্ষিণ আমেরিকা|দক্ষিণ আমেরিকার]] দেশগুলো বিজয়ী হয়েছিল। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == উক্তি == [[চিত্র:Philipp Lahm lifts the 2014 FIFA World Cup.jpg|thumb|upright|এই যে [[:w:মারিও গোটজে|গোটজে]]! তিনি [[:w:মারিও গোটজে|মারিও গোটজে]]! তিনি [[:w:মারিও গোটজে|সুপার মারিও]]! [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] হয়ে সম্ভবত [[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ|বিশ্বকাপটি]] তিনিই জিতে নিলেন! ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Crying boy.jpg|thumb|upright|বিরতির আগেই যে চোখের জল ঝরবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। কেউ ভাবেনি যে রাতের ডিনারের আগেই রাজপথে পতাকায় আগুন জ্বলবে। ~ '''''[[:w:স্যাম বোর্ডেন|স্যাম বোর্ডেন]]''''']] [[চিত্র:Stadion Belo Horizonte Halbfinale WM 2014 (22117986076).jpg|thumb|upright|মাঠে ইতিমধ্যেই অনেক ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়েছে। ব্রাজিলকে রক্ষণ আর আক্রমণের দূরত্ব কমিয়ে আরও আটসাট হয়ে খেলতে হবে, '''''ইয়ান'''''। তারা এভাবে ছন্নছাড়া হয়ে থাকতে পারে না; অন্যথায় জার্মানরা তাদের ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলবে। ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 07.jpg|thumb|upright|পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে; [[:w:সামি খেদিরা|খেদিরা]] বল পাস দিলেন ভেতরে। ওহ! চার-শূন্য! অবিশ্বাস্য! আবারও [[:w:টনি ক্রুস|ক্রুস]]! ব্রাজিল স্রেফ মাঠের বাইরে ছিটকে যাচ্ছে! এটি সত্যিই বিস্ময়কর। ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] fyqrffpej85qteumw1rji60g2w2fxpj 81700 81699 2026-04-27T18:05:59Z Oindrojalik Watch 4169 81700 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:Watching South Africa & Mexico match at World Cup 2010-06-11 in Soweto 7.jpg|thumb|তুমি সম্মুখ সারিতে আছো। সবাই দেখছে। তুমি জানো পরিস্থিতি গুরুতর, আমরা আরও কাছে চলে আসছি, এটা এখনো শেষ হয়নি।~শাকিরা]] '''[[:w:২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ|২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]]''' ছিল পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ, ১৯তম ফিফা বিশ্বকাপ । এটি ২০১০ সালের ১১ জুন থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত [[:w:দক্ষিণ আফ্রিকা|দক্ষিণ আফ্রিকায়]] অনুষ্ঠিত হয়েছিল। টুর্নামেন্টের ফাইনাল আয়োজনের জন্য বিডিং প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র আফ্রিকান দেশগুলোর জন্য উন্মুক্ত ছিল। ২০০৪ সালে, আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন, [[:w:ফিফা|ফিফা]] , [[:w:মিশর|মিশর]] ও [[:w:মরক্কো|মরক্কোকে]] পেছনে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ফাইনাল আয়োজনকারী প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে নির্বাচিত করে। ফাইনালে, ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন স্পেন , তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে পরাজিত [[:w:নেদারল্যান্ডস|নেদারল্যান্ডসকে]] অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে হারিয়ে তাদের প্রথম বিশ্ব শিরোপা জয় করে। স্পেন এই টুর্নামেন্ট জয়ী অষ্টম দেশ এবং নিজ মহাদেশের বাইরে আয়োজিত বিশ্বকাপ জেতা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে ইতিহাস গড়ে; এর আগে ইউরোপের বাইরে অনুষ্ঠিত সমস্ত বিশ্বকাপেই [[:w:দক্ষিণ আমেরিকা|দক্ষিণ আমেরিকার]] দেশগুলো বিজয়ী হয়েছিল। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == উক্তি == [[চিত্র:Philipp Lahm lifts the 2014 FIFA World Cup.jpg|thumb|upright|এই যে [[:w:মারিও গোটজে|গোটজে]]! তিনি [[:w:মারিও গোটজে|মারিও গোটজে]]! তিনি [[:w:মারিও গোটজে|সুপার মারিও]]! [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] হয়ে সম্ভবত [[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ|বিশ্বকাপটি]] তিনিই জিতে নিলেন! ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Crying boy.jpg|thumb|upright|বিরতির আগেই যে চোখের জল ঝরবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। কেউ ভাবেনি যে রাতের ডিনারের আগেই রাজপথে পতাকায় আগুন জ্বলবে। ~ '''''[[:w:স্যাম বোর্ডেন|স্যাম বোর্ডেন]]''''']] [[চিত্র:Stadion Belo Horizonte Halbfinale WM 2014 (22117986076).jpg|thumb|upright|মাঠে ইতিমধ্যেই অনেক ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়েছে। ব্রাজিলকে রক্ষণ আর আক্রমণের দূরত্ব কমিয়ে আরও আটসাট হয়ে খেলতে হবে, '''''ইয়ান'''''। তারা এভাবে ছন্নছাড়া হয়ে থাকতে পারে না; অন্যথায় জার্মানরা তাদের ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলবে। ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 07.jpg|thumb|upright|পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে; [[:w:সামি খেদিরা|খেদিরা]] বল পাস দিলেন ভেতরে। ওহ! চার-শূন্য! অবিশ্বাস্য! আবারও [[:w:টনি ক্রুস|ক্রুস]]! ব্রাজিল স্রেফ মাঠের বাইরে ছিটকে যাচ্ছে! এটি সত্যিই বিস্ময়কর। ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Alemanha7x1brasil.jpg|thumb|upright|আর এই হলো তিন নম্বর গোল, [[:w:টনি ক্রুস|টনি ক্রুস]]! জার্মানরা আজ রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে! ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 11.jpg|thumb|upright|আসলে আমরা দুজনেই নিজেদের চিমটি কেটে দেখছি যে এটি স্বপ্ন না বাস্তব। আমার মনে হয় এখানে উপস্থিত সবাই একই কাজ করছেন। সাত-শূন্য? ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 03.jpg|thumb|upright|খেদিরা বলটি বাড়িয়ে দিলেন সাইডলাইনে, [[:w:মেসুত ওজিল|ওজিল]]! আবারও খেদিরা! পাঁচ-শূন্য! এটি পুরোপুরি বিশ্বাসের অতীত! এই গোল উৎসব কোথায় গিয়ে থামবে? ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 07.jpg|thumb|upright|তোমরা চার-শূন্য গোলে পিছিয়ে আছো! মাঠে একটু আগ্রাসী হও, প্রতিপক্ষকে বাধা দাও! এই খেলার মোড় ঘোরানোর জন্য অন্তত কিছু একটা তো করো! ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 12.jpg|thumb|upright|ব্রাজিলকে সতর্ক হতে হবে; তাদের ইতিমধ্যেই হুঁশিয়ার করা হয়েছে। যদি তারা এভাবেই খেলতে থাকে, তবে হারের ব্যবধান আরও অনেক বড় হতে যাচ্ছে। ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] 0ycab6agf2mer6a9y8woky56hd4qa4d 81705 81700 2026-04-27T19:01:35Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা বিশ্বকাপ]] যোগ 81705 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:Watching South Africa & Mexico match at World Cup 2010-06-11 in Soweto 7.jpg|thumb|তুমি সম্মুখ সারিতে আছো। সবাই দেখছে। তুমি জানো পরিস্থিতি গুরুতর, আমরা আরও কাছে চলে আসছি, এটা এখনো শেষ হয়নি।~শাকিরা]] '''[[:w:২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ|২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]]''' ছিল পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ, ১৯তম ফিফা বিশ্বকাপ । এটি ২০১০ সালের ১১ জুন থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত [[:w:দক্ষিণ আফ্রিকা|দক্ষিণ আফ্রিকায়]] অনুষ্ঠিত হয়েছিল। টুর্নামেন্টের ফাইনাল আয়োজনের জন্য বিডিং প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র আফ্রিকান দেশগুলোর জন্য উন্মুক্ত ছিল। ২০০৪ সালে, আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন, [[:w:ফিফা|ফিফা]] , [[:w:মিশর|মিশর]] ও [[:w:মরক্কো|মরক্কোকে]] পেছনে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ফাইনাল আয়োজনকারী প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে নির্বাচিত করে। ফাইনালে, ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন স্পেন , তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে পরাজিত [[:w:নেদারল্যান্ডস|নেদারল্যান্ডসকে]] অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে হারিয়ে তাদের প্রথম বিশ্ব শিরোপা জয় করে। স্পেন এই টুর্নামেন্ট জয়ী অষ্টম দেশ এবং নিজ মহাদেশের বাইরে আয়োজিত বিশ্বকাপ জেতা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে ইতিহাস গড়ে; এর আগে ইউরোপের বাইরে অনুষ্ঠিত সমস্ত বিশ্বকাপেই [[:w:দক্ষিণ আমেরিকা|দক্ষিণ আমেরিকার]] দেশগুলো বিজয়ী হয়েছিল। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == উক্তি == [[চিত্র:Philipp Lahm lifts the 2014 FIFA World Cup.jpg|thumb|upright|এই যে [[:w:মারিও গোটজে|গোটজে]]! তিনি [[:w:মারিও গোটজে|মারিও গোটজে]]! তিনি [[:w:মারিও গোটজে|সুপার মারিও]]! [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] হয়ে সম্ভবত [[:w:২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ|বিশ্বকাপটি]] তিনিই জিতে নিলেন! ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Crying boy.jpg|thumb|upright|বিরতির আগেই যে চোখের জল ঝরবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। কেউ ভাবেনি যে রাতের ডিনারের আগেই রাজপথে পতাকায় আগুন জ্বলবে। ~ '''''[[:w:স্যাম বোর্ডেন|স্যাম বোর্ডেন]]''''']] [[চিত্র:Stadion Belo Horizonte Halbfinale WM 2014 (22117986076).jpg|thumb|upright|মাঠে ইতিমধ্যেই অনেক ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়েছে। ব্রাজিলকে রক্ষণ আর আক্রমণের দূরত্ব কমিয়ে আরও আটসাট হয়ে খেলতে হবে, '''''ইয়ান'''''। তারা এভাবে ছন্নছাড়া হয়ে থাকতে পারে না; অন্যথায় জার্মানরা তাদের ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলবে। ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 07.jpg|thumb|upright|পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে; [[:w:সামি খেদিরা|খেদিরা]] বল পাস দিলেন ভেতরে। ওহ! চার-শূন্য! অবিশ্বাস্য! আবারও [[:w:টনি ক্রুস|ক্রুস]]! ব্রাজিল স্রেফ মাঠের বাইরে ছিটকে যাচ্ছে! এটি সত্যিই বিস্ময়কর। ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Alemanha7x1brasil.jpg|thumb|upright|আর এই হলো তিন নম্বর গোল, [[:w:টনি ক্রুস|টনি ক্রুস]]! জার্মানরা আজ রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে! ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 11.jpg|thumb|upright|আসলে আমরা দুজনেই নিজেদের চিমটি কেটে দেখছি যে এটি স্বপ্ন না বাস্তব। আমার মনে হয় এখানে উপস্থিত সবাই একই কাজ করছেন। সাত-শূন্য? ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 03.jpg|thumb|upright|খেদিরা বলটি বাড়িয়ে দিলেন সাইডলাইনে, [[:w:মেসুত ওজিল|ওজিল]]! আবারও খেদিরা! পাঁচ-শূন্য! এটি পুরোপুরি বিশ্বাসের অতীত! এই গোল উৎসব কোথায় গিয়ে থামবে? ~ '''''ইয়ান ডার্ক''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 07.jpg|thumb|upright|তোমরা চার-শূন্য গোলে পিছিয়ে আছো! মাঠে একটু আগ্রাসী হও, প্রতিপক্ষকে বাধা দাও! এই খেলার মোড় ঘোরানোর জন্য অন্তত কিছু একটা তো করো! ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[চিত্র:Brazil vs Germany, in Belo Horizonte 12.jpg|thumb|upright|ব্রাজিলকে সতর্ক হতে হবে; তাদের ইতিমধ্যেই হুঁশিয়ার করা হয়েছে। যদি তারা এভাবেই খেলতে থাকে, তবে হারের ব্যবধান আরও অনেক বড় হতে যাচ্ছে। ~ '''''স্টিভ ম্যাকমানামান''''']] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা বিশ্বকাপ]] p75o8clynaetr5ha9kc6nmlfr0u3dwp 81775 81705 2026-04-28T01:28:45Z Oindrojalik Watch 4169 পরিষ্কারকরণ 81775 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:Watching South Africa & Mexico match at World Cup 2010-06-11 in Soweto 7.jpg|thumb|তুমি সম্মুখ সারিতে আছো। সবাই দেখছে। তুমি জানো পরিস্থিতি গুরুতর, আমরা আরও কাছে চলে আসছি, এটা এখনো শেষ হয়নি।~শাকিরা]] '''[[:w:২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ|২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]]''' ছিল পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ, ১৯তম ফিফা বিশ্বকাপ । এটি ২০১০ সালের ১১ জুন থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত [[:w:দক্ষিণ আফ্রিকা|দক্ষিণ আফ্রিকায়]] অনুষ্ঠিত হয়েছিল। টুর্নামেন্টের ফাইনাল আয়োজনের জন্য বিডিং প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র আফ্রিকান দেশগুলোর জন্য উন্মুক্ত ছিল। ২০০৪ সালে, আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন, [[:w:ফিফা|ফিফা]] , [[:w:মিশর|মিশর]] ও [[:w:মরক্কো|মরক্কোকে]] পেছনে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ফাইনাল আয়োজনকারী প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে নির্বাচিত করে। ফাইনালে, ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন স্পেন , তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে পরাজিত [[:w:নেদারল্যান্ডস|নেদারল্যান্ডসকে]] অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে হারিয়ে তাদের প্রথম বিশ্ব শিরোপা জয় করে। স্পেন এই টুর্নামেন্ট জয়ী অষ্টম দেশ এবং নিজ মহাদেশের বাইরে আয়োজিত বিশ্বকাপ জেতা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে ইতিহাস গড়ে; এর আগে ইউরোপের বাইরে অনুষ্ঠিত সমস্ত বিশ্বকাপেই [[:w:দক্ষিণ আমেরিকা|দক্ষিণ আমেরিকার]] দেশগুলো বিজয়ী হয়েছিল। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == উক্তি == [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা বিশ্বকাপ]] hvylr6cteblcmomqne9vtip6ufudy4g ২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ 0 12948 81721 78798 2026-04-27T19:21:45Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা নারী বিশ্বকাপ]] যোগ 81721 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:FIFA Women's World Cup 2011 Olympiastadion Berlin.jpg|thumb|মহাকাব্যিক, ক্লাসিক। থ্রিলার, ব্লকবাস্টার। আমার মনে হয়, সব গতানুগতিক ধারণাগুলোই সত্যি হয়ে উঠেছে। মানে? তুমি আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে বলছিলে যে এই গেমটা নিয়ে তোমার নার্ভাস লাগছে। এখন আমি কারণটা জানি।~ইয়ান ডার্ক]] ২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ ছিল ষষ্ঠ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতা, যা মহিলাদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ । এটি ২০১১ সালের ২৬ জুন থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত জার্মানিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যে দেশটি ২০০৭ সালের অক্টোবরে এই আয়োজনের স্বত্ব লাভ করে। অতিরিক্ত সময়ের পর ২-২ গোলে ড্র হলে, জাপান পেনাল্টি শুট-আউটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ফাইনালে জয়লাভ করে এবং সিনিয়র ফিফা বিশ্বকাপ জয়ী প্রথম এশীয় দল হিসেবে ইতিহাস গড়ে, যা বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অঘটন হিসেবে বিবেচিত হয়। [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা নারী বিশ্বকাপ]] hzt6l8lath1zixbe8190p5xy25117oi সীতা রাম গোয়েল 0 12988 81785 79529 2026-04-28T02:31:35Z ARI 356 /* টাইম ফর স্টক-টেকিং (১৯৯৭) */ 81785 wikitext text/x-wiki '''[[w:সীতা রাম গোয়েল|সীতা রাম গোয়েল]]''' (১৬ অক্টোবর ১৯২১ – ৩ ডিসেম্বর ২০০৩) একজন ভারতীয় হিন্দু জাতীয়তাবাদী লেখক এবং প্রকাশক ছিলেন। তিনি বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে হিন্দুধর্ম এবং হিন্দু জাতীয়তাবাদ সংক্রান্ত তার সাহিত্যের জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি ভয়েস অফ ইন্ডিয়ার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তার পরবর্তী কর্মজীবনে গোয়েল ভারতীয় রাজনীতির একজন ভাষ্যকার হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং সরাসরি হিন্দুত্ব মতাদর্শের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। তার এই অবস্থান ভারতীয় সমাজ ও রাজনীতির গবেষক এবং পর্যবেক্ষকদের মধ্যে যথেষ্ট বিতর্ক ও পর্যালোচনার জন্ম দিয়েছে। == উক্তি == === ক্যাথলিক আশ্রমস (১৯৯৪) === * মৌলবাদ হিন্দুধর্মের কাছে ঠিক ততটাই অচেনা যতটা সততা খ্রিস্টান মিশনারিদের কাছে। === দ্য ক্যালকাটা কুরআন পিটিশন (১৯৮৬) === * সংশ্লিষ্ট সবার এটা বোঝা উচিত যে ভারত সবসময়ই ইসলামের চরম গোঁড়ামি এবং রক্তপিপাসু ধর্মান্ধতার একটি দুর্গ ছিল এবং এখনও তাই আছে। এর পেছনে অনেক ঐতিহাসিক কারণ রয়েছে। আমার কাছে এখানে সেগুলো বিস্তারিত বলার সময় নেই। তবে মূল কারণটি বলা যেতে পারে। ভারতে ইসলাম এমন হওয়ার কারণ হলো, ভারত সব সময় ইসলামের সামনে তার সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হিসেবে দাঁড়িয়ে থেকেছে। যেসব দেশ ইসলাম পুরোপুরি ধর্মান্তরিত করতে পেরেছে, সেখানে তারা যেভাবে শান্ত হতে পেরেছে, ভারতে তা কখনও পারেনি। আর হিন্দুরা যতক্ষণ না কুরআনে প্রোথিত ইসলামের আদর্শিক বিষদাঁতগুলো ভেঙে ফেলতে শিখবে, ততক্ষণ ইসলাম শান্ত হবে না। === ডিফেন্স অফ হিন্দু সোসাইটি (১৯৮৩) === * যখন কেউ মন দিয়ে খ্রিস্টধর্ম ও ইসলামের শাস্ত্রগুলো পড়ে, তখন সে 'ঈশ্বর' শব্দটি শুনলেই বিরক্ত হয়ে ওঠে। এই শব্দগুলো শরতের মরা পাতার মতো পুরো সাহিত্যে ছড়িয়ে আছে। এই ঈশ্বরের নামে যে কাজগুলো করা হয় বা তিনি যেসব কাজ অনুমোদন করেন, সেগুলো প্রায়ই এতটাই নিষ্ঠুর এবং জঘন্য হয় যে মানুষকে অবাক হয়ে ভাবতে হয়—এগুলো যদি ঐশ্বরিক কাজ হয়, তবে শয়তানের করার জন্য আর কী বাকি রইল। === মুসলিম সেপারেটিজম – কজেস অ্যান্ড কনসিকুয়েন্সেস (১৯৮৭) === * হিন্দুরা যদি কোনো জনসভায় বন্দে মাতরম গাইত, তবে সেটি ছিল মুসলমানদের কাফেরে পরিণত করার একটি 'ষড়যন্ত্র'। হিন্দুরা যদি শাঁখ বাজাত, বা ডাব ভাঙত, অথবা কোনো পূজনীয় দেশপ্রেমিকের ছবিতে মালা দিত, তবে সেটি ছিল মুসলমানদের 'মূর্তিপূজায়' বাধ্য করার একটি চেষ্টা। হিন্দুরা যদি তাদের নিজস্ব কোনো ভাষায় কথা বলত, তবে সেটি ছিল ইসলামের সংস্কৃতির প্রতি এক ধরনের 'অবমাননা'। হিন্দুরা যদি তাদের ইসলাম-পূর্ব সময়ের বীরদের নিয়ে গর্ব করত, তবে সেটি ছিল ইসলামি ইতিহাসের 'অবমূল্যায়ন'। এভাবেই প্রতিটি জাতীয় আত্মপ্রকাশের বিরুদ্ধে ছোট-বড় অনেক আপত্তি ছিল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, এটি ছিল হিন্দুদের হিন্দুত্ব ত্যাগ করে শেকড়হীন এক পরিচয়হীন জনসমষ্টিতে পরিণত করার দাবি। অন্যদিকে, 'সংখ্যালঘু সম্প্রদায়' তাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকার হিসেবে যা দাবি করত, সে বিষয়ে সামান্যতম ছাড় দিতেও রাজি ছিল না। হিন্দুরা যদি গো-হত্যা বন্ধের অনুরোধ করত, তবে সেটি ছিল একটি 'প্রতিষ্ঠিত ইসলামি প্রথা' ত্যাগ করার দাবি। হিন্দুরা যদি বাজারে খোলাখুলি গরুর মাংস বিক্রির বিরোধিতা করত, তবে সেটি ছিল মুসলমানদের 'নাগরিক অধিকারে' হস্তক্ষেপ। হিন্দুরা যদি দাবি করত যে ধর্মীয় বলির জন্য নির্ধারিত গরুগুলোকে সাজিয়ে হিন্দু এলাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে না, তবে সেটি ছিল 'দীর্ঘদিনের ইসলামি ঐতিহ্যকে পদদলিত করা'। হিন্দুরা যদি আবেদন করত যে জনপথ দিয়ে যাওয়া হিন্দু ধর্মীয় শোভাযাত্রায় বাধা দেওয়া হবে না, তবে সেটি ছিল 'মুসলমানদের প্রার্থনার শান্তি বিঘ্নিত করার' একটি চেষ্টা। হিন্দুরা যদি আদালত ও প্রশাসনে তাদের মাতৃভাষাকে উর্দুর সমান মর্যাদা দিতে চাইত, তবে সেটি ছিল 'মুসলিম সংস্কৃতির ওপর আক্রমণ'। হিন্দুরা যদি তাদের সন্তানদের মুসলিম অত্যাচারীদের সঠিক ইতিহাস শেখাত, তবে সেটি ছিল 'ইসলামি বীরদের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক প্রচার'। আর এই 'সংখ্যালঘু সম্প্রদায়' সব সময়ই রাজপথে দাঙ্গা করে তাদের 'ধর্ম ও সংস্কৃতি' রক্ষা করার জন্য প্রস্তুত ছিল। === ''ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন - সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারেল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮)'' === * খ্রিস্টধর্ম এবং ইসলামের ওপর ভ্রাতৃত্ব, সামাজিক ন্যায়বিচার, বিশ্বশান্তি, আত্মত্যাগ এবং করুণার মতো গুণগুলো আরোপ করা মানে হলো নেকড়েকে নিরামিষভোজী হিসেবে ঘোষণা করা। * কিন্তু যা ঘটেছে তা হলো, ভারত রাষ্ট্র সক্রিয়ভাবে সব ধর্মকে একই অর্থ দেওয়ার প্রচেষ্টাকে সমর্থন দেয় এবং যারা এর বিরোধিতা করে তাদের ওপর নিপীড়ন চালায়। সংবাদমাধ্যম এবং শিক্ষা জগতে এক বিশাল 'ধর্মনিরপেক্ষ' লেখকবাহিনীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং তাদের মোটা অংকের টাকা দেওয়া হচ্ছে ইসলাম ও খ্রিস্টধর্মকে স্বচ্ছ করার জন্য। এর ফলে তাদের ধর্মশাস্ত্রে এবং রক্তে ভেজা ইতিহাসে যা কিছু গোঁড়ামি আছে, তা সাবধানে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। অন্যদিকে, ভারতের বহুত্ববাদী আধ্যাত্মিকতায় যা কিছু উদার ও মহৎ, মানবিক ও সভ্য ছিল, তাকে নির্দয়ভাবে নির্দিষ্ট মাপে ছাঁটাই করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় খ্রিস্টধর্মের অর্থ করা হয়েছে শুধুমাত্র 'সারমন অন দ্য মাউন্ট' বা পাহাড়ের ওপর উপদেশ। আর ইসলামকে কুরআনের প্রসঙ্গহীন দুটি বাক্যের সমান করা হয়েছে—"তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম, আর আমার জন্য আমার ধর্ম" এবং "ধর্মে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।" * বামপন্থীরা সাধারণত মুসলিম ও খ্রিস্টান দেশগুলোতে ধর্মতন্ত্রের বিরোধিতা করে এসেছেন। কেবল ভারতেই তারা এর অপ্রতিদ্বন্দ্বী রক্ষক হয়ে উঠেছেন। * ভারতের নামী কোনো সংবাদপত্র বা সাময়িকী পরের লাইনগুলোতে আমি যা লিখছি তা প্রকাশ করবে না। * সব ধর্মই সমান ছিল। কিন্তু ইসলাম ছিল বেশি সমান। === জেনেসিস অ্যান্ড গ্রোথ অফ নেহেরুইজম (১৯৯৩) === * আমি আমাদের জনগণের সামনে এই বইটি তুলে ধরছি, যেমনটি আমি আরও অনেক বইয়ের ক্ষেত্রে করেছি। কারণ আমি কেবল আমার নিজের চিন্তা অনুযায়ী কাজ করার তাগিদের প্রতি সত্যনিষ্ঠ থাকতে চাই। বাকি সব তার হাতে, যিনি তাঁর রহস্যময় বিধান অনুযায়ী ত্রাণকর্তাদের পাশাপাশি ধ্বংসকারীদেরও পাঠান। === হিন্দু সোসাইটি আন্ডার সিজ (১৯৮১) === * এভাবে [[হিন্দু]] সমাজ কেবল এই একচেটিয়া, অসহিষ্ণু এবং সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের কাছে শিকার হিসেবেই নিজেকে উপস্থাপন করে না, বরং তাদের মধ্যে একটি বাফার হিসেবেও কাজ করে। [[ভারত]] ধর্মনিরপেক্ষ কারণ ভারত হিন্দু। এর একটি স্বাভাবিক ফলাফল হিসেবে যোগ করা যেতে পারে যে ভারত একটি গণতন্ত্র কারণ ভারত হিন্দু। হিন্দু সমাজ যদি এই যথেচ্ছাচারকে আর বাড়তে দেয়, তবে এই দেশে [[ধর্মনিরপেক্ষতা]] এবং [[গণতন্ত্র]] এর দিন শেষ হয়ে যাবে। হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ হোক এবং নিজেদের, তাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, তাদের ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র এবং তাদের সনাতন ধর্মকে সভ্যতার এক নতুন চক্রের জন্য রক্ষা করুক কেবল নিজেদের জন্যই নয়, বরং সারা বিশ্বের জন্যও। === ''হাউ আই বিকেম আ হিন্দু'' (১৯৮২) === * আমার কাছে ধর্ম সবসময়ই ছিল নৈতিক আদর্শ, বাহ্যিক নিয়মকানুন এবং ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে জীবনে প্রয়োগ করা কিছু নিষেধের বিষয়। এখন আমাকে দেখানো হলো যে ধর্ম হলো মানুষের অস্তিত্বের অভ্যন্তরীণ নিয়মের এক বহুমাত্রিক চলন, তার মানসিক বিবর্তন, আধ্যাত্মিক বৃদ্ধি এবং নিজের ও সমাজের জন্য একটি বাহ্যিক জীবন গঠনের স্বতঃস্ফূর্ত প্রক্রিয়া। === হিস্ট্রি অফ হিন্দু-খ্রিস্টান এনকাউন্টারস (১৯৯৬) === * সেই সব মূর্খ আর ধূর্তদের মাথায় কখনো আসেনি যে, তারা যে খ্রিস্টান মিশনারিদের অনুকরণ ও সাহায্য করছে, আধুনিক পশ্চিমে তাদের এমন পাগল হিসেবে দেখা হতো যাদের এক ব্যাগ টাকা দিয়ে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়াই ভালো। * ইসলামের ক্ষেত্রে আমাদের প্রচেষ্টা হলো আলোচনাকে রাস্তার পর্যায় থেকে পণ্ডিতদের প্ল্যাটফর্মে উন্নীত করা। দীর্ঘ সময় ধরে হিন্দুরা ইসলামের আদর্শে কোনো ভুল না দেখে মুসলমানদের তুষ্ট করে এসেছে। দীর্ঘ সময় ধরে মুসলমানরা রাস্তায় নেমে রক্তপাত করেছে যখনই এবং যেখানেই হিন্দুরা তাদের আচরণের ধরনে আপত্তি জানিয়েছে। মুসলমানদের কখনও হিন্দুদের পক্ষ থেকে ইসলামের মতবাদ নিয়ে ভাবার এবং যেখানে সেগুলো শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বিরুদ্ধে যায় সেখানে তা সংশোধনের কথা বলা হয়নি। আমরা হিন্দুদের কাছে আবেদন করছি ইসলাম সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞাসা শুরু করার জন্য যাতে মুসলমানরা পুনরায় চিন্তা করতে বাধ্য হয়। যদি আলোচনার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করা সহিংসতাকে উসকে দেওয়া হয়, তবে আমরা সেই অপরাধে আবারও দোষী। হিন্দুদের নিজেদের প্রিয় মতবাদগুলো নিয়ে প্রশ্ন করার দীর্ঘ ঐতিহ্য ছিল। আমি জানি না আপনারা আমাদের ব্রাহ্মণ, বৌদ্ধ এবং অন্যান্য আচার্যদের সম্পর্কে ভালোমতো জানেন কি না। কেবল ইসলাম এবং পরবর্তীতে খ্রিস্টধর্মের আগমনের ফলেই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে এমন অভ্যাস করানো হয়েছিল যে তারা বড় বড় দাবির মুখে চুপ থাকতো এবং কোনো প্রশ্ন করত না। আমরা সেই প্রাচীন হিন্দু ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছি। * ইতিমধ্যে, আমাদের ক্ষমা করবেন এটা বলার জন্য যে আমরা আপনার চিঠির ভাষায় কোনো মাধুর্য পাইনি, আপনার যুক্তিতে কোনো মিল পাইনি, আপনার বিচারে কোনো মূল্য দেখিনি এবং সামগ্রিকভাবে আপনার এই কাজে কোনো শিল্প বা শিক্ষার ছাপ খুঁজে পাইনি। === পারভার্সন অফ ইন্ডিয়াস পলিটিক্যাল পারলেন্স (১৯৮৪) === * অভিধানে ধর্মনিরপেক্ষ শব্দের অর্থ হলো "এই বিশ্বাস যে রাষ্ট্র, নৈতিকতা, শিক্ষা ইত্যাদি ধর্ম থেকে স্বাধীন হওয়া উচিত।" কিন্তু ভারতে এর অর্থ কেবল একটিই—হিন্দু সবকিছু বর্জন করা এবং ইসলামি সবকিছু গ্রহণ করা। === ''টাইম ফর স্টক-টেকিং (১৯৯৭)'' === * একমাত্র উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল [[কাশ্মীর]]ের অনন্তনাগ থেকে আসা একজন আরএসএস আইনজীবীর। তিনি বলেছিলেন, "আমি ইসলাম গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছি এবং একে একটি মহান ধর্ম হিসেবে পেয়েছি। ইসলামকে কেউ কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছে, এটা আমি বুঝতে পারছি না।" পরিহাসের বিষয় হলো, ১৯৮৯ সালের শীতকালে যখন উপত্যকায় জাতিগত নিধন শুরু হয়, তখন ইসলামের এই রক্ষকই আক্ষরিক অর্থে প্রথম ব্যক্তি ছিলেন যাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। == সীতা রাম গোয়েল সম্পর্কে উক্তি == * আমার বাবা এক বন্ধুর অফিসের ছোট একটি টেবিলে বিবলিয়া ইমপেক্স শুরু করেছিলেন। তিনি টেবিলের একপাশে বসতেন এবং তার টাইপিস্ট অন্যপাশে বসতেন। তিনি ছিলেন প্রথম সারির ভারতীয় প্রকাশকদের একজন যারা অগ্রিম টাকা না নিয়েই বিদেশে বই পাঠাতেন। অন্যান্য রপ্তানি ব্যবসায়ীরা কখনোই এটি করত না। তারা সবসময় অগ্রিম টাকা চাইত। আমার বাবা ইউরোপীয়দের সততা বুঝতে পেরেছিলেন। তিনি জানতেন তারা বিশ্বাসযোগ্য। ** [http://web.archive.org/web/20080220071625/http://www.hinduismtoday.com/archives/2004/7-9/52-55_sita-ram_goel.shtml ২০০৪, হিন্দুইজম টুডে, প্রদীপ গোয়েলের সঙ্গে সাক্ষাৎকার] * একবার যখন আমি ধর্মনিরপেক্ষবাদীদের আসল রূপ দেখে ফেলেছিলাম, তখন এটিই স্বাভাবিক ছিল যে আমি সেই সব মানুষের সাথে পরিচিত হব যাদের তারা সবসময় পবিত্র ক্রোধের সাথে নিন্দা করত। সেই তথাকথিত কুৎসিত হিন্দু দানবরা কি সত্যিই ততটা কুৎসিত? হিস্ট্রি অফ হিন্দু-খ্রিস্টান এনকাউন্টারস বইটি পড়ার পর আমি এর লেখকের খোঁজ করি এবং এভাবেই সীতা রাম গোয়েলের সাথে আমার দেখা হয়। তার কথা বলতে গেলে, আমি দেখেছি যে নৈতিক মর্যাদা এবং পাণ্ডিত্যের গভীরতায় তিনি স্টালিনপন্থী "বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ" এবং "ধর্মনিরপেক্ষতার" অন্যান্য আইকনদের পুরোপুরি ম্লান করে দিয়েছেন। এই কারণেই মীরা নন্দাকে যখন তার সীমাবদ্ধতা ভুলে গোয়েলের মতো একজন সুউচ্চ ব্যক্তিত্বকে গালি দিতে দেখি, তখন আমার ভ্রু কুঁচকে না উঠে পারে না। ** [[কোনরাড এলস্ট]]: রিটার্ন অফ দ্য স্বস্তিকা, ২০০৪: হিন্দুইজম, এনভায়রনমেন্টালিজম অ্যান্ড দ্য নাৎসি বোগি, মীরা নন্দার প্রতি ডক্টর কোনরাড এলস্টের একটি প্রাথমিক উত্তর, * তথ্যের ভিত্তিতে কেউ তাকে কখনো খণ্ডন করতে পারেনি, কিন্তু অনেকেই তাকে এবং তার লেখাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছে। এর মাধ্যমে তারা তার কাজকে নিছক পাণ্ডিত্য থেকে সতর্কবার্তায় রূপান্তরিত করেছে। (...) বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরণের কাজ যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় নিয়ে এসেছে: যেখানে বুদ্ধিভিত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না; এবং যার ফলে সেখানে কোনো আলোচনা থাকে না। এটি ঠিক সেই ধরণের কাজ যা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। (...) "মত প্রকাশের স্বাধীনতা যা বৈধ এবং সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত," এটি [সুপ্রিম কোর্ট] গত বছর ঘোষণা করেছে, "কোনো অসহিষ্ণু গোষ্ঠী বা মানুষের হাতে জিম্মি হতে পারে না।" ** [[অরুণ শৌরি]]: ফোমেন্টিং রিঅ্যাকশন। ৮ নভেম্বর ১৯৯০। থেকে উদ্ধৃত: ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারেল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮, সীতা রাম গোয়েল সম্পাদিত) {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:লেখক|গোয়েল, সীতা রাম]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদী]] rolfdskiqoqpe71ir6exj01n0z3c90i 81786 81785 2026-04-28T02:33:37Z ARI 356 /* ডিফেন্স অফ হিন্দু সোসাইটি (১৯৮৩) */ 81786 wikitext text/x-wiki '''[[w:সীতা রাম গোয়েল|সীতা রাম গোয়েল]]''' (১৬ অক্টোবর ১৯২১ – ৩ ডিসেম্বর ২০০৩) একজন ভারতীয় হিন্দু জাতীয়তাবাদী লেখক এবং প্রকাশক ছিলেন। তিনি বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে হিন্দুধর্ম এবং হিন্দু জাতীয়তাবাদ সংক্রান্ত তার সাহিত্যের জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি ভয়েস অফ ইন্ডিয়ার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তার পরবর্তী কর্মজীবনে গোয়েল ভারতীয় রাজনীতির একজন ভাষ্যকার হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং সরাসরি হিন্দুত্ব মতাদর্শের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। তার এই অবস্থান ভারতীয় সমাজ ও রাজনীতির গবেষক এবং পর্যবেক্ষকদের মধ্যে যথেষ্ট বিতর্ক ও পর্যালোচনার জন্ম দিয়েছে। == উক্তি == === ক্যাথলিক আশ্রমস (১৯৯৪) === * মৌলবাদ হিন্দুধর্মের কাছে ঠিক ততটাই অচেনা যতটা সততা খ্রিস্টান মিশনারিদের কাছে। === দ্য ক্যালকাটা কুরআন পিটিশন (১৯৮৬) === * সংশ্লিষ্ট সবার এটা বোঝা উচিত যে ভারত সবসময়ই ইসলামের চরম গোঁড়ামি এবং রক্তপিপাসু ধর্মান্ধতার একটি দুর্গ ছিল এবং এখনও তাই আছে। এর পেছনে অনেক ঐতিহাসিক কারণ রয়েছে। আমার কাছে এখানে সেগুলো বিস্তারিত বলার সময় নেই। তবে মূল কারণটি বলা যেতে পারে। ভারতে ইসলাম এমন হওয়ার কারণ হলো, ভারত সব সময় ইসলামের সামনে তার সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হিসেবে দাঁড়িয়ে থেকেছে। যেসব দেশ ইসলাম পুরোপুরি ধর্মান্তরিত করতে পেরেছে, সেখানে তারা যেভাবে শান্ত হতে পেরেছে, ভারতে তা কখনও পারেনি। আর হিন্দুরা যতক্ষণ না কুরআনে প্রোথিত ইসলামের আদর্শিক বিষদাঁতগুলো ভেঙে ফেলতে শিখবে, ততক্ষণ ইসলাম শান্ত হবে না। === ডিফেন্স অফ হিন্দু সোসাইটি (১৯৮৩) === * যখন কেউ মন দিয়ে খ্রিস্টধর্ম ও ইসলামের শাস্ত্রগুলো পড়ে, তখন সে 'ঈশ্বর' শব্দটি শুনলেই বিরক্ত হয়ে ওঠে। এই শব্দগুলো শরতের মরা পাতার মতো পুরো সাহিত্যে ছড়িয়ে আছে। এই ঈশ্বরের নামে যে কাজগুলো করা হয় বা তিনি যেসব কাজ অনুমোদন করেন, সেগুলো প্রায়ই এতটাই নিষ্ঠুর এবং জঘন্য হয় যে মানুষকে অবাক হয়ে ভাবতে হয়, এগুলো যদি ঐশ্বরিক কাজ হয়, তবে শয়তানের করার জন্য আর কী বাকি রইল। === মুসলিম সেপারেটিজম – কজেস অ্যান্ড কনসিকুয়েন্সেস (১৯৮৭) === * হিন্দুরা যদি কোনো জনসভায় বন্দে মাতরম গাইত, তবে সেটি ছিল মুসলমানদের কাফেরে পরিণত করার একটি 'ষড়যন্ত্র'। হিন্দুরা যদি শাঁখ বাজাত, বা ডাব ভাঙত, অথবা কোনো পূজনীয় দেশপ্রেমিকের ছবিতে মালা দিত, তবে সেটি ছিল মুসলমানদের 'মূর্তিপূজায়' বাধ্য করার একটি চেষ্টা। হিন্দুরা যদি তাদের নিজস্ব কোনো ভাষায় কথা বলত, তবে সেটি ছিল ইসলামের সংস্কৃতির প্রতি এক ধরনের 'অবমাননা'। হিন্দুরা যদি তাদের ইসলাম-পূর্ব সময়ের বীরদের নিয়ে গর্ব করত, তবে সেটি ছিল ইসলামি ইতিহাসের 'অবমূল্যায়ন'। এভাবেই প্রতিটি জাতীয় আত্মপ্রকাশের বিরুদ্ধে ছোট-বড় অনেক আপত্তি ছিল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, এটি ছিল হিন্দুদের হিন্দুত্ব ত্যাগ করে শেকড়হীন এক পরিচয়হীন জনসমষ্টিতে পরিণত করার দাবি। অন্যদিকে, 'সংখ্যালঘু সম্প্রদায়' তাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকার হিসেবে যা দাবি করত, সে বিষয়ে সামান্যতম ছাড় দিতেও রাজি ছিল না। হিন্দুরা যদি গো-হত্যা বন্ধের অনুরোধ করত, তবে সেটি ছিল একটি 'প্রতিষ্ঠিত ইসলামি প্রথা' ত্যাগ করার দাবি। হিন্দুরা যদি বাজারে খোলাখুলি গরুর মাংস বিক্রির বিরোধিতা করত, তবে সেটি ছিল মুসলমানদের 'নাগরিক অধিকারে' হস্তক্ষেপ। হিন্দুরা যদি দাবি করত যে ধর্মীয় বলির জন্য নির্ধারিত গরুগুলোকে সাজিয়ে হিন্দু এলাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে না, তবে সেটি ছিল 'দীর্ঘদিনের ইসলামি ঐতিহ্যকে পদদলিত করা'। হিন্দুরা যদি আবেদন করত যে জনপথ দিয়ে যাওয়া হিন্দু ধর্মীয় শোভাযাত্রায় বাধা দেওয়া হবে না, তবে সেটি ছিল 'মুসলমানদের প্রার্থনার শান্তি বিঘ্নিত করার' একটি চেষ্টা। হিন্দুরা যদি আদালত ও প্রশাসনে তাদের মাতৃভাষাকে উর্দুর সমান মর্যাদা দিতে চাইত, তবে সেটি ছিল 'মুসলিম সংস্কৃতির ওপর আক্রমণ'। হিন্দুরা যদি তাদের সন্তানদের মুসলিম অত্যাচারীদের সঠিক ইতিহাস শেখাত, তবে সেটি ছিল 'ইসলামি বীরদের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক প্রচার'। আর এই 'সংখ্যালঘু সম্প্রদায়' সব সময়ই রাজপথে দাঙ্গা করে তাদের 'ধর্ম ও সংস্কৃতি' রক্ষা করার জন্য প্রস্তুত ছিল। === ''ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন - সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারেল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮)'' === * খ্রিস্টধর্ম এবং ইসলামের ওপর ভ্রাতৃত্ব, সামাজিক ন্যায়বিচার, বিশ্বশান্তি, আত্মত্যাগ এবং করুণার মতো গুণগুলো আরোপ করা মানে হলো নেকড়েকে নিরামিষভোজী হিসেবে ঘোষণা করা। * কিন্তু যা ঘটেছে তা হলো, ভারত রাষ্ট্র সক্রিয়ভাবে সব ধর্মকে একই অর্থ দেওয়ার প্রচেষ্টাকে সমর্থন দেয় এবং যারা এর বিরোধিতা করে তাদের ওপর নিপীড়ন চালায়। সংবাদমাধ্যম এবং শিক্ষা জগতে এক বিশাল 'ধর্মনিরপেক্ষ' লেখকবাহিনীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং তাদের মোটা অংকের টাকা দেওয়া হচ্ছে ইসলাম ও খ্রিস্টধর্মকে স্বচ্ছ করার জন্য। এর ফলে তাদের ধর্মশাস্ত্রে এবং রক্তে ভেজা ইতিহাসে যা কিছু গোঁড়ামি আছে, তা সাবধানে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। অন্যদিকে, ভারতের বহুত্ববাদী আধ্যাত্মিকতায় যা কিছু উদার ও মহৎ, মানবিক ও সভ্য ছিল, তাকে নির্দয়ভাবে নির্দিষ্ট মাপে ছাঁটাই করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় খ্রিস্টধর্মের অর্থ করা হয়েছে শুধুমাত্র 'সারমন অন দ্য মাউন্ট' বা পাহাড়ের ওপর উপদেশ। আর ইসলামকে কুরআনের প্রসঙ্গহীন দুটি বাক্যের সমান করা হয়েছে—"তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম, আর আমার জন্য আমার ধর্ম" এবং "ধর্মে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।" * বামপন্থীরা সাধারণত মুসলিম ও খ্রিস্টান দেশগুলোতে ধর্মতন্ত্রের বিরোধিতা করে এসেছেন। কেবল ভারতেই তারা এর অপ্রতিদ্বন্দ্বী রক্ষক হয়ে উঠেছেন। * ভারতের নামী কোনো সংবাদপত্র বা সাময়িকী পরের লাইনগুলোতে আমি যা লিখছি তা প্রকাশ করবে না। * সব ধর্মই সমান ছিল। কিন্তু ইসলাম ছিল বেশি সমান। === জেনেসিস অ্যান্ড গ্রোথ অফ নেহেরুইজম (১৯৯৩) === * আমি আমাদের জনগণের সামনে এই বইটি তুলে ধরছি, যেমনটি আমি আরও অনেক বইয়ের ক্ষেত্রে করেছি। কারণ আমি কেবল আমার নিজের চিন্তা অনুযায়ী কাজ করার তাগিদের প্রতি সত্যনিষ্ঠ থাকতে চাই। বাকি সব তার হাতে, যিনি তাঁর রহস্যময় বিধান অনুযায়ী ত্রাণকর্তাদের পাশাপাশি ধ্বংসকারীদেরও পাঠান। === হিন্দু সোসাইটি আন্ডার সিজ (১৯৮১) === * এভাবে [[হিন্দু]] সমাজ কেবল এই একচেটিয়া, অসহিষ্ণু এবং সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের কাছে শিকার হিসেবেই নিজেকে উপস্থাপন করে না, বরং তাদের মধ্যে একটি বাফার হিসেবেও কাজ করে। [[ভারত]] ধর্মনিরপেক্ষ কারণ ভারত হিন্দু। এর একটি স্বাভাবিক ফলাফল হিসেবে যোগ করা যেতে পারে যে ভারত একটি গণতন্ত্র কারণ ভারত হিন্দু। হিন্দু সমাজ যদি এই যথেচ্ছাচারকে আর বাড়তে দেয়, তবে এই দেশে [[ধর্মনিরপেক্ষতা]] এবং [[গণতন্ত্র]] এর দিন শেষ হয়ে যাবে। হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ হোক এবং নিজেদের, তাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, তাদের ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র এবং তাদের সনাতন ধর্মকে সভ্যতার এক নতুন চক্রের জন্য রক্ষা করুক কেবল নিজেদের জন্যই নয়, বরং সারা বিশ্বের জন্যও। === ''হাউ আই বিকেম আ হিন্দু'' (১৯৮২) === * আমার কাছে ধর্ম সবসময়ই ছিল নৈতিক আদর্শ, বাহ্যিক নিয়মকানুন এবং ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে জীবনে প্রয়োগ করা কিছু নিষেধের বিষয়। এখন আমাকে দেখানো হলো যে ধর্ম হলো মানুষের অস্তিত্বের অভ্যন্তরীণ নিয়মের এক বহুমাত্রিক চলন, তার মানসিক বিবর্তন, আধ্যাত্মিক বৃদ্ধি এবং নিজের ও সমাজের জন্য একটি বাহ্যিক জীবন গঠনের স্বতঃস্ফূর্ত প্রক্রিয়া। === হিস্ট্রি অফ হিন্দু-খ্রিস্টান এনকাউন্টারস (১৯৯৬) === * সেই সব মূর্খ আর ধূর্তদের মাথায় কখনো আসেনি যে, তারা যে খ্রিস্টান মিশনারিদের অনুকরণ ও সাহায্য করছে, আধুনিক পশ্চিমে তাদের এমন পাগল হিসেবে দেখা হতো যাদের এক ব্যাগ টাকা দিয়ে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়াই ভালো। * ইসলামের ক্ষেত্রে আমাদের প্রচেষ্টা হলো আলোচনাকে রাস্তার পর্যায় থেকে পণ্ডিতদের প্ল্যাটফর্মে উন্নীত করা। দীর্ঘ সময় ধরে হিন্দুরা ইসলামের আদর্শে কোনো ভুল না দেখে মুসলমানদের তুষ্ট করে এসেছে। দীর্ঘ সময় ধরে মুসলমানরা রাস্তায় নেমে রক্তপাত করেছে যখনই এবং যেখানেই হিন্দুরা তাদের আচরণের ধরনে আপত্তি জানিয়েছে। মুসলমানদের কখনও হিন্দুদের পক্ষ থেকে ইসলামের মতবাদ নিয়ে ভাবার এবং যেখানে সেগুলো শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বিরুদ্ধে যায় সেখানে তা সংশোধনের কথা বলা হয়নি। আমরা হিন্দুদের কাছে আবেদন করছি ইসলাম সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞাসা শুরু করার জন্য যাতে মুসলমানরা পুনরায় চিন্তা করতে বাধ্য হয়। যদি আলোচনার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করা সহিংসতাকে উসকে দেওয়া হয়, তবে আমরা সেই অপরাধে আবারও দোষী। হিন্দুদের নিজেদের প্রিয় মতবাদগুলো নিয়ে প্রশ্ন করার দীর্ঘ ঐতিহ্য ছিল। আমি জানি না আপনারা আমাদের ব্রাহ্মণ, বৌদ্ধ এবং অন্যান্য আচার্যদের সম্পর্কে ভালোমতো জানেন কি না। কেবল ইসলাম এবং পরবর্তীতে খ্রিস্টধর্মের আগমনের ফলেই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে এমন অভ্যাস করানো হয়েছিল যে তারা বড় বড় দাবির মুখে চুপ থাকতো এবং কোনো প্রশ্ন করত না। আমরা সেই প্রাচীন হিন্দু ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছি। * ইতিমধ্যে, আমাদের ক্ষমা করবেন এটা বলার জন্য যে আমরা আপনার চিঠির ভাষায় কোনো মাধুর্য পাইনি, আপনার যুক্তিতে কোনো মিল পাইনি, আপনার বিচারে কোনো মূল্য দেখিনি এবং সামগ্রিকভাবে আপনার এই কাজে কোনো শিল্প বা শিক্ষার ছাপ খুঁজে পাইনি। === পারভার্সন অফ ইন্ডিয়াস পলিটিক্যাল পারলেন্স (১৯৮৪) === * অভিধানে ধর্মনিরপেক্ষ শব্দের অর্থ হলো "এই বিশ্বাস যে রাষ্ট্র, নৈতিকতা, শিক্ষা ইত্যাদি ধর্ম থেকে স্বাধীন হওয়া উচিত।" কিন্তু ভারতে এর অর্থ কেবল একটিই—হিন্দু সবকিছু বর্জন করা এবং ইসলামি সবকিছু গ্রহণ করা। === ''টাইম ফর স্টক-টেকিং (১৯৯৭)'' === * একমাত্র উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল [[কাশ্মীর]]ের অনন্তনাগ থেকে আসা একজন আরএসএস আইনজীবীর। তিনি বলেছিলেন, "আমি ইসলাম গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছি এবং একে একটি মহান ধর্ম হিসেবে পেয়েছি। ইসলামকে কেউ কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছে, এটা আমি বুঝতে পারছি না।" পরিহাসের বিষয় হলো, ১৯৮৯ সালের শীতকালে যখন উপত্যকায় জাতিগত নিধন শুরু হয়, তখন ইসলামের এই রক্ষকই আক্ষরিক অর্থে প্রথম ব্যক্তি ছিলেন যাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। == সীতা রাম গোয়েল সম্পর্কে উক্তি == * আমার বাবা এক বন্ধুর অফিসের ছোট একটি টেবিলে বিবলিয়া ইমপেক্স শুরু করেছিলেন। তিনি টেবিলের একপাশে বসতেন এবং তার টাইপিস্ট অন্যপাশে বসতেন। তিনি ছিলেন প্রথম সারির ভারতীয় প্রকাশকদের একজন যারা অগ্রিম টাকা না নিয়েই বিদেশে বই পাঠাতেন। অন্যান্য রপ্তানি ব্যবসায়ীরা কখনোই এটি করত না। তারা সবসময় অগ্রিম টাকা চাইত। আমার বাবা ইউরোপীয়দের সততা বুঝতে পেরেছিলেন। তিনি জানতেন তারা বিশ্বাসযোগ্য। ** [http://web.archive.org/web/20080220071625/http://www.hinduismtoday.com/archives/2004/7-9/52-55_sita-ram_goel.shtml ২০০৪, হিন্দুইজম টুডে, প্রদীপ গোয়েলের সঙ্গে সাক্ষাৎকার] * একবার যখন আমি ধর্মনিরপেক্ষবাদীদের আসল রূপ দেখে ফেলেছিলাম, তখন এটিই স্বাভাবিক ছিল যে আমি সেই সব মানুষের সাথে পরিচিত হব যাদের তারা সবসময় পবিত্র ক্রোধের সাথে নিন্দা করত। সেই তথাকথিত কুৎসিত হিন্দু দানবরা কি সত্যিই ততটা কুৎসিত? হিস্ট্রি অফ হিন্দু-খ্রিস্টান এনকাউন্টারস বইটি পড়ার পর আমি এর লেখকের খোঁজ করি এবং এভাবেই সীতা রাম গোয়েলের সাথে আমার দেখা হয়। তার কথা বলতে গেলে, আমি দেখেছি যে নৈতিক মর্যাদা এবং পাণ্ডিত্যের গভীরতায় তিনি স্টালিনপন্থী "বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ" এবং "ধর্মনিরপেক্ষতার" অন্যান্য আইকনদের পুরোপুরি ম্লান করে দিয়েছেন। এই কারণেই মীরা নন্দাকে যখন তার সীমাবদ্ধতা ভুলে গোয়েলের মতো একজন সুউচ্চ ব্যক্তিত্বকে গালি দিতে দেখি, তখন আমার ভ্রু কুঁচকে না উঠে পারে না। ** [[কোনরাড এলস্ট]]: রিটার্ন অফ দ্য স্বস্তিকা, ২০০৪: হিন্দুইজম, এনভায়রনমেন্টালিজম অ্যান্ড দ্য নাৎসি বোগি, মীরা নন্দার প্রতি ডক্টর কোনরাড এলস্টের একটি প্রাথমিক উত্তর, * তথ্যের ভিত্তিতে কেউ তাকে কখনো খণ্ডন করতে পারেনি, কিন্তু অনেকেই তাকে এবং তার লেখাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছে। এর মাধ্যমে তারা তার কাজকে নিছক পাণ্ডিত্য থেকে সতর্কবার্তায় রূপান্তরিত করেছে। (...) বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরণের কাজ যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় নিয়ে এসেছে: যেখানে বুদ্ধিভিত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না; এবং যার ফলে সেখানে কোনো আলোচনা থাকে না। এটি ঠিক সেই ধরণের কাজ যা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। (...) "মত প্রকাশের স্বাধীনতা যা বৈধ এবং সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত," এটি [সুপ্রিম কোর্ট] গত বছর ঘোষণা করেছে, "কোনো অসহিষ্ণু গোষ্ঠী বা মানুষের হাতে জিম্মি হতে পারে না।" ** [[অরুণ শৌরি]]: ফোমেন্টিং রিঅ্যাকশন। ৮ নভেম্বর ১৯৯০। থেকে উদ্ধৃত: ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারেল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮, সীতা রাম গোয়েল সম্পাদিত) {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:লেখক|গোয়েল, সীতা রাম]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদী]] piz3h2ad3fa6vit81x5dc11110d08fv 81787 81786 2026-04-28T02:34:09Z ARI 356 /* পারভার্সন অফ ইন্ডিয়াস পলিটিক্যাল পারলেন্স (১৯৮৪) */ 81787 wikitext text/x-wiki '''[[w:সীতা রাম গোয়েল|সীতা রাম গোয়েল]]''' (১৬ অক্টোবর ১৯২১ – ৩ ডিসেম্বর ২০০৩) একজন ভারতীয় হিন্দু জাতীয়তাবাদী লেখক এবং প্রকাশক ছিলেন। তিনি বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে হিন্দুধর্ম এবং হিন্দু জাতীয়তাবাদ সংক্রান্ত তার সাহিত্যের জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি ভয়েস অফ ইন্ডিয়ার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তার পরবর্তী কর্মজীবনে গোয়েল ভারতীয় রাজনীতির একজন ভাষ্যকার হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং সরাসরি হিন্দুত্ব মতাদর্শের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। তার এই অবস্থান ভারতীয় সমাজ ও রাজনীতির গবেষক এবং পর্যবেক্ষকদের মধ্যে যথেষ্ট বিতর্ক ও পর্যালোচনার জন্ম দিয়েছে। == উক্তি == === ক্যাথলিক আশ্রমস (১৯৯৪) === * মৌলবাদ হিন্দুধর্মের কাছে ঠিক ততটাই অচেনা যতটা সততা খ্রিস্টান মিশনারিদের কাছে। === দ্য ক্যালকাটা কুরআন পিটিশন (১৯৮৬) === * সংশ্লিষ্ট সবার এটা বোঝা উচিত যে ভারত সবসময়ই ইসলামের চরম গোঁড়ামি এবং রক্তপিপাসু ধর্মান্ধতার একটি দুর্গ ছিল এবং এখনও তাই আছে। এর পেছনে অনেক ঐতিহাসিক কারণ রয়েছে। আমার কাছে এখানে সেগুলো বিস্তারিত বলার সময় নেই। তবে মূল কারণটি বলা যেতে পারে। ভারতে ইসলাম এমন হওয়ার কারণ হলো, ভারত সব সময় ইসলামের সামনে তার সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হিসেবে দাঁড়িয়ে থেকেছে। যেসব দেশ ইসলাম পুরোপুরি ধর্মান্তরিত করতে পেরেছে, সেখানে তারা যেভাবে শান্ত হতে পেরেছে, ভারতে তা কখনও পারেনি। আর হিন্দুরা যতক্ষণ না কুরআনে প্রোথিত ইসলামের আদর্শিক বিষদাঁতগুলো ভেঙে ফেলতে শিখবে, ততক্ষণ ইসলাম শান্ত হবে না। === ডিফেন্স অফ হিন্দু সোসাইটি (১৯৮৩) === * যখন কেউ মন দিয়ে খ্রিস্টধর্ম ও ইসলামের শাস্ত্রগুলো পড়ে, তখন সে 'ঈশ্বর' শব্দটি শুনলেই বিরক্ত হয়ে ওঠে। এই শব্দগুলো শরতের মরা পাতার মতো পুরো সাহিত্যে ছড়িয়ে আছে। এই ঈশ্বরের নামে যে কাজগুলো করা হয় বা তিনি যেসব কাজ অনুমোদন করেন, সেগুলো প্রায়ই এতটাই নিষ্ঠুর এবং জঘন্য হয় যে মানুষকে অবাক হয়ে ভাবতে হয়, এগুলো যদি ঐশ্বরিক কাজ হয়, তবে শয়তানের করার জন্য আর কী বাকি রইল। === মুসলিম সেপারেটিজম – কজেস অ্যান্ড কনসিকুয়েন্সেস (১৯৮৭) === * হিন্দুরা যদি কোনো জনসভায় বন্দে মাতরম গাইত, তবে সেটি ছিল মুসলমানদের কাফেরে পরিণত করার একটি 'ষড়যন্ত্র'। হিন্দুরা যদি শাঁখ বাজাত, বা ডাব ভাঙত, অথবা কোনো পূজনীয় দেশপ্রেমিকের ছবিতে মালা দিত, তবে সেটি ছিল মুসলমানদের 'মূর্তিপূজায়' বাধ্য করার একটি চেষ্টা। হিন্দুরা যদি তাদের নিজস্ব কোনো ভাষায় কথা বলত, তবে সেটি ছিল ইসলামের সংস্কৃতির প্রতি এক ধরনের 'অবমাননা'। হিন্দুরা যদি তাদের ইসলাম-পূর্ব সময়ের বীরদের নিয়ে গর্ব করত, তবে সেটি ছিল ইসলামি ইতিহাসের 'অবমূল্যায়ন'। এভাবেই প্রতিটি জাতীয় আত্মপ্রকাশের বিরুদ্ধে ছোট-বড় অনেক আপত্তি ছিল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, এটি ছিল হিন্দুদের হিন্দুত্ব ত্যাগ করে শেকড়হীন এক পরিচয়হীন জনসমষ্টিতে পরিণত করার দাবি। অন্যদিকে, 'সংখ্যালঘু সম্প্রদায়' তাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকার হিসেবে যা দাবি করত, সে বিষয়ে সামান্যতম ছাড় দিতেও রাজি ছিল না। হিন্দুরা যদি গো-হত্যা বন্ধের অনুরোধ করত, তবে সেটি ছিল একটি 'প্রতিষ্ঠিত ইসলামি প্রথা' ত্যাগ করার দাবি। হিন্দুরা যদি বাজারে খোলাখুলি গরুর মাংস বিক্রির বিরোধিতা করত, তবে সেটি ছিল মুসলমানদের 'নাগরিক অধিকারে' হস্তক্ষেপ। হিন্দুরা যদি দাবি করত যে ধর্মীয় বলির জন্য নির্ধারিত গরুগুলোকে সাজিয়ে হিন্দু এলাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে না, তবে সেটি ছিল 'দীর্ঘদিনের ইসলামি ঐতিহ্যকে পদদলিত করা'। হিন্দুরা যদি আবেদন করত যে জনপথ দিয়ে যাওয়া হিন্দু ধর্মীয় শোভাযাত্রায় বাধা দেওয়া হবে না, তবে সেটি ছিল 'মুসলমানদের প্রার্থনার শান্তি বিঘ্নিত করার' একটি চেষ্টা। হিন্দুরা যদি আদালত ও প্রশাসনে তাদের মাতৃভাষাকে উর্দুর সমান মর্যাদা দিতে চাইত, তবে সেটি ছিল 'মুসলিম সংস্কৃতির ওপর আক্রমণ'। হিন্দুরা যদি তাদের সন্তানদের মুসলিম অত্যাচারীদের সঠিক ইতিহাস শেখাত, তবে সেটি ছিল 'ইসলামি বীরদের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক প্রচার'। আর এই 'সংখ্যালঘু সম্প্রদায়' সব সময়ই রাজপথে দাঙ্গা করে তাদের 'ধর্ম ও সংস্কৃতি' রক্ষা করার জন্য প্রস্তুত ছিল। === ''ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন - সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারেল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮)'' === * খ্রিস্টধর্ম এবং ইসলামের ওপর ভ্রাতৃত্ব, সামাজিক ন্যায়বিচার, বিশ্বশান্তি, আত্মত্যাগ এবং করুণার মতো গুণগুলো আরোপ করা মানে হলো নেকড়েকে নিরামিষভোজী হিসেবে ঘোষণা করা। * কিন্তু যা ঘটেছে তা হলো, ভারত রাষ্ট্র সক্রিয়ভাবে সব ধর্মকে একই অর্থ দেওয়ার প্রচেষ্টাকে সমর্থন দেয় এবং যারা এর বিরোধিতা করে তাদের ওপর নিপীড়ন চালায়। সংবাদমাধ্যম এবং শিক্ষা জগতে এক বিশাল 'ধর্মনিরপেক্ষ' লেখকবাহিনীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং তাদের মোটা অংকের টাকা দেওয়া হচ্ছে ইসলাম ও খ্রিস্টধর্মকে স্বচ্ছ করার জন্য। এর ফলে তাদের ধর্মশাস্ত্রে এবং রক্তে ভেজা ইতিহাসে যা কিছু গোঁড়ামি আছে, তা সাবধানে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। অন্যদিকে, ভারতের বহুত্ববাদী আধ্যাত্মিকতায় যা কিছু উদার ও মহৎ, মানবিক ও সভ্য ছিল, তাকে নির্দয়ভাবে নির্দিষ্ট মাপে ছাঁটাই করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় খ্রিস্টধর্মের অর্থ করা হয়েছে শুধুমাত্র 'সারমন অন দ্য মাউন্ট' বা পাহাড়ের ওপর উপদেশ। আর ইসলামকে কুরআনের প্রসঙ্গহীন দুটি বাক্যের সমান করা হয়েছে—"তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম, আর আমার জন্য আমার ধর্ম" এবং "ধর্মে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।" * বামপন্থীরা সাধারণত মুসলিম ও খ্রিস্টান দেশগুলোতে ধর্মতন্ত্রের বিরোধিতা করে এসেছেন। কেবল ভারতেই তারা এর অপ্রতিদ্বন্দ্বী রক্ষক হয়ে উঠেছেন। * ভারতের নামী কোনো সংবাদপত্র বা সাময়িকী পরের লাইনগুলোতে আমি যা লিখছি তা প্রকাশ করবে না। * সব ধর্মই সমান ছিল। কিন্তু ইসলাম ছিল বেশি সমান। === জেনেসিস অ্যান্ড গ্রোথ অফ নেহেরুইজম (১৯৯৩) === * আমি আমাদের জনগণের সামনে এই বইটি তুলে ধরছি, যেমনটি আমি আরও অনেক বইয়ের ক্ষেত্রে করেছি। কারণ আমি কেবল আমার নিজের চিন্তা অনুযায়ী কাজ করার তাগিদের প্রতি সত্যনিষ্ঠ থাকতে চাই। বাকি সব তার হাতে, যিনি তাঁর রহস্যময় বিধান অনুযায়ী ত্রাণকর্তাদের পাশাপাশি ধ্বংসকারীদেরও পাঠান। === হিন্দু সোসাইটি আন্ডার সিজ (১৯৮১) === * এভাবে [[হিন্দু]] সমাজ কেবল এই একচেটিয়া, অসহিষ্ণু এবং সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের কাছে শিকার হিসেবেই নিজেকে উপস্থাপন করে না, বরং তাদের মধ্যে একটি বাফার হিসেবেও কাজ করে। [[ভারত]] ধর্মনিরপেক্ষ কারণ ভারত হিন্দু। এর একটি স্বাভাবিক ফলাফল হিসেবে যোগ করা যেতে পারে যে ভারত একটি গণতন্ত্র কারণ ভারত হিন্দু। হিন্দু সমাজ যদি এই যথেচ্ছাচারকে আর বাড়তে দেয়, তবে এই দেশে [[ধর্মনিরপেক্ষতা]] এবং [[গণতন্ত্র]] এর দিন শেষ হয়ে যাবে। হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ হোক এবং নিজেদের, তাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, তাদের ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র এবং তাদের সনাতন ধর্মকে সভ্যতার এক নতুন চক্রের জন্য রক্ষা করুক কেবল নিজেদের জন্যই নয়, বরং সারা বিশ্বের জন্যও। === ''হাউ আই বিকেম আ হিন্দু'' (১৯৮২) === * আমার কাছে ধর্ম সবসময়ই ছিল নৈতিক আদর্শ, বাহ্যিক নিয়মকানুন এবং ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে জীবনে প্রয়োগ করা কিছু নিষেধের বিষয়। এখন আমাকে দেখানো হলো যে ধর্ম হলো মানুষের অস্তিত্বের অভ্যন্তরীণ নিয়মের এক বহুমাত্রিক চলন, তার মানসিক বিবর্তন, আধ্যাত্মিক বৃদ্ধি এবং নিজের ও সমাজের জন্য একটি বাহ্যিক জীবন গঠনের স্বতঃস্ফূর্ত প্রক্রিয়া। === হিস্ট্রি অফ হিন্দু-খ্রিস্টান এনকাউন্টারস (১৯৯৬) === * সেই সব মূর্খ আর ধূর্তদের মাথায় কখনো আসেনি যে, তারা যে খ্রিস্টান মিশনারিদের অনুকরণ ও সাহায্য করছে, আধুনিক পশ্চিমে তাদের এমন পাগল হিসেবে দেখা হতো যাদের এক ব্যাগ টাকা দিয়ে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়াই ভালো। * ইসলামের ক্ষেত্রে আমাদের প্রচেষ্টা হলো আলোচনাকে রাস্তার পর্যায় থেকে পণ্ডিতদের প্ল্যাটফর্মে উন্নীত করা। দীর্ঘ সময় ধরে হিন্দুরা ইসলামের আদর্শে কোনো ভুল না দেখে মুসলমানদের তুষ্ট করে এসেছে। দীর্ঘ সময় ধরে মুসলমানরা রাস্তায় নেমে রক্তপাত করেছে যখনই এবং যেখানেই হিন্দুরা তাদের আচরণের ধরনে আপত্তি জানিয়েছে। মুসলমানদের কখনও হিন্দুদের পক্ষ থেকে ইসলামের মতবাদ নিয়ে ভাবার এবং যেখানে সেগুলো শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বিরুদ্ধে যায় সেখানে তা সংশোধনের কথা বলা হয়নি। আমরা হিন্দুদের কাছে আবেদন করছি ইসলাম সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞাসা শুরু করার জন্য যাতে মুসলমানরা পুনরায় চিন্তা করতে বাধ্য হয়। যদি আলোচনার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করা সহিংসতাকে উসকে দেওয়া হয়, তবে আমরা সেই অপরাধে আবারও দোষী। হিন্দুদের নিজেদের প্রিয় মতবাদগুলো নিয়ে প্রশ্ন করার দীর্ঘ ঐতিহ্য ছিল। আমি জানি না আপনারা আমাদের ব্রাহ্মণ, বৌদ্ধ এবং অন্যান্য আচার্যদের সম্পর্কে ভালোমতো জানেন কি না। কেবল ইসলাম এবং পরবর্তীতে খ্রিস্টধর্মের আগমনের ফলেই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে এমন অভ্যাস করানো হয়েছিল যে তারা বড় বড় দাবির মুখে চুপ থাকতো এবং কোনো প্রশ্ন করত না। আমরা সেই প্রাচীন হিন্দু ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছি। * ইতিমধ্যে, আমাদের ক্ষমা করবেন এটা বলার জন্য যে আমরা আপনার চিঠির ভাষায় কোনো মাধুর্য পাইনি, আপনার যুক্তিতে কোনো মিল পাইনি, আপনার বিচারে কোনো মূল্য দেখিনি এবং সামগ্রিকভাবে আপনার এই কাজে কোনো শিল্প বা শিক্ষার ছাপ খুঁজে পাইনি। === পারভার্সন অফ ইন্ডিয়াস পলিটিক্যাল পারলেন্স (১৯৮৪) === * অভিধানে ধর্মনিরপেক্ষ শব্দের অর্থ হলো "এই বিশ্বাস যে রাষ্ট্র, নৈতিকতা, শিক্ষা ইত্যাদি ধর্ম থেকে স্বাধীন হওয়া উচিত।" কিন্তু ভারতে এর অর্থ কেবল একটিই -- হিন্দু সবকিছু বর্জন করা এবং ইসলামি সবকিছু গ্রহণ করা। === ''টাইম ফর স্টক-টেকিং (১৯৯৭)'' === * একমাত্র উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল [[কাশ্মীর]]ের অনন্তনাগ থেকে আসা একজন আরএসএস আইনজীবীর। তিনি বলেছিলেন, "আমি ইসলাম গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছি এবং একে একটি মহান ধর্ম হিসেবে পেয়েছি। ইসলামকে কেউ কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছে, এটা আমি বুঝতে পারছি না।" পরিহাসের বিষয় হলো, ১৯৮৯ সালের শীতকালে যখন উপত্যকায় জাতিগত নিধন শুরু হয়, তখন ইসলামের এই রক্ষকই আক্ষরিক অর্থে প্রথম ব্যক্তি ছিলেন যাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। == সীতা রাম গোয়েল সম্পর্কে উক্তি == * আমার বাবা এক বন্ধুর অফিসের ছোট একটি টেবিলে বিবলিয়া ইমপেক্স শুরু করেছিলেন। তিনি টেবিলের একপাশে বসতেন এবং তার টাইপিস্ট অন্যপাশে বসতেন। তিনি ছিলেন প্রথম সারির ভারতীয় প্রকাশকদের একজন যারা অগ্রিম টাকা না নিয়েই বিদেশে বই পাঠাতেন। অন্যান্য রপ্তানি ব্যবসায়ীরা কখনোই এটি করত না। তারা সবসময় অগ্রিম টাকা চাইত। আমার বাবা ইউরোপীয়দের সততা বুঝতে পেরেছিলেন। তিনি জানতেন তারা বিশ্বাসযোগ্য। ** [http://web.archive.org/web/20080220071625/http://www.hinduismtoday.com/archives/2004/7-9/52-55_sita-ram_goel.shtml ২০০৪, হিন্দুইজম টুডে, প্রদীপ গোয়েলের সঙ্গে সাক্ষাৎকার] * একবার যখন আমি ধর্মনিরপেক্ষবাদীদের আসল রূপ দেখে ফেলেছিলাম, তখন এটিই স্বাভাবিক ছিল যে আমি সেই সব মানুষের সাথে পরিচিত হব যাদের তারা সবসময় পবিত্র ক্রোধের সাথে নিন্দা করত। সেই তথাকথিত কুৎসিত হিন্দু দানবরা কি সত্যিই ততটা কুৎসিত? হিস্ট্রি অফ হিন্দু-খ্রিস্টান এনকাউন্টারস বইটি পড়ার পর আমি এর লেখকের খোঁজ করি এবং এভাবেই সীতা রাম গোয়েলের সাথে আমার দেখা হয়। তার কথা বলতে গেলে, আমি দেখেছি যে নৈতিক মর্যাদা এবং পাণ্ডিত্যের গভীরতায় তিনি স্টালিনপন্থী "বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ" এবং "ধর্মনিরপেক্ষতার" অন্যান্য আইকনদের পুরোপুরি ম্লান করে দিয়েছেন। এই কারণেই মীরা নন্দাকে যখন তার সীমাবদ্ধতা ভুলে গোয়েলের মতো একজন সুউচ্চ ব্যক্তিত্বকে গালি দিতে দেখি, তখন আমার ভ্রু কুঁচকে না উঠে পারে না। ** [[কোনরাড এলস্ট]]: রিটার্ন অফ দ্য স্বস্তিকা, ২০০৪: হিন্দুইজম, এনভায়রনমেন্টালিজম অ্যান্ড দ্য নাৎসি বোগি, মীরা নন্দার প্রতি ডক্টর কোনরাড এলস্টের একটি প্রাথমিক উত্তর, * তথ্যের ভিত্তিতে কেউ তাকে কখনো খণ্ডন করতে পারেনি, কিন্তু অনেকেই তাকে এবং তার লেখাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছে। এর মাধ্যমে তারা তার কাজকে নিছক পাণ্ডিত্য থেকে সতর্কবার্তায় রূপান্তরিত করেছে। (...) বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরণের কাজ যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় নিয়ে এসেছে: যেখানে বুদ্ধিভিত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না; এবং যার ফলে সেখানে কোনো আলোচনা থাকে না। এটি ঠিক সেই ধরণের কাজ যা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। (...) "মত প্রকাশের স্বাধীনতা যা বৈধ এবং সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত," এটি [সুপ্রিম কোর্ট] গত বছর ঘোষণা করেছে, "কোনো অসহিষ্ণু গোষ্ঠী বা মানুষের হাতে জিম্মি হতে পারে না।" ** [[অরুণ শৌরি]]: ফোমেন্টিং রিঅ্যাকশন। ৮ নভেম্বর ১৯৯০। থেকে উদ্ধৃত: ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারেল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮, সীতা রাম গোয়েল সম্পাদিত) {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:লেখক|গোয়েল, সীতা রাম]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদী]] 61ucu5w3cz15anigqkkgri47fdeaetd দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ 0 12991 81641 81596 2026-04-27T13:27:01Z Oindrojalik Watch 4169 81641 wikitext text/x-wiki [[File:WW2 collage.jpg|thumb| [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] আলোকচিত্রের একটি কোলাজ।]] '''[[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]]''' ('''WWII''' অথবা '''WW2'''), যা '''দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ''' নামেও পরিচিত, ছিল ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৬ বছর ধরে স্থায়ী এক বৈশ্বিক যুদ্ধ। এতে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ, সবকটি মহাশক্তিসহ—জড়িত ছিল এবং তারা [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তি|মিত্রপক্ষ]] ও [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তি|অক্ষশক্তি]] নামক দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী [[:w:সামরিক জোট|সামরিক জোটে]] বিভক্ত হয়েছিল। এটি ছিল একটি সর্বাত্মক যুদ্ধ, যেখানে ৩০টিরও বেশি দেশের ১০ কোটিরও বেশি সামরিক সদস্য সরাসরি অংশ নেয়। প্রধান অংশগ্রহণকারী দেশগুলো তাদের সমগ্র অর্থনৈতিক, শিল্প এবং বৈজ্ঞানিক সক্ষমতাকে যুদ্ধ প্রচেষ্টায় নিয়োজিত করেছিল, যা বেসামরিক ও সামরিক সম্পদের মধ্যকার পার্থক্যকে মুছে দিয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত, যার ফলে ৭ থেকে ৮.৫ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়, যেখানে সামরিক বাহিনীর চেয়ে বেসামরিক নাগরিক নিহতের সংখ্যা ছিল অনেক বেশি। [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] (যার মধ্যে [[w:ইহুদি_গণহত্যা|ইহুদি গণহত্যা]] অন্তর্ভুক্ত), সুপরিকল্পিত [[w:দুর্ভিক্ষ|দুর্ভিক্ষ]] এবং মহামারীর কারণে কোটি কোটি মানুষ প্রাণ হারায়। এই সংঘাতে [[:w:দ্বিতীয়_বিশ্বযুদ্ধ#যুদ্ধ_শুরু|বিমানবাহিনী বড় ভূমিকা পালন করে]], যার মধ্যে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় কৌশলগত বোমাবর্ষণ এবং যুদ্ধে একমাত্র [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্রের]] ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত ছিল। == যুদ্ধের সূত্রপাত == === ১৯৩৩ === * ''Du bist nichts; dein Volk ist alles.'' * ''তুমি কিছুই নও; তোমার জনগণই তোমার সবকিছু।'' ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', ''রেডেন, শ্রিফ্টেন, আনোর্ডনুঙেন: ফেব্রুয়ারি ১৯২৫ থেকে জানুয়ারি ১৯৩৩'' (পৃষ্ঠা ৪০৩) === ১৯৩৬ === * '''আজ এটি আমাদের ওপর দিয়ে যাচ্ছে। আগামীকাল এটি তোমাদের ওপর দিয়ে যাবে।''' ** '''''প্রথম হাইলি সেলাসি''''', দ্বিতীয় ইতালি-অ্যাবিসিনিয়া যুদ্ধের সমাপ্তির পর; ''টাইম'' ম্যাগাজিনের [https://web.archive.org/web/20090615032515/http://www.time.com/time/magazine/article/0,9171,917777,00.html?iid=chix-sphere "দ্য লায়ন ইজ ফ্রিড"] নিবন্ধে উদ্ধৃত (৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫) === ১৯৩৮ === * আমরা উত্তরোত্তর এটিই অনুভব করছিলাম যে সমগ্র ইউরোপীয় পরিস্থিতির একটি বাস্তব সমাধানই কেবল স্পেনকে রক্ষা করতে সমর্থ হতে পারে, যদি প্রকৃতপক্ষে স্পেনকে রক্ষা করার মতো কোনো সুযোগ বা সম্ভাবনা অবশিষ্ট থেকে থাকে। লিওন ব্লুমের নেতৃত্বাধীন সরকার অন্ততপক্ষে ফরাসি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে স্পেনের বিদ্যমান গুরুত্বটুকু আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে নিয়েছিল। তবে দালাদিয়ে গোষ্ঠী কেবল তাদের নিজস্ব দেশীয় ঘরানার ফ্যাসিবাদীদের সাথেই জোটবদ্ধ হয়নি, বরং তারা বিদেশি চক্রের সাথেও অত্যন্ত নিবিড়ভাবে হাত মিলিয়েছিল; যেখানে জাতীয় পরিচয়ের তুলনায় শ্রেণীগত পরিচয়ই তাদের নিকট অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ ও মুখ্য হিসেবে পরিগণিত হয়েছিল। ফ্রান্স কেন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না—এটি তখন একটি সাধারণ ও গতানুগতিক বুলিতে পরিণত হয়েছিল। হিটলার এবং তার সহযোগীরা যদি স্পেনের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে তবে ফ্রান্স যে তিনটি ভিন্ন দিক থেকে কৌশলগতভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে, তা ফরাসি শাসকরা হয় লক্ষ্য করতে সমর্থ হয়নি অথবা তারা এই পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন ছিল। ফরাসি সাধারণ জনগণ মনে-প্রাণে আমাদের আদর্শের সাথে যুক্ত ছিল; তারা হাজার হাজার উপযুক্ত সন্তান এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদানের মাধ্যমে আমাদের সহায়তা করেছিল; কিন্তু ফ্রান্সের তৎকালীন শাসকরা ছিল আমাদের অবস্থানের সম্পূর্ণ প্রতিকূলে। তাদের মনে ফ্যাসিবাদীদের প্রতি কোনো প্রকার বিদ্বেষ ছিল না, কারণ আদর্শগতভাবে তারা নিজেরাও ছিল ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার অনুসারী। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৮০ * লোকজন বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট থেকে [[:w:স্পেন|স্পেনে]] গমন করেছিলেন, তবে সেখানে আমার সাক্ষাৎ হওয়া প্রায় প্রত্যেকটি মানুষের অন্তরালে একটি সাধারণ অস্থিরতা এবং একপ্রকার একাকীত্ব বিদ্যমান ছিল। সম্মুখ সমরে এই মানুষগুলো শৃঙ্খলিত বিবেকপ্রসূত এক চরম মরিয়াভাব নিয়ে অত্যন্ত ক্ষিপ্রতার সাথে যুদ্ধ পরিচালনা করতেন; কিন্তু ব্যক্তিগত আলাপচারিতার মুহূর্তে তাদের মধ্যে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি সত্তার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা যেত। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৮১-১৮২ * হিটলার এবং মুসোলিনি কখনোই তাদের প্রেরিত সেই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীকে ফিরিয়ে নেওয়ার সামর্থ্য রাখতেন না, যাদের সদস্য সংখ্যা আমাদের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি ছিল। এর পাশাপাশি এটি অস্বীকার করার আর কোনো অবকাশ ছিল না যে, ব্রিটিশ সরকার আসলে স্পেনকে সম্পূর্ণ শ্বাসরোধ করার প্রচেষ্টায় ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলোর এক নিভৃত ও নীরব অংশীদার হিসেবে অবস্থান করছিল; এবং আমরা বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম বিস্ময়কর ও চরম নির্লজ্জ ভণ্ডামির এক নজিরবিহীন প্রদর্শনী প্রত্যক্ষ করছিলাম। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৯২-১৯৩ * তারা বিশ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে শুরু করেছিল, সব এমনভাবে মিশে গিয়েছিল যে তারা কী করছিল তা বোঝা যাচ্ছিল না। তাদের প্রপেলারের তীব্র শব্দ আমাদের কানে এমনভাবে আসছিল যেন তারা ঠিক আমাদের মাথার ওপরেই আছে। একে একে তিনটি বিমান অগ্নিশিখায় পরিণত হয়ে নিচে পড়ে গেল, আর হঠাৎ করেই বসন্তের ফুলের মতো দুটি [[w:প্যারাশুট|প্যারাশুট]] আকাশে ফুটে উঠল এবং ধীরে ধীরে নিচে নামতে লাগল। স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল যে মানুষগুলো তাদের প্যারাশুটগুলো যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে রশিগুলো ধরে প্রবলভাবে টানছে এবং পেন্ডুলামের ন্যায় এদিক-ওদিক দুলছে, আর ঠিক সেই মুহূর্তে ফ্যাসিবাদীদের যুদ্ধবিমানগুলো তাদের দিকে তীব্র গতিতে ধাবিত হয়ে মেশিনগান দিয়ে গুলিবর্ষণের চেষ্টা করছিল। "জারজগুলো!" অ্যারন তীব্র ক্ষোভের সাথে বলে উঠল। "ওদের কর্মকাণ্ড একবার দেখো, কুলাঙ্গারের দল!" আমাদের পক্ষীয় দুটি বিমান তখন অবতরণরত সেই পাইলটদের সুরক্ষা প্রদানের নিমিত্তে তাদের চারপাশ দিয়ে ধীরে ধীরে বৃত্তাকারে চক্কর দিচ্ছিল। অ্যারন পুনরায় মন্তব্য করল, "এটি প্রকৃতপক্ষেই এক নরকতুল্য যুদ্ধ।" ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ২৬৯ * কুয়াশা থাকার অর্থ ছিল কোনো বিমানের উপস্থিতি না থাকা, যার ফলে আমরা বিশ্রাম গ্রহণ করতে পারতাম। গতকাল তারা সারাদিনব্যাপী সক্রিয় ছিল; তারা আমাদের পশ্চাৎভাগের পিনেল, আমাদের ডানদিকের করবেরা ও গ্যানদেসা অভিমুখী সড়ক এবং মোরা ও আমাদের যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বোমাবর্ষণ পরিচালনা করছিল। আমরা পাহাড়ের চূড়া থেকে তাদের দেখতে পাচ্ছিলাম, তারা এক ভয়াবহ সারিতে অত্যন্ত ধীরগতিতে এই ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে চক্কর দিচ্ছিল এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে বিশাল বর্গাকার এলাকা জুড়ে সামনে-পেছনে ও ওপর-নিচে তাদের বীজ বপন করছিল; যার ফলে দীর্ঘ সময় বায়ুমণ্ডল ধোঁয়া ও ধুলোয় পূর্ণ ছিল এবং বিস্ফোরণের নিরন্তর শব্দে প্রকম্পিত হচ্ছিল।<br>আমাদের 'পম-পম' গানগুলো তাদের লক্ষ্য করে অত্যন্ত করুণভাবে গুলি ছুড়ছিল। এটি মূলত একটি দীর্ঘ ও হালকা ধরণের বিমান বিধ্বংসী বন্দুক যা বেশ কার্যকর ছিল, কিন্তু আমাদের কাছে এগুলো সংখ্যায় এতই সামান্য ছিল যে তারা এগুলোর প্রতি বিন্দুমাত্র মনোযোগ প্রদান করেনি। পঁচাত্তরটি বিমান আমাদের সেই নগণ্য গোলাগুলির মধ্য দিয়ে অত্যন্ত বিরক্তিকর স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে উড়ে যাচ্ছিল; কিন্তু যখন আমাদের পক্ষীয় দশটি বিমান আবির্ভূত হতো তখন তাদের এমন এক অগ্নিবলয়ের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হতো যা শত শত একর আকাশকে কালো করে ফেলত।<br>এটি ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক, আর এই পরিস্থিতির জন্য আপনি [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্সকে]] ধন্যবাদ দিতে পারেন; আপনি ধন্যবাদ দিতে পারেন [[:w:যুক্তরাজ্য|ইংল্যান্ড]] এবং তার 'হস্তক্ষেপহীনতা কমিটিকে'; আপনি ধন্যবাদ দিতে পারেন [[:w:ইতালি|ইতালি]] ও [[:w:জার্মানি|জার্মানিকে]] এবং পরিশেষে আপনি বিশেষভাবে ধন্যবাদ দিতে পারেন [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] ও তার 'নিরপেক্ষতা' আইনকে, যা ফ্রাঙ্কোর নিকট হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে ইতালি ও জার্মানিতে মার্কিন নির্মিত যুদ্ধাস্ত্র বিক্রির অনুমতি প্রদান করেছিল। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ২৮২-২৮৩ * ইউরোপ থেকে ভেসে আসা সংবাদগুলো পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিকতর শোচনীয় ছিল; [[:w:যুক্তরাজ্য|ইংল্যান্ড]] এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]] [[:w:চেকোস্লোভাকিয়া|চেকোস্লোভাকিয়াকে]] খণ্ডবিখণ্ড করার বিষয়ে একমত হয়েছিল এবং দেশটির নিকট সমঝোতার একটি 'পরিকল্পনা' পেশ করেছিল। এই পরিকল্পনাটি ছিল চরম পর্যায়ের নীতিভ্রষ্ট: এতে সুডেটেন অঞ্চলগুলোর সরাসরি হস্তান্তর, বৃহৎ [[:w:জার্মানি|জার্মান]] জনসংখ্যা অধ্যুষিত অন্যান্য অঞ্চলগুলোর [[:w:স্বায়ত্তশাসন|স্বায়ত্তশাসন]], অন্য পরাশক্তিগুলোর মধ্যে বড় ধরণের সংঘাতের ক্ষেত্রে চেকোস্লোভাকিয়ার 'নিরপেক্ষকরণ', এবং ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] ও [[:w:ইতালি|ইতালির]] পক্ষ থেকে দেশটির সীমান্ত রক্ষার প্রথাগত 'নিশ্চয়তা' অন্তর্ভুক্ত ছিল। খুনিরাই মৃতদেহকে সম্মান জানানোর নিশ্চয়তা দিচ্ছিল!<br>আমরা বিশ্বাস করেছিলাম যে বর্তমান চেক সরকার এই শর্তগুলো কখনোই গ্রহণ করবে না। তাদের নিকট ছিল একটি শ্রেষ্ঠ সেনাবাহিনী; তাদের জনগণ বছরের পর বছর প্রকৃত [[:w:গণতন্ত্র|গণতন্ত্রের]] স্বাদ গ্রহণ করেছিল। তাদের ছিল একটি সমৃদ্ধ সমরাস্ত্র শিল্প যা যে কাউকেই ঈর্ষান্বিত করতে পারত (অনেকে করতও)। আর তাই আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম যে ফ্রান্স তার পূর্বের প্রতিশ্রুতিগুলো রক্ষা করবে এবং ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের জনগণের তীব্র ক্ষোভ তাদের নিজ নিজ মন্ত্রিসভার পতন ঘটাবে। কিন্তু আমাদের ধারণা ভুল ছিল। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ৩৩৬-৩৩৭ * এভাবে লাঠি থেকে গাজর, সব ধরনের কৌশল অবলম্বন করে, শীর্ণকায় অস্ট্রিয়ান গাধাটিকে দিয়ে [[:w:নাৎসিবাদ|নাৎসি]] ঠেলাগাড়িটিকে এক ক্রমাগত খাড়া পাহাড়ের দিকে টেনে নেওয়া হচ্ছে। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "দ্য রেপ অফ অস্ট্রিয়া" পত্র (৬ জুলাই, ১৯৩৮); চার্চিলের ''স্টেপ বাই স্টেপ, ১৯৩৬-১৯৩৯'' (১৯৩৯) গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত, পৃষ্ঠা ২৬২ * অসংখ্য আক্রমণকারী সৈন্য কেবল পৈশাচিক ধর্ষণের মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ না রেখে তারা নারীদের পেট পর্যন্ত চিরে ফেলত, তাদের স্তনগুলো কেটে ফেলত এবং অনেককে জীবন্ত অবস্থায় দেয়ালের সাথে পেরেক দিয়ে গেঁথে ফেলেছিল! পরিবারের অন্য সদস্যদের চোখের সামনেই পিতাদেরকে বাধ্য করা হয়েছে তাদের নিজ কন্যাদের উপর পাশবিকতা চালাতে এবং একইভাবে পুত্রদের বাধ্য করা হয়েছে তাদের মায়েদের ধর্ষণ করতে । কেবল মানুষকে জীবন্ত মাটি চাপা দিয়ে কবর দেওয়া, খোজা করা, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নৃশংসভাবে কেটে নেওয়া এবং শুধু জ্যান্ত মানুষকে নির্মমভাবে পুড়িয়ে মারাটাই তাদের দৈনন্দিন রুটিনে পরিণত হয়নি, বরং সেখানে এর চেয়েও অনেক বেশি পৈশাচিক ও অবর্ণনীয় নির্যাতন চালানো হয়েছিল। যেমনঃ অসহায় মানুষের জিহ্বায় ধারালো লোহার হুক গেঁথে তাদের নির্মমভাবে ঝুলিয়ে রাখা কিংবা কোমর পর্যন্ত মাটির গভীরে পুঁতে দিয়ে হিংস্র [[w:জার্মান শেফার্ড|জার্মান শেফার্ড কুকুর]] লেলিয়ে দিয়ে তাদের শরীর জীবন্ত ছিঁড়ে খেতে দেখা। এই দৃশ্যগুলো এতটাই বীভৎস ও অবর্ণনীয় ছিল যে শহরের মধ্যে অবস্থানরত নাৎসি কর্মকর্তারাও শেষ পর্যন্ত চরমভাবে আতঙ্কিত ও স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিল। ** '''''আইরিস চ্যাং''''', ''দ্য রেপ অফ নানকিং'' (১৯৯৭); অরভিল শেল কর্তৃক পর্যালোচিত, [https://www.nytimes.com/books/97/12/14/reviews/971214.14schellt.html "বেয়ারিং উইটনেস"], ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৭) * আমাদের সময়ের শান্তি। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', হেস্টন বিমানবন্দরে দেওয়া ভাষণ (৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৮); বিবিসির "অন দিস ডে" সিরিজের অন্তর্ভুক্ত [http://news.bbc.co.uk/onthisday/hi/dates/stories/september/30/newsid_3115000/3115476.stm ১৯৩৮: "পিস ফর আওয়ার টাইম"] * আমি বিশ্বাস করি যে উভয় পক্ষের মধ্যেই আন্তরিকতা এবং সদিচ্ছা রয়েছে। আমার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ইউরোপের শান্তিকামীতার জন্য কাজ করা... চেকোস্লোভাকিয়ার প্রশ্নটি ছিল সর্বশেষ এবং সম্ভবত সবচেয়ে বিপজ্জনক সমস্যা। এখন যেহেতু আমরা এটি পেরিয়ে এসেছি, আমি অনুভব করছি যে সুস্থিরতার পথে আরও অগ্রগামী হওয়া সম্ভব সম্ভব হতে পারে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', মিউনিখ সম্মেলনে (৩ অক্টোবর, ১৯৩৮) তার কর্মকাণ্ডের (চেকোস্লোভাকিয়ার জার্মানভাষী অঞ্চলগুলো জার্মানিকে দিয়ে দেওয়া সহ) সপক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', খণ্ড ৮৮, সংখ্যা ২৯৪৭৩ (৪ অক্টোবর, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৪ * এটি কতখানি ভয়াবহ, অবিশ্বাস্য এবং একটি অকল্পনীয় একটি বিষয় যে, আমাদের এই আপন ভূমিতে দূর দেশের এমন কিছু মানুষের মধ্যেকার এক বিবাদের কারণে খন্দক খনন করতে হচ্ছে এবং শ্বাসরোধকারী গ্যাস মাস্ক পরিধান করে প্রত্যক্ষ করতে হচ্ছে, বলতে গেলে আমরা তাদের ব্যাপারে কিছুই জানিনা।<br>এটি ভাবতেও আরও অনেক বেশি অসম্ভব ও অবাস্তব বলে মনে হয় যে, একটি বিবাদ যা কি না ইতিমধ্যেই নীতিগতভাবে প্রায় মিমাংসা হয়ে গিয়েছে, তা শেষ পর্যন্ত আমাদের জন্য যুদ্ধের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', লন্ডনে দেওয়া জাতীয় বেতার ভাষণ (২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৮); চেম্বারলেনের ''ইন সার্চ অফ পিস'' (১৯৩৯) গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত, পৃষ্ঠা ১৭৪। তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। * নিঃসন্দেহে অনেক মানুষ আন্তরিকভাবেই এটি বিশ্বাস করেন যে, তারা কেবল চেকোস্লোভাকিয়ার স্বার্থগুলোই বিসর্জন দিচ্ছেন। অথচ আমার আশঙ্কা হলো, আমরা অচিরেই দেখতে পাব যে আমরা [[:w:যুক্তরাজ্য|গ্রেট ব্রিটেন]] এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] নিরাপত্তা ও এমনকি স্বাধীনতাকে গভীরভাবে আপস করে ফেলেছি এবং সম্ভবত এক মারাত্মক বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছি।<br>আমি পূর্বানুমান করছি এবং ভবিষ্যদ্বাণী করছি যে, এই নতিস্বীকারের নীতি অদূর ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে বাকস্বাধীনতা ও বিতর্কের ওপর, জনসভার মঞ্চগুলোতে এবং সংবাদপত্রের মুক্ত আলোচনার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ বয়ে আনবে। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', হিটলারের প্রতি প্রধানমন্ত্রী চেম্বারলেনের তোষণ নীতির কড়া সমালোচনা করে ব্রিটিশ [[:w:যুক্তরাজ্যের সংসদ|পার্লামেন্টে]] দেওয়া ভাষণ; র‍্যান্ডলফ এস. চার্চিল সম্পাদিত ''ইনটু ব্যাটেল'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৫০ * কী এক হযবরল অবস্থা! আমাদের শত্রুরা যদি জানত যে আমরা সব কিছুকে কতটা তালগোল পাকিয়ে ফেলেছি! বেনেৎস লড়াই না করে এক মস্ত বড় বোকামি করেছেন! ** '''''ভাল্টার ফন রাইখেনাউ''''', চেকোস্লোভাকিয়ার সুডেটেনল্যান্ড অঞ্চলটি জার্মানিতে অন্তর্ভুক্ত করার পর কার্লসব্যাডের পার্ক হোটেলে (৩ অক্টোবর, ১৯৩৮); লিওনার্ড মোসলে রচিত ''অন বরোড টাইম: হাউ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু বিগান'' (১৯৬৪), পৃষ্ঠা ৭৮ গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ১৯৩৯ === * আমেরিকার সীমান্ত আজ [[:w:রাইন নদী|রাইন নদীর]] তীরে অবস্থিত। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]]''''', হোয়াইট হাউসে সামরিক বিষয়ক সিনেট কমিটির এক নির্বাহী অধিবেশনে (৩১ জানুয়ারি, ১৯৩৯) তাঁর প্রতি আরোপিত উক্তি; হুইটনি এইচ শেপার্ডসন এবং উইলিয়াম ও স্ক্রগস রচিত ''দ্য ইউনাইটেড স্টেটস ইন ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স'' (১৯৪০) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০৪। এই মন্তব্যের প্রতিবেদন মার্কিন বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং জার্মান সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল, অন্যদিকে ব্রিটিশ ও ফরাসিদের মনে এটি সাহসের সঞ্চার করেছিল। রুজভেল্ট এই মন্তব্যটিকে জোরালোভাবে অস্বীকার করেন এবং ৩ ফেব্রুয়ারির এক সংবাদ সম্মেলনে এটিকে একটি "ইচ্ছাকৃত মিথ্যা" বলে অভিহিত করেন। ''দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট'', ১৯৩৯' (১৯৪১), পৃ. ১১৩. প্রতিনিধি জন এ. মার্টিন সামরিক বিমান নির্মাণ সংক্রান্ত একটি আলোচনার সময় হাউসে তাঁর মন্তব্যে এই বিষয়টি উল্লেখ করেন: "রাষ্ট্রপতির একটি কথিত ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়ে একটি তুমুল বিতর্ক চলছে যে আমেরিকার সীমান্ত রাইন নদীর তীরে অবস্থিত। তিনি একথা বলুন বা না বলুন, আমেরিকার সীমান্ত রাইন নদীর তীরে এবং তার বাইরেও ছিল। একটি আমেরিকান সেনাবাহিনী জার্মানির মাটিতে পা রেখেছে। আমেরিকার সীমান্ত ইউরোপ, আফ্রিকা এবং এশিয়ার উপকূলে ছিল, যখন সেই উপকূলগুলো আজকের তুলনায় আমাদের থেকে অনেক বেশি দূরে ছিল"। ''কংগ্রেসনাল রেকর্ড'' (ফেব্রুয়ারি ১৪, ১৯৩৯), খণ্ড ৮৪, পৃষ্ঠা ১৩৯৪। * এটি সম্পূর্ণ অসত্য যে আমি, অথবা জার্মানির অন্য কেউ ১৯৩৯ সালে একটি যুদ্ধ চেয়েছিল। এই যুদ্ধটি কেবলমাত্র সেইসব আন্তর্জাতিক রাজনীতিবিদদের দ্বারা কাঙ্ক্ষিত এবং প্ররোচিত ছিল যারা হয় ইহুদি বংশোদ্ভূত ছিল, অথবা ইহুদিদের স্বার্থের জন্য কাজ করত... তিনি জার্মান জাতির অভিজাত শ্রেণীকে জানিয়েছিলেন 'সকল মানুষের বিশ্ব-বিষকার, আন্তর্জাতিক ইহুদিতন্ত্রের, বিরুদ্ধে নির্মম প্রতিরোধ গড়ে তুলতে'। ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', এইচ. আর. ট্রেভর-রোপার রচিত ''দ্য লাস্ট ডেইজ অফ হিটলার'', লন্ডন (১৯৫০) গ্রন্থে উদ্ধৃত। * [[:w:এনরিকো ফের্মি|ই. ফের্মি]] এবং [[:w:লিও জিলার্ড|এল. জিলার্ডের]] পরিচালিত সাম্প্রতিক কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও পাণ্ডুলিপি... আমাকে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে এই প্রত্যাশা করতে উদ্বুদ্ধ করেছে যে, অতি অদূর ভবিষ্যতে [[:w:ইউরেনিয়াম|ইউরেনিয়াম]] মৌলটি এক অভাবনীয় শক্তির নতুন এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রধান উৎসে পরিণত হতে পারে। উদ্ভূত বর্তমান পরিস্থিতির কিছু অত্যন্ত সংবেদনশীল দিক এখন বিশেষ সতর্কতার দাবি রাখে এবং প্রয়োজনবোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন বলে আমি গভীরভাবে মনে করি...।<br>বিগত মাত্র চার মাসের নিরবচ্ছিন্ন গবেষণার ফলে এখন এটি পুরোপুরি সম্ভবপর হয়ে উঠেছে যে, ইউরেনিয়ামের একটি নির্দিষ্ট ও বিশাল ভরের অভ্যন্তরে একটি নিয়ন্ত্রিত নিউক্লীয় শৃঙ্খল বিক্রিয়া বা চেইন রিঅ্যাকশন সফলভাবে তৈরি করা যেতে পারে, যার অভাবনীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বিধ্বংসী শক্তি উৎপন্ন হবে। বর্তমানে এখন এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রায় নিশ্চিত যে অদূর ভবিষ্যতে এই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা পুরোপুরি সম্ভব হবে।<br>এই অভাবনীয় নতুন বৈজ্ঞানিক ঘটনাটি অত্যন্ত শক্তিশালী মারণাস্ত্র বা বোমা তৈরির প্রশস্ত পথও উন্মোচন করতে পারে এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে এমনটি ভাবা যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত বলে প্রতীয়মান হয়। যদিও বর্তমানে কিছুটা কম নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে যে, এই নির্দিষ্ট প্রযুক্তির সাহায্যে বাস্তবে একটি নতুন ধরণের অভাবনীয় ও অত্যন্ত শক্তিশালী বোমা তৈরি করা পুরোপুরি সম্ভব কি না। এই ধরণের একটিমাত্র বিধ্বংসী বোমা, যা কোনো সাধারণ নৌকায় করে কৌশলগত কোনো বন্দরে নিয়ে গিয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটালে, তা অনায়াসেই পুরো বন্দর এলাকা এবং তার আশেপাশের বিশাল জনপদ মুহূর্তেই ধ্বংস করে দিতে পারে। তবে, প্রাথমিক অবস্থায় এই ধরণের মারণ বোমাগুলো আকাশপথে নিরাপদ পরিবহনের জন্য সম্ভবত অনেক বেশি ভারী বলে প্রমাণিত হতে পারে...।<br>উদ্ভূত এই বিশেষ পরিস্থিতির গুরুত্বের প্রেক্ষিতে আপনি হয়তো আপনার প্রশাসনের সাথে আমেরিকায় চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ে নিরলস কাজ করা নিবেদিতপ্রাণ পদার্থবিজ্ঞানীদের দলের একটি স্থায়ী ও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখা অত্যন্ত সমীচীন এবং দূরদর্শী পদক্ষেপ বলে মনে করবেন। ** পদার্থবিজ্ঞানী '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''' কর্তৃক প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টকে লেখা চিঠি (২ আগস্ট, ১৯৩৯; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার এক মাস আগে); যেখানে তিনি নাৎসি জার্মানি কর্তৃক পারমাণবিক বোমা তৈরির বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এটি পরবর্তীতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সূত্রপাত ঘটায়: <br>(১) নাৎসি জার্মানির সাথে যুদ্ধে লিপ্ত সকল দেশকে সাহায্য করার জন্য রুজভেল্টের প্রচেষ্টা, যাতে জার্মানি পারমাণবিক বোমা তৈরির আগেই তাদের পরাজিত করা যায়, এবং <br>(২) অত্যন্ত গোপনীয় "[[:w:ম্যানহাটন প্রকল্প|ম্যানহাটন প্রকল্প]]", যেখানে সরকার প্রকৃতপক্ষে পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য "আমেরিকার চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ে কাজ করা পদার্থবিজ্ঞানীদের দলের" সাথে একত্রে কাজ করেছিল। * পুরো ইউরোপ জুড়ে, না, বরং পুরো বিশ্ব জুড়েই একটি নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে...। হায়! এটি আসলে এক চরম উত্তেজনার নিস্তব্ধতা এবং অনেক দেশেই এটি এক ভয়াবহ আতঙ্কের নিস্তব্ধতা। শুনুন! না, মন দিয়ে শুনুন, আমি মনে হয় কিছু একটা শুনতে পাচ্ছি—হ্যাঁ, এটি বেশ স্পষ্ট ছিল। আপনারা কি শুনতে পাচ্ছেন না? এটি হলো কুচকাওয়াজের ময়দানের নুড়ি পাথর মাড়িয়ে ধেয়ে আসা বিশাল সেনাবাহিনীর পদধ্বনি, বৃষ্টিতে ভেজা কর্দমাক্ত মাঠ দিয়ে এগিয়ে চলা দুই মিলিয়নেরও বেশি জার্মান সৈন্য এবং এক মিলিয়নেরও বেশি ইতালীয় সৈন্যের ভারী বুটের শব্দ, যারা কেবল "মহড়া দিতে যাচ্ছে"—হ্যাঁ, শুধুই মহড়া! ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "এ হাশ ওভার ইউরোপ" (ইউরোপ জুড়ে নিস্তব্ধতা) শীর্ষক ভাষণ; লন্ডন থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে প্রচারিত (৮ আগস্ট, ১৯৩৯); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬১৫০। == যুদ্ধের শুরু == === ১৯৩৯ === [[File:The British Army in France 1940 F2441.jpg|thumb|right|এখন যেহেতু আমরা এটি শেষ করার সংকল্প করেছি, আমি জানি যে আপনারা সবাই শান্ত থেকে এবং সাহসের সাথে আপনাদের ভূমিকা পালন করবেন। ~ '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''']] * আমি ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে আপনাদের উদ্দেশ্যে বলছি। আজ সকালে বার্লিনে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত জার্মান সরকারকে একটি চূড়ান্ত নোট প্রদান করেছেন, যাতে বলা হয়েছে যে, যদি না আমরা বেলা ১১টার মধ্যে তাদের কাছ থেকে এই মর্মে কোনো নিশ্চয়তা পাই যে তারা অবিলম্বে [[:w:পোল্যান্ড|পোল্যান্ড]] থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করতে প্রস্তুত, তবে আমাদের মধ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হবে। আমাকে এখন আপনাদের জানাতে হচ্ছে যে, এ ধরণের কোনো প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি এবং এর ফলে এই দেশ এখন জার্মানির সাথে যুদ্ধে লিপ্ত। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) * তাঁর কর্মকাণ্ড চূড়ান্তভাবে এটিই প্রমাণ করে যে, এই ব্যক্তি নিজের ইচ্ছা চরিতার্থ করার জন্য শক্তি প্রয়োগের যে পথ বেছে নিয়েছেন, তা তিনি কোনোদিন ত্যাগ করবেন। এমন কোনো প্রত্যাশা করার সুযোগ নেই। তাঁকে কেবলমাত্র শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমেই থামানো সম্ভব। আজ আমরা এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]], আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে সেই [[:w:পোল্যান্ড|পোল্যান্ডের]] এর দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, যারা তাদের জনগণের ওপর এই জঘন্য এবং বিনা উস্কানিতে হওয়া আক্রমণের বিরুদ্ধে অত্যন্ত সাহসের সাথে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) * জার্মানির শাসকের দেওয়া কোনো কথা যখন আর বিশ্বাস করা যায় না এবং কোনো জাতি বা দেশ নিজেকে নিরাপদ মনে করতে পারে না—এমন একটি পরিস্থিতি আজ অসহনীয় হয়ে উঠেছে। এখন যেহেতু আমরা এটি শেষ করার সংকল্প করেছি, আমি জানি যে আপনারা সবাই শান্ত থেকে এবং অদম্য সাহসের সাথে আপনাদের নিজ নিজ ভূমিকা পালন করবেন। ** '''''[[w:নেভিল চেম্বারলেনhttps://bn.wikipedia.org/wiki/নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) * ঈশ্বর আপনাদের সবার মঙ্গল করুন এবং ন্যায়ের পক্ষকে রক্ষা করুন। কারণ আমরা আজ অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে যাচ্ছি। যা শুধু পাশবিক শক্তি, বিশ্বাসভঙ্গ, অন্যায়, নিপীড়ন এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়াই। আর আমি নিশ্চিত যে, এদের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত ন্যায়েরই জয় হবে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) === ১৯৪০ === * আমাদের এই দ্বীপের, আমাদের সাম্রাজ্যের এবং বস্তুতপক্ষে অপরাধীদের বাসস্থান ব্যতীত সারা বিশ্বের প্রতিটি বাড়ির কৃতজ্ঞতা সেই ব্রিটিশ বিমানসেনাদের প্রতি নিবেদিত, যাঁরা প্রতিকূলতায় অদম্য, নিরন্তর সংগ্রাম ও মরণপণ বিপদের মুখে অক্লান্ত থেকে নিজেদের বীরত্ব ও নিষ্ঠার দ্বারা বিশ্বযুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিচ্ছেন। এই মানব সংঘাতের ইতিহাসে এত অল্পসংখ্যক মানুষের কাছে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের এত বেশি ঋণ আর কখনও দেখা যায়নি। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:ব্রিটেনের যুদ্ধ|ব্রিটেনের যুদ্ধের]] সময় ব্রিটিশ হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (২০ আগস্ট, ১৯৪০); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬২৬৬। * '''আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব, আমরা ফ্রান্সে লড়াই করব, আমরা সমুদ্র ও মহাসাগরগুলোতে লড়াই করব, আমরা আকাশে ক্রমবর্ধমান আত্মবিশ্বাস ও ক্রমবর্ধমান শক্তি নিয়ে লড়াই করব, আমরা আমাদের দ্বীপকে রক্ষা করব, এর মূল্য যাই হোক না কেন। আমরা লড়াই করব সৈকতে, আমরা লড়াই করব অবতরণ ক্ষেত্রে, আমরা লড়াই করব মাঠে ও রাস্তায়, আমরা লড়াই করব পাহাড়ে। আমরা কখনোই আত্মসমর্পণ করব না। আর এমনকি যদি—যা আমি এক মুহূর্তের জন্যও বিশ্বাস করি না যে এই দ্বীপ বা এর বিশাল অংশ পরাধীন হয় এবং অনাহারে থাকে, তবে সমুদ্রের ওপারে আমাদের সাম্রাজ্য ব্রিটিশ নৌবহর দ্বারা সশস্ত্র ও সুরক্ষিত থেকে সংগ্রাম চালিয়ে যাবে। যতক্ষণ না ঈশ্বরের শুভ সময়ে এক নতুন বিশ্ব, তার সমস্ত শক্তি ও সামর্থ্য নিয়ে পুরাতন বিশ্বকে উদ্ধার ও মুক্ত করতে এগিয়ে আসছে।''' ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', ব্রিটিশ হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (৪ জুন, ১৯৪০)। এটি লক্ষ্য করা হয়েছে যে, এই ভাষণের সবচেয়ে বিখ্যাত অংশটি, যা "আমরা সৈকতে লড়াই করব" দিয়ে শুরু হয়ে "আমরা কখনোই আত্মসমর্পণ করব না" দিয়ে শেষ হয়েছে, তার প্রতিটি শব্দই [[:w:প্রাচীন ইংরেজি ভাষা|প্রাচীন ইংরেজি]] (অ্যাংলো-স্যাক্সন) থেকে উদ্ভূত; কেবল "সারেন্ডার" বা 'আত্মসমর্পণ' শব্দটি বাদে—যা প্রাচীন ফরাসি থেকে এসেছে। * আমার নিজের পূর্ণ আত্মবিশ্বাস রয়েছে যে, যদি সবাই তাদের কর্তব্য পালন করে, যদি কোনো কিছু অবহেলা না করা হয় এবং যদি সর্বোত্তম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। যেমনটি এখন করা হচ্ছে, তবে আমরা আবারও আমাদের দ্বীপ-মাতৃভূমিকে রক্ষা করতে, যুদ্ধের এই ঝড় কাটিয়ে উঠতে এবং স্বৈরাচারের হুমকিকে পরাস্ত করতে সক্ষম বলে নিজেদের প্রমাণ করবই; প্রয়োজনে বছরের পর বছর, দরকার হলে একাই। * জেনারেল ওয়েগাঁ যে সংঘাতকে অত্যন্ত যথাযথভাবে [[w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ফ্রান্সের সামরিক ইতিহাস|ফ্রান্সের যুদ্ধ]] বলে অভিহিত করেছিলেন, তার পরিসমাপ্তি ঘটেছে। আমি এখন দৃঢ়ভাবে আশা করছি যে, চূড়ান্ত ও নির্ণায়ক [[w:ব্রিটেনের যুদ্ধ|ব্রিটেনের যুদ্ধ]] অতি শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে। এই মহাযুদ্ধের ফলাফলের ওপর সমগ্র খ্রিস্টান সভ্যতার টিকে থাকা এবং ভবিষ্যৎ অস্তিত্ব নির্ভর করছে। এর ওপর সরাসরি নির্ভর করছে আমাদের নিজস্ব ব্রিটিশ জীবনধারা এবং আমাদের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ও সাম্রাজ্যের সুদীর্ঘ মহান ধারাবাহিকতা। শত্রুর পুঞ্জীভূত সমস্ত ক্রোধ ও ধ্বংসাত্মক শক্তি খুব শীঘ্রই আমাদের এই ভূখণ্ডের ওপর সজোরে আছড়ে পড়বে। হিটলার অত্যন্ত ভালোভাবেই জানে যে তাকে হয় এই দ্বীপে আমাদের সম্পূর্ণরূপে পরাস্ত করতে হবে, নয়তো তাকে এই মহাযুদ্ধে চূড়ান্ত হার মানতে হবে।<br>আমরা যদি সাহসের সাথে তাঁর বিরুদ্ধে ইস্পাতকঠিন সংকল্প নিয়ে রুখে দাঁড়াতে পারি, তবে অচিরেই সমগ্র ইউরোপ নাৎসিদের দাসত্ব থেকে মুক্ত হতে পারে এবং সমগ্র বিশ্বের জীবনপ্রবাহ এক বিস্তৃত, সূর্যালোকিত উচ্চভূমির দিকে সফলভাবে এগিয়ে যেতে পারে। কিন্তু যদি আমরা কোনোভাবে ব্যর্থ হই, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সমগ্র বিশ্ব এবং আমরা যা কিছু জানি ও হৃদয়ে পরোয়া করি, তার সবই এক ভয়াবহ নতুন অন্ধকার যুগের অতল গহ্বরে চিরতরে তলিয়ে যাবে। যা বিকৃত বিজ্ঞানের অশুভ আলোকচ্ছটায় আরও অনেক বেশি পৈশাচিক এবং সম্ভবত ইতিহাসের দীর্ঘস্থায়ী এক নরক হবে। তাই আসুন আমরা আমাদের পবিত্র কর্তব্যে অবিচল থাকি এবং নিজেদের এমন আদর্শিকভাবে পরিচালিত করি যেন, যদি [[:w:ব্রিটিশ সাম্রাজ্য|ব্রিটিশ সাম্রাজ্য]] এবং তার [[:w:কমনওয়েলথ অফ নেশনস|কমনওয়েলথ]] আরও হাজার বছর মহিমায় টিকে থাকে, তবে অনাগত ভবিষ্যতের মানুষ যেন আজও বলে, "এটিই ছিল তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সময়।" ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (১৮ জুন, ১৯৪০) * ফ্রান্স একটি যুদ্ধে হেরেছে, কিন্তু ফ্রান্স এই পুরো যুদ্ধে হারেনি। ** '''''[[:w:শার্ল দ্য গোল|শার্ল দ্য গোল]]''''', মুক্ত ফরাসি বাহিনীর নেতা, [[:w:১৮ জুনের আবেদন|১৮ জুনের আবেদনে]]। * আমি সেই ঐতিহাসিক জুন মাসে বিজয়ী জার্মান সেনাবাহিনীর পিছু পিছু বিধ্বস্ত প্যারিসে প্রবেশ করেছিলাম... এবং ১৯ জুন হিটলার ঠিক কোথায় তাঁর সুনির্দিষ্ট যুদ্ধবিরতির শর্তাবলী পেশ করতে যাচ্ছেন, সেই গোপন খবরটি পাই। এটি ঠিক সেই একই ঐতিহাসিক স্থানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছিল যেখানে ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর পতনোন্মুখ জার্মান সাম্রাজ্য ফ্রান্স এবং তার মিত্রশক্তির কাছে বিনাশর্তে আত্মসমর্পণ করেছিলঃ কম্পিয়েন অরণ্যের সেই নির্জন ও ছোট্ট একটি খোলা জায়গায়। সেখানে নাৎসি যুদ্ধবাজ তাঁর দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত প্রতিশোধ চরিতার্থ করতে যাচ্ছিলেন... ১৯ জুনের শেষ বিকেলে আমি সেখানে গাড়ি চালিয়ে যাই এবং সবিস্ময়ে দেখতে পাই জার্মান সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়াররা ১৯১৮ সালে মহাযুদ্ধ শেষ হওয়া সেই স্মৃতিবিজড়িত রেলগাড়িটি] জাদুঘর থেকে টেনে বের করে এনে অরণ্যের ঠিক মাঝখানে সেই নির্দিষ্ট স্থানে পুনঃস্থাপন করছে। তাদের নিখুঁত হিসাব মতে, ১৯১৮ সালের নভেম্বরের সেই কুয়াশাচ্ছন্ন ভোর ৫টায় এটি ঠিক এখানেই দাঁড়িয়ে ছিল, যখন ফরাসি মার্শাল ফের্দিনঁ ফশের কঠোর নির্দেশে জার্মান প্রতিনিধিরা গ্লানিময় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।<br>এবং এভাবেই ২১ জুন বিকেলে আমি কম্পিয়েন অরণ্যের প্রান্তে দাঁড়িয়ে স্বয়ং হিটলারের সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক বিজয় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করি। আমি একদৃষ্টিতে হিটলারের মুখের প্রতিটি অভিব্যক্তি তীক্ষ্ণভাবে লক্ষ্য করছিলাম। আমি তাঁর অবস্থান থেকে মাত্র পঞ্চাশ গজ দূরে ছিলাম এবং শক্তিশালী দূরবীন দিয়ে তাঁকে এমনভাবে দেখছিলাম যেন তিনি ঠিক আমার সামনেই রক্ত-মাংসের শরীরে দাঁড়িয়ে আছেন। আমি তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের অনেক বড় বড় মাহেন্দ্রক্ষণে সেই পরিচিত মুখটি বারবার দেখেছি। কিন্তু আজ! চরম ঘৃণা, তীব্র ক্রোধ, অন্ধ বিদ্বেষ, প্রতিশোধের নেশা আর বিজয়ের উন্মাদনায় সেই মুখটি যেন এক পৈশাচিক তেজে জ্বলছে। ** মার্কিন যুদ্ধ সংবাদদাতা '''''উইলিয়াম এল. শায়রার''''', তাঁর ''দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য থার্ড রাইখ'' (১৯৬০) গ্রন্থে। * হিটলার তাঁর অধীনে থাকা সমস্ত ভয়াবহ শক্তি দিয়ে আঘাত হানছেন। এটি তাঁর এক বেপরোয়া বাজি, আর এর বাজিটি হলো সমগ্র মানবজাতির ওপর আধিপত্য বিস্তার করা।<br>যদি হিটলার ইউরোপে জয়ী হন, তবে ব্রিটিশ ও ফরাসি সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর শক্তি চিরতরে ভেঙে পড়বে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে এক বর্বর পৃথিবীতে একা খুঁজে পাবে। যে পৃথিবী শাসিত হবে নাৎসিদের দ্বারা, যেখানে তাদের সর্বগ্রাসী মিত্রদের জন্য 'প্রভাববলয়' নির্ধারিত থাকবে। জাতিগতভাবে এই একনায়কতন্ত্রগুলো ভিন্ন হতে পারে, তবে তারা সবাই একটি প্রাথমিক লক্ষ্যে একমত: 'গণতন্ত্রকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলতে হবে।'...<br>যুদ্ধ থেকে দূরে থাকার ইচ্ছা পোষণ করা, আধুনিক যুদ্ধের অবর্ণনীয় নরক থেকে, ডাইভ বোমারু বিমান এবং অগ্নিবর্ষণকারী ট্যাঙ্ক থেকে আমাদের তরুণ সমাজকে রক্ষা করার ইচ্ছার মধ্যে লজ্জার কিছু নেই।<br>কিন্তু যারা বর্তমানে আমাদের এবং এই নরক সৃষ্টিকারীদের মাঝে দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, তাদের সাহায্য করতে আমাদের ব্যর্থতা কি আত্মঘাতী উন্মাদনার প্রমাণ নয়? ** 'কমিটি টু ডিফেন্ড আমেরিকা'র একটি সংবাদপত্র বিজ্ঞাপন, যাদের আদর্শ প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের সাথে হুবহু মিলে যেত; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১০ জুন, ১৯৪০), পৃষ্ঠা ৩৬ এল। * মিত্রপক্ষকে যুদ্ধ ব্যতিরেকে সমস্ত ধরণের সাহায্য প্রদান। ** প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক নিরপেক্ষতার নতুন সংজ্ঞা; বার্টন কে. হুইলারের বর্ধিত মন্তব্য (৭ জুন, ১৯৪০), যা ''অ্যাপেন্ডিক্স টু দ্য কংগ্রেসনাল রেকর্ড: ৭৬তম কংগ্রেস, ৩য় অধিবেশন'', খণ্ড ৮৬, অংশ ১৬ (৬ জুন, ১৯৪০ - ৬ আগস্ট, ১৯৪০), ৩৬৭৭ পৃষ্ঠায় মুদ্রিত। * আমাদের অবশ্যই গণতন্ত্রের এক বিশাল অস্ত্রাগার বা শক্তি হয়ে উঠতে হবে। ** ১৯৪০ সালের মে-জুন মাসে জার্মানির কাছে ফ্রান্সের পরাজয়ের পর ব্রিটিশদের অস্ত্র সরবরাহ করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|রুজভেল্ট]]'''''; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৩০ ডিসেম্বর, ১৯৪০), পৃষ্ঠা ৬ এল। * প্রথমে তারা অংশ নিতে ভয় পেয়েছিল, চরম ভীরুতা দেখিয়েছিল। আর এখন তারা তাড়াহুড়ো করছে যাতে লুটের মালের ভাগ বসাতে পারে। ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', ১৯৪০ সালের ১০ জুন ফ্রান্স ও গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ইতালির যুদ্ধ ঘোষণার প্রেক্ষাপটে; [[:w:মার্টিন গিলবার্ট|মার্টিন গিলবার্ট]] রচিত ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার: এ কমপ্লিট হিস্ট্রি'' (২০০৪), পৃষ্ঠা ৯০। * ১৯৪০ সালের জুনের এই দশম দিনে, যে হাতটি ছুরি ধরেছিল, সেটি তার প্রতিবেশীর পিঠে সেই ছুরিটি বসিয়ে দিয়েছে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]]''''', ১৯৪০ সালের ১০ জুন ফ্রান্স ও ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ইতালির যুদ্ধ ঘোষণার প্রেক্ষাপটে; মার্টিন গিলবার্ট রচিত ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার'' (২০০৪), পৃষ্ঠা ৯০। * আমি এটি আগেও বলেছি, তবে আমি আবারও বারবার বলবঃ আপনাদের সন্তানদের কোনো বিদেশি যুদ্ধে পাঠানো হবে না। ** পুনর্নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রেসিডেন্ট '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|রুজভেল্ট]]''''' কর্তৃক প্রদত্ত বক্তব্য; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৩১ অক্টোবর, ১৯৪০), পৃষ্ঠা ১৪ এল+। * এই হত্যাকাণ্ড তার নিজের ইচ্ছামতো চলতে পারে, তবে এটি পশ্চিমা শক্তিগুলোর এক ঐতিহাসিক অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে যে, জার্মানি যে অবিরাম আক্রমণাত্মক রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছিল, তার বিরুদ্ধে তারা অবিলম্বে কঠোরতম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এর জন্য অনেক সুযোগ বিদ্যমান ছিল, কিন্তু কোনো পদক্ষেপই গ্রহণ করা হয়নি। ** '''''ফ্রিডরিখ কেলনার''''', জার্মানির প্রধান বিচার পরিদর্শক; ১৯৪০ সালের ২৯ মে তাঁর ডায়েরির পাতায় এই আক্ষেপ প্রকাশ করেন। * আমি আমেরিকায় বড় হওয়া এক মানুষ,<br>আমি এখানে ঘৃণা করার মতো অনেক কিছু দেখেছি, অনেক কিছু ক্ষমাও করেছি,<br>কিন্তু এমন এক পৃথিবীতে যেখানে ইংল্যান্ড নিঃশেষ এবং মৃত,<br>সেখানে আমি বেঁচে থাকতে চাই না। ** '''''অ্যালিস ডুয়ের মিলার''''', ''দ্য হোয়াইট ক্লিফসের'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৪০) শেষ পঙক্তিমালা। === ১৯৪১ === * আমাদের শুধু সরঞ্জামগুলো দিন, বাকি কাজটুকু আমরাই শেষ করব। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', লন্ডনে প্রচারিত বেতার ভাষণ (৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪১); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬৩৫০। * আমাদের ত্যাগের মানসিকতার চেয়ে ভোগবিলাসের আকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল। আমরা দেওয়ার চেয়ে পাওয়ার দিকেই বেশি আগ্রহী ছিলাম। আমরা পরিশ্রমকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি, যার ফলশ্রুতিতে এই মহাবিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে। ** '''''ফিলিপ পেত্যাঁ'''''; ১৯৪১ সালের মে মাসে 'নেশনস বিজনেসে' প্রকাশিত হ্যাটন ডব্লিউ সামারসের "ডেঞ্জার: মেন নট অ্যাট ওয়ার্ক!" শীর্ষক নিবন্ধের ক্যাপশনে তাঁর প্রতি এই উক্তিটি আরোপ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, "ফরাসিরা মার্শাল পেত্যাঁ-র কণ্ঠে হারানো ফ্রান্সের প্রতি এই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সঙ্গীতটি শুনেছে।" * লেন্ড-লিজ নীতিটি যখন শেষ পর্যন্ত আইনগত রূপ পরিগ্রহ করল, তখন এটি গ্রেট ব্রিটেনের প্রতি পূর্ণ সহমর্মী আমেরিকান কংগ্রেস এবং সমগ্র জাতিকে এক প্রকার স্তব্ধ ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় করে দিয়েছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কাইজার ভিলহেল্মের পক্ষ থেকে অস্ট্রিয়া-হাঙ্গারিকে দেওয়া সেই বহুল আলোচিত ব্লাঙ্ক চেক বা অবারিত সুযোগটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এই প্রেক্ষাপটে রুজভেল্টের দেওয়া বর্তমান ব্লাঙ্ক চেকের কাছে নিতান্তই নস্যি মাত্র। এটি আমেরিকার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার মনের মধ্যে থাকা চরম আশঙ্কাকেই শেষ পর্যন্ত নির্মমভাবে সত্য প্রমাণ করেছে এবং অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বর্তমান প্রেসিডেন্টকে এক ভয়ংকর যুদ্ধবাজ হিসেবে বিশ্বমঞ্চে চিহ্নিত করেছে...।<br>আমেরিকান সাধারণ জনগণকে এর আগে ইতিহাসের আর কোনো পর্যায়েই তাদের কষ্টার্জিত করের অর্থ অন্য কোনো দেশকে অকাতরে দেওয়ার জন্য এমন নজিরবিহীনভাবে বাধ্য করা হয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসকে এর আগে কোনো প্রেসিডেন্ট কখনও এভাবে প্রকাশ্যে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করার ধৃষ্টতাপূর্ণ অনুরোধ জানাননি। এই মহান জাতি আগে কখনও তাদের বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এমন দ্বিমুখী ও দ্বিচারিতামূলক আচরণের নির্লজ্জ আশ্রয় গ্রহণ করেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর আগে কখনও একক কোনো ব্যক্তির খেয়ালি হাতের মুঠোয় দেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করার এমন অপ্রতিহত ক্ষমতা তুলে দেয়নি।<br>এই বিতর্কিত আইন অনুমোদনের প্রকৃত অর্থ হলো সরাসরি যুদ্ধের পথে পা বাড়ানো, যা হবে এক উন্মুক্ত এবং সর্বাত্মক বিনাশী যুদ্ধ। তাই আমেরিকান জনগণ এটি মুখ বুজে নিঃশব্দে মেনে নেওয়ার আগে আমি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তাদের কাছে একটি মৌলিক প্রশ্ন করতে চাই যে 'গত রক্তক্ষয়ী বিশ্বযুদ্ধটি কি আদৌ কোনোভাবে সার্থক ছিল?'<br>যদি সেই যুদ্ধ সার্থক হয়েই থাকে, তবে আমাদের অবশ্যই বর্তমান যুদ্ধ উপকরণগুলো নির্দ্বিধায় ধার দেওয়া উচিত। যদি সার্থক হয়ে থাকে, তবে আমাদের প্রাণপ্রিয় আমেরিকান সন্তানদেরও যুদ্ধের ময়দানে একইভাবে ধার দেওয়া উচিত। প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে ইংল্যান্ড ভবিষ্যতে আমাদের এই সমস্ত ঋণ পরিশোধ করবে। হ্যাঁ, আমি নিশ্চিতভাবে বলছি তারা অবশ্যই ঋণ পরিশোধ করবে...।<br>আমাদের ছেলেরা একদিন ঠিকই ফিরে আসবে। হয়তো কাঠের কফিনে করে প্রাণহীন দেহে, হয়তো সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে, অথবা উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিধ্বংসী কামানের গোলার আর্তনাদ আর শিউরে ওঠা বিভীষিকাময় দৃশ্য দেখে বিকৃত মস্তিষ্কে তারা আপন ঘরে ফিরে আসবে! ** মন্টানার মার্কিন সিনেটর '''''বার্টন কে. হুইলার''''', লেন্ড-লিজ আইনের বিরোধিতা করে; ''কংগ্রেসনাল রেকর্ড: ৭৭তম কংগ্রেস'', খণ্ড ৮৭, অংশ ১০, পরিশিষ্ট (২১ জানুয়ারি, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ১৭৮-১৭৯। * আমি জানি যে যখন আমি বলব, জেতার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ না থাকলে আমাদের যুদ্ধে জড়ানো উচিত নয়। তখনই আমেরিকার হস্তক্ষেপবাদীদের দ্বারা আমি তীব্রভাবে সমালোচিত হব। হস্তক্ষেপবাদীরা যখন ফ্রান্সকে জিগফ্রিড লাইনে আক্রমণ করতে প্ররোচিত করেছিল, তখন তারা যতটা অপ্রস্তুত ছিল, আমরা আজও ঠিক ততটাই অপ্রস্তুত...।<br>একজন আমেরিকান নাগরিক হিসেবে এই যুদ্ধকে বস্তুনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং যুদ্ধে অবতীর্ণ হলে আমাদের সফলতার সম্ভাবনা যাচাই করা কেবল আমাদের অধিকারই নয়, বরং আমাদের দায়িত্ব। আমি বিশেষ করে বিমান চালনার দৃষ্টিকোণ থেকে এটি করার চেষ্টা করেছি। এবং আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে বাধ্য হয়েছি যে আমরা ইংল্যান্ডকে যতোই সাহায্য করি না কেন, তাদের হয়ে আমরা এই যুদ্ধে জিততে পারব না। ** '''''[[:w:চার্লস লিন্ডবার্গ|চার্লস এ. লিন্ডবার্গ]]''''', লেন্ড-লিজ আইনের বিরোধিতা করে; ''কংগ্রেসনাল রেকর্ড: ৭৭তম কংগ্রেস'', খণ্ড ৮৭, অংশ ১১, পরিশিষ্ট (৭ মে, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ২১৫৩। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাননীয় প্রেসিডেন্ট এবং হিজ মেজেস্টি’স গভর্নমেন্টের পক্ষে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মিস্টার চার্চিলের এই বিশেষ যৌথ ঘোষণা...।<br>প্রথমত, তাঁদের সংশ্লিষ্ট দেশসমূহ ভবিষ্যতে কোনো প্রকার আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার বা অন্য কোনো রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি বা সীমানা বিস্তার কামনা করে না।<br>দ্বিতীয়ত, তাঁরা ভূখণ্ডগত এমন কোনো আকস্মিক পরিবর্তন দেখতে চান না যা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সাধারণ জনগণের স্বাধীনভাবে ব্যক্ত করা ইচ্ছার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।<br>তৃতীয়ত, তাঁরা বিশ্বের সকল জাতির নিজেদের স্বাধীন পছন্দমতো নিজস্ব শাসনব্যবস্থা ও রাষ্ট্রকাঠামো নির্বাচনের মৌলিক অধিকারকে সর্বোচ্চ সম্মান জানান।<br>চতুর্থত, তাঁরা বিদ্যমান আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতাগুলোর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনপূর্বক বিশ্ববাণিজ্য এবং বিশ্বের প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর বড়-ছোট, বিজয়ী কিংবা বিজিত নির্বিশেষে সকল রাষ্ট্রের সমানাধিকার নিশ্চিত করার আপ্রাণ চেষ্টা করবেন।<br>পঞ্চমত, তাঁরা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিশ্বের সকল জাতির মধ্যে এক পূর্ণাঙ্গ ও সুষম সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে বিশেষভাবে আগ্রহী...।<br>ষষ্ঠত, নাৎসি জার্মানির চূড়ান্ত ও পূর্ণাঙ্গ ধ্বংসের পর তাঁরা এমন এক বিশ্বজনীন শান্তি ব্যবস্থা দেখতে চান যা প্রতিটি স্বাধীন জাতিকে তাদের নিজ নিজ ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে নিরাপদে বসবাসের অবারিত সুযোগ করে দেবে...।<br>সপ্তমত, ভবিষ্যতে এমন এক আধুনিক শান্তি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত যা প্রতিটি মানুষকে কোনো প্রকার বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই মুক্ত সমুদ্র ও মহাসাগরগুলোতে অবাধে যাতায়াতের নিরাপত্তা দেবে।<br>অষ্টমত, তাঁরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে বাস্তবসম্মত ও আধ্যাত্মিক, উভয়বিধ অনিবার্য কারণেই বিশ্বের সকল জাতিকে ভবিষ্যতে পাশবিক শক্তির ব্যবহার সম্পূর্ণ বর্জন করতে হবে...। তাঁরা মনে করেন, একটি বিস্তৃত ও স্থায়ী সাধারণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই আগ্রাসী দেশগুলোর সামরিক নিরস্ত্রীকরণ একান্ত অপরিহার্য।” ** '''''[[:w:আটলান্টিক সনদ|আটলান্টিক সনদ]]''''', ১৯৪১ সালের আগস্টে নিউফাউন্ডল্যান্ডের উপকূলে দুটি যুদ্ধজাহাজে বসে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট এবং প্রধানমন্ত্রী চার্চিল কর্তৃক প্রণীত। * আমি যখন তাদের [ফরাসিদের] সতর্ক করেছিলাম যে তারা যা-ই করুক না কেন ব্রিটেন একাই লড়াই চালিয়ে যাবে। তখন তাদের জেনারেলরা তাদের প্রধানমন্ত্রী এবং দ্বিধাবিভক্ত মন্ত্রিসভাকে বলেছিলেন, "তিন সপ্তাহের মধ্যে মুরগির বাচ্চার মতো ইংল্যান্ডের ঘাড় মটকে দেওয়া হবে।" কী অদ্ভুত সেই মুরগি! আর কী অদ্ভুত তার ঘাড়! ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', কানাডার অটোয়ায় কানাডীয় পার্লামেন্টের এক যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণ (৩০ ডিসেম্বর, ১৯৪১); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬৫৪৪। == দ্য ব্লিটজ (লন্ডনে বিমান হামলা) == === ১৯৪১ === * ''আমরা কী কেউ বেদনাদায়ক ব্লিটজ এবং সেই অগ্নিকাণ্ডের কথা মনে রাখিনি?'' ''সেই—<br>লাল নীলের মাঝে কালিমালিপ্ত মুখের বর্বর বাহিনী,<br>বিপন্ন সেন্ট পলস এবং হুনদের (জার্মানদের) পুনরায় ফিরে আসা,<br>সকল দানবীয় ট্যাঙ্ক আর অর্ধ রজনীতে ভেঙে যাওয়া আশা।'' ** ব্রিটিশ লেখক '''''এ. পি. হার্বার্ট''''', এরিক কেনিংটনের একটি পোস্টার থেকে (১৯৪৪), ''বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৪ এপ্রিল, ২০২৬)। "কালিমালিপ্ত মুখগুলোর বাহিনী" বলতে লন্ডন ফায়ার ব্রিগেডকে বোঝানো হয়েছে। == পূর্ব রণাঙ্গন == === ১৯৪১ === * আমাদের শুধু দরজায় একটা লাথি মেরে খুলতে হবে, তাহলেই এই পচা কাঠামোটি হুড়মুড় করে ভেঙে পড়বে। ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়ন]] আক্রমণের প্রস্তাব (যা [[w:অপারেশন_বারবারোসা|অপারেশন বারবারোসা]] নামে পরিচিত) নিয়ে জোডলের সাথে কথোপকথনের সময়; চেস্টার উইলমট রচিত ''দ্য স্ট্রাগল ফর ইউরোপ'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৫২), পৃষ্ঠা ৭২। * এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, ইউরোপে দ্বিতীয় কোনো রণাঙ্গন বা 'সেকেন্ড ফ্রন্ট' না থাকা জার্মান সেনাবাহিনীর অবস্থানকে অনেকটাই স্বস্তিদায়ক করে তুলেছে। আবার এতেও কোনো সন্দেহ নেই যে, ইউরোপ মহাদেশে দ্বিতীয় একটি রণাঙ্গনের আবির্ভাব, যা নিঃসন্দেহে অদূর ভবিষ্যতে ঘটবে। জার্মান সেনাবাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে আমাদের সেনাবাহিনীগুলোর অবস্থানকে উল্লেখযোগ্যভাবে স্বস্তি দেবে। ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''', মস্কো থেকে প্রচারিত বেতার ভাষণ (৬ নভেম্বর, ১৯৪১); ''ভাইটাল স্পিচেস অফ দ্য ডে'' (১ ডিসেম্বর, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ১০২। * কমরেডগণ, রেড আর্মি ([[w:লাল_ফৌজ|লাল ফৌজ]]) ও রেড নেভি ([[w:সোভিয়েত_নৌবাহিনী|সোভিয়েত নৌবাহিনী]]) সদস্যগণ, কমান্ডার ও রাজনৈতিক নির্দেশকগণ, গেরিলা পুরুষ ও নারীগণ! সমগ্র বিশ্ব আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে এমন এক শক্তি হিসেবে, যারা জার্মান আক্রমণকারীদের দস্যুবাহিনীকে ধ্বংস করতে সক্ষম। জার্মান দখলদারদের জোয়ালের নিচে পিষ্ট ইউরোপের শৃঙ্খলিত জাতিগুলো আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে তাদের মুক্তিদাতা হিসেবে। মুক্তির এক মহান দায়িত্ব আপনাদের ওপর অর্পিত হয়েছে। এই মিশনের যোগ্য হয়ে উঠুন! আপনারা যে যুদ্ধ করছেন তা হলো মুক্তির যুদ্ধ, একটি ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ। ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''', ভাষণ (৭ নভেম্বর, ১৯৪১); ফ্র্যাঙ্কলিন ওয়াটস সম্পাদিত ''ভয়েসেস অফ হিস্ট্রি: গ্রেট স্পিচেস অ্যান্ড পেপারস অফ দ্য ইয়ার ১৯৪১'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৪৮১–২। * বলশেভিক ব্যবস্থার প্রতি সৈন্যদের আচরণের ক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রেই এখনও অস্পষ্ট ধারণা প্রচলিত রয়েছে। ইহুদি-বলশেভিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুদ্ধের সবচেয়ে অপরিহার্য লক্ষ্য হলো তাদের ক্ষমতার উৎসগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা এবং ইউরোপীয় সংস্কৃতি থেকে এশীয় প্রভাব নির্মূল করা। এই প্রেক্ষিতে সৈন্যরা এমন সব কাজের মুখোমুখি হচ্ছে যা সাধারণ সৈনিক জীবনের রুটিন কাজের ঊর্ধ্বে। পূর্ব রণাঙ্গনের একজন সৈনিক কেবল যুদ্ধের নিয়ম অনুযায়ী লড়াই করা কোনো যোদ্ধা নন। বরং তিনি হলেন এক নির্মম জাতীয় আদর্শের বাহক এবং জার্মান ও তাদের সমজাতীয় জাতিগুলোর ওপর চালানো পাশবিকতার প্রতিশোধ গ্রহণকারী। তাই, তথাকথিত 'নিম্নতর' ইহুদিদের ওপর কঠোর কিন্তু ন্যায়সঙ্গত প্রতিশোধ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সৈনিকদের পূর্ণ উপলব্ধি থাকতে হবে। সেনাবাহিনীর আরও একটি লক্ষ্য হলো পশ্চাৎভাগের বিদ্রোহ দমন করা, যা অভিজ্ঞতা অনুযায়ী সর্বদা ইহুদিদের দ্বারাই সংঘটিত হয়েছে। ** '''''ভাল্টার ফন রাইখেনাউ''''', "পূর্ব রণাঙ্গনে আচরণের নির্দেশিকা" (১০ অক্টোবর, ১৯৪১); ''ইউ.এস. অফিস অফ চিফ অফ কাউন্সিল ফর দ্য প্রসিকিউশন অফ অ্যাক্সিস ক্রিমিনালিটি, নাৎসি কনস্পিরেসি অ্যান্ড অ্যাগ্রেশন'' (ওয়াশিংটন, ডি.সি., ১৯৪৬), খণ্ড ৮, পৃষ্ঠা ৫৮৫–৮৭। === ১৯৪২ === [[File:Voennaia marka Ni shagu nazad!.jpg|thumb|{{center|1=এক পা-ও পেছনে নয়!}}]] * Ни шагу назад! / ''Ni shagu nazad!'' (নি শাগু নাজাত!) ** '''আর এক পা-ও পেছনে নয়!''' ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''' কর্তৃক জারিকৃত আদেশ নম্বর ২২৭ (জুলাই ১৯৪২)। * বর্তমান পরিস্থিতি সম্বন্ধে সোভিয়েত মূল্যায়নে দ্বিতীয় রণাঙ্গন বা সেকেন্ড ফ্রন্টের সম্ভাবনা ঠিক কতটা জায়গা জুড়ে আছে? অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। বলা যেতে পারে এটি প্রথম সারির গুরুত্ব বহনকারী একটি বিষয়। ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''', মস্কোতে অবস্থিত অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিনিধি হেনরি সি. ক্যাসিডির কাছে লেখা চিঠি (৪ অক্টোবর, ১৯৪২); ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৫ অক্টোবর, ১৯৪২), ১ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত। * রাজপথগুলো এখন আর মিটারে পরিমাপ করা যায় না, বরং সেগুলো লাশের স্তূপ দিয়ে মাপা হচ্ছে... স্তালিনগ্রাদ এখন আর কোনো শহর নয়। দিনের বেলা এটি জ্বলন্ত এবং অন্ধ করে দেওয়া ধোঁয়ার এক বিশাল মেঘ। এটি আগুনের শিখার প্রতিচ্ছবিতে প্রজ্বলিত এক প্রকাণ্ড অগ্নিকুণ্ড। আর যখন রাত নেমে আসে, তখন সেই দগ্ধকারী, আর্তনাদপূর্ণ এবং রক্তক্ষয়ী রাতগুলো—তখন কুকুরগুলো [[:w:ভলগা নদী|ভোলগা নদীতে]] ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং মরিয়া হয়ে অন্য পাড়ে পৌঁছানোর জন্য সাঁতরাতে থাকে। স্তালিনগ্রাদের রাতগুলো তাদের জন্য এক চরম আতঙ্ক। পশুরা এই নরক থেকে পালিয়ে যায়, এমনকি শক্ত পাথরও দীর্ঘ সময় এই উত্তাপ সহ্য করতে পারে না। কেবল মানুষই এখানে টিকে থাকে। ** [[:w:স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধ|স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধের]] ময়দান থেকে একজন জার্মান অফিসারের উক্তি; ম্যাক্স হেস্টিংস রচিত ''ইনফার্নো: দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ওয়ার, ১৯৩৯-১৯৪৫'' (২০১২) গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ১৯৪৪ === * দুটি যুগান্তকারী সাফল্য, কমরেড স্তালিন, দুটি যুগান্তকারী সাফল্য। ** '''''কনস্টানটিন রোকোসভস্কি''''', অপারেশন বাগ্রাতিওনের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার সময়। * মাইন দুই ধরণের হয়ে থাকে। একটি হলো পারসোনেল বা ব্যক্তিনিরোধী মাইন এবং অন্যটি হলো যাননিরোধী মাইন। আমরা যখন কোনো মাইন ফিল্ডের সামনে আসি, তখন আমাদের পদাতিক বাহিনী ঠিক এমনভাবেই আক্রমণ চালায় যেন সেখানে মাইন ফিল্ডের কোনো অস্তিত্বই নেই। ব্যক্তিনিরোধী মাইনের কারণে যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়, সেটিকে আমরা সেই ক্ষতির সমান বলে মনে করি যা আমরা মেশিনগান বা গোলন্দাজ বাহিনীর আক্রমণের ফলে পেতাম, যদি নাৎসিরা মাইন ফিল্ডের বদলে সেই নির্দিষ্ট এলাকাটি বিশাল সৈন্যবাহিনী দিয়ে রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিত। আক্রমণকারী পদাতিক বাহিনী যেহেতু যাননিরোধী মাইনগুলোতে বিস্ফোরণ ঘটায় না, তাই তারা মাঠের অন্য প্রান্তে পৌঁছে যাওয়ার পর একটি ব্রিজহেড বা শক্ত অবস্থান তৈরি করে। এরপর ইঞ্জিনিয়াররা এসে পথ খনন করে দেয় যেখান দিয়ে আমাদের যানবাহনগুলো যেতে পারে। ** '''''গিওর্গি কে. ঝুকভের''''' প্রতি আরোপিত উক্তি; [[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]] রচিত ''ক্রুসেড ইন ইউরোপ'' (১৯৪৮), পৃষ্ঠা ৪৬৭-৬৮ গ্রন্থে বর্ণিত। আইজেনহাওয়ার এতে যোগ করেন, "আমার চোখে ভেসে উঠছিল যে, কোনো আমেরিকান বা ব্রিটিশ কমান্ডার যদি এই ধরণের রণকৌশল অনুসরণ করতেন তবে তাঁর কপালে কী জুটত। এমনকি আমাদের কোনো ডিভিশনের সৈন্যরা এ নিয়ে কী বলত, যদি আমরা এই পদ্ধতিটিকে আমাদের রণকৌশলের অংশ করার চেষ্টা করতাম, তা আমি আরও স্পষ্টভাবে কল্পনা করতে পারছিলাম। আমেরিকানরা যুদ্ধের মূল্য নির্ধারণ করে মানুষের জীবনের বিনিময়ে, আর রুশরা এটিকে মূল্যায়ন করে জাতির সামগ্রিক ক্ষয়-ক্ষতির সাপেক্ষে।" == [[:w:পার্ল হারবার আক্রমণ|জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমণ (৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১)]] == === ১৯২৭ === * ভবিষ্যতে যদি আমরা [[:w:চীন|চীনকে]] নিয়ন্ত্রণ করতে চাই, তবে আমাদের অবশ্যই প্রথমত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চূর্ণ করতে হবে, ঠিক যেভাবে অতীতে আমাদের [[:w:রুশ-জাপান যুদ্ধ|রুশ-জাপান যুদ্ধে]] লড়তে হয়েছিল। কিন্তু চীন জয়ের জন্য আমাদের প্রথমে [[:w:মাঞ্চুরিয়া|মাঞ্চুরিয়া]] এবং [[:w:মঙ্গোলিয়া|মঙ্গোলিয়া]] জয় করতে হবে। বিশ্বজয়ের নেশায় নামার আগে আমাদের প্রথমে চীনকে জয় করা অপরিহার্য। যদি আমরা চীনকে পদানত করতে সফল হই, তবে এশিয়ার বাকি দেশগুলো এবং দক্ষিণ সাগরের দেশগুলো আমাদের ভয় পাবে এবং আত্মসমর্পণ করবে। তখন বিশ্ব অনুধাবন করবে যে [[:w:পূর্ব এশিয়া|পূর্ব এশিয়া]] আমাদের এবং তারা আমাদের অধিকার খর্ব করার আর সাহস পাবে না। এটি [[:w:সম্রাট মেইজি|সম্রাট মেইজি]] আমাদের জন্য রেখে যাওয়া সেই পরিকল্পনা, যার সফলতার ওপর আমাদের জাতীয় অস্তিত্ব নির্ভর করছে। ** '''''তানাকা মেমোরিয়াল''''' (২৭ জুলাই, ১৯২৭); জাপানি প্রধানমন্ত্রী তানাকা গিইচির সুদূরপ্রসারী কৌশলগত পরিকল্পনা। ''দ্য মেমোরিয়াল অফ প্রিমিয়ার তানাকা'' (নিউ ইয়র্ক সিটি, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ৪। === ১৯৪১ === * নৌবাহিনী সেই অপমানজনক ওয়াশিংটন নৌ চুক্তিতে স্বাক্ষর করার পর বিশ বছর অতিবাহিত হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আঘাত করার জন্য আমাদের তলোয়ারে শান দিয়েছি। ** জনৈক জাপানি অফিসার; ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (যুক্তরাজ্য, ২০০৫), ৩৯ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * এই সাম্রাজ্য (জাপান সাম্রাজ্য) পূর্ব এশিয়া এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে আমেরিকান, ব্রিটিশ এবং ডাচ ঘাঁটিগুলোকে চূর্ণ করবে এবং দীর্ঘমেয়াদী আত্মনির্ভরশীলতার প্রস্তুতি হিসেবে প্রধান খনিজ সম্পদ অঞ্চল এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাগুলো সুরক্ষিত করবে। মার্কিন নৌবহরের মূল অংশগুলোকে উপযুক্ত সময়ে প্রলুব্ধ করে বের করে আনতে এবং তাদের আক্রমণ করে ধ্বংস করতে সম্ভাব্য সকল পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে। ** ''তাই বেই-এই-রান-শো সেনসো শুমাতসু সোকুশিন-নি কানসুরু ফুকুয়ান'' (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, নেদারল্যান্ডস এবং চিয়াং কাই-শেকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ সমাপ্তির পরিকল্পনা)। জাপানি ইম্পেরিয়াল জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স এবং মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত কর্মপরিকল্পনা (নভেম্বর ১৯৪১)। ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৫৩। * ''Nii Taka Yama Nobore 1208.'' (নি তাকা ইয়ামা নোবোরে ১২০৮) ** ৮ ডিসেম্বর [জাপানি সময় অনুযায়ী] হাওয়াই অভিযান সম্পন্ন করো। ** ২ ডিসেম্বর, ১৯৪১ তারিখে পার্ল হারবারের দিকে অগ্রসরমান বিমানবাহী রণতরী বহরের উদ্দেশ্যে জাপানি ইম্পেরিয়াল নৌবাহিনী সদরদপ্তর থেকে প্রেরিত বার্তা। ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৩৯। * ''Tora! Tora! Tora!'' (তোরা! তোরা! তোরা!) ** বাঘ! বাঘ! বাঘ! ** ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালের স্থানীয় সময় সকাল ০৭:৩০ মিনিটে আক্রমণের প্রথম তরঙ্গের নেতৃত্বদানকারী কমান্ডার মিৎসুও ফুচিদা কর্তৃক রণতরী বহরের উদ্দেশ্যে প্রেরিত সংকেত; যার অর্থ ছিল পার্ল হারবারে তাঁর "বাঘেরা" আকস্মিক আক্রমণে সফল হয়েছে। ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৪১। * '''গতকাল, ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ — এমন একটি অবিস্মরণীয় দিন যা বিশ্ব ইতিহাসে চিরকাল কলঙ্কিত ও ঘৃণ্য হয়ে থাকবে। যেদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত আকস্মিকভাবে এবং সুপরিকল্পিতভাবে জাপানি সাম্রাজ্যের নৌ ও বিমান বাহিনী দ্বারা অতর্কিত আক্রমণের শিকার হয়েছে।'''<br>গতকাল হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে পরিচালিত এই ধ্বংসাত্মক আক্রমণ আমাদের আমেরিকান নৌ ও সামরিক বাহিনীর অপূরণীয় ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে অনেক অকুতোভয় আমেরিকান এই হামলায় তাদের মহামূল্যবান প্রাণ হারিয়েছে...।<br>আমাদের জাতীয় সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর প্রধান কমান্ডার হিসেবে আমি ইতোমধ্যেই আমাদের রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষার সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে প্রয়োজনীয় সমস্ত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের চূড়ান্ত নির্দেশ প্রদান করেছি।<br>আমাদের পবিত্র মাতৃভূমির ওপর পরিচালিত এই বর্বরোচিত হামলার প্রকৃত প্রকৃতি ও স্বরূপ আমরা সর্বদা অন্তরে স্মরণে রাখব। এই পূর্বপরিকল্পিত ও হীন আক্রমণ কাটিয়ে উঠতে আমাদের যতো দীর্ঘ সময় বা প্রতিকূলতাই মোকাবিলা করতে হোক না কেন, আমেরিকান জনগণ তাদের ন্যায়সঙ্গত ও সম্মিলিত শক্তিতে শেষ পর্যন্ত পরম ও চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করবেই। আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি আমি কংগ্রেস এবং সাধারণ জনগণের বলিষ্ঠ ইচ্ছারই প্রতিফলন ঘটাচ্ছি যখন আমি ঘোষণা করি যে, আমরা কেবল নিজেদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে রক্ষা করব না। বরং আমরা ভবিষ্যতে এটিও সুনিশ্চিত করব যে এই ধরণের জঘন্য বিশ্বাসঘাতকতা যেন আমাদের আর কখনও কোনো বিপদে ফেলতে না পারে...।<br>আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অদম্য শৌর্য-বীরত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা এবং আমাদের জনগণের সীমাহীন ইস্পাতকঠিন সংকল্প নিয়ে আমরা সেই অনিবার্য ও গৌরবময় বিজয় অর্জন করবই! ঈশ্বর আমাদের এই মহৎ যাত্রায় সহায় হোন।<br>আমি এখন কংগ্রেসের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি যেন তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ঘোষণা করে যে রবিবার, ৭ ডিসেম্বর জাপানের এই কোনো প্রকার উস্কানিবিহীন এবং চরম কাপুরুষোচিত আক্রমণের মুহূর্ত থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানি সাম্রাজ্যের মধ্যে এক চূড়ান্ত যুদ্ধাবস্থা বিদ্যমান রয়েছে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]]''''', মার্কিন কংগ্রেসের এক যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণ, যেখানে তিনি জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ ঘোষণার অনুরোধ জানান (৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১); ''দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪১'' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ৫১৪। * আমার ভয় হচ্ছে যে, আমরা যা করেছি তা কেবল একটি ঘুমন্ত দানবকে জাগিয়ে তুলেছে এবং তাকে এক ভয়াবহ সংকল্পে পূর্ণ করে দিয়েছে। ** '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো''''' (জাপানি অ্যাডমিরাল); ১৯৭০ সালের ''তোরা! তোরা! তোরা! চলচ্চিত্রে'' তাঁর প্রতি আরোপিত উক্তি। টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফক্স, ''তোরা, তোরা, তোরা; ডায়ালগ অ্যান্ড কাটিং কন্টিনিউটি'' (১৯৭০), রিল ১৮, পৃষ্ঠা ১৬। চিত্রনাট্যটি লিখেছিলেন গর্ডন ডব্লিউ প্র্যাঞ্জ এবং ল্যাডিসলাস ফারাগো। ফারাগোর ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত বইয়ে বা ১৯৮১ সালে প্রকাশিত প্র্যাঞ্জের বইয়ে এই বাক্যের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ইয়ামামোতো সত্যিই এই কথাটি বলেছিলেন কি না, তার কোনো প্রমাণ নেই। তবে ৯ জানুয়ারি, ১৯৪২ তারিখে ওগাতা তাকেতোরা-র কাছে লেখা এক চিঠিতে ইয়ামামোতো লিখেছিলেন, "একজন সৈনিক 'একজন ঘুমন্ত শত্রুকে আঘাত করার' জন্য খুব কমই গর্ব করতে পারে; প্রকৃতপক্ষে, এটি উল্লেখ করা গর্বের চেয়ে বরং লজ্জার বিষয়।" হিরোসুকি আসাওয়া, ''দ্য রিলাকট্যান্ট অ্যাডমিরাল'', অনুবাদ: জন বেস্টার (১৯৭৯), পৃষ্ঠা ২৮৫। * আমেরিকা এবং ব্রিটেন, উভয়ই পূর্ব এশিয়ার অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই দুই শক্তি অন্য দেশগুলোকে প্ররোচিত করে আমাদের সাম্রাজ্যের চারদিকে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করেছে। তারা সম্ভাব্য সব উপায়ে আমাদের শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি করেছে এবং শেষ পর্যন্ত অর্থনৈতিক সম্পর্ক সরাসরি ছিন্ন করার পথ বেছে নিয়েছে...।<br>আমরা ধৈর্য ধরে দীর্ঘকাল অপেক্ষা করেছি এবং সহ্য করেছি এই আশায় যে আমাদের সরকার হয়তো পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধান বের করতে পারবে। কিন্তু আমাদের বিরোধীরা সমঝোতার বিন্দুমাত্র সদিচ্ছা না দেখিয়ে বিষয়টিকে অহেতুক বিলম্বিত করেছে। আমাদের সাম্রাজ্যের অস্তিত্ব রক্ষা এবং আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র তুলে নেওয়া এবং পথের প্রতিটি বাধাকে চূর্ণ করা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা ছিল না। ** জাপানি সম্রাট '''''[[:w:হিরোহিতো|হিরোহিতো]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গ্রেট ব্রিটেনের ওপর আক্রমণের কারণ ব্যাখ্যা করে (৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১)। এটি টোকিও যুদ্ধ ট্রায়ালে প্রসিকিউশন কর্তৃক প্রমাণ হিসেবে পেশ করা অনুবাদ: প্রিচার্ড এবং জাইড, ''ট্রান্সক্রিপ্ট অফ দ্য প্রসিডিংস'', খণ্ড ৫ [PX 1240], পৃষ্ঠা ১০৬৮৬–৯। == পশ্চিমা মিত্রশক্তি বনাম জার্মানি ও ইতালি == === ১৯৪১ === * আমি আমেরিকানদের কোনো ভবিষ্যৎ দেখি না... এটি একটি ক্ষয়িষ্ণু দেশ। তাদের জাতিগত সমস্যা এবং সামাজিক অসমতার সমস্যাও রয়েছে। আমেরিকানবাদের বিরুদ্ধে আমার অনুভূতি হলো ঘৃণা এবং গভীর বিতৃষ্ণার! আমেরিকান সমাজের আচরণের সবকিছুই প্রকাশ করে যে এর অর্ধেক হলো ইহুদিবাদী আর বাকি অর্ধেক হলো কৃষ্ণাঙ্গ-প্রভাবিত।<br>এমন একটি রাষ্ট্র যে ঐক্যবদ্ধ ভাবে থাকবে, তা কীভাবে বলে কেউ আশা করতে পারে? ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', কথোপকথনের সময় দেওয়া বক্তব্য (৭ জানুয়ারি, ১৯৪২); উইলিয়াম এল. শায়রার রচিত ''রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য থার্ড রাইখ'', ৮৯৫ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। এটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত ''হিটলার্স সিক্রেট কনভারসেশনস, ১৯৪১-১৯৪৪'' থেকে নেওয়া হয়েছে। একে পরবর্তীতে প্রকাশিত ১৯২৮ সালের ট্রান্সক্রিপ্ট "হিটলার্স সিক্রেট বুক" (১৯৬১) কিংবা বহুল পরিচিত জালিয়াতিপূর্ণ ''হিটলার ডায়েরির'' সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। === ১৯৪২ === * সেই সময় এসে গেছে যখন আমাদের অবশ্যই শত্রুর ডেরায় যুদ্ধ নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর বিশাল অংশ এবং আমাদের মূল্যবান সমর-সামগ্রীকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের ভেতরে স্থবির হয়ে পড়ে থাকতে দেওয়া আর সম্ভব নয়। ** '''''জর্জ সি. মার্শাল''''', সেনাবাহিনী প্রধান; ওয়াশিংটন ডি.সি.র ''টাইমস-হেরাল্ড'' (৩ মার্চ, ১৯৪২), ১ পৃষ্ঠায় রিপোর্টকৃত। * আমি ঠিক কেন এই মহাযুদ্ধে লড়াই করছি?<br>নিশ্চয়ই কেবল এই কারণে নয় যে 'আমাকে রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে'। যা কি না আসলে লক্ষ্যহীন অর্ধ-বিশ্বাসীদের এক অত্যন্ত তুচ্ছ এবং অতি সহজ অজুহাত মাত্র। হ্যাঁ, আমাকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল; কারণ তৎকালীন বিশেষ পরিস্থিতি আমাকে সেই সঠিক সময়ে বাহিনীতে যোগ দিতে বাধা প্রদান করেছিল যখন আমি স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজে থেকে যোগ দিতে প্রবলভাবে চেয়েছিলাম। আমি সেই অকুতোভয় ছেলেদের মনেপ্রাণে হিংসা করি এবং গভীর সম্মান জানাই যারা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় নিজেদের নাম যুদ্ধের খাতায় লিখিয়েছিল; যারা আপন দেশের পরম প্রয়োজন অনুভব করে ডাক পাওয়ার বা বাধ্য হওয়ার অপেক্ষা না করেই দেশরক্ষার লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।<br>কেবল পার্ল হারবারের বর্বরোচিত ঘটনার কারণেও আমি এই যুদ্ধে অবতীর্ণ হইনি। ওটি একটি তাৎক্ষণিক ও দৃশ্যমান কারণ হতে পারে। হ্যাঁ, কিন্তু পার্ল হারবার কিংবা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ বন্দর আজ হোক বা কাল শত্রুর দ্বারা আক্রান্ত হতোই। প্রকৃতপক্ষে, তখন হয়তো অনেক বেশি দেরি হয়ে যেত এবং আমাদের প্রস্তুতির সুযোগটুকুও চিরতরে হারিয়ে যেত।<br>আমি মোটেও "পুরো বিশ্বের ওপর আমাদের নিজস্ব চিন্তাধারা জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার জন্য" এই রক্তক্ষয়ী লড়াই করছি না। আমি লড়াই করছি পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের সেই জন্মগত অধিকারের জন্য যাতে তারা নিজেরা স্বাধীনভাবে বলতে পারে ঠিক কীভাবে তাদের দেশ শাসন করা হবে। যদি তারা আমাদের এই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পছন্দ করে, তবে তা অত্যন্ত ভালো। আর যদি তারা তা না করে, তবে তাদের স্বাধীনভাবে অন্য কিছু বেছে নিতে দিন—কিন্তু সেই পরম পছন্দটা যেন একান্তই তাদের নিজেদের হয়, কোনো স্বঘোষিত "নেতা" কর্তৃক উপর থেকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া কিছু না—কিংবা কোনো দখলদার শক্তির দেওয়া পরাধীনতার গ্লানিময় জোয়াল না।<br>তবে ঠিক কিসের জন্য আমরা সম্মিলিতভাবে লড়ছি?...<br>ঠিক আছে, এর শেকড় আসলে ইতিহাসের অনেক বেশি গভীরে প্রোথিত।<br>এটি আমেরিকার একদম আদিম ও মৌলিক উৎসগুলোর দিকে আমাদের বারবার ফিরিয়ে নিয়ে যায়। বিগত বিশ্বযুদ্ধের সেই অতি পরিচিত সাধারণ স্লোগান 'গণতন্ত্রের জন্য পৃথিবীকে নিরাপদ করা' তারও অনেক আগের কথা। ১৮৯৮ সালের আগের কথা, যখন আমরা কিউবাকে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত করতে জীবন বাজি রেখে লড়েছিলাম। ঐতিহাসিক গৃহযুদ্ধের আগের কথা, যখন আমরা আমেরিকাকে এক অখণ্ড ও মুক্ত মানুষের মহান জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে ও ধরে রাখতে লড়েছিলাম। ১৮১২ সালের [[:w:যুদ্ধ|যুদ্ধের]] আগের কথা, যখন আমাদের আকাশবাতাস প্রকম্পিত করা চিৎকার ছিল সমুদ্রের অবাধ স্বাধীনতা। এমনকি সেই কালজয়ী বিপ্লবেরও আগের কথা, যেখানে আমাদের পূর্বপুরুষরা 'তাদের মহামূল্যবান জীবন, তাদের অর্জিত সম্পদ এবং তাদের পবিত্র সম্মান' বাজি রেখেছিলেন যাতে কলোনিগুলোকে অত্যাচারী হ্যানোভারিয়ান রাজার জোয়াল থেকে চিরতরে মুক্ত করা যায়। এটি ব্রিটিশ আমলের বিল অফ রাইটসের গৌরবময় সময়কার কথা, এমনকি সাতশ বছর আগের সেই ঐতিহাসিক [[:w:ম্যাগনা কার্টা|ম্যাগনা কার্টা]] পর্যন্ত এর শিকড় বিস্তৃত, যা ছিল রাজনৈতিকভাবে মুক্ত হওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের সুদীর্ঘ সংগ্রামের প্রথম মহান ও অবিস্মরণীয় মাইলফলক...। অর্থাৎ আইন প্রণয়ন করার এবং নিজের জীবনপথ নিজে বেছে নেওয়ার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষা করাই এই লড়াইয়ের মূল উদ্দেশ্য!<br>আপনি হয়তো বলতে পারেন এগুলো কেবলই কিছু চমৎকার শব্দের ফুলঝুরি; কিন্তু জার্মানি যাদের প্রধান চিন্তা ছিল সমগ্র ইউরোপ গ্রাস করা, কিংবা জাপান যাদের অন্ধ উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল প্রাচ্যের দিকে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের এই যুদ্ধের সাথে এর প্রকৃত সম্পর্ক আসলে কী?<br>আমি অত্যন্ত জোরালোভাবে বলব, জাপান এবং জার্মানির আগ্রাসনের সাথে আমাদের এই আদর্শিক লড়াইয়ের এক সুগভীর সম্পর্ক রয়েছে। ইউরোপ এবং এশিয়ার বিশাল ভূখণ্ডে যদি নাৎসিবাদ প্রভাবশালী হয়ে উঠত, তবে তার চূড়ান্ত ফলশ্রুতিতে আমেরিকান যাপনেও নাৎসি মতাদর্শের বিষাক্ত উত্থান এবং চূড়ান্ত আধিপত্য দেখা দেওয়া ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।<br>এদেশের সাধারণ মানুষ তখন প্রবল বিভ্রান্তি, অন্তহীন আতঙ্ক আর সন্দেহের চোখে একে অপরের দিকে অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে তাকাত। তারা চরম ভয়ে ভয়ে বলাবলি করত, 'ইউরোপে তো গণতন্ত্র শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা ভেবেছিলাম এটিই হয়তো বিশ্বের সেরা পথ, কিন্তু এটি যদি আদতে এতটাই দুর্বল হয় তবে তা কীভাবে সেরা হতে পারে? হয়তো নাৎসিদের কছেই এই সংকটের আসল সমাধান আছে। হয়তো... হয়তো...'—এভাবেই সবখানে অশুভ কানাঘুষো ও বিভেদ শুরু হতো।<br>ঠিক এই কারণেই আমি আজ রণক্ষেত্রে লড়ছি। আমি ফ্যাসিবাদের সেই কুৎসিত ও বীভৎস রূপটি আমেরিকান প্রাণকেন্দ্রে থাবা বসানোর আগেই তাকে সমূলে ধ্বংস করার চেষ্টা করছি। আমি লড়ছি কারণ বর্তমান বিশ্ব, আমাদের প্রিয় আমেরিকার মতোই, 'অর্ধেক দাসের পৃথিবী আর অর্ধেক মুক্ত হয়ে কখনোই বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না।' আমি লড়ছি কারণ আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি চীনের একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার পূর্ণ অধিকার আছে, কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিশাল পুতুল রাষ্ট্র হিসেবে নয়।<br>আমি লড়ছি কারণ আমি একদিন আমার সন্তানদের চোখের দিকে শান্তভাবে তাকিয়ে গর্বের সাথে বলতে চাই যে, আমেরিকা একটি মহান আদর্শের জন্য আবারও লড়াই করতে তিলমাত্র ভয় পায়নি। সেই চিরন্তন আদর্শ যা আমেরিকাকে বিশ্বমঞ্চে মহান ও অনন্য করেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে শান্তিকে ভালোবাসি, কিন্তু আমি যুদ্ধকে ঘৃণা করি কেবল এর ধ্বংসাত্মক অপচয় আর করুণ পরিণতির জন্য। কিন্তু আন্তর্জাতিক পর্যায়ের পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের কাছে মুখ বুজে নিঃশব্দে মাথা নত করার চেয়ে সম্মুখ যুদ্ধ অনেক বেশি শ্রেয়, যা কেবল মানুষের শরীর নয়, বরং তার আত্মাকে পর্যন্ত চিরতরে ধ্বংস করে দেয়। ** সার্জেন্ট হেনরি সি. নেলসন, "টু বি অ্যাবল টু লুক মাই চিলড্রেন ইন দ্য ফেস," মার্কিন সেনাবাহিনী কর্তৃক প্রকাশিত ''হোয়াই আই ফাইট'' থেকে। * এযাবৎকালের নির্মিত সবচেয়ে শক্তিশালী বোমারু বিমান। ** বি-১৭ ফ্লাইং ফোরট্রেসের একটি বর্ণনা; যা জার্মান শিল্প লক্ষ্যবস্তুগুলোতে অষ্টম বিমান বাহিনীর বোমা হামলায় অংশ নিতে ইংল্যান্ডে উড়িয়ে আনা হয়েছিল। * ইউরোপের তপ্ত মাটি থেকে ভেসে আসা সংবাদগুলো পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি শোচনীয় ও উদ্বেগজনক ছিল; ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্স সুপরিকল্পিতভাবে চেকোস্লোভাকিয়াকে খণ্ডবিখণ্ড করার হীন চক্রান্তে একমত হয়েছিল এবং দেশটির সামনে তথাকথিত সমঝোতার এক অদ্ভুত 'পরিকল্পনা' পেশ করেছিল। এই সুকৌশলী পরিকল্পনাটি ছিল নৈতিকভাবে চরম পর্যায়ের নির্লজ্জতা এবং এক প্রকার অভাবনীয় কূটনৈতিক ধৃষ্টতা। এতে সুডেটেন অঞ্চলগুলো সরাসরি আগ্রাসীদের হাতে হস্তান্তর, বৃহৎ [[w:জার্মানি|জার্মান]] জনসংখ্যা অধ্যুষিত অন্যান্য সংবেদনশীল অঞ্চলগুলোর জন্য স্বঘোষিত [[w:স্বায়ত্তশাসন|স্বায়ত্তশাসন]], অন্য কোনো পরাশক্তির মধ্যে বড় ধরণের কোনো সংঘাত সৃষ্টি হলে [[w:চেকোস্লোভাকিয়া|চেকোস্লোভাকিয়ার]] সম্পূর্ণ 'নিরপেক্ষকরণ', এবং শেষ পর্যন্ত [[w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ড]], [[w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]], [[জার্মানি]] ও [[ইতালি|ইতালির]] পক্ষ থেকে দেশটির সীমান্ত রক্ষার এক প্রথাগত ও কাগুজে 'নিশ্চয়তা' অন্তর্ভুক্ত ছিল। এ যেন সমকালীন ইতিহাসের চরম এক ট্র্যাজেডি। যেখানে খুনিরাই খণ্ডবিখণ্ড মৃতদেহকে শেষ সম্মান জানানোর ভণ্ডামিপূর্ণ নিশ্চয়তা দিচ্ছিল!<br>আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেছিলাম যে বর্তমান চেক সরকার এই আত্মঘাতী ও অপমানজনক শর্তগুলো কখনোই মেনে নেবে না। কারণ তাদের কাছে ছিল তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সুশৃঙ্খল এক শক্তিশালী সেনাবাহিনী; তাদের সাধারণ জনগণ বছরের পর বছর ধরে প্রকৃত ও প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের সুমিষ্ট স্বাদ পেয়েছিল। এছাড়া তাদের ছিল এক অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী সমরাস্ত্র শিল্প, যা বিশ্বের যেকোনো শক্তিশালী রাষ্ট্রকেই ঈর্ষান্বিত করতে পারত (এবং বাস্তবে অনেকে করতও)। তাই আমরা শেষ পর্যন্ত প্রবলভাবে আশা করেছিলাম যে ফ্রান্স তার পূর্বের অঙ্গীকার ও পবিত্র প্রতিশ্রুতিগুলো নিষ্ঠার সাথে রক্ষা করবে এবং ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের ন্যায়নিষ্ঠ জনগণের পুঞ্জীভূত তীব্র ক্ষোভ তাদের নিজ নিজ অযোগ্য মন্ত্রিসভার পতন ঘটাবে। কিন্তু অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের সেই রাজনৈতিক সমীকরণ ও প্রত্যাশা সম্পূর্ণ ভুল ছিল। ** '''''রালফ এ. বার্ড''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সহকারী সচিব; নিউ ইয়র্ক সিটিতে 'ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইউনিয়ন অফ মেরিন অ্যান্ড শিপবিল্ডিং ওয়ার্কার্স অফ আমেরিকা'র উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণ (২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৪২); ''ভাইটাল স্পিচেস অফ দ্য ডে'', খণ্ড ৯, সংখ্যা ১ (১৫ অক্টোবর, ১৯৪২), পৃষ্ঠা ২১-২৩। ==== এল আলামেইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ (২৩ অক্টোবর – ১১ নভেম্বর ১৯৪২) ==== [[File:DummyShermanTank.jpg|thumb|[[উইনস্টন চার্চিল]] বলেছিলেন যে, এল আলামিনের আগে মিত্রশক্তির কোনো বিজয় ছিল না এবং এর পরে তাদের আর কোনো পরাজয় হয়নি। ~ ক্রিশ্চিয়ান হাউস]] * জানা যায় যে, [[:w:হ্যারি হুডিনি|হ্যারি হুডিনি]] একদা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে দাবি করেছিলেন, "মানুষের চোখ আসলে যা দেখে এবং কান যা শোনে, মন অবলীলায় ঠিক তা-ই বিশ্বাস করে থাকে"। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উত্তাল মধ্যগগনে উত্তর আফ্রিকা অভিযানে নিয়োজিত বিশেষ ছদ্মবেশ (ক্যামোফ্লেজ) ইউনিটের মূলমন্ত্রও হয়তো প্রকৃতপক্ষে এটিই হতে পারত। ''দ্য ফ্যান্টম আর্মি অফ আলামেইন'' নামক গ্রন্থে লেখক রিক স্ট্রাউড ঐতিহাসিক আল আলামিনের যুদ্ধের সময় এই স্বল্প পরিচিত দলটির রহস্যময় কর্মকাণ্ডের ওপর নতুন করে আলোকপাত করেছেন। এটি করতে গিয়ে তিনি একটি অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর গবেষণা তুলে ধরেছেন যে কীভাবে যুদ্ধের ময়দানে সবচেয়ে অকল্পনীয় ও বিচিত্র চরিত্রগুলোও প্রকৃত বীর বা মহানায়কে পরিণত হতে পারে।<br>তাদের এই বিশেষ দলে ছিলেন নিপুণ খোদাইশিল্পী, সৃজনশীল চিত্রশিল্পী, দক্ষ কার্টুনিস্ট এবং প্রতিভাবান ভাস্কর। এমনকি তাদের সুযোগ্য কমান্ডার মেজর জেফ্রি বারকাস ছিলেন একজন [[w:একাডেমি পুরস্কার|অস্কার]] বিজয়ী প্রখ্যাত [[:w:চলচ্চিত্র পরিচালক|চলচ্চিত্র পরিচালক]]। তাদের প্রধান দায়িত্ব ছিল হাতের কাছে যা কিছু পাওয়া যায় তা ব্যবহার করেই সুকৌশলে কোনো কিছুকে লুকিয়ে রাখা অথবা কোনো সামরিক সরঞ্জামের রূপ পরিবর্তন করার মাধ্যমে মূল সেনাবাহিনীকে কৌশলগত সহায়তা করা। পরাবাস্তববাদী বিশ্বখ্যাত শিল্পী রোল্যান্ড পেনরোজ তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করেছিলেন, যেখানে তাঁর প্রেমিকা লি মিলার শৈল্পিক অনুপ্রেরণা হিসেবে গায়ে ছদ্মবেশের ক্রিম এবং জাল জড়িয়ে সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় পোজ দিয়েছিলেন। আর এই বিচিত্র দলের অন্যতম জাঁকজমকপূর্ণ ও রহস্যময় সদস্য ছিলেন পিকাডিলির বিখ্যাত জাদুকর জ্যাসপার মাস্কিলিন; একজন সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি যাকে মূলত পরীক্ষামূলক অস্ত্র তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং যিনি মরুভূমির ধুলোময় কনভয়ের মতোই নিজের অর্জিত খ্যাতিকেও সর্বদা এক প্রকার কুয়াশাচ্ছন্ন করে রেখেছিলেন। ** ক্রিশ্চিয়ান হাউস, [https://www.independent.co.uk/arts-entertainment/books/reviews/the-phantom-army-of-alamein-by-rick-stroud-8219360.html "দ্য ফ্যান্টম আর্মি অফ আলামিন, বাই রিক স্ট্রাউড"], ''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (২১ অক্টোবর, ২০১২)। * অপারেশন বার্ট্রাম ছিল এই ইউনিটের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রচেষ্টা এবং এই কাহিনীর মূল কেন্দ্রবিন্দু। যা ছিল দিকভ্রান্ত করার এক বিশাল মহাযজ্ঞ। আল আলামেইনের যুদ্ধক্ষেত্রটি একদিকে সমুদ্র এবং অন্যদিকে কাত্তারা নিম্নভূমি দ্বারা সীমাবদ্ধ ছিল, যার ফলে যুদ্ধের জন্য সম্মুখভাগ ছিল খুবই ছোট। এই ইউনিটটি জিপ গাড়ি দিয়ে ডামি বা নকল ট্যাঙ্ক তৈরি করে দক্ষিণ দিকে পাঠিয়েছিল; অন্যদিকে, একটি সুকৌশলী চাল হিসেবে তারা আসল ট্যাঙ্কগুলোকে কাঠের কাঠামো দিয়ে ঢেকে ট্রাকের রূপ দিয়েছিল—যা অনেকটা বিশালাকার লেডিবল্ট পোকার মতো ওপরের দিকে খোলা যেত। এগুলোকে আসল আক্রমণের জন্য উত্তর দিকে পাঠানো হয়েছিল। বারকাস মন্তব্য করেছিলেন, "হেই প্রেস্টো! এই তো দেখছেন, এই তো নেই।" [[:w:আরউইন রোমেল|রোমেল]] এতে বোকা বনে গিয়েছিলেন এবং আল আলামেইনে জয় অর্জিত হয়েছিল।<br>[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]] বলেছিলেন যে, আল আলামিনের আগে মিত্রশক্তির কোনো বিজয় ছিল না এবং এর পরে তাদের আর কোনো পরাজয় হয়নি। ** ক্রিশ্চিয়ান হাউস, [https://www.independent.co.uk/arts-entertainment/books/reviews/the-phantom-army-of-alamein-by-rick-stroud-8219360.html "দ্য ফ্যান্টম আর্মি অফ আলামেইন, বাই রিক স্ট্রাউড"], ''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (২১ অক্টোবর, ২০১২)। === ১৯৪৩ === * লন্ডনের যেখানেই যাওয়া যাক না কেন, এটিই মনে হয় যে ব্রিটেন এখন একটি দখলকৃত ভূখণ্ড মাত্র। ** ব্রিটিশ লেখক '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]'''''। * তারা অতিরিক্ত ভোজনবিলাসী, অতিরিক্ত বেতনভোগী, অতিরিক্ত জাঁকজমকপূর্ণ পোশাকধারী! এবং তারা এখন এখানেই ([[:w:ব্রিটেন|ব্রিটেনে]])। ** ব্রিটিশ জনগণের একটি সাধারণ আক্ষেপ; যখন নাৎসি অধিকৃত ইউরোপে আক্রমণের প্রস্তুতির জন্য আমেরিকান সৈন্যদের প্রচুর সংখ্যায় ব্রিটেনে পাঠানো হচ্ছিল। * আমরা খুব দ্রুততম এবং সবচেয়ে সাশ্রয়ী উপায়ে এই যুদ্ধে জয়ী হতে চাই। ** জেনারেল '''''জর্জ সি. মার্শাল''''', সেনাবাহিনী প্রধান। * ম্যাগাজিনগুলোতে যুদ্ধকে মনে হতো রোমান্টিক এবং উত্তেজনাপূর্ণ, বীরত্ব আর প্রাণশক্তিতে ভরপুর... কিন্তু এর পরিবর্তে আমি দেখলাম পুরুষদের... যারা অবর্ণনীয় যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং মনে মনে কামনা করছে যেন তারা অন্য কোথাও থাকত। ** যুদ্ধ সংবাদদাতা '''''আর্নি পাইল'''''। * আজ আমরা এমন একটি দেশে (ইতালি) যুদ্ধ করছি যেটি আমাদের [[:w:সংস্কৃতি|সাংস্কৃতিক]] ঐতিহ্যে বিশাল অবদান রেখেছে। এমন একটি দেশ যা সেইসব স্মৃতিস্তম্ভে সমৃদ্ধ যেগুলো আমাদের নিজস্ব [[:w:সভ্যতা|সভ্যতার]] ক্রমবিকাশকে তুলে ধরে। যুদ্ধ যতোটা অনুমতি দেয়, আমরা সেই স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে সম্মান জানাতে বাধ্য। যদি আমাদের একটি বিখ্যাত [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] ধ্বংস করা এবং আমাদের নিজস্ব মানুষদের বলিদান দেওয়ার মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হয়, তবে আমাদের মানুষের জীবনের মূল্য অসীমভাবে বেশি এবং সেই স্থাপত্যটি অবশ্যই ধ্বংস করতে হবে। কিন্তু পছন্দটি সবসময় এতটা স্পষ্ট হয় না। সামরিক প্রয়োজনীয়তার যুক্তির বিরুদ্ধে কোনো কিছুই দাঁড়াতে পারে না। এটি একটি স্বীকৃত নীতি। কিন্তু 'সামরিক প্রয়োজনীয়তা' শব্দবন্ধটি কখনও কখনও এমন জায়গায় ব্যবহার করা হয় যেখানে সামরিক সুবিধা বা এমনকি ব্যক্তিগত সুবিধার কথা বলাটাই বেশি সত্য হতো। আমি চাই না এটি কোনো শিথিলতা বা উদাসীনতাকে আড়াল করার আবরণ হিসেবে ব্যবহৃত হোক। আমাদের সামনের সারিতে বা আমাদের দখলকৃত এলাকায় অবস্থিত স্থাপনাগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করা এবং উচ্চপদস্থ কমান্ডারদের তা জানানো এএমসি অফিসারদের দায়িত্ব। এই তথ্যগুলো যখন স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিম্ন স্তরের কমান্ডগুলোতে পৌঁছাবে, তখন এই চিঠির মূল স্পিরিট বা চেতনা মেনে চলার দায়িত্ব সকল কমান্ডারের ওপর বর্তাবে। ** '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]''''', ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৪৩ তারিখে লিখিত চিঠি; যা হাওয়ার্ড এম. হেনসেল সম্পাদিত “দ্য ল অফ আর্মড কনফ্লিক্ট: কনস্ট্রেইনস অন দ্য কনটেম্পোরারি ইউজ অফ মিলিটারি ফোর্স” (২০০৭), ৫৮ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। === ১৯৪৪ === * অচিরেই আমরা আমাদের [[:w:সভ্যতা|সভ্যতা]] রক্ষার লক্ষে [[:w:ইউরোপ|ইউরোপ]] মহাদেশ জুড়ে যুদ্ধের পথে এগিয়ে যাব। অনিবার্যভাবে আমাদের অগ্রযাত্রার পথে এমন সব ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পাওয়া যাবে যা বিশ্ববাসীর কাছে সেই সবকিছুর প্রতীক, যা রক্ষা করার জন্য আমরা লড়াই করছি। যখনই সম্ভব হবে, এই প্রতীকগুলোকে রক্ষা করা এবং সম্মান জানানো প্রতিটি কমান্ডারের দায়িত্ব। কিছু পরিস্থিতিতে এই শ্রদ্ধেয় বস্তুগুলোকে ধ্বংস করার ক্ষেত্রে আমাদের অনিচ্ছা সামরিক অভিযানের সাফল্যকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তখন, যেমনটি [[:w:ক্যাসিনো|ক্যাসিনোতে]] ঘটেছিল। যেখানে শত্রু তার প্রতিরক্ষা রক্ষা করতে আমাদের আবেগীয় টানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছিল—সেক্ষেত্রে আমাদের সেনাদের জীবন সবকিছুর উপরে। তাই যেখানে সামরিক প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ দেবে, কমান্ডাররা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ দিতে পারেন, এমনকি যদি তাতে কোনো সম্মানিত স্থানের ধ্বংসও জড়িত থাকে। কিন্তু এমন অনেক পরিস্থিতি আছে যেখানে ক্ষতি এবং ধ্বংস প্রয়োজনীয় নয় এবং তা কোনোভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না। এমন ক্ষেত্রে সংযম এবং শৃঙ্খলার মাধ্যমে কমান্ডাররা ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্বসম্পন্ন কেন্দ্র ও বস্তুগুলোকে রক্ষা করবেন। উচ্চপর্যায়ের সিভিল অ্যাফেয়ার্স স্টাফরা সামনের সারির বা আমাদের দখলকৃত এলাকার এই ধরণের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর অবস্থান সম্পর্কে কমান্ডারদের অবহিত করবেন। এই তথ্যগুলো প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সহ কমান্ড চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে সকল স্তরে পৌঁছে দেওয়া হবে। ** '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]''''', ২৬ মে ১৯৪৪ তারিখে লিখিত চিঠি; যা হাওয়ার্ড এম. হেনসেল সম্পাদিত “দ্য ল অফ আর্মড কনফ্লিক্ট: কনস্ট্রেইনস অন দ্য কনটেম্পোরারি ইউজ অফ মিলিটারি ফোর্স” (২০০৭), ৫৮ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * [[:w:পশ্চিম ইউরোপ|পশ্চিম ইউরোপের]] জনগণ: আজ সকালে আমাদের মিত্র অভিযাত্রী বাহিনীর সৈন্যরা ফ্রান্সের উপকূলে অবতরণ করেছে। এই অবতরণ আমাদের মহান রুশ মিত্রদের সহযোগিতায় ইউরোপের মুক্তির জন্য সম্মিলিত জাতিসংঘ পরিকল্পনার অংশ। যারা স্বাধীনতাকে ভালোবাসেন, আমি তাঁদের এখন আমাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা সবাই মিলে বিজয় অর্জন করব। ** ৬ জুন, নাৎসি অধিকৃত ইউরোপে মিত্রবাহিনীর আক্রমণ বা "ডি-ডে" (D-Day) শুরুর প্রাক্কালে দেওয়া জেনারেল ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের বেতার ভাষণ। দ্রষ্টব্য: "ডি-ডে" হলো সামরিক পরিকল্পনায় ব্যবহৃত একটি পরিভাষা যা কোনো জল ও স্থলভিত্তিক (উভচর) আক্রমণের তারিখকে নির্দেশ করে। [[File:Into the Jaws of Death 23-0455M edit.jpg|thumb|right|বিশ্বের মুক্ত মানুষেরা বিজয়ের লক্ষে একসাথে মার্চ করে এগিয়ে চলেছে। আপনাদের সাহস, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং যুদ্ধের নিপুণতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা পূর্ণ বিজয় ছাড়া আর কিছুই গ্রহণ করব না। ~ [[w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]]] * মিত্র অভিযাত্রী বাহিনীর সৈন্য, নাবিক এবং বৈমানিকগণঃ<br>আপনারা সেই 'গ্রেট [[ক্রুসেড]]' বা মহান অভিযানে যাত্রা করতে যাচ্ছেন, যার জন্য আমরা এই দীর্ঘ মাসগুলো কঠোর পরিশ্রম করেছি। বিশ্বের চোখ এখন আপনাদের ওপর। সর্বত্র স্বাধীনতাকামী মানুষের আশা আর প্রার্থনা আপনাদের সঙ্গী। অন্যান্য রণাঙ্গনে আমাদের সাহসী মিত্র এবং সহযোদ্ধাদের সাথে মিলে আপনারা জার্মান যুদ্ধযন্ত্রকে ধ্বংস করবেন, ইউরোপের নিপীড়িত মানুষের ওপর থেকে নাৎসি স্বৈরশাসনের অবসান ঘটাবেন এবং মুক্ত বিশ্বে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আপনাদের কাজ সহজ হবে না। আপনাদের শত্রু সুশিক্ষিত, সুসজ্জিত এবং যুদ্ধে পারদর্শী। তারা হিংস্রভাবে লড়াই করবে। কিন্তু এটি ১৯৪৪ সাল। ১৯৪০-৪১ সালের নাৎসি বিজয়ের পর থেকে অনেক কিছু বদলে গেছে। জাতিসংঘ উন্মুক্ত যুদ্ধে মুখোমুখি লড়াইয়ে জার্মানদের বিশাল পরাজয় উপহার দিয়েছে। আমাদের আকাশপথের আক্রমণ শত্রুর শক্তি এবং ভূমিতে যুদ্ধ করার ক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে কমিয়ে দিয়েছে। আমাদের স্বদেশী মানুষরা আমাদের হাতে যুদ্ধাস্ত্র ও গোলাবারুদের এক অভাবনীয় শ্রেষ্ঠত্ব তুলে দিয়েছে এবং আমাদের হাতে প্রশিক্ষিত যোদ্ধা পুরুষদের বিশাল মজুদ এনে দিয়েছে। সময়ের চাকা এখন আমাদের অনুকূলে। বিশ্বের মুক্ত মানুষেরা বিজয়ের লক্ষে একসাথে মার্চ করে এগিয়ে চলেছে। আপনাদের সাহস, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং যুদ্ধের নিপুণতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা পূর্ণ বিজয় ছাড়া আর কিছুই গ্রহণ করব না। শুভকামনা! আর আসুন আমরা সবাই এই মহান এবং মহৎ প্রচেষ্টার ওপর সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের আশীর্বাদ প্রার্থনা করি। ** ডি-ডে আক্রমণের পূর্বে মিত্রবাহিনীর সৈন্যদের উদ্দেশ্যে দেওয়া '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' ভাষণ। [[File:D-Day-Memorial-bronze-detail-Highsmith.jpeg|thumb|right|ছেলেরা একেকজন বীরপুরুষে পরিণত হয়েছিল। কেউ কেউ হয়ে উঠেছিল চরম সাহসী! অন্যরা খুব দ্রুতই লাশে পরিণত হয়েছিল, আর যারা বেঁচে ছিল তারা ছিল আতঙ্কগ্রস্ত। কেউ কেউ তো ভয়ে প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছিল, অন্যরা নির্লজ্জের মতো কাঁদছিল। অনেকেরই কাজ শেষ করার জন্য নিজের ভেতর থেকে শক্তি খুঁজে নিতে হয়েছিল। শৃঙ্খলা আর প্রশিক্ষণই তখন সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল...~ বব স্লটার]] * আমরা বোমার বিস্ফোরণগুলো দেখছিলাম যা থেকে সৃষ্ট আগুন অন্ধকার আকাশকে আলোকিত করে তুলছিল। উপকূল থেকে ১২ মাইল দূরে থাকতেই আমরা আমাদের নির্ধারিত এলসিএ উভচর অবতরণ যান গুলোতে উঠে পড়লাম এবং সেগুলো উত্তাল সমুদ্রে নামিয়ে দেওয়া হলো। নৌবাহিনী তখনও গোলাবর্ষণ শুরু করেনি কারণ চারপাশ তখনও অন্ধকার ছিল। আমরা বিশাল সেই নৌবহর দেখতে পাচ্ছিলাম না, কিন্তু জানতাম যে সেটি ওখানেই আছে।<br>যানে ওঠার আগে বন্ধুরা একে অপরকে বিদায় জানাচ্ছিল এবং শুভকামনা দিচ্ছিল...। আমাদের সবার কাছে সুপ্রিম কমান্ডার জেনারেল আইজেনহাওয়ারের স্বাক্ষর করা একটি চিঠি ছিল, যেখানে বলা হয়েছিল যে আমরা এক 'মহান অভিযান বা ক্রুসেডে' নামতে যাচ্ছি। আমার কয়েকজন সঙ্গী চিঠিতে অটোগ্রাফ দিয়েছিল এবং আমি পুরো যুদ্ধ জুড়ে সেটি আমার মানিব্যাগে বহন করেছি।<br>ইংলিশ চ্যানেল ছিল অত্যন্ত উত্তাল, এবং খুব দ্রুতই আমাদের হেলমেট দিয়ে যানের ভেতর থেকে জল সেঁচতে শুরু করতে হলো। ঠাণ্ডা জলের ঝাপটা আমাদের পুরো ভিজিয়ে দিয়েছিল...।<br>আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সাথে সাথে বিশাল নৌবহরটি দৃশ্যমান হলো। জ্বলন্ত ফরাসি উপকূলরেখাও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল। সকাল ০৬:০০ টায় মিত্রবাহিনীর নৌবাহিনীর বিশাল কামানগুলো গর্জে উঠল, যা ছিল সম্ভবত ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কামানের গোলাবর্ষণ। আমি দেখতে পাচ্ছিলাম 'টেক্সাস' যুদ্ধজাহাজটি উপকূলরেখায় গোলাবর্ষণ করছে।<br>বম-বা-বা-বুম-বা-বা-বুম! কয়েক মিনিটের মধ্যে সেই বিশাল কামানের প্রতিঘাত থেকে সৃষ্ট বিশাল ঢেউ আমাদের প্রায় ডুবিয়ে দিচ্ছিল এবং আমাদের অসুস্থতা ও দুর্দশা বাড়িয়ে দিচ্ছিল। কিন্তু আকাশ থেকে লক্ষ্যবস্তুর ওপর টনখানেক ওজনের মিসাইলগুলো আছড়ে পড়তেও দেখা যাচ্ছিল। মাথার ওপর পি-৩৮ ফাইটার-বোম্বারগুলো আমাদের লুফৎওয়াফ (জার্মান বিমান বাহিনীর নাম) থেকে রক্ষা করতে টহল দিচ্ছিল, যা আমাদের মনে এক ধরণের মিথ্যা নিরাপত্তার বোধ তৈরি করছিল। মনে হচ্ছিল যে এটি হয়তো খুব সহজ একটি কাজ হবে।<br>উপকূল থেকে কয়েক হাজার গজ দূরে আমরা তিন-চারজন বেঁচে যাওয়া মানুষকে উদ্ধার করলাম যাদের যানটি ডুবে গিয়েছিল...।<br>উপকূল থেকে প্রায় দুই-তিনশ গজ দূরে আমরা গোলন্দাজ বাহিনীর আক্রমণের মুখে পড়লাম। গোলার আঘাতে সমুদ্রের জল আকাশে উঠে বৃষ্টির মতো আমাদের ওপর পড়ছিল...।<br>তীর থেকে প্রায় ১৫০ গজ দূরে, বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও ('মাথা নিচু রাখো') আমি মাথা উঁচু করলাম। দেখলাম আমাদের ডানদিকের নৌকাটি শত্রুর গুলিতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমাদের কয়েক মিনিট আগেই যারা তীরে পৌঁছেছিল, শত্রুরা তাদের ওপর এমনভাবে গুলিবর্ষণ করছিল যে ট্রেসার বুলেটগুলো নৌকার র‍্যাম্প আর গায়ে লেগে ছিটকে আসছিল। আমরা যদি ডুবে যাওয়া যানের বেঁচে যাওয়া মানুষদের তোলার জন্য কয়েক মিনিট দেরি না করতাম, তবে হয়তো আমাদের ওপরই ওই গুলিবর্ষণ হতো।<br>শত্রুর গোলন্দাজ বাহিনী এবং মর্টারের আঘাতে সমুদ্র থেকে জলের ফোয়ারা উঠছিল। আমরা তখন বুঝতে পারলাম যে এটি কোনো সহজ কাজ হবে না। কেউ ভাবেনি যে জলের কিনারাতেই শত্রু আমাদের এমন প্রতিরোধের মুখে ফেলবে। আমরা ভেবেছিলাম আমরা পৌঁছানোর আগেই এ এবং বি কোম্পানি সৈকত দখল করে নেবে। বাস্তবে আমাদের সেক্টরে তখনও কেউ পা রাখেনি। আমাদের চালক 'ভিয়েরভিল চার্চের' চূড়াটি লক্ষ্য করতে ভুল করেছিলেন এবং জোয়ার আমাদের আরও ২০০ গজ পূর্বে টেনে নিয়ে গিয়েছিল।<br>অবস্থান পরিবর্তনের খুব একটা তফাত ছিল না। আমরা আমাদের ডানে, পশ্চিম দিক থেকে শত্রুর মেশিনগানের সেই 'প-র-র-র-র' করে একটা শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। এটা স্পষ্ট ছিল যে আমাদের যেখানে নামার কথা ছিল, সেখানে কেউ না কেউ... ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে।<br>জলে এবং স্থলে যখন কামানের গোলা বিস্ফোরিত হচ্ছিল, তখনই যানের র‍্যাম্পটি নেমে গেল। পাহাড়ের ওপর থেকে অদৃশ্য স্নাইপাররা গুলি চালাচ্ছিল, তবে সবচেয়ে বেশি ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছিল অটোমেটিক অস্ত্রগুলো...।<br>আমি যখন নামলাম, তখন আমি জলের ভেতরে। ৬০ পাউন্ড ওজনের সরঞ্জাম শরীর থেকে ঝেড়ে ফেলা খুব কঠিন ছিল, আর কেউ যদি ভালো সাঁতারু না হতো তবে তার ডুবে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা ছিল...। ভালো সাঁতারু হওয়া সত্ত্বেও অনেকে জলের ভেতরেই ডুবে মারা গেল। মৃত দেহগুলো জলে ভাসছিল, আর জীবিত মানুষেরা মৃত সেজে জলের স্রোতের সাথে তীরের দিকে আসছিল...।<br>গোলা যখন জলের কিনারে এসে পড়ছে, তখন আমি চিবুক পর্যন্ত জলের নিচে নিজেকে লুকিয়ে রেখেছিলাম। ছোট ছোট অস্ত্রের গুলিতে বালি উড়ছিল। আমি একজন জিআই-কে দেখলাম সৈকত অতিক্রম করার জন্য দৌড়ানোর চেষ্টা করছে। সরঞ্জামের ভারে তার নড়াচড়া করতে কষ্ট হচ্ছিল। শত্রুর গুলিতে সে বিদ্ধ হলো এবং একজন 'মেডিক' বা চিকিৎসকের জন্য চিৎকার করতে লাগল। একজন চিকিৎসাকর্মী দ্রুত তাকে সাহায্য করতে গেল এবং সেও গুলিবিদ্ধ হলো। আমি কখনোই সেই দৃশ্য ভুলব না! একজন আহত সৈনিকের পাশে ওই মেডিক শুয়ে আছে এবং দুজনেই যন্ত্রণায় চিৎকার করছে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই তারা মারা গেল।<br>ছেলেরা একেজন বীরপুরুষে পরিণত হয়েছিল। কেউ কেউ হয়ে উঠেছিল চরম সাহসী। অন্যরা খুব দ্রুতই লাশে পরিণত হয়েছিল, আর যারা বেঁচে ছিল তারা ছিল আতঙ্কগ্রস্ত। কেউ কেউ তো ভয়ে প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছিল, অন্যরা নির্লজ্জের মতো কাঁদছিল। অনেকেরই কাজ শেষ করার জন্য নিজের ভেতর থেকে শক্তি খুঁজে নিতে হয়েছিল। শৃঙ্খলা আর প্রশিক্ষণই তখন সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল।<br>আমি আমার অ্যাসল্ট জ্যাকেট খুলে রেইনকোটটি বিছিয়ে দিলাম যাতে আমার রাইফেলটি পরিষ্কার করতে পারি। তখনই আমি আমার জ্যাকেট এবং রেইনকোটে বুলেটের গর্ত দেখতে পেলাম। আমি আমার প্রথম সিগারেটটি ধরালাম; আমাকে একটু বিশ্রাম নিয়ে নিজেকে সামলাতে হচ্ছিল কারণ আমার হাঁটু তখন দুর্বল হয়ে আসছিল। ** ২৯তম পদাতিক ডিভিশনের সদস্য বব স্লটার; যিনি ১৯৪৪ সালের ৬ জুন নরম্যান্ডির ওমাহা বিচে অবতরণ করেছিলেন, যেখানে সৈকত দখলের সেই যুদ্ধে ৩,৫০০ আমেরিকান এবং ৭০০ জার্মান নিহত হয়েছিল। * আক্রমণকারী ইউনিটগুলো বিশৃঙ্খল হয়ে পড়েছিল, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছিল এবং মূল্যবান সরঞ্জাম হারিয়ে তারা পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল। শত্রুর তীব্র গুলিবর্ষণের কারণে তারা সৈকতে আটকা পড়েছিল..। সৈকতে সৈন্য এবং সরঞ্জামের স্তূপ জমে যাচ্ছিল, যেখানে জড়ো হওয়া দলগুলো শত্রুর জন্য খুব সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল। ** ১৯৪৪ সালের ৬ জুন নরম্যান্ডির অবতরণ সৈকতে থাকা একজন আমেরিকান অফিসারের বর্ণনা। * অবশ্যই, আমরা সবাই বাড়ি ফিরতে চাই। আমরা এই আপদ দ্রুত শেষ করতে চাই। কিন্তু এটি শেষ করার দ্রুততম উপায় হলো ওই জারজগুলোকে ধরতে যাওয়া। তাদের যতো দ্রুত চাবকানো হবে, আমরা ততো দ্রুত বাড়ি ফিরব। বাড়ি ফেরার সংক্ষিপ্ততম পথটি [[:w:বার্লিন|বার্লিনের]] ওপর দিয়ে গেছে।<br>আর একটি জিনিস তোমরা বাড়ি ফিরে বলতে পারবে। যখন তোমরা আগুনের পাশে বসে থাকবে, কোলে থাকবে তোমাদের বাচ্চা, আর সে যখন জিজ্ঞেস করবে যে মহান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তুমি কী করেছিলে, তখন তোমাকে অন্তত এটি বলতে হবে না যে, তুমি [[w:লুইজিয়ানা|লুইজিয়ানায়]] বসে বিষ্ঠা পরিষ্কার করছিলে। ** জেনারেল '''''জর্জ এস. প্যাটনের''''' ভাষণ; ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে ফ্রান্সের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার আগে তিনি তাঁর ইউএস থার্ড আর্মির উদ্দেশ্যে এটি দিয়েছিলেন। * যেকোনো কমান্ডার যিনি তাঁর লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হন, এবং যিনি মৃত বা মারাত্মকভাবে আহত নন—তিনি তাঁর পূর্ণ দায়িত্ব পালন করেননি। ** জেনারেল '''''জর্জ এস. প্যাটনের''''' নির্দেশনা, যা তিনি থার্ড আর্মিকে দিয়েছিলেন। * অস্টিন হোয়াইট, শিকাগো, ইলিনয়; ১৯১৮ এবং ১৯৪৪। - আমি এভাবে শেষবারের মতো এখানে আমার নাম লিখতে চাই। ** ফ্রান্সের ভেরদুনের কাছে পাওয়া একটি শিলালিপি; যা 'ইয়াঙ্ক' ম্যাগাজিনের (সৈনিকদের জন্য একটি ম্যাগাজিন) একজন সাংবাদিক খুঁজে পেয়েছিলেন। ==== মন্টে ক্যাসিনোর যুদ্ধ (১৭ জানুয়ারি – ১৮ মে ১৯৪৪) ==== * এরই মধ্যে ফরাসি বাহিনী গারিলিয়ানো (নদী) অতিক্রম করে লিরি নদীর দক্ষিণে অবস্থিত পার্বত্য অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয়। এটি মোটেও সহজ কাজ ছিল না। বরাবরের মতোই জার্মান অভিজ্ঞ সেনারা প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল এবং সেখানে তিক্ত লড়াই হয়েছিল। ফরাসিরা শত্রুকে অবাক করে দিয়ে দ্রুত মাউন্ট ফাইতো চেরাসোলা এবং কাস্তেলফোরতের নিকটবর্তী উচ্চভূমি সহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো দখল করে নেয়। ১ম মোটরাইজড ডিভিশনের সহায়তায় ২য় মরোক্কান ডিভিশন গুরুত্বপূর্ণ মাউন্ট গিরোফানো দখল করে এবং এরপর দ্রুত উত্তরে এস. আপোলিনারে এবং এস. আমব্রোজিওর দিকে অগ্রসর হয়। শত্রুর কঠোর প্রতিরোধ সত্ত্বেও ২য় মরোক্কান ডিভিশন মাত্র দুই দিনের লড়াইয়ে গুস্তাভ লাইন ভেদ করতে সক্ষম হয়। ফরাসি ফ্রন্টের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা ছিল চূড়ান্ত। খঞ্জরধারী 'গুমিয়ার' সেনারা পাহাড়ের ওপর পঙ্গপালের মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, বিশেষ করে রাতের বেলা। এবং জেনারেল জুঁ-র পুরো বাহিনী এমন আগ্রাসন দেখিয়েছিল যা জার্মানরা প্রতিহত করতে পারেনি। চেরাসোলা, সান জিওগ্রিও, মাউন্ট ডি'অরো, আউসোনিয়া এবং এসপেরিয়া দখল করা হয়েছিল যা ছিল ইতালির যুদ্ধে অন্যতম উজ্জ্বল এবং সাহসী অগ্রযাত্রা। ১৬ মে তারিখের মধ্যে ফরাসি এক্সপেডিশনরি কর্পস তাদের বাম পার্শ্ব দিয়ে মাউন্ট রেভোল পর্যন্ত প্রায় দশ মাইল অগ্রসর হয়েছিল, যখন তাদের ফ্রন্টের বাকি অংশ ব্রিটিশ ৮ম আর্মির সাথে যোগাযোগ বজায় রাখার জন্য কিছুটা পিছিয়ে ছিল। এই অভাবনীয় কর্মক্ষমতার জন্য, যা রোম অভিযানের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ছিল, আমি সর্বদা জেনারেল জুঁ এবং তাঁর অসামান্য এফইসি-র একজন কৃতজ্ঞ গুণমুগ্ধ হয়ে থাকব... ৮ম আর্মির বিলম্ব জুঁ-র কাজকে আরও কঠিন করে তুলেছিল, কারণ তিনি এত দ্রুত অগ্রসর হচ্ছিলেন যে তাঁর ডান পার্শ্ব। যা ব্রিটিশদের সংলগ্ন ছিল, তা ক্রমাগত পাল্টা আক্রমণের ঝুঁকির মুখে ছিল। ** জেনারেল '''''মার্ক ডব্লিউ ক্লার্কের''''' বর্ণনা; যেখানে তিনি বর্ণনা করেছেন কীভাবে মার্শাল জুঁ-র কমান্ডে ফরাসি এক্সপেডিশনরি কর্পস (FEC) ১৯৪৪ সালের মে মাসে [[:w:গুস্তাভ লাইন|গুস্তাভ লাইন]] ভেদ করেছিল। মার্ক ওয়েন ক্লার্ক, ''ক্যালকুলেটেড রিস্ক'' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ৩৪৮। * সাধারণ শত্রুর বিরুদ্ধে আমাদের ইতালি অভিযানে ফরাসি সৈন্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত হতে দেখে আমি গভীর তৃপ্তি অনুভব করছি। এই দীর্ঘ মাসগুলোতে ফরাসি সেনাবাহিনীর মহত্তম ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী এই সৈন্যদের অসামান্য যোগ্যতার প্রমাণ স্বচক্ষে দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। তবুও এতেই সন্তুষ্ট না হয়ে, আপনি এবং আপনার সকল লোক ফ্রান্সের ইতিহাসে এক নতুন মহাকাব্যিক অধ্যায় যুক্ত করেছেন। আপনারা স্বদেশবাসীদের হৃদয়ে আনন্দ দিয়েছেন, তাঁদের সান্ত্বনা ও আশার আলো দেখিয়েছেন যখন তাঁরা ঘৃণাভরে দেখা এক দখলদারের ভারী এবং অপমানজনক জোয়ালের নিচে ধুঁকছিলেন। সি.ই.এফ. এর সকল সদস্যদের অদম্য শক্তি এবং বিপদের প্রতি চরম উপেক্ষা, সাথে ফরাসি সামরিক কর্মকর্তাদের অসাধারণ পেশাদার দক্ষতা মিত্রদের মনে প্রশংসা এবং শত্রুর মনে ত্রাস সৃষ্টি করেছে। গারিলিয়ানোর তীর থেকে, যেখানে আপনাদের প্রথম সাফল্য পুরো অভিযানের গতিপথ নির্ধারণ করে দিয়েছিল—পার্বত্য অঞ্চলের মধ্য দিয়ে রোমের দিকে এগিয়ে যাওয়া, [[:w:তাইবার|তাইবার নদী]] পার হওয়া এবং সিয়েনা ও আরনো উপত্যকার পাহাড়গুলো পর্যন্ত শত্রুকে নিরলসভাবে ধাওয়া করা। ফ্রান্সের সৈন্যরা সর্বদা সম্ভাব্য সবকিছু অর্জন করেছে এবং কখনও কখনও যা অসম্ভব ছিল তাও সম্ভব করেছে। আমাদের যৌথ বিজয়ে আপনাদের এই বিশাল অবদানের জন্য আমার গভীর কৃতজ্ঞতা গ্রহণ করবেন, আমার প্রিয় জেনারেল। ** মার্শাল জুঁ-র কাছে লেখা একটি চিঠিতে জেনারেল '''''মার্ক ডব্লিউ ক্লার্কের''''' শ্রদ্ধাঞ্জলি। মার্শাল জুঁ, ''মেমোয়ার্স'' (ফায়ার্ড, ১৯৫৯), পৃষ্ঠা ৩৫৫। === ১৯৪৫ === * এই মিত্র বাহিনীর মিশন ৭ মে, ১৯৪৫ তারিখের স্থানীয় সময় ভোর ৩টায় সম্পন্ন হয়েছে। ** জেনারেল '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' বার্তা; ফ্রান্সের রেইমসে অবস্থিত আইজেনহাওয়ারের সদর দপ্তরে জার্মান প্রতিনিধিদের আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষরের পর তিনি এটি কম্বাইন্ড চিফস অফ স্টাফকে (ব্রিটিশ ও আমেরিকান বাহিনীর কমান্ড) পাঠিয়েছিলেন। == [[w:ইহুদি গণহত্যা|ইউরোপের যুদ্ধঃ ইহুদি গণহত্যা]] == === ১৯৪৪ === * আমরা যখন গবাদি পশু পরিবহনের ট্রাক থেকে নামলাম, তারা নির্দেশ দিল, 'পুরুষরা ডানদিকে ; মহিলারা বামদিকে।'...আমি বাবার সাথে গেলাম। আমার ছোট বোন এস্তার মায়ের সাথে গেল। এস্তারের বয়স ছিল মাত্র এগারো। ও আমার মায়ের হাত ধরে ছিল। যখন তারা মহিলাদের বাছাই করছিল, এস্তার আমার মাকে আঁকড়ে ধরল। মা ওকে ছেড়ে দিতে রাজি হননি। তারা সরাসরি গ্যাস চেম্বারের দিকে চলে গেল। ** মরিস (মরিৎজ) ভেগের বর্ণনা; ৪ মে, ১৯৯৬ তারিখে মার্টিন গিলবার্টের সাথে কথোপকথনে। ভেগ-কে ১৩ বছর বয়সে তাঁর পরিবারের সাথে অউশভিৎজ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছিল, সেখানে তিনি ক্রীতদাস হিসেবে কাজ করেছেন এবং তিনি তাঁর পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য ছিলেন। ''দ্য বয়েজ: ট্রায়াম্ফ ওভার অ্যাডভার্সিটি'' (ডগলাস অ্যান্ড ম্যাকইনটায়ার, ১৯৯৬), পৃষ্ঠা ১৬৭। === ১৯৪৫ === * আমি চাই, সামনের সারিতে নেই এমন প্রতিটি আমেরিকান ইউনিট এই জায়গাটি এসে দেখুক .... আমাদের বলা হয় যে আমেরিকান সৈন্যরা জানে না তারা কিসের জন্য লড়ছে। এখন অন্তত তারা জানবে যে তারা ঠিক কিসের 'বিরুদ্ধে' লড়ছে। ** ১৩ এপ্রিল, ১৯৪৫ তারিখে অর্ড্রুফ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প পরিদর্শনের পর সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার জেনারেল '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' মন্তব্য। সেখানে ব্যারাকগুলোতে লাশের স্তূপ ছিল এবং পুড়িয়ে ফেলা দেহের গন্ধ আসছিল মৃতদেহ পোড়ানোর চুল্লি (ক্রিমেটোরিয়া) থেকে। চার্লস আর. কোডম্যান, ''ড্রাইভ'' (বোস্টন, ১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২৮২–২৮৩। * ক্যাম্পের অন্য একটি অংশে তারা আমাকে শিশুদের দেখাল, সেখানে শত শত শিশু ছিল। কয়েকজনের বয়স ছিল মাত্র ৬ বছর। একজন তার জামার হাতা গুটিয়ে আমাকে তার নম্বরটি দেখাল। এটি তার হাতে উল্কি করে খোদাই করা ছিল। নম্বরটি ছিল বি-৬০৩০। অন্যরা আমাকে তাদের নম্বরগুলো দেখাল। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তারা এগুলো বহন করে বেড়াবে। আমি তাদের পাতলা শার্টের ভেতর দিয়ে পাঁজরের হাড়গুলো দেখতে পাচ্ছিলাম। ** সিবিএস নিউজের সংবাদদাতা '''''এডওয়ার্ড আর. মুরোর''''' রিপোর্ট; ১৫ এপ্রিল, ১৯৪৫ তারিখে বুখেনওয়াল্ড কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প থেকে। ''ফ্রম ডি-ডে থ্রু ভিক্টরি ইন ইউরোপ'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৪৫), পৃষ্ঠা ১৬৮–৭৪। * যা এই তদন্তকে তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে তা হলো—এই বন্দীরা (নাৎসি নেতারা) এমন এক অশুভ প্রভাবের প্রতিনিধিত্ব করে যা তাদের দেহ ধূলিসাৎ হয়ে যাওয়ার অনেক পরেও পৃথিবীতে লুকিয়ে থাকবে। তারা হলো বর্ণগত ঘৃণা, সন্ত্রাস ও সহিংসতা এবং ক্ষমতার দম্ভ ও নিষ্ঠুরতার জীবন্ত প্রতীক। ** মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি '''''রবার্ট এইচ. জ্যাকসনের''''' বক্তব্য; যিনি যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বেঁচে থাকা নাৎসি নেতাদের বিরুদ্ধে চলা নুরেমবার্গ ট্রায়ালে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', খণ্ড ৯৫, সংখ্যা ৩২,০৭৯ (২২ নভেম্বর, ১৯৪৫), পৃষ্ঠা ২। * মাসের পর মাস, বছরের পর বছর আমাদের কেবল একটিই ইচ্ছা ছিল। আমাদের মধ্যে কেউ যেন অন্তত বেঁচে ফিরতে পারি! যাতে আমরা বিশ্বকে জানাতে পারি যে নাৎসি অপরাধীদের কারাগারগুলো আসলে কেমন ছিল। সেখানে মানুষকে দাস হিসেবে ব্যবহার করার এবং যখন তারা আর কাজ করার ক্ষমতা রাখত না তখন তাদের মেরে ফেলার এক সুশৃঙ্খল আকাঙ্ক্ষা বিদ্যমান ছিল। ** অউশভিৎজ থেকে বেঁচে ফেরা '''''মারি-ক্লদ ভ্যালান-কুতুরিয়ের''''' (মারি ভ্যালান); ২৮ জানুয়ারি ১৯৪৬ তারিখে নুরেমবার্গ ট্রায়ালে দেওয়া সাক্ষ্যে। ''ট্রায়াল অফ দ্য মেজর ওয়ার ক্রিমিনালস বিফোর দ্য ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল'' (১৯৪৭), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ২২৮। * ''KZ Dachau — Velden — Buchenwald. Ich schäমে mich, daß ich ein Deutscher bin.'' (কেজেড ড্যাকাউ — ভেলডেন — বুখেনওয়াল্ড। ইশ শেমে মিশ, ডাস ইশ আইন ডয়চার বিন।) ** কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প ড্যাকাউ — ভেলডেন — বুখেনওয়াল্ড। আমি একজন জার্মান হিসেবে লজ্জিত। ** ১৯৪৫ সালে আমেরিকানদের হাতে শহরটি পতন হওয়ার পর [[w:মিউনিখ|মিউনিখের]] ফেল্ডহেরনহালের দেওয়ালে আঁকা একটি লিপি। ''সুদডয়েচ জেইতুংয়ের'' (৪ মে ২০২০) "স্পেট শম" প্রতিবেদনে এটি রিপোর্ট করা হয়েছে। == মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং [[:w:কমনওয়েলথ অব নেশনস|কমনওয়েলথ অব নেশনস]] বনাম জাপান == * ''কোনো শত্রু আমাদের ফসল কাটতে পারবে না,<br>অথবা আমাদের পশুখামারের বেড়ার উপর বসতে পারবে না।'' ** '''''মেরি গিলমোর''''', "নো ফো শ্যাল গ্যাদার আওয়ার হারভেস্ট" (কোনো শত্রু আমাদের ফসল কাটবে না), স্তবক ৪; ''দ্য অস্ট্রেলিয়ান ওমেনস উইকলি'' (সিডনি, ২৯ জুন ১৯৪০), পৃষ্ঠা ৫। লেখকের টীকা: "যুদ্ধ জয়ের জন্য আমি যা করতে চাই তার অনেক কিছুই করার মতো বয়স আমার নেই, কিন্তু আমি এখনও লিখতে পারি। অস্ট্রেলিয়ার পুরুষ ও নারীদের জন্য এখানে একটি গান দিলাম।" === ১৯৪১ === * আমি এখানে উপস্থিত আপনাদের অধিকাংশকেই চিনি এবং আপনাদের ক্ষমতা ও বিচারবুদ্ধির ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা এক বিশাল ধাক্কা খেয়েছি, কিন্তু চূড়ান্ত পরিণতি নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। ** '''''চেস্টার ডব্লিউ. নিমিৎজ'''''; ৩১ ডিসেম্বর ১৯৪১ তারিখে কমান্ড গ্রহণ করার সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিট স্টাফ অফিসারদের সাথে বৈঠকে। ইয়ান ডব্লিউ. টোল রচিত ''প্যাসিফিক ক্রুসিবল: ওয়ার অ্যাট সি ইন দ্য প্যাসিফিক, ১৯৪১–১৯৪২'' (২০১২), ১৬০ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * সময়জ্ঞান এবং আকস্মিকতার কারণে আপনারা হয়তো প্রাথমিক সাফল্য পাবেন, কিন্তু এমন সময় আসবে যখন আপনাদেরও ক্ষয়ক্ষতি হবে; তবে সেখানে একটি বিশাল পার্থক্য থাকবে। আপনারা কেবল আপনাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই ব্যর্থ হবেন না, বরং সময় গড়ানোর সাথে সাথে দুর্বল হতে থাকবেন। অন্যদিকে আমরা কেবল আমাদের ক্ষতিই পুষিয়ে নেব না, বরং সময়ের সাথে সাথে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠব। আমরা আপনাদের চূর্ণ না করা পর্যন্ত থামব না—এটি অনিবার্য। ** অ্যাডমিরাল '''''হ্যারল্ড রেইনসফোর্ড স্টার্কের''''' বক্তব্য; নৌ-অপারেশনের প্রধান হিসেবে যুদ্ধের আগে জাপানি রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশ্যে দেওয়া। লুইস মর্টন, ''দ্য ওয়ার ইন দ্য প্যাসিফিক। স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড কমান্ড: দ্য ফার্স্ট টু ইয়ার্স'' (১৯৬২), ১২৫ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গ্রেট ব্রিটেনের সাথে যুদ্ধের প্রথম ছয় থেকে বারো মাস আমি দাপিয়ে বেড়াব এবং একের পর এক বিজয় ছিনিয়ে আনব। কিন্তু এরপরও যদি যুদ্ধ চলতে থাকে, তবে সফল হওয়ার কোনো আশা আমার নেই। ** অ্যাডমিরাল '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো''''', পার্ল হারবার আক্রমণের পরিকল্পনাকারী; প্রধানমন্ত্রী ফুমিমারো কোনোর কাছে দেওয়া বক্তব্য। রোনাল্ড স্পেক্টর, ''ঈগল অ্যাগেইনস্ট দ্য সান: দ্য আমেরিকান ওয়ার উইথ জাপান'' (১৯৮৫) এ উদ্ধৃত। * ''Tennōheika banzai!'' (তেন্নো হেইকা বানজাই!) ** সম্রাট দশ হাজার বছর দীর্ঘজীবী হোন! ** — আক্রমণের সময় জাপানি ইম্পেরিয়াল বাহিনীর সেনাদের দেওয়া স্লোগান। == জাপানের আক্রমণ: ফিলিপাইনের পতন (ডিসেম্বর ১৯৪১ – মে ১৯৪২) == === ১৯৪২ === * আমরাই বাতাআনের জারজ লড়াকু দলীয়;<br>বাবা নেই, মা নেই, নেই [[:w:আঙ্কেল স্যাম|আঙ্কেল স্যাম]];<br>খালা নেই, মামা নেই, নেই কোনো আত্মীয়...<br>নেই ওষুধ, নেই বিমান, নেই কোনো কামানের গোলা...<br>আর কারো তাতে কিছু আসে যায় না। ** ম্যানিলা বে-র উত্তর-পশ্চিমে বাতাআন উপদ্বীপের প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত সেনাদের গাওয়া গান; যারা ফিলিপাইনে জাপানি আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে সর্বশেষ প্রধান শক্তি হিসেবে টিকে ছিল। * ধরুন আপনি একজন সার্জেন্ট মেশিন-গানার, আর আপনার বাহিনী পিছু হটছে এবং শত্রু এগিয়ে আসছে। ক্যাপ্টেন আপনাকে রাস্তা আগলে রাখা একটি মেশিনগানের কাছে নিয়ে গেলেন। তিনি আপনাকে বললেন, 'তোমাকে এখানেই থাকতে হবে এবং এই অবস্থান ধরে রাখতে হবে'। আপনি জিজ্ঞেস করলেন, 'কতোক্ষণ?' তিনি উত্তর দিলেন, 'সেটা নিয়ে ভেবো না, শুধু ধরে রাখো'। তখনই আপনি বুঝবেন যে আপনি 'এক্সপেন্ডবল' বা ত্যাজ্য। এক অর্থে যেকোনো কিছুই ত্যাজ্য হতে পারেটাকা, গ্যাসোলিন, সরঞ্জাম বা সাধারণত মানুষ। তারা কেবল কিছুটা সময় পাওয়ার জন্য আপনাকে এবং ওই মেশিনগানটিকে বিসর্জন দিচ্ছে। ** উইলিয়াম এল. হোয়াইট, তাঁর 'দে ওয়্যার এক্সপেন্ডবল' গ্রন্থে; ১৯৪২ সালের শুরুতে জাপানিদের কাছে ফিলিপাইনের পতনের বিবরণ। * সূর্য আমার ধড়ফড় করা হৃদয়ে এক প্রখর তাপ ঢালছিল... রাস্তার ধারে জঙ্গলটা ছিল কুয়াশাচ্ছন্ন সবুজ আভা, যা আমার ঘর্মাক্ত চোখের সামনে ভেসে উঠছিল। <br>ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেল, এবং প্রচুর সংখ্যক বন্দী তাদের সহ্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেল। দলছুটদের সংখ্যা বাড়তে থাকল। রাস্তার ওপর তারা শত শত সংখ্যায় লুটিয়ে পড়ল...।<br>একটি পিস্তলের আওয়াজ হলো এবং সেই গুলির শব্দ জঙ্গলের বুক জুড়ে প্রতিধ্বনিত হলো। এরপর আরেকটি গুলি, এবং আরও অনেক গুলি; আমি জানতাম যে আমাদের পেছনে জাপানিদের একটি 'ক্লিন-আপ স্কোয়াড' (পরিচ্ছন্নতাকারী দল) আসছে, যারা ওই সাদা ধুলোবালিময় রাস্তায় তাদের অসহায় শিকারদের হত্যা করছে...। সেই গুলির শব্দ আমাদের এগিয়ে যেতে বাধ্য করছিল। আমি দাঁতে দাঁত চাপলাম। 'ওহ ঈশ্বর, আমাকে চলতেই হবে। আমি থামতে পারব না। আমি ওভাবে মরতে পারি না'। ** সার্জেন্ট সিডনি স্টুয়ার্ট, ১৯৪২ সালের এপ্রিলের বাতাআন ডেথ মার্চের একজন উত্তরজীবী; যখন জাপানিরা ৭০,০০০ আমেরিকান ও ফিলিপিনো বন্দীকে বাতাআন উপদ্বীপ থেকে তাদের বন্দীশিবির পর্যন্ত ৬০ মাইল পথ হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। এই পদযাত্রার সময় প্রায় ১০,০০০ বন্দী গুলি, বেয়নেট বা অনাহারে নিহত হয়েছিল। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আমাকে জাপানি ব্যুহ ভেদ করে কোরিজিডোর থেকে [[:w:অস্ট্রেলিয়ায়|অস্ট্রেলিয়ায়]] যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন; যে উদ্দেশ্যে আমি এটি বুঝেছি তা হলো, জাপানের বিরুদ্ধে আমেরিকান আক্রমণ সংগঠিত করা, যার প্রাথমিক লক্ষ্য হলো [[:w:ফিলিপাইন|ফিলিপাইনের]] মুক্তি।<br>আমি পার হয়ে এসেছি এবং আমি ফিরে আসব। ** জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' মন্তব্য; ম্যানিলা বে-র কোরিজিডোর দ্বীপের দুর্গটি জাপানিদের হাতে পতনের পূর্বে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক তাঁকে অস্ট্রেলিয়ায় চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এটি বলেছিলেন (৩০ মার্চ, ১৯৪২)। ''রিপ্রেজেন্টেটিভ স্পিচেস অফ জেনারেল অফ দ্য আর্মি ডগলাস ম্যাকআর্থার'' (১৯৬৪), পৃষ্ঠা vi। * ঈশ্বর আমাদের প্রতি সহায় হোন! ** —জাপানি আক্রমণ মোকাবিলায় [[:w:অস্ট্রেলিয়ার|অস্ট্রেলিয়ার]] প্রস্তুতির অভাব সম্পর্কে জানতে পেরে জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' আক্ষেপ। == [[:w:মিডওয়ের যুদ্ধ|জাপানের আক্রমণ প্রতিহত: মিডওয়ের যুদ্ধ (জুন ১৯৪২)]] == === ১৯৪২ === * আমরা জানতাম নিমিৎজ কী করছেন। তিনি সঠিক কাজটিই করছিলেন, এবং আমরা তাঁকে তাঁর মতোই কাজ করতে দিয়েছিলাম। ** '''''আর্নেস্ট কিং'''''; মিডওয়ের যুদ্ধে চেস্টার নিমিৎজের ভূমিকা সম্পর্কে 'টাইম' ম্যাগাজিনের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে (খণ্ড ৪০, সংখ্যা ২৩, ৭ ডিসেম্বর ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৩৩। * ১৯৪২ সালের এপ্রিলে টোকিওতে ডুলিটল এয়ার রেইডের ফলে মিডওয়েতে আক্রমণ করা হবে কি না, সেই বিতর্কের অবসান ঘটেছিল। ** অ্যাডমিরাল '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো''''', জাপানি নৌবহরের কমান্ডার। * একটি নিষ্পত্তিমূলক নৌ-যুদ্ধের মুখোমুখি হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। আমরা যদি তা করার জন্য এখান থেকে যাত্রা করি এবং প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে একযোগে আত্মাহুতি দিই, তবে সমুদ্রের উপরিভাগে কিছু সময়ের জন্য হলেও শান্তি বিরাজ করবে। ** অ্যাডমিরাল '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো'''''; অপারেশন মি বা মিডওয়ে দ্বীপে আক্রমণের আগে জাপানি নেভাল জেনারেল স্টাফের কাছে দেওয়া বক্তব্য। * বিস্ময় বা আকস্মিকতা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমরা বিশ্বাস করতাম যে জাপানিরা আমাদের রণতরীগুলোর উপস্থিতি সম্পর্কে জানত না। ** কমান্ডার '''''জোসেফ ওয়ার্দিংটন''''', ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস বেনহামের কমান্ডিং অফিসার; মিডওয়ের যুদ্ধের জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর পরিকল্পনা সম্পর্কে, যা জাপানি কোড ভাঙার ওপর নির্ভরশীল ছিল। * পাঁচ মিনিটের মধ্যেই তার [জাপানি বিমানবাহী রণতরী 'আকাগি'-র] সব বিমান উড্ডয়ন করত। মাত্র পাঁচ মিনিট! কে ভেবেছিল যে যুদ্ধের মোড় এই সামান্য সময়ের ব্যবধানে পুরোপুরি ঘুরে যাবে? প্রথম জিরো ফাইটারটি গতি বাড়িয়ে ডেক থেকে শোঁ করে উড়ে গেল। ঠিক সেই মুহূর্তে একজন পাহারাদার চিৎকার করে উঠল, 'হেল ডাইভারস [মার্কিন নৌবাহিনীর ডাইভ বোম্বার]!' আমি ওপরের দিকে তাকিয়ে দেখলাম তিনটি কালো শত্রু বিমান আমাদের জাহাজের দিকে ধেয়ে আসছে। বোমা! সেগুলো সরাসরি আমার দিকেই নেমে আসছিল! ** কমান্ডার '''''মিৎসুও ফুচিদা''''', আকাগিতে থাকা একজন জাপানি কর্মকর্তা; 'মিডওয়ে: দ্য ব্যাটেল দ্যাট ডুমড জাপান' গ্রন্থে। ৩-৬ জুন, ১৯৪২ সালের মিডওয়ের যুদ্ধে মার্কিন নৌবাহিনী হাওয়াইয়ের দিকে জাপানিদের অগ্রযাত্রা রুখে দেয় এবং শত্রুর চারটি বিমানবাহী রণতরী ডুবিয়ে দেয়। এরপর থেকে যুদ্ধের পরবর্তী বছরগুলোতে প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন বাহিনী নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে যেতে থাকে। == প্রশান্ত মহাসাগরে যুদ্ধের মোড় পরিবর্তন == === ১৯৪২ === * কোনো সেনাবাহিনীই কখনও এত অল্প কিছু নিয়ে এত বেশি কিছু করেনি। ** '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' মন্তব্য; বাতাআনের পতন প্রসঙ্গে দেওয়া এই উক্তিটি ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১১ এপ্রিল, ১৯৪২), ১ পৃষ্ঠায় রিপোর্ট করা হয়েছিল। * এখন এটি প্রতীয়মান হচ্ছে যে আমরা গুয়াদালকানাল অঞ্চলে সমুদ্রের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে অক্ষম। ফলে আমাদের অবস্থানগুলোতে রসদ সরবরাহ করতে গেলে আমাদের বিশাল মূল্য চুকাতে হবে। পরিস্থিতি হতাশাজনক নয়, তবে এটি অবশ্যই সংকটজনক। ** অ্যাডমিরাল '''''চেস্টার ডব্লিউ. নিমিৎজের''''' বক্তব্য; ১৯৪২ সালের নভেম্বরে গুয়াদালকানাল অভিযানে মার্কিন নৌবাহিনীর কমান্ডিং অফিসার হিসেবে তিনি এটি বলেছিলেন। * একবার যদি আক্রমণকারী শক্তি হিসেবে জাপান ধ্বংস হয়ে যায়, তবে [[:w:প্রশান্ত মহাসাগর|প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে]] চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো আর কোনো শক্তির আবির্ভাব ঘটবে বলে আমাদের জানা নেই। প্রশান্ত মহাসাগরের তীরবর্তী শান্তিকামী মানুষের একমাত্র শত্রু হলো জাপান। ** '''''জোসেফ গ্রুর''''' ভাষণ; নিউ ইয়র্ক সিটির কার্নেগি হলে 'ইউনাইটেড চায়না রিলিফের' উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্য (১০ অক্টোবর, ১৯৪২); ''দ্য ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট বুলেটিন'' (১০ অক্টোবর, ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৭৯৮। গ্রু ১৯৩২-১৯৪১ সাল পর্যন্ত জাপানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন। === ১৯৪৩ === * আমি গুয়াদালকানাল এবং তুলাগি অভিযানকে আমাদের আক্রমণাত্মক অবস্থান থেকে রক্ষণাত্মক অবস্থানে চলে যাওয়ার সন্ধিক্ষণ হিসেবে দেখি। এবং সেখানে আমাদের বিপর্যয়ের কারণ ছিল আপনাদের মতো একই গতিতে আমাদের শক্তি বৃদ্ধিতে অক্ষমতা। ** জাপানি অ্যাডমিরাল '''''ওসামি নাগানোর''''' বক্তব্য; নৌ-বাহিনীর প্রধান হিসেবে যুদ্ধের পর আমেরিকান কর্মকর্তাদের কাছে তিনি এই স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন। * বাতাআন হলো একটি পরিবারের সেই সন্তানের মতো যে মারা গেছে। এটি আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকে। ** ১৯৪৩ সালের ৯ এপ্রিল, বাতাআনের পতনের প্রথম বার্ষিকীতে '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' স্মৃতিচারণ। ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' রিপোর্ট অনুযায়ী, পতনের পর এটিই ছিল প্রথমবার যখন জেনারেল ম্যাকআর্থার জনসম্মুখে 'বাতাআন' নামটি উচ্চারণ করেছিলেন। == প্রশান্ত মহাসাগরে আমেরিকার উভচর অগ্রযাত্রা == === ১৯৩৯ === * শত্রু বাহিনীর মুখোমুখি হয়ে কোনো বিদেশি উপকূলে অবতরণ করা বরাবরই যুদ্ধের অন্যতম কঠিন অভিযান হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এখন এটি আরও অনেক বেশি কঠিন, প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কারণ একটি পরিবহন কনভয় রক্ষণভাগের বিমান বাহিনীর কাছে অত্যন্ত সহজ লক্ষ্যবস্তু। খোলা নৌকায় করে সৈন্য নামানোর প্রক্রিয়াটি আরও বেশি বিপজ্জনক। ** ব্রিটিশ সামরিক লেখক ক্যাপ্টেন '''''বি. এইচ. লিডেল হার্টের''''' বক্তব্য; 'দ্য ডিফেন্স অফ ব্রিটেন' (১৯৩৯) গ্রন্থে। == ১৯৪৩-১৯৪৫: প্রশান্ত মহাসাগরে বিজয় == * যৌথ প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে এই যুদ্ধের অসামান্য সাফল্য ছিল উভচর অভিযানের নিখুঁত প্রয়োগ, যা আধুনিক যুদ্ধের সব অপারেশনের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন। ** ফ্লিট অ্যাডমিরাল '''''আর্নেস্ট জে. কিঙের''''' বক্তব্য; জেনারেল অফ দ্য আর্মি জর্জ সি. মার্শাল, জেনারেল অফ দ্য আর্মি এইচ. এইচ. আর্নল্ড এবং ফ্লিট অ্যাডমিরাল আর্নেস্ট জে. কিঙের 'দ্য ওয়ার রিপোর্টস' (১৯৪৭) গ্রন্থে। === ১৯৪৪ === * এই অভিযানের লক্ষ্য হলো এমন কিছু অবস্থান দখল করা যেখান থেকে ব্যাপক বিমান হামলা, সমুদ্র ও আকাশপথে অবরোধ এবং প্রয়োজনে আক্রমণের মাধ্যমে জাপানকে চূড়ান্ত আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যায়। ** কমান্ডার ইন চিফ প্যাসিফিক ওশান এরিয়াস (অ্যাডমিরাল নিমিৎজ); 'ক্যাম্পেইন প্ল্যান গ্রানাইট' (১৫ জানুয়ারি, ১৯৪৪)। * যদি সাইপান হাতছাড়া হয়, তবে [[w:টোকিও|টোকিওতে]] ঘনঘন বিমান হামলা চালানো হবে। ** সাইপান রক্ষাকারী জাপানি বাহিনীকে উৎসাহিত করার জন্য সম্রাট হিরোহিতোর পাঠানো বার্তা। * আমাদের জাহাজগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেগুলো জাপানি নৌবহরের দিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ** অ্যাডমিরাল '''''উইলিয়াম ফ্রেডরিক হ্যালসি জুনিয়রের''''' (বুল হ্যালসি) রেডিও বার্তা; লেয়তে উপসাগরের যুদ্ধের (অক্টোবর ১৯৪৪) সময় তাঁর ইউএস থার্ড ফ্লিটের অধিকাংশ জাহাজ হারিয়ে গেছে বলে প্রচারিত জাপানি প্রোপাগান্ডার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এটি দিয়েছিলেন। * আমি ব্ল্যাকজ্যাক নিজে বলছি। এখন পর্যন্ত আপনাদের রণকৌশল এবং সাহসিকতা ছিল এককথায় অতুলনীয়। আপনাদের কাছে আমার প্রত্যাশা এখন আরও বেড়ে গেছে। ওই জার্মান-জাপানি জারজদের জাহান্নামে পাঠানোর কাজ অব্যাহত রাখুন, তারা যেন এভাবেই মরতে থাকে! ** ১৯৪৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ইউএস থার্ড ফ্লিটের সকল সদস্যের উদ্দেশ্যে দেওয়া সমাপনী বার্তায় অ্যাডমিরাল '''''উইলিয়াম ফ্রেডরিক হ্যালসি জুনিয়রের''''' তেজস্বী উক্তি; যা তিনি তাঁর আত্মজীবনী 'অ্যাডমিরাল হ্যালসি'স স্টোরি' (১৯৪৭), ২৪২ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত করেছেন। * [[:w:ফিলিপাইনের|ফিলিপাইনের]] জনগণঃ আমি ফিরে এসেছি। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের অশেষ করুণায় আমাদের বাহিনী আজ পুনরায় ফিলিপাইনের পবিত্র মাটিতে পা রেখেছে...। আপনাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মুক্তির মাহেন্দ্রক্ষণ উপস্থিত হয়েছে। আমার পতাকাতলে সমবেত হোন! যুদ্ধের রণরেখা যখন আপনাদের মুক্ত করতে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন আপনারা জেগে উঠুন এবং শত্রুর ওপর আঘাত হানুন। যেখানেই সুযোগ পাবেন, সর্বশক্তিমান শক্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়ুন। আপনাদের ঘরবাড়ি আর প্রিয়জনদের নিরাপত্তার জন্য আঘাত করুন! আপনাদের সন্তানদের এবং অনাগত প্রজন্মের ভবিষ্যতের জন্য আঘাত করুন! আপনাদের সেইসব পূর্বপুরুষদের নামে আঘাত করুন যারা আত্মত্যাগ করে পবিত্র হয়ে আছেন! কারোর হৃদয় যেন আজ দুর্বল না হয়। প্রতিটি বাহু যেন ইস্পাতের মতো শক্ত হয়। পরম করুণাময় ঈশ্বর আমাদের পথ দেখাচ্ছেন। ন্যায়ের এই যুদ্ধে পবিত্র বিজয়ের সেই অমৃত সুধা বা 'হোলি গ্রেইল' অর্জনে তাঁরই নামে এগিয়ে চলুন। ** ১৭ অক্টোবর, ১৯৪৪ তারিখে ফিলিপাইনের লেয়তে অবতরণের পর জনগণের উদ্দেশ্যে দেওয়া জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]'''''; [https://www.youtube.com/watch?v=Wv1PF0tAE1s ফিলিপাইনের লেয়তে অবতরণকালে], সেই ভাষণ যা 'রেমিনিসেন্সেস' (১৯৬৪), ২১৬–১৭ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে। === ১৯৪৫ === * নাভাজো কোড টকাররা নিজেদেরকে অত্যন্ত মেধাবী, পরিশ্রমী এবং দক্ষ নৌ-সেনা (মেরিন) হিসেবে প্রমাণ করেছেন। তাঁদের বুদ্ধিমত্তা ও কর্মতৎপরতা সত্যিই প্রশংসনীয়।<br>যদি এই নাভাজো যোদ্ধারা আমাদের সাথে না থাকতেন, তবে আমেরিকান মেরিন বাহিনী কখনোই ইও জিমার মতো দুর্ভেদ্য দ্বীপ জয় করতে পারত না। ** কোড টকার হলেন মূলত প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনীতে কর্মরত নেটিভ আমেরিকান (আদিবাসী) সৈনিক, যারা নিজেদের জটিল ও অলিখিত আদিবাসী ভাষা ব্যবহার করে শত্রুপক্ষ বুঝতে না পারে এমন গোপন সংকেত বার্তা পাঠাতেন। *** নাভাজো ইন্ডিয়ান সৈন্য এবং মেরিনদের সম্পর্কে মন্তব্য, যারা রেডিওতে তাদের নিজস্ব মাতৃভাষায় যোগাযোগ করত; যার ফলে জাপানি গোয়েন্দারা আড়ি পেতেও সেই সংকেত বা কোড কখনোই বুঝতে সক্ষম হয়নি; [https://americanindian.si.edu/why-we-serve/topics/code-talkers/ সূত্র]। * যে সকল অতি-উৎসাহী প্লাটুন লিডাররা চমকপ্রদ আক্রমণের নির্দেশ দিয়ে শত্রুর গোলাবর্ষণকে আমন্ত্রণ জানাতেন, তাঁদের এড়িয়ে চলা হতো এবং প্রয়োজনে তাঁদের নির্দেশ উপেক্ষা করা হতো। ওভাবে কখনোই যুদ্ধক্ষেত্রে জমি দখল করা যেত না; বরং তা অর্জিত হতো পাঁচ-ছয়জনের ছোট ছোট একেকটি ক্লাস্টার বা দলের মাধ্যমে, যারা এক ধরণের আত্ম-সম্মোহনের বশবর্তী হয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে দুপাশ থেকে রহস্যময় এক সমন্বয়ের মাধ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে যেত। ** সার্জেন্ট '''''উইলিয়াম ম্যানচেস্টারের''''' (ইউএসএমসি) পর্যবেক্ষণ; ওকিনাওয়ার যুদ্ধে স্থল অভিযানের অভিজ্ঞতা নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত ইতিহাস গ্রন্থ গুডবাই ডার্কনেসে। * প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্রবর্তী অঞ্চলের একটি দ্রুতগামী রণতরী থেকে, ১১ মে (বিশেষ বিলম্বিত প্রতিবেদন) এক হাজার পাউন্ড ওজনের বোমা বহনকারী দুটি জাপানি আত্মঘাতী বিমান আজ ভাইস অ্যাডমিরাল মার্ক এ. মিটশারের নিজস্ব ফ্ল্যাগশিপের (প্রধান জাহাজ) ফ্লাইট ডেকে আছড়ে পড়েছে। যা আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফ্ল্যাট-টপ বা বিমানবাহী রণতরীটিকে একটি বিশাল 'ভাসমান মশালের' মতো জ্বলন্ত অগ্নিপিণ্ডে পরিণত করেছে, যার আগুনের শিখা আকাশে প্রায় এক হাজার ফুট উঁচুতে ছড়িয়ে পড়ছিল।<br>এরপরের দীর্ঘ আট ঘণ্টা ধরে জাহাজ এবং তার ক্রু-রা টিকে থাকার জন্য এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ ও ভয়াবহ লড়াই চালিয়েছে, যা প্রশান্ত মহাসাগরের ইতিহাসে খুব কমই দেখা গেছে। তবে গোধূলির আলো যখন নিভে আসছিল, তখন দেখা গেল সেই ইউএসএস বাঙ্কার হিল যা ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং এখনও ধোঁয়া ও বাষ্পের আবরণে ঢাকা থাকা সত্ত্বেও, নিজ শক্তিতেই দূর দিগন্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সে তখন নিরাপদ। আগামীকাল তাকে আরও আটটি ভয়াবহ ঘণ্টা কাটাতে হবে সেই সব মানুষদের সাগরে সমাহিত করার জন্য, যারা এই জাহাজটিকে রক্ষা করতে গিয়ে নিজেদের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন।<br>কয়েকশ গজ দূরে অবস্থিত পার্শ্ববর্তী একটি রণতরীর ডেক থেকে আমি বাঙ্কার হিলকে পুড়তে দেখেছি। এটি বিশ্বাস করা কঠিন যে ওই আগুনের শিখার মধ্যে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে কিংবা কোনো ধাতু এমন প্রচণ্ড উত্তাপ সহ্য করতে পারে।<br>এক মিনিট আগেও আমাদের টাস্ক ফোর্স ওকিনাওয়া থেকে ৬০ মাইল দূরে অলস ভঙ্গিতে চক্কর দিচ্ছিল, পৃথিবীর কোনো চিন্তা বা শত্রুর বিমানের কোনো আশঙ্কা আমাদের মনে ছিল না। কিন্তু ঠিক তার পরের মুহূর্তেই বাঙ্কার হিল আগুনের এক বিশাল স্তম্ভে পরিণত হলো। এটি গ্রীষ্মকালীন বজ্রপাতের মতোই ক্ষণস্থায়ী আর আকস্মিক ছিল।<br>যুদ্ধের এলাকায় প্রবেশের পর থেকে প্রতিদিন ষোলো ঘণ্টার একটানা সতর্ক পাহারার পর, আমাদের জাহাজের সেই ক্লান্তি মেটাতে এক ঘণ্টা আগেই জেনারেল কোয়ার্টার থেকে বিরতি দেওয়া হয়েছিল। বাঙ্কার হিলেও পরিস্থিতি তেমনই ছিল। পাহারায় নেই এমন ক্লান্ত সেনারা একটু ঘুমিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। জাহাজের পেছনের ফ্লাইট ডেকে ৩৪টি বিমান উড্ডয়নের অপেক্ষায় ছিল। সেগুলোর জ্বালানি ট্যাংক ছিল উদ্বায়ী এভিয়েশন গ্যাসোলিনে একদম পূর্ণ। বিমানগুলোর বন্দুকগুলোও ছিল গোলাবারুদে ঠাসা...।<br>ঠিক তখনই দিগন্তের ওপারে একটি মিশনের কাজ শেষ করে ফিরে আসা কিছু বিমান দেখা যাচ্ছিল। আমাদের জাহাজের একজন লোক প্রথম তিনটি শত্রু বিমান দেখতে পেয়ে চিৎকার করে সতর্কবার্তা দেয়। কিন্তু জেনারেল কোয়ার্টার বা সতর্কঘণ্টা বাজার আগেই এবং বাঙ্কার হিল থেকে আধডজন গুলি বের হওয়ার আগেই, প্রথম কামিকাজে তার ৫৫০ পাউন্ডের বোমাটি জাহাজের ওপর ফেলে দেয় এবং জ্বলন্ত গ্যাসোলিনের ফোয়ারা ছিটিয়ে দিয়ে সোজা ওই ৩৪টি অপেক্ষারত বিমানের ওপর আছড়ে পড়ে।<br>আগুনের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করার সুযোগ পাওয়ার আগেই, মেঘের আড়াল থেকে আরেকটি কামিকাজে গোঁ গোঁ গম্ভীর শব্দে জাহাজের প্রাণঘাতী বিমান-বিধ্বংসী কামানের গোলা উপেক্ষা করে সোজা আছড়ে পড়ে।<br>কয়েক মিনিট পর তৃতীয় একটি জাপানি আত্মঘাতী বিমান কাজ শেষ করতে নিচে নেমে আসে। চারপাশের আগুন আর ধোঁয়া উপেক্ষা করে বাঙ্কার হিলের কামানের গ্যালারিতে থাকা সেনারা তাঁদের পোস্টে অটল ছিলেন। অবশেষে পাশের একটি ডেস্ট্রয়ার সেই জাপানি বিমানটিকে সরাসরি আঘাত করে সমুদ্রে ফেলে দেয়।<br>এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আগুনের তীব্রতার কোনো কমতি দেখা যায়নি...। মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও জাহাজটি সর্বোচ্চ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল, আর সেই বাতাসের তোড়ে ডেক থেকে আগুন আর ধোঁয়া জাহাজের পেছনের দিকে সরে যাচ্ছিল, যা ফ্লাইট ডেককে আগুনের হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করেছে। জাহাজের একদম শেষ প্রান্তে (ফ্যানটেইল) আটকে পড়া সৈনিকেরা আগুনের দেয়ালের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন; অথচ তাঁরা জানতেনও না যে ওই আগুনের দেয়ালের অন্য পাশে জাহাজের কতোটুকু আর অবশিষ্ট আছে...।<br>প্রায় তিন ঘণ্টার এক প্রায়-অসম্ভব লড়াইয়ের পর তাঁরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। যদিও পুরোপুরি নেভাতে আরও অনেক সময় লেগেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে তাঁরাই জিতেছিলেন এবং জাহাজটি রক্ষা পেয়েছিল।<br>সেই অকুতোভয় জাহাজে আজ যে বীরত্বপূর্ণ কাজগুলো সংঘটিত হয়েছে, তা লিখে শেষ করার জন্য একটি মোটা বইও যথেষ্ট হবে না।<br>আজ মাত্র তিনটি পাইলট এবং তিনটি বিমানের বিনিময়ে শত্রু আমাদের ৩৯২ জন মানুষকে হত্যা করেছে, আহত করেছে আরও ২৬৪ জনকে, প্রায় ৭০টি বিমান ধ্বংস করেছে এবং একটি চমৎকার ও বিখ্যাত জাহাজকে দুমড়েমুচড়ে দিয়েছে। আজ রাতে সেই জাহাজের ফ্লাইট ডেকটিকে আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের মতো মনে হচ্ছে। কিন্তু জাহাজটি ডুবে যায়নি...। এটি নিজ শক্তিতেই ব্রেমারটন নেভি ইয়ার্ডে ফিরে যাবে এবং সেখানে মেরামত করা হবে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এটি আবারও ফিরে আসবে শত্রু জাহাজ ডুবাতে, বিমান ভূপাতিত করতে এবং জাপানি বিমানঘাঁটিগুলোতে বোমা হামলা চালাতে।<br>হয়তো তার পরবর্তী কাজ হবে খোদ টোকিও দখলের অভিযানে সহায়তা করা! ** ফেল্পস অ্যাডামস, "কামিকাজে: এন আই উইটনেস অ্যাকাউন্ট" (একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ); লুইস স্নাইডার সম্পাদিত 'মাস্টারপিসেস অফ ওয়ার রিপোর্টিং: গ্রেট মোমেন্টস অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার ২' (১৯৬২), পৃষ্ঠা ৪৮৭-৪৯৪। জাপানি ভাষায় "কামিকাজে" বা "দিব্য বায়ু" বলতে সেই সব আত্মঘাতী পাইলটদের বোঝানো হতো যারা তাদের বোমা ভর্তি বিমানগুলো আমেরিকান নৌ-জাহাজে আছড়ে ফেলতেন। ইউএসএস বাঙ্কার হিল ব্রেমারটনে মেরামত করা হয়েছিল এবং সেপ্টেম্বর মাসে পুনরায় প্যাসিফিক ফ্লিটে যোগ দিয়েছিল। ১৯৭৩ সালে স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি হওয়ার আগ পর্যন্ত এটি নৌবাহিনীতে যুক্ত ছিল। == [[w:হিরোশিমা_ও_নাগাসাকিতে_পারমাণবিক_বোমাবর্ষণ|হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা (৬/৯ আগস্ট, ১৯৪৫)]] == '''১৯৪৫''' * দোহাই লাগে, আমাদের দেশের সেরা যুবকদের ইও জিমার মতো জায়গায় এভাবে মরতে পাঠাবেন না। কেন অন্য কোনো উপায়ে আমাদের লক্ষ্যগুলো অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে না? ** মার্কিন নৌ-সচিবের কাছে লেখা একটি চিঠি। (যেখানে ইও জিমার যুদ্ধে ব্যাপক প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে এই করুণ আকুতি জানানো হয়েছিল) * জাতীয় প্রতিরোধ কর্মসূচি। ** জাপানের মূল ভূখণ্ডে মিত্রবাহিনীর সম্ভাব্য আক্রমণ (অপারেশন অলিম্পিক, যা ১ নভেম্বর ১৯৪৫ তারিখে শুরুর পরিকল্পনা ছিল) রুখে দেওয়ার একটি জাপানি পরিকল্পনা। এতে ১৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী সকল পুরুষ এবং ১৭ থেকে ৪০ বছর বয়সী সকল নারীকে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যুদ্ধপরবর্তী নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, এই পরিকল্পনায় প্রায় ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) জাপানি নাগরিকের জীবন বিসর্জন দেওয়ার প্রস্তুতি রাখা হয়েছিল। * জাপানিদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যেখানে আমাদের ও তাদের সৈন্য সংখ্যার অনুপাত ১:১ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। যা কোনোভাবেই যুদ্ধের বিজয়ের মন্ত্র হতে পারে না। ** মেজর জেনারেল চার্লস উইলোবির পর্যবেক্ষণ; তিনি জেনারেল [[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]] স্টাফের ইন্টেলিজেন্স প্রধান বা G-2 ছিলেন। অপারেশন অলিম্পিকের আক্রমণ জোনে জাপানিদের ক্রমাগত শক্তি বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে তিনি এই সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। * যখন আমি একটি অত্যন্ত তীব্র আলো বা ঝলক দেখতে পেলাম, আমি অবচেতনভাবেই আমার দুই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে ফেললাম... চোখের পলকে পুরো শহরটি ধ্বংস হয়ে গেল এবং দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করল। তখন কোথাও যাওয়ার মতো কোনো জায়গা আর অবশিষ্ট ছিল না। ** মিচিকো ইয়ামাওকা, ৬ আগস্ট ১৯৪৫ সালে হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা হামলার একজন উত্তরজীবীর বর্ণনা। [[File:Atomic bombing of Japan.jpg|thumb|right|সূর্য যে শক্তি থেকে তার তেজ সংগ্রহ করে, সেই একই শক্তি আজ তাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে যারা দূরপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে এসেছিল!]] * ঠিক ষোলো ঘণ্টা আগে একটি আমেরিকান বিমান জাপানি সেনাবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিরোশিমার ওপর একটি বোমা নিক্ষেপ করেছে। সেই একটি বোমার ক্ষমতা ২০,০০০ টন টিএনটির চেয়েও বেশি ছিল। এই বোমার মাধ্যমে আমরা এখন আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর ক্রমবর্ধমান শক্তির পাশাপাশি ধ্বংসযজ্ঞের এক নতুন এবং বৈপ্লবিক মাত্রা যুক্ত করেছি...। এটি একটি পারমাণবিক বোমা। এটি মহাবিশ্বের মৌলিক শক্তিকে বশীভূত করার এক বৈজ্ঞানিক সাফল্য। সূর্য যে শক্তি থেকে তার তেজ সংগ্রহ করে, সেই একই মহাশক্তি আজ তাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে যারা দূরপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে এসেছিল। আমরা এই বোমাটি উদ্ভাবন করেছি এবং এটি ব্যবহারও করেছি। আমরা এটি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছি যারা পার্ল হারবারে কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই আমাদের আক্রমণ করেছিল; তাদের বিরুদ্ধে যারা আমেরিকান যুদ্ধবন্দীদের অনাহারে রেখেছে, পিটিয়েছে এবং হত্যা করেছে; এবং তাদের বিরুদ্ধে যারা যুদ্ধের আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার সামান্যতম অভিনয়টুকুও বর্জন করেছে। আমরা এই বোমাটি ব্যবহার করেছি যুদ্ধের এই দীর্ঘ যন্ত্রণা কমিয়ে আনার জন্য এবং হাজার হাজার তরুণ আমেরিকানের জীবন বাঁচানোর জন্য। আমরা এটি ব্যবহার করা অব্যাহত রাখব যতক্ষণ না আমরা জাপানের যুদ্ধ করার ক্ষমতাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিই। কেবল জাপানিদের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণই আমাদের থামাতে পারবে। ** হিরোশিমায় বোমা হামলার পর আমেরিকান জনগণের উদ্দেশ্যে দেওয়া প্রেসিডেন্ট '''''[[:w:হ্যারি এস. ট্রুম্যানের|হ্যারি এস. ট্রুম্যানের]]''''' বেতার ভাষণ (৬ আগস্ট, ১৯৪৫)। * আপনি একবার সেই সব মানুষের জীবনের কথা ভাবুন যারা জাপানের মূল ভূখণ্ডে আক্রমণ করতে গেলে প্রাণ হারাত। আমেরিকানদের সেই সংখ্যাটা ছিল আকাশচুম্বী, কিন্তু জাপানিদের ক্ষেত্রে সেই প্রাণহানি হতো কয়েক মিলিয়ন বা কোটির ঘরে! তাই এই পারমাণবিক বোমার অস্তিত্বের জন্য আপনি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দেবেন। ** প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কর্মরত একজন আমেরিকান মেরিন সেনার মন্তব্য। * এই পুরো জাতি যদি একটি সুন্দর ফুলের মতো ধ্বংস হয়ে যায়, তবে সেটি কি এক বিস্ময়কর ব্যাপার হবে না? ** জাপানি যুদ্ধমন্ত্রী জেনারেল আনামির মন্তব্য; ৯ আগস্ট ১৯৪৫ জাপানের 'সুপ্রিম কাউন্সিল ফর দ্য ডিরেকশন অফ দ্য ওয়ারের' একটি বৈঠকে তিনি এই চরমপন্থী দর্শনের কথা বলেছিলেন। * যুদ্ধ শেষ করার প্রচেষ্টায় আমাদের 'শান্তি কামী দল'-কে এই পারমাণবিক বোমাটি পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছে। ** কোইচি কিদো, সম্রাট হিরোহিতোর একজন ঘনিষ্ঠ সহায়কের মন্তব্য; পারমাণবিক বোমার ধ্বংসলীলা কীভাবে কট্টরপন্থীদের দমাতে সাহায্য করেছিল তা তিনি এভাবেই ব্যক্ত করেছেন। * পারমাণবিক বোমা হামলা ছিল স্বর্গ থেকে আসা এক আশীর্বাদ বা উপহার। ** জাপানি নৌ-মন্ত্রী মিতসুমাসা ইয়োনাইয়ের উক্তি; তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে, এই বোমা হামলা সেই সব নেতাদের ক্ষমতার পতন ঘটিয়েছিল যারা যেকোনো মূল্যে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন। * পারমাণবিক বোমাটি ছিল জাপানের জন্য যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে স্বর্গ থেকে দেওয়া একটি সুবর্ণ সুযোগ। ** হিসাতসুনে সাকোমিজু; ১৯৪৫ সালে জাপানের চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি হিসেবে এই মন্তব্য করেছিলেন। * আমরা আমেরিকা ও ব্রিটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলাম আমাদের আত্মরক্ষা নিশ্চিত করার এবং পূর্ব এশিয়ায় স্থিতিশীলতা আনার আন্তরিক আকাঙ্ক্ষা থেকে। অন্য কোনো জাতির সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করা বা আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার করার কোনো চিন্তা আমাদের ছিল না। কিন্তু এখন এই যুদ্ধ প্রায় চার বছর ধরে চলছে। আমাদের সামরিক ও নৌবাহিনীর বীরত্বপূর্ণ লড়াই, রাষ্ট্রের সেবকদের নিরলস পরিশ্রম এবং আমাদের দশ কোটি মানুষের একনিষ্ঠ সেবা সত্ত্বেও, যুদ্ধের পরিস্থিতি জাপানের অনুকূলে গড়ে ওঠেনি। বরং বিশ্বের সাধারণ প্রবণতাগুলো এখন জাপানের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে গেছে। তদুপরি, শত্রু এখন এক নতুন এবং অত্যন্ত নৃশংস বোমা ব্যবহার করতে শুরু করেছে, যার ধ্বংস করার ক্ষমতা সত্যিই অভাবনীয় এবং যা বহু নিরপরাধ মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে। যদি আমরা লড়াই চালিয়ে যাই, তবে এটি কেবল জাপানি জাতির চূড়ান্ত পতন এবং বিলুপ্তিই ঘটাবে না, বরং তা মানব সভ্যতার সম্পূর্ণ বিনাশের দিকে নিয়ে যাবে। ** সম্রাট '''''[[w:হিরোহিতো|হিরোহিতোর]]''''' আত্মসমর্পণের ভাষণ (১৫ আগস্ট, ১৯৪৫)। এটিই ছিল প্রথমবার যখন সাধারণ জাপানিরা তাদের সম্রাটের কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়েছিল। * আজ বন্দুকগুলো নিস্তব্ধ। এক বিশাল ট্র্যাজেডির অবসান হয়েছে। এক মহান বিজয় অর্জিত হয়েছে। আকাশ থেকে আর মৃত্যুর বৃষ্টি ঝরছে না। আজ সর্বত্র মানুষ সূর্যের আলোতে মাথা উঁচু করে হাঁটে। সমগ্র বিশ্ব আজ শান্তিতে বিরাজ করছে। পবিত্র মিশন সম্পন্ন হয়েছে। আর আপনাদের কাছে এটি রিপোর্ট করার সময় আমি সেই হাজার হাজার নীরব ও নিশ্চল হয়ে যাওয়া ঠোঁটের হয়ে কথা বলছি, যারা প্রশান্ত মহাসাগরের জঙ্গল, সৈকত এবং গভীর জলে চিরকালের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেছে এবং আমাদের বিজয়ের পথ দেখিয়ে গেছে।<br>বাতাআন এবং কোরিজিডোরের সেই অন্ধকার দিনগুলো থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ ও কণ্টকাকীর্ণ পথের দিকে যখন আমি ফিরে তাকাই, যখন সমগ্র বিশ্ব ভয়ে কাঁপছিল, যখন গণতন্ত্র সর্বত্র কোণঠাসা ছিল, যখন আধুনিক সভ্যতা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দুলছিল। তখন আমি পরম দয়ালু ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই যে তিনি আমাদের সেই বিশ্বাস, সাহস এবং শক্তি দিয়েছেন যার মাধ্যমে আমরা বিজয় ছিনিয়ে আনতে পেরেছি। আমরা পরাজয়ের তিক্ততা এবং বিজয়ের আনন্দ উভয়ই দেখেছি, এবং উভয় থেকেই আমরা শিখেছি যে এখান থেকে আর পেছনে ফেরার পথ নেই। যুদ্ধে আমরা যা জিতেছি, শান্তিতে তা রক্ষা করার জন্য আমাদের অবশ্যই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ** জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' রেডিও ভাষণ; ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ তারিখে 'ভি-জে ডে' (জাপানের ওপর বিজয় দিবস) উপলক্ষে। টোকিও বেতে ইউএসএস মিসৌরি যুদ্ধজাহাজের ডেকে জাপানি প্রতিনিধিরা আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষরের সময় তিনি এই ভাষণ দেন। == যুদ্ধের পরবর্তী অবস্থা (আফটারম্যাথ) == [[File:Eternal flame ceremony 23 February 2010 07.jpg|thumb|তোমার নাম অজানা। তবে তোমার কীর্তি চির অমর। ~ অজানা সৈনিকের সমাধি (মস্কো)]] [[File:World War II Memorial Pacific-Bas Reliefs Navy In Action.jpg|thumb|right|এই যুদ্ধে প্রকৃত বীর হিসেবে কাকে বেছে নেওয়া হবে, সে ব্যাপারে আমরা সবাই একমত। তিনি হলেন সেই সাধারণ সৈনিক 'জি.আই. জো', এবং প্রতিটি মিত্র জাতির বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও মার্চেন্ট মেরিনে থাকা তাঁর সমকক্ষ সহযোদ্ধারা। ~ ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]] * '''তোমার নাম অজানা। তবে তোমার কীর্তি চির অমর।''' (রাশিয়ান: "Имя твоё неизвестно, подвиг твой бессмертен"/Imya tvoyo neizvestno, podvig tvoy bessmerten) ** মস্কোর অজানা সৈনিকের সমাধিতে খোদাই করা এক চিরকালীন শোকগাথা। * কানাডিয়ান, ফরাসি, আমেরিকান এবং ব্রিটিশ বাহিনীর আমার প্রধান সমর্থকদের নাম উল্লেখ করা মানেই দক্ষতা, কৌশল, আনুগত্য এবং কর্তব্যের প্রতি পরম একনিষ্ঠতার এক অনন্য আলেখ্য তুলে ধরা। জাতিসংঘ আজীবন কৃতজ্ঞতার সাথে টেথার, মন্টগোমারি, স্পটস, ব্র্যাডলি, বিলেট, ক্রেরে এবং আরও অনেকের নাম স্মরণ রাখবে।<br>'''কিন্তু এই যুদ্ধের প্রকৃত বীর কে—তা বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে আমার এই সকল সহযোদ্ধারা আমার সাথে সম্পূর্ণ একমত হবেন। তিনি হলেন আমাদের সেই অকুতোভয় সাধারণ সৈনিক 'জি.আই. জো', এবং প্রতিটি মিত্র জাতির বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও মার্চেন্ট মেরিনে থাকা তাঁর সমকক্ষ সহযোদ্ধারা।''' তিনি সেই ভয়ঙ্কর সমুদ্রের বিপদ মোকাবিলা করেছেন যা ইউ-বোটের উপদ্রবে ছিল তটস্থ। তিনি অসীম সাহসিকতায় সেই সব সৈকতে আক্রমণ শাণিত করেছেন যেখানে শত্রুরা অত্যন্ত মরিয়া হয়ে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলেছিল। তিনি কেল্লাবন্দি দুর্ভেদ্য এলাকাগুলোর মধ্য দিয়ে অত্যন্ত ধৈর্য ও তিতিক্ষার সাথে লড়াই করে তাঁর ত্যাগের পথটি প্রশস্ত করেছেন। তিনি হাড়কাঁপানো শীত, ক্ষুধা আর দুঃসহ ক্লান্তি হাসিমুখে সহ্য করেছেন। প্রতিটি পদক্ষেপে মৃত্যু তাঁর পিছু নিলেও বিপদকেই তিনি নিত্যসঙ্গী করেছেন। তিনি এবং তাঁর প্লাটুন কমান্ডাররা আমাদের সামনে আনুগত্য, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং অদম্য সাহসের এমন এক প্রদীপ্ত উদাহরণ স্থাপন করেছেন। যা আমাদের হৃদয়ে ততদিন প্রজ্জ্বলিত থাকবে যতদিন আমরা মানুষের এই মহৎ গুণাবলিকে শ্রদ্ধা জানাব। ** ১৯৪৫ সালের ভি-ই ডে উপলক্ষে দেওয়া জেনারেল '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' ভাষণ। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না কিংবা এটি নির্দিষ্ট কোনো রাষ্ট্রনায়কের ভুলের কারণে শুরু হয়েছিল—এমনটা ভাবা হবে চরম ভ্রান্তি; যদিও সেখানে বেশ কিছু বড় ভুল অবশ্যই সংঘটিত হয়েছিল। '''প্রকৃতপক্ষে, এই যুদ্ধ ছিল বর্তমান যুগের একচেটিয়া পুঁজিবাদের ভিত্তিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তিগুলোর বিকাশের এক অনিবার্য এবং অবধারিত পরিণতি।''' [[:w:মার্ক্সবাদ|মার্কসবাদীরা]] বারংবার একটি সত্য উচ্চারণ করেছেন যে, বিশ্ব অর্থনীতির পুঁজিবাদী ব্যবস্থাটি তার গর্ভেই সাধারণ সংকট এবং সামরিক সংঘাতের বীজ বহন করে। সেই নিরিখে বলা যায়, বর্তমান সময়ে বিশ্ব পুঁজিবাদের বিকাশ সরলরেখায় বা সমানভাবে ঘটে না। বরং এটি প্রতিটি গভীর সংকট এবং বিপর্যয়কর মহাযুদ্ধের ঘূর্ণাবর্তের মধ্য দিয়ে সামনে অগ্রসর হয়। মূল সত্যটি হলো, পুঁজিবাদী দেশগুলোর অসম বিকাশ সময়ের সাথে সাথে পুঁজিবাদী বিশ্বব্যবস্থার অভ্যন্তরীণ ভারসাম্যকে নিদারুণভাবে বিঘ্নিত করে। এর ফলে পুঁজিবাদের যে অংশটি নিজেদের কাঁচামাল এবং বাজারের দিক থেকে কম সুরক্ষিত বলে অনুধাবন করে, তারা সাধারণত সেই পরিস্থিতির মোড় ঘটাতে এবং সশস্ত্র শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থে 'প্রভাব বলয়' নতুন করে বন্টন করার চেষ্টায় মেতে ওঠে। এর ফলেই পুঁজিবাদী বিশ্ব দুটি পরস্পরবিরোধী শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং তাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয়। '''হয়তো এমন বিপর্যয়কর যুদ্ধগুলো এড়ানো সম্ভব হতো যদি দেশগুলোর অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে কাঁচামাল এবং বাজারগুলো শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে পুনর্বন্টন করা যেত। কিন্তু বর্তমান পুঁজিবাদী বিশ্ব অর্থনীতির বিকাশের প্রেক্ষাপটে তা একেবারেই অসম্ভব।''' ** — ১৯৪৬ সালে সোভিয়েত নেতা '''''জোসেফ স্ট্যালিনের''''' সেই ঐতিহাসিক নির্বাচনী ভাষণ। * '''দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মানুষের সাথে মানুষের প্রতিটি আত্মিক বন্ধন ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল'''। হিটলারের দোর্দণ্ড প্রতাপের অধীনে জার্মানরা এমন সব নৃশংস অপরাধ করেছিল—যার ব্যপ্তি এবং পৈশাচিকতা মানব ইতিহাসের প্রতিটি কৃষ্ণতম অধ্যায়কে ম্লান করে দেয়। জার্মানির কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ষাট থেকে সত্তর লক্ষ নারী, পুরুষ এবং শিশুকে যে পাইকারি হারে গণহত্যা করা হয়েছিল—তা ভয়াবহতায় চেঙ্গিস খানের নিষ্ঠুরতাকেও বহুগুণ ছাড়িয়ে যায়। '''পূর্বাঞ্চলীয় রণাঙ্গনে জার্মানি এবং রাশিয়া উভয় দেশই পুরো জনসংখ্যাকে পরিকল্পিতভাবে নির্মূল করার এক ঘৃণ্য লক্ষ্য তাড়া করেছিল এবং তা বাস্তবায়নও করেছিল।''' আকাশ থেকে খোলামেলা জনবহুল শহরগুলোতে নির্বিচারে বোমা বর্ষণের যে কুৎসিত সংস্কৃতি জার্মানরা শুরু করেছিল, মিত্রশক্তি তাদের ক্রমবর্ধমান বিধ্বংসী ক্ষমতা দিয়ে তার বিশগুণ বেশি প্রতিশোধ গ্রহণ করেছিল। যার চূড়ান্ত পরিণতি আমরা দেখেছি হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমার ভয়াবহ প্রয়োগের মধ্য দিয়ে। আমরা এক দীর্ঘ ও রক্তপিচ্ছিল সংগ্রাম শেষে এমন এক বস্তুগত ধ্বংসযজ্ঞ এবং নৈতিক বিপর্যয়ের ভগ্নস্তূপ থেকে বেরিয়ে এসেছি, যা পূর্ববর্তী শতকের মানুষের কল্পনাকেও কোনোদিন স্পর্শ করতে পারেনি। '''আমরা যা কিছু সহ্য করেছি এবং যা কিছু অর্জন করেছি—অবশেষে আজ আমরা নিজেদের এমন সব জটিল সমস্যার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখছি, যা আমাদের ফেলে আসা সংকটের চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়, বরং অনেক বেশি দুস্তর।''' ** উইনস্টন চার্চিল, ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার: ভলিউম ১: দ্য গ্যাদারিং স্টর্ম'' (১৯৪৮), পৃষ্ঠা ১৪। * '''যাইহোক, সবই তো শেষ হলো। ভাবছি কাল আমি কী করতে যাচ্ছি।''' ** ফ্লিট অ্যাডমিরাল '''''আর্নেস্ট কিঙের''''', ৯ম চিফ অফ নেভাল অপারেশনস; ১৪ আগস্ট ১৯৪৫ তারিখে নীল কে. ডায়েটরিচের কাছে করা একটি মন্তব্য। কিং এইমাত্র জানতে পেরেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান মিত্রবাহিনীর কাছে জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে যাচ্ছেন। থমাস বি. বুয়েল রচিত 'মাস্টার অফ সি পাওয়ার: এ বায়োগ্রাফি অফ ফ্লিট অ্যাডমিরাল আর্নেস্ট জে. কিং' (১৯৮০), ৪৯৮ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রতি বর্তমানের যে প্রবল আকর্ষণ, তার পেছনে। বিশেষ করে মিত্রশক্তির পক্ষ থেকে একটি সুপ্ত অনুভূতি কাজ করে যে, এটিই ছিল ইতিহাসের সর্বশেষ নৈতিকভাবে দ্ব্যর্থহীন ও ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ। জার্মান নাৎসি, ইতালীয় ফ্যাসিস্ট এবং জাপানি সামরিক শাসকরা এতটাই স্পষ্টভাবে মন্দ লোক ছিলেন যে তাঁদের পরাজিত করাটা ছিল অনিবার্য। (তবে আমরা যে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক স্বৈরশাসক জোসেফ স্ট্যালিনের সাথে জোট বেঁধেছিলাম, সেই চরম সত্যটি এখানে সবসময়ই এড়িয়ে যাওয়া হয়।) এরপর থেকে সংঘটিত যুদ্ধগুলো আর আগের মতো অতটা স্বচ্ছ বা পরিষ্কার ছিল না। সত্য যে, সোভিয়েত সম্প্রসারণবাদ রুখতে [[:w:কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধ]] ছিল প্রয়োজনীয়; কিন্তু জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' সেই লড়াইকে চীনা কমিউনিজমের বিরুদ্ধে একটি ধর্মযুদ্ধে রূপান্তরের প্রচেষ্টা আমেরিকানদের নিজেদের মধ্যে এবং তাদের মিত্রদের সাথে এক গভীর বিভেদ তৈরি করে দিয়েছিল। [[:w:ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধ]] ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক চরম বিপর্যয়, আর এখন [[:w:ইরাক যুদ্ধ|ইরাক দখলও]] অনেকটা সেরকম আরেকটি বিপর্যয়ের মতোই মনে হচ্ছে। ** '''''মার্গারেট ম্যাকমিলান''''', 'দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি' (২০০৮)। == যুদ্ধের লক্ষ্য এবং যুদ্ধের কূটনীতি == === ১৯৪৫ === * যুদ্ধের পর আমেরিকাকে তিনটি পথের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতেই হবেঃ প্রথমত, সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদ, যার অনিবার্য পরিণাম হলো শেষ পর্যন্ত আমাদের নিজেদের স্বাধীনতা হারানো।<br>দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদ, যার অর্থ হলো অন্য কোনো জাতির স্বাধীনতাকে বিসর্জন দেওয়া; অথবা তৃতীয়ত, এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলা যেখানে প্রতিটি জাতি এবং প্রতিটি বর্ণের মানুষের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত থাকবে। আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে, আমেরিকান জনগণের এক বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ এই শেষ পথটিই বেছে নেবে। এই পছন্দকে কার্যকর করতে হলে আমাদের কেবল যুদ্ধেই জিতলে চলবে না, আমাদের শান্তিকেও জয় করতে হবে এবং সেই জয়ের সূচনা আমাদের এখনই করতে হবে।<br>এই শান্তি জয়ের জন্য আমার কাছে তিনটি বিষয় অত্যন্ত প্রয়োজনীয় মনে হয়—প্রথমত, আমাদের এখন থেকেই বিশ্বব্যাপী শান্তির একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা করতে হবে।<br>দ্বিতীয়ত, বিশ্বে প্রকৃত শান্তি বজায় রাখার জন্য প্রতিটি জাতি ও প্রতিটি মানুষকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন হতে হবে। এবং তৃতীয়ত, বিশ্বে সেই স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা ও তা রক্ষা করার জন্য আমেরিকাকে একটি সক্রিয় ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।<br>আমাদের নেতাদের দেওয়া আটলান্টিক চার্টারের মতো নিছক ঘোষণা দিয়ে এটি সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এর প্রকৃত সাফল্য মূলত নির্ভর করে বিশ্বের সাধারণ মানুষের স্বীকৃতির ওপর। ... ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের দ্বারা এই 'চারটি স্বাধীনতা' অর্জন করা সম্ভব হবে না। এগুলো কেবল তখনই বাস্তবে ধরা দেবে যখন বিশ্বের সাধারণ মানুষ এগুলোকে নিজেদের প্রচেষ্টায় বাস্তবে রূপদান করবে। ** '''''ওয়েন্ডেল উইলি''''', ১৯৪০ সালের রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী; তাঁর 'ওয়ান ওয়ার্ল্ড' (১৯৪৩) গ্রন্থের ১৪ অধ্যায়ে। * এই বছর শেষ হওয়ার আগেই বিশ্ববাসীর কাছে কথার চেয়ে কাজের মাধ্যমে এটি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে যে, কাসাব্লাঙ্কা কনফারেন্স প্রচুর গুরুত্বপূর্ণ খবর তৈরি করেছে। আর সেই খবরগুলো জার্মান, ইতালীয় এবং জাপানিদের জন্য হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। ...<br>আসন্ন এবং অনিবার্য বিপর্যয় এড়ানোর নেশায়, অক্ষশক্তির প্রোপাগান্ডাকারীরা জাতিসংঘকে বিভক্ত করার জন্য তাদের সেই পুরনো সব নোংরা কৌশল অবলম্বন করছে। তারা এই ধারণা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে যে আমরা যদি এই যুদ্ধে জয়ী হই, তবে রাশিয়া, ইংল্যান্ড, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি শুরু করবে।<br>তাদের করা অপরাধের চরম পরিণাম থেকে বাঁচার এই আতঙ্কিত প্রচেষ্টার জবাবে আমরা বলি, জাতিসংঘের সকলেই একবাক্যে ঘোষণা করে। অক্ষশক্তির কোনো সরকার বা কোনো গোষ্ঠীর সাথে আমাদের আলোচনার একমাত্র শর্ত হলো কাসাব্লাঙ্কায় ঘোষিত সেই চূড়ান্ত নীতি: 'নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ'। আমাদের এই আপসহীন নীতির অর্থ অক্ষশক্তির দেশগুলোর সাধারণ মানুষের কোনো ক্ষতি করা নয়। তবে এর অর্থ হলো তাদের সেই পৈশাচিক ও বর্বর নেতাদের ওপর পূর্ণ শাস্তি এবং প্রতিশোধ নিশ্চিত করা। ** প্রেসিডেন্ট '''''রুজভেল্ট''''', প্রধানমন্ত্রী চার্চিলের সাথে কাসাব্লাঙ্কা কনফারেন্স থেকে ফেরার পর। হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে ওয়াশিংটন ডি.সি.-র হোটেল স্ট্যাটলার থেকে সম্প্রচারিত ভাষণ। ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩ তারিখে 'ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট বুলেটিন', খণ্ড ৮, সংখ্যা ১৯০ (১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩), ১৪৫–৪৬ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত। === ১৯৪৫ === * ইউরোপে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশগুলোর জাতীয় অর্থনৈতিক জীবনের পুনর্গঠন অবশ্যই এমন কিছু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্জন করতে হবে, যা মুক্ত হওয়া প্রতিটি দেশের মানুষকে নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদের শেষ চিহ্নটুকুও চিরতরে মুছে ফেলতে এবং তাদের নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সক্ষম করে তুলবে। ** ইয়াল্টা কনফারেন্সের ওপর স্টেট ডিপার্টমেন্টের একটি রিপোর্ট। যেখানে ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ রাশিয়ার একটি রিসোর্টে 'বিগ থ্রি' (তিন প্রধান নেতা) নাৎসি জার্মানিকে পরাজিত করার চূড়ান্ত পরিকল্পনা এবং ইউরোপের পুনর্গঠন শুরু করার বিষয়ে মিলিত হয়েছিলেন। উইলিয়াম অ্যাপলম্যান উইলিয়ামস (সম্পাদিত) 'দ্য শেপিং অফ আমেরিকান ডিপ্লোমাসি' (শিকাগো: র‍্যান্ড ম্যাকনালি অ্যান্ড কোং, ১৯৫৬), পৃষ্ঠা ৯৩০। == [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য]] সুরক্ষা == [[File:Ghent_altarpiece_at_Altaussee.jpg|thumb|তাঁরা মার্কিন সামরিক ইউনিটগুলোকে অনুসরণ করে মুক্ত হওয়া শহরগুলোতে প্রবেশ করতেন এবং সেখানে চুরি হওয়া শিল্পকর্মগুলোর লুকানো জায়গাগুলো খুঁজে বের করতেন। এরপর সেগুলো ভবিষ্যতে প্রত্যাবাসন বা স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করতেন এবং সুরক্ষিত স্থানে জমা রাখতেন। এছাড়াও, 'মনুমেন্টস মেন' বা এই বিশেষ রক্ষক দলের কাছে পশ্চিমা শিল্প বিশেষজ্ঞদের তৈরি করা অমূল্য সম্পদের তালিকা থাকত। যদি তালিকায় থাকা কোনো [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] বা স্মৃতিস্তম্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হতো, তবে তাঁরা সেই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব রাখতেন, মেরামত কাজ তত্ত্বাবধান করতেন এবং সাংস্কৃতিক সম্পদের আরও ক্ষতি হওয়া রোধ করতেন। ~ গ্রেগরি জে. ফেরার]] [[File:Monuments_Men_Congressional_Gold_Medal_(reverse).jpg|thumb|ভাস্কর্য, [[:w:ঐতিহাসিক|ঐতিহাসিক]] [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শনগুলোর রক্ষক হিসেবে তাঁদের প্রাথমিক ভূমিকার কারণেই তাঁরা এই নাম অর্জন করেছিলেন। এটি ছিল এক বিশাল ও দুঃসাধ্য কাজ, যার আওতায় ইউরোপীয় মহাদেশের ৫,৬০,০০০ বর্গমাইল এলাকার মধ্যে তালিকাভুক্ত ৩,৪১৫টি স্মৃতিস্তম্ভ অন্তর্ভুক্ত ছিল। ~ গ্রেগরি জে. ফেরার]] * [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের]] নিদর্শনগুলোর সাথে সম্পর্কিত সূক্ষ্ম সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত [[:w:জ্ঞান|জ্ঞান]] সাধারণত [[:w:শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলো|শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলো]] থেকেই পাওয়া সম্ভব। সাংস্কৃতিক সম্পদ রক্ষার ক্ষেত্রে [[:w:পণ্ডিত|পণ্ডিত]], [[:w:অধ্যাপক|অধ্যাপক]] এবং [[:w:জাদুঘর|জাদুঘর]] বিশেষজ্ঞরা হলেন সম্মুখসারির অভিজ্ঞ ব্যক্তি যাদের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য। এই ব্যক্তিরা ঝুঁকির মুখে থাকা শিল্পকর্মগুলো শনাক্ত করতে পারেন এবং সেগুলো সংরক্ষণ ও যত্নের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা সম্পর্কে সম্যক অবগত থাকেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ কর্মজীবনে নিজেদের বিশেষ দক্ষতাকে শাণিত করেছেন এবং সামরিক পরিকল্পনাকারীদের জন্য তাঁরা অত্যন্ত মূল্যবান যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে গণ্য হন। এই নিবন্ধে শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে [[:w:কলেজ|কলেজ]] বা [[:w:বিশ্ববিদ্যালয়|বিশ্ববিদ্যালয়]], জাদুঘর, আর্ট গ্যালারি এবং অলাভজনক বিদ্বৎ সমাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।<br>দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] এবং [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সামরিক বাহিনী তাঁদের নিজস্ব শিল্প রক্ষা সংস্থাগুলো পরিচালনার জন্য উচ্চশিক্ষা সংশ্লিষ্ট এই সম্প্রদায় থেকেই ব্যক্তিদের নির্বাচন করেছিল। জার্মান এবং আমেরিকান উভয় বাহিনীর কমান্ডাররা সাংস্কৃতিক সম্পদের ওপর অগাধ জ্ঞানসম্পন্ন পেশাদারদের খুঁজতেন, যারা সেগুলো শনাক্তকরণ এবং পরিচালনার কৌশল জানতেন। সাংস্কৃতিক সুরক্ষার কঠোর চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম এমন যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মূল সামরিক কাঠামোর অধীনে পরিষেবার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে সংশ্লিষ্ট সামরিক বাহিনীতে অফিসারের পদমর্যাদাও দেওয়া হয়েছিল যাতে তাঁদের নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং সামরিক কর্মপদ্ধতিতে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা নীতির প্রভাব আরও শক্তিশালী হয়। ** গ্রেগরি জে. ফেরার, [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ৯। * [[:w:আমেরিকান|আমেরিকান]] শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় [[:w:ইউরোপে|ইউরোপে]] স্থলযুদ্ধে যোগ দেওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ সাংস্কৃতিক স্থানগুলো সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের সাথে বিস্তারিত পরামর্শ করেছিল। আর্কিওলজিক্যাল ইনস্টিটিউট অফ আমেরিকা, নিউ ইয়র্ক মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট, হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ফগ মিউজিয়াম অফ ফাইন আর্টস এবং ওয়াশিংটন ডি.সি.-র ন্যাশনাল গ্যালারি অফ আর্টের প্রতিনিধিরা ১৯৪২ সালের শরতে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের সাথে একটি সমন্বিত গ্রুপ হিসেবে বৈঠক করেন। এরপর ১৯৪৩ সালের জানুয়ারিতে আমেরিকান কাউন্সিল অফ লার্নড সোসাইটিজের একটি কমিটি এই বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করে। এই সচেতন পণ্ডিতরা ১৯৪৩ সালের জুলাই মাসে সিসিলিতে মার্কিন সৈন্যদের অবতরণ এবং ১৯৪৪ সালের জুনে নরমান্ডি আক্রমণের অনেক আগেই—যা ছিল ইউরোপীয় রণাঙ্গন অভিযানের অংশ। ফেডারেল সরকারের কাছে তাঁদের প্রস্তাবনা নিয়ে গিয়েছিলেন।<br>এই বিশেষজ্ঞরা অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে, হিটলারের ফোট্রেস ইউরোপ যখন মিত্রবাহিনী অনিবার্যভাবে আক্রমণ চালাবে, তখন দখলকৃত দেশগুলোতে থাকা শিল্পকর্ম এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্থানগুলো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। আমেরিকার প্রধান শিল্প [[:w:জাদুঘর|জাদুঘর]], গ্যালারি এবং বুদ্ধিজীবী সমাজগুলোর এই আন্তরিক প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তিনি জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের সাথে শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতার অনুমোদন দেন, যেখানে [[w:সেনাবাহিনী|সেনাবাহিনী]], [[w:নৌবাহিনী|নৌবাহিনী]] এবং আর্মি এয়ার কোরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা সামরিক বিষয়ে ফেডারেল বিভাগগুলোকে পরামর্শ দিতেন। এছাড়াও রুজভেল্ট ১৯৪২ সালের আগস্ট মাসে রবার্টস কমিশন (যার দাপ্তরিক নাম ছিল "আমেরিকান কমিশন ফর দ্য প্রটেকশন অ্যান্ড স্যালভেজ অফ আর্টিস্টিক অ্যান্ড হিস্টোরিক মনুমেন্টস ইন ওয়ার এরিয়াস") তৈরির অনুমতি প্রদান করেন। রুজভেল্টের এই রবার্টস কমিশন গঠনের অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতেই মার্কিন সামরিক বাহিনী তাঁদের নিজস্ব একটি সংগঠন তৈরি করে, যার নাম দেওয়া হয় মনুমেন্টস, ফাইন আর্টস অ্যান্ড আর্কাইভস সার্ভিস (MFA&A)। এই অভিভাবক সংস্থা থেকেই পরবর্তীতে বিশ্ববিখ্যাত মনুমেন্টস মেনদের উদ্ভব ঘটেছিল। ** গ্রেগরি জে. ফেরার, [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ১৯-২০। * মনুমেন্টস মেনদের ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের কমান্ডাধীন সুপ্রিম হেডকোয়ার্টার্স অ্যালাইড এক্সপেডিশনারি ফোর্সের বা SHAEF এর একটি বিভাগ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। আইজেনহাওয়ার উপলব্ধি করেছিলেন যে, মিত্রবাহিনীর অগ্রগতি সমগ্র মানবতার অভিন্ন [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের]] জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। [[:w:রোমের|রোমের]] দিকে অগ্রসরমান সৈন্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছিলেন, "আজ আমরা এমন একটি দেশে লড়াই করছি যা আমাদের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারে বিশাল অবদান রেখেছে; এই দেশ এমন সব স্মৃতিস্তম্ভে সমৃদ্ধ যা আমাদের সভ্যতার বিকাশকে ফুটিয়ে তোলে। যুদ্ধ যতটুকু সুযোগ দেয়, সেই সীমার মধ্যে থেকে ওই স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে শ্রদ্ধা জানাতে আমরা বাধ্য।" সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার হিসেবে [[:w:আইজেনহাওয়ার|আইজেনহাওয়ার]] ১৯৪৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে [[:w:ইতালীয়|ইতালীয়]] সাংস্কৃতিক স্থান মন্টে ক্যাসিনো ধ্বংস হওয়ার পর 'মনুমেন্টস মেন'দের অভিযানের প্রতি সমর্থন আরও বৃদ্ধি করেন এবং ইউরোপীয় পৈতৃক সম্পদ রক্ষাকে যুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করেন। ১৯৪৪ সালের ১৫ আগস্ট ফ্রান্সের দক্ষিণ উপকূলে মিত্রবাহিনীর অবতরণের পর মনুমেন্টস মেনরা [[:w:ইউরোপে|ইউরোপে]] পৌঁছান। তাঁরা ইউনাইটেড স্টেটস আর্মির ইউনিটগুলোকে অনুসরণ করে মুক্ত হওয়া শহরগুলোতে প্রবেশ করতেন এবং সেখানে চুরি হওয়া শিল্পকর্মগুলোর লুকানো জায়গাগুলো তন্নতন্ন করে খুঁজতেন; এরপর সেগুলো ভবিষ্যতে প্রত্যাবাসন বা স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করতেন এবং সুরক্ষিত স্থানে জমা রাখতেন। এছাড়াও, মনুমেন্টস মেনদের কাছে পশ্চিমা শিল্প বিশেষজ্ঞদের তৈরি করা অমূল্য [[:w:সম্পদের|সম্পদের]] তালিকা থাকত। যদি তালিকায় থাকা কোনো স্থাপত্য বা স্মৃতিস্তম্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হতো, তবে তাঁরা সেই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব রাখতেন, মেরামত কাজ তত্ত্বাবধান করতেন এবং সাংস্কৃতিক সম্পদের আরও ক্ষতি হওয়া রোধ করতেন। ১৯৪৬ সালের জুনে MFA&A বিলুপ্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত যুদ্ধ পরবর্তী ইউরোপেও মনুমেন্টস মেনরা তাঁদের কার্যক্রম চালিয়ে গিয়েছিলেন। ** [[w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]] উক্তি; যা গ্রেগরি জে. ফেরার রচিত [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (বসন্ত ৫-২০১৩), ২১-২২ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত ও বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। * মনুমেন্টস মেনদের লক্ষ্য ও সুদূরপ্রসারী উদ্দেশ্য অনেকটা [[:w:নাৎসি জার্মানির|নাৎসি জার্মানির]] সমকক্ষ সংস্থা 'কুন্সটশুৎসের' কর্মপদ্ধতির মতোই ছিল। তবে তাঁদের মহান দায়িত্বে একটি বিশেষ বৈপ্লবিক অধ্যায় যুক্ত হয়েছিল। আর তা হলো লুণ্ঠিত শিল্প ও অমূল্য সম্পদসমূহকে উদ্ধার করে পুনরায় প্রকৃত মালিকের কাছে স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়া বা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা। মনুমেন্টস মেনদের অপরিহার্য কর্তব্যের মধ্যে শিল্প সুরক্ষা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা আদায়ের মতো নীতিগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা অনেকটা কুন্সটশুৎসের আদলেই পরিচালিত হতো। তবে তাঁদের মূল তৎপরতা চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল:<br>(১) মিত্রশক্তির অধিকারে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত স্মৃতিস্তম্ভগুলো বৈজ্ঞানিক ও শৈল্পিক উপায়ে মেরামত করা,<br>(২) মিত্রবাহিনীর সৈন্যদের নিজেদের হাতে যেন কোনো ঐতিহাসিক স্থাপনার অবমাননা, ক্ষতি বা অপব্যবহার না হয় তা কঠোরভাবে নিশ্চিত করা,<br>(৩) শত্রু-অধিকৃত অঞ্চলগুলোতে যুদ্ধের চরম ডামাডোলের মাঝেও অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষয়ক্ষতি থেকে স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে রক্ষা করা এবং<br>(৪) শত্রুসেনাদের দ্বারা সংঘটিত প্রতিটি চুরির ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নথিবদ্ধ করা ও উদ্ধার প্রক্রিয়াকে বেগবান করতে সম্ভাব্য সকল তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা। ভাস্কর্য, [[:w:ঐতিহাসিক|ঐতিহাসিক]] [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শনগুলোর অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে তাঁদের এই অবিস্মরণীয় ভূমিকার কারণেই তাঁরা ইতিহাসে 'মনুমেন্টস মেন' নামে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। এটি ছিল এক অভাবনীয় ও দুঃসাধ্য মহাযজ্ঞ, যার আওতায় ইউরোপীয় [[:w:মহাদেশের|মহাদেশের]] প্রায় ৫,৬০,০০০ বর্গমাইল বিশাল ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে তালিকাভুক্ত ৩,৪১৫টি স্মৃতিস্তম্ভের সুরক্ষার গুরুভার তাঁদের ওপর ন্যস্ত ছিল।<br>এই বিশাল ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য মিত্রবাহিনীর চেইন অফ কমান্ডের প্রতিটি স্তরে যথাযথ তথ্য আদান-প্রদান ও সক্রিয় পেশাদার সহযোগিতার প্রয়োজন ছিল। মনুমেন্টস মেনরা বিভিন্ন প্রকাশনা ও নির্দেশিকা তৈরির মাধ্যমে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের এবং ইউনাইটেড স্টেটস আর্মির [[w:নেতৃত্ব|নেতৃত্বের]] মধ্যে এই শৈল্পিক সচেতনতা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তাঁরা আর্মি এয়ার কোর এবং পদাতিক গোলন্দাজ ইউনিটগুলোকে এমন সব শিল্প সম্পদের তালিকা সরবরাহ করতেন, যা প্রচণ্ড বোমা বর্ষণ বা গোলাগুলির সময় সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে এড়িয়ে চলা আবশ্যক ছিল। যাতে সর্বাত্মক আক্রমণের সময়ও ওই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর কোনো স্থায়ী ক্ষতি না হয়। প্রতিটি শিল্পকর্ম বা স্থাপনাকে তাদের প্রাচীনত্ব, সংরক্ষণের বর্তমান অবস্থা এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সেগুলোর গুরুত্ব অনুযায়ী একটি সহজবোধ্য তারকা (স্টার) পদ্ধতির মাধ্যমে রেটিং বা মানদণ্ড দেওয়া হতো। এই পদ্ধতিতে তিন তারকা (৩/৩) ছিল আভিজাত্য ও গুরুত্বের বিচারে সর্বোচ্চ মানের স্বীকৃতি। ** গ্রেগরি জে. ফেরার; [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (বসন্ত ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ২২-২৩। == অর্থনৈতিক প্রভাব == [[File:Seizure_of_the_Zaibatsu_families_assets.JPG|thumb|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান এবং জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের পর, জাপানি শক্তিশালী ব্যবসায়িক গোষ্ঠী 'জাইবাৎসু' গুলোকে সমূলে বিলুপ্ত করার এক চূড়ান্ত ও কঠোর প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট এবং [[w:হ্যারি_এস._ট্রুম্যান|হ্যারি এস ট্রুম্যানের]] তৎকালীন আমেরিকান অর্থনৈতিক উপদেষ্টারা এই একচেটিয়া আধিপত্য এবং ব্যবসায়িক একাধিপত্যের নীতির প্রতি অত্যন্ত সন্দিহান ছিলেন; তাঁরা মনে করতেন এই পদ্ধতিটি অর্থনৈতিকভাবে কেবল অদক্ষই নয়, বরং এটি কর্পোরেটবাদের একটি কদর্য রূপ। ~ জেনিফার বিমার]] * ১৯০০ শতকের শেষভাগ থেকে [[:w:জাপানের|জাপানের]] অর্থনৈতিক ও শিল্পোদ্যোগের প্রতিটি ক্ষেত্রে জাইবাৎসু গোষ্ঠীগুলো অত্যন্ত প্রভাবশালী ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে আসছিল। এই জাইবাৎসু গোষ্ঠীগুলো মূলত একটি কেন্দ্রীয় হোল্ডিং কোম্পানি নিয়ে গঠিত ছিল, যার মালিকানা থাকত একটি নিয়ন্ত্রণকারী পরিবারের হাতে এবং তারাই প্রধান সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার নিয়ন্ত্রণ করত। যদিও এই ধরণের পিরামিড সদৃশ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পশ্চিমা দেশগুলোতেও প্রচলিত ছিল, কিন্তু জাইবাৎসুদের অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিল এই যে, তারা সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেবল সংখ্যালঘু শেয়ার ধারণ করেও অন্যান্য কৌশলের মাধ্যমে সেগুলোকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখত। এই নিয়ন্ত্রণ কৌশলের অন্যতম হাতিয়ার ছিল সম্মিলিত ব্যাংকিং, জাহাজ চলাচল এবং বাণিজ্যিক সুবিধার ওপর নির্ভরশীলতা। তবে তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল গ্রুপের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি কর্মকর্তাদের অটল ব্যক্তিগত আনুগত্য। জাপানের চারটি বৃহত্তম জাইবাৎসু গোষ্ঠীর খনি, রাসায়নিক এবং ধাতু শিল্পের ৩০ শতাংশের বেশি অংশের ওপর সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছিল; যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের বাজারের ওপর ছিল প্রায় ৫০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ; বাণিজ্যিক স্টক এক্সচেঞ্জের ৬০ শতাংশ এবং রপ্তানি পণ্যবাহী জাহাজ বহরের এক বিশাল অংশ তারা নিয়ন্ত্রণ করত। ** জেনিফার বিমার; [https://scholarspace.manoa.hawaii.edu/bitstream/10125/32822/4/Beamer%20Zaibatsu.pdf “জাপানিজ জাইবাৎসু”], হাওয়াই.এডু, (২০১২), পৃষ্ঠা ৩০১। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান এবং জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের পর, জাইবাৎসুগুলোকে সমূলে বিলুপ্ত করার একটি জোরালো প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট এবং [[w:হ্যারি_এস._ট্রুম্যান|হ্যারি ট্রুম্যানের]] আমেরিকান অর্থনৈতিক উপদেষ্টারা এই একচেটিয়া আধিপত্য এবং বাধানিষেধমূলক ব্যবসায়িক পদ্ধতির প্রতি গভীর সন্দেহ পোষণ করতেন; তাঁদের মতে এই পদ্ধতিটি ছিল চরম অদক্ষ এবং কর্পোরেটবাদের একটি কদর্য রূপ। দখলদারিত্বের সময় কেবল ১৬টি জাইবাৎসুক সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং আরও ২৬টি গোষ্ঠীকে পুনর্গঠনের তালিকায় রাখা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে নিয়ন্ত্রণকারী জাইবাৎসু পরিবারগুলোর সকল সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়, হোল্ডিং কোম্পানিগুলো বিলুপ্ত করা হয় এবং পুরনো ব্যবস্থায় কোম্পানিগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের জন্য অপরিহার্য 'ইন্টারলকিং ডিরেক্টটরশিপ' বা আন্তঃকোম্পানি পরিচালক পদগুলোকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। তা সত্ত্বেও, জাইবাৎসুগুলোর সম্পূর্ণ বিলুপ্তি কোনোদিন অর্জিত হয়নি। কারণ এশিয়ার অন্যান্য প্রান্ত থেকে ধেয়ে আসা [[w:সাম্যবাদ|সাম্যবাদের]] বিরুদ্ধে জাপানে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা দেয়াল বা শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পুনরায় শিল্পায়নের লক্ষে মার্কিন সরকার তাদের পূর্বের অবস্থান পরিবর্তন করেছিল। এমতাবস্থায় জাইবাৎসুগুলোকে জাপানের [[:w:অর্থনীতি|অর্থনীতি]] এবং [[w:সরকার|সরকারের]] জন্য হিতকর বলে বিবেচনা করা হয়েছিল। তবে জাপানি সাধারণ জনগণের মতামত ছিল এর সম্পূর্ণ বিপরীত। তাঁদের মনোভাব ছিল চরম উদাসীনতা থেকে গভীর অসন্তোষের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ** জেনিফার বিমার; [https://scholarspace.manoa.hawaii.edu/bitstream/10125/32822/4/Beamer%20Zaibatsu.pdf “জাপানিজ জাইবাৎসু”], হাওয়াই.এডু, (২০১২), পৃষ্ঠা ৩০১। == নিজ দেশে যুদ্ধের আবহ == ; ১৯৪১ * পার্ল হারবারে সেই অতর্কিত আক্রমণ আমাদের সামনে ধেয়ে আসা চ্যালেঞ্জের ভয়াবহতাকে স্পষ্ট করে দিয়েছিল এবং আমাদের অন্তরাত্মা এক ন্যায়সঙ্গত ক্রোধে এমনভাবে প্রজ্জ্বলিত হয়েছিল ও দেশপ্রেমে এমনভাবে উদ্বেলিত হয়েছিল যে, আমাদের মধ্যকার সকল ভেদাভেদ, বিভাজন আর ঘৃণা এক অভূতপূর্ব ঐক্যে গলে মিশে গিয়েছিল। যা এই দেশে আগে কখনো প্রত্যক্ষ করা যায়নি। ** ভার্জিনিয়ার প্রতিনিধি '''''জন ডব্লিউ. ফ্ল্যানাগান জুনিয়রের''''' মন্তব্য; মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে (১৬ ডিসেম্বর ১৯৪১); 'কংগ্রেশনাল রেকর্ড', খণ্ড ৮৭, অংশ ১৪, পরিশিষ্ট (৯ অক্টোবর ১৯৪১ – ২ জানুয়ারি ১৯৪২), পৃষ্ঠা এ৫৬০৯। ; ১৯৪২ * অসংযত বাক্যই বিপদকে ডেকে আনে। ** যুদ্ধকালীন একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় স্লোগান যা সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলা থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত করত; কারণ শত্রুশৈন্য বা গুপ্তচররা সবসময় আড়ি পেতে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হতো। * এই চরম জাতীয় সংকটের সময়ে, যখন আমাদের অর্জিত সকল অতিরিক্ত আয় যুদ্ধ জয়ের কাজে ব্যয় হওয়া উচিত, তখন কর প্রদানের পর কোনো আমেরিকান নাগরিকের বার্ষিক নিট আয় ২৫,০০০ ডলারের বেশি হওয়া মোটেও উচিত নয়। ** প্রেসিডেন্ট '''''[[w:ফ্রাঙ্কলিন_ডি._রুজভেল্ট|ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের]]''''' কংগ্রেসে পাঠানো বার্তা (২৭ এপ্রিল ১৯৪২); 'দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪২' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ২২১। * এই প্রয়োজনটি অত্যন্ত জরুরি — প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধের ফলে দূরপ্রাচ্য থেকে আমাদের উদ্ভিজ্জ চর্বির সরবরাহ ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। তাই সেগুলোর বিকল্প খুঁজে বের করা এখন সময়ের দাবি। চর্বি থেকে গ্লিসারিন তৈরি হয়, আর সেই গ্লিসারিন আমাদের এবং আমাদের মিত্রদের জন্য বিস্ফোরক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। যা অক্ষশক্তির বিমান ভূপাতিত করতে, তাদের ট্যাঙ্ক থামাতে এবং তাদের জাহাজ ডুবিয়ে দিতে অপরিহার্য। আমাদের লক্ষ লক্ষ পাউন্ড গ্লিসারিন প্রয়োজন এবং আপনারা গৃহিণীরাই তা সরবরাহ করতে পারেন।<br>রান্নার কাজে ব্যবহৃত চর্বি, মাংসের চর্বি বা ভাজাভুজির তেলের একটি ফোঁটাও দয়া করে ফেলে দেবেন না। আপনারা যা কিছুই ব্যবহার করেন না কেন। রান্নায় সেগুলোর ব্যবহার শেষ হয়ে গেলে একটি ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে পরিষ্কার ও চওড়া মুখের একটি কৌটায় ঢেলে রাখুন। কৌটাটি ঠান্ডা ও অন্ধকার জায়গায় সংরক্ষণ করুন<br>যখন এক পাউন্ড বা তার বেশি চর্বি জমে যাবে, তখন তা নিকটস্থ মাংস বিক্রেতার কাছে নিয়ে যান। তিনি অত্যন্ত দেশপ্রেমের সাথে এই কাজে সহযোগিতা করছেন। তিনি আপনার সেই ব্যবহৃত চর্বির ন্যায্য মূল্য পরিশোধ করবেন এবং সেগুলোকে যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট শিল্পকারখানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন। ** সাধারণ নাগরিকদের যুদ্ধ প্রচেষ্টায় সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে ফেডারেল সরকারের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি প্রচারপত্র; স্ট্যান কোহেন রচিত 'ভি ফর ভিক্টরি: আমেরিকাস হোম ফ্রন্ট ডিউরিং ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু' (মিসৌলা, এমটি: পিক্টোরিয়াল হিস্টোরিস, ১৯৯১), পৃষ্ঠা ১১১। ; ১৯৪৩ * 'ডক্টর নিউ ডিল' এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন 'ডক্টর উইন দ্য ওয়ার' বা 'যুদ্ধজয়ী চিকিৎসক' দ্বারা। সর্বপ্রথম ও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত এই যুদ্ধের উপর জয়লাভের ওপর। ** ফেডারেল সরকারের অগ্রাধিকারের পরিবর্তন প্রসঙ্গে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট '''''[[w:ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট|ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্টের]]''''' উক্তি (২৮ ডিসেম্বর ১৯৪৩); 'দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪৩' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ১৪০। * একজন সৎমনা উদারপন্থীও আজ নির্দ্বিধায় স্বীকার করবেন যে, একজন সাধারণ মানুষ সেই 'নিউ ডিলের' সময়ের তুলনায় [বর্তমানে] অনেক বেশি সুযোগ ও উন্নত জীবন অতিবাহিত করছেন। ** 'কমন সেন্স' নামক সাময়িকীর একজন লেখকের পর্যবেক্ষণ (সেপ্টেম্বর ১৯৪৩); 'ওয়ার অ্যান্ড সোসাইটি: দ্য ইউনাইটেড স্টেটস, ১৯৪১–১৯৪৫' (জে. বি. লিপিনকট কোং, ১৯৭২), পৃষ্ঠা ৯৩। * দেশের অভ্যন্তরে যুদ্ধকালীন মনোবলকে আরও সুদৃঢ় ও কঠোর করতে সামরিক বাহিনী এখন এক নতুন নীতি গ্রহণ করেছে; তারা এখন আলোকচিত্রের মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের দেখাতে চায় যে রণক্ষেত্রের এই ভয়াবহ যুদ্ধ সম্মুখপানে লড়াই করা বীর সেনাদের কী নিদারুণ পরিণতির দিকে ঠেলে দেয়। ** জনগণের অতি-আত্মবিশ্বাস রোধ করার লক্ষ্যে মার্কিন সেনাদের ক্ষয়ক্ষতির ছবি প্রকাশের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে 'নিউজউইক পত্রিকার' সম্পাদকদের অভিমত; সুসান ডি. মোয়েলার রচিত 'শুটিং ওয়ার: ফটোগ্রাফি অ্যান্ড দ্য আমেরিকান এক্সপেরিয়েন্স অফ কমব্যাট' (নিউ ইয়র্ক: বেসিক বুকস, ১৯৮৯), পৃষ্ঠা ২৪১। === নিজ দেশে যুদ্ধ: জাপানি-আমেরিকানদের জীবন === ==== ১৯৪২ ==== * আজ পর্যন্ত কোনো অন্তর্ঘাতমূলক ঘটনা না ঘটাটাই একটি উদ্বেগজনক এবং নিশ্চিত ইঙ্গিত যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ** পার্ল হারবারে আক্রমণের পর পশ্চিম উপকূলে বসবাসরত জাপানি অভিবাসী এবং জাপানি-আমেরিকানদের সম্পর্কে যুদ্ধ দপ্তরের একটি রিপোর্ট। ইউজিন ভি. রোস্টো রচিত "আওয়ার ওর্স্ট ওয়ারটাইম মিস্টেক", 'হার্পারস' (সেপ্টেম্বর ১৯৪৫), ১৯৬ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * আমাদের চুল বা গায়ের রং যেমনই হোক না কেন, আমাদের চোখের গড়ন যেমনই হোক না কেন, এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই ছিল আমাদের আপন মাতৃভূমি। আমার বাবা-মা আমাদের সেই সত্যটি কীভাবে বারবার স্মরণ করিয়ে দিতেন, তা আজও আমার স্মৃতিতে অমলিন। আমাদের পুরো পরিবারকে যখন জোরপূর্বক অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল, তার ঠিক আগমুহূর্তে আমার বাবা বলেছিলেন, "যা-ই ঘটুক না কেন, এই মাটিই তোমাদের চিরস্থায়ী আবাস।" ** মার্কিন পরিবহন সচিব '''''নরম্যান মিনেটার''''' স্মৃতিচারণ; যাকে শৈশবে একটি বন্দিশিবিরে (ইন্টার্নমেন্ট ক্যাম্প) নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। রবার্ট জেমস ম্যাডক্স (সম্পাদিত) 'আমেরিকান হিস্ট্রি', ৯ম সংস্করণ (গিলফোর্ড, সিটি: দুশকিন পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৮৭), খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৬৪। * ১৯৪২ সালের সেই বিষাদময় বসন্তকালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে বসবাসরত জাপানি এবং জাপানি-আমেরিকানদের আকস্মিকভাবে আটক করে দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত বিভিন্ন শিবিরে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। এভাবে ১,০০,০০০ এরও বেশি পুরুষ, নারী এবং শিশুকে তাঁদের নিজেদের ভিটেমাটি থেকে নির্বাসিত ও কারারুদ্ধ করা হয়। যাঁদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি ছিলেন জন্মসূত্রে আমেরিকার প্রকৃত নাগরিক। * সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে এই মানুষগুলোকে কেবল এই আশঙ্কায় আটক করা হয়েছিল যে, জাপানি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের কাছ থেকে গুপ্তচরবৃত্তি এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রবল ভয় রয়েছে। পশ্চিম উপকূল থেকে এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কারণ সামরিক কর্তৃপক্ষের ধারণা ছিল যে, ঘটনাস্থলে প্রত্যেকের আলাদাভাবে তদন্ত করা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ হবে। তাঁদের কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই অনির্দিষ্টকাল আটকে রাখা হয়েছিল। পুনর্বাসন কর্মকর্তাদের সৎ উদ্দেশ্য থাকা সত্ত্বেও, ওই কেন্দ্রগুলো নাৎসিদের কনসেনট্রেশন ক্যাম্প বা নির্যাতন শিবিরের চেয়ে খুব একটা উন্নত ছিল না। * যদি সেই নির্বাসিত ব্যক্তিদের 'অনুগত' হিসেবে পাওয়া যেত, তবে তাঁদের কেবল তখনই মুক্তি দেওয়া হতো যদি তাঁরা কোনো কাজ এবং থাকার জায়গা খুঁজে নিতে পারতেন। আর তা-ও হতে হতো এমন এক সমাজে যেখানে রাতের আঁধারে কোনো দুষ্কৃতকারী এসে জাপানি-বিরোধী স্লোগান লিখবে না, জানালার কাঁচ ভাঙবে না বা দাঙ্গা সৃষ্টির হুমকি দেবে না। অন্যদিকে, যুদ্ধের প্রতি তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি 'অবিশ্বস্ত' বলে প্রতীত হতো, তবে তাঁদের অনির্দিষ্টকালের জন্য শিবিরে বন্দি রাখা হতো। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (অন্তত শ্বেতাঙ্গদের জন্য) শত্রুর প্রতি কেবল সহানুভূতি পোষণ করা কোনো অপরাধ নয়, যতক্ষণ না সেটি কোনো সরাসরি নাশকতামূলক কাজে বা দৃশ্যমান হুমকিতে রূপ নেয়। ** '''''ইউজিন ভি. রোস্টো''''', "আওয়ার ওর্স্ট ওয়ারটাইম মিস্টেক", 'হার্পারস', খণ্ড ১৯১, সংখ্যা ১১৪৪ (সেপ্টেম্বর ১৯৪৫), পৃষ্ঠা ১৯৩–২০১। * সেখানে কোনো আলো, উনুন বা জানালার কাঁচ ছিল না। আমরা পরনের কাপড়সহই সেনাবাহিনীর খাটিয়ার ওপর ঘুমাতাম। ... শিবিরের চারপাশ ঘিরে থাকা সেই কাঁটাতারের বেড়া তুষারে ঢাকা সিয়েরা পর্বতমালাই যেন আমাদের বন্দিত্বের সেই ভয়াবহ পটভূমিকে আরও স্পষ্ট করে তুলত। ** ক্যালিফোর্নিয়ার মানজানার বন্দিশিবিরে জাপানি অভিবাসী ও জাপানি-আমেরিকানদের মানবেতর অবস্থা সম্পর্কে '''''কার্ল ইয়োনেডার''''' স্মৃতিচারণ; 'গানবাত্তে: সিক্সটি-ইয়ার স্ট্রাগল অফ এ কিবেই ওয়ার্কার' (ইউসিএলএ, ১৯৮৩), পৃষ্ঠা ১২৬। ==== ১৯৪৪ ==== * এতগুলো বছর পার করার পর, সারাটা জীবন কঠোর পরিশ্রম করে একটি স্বপ্নের ইমারত গড়ে তোলার পর সবকিছুই চোখের পলকে কেড়ে নেওয়া হলো.... তিনি এক বুক ভাঙা কষ্ট -হাহাকার নিয়ে মৃত্যুবরণ করলেন। ** পিটার ওটা, যাঁর পরিবারকে কলোরাডোর একটি শিবিরে বন্দি করা হয়েছিল। স্টাডস টারকেল রচিত '"দ্য গুড ওয়ার": এন ওরাল হিস্ট্রি অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু' (নিউ ইয়র্ক: প্যান্থিয়ন বুকস, ১৯৮৪), ৩২ পৃষ্ঠায় বর্ণিত। * যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি এবং অপরাধ দমনের মতো বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করার সময়, আমাদের অবশ্যই সেই সামরিক কর্তৃপক্ষের বিচারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও বিবেচনা প্রদর্শন করতে হবে যারা সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে উপস্থিত থাকেন এবং সামরিক তথ্যাদি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। তবে একই সাথে এটিও অপরিহার্য যে, সামরিক বিবেচনার একটি সুনির্দিষ্ট সীমা থাকতে হবে, বিশেষ করে যেখানে সামরিক আইন (মার্শাল ল) জারি করা হয়নি। কেবল সামরিক প্রয়োজনের দোহাই দিয়ে। যার কোনো বাস্তব ভিত্তি বা প্রমাণ নেই। একজন ব্যক্তিকে তাঁর সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ও নিঃস্ব করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ** সুপ্রিম কোর্টের সহযোগী বিচারক '''''ফ্র্যাঙ্ক মারফি'''''; তিনি 'কোরেমাতসু বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র' (৩২৩ ইউ.এস. ২১৪, ১৯৪৪) মামলায় ভিন্নমত পোষণকারী তিন বিচারকের একজন ছিলেন। উল্লেখ্য যে, আদালতের ছয় বিচারকের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ জাপানি এবং জাপানি-আমেরিকানদের বন্দি করার সামরিক সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিল। === নিজ দেশে যুদ্ধ: আফ্রিকান-আমেরিকানদের লড়াই === * আমার ব্যক্তিগত অভিমত ছিল এই যে, কৃষ্ণাঙ্গরা তাদের অসামান্য অর্জনের মাধ্যমেই বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গিকে জয় করতে পারে। যদিও সেই অর্জনগুলোকে সগৌরবে ছিনিয়ে আনতে হয়েছিল বর্ণবৈষম্যের এক চরম বিদ্বেষপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়েই।<br>এই যুদ্ধ আমাদের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল।<br>আমরা তখন আমাদের নিজস্ব একটি যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রনের মালিক ছিলাম—যা মাত্র অল্প কিছুকাল আগেও ছিল এক অকল্পনীয় অলীক কল্পনা। সেটি ছিল একান্তই আমাদের নিজেদের। তাছাড়া, আমাদের সেই সময়কার নিজস্ব সমস্যাগুলো বিশ্লেষণ করতে এবং আমাদের নিজস্ব দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সেগুলোর সমাধান খুঁজে পেতে আমরা বদ্ধপরিকর ছিলাম। ** জেনারেল '''''বেঞ্জামিন ও. ডেভিস'''''; যিনি বিমান বাহিনীর প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান জেনারেল এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বিখ্যাত টাস্কগি এয়ারমেনদের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন। * আমি জানতাম ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধের প্রতি আমার এক প্রবল আবেগ রয়েছে। কিন্তু, একটি বর্ণবৈষম্যমূলক বা পৃথকীকৃত সামরিক বাহিনীর হয়ে লড়াই করার বিষয়েও আমার মনে গভীর ক্ষোভ ছিল। আমি প্রশ্ন করি, একজন কৃষ্ণাঙ্গ যুদ্ধফেরত সৈনিক হওয়ার অনুভূতি আসলে কেমন? আপনি যদি একজন কৃষ্ণাঙ্গ ভেটেরান হন, তবে আপনি লড়াই করেছেন জার্মানিতে "ইহুদিদের প্রবেশ নিষেধ" এমন সাইনবোর্ডগুলো উপড়ে ফেলতে, অথচ নিজ দেশ আমেরিকায় ফিরে আপনি দেখতে পেলেন সেই একইরকম উদ্ধত সাইনবোর্ড,"কৃষ্ণাঙ্গদের প্রবেশ নিষেধ"। আপনি লড়াই করেছেন জার্মানি আর জাপানের ফাঁসির দড়ি আর চাবুকের দাপট মুছে দিতে, অথচ ফিরে এসে জর্জিয়া আর লুইসিয়ানায় নিজের পিঠেই সেই চাবুক আর ফাঁসির দড়িকে ফিরে পেতে! আমি আপনাদের একটি সৎ প্রশ্ন করতে চাই যে কেন আজ স্পেন আর যুগোস্লাভিয়া নিয়ে এত কথা হচ্ছে? ফিলিস্তিন আর গ্রিস নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, অথচ দক্ষিণ ক্যারোলিনার এইকেন কাউন্টি নিয়ে টুঁ শব্দটিও হচ্ছে না? ** '''''অলি হ্যারিংটনের''''' 'হোয়াই আই লেফট আমেরিকা অ্যান্ড আদার এসেস' (১৯৯৩) গ্রন্থে বর্ণিত। * এটি হলো মানুষকে মুক্ত রাখার এক মহান যুদ্ধ। স্বাধীনতার এই পথকে, আমাদের নিজেদের স্বাধীনতার পথকে—আমেরিকার বুকে আরও প্রশস্ত ও দীর্ঘায়িত করার সেই সংগ্রামটি না হয় তোলা থাকল তোলা থাকল ভবিষ্যতের জন্য। আমেরিকার অভ্যন্তরীণ এই ব্যক্তিগত লড়াইটি যে জারি থাকবে এবং শেষ পর্যন্ত আমরাই জয়ী হবো। কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে যুদ্ধে যাওয়ার পেছনে আমাদের কাছে এটিই একমাত্র প্রকৃত কারণ। আমাদের সেই লড়াইয়ের পথটি উন্মুক্ত রাখতে হবে।<br>একজন কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে আমি যে আমেরিকার ভেতরের এই অশুভ শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারছি। কেবল এই সত্যটুকুই যুদ্ধের ময়দানে লড়াই করার জন্য যথেষ্ট। যে অন্যায়কে মানুষ ঘৃণা করে, তার বিরুদ্ধে এই প্রকাশ্যে লড়াই চালিয়ে যাওয়াই হলো গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার প্রধান চিহ্ন এবং শেষ আশা। ** জে. সন্ডার্স রেডিং; 'দ্য আমেরিকান মারকারি' সাময়িকীতে প্রকাশিত “এ নিগ্রো লুকস অ্যাট দিস ওয়ার” (নভেম্বর ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৫৮৫-৫৯২। == যুদ্ধে নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত ভূমিকা == ; ১৯৪২ * দিন আর রাতগুলো ছিল এক অন্তহীন দুঃস্বপ্নের মতো, যতক্ষণ না আমাদের মনে হতো যে আমরা আর তা সহ্য করতে পারব না। শত শত রোগী প্রতিনিয়ত আসছিলেন, আর চিকিৎসক ও নার্সরা মশা-মাছি, সেই অসহ্য গরম, ধুলিকণার মধ্যে তাঁবুর নিচে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছিলেন। প্রতিদিন আমাদের কাছে প্রায় আট থেকে নয়শ পর্যন্ত রোগী আসতেন। ** '''''ইউনিস হ্যাচিট'''''; ''ফিলিপাইনের বাতানে দায়িত্বরত একজন আর্মি নার্স।'' ; ১৯৪৩ * যুদ্ধ জয়ের লক্ষ্যে অবদান রাখতে, কিছু অর্থ উপার্জন করতে এবং কোনো পেশাদার কাজ শিখতে। নারী ও পুরুষেরা গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এই শহরে অ্যালাবামার মোবাইল শহর পঙ্গপালের মতো ছুটে আসছেন। ** ''ঔপন্যাসিক '''জন ডস প্যাসোসের''' পর্যবেক্ষণ।'' ; ১৯৪৩ * আমি শিখতে একজন খুব আগ্রহী ছিলাম এবং খুব দ্রুতই আমি একজন অসামান্য রিভেটার (ধাতব পাত জোড়া দেওয়ার কারিগর) হয়ে উঠেছিলাম। রোহরে কাজ করার সময় আমি পি-৩৮ যুদ্ধবিমানের বুম ডোরগুলো রিভেটিং করতাম। এই যুদ্ধ প্রকৃতপক্ষে নারীদের জন্য এক বিশাল সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল। এটিই ছিল প্রথমবার যখন আমরা এটি প্রমাণ করার সুযোগ পেয়েছিলাম যে, আমরা এমন অনেক কাজ করতে পারি যা আগে কেবল গুটিকয়েক লোকের পক্ষেই সম্ভব বলে মনে করা হতো। ** '''''উইনোনা এসপিনোসা'''''; ''একজন বিমান নির্মাণ কর্মী।'' ; ১৯৪৩ * এমন কিছু ঘটছে যা অ্যাডলফ হিটলার বোধগম্য করতে পারছেন না। আর তা হলো আমাদের উৎপাদনের এই অবিশ্বাস্য অলৌকিক ক্ষমতা। ** ''মার্কিন শিল্পকারখানাগুলোতে বিপুল সংখ্যক বিমান, জাহাজ এবং ট্যাঙ্ক উৎপাদনের বিষয়ে 'টাইম' ম্যাগাজিনের মন্তব্য। প্রকৃতপক্ষে, জার্মান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন ক্ষমতা সম্পর্কে একদম সঠিক অনুমান করতে পেরেছিল, কিন্তু হিটলার সেই রিপোর্টটিকে অবজ্ঞা করার সিদ্ধান্ত নেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।'' ; ১৯৪৩ * কেক কাটার পরিবর্তে, এই নারী এখন বিমানের যন্ত্রাংশের নকশা কাটছেন। কেক তৈরি করার পরিবর্তে, এই নারী এখন যন্ত্রপাতির গিয়ারগুলোকে উত্তপ্ত করছেন যাতে ব্যবহারের পর সেগুলোর মধ্যকার টান বা চাপ হ্রাস পায়। ** ''একটি বিমান কারখানায় নারীদের কাজের দৃশ্য সম্বলিত একটি নিউজ ভিডিওর ধারা বর্ণনা।'' ; ১৯৪৪ * জাহাজ নির্মাণ কারখানার সেই অসহ্য ও কান ফাটানো প্রচণ্ড শব্দের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার মতো কোনো প্রশিক্ষণ আসলে আগে থেকে দেওয়া সম্ভব নয়। যাদের অন্তরাত্মা এই পরিস্থিতির সাথে লড়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নয়, তারা মুহূর্তের মধ্যেই রণভঙ্গ দিয়ে হারিয়ে যাবে। আর কেবল পেশি শক্ত করলেই চলে না, এই কাজে টিকে থাকতে হলে নিজের স্নায়ুগুলোকেও পাথরের মতো শক্ত করে গড়ে তুলতে হয়। ** ''একজন নারী জাহাজ নির্মাণ কর্মী'' । * আমার সাথে কথা বলার সময় তোমার বরং একটু বেশিই সাবধান হওয়া উচিত, কারণ আমি ইতোমধ্যেই আমার ডান হাতে বেশ বড় এক মাংসপেশি তৈরি করে ফেলেছি এবং বাম হাতটিও এখন যথেষ্ট শক্তিশালী। তাই বাপু, একটু বুঝেশুনে চলো! ** '''''মার্গারেট হুপার''' (বয়স ২০); প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরে (প্যাসিফিক ফ্লিট) দায়িত্বরত এক বন্ধুর কাছে লেখা চিঠিতে। মার্গারেট ক্যালিফোর্নিয়ার সান পেড্রোতে অবস্থিত একটি বিমান কারখানায় কাঁচামাল পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।'' * "রোজি দ্য রিভেটার" ** ''এটি ছিল যুদ্ধে নারীদের সমর্থন ও সহায়তা আদায়ের লক্ষে তৈরিকৃত একজন দৃঢ়চেতা, দেশপ্রেমী কাল্পনিক নারী কার্টুন চরিত্রের নাম, যা যুদ্ধকালীন জনমত গঠনে এক অসামান্য ভূমিকা রেখেছিল''। * সাইরেন বেজে ওঠল প্রবল শব্দে, আর মৃত্যুর হাতছানিতে বাতাস তখন হিমশীতল!<br>তবুও সেই বিশ্বস্ত ক্যাপ্টেনের নির্ভয় অটল সেই অধীর কর্মস্থল,<br>হাতের খুচরো পয়সাগুলো গুনে নিয়ে সে ক্ষিপ্র গতিতে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে যায়,<br>রাজার আজ্ঞাবহ নাবিকের মতোই এমন সাহসী অদম্য সৈনিক আর পাবে কোথায়? ** '''''এ. পি. হার্বার্ট'''''; লন্ডন ট্রান্সপোর্ট পোস্টারে প্রকাশিত "সিয়িং ইট থ্রু" কবিতা থেকে, ''বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''; ''এখানে "ক্যাপ্টেন" বলতে লন্ডনের একজন বাস কন্ডাক্ট্রেসকে বোঝানো হয়েছে।'' ; ১৯৪৫ * এটি আমার জীবনে একটি ভালো সূচনা এনে দিয়েছিল। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, যদি আমি একজন পুরুষের মতোই নিখুঁতভাবে ওয়েল্ডিং বা ঝালাইয়ের কাজ শিখতে পারি, তবে জীবনধারণের জন্য যা যা প্রয়োজন, তার সবই আমি করে যেতে পারব। ** '''''নোভা লি হলব্রুক'''; যুদ্ধকালীন কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনে কতটা অমূল্য ছিল, সে প্রসঙ্গে।'' == দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংক্রান্ত উক্তি == [[File:The British Army in the United Kingdom 1939-45 H41966.jpg|thumb|মেজর-জেনারেল জে. এফ. সি. ফুলার, ১৯২০ এর দশকে আধুনিক সাঁজোয়া যুদ্ধ কৌশলের বিকাশে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য, তিনি এই রণকৌশল ব্যবহারে ব্যর্থতাকে "পুরো যুদ্ধের সবচেয়ে বড় ভুল" হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। তিনি এমনকি এটিও আভাস দিয়েছিলেন যে যদি সঠিকভাবে সামরিক মোতায়েন করা হতো, তবে [[:w:ব্রিটিশ|ব্রিটিশ]] এবং [[:w:আমেরিকান|আমেরিকান]] ট্যাঙ্ক ডিভিশনগুলো রুশদের আগেই [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] দখল করে নিতে পারত। ~ ডেভিড হ্যাম্বলিং]] * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক শুরুর দিকে, [[:w:জাপান|জাপান]] ছিল প্রায় সাত কোটি জনসংখ্যার এক সমৃদ্ধশালী শিল্পোন্নত শক্তি। দেশটি ইতোমধ্যেই ভোক্তা পণ্যের এক প্রধান উৎপাদনকারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। কিন্তু ১৯৩০ এর দশকের শুরুর দিকে সামরিক বাহিনী নিয়ন্ত্রিত কেন্দ্রীয় সরকার ক্রমান্বয়ে বাজার অর্থনীতিকে একটি সর্বগ্রাসী [[:w:অর্থনীতি|নির্দেশিত অর্থনীতির]] বৈশিষ্ট্য দ্বারা প্রতিস্থাপন করতে শুরু করে, যার মধ্যে উৎপাদনের ওপর সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত ছিল। উৎপাদনের একটি ক্রমবর্ধমান অংশ তখন যুদ্ধ-সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলোর জন্য উৎসর্গ করা হচ্ছিল। তদুপরি, ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৬ সালের মধ্যে [[:w:বিদ্যুৎ|বিদ্যুৎ]] এবং [[:w:তেল|তেল]] শিল্পগুলোকে জাতীয়করণ করা হয় এবং ১৯৩৯ সালে চালের রেশনিং পদ্ধতি চালু করা হয়। সেই দশকের শেষ নাগাদ, জাপান সম্পূর্ণভাবে একটি যুদ্ধকালীন অর্থনীতির দ্বারা চালিত যুদ্ধের প্রস্তুতিতে লিপ্ত ছিল। ** অ্যালান অ্যাক্সেলরড; [https://books.google.com/books/about/The_Real_History_of_World_War_II.html?id=GqYWmUae5h8C&printsec=frontcover&source=kp_read_button ''দ্য রিয়েল হিস্ট্রি অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু: এ নিউ লুক অ্যাট দ্য পাস্ট''], (৬ মে ২০০৮), স্টার্লিং। পৃষ্ঠা ১৩৮-১৩৯। * সেই সমস্ত আমেরিকান, যারা ফ্রাঙ্কোর বিরুদ্ধে লড়তে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে রুখে দিতে স্পেনে গিয়েছিলেন, তাঁদের "অপরিণত ফ্যাসিবাদ-বিরোধী" (প্রিম্যাচিউর অ্যান্টি-ফ্যাসিস্ট) হিসেবে অভিহিত করায় তাঁরা কোনোদিন কিছু মনে করেননি। বরং তাঁরা এই তকমাটি বহন করতে গর্ববোধ করতেন। ** আলভা বেসি; ''<nowiki/>'মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন''' (১৯৩৯), ১৯৫৪ সালের পুনর্মুদ্রণের মুখবন্ধ। * আমাদের স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত প্রখর। আমাদের ওপর বছরের পর বছর ধরে যে অন্তহীন অপপ্রচার, কুৎসা আর ডাহা মিথ্যার আক্রমণ চালানো হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আমরা এক ধরণের আপেক্ষিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা অনাক্রম্যতা তৈরি করে ফেলেছি। বিশেষ করে, আমরা সেই 'মহা-মিথ্যা' (দ্য বিগ লাই) থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত যা একসময় স্পেনকে ধ্বংস করেছিল এবং যাকে হিটলার পূর্ণতার এমন এক চরম শিখরে নিয়ে গিয়েছিলেন যে, অক্ষশক্তির সেই বিষদাঁত ভাঙতে শেষ পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণহানির প্রয়োজন হয়েছিল। আক্ষেপের বিষয় এই যে, সেই 'মহা-মিথ্যা' আজও টিকে আছে এবং আমাদের নিজেদের দেশেই তা প্রবল প্রতাপে বিকশিত হচ্ছে। যেহেতু প্রতিটি যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিদিন, প্রতি ঘণ্টায় এমনকি প্রতি মিনিটে এটি প্রচার করা হচ্ছে, তাই আমাদের জনগণ যতক্ষণ না এর আসল রূপটি বুঝতে পারছেন এবং একে সম্পূর্ণভাবে নস্যাৎ করে দিচ্ছেন। ততক্ষণ পর্যন্ত এই মিথ্যার দাঁতভাঙা জবাব দিয়ে যাওয়া আমাদের একান্ত কর্তব্য। ** '''''আলভা বেসি'''''; ''<nowiki/>'মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন''' (১৯৩৯), ১৯৫৪ সালের পুনর্মুদ্রণের মুখবন্ধ। : যখনই আমরা শুনতে পাই যে [[:w:সাম্যবাদ|সাম্যবাদ]] আমাদের ভেতর এবং বাহির থেকে হুমকির মুখে ফেলছে। যখনই আমাদের বলা হয় যে সোভিয়েত ইউনিয়ন আমাদের জীবনযাত্রার ধরনকে বিপন্ন করছে এবং বিশ্ব জয় করতে চায়। যখনই আমাদের এমন এক 'পবিত্র ধর্মযুদ্ধে' (হলি [[ক্রুসেড]]) যোগ দিতে আহ্বান জানানো হয়, যা শুরু হলে সমগ্র পৃথিবীকে ছারখার করে দেবে। ঠিক তখনই আমরা ইতিহাসের কিছু সহজ ও অমোঘ সত্য স্মরণ করিঃ :সাম্যবাদের হুমকির দোহাই দিয়ে মুসোলিনি ইতালিতে বিদ্যমান গণতন্ত্রের টুঁটি চেপে ধরেছিলেন; :একই অস্ত্র ব্যবহার করে হিটলার জার্মান ভেইমার প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করেছিলেন; :একই তত্ত্ব কাজে লাগিয়ে হিদেকি তোজো জাপানের সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেঙে চুরমার করেছিলেন। :তথাকথিত '''"'''লাল সন্ত্রাসীর'''"''' (কমিউনিস্ট জুজু) নামে [[:w:দ্বিতীয় স্পেনীয় প্রজাতন্ত্র|স্পেনীয় দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রকে]] হত্যা করেছিলেন ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো; :বিশ্বকে সাম্যবাদ (কমিউনিজম) থেকে রক্ষার সস্তা স্লোগান দিয়েই শেষ পর্যন্ত অক্ষশক্তি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দাবানল জ্বালিয়েছিল। ** '''''আলভা বেসি'''''; ''<nowiki/>'মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন''' (১৯৩৯), ১৯৫৪ সালের পুনর্মুদ্রণের মুখবন্ধ। * বিস্ময়কর ভাবে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রণকৌশল মূলত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর সহকারী সচিব হিসেবে প্রেসিডেন্ট [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের]] অর্জিত অভিজ্ঞতারই এক প্রতিফলন। সেই সময়টিই তাঁকে শিখিয়েছিল কীভাবে যান্ত্রিক শক্তির প্রচণ্ড আঘাতে শত্রুকে পর্যুদস্ত করা যায় এবং পদাতিক বা স্থলযুদ্ধের ঝুঁকিগুলো কতটা ভয়াবহ হতে পারে। ১৯১৮ সালে যখন তিনি সম্মুখ সমর পরিদর্শনের জন্য [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্সে]] গিয়েছিলেন, তখন যুদ্ধক্ষেত্রের সেই বীভৎস দৃশ্য তাঁকে চরমভাবে ব্যথিত করেছিল। সৈন্যদের বসবাসের সেই ঘিঞ্জি পরিবেশ এবং ডায়েরিতে লেখা তাঁর নিজের ভাষায় "মৃত ঘোড়ার উৎকট গন্ধ" তাঁর সংবেদনশীল নৌ নাসিকাকে আঘাত করেছিল। ফলস্বরূপ, তিনি স্থলযুদ্ধের পরিবর্তে রসদ সরবরাহ এবং যুদ্ধ সরঞ্জামের ওপর বেশি মনোযোগী হয়েছিলেন: যেমন ট্রেনের কামরায় করে বিশাল নৌ-কামানগুলো স্থলপথে নিয়ে গিয়ে [[:w:জার্মানি|জার্মান]] বাহিনীকে নাস্তানাবুদ করা কিংবা বিমান ও বোমা প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতির জন্য চাপ দেওয়া। মিত্রপক্ষের জাহাজগুলোকে ঝুঁকির মুখে না ফেলে পুরো [[:w:উত্তর সাগর|উত্তর সাগর]] জুড়ে মাইন বিছিয়ে দিয়ে জার্মান ইউ-বোট আক্রমণ নস্যাৎ করার একটি পরিকল্পনাও তিনি ত্বরান্বিত করেছিলেন (যদিও যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ায় সেই পরিকল্পনাটি তখন পুরোপুরি সম্পন্ন করা যায়নি)। এই সময়েই রুজভেল্ট [[:w:ব্রিটেন|ব্রিটেন]] এবং ফ্রান্সের মতো বিশ্বস্ত আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করার গুরুত্ব অনুধাবন করেছিলেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, আধুনিক যুদ্ধে জয়লাভের চাবিকাঠি হলো শক্তিশালী জোট গঠন।<br>অনেক [[:w:আমেরিকান|আমেরিকানদের]] মতো রুজভেল্ট প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর [[w:বিচ্ছিন্নতাবাদ|বিচ্ছিন্নতাবাদী]] হয়ে পড়েননি। তিনি জানতেন যে উগ্র [[:w:একনায়কতন্ত্র|একনায়কতান্ত্রিক]] শাসন ব্যবস্থাকে অবশ্যই রুখতে হবে এবং তিনি বিশ্বাস করতেন যে উন্নত [[:w:যন্ত্র|যন্ত্রপাতি]] এবং মজবুত মিত্রজোটের মাধ্যমেই আমেরিকা তার স্বার্থ রক্ষা করতে পারবে। তিনি এই দুটি ধারণার প্রতি এতটাই অনুগত ছিলেন যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেন এবং [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়নকে|সোভিয়েত ইউনিয়নকে]] কোনো প্রতিদান ছাড়াই বিশাল পরিমাণ সাহায্য প্রদান করেছিলেন। রুজভেল্ট মনে করতেন, মার্কিন মিত্রদের শক্তিশালী করে তোলা এবং তাদের দিয়েই স্থলযুদ্ধের অধিকাংশ লড়াই করানোই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। এই দূরদর্শী কৌশলই শেষ পর্যন্ত একজন যুদ্ধকালীন [[:w:নেতা|নেতা]] হিসেবে তাঁকে ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাফল্য এনে দিয়েছিল। ** ফিলিপস পেসন ও'ব্রায়েন; [https://www.theatlantic.com/ideas/archive/2024/08/president-personal-preference-defines-national-interest/679642/ “দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ইজ হোয়াট দ্য প্রেসিডেন্ট সেজ ইট ইজ”], ''<nowiki/>'দি আটলান্টিক''<nowiki/>', (২৯ আগস্ট ২০২৪)। * এটি হতে পারত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সবচেয়ে আলোচিত এক হারিয়ে যাওয়া [[:w:অস্ত্র|অস্ত্র]]। মেজর-জেনারেল জে. এফ. সি. ফুলার, ১৯২০ সালের দশকে আধুনিক সাঁজোয়া যুদ্ধের রণকৌশল প্রবর্তনে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য, তিনি এই অস্ত্রের ব্যবহারে ব্যর্থতাকে "পুরো যুদ্ধের সবচেয়ে বড় ভুল" হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। তিনি এমনকি এটিও দাবি করেছিলেন যে, যদি এই অস্ত্রটি সঠিকভাবে মোতায়েন করা হতো, তবে [[:w:ব্রিটিশ|ব্রিটিশ]] এবং আমেরিকান ট্যাঙ্ক ডিভিশনগুলো রুশদের আগেই [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] দখল করে নিতে পারত। ** জে. এফ. সি. ফুলারের উক্তি; ডেভিড হ্যাম্বলিং রচিত [https://www.wired.com/2008/05/wwii-strobe-t-1/ "সিক্রেট স্ট্রোবলাইট ওয়েপনস অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু"], '''ওয়ার্ড''<nowiki/>', ২২ অক্টোবর ২০১২ তারিখে উদ্ধৃত। * আমি সেখানে তখন উপস্থিত ছিলাম। ** '''''উইলিয়াম ডি. লেহির''''' , ''<nowiki/>'আই ওয়াজ দেয়ার''' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ১। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, অন্তত ইউরোপীয় রণাঙ্গনের ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও নৈতিক ন্যায্যতা থাকতে পারে; যদিও আমেরিকার নিজের স্বাধীনতা বা অস্তিত্ব আদৌ কখনও হুমকির মুখে পড়েছিল কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট যৌক্তিক বিতর্কের অবকাশ রয়েছে। তবুও, যে সমস্ত আমেরিকান এই যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের অনেকেই নিজেদের এই সংগ্রামকে মহৎ উদ্দেশ্য বলে মনে করতেন; তাই আমরা অন্তত পরিষ্কার বিবেক নিয়ে তাঁদের এই মৃত্যুকে সম্মান জানাতে পারি। ** '''''ডেভ ডি লিনডর্ফ'''''; ''[https://www.counterpunch.org/2010/05/31/the-glorification-of-war/ “দ্য গ্লোরিফিকেশন অফ ওয়ার”],'' 'কাউন্টারপাঞ্চ', (৩১ মে ২০১০)। * প্রথম বিশ্বযুদ্ধের তুলনায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, যা মূলত 'হিটলারের যুদ্ধ' হিসেবে পরিচিত। ছিল এক প্রায়-সার্বজনীন অভিজ্ঞতা। এটি দীর্ঘকাল স্থায়ী হয়েছিল। বিশেষ করে [[:w:ব্রিটেন|ব্রিটেন]] এবং [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] মতো দেশগুলোর জন্য, যারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধের সাথে জড়িত ছিল, তাদের ক্ষেত্রে এই সময়কাল ছিল প্রায় ছয় বছর। [[w:চেকোস্লোভাকিয়া|চেকোস্লোভাকিয়ায়]] এটার সূচনা হয়েছিল আরও আগে, ১৯৩৮ সালের অক্টোবরে নাৎসিদের সুডেটেনল্যান্ড দখলের মধ্য দিয়ে। অন্যদিকে, [[:w:পূর্ব ইউরোপ|পূর্ব ইউরোপ]] এবং [[:w:বলকান অঞ্চল|বলকান অঞ্চলে]] হিটলারের পরাজয়ের মাধ্যমেও এই সংঘাত শেষ হয়নি; কারণ সোভিয়েত সেনাবাহিনী কর্তৃক দখল এবং গৃহযুদ্ধ জার্মানি ব্যবচ্ছেদের অনেক পর পর্যন্তও সেখানে অব্যাহত ছিল। ** '''''টোনি জাট'''''; ''<nowiki/>'পোস্টওয়ার: এ হিস্ট্রি অফ ইউরোপ সিন্স ১৯৪৫''' (২০০৫), অধ্যায় ১: দ্য লিগ্যাসি অফ ওয়ার। * যে বিশ্বযুদ্ধ হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে তার নৃশংসতম পরিণতির মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছিল, তা মূলত পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী এবং শক্তিশালী দেশগুলোর মধ্যেই সংগঠিত হয়েছিল। তাঁদের সভ্যতা পৃথিবীকে বড় বড় শহর আর চমৎকার শিল্পকলা উপহার দিয়েছিল। তাঁদের চিন্তাবিদগণ ন্যায়বিচার, সম্প্রীতি আর সত্যের মতো উন্নত ধারণাগুলো বিকশিত করেছিলেন। তবুও, এই যুদ্ধটি আধিপত্য বিস্তার বা বিজয়ের সেই আদিম প্রবৃত্তি থেকেই জন্ম নিয়েছিল। যা একসময় সাধারণ আদিবাসী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যেও সংঘাতের সৃষ্টি করত। এটি ছিল এমন এক পুরনো ধরন বা বিন্যাস যা নতুন সক্ষমতার মাধ্যমে বহুগুণ শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল এবং যেখানে কোনো আধুনিক বা নতুন বাধা ছিল না। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৬ কোটি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল।<br>পুরুষ, নারী আর শিশুরা, যারা আমাদের চেয়ে মোটেও আলাদা ছিল না। তাঁদের গুলি করে, পিটিয়ে, বন্দি করে, বোমায় উড়িয়ে, কারাগারে নিক্ষেপ করে, অনাহারে রেখে এবং বিষাক্ত গ্যাসে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছিল। ** '''''[[w:বারাক_ওবামা|বারাক ওবামা]]'''''; [https://obamawhitehouse.archives.gov/the-press-office/2016/05/27/remarks-president-obama-and-prime-minister-abe-japan-hiroshima-peace “হিরোশিমা পিস মেমোরিয়ালে প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে-র বক্তব্য”]; হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল, হিরোশিমা, জাপান, (২৭ মে ২০১৬)। * সারা বিশ্বে এমন অনেক স্থান রয়েছে যা এই যুদ্ধের ইতিহাসকে ধারণ করে আছে। স্মৃতিস্তম্ভগুলো বীরত্ব ও সাহসিকতার গল্প বলে। আবার সমাধি এবং পরিত্যক্ত বন্দি শিবিরগুলো অবর্ণনীয় পৈশাচিকতার প্রতিধ্বনি তুলে ধরে। তবুও, এই আকাশজুড়ে যে পারমাণবিক মাশরুম মেঘ বা ছাতা সদৃশ ধোঁয়ার কুণ্ডলী তৈরি হয়েছিল, তা আমাদের মানবজাতির মূল অন্তর্দ্বন্দ্বের কথা সবচেয়ে রূঢ়ভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়। একটি প্রজাতি হিসেবে যা আমাদের অনন্য করে তোলে আমাদের চিন্তা, কল্পনা, ভাষা, যন্ত্র তৈরির দক্ষতা, প্রকৃতি থেকে নিজেকে আলাদা করার ক্ষমতা এবং প্রকৃতিকে নিজের ইচ্ছামতো পরিচালিত করার শক্তি। সেই একই বৈশিষ্ট্যগুলো আমাদের এমন অকল্পনীয় ধ্বংসযজ্ঞের সক্ষমতাও দান করে যার কোনো তুলনা হয় না। ** '''''[[w:বারাক_ওবামা|বারাক ওবামা]]'''''; [https://obamawhitehouse.archives.gov/the-press-office/2016/05/27/remarks-president-obama-and-prime-minister-abe-japan-hiroshima-peace “হিরোশিমা পিস মেমোরিয়ালে প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবের বক্তব্য”]; হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল, হিরোশিমা, জাপান, (২৭ মে ২০১৬)। * যুদ্ধের শেষলগ্নে, [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নের]] জনগণের প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখে। ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] আগ্রাসনে ২ কোটি ৭০ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, পিটিয়ে মারা হয়েছে, অনাহারে রাখা হয়েছে অথবা জোরপূর্বক শ্রমের অমানুষিক চাপে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১ কোটি ৪০ লাখই ছিলেন নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিক। এই যুদ্ধে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের জনগণের চেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি আর কাউকে সইতে হয়নি। তবুও, এই কোটি কোটি মানুষের আত্মত্যাগ আমাদের সামষ্টিক স্মৃতিতে ততটা গভীরভাবে খোদাই করা নেই—যতটা তাঁদের ভোগান্তি এবং আমাদের দায়বদ্ধতা দাবি করে। এই যুদ্ধটি ছিল এক জঘন্য অপরাধ—আগ্রাসন এবং নির্মূল করার এক পৈশাচিক ও অপরাধমূলক যুদ্ধ। ** '''''ফ্রাঙ্ক-ওয়াল্টার স্টেইনমায়ার'''''; [https://www.bundespraesident.de/SharedDocs/Reden/EN/Frank-Walter-Steinmeier/Reden/2021/210618-Invasion-SovietUnion.html সোভিয়েত ইউনিয়নে জার্মানির আক্রমণের বার্ষিকী উপলক্ষে প্রদত্ত ভাষণ] (১৮ জুন ২০২১)। === আর্নেস্ট কিং এবং ওয়াল্টার এম. হোয়াইটহিল, ''<nowiki/>'ফ্লিট অ্যাডমিরাল কিং: এ নাভাল রেকর্ড''' (১৯৫২) === * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের ডুবে যাওয়া ১০,৫৮৩,৭৫৫ টন নৌ ও বাণিজ্যিক জাহাজের মধ্যে ৯,৭৩৬,০৬৮ টন জাহাজই ডুবিয়েছিল মার্কিন বাহিনী; যার মধ্যে কেবল মার্কিন সাবমেরিনগুলোই ৫,৩২০,০৯৪ টন জাহাজের সলিলসমাধি ঘটিয়েছিল। আটলান্টিকে জার্মান ইউ-বোটগুলো মিত্রশক্তির জাহাজ চলাচলের সাথে যা করছিল, আমাদের সাবমেরিনগুলো প্রশান্ত মহাসাগরে জাপানিদের সাথে ঠিক তাই করছিল। তবে পার্থক্য ছিল এই যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প শক্তি ছিল প্রায় অসীম, যেখানে জাপানের তা ছিল না। ১৯৪২ সালের শেষ মাসগুলো পর্যন্ত জার্মান সাবমেরিনগুলো মিত্রশক্তির মোট জাহাজের পরিমাণ ক্রমাগত হ্রাস করে চলেছিল, কিন্তু পরবর্তীতে সাবমেরিন-বিরোধী ব্যবস্থার উন্নত কার্যকারিতা এবং আমেরিকান ও ব্রিটিশ শিপইয়ার্ডগুলোর অভাবনীয় উৎপাদনের ফলে মিত্রশক্তির জাহাজের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকে। যদিও ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে জার্মান ইউ-বোটগুলো মিত্রশক্তির প্রায় ২৩,৩৫১,০০০ টন জাহাজ ডুবিয়েছিল, কিন্তু একই সময়ে নতুন জাহাজ নির্মাণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ৪২,৪৮৫,০০০ টনে। ফলে আটলান্টিকে শেষ পর্যন্ত ১৯,১৩৪,০০০ টন জাহাজের নিট লাভ দেখা যায়। জাপানিদের ক্ষয়ক্ষতি যেহেতু নতুন জাহাজ নির্মাণের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব হয়নি, তাই তাঁদের ক্ষতিগুলো ছিল অপূরণীয় ও চূড়ান্ত। এভাবে একদিকে আমাদের সাবমেরিনগুলো যখন প্রশান্ত মহাসাগরে শত্রুদের যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং রসদ সরবরাহের উৎসগুলোকে দুর্বল করে দিচ্ছিল, অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প উৎপাদন ক্ষমতা তখন তাঁদের বিজিত অঞ্চলগুলোর ওপর তাঁদের কর্তৃত্বকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছিল। ** পৃষ্ঠা ৫৩০ * ১৯৪৪ সালের শেষ সাত মাস ইউরোপ এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় রণাঙ্গন উভয় ক্ষেত্রেই এক অবিশ্বাস্য অগ্রগতির সাক্ষী ছিল। বহু প্রতীক্ষিত নরমান্ডি আক্রমণ সংঘটিত হয়েছিল। মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জ আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং আমরা অত্যন্ত আশাবাদী সময়সূচীর অনেক আগেই ফিলিপাইনে ফিরে গিয়েছিলাম। ফিলিপাইন সাগরের যুদ্ধ এবং লেয়ত উপসাগরের যুদ্ধে জাপানি নৌবহরের এক বিশাল অংশ চিরতরে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল এবং অবশিষ্ট অংশ দীর্ঘ সময়ের জন্য অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। যদিও যুদ্ধ জয়ের লক্ষ্য তখনও অনেক দূরে ছিল, তবুও পৃথিবীর উভয় প্রান্তেই সংঘাতটি অন্তত তার চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে ধাবিত হচ্ছিল। ** পৃষ্ঠা ৫৮২ * কিং, লেহি, নিমিৎস এবং সাধারণ নৌ-কর্মকর্তাদের কাছে সবসময়ই এটি মনে হয়েছে যে, জাপানের মূল ভূখণ্ডে পদাতিক সৈন্য পাঠিয়ে সরাসরি আক্রমণের প্রয়োজন ছাড়াই কেবল সমুদ্র এবং আকাশশক্তির মাধ্যমেই জাপানের পরাজয় নিশ্চিত করা সম্ভব। ১৯৪২, ১৯৪৩ এবং ১৯৪৪ সালে, যখন অধিকাংশ মিত্র রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের মনোযোগ ইউরোপের ওপর নিবদ্ধ ছিল এবং জাপানের সাথে যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব মূলত কিংয়ের ওপর ন্যস্ত ছিল, তখন প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধ মূলত এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই পরিচালিত হয়েছিল। ইউরোপে বিজয় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে সেই সব মানুষের মনোযোগও প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে নিবদ্ধ হয় যারা আগে এই যুদ্ধের সমস্যাগুলো নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন ছিলেন না। [[:w:তেহরান|তেহরান]] কনফারেন্সের সময় থেকেই জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সোভিয়েত হস্তক্ষেপের একটি রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করছিল এবং সেনাবাহিনী নিশ্চিত ছিল যে স্থল সৈন্যের ব্যবহার অনিবার্য হবে। মার্শালের জোরালো দাবির প্রেক্ষিতে (যা ম্যাকআর্থারের দৃষ্টিভঙ্গিরও প্রতিফলন ছিল), জয়েন্ট চিফরা কিউশু এবং শেষ পর্যন্ত টোকিও সমতলে অবতরণের পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন। কিং এবং লেহি এই ধারণাটি পছন্দ করেননি। তবে জয়েন্ট চিফদের বৈঠকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রয়োজনে তাঁরা অনিচ্ছাসত্ত্বেও এতে সম্মতি দেন। যদিও তাঁদের মনে মনে এই বিশ্বাস ছিল যে,শেষ পর্যন্ত নৌ-শক্তিই জাপানের পরাজয় নিশ্চিত করবে এবং বাস্তবেও তা-ই প্রমাণিত হয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ৫৯৮ * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অ্যাডমিরাল কিংকে তাঁর আরেকটি দীর্ঘদিনের বিশ্বাস কাজে লাগানোর সুযোগ করে দিয়েছিল। নেপোলিয়নিক যুদ্ধের ওপর তাঁর প্রাথমিক পড়াশোনা থেকে তিনি বুঝেছিলেন যে সেই আমলের ফরাসি সামরিক ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল প্রতিটি ছোটখাটো বিষয়ে স্বয়ং নেপোলিয়নের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানের প্রয়োজনীয়তা। কিংয়ের বিপরীত নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন; তিনি মনে করতেন অধীনস্থদের স্বাধীনভাবে কাজ করার জন্য প্রস্তুত করা উচিত। অ্যাডমিরাল মেয়োর সাথে দীর্ঘদিনের সাহচর্যে তাঁর এই বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কিং কৌতুক করে বলতেন যে, তিনি "অন্যকে দিয়ে করানো যায় এমন কোনো কাজ নিজে না করে" সুস্থ ও সচল আছেন। কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বলতে গেলে। অধীনস্থ কমান্ডারদের হাতে ক্ষমতার এই বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া তিনি যুদ্ধের ওই চার বছর টিকে থাকতে পারতেন না। ওই কমান্ডারদের ততক্ষণ পর্যন্ত যোগ্য বলে বিবেচনা করা হতো যতক্ষণ না তাঁরা নিজেদের অযোগ্য প্রমাণ করছেন এবং তাঁদের কাছ থেকে আশা করা হতো যে তাঁরা নিজেদের বিচারবুদ্ধি অনুযায়ী চিন্তা করবেন, সিদ্ধান্ত নেবেন এবং কাজ করবেন। প্রশান্ত মহাসাগরে নিমিৎস, ওয়াশিংটনে এডওয়ার্ডস, কুক এবং হর্ন, আটলান্টিকে ইঙ্গারসোল, লন্ডনে স্টার্ক এবং সমুদ্রে হ্যালসি, স্প্রুয়েন্স, কিনকাইড, হিউইট ও ইনগ্রামের মতো আরও অনেক ফ্ল্যাগ অফিসারের ওপর কিং গভীর আস্থা রেখেছিলেন এবং তাঁরা তাঁকে হতাশ করেননি। ** পৃষ্ঠা ৬৪৫ === জেমস বি. রেস্টন, ''প্রিলিউড টু ভিক্টরি'' (১৯৪২) === * যখন আমি শুনি যে মানুষ 'ফোর ফ্রিডমস' বা চারটি স্বাধীনতা নিয়ে উপহাস করছে এবং ভাবছে যে যুদ্ধ আসলে আদৌ কোনো কিছুর সমাধান করে কি না, তখন আমি অবাক হই। আমরা কি আজও এই যুদ্ধের বৈপ্লবিক প্রকৃতি বুঝতে পেরেছি? আমরা কি আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপকে এই পরীক্ষায় ফেলছি যে, এটি কি যুদ্ধ জয়ে সাহায্য করবে? আমাদের সামনে থাকা কাজের বিশালতা সম্পর্কে কি আমরা স্পষ্ট? আমরা কি উপলব্ধি করতে পারছি এই লড়াইয়ের বাজি কতটা বড়? ** পৃষ্ঠা ২৪ * আমরা এই সত্যগুলোকে স্বতঃসিদ্ধ বলে ধরে নিই যে সকল মানুষ সমানভাবে সৃষ্টি হয়েছে; তাদের স্রষ্টা তাদের কিছু সহজাত ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার প্রদান করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে জীবন, স্বাধীনতা এবং সুখ অন্বেষণের অধিকার।" এই দর্শনের চেয়ে বড় কোনো বৈপরীত্য কি সর্বগ্রাসী রাষ্ট্রগুলোর মৌলিক দর্শনের সাথে হতে পারে? এই রাষ্ট্রগুলো অনুচ্ছেদটির একটি সত্যকেও স্বীকার করে না। তারা অত্যন্ত জোরালোভাবে এগুলো অস্বীকার করে এবং তারা তরবারি হাতে তুলে নিয়েছে এটি প্রমাণ করতে যে, সকল মানুষ সমানভাবে সৃষ্টি হয়নি। বরং তারা মনে করে, তারা 'উন্নত জাতি' বা মাস্টার রেসেস এবং নিম্নতর মানুষদের শাসন ও নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার ও দায়িত্ব কেবল তাদেরই। তারা মানুষের কোনো "অবিচ্ছেদ্য অধিকারে" বিশ্বাস করে না। কেবল অস্ত্র ধারণ করা এবং 'ঈশ্বর-তুল্য রাষ্ট্র' বা গড-স্টেটের ইচ্ছা পূরণ করা ছাড়া। তারা মানুষকে কেবল তার স্বাধীনতা বা সুখ অন্বেষণ থেকেই বঞ্চিত করে না, বরং তার জীবনকেও তুচ্ছ জ্ঞান করে। ** পৃষ্ঠা ২৪-২৫ * স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে আরও বলা হয়েছেঃ "এই অধিকারগুলো নিশ্চিত করার লক্ষে মানুষের মধ্যে সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, যা শাসিতদের সম্মতির ভিত্তিতে তাদের ন্যায্য ক্ষমতা লাভ করে। যখনই কোনো শাসনব্যবস্থা এই লক্ষ্যগুলো ধ্বংস করতে উদ্যত হয়, তখনই জনগণের অধিকার থাকে সেই সরকারকে পরিবর্তন বা বিলুপ্ত করার এবং নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা করার। যার ভিত্তি হবে এমন সব মূলনীতি এবং যার ক্ষমতার বিন্যাস হবে এমন এক রূপে, যা জনগণের নিরাপত্তা ও সুখ নিশ্চিত করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে হবে।" এটি স্পষ্টতই সর্বগ্রাসী বিশ্বাসের সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর এক দর্শন। সেই সব একনায়কতান্ত্রিক সরকারগুলো তাদের জনগণের ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়নি। নাৎসি, জাপানি সামরিক জান্তা কিংবা ইতালির ফ্যাসিবাদীরা, কেউ-ই "শাসিতদের সম্মতির ভিত্তিতে তাদের ন্যায্য ক্ষমতা" লাভ করেনি। তাদের কনসেনট্রেশন ক্যাম্প এবং গণকবরগুলো এমন সব মানুষের লাশে পূর্ণ যারা বিদ্যমান শাসনব্যবস্থাকে পরিবর্তন বা বিলুপ্ত করা তো দূরের কথা, কেবল সমালোচনা করার দুঃসাহস দেখিয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ২৫ * আমরা যখন "আমাদের জীবনযাত্রার ধরন" তথা ''আওয়ার ওয়ে অফ লাইফ'' নিয়ে কথা বলি, তখন মূলত এই বিষয়গুলোই বোঝাতে চাই। আর এই যুদ্ধে ঠিক এই জিনিসগুলোই আজ চরম ঝুঁকির মুখে। কারণ জার্মানরা প্রতিটি গণতান্ত্রিক এবং [[:w:খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টীয়]] আদর্শকে অস্বীকার করেছে যা আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এবং এই মহান প্রজাতন্ত্রে সংরক্ষিত ও বিকশিত। গ্রিকরা আমাদের দিয়েছিল বৌদ্ধিক উদারতাবাদের ধারণা, [[:w:প্লেটো|প্লেটো]] দিয়েছিলেন যুক্তিবোধের ধারণা; অথচ নাৎসিরা তাদের বেঁচে থাকার অধিকারটুকুও স্বীকার করে না। যিশু আমাদের শিখিয়েছেন প্রেম ও দয়ার মতবাদ, কিন্তু জার্মানরা [[:w:যিশু|যিশুকে]] একজন ইহুদি হিসেবে তুচ্ছজ্ঞান করে এবং প্রেম ও দয়াকে নিয়ে বিদ্রূপ করে। ফরাসিরা ''স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের'' স্লোগানের মাধ্যমে গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের বিশ্বাসকে সুদৃঢ় করেছিল। অথচ জার্মানরা একে একটি ভণ্ডামিভরা স্লোগান হিসেবে প্রত্যাখ্যান করে। যেমনটি হিটলারের সহচর হ্যান্স ফন বুলো বলেছিলেন যে, এই স্লোগানকে তাদের "পদাতিক, অশ্বারোহী এবং গোলন্দাজ বাহিনীর প্রুশীয় বাস্তবতা" দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। রোমান এবং ব্রিটিশরা আমাদের শিখিয়েছিল "আইনের শাসন এবং চুক্তির পবিত্রতা"। আর এই মৌলিক গুণাবলি সম্পর্কে সর্বগ্রাসী একনায়ক শাসকরা কী ধারণা পোষণ করে, তা আমরা বহু বছর ধরেই জানি। আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই সকল সম্মানজনক আদর্শকে এক যোগ্য আবাস দিয়েছি এবং বিশ্বকে প্রমাণ করেছি যে, মুক্ত মনের নির্ভীক মানুষরা যখন সত্যের অন্বেষণ করে এবং ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে, তখন তারা কী অসামান্য অর্জন করতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * তবে আমাদের বুঝতে হবে যে, এই অর্জনগুলো কোনো চিরস্থায়ী বিষয় নয়। গণতন্ত্র কোনো পারিবারিক উত্তরাধিকার নয় যে একবার লাভ করলেই তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে গবর্নর উইনথ্রপ ডেস্কের মতো অবলীলায় হস্তান্তর করা যাবে। এটি "জীবনের মতোই এক সম্পদ যা প্রতিটি প্রজন্মকে নতুন করে অর্জন বা ক্রয় করতে হয়।" সহানুভূতি, যুক্তি এবং প্রকৃত গণতন্ত্র রাতারাতি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। নরওয়ের মতো এটি কোনো বিজেতা বা দখলদার দ্বারা ধ্বংস হতে পারে। আবার ফ্রান্সের মতো আমাদের নিজেদের স্বার্থপরতার কারণেও এটি আমাদের হাতছাড়া হতে পারে। প্রতিটি আমলা যারা সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে। প্রতিটি সংবাদপত্র প্রকাশক যারা ইচ্ছাকৃতভাবে সত্যকে গোপন, বিকৃত বা খাটো করে দেখায়। প্রতিটি কাণ্ডজ্ঞানহীন নাগরিক যারা নিজেদের কুসংস্কারকে লালন করে এবং অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি সহানুভূতি দিয়ে শুনতে অস্বীকার করে। তাদের প্রত্যেকের জানা উচিত যে, তারা প্রকৃতপক্ষে সেই আদর্শগুলোকেই বিপন্ন করছে যার জন্য আমরা লড়াই করছি। প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে এর আগে কখনো এই সত্যটি বোঝা এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেনি। কারণ যুদ্ধের সময় এই নীতিগুলো প্রায়শই ওপরমহলে একদল কর্মকর্তার মাধ্যমে হুমকির মুখে পড়ে যারা আমাদের জানার স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চায় এবং তৃণমূল পর্যায়ে এমন কিছু মানুষের দ্বারা যারা শত্রুর সামনে দাঁড়িয়েও নিজেদের কুসংস্কার বা গোষ্ঠীগত স্বার্থ ত্যাগ করতে পারে না। ** পৃষ্ঠা ৩৫–৩৬ * আমার মনে হয় এই সমস্যার মূল কারণ নিহিত রয়েছে সামরিক পরিস্থিতির মধ্যে। আমরা এই নজিরবিহীন দুঃসংবাদের মিছিল মোটেও পছন্দ করছি না; সারা বিশ্বে এভাবে কোণঠাসা হওয়াটাও আমাদের ভালো লাগছে না; তাই আমরা তিক্ততার সাথে প্রায় সব কিছু নিয়ে অভিযোগ করছি। কিন্তু ব্রিটিশরা কি এটি পছন্দ করছে? কিংবা রুশ, চীনা বা ডাচরা - যাদের আমাদের চেয়েও অনেক বেশি ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে? আমাদের মিত্রদের প্রতিকূল সমালোচনা আমাদের সামরিক পরিস্থিতির কোনো উন্নতি ঘটাবে না। সিঙ্গাপুরের পতন নিয়ে এখন অভিযোগ করে কোনো লাভ নেই; সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেছে। রাজা তৃতীয় জর্জ, বা গত বিশ্বযুদ্ধ, বা যুদ্ধের ঋণ, কিংবা হোয়াইটহল থেকে পাঠানো কিছু কর্মকর্তার অদ্ভুত বাচনভঙ্গি ও আচার-ব্যবহার নিয়ে পড়ে থাকাটা হবে আরও বেশি নিরর্থক। আমি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে পার্ল হারবার নিয়ে কোনো নেতিবাচক সমালোচনা দেখিনি (আমরা কী বলতাম যদি আলেকজান্দ্রিয়া বা জিব্রাল্টার বা স্কেপা ফ্লোতে তাদের এভাবে অপ্রস্তুত অবস্থায় ধরা হতো?); আমি ব্রিটিশ হাউজ অফ কমন্সে আমাদের নৌ-বিন্যাস বা আমাদের সেনাদলের আকার নিয়ে কোনো আক্রমণাত্মক কথা শুনিনি। ব্রিটিশদের অপ্রস্তুত অবস্থা নিয়ে বছরের পর বছর আমাদের সমালোচনা সত্ত্বেও, আমরা যে যুদ্ধের জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না—তা নিয়ে তাদের মধ্যে খুব কমই অভিযোগ দেখেছি। ** পৃষ্ঠা ১৬২–১৬৩ * তাহলে এখানে এত সমালোচনা কেন? আমরা এই যুদ্ধে কারো উপকার করছি না। এটি কোনো বীরত্ব প্রদর্শনের নিছক মহড়া নয়। রুশ এবং ব্রিটিশরা আমাদের জন্য ঠিক ততটাই করছে যতটা আমরা তাদের জন্য করছি। তাদের আমাদের অস্ত্র এবং সৈন্য প্রয়োজন। আর এই যুদ্ধে জয়ী হতে হলে আমাদের তাদের সাহায্য অত্যন্ত মরিয়াভাবে প্রয়োজন। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে যারা সবচেয়ে বেশি অভিযোগ করছে, তাদের কথা শুনলে আজ হয়তো আমাদের কোনো মিত্রই থাকত না। আমরা যদি চীন, [[:w:নেদারল্যান্ডস ইস্ট ইন্ডিজ|নেদারল্যান্ডস ইস্ট ইন্ডিজ]] (অথবা ডাচ ইস্ট ইন্ডিজ) এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ধ্বংসের বিষয়ে জাপানিদের সাথে হাত মেলাতে না চাইতাম, তবে আমাদের অবশ্যই পার্ল হারবারে আক্রান্ত হতে হতো। ৭ই ডিসেম্বরে আমাদের সামনে কেবল একটিই সম্মানজনক পথ খোলা ছিল এবং আমরা সেটিই বেছে নিয়েছি। আর এখন আমাদের সামনে কেবল একটিই সম্মানজনক পথ খোলা আছে—হয় সহায়ক হওয়া, নয়তো চুপ থাকা। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ {{Misattributed begin}} == ভুলভাবে আরোপিত উক্তি == * আমাদের কাছে আরও জাপানি পাঠাও! ** মিডিয়ার মাধ্যমে এই উক্তিটি লেফটেন্যান্ট কর্নেল জেমস পি. এস. ডেভোরোর ওপর আরোপ করা হয়েছিল, যখন তিনি ওয়েক দ্বীপের যুদ্ধে লড়ছিলেন। পল এফ. বোলার জুনিয়র এবং জন জর্জ রচিত 'দে নেভার সেইড ইট: এ বুক অফ ফেইক কোটস, মিসকোটস, অ্যান্ড মিসলিডিং অ্যাট্রিবিউশনস' (১৯৮৯), ২০ পৃষ্ঠাতে এটি বর্ণিত হয়েছে। ডেভোরো নিজে এই ধরণের কোনো উক্তি করার কথা অস্বীকার করে বলেছিলেন, "আমি এই ধরণের কোনো বার্তা পাঠাইনি। আমার জানামতে, এমন কোনো বার্তা আদৌ পাঠানো হয়নি। আমাদের মধ্যে কেউ এমন আহম্মক ছিল না যে এইসব কথা বলবে। সেখানে আমাদের সামলানোর সামর্থ্যের চেয়েও অনেক বেশি জাপানি সৈন্য ইতোমধ্যেই উপস্থিত ছিল।" {{Misattributed end}} == আরও দেখুন == * [[:w:প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]] * [[:w:পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] * [[:w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্র]] == বহিঃসংযোগ == * {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.fallen.io/ww2/ দ্য ফলেন অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু] — যুদ্ধের প্রাণহানি ও পরিসংখ্যানের আধুনিক ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন প্রজেক্ট। * [https://avalon.law.yale.edu/subject_menus/wwii.asp দ্য অ্যাভালন প্রজেক্ট (ইয়েল ল স্কুল)] - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দাপ্তরিক নথিপত্র ও কূটনৈতিক পত্রাবলির ডিজিটাল আর্কাইভ। * [https://www.americanrhetoric.com/speeches/phildavidsonWWII75thanniversary.htm আমেরিকান রেটরিক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ] - যুদ্ধের বিখ্যাত সব বক্তৃতাসমূহের অডিও এবং পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি। * [https://artsandculture.google.com/project/second-world-war গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ] - উচ্চ গুণসম্পন্ন নথিসমূহ, আলোকচিত্র এবং ভার্চুয়াল মিউজিয়াম ট্যুর। * [https://www.worldwar2.org.uk/ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ মেমোরিয়াল আর্কাইভ] - আধুনিক ডিজিটাল ইন্টারফেসে সাজানো যুদ্ধের উক্তি ও ঘটনার সংকলন। * [https://www.theatlantic.com/photo/categories/world-war-ii/ দি আটলান্টিস আর্কাইভ] - যুদ্ধের অডিও এবং ধারাবাহিকতার একটি আধুনিক অনলাইন ল্যাব। * [https://ww2db.com/ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু ডাটাবেজ (WW2DB) ] - ঐতিহাসিক ঘটনা, ব্যক্তি এবং যুদ্ধকালীন উক্তির একটি কালানুক্রমিক সংগ্রহশালা। * [https://www.iwm.org.uk/collections ইম্পেরিয়াল ওয়ার মিউজিয়াম কালেকশন] - সৈনিকদের ব্যক্তিগত ডায়েরি, চিঠি এবং বিরল আলোকচিত্রের ভাণ্ডার। * [https://encyclopedia.ushmm.org/ দ্য হলোকাস্ট এনসাইক্লোপিডিয়া] - হলোকাস্ট বা ইহুদি গণহত্যা এবং নাৎসি জার্মানির মানবিক বিপর্যয় সংক্রান্ত প্রামাণ্য দলিল ও জবানবন্দি। * [https://search.archives.gov/search?query=2nd+world+war&submit=&utf8=&affiliate=national-archives মার্কিন জাতীয় আর্কাইভ] - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক দলিলসমূহ। [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বযুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] rkqm9h6c6nir6viu39rv78oxgoo9s41 81644 81641 2026-04-27T13:44:12Z Oindrojalik Watch 4169 81644 wikitext text/x-wiki [[File:WW2 collage.jpg|thumb| [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] আলোকচিত্রের একটি কোলাজ।]] '''[[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]]''' ('''WWII''' অথবা '''WW2'''), যা '''দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ''' নামেও পরিচিত, ছিল ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৬ বছর ধরে স্থায়ী এক বৈশ্বিক যুদ্ধ। এতে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ, সবকটি মহাশক্তিসহ—জড়িত ছিল এবং তারা [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তি|মিত্রপক্ষ]] ও [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তি|অক্ষশক্তি]] নামক দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী [[:w:সামরিক জোট|সামরিক জোটে]] বিভক্ত হয়েছিল। এটি ছিল একটি সর্বাত্মক যুদ্ধ, যেখানে ৩০টিরও বেশি দেশের ১০ কোটিরও বেশি সামরিক সদস্য সরাসরি অংশ নেয়। প্রধান অংশগ্রহণকারী দেশগুলো তাদের সমগ্র অর্থনৈতিক, শিল্প এবং বৈজ্ঞানিক সক্ষমতাকে যুদ্ধ প্রচেষ্টায় নিয়োজিত করেছিল, যা বেসামরিক ও সামরিক সম্পদের মধ্যকার পার্থক্যকে মুছে দিয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত, যার ফলে ৭ থেকে ৮.৫ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়, যেখানে সামরিক বাহিনীর চেয়ে বেসামরিক নাগরিক নিহতের সংখ্যা ছিল অনেক বেশি। [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] (যার মধ্যে [[w:ইহুদি_গণহত্যা|ইহুদি গণহত্যা]] অন্তর্ভুক্ত), সুপরিকল্পিত [[w:দুর্ভিক্ষ|দুর্ভিক্ষ]] এবং মহামারীর কারণে কোটি কোটি মানুষ প্রাণ হারায়। এই সংঘাতে [[:w:দ্বিতীয়_বিশ্বযুদ্ধ#যুদ্ধ_শুরু|বিমানবাহিনী বড় ভূমিকা পালন করে]], যার মধ্যে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় কৌশলগত বোমাবর্ষণ এবং যুদ্ধে একমাত্র [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্রের]] ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত ছিল। == যুদ্ধের সূত্রপাত == === ১৯৩৩ === * ''Du bist nichts; dein Volk ist alles.'' * ''তুমি কিছুই নও; তোমার জনগণই তোমার সবকিছু।'' ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', ''রেডেন, শ্রিফ্টেন, আনোর্ডনুঙেন: ফেব্রুয়ারি ১৯২৫ থেকে জানুয়ারি ১৯৩৩'' (পৃষ্ঠা ৪০৩) === ১৯৩৬ === * '''আজ এটি আমাদের ওপর দিয়ে যাচ্ছে। আগামীকাল এটি তোমাদের ওপর দিয়ে যাবে।''' ** '''''প্রথম হাইলি সেলাসি''''', দ্বিতীয় ইতালি-অ্যাবিসিনিয়া যুদ্ধের সমাপ্তির পর; ''টাইম'' ম্যাগাজিনের [https://web.archive.org/web/20090615032515/http://www.time.com/time/magazine/article/0,9171,917777,00.html?iid=chix-sphere "দ্য লায়ন ইজ ফ্রিড"] নিবন্ধে উদ্ধৃত (৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫) === ১৯৩৮ === * আমরা উত্তরোত্তর এটিই অনুভব করছিলাম যে সমগ্র ইউরোপীয় পরিস্থিতির একটি বাস্তব সমাধানই কেবল স্পেনকে রক্ষা করতে সমর্থ হতে পারে, যদি প্রকৃতপক্ষে স্পেনকে রক্ষা করার মতো কোনো সুযোগ বা সম্ভাবনা অবশিষ্ট থেকে থাকে। লিওন ব্লুমের নেতৃত্বাধীন সরকার অন্ততপক্ষে ফরাসি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে স্পেনের বিদ্যমান গুরুত্বটুকু আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে নিয়েছিল। তবে দালাদিয়ে গোষ্ঠী কেবল তাদের নিজস্ব দেশীয় ঘরানার ফ্যাসিবাদীদের সাথেই জোটবদ্ধ হয়নি, বরং তারা বিদেশি চক্রের সাথেও অত্যন্ত নিবিড়ভাবে হাত মিলিয়েছিল; যেখানে জাতীয় পরিচয়ের তুলনায় শ্রেণীগত পরিচয়ই তাদের নিকট অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ ও মুখ্য হিসেবে পরিগণিত হয়েছিল। ফ্রান্স কেন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না—এটি তখন একটি সাধারণ ও গতানুগতিক বুলিতে পরিণত হয়েছিল। হিটলার এবং তার সহযোগীরা যদি স্পেনের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে তবে ফ্রান্স যে তিনটি ভিন্ন দিক থেকে কৌশলগতভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে, তা ফরাসি শাসকরা হয় লক্ষ্য করতে সমর্থ হয়নি অথবা তারা এই পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন ছিল। ফরাসি সাধারণ জনগণ মনে-প্রাণে আমাদের আদর্শের সাথে যুক্ত ছিল; তারা হাজার হাজার উপযুক্ত সন্তান এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদানের মাধ্যমে আমাদের সহায়তা করেছিল; কিন্তু ফ্রান্সের তৎকালীন শাসকরা ছিল আমাদের অবস্থানের সম্পূর্ণ প্রতিকূলে। তাদের মনে ফ্যাসিবাদীদের প্রতি কোনো প্রকার বিদ্বেষ ছিল না, কারণ আদর্শগতভাবে তারা নিজেরাও ছিল ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার অনুসারী। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৮০ * লোকজন বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট থেকে [[:w:স্পেন|স্পেনে]] গমন করেছিলেন, তবে সেখানে আমার সাক্ষাৎ হওয়া প্রায় প্রত্যেকটি মানুষের অন্তরালে একটি সাধারণ অস্থিরতা এবং একপ্রকার একাকীত্ব বিদ্যমান ছিল। সম্মুখ সমরে এই মানুষগুলো শৃঙ্খলিত বিবেকপ্রসূত এক চরম মরিয়াভাব নিয়ে অত্যন্ত ক্ষিপ্রতার সাথে যুদ্ধ পরিচালনা করতেন; কিন্তু ব্যক্তিগত আলাপচারিতার মুহূর্তে তাদের মধ্যে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি সত্তার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা যেত। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৮১-১৮২ * হিটলার এবং মুসোলিনি কখনোই তাদের প্রেরিত সেই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীকে ফিরিয়ে নেওয়ার সামর্থ্য রাখতেন না, যাদের সদস্য সংখ্যা আমাদের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি ছিল। এর পাশাপাশি এটি অস্বীকার করার আর কোনো অবকাশ ছিল না যে, ব্রিটিশ সরকার আসলে স্পেনকে সম্পূর্ণ শ্বাসরোধ করার প্রচেষ্টায় ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলোর এক নিভৃত ও নীরব অংশীদার হিসেবে অবস্থান করছিল; এবং আমরা বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম বিস্ময়কর ও চরম নির্লজ্জ ভণ্ডামির এক নজিরবিহীন প্রদর্শনী প্রত্যক্ষ করছিলাম। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৯২-১৯৩ * তারা বিশ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে শুরু করেছিল, সব এমনভাবে মিশে গিয়েছিল যে তারা কী করছিল তা বোঝা যাচ্ছিল না। তাদের প্রপেলারের তীব্র শব্দ আমাদের কানে এমনভাবে আসছিল যেন তারা ঠিক আমাদের মাথার ওপরেই আছে। একে একে তিনটি বিমান অগ্নিশিখায় পরিণত হয়ে নিচে পড়ে গেল, আর হঠাৎ করেই বসন্তের ফুলের মতো দুটি [[w:প্যারাশুট|প্যারাশুট]] আকাশে ফুটে উঠল এবং ধীরে ধীরে নিচে নামতে লাগল। স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল যে মানুষগুলো তাদের প্যারাশুটগুলো যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে রশিগুলো ধরে প্রবলভাবে টানছে এবং পেন্ডুলামের ন্যায় এদিক-ওদিক দুলছে, আর ঠিক সেই মুহূর্তে ফ্যাসিবাদীদের যুদ্ধবিমানগুলো তাদের দিকে তীব্র গতিতে ধাবিত হয়ে মেশিনগান দিয়ে গুলিবর্ষণের চেষ্টা করছিল। "জারজগুলো!" অ্যারন তীব্র ক্ষোভের সাথে বলে উঠল। "ওদের কর্মকাণ্ড একবার দেখো, কুলাঙ্গারের দল!" আমাদের পক্ষীয় দুটি বিমান তখন অবতরণরত সেই পাইলটদের সুরক্ষা প্রদানের নিমিত্তে তাদের চারপাশ দিয়ে ধীরে ধীরে বৃত্তাকারে চক্কর দিচ্ছিল। অ্যারন পুনরায় মন্তব্য করল, "এটি প্রকৃতপক্ষেই এক নরকতুল্য যুদ্ধ।" ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ২৬৯ * কুয়াশা থাকার অর্থ ছিল কোনো বিমানের উপস্থিতি না থাকা, যার ফলে আমরা বিশ্রাম গ্রহণ করতে পারতাম। গতকাল তারা সারাদিনব্যাপী সক্রিয় ছিল; তারা আমাদের পশ্চাৎভাগের পিনেল, আমাদের ডানদিকের করবেরা ও গ্যানদেসা অভিমুখী সড়ক এবং মোরা ও আমাদের যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বোমাবর্ষণ পরিচালনা করছিল। আমরা পাহাড়ের চূড়া থেকে তাদের দেখতে পাচ্ছিলাম, তারা এক ভয়াবহ সারিতে অত্যন্ত ধীরগতিতে এই ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে চক্কর দিচ্ছিল এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে বিশাল বর্গাকার এলাকা জুড়ে সামনে-পেছনে ও ওপর-নিচে তাদের বীজ বপন করছিল; যার ফলে দীর্ঘ সময় বায়ুমণ্ডল ধোঁয়া ও ধুলোয় পূর্ণ ছিল এবং বিস্ফোরণের নিরন্তর শব্দে প্রকম্পিত হচ্ছিল।<br>আমাদের 'পম-পম' গানগুলো তাদের লক্ষ্য করে অত্যন্ত করুণভাবে গুলি ছুড়ছিল। এটি মূলত একটি দীর্ঘ ও হালকা ধরণের বিমান বিধ্বংসী বন্দুক যা বেশ কার্যকর ছিল, কিন্তু আমাদের কাছে এগুলো সংখ্যায় এতই সামান্য ছিল যে তারা এগুলোর প্রতি বিন্দুমাত্র মনোযোগ প্রদান করেনি। পঁচাত্তরটি বিমান আমাদের সেই নগণ্য গোলাগুলির মধ্য দিয়ে অত্যন্ত বিরক্তিকর স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে উড়ে যাচ্ছিল; কিন্তু যখন আমাদের পক্ষীয় দশটি বিমান আবির্ভূত হতো তখন তাদের এমন এক অগ্নিবলয়ের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হতো যা শত শত একর আকাশকে কালো করে ফেলত।<br>এটি ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক, আর এই পরিস্থিতির জন্য আপনি [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্সকে]] ধন্যবাদ দিতে পারেন; আপনি ধন্যবাদ দিতে পারেন [[:w:যুক্তরাজ্য|ইংল্যান্ড]] এবং তার 'হস্তক্ষেপহীনতা কমিটিকে'; আপনি ধন্যবাদ দিতে পারেন [[:w:ইতালি|ইতালি]] ও [[:w:জার্মানি|জার্মানিকে]] এবং পরিশেষে আপনি বিশেষভাবে ধন্যবাদ দিতে পারেন [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] ও তার 'নিরপেক্ষতা' আইনকে, যা ফ্রাঙ্কোর নিকট হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে ইতালি ও জার্মানিতে মার্কিন নির্মিত যুদ্ধাস্ত্র বিক্রির অনুমতি প্রদান করেছিল। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ২৮২-২৮৩ * ইউরোপ থেকে ভেসে আসা সংবাদগুলো পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিকতর শোচনীয় ছিল; [[:w:যুক্তরাজ্য|ইংল্যান্ড]] এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]] [[:w:চেকোস্লোভাকিয়া|চেকোস্লোভাকিয়াকে]] খণ্ডবিখণ্ড করার বিষয়ে একমত হয়েছিল এবং দেশটির নিকট সমঝোতার একটি 'পরিকল্পনা' পেশ করেছিল। এই পরিকল্পনাটি ছিল চরম পর্যায়ের নীতিভ্রষ্ট: এতে সুডেটেন অঞ্চলগুলোর সরাসরি হস্তান্তর, বৃহৎ [[:w:জার্মানি|জার্মান]] জনসংখ্যা অধ্যুষিত অন্যান্য অঞ্চলগুলোর [[:w:স্বায়ত্তশাসন|স্বায়ত্তশাসন]], অন্য পরাশক্তিগুলোর মধ্যে বড় ধরণের সংঘাতের ক্ষেত্রে চেকোস্লোভাকিয়ার 'নিরপেক্ষকরণ', এবং ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] ও [[:w:ইতালি|ইতালির]] পক্ষ থেকে দেশটির সীমান্ত রক্ষার প্রথাগত 'নিশ্চয়তা' অন্তর্ভুক্ত ছিল। খুনিরাই মৃতদেহকে সম্মান জানানোর নিশ্চয়তা দিচ্ছিল!<br>আমরা বিশ্বাস করেছিলাম যে বর্তমান চেক সরকার এই শর্তগুলো কখনোই গ্রহণ করবে না। তাদের নিকট ছিল একটি শ্রেষ্ঠ সেনাবাহিনী; তাদের জনগণ বছরের পর বছর প্রকৃত [[:w:গণতন্ত্র|গণতন্ত্রের]] স্বাদ গ্রহণ করেছিল। তাদের ছিল একটি সমৃদ্ধ সমরাস্ত্র শিল্প যা যে কাউকেই ঈর্ষান্বিত করতে পারত (অনেকে করতও)। আর তাই আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম যে ফ্রান্স তার পূর্বের প্রতিশ্রুতিগুলো রক্ষা করবে এবং ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের জনগণের তীব্র ক্ষোভ তাদের নিজ নিজ মন্ত্রিসভার পতন ঘটাবে। কিন্তু আমাদের ধারণা ভুল ছিল। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ৩৩৬-৩৩৭ * এভাবে লাঠি থেকে গাজর, সব ধরনের কৌশল অবলম্বন করে, শীর্ণকায় অস্ট্রিয়ান গাধাটিকে দিয়ে [[:w:নাৎসিবাদ|নাৎসি]] ঠেলাগাড়িটিকে এক ক্রমাগত খাড়া পাহাড়ের দিকে টেনে নেওয়া হচ্ছে। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "দ্য রেপ অফ অস্ট্রিয়া" পত্র (৬ জুলাই, ১৯৩৮); চার্চিলের ''স্টেপ বাই স্টেপ, ১৯৩৬-১৯৩৯'' (১৯৩৯) গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত, পৃষ্ঠা ২৬২ * অসংখ্য আক্রমণকারী সৈন্য কেবল পৈশাচিক ধর্ষণের মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ না রেখে তারা নারীদের পেট পর্যন্ত চিরে ফেলত, তাদের স্তনগুলো কেটে ফেলত এবং অনেককে জীবন্ত অবস্থায় দেয়ালের সাথে পেরেক দিয়ে গেঁথে ফেলেছিল! পরিবারের অন্য সদস্যদের চোখের সামনেই পিতাদেরকে বাধ্য করা হয়েছে তাদের নিজ কন্যাদের উপর পাশবিকতা চালাতে এবং একইভাবে পুত্রদের বাধ্য করা হয়েছে তাদের মায়েদের ধর্ষণ করতে । কেবল মানুষকে জীবন্ত মাটি চাপা দিয়ে কবর দেওয়া, খোজা করা, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নৃশংসভাবে কেটে নেওয়া এবং শুধু জ্যান্ত মানুষকে নির্মমভাবে পুড়িয়ে মারাটাই তাদের দৈনন্দিন রুটিনে পরিণত হয়নি, বরং সেখানে এর চেয়েও অনেক বেশি পৈশাচিক ও অবর্ণনীয় নির্যাতন চালানো হয়েছিল। যেমনঃ অসহায় মানুষের জিহ্বায় ধারালো লোহার হুক গেঁথে তাদের নির্মমভাবে ঝুলিয়ে রাখা কিংবা কোমর পর্যন্ত মাটির গভীরে পুঁতে দিয়ে হিংস্র [[w:জার্মান শেফার্ড|জার্মান শেফার্ড কুকুর]] লেলিয়ে দিয়ে তাদের শরীর জীবন্ত ছিঁড়ে খেতে দেখা। এই দৃশ্যগুলো এতটাই বীভৎস ও অবর্ণনীয় ছিল যে শহরের মধ্যে অবস্থানরত নাৎসি কর্মকর্তারাও শেষ পর্যন্ত চরমভাবে আতঙ্কিত ও স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিল। ** '''''আইরিস চ্যাং''''', ''দ্য রেপ অফ নানকিং'' (১৯৯৭); অরভিল শেল কর্তৃক পর্যালোচিত, [https://www.nytimes.com/books/97/12/14/reviews/971214.14schellt.html "বেয়ারিং উইটনেস"], ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৭) * আমাদের সময়ের শান্তি। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', হেস্টন বিমানবন্দরে দেওয়া ভাষণ (৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৮); বিবিসির "অন দিস ডে" সিরিজের অন্তর্ভুক্ত [http://news.bbc.co.uk/onthisday/hi/dates/stories/september/30/newsid_3115000/3115476.stm ১৯৩৮: "পিস ফর আওয়ার টাইম"] * আমি বিশ্বাস করি যে উভয় পক্ষের মধ্যেই আন্তরিকতা এবং সদিচ্ছা রয়েছে। আমার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ইউরোপের শান্তিকামীতার জন্য কাজ করা... চেকোস্লোভাকিয়ার প্রশ্নটি ছিল সর্বশেষ এবং সম্ভবত সবচেয়ে বিপজ্জনক সমস্যা। এখন যেহেতু আমরা এটি পেরিয়ে এসেছি, আমি অনুভব করছি যে সুস্থিরতার পথে আরও অগ্রগামী হওয়া সম্ভব সম্ভব হতে পারে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', মিউনিখ সম্মেলনে (৩ অক্টোবর, ১৯৩৮) তার কর্মকাণ্ডের (চেকোস্লোভাকিয়ার জার্মানভাষী অঞ্চলগুলো জার্মানিকে দিয়ে দেওয়া সহ) সপক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', খণ্ড ৮৮, সংখ্যা ২৯৪৭৩ (৪ অক্টোবর, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৪ * এটি কতখানি ভয়াবহ, অবিশ্বাস্য এবং একটি অকল্পনীয় একটি বিষয় যে, আমাদের এই আপন ভূমিতে দূর দেশের এমন কিছু মানুষের মধ্যেকার এক বিবাদের কারণে খন্দক খনন করতে হচ্ছে এবং শ্বাসরোধকারী গ্যাস মাস্ক পরিধান করে প্রত্যক্ষ করতে হচ্ছে, বলতে গেলে আমরা তাদের ব্যাপারে কিছুই জানিনা।<br>এটি ভাবতেও আরও অনেক বেশি অসম্ভব ও অবাস্তব বলে মনে হয় যে, একটি বিবাদ যা কি না ইতিমধ্যেই নীতিগতভাবে প্রায় মিমাংসা হয়ে গিয়েছে, তা শেষ পর্যন্ত আমাদের জন্য যুদ্ধের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', লন্ডনে দেওয়া জাতীয় বেতার ভাষণ (২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৮); চেম্বারলেনের ''ইন সার্চ অফ পিস'' (১৯৩৯) গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত, পৃষ্ঠা ১৭৪। তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। * নিঃসন্দেহে অনেক মানুষ আন্তরিকভাবেই এটি বিশ্বাস করেন যে, তারা কেবল চেকোস্লোভাকিয়ার স্বার্থগুলোই বিসর্জন দিচ্ছেন। অথচ আমার আশঙ্কা হলো, আমরা অচিরেই দেখতে পাব যে আমরা [[:w:যুক্তরাজ্য|গ্রেট ব্রিটেন]] এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] নিরাপত্তা ও এমনকি স্বাধীনতাকে গভীরভাবে আপস করে ফেলেছি এবং সম্ভবত এক মারাত্মক বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছি।<br>আমি পূর্বানুমান করছি এবং ভবিষ্যদ্বাণী করছি যে, এই নতিস্বীকারের নীতি অদূর ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে বাকস্বাধীনতা ও বিতর্কের ওপর, জনসভার মঞ্চগুলোতে এবং সংবাদপত্রের মুক্ত আলোচনার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ বয়ে আনবে। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', হিটলারের প্রতি প্রধানমন্ত্রী চেম্বারলেনের তোষণ নীতির কড়া সমালোচনা করে ব্রিটিশ [[:w:যুক্তরাজ্যের সংসদ|পার্লামেন্টে]] দেওয়া ভাষণ; র‍্যান্ডলফ এস. চার্চিল সম্পাদিত ''ইনটু ব্যাটেল'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৫০ * কী এক হযবরল অবস্থা! আমাদের শত্রুরা যদি জানত যে আমরা সব কিছুকে কতটা তালগোল পাকিয়ে ফেলেছি! বেনেৎস লড়াই না করে এক মস্ত বড় বোকামি করেছেন! ** '''''ভাল্টার ফন রাইখেনাউ''''', চেকোস্লোভাকিয়ার সুডেটেনল্যান্ড অঞ্চলটি জার্মানিতে অন্তর্ভুক্ত করার পর কার্লসব্যাডের পার্ক হোটেলে (৩ অক্টোবর, ১৯৩৮); লিওনার্ড মোসলে রচিত ''অন বরোড টাইম: হাউ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু বিগান'' (১৯৬৪), পৃষ্ঠা ৭৮ গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ১৯৩৯ === * আমেরিকার সীমান্ত আজ [[:w:রাইন নদী|রাইন নদীর]] তীরে অবস্থিত। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]]''''', হোয়াইট হাউসে সামরিক বিষয়ক সিনেট কমিটির এক নির্বাহী অধিবেশনে (৩১ জানুয়ারি, ১৯৩৯) তাঁর প্রতি আরোপিত উক্তি; হুইটনি এইচ শেপার্ডসন এবং উইলিয়াম ও স্ক্রগস রচিত ''দ্য ইউনাইটেড স্টেটস ইন ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স'' (১৯৪০) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০৪। এই মন্তব্যের প্রতিবেদন মার্কিন বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং জার্মান সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল, অন্যদিকে ব্রিটিশ ও ফরাসিদের মনে এটি সাহসের সঞ্চার করেছিল। রুজভেল্ট এই মন্তব্যটিকে জোরালোভাবে অস্বীকার করেন এবং ৩ ফেব্রুয়ারির এক সংবাদ সম্মেলনে এটিকে একটি "ইচ্ছাকৃত মিথ্যা" বলে অভিহিত করেন। ''দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট'', ১৯৩৯' (১৯৪১), পৃ. ১১৩. প্রতিনিধি জন এ. মার্টিন সামরিক বিমান নির্মাণ সংক্রান্ত একটি আলোচনার সময় হাউসে তাঁর মন্তব্যে এই বিষয়টি উল্লেখ করেন: "রাষ্ট্রপতির একটি কথিত ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়ে একটি তুমুল বিতর্ক চলছে যে আমেরিকার সীমান্ত রাইন নদীর তীরে অবস্থিত। তিনি একথা বলুন বা না বলুন, আমেরিকার সীমান্ত রাইন নদীর তীরে এবং তার বাইরেও ছিল। একটি আমেরিকান সেনাবাহিনী জার্মানির মাটিতে পা রেখেছে। আমেরিকার সীমান্ত ইউরোপ, আফ্রিকা এবং এশিয়ার উপকূলে ছিল, যখন সেই উপকূলগুলো আজকের তুলনায় আমাদের থেকে অনেক বেশি দূরে ছিল"। ''কংগ্রেসনাল রেকর্ড'' (ফেব্রুয়ারি ১৪, ১৯৩৯), খণ্ড ৮৪, পৃষ্ঠা ১৩৯৪। * এটি সম্পূর্ণ অসত্য যে আমি, অথবা জার্মানির অন্য কেউ ১৯৩৯ সালে একটি যুদ্ধ চেয়েছিল। এই যুদ্ধটি কেবলমাত্র সেইসব আন্তর্জাতিক রাজনীতিবিদদের দ্বারা কাঙ্ক্ষিত এবং প্ররোচিত ছিল যারা হয় ইহুদি বংশোদ্ভূত ছিল, অথবা ইহুদিদের স্বার্থের জন্য কাজ করত... তিনি জার্মান জাতির অভিজাত শ্রেণীকে জানিয়েছিলেন 'সকল মানুষের বিশ্ব-বিষকার, আন্তর্জাতিক ইহুদিতন্ত্রের, বিরুদ্ধে নির্মম প্রতিরোধ গড়ে তুলতে'। ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', এইচ. আর. ট্রেভর-রোপার রচিত ''দ্য লাস্ট ডেইজ অফ হিটলার'', লন্ডন (১৯৫০) গ্রন্থে উদ্ধৃত। * [[:w:এনরিকো ফের্মি|ই. ফের্মি]] এবং [[:w:লিও জিলার্ড|এল. জিলার্ডের]] পরিচালিত সাম্প্রতিক কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও পাণ্ডুলিপি... আমাকে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে এই প্রত্যাশা করতে উদ্বুদ্ধ করেছে যে, অতি অদূর ভবিষ্যতে [[:w:ইউরেনিয়াম|ইউরেনিয়াম]] মৌলটি এক অভাবনীয় শক্তির নতুন এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রধান উৎসে পরিণত হতে পারে। উদ্ভূত বর্তমান পরিস্থিতির কিছু অত্যন্ত সংবেদনশীল দিক এখন বিশেষ সতর্কতার দাবি রাখে এবং প্রয়োজনবোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন বলে আমি গভীরভাবে মনে করি...।<br>বিগত মাত্র চার মাসের নিরবচ্ছিন্ন গবেষণার ফলে এখন এটি পুরোপুরি সম্ভবপর হয়ে উঠেছে যে, ইউরেনিয়ামের একটি নির্দিষ্ট ও বিশাল ভরের অভ্যন্তরে একটি নিয়ন্ত্রিত নিউক্লীয় শৃঙ্খল বিক্রিয়া বা চেইন রিঅ্যাকশন সফলভাবে তৈরি করা যেতে পারে, যার অভাবনীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বিধ্বংসী শক্তি উৎপন্ন হবে। বর্তমানে এখন এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রায় নিশ্চিত যে অদূর ভবিষ্যতে এই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা পুরোপুরি সম্ভব হবে।<br>এই অভাবনীয় নতুন বৈজ্ঞানিক ঘটনাটি অত্যন্ত শক্তিশালী মারণাস্ত্র বা বোমা তৈরির প্রশস্ত পথও উন্মোচন করতে পারে এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে এমনটি ভাবা যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত বলে প্রতীয়মান হয়। যদিও বর্তমানে কিছুটা কম নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে যে, এই নির্দিষ্ট প্রযুক্তির সাহায্যে বাস্তবে একটি নতুন ধরণের অভাবনীয় ও অত্যন্ত শক্তিশালী বোমা তৈরি করা পুরোপুরি সম্ভব কি না। এই ধরণের একটিমাত্র বিধ্বংসী বোমা, যা কোনো সাধারণ নৌকায় করে কৌশলগত কোনো বন্দরে নিয়ে গিয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটালে, তা অনায়াসেই পুরো বন্দর এলাকা এবং তার আশেপাশের বিশাল জনপদ মুহূর্তেই ধ্বংস করে দিতে পারে। তবে, প্রাথমিক অবস্থায় এই ধরণের মারণ বোমাগুলো আকাশপথে নিরাপদ পরিবহনের জন্য সম্ভবত অনেক বেশি ভারী বলে প্রমাণিত হতে পারে...।<br>উদ্ভূত এই বিশেষ পরিস্থিতির গুরুত্বের প্রেক্ষিতে আপনি হয়তো আপনার প্রশাসনের সাথে আমেরিকায় চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ে নিরলস কাজ করা নিবেদিতপ্রাণ পদার্থবিজ্ঞানীদের দলের একটি স্থায়ী ও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখা অত্যন্ত সমীচীন এবং দূরদর্শী পদক্ষেপ বলে মনে করবেন। ** পদার্থবিজ্ঞানী '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''' কর্তৃক প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টকে লেখা চিঠি (২ আগস্ট, ১৯৩৯; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার এক মাস আগে); যেখানে তিনি নাৎসি জার্মানি কর্তৃক পারমাণবিক বোমা তৈরির বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এটি পরবর্তীতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সূত্রপাত ঘটায়: <br>(১) নাৎসি জার্মানির সাথে যুদ্ধে লিপ্ত সকল দেশকে সাহায্য করার জন্য রুজভেল্টের প্রচেষ্টা, যাতে জার্মানি পারমাণবিক বোমা তৈরির আগেই তাদের পরাজিত করা যায়, এবং <br>(২) অত্যন্ত গোপনীয় "[[:w:ম্যানহাটন প্রকল্প|ম্যানহাটন প্রকল্প]]", যেখানে সরকার প্রকৃতপক্ষে পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য "আমেরিকার চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ে কাজ করা পদার্থবিজ্ঞানীদের দলের" সাথে একত্রে কাজ করেছিল। * পুরো ইউরোপ জুড়ে, না, বরং পুরো বিশ্ব জুড়েই একটি নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে...। হায়! এটি আসলে এক চরম উত্তেজনার নিস্তব্ধতা এবং অনেক দেশেই এটি এক ভয়াবহ আতঙ্কের নিস্তব্ধতা। শুনুন! না, মন দিয়ে শুনুন, আমি মনে হয় কিছু একটা শুনতে পাচ্ছি—হ্যাঁ, এটি বেশ স্পষ্ট ছিল। আপনারা কি শুনতে পাচ্ছেন না? এটি হলো কুচকাওয়াজের ময়দানের নুড়ি পাথর মাড়িয়ে ধেয়ে আসা বিশাল সেনাবাহিনীর পদধ্বনি, বৃষ্টিতে ভেজা কর্দমাক্ত মাঠ দিয়ে এগিয়ে চলা দুই মিলিয়নেরও বেশি জার্মান সৈন্য এবং এক মিলিয়নেরও বেশি ইতালীয় সৈন্যের ভারী বুটের শব্দ, যারা কেবল "মহড়া দিতে যাচ্ছে"—হ্যাঁ, শুধুই মহড়া! ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "এ হাশ ওভার ইউরোপ" (ইউরোপ জুড়ে নিস্তব্ধতা) শীর্ষক ভাষণ; লন্ডন থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে প্রচারিত (৮ আগস্ট, ১৯৩৯); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬১৫০। == যুদ্ধের শুরু == === ১৯৩৯ === [[File:The British Army in France 1940 F2441.jpg|thumb|right|এখন যেহেতু আমরা এটি শেষ করার সংকল্প করেছি, আমি জানি যে আপনারা সবাই শান্ত থেকে এবং সাহসের সাথে আপনাদের ভূমিকা পালন করবেন। ~ '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''']] * আমি ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে আপনাদের উদ্দেশ্যে বলছি। আজ সকালে বার্লিনে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত জার্মান সরকারকে একটি চূড়ান্ত নোট প্রদান করেছেন, যাতে বলা হয়েছে যে, যদি না আমরা বেলা ১১টার মধ্যে তাদের কাছ থেকে এই মর্মে কোনো নিশ্চয়তা পাই যে তারা অবিলম্বে [[:w:পোল্যান্ড|পোল্যান্ড]] থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করতে প্রস্তুত, তবে আমাদের মধ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হবে। আমাকে এখন আপনাদের জানাতে হচ্ছে যে, এ ধরণের কোনো প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি এবং এর ফলে এই দেশ এখন জার্মানির সাথে যুদ্ধে লিপ্ত। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) * তাঁর কর্মকাণ্ড চূড়ান্তভাবে এটিই প্রমাণ করে যে, এই ব্যক্তি নিজের ইচ্ছা চরিতার্থ করার জন্য শক্তি প্রয়োগের যে পথ বেছে নিয়েছেন, তা তিনি কোনোদিন ত্যাগ করবেন। এমন কোনো প্রত্যাশা করার সুযোগ নেই। তাঁকে কেবলমাত্র শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমেই থামানো সম্ভব। আজ আমরা এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]], আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে সেই [[:w:পোল্যান্ড|পোল্যান্ডের]] এর দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, যারা তাদের জনগণের ওপর এই জঘন্য এবং বিনা উস্কানিতে হওয়া আক্রমণের বিরুদ্ধে অত্যন্ত সাহসের সাথে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) * জার্মানির শাসকের দেওয়া কোনো কথা যখন আর বিশ্বাস করা যায় না এবং কোনো জাতি বা দেশ নিজেকে নিরাপদ মনে করতে পারে না—এমন একটি পরিস্থিতি আজ অসহনীয় হয়ে উঠেছে। এখন যেহেতু আমরা এটি শেষ করার সংকল্প করেছি, আমি জানি যে আপনারা সবাই শান্ত থেকে এবং অদম্য সাহসের সাথে আপনাদের নিজ নিজ ভূমিকা পালন করবেন। ** '''''[[w:নেভিল চেম্বারলেনhttps://bn.wikipedia.org/wiki/নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) * ঈশ্বর আপনাদের সবার মঙ্গল করুন এবং ন্যায়ের পক্ষকে রক্ষা করুন। কারণ আমরা আজ অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে যাচ্ছি। যা শুধু পাশবিক শক্তি, বিশ্বাসভঙ্গ, অন্যায়, নিপীড়ন এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়াই। আর আমি নিশ্চিত যে, এদের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত ন্যায়েরই জয় হবে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) === ১৯৪০ === * আমাদের এই দ্বীপের, আমাদের সাম্রাজ্যের এবং বস্তুতপক্ষে অপরাধীদের বাসস্থান ব্যতীত সারা বিশ্বের প্রতিটি বাড়ির কৃতজ্ঞতা সেই ব্রিটিশ বিমানসেনাদের প্রতি নিবেদিত, যাঁরা প্রতিকূলতায় অদম্য, নিরন্তর সংগ্রাম ও মরণপণ বিপদের মুখে অক্লান্ত থেকে নিজেদের বীরত্ব ও নিষ্ঠার দ্বারা বিশ্বযুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিচ্ছেন। এই মানব সংঘাতের ইতিহাসে এত অল্পসংখ্যক মানুষের কাছে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের এত বেশি ঋণ আর কখনও দেখা যায়নি। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:ব্রিটেনের যুদ্ধ|ব্রিটেনের যুদ্ধের]] সময় ব্রিটিশ হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (২০ আগস্ট, ১৯৪০); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬২৬৬। * '''আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব, আমরা ফ্রান্সে লড়াই করব, আমরা সমুদ্র ও মহাসাগরগুলোতে লড়াই করব, আমরা আকাশে ক্রমবর্ধমান আত্মবিশ্বাস ও ক্রমবর্ধমান শক্তি নিয়ে লড়াই করব, আমরা আমাদের দ্বীপকে রক্ষা করব, এর মূল্য যাই হোক না কেন। আমরা লড়াই করব সৈকতে, আমরা লড়াই করব অবতরণ ক্ষেত্রে, আমরা লড়াই করব মাঠে ও রাস্তায়, আমরা লড়াই করব পাহাড়ে। আমরা কখনোই আত্মসমর্পণ করব না। আর এমনকি যদি—যা আমি এক মুহূর্তের জন্যও বিশ্বাস করি না যে এই দ্বীপ বা এর বিশাল অংশ পরাধীন হয় এবং অনাহারে থাকে, তবে সমুদ্রের ওপারে আমাদের সাম্রাজ্য ব্রিটিশ নৌবহর দ্বারা সশস্ত্র ও সুরক্ষিত থেকে সংগ্রাম চালিয়ে যাবে। যতক্ষণ না ঈশ্বরের শুভ সময়ে এক নতুন বিশ্ব, তার সমস্ত শক্তি ও সামর্থ্য নিয়ে পুরাতন বিশ্বকে উদ্ধার ও মুক্ত করতে এগিয়ে আসছে।''' ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', ব্রিটিশ হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (৪ জুন, ১৯৪০)। এটি লক্ষ্য করা হয়েছে যে, এই ভাষণের সবচেয়ে বিখ্যাত অংশটি, যা "আমরা সৈকতে লড়াই করব" দিয়ে শুরু হয়ে "আমরা কখনোই আত্মসমর্পণ করব না" দিয়ে শেষ হয়েছে, তার প্রতিটি শব্দই [[:w:প্রাচীন ইংরেজি ভাষা|প্রাচীন ইংরেজি]] (অ্যাংলো-স্যাক্সন) থেকে উদ্ভূত; কেবল "সারেন্ডার" বা 'আত্মসমর্পণ' শব্দটি বাদে—যা প্রাচীন ফরাসি থেকে এসেছে। * আমার নিজের পূর্ণ আত্মবিশ্বাস রয়েছে যে, যদি সবাই তাদের কর্তব্য পালন করে, যদি কোনো কিছু অবহেলা না করা হয় এবং যদি সর্বোত্তম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। যেমনটি এখন করা হচ্ছে, তবে আমরা আবারও আমাদের দ্বীপ-মাতৃভূমিকে রক্ষা করতে, যুদ্ধের এই ঝড় কাটিয়ে উঠতে এবং স্বৈরাচারের হুমকিকে পরাস্ত করতে সক্ষম বলে নিজেদের প্রমাণ করবই; প্রয়োজনে বছরের পর বছর, দরকার হলে একাই। * জেনারেল ওয়েগাঁ যে সংঘাতকে অত্যন্ত যথাযথভাবে [[w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ফ্রান্সের সামরিক ইতিহাস|ফ্রান্সের যুদ্ধ]] বলে অভিহিত করেছিলেন, তার পরিসমাপ্তি ঘটেছে। আমি এখন দৃঢ়ভাবে আশা করছি যে, চূড়ান্ত ও নির্ণায়ক [[w:ব্রিটেনের যুদ্ধ|ব্রিটেনের যুদ্ধ]] অতি শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে। এই মহাযুদ্ধের ফলাফলের ওপর সমগ্র খ্রিস্টান সভ্যতার টিকে থাকা এবং ভবিষ্যৎ অস্তিত্ব নির্ভর করছে। এর ওপর সরাসরি নির্ভর করছে আমাদের নিজস্ব ব্রিটিশ জীবনধারা এবং আমাদের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ও সাম্রাজ্যের সুদীর্ঘ মহান ধারাবাহিকতা। শত্রুর পুঞ্জীভূত সমস্ত ক্রোধ ও ধ্বংসাত্মক শক্তি খুব শীঘ্রই আমাদের এই ভূখণ্ডের ওপর সজোরে আছড়ে পড়বে। হিটলার অত্যন্ত ভালোভাবেই জানে যে তাকে হয় এই দ্বীপে আমাদের সম্পূর্ণরূপে পরাস্ত করতে হবে, নয়তো তাকে এই মহাযুদ্ধে চূড়ান্ত হার মানতে হবে।<br>আমরা যদি সাহসের সাথে তাঁর বিরুদ্ধে ইস্পাতকঠিন সংকল্প নিয়ে রুখে দাঁড়াতে পারি, তবে অচিরেই সমগ্র ইউরোপ নাৎসিদের দাসত্ব থেকে মুক্ত হতে পারে এবং সমগ্র বিশ্বের জীবনপ্রবাহ এক বিস্তৃত, সূর্যালোকিত উচ্চভূমির দিকে সফলভাবে এগিয়ে যেতে পারে। কিন্তু যদি আমরা কোনোভাবে ব্যর্থ হই, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সমগ্র বিশ্ব এবং আমরা যা কিছু জানি ও হৃদয়ে পরোয়া করি, তার সবই এক ভয়াবহ নতুন অন্ধকার যুগের অতল গহ্বরে চিরতরে তলিয়ে যাবে। যা বিকৃত বিজ্ঞানের অশুভ আলোকচ্ছটায় আরও অনেক বেশি পৈশাচিক এবং সম্ভবত ইতিহাসের দীর্ঘস্থায়ী এক নরক হবে। তাই আসুন আমরা আমাদের পবিত্র কর্তব্যে অবিচল থাকি এবং নিজেদের এমন আদর্শিকভাবে পরিচালিত করি যেন, যদি [[:w:ব্রিটিশ সাম্রাজ্য|ব্রিটিশ সাম্রাজ্য]] এবং তার [[:w:কমনওয়েলথ অফ নেশনস|কমনওয়েলথ]] আরও হাজার বছর মহিমায় টিকে থাকে, তবে অনাগত ভবিষ্যতের মানুষ যেন আজও বলে, "এটিই ছিল তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সময়।" ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (১৮ জুন, ১৯৪০) * ফ্রান্স একটি যুদ্ধে হেরেছে, কিন্তু ফ্রান্স এই পুরো যুদ্ধে হারেনি। ** '''''[[:w:শার্ল দ্য গোল|শার্ল দ্য গোল]]''''', মুক্ত ফরাসি বাহিনীর নেতা, [[:w:১৮ জুনের আবেদন|১৮ জুনের আবেদনে]]। * আমি সেই ঐতিহাসিক জুন মাসে বিজয়ী জার্মান সেনাবাহিনীর পিছু পিছু বিধ্বস্ত প্যারিসে প্রবেশ করেছিলাম... এবং ১৯ জুন হিটলার ঠিক কোথায় তাঁর সুনির্দিষ্ট যুদ্ধবিরতির শর্তাবলী পেশ করতে যাচ্ছেন, সেই গোপন খবরটি পাই। এটি ঠিক সেই একই ঐতিহাসিক স্থানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছিল যেখানে ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর পতনোন্মুখ জার্মান সাম্রাজ্য ফ্রান্স এবং তার মিত্রশক্তির কাছে বিনাশর্তে আত্মসমর্পণ করেছিলঃ কম্পিয়েন অরণ্যের সেই নির্জন ও ছোট্ট একটি খোলা জায়গায়। সেখানে নাৎসি যুদ্ধবাজ তাঁর দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত প্রতিশোধ চরিতার্থ করতে যাচ্ছিলেন... ১৯ জুনের শেষ বিকেলে আমি সেখানে গাড়ি চালিয়ে যাই এবং সবিস্ময়ে দেখতে পাই জার্মান সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়াররা ১৯১৮ সালে মহাযুদ্ধ শেষ হওয়া সেই স্মৃতিবিজড়িত রেলগাড়িটি] জাদুঘর থেকে টেনে বের করে এনে অরণ্যের ঠিক মাঝখানে সেই নির্দিষ্ট স্থানে পুনঃস্থাপন করছে। তাদের নিখুঁত হিসাব মতে, ১৯১৮ সালের নভেম্বরের সেই কুয়াশাচ্ছন্ন ভোর ৫টায় এটি ঠিক এখানেই দাঁড়িয়ে ছিল, যখন ফরাসি মার্শাল ফের্দিনঁ ফশের কঠোর নির্দেশে জার্মান প্রতিনিধিরা গ্লানিময় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।<br>এবং এভাবেই ২১ জুন বিকেলে আমি কম্পিয়েন অরণ্যের প্রান্তে দাঁড়িয়ে স্বয়ং হিটলারের সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক বিজয় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করি। আমি একদৃষ্টিতে হিটলারের মুখের প্রতিটি অভিব্যক্তি তীক্ষ্ণভাবে লক্ষ্য করছিলাম। আমি তাঁর অবস্থান থেকে মাত্র পঞ্চাশ গজ দূরে ছিলাম এবং শক্তিশালী দূরবীন দিয়ে তাঁকে এমনভাবে দেখছিলাম যেন তিনি ঠিক আমার সামনেই রক্ত-মাংসের শরীরে দাঁড়িয়ে আছেন। আমি তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের অনেক বড় বড় মাহেন্দ্রক্ষণে সেই পরিচিত মুখটি বারবার দেখেছি। কিন্তু আজ! চরম ঘৃণা, তীব্র ক্রোধ, অন্ধ বিদ্বেষ, প্রতিশোধের নেশা আর বিজয়ের উন্মাদনায় সেই মুখটি যেন এক পৈশাচিক তেজে জ্বলছে। ** মার্কিন যুদ্ধ সংবাদদাতা '''''উইলিয়াম এল. শায়রার''''', তাঁর ''দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য থার্ড রাইখ'' (১৯৬০) গ্রন্থে। * হিটলার তাঁর অধীনে থাকা সমস্ত ভয়াবহ শক্তি দিয়ে আঘাত হানছেন। এটি তাঁর এক বেপরোয়া বাজি, আর এর বাজিটি হলো সমগ্র মানবজাতির ওপর আধিপত্য বিস্তার করা।<br>যদি হিটলার ইউরোপে জয়ী হন, তবে ব্রিটিশ ও ফরাসি সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর শক্তি চিরতরে ভেঙে পড়বে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে এক বর্বর পৃথিবীতে একা খুঁজে পাবে। যে পৃথিবী শাসিত হবে নাৎসিদের দ্বারা, যেখানে তাদের সর্বগ্রাসী মিত্রদের জন্য 'প্রভাববলয়' নির্ধারিত থাকবে। জাতিগতভাবে এই একনায়কতন্ত্রগুলো ভিন্ন হতে পারে, তবে তারা সবাই একটি প্রাথমিক লক্ষ্যে একমত: 'গণতন্ত্রকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলতে হবে।'...<br>যুদ্ধ থেকে দূরে থাকার ইচ্ছা পোষণ করা, আধুনিক যুদ্ধের অবর্ণনীয় নরক থেকে, ডাইভ বোমারু বিমান এবং অগ্নিবর্ষণকারী ট্যাঙ্ক থেকে আমাদের তরুণ সমাজকে রক্ষা করার ইচ্ছার মধ্যে লজ্জার কিছু নেই।<br>কিন্তু যারা বর্তমানে আমাদের এবং এই নরক সৃষ্টিকারীদের মাঝে দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, তাদের সাহায্য করতে আমাদের ব্যর্থতা কি আত্মঘাতী উন্মাদনার প্রমাণ নয়? ** 'কমিটি টু ডিফেন্ড আমেরিকা'র একটি সংবাদপত্র বিজ্ঞাপন, যাদের আদর্শ প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের সাথে হুবহু মিলে যেত; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১০ জুন, ১৯৪০), পৃষ্ঠা ৩৬ এল। * মিত্রপক্ষকে যুদ্ধ ব্যতিরেকে সমস্ত ধরণের সাহায্য প্রদান। ** প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক নিরপেক্ষতার নতুন সংজ্ঞা; বার্টন কে. হুইলারের বর্ধিত মন্তব্য (৭ জুন, ১৯৪০), যা ''অ্যাপেন্ডিক্স টু দ্য কংগ্রেসনাল রেকর্ড: ৭৬তম কংগ্রেস, ৩য় অধিবেশন'', খণ্ড ৮৬, অংশ ১৬ (৬ জুন, ১৯৪০ - ৬ আগস্ট, ১৯৪০), ৩৬৭৭ পৃষ্ঠায় মুদ্রিত। * আমাদের অবশ্যই গণতন্ত্রের এক বিশাল অস্ত্রাগার বা শক্তি হয়ে উঠতে হবে। ** ১৯৪০ সালের মে-জুন মাসে জার্মানির কাছে ফ্রান্সের পরাজয়ের পর ব্রিটিশদের অস্ত্র সরবরাহ করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|রুজভেল্ট]]'''''; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৩০ ডিসেম্বর, ১৯৪০), পৃষ্ঠা ৬ এল। * প্রথমে তারা অংশ নিতে ভয় পেয়েছিল, চরম ভীরুতা দেখিয়েছিল। আর এখন তারা তাড়াহুড়ো করছে যাতে লুটের মালের ভাগ বসাতে পারে। ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', ১৯৪০ সালের ১০ জুন ফ্রান্স ও গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ইতালির যুদ্ধ ঘোষণার প্রেক্ষাপটে; [[:w:মার্টিন গিলবার্ট|মার্টিন গিলবার্ট]] রচিত ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার: এ কমপ্লিট হিস্ট্রি'' (২০০৪), পৃষ্ঠা ৯০। * ১৯৪০ সালের জুনের এই দশম দিনে, যে হাতটি ছুরি ধরেছিল, সেটি তার প্রতিবেশীর পিঠে সেই ছুরিটি বসিয়ে দিয়েছে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]]''''', ১৯৪০ সালের ১০ জুন ফ্রান্স ও ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ইতালির যুদ্ধ ঘোষণার প্রেক্ষাপটে; মার্টিন গিলবার্ট রচিত ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার'' (২০০৪), পৃষ্ঠা ৯০। * আমি এটি আগেও বলেছি, তবে আমি আবারও বারবার বলবঃ আপনাদের সন্তানদের কোনো বিদেশি যুদ্ধে পাঠানো হবে না। ** পুনর্নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রেসিডেন্ট '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|রুজভেল্ট]]''''' কর্তৃক প্রদত্ত বক্তব্য; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৩১ অক্টোবর, ১৯৪০), পৃষ্ঠা ১৪ এল+। * এই হত্যাকাণ্ড তার নিজের ইচ্ছামতো চলতে পারে, তবে এটি পশ্চিমা শক্তিগুলোর এক ঐতিহাসিক অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে যে, জার্মানি যে অবিরাম আক্রমণাত্মক রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছিল, তার বিরুদ্ধে তারা অবিলম্বে কঠোরতম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এর জন্য অনেক সুযোগ বিদ্যমান ছিল, কিন্তু কোনো পদক্ষেপই গ্রহণ করা হয়নি। ** '''''ফ্রিডরিখ কেলনার''''', জার্মানির প্রধান বিচার পরিদর্শক; ১৯৪০ সালের ২৯ মে তাঁর ডায়েরির পাতায় এই আক্ষেপ প্রকাশ করেন। * আমি আমেরিকায় বড় হওয়া এক মানুষ,<br>আমি এখানে ঘৃণা করার মতো অনেক কিছু দেখেছি, অনেক কিছু ক্ষমাও করেছি,<br>কিন্তু এমন এক পৃথিবীতে যেখানে ইংল্যান্ড নিঃশেষ এবং মৃত,<br>সেখানে আমি বেঁচে থাকতে চাই না। ** '''''অ্যালিস ডুয়ের মিলার''''', ''দ্য হোয়াইট ক্লিফসের'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৪০) শেষ পঙক্তিমালা। === ১৯৪১ === * আমাদের শুধু সরঞ্জামগুলো দিন, বাকি কাজটুকু আমরাই শেষ করব। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', লন্ডনে প্রচারিত বেতার ভাষণ (৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪১); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬৩৫০। * আমাদের ত্যাগের মানসিকতার চেয়ে ভোগবিলাসের আকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল। আমরা দেওয়ার চেয়ে পাওয়ার দিকেই বেশি আগ্রহী ছিলাম। আমরা পরিশ্রমকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি, যার ফলশ্রুতিতে এই মহাবিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে। ** '''''ফিলিপ পেত্যাঁ'''''; ১৯৪১ সালের মে মাসে 'নেশনস বিজনেসে' প্রকাশিত হ্যাটন ডব্লিউ সামারসের "ডেঞ্জার: মেন নট অ্যাট ওয়ার্ক!" শীর্ষক নিবন্ধের ক্যাপশনে তাঁর প্রতি এই উক্তিটি আরোপ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, "ফরাসিরা মার্শাল পেত্যাঁ-র কণ্ঠে হারানো ফ্রান্সের প্রতি এই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সঙ্গীতটি শুনেছে।" * লেন্ড-লিজ নীতিটি যখন শেষ পর্যন্ত আইনগত রূপ পরিগ্রহ করল, তখন এটি গ্রেট ব্রিটেনের প্রতি পূর্ণ সহমর্মী আমেরিকান কংগ্রেস এবং সমগ্র জাতিকে এক প্রকার স্তব্ধ ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় করে দিয়েছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কাইজার ভিলহেল্মের পক্ষ থেকে অস্ট্রিয়া-হাঙ্গারিকে দেওয়া সেই বহুল আলোচিত ব্লাঙ্ক চেক বা অবারিত সুযোগটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এই প্রেক্ষাপটে রুজভেল্টের দেওয়া বর্তমান ব্লাঙ্ক চেকের কাছে নিতান্তই নস্যি মাত্র। এটি আমেরিকার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার মনের মধ্যে থাকা চরম আশঙ্কাকেই শেষ পর্যন্ত নির্মমভাবে সত্য প্রমাণ করেছে এবং অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বর্তমান প্রেসিডেন্টকে এক ভয়ংকর যুদ্ধবাজ হিসেবে বিশ্বমঞ্চে চিহ্নিত করেছে...।<br>আমেরিকান সাধারণ জনগণকে এর আগে ইতিহাসের আর কোনো পর্যায়েই তাদের কষ্টার্জিত করের অর্থ অন্য কোনো দেশকে অকাতরে দেওয়ার জন্য এমন নজিরবিহীনভাবে বাধ্য করা হয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসকে এর আগে কোনো প্রেসিডেন্ট কখনও এভাবে প্রকাশ্যে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করার ধৃষ্টতাপূর্ণ অনুরোধ জানাননি। এই মহান জাতি আগে কখনও তাদের বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এমন দ্বিমুখী ও দ্বিচারিতামূলক আচরণের নির্লজ্জ আশ্রয় গ্রহণ করেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর আগে কখনও একক কোনো ব্যক্তির খেয়ালি হাতের মুঠোয় দেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করার এমন অপ্রতিহত ক্ষমতা তুলে দেয়নি।<br>এই বিতর্কিত আইন অনুমোদনের প্রকৃত অর্থ হলো সরাসরি যুদ্ধের পথে পা বাড়ানো, যা হবে এক উন্মুক্ত এবং সর্বাত্মক বিনাশী যুদ্ধ। তাই আমেরিকান জনগণ এটি মুখ বুজে নিঃশব্দে মেনে নেওয়ার আগে আমি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তাদের কাছে একটি মৌলিক প্রশ্ন করতে চাই যে 'গত রক্তক্ষয়ী বিশ্বযুদ্ধটি কি আদৌ কোনোভাবে সার্থক ছিল?'<br>যদি সেই যুদ্ধ সার্থক হয়েই থাকে, তবে আমাদের অবশ্যই বর্তমান যুদ্ধ উপকরণগুলো নির্দ্বিধায় ধার দেওয়া উচিত। যদি সার্থক হয়ে থাকে, তবে আমাদের প্রাণপ্রিয় আমেরিকান সন্তানদেরও যুদ্ধের ময়দানে একইভাবে ধার দেওয়া উচিত। প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে ইংল্যান্ড ভবিষ্যতে আমাদের এই সমস্ত ঋণ পরিশোধ করবে। হ্যাঁ, আমি নিশ্চিতভাবে বলছি তারা অবশ্যই ঋণ পরিশোধ করবে...।<br>আমাদের ছেলেরা একদিন ঠিকই ফিরে আসবে। হয়তো কাঠের কফিনে করে প্রাণহীন দেহে, হয়তো সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে, অথবা উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিধ্বংসী কামানের গোলার আর্তনাদ আর শিউরে ওঠা বিভীষিকাময় দৃশ্য দেখে বিকৃত মস্তিষ্কে তারা আপন ঘরে ফিরে আসবে! ** মন্টানার মার্কিন সিনেটর '''''বার্টন কে. হুইলার''''', লেন্ড-লিজ আইনের বিরোধিতা করে; ''কংগ্রেসনাল রেকর্ড: ৭৭তম কংগ্রেস'', খণ্ড ৮৭, অংশ ১০, পরিশিষ্ট (২১ জানুয়ারি, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ১৭৮-১৭৯। * আমি জানি যে যখন আমি বলব, জেতার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ না থাকলে আমাদের যুদ্ধে জড়ানো উচিত নয়। তখনই আমেরিকার হস্তক্ষেপবাদীদের দ্বারা আমি তীব্রভাবে সমালোচিত হব। হস্তক্ষেপবাদীরা যখন ফ্রান্সকে জিগফ্রিড লাইনে আক্রমণ করতে প্ররোচিত করেছিল, তখন তারা যতটা অপ্রস্তুত ছিল, আমরা আজও ঠিক ততটাই অপ্রস্তুত...।<br>একজন আমেরিকান নাগরিক হিসেবে এই যুদ্ধকে বস্তুনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং যুদ্ধে অবতীর্ণ হলে আমাদের সফলতার সম্ভাবনা যাচাই করা কেবল আমাদের অধিকারই নয়, বরং আমাদের দায়িত্ব। আমি বিশেষ করে বিমান চালনার দৃষ্টিকোণ থেকে এটি করার চেষ্টা করেছি। এবং আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে বাধ্য হয়েছি যে আমরা ইংল্যান্ডকে যতোই সাহায্য করি না কেন, তাদের হয়ে আমরা এই যুদ্ধে জিততে পারব না। ** '''''[[:w:চার্লস লিন্ডবার্গ|চার্লস এ. লিন্ডবার্গ]]''''', লেন্ড-লিজ আইনের বিরোধিতা করে; ''কংগ্রেসনাল রেকর্ড: ৭৭তম কংগ্রেস'', খণ্ড ৮৭, অংশ ১১, পরিশিষ্ট (৭ মে, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ২১৫৩। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাননীয় প্রেসিডেন্ট এবং হিজ মেজেস্টি’স গভর্নমেন্টের পক্ষে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মিস্টার চার্চিলের এই বিশেষ যৌথ ঘোষণা...।<br>প্রথমত, তাঁদের সংশ্লিষ্ট দেশসমূহ ভবিষ্যতে কোনো প্রকার আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার বা অন্য কোনো রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি বা সীমানা বিস্তার কামনা করে না।<br>দ্বিতীয়ত, তাঁরা ভূখণ্ডগত এমন কোনো আকস্মিক পরিবর্তন দেখতে চান না যা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সাধারণ জনগণের স্বাধীনভাবে ব্যক্ত করা ইচ্ছার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।<br>তৃতীয়ত, তাঁরা বিশ্বের সকল জাতির নিজেদের স্বাধীন পছন্দমতো নিজস্ব শাসনব্যবস্থা ও রাষ্ট্রকাঠামো নির্বাচনের মৌলিক অধিকারকে সর্বোচ্চ সম্মান জানান।<br>চতুর্থত, তাঁরা বিদ্যমান আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতাগুলোর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনপূর্বক বিশ্ববাণিজ্য এবং বিশ্বের প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর বড়-ছোট, বিজয়ী কিংবা বিজিত নির্বিশেষে সকল রাষ্ট্রের সমানাধিকার নিশ্চিত করার আপ্রাণ চেষ্টা করবেন।<br>পঞ্চমত, তাঁরা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিশ্বের সকল জাতির মধ্যে এক পূর্ণাঙ্গ ও সুষম সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে বিশেষভাবে আগ্রহী...।<br>ষষ্ঠত, নাৎসি জার্মানির চূড়ান্ত ও পূর্ণাঙ্গ ধ্বংসের পর তাঁরা এমন এক বিশ্বজনীন শান্তি ব্যবস্থা দেখতে চান যা প্রতিটি স্বাধীন জাতিকে তাদের নিজ নিজ ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে নিরাপদে বসবাসের অবারিত সুযোগ করে দেবে...।<br>সপ্তমত, ভবিষ্যতে এমন এক আধুনিক শান্তি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত যা প্রতিটি মানুষকে কোনো প্রকার বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই মুক্ত সমুদ্র ও মহাসাগরগুলোতে অবাধে যাতায়াতের নিরাপত্তা দেবে।<br>অষ্টমত, তাঁরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে বাস্তবসম্মত ও আধ্যাত্মিক, উভয়বিধ অনিবার্য কারণেই বিশ্বের সকল জাতিকে ভবিষ্যতে পাশবিক শক্তির ব্যবহার সম্পূর্ণ বর্জন করতে হবে...। তাঁরা মনে করেন, একটি বিস্তৃত ও স্থায়ী সাধারণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই আগ্রাসী দেশগুলোর সামরিক নিরস্ত্রীকরণ একান্ত অপরিহার্য।” ** '''''[[:w:আটলান্টিক সনদ|আটলান্টিক সনদ]]''''', ১৯৪১ সালের আগস্টে নিউফাউন্ডল্যান্ডের উপকূলে দুটি যুদ্ধজাহাজে বসে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট এবং প্রধানমন্ত্রী চার্চিল কর্তৃক প্রণীত। * আমি যখন তাদের [ফরাসিদের] সতর্ক করেছিলাম যে তারা যা-ই করুক না কেন ব্রিটেন একাই লড়াই চালিয়ে যাবে। তখন তাদের জেনারেলরা তাদের প্রধানমন্ত্রী এবং দ্বিধাবিভক্ত মন্ত্রিসভাকে বলেছিলেন, "তিন সপ্তাহের মধ্যে মুরগির বাচ্চার মতো ইংল্যান্ডের ঘাড় মটকে দেওয়া হবে।" কী অদ্ভুত সেই মুরগি! আর কী অদ্ভুত তার ঘাড়! ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', কানাডার অটোয়ায় কানাডীয় পার্লামেন্টের এক যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণ (৩০ ডিসেম্বর, ১৯৪১); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬৫৪৪। == দ্য ব্লিটজ (লন্ডনে বিমান হামলা) == === ১৯৪১ === * ''আমরা কী কেউ বেদনাদায়ক ব্লিটজ এবং সেই অগ্নিকাণ্ডের কথা মনে রাখিনি?'' ''সেই—<br>লাল নীলের মাঝে কালিমালিপ্ত মুখের বর্বর বাহিনী,<br>বিপন্ন সেন্ট পলস এবং হুনদের (জার্মানদের) পুনরায় ফিরে আসা,<br>সকল দানবীয় ট্যাঙ্ক আর অর্ধ রজনীতে ভেঙে যাওয়া আশা।'' ** ব্রিটিশ লেখক '''''এ. পি. হার্বার্ট''''', এরিক কেনিংটনের একটি পোস্টার থেকে (১৯৪৪), ''বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৪ এপ্রিল, ২০২৬)। "কালিমালিপ্ত মুখগুলোর বাহিনী" বলতে লন্ডন ফায়ার ব্রিগেডকে বোঝানো হয়েছে। == পূর্ব রণাঙ্গন == === ১৯৪১ === * আমাদের শুধু দরজায় একটা লাথি মেরে খুলতে হবে, তাহলেই এই পচা কাঠামোটি হুড়মুড় করে ভেঙে পড়বে। ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়ন]] আক্রমণের প্রস্তাব (যা [[w:অপারেশন_বারবারোসা|অপারেশন বারবারোসা]] নামে পরিচিত) নিয়ে জোডলের সাথে কথোপকথনের সময়; চেস্টার উইলমট রচিত ''দ্য স্ট্রাগল ফর ইউরোপ'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৫২), পৃষ্ঠা ৭২। * এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, ইউরোপে দ্বিতীয় কোনো রণাঙ্গন বা 'সেকেন্ড ফ্রন্ট' না থাকা জার্মান সেনাবাহিনীর অবস্থানকে অনেকটাই স্বস্তিদায়ক করে তুলেছে। আবার এতেও কোনো সন্দেহ নেই যে, ইউরোপ মহাদেশে দ্বিতীয় একটি রণাঙ্গনের আবির্ভাব, যা নিঃসন্দেহে অদূর ভবিষ্যতে ঘটবে। জার্মান সেনাবাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে আমাদের সেনাবাহিনীগুলোর অবস্থানকে উল্লেখযোগ্যভাবে স্বস্তি দেবে। ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''', মস্কো থেকে প্রচারিত বেতার ভাষণ (৬ নভেম্বর, ১৯৪১); ''ভাইটাল স্পিচেস অফ দ্য ডে'' (১ ডিসেম্বর, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ১০২। * কমরেডগণ, রেড আর্মি ([[w:লাল_ফৌজ|লাল ফৌজ]]) ও রেড নেভি ([[w:সোভিয়েত_নৌবাহিনী|সোভিয়েত নৌবাহিনী]]) সদস্যগণ, কমান্ডার ও রাজনৈতিক নির্দেশকগণ, গেরিলা পুরুষ ও নারীগণ! সমগ্র বিশ্ব আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে এমন এক শক্তি হিসেবে, যারা জার্মান আক্রমণকারীদের দস্যুবাহিনীকে ধ্বংস করতে সক্ষম। জার্মান দখলদারদের জোয়ালের নিচে পিষ্ট ইউরোপের শৃঙ্খলিত জাতিগুলো আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে তাদের মুক্তিদাতা হিসেবে। মুক্তির এক মহান দায়িত্ব আপনাদের ওপর অর্পিত হয়েছে। এই মিশনের যোগ্য হয়ে উঠুন! আপনারা যে যুদ্ধ করছেন তা হলো মুক্তির যুদ্ধ, একটি ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ। ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''', ভাষণ (৭ নভেম্বর, ১৯৪১); ফ্র্যাঙ্কলিন ওয়াটস সম্পাদিত ''ভয়েসেস অফ হিস্ট্রি: গ্রেট স্পিচেস অ্যান্ড পেপারস অফ দ্য ইয়ার ১৯৪১'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৪৮১–২। * বলশেভিক ব্যবস্থার প্রতি সৈন্যদের আচরণের ক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রেই এখনও অস্পষ্ট ধারণা প্রচলিত রয়েছে। ইহুদি-বলশেভিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুদ্ধের সবচেয়ে অপরিহার্য লক্ষ্য হলো তাদের ক্ষমতার উৎসগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা এবং ইউরোপীয় সংস্কৃতি থেকে এশীয় প্রভাব নির্মূল করা। এই প্রেক্ষিতে সৈন্যরা এমন সব কাজের মুখোমুখি হচ্ছে যা সাধারণ সৈনিক জীবনের রুটিন কাজের ঊর্ধ্বে। পূর্ব রণাঙ্গনের একজন সৈনিক কেবল যুদ্ধের নিয়ম অনুযায়ী লড়াই করা কোনো যোদ্ধা নন। বরং তিনি হলেন এক নির্মম জাতীয় আদর্শের বাহক এবং জার্মান ও তাদের সমজাতীয় জাতিগুলোর ওপর চালানো পাশবিকতার প্রতিশোধ গ্রহণকারী। তাই, তথাকথিত 'নিম্নতর' ইহুদিদের ওপর কঠোর কিন্তু ন্যায়সঙ্গত প্রতিশোধ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সৈনিকদের পূর্ণ উপলব্ধি থাকতে হবে। সেনাবাহিনীর আরও একটি লক্ষ্য হলো পশ্চাৎভাগের বিদ্রোহ দমন করা, যা অভিজ্ঞতা অনুযায়ী সর্বদা ইহুদিদের দ্বারাই সংঘটিত হয়েছে। ** '''''ভাল্টার ফন রাইখেনাউ''''', "পূর্ব রণাঙ্গনে আচরণের নির্দেশিকা" (১০ অক্টোবর, ১৯৪১); ''ইউ.এস. অফিস অফ চিফ অফ কাউন্সিল ফর দ্য প্রসিকিউশন অফ অ্যাক্সিস ক্রিমিনালিটি, নাৎসি কনস্পিরেসি অ্যান্ড অ্যাগ্রেশন'' (ওয়াশিংটন, ডি.সি., ১৯৪৬), খণ্ড ৮, পৃষ্ঠা ৫৮৫–৮৭। === ১৯৪২ === [[File:Voennaia marka Ni shagu nazad!.jpg|thumb|{{center|1=এক পা-ও পেছনে নয়!}}]] * Ни шагу назад! / ''Ni shagu nazad!'' (নি শাগু নাজাত!) ** '''আর এক পা-ও পেছনে নয়!''' ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''' কর্তৃক জারিকৃত আদেশ নম্বর ২২৭ (জুলাই ১৯৪২)। * বর্তমান পরিস্থিতি সম্বন্ধে সোভিয়েত মূল্যায়নে দ্বিতীয় রণাঙ্গন বা সেকেন্ড ফ্রন্টের সম্ভাবনা ঠিক কতটা জায়গা জুড়ে আছে? অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। বলা যেতে পারে এটি প্রথম সারির গুরুত্ব বহনকারী একটি বিষয়। ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''', মস্কোতে অবস্থিত অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিনিধি হেনরি সি. ক্যাসিডির কাছে লেখা চিঠি (৪ অক্টোবর, ১৯৪২); ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৫ অক্টোবর, ১৯৪২), ১ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত। * রাজপথগুলো এখন আর মিটারে পরিমাপ করা যায় না, বরং সেগুলো লাশের স্তূপ দিয়ে মাপা হচ্ছে... স্তালিনগ্রাদ এখন আর কোনো শহর নয়। দিনের বেলা এটি জ্বলন্ত এবং অন্ধ করে দেওয়া ধোঁয়ার এক বিশাল মেঘ। এটি আগুনের শিখার প্রতিচ্ছবিতে প্রজ্বলিত এক প্রকাণ্ড অগ্নিকুণ্ড। আর যখন রাত নেমে আসে, তখন সেই দগ্ধকারী, আর্তনাদপূর্ণ এবং রক্তক্ষয়ী রাতগুলো—তখন কুকুরগুলো [[:w:ভলগা নদী|ভোলগা নদীতে]] ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং মরিয়া হয়ে অন্য পাড়ে পৌঁছানোর জন্য সাঁতরাতে থাকে। স্তালিনগ্রাদের রাতগুলো তাদের জন্য এক চরম আতঙ্ক। পশুরা এই নরক থেকে পালিয়ে যায়, এমনকি শক্ত পাথরও দীর্ঘ সময় এই উত্তাপ সহ্য করতে পারে না। কেবল মানুষই এখানে টিকে থাকে। ** [[:w:স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধ|স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধের]] ময়দান থেকে একজন জার্মান অফিসারের উক্তি; ম্যাক্স হেস্টিংস রচিত ''ইনফার্নো: দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ওয়ার, ১৯৩৯-১৯৪৫'' (২০১২) গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ১৯৪৪ === * দুটি যুগান্তকারী সাফল্য, কমরেড স্তালিন, দুটি যুগান্তকারী সাফল্য। ** '''''কনস্টানটিন রোকোসভস্কি''''', অপারেশন বাগ্রাতিওনের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার সময়। * মাইন দুই ধরণের হয়ে থাকে। একটি হলো পারসোনেল বা ব্যক্তিনিরোধী মাইন এবং অন্যটি হলো যাননিরোধী মাইন। আমরা যখন কোনো মাইন ফিল্ডের সামনে আসি, তখন আমাদের পদাতিক বাহিনী ঠিক এমনভাবেই আক্রমণ চালায় যেন সেখানে মাইন ফিল্ডের কোনো অস্তিত্বই নেই। ব্যক্তিনিরোধী মাইনের কারণে যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়, সেটিকে আমরা সেই ক্ষতির সমান বলে মনে করি যা আমরা মেশিনগান বা গোলন্দাজ বাহিনীর আক্রমণের ফলে পেতাম, যদি নাৎসিরা মাইন ফিল্ডের বদলে সেই নির্দিষ্ট এলাকাটি বিশাল সৈন্যবাহিনী দিয়ে রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিত। আক্রমণকারী পদাতিক বাহিনী যেহেতু যাননিরোধী মাইনগুলোতে বিস্ফোরণ ঘটায় না, তাই তারা মাঠের অন্য প্রান্তে পৌঁছে যাওয়ার পর একটি ব্রিজহেড বা শক্ত অবস্থান তৈরি করে। এরপর ইঞ্জিনিয়াররা এসে পথ খনন করে দেয় যেখান দিয়ে আমাদের যানবাহনগুলো যেতে পারে। ** '''''গিওর্গি কে. ঝুকভের''''' প্রতি আরোপিত উক্তি; [[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]] রচিত ''ক্রুসেড ইন ইউরোপ'' (১৯৪৮), পৃষ্ঠা ৪৬৭-৬৮ গ্রন্থে বর্ণিত। আইজেনহাওয়ার এতে যোগ করেন, "আমার চোখে ভেসে উঠছিল যে, কোনো আমেরিকান বা ব্রিটিশ কমান্ডার যদি এই ধরণের রণকৌশল অনুসরণ করতেন তবে তাঁর কপালে কী জুটত। এমনকি আমাদের কোনো ডিভিশনের সৈন্যরা এ নিয়ে কী বলত, যদি আমরা এই পদ্ধতিটিকে আমাদের রণকৌশলের অংশ করার চেষ্টা করতাম, তা আমি আরও স্পষ্টভাবে কল্পনা করতে পারছিলাম। আমেরিকানরা যুদ্ধের মূল্য নির্ধারণ করে মানুষের জীবনের বিনিময়ে, আর রুশরা এটিকে মূল্যায়ন করে জাতির সামগ্রিক ক্ষয়-ক্ষতির সাপেক্ষে।" == [[:w:পার্ল হারবার আক্রমণ|জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমণ (৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১)]] == === ১৯২৭ === * ভবিষ্যতে যদি আমরা [[:w:চীন|চীনকে]] নিয়ন্ত্রণ করতে চাই, তবে আমাদের অবশ্যই প্রথমত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চূর্ণ করতে হবে, ঠিক যেভাবে অতীতে আমাদের [[:w:রুশ-জাপান যুদ্ধ|রুশ-জাপান যুদ্ধে]] লড়তে হয়েছিল। কিন্তু চীন জয়ের জন্য আমাদের প্রথমে [[:w:মাঞ্চুরিয়া|মাঞ্চুরিয়া]] এবং [[:w:মঙ্গোলিয়া|মঙ্গোলিয়া]] জয় করতে হবে। বিশ্বজয়ের নেশায় নামার আগে আমাদের প্রথমে চীনকে জয় করা অপরিহার্য। যদি আমরা চীনকে পদানত করতে সফল হই, তবে এশিয়ার বাকি দেশগুলো এবং দক্ষিণ সাগরের দেশগুলো আমাদের ভয় পাবে এবং আত্মসমর্পণ করবে। তখন বিশ্ব অনুধাবন করবে যে [[:w:পূর্ব এশিয়া|পূর্ব এশিয়া]] আমাদের এবং তারা আমাদের অধিকার খর্ব করার আর সাহস পাবে না। এটি [[:w:সম্রাট মেইজি|সম্রাট মেইজি]] আমাদের জন্য রেখে যাওয়া সেই পরিকল্পনা, যার সফলতার ওপর আমাদের জাতীয় অস্তিত্ব নির্ভর করছে। ** '''''তানাকা মেমোরিয়াল''''' (২৭ জুলাই, ১৯২৭); জাপানি প্রধানমন্ত্রী তানাকা গিইচির সুদূরপ্রসারী কৌশলগত পরিকল্পনা। ''দ্য মেমোরিয়াল অফ প্রিমিয়ার তানাকা'' (নিউ ইয়র্ক সিটি, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ৪। === ১৯৪১ === * নৌবাহিনী সেই অপমানজনক ওয়াশিংটন নৌ চুক্তিতে স্বাক্ষর করার পর বিশ বছর অতিবাহিত হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আঘাত করার জন্য আমাদের তলোয়ারে শান দিয়েছি। ** জনৈক জাপানি অফিসার; ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (যুক্তরাজ্য, ২০০৫), ৩৯ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * এই সাম্রাজ্য (জাপান সাম্রাজ্য) পূর্ব এশিয়া এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে আমেরিকান, ব্রিটিশ এবং ডাচ ঘাঁটিগুলোকে চূর্ণ করবে এবং দীর্ঘমেয়াদী আত্মনির্ভরশীলতার প্রস্তুতি হিসেবে প্রধান খনিজ সম্পদ অঞ্চল এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাগুলো সুরক্ষিত করবে। মার্কিন নৌবহরের মূল অংশগুলোকে উপযুক্ত সময়ে প্রলুব্ধ করে বের করে আনতে এবং তাদের আক্রমণ করে ধ্বংস করতে সম্ভাব্য সকল পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে। ** ''তাই বেই-এই-রান-শো সেনসো শুমাতসু সোকুশিন-নি কানসুরু ফুকুয়ান'' (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, নেদারল্যান্ডস এবং চিয়াং কাই-শেকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ সমাপ্তির পরিকল্পনা)। জাপানি ইম্পেরিয়াল জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স এবং মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত কর্মপরিকল্পনা (নভেম্বর ১৯৪১)। ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৫৩। * ''Nii Taka Yama Nobore 1208.'' (নি তাকা ইয়ামা নোবোরে ১২০৮) ** ৮ ডিসেম্বর [জাপানি সময় অনুযায়ী] হাওয়াই অভিযান সম্পন্ন করো। ** ২ ডিসেম্বর, ১৯৪১ তারিখে পার্ল হারবারের দিকে অগ্রসরমান বিমানবাহী রণতরী বহরের উদ্দেশ্যে জাপানি ইম্পেরিয়াল নৌবাহিনী সদরদপ্তর থেকে প্রেরিত বার্তা। ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৩৯। * ''Tora! Tora! Tora!'' (তোরা! তোরা! তোরা!) ** বাঘ! বাঘ! বাঘ! ** ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালের স্থানীয় সময় সকাল ০৭:৩০ মিনিটে আক্রমণের প্রথম তরঙ্গের নেতৃত্বদানকারী কমান্ডার মিৎসুও ফুচিদা কর্তৃক রণতরী বহরের উদ্দেশ্যে প্রেরিত সংকেত; যার অর্থ ছিল পার্ল হারবারে তাঁর "বাঘেরা" আকস্মিক আক্রমণে সফল হয়েছে। ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৪১। * '''গতকাল, ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ — এমন একটি অবিস্মরণীয় দিন যা বিশ্ব ইতিহাসে চিরকাল কলঙ্কিত ও ঘৃণ্য হয়ে থাকবে। যেদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত আকস্মিকভাবে এবং সুপরিকল্পিতভাবে জাপানি সাম্রাজ্যের নৌ ও বিমান বাহিনী দ্বারা অতর্কিত আক্রমণের শিকার হয়েছে।'''<br>গতকাল হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে পরিচালিত এই ধ্বংসাত্মক আক্রমণ আমাদের আমেরিকান নৌ ও সামরিক বাহিনীর অপূরণীয় ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে অনেক অকুতোভয় আমেরিকান এই হামলায় তাদের মহামূল্যবান প্রাণ হারিয়েছে...।<br>আমাদের জাতীয় সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর প্রধান কমান্ডার হিসেবে আমি ইতোমধ্যেই আমাদের রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষার সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে প্রয়োজনীয় সমস্ত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের চূড়ান্ত নির্দেশ প্রদান করেছি।<br>আমাদের পবিত্র মাতৃভূমির ওপর পরিচালিত এই বর্বরোচিত হামলার প্রকৃত প্রকৃতি ও স্বরূপ আমরা সর্বদা অন্তরে স্মরণে রাখব। এই পূর্বপরিকল্পিত ও হীন আক্রমণ কাটিয়ে উঠতে আমাদের যতো দীর্ঘ সময় বা প্রতিকূলতাই মোকাবিলা করতে হোক না কেন, আমেরিকান জনগণ তাদের ন্যায়সঙ্গত ও সম্মিলিত শক্তিতে শেষ পর্যন্ত পরম ও চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করবেই। আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি আমি কংগ্রেস এবং সাধারণ জনগণের বলিষ্ঠ ইচ্ছারই প্রতিফলন ঘটাচ্ছি যখন আমি ঘোষণা করি যে, আমরা কেবল নিজেদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে রক্ষা করব না। বরং আমরা ভবিষ্যতে এটিও সুনিশ্চিত করব যে এই ধরণের জঘন্য বিশ্বাসঘাতকতা যেন আমাদের আর কখনও কোনো বিপদে ফেলতে না পারে...।<br>আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অদম্য শৌর্য-বীরত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা এবং আমাদের জনগণের সীমাহীন ইস্পাতকঠিন সংকল্প নিয়ে আমরা সেই অনিবার্য ও গৌরবময় বিজয় অর্জন করবই! ঈশ্বর আমাদের এই মহৎ যাত্রায় সহায় হোন।<br>আমি এখন কংগ্রেসের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি যেন তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ঘোষণা করে যে রবিবার, ৭ ডিসেম্বর জাপানের এই কোনো প্রকার উস্কানিবিহীন এবং চরম কাপুরুষোচিত আক্রমণের মুহূর্ত থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানি সাম্রাজ্যের মধ্যে এক চূড়ান্ত যুদ্ধাবস্থা বিদ্যমান রয়েছে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]]''''', মার্কিন কংগ্রেসের এক যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণ, যেখানে তিনি জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ ঘোষণার অনুরোধ জানান (৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১); ''দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪১'' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ৫১৪। * আমার ভয় হচ্ছে যে, আমরা যা করেছি তা কেবল একটি ঘুমন্ত দানবকে জাগিয়ে তুলেছে এবং তাকে এক ভয়াবহ সংকল্পে পূর্ণ করে দিয়েছে। ** '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো''''' (জাপানি অ্যাডমিরাল); ১৯৭০ সালের ''তোরা! তোরা! তোরা! চলচ্চিত্রে'' তাঁর প্রতি আরোপিত উক্তি। টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফক্স, ''তোরা, তোরা, তোরা; ডায়ালগ অ্যান্ড কাটিং কন্টিনিউটি'' (১৯৭০), রিল ১৮, পৃষ্ঠা ১৬। চিত্রনাট্যটি লিখেছিলেন গর্ডন ডব্লিউ প্র্যাঞ্জ এবং ল্যাডিসলাস ফারাগো। ফারাগোর ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত বইয়ে বা ১৯৮১ সালে প্রকাশিত প্র্যাঞ্জের বইয়ে এই বাক্যের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ইয়ামামোতো সত্যিই এই কথাটি বলেছিলেন কি না, তার কোনো প্রমাণ নেই। তবে ৯ জানুয়ারি, ১৯৪২ তারিখে ওগাতা তাকেতোরা-র কাছে লেখা এক চিঠিতে ইয়ামামোতো লিখেছিলেন, "একজন সৈনিক 'একজন ঘুমন্ত শত্রুকে আঘাত করার' জন্য খুব কমই গর্ব করতে পারে; প্রকৃতপক্ষে, এটি উল্লেখ করা গর্বের চেয়ে বরং লজ্জার বিষয়।" হিরোসুকি আসাওয়া, ''দ্য রিলাকট্যান্ট অ্যাডমিরাল'', অনুবাদ: জন বেস্টার (১৯৭৯), পৃষ্ঠা ২৮৫। * আমেরিকা এবং ব্রিটেন, উভয়ই পূর্ব এশিয়ার অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই দুই শক্তি অন্য দেশগুলোকে প্ররোচিত করে আমাদের সাম্রাজ্যের চারদিকে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করেছে। তারা সম্ভাব্য সব উপায়ে আমাদের শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি করেছে এবং শেষ পর্যন্ত অর্থনৈতিক সম্পর্ক সরাসরি ছিন্ন করার পথ বেছে নিয়েছে...।<br>আমরা ধৈর্য ধরে দীর্ঘকাল অপেক্ষা করেছি এবং সহ্য করেছি এই আশায় যে আমাদের সরকার হয়তো পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধান বের করতে পারবে। কিন্তু আমাদের বিরোধীরা সমঝোতার বিন্দুমাত্র সদিচ্ছা না দেখিয়ে বিষয়টিকে অহেতুক বিলম্বিত করেছে। আমাদের সাম্রাজ্যের অস্তিত্ব রক্ষা এবং আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র তুলে নেওয়া এবং পথের প্রতিটি বাধাকে চূর্ণ করা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা ছিল না। ** জাপানি সম্রাট '''''[[:w:হিরোহিতো|হিরোহিতো]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গ্রেট ব্রিটেনের ওপর আক্রমণের কারণ ব্যাখ্যা করে (৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১)। এটি টোকিও যুদ্ধ ট্রায়ালে প্রসিকিউশন কর্তৃক প্রমাণ হিসেবে পেশ করা অনুবাদ: প্রিচার্ড এবং জাইড, ''ট্রান্সক্রিপ্ট অফ দ্য প্রসিডিংস'', খণ্ড ৫ [PX 1240], পৃষ্ঠা ১০৬৮৬–৯। == পশ্চিমা মিত্রশক্তি বনাম জার্মানি ও ইতালি == === ১৯৪১ === * আমি আমেরিকানদের কোনো ভবিষ্যৎ দেখি না... এটি একটি ক্ষয়িষ্ণু দেশ। তাদের জাতিগত সমস্যা এবং সামাজিক অসমতার সমস্যাও রয়েছে। আমেরিকানবাদের বিরুদ্ধে আমার অনুভূতি হলো ঘৃণা এবং গভীর বিতৃষ্ণার! আমেরিকান সমাজের আচরণের সবকিছুই প্রকাশ করে যে এর অর্ধেক হলো ইহুদিবাদী আর বাকি অর্ধেক হলো কৃষ্ণাঙ্গ-প্রভাবিত।<br>এমন একটি রাষ্ট্র যে ঐক্যবদ্ধ ভাবে থাকবে, তা কীভাবে বলে কেউ আশা করতে পারে? ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', কথোপকথনের সময় দেওয়া বক্তব্য (৭ জানুয়ারি, ১৯৪২); উইলিয়াম এল. শায়রার রচিত ''রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য থার্ড রাইখ'', ৮৯৫ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। এটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত ''হিটলার্স সিক্রেট কনভারসেশনস, ১৯৪১-১৯৪৪'' থেকে নেওয়া হয়েছে। একে পরবর্তীতে প্রকাশিত ১৯২৮ সালের ট্রান্সক্রিপ্ট "হিটলার্স সিক্রেট বুক" (১৯৬১) কিংবা বহুল পরিচিত জালিয়াতিপূর্ণ ''হিটলার ডায়েরির'' সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। === ১৯৪২ === * সেই সময় এসে গেছে যখন আমাদের অবশ্যই শত্রুর ডেরায় যুদ্ধ নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর বিশাল অংশ এবং আমাদের মূল্যবান সমর-সামগ্রীকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের ভেতরে স্থবির হয়ে পড়ে থাকতে দেওয়া আর সম্ভব নয়। ** '''''জর্জ সি. মার্শাল''''', সেনাবাহিনী প্রধান; ওয়াশিংটন ডি.সি.র ''টাইমস-হেরাল্ড'' (৩ মার্চ, ১৯৪২), ১ পৃষ্ঠায় রিপোর্টকৃত। * আমি ঠিক কেন এই মহাযুদ্ধে লড়াই করছি?<br>নিশ্চয়ই কেবল এই কারণে নয় যে 'আমাকে রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে'। যা কি না আসলে লক্ষ্যহীন অর্ধ-বিশ্বাসীদের এক অত্যন্ত তুচ্ছ এবং অতি সহজ অজুহাত মাত্র। হ্যাঁ, আমাকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল; কারণ তৎকালীন বিশেষ পরিস্থিতি আমাকে সেই সঠিক সময়ে বাহিনীতে যোগ দিতে বাধা প্রদান করেছিল যখন আমি স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজে থেকে যোগ দিতে প্রবলভাবে চেয়েছিলাম। আমি সেই অকুতোভয় ছেলেদের মনেপ্রাণে হিংসা করি এবং গভীর সম্মান জানাই যারা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় নিজেদের নাম যুদ্ধের খাতায় লিখিয়েছিল; যারা আপন দেশের পরম প্রয়োজন অনুভব করে ডাক পাওয়ার বা বাধ্য হওয়ার অপেক্ষা না করেই দেশরক্ষার লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।<br>কেবল পার্ল হারবারের বর্বরোচিত ঘটনার কারণেও আমি এই যুদ্ধে অবতীর্ণ হইনি। ওটি একটি তাৎক্ষণিক ও দৃশ্যমান কারণ হতে পারে। হ্যাঁ, কিন্তু পার্ল হারবার কিংবা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ বন্দর আজ হোক বা কাল শত্রুর দ্বারা আক্রান্ত হতোই। প্রকৃতপক্ষে, তখন হয়তো অনেক বেশি দেরি হয়ে যেত এবং আমাদের প্রস্তুতির সুযোগটুকুও চিরতরে হারিয়ে যেত।<br>আমি মোটেও "পুরো বিশ্বের ওপর আমাদের নিজস্ব চিন্তাধারা জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার জন্য" এই রক্তক্ষয়ী লড়াই করছি না। আমি লড়াই করছি পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের সেই জন্মগত অধিকারের জন্য যাতে তারা নিজেরা স্বাধীনভাবে বলতে পারে ঠিক কীভাবে তাদের দেশ শাসন করা হবে। যদি তারা আমাদের এই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পছন্দ করে, তবে তা অত্যন্ত ভালো। আর যদি তারা তা না করে, তবে তাদের স্বাধীনভাবে অন্য কিছু বেছে নিতে দিন—কিন্তু সেই পরম পছন্দটা যেন একান্তই তাদের নিজেদের হয়, কোনো স্বঘোষিত "নেতা" কর্তৃক উপর থেকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া কিছু না—কিংবা কোনো দখলদার শক্তির দেওয়া পরাধীনতার গ্লানিময় জোয়াল না।<br>তবে ঠিক কিসের জন্য আমরা সম্মিলিতভাবে লড়ছি?...<br>ঠিক আছে, এর শেকড় আসলে ইতিহাসের অনেক বেশি গভীরে প্রোথিত।<br>এটি আমেরিকার একদম আদিম ও মৌলিক উৎসগুলোর দিকে আমাদের বারবার ফিরিয়ে নিয়ে যায়। বিগত বিশ্বযুদ্ধের সেই অতি পরিচিত সাধারণ স্লোগান 'গণতন্ত্রের জন্য পৃথিবীকে নিরাপদ করা' তারও অনেক আগের কথা। ১৮৯৮ সালের আগের কথা, যখন আমরা কিউবাকে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত করতে জীবন বাজি রেখে লড়েছিলাম। ঐতিহাসিক গৃহযুদ্ধের আগের কথা, যখন আমরা আমেরিকাকে এক অখণ্ড ও মুক্ত মানুষের মহান জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে ও ধরে রাখতে লড়েছিলাম। ১৮১২ সালের [[:w:যুদ্ধ|যুদ্ধের]] আগের কথা, যখন আমাদের আকাশবাতাস প্রকম্পিত করা চিৎকার ছিল সমুদ্রের অবাধ স্বাধীনতা। এমনকি সেই কালজয়ী বিপ্লবেরও আগের কথা, যেখানে আমাদের পূর্বপুরুষরা 'তাদের মহামূল্যবান জীবন, তাদের অর্জিত সম্পদ এবং তাদের পবিত্র সম্মান' বাজি রেখেছিলেন যাতে কলোনিগুলোকে অত্যাচারী হ্যানোভারিয়ান রাজার জোয়াল থেকে চিরতরে মুক্ত করা যায়। এটি ব্রিটিশ আমলের বিল অফ রাইটসের গৌরবময় সময়কার কথা, এমনকি সাতশ বছর আগের সেই ঐতিহাসিক [[:w:ম্যাগনা কার্টা|ম্যাগনা কার্টা]] পর্যন্ত এর শিকড় বিস্তৃত, যা ছিল রাজনৈতিকভাবে মুক্ত হওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের সুদীর্ঘ সংগ্রামের প্রথম মহান ও অবিস্মরণীয় মাইলফলক...। অর্থাৎ আইন প্রণয়ন করার এবং নিজের জীবনপথ নিজে বেছে নেওয়ার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষা করাই এই লড়াইয়ের মূল উদ্দেশ্য!<br>আপনি হয়তো বলতে পারেন এগুলো কেবলই কিছু চমৎকার শব্দের ফুলঝুরি; কিন্তু জার্মানি যাদের প্রধান চিন্তা ছিল সমগ্র ইউরোপ গ্রাস করা, কিংবা জাপান যাদের অন্ধ উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল প্রাচ্যের দিকে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের এই যুদ্ধের সাথে এর প্রকৃত সম্পর্ক আসলে কী?<br>আমি অত্যন্ত জোরালোভাবে বলব, জাপান এবং জার্মানির আগ্রাসনের সাথে আমাদের এই আদর্শিক লড়াইয়ের এক সুগভীর সম্পর্ক রয়েছে। ইউরোপ এবং এশিয়ার বিশাল ভূখণ্ডে যদি নাৎসিবাদ প্রভাবশালী হয়ে উঠত, তবে তার চূড়ান্ত ফলশ্রুতিতে আমেরিকান যাপনেও নাৎসি মতাদর্শের বিষাক্ত উত্থান এবং চূড়ান্ত আধিপত্য দেখা দেওয়া ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।<br>এদেশের সাধারণ মানুষ তখন প্রবল বিভ্রান্তি, অন্তহীন আতঙ্ক আর সন্দেহের চোখে একে অপরের দিকে অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে তাকাত। তারা চরম ভয়ে ভয়ে বলাবলি করত, 'ইউরোপে তো গণতন্ত্র শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা ভেবেছিলাম এটিই হয়তো বিশ্বের সেরা পথ, কিন্তু এটি যদি আদতে এতটাই দুর্বল হয় তবে তা কীভাবে সেরা হতে পারে? হয়তো নাৎসিদের কছেই এই সংকটের আসল সমাধান আছে। হয়তো... হয়তো...'—এভাবেই সবখানে অশুভ কানাঘুষো ও বিভেদ শুরু হতো।<br>ঠিক এই কারণেই আমি আজ রণক্ষেত্রে লড়ছি। আমি ফ্যাসিবাদের সেই কুৎসিত ও বীভৎস রূপটি আমেরিকান প্রাণকেন্দ্রে থাবা বসানোর আগেই তাকে সমূলে ধ্বংস করার চেষ্টা করছি। আমি লড়ছি কারণ বর্তমান বিশ্ব, আমাদের প্রিয় আমেরিকার মতোই, 'অর্ধেক দাসের পৃথিবী আর অর্ধেক মুক্ত হয়ে কখনোই বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না।' আমি লড়ছি কারণ আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি চীনের একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার পূর্ণ অধিকার আছে, কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিশাল পুতুল রাষ্ট্র হিসেবে নয়।<br>আমি লড়ছি কারণ আমি একদিন আমার সন্তানদের চোখের দিকে শান্তভাবে তাকিয়ে গর্বের সাথে বলতে চাই যে, আমেরিকা একটি মহান আদর্শের জন্য আবারও লড়াই করতে তিলমাত্র ভয় পায়নি। সেই চিরন্তন আদর্শ যা আমেরিকাকে বিশ্বমঞ্চে মহান ও অনন্য করেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে শান্তিকে ভালোবাসি, কিন্তু আমি যুদ্ধকে ঘৃণা করি কেবল এর ধ্বংসাত্মক অপচয় আর করুণ পরিণতির জন্য। কিন্তু আন্তর্জাতিক পর্যায়ের পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের কাছে মুখ বুজে নিঃশব্দে মাথা নত করার চেয়ে সম্মুখ যুদ্ধ অনেক বেশি শ্রেয়, যা কেবল মানুষের শরীর নয়, বরং তার আত্মাকে পর্যন্ত চিরতরে ধ্বংস করে দেয়। ** সার্জেন্ট হেনরি সি. নেলসন, "টু বি অ্যাবল টু লুক মাই চিলড্রেন ইন দ্য ফেস," মার্কিন সেনাবাহিনী কর্তৃক প্রকাশিত ''হোয়াই আই ফাইট'' থেকে। * এযাবৎকালের নির্মিত সবচেয়ে শক্তিশালী বোমারু বিমান। ** বি-১৭ ফ্লাইং ফোরট্রেসের একটি বর্ণনা; যা জার্মান শিল্প লক্ষ্যবস্তুগুলোতে অষ্টম বিমান বাহিনীর বোমা হামলায় অংশ নিতে ইংল্যান্ডে উড়িয়ে আনা হয়েছিল। * ইউরোপের তপ্ত মাটি থেকে ভেসে আসা সংবাদগুলো পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি শোচনীয় ও উদ্বেগজনক ছিল; ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্স সুপরিকল্পিতভাবে চেকোস্লোভাকিয়াকে খণ্ডবিখণ্ড করার হীন চক্রান্তে একমত হয়েছিল এবং দেশটির সামনে তথাকথিত সমঝোতার এক অদ্ভুত 'পরিকল্পনা' পেশ করেছিল। এই সুকৌশলী পরিকল্পনাটি ছিল নৈতিকভাবে চরম পর্যায়ের নির্লজ্জতা এবং এক প্রকার অভাবনীয় কূটনৈতিক ধৃষ্টতা। এতে সুডেটেন অঞ্চলগুলো সরাসরি আগ্রাসীদের হাতে হস্তান্তর, বৃহৎ [[w:জার্মানি|জার্মান]] জনসংখ্যা অধ্যুষিত অন্যান্য সংবেদনশীল অঞ্চলগুলোর জন্য স্বঘোষিত [[w:স্বায়ত্তশাসন|স্বায়ত্তশাসন]], অন্য কোনো পরাশক্তির মধ্যে বড় ধরণের কোনো সংঘাত সৃষ্টি হলে [[w:চেকোস্লোভাকিয়া|চেকোস্লোভাকিয়ার]] সম্পূর্ণ 'নিরপেক্ষকরণ', এবং শেষ পর্যন্ত [[w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ড]], [[w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]], [[জার্মানি]] ও [[ইতালি|ইতালির]] পক্ষ থেকে দেশটির সীমান্ত রক্ষার এক প্রথাগত ও কাগুজে 'নিশ্চয়তা' অন্তর্ভুক্ত ছিল। এ যেন সমকালীন ইতিহাসের চরম এক ট্র্যাজেডি। যেখানে খুনিরাই খণ্ডবিখণ্ড মৃতদেহকে শেষ সম্মান জানানোর ভণ্ডামিপূর্ণ নিশ্চয়তা দিচ্ছিল!<br>আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেছিলাম যে বর্তমান চেক সরকার এই আত্মঘাতী ও অপমানজনক শর্তগুলো কখনোই মেনে নেবে না। কারণ তাদের কাছে ছিল তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সুশৃঙ্খল এক শক্তিশালী সেনাবাহিনী; তাদের সাধারণ জনগণ বছরের পর বছর ধরে প্রকৃত ও প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের সুমিষ্ট স্বাদ পেয়েছিল। এছাড়া তাদের ছিল এক অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী সমরাস্ত্র শিল্প, যা বিশ্বের যেকোনো শক্তিশালী রাষ্ট্রকেই ঈর্ষান্বিত করতে পারত (এবং বাস্তবে অনেকে করতও)। তাই আমরা শেষ পর্যন্ত প্রবলভাবে আশা করেছিলাম যে ফ্রান্স তার পূর্বের অঙ্গীকার ও পবিত্র প্রতিশ্রুতিগুলো নিষ্ঠার সাথে রক্ষা করবে এবং ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের ন্যায়নিষ্ঠ জনগণের পুঞ্জীভূত তীব্র ক্ষোভ তাদের নিজ নিজ অযোগ্য মন্ত্রিসভার পতন ঘটাবে। কিন্তু অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের সেই রাজনৈতিক সমীকরণ ও প্রত্যাশা সম্পূর্ণ ভুল ছিল। ** '''''রালফ এ. বার্ড''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সহকারী সচিব; নিউ ইয়র্ক সিটিতে 'ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইউনিয়ন অফ মেরিন অ্যান্ড শিপবিল্ডিং ওয়ার্কার্স অফ আমেরিকা'র উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণ (২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৪২); ''ভাইটাল স্পিচেস অফ দ্য ডে'', খণ্ড ৯, সংখ্যা ১ (১৫ অক্টোবর, ১৯৪২), পৃষ্ঠা ২১-২৩। ==== এল আলামেইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ (২৩ অক্টোবর – ১১ নভেম্বর ১৯৪২) ==== [[File:DummyShermanTank.jpg|thumb|[[উইনস্টন চার্চিল]] বলেছিলেন যে, এল আলামিনের আগে মিত্রশক্তির কোনো বিজয় ছিল না এবং এর পরে তাদের আর কোনো পরাজয় হয়নি। ~ ক্রিশ্চিয়ান হাউস]] * জানা যায় যে, [[:w:হ্যারি হুডিনি|হ্যারি হুডিনি]] একদা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে দাবি করেছিলেন, "মানুষের চোখ আসলে যা দেখে এবং কান যা শোনে, মন অবলীলায় ঠিক তা-ই বিশ্বাস করে থাকে"। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উত্তাল মধ্যগগনে উত্তর আফ্রিকা অভিযানে নিয়োজিত বিশেষ ছদ্মবেশ (ক্যামোফ্লেজ) ইউনিটের মূলমন্ত্রও হয়তো প্রকৃতপক্ষে এটিই হতে পারত। ''দ্য ফ্যান্টম আর্মি অফ আলামেইন'' নামক গ্রন্থে লেখক রিক স্ট্রাউড ঐতিহাসিক আল আলামিনের যুদ্ধের সময় এই স্বল্প পরিচিত দলটির রহস্যময় কর্মকাণ্ডের ওপর নতুন করে আলোকপাত করেছেন। এটি করতে গিয়ে তিনি একটি অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর গবেষণা তুলে ধরেছেন যে কীভাবে যুদ্ধের ময়দানে সবচেয়ে অকল্পনীয় ও বিচিত্র চরিত্রগুলোও প্রকৃত বীর বা মহানায়কে পরিণত হতে পারে।<br>তাদের এই বিশেষ দলে ছিলেন নিপুণ খোদাইশিল্পী, সৃজনশীল চিত্রশিল্পী, দক্ষ কার্টুনিস্ট এবং প্রতিভাবান ভাস্কর। এমনকি তাদের সুযোগ্য কমান্ডার মেজর জেফ্রি বারকাস ছিলেন একজন [[w:একাডেমি পুরস্কার|অস্কার]] বিজয়ী প্রখ্যাত [[:w:চলচ্চিত্র পরিচালক|চলচ্চিত্র পরিচালক]]। তাদের প্রধান দায়িত্ব ছিল হাতের কাছে যা কিছু পাওয়া যায় তা ব্যবহার করেই সুকৌশলে কোনো কিছুকে লুকিয়ে রাখা অথবা কোনো সামরিক সরঞ্জামের রূপ পরিবর্তন করার মাধ্যমে মূল সেনাবাহিনীকে কৌশলগত সহায়তা করা। পরাবাস্তববাদী বিশ্বখ্যাত শিল্পী রোল্যান্ড পেনরোজ তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করেছিলেন, যেখানে তাঁর প্রেমিকা লি মিলার শৈল্পিক অনুপ্রেরণা হিসেবে গায়ে ছদ্মবেশের ক্রিম এবং জাল জড়িয়ে সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় পোজ দিয়েছিলেন। আর এই বিচিত্র দলের অন্যতম জাঁকজমকপূর্ণ ও রহস্যময় সদস্য ছিলেন পিকাডিলির বিখ্যাত জাদুকর জ্যাসপার মাস্কিলিন; একজন সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি যাকে মূলত পরীক্ষামূলক অস্ত্র তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং যিনি মরুভূমির ধুলোময় কনভয়ের মতোই নিজের অর্জিত খ্যাতিকেও সর্বদা এক প্রকার কুয়াশাচ্ছন্ন করে রেখেছিলেন। ** ক্রিশ্চিয়ান হাউস, [https://www.independent.co.uk/arts-entertainment/books/reviews/the-phantom-army-of-alamein-by-rick-stroud-8219360.html "দ্য ফ্যান্টম আর্মি অফ আলামিন, বাই রিক স্ট্রাউড"], ''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (২১ অক্টোবর, ২০১২)। * অপারেশন বার্ট্রাম ছিল এই ইউনিটের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রচেষ্টা এবং এই কাহিনীর মূল কেন্দ্রবিন্দু। যা ছিল দিকভ্রান্ত করার এক বিশাল মহাযজ্ঞ। আল আলামেইনের যুদ্ধক্ষেত্রটি একদিকে সমুদ্র এবং অন্যদিকে কাত্তারা নিম্নভূমি দ্বারা সীমাবদ্ধ ছিল, যার ফলে যুদ্ধের জন্য সম্মুখভাগ ছিল খুবই ছোট। এই ইউনিটটি জিপ গাড়ি দিয়ে ডামি বা নকল ট্যাঙ্ক তৈরি করে দক্ষিণ দিকে পাঠিয়েছিল; অন্যদিকে, একটি সুকৌশলী চাল হিসেবে তারা আসল ট্যাঙ্কগুলোকে কাঠের কাঠামো দিয়ে ঢেকে ট্রাকের রূপ দিয়েছিল—যা অনেকটা বিশালাকার লেডিবল্ট পোকার মতো ওপরের দিকে খোলা যেত। এগুলোকে আসল আক্রমণের জন্য উত্তর দিকে পাঠানো হয়েছিল। বারকাস মন্তব্য করেছিলেন, "হেই প্রেস্টো! এই তো দেখছেন, এই তো নেই।" [[:w:আরউইন রোমেল|রোমেল]] এতে বোকা বনে গিয়েছিলেন এবং আল আলামেইনে জয় অর্জিত হয়েছিল।<br>[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]] বলেছিলেন যে, আল আলামিনের আগে মিত্রশক্তির কোনো বিজয় ছিল না এবং এর পরে তাদের আর কোনো পরাজয় হয়নি। ** ক্রিশ্চিয়ান হাউস, [https://www.independent.co.uk/arts-entertainment/books/reviews/the-phantom-army-of-alamein-by-rick-stroud-8219360.html "দ্য ফ্যান্টম আর্মি অফ আলামেইন, বাই রিক স্ট্রাউড"], ''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (২১ অক্টোবর, ২০১২)। === ১৯৪৩ === * লন্ডনের যেখানেই যাওয়া যাক না কেন, এটিই মনে হয় যে ব্রিটেন এখন একটি দখলকৃত ভূখণ্ড মাত্র। ** ব্রিটিশ লেখক '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]'''''। * তারা অতিরিক্ত ভোজনবিলাসী, অতিরিক্ত বেতনভোগী, অতিরিক্ত জাঁকজমকপূর্ণ পোশাকধারী! এবং তারা এখন এখানেই ([[:w:ব্রিটেন|ব্রিটেনে]])। ** ব্রিটিশ জনগণের একটি সাধারণ আক্ষেপ; যখন নাৎসি অধিকৃত ইউরোপে আক্রমণের প্রস্তুতির জন্য আমেরিকান সৈন্যদের প্রচুর সংখ্যায় ব্রিটেনে পাঠানো হচ্ছিল। * আমরা খুব দ্রুততম এবং সবচেয়ে সাশ্রয়ী উপায়ে এই যুদ্ধে জয়ী হতে চাই। ** জেনারেল '''''জর্জ সি. মার্শাল''''', সেনাবাহিনী প্রধান। * ম্যাগাজিনগুলোতে যুদ্ধকে মনে হতো রোমান্টিক এবং উত্তেজনাপূর্ণ, বীরত্ব আর প্রাণশক্তিতে ভরপুর... কিন্তু এর পরিবর্তে আমি দেখলাম পুরুষদের... যারা অবর্ণনীয় যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং মনে মনে কামনা করছে যেন তারা অন্য কোথাও থাকত। ** যুদ্ধ সংবাদদাতা '''''আর্নি পাইল'''''। * আজ আমরা এমন একটি দেশে (ইতালি) যুদ্ধ করছি যেটি আমাদের [[:w:সংস্কৃতি|সাংস্কৃতিক]] ঐতিহ্যে বিশাল অবদান রেখেছে। এমন একটি দেশ যা সেইসব স্মৃতিস্তম্ভে সমৃদ্ধ যেগুলো আমাদের নিজস্ব [[:w:সভ্যতা|সভ্যতার]] ক্রমবিকাশকে তুলে ধরে। যুদ্ধ যতোটা অনুমতি দেয়, আমরা সেই স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে সম্মান জানাতে বাধ্য। যদি আমাদের একটি বিখ্যাত [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] ধ্বংস করা এবং আমাদের নিজস্ব মানুষদের বলিদান দেওয়ার মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হয়, তবে আমাদের মানুষের জীবনের মূল্য অসীমভাবে বেশি এবং সেই স্থাপত্যটি অবশ্যই ধ্বংস করতে হবে। কিন্তু পছন্দটি সবসময় এতটা স্পষ্ট হয় না। সামরিক প্রয়োজনীয়তার যুক্তির বিরুদ্ধে কোনো কিছুই দাঁড়াতে পারে না। এটি একটি স্বীকৃত নীতি। কিন্তু 'সামরিক প্রয়োজনীয়তা' শব্দবন্ধটি কখনও কখনও এমন জায়গায় ব্যবহার করা হয় যেখানে সামরিক সুবিধা বা এমনকি ব্যক্তিগত সুবিধার কথা বলাটাই বেশি সত্য হতো। আমি চাই না এটি কোনো শিথিলতা বা উদাসীনতাকে আড়াল করার আবরণ হিসেবে ব্যবহৃত হোক। আমাদের সামনের সারিতে বা আমাদের দখলকৃত এলাকায় অবস্থিত স্থাপনাগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করা এবং উচ্চপদস্থ কমান্ডারদের তা জানানো এএমসি অফিসারদের দায়িত্ব। এই তথ্যগুলো যখন স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিম্ন স্তরের কমান্ডগুলোতে পৌঁছাবে, তখন এই চিঠির মূল স্পিরিট বা চেতনা মেনে চলার দায়িত্ব সকল কমান্ডারের ওপর বর্তাবে। ** '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]''''', ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৪৩ তারিখে লিখিত চিঠি; যা হাওয়ার্ড এম. হেনসেল সম্পাদিত “দ্য ল অফ আর্মড কনফ্লিক্ট: কনস্ট্রেইনস অন দ্য কনটেম্পোরারি ইউজ অফ মিলিটারি ফোর্স” (২০০৭), ৫৮ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। === ১৯৪৪ === * অচিরেই আমরা আমাদের [[:w:সভ্যতা|সভ্যতা]] রক্ষার লক্ষে [[:w:ইউরোপ|ইউরোপ]] মহাদেশ জুড়ে যুদ্ধের পথে এগিয়ে যাব। অনিবার্যভাবে আমাদের অগ্রযাত্রার পথে এমন সব ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পাওয়া যাবে যা বিশ্ববাসীর কাছে সেই সবকিছুর প্রতীক, যা রক্ষা করার জন্য আমরা লড়াই করছি। যখনই সম্ভব হবে, এই প্রতীকগুলোকে রক্ষা করা এবং সম্মান জানানো প্রতিটি কমান্ডারের দায়িত্ব। কিছু পরিস্থিতিতে এই শ্রদ্ধেয় বস্তুগুলোকে ধ্বংস করার ক্ষেত্রে আমাদের অনিচ্ছা সামরিক অভিযানের সাফল্যকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তখন, যেমনটি [[:w:ক্যাসিনো|ক্যাসিনোতে]] ঘটেছিল। যেখানে শত্রু তার প্রতিরক্ষা রক্ষা করতে আমাদের আবেগীয় টানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছিল—সেক্ষেত্রে আমাদের সেনাদের জীবন সবকিছুর উপরে। তাই যেখানে সামরিক প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ দেবে, কমান্ডাররা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ দিতে পারেন, এমনকি যদি তাতে কোনো সম্মানিত স্থানের ধ্বংসও জড়িত থাকে। কিন্তু এমন অনেক পরিস্থিতি আছে যেখানে ক্ষতি এবং ধ্বংস প্রয়োজনীয় নয় এবং তা কোনোভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না। এমন ক্ষেত্রে সংযম এবং শৃঙ্খলার মাধ্যমে কমান্ডাররা ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্বসম্পন্ন কেন্দ্র ও বস্তুগুলোকে রক্ষা করবেন। উচ্চপর্যায়ের সিভিল অ্যাফেয়ার্স স্টাফরা সামনের সারির বা আমাদের দখলকৃত এলাকার এই ধরণের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর অবস্থান সম্পর্কে কমান্ডারদের অবহিত করবেন। এই তথ্যগুলো প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সহ কমান্ড চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে সকল স্তরে পৌঁছে দেওয়া হবে। ** '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]''''', ২৬ মে ১৯৪৪ তারিখে লিখিত চিঠি; যা হাওয়ার্ড এম. হেনসেল সম্পাদিত “দ্য ল অফ আর্মড কনফ্লিক্ট: কনস্ট্রেইনস অন দ্য কনটেম্পোরারি ইউজ অফ মিলিটারি ফোর্স” (২০০৭), ৫৮ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * [[:w:পশ্চিম ইউরোপ|পশ্চিম ইউরোপের]] জনগণ: আজ সকালে আমাদের মিত্র অভিযাত্রী বাহিনীর সৈন্যরা ফ্রান্সের উপকূলে অবতরণ করেছে। এই অবতরণ আমাদের মহান রুশ মিত্রদের সহযোগিতায় ইউরোপের মুক্তির জন্য সম্মিলিত জাতিসংঘ পরিকল্পনার অংশ। যারা স্বাধীনতাকে ভালোবাসেন, আমি তাঁদের এখন আমাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা সবাই মিলে বিজয় অর্জন করব। ** ৬ জুন, নাৎসি অধিকৃত ইউরোপে মিত্রবাহিনীর আক্রমণ বা "ডি-ডে" (D-Day) শুরুর প্রাক্কালে দেওয়া জেনারেল ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের বেতার ভাষণ। দ্রষ্টব্য: "ডি-ডে" হলো সামরিক পরিকল্পনায় ব্যবহৃত একটি পরিভাষা যা কোনো জল ও স্থলভিত্তিক (উভচর) আক্রমণের তারিখকে নির্দেশ করে। [[File:Into the Jaws of Death 23-0455M edit.jpg|thumb|right|বিশ্বের মুক্ত মানুষেরা বিজয়ের লক্ষে একসাথে মার্চ করে এগিয়ে চলেছে। আপনাদের সাহস, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং যুদ্ধের নিপুণতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা পূর্ণ বিজয় ছাড়া আর কিছুই গ্রহণ করব না। ~ [[w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]]] * মিত্র অভিযাত্রী বাহিনীর সৈন্য, নাবিক এবং বৈমানিকগণঃ<br>আপনারা সেই 'গ্রেট [[ক্রুসেড]]' বা মহান অভিযানে যাত্রা করতে যাচ্ছেন, যার জন্য আমরা এই দীর্ঘ মাসগুলো কঠোর পরিশ্রম করেছি। বিশ্বের চোখ এখন আপনাদের ওপর। সর্বত্র স্বাধীনতাকামী মানুষের আশা আর প্রার্থনা আপনাদের সঙ্গী। অন্যান্য রণাঙ্গনে আমাদের সাহসী মিত্র এবং সহযোদ্ধাদের সাথে মিলে আপনারা জার্মান যুদ্ধযন্ত্রকে ধ্বংস করবেন, ইউরোপের নিপীড়িত মানুষের ওপর থেকে নাৎসি স্বৈরশাসনের অবসান ঘটাবেন এবং মুক্ত বিশ্বে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আপনাদের কাজ সহজ হবে না। আপনাদের শত্রু সুশিক্ষিত, সুসজ্জিত এবং যুদ্ধে পারদর্শী। তারা হিংস্রভাবে লড়াই করবে। কিন্তু এটি ১৯৪৪ সাল। ১৯৪০-৪১ সালের নাৎসি বিজয়ের পর থেকে অনেক কিছু বদলে গেছে। জাতিসংঘ উন্মুক্ত যুদ্ধে মুখোমুখি লড়াইয়ে জার্মানদের বিশাল পরাজয় উপহার দিয়েছে। আমাদের আকাশপথের আক্রমণ শত্রুর শক্তি এবং ভূমিতে যুদ্ধ করার ক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে কমিয়ে দিয়েছে। আমাদের স্বদেশী মানুষরা আমাদের হাতে যুদ্ধাস্ত্র ও গোলাবারুদের এক অভাবনীয় শ্রেষ্ঠত্ব তুলে দিয়েছে এবং আমাদের হাতে প্রশিক্ষিত যোদ্ধা পুরুষদের বিশাল মজুদ এনে দিয়েছে। সময়ের চাকা এখন আমাদের অনুকূলে। বিশ্বের মুক্ত মানুষেরা বিজয়ের লক্ষে একসাথে মার্চ করে এগিয়ে চলেছে। আপনাদের সাহস, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং যুদ্ধের নিপুণতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা পূর্ণ বিজয় ছাড়া আর কিছুই গ্রহণ করব না। শুভকামনা! আর আসুন আমরা সবাই এই মহান এবং মহৎ প্রচেষ্টার ওপর সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের আশীর্বাদ প্রার্থনা করি। ** ডি-ডে আক্রমণের পূর্বে মিত্রবাহিনীর সৈন্যদের উদ্দেশ্যে দেওয়া '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' ভাষণ। [[File:D-Day-Memorial-bronze-detail-Highsmith.jpeg|thumb|right|ছেলেরা একেকজন বীরপুরুষে পরিণত হয়েছিল। কেউ কেউ হয়ে উঠেছিল চরম সাহসী! অন্যরা খুব দ্রুতই লাশে পরিণত হয়েছিল, আর যারা বেঁচে ছিল তারা ছিল আতঙ্কগ্রস্ত। কেউ কেউ তো ভয়ে প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছিল, অন্যরা নির্লজ্জের মতো কাঁদছিল। অনেকেরই কাজ শেষ করার জন্য নিজের ভেতর থেকে শক্তি খুঁজে নিতে হয়েছিল। শৃঙ্খলা আর প্রশিক্ষণই তখন সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল...~ বব স্লটার]] * আমরা বোমার বিস্ফোরণগুলো দেখছিলাম যা থেকে সৃষ্ট আগুন অন্ধকার আকাশকে আলোকিত করে তুলছিল। উপকূল থেকে ১২ মাইল দূরে থাকতেই আমরা আমাদের নির্ধারিত এলসিএ উভচর অবতরণ যান গুলোতে উঠে পড়লাম এবং সেগুলো উত্তাল সমুদ্রে নামিয়ে দেওয়া হলো। নৌবাহিনী তখনও গোলাবর্ষণ শুরু করেনি কারণ চারপাশ তখনও অন্ধকার ছিল। আমরা বিশাল সেই নৌবহর দেখতে পাচ্ছিলাম না, কিন্তু জানতাম যে সেটি ওখানেই আছে।<br>যানে ওঠার আগে বন্ধুরা একে অপরকে বিদায় জানাচ্ছিল এবং শুভকামনা দিচ্ছিল...। আমাদের সবার কাছে সুপ্রিম কমান্ডার জেনারেল আইজেনহাওয়ারের স্বাক্ষর করা একটি চিঠি ছিল, যেখানে বলা হয়েছিল যে আমরা এক 'মহান অভিযান বা ক্রুসেডে' নামতে যাচ্ছি। আমার কয়েকজন সঙ্গী চিঠিতে অটোগ্রাফ দিয়েছিল এবং আমি পুরো যুদ্ধ জুড়ে সেটি আমার মানিব্যাগে বহন করেছি।<br>ইংলিশ চ্যানেল ছিল অত্যন্ত উত্তাল, এবং খুব দ্রুতই আমাদের হেলমেট দিয়ে যানের ভেতর থেকে জল সেঁচতে শুরু করতে হলো। ঠাণ্ডা জলের ঝাপটা আমাদের পুরো ভিজিয়ে দিয়েছিল...।<br>আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সাথে সাথে বিশাল নৌবহরটি দৃশ্যমান হলো। জ্বলন্ত ফরাসি উপকূলরেখাও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল। সকাল ০৬:০০ টায় মিত্রবাহিনীর নৌবাহিনীর বিশাল কামানগুলো গর্জে উঠল, যা ছিল সম্ভবত ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কামানের গোলাবর্ষণ। আমি দেখতে পাচ্ছিলাম 'টেক্সাস' যুদ্ধজাহাজটি উপকূলরেখায় গোলাবর্ষণ করছে।<br>বম-বা-বা-বুম-বা-বা-বুম! কয়েক মিনিটের মধ্যে সেই বিশাল কামানের প্রতিঘাত থেকে সৃষ্ট বিশাল ঢেউ আমাদের প্রায় ডুবিয়ে দিচ্ছিল এবং আমাদের অসুস্থতা ও দুর্দশা বাড়িয়ে দিচ্ছিল। কিন্তু আকাশ থেকে লক্ষ্যবস্তুর ওপর টনখানেক ওজনের মিসাইলগুলো আছড়ে পড়তেও দেখা যাচ্ছিল। মাথার ওপর পি-৩৮ ফাইটার-বোম্বারগুলো আমাদের লুফৎওয়াফ (জার্মান বিমান বাহিনীর নাম) থেকে রক্ষা করতে টহল দিচ্ছিল, যা আমাদের মনে এক ধরণের মিথ্যা নিরাপত্তার বোধ তৈরি করছিল। মনে হচ্ছিল যে এটি হয়তো খুব সহজ একটি কাজ হবে।<br>উপকূল থেকে কয়েক হাজার গজ দূরে আমরা তিন-চারজন বেঁচে যাওয়া মানুষকে উদ্ধার করলাম যাদের যানটি ডুবে গিয়েছিল...।<br>উপকূল থেকে প্রায় দুই-তিনশ গজ দূরে আমরা গোলন্দাজ বাহিনীর আক্রমণের মুখে পড়লাম। গোলার আঘাতে সমুদ্রের জল আকাশে উঠে বৃষ্টির মতো আমাদের ওপর পড়ছিল...।<br>তীর থেকে প্রায় ১৫০ গজ দূরে, বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও ('মাথা নিচু রাখো') আমি মাথা উঁচু করলাম। দেখলাম আমাদের ডানদিকের নৌকাটি শত্রুর গুলিতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমাদের কয়েক মিনিট আগেই যারা তীরে পৌঁছেছিল, শত্রুরা তাদের ওপর এমনভাবে গুলিবর্ষণ করছিল যে ট্রেসার বুলেটগুলো নৌকার র‍্যাম্প আর গায়ে লেগে ছিটকে আসছিল। আমরা যদি ডুবে যাওয়া যানের বেঁচে যাওয়া মানুষদের তোলার জন্য কয়েক মিনিট দেরি না করতাম, তবে হয়তো আমাদের ওপরই ওই গুলিবর্ষণ হতো।<br>শত্রুর গোলন্দাজ বাহিনী এবং মর্টারের আঘাতে সমুদ্র থেকে জলের ফোয়ারা উঠছিল। আমরা তখন বুঝতে পারলাম যে এটি কোনো সহজ কাজ হবে না। কেউ ভাবেনি যে জলের কিনারাতেই শত্রু আমাদের এমন প্রতিরোধের মুখে ফেলবে। আমরা ভেবেছিলাম আমরা পৌঁছানোর আগেই এ এবং বি কোম্পানি সৈকত দখল করে নেবে। বাস্তবে আমাদের সেক্টরে তখনও কেউ পা রাখেনি। আমাদের চালক 'ভিয়েরভিল চার্চের' চূড়াটি লক্ষ্য করতে ভুল করেছিলেন এবং জোয়ার আমাদের আরও ২০০ গজ পূর্বে টেনে নিয়ে গিয়েছিল।<br>অবস্থান পরিবর্তনের খুব একটা তফাত ছিল না। আমরা আমাদের ডানে, পশ্চিম দিক থেকে শত্রুর মেশিনগানের সেই 'প-র-র-র-র' করে একটা শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। এটা স্পষ্ট ছিল যে আমাদের যেখানে নামার কথা ছিল, সেখানে কেউ না কেউ... ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে।<br>জলে এবং স্থলে যখন কামানের গোলা বিস্ফোরিত হচ্ছিল, তখনই যানের র‍্যাম্পটি নেমে গেল। পাহাড়ের ওপর থেকে অদৃশ্য স্নাইপাররা গুলি চালাচ্ছিল, তবে সবচেয়ে বেশি ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছিল অটোমেটিক অস্ত্রগুলো...।<br>আমি যখন নামলাম, তখন আমি জলের ভেতরে। ৬০ পাউন্ড ওজনের সরঞ্জাম শরীর থেকে ঝেড়ে ফেলা খুব কঠিন ছিল, আর কেউ যদি ভালো সাঁতারু না হতো তবে তার ডুবে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা ছিল...। ভালো সাঁতারু হওয়া সত্ত্বেও অনেকে জলের ভেতরেই ডুবে মারা গেল। মৃত দেহগুলো জলে ভাসছিল, আর জীবিত মানুষেরা মৃত সেজে জলের স্রোতের সাথে তীরের দিকে আসছিল...।<br>গোলা যখন জলের কিনারে এসে পড়ছে, তখন আমি চিবুক পর্যন্ত জলের নিচে নিজেকে লুকিয়ে রেখেছিলাম। ছোট ছোট অস্ত্রের গুলিতে বালি উড়ছিল। আমি একজন জিআই-কে দেখলাম সৈকত অতিক্রম করার জন্য দৌড়ানোর চেষ্টা করছে। সরঞ্জামের ভারে তার নড়াচড়া করতে কষ্ট হচ্ছিল। শত্রুর গুলিতে সে বিদ্ধ হলো এবং একজন 'মেডিক' বা চিকিৎসকের জন্য চিৎকার করতে লাগল। একজন চিকিৎসাকর্মী দ্রুত তাকে সাহায্য করতে গেল এবং সেও গুলিবিদ্ধ হলো। আমি কখনোই সেই দৃশ্য ভুলব না! একজন আহত সৈনিকের পাশে ওই মেডিক শুয়ে আছে এবং দুজনেই যন্ত্রণায় চিৎকার করছে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই তারা মারা গেল।<br>ছেলেরা একেজন বীরপুরুষে পরিণত হয়েছিল। কেউ কেউ হয়ে উঠেছিল চরম সাহসী। অন্যরা খুব দ্রুতই লাশে পরিণত হয়েছিল, আর যারা বেঁচে ছিল তারা ছিল আতঙ্কগ্রস্ত। কেউ কেউ তো ভয়ে প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছিল, অন্যরা নির্লজ্জের মতো কাঁদছিল। অনেকেরই কাজ শেষ করার জন্য নিজের ভেতর থেকে শক্তি খুঁজে নিতে হয়েছিল। শৃঙ্খলা আর প্রশিক্ষণই তখন সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল।<br>আমি আমার অ্যাসল্ট জ্যাকেট খুলে রেইনকোটটি বিছিয়ে দিলাম যাতে আমার রাইফেলটি পরিষ্কার করতে পারি। তখনই আমি আমার জ্যাকেট এবং রেইনকোটে বুলেটের গর্ত দেখতে পেলাম। আমি আমার প্রথম সিগারেটটি ধরালাম; আমাকে একটু বিশ্রাম নিয়ে নিজেকে সামলাতে হচ্ছিল কারণ আমার হাঁটু তখন দুর্বল হয়ে আসছিল। ** ২৯তম পদাতিক ডিভিশনের সদস্য বব স্লটার; যিনি ১৯৪৪ সালের ৬ জুন নরম্যান্ডির ওমাহা বিচে অবতরণ করেছিলেন, যেখানে সৈকত দখলের সেই যুদ্ধে ৩,৫০০ আমেরিকান এবং ৭০০ জার্মান নিহত হয়েছিল। * আক্রমণকারী ইউনিটগুলো বিশৃঙ্খল হয়ে পড়েছিল, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছিল এবং মূল্যবান সরঞ্জাম হারিয়ে তারা পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল। শত্রুর তীব্র গুলিবর্ষণের কারণে তারা সৈকতে আটকা পড়েছিল..। সৈকতে সৈন্য এবং সরঞ্জামের স্তূপ জমে যাচ্ছিল, যেখানে জড়ো হওয়া দলগুলো শত্রুর জন্য খুব সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল। ** ১৯৪৪ সালের ৬ জুন নরম্যান্ডির অবতরণ সৈকতে থাকা একজন আমেরিকান অফিসারের বর্ণনা। * অবশ্যই, আমরা সবাই বাড়ি ফিরতে চাই। আমরা এই আপদ দ্রুত শেষ করতে চাই। কিন্তু এটি শেষ করার দ্রুততম উপায় হলো ওই জারজগুলোকে ধরতে যাওয়া। তাদের যতো দ্রুত চাবকানো হবে, আমরা ততো দ্রুত বাড়ি ফিরব। বাড়ি ফেরার সংক্ষিপ্ততম পথটি [[:w:বার্লিন|বার্লিনের]] ওপর দিয়ে গেছে।<br>আর একটি জিনিস তোমরা বাড়ি ফিরে বলতে পারবে। যখন তোমরা আগুনের পাশে বসে থাকবে, কোলে থাকবে তোমাদের বাচ্চা, আর সে যখন জিজ্ঞেস করবে যে মহান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তুমি কী করেছিলে, তখন তোমাকে অন্তত এটি বলতে হবে না যে, তুমি [[w:লুইজিয়ানা|লুইজিয়ানায়]] বসে বিষ্ঠা পরিষ্কার করছিলে। ** জেনারেল '''''জর্জ এস. প্যাটনের''''' ভাষণ; ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে ফ্রান্সের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার আগে তিনি তাঁর ইউএস থার্ড আর্মির উদ্দেশ্যে এটি দিয়েছিলেন। * যেকোনো কমান্ডার যিনি তাঁর লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হন, এবং যিনি মৃত বা মারাত্মকভাবে আহত নন—তিনি তাঁর পূর্ণ দায়িত্ব পালন করেননি। ** জেনারেল '''''জর্জ এস. প্যাটনের''''' নির্দেশনা, যা তিনি থার্ড আর্মিকে দিয়েছিলেন। * অস্টিন হোয়াইট, শিকাগো, ইলিনয়; ১৯১৮ এবং ১৯৪৪। - আমি এভাবে শেষবারের মতো এখানে আমার নাম লিখতে চাই। ** ফ্রান্সের ভেরদুনের কাছে পাওয়া একটি শিলালিপি; যা 'ইয়াঙ্ক' ম্যাগাজিনের (সৈনিকদের জন্য একটি ম্যাগাজিন) একজন সাংবাদিক খুঁজে পেয়েছিলেন। ==== মন্টে ক্যাসিনোর যুদ্ধ (১৭ জানুয়ারি – ১৮ মে ১৯৪৪) ==== * এরই মধ্যে ফরাসি বাহিনী গারিলিয়ানো (নদী) অতিক্রম করে লিরি নদীর দক্ষিণে অবস্থিত পার্বত্য অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয়। এটি মোটেও সহজ কাজ ছিল না। বরাবরের মতোই জার্মান অভিজ্ঞ সেনারা প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল এবং সেখানে তিক্ত লড়াই হয়েছিল। ফরাসিরা শত্রুকে অবাক করে দিয়ে দ্রুত মাউন্ট ফাইতো চেরাসোলা এবং কাস্তেলফোরতের নিকটবর্তী উচ্চভূমি সহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো দখল করে নেয়। ১ম মোটরাইজড ডিভিশনের সহায়তায় ২য় মরোক্কান ডিভিশন গুরুত্বপূর্ণ মাউন্ট গিরোফানো দখল করে এবং এরপর দ্রুত উত্তরে এস. আপোলিনারে এবং এস. আমব্রোজিওর দিকে অগ্রসর হয়। শত্রুর কঠোর প্রতিরোধ সত্ত্বেও ২য় মরোক্কান ডিভিশন মাত্র দুই দিনের লড়াইয়ে গুস্তাভ লাইন ভেদ করতে সক্ষম হয়। ফরাসি ফ্রন্টের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা ছিল চূড়ান্ত। খঞ্জরধারী 'গুমিয়ার' সেনারা পাহাড়ের ওপর পঙ্গপালের মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, বিশেষ করে রাতের বেলা। এবং জেনারেল জুঁ-র পুরো বাহিনী এমন আগ্রাসন দেখিয়েছিল যা জার্মানরা প্রতিহত করতে পারেনি। চেরাসোলা, সান জিওগ্রিও, মাউন্ট ডি'অরো, আউসোনিয়া এবং এসপেরিয়া দখল করা হয়েছিল যা ছিল ইতালির যুদ্ধে অন্যতম উজ্জ্বল এবং সাহসী অগ্রযাত্রা। ১৬ মে তারিখের মধ্যে ফরাসি এক্সপেডিশনরি কর্পস তাদের বাম পার্শ্ব দিয়ে মাউন্ট রেভোল পর্যন্ত প্রায় দশ মাইল অগ্রসর হয়েছিল, যখন তাদের ফ্রন্টের বাকি অংশ ব্রিটিশ ৮ম আর্মির সাথে যোগাযোগ বজায় রাখার জন্য কিছুটা পিছিয়ে ছিল। এই অভাবনীয় কর্মক্ষমতার জন্য, যা রোম অভিযানের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ছিল, আমি সর্বদা জেনারেল জুঁ এবং তাঁর অসামান্য এফইসি-র একজন কৃতজ্ঞ গুণমুগ্ধ হয়ে থাকব... ৮ম আর্মির বিলম্ব জুঁ-র কাজকে আরও কঠিন করে তুলেছিল, কারণ তিনি এত দ্রুত অগ্রসর হচ্ছিলেন যে তাঁর ডান পার্শ্ব। যা ব্রিটিশদের সংলগ্ন ছিল, তা ক্রমাগত পাল্টা আক্রমণের ঝুঁকির মুখে ছিল। ** জেনারেল '''''মার্ক ডব্লিউ ক্লার্কের''''' বর্ণনা; যেখানে তিনি বর্ণনা করেছেন কীভাবে মার্শাল জুঁ-র কমান্ডে ফরাসি এক্সপেডিশনরি কর্পস (FEC) ১৯৪৪ সালের মে মাসে [[:w:গুস্তাভ লাইন|গুস্তাভ লাইন]] ভেদ করেছিল। মার্ক ওয়েন ক্লার্ক, ''ক্যালকুলেটেড রিস্ক'' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ৩৪৮। * সাধারণ শত্রুর বিরুদ্ধে আমাদের ইতালি অভিযানে ফরাসি সৈন্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত হতে দেখে আমি গভীর তৃপ্তি অনুভব করছি। এই দীর্ঘ মাসগুলোতে ফরাসি সেনাবাহিনীর মহত্তম ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী এই সৈন্যদের অসামান্য যোগ্যতার প্রমাণ স্বচক্ষে দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। তবুও এতেই সন্তুষ্ট না হয়ে, আপনি এবং আপনার সকল লোক ফ্রান্সের ইতিহাসে এক নতুন মহাকাব্যিক অধ্যায় যুক্ত করেছেন। আপনারা স্বদেশবাসীদের হৃদয়ে আনন্দ দিয়েছেন, তাঁদের সান্ত্বনা ও আশার আলো দেখিয়েছেন যখন তাঁরা ঘৃণাভরে দেখা এক দখলদারের ভারী এবং অপমানজনক জোয়ালের নিচে ধুঁকছিলেন। সি.ই.এফ. এর সকল সদস্যদের অদম্য শক্তি এবং বিপদের প্রতি চরম উপেক্ষা, সাথে ফরাসি সামরিক কর্মকর্তাদের অসাধারণ পেশাদার দক্ষতা মিত্রদের মনে প্রশংসা এবং শত্রুর মনে ত্রাস সৃষ্টি করেছে। গারিলিয়ানোর তীর থেকে, যেখানে আপনাদের প্রথম সাফল্য পুরো অভিযানের গতিপথ নির্ধারণ করে দিয়েছিল—পার্বত্য অঞ্চলের মধ্য দিয়ে রোমের দিকে এগিয়ে যাওয়া, [[:w:তাইবার|তাইবার নদী]] পার হওয়া এবং সিয়েনা ও আরনো উপত্যকার পাহাড়গুলো পর্যন্ত শত্রুকে নিরলসভাবে ধাওয়া করা। ফ্রান্সের সৈন্যরা সর্বদা সম্ভাব্য সবকিছু অর্জন করেছে এবং কখনও কখনও যা অসম্ভব ছিল তাও সম্ভব করেছে। আমাদের যৌথ বিজয়ে আপনাদের এই বিশাল অবদানের জন্য আমার গভীর কৃতজ্ঞতা গ্রহণ করবেন, আমার প্রিয় জেনারেল। ** মার্শাল জুঁ-র কাছে লেখা একটি চিঠিতে জেনারেল '''''মার্ক ডব্লিউ ক্লার্কের''''' শ্রদ্ধাঞ্জলি। মার্শাল জুঁ, ''মেমোয়ার্স'' (ফায়ার্ড, ১৯৫৯), পৃষ্ঠা ৩৫৫। === ১৯৪৫ === * এই মিত্র বাহিনীর মিশন ৭ মে, ১৯৪৫ তারিখের স্থানীয় সময় ভোর ৩টায় সম্পন্ন হয়েছে। ** জেনারেল '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' বার্তা; ফ্রান্সের রেইমসে অবস্থিত আইজেনহাওয়ারের সদর দপ্তরে জার্মান প্রতিনিধিদের আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষরের পর তিনি এটি কম্বাইন্ড চিফস অফ স্টাফকে (ব্রিটিশ ও আমেরিকান বাহিনীর কমান্ড) পাঠিয়েছিলেন। == [[w:ইহুদি গণহত্যা|ইউরোপের যুদ্ধঃ ইহুদি গণহত্যা]] == === ১৯৪৪ === * আমরা যখন গবাদি পশু পরিবহনের ট্রাক থেকে নামলাম, তারা নির্দেশ দিল, 'পুরুষরা ডানদিকে ; মহিলারা বামদিকে।'...আমি বাবার সাথে গেলাম। আমার ছোট বোন এস্তার মায়ের সাথে গেল। এস্তারের বয়স ছিল মাত্র এগারো। ও আমার মায়ের হাত ধরে ছিল। যখন তারা মহিলাদের বাছাই করছিল, এস্তার আমার মাকে আঁকড়ে ধরল। মা ওকে ছেড়ে দিতে রাজি হননি। তারা সরাসরি গ্যাস চেম্বারের দিকে চলে গেল। ** মরিস (মরিৎজ) ভেগের বর্ণনা; ৪ মে, ১৯৯৬ তারিখে মার্টিন গিলবার্টের সাথে কথোপকথনে। ভেগ-কে ১৩ বছর বয়সে তাঁর পরিবারের সাথে অউশভিৎজ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছিল, সেখানে তিনি ক্রীতদাস হিসেবে কাজ করেছেন এবং তিনি তাঁর পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য ছিলেন। ''দ্য বয়েজ: ট্রায়াম্ফ ওভার অ্যাডভার্সিটি'' (ডগলাস অ্যান্ড ম্যাকইনটায়ার, ১৯৯৬), পৃষ্ঠা ১৬৭। === ১৯৪৫ === * আমি চাই, সামনের সারিতে নেই এমন প্রতিটি আমেরিকান ইউনিট এই জায়গাটি এসে দেখুক .... আমাদের বলা হয় যে আমেরিকান সৈন্যরা জানে না তারা কিসের জন্য লড়ছে। এখন অন্তত তারা জানবে যে তারা ঠিক কিসের 'বিরুদ্ধে' লড়ছে। ** ১৩ এপ্রিল, ১৯৪৫ তারিখে অর্ড্রুফ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প পরিদর্শনের পর সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার জেনারেল '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' মন্তব্য। সেখানে ব্যারাকগুলোতে লাশের স্তূপ ছিল এবং পুড়িয়ে ফেলা দেহের গন্ধ আসছিল মৃতদেহ পোড়ানোর চুল্লি (ক্রিমেটোরিয়া) থেকে। চার্লস আর. কোডম্যান, ''ড্রাইভ'' (বোস্টন, ১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২৮২–২৮৩। * ক্যাম্পের অন্য একটি অংশে তারা আমাকে শিশুদের দেখাল, সেখানে শত শত শিশু ছিল। কয়েকজনের বয়স ছিল মাত্র ৬ বছর। একজন তার জামার হাতা গুটিয়ে আমাকে তার নম্বরটি দেখাল। এটি তার হাতে উল্কি করে খোদাই করা ছিল। নম্বরটি ছিল বি-৬০৩০। অন্যরা আমাকে তাদের নম্বরগুলো দেখাল। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তারা এগুলো বহন করে বেড়াবে। আমি তাদের পাতলা শার্টের ভেতর দিয়ে পাঁজরের হাড়গুলো দেখতে পাচ্ছিলাম। ** সিবিএস নিউজের সংবাদদাতা '''''এডওয়ার্ড আর. মুরোর''''' রিপোর্ট; ১৫ এপ্রিল, ১৯৪৫ তারিখে বুখেনওয়াল্ড কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প থেকে। ''ফ্রম ডি-ডে থ্রু ভিক্টরি ইন ইউরোপ'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৪৫), পৃষ্ঠা ১৬৮–৭৪। * যা এই তদন্তকে তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে তা হলো—এই বন্দীরা (নাৎসি নেতারা) এমন এক অশুভ প্রভাবের প্রতিনিধিত্ব করে যা তাদের দেহ ধূলিসাৎ হয়ে যাওয়ার অনেক পরেও পৃথিবীতে লুকিয়ে থাকবে। তারা হলো বর্ণগত ঘৃণা, সন্ত্রাস ও সহিংসতা এবং ক্ষমতার দম্ভ ও নিষ্ঠুরতার জীবন্ত প্রতীক। ** মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি '''''রবার্ট এইচ. জ্যাকসনের''''' বক্তব্য; যিনি যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বেঁচে থাকা নাৎসি নেতাদের বিরুদ্ধে চলা নুরেমবার্গ ট্রায়ালে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', খণ্ড ৯৫, সংখ্যা ৩২,০৭৯ (২২ নভেম্বর, ১৯৪৫), পৃষ্ঠা ২। * মাসের পর মাস, বছরের পর বছর আমাদের কেবল একটিই ইচ্ছা ছিল। আমাদের মধ্যে কেউ যেন অন্তত বেঁচে ফিরতে পারি! যাতে আমরা বিশ্বকে জানাতে পারি যে নাৎসি অপরাধীদের কারাগারগুলো আসলে কেমন ছিল। সেখানে মানুষকে দাস হিসেবে ব্যবহার করার এবং যখন তারা আর কাজ করার ক্ষমতা রাখত না তখন তাদের মেরে ফেলার এক সুশৃঙ্খল আকাঙ্ক্ষা বিদ্যমান ছিল। ** অউশভিৎজ থেকে বেঁচে ফেরা '''''মারি-ক্লদ ভ্যালান-কুতুরিয়ের''''' (মারি ভ্যালান); ২৮ জানুয়ারি ১৯৪৬ তারিখে নুরেমবার্গ ট্রায়ালে দেওয়া সাক্ষ্যে। ''ট্রায়াল অফ দ্য মেজর ওয়ার ক্রিমিনালস বিফোর দ্য ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল'' (১৯৪৭), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ২২৮। * ''KZ Dachau — Velden — Buchenwald. Ich schäমে mich, daß ich ein Deutscher bin.'' (কেজেড ড্যাকাউ — ভেলডেন — বুখেনওয়াল্ড। ইশ শেমে মিশ, ডাস ইশ আইন ডয়চার বিন।) ** কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প ড্যাকাউ — ভেলডেন — বুখেনওয়াল্ড। আমি একজন জার্মান হিসেবে লজ্জিত। ** ১৯৪৫ সালে আমেরিকানদের হাতে শহরটি পতন হওয়ার পর [[w:মিউনিখ|মিউনিখের]] ফেল্ডহেরনহালের দেওয়ালে আঁকা একটি লিপি। ''সুদডয়েচ জেইতুংয়ের'' (৪ মে ২০২০) "স্পেট শম" প্রতিবেদনে এটি রিপোর্ট করা হয়েছে। == মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং [[:w:কমনওয়েলথ অব নেশনস|কমনওয়েলথ অব নেশনস]] বনাম জাপান == * ''কোনো শত্রু আমাদের ফসল কাটতে পারবে না,<br>অথবা আমাদের পশুখামারের বেড়ার উপর বসতে পারবে না।'' ** '''''মেরি গিলমোর''''', "নো ফো শ্যাল গ্যাদার আওয়ার হারভেস্ট" (কোনো শত্রু আমাদের ফসল কাটবে না), স্তবক ৪; ''দ্য অস্ট্রেলিয়ান ওমেনস উইকলি'' (সিডনি, ২৯ জুন ১৯৪০), পৃষ্ঠা ৫। লেখকের টীকা: "যুদ্ধ জয়ের জন্য আমি যা করতে চাই তার অনেক কিছুই করার মতো বয়স আমার নেই, কিন্তু আমি এখনও লিখতে পারি। অস্ট্রেলিয়ার পুরুষ ও নারীদের জন্য এখানে একটি গান দিলাম।" === ১৯৪১ === * আমি এখানে উপস্থিত আপনাদের অধিকাংশকেই চিনি এবং আপনাদের ক্ষমতা ও বিচারবুদ্ধির ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা এক বিশাল ধাক্কা খেয়েছি, কিন্তু চূড়ান্ত পরিণতি নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। ** '''''চেস্টার ডব্লিউ. নিমিৎজ'''''; ৩১ ডিসেম্বর ১৯৪১ তারিখে কমান্ড গ্রহণ করার সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিট স্টাফ অফিসারদের সাথে বৈঠকে। ইয়ান ডব্লিউ. টোল রচিত ''প্যাসিফিক ক্রুসিবল: ওয়ার অ্যাট সি ইন দ্য প্যাসিফিক, ১৯৪১–১৯৪২'' (২০১২), ১৬০ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * সময়জ্ঞান এবং আকস্মিকতার কারণে আপনারা হয়তো প্রাথমিক সাফল্য পাবেন, কিন্তু এমন সময় আসবে যখন আপনাদেরও ক্ষয়ক্ষতি হবে; তবে সেখানে একটি বিশাল পার্থক্য থাকবে। আপনারা কেবল আপনাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই ব্যর্থ হবেন না, বরং সময় গড়ানোর সাথে সাথে দুর্বল হতে থাকবেন। অন্যদিকে আমরা কেবল আমাদের ক্ষতিই পুষিয়ে নেব না, বরং সময়ের সাথে সাথে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠব। আমরা আপনাদের চূর্ণ না করা পর্যন্ত থামব না—এটি অনিবার্য। ** অ্যাডমিরাল '''''হ্যারল্ড রেইনসফোর্ড স্টার্কের''''' বক্তব্য; নৌ-অপারেশনের প্রধান হিসেবে যুদ্ধের আগে জাপানি রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশ্যে দেওয়া। লুইস মর্টন, ''দ্য ওয়ার ইন দ্য প্যাসিফিক। স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড কমান্ড: দ্য ফার্স্ট টু ইয়ার্স'' (১৯৬২), ১২৫ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গ্রেট ব্রিটেনের সাথে যুদ্ধের প্রথম ছয় থেকে বারো মাস আমি দাপিয়ে বেড়াব এবং একের পর এক বিজয় ছিনিয়ে আনব। কিন্তু এরপরও যদি যুদ্ধ চলতে থাকে, তবে সফল হওয়ার কোনো আশা আমার নেই। ** অ্যাডমিরাল '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো''''', পার্ল হারবার আক্রমণের পরিকল্পনাকারী; প্রধানমন্ত্রী ফুমিমারো কোনোর কাছে দেওয়া বক্তব্য। রোনাল্ড স্পেক্টর, ''ঈগল অ্যাগেইনস্ট দ্য সান: দ্য আমেরিকান ওয়ার উইথ জাপান'' (১৯৮৫) এ উদ্ধৃত। * ''Tennōheika banzai!'' (তেন্নো হেইকা বানজাই!) ** সম্রাট দশ হাজার বছর দীর্ঘজীবী হোন! ** — আক্রমণের সময় জাপানি ইম্পেরিয়াল বাহিনীর সেনাদের দেওয়া স্লোগান। == জাপানের আক্রমণ: ফিলিপাইনের পতন (ডিসেম্বর ১৯৪১ – মে ১৯৪২) == === ১৯৪২ === * আমরাই বাতাআনের জারজ লড়াকু দলীয়;<br>বাবা নেই, মা নেই, নেই [[:w:আঙ্কেল স্যাম|আঙ্কেল স্যাম]];<br>খালা নেই, মামা নেই, নেই কোনো আত্মীয়...<br>নেই ওষুধ, নেই বিমান, নেই কোনো কামানের গোলা...<br>আর কারো তাতে কিছু আসে যায় না। ** ম্যানিলা বে-র উত্তর-পশ্চিমে বাতাআন উপদ্বীপের প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত সেনাদের গাওয়া গান; যারা ফিলিপাইনে জাপানি আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে সর্বশেষ প্রধান শক্তি হিসেবে টিকে ছিল। * ধরুন আপনি একজন সার্জেন্ট মেশিন-গানার, আর আপনার বাহিনী পিছু হটছে এবং শত্রু এগিয়ে আসছে। ক্যাপ্টেন আপনাকে রাস্তা আগলে রাখা একটি মেশিনগানের কাছে নিয়ে গেলেন। তিনি আপনাকে বললেন, 'তোমাকে এখানেই থাকতে হবে এবং এই অবস্থান ধরে রাখতে হবে'। আপনি জিজ্ঞেস করলেন, 'কতোক্ষণ?' তিনি উত্তর দিলেন, 'সেটা নিয়ে ভেবো না, শুধু ধরে রাখো'। তখনই আপনি বুঝবেন যে আপনি 'এক্সপেন্ডবল' বা ত্যাজ্য। এক অর্থে যেকোনো কিছুই ত্যাজ্য হতে পারেটাকা, গ্যাসোলিন, সরঞ্জাম বা সাধারণত মানুষ। তারা কেবল কিছুটা সময় পাওয়ার জন্য আপনাকে এবং ওই মেশিনগানটিকে বিসর্জন দিচ্ছে। ** উইলিয়াম এল. হোয়াইট, তাঁর 'দে ওয়্যার এক্সপেন্ডবল' গ্রন্থে; ১৯৪২ সালের শুরুতে জাপানিদের কাছে ফিলিপাইনের পতনের বিবরণ। * সূর্য আমার ধড়ফড় করা হৃদয়ে এক প্রখর তাপ ঢালছিল... রাস্তার ধারে জঙ্গলটা ছিল কুয়াশাচ্ছন্ন সবুজ আভা, যা আমার ঘর্মাক্ত চোখের সামনে ভেসে উঠছিল। <br>ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেল, এবং প্রচুর সংখ্যক বন্দী তাদের সহ্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেল। দলছুটদের সংখ্যা বাড়তে থাকল। রাস্তার ওপর তারা শত শত সংখ্যায় লুটিয়ে পড়ল...।<br>একটি পিস্তলের আওয়াজ হলো এবং সেই গুলির শব্দ জঙ্গলের বুক জুড়ে প্রতিধ্বনিত হলো। এরপর আরেকটি গুলি, এবং আরও অনেক গুলি; আমি জানতাম যে আমাদের পেছনে জাপানিদের একটি 'ক্লিন-আপ স্কোয়াড' (পরিচ্ছন্নতাকারী দল) আসছে, যারা ওই সাদা ধুলোবালিময় রাস্তায় তাদের অসহায় শিকারদের হত্যা করছে...। সেই গুলির শব্দ আমাদের এগিয়ে যেতে বাধ্য করছিল। আমি দাঁতে দাঁত চাপলাম। 'ওহ ঈশ্বর, আমাকে চলতেই হবে। আমি থামতে পারব না। আমি ওভাবে মরতে পারি না'। ** সার্জেন্ট সিডনি স্টুয়ার্ট, ১৯৪২ সালের এপ্রিলের বাতাআন ডেথ মার্চের একজন উত্তরজীবী; যখন জাপানিরা ৭০,০০০ আমেরিকান ও ফিলিপিনো বন্দীকে বাতাআন উপদ্বীপ থেকে তাদের বন্দীশিবির পর্যন্ত ৬০ মাইল পথ হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। এই পদযাত্রার সময় প্রায় ১০,০০০ বন্দী গুলি, বেয়নেট বা অনাহারে নিহত হয়েছিল। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আমাকে জাপানি ব্যুহ ভেদ করে কোরিজিডোর থেকে [[:w:অস্ট্রেলিয়ায়|অস্ট্রেলিয়ায়]] যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন; যে উদ্দেশ্যে আমি এটি বুঝেছি তা হলো, জাপানের বিরুদ্ধে আমেরিকান আক্রমণ সংগঠিত করা, যার প্রাথমিক লক্ষ্য হলো [[:w:ফিলিপাইন|ফিলিপাইনের]] মুক্তি।<br>আমি পার হয়ে এসেছি এবং আমি ফিরে আসব। ** জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' মন্তব্য; ম্যানিলা বে-র কোরিজিডোর দ্বীপের দুর্গটি জাপানিদের হাতে পতনের পূর্বে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক তাঁকে অস্ট্রেলিয়ায় চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এটি বলেছিলেন (৩০ মার্চ, ১৯৪২)। ''রিপ্রেজেন্টেটিভ স্পিচেস অফ জেনারেল অফ দ্য আর্মি ডগলাস ম্যাকআর্থার'' (১৯৬৪), পৃষ্ঠা vi। * ঈশ্বর আমাদের প্রতি সহায় হোন! ** —জাপানি আক্রমণ মোকাবিলায় [[:w:অস্ট্রেলিয়ার|অস্ট্রেলিয়ার]] প্রস্তুতির অভাব সম্পর্কে জানতে পেরে জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' আক্ষেপ। == [[:w:মিডওয়ের যুদ্ধ|জাপানের আক্রমণ প্রতিহত: মিডওয়ের যুদ্ধ (জুন ১৯৪২)]] == === ১৯৪২ === * আমরা জানতাম নিমিৎজ কী করছেন। তিনি সঠিক কাজটিই করছিলেন, এবং আমরা তাঁকে তাঁর মতোই কাজ করতে দিয়েছিলাম। ** '''''আর্নেস্ট কিং'''''; মিডওয়ের যুদ্ধে চেস্টার নিমিৎজের ভূমিকা সম্পর্কে 'টাইম' ম্যাগাজিনের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে (খণ্ড ৪০, সংখ্যা ২৩, ৭ ডিসেম্বর ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৩৩। * ১৯৪২ সালের এপ্রিলে টোকিওতে ডুলিটল এয়ার রেইডের ফলে মিডওয়েতে আক্রমণ করা হবে কি না, সেই বিতর্কের অবসান ঘটেছিল। ** অ্যাডমিরাল '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো''''', জাপানি নৌবহরের কমান্ডার। * একটি নিষ্পত্তিমূলক নৌ-যুদ্ধের মুখোমুখি হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। আমরা যদি তা করার জন্য এখান থেকে যাত্রা করি এবং প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে একযোগে আত্মাহুতি দিই, তবে সমুদ্রের উপরিভাগে কিছু সময়ের জন্য হলেও শান্তি বিরাজ করবে। ** অ্যাডমিরাল '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো'''''; অপারেশন মি বা মিডওয়ে দ্বীপে আক্রমণের আগে জাপানি নেভাল জেনারেল স্টাফের কাছে দেওয়া বক্তব্য। * বিস্ময় বা আকস্মিকতা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমরা বিশ্বাস করতাম যে জাপানিরা আমাদের রণতরীগুলোর উপস্থিতি সম্পর্কে জানত না। ** কমান্ডার '''''জোসেফ ওয়ার্দিংটন''''', ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস বেনহামের কমান্ডিং অফিসার; মিডওয়ের যুদ্ধের জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর পরিকল্পনা সম্পর্কে, যা জাপানি কোড ভাঙার ওপর নির্ভরশীল ছিল। * পাঁচ মিনিটের মধ্যেই তার [জাপানি বিমানবাহী রণতরী 'আকাগি'-র] সব বিমান উড্ডয়ন করত। মাত্র পাঁচ মিনিট! কে ভেবেছিল যে যুদ্ধের মোড় এই সামান্য সময়ের ব্যবধানে পুরোপুরি ঘুরে যাবে? প্রথম জিরো ফাইটারটি গতি বাড়িয়ে ডেক থেকে শোঁ করে উড়ে গেল। ঠিক সেই মুহূর্তে একজন পাহারাদার চিৎকার করে উঠল, 'হেল ডাইভারস [মার্কিন নৌবাহিনীর ডাইভ বোম্বার]!' আমি ওপরের দিকে তাকিয়ে দেখলাম তিনটি কালো শত্রু বিমান আমাদের জাহাজের দিকে ধেয়ে আসছে। বোমা! সেগুলো সরাসরি আমার দিকেই নেমে আসছিল! ** কমান্ডার '''''মিৎসুও ফুচিদা''''', আকাগিতে থাকা একজন জাপানি কর্মকর্তা; 'মিডওয়ে: দ্য ব্যাটেল দ্যাট ডুমড জাপান' গ্রন্থে। ৩-৬ জুন, ১৯৪২ সালের মিডওয়ের যুদ্ধে মার্কিন নৌবাহিনী হাওয়াইয়ের দিকে জাপানিদের অগ্রযাত্রা রুখে দেয় এবং শত্রুর চারটি বিমানবাহী রণতরী ডুবিয়ে দেয়। এরপর থেকে যুদ্ধের পরবর্তী বছরগুলোতে প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন বাহিনী নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে যেতে থাকে। == প্রশান্ত মহাসাগরে যুদ্ধের মোড় পরিবর্তন == === ১৯৪২ === * কোনো সেনাবাহিনীই কখনও এত অল্প কিছু নিয়ে এত বেশি কিছু করেনি। ** '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' মন্তব্য; বাতাআনের পতন প্রসঙ্গে দেওয়া এই উক্তিটি ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১১ এপ্রিল, ১৯৪২), ১ পৃষ্ঠায় রিপোর্ট করা হয়েছিল। * এখন এটি প্রতীয়মান হচ্ছে যে আমরা গুয়াদালকানাল অঞ্চলে সমুদ্রের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে অক্ষম। ফলে আমাদের অবস্থানগুলোতে রসদ সরবরাহ করতে গেলে আমাদের বিশাল মূল্য চুকাতে হবে। পরিস্থিতি হতাশাজনক নয়, তবে এটি অবশ্যই সংকটজনক। ** অ্যাডমিরাল '''''চেস্টার ডব্লিউ. নিমিৎজের''''' বক্তব্য; ১৯৪২ সালের নভেম্বরে গুয়াদালকানাল অভিযানে মার্কিন নৌবাহিনীর কমান্ডিং অফিসার হিসেবে তিনি এটি বলেছিলেন। * একবার যদি আক্রমণকারী শক্তি হিসেবে জাপান ধ্বংস হয়ে যায়, তবে [[:w:প্রশান্ত মহাসাগর|প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে]] চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো আর কোনো শক্তির আবির্ভাব ঘটবে বলে আমাদের জানা নেই। প্রশান্ত মহাসাগরের তীরবর্তী শান্তিকামী মানুষের একমাত্র শত্রু হলো জাপান। ** '''''জোসেফ গ্রুর''''' ভাষণ; নিউ ইয়র্ক সিটির কার্নেগি হলে 'ইউনাইটেড চায়না রিলিফের' উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্য (১০ অক্টোবর, ১৯৪২); ''দ্য ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট বুলেটিন'' (১০ অক্টোবর, ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৭৯৮। গ্রু ১৯৩২-১৯৪১ সাল পর্যন্ত জাপানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন। === ১৯৪৩ === * আমি গুয়াদালকানাল এবং তুলাগি অভিযানকে আমাদের আক্রমণাত্মক অবস্থান থেকে রক্ষণাত্মক অবস্থানে চলে যাওয়ার সন্ধিক্ষণ হিসেবে দেখি। এবং সেখানে আমাদের বিপর্যয়ের কারণ ছিল আপনাদের মতো একই গতিতে আমাদের শক্তি বৃদ্ধিতে অক্ষমতা। ** জাপানি অ্যাডমিরাল '''''ওসামি নাগানোর''''' বক্তব্য; নৌ-বাহিনীর প্রধান হিসেবে যুদ্ধের পর আমেরিকান কর্মকর্তাদের কাছে তিনি এই স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন। * বাতাআন হলো একটি পরিবারের সেই সন্তানের মতো যে মারা গেছে। এটি আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকে। ** ১৯৪৩ সালের ৯ এপ্রিল, বাতাআনের পতনের প্রথম বার্ষিকীতে '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' স্মৃতিচারণ। ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' রিপোর্ট অনুযায়ী, পতনের পর এটিই ছিল প্রথমবার যখন জেনারেল ম্যাকআর্থার জনসম্মুখে 'বাতাআন' নামটি উচ্চারণ করেছিলেন। == প্রশান্ত মহাসাগরে আমেরিকার উভচর অগ্রযাত্রা == === ১৯৩৯ === * শত্রু বাহিনীর মুখোমুখি হয়ে কোনো বিদেশি উপকূলে অবতরণ করা বরাবরই যুদ্ধের অন্যতম কঠিন অভিযান হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এখন এটি আরও অনেক বেশি কঠিন, প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কারণ একটি পরিবহন কনভয় রক্ষণভাগের বিমান বাহিনীর কাছে অত্যন্ত সহজ লক্ষ্যবস্তু। খোলা নৌকায় করে সৈন্য নামানোর প্রক্রিয়াটি আরও বেশি বিপজ্জনক। ** ব্রিটিশ সামরিক লেখক ক্যাপ্টেন '''''বি. এইচ. লিডেল হার্টের''''' বক্তব্য; 'দ্য ডিফেন্স অফ ব্রিটেন' (১৯৩৯) গ্রন্থে। == ১৯৪৩-১৯৪৫: প্রশান্ত মহাসাগরে বিজয় == * যৌথ প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে এই যুদ্ধের অসামান্য সাফল্য ছিল উভচর অভিযানের নিখুঁত প্রয়োগ, যা আধুনিক যুদ্ধের সব অপারেশনের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন। ** ফ্লিট অ্যাডমিরাল '''''আর্নেস্ট জে. কিঙের''''' বক্তব্য; জেনারেল অফ দ্য আর্মি জর্জ সি. মার্শাল, জেনারেল অফ দ্য আর্মি এইচ. এইচ. আর্নল্ড এবং ফ্লিট অ্যাডমিরাল আর্নেস্ট জে. কিঙের 'দ্য ওয়ার রিপোর্টস' (১৯৪৭) গ্রন্থে। === ১৯৪৪ === * এই অভিযানের লক্ষ্য হলো এমন কিছু অবস্থান দখল করা যেখান থেকে ব্যাপক বিমান হামলা, সমুদ্র ও আকাশপথে অবরোধ এবং প্রয়োজনে আক্রমণের মাধ্যমে জাপানকে চূড়ান্ত আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যায়। ** কমান্ডার ইন চিফ প্যাসিফিক ওশান এরিয়াস (অ্যাডমিরাল নিমিৎজ); 'ক্যাম্পেইন প্ল্যান গ্রানাইট' (১৫ জানুয়ারি, ১৯৪৪)। * যদি সাইপান হাতছাড়া হয়, তবে [[w:টোকিও|টোকিওতে]] ঘনঘন বিমান হামলা চালানো হবে। ** সাইপান রক্ষাকারী জাপানি বাহিনীকে উৎসাহিত করার জন্য সম্রাট হিরোহিতোর পাঠানো বার্তা। * আমাদের জাহাজগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেগুলো জাপানি নৌবহরের দিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ** অ্যাডমিরাল '''''উইলিয়াম ফ্রেডরিক হ্যালসি জুনিয়রের''''' (বুল হ্যালসি) রেডিও বার্তা; লেয়তে উপসাগরের যুদ্ধের (অক্টোবর ১৯৪৪) সময় তাঁর ইউএস থার্ড ফ্লিটের অধিকাংশ জাহাজ হারিয়ে গেছে বলে প্রচারিত জাপানি প্রোপাগান্ডার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এটি দিয়েছিলেন। * আমি ব্ল্যাকজ্যাক নিজে বলছি। এখন পর্যন্ত আপনাদের রণকৌশল এবং সাহসিকতা ছিল এককথায় অতুলনীয়। আপনাদের কাছে আমার প্রত্যাশা এখন আরও বেড়ে গেছে। ওই জার্মান-জাপানি জারজদের জাহান্নামে পাঠানোর কাজ অব্যাহত রাখুন, তারা যেন এভাবেই মরতে থাকে! ** ১৯৪৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ইউএস থার্ড ফ্লিটের সকল সদস্যের উদ্দেশ্যে দেওয়া সমাপনী বার্তায় অ্যাডমিরাল '''''উইলিয়াম ফ্রেডরিক হ্যালসি জুনিয়রের''''' তেজস্বী উক্তি; যা তিনি তাঁর আত্মজীবনী 'অ্যাডমিরাল হ্যালসি'স স্টোরি' (১৯৪৭), ২৪২ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত করেছেন। * [[:w:ফিলিপাইনের|ফিলিপাইনের]] জনগণঃ আমি ফিরে এসেছি। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের অশেষ করুণায় আমাদের বাহিনী আজ পুনরায় ফিলিপাইনের পবিত্র মাটিতে পা রেখেছে...। আপনাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মুক্তির মাহেন্দ্রক্ষণ উপস্থিত হয়েছে। আমার পতাকাতলে সমবেত হোন! যুদ্ধের রণরেখা যখন আপনাদের মুক্ত করতে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন আপনারা জেগে উঠুন এবং শত্রুর ওপর আঘাত হানুন। যেখানেই সুযোগ পাবেন, সর্বশক্তিমান শক্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়ুন। আপনাদের ঘরবাড়ি আর প্রিয়জনদের নিরাপত্তার জন্য আঘাত করুন! আপনাদের সন্তানদের এবং অনাগত প্রজন্মের ভবিষ্যতের জন্য আঘাত করুন! আপনাদের সেইসব পূর্বপুরুষদের নামে আঘাত করুন যারা আত্মত্যাগ করে পবিত্র হয়ে আছেন! কারোর হৃদয় যেন আজ দুর্বল না হয়। প্রতিটি বাহু যেন ইস্পাতের মতো শক্ত হয়। পরম করুণাময় ঈশ্বর আমাদের পথ দেখাচ্ছেন। ন্যায়ের এই যুদ্ধে পবিত্র বিজয়ের সেই অমৃত সুধা বা 'হোলি গ্রেইল' অর্জনে তাঁরই নামে এগিয়ে চলুন। ** ১৭ অক্টোবর, ১৯৪৪ তারিখে ফিলিপাইনের লেয়তে অবতরণের পর জনগণের উদ্দেশ্যে দেওয়া জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]'''''; [https://www.youtube.com/watch?v=Wv1PF0tAE1s ফিলিপাইনের লেয়তে অবতরণকালে], সেই ভাষণ যা 'রেমিনিসেন্সেস' (১৯৬৪), ২১৬–১৭ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে। === ১৯৪৫ === * নাভাজো কোড টকাররা নিজেদেরকে অত্যন্ত মেধাবী, পরিশ্রমী এবং দক্ষ নৌ-সেনা (মেরিন) হিসেবে প্রমাণ করেছেন। তাঁদের বুদ্ধিমত্তা ও কর্মতৎপরতা সত্যিই প্রশংসনীয়।<br>যদি এই নাভাজো যোদ্ধারা আমাদের সাথে না থাকতেন, তবে আমেরিকান মেরিন বাহিনী কখনোই ইও জিমার মতো দুর্ভেদ্য দ্বীপ জয় করতে পারত না। ** কোড টকার হলেন মূলত প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনীতে কর্মরত নেটিভ আমেরিকান (আদিবাসী) সৈনিক, যারা নিজেদের জটিল ও অলিখিত আদিবাসী ভাষা ব্যবহার করে শত্রুপক্ষ বুঝতে না পারে এমন গোপন সংকেত বার্তা পাঠাতেন। *** নাভাজো ইন্ডিয়ান সৈন্য এবং মেরিনদের সম্পর্কে মন্তব্য, যারা রেডিওতে তাদের নিজস্ব মাতৃভাষায় যোগাযোগ করত; যার ফলে জাপানি গোয়েন্দারা আড়ি পেতেও সেই সংকেত বা কোড কখনোই বুঝতে সক্ষম হয়নি; [https://americanindian.si.edu/why-we-serve/topics/code-talkers/ সূত্র]। * যে সকল অতি-উৎসাহী প্লাটুন লিডাররা চমকপ্রদ আক্রমণের নির্দেশ দিয়ে শত্রুর গোলাবর্ষণকে আমন্ত্রণ জানাতেন, তাঁদের এড়িয়ে চলা হতো এবং প্রয়োজনে তাঁদের নির্দেশ উপেক্ষা করা হতো। ওভাবে কখনোই যুদ্ধক্ষেত্রে জমি দখল করা যেত না; বরং তা অর্জিত হতো পাঁচ-ছয়জনের ছোট ছোট একেকটি ক্লাস্টার বা দলের মাধ্যমে, যারা এক ধরণের আত্ম-সম্মোহনের বশবর্তী হয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে দুপাশ থেকে রহস্যময় এক সমন্বয়ের মাধ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে যেত। ** সার্জেন্ট '''''উইলিয়াম ম্যানচেস্টারের''''' (ইউএসএমসি) পর্যবেক্ষণ; ওকিনাওয়ার যুদ্ধে স্থল অভিযানের অভিজ্ঞতা নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত ইতিহাস গ্রন্থ গুডবাই ডার্কনেসে। * প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্রবর্তী অঞ্চলের একটি দ্রুতগামী রণতরী থেকে, ১১ মে (বিশেষ বিলম্বিত প্রতিবেদন) এক হাজার পাউন্ড ওজনের বোমা বহনকারী দুটি জাপানি আত্মঘাতী বিমান আজ ভাইস অ্যাডমিরাল মার্ক এ. মিটশারের নিজস্ব ফ্ল্যাগশিপের (প্রধান জাহাজ) ফ্লাইট ডেকে আছড়ে পড়েছে। যা আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফ্ল্যাট-টপ বা বিমানবাহী রণতরীটিকে একটি বিশাল 'ভাসমান মশালের' মতো জ্বলন্ত অগ্নিপিণ্ডে পরিণত করেছে, যার আগুনের শিখা আকাশে প্রায় এক হাজার ফুট উঁচুতে ছড়িয়ে পড়ছিল।<br>এরপরের দীর্ঘ আট ঘণ্টা ধরে জাহাজ এবং তার ক্রু-রা টিকে থাকার জন্য এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ ও ভয়াবহ লড়াই চালিয়েছে, যা প্রশান্ত মহাসাগরের ইতিহাসে খুব কমই দেখা গেছে। তবে গোধূলির আলো যখন নিভে আসছিল, তখন দেখা গেল সেই ইউএসএস বাঙ্কার হিল যা ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং এখনও ধোঁয়া ও বাষ্পের আবরণে ঢাকা থাকা সত্ত্বেও, নিজ শক্তিতেই দূর দিগন্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সে তখন নিরাপদ। আগামীকাল তাকে আরও আটটি ভয়াবহ ঘণ্টা কাটাতে হবে সেই সব মানুষদের সাগরে সমাহিত করার জন্য, যারা এই জাহাজটিকে রক্ষা করতে গিয়ে নিজেদের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন।<br>কয়েকশ গজ দূরে অবস্থিত পার্শ্ববর্তী একটি রণতরীর ডেক থেকে আমি বাঙ্কার হিলকে পুড়তে দেখেছি। এটি বিশ্বাস করা কঠিন যে ওই আগুনের শিখার মধ্যে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে কিংবা কোনো ধাতু এমন প্রচণ্ড উত্তাপ সহ্য করতে পারে।<br>এক মিনিট আগেও আমাদের টাস্ক ফোর্স ওকিনাওয়া থেকে ৬০ মাইল দূরে অলস ভঙ্গিতে চক্কর দিচ্ছিল, পৃথিবীর কোনো চিন্তা বা শত্রুর বিমানের কোনো আশঙ্কা আমাদের মনে ছিল না। কিন্তু ঠিক তার পরের মুহূর্তেই বাঙ্কার হিল আগুনের এক বিশাল স্তম্ভে পরিণত হলো। এটি গ্রীষ্মকালীন বজ্রপাতের মতোই ক্ষণস্থায়ী আর আকস্মিক ছিল।<br>যুদ্ধের এলাকায় প্রবেশের পর থেকে প্রতিদিন ষোলো ঘণ্টার একটানা সতর্ক পাহারার পর, আমাদের জাহাজের সেই ক্লান্তি মেটাতে এক ঘণ্টা আগেই জেনারেল কোয়ার্টার থেকে বিরতি দেওয়া হয়েছিল। বাঙ্কার হিলেও পরিস্থিতি তেমনই ছিল। পাহারায় নেই এমন ক্লান্ত সেনারা একটু ঘুমিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। জাহাজের পেছনের ফ্লাইট ডেকে ৩৪টি বিমান উড্ডয়নের অপেক্ষায় ছিল। সেগুলোর জ্বালানি ট্যাংক ছিল উদ্বায়ী এভিয়েশন গ্যাসোলিনে একদম পূর্ণ। বিমানগুলোর বন্দুকগুলোও ছিল গোলাবারুদে ঠাসা...।<br>ঠিক তখনই দিগন্তের ওপারে একটি মিশনের কাজ শেষ করে ফিরে আসা কিছু বিমান দেখা যাচ্ছিল। আমাদের জাহাজের একজন লোক প্রথম তিনটি শত্রু বিমান দেখতে পেয়ে চিৎকার করে সতর্কবার্তা দেয়। কিন্তু জেনারেল কোয়ার্টার বা সতর্কঘণ্টা বাজার আগেই এবং বাঙ্কার হিল থেকে আধডজন গুলি বের হওয়ার আগেই, প্রথম কামিকাজে তার ৫৫০ পাউন্ডের বোমাটি জাহাজের ওপর ফেলে দেয় এবং জ্বলন্ত গ্যাসোলিনের ফোয়ারা ছিটিয়ে দিয়ে সোজা ওই ৩৪টি অপেক্ষারত বিমানের ওপর আছড়ে পড়ে।<br>আগুনের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করার সুযোগ পাওয়ার আগেই, মেঘের আড়াল থেকে আরেকটি কামিকাজে গোঁ গোঁ গম্ভীর শব্দে জাহাজের প্রাণঘাতী বিমান-বিধ্বংসী কামানের গোলা উপেক্ষা করে সোজা আছড়ে পড়ে।<br>কয়েক মিনিট পর তৃতীয় একটি জাপানি আত্মঘাতী বিমান কাজ শেষ করতে নিচে নেমে আসে। চারপাশের আগুন আর ধোঁয়া উপেক্ষা করে বাঙ্কার হিলের কামানের গ্যালারিতে থাকা সেনারা তাঁদের পোস্টে অটল ছিলেন। অবশেষে পাশের একটি ডেস্ট্রয়ার সেই জাপানি বিমানটিকে সরাসরি আঘাত করে সমুদ্রে ফেলে দেয়।<br>এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আগুনের তীব্রতার কোনো কমতি দেখা যায়নি...। মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও জাহাজটি সর্বোচ্চ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল, আর সেই বাতাসের তোড়ে ডেক থেকে আগুন আর ধোঁয়া জাহাজের পেছনের দিকে সরে যাচ্ছিল, যা ফ্লাইট ডেককে আগুনের হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করেছে। জাহাজের একদম শেষ প্রান্তে (ফ্যানটেইল) আটকে পড়া সৈনিকেরা আগুনের দেয়ালের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন; অথচ তাঁরা জানতেনও না যে ওই আগুনের দেয়ালের অন্য পাশে জাহাজের কতোটুকু আর অবশিষ্ট আছে...।<br>প্রায় তিন ঘণ্টার এক প্রায়-অসম্ভব লড়াইয়ের পর তাঁরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। যদিও পুরোপুরি নেভাতে আরও অনেক সময় লেগেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে তাঁরাই জিতেছিলেন এবং জাহাজটি রক্ষা পেয়েছিল।<br>সেই অকুতোভয় জাহাজে আজ যে বীরত্বপূর্ণ কাজগুলো সংঘটিত হয়েছে, তা লিখে শেষ করার জন্য একটি মোটা বইও যথেষ্ট হবে না।<br>আজ মাত্র তিনটি পাইলট এবং তিনটি বিমানের বিনিময়ে শত্রু আমাদের ৩৯২ জন মানুষকে হত্যা করেছে, আহত করেছে আরও ২৬৪ জনকে, প্রায় ৭০টি বিমান ধ্বংস করেছে এবং একটি চমৎকার ও বিখ্যাত জাহাজকে দুমড়েমুচড়ে দিয়েছে। আজ রাতে সেই জাহাজের ফ্লাইট ডেকটিকে আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের মতো মনে হচ্ছে। কিন্তু জাহাজটি ডুবে যায়নি...। এটি নিজ শক্তিতেই ব্রেমারটন নেভি ইয়ার্ডে ফিরে যাবে এবং সেখানে মেরামত করা হবে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এটি আবারও ফিরে আসবে শত্রু জাহাজ ডুবাতে, বিমান ভূপাতিত করতে এবং জাপানি বিমানঘাঁটিগুলোতে বোমা হামলা চালাতে।<br>হয়তো তার পরবর্তী কাজ হবে খোদ টোকিও দখলের অভিযানে সহায়তা করা! ** ফেল্পস অ্যাডামস, "কামিকাজে: এন আই উইটনেস অ্যাকাউন্ট" (একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ); লুইস স্নাইডার সম্পাদিত 'মাস্টারপিসেস অফ ওয়ার রিপোর্টিং: গ্রেট মোমেন্টস অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার ২' (১৯৬২), পৃষ্ঠা ৪৮৭-৪৯৪। জাপানি ভাষায় "কামিকাজে" বা "দিব্য বায়ু" বলতে সেই সব আত্মঘাতী পাইলটদের বোঝানো হতো যারা তাদের বোমা ভর্তি বিমানগুলো আমেরিকান নৌ-জাহাজে আছড়ে ফেলতেন। ইউএসএস বাঙ্কার হিল ব্রেমারটনে মেরামত করা হয়েছিল এবং সেপ্টেম্বর মাসে পুনরায় প্যাসিফিক ফ্লিটে যোগ দিয়েছিল। ১৯৭৩ সালে স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি হওয়ার আগ পর্যন্ত এটি নৌবাহিনীতে যুক্ত ছিল। == [[w:হিরোশিমা_ও_নাগাসাকিতে_পারমাণবিক_বোমাবর্ষণ|হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা (৬/৯ আগস্ট, ১৯৪৫)]] == '''১৯৪৫''' * দোহাই লাগে, আমাদের দেশের সেরা যুবকদের ইও জিমার মতো জায়গায় এভাবে মরতে পাঠাবেন না। কেন অন্য কোনো উপায়ে আমাদের লক্ষ্যগুলো অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে না? ** মার্কিন নৌ-সচিবের কাছে লেখা একটি চিঠি। (যেখানে ইও জিমার যুদ্ধে ব্যাপক প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে এই করুণ আকুতি জানানো হয়েছিল) * জাতীয় প্রতিরোধ কর্মসূচি। ** জাপানের মূল ভূখণ্ডে মিত্রবাহিনীর সম্ভাব্য আক্রমণ (অপারেশন অলিম্পিক, যা ১ নভেম্বর ১৯৪৫ তারিখে শুরুর পরিকল্পনা ছিল) রুখে দেওয়ার একটি জাপানি পরিকল্পনা। এতে ১৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী সকল পুরুষ এবং ১৭ থেকে ৪০ বছর বয়সী সকল নারীকে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যুদ্ধপরবর্তী নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, এই পরিকল্পনায় প্রায় ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) জাপানি নাগরিকের জীবন বিসর্জন দেওয়ার প্রস্তুতি রাখা হয়েছিল। * জাপানিদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যেখানে আমাদের ও তাদের সৈন্য সংখ্যার অনুপাত ১:১ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। যা কোনোভাবেই যুদ্ধের বিজয়ের মন্ত্র হতে পারে না। ** মেজর জেনারেল চার্লস উইলোবির পর্যবেক্ষণ; তিনি জেনারেল [[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]] স্টাফের ইন্টেলিজেন্স প্রধান বা G-2 ছিলেন। অপারেশন অলিম্পিকের আক্রমণ জোনে জাপানিদের ক্রমাগত শক্তি বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে তিনি এই সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। * যখন আমি একটি অত্যন্ত তীব্র আলো বা ঝলক দেখতে পেলাম, আমি অবচেতনভাবেই আমার দুই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে ফেললাম... চোখের পলকে পুরো শহরটি ধ্বংস হয়ে গেল এবং দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করল। তখন কোথাও যাওয়ার মতো কোনো জায়গা আর অবশিষ্ট ছিল না। ** মিচিকো ইয়ামাওকা, ৬ আগস্ট ১৯৪৫ সালে হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা হামলার একজন উত্তরজীবীর বর্ণনা। [[File:Atomic bombing of Japan.jpg|thumb|right|সূর্য যে শক্তি থেকে তার তেজ সংগ্রহ করে, সেই একই শক্তি আজ তাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে যারা দূরপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে এসেছিল!]] * ঠিক ষোলো ঘণ্টা আগে একটি আমেরিকান বিমান জাপানি সেনাবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিরোশিমার ওপর একটি বোমা নিক্ষেপ করেছে। সেই একটি বোমার ক্ষমতা ২০,০০০ টন টিএনটির চেয়েও বেশি ছিল। এই বোমার মাধ্যমে আমরা এখন আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর ক্রমবর্ধমান শক্তির পাশাপাশি ধ্বংসযজ্ঞের এক নতুন এবং বৈপ্লবিক মাত্রা যুক্ত করেছি...। এটি একটি পারমাণবিক বোমা। এটি মহাবিশ্বের মৌলিক শক্তিকে বশীভূত করার এক বৈজ্ঞানিক সাফল্য। সূর্য যে শক্তি থেকে তার তেজ সংগ্রহ করে, সেই একই মহাশক্তি আজ তাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে যারা দূরপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে এসেছিল। আমরা এই বোমাটি উদ্ভাবন করেছি এবং এটি ব্যবহারও করেছি। আমরা এটি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছি যারা পার্ল হারবারে কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই আমাদের আক্রমণ করেছিল; তাদের বিরুদ্ধে যারা আমেরিকান যুদ্ধবন্দীদের অনাহারে রেখেছে, পিটিয়েছে এবং হত্যা করেছে; এবং তাদের বিরুদ্ধে যারা যুদ্ধের আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার সামান্যতম অভিনয়টুকুও বর্জন করেছে। আমরা এই বোমাটি ব্যবহার করেছি যুদ্ধের এই দীর্ঘ যন্ত্রণা কমিয়ে আনার জন্য এবং হাজার হাজার তরুণ আমেরিকানের জীবন বাঁচানোর জন্য। আমরা এটি ব্যবহার করা অব্যাহত রাখব যতক্ষণ না আমরা জাপানের যুদ্ধ করার ক্ষমতাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিই। কেবল জাপানিদের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণই আমাদের থামাতে পারবে। ** হিরোশিমায় বোমা হামলার পর আমেরিকান জনগণের উদ্দেশ্যে দেওয়া প্রেসিডেন্ট '''''[[:w:হ্যারি এস. ট্রুম্যানের|হ্যারি এস. ট্রুম্যানের]]''''' বেতার ভাষণ (৬ আগস্ট, ১৯৪৫)। * আপনি একবার সেই সব মানুষের জীবনের কথা ভাবুন যারা জাপানের মূল ভূখণ্ডে আক্রমণ করতে গেলে প্রাণ হারাত। আমেরিকানদের সেই সংখ্যাটা ছিল আকাশচুম্বী, কিন্তু জাপানিদের ক্ষেত্রে সেই প্রাণহানি হতো কয়েক মিলিয়ন বা কোটির ঘরে! তাই এই পারমাণবিক বোমার অস্তিত্বের জন্য আপনি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দেবেন। ** প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কর্মরত একজন আমেরিকান মেরিন সেনার মন্তব্য। * এই পুরো জাতি যদি একটি সুন্দর ফুলের মতো ধ্বংস হয়ে যায়, তবে সেটি কি এক বিস্ময়কর ব্যাপার হবে না? ** জাপানি যুদ্ধমন্ত্রী জেনারেল আনামির মন্তব্য; ৯ আগস্ট ১৯৪৫ জাপানের 'সুপ্রিম কাউন্সিল ফর দ্য ডিরেকশন অফ দ্য ওয়ারের' একটি বৈঠকে তিনি এই চরমপন্থী দর্শনের কথা বলেছিলেন। * যুদ্ধ শেষ করার প্রচেষ্টায় আমাদের 'শান্তি কামী দল'-কে এই পারমাণবিক বোমাটি পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছে। ** কোইচি কিদো, সম্রাট হিরোহিতোর একজন ঘনিষ্ঠ সহায়কের মন্তব্য; পারমাণবিক বোমার ধ্বংসলীলা কীভাবে কট্টরপন্থীদের দমাতে সাহায্য করেছিল তা তিনি এভাবেই ব্যক্ত করেছেন। * পারমাণবিক বোমা হামলা ছিল স্বর্গ থেকে আসা এক আশীর্বাদ বা উপহার। ** জাপানি নৌ-মন্ত্রী মিতসুমাসা ইয়োনাইয়ের উক্তি; তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে, এই বোমা হামলা সেই সব নেতাদের ক্ষমতার পতন ঘটিয়েছিল যারা যেকোনো মূল্যে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন। * পারমাণবিক বোমাটি ছিল জাপানের জন্য যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে স্বর্গ থেকে দেওয়া একটি সুবর্ণ সুযোগ। ** হিসাতসুনে সাকোমিজু; ১৯৪৫ সালে জাপানের চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি হিসেবে এই মন্তব্য করেছিলেন। * আমরা আমেরিকা ও ব্রিটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলাম আমাদের আত্মরক্ষা নিশ্চিত করার এবং পূর্ব এশিয়ায় স্থিতিশীলতা আনার আন্তরিক আকাঙ্ক্ষা থেকে। অন্য কোনো জাতির সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করা বা আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার করার কোনো চিন্তা আমাদের ছিল না। কিন্তু এখন এই যুদ্ধ প্রায় চার বছর ধরে চলছে। আমাদের সামরিক ও নৌবাহিনীর বীরত্বপূর্ণ লড়াই, রাষ্ট্রের সেবকদের নিরলস পরিশ্রম এবং আমাদের দশ কোটি মানুষের একনিষ্ঠ সেবা সত্ত্বেও, যুদ্ধের পরিস্থিতি জাপানের অনুকূলে গড়ে ওঠেনি। বরং বিশ্বের সাধারণ প্রবণতাগুলো এখন জাপানের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে গেছে। তদুপরি, শত্রু এখন এক নতুন এবং অত্যন্ত নৃশংস বোমা ব্যবহার করতে শুরু করেছে, যার ধ্বংস করার ক্ষমতা সত্যিই অভাবনীয় এবং যা বহু নিরপরাধ মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে। যদি আমরা লড়াই চালিয়ে যাই, তবে এটি কেবল জাপানি জাতির চূড়ান্ত পতন এবং বিলুপ্তিই ঘটাবে না, বরং তা মানব সভ্যতার সম্পূর্ণ বিনাশের দিকে নিয়ে যাবে। ** সম্রাট '''''[[w:হিরোহিতো|হিরোহিতোর]]''''' আত্মসমর্পণের ভাষণ (১৫ আগস্ট, ১৯৪৫)। এটিই ছিল প্রথমবার যখন সাধারণ জাপানিরা তাদের সম্রাটের কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়েছিল। * আজ বন্দুকগুলো নিস্তব্ধ। এক বিশাল ট্র্যাজেডির অবসান হয়েছে। এক মহান বিজয় অর্জিত হয়েছে। আকাশ থেকে আর মৃত্যুর বৃষ্টি ঝরছে না। আজ সর্বত্র মানুষ সূর্যের আলোতে মাথা উঁচু করে হাঁটে। সমগ্র বিশ্ব আজ শান্তিতে বিরাজ করছে। পবিত্র মিশন সম্পন্ন হয়েছে। আর আপনাদের কাছে এটি রিপোর্ট করার সময় আমি সেই হাজার হাজার নীরব ও নিশ্চল হয়ে যাওয়া ঠোঁটের হয়ে কথা বলছি, যারা প্রশান্ত মহাসাগরের জঙ্গল, সৈকত এবং গভীর জলে চিরকালের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেছে এবং আমাদের বিজয়ের পথ দেখিয়ে গেছে।<br>বাতাআন এবং কোরিজিডোরের সেই অন্ধকার দিনগুলো থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ ও কণ্টকাকীর্ণ পথের দিকে যখন আমি ফিরে তাকাই, যখন সমগ্র বিশ্ব ভয়ে কাঁপছিল, যখন গণতন্ত্র সর্বত্র কোণঠাসা ছিল, যখন আধুনিক সভ্যতা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দুলছিল। তখন আমি পরম দয়ালু ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই যে তিনি আমাদের সেই বিশ্বাস, সাহস এবং শক্তি দিয়েছেন যার মাধ্যমে আমরা বিজয় ছিনিয়ে আনতে পেরেছি। আমরা পরাজয়ের তিক্ততা এবং বিজয়ের আনন্দ উভয়ই দেখেছি, এবং উভয় থেকেই আমরা শিখেছি যে এখান থেকে আর পেছনে ফেরার পথ নেই। যুদ্ধে আমরা যা জিতেছি, শান্তিতে তা রক্ষা করার জন্য আমাদের অবশ্যই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ** জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' রেডিও ভাষণ; ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ তারিখে 'ভি-জে ডে' (জাপানের ওপর বিজয় দিবস) উপলক্ষে। টোকিও বেতে ইউএসএস মিসৌরি যুদ্ধজাহাজের ডেকে জাপানি প্রতিনিধিরা আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষরের সময় তিনি এই ভাষণ দেন। == যুদ্ধের পরবর্তী অবস্থা (আফটারম্যাথ) == [[File:Eternal flame ceremony 23 February 2010 07.jpg|thumb|তোমার নাম অজানা। তবে তোমার কীর্তি চির অমর। ~ অজানা সৈনিকের সমাধি (মস্কো)]] [[File:World War II Memorial Pacific-Bas Reliefs Navy In Action.jpg|thumb|right|এই যুদ্ধে প্রকৃত বীর হিসেবে কাকে বেছে নেওয়া হবে, সে ব্যাপারে আমরা সবাই একমত। তিনি হলেন সেই সাধারণ সৈনিক 'জি.আই. জো', এবং প্রতিটি মিত্র জাতির বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও মার্চেন্ট মেরিনে থাকা তাঁর সমকক্ষ সহযোদ্ধারা। ~ ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]] * '''তোমার নাম অজানা। তবে তোমার কীর্তি চির অমর।''' (রাশিয়ান: "Имя твоё неизвестно, подвиг твой бессмертен"/Imya tvoyo neizvestno, podvig tvoy bessmerten) ** মস্কোর অজানা সৈনিকের সমাধিতে খোদাই করা এক চিরকালীন শোকগাথা। * কানাডিয়ান, ফরাসি, আমেরিকান এবং ব্রিটিশ বাহিনীর আমার প্রধান সমর্থকদের নাম উল্লেখ করা মানেই দক্ষতা, কৌশল, আনুগত্য এবং কর্তব্যের প্রতি পরম একনিষ্ঠতার এক অনন্য আলেখ্য তুলে ধরা। জাতিসংঘ আজীবন কৃতজ্ঞতার সাথে টেথার, মন্টগোমারি, স্পটস, ব্র্যাডলি, বিলেট, ক্রেরে এবং আরও অনেকের নাম স্মরণ রাখবে।<br>'''কিন্তু এই যুদ্ধের প্রকৃত বীর কে—তা বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে আমার এই সকল সহযোদ্ধারা আমার সাথে সম্পূর্ণ একমত হবেন। তিনি হলেন আমাদের সেই অকুতোভয় সাধারণ সৈনিক 'জি.আই. জো', এবং প্রতিটি মিত্র জাতির বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও মার্চেন্ট মেরিনে থাকা তাঁর সমকক্ষ সহযোদ্ধারা।''' তিনি সেই ভয়ঙ্কর সমুদ্রের বিপদ মোকাবিলা করেছেন যা ইউ-বোটের উপদ্রবে ছিল তটস্থ। তিনি অসীম সাহসিকতায় সেই সব সৈকতে আক্রমণ শাণিত করেছেন যেখানে শত্রুরা অত্যন্ত মরিয়া হয়ে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলেছিল। তিনি কেল্লাবন্দি দুর্ভেদ্য এলাকাগুলোর মধ্য দিয়ে অত্যন্ত ধৈর্য ও তিতিক্ষার সাথে লড়াই করে তাঁর ত্যাগের পথটি প্রশস্ত করেছেন। তিনি হাড়কাঁপানো শীত, ক্ষুধা আর দুঃসহ ক্লান্তি হাসিমুখে সহ্য করেছেন। প্রতিটি পদক্ষেপে মৃত্যু তাঁর পিছু নিলেও বিপদকেই তিনি নিত্যসঙ্গী করেছেন। তিনি এবং তাঁর প্লাটুন কমান্ডাররা আমাদের সামনে আনুগত্য, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং অদম্য সাহসের এমন এক প্রদীপ্ত উদাহরণ স্থাপন করেছেন। যা আমাদের হৃদয়ে ততদিন প্রজ্জ্বলিত থাকবে যতদিন আমরা মানুষের এই মহৎ গুণাবলিকে শ্রদ্ধা জানাব। ** ১৯৪৫ সালের ভি-ই ডে উপলক্ষে দেওয়া জেনারেল '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' ভাষণ। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না কিংবা এটি নির্দিষ্ট কোনো রাষ্ট্রনায়কের ভুলের কারণে শুরু হয়েছিল—এমনটা ভাবা হবে চরম ভ্রান্তি; যদিও সেখানে বেশ কিছু বড় ভুল অবশ্যই সংঘটিত হয়েছিল। '''প্রকৃতপক্ষে, এই যুদ্ধ ছিল বর্তমান যুগের একচেটিয়া পুঁজিবাদের ভিত্তিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তিগুলোর বিকাশের এক অনিবার্য এবং অবধারিত পরিণতি।''' [[:w:মার্ক্সবাদ|মার্কসবাদীরা]] বারংবার একটি সত্য উচ্চারণ করেছেন যে, বিশ্ব অর্থনীতির পুঁজিবাদী ব্যবস্থাটি তার গর্ভেই সাধারণ সংকট এবং সামরিক সংঘাতের বীজ বহন করে। সেই নিরিখে বলা যায়, বর্তমান সময়ে বিশ্ব পুঁজিবাদের বিকাশ সরলরেখায় বা সমানভাবে ঘটে না। বরং এটি প্রতিটি গভীর সংকট এবং বিপর্যয়কর মহাযুদ্ধের ঘূর্ণাবর্তের মধ্য দিয়ে সামনে অগ্রসর হয়। মূল সত্যটি হলো, পুঁজিবাদী দেশগুলোর অসম বিকাশ সময়ের সাথে সাথে পুঁজিবাদী বিশ্বব্যবস্থার অভ্যন্তরীণ ভারসাম্যকে নিদারুণভাবে বিঘ্নিত করে। এর ফলে পুঁজিবাদের যে অংশটি নিজেদের কাঁচামাল এবং বাজারের দিক থেকে কম সুরক্ষিত বলে অনুধাবন করে, তারা সাধারণত সেই পরিস্থিতির মোড় ঘটাতে এবং সশস্ত্র শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থে 'প্রভাব বলয়' নতুন করে বন্টন করার চেষ্টায় মেতে ওঠে। এর ফলেই পুঁজিবাদী বিশ্ব দুটি পরস্পরবিরোধী শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং তাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয়। '''হয়তো এমন বিপর্যয়কর যুদ্ধগুলো এড়ানো সম্ভব হতো যদি দেশগুলোর অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে কাঁচামাল এবং বাজারগুলো শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে পুনর্বন্টন করা যেত। কিন্তু বর্তমান পুঁজিবাদী বিশ্ব অর্থনীতির বিকাশের প্রেক্ষাপটে তা একেবারেই অসম্ভব।''' ** — ১৯৪৬ সালে সোভিয়েত নেতা '''''জোসেফ স্ট্যালিনের''''' সেই ঐতিহাসিক নির্বাচনী ভাষণ। * '''দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মানুষের সাথে মানুষের প্রতিটি আত্মিক বন্ধন ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল'''। হিটলারের দোর্দণ্ড প্রতাপের অধীনে জার্মানরা এমন সব নৃশংস অপরাধ করেছিল—যার ব্যপ্তি এবং পৈশাচিকতা মানব ইতিহাসের প্রতিটি কৃষ্ণতম অধ্যায়কে ম্লান করে দেয়। জার্মানির কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ষাট থেকে সত্তর লক্ষ নারী, পুরুষ এবং শিশুকে যে পাইকারি হারে গণহত্যা করা হয়েছিল—তা ভয়াবহতায় চেঙ্গিস খানের নিষ্ঠুরতাকেও বহুগুণ ছাড়িয়ে যায়। '''পূর্বাঞ্চলীয় রণাঙ্গনে জার্মানি এবং রাশিয়া উভয় দেশই পুরো জনসংখ্যাকে পরিকল্পিতভাবে নির্মূল করার এক ঘৃণ্য লক্ষ্য তাড়া করেছিল এবং তা বাস্তবায়নও করেছিল।''' আকাশ থেকে খোলামেলা জনবহুল শহরগুলোতে নির্বিচারে বোমা বর্ষণের যে কুৎসিত সংস্কৃতি জার্মানরা শুরু করেছিল, মিত্রশক্তি তাদের ক্রমবর্ধমান বিধ্বংসী ক্ষমতা দিয়ে তার বিশগুণ বেশি প্রতিশোধ গ্রহণ করেছিল। যার চূড়ান্ত পরিণতি আমরা দেখেছি হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমার ভয়াবহ প্রয়োগের মধ্য দিয়ে। আমরা এক দীর্ঘ ও রক্তপিচ্ছিল সংগ্রাম শেষে এমন এক বস্তুগত ধ্বংসযজ্ঞ এবং নৈতিক বিপর্যয়ের ভগ্নস্তূপ থেকে বেরিয়ে এসেছি, যা পূর্ববর্তী শতকের মানুষের কল্পনাকেও কোনোদিন স্পর্শ করতে পারেনি। '''আমরা যা কিছু সহ্য করেছি এবং যা কিছু অর্জন করেছি—অবশেষে আজ আমরা নিজেদের এমন সব জটিল সমস্যার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখছি, যা আমাদের ফেলে আসা সংকটের চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়, বরং অনেক বেশি দুস্তর।''' ** উইনস্টন চার্চিল, ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার: ভলিউম ১: দ্য গ্যাদারিং স্টর্ম'' (১৯৪৮), পৃষ্ঠা ১৪। * '''যাইহোক, সবই তো শেষ হলো। ভাবছি কাল আমি কী করতে যাচ্ছি।''' ** ফ্লিট অ্যাডমিরাল '''''আর্নেস্ট কিঙের''''', ৯ম চিফ অফ নেভাল অপারেশনস; ১৪ আগস্ট ১৯৪৫ তারিখে নীল কে. ডায়েটরিচের কাছে করা একটি মন্তব্য। কিং এইমাত্র জানতে পেরেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান মিত্রবাহিনীর কাছে জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে যাচ্ছেন। থমাস বি. বুয়েল রচিত 'মাস্টার অফ সি পাওয়ার: এ বায়োগ্রাফি অফ ফ্লিট অ্যাডমিরাল আর্নেস্ট জে. কিং' (১৯৮০), ৪৯৮ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রতি বর্তমানের যে প্রবল আকর্ষণ, তার পেছনে। বিশেষ করে মিত্রশক্তির পক্ষ থেকে একটি সুপ্ত অনুভূতি কাজ করে যে, এটিই ছিল ইতিহাসের সর্বশেষ নৈতিকভাবে দ্ব্যর্থহীন ও ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ। জার্মান নাৎসি, ইতালীয় ফ্যাসিস্ট এবং জাপানি সামরিক শাসকরা এতটাই স্পষ্টভাবে মন্দ লোক ছিলেন যে তাঁদের পরাজিত করাটা ছিল অনিবার্য। (তবে আমরা যে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক স্বৈরশাসক জোসেফ স্ট্যালিনের সাথে জোট বেঁধেছিলাম, সেই চরম সত্যটি এখানে সবসময়ই এড়িয়ে যাওয়া হয়।) এরপর থেকে সংঘটিত যুদ্ধগুলো আর আগের মতো অতটা স্বচ্ছ বা পরিষ্কার ছিল না। সত্য যে, সোভিয়েত সম্প্রসারণবাদ রুখতে [[:w:কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধ]] ছিল প্রয়োজনীয়; কিন্তু জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' সেই লড়াইকে চীনা কমিউনিজমের বিরুদ্ধে একটি ধর্মযুদ্ধে রূপান্তরের প্রচেষ্টা আমেরিকানদের নিজেদের মধ্যে এবং তাদের মিত্রদের সাথে এক গভীর বিভেদ তৈরি করে দিয়েছিল। [[:w:ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধ]] ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক চরম বিপর্যয়, আর এখন [[:w:ইরাক যুদ্ধ|ইরাক দখলও]] অনেকটা সেরকম আরেকটি বিপর্যয়ের মতোই মনে হচ্ছে। ** '''''মার্গারেট ম্যাকমিলান''''', 'দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি' (২০০৮)। == যুদ্ধের লক্ষ্য এবং যুদ্ধের কূটনীতি == === ১৯৪৫ === * যুদ্ধের পর আমেরিকাকে তিনটি পথের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতেই হবেঃ প্রথমত, সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদ, যার অনিবার্য পরিণাম হলো শেষ পর্যন্ত আমাদের নিজেদের স্বাধীনতা হারানো।<br>দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদ, যার অর্থ হলো অন্য কোনো জাতির স্বাধীনতাকে বিসর্জন দেওয়া; অথবা তৃতীয়ত, এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলা যেখানে প্রতিটি জাতি এবং প্রতিটি বর্ণের মানুষের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত থাকবে। আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে, আমেরিকান জনগণের এক বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ এই শেষ পথটিই বেছে নেবে। এই পছন্দকে কার্যকর করতে হলে আমাদের কেবল যুদ্ধেই জিতলে চলবে না, আমাদের শান্তিকেও জয় করতে হবে এবং সেই জয়ের সূচনা আমাদের এখনই করতে হবে।<br>এই শান্তি জয়ের জন্য আমার কাছে তিনটি বিষয় অত্যন্ত প্রয়োজনীয় মনে হয়—প্রথমত, আমাদের এখন থেকেই বিশ্বব্যাপী শান্তির একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা করতে হবে।<br>দ্বিতীয়ত, বিশ্বে প্রকৃত শান্তি বজায় রাখার জন্য প্রতিটি জাতি ও প্রতিটি মানুষকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন হতে হবে। এবং তৃতীয়ত, বিশ্বে সেই স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা ও তা রক্ষা করার জন্য আমেরিকাকে একটি সক্রিয় ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।<br>আমাদের নেতাদের দেওয়া আটলান্টিক চার্টারের মতো নিছক ঘোষণা দিয়ে এটি সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এর প্রকৃত সাফল্য মূলত নির্ভর করে বিশ্বের সাধারণ মানুষের স্বীকৃতির ওপর। ... ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের দ্বারা এই 'চারটি স্বাধীনতা' অর্জন করা সম্ভব হবে না। এগুলো কেবল তখনই বাস্তবে ধরা দেবে যখন বিশ্বের সাধারণ মানুষ এগুলোকে নিজেদের প্রচেষ্টায় বাস্তবে রূপদান করবে। ** '''''ওয়েন্ডেল উইলি''''', ১৯৪০ সালের রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী; তাঁর 'ওয়ান ওয়ার্ল্ড' (১৯৪৩) গ্রন্থের ১৪ অধ্যায়ে। * এই বছর শেষ হওয়ার আগেই বিশ্ববাসীর কাছে কথার চেয়ে কাজের মাধ্যমে এটি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে যে, কাসাব্লাঙ্কা কনফারেন্স প্রচুর গুরুত্বপূর্ণ খবর তৈরি করেছে। আর সেই খবরগুলো জার্মান, ইতালীয় এবং জাপানিদের জন্য হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। ...<br>আসন্ন এবং অনিবার্য বিপর্যয় এড়ানোর নেশায়, অক্ষশক্তির প্রোপাগান্ডাকারীরা জাতিসংঘকে বিভক্ত করার জন্য তাদের সেই পুরনো সব নোংরা কৌশল অবলম্বন করছে। তারা এই ধারণা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে যে আমরা যদি এই যুদ্ধে জয়ী হই, তবে রাশিয়া, ইংল্যান্ড, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি শুরু করবে।<br>তাদের করা অপরাধের চরম পরিণাম থেকে বাঁচার এই আতঙ্কিত প্রচেষ্টার জবাবে আমরা বলি, জাতিসংঘের সকলেই একবাক্যে ঘোষণা করে। অক্ষশক্তির কোনো সরকার বা কোনো গোষ্ঠীর সাথে আমাদের আলোচনার একমাত্র শর্ত হলো কাসাব্লাঙ্কায় ঘোষিত সেই চূড়ান্ত নীতি: 'নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ'। আমাদের এই আপসহীন নীতির অর্থ অক্ষশক্তির দেশগুলোর সাধারণ মানুষের কোনো ক্ষতি করা নয়। তবে এর অর্থ হলো তাদের সেই পৈশাচিক ও বর্বর নেতাদের ওপর পূর্ণ শাস্তি এবং প্রতিশোধ নিশ্চিত করা। ** প্রেসিডেন্ট '''''রুজভেল্ট''''', প্রধানমন্ত্রী চার্চিলের সাথে কাসাব্লাঙ্কা কনফারেন্স থেকে ফেরার পর। হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে ওয়াশিংটন ডি.সি.-র হোটেল স্ট্যাটলার থেকে সম্প্রচারিত ভাষণ। ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩ তারিখে 'ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট বুলেটিন', খণ্ড ৮, সংখ্যা ১৯০ (১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩), ১৪৫–৪৬ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত। === ১৯৪৫ === * ইউরোপে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশগুলোর জাতীয় অর্থনৈতিক জীবনের পুনর্গঠন অবশ্যই এমন কিছু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্জন করতে হবে, যা মুক্ত হওয়া প্রতিটি দেশের মানুষকে নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদের শেষ চিহ্নটুকুও চিরতরে মুছে ফেলতে এবং তাদের নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সক্ষম করে তুলবে। ** ইয়াল্টা কনফারেন্সের ওপর স্টেট ডিপার্টমেন্টের একটি রিপোর্ট। যেখানে ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ রাশিয়ার একটি রিসোর্টে 'বিগ থ্রি' (তিন প্রধান নেতা) নাৎসি জার্মানিকে পরাজিত করার চূড়ান্ত পরিকল্পনা এবং ইউরোপের পুনর্গঠন শুরু করার বিষয়ে মিলিত হয়েছিলেন। উইলিয়াম অ্যাপলম্যান উইলিয়ামস (সম্পাদিত) 'দ্য শেপিং অফ আমেরিকান ডিপ্লোমাসি' (শিকাগো: র‍্যান্ড ম্যাকনালি অ্যান্ড কোং, ১৯৫৬), পৃষ্ঠা ৯৩০। == [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য]] সুরক্ষা == [[File:Ghent_altarpiece_at_Altaussee.jpg|thumb|তাঁরা মার্কিন সামরিক ইউনিটগুলোকে অনুসরণ করে মুক্ত হওয়া শহরগুলোতে প্রবেশ করতেন এবং সেখানে চুরি হওয়া শিল্পকর্মগুলোর লুকানো জায়গাগুলো খুঁজে বের করতেন। এরপর সেগুলো ভবিষ্যতে প্রত্যাবাসন বা স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করতেন এবং সুরক্ষিত স্থানে জমা রাখতেন। এছাড়াও, 'মনুমেন্টস মেন' বা এই বিশেষ রক্ষক দলের কাছে পশ্চিমা শিল্প বিশেষজ্ঞদের তৈরি করা অমূল্য সম্পদের তালিকা থাকত। যদি তালিকায় থাকা কোনো [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] বা স্মৃতিস্তম্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হতো, তবে তাঁরা সেই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব রাখতেন, মেরামত কাজ তত্ত্বাবধান করতেন এবং সাংস্কৃতিক সম্পদের আরও ক্ষতি হওয়া রোধ করতেন। ~ গ্রেগরি জে. ফেরার]] [[File:Monuments_Men_Congressional_Gold_Medal_(reverse).jpg|thumb|ভাস্কর্য, [[:w:ঐতিহাসিক|ঐতিহাসিক]] [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শনগুলোর রক্ষক হিসেবে তাঁদের প্রাথমিক ভূমিকার কারণেই তাঁরা এই নাম অর্জন করেছিলেন। এটি ছিল এক বিশাল ও দুঃসাধ্য কাজ, যার আওতায় ইউরোপীয় মহাদেশের ৫,৬০,০০০ বর্গমাইল এলাকার মধ্যে তালিকাভুক্ত ৩,৪১৫টি স্মৃতিস্তম্ভ অন্তর্ভুক্ত ছিল। ~ গ্রেগরি জে. ফেরার]] * [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের]] নিদর্শনগুলোর সাথে সম্পর্কিত সূক্ষ্ম সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত [[:w:জ্ঞান|জ্ঞান]] সাধারণত [[:w:শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলো|শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলো]] থেকেই পাওয়া সম্ভব। সাংস্কৃতিক সম্পদ রক্ষার ক্ষেত্রে [[:w:পণ্ডিত|পণ্ডিত]], [[:w:অধ্যাপক|অধ্যাপক]] এবং [[:w:জাদুঘর|জাদুঘর]] বিশেষজ্ঞরা হলেন সম্মুখসারির অভিজ্ঞ ব্যক্তি যাদের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য। এই ব্যক্তিরা ঝুঁকির মুখে থাকা শিল্পকর্মগুলো শনাক্ত করতে পারেন এবং সেগুলো সংরক্ষণ ও যত্নের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা সম্পর্কে সম্যক অবগত থাকেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ কর্মজীবনে নিজেদের বিশেষ দক্ষতাকে শাণিত করেছেন এবং সামরিক পরিকল্পনাকারীদের জন্য তাঁরা অত্যন্ত মূল্যবান যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে গণ্য হন। এই নিবন্ধে শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে [[:w:কলেজ|কলেজ]] বা [[:w:বিশ্ববিদ্যালয়|বিশ্ববিদ্যালয়]], জাদুঘর, আর্ট গ্যালারি এবং অলাভজনক বিদ্বৎ সমাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।<br>দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] এবং [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সামরিক বাহিনী তাঁদের নিজস্ব শিল্প রক্ষা সংস্থাগুলো পরিচালনার জন্য উচ্চশিক্ষা সংশ্লিষ্ট এই সম্প্রদায় থেকেই ব্যক্তিদের নির্বাচন করেছিল। জার্মান এবং আমেরিকান উভয় বাহিনীর কমান্ডাররা সাংস্কৃতিক সম্পদের ওপর অগাধ জ্ঞানসম্পন্ন পেশাদারদের খুঁজতেন, যারা সেগুলো শনাক্তকরণ এবং পরিচালনার কৌশল জানতেন। সাংস্কৃতিক সুরক্ষার কঠোর চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম এমন যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মূল সামরিক কাঠামোর অধীনে পরিষেবার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে সংশ্লিষ্ট সামরিক বাহিনীতে অফিসারের পদমর্যাদাও দেওয়া হয়েছিল যাতে তাঁদের নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং সামরিক কর্মপদ্ধতিতে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা নীতির প্রভাব আরও শক্তিশালী হয়। ** গ্রেগরি জে. ফেরার, [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ৯। * [[:w:আমেরিকান|আমেরিকান]] শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় [[:w:ইউরোপে|ইউরোপে]] স্থলযুদ্ধে যোগ দেওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ সাংস্কৃতিক স্থানগুলো সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের সাথে বিস্তারিত পরামর্শ করেছিল। আর্কিওলজিক্যাল ইনস্টিটিউট অফ আমেরিকা, নিউ ইয়র্ক মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট, হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ফগ মিউজিয়াম অফ ফাইন আর্টস এবং ওয়াশিংটন ডি.সি.-র ন্যাশনাল গ্যালারি অফ আর্টের প্রতিনিধিরা ১৯৪২ সালের শরতে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের সাথে একটি সমন্বিত গ্রুপ হিসেবে বৈঠক করেন। এরপর ১৯৪৩ সালের জানুয়ারিতে আমেরিকান কাউন্সিল অফ লার্নড সোসাইটিজের একটি কমিটি এই বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করে। এই সচেতন পণ্ডিতরা ১৯৪৩ সালের জুলাই মাসে সিসিলিতে মার্কিন সৈন্যদের অবতরণ এবং ১৯৪৪ সালের জুনে নরমান্ডি আক্রমণের অনেক আগেই—যা ছিল ইউরোপীয় রণাঙ্গন অভিযানের অংশ। ফেডারেল সরকারের কাছে তাঁদের প্রস্তাবনা নিয়ে গিয়েছিলেন।<br>এই বিশেষজ্ঞরা অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে, হিটলারের ফোট্রেস ইউরোপ যখন মিত্রবাহিনী অনিবার্যভাবে আক্রমণ চালাবে, তখন দখলকৃত দেশগুলোতে থাকা শিল্পকর্ম এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্থানগুলো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। আমেরিকার প্রধান শিল্প [[:w:জাদুঘর|জাদুঘর]], গ্যালারি এবং বুদ্ধিজীবী সমাজগুলোর এই আন্তরিক প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তিনি জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের সাথে শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতার অনুমোদন দেন, যেখানে [[w:সেনাবাহিনী|সেনাবাহিনী]], [[w:নৌবাহিনী|নৌবাহিনী]] এবং আর্মি এয়ার কোরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা সামরিক বিষয়ে ফেডারেল বিভাগগুলোকে পরামর্শ দিতেন। এছাড়াও রুজভেল্ট ১৯৪২ সালের আগস্ট মাসে রবার্টস কমিশন (যার দাপ্তরিক নাম ছিল "আমেরিকান কমিশন ফর দ্য প্রটেকশন অ্যান্ড স্যালভেজ অফ আর্টিস্টিক অ্যান্ড হিস্টোরিক মনুমেন্টস ইন ওয়ার এরিয়াস") তৈরির অনুমতি প্রদান করেন। রুজভেল্টের এই রবার্টস কমিশন গঠনের অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতেই মার্কিন সামরিক বাহিনী তাঁদের নিজস্ব একটি সংগঠন তৈরি করে, যার নাম দেওয়া হয় মনুমেন্টস, ফাইন আর্টস অ্যান্ড আর্কাইভস সার্ভিস (MFA&A)। এই অভিভাবক সংস্থা থেকেই পরবর্তীতে বিশ্ববিখ্যাত মনুমেন্টস মেনদের উদ্ভব ঘটেছিল। ** গ্রেগরি জে. ফেরার, [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ১৯-২০। * মনুমেন্টস মেনদের ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের কমান্ডাধীন সুপ্রিম হেডকোয়ার্টার্স অ্যালাইড এক্সপেডিশনারি ফোর্সের বা SHAEF এর একটি বিভাগ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। আইজেনহাওয়ার উপলব্ধি করেছিলেন যে, মিত্রবাহিনীর অগ্রগতি সমগ্র মানবতার অভিন্ন [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের]] জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। [[:w:রোমের|রোমের]] দিকে অগ্রসরমান সৈন্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছিলেন, "আজ আমরা এমন একটি দেশে লড়াই করছি যা আমাদের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারে বিশাল অবদান রেখেছে; এই দেশ এমন সব স্মৃতিস্তম্ভে সমৃদ্ধ যা আমাদের সভ্যতার বিকাশকে ফুটিয়ে তোলে। যুদ্ধ যতটুকু সুযোগ দেয়, সেই সীমার মধ্যে থেকে ওই স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে শ্রদ্ধা জানাতে আমরা বাধ্য।" সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার হিসেবে [[:w:আইজেনহাওয়ার|আইজেনহাওয়ার]] ১৯৪৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে [[:w:ইতালীয়|ইতালীয়]] সাংস্কৃতিক স্থান মন্টে ক্যাসিনো ধ্বংস হওয়ার পর 'মনুমেন্টস মেন'দের অভিযানের প্রতি সমর্থন আরও বৃদ্ধি করেন এবং ইউরোপীয় পৈতৃক সম্পদ রক্ষাকে যুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করেন। ১৯৪৪ সালের ১৫ আগস্ট ফ্রান্সের দক্ষিণ উপকূলে মিত্রবাহিনীর অবতরণের পর মনুমেন্টস মেনরা [[:w:ইউরোপে|ইউরোপে]] পৌঁছান। তাঁরা ইউনাইটেড স্টেটস আর্মির ইউনিটগুলোকে অনুসরণ করে মুক্ত হওয়া শহরগুলোতে প্রবেশ করতেন এবং সেখানে চুরি হওয়া শিল্পকর্মগুলোর লুকানো জায়গাগুলো তন্নতন্ন করে খুঁজতেন; এরপর সেগুলো ভবিষ্যতে প্রত্যাবাসন বা স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করতেন এবং সুরক্ষিত স্থানে জমা রাখতেন। এছাড়াও, মনুমেন্টস মেনদের কাছে পশ্চিমা শিল্প বিশেষজ্ঞদের তৈরি করা অমূল্য [[:w:সম্পদের|সম্পদের]] তালিকা থাকত। যদি তালিকায় থাকা কোনো স্থাপত্য বা স্মৃতিস্তম্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হতো, তবে তাঁরা সেই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব রাখতেন, মেরামত কাজ তত্ত্বাবধান করতেন এবং সাংস্কৃতিক সম্পদের আরও ক্ষতি হওয়া রোধ করতেন। ১৯৪৬ সালের জুনে MFA&A বিলুপ্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত যুদ্ধ পরবর্তী ইউরোপেও মনুমেন্টস মেনরা তাঁদের কার্যক্রম চালিয়ে গিয়েছিলেন। ** [[w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]] উক্তি; যা গ্রেগরি জে. ফেরার রচিত [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (বসন্ত ৫-২০১৩), ২১-২২ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত ও বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। * মনুমেন্টস মেনদের লক্ষ্য ও সুদূরপ্রসারী উদ্দেশ্য অনেকটা [[:w:নাৎসি জার্মানির|নাৎসি জার্মানির]] সমকক্ষ সংস্থা 'কুন্সটশুৎসের' কর্মপদ্ধতির মতোই ছিল। তবে তাঁদের মহান দায়িত্বে একটি বিশেষ বৈপ্লবিক অধ্যায় যুক্ত হয়েছিল। আর তা হলো লুণ্ঠিত শিল্প ও অমূল্য সম্পদসমূহকে উদ্ধার করে পুনরায় প্রকৃত মালিকের কাছে স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়া বা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা। মনুমেন্টস মেনদের অপরিহার্য কর্তব্যের মধ্যে শিল্প সুরক্ষা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা আদায়ের মতো নীতিগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা অনেকটা কুন্সটশুৎসের আদলেই পরিচালিত হতো। তবে তাঁদের মূল তৎপরতা চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল:<br>(১) মিত্রশক্তির অধিকারে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত স্মৃতিস্তম্ভগুলো বৈজ্ঞানিক ও শৈল্পিক উপায়ে মেরামত করা,<br>(২) মিত্রবাহিনীর সৈন্যদের নিজেদের হাতে যেন কোনো ঐতিহাসিক স্থাপনার অবমাননা, ক্ষতি বা অপব্যবহার না হয় তা কঠোরভাবে নিশ্চিত করা,<br>(৩) শত্রু-অধিকৃত অঞ্চলগুলোতে যুদ্ধের চরম ডামাডোলের মাঝেও অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষয়ক্ষতি থেকে স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে রক্ষা করা এবং<br>(৪) শত্রুসেনাদের দ্বারা সংঘটিত প্রতিটি চুরির ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নথিবদ্ধ করা ও উদ্ধার প্রক্রিয়াকে বেগবান করতে সম্ভাব্য সকল তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা। ভাস্কর্য, [[:w:ঐতিহাসিক|ঐতিহাসিক]] [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শনগুলোর অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে তাঁদের এই অবিস্মরণীয় ভূমিকার কারণেই তাঁরা ইতিহাসে 'মনুমেন্টস মেন' নামে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। এটি ছিল এক অভাবনীয় ও দুঃসাধ্য মহাযজ্ঞ, যার আওতায় ইউরোপীয় [[:w:মহাদেশের|মহাদেশের]] প্রায় ৫,৬০,০০০ বর্গমাইল বিশাল ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে তালিকাভুক্ত ৩,৪১৫টি স্মৃতিস্তম্ভের সুরক্ষার গুরুভার তাঁদের ওপর ন্যস্ত ছিল।<br>এই বিশাল ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য মিত্রবাহিনীর চেইন অফ কমান্ডের প্রতিটি স্তরে যথাযথ তথ্য আদান-প্রদান ও সক্রিয় পেশাদার সহযোগিতার প্রয়োজন ছিল। মনুমেন্টস মেনরা বিভিন্ন প্রকাশনা ও নির্দেশিকা তৈরির মাধ্যমে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের এবং ইউনাইটেড স্টেটস আর্মির [[w:নেতৃত্ব|নেতৃত্বের]] মধ্যে এই শৈল্পিক সচেতনতা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তাঁরা আর্মি এয়ার কোর এবং পদাতিক গোলন্দাজ ইউনিটগুলোকে এমন সব শিল্প সম্পদের তালিকা সরবরাহ করতেন, যা প্রচণ্ড বোমা বর্ষণ বা গোলাগুলির সময় সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে এড়িয়ে চলা আবশ্যক ছিল। যাতে সর্বাত্মক আক্রমণের সময়ও ওই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর কোনো স্থায়ী ক্ষতি না হয়। প্রতিটি শিল্পকর্ম বা স্থাপনাকে তাদের প্রাচীনত্ব, সংরক্ষণের বর্তমান অবস্থা এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সেগুলোর গুরুত্ব অনুযায়ী একটি সহজবোধ্য তারকা (স্টার) পদ্ধতির মাধ্যমে রেটিং বা মানদণ্ড দেওয়া হতো। এই পদ্ধতিতে তিন তারকা (৩/৩) ছিল আভিজাত্য ও গুরুত্বের বিচারে সর্বোচ্চ মানের স্বীকৃতি। ** গ্রেগরি জে. ফেরার; [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (বসন্ত ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ২২-২৩। == অর্থনৈতিক প্রভাব == [[File:Seizure_of_the_Zaibatsu_families_assets.JPG|thumb|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান এবং জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের পর, জাপানি শক্তিশালী ব্যবসায়িক গোষ্ঠী 'জাইবাৎসু' গুলোকে সমূলে বিলুপ্ত করার এক চূড়ান্ত ও কঠোর প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট এবং [[w:হ্যারি_এস._ট্রুম্যান|হ্যারি এস ট্রুম্যানের]] তৎকালীন আমেরিকান অর্থনৈতিক উপদেষ্টারা এই একচেটিয়া আধিপত্য এবং ব্যবসায়িক একাধিপত্যের নীতির প্রতি অত্যন্ত সন্দিহান ছিলেন; তাঁরা মনে করতেন এই পদ্ধতিটি অর্থনৈতিকভাবে কেবল অদক্ষই নয়, বরং এটি কর্পোরেটবাদের একটি কদর্য রূপ। ~ জেনিফার বিমার]] * ১৯০০ শতকের শেষভাগ থেকে [[:w:জাপানের|জাপানের]] অর্থনৈতিক ও শিল্পোদ্যোগের প্রতিটি ক্ষেত্রে জাইবাৎসু গোষ্ঠীগুলো অত্যন্ত প্রভাবশালী ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে আসছিল। এই জাইবাৎসু গোষ্ঠীগুলো মূলত একটি কেন্দ্রীয় হোল্ডিং কোম্পানি নিয়ে গঠিত ছিল, যার মালিকানা থাকত একটি নিয়ন্ত্রণকারী পরিবারের হাতে এবং তারাই প্রধান সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার নিয়ন্ত্রণ করত। যদিও এই ধরণের পিরামিড সদৃশ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পশ্চিমা দেশগুলোতেও প্রচলিত ছিল, কিন্তু জাইবাৎসুদের অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিল এই যে, তারা সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেবল সংখ্যালঘু শেয়ার ধারণ করেও অন্যান্য কৌশলের মাধ্যমে সেগুলোকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখত। এই নিয়ন্ত্রণ কৌশলের অন্যতম হাতিয়ার ছিল সম্মিলিত ব্যাংকিং, জাহাজ চলাচল এবং বাণিজ্যিক সুবিধার ওপর নির্ভরশীলতা। তবে তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল গ্রুপের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি কর্মকর্তাদের অটল ব্যক্তিগত আনুগত্য। জাপানের চারটি বৃহত্তম জাইবাৎসু গোষ্ঠীর খনি, রাসায়নিক এবং ধাতু শিল্পের ৩০ শতাংশের বেশি অংশের ওপর সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছিল; যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের বাজারের ওপর ছিল প্রায় ৫০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ; বাণিজ্যিক স্টক এক্সচেঞ্জের ৬০ শতাংশ এবং রপ্তানি পণ্যবাহী জাহাজ বহরের এক বিশাল অংশ তারা নিয়ন্ত্রণ করত। ** জেনিফার বিমার; [https://scholarspace.manoa.hawaii.edu/bitstream/10125/32822/4/Beamer%20Zaibatsu.pdf “জাপানিজ জাইবাৎসু”], হাওয়াই.এডু, (২০১২), পৃষ্ঠা ৩০১। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান এবং জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের পর, জাইবাৎসুগুলোকে সমূলে বিলুপ্ত করার একটি জোরালো প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট এবং [[w:হ্যারি_এস._ট্রুম্যান|হ্যারি ট্রুম্যানের]] আমেরিকান অর্থনৈতিক উপদেষ্টারা এই একচেটিয়া আধিপত্য এবং বাধানিষেধমূলক ব্যবসায়িক পদ্ধতির প্রতি গভীর সন্দেহ পোষণ করতেন; তাঁদের মতে এই পদ্ধতিটি ছিল চরম অদক্ষ এবং কর্পোরেটবাদের একটি কদর্য রূপ। দখলদারিত্বের সময় কেবল ১৬টি জাইবাৎসুক সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং আরও ২৬টি গোষ্ঠীকে পুনর্গঠনের তালিকায় রাখা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে নিয়ন্ত্রণকারী জাইবাৎসু পরিবারগুলোর সকল সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়, হোল্ডিং কোম্পানিগুলো বিলুপ্ত করা হয় এবং পুরনো ব্যবস্থায় কোম্পানিগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের জন্য অপরিহার্য 'ইন্টারলকিং ডিরেক্টটরশিপ' বা আন্তঃকোম্পানি পরিচালক পদগুলোকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। তা সত্ত্বেও, জাইবাৎসুগুলোর সম্পূর্ণ বিলুপ্তি কোনোদিন অর্জিত হয়নি। কারণ এশিয়ার অন্যান্য প্রান্ত থেকে ধেয়ে আসা [[w:সাম্যবাদ|সাম্যবাদের]] বিরুদ্ধে জাপানে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা দেয়াল বা শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পুনরায় শিল্পায়নের লক্ষে মার্কিন সরকার তাদের পূর্বের অবস্থান পরিবর্তন করেছিল। এমতাবস্থায় জাইবাৎসুগুলোকে জাপানের [[:w:অর্থনীতি|অর্থনীতি]] এবং [[w:সরকার|সরকারের]] জন্য হিতকর বলে বিবেচনা করা হয়েছিল। তবে জাপানি সাধারণ জনগণের মতামত ছিল এর সম্পূর্ণ বিপরীত। তাঁদের মনোভাব ছিল চরম উদাসীনতা থেকে গভীর অসন্তোষের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ** জেনিফার বিমার; [https://scholarspace.manoa.hawaii.edu/bitstream/10125/32822/4/Beamer%20Zaibatsu.pdf “জাপানিজ জাইবাৎসু”], হাওয়াই.এডু, (২০১২), পৃষ্ঠা ৩০১। == নিজ দেশে যুদ্ধের আবহ == ; ১৯৪১ * পার্ল হারবারে সেই অতর্কিত আক্রমণ আমাদের সামনে ধেয়ে আসা চ্যালেঞ্জের ভয়াবহতাকে স্পষ্ট করে দিয়েছিল এবং আমাদের অন্তরাত্মা এক ন্যায়সঙ্গত ক্রোধে এমনভাবে প্রজ্জ্বলিত হয়েছিল ও দেশপ্রেমে এমনভাবে উদ্বেলিত হয়েছিল যে, আমাদের মধ্যকার সকল ভেদাভেদ, বিভাজন আর ঘৃণা এক অভূতপূর্ব ঐক্যে গলে মিশে গিয়েছিল। যা এই দেশে আগে কখনো প্রত্যক্ষ করা যায়নি। ** ভার্জিনিয়ার প্রতিনিধি '''''জন ডব্লিউ. ফ্ল্যানাগান জুনিয়রের''''' মন্তব্য; মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে (১৬ ডিসেম্বর ১৯৪১); 'কংগ্রেশনাল রেকর্ড', খণ্ড ৮৭, অংশ ১৪, পরিশিষ্ট (৯ অক্টোবর ১৯৪১ – ২ জানুয়ারি ১৯৪২), পৃষ্ঠা এ৫৬০৯। ; ১৯৪২ * অসংযত বাক্যই বিপদকে ডেকে আনে। ** যুদ্ধকালীন একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় স্লোগান যা সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলা থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত করত; কারণ শত্রুশৈন্য বা গুপ্তচররা সবসময় আড়ি পেতে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হতো। * এই চরম জাতীয় সংকটের সময়ে, যখন আমাদের অর্জিত সকল অতিরিক্ত আয় যুদ্ধ জয়ের কাজে ব্যয় হওয়া উচিত, তখন কর প্রদানের পর কোনো আমেরিকান নাগরিকের বার্ষিক নিট আয় ২৫,০০০ ডলারের বেশি হওয়া মোটেও উচিত নয়। ** প্রেসিডেন্ট '''''[[w:ফ্রাঙ্কলিন_ডি._রুজভেল্ট|ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের]]''''' কংগ্রেসে পাঠানো বার্তা (২৭ এপ্রিল ১৯৪২); 'দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪২' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ২২১। * এই প্রয়োজনটি অত্যন্ত জরুরি — প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধের ফলে দূরপ্রাচ্য থেকে আমাদের উদ্ভিজ্জ চর্বির সরবরাহ ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। তাই সেগুলোর বিকল্প খুঁজে বের করা এখন সময়ের দাবি। চর্বি থেকে গ্লিসারিন তৈরি হয়, আর সেই গ্লিসারিন আমাদের এবং আমাদের মিত্রদের জন্য বিস্ফোরক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। যা অক্ষশক্তির বিমান ভূপাতিত করতে, তাদের ট্যাঙ্ক থামাতে এবং তাদের জাহাজ ডুবিয়ে দিতে অপরিহার্য। আমাদের লক্ষ লক্ষ পাউন্ড গ্লিসারিন প্রয়োজন এবং আপনারা গৃহিণীরাই তা সরবরাহ করতে পারেন।<br>রান্নার কাজে ব্যবহৃত চর্বি, মাংসের চর্বি বা ভাজাভুজির তেলের একটি ফোঁটাও দয়া করে ফেলে দেবেন না। আপনারা যা কিছুই ব্যবহার করেন না কেন। রান্নায় সেগুলোর ব্যবহার শেষ হয়ে গেলে একটি ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে পরিষ্কার ও চওড়া মুখের একটি কৌটায় ঢেলে রাখুন। কৌটাটি ঠান্ডা ও অন্ধকার জায়গায় সংরক্ষণ করুন<br>যখন এক পাউন্ড বা তার বেশি চর্বি জমে যাবে, তখন তা নিকটস্থ মাংস বিক্রেতার কাছে নিয়ে যান। তিনি অত্যন্ত দেশপ্রেমের সাথে এই কাজে সহযোগিতা করছেন। তিনি আপনার সেই ব্যবহৃত চর্বির ন্যায্য মূল্য পরিশোধ করবেন এবং সেগুলোকে যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট শিল্পকারখানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন। ** সাধারণ নাগরিকদের যুদ্ধ প্রচেষ্টায় সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে ফেডারেল সরকারের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি প্রচারপত্র; স্ট্যান কোহেন রচিত 'ভি ফর ভিক্টরি: আমেরিকাস হোম ফ্রন্ট ডিউরিং ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু' (মিসৌলা, এমটি: পিক্টোরিয়াল হিস্টোরিস, ১৯৯১), পৃষ্ঠা ১১১। ; ১৯৪৩ * 'ডক্টর নিউ ডিল' এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন 'ডক্টর উইন দ্য ওয়ার' বা 'যুদ্ধজয়ী চিকিৎসক' দ্বারা। সর্বপ্রথম ও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত এই যুদ্ধের উপর জয়লাভের ওপর। ** ফেডারেল সরকারের অগ্রাধিকারের পরিবর্তন প্রসঙ্গে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট '''''[[w:ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট|ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্টের]]''''' উক্তি (২৮ ডিসেম্বর ১৯৪৩); 'দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪৩' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ১৪০। * একজন সৎমনা উদারপন্থীও আজ নির্দ্বিধায় স্বীকার করবেন যে, একজন সাধারণ মানুষ সেই 'নিউ ডিলের' সময়ের তুলনায় [বর্তমানে] অনেক বেশি সুযোগ ও উন্নত জীবন অতিবাহিত করছেন। ** 'কমন সেন্স' নামক সাময়িকীর একজন লেখকের পর্যবেক্ষণ (সেপ্টেম্বর ১৯৪৩); 'ওয়ার অ্যান্ড সোসাইটি: দ্য ইউনাইটেড স্টেটস, ১৯৪১–১৯৪৫' (জে. বি. লিপিনকট কোং, ১৯৭২), পৃষ্ঠা ৯৩। * দেশের অভ্যন্তরে যুদ্ধকালীন মনোবলকে আরও সুদৃঢ় ও কঠোর করতে সামরিক বাহিনী এখন এক নতুন নীতি গ্রহণ করেছে; তারা এখন আলোকচিত্রের মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের দেখাতে চায় যে রণক্ষেত্রের এই ভয়াবহ যুদ্ধ সম্মুখপানে লড়াই করা বীর সেনাদের কী নিদারুণ পরিণতির দিকে ঠেলে দেয়। ** জনগণের অতি-আত্মবিশ্বাস রোধ করার লক্ষ্যে মার্কিন সেনাদের ক্ষয়ক্ষতির ছবি প্রকাশের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে 'নিউজউইক পত্রিকার' সম্পাদকদের অভিমত; সুসান ডি. মোয়েলার রচিত 'শুটিং ওয়ার: ফটোগ্রাফি অ্যান্ড দ্য আমেরিকান এক্সপেরিয়েন্স অফ কমব্যাট' (নিউ ইয়র্ক: বেসিক বুকস, ১৯৮৯), পৃষ্ঠা ২৪১। === নিজ দেশে যুদ্ধ: জাপানি-আমেরিকানদের জীবন === ==== ১৯৪২ ==== * আজ পর্যন্ত কোনো অন্তর্ঘাতমূলক ঘটনা না ঘটাটাই একটি উদ্বেগজনক এবং নিশ্চিত ইঙ্গিত যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ** পার্ল হারবারে আক্রমণের পর পশ্চিম উপকূলে বসবাসরত জাপানি অভিবাসী এবং জাপানি-আমেরিকানদের সম্পর্কে যুদ্ধ দপ্তরের একটি রিপোর্ট। ইউজিন ভি. রোস্টো রচিত "আওয়ার ওর্স্ট ওয়ারটাইম মিস্টেক", 'হার্পারস' (সেপ্টেম্বর ১৯৪৫), ১৯৬ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * আমাদের চুল বা গায়ের রং যেমনই হোক না কেন, আমাদের চোখের গড়ন যেমনই হোক না কেন, এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই ছিল আমাদের আপন মাতৃভূমি। আমার বাবা-মা আমাদের সেই সত্যটি কীভাবে বারবার স্মরণ করিয়ে দিতেন, তা আজও আমার স্মৃতিতে অমলিন। আমাদের পুরো পরিবারকে যখন জোরপূর্বক অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল, তার ঠিক আগমুহূর্তে আমার বাবা বলেছিলেন, "যা-ই ঘটুক না কেন, এই মাটিই তোমাদের চিরস্থায়ী আবাস।" ** মার্কিন পরিবহন সচিব '''''নরম্যান মিনেটার''''' স্মৃতিচারণ; যাকে শৈশবে একটি বন্দিশিবিরে (ইন্টার্নমেন্ট ক্যাম্প) নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। রবার্ট জেমস ম্যাডক্স (সম্পাদিত) 'আমেরিকান হিস্ট্রি', ৯ম সংস্করণ (গিলফোর্ড, সিটি: দুশকিন পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৮৭), খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৬৪। * ১৯৪২ সালের সেই বিষাদময় বসন্তকালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে বসবাসরত জাপানি এবং জাপানি-আমেরিকানদের আকস্মিকভাবে আটক করে দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত বিভিন্ন শিবিরে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। এভাবে ১,০০,০০০ এরও বেশি পুরুষ, নারী এবং শিশুকে তাঁদের নিজেদের ভিটেমাটি থেকে নির্বাসিত ও কারারুদ্ধ করা হয়। যাঁদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি ছিলেন জন্মসূত্রে আমেরিকার প্রকৃত নাগরিক। * সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে এই মানুষগুলোকে কেবল এই আশঙ্কায় আটক করা হয়েছিল যে, জাপানি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের কাছ থেকে গুপ্তচরবৃত্তি এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রবল ভয় রয়েছে। পশ্চিম উপকূল থেকে এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কারণ সামরিক কর্তৃপক্ষের ধারণা ছিল যে, ঘটনাস্থলে প্রত্যেকের আলাদাভাবে তদন্ত করা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ হবে। তাঁদের কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই অনির্দিষ্টকাল আটকে রাখা হয়েছিল। পুনর্বাসন কর্মকর্তাদের সৎ উদ্দেশ্য থাকা সত্ত্বেও, ওই কেন্দ্রগুলো নাৎসিদের কনসেনট্রেশন ক্যাম্প বা নির্যাতন শিবিরের চেয়ে খুব একটা উন্নত ছিল না। * যদি সেই নির্বাসিত ব্যক্তিদের 'অনুগত' হিসেবে পাওয়া যেত, তবে তাঁদের কেবল তখনই মুক্তি দেওয়া হতো যদি তাঁরা কোনো কাজ এবং থাকার জায়গা খুঁজে নিতে পারতেন। আর তা-ও হতে হতো এমন এক সমাজে যেখানে রাতের আঁধারে কোনো দুষ্কৃতকারী এসে জাপানি-বিরোধী স্লোগান লিখবে না, জানালার কাঁচ ভাঙবে না বা দাঙ্গা সৃষ্টির হুমকি দেবে না। অন্যদিকে, যুদ্ধের প্রতি তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি 'অবিশ্বস্ত' বলে প্রতীত হতো, তবে তাঁদের অনির্দিষ্টকালের জন্য শিবিরে বন্দি রাখা হতো। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (অন্তত শ্বেতাঙ্গদের জন্য) শত্রুর প্রতি কেবল সহানুভূতি পোষণ করা কোনো অপরাধ নয়, যতক্ষণ না সেটি কোনো সরাসরি নাশকতামূলক কাজে বা দৃশ্যমান হুমকিতে রূপ নেয়। ** '''''ইউজিন ভি. রোস্টো''''', "আওয়ার ওর্স্ট ওয়ারটাইম মিস্টেক", 'হার্পারস', খণ্ড ১৯১, সংখ্যা ১১৪৪ (সেপ্টেম্বর ১৯৪৫), পৃষ্ঠা ১৯৩–২০১। * সেখানে কোনো আলো, উনুন বা জানালার কাঁচ ছিল না। আমরা পরনের কাপড়সহই সেনাবাহিনীর খাটিয়ার ওপর ঘুমাতাম। ... শিবিরের চারপাশ ঘিরে থাকা সেই কাঁটাতারের বেড়া তুষারে ঢাকা সিয়েরা পর্বতমালাই যেন আমাদের বন্দিত্বের সেই ভয়াবহ পটভূমিকে আরও স্পষ্ট করে তুলত। ** ক্যালিফোর্নিয়ার মানজানার বন্দিশিবিরে জাপানি অভিবাসী ও জাপানি-আমেরিকানদের মানবেতর অবস্থা সম্পর্কে '''''কার্ল ইয়োনেডার''''' স্মৃতিচারণ; 'গানবাত্তে: সিক্সটি-ইয়ার স্ট্রাগল অফ এ কিবেই ওয়ার্কার' (ইউসিএলএ, ১৯৮৩), পৃষ্ঠা ১২৬। ==== ১৯৪৪ ==== * এতগুলো বছর পার করার পর, সারাটা জীবন কঠোর পরিশ্রম করে একটি স্বপ্নের ইমারত গড়ে তোলার পর সবকিছুই চোখের পলকে কেড়ে নেওয়া হলো.... তিনি এক বুক ভাঙা কষ্ট -হাহাকার নিয়ে মৃত্যুবরণ করলেন। ** পিটার ওটা, যাঁর পরিবারকে কলোরাডোর একটি শিবিরে বন্দি করা হয়েছিল। স্টাডস টারকেল রচিত '"দ্য গুড ওয়ার": এন ওরাল হিস্ট্রি অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু' (নিউ ইয়র্ক: প্যান্থিয়ন বুকস, ১৯৮৪), ৩২ পৃষ্ঠায় বর্ণিত। * যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি এবং অপরাধ দমনের মতো বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করার সময়, আমাদের অবশ্যই সেই সামরিক কর্তৃপক্ষের বিচারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও বিবেচনা প্রদর্শন করতে হবে যারা সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে উপস্থিত থাকেন এবং সামরিক তথ্যাদি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। তবে একই সাথে এটিও অপরিহার্য যে, সামরিক বিবেচনার একটি সুনির্দিষ্ট সীমা থাকতে হবে, বিশেষ করে যেখানে সামরিক আইন (মার্শাল ল) জারি করা হয়নি। কেবল সামরিক প্রয়োজনের দোহাই দিয়ে। যার কোনো বাস্তব ভিত্তি বা প্রমাণ নেই। একজন ব্যক্তিকে তাঁর সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ও নিঃস্ব করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ** সুপ্রিম কোর্টের সহযোগী বিচারক '''''ফ্র্যাঙ্ক মারফি'''''; তিনি 'কোরেমাতসু বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র' (৩২৩ ইউ.এস. ২১৪, ১৯৪৪) মামলায় ভিন্নমত পোষণকারী তিন বিচারকের একজন ছিলেন। উল্লেখ্য যে, আদালতের ছয় বিচারকের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ জাপানি এবং জাপানি-আমেরিকানদের বন্দি করার সামরিক সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিল। === নিজ দেশে যুদ্ধ: আফ্রিকান-আমেরিকানদের লড়াই === * আমার ব্যক্তিগত অভিমত ছিল এই যে, কৃষ্ণাঙ্গরা তাদের অসামান্য অর্জনের মাধ্যমেই বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গিকে জয় করতে পারে। যদিও সেই অর্জনগুলোকে সগৌরবে ছিনিয়ে আনতে হয়েছিল বর্ণবৈষম্যের এক চরম বিদ্বেষপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়েই।<br>এই যুদ্ধ আমাদের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল।<br>আমরা তখন আমাদের নিজস্ব একটি যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রনের মালিক ছিলাম—যা মাত্র অল্প কিছুকাল আগেও ছিল এক অকল্পনীয় অলীক কল্পনা। সেটি ছিল একান্তই আমাদের নিজেদের। তাছাড়া, আমাদের সেই সময়কার নিজস্ব সমস্যাগুলো বিশ্লেষণ করতে এবং আমাদের নিজস্ব দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সেগুলোর সমাধান খুঁজে পেতে আমরা বদ্ধপরিকর ছিলাম। ** জেনারেল '''''বেঞ্জামিন ও. ডেভিস'''''; যিনি বিমান বাহিনীর প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান জেনারেল এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বিখ্যাত টাস্কগি এয়ারমেনদের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন। * আমি জানতাম ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধের প্রতি আমার এক প্রবল আবেগ রয়েছে। কিন্তু, একটি বর্ণবৈষম্যমূলক বা পৃথকীকৃত সামরিক বাহিনীর হয়ে লড়াই করার বিষয়েও আমার মনে গভীর ক্ষোভ ছিল। আমি প্রশ্ন করি, একজন কৃষ্ণাঙ্গ যুদ্ধফেরত সৈনিক হওয়ার অনুভূতি আসলে কেমন? আপনি যদি একজন কৃষ্ণাঙ্গ ভেটেরান হন, তবে আপনি লড়াই করেছেন জার্মানিতে "ইহুদিদের প্রবেশ নিষেধ" এমন সাইনবোর্ডগুলো উপড়ে ফেলতে, অথচ নিজ দেশ আমেরিকায় ফিরে আপনি দেখতে পেলেন সেই একইরকম উদ্ধত সাইনবোর্ড,"কৃষ্ণাঙ্গদের প্রবেশ নিষেধ"। আপনি লড়াই করেছেন জার্মানি আর জাপানের ফাঁসির দড়ি আর চাবুকের দাপট মুছে দিতে, অথচ ফিরে এসে জর্জিয়া আর লুইসিয়ানায় নিজের পিঠেই সেই চাবুক আর ফাঁসির দড়িকে ফিরে পেতে! আমি আপনাদের একটি সৎ প্রশ্ন করতে চাই যে কেন আজ স্পেন আর যুগোস্লাভিয়া নিয়ে এত কথা হচ্ছে? ফিলিস্তিন আর গ্রিস নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, অথচ দক্ষিণ ক্যারোলিনার এইকেন কাউন্টি নিয়ে টুঁ শব্দটিও হচ্ছে না? ** '''''অলি হ্যারিংটনের''''' 'হোয়াই আই লেফট আমেরিকা অ্যান্ড আদার এসেস' (১৯৯৩) গ্রন্থে বর্ণিত। * এটি হলো মানুষকে মুক্ত রাখার এক মহান যুদ্ধ। স্বাধীনতার এই পথকে, আমাদের নিজেদের স্বাধীনতার পথকে—আমেরিকার বুকে আরও প্রশস্ত ও দীর্ঘায়িত করার সেই সংগ্রামটি না হয় তোলা থাকল তোলা থাকল ভবিষ্যতের জন্য। আমেরিকার অভ্যন্তরীণ এই ব্যক্তিগত লড়াইটি যে জারি থাকবে এবং শেষ পর্যন্ত আমরাই জয়ী হবো। কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে যুদ্ধে যাওয়ার পেছনে আমাদের কাছে এটিই একমাত্র প্রকৃত কারণ। আমাদের সেই লড়াইয়ের পথটি উন্মুক্ত রাখতে হবে।<br>একজন কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে আমি যে আমেরিকার ভেতরের এই অশুভ শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারছি। কেবল এই সত্যটুকুই যুদ্ধের ময়দানে লড়াই করার জন্য যথেষ্ট। যে অন্যায়কে মানুষ ঘৃণা করে, তার বিরুদ্ধে এই প্রকাশ্যে লড়াই চালিয়ে যাওয়াই হলো গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার প্রধান চিহ্ন এবং শেষ আশা। ** জে. সন্ডার্স রেডিং; 'দ্য আমেরিকান মারকারি' সাময়িকীতে প্রকাশিত “এ নিগ্রো লুকস অ্যাট দিস ওয়ার” (নভেম্বর ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৫৮৫-৫৯২। == যুদ্ধে নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত ভূমিকা == ; ১৯৪২ * দিন আর রাতগুলো ছিল এক অন্তহীন দুঃস্বপ্নের মতো, যতক্ষণ না আমাদের মনে হতো যে আমরা আর তা সহ্য করতে পারব না। শত শত রোগী প্রতিনিয়ত আসছিলেন, আর চিকিৎসক ও নার্সরা মশা-মাছি, সেই অসহ্য গরম, ধুলিকণার মধ্যে তাঁবুর নিচে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছিলেন। প্রতিদিন আমাদের কাছে প্রায় আট থেকে নয়শ পর্যন্ত রোগী আসতেন। ** '''''ইউনিস হ্যাচিট'''''; ''ফিলিপাইনের বাতানে দায়িত্বরত একজন আর্মি নার্স।'' ; ১৯৪৩ * যুদ্ধ জয়ের লক্ষ্যে অবদান রাখতে, কিছু অর্থ উপার্জন করতে এবং কোনো পেশাদার কাজ শিখতে। নারী ও পুরুষেরা গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এই শহরে অ্যালাবামার মোবাইল শহর পঙ্গপালের মতো ছুটে আসছেন। ** ''ঔপন্যাসিক '''জন ডস প্যাসোসের''' পর্যবেক্ষণ।'' ; ১৯৪৩ * আমি শিখতে একজন খুব আগ্রহী ছিলাম এবং খুব দ্রুতই আমি একজন অসামান্য রিভেটার (ধাতব পাত জোড়া দেওয়ার কারিগর) হয়ে উঠেছিলাম। রোহরে কাজ করার সময় আমি পি-৩৮ যুদ্ধবিমানের বুম ডোরগুলো রিভেটিং করতাম। এই যুদ্ধ প্রকৃতপক্ষে নারীদের জন্য এক বিশাল সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল। এটিই ছিল প্রথমবার যখন আমরা এটি প্রমাণ করার সুযোগ পেয়েছিলাম যে, আমরা এমন অনেক কাজ করতে পারি যা আগে কেবল গুটিকয়েক লোকের পক্ষেই সম্ভব বলে মনে করা হতো। ** '''''উইনোনা এসপিনোসা'''''; ''একজন বিমান নির্মাণ কর্মী।'' ; ১৯৪৩ * এমন কিছু ঘটছে যা অ্যাডলফ হিটলার বোধগম্য করতে পারছেন না। আর তা হলো আমাদের উৎপাদনের এই অবিশ্বাস্য অলৌকিক ক্ষমতা। ** ''মার্কিন শিল্পকারখানাগুলোতে বিপুল সংখ্যক বিমান, জাহাজ এবং ট্যাঙ্ক উৎপাদনের বিষয়ে 'টাইম' ম্যাগাজিনের মন্তব্য। প্রকৃতপক্ষে, জার্মান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন ক্ষমতা সম্পর্কে একদম সঠিক অনুমান করতে পেরেছিল, কিন্তু হিটলার সেই রিপোর্টটিকে অবজ্ঞা করার সিদ্ধান্ত নেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।'' ; ১৯৪৩ * কেক কাটার পরিবর্তে, এই নারী এখন বিমানের যন্ত্রাংশের নকশা কাটছেন। কেক তৈরি করার পরিবর্তে, এই নারী এখন যন্ত্রপাতির গিয়ারগুলোকে উত্তপ্ত করছেন যাতে ব্যবহারের পর সেগুলোর মধ্যকার টান বা চাপ হ্রাস পায়। ** ''একটি বিমান কারখানায় নারীদের কাজের দৃশ্য সম্বলিত একটি নিউজ ভিডিওর ধারা বর্ণনা।'' ; ১৯৪৪ * জাহাজ নির্মাণ কারখানার সেই অসহ্য ও কান ফাটানো প্রচণ্ড শব্দের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার মতো কোনো প্রশিক্ষণ আসলে আগে থেকে দেওয়া সম্ভব নয়। যাদের অন্তরাত্মা এই পরিস্থিতির সাথে লড়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নয়, তারা মুহূর্তের মধ্যেই রণভঙ্গ দিয়ে হারিয়ে যাবে। আর কেবল পেশি শক্ত করলেই চলে না, এই কাজে টিকে থাকতে হলে নিজের স্নায়ুগুলোকেও পাথরের মতো শক্ত করে গড়ে তুলতে হয়। ** ''একজন নারী জাহাজ নির্মাণ কর্মী'' । * আমার সাথে কথা বলার সময় তোমার বরং একটু বেশিই সাবধান হওয়া উচিত, কারণ আমি ইতোমধ্যেই আমার ডান হাতে বেশ বড় এক মাংসপেশি তৈরি করে ফেলেছি এবং বাম হাতটিও এখন যথেষ্ট শক্তিশালী। তাই বাপু, একটু বুঝেশুনে চলো! ** '''''মার্গারেট হুপার''' (বয়স ২০); প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরে (প্যাসিফিক ফ্লিট) দায়িত্বরত এক বন্ধুর কাছে লেখা চিঠিতে। মার্গারেট ক্যালিফোর্নিয়ার সান পেড্রোতে অবস্থিত একটি বিমান কারখানায় কাঁচামাল পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।'' * "রোজি দ্য রিভেটার" ** ''এটি ছিল যুদ্ধে নারীদের সমর্থন ও সহায়তা আদায়ের লক্ষে তৈরিকৃত একজন দৃঢ়চেতা, দেশপ্রেমী কাল্পনিক নারী কার্টুন চরিত্রের নাম, যা যুদ্ধকালীন জনমত গঠনে এক অসামান্য ভূমিকা রেখেছিল''। * সাইরেন বেজে ওঠল প্রবল শব্দে, আর মৃত্যুর হাতছানিতে বাতাস তখন হিমশীতল!<br>তবুও সেই বিশ্বস্ত ক্যাপ্টেনের নির্ভয় অটল সেই অধীর কর্মস্থল,<br>হাতের খুচরো পয়সাগুলো গুনে নিয়ে সে ক্ষিপ্র গতিতে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে যায়,<br>রাজার আজ্ঞাবহ নাবিকের মতোই এমন সাহসী অদম্য সৈনিক আর পাবে কোথায়? ** '''''এ. পি. হার্বার্ট'''''; লন্ডন ট্রান্সপোর্ট পোস্টারে প্রকাশিত "সিয়িং ইট থ্রু" কবিতা থেকে, ''বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''; ''এখানে "ক্যাপ্টেন" বলতে লন্ডনের একজন বাস কন্ডাক্ট্রেসকে বোঝানো হয়েছে।'' ; ১৯৪৫ * এটি আমার জীবনে একটি ভালো সূচনা এনে দিয়েছিল। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, যদি আমি একজন পুরুষের মতোই নিখুঁতভাবে ওয়েল্ডিং বা ঝালাইয়ের কাজ শিখতে পারি, তবে জীবনধারণের জন্য যা যা প্রয়োজন, তার সবই আমি করে যেতে পারব। ** '''''নোভা লি হলব্রুক'''; যুদ্ধকালীন কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনে কতটা অমূল্য ছিল, সে প্রসঙ্গে।'' == দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংক্রান্ত উক্তি == [[File:The British Army in the United Kingdom 1939-45 H41966.jpg|thumb|মেজর-জেনারেল জে. এফ. সি. ফুলার, ১৯২০ এর দশকে আধুনিক সাঁজোয়া যুদ্ধ কৌশলের বিকাশে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য, তিনি এই রণকৌশল ব্যবহারে ব্যর্থতাকে "পুরো যুদ্ধের সবচেয়ে বড় ভুল" হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। তিনি এমনকি এটিও আভাস দিয়েছিলেন যে যদি সঠিকভাবে সামরিক মোতায়েন করা হতো, তবে [[:w:ব্রিটিশ|ব্রিটিশ]] এবং [[:w:আমেরিকান|আমেরিকান]] ট্যাঙ্ক ডিভিশনগুলো রুশদের আগেই [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] দখল করে নিতে পারত। ~ ডেভিড হ্যাম্বলিং]] * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক শুরুর দিকে, [[:w:জাপান|জাপান]] ছিল প্রায় সাত কোটি জনসংখ্যার এক সমৃদ্ধশালী শিল্পোন্নত শক্তি। দেশটি ইতোমধ্যেই ভোক্তা পণ্যের এক প্রধান উৎপাদনকারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। কিন্তু ১৯৩০ এর দশকের শুরুর দিকে সামরিক বাহিনী নিয়ন্ত্রিত কেন্দ্রীয় সরকার ক্রমান্বয়ে বাজার অর্থনীতিকে একটি সর্বগ্রাসী [[:w:অর্থনীতি|নির্দেশিত অর্থনীতির]] বৈশিষ্ট্য দ্বারা প্রতিস্থাপন করতে শুরু করে, যার মধ্যে উৎপাদনের ওপর সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত ছিল। উৎপাদনের একটি ক্রমবর্ধমান অংশ তখন যুদ্ধ-সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলোর জন্য উৎসর্গ করা হচ্ছিল। তদুপরি, ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৬ সালের মধ্যে [[:w:বিদ্যুৎ|বিদ্যুৎ]] এবং [[:w:তেল|তেল]] শিল্পগুলোকে জাতীয়করণ করা হয় এবং ১৯৩৯ সালে চালের রেশনিং পদ্ধতি চালু করা হয়। সেই দশকের শেষ নাগাদ, জাপান সম্পূর্ণভাবে একটি যুদ্ধকালীন অর্থনীতির দ্বারা চালিত যুদ্ধের প্রস্তুতিতে লিপ্ত ছিল। ** অ্যালান অ্যাক্সেলরড; [https://books.google.com/books/about/The_Real_History_of_World_War_II.html?id=GqYWmUae5h8C&printsec=frontcover&source=kp_read_button ''দ্য রিয়েল হিস্ট্রি অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু: এ নিউ লুক অ্যাট দ্য পাস্ট''], (৬ মে ২০০৮), স্টার্লিং। পৃষ্ঠা ১৩৮-১৩৯। * সেই সমস্ত আমেরিকান, যারা ফ্রাঙ্কোর বিরুদ্ধে লড়তে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে রুখে দিতে স্পেনে গিয়েছিলেন, তাঁদের "অপরিণত ফ্যাসিবাদ-বিরোধী" (প্রিম্যাচিউর অ্যান্টি-ফ্যাসিস্ট) হিসেবে অভিহিত করায় তাঁরা কোনোদিন কিছু মনে করেননি। বরং তাঁরা এই তকমাটি বহন করতে গর্ববোধ করতেন। ** আলভা বেসি; ''<nowiki/>'মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন''' (১৯৩৯), ১৯৫৪ সালের পুনর্মুদ্রণের মুখবন্ধ। * আমাদের স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত প্রখর। আমাদের ওপর বছরের পর বছর ধরে যে অন্তহীন অপপ্রচার, কুৎসা আর ডাহা মিথ্যার আক্রমণ চালানো হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আমরা এক ধরণের আপেক্ষিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা অনাক্রম্যতা তৈরি করে ফেলেছি। বিশেষ করে, আমরা সেই 'মহা-মিথ্যা' (দ্য বিগ লাই) থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত যা একসময় স্পেনকে ধ্বংস করেছিল এবং যাকে হিটলার পূর্ণতার এমন এক চরম শিখরে নিয়ে গিয়েছিলেন যে, অক্ষশক্তির সেই বিষদাঁত ভাঙতে শেষ পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণহানির প্রয়োজন হয়েছিল। আক্ষেপের বিষয় এই যে, সেই 'মহা-মিথ্যা' আজও টিকে আছে এবং আমাদের নিজেদের দেশেই তা প্রবল প্রতাপে বিকশিত হচ্ছে। যেহেতু প্রতিটি যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিদিন, প্রতি ঘণ্টায় এমনকি প্রতি মিনিটে এটি প্রচার করা হচ্ছে, তাই আমাদের জনগণ যতক্ষণ না এর আসল রূপটি বুঝতে পারছেন এবং একে সম্পূর্ণভাবে নস্যাৎ করে দিচ্ছেন। ততক্ষণ পর্যন্ত এই মিথ্যার দাঁতভাঙা জবাব দিয়ে যাওয়া আমাদের একান্ত কর্তব্য। ** '''''আলভা বেসি'''''; ''<nowiki/>'মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন''' (১৯৩৯), ১৯৫৪ সালের পুনর্মুদ্রণের মুখবন্ধ। : যখনই আমরা শুনতে পাই যে [[:w:সাম্যবাদ|সাম্যবাদ]] আমাদের ভেতর এবং বাহির থেকে হুমকির মুখে ফেলছে। যখনই আমাদের বলা হয় যে সোভিয়েত ইউনিয়ন আমাদের জীবনযাত্রার ধরনকে বিপন্ন করছে এবং বিশ্ব জয় করতে চায়। যখনই আমাদের এমন এক 'পবিত্র ধর্মযুদ্ধে' (হলি [[ক্রুসেড]]) যোগ দিতে আহ্বান জানানো হয়, যা শুরু হলে সমগ্র পৃথিবীকে ছারখার করে দেবে। ঠিক তখনই আমরা ইতিহাসের কিছু সহজ ও অমোঘ সত্য স্মরণ করিঃ :সাম্যবাদের হুমকির দোহাই দিয়ে মুসোলিনি ইতালিতে বিদ্যমান গণতন্ত্রের টুঁটি চেপে ধরেছিলেন; :একই অস্ত্র ব্যবহার করে হিটলার জার্মান ভেইমার প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করেছিলেন; :একই তত্ত্ব কাজে লাগিয়ে হিদেকি তোজো জাপানের সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেঙে চুরমার করেছিলেন। :তথাকথিত '''"'''লাল সন্ত্রাসীর'''"''' (কমিউনিস্ট জুজু) নামে [[:w:দ্বিতীয় স্পেনীয় প্রজাতন্ত্র|স্পেনীয় দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রকে]] হত্যা করেছিলেন ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো; :বিশ্বকে সাম্যবাদ (কমিউনিজম) থেকে রক্ষার সস্তা স্লোগান দিয়েই শেষ পর্যন্ত অক্ষশক্তি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দাবানল জ্বালিয়েছিল। ** '''''আলভা বেসি'''''; ''<nowiki/>'মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন''' (১৯৩৯), ১৯৫৪ সালের পুনর্মুদ্রণের মুখবন্ধ। * বিস্ময়কর ভাবে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রণকৌশল মূলত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর সহকারী সচিব হিসেবে প্রেসিডেন্ট [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের]] অর্জিত অভিজ্ঞতারই এক প্রতিফলন। সেই সময়টিই তাঁকে শিখিয়েছিল কীভাবে যান্ত্রিক শক্তির প্রচণ্ড আঘাতে শত্রুকে পর্যুদস্ত করা যায় এবং পদাতিক বা স্থলযুদ্ধের ঝুঁকিগুলো কতটা ভয়াবহ হতে পারে। ১৯১৮ সালে যখন তিনি সম্মুখ সমর পরিদর্শনের জন্য [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্সে]] গিয়েছিলেন, তখন যুদ্ধক্ষেত্রের সেই বীভৎস দৃশ্য তাঁকে চরমভাবে ব্যথিত করেছিল। সৈন্যদের বসবাসের সেই ঘিঞ্জি পরিবেশ এবং ডায়েরিতে লেখা তাঁর নিজের ভাষায় "মৃত ঘোড়ার উৎকট গন্ধ" তাঁর সংবেদনশীল নৌ নাসিকাকে আঘাত করেছিল। ফলস্বরূপ, তিনি স্থলযুদ্ধের পরিবর্তে রসদ সরবরাহ এবং যুদ্ধ সরঞ্জামের ওপর বেশি মনোযোগী হয়েছিলেন: যেমন ট্রেনের কামরায় করে বিশাল নৌ-কামানগুলো স্থলপথে নিয়ে গিয়ে [[:w:জার্মানি|জার্মান]] বাহিনীকে নাস্তানাবুদ করা কিংবা বিমান ও বোমা প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতির জন্য চাপ দেওয়া। মিত্রপক্ষের জাহাজগুলোকে ঝুঁকির মুখে না ফেলে পুরো [[:w:উত্তর সাগর|উত্তর সাগর]] জুড়ে মাইন বিছিয়ে দিয়ে জার্মান ইউ-বোট আক্রমণ নস্যাৎ করার একটি পরিকল্পনাও তিনি ত্বরান্বিত করেছিলেন (যদিও যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ায় সেই পরিকল্পনাটি তখন পুরোপুরি সম্পন্ন করা যায়নি)। এই সময়েই রুজভেল্ট [[:w:ব্রিটেন|ব্রিটেন]] এবং ফ্রান্সের মতো বিশ্বস্ত আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করার গুরুত্ব অনুধাবন করেছিলেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, আধুনিক যুদ্ধে জয়লাভের চাবিকাঠি হলো শক্তিশালী জোট গঠন।<br>অনেক [[:w:আমেরিকান|আমেরিকানদের]] মতো রুজভেল্ট প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর [[w:বিচ্ছিন্নতাবাদ|বিচ্ছিন্নতাবাদী]] হয়ে পড়েননি। তিনি জানতেন যে উগ্র [[:w:একনায়কতন্ত্র|একনায়কতান্ত্রিক]] শাসন ব্যবস্থাকে অবশ্যই রুখতে হবে এবং তিনি বিশ্বাস করতেন যে উন্নত [[:w:যন্ত্র|যন্ত্রপাতি]] এবং মজবুত মিত্রজোটের মাধ্যমেই আমেরিকা তার স্বার্থ রক্ষা করতে পারবে। তিনি এই দুটি ধারণার প্রতি এতটাই অনুগত ছিলেন যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেন এবং [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়নকে|সোভিয়েত ইউনিয়নকে]] কোনো প্রতিদান ছাড়াই বিশাল পরিমাণ সাহায্য প্রদান করেছিলেন। রুজভেল্ট মনে করতেন, মার্কিন মিত্রদের শক্তিশালী করে তোলা এবং তাদের দিয়েই স্থলযুদ্ধের অধিকাংশ লড়াই করানোই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। এই দূরদর্শী কৌশলই শেষ পর্যন্ত একজন যুদ্ধকালীন [[:w:নেতা|নেতা]] হিসেবে তাঁকে ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাফল্য এনে দিয়েছিল। ** ফিলিপস পেসন ও'ব্রায়েন; [https://www.theatlantic.com/ideas/archive/2024/08/president-personal-preference-defines-national-interest/679642/ “দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ইজ হোয়াট দ্য প্রেসিডেন্ট সেজ ইট ইজ”], ''<nowiki/>'দি আটলান্টিক''<nowiki/>', (২৯ আগস্ট ২০২৪)। * এটি হতে পারত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সবচেয়ে আলোচিত এক হারিয়ে যাওয়া [[:w:অস্ত্র|অস্ত্র]]। মেজর-জেনারেল জে. এফ. সি. ফুলার, ১৯২০ সালের দশকে আধুনিক সাঁজোয়া যুদ্ধের রণকৌশল প্রবর্তনে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য, তিনি এই অস্ত্রের ব্যবহারে ব্যর্থতাকে "পুরো যুদ্ধের সবচেয়ে বড় ভুল" হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। তিনি এমনকি এটিও দাবি করেছিলেন যে, যদি এই অস্ত্রটি সঠিকভাবে মোতায়েন করা হতো, তবে [[:w:ব্রিটিশ|ব্রিটিশ]] এবং আমেরিকান ট্যাঙ্ক ডিভিশনগুলো রুশদের আগেই [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] দখল করে নিতে পারত। ** জে. এফ. সি. ফুলারের উক্তি; ডেভিড হ্যাম্বলিং রচিত [https://www.wired.com/2008/05/wwii-strobe-t-1/ "সিক্রেট স্ট্রোবলাইট ওয়েপনস অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু"], '''ওয়ার্ড''<nowiki/>', ২২ অক্টোবর ২০১২ তারিখে উদ্ধৃত। * আমি সেখানে তখন উপস্থিত ছিলাম। ** '''''উইলিয়াম ডি. লেহির''''' , ''<nowiki/>'আই ওয়াজ দেয়ার''' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ১। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, অন্তত ইউরোপীয় রণাঙ্গনের ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও নৈতিক ন্যায্যতা থাকতে পারে; যদিও আমেরিকার নিজের স্বাধীনতা বা অস্তিত্ব আদৌ কখনও হুমকির মুখে পড়েছিল কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট যৌক্তিক বিতর্কের অবকাশ রয়েছে। তবুও, যে সমস্ত আমেরিকান এই যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের অনেকেই নিজেদের এই সংগ্রামকে মহৎ উদ্দেশ্য বলে মনে করতেন; তাই আমরা অন্তত পরিষ্কার বিবেক নিয়ে তাঁদের এই মৃত্যুকে সম্মান জানাতে পারি। ** '''''ডেভ ডি লিনডর্ফ'''''; ''[https://www.counterpunch.org/2010/05/31/the-glorification-of-war/ “দ্য গ্লোরিফিকেশন অফ ওয়ার”],'' 'কাউন্টারপাঞ্চ', (৩১ মে ২০১০)। * প্রথম বিশ্বযুদ্ধের তুলনায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, যা মূলত 'হিটলারের যুদ্ধ' হিসেবে পরিচিত। ছিল এক প্রায়-সার্বজনীন অভিজ্ঞতা। এটি দীর্ঘকাল স্থায়ী হয়েছিল। বিশেষ করে [[:w:ব্রিটেন|ব্রিটেন]] এবং [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] মতো দেশগুলোর জন্য, যারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধের সাথে জড়িত ছিল, তাদের ক্ষেত্রে এই সময়কাল ছিল প্রায় ছয় বছর। [[w:চেকোস্লোভাকিয়া|চেকোস্লোভাকিয়ায়]] এটার সূচনা হয়েছিল আরও আগে, ১৯৩৮ সালের অক্টোবরে নাৎসিদের সুডেটেনল্যান্ড দখলের মধ্য দিয়ে। অন্যদিকে, [[:w:পূর্ব ইউরোপ|পূর্ব ইউরোপ]] এবং [[:w:বলকান অঞ্চল|বলকান অঞ্চলে]] হিটলারের পরাজয়ের মাধ্যমেও এই সংঘাত শেষ হয়নি; কারণ সোভিয়েত সেনাবাহিনী কর্তৃক দখল এবং গৃহযুদ্ধ জার্মানি ব্যবচ্ছেদের অনেক পর পর্যন্তও সেখানে অব্যাহত ছিল। ** '''''টোনি জাট'''''; ''<nowiki/>'পোস্টওয়ার: এ হিস্ট্রি অফ ইউরোপ সিন্স ১৯৪৫''' (২০০৫), অধ্যায় ১: দ্য লিগ্যাসি অফ ওয়ার। * যে বিশ্বযুদ্ধ হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে তার নৃশংসতম পরিণতির মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছিল, তা মূলত পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী এবং শক্তিশালী দেশগুলোর মধ্যেই সংগঠিত হয়েছিল। তাঁদের সভ্যতা পৃথিবীকে বড় বড় শহর আর চমৎকার শিল্পকলা উপহার দিয়েছিল। তাঁদের চিন্তাবিদগণ ন্যায়বিচার, সম্প্রীতি আর সত্যের মতো উন্নত ধারণাগুলো বিকশিত করেছিলেন। তবুও, এই যুদ্ধটি আধিপত্য বিস্তার বা বিজয়ের সেই আদিম প্রবৃত্তি থেকেই জন্ম নিয়েছিল। যা একসময় সাধারণ আদিবাসী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যেও সংঘাতের সৃষ্টি করত। এটি ছিল এমন এক পুরনো ধরন বা বিন্যাস যা নতুন সক্ষমতার মাধ্যমে বহুগুণ শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল এবং যেখানে কোনো আধুনিক বা নতুন বাধা ছিল না। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৬ কোটি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল।<br>পুরুষ, নারী আর শিশুরা, যারা আমাদের চেয়ে মোটেও আলাদা ছিল না। তাঁদের গুলি করে, পিটিয়ে, বন্দি করে, বোমায় উড়িয়ে, কারাগারে নিক্ষেপ করে, অনাহারে রেখে এবং বিষাক্ত গ্যাসে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছিল। ** '''''[[w:বারাক_ওবামা|বারাক ওবামা]]'''''; [https://obamawhitehouse.archives.gov/the-press-office/2016/05/27/remarks-president-obama-and-prime-minister-abe-japan-hiroshima-peace “হিরোশিমা পিস মেমোরিয়ালে প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে-র বক্তব্য”]; হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল, হিরোশিমা, জাপান, (২৭ মে ২০১৬)। * সারা বিশ্বে এমন অনেক স্থান রয়েছে যা এই যুদ্ধের ইতিহাসকে ধারণ করে আছে। স্মৃতিস্তম্ভগুলো বীরত্ব ও সাহসিকতার গল্প বলে। আবার সমাধি এবং পরিত্যক্ত বন্দি শিবিরগুলো অবর্ণনীয় পৈশাচিকতার প্রতিধ্বনি তুলে ধরে। তবুও, এই আকাশজুড়ে যে পারমাণবিক মাশরুম মেঘ বা ছাতা সদৃশ ধোঁয়ার কুণ্ডলী তৈরি হয়েছিল, তা আমাদের মানবজাতির মূল অন্তর্দ্বন্দ্বের কথা সবচেয়ে রূঢ়ভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়। একটি প্রজাতি হিসেবে যা আমাদের অনন্য করে তোলে আমাদের চিন্তা, কল্পনা, ভাষা, যন্ত্র তৈরির দক্ষতা, প্রকৃতি থেকে নিজেকে আলাদা করার ক্ষমতা এবং প্রকৃতিকে নিজের ইচ্ছামতো পরিচালিত করার শক্তি। সেই একই বৈশিষ্ট্যগুলো আমাদের এমন অকল্পনীয় ধ্বংসযজ্ঞের সক্ষমতাও দান করে যার কোনো তুলনা হয় না। ** '''''[[w:বারাক_ওবামা|বারাক ওবামা]]'''''; [https://obamawhitehouse.archives.gov/the-press-office/2016/05/27/remarks-president-obama-and-prime-minister-abe-japan-hiroshima-peace “হিরোশিমা পিস মেমোরিয়ালে প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবের বক্তব্য”]; হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল, হিরোশিমা, জাপান, (২৭ মে ২০১৬)। * যুদ্ধের শেষলগ্নে, [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নের]] জনগণের প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখে। ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] আগ্রাসনে ২ কোটি ৭০ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, পিটিয়ে মারা হয়েছে, অনাহারে রাখা হয়েছে অথবা জোরপূর্বক শ্রমের অমানুষিক চাপে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১ কোটি ৪০ লাখই ছিলেন নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিক। এই যুদ্ধে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের জনগণের চেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি আর কাউকে সইতে হয়নি। তবুও, এই কোটি কোটি মানুষের আত্মত্যাগ আমাদের সামষ্টিক স্মৃতিতে ততটা গভীরভাবে খোদাই করা নেই—যতটা তাঁদের ভোগান্তি এবং আমাদের দায়বদ্ধতা দাবি করে। এই যুদ্ধটি ছিল এক জঘন্য অপরাধ—আগ্রাসন এবং নির্মূল করার এক পৈশাচিক ও অপরাধমূলক যুদ্ধ। ** '''''ফ্রাঙ্ক-ওয়াল্টার স্টেইনমায়ার'''''; [https://www.bundespraesident.de/SharedDocs/Reden/EN/Frank-Walter-Steinmeier/Reden/2021/210618-Invasion-SovietUnion.html সোভিয়েত ইউনিয়নে জার্মানির আক্রমণের বার্ষিকী উপলক্ষে প্রদত্ত ভাষণ] (১৮ জুন ২০২১)। === আর্নেস্ট কিং এবং ওয়াল্টার এম. হোয়াইটহিল, ''<nowiki/>'ফ্লিট অ্যাডমিরাল কিং: এ নাভাল রেকর্ড''' (১৯৫২) === * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের ডুবে যাওয়া ১০,৫৮৩,৭৫৫ টন নৌ ও বাণিজ্যিক জাহাজের মধ্যে ৯,৭৩৬,০৬৮ টন জাহাজই ডুবিয়েছিল মার্কিন বাহিনী; যার মধ্যে কেবল মার্কিন সাবমেরিনগুলোই ৫,৩২০,০৯৪ টন জাহাজের সলিলসমাধি ঘটিয়েছিল। আটলান্টিকে জার্মান ইউ-বোটগুলো মিত্রশক্তির জাহাজ চলাচলের সাথে যা করছিল, আমাদের সাবমেরিনগুলো প্রশান্ত মহাসাগরে জাপানিদের সাথে ঠিক তাই করছিল। তবে পার্থক্য ছিল এই যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প শক্তি ছিল প্রায় অসীম, যেখানে জাপানের তা ছিল না। ১৯৪২ সালের শেষ মাসগুলো পর্যন্ত জার্মান সাবমেরিনগুলো মিত্রশক্তির মোট জাহাজের পরিমাণ ক্রমাগত হ্রাস করে চলেছিল, কিন্তু পরবর্তীতে সাবমেরিন-বিরোধী ব্যবস্থার উন্নত কার্যকারিতা এবং আমেরিকান ও ব্রিটিশ শিপইয়ার্ডগুলোর অভাবনীয় উৎপাদনের ফলে মিত্রশক্তির জাহাজের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকে। যদিও ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে জার্মান ইউ-বোটগুলো মিত্রশক্তির প্রায় ২৩,৩৫১,০০০ টন জাহাজ ডুবিয়েছিল, কিন্তু একই সময়ে নতুন জাহাজ নির্মাণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ৪২,৪৮৫,০০০ টনে। ফলে আটলান্টিকে শেষ পর্যন্ত ১৯,১৩৪,০০০ টন জাহাজের নিট লাভ দেখা যায়। জাপানিদের ক্ষয়ক্ষতি যেহেতু নতুন জাহাজ নির্মাণের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব হয়নি, তাই তাঁদের ক্ষতিগুলো ছিল অপূরণীয় ও চূড়ান্ত। এভাবে একদিকে আমাদের সাবমেরিনগুলো যখন প্রশান্ত মহাসাগরে শত্রুদের যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং রসদ সরবরাহের উৎসগুলোকে দুর্বল করে দিচ্ছিল, অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প উৎপাদন ক্ষমতা তখন তাঁদের বিজিত অঞ্চলগুলোর ওপর তাঁদের কর্তৃত্বকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছিল। ** পৃষ্ঠা ৫৩০ * ১৯৪৪ সালের শেষ সাত মাস ইউরোপ এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় রণাঙ্গন উভয় ক্ষেত্রেই এক অবিশ্বাস্য অগ্রগতির সাক্ষী ছিল। বহু প্রতীক্ষিত নরমান্ডি আক্রমণ সংঘটিত হয়েছিল। মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জ আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং আমরা অত্যন্ত আশাবাদী সময়সূচীর অনেক আগেই ফিলিপাইনে ফিরে গিয়েছিলাম। ফিলিপাইন সাগরের যুদ্ধ এবং লেয়ত উপসাগরের যুদ্ধে জাপানি নৌবহরের এক বিশাল অংশ চিরতরে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল এবং অবশিষ্ট অংশ দীর্ঘ সময়ের জন্য অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। যদিও যুদ্ধ জয়ের লক্ষ্য তখনও অনেক দূরে ছিল, তবুও পৃথিবীর উভয় প্রান্তেই সংঘাতটি অন্তত তার চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে ধাবিত হচ্ছিল। ** পৃষ্ঠা ৫৮২ * কিং, লেহি, নিমিৎস এবং সাধারণ নৌ-কর্মকর্তাদের কাছে সবসময়ই এটি মনে হয়েছে যে, জাপানের মূল ভূখণ্ডে পদাতিক সৈন্য পাঠিয়ে সরাসরি আক্রমণের প্রয়োজন ছাড়াই কেবল সমুদ্র এবং আকাশশক্তির মাধ্যমেই জাপানের পরাজয় নিশ্চিত করা সম্ভব। ১৯৪২, ১৯৪৩ এবং ১৯৪৪ সালে, যখন অধিকাংশ মিত্র রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের মনোযোগ ইউরোপের ওপর নিবদ্ধ ছিল এবং জাপানের সাথে যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব মূলত কিংয়ের ওপর ন্যস্ত ছিল, তখন প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধ মূলত এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই পরিচালিত হয়েছিল। ইউরোপে বিজয় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে সেই সব মানুষের মনোযোগও প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে নিবদ্ধ হয় যারা আগে এই যুদ্ধের সমস্যাগুলো নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন ছিলেন না। [[:w:তেহরান|তেহরান]] কনফারেন্সের সময় থেকেই জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সোভিয়েত হস্তক্ষেপের একটি রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করছিল এবং সেনাবাহিনী নিশ্চিত ছিল যে স্থল সৈন্যের ব্যবহার অনিবার্য হবে। মার্শালের জোরালো দাবির প্রেক্ষিতে (যা ম্যাকআর্থারের দৃষ্টিভঙ্গিরও প্রতিফলন ছিল), জয়েন্ট চিফরা কিউশু এবং শেষ পর্যন্ত টোকিও সমতলে অবতরণের পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন। কিং এবং লেহি এই ধারণাটি পছন্দ করেননি। তবে জয়েন্ট চিফদের বৈঠকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রয়োজনে তাঁরা অনিচ্ছাসত্ত্বেও এতে সম্মতি দেন। যদিও তাঁদের মনে মনে এই বিশ্বাস ছিল যে,শেষ পর্যন্ত নৌ-শক্তিই জাপানের পরাজয় নিশ্চিত করবে এবং বাস্তবেও তা-ই প্রমাণিত হয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ৫৯৮ * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অ্যাডমিরাল কিংকে তাঁর আরেকটি দীর্ঘদিনের বিশ্বাস কাজে লাগানোর সুযোগ করে দিয়েছিল। নেপোলিয়নিক যুদ্ধের ওপর তাঁর প্রাথমিক পড়াশোনা থেকে তিনি বুঝেছিলেন যে সেই আমলের ফরাসি সামরিক ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল প্রতিটি ছোটখাটো বিষয়ে স্বয়ং নেপোলিয়নের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানের প্রয়োজনীয়তা। কিংয়ের বিপরীত নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন; তিনি মনে করতেন অধীনস্থদের স্বাধীনভাবে কাজ করার জন্য প্রস্তুত করা উচিত। অ্যাডমিরাল মেয়োর সাথে দীর্ঘদিনের সাহচর্যে তাঁর এই বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কিং কৌতুক করে বলতেন যে, তিনি "অন্যকে দিয়ে করানো যায় এমন কোনো কাজ নিজে না করে" সুস্থ ও সচল আছেন। কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বলতে গেলে। অধীনস্থ কমান্ডারদের হাতে ক্ষমতার এই বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া তিনি যুদ্ধের ওই চার বছর টিকে থাকতে পারতেন না। ওই কমান্ডারদের ততক্ষণ পর্যন্ত যোগ্য বলে বিবেচনা করা হতো যতক্ষণ না তাঁরা নিজেদের অযোগ্য প্রমাণ করছেন এবং তাঁদের কাছ থেকে আশা করা হতো যে তাঁরা নিজেদের বিচারবুদ্ধি অনুযায়ী চিন্তা করবেন, সিদ্ধান্ত নেবেন এবং কাজ করবেন। প্রশান্ত মহাসাগরে নিমিৎস, ওয়াশিংটনে এডওয়ার্ডস, কুক এবং হর্ন, আটলান্টিকে ইঙ্গারসোল, লন্ডনে স্টার্ক এবং সমুদ্রে হ্যালসি, স্প্রুয়েন্স, কিনকাইড, হিউইট ও ইনগ্রামের মতো আরও অনেক ফ্ল্যাগ অফিসারের ওপর কিং গভীর আস্থা রেখেছিলেন এবং তাঁরা তাঁকে হতাশ করেননি। ** পৃষ্ঠা ৬৪৫ === জেমস বি. রেস্টন, ''প্রিলিউড টু ভিক্টরি'' (১৯৪২) === * যখন আমি শুনি যে মানুষ 'ফোর ফ্রিডমস' বা চারটি স্বাধীনতা নিয়ে উপহাস করছে এবং ভাবছে যে যুদ্ধ আসলে আদৌ কোনো কিছুর সমাধান করে কি না, তখন আমি অবাক হই। আমরা কি আজও এই যুদ্ধের বৈপ্লবিক প্রকৃতি বুঝতে পেরেছি? আমরা কি আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপকে এই পরীক্ষায় ফেলছি যে, এটি কি যুদ্ধ জয়ে সাহায্য করবে? আমাদের সামনে থাকা কাজের বিশালতা সম্পর্কে কি আমরা স্পষ্ট? আমরা কি উপলব্ধি করতে পারছি এই লড়াইয়ের বাজি কতটা বড়? ** পৃষ্ঠা ২৪ * আমরা এই সত্যগুলোকে স্বতঃসিদ্ধ বলে ধরে নিই যে সকল মানুষ সমানভাবে সৃষ্টি হয়েছে; তাদের স্রষ্টা তাদের কিছু সহজাত ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার প্রদান করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে জীবন, স্বাধীনতা এবং সুখ অন্বেষণের অধিকার।" এই দর্শনের চেয়ে বড় কোনো বৈপরীত্য কি সর্বগ্রাসী রাষ্ট্রগুলোর মৌলিক দর্শনের সাথে হতে পারে? এই রাষ্ট্রগুলো অনুচ্ছেদটির একটি সত্যকেও স্বীকার করে না। তারা অত্যন্ত জোরালোভাবে এগুলো অস্বীকার করে এবং তারা তরবারি হাতে তুলে নিয়েছে এটি প্রমাণ করতে যে, সকল মানুষ সমানভাবে সৃষ্টি হয়নি। বরং তারা মনে করে, তারা 'উন্নত জাতি' বা মাস্টার রেসেস এবং নিম্নতর মানুষদের শাসন ও নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার ও দায়িত্ব কেবল তাদেরই। তারা মানুষের কোনো "অবিচ্ছেদ্য অধিকারে" বিশ্বাস করে না। কেবল অস্ত্র ধারণ করা এবং 'ঈশ্বর-তুল্য রাষ্ট্র' বা গড-স্টেটের ইচ্ছা পূরণ করা ছাড়া। তারা মানুষকে কেবল তার স্বাধীনতা বা সুখ অন্বেষণ থেকেই বঞ্চিত করে না, বরং তার জীবনকেও তুচ্ছ জ্ঞান করে। ** পৃষ্ঠা ২৪-২৫ * স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে আরও বলা হয়েছেঃ "এই অধিকারগুলো নিশ্চিত করার লক্ষে মানুষের মধ্যে সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, যা শাসিতদের সম্মতির ভিত্তিতে তাদের ন্যায্য ক্ষমতা লাভ করে। যখনই কোনো শাসনব্যবস্থা এই লক্ষ্যগুলো ধ্বংস করতে উদ্যত হয়, তখনই জনগণের অধিকার থাকে সেই সরকারকে পরিবর্তন বা বিলুপ্ত করার এবং নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা করার। যার ভিত্তি হবে এমন সব মূলনীতি এবং যার ক্ষমতার বিন্যাস হবে এমন এক রূপে, যা জনগণের নিরাপত্তা ও সুখ নিশ্চিত করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে হবে।" এটি স্পষ্টতই সর্বগ্রাসী বিশ্বাসের সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর এক দর্শন। সেই সব একনায়কতান্ত্রিক সরকারগুলো তাদের জনগণের ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়নি। নাৎসি, জাপানি সামরিক জান্তা কিংবা ইতালির ফ্যাসিবাদীরা, কেউ-ই "শাসিতদের সম্মতির ভিত্তিতে তাদের ন্যায্য ক্ষমতা" লাভ করেনি। তাদের কনসেনট্রেশন ক্যাম্প এবং গণকবরগুলো এমন সব মানুষের লাশে পূর্ণ যারা বিদ্যমান শাসনব্যবস্থাকে পরিবর্তন বা বিলুপ্ত করা তো দূরের কথা, কেবল সমালোচনা করার দুঃসাহস দেখিয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ২৫ * আমরা যখন "আমাদের জীবনযাত্রার ধরন" তথা ''আওয়ার ওয়ে অফ লাইফ'' নিয়ে কথা বলি, তখন মূলত এই বিষয়গুলোই বোঝাতে চাই। আর এই যুদ্ধে ঠিক এই জিনিসগুলোই আজ চরম ঝুঁকির মুখে। কারণ জার্মানরা প্রতিটি গণতান্ত্রিক এবং [[:w:খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টীয়]] আদর্শকে অস্বীকার করেছে যা আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এবং এই মহান প্রজাতন্ত্রে সংরক্ষিত ও বিকশিত। গ্রিকরা আমাদের দিয়েছিল বৌদ্ধিক উদারতাবাদের ধারণা, [[:w:প্লেটো|প্লেটো]] দিয়েছিলেন যুক্তিবোধের ধারণা; অথচ নাৎসিরা তাদের বেঁচে থাকার অধিকারটুকুও স্বীকার করে না। যিশু আমাদের শিখিয়েছেন প্রেম ও দয়ার মতবাদ, কিন্তু জার্মানরা [[:w:যিশু|যিশুকে]] একজন ইহুদি হিসেবে তুচ্ছজ্ঞান করে এবং প্রেম ও দয়াকে নিয়ে বিদ্রূপ করে। ফরাসিরা ''স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের'' স্লোগানের মাধ্যমে গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের বিশ্বাসকে সুদৃঢ় করেছিল। অথচ জার্মানরা একে একটি ভণ্ডামিভরা স্লোগান হিসেবে প্রত্যাখ্যান করে। যেমনটি হিটলারের সহচর হ্যান্স ফন বুলো বলেছিলেন যে, এই স্লোগানকে তাদের "পদাতিক, অশ্বারোহী এবং গোলন্দাজ বাহিনীর প্রুশীয় বাস্তবতা" দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। রোমান এবং ব্রিটিশরা আমাদের শিখিয়েছিল "আইনের শাসন এবং চুক্তির পবিত্রতা"। আর এই মৌলিক গুণাবলি সম্পর্কে সর্বগ্রাসী একনায়ক শাসকরা কী ধারণা পোষণ করে, তা আমরা বহু বছর ধরেই জানি। আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই সকল সম্মানজনক আদর্শকে এক যোগ্য আবাস দিয়েছি এবং বিশ্বকে প্রমাণ করেছি যে, মুক্ত মনের নির্ভীক মানুষরা যখন সত্যের অন্বেষণ করে এবং ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে, তখন তারা কী অসামান্য অর্জন করতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * তবে আমাদের বুঝতে হবে যে, এই অর্জনগুলো কোনো চিরস্থায়ী বিষয় নয়। গণতন্ত্র কোনো পারিবারিক উত্তরাধিকার নয় যে একবার লাভ করলেই তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে গবর্নর উইনথ্রপ ডেস্কের মতো অবলীলায় হস্তান্তর করা যাবে। এটি "জীবনের মতোই এক সম্পদ যা প্রতিটি প্রজন্মকে নতুন করে অর্জন বা ক্রয় করতে হয়।" সহানুভূতি, যুক্তি এবং প্রকৃত গণতন্ত্র রাতারাতি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। নরওয়ের মতো এটি কোনো বিজেতা বা দখলদার দ্বারা ধ্বংস হতে পারে। আবার ফ্রান্সের মতো আমাদের নিজেদের স্বার্থপরতার কারণেও এটি আমাদের হাতছাড়া হতে পারে। প্রতিটি আমলা যারা সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে। প্রতিটি সংবাদপত্র প্রকাশক যারা ইচ্ছাকৃতভাবে সত্যকে গোপন, বিকৃত বা খাটো করে দেখায়। প্রতিটি কাণ্ডজ্ঞানহীন নাগরিক যারা নিজেদের কুসংস্কারকে লালন করে এবং অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি সহানুভূতি দিয়ে শুনতে অস্বীকার করে। তাদের প্রত্যেকের জানা উচিত যে, তারা প্রকৃতপক্ষে সেই আদর্শগুলোকেই বিপন্ন করছে যার জন্য আমরা লড়াই করছি। প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে এর আগে কখনো এই সত্যটি বোঝা এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেনি। কারণ যুদ্ধের সময় এই নীতিগুলো প্রায়শই ওপরমহলে একদল কর্মকর্তার মাধ্যমে হুমকির মুখে পড়ে যারা আমাদের জানার স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চায় এবং তৃণমূল পর্যায়ে এমন কিছু মানুষের দ্বারা যারা শত্রুর সামনে দাঁড়িয়েও নিজেদের কুসংস্কার বা গোষ্ঠীগত স্বার্থ ত্যাগ করতে পারে না। ** পৃষ্ঠা ৩৫–৩৬ * আমার মনে হয় এই সমস্যার মূল কারণ নিহিত রয়েছে সামরিক পরিস্থিতির মধ্যে। আমরা এই নজিরবিহীন দুঃসংবাদের মিছিল মোটেও পছন্দ করছি না; সারা বিশ্বে এভাবে কোণঠাসা হওয়াটাও আমাদের ভালো লাগছে না; তাই আমরা তিক্ততার সাথে প্রায় সব কিছু নিয়ে অভিযোগ করছি। কিন্তু ব্রিটিশরা কি এটি পছন্দ করছে? কিংবা রুশ, চীনা বা ডাচরা - যাদের আমাদের চেয়েও অনেক বেশি ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে? আমাদের মিত্রদের প্রতিকূল সমালোচনা আমাদের সামরিক পরিস্থিতির কোনো উন্নতি ঘটাবে না। সিঙ্গাপুরের পতন নিয়ে এখন অভিযোগ করে কোনো লাভ নেই; সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেছে। রাজা তৃতীয় জর্জ, বা গত বিশ্বযুদ্ধ, বা যুদ্ধের ঋণ, কিংবা হোয়াইটহল থেকে পাঠানো কিছু কর্মকর্তার অদ্ভুত বাচনভঙ্গি ও আচার-ব্যবহার নিয়ে পড়ে থাকাটা হবে আরও বেশি নিরর্থক। আমি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে পার্ল হারবার নিয়ে কোনো নেতিবাচক সমালোচনা দেখিনি (আমরা কী বলতাম যদি আলেকজান্দ্রিয়া বা জিব্রাল্টার বা স্কেপা ফ্লোতে তাদের এভাবে অপ্রস্তুত অবস্থায় ধরা হতো?); আমি ব্রিটিশ হাউজ অফ কমন্সে আমাদের নৌ-বিন্যাস বা আমাদের সেনাদলের আকার নিয়ে কোনো আক্রমণাত্মক কথা শুনিনি। ব্রিটিশদের অপ্রস্তুত অবস্থা নিয়ে বছরের পর বছর আমাদের সমালোচনা সত্ত্বেও, আমরা যে যুদ্ধের জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না—তা নিয়ে তাদের মধ্যে খুব কমই অভিযোগ দেখেছি। ** পৃষ্ঠা ১৬২–১৬৩ * তাহলে এখানে এত সমালোচনা কেন? আমরা এই যুদ্ধে কারো উপকার করছি না। এটি কোনো বীরত্ব প্রদর্শনের নিছক মহড়া নয়। রুশ এবং ব্রিটিশরা আমাদের জন্য ঠিক ততটাই করছে যতটা আমরা তাদের জন্য করছি। তাদের আমাদের অস্ত্র এবং সৈন্য প্রয়োজন। আর এই যুদ্ধে জয়ী হতে হলে আমাদের তাদের সাহায্য অত্যন্ত মরিয়াভাবে প্রয়োজন। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে যারা সবচেয়ে বেশি অভিযোগ করছে, তাদের কথা শুনলে আজ হয়তো আমাদের কোনো মিত্রই থাকত না। আমরা যদি চীন, [[:w:নেদারল্যান্ডস ইস্ট ইন্ডিজ|নেদারল্যান্ডস ইস্ট ইন্ডিজ]] (অথবা ডাচ ইস্ট ইন্ডিজ) এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ধ্বংসের বিষয়ে জাপানিদের সাথে হাত মেলাতে না চাইতাম, তবে আমাদের অবশ্যই পার্ল হারবারে আক্রান্ত হতে হতো। ৭ই ডিসেম্বরে আমাদের সামনে কেবল একটিই সম্মানজনক পথ খোলা ছিল এবং আমরা সেটিই বেছে নিয়েছি। আর এখন আমাদের সামনে কেবল একটিই সম্মানজনক পথ খোলা আছে—হয় সহায়ক হওয়া, নয়তো চুপ থাকা। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমি প্রায়ই শুনে এসেছি যে, ইউরোপের বিজিত জনগণ যদি আমাদের গণতন্ত্রকে তার বর্তমান রূপে পছন্দ না করে, তবে তারা জাহান্নামে যেতে পারে। এটা একান্তই সত্য যে, আমাদের অধিকাংশের কাছেই সেই পুরোনো জীবনটাই খুব আরামদায়ক ছিল এবং আমরা সেই স্বাভাবিকতায়-ই ফিরে যেতে চাই যা তা তৈরি করেছিল; কিন্তু... আমরা নিজেদের জীবন বাঁচাতে গিয়ে সেই স্বাভাবিকতাকে ধ্বংস করে ফেলেছি এবং এখন আর তাতে ফিরে যেতে পারি না, ঠিক যেমন আমরা ১৯৪৩ সালকে ১৯৩৮ সালে ফিরিয়ে আনতে পারব না। তেমনি, ইউরোপের বিজিত জনগণ যদি আমাদের গণতন্ত্রকে পছন্দ না করে, তবে আমরা তাদের জাহান্নামে যেতেও বলতে পারি না, কারণ আমাদেরকে তাদের সহায়তা প্রয়োজন এবং যুদ্ধের ইতি টানার আগেই তা অত্যন্ত জরুরত হয়ে পড়বে, আর সেটা পাওয়ার জন্য আমাদেরকে তাদের মন থেকে সন্দেহের উদ্রেক দূরীভূত করতে হবে। এর অর্থ হলো, আমেরিকার জনগণকে সামনের দিকেই তাকাতে হবে, পিছনের দিকে নয়। এর অর্থ হলো, আমাদের প্রমাণ করতে হবে যে আমাদের গণতন্ত্র আমাদের শত্রুদের স্বৈরাচারী মতবাদের মতোই কার্যকর। এর অর্থ হলো, আমাদের গণতন্ত্রকে তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ীই কাজ করাতে হবে। [[:w:আব্রাহাম লিঙ্কন|আব্রাহাম লিঙ্কন]] বলেছিলেন, "অধিকাংশ সরকারই মানুষের সমান অধিকার অস্বীকার করার উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে; আমাদের সরকার সেই অধিকারগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমেই সূচনা করেছিল। আমরা পরীক্ষাটি চালিয়েছিলাম, এবং তার ফলাফল তো আমাদের একদম সামনেই রয়েছে। এর দিকে তাকান—এ নিয়ে চিন্তা করে দেখুন।" লিঙ্কনের গণতন্ত্র মুর্দা নয়। এটি তার বিপ্লবী উদ্দীপনা হারায়নি। বিশ্ববাসীর কাছে এর আবেদনও হারায়নি। আমাদের কাজ হলো এটাই প্রমাণ করা যে, আমরা সত্যিই এতে বিশ্বাস করি। ** পৃষ্ঠা ২১৪–২১৫ * এই দেশের বহু মানুষ আটলান্টিক চার্টারকে আর গুরুত্বই দেয় না। তারা মনে করে, এটি রুজভেল্ট ও চার্চিলের ১৯৪১ সালের সমুদ্রসফরের প্রচারণার জন্য বানানো এক ধরনের ভেলকিবাজি। তারা এটিকে এর আসল রূপে দেখে না: এটি মূলত মানবাধিকারের একটি সম্প্রসারণ এবং এই জাতির উদ্দেশ্য পূরণের পথে আরেকটি যৌক্তিক পদক্ষেপ। আটলান্টিক চার্টার এবং আমাদের উদ্দেশ্য বিবৃত করার অন্য সকল প্রচেষ্টাকে অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখলে চলবে না। কারণ, এই ঘোষণাপত্রগুলোর পেছনে যদি জনগণের চেতনাই না থাকে, তবে সেগুলোর কোনো প্রকৃত মূল্য থাকবে না। দেশপ্রেমের সারমর্ম হলো আমেরিকার নীতিগুলোতে বিশ্বাস করা। আপনি হয় এই প্রজাতন্ত্রের পেছনের সমতাভিত্তিক ধারণায় বিশ্বাস করেন, অথবা করেন না। আপনি হয় লিংকনের "জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা এবং জনগণের জন্য" এতে বিশ্বাস করেন, অথবা করেন না। আপনি হয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং সঠিকতায় বিশ্বাস করেন, অথবা করেন না। যদি তা করেন, তবে এই বিশ্বের বিপ্লবী চেতনার প্রতি আমাদের মিবেদন শ্রবণ করা যাবে, কিন্তু যদি তা না করেন, তবে বিশ্বের এই সমস্ত আটলান্টিক সনদও বিজিত জাতিগুলোকে এমন সব নীতির জন্য লড়াই করতে অনুপ্রাণিত করতে পারবে না, যেগুলোর কথা আমরা ঘোষণা করি কিন্তু অনুসরণ করি না। ** পৃষ্ঠা ২১৫-২১৬ {{Misattributed begin}} == ভুলভাবে আরোপিত উক্তি == * আমাদের কাছে আরও জাপানি পাঠাও! ** মিডিয়ার মাধ্যমে এই উক্তিটি লেফটেন্যান্ট কর্নেল জেমস পি. এস. ডেভোরোর ওপর আরোপ করা হয়েছিল, যখন তিনি ওয়েক দ্বীপের যুদ্ধে লড়ছিলেন। পল এফ. বোলার জুনিয়র এবং জন জর্জ রচিত 'দে নেভার সেইড ইট: এ বুক অফ ফেইক কোটস, মিসকোটস, অ্যান্ড মিসলিডিং অ্যাট্রিবিউশনস' (১৯৮৯), ২০ পৃষ্ঠাতে এটি বর্ণিত হয়েছে। ডেভোরো নিজে এই ধরণের কোনো উক্তি করার কথা অস্বীকার করে বলেছিলেন, "আমি এই ধরণের কোনো বার্তা পাঠাইনি। যতদূর আমি জানি, এমন কোনো বার্তা আদৌ পাঠানো হয়নি। আমাদের মধ্যে কেউ এমন আহম্মক ছিল না যে এইসব কথা বলবে। সেখানে আমাদের সামলানোর সামর্থ্যের চেয়েও অনেক বেশি জাপানি ছিল।" {{Misattributed end}} == আরও দেখুন == * [[:w:প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]] * [[:w:পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] * [[:w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্র]] == বহিঃসংযোগ == * {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.fallen.io/ww2/ দ্য ফলেন অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু] — যুদ্ধের প্রাণহানি ও পরিসংখ্যানের আধুনিক ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন প্রজেক্ট। * [https://avalon.law.yale.edu/subject_menus/wwii.asp দ্য অ্যাভালন প্রজেক্ট (ইয়েল ল স্কুল)] - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দাপ্তরিক নথিপত্র ও কূটনৈতিক পত্রাবলির ডিজিটাল আর্কাইভ। * [https://www.americanrhetoric.com/speeches/phildavidsonWWII75thanniversary.htm আমেরিকান রেটরিক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ] - যুদ্ধের বিখ্যাত সব বক্তৃতাসমূহের অডিও এবং পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি। * [https://artsandculture.google.com/project/second-world-war গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ] - উচ্চ গুণসম্পন্ন নথিসমূহ, আলোকচিত্র এবং ভার্চুয়াল মিউজিয়াম ট্যুর। * [https://www.worldwar2.org.uk/ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ মেমোরিয়াল আর্কাইভ] - আধুনিক ডিজিটাল ইন্টারফেসে সাজানো যুদ্ধের উক্তি ও ঘটনার সংকলন। * [https://www.theatlantic.com/photo/categories/world-war-ii/ দি আটলান্টিস আর্কাইভ] - যুদ্ধের অডিও এবং ধারাবাহিকতার একটি আধুনিক অনলাইন ল্যাব। * [https://ww2db.com/ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু ডাটাবেজ (WW2DB) ] - ঐতিহাসিক ঘটনা, ব্যক্তি এবং যুদ্ধকালীন উক্তির একটি কালানুক্রমিক সংগ্রহশালা। * [https://www.iwm.org.uk/collections ইম্পেরিয়াল ওয়ার মিউজিয়াম কালেকশন] - সৈনিকদের ব্যক্তিগত ডায়েরি, চিঠি এবং বিরল আলোকচিত্রের ভাণ্ডার। * [https://encyclopedia.ushmm.org/ দ্য হলোকাস্ট এনসাইক্লোপিডিয়া] - হলোকাস্ট বা ইহুদি গণহত্যা এবং নাৎসি জার্মানির মানবিক বিপর্যয় সংক্রান্ত প্রামাণ্য দলিল ও জবানবন্দি। * [https://search.archives.gov/search?query=2nd+world+war&submit=&utf8=&affiliate=national-archives মার্কিন জাতীয় আর্কাইভ] - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক দলিলসমূহ। [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বযুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] jwua96lcn7ztdfxxoatauabb8ser4of ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch/খেলাঘর 2 13097 81932 80929 2026-04-28T11:48:51Z Oindrojalik Watch 4169 81932 wikitext text/x-wiki ডেপথ = (সম্পাদনা / নিবন্ধ) × (অ-নিবন্ধ / নিবন্ধ)² × (১ - নিবন্ধ / মোট পাতা) 3w3xlhep60rxjm68zqzteqfcjs5j614 ইরাক যুদ্ধ 0 13328 81768 80202 2026-04-28T01:11:15Z Oindrojalik Watch 4169 উক্তি যোগ 81768 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[চিত্র:US_Navy_041114-M-8205V-005_Iraqi_Special_Forces_Soldiers_assigned_to_the_1st_Marines,_patrol_south_clearing_every_house_on_their_way_through_Fallujah,_Iraq,_during_Operation_Al_Fajr_(New_Dawn).jpg|thumb|"যা ঘটেছে তার জন্য কি আমি অপরাধবোধে ভুগছি?" উত্তর হলো "না, আমি ভুগছি না।" ~ '''''জর্জ ডব্লিউ বুশ''''']] [[চিত্র:Iraq War montage.png|thumb|আজ থেকে বিশ বছর আগে ভুল গোয়েন্দা তথ্য, মাসের পর মাস বিশ্ববাসীর কাছে মিথ্যাচার এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি চরম অবজ্ঞা প্রদর্শন করে এক বিপর্যয়কর সামরিক অভিযানে ইরাক আক্রমণ করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।<br>এই আক্রমণের পরিণতিতে ইরাকে লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়, শুরু হয় কয়েক দশকের গৃহযুদ্ধ ও নৃশংস সাম্প্রদায়িক সহিংসতা এবং জন্ম নেয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। ~ '''''এমা গ্রাহাম-হ্যারিসন এবং সালিম হাবিব''''']] '''[[:w:ইরাক যুদ্ধ|ইরাক যুদ্ধ]]''' ছিল একটি '''[[:w:ইরাক যুদ্ধ|দীর্ঘস্থায়ী সশস্ত্র সংঘাত]]''' যা ২০০৩ সালে [[:w:সদ্দাম হুসাইন|সাদ্দাম হুসাইনের]] সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যে [[:w:ইরাকে বহুজাতিক বাহিনী|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একটি জোটের]] [[:w:ইরাক আক্রমণ|ইরাক আক্রমণের]] মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। পরবর্তী দশকের অনেকটা সময় জুড়ে এই সংঘাত চলতেই থাকে, কারণ দখলদার বাহিনী এবং যুদ্ধ-পরবর্তী ইরাকি সরকারের বিরোধিতায় সেখানে একটি [[:w:ইরাকি বিদ্রোহ (২০০৩-১১)|বিদ্রোহের]] সৃষ্টি হয়েছিল। একটি অনুমান অনুযায়ী এই যুদ্ধে ১,৫০,০০০ থেকে ১০,৩৩,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে ১,০০,০০০-এরও বেশি ছিলেন সাধারণ নাগরিক। তাদের বেশিরভাগই মারা গেছেন প্রাথমিক বিদ্রোহ এবং গৃহযুদ্ধের সময়। ২০১৩-২০১৭ সালের ইরাক যুদ্ধকে এই আক্রমণ ও দখলদারিত্বের একটি ধারাবাহিক প্রভাব বা 'ডোমিনো ইফেক্ট' হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা অন্তত ১,৫৫,০০০ মানুষের মৃত্যু ঘটিয়েছিল এবং ৩৩ লক্ষেরও বেশি ইরাকিকে দেশের অভ্যন্তরে বাস্তুচ্যুত করেছিল। এই যুদ্ধ আন্তর্জাতিক মহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট [[:w:জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডব্লিউ বুশের]] অভ্যন্তরীণ জনপ্রিয়তা ও ভাবমূর্তির ক্ষতি করেছিল। এমনকি ২০০৭ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী [[:w:টনি ব্লেয়ার|টনি ব্লেয়ারের]] পদত্যাগের পেছনেও এই যুদ্ধের ভূমিকা ছিল। [[চিত্র:Car bomb in Iraq.jpg|thumb|আমরা আমেরিকাকে বলতে চাই: এটি কি আপনাদের জন্য সত্যিই সার্থক? এর ফলে কি পরবর্তীতে মুসলিম বিশ্বে কয়েক দশকের শত্রুতা তৈরি হবে না? ~ '''''অ্যাঞ্জেলো সোডানো''''']] [[চিত্র:Hans Blix in Vienna 2002.jpg|thumb|জাতিসংঘের প্রধান অস্ত্র পরিদর্শক হ্যান্স ব্লিক্স... ইরাকে পারমাণবিক অস্ত্রের কোনো প্রমাণ পাননি। মার্কিন ও ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক উপস্থাপিত প্রতিটি প্রমাণই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ~ '''''অরুন্ধতী রায়''''']] [[চিত্র:Iraq-m1 abrams.jpg|thumb|আজকের এই আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, তা যতই যুক্তিযুক্ত হোক না কেন, ভবিষ্যতে অনাকাঙ্ক্ষিত ফলাফল নিয়ে ফিরে আসতে পারে.... আপনার বোমা আর অস্ত্রগুলো যতই নির্ভুল হোক না কেন, সেগুলো যখন আঘাত হানবে, তখন নিরপরাধ মানুষই মারা যাবে। ~ '''''বিল ক্লিনটন''''']] [[চিত্র:President_Barack_Obama.jpg|thumb|আমরা ইরাকে এই যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছি, এমন একটি যুদ্ধ যা কখনই অনুমোদিত হওয়া উচিত ছিল না এবং যা কখনই করা উচিত ছিল না। এই যুদ্ধ আমাদের দিনে ২৭ কোটি ৫০ লক্ষ ডলার খরচ করাচ্ছে; যে অর্থ এই দেশের চারপাশের সমাজ পুনর্গঠনে বিনিয়োগ করা যেত। এখন সময় এসেছে এই বোঝা ঝেড়ে ফেলার! ~ '''''বারাক ওবামা''''']] [[চিত্র:Pic of ramadi.jpg|thumb|তারা সেতু ধ্বংস করেছে, গির্জা, মসজিদ, কলেজ, ভবন আর কলকারখানা ধ্বংস করেছে। তারা জনপদ, ঘরবাড়ি আর প্রাসাদ গুঁড়িয়ে দিয়েছে। তারা বয়োবৃদ্ধসহ বহু মানুষকে হত্যা করেছে; কিন্তু তারা ইরাককে প্রাক-শিল্প যুগে ফিরিয়ে নিতে পারেনি। ~ '''''সদ্দাম হুসাইন''''']] [[চিত্র:Arundhati Roy delivering a talk on “The Doctor and The Saint- The Ambedkar-Gandhi Debate,” JMI.jpg|thumb|ইরাক আক্রমণ নিশ্চিতভাবেই ইতিহাসের অন্যতম কাপুরুষোচিত যুদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ছিল এমন এক যুদ্ধ যেখানে একদল ধনী দেশ—যাদের কাছে বিশ্বকে কয়েকবার ধ্বংস করার মতো পারমাণবিক অস্ত্র ছিল—তারা একটি দরিদ্র দেশকে ঘিরে ধরেছিল। তারা সেই দেশটির বিরুদ্ধে মিথ্যা পারমাণবিক অস্ত্র রাখার অভিযোগ তুলেছিল, জাতিসংঘকে ব্যবহার করে তাদের নিরস্ত্রীকরণে বাধ্য করেছিল এবং তারপর সেখানে আক্রমণ ও দখলদারিত্ব চালিয়ে এখন তা বিক্রির প্রক্রিয়ায় লিপ্ত হয়েছে। ~ '''''অরুন্ধতী রায়''''']] [[চিত্র:Ricardo Sanchez2.jpg|thumb|এই যুদ্ধের সাথে জড়িত আমাদের জাতীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতার জবাবদিহিতা কে চাইবে? তারা নিঃসন্দেহে তাদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছেন। আমার পেশায় এই ধরনের নেতাদের তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করা হতো কিংবা কোর্ট মার্শালে বিচার করা হতো। ~ লেফটেন্যান্ট জেনারেল '''''রিকার্ডো সানচেজ''''']] [[চিত্র:President_Donald_Trump.jpg|thumb|আমাদের কখনোই ইরাকে যাওয়া উচিত হয়নি, আমরা মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করে তুলেছি। ~ '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''']] [[চিত্র:SaddamStatue.jpg|thumb|২০০৩ সালের ৯ এপ্রিল বিশ্বজুড়ে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো বাগদাদের [[:w:ফিরদৌস চত্বর|ফিরদৌস চত্বরের]] একটি সরাসরি দৃশ্য দেখায়। সাধারণ ইরাকি এবং ইউনিফর্ম পরা মার্কিন সেনাদের একটি মিশ্র দল—যারা তখন বাগদাদ দখল করতে শুরু করেছিল—[[:w:ফিরদৌস চত্বরের মূর্তি অপসারণ|সদ্দাম হোসেনের একটি বিশাল মূর্তি টেনে নামিয়ে আনে]]। এটি ছিল নিপুণভাবে সাজানো একটি প্রচারণামূলক মহড়া, যার উদ্দেশ্য ছিল নব্য-রক্ষণশীলদের সেই প্রতিশ্রুতিকে জোরালো করা যে—সাধারণ ইরাকিরা এই শাসনামলের পতনে উচ্ছ্বসিত হবে এবং মার্কিন সেনাদের 'মুক্তিদাতা' হিসেবে স্বাগত জানাবে। ... সেই মুহূর্তটির জন্যই একটি বিশাল ব্যানার তৈরি করা হয়েছিল। বাস্তবে, বিশেষ এই যুদ্ধটি তখন কেবল শুরু হচ্ছিল এবং তা [[:w:বর্তমান|আজও]] অব্যাহত রয়েছে। ~ '''''জেরেমি স্কাহিল''''']] [[চিত্র:Protest against war funding at the office of Representative McCollum (4619890477).jpg|thumb|ইরাকে মার্কিন যুদ্ধ সেই হাজার হাজার বা লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষের কী ক্ষতি করবে, তা নিয়ে কোনো আলোচনা নেই—যারা ভূ-রাজনীতি বা সামরিক কৌশল নিয়ে মোটেও চিন্তিত নয়, যারা কেবল চায় তাদের সন্তানরা বেঁচে থাকুক এবং বড় হোক। তারা 'জাতীয় নিরাপত্তা' নিয়ে নয়, বরং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, খাদ্য, আশ্রয়, চিকিৎসা সেবা এবং শান্তি নিয়ে চিন্তিত। আমি সেইসব ইরাকি এবং আমেরিকানদের কথা বলছি যারা নিশ্চিতভাবেই এমন যুদ্ধে প্রাণ হারাবে, কিংবা হাত-পা হারাবে, অথবা অন্ধ হয়ে যাবে। নতুবা তারা এমন কোনো অদ্ভুত ও যন্ত্রণাদায়ক ব্যাধিতে আক্রান্ত হবে, যা তাদের বিকলাঙ্গ সন্তান জন্ম দিতে বাধ্য করবে। ~ '''''হাওয়ার্ড জিন''''']] == উক্তি == * সাদ্দাম হুসাইনকে নির্মূল করার চেষ্টা করা এবং স্থলযুদ্ধকে ইরাক দখলের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া আমাদের সেই নীতিকে লঙ্ঘন করত—যেখানে মাঝপথে লক্ষ্য পরিবর্তন না করা এবং '''"মিশন ক্রিপ" (ধীরে ধীরে লক্ষ্যের বিস্তার ঘটানো)-এ না জড়ানোর কথা বলা হয়েছিল; এবং এর ফলে অকল্পনীয় মানবিক ও রাজনৈতিক মূল্য চোকাতে হতো।''' তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভবত অসম্ভব ছিল। আমরা পানামায় [[:w:মানুয়েল নরিয়েগা|নরিয়েগাকেই]] খুঁজে পাইনি, অথচ সেই জায়গাটি আমাদের খুব ভালোভাবেই চেনা ছিল। আমাদের বাগদাদ দখল করতে এবং কার্যত ইরাক শাসন করতে বাধ্য হতে হতো। এতে তাৎক্ষণিকভাবে জোটটি ভেঙে যেত, আরবরা ক্ষোভে জোট ত্যাগ করত এবং অন্যান্য মিত্ররাও সরে দাঁড়াত। সেই পরিস্থিতিতে, '''আমাদের চোখে পড়ার মতো কোনো টেকসই "প্রস্থান কৌশল" (exit strategy) ছিল না,''' যা আমাদের আরেকটি নীতিকে লঙ্ঘন করত। অধিকন্তু, আমরা [[:w:স্নায়ুযুদ্ধ|স্নায়ুযুদ্ধ]]-পরবর্তী বিশ্বে আগ্রাসন মোকাবিলায় সচেতনভাবে একটি আদর্শ কাঠামো তৈরি করার চেষ্টা করছিলাম। ইরাকে প্রবেশ ও দখলদারিত্ব চালানো এবং এভাবে একতরফাভাবে [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] নির্দেশনার বাইরে যাওয়া আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার সেই নজিরটিকেই ধ্বংস করে দিত যা আমরা স্থাপন করতে চেয়েছিলাম। আমরা যদি আক্রমণের পথ বেছে নিতাম, তবে ধারণা করা যায় যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আজও এক তিক্ত শত্রুতাপূর্ণ ভূমিতে দখলদার শক্তি হিসেবে রয়ে যেত। এটি হতে পারত এক নাটকীয়ভাবে ভিন্ন এবং সম্ভবত একটি নিষ্ফল পরিণতি। ** '''''জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ''''', ''এ ওয়ার্ল্ড ট্রান্সফর্মড'' (১৯৯৮) * আজকের এই আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, তা যতই যুক্তিযুক্ত হোক না কেন, ভবিষ্যতে অনাকাঙ্ক্ষিত ফলাফল নিয়ে ফিরে আসতে পারে.... আপনার বোমা আর অস্ত্রগুলো যতই নির্ভুল হোক না কেন, সেগুলো যখন আঘাত হানবে, তখন নিরপরাধ মানুষই মারা যাবে। ** '''''বিল ক্লিনটন''''', "[https://web.archive.org/web/20110513103153/http://www.independent.co.uk/news/world/politics/clinton-urges-caution-over-iraq-as-bush-is-granted-war-powers-607775.html ক্লিনটন আর্জেস কশন ওভার ইরাক অ্যাজ বুশ ইজ গ্রান্টেড ওয়ার পাওয়ারস]"। (৩ অক্টোবর ২০০২)। ''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।'' * যারা [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি|আমেরিকান কূটনীতির]] ইতিহাস পড়েছেন, বিশেষ করে সামরিক কূটনীতি, তারা জানেন যে—আপনি যখন কোনো যুদ্ধ শুরু করেন তখন আপনার মাথায় হয়তো নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য থাকে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আপনি নিজেকে এমন সবকিছুর জন্য লড়াই করতে দেখবেন যা আপনি আগে কখনোই ভাবেননি... অন্য কথায়, '''যুদ্ধের নিজস্ব একটি গতিবেগ থাকে এবং আপনি যখন এতে জড়িয়ে পড়েন, তখন এটি আপনাকে আপনার সমস্ত সুচিন্তিত উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়।''' আজ যদি আমরা ইরাকে প্রবেশ করি, যেমনটা প্রেসিডেন্ট আমাদের দিয়ে করাতে চাচ্ছেন, তবে আপনি কেবল জানেন যে আপনি কোথা থেকে শুরু করছেন। কিন্তু আপনি কখনোই জানবেন না যে এর শেষ কোথায় হবে। ** '''''জর্জ এফ. কেনান''''', [https://www.hnn.us/article/george-kennan-speaks-out-about-iraq "জর্জ কেনান স্পিকস আউট অ্যাবাউট ইরাক"]-এ উদ্ধৃত, ''হিস্ট্রি নিউজ নেটওয়ার্ক'' (২৬ সেপ্টেম্বর ২০০২) * '''তারা [[:w:সেতু|সেতু]] ধ্বংস করেছে, তারা এমনকি [[:w:গির্জা|গির্জা]], [[:w:মসজিদ|মসজিদ]], [[:w:কলেজ|কলেজ]], [[:w:ভবন|ভবন]] আর কলকারখানাগুলো ধ্বংস করেছে। তারা জনপদ, ঘরবাড়ি আর প্রাসাদ গুঁড়িয়ে দিয়েছে। তারা বয়োবৃদ্ধসহ বহু মানুষকে হত্যা করেছে;''' কিন্তু তারা ইরাককে প্রাক-শিল্প যুগে ফিরিয়ে নিতে পারেনি। ** '''''সাদ্দাম হুসাইন''''', ড্যান রাদারের সাথে সাক্ষাৎকার, ''৬০ মিনিটস'', (২০০৩) * সেই দিনের উন্মাদনাময় পরিবেশে, মার্কিন [[:w:১০১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন|১০১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন]]-এর সৈন্যদের অভিবাদন জানাতে আসা ভিড়ের মধ্যে এক ব্যক্তির চিৎকার করে বলা ইচ্ছ তালিকার চেয়ে সেরা আর কিছুই হতে পারত না। লোকটিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তার শহর থেকে বাথ পার্টি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এখন তিনি কী দেখার আশা করেন? মার্কিনীরা কী নিয়ে আসবে? লোকটি তার কণ্ঠস্বর উঁচিয়ে প্রতিটি শব্দকে গুরুত্ব দিয়ে বললেন, '''"[[:w:গণতন্ত্র|গণতন্ত্র]]। [[:w:হুইস্কি|হুইস্কি]]। এবং সেক্সি!"''' ** জিম ডয়ার, [https://www.nytimes.com/2003/04/03/world/a-nation-at-war-in-the-field-101st-airborne-a-bridgehead-and-a-thirsty-welcome.html ১০১তম এয়ারবোর্ন; এ ব্রিজহেড, অ্যান্ড আ থারাস্টি ওয়েলকাম], ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৩ এপ্রিল ২০০৩) * '''আমরা ইরাকে এই যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছি, এমন একটি যুদ্ধ যা কখনোই অনুমোদিত হওয়া উচিত ছিল না এবং যা কখনোই করা উচিত ছিল না। এই যুদ্ধ আমাদের দিনে ২৭ কোটি ৫০ লক্ষ ডলার খরচ করাচ্ছে; যে অর্থ এই দেশের চারপাশের সমাজ পুনর্গঠনে বিনিয়োগ করা যেত। এখন সময় এসেছে এই বুলেটের বোঝা ঝেড়ে ফেলার!''' ** '''''[[:w:বারাক ওবামা|বারাক ওবামা]]''''', ''হ্যাম্পটন ইউনিভার্সিটিতে দেওয়া ভাষণ'', জুন ২০০৭ [[চিত্র:18.Rally.AntiWar.WDC.15March2003 (15901828924).jpg|thumb|আসলে কার্যকর কোনো আন্তর্জাতিক আইন বলে কিছু নেই। এটি নিছকই "গ্যাংস্টার আইন" ~ এরিক জুয়েসে]] * হোয়াইট হাউস হাবুশ থেকে সাদ্দাম হুসাইনের কাছে পাঠানো একটি জাল চিঠি তৈরি করেছিল, যেটিতে ২০০১ সালের ১ জুলাইয়ের তারিখ বসিয়ে আগের সময় দেখানো হয়েছিল। এতে বলা হয়েছিল যে, [[:w:সেপ্টেম্বর ১১ হামলা|৯/১১]] হামলার মূল হোতা [[:w:মোহাম্মদ আতা|মোহাম্মদ আতা]] আসলে ইরাকে তার মিশনের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন—এভাবে অবশেষে সাদ্দাম হুসাইন এবং [[:w:আল-কায়েদা|আল-কায়েদার]] মধ্যে একটি কর্মক্ষম যোগসূত্র দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। ৯/১১-এর পর থেকে ইরাক আক্রমণের যৌক্তিকতা হিসেবে সাদ্দাম ও আল-কায়েদার সম্পর্ক প্রমাণের জন্য ভাইস প্রেসিডেন্টের দপ্তর [[:w:সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি|সিআইএ]]-কে ক্রমাগত চাপ দিয়ে আসছিল। বাস্তবে এমন কোনো যোগসূত্র নেই। ** রন সাসকাইন্ড, ''দ্য ওয়ে অফ দ্য ওয়ার্ল্ড''; পৃষ্ঠা ৩৭১ [বুশ সম্পর্কে] * [[:w:যুক্তরাজ্য সরকার|ব্রিটিশ]] সরকার এবং [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার|আমেরিকান সরকার]] আমাদের বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের শান্তির সমস্ত আশা চিরতরে ধ্বংস করতে চলেছে। এই যুদ্ধ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। ** '''''ভ্যানেসা রেডগ্রেভ''''', [http://archive.is/rDE9f পলিটিশিয়ানস, হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস অ্যান্ড সেলিব্রিটিজ জয়েন্ড মিলিয়নস অফ অর্ডিনারি পিপল অন দ্য স্ট্রিটস অফ ইউরোপ অন স্যাটারডে টু প্রোটেস্ট অ্যাগেইনস্ট আ রাশ টু ওয়ার উইথ ইরাক। দিজ আর সাম অফ দেয়ার ভিউজ] সিএনএন ডট কম-এ উদ্ধৃত, (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৩) * ডাউনটাউনের (হোয়াইট হাউস) লোকেরা এটি পছন্দ করবে না। ** তৎকালীন সিআইএ পরিচালক '''''জর্জ টেনেট''''', ২০০৩ সালের শুরুর দিকে যখন তিনি জানতে পারেন যে ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এবং সাদ্দাম হুসাইনের গোয়েন্দা প্রধান তাহির জালিল হাবুশের মধ্যে গোপন বৈঠক হয়েছে; হাবুশ দাবি করেছিলেন যে ইরাকের কাছে কোনো গণবিধ্বংসী অস্ত্র (WMD) নেই। ** রন সাসকাইন্ড, ''দ্য ওয়ে অফ দ্য ওয়ার্ল্ড''; "ডাউনটাউন" বলতে হোয়াইট হাউসকে বোঝানো হয়েছে। [বুশ সম্পর্কে] * কয়েক দশক ধরে [[:w:হেলেন থমাস|হেলেন থমাস]] ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনালের সংবাদদাতা হিসেবে হোয়াইট হাউসের খবর সংগ্রহ করেছেন.... এবং ২০০২ সালে যখন যুদ্ধের কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছিল, তখন তিনি নিজেকে গুটিয়ে রাখেননি। নভেম্বরের শুরুর দিকে [[:w:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি|এমআইটিতে]] দেওয়া এক ভাষণে থমাস বলেছিলেন, "বুশ এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা যদি তাদের লক্ষ্যে সফল হয়, তবে তা কেবল ইরাকের ওপর বোমা বর্ষণই হবে না, বরং আমাদের নাগরিক স্বাধীনতার ওপরও আঘাত হানবে।" নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের দিকে ফিরে তাকিয়ে তিনি আক্ষেপ করে বলেছিলেন: "সাংবাদিক থাকাকালীন দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর আমি নিজেই নিজের ওপর সেন্সরশিপ চালিয়েছি (মানে নিজেই নিজের কণ্ঠ রুদ্ধ করেছি)।" ** '''''নরমান সলোমন''''', [http://www.coldtype.net/Assets.04/Essays.04/TARGET.IRAQ.pdf ''টার্গেট ইরাক: হোয়াট দ্য নিউজ মিডিয়া ডিড নট টেল ইউ'', পৃষ্ঠা ২১] (২০০৩) * একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত সাদ্দাম হুসাইনের প্রস্থান একটি ইতিবাচক বিষয় ছিল। কিন্তু এটি এমন কিছু প্রতিক্রিয়ারও জন্ম দিয়েছে—যেমন অনেক দেশে [[:w:ইসলাম|ইসলামি]] ভাবধারার নারী-পুরুষদের সজাগ বা সচল করে তোলা, যা শেষ পর্যন্ত বিশ্বকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে। ** '''''জ্যাক শিরাক''''', [http://www.abovetopsecret.com/forum1.html] * আপনি যদি এই বিষয়গুলো লক্ষ্য করেন, তবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাবেন যে—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই মনোভাব [[:w:বিশ্ব শান্তি|বিশ্ব শান্তির]] জন্য একটি হুমকি। কারণ আমেরিকা যা বলছে তা হলো, আপনি যদি নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো পাওয়ারকে ভয় পান, তবে আপনি সেই পরিষদের বাইরে গিয়ে অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে ব্যবস্থা নিতে পারেন। তারা বিশ্বকে এই বার্তাই দিচ্ছে। এর কঠোরতম ভাষায় নিন্দা জানানো উচিত। ** '''''[[নেলসন ম্যান্ডেলা]]''''', [http://news.bbc.co.uk/2/hi/africa/2251067.stm][http://www.ilaam.net/Opinions/USAThreat.html] * বিশেষ করে এখানে আমেরিকার প্রত্যেকের মনে এখন যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি কাজ করছে, তা হলো ৯/১১ হিসেবে পরিচিত সেই ভয়াবহ ঘটনা। সেই প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় তিন হাজার সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। সেই শোক আজও গভীর, ক্রোধ আজও তীব্র। চোখের জল আজও শুকায়নি। আর বিশ্বজুড়ে এক অদ্ভুত, মারাত্মক যুদ্ধ চলছে। তবুও, যিনি তার প্রিয়জনকে হারিয়েছেন তিনি নিশ্চয়ই মনে মনে এবং গভীরভাবে জানেন যে—কোনো যুদ্ধ, কোনো প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ড, কিংবা অন্য কারও প্রিয়জন বা অন্য কারও সন্তানের ওপর ফেলা কোনো 'ডেজি-কাটার' (শক্তিশালী বোমা) তাদের ব্যথার উপশম ঘটাবে না বা তাদের প্রিয়জনকে ফিরিয়ে আনবে না। যুদ্ধ মৃতদের প্রতিশোধ নিতে পারে না; যুদ্ধ কেবল তাদের স্মৃতির এক নৃশংস অবমাননা। ** '''''অরুন্ধতী রায়''''', [https://dharma-records.buddhasasana.net/texts/arundhati-roys-speech-come-september ''কাম সেপ্টেম্বর'' ভাষণ, সান্টা ফে, নিউ মেক্সিকো], (২৯ সেপ্টেম্বর ২০০২) * মানুষের শোককে নিষ্ঠুরভাবে ব্যবহার করে আরেকটি যুদ্ধে—এবার ইরাকের বিরুদ্ধে—ইন্ধন দেওয়া, আর সেই শোককে ডিটারজেন্ট বা রানিং শু বিক্রিকারী [[:w:কর্পোরেশন|কর্পোরেশনগুলোর]] স্পনসর করা টিভি স্পেশাল প্রোগ্রামে মোড়কজাত করা আসলে শোককে সস্তা ও মূল্যহীন করে তোলা এবং এর অর্থকে ধুয়ে মুছে ফেলা। আমরা এখন যা দেখছি তা হলো শোকের ব্যবসার এক অশ্লীল প্রদর্শনী, শোকের বাণিজ্য, এমনকি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মানুষের অতি ব্যক্তিগত অনুভূতিগুলোকে লুণ্ঠন করা। একটি রাষ্ট্রের জন্য তার জনগণের সাথে এমন আচরণ করা অত্যন্ত ভয়াবহ ও সহিংস একটি বিষয়। ** '''''অরুন্ধতী রায়''''', [https://dharma-records.buddhasasana.net/texts/arundhati-roys-speech-come-september ''কাম সেপ্টেম্বর'' ভাষণ, সান্টা ফে, নিউ মেক্সিকো], (২৯ সেপ্টেম্বর ২০০২) * ৮ নভেম্বর, ২০০২... [[:w:ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও|ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও]] এর 'অল থিংস কনসিডারড' অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিনের সংবাদদাতা টম জেলটেনের একটি প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। তিনি রিপোর্ট করেছিলেন, "ইরাকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হবে বোমা বর্ষণ অভিযানের মাধ্যমে, আর সেই ধাপের জন্য প্রয়োজনীয় রসদ ইতিমধ্যেই অনেকাংশে প্রস্তুত রয়েছে।" তার সুর ছিল আশ্বস্ত করার মতো: "প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা আত্মবিশ্বাসী যে জাতিসংঘের সময়সীমা তাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। কারণ, তারা ইতিমধ্যে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। একজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তার ভাষায়—'যখন আদেশ আসবে, আমাদের রক এন রোল (অভিযান শুরু) করার জন্য তৈরি থাকতে হবে'।" পেন্টাগনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার পক্ষে এমন এক অভিযানের ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা সত্যিই উল্লেখযোগ্য, যা নিশ্চিতভাবেই বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেবে। এই মন্তব্যের কোনো সমালোচনা করা হয়নি; সংবাদ প্রতিবেদনের কয়েকশ শব্দের মধ্যেও এমন কোনো দৃষ্টিভঙ্গি ছিল না যা শ্রোতাদের যুদ্ধের মানবিক বিপর্যয় থেকে দূরে সরিয়ে রাখা এই অসাড় ভাষার বিপরীত কিছু বলে। এই ধরনের রিপোর্টিং নিরাপদ। এতে সরকারের উৎস, সংবাদ নির্বাহী, নেটওয়ার্ক মালিক, বিজ্ঞাপনদাতা বা 'পাবলিক ব্রডকাস্টিংয়ের' ক্ষেত্রে বড় বড় অনুদানকারীদের ক্ষুব্ধ করার সম্ভাবনা খুবই কম। যেখানে এনপিআর দিন দিন 'ন্যাশনাল পেন্টাগন রেডিও' হয়ে উঠছে বলে মনে হচ্ছে, সেখানে শ্রোতাদের আপত্তি কর্তৃপক্ষের কাছে খুব একটা গুরুত্ব পেয়েছে বলে মনে হয় না। ** '''''নরমান সলোমন''''', [http://www.coldtype.net/Assets.04/Essays.04/TARGET.IRAQ.pdf ''টার্গেট ইরাক: হোয়াট দ্য নিউজ মিডিয়া ডিড নট টেল ইউ'', পৃষ্ঠা ২৪] (২০০৩) * যুদ্ধের পথটি প্রাথমিকভাবে দ্রুততম সমাধান বলে মনে হতে পারে। কিন্তু আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, যুদ্ধে জেতার পর শান্তিকেও নতুন করে গড়ে তুলতে হয়। ** '''''[[:w:ডমিনিক দ্য ভিলপাঁ|ডমিনিক দ্য ভিলপাঁ]]''''' * বর্তমানে ইরাকের মতো যুদ্ধ যখন [[:w:মানবতা|মানবতার]] ভাগ্যকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়, তখন দৃঢ় ও জোরালো কণ্ঠে এটি ঘোষণা করা আরও বেশি জরুরি হয়ে পড়ে যে—কেবল শান্তিই হলো একটি ন্যায়বিচারপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ সমাজ গঠনের একমাত্র পথ। সহিংসতা এবং অস্ত্র কখনোই মানুষের সমস্যার সমাধান করতে পারে না। ** '''''পোপ জন পল দ্বিতীয়''''' [http://www.cjd.org/paper/jp2war.html] === ২০০৩ === * এই যুদ্ধ থামানোর জন্য এখনও খুব বেশি দেরি হয়ে যায়নি। আমাদের ততক্ষণ পর্যন্ত পদযাত্রা চালিয়ে যেতে হবে, যতক্ষণ না [[:w:শান্তি|শান্তি]] ও [[:w:পুনর্মিলন|পুনর্মিলনের]] ঘোষণা আসছে। ** '''''জেসি জ্যাকসন''''', [http://archive.is/rDE9f পলিটিশিয়ানস, হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস অ্যান্ড সেলিব্রিটিজ জয়েন্ড মিলিয়নস অফ অর্ডিনারি পিপল অন দ্য স্ট্রিটস অফ ইউরোপ অন স্যাটারডে টু প্রোটেস্ট অ্যাগেইনস্ট আ রাশ টু ওয়ার উইথ ইরাক। দিজ আর সাম অফ দেয়ার ভিউজ] সিএনএন ডট কমে উদ্ধৃত, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৩। * বছরের পর বছর ধরে, সাদ্দাম হুসাইন গণবিধ্বংসী অস্ত্র তৈরি ও তা ধরে রাখার জন্য বিস্তারিত পরিকল্পনা করেছেন, বিপুল অর্থ ব্যয় করেছেন এবং বড় ধরনের ঝুঁকি নিয়েছেন। ** '''''জর্জ ডব্লিউ বুশ''''', ''জর্জ ডব্লিউ বুশের তৃতীয় স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণ'', জানুয়ারি ২০০৩। * আমি [ইরাক] যুদ্ধকে সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় বলে মনে করেছি এবং আমরা এতে জড়িয়ে পড়ার আগেই আমি সে কথা বলেছিলাম। ** '''''অক্টাভিয়া বাটলারের''''' সাথে সাক্ষাৎকার (২০০৩), কনসুয়েলা ফ্রান্স সম্পাদিত (২০০৯)। * আপনার সামনে কেবল ফক্স নিউজ নেই, বরং এমএসএনবিসি এবং এনবিসি-ও রয়েছে—হ্যাঁ, যেগুলোর মালিক জেনারেল ইলেকট্রিক, যারা বিশ্বের অন্যতম প্রধান পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাতা। ফক্সের মতো এমএসএনবিসি এবং এনবিসি-ও তাদের সংবাদ কভারেজের শিরোনামে পেন্টাগনের দেওয়া ইরাক আক্রমণের নাম ব্যবহার করছে: 'অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম'... তারা তাদের অভিযানের জন্য সবচেয়ে কার্যকর প্রচারণামূলক নাম খুঁজে বের করে। কিন্তু সংবাদমাধ্যম যখন তাদের কভারেজের নাম পেন্টাগনের দেওয়া নামে রাখে—প্রতিদিন 'অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম' শিরোনামটি দেখা যায়—তখন আপনাকে প্রশ্ন করতে হবে: এটি যদি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম হতো, তবে এর চেয়ে ভিন্ন আর কী হতো?" ** '''''অ্যামি গুডম্যান''''', "ইন্ডিপেন্ডেন্ট মিডিয়া ইন আ টাইম অফ ওয়ার" (২০০৩)। * আমরা কোনো গণবিধ্বংসী অস্ত্রের পেছনে ছুটছি না। ** '''''[[সাদ্দাম হুসাইন]]''''', ড্যান রাদারের সাথে সাক্ষাৎকার, ''৬০ মিনিটস'', ফেব্রুয়ারি ২০০৩। * '''আমরা আমেরিকাকে বলতে চাই: এটি কি আপনাদের জন্য সত্যিই সার্থক? এর ফলে কি পরবর্তীতে মুসলিম বিশ্বে কয়েক দশকের জন্য শত্রুতা তৈরি হবে না?''' ** কার্ডিনাল '''''অ্যাঞ্জেলো সোডানো''''' [http://www.foxnews.com/story/2003/03/12/vatican-strongly-opposes-iraq-war.html] * আমার মতে, এটি [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] প্রতি অসম্মান প্রদর্শন। বিশ্বের বাকি দেশগুলো কী ভাবছে, এটি তা বিবেচনায় নেয়নি। আর আমি মনে করি এটি অত্যন্ত গুরুতর একটি বিষয়। ** '''''লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা''''' [http://archive.newsmax.com/archives/articles/2003/3/19/211836.shtml] * ইরাকের বিরুদ্ধে আসন্ন যুদ্ধ নিয়ে আত্মতৃপ্ত রাজনীতিবিদ আর সংবাদপত্রের কলামিস্টদের সমস্ত গম্ভীর বক্তব্য, এমনকি যুদ্ধবিরোধীদের কিছু চিন্তিত মন্তব্যের মধ্যেও একটা জিনিস অনুপস্থিত। সমস্ত আলোচনা কেবল কৌশল, রণকৌশল, ভূ-রাজনীতি আর ব্যক্তিত্বদের নিয়ে। আলোচনা হচ্ছে আকাশযুদ্ধ আর স্থলযুদ্ধ নিয়ে, বিভিন্ন জোট আর গণবিধ্বংসী অস্ত্র নিয়ে, অস্ত্র পরিদর্শন, তেল-প্রাকৃতিক গ্যাস, জাতি গঠন আর "শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন" (regime change) নিয়ে। <br>যা অনুপস্থিত তা হলো—ইরাকে একটি মার্কিন যুদ্ধ সেই হাজার হাজার বা লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষের কী করুণ দশা করবে, যারা ভূ-রাজনীতি বা সামরিক কৌশল নিয়ে মোটেও চিন্তিত নয়, যারা কেবল চায় তাদের সন্তানরা বেঁচে থাকুক আর বড় হোক। তারা "[[:w:জাতীয় নিরাপত্তা|জাতীয় নিরাপত্তা]]" নিয়ে নয়, বরং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, খাদ্য, আশ্রয়, চিকিৎসা সেবা এবং শান্তি নিয়ে চিন্তিত। <br>আমি সেইসব ইরাকি এবং আমেরিকানদের কথা বলছি যারা নিশ্চিতভাবেই এমন যুদ্ধে প্রাণ হারাবে, কিংবা হাত-পা হারাবে, অথবা অন্ধ হয়ে যাবে। নতুবা তারা এমন কোনো অদ্ভুত ও যন্ত্রণাদায়ক ব্যাধিতে আক্রান্ত হবে, যার ফলে তারা বিকলাঙ্গ সন্তান জন্ম দিতে বাধ্য হবে (যেমনটা ঘটেছে [[:w:ভিয়েতনাম|ভিয়েতনাম]], [[:w:ইরাক|ইরাক]] এবং এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবারগুলোতেও)। ** '''''হাওয়ার্ড জিন'''''-এর ভূমিকা, [http://www.coldtype.net/Assets.04/Essays.04/TARGET.IRAQ.pdf ''টার্গেট ইরাক: হোয়াট দ্য নিউজ মিডিয়া ডিড নট টেল ইউ''], '''''নরমান সলোমন''''' রচিত, (২০০৩) * খুব কম ক্ষেত্রেই মানুষের জীবনের গল্পগুলো নাম ও ছবিসহ একদিনের সত্যের ঝলকানির চেয়ে বেশি কিছু হিসেবে সামনে এসেছে; যেমনটা একদিন পড়েছিলাম দশ বছর বয়সী এক বালক নূর মোহাম্মদের কথা—যে [[:w:পাকিস্তান|পাকিস্তানি]] সীমান্তে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ছিল, মার্কিন বোমার আঘাতে তার চোখ দুটো অন্ধ হয়ে গিয়েছিল আর হাত দুটো উড়ে গিয়েছিল। <br>অবশ্যই আমাদের রাজনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে হবে। আমরা লক্ষ্য করছি যে ইরাকে আক্রমণ হবে [[:w:আন্তর্জাতিক আইন|আন্তর্জাতিক আইনের]] এক চরম লঙ্ঘন। আমরা এটিও লক্ষ্য করি যে কেবল বিপজ্জনক অস্ত্র থাকাই যুদ্ধের ভিত্তি হতে পারে না—নতুবা আমাদের ডজন ডজন দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হতো। আমরা এটিও তুলে ধরছি যে, যে দেশটির কাছে সবচেয়ে বেশি "গণবিধ্বংসী অস্ত্র" রয়েছে সেটি হলো আমাদের নিজেদের দেশ, যারা পৃথিবীর অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় এই অস্ত্রগুলো বেশিবার ব্যবহার করেছে এবং যার ফলাফল হয়েছে সবচেয়ে মারাত্মক। আমরা আমাদের জাতীয় সম্প্রসারণ এবং আগ্রাসনের ইতিহাসের দিকে আঙুল তুলতে পারি। আমাদের সরকারের উচ্চ পর্যায়ে [[:w:প্রতারণা|প্রতারণা]] এবং [[:w:ভণ্ডামি|ভণ্ডামির]] শক্তিশালী প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে। <br>কিন্তু ইরাকে মার্কিন আক্রমণের কথা ভাবার সময় আমাদের কি রাজনীতিবিদ আর বিশেষজ্ঞদের এজেন্ডার ঊর্ধ্বে যাওয়া উচিত নয়? ([[:w:জন লে কারে|জন লে কারের]] একটি চরিত্র বলে: "আমি পৃথিবীর অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে বিশেষজ্ঞদের বেশি ঘৃণা করি।") আমাদের কি উচিত নয় সবাইকে এক মুহূর্তের জন্য এই বড় বড় কথা থামিয়ে কল্পনা করতে বলা যে—যুদ্ধ সেইসব মানুষের কী হাল করবে যাদের মুখ আমাদের কাছে অজানা থাকবে, যাদের নাম ভবিষ্যতের কোনো যুদ্ধস্মারক ছাড়া আর কোথাও দেখা যাবে না? ** '''''হাওয়ার্ড জিন''''', [http://www.coldtype.net/Assets.04/Essays.04/TARGET.IRAQ.pdf ''টার্গেট ইরাক: হোয়াট দ্য নিউজ মিডিয়া ডিড নট টেল ইউ'']-এর ভূমিকা (২০০৩) * ২০ মার্চ ২০০৩, মালয়েশীয় সময় সকাল প্রায় ১০টা ৩০ মিনিটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটেন এবং তার অন্যান্য মিত্রদের সাথে নিয়ে ইরাকের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। এই পদক্ষেপটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়াই নেওয়া হয়েছিল। [[:w:মালয়েশিয়া|মালয়েশিয়া]] এই পদক্ষেপের জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করছে, কারণ এটি বহুপাক্ষিক প্রক্রিয়া এবং জাতিসংঘের (UN) সনদকে স্পষ্টভাবে অবজ্ঞা করে; এটি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী, যার ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা টিকে আছে। এই সামরিক অভিযানে বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতি ও জনগণের সমর্থন নেই, এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনের অনেক নাগরিকও এর বিপক্ষে। মালয়েশিয়া বারবার জাতিসংঘে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তার অবস্থান ব্যক্ত করেছে যে, ইরাক ইস্যুটি বহুপাক্ষিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। যেকোনো সামরিক সমাধান কেবল তখনই বিবেচনা করা উচিত যখন অন্য সব পথ বন্ধ হয়ে যাবে এবং তা অবশ্যই জাতিসংঘের অনুমোদিত হতে হবে। মালয়েশিয়া মনে করে যে, ইরাক আক্রমণের জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ বা যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণ নেই। ইরাক জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব মেনে ক্রমশ তার নিরস্ত্রীকরণ সম্পন্ন করছিল। ইরাক অন্য দেশগুলোর জন্য—বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য—হুমকি হতে পারে এমন অভিযোগে মালয়েশিয়া মোটেও আশ্বস্ত নয়, বিশেষ করে মার্কিন সামরিক শক্তি এবং ইরাক থেকে ভৌগোলিক দূরত্বের কথা বিবেচনায় নিলে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের এই পদক্ষেপের পর বিশ্ব এখন এক সংকটময় মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে, যা ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। একটি বৃহৎ ও শক্তিশালী দেশ তার মিত্রদের নিয়ে আন্তর্জাতিক আইন, মানবিকতা এবং বৈশ্বিক ন্যায়বিচারের তোয়াক্কা না করে কাজ করেছে। তারা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে যার আত্মরক্ষার ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো ইরাকের এই নির্বিচার ধ্বংসযজ্ঞ, যা বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে ঘটতে পারে—এমন এক জাতি ও দেশের ওপর যারা জাতিসংঘের অর্থনৈতিক অবরোধের ফলে ইতিমধ্যেই ১২ বছর ধরে ধুঁকছে। ** '''''[[মাহাথির মোহাম্মদ]]''''', মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী (২০০৩) [https://www.pmo.gov.my/ucapan/?m=p&p=paklahtpm&id=3277] * সত্যের সন্ধানে বাছাইকৃত তথ্য, বিকৃতি এবং ছবির প্রোপাগান্ডামূলক [[:w:প্রচারণা|প্রচারণাগুলো]] খতিয়ে দেখা আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ এবং দায়িত্ব। যখন একটি দেশ যুদ্ধের পথে হাঁটে, তখন প্রচলিত ধারার বাইরে পা রাখা সবসময়ই বিপজ্জনক। সব ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ উড়তে থাকে। আপনি বাগদাদ ভ্রমণ করুন কিংবা নিজ শহরের মেইন স্ট্রিটে [[:w:যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন|যুদ্ধবিরোধী]] প্লাকার্ড হাতে ধরুন—কিছু মানুষ আপনাকে বিদেশি শত্রুর প্রচারণামূলক স্বার্থ রক্ষার দায়ে অভিযুক্ত করবেই। কিন্তু আপনার কর্মকাণ্ডকে ভুল ব্যাখ্যা করা থেকে বাঁচানোর একমাত্র পথ হলো কিছুই না করা। আপনার কথা বিকৃত হওয়ার বিপদ এড়ানোর একমাত্র উপায় হলো মুখ বন্ধ রাখা। "ব্যবহার করো নতুবা হারাবে"—এই কার্যকরী ক্যাটাগরিতে [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী|প্রথম সংশোধনীটি]] কেবল একটি আংশিকভাবে বাস্তবায়িত প্রতিশ্রুতি হিসেবে রয়ে গেছে। এটি যতটুকু পূরণ করা সম্ভব হবে, [[:w:গণতন্ত্র|গণতন্ত্র]] ততটুকু তাত্ত্বিকের বদলে বাস্তব রূপ পাবে। তবে তার জন্য প্রয়োজন বহু মানুষের কণ্ঠস্বর। আর যখন যুদ্ধ আমাদের নীরব থাকতে বাধ্য করে, তখন [[:w:ভিন্নমত পোষণ|ভিন্নমতের]] অপরিহার্যতা সর্বোচ্চ হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের তথ্যগত সত্যগুলো শোনা প্রয়োজন এবং যুদ্ধের দামামায় যেন সেগুলো হারিয়ে না যায় তা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের যতটা সম্ভব স্পষ্টভাবে চিন্তা করতে হবে এবং আমাদের হৃদয়ের কথা শুনতে হবে। তার ইরাক সফর শুরুর সময় [[:w:শন পেন|শন পেন]] নিজের "[[:w:বিবেক|বিবেকের]] বিষয়ে নিজের কণ্ঠস্বর খুঁজে পাওয়ার" ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। অদূর ভবিষ্যতে আমাদের প্রত্যেকের সামনে সেই সুযোগ আসবে। ** '''''নরমান সলোমন''''', [http://www.coldtype.net/Assets.04/Essays.04/TARGET.IRAQ.pdf ''টার্গেট ইরাক: হোয়াট দ্য নিউজ মিডিয়া ডিড নট টেল ইউ'', পৃষ্ঠা ১৯] (২০০৩) * তবে [[:w:হ্যান্স ব্লিক্স|ব্লিক্স]]-এর নেতৃত্বাধীন পরিদর্শন মিশনকে কলঙ্কিত করা ছিল বুশ টিমের যুদ্ধবাজদের অন্যতম প্রধান কাজ। তারা ব্লিক্সকে ইরাকি সরকারের সাথে আরও বেশি সংঘাতপূর্ণ অবস্থানে যেতে বাধ্য করার জন্য এবং পরবর্তীতে নিরাপত্তা পরিষদে তার দেওয়া প্রতিবেদনগুলোকে গুরুত্বহীন করার ভিত্তি তৈরি করার জন্য মুখিয়ে ছিল। কট্টর ডানপন্থী সংবাদমাধ্যমগুলোও তখন একই সুরে গান গাইছিল। ২২ নভেম্বর 'দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল' তাদের সম্পাদকীয়তে লিখেছিল, “আমরা আশা করি দিন গড়ানোর সাথে সাথে [[:w:হ্যান্স ব্লিক্স|মিস্টার ব্লিক্স]] এটি বুঝতে পারবেন যে—সাদ্দাম হুসাইনের পাশাপাশি তার নিজের বিশ্বাসযোগ্যতাও এখন ঝুঁকির মুখে।” তারা আরও অন্ধকারের আভাস দিয়ে যোগ করেছিল, “ইরাকে মিস্টার ব্লিক্সের নিজস্ব অতীত কর্মকাণ্ড রয়েছে, যা এমন কোনো আত্মবিশ্বাস যোগায় না যে তিনি এই স্বৈরশাসককে নিরস্ত্রীকরণ করতে শেষ পর্যন্ত লড়াই করবেন। প্রশ্ন এখন একটাই, চুয়াত্তর বছর বয়সী এই সুইডিশ কূটনীতিক কি সাদ্দামকে আবারও তাকে এবং জাতিসংঘকে বোকা বানানোর সুযোগ দেবেন?” ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সম্পাদকীয় পাতা—যা প্রায়শই জাতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রতিধ্বনি হওয়া প্রথম গোলার উৎস হিসেবে কাজ করে—সেটি ছিল কেবল শুরু। এর দুই সংস্করণ পরেই “হ্যান্স দ্য টিমিড” (ভীতু হ্যান্স) শিরোনামে একটি দীর্ঘ আক্রমণাত্মক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। ব্লিক্সের সন্দেহজনক চরিত্রকে দৃশ্যমান করার জন্য সেই নিবন্ধের সাথে থাকা স্কেচটিতে তাকে এমন একটি টাই পরা অবস্থায় দেখানো হয়েছিল যাতে একটি শান্তির চিহ্ন (peace sign) আঁকা ছিল। ** '''''নরমান সলোমন''''', [http://www.coldtype.net/Assets.04/Essays.04/TARGET.IRAQ.pdf ''টার্গেট ইরাক: হোয়াট দ্য নিউজ মিডিয়া ডিড নট টেল ইউ'', পৃষ্ঠা ৯৯] (২০০৩) * আপনার বর্তমান এবং প্রস্তাবিত অনেক কর্মকাণ্ডই এই দেশের সেই সংজ্ঞায়িত নীতিগুলোকে লঙ্ঘন করছে বলে মনে হয়, যে দেশের সভাপতিত্ব আপনি করছেন; বিতর্কের প্রতি অসহিষ্ণুতা (“আমাদের সাথে অথবা আমাদের বিপক্ষে”), আপনার সমালোচকদের কোণঠাসা করা, ভিত্তিহীন বাগাড়ম্বরের মাধ্যমে ভয় ছড়ানো, দ্রুত স্বস্তি দেয় এমন সংবাদমাধ্যমকে প্রভাবিত করা এবং আপনার প্রশাসনের নাগরিক স্বাধীনতা খর্ব করার অবস্থান—এসবই আপনার দাবি করা দেশপ্রেমের মূল চেতনার পরিপন্থী। মনে হচ্ছে, আপনি আভিজাত্যের এক রক্তক্ষয়ী বোধ থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আপনার সবচেয়ে কট্টর মিডিয়া সমর্থকদের একটু কাছ থেকে দেখুন। তাদের চোখে সেই ভয়টা দেখুন যখন তাদের জোরালো সমর্থনের সুরের নিচে ক্ষোভ আর আতঙ্কের এক বিপর্যয়কর চোরাস্রোত বয়ে যায়, যাকে তারা “স্পষ্টভাষী কঠোর কথা” হিসেবে চালিয়ে দিচ্ছে। একজন পুরুষ, একজন নারী বা একজন শিশুকে হত্যা করার অর্থ বোঝার ক্ষমতা থেকে আমরা কতটা দূরে সরে এসেছি—শত শত হাজার হাজার মানুষের ''collateral damage'' বা “পার্শ্বিক ক্ষতি” তো পরের কথা। আপনার মুখে “এটি এক নতুন ধরনের যুদ্ধ” শব্দগুলো শোনার সময় প্রায়ই একটি অদ্ভুত হাসি দেখা যায়। এটি আমাকে ভাবিয়ে তোলে যে, আপনি আমাদের অতীতের সমস্ত ইতিহাস ভুলে গিয়ে অন্ধভাবে আপনাকে অনুসরণ করে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে বলছেন। এটি আমাকে চিন্তিত করে কারণ আপনার সমস্ত মহৎ উদ্দেশ্য থাকা সত্ত্বেও একটি বিশাল অর্থনৈতিক উদ্বৃত্ত অপচয় করা হয়েছে। আপনার প্রশাসন কার্যত সবচেয়ে মৌলিক পরিবেশগত উদ্বেগগুলোকে খারিজ করে দিয়েছে; এর মাধ্যমে কেউ এই বার্তাই পায় যে—যেহেতু আপনি বিশ্বের শিশুদের বলি দিতে ইচ্ছুক বলে মনে হচ্ছে, তবে কি আপনি আমাদের সন্তানদেরও বলি দিতে পিছপা হবেন না? ** মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ('''জর্জ ডব্লিউ বুশের''') প্রতি '''''শন পেনের''''' খোলা চিঠি; যা ১৮ অক্টোবর ২০০২ সালে 'ওয়াশিংটন পোস্টে' বিজ্ঞাপন হিসেবে এবং পরবর্তীতে [http://www.coldtype.net/Assets.04/Essays.04/TARGET.IRAQ.pdf ''টার্গেট ইরাক'']-এর পরিশিষ্টে (পৃষ্ঠা ১১৮) প্রকাশিত হয়। * কেন তারা সাদ্দাম হুসাইনের গোয়েন্দা প্রধান তাহির জালিল হাবুশকে এমন কিছু দিতে বলছে না যা আমরা আমাদের মামলা ৯/১১ এর সাথে সাদ্দামের সম্পর্ক প্রমাণের কাজে ব্যবহার করতে পারি? ** '''''জর্জ ডব্লিউ বুশ''''', রন সাসকাইন্ডের ''দ্য ওয়ে অফ দ্য ওয়ার্ল্ড'' (পৃষ্ঠা ৩৬৪) থেকে; ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এবং হাবুশের মধ্যে গোপন বৈঠকের ফলাফলে বুশের হতাশা প্রসঙ্গে [২০০৩]। * এটি তৎকালীন ইরাকি গোয়েন্দা প্রধান হাবুশের পক্ষ থেকে সাদ্দাম হুসাইনকে লেখা একটি গোয়েন্দা নথিপত্র। তারিখটি ১ জুলাই, ২০০১। এটি মূলত একটি মেমো যেখানে বলা হয়েছে যে, মোহাম্মদ আতা কুখ্যাত ফিলিস্তিনি সন্ত্রাসী আবু নিদালের বাড়িতে সফলভাবে একটি প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেছেন; সেই আবু নিদাল যাকে কয়েক মাস পরে সাদ্দাম হুসাইন নিজেই হত্যা করেছিলেন। এখন, আল-কায়েদা যে সাদ্দাম হুসাইনের সাথে কাজ করছিল—এটিই তার প্রথম প্রকৃত এবং সুনির্দিষ্ট প্রমাণ। এটি অত্যন্ত বিস্ফোরক একটি ঘটনা। ** '''''কন কফলিন''''', ''সানডে টেলিগ্রাফ''; ১৪ ডিসেম্বর ২০০৩, 'মিট দ্য প্রেস' অনুষ্ঠানে। (নথিটির বৈধতা নিয়ে রন সাসকাইন্ডের উদ্ধৃতিগুলো দেখুন)। ==== ২০০৩ সম্পর্কে ==== * এই আক্রমণ কেবল ইরাকের অস্থাবর [[:w:প্রত্নবস্তু|প্রত্নবস্তুরই]] ক্ষতি করেনি; এটি সেই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলোরও ক্ষতি করেছে যেখান থেকে এই প্রত্নবস্তুগুলো পাওয়া যায়। “মূলত দক্ষিণের সাইটগুলোই আক্রমণের ঠিক পরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল,” বলেছেন এলিজাবেথ স্টোন—একজন প্রত্নতাত্ত্বিক যিনি আক্রমণের ঠিক আগে এবং পরের সাইটগুলোর ক্ষতির তুলনা করতে উচ্চ-রেজোলিউশন সম্পন্ন স্যাটেলাইট ইমেজ ব্যবহার করেছিলেন। তার তথ্য এক হঠাৎ “বিশাল ধ্বংসযজ্ঞ” প্রদর্শন করে: দক্ষিণের ১,৪৫৭টি সাইট পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, ফেব্রুয়ারী ২০০৩ অর্থাৎ আক্রমণের আগে ১৩ শতাংশ লুঠতরাজ হয়েছিল—কিন্তু বছরের শেষ নাগাদ সেই অনুপাত বেড়ে ৪১ শতাংশে দাঁড়ায়। মন্দির এবং প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ সম্বলিত সাইটগুলো—যেমন [[:w:উম্মাহ|উম্মাহ]] এবং উম্ম আল-আকারিব—সরকারি নজরদারির অনেক বাইরে ছিল, “তাই অনেক মানুষ স্রেফ সেখানে গিয়ে গর্ত খুঁড়তে শুরু করেছিল,” তিনি বলেন। ** '''''সিগাল স্যামুয়েল''''', [https://www.theatlantic.com/international/archive/2018/03/iraq-war-archeology-invasion/555200/ “ইটস ডিস্টার্বিংলি ইজি টু বাই ইরাক’স আর্কিওলজিক্যাল ট্রেজারস”], ''দ্য আটলান্টিক'', (১৯ মার্চ, ২০১৮) ==== [[:w:ইরাকের জাতীয় জাদুঘর|ইরাকের জাতীয় জাদুঘর]] লুণ্ঠন (এপ্রিল ২০০৩) ==== [[চিত্র:Iraq_National_Museum.jpg|thumb|এটি বিশ্বের একমাত্র [[:w:জাদুঘর|জাদুঘর]] যেখানে আপনি এক জায়গাতেই [[:w:মানব|মানব]] [[:w:সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]]—[[:w:প্রযুক্তি|প্রযুক্তি]], [[:w:কৃষি|কৃষি]], [[:w:শিল্পকলা|শিল্পকলা]], [[:w:ভাষা|ভাষা]] এবং [[:w:লিখন পদ্ধতি|লিখন পদ্ধতির]] একদম প্রাথমিক বিকাশগুলো খুঁজে পাবেন। ~ '''''ডনি জর্জ ইউখান্না''''' ]] [[চিত্র:Sumerian_Statues_from_Eshnunna_and_Khafajah_of_Diyala_region,_Iraq_Museum.jpg|thumb|হারিয়ে যাওয়া প্রতিটি বস্তু মানবতার জন্য এক বিশাল অপূরণীয় ক্ষতি। ~ '''''ডনি জর্জ ইউখান্না''''' ]] [[চিত্র:The_Assyrian_gallery_at_the_Iraq_Museum.jpg|thumb|[[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকান]] [[:w:একাডেমিক|শিক্ষাবিদরা]] ১৯৪৩ সালে যুদ্ধ প্রচেষ্টার বিষয়ে আলোচনার জন্য যখন সমবেত হয়েছিলেন, তখন তারা [[:w:ইতালি|ইতালি]] আক্রমণের আট মাস আগে এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]] আক্রমণের আঠারো মাস আগেই তাদের মূল্যায়ন সম্পন্ন করেছিলেন। সেই তুলনায়, পেন্টাগনের সাথে শিক্ষাবিদদের বৈঠকগুলো ইরাক যুদ্ধ শুরু হওয়ার তিন মাসেরও কম সময় আগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যুদ্ধের একটি নির্দিষ্ট ময়দানে সৈন্যরা যে ধরনের পরিবেশগত ও সাংস্কৃতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে, সে বিষয়ে নির্দেশিকা প্রস্তুত করার জন্য আরও দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন ছিল। ~ '''''গ্রেগরি জে. ফেরাররা''''' ]] [[চিত্র:Terracotta_lion_from_Tell_Harmal,_Iraq_Museum.jpg|thumb|[[:w:ইরাকি সামরিক বাহিনী|ইরাকি সামরিক বাহিনীর]] ওপর জোটবদ্ধ বাহিনী যে দ্রুততার সাথে বিজয় অর্জন করেছিল, তা ইরাকের পূর্ববর্তী নিরাপত্তা ব্যবস্থার আকস্মিক পতনে ভূমিকা রাখে—যা আগে লুণ্ঠন রোধ করত। [[:w:বাগদাদ|বাগদাদে]] অবশিষ্ট প্রতিরোধ পকেটগুলো মোকাবিলা করার এবং একই সাথে [[:w:লুণ্ঠন|লুণ্ঠন]] নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ জোট সৈন্য ছিল না। ~ '''''গ্রেগরি জে. ফেরাররা''''' ]] [[চিত্র:The_Great_Golden_Lyre_from_Ur%2C_Iraq_Museum.jpg|thumb|এটি নির্ভর করত তারা কাদের অপছন্দ করে তার ওপর। তারা কি [[:w:আমেরিকান|আমেরিকান]] ছিল? তারা কি [[:w:ইসরায়েলি|ইসরায়েলি]] ছিল? তারা কি [[:w:কুয়েতি|কুয়েতি]] ছিল? এটি খুব আশ্চর্যজনক ছিল, কিন্তু দুঃখজনক যে তারা কখনই [[:w:বাগদাদ|বাগদাদের]] প্রকৃত স্থানীয় বাসিন্দাদের এই [[:w:লুণ্ঠন|লুণ্ঠনের]] জন্য অভিযুক্ত করেনি। ~ '''''লামিয়া আল-গাইলানি''''' ]] * [[:w:ইরাকি সামরিক বাহিনী|ইরাকি সামরিক বাহিনীর]] ওপর জোটবদ্ধ বাহিনী যে দ্রুততার সাথে বিজয় অর্জন করেছিল, তা ইরাকের পূর্ববর্তী নিরাপত্তা ব্যবস্থার আকস্মিক পতনে ভূমিকা রাখে—যা আগে লুণ্ঠন রোধ করত। [[:w:বাগদাদ|বাগদাদে]] অবশিষ্ট প্রতিরোধ পকেটগুলো মোকাবিলা করার এবং একই সাথে লুণ্ঠন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ জোট সৈন্য ছিল না। এর ফলে, "মার্কিন সেনাবাহিনী প্রাথমিকভাবে বিনা বাধায় লুণ্ঠন চলতে দিয়েছিল।" এই [[:w:লুণ্ঠন|লুণ্ঠন]] বাগদাদ ছাড়িয়ে সমগ্র ইরাকের শত শত প্রত্নতাত্ত্বিক সাইটে ছড়িয়ে পড়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জোট বাহিনীর কাছে সে সময় এই সবগুলোকে পর্যাপ্তভাবে রক্ষা করার মতো প্রয়োজনীয় জনবল ছিল না। ** '''''গ্রেগরি জে. ফেরাররা''''', [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: আ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং আ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ৩৭-৩৮। * অনেক [[:w:ইরাকি|ইরাকি]] জেআইএসিজি এজেন্টদের মৃদু চাপের সাথে একমত হয়েছিলেন যখন তারা বুঝতে পেরেছিলেন যে তারা তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরই উপকার করছেন এবং তাদের [[:w:অপরাধী|অপরাধী]] হিসেবে গণ্য করা হবে না। সেপ্টেম্বর ২০১০ পর্যন্ত, জেআইএসিজি-এর শুরু করা পুনরুদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে ইরাক জাদুঘরের সংগ্রহ থেকে লুট হওয়া ১৫ হাজার [[:w:প্রত্নবস্তু|প্রত্নবস্তুর]] মধ্যে "প্রায় অর্ধেক" উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ** '''''গ্রেগরি জে. ফেরাররা''''', [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: আ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং আ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯। * [[:w:বাগদাদ|বাগদাদের]] এই সুবিধাজনক পতন জোট কমান্ডারদের কাছে একটি সংকেত ছিল যে, [[:w:মার্কিন সামরিক বাহিনী|মার্কিন সামরিক বাহিনীর]] গৃহীত নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক যুদ্ধরীতি [[:w:বিজয়|বিজয়]] অর্জন করেছে। তবুও, [[:w:ইরাকের জাতীয় জাদুঘর|ইরাক জাদুঘর]] লুণ্ঠনের ঘটনাটি আজও একটি [[:w:পরাজয়|পরাজয়]] হিসেবেই প্রতিধ্বনিত হয়। ** '''''গ্রেগরি জে. ফেরাররা''''', [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: আ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং আ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ৪৮। * [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকান]] [[:w:শিক্ষাবিদ|শিক্ষাবিদরা]] ১৯৪৩ সালে যুদ্ধ প্রচেষ্টার বিষয়ে আলোচনার জন্য যখন সমবেত হয়েছিলেন, তারা [[:w:ইতালি|ইতালি]] আক্রমণের আট মাস আগে এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]] আক্রমণের আঠারো মাস আগেই তাদের মূল্যায়ন সম্পন্ন করেছিলেন। সেই তুলনায়, পেন্টাগনের সাথে শিক্ষাবিদদের বৈঠকগুলো ইরাক যুদ্ধ শুরু হওয়ার তিন মাসেরও কম সময় আগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যুদ্ধের একটি নির্দিষ্ট ময়দানে সৈন্যরা যে ধরনের পরিবেশগত ও সাংস্কৃতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে, সে বিষয়ে নির্দেশিকা প্রস্তুত করার জন্য আরও দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন ছিল। ** '''''গ্রেগরি জে. ফেরাররা''''', [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: আ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং আ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ৫১। * ১৬ এপ্রিল ২০০৩-এ [[:w:সদ্দাম হুসাইন|সাদ্দাম হুসাইনকে]] উৎখাত করার অভিযানে থাকা মার্কিন সৈন্যরা যখন [[:w:ইরাকের জাতীয় জাদুঘর|ইরাক জাদুঘর]] রক্ষা করতে পৌঁছায়, ততক্ষণে সব [[:w:লুণ্ঠন|লুণ্ঠন]] শেষ হয়ে গিয়েছিল। ৮ এপ্রিল জাদুঘরটি খালি করা এবং ১২ এপ্রিল লাঠি হাতে কর্মীদের প্রথম দল ফিরে আসার মধ্যবর্তী সময়ে চোরেরা আনুমানিক ১৫,০০০ আইটেম লুট করেছিল, যার অনেকগুলোই ছিল অত্যন্ত মূল্যবান [[:w:প্রাচীন নিদর্শনাদি|প্রাচীন নিদর্শন]]: ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাত্র, ভাস্কর্যের মাথা, কবজ, [[:w:অ্যাসিরীয়|অ্যাসিরীয়]] হাতির দাঁতের কাজ এবং ৫,০০০-এরও বেশি সিলিন্ডার সিল।<br>লুণ্ঠনটি ১৭০,০০০ প্রত্নবস্তু চুরির প্রাথমিক রিপোর্টের তুলনায় কম প্রমাণিত হলেও, ক্ষয়ক্ষতি ছিল বিস্ময়কর। ইরাকি জাদুঘরের সাবেক মহাপরিচালক এবং বর্তমানে স্টনি ব্রুকের [[:w:স্টেট ইউনিভার্সিটি|স্টেট ইউনিভার্সিটি অফ নিউ ইয়র্কের]] ভিজিটিং প্রফেসর ডনি জর্জ ইউখান্না বলেন, "হারিয়ে যাওয়া প্রতিটি বস্তু মানবতার জন্য এক বিশাল অপূরণীয় ক্ষতি। এটি বিশ্বের একমাত্র [[:w:জাদুঘর|জাদুঘর]] যেখানে আপনি এক জায়গাতেই [[:w:মানব|মানব]] [[:w:সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]]—[[:w:প্রযুক্তি|প্রযুক্তি]], [[:w:কৃষি|কৃষি]], [[:w:শিল্পকলা|শিল্পকলা]], [[:w:ভাষা|ভাষা]] এবং [[:w:লিখন পদ্ধতি|লিখন পদ্ধতির]] একদম প্রাথমিক বিকাশগুলো খুঁজে পাবেন।" ** রবার্ট এম পুল, [https://www.smithsonianmag.com/arts-culture/looting-iraq-16813540/ “লুটিং ইরাক”], ''স্মিথসোনিয়ান ম্যাগাজিন'', (ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। * যদিও [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের]] [[:w:ধ্বংস|ধ্বংস]] এবং [[:w:লুণ্ঠন|লুণ্ঠন]] হাজার হাজার বছর ধরে যুদ্ধের একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে চলে আসছে, তবে [[:w:ইরাকের জাতীয় জাদুঘর|ইরাক জাদুঘর]] লুণ্ঠনের মাত্রা ছিল অভাবনীয়। বিশেষভাবে হতাশাজনক ছিল এই ধরনের ঘটনার আশঙ্কার বিষয়ে দেওয়া সতর্কতাগুলোর প্রতি অবজ্ঞা এবং বুশ প্রশাসনের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া যে "এমনটাই (যুদ্ধে) হয়ে থাকে"। ** ''ইউনিভার্সিটি অফ সিডনি'', [https://sydney.edu.au/news-opinion/news/2018/04/10/iraq-museum-looting--15-years-on.html “ইরাক মিউজিয়াম লুটিং: ১৫ ইয়ারস অন”], (১০ এপ্রিল ২০১৮)। * ২০০৩ সালের সেই [[:w:বিশৃঙ্খল|বিশৃঙ্খল]] ও [[:w:সহিংসতা|সহিংস]] এপ্রিলে, যখন মার্কিন [[:w:ট্যাংক|ট্যাংকগুলো]] [[:w:বাগদাদ|বাগদাদে]] প্রবেশ করছিল, তখন [[:w:ইরাকের জাতীয় জাদুঘর|ইরাক জাদুঘর]] ভেঙে লুণ্ঠন করা হয়। লুণ্ঠনকারীরা হলঘর, স্টোররুম এবং সেলারগুলোতে তান্ডব চালিয়ে ১৫,০০০-এরও বেশি মূল্যবান বস্তু চুরি করে। <br> "এটি ছিল ভয়াবহ। আপনি এটি বিশ্বাস করতে চাইতেন না," বলেন ইরাকি প্রত্নতাত্ত্বিক লামিয়া আল-গাইলানি, যিনি লন্ডনে যাওয়ার আগে অনেক বছর এই জাদুঘরে কাজ করেছেন। <br> "বিশেষ করে আপনার পরিচিত নিদর্শনগুলো সম্পর্কে যখন লোকে বলতে শুরু করে যে সেগুলো হারিয়ে গেছে—এটি ছিল এক বিরাট ধাক্কা।" ** কনিষ্ক থারুর এবং মরিয়ম মারুফ, [https://www.bbc.com/news/magazine-35774900 “মিউজিয়াম অফ লস্ট অবজেক্টস: লুটেড সুমেরিয়ান সিল”], ''বিবিসি নিউজ'', (১১ মার্চ ২০১৬)। * লামিয়া আল-গাইলানি বলেন, তার [[:w:আরব|আরব]] [[:w:বন্ধু|বন্ধুদের]] জন্য এটি মেনে নেওয়া কঠিন ছিল যে বাগদাদবাসীই তাদের নিজস্ব সম্পদ লুণ্ঠনের জন্য দায়ী হতে পারে। <br> "জাদুঘর কারা লুট করেছে সে বিষয়ে প্রত্যেকের নিজস্ব তত্ত্ব ছিল," তিনি বলেন। "এটি নির্ভর করত তারা কাদের অপছন্দ করে তার ওপর। তারা কি আমেরিকান ছিল? তারা কি ইসরায়েলি ছিল? তারা কি কুয়েতি ছিল? এটি খুব হাস্যকর ছিল, কিন্তু দুঃখজনক যে তারা কখনই বাগদাদের প্রকৃত মানুষদের লুণ্ঠনের জন্য অভিযুক্ত করেনি।" ** কনিষ্ক থারুর এবং মরিয়ম মারুফ, [https://www.bbc.com/news/magazine-35774900 “মিউজিয়াম অফ লস্ট অবজেক্টস: লুটেড সুমেরিয়ান সিল”], ''বিবিসি নিউজ'', (১১ মার্চ ২০১৬)। ==== ''টার্গেট ইরাক: হোয়াট দ্য নিউজ মিডিয়া ডিড নট টেল ইউ,'' নরমান সলোমন এবং [[:w:রিস এরলিচ|রিস এরলিচ (২০০৩)]] ==== <small> [http://www.coldtype.net/Assets.04/Essays.04/TARGET.IRAQ.pdf সম্পূর্ণ পাঠ্য অনলাইনে]</small> === ২০০৪ === * আপনি জানেন, ইরাক ইস্যুতে আমি বারবার [[:w:বামপন্থী রাজনীতি|বামপন্থীদের]] হাত থেকে [[:w:জর্জ ডব্লিউ বুশ|প্রেসিডেন্ট বুশকে]] রক্ষা করেছি, যদিও আমি মনে করি [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] অস্ত্র পরিদর্শন শেষ হওয়া পর্যন্ত তার অপেক্ষা করা উচিত ছিল। আমি বিশ্বাস করি না যে তিনি সেখানে [[:w:তেল|তেলের]] জন্য গিয়েছিলেন। আমরা সেখানে [[:w:সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদী]] বা আর্থিক কারণে যাইনি। আমরা সেখানে গিয়েছিলাম কারণ তিনি [[:w:পল উলফোভিটজ|উলফোভিটজ]]-[[:w:ডিক চেনি|চেনি]]-র সেই বিশ্লেষণটি গ্রহণ করেছিলেন যে—ইরাকিরা আরও ভালো অবস্থায় থাকবে, আমরা [[:w:মধ্যপ্রাচ্য|মধ্যপ্রাচ্যের]] [[:w:স্বৈরতন্ত্র|স্বৈরাচারী]] [[:w:আরব|আরব]] শাসনব্যবস্থাগুলোকে নাড়িয়ে দিতে পারব এবং [[:w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিনি]] ও [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলিদের]] মধ্যে শান্তি স্থাপনে আমাদের প্রভাব বাড়বে। ** '''''বিল ক্লিনটন''''', 'টাইমের' সাথে সাক্ষাৎকার, জুন ২০০৪। * ইরাক আক্রমণ নিশ্চিতভাবেই ইতিহাসের অন্যতম কাপুরুষোচিত যুদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ছিল এমন এক যুদ্ধ যেখানে একদল ধনী দেশ—যাদের কাছে বিশ্বকে কয়েকবার ধ্বংস করার মতো [[:w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্র]] ছিল—তারা একটি দরিদ্র দেশকে ঘিরে ধরেছিল। তারা সেই দেশটির বিরুদ্ধে মিথ্যা পারমাণবিক অস্ত্র রাখার অভিযোগ তুলেছিল, জাতিসংঘকে ব্যবহার করে তাদের নিরস্ত্রীকরণে বাধ্য করেছিল এবং তারপর সেখানে আক্রমণ ও দখলদারিত্ব চালিয়ে এখন তা বিক্রির প্রক্রিয়ায় লিপ্ত হয়েছে। <br> আমি ইরাক নিয়ে বলছি কারণ সবাই এটি নিয়ে কথা বলছে এমন নয় (দুঃখজনকভাবে যার ফলে অন্যান্য জায়গার ভয়াবহতাগুলো অন্ধকারে ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে), বরং এটি আগামী দিনের পরিস্থিতির একটি ইঙ্গিত। ইরাক একটি নতুন চক্রের সূচনা মাত্র। এটি আমাদের সেই [[:w:সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স|কর্পোরেট-মিলিটারি চক্রকে]] (যা 'এম্পায়ার' হিসেবে পরিচিত) কাজ করতে দেখার সুযোগ করে দেয়। নতুন ইরাকে এখন আর কোনো রাখঢাক নেই। <br> বিশ্বের সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণের লড়াই যত তীব্র হচ্ছে, আনুষ্ঠানিক সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উপনিবেশবাদ আবারও ফিরে আসছে। ইরাক হলো কর্পোরেট [[:w:বিশ্বায়ন|বিশ্বায়নের]] সেই প্রক্রিয়ার যৌক্তিক পরিণতি যেখানে [[:w:নব্য-উপনিবেশবাদ|নব্য-উপনিবেশবাদ]] এবং [[:w:নব্য-উদারবাদ|নব্য-উদারবাদ]] একীভূত হয়েছে। আমরা যদি রক্তের পর্দার আড়ালে উঁকি দেওয়ার সাহস রাখি, তবে আমরা নেপথ্যে ঘটতে থাকা সেই করুণ লেনদেনগুলো দেখতে পাব। কিন্তু প্রথমে সংক্ষেপে মূল মঞ্চটি দেখা যাক। ** '''''অরুন্ধতী রায়''''', [https://www.smh.com.au/national/roys-full-speech-20041104-gdk1qn.html ''সিডনি শান্তি পুরস্কার গ্রহণের ভাষণ,''] (৭ নভেম্বর ২০০৪)। * ওয়াশিংটনের অবৈধ ইরাক আক্রমণের আগে, একটি [[:w:গ্যালপ (কোম্পানি)|গ্যালপ ইন্টারন্যাশনাল পোল]] দেখিয়েছিল যে—কোনো [[:w:ইউরোপীয়|ইউরোপীয়]] দেশেই একতরফা যুদ্ধের প্রতি সমর্থন ১১ শতাংশের বেশি ছিল না। আক্রমণের কয়েক সপ্তাহ আগে, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৩-এ [[:w:উত্তর আমেরিকা|উত্তর আমেরিকা]] সহ বিভিন্ন মহাদেশের এক কোটিরও বেশি মানুষ যুদ্ধের বিরুদ্ধে পদযাত্রা করেছিলেন। তা সত্ত্বেও অনেক তথাকথিত গণতান্ত্রিক দেশের সরকার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল। প্রশ্ন হলো: “গণতন্ত্র” কি এখনও গণতান্ত্রিক আছে? গণতান্ত্রিক সরকারগুলো কি তাদের নির্বাচিত করা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ? ** '''''অরুন্ধতী রায়''''': [https://www.democracynow.org/2004/8/23/public_power_in_the_age_অফ ''টাইড? অর আইভরি স্নো? পাবলিক পাওয়ার ইন দ্য এজ অফ এম্পায়ার, ভাষণ, সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া''] (১৬ আগস্ট ২০০৪) * আপাতদৃষ্টিতে [[:w:টম ডিলয়|টম ডিলয়ের]] বিকৃত যুক্তি অনুযায়ী, [[:w:জাতিগত নির্মূল|জাতিগত নির্মূল]] ছিল সামরিক হস্তক্ষেপের জন্য একটি অস্পষ্ট কারণ; কিন্তু "[[:w:গণবিধ্বংসী অস্ত্র|গণবিধ্বংসী অস্ত্র]]", আল-কায়েদার সাথে ইরাকি "যোগসূত্র" এবং/অথবা ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলায় সাদ্দাম হুসাইনের "জড়িত থাকা" নিয়ে নির্জলা মিথ্যাগুলোই একটি অন্যায্য যুদ্ধ শুরু করার জন্য যথেষ্ট ভিত্তি ছিল—যা শত শত কোটি ট্যাক্স ডলার খরচ করিয়েছে এবং হাজার হাজার জীবন ধ্বংস করেছে। ** ডেভিড আর. হফম্যান, ''[https://english.pravda.ru/opinion/4622-bush/ বুশ বনাম হিটলার, পার্ট ২]'' (২০০৪) * '''দর্শক''': নিগ্রোডামাস, প্রেসিডেন্ট বুশ কেন ইরাকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র থাকার ব্যাপারে এত নিশ্চিত? : '''নিগ্রোডামাস''': কারণ তার কাছে এর রসিদ আছে। ** '''''পল মুনি''''', ''[[:w:চ্যাপেলস শো|চ্যাপেলস শো]]'', সিজন ২, এপিসোড ২, (২৮ জানুয়ারি ২০০৪)। * যুদ্ধের পথটি প্রাথমিকভাবে দ্রুততম সমাধান বলে মনে হতে পারে। কিন্তু আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, যুদ্ধে জেতার পর শান্তিকেও নতুন করে গড়ে তুলতে হয়। ** '''''[[:w:ডমিনিক দ্য ভিলপাঁ|ডমিনিক দ্য ভিলপাঁ]]''''' * [[:w:স্বজনপ্রীতি|স্বজনপ্রীতি]] এবং [[:w:দুর্নীতি|দুর্নীতি]] ইরাকের এই অধঃপতনের অন্যতম প্রধান কারণ। ** '''''পল ক্রুগম্যান''''', "হোয়াট ওয়েন্ট রং?", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (২৩ এপ্রিল ২০০৪) ==== ২০০৪ সিডনি শান্তি পুরস্কার বক্তৃতা, সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়-এ [[:w:অরুন্ধতী রায়|অরুন্ধতী রায়]], (৪ নভেম্বর ২০০৪) ==== * ইরাক আক্রমণ নিশ্চিতভাবেই ইতিহাসের অন্যতম কাপুরুষোচিত যুদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ছিল এমন এক যুদ্ধ যেখানে একদল ধনী দেশ—যাদের কাছে বিশ্বকে কয়েকবার ধ্বংস করার মতো পারমাণবিক অস্ত্র ছিল—তারা একটি দরিদ্র দেশকে ঘিরে ধরেছিল, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা পারমাণবিক অস্ত্র রাখার অভিযোগ তুলেছিল, জাতিসংঘকে ব্যবহার করে তাদের নিরস্ত্রীকরণে বাধ্য করেছিল এবং তারপর সেখানে আক্রমণ ও দখলদারিত্ব চালিয়েছিল... * ইরাক একটি নতুন চক্রের সূচনা মাত্র। এটি আমাদের সেই 'কর্পোরেট-মিলিটারি চক্রকে' (যা 'এম্পায়ার' হিসেবে পরিচিত) কাজ করতে দেখার সুযোগ করে দেয়... বিশ্বের সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণের লড়াই যত তীব্র হচ্ছে, আনুষ্ঠানিক সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উপনিবেশবাদ আবারও ফিরে আসছে। ইরাক হলো কর্পোরেট বিশ্বায়নের সেই প্রক্রিয়ার যৌক্তিক পরিণতি যেখানে নব্য-উপনিবেশবাদ এবং নব্য-উদারবাদ একীভূত হয়েছে। * আমরা যদি রক্তের পর্দার আড়ালে উঁকি দেওয়ার সাহস রাখি, তবে আমরা নেপথ্যে ঘটতে থাকা সেই করুণ লেনদেনগুলো দেখতে পাব। কিন্তু প্রথমে সংক্ষেপে মূল মঞ্চটি দেখা যাক। ১৯৯১ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ সিনিয়র [[:w:উপসাগরীয় যুদ্ধ|অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম]] পরিচালনা করেন... অপারেশন শক অ্যান্ড অউ-এর আগে [[:w:অর্থনৈতিক অবরোধের|অর্থনৈতিক অবরোধের]] কারণে ৫ লক্ষ ইরাকি শিশু মারা গিয়েছিল। সম্প্রতি পর্যন্ত, কতজন মার্কিন সৈন্য প্রাণ হারিয়েছে তার সুনির্দিষ্ট হিসাব রাখা হলেও, কতজন ইরাকি নিহত হয়েছে সে সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণা ছিল না। মার্কিন জেনারেল [[:w:টমি ফ্রাঙ্কস|টমি ফ্রাঙ্কস]] বলেছিলেন, "আমরা লাশের হিসাব করি না" (অর্থাৎ ইরাকি লাশের হিসাব)। তিনি এর সাথে যোগ করতে পারতেন—"আমরা [[:w:জেনেভা কনভেনশন|জেনেভা কনভেনশনও]] মানি না।" * [[:w:দ্য ল্যানসেট|দ্য ল্যানসেট মেডিকেল জার্নাল]] দ্বারা দ্রুত সম্পন্ন এবং নিবিড়ভাবে পর্যালোচিত একটি নতুন বিস্তারিত গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে যে, ২০০৩ সালের আক্রমণের পর থেকে ১,০০,০০০ ইরাকি প্রাণ হারিয়েছেন। অর্থাৎ এই হলের মতো পূর্ণ একশটি হলভর্তি মানুষ। একশটি হলভর্তি বন্ধু, বাবা-মা, ভাইবোন, সহকর্মী, প্রেমিক... ঠিক আপনাদের মতো। পার্থক্য শুধু এই যে, এখানে আজ খুব বেশি শিশু নেই—চলুন আমরা ইরাকের শিশুদের কথা ভুলে না যাই। পরিভাষায় সেই রক্তগঙ্গাকে বলা হয় 'প্রিসিশন বম্বিং' (নির্ভুল বোমা বর্ষণ)। সাধারণ ভাষায় একে বলা হয় 'কসাইগিরি' বা নৃশংস হত্যা। * সুতরাং এই 'সভ্য' 'আধুনিক' বিশ্ব—যা [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]], [[:w:দাসত্ব|দাসত্ব]] এবং [[:w:উপনিবেশবাদের|উপনিবেশবাদের]] উত্তরাধিকারের ওপর তিল তিল করে গড়ে উঠেছে—তারা এখন বিশ্বের বেশিরভাগ [[:w:তেল|তেল]] নিয়ন্ত্রণ করছে। এবং বিশ্বের বেশিরভাগ [[:w:অস্ত্র|অস্ত্র]], বেশিরভাগ [[:w:অর্থ|অর্থ]] এবং বিশ্বের বেশিরভাগ [[:w:গণমাধ্যম|গণমাধ্যম]]। সেই এমবেডেড কর্পোরেট মিডিয়া, যেখানে [[:w:বাকস্বাধীনতা|বাকস্বাধীনতার]] তত্ত্বের জায়গা দখল করে নিয়েছে 'একমত হলে তবেই স্বাধীনতা' তত্ত্বটি। * জাতিসংঘের প্রধান অস্ত্র পরিদর্শক হ্যান্স ব্লিক্স বলেছিলেন যে তিনি ইরাকে পারমাণবিক অস্ত্রের কোনো প্রমাণ পাননি। মার্কিন ও ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক উপস্থাপিত প্রতিটি প্রমাণই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে—সেটি সাদ্দাম হুসাইনের [[:w:নাইজার|নাইজার]] থেকে [[:w:ইউরেনিয়াম|ইউরেনিয়াম]] কেনার রিপোর্ট হোক, কিংবা ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের সেই রিপোর্ট যা একজন পুরোনো ছাত্রের গবেষণাপত্র থেকে চুরি করা বলে ধরা পড়েছিল। তা সত্ত্বেও, যুদ্ধের প্রাক্কালে দিনের পর দিন আমেরিকার সবচেয়ে 'সম্মানিত' [[:w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]] এবং টিভি চ্যানেলগুলো ইরাকের পারমাণবিক অস্ত্রের ভাণ্ডারের সেই 'প্রমাণ'গুলোকেই শিরোনাম করেছিল। * সেই দরিদ্রদের কাছে শান্তির মানে কী, যাদের সম্পদ সক্রিয়ভাবে লুঠ করা হচ্ছে এবং যাদের প্রতিদিনের জীবন হলো পানি, আশ্রয়, বেঁচে থাকা এবং সর্বোপরি কিছুটা মানবিক মর্যাদার জন্য এক কঠোর লড়াই? তাদের কাছে শান্তিই হলো যুদ্ধ। * 'এম্পায়ারের' যুগে যুদ্ধে কার লাভ হয় তা আমরা খুব ভালোভাবেই জানি। কিন্তু আমাদের নিজেদের কাছে সততার সাথে এটিও জিজ্ঞেস করতে হবে—'এম্পায়ার'-এর যুগে শান্তিতে কার লাভ হয়? যুদ্ধবাজ হওয়া অপরাধ। কিন্তু ন্যায়বিচারের কথা না বলে শান্তির কথা বলা আসলে এক ধরনের আত্মসমর্পণেরই নামান্তর হতে পারে। আর যে প্রতিষ্ঠান ও ব্যবস্থাগুলো অন্যায়কে টিকিয়ে রাখছে তাদের মুখোশ উন্মোচন না করে ন্যায়বিচারের কথা বলা ভণ্ডামির চেয়েও বেশি কিছু। * গরিবদের তাদের দারিদ্র্যের জন্য দোষ দেওয়া সহজ। বিশ্ব যে [[:w:সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদ]] ও যুদ্ধের এক ঊর্ধ্বমুখী চক্রে আটকে যাচ্ছে, তা বিশ্বাস করাও সহজ। আর এটিই [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট|আমেরিকান প্রেসিডেন্টকে]] এই কথা বলার সুযোগ করে দেয় যে, "আপনারা হয় আমাদের সাথে, নাহলে সন্ত্রাসীদের সাথে।" কিন্তু আমরা জানি যে এটি একটি ভিত্তিহীন পছন্দ। আমরা জানি যে সন্ত্রাসবাদ হলো যুদ্ধের ব্যক্তিকরণ। সন্ত্রাসীরা হলো যুদ্ধের [[:w:মুক্ত বাজার|মুক্ত বাজারী]]। তারা বিশ্বাস করে যে সহিংসতার বৈধ ব্যবহার কেবল রাষ্ট্রের একার অধিকার নয়। * সন্ত্রাসবাদের অবর্ণনীয় বর্বরতা এবং যুদ্ধ ও দখলদারিত্বের নির্বিচার গণহত্যার মধ্যে নৈতিক পার্থক্য করাটা প্রতারণামূলক। উভয় ধরনের সহিংসতাই অগ্রহণযোগ্য। আমরা একটিকে সমর্থন করে অন্যটির নিন্দা জানাতে পারি না। === ২০০৫ === * সাদ্দাম বিদায় নিয়েছেন। এটি একটি ভালো দিক, কিন্তু যা করা হয়েছে তার সাথে আমি একমত নই। এটি ছিল একটি মস্ত বড় ভুল। মার্কিন সরকার বেশ কিছু ভুল করেছে, যার মধ্যে একটি হলো—সাদ্দামকে সরিয়ে দেওয়া কতটা সহজ হবে আর দেশটিকে ঐক্যবদ্ধ করা কতটা কঠিন হবে, সেই হিসাব মেলাতে না পারা। ** '''''বিল ক্লিনটন''''' [http://archive.newsmax.com/archives/ic/2005/11/16/100304.shtml]। === ২০০৬ === * ২০০৫ সালে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের '''''ডেভিড উইন্টার্স''''' বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি বড় নমুনার ওপর গবেষণা করে দেখেছেন যে, উচ্চমাত্রার আরডব্লিউএ (RWAs) বা কর্তৃত্ববাদী অনুসারীরা বিশ্বাস করত যে ইরাক আক্রমণ ছিল একটি ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ। তারা ভেবেছিল ইরাক যে বিপদ তৈরি করেছিল তা এতই প্রবল ছিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর কোনো বিকল্প ছিল না। তারা মনে করেছিল যে এই আক্রমণটি ছিল সর্বশেষ পথ, যখন সমস্ত শান্তিপূর্ণ বিকল্প নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিল এবং এই যুদ্ধ মন্দের চেয়ে ভালোই বেশি বয়ে আনবে। তারা এও ভেবেছিল যে কোনো গণবিধ্বংসী অস্ত্র পাওয়া না গেলেও আত্মরক্ষার জন্য এই "প্রতিরোধমূলক" হামলাটি ছিল যুক্তিযুক্ত। তারা তেলের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ, মার্কিন শক্তির বিস্তার অথবা প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে এই যুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার দাবিকেও প্রত্যাখ্যান করেছিল। এবং তারা তখনও বিশ্বাস করত যে সাদ্দাম হুসাইন ৯/১১-এর হামলার সাথে জড়িত ছিলেন। ** বব অলটেমেয়ার, ''দ্য অথরিটারিয়ানস'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ৪৬। * এমন কোনো সামরিক শক্তির প্রাধান্য এখন আর নেই যা পশ্চিমা বিশ্বকে তাদের ইচ্ছা অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ দেয়; ইরাকে মার্কিন পরাজয় সেই সত্যের সবচেয়ে অসাধারণ উদাহরণ। ** '''''জ্যঁ ব্রিকমন্ট''''' (২০০৬), ''হিউম্যানিটেরিয়ান ইম্পেরিয়ালিজম'', মান্থলি রিভিউ প্রেস, পৃষ্ঠা ১৪। * যখন ইরাকের চূড়ান্ত ইতিহাস লেখা হবে, আমি মানুষকে বলতে পছন্দ করি যে, এটি দেখতে কেবল একটি 'কমা'র (বিরামচিহ্ন) মতো মনে হবে; কারণ সেখানে—আমার পয়েন্ট হলো—গণতন্ত্রের জন্য এক প্রবল আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। ** '''''জর্জ ডব্লিউ বুশ''''', [http://www.crooksandliars.com/2006/09/24/bush-dismisses-bloodshed-in-iraq-as-just-a-comma/ বুশ ডিসমিসেস ব্লাডশেড ইন ইরাক অ্যাজ 'জাস্ট আ কমা'], ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৬: বুশকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে ইরাক গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে কি না। * ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে ব্রিটিশ এবং মার্কিন বাহিনী প্রায় ৩২০ টন [[:w:ক্ষয়িত ইউরেনিয়াম|ক্ষয়িত ইউরেনিয়াম]] গোলাবারুদ ব্যবহার করেছিল এবং ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণে ২,০০০ টন পর্যন্ত ব্যবহার করে থাকতে পারে। অত্যন্ত ঘনত্বের কারণে এটি বর্ম-ভেদী গোলার অগ্রভাগ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। <br> দক্ষিণ ইরাকের প্রতিবেদনগুলোতে ১৯৯০-এর দশক থেকে [[:w:ক্যান্সার|ক্যান্সারের]] প্রকোপ বিশেষ করে [[:w:শিশুদের|শিশুদের]] ক্ষেত্রে মারাত্মকভাবে বৃদ্ধির প্রমাণ পাওয়া গেছে। ** ওয়েন ডায়ার, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC1635642/ “ডাব্লুএইচও সাপ্রেসড এভিডেন্স অন ইফেক্টস অফ ডিপ্লিটেড ইউরেনিয়াম, এক্সপার্ট সেজ”], ''বিএমজে''। ১১ নভেম্বর ২০০৬; ৩৩৩(৭৫৭৬): ৯৯০। * আমি বিজয় এবং তা কীভাবে অর্জিত হতে পারে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম; তিনি বলেছিলেন যে তার জন্য ইরাকে কেবল নিরাপত্তার চেয়েও বেশি কিছু প্রয়োজন। সেখানে স্বশাসন এবং দেশের ভৌত পুনর্গঠন প্রয়োজন—কেসির যুদ্ধ পরিকল্পনার সমস্ত "অপারেশন লাইনগুলো"। "এটি কি আপনার জীবদ্দশায় ঘটবে?" আমি জিজ্ঞেস করলাম। "হ্যাঁ, ঘটবে। মানে আমি আশা করি, হ্যাঁ। আমি জানি না," তিনি বললেন। "আমার ওই লাইনটি তুলে নেওয়া উচিত। এটি আমার জীবদ্দশায় ঘটতে পারে।" "ইরাক আক্রমণের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল কি না তা নিয়ে আপনার কি কোনো সন্দেহ আছে?" "আমার কোনো সন্দেহ নেই," তিনি বললেন। "কিছুই না। শূন্য।" "কিন্তু প্রক্রিয়াটি কি এমন নয় যে আপনাকে সবসময় সন্দেহ করতে হবে?" আমি বললাম। "আমি সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে বেঁচে থাকি।" "আমি আপনার জন্য দুঃখিত," মেরিন জেনারেল বললেন। "আমার জন্য দুঃখিত হবেন না," আমি বললাম। "এটি একটি চমৎকার প্রক্রিয়া।" "আমরা যা করেছি তা নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই," তিনি বললেন। "আমরা এটি করিনি। আমরা যখন ঘরে বসে নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, তখন ৯/১১-এ আমরা আক্রান্ত হয়েছিলাম।" ** '''''বব উডওয়ার্ড''''', ''স্টেট অফ ডিনায়াল: বুশ অ্যাট ওয়ার, পার্ট ৩'' (২০০৬), নিউ ইয়র্ক: সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃষ্ঠা ৪৭৬। * বিষয়টি এমন ছিল: "আমরা এটি করিনি।" বুশ প্রশাসনের কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার মধ্যে একটি গভীর অনুভূতি কাজ করে যে, কোনোভাবে আমরা ইরাক যুদ্ধ শুরু করিনি। আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছিল। [[ওসামা বিন লাদেন]], [[আল-কায়েদা]] এবং অন্যান্য সন্ত্রাসী ও আমেরিকা-বিরোধী শক্তি—সেটি গোষ্ঠী হোক বা দেশ বা দর্শন—সবকিছুকে একসাথে মিলিয়ে ফেলা হয়েছিল। এটি ছিল একটি যুদ্ধ, দীর্ঘ যুদ্ধ, দুই প্রজন্মের যুদ্ধ যা ৯/১১ এর পর উলফোভিটজের ব্লেচলে গ্রুপ-২ বর্ণনা করেছিল। "আপনি কি নিশ্চিত যে এটি সঠিক সময়ে সঠিক যুদ্ধ ছিল?" আমি চেয়ারম্যান পেসকে জিজ্ঞেস করলাম। "হ্যাঁ, একদম," পেস বললেন। "মৌলিকভাবে, হ্যাঁ। আমরা শুরু করার আগেই আমি তা বলেছিলাম। এবং আজকেও আমি তাই বলব। এটি জেনে আপনি হয়তো অবাক হবেন না যে—আমার দেশের যুদ্ধকে আমার দেশের শত্রুদের খেলার মাঠে নিয়ে যাওয়াই আমার কাছে সঠিক কাজ মনে হয়। আমার দেশকে রক্ষা করতে, আমার দেশের প্রতি শপথ রক্ষা করতে এবং আমার সন্তানদের ও নাতি-নাতনিদের এবং আপনার সন্তানদের ও নাতি-নাতনিদের রক্ষা করতে আমার কোনো সন্দেহ নেই যে আমরা সঠিক কাজটিই করেছি।" ** '''''বব উডওয়ার্ড''''', ''স্টেট অফ ডিনায়াল: বুশ অ্যাট ওয়ার, পার্ট ৩'' (২০০৬), নিউ ইয়র্ক: সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃষ্ঠা ৪৭৬। * প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা স্বাভাবিকভাবেই ২০০৬ সালের কংগ্রেস নির্বাচনে জয়ী হতে চেয়েছিলেন। ইরাক সম্পর্কে প্রেসিডেন্টের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সেই লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। রণকৌশলটি ছিল অস্বীকার করা. বুশের সমস্ত আশাবাদী কথাবার্তা সত্ত্বেও, তিনি আমেরিকান জনগণের কাছে ইরাক আসলে কী হয়ে দাঁড়িয়েছে সেই সত্যটি বলেননি। ** '''''বব উডওয়ার্ড''''', ''স্টেট অফ ডিনায়াল: বুশ অ্যাট ওয়ার, পার্ট ৩'' (২০০৬), নিউ ইয়র্ক: সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃষ্ঠা ৪৯১। === ২০০৭ === * এটি যেভাবে শেষ হোক না কেন, ইরাক যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ, বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার ওপর এক গভীর প্রভাব ফেলবে; যা নিকট ভবিষ্যতে বিশ্বের সেই বিপজ্জনক অংশের ঘটনাবলি দ্বারা সরাসরি প্রভাবিত হতে থাকবে। এই যুদ্ধ আরব ও [[মুসলিম বিশ্ব|মুসলিম বিশ্বের]] এক বৃহত্তর লড়াইয়ের অংশ—যা সহিংস [[উগ্রবাদ|উগ্রবাদী]] এবং [[আধুনিকতা|আধুনিকতা]] ও [[উদারপন্থার|উদারপন্থার]] শক্তির মধ্যকার এক সংগ্রাম। ** '''''জন ম্যাককেইন''''', [https://www.americanrhetoric.com/speeches/johnmccainvirginiamilitaryinstitute.htm ভার্জিনিয়া মিলিটারি ইনস্টিটিউটে দেওয়া ভাষণ], (১১ এপ্রিল ২০০৭) * এই যুদ্ধ পরিচালনার সাথে যুক্ত আমাদের জাতীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতার জন্য কে জবাবদিহিতা চাইবে? তারা নিঃসন্দেহে তাদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছেন। আমার পেশায় (সামরিক বাহিনীতে), এই ধরনের নেতাদের অবিলম্বে অব্যাহতি দেওয়া হতো অথবা সামরিক আদালতে বিচার (court martial) করা হতো। ** লেফটেন্যান্ট জেনারেল '''''রিকার্ডো সানচেজ''''', ১০-১২-০৭ [http://www.americanrhetoric.com/speeches/wariniraq/ricardosanchezmilitaryreportersforum.htm] === ২০০৮ === * আমি বুশকে বলতে শুনেছি যে, কেবল একজন যুদ্ধকালীন প্রেসিডেন্টের পক্ষেই মহানুভবতা অর্জন করা সম্ভব; কারণ যুদ্ধের যুগান্তকারী উথাল-পাথাল এমন এক রূপান্তরমূলক পরিবর্তনের সুযোগ দেয় যা বুশ অর্জন করার আশা করেছিলেন। ইরাকের মধ্যে বুশ তার মহানুভবতার এক উত্তরাধিকার তৈরির সুযোগ দেখেছিলেন। ** '''''স্কট ম্যাকক্লেলান''''', ''হোয়াট হ্যাপেন্ড'' (২০০৮), পৃষ্ঠা ১৩১। (বুশের মহান উত্তরাধিকার নিশ্চিত করতে যুদ্ধকালীন প্রেসিডেন্ট হওয়ার প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে) * এই ক্ষেত্রে, 'উদারপন্থী সংবাদমাধ্যম' তাদের সুনাম ধরে রাখতে পারেনি। যদি পারত, তবে দেশটি আরও ভালোভাবে উপকৃত হতো। ** '''''স্কট ম্যাকক্লেলান''''', ''হোয়াট হ্যাপেন্ড'' (২০০৮) * একজন টেক্সাস অনুগত হিসেবে—যিনি অনেক আশা এবং ব্যক্তিগত ভালোবাসা নিয়ে বুশকে অনুসরণ করে ওয়াশিংটনে এসেছিলেন এবং তার প্রশাসনের একজন গর্বিত সদস্য ছিলেন—আমি বুশ এবং তার অত্যন্ত অভিজ্ঞ পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক উপদেষ্টাদের ইরাক ইস্যুতে সন্দেহের সুবিধা দেওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলাম। দুর্ভাগ্যবশত, পরবর্তী ঘটনাবলি প্রমাণ করেছে যে বুশ এবং তার দলের বিচারের ওপর আমাদের এই আস্থা রাখাটা ভুল ছিল। ** '''''স্কট ম্যাকক্লেলান''''', ''হোয়াট হ্যাপেন্ড'' (২০০৮) * ইরাক যুদ্ধ সম্পর্কে মনে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—পুরো পৃথিবী এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। ইতিহাসের প্রথমবারের মতো সমগ্র বিশ্ব, শুধু আমি এবং আমার স্বামী বব নয়, বরং পুরো পৃথিবী একটি যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই তা থামানোর জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। এমনটা আগে কখনোই ঘটেনি। আফ্রিকা, এশিয়া এবং পুরো ইউরোপসহ বিশ্বের নানা প্রান্তের সেই প্রতিবাদের ছবি সম্বলিত একটি বই আমার কাছে আছে। প্রতিটি দেশের মানুষ বলেছিল, "না, না, এটা করো না, এটা করো না।" এখন যাই ঘটুক না কেন, এই সত্যটি পৃথিবীতে থেকে যাবে। আমি মনে করি সেই প্রতিবাদের মাধ্যমে আমরা হয়তো সামান্য কয়েক ইঞ্চি অগ্রগতি অর্জন করতে পেরেছি। ** '''''গ্রেস পেলি''''', পোয়েটস অ্যান্ড রাইটার্স-এর সাথে [https://www.pw.org/content/interview_poet_and_fiction_writer_grace_paley সাক্ষাৎকার] (২০০৮) * [[ওসামা বিন লাদেন]] এবং [[জর্জ ডব্লিও বুশ]] দুজনেই ছিলেন সন্ত্রাসী। তারা দুজনেই এমন আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছিলেন যা সন্ত্রাস ছড়ায় এবং মানুষের জীবন তছনছ করে দেয়। বুশ পেন্টাগন, ডব্লিউটিও, আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংকের মাধ্যমে তা করছিলেন। বিন লাদেন করেছিলেন আল-কায়েদার মাধ্যমে। পার্থক্য শুধু এই যে, বিন লাদেনকে কেউ নির্বাচিত করেনি... মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাদ্দাম হুসাইনকে সমর্থন করেছিল এবং নিশ্চিত করেছিল যেন তিনি এতদিন লোহার হাত দিয়ে শাসন করেন। এরপর তারা অর্থনৈতিক অবরোধ ব্যবহার করে নাগরিক সমাজের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিল। এরপর তারা ইরাককে নিরস্ত্রীকরণ করতে বাধ্য করে। তারপর ইরাক আক্রমণ করে। আর এখন তারা দেশটির সমস্ত সম্পদ দখল করে নিয়েছে। ** '''''অরুন্ধতী রায়''''', ''দ্য শেপ অফ দ্য বিস্ট: কনভারসেশনস উইথ অরুন্ধতী রায়'' (২০০৮) * হাবুশ আমাদের বলছেন যে সেখানে কোনো গণবিধ্বংসী অস্ত্র নেই। তিনি আমাদের সাদ্দামের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে বলছেন যে—সাদ্দাম আমাদের চেয়ে ইরানীদের বেশি ভয় পান; ভয় পান এক 'দন্তহীন বাঘ' হিসেবে পরিচিত হতে। আর আমরা সেই বিষয়টিকেই উপেক্ষা করছি। ** '''''রন সাসকাইন্ড''''', ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এবং সাদ্দাম হুসাইনের গোয়েন্দা প্রধান তাহির জালিল হাবুশের বৈঠক প্রসঙ্গে; যা প্রমাণ করে যে সাদ্দামের কাছে কোনো গণবিধ্বংসী অস্ত্র না থাকার বিষয়টি আমেরিকা আরও আগেই জানত। (দ্য ডেইলি শো; ১১ আগস্ট ২০০৮)। * '''স্টুয়ার্ট:''' এবং চিঠিতে আক্ষরিক অর্থেই লেখা আছে যে মোহাম্মদ আতা ইরাকে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন এবং ইউরেনিয়াম সংক্রান্ত বিষয়টিও। চিঠিতে এমন দুটি বিষয়কে একসাথে করা হয়েছে যেগুলোর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ছিল—এ নিয়ে কি কারও কাছে অদ্ভুত মনে হয়নি যে, চিঠিতে বলা হলো, ওহ, এবং সে নাইজার থেকে ইউরেনিয়ামও কিনেছিল...? '''সাসকাইন্ড:''' ...এটি ছিল একটি অতি-উৎসাহী মুহূর্ত। চিঠিটি হঠাৎ সামনে চলে আসে। টম ব্রোকাউ এটি 'মিট দ্য প্রেস'-এ প্রচার করেন। উইলিয়াম সাফায়ার এটি নিয়ে লেখেন। কয়েক দিন বা সপ্তাহখানেক পর মানুষ বলতে শুরু করে যে—একটাই চিঠিতে এসবের 'অস্বাভাবিক আধিক্য' রয়েছে। আর এই অতি-তথ্যই শেষ পর্যন্ত এটিকে জাল হিসেবে প্রকাশ করে দেয়। '''স্টুয়ার্ট:''' তখন কেউ কেন এর জাল প্রকৃতির বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করেনি? কেন সেটি ধামাচাপা পড়ে গেল? '''সাসকাইন্ড:''' এটি বের করা কঠিন ছিল। এটি অত্যন্ত গোপনীয় বিষয় ছিল এবং এই অপারেশনটি ছিল সিআইএ-র (CIA) মাধ্যমে। আপনার এমন কাউকে দরকার ছিল যে দিনের আলোতে দাঁড়িয়ে বলবে যে—শোনো, আসলে এই ঘটনা ঘটেছিল। '''স্টুয়ার্ট:''' সিআইএ-তে আপনার সূত্র রিচার্ড কি তেমনি একজন? '''সাসকাইন্ড:''' তিনি তাদেরই একজন। '''স্টুয়ার্ট:''' তিনি এখন বলছেন, "আমি কখনও এমনটা বলিনি; আমি তো জাস্ট মজা করছিলাম।" এই পরিস্থিতির অবস্থা এখন কী? '''সাসকাইন্ড:''' তিনি একজন ভালো মানুষ। এখানে জড়িত সূত্রগুলোর সবাই ভালো মানুষ, যারা বেশ কিছুদিন বুকে পাথর নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছেন। আমি সব সূত্রের প্রতিই সহানুভূতিশীল। তারা অনেক চাপের মধ্যে থাকেন। বইয়ের এই নির্দিষ্ট অংশে অনেক কিছু উন্মোচন করা হয়েছে, তবে এই বিষয়টি নিয়ে হোয়াইট হাউস স্পষ্টতই গভীরভাবে আগ্রহী, কারণ এখানে এমন কিছু বেআইনি বিষয় থাকতে পারে যার সাংবিধানিক পরিণতি রয়েছে। '''স্টুয়ার্ট:''' আমার মনে হয়, "অভিশংসন" (impeachment) বলার জন্য এটিই আমার জীবনে শোনা সবচেয়ে সুন্দর বা মার্জিত উপায়। ** '''''রন সাসকাইন্ড''''', সিআইএ-র মাধ্যমে তাহির হাবুশের সেই জাল চিঠি তৈরি করা প্রসঙ্গে—যেটিতে ইরাক, আতা এবং নাইজারের ইউরেনিয়ামের মধ্যে যোগসূত্র দাবি করা হয়েছিল। (দ্য ডেইলি শো; ১১ আগস্ট ২০০৮)। * মনে হচ্ছিল তিনি (ন্যান্সি পেলোসি) সত্যিই বুশকে অভিশংসন করার এবং তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টা করবেন; ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি এটি একটি চমৎকার বিষয় হতো। যুদ্ধের জন্য তো অবশ্যই... তিনি মিথ্যা বলেছিলেন! তিনি মিথ্যা বলে আমাদের যুদ্ধে জড়িয়েছিলেন এবং... দেখুন বিল ক্লিনটনকে কতটা তুচ্ছ একটি বিষয় নিয়ে কী ঝামেলায় পড়তে হয়েছিল! তারা তাকে অভিশংসন করার চেষ্টা করেছিল যা ছিল একদম বাজে কথা... অথচ বুশ মিথ্যা বলে আমাদের এই 'ভয়াবহ যুদ্ধে' জড়িয়ে দিলেন—এটি বলে যে তাদের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র আছে, আরও অনেক কিছু বলে—যা পরে সত্য নয় বলে প্রমাণিত হয়েছে। ** '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''', উলফ ব্লিটজারের সাথে সাক্ষাৎকার (২০০৮)। === ২০১০ === * ২০০৭ সালের শেষদিকে ইরাকে সহিংসতার যে দ্রুত ও ব্যাপক হ্রাস ঘটেছিল তা ছিল একটি বিশাল মাইলফলক এবং অর্জন; তবে সামরিক বাহিনী এবং মার্কিন রাজনীতিবিদদের মধ্যে এই অর্জনকে অতি-রঞ্জিত করে প্রকাশ করার একটি প্রবণতা রয়েছে। কেবল ব্যাপক হত্যাকাণ্ড বন্ধ হওয়া মানেই নিজ থেকে একটি স্থিতিশীল ও সুস্থ সমাজ গড়ে ওঠা নয়; ইরাক একটি মুক্ত, ন্যায়সঙ্গত, সমৃদ্ধ এবং গণতান্ত্রিক নাগরিক সমাজ হয়ে ওঠা থেকে তখনও অনেক দূরে ছিল এবং এখনও আছে। আমার সফরের সময় সেখানে সাম্প্রদায়িক ক্ষোভ ধিকিধিকি জ্বলছিল এবং উপজাতীয় সংহতি তখনও অনেক দূরের পথ ছিল। অর্থনীতি খুব ধীরগতিতে প্রাণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করলেও তা কার্যত অচল ছিল। জনসেবা ছিল শোচনীয়ভাবে অপর্যাপ্ত অথবা অস্তিত্বহীন। রাস্তাঘাটে পয়ঃনিষ্কাশনের বর্জ্য প্রবাহিত হতো এবং নামমাত্র বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতি মেটাতে জেনারেটরের গুঞ্জন ছিল নিত্যসঙ্গী। আদালত, সরকারি অফিস এবং স্কুলগুলোতে ফান্ডের অভাব ছিল এবং কর্মীর সংখ্যা ছিল খুব কম—যদি সেগুলো আদৌ খোলা থাকত। তবে বহুমুখী যুদ্ধবিরতি যখন স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হলো এবং সহিংসতা চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামল, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০৮ সালের শেষদিকে তাদের সেই 'সার্জ' (সৈন্য বৃদ্ধি) গুটিয়ে নিতে শুরু করে যা দুই বছর আগে শুরু হয়েছিল। বাবল প্রদেশে (যেখানে 'ডেথ ট্রায়াঙ্গেল'-এর বড় অংশ অবস্থিত) হামলা ৮০ শতাংশ কমে যাওয়ায়, ২০০৮ সালের অক্টোবরে মার্কিন বাহিনী সেই অঞ্চলের পূর্ণ দায়িত্ব ইরাকিদের হাতে বুঝিয়ে দেয়। ২০০৯ সালের জানুয়ারির মধ্যে ট্রায়াঙ্গেল অঞ্চলে মার্কিন সৈন্য সংখ্যা এক বছর আগের তুলনায় মাত্র এক-তৃতীয়াংশে নেমে আসে। ** জিম ফ্রেডরিক, ''ব্ল্যাক হার্টস: ওয়ান প্লাটুন'স ডিসেন্ট ইনটু ম্যাডনেস ইন ইরাক’স ট্রায়াঙ্গেল অফ ডেথ'' (২০১০), নিউ ইয়র্ক: ব্রডওয়ে বুকস, পৃষ্ঠা ৩৫৬-৩৫৭। * ২০০৯ সালের জুনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরাক জুড়ে আরও পিছু হটে আসে, বড় বড় বেসগুলোতে অবস্থান নেয় এবং কয়েকটি অশান্ত এলাকা ছাড়া দৈনন্দিন নিরাপত্তা কার্যক্রম থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়। এর কয়েক মাস আগে থেকেই আমেরিকা 'সনস অফ ইরাক' উদ্যোগের পরিধি কমিয়ে আনতে শুরু করেছিল—যা অনেকের আশঙ্কা অনুযায়ী প্রাক্তন বিদ্রোহীদের আবারও পুরনো খুনে অভ্যাসে ফিরিয়ে নেওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়নি। ইরাকে এখনও বোমা হামলা হয়, কখনও কখনও তা প্রাণঘাতীও হয়, কিন্তু আপাতত সেগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবেই রয়ে গেছে। ইরাক হয়তো কখনোই মধ্যপ্রাচ্যের সেই গণতন্ত্র ও পুঁজিবাদের মডেল হতে পারবে না যা বুশ প্রশাসন কল্পনা করেছিল; তবে বর্তমানে সামরিক প্রধানদের পাশাপাশি সব রাজনৈতিক দলের পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে এই ঐকমত্য রয়েছে যে—সেখানকার পরিস্থিতি এখন যথেষ্ট স্থিতিশীল, যাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো পরাজয় স্বীকার না করেই পুরোপুরি সৈন্য প্রত্যাহার করতে পারে। আফগানিস্তান যুদ্ধের দ্রুত অবনতি এবং ওবামা প্রশাসনের কাছে তার গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০১১ সালের শেষ নাগাদ ইরাক থেকে সমস্ত আমেরিকান সৈন্য প্রত্যাহারের সূচি অনুযায়ী এগিয়ে চলেছে। তবে কারও কারও জন্য এই যুদ্ধ কখনোই শেষ হবে না। ** জিম ফ্রেডরিক, ''ব্ল্যাক হার্টস: ওয়ান প্লাটুন'স ডিসেন্ট ইনটু ম্যাডনেস ইন ইরাক’স ট্রায়াঙ্গেল অফ ডেথ'' (২০১০), নিউ ইয়র্ক: ব্রডওয়ে বুকস, পৃষ্ঠা ৩৫৭। * প্রেসিডেন্টের মোসুল শহর নিয়ে আলোচনার কথাটি ধরা যাক। এটি ইরাকের একটি শহর; আর সেখানে বা অন্যান্য ইরাকি শহরে যে আমেরিকানরা প্রাণ হারিয়েছেন, তারা মারা গেছেন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনির অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে—যারা ইরাকের বিরুদ্ধে একটি [[:w:আগ্রাসনের যুদ্ধ|আগ্রাসনের যুদ্ধ]] সাজিয়েছিলেন, অথচ ইরাক আমেরিকার জন্য কোনো হুমকিই ছিল না। তারা মারা গেছেন কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটদের কাপুরুষতা এবং স্বার্থপরতার কারণেও—যারা সেই অপরাধমূলক যুদ্ধকে সমর্থন করার জন্য নিজেদের ওপর জবরদস্তি করতে দিয়েছিলেন। যে পাঁচ হাজার আমেরিকান মারা গেছেন এবং আরও কয়েক লক্ষ যারা মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন—অথবা যারা সেখানে যুদ্ধ করেছেন বা সহযোগিতামূলক কাজ করেছেন—তারা আমাদের কোনো "লালিত আদর্শ" রক্ষা করতে যাননি। তারা কেবল এক্সন-মোবিল, শেভরন, শেল এবং ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের মতো তেল কোম্পানিগুলোকে ইরাকি তেলক্ষেত্রগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে সাহায্য করছিলেন। তারা কেবল বুশ এবং চেনির পুনর্নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করতে সাহায্য করছিলেন। তারা হ্যালিবার্টন, বোয়িং, লকহিড এবং ব্ল্যাকওয়াটারের মুনাফা বাড়াতে সাহায্য করছিলেন। সত্যিই এক 'মহৎ' মৃত্যু। ** ডেভিড লিনডর্ফ, [https://www.counterpunch.org/2010/05/31/the-glorification-of-war/ “দ্য গ্লোরিফিকেশন অফ ওয়ার”] (৩১ মে ২০১০), ''কাউন্টারপাঞ্চ''। * মাঝরাতে বিকট এক বিস্ফোরণের শব্দে আমার ঘুম ভেঙে গেল। তখন গভীর রাত। ঠিক কয়টা বেজেছিল তা মনে নেই। শুধু মনে আছে শব্দটা ছিল ভীষণ ভারী আর প্রচণ্ড আতঙ্কিত হওয়ার মতো। আমার ঘরের সবকিছু কাঁপছিল—আমার হৃৎপিণ্ড সাথে জানালা, বিছানা, সবকিছু। আমি জানালার বাইরে ঘরের তাকালাম এবং অর্ধবৃত্তাকার এক বিশাল বিস্ফোরণ দেখলাম। আমার মনে হলো এটা ঠিক সিনেমার মতো, কিন্তু কোনো সিনেমাই সেই দৃশ্যটিকে এমন শক্তিশালীভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেনি যা আমি দেখছিলাম—উজ্জ্বল লাল, কমলা আর ধূসর রঙের এক পূর্ণ বৃত্তাকার বিস্ফোরণ। এটা অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত আমি একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম। আমি আমার বিছানায় ফিরে গেলাম, প্রার্থনা করলাম এবং মনে মনে সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জানালাম যে সেই ক্ষেপণাস্ত্রটি আমার পরিবারের ঘরের ওপর পড়েনি, সেই রাতে তা আমার পরিবারকে মেরে ফেলেনি। ত্রিশ বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু আমি এখনও সেই প্রার্থনার জন্য অপরাধবোধে ভুগি; কারণ পরের দিন আমি জানতে পেরেছিলাম যে সেই ক্ষেপণাস্ত্রটি আমার ভাইয়ের বন্ধুর বাড়িতে পড়েছিল এবং তাকে ও তার বাবাকে মেরে ফেলেছিল, যদিও তার মা বা বোন মারা যাননি। পরের সপ্তাহে সেই মা আমার ভাইয়ের ক্লাসরুমে হাজির হয়েছিলেন এবং সাত বছরের বাচ্চাদের কাছে মিনতি করেছিলেন যদি তাদের কাছে তার ছেলের কোনো ছবি থাকে তা যেন তাকে দেওয়া হয়, কারণ তিনি সবকিছু হারিয়েছিলেন। ** '''''জয়নাব সালবি''''', [https://www.ted.com/talks/zainab_salbi?language=en জয়নাব সালবি: উইমেন, ওয়ারটাইম অ্যান্ড দ্য ড্রিম অফ পিস], টেডগ্লোবালে (২০১০) দেওয়া ভাষণ। * আমি যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকে বড় হয়েছি, এবং আমি বিশ্বাস করি যুদ্ধের দুটি দিক থাকে যার মধ্যে আমরা কেবল একটি দিকই দেখেছি। আমরা কেবল এক দিক নিয়েই কথা বলি। কিন্তু অন্য একটি দিকও আছে যার সাক্ষী আমি নিজে—এমন একজন হিসেবে যে যুদ্ধের মধ্যে জীবন কাটিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত সেই যুদ্ধের মধ্যেই কাজ করেছে। ** '''''জয়নাব সালবি''''', [https://www.ted.com/talks/zainab_salbi?language=en জয়নাব সালবি: উইমেন, ওয়ারটাইম অ্যান্ড দ্য ড্রিম অফ পিস], টেডগ্লোবাল ২০১০ সালে দেওয়া ভাষণ। * আমি বড় হয়েছি যুদ্ধের রঙের সাথে—আগুন আর রক্তের লাল রঙ, আমাদের চোখের সামনে মাটি ফেটে চৌচির হওয়া বিস্ফোরণের খয়েরি রঙ এবং বিস্ফোরিত ক্ষেপণাস্ত্রের সেই তীক্ষ্ণ রূপালী আভা, যা এতটাই উজ্জ্বল যে কোনো কিছুই আপনার চোখকে তা থেকে রক্ষা করতে পারবে না। আমি বড় হয়েছি যুদ্ধের শব্দের সাথে—বন্দুকের গুলির অবিরাম আওয়াজ, বিস্ফোরণের সেই বুক কাঁপানো গর্জন, মাথার ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া জেটের অশুভ গুঞ্জন আর সাইরেনের সেই আর্তনাদপূর্ণ সতর্কবার্তা। এগুলো সেইসব শব্দ যা আপনি প্রত্যাশা করবেন, কিন্তু এর সাথে আরও আছে রাতের বেলা একঝাঁক পাখির কর্কশ চিৎকার, শিশুদের তীক্ষ্ণ আর্তনাদ আর এক বজ্রতুল্য, অসহ্য নীরবতা। আমার এক বন্ধু বলেছিল, "যুদ্ধ আসলে শব্দ নিয়ে নয়। এটি আসলে নীরবতা নিয়ে, মানবতার নীরবতা।" [...] আমি শিখেছি যে যুদ্ধের রঙ আর শব্দগুলো যেমন একই রকম, যুদ্ধের ভয়গুলোও তেমনি একই। জানেন তো, সেখানে মরার একটা ভয় থাকে। ** '''''জয়নাব সালবি''''', [https://www.ted.com/talks/zainab_salbi?language=en জয়নাব সালবি: উইমেন, ওয়ারটাইম অ্যান্ড দ্য ড্রিম অফ পিস], টেডগ্লোবাল ২০১০ সালে দেওয়া ভাষণ। === ২০১১ === * ২০০৩ সালে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগের কার্টার মতবাদটি "শক অ্যান্ড অউয়ের" মাধ্যমে কার্যকর করা হয়েছিল, যা ছিল পৃথিবী এ যাবৎকালের দেখা [[:w:জীবাশ্ম জ্বালানি|জীবাশ্ম জ্বালানির]] সবচেয়ে নিবিড় এবং অপব্যয়মূলক ব্যবহার। এটিও মনে রাখুন যে, যখন বাগদাদের পতন ঘটল, আক্রমণকারী [[:w:মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী|মার্কিন সৈন্যরা]] স্কুল, হাসপাতাল এবং একটি [[:w:পারমাণবিক শক্তি|পারমাণবিক বিদ্যুৎ]] কেন্দ্র লুণ্ঠন এবং জাতীয় [[:w:জাদুঘর|জাদুঘর]] তছনছ করার ঘটনাকে উপেক্ষা করেছিল; এমনকি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল ন্যাশনাল লাইব্রেরি ও আর্কাইভসকেও—যেখানে "সভ্যতার দোলনার" অতুলনীয় এবং অপূরণীয় নথিপত্র ছিল। তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে ইরাকি তেল মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর দখল ও পাহারা দেয় এবং তেলক্ষেত্রগুলো রক্ষায় ২,০০০ সৈন্য মোতায়েন করে। সবার আগে প্রয়োজনীয় কাজটাই তারা আগে করেছিল। ** [https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হাইন্স রচিত, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর ২০১১। * সময়ের সাথে সাথে অনেকগুলো বিষয় একীভূত ও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যা এই প্রস্তাবকে সমর্থন করে যে—ইরাক যুদ্ধের মূলে ছিল তেল। গণবিধ্বংসী অস্ত্র নির্মূল করা, একজন অত্যাচারী স্বৈরাচারকে উৎখাত করা, ৯/১১ এর সাথে যুক্ত সন্ত্রাসবাদ দমন করা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য গানবোট ডিপ্লোম্যাসি ব্যবহার করা—এসবই ছিল মূলত তেলের আসল উদ্দেশ্যকে আড়াল করার আবরণ মাত্র। [[:w:অ্যালান গ্রিনস্প্যান|অ্যালান গ্রিনস্প্যান]] এটি সরাসরি বলেছেন: ''সবাই যা জানে তা স্বীকার করাটা রাজনৈতিকভাবে অসুবিধাজনক দেখে আমি দুঃখিত হই যে: ইরাক যুদ্ধ ছিল মূলত তেল নিয়ে।'' <br>যেহেতু আমরা তেলের সর্বোচ্চ উৎপাদনের কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছি—অর্থাৎ তেল অনুসন্ধান ও উৎপাদনের লাভ কমে আসার এবং তেলের দাম বাড়ার সেই বিন্দুতে—ওপেক দেশগুলোর বৈশ্বিক উৎপাদনের শেয়ার "২০০৭ সালের ৪৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০৩০ সালে ৫৬ শতাংশ হবে।" ইরাকের কাছে রয়েছে তেলের তৃতীয় বৃহত্তম মজুদ; ২০০০ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে যে চারটি দেশে তেলের উৎপাদন বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে ইরাক এবং কাজাখস্তান অন্যতম। মধ্যপ্রাচ্য এবং মধ্য এশিয়া, যেমনটা ধারণা করা হয়েছিল, মার্কিন সামরিক অভিযান এবং যুদ্ধের উপকেন্দ্র। ২০০৬ সালে [[:w:কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস|কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস]] কর্তৃক প্রকাশিত জাতীয় নিরাপত্তা এবং মার্কিন তেলের নির্ভরতা বিষয়ক একটি প্রতিবেদনে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া হয়েছে যে, অন্তত ২০ বছর পর্যন্ত [পারস্য উপসাগরীয়] অঞ্চলে দ্রুত সৈন্য মোতায়েনের জন্য আমেরিকার "একটি শক্তিশালী সামরিক অবস্থান" বজায় রাখা উচিত। মার্কিন সামরিক পেশাদাররাও এতে একমত এবং তারা জ্বালানি সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে "বৃহৎ পরিসরে সশস্ত্র সংগ্রামের" সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ** [https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হাইন্স রচিত, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর ২০১১। * আমাদের [[:w:জাতীয় নিরাপত্তা|জাতীয় নিরাপত্তা]] এখন মূলত জ্বালানি নিরাপত্তায় পর্যবসিত হয়েছে, যা আমাদের তেলের উৎসগুলোর ওপর সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় বাধ্য করেছে; এর মাধ্যমেই বিশ্বের তেল সমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোতে সামরিক উপস্থিতি তৈরি করা হয়েছে এবং ইরাকে সশস্ত্র সংঘাত শুরু করা হয়েছে, আফগানিস্তানে তা জিইয়ে রাখা হয়েছে এবং [[:w:২০১১-এর লিবীয় গৃহযুদ্ধ|লিবিয়াতেও]] তা উসকে দেওয়া হয়েছে... আকাশযুদ্ধ কি ভবিষ্যৎ যুদ্ধের মডেল? যদি তাই হয়, তবে এটি এই গ্রহের জন্য মৃত্যুর ঘন্টাধ্বনি। এই অতৃপ্ত সামরিকবাদই [[:w:জলবায়ু পরিবর্তন|জলবায়ু পরিবর্তনের]] ফলে তীব্র হওয়া প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর পেছনে একক বৃহত্তম প্রাতিষ্ঠানিক অবদানকারী। ** [https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হাইন্স রচিত, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর ২০১১। === যুদ্ধ-পরবর্তী (২০১২-) === [[চিত্র:US Navy 030501-N-8497H-069 President George W. Bush addresses the Nation and Sailors from the flight deck aboard USS Abraham Lincoln (CVN 72).jpg|thumb|১ মে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ একটি বিমানবাহী রণতরীতে বেশ নাটকীয়ভাবে হাজির হয়ে "মিশন অ্যাকমপ্লিশড" বা অভিযান সফল হওয়ার ঘোষণা দেন। আমেরিকা ইরাকে "প্রধান যুদ্ধ অভিযানসমূহ" সমাপ্ত ঘোষণা করেছিল। <br> এটি ছিল এমন এক ভাষণ যা আমেরিকার ঔদ্ধত্য, অজ্ঞতা এবং ইরাকের বাস্তব পরিস্থিতির প্রতি অবজ্ঞাকেই প্রকাশ করেছিল, যেখানে কয়েক দশকের রক্তক্ষয়ী অধ্যায় কেবল শুরু হতে যাচ্ছিল। ~ এমা গ্রাহাম-হ্যারিসন এবং সালিম হাবিব]] [[চিত্র:Marching towards the Capital - September 15, 2007.jpg|thumb|আক্রমণের কয়েক সপ্তাহ আগে, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৩-এ [[:w:১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৩-এর যুদ্ধবিরোধী প্রতিবাদ|উত্তর আমেরিকা সহ বিভিন্ন মহাদেশের এক কোটিরও বেশি মানুষ যুদ্ধের বিরুদ্ধে পদযাত্রা করেছিলেন]]। তা সত্ত্বেও অনেক তথাকথিত গণতান্ত্রিক দেশের সরকার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল। প্রশ্ন হলো: “গণতন্ত্র” কি এখনও গণতান্ত্রিক আছে? গণতান্ত্রিক সরকারগুলো কি তাদের নির্বাচিত করা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ? এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, গণতান্ত্রিক দেশগুলোর জনগণ কি তাদের সরকারের এই কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী? ~ অরুন্ধতী রায়]] * এগুলো কেবল নীতির ওপর ভিত্তি করে কোনো ভূ-রাজনৈতিক লড়াই নয়, বরং এই লড়াইগুলোর পেছনে রয়েছে প্রকৃত বস্তুগত বাস্তবতা এবং বৈষয়িক সুবিধা। আপনি যদি মধ্য এশিয়া থেকে ইউরোপীয় বাজারে প্রাকৃতিক গ্যাস পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রস্তাবিত এবং নির্মাণাধীন বিভিন্ন পাইপলাইনের রুটগুলো দেখেন, তবে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। [[:w:তুরস্ক|তুরস্ক]] অনুভব করেছিল যে, সবচেয়ে ভালো চুক্তিটি নিশ্চিত করা তাদের স্বার্থেই প্রয়োজন, যা তাদের এই পাইপলাইনগুলোর পূর্ণ সুবিধা নিতে সাহায্য করবে। অনেক বিশ্লেষক যুক্তি দেন যে এটিই সিরিয়ার বর্তমান অবস্থার অন্যতম কারণ: যখন [[:w:ইরান-ইরাক-সিরিয়া পাইপলাইন|ইরান থেকে ইরাক ও সিরিয়ার]] মধ্য দিয়ে এই প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইনগুলো চালুর প্রস্তাব করা হয়েছিল, তখন এটি এরদোগানের তুরস্কের উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছিল। ** '''''আজামু বারাকা''''', কেভিন ব্যারেটের সাথে (১৭ অক্টোবর ২০১৪); "আজামু বারাকা এবং ইব্রাহিম সাউদি অন আইএসআইএস অ্যান্ড ৯/১১ ডিসেপশনস"। * ১৯ মার্চ ২০০৩ তারিখে শুরু হওয়া ইরাক আক্রমণের ১৫ বছর পূর্ণ হলো; অথচ আমেরিকান জনগণের কোনো ধারণাই নেই যে এই আক্রমণ কী ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে এনেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরাকিদের মৃত্যুর হিসাব রাখতে অস্বীকার করেছে। প্রাথমিক আক্রমণের দায়িত্বে থাকা জেনারেল [[:w:টমি ফ্রাঙ্কস|টমি ফ্রাঙ্কস]] সরাসরি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “আমরা লাশের হিসাব করি না।” একটি জরিপে দেখা গেছে, বেশিরভাগ আমেরিকান মনে করেন ইরাকিদের মৃত্যুর সংখ্যা দশ হাজারের কোঠায়। কিন্তু আমাদের পাওয়া সেরা তথ্য ব্যবহার করে করা হিসাব অনুযায়ী, ২০০৩ সালের আক্রমণের পর থেকে ইরাকে প্রাণহানির পরিমাণ আনুমানিক ২৪ লক্ষ। <br> ইরাকি হতাহতের সংখ্যা কেবল একটি ঐতিহাসিক বিতর্ক নয়, কারণ এই হত্যাকাণ্ড আজও চলছে। ২০১৪ সালে ইরাক ও [[:w:সিরিয়া|সিরিয়ার]] বেশ কিছু বড় শহর ইসলামিক স্টেটের দখলে চলে যাওয়ার পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর সবচেয়ে ভারী বোমা হামলা চালিয়েছে। তারা ১,০৫,০০০ বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এবং মোসুলসহ ইরাক ও সিরিয়ার অন্যান্য শহরগুলোকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। ** [https://www.alternet.org/2018/03/iraq-death-toll-15-years-after-us-invasion/ ইরাকে স্তম্ভিত করার মতো মৃত্যু সংখ্যা], '''''মেডিয়া বেঞ্জামিন''''' এবং '''''নিকোলাস জে. এস. ডেভিস''''' / 'অল্টারনেট' (১৫ মার্চ ২০১৮)। * আমাকে প্রায়ই জিজ্ঞেস করা হয়, '''"যা ঘটেছে তার জন্য কি আমি অপরাধবোধে ভুগি?" উত্তর হলো "না, আমি ভুগি না।"''' আমি যে সিদ্ধান্তটি নিয়েছিলাম, তা ছিল সেই সময়ের সেরা সিদ্ধান্ত... এটি আমাদের দেশের প্রতিরক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমি যুদ্ধে যাওয়ার আগে থেকেই জানতাম যে কেউ না কেউ আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে... যা এই সিদ্ধান্তকে আরও গুরুগম্ভীর করে তোলে। অন্যদিকে, লরা (বুশ) এবং আমি শত শত মানুষের সাথে দেখা করেছি যারা বলেছে, "প্রেসিডেন্ট সাহেব, আমরা আবারও এটি করতে রাজি আছি।" ** '''''জর্জ ডব্লিউ বুশ''''', 'এন্টারটেইনমেন্ট উইকলি'-এর সাথে সাক্ষাৎকার (২০১৭)। * [[:w:বারাক ওবামা|বারাক ওবামা]] হলেন টানা চতুর্থ মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি ইরাকে বিমান হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট [[:w:জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ|জর্জ বুশ (সিনিয়র)]] ১৯৯১ সালে কুয়েতে ইরাকি আক্রমণের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব এবং কংগ্রেসের সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদনের ভিত্তিতে উপসাগরীয় যুদ্ধে গিয়েছিলেন। ৯০-এর দশকের শেষের দিকে, প্রেসিডেন্ট [[:w:বিল ক্লিনটন|বিল ক্লিনটন]] ১৯৯৮ সালে ইরাকে বিমান হামলার নির্দেশ দেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে সাদ্দাম হুসাইন জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শকদের বাধা দিচ্ছেন। কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে এই হামলাগুলো ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট-এর আওতায় একটি সাময়িক পদক্ষেপ। ২০০৩ সালে, জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শকদের সাথে অসহযোগিতার অজুহাতে এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একাধিক প্রস্তাবকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে প্রেসিডেন্ট [[:w:জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডব্লিউ বুশ]] ইরাক আক্রমণের নির্দেশ দেন। তার কাছেও একটি AUMF ছিল, যা মূলত গণবিধ্বংসী অস্ত্র নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের উদ্বেগের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল। গত বছর প্রেসিডেন্ট ওবামা আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পুনরায় ইরাকে মার্কিন সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেন। ** এড ক্রেয়েভস্কি, "[http://reason.com/archives/2014/09/23/four-reasons-bombing-isis-in-syria-isnt ফোর রিজনস বোম্বিং আইএসআইএস ইন সিরিয়া ইজ নট ওয়েল থট-আউট]", 'রিজন' (২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। * আজকাল বুশ-৪৩ (জর্জ ডব্লিউ বুশের) এর সমালোচনা করা খুব জনপ্রিয় হয়ে দাঁড়িয়েছে; বিশেষ করে ইরাক আক্রমণের জন্য। এমনকি রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেও আমি অনেককে এই জনপ্রিয় স্রোতে ভাসতে দেখেছি। প্রথমত, একটি [[:w:সাম্যবাদ|কমিউনিস্ট]] দেশে জন্ম নেওয়া এবং বড় হওয়া মানুষ হিসেবে আমি এমন কোনো পদক্ষেপের সমালোচনা করতে পারি না যা একটি [[:w:স্বৈরতন্ত্র|স্বৈরাচারী শাসনের]] পতনের কারণ হয়েছে। ** '''''গ্যারি কাসপারভ''''', বিল ক্রিস্টোলের সাথে সাক্ষাৎকার (এপ্রিল ২০১৬)। * '''মার্গারেট ম্যাকমিলান:''' যারা যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেন তারা অনেক সময় ধরে নেন যে, বিজয় অলৌকিকভাবে সব সমস্যার সমাধান করে দেবে। ১৯৯৮ সালে মার্কিন সামরিক বাহিনী সাদ্দাম হুসাইনকে পরাজিত করার পরিকল্পনা তৈরিতে এবং 'ওয়ার গেমস'-এর মাধ্যমে সেগুলো পরীক্ষায় অনেক সময় ব্যয় করেছিল। মধ্যপ্রাচ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত [[:w:ইউনাইটেড স্টেটস সেন্ট্রাল কমান্ড|ইউনাইটেড স্টেটস সেন্ট্রাল কমান্ডের]] প্রধান জেনারেল '''''অ্যান্থনি জিনি''''' পরবর্তীতে বলেছিলেন, ‘তখন আমার মনে হয়েছিল যে আমাদের কাছে সাদ্দামের বাহিনীকে পরাজিত করার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু ইরাক পুনর্গঠনের কোনো পরিকল্পনা ছিল না।’ ** '''''মার্গারেট ম্যাকমিলান''''', ''ওয়ার: হাউ কনফ্লিক্ট শেপড আস'' (২০২০)। * ২০০২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরাকের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দিকে এগোচ্ছিল, তখন একটি বিশাল 'ওয়ার গেম'-এর মাধ্যমে জনৈক মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির বিরুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর সক্ষমতা যাচাই করা হয়।... তার এই [[:w:অপ্রতিসম যুদ্ধ|অপ্রতিসম যুদ্ধের]] প্রদর্শনী ছিল একটি সতর্কবার্তা যে—আফগানিস্তান ও ইরাক উভয় ক্ষেত্রেই জোট বাহিনী কীভাবে গেরিলা বাহিনীর অতর্কিত হামলার শিকার হতে যাচ্ছে। ** '''''মার্গারেট ম্যাকমিলান''''', ''ওয়ার: হাউ কনফ্লিক্ট শেপড আস'' (২০২০)। * '''র্যান্ড পল:''' যখন কংগ্রেস ইরাক যুদ্ধের সময় সৈন্য মোতায়েনের ওপর সময়সীমা আরোপের চেষ্টা করেছিল, তখন নব্য-রক্ষণশীলরা চিৎকার করে বলেছিল যে ৫৩৫ জন জেনারেল থাকা একটি ভুল হবে। তারা বলেছিল যে যুদ্ধ পরিচালনা করা প্রেসিডেন্টের বিশেষাধিকার—যতক্ষণ না একজন প্রেসিডেন্ট যুদ্ধ থেকে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন।... এই তত্ত্ব দাবি করেছিল যে সামরিক শক্তি প্রয়োগ, বন্দিদের আটক ও জিজ্ঞাসাবাদ এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের ওপর প্রেসিডেন্টের একচ্ছত্র ও অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা রয়েছে। ** '''''র্যান্ড পল''''', [https://www.americanrhetoric.com/speeches/randpaulfloorspeechndaa2021.htm “যুদ্ধ ক্ষমতা এবং ইউনিটারি এক্সিকিউটিভ থিওরি নিয়ে সিনেটে দেওয়া ভাষণ”], (১০ ডিসেম্বর ২০২০)। * '''জন পিলজার:''' [[:w:ইরাক যুদ্ধ|ইরাক]], লিবিয়া এবং সিরিয়ার ওপর আক্রমণ হয়েছিল কারণ এই দেশগুলোর নেতারা পশ্চিমের পুতুল ছিলেন না। সাদ্দাম হুসাইন বা গাদ্দাফির মানবাধিকার রেকর্ড এখানে অপ্রাসঙ্গিক ছিল। তারা আদেশ মানেননি এবং তাদের দেশের নিয়ন্ত্রণ সমর্পণ করেননি... সাবেক ব্রিটিশ ফরেন অফিস কর্মকর্তা কার্ন রস... আমাকে বলেছিলেন: “আমরা সাংবাদিকদের পরিমার্জিত গোয়েন্দা তথ্যের টুকরো সরবরাহ করতাম অথবা তাদের এড়িয়ে চলতাম। এভাবেই কাজটা চলত।” ** '''''জন পিলজার''''', [http://www.informationclearinghouse.info/article45752.htm “ইনসাইড দ্য ইনভিজিবল গভর্নমেন্ট: ওয়ার, প্রোপাগান্ডা, ক্লিনটন অ্যান্ড ট্রাম্প”], ''ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস'', (২৮ অক্টোবর ২০১৬)। * '''সিগাল স্যামুয়েল:''' লুণ্ঠন ছাড়াও, ইরাকের কিছু প্রাচীন নিদর্শন যা দেশেই ছিল, তা মার্কিন আক্রমণের ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৫ ৭৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বাগদাদের দক্ষিণে নির্মিত এবং ১৯০০-এর দশকের শুরুতে খনন করা ব্যবিলনীয়দের বিখ্যাত [[:w:ইশতার গেট|ইশতার গেটের]] একটি বড় উদাহরণ। ২০০৩ সালে মার্কিন বাহিনী এই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের ঠিক মাঝখানে একটি সামরিক ক্যাম্প স্থাপন করে। ** সিগাল স্যামুয়েল, [https://www.theatlantic.com/international/archive/2018/03/iraq-war-archeology-invasion/555200/ “ইট’স ডিস্টার্বিংলি ইজি টু বাই ইরাক’স আর্কিওলজিক্যাল ট্রেজারস”], ''দ্য আটলান্টিক'', (১৯ মার্চ ২০১৮)। * '''জেরেমি স্ক্যাহিল:''' ৯ এপ্রিল ২০০৩-এ বিশ্বের টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলোতে বাগদাদের [[:w:ফিরদোস স্কয়ার|ফিরদোস স্কয়ারে]] উন্মোচিত হওয়া একটি সরাসরি দৃশ্য দেখানো হয়। সাধারণ ইরাকি এবং ইউনিফর্ম পরা মার্কিন সৈন্যদের একটি দল সাদ্দাম হুসাইনের একটি বিশাল মূর্তি টেনে নামিয়ে ফেলে। এটি ছিল একটি চমৎকার, আধা-পরিকল্পিত প্রোপাগান্ডা মহড়া... বাস্তবে, এই যুদ্ধটি তখন কেবল শুরু হচ্ছিল এবং আজ অবধি তা চলছে। ** '''''জেরেমি স্ক্যাহিল''''', [https://theintercept.com/2018/04/09/video-a-brief-history-of-u-s-intervention-in-iraq-over-the-past-half-century/ “গত অর্ধশতাব্দীতে ইরাকে মার্কিন হস্তক্ষেপের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস”], ''দ্য ইন্টারসেপ্ট'', (৯ এপ্রিল ২০১৮)। * যখন ফরাসি প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘের অধিবেশনে মার্কিন একতরফাবাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন, তখন কেউই ২০০৩ সালের সেই ভয়াবহ যুদ্ধের প্রতিধ্বনি উপেক্ষা করতে পারেনি। এটি ছিল এমন এক মুহূর্ত যা ইউরোপ এবং আমেরিকাকে, এমনকি সরকার ও নাগরিকদেরও তিক্তভাবে বিভক্ত করেছিল। এটি দুই মহাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্যে এক আশঙ্কাজনক ব্যবধান উন্মোচন করেছিল।... টনি ব্লেয়ারের সাথে যোগসাজশ করে তারা গণবিধ্বংসী অস্ত্র (WMD) নিয়ে বিশ্বকে বিভ্রান্ত করেছিল। তাদের ঐশ্বরিক অনুপ্রেরণার দাবি এবং ক্রুসেডীয় উন্মাদনা সেই আধুনিকতার ধারণাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছিল—যাকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘ তাদের অলঙ্কার হিসেবে ব্যবহার করে: আলোকপ্রাপ্ত, স্বচ্ছ, উদার এবং বিশ্বজনীন। ** এ্যাডাম টুজে, ''ক্র্যাশড: হাউ এ ডিকেড অফ ফিনান্সিয়াল ক্র্যাশেস চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড'' (২০১৮)। * '''ডোনাল্ড ট্রাম্প:''' ইরাক যুদ্ধে আমরা ২ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করেছি, হাজার হাজার জীবন হারিয়েছি, কিন্তু আমরা দেশটি পাইনি; ইরান এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেলের মজুদ সমৃদ্ধ ইরাককে দখল করে নিচ্ছে। স্পষ্টতই এটি একটি ভুল ছিল, জর্জ বুশ ভুল করেছিলেন... আমাদের কখনোই ইরাকে যাওয়া উচিত হয়নি, আমরা মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করে তুলেছি। ** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২০১৬ সাউথ ক্যারোলিনা রিপাবলিকান ডিবেট। * ২০০৪ সালে ইরাকের শহর ফালুজার ওপর মার্কিন মেরিনদের আক্রমণেও একই রকম নৃশংসতা দেখা গিয়েছিল। শহরের ৩৯,০০০ ভবনের মধ্যে ১৮,০০০ ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। ১২০ জনেরও বেশি আমেরিকান এবং হাজার হাজার ইরাকি বেসামরিক নাগরিক ও বিদ্রোহী নিহত হয়েছিল।... প্রায় এক দশক পরে, মোসুল থেকে আনুমানিক ৫,০০০ আইএসআইএস জঙ্গিকে নির্মূল করতে কুর্দি পেশমার্গা সহ ১,০০,০০০ ইরাকি বাহিনীর এক বছর সময় লেগেছে। নিঃসন্দেহে এর ক্ষয়ক্ষতি ১৯৬৮ সালের হুয়ে যুদ্ধের চেয়েও অনেক বেশি হবে। ** বিং ওয়েস্ট, [https://www.theatlantic.com/international/archive/2017/06/urban-warfare-hue-mosul/532173/ “আর্বান ওয়ারফেয়ার, দেন অ্যান্ড নাউ”], ''দ্য আটলান্টিক'', (৩০ জুন ২০১৭)। * '''লরেন্স উইলকারসন:''' প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ জাতিসংঘে উপস্থাপনা ছাড়াই যুদ্ধের নির্দেশ দিতেন, এমনকি যদি সেক্রেটারি পাওয়েল তা উপস্থাপনে ব্যর্থ হতেন তবুও। কিন্তু সেক্রেটারি পাওয়েলের ভাবমূর্তি আমেরিকানদের যুদ্ধের দিকে ধাবিত করার দুই বছরব্যাপী প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। সেই প্রচেষ্টাই ইরাকের সাথে একটি ওয়ার অফ চয়েস বাপছন্দের যুদ্ধের দিকে নিয়ে গিয়েছিল—যা এই অঞ্চল এবং মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের জন্য বিপর্যয়কর ক্ষতি ডেকে এনেছিল এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করে তুলেছিল। ** লরেন্স উইলকারসন, [https://www.nytimes.com/2018/02/05/opinion/trump-iran-war.html “আই হেল্পড সেল দ্য ফলস চয়েস অফ ওয়ার ওয়ান্স”], ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', (৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)। * যখন আমি ইরাকের সাথে যুদ্ধের দিকে আমাদের সেই অবিচল পদযাত্রার দিকে ফিরে তাকাই, তখন বুঝতে পারি যে আমরা নিম্নমানের বা নিজেদের পছন্দমতো বাছাই করা গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার করেছি কি না তা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল না; এটি দাবি করা অবাস্তব ছিল যে যুদ্ধ নিজেই নিজের খরচ মেটাবে; এবং আমরা হয়তো চরম নির্বোধ ছিলাম এটা ভেবে যে যুদ্ধ গণতন্ত্রের দিকে নিয়ে যাবে। আমাদের কর্মকাণ্ডের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল আমেরিকান জনগণের কাছে ইরাক যুদ্ধের যৌক্তিকতা বিক্রি করা। ** লরেন্স উইলকারসন, [https://www.nytimes.com/2018/02/05/opinion/trump-iran-war.html “আই হেল্পড সেল দ্য ফলস চয়েস অফ ওয়ার ওয়ান্স”], ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', (৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)। * '''এরিক জুয়েস:''' ইরাকের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের জন্য মার্কিন সরকারের বিচার হওয়া উচিত কারণ সেগুলো অত্যন্ত ভয়াবহ এবং সংখ্যায় অনেক; এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে পড়তেই থাকবে। এর ফলে আমরা বর্তমানে একটি আন্তর্জাতিকভাবে আইনহীন বিশ্বে বাস করছি যেখানে “যার জোর তার মুল্লুক” নীতি চলছে। উদাহরণস্বরূপ কন্ডোলিজা রাইসের কথা ধরুন, যিনি কুখ্যাতভাবে সতর্ক করেছিলেন যে “আমরা ধোঁয়া ওঠা বন্দুককে (প্রমাণ) মাশরুম ক্লাউড (পারমাণবিক বিস্ফোরণ) হিসেবে দেখতে চাই না।” এটি ছিল আমেরিকান জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য অন্যতম কার্যকর মিথ্যা। ** এরিক জুয়েস, [https://ahtribune.com/world/north-africa-south-west-asia/iraq/4160-us-must-be-prosecuted.html “হোয়াই ইউ.এস. মাস্ট বি প্রসিকিউটেড ফর ইটস ওয়ার ক্রাইমস এগেইনস্ট ইরাক”], ''আমেরিকান হেরাল্ড ট্রিবিউন'', (১৬ মে ২০২০)। * ১৫ মার্চ ২০১৮ তারিখে মেডিয়া বেঞ্জামিন এবং নিকোলাস জে.এস. ডেভিস লিখেছিলেন যে, “আমাদের গণনা অনুযায়ী ২০০৩ সালের আক্রমণের পর থেকে ২৪ লক্ষ ইরাকি মৃত্যুর এক ভয়াবহ চিত্র পাওয়া যায়।” ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে বিজনেস ইনসাইডার জানিয়েছিল যে, আমেরিকান করদাতারা গড়ে জনপ্রতি ৮,০০০ ডলার এবং মোট ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি কেবল ইরাক যুদ্ধের জন্যই পরিশোধ করেছেন। বুশ গ্যাং ইরাকের বিরুদ্ধে যে আক্রমণাত্মক যুদ্ধ চালিয়েছে তা আমেরিকান জনগণের বিরুদ্ধেও একটি অপরাধ ছিল। ** এরিক জুয়েস, [https://ahtribune.com/world/north-africa-south-west-asia/iraq/4160-us-must-be-prosecuted.html “হোয়াই ইউ.এস. মাস্ট বি প্রসিকিউটেড ফর ইটস ওয়ার ক্রাইমস এগেইনস্ট ইরাক”], ''আমেরিকান হেরাল্ড ট্রিবিউন'', (১৬ মে ২০২০)। ==== ২০২১ ==== * সম্ভবত ২০০৩ সালে 'এসকুয়ার' ম্যাগাজিনের জন্য আমার ইরাক সফরের মতো অন্য কোনো ঘটনা আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে এতটা বদলে দেয়নি। আমি সেখানে গিয়েছিলাম যুদ্ধের এবং নব্য-রক্ষণশীলতার একজন মৃদু সমর্থক হিসেবে। কিন্তু দেশে ফিরেছিলাম উভয়েরই এক দৃঢ় বিরোধী হয়ে। ইরাকের বাস্তবতা ওয়াশিংটনে আমাদের করা আলোচনার সাথে একেবারেই মিল ছিল না।... আমেরিকা একটি ঔপনিবেশিক শক্তি হওয়ার উপযুক্ত ছিল না। দখলদাররা দখলকৃত দেশকে শাসন করে; তারা শৃঙ্খলা ও স্পষ্টতা আনে। কিন্তু আমেরিকা তার কোনোটিই করতে সক্ষম ছিল না। ** '''''টাকার কার্লসন''''', ''দ্য লং স্লাইড: থার্টি ইয়ার্স ইন আমেরিকান জার্নালিজম'' (২০২১)। * আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে নব্য-রক্ষণশীলতার মধ্যে রক্ষণশীল কিছু নেই। নেওকনরা আসলে হাতে বন্দুক থাকা উদারপন্থী, যারা সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক ধরনের হয়ে থাকে। ** '''''টাকার কার্লসন''''', ''দ্য লং স্লাইড: থার্টি ইয়ার্স ইন আমেরিকান জার্নালিজম'' (২০২১)। * '''জশুয়া ফাউস্ট:''' ইরাক যুদ্ধ নিয়ে তৈরি কোনো [[:w:ভিডিও গেম|ভিডিও গেম]] হয়তো যুদ্ধের রাজনীতি নিয়ে বড় কোনো প্রশ্ন তোলে বলে মনে নাও হতে পারে; কিন্তু গণমাধ্যমের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে ভিডিও গেম মানুষের আবেগীয় অবস্থা, চিন্তাধারা এবং উপলব্ধিকে প্রভাবিত করতে পারে। প্রতি বছর সামরিক থিমের ফার্স্ট পারসন শ্যুটার গেমগুলো কোটি কোটি ডলার রাজস্ব তৈরি করে। ** জশুয়া ফাউস্ট, [https://www.brookings.edu/techstream/video-games-are-the-new-contested-space-for-public-policy/ “ভিডিও গেমস আর দ্য নিউ কন্টেস্টেড স্পেস ফর পাবলিক পলিসি”], ''ব্রুকিংস ইনস্টিটিউট'', (২৫ মার্চ ২০২১)। * 'ফুল স্পেকট্রাম ওয়ারিয়র' গেমটির কথা ধরা যাক, যা ২০০৪ সালে মার্কিন সেনা সদস্যদের প্রশিক্ষণের সিমুলেটর হিসেবে তৈরি করা শুরু হয়েছিল। ইরাকের একটি কাল্পনিক সংস্করণে সেট করা এই গেমটিতে কেবল গুলি করার জন্য আরব পুরুষদের দেখানো হয়েছে। এর বিপণনে একে "বাস্তবসম্মত" এবং পেন্টাগনের পরামর্শে তৈরি বলে দাবি করা হলেও, গেমটি যুদ্ধের জটিলতাকে এড়িয়ে সামরিক বাহিনীকে প্রশ্নাতীতভাবে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরেছে—যা খেলার জন্য উপভোগ্য হলেও ইরাক যুদ্ধের বাস্তব প্রতিফলন নয়। ** জশুয়া ফাউস্ট, [https://www.brookings.edu/techstream/video-games-are-the-new-contested-space-for-public-policy/ “ভিডিও গেমস আর দ্য নিউ কন্টেস্টেড স্পেস ফর পাবলিক পলিসি”], ''ব্রুকিংস ইনস্টিটিউট'', (২৫ মার্চ ২০২১)। * মার্কিন সামরিক বাহিনী 'সিক্স ডেইজ ইন ফালুজা' গেমটির উৎপাদনের সাথেও জড়িত বলে মনে হয়, যা ইরাক যুদ্ধ সম্পর্কে মানুষের ধারণাকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ২০০৯ সালে এটি অত্যন্ত বিতর্কিত হওয়ার কারণে পাবলিকেশন বাতিল করা হয়েছিল। সিআইএর বিনিয়োগকারী শাখা In-Q-Tel ২০০৫ সালে এই কোম্পানির সাথে অংশীদারিত্ব করেছিল। সরকারের সাথে এমন গভীর সম্পর্ক থাকা কোনো কোম্পানি "রাজনীতিহীন" গেম তৈরি করতে পারে—এমন দাবি ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছিল। ** জশুয়া ফাউস্ট, [https://www.brookings.edu/techstream/video-games-are-the-new-contested-space-for-public-policy/ “ভিডিও গেমস আর দ্য নিউ কন্টেস্টেড স্পেস ফর পাবলিক পলিসি”], ''ব্রুকিংস ইনস্টিটিউট'', (২৫ মার্চ ২০২১)। * প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ শত্রুর চূড়ান্ত পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হয়নি, বরং একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে শেষ হয়েছিল; যার ফলে সেখানে একটি বিশাল সেনাবাহিনী থেকে যায় যা জাতিসংঘের চুক্তিকে অবজ্ঞা করতে থাকে এবং প্রতি বছর মার্কিন করদাতাদের লক্ষ লক্ষ ডলার অপচয় করে। সাদ্দাম হুসাইনের শাসনামলে হাজার হাজার ইরাকি প্রাণ হারায়। দীর্ঘ বারো বছর পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় ইরাকের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। এই দ্বিতীয় যুদ্ধটিই 'ইরাক যুদ্ধ' হিসেবে পরিচিতি পায়। ২০১১ সালে প্রধান মার্কিন বাহিনী ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ হয়েছে বলে মনে হলেও, ওবামা প্রশাসনের অধীনে জোট বাহিনী খুব দ্রুত সরে আসায় সেখানে এক শূন্যতার সৃষ্টি হয় এবং আইএসআইএসের উত্থান ঘটে। অবশেষে, ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসআইএস ধ্বংস হয় এবং ইরাক অবশেষে কিছুটা শান্তি খুঁজে পায়। ** প্যাট্রিক ও'কেলি, ''ট্রিপল ক্যানোপি: এ ওয়ারিয়র’স জার্নি ফ্রম গ্রেনাডা টু ইরাক'' (২০১৪), ২০২১ পুনর্মুদ্রণ। * '''জেরেমি স্ক্যাহিল:''' তারপর ৯/১১-এর হামলা হলো। সহজভাবে বলতে গেলে, বুশ প্রশাসন যা চেয়েছিল, [[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]] তার প্রায় সবকিছুই সমর্থন করেছিলেন। বাইডেন কেবল ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণ ও দখলের পক্ষেই ভোট দেননি, বরং মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই যুদ্ধকে সহজতর করতে তিনি মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন। ** জেরেমি স্ক্যাহিল, [https://www.democracynow.org/2021/4/28/empire_politician_joe_biden_jeremy_scahill “এম্পায়ার পলিটিশিয়ান: জো বাইডেন’স হাফ-সেঞ্চুরি রেকর্ড অন ফরেন পলিসি”], ''ডেমোক্রেসি নাও'', (২৮ এপ্রিল ২০২১)। * ইরাক আক্রমণের ফলে দেশটির [[:w:খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টান]] সম্প্রদায় প্রায় সম্পূর্ণ বিলুপ্তির পথে চলে গেছে। সিরিয়ায় [[:w:বাশার আল-আসাদ|বাশার আল-আসাদকে]] ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টার ফলে দেশটির খ্রিস্টানরা কট্টর ইসলামপন্থীদের দ্বারা নৃশংস হামলার শিকার হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে একজন খ্রিস্টান হওয়ার অর্থ হলো ক্রমাগত এই ভয়ে থাকা যে—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কখন আপনার দেশের দিকে নজর দেবে; কারণ আমেরিকা যেখানেই পৌঁছায়, মুজাহিদিনরা সেখান থেকে খুব বেশি দূরে থাকে না। ** নিকোলো সোলডো, [https://niccolo.substack.com/p/saturday-commentary-and-review-63 “স্যাটারডে কমেন্টারি অ্যান্ড রিভিউ #৬৩”], ''সাবস্ট্যাক'', ২৯ নভেম্বর ২০২১। * আমেরিকার লড়া কিছু যুদ্ধ ছিল "স্রেফ মুনাফা লাভের জন্য" এবং কিছু দেশের ওপর তারা যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তা যুদ্ধের মতোই ধ্বংসাত্মক... যুদ্ধের পেছনে অন্যতম বড় কারণ হলো মুনাফা, যা এখন খুব নগ্নভাবে প্রকাশিত। বোমা, বিমান এবং যানবাহন প্রস্তুতকারী প্রতিরক্ষা শিল্প সংস্থাগুলো এবং ব্যক্তিগত সামরিক ঠিকাদাররা যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল পর্যন্ত ট্রিলিয়ন ডলার আয় করেছে। তাই যুদ্ধ জেতা তাদের লক্ষ্য ছিল না; লক্ষ্য ছিল যুদ্ধ যেন চিরকাল চলতে থাকে। ** ড্যানিয়েল কোভালিক, ''সিনহুয়া''-র সাথে সাক্ষাৎকার (৮ ডিসেম্বর ২০২১)। ==== ২০২৩ ==== * '''আজ থেকে বিশ বছর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য একটি ভুল গোয়েন্দা তথ্য, বিশ্বের কাছে করা মাসের পর মাস মিথ্যাচার এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি চরম অবজ্ঞার ওপর ভিত্তি করে একটি বিপর্যয়কর সামরিক অভিযানে ইরাক আক্রমণ করেছিল।''' এই আক্রমণ লক্ষ লক্ষ বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু, কয়েক দশকের গৃহযুদ্ধ এবং ইরাকে চরম সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পথ তৈরি করেছিল, যা ইসলামিক স্টেট সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর উত্থানে সাহায্য করে। পেন্টাগন এবং তার মিত্ররা ধরে নিয়েছিল যে—একটি দূরবর্তী জাতি এবং তার জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করতে কেবল উন্নত প্রযুক্তি এবং সামরিক শ্রেষ্ঠত্বই যথেষ্ট। ** এমা গ্রাহাম-হ্যারিসন এবং সালিম হাবিব, [https://www.theguardian.com/world/2023/mar/19/the-us-army-destroyed-our-lives-five-iraqis-on-the-war-that-changed-the-middle-east "‘দ্য ইউএস আর্মি ডেসট্রয়েড আওয়ার লাইভস’: ফাইভ ইরাকিস অন দ্য ওয়ার দ্যাট চেঞ্জড দ্য মিডল ইস্ট"], ''দ্য গার্ডিয়ান'', (১৯ মার্চ ২০২৩)। * '''১ মে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ একটি বিমানবাহী রণতরীতে বেশ নাটকীয়ভাবে হাজির হয়ে "মিশন অ্যাকমপ্লিশড" (অভিযান সফল) হওয়ার ঘোষণা দেন। আমেরিকা ইরাকে "প্রধান যুদ্ধ অভিযানসমূহ" সমাপ্ত ঘোষণা করেছিল। এটি ছিল এমন এক ভাষণ যা আমেরিকার ঔদ্ধত্য, অজ্ঞতা এবং ইরাকের বাস্তব পরিস্থিতির প্রতি অবজ্ঞাকেই প্রকাশ করেছিল, যেখানে কয়েক দশকের রক্তক্ষয়ী অধ্যায় কেবল শুরু হতে যাচ্ছিল।''' ** এমা গ্রাহাম-হ্যারিসন এবং সালিম হাবিব, [https://www.theguardian.com/world/2023/mar/19/the-us-army-destroyed-our-lives-five-iraqis-on-the-war-that-changed-the-middle-east ''দ্য গার্ডিয়ান''], (১৯ মার্চ ২০২৩)। * ব্রিটেনের এই যুদ্ধে সম্পৃক্ততা নিয়ে তৈরি হওয়া সেই অভিশপ্ত 'চিলকট রিপোর্ট' পরবর্তীতে জানায় যে—যুক্তরাজ্য শান্তি আলোচনার সমস্ত পথ নিঃশেষ হওয়ার আগেই এই আক্রমণে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার সাদ্দাম হুসাইনের পক্ষ থেকে আসা হুমকির বিষয়টিকে ইচ্ছাকৃতভাবে বাড়িয়ে বলেছিলেন। ব্রিটেনের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো শুরু থেকেই এই ভুল ধারণার ওপর ভিত্তি করে "ত্রুটিপূর্ণ তথ্য" সরবরাহ করেছিল যে সাদ্দামের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র আছে; তারা এই সম্ভাবনাটি বিবেচনা করার কোনো চেষ্টাই করেনি যে তিনি হয়তো সেগুলো আগেই ধ্বংস করে ফেলেছেন—যা আসলে তিনি করেছিলেন। ব্লেয়ার আক্রমণের পর ইরাক যে গৃহযুদ্ধে নিমজ্জিত হতে পারে সেই সতর্কবাণীগুলো উপেক্ষা করেছিলেন, যার মধ্যে মার্কিন স্টেট সেক্রেটারি কলিন পাওয়েলের সেই নিখুঁত ভবিষ্যদ্বাণীও ছিল—"সাদ্দাম চলে যাওয়ার পর এক ভয়াবহ প্রতিহিংসার রক্তপাত শুরু হবে।" চিলকট রিপোর্টে দেখা গেছে যে, সামগ্রিকভাবে ব্রিটেন ইরাকে তার লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। এই যুদ্ধ আন্তর্জাতিক মঞ্চে মার্কিন ও ব্রিটিশ কর্তৃত্বকে ক্ষুণ্ণ করেছে, যার নেতিবাচক প্রভাব আজও বিদ্যমান। ** এমা গ্রাহাম-হ্যারিসন এবং সালিম হাবিব, [https://www.theguardian.com/world/2023/mar/19/the-us-army-destroyed-our-lives-five-iraqis-on-the-war-that-changed-the-middle-east "‘দ্য ইউএস আর্মি ডেসট্রয়েড আওয়ার লাইভস’: ফাইভ ইরাকিস অন দ্য ওয়ার দ্যাট চেঞ্জড দ্য মিডল ইস্ট"], ''দ্য গার্ডিয়ান'', (১৯ মার্চ ২০২৩)। == আরও দেখুন == * [[:w:ইরাক|ইরাক]] * [[:w:ইরাক যুদ্ধ|ইরাক যুদ্ধ]] * [[:w:গণবিধ্বংসী অস্ত্র|গণবিধ্বংসী অস্ত্র]] * [[:w:উপসাগরীয় যুদ্ধ|উপসাগরীয় যুদ্ধ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{Commons category}} {{উইকিসংবাদ}} [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইরাক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইরাক যুদ্ধ]] 6ultadls15h67et3vceqbxmp0lmuhqd 81772 81768 2026-04-28T01:19:13Z Oindrojalik Watch 4169 81772 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[চিত্র:US_Navy_041114-M-8205V-005_Iraqi_Special_Forces_Soldiers_assigned_to_the_1st_Marines,_patrol_south_clearing_every_house_on_their_way_through_Fallujah,_Iraq,_during_Operation_Al_Fajr_(New_Dawn).jpg|thumb|"যা ঘটেছে তার জন্য কি আমি অপরাধবোধে ভুগছি?" উত্তর হলো "না, আমি ভুগছি না।" ~ '''''জর্জ ডব্লিউ বুশ''''']] [[চিত্র:Iraq War montage.png|thumb|আজ থেকে বিশ বছর আগে ভুল গোয়েন্দা তথ্য, মাসের পর মাস বিশ্ববাসীর কাছে মিথ্যাচার এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি চরম অবজ্ঞা প্রদর্শন করে এক বিপর্যয়কর সামরিক অভিযানে ইরাক আক্রমণ করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।<br>এই আক্রমণের পরিণতিতে ইরাকে লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়, শুরু হয় কয়েক দশকের গৃহযুদ্ধ ও নৃশংস সাম্প্রদায়িক সহিংসতা এবং জন্ম নেয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। ~ '''''এমা গ্রাহাম-হ্যারিসন এবং সালিম হাবিব''''']] '''[[:w:ইরাক যুদ্ধ|ইরাক যুদ্ধ]]''' ছিল একটি '''[[:w:ইরাক যুদ্ধ|দীর্ঘস্থায়ী সশস্ত্র সংঘাত]]''' যা ২০০৩ সালে [[:w:সদ্দাম হুসাইন|সাদ্দাম হুসাইনের]] সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যে [[:w:ইরাকে বহুজাতিক বাহিনী|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একটি জোটের]] [[:w:ইরাক আক্রমণ|ইরাক আক্রমণের]] মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। পরবর্তী দশকের অনেকটা সময় জুড়ে এই সংঘাত চলতেই থাকে, কারণ দখলদার বাহিনী এবং যুদ্ধ-পরবর্তী ইরাকি সরকারের বিরোধিতায় সেখানে একটি [[:w:ইরাকি বিদ্রোহ (২০০৩-১১)|বিদ্রোহের]] সৃষ্টি হয়েছিল। একটি অনুমান অনুযায়ী এই যুদ্ধে ১,৫০,০০০ থেকে ১০,৩৩,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে ১,০০,০০০ জনেরও বেশি ছিলেন সাধারণ নাগরিক। তাদের বেশিরভাগই মারা গেছেন প্রাথমিক বিদ্রোহ এবং গৃহযুদ্ধের সময়। ২০১৩-২০১৭ সালের ইরাক যুদ্ধকে এই আক্রমণ ও দখলদারিত্বের একটি ধারাবাহিক প্রভাব বা 'ডোমিনো ইফেক্ট' হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা অন্তত ১,৫৫,০০০ মানুষের মৃত্যু ঘটিয়েছিল এবং ৩৩ লক্ষেরও বেশি ইরাকিকে দেশের অভ্যন্তরে বাস্তুচ্যুত করেছিল। এই যুদ্ধ আন্তর্জাতিক মহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট [[:w:জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডব্লিউ বুশের]] অভ্যন্তরীণ জনপ্রিয়তা ও ভাবমূর্তির ক্ষতি করেছিল। এমনকি ২০০৭ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী [[:w:টনি ব্লেয়ার|টনি ব্লেয়ারের]] পদত্যাগের পেছনেও এই যুদ্ধের ভূমিকা ছিল। [[চিত্র:Car bomb in Iraq.jpg|thumb|আমরা আমেরিকাকে বলতে চাই: এটি কি আপনাদের জন্য সত্যিই সার্থক? এর ফলে কি পরবর্তীতে মুসলিম বিশ্বে কয়েক দশকের শত্রুতা তৈরি হবে না? ~ '''''অ্যাঞ্জেলো সোডানো''''']] [[চিত্র:Hans Blix in Vienna 2002.jpg|thumb|জাতিসংঘের প্রধান অস্ত্র পরিদর্শক হ্যান্স ব্লিক্স... ইরাকে পারমাণবিক অস্ত্রের কোনো প্রমাণ পাননি। মার্কিন ও ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক উপস্থাপিত প্রতিটি প্রমাণই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ~ '''''অরুন্ধতী রায়''''']] [[চিত্র:Iraq-m1 abrams.jpg|thumb|আজকের এই আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, তা যতই যুক্তিযুক্ত হোক না কেন, ভবিষ্যতে অনাকাঙ্ক্ষিত ফলাফল নিয়ে ফিরে আসতে পারে.... আপনার বোমা আর অস্ত্রগুলো যতই নির্ভুল হোক না কেন, সেগুলো যখন আঘাত হানবে, তখন নিরপরাধ মানুষই মারা যাবে। ~ '''''বিল ক্লিনটন''''']] [[চিত্র:President_Barack_Obama.jpg|thumb|আমরা ইরাকে এই যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছি, এমন একটি যুদ্ধ যা কখনই অনুমোদিত হওয়া উচিত ছিল না এবং যা কখনই করা উচিত ছিল না। এই যুদ্ধ আমাদের দিনে ২৭ কোটি ৫০ লক্ষ ডলার খরচ করাচ্ছে; যে অর্থ এই দেশের চারপাশের সমাজ পুনর্গঠনে বিনিয়োগ করা যেত। এখন সময় এসেছে এই বোঝা ঝেড়ে ফেলার! ~ '''''বারাক ওবামা''''']] [[চিত্র:Pic of ramadi.jpg|thumb|তারা সেতু ধ্বংস করেছে, গির্জা, মসজিদ, কলেজ, ভবন আর কলকারখানা ধ্বংস করেছে। তারা জনপদ, ঘরবাড়ি আর প্রাসাদ গুঁড়িয়ে দিয়েছে। তারা বয়োবৃদ্ধসহ বহু মানুষকে হত্যা করেছে; কিন্তু তারা ইরাককে প্রাক-শিল্প যুগে ফিরিয়ে নিতে পারেনি। ~ '''''সদ্দাম হুসাইন''''']] [[চিত্র:Arundhati Roy delivering a talk on “The Doctor and The Saint- The Ambedkar-Gandhi Debate,” JMI.jpg|thumb|ইরাক আক্রমণ নিশ্চিতভাবেই ইতিহাসের অন্যতম কাপুরুষোচিত যুদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ছিল এমন এক যুদ্ধ যেখানে একদল ধনী দেশ—যাদের কাছে বিশ্বকে কয়েকবার ধ্বংস করার মতো পারমাণবিক অস্ত্র ছিল—তারা একটি দরিদ্র দেশকে ঘিরে ধরেছিল। তারা সেই দেশটির বিরুদ্ধে মিথ্যা পারমাণবিক অস্ত্র রাখার অভিযোগ তুলেছিল, জাতিসংঘকে ব্যবহার করে তাদের নিরস্ত্রীকরণে বাধ্য করেছিল এবং তারপর সেখানে আক্রমণ ও দখলদারিত্ব চালিয়ে এখন তা বিক্রির প্রক্রিয়ায় লিপ্ত হয়েছে। ~ '''''অরুন্ধতী রায়''''']] [[চিত্র:Ricardo Sanchez2.jpg|thumb|এই যুদ্ধের সাথে জড়িত আমাদের জাতীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতার জবাবদিহিতা কে চাইবে? তারা নিঃসন্দেহে তাদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছেন। আমার পেশায় এই ধরনের নেতাদের তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করা হতো কিংবা কোর্ট মার্শালে বিচার করা হতো। ~ লেফটেন্যান্ট জেনারেল '''''রিকার্ডো সানচেজ''''']] [[চিত্র:President_Donald_Trump.jpg|thumb|আমাদের কখনোই ইরাকে যাওয়া উচিত হয়নি, আমরা মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করে তুলেছি। ~ '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''']] [[চিত্র:SaddamStatue.jpg|thumb|২০০৩ সালের ৯ এপ্রিল বিশ্বজুড়ে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো বাগদাদের [[:w:ফিরদৌস চত্বর|ফিরদৌস চত্বরের]] একটি সরাসরি দৃশ্য দেখায়। সাধারণ ইরাকি এবং ইউনিফর্ম পরা মার্কিন সেনাদের একটি মিশ্র দল—যারা তখন বাগদাদ দখল করতে শুরু করেছিল—[[:w:ফিরদৌস চত্বরের মূর্তি অপসারণ|সদ্দাম হোসেনের একটি বিশাল মূর্তি টেনে নামিয়ে আনে]]। এটি ছিল নিপুণভাবে সাজানো একটি প্রচারণামূলক মহড়া, যার উদ্দেশ্য ছিল নব্য-রক্ষণশীলদের সেই প্রতিশ্রুতিকে জোরালো করা যে—সাধারণ ইরাকিরা এই শাসনামলের পতনে উচ্ছ্বসিত হবে এবং মার্কিন সেনাদের 'মুক্তিদাতা' হিসেবে স্বাগত জানাবে। ... সেই মুহূর্তটির জন্যই একটি বিশাল ব্যানার তৈরি করা হয়েছিল। বাস্তবে, বিশেষ এই যুদ্ধটি তখন কেবল শুরু হচ্ছিল এবং তা [[:w:বর্তমান|আজও]] অব্যাহত রয়েছে। ~ '''''জেরেমি স্কাহিল''''']] [[চিত্র:Protest against war funding at the office of Representative McCollum (4619890477).jpg|thumb|ইরাকে মার্কিন যুদ্ধ সেই হাজার হাজার বা লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষের কী ক্ষতি করবে, তা নিয়ে কোনো আলোচনা নেই—যারা ভূ-রাজনীতি বা সামরিক কৌশল নিয়ে মোটেও চিন্তিত নয়, যারা কেবল চায় তাদের সন্তানরা বেঁচে থাকুক এবং বড় হোক। তারা 'জাতীয় নিরাপত্তা' নিয়ে নয়, বরং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, খাদ্য, আশ্রয়, চিকিৎসা সেবা এবং শান্তি নিয়ে চিন্তিত। আমি সেইসব ইরাকি এবং আমেরিকানদের কথা বলছি যারা নিশ্চিতভাবেই এমন যুদ্ধে প্রাণ হারাবে, কিংবা হাত-পা হারাবে, অথবা অন্ধ হয়ে যাবে। নতুবা তারা এমন কোনো অদ্ভুত ও যন্ত্রণাদায়ক ব্যাধিতে আক্রান্ত হবে, যা তাদের বিকলাঙ্গ সন্তান জন্ম দিতে বাধ্য করবে। ~ '''''হাওয়ার্ড জিন''''']] == উক্তি == * সাদ্দাম হুসাইনকে নির্মূল করার চেষ্টা করা এবং স্থলযুদ্ধকে ইরাক দখলের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া আমাদের সেই নীতিকে লঙ্ঘন করত—যেখানে মাঝপথে লক্ষ্য পরিবর্তন না করা এবং '''"মিশন ক্রিপে" (ধীরে ধীরে লক্ষ্যের বিস্তার ঘটানো) না জড়ানোর কথা বলা হয়েছিল; এবং এর ফলে অকল্পনীয় মানবিক ও রাজনৈতিক মূল্য চোকাতে হতো।''' তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভবত অসম্ভব ছিল। আমরা পানামায় [[:w:মানুয়েল নরিয়েগা|নরিয়েগাকেই]] খুঁজে পাইনি, অথচ সেই জায়গাটি আমাদের খুব ভালোভাবেই চেনা ছিল। আমাদের বাগদাদ দখল করতে এবং কার্যত ইরাক শাসন করতে বাধ্য হতে হতো। এতে তাৎক্ষণিকভাবে জোটটি ভেঙে যেত, আরবরা ক্ষোভে জোট ত্যাগ করত এবং অন্যান্য মিত্ররাও সরে দাঁড়াত। সেই পরিস্থিতিতে, '''আমাদের চোখে পড়ার মতো কোনো টেকসই "প্রস্থান কৌশল" (exit strategy) ছিল না,''' যা আমাদের আরেকটি নীতিকে লঙ্ঘন করত। অধিকন্তু, আমরা [[:w:স্নায়ুযুদ্ধ|স্নায়ুযুদ্ধ]]-পরবর্তী বিশ্বে আগ্রাসন মোকাবিলায় সচেতনভাবে একটি আদর্শ কাঠামো তৈরি করার চেষ্টা করছিলাম। ইরাকে প্রবেশ ও দখলদারিত্ব চালানো এবং এভাবে একতরফাভাবে [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] নির্দেশনার বাইরে যাওয়া আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার সেই নজিরটিকেই ধ্বংস করে দিত যা আমরা স্থাপন করতে চেয়েছিলাম। আমরা যদি আক্রমণের পথ বেছে নিতাম, তবে ধারণা করা যায় যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আজও এক তিক্ত শত্রুতাপূর্ণ ভূমিতে দখলদার শক্তি হিসেবে রয়ে যেত। এটি হতে পারত এক নাটকীয়ভাবে ভিন্ন এবং সম্ভবত একটি নিষ্ফল পরিণতি। ** '''''জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ''''', ''এ ওয়ার্ল্ড ট্রান্সফর্মড'' (১৯৯৮) * আজকের এই আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, তা যতই যুক্তিযুক্ত হোক না কেন, ভবিষ্যতে অনাকাঙ্ক্ষিত ফলাফল নিয়ে ফিরে আসতে পারে.... আপনার বোমা আর অস্ত্রগুলো যতই নির্ভুল হোক না কেন, সেগুলো যখন আঘাত হানবে, তখন নিরপরাধ মানুষই মারা যাবে। ** '''''বিল ক্লিনটন''''', "[https://web.archive.org/web/20110513103153/http://www.independent.co.uk/news/world/politics/clinton-urges-caution-over-iraq-as-bush-is-granted-war-powers-607775.html ক্লিনটন আর্জেস কশন ওভার ইরাক অ্যাজ বুশ ইজ গ্রান্টেড ওয়ার পাওয়ারস]"। (৩ অক্টোবর ২০০২)। ''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।'' * যারা [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি|আমেরিকান কূটনীতির]] ইতিহাস পড়েছেন, বিশেষ করে সামরিক কূটনীতি, তারা জানেন যে—আপনি যখন কোনো যুদ্ধ শুরু করেন তখন আপনার মাথায় হয়তো নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য থাকে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আপনি নিজেকে এমন সবকিছুর জন্য লড়াই করতে দেখবেন যা আপনি আগে কখনোই ভাবেননি... অন্য কথায়, '''যুদ্ধের নিজস্ব একটি গতিবেগ থাকে এবং আপনি যখন এতে জড়িয়ে পড়েন, তখন এটি আপনাকে আপনার সমস্ত সুচিন্তিত উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়।''' আজ যদি আমরা ইরাকে প্রবেশ করি, যেমনটা প্রেসিডেন্ট আমাদের দিয়ে করাতে চাচ্ছেন, তবে আপনি কেবল জানেন যে আপনি কোথা থেকে শুরু করছেন। কিন্তু আপনি কখনোই জানবেন না যে এর শেষ কোথায় হবে। ** '''''জর্জ এফ. কেনান''''', উদ্ধৃতঃ [https://www.hnn.us/article/george-kennan-speaks-out-about-iraq "জর্জ কেনান স্পিকস আউট অ্যাবাউট ইরাক"] , ''হিস্ট্রি নিউজ নেটওয়ার্ক'' (২৬ সেপ্টেম্বর ২০০২) * '''তারা [[:w:সেতু|সেতু]] ধ্বংস করেছে, তারা এমনকি [[:w:গির্জা|গির্জা]], [[:w:মসজিদ|মসজিদ]], [[:w:কলেজ|কলেজ]], [[:w:ভবন|ভবন]] আর কলকারখানাগুলো ধ্বংস করেছে। তারা জনপদ, ঘরবাড়ি আর প্রাসাদ গুঁড়িয়ে দিয়েছে। তারা বয়োবৃদ্ধসহ বহু মানুষকে হত্যা করেছে;''' কিন্তু তারা ইরাককে প্রাক-শিল্প যুগে ফিরিয়ে নিতে পারেনি। ** '''''সাদ্দাম হুসাইন''''', ড্যান রাদারের সাথে সাক্ষাৎকার, ''৬০ মিনিটস'', (২০০৩) * সেই দিনের উন্মাদনাময় পরিবেশে, মার্কিন [[:w:১০১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন|১০১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের]] সৈন্যদের অভিবাদন জানাতে আসা ভিড়ের মধ্যে এক ব্যক্তির চিৎকার করে বলা ইচ্ছ তালিকার চেয়ে সেরা আর কিছুই হতে পারত না। লোকটিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তার শহর থেকে বাথ পার্টি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এখন তিনি কী দেখার আশা করেন? মার্কিনীরা কী নিয়ে আসবে? লোকটি তার কণ্ঠস্বর উঁচিয়ে প্রতিটি শব্দকে গুরুত্ব দিয়ে বললেন, '''"[[:w:গণতন্ত্র|গণতন্ত্র]]। [[:w:হুইস্কি|হুইস্কি]]। এবং সেক্সি!"''' ** জিম ডয়ার, [https://www.nytimes.com/2003/04/03/world/a-nation-at-war-in-the-field-101st-airborne-a-bridgehead-and-a-thirsty-welcome.html ১০১তম এয়ারবোর্ন; এ ব্রিজহেড, অ্যান্ড আ থারাস্টি ওয়েলকাম], ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৩ এপ্রিল ২০০৩) * '''আমরা ইরাকে এই যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছি, এমন একটি যুদ্ধ যা কখনোই অনুমোদিত হওয়া উচিত ছিল না এবং যা কখনোই করা উচিত ছিল না। এই যুদ্ধ আমাদের দিনে ২৭ কোটি ৫০ লক্ষ ডলার খরচ করাচ্ছে; যে অর্থ এই দেশের চারপাশের সমাজ পুনর্গঠনে বিনিয়োগ করা যেত। এখন সময় এসেছে এই বুলেটের বোঝা ঝেড়ে ফেলার!''' ** '''''[[:w:বারাক ওবামা|বারাক ওবামা]]''''', ''হ্যাম্পটন ইউনিভার্সিটিতে দেওয়া ভাষণ'', জুন ২০০৭ [[চিত্র:18.Rally.AntiWar.WDC.15March2003 (15901828924).jpg|thumb|আসলে কার্যকর কোনো আন্তর্জাতিক আইন বলে কিছু নেই। এটি নিছকই "গ্যাংস্টার আইন" ~ এরিক জুয়েসে]] * হোয়াইট হাউস হাবুশ থেকে সাদ্দাম হুসাইনের কাছে পাঠানো একটি জাল চিঠি তৈরি করেছিল, যেটিতে ২০০১ সালের ১ জুলাইয়ের তারিখ বসিয়ে আগের সময় দেখানো হয়েছিল। এতে বলা হয়েছিল যে, [[:w:সেপ্টেম্বর ১১ হামলা|৯/১১]] হামলার মূল হোতা [[:w:মোহাম্মদ আতা|মোহাম্মদ আতা]] আসলে ইরাকে তার মিশনের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন—এভাবে অবশেষে সাদ্দাম হুসাইন এবং [[:w:আল-কায়েদা|আল-কায়েদার]] মধ্যে একটি কর্মক্ষম যোগসূত্র দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। ৯/১১ এর পর থেকে ইরাক আক্রমণের যৌক্তিকতা হিসেবে সাদ্দাম ও আল-কায়েদার সম্পর্ক প্রমাণের জন্য ভাইস প্রেসিডেন্টের দপ্তর [[:w:সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি|সিআইএ]]-কে ক্রমাগত চাপ দিয়ে আসছিল। বাস্তবে এমন কোনো যোগসূত্র নেই। ** রন সাসকাইন্ড, ''দ্য ওয়ে অফ দ্য ওয়ার্ল্ড''; পৃষ্ঠা ৩৭১ [বুশ সম্পর্কে] * [[:w:যুক্তরাজ্য সরকার|ব্রিটিশ]] সরকার এবং [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার|আমেরিকান সরকার]] আমাদের বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের শান্তির সমস্ত আশা চিরতরে ধ্বংস করতে চলেছে। এই যুদ্ধ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। ** '''''ভ্যানেসা রেডগ্রেভ''''', [http://archive.is/rDE9f পলিটিশিয়ানস, হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস অ্যান্ড সেলিব্রিটিজ জয়েন্ড মিলিয়নস অফ অর্ডিনারি পিপল অন দ্য স্ট্রিটস অফ ইউরোপ অন স্যাটারডে টু প্রোটেস্ট অ্যাগেইনস্ট আ রাশ টু ওয়ার উইথ ইরাক। দিজ আর সাম অফ দেয়ার ভিউজ] সিএনএন ডট কমে উদ্ধৃত, (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৩) * ডাউনটাউনের (হোয়াইট হাউস) লোকেরা এটি পছন্দ করবে না। ** তৎকালীন সিআইএ পরিচালক '''''জর্জ টেনেট''''', ২০০৩ সালের শুরুর দিকে যখন তিনি জানতে পারেন যে ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এবং সাদ্দাম হুসাইনের গোয়েন্দা প্রধান তাহির জালিল হাবুশের মধ্যে গোপন বৈঠক হয়েছে; হাবুশ দাবি করেছিলেন যে ইরাকের কাছে কোনো গণবিধ্বংসী অস্ত্র (WMD) নেই। ** রন সাসকাইন্ড, ''দ্য ওয়ে অফ দ্য ওয়ার্ল্ড''; "ডাউনটাউন" বলতে হোয়াইট হাউসকে বোঝানো হয়েছে। [বুশ সম্পর্কে] * কয়েক দশক ধরে [[:w:হেলেন থমাস|হেলেন থমাস]] ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনালের সংবাদদাতা হিসেবে হোয়াইট হাউসের খবর সংগ্রহ করেছেন.... এবং ২০০২ সালে যখন যুদ্ধের কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছিল, তখন তিনি নিজেকে গুটিয়ে রাখেননি। নভেম্বরের শুরুর দিকে [[:w:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি|এমআইটিতে]] দেওয়া এক ভাষণে থমাস বলেছিলেন, "বুশ এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা যদি তাদের লক্ষ্যে সফল হয়, তবে তা কেবল ইরাকের ওপর বোমা বর্ষণই হবে না, বরং আমাদের নাগরিক স্বাধীনতার ওপরও আঘাত হানবে।" নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের দিকে ফিরে তাকিয়ে তিনি আক্ষেপ করে বলেছিলেন: "সাংবাদিক থাকাকালীন দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর আমি নিজেই নিজের ওপর সেন্সরশিপ চালিয়েছি (মানে নিজেই নিজের কণ্ঠ রুদ্ধ করেছি)।" ** '''''নরমান সলোমন''''', [http://www.coldtype.net/Assets.04/Essays.04/TARGET.IRAQ.pdf ''টার্গেট ইরাক: হোয়াট দ্য নিউজ মিডিয়া ডিড নট টেল ইউ'', পৃষ্ঠা ২১] (২০০৩) * একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত সাদ্দাম হুসাইনের প্রস্থান একটি ইতিবাচক বিষয় ছিল। কিন্তু এটি এমন কিছু প্রতিক্রিয়ারও জন্ম দিয়েছে—যেমন অনেক দেশে [[:w:ইসলাম|ইসলামি]] ভাবধারার নারী-পুরুষদের সজাগ বা সচল করে তোলা, যা শেষ পর্যন্ত বিশ্বকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে। ** '''''জ্যাক শিরাক''''', [http://www.abovetopsecret.com/forum1.html] * আপনি যদি এই বিষয়গুলো লক্ষ্য করেন, তবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাবেন যে—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই মনোভাব [[:w:বিশ্ব শান্তি|বিশ্ব শান্তির]] জন্য একটি হুমকি। কারণ আমেরিকা যা বলছে তা হলো, আপনি যদি নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো পাওয়ারকে ভয় পান, তবে আপনি সেই পরিষদের বাইরে গিয়ে অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে ব্যবস্থা নিতে পারেন। তারা বিশ্বকে এই বার্তাই দিচ্ছে। এর কঠোরতম ভাষায় নিন্দা জানানো উচিত। ** '''''[[নেলসন ম্যান্ডেলা]]''''', [http://news.bbc.co.uk/2/hi/africa/2251067.stm][http://www.ilaam.net/Opinions/USAThreat.html] * বিশেষ করে এখানে আমেরিকার প্রত্যেকের মনে এখন যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি কাজ করছে, তা হলো ৯/১১ হিসেবে পরিচিত সেই ভয়াবহ ঘটনা। সেই প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় তিন হাজার সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। সেই শোক আজও গভীর, ক্রোধ আজও তীব্র। চোখের জল আজও শুকায়নি। আর বিশ্বজুড়ে এক অদ্ভুত, মারাত্মক যুদ্ধ চলছে। তবুও, যিনি তার প্রিয়জনকে হারিয়েছেন তিনি নিশ্চয়ই মনে মনে এবং গভীরভাবে জানেন যে—কোনো যুদ্ধ, কোনো প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ড, কিংবা অন্য কারও প্রিয়জন বা অন্য কারও সন্তানের ওপর ফেলা কোনো 'ডেজি-কাটার' (শক্তিশালী বোমা) তাদের ব্যথার উপশম ঘটাবে না বা তাদের প্রিয়জনকে ফিরিয়ে আনবে না। যুদ্ধ মৃতদের প্রতিশোধ নিতে পারে না; যুদ্ধ কেবল তাদের স্মৃতির এক নৃশংস অবমাননা। ** '''''অরুন্ধতী রায়''''', [https://dharma-records.buddhasasana.net/texts/arundhati-roys-speech-come-september ''কাম সেপ্টেম্বর'' ভাষণ, সান্টা ফে, নিউ মেক্সিকো], (২৯ সেপ্টেম্বর ২০০২) * মানুষের শোককে নিষ্ঠুরভাবে ব্যবহার করে আরেকটি যুদ্ধে—এবার ইরাকের বিরুদ্ধে—ইন্ধন দেওয়া, আর সেই শোককে ডিটারজেন্ট বা রানিং শু বিক্রিকারী [[:w:কর্পোরেশন|কর্পোরেশনগুলোর]] স্পনসর করা টিভি স্পেশাল প্রোগ্রামে মোড়কজাত করা আসলে শোককে সস্তা ও মূল্যহীন করে তোলা এবং এর অর্থকে ধুয়ে মুছে ফেলা। আমরা এখন যা দেখছি তা হলো শোকের ব্যবসার এক অশ্লীল প্রদর্শনী, শোকের বাণিজ্য, এমনকি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মানুষের অতি ব্যক্তিগত অনুভূতিগুলোকে লুণ্ঠন করা। একটি রাষ্ট্রের জন্য তার জনগণের সাথে এমন আচরণ করা অত্যন্ত ভয়াবহ ও সহিংস একটি বিষয়। ** '''''অরুন্ধতী রায়''''', [https://dharma-records.buddhasasana.net/texts/arundhati-roys-speech-come-september ''কাম সেপ্টেম্বর'' ভাষণ, সান্টা ফে, নিউ মেক্সিকো], (২৯ সেপ্টেম্বর ২০০২) * ৮ নভেম্বর, ২০০২... [[:w:ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও|ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও]] এর 'অল থিংস কনসিডারড' অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিনের সংবাদদাতা টম জেলটেনের একটি প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। তিনি রিপোর্ট করেছিলেন, "ইরাকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হবে বোমা বর্ষণ অভিযানের মাধ্যমে, আর সেই ধাপের জন্য প্রয়োজনীয় রসদ ইতিমধ্যেই অনেকাংশে প্রস্তুত রয়েছে।" তার সুর ছিল আশ্বস্ত করার মতো: "প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা আত্মবিশ্বাসী যে জাতিসংঘের সময়সীমা তাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। কারণ, তারা ইতিমধ্যে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। একজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তার ভাষায়—'যখন আদেশ আসবে, আমাদের রক এন রোল (অভিযান শুরু) করার জন্য তৈরি থাকতে হবে'।" পেন্টাগনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার পক্ষে এমন এক অভিযানের ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা সত্যিই উল্লেখযোগ্য, যা নিশ্চিতভাবেই বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেবে। এই মন্তব্যের কোনো সমালোচনা করা হয়নি; সংবাদ প্রতিবেদনের কয়েকশ শব্দের মধ্যেও এমন কোনো দৃষ্টিভঙ্গি ছিল না যা শ্রোতাদের যুদ্ধের মানবিক বিপর্যয় থেকে দূরে সরিয়ে রাখা এই অসাড় ভাষার বিপরীত কিছু বলে। এই ধরনের রিপোর্টিং নিরাপদ। এতে সরকারের উৎস, সংবাদ নির্বাহী, নেটওয়ার্ক মালিক, বিজ্ঞাপনদাতা বা 'পাবলিক ব্রডকাস্টিংয়ের' ক্ষেত্রে বড় বড় অনুদানকারীদের ক্ষুব্ধ করার সম্ভাবনা খুবই কম। যেখানে এনপিআর দিন দিন 'ন্যাশনাল পেন্টাগন রেডিও' হয়ে উঠছে বলে মনে হচ্ছে, সেখানে শ্রোতাদের আপত্তি কর্তৃপক্ষের কাছে খুব একটা গুরুত্ব পেয়েছে বলে মনে হয় না। ** '''''নরমান সলোমন''''', [http://www.coldtype.net/Assets.04/Essays.04/TARGET.IRAQ.pdf ''টার্গেট ইরাক: হোয়াট দ্য নিউজ মিডিয়া ডিড নট টেল ইউ'', পৃষ্ঠা ২৪] (২০০৩) * যুদ্ধের পথটি প্রাথমিকভাবে দ্রুততম সমাধান বলে মনে হতে পারে। কিন্তু আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, যুদ্ধে জেতার পর শান্তিকেও নতুন করে গড়ে তুলতে হয়। ** '''''[[:w:ডমিনিক দ্য ভিলপাঁ|ডমিনিক দ্য ভিলপাঁ]]''''' * বর্তমানে ইরাকের মতো যুদ্ধ যখন [[:w:মানবতা|মানবতার]] ভাগ্যকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়, তখন দৃঢ় ও জোরালো কণ্ঠে এটি ঘোষণা করা আরও বেশি জরুরি হয়ে পড়ে যে—কেবল শান্তিই হলো একটি ন্যায়বিচারপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ সমাজ গঠনের একমাত্র পথ। সহিংসতা এবং অস্ত্র কখনোই মানুষের সমস্যার সমাধান করতে পারে না। ** '''''পোপ জন পল দ্বিতীয়''''' [http://www.cjd.org/paper/jp2war.html] === ২০০৩ === * এই যুদ্ধ থামানোর জন্য এখনও খুব বেশি দেরি হয়ে যায়নি। আমাদের ততক্ষণ পর্যন্ত পদযাত্রা চালিয়ে যেতে হবে, যতক্ষণ না [[:w:শান্তি|শান্তি]] ও [[:w:পুনর্মিলন|পুনর্মিলনের]] ঘোষণা আসছে। ** '''''জেসি জ্যাকসন''''', [http://archive.is/rDE9f পলিটিশিয়ানস, হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস অ্যান্ড সেলিব্রিটিজ জয়েন্ড মিলিয়নস অফ অর্ডিনারি পিপল অন দ্য স্ট্রিটস অফ ইউরোপ অন স্যাটারডে টু প্রোটেস্ট অ্যাগেইনস্ট আ রাশ টু ওয়ার উইথ ইরাক। দিজ আর সাম অফ দেয়ার ভিউজ] সিএনএন ডট কমে উদ্ধৃত, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৩। * বছরের পর বছর ধরে, সাদ্দাম হুসাইন গণবিধ্বংসী অস্ত্র তৈরি ও তা ধরে রাখার জন্য বিস্তারিত পরিকল্পনা করেছেন, বিপুল অর্থ ব্যয় করেছেন এবং বড় ধরনের ঝুঁকি নিয়েছেন। ** '''''জর্জ ডব্লিউ বুশ''''', ''জর্জ ডব্লিউ বুশের তৃতীয় স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণ'', জানুয়ারি ২০০৩। * আমি [ইরাক] যুদ্ধকে সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় বলে মনে করেছি এবং আমরা এতে জড়িয়ে পড়ার আগেই আমি সে কথা বলেছিলাম। ** '''''অক্টাভিয়া বাটলারের''''' সাথে সাক্ষাৎকার (২০০৩), কনসুয়েলা ফ্রান্স সম্পাদিত (২০০৯)। * আপনার সামনে কেবল ফক্স নিউজ নেই, বরং এমএসএনবিসি এবং এনবিসি-ও রয়েছে—হ্যাঁ, যেগুলোর মালিক জেনারেল ইলেকট্রিক, যারা বিশ্বের অন্যতম প্রধান পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাতা। ফক্সের মতো এমএসএনবিসি এবং এনবিসি-ও তাদের সংবাদ কভারেজের শিরোনামে পেন্টাগনের দেওয়া ইরাক আক্রমণের নাম ব্যবহার করছে: 'অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম'... তারা তাদের অভিযানের জন্য সবচেয়ে কার্যকর প্রচারণামূলক নাম খুঁজে বের করে। কিন্তু সংবাদমাধ্যম যখন তাদের কভারেজের নাম পেন্টাগনের দেওয়া নামে রাখে—প্রতিদিন 'অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম' শিরোনামটি দেখা যায়—তখন আপনাকে প্রশ্ন করতে হবে: এটি যদি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম হতো, তবে এর চেয়ে ভিন্ন আর কী হতো?" ** '''''অ্যামি গুডম্যান''''', "ইন্ডিপেন্ডেন্ট মিডিয়া ইন আ টাইম অফ ওয়ার" (২০০৩)। * আমরা কোনো গণবিধ্বংসী অস্ত্রের পেছনে ছুটছি না। ** '''''[[সাদ্দাম হুসাইন]]''''', ড্যান রাদারের সাথে সাক্ষাৎকার, ''৬০ মিনিটস'', ফেব্রুয়ারি ২০০৩। * '''আমরা আমেরিকাকে বলতে চাই: এটি কি আপনাদের জন্য সত্যিই সার্থক? এর ফলে কি পরবর্তীতে মুসলিম বিশ্বে কয়েক দশকের জন্য শত্রুতা তৈরি হবে না?''' ** কার্ডিনাল '''''অ্যাঞ্জেলো সোডানো''''' [http://www.foxnews.com/story/2003/03/12/vatican-strongly-opposes-iraq-war.html] * আমার মতে, এটি [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] প্রতি অসম্মান প্রদর্শন। বিশ্বের বাকি দেশগুলো কী ভাবছে, এটি তা বিবেচনায় নেয়নি। আর আমি মনে করি এটি অত্যন্ত গুরুতর একটি বিষয়। ** '''''লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা''''' [http://archive.newsmax.com/archives/articles/2003/3/19/211836.shtml] * ইরাকের বিরুদ্ধে আসন্ন যুদ্ধ নিয়ে আত্মতৃপ্ত রাজনীতিবিদ আর সংবাদপত্রের কলামিস্টদের সমস্ত গম্ভীর বক্তব্য, এমনকি যুদ্ধবিরোধীদের কিছু চিন্তিত মন্তব্যের মধ্যেও একটা জিনিস অনুপস্থিত। সমস্ত আলোচনা কেবল কৌশল, রণকৌশল, ভূ-রাজনীতি আর ব্যক্তিত্বদের নিয়ে। আলোচনা হচ্ছে আকাশযুদ্ধ আর স্থলযুদ্ধ নিয়ে, বিভিন্ন জোট আর গণবিধ্বংসী অস্ত্র নিয়ে, অস্ত্র পরিদর্শন, তেল-প্রাকৃতিক গ্যাস, জাতি গঠন আর "শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন" (regime change) নিয়ে। <br>যা অনুপস্থিত তা হলো—ইরাকে একটি মার্কিন যুদ্ধ সেই হাজার হাজার বা লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষের কী করুণ দশা করবে, যারা ভূ-রাজনীতি বা সামরিক কৌশল নিয়ে মোটেও চিন্তিত নয়, যারা কেবল চায় তাদের সন্তানরা বেঁচে থাকুক আর বড় হোক। তারা "[[:w:জাতীয় নিরাপত্তা|জাতীয় নিরাপত্তা]]" নিয়ে নয়, বরং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, খাদ্য, আশ্রয়, চিকিৎসা সেবা এবং শান্তি নিয়ে চিন্তিত। <br>আমি সেইসব ইরাকি এবং আমেরিকানদের কথা বলছি যারা নিশ্চিতভাবেই এমন যুদ্ধে প্রাণ হারাবে, কিংবা হাত-পা হারাবে, অথবা অন্ধ হয়ে যাবে। নতুবা তারা এমন কোনো অদ্ভুত ও যন্ত্রণাদায়ক ব্যাধিতে আক্রান্ত হবে, যার ফলে তারা বিকলাঙ্গ সন্তান জন্ম দিতে বাধ্য হবে (যেমনটা ঘটেছে [[:w:ভিয়েতনাম|ভিয়েতনাম]], [[:w:ইরাক|ইরাক]] এবং এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবারগুলোতেও)। ** '''''হাওয়ার্ড জিনের''''' ভূমিকা, [http://www.coldtype.net/Assets.04/Essays.04/TARGET.IRAQ.pdf ''টার্গেট ইরাক: হোয়াট দ্য নিউজ মিডিয়া ডিড নট টেল ইউ''], '''''নরমান সলোমন''''' রচিত, (২০০৩) * খুব কম ক্ষেত্রেই মানুষের জীবনের গল্পগুলো নাম ও ছবিসহ একদিনের সত্যের ঝলকানির চেয়ে বেশি কিছু হিসেবে সামনে এসেছে; যেমনটা একদিন পড়েছিলাম দশ বছর বয়সী এক বালক নূর মোহাম্মদের কথা—যে [[:w:পাকিস্তান|পাকিস্তানি]] সীমান্তে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ছিল, মার্কিন বোমার আঘাতে তার চোখ দুটো অন্ধ হয়ে গিয়েছিল আর হাত দুটো উড়ে গিয়েছিল। <br>অবশ্যই আমাদের রাজনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে হবে। আমরা লক্ষ্য করছি যে ইরাকে আক্রমণ হবে [[:w:আন্তর্জাতিক আইন|আন্তর্জাতিক আইনের]] এক চরম লঙ্ঘন। আমরা এটিও লক্ষ্য করি যে কেবল বিপজ্জনক অস্ত্র থাকাই যুদ্ধের ভিত্তি হতে পারে না—নতুবা আমাদের ডজন ডজন দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হতো। আমরা এটিও তুলে ধরছি যে, যে দেশটির কাছে সবচেয়ে বেশি "গণবিধ্বংসী অস্ত্র" রয়েছে সেটি হলো আমাদের নিজেদের দেশ, যারা পৃথিবীর অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় এই অস্ত্রগুলো বেশিবার ব্যবহার করেছে এবং যার ফলাফল হয়েছে সবচেয়ে মারাত্মক। আমরা আমাদের জাতীয় সম্প্রসারণ এবং আগ্রাসনের ইতিহাসের দিকে আঙুল তুলতে পারি। আমাদের সরকারের উচ্চ পর্যায়ে [[:w:প্রতারণা|প্রতারণা]] এবং [[:w:ভণ্ডামি|ভণ্ডামির]] শক্তিশালী প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে। <br>কিন্তু ইরাকে মার্কিন আক্রমণের কথা ভাবার সময় আমাদের কি রাজনীতিবিদ আর বিশেষজ্ঞদের এজেন্ডার ঊর্ধ্বে যাওয়া উচিত নয়? ([[:w:জন লে কারে|জন লে কারের]] একটি চরিত্র বলে: "আমি পৃথিবীর অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে বিশেষজ্ঞদের বেশি ঘৃণা করি।") আমাদের কি উচিত নয় সবাইকে এক মুহূর্তের জন্য এই বড় বড় কথা থামিয়ে কল্পনা করতে বলা যে—যুদ্ধ সেইসব মানুষের কী হাল করবে যাদের মুখ আমাদের কাছে অজানা থাকবে, যাদের নাম ভবিষ্যতের কোনো যুদ্ধস্মারক ছাড়া আর কোথাও দেখা যাবে না? ** '''''হাওয়ার্ড জিন''''', [http://www.coldtype.net/Assets.04/Essays.04/TARGET.IRAQ.pdf ''টার্গেট ইরাক: হোয়াট দ্য নিউজ মিডিয়া ডিড নট টেল ইউয়ের''] ভূমিকা (২০০৩) * ২০ মার্চ ২০০৩, মালয়েশীয় সময় সকাল প্রায় ১০টা ৩০ মিনিটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটেন এবং তার অন্যান্য মিত্রদের সাথে নিয়ে ইরাকের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। এই পদক্ষেপটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়াই নেওয়া হয়েছিল। [[:w:মালয়েশিয়া|মালয়েশিয়া]] এই পদক্ষেপের জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করছে, কারণ এটি বহুপাক্ষিক প্রক্রিয়া এবং জাতিসংঘের (UN) সনদকে স্পষ্টভাবে অবজ্ঞা করে; এটি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী, যার ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা টিকে আছে। এই সামরিক অভিযানে বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতি ও জনগণের সমর্থন নেই, এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনের অনেক নাগরিকও এর বিপক্ষে। মালয়েশিয়া বারবার জাতিসংঘে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তার অবস্থান ব্যক্ত করেছে যে, ইরাক ইস্যুটি বহুপাক্ষিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। যেকোনো সামরিক সমাধান কেবল তখনই বিবেচনা করা উচিত যখন অন্য সব পথ বন্ধ হয়ে যাবে এবং তা অবশ্যই জাতিসংঘের অনুমোদিত হতে হবে। মালয়েশিয়া মনে করে যে, ইরাক আক্রমণের জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ বা যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণ নেই। ইরাক জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব মেনে ক্রমশ তার নিরস্ত্রীকরণ সম্পন্ন করছিল। ইরাক অন্য দেশগুলোর জন্য—বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য—হুমকি হতে পারে এমন অভিযোগে মালয়েশিয়া মোটেও আশ্বস্ত নয়, বিশেষ করে মার্কিন সামরিক শক্তি এবং ইরাক থেকে ভৌগোলিক দূরত্বের কথা বিবেচনায় নিলে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের এই পদক্ষেপের পর বিশ্ব এখন এক সংকটময় মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে, যা ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। একটি বৃহৎ ও শক্তিশালী দেশ তার মিত্রদের নিয়ে আন্তর্জাতিক আইন, মানবিকতা এবং বৈশ্বিক ন্যায়বিচারের তোয়াক্কা না করে কাজ করেছে। তারা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে যার আত্মরক্ষার ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো ইরাকের এই নির্বিচার ধ্বংসযজ্ঞ, যা বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে ঘটতে পারে—এমন এক জাতি ও দেশের ওপর যারা জাতিসংঘের অর্থনৈতিক অবরোধের ফলে ইতিমধ্যেই ১২ বছর ধরে ধুঁকছে। ** '''''[[মাহাথির মোহাম্মদ]]''''', মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী (২০০৩) [https://www.pmo.gov.my/ucapan/?m=p&p=paklahtpm&id=3277] * সত্যের সন্ধানে বাছাইকৃত তথ্য, বিকৃতি এবং ছবির প্রোপাগান্ডামূলক [[:w:প্রচারণা|প্রচারণাগুলো]] খতিয়ে দেখা আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ এবং দায়িত্ব। যখন একটি দেশ যুদ্ধের পথে হাঁটে, তখন প্রচলিত ধারার বাইরে পা রাখা সবসময়ই বিপজ্জনক। সব ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ উড়তে থাকে। আপনি বাগদাদ ভ্রমণ করুন কিংবা নিজ শহরের মেইন স্ট্রিটে [[:w:যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন|যুদ্ধবিরোধী]] প্লাকার্ড হাতে ধরুন—কিছু মানুষ আপনাকে বিদেশি শত্রুর প্রচারণামূলক স্বার্থ রক্ষার দায়ে অভিযুক্ত করবেই। কিন্তু আপনার কর্মকাণ্ডকে ভুল ব্যাখ্যা করা থেকে বাঁচানোর একমাত্র পথ হলো কিছুই না করা। আপনার কথা বিকৃত হওয়ার বিপদ এড়ানোর একমাত্র উপায় হলো মুখ বন্ধ রাখা। "ব্যবহার করো নতুবা হারাবে"—এই কার্যকরী ক্যাটাগরিতে [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী|প্রথম সংশোধনীটি]] কেবল একটি আংশিকভাবে বাস্তবায়িত প্রতিশ্রুতি হিসেবে রয়ে গেছে। এটি যতটুকু পূরণ করা সম্ভব হবে, [[:w:গণতন্ত্র|গণতন্ত্র]] ততটুকু তাত্ত্বিকের বদলে বাস্তব রূপ পাবে। তবে তার জন্য প্রয়োজন বহু মানুষের কণ্ঠস্বর। আর যখন যুদ্ধ আমাদের নীরব থাকতে বাধ্য করে, তখন [[:w:ভিন্নমত পোষণ|ভিন্নমতের]] অপরিহার্যতা সর্বোচ্চ হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের তথ্যগত সত্যগুলো শোনা প্রয়োজন এবং যুদ্ধের দামামায় যেন সেগুলো হারিয়ে না যায় তা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের যতটা সম্ভব স্পষ্টভাবে চিন্তা করতে হবে এবং আমাদের হৃদয়ের কথা শুনতে হবে। তার ইরাক সফর শুরুর সময় [[:w:শন পেন|শন পেন]] নিজের "[[:w:বিবেক|বিবেকের]] বিষয়ে নিজের কণ্ঠস্বর খুঁজে পাওয়ার" ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। অদূর ভবিষ্যতে আমাদের প্রত্যেকের সামনে সেই সুযোগ আসবে। ** '''''নরমান সলোমন''''', [http://www.coldtype.net/Assets.04/Essays.04/TARGET.IRAQ.pdf ''টার্গেট ইরাক: হোয়াট দ্য নিউজ মিডিয়া ডিড নট টেল ইউ'', পৃষ্ঠা ১৯] (২০০৩) * তবে [[:w:হ্যান্স ব্লিক্স|ব্লিক্সের]] নেতৃত্বাধীন পরিদর্শন মিশনকে কলঙ্কিত করা ছিল বুশ টিমের যুদ্ধবাজদের অন্যতম প্রধান কাজ। তারা ব্লিক্সকে ইরাকি সরকারের সাথে আরও বেশি সংঘাতপূর্ণ অবস্থানে যেতে বাধ্য করার জন্য এবং পরবর্তীতে নিরাপত্তা পরিষদে তার দেওয়া প্রতিবেদনগুলোকে গুরুত্বহীন করার ভিত্তি তৈরি করার জন্য মুখিয়ে ছিল। কট্টর ডানপন্থী সংবাদমাধ্যমগুলোও তখন একই সুরে গান গাইছিল। ২২ নভেম্বর 'দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল' তাদের সম্পাদকীয়তে লিখেছিল, “আমরা আশা করি দিন গড়ানোর সাথে সাথে [[:w:হ্যান্স ব্লিক্স|মিস্টার ব্লিক্স]] এটি বুঝতে পারবেন যে—সাদ্দাম হুসাইনের পাশাপাশি তার নিজের বিশ্বাসযোগ্যতাও এখন ঝুঁকির মুখে।” তারা আরও অন্ধকারের আভাস দিয়ে যোগ করেছিল, “ইরাকে মিস্টার ব্লিক্সের নিজস্ব অতীত কর্মকাণ্ড রয়েছে, যা এমন কোনো আত্মবিশ্বাস যোগায় না যে তিনি এই স্বৈরশাসককে নিরস্ত্রীকরণ করতে শেষ পর্যন্ত লড়াই করবেন। প্রশ্ন এখন একটাই, চুয়াত্তর বছর বয়সী এই সুইডিশ কূটনীতিক কি সাদ্দামকে আবারও তাকে এবং জাতিসংঘকে বোকা বানানোর সুযোগ দেবেন?” ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সম্পাদকীয় পাতা—যা প্রায়শই জাতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রতিধ্বনি হওয়া প্রথম গোলার উৎস হিসেবে কাজ করে—সেটি ছিল কেবল শুরু। এর দুই সংস্করণ পরেই “হ্যান্স দ্য টিমিড” (ভীতু হ্যান্স) শিরোনামে একটি দীর্ঘ আক্রমণাত্মক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। ব্লিক্সের সন্দেহজনক চরিত্রকে দৃশ্যমান করার জন্য সেই নিবন্ধের সাথে থাকা স্কেচটিতে তাকে এমন একটি টাই পরা অবস্থায় দেখানো হয়েছিল যাতে একটি শান্তির চিহ্ন (peace sign) আঁকা ছিল। ** '''''নরমান সলোমন''''', [http://www.coldtype.net/Assets.04/Essays.04/TARGET.IRAQ.pdf ''টার্গেট ইরাক: হোয়াট দ্য নিউজ মিডিয়া ডিড নট টেল ইউ'', পৃষ্ঠা ৯৯] (২০০৩) * আপনার বর্তমান এবং প্রস্তাবিত অনেক কর্মকাণ্ডই এই দেশের সেই সংজ্ঞায়িত নীতিগুলোকে লঙ্ঘন করছে বলে মনে হয়, যে দেশের সভাপতিত্ব আপনি করছেন; বিতর্কের প্রতি অসহিষ্ণুতা (“আমাদের সাথে অথবা আমাদের বিপক্ষে”), আপনার সমালোচকদের কোণঠাসা করা, ভিত্তিহীন বাগাড়ম্বরের মাধ্যমে ভয় ছড়ানো, দ্রুত স্বস্তি দেয় এমন সংবাদমাধ্যমকে প্রভাবিত করা এবং আপনার প্রশাসনের নাগরিক স্বাধীনতা খর্ব করার অবস্থান—এসবই আপনার দাবি করা দেশপ্রেমের মূল চেতনার পরিপন্থী। মনে হচ্ছে, আপনি আভিজাত্যের এক রক্তক্ষয়ী বোধ থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আপনার সবচেয়ে কট্টর মিডিয়া সমর্থকদের একটু কাছ থেকে দেখুন। তাদের চোখে সেই ভয়টা দেখুন যখন তাদের জোরালো সমর্থনের সুরের নিচে ক্ষোভ আর আতঙ্কের এক বিপর্যয়কর চোরাস্রোত বয়ে যায়, যাকে তারা “স্পষ্টভাষী কঠোর কথা” হিসেবে চালিয়ে দিচ্ছে। একজন পুরুষ, একজন নারী বা একজন শিশুকে হত্যা করার অর্থ বোঝার ক্ষমতা থেকে আমরা কতটা দূরে সরে এসেছি—শত শত হাজার হাজার মানুষের ''collateral damage'' বা “পার্শ্বিক ক্ষতি” তো পরের কথা। আপনার মুখে “এটি এক নতুন ধরনের যুদ্ধ” শব্দগুলো শোনার সময় প্রায়ই একটি অদ্ভুত হাসি দেখা যায়। এটি আমাকে ভাবিয়ে তোলে যে, আপনি আমাদের অতীতের সমস্ত ইতিহাস ভুলে গিয়ে অন্ধভাবে আপনাকে অনুসরণ করে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে বলছেন। এটি আমাকে চিন্তিত করে কারণ আপনার সমস্ত মহৎ উদ্দেশ্য থাকা সত্ত্বেও একটি বিশাল অর্থনৈতিক উদ্বৃত্ত অপচয় করা হয়েছে। আপনার প্রশাসন কার্যত সবচেয়ে মৌলিক পরিবেশগত উদ্বেগগুলোকে খারিজ করে দিয়েছে; এর মাধ্যমে কেউ এই বার্তাই পায় যে—যেহেতু আপনি বিশ্বের শিশুদের বলি দিতে ইচ্ছুক বলে মনে হচ্ছে, তবে কি আপনি আমাদের সন্তানদেরও বলি দিতে পিছপা হবেন না? ** মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ('''জর্জ ডব্লিউ বুশের''') প্রতি '''''শন পেনের''''' খোলা চিঠি; যা ১৮ অক্টোবর ২০০২ সালে 'ওয়াশিংটন পোস্টে' বিজ্ঞাপন হিসেবে এবং পরবর্তীতে [http://www.coldtype.net/Assets.04/Essays.04/TARGET.IRAQ.pdf ''টার্গেট ইরাক''] পরিশিষ্টে (পৃষ্ঠা ১১৮) প্রকাশিত হয়। * কেন তারা সাদ্দাম হুসাইনের গোয়েন্দা প্রধান তাহির জালিল হাবুশকে এমন কিছু দিতে বলছে না যা আমরা আমাদের মামলা ৯/১১ এর সাথে সাদ্দামের সম্পর্ক প্রমাণের কাজে ব্যবহার করতে পারি? ** '''''জর্জ ডব্লিউ বুশ''''', রন সাসকাইন্ডের ''দ্য ওয়ে অফ দ্য ওয়ার্ল্ড'' (পৃষ্ঠা ৩৬৪) থেকে; ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এবং হাবুশের মধ্যে গোপন বৈঠকের ফলাফলে বুশের হতাশা প্রসঙ্গে [২০০৩]। * এটি তৎকালীন ইরাকি গোয়েন্দা প্রধান হাবুশের পক্ষ থেকে সাদ্দাম হুসাইনকে লেখা একটি গোয়েন্দা নথিপত্র। তারিখটি ১ জুলাই, ২০০১। এটি মূলত একটি মেমো যেখানে বলা হয়েছে যে, মোহাম্মদ আতা কুখ্যাত ফিলিস্তিনি সন্ত্রাসী আবু নিদালের বাড়িতে সফলভাবে একটি প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেছেন; সেই আবু নিদাল যাকে কয়েক মাস পরে সাদ্দাম হুসাইন নিজেই হত্যা করেছিলেন। এখন, আল-কায়েদা যে সাদ্দাম হুসাইনের সাথে কাজ করছিল—এটিই তার প্রথম প্রকৃত এবং সুনির্দিষ্ট প্রমাণ। এটি অত্যন্ত বিস্ফোরক একটি ঘটনা। ** '''''কন কফলিন''''', ''সানডে টেলিগ্রাফ''; ১৪ ডিসেম্বর ২০০৩, 'মিট দ্য প্রেস' অনুষ্ঠানে। (নথিটির বৈধতা নিয়ে রন সাসকাইন্ডের উদ্ধৃতিগুলো দেখুন)। ==== ২০০৩ সম্পর্কে ==== * এই আক্রমণ কেবল ইরাকের অস্থাবর [[:w:প্রত্নবস্তু|প্রত্নবস্তুরই]] ক্ষতি করেনি; এটি সেই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলোরও ক্ষতি করেছে যেখান থেকে এই প্রত্নবস্তুগুলো পাওয়া যায়। “মূলত দক্ষিণের সাইটগুলোই আক্রমণের ঠিক পরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল,” বলেছেন এলিজাবেথ স্টোন—একজন প্রত্নতাত্ত্বিক যিনি আক্রমণের ঠিক আগে এবং পরের সাইটগুলোর ক্ষতির তুলনা করতে উচ্চ-রেজোলিউশন সম্পন্ন স্যাটেলাইট ইমেজ ব্যবহার করেছিলেন। তার তথ্য এক হঠাৎ “বিশাল ধ্বংসযজ্ঞ” প্রদর্শন করে: দক্ষিণের ১,৪৫৭টি সাইট পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, ফেব্রুয়ারী ২০০৩ অর্থাৎ আক্রমণের আগে ১৩ শতাংশ লুঠতরাজ হয়েছিল—কিন্তু বছরের শেষ নাগাদ সেই অনুপাত বেড়ে ৪১ শতাংশে দাঁড়ায়। মন্দির এবং প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ সম্বলিত সাইটগুলো—যেমন [[:w:উম্মাহ|উম্মাহ]] এবং উম্ম আল-আকারিব—সরকারি নজরদারির অনেক বাইরে ছিল, “তাই অনেক মানুষ স্রেফ সেখানে গিয়ে গর্ত খুঁড়তে শুরু করেছিল,” তিনি বলেন। ** '''''সিগাল স্যামুয়েল''''', [https://www.theatlantic.com/international/archive/2018/03/iraq-war-archeology-invasion/555200/ “ইটস ডিস্টার্বিংলি ইজি টু বাই ইরাক’স আর্কিওলজিক্যাল ট্রেজারস”], ''দ্য আটলান্টিক'', (১৯ মার্চ, ২০১৮) ==== [[:w:ইরাকের জাতীয় জাদুঘর|ইরাকের জাতীয় জাদুঘর]] লুণ্ঠন (এপ্রিল ২০০৩) ==== [[চিত্র:Iraq_National_Museum.jpg|thumb|এটি বিশ্বের একমাত্র [[:w:জাদুঘর|জাদুঘর]] যেখানে আপনি এক জায়গাতেই [[:w:মানব|মানব]] [[:w:সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]]—[[:w:প্রযুক্তি|প্রযুক্তি]], [[:w:কৃষি|কৃষি]], [[:w:শিল্পকলা|শিল্পকলা]], [[:w:ভাষা|ভাষা]] এবং [[:w:লিখন পদ্ধতি|লিখন পদ্ধতির]] একদম প্রাথমিক বিকাশগুলো খুঁজে পাবেন। ~ '''''ডনি জর্জ ইউখান্না''''' ]] [[চিত্র:Sumerian_Statues_from_Eshnunna_and_Khafajah_of_Diyala_region,_Iraq_Museum.jpg|thumb|হারিয়ে যাওয়া প্রতিটি বস্তু মানবতার জন্য এক বিশাল অপূরণীয় ক্ষতি। ~ '''''ডনি জর্জ ইউখান্না''''' ]] [[চিত্র:The_Assyrian_gallery_at_the_Iraq_Museum.jpg|thumb|[[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকান]] [[:w:একাডেমিক|শিক্ষাবিদরা]] ১৯৪৩ সালে যুদ্ধ প্রচেষ্টার বিষয়ে আলোচনার জন্য যখন সমবেত হয়েছিলেন, তখন তারা [[:w:ইতালি|ইতালি]] আক্রমণের আট মাস আগে এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]] আক্রমণের আঠারো মাস আগেই তাদের মূল্যায়ন সম্পন্ন করেছিলেন। সেই তুলনায়, পেন্টাগনের সাথে শিক্ষাবিদদের বৈঠকগুলো ইরাক যুদ্ধ শুরু হওয়ার তিন মাসেরও কম সময় আগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যুদ্ধের একটি নির্দিষ্ট ময়দানে সৈন্যরা যে ধরনের পরিবেশগত ও সাংস্কৃতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে, সে বিষয়ে নির্দেশিকা প্রস্তুত করার জন্য আরও দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন ছিল। ~ '''''গ্রেগরি জে. ফেরাররা''''' ]] [[চিত্র:Terracotta_lion_from_Tell_Harmal,_Iraq_Museum.jpg|thumb|[[:w:ইরাকি সামরিক বাহিনী|ইরাকি সামরিক বাহিনীর]] ওপর জোটবদ্ধ বাহিনী যে দ্রুততার সাথে বিজয় অর্জন করেছিল, তা ইরাকের পূর্ববর্তী নিরাপত্তা ব্যবস্থার আকস্মিক পতনে ভূমিকা রাখে—যা আগে লুণ্ঠন রোধ করত। [[:w:বাগদাদ|বাগদাদে]] অবশিষ্ট প্রতিরোধ পকেটগুলো মোকাবিলা করার এবং একই সাথে [[:w:লুণ্ঠন|লুণ্ঠন]] নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ জোট সৈন্য ছিল না। ~ '''''গ্রেগরি জে. ফেরাররা''''' ]] [[চিত্র:The_Great_Golden_Lyre_from_Ur%2C_Iraq_Museum.jpg|thumb|এটি নির্ভর করত তারা কাদের অপছন্দ করে তার ওপর। তারা কি [[:w:আমেরিকান|আমেরিকান]] ছিল? তারা কি [[:w:ইসরায়েলি|ইসরায়েলি]] ছিল? তারা কি [[:w:কুয়েতি|কুয়েতি]] ছিল? এটি খুব আশ্চর্যজনক ছিল, কিন্তু দুঃখজনক যে তারা কখনই [[:w:বাগদাদ|বাগদাদের]] প্রকৃত স্থানীয় বাসিন্দাদের এই [[:w:লুণ্ঠন|লুণ্ঠনের]] জন্য অভিযুক্ত করেনি। ~ '''''লামিয়া আল-গাইলানি''''' ]] * [[:w:ইরাকি সামরিক বাহিনী|ইরাকি সামরিক বাহিনীর]] ওপর জোটবদ্ধ বাহিনী যে দ্রুততার সাথে বিজয় অর্জন করেছিল, তা ইরাকের পূর্ববর্তী নিরাপত্তা ব্যবস্থার আকস্মিক পতনে ভূমিকা রাখে—যা আগে লুণ্ঠন রোধ করত। [[:w:বাগদাদ|বাগদাদে]] অবশিষ্ট প্রতিরোধ পকেটগুলো মোকাবিলা করার এবং একই সাথে লুণ্ঠন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ জোট সৈন্য ছিল না। এর ফলে, "মার্কিন সেনাবাহিনী প্রাথমিকভাবে বিনা বাধায় লুণ্ঠন চলতে দিয়েছিল।" এই [[:w:লুণ্ঠন|লুণ্ঠন]] বাগদাদ ছাড়িয়ে সমগ্র ইরাকের শত শত প্রত্নতাত্ত্বিক সাইটে ছড়িয়ে পড়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জোট বাহিনীর কাছে সে সময় এই সবগুলোকে পর্যাপ্তভাবে রক্ষা করার মতো প্রয়োজনীয় জনবল ছিল না। ** '''''গ্রেগরি জে. ফেরাররা''''', [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: আ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং আ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ৩৭-৩৮। * অনেক [[:w:ইরাকি|ইরাকি]] জেআইএসিজি এজেন্টদের মৃদু চাপের সাথে একমত হয়েছিলেন যখন তারা বুঝতে পেরেছিলেন যে তারা তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরই উপকার করছেন এবং তাদের [[:w:অপরাধী|অপরাধী]] হিসেবে গণ্য করা হবে না। সেপ্টেম্বর ২০১০ পর্যন্ত, জেআইএসিজের শুরু করা পুনরুদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে ইরাক জাদুঘরের সংগ্রহ থেকে লুট হওয়া ১৫ হাজার [[:w:প্রত্নবস্তু|প্রত্নবস্তুর]] মধ্যে "প্রায় অর্ধেক" উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ** '''''গ্রেগরি জে. ফেরাররা''''', [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: আ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং আ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯। * [[:w:বাগদাদ|বাগদাদের]] এই সুবিধাজনক পতন জোট কমান্ডারদের কাছে একটি সংকেত ছিল যে, [[:w:মার্কিন সামরিক বাহিনী|মার্কিন সামরিক বাহিনীর]] গৃহীত নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক যুদ্ধরীতি [[:w:বিজয়|বিজয়]] অর্জন করেছে। তবুও, [[:w:ইরাকের জাতীয় জাদুঘর|ইরাক জাদুঘর]] লুণ্ঠনের ঘটনাটি আজও একটি [[:w:পরাজয়|পরাজয়]] হিসেবেই প্রতিধ্বনিত হয়। ** '''''গ্রেগরি জে. ফেরাররা''''', [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: আ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং আ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ৪৮। * [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকান]] [[:w:শিক্ষাবিদ|শিক্ষাবিদরা]] ১৯৪৩ সালে যুদ্ধ প্রচেষ্টার বিষয়ে আলোচনার জন্য যখন সমবেত হয়েছিলেন, তারা [[:w:ইতালি|ইতালি]] আক্রমণের আট মাস আগে এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]] আক্রমণের আঠারো মাস আগেই তাদের মূল্যায়ন সম্পন্ন করেছিলেন। সেই তুলনায়, পেন্টাগনের সাথে শিক্ষাবিদদের বৈঠকগুলো ইরাক যুদ্ধ শুরু হওয়ার তিন মাসেরও কম সময় আগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যুদ্ধের একটি নির্দিষ্ট ময়দানে সৈন্যরা যে ধরনের পরিবেশগত ও সাংস্কৃতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে, সে বিষয়ে নির্দেশিকা প্রস্তুত করার জন্য আরও দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন ছিল। ** '''''গ্রেগরি জে. ফেরাররা''''', [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: আ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং আ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ৫১। * ১৬ এপ্রিল ২০০৩ তারিখে [[:w:সদ্দাম হুসাইন|সাদ্দাম হুসাইনকে]] উৎখাত করার অভিযানে থাকা মার্কিন সৈন্যরা যখন [[:w:ইরাকের জাতীয় জাদুঘর|ইরাক জাদুঘর]] রক্ষা করতে পৌঁছায়, ততক্ষণে সব [[:w:লুণ্ঠন|লুণ্ঠন]] শেষ হয়ে গিয়েছিল। ৮ এপ্রিল জাদুঘরটি খালি করা এবং ১২ এপ্রিল লাঠি হাতে কর্মীদের প্রথম দল ফিরে আসার মধ্যবর্তী সময়ে চোরেরা আনুমানিক ১৫,০০০ আইটেম লুট করেছিল, যার অনেকগুলোই ছিল অত্যন্ত মূল্যবান [[:w:প্রাচীন নিদর্শনাদি|প্রাচীন নিদর্শন]]: ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাত্র, ভাস্কর্যের মাথা, কবজ, [[:w:অ্যাসিরীয়|অ্যাসিরীয়]] হাতির দাঁতের কাজ এবং ৫,০০০ এরও বেশি সিলিন্ডার সিল।<br>লুণ্ঠনটি ১৭০,০০০ প্রত্নবস্তু চুরির প্রাথমিক রিপোর্টের তুলনায় কম প্রমাণিত হলেও, ক্ষয়ক্ষতি ছিল বিস্ময়কর। ইরাকি জাদুঘরের সাবেক মহাপরিচালক এবং বর্তমানে স্টনি ব্রুকের [[:w:স্টেট ইউনিভার্সিটি|স্টেট ইউনিভার্সিটি অফ নিউ ইয়র্কের]] ভিজিটিং প্রফেসর ডনি জর্জ ইউখান্না বলেন, "হারিয়ে যাওয়া প্রতিটি বস্তু মানবতার জন্য এক বিশাল অপূরণীয় ক্ষতি। এটি বিশ্বের একমাত্র [[:w:জাদুঘর|জাদুঘর]] যেখানে আপনি এক জায়গাতেই [[:w:মানব|মানব]] [[:w:সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]]—[[:w:প্রযুক্তি|প্রযুক্তি]], [[:w:কৃষি|কৃষি]], [[:w:শিল্পকলা|শিল্পকলা]], [[:w:ভাষা|ভাষা]] এবং [[:w:লিখন পদ্ধতি|লিখন পদ্ধতির]] একদম প্রাথমিক বিকাশগুলো খুঁজে পাবেন।" ** রবার্ট এম পুল, [https://www.smithsonianmag.com/arts-culture/looting-iraq-16813540/ “লুটিং ইরাক”], ''স্মিথসোনিয়ান ম্যাগাজিন'', (ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। * যদিও [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের]] [[:w:ধ্বংস|ধ্বংস]] এবং [[:w:লুণ্ঠন|লুণ্ঠন]] হাজার হাজার বছর ধরে যুদ্ধের একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে চলে আসছে, তবে [[:w:ইরাকের জাতীয় জাদুঘর|ইরাক জাদুঘর]] লুণ্ঠনের মাত্রা ছিল অভাবনীয়। বিশেষভাবে হতাশাজনক ছিল এই ধরনের ঘটনার আশঙ্কার বিষয়ে দেওয়া সতর্কতাগুলোর প্রতি অবজ্ঞা এবং বুশ প্রশাসনের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া যে "এমনটাই (যুদ্ধে) হয়ে থাকে"। ** ''ইউনিভার্সিটি অফ সিডনি'', [https://sydney.edu.au/news-opinion/news/2018/04/10/iraq-museum-looting--15-years-on.html “ইরাক মিউজিয়াম লুটিং: ১৫ ইয়ারস অন”], (১০ এপ্রিল ২০১৮)। * ২০০৩ সালের সেই [[:w:বিশৃঙ্খল|বিশৃঙ্খল]] ও [[:w:সহিংসতা|সহিংস]] এপ্রিলে, যখন মার্কিন [[:w:ট্যাংক|ট্যাংকগুলো]] [[:w:বাগদাদ|বাগদাদে]] প্রবেশ করছিল, তখন [[:w:ইরাকের জাতীয় জাদুঘর|ইরাক জাদুঘর]] ভেঙে লুণ্ঠন করা হয়। লুণ্ঠনকারীরা হলঘর, স্টোররুম এবং সেলারগুলোতে তান্ডব চালিয়ে ১৫,০০০ এরও বেশি মূল্যবান বস্তু চুরি করে। <br> "এটি ছিল ভয়াবহ। আপনি এটি বিশ্বাস করতে চাইতেন না," বলেন ইরাকি প্রত্নতাত্ত্বিক লামিয়া আল-গাইলানি, যিনি লন্ডনে যাওয়ার আগে অনেক বছর এই জাদুঘরে কাজ করেছেন। <br> "বিশেষ করে আপনার পরিচিত নিদর্শনগুলো সম্পর্কে যখন লোকে বলতে শুরু করে যে সেগুলো হারিয়ে গেছে—এটি ছিল এক বিরাট ধাক্কা।" ** কনিষ্ক থারুর এবং মরিয়ম মারুফ, [https://www.bbc.com/news/magazine-35774900 “মিউজিয়াম অফ লস্ট অবজেক্টস: লুটেড সুমেরিয়ান সিল”], ''বিবিসি নিউজ'', (১১ মার্চ ২০১৬)। * লামিয়া আল-গাইলানি বলেন, তার [[:w:আরব|আরব]] [[:w:বন্ধু|বন্ধুদের]] জন্য এটি মেনে নেওয়া কঠিন ছিল যে বাগদাদবাসীই তাদের নিজস্ব সম্পদ লুণ্ঠনের জন্য দায়ী হতে পারে। <br> "জাদুঘর কারা লুট করেছে সে বিষয়ে প্রত্যেকের নিজস্ব তত্ত্ব ছিল," তিনি বলেন। "এটি নির্ভর করত তারা কাদের অপছন্দ করে তার ওপর। তারা কি আমেরিকান ছিল? তারা কি ইসরায়েলি ছিল? তারা কি কুয়েতি ছিল? এটি খুব হাস্যকর ছিল, কিন্তু দুঃখজনক যে তারা কখনই বাগদাদের প্রকৃত মানুষদের লুণ্ঠনের জন্য অভিযুক্ত করেনি।" ** কনিষ্ক থারুর এবং মরিয়ম মারুফ, [https://www.bbc.com/news/magazine-35774900 “মিউজিয়াম অফ লস্ট অবজেক্টস: লুটেড সুমেরিয়ান সিল”], ''বিবিসি নিউজ'', (১১ মার্চ ২০১৬)। ==== ''টার্গেট ইরাক: হোয়াট দ্য নিউজ মিডিয়া ডিড নট টেল ইউ,'' নরমান সলোমন এবং [[:w:রিস এরলিচ|রিস এরলিচ (২০০৩)]] ==== <small> [http://www.coldtype.net/Assets.04/Essays.04/TARGET.IRAQ.pdf সম্পূর্ণ পাঠ্য অনলাইনে]</small> === ২০০৪ === * আপনি জানেন, ইরাক ইস্যুতে আমি বারবার [[:w:বামপন্থী রাজনীতি|বামপন্থীদের]] হাত থেকে [[:w:জর্জ ডব্লিউ বুশ|প্রেসিডেন্ট বুশকে]] রক্ষা করেছি, যদিও আমি মনে করি [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] অস্ত্র পরিদর্শন শেষ হওয়া পর্যন্ত তার অপেক্ষা করা উচিত ছিল। আমি বিশ্বাস করি না যে তিনি সেখানে [[:w:তেল|তেলের]] জন্য গিয়েছিলেন। আমরা সেখানে [[:w:সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদী]] বা আর্থিক কারণে যাইনি। আমরা সেখানে গিয়েছিলাম কারণ তিনি [[:w:পল উলফোভিটজ|উলফোভিটজ]]-[[:w:ডিক চেনি|চেনি]]-র সেই বিশ্লেষণটি গ্রহণ করেছিলেন যে—ইরাকিরা আরও ভালো অবস্থায় থাকবে, আমরা [[:w:মধ্যপ্রাচ্য|মধ্যপ্রাচ্যের]] [[:w:স্বৈরতন্ত্র|স্বৈরাচারী]] [[:w:আরব|আরব]] শাসনব্যবস্থাগুলোকে নাড়িয়ে দিতে পারব এবং [[:w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিনি]] ও [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলিদের]] মধ্যে শান্তি স্থাপনে আমাদের প্রভাব বাড়বে। ** '''''বিল ক্লিনটন''''', 'টাইমের' সাথে সাক্ষাৎকার, জুন ২০০৪। * ইরাক আক্রমণ নিশ্চিতভাবেই ইতিহাসের অন্যতম কাপুরুষোচিত যুদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ছিল এমন এক যুদ্ধ যেখানে একদল ধনী দেশ—যাদের কাছে বিশ্বকে কয়েকবার ধ্বংস করার মতো [[:w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্র]] ছিল—তারা একটি দরিদ্র দেশকে ঘিরে ধরেছিল। তারা সেই দেশটির বিরুদ্ধে মিথ্যা পারমাণবিক অস্ত্র রাখার অভিযোগ তুলেছিল, জাতিসংঘকে ব্যবহার করে তাদের নিরস্ত্রীকরণে বাধ্য করেছিল এবং তারপর সেখানে আক্রমণ ও দখলদারিত্ব চালিয়ে এখন তা বিক্রির প্রক্রিয়ায় লিপ্ত হয়েছে। <br> আমি ইরাক নিয়ে বলছি কারণ সবাই এটি নিয়ে কথা বলছে এমন নয় (দুঃখজনকভাবে যার ফলে অন্যান্য জায়গার ভয়াবহতাগুলো অন্ধকারে ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে), বরং এটি আগামী দিনের পরিস্থিতির একটি ইঙ্গিত। ইরাক একটি নতুন চক্রের সূচনা মাত্র। এটি আমাদের সেই [[:w:সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স|কর্পোরেট-মিলিটারি চক্রকে]] (যা 'এম্পায়ার' হিসেবে পরিচিত) কাজ করতে দেখার সুযোগ করে দেয়। নতুন ইরাকে এখন আর কোনো রাখঢাক নেই। <br> বিশ্বের সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণের লড়াই যত তীব্র হচ্ছে, আনুষ্ঠানিক সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উপনিবেশবাদ আবারও ফিরে আসছে। ইরাক হলো কর্পোরেট [[:w:বিশ্বায়ন|বিশ্বায়নের]] সেই প্রক্রিয়ার যৌক্তিক পরিণতি যেখানে [[:w:নব্য-উপনিবেশবাদ|নব্য-উপনিবেশবাদ]] এবং [[:w:নব্য-উদারবাদ|নব্য-উদারবাদ]] একীভূত হয়েছে। আমরা যদি রক্তের পর্দার আড়ালে উঁকি দেওয়ার সাহস রাখি, তবে আমরা নেপথ্যে ঘটতে থাকা সেই করুণ লেনদেনগুলো দেখতে পাব। কিন্তু প্রথমে সংক্ষেপে মূল মঞ্চটি দেখা যাক। ** '''''অরুন্ধতী রায়''''', [https://www.smh.com.au/national/roys-full-speech-20041104-gdk1qn.html ''সিডনি শান্তি পুরস্কার গ্রহণের ভাষণ,''] (৭ নভেম্বর ২০০৪)। * ওয়াশিংটনের অবৈধ ইরাক আক্রমণের আগে, একটি [[:w:গ্যালপ (কোম্পানি)|গ্যালপ ইন্টারন্যাশনাল পোল]] দেখিয়েছিল যে—কোনো [[:w:ইউরোপীয়|ইউরোপীয়]] দেশেই একতরফা যুদ্ধের প্রতি সমর্থন ১১ শতাংশের বেশি ছিল না। আক্রমণের কয়েক সপ্তাহ আগে, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৩ তারিখে [[:w:উত্তর আমেরিকা|উত্তর আমেরিকা]] সহ বিভিন্ন মহাদেশের এক কোটিরও বেশি মানুষ যুদ্ধের বিরুদ্ধে পদযাত্রা করেছিলেন। তা সত্ত্বেও অনেক তথাকথিত গণতান্ত্রিক দেশের সরকার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল। প্রশ্ন হলো: “গণতন্ত্র” কি এখনও গণতান্ত্রিক আছে? গণতান্ত্রিক সরকারগুলো কি তাদের নির্বাচিত করা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ? ** '''''অরুন্ধতী রায়''''': [https://www.democracynow.org/2004/8/23/public_power_in_the_age_অফ ''টাইড? অর আইভরি স্নো? পাবলিক পাওয়ার ইন দ্য এজ অফ এম্পায়ার, ভাষণ, সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া''] (১৬ আগস্ট ২০০৪) * আপাতদৃষ্টিতে [[:w:টম ডিলয়|টম ডিলয়ের]] বিকৃত যুক্তি অনুযায়ী, [[:w:জাতিগত নির্মূল|জাতিগত নির্মূল]] ছিল সামরিক হস্তক্ষেপের জন্য একটি অস্পষ্ট কারণ; কিন্তু "[[:w:গণবিধ্বংসী অস্ত্র|গণবিধ্বংসী অস্ত্র]]", আল-কায়েদার সাথে ইরাকি "যোগসূত্র" এবং/অথবা ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলায় সাদ্দাম হুসাইনের "জড়িত থাকা" নিয়ে নির্জলা মিথ্যাগুলোই একটি অন্যায্য যুদ্ধ শুরু করার জন্য যথেষ্ট ভিত্তি ছিল—যা শত শত কোটি ট্যাক্স ডলার খরচ করিয়েছে এবং হাজার হাজার জীবন ধ্বংস করেছে। ** ডেভিড আর. হফম্যান, ''[https://english.pravda.ru/opinion/4622-bush/ বুশ বনাম হিটলার, পার্ট ২]'' (২০০৪) * '''দর্শক''': নিগ্রোডামাস, প্রেসিডেন্ট বুশ কেন ইরাকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র থাকার ব্যাপারে এত নিশ্চিত? : '''নিগ্রোডামাস''': কারণ তার কাছে এর রসিদ আছে। ** '''''পল মুনি''''', ''[[:w:চ্যাপেলস শো|চ্যাপেলস শো]]'', সিজন ২, এপিসোড ২, (২৮ জানুয়ারি ২০০৪)। * যুদ্ধের পথটি প্রাথমিকভাবে দ্রুততম সমাধান বলে মনে হতে পারে। কিন্তু আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, যুদ্ধে জেতার পর শান্তিকেও নতুন করে গড়ে তুলতে হয়। ** '''''[[:w:ডমিনিক দ্য ভিলপাঁ|ডমিনিক দ্য ভিলপাঁ]]''''' * [[:w:স্বজনপ্রীতি|স্বজনপ্রীতি]] এবং [[:w:দুর্নীতি|দুর্নীতি]] ইরাকের এই অধঃপতনের অন্যতম প্রধান কারণ। ** '''''পল ক্রুগম্যান''''', "হোয়াট ওয়েন্ট রং?", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (২৩ এপ্রিল ২০০৪) ==== ২০০৪ সিডনি শান্তি পুরস্কার বক্তৃতা, সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ে [[:w:অরুন্ধতী রায়|অরুন্ধতী রায়]], (৪ নভেম্বর ২০০৪) ==== * ইরাক আক্রমণ নিশ্চিতভাবেই ইতিহাসের অন্যতম কাপুরুষোচিত যুদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ছিল এমন এক যুদ্ধ যেখানে একদল ধনী দেশ—যাদের কাছে বিশ্বকে কয়েকবার ধ্বংস করার মতো পারমাণবিক অস্ত্র ছিল—তারা একটি দরিদ্র দেশকে ঘিরে ধরেছিল, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা পারমাণবিক অস্ত্র রাখার অভিযোগ তুলেছিল, জাতিসংঘকে ব্যবহার করে তাদের নিরস্ত্রীকরণে বাধ্য করেছিল এবং তারপর সেখানে আক্রমণ ও দখলদারিত্ব চালিয়েছিল... * ইরাক একটি নতুন চক্রের সূচনা মাত্র। এটি আমাদের সেই 'কর্পোরেট-মিলিটারি চক্রকে' (যা 'এম্পায়ার' হিসেবে পরিচিত) কাজ করতে দেখার সুযোগ করে দেয়... বিশ্বের সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণের লড়াই যত তীব্র হচ্ছে, আনুষ্ঠানিক সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উপনিবেশবাদ আবারও ফিরে আসছে। ইরাক হলো কর্পোরেট বিশ্বায়নের সেই প্রক্রিয়ার যৌক্তিক পরিণতি যেখানে নব্য-উপনিবেশবাদ এবং নব্য-উদারবাদ একীভূত হয়েছে। * আমরা যদি রক্তের পর্দার আড়ালে উঁকি দেওয়ার সাহস রাখি, তবে আমরা নেপথ্যে ঘটতে থাকা সেই করুণ লেনদেনগুলো দেখতে পাব। কিন্তু প্রথমে সংক্ষেপে মূল মঞ্চটি দেখা যাক। ১৯৯১ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ সিনিয়র [[:w:উপসাগরীয় যুদ্ধ|অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম]] পরিচালনা করেন... অপারেশন শক অ্যান্ড অউয়ের আগে [[:w:অর্থনৈতিক অবরোধের|অর্থনৈতিক অবরোধের]] কারণে ৫ লক্ষ ইরাকি শিশু মারা গিয়েছিল। সম্প্রতি পর্যন্ত, কতজন মার্কিন সৈন্য প্রাণ হারিয়েছে তার সুনির্দিষ্ট হিসাব রাখা হলেও, কতজন ইরাকি নিহত হয়েছে সে সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণা ছিল না। মার্কিন জেনারেল [[:w:টমি ফ্রাঙ্কস|টমি ফ্রাঙ্কস]] বলেছিলেন, "আমরা লাশের হিসাব করি না" (অর্থাৎ ইরাকি লাশের হিসাব)। তিনি এর সাথে যোগ করতে পারতেন—"আমরা [[:w:জেনেভা কনভেনশন|জেনেভা কনভেনশনও]] মানি না।" * [[:w:দ্য ল্যানসেট|দ্য ল্যানসেট মেডিকেল জার্নাল]] দ্বারা দ্রুত সম্পন্ন এবং নিবিড়ভাবে পর্যালোচিত একটি নতুন বিস্তারিত গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে যে, ২০০৩ সালের আক্রমণের পর থেকে ১,০০,০০০ ইরাকি প্রাণ হারিয়েছেন। অর্থাৎ এই হলের মতো পূর্ণ একশটি হলভর্তি মানুষ। একশটি হলভর্তি বন্ধু, বাবা-মা, ভাইবোন, সহকর্মী, প্রেমিক... ঠিক আপনাদের মতো। পার্থক্য শুধু এই যে, এখানে আজ খুব বেশি শিশু নেই—চলুন আমরা ইরাকের শিশুদের কথা ভুলে না যাই। পরিভাষায় সেই রক্তগঙ্গাকে বলা হয় 'প্রিসিশন বম্বিং' (নির্ভুল বোমা বর্ষণ)। সাধারণ ভাষায় একে বলা হয় 'কসাইগিরি' বা নৃশংস হত্যা। * সুতরাং এই 'সভ্য' 'আধুনিক' বিশ্ব—যা [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]], [[:w:দাসত্ব|দাসত্ব]] এবং [[:w:উপনিবেশবাদের|উপনিবেশবাদের]] উত্তরাধিকারের ওপর তিল তিল করে গড়ে উঠেছে—তারা এখন বিশ্বের বেশিরভাগ [[:w:তেল|তেল]] নিয়ন্ত্রণ করছে। এবং বিশ্বের বেশিরভাগ [[:w:অস্ত্র|অস্ত্র]], বেশিরভাগ [[:w:অর্থ|অর্থ]] এবং বিশ্বের বেশিরভাগ [[:w:গণমাধ্যম|গণমাধ্যম]]। সেই এমবেডেড কর্পোরেট মিডিয়া, যেখানে [[:w:বাকস্বাধীনতা|বাকস্বাধীনতার]] তত্ত্বের জায়গা দখল করে নিয়েছে 'একমত হলে তবেই স্বাধীনতা' তত্ত্বটি। * জাতিসংঘের প্রধান অস্ত্র পরিদর্শক হ্যান্স ব্লিক্স বলেছিলেন যে তিনি ইরাকে পারমাণবিক অস্ত্রের কোনো প্রমাণ পাননি। মার্কিন ও ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক উপস্থাপিত প্রতিটি প্রমাণই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে—সেটি সাদ্দাম হুসাইনের [[:w:নাইজার|নাইজার]] থেকে [[:w:ইউরেনিয়াম|ইউরেনিয়াম]] কেনার রিপোর্ট হোক, কিংবা ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের সেই রিপোর্ট যা একজন পুরোনো ছাত্রের গবেষণাপত্র থেকে চুরি করা বলে ধরা পড়েছিল। তা সত্ত্বেও, যুদ্ধের প্রাক্কালে দিনের পর দিন আমেরিকার সবচেয়ে 'সম্মানিত' [[:w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]] এবং টিভি চ্যানেলগুলো ইরাকের পারমাণবিক অস্ত্রের ভাণ্ডারের সেই 'প্রমাণ'গুলোকেই শিরোনাম করেছিল। * সেই দরিদ্রদের কাছে শান্তির মানে কী, যাদের সম্পদ সক্রিয়ভাবে লুঠ করা হচ্ছে এবং যাদের প্রতিদিনের জীবন হলো পানি, আশ্রয়, বেঁচে থাকা এবং সর্বোপরি কিছুটা মানবিক মর্যাদার জন্য এক কঠোর লড়াই? তাদের কাছে শান্তিই হলো যুদ্ধ। * 'এম্পায়ারের' যুগে যুদ্ধে কার লাভ হয় তা আমরা খুব ভালোভাবেই জানি। কিন্তু আমাদের নিজেদের কাছে সততার সাথে এটিও জিজ্ঞেস করতে হবে—'এম্পায়ারের' যুগে শান্তিতে কার লাভ হয়? যুদ্ধবাজ হওয়া অপরাধ। কিন্তু ন্যায়বিচারের কথা না বলে শান্তির কথা বলা আসলে এক ধরনের আত্মসমর্পণেরই নামান্তর হতে পারে। আর যে প্রতিষ্ঠান ও ব্যবস্থাগুলো অন্যায়কে টিকিয়ে রাখছে তাদের মুখোশ উন্মোচন না করে ন্যায়বিচারের কথা বলা ভণ্ডামির চেয়েও বেশি কিছু। * গরিবদের তাদের দারিদ্র্যের জন্য দোষ দেওয়া সহজ। বিশ্ব যে [[:w:সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদ]] ও যুদ্ধের এক ঊর্ধ্বমুখী চক্রে আটকে যাচ্ছে, তা বিশ্বাস করাও সহজ। আর এটিই [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট|আমেরিকান প্রেসিডেন্টকে]] এই কথা বলার সুযোগ করে দেয় যে, "আপনারা হয় আমাদের সাথে, নাহলে সন্ত্রাসীদের সাথে।" কিন্তু আমরা জানি যে এটি একটি ভিত্তিহীন পছন্দ। আমরা জানি যে সন্ত্রাসবাদ হলো যুদ্ধের ব্যক্তিকরণ। সন্ত্রাসীরা হলো যুদ্ধের [[:w:মুক্ত বাজার|মুক্ত বাজারী]]। তারা বিশ্বাস করে যে সহিংসতার বৈধ ব্যবহার কেবল রাষ্ট্রের একার অধিকার নয়। * সন্ত্রাসবাদের অবর্ণনীয় বর্বরতা এবং যুদ্ধ ও দখলদারিত্বের নির্বিচার গণহত্যার মধ্যে নৈতিক পার্থক্য করাটা প্রতারণামূলক। উভয় ধরনের সহিংসতাই অগ্রহণযোগ্য। আমরা একটিকে সমর্থন করে অন্যটির নিন্দা জানাতে পারি না। === ২০০৫ === * সাদ্দাম বিদায় নিয়েছেন। এটি একটি ভালো দিক, কিন্তু যা করা হয়েছে তার সাথে আমি একমত নই। এটি ছিল একটি মস্ত বড় ভুল। মার্কিন সরকার বেশ কিছু ভুল করেছে, যার মধ্যে একটি হলো—সাদ্দামকে সরিয়ে দেওয়া কতটা সহজ হবে আর দেশটিকে ঐক্যবদ্ধ করা কতটা কঠিন হবে, সেই হিসাব মেলাতে না পারা। ** '''''বিল ক্লিনটন''''' [http://archive.newsmax.com/archives/ic/2005/11/16/100304.shtml]। === ২০০৬ === * ২০০৫ সালে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের '''''ডেভিড উইন্টার্স''''' বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি বড় নমুনার ওপর গবেষণা করে দেখেছেন যে, উচ্চমাত্রার আরডব্লিউএ (RWAs) বা কর্তৃত্ববাদী অনুসারীরা বিশ্বাস করত যে ইরাক আক্রমণ ছিল একটি ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ। তারা ভেবেছিল ইরাক যে বিপদ তৈরি করেছিল তা এতই প্রবল ছিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর কোনো বিকল্প ছিল না। তারা মনে করেছিল যে এই আক্রমণটি ছিল সর্বশেষ পথ, যখন সমস্ত শান্তিপূর্ণ বিকল্প নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিল এবং এই যুদ্ধ মন্দের চেয়ে ভালোই বেশি বয়ে আনবে। তারা এও ভেবেছিল যে কোনো গণবিধ্বংসী অস্ত্র পাওয়া না গেলেও আত্মরক্ষার জন্য এই "প্রতিরোধমূলক" হামলাটি ছিল যুক্তিযুক্ত। তারা তেলের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ, মার্কিন শক্তির বিস্তার অথবা প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে এই যুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার দাবিকেও প্রত্যাখ্যান করেছিল। এবং তারা তখনও বিশ্বাস করত যে সাদ্দাম হুসাইন ৯/১১ এর হামলার সাথে জড়িত ছিলেন। ** বব অলটেমেয়ার, ''দ্য অথরিটারিয়ানস'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ৪৬। * এমন কোনো সামরিক শক্তির প্রাধান্য এখন আর নেই যা পশ্চিমা বিশ্বকে তাদের ইচ্ছা অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ দেয়; ইরাকে মার্কিন পরাজয় সেই সত্যের সবচেয়ে অসাধারণ উদাহরণ। ** '''''জ্যঁ ব্রিকমন্ট''''' (২০০৬), ''হিউম্যানিটেরিয়ান ইম্পেরিয়ালিজম'', মান্থলি রিভিউ প্রেস, পৃষ্ঠা ১৪। * যখন ইরাকের চূড়ান্ত ইতিহাস লেখা হবে, আমি মানুষকে বলতে পছন্দ করি যে, এটি দেখতে কেবল একটি 'কমা'র (বিরামচিহ্ন) মতো মনে হবে; কারণ সেখানে—আমার পয়েন্ট হলো—গণতন্ত্রের জন্য এক প্রবল আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। ** '''''জর্জ ডব্লিউ বুশ''''', [http://www.crooksandliars.com/2006/09/24/bush-dismisses-bloodshed-in-iraq-as-just-a-comma/ বুশ ডিসমিসেস ব্লাডশেড ইন ইরাক অ্যাজ 'জাস্ট আ কমা'], ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৬: বুশকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে ইরাক গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে কি না। * ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে ব্রিটিশ এবং মার্কিন বাহিনী প্রায় ৩২০ টন [[:w:ক্ষয়িত ইউরেনিয়াম|ক্ষয়িত ইউরেনিয়াম]] গোলাবারুদ ব্যবহার করেছিল এবং ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণে ২,০০০ টন পর্যন্ত ব্যবহার করে থাকতে পারে। অত্যন্ত ঘনত্বের কারণে এটি বর্ম-ভেদী গোলার অগ্রভাগ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। <br> দক্ষিণ ইরাকের প্রতিবেদনগুলোতে ১৯৯০ সালের দশক থেকে [[:w:ক্যান্সার|ক্যান্সারের]] প্রকোপ বিশেষ করে [[:w:শিশুদের|শিশুদের]] ক্ষেত্রে মারাত্মকভাবে বৃদ্ধির প্রমাণ পাওয়া গেছে। ** ওয়েন ডায়ার, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC1635642/ “ডাব্লুএইচও সাপ্রেসড এভিডেন্স অন ইফেক্টস অফ ডিপ্লিটেড ইউরেনিয়াম, এক্সপার্ট সেজ”], ''বিএমজে''। ১১ নভেম্বর ২০০৬; ৩৩৩(৭৫৭৬): ৯৯০। * আমি বিজয় এবং তা কীভাবে অর্জিত হতে পারে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম; তিনি বলেছিলেন যে তার জন্য ইরাকে কেবল নিরাপত্তার চেয়েও বেশি কিছু প্রয়োজন। সেখানে স্বশাসন এবং দেশের ভৌত পুনর্গঠন প্রয়োজন—কেসির যুদ্ধ পরিকল্পনার সমস্ত "অপারেশন লাইনগুলো"। "এটি কি আপনার জীবদ্দশায় ঘটবে?" আমি জিজ্ঞেস করলাম। "হ্যাঁ, ঘটবে। মানে আমি আশা করি, হ্যাঁ। আমি জানি না," তিনি বললেন। "আমার ওই লাইনটি তুলে নেওয়া উচিত। এটি আমার জীবদ্দশায় ঘটতে পারে।" "ইরাক আক্রমণের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল কি না তা নিয়ে আপনার কি কোনো সন্দেহ আছে?" "আমার কোনো সন্দেহ নেই," তিনি বললেন। "কিছুই না। শূন্য।" "কিন্তু প্রক্রিয়াটি কি এমন নয় যে আপনাকে সবসময় সন্দেহ করতে হবে?" আমি বললাম। "আমি সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে বেঁচে থাকি।" "আমি আপনার জন্য দুঃখিত," মেরিন জেনারেল বললেন। "আমার জন্য দুঃখিত হবেন না," আমি বললাম। "এটি একটি চমৎকার প্রক্রিয়া।" "আমরা যা করেছি তা নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই," তিনি বললেন। "আমরা এটি করিনি। আমরা যখন ঘরে বসে নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, তখন ৯/১১ এ আমরা আক্রান্ত হয়েছিলাম।" ** '''''বব উডওয়ার্ড''''', ''স্টেট অফ ডিনায়াল: বুশ অ্যাট ওয়ার, পার্ট ৩'' (২০০৬), নিউ ইয়র্ক: সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃষ্ঠা ৪৭৬। * বিষয়টি এমন ছিল: "আমরা এটি করিনি।" বুশ প্রশাসনের কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার মধ্যে একটি গভীর অনুভূতি কাজ করে যে, কোনোভাবে আমরা ইরাক যুদ্ধ শুরু করিনি। আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছিল। [[ওসামা বিন লাদেন]], [[আল-কায়েদা]] এবং অন্যান্য সন্ত্রাসী ও আমেরিকা-বিরোধী শক্তি—সেটি গোষ্ঠী হোক বা দেশ বা দর্শন—সবকিছুকে একসাথে মিলিয়ে ফেলা হয়েছিল। এটি ছিল একটি যুদ্ধ, দীর্ঘ যুদ্ধ, দুই প্রজন্মের যুদ্ধ যা ৯/১১ এর পর উলফোভিটজের ব্লেচলে গ্রুপ-২ বর্ণনা করেছিল। "আপনি কি নিশ্চিত যে এটি সঠিক সময়ে সঠিক যুদ্ধ ছিল?" আমি চেয়ারম্যান পেসকে জিজ্ঞেস করলাম। "হ্যাঁ, একদম," পেস বললেন। "মৌলিকভাবে, হ্যাঁ। আমরা শুরু করার আগেই আমি তা বলেছিলাম। এবং আজকেও আমি তাই বলব। এটি জেনে আপনি হয়তো অবাক হবেন না যে—আমার দেশের যুদ্ধকে আমার দেশের শত্রুদের খেলার মাঠে নিয়ে যাওয়াই আমার কাছে সঠিক কাজ মনে হয়। আমার দেশকে রক্ষা করতে, আমার দেশের প্রতি শপথ রক্ষা করতে এবং আমার সন্তানদের ও নাতি-নাতনিদের এবং আপনার সন্তানদের ও নাতি-নাতনিদের রক্ষা করতে আমার কোনো সন্দেহ নেই যে আমরা সঠিক কাজটিই করেছি।" ** '''''বব উডওয়ার্ড''''', ''স্টেট অফ ডিনায়াল: বুশ অ্যাট ওয়ার, পার্ট ৩'' (২০০৬), নিউ ইয়র্ক: সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃষ্ঠা ৪৭৬। * প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা স্বাভাবিকভাবেই ২০০৬ সালের কংগ্রেস নির্বাচনে জয়ী হতে চেয়েছিলেন। ইরাক সম্পর্কে প্রেসিডেন্টের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সেই লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। রণকৌশলটি ছিল অস্বীকার করা. বুশের সমস্ত আশাবাদী কথাবার্তা সত্ত্বেও, তিনি আমেরিকান জনগণের কাছে ইরাক আসলে কী হয়ে দাঁড়িয়েছে সেই সত্যটি বলেননি। ** '''''বব উডওয়ার্ড''''', ''স্টেট অফ ডিনায়াল: বুশ অ্যাট ওয়ার, পার্ট ৩'' (২০০৬), নিউ ইয়র্ক: সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃষ্ঠা ৪৯১। === ২০০৭ === * এটি যেভাবে শেষ হোক না কেন, ইরাক যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ, বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার ওপর এক গভীর প্রভাব ফেলবে; যা নিকট ভবিষ্যতে বিশ্বের সেই বিপজ্জনক অংশের ঘটনাবলি দ্বারা সরাসরি প্রভাবিত হতে থাকবে। এই যুদ্ধ আরব ও [[মুসলিম বিশ্ব|মুসলিম বিশ্বের]] এক বৃহত্তর লড়াইয়ের অংশ—যা সহিংস [[উগ্রবাদ|উগ্রবাদী]] এবং [[আধুনিকতা|আধুনিকতা]] ও [[উদারপন্থার|উদারপন্থার]] শক্তির মধ্যকার এক সংগ্রাম। ** '''''জন ম্যাককেইন''''', [https://www.americanrhetoric.com/speeches/johnmccainvirginiamilitaryinstitute.htm ভার্জিনিয়া মিলিটারি ইনস্টিটিউটে দেওয়া ভাষণ], (১১ এপ্রিল ২০০৭) * এই যুদ্ধ পরিচালনার সাথে যুক্ত আমাদের জাতীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতার জন্য কে জবাবদিহিতা চাইবে? তারা নিঃসন্দেহে তাদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছেন। আমার পেশায় (সামরিক বাহিনীতে), এই ধরনের নেতাদের অবিলম্বে অব্যাহতি দেওয়া হতো অথবা সামরিক আদালতে বিচার (court martial) করা হতো। ** লেফটেন্যান্ট জেনারেল '''''রিকার্ডো সানচেজ''''', ১০-১২-০৭ [http://www.americanrhetoric.com/speeches/wariniraq/ricardosanchezmilitaryreportersforum.htm] === ২০০৮ === * আমি বুশকে বলতে শুনেছি যে, কেবল একজন যুদ্ধকালীন প্রেসিডেন্টের পক্ষেই মহানুভবতা অর্জন করা সম্ভব; কারণ যুদ্ধের যুগান্তকারী উথাল-পাথাল এমন এক রূপান্তরমূলক পরিবর্তনের সুযোগ দেয় যা বুশ অর্জন করার আশা করেছিলেন। ইরাকের মধ্যে বুশ তার মহানুভবতার এক উত্তরাধিকার তৈরির সুযোগ দেখেছিলেন। ** '''''স্কট ম্যাকক্লেলান''''', ''হোয়াট হ্যাপেন্ড'' (২০০৮), পৃষ্ঠা ১৩১। (বুশের মহান উত্তরাধিকার নিশ্চিত করতে যুদ্ধকালীন প্রেসিডেন্ট হওয়ার প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে) * এই ক্ষেত্রে, 'উদারপন্থী সংবাদমাধ্যম' তাদের সুনাম ধরে রাখতে পারেনি। যদি পারত, তবে দেশটি আরও ভালোভাবে উপকৃত হতো। ** '''''স্কট ম্যাকক্লেলান''''', ''হোয়াট হ্যাপেন্ড'' (২০০৮) * একজন টেক্সাস অনুগত হিসেবে—যিনি অনেক আশা এবং ব্যক্তিগত ভালোবাসা নিয়ে বুশকে অনুসরণ করে ওয়াশিংটনে এসেছিলেন এবং তার প্রশাসনের একজন গর্বিত সদস্য ছিলেন—আমি বুশ এবং তার অত্যন্ত অভিজ্ঞ পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক উপদেষ্টাদের ইরাক ইস্যুতে সন্দেহের সুবিধা দেওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলাম। দুর্ভাগ্যবশত, পরবর্তী ঘটনাবলি প্রমাণ করেছে যে বুশ এবং তার দলের বিচারের ওপর আমাদের এই আস্থা রাখাটা ভুল ছিল। ** '''''স্কট ম্যাকক্লেলান''''', ''হোয়াট হ্যাপেন্ড'' (২০০৮) * ইরাক যুদ্ধ সম্পর্কে মনে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—পুরো পৃথিবী এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। ইতিহাসের প্রথমবারের মতো সমগ্র বিশ্ব, শুধু আমি এবং আমার স্বামী বব নয়, বরং পুরো পৃথিবী একটি যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই তা থামানোর জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। এমনটা আগে কখনোই ঘটেনি। আফ্রিকা, এশিয়া এবং পুরো ইউরোপসহ বিশ্বের নানা প্রান্তের সেই প্রতিবাদের ছবি সম্বলিত একটি বই আমার কাছে আছে। প্রতিটি দেশের মানুষ বলেছিল, "না, না, এটা করো না, এটা করো না।" এখন যাই ঘটুক না কেন, এই সত্যটি পৃথিবীতে থেকে যাবে। আমি মনে করি সেই প্রতিবাদের মাধ্যমে আমরা হয়তো সামান্য কয়েক ইঞ্চি অগ্রগতি অর্জন করতে পেরেছি। ** '''''গ্রেস পেলি''''', পোয়েটস অ্যান্ড রাইটার্সের সাথে [https://www.pw.org/content/interview_poet_and_fiction_writer_grace_paley সাক্ষাৎকার] (২০০৮) * [[ওসামা বিন লাদেন]] এবং [[জর্জ ডব্লিও বুশ]] দুজনেই ছিলেন সন্ত্রাসী। তারা দুজনেই এমন আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছিলেন যা সন্ত্রাস ছড়ায় এবং মানুষের জীবন তছনছ করে দেয়। বুশ পেন্টাগন, ডব্লিউটিও, আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংকের মাধ্যমে তা করছিলেন। বিন লাদেন করেছিলেন আল-কায়েদার মাধ্যমে। পার্থক্য শুধু এই যে, বিন লাদেনকে কেউ নির্বাচিত করেনি... মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাদ্দাম হুসাইনকে সমর্থন করেছিল এবং নিশ্চিত করেছিল যেন তিনি এতদিন লোহার হাত দিয়ে শাসন করেন। এরপর তারা অর্থনৈতিক অবরোধ ব্যবহার করে নাগরিক সমাজের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিল। এরপর তারা ইরাককে নিরস্ত্রীকরণ করতে বাধ্য করে। তারপর ইরাক আক্রমণ করে। আর এখন তারা দেশটির সমস্ত সম্পদ দখল করে নিয়েছে। ** '''''অরুন্ধতী রায়''''', ''দ্য শেপ অফ দ্য বিস্ট: কনভারসেশনস উইথ অরুন্ধতী রায়'' (২০০৮) * হাবুশ আমাদের বলছেন যে সেখানে কোনো গণবিধ্বংসী অস্ত্র নেই। তিনি আমাদের সাদ্দামের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে বলছেন যে—সাদ্দাম আমাদের চেয়ে ইরানীদের বেশি ভয় পান; ভয় পান এক 'দন্তহীন বাঘ' হিসেবে পরিচিত হতে। আর আমরা সেই বিষয়টিকেই উপেক্ষা করছি। ** '''''রন সাসকাইন্ড''''', ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এবং সাদ্দাম হুসাইনের গোয়েন্দা প্রধান তাহির জালিল হাবুশের বৈঠক প্রসঙ্গে; যা প্রমাণ করে যে সাদ্দামের কাছে কোনো গণবিধ্বংসী অস্ত্র না থাকার বিষয়টি আমেরিকা আরও আগেই জানত। (দ্য ডেইলি শো; ১১ আগস্ট ২০০৮)। * '''স্টুয়ার্ট:''' এবং চিঠিতে আক্ষরিক অর্থেই লেখা আছে যে মোহাম্মদ আতা ইরাকে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন এবং ইউরেনিয়াম সংক্রান্ত বিষয়টিও। চিঠিতে এমন দুটি বিষয়কে একসাথে করা হয়েছে যেগুলোর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ছিল—এ নিয়ে কি কারও কাছে অদ্ভুত মনে হয়নি যে, চিঠিতে বলা হলো, ওহ, এবং সে নাইজার থেকে ইউরেনিয়ামও কিনেছিল...? '''সাসকাইন্ড:''' ...এটি ছিল একটি অতি-উৎসাহী মুহূর্ত। চিঠিটি হঠাৎ সামনে চলে আসে। টম ব্রোকাউ এটি 'মিট দ্য প্রেসে' প্রচার করেন। উইলিয়াম সাফায়ার এটি নিয়ে লেখেন। কয়েক দিন বা সপ্তাহখানেক পর মানুষ বলতে শুরু করে যে—একটাই চিঠিতে এসবের 'অস্বাভাবিক আধিক্য' রয়েছে। আর এই অতি-তথ্যই শেষ পর্যন্ত এটিকে জাল হিসেবে প্রকাশ করে দেয়। '''স্টুয়ার্ট:''' তখন কেউ কেন এর জাল প্রকৃতির বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করেনি? কেন সেটি ধামাচাপা পড়ে গেল? '''সাসকাইন্ড:''' এটি বের করা কঠিন ছিল। এটি অত্যন্ত গোপনীয় বিষয় ছিল এবং এই অপারেশনটি ছিল সিআইএ-র (CIA) মাধ্যমে। আপনার এমন কাউকে দরকার ছিল যে দিনের আলোতে দাঁড়িয়ে বলবে যে—শোনো, আসলে এই ঘটনা ঘটেছিল। '''স্টুয়ার্ট:''' সিআইএতে আপনার সূত্র রিচার্ড কি তেমনি একজন? '''সাসকাইন্ড:''' তিনি তাদেরই একজন। '''স্টুয়ার্ট:''' তিনি এখন বলছেন, "আমি কখনও এমনটা বলিনি; আমি তো জাস্ট মজা করছিলাম।" এই পরিস্থিতির অবস্থা এখন কী? '''সাসকাইন্ড:''' তিনি একজন ভালো মানুষ। এখানে জড়িত সূত্রগুলোর সবাই ভালো মানুষ, যারা বেশ কিছুদিন বুকে পাথর নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছেন। আমি সব সূত্রের প্রতিই সহানুভূতিশীল। তারা অনেক চাপের মধ্যে থাকেন। বইয়ের এই নির্দিষ্ট অংশে অনেক কিছু উন্মোচন করা হয়েছে, তবে এই বিষয়টি নিয়ে হোয়াইট হাউস স্পষ্টতই গভীরভাবে আগ্রহী, কারণ এখানে এমন কিছু বেআইনি বিষয় থাকতে পারে যার সাংবিধানিক পরিণতি রয়েছে। '''স্টুয়ার্ট:''' আমার মনে হয়, "অভিশংসন" (impeachment) বলার জন্য এটিই আমার জীবনে শোনা সবচেয়ে সুন্দর বা মার্জিত উপায়। ** '''''রন সাসকাইন্ড''''', সিআইএ-র মাধ্যমে তাহির হাবুশের সেই জাল চিঠি তৈরি করা প্রসঙ্গে—যেটিতে ইরাক, আতা এবং নাইজারের ইউরেনিয়ামের মধ্যে যোগসূত্র দাবি করা হয়েছিল। (দ্য ডেইলি শো; ১১ আগস্ট ২০০৮)। * মনে হচ্ছিল তিনি (ন্যান্সি পেলোসি) সত্যিই বুশকে অভিশংসন করার এবং তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টা করবেন; ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি এটি একটি চমৎকার বিষয় হতো। যুদ্ধের জন্য তো অবশ্যই... তিনি মিথ্যা বলেছিলেন! তিনি মিথ্যা বলে আমাদের যুদ্ধে জড়িয়েছিলেন এবং... দেখুন বিল ক্লিনটনকে কতটা তুচ্ছ একটি বিষয় নিয়ে কী ঝামেলায় পড়তে হয়েছিল! তারা তাকে অভিশংসন করার চেষ্টা করেছিল যা ছিল একদম বাজে কথা... অথচ বুশ মিথ্যা বলে আমাদের এই 'ভয়াবহ যুদ্ধে' জড়িয়ে দিলেন—এটি বলে যে তাদের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র আছে, আরও অনেক কিছু বলে—যা পরে সত্য নয় বলে প্রমাণিত হয়েছে। ** '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''', উলফ ব্লিটজারের সাথে সাক্ষাৎকার (২০০৮)। === ২০১০ === * ২০০৭ সালের শেষদিকে ইরাকে সহিংসতার যে দ্রুত ও ব্যাপক হ্রাস ঘটেছিল তা ছিল একটি বিশাল মাইলফলক এবং অর্জন; তবে সামরিক বাহিনী এবং মার্কিন রাজনীতিবিদদের মধ্যে এই অর্জনকে অতি-রঞ্জিত করে প্রকাশ করার একটি প্রবণতা রয়েছে। কেবল ব্যাপক হত্যাকাণ্ড বন্ধ হওয়া মানেই নিজ থেকে একটি স্থিতিশীল ও সুস্থ সমাজ গড়ে ওঠা নয়; ইরাক একটি মুক্ত, ন্যায়সঙ্গত, সমৃদ্ধ এবং গণতান্ত্রিক নাগরিক সমাজ হয়ে ওঠা থেকে তখনও অনেক দূরে ছিল এবং এখনও আছে। আমার সফরের সময় সেখানে সাম্প্রদায়িক ক্ষোভ ধিকিধিকি জ্বলছিল এবং উপজাতীয় সংহতি তখনও অনেক দূরের পথ ছিল। অর্থনীতি খুব ধীরগতিতে প্রাণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করলেও তা কার্যত অচল ছিল। জনসেবা ছিল শোচনীয়ভাবে অপর্যাপ্ত অথবা অস্তিত্বহীন। রাস্তাঘাটে পয়ঃনিষ্কাশনের বর্জ্য প্রবাহিত হতো এবং নামমাত্র বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতি মেটাতে জেনারেটরের গুঞ্জন ছিল নিত্যসঙ্গী। আদালত, সরকারি অফিস এবং স্কুলগুলোতে ফান্ডের অভাব ছিল এবং কর্মীর সংখ্যা ছিল খুব কম—যদি সেগুলো আদৌ খোলা থাকত। তবে বহুমুখী যুদ্ধবিরতি যখন স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হলো এবং সহিংসতা চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামল, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০৮ সালের শেষদিকে তাদের সেই 'সার্জ' (সৈন্য বৃদ্ধি) গুটিয়ে নিতে শুরু করে যা দুই বছর আগে শুরু হয়েছিল। বাবল প্রদেশে (যেখানে 'ডেথ ট্রায়াঙ্গেলের' বড় অংশ অবস্থিত) হামলা ৮০ শতাংশ কমে যাওয়ায়, ২০০৮ সালের অক্টোবরে মার্কিন বাহিনী সেই অঞ্চলের পূর্ণ দায়িত্ব ইরাকিদের হাতে বুঝিয়ে দেয়। ২০০৯ সালের জানুয়ারির মধ্যে ট্রায়াঙ্গেল অঞ্চলে মার্কিন সৈন্য সংখ্যা এক বছর আগের তুলনায় মাত্র এক-তৃতীয়াংশে নেমে আসে। ** জিম ফ্রেডরিক, ''ব্ল্যাক হার্টস: ওয়ান প্লাটুন'স ডিসেন্ট ইনটু ম্যাডনেস ইন ইরাক’স ট্রায়াঙ্গেল অফ ডেথ'' (২০১০), নিউ ইয়র্ক: ব্রডওয়ে বুকস, পৃষ্ঠা ৩৫৬-৩৫৭। * ২০০৯ সালের জুনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরাক জুড়ে আরও পিছু হটে আসে, বড় বড় বেসগুলোতে অবস্থান নেয় এবং কয়েকটি অশান্ত এলাকা ছাড়া দৈনন্দিন নিরাপত্তা কার্যক্রম থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়। এর কয়েক মাস আগে থেকেই আমেরিকা 'সনস অফ ইরাক' উদ্যোগের পরিধি কমিয়ে আনতে শুরু করেছিল—যা অনেকের আশঙ্কা অনুযায়ী প্রাক্তন বিদ্রোহীদের আবারও পুরনো খুনে অভ্যাসে ফিরিয়ে নেওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়নি। ইরাকে এখনও বোমা হামলা হয়, কখনও কখনও তা প্রাণঘাতীও হয়, কিন্তু আপাতত সেগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবেই রয়ে গেছে। ইরাক হয়তো কখনোই মধ্যপ্রাচ্যের সেই গণতন্ত্র ও পুঁজিবাদের মডেল হতে পারবে না যা বুশ প্রশাসন কল্পনা করেছিল; তবে বর্তমানে সামরিক প্রধানদের পাশাপাশি সব রাজনৈতিক দলের পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে এই ঐকমত্য রয়েছে যে—সেখানকার পরিস্থিতি এখন যথেষ্ট স্থিতিশীল, যাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো পরাজয় স্বীকার না করেই পুরোপুরি সৈন্য প্রত্যাহার করতে পারে। আফগানিস্তান যুদ্ধের দ্রুত অবনতি এবং ওবামা প্রশাসনের কাছে তার গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০১১ সালের শেষ নাগাদ ইরাক থেকে সমস্ত আমেরিকান সৈন্য প্রত্যাহারের সূচি অনুযায়ী এগিয়ে চলেছে। তবে কারও কারও জন্য এই যুদ্ধ কখনোই শেষ হবে না। ** জিম ফ্রেডরিক, ''ব্ল্যাক হার্টস: ওয়ান প্লাটুন'স ডিসেন্ট ইনটু ম্যাডনেস ইন ইরাক’স ট্রায়াঙ্গেল অফ ডেথ'' (২০১০), নিউ ইয়র্ক: ব্রডওয়ে বুকস, পৃষ্ঠা ৩৫৭। * প্রেসিডেন্টের মোসুল শহর নিয়ে আলোচনার কথাটি ধরা যাক। এটি ইরাকের একটি শহর; আর সেখানে বা অন্যান্য ইরাকি শহরে যে আমেরিকানরা প্রাণ হারিয়েছেন, তারা মারা গেছেন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনির অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে—যারা ইরাকের বিরুদ্ধে একটি [[:w:আগ্রাসনের যুদ্ধ|আগ্রাসনের যুদ্ধ]] সাজিয়েছিলেন, অথচ ইরাক আমেরিকার জন্য কোনো হুমকিই ছিল না। তারা মারা গেছেন কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটদের কাপুরুষতা এবং স্বার্থপরতার কারণেও—যারা সেই অপরাধমূলক যুদ্ধকে সমর্থন করার জন্য নিজেদের ওপর জবরদস্তি করতে দিয়েছিলেন। যে পাঁচ হাজার আমেরিকান মারা গেছেন এবং আরও কয়েক লক্ষ যারা মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন—অথবা যারা সেখানে যুদ্ধ করেছেন বা সহযোগিতামূলক কাজ করেছেন—তারা আমাদের কোনো "লালিত আদর্শ" রক্ষা করতে যাননি। তারা কেবল এক্সন-মোবিল, শেভরন, শেল এবং ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের মতো তেল কোম্পানিগুলোকে ইরাকি তেলক্ষেত্রগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে সাহায্য করছিলেন। তারা কেবল বুশ এবং চেনির পুনর্নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করতে সাহায্য করছিলেন। তারা হ্যালিবার্টন, বোয়িং, লকহিড এবং ব্ল্যাকওয়াটারের মুনাফা বাড়াতে সাহায্য করছিলেন। সত্যিই এক 'মহৎ' মৃত্যু। ** ডেভিড লিনডর্ফ, [https://www.counterpunch.org/2010/05/31/the-glorification-of-war/ “দ্য গ্লোরিফিকেশন অফ ওয়ার”] (৩১ মে ২০১০), ''কাউন্টারপাঞ্চ''। * মাঝরাতে বিকট এক বিস্ফোরণের শব্দে আমার ঘুম ভেঙে গেল। তখন গভীর রাত। ঠিক কয়টা বেজেছিল তা মনে নেই। শুধু মনে আছে শব্দটা ছিল ভীষণ ভারী আর প্রচণ্ড আতঙ্কিত হওয়ার মতো। আমার ঘরের সবকিছু কাঁপছিল—আমার হৃৎপিণ্ড সাথে জানালা, বিছানা, সবকিছু। আমি জানালার বাইরে ঘরের তাকালাম এবং অর্ধবৃত্তাকার এক বিশাল বিস্ফোরণ দেখলাম। আমার মনে হলো এটা ঠিক সিনেমার মতো, কিন্তু কোনো সিনেমাই সেই দৃশ্যটিকে এমন শক্তিশালীভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেনি যা আমি দেখছিলাম—উজ্জ্বল লাল, কমলা আর ধূসর রঙের এক পূর্ণ বৃত্তাকার বিস্ফোরণ। এটা অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত আমি একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম। আমি আমার বিছানায় ফিরে গেলাম, প্রার্থনা করলাম এবং মনে মনে সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জানালাম যে সেই ক্ষেপণাস্ত্রটি আমার পরিবারের ঘরের ওপর পড়েনি, সেই রাতে তা আমার পরিবারকে মেরে ফেলেনি। ত্রিশ বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু আমি এখনও সেই প্রার্থনার জন্য অপরাধবোধে ভুগি; কারণ পরের দিন আমি জানতে পেরেছিলাম যে সেই ক্ষেপণাস্ত্রটি আমার ভাইয়ের বন্ধুর বাড়িতে পড়েছিল এবং তাকে ও তার বাবাকে মেরে ফেলেছিল, যদিও তার মা বা বোন মারা যাননি। পরের সপ্তাহে সেই মা আমার ভাইয়ের ক্লাসরুমে হাজির হয়েছিলেন এবং সাত বছরের বাচ্চাদের কাছে মিনতি করেছিলেন যদি তাদের কাছে তার ছেলের কোনো ছবি থাকে তা যেন তাকে দেওয়া হয়, কারণ তিনি সবকিছু হারিয়েছিলেন। ** '''''জয়নাব সালবি''''', [https://www.ted.com/talks/zainab_salbi?language=en জয়নাব সালবি: উইমেন, ওয়ারটাইম অ্যান্ড দ্য ড্রিম অফ পিস], টেডগ্লোবালে (২০১০) দেওয়া ভাষণ। * আমি যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকে বড় হয়েছি, এবং আমি বিশ্বাস করি যুদ্ধের দুটি দিক থাকে যার মধ্যে আমরা কেবল একটি দিকই দেখেছি। আমরা কেবল এক দিক নিয়েই কথা বলি। কিন্তু অন্য একটি দিকও আছে যার সাক্ষী আমি নিজে—এমন একজন হিসেবে যে যুদ্ধের মধ্যে জীবন কাটিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত সেই যুদ্ধের মধ্যেই কাজ করেছে। ** '''''জয়নাব সালবি''''', [https://www.ted.com/talks/zainab_salbi?language=en জয়নাব সালবি: উইমেন, ওয়ারটাইম অ্যান্ড দ্য ড্রিম অফ পিস], টেডগ্লোবাল ২০১০ সালে দেওয়া ভাষণ। * আমি বড় হয়েছি যুদ্ধের রঙের সাথে—আগুন আর রক্তের লাল রঙ, আমাদের চোখের সামনে মাটি ফেটে চৌচির হওয়া বিস্ফোরণের খয়েরি রঙ এবং বিস্ফোরিত ক্ষেপণাস্ত্রের সেই তীক্ষ্ণ রূপালী আভা, যা এতটাই উজ্জ্বল যে কোনো কিছুই আপনার চোখকে তা থেকে রক্ষা করতে পারবে না। আমি বড় হয়েছি যুদ্ধের শব্দের সাথে—বন্দুকের গুলির অবিরাম আওয়াজ, বিস্ফোরণের সেই বুক কাঁপানো গর্জন, মাথার ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া জেটের অশুভ গুঞ্জন আর সাইরেনের সেই আর্তনাদপূর্ণ সতর্কবার্তা। এগুলো সেইসব শব্দ যা আপনি প্রত্যাশা করবেন, কিন্তু এর সাথে আরও আছে রাতের বেলা একঝাঁক পাখির কর্কশ চিৎকার, শিশুদের তীক্ষ্ণ আর্তনাদ আর এক বজ্রতুল্য, অসহ্য নীরবতা। আমার এক বন্ধু বলেছিল, "যুদ্ধ আসলে শব্দ নিয়ে নয়। এটি আসলে নীরবতা নিয়ে, মানবতার নীরবতা।" [...] আমি শিখেছি যে যুদ্ধের রঙ আর শব্দগুলো যেমন একই রকম, যুদ্ধের ভয়গুলোও তেমনি একই। জানেন তো, সেখানে মরার একটা ভয় থাকে। ** '''''জয়নাব সালবি''''', [https://www.ted.com/talks/zainab_salbi?language=en জয়নাব সালবি: উইমেন, ওয়ারটাইম অ্যান্ড দ্য ড্রিম অফ পিস], টেডগ্লোবাল ২০১০ সালে দেওয়া ভাষণ। === ২০১১ === * ২০০৩ সালে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগের কার্টার মতবাদটি "শক অ্যান্ড অউয়ের" মাধ্যমে কার্যকর করা হয়েছিল, যা ছিল পৃথিবী এ যাবৎকালের দেখা [[:w:জীবাশ্ম জ্বালানি|জীবাশ্ম জ্বালানির]] সবচেয়ে নিবিড় এবং অপব্যয়মূলক ব্যবহার। এটিও মনে রাখুন যে, যখন বাগদাদের পতন ঘটল, আক্রমণকারী [[:w:মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী|মার্কিন সৈন্যরা]] স্কুল, হাসপাতাল এবং একটি [[:w:পারমাণবিক শক্তি|পারমাণবিক বিদ্যুৎ]] কেন্দ্র লুণ্ঠন এবং জাতীয় [[:w:জাদুঘর|জাদুঘর]] তছনছ করার ঘটনাকে উপেক্ষা করেছিল; এমনকি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল ন্যাশনাল লাইব্রেরি ও আর্কাইভসকেও—যেখানে "সভ্যতার দোলনার" অতুলনীয় এবং অপূরণীয় নথিপত্র ছিল। তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে ইরাকি তেল মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর দখল ও পাহারা দেয় এবং তেলক্ষেত্রগুলো রক্ষায় ২,০০০ সৈন্য মোতায়েন করে। সবার আগে প্রয়োজনীয় কাজটাই তারা আগে করেছিল। ** [https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হাইন্স রচিত, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর ২০১১। * সময়ের সাথে সাথে অনেকগুলো বিষয় একীভূত ও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যা এই প্রস্তাবকে সমর্থন করে যে—ইরাক যুদ্ধের মূলে ছিল তেল। গণবিধ্বংসী অস্ত্র নির্মূল করা, একজন অত্যাচারী স্বৈরাচারকে উৎখাত করা, ৯/১১ এর সাথে যুক্ত সন্ত্রাসবাদ দমন করা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য গানবোট ডিপ্লোম্যাসি ব্যবহার করা—এসবই ছিল মূলত তেলের আসল উদ্দেশ্যকে আড়াল করার আবরণ মাত্র। [[:w:অ্যালান গ্রিনস্প্যান|অ্যালান গ্রিনস্প্যান]] এটি সরাসরি বলেছেন: ''সবাই যা জানে তা স্বীকার করাটা রাজনৈতিকভাবে অসুবিধাজনক দেখে আমি দুঃখিত হই যে: ইরাক যুদ্ধ ছিল মূলত তেল নিয়ে।'' <br>যেহেতু আমরা তেলের সর্বোচ্চ উৎপাদনের কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছি—অর্থাৎ তেল অনুসন্ধান ও উৎপাদনের লাভ কমে আসার এবং তেলের দাম বাড়ার সেই বিন্দুতে—ওপেক দেশগুলোর বৈশ্বিক উৎপাদনের শেয়ার "২০০৭ সালের ৪৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০৩০ সালে ৫৬ শতাংশ হবে।" ইরাকের কাছে রয়েছে তেলের তৃতীয় বৃহত্তম মজুদ; ২০০০ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে যে চারটি দেশে তেলের উৎপাদন বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে ইরাক এবং কাজাখস্তান অন্যতম। মধ্যপ্রাচ্য এবং মধ্য এশিয়া, যেমনটা ধারণা করা হয়েছিল, মার্কিন সামরিক অভিযান এবং যুদ্ধের উপকেন্দ্র। ২০০৬ সালে [[:w:কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস|কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস]] কর্তৃক প্রকাশিত জাতীয় নিরাপত্তা এবং মার্কিন তেলের নির্ভরতা বিষয়ক একটি প্রতিবেদনে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া হয়েছে যে, অন্তত ২০ বছর পর্যন্ত [পারস্য উপসাগরীয়] অঞ্চলে দ্রুত সৈন্য মোতায়েনের জন্য আমেরিকার "একটি শক্তিশালী সামরিক অবস্থান" বজায় রাখা উচিত। মার্কিন সামরিক পেশাদাররাও এতে একমত এবং তারা জ্বালানি সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে "বৃহৎ পরিসরে সশস্ত্র সংগ্রামের" সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ** [https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হাইন্স রচিত, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর ২০১১। * আমাদের [[:w:জাতীয় নিরাপত্তা|জাতীয় নিরাপত্তা]] এখন মূলত জ্বালানি নিরাপত্তায় পর্যবসিত হয়েছে, যা আমাদের তেলের উৎসগুলোর ওপর সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় বাধ্য করেছে; এর মাধ্যমেই বিশ্বের তেল সমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোতে সামরিক উপস্থিতি তৈরি করা হয়েছে এবং ইরাকে সশস্ত্র সংঘাত শুরু করা হয়েছে, আফগানিস্তানে তা জিইয়ে রাখা হয়েছে এবং [[:w:লিবীয় গৃহযুদ্ধ|লিবিয়াতেও]] তা উসকে দেওয়া হয়েছে... আকাশযুদ্ধ কি ভবিষ্যৎ যুদ্ধের মডেল? যদি তাই হয়, তবে এটি এই গ্রহের জন্য মৃত্যুর ঘন্টাধ্বনি। এই অতৃপ্ত সামরিকবাদই [[:w:জলবায়ু পরিবর্তন|জলবায়ু পরিবর্তনের]] ফলে তীব্র হওয়া প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর পেছনে একক বৃহত্তম প্রাতিষ্ঠানিক অবদানকারী। ** [https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হাইন্স রচিত, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর ২০১১। === যুদ্ধ-পরবর্তী (২০১২-) === [[চিত্র:US Navy 030501-N-8497H-069 President George W. Bush addresses the Nation and Sailors from the flight deck aboard USS Abraham Lincoln (CVN 72).jpg|thumb|১ মে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ একটি বিমানবাহী রণতরীতে বেশ নাটকীয়ভাবে হাজির হয়ে "মিশন অ্যাকমপ্লিশড" বা অভিযান সফল হওয়ার ঘোষণা দেন। আমেরিকা ইরাকে "প্রধান যুদ্ধ অভিযানসমূহ" সমাপ্ত ঘোষণা করেছিল। <br> এটি ছিল এমন এক ভাষণ যা আমেরিকার ঔদ্ধত্য, অজ্ঞতা এবং ইরাকের বাস্তব পরিস্থিতির প্রতি অবজ্ঞাকেই প্রকাশ করেছিল, যেখানে কয়েক দশকের রক্তক্ষয়ী অধ্যায় কেবল শুরু হতে যাচ্ছিল। ~ এমা গ্রাহাম-হ্যারিসন এবং সালিম হাবিব]] [[চিত্র:Marching towards the Capital - September 15, 2007.jpg|thumb|আক্রমণের কয়েক সপ্তাহ আগে, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৩ তারিখে উত্তর আমেরিকা সহ বিভিন্ন মহাদেশের এক কোটিরও বেশি মানুষ যুদ্ধের বিরুদ্ধে পদযাত্রা করেছিলেন। তা সত্ত্বেও অনেক তথাকথিত গণতান্ত্রিক দেশের সরকার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল। প্রশ্ন হলো: “গণতন্ত্র” কি এখনও গণতান্ত্রিক আছে? গণতান্ত্রিক সরকারগুলো কি তাদের নির্বাচিত করা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ? এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, গণতান্ত্রিক দেশগুলোর জনগণ কি তাদের সরকারের এই কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী? ~ অরুন্ধতী রায়]] * এগুলো কেবল নীতির ওপর ভিত্তি করে কোনো ভূ-রাজনৈতিক লড়াই নয়, বরং এই লড়াইগুলোর পেছনে রয়েছে প্রকৃত বস্তুগত বাস্তবতা এবং বৈষয়িক সুবিধা। আপনি যদি মধ্য এশিয়া থেকে ইউরোপীয় বাজারে প্রাকৃতিক গ্যাস পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রস্তাবিত এবং নির্মাণাধীন বিভিন্ন পাইপলাইনের রুটগুলো দেখেন, তবে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। [[:w:তুরস্ক|তুরস্ক]] অনুভব করেছিল যে, সবচেয়ে ভালো চুক্তিটি নিশ্চিত করা তাদের স্বার্থেই প্রয়োজন, যা তাদের এই পাইপলাইনগুলোর পূর্ণ সুবিধা নিতে সাহায্য করবে। অনেক বিশ্লেষক যুক্তি দেন যে এটিই সিরিয়ার বর্তমান অবস্থার অন্যতম কারণ: যখন [[:w:ইরান-ইরাক-সিরিয়া পাইপলাইন|ইরান থেকে ইরাক ও সিরিয়ার]] মধ্য দিয়ে এই প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইনগুলো চালুর প্রস্তাব করা হয়েছিল, তখন এটি এরদোগানের তুরস্কের উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছিল। ** '''''আজামু বারাকা''''', কেভিন ব্যারেটের সাথে (১৭ অক্টোবর ২০১৪); "আজামু বারাকা এবং ইব্রাহিম সাউদি অন আইএসআইএস অ্যান্ড ৯/১১ ডিসেপশনস"। * ১৯ মার্চ ২০০৩ তারিখে শুরু হওয়া ইরাক আক্রমণের ১৫ বছর পূর্ণ হলো; অথচ আমেরিকান জনগণের কোনো ধারণাই নেই যে এই আক্রমণ কী ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে এনেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরাকিদের মৃত্যুর হিসাব রাখতে অস্বীকার করেছে। প্রাথমিক আক্রমণের দায়িত্বে থাকা জেনারেল [[:w:টমি ফ্রাঙ্কস|টমি ফ্রাঙ্কস]] সরাসরি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “আমরা লাশের হিসাব করি না।” একটি জরিপে দেখা গেছে, বেশিরভাগ আমেরিকান মনে করেন ইরাকিদের মৃত্যুর সংখ্যা দশ হাজারের কোঠায়। কিন্তু আমাদের পাওয়া সেরা তথ্য ব্যবহার করে করা হিসাব অনুযায়ী, ২০০৩ সালের আক্রমণের পর থেকে ইরাকে প্রাণহানির পরিমাণ আনুমানিক ২৪ লক্ষ। <br> ইরাকি হতাহতের সংখ্যা কেবল একটি ঐতিহাসিক বিতর্ক নয়, কারণ এই হত্যাকাণ্ড আজও চলছে। ২০১৪ সালে ইরাক ও [[:w:সিরিয়া|সিরিয়ার]] বেশ কিছু বড় শহর ইসলামিক স্টেটের দখলে চলে যাওয়ার পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর সবচেয়ে ভারী বোমা হামলা চালিয়েছে। তারা ১,০৫,০০০ বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এবং মোসুলসহ ইরাক ও সিরিয়ার অন্যান্য শহরগুলোকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। ** [https://www.alternet.org/2018/03/iraq-death-toll-15-years-after-us-invasion/ ইরাকে স্তম্ভিত করার মতো মৃত্যু সংখ্যা], '''''মেডিয়া বেঞ্জামিন''''' এবং '''''নিকোলাস জে. এস. ডেভিস''''' / 'অল্টারনেট' (১৫ মার্চ ২০১৮)। * আমাকে প্রায়ই জিজ্ঞেস করা হয়, '''"যা ঘটেছে তার জন্য কি আমি অপরাধবোধে ভুগি?" উত্তর হলো "না, আমি ভুগি না।"''' আমি যে সিদ্ধান্তটি নিয়েছিলাম, তা ছিল সেই সময়ের সেরা সিদ্ধান্ত... এটি আমাদের দেশের প্রতিরক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমি যুদ্ধে যাওয়ার আগে থেকেই জানতাম যে কেউ না কেউ আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে... যা এই সিদ্ধান্তকে আরও গুরুগম্ভীর করে তোলে। অন্যদিকে, লরা (বুশ) এবং আমি শত শত মানুষের সাথে দেখা করেছি যারা বলেছে, "প্রেসিডেন্ট সাহেব, আমরা আবারও এটি করতে রাজি আছি।" ** '''''জর্জ ডব্লিউ বুশ''''', 'এন্টারটেইনমেন্ট উইকলির'সাথে সাক্ষাৎকার (২০১৭)। * [[:w:বারাক ওবামা|বারাক ওবামা]] হলেন টানা চতুর্থ মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি ইরাকে বিমান হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট [[:w:জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ|জর্জ বুশ (সিনিয়র)]] ১৯৯১ সালে কুয়েতে ইরাকি আক্রমণের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব এবং কংগ্রেসের সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদনের ভিত্তিতে উপসাগরীয় যুদ্ধে গিয়েছিলেন। ৯০ এর দশকের শেষের দিকে, প্রেসিডেন্ট [[:w:বিল ক্লিনটন|বিল ক্লিনটন]] ১৯৯৮ সালে ইরাকে বিমান হামলার নির্দেশ দেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে সাদ্দাম হুসাইন জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শকদের বাধা দিচ্ছেন। কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে এই হামলাগুলো ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্টের আওতায় একটি সাময়িক পদক্ষেপ। ২০০৩ সালে, জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শকদের সাথে অসহযোগিতার অজুহাতে এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একাধিক প্রস্তাবকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে প্রেসিডেন্ট [[:w:জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডব্লিউ বুশ]] ইরাক আক্রমণের নির্দেশ দেন। তার কাছেও একটি AUMF ছিল, যা মূলত গণবিধ্বংসী অস্ত্র নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের উদ্বেগের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল। গত বছর প্রেসিডেন্ট ওবামা আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পুনরায় ইরাকে মার্কিন সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেন। ** এড ক্রেয়েভস্কি, "[http://reason.com/archives/2014/09/23/four-reasons-bombing-isis-in-syria-isnt ফোর রিজনস বোম্বিং আইএসআইএস ইন সিরিয়া ইজ নট ওয়েল থট-আউট]", 'রিজন' (২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। * আজকাল বুশ-৪৩ (জর্জ ডব্লিউ বুশের) এর সমালোচনা করা খুব জনপ্রিয় হয়ে দাঁড়িয়েছে; বিশেষ করে ইরাক আক্রমণের জন্য। এমনকি রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেও আমি অনেককে এই জনপ্রিয় স্রোতে ভাসতে দেখেছি। প্রথমত, একটি [[:w:সাম্যবাদ|কমিউনিস্ট]] দেশে জন্ম নেওয়া এবং বড় হওয়া মানুষ হিসেবে আমি এমন কোনো পদক্ষেপের সমালোচনা করতে পারি না যা একটি [[:w:স্বৈরতন্ত্র|স্বৈরাচারী শাসনের]] পতনের কারণ হয়েছে। ** '''''গ্যারি কাসপারভ''''', বিল ক্রিস্টোলের সাথে সাক্ষাৎকার (এপ্রিল ২০১৬)। * '''মার্গারেট ম্যাকমিলান:''' যারা যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেন তারা অনেক সময় ধরে নেন যে, বিজয় অলৌকিকভাবে সব সমস্যার সমাধান করে দেবে। ১৯৯৮ সালে মার্কিন সামরিক বাহিনী সাদ্দাম হুসাইনকে পরাজিত করার পরিকল্পনা তৈরিতে এবং 'ওয়ার গেমসের' মাধ্যমে সেগুলো পরীক্ষায় অনেক সময় ব্যয় করেছিল। মধ্যপ্রাচ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত [[:w:ইউনাইটেড স্টেটস সেন্ট্রাল কমান্ড|ইউনাইটেড স্টেটস সেন্ট্রাল কমান্ডের]] প্রধান জেনারেল '''''অ্যান্থনি জিনি''''' পরবর্তীতে বলেছিলেন, ‘তখন আমার মনে হয়েছিল যে আমাদের কাছে সাদ্দামের বাহিনীকে পরাজিত করার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু ইরাক পুনর্গঠনের কোনো পরিকল্পনা ছিল না।’ ** '''''মার্গারেট ম্যাকমিলান''''', ''ওয়ার: হাউ কনফ্লিক্ট শেপড আস'' (২০২০)। * ২০০২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরাকের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দিকে এগোচ্ছিল, তখন একটি বিশাল 'ওয়ার গেইমের' মাধ্যমে জনৈক মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির বিরুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর সক্ষমতা যাচাই করা হয়।... তার এই [[:w:অপ্রতিসম যুদ্ধ|অপ্রতিসম যুদ্ধের]] প্রদর্শনী ছিল একটি সতর্কবার্তা যে—আফগানিস্তান ও ইরাক উভয় ক্ষেত্রেই জোট বাহিনী কীভাবে গেরিলা বাহিনীর অতর্কিত হামলার শিকার হতে যাচ্ছে। ** '''''মার্গারেট ম্যাকমিলান''''', ''ওয়ার: হাউ কনফ্লিক্ট শেপড আস'' (২০২০)। * '''র্যান্ড পল:''' যখন কংগ্রেস ইরাক যুদ্ধের সময় সৈন্য মোতায়েনের ওপর সময়সীমা আরোপের চেষ্টা করেছিল, তখন নব্য-রক্ষণশীলরা চিৎকার করে বলেছিল যে ৫৩৫ জন জেনারেল থাকা একটি ভুল হবে। তারা বলেছিল যে যুদ্ধ পরিচালনা করা প্রেসিডেন্টের বিশেষাধিকার—যতক্ষণ না একজন প্রেসিডেন্ট যুদ্ধ থেকে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন।... এই তত্ত্ব দাবি করেছিল যে সামরিক শক্তি প্রয়োগ, বন্দিদের আটক ও জিজ্ঞাসাবাদ এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের ওপর প্রেসিডেন্টের একচ্ছত্র ও অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা রয়েছে। ** '''''র্যান্ড পল''''', [https://www.americanrhetoric.com/speeches/randpaulfloorspeechndaa2021.htm “যুদ্ধ ক্ষমতা এবং ইউনিটারি এক্সিকিউটিভ থিওরি নিয়ে সিনেটে দেওয়া ভাষণ”], (১০ ডিসেম্বর ২০২০)। * '''জন পিলজার:''' [[:w:ইরাক যুদ্ধ|ইরাক]], লিবিয়া এবং সিরিয়ার ওপর আক্রমণ হয়েছিল কারণ এই দেশগুলোর নেতারা পশ্চিমের পুতুল ছিলেন না। সাদ্দাম হুসাইন বা গাদ্দাফির মানবাধিকার রেকর্ড এখানে অপ্রাসঙ্গিক ছিল। তারা আদেশ মানেননি এবং তাদের দেশের নিয়ন্ত্রণ সমর্পণ করেননি... সাবেক ব্রিটিশ ফরেন অফিস কর্মকর্তা কার্ন রস... আমাকে বলেছিলেন: “আমরা সাংবাদিকদের পরিমার্জিত গোয়েন্দা তথ্যের টুকরো সরবরাহ করতাম অথবা তাদের এড়িয়ে চলতাম। এভাবেই কাজটা চলত।” ** '''''জন পিলজার''''', [http://www.informationclearinghouse.info/article45752.htm “ইনসাইড দ্য ইনভিজিবল গভর্নমেন্ট: ওয়ার, প্রোপাগান্ডা, ক্লিনটন অ্যান্ড ট্রাম্প”], ''ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস'', (২৮ অক্টোবর ২০১৬)। * '''সিগাল স্যামুয়েল:''' লুণ্ঠন ছাড়াও, ইরাকের কিছু প্রাচীন নিদর্শন যা দেশেই ছিল, তা মার্কিন আক্রমণের ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৫ ৭৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বাগদাদের দক্ষিণে নির্মিত এবং ১৯০০ দশকের শুরুতে খনন করা ব্যবিলনীয়দের বিখ্যাত [[:w:ইশতার গেট|ইশতার গেটের]] একটি বড় উদাহরণ। ২০০৩ সালে মার্কিন বাহিনী এই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের ঠিক মাঝখানে একটি সামরিক ক্যাম্প স্থাপন করে। ** সিগাল স্যামুয়েল, [https://www.theatlantic.com/international/archive/2018/03/iraq-war-archeology-invasion/555200/ “ইট’স ডিস্টার্বিংলি ইজি টু বাই ইরাক’স আর্কিওলজিক্যাল ট্রেজারস”], ''দ্য আটলান্টিক'', (১৯ মার্চ ২০১৮)। * '''জেরেমি স্ক্যাহিল:''' ৯ এপ্রিল ২০০৩ তারিখে বিশ্বের টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলোতে বাগদাদের [[:w:ফিরদোস স্কয়ার|ফিরদোস স্কয়ারে]] উন্মোচিত হওয়া একটি সরাসরি দৃশ্য দেখানো হয়। সাধারণ ইরাকি এবং ইউনিফর্ম পরা মার্কিন সৈন্যদের একটি দল সাদ্দাম হুসাইনের একটি বিশাল মূর্তি টেনে নামিয়ে ফেলে। এটি ছিল একটি চমৎকার, আধা-পরিকল্পিত প্রোপাগান্ডা মহড়া... বাস্তবে, এই যুদ্ধটি তখন কেবল শুরু হচ্ছিল এবং আজ অবধি তা চলছে। ** '''''জেরেমি স্ক্যাহিল''''', [https://theintercept.com/2018/04/09/video-a-brief-history-of-u-s-intervention-in-iraq-over-the-past-half-century/ “গত অর্ধশতাব্দীতে ইরাকে মার্কিন হস্তক্ষেপের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস”], ''দ্য ইন্টারসেপ্ট'', (৯ এপ্রিল ২০১৮)। * যখন ফরাসি প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘের অধিবেশনে মার্কিন একতরফাবাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন, তখন কেউই ২০০৩ সালের সেই ভয়াবহ যুদ্ধের প্রতিধ্বনি উপেক্ষা করতে পারেনি। এটি ছিল এমন এক মুহূর্ত যা ইউরোপ এবং আমেরিকাকে, এমনকি সরকার ও নাগরিকদেরও তিক্তভাবে বিভক্ত করেছিল। এটি দুই মহাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্যে এক আশঙ্কাজনক ব্যবধান উন্মোচন করেছিল।... টনি ব্লেয়ারের সাথে যোগসাজশ করে তারা গণবিধ্বংসী অস্ত্র (WMD) নিয়ে বিশ্বকে বিভ্রান্ত করেছিল। তাদের ঐশ্বরিক অনুপ্রেরণার দাবি এবং ক্রুসেডীয় উন্মাদনা সেই আধুনিকতার ধারণাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছিল—যাকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘ তাদের অলঙ্কার হিসেবে ব্যবহার করে: আলোকপ্রাপ্ত, স্বচ্ছ, উদার এবং বিশ্বজনীন। ** এ্যাডাম টুজে, ''ক্র্যাশড: হাউ এ ডিকেড অফ ফিনান্সিয়াল ক্র্যাশেস চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড'' (২০১৮)। * '''ডোনাল্ড ট্রাম্প:''' ইরাক যুদ্ধে আমরা ২ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করেছি, হাজার হাজার জীবন হারিয়েছি, কিন্তু আমরা দেশটি পাইনি; ইরান এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেলের মজুদ সমৃদ্ধ ইরাককে দখল করে নিচ্ছে। স্পষ্টতই এটি একটি ভুল ছিল, জর্জ বুশ ভুল করেছিলেন... আমাদের কখনোই ইরাকে যাওয়া উচিত হয়নি, আমরা মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করে তুলেছি। ** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২০১৬ সাউথ ক্যারোলিনা রিপাবলিকান ডিবেট। * ২০০৪ সালে ইরাকের শহর ফালুজার ওপর মার্কিন মেরিনদের আক্রমণেও একই রকম নৃশংসতা দেখা গিয়েছিল। শহরের ৩৯,০০০ ভবনের মধ্যে ১৮,০০০ ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। ১২০ জনেরও বেশি আমেরিকান এবং হাজার হাজার ইরাকি বেসামরিক নাগরিক ও বিদ্রোহী নিহত হয়েছিল।... প্রায় এক দশক পরে, মোসুল থেকে আনুমানিক ৫,০০০ আইএসআইএস জঙ্গিকে নির্মূল করতে কুর্দি পেশমার্গা সহ ১,০০,০০০ ইরাকি বাহিনীর এক বছর সময় লেগেছে। নিঃসন্দেহে এর ক্ষয়ক্ষতি ১৯৬৮ সালের হুয়ে যুদ্ধের চেয়েও অনেক বেশি হবে। ** বিং ওয়েস্ট, [https://www.theatlantic.com/international/archive/2017/06/urban-warfare-hue-mosul/532173/ “আর্বান ওয়ারফেয়ার, দেন অ্যান্ড নাউ”], ''দ্য আটলান্টিক'', (৩০ জুন ২০১৭)। * '''লরেন্স উইলকারসন:''' প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ জাতিসংঘে উপস্থাপনা ছাড়াই যুদ্ধের নির্দেশ দিতেন, এমনকি যদি সেক্রেটারি পাওয়েল তা উপস্থাপনে ব্যর্থ হতেন তবুও। কিন্তু সেক্রেটারি পাওয়েলের ভাবমূর্তি আমেরিকানদের যুদ্ধের দিকে ধাবিত করার দুই বছরব্যাপী প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। সেই প্রচেষ্টাই ইরাকের সাথে একটি ওয়ার অফ চয়েস বাপছন্দের যুদ্ধের দিকে নিয়ে গিয়েছিল—যা এই অঞ্চল এবং মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের জন্য বিপর্যয়কর ক্ষতি ডেকে এনেছিল এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করে তুলেছিল। ** লরেন্স উইলকারসন, [https://www.nytimes.com/2018/02/05/opinion/trump-iran-war.html “আই হেল্পড সেল দ্য ফলস চয়েস অফ ওয়ার ওয়ান্স”], ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', (৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)। * যখন আমি ইরাকের সাথে যুদ্ধের দিকে আমাদের সেই অবিচল পদযাত্রার দিকে ফিরে তাকাই, তখন বুঝতে পারি যে আমরা নিম্নমানের বা নিজেদের পছন্দমতো বাছাই করা গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার করেছি কি না তা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল না; এটি দাবি করা অবাস্তব ছিল যে যুদ্ধ নিজেই নিজের খরচ মেটাবে; এবং আমরা হয়তো চরম নির্বোধ ছিলাম এটা ভেবে যে যুদ্ধ গণতন্ত্রের দিকে নিয়ে যাবে। আমাদের কর্মকাণ্ডের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল আমেরিকান জনগণের কাছে ইরাক যুদ্ধের যৌক্তিকতা বিক্রি করা। ** লরেন্স উইলকারসন, [https://www.nytimes.com/2018/02/05/opinion/trump-iran-war.html “আই হেল্পড সেল দ্য ফলস চয়েস অফ ওয়ার ওয়ান্স”], ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', (৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)। * '''এরিক জুয়েস:''' ইরাকের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের জন্য মার্কিন সরকারের বিচার হওয়া উচিত কারণ সেগুলো অত্যন্ত ভয়াবহ এবং সংখ্যায় অনেক; এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে পড়তেই থাকবে। এর ফলে আমরা বর্তমানে একটি আন্তর্জাতিকভাবে আইনহীন বিশ্বে বাস করছি যেখানে “যার জোর তার মুল্লুক” নীতি চলছে। উদাহরণস্বরূপ কন্ডোলিজা রাইসের কথা ধরুন, যিনি কুখ্যাতভাবে সতর্ক করেছিলেন যে “আমরা ধোঁয়া ওঠা বন্দুককে (প্রমাণ) মাশরুম ক্লাউড (পারমাণবিক বিস্ফোরণ) হিসেবে দেখতে চাই না।” এটি ছিল আমেরিকান জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য অন্যতম কার্যকর মিথ্যা। ** এরিক জুয়েস, [https://ahtribune.com/world/north-africa-south-west-asia/iraq/4160-us-must-be-prosecuted.html “হোয়াই ইউ.এস. মাস্ট বি প্রসিকিউটেড ফর ইটস ওয়ার ক্রাইমস এগেইনস্ট ইরাক”], ''আমেরিকান হেরাল্ড ট্রিবিউন'', (১৬ মে ২০২০)। * ১৫ মার্চ ২০১৮ তারিখে মেডিয়া বেঞ্জামিন এবং নিকোলাস জে.এস. ডেভিস লিখেছিলেন যে, “আমাদের গণনা অনুযায়ী ২০০৩ সালের আক্রমণের পর থেকে ২৪ লক্ষ ইরাকি মৃত্যুর এক ভয়াবহ চিত্র পাওয়া যায়।” ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে বিজনেস ইনসাইডার জানিয়েছিল যে, আমেরিকান করদাতারা গড়ে জনপ্রতি ৮,০০০ ডলার এবং মোট ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি কেবল ইরাক যুদ্ধের জন্যই পরিশোধ করেছেন। বুশ গ্যাং ইরাকের বিরুদ্ধে যে আক্রমণাত্মক যুদ্ধ চালিয়েছে তা আমেরিকান জনগণের বিরুদ্ধেও একটি অপরাধ ছিল। ** এরিক জুয়েস, [https://ahtribune.com/world/north-africa-south-west-asia/iraq/4160-us-must-be-prosecuted.html “হোয়াই ইউ.এস. মাস্ট বি প্রসিকিউটেড ফর ইটস ওয়ার ক্রাইমস এগেইনস্ট ইরাক”], ''আমেরিকান হেরাল্ড ট্রিবিউন'', (১৬ মে ২০২০)। ==== ২০২১ ==== * সম্ভবত ২০০৩ সালে 'এসকুয়ার' ম্যাগাজিনের জন্য আমার ইরাক সফরের মতো অন্য কোনো ঘটনা আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে এতটা বদলে দেয়নি। আমি সেখানে গিয়েছিলাম যুদ্ধের এবং নব্য-রক্ষণশীলতার একজন মৃদু সমর্থক হিসেবে। কিন্তু দেশে ফিরেছিলাম উভয়েরই এক দৃঢ় বিরোধী হয়ে। ইরাকের বাস্তবতা ওয়াশিংটনে আমাদের করা আলোচনার সাথে একেবারেই মিল ছিল না।... আমেরিকা একটি ঔপনিবেশিক শক্তি হওয়ার উপযুক্ত ছিল না। দখলদাররা দখলকৃত দেশকে শাসন করে; তারা শৃঙ্খলা ও স্পষ্টতা আনে। কিন্তু আমেরিকা তার কোনোটিই করতে সক্ষম ছিল না। ** '''''টাকার কার্লসন''''', ''দ্য লং স্লাইড: থার্টি ইয়ার্স ইন আমেরিকান জার্নালিজম'' (২০২১)। * আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে নব্য-রক্ষণশীলতার মধ্যে রক্ষণশীল কিছু নেই। নেওকনরা আসলে হাতে বন্দুক থাকা উদারপন্থী, যারা সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক ধরনের হয়ে থাকে। ** '''''টাকার কার্লসন''''', ''দ্য লং স্লাইড: থার্টি ইয়ার্স ইন আমেরিকান জার্নালিজম'' (২০২১)। * '''জশুয়া ফাউস্ট:''' ইরাক যুদ্ধ নিয়ে তৈরি কোনো [[:w:ভিডিও গেম|ভিডিও গেম]] হয়তো যুদ্ধের রাজনীতি নিয়ে বড় কোনো প্রশ্ন তোলে বলে মনে নাও হতে পারে; কিন্তু গণমাধ্যমের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে ভিডিও গেম মানুষের আবেগীয় অবস্থা, চিন্তাধারা এবং উপলব্ধিকে প্রভাবিত করতে পারে। প্রতি বছর সামরিক থিমের ফার্স্ট পারসন শ্যুটার গেমগুলো কোটি কোটি ডলার রাজস্ব তৈরি করে। ** জশুয়া ফাউস্ট, [https://www.brookings.edu/techstream/video-games-are-the-new-contested-space-for-public-policy/ “ভিডিও গেমস আর দ্য নিউ কন্টেস্টেড স্পেস ফর পাবলিক পলিসি”], ''ব্রুকিংস ইনস্টিটিউট'', (২৫ মার্চ ২০২১)। * 'ফুল স্পেকট্রাম ওয়ারিয়র' গেমটির কথা ধরা যাক, যা ২০০৪ সালে মার্কিন সেনা সদস্যদের প্রশিক্ষণের সিমুলেটর হিসেবে তৈরি করা শুরু হয়েছিল। ইরাকের একটি কাল্পনিক সংস্করণে সেট করা এই গেমটিতে কেবল গুলি করার জন্য আরব পুরুষদের দেখানো হয়েছে। এর বিপণনে একে "বাস্তবসম্মত" এবং পেন্টাগনের পরামর্শে তৈরি বলে দাবি করা হলেও, গেমটি যুদ্ধের জটিলতাকে এড়িয়ে সামরিক বাহিনীকে প্রশ্নাতীতভাবে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরেছে—যা খেলার জন্য উপভোগ্য হলেও ইরাক যুদ্ধের বাস্তব প্রতিফলন নয়। ** জশুয়া ফাউস্ট, [https://www.brookings.edu/techstream/video-games-are-the-new-contested-space-for-public-policy/ “ভিডিও গেমস আর দ্য নিউ কন্টেস্টেড স্পেস ফর পাবলিক পলিসি”], ''ব্রুকিংস ইনস্টিটিউট'', (২৫ মার্চ ২০২১)। * মার্কিন সামরিক বাহিনী 'সিক্স ডেইজ ইন ফালুজা' গেমটির উৎপাদনের সাথেও জড়িত বলে মনে হয়, যা ইরাক যুদ্ধ সম্পর্কে মানুষের ধারণাকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ২০০৯ সালে এটি অত্যন্ত বিতর্কিত হওয়ার কারণে পাবলিকেশন বাতিল করা হয়েছিল। সিআইএর বিনিয়োগকারী শাখা In-Q-Tel ২০০৫ সালে এই কোম্পানির সাথে অংশীদারিত্ব করেছিল। সরকারের সাথে এমন গভীর সম্পর্ক থাকা কোনো কোম্পানি "রাজনীতিহীন" গেম তৈরি করতে পারে—এমন দাবি ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছিল। ** জশুয়া ফাউস্ট, [https://www.brookings.edu/techstream/video-games-are-the-new-contested-space-for-public-policy/ “ভিডিও গেমস আর দ্য নিউ কন্টেস্টেড স্পেস ফর পাবলিক পলিসি”], ''ব্রুকিংস ইনস্টিটিউট'', (২৫ মার্চ ২০২১)। * প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ শত্রুর চূড়ান্ত পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হয়নি, বরং একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে শেষ হয়েছিল; যার ফলে সেখানে একটি বিশাল সেনাবাহিনী থেকে যায় যা জাতিসংঘের চুক্তিকে অবজ্ঞা করতে থাকে এবং প্রতি বছর মার্কিন করদাতাদের লক্ষ লক্ষ ডলার অপচয় করে। সাদ্দাম হুসাইনের শাসনামলে হাজার হাজার ইরাকি প্রাণ হারায়। দীর্ঘ বারো বছর পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় ইরাকের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। এই দ্বিতীয় যুদ্ধটিই 'ইরাক যুদ্ধ' হিসেবে পরিচিতি পায়। ২০১১ সালে প্রধান মার্কিন বাহিনী ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ হয়েছে বলে মনে হলেও, ওবামা প্রশাসনের অধীনে জোট বাহিনী খুব দ্রুত সরে আসায় সেখানে এক শূন্যতার সৃষ্টি হয় এবং আইএসআইএসের উত্থান ঘটে। অবশেষে, ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসআইএস ধ্বংস হয় এবং ইরাক অবশেষে কিছুটা শান্তি খুঁজে পায়। ** প্যাট্রিক ও'কেলি, ''ট্রিপল ক্যানোপি: এ ওয়ারিয়র’স জার্নি ফ্রম গ্রেনাডা টু ইরাক'' (২০১৪), ২০২১ পুনর্মুদ্রণ। * '''জেরেমি স্ক্যাহিল:''' তারপর ৯/১১ এর হামলা হলো। সহজভাবে বলতে গেলে, বুশ প্রশাসন যা চেয়েছিল, [[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]] তার প্রায় সবকিছুই সমর্থন করেছিলেন। বাইডেন কেবল ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণ ও দখলের পক্ষেই ভোট দেননি, বরং মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই যুদ্ধকে সহজতর করতে তিনি মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন। ** জেরেমি স্ক্যাহিল, [https://www.democracynow.org/2021/4/28/empire_politician_joe_biden_jeremy_scahill “এম্পায়ার পলিটিশিয়ান: জো বাইডেন’স হাফ-সেঞ্চুরি রেকর্ড অন ফরেন পলিসি”], ''ডেমোক্রেসি নাও'', (২৮ এপ্রিল ২০২১)। * ইরাক আক্রমণের ফলে দেশটির [[:w:খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টান]] সম্প্রদায় প্রায় সম্পূর্ণ বিলুপ্তির পথে চলে গেছে। সিরিয়ায় [[:w:বাশার আল-আসাদ|বাশার আল-আসাদকে]] ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টার ফলে দেশটির খ্রিস্টানরা কট্টর ইসলামপন্থীদের দ্বারা নৃশংস হামলার শিকার হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে একজন খ্রিস্টান হওয়ার অর্থ হলো ক্রমাগত এই ভয়ে থাকা যে—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কখন আপনার দেশের দিকে নজর দেবে; কারণ আমেরিকা যেখানেই পৌঁছায়, মুজাহিদিনরা সেখান থেকে খুব বেশি দূরে থাকে না। ** নিকোলো সোলডো, [https://niccolo.substack.com/p/saturday-commentary-and-review-63 “স্যাটারডে কমেন্টারি অ্যান্ড রিভিউ #৬৩”], ''সাবস্ট্যাক'', ২৯ নভেম্বর ২০২১। * আমেরিকার লড়া কিছু যুদ্ধ ছিল "স্রেফ মুনাফা লাভের জন্য" এবং কিছু দেশের ওপর তারা যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তা যুদ্ধের মতোই ধ্বংসাত্মক... যুদ্ধের পেছনে অন্যতম বড় কারণ হলো মুনাফা, যা এখন খুব নগ্নভাবে প্রকাশিত। বোমা, বিমান এবং যানবাহন প্রস্তুতকারী প্রতিরক্ষা শিল্প সংস্থাগুলো এবং ব্যক্তিগত সামরিক ঠিকাদাররা যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল পর্যন্ত ট্রিলিয়ন ডলার আয় করেছে। তাই যুদ্ধ জেতা তাদের লক্ষ্য ছিল না; লক্ষ্য ছিল যুদ্ধ যেন চিরকাল চলতে থাকে। ** ড্যানিয়েল কোভালিক, ''সিনহুয়া''-র সাথে সাক্ষাৎকার (৮ ডিসেম্বর ২০২১)। ==== ২০২৩ ==== * '''আজ থেকে বিশ বছর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য একটি ভুল গোয়েন্দা তথ্য, বিশ্বের কাছে করা মাসের পর মাস মিথ্যাচার এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি চরম অবজ্ঞার ওপর ভিত্তি করে একটি বিপর্যয়কর সামরিক অভিযানে ইরাক আক্রমণ করেছিল।''' এই আক্রমণ লক্ষ লক্ষ বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু, কয়েক দশকের গৃহযুদ্ধ এবং ইরাকে চরম সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পথ তৈরি করেছিল, যা ইসলামিক স্টেট সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর উত্থানে সাহায্য করে। পেন্টাগন এবং তার মিত্ররা ধরে নিয়েছিল যে—একটি দূরবর্তী জাতি এবং তার জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করতে কেবল উন্নত প্রযুক্তি এবং সামরিক শ্রেষ্ঠত্বই যথেষ্ট। ** এমা গ্রাহাম-হ্যারিসন এবং সালিম হাবিব, [https://www.theguardian.com/world/2023/mar/19/the-us-army-destroyed-our-lives-five-iraqis-on-the-war-that-changed-the-middle-east "‘দ্য ইউএস আর্মি ডেসট্রয়েড আওয়ার লাইভস’: ফাইভ ইরাকিস অন দ্য ওয়ার দ্যাট চেঞ্জড দ্য মিডল ইস্ট"], ''দ্য গার্ডিয়ান'', (১৯ মার্চ ২০২৩)। * '''১ মে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ একটি বিমানবাহী রণতরীতে বেশ নাটকীয়ভাবে হাজির হয়ে "মিশন অ্যাকমপ্লিশড" (অভিযান সফল) হওয়ার ঘোষণা দেন। আমেরিকা ইরাকে "প্রধান যুদ্ধ অভিযানসমূহ" সমাপ্ত ঘোষণা করেছিল। এটি ছিল এমন এক ভাষণ যা আমেরিকার ঔদ্ধত্য, অজ্ঞতা এবং ইরাকের বাস্তব পরিস্থিতির প্রতি অবজ্ঞাকেই প্রকাশ করেছিল, যেখানে কয়েক দশকের রক্তক্ষয়ী অধ্যায় কেবল শুরু হতে যাচ্ছিল।''' ** এমা গ্রাহাম-হ্যারিসন এবং সালিম হাবিব, [https://www.theguardian.com/world/2023/mar/19/the-us-army-destroyed-our-lives-five-iraqis-on-the-war-that-changed-the-middle-east ''দ্য গার্ডিয়ান''], (১৯ মার্চ ২০২৩)। * ব্রিটেনের এই যুদ্ধে সম্পৃক্ততা নিয়ে তৈরি হওয়া সেই অভিশপ্ত 'চিলকট রিপোর্ট' পরবর্তীতে জানায় যে—যুক্তরাজ্য শান্তি আলোচনার সমস্ত পথ নিঃশেষ হওয়ার আগেই এই আক্রমণে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার সাদ্দাম হুসাইনের পক্ষ থেকে আসা হুমকির বিষয়টিকে ইচ্ছাকৃতভাবে বাড়িয়ে বলেছিলেন। ব্রিটেনের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো শুরু থেকেই এই ভুল ধারণার ওপর ভিত্তি করে "ত্রুটিপূর্ণ তথ্য" সরবরাহ করেছিল যে সাদ্দামের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র আছে; তারা এই সম্ভাবনাটি বিবেচনা করার কোনো চেষ্টাই করেনি যে তিনি হয়তো সেগুলো আগেই ধ্বংস করে ফেলেছেন—যা আসলে তিনি করেছিলেন। ব্লেয়ার আক্রমণের পর ইরাক যে গৃহযুদ্ধে নিমজ্জিত হতে পারে সেই সতর্কবাণীগুলো উপেক্ষা করেছিলেন, যার মধ্যে মার্কিন স্টেট সেক্রেটারি কলিন পাওয়েলের সেই নিখুঁত ভবিষ্যদ্বাণীও ছিল—"সাদ্দাম চলে যাওয়ার পর এক ভয়াবহ প্রতিহিংসার রক্তপাত শুরু হবে।" চিলকট রিপোর্টে দেখা গেছে যে, সামগ্রিকভাবে ব্রিটেন ইরাকে তার লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। এই যুদ্ধ আন্তর্জাতিক মঞ্চে মার্কিন ও ব্রিটিশ কর্তৃত্বকে ক্ষুণ্ণ করেছে, যার নেতিবাচক প্রভাব আজও বিদ্যমান। ** এমা গ্রাহাম-হ্যারিসন এবং সালিম হাবিব, [https://www.theguardian.com/world/2023/mar/19/the-us-army-destroyed-our-lives-five-iraqis-on-the-war-that-changed-the-middle-east "‘দ্য ইউএস আর্মি ডেসট্রয়েড আওয়ার লাইভস’: ফাইভ ইরাকিস অন দ্য ওয়ার দ্যাট চেঞ্জড দ্য মিডল ইস্ট"], ''দ্য গার্ডিয়ান'', (১৯ মার্চ ২০২৩)। == আরও দেখুন == * [[:w:ইরাক|ইরাক]] * [[:w:ইরাক যুদ্ধ|ইরাক যুদ্ধ]] * [[:w:গণবিধ্বংসী অস্ত্র|গণবিধ্বংসী অস্ত্র]] * [[:w:উপসাগরীয় যুদ্ধ|উপসাগরীয় যুদ্ধ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{Commons category}} {{উইকিসংবাদ}} [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইরাক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইরাক যুদ্ধ]] 1usm6njdlyjvpsmeb2w3bsoc6n2yeup আনোয়ার ইব্রাহিম 0 13448 81765 80715 2026-04-28T01:02:27Z R1F4T 1240 81765 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:2025 Anwar Ibrahim (cropped).jpg|thumb|২০২৫ সালে আনোয়ার ইব্রাহিম]] [[w:মালয় শৈলী এবং উপাধি|দাতুক সেরি]] '''[[w:আনোয়ার ইব্রাহিম|আনোয়ার ইব্রাহিম]]''' (জন্ম [[১০ আগস্ট]] [[১৯৪৭]]) হলেন একজন [[মালয়েশিয়া|মালয়েশীয়]] রাজনীতিবিদ এবং ২০২২ সাল থেকে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি [[w:পিপলস জাস্টিস পার্টি (মালয়েশিয়া)|পিপলস জাস্টিস পার্টির]] প্রতিষ্ঠাতা এবং শীর্ষস্থানীয় নেতা। এছাড়াও তিনি অর্থমন্ত্রী (১৯৯১–১৯৯৮), শিক্ষামন্ত্রী (১৯৮৬–১৯৯১), কৃষিমন্ত্রী (১৯৮৪–১৯৮৬) এবং সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী (১৯৮৩–১৯৮৪) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ==উক্তি== ===২০০০-এর দশক=== * নতুন প্রধানমন্ত্রীকে [[বিচার বিভাগ|বিচার বিভাগের]] কাজে হস্তক্ষেপ না করার জন্য আমার কৃতিত্ব দিতে হবে। আমি প্রধানমন্ত্রী [[আব্দুল্লাহ আহমাদ বাদাবি|আব্দুল্লাহ বাদাবিকে]] প্রয়োজনীয় সংস্কার করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০০৪) “[https://www.chinadaily.com.cn/english/doc/2004-09/03/content_371274.htm মালয়েশিয়ার আনোয়ার সোডমির বিরুদ্ধে আপিলে জয়ী, মুক্ত]” (চায়না ডেইলি, ৩ সেপ্টেম্বর ২০০৪) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা লড়াই করব। যখন আমরা দেশের দায়িত্ব নেব, তখন প্রথম যে কাজটি করব তা হলো জ্বালানির দাম কমানো। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০০৮) “[https://www.cnbc.com/id/25487653 অধিকাংশ মালয়েশীয় মনে করেন আনোয়ার নির্দোষ: জরিপ]” (চায়না ডেইলি, ২ জুলাই ২০০৮) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা এনইপি (নিউ ইকোনমিক পলিসি)-কে সেকেলে বলে মনে করি। আমি সবসময় বলি, এনইপি কেবল ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন পরিবারের সদস্য এবং তাদের আশীর্বাদপুষ্টদের সুবিধা দেয়। তাই আমরা কেবল সেই রাজ্যগুলোতে যেখানে আমরা ক্ষমতায় আছি, সেখানে পরিবার-সম্পর্কিত কোম্পানি এবং তাদের আশীর্বাদপুষ্টদের টেন্ডার, প্রকল্প এবং বেসরকারিকরণ প্রদানের এই চর্চা বন্ধ করছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০০৮) “[https://www.reuters.com/article/us-malaysia-election-idUSKLR17040020080311 মালয়েশীয় বিরোধী দল ইতিবাচক পদক্ষেপের দিকে লক্ষ্য রেখেছে]” (রয়টার্স, ১১ মার্চ ২০০৮) থেকে উদ্ধৃত। ===২০১০-এর দশক=== * আমরা এটাও উপলব্ধি করি যে, মালয়েশীয়দের একটি নতুন প্রজন্ম আছে যারা এক দশক আগে শুরু হওয়া সংস্কার (রেফরমাসি) আন্দোলনের কথা মনে রাখার জন্য খুবই কম বয়সী ছিল। তাদের কাছে পৌঁছানো অনেকাংশেই প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘটবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১০) “[http://edition.cnn.com/2010/WORLD/asiapcf/03/04/malaysia.anwar.interview/index.html প্রশ্নোত্তর: আনোয়ার ইব্রাহিম বিচার, মুসলিম ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছেন]” (সিএনএন, ৫ মার্চ ২০১০) থেকে উদ্ধৃত। * ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, আমি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছি। ** বিচারক জাবিদিন মোহাম্মদ দিয়াহ কর্তৃক আনোয়ারকে সোডমির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত না করার প্রতিক্রিয়ায়, যখন তিনি প্রসিকিউশনের জমা দেওয়া ডিএনএ প্রমাণকে অবিশ্বস্ত বলে রায় দেন, ৯ জানুয়ারি ২০১২, বিবিসি নিউজে উদ্ধৃত: [http://www.bbc.com/news/world-asia-16463989 "আনোয়ার ইব্রাহিম মালয়েশিয়ায় সোডমির অভিযোগ থেকে খালাস"], ৯ জানুয়ারি ২০১২। * পৃথিবীর কোনো শক্তিই জনগণের শক্তিকে থামাতে পারবে না। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৩) “[https://www.aljazeera.com/features/2013/5/3/the-wild-ride-of-anwar-ibrahim আনোয়ার ইব্রাহিমের উত্তাল যাত্রা]” (আলজাজিরা, ৩ মে ২০১৩) থেকে উদ্ধৃত। * আবারও, ১৫ বছর পর, তারা আমাকে লকআপে পুরতে চায় এবং একারণেই তারা তাড়াহুড়ো করছে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৪) “[https://www.bbc.com/news/world-asia-26479642 মালয়েশিয়া আনোয়ার ইব্রাহিমকে সোডমির জন্য পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে]” (বিবিসি নিউজ, ৭ মার্চ ২০১৪) থেকে উদ্ধৃত। * শুধু এখন আমাকে কারাগারে পাঠাচ্ছে বলেই আমি আমার অবসর ঘোষণা করতে পারি না। যদি আমি ফেডারেল আদালতের আলোচনার সময় অবসর নিতাম, তবে তারা বলত এটি পরাজয় স্বীকার করার বিষয়। আমাকে তখন ঘোষণা করতে হবে যে আমি লড়াই করব। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৪) “[https://thediplomat.com/2014/04/interview-anwar-ibrahim/ সাক্ষাৎকার: আনোয়ার ইব্রাহিম]” (বিবিসি নিউজ, ২৪ এপ্রিল ২০১৪) থেকে উদ্ধৃত। * মালয়েশিয়ার অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে না যে আমি একটি ন্যায্য বিচার পাব বা আইনের তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত পাব। কিন্তু আমি তরুণদের দেখাতে চাই যে (আমার দোষী সাব্যস্ত হওয়া) [[স্বাধীনতা]] এবং [[ন্যায়বিচার|ন্যায়বিচারের]] সংগ্রামের জন্য একটি ছোট মূল্য। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৪) “[https://time.com/3536047/malaysia-anwar-ibrahim-sodomy-appeal/ মালয়েশিয়ার বিরোধী নেতা আনোয়ার ইব্রাহিম সোডমির আপিলের রায়ের অপেক্ষায়]” (টাইম, ২৪ অক্টোবর ২০১৪) থেকে উদ্ধৃত। * আমি তৃতীয়বারের মতো কারাগারে হাঁটব, কিন্তু নিশ্চিত থাকুন যে আমি মাথা উঁচু করে হাঁটব। আমি আমার নির্দোষতা বজায় রাখছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৫) “[https://www.reuters.com/article/cnews-us-malaysia-anwar-idCAKBN0LD2F520150210 মালয়েশিয়ার আনোয়ার সোডমি বিচারে আপিল হেরে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন]” (রয়টার্স, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫) থেকে উদ্ধৃত। * আমি আমার নির্দোষতা বজায় রাখছি। আমার কাছে এটি একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র থেকে উদ্ভূত একটি বানোয়াট অভিযোগ, যা আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার থামাতে ব্যবহৃত হচ্ছে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৫) “[https://www.theguardian.com/world/2015/nov/02/un-group-condemns-malaysias-arbitrary-detention-of-anwar-ibrahim জাতিসংঘের দল মালয়েশিয়ায় আনোয়ার ইব্রাহিমের 'স্বেচ্ছামূলক' আটকের নিন্দা জানিয়েছে]” (দ্য গার্ডিয়ান, ২ নভেম্বর ২০১৫) থেকে উদ্ধৃত। * আমাদের প্রিয় জাতিকে বাঁচাতে আমাদের একসাথে একটি নতুন পথ তৈরি করতে হবে। ** আনোয়ার তার জেল কক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলেছেন, দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ডে উদ্ধৃত, [http://www.smh.com.au/world/mahathir-mohamad-wins-jailed-anwar-ibrahims-backing-in-bit-to-oust-malaysian-pm-najib-razak-20160303-gnabf8.html "মাহাথির মোহাম্মদ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাককে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টায় কারাবন্দী আনোয়ার ইব্রাহিমের সমর্থন জিতেছেন"], ৪ মার্চ ২০১৬। * সাধারণ [[নির্বাচন|নির্বাচনের]] ওপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করার আহ্বানের অংশ হিসেবে, আমি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থী হিসেবে প্রস্তাব করছি না। উমনো বিএন-এর বিরুদ্ধে লড়তে একটি দলে সমস্ত শক্তি একত্রিত করার আশায়, সমস্ত নেতাদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা ন্যায্য। এর মধ্যে [[মাহাথির মোহাম্মদ|মাহাথির মোহাম্মদের]] অবস্থান ও ভূমিকা থেকে উপকৃত হওয়া অন্তর্ভুক্ত। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৭) “[https://www.voanews.com/a/anwar-ibrahim-jailed-malaysian-opposition-leader-withdraws-as-pm-candidate/3904762.html আনোয়ার ইব্রাহিম, কারাবন্দী মালয়েশীয় বিরোধী নেতা, প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন]” (ভিওএ, ১৭ জুন ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত। * আমি এবং মাহাথির আগেই সব পুরোনো তিক্ততা ভুলে গেছি, তা অনেক আগের কথা। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৮) “[https://www.bbc.com/news/world-asia-44135213 মালয়েশিয়ার মুক্ত আনোয়ার ইব্রাহিম ভোটে জয়ের পর 'নতুন ভোর' উদযাপন করেছেন]” (বিবিসি নিউজ, ১৬ মে ২০১৮) থেকে উদ্ধৃত। * কারাগারের জীবন থেকে একজন যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নিতে পারে তা হলো স্বাধীনতার মূল্য। যখন আপনি বন্দী হন, তখন আপনি স্বাধীনতার অর্থ এবং গুরুত্ব বুঝতে পারেন। কাউকে, আনোয়ার হোক বা... অন্য কেউ, কোনো ব্যক্তির ওপর যে ট্র্যাজেডি ঘটে তা সহ্য করতে দেওয়া উচিত নয়। আমি অনেকের দ্বারা সমর্থিত ছিলাম। কিন্তু আমাদের এটি একবার এবং সবসময়ের জন্য বন্ধ করতে হবে, এবং এটি আমাদের কর্তব্য, বিশেষ করে পাকাতান হারাপানে আমাদের কর্তব্য এটি শেষ করা। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৮) “[https://www.aljazeera.com/news/2018/5/16/malaysia-anwar-ibrahim-released-after-getting-full-pardon মালয়েশিয়া: আনোয়ার ইব্রাহিম পূর্ণ ক্ষমা পাওয়ার পর মুক্ত হয়েছেন]” (আলজাজিরা, ১৬ মে ২০১৮) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা দারিদ্র্য এবং অসমতা নিয়ে কথা বলি, কিন্তু এই দেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি অর্থনৈতিক কর্মসূচি বা নীতি তৈরি করার সময়, আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে কোনো সম্প্রদায়, কোনো অঞ্চল যেন অবহেলিত না থাকে। ** আনোয়ার পোর্ট ডিকসনের একটি হোটেলে ব্যাংকার এবং তহবিল ব্যবস্থাপকদের সাথে এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, দ্য স্টার অনলাইনে উদ্ধৃত, [https://www.thestar.com.my/news/nation/2018/10/10/anwar-underscores-the-need-to-help-the-poor/ "আনোয়ার দরিদ্রদের সাহায্য করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন"], ১০ অক্টোবর ২০১৮। * অবশ্যই এটি পাঁচ বছর নয় কারণ তিনি (মাহাথির মোহাম্মদ) এটি পরিষ্কার করেছেন যে তারা দুই বছরের বেশি সময় নেবেন না। তবে তাকে কার্যকরভাবে শাসন করতে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমরা খুব কঠিন এবং সংকটময় সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৯) “[https://www.scmp.com/news/asia/southeast-asia/article/2186116/anwar-ibrahim-expects-succeed-mahathir-mohamad-malaysian-pm আনোয়ার ইব্রাহিম মাহাথির মোহাম্মদের পর দুই বছরের মধ্যে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আশা করছেন, ১এমডিবি নিয়ে গোল্ডম্যান স্যাকসকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার পরিকল্পনা করছেন]” (সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯) থেকে উদ্ধৃত। * মুক্ত গণমাধ্যম আমার মতে, অবশ্যই একটি দায়িত্বশীল গণমাধ্যম, যার অর্থ হলো কিছু নিয়ম যা তাদের মেনে চলতে হবে, কিন্তু এটি ক্ষমতাসীন শক্তির দ্বারা সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন নেই। পরিবর্তে, এটি গণমাধ্যম এবং কর্তৃপক্ষ উভয়ের দ্বারা পরিচালিত একটি নীতি কমিটি হওয়া উচিত। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৯) “[https://www.aljazeera.com/economy/2019/3/22/malaysias-anwar-ibrahim-we-need-to-focus-on-economy মালয়েশিয়ার আনোয়ার ইব্রাহিম: ‘আমাদের অর্থনীতিতে মনোযোগ দিতে হবে’]” (আলজাজিরা, ২২ মার্চ ২০১৯) থেকে উদ্ধৃত। * দরিদ্রদের সাহায্য করার জন্য বছরে আরএম ২৮ বিলিয়ন বরাদ্দ কিন্তু সেখানে অনিয়ম ছিল এবং জেলেরা বা কৃষকরা কেউই সহায়তা পায়নি। আমরা চাই না এটি আবার ঘটুক কারণ সাহায্য লক্ষ্যমাত্রা পর্যন্ত পৌঁছানো উচিত এবং আমাদের বাস্তবায়ন পদ্ধতি শনাক্ত করতে হবে যাতে আর কোনো দুর্নীতি এবং অনিয়ম না থাকে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৯) “[https://www.malaysiakini.com/news/492379 আনোয়ার: আমি প্রায় প্রতিটি গ্রামে, বসতিতে দরিদ্রদের দেখি]” (মালয়েশিয়াকিনি, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা (মালয়েশিয়ায়) গত অর্ধ শতাব্দী ধরে এমন একটি প্রো-ভূমিপুত্র নীতি চেষ্টা করেছি যা আশীর্বাদপুষ্ট এবং অভিজাতদের উপকৃত করেছে। পরিসংখ্যান দেখুন। [[দারিদ্র্য]] বেড়েছে! [[অসমতা]] বেড়েছে! এটি একটি ক্লায়েন্টিলিস্ট সিস্টেমের মতো হয়ে গেছে। এবং তা প্রত্যাখ্যান করা প্রয়োজন! ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৯) “[https://asia.nikkei.com/Spotlight/The-Big-Story/Anwar-Ibrahim-finally-has-Malaysia-s-leadership-within-reach আনোয়ার ইব্রাহিম অবশেষে মালয়েশিয়ার নেতৃত্বের নাগাল পেয়েছেন]” (নিক্কেই এশিয়া, ৬ নভেম্বর ২০১৯) থেকে উদ্ধৃত। ===২০২০-এর দশক=== ====২০২০==== * আমাদের অর্থনীতি ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে, তাই আমাদের অর্থনীতিকে নতুনভাবে সাজাতে হবে। আমরা তাদের ওপর নির্ভর করতে পারি না যারা ক্ষমতা অপব্যবহার করে নিজেদের সমৃদ্ধ করছে, জনগণের সাধারণ কারণের চ্যাম্পিয়ন হতে। শ্রমিক, কৃষক এবং জেলেদের দুরবস্থা, তাদের রক্ষা করা প্রয়োজন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২০) “[https://www.nst.com.my/news/politics/2020/03/570671/anwar-time-close-ranks-move আনোয়ার: সারিবদ্ধ হওয়ার সময়, এগিয়ে যাওয়ার সময়]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১ মার্চ ২০২০) থেকে উদ্ধৃত। * সৌভাগ্যবশত মালয়েশিয়ার কাছে [[দারিদ্র্য]] সমস্যা সমাধানের জন্য পর্যাপ্ত সম্পদ এবং সম্পদ রয়েছে। তাই হাতে থাকা সমস্যাকে অগ্রাধিকার না দেওয়ার কোনো অজুহাত নেই। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২০) “[https://malaysia.news.yahoo.com/anwar-says-malaysia-rich-many-151734538.html আনোয়ার বলেছেন মালয়েশিয়া ধনী, কিন্তু অনেক মানুষ এখনও দরিদ্র কারণ সেখানে ভাড়া খোঁজার সংস্কৃতি গেঁথে আছে]” (ইয়াহু! নিউজ, ১০ জুলাই ২০২০) থেকে উদ্ধৃত। * আমি এমন একটি বিষয়ে জোর দিতে চাই যা আমাদের হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয় — এই সংখ্যাগুলো (মালয়েশিয়ার দৈনিক কোভিড-১৯ কেস) কি বাস্তব? যদি আপনি অনুরূপ জনসংখ্যার দেশের সাথে তুলনা করেন — [[অস্ট্রেলিয়া]], মালয়েশিয়া, [[কানাডা]] — আমাদের পরীক্ষার সক্ষমতা খুবই কম। আমরা মোট সংক্রমণ জানতে চাই, যা মোট পরীক্ষার সাথে সম্পর্কিত। আমরা একটি ক্লাস্টারে ১০,০০০ মানুষের পরীক্ষা করি, আমরা ১,০০০ (কেস) পাব। যদি আমরা ১০০ জনের পরীক্ষা করি, আমরা হয়তো একটি পেতে পারি। তাই, জননিরাপত্তা রক্ষা করতে, পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২০) “[https://codeblue.galencentre.org/2020/07/15/anwar-mps-question-malaysias-covid-19-testing-rate-and-accuracy/ আনোয়ার, এমপিরা মালয়েশিয়ার কোভিড-১৯ পরীক্ষার হার এবং নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন]” (কোডব্লু, ১৫ জুলাই ২০২০) থেকে উদ্ধৃত। * মালয়েশিয়ার জনগণ এমন নেতৃত্ব পাওয়ার যোগ্য যা এই অশান্ত সময়ে (কোভিড-১৯ মহামারী) কার্যকরভাবে পথ চলতে পারে। পরিবর্তে আমাদের একটি অস্থিতিশীল সরকার রয়েছে যাদের সংকট সামলানোর অক্ষমতা দেশটিকে অর্থনৈতিক মন্দা এবং জাতিগত উত্তেজনার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২০) “[https://www.aljazeera.com/news/2020/9/23/malaysias-anwar-ibrahim-says-has-majority-to-form-new-government মালয়েশিয়ার আনোয়ার দাবি করেছেন নতুন সরকার গঠনের জন্য ‘শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠতা’ আছে]” (আলজাজিরা, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০) থেকে উদ্ধৃত। * প্রথমত, সাবাহের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা, যা ইতিমধ্যেই কম অর্থায়িত, পর্যাপ্ত কর্মীহীন এবং সম্পদের অভাবী, এখন (কোভিড-১৯) মহামারীর কারণে প্লাবিত এবং অভিভূত। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সাবাহতে সম্পদ সরিয়ে নিচ্ছে কিন্তু মন্ত্রণালয় একা এটি করতে পারে না। এই প্রচেষ্টার জন্য শক্তিশালী নেতৃত্বের রাজনৈতিক সমর্থন এবং জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের অংশগ্রহণ প্রয়োজন যাতে পর্যাপ্ত মেডিকেল টিম ও সরঞ্জাম সংগ্রহ করা যায়, লজিস্টিকস উন্নত করা যায় এবং সাহায্যের বিস্তৃত নাগাল প্রদান করা যায়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২০) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2020/10/19/anwar-sabah-in-dire-need-of-aid-as-covid-19-continues-to-spread/1914312 আনোয়ার: কোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে সাবাহর সাহায্যের তীব্র প্রয়োজন]” (মালে মেইল, ১৯ অক্টোবর ২০২০) থেকে উদ্ধৃত। * সেই নির্দিষ্ট মন্ত্রী (অর্থমন্ত্রী টেংকু জাফরুল আজিজ) বলেছেন যে ইতিমধ্যেই আরএম ৩ বিলিয়ন (কোভিড-১৯ টিকা কেনার জন্য) আছে। মন্ত্রণালয়ে কোনো রেকর্ড নেই, বাজেটে কোনো রেকর্ড নেই, আরএম ৩ বিলিয়ন। আমি জানি না কোথা থেকে। এটা কি লুকানো হচ্ছে যাতে ঘাটতি দেখা না যায়? ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২০) “[https://codeblue.galencentre.org/2020/11/09/anwar-where-is-rm3bil-covid-19-vaccine-allocation-in-budget-2021/ আনোয়ার: বাজেট ২০২১-এ আরএম ৩ বিলিয়ন কোভিড-১৯ টিকা বরাদ্দ কোথায়?]” (কোডব্লু, ৯ নভেম্বর ২০২০) থেকে উদ্ধৃত। ====২০২১==== * আমি প্রধানমন্ত্রী হতে ব্যর্থ হইনি, এটি কেবল এখনও ঘটেনি। আমাকে মেনে নিতে হবে যে আমি এখনও পাকাতান হারাপানের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী এবং যদি মালয়েশীয়রা আমাকে এই পদের জন্য সমর্থন করে, আমি জনগণের সুরক্ষায় কাজ চালিয়ে যাব, বিশেষ করে তাদের জন্য যাদের এটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, ইনশাআল্লাহ। আমি জানি যাদের বিলিয়ন বিলিয়ন রিঙ্গিত আছে তারা আমার সাথে একমত নয়। তারা আমাকে ভয় পায়। আমি মনে করি জনগণ বেশি বুঝদার এবং আমাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2021/03/14/anwar-ibrahim-not-my-time-to-be-pm-yet/1957756 আনোয়ার ইব্রাহিম: আমার এখনও পিএম হওয়ার সময় হয়নি]” (মালে মেইল, ১৪ মার্চ ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। * যারা ঘুষ নেয় তাদের আমরা রক্ষা করি না এবং আমরা এটা সমর্থন করি না যে কর্তৃপক্ষকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হোক। এমএসিসি (মালয়েশিয়ান দুর্নীতি দমন কমিশন)-এর ক্ষেত্রে এটি দেখা যাচ্ছে। যদি আপনি সমর্থন পরিবর্তন করেন, তবে তদন্ত স্থগিত করা হবে বা বাতিল করা হবে, যদি না করেন, তবে হয়রানি অব্যাহত থাকবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.benarnews.org/english/news/malaysian/my-politics-anwar-03162021120854.html বিরোধী নেতা: মালয়েশিয়ার শাসক জোটকে সমর্থন করার জন্য আইনপ্রণেতাদের 'প্রলুব্ধ' করা হচ্ছে]” (বেনার নিউজ, ১৬ মার্চ ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা নীতি, নীতিসমূহ এবং মূল্যবোধের সাথে আপস করতে যাচ্ছি না যা আমরা এপর্যন্ত গ্রহণ করেছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.straitstimes.com/asia/se-asia/anwar-to-address-pkr-umno-collaboration-in-malaysias-ge15-at-430pm-sources মালয়েশিয়ার আনোয়ার বলেছেন তিনি পরবর্তী নির্বাচনে সহযোগিতার বিষয়ে বেশ কয়েকজন উমনো নেতার সাথে দেখা করেছেন]” (দ্য স্ট্রেইটস টাইমস, ১৭ মার্চ ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। * এখন যেহেতু আমরা তথ্যগুলো প্রতিষ্ঠা করেছি, আমরা আগং (রাজা)-এর ওপর সিদ্ধান্ত ছেড়ে দিয়েছি যে এই দেশকে বর্তমান সংকট থেকে বাঁচাতে কী করা ভালো। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2021/07/29/well-leave-it-to-the-king-to-decide-whats-best-says-anwar/ আমরা রাজাকে সিদ্ধান্ত নিতে দেব কী সেরা, বলেছেন আনোয়ার]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ২৯ জুলাই ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। * পূর্বে (গুনুং জেরাই) এলাকায় যে বন্যা হয়েছিল তার উল্লেখ করে, মন্ত্রণালয়ের উচিত সেখানে কোনো বন দখল কার্যকলাপ আছে কিনা তা নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2021/09/21/probe-if-logging-led-to-gunung-jerai-floods-says-anwar/ লগিং গুনুং জেরাই বন্যার দিকে পরিচালিত করেছে কিনা তা তদন্ত করুন, বলেছেন আনোয়ার]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। * আমাদের ক্যাবিনেট বিশ্বের বৃহত্তমগুলোর মধ্যে একটি, ৬৯ জন মন্ত্রী এবং উপমন্ত্রী নিয়ে। আমি মনে করি এটা গুরুত্বপূর্ণ যে মন্ত্রী এবং তাদের ডেপুটিদের অন্তত বিরোধী নেতার বিতর্কে শোনার জন্য উপস্থিত থাকা উচিত। এটি সংসদ রূপান্তরের একটি অংশ, একটি মৌলিক নৈতিক কোড, তবুও তা মানা হয়নি। আজ সকালে, আমি দুঃখিত অনুভব করছি। যখন বিরোধী নেতা কথা বলছেন, তখন সরকারি ব্লকের মাত্র পাঁচজন ব্যক্তি আছেন। বাকি ৬০ জনের বেশি মন্ত্রী এবং উপমন্ত্রী কোথায় গেছে? ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2021/09/28/wheres-the-rest-of-the-cabinet-during-anwars-debate-asks-nga/ আনোয়ারের বিতর্কের সময় ক্যাবিনেটের বাকি সদস্যরা কোথায়, এনজিএ প্রশ্ন করেছেন]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। * আমি সংসদ ভবনে বিরোধী নেতার জন্য অফিস প্রস্তুতকারীদের পরিষ্কার করে দিয়েছি যে তাদের কোনো সংস্কার করা উচিত নয় এবং এর জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া উচিত নয়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2021/10/16/anwar-pledges-his-minister-level-allowances-to-the-poor/ আনোয়ার মন্ত্রী-স্তরের বেতন, ভাতা দরিদ্রদের দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ১৬ অক্টোবর ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। * আপনার বুঝতে হবে যে পরিবর্তন হতে হবে, কিন্তু আমাদের আপসহীন মনোভাব নিয়ে নয়। এটি তখনই হতে পারে যখন আমরা বিজ্ঞ হই, বুদ্ধিমান হই এবং প্রতিটি পক্ষ থেকে সমর্থন আকর্ষণ করি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.malaysiakini.com/news/598196 ইউরসায় | হারাপান, নীতি কি আর গুরুত্বপূর্ণ নয়?]” (মালয়েশিয়াকিনি, ৭ নভেম্বর ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। * (মেলাকা নির্বাচন) এসওপি প্রচারাভিযান সীমিত করেছে। একটি সচেতন পছন্দ গণতন্ত্রের চেতনায় আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2021/11/22/after-melaka-flop-anwar-wants-sop-review-for-sarawak-polls/ মেলাকা ফ্লপের পর, আনোয়ার সারাওয়াক নির্বাচনের জন্য এসওপি পর্যালোচনা চান]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ২২ নভেম্বর ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। ====২০২২==== * কিছু মানুষ ক্রমাগত বলে যে আনোয়ার ব্যর্থ হয়েছে, ব্যর্থ হয়েছে, ব্যর্থ হয়েছে। আরে, এখানে শুনুন। যদি আপনি চান যে আমি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে সফল হই, তবে নতুন (পার্টি) সভাপতি খুঁজুন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.nst.com.my/news/politics/2022/07/813845/i-was-asked-cover-some-court-cases-involving-high-ranking-figures-umno "আমাকে উমনো এবং বারিসান ন্যাশনালের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের জড়িত কিছু আদালতের মামলা ধামাচাপা দিতে বলা হয়েছিল", আনোয়ার দাবি করেছেন।]” (নিউজ স্ট্রেইটস টাইমস, ১৬ জুলাই ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা বাহাসা মেলায়ু চাই কিন্তু যদি ইংরেজি বলতে না পারে, তবে তাও ভালো হবে না। যদি এটি সাধারণ মানুষ হয়, তবে ঠিক আছে, কিন্তু যদি সেই ব্যক্তি স্নাতক হয়ে থাকে, এমনকি একজন নেতা, তবে তাদের একটি দ্বিতীয় ভাষায় সাবলীলতা থাকতে হবে। ঠিক আছে, যদি আপনি ইংরেজিতে সাবলীল হতে না পারেন, তবে আরবি? ফরাসি? তাও হতে পারে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://malaysia.news.yahoo.com/anwar-says-important-malaysian-leaders-121624868.html আনোয়ার বলেছেন মালয়েশীয় নেতা, স্নাতকদের দ্বিভাষিক হওয়া গুরুত্বপূর্ণ]” (ইয়াহু! নিউজ, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * পিএইচ (পাকাতান হারাপান)-এর মধ্যে আসন বণ্টন ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে কিন্তু আমরা মুদা, পিএসএম (পার্টি সোশালিস মালয়েশিয়া) ও অন্যদের মতো অন্যান্য নির্বাচনী জোটের সাথে আলোচনা করছি। কিন্তু পাকাতান হারাপান ছাতার নিচে সমস্ত দলের জন্য আসন বরাদ্দ, বিশেষ করে পেনিনসুলার মালয়েশিয়ায় ডিএপি (ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন পার্টি), আমানাহ এবং পিকেআর (পিপলস জাস্টিস পার্টি)-এর জন্য সম্পন্ন হয়েছে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.nst.com.my/news/politics/2022/10/842351/anwar-ph-muda-cooperation আনোয়ার: পিএইচ-মুদা সহযোগিতা চলছে]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ২১ অক্টোবর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * কুয়ালালামপুর থেকে আজ সকালে দুঃখজনক খবর পেয়েছি যে দাতুক সেরি ড. [[ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল|ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইলের]] মা মারিয়া খামিস আজ সকালে মারা গেছেন। আমি পাকাতান হারাপান সারাওয়াকের নেতৃত্ব এবং সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইছি যে আজ মিরি এবং কুচিং-এ নির্ধারিত প্রচারের সফর বাতিল করতে হয়েছে। আমরা অন্য সময়ে দেখা করব। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2022/10/24/dr-wan-azizahs-mother-dies-anwar-says-sarawak-trip-cancelled/35295 ড. ওয়ান আজিজাহর মা মারা গেছেন, আনোয়ার বলেছেন সারাওয়াক সফর বাতিল]” (মালে মেইল, ২৪ অক্টোবর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আলহামদুলিল্লাহ, আজ পাকাতান হারাপান জনগণের জন্য জিই১৫ (১৫তম সাধারণ নির্বাচন)-এর জন্য দশটি প্রধান অঙ্গীকার নিয়ে এসেছে। এই অফারগুলির মাধ্যমে, (পাকাতান হারাপান) মালয়েশিয়াকে পুনর্নির্মাণের জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং মনোযোগী যা সমস্ত ধরণের সংকট দ্বারা আক্রান্ত এবং বিদ্ধ হয়েছে, যার মধ্যে দুর্বল নীতি এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা, স্বাস্থ্য সমস্যা, ভেঙে পড়া অর্থনীতি, জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি, চাকরির সুযোগ হ্রাস, খাদ্য সরবরাহ এবং শিক্ষা সমস্যা রয়েছে। আমি জনগণকে এই অফারটি অধ্যয়ন করার জন্য অনুরোধ করছি এবং তাই দেশকে শাসন ও পরিচালনা করার জন্য স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আমাদের ম্যান্ডেট দিন। আমরা আমাদের প্রিয় দেশের জন্য খুব কঠোর পরিশ্রম করব, রেফরমাসি! ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.nst.com.my/news/politics/2022/11/846176/anwar-tawaran-harapan-ge15-manifesto-rakyat আনোয়ার: 'তাওয়ারান হারাপান' জিই১৫ ইশতেহার জনগণের জন্য]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ২ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * এবার, চেয়ারম্যান আনোয়ার। আমি বেড়া-বসানোদের আমাদের ম্যান্ডেট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি যাতে আমরা এটি বাস্তবায়ন করতে স্বাধীন থাকি এবং নির্বাচনের পর কোনো হুমকির মুখোমুখি না হই। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaysianow.com/news/2022/11/02/ph-outlines-10-priorities-in-the-event-of-election-victory নির্বাচনের বিজয়ের ক্ষেত্রে সাবাহ, সারাওয়াককে ক্ষমতায়ন করা ১০টি তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকারের মধ্যে, বলেছেন পিএইচ]” (মালয়েশিয়া নাও, ২ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * ফেডারেল সিস্টেমের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে, একটি ফেডারেশন হিসেবে বিবেচিত দেশের সংবিধানে ক্ষমতার বণ্টন আবশ্যক। এটি সাবাহ, সারাওয়াক এবং পেনিনসুলার মালয়েশিয়ার জন্য কোনো অদ্ভুত সমস্যা নয়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.theedgemarkets.com/article/anwar-ma63-be-resolved-without-much-issue-if-ph-given-mandate আনোয়ার: এমএ৬৩ (MA63) খুব বেশি সমস্যা ছাড়াই সমাধান করা হবে যদি পিএইচ-কে ম্যান্ডেট দেওয়া হয়]” (দ্য এজ মার্কেটস, ১২ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * পাকাতান হারাপান মালয়েশিয়া চুক্তি ১৯৬৩ সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করবে এবং জিই১৫ (১৫তম সাধারণ নির্বাচন)-এর পর ক্ষমতায় আসলে সাবাহ এবং সারাওয়াকের কিছু ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/11/12/ma63-will-be-fully-implemented-if-pakatan-wins-says-anwar এমএ৬৩ সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হবে যদি পাকাতান জেতে, বলেছেন আনোয়ার]” (দ্য স্টার, ১২ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * দয়া করে! ঈশ্বরের দোহাই, আমাদের সন্তানদের জন্য এবং আমাদের ভবিষ্যতের জন্য, এই পচন (দুর্নীতি) বন্ধ করুন। এই অর্থহীনতা বন্ধ করুন এবং এটি ১৯শে নভেম্বর (২০২২, নির্বাচনের দিন) শুরু হতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://apnews.com/article/business-malaysia-anwar-ibrahim-government-and-politics-fa8cbb0a07a8086923f232bf25af7239 'আমরা পারি': মালয়েশিয়ার আনোয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার চূড়ান্ত নির্বাচনী প্রচেষ্টায়]” (এপি, ১৫ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * পাকাতান হারাপানকে একটি পরিষ্কার এবং কর্তৃত্বপূর্ণ সরকার গঠনের সুযোগ দিন। আপনি যে ম্যান্ডেট দিচ্ছেন তা আমাদের জন্য একটি দায়িত্ব যা দেশে আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.straitstimes.com/asia/se-asia/malaysia-ge2022-anwar-ibrahim-lends-his-star-power-to-defend-ph-seats-in-kl-and-selangor মালয়েশিয়া জিই২০২২: আনোয়ার ইব্রাহিম কেএল এবং সেলাঙ্গরে পিএইচ আসন রক্ষার জন্য তার তারকা শক্তি দিয়েছেন]” (দ্য স্ট্রেইটস টাইমস, ১৬ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * ৭০ জন মন্ত্রীর সংখ্যা, যা আমাদের আগে ছিল তা অর্ধেকে নামিয়ে আনা হবে, তাদের বেতনও অর্ধেক কমানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর বেতনের ক্ষেত্রেও একই কথা। আপনি যদি আমার ক্যাবিনেটের অধীনে মন্ত্রী হতে চান, তবে আপনাকে এই শর্তটি মেনে নিতে হবে। জনগণকে বোঝানোর জন্য এটিই প্রথম পদক্ষেপ যা আমরা নেব। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.nst.com.my/news/politics/2022/11/852204/anwar-promises-pay-cut-himself-ministers-if-ph-wins-ge15 আনোয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নিজের, মন্ত্রীদের বেতন কমানোর যদি পিএইচ জিই১৫ জেতে]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১৮ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমি নিশ্চিত করছি যে [[ইন্দোনেশিয়া]] মালয়েশিয়ার একটি সত্যিকারের বন্ধু এবং আমি আশা করি যে বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক, বিনিয়োগ, সংস্কৃতি এবং শ্রম সমস্যা উন্নত করা যাবে। দুই জাতির মধ্যে [[বন্ধুত্ব]] শক্তিশালী হতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/11/24/indonesia039s-jokowi-first-foreign-leader-to-call-anwar-with-congratulatory-message ইন্দোনেশিয়ার জোকোউই প্রথম বিদেশী নেতা যিনি আনোয়ারকে অভিনন্দন বার্তা দিয়ে কল করেছেন]” (দ্য স্টার, ২৪ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমি একজন প্রধানমন্ত্রী যিনি সমস্ত মালয়েশীয়দের প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে চাই। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.benarnews.org/english/news/malaysian/new-leader-11242022052633.html আনোয়ার ইব্রাহিম মালয়েশিয়ার ১০ম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত এবং শপথ গ্রহণ করেছেন]” (বেনার নিউজ, ২৪ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমার দলের সাথে, আমি জনগণের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে এই গুরুদায়িত্ব পালন করব। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.aljazeera.com/news/2022/11/24/malaysias-anwar-named-countrys-10th-prime-minister আনোয়ার ২৫ বছরের সংস্কার সংগ্রামের পর মালয়েশিয়ার ১০ম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন]” (আলজাজিরা, ২৪ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আপনি (রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান) অনুপ্রেরণাদায়ক এবং আপনি কঠিন সময়ে আমাদের পাশে ভালো ভাই হিসেবে দাঁড়িয়েছেন। আমি মালয়েশিয়া এবং [[তুরস্ক]]ের মধ্যে আমাদের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক উন্নত করার অপেক্ষায় আছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.trtworld.com/turkey/t%C3%BCrkiye-s-erdogan-congratulates-new-malaysian-pm-ibrahim-62878 তুরস্কের এরদোয়ান নতুন মালয়েশীয় পিএম ইব্রাহিমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন]” (টিআরটি ওয়ার্ল্ড, ২৪ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমি আপনাকে জানাতে চাই যে গতকাল (২৬ নভেম্বর ২০২২), আমি একটি মার্সিডিজ এস৬০০ গাড়ি ব্যবহার করতে অস্বীকার করেছি যা আমি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর দ্বারা কেনা হয়েছিল। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.theedgemarkets.com/article/pm-anwar-ibrahim-use-existing-vehicle-office-rejects-mercedes-s600 পিএম আনোয়ার ইব্রাহিম অফিসে বিদ্যমান গাড়ি ব্যবহার করবেন, মার্সিডিজ এস৬০০ প্রত্যাখ্যান করেছেন]” (দ্য এজ মার্কেটস, ২৮ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * পাশে [[ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল|আজিজাহ]] না থাকলে, আমি এই সময়ে এত বড় দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হতাম না। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.channelnewsasia.com/asia/anwar-ibrahim-wife-birthday-wan-azizah-wan-ismail-malaysia-3122336 মালয়েশিয়ার পিএম আনোয়ার তার স্ত্রীর জন্মদিনে ওয়ান আজিজাহর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন]” (সিএনএ, ৫ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * সাবেক রাষ্ট্রপতি মহামান্য [[জিয়াং জেমিন]]ের প্রয়াণে আমি অত্যন্ত মর্মাহত ও শোকাহত। মালয়েশিয়া সরকার এবং জনগণের পক্ষ থেকে, [[চীন|গণপ্রজাতন্ত্রী চীন]]ের সরকার এবং জনগণের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহমর্মিতা গ্রহণ করুন। চীনের সংস্কার, উন্মুক্তকরণ এবং আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার সময় তার অসামান্য নেতৃত্ব ও উত্তরাধিকারের জন্য তিনি সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2022/12/06/pm-anwar-pays-last-respects-to-late-former-chinese-president-jiang-zemin/43773 পিএম আনোয়ার প্রয়াত প্রাক্তন চীনা রাষ্ট্রপতি জিয়াং জেমিনের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন]” (মালে মেইল, ৬ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * দয়া করে, এমনটা করবেন না (আমাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাপা বলে ডাকা)। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://says.com/my/news/please-don-t-do-that-anwar-doesn-t-want-people-calling-him-papa "দয়া করে, এমনটা করবেন না" – আনোয়ার চান না মানুষ তাকে 'পাপা' ডাকুক]” (এসএওয়াইএস, ৬ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * ইনশাআল্লাহ, মালয়েশিয়া এবং [[তুরস্ক]] উভয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হতে থাকবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2022/12/07/pm-anwar-meets-turkey-president-tayyip-erdogans-son-bilal/43969 পিএম আনোয়ার তুরস্কের রাষ্ট্রপতি তাইয়্যেপ এরদোয়ানের ছেলে, বিলালের সাথে দেখা করেছেন]” (মালে মেইল, ७ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * একটি দেশ পরিচালনা করতে, আমাদের সঠিক আদেশ এবং নিয়ম মেনে চলতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2022/12/859938/anwar-says-he-was-given-mandate-lead-country-rm1-trillion-debt আনোয়ার বলেছেন তাকে আরএম ১ ট্রিলিয়ন ঋণের দেশ পরিচালনার ম্যান্ডেট দেওয়া হয়েছে]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * যদি আমরা (সরকার) সরকারি অর্থ ব্যয় করতে চাই, তবে আমাদের তা যাচাই করতে হবে। এটি সুশাসনের একটি বিষয়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2022/12/11/approved-projects-to-be-reviewed-says-anwar/ অনুমোদিত প্রকল্প পর্যালোচনা করা হবে, বলেছেন আনোয়ার]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ১১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * মন্ত্রীদের অবিলম্বে বরখাস্ত করা হবে যদি তারা [[দুর্নীতি|দুর্নীতিতে]] জড়িত বলে প্রমাণিত হয়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaysiakini.com/news/647736 দুর্নীতিবাজ মন্ত্রীদের অবিলম্বে বরখাস্ত করা হবে, আনোয়ার বলেছেন]” (মালয়েশিয়াকিনি, ১১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * ধন্যবাদ, দাতুক ল্যাট। [[পঠন|পঠনের]] সংস্কৃতি প্রচার করতে এখনও দেরি হয়নি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2022/12/11/anwar-hails-cartoonist-lat-wants-youth-to-read-works-of-worlds-greatest-thinkers/44685 আনোয়ার কার্টুনিস্ট ল্যাট-কে প্রশংসা করেছেন, তরুণদের বিশ্বের শ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদদের কাজ পড়ার আহ্বান জানিয়েছেন]” (মালে মেইল, ১১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আশা করি, ফেডারেল এবং রাষ্ট্রীয় [[সরকার|সরকারগুলোর]] মধ্যে সহযোগিতা জনগণের মঙ্গলের জন্য আরও শক্তিশালী হতে থাকবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.theedgemarkets.com/article/perlis-mb-meets-anwar-discuss-states-development পারলিস এমবি রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করতে আনোয়ারের সাথে দেখা করেছেন]” (দ্য এজ মার্কেটস, ১২ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমি কাউকে কখনই শাস্তি থেকে মুক্তি দেওয়ার গ্যারান্টি দিইনি, যদি না কোনো বিচারক যিনি মুক্ত এবং ন্যায্য তিনি সিদ্ধান্ত নেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.scmp.com/news/asia/southeast-asia/article/3202985/malaysias-anwar-says-hes-never-given-guarantee-anyone-help-court-cases মালয়েশিয়ার আনোয়ার বলেছেন তিনি আদালতের মামলায় সাহায্যের বিষয়ে কাউকে 'কখনও গ্যারান্টি দেননি']” (সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট, ১২ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * মানুষ বলে 'মালয়দের দীর্ঘজীবী হোক' কিন্তু অধিকাংশ মালয় দরিদ্র এবং কষ্টের মুখোমুখি। কেবল যারা শীর্ষে আছে তারাই ভালো জীবন উপভোগ করে। আমি সবার জন্য প্রধানমন্ত্রী হতে চাই। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://frontline.thehindu.com/world-affairs/anwar-ibrahim-takes-charge-as-malaysia-pm/article66229810.ece মালয়েশিয়ায় আনোয়ার ইব্রাহিমের জন্য কঠোর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বাস্তবতা অপেক্ষা করছে]” (ফ্রন্টলাইন, ১২ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * সরকারি দপ্তরগুলোকে ভোক্তা এবং শিল্পের স্বার্থ বিবেচনা করে লক্ষ্যভিত্তিক ভর্তুকি বাস্তবায়নের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা প্রণয়ন এবং বিকাশ করতে হবে এবং ব্যবস্থাগুলোর মসৃণ ও কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2022/12/13/pm-anwar-orders-all-govt-departments-to-come-up-with-measures-to-implement-targeted-subsidies/45000 পিএম আনোয়ার সব সরকারি দপ্তরকে লক্ষ্যভিত্তিক ভর্তুকি বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন]” (মালে মেইল, ১৩ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * মালয়েশিয়াকে অবশ্যই সেই ভর্তুকিগুলো পুনর্বণ্টন করতে হবে যা ধনী এবং বড় কোম্পানিগুলো ভোগ করে আসছিল, অথচ তা বি৪০ এবং এম৪০ গোষ্ঠী এবং বিশেষ করে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সহায়তার জন্য ছিল। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.channelnewsasia.com/asia/malaysia-anwar-ibrahim-supply-shortage-government-intervention-consumer-goods-subsidies-3141196 মালয়েশিয়া সরবরাহ সমস্যা মোকাবেলায় গ্রাহক-পর্যায়ের হস্তক্ষেপ বিবেচনা করছে: পিএম আনোয়ার]” (সিএনএ, ১৩ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা মালয়েশিয়া-[[কানাডা]] দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চ স্তরে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি নবায়ন করেছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2022/12/13/pm-anwar-malaysia-canada-explore-new-areas-of-cooperation/45044 পিএম আনোয়ার: মালয়েশিয়া, কানাডা সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র খুঁজছে]” (মালে মেইল, ১৩ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * ক্যাবিনেট এজি (অ্যাটর্নি-জেনারেল)-কে বিষয়টি দেখার দায়িত্ব দিয়েছে যাতে বাতু পুতেহ (ছোট দ্বীপ) নিয়ে [[সিঙ্গাপুর|সিঙ্গাপুরের]] সাথে আলোচনা এবং কথোপকথনের একটি অর্থবহ ফলাফল হয়। উপরন্তু, আমরা চাই না যে এটি দুই প্রতিবেশী বন্ধুর সম্পর্কের মধ্যে সমস্যার সৃষ্টি করুক। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/12/14/pm-instructs-ag-to-review-batu-puteh-issue-for-more-039meaningful039-negotiations-with-singapore পিএম এজি-কে সিঙ্গাপুরের সাথে আরও 'অর্থবহ' আলোচনার জন্য বাতু পুতেহ বিষয়টি পর্যালোচনা করার নির্দেশ দিয়েছেন]” (দ্য স্টার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * সরকার এই শিল্পকে পণ্য রপ্তানির সুবিধা দেওয়ার ইচ্ছা রাখে এবং একই সময়ে, জনগণের চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে চায়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/12/14/rethink-for-broad-based-subsidies ভর্তুকির জন্য পুনর্বিবেচনা]” (দ্য স্টার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * ইয়াং দি-পেরতুয়ান আগং, সুলতান আবদুল্লাহ সুলতান আহমাদ শাহ, [[কোভিড-১৯ মহামারী]] শুরুর (২০২০ সালে) পর থেকে তার রাজকীয় ভাতা নেননি। সুলতান আবদুল্লাহ পরিবর্তে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং মহামারীর সময় জনগণের সংগ্রামের কথা বিবেচনা করে সেই অর্থ দান করেছিলেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2022/12/14/agong-hasnt-received-allowance-since-pandemic-began-says-anwar/ আগং মহামারী শুরুর পর থেকে ভাতা পাননি, আনোয়ার বলেছেন]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * জীবনযাত্রার ব্যয় সংক্রান্ত জাতীয় কর্ম পরিষদের মঙ্গলবারের রিপোর্টের ভিত্তিতে, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে বিদ্যুৎ ট্যারিফ বাড়ানোর আগের প্রস্তাবটি কার্যকর হবে না কারণ এটি জনগণের ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। আমরা স্বীকার করি যে যদি কিছুই না করা হয়, তবে সরকারি অর্থে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে যা বেশ বেশি, আগামী বছর প্রায় আরএম ৩০ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে। তাই, কেবল বহুজাতিক কোম্পানি এবং বড় কোম্পানি যারা পণ্য রপ্তানি করে তাদের চার্জ করা হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/12/15/limited-electricity-tariff-hike সীমিত বিদ্যুৎ ট্যারিফ বৃদ্ধি]” (দ্য স্টার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * ইনশাআল্লাহ, আমরা (১৯ ডিসেম্বর ২০২২-এ সংসদে আস্থা ভোটের পর সরকার পরিচালনা) চালিয়ে যেতে সক্ষম হব। আমি আশা করি আপনি আমাদের জন্যও প্রার্থনা করবেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/12/15/anwar-looks-sure-of-passing-confidence-vote আনোয়ার আস্থা ভোট পাস করার বিষয়ে নিশ্চিত]” (দ্য স্টার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমি তাদের (মালয়েশিয়ার নতুন নিযুক্ত কূটনৈতিক মিশনের প্রধানদের) প্রচেষ্টায় শুভকামনা জানিয়েছি এবং আশা করি তারা পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে দেশের নাম আরও উচ্চ স্তরে নিয়ে যেতে পারবেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/12/15/anwar-tells-malaysian-diplomats-to-use-fresh-approaches-to-woo-foreign-investors আনোয়ার মালয়েশীয় কূটনীতিকদের বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার জন্য নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করতে বলেছেন]” (দ্য স্টার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমার প্রশাসনের অধীনে, মালয়েশিয়া কষ্ট শেষ করতে এবং [[ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিনে]] শান্তি ও স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে অবিচল থাকবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2022/12/862514/anwar-we-will-continue-fight-palestinian-people আনোয়ার: আমরা ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য লড়াই চালিয়ে যাব]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১৯ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমি ক্ষমার জন্য অনুরোধ করিনি কারণ আমি শাস্তি পেয়েছি, রেকর্ডে এটি পরিষ্কার হতে দিন। তৎকালীন ইয়াং দি-পেরতুয়ান আগং (কেলান্তনের মুহাম্মদ ৫ম) উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaysianow.com/news/2022/12/20/anwar-asked-for-pardon-twice-lawyer-claims আনোয়ার দুইবার ক্ষমার জন্য অনুরোধ করেছিলেন, আইনজীবী দাবি করেছেন]” (মালয়েশিয়া নাও, ২০ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনে যাওয়া আমার স্বপ্ন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaysiakini.com/news/648727 একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনে যাওয়া আমার স্বপ্ন - পিএম আনোয়ার]” (মালয়েশিয়াকিনি, ২০ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * যদিও ইসিআরএল (ইস্ট কোস্ট রেল লিংক) প্রকল্পের পুনর্বিন্যাস যা আমরা অনুমোদন করেছি তার জন্য খরচে সামান্য বৃদ্ধি হয়েছিল, তবুও আমরা মোট খরচ আরএম ১১.০১ বিলিয়ন কমাতে পেরেছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.theedgemarkets.com/article/ecrl-project-proceed-cost-reduced-rm1101b-says-pm-anwar নতুন সরকার আরএম ৭৪.৯৬ বিলে ইসিআরএল প্রকল্প এগিয়ে নিয়ে যাবে, পিএম বলেছেন]” (দ্য এজ মার্কেটস, ২১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * বন্যার কারণে এবং জনগণের সমস্যার কারণে, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ২০২৩ নববর্ষের আগের কাউন্টডাউনের মতো বড় উদযাপন বাতিল করা হয়েছে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/12/21/no-new-year039s-eve-countdown-at-dataran-merdeka-this-year-says-pm এই বছর দাতান মারদেকায় নববর্ষের আগের কাউন্টডাউন নেই, পিএম বলেছেন]” (দ্য স্টার, ২১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * বন্যা প্রশমন কর্মসূচির বাজেটের আরএম ১৫ বিলিয়ন থেকে, আমরা প্রায় আরএম ২ বিলিয়ন বাঁচাতে পেরেছি কারণ আমরা সরাসরি আলোচনা বন্ধ করেছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/12/21/flood-mitigation-projects-review-could-save-rm2bil বন্যা প্রশমন প্রকল্প পর্যালোচনা আরএম ২ বিলিয়ন বাঁচাতে পারে]” (দ্য স্টার, ২১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমি যা করেছি তা হলো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমার অনেক দায়িত্ব আমার ডেপুটিদের (আহমদ জাহিদ হামিদি এবং ফাদিল্লাহ ইউসুফ) ওপর ন্যস্ত করেছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2022/12/21/recovery-council-dissolved-says-anwar/ পুনরুদ্ধার কাউন্সিল ভেঙে দেওয়া হয়েছে, আনোয়ার বলেছেন]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ২১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * বহু-জাতিগত এবং সাংস্কৃতিকভাবে বৈচিত্র্যময় দেশ হিসেবে, এটি আমাদের প্রত্যেকের অভ্যাস এবং বাধ্যবাধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে যে এই সুযোগে (বড়দিনের প্রাক্কালে) সুন্দর কথার মাধ্যমে জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব জোরদার করা। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://focusmalaysia.my/anwars-maiden-short-yet-sweet-christmas-message-as-pm/ আনোয়ারের পিএম হিসেবে প্রথম 'সংক্ষিপ্ত-কিন্তু-মিষ্টি' ক্রিসমাস বার্তা]” (ফোকাস মালয়েশিয়া, ২৪ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * পাশে [[ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল|আজিজাহ]] এবং আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রী মহামান্য [[নরেন্দ্র মোদী]]-কে আপনার প্রিয় [[মা|মাতা]] শ্রীমতি হীরাবেন মোদীর মৃত্যুতে আমাদের আন্তরিক সমবেদনা এবং গভীর সহানুভূতি জানাতে চাই। আমরা আপনার [[দুঃখ]] ভাগ করছি এবং আপনার শোকের সময়ে আমাদের চিন্তাভাবনা আপনার সাথে আছে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2022/12/865774/anwar-offers-condolences-passing-indian-pm-modis-mother আনোয়ার ভারতীয় পিএম মোদীর মায়ের মৃত্যুতে সমবেদনা জানিয়েছেন]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ৩০ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমাদের কি মেগা প্রকল্প থাকা উচিত কিন্তু জনগণের কথা চিন্তা করা উচিত নয়? আমাদের একই সাথে বিকাশ এবং ধ্বংস করা উচিত নয়। বড় কোম্পানিগুলোর মুনাফা অনেক কিন্তু শ্রমিকদের বেতন এখনও কম। যেহেতু আমরা আমাদের বিশ্বাস এবং নৈতিকতার সাথে বাস করি, আমরা যে চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করি তা এমন হওয়া উচিত নয় যে যারা নিযুক্ত তাদের মানুষ হিসেবে নিজেদের নিচু করতে হয়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/12/31/welfare-of-malaysians-is-top-priority-says-pm-anwar-in-new-year-message মালয়েশীয়দের কল্যাণ প্রধান অগ্রাধিকার, নববর্ষের বার্তায় পিএম আনোয়ার বলেছেন]” (দ্য স্টার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। ====২০২৩==== * ক্যাবিনেট (মালয়েশিয়ার) স্পষ্টভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে স্বাস্থ্যই প্রধান অগ্রাধিকার, এবং পর্যটন ও অর্থনীতির প্রশ্নগুলো এই স্বার্থকে ছাপিয়ে যেতে পারে না। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/04/safety-during-pandemic-will-take-priority-over-tourism-and-economy-says-anwar মহামারীর সময় পর্যটন এবং অর্থনীতির চেয়ে নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, আনোয়ার বলেছেন]” (দ্য স্টার, ৪ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * মাত্র ৪৯% মালয়েশীয়দের বুস্টার ডোজ (আজ পর্যন্ত) দেওয়া হয়েছে। [[কোভিড-১৯ মহামারী|কোভিড-১৯]] এখনও শেষ হয়নি, শুধু মালয়েশিয়ায় নয় বিশ্বব্যাপী। আমাদের কাছে এখনও প্রায় ছয় মিলিয়ন বুস্টার ডোজ প্রস্তুত আছে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thesundaily.my/home/anwar-only-49-of-malaysians-have-received-booster-jab-IB10449991 আনোয়ার: মাত্র ৪৯% মালয়েশীয়রা বুস্টার ডোজ পেয়েছে]” (দ্য সান ডেইলি, ৪ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * মালয়েশিয়া এবং [[পাকিস্তান]]ের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সম্পর্ক কেবল বর্তমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সংস্কৃতি, [[ইসলাম|ইসলামি]] বোঝাপড়া এবং দর্শনের ক্ষেত্রেও যা আমাদের ব্যাপকভাবে উপকৃত করেছে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/04/anwar-receives-call-from-pakistan039s-pm আনোয়ার পাকিস্তানের পিএম-এর কাছ থেকে কল পেয়েছেন]” (দ্য স্টার, ৪ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা (মালয়েশিয়ায় প্রবেশকারী বিদেশী নাগরিকদের জন্য কোভিড-১৯) স্ক্রিনিং কঠোর করতে যাচ্ছি, কিন্তু আমরা কোনো দেশের বিরুদ্ধে বৈথম্য করব না। ক্যাবিনেট স্পষ্টভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে স্বাস্থ্যই প্রধান অগ্রাধিকার, এবং পর্যটন ও অর্থনীতির প্রশ্নগুলো এই স্বার্থকে ছাপিয়ে যেতে পারে না। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.straitstimes.com/asia/se-asia/malaysia-to-tighten-covid-19-screening-for-all-arrivals-pm-anwar-says 'আমরা কোনো দেশের বিরুদ্ধে বৈষম্য করব না': মালয়েশিয়ার কঠোর কোভিড-১৯ স্ক্রিনিং নিয়ে পিএম আনোয়ার বলেছেন]” (দ্য স্ট্রেইটস টাইমস, ৪ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি (সাবাহ-তে) কোনো রাজনৈতিক অস্থিরতার বিকাশ দেখছি না। আমাকে কেবল জানানো হয়েছে যে কিছু সমস্যা আছে এবং আমি সাবাহর মুখ্যমন্ত্রীকে বন্ধুদের সাথে আলোচনা করতে বলেছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2023/01/06/pm-anwar-says-no-political-turmoil-in-sabah-hajiji-told-to-discuss-with-friends/48768 পিএম আনোয়ার বলেছেন সাবাহ-তে কোনো রাজনৈতিক অস্থিরতা নেই, হাজিজিকে 'বন্ধুদের' সাথে আলোচনা করতে বলা হয়েছে]” (মালে মেইল, ৬ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * কখনো কখনো এই রাজনীতিবিদরা বলেন যে যদি আনোয়ার প্রধানমন্ত্রী হন তবে [[ইসলাম]] ধ্বংস হয়ে যাবে, [[ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ]] এবং [[কমিউনিজম]] জায়গা পাবে এবং [[এলজিবিটি]] স্বীকৃত হবে। এটি একটি বিভ্রম। অবশ্যই, এটি ঘটবে না এবং ইনশাআল্লাহ আমার প্রশাসনের অধীনে, এটি ঘটতে যাচ্ছে না। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2023/01/07/pm-anwar-lgbt-secularism-communism-will-never-be-recognised-in-unity-govt/48847 পিএম আনোয়ার: এলজিবিটি, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, কমিউনিজম ঐক্য সরকারে কখনই স্বীকৃত হবে না]” (মালে মেইল, ७ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি জোর দিয়েছি যে মালয়েশিয়াকে অবশ্যই অভিজাত রাজনীতিবিদদের লোভ থেকে মুক্ত হতে হবে যারা নিজেদের সুবিধার জন্য দেশের সম্পদ লুট করছে। আমি এই বিষয়ে কোনো আপস করব না যদিও এটি আমার নিজের অবস্থানকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2023/01/09/in-jakarta-pm-anwar-vows-no-compromise-in-war-on-graft-even-at-risk-to-self-will-announce-kpi-for-each-minister-after-a-month-in-office/49175 জাকার্তায়, পিএম আনোয়ার দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে কোনো আপস না করার অঙ্গীকার করেছেন যদিও এটি নিজের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ; অফিসে এক মাস পর প্রতিটি মন্ত্রীর জন্য কেপিআই ঘোষণা করবেন]” (মালে মেইল, ৯ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি আশা করি এই সফর (ইন্দোনেশিয়ায়) দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে সক্ষম হবে এবং ইনশাআল্লাহ রাষ্ট্রপতি জোকো উইদোদোর সাথে আলোচনার মাধ্যমে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলো অন্বেষণ করা যাবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://en.tempo.co/read/1677226/anwar-ibrahim-lands-in-jakarta-for-first-official-visit-as-malaysian-pm আনোয়ার ইব্রাহিম মালয়েশীয় পিএম হিসেবে প্রথম সরকারি সফরে জাকার্তায় পৌঁছেছেন]” (টেম্পো.কো, ৯ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * এটি কিছুটা ব্যক্তিগত, জনাব রাষ্ট্রপতি (জোকো উইদোদো)। যখন আমি কঠিন পরিস্থিতিতে অনিশ্চয়তা এবং কষ্টের মধ্যে ছিলাম, তখন ইন্দোনেশিয়া আমাকে একজন সত্যিকারের বন্ধু হিসেবে স্বাগত জানিয়েছিল। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thesundaily.my/home/anwar-in-indonesia-on-first-foreign-trip-FC10472142 আনোয়ার প্রথম বিদেশী সফরে ইন্দোনেশিয়ায়]” (দ্য সান ডেইলি, ৯ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * সাধারণত কোনো আত্মজীবনী এমন কেউ লেখেন যিনি অবসর নিচ্ছেন। আমি এই পদে কেবল এক মাসের কিছু বেশি সময় ধরে আছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thejakartapost.com/world/2023/01/09/dont-expect-an-autobiography-from-me-anwar.html আমার কাছ থেকে আত্মজীবনী আশা করবেন না: আনোয়ার]” (দ্য জাকার্তা পোস্ট, ১০ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে (হাজিজি নূর) আলোচনার সুযোগ দেব এবং সাবাহর মঙ্গলের জন্য সেরা সূত্র খুঁজে বের করতে বলব। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.theedgemarkets.com/node/651107 আনোয়ার হাজিজিকে সাবাহর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থাকার জন্য আশীর্বাদ দিয়েছেন]” (দ্য এজ মার্কেটস, ১০ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * হ্যাঁ, আমি হাজিজি (নূর)-কে সমর্থন দিচ্ছি। আমরা আমাদের মতামত দিয়েছি। আমরা চাই সাবাহ মুখ্যমন্ত্রী হাজিজি নূরের অধীনে শক্তিশালী হোক। তাকে আলোচনার সুযোগ দিন এবং সাবাহর জন্য একটি ভালো সূত্র খুঁজে বের করতে দিন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2023/01/10/anwar-gives-blessings-to-hajiji-to-remain-chief-minister-but-must-stablise-sabah-govt/49333 আনোয়ার হাজিজিকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থাকার জন্য আশীর্বাদ দিয়েছেন, কিন্তু সাবাহ সরকারকে স্থিতিশীল করতে হবে]” (মালে মেইল, ১০ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি জনগণের স্বার্থে সকল সরকারি কর্মচারীকে গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার নীতি গ্রহণ করার আহ্বান যা করছি। নীতির নির্মাতা এবং চালক হিসেবে আমাদের আত্মতুষ্ট হওয়া উচিত নয় এবং পরিবর্তন আনতে আমাদের যা যা করা সম্ভব তা করতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2023/01/869693/pm-many-cases-extreme-discrepancies-found-after-examining-mof-files পিএম: এমওএফ (MoF) ফাইল পরীক্ষা করার পর "চরম অসঙ্গতির" অনেক ঘটনা পাওয়া গেছে]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১২ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * কল্যাণের বিষয়টি রাহমাহ প্রোগ্রাম বলা হয়। আমরা দরিদ্রদের সাহায্য করার জন্য সব প্রোগ্রামে এটিকে মূল বিষয় করব, বিশেষ করে চরম দরিদ্রদের, যা বর্তমান সরকার প্রশাসনে আমাদের অগ্রাধিকার। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/12/welfare-of-hardcore-poor-a-priority-of-government-says-anwar চরম দরিদ্রদের কল্যাণ সরকারের অগ্রাধিকার, আনোয়ার বলেছেন]” (দ্য স্টার, ১২ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * ফাউন্ডেশনের চেয়ার হিসেবে তার পুনঃনিয়োগ ৫৬টি কমনওয়েলথ সদস্য দেশের সবার ঐকমত্য সমর্থন পেয়েছে। ১৯৬৬ সালে ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনি এই পদে আসীন প্রথম মালয়েশীয় এবং [[এশিয়া|এশীয়]] প্রতিনিধি। অভিনন্দন, দাতুক সুধা দেবী! ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2023/01/870040/pm-anwar-congratulates-former-msian-high-commissioner-sudha-devi পিএম আনোয়ার কমনওয়েলথ ফাউন্ডেশনের চেয়ার হিসেবে পুনঃনিয়োগের জন্য প্রাক্তন এমসিয়ান হাই কমিশনার সুধা দেবীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১৩ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * যদি এমন কোনো নথি (মিনিটস) থাকে যা আইন ও প্রবিধান লঙ্ঘন করে, তবে আমাকে অবশ্যই অবহিত করতে হবে। এমনকি যদি তা আমার পক্ষ থেকে হয় তবুও। আরও বেশি করে যদি তা আমার কর্মকর্তা, উপ-প্রধানমন্ত্রী বা অন্যান্য মন্ত্রীদের পক্ষ থেকে আসে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/16/alert-me-if-you039re-given-minutes-that-violate-the-law-pm-anwar-tells-civil-servants যদি আপনাকে আইন লঙ্ঘনকারী মিনিট দেওয়া হয় তবে আমাকে সতর্ক করুন, পিএম আনোয়ার সরকারি কর্মচারীদের বলেছেন]” (দ্য স্টার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * যদি আমরা তাদের ইপিএফ অ্যাকাউন্টের সঞ্চয় দেখি, তবে পরিমাণটি খুব কম। ফলে আমাকে তাদের বর্তমান প্রয়োজন এবং ভবিষ্যতের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। আমি তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব চিন্তিত, তাই সরকার তাদের সহায়তা করার উপায় খুঁজবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2023/01/870798/pm-special-epf-withdrawals-we-have-balance-between-needs-and-future পিএম বিশেষ ইপিএফ উত্তোলনের ওপর: আমাদের চাহিদা এবং ভবিষ্যতের বেঁচে থাকার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১৬ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি ৩০ বছর আগে উমনো ছেড়েছি। উমনোর সাথে আমার আর কোনো সম্পর্ক নেই। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.nst.com.my/news/politics/2023/01/870785/i-left-umno-30-years-ago-replies-pm-anwar-no-contest-top-two-posts আমি ৩০ বছর আগে উমনো ছেড়েছি, শীর্ষ দুই পদের জন্য কোনো প্রতিযোগিতার বিষয়ে পিএম আনোয়ার উত্তর দিয়েছেন]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১৬ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশ রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল হওয়া, তার দিকনির্দেশনায় স্পষ্ট হওয়া এবং মর্যাদা পুনরুদ্ধারের জন্য পরিবর্তন আনার আকাঙ্ক্ষায় শক্তিশালী হওয়া। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2023/01/16/dont-remain-content-anwar-tells-cabinet-civil-servants/ সন্তুষ্ট থাকবেন না, আনোয়ার ক্যাবিনেট, সরকারি কর্মচারীদের বলেছেন]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ১৬ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * রাজ্য এবং ফেডারেল যন্ত্রপাতির উচিত সঠিকভাবে আলোচনা করা কারণ আমরা অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার মধ্যে আছি। জাতীয় ঋণ প্রায় আরএম ১.২ ট্রিলিয়ন বলে অনুমান করা হচ্ছে এবং রাজস্ব ছোট হচ্ছে, যখন ব্যয় করার সক্ষমতা খুব সীমিত। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2023/01/16/no-more-empty-project-announcements-says-anwar/ আর কোনো খালি প্রকল্পের ঘোষণা নেই, আনোয়ার বলেছেন]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ১৬ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমাদের জাতীয় ঋণের সমস্যা হলো এটি ইতিমধ্যেই আরএম ১.২ ট্রিলিয়ন ছুঁয়েছে এবং যদি দায়বদ্ধতা অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তবে ঋণ আরএম ১.৫ ট্রিলিয়ন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.channelnewsasia.com/asia/malaysia-national-debt-1-5-trillion-anwar-ibrahim-immediate-action-3210881 মালয়েশিয়ার আরএম ১.৫ ট্রিলিয়ন জাতীয় ঋণ মোকাবেলায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা প্রয়োজন: পিএম আনোয়ার]” (চ্যানেল নিউজ এশিয়া, ১৭ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * জানুয়ারি-ডিসেম্বর ২০২২ সময়ের জন্য, ব্রুনাইতে মালয়েশিয়ার রপ্তানি ৩৩.৩ শতাংশ বেড়ে আরএম ৭.৪ বিলিয়ন (১.৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) হয়েছে। ব্রুনাই থেকে আমদানি ৫.৮২ বিলিয়ন রিঙ্গিত (১.২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) রেকর্ড করা হয়েছে, যা আগের বছরের (২০২১) তুলনায় ১৫৪.৮ শতাংশ বৃদ্ধি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/business/business-news/2023/01/24/pm-to-witness-mou-between-mida-bia-in-brunei পিএম ব্রুনাইতে মিদা, বিআইএ-এর মধ্যে এমওইউ সাক্ষ্য দেবেন]” (দ্য স্টার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি জানি 'আনোয়ার সংখ্যা নিয়ে খেলা করতে পছন্দ করেন' এমন মন্তব্য আছে। আমি খুব কমই এগুলোর উত্তর দিতে চাই, কিন্তু আমি এখানে বলতে চাই যে কথিত দুর্নীতির কোনো তদন্ত করার কাজ মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশনের। কিন্তু বিশ্বাস করুন, আমার বর্তমান অবস্থানে আমি কোনো ভিত্তিহীন বিবৃতি দেব না। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thevibes.com/articles/news/83657/i-deal-in-facts-not-lies-says-anwar-amid-online-flak অনলাইন ফ্লাকের মাঝে আমি তথ্যে কাজ করি, মিথ্যা নয়, আনোয়ার বলেছেন]” (দ্য ভাইবস, ২৪ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * এমন মানুষ আছে যারা জিজ্ঞেস করে 'আনোয়ার, যদি কোনো অন্যায় থাকে তবে কেন বিচার করা হচ্ছে না?' বিচার করা আমার কাজ নয়। আমাকে চ্যালেঞ্জ করবেন না। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2023/01/872972/dont-challenge-me-says-anwar আমাকে চ্যালেঞ্জ করবেন না, আনোয়ার বলেছেন]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ২৪ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * সাধারণ নিয়ম হিসেবে, আগের ঘোষণাগুলো সম্মান করা উচিত যদিও আমাদের কিছু আপত্তি থাকতে পারে। অন্যথায় এটি অনেক বিঘ্ন ঘটাবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2021/07/29/well-leave-it-to-the-king-to-decide-whats-best-says-anwar/ আগের সরকারের নীতিগুলো চলবে, আনোয়ার বলেছেন]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ২৫ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * মহামান্য (হাসানাল বলকিয়া) আমাদের উন্নয়ন পর্যবেক্ষণ ও অনুসরণ করছেন। বন্ধুত্ব গুরুত্বপূর্ণ, এবং আমাদের সম্পর্ক ভালো ও অনেকটা ব্যক্তিগত। যখনই আমি বিপদে পড়ি, মহামান্য সর্বদা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/25/anwar-says-personal-ties-with-sultan-of-brunei-will-expedite-implementation-of-programmes আনোয়ার বলেছেন ব্রুনাইয়ের সুলতানের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক কর্মসূচির বাস্তবায়নকে ত্বরান্বিত করবে]” (দ্য স্টার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি একটি নতুন রূপান্তর শুরু করতে চাই। আর শুধু স্লোগান নয়। আমরা কাজের মূল্যায়ন এবং অনুশীলন এবং সত্য, ন্যায়বিচার ও ঐক্য চাই। মালয়েশীয়রা হতাশাবাদী হয়ে উঠেছে এবং শুধু স্লোগান ও প্রতিশ্রুতির কারণে ক্লান্ত। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thevibes.com/articles/news/83736/anwar-meets-malaysian-diaspora-in-brunei আনোয়ার ব্রুনাইতে মালয়েশীয় প্রবাসীদের সাথে দেখা করেছেন]” (দ্য ভাইবস, ২৫ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * যদি প্রধান শিক্ষকরা কোনো ভুল পদক্ষেপ নেন, তবে তাকে অবশ্যই প্রশ্ন করতে হবে। শুধুমাত্র একজন ব্যক্তি একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান মানে এই নয় যে তার সব বক্তব্যই সঠিক। ইসলাম আমাদের তা (অন্ধভাবে অনুসরণ করা) শেখায়নি। ইসলামি ধর্মীয় শিক্ষা [[কুরআন]], [[হাদিস|সুন্নাহ]] এবং আদি [[উলামা|উলামাদের]] গভীর উপলব্ধির ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত। প্রয়োজন হলে ব্যাখ্যাগুলোকে প্রশ্ন করতে হবে এবং সংশোধন করতে হবে। এটিই জ্ঞান অন্বেষণের ঐতিহ্য। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/26/islamic-studies-in-schools-to-be-reviewed-to-emphasise-universal-values-and-humanity-says-anwar স্কুলে ইসলামি শিক্ষা সার্বজনীন মূল্যবোধ এবং মানবতার ওপর জোর দেওয়ার জন্য পর্যালোচনা করা হবে, আনোয়ার বলেছেন]” (দ্য স্টার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা মালয়েশিয়ায় কোনো পবিত্র গ্রন্থ পোড়ানো সহ্য করব না – তা কুরআন হোক, [[বাইবেল]] হোক বা অন্য কোনো। হত্যা বা অমানবিক করার কোনো [[স্বাধীনতা]] নেই। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/26/pas-free-to-protest-against-burning-of-quran-but-don039t-cause-trouble-says-anwar পাস (PAS) কুরআন পোড়ানোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে স্বাধীন কিন্তু ঝামেলা সৃষ্টি করবেন না, আনোয়ার বলেছেন]” (দ্য স্টার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি আমাদের জনগণের পারস্পরিক সুবিধার জন্য তার (মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন) সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় আছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/27/us-president-biden-congratulates-anwar-commends-malaysia039s-inspiring-democracy মার্কিন রাষ্ট্রপতি বাইডেন আনোয়ারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার অনুপ্রেরণাদায়ক গণতন্ত্রের প্রশংসা করেছেন]” (দ্য স্টার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেনের কাছ থেকে একটি অভিনন্দন বার্তা পেয়েছি, যিনি সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে মালয়েশিয়ার অনুপ্রেরণাদায়ক গণতন্ত্রের প্রশংসা করেছেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2023/01/874140/biden-congratulates-anwar-over-appointment-pm বাইডেন পিএম হিসেবে নিয়োগের জন্য আনোয়ারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ২৭ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * [[ইন্দোনেশিয়া]] আমাকে একজন সত্যিকারের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছিল, তাই আমি তা কখনও ভুলব না। ইন্দোনেশিয়া আমাদের প্রতিবেশী, আমাদের শেকড় এক এবং আমাদের মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে। এটি এমন এক সময়ে সত্যিকারের বন্ধু ছিল যখন আমাকে বের করে দেওয়া হয়েছিল এবং কোণঠাসা করা হয়েছিল। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/opinion/2023/01/28/can-anwar-leverage-on-friendships-to-attract-investments/ আনোয়ার কি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বন্ধুত্বের সুবিধা নিতে পারবেন?]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * মানুষ জাতি বা ধর্মের বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারে, আমার কাছে এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। এটি রাজনৈতিক নেতাদের একটি উপায় এবং প্রচেষ্টা যার মাধ্যমে তারা দেশের সুশাসনের মূল বিষয়গুলোকে আড়াল ও হাইজ্যাক করে। তারা মালয়দের সহ অন্য জাতিদের কাছে আবেদন করবে যে তাদের অবস্থান ও ক্ষমতার ভিত্তি চ্যালেঞ্জের মুখে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2023/01/28/its-not-race-or-religion-that-threatens-malays-and-malaysia-but-corruption-says-pmanwar/52306 এটা জাতি বা ধর্ম নয় যা মালয় এবং মালয়েশিয়াকে হুমকি দেয় কিন্তু দুর্নীতি, পিএম আনোয়ার বলেছেন]” (মালে মেইল, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * এই দেশকে [[দুর্নীতি]] থেকে বাঁচাতে আমাদের একসাথে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2023/01/874313/anwar-corruption-threatens-malays-not-other-races-nsttv আনোয়ার: দুর্নীতি মালয়দের হুমকি দেয়, অন্য জাতিদের নয় [এনএসটিটিভি]]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি আশা করি দেশটিকে দুর্নীতি থেকে রক্ষা করব, চুরি হওয়া সব টাকা উদ্ধার করব এবং জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেব। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/29/leaders-must-never-forget-the-people-and-their-sorrows-says-anwar নেতাদের কখনই জনগণ এবং তাদের দুঃখ ভুলে যাওয়া উচিত নয়, আনোয়ার বলেছেন]” (দ্য স্টার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি মনে করি না [[মিয়ানমার]] ইস্যুটি আমাদের (আসিয়ান) পদক্ষেপগুলোকে বাধাগ্রস্ত করবে। মিয়ানমার সরকারকে একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠানোর ক্ষেত্রে আমাদের মধ্যে একটি শক্তিশালী ঐকমত্য থাকা আদর্শ হবে। আপনার (মিয়ানমার) নিজস্ব অভ্যন্তরীণ নীতি ও অগ্রাধিকার রাখার পূর্ণ অধিকার রয়েছে, কিন্তু এই সময়ে কোনো দেশেরই বৈষম্যমূলক নীতি, জনগণের প্রান্তিককরণ, ভীতি প্রদর্শন বা আরও খারাপভাবে নিজের জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালানো উচিত নয়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thesundaily.my/home/pm-s-visit-to-thailand-renews-resolve-in-solving-old-problems-DF10621057 পিএমের থাইল্যান্ড সফর পুরনো সমস্যা সমাধানে সংকল্প নবায়ন করেছে]” (দ্য সান ডেইলি, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * কোভিড-১৯ এন্ডেমিক পর্যায়ে স্থানান্তরের সাথে সংগতি রেখে অর্থনীতি পুনরায় খুলে দেওয়ার ফলে এই বছরের [[অর্থনীতি|অর্থনৈতিক]] কর্মক্ষমতা উৎসাহজনক। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://finance.yahoo.com/news/15-fastest-growing-countries-asia-191639814.html এশিয়ার ১৫টি দ্রুততম বর্ধনশীল দেশ]” (ইয়াহু! ফাইন্যান্স, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা এক অস্বভাবী সময়ে বাস করছি যেমনটা আপনারা জানেন, যা অপ্রত্যাশিত। এমন কিছু তৈরি হচ্ছে যা একই সাথে ঘটছে, কখনো কখনো স্বতঃস্ফূর্ত এবং অনেক সমস্যা সমাধানে কিছু উদ্ভাবনী শক্তির প্রয়োজন হবে। এখন মালয়েশিয়ার দিকে তাকান, সমস্যা কোথায়? [[রাজনীতি|রাজনৈতিক]] অস্থিরতা দেশটিকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস করে ফেলবে। গত কয়েক বছর ধরে মনে হচ্ছে কিছুই নড়ছে না, কোনো নীতি নেই, কোনো দিকনির্দেশনা নেই এবং একারণে নেতারা যতটা সম্ভব অপচয় করার সুযোগ নেবেন। তাই আমরা পিএইচ (পাকাতান হারাপান) এবং উমনো-নেতৃত্বাধীন বিএন (বারিসান ন্যাশনালের) জোটের মধ্যে মতভেদে ছিলাম, কখনো কখনো আমি মনে করি তা বেশ তিক্ত ছিল, কিন্তু ঐকমত্য কী ছিল? যে এটিই যথেষ্ট। আমরা একমত যে আমাদের স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। আমরা একমত যে আমাদের দেশের জন্য একটি নতুন ভবিষ্যৎ তৈরি করতে হবে। আমরা সুশাসন এবং দেশকে দুর্নীতি থেকে মুক্ত করার বিষয়ে একমত এবং আমরা একমত যে এটি এমন একটি দেশ যা জাতিগত নয়। মালয়দের উদ্বেগ নিরসনে একটি শক্তিশালী মালয়-ভিত্তিক সমাজ থাকবে, কিন্তু একই সাথে সব জাতিকে অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হতে হবে, এটিই সেই মানদণ্ড যার ওপর আমরা একমত এবং সাবাহ ও সারাওয়াকের শক্তিশালী জোট ও অংশীদাররা দুই-তৃতয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার সাথে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী জোট গঠন করবে, যা মালয়েশিয়াকে আসিয়ানের অন্যতম স্থিতিশীল দেশে পরিণত করবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://finance.yahoo.com/news/15-fastest-growing-countries-asia-191639814.html আনোয়ার থাইল্যান্ডে সরকারি সফরে একান্ত সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেছেন]” (দ্য স্টার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি আগের (সংসদীয়) অধিবেশনে যেমনটা ব্যাখ্যা করেছি, যদিও বিদ্যুৎ ট্যারিফ বাড়ানো আগের সরকারের সিদ্ধান্ত ছিল, বর্তমান সরকার এখন সেই প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে এবং এটি কেবল টি-২০ (সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ আয়কারী গোষ্ঠী) অর্থাৎ বহুজাতিক কর্পোরেশন এবং অন্যান্য বড় কোম্পানিগুলোর ওপর আরোপ করবে, যদি না তারা [[খাদ্য]] নিরাপত্তার সাথে জড়িত কোম্পানি হয়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2023/02/14/pm-anwar-says-no-to-gst-or-consumption-tax-will-tighten-subsidies-for-the-rich-instead/54851 পিএম আনোয়ার বলেছেন জিএসটি বা ভোগ কর না, বরং ধনীদের জন্য ভর্তুকি কঠোর করা হবে]” (মালে মেইল, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমাকে (তুর্কি) রাষ্ট্রপতি (রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান) অবিলম্বে সেখানে (তুরস্কে) যেতে বলেছিলেন, নৈতিক সমর্থন দেওয়ার জন্য (২০২৩ তুরস্ক-সিরিয়া ভূমিকম্পের পর)। এবং আমি বিবেচনা করছি যে আমাদের সমর্থন দেখানোর জন্য আজ রাতে [[তুরস্ক|তুরস্কে]] উড়ে যাব কিনা। অন্য দেশের বেশ কয়েকজন নেতা ইতিমধ্যেই সেখানে পৌঁছেছেন এবং রাষ্ট্রপতি আমাকে ব্যক্তিগতভাবে সেখানে থাকতে বলেছেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2023/02/879647/anwar-may-leave-turkiye-tonight-after-erdogans-call আনোয়ার এরদোয়ানের কলের পর আজ রাতে তুরস্কের জন্য রওনা হতে পারেন]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি এই প্রক্রিয়ার (সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের রাজকীয় ক্ষমার আবেদন) অংশ হব এবং সম্মানসূচক উপাধি ও ক্ষমা প্রদানের বিষয়টি ইয়াং দি-পেরতুয়ান আগং-এর বিশেষাধিকার। আমাদের এটি জনসমক্ষে বিতর্ক করার দরকার নেই কারণ আমাদের সেই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/04/08/anwar-i-will-be-part-of-pardons-board-panel-to-decide-on-najibs-fate আনোয়ার: আমি নাজিবের ভাগ্যের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ক্ষমা বোর্ডের প্যানেলের অংশ হব]” (দ্য স্টার, ৮ এপ্রিল ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * রাজনৈতিক নিয়োগগুলো সরকার-সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর জন্য, পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিগুলোর জন্য নয়। যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের উপযুক্ত যোগ্যতা রয়েছে। আগের মতো নয়, এই নিয়োগগুলো তাদের যোগ্যতার ভিত্তিতে হয় এবং এটি কিছু নিয়মের সাথে আসে। উদাহরণস্বরূপ, তাদের অবশ্যই তাদের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করতে হবে, অতিরিক্ত খরচ করা যাবে না এবং ভাতা তাদের যোগ্যতার ভিত্তিতে দেওয়া হয়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.channelnewsasia.com/asia/malaysia-anwar-ibrahim-political-appointment-glc-review-3409571 সরকার-সম্পর্কিত কোম্পানিগুলোতে কিছু রাজনৈতিক নিয়োগ পর্যালোচনা করা হবে: মালয়েশিয়ার পিএম আনোয়ার]” (চ্যানেল নিউজ এশিয়া, ১১ এপ্রিল ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। ==আনোয়ার ইব্রাহিম সম্পর্কে উদ্ধৃতি== ===ল=== * যদি [[নাজিব রাজাক|নাজিবকে]] কারাগারে নির্যাতন করা হয়, তবে আনোয়ার এবং আমার মতো প্রাক্তন বন্দীসহ পিএইচ (পাকাতান হারাপান) নেতারা তাকে রক্ষা করতে সবার আগে এগিয়ে আসবেন। কিন্তু এমসিএ (মালয়েশিয়ান চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন)-এর কাছে কি কোনো প্রমাণ আছে যে নাজিবকে নির্যাতন করা হচ্ছে? সমস্যাটি হলো নাজিবকে দেওয়া বিশেষ সুবিধা যা আনোয়ার বা আমাকে কখনোই দেওয়া হয়নি যখন আমরা যথাক্রমে সুঙ্গাই বুলোহ এবং কাজাং কারাগারে ছিলাম। ** [[লিম গুয়ান এনজি]] (২০২২) “[https://www.dailyexpress.com.my/news/199777/anwar-and-i-will-be-first-to-defend-najib-if-prison-torture-claims-true-guan-eng/ কারাগারের নির্যাতনের দাবি সত্য হলে আনোয়ার এবং আমি নাজিবকে রক্ষা করার জন্য প্রথম হব: গুয়ান এনজি]” (Daily Express, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। ===ম=== * আগং (কেলান্তনের মুহাম্মদ ৫ম) ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি আনোয়ারকে ক্ষমা করতে ইচ্ছুক। এটি একটি পূর্ণ ক্ষমা হওয়া প্রয়োজন। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রাজার ক্ষমা পাওয়ার পর আনোয়ারকে অবিলম্বে (কারাগার থেকে) মুক্তি দিতে হবে। ** [[মাহাথির মোহাম্মদ]] (২০১৮) “[https://www.theedgemarkets.com/article/malaysia-king-agrees-pardon-anwar-ibrahim-says-pm-mahathir মালয়েশিয়ার রাজা আনোয়ার ইব্রাহিমকে ক্ষমা করতে রাজি, পিএম মাহাথির বলেছেন]” (The Edge Markets, ১১ মে ২০১৮) থেকে উদ্ধৃত। * আমি জানি আনোয়ার কেমন বোধ করেন। আমার প্রশাসনের সময়ই তাকে (কারাগারে) পাঠানো হয়েছিল। তার জন্য আমাকে গ্রহণ করা এবং আমার সাথে হাত মেলানো সহজ নয়। এবং এটি কেবল আনোয়ার নয়, তার পরিবারও যখন তিনি জেলে ছিলেন তখন চাপের মুখে ছিল। তারা ২০ বছর ধরে ভুগেছে। ** [[মাহাথির মোহাম্মদ]] (২০১৮) “[https://www.aljazeera.com/news/2018/5/16/malaysia-anwar-ibrahim-released-after-getting-full-pardon মালয়েশিয়া: আনোয়ার ইব্রাহিম পূর্ণ ক্ষমা পাওয়ার পর মুক্ত]” (Aljazeera, ১৬ মে ২০১৮) থেকে উদ্ধৃত। * আনোয়ার, আমি তোমাকে পূর্ণ ক্ষমা দেব কারণ আমি তোমার আদালতের মামলার অগ্রগতি অনুসরণ করছি, যাতে ন্যায়বিচারের নীতির লঙ্ঘন দেখা গেছে। ** [[মুহাম্মদ ৫ম]] (২০১৮) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2022/12/20/sultan-muhammad-said-my-jailing-was-travesty-of-justice-says-anwar/ সুলতান মুহাম্মদ বলেছেন আমার কারাবাস ন্যায়বিচারের উপহাস ছিল, আনোয়ার বলেছেন]” (Free Malaysia Today, ২০ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{commons category|Anwar Ibrahim}} * {{official website|https://www.anwaribrahim.com/}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:মালয়েশিয়ার সরকারি মন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:গণতন্ত্র কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:বন্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:মুসলিম]] lwb9texu3u7u0e974fga1jvyc351hkc 81766 81765 2026-04-28T01:02:50Z R1F4T 1240 81766 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:2025 Anwar Ibrahim (cropped).jpg|thumb|২০২৫ সালে আনোয়ার ইব্রাহিম]] [[w:মালয় শৈলী এবং উপাধি|দাতুক সেরি]] '''[[w:আনোয়ার ইব্রাহিম|আনোয়ার ইব্রাহিম]]''' (জন্ম [[১০ আগস্ট]] [[১৯৪৭]]) হলেন একজন [[মালয়েশিয়া|মালয়েশীয়]] রাজনীতিবিদ এবং ২০২২ সাল থেকে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি [[w:পিপলস জাস্টিস পার্টি (মালয়েশিয়া)|পিপলস জাস্টিস পার্টির]] প্রতিষ্ঠাতা এবং শীর্ষস্থানীয় নেতা। এছাড়াও তিনি অর্থমন্ত্রী (১৯৯১–১৯৯৮), শিক্ষামন্ত্রী (১৯৮৬–১৯৯১), কৃষিমন্ত্রী (১৯৮৪–১৯৮৬) এবং সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী (১৯৮৩–১৯৮৪) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ==উক্তি== ===২০০০-এর দশক=== * নতুন প্রধানমন্ত্রীকে [[বিচার বিভাগ|বিচার বিভাগের]] কাজে হস্তক্ষেপ না করার জন্য আমার কৃতিত্ব দিতে হবে। আমি প্রধানমন্ত্রী [[আব্দুল্লাহ আহমাদ বাদাবি|আব্দুল্লাহ বাদাবিকে]] প্রয়োজনীয় সংস্কার করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০০৪) “[https://www.chinadaily.com.cn/english/doc/2004-09/03/content_371274.htm মালয়েশিয়ার আনোয়ার সোডমির বিরুদ্ধে আপিলে জয়ী, মুক্ত]” (চায়না ডেইলি, ৩ সেপ্টেম্বর ২০০৪) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা লড়াই করব। যখন আমরা দেশের দায়িত্ব নেব, তখন প্রথম যে কাজটি করব তা হলো জ্বালানির দাম কমানো। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০০৮) “[https://www.cnbc.com/id/25487653 অধিকাংশ মালয়েশীয় মনে করেন আনোয়ার নির্দোষ: জরিপ]” (চায়না ডেইলি, ২ জুলাই ২০০৮) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা এনইপি (নিউ ইকোনমিক পলিসি)-কে সেকেলে বলে মনে করি। আমি সবসময় বলি, এনইপি কেবল ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন পরিবারের সদস্য এবং তাদের আশীর্বাদপুষ্টদের সুবিধা দেয়। তাই আমরা কেবল সেই রাজ্যগুলোতে যেখানে আমরা ক্ষমতায় আছি, সেখানে পরিবার-সম্পর্কিত কোম্পানি এবং তাদের আশীর্বাদপুষ্টদের টেন্ডার, প্রকল্প এবং বেসরকারিকরণ প্রদানের এই চর্চা বন্ধ করছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০০৮) “[https://www.reuters.com/article/us-malaysia-election-idUSKLR17040020080311 মালয়েশীয় বিরোধী দল ইতিবাচক পদক্ষেপের দিকে লক্ষ্য রেখেছে]” (রয়টার্স, ১১ মার্চ ২০০৮) থেকে উদ্ধৃত। ===২০১০-এর দশক=== * আমরা এটাও উপলব্ধি করি যে, মালয়েশীয়দের একটি নতুন প্রজন্ম আছে যারা এক দশক আগে শুরু হওয়া সংস্কার (রেফরমাসি) আন্দোলনের কথা মনে রাখার জন্য খুবই কম বয়সী ছিল। তাদের কাছে পৌঁছানো অনেকাংশেই প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘটবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১০) “[http://edition.cnn.com/2010/WORLD/asiapcf/03/04/malaysia.anwar.interview/index.html প্রশ্নোত্তর: আনোয়ার ইব্রাহিম বিচার, মুসলিম ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছেন]” (সিএনএন, ৫ মার্চ ২০১০) থেকে উদ্ধৃত। * ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, আমি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছি। ** বিচারক জাবিদিন মোহাম্মদ দিয়াহ কর্তৃক আনোয়ারকে সোডমির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত না করার প্রতিক্রিয়ায়, যখন তিনি প্রসিকিউশনের জমা দেওয়া ডিএনএ প্রমাণকে অবিশ্বস্ত বলে রায় দেন, ৯ জানুয়ারি ২০১২, বিবিসি নিউজে উদ্ধৃত: [http://www.bbc.com/news/world-asia-16463989 "আনোয়ার ইব্রাহিম মালয়েশিয়ায় সোডমির অভিযোগ থেকে খালাস"], ৯ জানুয়ারি ২০১২। * পৃথিবীর কোনো শক্তিই জনগণের শক্তিকে থামাতে পারবে না। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৩) “[https://www.aljazeera.com/features/2013/5/3/the-wild-ride-of-anwar-ibrahim আনোয়ার ইব্রাহিমের উত্তাল যাত্রা]” (আলজাজিরা, ৩ মে ২০১৩) থেকে উদ্ধৃত। * আবারও, ১৫ বছর পর, তারা আমাকে লকআপে পুরতে চায় এবং একারণেই তারা তাড়াহুড়ো করছে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৪) “[https://www.bbc.com/news/world-asia-26479642 মালয়েশিয়া আনোয়ার ইব্রাহিমকে সোডমির জন্য পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে]” (বিবিসি নিউজ, ৭ মার্চ ২০১৪) থেকে উদ্ধৃত। * শুধু এখন আমাকে কারাগারে পাঠাচ্ছে বলেই আমি আমার অবসর ঘোষণা করতে পারি না। যদি আমি ফেডারেল আদালতের আলোচনার সময় অবসর নিতাম, তবে তারা বলত এটি পরাজয় স্বীকার করার বিষয়। আমাকে তখন ঘোষণা করতে হবে যে আমি লড়াই করব। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৪) “[https://thediplomat.com/2014/04/interview-anwar-ibrahim/ সাক্ষাৎকার: আনোয়ার ইব্রাহিম]” (বিবিসি নিউজ, ২৪ এপ্রিল ২০১৪) থেকে উদ্ধৃত। * মালয়েশিয়ার অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে না যে আমি একটি ন্যায্য বিচার পাব বা আইনের তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত পাব। কিন্তু আমি তরুণদের দেখাতে চাই যে (আমার দোষী সাব্যস্ত হওয়া) [[স্বাধীনতা]] এবং [[ন্যায়বিচার|ন্যায়বিচারের]] সংগ্রামের জন্য একটি ছোট মূল্য। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৪) “[https://time.com/3536047/malaysia-anwar-ibrahim-sodomy-appeal/ মালয়েশিয়ার বিরোধী নেতা আনোয়ার ইব্রাহিম সোডমির আপিলের রায়ের অপেক্ষায়]” (টাইম, ২৪ অক্টোবর ২০১৪) থেকে উদ্ধৃত। * আমি তৃতীয়বারের মতো কারাগারে হাঁটব, কিন্তু নিশ্চিত থাকুন যে আমি মাথা উঁচু করে হাঁটব। আমি আমার নির্দোষতা বজায় রাখছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৫) “[https://www.reuters.com/article/cnews-us-malaysia-anwar-idCAKBN0LD2F520150210 মালয়েশিয়ার আনোয়ার সোডমি বিচারে আপিল হেরে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন]” (রয়টার্স, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫) থেকে উদ্ধৃত। * আমি আমার নির্দোষতা বজায় রাখছি। আমার কাছে এটি একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র থেকে উদ্ভূত একটি বানোয়াট অভিযোগ, যা আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার থামাতে ব্যবহৃত হচ্ছে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৫) “[https://www.theguardian.com/world/2015/nov/02/un-group-condemns-malaysias-arbitrary-detention-of-anwar-ibrahim জাতিসংঘের দল মালয়েশিয়ায় আনোয়ার ইব্রাহিমের 'স্বেচ্ছামূলক' আটকের নিন্দা জানিয়েছে]” (দ্য গার্ডিয়ান, ২ নভেম্বর ২০১৫) থেকে উদ্ধৃত। * আমাদের প্রিয় জাতিকে বাঁচাতে আমাদের একসাথে একটি নতুন পথ তৈরি করতে হবে। ** আনোয়ার তার জেল কক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলেছেন, দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ডে উদ্ধৃত, [http://www.smh.com.au/world/mahathir-mohamad-wins-jailed-anwar-ibrahims-backing-in-bit-to-oust-malaysian-pm-najib-razak-20160303-gnabf8.html "মাহাথির মোহাম্মদ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাককে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টায় কারাবন্দী আনোয়ার ইব্রাহিমের সমর্থন জিতেছেন"], ৪ মার্চ ২০১৬। * সাধারণ [[নির্বাচন|নির্বাচনের]] ওপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করার আহ্বানের অংশ হিসেবে, আমি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থী হিসেবে প্রস্তাব করছি না। উমনো বিএন-এর বিরুদ্ধে লড়তে একটি দলে সমস্ত শক্তি একত্রিত করার আশায়, সমস্ত নেতাদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা ন্যায্য। এর মধ্যে [[মাহাথির মোহাম্মদ|মাহাথির মোহাম্মদের]] অবস্থান ও ভূমিকা থেকে উপকৃত হওয়া অন্তর্ভুক্ত। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৭) “[https://www.voanews.com/a/anwar-ibrahim-jailed-malaysian-opposition-leader-withdraws-as-pm-candidate/3904762.html আনোয়ার ইব্রাহিম, কারাবন্দী মালয়েশীয় বিরোধী নেতা, প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন]” (ভিওএ, ১৭ জুন ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত। * আমি এবং মাহাথির আগেই সব পুরোনো তিক্ততা ভুলে গেছি, তা অনেক আগের কথা। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৮) “[https://www.bbc.com/news/world-asia-44135213 মালয়েশিয়ার মুক্ত আনোয়ার ইব্রাহিম ভোটে জয়ের পর 'নতুন ভোর' উদযাপন করেছেন]” (বিবিসি নিউজ, ১৬ মে ২০১৮) থেকে উদ্ধৃত। * কারাগারের জীবন থেকে একজন যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নিতে পারে তা হলো স্বাধীনতার মূল্য। যখন আপনি বন্দী হন, তখন আপনি স্বাধীনতার অর্থ এবং গুরুত্ব বুঝতে পারেন। কাউকে, আনোয়ার হোক বা... অন্য কেউ, কোনো ব্যক্তির ওপর যে ট্র্যাজেডি ঘটে তা সহ্য করতে দেওয়া উচিত নয়। আমি অনেকের দ্বারা সমর্থিত ছিলাম। কিন্তু আমাদের এটি একবার এবং সবসময়ের জন্য বন্ধ করতে হবে, এবং এটি আমাদের কর্তব্য, বিশেষ করে পাকাতান হারাপানে আমাদের কর্তব্য এটি শেষ করা। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৮) “[https://www.aljazeera.com/news/2018/5/16/malaysia-anwar-ibrahim-released-after-getting-full-pardon মালয়েশিয়া: আনোয়ার ইব্রাহিম পূর্ণ ক্ষমা পাওয়ার পর মুক্ত হয়েছেন]” (আলজাজিরা, ১৬ মে ২০১৮) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা দারিদ্র্য এবং অসমতা নিয়ে কথা বলি, কিন্তু এই দেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি অর্থনৈতিক কর্মসূচি বা নীতি তৈরি করার সময়, আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে কোনো সম্প্রদায়, কোনো অঞ্চল যেন অবহেলিত না থাকে। ** আনোয়ার পোর্ট ডিকসনের একটি হোটেলে ব্যাংকার এবং তহবিল ব্যবস্থাপকদের সাথে এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, দ্য স্টার অনলাইনে উদ্ধৃত, [https://www.thestar.com.my/news/nation/2018/10/10/anwar-underscores-the-need-to-help-the-poor/ "আনোয়ার দরিদ্রদের সাহায্য করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন"], ১০ অক্টোবর ২০১৮। * অবশ্যই এটি পাঁচ বছর নয় কারণ তিনি (মাহাথির মোহাম্মদ) এটি পরিষ্কার করেছেন যে তারা দুই বছরের বেশি সময় নেবেন না। তবে তাকে কার্যকরভাবে শাসন করতে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমরা খুব কঠিন এবং সংকটময় সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৯) “[https://www.scmp.com/news/asia/southeast-asia/article/2186116/anwar-ibrahim-expects-succeed-mahathir-mohamad-malaysian-pm আনোয়ার ইব্রাহিম মাহাথির মোহাম্মদের পর দুই বছরের মধ্যে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আশা করছেন, ১এমডিবি নিয়ে গোল্ডম্যান স্যাকসকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার পরিকল্পনা করছেন]” (সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯) থেকে উদ্ধৃত। * মুক্ত গণমাধ্যম আমার মতে, অবশ্যই একটি দায়িত্বশীল গণমাধ্যম, যার অর্থ হলো কিছু নিয়ম যা তাদের মেনে চলতে হবে, কিন্তু এটি ক্ষমতাসীন শক্তির দ্বারা সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন নেই। পরিবর্তে, এটি গণমাধ্যম এবং কর্তৃপক্ষ উভয়ের দ্বারা পরিচালিত একটি নীতি কমিটি হওয়া উচিত। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৯) “[https://www.aljazeera.com/economy/2019/3/22/malaysias-anwar-ibrahim-we-need-to-focus-on-economy মালয়েশিয়ার আনোয়ার ইব্রাহিম: ‘আমাদের অর্থনীতিতে মনোযোগ দিতে হবে’]” (আলজাজিরা, ২২ মার্চ ২০১৯) থেকে উদ্ধৃত। * দরিদ্রদের সাহায্য করার জন্য বছরে আরএম ২৮ বিলিয়ন বরাদ্দ কিন্তু সেখানে অনিয়ম ছিল এবং জেলেরা বা কৃষকরা কেউই সহায়তা পায়নি। আমরা চাই না এটি আবার ঘটুক কারণ সাহায্য লক্ষ্যমাত্রা পর্যন্ত পৌঁছানো উচিত এবং আমাদের বাস্তবায়ন পদ্ধতি শনাক্ত করতে হবে যাতে আর কোনো দুর্নীতি এবং অনিয়ম না থাকে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৯) “[https://www.malaysiakini.com/news/492379 আনোয়ার: আমি প্রায় প্রতিটি গ্রামে, বসতিতে দরিদ্রদের দেখি]” (মালয়েশিয়াকিনি, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা (মালয়েশিয়ায়) গত অর্ধ শতাব্দী ধরে এমন একটি প্রো-ভূমিপুত্র নীতি চেষ্টা করেছি যা আশীর্বাদপুষ্ট এবং অভিজাতদের উপকৃত করেছে। পরিসংখ্যান দেখুন। [[দারিদ্র্য]] বেড়েছে! [[অসমতা]] বেড়েছে! এটি একটি ক্লায়েন্টিলিস্ট সিস্টেমের মতো হয়ে গেছে। এবং তা প্রত্যাখ্যান করা প্রয়োজন! ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০১৯) “[https://asia.nikkei.com/Spotlight/The-Big-Story/Anwar-Ibrahim-finally-has-Malaysia-s-leadership-within-reach আনোয়ার ইব্রাহিম অবশেষে মালয়েশিয়ার নেতৃত্বের নাগাল পেয়েছেন]” (নিক্কেই এশিয়া, ৬ নভেম্বর ২০১৯) থেকে উদ্ধৃত। ===২০২০-এর দশক=== ====২০২০==== * আমাদের অর্থনীতি ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে, তাই আমাদের অর্থনীতিকে নতুনভাবে সাজাতে হবে। আমরা তাদের ওপর নির্ভর করতে পারি না যারা ক্ষমতা অপব্যবহার করে নিজেদের সমৃদ্ধ করছে, জনগণের সাধারণ কারণের চ্যাম্পিয়ন হতে। শ্রমিক, কৃষক এবং জেলেদের দুরবস্থা, তাদের রক্ষা করা প্রয়োজন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২০) “[https://www.nst.com.my/news/politics/2020/03/570671/anwar-time-close-ranks-move আনোয়ার: সারিবদ্ধ হওয়ার সময়, এগিয়ে যাওয়ার সময়]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১ মার্চ ২০২০) থেকে উদ্ধৃত। * সৌভাগ্যবশত মালয়েশিয়ার কাছে [[দারিদ্র্য]] সমস্যা সমাধানের জন্য পর্যাপ্ত সম্পদ এবং সম্পদ রয়েছে। তাই হাতে থাকা সমস্যাকে অগ্রাধিকার না দেওয়ার কোনো অজুহাত নেই। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২০) “[https://malaysia.news.yahoo.com/anwar-says-malaysia-rich-many-151734538.html আনোয়ার বলেছেন মালয়েশিয়া ধনী, কিন্তু অনেক মানুষ এখনও দরিদ্র কারণ সেখানে ভাড়া খোঁজার সংস্কৃতি গেঁথে আছে]” (ইয়াহু! নিউজ, ১০ জুলাই ২০২০) থেকে উদ্ধৃত। * আমি এমন একটি বিষয়ে জোর দিতে চাই যা আমাদের হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয় — এই সংখ্যাগুলো (মালয়েশিয়ার দৈনিক কোভিড-১৯ কেস) কি বাস্তব? যদি আপনি অনুরূপ জনসংখ্যার দেশের সাথে তুলনা করেন — [[অস্ট্রেলিয়া]], মালয়েশিয়া, [[কানাডা]] — আমাদের পরীক্ষার সক্ষমতা খুবই কম। আমরা মোট সংক্রমণ জানতে চাই, যা মোট পরীক্ষার সাথে সম্পর্কিত। আমরা একটি ক্লাস্টারে ১০,০০০ মানুষের পরীক্ষা করি, আমরা ১,০০০ (কেস) পাব। যদি আমরা ১০০ জনের পরীক্ষা করি, আমরা হয়তো একটি পেতে পারি। তাই, জননিরাপত্তা রক্ষা করতে, পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২০) “[https://codeblue.galencentre.org/2020/07/15/anwar-mps-question-malaysias-covid-19-testing-rate-and-accuracy/ আনোয়ার, এমপিরা মালয়েশিয়ার কোভিড-১৯ পরীক্ষার হার এবং নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন]” (কোডব্লু, ১৫ জুলাই ২০২০) থেকে উদ্ধৃত। * মালয়েশিয়ার জনগণ এমন নেতৃত্ব পাওয়ার যোগ্য যা এই অশান্ত সময়ে (কোভিড-১৯ মহামারী) কার্যকরভাবে পথ চলতে পারে। পরিবর্তে আমাদের একটি অস্থিতিশীল সরকার রয়েছে যাদের সংকট সামলানোর অক্ষমতা দেশটিকে অর্থনৈতিক মন্দা এবং জাতিগত উত্তেজনার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২০) “[https://www.aljazeera.com/news/2020/9/23/malaysias-anwar-ibrahim-says-has-majority-to-form-new-government মালয়েশিয়ার আনোয়ার দাবি করেছেন নতুন সরকার গঠনের জন্য ‘শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠতা’ আছে]” (আলজাজিরা, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০) থেকে উদ্ধৃত। * প্রথমত, সাবাহের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা, যা ইতিমধ্যেই কম অর্থায়িত, পর্যাপ্ত কর্মীহীন এবং সম্পদের অভাবী, এখন (কোভিড-১৯) মহামারীর কারণে প্লাবিত এবং অভিভূত। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সাবাহতে সম্পদ সরিয়ে নিচ্ছে কিন্তু মন্ত্রণালয় একা এটি করতে পারে না। এই প্রচেষ্টার জন্য শক্তিশালী নেতৃত্বের রাজনৈতিক সমর্থন এবং জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের অংশগ্রহণ প্রয়োজন যাতে পর্যাপ্ত মেডিকেল টিম ও সরঞ্জাম সংগ্রহ করা যায়, লজিস্টিকস উন্নত করা যায় এবং সাহায্যের বিস্তৃত নাগাল প্রদান করা যায়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২০) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2020/10/19/anwar-sabah-in-dire-need-of-aid-as-covid-19-continues-to-spread/1914312 আনোয়ার: কোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে সাবাহর সাহায্যের তীব্র প্রয়োজন]” (মালে মেইল, ১৯ অক্টোবর ২০২০) থেকে উদ্ধৃত। * সেই নির্দিষ্ট মন্ত্রী (অর্থমন্ত্রী টেংকু জাফরুল আজিজ) বলেছেন যে ইতিমধ্যেই আরএম ৩ বিলিয়ন (কোভিড-১৯ টিকা কেনার জন্য) আছে। মন্ত্রণালয়ে কোনো রেকর্ড নেই, বাজেটে কোনো রেকর্ড নেই, আরএম ৩ বিলিয়ন। আমি জানি না কোথা থেকে। এটা কি লুকানো হচ্ছে যাতে ঘাটতি দেখা না যায়? ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২০) “[https://codeblue.galencentre.org/2020/11/09/anwar-where-is-rm3bil-covid-19-vaccine-allocation-in-budget-2021/ আনোয়ার: বাজেট ২০২১-এ আরএম ৩ বিলিয়ন কোভিড-১৯ টিকা বরাদ্দ কোথায়?]” (কোডব্লু, ৯ নভেম্বর ২০২০) থেকে উদ্ধৃত। ====২০২১==== * আমি প্রধানমন্ত্রী হতে ব্যর্থ হইনি, এটি কেবল এখনও ঘটেনি। আমাকে মেনে নিতে হবে যে আমি এখনও পাকাতান হারাপানের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী এবং যদি মালয়েশীয়রা আমাকে এই পদের জন্য সমর্থন করে, আমি জনগণের সুরক্ষায় কাজ চালিয়ে যাব, বিশেষ করে তাদের জন্য যাদের এটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, ইনশাআল্লাহ। আমি জানি যাদের বিলিয়ন বিলিয়ন রিঙ্গিত আছে তারা আমার সাথে একমত নয়। তারা আমাকে ভয় পায়। আমি মনে করি জনগণ বেশি বুঝদার এবং আমাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2021/03/14/anwar-ibrahim-not-my-time-to-be-pm-yet/1957756 আনোয়ার ইব্রাহিম: আমার এখনও পিএম হওয়ার সময় হয়নি]” (মালে মেইল, ১৪ মার্চ ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। * যারা ঘুষ নেয় তাদের আমরা রক্ষা করি না এবং আমরা এটা সমর্থন করি না যে কর্তৃপক্ষকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হোক। এমএসিসি (মালয়েশিয়ান দুর্নীতি দমন কমিশন)-এর ক্ষেত্রে এটি দেখা যাচ্ছে। যদি আপনি সমর্থন পরিবর্তন করেন, তবে তদন্ত স্থগিত করা হবে বা বাতিল করা হবে, যদি না করেন, তবে হয়রানি অব্যাহত থাকবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.benarnews.org/english/news/malaysian/my-politics-anwar-03162021120854.html বিরোধী নেতা: মালয়েশিয়ার শাসক জোটকে সমর্থন করার জন্য আইনপ্রণেতাদের 'প্রলুব্ধ' করা হচ্ছে]” (বেনার নিউজ, ১৬ মার্চ ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা নীতি, নীতিসমূহ এবং মূল্যবোধের সাথে আপস করতে যাচ্ছি না যা আমরা এপর্যন্ত গ্রহণ করেছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.straitstimes.com/asia/se-asia/anwar-to-address-pkr-umno-collaboration-in-malaysias-ge15-at-430pm-sources মালয়েশিয়ার আনোয়ার বলেছেন তিনি পরবর্তী নির্বাচনে সহযোগিতার বিষয়ে বেশ কয়েকজন উমনো নেতার সাথে দেখা করেছেন]” (দ্য স্ট্রেইটস টাইমস, ১৭ মার্চ ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। * এখন যেহেতু আমরা তথ্যগুলো প্রতিষ্ঠা করেছি, আমরা আগং (রাজা)-এর ওপর সিদ্ধান্ত ছেড়ে দিয়েছি যে এই দেশকে বর্তমান সংকট থেকে বাঁচাতে কী করা ভালো। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2021/07/29/well-leave-it-to-the-king-to-decide-whats-best-says-anwar/ আমরা রাজাকে সিদ্ধান্ত নিতে দেব কী সেরা, বলেছেন আনোয়ার]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ২৯ জুলাই ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। * পূর্বে (গুনুং জেরাই) এলাকায় যে বন্যা হয়েছিল তার উল্লেখ করে, মন্ত্রণালয়ের উচিত সেখানে কোনো বন দখল কার্যকলাপ আছে কিনা তা নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2021/09/21/probe-if-logging-led-to-gunung-jerai-floods-says-anwar/ লগিং গুনুং জেরাই বন্যার দিকে পরিচালিত করেছে কিনা তা তদন্ত করুন, বলেছেন আনোয়ার]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। * আমাদের ক্যাবিনেট বিশ্বের বৃহত্তমগুলোর মধ্যে একটি, ৬৯ জন মন্ত্রী এবং উপমন্ত্রী নিয়ে। আমি মনে করি এটা গুরুত্বপূর্ণ যে মন্ত্রী এবং তাদের ডেপুটিদের অন্তত বিরোধী নেতার বিতর্কে শোনার জন্য উপস্থিত থাকা উচিত। এটি সংসদ রূপান্তরের একটি অংশ, একটি মৌলিক নৈতিক কোড, তবুও তা মানা হয়নি। আজ সকালে, আমি দুঃখিত অনুভব করছি। যখন বিরোধী নেতা কথা বলছেন, তখন সরকারি ব্লকের মাত্র পাঁচজন ব্যক্তি আছেন। বাকি ৬০ জনের বেশি মন্ত্রী এবং উপমন্ত্রী কোথায় গেছে? ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2021/09/28/wheres-the-rest-of-the-cabinet-during-anwars-debate-asks-nga/ আনোয়ারের বিতর্কের সময় ক্যাবিনেটের বাকি সদস্যরা কোথায়, এনজিএ প্রশ্ন করেছেন]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। * আমি সংসদ ভবনে বিরোধী নেতার জন্য অফিস প্রস্তুতকারীদের পরিষ্কার করে দিয়েছি যে তাদের কোনো সংস্কার করা উচিত নয় এবং এর জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া উচিত নয়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2021/10/16/anwar-pledges-his-minister-level-allowances-to-the-poor/ আনোয়ার মন্ত্রী-স্তরের বেতন, ভাতা দরিদ্রদের দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ১৬ অক্টোবর ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। * আপনার বুঝতে হবে যে পরিবর্তন হতে হবে, কিন্তু আমাদের আপসহীন মনোভাব নিয়ে নয়। এটি তখনই হতে পারে যখন আমরা বিজ্ঞ হই, বুদ্ধিমান হই এবং প্রতিটি পক্ষ থেকে সমর্থন আকর্ষণ করি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.malaysiakini.com/news/598196 ইউরসায় | হারাপান, নীতি কি আর গুরুত্বপূর্ণ নয়?]” (মালয়েশিয়াকিনি, ৭ নভেম্বর ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। * (মেলাকা নির্বাচন) এসওপি প্রচারাভিযান সীমিত করেছে। একটি সচেতন পছন্দ গণতন্ত্রের চেতনায় আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২১) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2021/11/22/after-melaka-flop-anwar-wants-sop-review-for-sarawak-polls/ মেলাকা ফ্লপের পর, আনোয়ার সারাওয়াক নির্বাচনের জন্য এসওপি পর্যালোচনা চান]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ২২ নভেম্বর ২০২১) থেকে উদ্ধৃত। ====২০২২==== * কিছু মানুষ ক্রমাগত বলে যে আনোয়ার ব্যর্থ হয়েছে, ব্যর্থ হয়েছে, ব্যর্থ হয়েছে। আরে, এখানে শুনুন। যদি আপনি চান যে আমি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে সফল হই, তবে নতুন (পার্টি) সভাপতি খুঁজুন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.nst.com.my/news/politics/2022/07/813845/i-was-asked-cover-some-court-cases-involving-high-ranking-figures-umno "আমাকে উমনো এবং বারিসান ন্যাশনালের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের জড়িত কিছু আদালতের মামলা ধামাচাপা দিতে বলা হয়েছিল", আনোয়ার দাবি করেছেন।]” (নিউজ স্ট্রেইটস টাইমস, ১৬ জুলাই ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা বাহাসা মেলায়ু চাই কিন্তু যদি ইংরেজি বলতে না পারে, তবে তাও ভালো হবে না। যদি এটি সাধারণ মানুষ হয়, তবে ঠিক আছে, কিন্তু যদি সেই ব্যক্তি স্নাতক হয়ে থাকে, এমনকি একজন নেতা, তবে তাদের একটি দ্বিতীয় ভাষায় সাবলীলতা থাকতে হবে। ঠিক আছে, যদি আপনি ইংরেজিতে সাবলীল হতে না পারেন, তবে আরবি? ফরাসি? তাও হতে পারে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://malaysia.news.yahoo.com/anwar-says-important-malaysian-leaders-121624868.html আনোয়ার বলেছেন মালয়েশীয় নেতা, স্নাতকদের দ্বিভাষিক হওয়া গুরুত্বপূর্ণ]” (ইয়াহু! নিউজ, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * পিএইচ (পাকাতান হারাপান)-এর মধ্যে আসন বণ্টন ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে কিন্তু আমরা মুদা, পিএসএম (পার্টি সোশালিস মালয়েশিয়া) ও অন্যদের মতো অন্যান্য নির্বাচনী জোটের সাথে আলোচনা করছি। কিন্তু পাকাতান হারাপান ছাতার নিচে সমস্ত দলের জন্য আসন বরাদ্দ, বিশেষ করে পেনিনসুলার মালয়েশিয়ায় ডিএপি (ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন পার্টি), আমানাহ এবং পিকেআর (পিপলস জাস্টিস পার্টি)-এর জন্য সম্পন্ন হয়েছে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.nst.com.my/news/politics/2022/10/842351/anwar-ph-muda-cooperation আনোয়ার: পিএইচ-মুদা সহযোগিতা চলছে]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ২১ অক্টোবর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * কুয়ালালামপুর থেকে আজ সকালে দুঃখজনক খবর পেয়েছি যে দাতুক সেরি ড. [[ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল|ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইলের]] মা মারিয়া খামিস আজ সকালে মারা গেছেন। আমি পাকাতান হারাপান সারাওয়াকের নেতৃত্ব এবং সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইছি যে আজ মিরি এবং কুচিং-এ নির্ধারিত প্রচারের সফর বাতিল করতে হয়েছে। আমরা অন্য সময়ে দেখা করব। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2022/10/24/dr-wan-azizahs-mother-dies-anwar-says-sarawak-trip-cancelled/35295 ড. ওয়ান আজিজাহর মা মারা গেছেন, আনোয়ার বলেছেন সারাওয়াক সফর বাতিল]” (মালে মেইল, ২৪ অক্টোবর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আলহামদুলিল্লাহ, আজ পাকাতান হারাপান জনগণের জন্য জিই১৫ (১৫তম সাধারণ নির্বাচন)-এর জন্য দশটি প্রধান অঙ্গীকার নিয়ে এসেছে। এই অফারগুলির মাধ্যমে, (পাকাতান হারাপান) মালয়েশিয়াকে পুনর্নির্মাণের জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং মনোযোগী যা সমস্ত ধরণের সংকট দ্বারা আক্রান্ত এবং বিদ্ধ হয়েছে, যার মধ্যে দুর্বল নীতি এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা, স্বাস্থ্য সমস্যা, ভেঙে পড়া অর্থনীতি, জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি, চাকরির সুযোগ হ্রাস, খাদ্য সরবরাহ এবং শিক্ষা সমস্যা রয়েছে। আমি জনগণকে এই অফারটি অধ্যয়ন করার জন্য অনুরোধ করছি এবং তাই দেশকে শাসন ও পরিচালনা করার জন্য স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আমাদের ম্যান্ডেট দিন। আমরা আমাদের প্রিয় দেশের জন্য খুব কঠোর পরিশ্রম করব, রেফরমাসি! ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.nst.com.my/news/politics/2022/11/846176/anwar-tawaran-harapan-ge15-manifesto-rakyat আনোয়ার: 'তাওয়ারান হারাপান' জিই১৫ ইশতেহার জনগণের জন্য]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ২ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * এবার, চেয়ারম্যান আনোয়ার। আমি বেড়া-বসানোদের আমাদের ম্যান্ডেট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি যাতে আমরা এটি বাস্তবায়ন করতে স্বাধীন থাকি এবং নির্বাচনের পর কোনো হুমকির মুখোমুখি না হই। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaysianow.com/news/2022/11/02/ph-outlines-10-priorities-in-the-event-of-election-victory নির্বাচনের বিজয়ের ক্ষেত্রে সাবাহ, সারাওয়াককে ক্ষমতায়ন করা ১০টি তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকারের মধ্যে, বলেছেন পিএইচ]” (মালয়েশিয়া নাও, ২ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * ফেডারেল সিস্টেমের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে, একটি ফেডারেশন হিসেবে বিবেচিত দেশের সংবিধানে ক্ষমতার বণ্টন আবশ্যক। এটি সাবাহ, সারাওয়াক এবং পেনিনসুলার মালয়েশিয়ার জন্য কোনো অদ্ভুত সমস্যা নয়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.theedgemarkets.com/article/anwar-ma63-be-resolved-without-much-issue-if-ph-given-mandate আনোয়ার: এমএ৬৩ (MA63) খুব বেশি সমস্যা ছাড়াই সমাধান করা হবে যদি পিএইচ-কে ম্যান্ডেট দেওয়া হয়]” (দ্য এজ মার্কেটস, ১২ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * পাকাতান হারাপান মালয়েশিয়া চুক্তি ১৯৬৩ সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করবে এবং জিই১৫ (১৫তম সাধারণ নির্বাচন)-এর পর ক্ষমতায় আসলে সাবাহ এবং সারাওয়াকের কিছু ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/11/12/ma63-will-be-fully-implemented-if-pakatan-wins-says-anwar এমএ৬৩ সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হবে যদি পাকাতান জেতে, বলেছেন আনোয়ার]” (দ্য স্টার, ১২ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * দয়া করে! ঈশ্বরের দোহাই, আমাদের সন্তানদের জন্য এবং আমাদের ভবিষ্যতের জন্য, এই পচন (দুর্নীতি) বন্ধ করুন। এই অর্থহীনতা বন্ধ করুন এবং এটি ১৯শে নভেম্বর (২০২২, নির্বাচনের দিন) শুরু হতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://apnews.com/article/business-malaysia-anwar-ibrahim-government-and-politics-fa8cbb0a07a8086923f232bf25af7239 'আমরা পারি': মালয়েশিয়ার আনোয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার চূড়ান্ত নির্বাচনী প্রচেষ্টায়]” (এপি, ১৫ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * পাকাতান হারাপানকে একটি পরিষ্কার এবং কর্তৃত্বপূর্ণ সরকার গঠনের সুযোগ দিন। আপনি যে ম্যান্ডেট দিচ্ছেন তা আমাদের জন্য একটি দায়িত্ব যা দেশে আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.straitstimes.com/asia/se-asia/malaysia-ge2022-anwar-ibrahim-lends-his-star-power-to-defend-ph-seats-in-kl-and-selangor মালয়েশিয়া জিই২০২২: আনোয়ার ইব্রাহিম কেএল এবং সেলাঙ্গরে পিএইচ আসন রক্ষার জন্য তার তারকা শক্তি দিয়েছেন]” (দ্য স্ট্রেইটস টাইমস, ১৬ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * ৭০ জন মন্ত্রীর সংখ্যা, যা আমাদের আগে ছিল তা অর্ধেকে নামিয়ে আনা হবে, তাদের বেতনও অর্ধেক কমানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর বেতনের ক্ষেত্রেও একই কথা। আপনি যদি আমার ক্যাবিনেটের অধীনে মন্ত্রী হতে চান, তবে আপনাকে এই শর্তটি মেনে নিতে হবে। জনগণকে বোঝানোর জন্য এটিই প্রথম পদক্ষেপ যা আমরা নেব। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.nst.com.my/news/politics/2022/11/852204/anwar-promises-pay-cut-himself-ministers-if-ph-wins-ge15 আনোয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নিজের, মন্ত্রীদের বেতন কমানোর যদি পিএইচ জিই১৫ জেতে]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১৮ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমি নিশ্চিত করছি যে [[ইন্দোনেশিয়া]] মালয়েশিয়ার একটি সত্যিকারের বন্ধু এবং আমি আশা করি যে বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক, বিনিয়োগ, সংস্কৃতি এবং শ্রম সমস্যা উন্নত করা যাবে। দুই জাতির মধ্যে [[বন্ধুত্ব]] শক্তিশালী হতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/11/24/indonesia039s-jokowi-first-foreign-leader-to-call-anwar-with-congratulatory-message ইন্দোনেশিয়ার জোকোউই প্রথম বিদেশী নেতা যিনি আনোয়ারকে অভিনন্দন বার্তা দিয়ে কল করেছেন]” (দ্য স্টার, ২৪ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমি একজন প্রধানমন্ত্রী যিনি সমস্ত মালয়েশীয়দের প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে চাই। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.benarnews.org/english/news/malaysian/new-leader-11242022052633.html আনোয়ার ইব্রাহিম মালয়েশিয়ার ১০ম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত এবং শপথ গ্রহণ করেছেন]” (বেনার নিউজ, ২৪ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমার দলের সাথে, আমি জনগণের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে এই গুরুদায়িত্ব পালন করব। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.aljazeera.com/news/2022/11/24/malaysias-anwar-named-countrys-10th-prime-minister আনোয়ার ২৫ বছরের সংস্কার সংগ্রামের পর মালয়েশিয়ার ১০ম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন]” (আলজাজিরা, ২৪ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আপনি (রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান) অনুপ্রেরণাদায়ক এবং আপনি কঠিন সময়ে আমাদের পাশে ভালো ভাই হিসেবে দাঁড়িয়েছেন। আমি মালয়েশিয়া এবং [[তুরস্ক]]ের মধ্যে আমাদের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক উন্নত করার অপেক্ষায় আছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.trtworld.com/turkey/t%C3%BCrkiye-s-erdogan-congratulates-new-malaysian-pm-ibrahim-62878 তুরস্কের এরদোয়ান নতুন মালয়েশীয় পিএম ইব্রাহিমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন]” (টিআরটি ওয়ার্ল্ড, ২৪ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমি আপনাকে জানাতে চাই যে গতকাল (২৬ নভেম্বর ২০২২), আমি একটি মার্সিডিজ এস৬০০ গাড়ি ব্যবহার করতে অস্বীকার করেছি যা আমি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর দ্বারা কেনা হয়েছিল। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.theedgemarkets.com/article/pm-anwar-ibrahim-use-existing-vehicle-office-rejects-mercedes-s600 পিএম আনোয়ার ইব্রাহিম অফিসে বিদ্যমান গাড়ি ব্যবহার করবেন, মার্সিডিজ এস৬০০ প্রত্যাখ্যান করেছেন]” (দ্য এজ মার্কেটস, ২৮ নভেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * পাশে [[ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল|আজিজাহ]] না থাকলে, আমি এই সময়ে এত বড় দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হতাম না। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.channelnewsasia.com/asia/anwar-ibrahim-wife-birthday-wan-azizah-wan-ismail-malaysia-3122336 মালয়েশিয়ার পিএম আনোয়ার তার স্ত্রীর জন্মদিনে ওয়ান আজিজাহর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন]” (সিএনএ, ৫ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * সাবেক রাষ্ট্রপতি মহামান্য [[জিয়াং জেমিন]]ের প্রয়াণে আমি অত্যন্ত মর্মাহত ও শোকাহত। মালয়েশিয়া সরকার এবং জনগণের পক্ষ থেকে, [[চীন|গণপ্রজাতন্ত্রী চীন]]ের সরকার এবং জনগণের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহমর্মিতা গ্রহণ করুন। চীনের সংস্কার, উন্মুক্তকরণ এবং আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার সময় তার অসামান্য নেতৃত্ব ও উত্তরাধিকারের জন্য তিনি সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2022/12/06/pm-anwar-pays-last-respects-to-late-former-chinese-president-jiang-zemin/43773 পিএম আনোয়ার প্রয়াত প্রাক্তন চীনা রাষ্ট্রপতি জিয়াং জেমিনের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন]” (মালে মেইল, ৬ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * দয়া করে, এমনটা করবেন না (আমাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাপা বলে ডাকা)। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://says.com/my/news/please-don-t-do-that-anwar-doesn-t-want-people-calling-him-papa "দয়া করে, এমনটা করবেন না" – আনোয়ার চান না মানুষ তাকে 'পাপা' ডাকুক]” (এসএওয়াইএস, ৬ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * ইনশাআল্লাহ, মালয়েশিয়া এবং [[তুরস্ক]] উভয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হতে থাকবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2022/12/07/pm-anwar-meets-turkey-president-tayyip-erdogans-son-bilal/43969 পিএম আনোয়ার তুরস্কের রাষ্ট্রপতি তাইয়্যেপ এরদোয়ানের ছেলে, বিলালের সাথে দেখা করেছেন]” (মালে মেইল, ७ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * একটি দেশ পরিচালনা করতে, আমাদের সঠিক আদেশ এবং নিয়ম মেনে চলতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2022/12/859938/anwar-says-he-was-given-mandate-lead-country-rm1-trillion-debt আনোয়ার বলেছেন তাকে আরএম ১ ট্রিলিয়ন ঋণের দেশ পরিচালনার ম্যান্ডেট দেওয়া হয়েছে]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * যদি আমরা (সরকার) সরকারি অর্থ ব্যয় করতে চাই, তবে আমাদের তা যাচাই করতে হবে। এটি সুশাসনের একটি বিষয়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2022/12/11/approved-projects-to-be-reviewed-says-anwar/ অনুমোদিত প্রকল্প পর্যালোচনা করা হবে, বলেছেন আনোয়ার]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ১১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * মন্ত্রীদের অবিলম্বে বরখাস্ত করা হবে যদি তারা [[দুর্নীতি|দুর্নীতিতে]] জড়িত বলে প্রমাণিত হয়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaysiakini.com/news/647736 দুর্নীতিবাজ মন্ত্রীদের অবিলম্বে বরখাস্ত করা হবে, আনোয়ার বলেছেন]” (মালয়েশিয়াকিনি, ১১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * ধন্যবাদ, দাতুক ল্যাট। [[পঠন|পঠনের]] সংস্কৃতি প্রচার করতে এখনও দেরি হয়নি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2022/12/11/anwar-hails-cartoonist-lat-wants-youth-to-read-works-of-worlds-greatest-thinkers/44685 আনোয়ার কার্টুনিস্ট ল্যাট-কে প্রশংসা করেছেন, তরুণদের বিশ্বের শ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদদের কাজ পড়ার আহ্বান জানিয়েছেন]” (মালে মেইল, ১১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আশা করি, ফেডারেল এবং রাষ্ট্রীয় [[সরকার|সরকারগুলোর]] মধ্যে সহযোগিতা জনগণের মঙ্গলের জন্য আরও শক্তিশালী হতে থাকবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.theedgemarkets.com/article/perlis-mb-meets-anwar-discuss-states-development পারলিস এমবি রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করতে আনোয়ারের সাথে দেখা করেছেন]” (দ্য এজ মার্কেটস, ১২ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমি কাউকে কখনই শাস্তি থেকে মুক্তি দেওয়ার গ্যারান্টি দিইনি, যদি না কোনো বিচারক যিনি মুক্ত এবং ন্যায্য তিনি সিদ্ধান্ত নেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.scmp.com/news/asia/southeast-asia/article/3202985/malaysias-anwar-says-hes-never-given-guarantee-anyone-help-court-cases মালয়েশিয়ার আনোয়ার বলেছেন তিনি আদালতের মামলায় সাহায্যের বিষয়ে কাউকে 'কখনও গ্যারান্টি দেননি']” (সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট, ১২ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * মানুষ বলে 'মালয়দের দীর্ঘজীবী হোক' কিন্তু অধিকাংশ মালয় দরিদ্র এবং কষ্টের মুখোমুখি। কেবল যারা শীর্ষে আছে তারাই ভালো জীবন উপভোগ করে। আমি সবার জন্য প্রধানমন্ত্রী হতে চাই। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://frontline.thehindu.com/world-affairs/anwar-ibrahim-takes-charge-as-malaysia-pm/article66229810.ece মালয়েশিয়ায় আনোয়ার ইব্রাহিমের জন্য কঠোর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বাস্তবতা অপেক্ষা করছে]” (ফ্রন্টলাইন, ১২ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * সরকারি দপ্তরগুলোকে ভোক্তা এবং শিল্পের স্বার্থ বিবেচনা করে লক্ষ্যভিত্তিক ভর্তুকি বাস্তবায়নের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা প্রণয়ন এবং বিকাশ করতে হবে এবং ব্যবস্থাগুলোর মসৃণ ও কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2022/12/13/pm-anwar-orders-all-govt-departments-to-come-up-with-measures-to-implement-targeted-subsidies/45000 পিএম আনোয়ার সব সরকারি দপ্তরকে লক্ষ্যভিত্তিক ভর্তুকি বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন]” (মালে মেইল, ১৩ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * মালয়েশিয়াকে অবশ্যই সেই ভর্তুকিগুলো পুনর্বণ্টন করতে হবে যা ধনী এবং বড় কোম্পানিগুলো ভোগ করে আসছিল, অথচ তা বি৪০ এবং এম৪০ গোষ্ঠী এবং বিশেষ করে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সহায়তার জন্য ছিল। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.channelnewsasia.com/asia/malaysia-anwar-ibrahim-supply-shortage-government-intervention-consumer-goods-subsidies-3141196 মালয়েশিয়া সরবরাহ সমস্যা মোকাবেলায় গ্রাহক-পর্যায়ের হস্তক্ষেপ বিবেচনা করছে: পিএম আনোয়ার]” (সিএনএ, ১৩ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা মালয়েশিয়া-[[কানাডা]] দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চ স্তরে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি নবায়ন করেছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2022/12/13/pm-anwar-malaysia-canada-explore-new-areas-of-cooperation/45044 পিএম আনোয়ার: মালয়েশিয়া, কানাডা সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র খুঁজছে]” (মালে মেইল, ১৩ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * ক্যাবিনেট এজি (অ্যাটর্নি-জেনারেল)-কে বিষয়টি দেখার দায়িত্ব দিয়েছে যাতে বাতু পুতেহ (ছোট দ্বীপ) নিয়ে [[সিঙ্গাপুর|সিঙ্গাপুরের]] সাথে আলোচনা এবং কথোপকথনের একটি অর্থবহ ফলাফল হয়। উপরন্তু, আমরা চাই না যে এটি দুই প্রতিবেশী বন্ধুর সম্পর্কের মধ্যে সমস্যার সৃষ্টি করুক। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/12/14/pm-instructs-ag-to-review-batu-puteh-issue-for-more-039meaningful039-negotiations-with-singapore পিএম এজি-কে সিঙ্গাপুরের সাথে আরও 'অর্থবহ' আলোচনার জন্য বাতু পুতেহ বিষয়টি পর্যালোচনা করার নির্দেশ দিয়েছেন]” (দ্য স্টার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * সরকার এই শিল্পকে পণ্য রপ্তানির সুবিধা দেওয়ার ইচ্ছা রাখে এবং একই সময়ে, জনগণের চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে চায়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/12/14/rethink-for-broad-based-subsidies ভর্তুকির জন্য পুনর্বিবেচনা]” (দ্য স্টার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * ইয়াং দি-পেরতুয়ান আগং, সুলতান আবদুল্লাহ সুলতান আহমাদ শাহ, [[কোভিড-১৯ মহামারী]] শুরুর (২০২০ সালে) পর থেকে তার রাজকীয় ভাতা নেননি। সুলতান আবদুল্লাহ পরিবর্তে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং মহামারীর সময় জনগণের সংগ্রামের কথা বিবেচনা করে সেই অর্থ দান করেছিলেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2022/12/14/agong-hasnt-received-allowance-since-pandemic-began-says-anwar/ আগং মহামারী শুরুর পর থেকে ভাতা পাননি, আনোয়ার বলেছেন]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * জীবনযাত্রার ব্যয় সংক্রান্ত জাতীয় কর্ম পরিষদের মঙ্গলবারের রিপোর্টের ভিত্তিতে, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে বিদ্যুৎ ট্যারিফ বাড়ানোর আগের প্রস্তাবটি কার্যকর হবে না কারণ এটি জনগণের ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। আমরা স্বীকার করি যে যদি কিছুই না করা হয়, তবে সরকারি অর্থে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে যা বেশ বেশি, আগামী বছর প্রায় আরএম ৩০ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে। তাই, কেবল বহুজাতিক কোম্পানি এবং বড় কোম্পানি যারা পণ্য রপ্তানি করে তাদের চার্জ করা হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/12/15/limited-electricity-tariff-hike সীমিত বিদ্যুৎ ট্যারিফ বৃদ্ধি]” (দ্য স্টার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * ইনশাআল্লাহ, আমরা (১৯ ডিসেম্বর ২০২২-এ সংসদে আস্থা ভোটের পর সরকার পরিচালনা) চালিয়ে যেতে সক্ষম হব। আমি আশা করি আপনি আমাদের জন্যও প্রার্থনা করবেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/12/15/anwar-looks-sure-of-passing-confidence-vote আনোয়ার আস্থা ভোট পাস করার বিষয়ে নিশ্চিত]” (দ্য স্টার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমি তাদের (মালয়েশিয়ার নতুন নিযুক্ত কূটনৈতিক মিশনের প্রধানদের) প্রচেষ্টায় শুভকামনা জানিয়েছি এবং আশা করি তারা পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে দেশের নাম আরও উচ্চ স্তরে নিয়ে যেতে পারবেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/12/15/anwar-tells-malaysian-diplomats-to-use-fresh-approaches-to-woo-foreign-investors আনোয়ার মালয়েশীয় কূটনীতিকদের বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার জন্য নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করতে বলেছেন]” (দ্য স্টার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমার প্রশাসনের অধীনে, মালয়েশিয়া কষ্ট শেষ করতে এবং [[ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিনে]] শান্তি ও স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে অবিচল থাকবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2022/12/862514/anwar-we-will-continue-fight-palestinian-people আনোয়ার: আমরা ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য লড়াই চালিয়ে যাব]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১৯ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমি ক্ষমার জন্য অনুরোধ করিনি কারণ আমি শাস্তি পেয়েছি, রেকর্ডে এটি পরিষ্কার হতে দিন। তৎকালীন ইয়াং দি-পেরতুয়ান আগং (কেলান্তনের মুহাম্মদ ৫ম) উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaysianow.com/news/2022/12/20/anwar-asked-for-pardon-twice-lawyer-claims আনোয়ার দুইবার ক্ষমার জন্য অনুরোধ করেছিলেন, আইনজীবী দাবি করেছেন]” (মালয়েশিয়া নাও, ২০ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনে যাওয়া আমার স্বপ্ন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.malaysiakini.com/news/648727 একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনে যাওয়া আমার স্বপ্ন - পিএম আনোয়ার]” (মালয়েশিয়াকিনি, ২০ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * যদিও ইসিআরএল (ইস্ট কোস্ট রেল লিংক) প্রকল্পের পুনর্বিন্যাস যা আমরা অনুমোদন করেছি তার জন্য খরচে সামান্য বৃদ্ধি হয়েছিল, তবুও আমরা মোট খরচ আরএম ১১.০১ বিলিয়ন কমাতে পেরেছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.theedgemarkets.com/article/ecrl-project-proceed-cost-reduced-rm1101b-says-pm-anwar নতুন সরকার আরএম ৭৪.৯৬ বিলে ইসিআরএল প্রকল্প এগিয়ে নিয়ে যাবে, পিএম বলেছেন]” (দ্য এজ মার্কেটস, ২১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * বন্যার কারণে এবং জনগণের সমস্যার কারণে, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ২০২৩ নববর্ষের আগের কাউন্টডাউনের মতো বড় উদযাপন বাতিল করা হয়েছে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/12/21/no-new-year039s-eve-countdown-at-dataran-merdeka-this-year-says-pm এই বছর দাতান মারদেকায় নববর্ষের আগের কাউন্টডাউন নেই, পিএম বলেছেন]” (দ্য স্টার, ২১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * বন্যা প্রশমন কর্মসূচির বাজেটের আরএম ১৫ বিলিয়ন থেকে, আমরা প্রায় আরএম ২ বিলিয়ন বাঁচাতে পেরেছি কারণ আমরা সরাসরি আলোচনা বন্ধ করেছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/12/21/flood-mitigation-projects-review-could-save-rm2bil বন্যা প্রশমন প্রকল্প পর্যালোচনা আরএম ২ বিলিয়ন বাঁচাতে পারে]” (দ্য স্টার, ২১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমি যা করেছি তা হলো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমার অনেক দায়িত্ব আমার ডেপুটিদের (আহমদ জাহিদ হামিদি এবং ফাদিল্লাহ ইউসুফ) ওপর ন্যস্ত করেছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2022/12/21/recovery-council-dissolved-says-anwar/ পুনরুদ্ধার কাউন্সিল ভেঙে দেওয়া হয়েছে, আনোয়ার বলেছেন]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ২১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * বহু-জাতিগত এবং সাংস্কৃতিকভাবে বৈচিত্র্যময় দেশ হিসেবে, এটি আমাদের প্রত্যেকের অভ্যাস এবং বাধ্যবাধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে যে এই সুযোগে (বড়দিনের প্রাক্কালে) সুন্দর কথার মাধ্যমে জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব জোরদার করা। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://focusmalaysia.my/anwars-maiden-short-yet-sweet-christmas-message-as-pm/ আনোয়ারের পিএম হিসেবে প্রথম 'সংক্ষিপ্ত-কিন্তু-মিষ্টি' ক্রিসমাস বার্তা]” (ফোকাস মালয়েশিয়া, ২৪ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * পাশে [[ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল|আজিজাহ]] এবং আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রী মহামান্য [[নরেন্দ্র মোদী]]-কে আপনার প্রিয় [[মা|মাতা]] শ্রীমতি হীরাবেন মোদীর মৃত্যুতে আমাদের আন্তরিক সমবেদনা এবং গভীর সহানুভূতি জানাতে চাই। আমরা আপনার [[দুঃখ]] ভাগ করছি এবং আপনার শোকের সময়ে আমাদের চিন্তাভাবনা আপনার সাথে আছে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2022/12/865774/anwar-offers-condolences-passing-indian-pm-modis-mother আনোয়ার ভারতীয় পিএম মোদীর মায়ের মৃত্যুতে সমবেদনা জানিয়েছেন]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ৩০ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। * আমাদের কি মেগা প্রকল্প থাকা উচিত কিন্তু জনগণের কথা চিন্তা করা উচিত নয়? আমাদের একই সাথে বিকাশ এবং ধ্বংস করা উচিত নয়। বড় কোম্পানিগুলোর মুনাফা অনেক কিন্তু শ্রমিকদের বেতন এখনও কম। যেহেতু আমরা আমাদের বিশ্বাস এবং নৈতিকতার সাথে বাস করি, আমরা যে চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করি তা এমন হওয়া উচিত নয় যে যারা নিযুক্ত তাদের মানুষ হিসেবে নিজেদের নিচু করতে হয়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2022/12/31/welfare-of-malaysians-is-top-priority-says-pm-anwar-in-new-year-message মালয়েশীয়দের কল্যাণ প্রধান অগ্রাধিকার, নববর্ষের বার্তায় পিএম আনোয়ার বলেছেন]” (দ্য স্টার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। ====২০২৩==== * ক্যাবিনেট (মালয়েশিয়ার) স্পষ্টভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে স্বাস্থ্যই প্রধান অগ্রাধিকার, এবং পর্যটন ও অর্থনীতির প্রশ্নগুলো এই স্বার্থকে ছাপিয়ে যেতে পারে না। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/04/safety-during-pandemic-will-take-priority-over-tourism-and-economy-says-anwar মহামারীর সময় পর্যটন এবং অর্থনীতির চেয়ে নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, আনোয়ার বলেছেন]” (দ্য স্টার, ৪ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * মাত্র ৪৯% মালয়েশীয়দের বুস্টার ডোজ (আজ পর্যন্ত) দেওয়া হয়েছে। [[কোভিড-১৯ মহামারী|কোভিড-১৯]] এখনও শেষ হয়নি, শুধু মালয়েশিয়ায় নয় বিশ্বব্যাপী। আমাদের কাছে এখনও প্রায় ছয় মিলিয়ন বুস্টার ডোজ প্রস্তুত আছে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thesundaily.my/home/anwar-only-49-of-malaysians-have-received-booster-jab-IB10449991 আনোয়ার: মাত্র ৪৯% মালয়েশীয়রা বুস্টার ডোজ পেয়েছে]” (দ্য সান ডেইলি, ৪ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * মালয়েশিয়া এবং [[পাকিস্তান]]ের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সম্পর্ক কেবল বর্তমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সংস্কৃতি, [[ইসলাম|ইসলামি]] বোঝাপড়া এবং দর্শনের ক্ষেত্রেও যা আমাদের ব্যাপকভাবে উপকৃত করেছে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/04/anwar-receives-call-from-pakistan039s-pm আনোয়ার পাকিস্তানের পিএম-এর কাছ থেকে কল পেয়েছেন]” (দ্য স্টার, ৪ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা (মালয়েশিয়ায় প্রবেশকারী বিদেশী নাগরিকদের জন্য কোভিড-১৯) স্ক্রিনিং কঠোর করতে যাচ্ছি, কিন্তু আমরা কোনো দেশের বিরুদ্ধে বৈথম্য করব না। ক্যাবিনেট স্পষ্টভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে স্বাস্থ্যই প্রধান অগ্রাধিকার, এবং পর্যটন ও অর্থনীতির প্রশ্নগুলো এই স্বার্থকে ছাপিয়ে যেতে পারে না। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.straitstimes.com/asia/se-asia/malaysia-to-tighten-covid-19-screening-for-all-arrivals-pm-anwar-says 'আমরা কোনো দেশের বিরুদ্ধে বৈষম্য করব না': মালয়েশিয়ার কঠোর কোভিড-১৯ স্ক্রিনিং নিয়ে পিএম আনোয়ার বলেছেন]” (দ্য স্ট্রেইটস টাইমস, ৪ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি (সাবাহ-তে) কোনো রাজনৈতিক অস্থিরতার বিকাশ দেখছি না। আমাকে কেবল জানানো হয়েছে যে কিছু সমস্যা আছে এবং আমি সাবাহর মুখ্যমন্ত্রীকে বন্ধুদের সাথে আলোচনা করতে বলেছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2023/01/06/pm-anwar-says-no-political-turmoil-in-sabah-hajiji-told-to-discuss-with-friends/48768 পিএম আনোয়ার বলেছেন সাবাহ-তে কোনো রাজনৈতিক অস্থিরতা নেই, হাজিজিকে 'বন্ধুদের' সাথে আলোচনা করতে বলা হয়েছে]” (মালে মেইল, ৬ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * কখনো কখনো এই রাজনীতিবিদরা বলেন যে যদি আনোয়ার প্রধানমন্ত্রী হন তবে [[ইসলাম]] ধ্বংস হয়ে যাবে, [[ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ]] এবং [[কমিউনিজম]] জায়গা পাবে এবং [[এলজিবিটি]] স্বীকৃত হবে। এটি একটি বিভ্রম। অবশ্যই, এটি ঘটবে না এবং ইনশাআল্লাহ আমার প্রশাসনের অধীনে, এটি ঘটতে যাচ্ছে না। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2023/01/07/pm-anwar-lgbt-secularism-communism-will-never-be-recognised-in-unity-govt/48847 পিএম আনোয়ার: এলজিবিটি, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, কমিউনিজম ঐক্য সরকারে কখনই স্বীকৃত হবে না]” (মালে মেইল, ७ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি জোর দিয়েছি যে মালয়েশিয়াকে অবশ্যই অভিজাত রাজনীতিবিদদের লোভ থেকে মুক্ত হতে হবে যারা নিজেদের সুবিধার জন্য দেশের সম্পদ লুট করছে। আমি এই বিষয়ে কোনো আপস করব না যদিও এটি আমার নিজের অবস্থানকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2023/01/09/in-jakarta-pm-anwar-vows-no-compromise-in-war-on-graft-even-at-risk-to-self-will-announce-kpi-for-each-minister-after-a-month-in-office/49175 জাকার্তায়, পিএম আনোয়ার দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে কোনো আপস না করার অঙ্গীকার করেছেন যদিও এটি নিজের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ; অফিসে এক মাস পর প্রতিটি মন্ত্রীর জন্য কেপিআই ঘোষণা করবেন]” (মালে মেইল, ৯ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি আশা করি এই সফর (ইন্দোনেশিয়ায়) দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে সক্ষম হবে এবং ইনশাআল্লাহ রাষ্ট্রপতি জোকো উইদোদোর সাথে আলোচনার মাধ্যমে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলো অন্বেষণ করা যাবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://en.tempo.co/read/1677226/anwar-ibrahim-lands-in-jakarta-for-first-official-visit-as-malaysian-pm আনোয়ার ইব্রাহিম মালয়েশীয় পিএম হিসেবে প্রথম সরকারি সফরে জাকার্তায় পৌঁছেছেন]” (টেম্পো.কো, ৯ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * এটি কিছুটা ব্যক্তিগত, জনাব রাষ্ট্রপতি (জোকো উইদোদো)। যখন আমি কঠিন পরিস্থিতিতে অনিশ্চয়তা এবং কষ্টের মধ্যে ছিলাম, তখন ইন্দোনেশিয়া আমাকে একজন সত্যিকারের বন্ধু হিসেবে স্বাগত জানিয়েছিল। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thesundaily.my/home/anwar-in-indonesia-on-first-foreign-trip-FC10472142 আনোয়ার প্রথম বিদেশী সফরে ইন্দোনেশিয়ায়]” (দ্য সান ডেইলি, ৯ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * সাধারণত কোনো আত্মজীবনী এমন কেউ লেখেন যিনি অবসর নিচ্ছেন। আমি এই পদে কেবল এক মাসের কিছু বেশি সময় ধরে আছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thejakartapost.com/world/2023/01/09/dont-expect-an-autobiography-from-me-anwar.html আমার কাছ থেকে আত্মজীবনী আশা করবেন না: আনোয়ার]” (দ্য জাকার্তা পোস্ট, ১০ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে (হাজিজি নূর) আলোচনার সুযোগ দেব এবং সাবাহর মঙ্গলের জন্য সেরা সূত্র খুঁজে বের করতে বলব। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.theedgemarkets.com/node/651107 আনোয়ার হাজিজিকে সাবাহর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থাকার জন্য আশীর্বাদ দিয়েছেন]” (দ্য এজ মার্কেটস, ১০ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * হ্যাঁ, আমি হাজিজি (নূর)-কে সমর্থন দিচ্ছি। আমরা আমাদের মতামত দিয়েছি। আমরা চাই সাবাহ মুখ্যমন্ত্রী হাজিজি নূরের অধীনে শক্তিশালী হোক। তাকে আলোচনার সুযোগ দিন এবং সাবাহর জন্য একটি ভালো সূত্র খুঁজে বের করতে দিন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2023/01/10/anwar-gives-blessings-to-hajiji-to-remain-chief-minister-but-must-stablise-sabah-govt/49333 আনোয়ার হাজিজিকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থাকার জন্য আশীর্বাদ দিয়েছেন, কিন্তু সাবাহ সরকারকে স্থিতিশীল করতে হবে]” (মালে মেইল, ১০ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি জনগণের স্বার্থে সকল সরকারি কর্মচারীকে গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার নীতি গ্রহণ করার আহ্বান যা করছি। নীতির নির্মাতা এবং চালক হিসেবে আমাদের আত্মতুষ্ট হওয়া উচিত নয় এবং পরিবর্তন আনতে আমাদের যা যা করা সম্ভব তা করতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2023/01/869693/pm-many-cases-extreme-discrepancies-found-after-examining-mof-files পিএম: এমওএফ (MoF) ফাইল পরীক্ষা করার পর "চরম অসঙ্গতির" অনেক ঘটনা পাওয়া গেছে]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১২ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * কল্যাণের বিষয়টি রাহমাহ প্রোগ্রাম বলা হয়। আমরা দরিদ্রদের সাহায্য করার জন্য সব প্রোগ্রামে এটিকে মূল বিষয় করব, বিশেষ করে চরম দরিদ্রদের, যা বর্তমান সরকার প্রশাসনে আমাদের অগ্রাধিকার। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/12/welfare-of-hardcore-poor-a-priority-of-government-says-anwar চরম দরিদ্রদের কল্যাণ সরকারের অগ্রাধিকার, আনোয়ার বলেছেন]” (দ্য স্টার, ১২ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * ফাউন্ডেশনের চেয়ার হিসেবে তার পুনঃনিয়োগ ৫৬টি কমনওয়েলথ সদস্য দেশের সবার ঐকমত্য সমর্থন পেয়েছে। ১৯৬৬ সালে ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনি এই পদে আসীন প্রথম মালয়েশীয় এবং [[এশিয়া|এশীয়]] প্রতিনিধি। অভিনন্দন, দাতুক সুধা দেবী! ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2023/01/870040/pm-anwar-congratulates-former-msian-high-commissioner-sudha-devi পিএম আনোয়ার কমনওয়েলথ ফাউন্ডেশনের চেয়ার হিসেবে পুনঃনিয়োগের জন্য প্রাক্তন এমসিয়ান হাই কমিশনার সুধা দেবীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১৩ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * যদি এমন কোনো নথি (মিনিটস) থাকে যা আইন ও প্রবিধান লঙ্ঘন করে, তবে আমাকে অবশ্যই অবহিত করতে হবে। এমনকি যদি তা আমার পক্ষ থেকে হয় তবুও। আরও বেশি করে যদি তা আমার কর্মকর্তা, উপ-প্রধানমন্ত্রী বা অন্যান্য মন্ত্রীদের পক্ষ থেকে আসে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/16/alert-me-if-you039re-given-minutes-that-violate-the-law-pm-anwar-tells-civil-servants যদি আপনাকে আইন লঙ্ঘনকারী মিনিট দেওয়া হয় তবে আমাকে সতর্ক করুন, পিএম আনোয়ার সরকারি কর্মচারীদের বলেছেন]” (দ্য স্টার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * যদি আমরা তাদের ইপিএফ অ্যাকাউন্টের সঞ্চয় দেখি, তবে পরিমাণটি খুব কম। ফলে আমাকে তাদের বর্তমান প্রয়োজন এবং ভবিষ্যতের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। আমি তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব চিন্তিত, তাই সরকার তাদের সহায়তা করার উপায় খুঁজবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2023/01/870798/pm-special-epf-withdrawals-we-have-balance-between-needs-and-future পিএম বিশেষ ইপিএফ উত্তোলনের ওপর: আমাদের চাহিদা এবং ভবিষ্যতের বেঁচে থাকার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১৬ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি ৩০ বছর আগে উমনো ছেড়েছি। উমনোর সাথে আমার আর কোনো সম্পর্ক নেই। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.nst.com.my/news/politics/2023/01/870785/i-left-umno-30-years-ago-replies-pm-anwar-no-contest-top-two-posts আমি ৩০ বছর আগে উমনো ছেড়েছি, শীর্ষ দুই পদের জন্য কোনো প্রতিযোগিতার বিষয়ে পিএম আনোয়ার উত্তর দিয়েছেন]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১৬ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশ রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল হওয়া, তার দিকনির্দেশনায় স্পষ্ট হওয়া এবং মর্যাদা পুনরুদ্ধারের জন্য পরিবর্তন আনার আকাঙ্ক্ষায় শক্তিশালী হওয়া। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2023/01/16/dont-remain-content-anwar-tells-cabinet-civil-servants/ সন্তুষ্ট থাকবেন না, আনোয়ার ক্যাবিনেট, সরকারি কর্মচারীদের বলেছেন]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ১৬ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * রাজ্য এবং ফেডারেল যন্ত্রপাতির উচিত সঠিকভাবে আলোচনা করা কারণ আমরা অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার মধ্যে আছি। জাতীয় ঋণ প্রায় আরএম ১.২ ট্রিলিয়ন বলে অনুমান করা হচ্ছে এবং রাজস্ব ছোট হচ্ছে, যখন ব্যয় করার সক্ষমতা খুব সীমিত। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2023/01/16/no-more-empty-project-announcements-says-anwar/ আর কোনো খালি প্রকল্পের ঘোষণা নেই, আনোয়ার বলেছেন]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ১৬ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমাদের জাতীয় ঋণের সমস্যা হলো এটি ইতিমধ্যেই আরএম ১.২ ট্রিলিয়ন ছুঁয়েছে এবং যদি দায়বদ্ধতা অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তবে ঋণ আরএম ১.৫ ট্রিলিয়ন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.channelnewsasia.com/asia/malaysia-national-debt-1-5-trillion-anwar-ibrahim-immediate-action-3210881 মালয়েশিয়ার আরএম ১.৫ ট্রিলিয়ন জাতীয় ঋণ মোকাবেলায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা প্রয়োজন: পিএম আনোয়ার]” (চ্যানেল নিউজ এশিয়া, ১৭ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * জানুয়ারি-ডিসেম্বর ২০২২ সময়ের জন্য, ব্রুনাইতে মালয়েশিয়ার রপ্তানি ৩৩.৩ শতাংশ বেড়ে আরএম ৭.৪ বিলিয়ন (১.৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) হয়েছে। ব্রুনাই থেকে আমদানি ৫.৮২ বিলিয়ন রিঙ্গিত (১.২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) রেকর্ড করা হয়েছে, যা আগের বছরের (২০২১) তুলনায় ১৫৪.৮ শতাংশ বৃদ্ধি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/business/business-news/2023/01/24/pm-to-witness-mou-between-mida-bia-in-brunei পিএম ব্রুনাইতে মিদা, বিআইএ-এর মধ্যে এমওইউ সাক্ষ্য দেবেন]” (দ্য স্টার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি জানি 'আনোয়ার সংখ্যা নিয়ে খেলা করতে পছন্দ করেন' এমন মন্তব্য আছে। আমি খুব কমই এগুলোর উত্তর দিতে চাই, কিন্তু আমি এখানে বলতে চাই যে কথিত দুর্নীতির কোনো তদন্ত করার কাজ মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশনের। কিন্তু বিশ্বাস করুন, আমার বর্তমান অবস্থানে আমি কোনো ভিত্তিহীন বিবৃতি দেব না। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thevibes.com/articles/news/83657/i-deal-in-facts-not-lies-says-anwar-amid-online-flak অনলাইন ফ্লাকের মাঝে আমি তথ্যে কাজ করি, মিথ্যা নয়, আনোয়ার বলেছেন]” (দ্য ভাইবস, ২৪ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * এমন মানুষ আছে যারা জিজ্ঞেস করে 'আনোয়ার, যদি কোনো অন্যায় থাকে তবে কেন বিচার করা হচ্ছে না?' বিচার করা আমার কাজ নয়। আমাকে চ্যালেঞ্জ করবেন না। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2023/01/872972/dont-challenge-me-says-anwar আমাকে চ্যালেঞ্জ করবেন না, আনোয়ার বলেছেন]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ২৪ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * সাধারণ নিয়ম হিসেবে, আগের ঘোষণাগুলো সম্মান করা উচিত যদিও আমাদের কিছু আপত্তি থাকতে পারে। অন্যথায় এটি অনেক বিঘ্ন ঘটাবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2021/07/29/well-leave-it-to-the-king-to-decide-whats-best-says-anwar/ আগের সরকারের নীতিগুলো চলবে, আনোয়ার বলেছেন]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ২৫ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * মহামান্য (হাসানাল বলকিয়া) আমাদের উন্নয়ন পর্যবেক্ষণ ও অনুসরণ করছেন। বন্ধুত্ব গুরুত্বপূর্ণ, এবং আমাদের সম্পর্ক ভালো ও অনেকটা ব্যক্তিগত। যখনই আমি বিপদে পড়ি, মহামান্য সর্বদা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/25/anwar-says-personal-ties-with-sultan-of-brunei-will-expedite-implementation-of-programmes আনোয়ার বলেছেন ব্রুনাইয়ের সুলতানের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক কর্মসূচির বাস্তবায়নকে ত্বরান্বিত করবে]” (দ্য স্টার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি একটি নতুন রূপান্তর শুরু করতে চাই। আর শুধু স্লোগান নয়। আমরা কাজের মূল্যায়ন এবং অনুশীলন এবং সত্য, ন্যায়বিচার ও ঐক্য চাই। মালয়েশীয়রা হতাশাবাদী হয়ে উঠেছে এবং শুধু স্লোগান ও প্রতিশ্রুতির কারণে ক্লান্ত। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thevibes.com/articles/news/83736/anwar-meets-malaysian-diaspora-in-brunei আনোয়ার ব্রুনাইতে মালয়েশীয় প্রবাসীদের সাথে দেখা করেছেন]” (দ্য ভাইবস, ২৫ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * যদি প্রধান শিক্ষকরা কোনো ভুল পদক্ষেপ নেন, তবে তাকে অবশ্যই প্রশ্ন করতে হবে। শুধুমাত্র একজন ব্যক্তি একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান মানে এই নয় যে তার সব বক্তব্যই সঠিক। ইসলাম আমাদের তা (অন্ধভাবে অনুসরণ করা) শেখায়নি। ইসলামি ধর্মীয় শিক্ষা [[কুরআন]], [[হাদিস|সুন্নাহ]] এবং আদি [[উলামা|উলামাদের]] গভীর উপলব্ধির ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত। প্রয়োজন হলে ব্যাখ্যাগুলোকে প্রশ্ন করতে হবে এবং সংশোধন করতে হবে। এটিই জ্ঞান অন্বেষণের ঐতিহ্য। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/26/islamic-studies-in-schools-to-be-reviewed-to-emphasise-universal-values-and-humanity-says-anwar স্কুলে ইসলামি শিক্ষা সার্বজনীন মূল্যবোধ এবং মানবতার ওপর জোর দেওয়ার জন্য পর্যালোচনা করা হবে, আনোয়ার বলেছেন]” (দ্য স্টার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা মালয়েশিয়ায় কোনো পবিত্র গ্রন্থ পোড়ানো সহ্য করব না – তা কুরআন হোক, [[বাইবেল]] হোক বা অন্য কোনো। হত্যা বা অমানবিক করার কোনো [[স্বাধীনতা]] নেই। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/26/pas-free-to-protest-against-burning-of-quran-but-don039t-cause-trouble-says-anwar পাস (PAS) কুরআন পোড়ানোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে স্বাধীন কিন্তু ঝামেলা সৃষ্টি করবেন না, আনোয়ার বলেছেন]” (দ্য স্টার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি আমাদের জনগণের পারস্পরিক সুবিধার জন্য তার (মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন) সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় আছি। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/27/us-president-biden-congratulates-anwar-commends-malaysia039s-inspiring-democracy মার্কিন রাষ্ট্রপতি বাইডেন আনোয়ারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার অনুপ্রেরণাদায়ক গণতন্ত্রের প্রশংসা করেছেন]” (দ্য স্টার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেনের কাছ থেকে একটি অভিনন্দন বার্তা পেয়েছি, যিনি সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে মালয়েশিয়ার অনুপ্রেরণাদায়ক গণতন্ত্রের প্রশংসা করেছেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2023/01/874140/biden-congratulates-anwar-over-appointment-pm বাইডেন পিএম হিসেবে নিয়োগের জন্য আনোয়ারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ২৭ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * [[ইন্দোনেশিয়া]] আমাকে একজন সত্যিকারের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছিল, তাই আমি তা কখনও ভুলব না। ইন্দোনেশিয়া আমাদের প্রতিবেশী, আমাদের শেকড় এক এবং আমাদের মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে। এটি এমন এক সময়ে সত্যিকারের বন্ধু ছিল যখন আমাকে বের করে দেওয়া হয়েছিল এবং কোণঠাসা করা হয়েছিল। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/opinion/2023/01/28/can-anwar-leverage-on-friendships-to-attract-investments/ আনোয়ার কি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বন্ধুত্বের সুবিধা নিতে পারবেন?]” (ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * মানুষ জাতি বা ধর্মের বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারে, আমার কাছে এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। এটি রাজনৈতিক নেতাদের একটি উপায় এবং প্রচেষ্টা যার মাধ্যমে তারা দেশের সুশাসনের মূল বিষয়গুলোকে আড়াল ও হাইজ্যাক করে। তারা মালয়দের সহ অন্য জাতিদের কাছে আবেদন করবে যে তাদের অবস্থান ও ক্ষমতার ভিত্তি চ্যালেঞ্জের মুখে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2023/01/28/its-not-race-or-religion-that-threatens-malays-and-malaysia-but-corruption-says-pmanwar/52306 এটা জাতি বা ধর্ম নয় যা মালয় এবং মালয়েশিয়াকে হুমকি দেয় কিন্তু দুর্নীতি, পিএম আনোয়ার বলেছেন]” (মালে মেইল, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * এই দেশকে [[দুর্নীতি]] থেকে বাঁচাতে আমাদের একসাথে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2023/01/874313/anwar-corruption-threatens-malays-not-other-races-nsttv আনোয়ার: দুর্নীতি মালয়দের হুমকি দেয়, অন্য জাতিদের নয় [এনএসটিটিভি]]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি আশা করি দেশটিকে দুর্নীতি থেকে রক্ষা করব, চুরি হওয়া সব টাকা উদ্ধার করব এবং জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেব। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/01/29/leaders-must-never-forget-the-people-and-their-sorrows-says-anwar নেতাদের কখনই জনগণ এবং তাদের দুঃখ ভুলে যাওয়া উচিত নয়, আনোয়ার বলেছেন]” (দ্য স্টার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি মনে করি না [[মিয়ানমার]] ইস্যুটি আমাদের (আসিয়ান) পদক্ষেপগুলোকে বাধাগ্রস্ত করবে। মিয়ানমার সরকারকে একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠানোর ক্ষেত্রে আমাদের মধ্যে একটি শক্তিশালী ঐকমত্য থাকা আদর্শ হবে। আপনার (মিয়ানমার) নিজস্ব অভ্যন্তরীণ নীতি ও অগ্রাধিকার রাখার পূর্ণ অধিকার রয়েছে, কিন্তু এই সময়ে কোনো দেশেরই বৈষম্যমূলক নীতি, জনগণের প্রান্তিককরণ, ভীতি প্রদর্শন বা আরও খারাপভাবে নিজের জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালানো উচিত নয়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thesundaily.my/home/pm-s-visit-to-thailand-renews-resolve-in-solving-old-problems-DF10621057 পিএমের থাইল্যান্ড সফর পুরনো সমস্যা সমাধানে সংকল্প নবায়ন করেছে]” (দ্য সান ডেইলি, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * কোভিড-১৯ এন্ডেমিক পর্যায়ে স্থানান্তরের সাথে সংগতি রেখে অর্থনীতি পুনরায় খুলে দেওয়ার ফলে এই বছরের [[অর্থনীতি|অর্থনৈতিক]] কর্মক্ষমতা উৎসাহজনক। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://finance.yahoo.com/news/15-fastest-growing-countries-asia-191639814.html এশিয়ার ১৫টি দ্রুততম বর্ধনশীল দেশ]” (ইয়াহু! ফাইন্যান্স, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমরা এক অস্বভাবী সময়ে বাস করছি যেমনটা আপনারা জানেন, যা অপ্রত্যাশিত। এমন কিছু তৈরি হচ্ছে যা একই সাথে ঘটছে, কখনো কখনো স্বতঃস্ফূর্ত এবং অনেক সমস্যা সমাধানে কিছু উদ্ভাবনী শক্তির প্রয়োজন হবে। এখন মালয়েশিয়ার দিকে তাকান, সমস্যা কোথায়? [[রাজনীতি|রাজনৈতিক]] অস্থিরতা দেশটিকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস করে ফেলবে। গত কয়েক বছর ধরে মনে হচ্ছে কিছুই নড়ছে না, কোনো নীতি নেই, কোনো দিকনির্দেশনা নেই এবং একারণে নেতারা যতটা সম্ভব অপচয় করার সুযোগ নেবেন। তাই আমরা পিএইচ (পাকাতান হারাপান) এবং উমনো-নেতৃত্বাধীন বিএন (বারিসান ন্যাশনালের) জোটের মধ্যে মতভেদে ছিলাম, কখনো কখনো আমি মনে করি তা বেশ তিক্ত ছিল, কিন্তু ঐকমত্য কী ছিল? যে এটিই যথেষ্ট। আমরা একমত যে আমাদের স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। আমরা একমত যে আমাদের দেশের জন্য একটি নতুন ভবিষ্যৎ তৈরি করতে হবে। আমরা সুশাসন এবং দেশকে দুর্নীতি থেকে মুক্ত করার বিষয়ে একমত এবং আমরা একমত যে এটি এমন একটি দেশ যা জাতিগত নয়। মালয়দের উদ্বেগ নিরসনে একটি শক্তিশালী মালয়-ভিত্তিক সমাজ থাকবে, কিন্তু একই সাথে সব জাতিকে অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হতে হবে, এটিই সেই মানদণ্ড যার ওপর আমরা একমত এবং সাবাহ ও সারাওয়াকের শক্তিশালী জোট ও অংশীদাররা দুই-তৃতয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার সাথে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী জোট গঠন করবে, যা মালয়েশিয়াকে আসিয়ানের অন্যতম স্থিতিশীল দেশে পরিণত করবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://finance.yahoo.com/news/15-fastest-growing-countries-asia-191639814.html আনোয়ার থাইল্যান্ডে সরকারি সফরে একান্ত সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেছেন]” (দ্য স্টার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি আগের (সংসদীয়) অধিবেশনে যেমনটা ব্যাখ্যা করেছি, যদিও বিদ্যুৎ ট্যারিফ বাড়ানো আগের সরকারের সিদ্ধান্ত ছিল, বর্তমান সরকার এখন সেই প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে এবং এটি কেবল টি-২০ (সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ আয়কারী গোষ্ঠী) অর্থাৎ বহুজাতিক কর্পোরেশন এবং অন্যান্য বড় কোম্পানিগুলোর ওপর আরোপ করবে, যদি না তারা [[খাদ্য]] নিরাপত্তার সাথে জড়িত কোম্পানি হয়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.malaymail.com/news/malaysia/2023/02/14/pm-anwar-says-no-to-gst-or-consumption-tax-will-tighten-subsidies-for-the-rich-instead/54851 পিএম আনোয়ার বলেছেন জিএসটি বা ভোগ কর না, বরং ধনীদের জন্য ভর্তুকি কঠোর করা হবে]” (মালে মেইল, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমাকে (তুর্কি) রাষ্ট্রপতি (রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান) অবিলম্বে সেখানে (তুরস্কে) যেতে বলেছিলেন, নৈতিক সমর্থন দেওয়ার জন্য (২০২৩ তুরস্ক-সিরিয়া ভূমিকম্পের পর)। এবং আমি বিবেচনা করছি যে আমাদের সমর্থন দেখানোর জন্য আজ রাতে [[তুরস্ক|তুরস্কে]] উড়ে যাব কিনা। অন্য দেশের বেশ কয়েকজন নেতা ইতিমধ্যেই সেখানে পৌঁছেছেন এবং রাষ্ট্রপতি আমাকে ব্যক্তিগতভাবে সেখানে থাকতে বলেছেন। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.nst.com.my/news/nation/2023/02/879647/anwar-may-leave-turkiye-tonight-after-erdogans-call আনোয়ার এরদোয়ানের কলের পর আজ রাতে তুরস্কের জন্য রওনা হতে পারেন]” (নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * আমি এই প্রক্রিয়ার (সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের রাজকীয় ক্ষমার আবেদন) অংশ হব এবং সম্মানসূচক উপাধি ও ক্ষমা প্রদানের বিষয়টি ইয়াং দি-পেরতুয়ান আগং-এর বিশেষাধিকার। আমাদের এটি জনসমক্ষে বিতর্ক করার দরকার নেই কারণ আমাদের সেই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.thestar.com.my/news/nation/2023/04/08/anwar-i-will-be-part-of-pardons-board-panel-to-decide-on-najibs-fate আনোয়ার: আমি নাজিবের ভাগ্যের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ক্ষমা বোর্ডের প্যানেলের অংশ হব]” (দ্য স্টার, ৮ এপ্রিল ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। * রাজনৈতিক নিয়োগগুলো সরকার-সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর জন্য, পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিগুলোর জন্য নয়। যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের উপযুক্ত যোগ্যতা রয়েছে। আগের মতো নয়, এই নিয়োগগুলো তাদের যোগ্যতার ভিত্তিতে হয় এবং এটি কিছু নিয়মের সাথে আসে। উদাহরণস্বরূপ, তাদের অবশ্যই তাদের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করতে হবে, অতিরিক্ত খরচ করা যাবে না এবং ভাতা তাদের যোগ্যতার ভিত্তিতে দেওয়া হয়। ** আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২৩) “[https://www.channelnewsasia.com/asia/malaysia-anwar-ibrahim-political-appointment-glc-review-3409571 সরকার-সম্পর্কিত কোম্পানিগুলোতে কিছু রাজনৈতিক নিয়োগ পর্যালোচনা করা হবে: মালয়েশিয়ার পিএম আনোয়ার]” (চ্যানেল নিউজ এশিয়া, ১১ এপ্রিল ২০২৩) থেকে উদ্ধৃত। ==আনোয়ার ইব্রাহিম সম্পর্কে উক্তি== ===ল=== * যদি [[নাজিব রাজাক|নাজিবকে]] কারাগারে নির্যাতন করা হয়, তবে আনোয়ার এবং আমার মতো প্রাক্তন বন্দীসহ পিএইচ (পাকাতান হারাপান) নেতারা তাকে রক্ষা করতে সবার আগে এগিয়ে আসবেন। কিন্তু এমসিএ (মালয়েশিয়ান চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন)-এর কাছে কি কোনো প্রমাণ আছে যে নাজিবকে নির্যাতন করা হচ্ছে? সমস্যাটি হলো নাজিবকে দেওয়া বিশেষ সুবিধা যা আনোয়ার বা আমাকে কখনোই দেওয়া হয়নি যখন আমরা যথাক্রমে সুঙ্গাই বুলোহ এবং কাজাং কারাগারে ছিলাম। ** [[লিম গুয়ান এনজি]] (২০২২) “[https://www.dailyexpress.com.my/news/199777/anwar-and-i-will-be-first-to-defend-najib-if-prison-torture-claims-true-guan-eng/ কারাগারের নির্যাতনের দাবি সত্য হলে আনোয়ার এবং আমি নাজিবকে রক্ষা করার জন্য প্রথম হব: গুয়ান এনজি]” (Daily Express, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। ===ম=== * আগং (কেলান্তনের মুহাম্মদ ৫ম) ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি আনোয়ারকে ক্ষমা করতে ইচ্ছুক। এটি একটি পূর্ণ ক্ষমা হওয়া প্রয়োজন। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রাজার ক্ষমা পাওয়ার পর আনোয়ারকে অবিলম্বে (কারাগার থেকে) মুক্তি দিতে হবে। ** [[মাহাথির মোহাম্মদ]] (২০১৮) “[https://www.theedgemarkets.com/article/malaysia-king-agrees-pardon-anwar-ibrahim-says-pm-mahathir মালয়েশিয়ার রাজা আনোয়ার ইব্রাহিমকে ক্ষমা করতে রাজি, পিএম মাহাথির বলেছেন]” (The Edge Markets, ১১ মে ২০১৮) থেকে উদ্ধৃত। * আমি জানি আনোয়ার কেমন বোধ করেন। আমার প্রশাসনের সময়ই তাকে (কারাগারে) পাঠানো হয়েছিল। তার জন্য আমাকে গ্রহণ করা এবং আমার সাথে হাত মেলানো সহজ নয়। এবং এটি কেবল আনোয়ার নয়, তার পরিবারও যখন তিনি জেলে ছিলেন তখন চাপের মুখে ছিল। তারা ২০ বছর ধরে ভুগেছে। ** [[মাহাথির মোহাম্মদ]] (২০১৮) “[https://www.aljazeera.com/news/2018/5/16/malaysia-anwar-ibrahim-released-after-getting-full-pardon মালয়েশিয়া: আনোয়ার ইব্রাহিম পূর্ণ ক্ষমা পাওয়ার পর মুক্ত]” (Aljazeera, ১৬ মে ২০১৮) থেকে উদ্ধৃত। * আনোয়ার, আমি তোমাকে পূর্ণ ক্ষমা দেব কারণ আমি তোমার আদালতের মামলার অগ্রগতি অনুসরণ করছি, যাতে ন্যায়বিচারের নীতির লঙ্ঘন দেখা গেছে। ** [[মুহাম্মদ ৫ম]] (২০১৮) “[https://www.freemalaysiatoday.com/category/nation/2022/12/20/sultan-muhammad-said-my-jailing-was-travesty-of-justice-says-anwar/ সুলতান মুহাম্মদ বলেছেন আমার কারাবাস ন্যায়বিচারের উপহাস ছিল, আনোয়ার বলেছেন]” (Free Malaysia Today, ২০ ডিসেম্বর ২০২২) থেকে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{commons category|Anwar Ibrahim}} * {{official website|https://www.anwaribrahim.com/}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:মালয়েশিয়ার সরকারি মন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:গণতন্ত্র কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:বন্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:মুসলিম]] h9or586m8e3ege0bbucho1mcrx4qrog ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট 0 13537 81767 81595 2026-04-28T01:03:11Z R1F4T 1240 81767 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:FDR-1944-Campaign-Portrait (retouched, cropped).jpg|thumb|[[মানুষ|মানবিক]] কর্মকাণ্ডে এক [[রহস্যময়]] চক্র রয়েছে। কিছু [[প্রজন্ম|প্রজন্মকে]] অনেক কিছু দেওয়া হয়। অন্য প্রজন্মের কাছ থেকে অনেক কিছু প্রত্যাশা করা হয়। [[মার্কিন|আমেরিকানদের]] এই প্রজন্মের [[নিয়তি|নিয়তির]] সাথে একটি মোলাকাত রয়েছে।]] '''{{w|ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট}}''' ([[৩০ জানুয়ারি]] [[১৮৮২]] – [[১২ এপ্রিল]] [[১৯৪৫]]), যাঁকে প্রায়শই তাঁর আদ্যক্ষর '''এফডিআর''' নামে অভিহিত করা হয়, ছিলেন একজন মার্কিন রাষ্ট্রনায়ক এবং রাজনৈতিক নেতা যিনি ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত [[যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হিসেবে]] দায়িত্ব পালন করেছেন। একজন [[w:যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক পার্টির ইতিহাস|ডেমোক্র্যাট]] হিসেবে তিনি রেকর্ডসংখ্যক চারটি [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন|রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে]] জয়লাভ করেন এবং ২০ শতকের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্বব্যাপী ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বহু বছর ধরে তাঁর দলকে শাসন করেন। তিনি বিশ্বব্যাপী [[মহা মন্দা|অর্থনৈতিক মন্দা]] এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|সর্বাত্মক যুদ্ধের]] সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ত্রাণ, পুনরুদ্ধার এবং সংস্কারের জন্য তাঁর কর্মসূচি, যা [[নিউ ডিল]] নামে পরিচিত, [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকার|ফেডারেল সরকারের]] ভূমিকা [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি|অর্থনীতিতে]] ব্যাপকভাবে প্রসারিত করেছিল। ডেমোক্রেটিক পার্টির একজন প্রভাবশালী নেতা হিসেবে তিনি [[w:নিউ ডিল কোয়ালিশন|নিউ ডিল কোয়ালিশন]] গঠন করেন যা শ্রমিক ইউনিয়ন, বড় শহরের রাজনৈতিক যন্ত্র, শ্বেতাঙ্গ জাতিগোষ্ঠী, আফ্রিকান আমেরিকান এবং গ্রামীণ শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণাঞ্চলীয়দের দলের সমর্থনে একত্রিত ও ঐক্যবদ্ধ করেছিল। এই কোয়ালিশন ১৯৩২ সালের পর মার্কিন রাজনীতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে পুনর্গঠিত করে, [[w:পঞ্চম দলীয় ব্যবস্থা|পঞ্চম দলীয় ব্যবস্থা]] তৈরি করে এবং ২০ শতকের মধ্যবর্তী এক-তৃতীয়াংশ সময় জুড়ে [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আধুনিক উদারতাবাদ|আমেরিকান উদারতাবাদকে]] সংজ্ঞায়িত করে। তিনি [[এলিনর রুজভেল্ট|এলিনর রুজভেল্টের]] সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন। [[চিত্র:Franklin D. Roosevelt and Eleanor Roosevelt with Anna and baby James, formal portrait in Hyde Park, New York 1908.jpg|thumb|আমাদের তরুণদের [[সাহস|সাহসের]] প্রয়োজন। তোমাদের কাজ কেবল [[পৃথিবী|পৃথিবীতে]] নিজের পথ তৈরি করা নয়, বরং তোমাদের সামনে যে পৃথিবী তোমরা পাবে তাকে নতুন করে গড়ার দায়িত্ব তোমাদের। আমাদের প্রত্যেককে সেই নতুন করে গড়ার কাজে আমাদের সেরাটা দেওয়ার জন্য সাহস, [[বিশ্বাস]] এবং [[দূরদৃষ্টি|দূরদৃষ্টি]] দান করা হোক!]] == উক্তি == [[চিত্র:"WE CAN WE WILL WE MUST" (F.D.R.) - NARA - 516068.jpg|thumb|দেশের [[প্রয়োজন|প্রয়োজন]] এবং আমি যদি এর মেজাজ বুঝতে ভুল না করি, তবে দেশ সাহসী, অবিরাম পরীক্ষা-নিরীক্ষার দাবি জানায়।]] [[চিত্র:FDRfiresidechat2.jpg|thumb|স্পষ্টভাবে এবং সাহসের সাথে [[সত্য]], পুরো সত্য বলার এটাই সর্বশ্রেষ্ঠ সময়।]] [[চিত্র:Arcadia, California. Evacuees of Japanese ancestry from San Pedro, California, arrive by special tr . . . - NARA - 537039.jpg|thumb|কোনো [[গণতন্ত্র]] দীর্ঘকাল টিকে থাকতে পারে না যা তার অস্তিত্বের মৌলিক বিষয় হিসেবে সংখ্যালঘুদের অধিকারের স্বীকৃতি গ্রহণ করে না।]] [[চিত্র:FDRin1942.jpg|thumb|সংগঠিত [[অর্থ|অর্থের]] দ্বারা পরিচালিত [[সরকার]] সংগঠিত [[জনতা|জনতার]] দ্বারা পরিচালিত সরকারের মতোই [[বিপজ্জনক]]।]] [[চিত্র:ROOSEVELTOVALOFFICE.jpg|thumb|কোনো মানুষই সমস্ত [[মানুষ|জনগণের]] রাষ্ট্রপতি—এই উপলব্ধি ছাড়া [[যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি|রাষ্ট্রপতির পদ]] অলঙ্কৃত করতে পারেন না।]] ===১৮৮০-এর দশক=== * প্রিয় স্যালি: তোমার ঠান্ডা লেগেছে এবং তুমি বিছানায় আছো শুনে আমি খুব দুঃখিত। আমি আজ মেরির সাথে কিছুক্ষণ খেলেছি। আমি আশা করি কালকের মধ্যে তুমি উঠে দাঁড়াতে পারবে। আমি আনন্দিত যে আজ আমার ঠান্ডার ভাবটা ভালো। তোমার প্রিয়, ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট। ** রুজভেল্টের প্রথম চিঠি, যা পাঁচ বছর বয়সে তাঁর মা [[w:সারা রুজভেল্ট|সারা রুজভেল্টকে]] ("স্যালি") লেখা হয়েছিল, যিনি হাইড পার্কে তাঁর রুমে অসুস্থ ছিলেন। তিনি পরে তাঁর সংগ্রহ শুরু করার সময় এতে "১৮৮৭" তারিখটি যুক্ত করেছিলেন। ** [http://books.google.com/books?id=8p25NCpzU7YC&pg=PA6 ''এফ.ডি.আর. : তাঁর ব্যক্তিগত চিঠি, শুরুর বছরগুলো'' (২০০৫), এলিয়ট রুজভেল্ট সম্পাদিত, পৃষ্ঠা ৬] ===১৯১০-এর দশক=== * আমি মাঝে মাঝে ভাবি যে আমরা ভোরের পাখির সৌভাগ্য নিয়ে অনেক বেশি চিন্তা করি এবং ভোরের [[কীট|কীটের]] দুর্ভাগ্য নিয়ে যথেষ্ট ভাবি না। ** আলেকজান্ডার বি. রোলিন্স, জুনিয়র রচিত ''রুজভেল্ট অ্যান্ড হাউ'' (১৯৬২) গ্রন্থে হেনরি এম. হেইম্যানের কাছে রুজভেল্টের চিঠি (২ ডিসেম্বর ১৯১৯) থেকে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৫৩। * প্রতিযোগিতা একটি নির্দিষ্ট বিন্দু পর্যন্ত দরকারী প্রমাণিত হয়েছে এবং তার বেশি নয়, কিন্তু [[সহযোগিতা]], যার জন্য আমাদের আজ চেষ্টা করতে হবে, সেখানেই শুরু হয় যেখানে প্রতিযোগিতার শেষ হয়। ** [http://www.fdrlibrary.marist.edu/_resources/images/msf/msf00015 নিউ ইয়র্কের ট্রয়ে পিপলস ফোরামে ভাষণ] (৩ মার্চ ১৯১২)। ===১৯২০-এর দশক=== * আসুন আমরা প্রথমে অনেক আমেরিকানদের, বিশেষ করে [[ক্যালিফোর্নিয়া|ক্যালিফোর্নিয়ায়]] আমাদের বন্ধুদের সেই দুঃস্বপ্নটি পরীক্ষা করি—প্রশান্ত মহাসাগরীয় ঢালে জাপানিদের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। এটি নিঃসন্দেহে সত্য যে অতীতে হাজার হাজার জাপানি আইনত বা অন্যভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে, এখানে বসতি স্থাপন করেছে এবং সন্তান লালন-পান করেছে যারা আমেরিকান নাগরিক হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ানরা যথাযথভাবে এই যুক্তিসঙ্গত কারণে আপত্তি জানিয়েছে যে [[w:জাপানি আমেরিকান|জাপানি অভিবাসীরা]] আমেরিকান জনসংখ্যার সাথে মিশে যাওয়ার যোগ্য নয়। যদি এই আলোচনা জুড়ে এটিকেই আমেরিকান দৃষ্টিভঙ্গির একমাত্র ভিত্তি করা হতো, তবে সব ঠিক থাকত এবং [[জাপান|জাপানের]] মানুষ আজ আমাদের সিদ্ধান্ত বুঝতে পারত এবং গ্রহণ করত। <br /><br /> যে কেউ দূর প্রাচ্য ভ্রমণ করেছেন তিনি জানেন যে [[এশিয়া|এশীয়]] রক্তের সাথে [[ইউরোপ|ইউরোপীয়]] বা আমেরিকান রক্তের মিশ্রণ দশটির মধ্যে নয়টি ক্ষেত্রেই অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ফলাফল বয়ে আনে। পুরো প্রাচ্য জুড়ে হাজার হাজার তথাকথিত ইউরেশীয় রয়েছে—পুরুষ, মহিলা এবং শিশু যারা আংশিকভাবে এশীয় রক্তের এবং আংশিকভাবে ইউরোপীয় বা আমেরিকান রক্তের। এই ইউরেশীয়দের সাধারণত সেখানে বসবাসকারী ইউরোপীয় এবং আমেরিকান এবং সেখানে বসবাসকারী খাঁটি এশীয়রা অবজ্ঞার চোখে দেখে। ** ম্যাকন টেলিগ্রাফের সম্পাদকীয়, ৩০ এপ্রিল ১৯২৫। * এই মন্দার সময়, যখন মানুষের মনোবল অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় নিচু, তখন এটি একটি চমৎকার বিষয় যে মাত্র ১৫ সেন্টের বিনিময়ে একজন আমেরিকান সিনেমা দেখতে যেতে পারে এবং একটি শিশুর হাসিমাখা মুখ দেখে নিজের কষ্টগুলো ভুলে থাকতে পারে। ** মহা মন্দার সময় [[শার্লি টেম্পল]] সম্পর্কে আইনি কুইন কর্তৃক বিবিসি নিবন্ধে উদ্ধৃত (১৬ ডিসেম্বর ২০২৪)। ===১৯৩০-এর দশক=== [[চিত্র:Franklin D. Roosevelt cph.3b33775.jpg|thumb|জনসাধারণের [[মনস্তত্ত্ব]], এবং সেই বিচারে ব্যক্তিগত মনস্তত্ত্ব, [[মানুষ|মানবিক]] [[দুর্বলতা|দুর্বলতার]] কারণে স্কেলের সর্বোচ্চ স্বরের অবিরাম পুনরাবৃত্তির সাথে দীর্ঘ সময়ের জন্য খাপ খাইয়ে নিতে পারে না।]] * [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান]] নিজেকে এপর্যন্ত লেখা সরকারের নিয়মাবলির সবচেয়ে বিস্ময়কর স্থিতিস্থাপক সংকলন হিসেবে প্রমাণ করেছে। ** [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]], বেতার ভাষণ (২ মার্চ ১৯৩০); ''পাবলিক পেপারস অফ গভর্নর রুজভেল্ট'' (১৯৩০)-এ প্রকাশিত, পৃষ্ঠা ৭১০। * '''দেশের [[পরীক্ষা-নিরীক্ষা|পরীক্ষা-নিরীক্ষার]] [[প্রয়োজন|প্রয়োজন]] এবং আমি যদি এর মেজাজ বুঝতে ভুল না করি, তবে দেশ সাহসী, অবিরাম পরীক্ষা-নিরীক্ষার দাবি জানায়। কোনো একটি পদ্ধতি গ্রহণ করা এবং তা চেষ্টা করে দেখা একটি [[স্বাভাবিক জ্ঞান|বিবেচনাবোধের]] পরিচয়: যদি তা ব্যর্থ হয়, তবে তা অকপটে স্বীকার করুন এবং অন্য কিছু চেষ্টা করুন। তবে সর্বোপরি, কিছু একটা চেষ্টা করুন।''' লক্ষ লক্ষ মানুষ যারা অভাবে রয়েছে তারা চিরকাল নীরবে দাঁড়িয়ে থাকবে না যখন তাঁদের প্রয়োজন মেটানোর জিনিসগুলো হাতের নাগালে থাকে। আমাদের [[উৎসাহ]], [[কল্পনা|কল্পনাশক্তি]] এবং তথ্যের মুখোমুখি হওয়ার ক্ষমতা প্রয়োজন, এমনকি অপ্রীতিকর তথ্যের ক্ষেত্রেও সাহসের সাথে। আমাদের বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ত্রুটিগুলো—যার কারণে আমরা এখন ভুগছি—প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থার মাধ্যমে সংশোধন করতে হবে। আমাদের তরুণদের সাহসের প্রয়োজন। তোমাদের কাজ কেবল পৃথিবীতে নিজের পথ তৈরি করা নয়, বরং তোমাদের সামনে যে পৃথিবী তোমরা পাবে তাকে নতুন করে গড়ার দায়িত্ব তোমাদের। আমাদের প্রত্যেককে সেই নতুন করে গড়ার কাজে আমাদের সেরাটা দেওয়ার জন্য সাহস, বিশ্বাস এবং দূরদৃষ্টি দান করা হোক! ** [http://publicpolicy.pepperdine.edu/academics/faculty/lloyd/projects/newdeal/fr052232.htm ওগলেথর্প বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন ভাষণ] (২২ মে ১৯৩২)। * '''আমি আপনাদের কাছে এবং নিজের কাছেও আমেরিকান জনগণের জন্য এক [[w:নিউ ডিল|নতুন চুক্তির]] অঙ্গীকার করছি।''' ** ইলিনয়ের শিকাগোতে [[w:১৯৩২ ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কনভেনশন|১৯৩২ ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কনভেনশনে]] রাষ্ট্রপতি পদের জন্য ডেমোক্রেটিক মনোনয়ন গ্রহণের ভাষণ (২ জুলাই ১৯৩২)। * '''আমার বন্ধুরা, আমি যাঁদের শত্রু বানিয়েছি, তাঁদের দ্বারা আমাকে বিচার করুন।''' ** ওরেগনের পোর্টল্যান্ডে নির্বাচনী প্রচারণার সময় দেওয়া ভাষণ (২১ সেপ্টেম্বর ১৯৩২)। * '''আমি বর্তমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমস্ত [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস|আমেরিকান ইতিহাসে]] শান্তিকালীন সময়ে সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রশাসন হওয়ার অভিযোগ আনছি''' — এমন একটি প্রশাসন যা ব্যুরোর ওপর ব্যুরো, কমিশনের ওপর কমিশন স্তূপ করেছে এবং জনগণের জরুরি প্রয়োজন বা কমে যাওয়া আয় ক্ষমতা সম্পর্কে পূর্বাভাস দিতে ব্যর্থ হয়েছে। করদাতার খরচে ব্যুরো এবং আমলাদের বহাল রাখা হয়েছে। আমরা সরকারি সেবার জন্য একেবারেই অনেক বেশি অর্থ ব্যয় করছি যা ব্যবহারিক বা প্রয়োজনীয় কোনোটিই নয়। এর পাশাপাশি, আমরা অনেক বেশি কাজ করার চেষ্টা করছি এবং ফেডারেল সরকার জনগণকে যা দিচ্ছে তা সহজ করা প্রয়োজন।" ** [http://books.google.com/books?id=LD13AAAAMAAJ&q=%22greatest+spending+administration%22&dq=%22greatest+spending+administration%22&hl=en&ei=JT0nToWXH-SDsgK1i6k7&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=10&ved=0CEwQ6AEwCTge আইওয়ার সিউক্স সিটিতে কৃষি ও শুল্ক সংক্রান্ত প্রচারণামূলক ভাষণ] (২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৩২)। * '''আমি ফেডারেল ব্যয় কমানোকে এই প্রচারণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করি।''' আমার মতে এটি সবচেয়ে সরাসরি এবং কার্যকর অবদান যা সরকার ব্যবসার ক্ষেত্রে রাখতে পারে। ** পেন্সিলভেনিয়ার পিটসবার্গে ফেডারেল বাজেটের ওপর প্রচারণামূলক ভাষণ (১৯ অক্টোবর ১৯৩২); স্যামুয়েল আরভিং রোজেনম্যান সম্পাদিত ''দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট'', খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৮০৯-এ উদ্ধৃত। * আমি এটি পরিষ্কার করে বলতে চাই যে আমি এমন দাবি করছি না যে একজন [[যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি|রাষ্ট্রপতি]] এবং [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস|কংগ্রেসকে]] সর্বদা সব বিষয়ে একে অপরের সাথে একমত হতে হবে। ইতিহাসে অনেকবার সরকারের দুই শাখার মধ্যে সম্পূর্ণ মতবিরোধ হয়েছে এবং এই মতবিরোধগুলোতে কখনও কংগ্রেস জিতেছে এবং কখনও রাষ্ট্রপতি জিতেছেন। কিন্তু বর্তমান রাষ্ট্রপতির প্রশাসনের সময় আমরা কোনো সমঝোতা বা স্পষ্ট কোনো লড়াই—কোনোটিই দেখিনি। ** নিউ ইয়র্ক সিটিতে রিপাবলিকান-ফর-রুজভেল্ট লীগের সামনে প্রচারণামূলক ভাষণ (৩ নভেম্বর ১৯৩২); ''দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯২৮-১৯৩২'' (১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৮৫৭-এ প্রকাশিত। * আমি কেবল ভয় পাচ্ছি যে এই কাজটি করার শক্তি হয়তো আমার থাকবে না। আজ রাতে তুমি আমাকে ছেড়ে যাওয়ার পর, জিমি, আমি প্রার্থনা করতে যাচ্ছি। আমি প্রার্থনা করতে যাচ্ছি যে ঈশ্বর আমাকে সাহায্য করবেন, তিনি আমাকে এই কাজটি করার এবং সঠিকভাবে করার শক্তি ও নির্দেশনা দেবেন। আমি আশা করি তুমিও আমার জন্য প্রার্থনা করবে, জিমি। ** [[হার্বার্ট হুভার|হার্বার্ট হুভারের]] বিরুদ্ধে ভূমিধস বিজয়ের রাতে তাঁর ছেলে জেমসের সাথে কথা বলার সময় (৮ নভেম্বর ১৯৩২); [[w:এইচ. ডব্লিউ. ব্র্যান্ডস|এইচ. ডব্লিউ. ব্র্যান্ডসের]] রচিত ''ট্রেটর টু হিজ ক্লাস: দ্য প্রিভিলেজড লাইফ অ্যান্ড র‍্যাডিক্যাল প্রেসিডেন্সি অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট'' (২০০৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত। * '''যদি আমি একজন খারাপ রাষ্ট্রপতি প্রমাণিত হই, তবে আমি সম্ভবত শেষ রাষ্ট্রপতি হিসেবেও প্রমাণিত হব।''' ** তাঁর প্রথম অভিষেকের সময় দেওয়া মন্তব্য; জোসেফ অ্যালসপ এবং টার্নার ক্যাটলেজ রচিত ''দ্য ১৬৮ ডেজ'' (১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৫-এ উদ্ধৃত। * কোনো সন্দেহ নেই যে [মুসোলিনি] আমরা যা করছি তাতে সত্যিই আগ্রহী এবং তিনি যা অর্জন করেছেন এবং ইতালি পুনরুদ্ধারে তাঁর যে সুস্পষ্ট সৎ উদ্দেশ্য দেখা গেছে তাতে আমি অনেক আগ্রহী এবং গভীরভাবে মুগ্ধ। ** ১৯৩৩ সালের শুরুতে ইতালিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত [[w:ব্রেকিনরিজ লং|ব্রেকিনরিজ লংয়ের]] কাছে [[বেনিতো মুসোলিনি]] সম্পর্কে করা মন্তব্য; উলফগ্যাং শিভেলবুশ রচিত ''থ্রি নিউ ডিলস: রিফ্লেকশনস অন রুজভেল্টস আমেরিকা, মুসোলিনিস ইতালি, অ্যান্ড হিটলারস জার্মানি, ১৯৩৩-১৯৩৯'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ৩১-এ উদ্ধৃত। * '''দেশ যদি সমৃদ্ধ হতে হয়, তবে উদ্যোগগুলোতে মূলধন বিনিয়োগ করতে হবে। কিন্তু যারা অন্য মানুষের অর্থের সাহায্য নিতে চায়, তাঁদের অবশ্যই সেই তথ্যগুলো সম্পর্কে সম্পূর্ণ অকপট হতে হবে যার ওপর ভিত্তি করে বিনিয়োগকারীর বিচার চাওয়া হয়েছে।''' ** [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=14654 সিকিউরিটিজ বিলে স্বাক্ষর করার সময় দেওয়া বিবৃতি] (২৭ মে ১৯৩৩)। * '''দর্শন? আমি একজন [[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টান]] এবং একজন ডেমোক্র্যাট। সেটুকুই।''' ** জনৈক সাংবাদিক রুজভেল্টকে তাঁর দর্শন সংজ্ঞায়িত করতে বললে তিনি এই উত্তর দিয়েছিলেন। জোনাথন অল্টার রচিত ''[https://books.google.com/books?id=ASmlaOHQNawC&pg=PA244&dq=fdr+i+am+a+christian+and+a+democrat&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwjDp7WquOjaAhXqxYMKHTFBDTgQ6AEIUDAH#v=onepage&q=fdr%20i%20am%20a%20christian%20and%20a%20democrat&f=false দ্য ডিফিনিং মোমেন্ট: এফডিআরস হান্ড্রেড ডেইজ অ্যান্ড দ্য ট্রায়াম্ফ অফ হোপ]'' গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৪৪। * আমার অভিষেক অনুষ্ঠানে আমি সাধারণ এই প্রস্তাবটি রেখেছিলাম যে এই দেশে কেউ না খেয়ে থাকবে না। আমার কাছে এটি একইভাবে স্পষ্ট যে '''এমন কোনো [[ব্যবসা|ব্যবসা]] যা বেঁচে থাকার জন্য তার [[শ্রমজীবী শ্রেণি|শ্রমিকদের]] জীবনধারণের [[মজুরি|মজুরির]] চেয়ে কম মজুরি প্রদানের ওপর নির্ভর করে, তার এই দেশে টিকে থাকার কোনো অধিকার নেই।''' "ব্যবসা" বলতে আমি সমগ্র বাণিজ্য এবং সমগ্র [[শিল্প|শিল্পকে]] বুঝিয়েছি; শ্রমিক বলতে আমি সব শ্রমিককে বুঝিয়েছি, অফিসে কর্মরতদের পাশাপাশি কারখানায় কর্মরতদেরও; '''এবং জীবনধারণের মজুরি বলতে আমি কেবল বেঁচে থাকার ন্যূনতম স্তরের চেয়ে বেশি বুঝিয়েছি—আমি এর দ্বারা মার্জিত জীবনযাত্রার মজুরি বুঝিয়েছি।''' ** [http://docs.fdrlibrary.marist.edu/odnirast.html ন্যাশনাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিকভারি অ্যাক্ট নিয়ে ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্টের বিবৃতি (১৬ জুন ১৯৩৩)]।<ref name="NYT-20140307">{{cite news |last=Tritch |first=Teresa |title=F.D.R. Makes the Case for the Minimum Wage |url=http://takingnote.blogs.nytimes.com/2014/03/07/f-d-r-makes-the-case-for-the-minimum-wage/ |date=March 7, 2014 |work=[[w:নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |accessdate=March 7, 2014 }}</ref> * '''বিষয়টির আসল সত্য হলো, যেমনটি আপনি এবং আমি জানি, বড় শহরগুলোর একটি আর্থিক গোষ্ঠী [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকার|সরকারকে]] সেই [[অ্যান্ড্রু জ্যাকসন|অ্যান্ড্রু জ্যাকসনের]] দিন থেকেই নিজেদের দখলে রেখেছে—এবং আমি [[উড্রো উইলসন|ডব্লিউ. ডব্লিউ.]]-এর প্রশাসনকে এখান থেকে পুরোপুরি বাদ দিচ্ছি না। দেশ এখন [[w:ব্যাংক যুদ্ধ|ব্যাংক অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটসের সাথে জ্যাকসনের লড়াইয়ের]] একটি পুনরাবৃত্তির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে—কেবল তা অনেক বড় এবং বিস্তৃত ভিত্তিতে।''' ** [[w:এডওয়ার্ড এম. হাউস|কর্নেল এডওয়ার্ড ম্যান্ডেল হাউসকে]] লেখা চিঠি (২১ নভেম্বর ১৯৩৩); এলিয়ট রুজভেল্ট সম্পাদিত ''এফ.ডি.আর.: তাঁর ব্যক্তিগত চিঠি, ১৯২৮-১৯৪৫'' (নিউ ইয়র্ক: ডুয়েল, স্লোন অ্যান্ড পিয়ার্স, ১৯৫০) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৭৩। * উদাহরণস্বরূপ, এই নতুন প্রজন্ম আমাদের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া '''সেই জঘন্য রূপের সমষ্টিগত হত্যাকাণ্ড—[[লিঞ্চিং|লিঞ্চ]] আইন—নিয়ে করা উপদেশের মাধ্যমেই সন্তুষ্ট নয়। আমরা জানি যে এটি একটি হত্যা, এবং "তুমি হত্যা করবে না" এই [[দশ আজ্ঞা|আজ্ঞার]] একটি সুচিন্তিত এবং সুনির্দিষ্ট অবাধ্যতা।''' আমরা উচ্চপদস্থ বা নিম্নপদস্থ কাউকেই ক্ষমা করি না যারা লিঞ্চ আইনকে প্রশ্রয় দেয়। ** [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=14574 ফেডারেল কাউন্সিল অফ চার্চেস অফ ক্রাইস্ট ইন আমেরিকা-র সামনে ভাষণ, ৬ ডিসেম্বর ১৯৩৩] * আমি আপনাকে গোপনে বলতে দ্বিধা করি না যে আমি সেই প্রশংসনীয় [[ইতালীয়]] ভদ্রলোকের সাথে বেশ ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছি। ** ১৯৩৩ সালে [[বেনিতো মুসোলিনি]] সম্পর্কে মন্তব্য; উলফগ্যাং শিভেলবুশ রচিত ''থ্রি নিউ ডিলস: রিফ্লেকশনস অন রুজভেল্টস আমেরিকা, মুসোলিনিস ইতালি, অ্যান্ড হিটলারস জার্মানি, ১৯৩৩-১৯৩৯'' (২০০৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩১। * '''[[বন|বনভূমি]] পরিপক্ক হতে অনেক বছর লাগে; ফলে যদি আমাদের দেশের মঙ্গলের জন্য বনভূমি বজায় রাখতে হয়, তবে দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন।''' যাঁর এই দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে, তাঁকে অবশ্যই ভবিষ্যতের জনকল্যাণের স্বার্থে তাৎক্ষণিক লাভকে গৌণ করার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে হবে। ... একটি বন কেবল হাজার হাজার বর্গফুট কাঠ নয় যা বাজার পরিস্থিতি লাভজনক হলে কেটে ফেলা হবে। এটি আমাদের প্রাকৃতিক ভূমির আবরণের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং জৈব ও অজৈব জগতের প্রকৃতির সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখার সবচেয়ে শক্তিশালী কারণ। ব্যক্তিগত লাভের জন্য মানুষ প্রায়ই তুলাদণ্ডটি অকারণে একপাশে ঝুঁকিয়ে দিয়েছে যার ফলে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে এবং জনকল্যাণ সাধারণত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই এই ধরণের জনপ্রয়োজনীয়তাগুলো নষ্ট করা উচিত নয় কারণ কারো কাছে এগুলো ধ্বংস করা লাভজনক। বন সংরক্ষণকে কেবল ডলার ও সেন্টের হিসাবের ঊর্ধ্বে তুলতে হবে। ... আমাদের বনগুলোকে একটি নিরবচ্ছিন্ন, নবায়নযোগ্য সম্পদ হিসেবে পরিচালনা করার অর্থ হলো আমাদের গ্রামীণ জীবনে স্থায়ী কর্মসংস্থান এবং স্থিতিশীলতা। <br /> চরম জলবায়ুগত ওঠানামা প্রশমিত করার জন্য, ঢালে মাটি ধরে রাখার জন্য, মাটির আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য এবং আমাদের স্রোতস্বিনীগুলোতে পানির সমপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্যও বনের প্রয়োজন। '''বন হলো আমাদের ভূমির "ফুসফুস", যা [[বাতাস]] বিশুদ্ধ করে এবং আমাদের জনগণকে নতুন [[শক্তি]] দান করে।''' প্রকৃতপক্ষে, এগুলো দেশকে আরও বাসযোগ্য করে তোলে। <br /> দেশের জন্য বনের গুরুত্ব নিয়ে একটি নতুন জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে এবং আপনারা বনবিদরা যদি আপনাদের আদর্শে অটল থাকেন, তবে দেশ আত্মবিশ্বাসের সাথে তার সবচেয়ে মূল্যবান ঐতিহ্যকে আপনাদের হেফাজতে সঁপে দিতে পারে। ** [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/?pid=14913 স্লিচ ফরেস্ট্রি মেডেল প্রদানের সময় দেওয়া বিবৃতি (২৯ জানুয়ারি ১৯৩৫)] * আমি একই সাথে জানি যে আপনি এই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি সহানুভূতিশীল হবেন যে জনসাধারণের মনস্তত্ত্ব, এবং সেই বিচারে ব্যক্তিগত মনস্তত্ত্ব, মানবিক দুর্বলতার কারণে স্কেলের সর্বোচ্চ স্বরের অবিরাম পুনরাবৃত্তির সাথে দীর্ঘ সময়ের জন্য খাপ খাইয়ে নিতে পারে না। ** রে স্ট্যানার্ড বেকারকে লেখা চিঠি (২০ মার্চ ১৯৩৫); ডোনাল্ড ডে সম্পাদিত ''মাই ওন স্টোরি: ফ্রম প্রাইভেট অ্যান্ড পাবলিক পেপারস'' (লিটল, ব্রাউন অ্যান্ড কোং ১৯৫১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৩৯। * '''আমি আশা করি আপনার কমিটি সংবিধানিকতা নিয়ে সন্দেহগুলোকে—তা যতই যুক্তিসঙ্গত হোক না কেন—প্রস্তাবিত আইন প্রণয়নে বাধা দিতে দেবে না।''' ** [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=14894 হাউস ওয়েজ অ্যান্ড মিনস কমিটির চেয়ারম্যান স্যামুয়েল বি. হিলকে লেখা চিঠি (৬ জুলাই ১৯৩৫)] * '''হ্যাঁ, আমরা ফিরে আসার পথে আছি—কেবল নিছক আকস্মিকভাবে নয়, আমার বন্ধুরা, চাকার বা চক্রের নিছক ঘোরার মাধ্যমে নয়। আমরা আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে আরও দৃঢ়ভাবে ফিরে আসছি কারণ আমরা পরিকল্পিতভাবে তা করছি। কেউ আপনাকে অন্য কিছু বললে বিশ্বাস করবেন না।''' ** [[w:দ্য সিটাডেল (সামরিক কলেজ)|দ্য সিটাডেল]]-এ দেওয়া ভাষণ (২৩ অক্টোবর ১৯৩৫)। * '''[[মানুষ|মানবিক]] [[দয়া|দয়া]] কখনই একটি মুক্ত জাতির মনোবলকে [[দুর্বল]] বা চরিত্রকে কোমল করে দেয়নি। একটি [[জাতিকে]] [[কঠোর]] হতে হলে [[নিষ্ঠুর]] হওয়ার প্রয়োজন নেই।''' ** ১৯৩৫ সালের একটি ভাষণ থেকে; স্বাস্থ্য ও মানবসেবা সচিব হিসেবে [[w:ডোনা শালালা|ডোনা ই. শালালা]] কর্তৃক [http://www.hhs.gov/news/speeches/apwa.html আমেরিকান পাবলিক ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের একটি ভাষণে (২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫)] উদ্ধৃত। * '''সকল সরকারি কর্মচারীর উপলব্ধি করা উচিত যে সমষ্টিগত দরকষাকষির প্রক্রিয়াটি, সাধারণত যেভাবে বোঝা যায়, তা জনসেবায় স্থানান্তরিত করা যায় না।''' জনবল ব্যবস্থাপনায় প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে এর সুনির্দিষ্ট এবং অলঙ্ঘনীয় সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সরকারের প্রকৃতি এবং উদ্দেশ্যই প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পক্ষে সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলোর সাথে পারস্পরিক আলোচনায় কর্মচারীদের সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করা বা তাঁদের বাধ্য করা অসম্ভব করে তোলে... সরকারি কর্মচারীদের ধর্মঘট তাঁদের পক্ষ থেকে সরকারের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার একটি উদ্দেশ্য ছাড়া আর কিছুই প্রকাশ করে না যতক্ষণ না তাঁদের দাবি পূরণ হয়। যারা সরকারকে সমর্থন করার শপথ নিয়েছে তাঁদের দ্বারা সরকারকে পঙ্গু করার এই ধরণের পদক্ষেপ অকল্পনীয় এবং অসহনীয়। ** লুথার সি. স্টুয়ার্ডের কাছে লেখা চিঠি (১৬ আগস্ট ১৯৩৭)। * '''যে জাতি তার মাটি ধ্বংস করে, সে নিজেকে ধ্বংস করে।''' ** [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/?pid=15373 একটি অভিন্ন মাটি সংরক্ষণ আইনের বিষয়ে সমস্ত রাজ্যের গভর্নরদের কাছে লেখা চিঠি (২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৭)]; এই উক্তিটি কখনও কখনও সংক্ষিপ্ত করে ২৯ জানুয়ারি ১৯৩৫-এর একটি আগের বিবৃতির সাথে যুক্ত করে বলা হয়: "যে জাতি তার মাটি ধ্বংস করে, সে নিজেকে ধ্বংস করে। বন হলো আমাদের ভূমির ফুসফুস, যা বাতাস বিশুদ্ধ করে এবং আমাদের জনগণকে নতুন শক্তি দান করে।" যদিও এটি রুজভেল্টের দুটি আলাদা বিবৃতির কাছাকাছি, তবে হুবহু এই রূপে কোনো মূল দলিল পাওয়া যায়নি। * '''বিদেশের দুঃখজনক ঘটনাগুলো আমাদের [[গণতন্ত্র|গণতান্ত্রিক]] জনগণের [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতা]] সম্পর্কে দুটি সহজ সত্য আবারও শিখিয়েছে। প্রথম সত্যটি হলো একটি গণতন্ত্রের স্বাধীনতা নিরাপদ নয় যদি জনগণ ব্যক্তিগত শক্তির বৃদ্ধিকে এমন এক পর্যায়ে সহ্য করে যেখানে এটি তাদের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।''' এর সারমর্মই হলো [[ফ্যাসিবাদ]] — কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা অন্য কোনো নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিগত শক্তি দ্বারা [[সরকার|সরকারের]] মালিকানা। <br /> দ্বিতীয় সত্যটি হলো একটি গণতন্ত্রের স্বাধীনতা নিরাপদ নয় যদি তার ব্যবসায়িক ব্যবস্থা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে এবং এমনভাবে পণ্য উৎপাদন ও বিতরণ না করে যা একটি গ্রহণযোগ্য জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে পারে। উভয় শিক্ষাই আমাদের জন্য কার্যকর। '''আজ আমাদের মধ্যে ইতিহাসে নজিরবিহীন ব্যক্তিগত শক্তির এক কেন্দ্রীকরণ বাড়ছে।''' ** [http://www.informationclearinghouse.info/article12058.htm কংগ্রেসের কাছে পাঠানো 'সহজ সত্য' বার্তা] (২৯ এপ্রিল ১৯৩৮)। * '''কোনো [[গণতন্ত্র]] দীর্ঘকাল টিকে থাকতে পারে না যা তার অস্তিত্বের মৌলিক বিষয় হিসেবে তার [[w:সংখ্যালঘু অধিকার|সংখ্যালঘুদের অধিকারের]] স্বীকৃতি গ্রহণ করে না।''' ** [[w:এনএএসিপি|এনএএসিপির]] সভাপতি [[w:ওয়াল্টার ফ্রান্সিস হোয়াইট|ওয়াল্টার ফ্রান্সিস হোয়াইটকে]] লেখা [http://books.google.com/books?id=MyfeAwAAQBAJ&q=%22No+democracy+can+long+survive+which+does+not+accept+as+fundamental+to+its+very+existence+the+recognition+of+the+rights+of+its+minorities%22&pg=PA401#v=onepage চিঠি] (২৫ জুন ১৯৩৮)। * '''শেখার স্বাধীনতা হলো প্রথম প্রয়োজনীয়তা যা নিশ্চিত করে যে মানুষ নিজে মুক্ত থাকার মতো যথেষ্ট স্বাবলম্বী হবে।''' এক প্রজন্ম আগে এই ধরণের বিষয়গুলোতে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না, কিন্তু যখন সভ্যতাকে গ্রন্থাগার পুড়িয়ে, বিজ্ঞানী, শিল্পী, সঙ্গীতজ্ঞ, লেখক ও শিক্ষকদের নির্বাসিত করে; বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে এবং খবর, সাহিত্য ও শিল্পকে সেন্সর করে পিছিয়ে দেওয়া হয়, তখন সেই দেশগুলোর ওপর একটি বাড়তি বোঝা চাপে যেখানে মুক্ত চিন্তা এবং মুক্ত শিক্ষার প্রদীপ এখনও উজ্জ্বলভাবে জ্বলছে। যদি অন্য দেশগুলোতে স্বাধীনতা এবং নাগরিক স্বাধীনতার আগুন নিভে যায়, তবে আমাদের দেশে তা আরও উজ্জ্বল করতে হবে। যদি অন্য দেশে সব ধরণের সংবাদমাধ্যম এবং বই ও সাহিত্য সেন্সর করা হয়, তবে সেগুলোকে মুক্ত রাখার জন্য আমাদের এখানে দ্বিগুণ প্রচেষ্টা চালাতে হবে। যদি অন্য দেশে অতীতের চিরন্তন সত্যগুলো অসহিষ্ণুতার দ্বারা হুমকির মুখে পড়ে, তবে আমাদের সেগুলোর স্থায়িত্বের জন্য একটি নিরাপদ স্থান সরবরাহ করতে হবে। ** ন্যাশনাল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশনে দেওয়া ভাষণ (৩০ জুন ১৯৩৮)। * '''আসুন আমরা একে অপরকে সাহায্য করতে ভয় না পাই — আসুন আমরা কখনও ভুলে না যাই যে সরকার আমরা নিজেরাই এবং আমাদের ওপর কোনো ভিনদেশি শক্তি নয়। আমাদের গণতন্ত্রের চূড়ান্ত শাসক কোনো রাষ্ট্রপতি, সিনেটর, কংগ্রেস সদস্য বা সরকারি কর্মকর্তা নন, বরং এই দেশের ভোটাররা।''' ** [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=15672 ওহাইওর মারিয়েটায় দেওয়া ভাষণ] (৮ জুলাই ১৯৩৮)। * একজন র‍্যাডিক্যাল (আমূল পরিবর্তনকামী) হলেন এমন একজন মানুষ যাঁর দুই পা দৃঢ়ভাবে প্রোথিত — বাতাসে। একজন রক্ষণশীল হলেন এমন একজন মানুষ যাঁর দুটি নিখুঁত পা আছে কিন্তু তিনি কখনও সামনে হাঁটতে শিখেননি। একজন প্রতিক্রিয়াশীল হলেন একজন স্বপ্নচারী যিনি পিছনের দিকে হাঁটছেন। একজন উদারপন্থী হলেন এমন একজন মানুষ যিনি তাঁর মাথা বা মস্তিস্কের আদেশে তাঁর পা এবং হাত ব্যবহার করেন। ** [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=15828 নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড ট্রিবিউন ফোরামে দেওয়া বেতার ভাষণ] (২৬ অক্টোবর ১৯৩৯)। * '''পুনরাবৃত্তি কোনো মিথ্যাকে সত্যে রূপান্তরিত করে না।''' ** বেতার ভাষণ (২৬ অক্টোবর ১৯৩৯); ''দ্য বাল্টিমোর সান''-এ প্রকাশিত (২৭ অক্টোবর ১৯৩৯)। ====প্রথম অভিষেক ভাষণ (১৯৩৩)==== :<small>[[s:Franklin Roosevelt's First Inaugural Address|প্রথম অভিষেক ভাষণ]] (৪ মার্চ ১৯৩৩)</small> * '''[[আত্মবিশ্বাস]]... [[সততা]], [[সম্মান]], দায়ের পবিত্রতা, বিশ্বস্ত সুরক্ষা এবং নিঃস্বার্থ কর্মক্ষমতার ওপর বিকশিত হয়। এগুলো ছাড়া এটি বাঁচতে পারে না।''' * অর্থ পরিবর্তনকারীরা আমাদের সভ্যতার মন্দিরের উচ্চ আসন থেকে পালিয়ে গেছে। আমরা এখন সেই মন্দিরকে প্রাচীন সত্যে পুনরুদ্ধার করতে পারি। এই পুনরুদ্ধারের পরিমাপ নিহিত আছে সেই সীমার মধ্যে যেখানে আমরা কেবল আর্থিক মুনাফার চেয়ে মহৎ সামাজিক মূল্যবোধ প্রয়োগ করি। * সুখ কেবল অর্থের মালিকানার মধ্যে নিহিত নয়; এটি নিহিত আছে অর্জনের আনন্দের মধ্যে, সৃজনশীল প্রচেষ্টার রোমাঞ্চের মধ্যে। * এই অন্ধকার দিনগুলো সার্থক হবে যদি তারা আমাদের শেখায় যে আমাদের প্রকৃত নিয়তি সেবা গ্রহণ করা নয় বরং নিজেদের এবং আমাদের সহমানুষের সেবা করা। * '''স্পষ্টভাবে এবং সাহসের সাথে সত্য, পুরো সত্য বলার এটাই সর্বশ্রেষ্ঠ সময়।''' আজ আমাদের দেশের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতেও আমাদের কুণ্ঠিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। এই মহান জাতি টিকে থাকবে যেমন এটি টিকে আছে, এটি পুনরুজ্জীবিত হবে এবং সমৃদ্ধ হবে। তাই, সবার আগে, আমাকে আমার দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করতে দিন যে '''আমাদের ভয়ের একমাত্র কারণ হলো ভয় নিজেই''' — নামহীন, যুক্তিহীন, অন্যায্য আতঙ্ক যা পিছু হটাকে সামনে এগিয়ে নেওয়ায় রূপান্তরিত করার প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টাকে পঙ্গু করে দেয়। আমাদের জাতীয় জীবনের প্রতিটি অন্ধকার মুহূর্তে সততা এবং তেজোদ্দীপ্ত নেতৃত্ব জনগণের সেই বোঝাপড়া এবং সমর্থন পেয়েছে যা বিজয়ের জন্য অপরিহার্য। ** এর একটি অংশ প্রায়শই "ভয় ছাড়া আমাদের ভয়ের কিছু নেই" হিসেবে ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয়, বিশেষ করে [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]] তাঁর [https://www.americanrhetoric.com/speeches/mlkivebeentothemountaintop.htm আই হ্যাভ বিন টু দ্য মাউন্টেনটপ] ভাষণে এটি ব্যবহার করেছেন। প্রাচীনকালেও অনুরূপ অভিব্যক্তি ব্যবহৃত হয়েছে, উদাহরণস্বরূপ [[সেনেকা দ্য ইয়ঙ্গার]] (''Ep. Mor.'' 3.24.12) বলেছিলেন: ''scies nihil esse in istis terribile nisi ipsum timorem'' ("তুমি বুঝতে পারবে যে ভয় ছাড়া এতে ভয়ঙ্কর কিছু নেই"), এবং [[মিশেল দ্য মন্টেইন]] তাঁর ''[[w:এসেস (মন্টেইন)|এসেস]]'' (১৫৮০) গ্রন্থের ১ম খণ্ড, ১৭তম অধ্যায়ে বলেছেন: "আমি সবচেয়ে বেশি যেটিকে ভয় পাই তা হলো ভয়"। ====স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণ (১৯৩৫)==== :<small>[[s:Franklin Delano Roosevelt's Second State of the Union Address|দ্বিতীয় স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণ]] (৪ জানুয়ারি ১৯৩৫)</small> * '''আমরা জিনিসের একটি নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি; তবুও আমরা মার্কিন সংবিধানের কাঠামো এবং চেতনা ও উদ্দেশ্যের অধীনে এর দিকে অগ্রসর হচ্ছি।''' আমরা সমগ্র জাতি জুড়ে এই নতুন ব্যবস্থার পথে উল্লেখযোগ্য দূরত্ব অতিক্রম করেছি। * '''পুরো বিশ্ব জুড়ে পরিবর্তনই হলো সময়ের দাবি।''' প্রতিটি জাতির মধ্যে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো এমন অনেক ধরণের সংকট নিয়ে এসেছে যার জন্য পুরনো অভ্যাস এবং তত্ত্বের ধারকরা প্রস্তুত ছিলেন না। অধিকাংশ জাতির কাছে [[সামাজিক ন্যায়বিচার]] এখন আর কোনো দূরবর্তী আদর্শ নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য হয়ে উঠেছে এবং প্রাচীন সরকারগুলো সেই ডাকে সাড়া দিতে শুরু করেছে। <br /> এভাবে, পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষায় আমেরিকান জনগণ বিশ্বে একা নয়। আমরা পরীক্ষিত উদারপন্থী ঐতিহ্যের মাধ্যমে এবং এমন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি খুঁজি যা [[প্রজাতন্ত্র|প্রজাতন্ত্রী]] ধাঁচের [[প্রতিনিধিত্ব|প্রতিনিধিত্বমূলক সরকারের]] গভীর অত্যাবশ্যকীয় উপাদানগুলোকে ধরে রাখে যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রথম এক অশান্ত বিশ্বকে দিয়েছিল। * '''আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আমাদের জনসংখ্যা পুরনো [[সামাজিক অসমতা|অসমতায়]] ভুগছে, যা বিশাল বিক্ষিপ্ত প্রতিকার সত্ত্বেও খুব কমই পরিবর্তিত হয়েছে।''' আমাদের প্রচেষ্টা এবং আমাদের কথা সত্ত্বেও, আমরা অতি-সুবিধাভোগীদের নির্মূল করতে পারিনি এবং সুবিধাবঞ্চিতদের কার্যকরভাবে তুলে ধরতে পারিনি। অন্যায়ের এই উভয় প্রকাশই সুখকে ব্যাহত করেছে। কোনো জ্ঞানী মানুষেরই মুনাফার উদ্দেশ্য ধ্বংস করার কোনো ইচ্ছা নেই; কারণ মুনাফার উদ্দেশ্য বলতে আমরা নিজেদের এবং আমাদের পরিবারের জন্য একটি মার্জিত জীবনযাত্রার উপার্জনের অধিকার বুঝি। <br /> '''তবে আমাদের কাছে জনগণের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট ম্যান্ডেট রয়েছে যে আমেরিকানদের অবশ্যই সম্পদ অর্জনের সেই ধারণাটি ত্যাগ করতে হবে যা অতিরিক্ত [[মুনাফা|মুনাফার]] মাধ্যমে ব্যক্তিগত বিষয়ের ওপর এবং আমাদের দুর্ভাগ্যবশত পাবলিক বিষয়ের ওপরও অন্যায্য ব্যক্তিগত ক্ষমতা তৈরি করে।''' এই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমরা উচ্চাকাঙ্ক্ষা ধ্বংস করি না, বা আমরা বিশেষ উপলক্ষে আমাদের সম্পদ সমান ভাগে ভাগ করার চেষ্টা করি না। আমরা অন্যদের চেয়ে বেশি উপার্জন করার ক্ষেত্রে কারও কারও অধিকতর সক্ষমতাকে স্বীকৃতি দিয়ে চলি। তবে আমরা অবশ্যই দাবি করি যে নিজের এবং নিজের আপনজনদের জন্য সঠিক নিরাপত্তা, যুক্তিযুক্ত অবসর এবং সারা জীবন একটি মার্জিত জীবনযাত্রা পাওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির উচ্চাকাঙ্ক্ষা হলো এমন এক উচ্চাকাঙ্ক্ষা যা বিশাল সম্পদ এবং বিশাল ক্ষমতার লালসার চেয়ে পছন্দনীয়। * '''ইতিহাসের শিক্ষা, যা আমার সামনে থাকা প্রমাণ দ্বারা নিশ্চিত হয়েছে, চূড়ান্তভাবে দেখায় যে ত্রাণের ওপর ক্রমাগত নির্ভরতা একটি আধ্যাত্মিক এবং নৈতিক পতন ঘটায় যা জাতীয় কাঠামোর জন্য মৌলিকভাবে ধ্বংসাত্মক। এভাবে ত্রাণ দেওয়া মানে হলো একটি মাদক প্রয়োগ করা, যা মানুষের আত্মার এক সূক্ষ্ম ধ্বংসকারী।''' এটি সঠিক নীতির নির্দেশনার পরিপন্থী। এটি আমেরিকার ঐতিহ্যের পরিপন্থী। কর্মক্ষম কিন্তু নিঃস্ব শ্রমিকদের জন্য কাজ খুঁজে বের করতে হবে। '''ফেডারেল সরকারকে ত্রাণের এই ব্যবসা অবশ্যই ছাড়তে হবে এবং ছাড়বে।''' * আমি চাই না যে আমাদের জনগণের জীবনীশক্তি নগদ অর্থ, বাজারের ঝুড়ি, বা পাবলিক পার্কে ঘাস কাটা, পাতা পরিষ্কার করা বা কাগজ কুড়ানোর মতো সাপ্তাহিক কয়েক ঘণ্টার কাজের মাধ্যমে আরও ক্ষয়প্রাপ্ত হোক। আমাদের কেবল বেকারদের শরীরকে অভাব থেকে রক্ষা করলেই হবে না, বরং তাঁদের আত্মসম্মান, স্বাবলম্বিতা এবং সাহস ও সংকল্পকেও রক্ষা করতে হবে। এই সিদ্ধান্ত আমাকে সেই সমস্যার দিকে নিয়ে আসে যে সরকারের উচিত বর্তমানে ত্রাণের তালিকায় থাকা প্রায় ৫০ লক্ষ বেকারের জন্য কী করা। * হাতে নেওয়া সমস্ত কাজই দরকারী হওয়া উচিত — কেবল একদিন বা এক বছরের জন্য নয়, বরং এমনভাবে দরকারী যা জীবনযাত্রার মানের স্থায়ী উন্নতি ঘটায় বা যা জাতির জন্য ভবিষ্যতে নতুন সম্পদ সৃষ্টি করে। * কাজ নিজেই একটি বিস্তৃত ক্ষেত্র কভার করবে যার মধ্যে রয়েছে বস্তি উচ্ছেদ, যা সঙ্গত কারণেই ব্যক্তিগত পুঁজি দ্বারা গ্রহণ করা সম্ভব নয়; বিভিন্ন ধরণের গ্রামীণ আবাসন, যেখানে আবারও ব্যক্তিগত পুঁজি কাজ করতে অক্ষম; গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন; জাতির প্রধান জলাধারগুলোর বনায়ন; মৃত্তিকা ক্ষয় রোধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পুনরুদ্ধারের জন্য একটি নিবিড় কর্মসূচি; বিদ্যমান সড়ক ব্যবস্থার উন্নতি এবং আধুনিক যানচলাচল সামলানোর জন্য ডিজাইন করা জাতীয় মহাসড়ক নির্মাণ; লেভেল ক্রসিং বর্জন; [[w:সিভিলিয়ান কনজারভেশন কর্পস|সিভিলিয়ান কনজারভেশন কর্পসের]] সফল কাজের বিস্তার ও পরিবর্ধন; নন-ফেডারেল কাজগুলো, যেগুলো মূলত স্ব-পরিশোধযোগ্য এবং সরকারের স্থানীয় বিভাগগুলোর জন্য অত্যন্ত দরকারী; এবং আরও অনেক প্রকল্পে যা জাতির প্রয়োজন এবং অবহেলা করা সম্ভব নয়। ====কর সংশোধন বিষয়ে কংগ্রেসের কাছে বার্তা (১৯৩৫)==== :<small>[http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=15088 কর সংশোধন বিষয়ে কংগ্রেসের কাছে বার্তা] (১৯ জুন ১৯৩৫)</small> [[চিত্র:Pieter Brueghel the Younger, 'Paying the Tax (The Tax Collector)' oil on panel, 1620-1640. USC Fisher Museum of Art.jpg|thumb|যদি একটি [[সরকার|সরকারকে]] বিচক্ষণ হতে হয় তবে তার [[কর|কর]] অবশ্যই উদ্যোগকে নিরুৎসাহিত না করে পর্যাপ্ত রাজস্ব তৈরি করবে; এবং যদি তাকে ন্যায়পরায়ণ হতে হয় তবে তাকে করের বোঝা সমভাবে বণ্টন করতে হবে।]] [[চিত্র:Armistice Day, Wall Street.JPG|thumb|[[সম্পদ|সম্পদের]] বিশাল সঞ্চয়কে ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক [[নিরাপত্তা|নিরাপত্তার]] ভিত্তিতে যুক্তিসঙ্গত করা যায় না। শেষ বিশ্লেষণে এই ধরণের সঞ্চয় মানে হলো তুলনামূলকভাবে খুব কম সংখ্যক ব্যক্তির হাতে অনেকের কর্মসংস্থান এবং কল্যাণের ওপর বিশাল এবং অবাঞ্ছিত [[নিয়ন্ত্রণ|নিয়ন্ত্রণের]] চিরস্থায়ী রূপ।]] [[চিত্র:28 - New York - Octobre 2008.jpg|thumb|ছোট কর্পোরেশনগুলোর তাঁদের ক্ষমতার বাইরের বোঝা বহন করা উচিত নয়; পুঁজির বিশাল কেন্দ্রীকরণগুলোর তাঁদের ক্ষমতা এবং সুবিধার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বোঝা বহন করার জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত।]] * ১৯২৬ সালের [[w:১৯২৬ সালের রেভিনিউ অ্যাক্ট|রেভিনিউ অ্যাক্ট]] দ্বারা প্রতিষ্ঠিত জয়েন্ট লেজিসলেটিভ কমিটি [[w:মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ|ট্রেজারি]] বিভাগের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হয়েছে। সেই কমিটির সদস্যরা উদারভাবে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শ করেছেন, কেবল নীতির ব্যাপক প্রশ্নগুলোতেই নয় বরং গুরুত্বপূর্ণ এবং কঠিন কর মামলাগুলোতেও। এই গবেষণা এবং ট্রেজারি কর্মকর্তাদের দ্বারা পরিচালিত অন্যান্য গবেষণার ভিত্তিতে আমি [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর ব্যবস্থা|আমাদের কর নীতির]] গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের বেশ কিছু পরামর্শ দিতে সক্ষম হয়েছি। এগুলো এই ব্যাপক নীতির ওপর ভিত্তি করে যে '''যদি একটি সরকার শিশুকে বিচক্ষণ হতে হয় তবে তার কর অবশ্যই উদ্যোগকে নিরুৎসাহিত না করে পর্যাপ্ত রাজস্ব তৈরি করবে; এবং যদি তাকে ন্যায়পরায়ণ হতে হয় তবে তাকে করের বোঝা সমভাবে বণ্টন করতে হবে।''' আমি বিশ্বাস করি না যে আমাদের বর্তমান [[কর ব্যবস্থা]] সম্পূর্ণরূপে এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। '''আমাদের রাজস্ব আইনগুলো অনেকভাবে অল্প কয়েকজনের অন্যায্য সুবিধার জন্য কাজ করেছে এবং সম্পদ ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার অন্যায় কেন্দ্রীকরণ রোধে খুব কমই ভূমিকা রেখেছে।''' * ১৯১৩ সালের আয়কর আইন প্রণয়নের মাধ্যমে ফেডারেল সরকার ব্যাপকভাবে স্বীকৃত এই নীতিটি কার্যকরভাবে প্রয়োগ করতে শুরু করে যে '''কর নির্ধারণ করা উচিত পরিশোধ করার ক্ষমতা এবং প্রাপ্ত সুবিধার অনুপাতে। সুবিধা এবং পরিশোধ করার ক্ষমতার পরিমাপ হিসেবে আয়কে বুদ্ধিমত্তার সাথে বেছে নেওয়া হয়েছিল।''' এটি জাতীয় নীতির জন্য একটি ভালো নির্দেশিকা ছিল এবং এখনও আছে। একে ফেডারেল কর ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণকারী নীতি হিসেবে রাখা উচিত। অন্যান্য ধরণের করের ব্যবহার প্রায়ই যুক্তিসঙ্গত, বিশেষ করে সাময়িক সময়ের জন্য; কিন্তু '''আয় অনুযায়ী কর নির্ধারণ হলো তাঁদের কাছ থেকে সঠিক অবদান পাওয়ার জন্য এপর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম যারা তা বহন করতে সবচেয়ে বেশি সক্ষম এবং আমাদের সাধারণ মানুষের ওপর অসহনীয় বোঝা চাপানো এড়ানোর জন্য এটিই সেরা।''' * আধুনিক বিশ্বে '''[[সম্পদ]] কেবল ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা থেকে আসে না; এটি ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা এবং সেই প্রচেষ্টাকে সমাজ যে বহুমুখী কাজে লাগায় তার সমন্বয়ের ফল। একজন ব্যক্তি তাঁর নিজের হাতে তাঁর শিল্পের পণ্য তৈরি করেন না; তিনি একটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা মেটাতে [[গণ উৎপাদন|গণ উৎপাদনের]] অনেক প্রক্রিয়া এবং শক্তিকে কাজে লাগান। তাই আমাদের জাতীয় জীবনে অসাধারণ ব্যক্তিদের প্রচেষ্টা এবং চতুরতার বিশাল গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও, সাধারণ মানুষ অনিবার্যভাবে বৃহৎ সম্পদ সম্ভব করতে সাহায্য করেছে। গণ সহযোগিতা ছাড়া সম্পদের বিশাল সঞ্চয় অসম্ভব হতো যদি না তা অস্বাস্থ্যকর ফটকা কারবারের মাধ্যমে হতো।''' যেমন [[অ্যান্ড্রু কার্নেগি]] বলেছিলেন, "যেখানে সম্পদ সম্মানের সাথে অর্জিত হয়, সেখানে মানুষ সর্বদা নীরব অংশীদার।" এটি সমগ্র সমাজের সহযোগিতার মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ হোক বা ফটকা কারবারের মাধ্যমে অর্জিত ঐশ্বর্য — উভয় ক্ষেত্রেই এই ধরণের সম্পদ বা ঐশ্বর্যের মালিকানা একটি বিশাল জনস্বার্থ এবং পরিশোধ করার বিশাল সক্ষমতার প্রতিনিধিত্ব করে। * নিজের এবং নিজের পরিবারের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আকাঙ্ক্ষা স্বাভাবিক এবং স্বাস্থ্যকর, কিন্তু একটি যুক্তিসঙ্গত উত্তরাধিকারের মাধ্যমেই তা পর্যাপ্তভাবে মেটানো সম্ভব। '''সম্পদের বিশাল সঞ্চয়কে ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক নিরাপত্তার ভিত্তিতে যুক্তিসঙ্গত করা যায়না। শেষ বিশ্লেষণে এই ধরণের সঞ্চয় মানে হলো তুলনামূলকভাবে খুব কম সংখ্যক ব্যক্তির হাতে অনেকের কর্মসংস্থান এবং কল্যাণের ওপর বিশাল এবং অবাঞ্ছিত নিয়ন্ত্রণের চিরস্থায়ী রূপ।''' * '''সামাজিক অস্থিরতা এবং অন্যায়ের ক্রমবর্ধমান অনুভূতি আমাদের জাতীয় জীবনের জন্য এক বিপদের কারণ যা আমাদের কঠোর পদ্ধতির মাধ্যমে কমানো উচিত। মানুষ জানে যে বিশাল ব্যক্তিগত আয় কেবল তাঁদের প্রচেষ্টা বা যোগ্যতা বা ভাগ্যের মাধ্যমে আসে না, বরং সরকার নিজে যে সুবিধার সুযোগগুলো দেয় তার কারণেই আসে। তাই খুব উচ্চ হারের করের মাধ্যমে এই ধরণের আয় সীমিত করা সরকারের দায়িত্ব।''' * তদুপরি, একটি [[মহা মন্দা|মন্দার]] কারণে ব্যবসার রিজার্ভের যে ক্ষয় হয় তা সীমিত পুঁজির ছোট উদ্যোগগুলোর ওপর অসম চাপ সৃষ্টি করে। এই ধরণের ছোট উদ্যোগগুলো ছাড়া আমাদের প্রতিযোগিতামূলক অর্থনৈতিক সমাজ থেমে যাবে। বিশাল আকার একচেটিয়া আধিপত্যের জন্ম দেয়। তাছাড়া, সামগ্রিকভাবে এই ছোট ব্যবসাগুলো সেই দেশব্যাপী বাজারগুলোর জন্য অপরিহার্য স্থানীয় ভিত্তি সরবরাহ করে যা কেবল আমাদের [[গণ উৎপাদন|গণ উৎপাদন]] শিল্পগুলোর সাফল্য নিশ্চিত করতে পারে। আজ আমাদের ছোট [[কর্পোরেশন|কর্পোরেশনগুলো]] কেবল তাঁদের নিজস্ব স্থানীয় কল্যাণের জন্যই লড়ছে না, বরং সেই সুষমভাবে বণ্টিত জাতীয় সমৃদ্ধির জন্য লড়ছে যা বৃহৎ আকারের উদ্যোগকে সম্ভব করে তোলে। তাই অর্থনৈতিক সক্ষমতা, সুবিধা এবং তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের কর ব্যবস্থাকে সামঞ্জস্য করা কেবল ন্যায়সঙ্গত বলে মনে হয়। '''ছোট কর্পোরেশনগুলোর তাঁদের ক্ষমতার বাইরের বোঝা বহন করা উচিত নয়; পুঁজির বিশাল কেন্দ্রীকরণগুলোর তাঁদের ক্ষমতা এবং সুবিধার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বোঝা বহন করার জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত।''' ====সান দিয়েগো এক্সপজিশনে ভাষণ (১৯৩৫)==== [[চিত্র:"Never Before Have We Had So Little Time In Which To Do So Much" - Franklin D. Roosevelt - NARA - 534354.jpg|thumb|সরকারের কাজ হলো প্রয়োগ এবং উৎসাহ প্রদান। একটি বিচক্ষণ সরকার এমন সুযোগ প্রদানের চেষ্টা করে যার মাধ্যমে ব্যক্তিগত কৃতিত্বের সেরাটা অর্জন করা যায়, যখন একই সাথে এটি স্বার্থপর মানবিক উদ্দেশ্য থেকে উদ্ভূত বাধা এবং অন্যায় দূর করার চেষ্টা করে।]] :<small>[http://www.presidency.ucsb.edu/ws/?pid=14954 সান দিয়েগো এক্সপজিশনে ভাষণ], সান দিয়েগো, ক্যালিফোর্নিয়া (২ অক্টোবর ১৯৩৫)</small> [[চিত্র:FDR Memorial wall.jpg|thumb|বিদেশি যুদ্ধ এবং বিদেশি জটিলতা থেকে মুক্ত থাকার আমাদের জাতীয় সংকল্প আমাদের সেই উদ্বেগ অনুভব করা থেকে বিরত রাখতে পারে না যখন আমাদের প্রিয় আদর্শ এবং নীতিগুলো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে।]] [[চিত্র:Vargas e Roosevelt.jpg|thumb|আমি আমার হৃদয়ের গভীর থেকে আশা করি যে বছরগুলো গড়ানোর সাথে সাথে প্রতিটি মহাদেশে এবং প্রতিটি জলবায়ুতে, জাতির পর জাতি কথার পাশাপাশি কাজের মাধ্যমে আমেরিকার আদর্শের প্রতি তাঁদের আনুগত্য প্রমাণ করবে — আমি একজন ভালো প্রতিবেশী।]] * '''একটি বিশাল পরিসরে [[উদ্ভাবন|উদ্ভাবনের]], যান্ত্রিক এবং শৈল্পিক [[সৃষ্টির]] কৃতিত্বগুলো অবশ্যই এবং সঠিকভাবেই সরকারি হওয়ার চেয়ে ব্যক্তিগত হওয়া উচিত। প্রতিটি উদ্যোগে এটি সেই স্বাবলম্বী অগ্রগামী ব্যক্তি যিনি পথ তৈরি করেন''' যার ওপর দিয়ে আমেরিকান '''সভ্যতা এগিয়ে গেছে।''' এই ধরণের ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা আমেরিকার গৌরব। * '''সরকারের কাজ হলো প্রয়োগ এবং উৎসাহ প্রদান। একটি বিচক্ষণ সরকার এমন সুযোগ প্রদানের চেষ্টা করে যার মাধ্যমে ব্যক্তিগত কৃতিত্বের সেরাটা অর্জন করা যায়, যখন একই সাথে এটি স্বার্থপর মানবিক উদ্দেশ্য থেকে উদ্ভূত বাধা এবং অন্যায় দূর করার চেষ্টা করে।''' সরকারের আমাদের বিভিন্ন সংস্থা, আমাদের আইন এবং আমাদের মৌলিক সংবিধানের অধীনে আমাদের সাধারণ জীবন মূলত ব্যক্তিকে রক্ষা করার জন্য, তাঁর অধিকারকে লালন করার জন্য এবং তাঁর ন্যায়সঙ্গত নীতিগুলোকে পরিষ্কার করার জন্য বিদ্যমান। * '''একটি আমেরিকান সরকার আমেরিকানদের না খেয়ে থাকতে দিতে পারে না।''' * এটি এখন দলীয় বিতর্কের ঊর্ধ্বে যে একজন শ্রমিকের অন্য শ্রমিকদের সাথে একত্রিত হওয়া এবং তাঁর নিয়োগকর্তার সাথে সমষ্টিগতভাবে দরকষাকষি করা একটি মৌলিক ব্যক্তিগত অধিকার। '''নতুন আইন''' নিজে থেকে কোনো '''[[সহস্রাব্দ]]''' বা স্বর্ণযুগ নিয়ে আসে না; নতুন আইন শ্রম বিরোধ রোধ করার দাবি করে না, বা তারা সমস্ত শিল্প এবং সমস্ত শ্রমকে কভার করে না। কিন্তু তারা শিল্পে ন্যায়সঙ্গত এবং শান্তিপূর্ণ শ্রম সম্পর্ক অর্জনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গঠন করে। * '''কয়েক শতাব্দী আগে [[উইলিয়াম শেক্সপীয়ার|ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ লেখক]] মানবিক সরকার এবং মানব সমাজের ওপর ঝুলে থাকা দুটি সবচেয়ে হুমকিস্বরূপ মেঘকে "অভ্যন্তরীণ বিদ্বেষ এবং ভয়াবহ বিদেশি যুদ্ধ" হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।''' আমরা এই বিপদগুলো থেকে মুক্তি পাইনি কিন্তু আমরা সেগুলোর মোকাবিলায় আমাদের বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগাতে পারি। আমেরিকানদের জন্য ভয়ের এই দুটি কারণকে উপেক্ষা করার মতো প্রকৃত কারণ আর কখনও ছিল না। '''"অভ্যন্তরীণ বিদ্বেষ" সময়ে সময়ে আপনাদের কাছে তাঁদের ছদ্মবেশে আসবে যারা মিথ্যা ইস্যু তুলবে, তথ্য বিকৃত করবে, ঘৃণার বাণী প্রচার করবে এবং মানবাধিকার বা আধ্যাত্মিক আদর্শ নিশ্চিত করার জন্য সরকারি পদক্ষেপের গুরুত্বকে খাটো করে দেখাবে।''' আজ এমন অনেকে আছেন যারা এই বীজ বপন করতে চান, কিন্তু তাঁদের প্রতি আপনাদের উত্তর হলো আমাদের বর্তমান পরিস্থিতির সঠিক তথ্যগুলো আপনাদের কাছে থাকা। * '''এই দেশ কোনো [[অভিযান|বিজয়]] চায় না। আমাদের কোনো [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদী পরিকল্পনা]] নেই। দিনের পর দিন এবং বছরের পর বছর, আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের সাথে [[শান্তি|শান্তির]] এক আরও নিখুঁত নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠা করছি।''' আমরা বিশেষ করে সকল [[আমেরিকা|আমেরিকান প্রজাতন্ত্রের]] সমৃদ্ধি, স্থিতিশীলতা এবং স্বাধীনতায় আনন্দিত। '''আমরা কেবল আন্তরিকভাবে শান্তিই কামনা করি না, বরং সেই সব বিপদ এড়ানোর এক কঠোর সংকল্প দ্বারা আমরা চালিত যা বিশ্বের সাথে আমাদের শান্তিকে বিপন্ন করবে।''' * '''বিদেশি যুদ্ধ এবং বিদেশি জটিলতা থেকে মুক্ত থাকার আমাদের জাতীয় সংকল্প আমাদের সেই উদ্বেগ অনুভব করা থেকে বিরত রাখতে পারে না যখন আমাদের প্রিয় আদর্শ এবং নীতিগুলো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে।''' মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমরা এটিকে স্বতঃসিদ্ধ মনে করি যে প্রতিটি ব্যক্তি তাঁর বিবেকের আদেশ অনুযায়ী তাঁর ধর্মের অবাধ চর্চা উপভোগ করবেন। দেড় শতাব্দী ধরে [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পতাকা|আমাদের পতাকা]] '''[[বিবেকের স্বাধীনতা|বিবেকের স্বাধীনতার]] নীতি, [[ধর্মীয় স্বাধীনতা|ধর্মীয় স্বাধীনতার]] নীতি এবং [[আইনের চোখে সমতা|আইনের চোখে সমতার]]''' প্রতীক হিসেবে রয়েছে; এবং '''এই ধারণাগুলো আমাদের জাতীয় চরিত্রে গভীরভাবে প্রোথিত।''' * এটি সত্য যে অন্য জাতিগুলো, যেমনটি তারা করে, বিবেক ও আচরণের বিপরীত নিয়ম প্রয়োগ করতে পারে। এটি সত্য যে আমাদের পতাকা ছাড়া অন্য পতাকার অধীনে নীতিগুলো অনুসরণ করা হতে পারে, কিন্তু সেই নীতিগুলো আমাদের এখতিয়ারের বাইরে। তবুও '''আমাদের ব্যক্তিগত অভ্যন্তরীণ জীবনে আমরা কখনই উদাসীন হতে পারি না''', এবং আমরা নিজেদের জন্য সেই নীতিগুলো গ্রহণ করার, ঘোষণা করার এবং পালন করার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দাবি করি যার জন্য আমাদের পতাকা এতদিন ধরে উচ্চ প্রতীক হিসেবে রয়েছে। যেমনটি এক শতাব্দীরও বেশি সময় আগে [[জেমস ম্যাডিসন]] খুব সুন্দরভাবে বলেছিলেন: "আমরা এটিকে একটি মৌলিক এবং অবিচ্ছেদ্য সত্য বলে মনে করি যে ধর্ম এবং তা পালন করার পদ্ধতি কেবল যুক্তি ও বিশ্বাসের মাধ্যমে পরিচালিত হতে পারে, শক্তি বা সহিংসতার মাধ্যমে নয়।" * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমি আবারও আপনাদের অত্যন্ত আন্তরিকভাবে বলছি যে আমেরিকার জনগণ এবং সেই জনগণের সরকার সমগ্র বিশ্বের সাথে শান্তিতে থাকার ইচ্ছা ও প্রত্যাশা রাখে। আমার রাষ্ট্রপতি পদের আড়াই বছরে, এই সরকার আমাদের নিজস্ব পছন্দের এই নীতি অনুসরণে অবিচল রয়েছে। '''স্বদেশে আমরা ভালো প্রতিবেশীর সুসমাচার প্রচার করেছি এবং করে যাব। আমি আমার হৃদয়ের গভীর থেকে আশা করি যে বছরগুলো গড়ানোর সাথে সাথে প্রতিটি মহাদেশে এবং প্রতিটি জলবায়ুতে, জাতির পর জাতি কথার পাশাপাশি কাজের মাধ্যমে আমেরিকার আদর্শের প্রতি তাঁদের আনুগত্য প্রমাণ করবে — আমি একজন ভালো প্রতিবেশী।''' ====১৯৩৬ ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কনভেনশনে ভাষণ==== :<small>[http://www.presidency.ucsb.edu/ws/?pid=15314 ভাষণ], [[পেনসিলভানিয়া|পেনসিলভানিয়ার]] [[ফিলাডেলফিয়া|ফিলাডেলফিয়ায়]] [[w:১৯৩৬ ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কনভেনশন|১৯৩৬ ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কনভেনশনে]] (২৭ জুন ১৯৩৬)</small> [[চিত্র:Rooseveltinwheelchair.jpg|thumb|আমরা বিশ্বাস, আশা এবং দানশীলতাকে অপার্থিব আদর্শ হিসেবে দেখি না, বরং আধুনিক সভ্যতায় স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা একটি জাতির শক্তিশালী অবলম্বন হিসেবে আমরা এগুলোকে ব্যবহার করি।]] * '''এটি স্বাভাবিক এবং সম্ভবত মানবিক ছিল যে এই নতুন অর্থনৈতিক রাজবংশগুলোর সুবিধাভোগী রাজকুমাররা, ক্ষমতার তৃষ্ণায়, সরকারের ওপরই নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তাঁরা একটি নতুন স্বৈরাচার তৈরি করেছিল এবং একে আইনি অনুমোদনের পোশাকে আবৃত করেছিল। এর সেবায় নতুন ভাড়াটেরা জনগণ, তাঁদের শ্রম এবং তাঁদের সম্পদকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করার চেষ্টা করেছিল।''' এবং এর ফলে সাধারণ মানুষ আবারও সেই সমস্যার মুখোমুখি হয় যা মিনিট ম্যানদের সামনে এসেছিল। * '''পুরুষ ও মহিলারা কত ঘণ্টা কাজ করবেন, তাঁরা কী পরিমাণ [[মজুরি]] পাবেন, তাঁদের শ্রমের শর্তাবলি — এগুলো জনগণের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল এবং এই নতুন শিল্প একনায়কতন্ত্র দ্বারা আরোপিত হয়েছিল।''' সাধারণ পরিবারের সঞ্চয়, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুঁজি, বার্ধক্যের জন্য জমিয়ে রাখা বিনিয়োগ — অন্য মানুষের অর্থ — এগুলো ছিল সেই সরঞ্জাম যা নতুন অর্থনৈতিক আভিজাত্য নিজেদের অবস্থান মজবুত করতে ব্যবহার করেছিল। যারা জমি চাষ করত তারা আর সেই পুরষ্কার পাচ্ছিল না যা তাঁদের অধিকার ছিল। তাঁদের লাভের সামান্য অংশ দূরের শহরগুলোতে থাকা পুরুষদের দ্বারা নির্ধারিত হতো। পুরো জাতি জুড়ে, [[সুযোগ|সুযোগ-সুবিধা]] [[একচেটিয়া আধিপত্য|একচেটিয়া কারবার]] দ্বারা সীমিত ছিল। একটি বিশাল যন্ত্রের চাকার দাঁতে ব্যক্তিগত উদ্যোগ পিষ্ট হয়েছিল। মুক্ত ব্যবসার পথ দিন দিন আরও সংকুচিত হয়ে আসছিল। ব্যক্তিগত উদ্যোগ প্রকৃতপক্ষে অনেক বেশি ব্যক্তিগত হয়ে পড়েছিল। এটি সুবিধাভোগী উদ্যোগে পরিণত হয়েছিল, মুক্ত উদ্যোগে নয়। * '''আমাদের অনেকের কাছেই সেই রাজনৈতিক সমতা যা আমরা একসময় জয় করেছিলাম, [[অর্থনৈতিক অসমতা|অর্থনৈতিক অসমতার]] মুখে অর্থহীন ছিল। একটি ছোট গোষ্ঠী অন্য মানুষের সম্পদ, অন্য মানুষের অর্থ, অন্য মানুষের শ্রম — অন্য মানুষের জীবনের ওপর প্রায় সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে কেন্দ্রীভূত করেছিল। আমাদের অনেকের কাছেই জীবন আর মুক্ত ছিল না; স্বাধীনতা আর বাস্তব ছিল না; মানুষ আর সুখের সন্ধান করতে পারছিল না।''' <br /> এই ধরণের অর্থনৈতিক অত্যাচারের বিরুদ্ধে [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব|আমেরিকান নাগরিকরা]] কেবল সরকারের সংগঠিত শক্তির কাছে আবেদন করতে পারত। ১৯২৯ সালের ধস স্বৈরাচারকে তার আসল রূপে দেখিয়ে দিয়েছিল। ১৯৩২ সালের নির্বাচন ছিল এটি শেষ করার জন্য জনগণের ম্যান্ডেট। সেই ম্যান্ডেটের অধীনে এটি শেষ করা হচ্ছে। * এই অর্থনৈতিক রাজকীয় ব্যক্তিরা অভিযোগ করেন যে আমরা আমেরিকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎখাত করার চেষ্টা করছি। আসলে তাঁরা যা নিয়ে অভিযোগ করছেন তা হলো আমরা তাঁদের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। আমেরিকান প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আমাদের আনুগত্য এই ধরণের ক্ষমতা উৎখাত করার দাবি রাখে। তাঁরা বৃথা পতাকা এবং সংবিধানের আড়ালে লুকানোর চেষ্টা করেন। অন্ধত্বের কারণে তাঁরা ভুলে যান পতাকা এবং সংবিধান কিসের প্রতিনিধিত্ব করে। এখন, আগের মতো সর্বদা, তাঁরা গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়ায়, স্বৈরাচারের নয়; স্বাধীনতার পক্ষে, পরাধীনতার নয়; এবং জনতা শাসন ও অতি-সুবিধাভোগী উভয় ধরণের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়। * এই কনভেনশন কর্তৃক গৃহীত সাহসী এবং স্পষ্ট প্ল্যাটফর্ম, যা আমি সানন্দে সমর্থন করি, তা নির্ধারণ করে যে একটি আধুনিক সভ্যতায় সরকারের তাঁর নাগরিকদের প্রতি সুনির্দিষ্ট এবং অপরিহার্য বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পরিবার এবং ঘরের সুরক্ষা, সুযোগের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দুর্যোগে আক্রান্তদের সহায়তা করা। * '''আমরা [[বিশ্বাস]], [[আশা]] এবং [[দানশীলতা|দানশীলতাকে]] অপার্থিব আদর্শ হিসেবে দেখি না, বরং আধুনিক সভ্যতায় স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা একটি জাতির শক্তিশালী অবলম্বন হিসেবে আমরা এগুলোকে ব্যবহার করি।''' <br /> বিশ্বাস — [[একনায়কতন্ত্র|একনায়কতন্ত্রের]] মাঝে গণতন্ত্রের দৃঢ়তার ওপর। <br /> আশা — যা নবায়িত হয়েছে কারণ আমরা আমাদের অর্জিত অগ্রগতি খুব ভালোভাবে জানি। <br /> দানশীলতা — সেই মহান প্রাচীন শব্দের প্রকৃত চেতনায়। কারণ দানশীলতার মূল অর্থ হলো ভালোবাসা, সেই ভালোবাসা যা বোঝে, যা কেবল দাতার সম্পদ ভাগ করে দেয় না, বরং প্রকৃত সহানুভূতি এবং প্রজ্ঞার মাধ্যমে মানুষকে নিজেদের সাহায্য করতে সাহায্য করে। * সরকার ভুল করতে পারে, রাষ্ট্রপতিরা ভুল করেন, কিন্তু অমর [[দান্তে আলিঘিয়েরি|দান্তে]] আমাদের বলেন যে ঐশ্বরিক ন্যায়বিচার শীতল মস্তিষ্কের পাপ এবং উষ্ণ হৃদয়ের পাপকে আলাদা পাল্লায় মাপে। তাঁর নিজের উদাসীনতার বরফে জমে থাকা সরকারের ক্রমাগত ভুল করার চেয়ে দানশীলতার চেতনায় বসবাসকারী সরকারের মাঝে মাঝে ভুল করা অনেক ভালো। * '''মানবিক কর্মকাণ্ডে এক রহস্যময় চক্র রয়েছে। কিছু প্রজন্মকে অনেক কিছু দেওয়া হয়। অন্য প্রজন্মের কাছ থেকে অনেক কিছু প্রত্যাশা করা হয়। আমেরিকানদের এই প্রজন্মের নিয়তির সাথে একটি মোলাকাত রয়েছে।''' ====নিউ ইয়র্কের চৌতাকুয়ায় ভাষণ (১৯৩৬)==== :<small>[https://www.presidency.ucsb.edu/node/208921 নিউ ইয়র্কের চৌতাকুয়ায় ভাষণ] (১৪ আগস্ট ১৯৩৬)</small> * গত কয়েক মাসে [[ওয়াশিংটন, ডি.সি.|ওয়াশিংটনে]] যারা আমার সাথে দেখা করেছেন তাঁরা হয়তো অবাক হয়েছেন যখন আমি তাঁদের বলেছি যে ব্যক্তিগতভাবে এবং সব ধরণের কঠিন পরিস্থিতির সাথে আমার প্রতিদিনের যোগাযোগের কারণে আমি আমাদের তাৎক্ষণিক অভ্যন্তরীণ সম্ভাবনার চেয়ে আন্তর্জাতিক বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বেশি চিন্তিত এবং কম আনন্দিত। <br /> আমি এটি আপনাদের কাছে একজন কট্টর হতাশাবাদী হিসেবে বলছি না বরং এমন একজন হিসেবে বলছি যিনি এখনও আশা করেন যে জাতিগুলোর মধ্যে ঈর্ষা, ঘৃণা এবং বিদ্বেষ তাঁদের শিখরে পৌঁছেছে এবং এর পর শান্তি ও সদিচ্ছার এক নতুন জোয়ার আসবে। * আমরা বিচ্ছিন্নতাবাদী নই কেবল সেই সীমা পর্যন্ত যেখানে আমরা নিজেদের যুদ্ধ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রাখতে চাই। তবুও আমাদের মনে রাখতে হবে যে পৃথিবীতে যতক্ষণ যুদ্ধ বিদ্যমান থাকবে ততক্ষণ এই বিপদ থাকবে যে এমনকি যে জাতি সবচেয়ে বেশি শান্তি কামনা করে সেও যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। * '''আমি যুদ্ধ দেখেছি।''' আমি স্থলে এবং সমুদ্রে যুদ্ধ দেখেছি। আমি আহতদের শরীর থেকে রক্ত ঝরতে দেখেছি। আমি দেখেছি পুরুষরা তাঁদের গ্যাসাক্রান্ত ফুসফুস কাশির মাধ্যমে বের করে দিচ্ছে। আমি কাদা বা মাটির মধ্যে মৃতদেহ দেখেছি। আমি শহরগুলো ধ্বংস হতে দেখেছি। আমি দেখেছি ২০০ জন ল্যাংড়ানো ক্লান্ত মানুষ সারি থেকে বেরিয়ে আসছে — এক হাজার জনের একটি রেজিমেন্টের বেঁচে থাকা সদস্য যারা ৪৮ ঘণ্টা আগে সামনে এগিয়ে গিয়েছিল। আমি শিশুদের না খেয়ে থাকতে দেখেছি। আমি মা এবং স্ত্রীদের যন্ত্রণা দেখেছি। '''আমি যুদ্ধকে ঘৃণা করি।''' * '''আমি যদি পারতাম তবে সমস্ত জাতিকে যুদ্ধ থেকে দূরে রাখতাম; কিন্তু তা আমার শক্তির বাইরে। আমি অন্তত এটি নিশ্চিত করতে পারি যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কাজ যেন যুদ্ধ তৈরি করতে বা উৎসাহিত করতে সাহায্য না করে।''' আমি অন্তত এটি পরিষ্কার করতে পারি যে আমেরিকার বিবেক যুদ্ধের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে এবং যে কোনো জাতি যুদ্ধ উসকে দেয় সে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের সহানুভূতি হারায়। * '''অনেক কারণে যুদ্ধ সৃষ্টি হয়। সেখানে রয়েছে প্রাচীন ঘৃণা, অশান্ত সীমান্ত, "পুরানো বিস্মৃত, দূরবর্তী জিনিসের উত্তরাধিকার এবং অনেক আগের যুদ্ধ।" সেখানে রয়েছে নতুন জন্ম নেওয়া ধর্মান্ধতা। নির্দিষ্ট কিছু জনগণের এই দৃঢ় বিশ্বাস যে তাঁরাই পরম সত্য ও ন্যায়ের অনন্য ভাণ্ডার হয়ে উঠেছেন।''' * এক অন্ধকার পুরানো বিশ্ব পরস্পরবিরোধী ধর্মের যুদ্ধের কারণে বিধ্বস্ত হয়েছিল। এক অন্ধকার আধুনিক বিশ্ব পরস্পরবিরোধী অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক [[ধর্মান্ধতা|ধর্মান্ধতার]] মধ্যে যুদ্ধের মুখোমুখি হচ্ছে যাতে [[বর্ণবাদ|জাতিগত ঘৃণা]] মিশে আছে। ====নিউ ইয়র্কের সিরাকিউসে ডেমোক্রেটিক স্টেট কনভেনশনে ভাষণ (১৯৩৬)==== :<small>[http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=15142 নিউ ইয়র্কের সিরাকিউসে ডেমোক্রেটিক স্টেট কনভেনশনে ভাষণ] (২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৩৬)</small> * '''আমাদের পক্ষ থেকে কাজ দুটি: প্রথমত, যেমনটি সাধারণ দেশপ্রেম দাবি করে, মিথ্যাকে প্রকৃত ইস্যু থেকে আলাদা করা; এবং দ্বিতীয়ত, তথ্যের সাথে এবং কোনো বিদ্বেষ ছাড়াই আমেরিকান জনগণের জন্য প্রকৃত সমস্যাগুলো স্পষ্ট করা।''' <br /> সেখানে অনেক মিথ্যা ইস্যু থাকবে — এবং আছে। সেই দিক থেকে এটি অন্য প্রচারণার চেয়ে আলাদা হবে না। দলীয় অনুসারীরা যারা বাস্তবতা মোকাবিলা করতে ইচ্ছুক নয়, তাঁরা সব সময়ের মতো এবারও মূল বিষয় থেকে নজর সরানোর জন্য 'রেড হেরিং' (red herring) বা অবান্তর ইস্যু টেনে আনবে — যাতে তাঁদের নিজস্ব দুর্বলতার চিহ্ন থেকে মনোযোগ সরিয়ে নেওয়া যায়। * '''হতাশ মেজাজে, ব্যর্থতায় রাগান্বিত হয়ে এবং উদ্দেশ্যমূলক কৌশলের সাথে, ব্যক্তি এবং গোষ্ঠীগুলো এমন এক নির্বাচনে [[কমিউনিজম|সাম্যবাদকে]] একটি ইস্যু বানানোর চেষ্টা করছে যেখানে সাম্যবাদ দুটি প্রধান দলের মধ্যে কোনো বিতর্কের বিষয় নয়।''' <br /> এখানে এবং এখনই, একবার এবং সবসময়ের জন্য আসুন আমরা সেই অবান্তর ইস্যুটিকে কবর দিই এবং সেই মিথ্যা ইস্যুটিকে ধ্বংস করি। আপনারা আমার পটভূমি সম্পর্কে জানেন; আপনারা আমার ঐতিহ্য জানেন; এবং আপনারা বিশেষভাবে [[w:নিউ ইয়র্ক (অঙ্গরাজ্য)|নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে]] আমার জনসেবা সম্পর্কে জানেন যা এক শতাব্দীর এক-চতুর্থাংশেরও বেশি সময় আগের। প্রায় চার বছর ধরে আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি। '''একটি দীর্ঘ রেকর্ড লেখা হয়েছে। সেই রেকর্ডে, এই অঙ্গরাজ্যে এবং জাতীয় রাজধানী উভয় স্থানেই আপনারা কেবল আমেরিকান ধাঁচের সরকারের অক্ষরের প্রতি নয়, বরং তাঁর চেতনার প্রতি এক সাধারণ, স্পষ্ট এবং ধারাবাহিক আনুগত্য খুঁজে পাবেন।''' * '''প্রকৃত [[রক্ষণশীলতা|রক্ষণশীল]] ব্যক্তি সেইসব অন্যায় ও অসমতা সংশোধন করে [[ব্যক্তিগত সম্পত্তি]] এবং [[মুক্ত উদ্যোগের]] ব্যবস্থাকে রক্ষা করতে চান যা এর থেকে উদ্ভূত হয়।''' আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সবচেয়ে গুরুতর হুমকি তাঁদের কাছ থেকে আসে যারা পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার মুখোমুখি হতে অস্বীকার করে। '''[[উদারতাবাদ]] দূরদর্শী রক্ষণশীলদের জন্য সুরক্ষায় পরিণত হয়।''' <br /> গণতন্ত্র রক্ষায় একটি জাতি গত তিন বছরে আমরা যা করেছি তার চেয়ে বড় পদক্ষেপ আর কখনও নেয়নি। '''বিজ্ঞ ও বিচক্ষণ ব্যক্তিরা — বুদ্ধিমান রক্ষণশীলরা — দীর্ঘকাল ধরে জানেন যে একটি পরিবর্তনশীল বিশ্বে যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে কেবল পরিবর্তনশীল সময়ের সাথে সামঞ্জস্য করার মাধ্যমেই সংরক্ষণ করা যায়।''' মহান প্রাবন্ধিকের ভাষায়, "মহান ঘটনাগুলোর কণ্ঠস্বর আমাদের কাছে ঘোষণা করছে। যদি সংরক্ষণ করতে চাও তবে সংস্কার করো।" '''আমি সেই ধরণের রক্ষণশীল কারণ আমি সেই ধরণের উদারপন্থী।''' ** রুজভেল্ট এখানে [[থমাস ব্যাবিংটন মেকলে]]-কে কিছুটা ভুলভাবে উদ্ধৃত করেছেন, যিনি সংসদীয় সংস্কারের ওপর এক ভাষণে (২ মার্চ ১৮৩১) জোর দিয়েছিলেন: "মহান ঘটনাগুলোর কণ্ঠস্বর আমাদের কাছে ঘোষণা করছে, সংস্কার করো, যাতে তুমি সংরক্ষণ করতে পারো।" * '''আমি আপনাদের সতর্ক করি এবং আমি জাতিকে সতর্ক করি সেই মসৃণ এড়ানোর কৌশলের বিরুদ্ধে যা বলে: "অবশ্যই আমরা এই জিনিসগুলোতে বিশ্বাস করি।"''' আমরা [[সামাজিক নিরাপত্তা|সামাজিক নিরাপত্তায়]] বিশ্বাস করি। আমরা বেকারদের জন্য কাজে বিশ্বাস করি। আমরা ঘরবাড়ি বাঁচানোয় বিশ্বাস করি। আমরা মরার শপথ নিয়ে বলছি! আমরা এই সব জিনিসে বিশ্বাস করি। কিন্তু বর্তমান প্রশাসন যেভাবে সেগুলো করছে তা আমাদের পছন্দ নয়। শুধু সেগুলো আমাদের হাতে ছেড়ে দিন। আমরা সেগুলোর সব করব, আমরা আরও বেশি করব, আমরা সেগুলো আরও ভালো করব এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সেগুলো করতে কারো কোনো খরচ হবে না!" ====ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ভাষণ (১৯৩৬)==== :{{w|১৯৩৬ ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন ভাষণ|ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ভাষণ}}, নিউ ইয়র্ক সিটি ([https://www.presidency.ucsb.edu/documents/address-madison-square-garden-new-york-city-1 ৩১ অক্টোবর ১৯৩৬]) * আমাদের শান্তির পুরনো শত্রুদের সাথে লড়াই করতে হয়েছিল — ব্যবসা এবং আর্থিক একচেটিয়া আধিপত্য, ফটকা কারবার, বেপরোয়া [[ব্যাংকিং]], [[শ্রেণী সংঘাত|শ্রেণী শত্রুতা]], আঞ্চলিকতাবাদ, যুদ্ধের মুনাফাখোর। তাঁরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারকে তাঁদের নিজস্ব কাজের একটি নিছক অনুষঙ্গ মনে করতে শুরু করেছিল। আমরা এখন জানি যে '''সংগঠিত অর্থের দ্বারা পরিচালিত সরকার সংগঠিত জনতার দ্বারা পরিচালিত সরকারের মতোই বিপজ্জনক।''' আমাদের সমস্ত ইতিহাসে এর আগে কখনও এই শক্তিগুলো একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে এমনভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়নি যেমনটি তাঁরা আজ দাঁড়িয়েছে। '''আমার প্রতি তাঁদের ঘৃণার বিষয়ে তাঁরা একমত — এবং আমি তাঁদের সেই ঘৃণাকে স্বাগত জানাই।''' * সেইসব নিয়োগকর্তা, রাজনীতিবিদ এবং প্রকাশকরাই যারা শ্রেণী সংঘাত এবং আমেরিকান ব্যবস্থার ধ্বংস নিয়ে সবচেয়ে বেশি উচ্চবাচ্য করেন, তাঁরাই এখন এই দেশের [[মজুরি|শ্রমজীবীদের]] ভোট দিতে বাধ্য করার চেষ্টার মাধ্যমে সেই ব্যবস্থাকে দুর্বল করছেন। এটি ১৯৩৬ সালের সেই পুরনো হুমকির সংস্করণ যে, যদি কোনো বিশেষ প্রার্থী জয়ী না হয় তবে কারখানা বা অফিস বন্ধ করে দেওয়া হবে। এটি অত্যাচারীদের একটি পুরনো কৌশল যার মাধ্যমে তাঁরা তাঁদের শিকারদের প্রতারিত করে তাঁদের হয়ে যুদ্ধ করায়। একটি বেতন খামের ভেতরের প্রতিটি বার্তা, এমনকি তা সত্য হলেও, তা নিয়োগকর্তার ইচ্ছা অনুযায়ী ভোট দেওয়ার একটি আদেশ। কিন্তু এই প্রোপাগান্ডা আরও খারাপ — এটি প্রতারণা। * '''কোনো মানুষই সমস্ত মানুষের রাষ্ট্রপতি—এই উপলব্ধি ছাড়া রাষ্ট্রপতির পদ অলঙ্কৃত করতে পারেন না।''' ====দ্বিতীয় অভিষেক ভাষণ (১৯৩৭)==== :<small>[[s:Franklin Roosevelt's Second Inaugural Address|দ্বিতীয় অভিষেক ভাষণ]] (২০ জানুয়ারি ১৯৩৭)</small> * '''আমাদের অগ্রগতির পরীক্ষা এটি নয় যে আমরা যাঁদের অনেক আছে তাঁদের প্রাচুর্যে আরও কিছু যোগ করি কিনা; বরং এটি হলো আমরা যাঁদের খুব সামান্য আছে তাঁদের জন্য পর্যাপ্ত সংস্থান নিশ্চিত করি কিনা।''' * আমরা সব সময়ই জানি যে কাণ্ডজ্ঞানহীন স্বার্থপরতা ছিল একটি খারাপ নৈতিকতা; আমরা এখন জানি যে এটি একটি খারাপ অর্থনীতি। ====ন্যূনতম মজুরি এবং সর্বোচ্চ কর্মঘণ্টা নির্ধারণ বিষয়ে কংগ্রেসের কাছে বার্তা (১৯৩৭)==== :<small>[http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=15405 ন্যূনতম মজুরি এবং সর্বোচ্চ কর্মঘণ্টা নির্ধারণ বিষয়ে কংগ্রেসের কাছে বার্তা] (২৪ মে ১৯৩৭), যা পরে [[w:ফেয়ার লেবার স্ট্যান্ডার্ডস অ্যাক্ট|ফেয়ার লেবার স্ট্যান্ডার্ডস অ্যাক্টে]] পরিণত হয়।</small> * '''একটি স্বাবলম্বী এবং আত্মমর্যাদাশীল গণতন্ত্র [[শিশু শ্রম|শিশু শ্রমের]] অস্তিত্বের জন্য কোনো যৌক্তিকতা দেখাতে পারে না, শ্রমিকদের [[মজুরি]] কমানোর বা তাঁদের কাজের সময় বাড়ানোর জন্য কোনো অর্থনৈতিক কারণ দেখাতে পারে না।''' * '''প্রবুদ্ধ ব্যবসায়ীরা শিখছেন যে প্রতিযোগিতার ফলে এমন খারাপ সামাজিক ফলাফল হওয়া উচিত নয় যা অনিবার্যভাবে ব্যবসায়ের মুনাফার ওপরই নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। চরম প্রতিক্রিয়াশীলরা ছাড়া সবাই একমত হবেন যে আমাদের জনশক্তির প্রাথমিক সম্পদগুলো সংরক্ষণের জন্য সরকারকে সর্বোচ্চ কর্মঘণ্টা, [[ন্যূনতম মজুরি]], শিশু শ্রমের অভিশাপ এবং অসংগঠিত শ্রমের শোষণের ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে।''' ====কোয়ারেন্টাইন ভাষণ (১৯৩৭)==== :<small>[[s:Quarantine the Aggressor|কোয়ারেন্টাইন ভাষণ]], শিকাগো, ইলিনয় (৫ অক্টোবর ১৯৩৭)</small> [[চিত্র:Emblem of the United Nations.svg|thumb|যাঁরা নিজেদের স্বাধীনতাকে ভালোবাসেন এবং তাঁদের প্রতিবেশীদের স্বাধীন হওয়ার এবং শান্তিতে বসবাস করার সমান অধিকারকে স্বীকৃতি দেন ও সম্মান করেন, তাঁদের অবশ্যই আইন এবং নৈতিক নীতির বিজয়ের জন্য একসাথে কাজ করতে হবে যাতে বিশ্বে শান্তি, ন্যায়বিচার এবং আত্মবিশ্বাস বজায় থাকে।]] [[চিত্র:UN Headquarters 2.jpg|thumb|এমন কোনো জাতি যা সহনশীলতা প্রদর্শন করতে এবং অন্যদের স্বাধীনতা ও অধিকারকে সম্মান করতে অস্বীকার করে, সে দীর্ঘকাল শক্তিশালী থাকতে পারে না এবং অন্য জাতিগুলোর বিশ্বাস ও সম্মান ধরে রাখতে পারে না। কোনো জাতিই তাঁর মতভেদগুলো মিটিয়ে এবং অন্য জাতিগুলোর অধিকারের প্রতি চরম ধৈর্য ও বিবেচনা প্রদর্শন করে তাঁর মর্যাদা বা সুখ্যাতি হারায় না।]] * শান্তিপ্রিয় জাতিগুলোকে অবশ্যই সেইসব চুক্তি লঙ্ঘন এবং মানবিক প্রবৃত্তিগুলোকে উপেক্ষা করার বিরুদ্ধে একযোগে প্রচেষ্টা চালাতে হবে যা আজ আন্তর্জাতিক নৈরাজ্য এবং অস্থিরতার এক পরিস্থিতি তৈরি করছে যেখান থেকে কেবল বিচ্ছিন্নতা বা নিরপেক্ষতার মাধ্যমে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। * '''যাঁরা নিজেদের স্বাধীনতাকে ভালোবাসেন এবং তাঁদের প্রতিবেশীদের স্বাধীন হওয়ার এবং শান্তিতে বসবাস করার সমান অধিকারকে স্বীকৃতি দেন ও সম্মান করেন, তাঁদের অবশ্যই আইন এবং নৈতিক নীতির বিজয়ের জন্য একসাথে কাজ করতে হবে যাতে বিশ্বে শান্তি, ন্যায়বিচার এবং আত্মবিশ্বাস বজায় থাকে।''' প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শব্দের প্রতি, একটি স্বাক্ষরিত চুক্তির মূল্যের প্রতি বিশ্বাসে ফিরে আসতে হবে। জাতীয় নৈতিকতা যে ব্যক্তিগত নৈতিকতার মতোই গুরুত্বপূর্ণ — সেই সত্যকে স্বীকৃতি দিতে হবে। * [[আধুনিকতা|আধুনিক বিশ্বের]] মধ্যে প্রযুক্তিগত এবং নৈতিকভাবে এমন একটি সংহতি এবং আন্তঃনির্ভরশীলতা রয়েছে যা বিশ্বের বাকি অংশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উত্থান-পতন থেকে কোনো জাতির পক্ষে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন করা অসম্ভব করে তোলে, বিশেষ করে যখন এই ধরণের উত্থান-পতন হ্রাস না পেয়ে ছড়িয়ে পড়ছে বলে মনে হয়। '''সকলের দ্বারা অনুসৃত আইন এবং নৈতিক মানদণ্ড ছাড়া জাতির অভ্যন্তরে বা জাতিগুলোর মধ্যে কোনো স্থিতিশীলতা বা শান্তি থাকতে পারে না। আন্তর্জাতিক নৈরাজ্য শান্তির প্রতিটি ভিত্তি ধ্বংস করে দেয়। এটি বড় বা ছোট প্রতিটি জাতির তাৎক্ষণিক বা ভবিষ্যৎ নিরাপত্তাকে বিপন্ন করে।''' তাই আন্তর্জাতিক চুক্তির পবিত্রতা এবং আন্তর্জাতিক নৈতিকতা পুনরুদ্ধার করা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ এবং উদ্বেগের বিষয়। * এটি সত্য যে '''বিশ্বের নৈতিক চেতনাকে অবশ্যই অন্যায় এবং সুপ্রতিষ্ঠিত অভিযোগ দূর করার গুরুত্বকে স্বীকৃতি দিতে হবে; কিন্তু একই সাথে চুক্তির পবিত্রতাকে সম্মান করা, অন্যদের অধিকার ও স্বাধীনতাকে শ্রদ্ধা করা এবং আন্তর্জাতিক আগ্রাসনের অবসান ঘটানোর অপরিহার্য প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে একে জাগ্রত হতে হবে।''' * এটি দুর্ভাগ্যবশত সত্য বলে মনে হয় যে বিশ্বব্যাপী অরাজকতার মহামারী ছড়িয়ে পড়ছে। যখন কোনো শারীরিক রোগের মহামারী ছড়ানো শুরু হয়, তখন সমাজ রোগের বিস্তার থেকে সমাজের স্বাস্থ্য রক্ষা করার জন্য রোগীদের কোয়ারেন্টাইন বা পৃথকীকরণে সম্মত হয় এবং এতে যোগ দেয়। * '''এমন কোনো জাতি যা সহনশীলতা প্রদর্শন করতে এবং অন্যদের স্বাধীনতা ও অধিকারকে সম্মান করতে অস্বীকার করে, সে দীর্ঘকাল শক্তিশালী থাকতে পারে না এবং অন্য জাতিগুলোর বিশ্বাস ও সম্মান ধরে রাখতে পারে না। কোনো জাতিই তাঁর মতভেদগুলো মিটিয়ে এবং অন্য জাতিগুলোর অধিকারের প্রতি চরম ধৈর্য ও বিবেচনা প্রদর্শন করে তাঁর মর্যাদা বা সুখ্যাতি হারায় না।''' * '''যুদ্ধ একটি ছোঁয়াচে রোগ, তা ঘোষিত হোক বা অঘোষিত। এটি শত্রুতার মূল দৃশ্যপট থেকে দূরে থাকা রাষ্ট্র এবং জনগণকে গ্রাস করতে পারে। আমরা যুদ্ধ থেকে দূরে থাকার সংকল্প করেছি, তবুও আমরা যুদ্ধের ধ্বংসাত্মক প্রভাব এবং এতে জড়িয়ে পড়ার বিপদ থেকে নিজেদের নিশ্চিত করতে পারি না।''' আমরা এমন কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করছি যা আমাদের জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেবে, কিন্তু '''অরাজকতার বিশ্বে যেখানে আত্মবিশ্বাস এবং নিরাপত্তা ভেঙে পড়েছে, সেখানে আমরা সম্পূর্ণ সুরক্ষা পেতে পারি না।''' * '''সভ্যতাকে যদি টিকে থাকতে হয়, তবে শান্তির রাজকুমারের (Prince of Peace) নীতিগুলো অবশ্যই পুনরুদ্ধার করতে হবে। জাতিগুলোর মধ্যে ভেঙে পড়া বিশ্বাসকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, শান্তিপ্রিয় জাতিগুলোর পক্ষ থেকে শান্তির ইচ্ছা এমনভাবে ব্যক্ত হতে হবে যাতে যেসব জাতি তাঁদের চুক্তি এবং অন্যদের অধিকার লঙ্ঘন করতে প্রলুব্ধ হতে পারে, তাঁরা সেই কাজ থেকে বিরত থাকে। শান্তি রক্ষার জন্য ইতিবাচক প্রচেষ্টা থাকতে হবে।''' আমেরিকা যুদ্ধকে ঘৃণা করে। আমেরিকা শান্তির আশা করে। তাই আমেরিকা সক্রিয়ভাবে শান্তির সন্ধানে নিযুক্ত থাকে। ====অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ফায়ারসাইড চ্যাট (১৯৩৮)==== :<small>[https://www.historycentral.com/documents/FDRTwelthfireside.html অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এফ.ডি.আর.: ১২তম ফায়ারসাইড ভাষণ], (১৪ এপ্রিল ১৯৩৮)</small> * '''বেশ কয়েকটি অন্য মহান জাতিতে গণতন্ত্র বিলুপ্ত হয়েছে — বিলুপ্ত হয়েছে এই কারণে নয় যে সেই জাতিগুলোর মানুষ গণতন্ত্র অপছন্দ করত, বরং এই কারণে যে তাঁরা বেকারত্ব এবং নিরাপত্তাহীনতায় ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল, সরকারের বিভ্রান্তি এবং দুর্বলতার মুখে অসহায় বসে থেকে নিজেদের সন্তানদের ক্ষুধার্ত দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল — যে দুর্বলতা এসেছিল সরকারের নেতৃত্বের অভাব থেকে। অবশেষে, হতাশ হয়ে তাঁরা কিছু খাবার পাওয়ার আশায় স্বাধীনতা বিসর্জন দেওয়ার পথ বেছে নিয়েছিল।''' আমরা আমেরিকায় জানি যে আমাদের নিজস্ব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষা করা সম্ভব এবং সেগুলোকে কার্যকর করা সম্ভব। কিন্তু সেগুলো রক্ষা করার জন্য আমাদের একসাথে কাজ করতে হবে, সাহসের সাথে জাতির সমস্যাগুলোর মোকাবিলা করতে হবে এবং প্রমাণ করতে হবে যে গণতান্ত্রিক সরকারের ব্যবহারিক কার্যক্রম জনগণের নিরাপত্তা রক্ষার কাজের জন্য উপযুক্ত। ====ফেয়ার লেবার স্ট্যান্ডার্ডস অ্যাক্টে স্বাক্ষরের আগের রাতে ফায়ারসাইড চ্যাট (১৯৩৮)==== :<small>[https://www.presidency.ucsb.edu/documents/fireside-chat-14 ফায়ারসাইড চ্যাট] (২৪ জুন ১৯৩৮), যা ফেয়ার লেবার স্ট্যান্ডার্ডস অ্যাক্টে স্বাক্ষরের আগের রাতে দেওয়া হয়েছিল, যে আইনের মাধ্যমে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি চালু করা হয়েছিল।</small> [[চিত্র:US Capitol during government shutdown; east side; Washington, DC; 2013-10-06.JPG|thumb|আধুনিক পরিস্থিতিতে চলমান সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য সরকারের একটি নিরবচ্ছিন্ন দায়িত্ব রয়েছে এবং সরকার এক বছর, এক মাস বা এমনকি একদিনের জন্য ছুটি নিতে পারে না কেবল এই কারণে যে কিছু লোক আমাদের এই আধুনিক বিশ্বের অনিবার্য গতিতে ক্লান্ত বা ভীত।]] [[চিত্র:Manchester Elm Street 1936 LOC fsa 8a02859.jpg|thumb|একটি নির্বাচন কোনো দেশকে দিকনির্দেশনার দৃঢ় বোধ দিতে পারে না যদি সেই দেশে দুই বা ততোধিক জাতীয় দল থাকে যাদের নাম আলাদা হলেও নীতি ও লক্ষ্যে তাঁরা একই শুঁটির মটরশুঁটির মতোই অভিন্ন।]] [[চিত্র:FDR Memorial wall.jpg|thumb|এমন কোনো সমাজে সাংবিধানিক গণতন্ত্র থাকতে পারে না যা কোনো ব্যক্তিকে তাঁর ইচ্ছামতো কথা বলার এবং উপাসনা করার স্বাধীনতা অস্বীকার করে।]] [[চিত্র:Battle strike 1934.jpg|thumb|সেই বক্তা বা লেখক যিনি জনমতকে প্রভাবিত করার চেষ্টায় শান্ত যুক্তি থেকে অন্যায্য আক্রমণের স্তরে নেমে যান, তিনি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে নিজেরই বেশি ক্ষতি করেন।]] * আমার পক্ষ থেকে অনেক অনুরোধের পর '''কংগ্রেস একটি [[w:ফেয়ার লেবার স্ট্যান্ডার্ডস অ্যাক্ট|ফেয়ার লেবার স্ট্যান্ডার্ডস অ্যাক্ট]] পাস করেছে, যা সাধারণত মজুরি ও কর্মঘণ্টা বিল নামে পরিচিত। সেই আইন''' — যা আন্তঃরাজ্য বাণিজ্যের পণ্যগুলোর ওপর প্রযোজ্য — শিশু শ্রম বন্ধ করে, '''[[মজুরি|মজুরির]] একটি ন্যূনতম স্তর নির্ধারণ করে''' এবং কর্মঘণ্টার ওপর একটি সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে। সম্ভবত সামাজিক নিরাপত্তা আইন বাদে, এটি এপর্যন্ত এই দেশে বা অন্য কোনো দেশে শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য গৃহীত সবচেয়ে সুদূরপ্রসারী ও দূরদর্শী কর্মসূচি। '''নিঃসন্দেহে এটি আমাদের উন্নত জীবনযাত্রার মানের দিকে নিয়ে যায় এবং খামার ও কারখানার পণ্য কেনার জন্য ক্রয়ক্ষমতা বাড়ায়।''' * '''এমন কোনো দুর্যোগ-হাহাকারকারী নির্বাহীকে (যার দৈনিক আয় ১,০০০ ডলার) অনুমতি দেবেন না, যে তার কোম্পানির অবণ্টিত সঞ্চয় রক্ষা করার জন্য তার কর্মচারীদের সরকারি ত্রাণের তালিকায় পাঠাচ্ছে, সে যেন আপনাকে তার ব্যক্তিগত মতামতের ডাকমাশুল পরিশোধ করতে তার শেয়ারহোল্ডারদের টাকা ব্যবহার করে না বলে যে সপ্তাহে ১১.০০ ডলার [[মজুরি]] সমস্ত মার্কিন শিল্পের ওপর বিপর্যয়কর প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে।''' সামগ্রিকভাবে ব্যবসার জন্য এবং সেইজন্য জাতির জন্য সৌভাগ্যক্রমে, সেই ধরনের নির্বাহী বিরল যাদের সাথে অধিকাংশ ব্যবসায়িক নির্বাহী আন্তরিকভাবে দ্বিমত পোষণ করেন। * কংগ্রেস একচেটিয়া আধিপত্য, মূল্য নির্ধারণ এবং বড় ব্যবসা ও মাঝারি আকারের ব্যবসা এবং ক্ষুদ্র ব্যবসার মধ্যে সম্পর্কের বিষয়ে যেকোনো বুদ্ধিদীপ্ত আইনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পেতে — বিজ্ঞ ব্যবসায়িক অনুশীলন সম্পর্কে পরস্পরবিরোধী তত্ত্বের জঙ্গলের মধ্য দিয়ে একটি পথ খুঁজে পেতে একটি তথ্য-সন্ধানী কমিশন গঠন করেছে। '''বিশ্বের একটি বড় অংশের থেকে ভিন্ন, আমরা আমেরিকায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ এবং মুনাফার উদ্দেশ্যে আমাদের বিশ্বাসে অটল থাকি; কিন্তু আমরা উপলব্ধি করি যে আমাদের বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির সাথে যুক্তিসঙ্গত মুনাফার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে ক্রমাগত উন্নত পদ্ধতির সন্ধান করতে হবে, সেইসাথে ব্যক্তিগত উদ্যোগ, সাধারণ মানুষের জন্য সুযোগ, ন্যায্য মূল্য, ভদ্রোচিত [[মজুরি]] এবং অব্যাহত [[কর্মসংস্থান]] নিশ্চিত করতে হবে।''' * কংগ্রেস বুঝতে পেরেছে যে '''আধুনিক পরিস্থিতিতে ক্রমাগত সমস্যার মোকাবিলা করার জন্য সরকারের একটি অব্যাহত দায়িত্ব রয়েছে''', এবং সেইজন্য '''সরকার এক বছর, এক মাস বা এমনকি একদিনের জন্যও ছুটি নিতে পারে না শুধুমাত্র এই কারণে যে কয়েকজন মানুষ এই আধুনিক বিশ্বের অনিবার্য গতিতে ক্লান্ত বা ভীত যেখানে আমরা বাস করি।''' * আমি এখনও নিশ্চিত যে ১৯৩২ সাল থেকে আমেরিকার জনগণ ব্যক্তিগত উদ্যোগ এবং এর সাথে সরকারের সম্পর্কের ক্ষেত্রে '''দুটি অপরিহার্য বিষয়ের ওপর জোর দিয়ে চলেছে। প্রথমটি হলো অন্যের অর্থের ব্যবহারের দেখভাল করার ক্ষেত্রে এবং অর্থ প্রদানের ক্ষমতা অনুযায়ী ব্যক্তিগত ও কর্পোরেট কর বণ্টন ও প্রদানের ক্ষেত্রে শীর্ষ পর্যায়ে সম্পূর্ণ সততা। দ্বিতীয়টি হলো নিচের স্তরের সবার কাজ পাওয়ার প্রয়োজনের প্রতি আন্তরিক সম্মান — এবং কাজের মাধ্যমে জীবনের ভালো জিনিসগুলোর একটি সত্যিই ন্যায্য অংশ পাওয়ার এবং সঞ্চয় করার ও উপরে ওঠার সুযোগ পাওয়া।''' * '''একটি নির্বাচন কোনো দেশকে নির্দেশনার দৃঢ় বোধ দিতে পারে না যদি এতে দুই বা ততোধিক জাতীয় দল থাকে যাদের কেবল নাম আলাদা কিন্তু তাদের নীতি ও লক্ষ্যগুলোতে তারা একই শুঁটির মটরের মতো একরকম।''' * আমি অবশ্যই কোনো স্টেট প্রাইমারিতে কোনো প্রার্থীর প্রতি কেবল এই কারণে অগ্রাধিকার দেখাব না যে একজন প্রার্থী, অন্যথায় দৃষ্টিভঙ্গিতে উদার হলেও, কোনো একক বিষয়ে আমার সাথে সচেতনভাবে ভিন্নমত পোষণ করেছেন। '''বর্তমান দিনের সমস্যাগুলোর প্রতি প্রার্থীর সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি এবং একটি বাস্তবসম্মত উপায়ে ব্যবহারিক প্রয়োজনের সমাধান করার তার নিজস্ব অভ্যন্তরীণ আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে আমি অনেক বেশি উদ্বিগ্ন থাকব।''' আমরা সবাই জানি যে অগ্রগতি স্পষ্টবাদী প্রতিক্রিয়াশীলদের দ্বারা বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং তাদের দ্বারাও যারা একটি প্রগতিশীল উদ্দেশ্যের প্রতি "হ্যাঁ" বলে, কিন্তু যারা সেই উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য যেকোনো নির্দিষ্ট প্রস্তাবের বিরোধিতা করার জন্য সর্বদা কোনো না কোনো কারণ খুঁজে পায়। আমি সেই ধরনের প্রার্থীকে "হ্যাঁ, কিন্তু" লোক বলি। * এবং আমি আমেরিকান নাগরিকদের শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হওয়ার এবং গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও অর্থনৈতিক ইস্যুতে জনসমক্ষে তাদের মতামত ও অভিমত প্রকাশ করার অধিকারের ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বা তার পৃষ্ঠপোষকদের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে উদ্বিগ্ন। '''এমন কোনো সম্প্রদায়ে কোনো [[সাংবিধানিক গণতন্ত্র]] থাকতে পারে না যা ব্যক্তিকে তার ইচ্ছা অনুযায়ী কথা বলার এবং উপাসনা করার স্বাধীনতা অস্বীকার করে।''' আমেরিকান জনগণ এমন কারও দ্বারা প্রতারিত হবে না যারা দেশপ্রেমের ভান করে ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে দমন করার চেষ্টা করে। এটি একটি '''মুক্ত দেশ এবং এখানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে — বিশেষ করে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা — তাই এখন থেকে [[w:নির্বাচনের দিন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|নির্বাচনের দিন]] পর্যন্ত অনেক হীন আঘাত আসবে। "আঘাত" বলতে আমি ভুল উপস্থাপন, ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং কুসংস্কারের কাছে আবেদন বোঝাতে চাই। এটি অনেক ভালো হতো''', অবশ্যই, '''যদি সব জায়গায় প্রচারণা আঘাতের বদলে যুক্তি দিয়ে চালানো যেত।''' * '''দশটি ক্ষেত্রের মধ্যে নয়টিতেই সেই বক্তা বা লেখক যে জনমতকে প্রভাবিত করতে চায়, সে শান্ত যুক্তি থেকে অন্যায্য আঘাতে নেমে এসে নিজের প্রতিপক্ষর চেয়ে নিজের বেশি ক্ষতি করে।''' <br/> চীনদের এ নিয়ে একটি গল্প আছে — তিন বা চার হাজার বছরের সভ্যতার ওপর ভিত্তি করে একটি গল্প: '''দুজন [[চীনা]] কুলি ভিড়ের মধ্যে উত্তপ্ত তর্ক করছিল। একজন আগন্তুক অবাক হয়ে দেখল যে কোনো আঘাত করা হচ্ছে না। তার চীনা বন্ধু উত্তর দিল: "যে ব্যক্তি প্রথমে আঘাত করে সে স্বীকার করে নেয় যে তার চিন্তাভাবনা ফুরিয়ে গেছে।"''' ==== গেটিসবার্গ যুদ্ধক্ষেত্রের স্মৃতিস্তম্ভ উৎসর্গ অনুষ্ঠানে ভাষণ (১৯৩৮) ==== :<small>[http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=15669&st=&st1= গেটিসবার্গ যুদ্ধক্ষেত্রের স্মৃতিস্তম্ভ উৎসর্গ অনুষ্ঠানে ভাষণ], [[w:গেটিসবার্গ, পেনসিলভেনিয়া]] (৩ জুলাই ১৯৩৮)</small> [[চিত্র:Battle of Gettysburg, by Currier and Ives.png|থাম্ব|[[আব্রাহাম লিঙ্কন|লিঙ্কন]] এই পুরনো যুদ্ধে সর্বাধিনায়ক ছিলেন; তিনি সবকিছুর উপরে নতুন শান্তির সর্বাধিনায়ক হতে চেয়েছিলেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে যুদ্ধ হতে হবে; যখন প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি কোনো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া হয়, তখন জনগণকে আত্মরক্ষার্থে তা গ্রহণ করতে হবে; সেই লড়াইকে এমন একটি স্পষ্ট সিদ্ধান্তের মাধ্যমে লড়তে হবে যা অপরিবর্তনীয় হিসেবে স্বীকৃত হয়।]] [[চিত্র:LincolnMemorialStatueNight.JPG|থাম্ব|কিন্তু লিঙ্কন এটিও বুঝতে পেরেছিলেন যে এমন সিদ্ধান্তের পর, একটি গণতন্ত্রকে নতুন ঐক্যের মাধ্যমে শান্তি অন্বেষণ করা উচিত। কারণ একটি গণতন্ত্র কেবল তখনই বেঁচে থাকতে পারে যদি পুরনো সমস্যাগুলোর নিষ্পত্তি নতুন দায়িত্ব মোকাবিলা করার পথ পরিষ্কার করে এবং শক্তিকে সেই পথে স্থানান্তরিত করে।]] * এক প্রজন্মের একজন রাষ্ট্রনায়ক অন্য প্রজন্মের সংকটকে কীভাবে অতিক্রম করবেন তা ভেবে দেখা খুব কমই কাজে লাগে। '''একজন রাষ্ট্রনায়ক বাস্তব অসুবিধাগুলো নিয়ে কাজ করেন — সেই জিনিসগুলো নিয়ে যা দিনের পর দিন করতে হয়। খুব কমই তিনি সুদূর ভবিষ্যতের জন্য সচেতন কোনো রূপরেখা তৈরি করতে পারেন।''' কিন্তু [[আব্রাহাম লিঙ্কন|লিঙ্কনের]] প্রকৃতির বিশালতা এবং ঘটনাপ্রবাহ তার প্রেসিডেন্সির ওপর যে মৌলিক সংঘাত চাপিয়ে দিয়েছিল, তা আমাদের সাহায্যের জন্য সর্বদা তার কাছে ফিরে যেতে আমন্ত্রিত করে। কারণ পঁচাত্তর বছর আগে গেটিসবার্গে তিনি এখানে যে '''ইস্যুটিকে''' পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন, তা এই জাতির সামনে একটি অব্যাহত ইস্যু হিসেবে থাকবে যতক্ষণ না আমরা সেই উদ্দেশ্যগুলোকে আঁকড়ে ধরে থাকব যার জন্য এই জাতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল — প্রতিটি প্রজন্মের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জনগণের মঙ্গলের জন্য জনগণের সরকার রক্ষা করা। * কাজটি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন রূপ নেয়। '''কখনও কখনও জনমুখী সরকারের প্রতি হুমকি রাজনৈতিক স্বার্থ থেকে আসে, কখনও কখনও অর্থনৈতিক স্বার্থ থেকে, কখনও কখনও আমাদের এই সবগুলোকে একসাথে মোকাবিলা করতে হয়। কিন্তু চ্যালেঞ্জটি সর্বদা একই — প্রতিটি প্রজন্ম তার নিজস্ব পরিস্থিতির মোকাবিলা করে সেই বাস্তব নিষ্ঠা আহ্বান করতে পারে কি না যাতে করে বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য সেই মহত্তম কল্যাণ অর্জন এবং ধরে রাখা যায় যা নিশ্চিত করার জন্য এই জনগণের সরকার তৈরি করা হয়েছিল।''' * লিঙ্কন এই ময়দানে যারা যুদ্ধ করেছিলেন তাদের সবার সান্ত্বনার জন্য কথা বলেছিলেন; এবং বছরগুলো তাদের ক্ষতের ওপর প্রলেপ দিয়েছে। যারা নীল পোশাক পরেছিলেন এবং যারা ধূসর পোশাক পরেছিলেন তারা এখানে একসাথে আছেন, সময়ের হাত থেকে বেঁচে যাওয়া এক ক্ষুদ্র অংশ। পুরনো বিভক্ত আনুগত্যের স্মৃতি তাদের এখানে নিয়ে এসেছে, কিন্তু তারা এখানে একটি ঐক্যবদ্ধ আদর্শের প্রতি ঐক্যবদ্ধ আনুগত্যে মিলিত হয়েছে যা উন্মোচিত বছরগুলো দেখা সহজ করে তুলেছে। তাদের সবাইকে আমরা সম্মান জানাই, তারা তখন কোন পতাকার নিচে যুদ্ধ করেছিলেন তা জিজ্ঞাসা না করেই — তারা এখন এক পতাকার নিচে দাঁড়িয়ে আছেন বলে কৃতজ্ঞ। '''লিঙ্কন এই পুরনো যুদ্ধে সর্বাধিনায়ক ছিলেন; তিনি সবকিছুর উপরে নতুন শান্তির সর্বাধিনায়ক হতে চেয়েছিলেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে যুদ্ধ হতে হবে; যখন প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি কোনো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া হয়, তখন জনগণকে আত্মরক্ষার্থে তা গ্রহণ করতে হবে; সেই লড়াইকে এমন একটি স্পষ্ট সিদ্ধান্তের মাধ্যমে লড়তে হবে যা অপরিবর্তনীয় হিসেবে স্বীকৃত হয়।''' * '''কিন্তু লিঙ্কন এটিও বুঝতে পেরেছিলেন যে এমন সিদ্ধান্তের পর, একটি গণতন্ত্রকে নতুন ঐক্যের মাধ্যমে শান্তি অন্বেষণ করা উচিত। কারণ একটি গণতন্ত্র কেবল তখনই বেঁচে থাকতে পারে যদি পুরনো সমস্যাগুলোর নিষ্পত্তি নতুন দায়িত্ব মোকাবিলা করার পথ পরিষ্কার করে এবং শক্তিকে সেই পথে স্থানান্তরিত করে। সেই প্রচেষ্টায় তার যতটা সক্ষমতা এবং উদ্দেশ্য প্রয়োজন, তা সে কখনই পর্যাপ্ত পরিমাণে পেতে পারে না; যুদ্ধের অবসান সেই প্রয়োজনগুলোর অসীমতাকে শেষ করে দেয় না। এই কারণেই লিঙ্কন — একটি সেনাবাহিনীর পাশাপাশি একটি জনগণেরও অধিনায়ক — চেয়েছিলেন যে তার যুদ্ধ যেন শেষ হয় "কারও প্রতি বিদ্বেষ না রেখে, সবার প্রতি উদারতা রেখে।"''' * তার পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষতির কারণ হিসেবে লিঙ্কনের আবেদন দীর্ঘকাল ধরে অস্বীকার করা হয়েছিল। নতুন ঐক্য স্বীকৃত বাস্তবে পরিণত হওয়ার আগে একটি প্রজন্ম অতিবাহিত হয়েছিল। পরবর্তী বছরগুলোতে নতুন চাহিদার উদ্ভব হয়েছিল এবং তাদের সাথে নতুন কাজ, যা তাদের জটিলতায়, তিক্ততায় এবং বিবাদের ধরণে বিশ্বব্যাপী ছিল। এখানে আমাদের ভূমিতে আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই যে, যুদ্ধ এড়িয়ে আমরা সংবিধানের অধীনে জনমুখী সরকারের শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্য অর্জন করতে চাইছি। '''এটি আরেকটি সংঘাত, লিঙ্কনের মতো একটি মৌলিক সংঘাত, যা তলোয়ারের ঝনঝনানি দিয়ে নয়, বরং হাজার হাজার ফ্রন্টে যুক্তি এবং ন্যায়বিচারের আবেদনের সাথে লড়া হচ্ছে — আমাদের অভিন্ন দেশের জন্য সুযোগ এবং একটি মুক্ত সমাজে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাইছে। আমরা এই যুদ্ধে জয়ের কাছাকাছি আছি। এর জয়ে এবং বছরগুলোর মধ্য দিয়ে আমরা যেন আব্রাহাম লিঙ্কনের হৃদয়ের প্রজ্ঞা এবং মানবতার আদর্শে বেঁচে থাকতে পারি।''' ====চ্যাপেল হিল, নর্থ ক্যারোলিনা, ইউনিভার্সিটি অফ নর্থ ক্যারোলিনাতে ভাষণ। ৫ ডিসেম্বর, ১৯৩৮==== :<small>[https://archive.org/details/4926315.1938.001.umich.edu দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট উইথ আ স্পেশাল ইন্ট্রোডাকশন অ্যান্ড এক্সপ্লানেটরি নোটস বাই প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট ১৯৩৮ ভলিউম দ্য কন্টিনিউইং স্ট্রাগল ফর লিবারেলিজম দ্য ম্যাকমিলান কোম্পানি • নিউ ইয়র্ক • ১৯৪১, ১৫২ "উই আর নট অনলি দ্য লার্জেস্ট অ্যান্ড মোস্ট পাওয়ারফুল ডেমোক্রেসি ইন দ্য হোল ওয়ার্ল্ড, বাট মেনি আদার ডেমোক্রেসিস লুক টু আস ফর লিডারশিপ দ্যাট ওয়ার্ল্ড ডেমোক্রেসি মে সারভাইভ।" অ্যাড্রেস অ্যাট ইউনিভার্সিটি অফ নর্থ ক্যারোলিনা, চ্যাপেল হিল, নর্থ ক্যারোলিনা। ডিসেম্বর ৫, ১৯৩৮, পৃষ্ঠা ৬১৪-৬১৫]</small> * সেই দিনগুলোতে, ১৯১৩ এবং ১৯১৪ সালে, জাতির নেতৃত্ব ছিল একজন মহান রাষ্ট্রপতির হাতে, যিনি আমাদের সামাজিক ব্যবস্থার জন্য সেই ভিত্তি পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করছিলেন যা তার রক্ষণশীল পূর্বসূরির অধীনে হারিয়ে গিয়েছিল, এবং উদারনৈতিক সংগ্রামের সেই চেতনাকে পুনরুদ্ধার করতে চেয়েছিলেন যা জাতি থিওডোর রুজভেল্টের অধীনে অর্জন করেছিল। এটি আমাদের অন্যতম বড় জাতীয় ট্র্যাজেডি বলে মনে হয়েছিল যে, ঠিক যখন উড্রো উইলসন আমেরিকার জীবনযাত্রার মানদণ্ডে সুনির্দিষ্ট উন্নতি অর্জনে সফল হতে শুরু করেছিলেন, তখন বিশ্বযুদ্ধ কেবল তার পথকেই ব্যাহত করেনি, বরং বারো বছরের পশ্চাদপসরণের ভিত্তি তৈরি করেছিল। আমি এটি জেনেশুনেই বলছি কারণ এটি অগ্রগতি নয়, বরং উল্টোটা, যখন একটি জাতি বিশের দশকের উন্মাদনার মধ্য দিয়ে যায়, কাগজের মুনাফা জমা করে, সব ধরনের ফটকা কারবার করে এবং অনিবার্যভাবে সেই দিনে এসে পৌঁছায় যখন বুদ্বুদ ফেটে যায়। * এই পৃথিবীতে কেবল চিন্তাশীলতাহীন উদারপন্থীরাই উদারনৈতিক অগ্রগতির ধীর গতি বা সাময়িক থেমে যাওয়াতে কেবল ট্র্যাজেডি ছাড়া আর কিছুই দেখতে পায় না। * কেবল চিন্তাশীলতাহীন রক্ষণশীলরাই তাদের হৃদয়ের গভীরে আনন্দিত হয় যখন কোনো সামাজিক বা অর্থনৈতিক সংস্কার শতভাগ সফল হতে ব্যর্থ হয়। * কেবল "শিরোনাম-সর্বস্ব" মানসিকতার অধিকারীরাই এই জাতির মানুষের প্রকৃত উদ্দেশ্যগুলোকে অতিরঞ্জিত বা বিকৃত করে, তারা নর্থ ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্টই হোক বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টই হোক, যারা বিচারপতি কারডোজোর সাথে পরিবর্তনের বাস্তবতাকে স্বীকার করেন এবং ঈশ্বরের বৃহত্তর মহিমা ও মানবজাতির বৃহত্তর মঙ্গলের জন্য পরিবর্তনকে সঠিক পথে পরিচালিত করার চেষ্টা করেন। * তোমরা যারা স্নাতক শিক্ষার্থীরা আমাকে প্রথমবার দেখছ, তোমরা সংবাদপত্র পড়েছ এবং শুনেছ যে আমি অন্তত একজন দৈত্য — যারা কমিউনিস্টদের সাথে মেলামেশা করে, ধনীদের ধ্বংসকারী, আমাদের প্রাচীন ঐতিহ্যের ভঙ্গকারী। তোমাদের কেউ কেউ হয়তো আমাকে অর্থনৈতিক রয়্যালিস্ট, দুষ্টু ইউটিলিটি, মন্দিরের অর্থ পরিবর্তনকারীদের উদ্ভাবক হিসেবে মনে করো। তোমরা ছয় বছর ধরে শুনেছ যে আমি জাতিকে যুদ্ধের মধ্যে ঠেলে দিতে চলেছি; যে তোমাদের এবং তোমাদের ছোট ভাইদের ইউরোপের রক্তাক্ত যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হবে; যে আমি জাতিকে দেউলিয়া করে ফেলছি; এবং আমি প্রতিদিন সকালে "গ্রিলড মিলিয়নেয়ারের" নাস্তা করি। (হাসি) * আসলে আমি অত্যন্ত মৃদু স্বভাবের মানুষ — শান্তিপ্রিয়, দেশি ও বিদেশি উভয় ক্ষেত্রেই, পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় বিশ্বাসী, এবং আমার নাস্তায় আমি স্ক্র্যাম্বলড ডিমের ভক্ত। (হাসি) * তোমরা পড়েছ যে গত নভেম্বরের নির্বাচনের ফলে, যুক্তরাষ্ট্রের উদারপন্থী শক্তিগুলো কবরস্থানের দিকে এগিয়ে চলেছে — তবুও আমি তোমাদের মনে রাখতে বলছি যে যুক্তরাষ্ট্রের উদারপন্থী শক্তিগুলোকে প্রায়শই হত্যা করা হয়েছে এবং সমাহিত করা হয়েছে, যার অনিবার্য ফলাফল এই যে অল্প সময়ের মধ্যেই তারা আগের চেয়েও বেশি শক্তি নিয়ে পুনর্জীবিত হয়েছে। ====প্যান আমেরিকান ইউনিয়নের গভর্নিং বোর্ডের উদ্দেশ্যে ভাষণ (১৯৩৯)==== :<small>[http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=15740 অ্যাড্রেস টু দ্য গভর্নিং বোর্ড অফ দ্য প্যান আমেরিকান ইউনিয়ন], (১৪ এপ্রিল ১৯৩৯)</small> * এমন কোনো অমোঘ ভাগ্য নেই যা পুরোনো বিশ্বকে নতুন বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেয়। '''মানুষ ভাগ্যের বন্দী নয়, বরং কেবল তাদের নিজস্ব মনের বন্দী।''' তাদের নিজেদের মধ্যেই যেকোনো মুহূর্তে স্বাধীন হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। ===১৯৪০-এর দশক=== [[চিত্র:Don't slow up the ship^ Avoid time off^ Avoid time out^ - NARA - 535132.jpg|thumb|আমরা একটি জীবনযাত্রাকে রক্ষা করি এবং গড়ে তুলি, কেবল আমেরিকার জন্য নয়, বরং [[মানবজাতি|সকল]] [[মানবজাতি|মানবজাতির]] জন্য।]] [[চিত্র:Bust of Young Franklin Delano Roosevelt - FDR Presidential Library & Museum - Hyde Park - New York - USA (7078542053).jpg|thumb|অতীতের রেকর্ডগুলোকে একত্রিত করতে এবং সেগুলোকে এমন ভবনে সংরক্ষণ করতে যেখানে সেগুলো ভবিষ্যতের নারী ও পুরুষদের ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত থাকবে, একটি জাতিকে তিনটি বিষয়ে বিশ্বাস রাখতে হবে। একে অতীতে বিশ্বাস রাখতে হবে। একে ভবিষ্যতে বিশ্বাস রাখতে হবে। সর্বোপরি, একে তার নিজের জনগণের সক্ষমতায় বিশ্বাস রাখতে হবে যাতে তারা অতীত থেকে শিখতে পারে এবং তাদের নিজস্ব ভবিষ্যৎ তৈরির ক্ষেত্রে বিচারবুদ্ধি অর্জন করতে পারে।]] [[চিত্র:Franklin and Eleanor Roosevelt Statues.JPG|thumb|মানুষের উচিত নিজের জন্য এবং তাদের নিজস্ব অধ্যয়নের মাধ্যমে, তাদের সর্বোত্তম স্বার্থ নির্ধারণ করা, না কি কিছু তথাকথিত তথ্যের ওপর নির্ভর করা যা তাদের ওপর এমন কিছু স্ব-ঘোষিত নেতারা চাপিয়ে দেয় যারা সিদ্ধান্ত নেয় তাদের জন্য কী ভালো।]] [[চিত্র:United Nations Headquarters in New York City, view from Roosevelt Island.jpg|thumb|বিশ্ব শান্তির কাঠামো একজন মানুষের, বা একটি দলের, বা একটি জাতির কাজ হতে পারে না। এটি এমন একটি শান্তি হতে হবে যা সমগ্র বিশ্বের সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার ওপর নির্ভর করে। [...] শান্তি ততক্ষণই টিকে থাকতে পারে যতক্ষণ না মানবজাতি সত্যিই এটি দাবি করে, এবং এর জন্য কাজ করতে ইচ্ছুক হয়—এবং এর জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে ইচ্ছুক হয়।]] * [[রেড আর্মি|রুশ সেনাবাহিনী]] অক্ষশক্তির অন্য ২৫টি দেশের সম্মিলিত শক্তির চেয়ে বেশি অক্ষশক্তির কর্মীদের হত্যা করছে এবং তাদের সরঞ্জাম ধ্বংস করছে। ** [https://www.herald.co.zw/wwii-why-russia-remembers-the-victory/ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: কেন রাশিয়া বিজয়কে স্মরণ করে], দ্য হেরাল্ড পত্রিকায় উদ্ধৃত। * যদি ঈশ্বরের চেতনা আমাদের মধ্যে না থাকে, এবং যদি আমরা আমাদের দেশে [[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টীয় সভ্যতা]] সংরক্ষণের জন্য আমাদের যা কিছু আছে এবং আমরা যা কিছু, তা উৎসর্গ করার জন্য প্রস্তুত না হই, তবে আমরা ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাব। ** গ্রেট স্মোকি মাউন্টেনস ন্যাশনাল পার্কের উদ্বোধনী ভাষণ, ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪০ * '''আমি চাই না এই বিশ্ব বিপর্যয়ের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে একজনও যুদ্ধ-ধনী তৈরি হোক।''' ** রাষ্ট্রপতির প্রেস কনফারেন্স (২১ মে ১৯৪০), ''কমপ্লিট প্রেসিডেন্সিয়াল প্রেস কনফারেন্সেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট'', ভলিউম ১৫-১৬ (দা কাপো প্রেস, ১৯৭২) * আমরা খ্রিস্টানবিরোধী আগ্রাসনের শক্তির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকি, যা বাইরে থেকে আমাদের আক্রমণ করতে পারে, এবং অজ্ঞতা ও ভয়ের শক্তির বিরুদ্ধেও, যা ভেতর থেকে আমাদের কলুষিত করতে পারে। ** ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ভাষণ, ২৮ অক্টোবর, ১৯৪০ * আমার মনে হয় যে '''একটি লাইব্রেরির উদ্বোধন নিজেই একটি বিশ্বাসের কাজ।''' ** ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট লাইব্রেরি, হাইড পার্ক, নিউ ইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বোধনী বক্তব্য (৩০ জুন, ১৯৪১)। [https://web.archive.org/web/20120531110501/http://docs.fdrlibrary.marist.edu/php63041.html ৩০ জানুয়ারি, ২০২১-এ মূল থেকে সংরক্ষিত।] * '''অতীতের রেকর্ডগুলোকে একত্রিত করতে এবং সেগুলোকে এমন ভবনে সংরক্ষণ করতে যেখানে সেগুলো ভবিষ্যতের নারী ও পুরুষদের ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত থাকবে, একটি জাতিকে তিনটি বিষয়ে বিশ্বাস রাখতে হবে। একে অতীতে বিশ্বাস রাখতে হবে। একে ভবিষ্যতে বিশ্বাস রাখতে হবে। সর্বোপরি, একে তার নিজের জনগণের সক্ষমতায় বিশ্বাস রাখতে হবে যাতে তারা অতীত থেকে শিখতে পারে এবং তাদের নিজস্ব ভবিষ্যৎ তৈরির ক্ষেত্রে বিচারবুদ্ধি অর্জন করতে পারে।''' ** ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট লাইব্রেরি, হাইড পার্ক, নিউ ইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বোধনী বক্তব্য (৩০ জুন, ১৯৪১)। [https://web.archive.org/web/20120531110501/http://docs.fdrlibrary.marist.edu/php63041.html ৩০ জানুয়ারি, ২০২১-এ মূল থেকে সংরক্ষিত।] * '''গণতন্ত্রের মধ্যে''', আমি মনে করি বিশ্বের সমস্ত লিপিবদ্ধ ইতিহাস জুড়ে, '''লাইব্রেরি এবং [[জাদুঘর|জাদুঘরের]] মতো স্থায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো সকল মানুষের ব্যবহারের জন্য গড়ে তোলা সমৃদ্ধ হয়। এবং এটি আমাদের নিজের দেশে বিশেষ করে সত্য, কারণ আমরা বিশ্বাস করি যে মানুষের উচিত নিজের জন্য এবং তাদের নিজস্ব অধ্যয়নের মাধ্যমে তাদের সর্বোত্তম স্বার্থ নির্ধারণ করা, না কি কিছু তথাকথিত তথ্যের ওপর নির্ভর করা যা তাদের ওপর এমন কিছু স্ব-ঘোষিত নেতারা চাপিয়ে দেয় যারা সিদ্ধান্ত নেয় তাদের জন্য কী ভালো।''' * আপনার সরকারের কাছে আরেকটি নথিপত্র রয়েছে, যা [[জার্মানি|জার্মানিতে]] [[নাৎসিবাদ|হিটলারের সরকার]] তৈরি করেছে... '''এটি এমন একটি পরিকল্পনা যা বিদ্যমান সকল ধর্মকে বিলুপ্ত করবে — [[ক্যাথলিক চার্চ|ক্যাথলিক]], [[প্রোটেস্ট্যান্টবাদ|প্রোটেস্ট্যান্ট]], [[ইসলাম|ইসলাম]], [[হিন্দুধর্ম|হিন্দু]], [[বৌদ্ধধর্ম|বৌদ্ধ]] এবং [[ইহুদি ধর্ম|ইহুদি ধর্ম]] সমানভাবে।'''' সমস্ত [[গির্জা|গির্জার]] সম্পত্তি রাইখ এবং এর পুতুল সরকার দ্বারা দখল করা হবে। ক্রুশ এবং ধর্মের অন্যান্য সমস্ত প্রতীক নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে। [[পুরোহিত|ধর্মযাজকদের]] চিরতরে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে, [[কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প|কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের]] হুমকির মুখে তাদের স্তব্ধ করে দেওয়া হবে, যেখানে এখনও অনেক নির্ভীক মানুষকে নির্যাতন করা হচ্ছে কারণ তারা [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] উপরে ঈশ্বরকে স্থান দিয়েছেন। ** ভাষণ: “নেভি অ্যান্ড টোটাল ডিফেন্স ডে অ্যাড্রেস” (২৭ অক্টোবর, ১৯৪১), রুজভেল্ট, ডি. ফ্র্যাঙ্কলিন, ''পাবলিক পেপারস অফ দ্য প্রেসিডেন্টস অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'' (১৯৪১) ভলিউম ১০, পৃষ্ঠা ৪৪০ * '''আমরা একটি জীবনযাত্রাকে রক্ষা করি এবং গড়ে তুলি, কেবল আমেরিকার জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির জন্য।''' ** জাতীয় প্রতিরক্ষার বিষয়ে ফায়ারসাইড চ্যাট (২৬ মে, ১৯৪০), ''দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪০'' (১৯৪১)-এ প্রতিবেদিত, পৃষ্ঠা ২৪০ * ১৯৪০ সালের ১০ই জুন তারিখে, যে হাতটি ছোরা ধরেছিল, তা তার প্রতিবেশীর পিঠে তা গেঁথে দিয়েছে। ** সেই দিনে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ইতালির যুদ্ধ ঘোষণার কথা উল্লেখ করে, ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, শার্লটসভিলে সমাবর্তন বক্তৃতার সময় (১০ জুন, ১৯৪০); ''দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪০'' (১৯৪১)-এ প্রতিবেদিত, পৃষ্ঠা ২৬৩ * সকল স্বাধীন মানুষ [[গ্রিস|গ্রীক জাতির]] সাহস এবং দৃঢ়তায় গভীরভাবে প্রভাবিত। ** গ্রিসের রাজা জর্জের কাছে চিঠি (৫ ডিসেম্বর ১৯৪০) * '''আমাদের সকল নাগরিকের [[নাগরিক অধিকার]] এবং নাগরিক স্বাধীনতা কঠোরভাবে রক্ষা করতে হবে, তাদের পটভূমি যা-ই হোক না কেন। আমাদের মনে রাখতে হবে যে যেকোনো নিপীড়ন, যেকোনো অবিচার, যেকোনো ঘৃণা হলো একটি কীলক, যা আমাদের সভ্যতাকে আক্রমণ করার জন্য তৈরি।''' ** [[wikisource:Greeting to the American Committee for Protection of Foreign-born. January 9, 1940|আমেরিকান কমিটি ফর প্রোটেকশন অফ ফরেন-বর্ন-এর উদ্দেশ্যে অভিবাদন]] (৯ জানুয়ারি ১৯৪০); পরবর্তীতে [[w:ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট মেমোরিয়াল|ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট মেমোরিয়ালে]] খোদাই করা হয়েছে। * '''আমাদের গণতন্ত্রের মহান অস্ত্রাগার হতে হবে।''' ** জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ে ফায়ারসাইড চ্যাট, ওয়াশিংটন, ডি.সি. (২৯ ডিসেম্বর ১৯৪০) * আজ সমগ্র বিশ্ব বিভক্ত: মানব দাসত্ব এবং মানব স্বাধীনতার মধ্যে - পৌত্তলিক নিষ্ঠুরতা এবং খ্রিস্টীয় আদর্শের মধ্যে। আমরা মানব স্বাধীনতাকে বেছে নিই, যা হলো খ্রিস্টীয় আদর্শ। ** ২৭ মে, ১৯৪১-এ প্রদত্ত ভাষণ * আজকের দিনে - এই আমেরিকান ছুটিতে - আমরা স্বাধীন শ্রমজীবী মানুষ এবং নারীদের অধিকার উদযাপন করছি। এই অধিকারগুলো সংরক্ষণ করা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কেবল আমাদের জন্য যারা এগুলো উপভোগ করি তাদের জন্যই নয় - বরং খ্রিস্টীয় সভ্যতার সামগ্রিক ভবিষ্যতের জন্য। ** শ্রম দিবসে ভাষণ, ১ সেপ্টেম্বর ১৯৪১ * '''[[জার্মান সেনাবাহিনী|নাৎসি বাহিনী]] ঔপনিবেশিক মানচিত্রে বা ইউরোপের ছোটখাটো সীমানায় কেবল সামান্য পরিবর্তনের সন্ধান করছে না। তারা প্রকাশ্যে প্রতিটি মহাদেশে — আমাদের নিজেদের দেশসহ — সমস্ত [[নির্বাচন|নির্বাচনী শাসন ব্যবস্থার]] ধ্বংস চায়; তারা এমন [[শাসন ব্যবস্থা|শাসন ব্যবস্থা]] প্রতিষ্ঠা করতে চায় যা মুষ্টিমেয় শাসকদের দ্বারা সমস্ত মানুষের কঠোর শৃঙ্খলার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যারা জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল করেছে। এই মানুষগুলো এবং তাদের সম্মোহিত অনুসারীরা একে একটি নতুন শৃঙ্খলা বলে। এটি নতুন নয়। এটি শৃঙ্খলাও নয়।''' ** হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক ডিনারে ভাষণ, ওয়াশিংটন, ডি.সি. (১৫ মার্চ ১৯৪১)। একটি অনুরূপ (কিন্তু বিভ্রান্তিকর 'উদ্ধৃতি') ওয়াশিংটনের [[w:ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট মেমোরিয়ালে|এফডিআর মেমোরিয়ালে]] খোদাই করা হয়েছে, যাতে বলা হয়েছে "তারা (যারা) মুষ্টিমেয় শাসকের দ্বারা সমস্ত মানুষের শৃঙ্খলার ওপর ভিত্তি করে শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়... একে একটি নতুন শৃঙ্খলা বলে। এটি নতুন নয় এবং এটি শৃঙ্খলা নয়"। * যদি এমন কেউ থাকেন যিনি এখনও ভাবছেন যে কেন এই যুদ্ধ লড়াই করা হচ্ছে, তবে তাকে [[নরওয়ে|নরওয়ের]] দিকে তাকাতে দিন। যদি এমন কেউ থাকেন যার কোনো বিভ্রম আছে যে এই যুদ্ধ এড়ানো যেত, তবে তাকে নরওয়ের দিকে তাকাতে দিন; এবং যদি এমন কেউ থাকেন যিনি জয়ের জন্য গণতান্ত্রিক ইচ্ছাকে সন্দেহ করেন, আমি আবার বলছি, তাকে নরওয়ের দিকে তাকাতে দিন। ** ওয়াশিংটন নেভি ইয়ার্ডে ভাষণ (১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৪২) * আমি বলতে পারি যে আমি [[জোসেফ স্ট্যালিন|মার্শাল স্ট্যালিনের]] সাথে 'খুব ভালোভাবেই মানিয়ে নিয়েছিলাম'। তিনি এমন একজন মানুষ যিনি প্রচণ্ড, নিরলস সংকল্পের সাথে দৃঢ় হাস্যরসকে একত্রিত করেন। আমি বিশ্বাস করি তিনি সত্যিই [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|রাশিয়ার]] হৃদয় ও আত্মার প্রতিনিধি; এবং আমি বিশ্বাস করি যে আমরা তার সাথে এবং [[রুশ|রুশ জনগণের]] সাথে খুব ভালোভাবে মানিয়ে নিতে যাচ্ছি - সত্যিই খুব ভালোভাবেই। ** [https://books.google.it/books?id=rYAo_QzdYvcC&pg=PA610&lpg=PA610&dq=roosevelt+stalin+%22I+believe+he+is+truly+representative+of+the+heart%22&source=bl&ots=fWww6QPtv9&sig=ACfU3U2EtwLRRks6VuB__Rp0zjpkXIuijw&hl=it&sa=X&ved=2ahUKEwiktOjbkOjpAhXQyqQKHfp2Ch8Q6AEwAXoECAkQAQ#v=onepage&q=roosevelt%20stalin%20%22I%20believe%20he%20is%20truly%20representative%20of%20the%20heart%22&f=false ইতিহাসের আমেরিকান রাজনৈতিক চিন্তাধারা] (১৯৪৩) বইয়ে উদ্ধৃত * আমাদের বিশ্বাস আছে যে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানবে যে এখানে, বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে, এমন একটি সময় এসেছিল যখন সদিচ্ছাসম্পন্ন মানুষ অজ্ঞতা, অসহিষ্ণুতা, দাসত্ব এবং যুদ্ধের শক্তিগুলোকে ধ্বংস করার জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার, উৎপাদন করার এবং লড়াই করার একটি উপায় খুঁজে পেয়েছিল। ** হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ, ওয়াশিংটন, ডি.সি. (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩) * '''[[বিশ্ব শান্তি|বিশ্ব শান্তি]] কোনো দলীয় প্রশ্ন নয়। [...] বিশ্ব শান্তির কাঠামো একজন মানুষের, বা একটি দলের, বা একটি জাতির কাজ হতে পারে না।''' এটি কেবল একটি আমেরিকান শান্তি, বা [[যুক্তরাজ্য|ব্রিটিশ]] শান্তি, বা [[রাশিয়া|রুশ]], [[ফ্রান্স|ফরাসি]], বা [[চীন|চীনা]] শান্তি হতে পারে না। এটি বড় জাতির - বা ছোট জাতির শান্তি হতে পারে না। '''এটি এমন একটি শান্তি হতে হবে যা সমগ্র বিশ্বের সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার ওপর নির্ভর করে। এটি প্রথমদিকে সম্পূর্ণ নিখুঁত কাঠামো নাও হতে পারে। তবে এটি একটি শান্তি হতে পারে—এবং এটি একটি শান্তি হবে—যা [[w:আটলান্টিক চার্টার|আটলান্টিক চার্টারের]] সুস্থ ও ন্যায়সঙ্গত নীতির ওপর ভিত্তি করে—[[w:মানবাধিকার|মানুষের মর্যাদার]] ধারণার ওপর—এবং ধর্মীয় উপাসনার স্বাধীনতা ও সহনশীলতার গ্যারান্টির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। [...] আমাদের বিশ্বব্যাপী সহযোগিতার দায়িত্ব নিতে হবে, নতুবা আমাদের আরেকটি বিশ্বসংঘাতের দায়ভার বহন করতে হবে। [...] শান্তি ততক্ষণই টিকে থাকতে পারে যতক্ষণ না মানবজাতি সত্যিই এটি দাবি করে, এবং এর জন্য কাজ করতে ইচ্ছুক হয়—এবং এর জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে ইচ্ছুক হয়।''' ** [https://millercenter.org/the-presidency/presidential-speeches/march-1-1945-address-congress-yalta ইয়াল্টায় কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ভাষণ] (১ মার্চ ১৯৪৫) * আমার শুধু একটি ধারণা আছে যে [[জোসেফ স্ট্যালিন|স্ট্যালিন]] সেই ধরনের মানুষ নন। [[w:হ্যারি হপকিন্স|হ্যারি]] [হপকিন্স] বলেন যে তিনি তেমন নন এবং তিনি তার নিজের দেশের নিরাপত্তা ছাড়া আর কিছুই চান না, এবং আমার মনে হয় যদি আমি তাকে যথাসম্ভব সবকিছু দিই এবং বিনিময়ে তার কাছে কিছুই না চাই, ''নোবলেস অবলিজে'', তিনি কিছু দখল করার চেষ্টা করবেন না এবং গণতন্ত্র ও শান্তির জন্য আমার সাথে কাজ করবেন। ** সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রণ নীতি অনুসরণের জন্য রাষ্ট্রদূত [[w:উইলিয়াম ক্রিশ্চিয়ান বুলিট, জুনিয়র|উইলিয়াম সি. বুলিট]]-এর পরামর্শের প্রতিক্রিয়ায় (১৯৪৩), ''লাইফ'' (২৩ আগস্ট ১৯৪৮) পত্রিকায় তার বর্ণনায় উদ্ধৃত। ==== স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন অ্যাড্রেস — দ্য ফোর ফ্রিডমস (১৯৪১)==== :<small>[[s:Franklin Delano Roosevelt's Eighth State of the Union Address|অষ্টম স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন অ্যাড্রেস]], যা দ্য ফোর ফ্রিডমস স্পিচ হিসেবে পরিচিত (৬ জানুয়ারি ১৯৪১)</small> [[চিত্র:Franklin D. Roosevelt TIME Man of the Year 1933 color photo.jpg|thumb|স্থায়ী শান্তি অন্য মানুষের স্বাধীনতার মূল্যে কেনা যায় না।]] * '''ভবিষ্যতের সেই দিনগুলোতে যা আমরা নিরাপদ করার চেষ্টা করছি, আমরা চারটি অপরিহার্য মানবিক স্বাধীনতার ওপর ভিত্তি করে একটি বিশ্বের দিকে তাকিয়ে আছি। <br /> প্রথমটি হলো [[বাক স্বাধীনতা|বাক]] এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা''' — বিশ্বের সর্বত্র। <br /> '''দ্বিতীয়টি হলো [[ধর্মের স্বাধীনতা|প্রত্যেক ব্যক্তির নিজের উপায়ে ঈশ্বরকে উপাসনা করার স্বাধীনতা]]''' — বিশ্বের সর্বত্র। <br /> '''তৃতীয়টি হলো অভাব থেকে মুক্তি''', যা বিশ্বের পরিপ্রেক্ষিতে অনুবাদ করলে বোঝায় অর্থনৈতিক সমঝোতা যা প্রতিটি জাতিকে তার বাসিন্দাদের জন্য একটি সুস্থ শান্তিপূর্ণ জীবন সুরক্ষিত করবে — বিশ্বের সর্বত্র। <br /> '''চতুর্থটি হলো ভয় থেকে মুক্তি''', যা বিশ্বের পরিপ্রেক্ষিতে অনুবাদ করলে বোঝায় [[অস্ত্র|অস্ত্রের]] বিশ্বব্যাপী হ্রাস, এমন একটি পর্যায়ে এবং এমন পুঙ্খানুপুঙ্খ পদ্ধতিতে যে কোনো জাতি অন্য কোনো প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে শারীরিক আগ্রাসনের কোনো কাজ করার মতো অবস্থানে থাকবে না — বিশ্বের যেকোনো স্থানে। <br /> এটি কোনো দূরবর্তী [[সহস্রাব্দ|সহস্রাব্দের]] স্বপ্ন নয়। এটি আমাদের নিজেদের সময় এবং প্রজন্মে অর্জনযোগ্য এক ধরনের বিশ্বের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ভিত্তি। * এই জাতি তার ভাগ্য তার লক্ষ লক্ষ মুক্ত [[মানুষ|পুরুষ]] ও [[নারী|নারীর]] হাতে এবং মাথায় ও হৃদয়ে ন্যস্ত করেছে; এবং ঈশ্বরের নির্দেশনায় স্বাধীনতার ওপর তার বিশ্বাস রেখেছে। স্বাধীনতা মানে সর্বত্র মানবাধিকারের আধিপত্য। আমাদের সমর্থন তাদের প্রতি, যারা সেই অধিকারগুলো অর্জনের জন্য বা বজায় রাখার জন্য সংগ্রাম করে। আমাদের শক্তি হলো আমাদের উদ্দেশ্যের ঐক্য। <br /> সেই মহান ধারণার কোনো সমাপ্তি হতে পারে না, জয় ব্যতীত। * একটি জাতি হিসেবে, আমরা এই সত্য নিয়ে গর্ব করতে পারি যে আমরা নরম-হৃদয়ের; কিন্তু আমরা নরম-মস্তিষ্কের হওয়ার বিলাসিতা করতে পারি না। * আমাদের বিশেষ করে স্বার্থপর মানুষের সেই ছোট দলটির ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে যারা নিজেদের বাসা তৈরির জন্য আমেরিকান ঈগলের ডানা কেটে ফেলতে চায়। * আমরা এই ধারণার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে নৈতিকতার নীতি এবং আমাদের নিজস্ব নিরাপত্তার বিবেচনার কারণে আমরা কখনই এমন কোনো শান্তি মেনে নেব না যা আগ্রাসীদের দ্বারা নির্দেশিত এবং তোষণকারীদের দ্বারা স্পনসর করা। আমরা জানি যে '''স্থায়ী শান্তি অন্য মানুষের স্বাধীনতার মূল্যে কেনা যায় না।''' ====তৃতীয় উদ্বোধনী ভাষণ (১৯৪১)==== :<small>[http://www.bartleby.com/124/pres51.html তৃতীয় উদ্বোধনী ভাষণ। (২০ জানুয়ারি ১৯৪১)] </small> *'''১৭৮৯ সাল থেকে প্রতিটি জাতীয় উদ্বোধনের দিনে, জনগণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তাদের উৎসর্গের অনুভূতি নবায়ন করেছে।''' *[[জর্জ ওয়াশিংটন|ওয়াশিংটনের]] যুগে জনগণের কাজ ছিল একটি জাতিকে তৈরি করা এবং একত্রে ঝালাই করা। [[আব্রাহাম লিংকন|লিংকনের]] যুগে জনগণের কাজ ছিল সেই জাতিকে ভেতর থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া থেকে রক্ষা করা। আজকের দিনে জনগণের কাজ হলো সেই জাতিকে এবং তার প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাইরে থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া থেকে রক্ষা করা। * আমাদের কাছে এমন একটি সময় এসেছে, দ্রুত ঘটনার মাঝে, একটু থামার এবং হিসাব নেওয়ার — ইতিহাসে আমাদের স্থান কী ছিল তা মনে করার, এবং আমরা কী এবং আমরা কী হতে পারি তা নতুন করে আবিষ্কার করার। যদি আমরা তা না করি, তবে আমরা নিষ্ক্রিয়তার আসল বিপদের ঝুঁকি নিই। * জাতির জীবন বছরের গণনায় নির্ধারিত হয় না, বরং মানবিক চেতনার আয়ুষ্কাল দ্বারা নির্ধারিত হয়। মানুষের জীবন সত্তর বছর: একটু বেশি, একটু কম। '''জাতির জীবন তার বেঁচে থাকার ইচ্ছার পরিমাপের পূর্ণতা।''' *'''এমন মানুষ আছে যারা একে সন্দেহ করে। এমন মানুষ আছে যারা বিশ্বাস করে যে গণতন্ত্র, সরকার এবং জীবনযাত্রার একটি রূপ হিসেবে, রহস্যময় এবং কৃত্রিম ভাগ্যের দ্বারা সীমাবদ্ধ বা পরিমাপ করা হয় — যে, কিছু অব্যক্ত কারণে, [[স্বৈরতন্ত্র|স্বৈরতন্ত্র]] এবং [[দাসত্ব|দাসত্ব]] ভবিষ্যতের ক্রমবর্ধমান ঢেউ হয়ে উঠেছে — এবং স্বাধীনতা একটি ক্ষয়িষ্ণু জোয়ার।''' কিন্তু আমরা আমেরিকানরা জানি যে এটি সত্য নয়। *আট বছর আগে, যখন এই প্রজাতন্ত্রের জীবন [[w:মহামন্দা|মহামন্দার ভয়াবহতায় জমে গিয়েছিল]], তখন আমরা প্রমাণ করেছিলাম যে এটি সত্য নয়। আমরা ছিল আঘাতের মধ্যে — কিন্তু আমরা কাজ করেছি। আমরা দ্রুত, সাহসের সাথে, সিদ্ধান্তমূলকভাবে কাজ করেছি। *[[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের]] ত্রিমাত্রিক কাঠামোর মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরকারের সমন্বিত শাখাগুলো স্বাধীনভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিল অফ রাইটস|বিল অফ রাইটস]] অলঙ্ঘনীয়। নির্বাচনের স্বাধীনতা পুরোপুরি বজায় রাখা হয়েছে। '''আমেরিকান গণতন্ত্রের পতনের নবীর দল তাদের ভয়াবহ ভবিষ্যদ্বাণীগুলো ব্যর্থ হতে দেখেছে।''' * '''[[গণতন্ত্র|গণতন্ত্র]] মরছে না।''' আমরা এটি জানি কারণ আমরা একে পুনরুজ্জীবিত হতে দেখেছি — এবং বৃদ্ধি পেতে দেখেছি। আমরা জানি এটি মরতে পারে না — কারণ এটি সাধারণ উদ্যোগে একত্রিত স্বতন্ত্র নারী ও পুরুষদের অবাধ উদ্যোগের ওপর নির্মিত — একটি উদ্যোগ যা একটি মুক্ত সংখ্যাগরিষ্ঠের মুক্ত প্রকাশের মাধ্যমে গৃহীত এবং সম্পন্ন হয়। * '''আমরা এটি জানি কারণ কেবল গণতন্ত্রই, সকল প্রকার সরকারের মধ্যে, মানুষের আলোকিত ইচ্ছার পূর্ণ শক্তিকে কাজে লাগায়।''' * '''আমরা এটি জানি কারণ কেবল গণতন্ত্রই একটি সীমাহীন সভ্যতা নির্মাণ করেছে যা মানুষের জীবনের উন্নতির ক্ষেত্রে অসীম অগ্রগতির সক্ষম।''' * '''আমরা এটা জানি কারণ, যদি আমরা পৃষ্ঠের নিচে দেখি, আমরা এটাকে এখনও প্রতিটি মহাদেশে ছড়িয়ে পড়তে অনুভব করি — কারণ এটি মানব সমাজের সকল রূপের মধ্যে সবচেয়ে মানবিক, সবচেয়ে উন্নত, এবং শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে অজেয়।''' * '''গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা মানব ইতিহাসে কেবল সাম্প্রতিক কোনো পর্যায় নয়। এটিই মানব ইতিহাস।''' এটি আদিম মানুষদের প্রাচীন জীবনকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল। এটি [[মধ্য যুগ|মধ্য যুগে]] নতুন করে জ্বলে উঠেছিল। এটি [[ম্যাগনা কার্টা|ম্যাগনা কার্টাতে]] লেখা হয়েছিল। * আমেরিকাতে এর প্রভাব অজেয়। '''আমেরিকা সব ভাষায়, সব মানুষের কাছে [[নতুন বিশ্ব]] ছিল, শুধু এই কারণে নয় যে এই মহাদেশ একটি নতুন পাওয়া ভূমি ছিল, বরং এই কারণে যে যারা এখানে এসেছিল তারা সবাই বিশ্বাস করত যে তারা এই মহাদেশে একটি নতুন জীবন তৈরি করতে পারে — এমন একটি জীবন যা স্বাধীনতায় নতুন হবে।''' * '''প্রজাতন্ত্রের আশাগুলো চিরকাল অন্যায্য দারিদ্র্য বা আত্মকেন্দ্রিক সম্পদকে সহ্য করতে পারে না।''' * আমরা জানি যে আমাদের এখনও অনেক দূর যেতে হবে; যে আমাদের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা এবং সুযোগ এবং জ্ঞান আরও বৃহত্তরভাবে গড়ে তুলতে হবে, যা ভূমির সম্পদ এবং ক্ষমতার দ্বারা ন্যায্য। * কিন্তু কেবল এই উদ্দেশ্যগুলো অর্জন করাই যথেষ্ট নয়। এই জাতির শরীরকে কাপড় এবং খাদ্য দেওয়া, এবং এর মনকে নির্দেশনা ও তথ্য দেওয়াই যথেষ্ট নয়। কারণ সেখানে আত্মাও রয়েছে। এবং তিনটির মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো আত্মা। '''শরীর এবং মন ছাড়া, যেমন সবাই জানে, জাতি বাঁচতে পারত না। কিন্তু আমেরিকার আত্মাকে যদি হত্যা করা হতো, যদিও একটি ভিনদেশি জগতে সংকুচিত জাতির শরীর এবং মন বেঁচে থাকত, তবে আমরা যে আমেরিকাকে চিনি তা ধ্বংস হয়ে যেত।''' * আমেরিকার ভাগ্য আমাদের প্রথম রাষ্ট্রপতি ১৭৮৯ সালে তার প্রথম উদ্বোধনী ভাষণে ভবিষ্যদ্বাণীর শব্দে ঘোষণা করেছিলেন — যে শব্দগুলো সম্ভবত এই ১৯৪১ সালের দিকেই নির্দেশিত ছিল: "স্বাধীনতার পবিত্র আগুন সংরক্ষণ এবং প্রজাতন্ত্রী শাসন মডেলের ভাগ্যকে ন্যায্যভাবে বিবেচনা করা হয়... গভীরভাবে,... শেষ পর্যন্ত, আমেরিকান জনগণের হাতে অর্পিত পরীক্ষার ওপর বাজি ধরা হয়েছে।" * '''যদি আমরা সেই পবিত্র আগুন হারিয়ে ফেলি — যদি আমরা এটিকে সন্দেহ এবং ভয় দিয়ে দমিয়ে দিই — তবে আমরা সেই ভাগ্যকে প্রত্যাখ্যান করব যা ওয়াশিংটন এত সাহসের সাথে এবং এত বিজয়ের সাথে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছিলেন।''' জাতির আত্মা এবং বিশ্বাসের সংরক্ষণ জাতীয় প্রতিরক্ষার উদ্দেশ্যে আমাদের করা প্রতিটি ত্যাগের জন্য সর্বোচ্চ ন্যায্যতা প্রদান করে এবং করবে। * '''এর আগে কখনো না দেখা বিশাল বিপদের মুখোমুখি হয়ে, আমাদের দৃঢ় উদ্দেশ্য হলো গণতন্ত্রের অখণ্ডতাকে রক্ষা করা এবং স্থায়ী করা।''' এর জন্য আমরা আমেরিকার আত্মা এবং আমেরিকার বিশ্বাসকে জড়ো করি। '''আমরা পিছু হটছি না। আমরা স্থির থাকতে সন্তুষ্ট নই। আমেরিকান হিসেবে, আমরা আমাদের দেশের সেবায়, ঈশ্বরের ইচ্ছায় এগিয়ে যাচ্ছি।''' ====পার্ল হারবার আক্রমণের প্রতিক্রিয়া (১৯৪১)==== [[চিত্র:CongressRoosevelt1941.jpg|থাম্ব|গতকাল, ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ — একটি তারিখ যা কুখ্যাত হয়ে থাকবে — [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে]] হঠাৎ এবং ইচ্ছাকৃতভাবে [[জাপান|জাপানের]] সাম্রাজ্যের নৌ ও বিমান বাহিনী দ্বারা আক্রমণ করা হয়েছিল।]] :<small>[[s:পার্ল হারবার ভাষণ|পার্ল হারবার আক্রমণের পর কংগ্রেসে ভাষণ (৮ ডিসেম্বর ১৯৪১)]]</small> {{মূল রেকর্ড|Roosevelt Pearl Harbor.ogg|এই উদ্ধৃতি}} * '''গতকাল, ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ — একটি তারিখ যা কুখ্যাত হয়ে থাকবে — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে হঠাৎ এবং ইচ্ছাকৃতভাবে [[জাপান সাম্রাজ্যের নৌ ও বিমান বাহিনী]] দ্বারা আক্রমণ করা হয়েছিল। ''' <br /> মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেই জাতির সাথে শান্তিতে ছিল, এবং জাপানের অনুরোধে, প্রশান্ত মহাসাগরে শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে তার সরকারের সাথে এবং [[হিরোহিতো|এর সম্রাট]]-এর সাথে কথোপকথন চালিয়ে যাচ্ছিল। * এটি লিপিবদ্ধ করা হবে যে জাপান থেকে [[হাওয়াই]]-এর দূরত্ব এটা স্পষ্ট করে দেয় যে আক্রমণটি ইচ্ছাকৃতভাবে অনেক দিন বা এমনকি কয়েক সপ্তাহ আগেই পরিকল্পিত হয়েছিল। মধ্যবর্তী সময়ে, জাপানি সরকার মিথ্যা বিবৃতি এবং অব্যাহত শান্তির জন্য আশার প্রকাশের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধোকা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। * সেনাবাহিনী এবং নৌবাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে আমি নির্দেশ দিয়েছি যে আমাদের প্রতিরক্ষার জন্য সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে আমাদের পুরো জাতি আমাদের বিরুদ্ধে আক্রমণের চরিত্রটি সবসময় মনে রাখে। এই পূর্বপরিকল্পিত আক্রমণকে অতিক্রম করতে আমাদের যত সময় লাগুক না কেন, আমেরিকান জনগণ, তাদের ধার্মিক শক্তিতে, পরম বিজয়ের দিকে এগিয়ে যাবে। * '''শত্রুতা বিদ্যমান। এই সত্যটিকে অস্বীকার করার উপায় নেই যে আমাদের জনগণ, আমাদের এলাকা এবং আমাদের স্বার্থ মারাত্মক বিপদে পড়েছে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর ওপর আস্থা রেখে, আমাদের জনগণের অসীম দৃঢ়তার সাথে, আমরা অনিবার্য বিজয় অর্জন করব, ঈশ্বর আমাদের সাহায্য করুন।''' * '''আমি অনুরোধ করছি যে কংগ্রেস ঘোষণা করুক যে ৭ ডিসেম্বর ১৯৪১, রবিবার জাপানের দ্বারা বিনা প্ররোচনায় এবং কাপুরুষোচিত আক্রমণের পর থেকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপান সাম্রাজ্যের মধ্যে যুদ্ধের অবস্থা বিদ্যমান।''' ====ইউনিয়ন সম্পর্কিত ভাষণ (১৯৪৩)==== [[চিত্র:Roosevelt said-"We can, We will, We must" Productioneers will help him say "We did" - NARA - 534513.jpg|থাম্ব|হ্যাঁ, আমরা বিশ্বাস করি যে [[নাৎসি]] এবং [[ফ্যাসিবাদী]]রা এটি ডেকে এনেছে — এবং তারা তা পেতে যাচ্ছে।]] :<small> ইউনিয়ন সম্পর্কিত ভাষণ (৭ জানুয়ারি ১৯৪৩); [https://books.google.com/books?id=NijeAwAAQBAJ&pg=PA25 ''মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির পাবলিক পেপারস: এফ.ডি. রুজভেল্ট'', ১৯৪৩, ভলিউম ১২ (লাইব্রেরি রিপিন্টস; ১৯৫০ সংস্করণ (২০০৭)]</small> * '''আমি আপনাদের বলতে পারব না কখন বা কোথায় জাতিসংঘ ইউরোপে পরবর্তী আঘাত হানতে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা আঘাত হানতে যাচ্ছি — এবং শক্ত আঘাত হানতে যাচ্ছি।''' আমি আপনাদের বলতে পারব না যে আমরা নরওয়েতে, নাকি [[নিম্ন দেশসমূহ|নিম্ন দেশসমূহ]] দিয়ে, নাকি [[ফ্রান্স]]-এ, নাকি [[সার্ডিনিয়া]] বা [[সিসিলি]] দিয়ে, নাকি [[বলকান]] দিয়ে, নাকি [[পোল্যান্ড]] দিয়ে আঘাত হানতে যাচ্ছি — নাকি একসাথে একাধিক পয়েন্টে। কিন্তু আমি আপনাদের বলতে পারি যে ভূমি দিয়ে আমরা, ব্রিটিশরা এবং রাশিয়ানরা যেখানে এবং যখনই আঘাত হানি না কেন, আমরা তাদের ওপর আকাশ থেকে ভারী এবং নির্মমভাবে আঘাত হানব। দিনরাত আমরা তাদের যুদ্ধের কারখানা, ইউটিলিটি এবং সমুদ্রবন্দরে কয়েক টন হাই এক্সপ্লোসিভ স্তূপ করব। <br /> [[হিটলার]] এবং [[মুসোলিনি]] এখন তাদের ভুল হিসাবের ভয়াবহতা বুঝতে পারবেন — যে নাৎসিদের সবসময় উন্নত বিমান শক্তির সুবিধা থাকবে যেমনটি তাদের ছিল যখন তারা [[ওয়ারশ বোমা হামলা|ওয়ারশ]], এবং [[রটারডাম বোমা হামলা|রটারডাম]], এবং [[লন্ডন]] এবং [[কভেন্ট্রি বোমা হামলা|কভেন্ট্রি]] বোমাবর্ষণ করেছিল। '''সেই শ্রেষ্ঠত্ব চলে গেছে — চিরতরে।''' <br /> হ্যাঁ, আমরা বিশ্বাস করি যে নাৎসি এবং ফ্যাসিবাদীরা এটি ডেকে এনেছে — এবং তারা তা পেতে যাচ্ছে।''' ** ([[ব্রিটিশ পাথে|ব্রিটিশ পাথে]] [[নিউজরিল|নিউজরিল]] · [https://www.youtube.com/watch?v=u_V6tL6QRQs ''They're Going To Get It - Roosevelt (1943)'']) ==== ইউনিয়ন সম্পর্কিত ভাষণ — অধিকারের দ্বিতীয় বিল (১৯৪৪) ==== [[চিত্র:Lange-MigrantMother02.jpg|থাম্ব|প্রয়োজনীয় মানুষ স্বাধীন মানুষ নয়। যারা ক্ষুধার্ত এবং যাদের চাকরি নেই, তারা একনায়কতন্ত্রের উপাদান।]] [[চিত্র:Washington Monument - FDR Memorial.jpg|থাম্ব|যদি এখানে বাড়িতে নিরাপত্তা না থাকে তবে বিশ্বে স্থায়ী শান্তি থাকতে পারে না।]] এখন আমাদের দায়িত্ব হলো স্থায়ী শান্তি জয়ের পরিকল্পনা এবং কৌশল নির্ধারণ শুরু করা এবং আগের চেয়ে উন্নত আমেরিকান জীবনযাত্রার মান প্রতিষ্ঠা করা। আমরা সন্তুষ্ট থাকতে পারি না, সেই সাধারণ জীবনযাত্রার মান যত উঁচুই হোক না কেন, যদি আমাদের জনগণের কোনো অংশ—সেটা এক-তৃতীয়াংশ বা এক-পঞ্চমাংশ বা এক-দশমাংশই হোক—অপুষ্টিতে ভোগে, খারাপ কাপড় পরে, খারাপ বাড়িতে থাকে এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। এই প্রজাতন্ত্রের সূচনা হয়েছিল, এবং এর বর্তমান শক্তিতে বৃদ্ধি পেয়েছিল, নির্দিষ্ট কিছু অবিচ্ছেদ্য রাজনৈতিক অধিকারের সুরক্ষায়—যার মধ্যে রয়েছে বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, ধর্মের স্বাধীনতা, জুরি দ্বারা বিচার, অযৌক্তিক অনুসন্ধান এবং আটক থেকে মুক্তি। সেগুলো ছিল আমাদের জীবন এবং স্বাধীনতার অধিকার। যেহেতু আমাদের জাতি আকার এবং মর্যাদায় বৃদ্ধি পেয়েছে, যাইহোক—যেহেতু আমাদের শিল্প অর্থনীতি সম্প্রসারিত হয়েছে—এই রাজনৈতিক অধিকারগুলো সুখের অন্বেষণে আমাদের সমতা নিশ্চিত করার জন্য অপর্যাপ্ত বলে প্রমাণিত হয়েছে। আমরা এই সত্যটি স্পষ্ট উপলব্ধি করেছি যে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং স্বাধীনতা ছাড়া সত্যিকারের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা থাকতে পারে না। '''প্রয়োজনীয় মানুষ স্বাধীন মানুষ নয়। যারা ক্ষুধার্ত এবং যাদের চাকরি নেই, তারা একনায়কতন্ত্রের উপাদান।''' আমাদের দিনে এই অর্থনৈতিক সত্যগুলো স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে গৃহীত হয়েছে। আমরা গ্রহণ করেছি, বলতে গেলে, একটি [[অধিকারের দ্বিতীয় বিল|অধিকারের দ্বিতীয় বিল]] যার অধীনে নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধির একটি নতুন ভিত্তি সবার জন্য প্রতিষ্ঠিত হতে পারে—পদমর্যাদা, জাতি বা ধর্ম নির্বিশেষে। এর মধ্যে রয়েছে: * শিল্পের বা [[দোকান]] বা [[খামার]] বা দেশের [[খনি]]গুলোতে একটি দরকারী এবং লাভজনক চাকরির অধিকার; * পর্যাপ্ত [[খাদ্য]] এবং [[পোশাক]] এবং [[বিনোদন]] প্রদানের জন্য যথেষ্ট আয় করার অধিকার; * প্রতিটি [[কৃষক|কৃষকের]] তার পণ্যগুলো এমন মূল্যে চাষ এবং বিক্রি করার অধিকার যা তাকে এবং তার পরিবারকে একটি সুন্দর জীবন দেবে; * প্রতিটি ব্যবসায়ীর, বড় এবং ছোট, দেশে বা বিদেশে একচেটিয়া আধিপত্য এবং অন্যায় প্রতিযোগিতা থেকে মুক্ত পরিবেশে ব্যবসা করার অধিকার; * প্রতিটি পরিবারের একটি সুন্দর [[বাড়ি]]র অধিকার; * পর্যাপ্ত [[স্বাস্থ্যসেবা|চিকিৎসা সেবা]] এবং সুস্বাস্থ্য অর্জন এবং উপভোগ করার সুযোগের অধিকার; * [[বার্ধক্য]], [[অসুস্থতা]], [[দুর্ঘটনা]], এবং [[বেকারত্ব]]-এর অর্থনৈতিক ভয় থেকে পর্যাপ্ত সুরক্ষার অধিকার; * একটি ভালো শিক্ষার অধিকার। এই সব অধিকার মানেই নিরাপত্তা। এবং এই যুদ্ধ জেতার পর আমাদের এই অধিকারগুলোর বাস্তবায়নে, মানবিক সুখ এবং মঙ্গলের নতুন লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বিশ্বে আমেরিকার নিজের সঠিক স্থান অনেকাংশেই নির্ভর করে যে এই অধিকারগুলো এবং অনুরূপ অধিকারগুলো আমাদের সকল নাগরিকের জন্য কতটা পুরোপুরি কার্যকর করা হয়েছে তার ওপর। কারণ '''যদি এখানে বাড়িতে নিরাপত্তা না থাকে তবে বিশ্বে স্থায়ী শান্তি থাকতে পারে না।''' ====ডি-ডে-তে প্রার্থনা (১৯৪৪) ==== [[চিত্র:1944 NormandyLST.jpg|থাম্ব|[[শত্রু]] [[শক্তিশালী]]। সে আমাদের বাহিনীকে হটিয়ে দিতে পারে। [[সাফল্য]] হয়তো দ্রুত গতিতে আসবে না, কিন্তু আমরা বারবার ফিরে আসব।]] [[চিত্র:Approaching Omaha.jpg|থাম্ব|এই মানুষগুলো সম্প্রতি [[শান্তি]]র পথ থেকে এসেছে। তারা [[বিজয়]]ের লালসার জন্য লড়াই করে না। তারা বিজয় [[শেষ]] করতে লড়াই করে। তারা [[মুক্ত]] করতে লড়াই করে। তারা [[বিচার]] প্রতিষ্ঠা করতে লড়াই করে, এবং তোমার সকল মানুষের মধ্যে [[সহনশীলতা]] এবং [[সদিচ্ছা]]।]] :<small>[https://www.presidency.ucsb.edu/documents/prayer-d-day ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট: "ডি-ডে-তে প্রার্থনা," (৬ জুন ১৯৪৪) দ্য আমেরিকান প্রেসিডেন্সি প্রজেক্টে] · [http://www.historyplace.com/speeches/index.html হিস্ট্রি প্লেসে টেক্সট এবং অডিও]</small> * সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর]]: আমাদের [[সন্তানরা]], [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমাদের জাতির]] গর্ব, আজ একটি মহান প্রচেষ্টায় নেমেছে, আমাদের প্রজাতন্ত্র, আমাদের ধর্ম এবং আমাদের সভ্যতা রক্ষা করার জন্য একটি সংগ্রাম, এবং একটি কষ্টভোগী [[মানবতা]]কে মুক্ত করার জন্য। তাদের সঠিক এবং সত্য পথে চালিত করো; তাদের বাহুতে শক্তি দাও, তাদের হৃদয়ে সাহস দাও, তাদের বিশ্বাসে দৃঢ়তা দাও। তাদের তোমার আশীর্বাদের প্রয়োজন হবে। তাদের পথ দীর্ঘ এবং কঠিন হবে। কারণ '''শত্রু শক্তিশালী। সে আমাদের বাহিনীকে হটিয়ে দিতে পারে। সাফল্য হয়তো দ্রুত গতিতে আসবে না, কিন্তু আমরা বারবার ফিরে আসব'''; এবং আমরা জানি যে তোমার করুণায়, '''এবং আমাদের উদ্দেশ্যের ন্যায়পরায়ণতায়, আমাদের সন্তানরা বিজয়ী হবে।''' * তারা রাতে এবং দিনে, বিশ্রাম ছাড়া কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হবে - যতক্ষণ না বিজয় অর্জিত হয়। অন্ধকার শব্দ এবং শিখা দ্বারা বিদীর্ণ হবে। যুদ্ধের সহিংসতায় মানুষের আত্মা কেঁপে উঠবে। কারণ '''এই মানুষগুলো সম্প্রতি শান্তির পথ থেকে এসেছে। তারা বিজয়ের লালসার জন্য লড়াই করে না। তারা বিজয় শেষ করতে লড়াই করে। তারা মুক্ত করতে লড়াই করে। তারা বিচার প্রতিষ্ঠা করতে লড়াই করে, এবং তোমার সকল মানুষের মধ্যে সহনশীলতা এবং সদিচ্ছা। তারা কেবল যুদ্ধের অবসানের জন্য, তাদের বাড়ির আশ্রয়ে ফিরে আসার জন্য আকাঙ্ক্ষা করে।''' কেউ কেউ আর কখনোই ফিরে আসবে না। এদের আলিঙ্গন করো, পিতা, এবং তাদের গ্রহণ করো, তোমার বীর সেবক হিসেবে, তোমার রাজ্যে। এবং বাড়িতে আমাদের জন্য - বিদেশে সাহসী মানুষদের পিতা, মাতা, সন্তান, স্ত্রী, বোন এবং ভাই - যাদের চিন্তা এবং প্রার্থনা সবসময় তাদের সাথে আছে - আমাদের সাহায্য করো, সর্বশক্তিমান ঈশ্বর, এই মহান ত্যাগের মুহূর্তে তোমার প্রতি নতুন বিশ্বাসে আমাদের নিজেদের পুনরায় উৎসর্গ করতে। * অনেকে [[মানুষ]] জোর দিয়েছেন যে আমি জাতিকে বিশেষ [[প্রার্থনা]]র একটি একক [[দিন]]-এ ডাকি। কিন্তু পথটি দীর্ঘ এবং [[ইচ্ছা]] [[মহান]] বলে, আমি চাই আমাদের জনগণ প্রার্থনার ধারাবাহিকতায় নিজেদের [[নিবেদিত]] করুক। যখন আমরা প্রতিটি নতুন দিনে উঠি, এবং যখন প্রতিটি দিন শেষ হয়, তখন আমাদের ঠোঁটে যেন প্রার্থনার [[শব্দ]] থাকে, আমাদের [[প্রচেষ্টা]]র জন্য তোমার [[সাহায্য]] প্রার্থনা করে। <br /> আমাদের [[শক্তি]]ও দাও — আমাদের দৈনন্দিন [[কাজ]]-এ শক্তি, আমাদের [[সশস্ত্র বাহিনী]]র শারীরিক এবং বস্তুগত সমর্থনে আমাদের অবদান দ্বিগুণ করার জন্য। <br /> এবং আমাদের [[হৃদয়]] দৃঢ় হোক, দীর্ঘ কষ্ট সহ্য করার জন্য, আসতে পারে এমন [[দুঃখ]] সহ্য করার জন্য, আমাদের [[সাহস]] আমাদের সন্তানদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তারা যেখানেই থাকুক না কেন। * এবং, হে প্রভু, আমাদের বিশ্বাস দাও। '''আমাদের তোমার ওপর বিশ্বাস দাও; আমাদের সন্তানদের ওপর বিশ্বাস দাও; একে অপরের ওপর বিশ্বাস দাও; আমাদের ঐক্যবদ্ধ ক্রুসেডে বিশ্বাস দাও। আমাদের আত্মার তীক্ষ্ণতা যেন কখনোই নিস্তেজ না হয়। অস্থায়ী ঘটনার প্রভাব, ক্ষণস্থায়ী মুহূর্তের জাগতিক বিষয়গুলো, এগুলো যেন আমাদের অজেয় উদ্দেশ্য থেকে আমাদের বিরত না করে। তোমার আশীর্বাদে, আমরা আমাদের শত্রুর অপবিত্র শক্তির ওপর জয়ী হব। লোভের প্রেরিত এবং জাতিগত অহংকারীদের জয় করতে আমাদের সাহায্য করো। আমাদের দেশকে রক্ষা করার জন্য, এবং আমাদের বোন জাতিদের সাথে বিশ্ব ঐক্যে নিয়ে চলো যা একটি নিশ্চিত শান্তি বানান করবে, একটি শান্তি যা অযোগ্য মানুষদের পরিকল্পনার কাছে দুর্ভেদ্য। এবং এমন একটি শান্তি যা সকল মানুষকে স্বাধীনতায় বাঁচতে দেবে, তাদের সৎ শ্রমের ন্যায্য ফল ভোগ করবে।''' ====চতুর্থ উদ্বোধনী ভাষণ (১৯৪৫)==== [[চিত্র:FDR-April-11-1945.jpg|থাম্ব|আমরা [[পূর্ণতা]]র জন্য চেষ্টা করব। আমরা তা অবিলম্বে অর্জন করব না — কিন্তু আমরা এখনও চেষ্টা করব।]] :<small>[[s:ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্টের চতুর্থ উদ্বোধনী ভাষণ|চতুর্থ উদ্বোধনী ভাষণ (২০ জানুয়ারি ১৯৪৫)]]</small> [[চিত্র:Yalta summit 1945 with Churchill, Roosevelt, Stalin.jpg|থাম্ব|আমরা কোনো স্থায়ী [[শান্তি]] অর্জন করতে পারি না যদি আমরা এটিকে [[সন্দেহ]] এবং অবিশ্বাস বা [[ভয়]] নিয়ে দেখি। আমরা এটি কেবল তখনই অর্জন করতে পারি যদি আমরা [[বোঝাপড়া]], [[আত্মবিশ্বাস]], এবং [[সাহস]] নিয়ে এগিয়ে যাই যা বিশ্বাস থেকে আসে।]] * '''আমরা আজকের আমেরিকানরা, আমাদের মিত্রদের সাথে নিয়ে, [[বিশ্ব যুদ্ধ II|একটি সর্বোচ্চ পরীক্ষার সময়কাল]] পার করছি। এটি আমাদের সাহসের পরীক্ষা — আমাদের সংকল্পের — আমাদের প্রজ্ঞার — আমাদের অপরিহার্য [[গণতন্ত্র]]।''' যদি আমরা সেই পরীক্ষায় সফলভাবে এবং সম্মানের সাথে উত্তীর্ণ হই — তবে আমরা ঐতিহাসিক গুরুত্বের একটি সেবা করব যা পুরুষ, নারী এবং শিশুরা সর্বদাই সম্মান করবে। আমি আজ এখানে দাঁড়িয়ে আছি, আমার সহকর্মী দেশবাসীদের উপস্থিতিতে — আমাদের [[ঈশ্বর]]-এর উপস্থিতিতে — আমি জানি যে আমেরিকার উদ্দেশ্য এটাই যে আমরা ব্যর্থ হব না। * '''আগামী দিনগুলোতে এবং বছরগুলোতে আমরা একটি ন্যায়সঙ্গত এবং সম্মানজনক শান্তির জন্য কাজ করব, একটি টেকসই শান্তি, যেমন আজ আমরা যুদ্ধে মোট বিজয়ের জন্য কাজ করছি এবং লড়াই করছি। আমরা এমন একটি [[শান্তি]] অর্জন করতে পারি এবং অর্জন করব।''' * '''আমরা পূর্ণতার জন্য চেষ্টা করব। আমরা তা অবিলম্বে অর্জন করব না — কিন্তু আমরা এখনও চেষ্টা করব।''' আমরা ভুল করতে পারি — কিন্তু সেগুলো কখনোই এমন ভুল হওয়া উচিত নয় যা হৃদয়ের দুর্বলতা বা নৈতিক নীতির পরিত্যাগের কারণে হয়। * '''এবং তাই আজ, যুদ্ধের এই বছরে''', ১৯৪৫, '''আমরা শিক্ষা লাভ করেছি — একটি ভয়ংকর মূল্যে — এবং আমরা তা থেকে লাভবান হব।''' : '''আমরা শিখেছি যে আমরা একা, শান্তিতে বাঁচতে পারি না; যে আমাদের নিজস্ব মঙ্গল দূরে অন্য জাতির মঙ্গলের ওপর নির্ভরশীল। আমরা শিখেছি যে আমাদের মানুষের মতো বাঁচতে হবে, উটপাখির মতো নয়, খড়ের গাদার কুকুরের মতোও নয়।''' : '''আমরা বিশ্বের নাগরিক, মানব সম্প্রদায়ের সদস্য হতে শিখেছি।''' : '''আমরা [[রালফ ওয়াল্ডো এমারসন|এমারসনের]] সেই সহজ সত্যটি শিখেছি যে, "বন্ধু পাওয়ার একমাত্র উপায় হলো বন্ধু হওয়া।"''' * '''আমরা কোনো স্থায়ী শান্তি অর্জন করতে পারি না যদি আমরা এটিকে সন্দেহ এবং অবিশ্বাস বা ভয় নিয়ে দেখি। আমরা এটি কেবল তখনই অর্জন করতে পারি যদি আমরা বোঝাপড়া, আত্মবিশ্বাস এবং সাহস নিয়ে এগিয়ে যাই যা বিশ্বাস থেকে আসে।''' === মরণোত্তর প্রকাশনা === * '''আপনি যদি মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করেন তবে তারা আপনার সাথে ভালো ব্যবহার করবে — নব্বই শতাংশ সময়।''' ** ফ্রান্সিস পারকিন্স কর্তৃক ''দ্য রুজভেল্ট আই নিউ'' (১৯৪৬) বইয়ে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫ * '''আন্তরিক হোন, সংক্ষিপ্ত হোন, বসে পড়ুন।''' ** তার ছেলে জেমসকে জনসমক্ষে ভাষণ দেওয়ার উপায় সম্পর্কে পরামর্শ, পল এল. সোপরের ''বেসিক পাবলিক স্পিকিং'' (১৯৬৩) বইয়ে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২ * আপনি কি এই ধারণায় কাজ করছেন যে আমি আপনার এই মেমোগুলো পড়ি? আমি এগুলো তুলতেই পারি না। ** অর্থনৈতিক উপদেষ্টা [[লিওন হেন্ডারসন|লিওন হেন্ডারসন]]-এর উদ্দেশ্যে মন্তব্য, [[জন কেনেথ গালব্রেইথ]]-এর ''অ্যাম্বাসেডর'স জার্নাল: এ পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট অফ দ্য কেনেডি ইয়ার্স'' (১৯৬৯) বইয়ে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২২৫ {{বিতর্কিত শুরু}} ==বিতর্কিত== * সে একটা হারামজাদা, কিন্তু সে আমাদের হারামজাদা। ** নিকারাগুয়ার রাষ্ট্রপতি আনাস্তাসিও সোমোজা গার্সিয়া সম্পর্কে মন্তব্য, ১৯৪৮ সালের ১৫ নভেম্বর ''টাইম'' ম্যাগাজিনে প্রথমবারের মতো রুজভেল্টের নামেattributed করা হয়েছে, রুজভেল্টের মৃত্যুর তিন বছর এবং বিবৃতিটি দেওয়ার নয় বছর পরে। এফডিআর লাইব্রেরির আর্কাইভিস্ট ডোনাল্ড শেউ রুজভেল্টের হাজার হাজার পৃষ্ঠার চিঠিপত্র, সংবাদ সম্মেলন এবং রেকর্ড অনুসন্ধান করেছেন এবং এফডিআর এই বিবৃতিটি দিয়েছেন এমন কোনো প্রমাণ পাননি। শেউ উপসংহারে পৌঁছেছেন যে "এটি এমন ভাষা ছিল না যা রুজভেল্ট ব্যবহার করতেন।" দেখুন রবার্ট এ. পাস্তর, ''কন্ডেমড টু রিপিটেশন: দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অ্যান্ড নিকারাগুয়া'' (প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৮৭), পৃষ্ঠা ৩ * যে জাতি তার মাটি ধ্বংস করে তা নিজেকে ধ্বংস করে। বন হলো আমাদের ভূমির ফুসফুস, বাতাসকে বিশুদ্ধ করে এবং আমাদের জনগণকে নতুন শক্তি দেয়। ** যদিও এটি এফডিআর-এর দুটি আলাদা বিবৃতির কাছাকাছি, প্রথমটি ১৯৩৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারির এবং দ্বিতীয়টি ১৯৩৫ সালের ২৯ জানুয়ারির, এই আকারে কোনো মূল দলিল পাওয়া যায়নি। * আমার মাথার পেছনের দিকে একটা প্রচণ্ড ব্যথা আছে। ** ১২ এপ্রিল ১৯৪৫ সালে জ্ঞান হারানোর আগে এবং কিছুক্ষণ পরেই মারা যাওয়ার আগে তার ছবি আঁকার সময় শেষ কথাগুলো বলা হয়েছিল। {{বিতর্কিত শেষ}} {{ভুলভাবে আরোপিত শুরু}} == ভুলভাবে আরোপিত == * রাজনীতিতে, কিছুই আকস্মিকভাবে ঘটে না। যদি এটি ঘটে তবে আপনি বাজি ধরতে পারেন যে এটি সেভাবেই পরিকল্পিত ছিল। ** রুজভেল্ট এই ধরনের কোনো বিবৃতি দিয়েছেন এমন কোনো রেকর্ড নেই, এবং এটি সম্ভবত তার [[দ্য সিটাডেল (সামরিক কলেজ)|দ্য সিটাডেল]]ের ভাষণে (২৩ অক্টোবর ১৯৩৫) দেওয়া বহুল প্রচারিত মন্তব্যের ভুল উদ্ধৃতি: :: হ্যাঁ, আমরা ফিরে আসার পথে আছি — শুধু ভাগ্যের জোরে নয়, আমার বন্ধুরা, শুধু চাকা বা চক্রের ঘোরার মাধ্যমে নয়। আমরা আগের চেয়ে বেশি সুদৃঢ়ভাবে ফিরে আসছি কারণ '''আমরা এটি সেভাবেই পরিকল্পনা করছি'''। কাউকে অন্য কিছু বলতে দেবেন না। * আমি আপনার মতো কমিউনিজমে বিশ্বাস করি না কিন্তু এই দেশে কমিউনিস্টদের সাথে কোনো সমস্যা নেই; আমার পরিচিত কয়েকজন সেরা বন্ধু কমিউনিস্ট। ** প্রতিনিধি মার্টিন ডাইস হোয়াইট হাউসে কথোপকথনের সময় বলেছিলেন বলে জানিয়েছেন, ''কংগ্রেসনাল রেকর্ড'' (২২ সেপ্টেম্বর ১৯৫০), ভলিউম ৯৬, পরিশিষ্ট, পৃষ্ঠা A6832। পল এফ. বোলার, জুনিয়র, ''কোটম্যানশিপ: দ্য ইউজ অ্যান্ড অ্যাবিউজ অফ কোটেশনস ফর পোলিমিক্যাল অ্যান্ড আদার পারপাসেস'', অধ্যায় ৮, পৃষ্ঠা ৩৬১ (১৯৬৭)-এ "অত্যন্ত সন্দেহজনক" হিসেবে রিপোর্ট করা হয়েছে; বোলার আরও বলেন যে "এটি অত্যন্ত অসম্ভাব্য যে এফডিআর এমন কিছু বলেছিলেন, এমনকি ঠাট্টা করেও, অতি উৎসাহী HUAC চেয়ারম্যানের কাছে, যদিও তিনি ডাইসকে বলতে পারতেন যে তিনি আমেরিকান কমিউনিস্ট আন্দোলনের আকার অতিরঞ্জিত করছেন"। * আপনি যখন আপনার দড়ির শেষ প্রান্তে পৌঁছাবেন, তখন তাতে একটি গিঁট বাঁধুন এবং ধরে রাখুন। ** এখন পর্যন্ত পাওয়া প্রাচীনতম উদ্ধৃতিতে এটি রুজভেল্টের ওপর আরোপিত নয়, বরং এটি একটি বেনামী লোক-জ্ঞানের অংশ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে: "যখন কেউ তার দড়ির শেষ প্রান্তে পৌঁছায়, তখন তার উচিত তাতে একটি গিঁট বাঁধা এবং ধরে রাখা" (''লাইফ'' ম্যাগাজিন (৩ এপ্রিল ১৯১৯), পৃষ্ঠা ৫৮৫)। {{ভুলভাবে আরোপিত শেষ}} == রুজভেল্ট সম্পর্কে উক্তি == [[চিত্র:FDR.PNG|thumb|[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি]] এবং এর বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে, তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ [[যুদ্ধ|যুদ্ধে]] জয়ী হওয়ার প্রধান কারিগর হয়ে ওঠেন। ~ [[বার্নার্ড বারুচ]] ]] :<small>পদবি অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিক</small> [[চিত্র:US-AssistantSecretaryOfTheNavy-Flag.svg|thumb|একটি উল্লেখযোগ্য মাত্রায়, [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পরিচালনার পদ্ধতিটি ছিল [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম বিশ্বযুদ্ধের]] সময় [[w:নৌবাহিনীর সহকারী সচিব|নৌবাহিনীর সহকারী সচিব]] হিসেবে রুজভেল্টের নিজস্ব অভিজ্ঞতার একটি ফলাফল—এমন একটি সময় যা তাকে যন্ত্রপাতির মাধ্যমে শত্রুকে পরাভূত করার সুবিধা এবং স্থল যুদ্ধের ঝুঁকির প্রশংসা করতে শিখিয়েছিল। যখন তিনি ১৯১৮ সালে সম্মুখ সমরাঞ্চল পরিদর্শনের জন্য [[ফ্রান্স|ফ্রান্সে]] ভ্রমণ করেছিলেন, তখন যুদ্ধক্ষেত্র তাকে বিমুখ করেছিল। সৈন্যদের অবস্থা ছিল অত্যন্ত জনাকীর্ণ, এবং তিনি তার ডায়েরিতে লিখেছিলেন যে "মৃত ঘোড়ার গন্ধ" তার "সংবেদনশীল নৌ" নাককে বিরক্ত করেছিল। ~ ফিলিপস পেসন ও'ব্রায়েন]] [[চিত্র:Churchill and Roosevelt Yalta.jpg|thumb|তিনি হলেন সবচেয়ে বিশ্বস্ত [[বন্ধু]]; তার দৃষ্টি সবচেয়ে সুদূরপ্রসারী; তিনি আমার [[জানা|চেনা]] [[শ্রেষ্ঠ|মহত্তম]] মানুষ। ~ [[উইনস্টন চার্চিল]]]] [[চিত্র:Alistair Cooke, head-and-shoulders portrait, facing front, gesturing with left hand, during interview, March 18, 1974.jpg|thumb|আমেরিকা জাতীয় সমাজতন্ত্রের স্বাদ পেয়েছিল। রুজভেল্ট প্রশাসনিক সকল উদ্দেশ্যে একজন [[একনায়কতন্ত্র|একনায়ক]] ছিলেন, তবে তিনি ছিলেন হিতৈষী, এবং দেশ তাকে ভালোবাসত। ~ অ্যালিস্টেয়ার কুক]] [[চিত্র:Albert Einstein Head.jpg|thumb|মানুষের [[হৃদয়]] ও [[মন|মনে]] তার প্রভাব স্থায়ী হোক! ~ [[আলবার্ট আইনস্টাইন]]]] [[চিত্র:JapaneseAmericansChildrenPledgingAllegiance1942.jpg|thumb|যখন [[ডেমোক্র্যাট|ডেমোক্র্যাটরা]] বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমার কাছে ছুটে আসেন এবং জোর দিয়ে বলেন যে আমরা সবচেয়ে খারাপ রাজনৈতিক সময়ে বাস করছি, একটি ক্রমবর্ধমান [[ফ্যাসিবাদ]] আমাদের কণ্ঠরোধ করছে, তখন আমি এফডিআরের অধীনে [[জাপানি]] [[আমেরিকান|আমেরিকানদের]] বন্দি করা, [[জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামসের]] অধীনে এলিয়েন অ্যান্ড সেডিশন অ্যাক্টস, অথবা কয়েক ডজন প্রশাসনের অধীনে একশ বছরের [[লিঞ্চিং|লিঞ্চিংয়ের]] কথা উল্লেখ করতে পারি যা সম্ভবত আরও খারাপ ছিল এবং আমাদের সবাইকে একটি দীর্ঘশ্বাস নিতে বলতে পারি। ~ [[বারাক ওবামা]]]] [[চিত্র:Bundesarchiv Bild 183-G00630, Sommerolympiade, Siegerehrung Weitsprung.jpg|thumb|আমি [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] সাথে করমর্দন করার জন্য আমন্ত্রিত হইনি, তবে রাষ্ট্রপতির সাথে করমর্দন করার জন্য আমাকে হোয়াইট হাউসেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ~ [[জেসি ওয়েন্স]]]] [[চিত্র:Premier Kantaro Suzuki.jpg|thumb|আমি অবশ্যই স্বীকার করব যে রুজভেল্টের [[নেতৃত্ব]] অত্যন্ত কার্যকর ছিল এবং আজকের আমেরিকানদের সুবিধাজনক অবস্থানের জন্য দায়ী। ~ [[w:কান্তারো সুজুকি|কান্তারো সুজুকি]]]] * রাজনৈতিক পণ্ডিতদের একটি প্রবাদ আছে যে একজন মহান নেতার তিনটি জিনিসের প্রয়োজন: মস্তিষ্ক, হৃদয় এবং সাহস বা এর আধুনিক সংস্করণ, অণ্ডকোষ। উদাহরণস্বরূপ, [[উইনস্টন চার্চিল|চার্চিলের]] এই তিনটিই ছিল। এখন নিজের অংক শুরু করুন: [[ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|এফডিআরের]] অবশ্যই তিনটিই ছিল; [[রিচার্ড নিক্সন|নিক্সনের]] মস্তিষ্ক এবং সাহস ছিল, কিন্তু খুব বেশি হৃদয় ছিল না। [[রোনাল্ড রিগান|রিগানের]] হৃদয়ের একটি ভালো প্রতিরূপ ছিল, কিন্তু মস্তিষ্কের খুব একটা ছিল না... ** [[মার্গারেট অ্যাটউড]], "দ্য ইকো মেকার" (২০০৬), ''বার্নিং কোয়েশ্চেনস''-এ সংগৃহীত * নিজস্ব উপায়ে, প্রতিনিধি পরিষদ তার দক্ষিণী ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে আদর্শিক এবং কৌশলগত বিভাজনের একটি অনুরূপ কিন্তু কম দৃশ্যমান ধরন দেখিয়েছিল। কিন্তু সেখানে রিপাবলিকানদের ওপর দলের ব্যবধান ছিল প্রায় দুইশ আসনের, এবং ডেমোক্রেটিক দক্ষিণপন্থীরা ছোট এবং সুসংগঠিত না হওয়ায় প্রশাসনের পক্ষে তার কর্মসূচি পাস করা সহজ হয়েছিল। ** [https://www.google.co.uk/books/edition/Speak_Now_Against_The_Day/QQ45AAAAQBAJ?hl=en&gbpv=1&dq=In+its+own+way,+the+House+of+Representatives+showed+a+similar+if+less+visible+pattern+of+ideological+and+strategic+division+among+its+Southern+Democrats.+But+there+the+party%E2%80%99s+margin+over+the+Republicans+was+nearly+two+hundred+seats,+and+with+the+Democratic+right+wing+small+and+not+well+organized,+the+administration+had+an+easier+time+getting+its+program+through&pg=PT142&printsec=frontcover স্পিক নাউ এগেইনস্ট দ্য ডে দ্য জেনারেশন বিফোর দ্য সিভিল রাইটস মুভমেন্ট ইন দ্য সাউথ, লেখক জন এগারটন, ২০১৩] দ্রষ্টব্য: লেখক এখানে এই তথ্যটি উল্লেখ করছেন যে রুজভেল্টের প্রেসিডেন্সির শুরুতে কংগ্রেসে তার অনুকূলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল। তার প্রেসিডেন্সির প্রথম ছয় বছর রুজভেল্ট একটি উদারপন্থী কংগ্রেসনাল সংখ্যাগরিষ্ঠতার সাথে কাজ করার সুবিধা পেয়েছিলেন।<ref>[https://books.google.co.uk/books?id=hYLNAAAAMAAJ&dq=national+industrial+recovery+act+liberal+majority+congress&pg=PA211&redir_esc=y#v=onepage&q=national%20industrial%20recovery%20act%20liberal%20majority%20congress&f=false দ্য সিগন্যালম্যানস জার্নাল, জুন, ১৯৫০, পৃ. ২১১]</ref> * একটি উল্লেখযোগ্য মাত্রায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পরিচালনা করেছিল তা ছিল [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম বিশ্বযুদ্ধের]] সময় [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সহকারী সচিব|নৌবাহিনীর সহকারী সচিব]] হিসেবে রুজভেল্টের নিজস্ব অভিজ্ঞতার একটি ফলাফল—এমন একটি সময় যা তাকে যন্ত্রপাতির মাধ্যমে শত্রুকে পরাভূত করার সুবিধা এবং স্থল যুদ্ধের ঝুঁকির প্রশংসা করতে শিখিয়েছিল। যখন তিনি ১৯১৮ সালে সম্মুখ সমরাঞ্চল পরিদর্শনের জন্য [[ফ্রান্স|ফ্রান্সে]] ভ্রমণ করেছিলেন, তখন যুদ্ধক্ষেত্র তাকে বিমুখ করেছিল। সৈন্যদের অবস্থা ছিল অত্যন্ত জনাকীর্ণ, এবং তিনি তার ডায়েরিতে লিখেছিলেন যে "মৃত ঘোড়ার গন্ধ" তার "সংবেদনশীল নৌ" নাককে বিরক্ত করেছিল। এর পরিবর্তে, তিনি লজিস্টিক এবং সরঞ্জামের দিকে মনোনিবেশ করেছিলেন: [[নাৎসি জার্মানি|জার্মান]] লাইনগুলোকে আঘাত করার জন্য ট্রেনের বগির মাধ্যমে স্থলে পরিবহণ করা বড় নৌ কামানের মোতায়েন; বিমান এবং বোমা প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতির জন্য চাপ। তিনি মিত্রশক্তির জাহাজগুলোকে ঝুঁকির মুখে ফেলার পরিবর্তে সমগ্র [[w:উত্তর সাগর|উত্তর সাগর]] জুড়ে একটি মাইনফিল্ড তৈরি করে জার্মান [[w:ইউ-বোট|ইউ-বোট]] আক্রমণ ব্যর্থ করার একটি পরিকল্পনা প্রচার করেছিলেন। (যুদ্ধ শেষ হওয়ার সময় এই পরিকল্পনাটি সম্পন্ন হয়নি।) এই সময়ে রুজভেল্টের কাজ তাকে [[ব্রিটেন]] এবং ফ্রান্সের মতো বিশ্বস্ত আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার মূল্যও দেখিয়েছিল। তিনি শিখতে পেরেছিলেন যে শক্তিশালী জোটের মাধ্যমেই আধুনিক যুদ্ধ জয় করা সম্ভব। <br> অনেক আমেরিকানের বিপরীতে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর রুজভেল্ট বিচ্ছিন্নতাবাদী হননি। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে আক্রমণাত্মক স্বৈরাচারী শাসনকে থামাতে হবে এবং বিশ্বাস করতেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যন্ত্রপাতি এবং জোটের মাধ্যমে তার নিজস্ব অনেক স্বার্থ রক্ষা করতে পারে। তিনি এই দুটি ধারণার সাথে এতটাই যুক্ত ছিলেন যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ব্রিটেন এবং [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নকে]] কোনো পরিশোধের আশা না করেই বিশাল পরিমাণে সাহায্য প্রদান করেছিলেন। রুজভেল্ট বিশ্বাস করতেন যে মার্কিন মিত্রদের শক্তিশালী করা এবং তাদের স্থল যুদ্ধের বেশিরভাগ কাজ করতে দেওয়া অনেক বেশি ভালো। এই দৃষ্টিভঙ্গি একজন যুদ্ধ নেতা হিসেবে তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাফল্যের দিকে পরিচালিত করেছিল। ** ফিলিপস পেসন ও'ব্রায়েন, [https://www.theatlantic.com/ideas/archive/2024/08/president-personal-preference-defines-national-interest/679642/ “দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ইজ হোয়াট দ্য প্রেসিডেন্ট সেজ ইট ইজ”], ''দ্য আটলান্টিক'', (৮/২৯/২০২৪) * যদি সেই লোকটির কিছু হতো... আমি তা সহ্য করতে পারতাম না। তিনি হলেন সবচেয়ে বিশ্বস্ত [[বন্ধু]]; তার দৃষ্টি সবচেয়ে সুদূরপ্রসারী; তিনি আমার [[জানা|চেনা]] [[শ্রেষ্ঠ|মহত্তম]] মানুষ। ** [[উইনস্টন চার্চিল]], ১৯৪৩ সালে [[w:কেনেথ পেন্দার|কেনেথ পেন্দারকে]] বলা হয়েছে, ডরিস কার্নস গুডউইন রচিত ''নো অর্ডিনারি টাইম : ফ্র্যাঙ্কলিন অ্যান্ড এলিনর রুজভেল্ট : দ্য হোম ফ্রন্ট ইন ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু'' (১৯৯৫), পৃ. ৪০৮-এ উদ্ধৃত * রাষ্ট্রপতির হাতে আগের বছরগুলোর মতো সেই নিশ্চিত এবং দৃঢ় মুষ্টি আর ছিল না। তিনি শারীরিকভাবে সতেজ ছিলেন না। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে তার মধ্যে "উদ্দীপনার অভাব" ছিল। তার সাইনাসের অবস্থা, যার জন্য রস ম্যাকইনটায়ার তাকে প্রতিদিন চিকিৎসা দিচ্ছিলেন, উন্নত হতে ব্যর্থ হয়েছিল। মার্চের শেষে, ম্যাকইনটায়ার অবশেষে তাকে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বেথেসডা নেভাল হাসপাতালে নিয়ে যান। একজন কার্ডিওলজিস্ট, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হাওয়ার্ড ব্রুয়েন (ইউএসএনআর), একটি ভয়াবহ প্রতিবেদন পেশ করেন। রাষ্ট্রপতি উচ্চ রক্তচাপ, হৃদপিণ্ডের বাম ভেন্ট্রিকল ফেইলিওর, হাইপারটেনসিভ হার্ট ডিজিজ এবং তীব্র ব্রঙ্কাইটিসে ভুগছিলেন। ৬২ বছর বয়সে রুজভেল্টের শরীর তাকে হতাশ করছিল। তিনি যেকোনো সময় মারা যেতে পারতেন। অনেক যত্নে তার জীবন আরও এক বছর বা তার বেশি বাড়ানো যেতে পারে। কিন্তু যুদ্ধকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি কীভাবে বিশ্রাম এবং সীমিত কর্মকাণ্ডের একটি কর্মসূচি অনুসরণ করতে পারেন? এটি সম্ভব ছিল না। ** হেনরি এইচ. অ্যাডামস, ''উইটনেস টু পাওয়ার: দ্য লাইফ অফ ফ্লিট অ্যাডমিরাল উইলিয়াম ডি. লেহি'' (১৯৮৫), পৃ. ২৩৬ * প্রগ্রেসিভ পার্টি তার অতিরঞ্জিত দাবিগুলোর মাধ্যমে নিজের ওপর প্রমাণের এক বিশাল বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে। সাম্প্রতিক স্মৃতিতে একমাত্র যে দলটি বন্ধুত্বের একইভাবে উচ্চকণ্ঠ দাবি করেছিল তারা ছিল কমিউনিস্টরা, যারা এই পরীক্ষায় টিকে থাকতে ব্যর্থ হয়েছিল; এবং অনুরূপ দাবির একমাত্র রাজনীতিবিদ ছিলেন অবশ্যই [[হেনরি ওয়ালেস|হেনরি ওয়ালেসের]] প্রাক্তন গুরু রুজভেল্ট, যিনি শেষ পর্যন্ত তার কণ্ঠস্বরের জাদু চলে যাওয়ার পরে তার কৃষ্ণাঙ্গ ভাইকে একজন নাগরিকের মর্যাদায় উন্নীত করতে সফল হননি। এটিই ওয়ালেস পার্টির বংশপরিচয় এবং এটি পুরোপুরি এর অনুকূলে কাজ করে না। এটি এমনকি সবচেয়ে মরিয়া এবং সবচেয়ে বোকাদেরও থামিয়ে দিতে কাজ করে। ** [[জেমস বল্ডউইন]], ''নোটস অফ আ নেটিভ সান'' (১৯৫৫) * কোনো রিপাবলিকান রাষ্ট্রপতি হাজার হাজার অনুগত জাপানি বংশোদ্ভূত আমেরিকানদের বছরের পর বছর কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে আটকে রাখেননি। তিনি ছিলেন ডেমোক্র্যাট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট। ** [[w:ব্রুস বার্টলেট|ব্রুস বার্টলেট]], [https://books.google.com/books?id=vb3Mx7GqAmwC&printsec=frontcover&dq=isbn:9780230600621&hl=en&sa=X&ved=0CB4Q6AEwAGoVChMIi92Er-SPxwIVhnQ-Ch3plQCk#v=onepage&q&f=false ''রং অন রেস: দ্য ডেমোক্রেটিক পার্টিস বারিড পাস্ট''] (২০০৮), পৃ. ১১ * এবং যদিও কংগ্রেসের কিছু সদস্য অভিযোগ করেছিলেন যে রুজভেল্ট তার আইনি কর্তৃত্ব অতিক্রম করছেন, তবুও তিনি তাদের হোয়াইট হাউসে ধারাবাহিক "ফায়ারসাইড চ্যাটস" বা আগুনের পাশে বসে আড্ডার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে তাদের জয় করতে সক্ষম হয়েছিলেন ("সম্ভবত, সেনেটর, আপনি এই নীতিগুলো আরও ভালভাবে বুঝতে পারবেন যদি আর্নস্ট এবং ভিক্টর আপনাকে আগুনের আরও ''কাছে'' নিয়ে যান?" "না! দয়া করে!")। ** [[ডেভ ব্যারি]], ''ডেভ ব্যারি স্লেপ্ট হিয়ার: আ সর্ট অফ হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'' (১৯৮৯), পৃ. ১১৫ * ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের রেকর্ডে চারটি বিষয় অন্য সবকিছুর উপরে দাঁড়িয়ে থাকবে। এক, মানুষ এবং তাদের কল্যাণে তার আগ্রহ, যা সামাজিক আইনগুলোতে দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে এবং যা আজও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। দুই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি এবং এর বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে, তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ যুদ্ধে জয়ী হওয়ার প্রধান কারিগর হয়ে ওঠেন। তিন, তিনি একটি [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] সৃষ্টি করেছিলেন, যার কাঠামোর মধ্যে জাতিগুলো চাইলে একটি শান্তি চুক্তি লিখিত হতে পারে—এমন একটি শান্তি যার জন্য মানবজাতি যুগ যুগ ধরে তৃষ্ণার্ত ছিল... চার, তিনি একটি রোগকে জয় করে অসংখ্য অক্ষম মানুষকে আশা দিয়েছিলেন যা তার জীবনের সেরা সময়ে তাকে আক্রমণ করেছিল। ... ওয়ার্ম স্প্রিংস এবং [[পোলিও|পোলিওতে]] তার আগ্রহের কারণে, সেই ভয়াবহ রোগের নিবিড় গবেষণায় এমন উন্নতি হয়েছে যা এটি থেকে মুক্তি দিতে পারে, এমন একটি অর্জন যা নিজেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ** [[বার্নার্ড বারুচ]], এফডিআরের জন্য একটি স্মরণসভায় পড়া একটি চিঠিতে, ''[[w:সেন্ট পিটার্সবার্গ টাইমস|সেন্ট পিটার্সবার্গ টাইমস]]''-এ রিপোর্ট করা হয়েছে (১৩ এপ্রিল ১৯৫৫) * জনমনে দীর্ঘকাল ধরে প্রচলিত ধারণা ছিল যে এফডিআর [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী|সেনাবাহিনীর]] চেয়ে [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী|নৌবাহিনীকে]] বেশি প্রাধান্য দিতেন, কিন্তু বাজেট, মোতায়েন এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে তিনি সর্বাধিনায়ক হিসেবে সমান ছিলেন। তবে আবেগগত স্তরে, রুজভেল্টের পরিদর্শন-মাছ ধরা-ছুটি কাটানোর সমন্বিত ভ্রমণগুলো—যেমনটি তিনি ক্রুজার হিউস্টনে উপভোগ করতেন—ছিল তার প্রিয় অনুষ্ঠানগুলোর অন্যতম। এবং নৌবাহিনীর অ্যাডমিরালদের সাথে তার দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক, বিশেষ করে কর্তব্যপরায়ণ [[উইলিয়াম ডি. লেহি|লেহি]], তাদের আশেপাশে থাকার বিষয়টি তাকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলেছিল। এই বৈপরীত্যটি মনে রাখলে আরও স্পষ্ট হয় যে ১৯৩০ থেকে ১৯৩৫ সাল পর্যন্ত সেনাবাহিনীর চিফ অফ স্টাফ ছিলেন [[ডগলাস ম্যাকআর্থার]]। জেনারেল তখনও [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|গৃহযুদ্ধের]] সময় মিশনারি রিজ পর্যন্ত [[w:আর্থার ম্যাকআর্থার|তার বাবার]] অগ্রযাত্রার অনুকরণ করার চেষ্টা করছিলেন এবং হোয়াইট হাউসে তার সফরগুলো প্রায়ই একটি রাষ্ট্রীয় সফরের রূপ নিত। এফডিআর ম্যাকআর্থার বা অন্য কাউকেই ভয় পেতেন না—কিন্তু তিনি তার সাথে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধও করতেন না। যখন ম্যাকআর্থার ওয়াশিংটন ছেড়ে [[ফিলিপাইন|ফিলিপাইনে]] চলে যান এবং [[w:মালিন ক্রেইগ|মালিন ক্রেইগ]], যাকে রুজভেল্ট খুব ভালো করে চিনতেন না, সেনাবাহিনীর চিফ অফ স্টাফ হন, তখন এটি অত্যন্ত স্বাভাবিক ছিল যে রুজভেল্ট অনুগত এবং অমায়িক লেহিকে তার প্রধান সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ** ওয়াল্টার আর. বোর্নম্যান, ''দ্য অ্যাডমিরালস: নিমিটজ, হ্যালসি, লেহি এবং কিং- দ্য ফাইভ-স্টার অ্যাডমিরালস হু ওন দ্য ওয়ার অ্যাট সি'' (২০১২), পৃ. ১৬৭ * রাষ্ট্রপতি রুজভেল্ট... আমাকে বলেছিলেন যে আমার [[কু ক্লাক্স ক্ল্যান|কু ক্লাক্স ক্ল্যানের]] সদস্য হওয়া নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি বলেছিলেন যে [[জর্জিয়া (মার্কিন অঙ্গরাজ্য)|জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে]] তার সেরা কিছু বন্ধু এবং সমর্থক এই সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন। তিনি কোনোভাবেই, কথা বা আচরণের মাধ্যমে, আমার ক্ল্যানে থাকার বিষয়ে কোনো সন্দেহ প্রকাশ করেননি বা সেই সংগঠনের সদস্য হওয়ার জন্য আমার কোনো সমালোচনাও করেননি। ** [[w:হুগো ব্ল্যাক|হুগো ব্ল্যাক]], লাইব্রেরি অফ কংগ্রেসে ব্ল্যাকের পেপারসের ভার্জিনিয়া ভ্যান ডার ভিয়ার হ্যামিলটন ফাইলের একটি নোটে, হাওয়ার্ড বল রচিত ''কোল্ড স্টিল ওয়ারিয়র: কোল্ড স্টিল ওয়ারিয়র'' (অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৯৬), পৃ. ৯৮–৯৯-এ উদ্ধৃত * রুজভেল্ট এবং [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ|জেসিএসের]] মধ্যে বৈঠকগুলো ছিল তাৎক্ষণিক এবং সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য ডাকা হতো। রাষ্ট্রপতি নির্ধারণ করতেন কে উপস্থিত থাকবেন, সম্ভবত তাদেরকেই তিনি ডাকতেন যাদের কাছ থেকে তিনি পরামর্শ চাইতেন। রেকর্ড দেখায় যে [[আর্নেস্ট কিং|কিং]] ১৯৪২ সালে প্রায় ৩২ বার হোয়াইট হাউসে গিয়েছিলেন, যদিও আরও কিছু বৈঠক হতে পারে যা রাষ্ট্রপতির অ্যাপয়েন্টমেন্ট ক্যালেন্ডারে ছিল না। এরপর যুদ্ধের বাকি সময়ে নির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্টগুলো কমে গিয়েছিল: ১৯৪৩ সালে আটটি, ১৯৪৪ সালে নয়টি এবং ১৯৪৫ সালে একটি। এর বিপরীতে, [[উইনস্টন চার্চিল|চার্চিল]] ব্রিটিশ চিফস অফ স্টাফদের সাথে প্রায় প্রতিদিন বৈঠক করতেন। ** থমাস বি. বুয়েল, ''মাস্টার অফ সি পাওয়ার: আ বায়োগ্রাফি অফ ফ্লিট অ্যাডমিরাল আর্নেস্ট জে. কিং'' (১৯৮০), পৃ. ২৪২ * চৌত্রিশ বছর আগে মহান মন্দার সাগরে দিশেহারা একটি জাতি সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের হুমকিমূলক ঝড়ের মুখোমুখি হয়েছিল। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট ওয়াগনার অ্যাক্ট এবং অন্যান্য নিউ ডিল পদক্ষেপের মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছিলেন, যেগুলোকে তখন বেশ বৈপ্লবিক বলে মনে করা হতো, যেমন সোশ্যাল সিকিউরিটি, বেকারত্ব বীমা এবং ফেয়ার লেবার স্ট্যান্ডার্ডস অ্যাক্ট। যদিও এই পদক্ষেপগুলো বিদ্যমান পুঁজিবাদী ব্যবস্থাকে কিছুটা পরিবর্তন করেছিল, তারা মুক্ত উদ্যোগের জন্য জাতিকে রক্ষা করেছিল। তবে তারা খামার শ্রমিকদের রক্ষা করেনি। তাদের প্রত্যেকটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। নিউ ডিলের সামাজিক বিপ্লব তাদের পাশ কাটিয়ে চলে গিয়েছিল। আমাদের ইউনিয়নকে সম্ভব করতে এবং খামার শ্রমিকরা অবশেষে তাদের অধিকার পাবে এমন বৃহত্তর আশাকে বাস্তবে রূপ দিতে একটি নতুন সামাজিক বিপ্লবের প্রয়োজন ছিল। ** [[সিজার শ্যাভেজ]], এপ্রিল ১৯৬৯-এর সাক্ষ্য, ''অ্যান অর্গানাইজার’স টেল'' (২০০৮)-এ সংকলিত * আমাদের জন্য, কেবল এটুকুই বলা বাকি থাকে যে ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্টের মৃত্যুতে আমরা এমন এক শ্রেষ্ঠ আমেরিকান বন্ধুকে হারিয়েছি যাকে আমরা চিনেছি, এবং স্বাধীনতার এমন এক শ্রেষ্ঠ চ্যাম্পিয়ন যিনি নতুন পৃথিবী থেকে পুরনো পৃথিবীতে সাহায্য ও সান্ত্বনা নিয়ে এসেছিলেন। ** [[উইনস্টন চার্চিল]], তার [https://fdr.blogs.archives.gov/2020/04/15/more-than-a-moment-for-the-nation-the-presidential-funeral-of-fdr/ হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণে (১৭ এপ্রিল ১৯৪৫)] * ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্টের সাথে দেখা হওয়াটা ছিল আপনার প্রথম শ্যাম্পেনের বোতল খোলার মতো; তাকে জানাটা ছিল সেটা পান করার মতো। ** [[উইনস্টন চার্চিল]] * যদিও রুজভেল্ট ১৯৩২ সালের নির্বাচনে হুভারকে বিপুল ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন, তবুও আমার অনেক সন্দেহ ছিল যে তিনি মন্দা মোকাবিলায় কোনো সমাধান দিতে পারবেন এবং একই সাথে আমাদের আমেরিকান জন্মগত অধিকার বজায় রাখতে পারবেন। আমার এই আশঙ্কা আরও শক্তিশালী হয়েছিল যখন আমি নিউ ইয়র্ক সিটিতে রুজভেল্টের বিজয় উদযাপনের একটি ডেমোক্রেটিক ডিনারে উপস্থিত ছিলাম। নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি দেশটিকে কোন দিকে পরিচালিত করবেন সে সম্পর্কে কোনো ইঙ্গিত দেননি। এর কিছুদিন পরেই যখন আমি তার আমন্ত্রণে জর্জিয়ার ওয়ার্ম স্প্রিংসে গিয়েছিলাম আসন্ন ৭৩তম কংগ্রেসের জন্য তার আইন প্রণয়ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করতে, তখনও তিনি কোনো পথ দেখাননি। এটি ছিল ১৯৩২ সালের ডিসেম্বর মাস, এবং রুজভেল্ট তখনও বাজেট ভারসাম্যপূর্ণ করা এবং সরকারি ব্যয় কমানোর কথা বলছিলেন। তিনি একজন কট্টরপন্থী হিসেবে রাষ্ট্রপতি এবং ফেডারেল সরকারের সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার ওপরও জোর দিয়েছিলেন। তার মুখমণ্ডল ছিল রোদে পোড়া তামাটে এবং সতেজ এবং তিনি তৃপ্তির সাথে সিগারেটে টান দিচ্ছিলেন। আমি ভাবলাম এটি অদ্ভুত যে একজন মানুষ যিনি সারা দেশে প্রচার চালিয়েছেন তিনি বাস্তবতার সাথে এতটা বিচ্ছিন্ন। বারবার আমি জেদ ধরেছিলাম যে একটি প্রারম্ভিক কর্মসূচি হিসেবে আমাদের ট্যাক্স মারাত্মকভাবে কমাতে হবে এবং সরাসরি ত্রাণের জন্য ফেডারেল ঋণ গ্রহণ শুরু করতে হবে। আমি রাগান্বিত হয়ে বলেছিলাম, "যদি একটি যুদ্ধে চল্লিশ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা সাংবিধানিক হয়, তবে আমাদের নাগরিকদের ক্ষুধা ও দুর্দশা লাঘবে সামান্য অর্থ ব্যয় করা কি ততটাই সাংবিধানিক নয়?" কিন্তু নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি তার শার্টের হাতা গুটিয়ে বসে রইলেন এবং তার সিগারেটে আরও কিছু টান দিলেন এবং কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত রইলেন। ** মাই নেম ইজ টম কনলি, সেনেটর টম কনলি এবং আলফ্রেড স্টেইনবার্গ, থমাস ওয়াই ক্রওয়েল কোম্পানি: নিউ ইয়র্ক, ১৯৫৪, পৃ. ১৪৭-১৪৮ দ্রষ্টব্য: কনলি রুজভেল্ট সম্পর্কে তার আশঙ্কা ত্যাগ করেছিলেন, যা তিনি এই একই পাঠ্যের ১৫০ পৃষ্ঠায় দেখিয়েছেন। * ব্যাংক ব্যবস্থার সাফল্যের সাথে জাতীয় আত্মবিশ্বাস পুনরুদ্ধারের গভীর সম্পর্ক ছিল। তার পদক্ষেপের মাধ্যমে রুজভেল্ট দেশের অর্থ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল করেছিলেন। তিনি যদি ব্যাংকগুলো বন্ধ না করতেন এবং ইমার্জেন্সি ব্যাংকিং অ্যাক্ট পাস না করতেন, তবে অর্থের দিক থেকে দেশটি যে পুরোপুরি ভেঙে পড়ত তাতে খুব কমই সন্দেহ আছে। এই আইনের মাধ্যমেই আমেরিকান ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যস্ততম আইনি সময়কাল শুরু হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি রুজভেল্ট শপথ নেওয়ার কয়েক দিন পর এবং আমি ফ্লু থেকে সেরে ওঠার পর, তিনি আমাকে তার কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করতে হোয়াইট হাউসে ডেকেছিলেন। আমি তখন সেনেট ফিন্যান্স কমিটি, ফরেন রিলেশনস কমিটি, ইলেকশন কমিটি এবং পাবলিক বিল্ডিংস অ্যান্ড গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান ছিলাম। হোয়াইট হাউসের সেই বৈঠকে এফডিআর আমাকে বলেছিলেন যে তিনি কেবল পুনরুদ্ধারের পদক্ষেপগুলোতেই আগ্রহী নন, বরং দীর্ঘকাল ধরে ঝুলে থাকা সংস্কারগুলোর বিষয়েও আগ্রহী। ব্যাংকিং অ্যাক্ট ছিল আইনি কর্মকাণ্ডের প্লাবন তৈরির বাঁধের গেট খোলার একদল বিলের মধ্যে প্রথম বিল। আমাদের তাৎক্ষণিক সমস্যা ছিল কৃষি, ব্যবসা এবং শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং বাড়ি ও খামারের মালিকদের রক্ষা করা এবং বেকারদের খাদ্য ও বস্ত্রের ব্যবস্থা করা। কিন্তু একই সাথে আমরা স্টক মার্কেট সংস্কার করব, আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদের আরও ভাল ব্যবহার করব, শ্রমিকের দর কষাকষির ক্ষমতা বাড়াব, বস্তির বিরুদ্ধে লড়াই করব এবং বয়স্ক, প্রতিবন্ধী ও বেকারদের জন্য একটি সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলব। আমি এখন তার সংকল্প এবং নেতৃত্বে অত্যন্ত আনন্দিত ছিলাম। ** মাই নেম ইজ টম কনলি, সেনেটর টম কনলি এবং আলফ্রেড স্টেইনবার্গ, থমাস ওয়াই ক্রওয়েল কোম্পানি: নিউ ইয়র্ক, ১৯৫৪, পৃ. ১৫০ দ্রষ্টব্য: কনলি এখানে রুজভেল্টের ক্ষমতার প্রথম বছরে পাস করা ব্যাংকিং আইনের কথা উল্লেখ করছিলেন। * আমেরিকা জাতীয় সমাজতন্ত্রের স্বাদ পেয়েছিল। রুজভেল্ট প্রশাসনিক সকল উদ্দেশ্যে একজন [[একনায়কতন্ত্র|একনায়ক]] ছিলেন, তবে তিনি ছিলেন হিতৈষী, এবং দেশ তাকে ভালোবাসত। ** [[w:অ্যালিস্টেয়ার কুক|অ্যালিস্টেয়ার কুক]], "অ্যালিস্টেয়ার কুক'স আমেরিকা", নিউ ইয়র্ক: এনওয়াই, আলফ্রেড এ. নফ, ইনকর্পোরেটেড (১৯৭৩) পৃ. ৩২৯ * তিনি ছিলেন প্রথম প্রধান নির্বাহী যিনি বিমানে চড়েছিলেন, যুদ্ধকালীন দেশ ত্যাগ করেছিলেন, রেডিওর মাধ্যমে জনগণের কাছে রিপোর্ট করেছিলেন, ক্যাবিনেটে একজন নারীকে স্থান দিয়েছিলেন, সরাসরি জাপানের সম্রাটের কাছে চিঠি লিখেছিলেন—কেবল এই কারণেই যে আগে কেউ কখনও তা করেনি। ** ডগলাস বি. কর্নেল, ''[[w:দ্য পোস্ট অ্যান্ড কুরিয়ার|নিউজ অ্যান্ড কুরিয়ার]]'' (১০ এপ্রিল ১৯৫৫) * এই দেশে প্রত্যেকের জন্য তাদের মেধা অনুযায়ী লাভ করার পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে, যদি তারা কাজ করতে ইচ্ছুক হয়। এখন থেকে আমাদের জাতীয় মূলমন্ত্র হবে ‘''সকলের জন্য নিরাপত্তা।''’ এখন থেকে আমাদের আইনগুলো এমনভাবে লেখা এবং কার্যকর করা হবে যাতে অল্প কয়েকজনের জন্য থাকা আর্থিক সুবিধাগুলো বিলুপ্ত হয়ে যায়। এর মাধ্যমেই এটাই বোঝানো হয়েছে যখন [জনাব রুজভেল্ট বলেছিলেন: ‘''আমাদের লক্ষ্যগুলোর মধ্যে আমি জাতির পুরুষ, নারী এবং শিশুদের নিরাপত্তাকে প্রথমে রাখি।''’ এই শব্দগুলো সেই দর্শনকে নির্দেশ করে যা আমাদের রাষ্ট্রপতিকে তার কার্যকাল জুড়ে পরিচালিত করবে। এটি [[সামাজিক ন্যায়বিচার|সামাজিক ন্যায়বিচারের]] দর্শন যা [[লোভ|লোভ]] এবং [[স্বাতন্ত্র্যবাদ|স্বাতন্ত্র্যবাদের]] [[সোফিস্ট|কুতর্ককে]] পরাজিত করতে চলেছে। ** [[চার্লস কফলিন]], সম্প্রচারিত ভাষণ (৬ জানুয়ারি ১৯৩৫) “[https://www.ssa.gov/history/fcspeech.html প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট অ্যান্ড সোশ্যাল জাস্টিস!]” * আমি রুজভেল্টের [[w:টিমস্টার্স ইউনিয়ন|টিমস্টার্স ইউনিয়নে]] দেওয়া সেই মহান ভাষণের একটি খসড়া তৈরি করেছিলাম যা চূড়ান্ত সংস্করণে স্পষ্ট ছিল না, কিন্তু সেই ভাষণের চমৎকার উপস্থাপনা শুনে মনে হয়েছিল যে এটিই ছিল [১৯৪৪ সালের] প্রচার অভিযানের মোড় পরিবর্তনকারী মুহূর্ত। স্ট্যাটলার ভোজসভায় এফডিআর যে লাইনগুলো গেয়ে শুনিয়েছিলেন সেখানে ফালাকে নিয়ে করা হাসি (তবে তা ছিল [[w:থমাস ই. ডিউই|ডিউইকে]] নিয়ে) আমি এখনও শুনতে পাই: "[[রিপাবলিকান পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|রিপাবলিকান]] নেতারা কেবল আমার বা আমার স্ত্রী বা আমার ছেলেদের ওপর ব্যক্তিগত আক্রমণ করেই সন্তুষ্ট হননি, তারা এখন আমার ছোট কুকুর ফালাকেও এর অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আমার পরিবারের সদস্যদের মতো নয়, ফালা এতে বিরক্ত হয়েছে। যখন সে জানতে পেরেছে যে রিপাবলিকান কল্পকাহিনী লেখকরা এমন একটি গল্প তৈরি করেছে যে আমি তাকে একটি অ্যালিউশিয়ান দ্বীপে রেখে এসেছি এবং করদাতার দুই বা তিন মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে তাকে খুঁজে বের করার জন্য একটি ডেস্ট্রয়ার পাঠিয়েছি, তখন তার স্কচ আত্মা ক্রুদ্ধ হয়েছিল। তারপর থেকে সে আর আগের মতো নেই। আমি নিজের সম্পর্কে বিদ্বেষপূর্ণ মিথ্যা কথা শুনতে অভ্যস্ত, কিন্তু আমি মনে করি আমার কুকুর সম্পর্কে মানহানিকর বক্তব্যের বিরুদ্ধে আপত্তি জানানোর অধিকার আমার আছে।" ** [[w:জোনাথন ডব্লিউ ড্যানিয়েলস|জোনাথন ডব্লিউ ড্যানিয়েলস]], ''হোয়াইট হাউস উইটনেস, ১৯৪২-১৯৪৫'' (গার্ডেন সিটি, এন.ওয়াই.: ডাবলডে), [https://www.whitehousehistory.org/famous-quotes-from-white-house-workers "হোয়াইট হাউস হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন"-এর "ফেমাস কোটস ফ্রম হোয়াইট হাউস ওয়ার্কার্স"]-এ উদ্ধৃত * তার মেধা ছিল এমনই যে তিনি আমাদের জাতির ইতিহাসে অতুলনীয় এক কঠিন আমেরিকান সময়ে আমাদের জন্য উষ্ণ হৃদয়ের নেতৃত্বে স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারতেন। ** [[w:জোসেফাস ড্যানিয়েলস|জোসেফাস ড্যানিয়েলস]], লিটল হোয়াইট হাউস উৎসর্গ অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে, ''[[w:টাইমস ডেইলি|টাইমস ডেইলি]]''-তে উদ্ধৃত (২৫ জুন ১৯৪৭) * এটি এমন নয় যে [[অ্যান্ড্রু জ্যাকসন|জ্যাকসনের]] একটি "অন্ধকার দিক" ছিল, যেমনটি তার ক্ষমা প্রার্থনাকারীরা যুক্তি দেয় এবং যা সকল মানুষেরই থাকে, বরং জ্যাকসন ছিলেন একটি [[ঔপনিবেশিকতা|ঔপনিবেশিক]], [[আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদী]] গণতন্ত্র হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গঠনের 'ডার্ক নাইট', একটি গতিশীল গঠন যা মার্কিন দেশপ্রেমের মূল ভিত্তি হয়ে রয়েছে। সবচেয়ে শ্রদ্ধেয় রাষ্ট্রপতিরা—[[থমাস জেফারসন|জেফারসন]], জ্যাকসন, [[আব্রাহাম লিংকন|লিংকন]], [[উড্রো উইলসন|উইলসন]], উভয় রুজভেল্ট, [[হ্যারি এস. ট্রুম্যান|ট্রুম্যান]], [[জন এফ. কেনেডি|কেনেডি]], [[রোনাল্ড রিগান|রিগান]], [[বিল ক্লিনটন|ক্লিনটন]], [[বারাক ওবামা|ওবামা]]—প্রত্যেকেই [[জনতাবাদ|জনতাবাদী]] [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদকে]] এগিয়ে নিয়েছেন এবং ক্রমান্বয়ে শাসক পুরাকথায় পুরনো বসতি স্থাপনকারীদের বংশধরদের বাইরে অন্য গোষ্ঠীগুলোর অন্তর্ভুক্তি বাড়িয়েছেন। জ্যাকসনের পরবর্তী সকল রাষ্ট্রপতি তার পদচিহ্ন অনুসরণ করে চলেছেন। সচেতনভাবে হোক বা না হোক, তারা কী গ্রহণযোগ্য, কীভাবে গণতন্ত্র ও গণহত্যাকে মিলিয়ে নেওয়া যায় এবং একে জনগণের জন্য স্বাধীনতা হিসেবে চিহ্নিত করা যায় সে বিষয়ে তার উদ্ধৃতি দেন। ** [[রোক্সান ডানবার-অরটিজ]], ''অ্যান ইনডিজেনাস পিপলস' হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'' (২০১৪) * এই ব্যক্তি যখনই আমাদের ছেড়ে চলে যেতেন না কেন, আমরা অনুভব করতাম যে আমরা একটি অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি...''' মানুষের হৃদয় ও মনে তার প্রভাব স্থায়ী হোক!''' ** [[আলবার্ট আইনস্টাইন]], রুজভেল্টের মৃত্যুতে ''আউফবাউ'' [নিউ ইয়র্ক] (২৭ এপ্রিল ১৯৪৫)-এ দেওয়া বিবৃতি, অ্যালিস ক্যালাপ্রিস রচিত ''দ্য এক্সপান্ডেড কোটেবল আইনস্টাইন'' (২০০০)-এ উদ্ধৃত * পরে রাষ্ট্রপতি রুজভেল্ট এবং হোয়াইট হাউসের অতিথি প্রধানমন্ত্রী চার্চিলের সাথে দেখা হওয়াটা ছিল একটি অনানুষ্ঠানিক আড্ডার চেয়ে বেশি কিছু নয়। এর কোনো সামরিক তাৎপর্য ছিল না, তবে এই দুই ব্যক্তির কারোর সাথেই এটি ছিল আমার প্রথম ব্যক্তিগত আলাপ। আফ্রিকার মরুভূমিতে [[w:টোব্রুক|টোব্রুক]] মাত্রই জার্মানদের হাতে পতন হয়েছে এবং পুরো মিত্র বিশ্ব বিষণ্ণতায় ডুবে ছিল। তবে এই দুই নেতা কোনো [[হতাশা|হতাশার]] চিহ্ন দেখাননি। এটি দেখে তৃপ্তি হয়েছিল যে তারা আক্রমণ এবং বিজয় নিয়ে ভাবছিলেন, প্রতিরক্ষা এবং পরাজয় নিয়ে নয়। ** [[ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]], ''ক্রুসেড ইন ইউরোপ'' (১৯৪৮), পৃ. ৫১ * কখনও কখনও, যখন আমি সেই ব্যক্তি [[ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট|ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্টের]] বিজ্ঞ ও মানবিক কথাগুলো শুনেছি, তখন আমি ভেবেছি যে এই গত পাঁচটি ভয়াবহ বছরে কেবল তারই সেই সাহস, দূরদৃষ্টি এবং দক্ষতা ছিল যা দিয়ে তিনি একটি অসুস্থ ও মৃতপ্রায় বিশ্বকে সুস্থ করার উপায় বের করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তিনি যে পদক্ষেপগুলো নিচ্ছেন সেগুলোর জন্য প্রায় অতিমানবিক প্রচেষ্টার প্রয়োজন, কারণ তাকে অত্যন্ত ধনীদের প্রবল ঘৃণা, অত্যন্ত দরিদ্রদের জড়তা এবং বিশাল আমেরিকান মধ্যবিত্ত শ্রেণীর অদ্ভুত উদাসীনতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হচ্ছে। ** [[এদনা ফার্বার]], ''এ পিকুলিয়ার ট্রেজার'' (১৯৩৯), অধ্যায় ২৩ * যুদ্ধকালীন সময়ে রুজভেল্টের চারটি প্রধান অগ্রাধিকার ছিল। প্রথমটি ছিল মিত্রদের—প্রধানত [[যুক্তরাজ্য|গ্রেট ব্রিটেন]], [[সোভিয়েত ইউনিয়ন]] এবং (কিছুটা কম সফলভাবে) [[w:জাতীয়তাবাদী চীন|জাতীয়তাবাদী চীনকে]]—টিকিয়ে রাখা, কারণ বিজয় অর্জনের আর কোনো উপায় ছিল না; মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একা [[জার্মানি]] এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান|জাপানের]] বিরুদ্ধে লড়তে পারত না। দ্বিতীয়টি ছিল যুদ্ধোত্তর মীমাংসা গঠনে মিত্রদের সহযোগিতা নিশ্চিত করা, কারণ এটি ছাড়া দীর্ঘস্থায়ী শান্তির সম্ভাবনা ছিল খুব কম। তৃতীয়টি ছিল সেই মীমাংসার প্রকৃতির সাথে জড়িত। রুজভেল্ট আশা করেছিলেন তার মিত্ররা এমন একটি মীমাংসা অনুমোদন করবে যা ভবিষ্যতের [[যুদ্ধ|যুদ্ধসমূহের]] সম্ভাব্য কারণগুলো দূর করবে। এর অর্থ ছিল একটি নতুন [[w:সামষ্টিক নিরাপত্তা|সামষ্টিক নিরাপত্তা]] সংস্থা যার [[w:প্রতিরোধ|প্রতিরোধ]] করার ক্ষমতা থাকবে এবং প্রয়োজনে [[আগ্রাসন|আগ্রাসনকে]] শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা থাকবে, সেইসাথে একটি পুনরুজ্জীবিত [[বিশ্ব অর্থনীতি ব্যবস্থা|বিশ্ব অর্থনীতি ব্যবস্থা]] যা নতুন [[অর্থনৈতিক মন্দা|অর্থনৈতিক মন্দা]] প্রতিরোধে সক্ষম হবে। সবশেষে, এই মীমাংসাটি আমেরিকান জনগণের কাছে "গ্রহণযোগ্য" হতে হবে: এফডিআর উইলসন যে ভুল করেছিলেন—দেশটি যে পর্যন্ত যাওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল তার বাইরে নিয়ে যাওয়ার মতো ভুল—তা পুনরাবৃত্তি করতে চাননি। ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিচ্ছিন্নতাবাদে ফিরে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা ছিল না। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও—সোভিয়েত ইউনিয়নের মতোই—এমন একটি [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বিশ্ব|যুদ্ধোত্তর বিশ্ব]] মেনে নিতে প্রস্তুত ছিল না যা তার যুদ্ধপূর্ব উত্তরসূরির মতো ছিল। ** [[জন লুইস গাডিস]], ''দ্য কোল্ড ওয়ার: আ নিউ হিস্ট্রি'' (২০০৫), পৃ. ৭৭ * বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ ডেমোক্র্যাটিক রাষ্ট্রপতি, এবং আমার বিচারে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রপতি। ** [[নিউত গিংরিচ]], ১০৪তম কংগ্রেসের উদ্বোধনে [[হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস|হাউস স্পিকার]] হিসেবে তার [https://www.americanrhetoric.com/speeches/newtgingrichhousespeakerinaugural.htm অভিষেক ভাষণে (৪ জানুয়ারি ১৯৯৫)] * এখানে কোনো রিপাবলিকানের এ বিষয়ে নিজেদেরকে বোকা বানানো উচিত নয়। বিংশ শতাব্দীতে একটি সমন্বিত আমেরিকার জন্য লড়াইয়ে শ্রেষ্ঠ নেতারা ছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টিতে। বাস্তবতা হলো, ডেমোক্রেটিক পার্টির উদারপন্থী অংশই বর্ণবৈষম্য শেষ করেছিল। বাস্তবতা হলো, ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্টই এমন একটি জাতিকে আশা দিয়েছিলেন যা সংকটে ছিল এবং একনায়কতন্ত্রের দিকে ধাবিত হতে পারত। ডেমোক্র্যাটরা যা ঠিক করেছিল তা অধ্যয়ন করে প্রত্যেক রিপাবলিকানের অনেক কিছু শেখার আছে। ** [[নিউত গিংরিচ]], ১০৪তম কংগ্রেসের উদ্বোধনে [[হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস|হাউস স্পিকার]] হিসেবে তার [https://www.americanrhetoric.com/speeches/newtgingrichhousespeakerinaugural.htm অভিষেক ভাষণে (৪ জানুয়ারি ১৯৯৫)] * অন্যরা কীভাবে [[ভয়|ভয়কে]] বিবেচনা করেছে তার মধ্যে কেউ এক ধরনের প্রজ্ঞা খোঁজে। ১৯৩৩ সালে ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের অভিষেক ভাষণে সেই উদ্দীপনা ছিল। হিটলারের ক্ষমতার উত্থান, যা ছিল ইউরোপের সুদূরপ্রসারী ঘটনা, সেটাই কি তার মাথায় ছিল যখন তিনি ঘোষণা করেছিলেন 'আমাকে আমার দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করতে দিন যে আমাদের একমাত্র ভয়ের জিনিসটি হলো স্বয়ং ভয়'? এখন এটি অন্তঃসারশূন্য শোনায়, যেহেতু সেই সময়ের পর থেকে আমরা মানুষের বিলুপ্তির নতুন নতুন সব পদ্ধতি আবিষ্কার করেছি। ** [[নাদিন গর্ডিমার]], "ফিয়ার ইটস দ্য সোল" (২০০৩) * এটি সুপরিচিত যে প্রচুর সংখ্যক দক্ষিণী [[রক্ষণশীলতা|রক্ষণশীলরা]] রুজভেল্টকে ভয় পেতেন এবং নিউ ডিলকে ঘৃণা করতেন; ১৯৪৪ সালে টিকেট ছেড়ে দেওয়ার একটি নির্দিষ্ট কিন্তু ব্যর্থ আন্দোলন ছিল, উদাহরণস্বরূপ [[সাউথ ক্যারোলাইনা|সাউথ ক্যারোলাইনায়]]; ধারণাটি ছিল যে ভোটের বিভাজন হয়তো নির্বাচনকে প্রতিনিধি পরিষদে নিয়ে যাবে। কিন্তু যখন নির্বাচনের দিন এল, রুজভেল্ট সাউথ ক্যারোলাইনায় পনেরো-এক ব্যবধানে জয়ী হলেন। মানুষ তাকে ঘৃণা করতে পারত; কিন্তু তার বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার অর্থ ছিল নিজেদের গলা নিজেরাই কাটা। (তবে [[টেক্সাস|টেক্সাসে]] বিদ্রোহটি ব্যর্থ হলেও তা বাস্তবে রূপ নিয়েছিল।) রুজভেল্ট তার পক্ষ থেকে জর্জিয়ার জর্জের মতো কিছু দক্ষিণী সেনেটরকে বহিষ্কারের বিখ্যাত চেষ্টা করেছিলেন; তিনিও ব্যর্থ হয়েছিলেন। একটি চূড়ান্ত অসাধারণ বিষয় হলো যে রুজভেল্ট ১৯৪৪ সালে এবং তার আগের নির্বাচনী প্রচারগুলোতেও জয়ী হতেন, এমনকি যদি [[w:সলিড সাউথ|সলিড সাউথ]] পুরোপুরি তার বিরুদ্ধে ভোট দিত। [[দক্ষিণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|দক্ষিণ]], নিউ ডিলের প্রতি ঘৃণা সত্ত্বেও রুজভেল্টকে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়েছিল; কিন্তু ইলেকটোরাল কলেজ ফিগারের ভিত্তিতে তাকে নির্বাচিত করার ক্ষেত্রে তাদের কোনো দায়বদ্ধতা ছিল না। ** [[জন গানথার]], ''ইনসাইড ইউএসএ'' (১৯৪৭), পৃ. ৬৭৮ * [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] জয় আমাদের আগের ধারণাগুলোর বিপদকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছিল, সেইসাথে একটি [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদী]] শাসনব্যবস্থা এবং ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্টের মতো কারও দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা "[[বুর্জোয়া|বুর্জোয়া]] গণতন্ত্রের" মধ্যে থাকা চরম পার্থক্যগুলোকেও পরিষ্কার করেছিল। ১৯৩০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে [[ফ্যাসিবাদ-বিরোধী|ফ্যাসিবাদ-বিরোধী]] ইস্যুটি আমাদের সমস্ত গণআন্দোলনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল। [[ফ্রান্স]] এবং [[স্পেন|স্পেনের]] মতো দেশগুলোতে যেখানে বড় সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন বিদ্যমান ছিল, সেখানে [[কমিউনিজম|কমিউনিস্টরা]] [[বামপন্থী রাজনীতি|বামপন্থীদের]] ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুক্তফ্রন্টে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করেছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমরা সমাজতন্ত্রীদের সাথে কাজ করার চেষ্টা করেছিলাম এবং আমরা আমাদের আগের নিউ ডিল সম্পর্কে অত্যন্ত সমালোচনামূলক মূল্যায়নের পুনর্বিবেচনা শুরু করেছিলাম। ** [[ডরোথি রে হিলি]], ''ক্যালিফোর্নিয়া রেড: আ লাইফ ইন দ্য আমেরিকান কমিউনিস্ট পার্টি'' (১৯৯০) * আমি এইমাত্র আমেরিকা থেকে এসেছি, যেখানে আমি রুজভেল্টকে দেখেছি। ভুল করবেন না, তিনি একটি শক্তি—একজন উচ্চতর এবং দুর্ভেদ্য মনের মানুষ, কিন্তু পুরোপুরি নির্মম—একটি অত্যন্ত বহুমুখী মন যা আপনি আগে থেকে বুঝতে পারবেন না। তার মধ্যে সবচেয়ে বিস্ময়কর ক্ষমতার আচ্ছন্নতা রয়েছে, মুসোলিনির নির্যাস, একেবারে একজন একনায়কের উপাদান। ** [[কার্ল ইয়ুং]], লন্ডনে একটি বক্তৃতার সময়, উদ্ধৃত: {{cite web |url=https://paperspast.natlib.govt.nz/newspapers/ESD19370119.2.128?items_per_page=100&page=304&query=ivor&sort_by=byDA |title=সাইকোলজি অফ ডিক্টেটরশিপ |publisher=[[w:দ্য স্টার (ডানেডিন)|দ্য ইভিনিং স্টার]] |date=১৯ জানুয়ারি ১৯৩৭}} * ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট ছিলেন বয়স্কদের, শিশুদের, প্রতিবন্ধীদের এবং কৃষকদের চ্যাম্পিয়ন; তাদের চ্যাম্পিয়ন যাদের ভুলে যাওয়া হয়েছিল, যাদের কথা মনে রাখা হয়নি, যাদের সাহায্যের হাত দরকার ছিল, যাদের একজন ভালো প্রতিবেশীর প্রয়োজন ছিল। এই সবকিছুর পেছনে মূল শক্তি তার দল বা তার বুদ্ধি ছিল না, বরং তা ছিল তার আত্মা, এমন একটি আত্মা যা তিনি আমাদের দলের মধ্যে ফুঁকে দিয়েছিলেন, যে আত্মা আমরা আজও বহন করি। [করতালি।] এটি করুণার আত্মা ছিল না; এটি ছিল সহমর্মিতার আত্মা। এটি ছিল এমন একজন মানুষের সহমর্মিতা যিনি নিজে গভীরভাবে কষ্ট পেয়েছিলেন এবং তার নিজের কষ্টের মাধ্যমে এই দেশের সহকর্মী পুরুষ ও নারীদের প্রয়োজনের সাথে নিজেকে একাত্ম করেছিলেন। এটি ছিল এমন একজন মানুষের সহমর্মিতা যিনি নিজে কখনও দরিদ্র ছিলেন না কিন্তু তার অভাবী আমেরিকানদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। ** [[জন এফ. কেনেডি]], ওয়ার্ম স্প্রিংস, জর্জিয়ার লিটল হোয়াইট হাউসে দেওয়া [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/speech-senator-john-f-kennedy-the-little-white-house-warm-springs-ga ভাষণে (১০ অক্টোবর ১৯৬০)] * ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট জানতেন কাদের বাদ দেওয়া হয়েছে এবং উপেক্ষা করা হয়েছে, এবং তিনি জানতেন কারা তাদের বাদ দিয়েছে এবং উপেক্ষা করেছে, এবং তিনি সেই বিস্মৃত মানুষকে সাহায্য করতে, খামারগুলোকে আলোকিত করতে, বয়স্কদের সাহায্য করতে, শ্রমিকদের রক্ষা করতে, কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য নতুন দ্বার উন্মোচন করতে এবং হাজার হাজার ভিন্ন উপায়ে লক্ষ লক্ষ আমেরিকানের প্রয়োজনের যত্ন নিতে শুরু করেছিলেন। তাকে প্রতিটি ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল তাদের দ্বারা যারা বলেছিল যে তিনি দেশ ধ্বংস করছেন, যারা বলেছিল যে তিনি দেশ দেউলিয়া করবেন—যারা নিউ ডিলের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল ঠিক যেভাবে তারা ১৯৬০ সালে অগ্রগতির বিরুদ্ধে লড়াই করে। কিন্তু এই দেশে বর্তমানে বসবাসকারী যে কেউ, তারা যে দলেরই সদস্য হোন না কেন, তারা কি নিউ ডিলের অর্জনসমূহ—সোশ্যাল সিকিউরিটি, বয়স্কদের যত্ন, ব্যাংক আমানত সুরক্ষা, বিনিয়োগ সুরক্ষা, কৃষকদের সাহায্য, আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদের উন্নয়ন—ছাড়া আমেরিকার কথা কল্পনা করতে পারেন? তারা কি এই সব কাজ করা ছাড়া একটি আমেরিকার কথা কল্পনা করতে পারেন যা সহজে নয় বরং বিরোধিতার মুখে অনিচ্ছাসত্ত্বেও করা হয়েছিল, কিন্তু দেশটিকে নিরন্তর সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল? এটিই ছিল তার মহান অর্জন এবং এটিই ছিল সেই আত্মা যা তিনি আমাদের দলের মধ্যে ফুঁকে দিয়েছিলেন যেমনটি টমাস জেফারসন করেছিলেন যখন তিনি এটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ** [[জন এফ. কেনেডি]], ওয়ার্ম স্প্রিংস, জর্জিয়ার লিটল হোয়াইট হাউসে দেওয়া [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/speech-senator-john-f-kennedy-the-little-white-house-warm-springs-ga ভাষণে (১০ অক্টোবর ১৯৬০)] * ১৯৩৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কিং এবং হ্যালসি একসাথে ''হিউস্টন'' জাহাজে চড়েছিলেন যেখানে [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহরের]] বিশ বা তার বেশি ফ্ল্যাগ অফিসারকে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সর্বাধিনায়কের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ডাকা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি রুজভেল্ট বেশ প্রফুল্ল ছিলেন, কারণ তিনি নৌবাহিনীকে ভালোবাসতেন এবং সমুদ্রে থাকলে সবসময়ই দৃশ্যত উদ্দীপিত হতেন। অ্যাডমিরালরা যখন তাকে অভিবাদন জানাচ্ছিলেন, তখন প্রত্যেকের জন্য তার কাছে কিছু আনন্দদায়ক এবং আধ-রসিকতাপূর্ণ ব্যক্তিগত বার্তা ছিল। কিং যখন তার সুযোগ পেলেন, তিনি করমর্দন করলেন এবং বললেন যে তিনি আশা করেন রাষ্ট্রপতি যেভাবে নৌ বিমান চালনা দিন দিন না হলেও মাস মাস উন্নত হচ্ছে তা পছন্দ করবেন। জনাব রুজভেল্ট এতে খুশি মনে হলেন এবং সংক্ষিপ্ত আলোচনার পর রসিকতার ছলে কিংকে জাপানি ও জার্মানদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন। কিং রাষ্ট্রপতির সাথে আর কথা বাড়ানোর চেষ্টা করেননি, এমনকি অ্যাডমিরাল ব্লচ তাকে তা করার জন্য অনুরোধ করলেও না। তিনি তার বিয়াল্লিশ বছরের চাকরির জীবনে কখনও কারও তোষামোদ করেননি এবং করার ইচ্ছাও ছিল না, বিশেষ করে এমন এক মুহূর্তে যখন অনেক অ্যাডমিরাল জনাব রুজভেল্টকে খুশি করার জন্য এত কঠোর চেষ্টা করছিলেন যা ছিল স্পষ্ট। তিনি মার্জিতভাবে তার শ্রদ্ধা নিবেদন করেছিলেন; তিনি সবার সামনেই ছিলেন এবং অনুভব করেছিলেন যে রাষ্ট্রপতির যদি আরও কিছু বলার থাকে তবে তিনি সহজেই তাকে ডাকতে পারেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে তার কাজের রেকর্ডই তার হয়ে কথা বলবে এবং এই মুহূর্তে তার বলা কোনো কিছু দিয়ে তা উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। মনে হচ্ছিল ভাগ্য আগেই নির্ধারিত হয়ে গেছে, যদিও রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত আরও কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত জানা যাবে না। ** [[আর্নেস্ট কিং]] এবং ওয়াল্টার এম. হোয়াইটহিল, ''ফ্লিট অ্যাডমিরাল কিং: আ নেভাল রেকর্ড'' (১৯৫২), পৃ. ২৯১-২৯২ * [[w:কাসাব্লাঙ্কা সম্মেলন|কাসাব্লাঙ্কা সম্মেলনের]] সময়, লন্ডনে অবস্থানরত [[শার্ল দ্য গোল|জেনারেল দ্য গোলকে]] প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে [[w:উত্তর আফ্রিকা|উত্তর আফ্রিকায়]] আসার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। দ্য গোল আরও আগে আমন্ত্রণ না জানানোয় ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন এবং বিভিন্নভাবে তার চিরচেনা কঠিন ব্যক্তিত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী [[অ্যান্থনি ইডেন|জনাব ইডেনকে]] তাকে লন্ডন থেকে কাসাব্লাঙ্কায় যাওয়ার জন্য রাজি করাতে প্রবল চাপ প্রয়োগ করতে হয়েছিল। যখন তিনি সেখানে পৌঁছালেন, তখন তাকে [[w:অঁরি জিরো|জিরোর]] সাথে দেখা করতে রাজি করাতে জনাব চার্চিলের পক্ষ থেকে অত্যন্ত কঠোর ব্যবহারের প্রয়োজন হয়েছিল। অবশেষে অন্তত জনমতের কথা চিন্তা করে একটি "জরুরি মিলনের" ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ২৪ জানুয়ারি একটি সংবাদ সম্মেলনে, দ্য গোল এবং জিরোকে জনাব রুজভেল্ট এবং জনাব চার্চিলের সাথে এক সারিতে বসানো হয়েছিল এবং করমর্দন করার সময় ছবি তোলা হয়েছিল। নিউজিল ক্যামেরার কাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথেই দুই ফরাসি জেনারেল একে অপরের হাত এমনভাবে ছেড়ে দিলেন যেন তা জ্বলন্ত আগ্নেয়পিণ্ড। এই অসাধারণ ছবির পর সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি প্রথমবারের মতো "শর্তহীন আত্মসমর্পণ" সংক্রান্ত প্রায়শই উদ্ধৃত সেই বক্তব্যটি প্রকাশ্যে দেন। যুদ্ধ অব্যাহত থাকায়, কিং দিন দিন আরও বেশি নিশ্চিত হয়ে ওঠেন যে এই প্রিয় স্লোগানটি ছিল একটি ভুল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্লোগানগুলো বেশ জনপ্রিয়; সেগুলো সংক্ষিপ্ত এবং কখনও কখনও পরিস্থিতির সাথে মিলে যায়। তবে পত্রিকার শিরোনামের মতো সেগুলো অকারণে অনমনীয় হয় এবং সবসময় চিন্তাশক্তিকে বাধাগ্রস্ত করে। কিং পছন্দ করতেন যদি এই স্লোগানটি না বলা হতো। ** [[আর্নেস্ট কিং]] এবং ওয়াল্টার এম. হোয়াইটহিল, ''ফ্লিট অ্যাডমিরাল কিং: আ নেভাল রেকর্ড'' (১৯৫২), পৃ. ৪২৫ * মধ্যাহ্নভোজের পর রাষ্ট্রপতি এবং তার দল ডেকের ওপর বসে বিমান বিধ্বংসী ব্যাটারি থেকে বড় বড় কালো বেলুনে অনুশীলনী গুলি বর্ষণ দেখছিলেন। হঠাৎ রণতরীটি পুরোপুরি ঘুরে যাওয়ার ফলে একদিকে হেলে গেল, প্রচণ্ড গতিতে স্পন্দিত হতে লাগল এবং অ্যালার্ম বেজে উঠল। সকলেই তাদের যুদ্ধকালীন অবস্থানে ছুটে গেল এবং এর কারণ কী হতে পারে তা জানার আগে পর্যন্ত বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছিল। ব্রিজে থাকা কিং কমান্ডিং অফিসারের দিকে ফিরে জিজ্ঞাসা করলেন: "ক্যাপ্টেন ম্যাকক্রিয়া, এই মধ্যবর্তী বিরতিটি কিসের?" জানা গেল যে ডানদিকে পাশে থাকা একটি প্রহরী ডেস্ট্রয়ার অনুশীলনী করার সময় ভুলবশত একটি জীবন্ত টর্পেডো সরাসরি ''আইওয়া''-র দিকে নিক্ষেপ করেছে, যা দুর্ভাগ্যবশত অনুশীলনের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। টর্পেডোটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়, কিন্তু ''আইওয়া''-র আলোড়িত জলরাশির মধ্যে সেটি এমন বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয় যে অনেকে মনে করেছিলেন জাহাজটি আক্রান্ত হয়েছে। টর্পেডোটি সরাসরি আঘাত করেনি বলে মার্কিন নৌবাহিনী তাদের সর্বাধিনায়ক এবং জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফদের টর্পেডো মারার লজ্জা থেকে রক্ষা পেয়েছিল! কিং তৎক্ষণাৎ ডেস্ট্রয়ারের কমান্ডিং অফিসারকে অব্যাহতি দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তার বড় বিস্ময়ের কারণ হয়ে রাষ্ট্রপতি তাকে তা ভুলে যেতে বলেন। ফলস্বরূপ কোনো ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। ** [[আর্নেস্ট কিং]] এবং ওয়াল্টার এম. হোয়াইটহিল, ১৪ নভেম্বর ১৯৪৩-এ ঘটা একটি ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছেন, ''ফ্লিট অ্যাডমিরাল কিং: আ নেভাল রেকর্ড'' (১৯৫২), পৃ. ৫০১ * ওকিনাওয়ায় যুদ্ধের সময় এবং যখন আইজেনহাওয়ারের সেনাবাহিনী ইউরোপীয় শত্রুর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আক্রমণের জন্য জার্মানি জুড়ে এগোচ্ছিল, তখন ১২ এপ্রিল জর্জিয়ার ওয়ার্ম স্প্রিংসে রাষ্ট্রপতি রুজভেল্ট মারা যান। রাষ্ট্রপতির মৃত্যুর খবর তার রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মীদের মধ্যে সেই একই আতঙ্ক তৈরি করেছিল যা সারা দেশে সৃষ্টি হয়েছিল। যদিও ইয়াল্টায় রাষ্ট্রপতিকে অসুস্থ মনে হয়েছিল, তবুও এটা আশা করা হয়নি যে অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের সময় তিনি জীবিত থাকবেন না। ১৪ এপ্রিল শুক্রবার সকালে ওয়াশিংটনের ইউনিয়ন স্টেশনে মার্শাল এবং কিং উপস্থিত ছিলেন যখন রাষ্ট্রপতির মরদেহ বহনকারী ট্রেনটি এসে পৌঁছায়। তারা স্টেশন থেকে হোয়াইট হাউস পর্যন্ত মিছিলে অংশ নেন এবং পরের দিন তারা জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের অন্যান্য সদস্যদের সাথে হাইড পার্কে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে যান। তারা ওয়াশিংটন থেকে ওয়েস্ট পয়েন্টের দশ মাইল উত্তরে স্টুয়ার্ট ফিল্ড পর্যন্ত আর্মি এয়ার কর্পস বিমানে করে উড়ে যান এবং সেখান থেকে তাদের মার্কিন সামরিক একাডেমিতে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে সুপারিনটেনডেন্ট মেজর জেনারেল উইলবি তাদের থাকার ব্যবস্থা করেন। পরের দিন সকালে তাদের নদীর ওপারে হাইড পার্কে রাষ্ট্রপতির বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় ফুলের বাগানে দাফনের জন্য। শোকাতুর মানুষের ভিড় এত বেশি ছিল যে জয়েন্ট চিফরা কবরটিও দেখতে পাননি। ** [[আর্নেস্ট কিং]] এবং ওয়াল্টার এম. হোয়াইটহিল, ''ফ্লিট অ্যাডমিরাল কিং: আ নেভাল রেকর্ড'' (১৯৫২), পৃ. ৬০০ * [[হার্বার্ট হুভার|জনাব হুভারের]] রাষ্ট্রপতিত্ব শেষ পর্যায়ে ছিল এবং পশ্চিমা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী কবর খননকারী ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট তার পূর্বসূরির থেকে খুব একটা আলাদা নয় এমন একটি প্ল্যাটফর্ম নিয়ে তার স্থলাভিষিক্ত হন। যদিও জনাব রুজভেল্ট ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য ছিলেন, তার সামাজিক পটভূমি তাকে কিছু সময়ের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় ক্ষেত্রেই বামপন্থী নীতিগুলোর প্রতি অনাগ্রহী করে তুলেছিল। কিন্তু [[এলিনর রুজভেল্ট|তার স্ত্রী]] ([[w:রুজভেল্ট পরিবার|রুজভেল্ট পরিবারের]] অন্য একটি শাখা থেকে আসা) [[বামপন্থী রাজনীতি|বামপন্থী]] ধারণাগুলোর সাথে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিলেন, যা নিঃসন্দেহে [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষা|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর নারী শিক্ষার]] পরবর্তী ফল। যেখানে জনাব রুজভেল্ট অনুমানের ওপর ভিত্তি করে রাজনীতি করতেন, তার স্ত্রী, যার যথেষ্ট প্রভাব ছিল, তিনি আদর্শগতভাবে অনেক বেশি সুসংগত ছিলেন। অধিকন্তু, জনাব রুজভেল্টের তার দায়িত্ব পালনের জন্য যৎসামান্য শিক্ষাই ছিল; তিনি ইউরোপ সম্পর্কে খুব কমই জানতেন এবং অন্যান্য জাতির মানসিকতা সম্পর্কে তার জ্ঞান যেমন ছিল নগণ্য, বিদেশি ভাষার ওপর তার দখলও ছিল তেমনই সাধারণ। তিনি নিজেও অনেকাংশে অজ্ঞ এবং গভীরভাবে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা বিরোধী হওয়ায় বিশেষজ্ঞ মতামতের বিচার, মূল্যায়ন এবং সমন্বয় করার কোনো উপায় তার ছিল না। এমনকি সম্ভবত আরও খারাপ বিষয় ছিল যে তার বস্তুনিষ্ঠ সত্য উপলব্ধি করার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তার প্রতিবন্ধকতা কোনোভাবেই প্রাথমিকভাবে শারীরিক প্রকৃতির ছিল না। ** [[এরিক ফন কুয়েনেল্ট-লেডিন]], ''লেফটিজম রিভিজিটেড'' (১৯৯০), পৃ. ২৩০–২৩১ * রুজভেল্টের আমলাতান্ত্রিক বিশৃঙ্খলা তৈরির বিষয়ে সম্ভবত অনেক বেশি আলোচনা করা হয়েছে। একবার এই পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল যে এর নিঃসন্দেহে একটি নেতিবাচক প্রভাব ছিল, কারণ ওয়াশিংটনের পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষমতা-ব্যবস্থাপকরা এটি দেখে এতটাই বিচলিত হয়েছিলেন যে তারা সুযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই অত্যন্ত সযত্নে এর বিপরীতটি শেখানোর চেষ্টা করেছিলেন এবং এমন একজন রাষ্ট্রপতির সম্ভাবনাকেই দূর করার চেষ্টা করেছিলেন যিনি সাংগঠনিক সূক্ষ্মতার প্রতি এমন উদাসীন ছিলেন। পরে পরিচ্ছন্নতার একটি মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছিল যার বিপরীতে রুজভেল্টকে পরিমাপ করা হয় এবং তাকে ঘাটতিযুক্ত হিসেবে পাওয়া যায়। কিন্তু আমরা জিজ্ঞাসা করতে পারি যে জাতীয় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে রুজভেল্টের "দুর্বল" প্রশাসনের বিকল্পগুলো কি খুব একটা সন্তোষজনক ছিল? পরবর্তী বছরগুলো [[w:বেসামরিক-সামরিক সম্পর্ক|রাজনীতি ও সামরিক বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়ের]] এমন বিপর্যয়কর ব্যর্থতা প্রত্যক্ষ করেছে যা তার কার্যকালে ঘটেনি। সম্ভবত তার কৌশলের পেছনে যতটা দৃশ্যমান ছিল তার চেয়ে বেশি পদ্ধতিগত দক্ষতা ছিল। তবুও এর জন্য মূল্য দিতে হয়েছিল। নিজের পথে চলার সংকল্প, নিজের নিজস্ব যোগাযোগের মাধ্যমে নিজেকে তথ্য সমৃদ্ধ করার জিদ, দায়িত্বশীলতার যথাযথ পথগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে সংক্ষিপ্ত করা—এই সবগুলোরই গুণের মাঝে কিছু ত্রুটি ছিল যা মাঝে মাঝে তাকে এবং দেশটিকে বিভ্রান্ত করেছিল। তার দুটি বড় ব্যর্থতা ছিল [[ফ্রান্স]] এবং [[চীন]]। গভীরতা এবং তীক্ষ্ণ স্বাদের এই ঐতিহাসিক সভ্যতাগুলো, যাদের প্রতি তিনি সহজাতভাবে এবং কোনো দ্বিধা ছাড়াই আকৃষ্ট ছিলেন, সেগুলোকে যুদ্ধোত্তর বিশ্বের একটি সর্বব্যাপী দৃষ্টিভঙ্গিতে অন্তর্ভুক্ত করার তার সেরা প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়েছিল। প্রতিটি ক্ষেত্রে তাকে ভুল পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, এবং সেই ভুল পরামর্শ কোথা থেকে এসেছিল এবং কেন তিনি তা শুনেছিলেন তা বোঝার জন্য খুব বেশি নিপুণতার প্রয়োজন নেই। কিন্তু তার কাছে এমন তথ্যও ছিল যে দ্য গোল তার কল্পনার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং [[চিয়াং কাই-শেক]] ছিলেন অনেক বেশি দুর্বল: তিনি সে অনুযায়ী কাজ না করাটাই বেছে নিয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন [[w:ফরাসি চতুর্থ প্রজাতন্ত্র|একটি পুনরুজ্জীবিত কিন্তু নমনীয় ফ্রান্স]] যা [[ফরাসি ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্য|তার সাম্রাজ্য]] ছেড়ে দিতে ইচ্ছুক হবে... ** এরিক ল্যারাবি, ''কমান্ডার ইন চিফ: ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট, হিজ লেফটেন্যান্টস, অ্যান্ড দেয়ার ওয়ার'' (১৯৮৭), পৃ. ১২-১৩ * ১৯৪২ সালের ৬ জুলাই সোমবার, রাষ্ট্রপতি স্টেট ডিপার্টমেন্ট বিল্ডিংয়ে আমার ছোট অফিসে টেলিফোন করেন এবং আমাকে দুপুরে আলোচনার জন্য যেতে বলেন। আমরা আধা ঘণ্টা কথা বলেছিলাম। তিনি মন স্থির করে ফেলেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন আমি তার স্টাফে সর্বাধিনায়কের সামরিক ও নৌ উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করি। আলোচনার বেশিরভাগ সময় তিনিই কথা বলছিলেন—তিনি সবসময় তাই করতেন। ** উইলিয়াম ডি. লেহি, ''আই ওয়াজ দেয়ার'' (১৯৫০), পৃ. ৯৬ * আমি ১৮ জুলাইয়ের আগে রাষ্ট্রপতির সাথে আর দেখা করিনি। সেদিন সকালে তিনি আমাকে জানিয়েছিলেন যে তিনি নৌবাহিনী সচিবকে আমাকে "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সর্বাধিনায়কের চিফ অফ স্টাফ" হিসেবে সক্রিয় দায়িত্বে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন। ওই দিনই আমি ফ্রান্সে রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমার পদত্যাগপত্র জমা দিই। রাষ্ট্রপতি ২১ জুলাই আমার নতুন নিয়োগের কথা ঘোষণা করেন। আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম না। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে আমার কর্তৃত্ব এবং কর্মকাণ্ডের পরিধি নিয়ে প্রশ্নের বন্যা বয়ে গিয়েছিল। রাষ্ট্রপতি সাংবাদিকদের সাথে লেনদেনের ক্ষেত্রে সবসময় যেমন সতর্ক থাকতেন তেমনই ছিলেন এবং তাদের খুব বেশি কিছু বলেননি। তিনি বলেছিলেন যে আমি এক ধরনের "লেগ ম্যান" বা সহায়ক হব যিনি তাকে প্রচুর তথ্য হজম করতে, বিশ্লেষণ করতে এবং সারসংক্ষেপ করতে সাহায্য করবেন যা নিয়ে তিনি একা লড়াই করার চেষ্টা করছিলেন। সেই সময় সমস্ত আমেরিকান বাহিনীর একজন সুপ্রিম কমান্ডার বা পরম অধিনায়ক নিয়োগের জন্য যথেষ্ট চাপ ছিল। আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে আমি কি সেই কমান্ডার হতে যাচ্ছি, রাষ্ট্রপতি উত্তর দিয়েছিলেন যে ''তিনি'' নিজেই তখনও সর্বাধিনায়ক। এবং তিনি ছিলেনও। তার সামরিক উপদেষ্টা কেমন স্টাফ গঠন করবেন জানতে চাইলে তিনি উত্তর দিয়েছিলেন যে তার কোনো "স্পষ্ট ধারণা" নেই। আসলে কোনো সময়েই আমার স্টাফে দুইজনের বেশি সহকারী এবং দুই-তিনজন বেসামরিক সচিব ছিল না। কেউ একজন পরামর্শ দিয়েছিলেন যে আমার একজন জনসংযোগ কর্মকর্তা থাকা উচিত। আমার কাছে এমন একজন কর্মকর্তা কেবল বিরক্তির কারণই হতে পারতেন! যেহেতু আমি সবসময় রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধিত্ব করছিলাম, তাই আমি অনুভব করেছিলাম যে কোনো কথা বলার থাকলে তা জনাব রুজভেল্টেরই বলা উচিত। যাই হোক, তিনি আমার চেয়ে এতে অনেক বেশি দক্ষ ছিলেন। ** উইলিয়াম ডি. লেহি, ''আই ওয়াজ দেয়ার'' (১৯৫০), পৃ. ৯৭ * "আজ বিজ্ঞান বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তকে এত কাছাকাছি নিয়ে এসেছে যে একটিকে অন্যটি থেকে আলাদা করা অসম্ভব," ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট তার মৃত্যুর আগের রাতে একটি ভাষণে লিখেছিলেন যা ছিল তার শেষ বার্তা। "আজ আমরা এই প্রধান সত্যের মুখোমুখি যে যদি সভ্যতাকে টিকে থাকতে হয়, তবে আমাদের অবশ্যই মানবিক সম্পর্কের বিজ্ঞান চর্চা করতে হবে—একই বিশ্বে শান্তিতে একসাথে বসবাস করার এবং একসাথে কাজ করার সমস্ত মানুষের, সমস্ত ধরনের মানুষের ক্ষমতা।" ** [[মুনা লি (লেখক)|মুনা লি]] এবং [[রুথ এমিলি ম্যাকমুরি]], ''দ্য কালচারাল অ্যাপ্রোচ: অ্যানাদার ওয়ে ইন ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস'' (১৯৪৭) * এই সংস্কারের ঘটনাগুলো থেকে আমরা কী শিখতে পারি? একটি বিষয় হলো, পরিবর্তন কেবল একজন রূপান্তরকারী নেতার আগমনের ওপর নির্ভর করে না। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে আমেরিকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এমন সব ব্যক্তিদের রাষ্ট্রপতিত্বের সময় ঘটেছিল যাদের সেই সময় সংস্কারক হিসেবে অভাবনীয় মনে করা হতো: উড্রো উইলসন, ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট এবং লিন্ডন জনসন। তাদের কেউ নিজে থেকে আমূল পরিবর্তনকামী বা র‍্যাডিকাল ছিলেন না। প্রকৃতপক্ষে, তারা সবাই সেই পুরনো ব্যবস্থারই ফসল ছিলেন যা তারা শেষ পর্যন্ত উল্টে দিতে সাহায্য করেছিলেন। উদাহরণস্বরূপ, উইলসন ছিলেন একজন রক্ষণশীল দক্ষিণী ডেমোক্র্যাট—সেই উত্তরের মধ্যবিত্ত প্রগ্রেসিভ আন্দোলন থেকে অনেক দূরে যারা তার সমর্থনে ১৬তম, ১৭তম এবং ১৯তম সংশোধনীর জন্ম দিয়েছিল (আসলে উইলসন তার রাষ্ট্রপতিত্বের শুরুর দিকে নারী ভোটাধিকারের বিরোধিতা করেছিলেন)। একইভাবে, ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট ছিলেন একজন আমেরিকান অভিজাত ব্যক্তি যিনি তা সত্ত্বেও ১৯৩০-এর দশকে মৌলিক ইউনিয়ন এবং শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। সবশেষে, লিন্ডন জনসন একজন দক্ষিণী ডেমোক্র্যাট হিসেবে তার ক্যারিয়ার গড়েছিলেন এবং রিচার্ড রাসেলের মতো প্রভাবশালী বর্ণবৈষম্যবাদী ব্যক্তিত্বদের সমর্থনে মার্কিন সেনেটে ক্ষমতায় আরোহণ করেছিলেন। কিন্তু ১৯৬০-এর দশকে জনসন নাগরিক অধিকার এবং ভোটাধিকার আইন পাসের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। <br> এই নেতাদের রূপান্তর দুর্ঘটনাবশত বা রাতারাতি ঘটেনি। তাদের জন্য শক্তিশালী রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রয়োজন ছিল। এই দিশায় প্রথম পদক্ষেপ ছিল সংস্কারকে জনগণের এজেন্ডায় নিয়ে আসা। ** স্টিভেন লেভিটস্কি এবং ড্যানিয়েল জিব্ল্যাট, ''টাইরানি অফ দ্য মাইনরিটি: হোয়াই আমেরিকান ডেমোক্রেসি রিচড দ্য ব্রেকিং পয়েন্ট'' (২০২৩), নিউ ইয়র্ক: ক্রাউন, হার্ডকভার ফার্স্ট এডিশন, পৃ. ২৪৩-২৪৪ * ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট কোনো ক্রুসেডার বা ধর্মযোদ্ধা নন। তিনি জনগণের কোনো মুখপাত্র নন। তিনি সুপ্রতিষ্ঠিত সুযোগ-সুবিধার শত্রুও নন। তিনি একজন অমায়িক মানুষ যিনি পদের জন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ যোগ্যতা ছাড়াই রাষ্ট্রপতি হতে খুব পছন্দ করবেন। ** [[w:ওয়াল্টার লিপম্যান|ওয়াল্টার লিপম্যান]], ''নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড ট্রিবিউন'' (৮ জানুয়ারি ১৯৩২) * এই দেশ এখন পর্যন্ত যত জালিয়াতি দেখেছে তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। একজন আমুদে এবং আকর্ষণীয় লোক কিন্তু পুরোপুরি বিবেকহীন একজন মানুষ.... রুজভেল্ট ছিলেন একজন নিখুঁত রাজনীতিবিদ। ** [[এইচ.এল. মেনকেন]], ''[[w:দ্য সান (নিউ ইয়র্ক)|দ্য নিউ ইয়র্ক সান]]'' (৫ জুন ১৯৪৬) * আমি বিশ্বাস করি শুক্রবারই আমরা [স্বর্ণের] দাম ২১ সেন্ট বাড়িয়েছিলাম, এবং রাষ্ট্রপতি [ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট] বলেছিলেন, "এটি একটি লাকি নম্বর বা ভাগ্যবান সংখ্যা কারণ এটি সাতের তিন গুণ।" যদি কেউ কখনও জানতে পারত যে আমরা কীভাবে লাকি নম্বর ইত্যাদির সংমিশ্রণে সত্যিই সোনার দাম নির্ধারণ করেছি, তবে আমি মনে করি তারা সত্যিই আতঙ্কিত হয়ে পড়ত। ** [[w:হেনরি মর্গেনথাউ জুনিয়র|হেনরি মর্গেনথাউ জুনিয়র]], ট্রেজারি সেক্রেটারি ১৯৩৪-১৯৪৫, রুজভেল্টের [[w:সংখ্যাতত্ত্ব|সংখ্যাতত্ত্ব]] ব্যবহার করে [[w:মূল্য নির্ধারণ|মূল্য নির্ধারণ]] সম্পর্কে; [http://www.fdrlibrary.marist.edu/_resources/images/morg/md00.pdf ৪ নভেম্বর ১৯৩৩-এর ডায়েরি এন্ট্রি]; পৃ. ৯৬ * এই সমস্ত নাবিকদের উপরে ছিলেন সর্বাধিনায়ক ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট—প্রকৃতপক্ষেই একজন অসাধারণ নেতা। উইনস্টন চার্চিলের মতো রুজভেল্ট নিজেকে কখনও একজন সমরকৌশলী হিসেবে ভাবেননি। সাধারণত তিনি জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের পরামর্শ অনুসরণ করতেন, যার মধ্যে ছিলেন কিং, মার্শাল এবং তার নিজের চিফ অফ স্টাফ বিজ্ঞ ও প্রবীণ অ্যাডমিরাল লেহি। অন্তত তিনবার তিনি তাদের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কাজ করেছিলেন—১৯৪২ সালে প্রশান্ত মহাসাগরে আমেরিকান বাহিনী মোতায়েন করতে অস্বীকার করা, গুয়াদালকানালকে যে কোনো মূল্যে শক্তিশালী করতে হবে এবং ধরে রাখতে হবে বলে জেদ করা এবং ওকিনাওয়া অভিযানে অংশ নেওয়ার জন্য একটি ব্রিটিশ নৌবহরকে আমন্ত্রণ জানানো। তিনি নৌবাহিনীর অনিচ্ছা সত্ত্বেও [[w:লেয়েত|লেয়েত]] এবং [[w:লুজন|লুজন]] মুক্ত করার ম্যাকআর্থারের ইচ্ছার পক্ষেও তার প্রভাব খাটিয়েছিলেন। [[w:অপারেশন ওভারলর্ড|ওভারলর্ড]] স্থগিত করার এবং [[w:অপারেশন ড্রাগন|ড্রাগনকে]] [[w:মার্সেই|মার্সেই]] থেকে [[w:ত্রিয়েস্তে|ত্রিয়েস্তে]] স্থানান্তরিত করার জন্য ব্রিটিশদের ক্রমাগত চাপের বিরুদ্ধে তিনি মার্শাল, কিং এবং আইজেনহাওয়ারের শক্তির উৎস ছিলেন। নৌবাহিনী ছিল তার প্রিয় বিভাগ—আমি তাকে একবার তার প্রকৃত রাজকীয় ভঙ্গিতে একে "আমার নৌবাহিনী" হিসেবে উল্লেখ করতে শুনেছিলাম—এবং যুদ্ধের আগে ও যুদ্ধ চলাকালীন উভয় সময়েই তিনি একে গড়ে তুলতে এবং এর কার্যক্ষমতা উন্নত করতে তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন। ** [[স্যামুয়েল এলিয়ট মরisন]], ''দ্য টু-ওশান ওয়ার: আ শর্ট হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস নেভি ইন দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার'' (১৯৬৩), পৃ. ৫৮৩ * ১৯৪০-এর দশকের শেষের দিকে বেশিরভাগ গ্রিক আমেরিকান ডেমোক্রেটিক পার্টিকে ভোট দিচ্ছিলেন। মহমন্দার সময় ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্টের নিউ ডিল পুনরুদ্ধারের পদক্ষেপগুলো শ্রমিক শ্রেণী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী উভয়ের বড় অংশকেই আকৃষ্ট করেছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সাধারণ সমৃদ্ধিতে ভালোভাবে অংশ নেওয়ার ফলে গ্রিক আমেরিকানরা ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতি তাদের আনুগত্য আরও শক্তিশালী করেছিল... ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট যদি অধিকাংশ গ্রিক আমেরিকানদের কাছে পূজনীয় হতেন, তবে হ্যারি ট্রুম্যান ছিলেন অনেক বেশি অকৃত্রিম স্নেহের পাত্র। ** পিটার সি. মোসকোস, ''গ্রিক আমেরিকানস: স্ট্রাগল অ্যান্ড সাকসেস'' (২০১৩) * ব্রেনার পাস থেকে ফেরার পর আমরা জানতে পারলাম যে রাষ্ট্রপতি রুজভেল্ট মারা গেছেন। আমাদের সর্বাধিনায়কের বিয়োগে আমরা সবাই বিষণ্ণ ও শোকাহত ছিলাম। আমাদের নতুন রাষ্ট্রপতি এবং সর্বাধিনায়ক হ্যারি এস. ট্রুম্যান সম্পর্কে আমাদের কেউ খুব বেশি কিছু শুনিনি। জেনারেল [[জর্জ সি. মার্শাল|জর্জ সি. মার্শাল]] এবং ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারকে যেভাবে তিনি বেছে নিয়েছিলেন, এফডিআর তার উত্তরসূরি হিসেবে ট্রুম্যানকে বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও সেরা ব্যক্তিটিকেই নির্বাচন করেছিলেন। ** এরনি নিল, ''মেমোয়ার্স অফ আ কমব্যাট এয়ারম্যান'' (১৯৮০), পৃ. ৫৩ * আমাদের সত্যিই কিছু উদযাপন করা উচিত কারণ ফ্র্যাঙ্কলিনের মৃত্যু হলো [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিকারের বিল|অধিকারের বিল]] পাসের পর থেকে আমেরিকার সবচেয়ে বড় জনকল্যাণমূলক উন্নতি। ** [[অ্যালবার্ট জে নক]], এফডিআরের মৃত্যুতে, ''লেটারস ফ্রম অ্যালবার্ট জে নক ১৯২৪–১৯৪৫ টু এডমন্ড সি. ইভান্স, মিসেস এডমন্ড সি. ইভান্স অ্যান্ড এলেন উইনসর'' (১৯৪৯) * '''[[স্বাধীনতা|স্বাধীনতা]] কোনো বিমূর্ত ধারণা নয়; স্বাধীনতা হলো সেই জিনিস যা মানুষের উন্নতিকে সম্ভব করে তোলে—কেবল ব্যালট বক্সে নয়, আমাদের দৈনন্দিন জীবনেও। <br /> মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রপতি ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট এই সত্যটি বুঝতে পেরেছিলেন।''' তিনি আমেরিকার আদর্শকে কেবল ব্যালট দেওয়ার অধিকারের চেয়েও বেশি কিছু হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছিলেন। তিনি বুঝেছিলেন যে গণতন্ত্র কেবল ভোট দেওয়া নয়। '''তিনি [[বিশ্ব|বিশ্বকে]] চারটি মৌলিক স্বাধীনতা গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন: [[বাকস্বাধীনতা|বাকস্বাধীনতা]], [[w:উপাসনা|উপাসনার]] স্বাধীনতা, [[দারিদ্র্য|অভাব]] থেকে মুক্তি এবং [[ভয়|ভয়]] থেকে মুক্তি। এই চারটি স্বাধীনতা একে অপরকে শক্তিশালী করে এবং আপনি সবগুলোকে উপলব্ধি না করে কোনো একটিকে পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারবেন না।''' ** [[বারাক ওবামা]], বার্মার রেঙ্গুনের ইয়াঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া [http://www.whitehouse.gov/the-press-office/2012/11/19/remarks-president-obama-university-yangon ভাষণে (১৯ নভেম্বর ২০১২)] * স্টালিন যা যা ছিলেন না, ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট তার সবকিছুই ছিলেন। ১৮৮২ সালে [[নিউ ইয়র্ক|নিউ ইয়র্কের]] একটি ধনী পরিবারে [[w:হাডসন নদী|হাডসন নদীর]] তীরের ১০০ একরের একটি এস্টেটে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার সমস্ত সামাজিক সুযোগ-সুবিধা ছিল। মায়ের অতি আদরে লালিত রুজভেল্টকে প্রথমে কানেকটিকাটের গ্রোটনের একচেটিয়া স্কুলে পাঠানো হয়, যা ইংরেজ পাবলিক স্কুলের আদলে তৈরি, এরপর [[হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়|হার্ভার্ডে]] এবং [[w:ল স্কুল|ল স্কুলে]]। তিনি পড়াশোনায় খুব বেশি অসাধারণ ছিলেন না, কিন্তু লম্বা, মার্জিত, মিশুক এই অভিজাত ব্যক্তি এবং আমেরিকার খেতাবহীন আভিজাত্যের সদস্যের জন্য ১৯১০ সালে রাজনীতিতে নামার সময় তার নাম এবং পটভূমির বাইরে খুব কম জিনিসেরই প্রয়োজন ছিল। কোন দলে যোগ দেবেন সে সম্পর্কে তার বিশেষ কোনো দ্বিধা ছিল না; তার চাচাতো ভাই [[থিওডোর রুজভেল্ট|থিওডোর]] ছিলেন রিপাবলিকান রাষ্ট্রপতি, কিন্তু তিনি ডেমোক্র্যাট টিকেট গ্রহণ করেছিলেন কারণ তারা তাকে প্রথম দাঁড়াতে বলেছিল। তিনি শীঘ্রই রাজনীতিতে উচ্চপদে আরোহণ করেন। ১৯১৩ সালে তিনি নৌবাহিনীর সহকারী সচিব নিযুক্ত হন। তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক ছিলেন এবং একজন পাকা রাজনীতিবিদও ছিলেন, যিনি রাজনীতির কৌশলে পুরোপুরি মগ্ন ছিলেন। কলেজের এক বন্ধু এমন একজন মানুষকে মনে করতে পারেন যিনি "জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী হওয়ার জন্য অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী" ছিলেন। তার অনেক রিপাবলিকান বন্ধু ছিল যাদের সামাজিক পরিমন্ডল তিনি ভাগ করে নিতেন, কিন্তু সাধারণ মানুষের ইস্যুগুলো নিয়ে লড়াই করেই তিনি নিজের নাম তৈরি করেছিলেন। ** [[রিচার্ড ওভারি]], ''হোয়াই দ্য অ্যালাইস ওন'' (১৯৯৫), পৃ. ২৫৯ * ১৯২০ সালে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী [[w:জেমস কক্স|জেমস কক্স]] তাকে ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে লড়াই করার জন্য বেছে নেন। এটি ছিল তার প্রথম বিপর্যয়। তিনি [[লিগ অফ নেশনস|লিগ অফ নেশনসের]] সমর্থনে প্রচার চালান যা আমেরিকা তখনও যোগদান করেনি, কিন্তু জনমতকে [[বিচ্ছিন্নতাবাদ|বিচ্ছিন্নতাবাদী]] হিসেবে দেখতে পান। রিপাবলিকানদের বিপুল বিজয়ের ঝড়ে তিনি এমনকি নিজের রাজ্য নিউ ইয়র্কেও জয়ী হতে ব্যর্থ হন। পরের বছর ৩৯ বছর বয়সে তিনি [[পোলিও|পোলিওতে]] আক্রান্ত হন এবং কোমরের নিচ থেকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েন। তিনি তার রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান। যারা তাকে খুব ভালোভাবে জানতেন তারা এই সংগ্রামের মাধ্যমে তাকে রূপান্তরিত হতে দেখেছিলেন। তরুণ এই রাজনীতিকের মধ্যে এক ধরনের অহংকার, দুর্বলতার প্রতি অসহিষ্ণুতা এবং অগভীরতার আভাস ছিল যা তার কর্মশক্তি এবং আকর্ষণকে ম্লান করে দিয়েছিল। সুস্থ হতে যে সাত বছর সময় লেগেছিল সেই সময়ে তিনি আরও বিনয়ী এবং আরও সহানুভূতিশীল ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। রুজভেল্টের শ্রম সচিব [[ফ্রান্সেস পারকিন্স]] পরে লিখেছিলেন, 'তিনি সিরিয়াস ছিলেন, এখন আর খেলা নয়।' ** রিচার্ড ওভারি, ''হোয়াই দ্য অ্যালাইস ওন'' (১৯৯৫), পৃ. ২৫৯–২৬০ * রুজভেল্ট নিশ্চিতভাবেই একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী রাষ্ট্রপতি ছিলেন যিনি তার নীতিগুলোতে বাধা অপছন্দ করতেন। তিনি তার শক্তির বেশিরভাগই স্বল্পমেয়াদী রাজনৈতিক কৌশলে ব্যয় করেছিলেন এবং তার মিত্রদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে কখনও খুব একটা বাছবিচার করেননি। তিনি জনমত এবং নিজের জনপ্রিয়তা নিয়ে আচ্ছন্ন ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন অল্পজ্ঞাত [[আদর্শবাদ|আদর্শবাদী]], যিনি একবার স্বীকার করেছিলেন যে তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে দুটি শব্দে সংক্ষিপ্ত করা যেতে পারে: ডেমোক্র্যাট এবং খ্রিস্টান। যদিও এই আদর্শবাদ যথেষ্ট অকৃত্রিম ছিল, বন্ধু এবং সহকর্মীরা বেশিরভাগ বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গিকে অস্পষ্ট এবং বাস্তবধর্মী বলে মনে করতেন। রুজভেল্টের রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকার সহজাত প্রবৃত্তি তার মধ্যে আদর্শগত বিশ্বাসের প্রতি এক ধরনের অবিশ্বাস তৈরি করেছিল। [[w:চার্লস বোহলেন|চার্লস বোহলেন]], যিনি [[w:তেহরান|তেহরানে]] তার জন্য দোভাষী হিসেবে কাজ করেছিলেন, তিনি মনে করতেন যে রাষ্ট্রপতি 'পরিকল্পনার চেয়ে তাৎক্ষণিক উদ্ভাবনের মাধ্যমে কাজ করতে পছন্দ করতেন'। তিনি কাগজে কিছু লিখতে অপছন্দ করতেন এবং এর পরিবর্তে অনানুষ্ঠানিক কথোপকথনে তার বেশিরভাগ কাজ করতেন, বিভিন্ন ধারণা ছুড়ে দিতেন, বিকল্পগুলো অন্বেষণ করতেন এবং পরিস্থিতি পরীক্ষা করতেন। তিনি শান্ত করতে পারতেন, তোষামোদ করতে পারতেন, প্রফুল্ল থাকতে পারতেন, সমর্থন দিতে পারতেন, কিন্তু তার আশেপাশের লোকদের সাধারণ মতে তাকে কোনো নির্দিষ্ট অবস্থানে আটকে রাখা কঠিন ছিল। 'গোছানো মন নয়,' লিখেছিলেন একজন ব্রিটিশ পর্যবেক্ষক যিনি অন্যথায় তার প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। ** রিচার্ড ওভারি, ''হোয়াই দ্য অ্যালাইস ওন'' (১৯৯৫), পৃ. ২৬০–২৬১ * চতুর কুশলী রুজভেল্ট এবং আদর্শবাদী রুজভেল্টকে মেলানো ছিল কঠিন। যুদ্ধের সময় এটি বিশেষভাবে সত্য ছিল। যদিও ১৯৩০-এর দশকে সহিংসতার বিরুদ্ধে তার প্রকাশ্য অবস্থান—'আমি যুদ্ধকে ঘৃণা করি'—একটি বৃহৎ বিচ্ছিন্নতাবাদী জনগোষ্ঠীর মধ্যে অভ্যন্তরীণ সমর্থন বজায় রাখতে সাহায্য করেছিল, তবুও ফ্যাসিবাদের প্রতি তার ঘৃণা এবং আমেরিকাকে কোনো এক সময়ে বিদেশের শান্তি রক্ষায় জড়িত হতে হবে এমন প্রত্যাশা গোপন করা তার পক্ষে কঠিন ছিল। এই অবস্থানের অস্পষ্টতা এতটাই স্পষ্ট ছিল যে আমেরিকান জনগণের পক্ষে তাদের প্রেসিডেন্ট যুদ্ধের বিষয়ে ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন তা নির্ধারণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল, অথচ ১৯৪০ এবং ১৯৪১ সালে গণতান্ত্রিক দেশগুলোর পক্ষে রুজভেল্টের পক্ষে উদ্যোগ নেওয়া এবং প্রকাশ্যে তাদের পক্ষ নেওয়াও ঠিক ততটাই কঠিন হয়ে পড়েছিল। ১৯৪১ সালের ডিসেম্বরে যখন জাপান আক্রমণ করল, তখন জনগণ এবং প্রেসিডেন্ট উভয়ের জন্যই সবকিছু সহজ হয়ে গেল: একটি রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিচ্ছিন্নতাবাদ মৃত হয়ে গেল এবং রুজভেল্ট প্রতিকূল মতামতের বাধা ছাড়াই যুদ্ধে তার জনগণের নেতৃত্ব দিতে পারলেন। যুদ্ধকালীন নেতার ভূমিকায় তিনি কিছু প্রশংসনীয় উপযুক্ত গুণাবলী নিয়ে এসেছিলেন। তার ছিল একটি বড় ব্যক্তিত্ব, যা বছরের পর বছর প্রচারণা এবং জনপ্রিয় অনুমোদনের পরিকল্পিত প্রচোর্টমেন্টের মাধ্যমে আরও বড় হয়ে উঠেছিল। রাজনীতিতে তার ছিল অতুলনীয় অভিজ্ঞতা, দেশের সর্বোচ্চ পদে আট বছর কাটিয়েছেন। যখন কাজের কথা আসত, তিনি দলীয় কুসংস্কারের কাছে বন্দী ছিলেন না বরং রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাট উভয়কেই নিয়োগ করতেন। তিনি কংগ্রেস পরিচালনায় এবং অনেক জাতিগত, রাজনৈতিক, ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরিতে পারদর্শী ছিলেন যা আমেরিকান সমাজকে গঠন করেছিল। ** রিচার্ড ওভারি, ''হোয়াই দ্য অ্যালাইজ ওন'' (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ২৬১ * হিটলার সম্পর্কে সমস্ত গল্পের পর যখন আমি [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমার নিজের দেশে]] ফিরে এলাম, তখন আমি বাসের সামনের দিকে বসতে পারতাম না। আমাকে পিছনের দরজা দিয়ে যেতে হতো। আমি যেখানে চাইতাম সেখানে থাকতে পারতাম না। আমাকে হিটলারের সাথে হাত মেলানোর জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, তবে আমাকে প্রেসিডেন্টের সাথে হাত মেলানোর জন্য হোয়াইট হাউসেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ** [[জেসি ওয়েন্স]], উদ্ধৃত "ওয়েন্স পিয়ার্সড এ মিথ" (২০০৫), ল্যারি শোয়ার্টজ দ্বারা, ''ইএসপিএন স্পোর্টস সেঞ্চুরি'' * [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলার]] আমাকে অবজ্ঞা করেননি; এটি ছিল আমাদের প্রেসিডেন্ট যিনি আমাকে অবজ্ঞা করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট এমনকি আমাকে একটি টেলিগ্রামও পাঠাননি। ** [[জেসি ওয়েন্স]], উদ্ধৃত [https://en.wikipedia.org/wiki/Special:BookSources/978-0-618-68822-7 ''ট্রায়াম্ফ: দ্য আনটোল্ড স্টোরি অফ জেসি ওয়েন্স অ্যান্ড হিটলারস অলিম্পিকস''] (২০০৭), জেরেমি শ্যাপ দ্বারা, নিউ ইয়র্ক: হাউটন মিফলিন হারকোর্ট, পৃষ্ঠা ২১১ * '''পণ্ডিতগণ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টকে ধারাবাহিকভাবে আমেরিকান ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রেসিডেন্ট এবং [[বিংশ শতাব্দী|বিংশ শতাব্দীর]] শ্রেষ্ঠ প্রেসিডেন্ট হিসেবে গণ্য করেন।''' ... তার এই র‍্যাঙ্কিং নিঃসন্দেহে বিংশ শতাব্দীর জাতির দুটি বড় ও একটির পর একটি সংকটের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সফল নেতৃত্বের ওপর ভিত্তি করে: [[মহা মন্দা]] এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]]। ** উইলিয়াম ডি. পেডারসন, ''এ কম্প্যানিয়ন টু ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট'' (২০১১), প্রস্তাবনা * প্রধান [[নাৎসি]] [[সংবাদপত্র]] ''[[w:ফোলকিশার বেওবাখটার|ফোলকিশার বেওবাখটার]]'', রুজভেল্টের তার অর্থনৈতিক ও সামাজিক নীতিতে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারার গ্রহণের প্রশংসা করেছিল এবং 'মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে একটি [[কর্তৃত্ববাদী]] রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে' বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল ... তবে ১৯৩০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে নিউ ডিল এবং এফডিআর সম্পর্কে নাৎসি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হতে শুরু করে। যেহেতু এফডিআর [[w:জার্মান পুনঃঅস্ত্রীকরণ|হিটলারের পুনঃঅস্ত্রীকরণ]] এবং [[মুসোলিনি|মুসোলিনির]] [[w:সম্প্রসারণবাদ|সম্প্রসারণবাদ]] নিয়ে ক্রমবর্ধমানভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন, তার প্রকাশ্য বক্তৃতাগুলোতে ফ্যাসিবাদের প্রতি আরও খোলামেলা [[ফ্যাসিবাদবিরোধী|অসন্তোষ]] ফুটে ওঠে, যেমন ১৯৩৭ সালের ৫ অক্টোবর [[শিকাগো|শিকাগোতে]] তার বক্তৃতায়, যখন তিনি আক্রমণকারী দেশগুলোর আন্তর্জাতিক 'সঙ্গনিরোধ'-এর আহ্বান জানিয়েছিলেন। অধিকন্তু, ১৯৩৮ সালের নভেম্বরে ''[[w:ক্রিস্টালনাখট|ক্রিস্টালনাখটের]]'' [[w:পোগ্রোম|পোগ্রোমগুলোর]] প্রতিক্রিয়ায়, রুজভেল্ট জার্মান ইহুদিদের প্রতি প্রকাশ্য দুর্ব্যবহার সম্পর্কে [[নাৎসি জার্মানি|জার্মান]] সরকারের কাছে প্রকাশ্যে তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। এর প্রতিক্রিয়ায়, [[w:নাৎসি প্রপাগান্ডা|নাৎসি প্রপাগান্ডা]] নিউ ডিলকে 'জিউ ডিল' (ইহুদি ডিল) হিসেবে আখ্যায়িত করতে শুরু করে এবং ১৯৩৯ সালের মধ্যে ''ফোলকিশার বেওবাখটার'' মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে 'ইহুদি একনায়কত্ব' হিসেবে নিন্দা জানায়। ** উইলিয়াম ডি. পেডারসন, ''এ কম্প্যানিয়ন টু ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট'' (২০১১), অধ্যায় ৩২: ইতালি এবং নাৎসি জার্মানির সাথে সম্পর্ক * ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট তখন রাজ্য সেনেটের সদস্য ছিলেন। সেই বছরগুলোতে যারা তাকে দেখেছিল তাদের মধ্যে কেউ তাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভাবত বলে মনে হয় না।<br />আমি বিশ্বাস করি যে সেই সময়ে সামাজিক সংস্কার নিয়ে তার উদ্বেগ ছিল সামান্যই। ...কৃত্রিমভাবে গম্ভীর মুখ, খুব কমই হাসতেন, মাথা উঁচু করে রাখার এক দুর্ভাগ্যজনক অভ্যাস... তার চশমা এবং দীর্ঘ উচ্চতার সাথে মিলিত হয়ে তাকে এমন এক চেহারা দিয়েছিল যেন তিনি বেশিরভাগ মানুষের দিকে অবজ্ঞার দৃষ্টিতে তাকাচ্ছেন। ...এই অভ্যাস ...যা তিনি যখন তরুণ এবং সংযমহীন ছিলেন তখন তাকে কিছুটা [[wikt:অহংকারী|অহংকারী]] চেহারা দিয়েছিল, পরবর্তীতে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রভাব ফেলেছিল। ১৯৩৩ সাল নাগাদ এবং তার বাকি জীবনের জন্য, এটি সাহস এবং আশার অঙ্গভঙ্গি হয়ে দাঁড়িয়েছিল... ** [[ফ্রান্সেস পারকিন্স]], ''দ্য রুজভেল্ট আই নিউ'' (১৯৪৬) * প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টকে তৃতীয় মেয়াদের জন্য সমর্থন জানানো হয়েছিল এবং প্রতিনিধিরা হলে চারপাশে কুচকাওয়াজ করেছিলেন, উল্লাসে ফেটে পড়েছিলেন। ** [[রোজ পেসোটা]], ''ব্রেড আপন দ্য ওয়াটার্স'' (১৯৪৫) * [[w:আমেরিকান সোশ্যাল হাইজিন অ্যাসোসিয়েশন|আমেরিকান সোশ্যাল হাইজিন অ্যাসোসিয়েশন]] এই শতাব্দীর শুরুর দিকে কনডমের ব্যবহার নিষিদ্ধ করার জন্য কঠোর লড়াই করেছিল। সামাজিক স্বাস্থ্যবিদরা বিশ্বাস করতেন যে যারা 'যৌন' রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নেয় তাদের এর পরিণতি ভোগ করা উচিত, যার মধ্যে আমেরিকান [[w:ডোবয়|ডোবয়রা]]—যারা [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম বিশ্বযুদ্ধে]] যুদ্ধ করা মার্কিন সেনা—অন্তর্ভুক্ত ছিল। [[w:আমেরিকান এক্সপেডিশনারি ফোর্সেস|আমেরিকান এক্সপেডিশনারি ফোর্সেস]], আমাদের সেনাবাহিনীকে যেভাবে ডাকা হতো, তাদের কনডম ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি, তাই এটি আশ্চর্যজনক নয় যে যুদ্ধের শেষ নাগাদ আমাদের সৈন্যদের মধ্যে যৌনবাহিত সংক্রমণের হার খুব বেশি ছিল। ইতিহাসের অধিকাংশ মানুষের মতো, আমাদের 'ছেলেরা' কেবল 'না' বলতে অক্ষম ছিল (ব্র্যান্ডট, ১৯৮৫)। <br> সেই সময়ে [[w:নৌবাহিনী সচিব|নৌবাহিনী সচিব]] ছিলেন অনেক সামরিক নেতাদের মধ্যে একজন যারা বিশ্বাস করতেন যে কনডম ব্যবহার এবং অন্যান্য সংক্রমণ প্রতিরোধের পদ্ধতিগুলো অনৈতিক এবং 'খ্রিস্টীয় পরিপন্থী'। এটি ছিল একজন তরুণ [[w:নৌবাহিনীর সহকারী সচিব|নৌবাহিনীর সহকারী সচিব]], [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট]], যিনি তার বস অফিসের বাইরে থাকার সময় নাবিকদের এমন সংক্রমণের চিকিৎসায় সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যা তারা কনডম দিয়ে প্রতিরোধ করতে পারত। রুজভেল্ট প্রফিল্যাকটিক কিট বিতরণের নির্দেশ দিয়েছিলেন যাতে লিঙ্গে ধোয়া এবং প্রবেশ করানোর জন্য রাসায়নিক ছিল যা [[w:গনোরিয়া|গনোরিয়া]] এবং [[w:সিফিলিস|সিফিলিসের]] চিকিৎসা করতে পারে (ব্র্যান্ডট, ১৯৮৫)। ** [https://www.plannedparenthood.org/files/2613/9611/6275/History_of_BC_Methods.pdf “এ হিস্টোরি অফ বার্থ কন্ট্রোল মেথডস“], ''[[w:প্ল্যানড প্যারেন্টহুড|প্ল্যানড প্যারেন্টহুড]]'', পৃষ্ঠা ৫ * ১১ তারিখ সকালে, অ্যাডমিরাল লিহি, কিং এবং [[চেস্টার ডব্লিউ নিমিটজ|নিমিটজ]] জয়েন্ট চিফসের কৌশলগত পরিকল্পনা এবং দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের কমান্ড ব্যবস্থার জন্য প্রেসিডেন্টের অনুমোদন নিতে হোয়াইট হাউসে যান। রুজভেল্ট তাদের ওভাল অফিসে অভ্যর্থনা জানান। তিনি স্পষ্টতই সুস্থ ছিলেন না। তার মুখ ছাইয়ের মতো ফ্যাকাশে ছিল এবং তার হাত কাঁপছিল। তবুও তিনি হাসলেন এবং তার দর্শকদের জন্য রুজভেল্ট সুলভ আকর্ষণ প্রদর্শন করলেন। তিনি মনোযোগ সহকারে ব্রিফিং শুনলেন এবং কৌশলটি অনুমোদন করলেন। তিনি বললেন যে তিনি দেখে খুশি হয়েছেন যে আক্রমণগুলো চীনের উপকূলের দিকে পরিচালিত হয়েছে, কারণ তিনি চীনকে যুদ্ধে টিকিয়ে রাখতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। রুজভেল্ট লক্ষ্য করলেন যে পরিকল্পনাটি শত্রুর প্রকৃত পতন পর্যন্ত পৌঁছায়নি এবং তার দর্শকদের মনে করিয়ে দিলেন যে প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধে তার লক্ষ্য ছিল মিত্রদের যথেষ্ট বাহিনী হওয়ার সাথে সাথেই জাপানের পরাজয়। মানুসের বিষয়ে রুজভেল্ট বললেন যে তিনি ঠিক জানেন না এটি কোথায় এবং এটি জয়েন্ট চিফসের সামলানোর বিষয়। অফিসে দুপুরের খাবার পরিবেশন করা হয়েছিল এবং পরে রুজভেল্ট বিশাল আকারের সিগারগুলোর একটি প্যাকেট বের করলেন, যেগুলো রঙের দিক থেকে খুব গাঢ় ছিল, যা প্রধানমন্ত্রী চার্চিল ভুলবশত হোয়াইট হাউসে রেখে গিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট সেগুলো সবার কাছে প্রস্তাব করলেন, কিন্তু তার সমস্ত অতিথিরা তার মতোই সিগারেট-ধূমপায়ী ছিলেন। অ্যাডমিরাল নিমিটজ অবশ্য বললেন যে তিনি তার গৃহসঙ্গী ডাঃ অ্যান্ডারসনকে একটি দিতে চান, যিনি সিগার পান করেন। তিনি ডাক্তারকে বললেন এটি কোনো বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য রাখতে। <br> প্রেসিডেন্ট অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে এবং এলোমেলো মন্তব্য করতে শুরু করেন। তিনি সম্ভবত ক্লান্ত হয়ে পড়ছিলেন। তিনি নিমিটজকে জিজ্ঞাসা করলেন কেন ট্রুক-এ সাহসী অভিযানের পর তিনি মারিয়ানাসে অভিযান চালানোর জন্য তার ক্যারিয়ারগুলো পাঠিয়েছিলেন। যেহেতু রুজভেল্ট যুদ্ধের অগ্রগতির সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য নিজেকে গর্বিত মনে করতেন, তাই তিনি স্পষ্টতই উত্তরটি জানতেন। প্রশ্নটি নিমিটজকে একটি হালকা মেজাজে দেখা শেষ করার সুযোগ করে দিয়েছিল। মুচকি হেসে তিনি বললেন যে প্রশ্নটি তাকে একজন বৃদ্ধ, মোটা হাইপোকন্ড্রিয়াকের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে যিনি তার অ্যাপেন্ডিক্স অপসারণ করতে চেয়েছিলেন। তার বয়স এবং স্থূলতার কারণে, কোনো স্থানীয় সার্জন করতে ইচ্ছুক ছিলেন না ... ** ই.বি. পটার, ''নিমিটজ'' (১৯৭৬), পৃষ্ঠা ২৮৮-২৮৯ * '''ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট ছিলেন প্রথম প্রেসিডেন্ট যাকে আমি ভোট দিয়েছিলাম, আমার জীবদ্দশায় দায়িত্ব পালনকারী প্রথম ব্যক্তি যাকে আমি নায়ক হিসেবে গণ্য করেছিলাম এবং প্রথম ব্যক্তি যাকে আমি বাস্তবে দেখেছিলাম'''; সেটি ছিল ১৯৩৬ সালে, ডেস মইনেস-এ একটি প্রচারণামূলক কুচকাওয়াজ, যেখানে আমি একজন রেডিও ঘোষক হিসেবে কাজ করছিলাম। যখন তিনি একটি খোলা গাড়িতে যাচ্ছিলেন—তার ঠোঁটে পরিচিত হাসি, হাসিখুশি এবং আত্মবিশ্বাসী—তখন সেই ভিড়ের মধ্যে ভালোবাসা এবং গর্বের এক জোয়ার বয়ে গিয়েছিল, যা আমাদের কাছ থেকে আত্মবিশ্বাস এবং উদ্দীপনার এক ভাণ্ডার বের করে এনেছিল যা আমাদের মধ্যে কেউ কেউ সেই দিনগুলোতে, সেই কঠিন বছরগুলোতে ভুলে গিয়েছিল। তিনি সত্যিই আমাদের বিশ্বাস করিয়েছিলেন যে আমাদের ভয়ের একমাত্র জিনিস হলো, যেমনটা সিনেটর মিচেল আমাদের বলেছেন, ভয় নিজেই। ** [[রোনাল্ড রেগান]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/speech-senator-john-f-kennedy-the-little-white-house-warm-springs-ga ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট লাইব্রেরি ৫০তম বার্ষিকী মধ্যাহ্নভোজে মন্তব্য (১০ জানুয়ারি, ১৯৮৯)] * আমি কি বলতে পারি যে এই জীবনে আমার কাছে সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ ছিল এই মহান ব্যক্তির সাথে আমার বন্ধুত্ব, 'বিস্মৃত মানুষের' প্রতি যার আগ্রহ কোনো ফাঁকা বুলি ছিল না বরং এটি ছিল তার হৃদয় ও জীবনের প্রকৃত ধুন। ** বিচারক হেনরি রেভিল, উদ্ধৃত ''[[w:রোম নিউজ ট্রিবিউন|রোম নিউজ-ট্রিবিউন]]'' (১২ এপ্রিল ১৯৫৫) * তিনি সবচেয়ে বড় যে জিনিসটি অর্জন করেছিলেন তা হলো সারা বিশ্বের মানুষকে এটি অনুভব করানো যে তিনি এবং সেই কারণে আমাদের দেশ প্রকৃতপক্ষে তাদের সম্পর্কে উদ্বিগ্ন এবং তাদের সমস্যাগুলোতে আগ্রহী ছিল। ** [[এলিনর রুজভেল্ট]], উদ্ধৃত ''[[w:দ্য পোস্ট অ্যান্ড কুরিয়ার|নিউজ অ্যান্ড কুরিয়ার]]'' (১০ এপ্রিল ১৯৫৫) * তাহলে ইয়াল্টার বিষয়ে আজকের রায় কী হওয়া উচিত? ১৯৩৮ সালের সেপ্টেম্বরের সম্মেলনগুলোর মতো নয়, এগুলো ছিল বহুমুখী আলোচনা যেখান থেকে প্রতিটি পক্ষ কিছু না কিছু নিয়ে ফিরেছিল। রুজভেল্ট তার অগ্রাধিকারগুলো নিশ্চিত করেছিলেন—জাতিসংঘের বিষয়ে ঐক্যমত এবং জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগদানের জন্য সোভিয়েত প্রতিশ্রুতি। চার্চিল [[পোল্যান্ড|পোল্যান্ডের]] পশ্চিম সীমান্ত, জার্মানিকে খণ্ডবিখণ্ড করা এবং ক্ষতিপূরণ সম্পর্কে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি এড়াতে সক্ষম হয়েছিলেন—পরেরটি স্ট্যালিনের প্রকাশ্য বিরক্তির কারণ হয়েছিল। ব্রিটিশরাও তাদের দুই অংশীদার যতটা চেয়েছিল তার চেয়ে [[যুদ্ধোত্তর]] [[ইউরোপ|ইউরোপে]] [[ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] জন্য একটি বড় ভূমিকা নিশ্চিত করেছিল। স্ট্যালিন তার নিজের পক্ষ থেকে [[এশিয়া|এশিয়ায়]] তার প্রধান আঞ্চলিক লক্ষ্যগুলোর স্বীকৃতি এবং পোল্যান্ডে তার প্রাধান্যকে স্বীকৃতি দেয় এমন চুক্তিগুলো লাভ করেছিলেন। বিগ থ্রি-র প্রত্যেকেই এই বিশ্বাস নিয়ে বিদায় নিয়েছিলেন যে যুদ্ধকালীন জোট যুদ্ধের পরেও অব্যাহত থাকবে। প্রকৃতপক্ষে সেটিই ছিল সম্মেলনের জন্য তাদের প্রধান লক্ষ্য। ১৯৪৩ সালে তেহরানের ওপর ভিত্তি করে, তারা শীর্ষ সম্মেলনকে একটি প্রক্রিয়ায় পরিণত করার আশা করেছিলেন। [[নেভিল চেম্বারলেন|চেম্বারলেনের]] শীর্ষ সম্মেলনের মতো নয়, নেতারা ইয়াল্টায় বিস্তারিত ব্রিফিং বই এবং তিনজন পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টাদের একটি দল নিয়ে এসেছিলেন এবং অনেক ক্ষেত্রে তারা ইতিমধ্যে নির্ধারিত নীতি অনুযায়ী কাজ করেছিলেন। উদাহরণস্বরূপ, যুদ্ধবন্দীদের বিষয়ে চুক্তি বা এশিয়ায় সোভিয়েত আঞ্চলিক দাবিগুলো ইতিমধ্যে রূপরেখায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, অন্যদিকে ক্ষতিপূরণ সম্পর্কে মাইস্কির উপস্থাপনা শীতকাল জুড়ে তার তৈরি করা একটি প্রতিবেদনের লাইন অনুসরণ করেছিল। ** ডেভিড রেনল্ডস, ''সামিটস: সিক্স মিটিংস দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড'' (২০০৭), পৃষ্ঠা ১৫৮-১৫৯ * আসল সমস্যাগুলো আলোচনায় নয় বরং অনুমানে ছিল। চার্চিল এবং রুজভেল্ট—যারা দূর থেকে হিটলার সম্পর্কে সঠিক ছিলেন—উভয়ই স্ট্যালিনের সাথে সশরীরে দেখা করার সময় তার দ্বারা মুগ্ধ হয়েছিলেন। সোভিয়েত ইউনিয়ন ধীরে ধীরে তার বিপ্লবী খোলস ছেড়ে দিচ্ছে এই আশায়, তারা এমন একজন কর্মঠ মানুষকে দেখেছিলেন যার সাথে তারা অর্থপূর্ণ আলোচনা করতে পারতেন। উভয়েই আশা করেছিলেন এবং অনেকটা বিশ্বাস করেছিলেন যে তাকে বিশ্বাস করা যায়। যখনই সন্দেহ জেগে উঠত, বিশেষ করে চার্চিলের জন্য, তিনি অতল গহ্বরের দিকে তাকাতেন, স্বীকার করতেন যে সংঘাত, যুদ্ধের কথা তো দূরে থাক, 'অচিন্তনীয়' ছিল এবং সহযোগিতার অনুসন্ধান চালিয়ে যেতেন। [[ফ্রান্স|ফরাসি]] পৌরাণিক কাহিনীর বিপরীতে, ইয়াল্টা সেই মুহূর্ত ছিল না যখন বড় শক্তিগুলো নিষ্ঠুরভাবে ইউরোপকে বিভক্ত করেছিল। চার্চিল এবং এফডিআর তখনও [[জর্জ এফ. কেনান|জর্জ কেনান]] দ্বারা প্রস্তাবিত পৃথক-প্রভাববলয়ের চুক্তির বিরোধিতা করছিলেন। ইয়াল্টা সোভিয়েতদের কাছে [[পূর্ব ইউরোপ|পূর্ব ইউরোপের]] বিকিয়ে দেওয়াও ছিল না, যেমনটা [[রিপাবলিকান পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|রিপাবলিকান]] [[দক্ষিণপন্থী রাজনীতি|ডানপন্থীরা]] দাবি করেছিল: এটি ইতিমধ্যে পরিষ্কার ছিল যে পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রাধান্য থাকবে। সেটি ১৯৪২-৪৩ সালে রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে, ১৯৪৪ সালের জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় ফ্রন্ট স্থাপনে মিত্রদের ব্যর্থতার মাধ্যমে এবং ১৯৪৩ সালের নভেম্বরে তেহরানে এবং ১৯৪৪ সালের অক্টোবরে মস্কোতে ইতিমধ্যে পৌঁছে যাওয়া বোঝাপড়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছিল। যখন তারা ইয়াল্টায় গিয়েছিলেন, চার্চিল এবং রুজভেল্ট কেবল সোভিয়েত প্রভাবকে 'নরম' করার চেষ্টা করেছিলেন। ** ডেভিড রেনল্ডস, ''সামিটস: সিক্স মিটিংস দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড'' (২০০৭), পৃষ্ঠা ১৫৯-১৬০ * [[পোল্যান্ড|পোল্যান্ডের]] ওপর তাদের সহজাতভাবে দুর্বল অবস্থান পুষিয়ে নিতে, উভয়েই আশা করেছিলেন যে স্ট্যালিন কিছু বাহ্যিক ছাড় দেবেন কারণ তিনি জোট বজায় রাখতে চেয়েছিলেন। তারা পরের পয়েন্টে সঠিক ছিলেন কিন্তু আগের পয়েন্টে ভুল ছিলেন। পোল্যান্ড ছিল স্ট্যালিনের জন্য একটি মৌলিক, এমনকি গভীর আবেগের বিষয় এবং তার স্বাধীনভাবে কাজ করার প্রত্যাশা পূর্ববর্তী শরতে [[মস্কো|মস্কোতে]] চার্চিলের প্রকাশ্য প্রভাববলয় পদ্ধতির মাধ্যমে লালিত হয়েছিল। তিনি তার গণতান্ত্রিক অংশীদাররা পূর্ব ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোতে তার প্রভাবের ওপর যে সীমাবদ্ধ শর্তগুলো আরোপ করতে চেয়েছিলেন তা বুঝতেও শুরু করতে পারেননি। ঘরোয়া জনমতকে রাজি করানোর জন্য তাদের কিছু মাত্রায় রাজনৈতিক বহুত্ববাদ এবং খোলামেলা হওয়ার প্রয়োজনীয়তা এই নির্মম [[একনায়কতন্ত্র|একনায়কের]] কাছে কোনো অর্থ বহন করেনি। ইয়াল্টায় ভুল বোঝাবুঝি উভয় পক্ষেই ঘটেছিল, শুধু পশ্চিমে নয়। কিন্তু বাস্তবায়নের ব্যর্থতাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। চার্চিল এবং রুজভেল্ট উভয়েই বাড়িতে ফিরে আসার পর চুক্তিগুলো এবং বিশেষ করে ইয়াল্টার 'উদ্দেশ্য' সম্পর্কে বাড়িয়ে বলেছিলেন। এটি পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে তাদের জন্য গুরুতর গ্রহণযোগ্যতার সংকট তৈরি করেছিল। পোল্যান্ডের বিষয়ে স্ট্যালিনকে বিশ্বাস করার বিষয়ে চার্চিলের হতাশাজনক জনসমক্ষে অত্যুক্তি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, ১৯৩৮ সালে চেম্বারলেনের প্রতি তার তীব্র সমালোচনার কথা বিবেচনা করলে। সেই সময়ে অনেকেই এতে আতঙ্কিত হয়েছিল, কিন্তু চার্চিল ১৯৪৬ সালের মার্চ মাসে তার 'লোহার পর্দা' বক্তৃতার মাধ্যমে নিজেকে একজন উগ্র কোল্ড ওয়ারিয়র হিসেবে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছিলেন, যেখানে রুজভেল্ট মৃত হওয়ায় তার সুনাম পুনরুদ্ধার করতে পারেননি। তবুও স্ট্যালিনও অতিপ্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন। ১৯৪৫ সালের মার্চ মাসে যখন পশ্চিমা মিত্ররা জার্মানিতে অগ্রসর হচ্ছিল, তখন তার ভয় পুনরুজ্জীবিত হয়েছিল যে তারা নাৎসিদের সাথে একটি পৃথক শান্তি আলোচনা করছে। এটি জার্মানিতে তার অবস্থানকে হুমকির মুখে ফেলবে যার ওপর—যা এখন অশুভ মনে হচ্ছে—চার্চিল ইয়াল্টায় এতটাই অসহযোগিতামূলক ছিলেন। স্ট্যালিন তার মিত্রদের সম্পর্কে তারা তার সম্পর্কে যা জানত তার চেয়ে অনেক বেশি জানতেন—সুপ্রতিষ্ঠিত এজেন্টদের ধন্যবাদ—কিন্তু ১৯৩৮ সালের গোয়েন্দা ব্যর্থতার মতোই, তথ্যের মতোই ব্যাখ্যার গুরুত্বও অনেক। চার্চিল এবং এফডিআর যদি তাদের আশা দ্বারা প্রলুব্ধ হয়ে থাকেন, তবে স্ট্যালিন ছিলেন তার নিজস্ব মানসিক ভীতির শিকার... ** ডেভিড রেনল্ডস, ''সামিটস: সিক্স মিটিংস দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড'' (২০০৭), পৃষ্ঠা ১৬০-১৬১ * [[আইনস্টাইন]], [[পাবলো পিকাসো|পিকাসো]], [[জেমস জয়েস|জয়েস]] আমাদের চাবিকাঠি দিয়েছিলেন; গতির প্রকৃতি আমাদের কাছে দ্বিতীয়-বারের [[চলচ্চিত্র|চলচ্চিত্রের]] মতো [[মার্সেল প্রুস্ত|প্রুস্ত]] থেকে পৌঁছেছিল; হিপোড্রোম মেয়েরা শাশ্বত হ্রদে নেমে গিয়েছিল, [[চার্লস লিন্ডবার্গ|লিন্ডবার্গ]] সময় জয় করেছিলেন, রুজভেল্ট শেষ পর্যন্ত আমাদের কাছে আমাদের ঘরের শয়তান সম্পর্কে স্পষ্টভাবে কথা বলেছিলেন এবং তিনি এর নামকরণ করেছিলেন: [[ভয়]]। ** [[মুরিয়েল রুকেসার]], ''দ্য লাইফ অফ পোয়েট্রি'' (১৯৪৯) * ১৯৪৪ সালে, তার শেষ-পূর্ব স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন বক্তৃতায়, প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট বলেছিলেন, "আমরা এই সত্যটি স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করেছি যে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা ছাড়া সত্যিকারের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা থাকতে পারে না।" তিনি আমেরিকান জনগণের জন্য দ্বিতীয় অধিকার সনদ (বিল অফ রাইটস), একটি অর্থনৈতিক অধিকার সনদ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন, যা [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান|আমাদের সংবিধান]] দ্বারা নিশ্চিত করা রাজনৈতিক স্বাধীনতাগুলোর মতোই গুরুত্বপূর্ণ একগুচ্ছ নীতি। রুজভেল্ট যে প্রথম অধিকারটি তালিকাভুক্ত করেছিলেন তা হলো: "জাতির শিল্পকারখানা বা দোকান বা খামার বা খনিতে একটি দরকারী এবং লাভজনক কাজের অধিকার।" সেই গভীর নীতিটি ১৯৪৪ সালে সত্য ছিল। এটি আজও সত্য। আমাদের একটি পূর্ণ-কর্মসংস্থানের অর্থনীতি তৈরি করতে হবে। ** [[বার্নি স্যান্ডার্স]], ''আওয়ার রেভোলিউশন'' (২০১৬) * যেমনটা প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন: "আমাদের অগ্রগতির পরীক্ষা এটি নয় যে আমরা যাদের অনেক আছে তাদের প্রাচুর্যে আরও যোগ করি কি না, বরং এটি হলো আমরা তাদের জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা করি কি না যাদের সামান্য আছে।" ** [[বার্নি স্যান্ডার্স]], ''আওয়ার রেভোলিউশন'' (২০১৬) * বিংশ শতাব্দীর আদর্শ গণতান্ত্রিক নেতা ছিলেন অবশ্যই ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট। তিনি আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ মন্দা এবং আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় যুদ্ধের মধ্য দিয়ে প্রজাতন্ত্রকে সফলভাবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ** [[w:আর্থার এম শ্লেসিঞ্জার জুনিয়র|আর্থার এম শ্লেসিঞ্জার জুনিয়র]] [https://clintonwhitehouse4.archives.gov/Initiatives/Millennium/capsule/schlesinger.html] * বিপ্লব সম্পর্কে রুজভেল্টের কোনো বিভ্রম ছিল না। মুসোলিনি এবং স্ট্যালিন তার কাছে 'কেবল দূরবর্তী আত্মীয়' নয় বরং 'রক্তের ভাই' বলে মনে হতো। ** [[w:আর্থার এম শ্লেসিঞ্জার জুনিয়র|আর্থার এম শ্লেসিঞ্জার জুনিয়র]], ''দ্য পলিটিক্স অফ আপহেভাল: ১৯৩৫-১৯৩৬ (দ্য এজ অফ রুজভেল্ট, খণ্ড ৩)'', নিউ ইয়র্ক: এনওয়াই, মেরিনার বুক: হাউটন মিফলিন কোং (২০০৩) পৃষ্ঠা ৬৪৮ * আমি কল্পনা করতে পারি এমন সবচেয়ে আকর্ষণীয় কাজ দেওয়ার পাশাপাশি, উইমেনস ট্রেড লিগ আমার জীবনে অনেক চমৎকার বন্ধু নিয়ে এসেছিল। তাদের মধ্যে ছিলেন ফ্র্যাঙ্কলিন এবং এলিনর রুজভেল্ট... আমার কোনো শব্দই ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের যথেষ্ট প্রশংসা করতে পারে না। যখন তিনি শপথ গ্রহণ করেন, তখন আমরা কেবল লাখ লাখ বেকারত্বের সাথে এক মহা মন্দার মধ্যেই ছিলাম না, বরং বেকারত্ব বীমা এবং বার্ধক্য ভাতার ব্যবস্থা করার ক্ষেত্রে আমরা প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ইউরোপীয় দেশের চেয়ে পিছিয়ে ছিলাম। 'ক্রিপিং সোশ্যালিজম'-এর চিৎকার সত্ত্বেও, তিনি নির্ভীকভাবে এবং কল্পনাপ্রসূতভাবে এগিয়ে গিয়েছিলেন, ডব্লিউ.পি.এ. তৈরি করেছিলেন এবং লাখ লাখ নাগরিকের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাকে ছাড়া দেশ তার প্রথম প্রশাসনে যে সামাজিক অর্জনগুলো এনেছিল তা সম্পন্ন করতে কমপক্ষে পঞ্চাশ বছর সময় লাগত। ** [[রোজ স্নাইডারম্যান]], ''অল ফর ওয়ান'' (১৯৬৯) * তাদের নিজ নিজ দেশে রুজভেল্ট এবং [[উইনস্টন চার্চিল|চার্চিলকে]] বিজ্ঞ রাষ্ট্রনায়কদের উদাহরণ হিসেবে গণ্য করা হয়। কিন্তু আমরা, আমাদের জেলের কথোপকথনের সময়, তাদের অবিরাম দূরদর্শিতার অভাব এবং এমনকি বোকামিতেও বিস্মিত হয়েছিলাম। ১৯৪১ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ধীরে ধীরে পিছু হটে তারা কীভাবে স্বাধীনতার কোনো গ্যারান্টি ছাড়াই [[পূর্ব ইউরোপ|পূর্ব ইউরোপকে]] ছেড়ে দিতে পারলেন? বার্লিনের চারটি অঞ্চলের মতো এমন এক হাস্যকর খেলনার বিনিময়ে কীভাবে তারা [[স্যাক্সনি|স্যাক্সনি]] এবং [[থুরিঙ্গিয়া|থুরিঙ্গিয়ার]] মতো বিশাল অঞ্চলগুলোকে পরিত্যাগ করতে পারলেন যা পরবর্তীতে তাদের 'একিলিস হিল' হয়ে দাঁড়িয়েছিল? আর স্ট্যালিনের কাছে কয়েক লাখ সশস্ত্র [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত]] নাগরিককে (যারা যে শর্তেই হোক আত্মসমর্পণ করতে অনিচ্ছুক ছিল) তাকে মেরে ফেলার জন্য তুলে দেওয়ার পিছনে তারা কোন ধরনের সামরিক বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দেখেছিলেন? বলা হয় যে এটি করার মাধ্যমে তারা [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান|জাপানের]] বিরুদ্ধে যুদ্ধে [[জোসেফ স্ট্যালিন|স্ট্যালিনের]] আসন্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছিলেন। ইতিমধ্যে [[পারমাণবিক বোমা|পারমাণবিক বোমায়]] সজ্জিত হয়েও তারা স্ট্যালিনকে তার মূল্য দিয়েছিলেন যাতে তিনি মাঞ্চুরিয়া দখল করতে অস্বীকার না করেন যাতে [[মাও সে তুং|মাও সেতুংকে]] [[চীনা গৃহযুদ্ধ|চীনে ক্ষমতায় আসতে সাহায্য করা যায়]] এবং [[কিম ইল সুং|কিম ইল সুংকে]] [[উত্তর কোরিয়া|কোরিয়ার অর্ধেক]] পাইয়ে দেওয়া যায়!… ওহ, রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের দুর্ভোগ! যখন পরবর্তীতে [[স্তানিস্লাভ মিকোলাইজিক|মিকোলাইজিককে]] বহিষ্কার করা হয়েছিল, যখন [[এদভার্দ বেনেস|বেনেস]] এবং [[জ্যান মাসারিক|মাসারিকের]] শেষ সময় এল, [[বার্লিন অবরোধ|বার্লিন অবরুদ্ধ হলো]], [[বুদাপেস্ট]] [[১৯৫৬-এর হাঙ্গেরীয় বিপ্লব|আগুনে জ্বলছিল এবং নিস্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল]], যখন [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধে কোরিয়ায় ধ্বংসস্তূপ থেকে ধোঁয়া বেরোচ্ছিল]] এবং যখন [[কনজারভেটিভ পার্টি (যুক্তরাজ্য)|রক্ষণশীলরা]] [[সুয়েজ সংকট|সুয়েজ]] থেকে পালিয়ে গিয়েছিল – যাদের স্মৃতিশক্তি ভালো ছিল তাদের মধ্যে কেউ কি সত্যিই উদাহরণস্বরূপ কস্যাকদের তুলে দেওয়ার সেই ঘটনার কথা মনে করেছিলেন? ** [[আলেকজান্ডার সোলঝেনিৎসিন]], ''[[দ্য গুল্যাগ আর্কাইভপেলাগো]]'' ১ম খণ্ড, ৬ষ্ঠ অধ্যায় * পূর্ব দিকে তিনি এক শক্তিশালী শত্রুর মোকাবিলা করছেন—শেষ পর্যন্ত এই চরম উপলব্ধির বিপরীতে, হিটলার তার এই পূর্বনির্ধারিত মতামতে অটল ছিলেন যে পশ্চিমা দেশগুলোর সৈন্যরা যুদ্ধের জন্য দুর্বল উপাদান। এমনকি [[আফ্রিকা]] এবং [[ইতালি|ইতালিতে]] মিত্রদের সাফল্যও তার এই বিশ্বাসকে নাড়াতে পারেনি যে এই সৈন্যরা প্রথম গুরুতর আক্রমণের মুখে পালিয়ে যাবে। তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে এই সৈন্যরা প্রথম গুরুতর আক্রমণের মুখে পালিয়ে যাবে। তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে গণতন্ত্র একটি জাতিকে দুর্বল করে দেয়। ১৯৪৪ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত তিনি তার এই তত্ত্বে অটল ছিলেন যে পশ্চিমে যে সমস্ত জমি হারানো হয়েছে তা দ্রুত পুনর্দখল করা হবে। পশ্চিমা রাষ্ট্রনায়কদের সম্পর্কে তার মতামতেও একই ধরনের পক্ষপাত ছিল। তিনি চার্চিলকে একজন অযোগ্য, মদ্যপ জননেতা বলে মনে করতেন, যেমনটা তিনি প্রায়ই পরিস্থিতি সংক্রান্ত সম্মেলনে বলতেন। এবং তিনি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দাবি করেছিলেন যে রুজভেল্ট শিশু পোলিওর শিকার নন বরং সিফিলিটিক পক্ষাঘাতের শিকার এবং তাই তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। এই মতামতগুলোও ছিল তার জীবনের শেষ বছরগুলোতে বাস্তবতা থেকে তার দূরে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত। ** [[আলবার্ট স্পিয়ার]], ''ইনসাইড দ্য থার্ড রাইখ: মেমোয়ার্স'' (১৯৭০), পৃষ্ঠা ৩০৬–৩০৭ * তার অতীত অভিজ্ঞতায় যুদ্ধ পরিচালনার জন্য প্রস্তুতির খুব কমই ছিল। তিনি কখনো ইউনিফর্ম পরেননি বা কোনো সামরিক শিক্ষা গ্রহণ করেননি। সত্য যে, প্রথম যুদ্ধের সময় তিনি অত্যন্ত উৎসাহের সাথে নৌবাহিনী বিভাগে কাজ করেছিলেন; কিন্তু তার পেশা সর্বদা কঠোরভাবে রাজনীতিই ছিল। এটি এমন এক ধরনের কাজ ছিল যেটিতে খুব কম মানুষই তার চেয়ে ভালো ছিলেন এবং সম্ভবত সেই কারণেই তিনি প্রথম থেকেই বুঝতে পেয়েছিলেন যে বিজয় মিত্রদের মধ্যে ঐক্যের ওপর নির্ভর করবে। '[[জাতিসংঘ]]' ছিল তার শব্দগুচ্ছ এবং তিনি প্রায়ই এটি খুব কার্যকরভাবে ব্যবহার করতেন। কিন্তু তিনি এটিও জানতেন যে প্রকৃত ঐক্যের জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হবে। স্ট্যালিন এখনই একটি দ্বিতীয় ফ্রন্ট চেয়েছিলেন; চার্চিল তা চাননি এবং দেশে প্রথমে জাপানিদের শাস্তি দেওয়ার জন্য শক্তিশালী জনমত ছিল। রুজভেল্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে ১৯৪২ সালে স্ট্যালিন যা চান তার কাছাকাছি কিছু পাবেন। এটি ইউরোপের পরিবর্তে আফ্রিকায় একটি দ্বিতীয় ফ্রন্ট ছিল, কিন্তু পার্ল হারবারের এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে আমেরিকান সৈন্যরা জার্মানদের সাথে যুদ্ধ করছিল এবং 'আগে-জার্মানিকে-পরাও'-এর কৌশল থেকে আমেরিকানদের কোনো বিচ্যুতি হতে যাচ্ছিল না। অধিকন্তু, ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট মানুষকে বিচার করতে জানতেন বলে মনে হতো। কমান্ডার ইন চিফের কাজের জন্য তার যা অভাব ছিল তা তাকে সাহায্য করার জন্য তিনি যে পুরুষদের দলকে ডেকেছিলেন তাদের দ্বারা পুষিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ** সি.এল. সুলজবার্গার, তার বই ''দ্য আমেরিকান হেরিটেজ পিকচার হিস্টোরি অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার ২'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ৩১১ * আমি অবশ্যই স্বীকার করব যে রুজভেল্টের নেতৃত্ব খুব কার্যকর ছিল এবং এটি আজ আমেরিকানদের সুবিধাজনক অবস্থানের জন্য দায়ী। ** [[w:কান্তারো সুজুকি|কান্তারো সুজুকি]], উদ্ধৃত ''বার্কলে ডেইলি গেজেট'' (৯ এপ্রিল ১৯৪৫) * '''তাকে জাহান্নামে যেতে বলো'''; আমি [[w:জেমস এফ. বার্নস|জিমি বার্নসের]] পক্ষে। ** [[হ্যারি এস. ট্রুম্যান]], ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট তাকে তার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রার্থী করতে চেয়েছিলেন তা শোনার পর (২১ জুলাই ১৯৪৪), উদ্ধৃত ''চুজিং ট্রুম্যান: দ্য ডেমোক্রেটিক কনভেনশন অফ ১৯৪৪'' (১৯৯৪); আরও উদ্ধৃত [http://findarticles.com/p/articles/mi_m1272/is_n2596_v123/ai_16399945 "হ্যারি এস. ট্রুম্যান: আমেরিকার শেষ মহান নেতা?" ''ইউএসএ টুডে'' ম্যাগাজিনে (জানুয়ারি ১৯৯৫) সোসাইটি ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অফ এডুকেশন দ্বারা] * '''আমরা শীঘ্রই তার মতো কাউকে আর দেখতে পাব না। সর্বশক্তিমান ঈশ্বর, যিনি এই প্রজাতন্ত্রকে দুর্বলতা থেকে শক্তিতে বেড়ে ওঠার সময় রক্ষা করেছেন, তিনি যেন আমাদের ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের পথে চলার প্রজ্ঞা দান করেন।''' ** [[হ্যারি এস. ট্রুম্যান]], ''ন্যাশনাল শ্রাইন হিসেবে ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের বাড়ি উৎসর্গ করার অনুষ্ঠানে ভাষণ,'' (১২ এপ্রিল, ১৯৪৬) [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/address-the-dedication-the-home-franklin-d-roosevelt-national-shrine] * আমি মনে করি প্রেসিডেন্টের পরিস্থিতি এখন এমন যে যদি না কোনো হতাশাজনক সংকট তৈরি হয় এবং রুজভেল্টের মতো আধা-একনায়কতন্ত্র থাকে, তবে আমরা তথাকথিত কোনো মহান প্রেসিডেন্ট দেখতে পাব না। ** [[অরসন ওয়েলস]], ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে; উদ্ধৃত পিটার বিসকিন্ড (সম্পাদনা) ''মাই লাঞ্চেস উইথ অরসন: কনভারসেশনস বিটুইন হেনরি জাগলম অ্যান্ড অরসন ওয়েলস'', ম্যাকমিলান (২০১৩) পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমরাও, জার্মান জাতীয় সমাজতান্ত্রিক হিসেবে আমেরিকার দিকে তাকিয়ে আছি... রুজভেল্ট পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন এবং সেগুলো সাহসী। আমরাও কেবল একটি সম্ভাবনাই ভয় পাই যে সেগুলো হয়তো ব্যর্থ হতে পারে। ** ''[[w:ফোলকিশার বেওবাখটার|ফোলকিশার বেওবাখটার]]'', (১৭ জানুয়ারি, ১৯৩৪), ''থ্রি নিউ ডিলস: রিফ্লেকশনস অন রুজভেল্টস আমেরিকা, মুসোলিনিস ইতালি, অ্যান্ড হিটলারস জার্মানি ১৯৩৩-১৯৩৯'', উলফগ্যাং শিভেলবুশ, পিকাডোর, নিউ ইয়র্ক, ২০০৭, পৃষ্ঠা ১৯-২০ * ক্ষমতা পুঞ্জীভূত হওয়ার সাথে সাথে এর অপব্যবহারের সুযোগ এবং প্রলোভনও বৃদ্ধি পায়। আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু হওয়া বছরগুলোতে হোয়াইট হাউসের মতো অন্য কোথাও ক্ষমতা এত দ্রুত পুঞ্জীভূত হয়নি। উদাহরণস্বরূপ, ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট কেবল আমেরিকান ইতিহাসের বৃহত্তম সামরিক ও শিল্প গড়ে তোলার সভাপতিত্বই করেননি, যা হোয়াইট হাউসকে [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি|আমেরিকান অর্থনৈতিক জীবনের]] প্রতিটি কোণে পৌঁছে দিয়েছিল; তিনি আধুনিক যুগের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন যিনি যুদ্ধের সময় সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন "এবং" বিশ্বনেতা হিসেবে স্বীকৃত মর্যাদা অর্জন করেছিলেন—সম্ভবত "সেই" বিশ্বনেতা, যেমনটা [[w:কাসাব্লাঙ্কা|কাসাব্লাঙ্কা]] এবং [[w:ইয়াল্টা|ইয়াল্টার]] ছবিগুলো ইঙ্গিত দেয়। কালো পোশাকে রুজভেল্টের সেই দৃশ্য, যখন তিনি চার্চিল এবং স্ট্যালিনের সাথে বিশ্বের ভবিষ্যৎ পুনর্গঠন করছিলেন—সেই দৃশ্যটি তৎকালীন সিনেমা হলগুলোতে নিউজ রিলের মাধ্যমে লাখ লাখ আমেরিকানের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল এবং রেডিও সম্প্রচারের মাধ্যমে আরও অনেক লাখ লাখ মানুষের কাছে শক্তিশালী হয়েছিল—বিশ্ব রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে রুজভেল্ট স্বয়ং প্রেসিডেন্ট পদকে ক্ষমতা ও গুরুত্বের এক নতুন আভা দিয়েছিলেন। ** টম উইকার, ''ওয়ান অফ আস: রিচার্ড নিক্সন অ্যান্ড দ্য আমেরিকান ড্রিম'' (১৯৯১), পৃষ্ঠা ৬৭৬ * আমার স্ত্রী এলসা ওয়ালশ, যিনি বছরের পর বছর ''[[w:দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের]]'' রিপোর্টার হিসেবে এবং পরে ''[[w:দ্য নিউ ইয়র্কার|দ্য নিউ ইয়র্কারের]]'' স্টাফ রাইটার হিসেবে কাজ করেছেন, এবং আমি গত বছর ধরে নিবিড়ভাবে কথা বলে [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সি|ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির]] গল্পটি খুঁটিয়ে বের করতে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি। আমরা জিজ্ঞেস করেছিলাম, এর প্রতিকার কী ছিল, কোন পথ নেওয়া যেত? ভালো করার কি কোনো উপায় ছিল? এলসা একজন পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্টের দিকে তাকানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন যিনি সংবাদমাধ্যমের ফিল্টার ছাড়াই সরাসরি আমেরিকান জনগণের সাথে কথা বলতে চেয়েছিলেন, কেবল উত্তাল সময়েই নয় বরং একটি বড় সংকটের সময়ও। আদর্শ মডেল ছিলেন ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার ১২ বছরে, এফডিআর ৩০টি 'ফায়ারসাইড চ্যাট' দিয়েছিলেন। তার সহযোগীরা এবং জনগণ প্রায়ই আরও বেশি চাইত। এফডিআর না করে দিয়েছিলেন। তার আলোচনাগুলোকে বড় বড় ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা এবং সেগুলোকে ব্যতিক্রমী করে তোলা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি এও বলেছিলেন যে এগুলো ছিল কঠোর পরিশ্রমের বিষয়, যার জন্য প্রায়ই তাকে ব্যক্তিগতভাবে কয়েক দিন ধরে প্রস্তুতি নিতে হতো। সন্ধ্যার রেডিও ভাষণগুলো দেশের মুখোমুখি হওয়া কঠিনতম বিষয়গুলো নিয়ে ছিল। একটি শান্ত এবং আশ্বস্ত কণ্ঠে তিনি ব্যাখ্যা করতেন সমস্যাটি কী ছিল, সরকার এটি নিয়ে কী করছে এবং জনগণের কাছ থেকে কী প্রত্যাশা করা হচ্ছে। প্রায়ই বার্তাটি ছিল ভয়াবহ। ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবারে জাপানের আকস্মিক বোমা হামলার দুই দিন পর এফডিআর জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। "আমাদের অবশ্যই খারাপ সংবাদ এবং ভালো সংবাদ, পরাজয় এবং বিজয়—যুদ্ধের পরিবর্তনশীল ভাগ্য একসাথে ভাগ করে নিতে হবে। এ পর্যন্ত খবর সব খারাপই এসেছে। আমরা একটি গুরুতর ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছি।" তিনি আরও যোগ করেন, "এটি কেবল একটি দীর্ঘ যুদ্ধই হবে না, এটি একটি কঠিন যুদ্ধ হবে।" এটি ছিল টিকে থাকার প্রশ্ন। "আমরা এখন আমাদের বিশ্ব প্রতিবেশীদের মধ্যে স্বাধীনতা এবং সাধারণ শালীনতার সাথে বসবাসের অধিকার বজায় রাখার জন্য লড়াই করছি।" ** [[বব উডওয়ার্ড]], ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৯০-৩৯১ * এফডিআর আমেরিকান জনগণকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। "আমরা সবাই এতে আছি—পুরোটা সময় জুড়ে। প্রতিটি পুরুষ, মহিলা এবং শিশু আমাদের আমেরিকান ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ এই প্রচেষ্টার অংশীদার।" জাপান মারাত্মক ক্ষতি করেছিল এবং হতাহতের তালিকা দীর্ঘ হবে। প্রতিটি যুদ্ধ শিল্পে সপ্তাহে সাত দিন কাজের প্রয়োজন হবে। "সামনের পথে কঠোর পরিশ্রম—ক্লান্তিকর পরিশ্রম—দিনরাত, প্রতি ঘণ্টা এবং প্রতি মিনিট রয়েছে।" এবং ত্যাগ, যা ছিল একটি "সুযোগ।" জাপান জার্মানি এবং ইতালির ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলোর সাথে মিত্রতা করেছিল। এফডিআর পদ্ধতিগত "মহান কৌশলের" আহ্বান জানান। কয়েক মাস পরে অন্য একটি ফায়ারসাইড চ্যাটে তিনি আমেরিকানদের একটি বিশ্ব মানচিত্র বের করতে বলেছিলেন যাতে তিনি যখন বর্ণনা করবেন কেন দেশকে আমেরিকার সীমানার বাইরে যুদ্ধ করতে হবে তখন তারা তার সাথে অনুসরণ করতে পারে। "আপনার সরকারের আপনার ওপর অটল বিশ্বাস আছে যে আপনি পিছপা না হয়ে বা সাহস না হারিয়ে সবচেয়ে খারাপ সংবাদটি শোনার ক্ষমতা রাখেন।" ** [[বব উডওয়ার্ড]], ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৯১ * আমি দেখতে পেলাম যে আমি ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের বিরুদ্ধে আক্রমণের কার্টুন সততার সাথে আঁকতে পারছি না যেমনটা আমি আল স্মিথ এবং অতীতের অন্যান্য প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীদের বিরুদ্ধে এঁকেছিলাম। আমি যা করতে পেরেছিলাম তা হলো একজন সম্মানিত ব্যক্তির সামান্য সমালোচনা করা, যার মধ্যে এমন সততা এবং সাহস আছে যা রাজনৈতিক বিষয়ে খুব কমই দেখা যায়। আজ আমি রুজভেল্টের সমস্যাগুলোকে লিঙ্কনের মতোই বিশাল এবং কঠিন বলে মনে করি। আমি তাকে এমন একজন ব্যক্তি হিসেবে দেখি যিনি তার কর্তব্য পালন করছেন যেভাবে তিনি দেখছেন, যখন তিনি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিশৃঙ্খলায় ঘেরা, একজন মানুষ যিনি নিজের দেশের জন্য নিজের সেরাটা করার চেষ্টা করছেন এবং পরিস্থিতির বিচারে অন্যান্য দেশের সাথে জাতির কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব সততার সাথে আচরণ করছেন। ** ''[[আর্ট ইয়ং]]: হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস'' (১৯৩৯) ==আরও দেখুন== * [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের তালিকা]] * ''[[ওয়ার্ম স্প্রিংস (চলচ্চিত্র)|ওয়ার্ম স্প্রিংস]]'', [[w:জোসেফ সার্জেন্ট|জোসেফ সার্জেন্ট]] দ্বারা পরিচালিত। ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসোর্স লেখক|ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট}} {{কমন্স|ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট}} * [http://www.fdrheritage.org/ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট আমেরিকান হেরিটেজ সেন্টার মিউজিয়াম] * [http://newdeal.feri.org/ নিউ ডিল নেটওয়ার্ক] ** [http://www.feri.org/archives/default.cfm ফ্র্যাঙ্কলিন এবং এলিনর রুজভেল্ট ইনস্টিটিউট] * [http://www.nisk.k12.ny.us/fdr/ এফডিআর কার্টুন আর্কাইভ] * [http://www.nps.gov/hofr/ হাইডে পার্ক এনওয়াই রুজভেল্টের বাড়ি] * [http://www.nps.gov/roca/ ক্যাম্পোবেলো আইল্যান্ড রুজভেল্টের গ্রীষ্মকালীন বাড়ি] * [http://www.fdr-littlewhitehouse.org/ ওয়ার্ম স্প্রিংস জিএ রুজভেল্টের রিট্রিট] * [http://www.nps.gov/frde/ এফডিআর মেমোরিয়াল ওয়াশিংটন ডিসি] * [http://www.fdrlibrary.marist.edu/ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি এবং মিউজিয়াম] ** [http://www.fdrlibrary.marist.edu/audio.html অডিও আর্কাইভ] ** [http://www.presidency.ucsb.edu/data.php রুজভেল্ট প্রশাসনের সাথে সম্পর্কিত একাডেমিক তথ্য] * [http://www.potus.com/fdroosevelt.html আইপিএল পোটাস — ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট] * [http://www.millercenter.virginia.edu/index.php/academic/americanpresident/fdroosevelt মিলার সেন্টার ইউ ভার্জিনিয়া এফডিআর, ইআর, ক্যাবিনেট নিয়ে পণ্ডিতদের প্রবন্ধ] * [http://www.nisk.k12.ny.us/fdr/index.html ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের প্রেসিডেন্সি থেকে রাজনৈতিক কার্টুনগুলোর একটি আর্কাইভ] * [http://www.internet-esq.com/ussaugusta/atlantic/index.htm আটলান্টিক কনফারেন্সে এফডিআর] * [http://www.davidpietrusza.com/FDR-links.html ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট লিংকসমূহ] * [http://rooseveltinstitution.org/about/franklin_roosevelt ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্টের প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গির ওপর] [http://rooseveltinstitution.org রুজভেল্ট ইনস্টিটিউশন] থেকে * {{gutenberg author| id=Franklin+Delano+Roosevelt | name=Franklin D. Roosevelt}} * [http://groups.yahoo.com/group/FDRSociety দ্য এফডিআর সোসাইটি] * [http://www.shmoop.com/franklin-d-roosevelt-fdr/quotes.html এফডিআর উদ্ধৃতি] এবং জীবনী '''বক্তৃতা এবং উদ্ধৃতি: অডিও এবং ট্রান্সক্রিপ্ট''' * [http://www.presidency.ucsb.edu দ্য আমেরিকান প্রেসিডেন্সি প্রজেক্ট], [[w:ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাট সান্তা বারবারা|ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাট সান্তা বারবারায়]] ** [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php প্রেসিডেন্টদের জনসমক্ষে দেওয়া কাগজপত্র: ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট] ** [http://www.presidency.ucsb.edu/sou.php স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণসমূহ] *** [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=14683 ১৯৩৪], [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=14890 ১৯৩৫], [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=15095 ১৯৩৬], [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=15336 ১৯৩৭], [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=15517 ১৯৩৮], [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=15684 ১৯৩৯], [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=15856 ১৯৪০], [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=16092 ১৯৪১], [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=16253 ১৯৪২], [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=16386 ১৯৪৩], [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=16518 ১৯৪৪] ** [http://www.presidency.ucsb.edu/sou.php স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন লিখিত বার্তাসমূহ] *** [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=16595 ১৯৪৫] ** [http://www.presidency.ucsb.edu/inaugurals.php শপথ গ্রহণ ভাষণসমূহ] *** [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=14473 ১৯৩৩], [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=15349 ১৯৩৭], [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=16022 ১৯৪১], [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=16607 ১৯৪৫] ** [http://www.presidency.ucsb.edu/fireside.php ফায়ারসাইড চ্যাট] ** [http://www.presidency.ucsb.edu/elections.php প্রেসিডেন্ট নির্বাচনসমূহ] *** [http://www.presidency.ucsb.edu/showelection.php?year=1932 ১৯৩২], [http://www.presidency.ucsb.edu/showelection.php?year=1936 ১৯৩৬], [http://www.presidency.ucsb.edu/showelection.php?year=1940 ১৯৪০], [http://www.presidency.ucsb.edu/showelection.php?year=1944 ১৯৪৪] ** [http://www.presidency.ucsb.edu/medialist.php?presid=32 এফডিআর-এর ৩২টি অডিও/ভিডিও ক্লিপ] * [http://www.whitehousetapes.org/pages/tapes_fdr.htm রুজভেল্টের গোপন হোয়াইট হাউস রেকর্ডিং], [[w:ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়া|ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়ার]] মাধ্যমে * [http://www.evtv1.com/index.asp-itemnum-220 এফডিআর - ডে অফ ইনফামি ভিডিও ক্লিপ] (২ মিনিট) * [http://vvl.lib.msu.edu/showfindingaid.cfm?findaidid=RooseveltFD বক্তৃতার অডিও ক্লিপ] * [http://www.yale.edu/lawweb/avalon/presiden/inaug/froos1.htm প্রথম শপথ গ্রহণ ভাষণ], [[ইয়েল ইউনিভার্সিটি|ইয়েল ইউনিভার্সিটির]] মাধ্যমে * [http://www.yale.edu/lawweb/avalon/presiden/inaug/froos2.htm দ্বিতীয় শপথ গ্রহণ ভাষণ], [[ইয়েল ইউনিভার্সিটি|ইয়েল ইউনিভার্সিটির]] মাধ্যমে * [http://www.yale.edu/lawweb/avalon/presiden/inaug/froos3.htm তৃতীয় শপথ গ্রহণ ভাষণ], [[ইয়েল ইউনিভার্সিটি|ইয়েল ইউনিভার্সিটির]] মাধ্যমে * [http://www.yale.edu/lawweb/avalon/presiden/inaug/froos4.htm চতুর্থ শপথ গ্রহণ ভাষণ], [[ইয়েল ইউনিভার্সিটি|ইয়েল ইউনিভার্সিটির]] মাধ্যমে * [http://www.hpol.org/fdr/chat/ কোর্ট "প্যাকিং" বক্তৃতা (৯ মার্চ ১৯৩৭)] * [http://history.acusd.edu/gen/text/us/fdr1940.html ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়া স্নাতক শ্রেণী বক্তৃতা — "স্ট্যাব ইন দ্য ব্যাক স্পিচ" (১০ জুন ১৯৪০)] {{DEFAULTSORT:রুজভেল্ট, ফ্র্যাঙ্কলিন ডেলানো}} [[বিষয়শ্রেণী:ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট| ]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক (রাজ্য) থেকে আইনজীবী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৮২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, ১৯৪৪]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, ১৯৪০]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, ১৯৩৬]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, ১৯৩২]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্কের গভর্নর]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রিম্যাসন]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রতিবন্ধী ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:রুজভেল্ট পরিবার]] 3wre6ztynh3kjea2lj0py6g9lad48hj মনোজ মিত্র 0 13595 81636 81605 2026-04-27T12:53:21Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 81636 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== * ** == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] dmofkmhrokoa72geag5b4hj4soudy3d 81637 81636 2026-04-27T12:59:37Z Nil Nandy 2294 /* একাঙ্ক নাটক */ 81637 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] j9zh2vyuoo51md4we5w9ha41phumtey 81638 81637 2026-04-27T13:05:35Z Nil Nandy 2294 /* সন্ধ্যাতারা */ 81638 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] 3vpy41390bja59ibde6tyc1s3bk9kxw 81760 81638 2026-04-28T00:46:25Z Nil Nandy 2294 /* সন্ধ্যাতারা */ 81760 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] aeen5bsc199o0rrwwr8e2awcihny86f 81761 81760 2026-04-28T00:48:37Z Nil Nandy 2294 /* সন্ধ্যাতারা */ 81761 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] 3alsfj4fjo88279426im9zjllzyufcw 81764 81761 2026-04-28T00:59:39Z Nil Nandy 2294 /* সন্ধ্যাতারা */ 81764 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ *ওদের কথা ভেবো না। ওরা যে যার চলে যাক। (থেমে) মানুষ মরে গেলে যেমন আকাশের তারা হয়ে ফুটে ওঠে, হারিয়ে গেলেও তেমন তারা হয়ে যায়। রোজ সন্ধ্যেবেলায় এ দিকে চেয়ে আমরা অচেনা তারাগুলো দেখব--আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়েদের খুঁজবো... **কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩৪৭ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] ce7tvcscog9nm5yyanhnvu12s9l2g9d 81769 81764 2026-04-28T01:12:14Z Nil Nandy 2294 /* একাঙ্ক নাটক */ 81769 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ *ওদের কথা ভেবো না। ওরা যে যার চলে যাক। (থেমে) মানুষ মরে গেলে যেমন আকাশের তারা হয়ে ফুটে ওঠে, হারিয়ে গেলেও তেমন তারা হয়ে যায়। রোজ সন্ধ্যেবেলায় এ দিকে চেয়ে আমরা অচেনা তারাগুলো দেখব--আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়েদের খুঁজবো... **কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩৪৭ ====টাপুর টুপুর==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/349/mode/1up টাপুর টুপুর]</small> *হ্যাঁ। বের রাতে বলেছিলে না, সংসারে তুমি আমার মান বজায় রাখবে, আমি তোমার মান বজায় রাখবো। মাত্তর সোমে-সোমে একুশদিনে সব ভুলে যাবো! না গো, না...না... **মরালী, পৃষ্ঠা ৩৬৬ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] fa9jyrc39lgi5xrqxdjn0ik2k3su0or 81770 81769 2026-04-28T01:13:53Z Nil Nandy 2294 /* একাঙ্ক নাটক */ 81770 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ *ওদের কথা ভেবো না। ওরা যে যার চলে যাক। (থেমে) মানুষ মরে গেলে যেমন আকাশের তারা হয়ে ফুটে ওঠে, হারিয়ে গেলেও তেমন তারা হয়ে যায়। রোজ সন্ধ্যেবেলায় এ দিকে চেয়ে আমরা অচেনা তারাগুলো দেখব--আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়েদের খুঁজবো... **কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩৪৭ ====টাপুর টুপুর==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/349/mode/1up টাপুর টুপুর]</small> *হ্যাঁ। বের রাতে বলেছিলে না, সংসারে তুমি আমার মান বজায় রাখবে, আমি তোমার মান বজায় রাখবো। মাত্তর সোমে-সোমে একুশদিনে সব ভুলে যাবো! না গো, না...না... **মরালী, পৃষ্ঠা ৩৬৬ ====চোখে আঙুল দাদা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/367/mode/1up চোখে আঙুল দাদা]</small> == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] 8v5a8jm200d5gvtclomgdi8bbrmct5w 81771 81770 2026-04-28T01:18:43Z Nil Nandy 2294 /* চোখে আঙুল দাদা */ 81771 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ *ওদের কথা ভেবো না। ওরা যে যার চলে যাক। (থেমে) মানুষ মরে গেলে যেমন আকাশের তারা হয়ে ফুটে ওঠে, হারিয়ে গেলেও তেমন তারা হয়ে যায়। রোজ সন্ধ্যেবেলায় এ দিকে চেয়ে আমরা অচেনা তারাগুলো দেখব--আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়েদের খুঁজবো... **কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩৪৭ ====টাপুর টুপুর==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/349/mode/1up টাপুর টুপুর]</small> *হ্যাঁ। বের রাতে বলেছিলে না, সংসারে তুমি আমার মান বজায় রাখবে, আমি তোমার মান বজায় রাখবো। মাত্তর সোমে-সোমে একুশদিনে সব ভুলে যাবো! না গো, না...না... **মরালী, পৃষ্ঠা ৩৬৬ ====চোখে আঙুল দাদা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/367/mode/1up চোখে আঙুল দাদা]</small> *একটা দুঃসংবাদ আছে। আজ সন্ধ্যে ছ'টা নাগাদ...যে নাটকটা হবার কথা, তারই নায়ক...শ্রীচোখে-আঙুল দাদা...হঠাৎ বিনবিন রোগে আক্রাস্ত হয়ে প্রচণ্ডভাবে ঝিনঝিন করতে করতে (উর্ধ্বে তাকিয়ে) আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। (রুমালে চোখ মুছে, বার কয়েক নাক টেনে) আপনাদের একটু উঠে দাঁড়াতে হবে...এই মিনিট খানেকের মতো নীরবতা পালন...একটু কষ্ট করে যদি...(চারপাশ দেখে নিয়ে) আচ্ছা, আধ মিনিট পারবেন ?... চারপাশ দেখে নিয়ে) পনেরো সেকেন্ড ? বুঝতে পেরেছি, দাঁড়াবার ইচ্ছেই কারুর নেই। আচ্ছা থাকগে, দাড়ানোর ভেতর গিয়ে কাজ নেই। বরং যে যেখানে বসে আছেন, ওই ভাবে বসেই শ্রীচোখে-আঙুল দাদাকে একটু স্মরণ করে নিন। (ঘড়ির দিকে তাকিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে কয়েক সেকেন্ড পার করে) টাইম আপ। (থেমে) কিন্তু তা বলে নাটক আমরা বন্ধ করছি না৷ চোখেআঙুল দাদাকে এমন আকস্মিকভাবে সবকিছু বানচাল করে দিয়ে যেতে দেবো না! তাঁর জগৎতলীলা যখন দেখাতে পারছি না, তাঁর স্বর্গলীলা দেখাবো। আপনারা বসুন! তাই তো, দাঁড়ালেনই বা কখন? ** ঘোষক, পৃষ্ঠা ৩৬৯ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] nz06zk2rddd5fepmxg5iqmjg0ea95dv 81773 81771 2026-04-28T01:21:38Z Nil Nandy 2294 /* চোখে আঙুল দাদা */ 81773 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ *ওদের কথা ভেবো না। ওরা যে যার চলে যাক। (থেমে) মানুষ মরে গেলে যেমন আকাশের তারা হয়ে ফুটে ওঠে, হারিয়ে গেলেও তেমন তারা হয়ে যায়। রোজ সন্ধ্যেবেলায় এ দিকে চেয়ে আমরা অচেনা তারাগুলো দেখব--আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়েদের খুঁজবো... **কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩৪৭ ====টাপুর টুপুর==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/349/mode/1up টাপুর টুপুর]</small> *হ্যাঁ। বের রাতে বলেছিলে না, সংসারে তুমি আমার মান বজায় রাখবে, আমি তোমার মান বজায় রাখবো। মাত্তর সোমে-সোমে একুশদিনে সব ভুলে যাবো! না গো, না...না... **মরালী, পৃষ্ঠা ৩৬৬ ====চোখে আঙুল দাদা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/367/mode/1up চোখে আঙুল দাদা]</small> *একটা দুঃসংবাদ আছে। আজ সন্ধ্যে ছ'টা নাগাদ...যে নাটকটা হবার কথা, তারই নায়ক...শ্রীচোখে-আঙুল দাদা...হঠাৎ বিনবিন রোগে আক্রাস্ত হয়ে প্রচণ্ডভাবে ঝিনঝিন করতে করতে (উর্ধ্বে তাকিয়ে) আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। (রুমালে চোখ মুছে, বার কয়েক নাক টেনে) আপনাদের একটু উঠে দাঁড়াতে হবে...এই মিনিট খানেকের মতো নীরবতা পালন...একটু কষ্ট করে যদি...(চারপাশ দেখে নিয়ে) আচ্ছা, আধ মিনিট পারবেন ?... চারপাশ দেখে নিয়ে) পনেরো সেকেন্ড ? বুঝতে পেরেছি, দাঁড়াবার ইচ্ছেই কারুর নেই। আচ্ছা থাকগে, দাড়ানোর ভেতর গিয়ে কাজ নেই। বরং যে যেখানে বসে আছেন, ওই ভাবে বসেই শ্রীচোখে-আঙুল দাদাকে একটু স্মরণ করে নিন। (ঘড়ির দিকে তাকিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে কয়েক সেকেন্ড পার করে) টাইম আপ। (থেমে) কিন্তু তা বলে নাটক আমরা বন্ধ করছি না৷ চোখেআঙুল দাদাকে এমন আকস্মিকভাবে সবকিছু বানচাল করে দিয়ে যেতে দেবো না! তাঁর জগৎতলীলা যখন দেখাতে পারছি না, তাঁর স্বর্গলীলা দেখাবো। আপনারা বসুন! তাই তো, দাঁড়ালেনই বা কখন? ** ঘোষক, পৃষ্ঠা ৩৬৯ *বিধাতা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। নাক ডাকছে। **পৃষ্ঠা ৩৭০ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] opmtpgxl4mqfixuljmh44ko5pk6d7xc 81774 81773 2026-04-28T01:23:41Z Nil Nandy 2294 /* চোখে আঙুল দাদা */ 81774 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ *ওদের কথা ভেবো না। ওরা যে যার চলে যাক। (থেমে) মানুষ মরে গেলে যেমন আকাশের তারা হয়ে ফুটে ওঠে, হারিয়ে গেলেও তেমন তারা হয়ে যায়। রোজ সন্ধ্যেবেলায় এ দিকে চেয়ে আমরা অচেনা তারাগুলো দেখব--আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়েদের খুঁজবো... **কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩৪৭ ====টাপুর টুপুর==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/349/mode/1up টাপুর টুপুর]</small> *হ্যাঁ। বের রাতে বলেছিলে না, সংসারে তুমি আমার মান বজায় রাখবে, আমি তোমার মান বজায় রাখবো। মাত্তর সোমে-সোমে একুশদিনে সব ভুলে যাবো! না গো, না...না... **মরালী, পৃষ্ঠা ৩৬৬ ====চোখে আঙুল দাদা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/367/mode/1up চোখে আঙুল দাদা]</small> *একটা দুঃসংবাদ আছে। আজ সন্ধ্যে ছ'টা নাগাদ...যে নাটকটা হবার কথা, তারই নায়ক...শ্রীচোখে-আঙুল দাদা...হঠাৎ বিনবিন রোগে আক্রাস্ত হয়ে প্রচণ্ডভাবে ঝিনঝিন করতে করতে (উর্ধ্বে তাকিয়ে) আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। (রুমালে চোখ মুছে, বার কয়েক নাক টেনে) আপনাদের একটু উঠে দাঁড়াতে হবে...এই মিনিট খানেকের মতো নীরবতা পালন...একটু কষ্ট করে যদি...(চারপাশ দেখে নিয়ে) আচ্ছা, আধ মিনিট পারবেন ?... চারপাশ দেখে নিয়ে) পনেরো সেকেন্ড ? বুঝতে পেরেছি, দাঁড়াবার ইচ্ছেই কারুর নেই। আচ্ছা থাকগে, দাড়ানোর ভেতর গিয়ে কাজ নেই। বরং যে যেখানে বসে আছেন, ওই ভাবে বসেই শ্রীচোখে-আঙুল দাদাকে একটু স্মরণ করে নিন। (ঘড়ির দিকে তাকিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে কয়েক সেকেন্ড পার করে) টাইম আপ। (থেমে) কিন্তু তা বলে নাটক আমরা বন্ধ করছি না৷ চোখেআঙুল দাদাকে এমন আকস্মিকভাবে সবকিছু বানচাল করে দিয়ে যেতে দেবো না! তাঁর জগৎতলীলা যখন দেখাতে পারছি না, তাঁর স্বর্গলীলা দেখাবো। আপনারা বসুন! তাই তো, দাঁড়ালেনই বা কখন? ** ঘোষক, পৃষ্ঠা ৩৬৯ *বিধাতা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। নাক ডাকছে। **পৃষ্ঠা ৩৭০ *(আরক্ত চোখে) কাতলা মাছের মতো হাপসি কাটছ কেন? হ'লোটা কী? ** বিধাতা, পৃষ্ঠা ৩৭০ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] 283iim7cjywyaf2lcvz11t97oplkccy 81779 81774 2026-04-28T02:14:26Z Nil Nandy 2294 /* চোখে আঙুল দাদা */ 81779 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ *ওদের কথা ভেবো না। ওরা যে যার চলে যাক। (থেমে) মানুষ মরে গেলে যেমন আকাশের তারা হয়ে ফুটে ওঠে, হারিয়ে গেলেও তেমন তারা হয়ে যায়। রোজ সন্ধ্যেবেলায় এ দিকে চেয়ে আমরা অচেনা তারাগুলো দেখব--আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়েদের খুঁজবো... **কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩৪৭ ====টাপুর টুপুর==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/349/mode/1up টাপুর টুপুর]</small> *হ্যাঁ। বের রাতে বলেছিলে না, সংসারে তুমি আমার মান বজায় রাখবে, আমি তোমার মান বজায় রাখবো। মাত্তর সোমে-সোমে একুশদিনে সব ভুলে যাবো! না গো, না...না... **মরালী, পৃষ্ঠা ৩৬৬ ====চোখে আঙুল দাদা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/367/mode/1up চোখে আঙুল দাদা]</small> *একটা দুঃসংবাদ আছে। আজ সন্ধ্যে ছ'টা নাগাদ...যে নাটকটা হবার কথা, তারই নায়ক...শ্রীচোখে-আঙুল দাদা...হঠাৎ বিনবিন রোগে আক্রাস্ত হয়ে প্রচণ্ডভাবে ঝিনঝিন করতে করতে (উর্ধ্বে তাকিয়ে) আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। (রুমালে চোখ মুছে, বার কয়েক নাক টেনে) আপনাদের একটু উঠে দাঁড়াতে হবে...এই মিনিট খানেকের মতো নীরবতা পালন...একটু কষ্ট করে যদি...(চারপাশ দেখে নিয়ে) আচ্ছা, আধ মিনিট পারবেন ?... চারপাশ দেখে নিয়ে) পনেরো সেকেন্ড ? বুঝতে পেরেছি, দাঁড়াবার ইচ্ছেই কারুর নেই। আচ্ছা থাকগে, দাড়ানোর ভেতর গিয়ে কাজ নেই। বরং যে যেখানে বসে আছেন, ওই ভাবে বসেই শ্রীচোখে-আঙুল দাদাকে একটু স্মরণ করে নিন। (ঘড়ির দিকে তাকিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে কয়েক সেকেন্ড পার করে) টাইম আপ। (থেমে) কিন্তু তা বলে নাটক আমরা বন্ধ করছি না৷ চোখেআঙুল দাদাকে এমন আকস্মিকভাবে সবকিছু বানচাল করে দিয়ে যেতে দেবো না! তাঁর জগৎতলীলা যখন দেখাতে পারছি না, তাঁর স্বর্গলীলা দেখাবো। আপনারা বসুন! তাই তো, দাঁড়ালেনই বা কখন? ** ঘোষক, পৃষ্ঠা ৩৬৯ *বিধাতা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। নাক ডাকছে। **পৃষ্ঠা ৩৭০ *(আরক্ত চোখে) কাতলা মাছের মতো হাপসি কাটছ কেন? হ'লোটা কী? ** বিধাতা, পৃষ্ঠা ৩৭০ *চিত্র ॥ প্রায় কেঁদে) প্রভো...<br>বিধাতা ॥(ভেংচি কেটে) প্রভো ! প্রভো !...যেই একটু বিশ্রাম নেবো...অমনি কানের গোড়ায় প্রভো! প্রভো! (থেমে) সামান্য একটা রেকর্ড তাও রাখতে পারো না!<br>চিত্র ॥(তিক্ত স্বরে) কী করে পারব! সোজাসুজি নাম হলে সব রাখা যায়! মাথার ঠিক থাকে, কেউ যদি এসে বলে আমার নাম শ্রীচোখে-আঙুল দাদা! <br>বিধাতা ॥(চমকে) কী নাম?<br>চিত্র ॥ (তিক্ততম স্বরে) চোখে-আঙুল দাদা! বাপের কালে শুনেছেন... <br>বিধাতা ॥চোখে-আঙুল দাদা ! বলো কী হে চিত্রগুপ্ত, মা বাপের দেওয়া...? <br>চিত্র ॥বাপ মা কি আর সন্তানকে দাদা ডাকবে! পিতৃদত্ত হলে আমার ক্যাটালগে নিশ্চয়ই উঠতো! দিয়েছে ওর দেশবাসী...ধরুন পশ্চিমবঙ্গ এস্টেটের জনসাধারণ! (থেমে) বোধহয় টাইটেল! **পৃষ্ঠা ৩৭০ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] fplq40e7cn14am10ml679ebnm3txehh 81790 81779 2026-04-28T02:35:55Z Nil Nandy 2294 /* চোখে আঙুল দাদা */ 81790 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ *ওদের কথা ভেবো না। ওরা যে যার চলে যাক। (থেমে) মানুষ মরে গেলে যেমন আকাশের তারা হয়ে ফুটে ওঠে, হারিয়ে গেলেও তেমন তারা হয়ে যায়। রোজ সন্ধ্যেবেলায় এ দিকে চেয়ে আমরা অচেনা তারাগুলো দেখব--আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়েদের খুঁজবো... **কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩৪৭ ====টাপুর টুপুর==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/349/mode/1up টাপুর টুপুর]</small> *হ্যাঁ। বের রাতে বলেছিলে না, সংসারে তুমি আমার মান বজায় রাখবে, আমি তোমার মান বজায় রাখবো। মাত্তর সোমে-সোমে একুশদিনে সব ভুলে যাবো! না গো, না...না... **মরালী, পৃষ্ঠা ৩৬৬ ====চোখে আঙুল দাদা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/367/mode/1up চোখে আঙুল দাদা]</small> *একটা দুঃসংবাদ আছে। আজ সন্ধ্যে ছ'টা নাগাদ...যে নাটকটা হবার কথা, তারই নায়ক...শ্রীচোখে-আঙুল দাদা...হঠাৎ বিনবিন রোগে আক্রাস্ত হয়ে প্রচণ্ডভাবে ঝিনঝিন করতে করতে (উর্ধ্বে তাকিয়ে) আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। (রুমালে চোখ মুছে, বার কয়েক নাক টেনে) আপনাদের একটু উঠে দাঁড়াতে হবে...এই মিনিট খানেকের মতো নীরবতা পালন...একটু কষ্ট করে যদি...(চারপাশ দেখে নিয়ে) আচ্ছা, আধ মিনিট পারবেন ?... চারপাশ দেখে নিয়ে) পনেরো সেকেন্ড ? বুঝতে পেরেছি, দাঁড়াবার ইচ্ছেই কারুর নেই। আচ্ছা থাকগে, দাড়ানোর ভেতর গিয়ে কাজ নেই। বরং যে যেখানে বসে আছেন, ওই ভাবে বসেই শ্রীচোখে-আঙুল দাদাকে একটু স্মরণ করে নিন। (ঘড়ির দিকে তাকিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে কয়েক সেকেন্ড পার করে) টাইম আপ। (থেমে) কিন্তু তা বলে নাটক আমরা বন্ধ করছি না৷ চোখেআঙুল দাদাকে এমন আকস্মিকভাবে সবকিছু বানচাল করে দিয়ে যেতে দেবো না! তাঁর জগৎতলীলা যখন দেখাতে পারছি না, তাঁর স্বর্গলীলা দেখাবো। আপনারা বসুন! তাই তো, দাঁড়ালেনই বা কখন? ** ঘোষক, পৃষ্ঠা ৩৬৯ *বিধাতা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। নাক ডাকছে। **পৃষ্ঠা ৩৭০ *(আরক্ত চোখে) কাতলা মাছের মতো হাপসি কাটছ কেন? হ'লোটা কী? ** বিধাতা, পৃষ্ঠা ৩৭০ *চিত্র ॥ প্রায় কেঁদে) প্রভো...<br>বিধাতা ॥(ভেংচি কেটে) প্রভো ! প্রভো !...যেই একটু বিশ্রাম নেবো...অমনি কানের গোড়ায় প্রভো! প্রভো! (থেমে) সামান্য একটা রেকর্ড তাও রাখতে পারো না!<br>চিত্র ॥(তিক্ত স্বরে) কী করে পারব! সোজাসুজি নাম হলে সব রাখা যায়! মাথার ঠিক থাকে, কেউ যদি এসে বলে আমার নাম শ্রীচোখে-আঙুল দাদা! <br>বিধাতা ॥(চমকে) কী নাম?<br>চিত্র ॥ (তিক্ততম স্বরে) চোখে-আঙুল দাদা! বাপের কালে শুনেছেন... <br>বিধাতা ॥চোখে-আঙুল দাদা ! বলো কী হে চিত্রগুপ্ত, মা বাপের দেওয়া...? <br>চিত্র ॥বাপ মা কি আর সন্তানকে দাদা ডাকবে! পিতৃদত্ত হলে আমার ক্যাটালগে নিশ্চয়ই উঠতো! দিয়েছে ওর দেশবাসী...ধরুন পশ্চিমবঙ্গ এস্টেটের জনসাধারণ! (থেমে) বোধহয় টাইটেল! **পৃষ্ঠা ৩৭০ *আজ্ঞে হ্যাঁ, মর্ত্যে নাকি আজকাল এদের খুব দেখা যাচ্ছে। ধরুন পরনে ঢোলা প্যান্টালুন আর রঙচঙা ঢোলা পাঞ্জাবি...কাঁধে ঝুলি... মাথায় বটের ঝুরির মতো চুল...ছাগুলে দাড়ি...রুটি-সেঁকা চাটুর মতো দু চোখে দুখানা বেগনি রঙের কাঁচ বসানো চশমা, আর ধরুন সর্বদাই দাঁতে চুরোট কামড়ে আছে! খালি প্যাঁড়দারি করে ঘুরে বেড়ায়। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] n3t624yr05xrqar3biwxsk2r1lpv92c 81791 81790 2026-04-28T02:38:49Z Nil Nandy 2294 /* চোখে আঙুল দাদা */ 81791 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ *ওদের কথা ভেবো না। ওরা যে যার চলে যাক। (থেমে) মানুষ মরে গেলে যেমন আকাশের তারা হয়ে ফুটে ওঠে, হারিয়ে গেলেও তেমন তারা হয়ে যায়। রোজ সন্ধ্যেবেলায় এ দিকে চেয়ে আমরা অচেনা তারাগুলো দেখব--আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়েদের খুঁজবো... **কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩৪৭ ====টাপুর টুপুর==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/349/mode/1up টাপুর টুপুর]</small> *হ্যাঁ। বের রাতে বলেছিলে না, সংসারে তুমি আমার মান বজায় রাখবে, আমি তোমার মান বজায় রাখবো। মাত্তর সোমে-সোমে একুশদিনে সব ভুলে যাবো! না গো, না...না... **মরালী, পৃষ্ঠা ৩৬৬ ====চোখে আঙুল দাদা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/367/mode/1up চোখে আঙুল দাদা]</small> *একটা দুঃসংবাদ আছে। আজ সন্ধ্যে ছ'টা নাগাদ...যে নাটকটা হবার কথা, তারই নায়ক...শ্রীচোখে-আঙুল দাদা...হঠাৎ বিনবিন রোগে আক্রাস্ত হয়ে প্রচণ্ডভাবে ঝিনঝিন করতে করতে (উর্ধ্বে তাকিয়ে) আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। (রুমালে চোখ মুছে, বার কয়েক নাক টেনে) আপনাদের একটু উঠে দাঁড়াতে হবে...এই মিনিট খানেকের মতো নীরবতা পালন...একটু কষ্ট করে যদি...(চারপাশ দেখে নিয়ে) আচ্ছা, আধ মিনিট পারবেন ?... চারপাশ দেখে নিয়ে) পনেরো সেকেন্ড ? বুঝতে পেরেছি, দাঁড়াবার ইচ্ছেই কারুর নেই। আচ্ছা থাকগে, দাড়ানোর ভেতর গিয়ে কাজ নেই। বরং যে যেখানে বসে আছেন, ওই ভাবে বসেই শ্রীচোখে-আঙুল দাদাকে একটু স্মরণ করে নিন। (ঘড়ির দিকে তাকিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে কয়েক সেকেন্ড পার করে) টাইম আপ। (থেমে) কিন্তু তা বলে নাটক আমরা বন্ধ করছি না৷ চোখেআঙুল দাদাকে এমন আকস্মিকভাবে সবকিছু বানচাল করে দিয়ে যেতে দেবো না! তাঁর জগৎতলীলা যখন দেখাতে পারছি না, তাঁর স্বর্গলীলা দেখাবো। আপনারা বসুন! তাই তো, দাঁড়ালেনই বা কখন? ** ঘোষক, পৃষ্ঠা ৩৬৯ *বিধাতা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। নাক ডাকছে। **পৃষ্ঠা ৩৭০ *(আরক্ত চোখে) কাতলা মাছের মতো হাপসি কাটছ কেন? হ'লোটা কী? ** বিধাতা, পৃষ্ঠা ৩৭০ *চিত্র ॥ প্রায় কেঁদে) প্রভো...<br>বিধাতা ॥(ভেংচি কেটে) প্রভো ! প্রভো !...যেই একটু বিশ্রাম নেবো...অমনি কানের গোড়ায় প্রভো! প্রভো! (থেমে) সামান্য একটা রেকর্ড তাও রাখতে পারো না!<br>চিত্র ॥(তিক্ত স্বরে) কী করে পারব! সোজাসুজি নাম হলে সব রাখা যায়! মাথার ঠিক থাকে, কেউ যদি এসে বলে আমার নাম শ্রীচোখে-আঙুল দাদা! <br>বিধাতা ॥(চমকে) কী নাম?<br>চিত্র ॥ (তিক্ততম স্বরে) চোখে-আঙুল দাদা! বাপের কালে শুনেছেন... <br>বিধাতা ॥চোখে-আঙুল দাদা ! বলো কী হে চিত্রগুপ্ত, মা বাপের দেওয়া...? <br>চিত্র ॥বাপ মা কি আর সন্তানকে দাদা ডাকবে! পিতৃদত্ত হলে আমার ক্যাটালগে নিশ্চয়ই উঠতো! দিয়েছে ওর দেশবাসী...ধরুন পশ্চিমবঙ্গ এস্টেটের জনসাধারণ! (থেমে) বোধহয় টাইটেল! **পৃষ্ঠা ৩৭০ *আজ্ঞে হ্যাঁ, মর্ত্যে নাকি আজকাল এদের খুব দেখা যাচ্ছে। ধরুন পরনে ঢোলা প্যান্টালুন আর রঙচঙা ঢোলা পাঞ্জাবি...কাঁধে ঝুলি... মাথায় বটের ঝুরির মতো চুল...ছাগুলে দাড়ি...রুটি-সেঁকা চাটুর মতো দু চোখে দুখানা বেগনি রঙের কাঁচ বসানো চশমা, আর ধরুন সর্বদাই দাঁতে চুরোট কামড়ে আছে! খালি প্যাঁড়দারি করে ঘুরে বেড়ায়। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ *ধরেছেন ঠিক প্রভো...যাদের ইনটেলেক্‌ট মানে বুদ্ধি...ধরুন চোয়ালে এসে বাসা বেঁধেছে, তারই ইনটেলেকচুয়াল। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] dp1gba7mgepvrxn5l7rj0f472bljd26 81793 81791 2026-04-28T02:41:13Z Nil Nandy 2294 /* চোখে আঙুল দাদা */ 81793 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ *ওদের কথা ভেবো না। ওরা যে যার চলে যাক। (থেমে) মানুষ মরে গেলে যেমন আকাশের তারা হয়ে ফুটে ওঠে, হারিয়ে গেলেও তেমন তারা হয়ে যায়। রোজ সন্ধ্যেবেলায় এ দিকে চেয়ে আমরা অচেনা তারাগুলো দেখব--আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়েদের খুঁজবো... **কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩৪৭ ====টাপুর টুপুর==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/349/mode/1up টাপুর টুপুর]</small> *হ্যাঁ। বের রাতে বলেছিলে না, সংসারে তুমি আমার মান বজায় রাখবে, আমি তোমার মান বজায় রাখবো। মাত্তর সোমে-সোমে একুশদিনে সব ভুলে যাবো! না গো, না...না... **মরালী, পৃষ্ঠা ৩৬৬ ====চোখে আঙুল দাদা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/367/mode/1up চোখে আঙুল দাদা]</small> *একটা দুঃসংবাদ আছে। আজ সন্ধ্যে ছ'টা নাগাদ...যে নাটকটা হবার কথা, তারই নায়ক...শ্রীচোখে-আঙুল দাদা...হঠাৎ বিনবিন রোগে আক্রাস্ত হয়ে প্রচণ্ডভাবে ঝিনঝিন করতে করতে (উর্ধ্বে তাকিয়ে) আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। (রুমালে চোখ মুছে, বার কয়েক নাক টেনে) আপনাদের একটু উঠে দাঁড়াতে হবে...এই মিনিট খানেকের মতো নীরবতা পালন...একটু কষ্ট করে যদি...(চারপাশ দেখে নিয়ে) আচ্ছা, আধ মিনিট পারবেন ?... চারপাশ দেখে নিয়ে) পনেরো সেকেন্ড ? বুঝতে পেরেছি, দাঁড়াবার ইচ্ছেই কারুর নেই। আচ্ছা থাকগে, দাড়ানোর ভেতর গিয়ে কাজ নেই। বরং যে যেখানে বসে আছেন, ওই ভাবে বসেই শ্রীচোখে-আঙুল দাদাকে একটু স্মরণ করে নিন। (ঘড়ির দিকে তাকিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে কয়েক সেকেন্ড পার করে) টাইম আপ। (থেমে) কিন্তু তা বলে নাটক আমরা বন্ধ করছি না৷ চোখেআঙুল দাদাকে এমন আকস্মিকভাবে সবকিছু বানচাল করে দিয়ে যেতে দেবো না! তাঁর জগৎতলীলা যখন দেখাতে পারছি না, তাঁর স্বর্গলীলা দেখাবো। আপনারা বসুন! তাই তো, দাঁড়ালেনই বা কখন? ** ঘোষক, পৃষ্ঠা ৩৬৯ *বিধাতা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। নাক ডাকছে। **পৃষ্ঠা ৩৭০ *(আরক্ত চোখে) কাতলা মাছের মতো হাপসি কাটছ কেন? হ'লোটা কী? ** বিধাতা, পৃষ্ঠা ৩৭০ *চিত্র ॥ প্রায় কেঁদে) প্রভো...<br>বিধাতা ॥(ভেংচি কেটে) প্রভো ! প্রভো !...যেই একটু বিশ্রাম নেবো...অমনি কানের গোড়ায় প্রভো! প্রভো! (থেমে) সামান্য একটা রেকর্ড তাও রাখতে পারো না!<br>চিত্র ॥(তিক্ত স্বরে) কী করে পারব! সোজাসুজি নাম হলে সব রাখা যায়! মাথার ঠিক থাকে, কেউ যদি এসে বলে আমার নাম শ্রীচোখে-আঙুল দাদা! <br>বিধাতা ॥(চমকে) কী নাম?<br>চিত্র ॥ (তিক্ততম স্বরে) চোখে-আঙুল দাদা! বাপের কালে শুনেছেন... <br>বিধাতা ॥চোখে-আঙুল দাদা ! বলো কী হে চিত্রগুপ্ত, মা বাপের দেওয়া...? <br>চিত্র ॥বাপ মা কি আর সন্তানকে দাদা ডাকবে! পিতৃদত্ত হলে আমার ক্যাটালগে নিশ্চয়ই উঠতো! দিয়েছে ওর দেশবাসী...ধরুন পশ্চিমবঙ্গ এস্টেটের জনসাধারণ! (থেমে) বোধহয় টাইটেল! **পৃষ্ঠা ৩৭০ *আজ্ঞে হ্যাঁ, মর্ত্যে নাকি আজকাল এদের খুব দেখা যাচ্ছে। ধরুন পরনে ঢোলা প্যান্টালুন আর রঙচঙা ঢোলা পাঞ্জাবি...কাঁধে ঝুলি... মাথায় বটের ঝুরির মতো চুল...ছাগুলে দাড়ি...রুটি-সেঁকা চাটুর মতো দু চোখে দুখানা বেগনি রঙের কাঁচ বসানো চশমা, আর ধরুন সর্বদাই দাঁতে চুরোট কামড়ে আছে! খালি প্যাঁড়দারি করে ঘুরে বেড়ায়। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ *ধরেছেন ঠিক প্রভো...যাদের ইনটেলেক্‌ট মানে বুদ্ধি...ধরুন চোয়ালে এসে বাসা বেঁধেছে, তারই ইনটেলেকচুয়াল। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ *অসভ্য! পাজী! আমায় বসিয়ে রেখে গুলতানি করছে! নন্‌সেন্স, আমার স্বর্গের দরজা খুলে দেবে কে! **চোখে-আঙুল দাদা, পৃষ্ঠা ৩৭১ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] k9c5roezk4awngltb82doa5r1st4jbp 81795 81793 2026-04-28T02:45:58Z Nil Nandy 2294 /* চোখে আঙুল দাদা */ 81795 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ *ওদের কথা ভেবো না। ওরা যে যার চলে যাক। (থেমে) মানুষ মরে গেলে যেমন আকাশের তারা হয়ে ফুটে ওঠে, হারিয়ে গেলেও তেমন তারা হয়ে যায়। রোজ সন্ধ্যেবেলায় এ দিকে চেয়ে আমরা অচেনা তারাগুলো দেখব--আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়েদের খুঁজবো... **কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩৪৭ ====টাপুর টুপুর==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/349/mode/1up টাপুর টুপুর]</small> *হ্যাঁ। বের রাতে বলেছিলে না, সংসারে তুমি আমার মান বজায় রাখবে, আমি তোমার মান বজায় রাখবো। মাত্তর সোমে-সোমে একুশদিনে সব ভুলে যাবো! না গো, না...না... **মরালী, পৃষ্ঠা ৩৬৬ ====চোখে আঙুল দাদা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/367/mode/1up চোখে আঙুল দাদা]</small> *একটা দুঃসংবাদ আছে। আজ সন্ধ্যে ছ'টা নাগাদ...যে নাটকটা হবার কথা, তারই নায়ক...শ্রীচোখে-আঙুল দাদা...হঠাৎ বিনবিন রোগে আক্রাস্ত হয়ে প্রচণ্ডভাবে ঝিনঝিন করতে করতে (উর্ধ্বে তাকিয়ে) আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। (রুমালে চোখ মুছে, বার কয়েক নাক টেনে) আপনাদের একটু উঠে দাঁড়াতে হবে...এই মিনিট খানেকের মতো নীরবতা পালন...একটু কষ্ট করে যদি...(চারপাশ দেখে নিয়ে) আচ্ছা, আধ মিনিট পারবেন ?... চারপাশ দেখে নিয়ে) পনেরো সেকেন্ড ? বুঝতে পেরেছি, দাঁড়াবার ইচ্ছেই কারুর নেই। আচ্ছা থাকগে, দাড়ানোর ভেতর গিয়ে কাজ নেই। বরং যে যেখানে বসে আছেন, ওই ভাবে বসেই শ্রীচোখে-আঙুল দাদাকে একটু স্মরণ করে নিন। (ঘড়ির দিকে তাকিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে কয়েক সেকেন্ড পার করে) টাইম আপ। (থেমে) কিন্তু তা বলে নাটক আমরা বন্ধ করছি না৷ চোখেআঙুল দাদাকে এমন আকস্মিকভাবে সবকিছু বানচাল করে দিয়ে যেতে দেবো না! তাঁর জগৎতলীলা যখন দেখাতে পারছি না, তাঁর স্বর্গলীলা দেখাবো। আপনারা বসুন! তাই তো, দাঁড়ালেনই বা কখন? ** ঘোষক, পৃষ্ঠা ৩৬৯ *বিধাতা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। নাক ডাকছে। **পৃষ্ঠা ৩৭০ *(আরক্ত চোখে) কাতলা মাছের মতো হাপসি কাটছ কেন? হ'লোটা কী? ** বিধাতা, পৃষ্ঠা ৩৭০ *চিত্র ॥ প্রায় কেঁদে) প্রভো...<br>বিধাতা ॥(ভেংচি কেটে) প্রভো ! প্রভো !...যেই একটু বিশ্রাম নেবো...অমনি কানের গোড়ায় প্রভো! প্রভো! (থেমে) সামান্য একটা রেকর্ড তাও রাখতে পারো না!<br>চিত্র ॥(তিক্ত স্বরে) কী করে পারব! সোজাসুজি নাম হলে সব রাখা যায়! মাথার ঠিক থাকে, কেউ যদি এসে বলে আমার নাম শ্রীচোখে-আঙুল দাদা! <br>বিধাতা ॥(চমকে) কী নাম?<br>চিত্র ॥ (তিক্ততম স্বরে) চোখে-আঙুল দাদা! বাপের কালে শুনেছেন... <br>বিধাতা ॥চোখে-আঙুল দাদা ! বলো কী হে চিত্রগুপ্ত, মা বাপের দেওয়া...? <br>চিত্র ॥বাপ মা কি আর সন্তানকে দাদা ডাকবে! পিতৃদত্ত হলে আমার ক্যাটালগে নিশ্চয়ই উঠতো! দিয়েছে ওর দেশবাসী...ধরুন পশ্চিমবঙ্গ এস্টেটের জনসাধারণ! (থেমে) বোধহয় টাইটেল! **পৃষ্ঠা ৩৭০ *আজ্ঞে হ্যাঁ, মর্ত্যে নাকি আজকাল এদের খুব দেখা যাচ্ছে। ধরুন পরনে ঢোলা প্যান্টালুন আর রঙচঙা ঢোলা পাঞ্জাবি...কাঁধে ঝুলি... মাথায় বটের ঝুরির মতো চুল...ছাগুলে দাড়ি...রুটি-সেঁকা চাটুর মতো দু চোখে দুখানা বেগনি রঙের কাঁচ বসানো চশমা, আর ধরুন সর্বদাই দাঁতে চুরোট কামড়ে আছে! খালি প্যাঁড়দারি করে ঘুরে বেড়ায়। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ *ধরেছেন ঠিক প্রভো...যাদের ইনটেলেক্‌ট মানে বুদ্ধি...ধরুন চোয়ালে এসে বাসা বেঁধেছে, তারই ইনটেলেকচুয়াল। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ *অসভ্য! পাজী! আমায় বসিয়ে রেখে গুলতানি করছে! নন্‌সেন্স, আমার স্বর্গের দরজা খুলে দেবে কে! **চোখে-আঙুল দাদা, পৃষ্ঠা ৩৭১ *এঃ। স্বগ্‌গো! স্বগ্‌গো তোমার ভারতবর্ষের রেলের কামরা! টিকিট থাক্ না থাক্ লাফিয়ে চড়ে বসলাম! স্বগ্‌গো তোমার জাতীয় সম্পত্তি! ব্যাটা ডব্লু-টি! ভগবান বিধাতাকে পেন্নাম করবে কে? **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭২ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] 4sche6z288aaunuar97o1fgsk1wrjwt 81933 81795 2026-04-28T11:49:10Z Nil Nandy 2294 /* চোখে আঙুল দাদা */ 81933 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ *ওদের কথা ভেবো না। ওরা যে যার চলে যাক। (থেমে) মানুষ মরে গেলে যেমন আকাশের তারা হয়ে ফুটে ওঠে, হারিয়ে গেলেও তেমন তারা হয়ে যায়। রোজ সন্ধ্যেবেলায় এ দিকে চেয়ে আমরা অচেনা তারাগুলো দেখব--আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়েদের খুঁজবো... **কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩৪৭ ====টাপুর টুপুর==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/349/mode/1up টাপুর টুপুর]</small> *হ্যাঁ। বের রাতে বলেছিলে না, সংসারে তুমি আমার মান বজায় রাখবে, আমি তোমার মান বজায় রাখবো। মাত্তর সোমে-সোমে একুশদিনে সব ভুলে যাবো! না গো, না...না... **মরালী, পৃষ্ঠা ৩৬৬ ====চোখে আঙুল দাদা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/367/mode/1up চোখে আঙুল দাদা]</small> *একটা দুঃসংবাদ আছে। আজ সন্ধ্যে ছ'টা নাগাদ...যে নাটকটা হবার কথা, তারই নায়ক...শ্রীচোখে-আঙুল দাদা...হঠাৎ বিনবিন রোগে আক্রাস্ত হয়ে প্রচণ্ডভাবে ঝিনঝিন করতে করতে (উর্ধ্বে তাকিয়ে) আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। (রুমালে চোখ মুছে, বার কয়েক নাক টেনে) আপনাদের একটু উঠে দাঁড়াতে হবে...এই মিনিট খানেকের মতো নীরবতা পালন...একটু কষ্ট করে যদি...(চারপাশ দেখে নিয়ে) আচ্ছা, আধ মিনিট পারবেন ?... চারপাশ দেখে নিয়ে) পনেরো সেকেন্ড ? বুঝতে পেরেছি, দাঁড়াবার ইচ্ছেই কারুর নেই। আচ্ছা থাকগে, দাড়ানোর ভেতর গিয়ে কাজ নেই। বরং যে যেখানে বসে আছেন, ওই ভাবে বসেই শ্রীচোখে-আঙুল দাদাকে একটু স্মরণ করে নিন। (ঘড়ির দিকে তাকিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে কয়েক সেকেন্ড পার করে) টাইম আপ। (থেমে) কিন্তু তা বলে নাটক আমরা বন্ধ করছি না৷ চোখেআঙুল দাদাকে এমন আকস্মিকভাবে সবকিছু বানচাল করে দিয়ে যেতে দেবো না! তাঁর জগৎতলীলা যখন দেখাতে পারছি না, তাঁর স্বর্গলীলা দেখাবো। আপনারা বসুন! তাই তো, দাঁড়ালেনই বা কখন? ** ঘোষক, পৃষ্ঠা ৩৬৯ *বিধাতা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। নাক ডাকছে। **পৃষ্ঠা ৩৭০ *(আরক্ত চোখে) কাতলা মাছের মতো হাপসি কাটছ কেন? হ'লোটা কী? ** বিধাতা, পৃষ্ঠা ৩৭০ *চিত্র ॥ প্রায় কেঁদে) প্রভো...<br>বিধাতা ॥(ভেংচি কেটে) প্রভো ! প্রভো !...যেই একটু বিশ্রাম নেবো...অমনি কানের গোড়ায় প্রভো! প্রভো! (থেমে) সামান্য একটা রেকর্ড তাও রাখতে পারো না!<br>চিত্র ॥(তিক্ত স্বরে) কী করে পারব! সোজাসুজি নাম হলে সব রাখা যায়! মাথার ঠিক থাকে, কেউ যদি এসে বলে আমার নাম শ্রীচোখে-আঙুল দাদা! <br>বিধাতা ॥(চমকে) কী নাম?<br>চিত্র ॥ (তিক্ততম স্বরে) চোখে-আঙুল দাদা! বাপের কালে শুনেছেন... <br>বিধাতা ॥চোখে-আঙুল দাদা ! বলো কী হে চিত্রগুপ্ত, মা বাপের দেওয়া...? <br>চিত্র ॥বাপ মা কি আর সন্তানকে দাদা ডাকবে! পিতৃদত্ত হলে আমার ক্যাটালগে নিশ্চয়ই উঠতো! দিয়েছে ওর দেশবাসী...ধরুন পশ্চিমবঙ্গ এস্টেটের জনসাধারণ! (থেমে) বোধহয় টাইটেল! **পৃষ্ঠা ৩৭০ *আজ্ঞে হ্যাঁ, মর্ত্যে নাকি আজকাল এদের খুব দেখা যাচ্ছে। ধরুন পরনে ঢোলা প্যান্টালুন আর রঙচঙা ঢোলা পাঞ্জাবি...কাঁধে ঝুলি... মাথায় বটের ঝুরির মতো চুল...ছাগুলে দাড়ি...রুটি-সেঁকা চাটুর মতো দু চোখে দুখানা বেগনি রঙের কাঁচ বসানো চশমা, আর ধরুন সর্বদাই দাঁতে চুরোট কামড়ে আছে! খালি প্যাঁড়দারি করে ঘুরে বেড়ায়। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ *ধরেছেন ঠিক প্রভো...যাদের ইনটেলেক্‌ট মানে বুদ্ধি...ধরুন চোয়ালে এসে বাসা বেঁধেছে, তারই ইনটেলেকচুয়াল। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ *অসভ্য! পাজী! আমায় বসিয়ে রেখে গুলতানি করছে! নন্‌সেন্স, আমার স্বর্গের দরজা খুলে দেবে কে! **চোখে-আঙুল দাদা, পৃষ্ঠা ৩৭১ *এঃ। স্বগ্‌গো! স্বগ্‌গো তোমার ভারতবর্ষের রেলের কামরা! টিকিট থাক্ না থাক্ লাফিয়ে চড়ে বসলাম! স্বগ্‌গো তোমার জাতীয় সম্পত্তি! ব্যাটা ডব্লু-টি! ভগবান বিধাতাকে পেন্নাম করবে কে? **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭২ *কী পড়বো! এ পর্যন্ত জগতে যা লেখা হয়েছে তাকে তোমরা পাঠযোগ্য বলো! [[বই]] বলো! **চোখে-আঙুল দাদা, পৃষ্ঠা ৩৭৫ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] mycu8m3eqgrm9m3ieh2ungpqno47q31 81934 81933 2026-04-28T11:51:26Z Nil Nandy 2294 /* চোখে আঙুল দাদা */ 81934 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ *ওদের কথা ভেবো না। ওরা যে যার চলে যাক। (থেমে) মানুষ মরে গেলে যেমন আকাশের তারা হয়ে ফুটে ওঠে, হারিয়ে গেলেও তেমন তারা হয়ে যায়। রোজ সন্ধ্যেবেলায় এ দিকে চেয়ে আমরা অচেনা তারাগুলো দেখব--আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়েদের খুঁজবো... **কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩৪৭ ====টাপুর টুপুর==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/349/mode/1up টাপুর টুপুর]</small> *হ্যাঁ। বের রাতে বলেছিলে না, সংসারে তুমি আমার মান বজায় রাখবে, আমি তোমার মান বজায় রাখবো। মাত্তর সোমে-সোমে একুশদিনে সব ভুলে যাবো! না গো, না...না... **মরালী, পৃষ্ঠা ৩৬৬ ====চোখে আঙুল দাদা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/367/mode/1up চোখে আঙুল দাদা]</small> *একটা দুঃসংবাদ আছে। আজ সন্ধ্যে ছ'টা নাগাদ...যে নাটকটা হবার কথা, তারই নায়ক...শ্রীচোখে-আঙুল দাদা...হঠাৎ বিনবিন রোগে আক্রাস্ত হয়ে প্রচণ্ডভাবে ঝিনঝিন করতে করতে (উর্ধ্বে তাকিয়ে) আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। (রুমালে চোখ মুছে, বার কয়েক নাক টেনে) আপনাদের একটু উঠে দাঁড়াতে হবে...এই মিনিট খানেকের মতো নীরবতা পালন...একটু কষ্ট করে যদি...(চারপাশ দেখে নিয়ে) আচ্ছা, আধ মিনিট পারবেন ?... চারপাশ দেখে নিয়ে) পনেরো সেকেন্ড ? বুঝতে পেরেছি, দাঁড়াবার ইচ্ছেই কারুর নেই। আচ্ছা থাকগে, দাড়ানোর ভেতর গিয়ে কাজ নেই। বরং যে যেখানে বসে আছেন, ওই ভাবে বসেই শ্রীচোখে-আঙুল দাদাকে একটু স্মরণ করে নিন। (ঘড়ির দিকে তাকিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে কয়েক সেকেন্ড পার করে) টাইম আপ। (থেমে) কিন্তু তা বলে নাটক আমরা বন্ধ করছি না৷ চোখেআঙুল দাদাকে এমন আকস্মিকভাবে সবকিছু বানচাল করে দিয়ে যেতে দেবো না! তাঁর জগৎতলীলা যখন দেখাতে পারছি না, তাঁর স্বর্গলীলা দেখাবো। আপনারা বসুন! তাই তো, দাঁড়ালেনই বা কখন? ** ঘোষক, পৃষ্ঠা ৩৬৯ *বিধাতা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। নাক ডাকছে। **পৃষ্ঠা ৩৭০ *(আরক্ত চোখে) কাতলা মাছের মতো হাপসি কাটছ কেন? হ'লোটা কী? ** বিধাতা, পৃষ্ঠা ৩৭০ *চিত্র ॥ প্রায় কেঁদে) প্রভো...<br>বিধাতা ॥(ভেংচি কেটে) প্রভো ! প্রভো !...যেই একটু বিশ্রাম নেবো...অমনি কানের গোড়ায় প্রভো! প্রভো! (থেমে) সামান্য একটা রেকর্ড তাও রাখতে পারো না!<br>চিত্র ॥(তিক্ত স্বরে) কী করে পারব! সোজাসুজি নাম হলে সব রাখা যায়! মাথার ঠিক থাকে, কেউ যদি এসে বলে আমার নাম শ্রীচোখে-আঙুল দাদা! <br>বিধাতা ॥(চমকে) কী নাম?<br>চিত্র ॥ (তিক্ততম স্বরে) চোখে-আঙুল দাদা! বাপের কালে শুনেছেন... <br>বিধাতা ॥চোখে-আঙুল দাদা ! বলো কী হে চিত্রগুপ্ত, মা বাপের দেওয়া...? <br>চিত্র ॥বাপ মা কি আর সন্তানকে দাদা ডাকবে! পিতৃদত্ত হলে আমার ক্যাটালগে নিশ্চয়ই উঠতো! দিয়েছে ওর দেশবাসী...ধরুন পশ্চিমবঙ্গ এস্টেটের জনসাধারণ! (থেমে) বোধহয় টাইটেল! **পৃষ্ঠা ৩৭০ *আজ্ঞে হ্যাঁ, মর্ত্যে নাকি আজকাল এদের খুব দেখা যাচ্ছে। ধরুন পরনে ঢোলা প্যান্টালুন আর রঙচঙা ঢোলা পাঞ্জাবি...কাঁধে ঝুলি... মাথায় বটের ঝুরির মতো চুল...ছাগুলে দাড়ি...রুটি-সেঁকা চাটুর মতো দু চোখে দুখানা বেগনি রঙের কাঁচ বসানো চশমা, আর ধরুন সর্বদাই দাঁতে চুরোট কামড়ে আছে! খালি প্যাঁড়দারি করে ঘুরে বেড়ায়। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ *ধরেছেন ঠিক প্রভো...যাদের ইনটেলেক্‌ট মানে বুদ্ধি...ধরুন চোয়ালে এসে বাসা বেঁধেছে, তারই ইনটেলেকচুয়াল। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ *অসভ্য! পাজী! আমায় বসিয়ে রেখে গুলতানি করছে! নন্‌সেন্স, আমার স্বর্গের দরজা খুলে দেবে কে! **চোখে-আঙুল দাদা, পৃষ্ঠা ৩৭১ *এঃ। স্বগ্‌গো! স্বগ্‌গো তোমার ভারতবর্ষের রেলের কামরা! টিকিট থাক্ না থাক্ লাফিয়ে চড়ে বসলাম! স্বগ্‌গো তোমার জাতীয় সম্পত্তি! ব্যাটা ডব্লু-টি! ভগবান বিধাতাকে পেন্নাম করবে কে? **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭২ *কী পড়বো! এ পর্যন্ত জগতে যা লেখা হয়েছে তাকে তোমরা পাঠযোগ্য বলো! [[বই]] বলো! **চোখে-আঙুল দাদা, পৃষ্ঠা ৩৭৫ *আম্পর্ধা! ভগবানেরও খুঁত ধরতে আসে! **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭৭ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] pdkeok81p0mct9xn6o9bknddi6yoy6d 81935 81934 2026-04-28T11:53:20Z Nil Nandy 2294 /* চোখে আঙুল দাদা */ 81935 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ *ওদের কথা ভেবো না। ওরা যে যার চলে যাক। (থেমে) মানুষ মরে গেলে যেমন আকাশের তারা হয়ে ফুটে ওঠে, হারিয়ে গেলেও তেমন তারা হয়ে যায়। রোজ সন্ধ্যেবেলায় এ দিকে চেয়ে আমরা অচেনা তারাগুলো দেখব--আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়েদের খুঁজবো... **কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩৪৭ ====টাপুর টুপুর==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/349/mode/1up টাপুর টুপুর]</small> *হ্যাঁ। বের রাতে বলেছিলে না, সংসারে তুমি আমার মান বজায় রাখবে, আমি তোমার মান বজায় রাখবো। মাত্তর সোমে-সোমে একুশদিনে সব ভুলে যাবো! না গো, না...না... **মরালী, পৃষ্ঠা ৩৬৬ ====চোখে আঙুল দাদা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/367/mode/1up চোখে আঙুল দাদা]</small> *একটা দুঃসংবাদ আছে। আজ সন্ধ্যে ছ'টা নাগাদ...যে নাটকটা হবার কথা, তারই নায়ক...শ্রীচোখে-আঙুল দাদা...হঠাৎ বিনবিন রোগে আক্রাস্ত হয়ে প্রচণ্ডভাবে ঝিনঝিন করতে করতে (উর্ধ্বে তাকিয়ে) আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। (রুমালে চোখ মুছে, বার কয়েক নাক টেনে) আপনাদের একটু উঠে দাঁড়াতে হবে...এই মিনিট খানেকের মতো নীরবতা পালন...একটু কষ্ট করে যদি...(চারপাশ দেখে নিয়ে) আচ্ছা, আধ মিনিট পারবেন ?... চারপাশ দেখে নিয়ে) পনেরো সেকেন্ড ? বুঝতে পেরেছি, দাঁড়াবার ইচ্ছেই কারুর নেই। আচ্ছা থাকগে, দাড়ানোর ভেতর গিয়ে কাজ নেই। বরং যে যেখানে বসে আছেন, ওই ভাবে বসেই শ্রীচোখে-আঙুল দাদাকে একটু স্মরণ করে নিন। (ঘড়ির দিকে তাকিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে কয়েক সেকেন্ড পার করে) টাইম আপ। (থেমে) কিন্তু তা বলে নাটক আমরা বন্ধ করছি না৷ চোখেআঙুল দাদাকে এমন আকস্মিকভাবে সবকিছু বানচাল করে দিয়ে যেতে দেবো না! তাঁর জগৎতলীলা যখন দেখাতে পারছি না, তাঁর স্বর্গলীলা দেখাবো। আপনারা বসুন! তাই তো, দাঁড়ালেনই বা কখন? ** ঘোষক, পৃষ্ঠা ৩৬৯ *বিধাতা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। নাক ডাকছে। **পৃষ্ঠা ৩৭০ *(আরক্ত চোখে) কাতলা মাছের মতো হাপসি কাটছ কেন? হ'লোটা কী? ** বিধাতা, পৃষ্ঠা ৩৭০ *চিত্র ॥ প্রায় কেঁদে) প্রভো...<br>বিধাতা ॥(ভেংচি কেটে) প্রভো ! প্রভো !...যেই একটু বিশ্রাম নেবো...অমনি কানের গোড়ায় প্রভো! প্রভো! (থেমে) সামান্য একটা রেকর্ড তাও রাখতে পারো না!<br>চিত্র ॥(তিক্ত স্বরে) কী করে পারব! সোজাসুজি নাম হলে সব রাখা যায়! মাথার ঠিক থাকে, কেউ যদি এসে বলে আমার নাম শ্রীচোখে-আঙুল দাদা! <br>বিধাতা ॥(চমকে) কী নাম?<br>চিত্র ॥ (তিক্ততম স্বরে) চোখে-আঙুল দাদা! বাপের কালে শুনেছেন... <br>বিধাতা ॥চোখে-আঙুল দাদা ! বলো কী হে চিত্রগুপ্ত, মা বাপের দেওয়া...? <br>চিত্র ॥বাপ মা কি আর সন্তানকে দাদা ডাকবে! পিতৃদত্ত হলে আমার ক্যাটালগে নিশ্চয়ই উঠতো! দিয়েছে ওর দেশবাসী...ধরুন পশ্চিমবঙ্গ এস্টেটের জনসাধারণ! (থেমে) বোধহয় টাইটেল! **পৃষ্ঠা ৩৭০ *আজ্ঞে হ্যাঁ, মর্ত্যে নাকি আজকাল এদের খুব দেখা যাচ্ছে। ধরুন পরনে ঢোলা প্যান্টালুন আর রঙচঙা ঢোলা পাঞ্জাবি...কাঁধে ঝুলি... মাথায় বটের ঝুরির মতো চুল...ছাগুলে দাড়ি...রুটি-সেঁকা চাটুর মতো দু চোখে দুখানা বেগনি রঙের কাঁচ বসানো চশমা, আর ধরুন সর্বদাই দাঁতে চুরোট কামড়ে আছে! খালি প্যাঁড়দারি করে ঘুরে বেড়ায়। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ *ধরেছেন ঠিক প্রভো...যাদের ইনটেলেক্‌ট মানে বুদ্ধি...ধরুন চোয়ালে এসে বাসা বেঁধেছে, তারই ইনটেলেকচুয়াল। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ *অসভ্য! পাজী! আমায় বসিয়ে রেখে গুলতানি করছে! নন্‌সেন্স, আমার স্বর্গের দরজা খুলে দেবে কে! **চোখে-আঙুল দাদা, পৃষ্ঠা ৩৭১ *এঃ। স্বগ্‌গো! স্বগ্‌গো তোমার ভারতবর্ষের রেলের কামরা! টিকিট থাক্ না থাক্ লাফিয়ে চড়ে বসলাম! স্বগ্‌গো তোমার জাতীয় সম্পত্তি! ব্যাটা ডব্লু-টি! ভগবান বিধাতাকে পেন্নাম করবে কে? **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭২ *কী পড়বো! এ পর্যন্ত জগতে যা লেখা হয়েছে তাকে তোমরা পাঠযোগ্য বলো! [[বই]] বলো! **চোখে-আঙুল দাদা, পৃষ্ঠা ৩৭৫ *আম্পর্ধা! ভগবানেরও খুঁত ধরতে আসে! **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭৭ *ওঃ ভগবান... অনন্ত শক্তির আধার! ব্যাটা চোখে-আঙুল তাকেও টলিয়ে দিলে-- **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭৮ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] 0mb2o4c6bkxzwqs4lc8gbh39737pp1f 81937 81935 2026-04-28T11:55:46Z Nil Nandy 2294 /* চোখে আঙুল দাদা */ 81937 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ *ওদের কথা ভেবো না। ওরা যে যার চলে যাক। (থেমে) মানুষ মরে গেলে যেমন আকাশের তারা হয়ে ফুটে ওঠে, হারিয়ে গেলেও তেমন তারা হয়ে যায়। রোজ সন্ধ্যেবেলায় এ দিকে চেয়ে আমরা অচেনা তারাগুলো দেখব--আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়েদের খুঁজবো... **কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩৪৭ ====টাপুর টুপুর==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/349/mode/1up টাপুর টুপুর]</small> *হ্যাঁ। বের রাতে বলেছিলে না, সংসারে তুমি আমার মান বজায় রাখবে, আমি তোমার মান বজায় রাখবো। মাত্তর সোমে-সোমে একুশদিনে সব ভুলে যাবো! না গো, না...না... **মরালী, পৃষ্ঠা ৩৬৬ ====চোখে আঙুল দাদা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/367/mode/1up চোখে আঙুল দাদা]</small> *একটা দুঃসংবাদ আছে। আজ সন্ধ্যে ছ'টা নাগাদ...যে নাটকটা হবার কথা, তারই নায়ক...শ্রীচোখে-আঙুল দাদা...হঠাৎ বিনবিন রোগে আক্রাস্ত হয়ে প্রচণ্ডভাবে ঝিনঝিন করতে করতে (উর্ধ্বে তাকিয়ে) আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। (রুমালে চোখ মুছে, বার কয়েক নাক টেনে) আপনাদের একটু উঠে দাঁড়াতে হবে...এই মিনিট খানেকের মতো নীরবতা পালন...একটু কষ্ট করে যদি...(চারপাশ দেখে নিয়ে) আচ্ছা, আধ মিনিট পারবেন ?... চারপাশ দেখে নিয়ে) পনেরো সেকেন্ড ? বুঝতে পেরেছি, দাঁড়াবার ইচ্ছেই কারুর নেই। আচ্ছা থাকগে, দাড়ানোর ভেতর গিয়ে কাজ নেই। বরং যে যেখানে বসে আছেন, ওই ভাবে বসেই শ্রীচোখে-আঙুল দাদাকে একটু স্মরণ করে নিন। (ঘড়ির দিকে তাকিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে কয়েক সেকেন্ড পার করে) টাইম আপ। (থেমে) কিন্তু তা বলে নাটক আমরা বন্ধ করছি না৷ চোখেআঙুল দাদাকে এমন আকস্মিকভাবে সবকিছু বানচাল করে দিয়ে যেতে দেবো না! তাঁর জগৎতলীলা যখন দেখাতে পারছি না, তাঁর স্বর্গলীলা দেখাবো। আপনারা বসুন! তাই তো, দাঁড়ালেনই বা কখন? ** ঘোষক, পৃষ্ঠা ৩৬৯ *বিধাতা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। নাক ডাকছে। **পৃষ্ঠা ৩৭০ *(আরক্ত চোখে) কাতলা মাছের মতো হাপসি কাটছ কেন? হ'লোটা কী? ** বিধাতা, পৃষ্ঠা ৩৭০ *চিত্র ॥ প্রায় কেঁদে) প্রভো...<br>বিধাতা ॥(ভেংচি কেটে) প্রভো ! প্রভো !...যেই একটু বিশ্রাম নেবো...অমনি কানের গোড়ায় প্রভো! প্রভো! (থেমে) সামান্য একটা রেকর্ড তাও রাখতে পারো না!<br>চিত্র ॥(তিক্ত স্বরে) কী করে পারব! সোজাসুজি নাম হলে সব রাখা যায়! মাথার ঠিক থাকে, কেউ যদি এসে বলে আমার নাম শ্রীচোখে-আঙুল দাদা! <br>বিধাতা ॥(চমকে) কী নাম?<br>চিত্র ॥ (তিক্ততম স্বরে) চোখে-আঙুল দাদা! বাপের কালে শুনেছেন... <br>বিধাতা ॥চোখে-আঙুল দাদা ! বলো কী হে চিত্রগুপ্ত, মা বাপের দেওয়া...? <br>চিত্র ॥বাপ মা কি আর সন্তানকে দাদা ডাকবে! পিতৃদত্ত হলে আমার ক্যাটালগে নিশ্চয়ই উঠতো! দিয়েছে ওর দেশবাসী...ধরুন পশ্চিমবঙ্গ এস্টেটের জনসাধারণ! (থেমে) বোধহয় টাইটেল! **পৃষ্ঠা ৩৭০ *আজ্ঞে হ্যাঁ, মর্ত্যে নাকি আজকাল এদের খুব দেখা যাচ্ছে। ধরুন পরনে ঢোলা প্যান্টালুন আর রঙচঙা ঢোলা পাঞ্জাবি...কাঁধে ঝুলি... মাথায় বটের ঝুরির মতো চুল...ছাগুলে দাড়ি...রুটি-সেঁকা চাটুর মতো দু চোখে দুখানা বেগনি রঙের কাঁচ বসানো চশমা, আর ধরুন সর্বদাই দাঁতে চুরোট কামড়ে আছে! খালি প্যাঁড়দারি করে ঘুরে বেড়ায়। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ *ধরেছেন ঠিক প্রভো...যাদের ইনটেলেক্‌ট মানে বুদ্ধি...ধরুন চোয়ালে এসে বাসা বেঁধেছে, তারই ইনটেলেকচুয়াল। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ *অসভ্য! পাজী! আমায় বসিয়ে রেখে গুলতানি করছে! নন্‌সেন্স, আমার স্বর্গের দরজা খুলে দেবে কে! **চোখে-আঙুল দাদা, পৃষ্ঠা ৩৭১ *এঃ। স্বগ্‌গো! স্বগ্‌গো তোমার ভারতবর্ষের রেলের কামরা! টিকিট থাক্ না থাক্ লাফিয়ে চড়ে বসলাম! স্বগ্‌গো তোমার জাতীয় সম্পত্তি! ব্যাটা ডব্লু-টি! ভগবান বিধাতাকে পেন্নাম করবে কে? **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭২ *কী পড়বো! এ পর্যন্ত জগতে যা লেখা হয়েছে তাকে তোমরা পাঠযোগ্য বলো! [[বই]] বলো! **চোখে-আঙুল দাদা, পৃষ্ঠা ৩৭৫ *আম্পর্ধা! ভগবানেরও খুঁত ধরতে আসে! **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭৭ *ওঃ ভগবান... অনন্ত শক্তির আধার! ব্যাটা চোখে-আঙুল তাকেও টলিয়ে দিলে-- **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭৮ *মূর্খ ! এই মূর্খটি তার দুর্লভ মানবজনম কেবল অপরের ছিদ্রান্বেষণ করে কাটিয়েছে! নির্বোধটি করতো না কিছু-বলতো সব! তৃণটিও স্পর্শ করেনি--কাদা ছুঁড়েছে সবার গায়ে! দুরারোগ্য ব্যাধি! বুঝতে পারছি, এর এই খর জিহ্বার তাড়নায় জগতের মানুষ অস্থির হয়েছিল। আশ্চর্য এই সব চোখে-আঙুল দাদারা! যে পৃথিবী ওদের লালনপালন করে-অকৃতজ্ঞেরা তার একটিও গুণ দেখতে পায় না, শাস্তি! হ্যাঁ, শাস্তি ওকে পেতেই হবে! **বিধাতা, পৃষ্ঠা ৩৭৮ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] 3i29x1ho561am2rne4qasos5fr23ft4 81939 81937 2026-04-28T11:57:29Z Nil Nandy 2294 /* চোখে আঙুল দাদা */ 81939 wikitext text/x-wiki {{bw|মনোজ মিত্র}} (২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮ — ১২ নভেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন বাঙালি থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা এবং নাট্যকার। [[File:Manoj Mitra - Kolkata 2013-12-05 4746.JPG|থাম্ব|মনোজ মিত্র]] == উক্তি == ===পূর্ণাঙ্গ নাটক=== ===একাঙ্ক নাটক=== ====সন্ধ্যাতারা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/321/mode/1up সন্ধ্যাতারা]</small> *দুবার কিস্তিমাৎ হ'লো। চটে গেল৷ চেঁচাল। ছেলেমানুষেব মতো কাজিয়া বাধাল। চোট্টামি করে জেতো তুমি৷ (বিষণ্ণ হাসিতে) বললাম, বেশ সুরেন, তুমিও না হয় একবার চোট্টামি করে জেতো দেখি। (থেমে) দেখিয়ে গেল। মাত্তর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দেখিয়ে গেল। ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৩ *রিভল্যুশনারি চিন্তাভাবনা। ছোটো ছেলের আশা আর করো না। মাঝে মধ্যে কাগজপত্রে তার যেসব লেখা পড়ি-তাতে মনে হয়, তোমার আমার কথা ভাবার অবসর নেই তার, ইচ্ছেও নেই। মস্তবড় ইন্‌টেলেকচুয়াল! ** কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩২৫ *(হঠাৎ রেলিং-এর ওপর চাপড় মেরে) ভাঙো--ভেঙেচুরে বেরিয়ে পড়ো! রট সিসটেম...মান্ধাতার আমলের রীতিনীতি-সিলি মিডলক্লাস সেন্টিমেন্টস! ভালোবাসা মায়া মমতা-স্যাঁৎ‌সেঁতে থলথলে কাদা--সাফা করো--পচা নর্দমা সাফা করো--নইলে এদেশে বিপ্লব হবে না--নো নেভার-- **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৫ *পৃথিবীর বুকে টিউবারকিউলোসিস...কে ভাল থাকতে পারে ? [[পাবলো নেরুদা]] কি পারলেন... **ছোট্টু, পৃষ্ঠা ৩৩৬ *ওদের কথা ভেবো না। ওরা যে যার চলে যাক। (থেমে) মানুষ মরে গেলে যেমন আকাশের তারা হয়ে ফুটে ওঠে, হারিয়ে গেলেও তেমন তারা হয়ে যায়। রোজ সন্ধ্যেবেলায় এ দিকে চেয়ে আমরা অচেনা তারাগুলো দেখব--আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়েদের খুঁজবো... **কুমুদশংকর, পৃষ্ঠা ৩৪৭ ====টাপুর টুপুর==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/349/mode/1up টাপুর টুপুর]</small> *হ্যাঁ। বের রাতে বলেছিলে না, সংসারে তুমি আমার মান বজায় রাখবে, আমি তোমার মান বজায় রাখবো। মাত্তর সোমে-সোমে একুশদিনে সব ভুলে যাবো! না গো, না...না... **মরালী, পৃষ্ঠা ৩৬৬ ====চোখে আঙুল দাদা==== <small>[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.458385/page/367/mode/1up চোখে আঙুল দাদা]</small> *একটা দুঃসংবাদ আছে। আজ সন্ধ্যে ছ'টা নাগাদ...যে নাটকটা হবার কথা, তারই নায়ক...শ্রীচোখে-আঙুল দাদা...হঠাৎ বিনবিন রোগে আক্রাস্ত হয়ে প্রচণ্ডভাবে ঝিনঝিন করতে করতে (উর্ধ্বে তাকিয়ে) আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। (রুমালে চোখ মুছে, বার কয়েক নাক টেনে) আপনাদের একটু উঠে দাঁড়াতে হবে...এই মিনিট খানেকের মতো নীরবতা পালন...একটু কষ্ট করে যদি...(চারপাশ দেখে নিয়ে) আচ্ছা, আধ মিনিট পারবেন ?... চারপাশ দেখে নিয়ে) পনেরো সেকেন্ড ? বুঝতে পেরেছি, দাঁড়াবার ইচ্ছেই কারুর নেই। আচ্ছা থাকগে, দাড়ানোর ভেতর গিয়ে কাজ নেই। বরং যে যেখানে বসে আছেন, ওই ভাবে বসেই শ্রীচোখে-আঙুল দাদাকে একটু স্মরণ করে নিন। (ঘড়ির দিকে তাকিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে কয়েক সেকেন্ড পার করে) টাইম আপ। (থেমে) কিন্তু তা বলে নাটক আমরা বন্ধ করছি না৷ চোখেআঙুল দাদাকে এমন আকস্মিকভাবে সবকিছু বানচাল করে দিয়ে যেতে দেবো না! তাঁর জগৎতলীলা যখন দেখাতে পারছি না, তাঁর স্বর্গলীলা দেখাবো। আপনারা বসুন! তাই তো, দাঁড়ালেনই বা কখন? ** ঘোষক, পৃষ্ঠা ৩৬৯ *বিধাতা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। নাক ডাকছে। **পৃষ্ঠা ৩৭০ *(আরক্ত চোখে) কাতলা মাছের মতো হাপসি কাটছ কেন? হ'লোটা কী? ** বিধাতা, পৃষ্ঠা ৩৭০ *চিত্র ॥ প্রায় কেঁদে) প্রভো...<br>বিধাতা ॥(ভেংচি কেটে) প্রভো ! প্রভো !...যেই একটু বিশ্রাম নেবো...অমনি কানের গোড়ায় প্রভো! প্রভো! (থেমে) সামান্য একটা রেকর্ড তাও রাখতে পারো না!<br>চিত্র ॥(তিক্ত স্বরে) কী করে পারব! সোজাসুজি নাম হলে সব রাখা যায়! মাথার ঠিক থাকে, কেউ যদি এসে বলে আমার নাম শ্রীচোখে-আঙুল দাদা! <br>বিধাতা ॥(চমকে) কী নাম?<br>চিত্র ॥ (তিক্ততম স্বরে) চোখে-আঙুল দাদা! বাপের কালে শুনেছেন... <br>বিধাতা ॥চোখে-আঙুল দাদা ! বলো কী হে চিত্রগুপ্ত, মা বাপের দেওয়া...? <br>চিত্র ॥বাপ মা কি আর সন্তানকে দাদা ডাকবে! পিতৃদত্ত হলে আমার ক্যাটালগে নিশ্চয়ই উঠতো! দিয়েছে ওর দেশবাসী...ধরুন পশ্চিমবঙ্গ এস্টেটের জনসাধারণ! (থেমে) বোধহয় টাইটেল! **পৃষ্ঠা ৩৭০ *আজ্ঞে হ্যাঁ, মর্ত্যে নাকি আজকাল এদের খুব দেখা যাচ্ছে। ধরুন পরনে ঢোলা প্যান্টালুন আর রঙচঙা ঢোলা পাঞ্জাবি...কাঁধে ঝুলি... মাথায় বটের ঝুরির মতো চুল...ছাগুলে দাড়ি...রুটি-সেঁকা চাটুর মতো দু চোখে দুখানা বেগনি রঙের কাঁচ বসানো চশমা, আর ধরুন সর্বদাই দাঁতে চুরোট কামড়ে আছে! খালি প্যাঁড়দারি করে ঘুরে বেড়ায়। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ *ধরেছেন ঠিক প্রভো...যাদের ইনটেলেক্‌ট মানে বুদ্ধি...ধরুন চোয়ালে এসে বাসা বেঁধেছে, তারই ইনটেলেকচুয়াল। **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭১ *অসভ্য! পাজী! আমায় বসিয়ে রেখে গুলতানি করছে! নন্‌সেন্স, আমার স্বর্গের দরজা খুলে দেবে কে! **চোখে-আঙুল দাদা, পৃষ্ঠা ৩৭১ *এঃ। স্বগ্‌গো! স্বগ্‌গো তোমার ভারতবর্ষের রেলের কামরা! টিকিট থাক্ না থাক্ লাফিয়ে চড়ে বসলাম! স্বগ্‌গো তোমার জাতীয় সম্পত্তি! ব্যাটা ডব্লু-টি! ভগবান বিধাতাকে পেন্নাম করবে কে? **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭২ *কী পড়বো! এ পর্যন্ত জগতে যা লেখা হয়েছে তাকে তোমরা পাঠযোগ্য বলো! [[বই]] বলো! **চোখে-আঙুল দাদা, পৃষ্ঠা ৩৭৫ *আম্পর্ধা! ভগবানেরও খুঁত ধরতে আসে! **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭৭ *ওঃ ভগবান... অনন্ত শক্তির আধার! ব্যাটা চোখে-আঙুল তাকেও টলিয়ে দিলে-- **চিত্রগুপ্ত, পৃষ্ঠা ৩৭৮ *মূর্খ ! এই মূর্খটি তার দুর্লভ মানবজনম কেবল অপরের ছিদ্রান্বেষণ করে কাটিয়েছে! নির্বোধটি করতো না কিছু-বলতো সব! তৃণটিও স্পর্শ করেনি--কাদা ছুঁড়েছে সবার গায়ে! দুরারোগ্য ব্যাধি! বুঝতে পারছি, এর এই খর জিহ্বার তাড়নায় জগতের মানুষ অস্থির হয়েছিল। আশ্চর্য এই সব চোখে-আঙুল দাদারা! যে পৃথিবী ওদের লালনপালন করে-অকৃতজ্ঞেরা তার একটিও গুণ দেখতে পায় না, শাস্তি! হ্যাঁ, শাস্তি ওকে পেতেই হবে! **বিধাতা, পৃষ্ঠা ৩৭৮ *শাস্তি তো বিধাতা কাউকে দেয় না চিত্রগুপ্ত। যে যার নিজের অপকর্মে শাস্তি পায়। ও-ও তাই পাবে। **বিধাতা, পৃষ্ঠা ৩৮০ == মনোজ মিত্র সম্পর্কে উক্তি == *মোপাসাঁ বাঁচতে দেন নি তাঁর ঘোড়াকে। মনোজ মিত্র কিন্তু বাঁচিয়ে রাখেন বাঞ্ছারামকে। **[[:w:বিষ্ণু বসু|বিষ্ণু বসু]], মনোজ মিত্রের বিশ্বাসের জগত। উৎস: [https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.458385] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মনোজ মিত্র}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক]] cyg431j3tumzhe4nsg6qwgu4rmuhmze ওয়ারেন ফ্যারেল 0 13597 81633 81631 2026-04-27T12:07:42Z ARI 356 /* Father and Child Reunion (2001) */ ; অনুবাদ 81633 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Warren Farrell photo.jpg|thumb|ওয়ারেন ফ্যারেল, ২০১১]] '''ওয়ারেন ফ্যারেল''' (জন্ম ২৬ জুন, ১৯৪৩) একজন মার্কিন [[শিক্ষক]], কর্মী এবং [[নারী]]দের সাথে পুরুষদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে লেখা সাতটি বইয়ের লেখক। তিনি ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেনের নিউ ইয়র্ক সিটি বোর্ডে কাজ করেছেন এবং পুরুষ অধিকার আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। == উক্তি == === ''হোয়াই মেন আর দ্য ওয়ে দে আর'' (১৯৮৮) === * একে অপরের প্রতি না বলে, আমার অসহায়ত্ব তোমার অসহায়ত্বের চেয়ে বেশি, কি নারী ও পুরুষের পক্ষে একে অপরের কথা শোনা সম্ভব ছিল? এটা পরিষ্কার হয়ে উঠছিল যে প্রতিটি লিঙ্গের শক্তি এবং অসহায়ত্ব উভয় ক্ষেত্রেই একটি অনন্য অভিজ্ঞতা ছিল। আমার মনের চোখে আমি একটি শোনার কাঠামো কল্পনা করতে শুরু করলাম যার মধ্যে আমরা এই ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতাগুলো শুনতে পারি। এটি দেখতে এমন ছিল: ** পৃষ্ঠা ১৭ * আমি যখন এই শোনার কাঠামোর দিকে আরও যত্নসহকারে তাকালাম তখন দেখলাম যে গত বিশ বছর ধরে আমরা এর চারটি ভাগের প্রথমটির ওপর গুরুত্ব দিয়েছি, তা হলো নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতা। আমি দেখলাম আমি অবচেতনভাবে একটি ভুল ধারণা পোষণ করছিলাম: আমি নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতা যত গভীরভাবে বুঝছিলাম, ততই আমি ধরে নিচ্ছিলাম যে নারীদের যে ক্ষমতা ছিল না তা পুরুষদের আছে। আসলে, আমি যা বুঝছিলাম তা হলো পুরুষদের ক্ষমতা সম্পর্কে নারীদের অভিজ্ঞতা। ** পৃষ্ঠা ২০-২১ * যে পুরুষেরা নারীদের প্রতি মনোযোগী কিন্তু নিজেদের কষ্টের প্রতি মনোযোগী নন তারা সাধারণত এই মনোভাব ধরে রাখতেন যে নারীদের বিশেষ সুরক্ষার প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ২২ * পুরুষদের সাফল্যের বস্তু হিসেবে দেখার ইচ্ছা স্বীকার করতে নারীদের যে দুর্বলতা তা নারীদের প্রতি পুরুষদের তীব্র যৌন আকাঙ্ক্ষার বাধ্যবাধকতার স্বীকারোক্তির সাথে মিলে যায়। ** পৃষ্ঠা ২৬ * আমরা সবাই মিলে বুঝতে পারলাম যে কীভাবে আমরা পুরুষদের আবেগ প্রকাশ করতে অনুরোধ করি, কিন্তু তারপর যখন পুরুষেরা আবেগ প্রকাশ করে তখন আমরা তাকে লিঙ্গবৈষম্য, পুরুষতান্ত্রিক অহংকার অথবা পাল্টা আঘাত বলি। ** পৃষ্ঠা ২৭. * রাল্ফ ক্ষমতার বাহ্যিক রূপ পাওয়ার চেষ্টা করে প্রকৃত ক্ষমতা হারিয়েছিলেন। তিনি একজন নেতা ছিলেন। কিন্তু তিনি নেতাদের জন্য তৈরি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করছিলেন; তাই তিনি একজন অনুসারী ছিলেন... তিনি যেমনটা বলেছিলেন, তিনি ছিলেন একজন উচ্চপর্যায়ের সাধারণ মানুষ। ** পৃষ্ঠা ৯ * অধিকাংশ নারীর আদর্শ হলো নয়টি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যৌন সম্পর্কে না জড়ানো: শারীরিক আকর্ষণ; শ্রদ্ধা; মানসিক সামঞ্জস্য; বুদ্ধিমত্তা; অবিবাহিত হওয়া; সাফল্য (বা সম্ভাবনা); বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব পাওয়া; খরচ মেটানো; এবং প্রথম চুম্বনের উদ্যোগ নিয়ে পুরুষের প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়া…. পুরুষরা ততক্ষণ পর্যন্ত যৌনতা চায় যতক্ষণ একটি মাত্র শর্ত পূরণ হয়—শারীরিক আকর্ষণ। ** পৃষ্ঠা ১৩ * পুরুষদের কাছে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন হলো প্লেবয় এবং পেন্টহাউস। এগুলো পুরুষদের প্রধান কল্পনাকে উপস্থাপন করে: প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি ছাড়াই যত খুশি সুন্দরীদের কাছে যাওয়ার সুযোগ। নারীদের কাছে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন হলো বেটার হোমস অ্যান্ড গার্ডেনস এবং ফ্যামিলি সার্কেল, যা নারীদের প্রধান কল্পনাকে উপস্থাপন করে: আরও ভালো ঘরবাড়ি, বাগান এবং একটি পারিবারিক পরিমন্ডল। ** পৃষ্ঠা ১৮ * অবিবাহিত নারীদের কাছে ''কসমোপলিটান'' সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন। কসমো অবিবাহিত নারীদের জানায় কীভাবে তারা একজন পুরুষকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করতে পারে এবং আরও ভালো ঘরবাড়ি ও বাগানের প্রধান কল্পনা অর্জন করতে পারে। এটি প্লেবয়ের একটি নারী সংস্করণ। পর্নোগ্রাফি হলো পুরুষদের প্রধান কল্পনা--নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থাকা দামে প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি ছাড়াই যত খুশি সুন্দরীদের কাছে যাওয়ার সুযোগ! ** পৃষ্ঠা ১৮ * আমি যদি নিরাপত্তাকে কোনো নারীর প্রধান প্রয়োজন বলি তবে কীভাবে একে তার প্রধান কল্পনা বলতে পারি? কারণ যখন তার প্রধান প্রয়োজন হলো একটি ঘর এবং পারিবারিক পরিমন্ডলের নিরাপত্তা, তখন তার প্রধান কল্পনা হলো অন্য কেউ এগুলো পাওয়ার জন্য যথেষ্ট অর্থ উপার্জন করবে। একারণেই দুই বিলিয়ন নারী সাম্প্রতিক রাজকীয় বিয়ের দিকে মনোযোগ দিয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬ * সান ডিয়েগোতে হাউ টু ম্যারি মানি নামে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কোর্স আছে। লক্ষ্য করুন যে বিয়েটি হয় টাকার সাথে--কোনো ব্যক্তির সাথে নয়। আমি অংশগ্রহণকারী পুরুষদের শতাংশ সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম... নির্দেশক উত্তর দিয়েছিলেন, 'কোর্সটি আসলে নারীদের জন্য, এটি পুরুষদের জন্য প্রাসঙ্গিক নয়।' ** পৃষ্ঠা ৪৩ * পুরুষেরা যখন পছন্দ করানোর জন্য চটকদার কথা বলে তখন নারীরা পুরুষদের বিশ্বাস না করতে শেখে। যখন নারীরা মেকআপ করে তখন পুরুষেরা নারীদের বিশ্বাস না করতে শেখে। পুরুষদের চটকদার কথা এবং নারীদের মেকআপ হলো আসলে বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ৭১-৭২ * ফিমেল ওয়েস্টার্ন হলো সেরা পুরুষদের পাওয়ার জন্য ভালো এবং খারাপ পদ্ধতির মধ্যে লড়াই। ** পৃষ্ঠা ৭৩ * সন্ধ্যার টিভি নাটক থেকে শুরু করে কিশোর বয়সের রোমান্স পর্যন্ত, সব জায়গার বার্তা হলো যে অন্তর্নিহিত মূল্য কেবল পরাজিতদের জন্য। ** পৃষ্ঠা ৭৩ * পুরুষদের ম্যাগাজিনে সাফল্য হলো যৌনতা এবং ভালোবাসা পাওয়ার একটি হাতিয়ার, তাই সাফল্যের বাহ্যিক রূপ সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে নারীদের ম্যাগাজিনে ভালোবাসা এবং যৌনতা হলো সাফল্য পাওয়ার হাতিয়ার—তাই ভালোবাসার প্রকাশ এবং যৌন প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতি উভয়ই সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯ * গল্পের প্রধান চরিত্র বা বেঁচে যাওয়া ব্যক্তির জন্য পুরুষদের প্রতিযোগিতা এবং নারীদের প্রতিযোগিতার এই চিরাচরিত থিম আমাদের যোগ্যতমের টিকে থাকা থেকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে এসেছে যেখানে কেউ বেঁচে থাকবে না। লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকাগুলো প্রায় রাতারাতি কার্যকর থেকে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। একারণেই এই চিরাচরিত থিমটি নিয়ে এখন প্রশ্ন তোলা জরুরি। ** পৃষ্ঠা ৯১ * সম্ভবত পুরুষদের কাছে সবচেয়ে প্রচলিত প্রত্যাশা হলো আমাদের সুপারম্যান হওয়ার প্রত্যাশা: আমাদের ভয় যে আমরা কেবল ক্লার্ক কেন্ট যাদের সুপারম্যান না হওয়া পর্যন্ত কেউ গ্রহণ করবে না। ** পৃষ্ঠা ৯৬ * যখন বিবাহবিচ্ছেদের মানে দাঁড়াল যে বিয়ে আর সারাজীবনের জন্য নিরাপত্তা দিচ্ছে না, তখন নারীরা কেরিয়ার বা পেশাকে ক্ষমতায়ন হিসেবে দেখার মাধ্যমে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু যখন একটি পেশার জন্য ত্যাগ এবং পেশার ভেতরের ত্যাগগুলো সামনে এল, তখন পেশার কল্পনাটি লাভ-ক্ষতির বাস্তবতায় পরিণত হলো। নারীদের মধ্যে পেশা নিয়ে দ্বিধা তৈরি হলো। ** পৃষ্ঠা ১০১ * পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে, যখন প্রতিশ্রুতি হীরা এবং বন্ধকী ঋণের সাথে যুক্ত হয়, তখন ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি অনেকটা অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতির মতো মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * নারীরা যখন তাদের সৌন্দর্যের ক্ষমতার তুঙ্গে থাকে এবং সেটি ব্যবহার করে তখন আমরা তাকে বিয়ে বলি। পুরুষেরা যখন তাদের সাফল্যের ক্ষমতার তুঙ্গে থাকে এবং সেটি ব্যবহার করে তখন আমরা তাকে মধ্যবয়সের সংকট বলি। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * সে এবং তিনি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বাছাই করার সুযোগ পান; যখন পুরুষ তার প্রধান কল্পনা অর্থাৎ যৌনতা চায় তখন নারী বাছাই করার সুযোগ পায়; যখন নারী তার প্রধান কল্পনা অর্থাৎ প্রতিশ্রুতি চায় তখন পুরুষ বাছাই করার সুযোগ পায়। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * কম্পিউটার উইজ হতে বা কালো পোর্শে গাড়ির মালিক হতে কঠোর পরিশ্রম করা পুরুষেরা বিভ্রান্ত হয় যখন তাদের বলা হয় যে তারা যথেষ্ট সংবেদনশীল নয়। আমরা এমন পুরুষদের প্রেমে পড়তে পারি না যাদের অভেদ্য মনে হয় এবং আবার তাদের কাছে সংবেদনশীলতা আশা করি। সে কেন একটি কালো পোর্শে গাড়ি চেয়েছিল? কারণ সে কখনও কোনো অসুন্দর নারীকে এমন গাড়ি থেকে নামতে দেখেনি। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * উভয় লিঙ্গই মঞ্চে আসার আগে তাদের নিজেদের কথার প্রস্তুতি নেয়। পুরুষের কথাগুলো হলো সারাজীবনের পরিশ্রমের ফল; নারীর প্রাথমিক 'কথা' হলো তার বাহ্যিক রূপ--অথবা তার বয়সের ছাপহীনতা। কেরিয়ার যেভাবে পুরুষদের ক্ষমতা দেয়, সৌন্দর্য একইভাবে নারীদের ক্ষমতা দেয়। কিন্তু সবচাইতে সুন্দরীদের সাথে তুলনা যেভাবে একজন নারীকে ক্ষমতাহীন অনুভব করায়, সবচাইতে সফল পুরুষদের সাথে তুলনাও একইভাবে একজন পুরুষকে ক্ষমতাহীন অনুভব করায়। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * প্রথম পুরুষ বার্তাটি একজন বালক অবচেতনভাবে এভাবে অনুভব করে: ‘আমার ক্লাসের কিছু মেয়ে এখনই মুভি স্টারের মতো দেখতে। তারা যদি আমাকে ততটা চাইত যতটা আমি তাদের চাই, তবে আমি জানতাম যে আমি ঠিক আছি। তারা জন্মগত তারকা। আর আমি জন্মগত অনুরাগী।’ ** পৃষ্ঠা ১১১ * নারীদের সচেতনতা যখন বৃদ্ধি পেয়েছিল তখন নারীরা ঘরের কাজকে ঘৃণাভরে দেখতে শুরু করেছিল; যখন পুরুষদের সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে তখন যৌন প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়াকে পুরুষেরা ঘৃণ্য কাজ হিসেবে দেখবে। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যৌন বিষয়ে সন্দেহভাজন হওয়ার ভয়ে পুরুষদের সাথে আবেগীয় যোগাযোগ না করার ভয় বালকদের মেয়েদের সামনে আরও বেশি ক্ষমতাহীন করে তোলে। সমকামভীতি অনেকটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এটা বলার মতো যে এটি একটি দুর্বল জাতি হয়ে যাবে যদি তারা ওপেক থেকে সব তেল সংগ্রহ না করে। ** পৃষ্ঠা ১২৮ * সাফল্য যেমন সমাধান তেমনই ফাঁদ: একজন পুরুষ যৌন আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে যত কম ইচ্ছুক হবে, সে সাফল্যের বস্তু হওয়ার ফাঁদে তত বেশি আটকা পড়বে। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * অ্যালান আল্ডাকে সবাই ভালোবাসে কারণ সে কেবল সংবেদনশীল নয় বরং সে সফল এবং সংবেদনশীল। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকার প্রশিক্ষণ আসলে বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * একজন পুরুষের সফল হওয়ার একটি বিপদ হলো এটি তার স্ত্রী এবং কন্যাকে সাফল্য নিয়ে চিন্তা না করতে শেখায়। ** পৃষ্ঠা ১৪৮ * প্রতিশ্রুতি মানে অনেক সময় একজন নারীর তার প্রধান কল্পনা পূরণ হওয়া, যেখানে একজন পুরুষ তার কল্পনা ত্যাগ করে। তার প্রধান কল্পনা বিসর্জন দেওয়ার বিনিময়ে সে কী পাওয়ার আশা করে? তার প্রধান প্রয়োজন: ঘনিষ্ঠতা। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * একজন অবিবাহিত নারী যিনি নিজের ভরণপোষণ করেন তাকে কেরিয়ার ওম্যান বলা হয়, অন্যদিকে একজন অবিবাহিত পুরুষ যিনি নিজের ভরণপোষণ করেন তাকে প্লেবয় বলা হয়…বিদ্রূপের বিষয় হলো যে নারী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় এবং আর্থিকভাবে নির্ভরশীল হয় তাকে সেই পুরুষের চেয়ে বেশি পরিপক্ক মনে করা হয় যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয় কিন্তু আর্থিকভাবে স্বাধীন। ** পৃষ্ঠা ১৫৪ * একজন পুরুষ বুঝতে পারে না যে একজন নারী তাকে ভালোবাসে নাকি তার দেওয়া নিরাপত্তাকে ভালোবাসে যতক্ষণ না সেই নারী চলে যাওয়ার মতো আর্থিকভাবে এবং মানসিকভাবে যথেষ্ট স্বাধীন হয়। যতক্ষণ একজন নারী চলে যেতে না শেখে ততক্ষণ সে নিজেও নিশ্চিত হতে পারে না যে সে ভালোবাসতে শিখেছে কি না। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব না দেওয়া হলো সেক্সিজম বা লিঙ্গবৈষম্য; নতুন লিঙ্গবৈষম্য হলো পুরুষদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব না দেওয়া। ** পৃষ্ঠা ১৯৪ * পুরুষদের মেকআপ হলো তাদের পদবী, মর্যাদা এবং ডেটিংয়ের খরচ মেটানো। মেকআপ হলো এমন কিছু যা উভয় লিঙ্গই তাদের বর্তমান ক্ষমতা এবং তারা যে ক্ষমতা পেতে চায় তার মাঝখানের দূরত্ব ঘোচাতে ব্যবহার করে। নারী এবং পুরুষ উভয়ের মেকআপই হলো তাদের অসহায়ত্বের অনুভূতির ক্ষতিপূরণ। ** পৃষ্ঠা ২১৫ * পুরুষেরা ভিন্ন ভিন্ন নারীদের সাথে একই কথা বলে ঠিক যে কারণে নারীরা ভিন্ন ভিন্ন পুরুষের জন্য একই পারফিউম ব্যবহার করে; আমরা সবাই সেই জিনিসগুলোই চেষ্টা করি যা কাজ করে। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * সম্পর্কে যখন পুরুষদের কাছে বেশি টাকা থাকে তখন আমরা বলি তাদের ক্ষমতা আছে। সম্পর্কে যখন নারীদের কাছে বেশি টাকা থাকে তখন আমরা বলি তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ২১৮ * লিঙ্গবৈষম্যের নিয়মগুলো পুরুষদের সহিংসতার আতঙ্ক থেকে মুক্ত করে না; এগুলো কেবল পুরুষদের এই বিষয়ে অভিযোগ করা থেকে বিরত রাখে। ** পৃষ্ঠা ২৩২ * সে যৌনতা পায়, নারীও যৌনতা পায়; যদি এটি অসমান মনে করা হয় তবে পুরুষেরা কেন প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পায় তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যতক্ষণ না একজন নারী একজন পুরুষকে প্রথমবার বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় ঠিক যেভাবে পুরুষেরা তাকে দেয়, ততক্ষণ পর্যন্ত ‘সে আমাকে বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে তাই সে টাকা দেবে’ এই দাবিটি পুরুষদের ওপর দ্বিগুণ বোঝা: তাকে কেবল প্রস্তাবই দিতে হবে না বরং অতিরিক্ত প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত খরচও দিতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৭৭ * কিছুদিন আগে পর্যন্ত প্রশ্ন ছিল ‘কেন একজন নারী পুরুষের মতো হতে পারে না?’ এটি পরিবর্তন করে হওয়া উচিত ছিল ‘কেন উভয় লিঙ্গই একে অপরের সেরা গুণগুলোর মতো হতে পারে না?’ এর পরিবর্তে ১৯৬০-এর দশকের নারীবাদী ব্যাজগুলোতে লেখা থাকত অ্যাডাম ওয়াজ আ ফার্স্ট ড্রাফট। কথাটি যথেষ্ট সত্য। আমরা সবাই তাই। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * পুরুষেরা ততক্ষণ পরিবর্তন হবে না যতক্ষণ নারীরা ‘উপরে বিয়ে’ করবে। পুরুষেরা ততক্ষণ পরিবর্তন হবে না যতক্ষণ আমাদের এই বিষয়ে ধারণা না হবে যে ক্ষমতা আমাদের কতটা ক্ষমতাহীন করে তোলে। একজন নারী একজন পুরুষকে পরিবর্তন হতে সাহায্য করতে পারে না যতক্ষণ না তার এই বিষয়ে ধারণা হয় যে ক্ষমতা পুরুষদের কতটা ক্ষমতাহীন করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * আমি মনে করি যে ব্যবসায়িক জগতে সফল হওয়া নারীদের যেমন পুরুষ মেন্টর প্রয়োজন হয়, সম্ভবত আবেগীয় জগতে সফল হওয়া পুরুষদের জন্য নারী আবেগীয় মেন্টর প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ৩১৭ * আমাদের সঙ্গী নির্বাচন হলো আমাদের মূল্যবোধ নির্বাচনের অন্যতম স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। ** পৃষ্ঠা ৩৪১ * কেবল তখনই একজন নারী পুরুষকে সত্যিই বুঝতে শুরু করতে পারে যখন সে পুরুষদের ঝুঁকিগুলো ভাগ করে নেয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫৫ * শিশুদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা এত তাৎক্ষণিক কারণ আমরা তাদের অসহায়ত্ব সঙ্গে সঙ্গে অনুভব করতে পারি; বিপরীতে পুরুষদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা অস্বীকার করার একটি উপায় হলো পুরুষদের অসহায়ত্বকে অস্বীকার করা। আমরা প্রায়ই পুরুষদের প্রতি ভালোবাসাকে তাদের প্রতি শ্রদ্ধার সাথে গুলিয়ে ফেলি, বিশেষ করে আমাদের যত্ন নেওয়ার ক্ষমতার জন্য--যা আসলে কেবল নিজেদের প্রতিই ভালোবাসা। ** পৃষ্ঠা ৩৬০ * মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘনিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় মনোবিজ্ঞান প্রজাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় মনোবিজ্ঞানে পরিণত হয়েছে। ** পৃষ্ঠা ৩৭১ * পুরুষদের ভালোবাসা কি নারীবাদের পরিপন্থী? একদমই না। আমার বিশ্বাস প্রতিটি প্রকৃত নারীবাদী একজন পুরুষবাদী হওয়ার মাধ্যমে আরও গভীর এবং পরিপক্ক হয়--এমন একজন ব্যক্তি যে সমতা এবং স্বীকৃতির জন্য পুরুষদের অনুসন্ধানকে পুরুষের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুঝতে পারে। একইভাবে প্রতিটি পুরুষবাদী একজন নারীবাদী হওয়ার মাধ্যমে আরও গভীর হয় (এমন একজন ব্যক্তি যে সমতা এবং স্বীকৃতির জন্য নারীদের অনুসন্ধানকে নারীর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুঝতে পারে)। ** পৃষ্ঠা ৩৬৮ === ''দ্য মিথ অফ মেল পাওয়ার'' (১৯৯৩) === <small>সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ১ম সংস্করণ, ১৯৯৩; ২য় সংস্করণ, বার্কলে, ২০০০)</small> ==== প্রথম খণ্ড: দ্য মিথ অফ মেল পাওয়ার ==== * পুরুষদের দুর্বলতা হলো শক্তির কৃত্রিম বহিঃপ্রকাশ; নারীদের শক্তি হলো দুর্বলতার কৃত্রিম বহিঃপ্রকাশ। ** পৃষ্ঠা ১৩ * নারীবাদ নারীদের শিখিয়েছে যে যখন পুরুষেরা ভুল ব্যক্তির সাথে বা ভুল সময়ে উদ্যোগ নেয় তখন যৌন হয়রানি বা ডেট রেপের জন্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যায়; কিন্তু কেউ পুরুষদের শেখায়নি যে নারীরা যখন প্রথমে "হ্যাঁ", তারপর "না" এবং পরে আবার "হ্যাঁ" বলে তখন মানসিক আঘাতের জন্য মামলা করা যায়। ... পুরুষদের কাছ থেকে এখনো উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা করা হয়, কিন্তু এখন তারা যদি এটি ভুলভাবে করে তবে তাদের জেল হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে পোস্ট অফিসগুলোতে সিলেক্টিভ সার্ভিস পোস্টারে লেখা থাকে "একজন পুরুষকে তাই করতে হয় যা তার করা উচিত"। এগুলো পুরুষদের মনে করিয়ে দেয় যে কেবল তাদেরই বাধ্যতামূলক সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হবে। যদি পোস্ট অফিসে এমন পোস্টার থাকত যেখানে লেখা থাকত "একজন ইহুদিকে তাই করতে হয় যা তার করা উচিত..." অথবা কোনো গর্ভবতী নারীর শরীরের ওপর যদি লেখা থাকত "একজন নারীকে তাই করতে হয়..." ** পৃষ্ঠা ২৮ * যে সমাজগুলো টিকে আছে তারা তাদের সন্তানদের যুদ্ধে এবং কাজে এমনকি বাবা হিসেবেও উৎসর্গ করার বা পরিত্যাজ্য হওয়ার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করেই টিকে আছে। ** প্রথম খণ্ড * এমন অনেক দিক আছে যেখানে একজন নারী তার পুরুষ সঙ্গীর তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাহীন অনুভব করেন: গর্ভাবস্থা, বয়স বেড়ে যাওয়া, ধর্ষণ, ডেট রেপ এবং শারীরিকভাবে অবদমিত হওয়ার ভয়; স্বামী ও সন্তানদের ভরণপোষণ করার মতো যথেষ্ট বেতনের ক্যারিয়ার গড়ার সামাজিক শিক্ষার অভাব[...] সৌভাগ্যবশত, প্রায় সব শিল্পোন্নত জাতি নারীদের এই অভিজ্ঞতাগুলোকে স্বীকার করেছে। দুর্ভাগ্যবশত, তারা কেবল নারীদের অভিজ্ঞতাগুলোকেই স্বীকার করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৮ * ক্ষমতা মানে যদি নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকা বোঝায়, তবে আমাদের জীবনের ওপর লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকা এবং বর্ণবাদের প্রভাব বোঝার জন্য গড় আয়ুর চেয়ে ভালো কোনো মাপকাঠি নেই। ** পৃষ্ঠা ৩০ * বিষয়: মাইক টাইসনের বিচার। জুরিরা যে হোটেলে ছিলেন সেখানে আগুন লেগে যায়। দুই জন ফায়ারফাইটার সেখানকার বাসিন্দাদের বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারান। মাইক টাইসনের বিচার আমাদের পুরুষদের ধর্ষণকারী সত্তা সম্পর্কে সচেতন করেছে। কিন্তু ফায়ারফাইটারদের মৃত্যু আমাদের পুরুষদের রক্ষাকর্তা সত্তা সম্পর্কে সচেতন করেনি। আমরা একজন পুরুষের ক্ষতি করার বিষয়ে যতটা সচেতন ছিলাম, দুই জন পুরুষের বাঁচানোর বিষয়ে ততটা ছিলাম না... ** পৃষ্ঠা ৩৬ * ইতিহাসে এমন একটি উদাহরণ খুঁজে পাওয়া কঠিন যেখানে কোনো গোষ্ঠী ৫০ শতাংশের বেশি ভোট দিয়েও নিজেদের ভুক্তভোগী দাবি করে পার পেয়েছে... নারীরাই একমাত্র 'নিপীড়িত' গোষ্ঠী যারা 'নিপীড়কের' সাথে একই বাবা-মায়ের সন্তান; যারা 'নিপীড়কের' মতোই মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারে জন্ম নেয়; যারা 'নিপীড়কের' চেয়ে বেশি বিলাসদ্রব্যের মালিক হয়... ** পৃষ্ঠা ৪০ * আমরা 'তিনটি বিকল্প থাকা নারী এবং কোনো বিকল্প না থাকা পুরুষের যুগে' প্রবেশ করেছি। ** পৃষ্ঠা ৫২ * প্রথম ধাপে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি ছিল না, তাই পুরুষদের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলত না; দ্বিতীয় ধাপে সম্পর্ক বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যেতে পারে, তাই পুরুষদের সম্পর্কগুলো নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছিল। আমরা এমন রাজনৈতিক নেতাদের চাইনি যারা এমন আচরণের রোল মডেল হবেন যা নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে। ** পৃষ্ঠা ৬৩ * সংক্ষেপে, আমাদের জিনগত ঐতিহ্য আমাদের জিনগত ভবিষ্যতের সাথে সাংঘর্ষিক। মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি প্রজাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় গুণাবলি ভালোবাসার জন্য প্রয়োজনীয় গুণের সাথে মিলে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৬৫ * হাজার হাজার বছর ধরে অধিকাংশ বিয়ে ছিল প্রথম ধাপের—অর্থাৎ টিকে থাকার ওপর ভিত্তি করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিয়েগুলো ক্রমশ দ্বিতীয় ধাপের দিকে ঝুঁকেছে—যেখানে নিজের আত্মতৃপ্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়... ভালোবাসার সংজ্ঞায় একটি পরিবর্তন আসছে। ** পৃষ্ঠা ৪২ * নারী মুক্তি এবং পুরুষদের মধ্যবয়সের সংকট ছিল একই অনুসন্ধান—ব্যক্তিগত তৃপ্তি, সাধারণ মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসার জন্য। কিন্তু নারী মুক্তিকে যখন নিজস্ব পরিচয় তৈরির উপায় হিসেবে ভাবা হয়, পুরুষদের মধ্যবয়সের সংকটকে ভাবা হয় পরিচয়ের সংকট হিসেবে। ** পৃষ্ঠা ৪৪ * নিউ ইয়র্ক সিটিতে ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেনের পরিচালনা পর্ষদে থাকার সময় আমি কর্মক্ষেত্রে সমতা নিয়ে বিভিন্ন কর্পোরেট কর্মশালা করেছি। সেখানে সবচাইতে বেশি বাধার সম্মুখীন হয়েছি পুরুষ কর্মকর্তাদের কাছে নয়—বরং তাদের স্ত্রীদের কাছে। যতক্ষণ তার আয় তার স্বামীর কাছ থেকে আসছিল, ততক্ষণ তিনি মোটেও উদার বোধ করছিলেন না যখন দেখতেন ইতিবাচক পদক্ষেপের কারণে অন্য কোনো নারী তার স্বামীর (অর্থাৎ তার নিজের) আয়ের অংশীদার হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৪৬ * নারীদের ক্ষত চিহ্ন এবং প্রথাগুলো সৌন্দর্যের সাথে যুক্ত ছিল (কান ও নাক ফোঁড়ানো, পা বেঁধে রাখা এবং করসেট পরা); পুরুষদের প্রথাগুলো ছিল নারীদের রক্ষার সাথে যুক্ত। উগান্ডার ডোডোদের মতো যেসব সংস্কৃতিতে শারীরিক শক্তি এখনো নারীদের রক্ষার সেরা উপায়, সেখানে প্রতিটি মানুষকে হত্যার বিনিময়ে পুরুষদের একটি ক্ষত চিহ্ন দেওয়া হয়; ক্ষত চিহ্ন যত বেশি, তাকে তত বেশি যোগ্য মনে করা হয়। ** পৃষ্ঠা ৭২ * আজ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে যথাযথভাবেই ঘৃণা করা হয়। কিন্তু পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে আমরা বিনোদন বলি। ফুটবল, বক্সিং, কুস্তির কথা ভাবুন... এগুলো পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে মিষ্টি কথায় ঢাকার উপায়। আসলে এগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে আমাদের দল -- বা আমাদের সমাজ -- তার সেরা রক্ষকদের নিজেদের উৎসর্গ করার জন্য রাজি করাতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৭৫ * কল্পনা করুন আমরা কেমন বোধ করতাম যদি আমি এই অংশটি এভাবে শুরু করতাম, আজ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে যথাযথভাবে হাততালি দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। আমরা জানতাম যে আমি নারীদের মৃত্যু সমর্থন করি; কিন্তু যখন আমরা পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতার জন্য হাততালি দিই, তখন আমরা পুরুষদের মৃত্যুই সমর্থন করি। আমরা এটি করি কারণ আমরা শিখেছি যে পুরুষদের যত কার্যকরভাবে আত্মত্যাগের জন্য প্রস্তুত করব, আমরা তত বেশি সুরক্ষিত থাকব। ** পৃষ্ঠা ৭৬ * পুরুষেরা প্রায়ই সেই সমাজগুলোতে অহিংস হয়ে ওঠে যেখানে (১) পর্যাপ্ত খাবার আছে, (২) পর্যাপ্ত জল আছে এবং (৩) তারা নিজেদের আক্রমণ থেকে নিরাপদ মনে করে। উদাহরণস্বরূপ, তাহিতির পুরুষরা, ক্রিটের মিনোয়ান পুরুষরা এবং মধ্য মালয়েশিয়ার সেমাইরা তাদের ইতিহাসের সেই সময়ে অহিংস ছিল যখন এই তিনটি শর্তই বিদ্যমান ছিল। ** পৃষ্ঠা ৭৭ * প্রায়ই বলা হয় যে নারীরা জন্মগতভাবে যুদ্ধপ্রিয় পুরুষদের সভ্য করার একটি ভারসাম্য। নারীদের বদলে নিজেরা হত্যার কাজ করার মাধ্যমে পুরুষরাই নারীদের সভ্য করেছে বলা যেতে পারে। যখন টিকে থাকাই ছিল মূল বিষয়, তখন নারীদের গর্ভজাত সন্তানদের রক্ষার জন্য পুরুষদের হত্যা করা ছিল আসলে তাদের লালন-পালনেরই একটি ধরন। ** পৃষ্ঠা ৭৯ * তাহলে পিতৃতন্ত্রকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়? সম্ভবত এটিকে একটি সংস্কৃতিতে পুরুষদের আধিপত্য, দায়িত্ব এবং আনুগত্যের ক্ষেত্র হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে, যা টিকে থাকার প্রয়োজন মেটানোর জন্য উভয় লিঙ্গের মাধ্যমেই শক্তিশালী হয়েছে। মাতৃতন্ত্রকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়? একটি সংস্কৃতিতে নারীদের আধিপত্য, দায়িত্ব এবং আনুগত্যের ক্ষেত্র হিসেবে, যা টিকে থাকার প্রয়োজন মেটানোর জন্য উভয় লিঙ্গের মাধ্যমেই শক্তিশালী হয়েছে। ** পৃষ্ঠা ৯৮ ==== দ্বিতীয় খণ্ড: দ্য গ্লাস সেলারস অফ দ্য ডিসপোজেবল সেক্স ==== * প্রতিদিন কর্মক্ষেত্রে প্রায় ততজন পুরুষ মারা যান যতজন ভিয়েতনামের গড়পড়তা দিনে মারা যেতেন। পুরুষদের জন্য আসলে তিনটি পুরুষ-নির্ধারিত বাধ্যতামূলক তালিকা (ড্রাফট) আছে: সমস্ত যুদ্ধের জন্য পুরুষদের তালিকা; অবৈতনিক দেহরক্ষী হিসেবে প্রতিটি সাধারণ মানুষের তালিকা; এবং সমস্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ বা 'মৃত্যু পেশার' জন্য পুরুষদের তালিকা। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * কোনো আন্দোলনই প্রবাসী শ্রমিকদের নিপীড়িত বলে না যদিও তারা সেই নারীদের জন্য অর্থ যোগান দেয় যাদের কাছ থেকে তারা রান্নাবান্না বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সেবা পায় না; তারা তাদের স্ত্রীদের জন্য ঘরবাড়ি তৈরি করে দেয় অথচ নিজেরা মাটিতে ঘুমায়। ** পৃষ্ঠা ১১১ * যখন খনি এবং অন্যান্য মৃত্যু পেশা নিয়ে নারীবাদী প্রকাশনাগুলোতে আলোচনা করা হয় তখন সেগুলোকে পুরুষতান্ত্রিক ক্ষমতার প্রতীক বা কেবল পুরুষদের ক্লাবের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়। তবে মিস ম্যাগাজিনে যখন নারী খনি শ্রমিকদের কথা বলা হয়েছিল তখন এই বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল যে কীভাবে একজন নারী খনিতে কাজ করতে 'বাধ্য' হয়েছিলেন কারণ সেখানে সবথেকে ভালো বেতন পাওয়া যেত এবং তার পরিবারকে সাহায্য করার জন্য সেটিই ছিল একমাত্র পথ। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * পুরুষদের মরতে দেওয়া হলো টাকা বাঁচানোর একটি কৌশল। নিরাপত্তার জন্য টাকা খরচ করতে হয়। একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তার ভাষায়, ‘যখন সবকিছুতেই তাড়াহুড়ো থাকে, যখন আপনি মানুষের ওপর চাপ প্রয়োগ করেন এবং শর্টকাট ব্যবহার করেন তখন সবকিছু ভুল হতে পারে। আর তখন মানুষ মারা যায়।’ না। তখন পুরুষ মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ১১৯ * কোনো পেশা শারীরিকভাবে নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত নারীরা সেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় যোগ দেন না। তাই আমরা যতক্ষণ পুরুষদের নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন হয়ে মৃত্যু পেশাগুলোকে নিরাপদ পেশায় রূপান্তর না করব ততক্ষণ আমরা আসলে নারীদের প্রতি বৈষম্য করছি। কিন্তু যখন আমরা কেবল নারীদের অতিমাত্রায় সুরক্ষা দিই তখন সেটিও নারীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের দিকে নিয়ে যায়। যদি কোনো নিয়োগকর্তা বড় কোম্পানিতে কাজ করেন যেখানে কোটার কারণে বৈষম্য করা সম্ভব নয় তখন তারা স্থায়ীভাবে কাউকে নিয়োগ দেওয়ার বদলে ফ্রিল্যান্সারদের নিয়োগ দিতে বেশি আগ্রহী হন। তারা ভাবেন এতে কোনো নারীকে নিয়োগ দিয়ে সম্ভাব্য যৌন হয়রানির মামলার ঝুঁকি নিতে হবে না। ** পৃষ্ঠা ১২১ * একটি দেশ যত বেশি পুরুষতান্ত্রিক সেটি নারীদের তত বেশি সুরক্ষা দেয়। আর এভাবেই সেটি নারীদের সীমাবদ্ধ করে দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইতালি, স্পেন এবং ডেনমার্ক নারীদের বাধ্যবাধকতা ছাড়াই অনেক সুযোগ দেয়। তাই এই দেশগুলো এখনো পুরুষতান্ত্রিক। কোনো দেশ কতটা স্বাধীন তা নির্ভর করে সেই দেশ পুরুষদের নারীদের রক্ষা করার বাধ্যবাধকতা থেকে কতটা মুক্তি দেয় এবং নারীদের পুরুষদের সমানভাবে রক্ষা করতে কতটা শেখায় তার ওপর। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * যুদ্ধ কে ঘটায়? যুদ্ধ ঘটে আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার আদিম ভয় থেকে। এই ভয় নারী ও পুরুষ উভয়েরই আছে। এই ভয় এতটাই আদিম যে আমরা সহজেই সেইসব ব্যক্তিদের অসৎ উদ্দেশ্য সম্পর্কে বাড়িয়ে বলতে প্রলুব্ধ হই যারা আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। কেন? কোনো হুমকিকে অবমূল্যায়ন করার একটি ভুল সবাইকে ধ্বংস করে দিতে পারে; কিন্তু অতিমূল্যায়ন করার অনেক ভুল কেবল পুরুষদের ধ্বংস করে। ** পৃষ্ঠা ১৪২ * প্যারেড ম্যাগাজিন জানায় যে ১৯১৪ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে ৪০ মিলিয়ন সোভিয়েত পুরুষ নিহত হয়েছে। ম্যাগাজিনটির শিরোনাম ছিল ‘দুর্ভাগ্যের শিকার’। পুরুষরা মারা গেছে বলে? না। নারীদের দুর্ভাগ্যের শিকার হিসেবে দেখা হয়েছিল কারণ তারা ফ্যাক্টরি এবং রাস্তা পরিষ্কার করার কাজে আটকা পড়েছিলেন যে কাজগুলো করার জন্য পুরুষরা তখন বেঁচে ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১৪৫ * পুরুষেরা কেবল যুদ্ধের যোদ্ধা নয় বরং শান্তির যোদ্ধাও হতে পারে। প্রায় সবাই যারা শান্তির জন্য জীবন বাজি রাখে, জেলে যায় বা নিহত হয় তারা পুরুষ। নেলসন ম্যান্ডেলা, মার্টিন লুথার কিং, গান্ধী বা দাগ হ্যামারশোল্ডের মতো কিছু শান্তির যোদ্ধাকে মনে রাখা হলেও অধিকাংশকেই ভুলে যাওয়া হয়। নর্ম মরিসনের কথা মনে আছে? ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদ করার কয়েক বছর পর নর্ম পেন্টাগনের সিঁড়িতে নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন... কিন্তু নর্ম মরিসনকে আজ সবাই ভুলে গেছে। ** পৃষ্ঠা ১৫৩ * ১৯৭০-এর দশকের দিকে আমেরিকান নারীদের 'স্বাধীন' বা 'সুপারওম্যান' বলা হতো। অন্যদিকে আমেরিকান পুরুষেরা যদি ভিয়েতনামে যুদ্ধ করত তবে তাদের 'শিশু হত্যাকারী' বলা হতো। যদি তারা প্রতিবাদ করত তবে তাদের 'দেশদ্রোহী' বলা হতো আর যদি তারা কোনোটিই না করত তবে তাদের 'উদাসীন' বলা হতো। এমনকি যেসব পুরুষ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছিল তাদের দিকেও আক্ষরিক অর্থেই থুতু ফেলা হয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ১৫৫ * কিশোরী মেয়েদের দক্ষতা প্রমাণের চাপ কম থাকে এবং ভালোবাসা পাওয়ার সম্পদ বেশি থাকে। তাদের শরীর ও মন আসলে জন্মগত উপহার। ** পৃষ্ঠা ১৬৬ * কিশোর বালকদের উদ্বেগ এতটাই তীব্র হওয়ার কারণ হলো তাদের সামাজিক শিক্ষা তাদের কাছে দক্ষতা প্রমাণের দাবি করে কিন্তু সেই দক্ষতা অর্জনের সম্পদ দেয় না। ফলে তার ঝুঁকি যেমন অনেক তেমনই ব্যর্থতাও অনেক। এবং সেগুলো খুব স্পষ্ট... দ্বিতীয়ত, সবচাইতে বড় বিজয়ীরা—যেমন ফুটবল খেলোয়াড়েরা—নিজেদের ওপর অত্যাচার করার মাধ্যমে ভালোবাসা পায়। কিছু বালকের জন্য এই অত্যাচার উদ্বেগ তৈরি করে। কিন্তু ভালোবাসা হারানো আরও বেশি উদ্বেগ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * পৃথিবী এখন ক্রমশ মেয়েদের সুযোগ দিচ্ছে তারা যা হতে চায় তাই হওয়ার—গৃহিণী, মা, সেক্রেটারি বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * অতীতে যৌনতা এবং গর্ভাবস্থা নিয়ে নারী-পুরুষ উভয়েই চিন্তিত ছিল। এখন জন্মনিরোধক বড়ি নারীর উদ্বেগ কমিয়েছে এবং কনডম পুরুষের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এখন ব্রণযুক্ত চেহারার একটি বালককে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ঝুঁকি নিতে হয় এবং সেই সাথে হার্পিস ও এইডস নিয়ে নিজের ভয়কে জয় করতে হয়। সেই সাথে তাকে মেয়েটিকেও আশ্বস্ত করতে হয় যে ভয়ের কিছু নেই। তাকে এখনো যৌনতার ঝুঁকি নিতে হয়, কিন্তু এখন সে যদি খুব তাড়াতাড়ি ঝুঁকি নেয় তবে তাকে জেলে যেতে হতে পারে অথবা তাড়াতাড়ি না নিলে তাকে কাপুরুষ বলা হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৬৮ * এমনকি ৩০ বছর বয়সের একজন পুরুষ যার স্ত্রী মারা গেছে তার আত্মহত্যার সম্ভাবনা একই বয়সের একজন বিবাহিত পুরুষের চেয়ে ১১ গুণ বেশি। ৩০ বছর বয়সে যখন পুরুষেরা নিজেদের কাজে ডুবে থাকতে পারে এবং তারা নারীদের কাছে শারীরিকভাবে ও আর্থিকভাবে আকর্ষণীয় থাকে তখন নিজের ভালোবাসার মানুষকে হারানো এতটাই বিধ্বংসী হয় যে অনেক নারীর সুযোগ থাকলেও সেই কষ্ট কমে না... সংক্ষেপে, ভালোবাসা হারানোই পুরুষদের ধ্বংস করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৬৯ * নারীরা প্রায়ই আত্মহত্যার চেষ্টা করে কারণ তারা যাদের ভালোবাসে তাদের কাছে অগ্রাধিকার পেতে চায়, সব সময় কেবল তাদের অগ্রাধিকার দিতে চায় না। ** পৃষ্ঠা ১৭১ * যেসব পুরুষ সফল তারা ভালোবাসা পাওয়ার জন্য সাফল্যের ওপর সবচাইতে বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। যখন এই পুরুষটি তার সাফল্য হারায় তখন সে প্রায়ই ভয় পায় যে সে ভালোবাসা হারাবে। ** পৃষ্ঠা ১৭২ * একজন পুরুষের কাছে বেকারত্ব হলো একজন নারীর কাছে ধর্ষণের মানসিক যন্ত্রণার সমান। ** পৃষ্ঠা ১৭২ * বাধ্যতামূলক আগাম অবসর নেওয়া একজন পুরুষের কাছে তেমনটাই হতে পারে যেমনটা একজন নারীর কাছে কোনো 'অল্পবয়সী নারীর জন্য পরিত্যক্ত' হওয়া। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * বিষণ্ণতার অভিযোগ প্রায়ই পুরুষের ওপর নারীর নির্ভরশীলতার সাথে যুক্ত থাকে। কিন্তু এটি এমন পুরুষের ওপর নির্ভরশীলতা যারা একজন নারীকে টিকে থাকার সংগ্রামের চেয়েও বেশি কিছু নিয়ে ভাবার সময় দিতে যথেষ্ট সফল। এই কারণেই যখন আমরা বিষণ্ণতায় আক্রান্ত নারীদের কথা ভাবি তখন আমাদের মাথায় মধ্যবিত্ত নারীদের কথা আসে, শ্রমিক শ্রেণির নারীদের কথা নয়। শ্রমিক শ্রেণির নারীরা বেঁচে থাকার চিন্তায় এতই ব্যস্ত থাকেন যে বিষণ্ণতার কথা বলার সুযোগ পান না। বিষণ্ণতা এমন একটি রোগ যা তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায় যাদের বেঁচে থাকার চিন্তা ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে ভাবার বিলাসিতা আছে। একজন মানুষ দ্বিতীয় ধাপে যত বেশি এগিয়ে থাকে সে বিষণ্ণতার দিকে তত বেশি মনোযোগ দিতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৭৭ * যখন একজন পুরুষকে আগাম অবসর নিতে বাধ্য করা হয় তখন প্রায়ই তাকে 'একজন অল্পবয়সী পুরুষের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়'। একজন পুরুষের কাছে আগাম অবসর তেমনটাই হতে পারে যেমনটা একজন নারীর কাছে 'অল্পবয়সী নারীর জন্য পরিত্যক্ত' হওয়া... সন্তানরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেলে মায়েরা যতটা না বিচলিত হন পুরুষেরা কেন অবসরে গেলে তার চেয়ে বেশি বিচলিত হন? নারীরা যখন সন্তানদের কাছ থেকে অবসর নেন তখন তারা একটি পেশা শুরু করার চেষ্টা করতে পারেন; কিন্তু একজন পুরুষ যখন পেশা থেকে অবসর নেন তখন তার সন্তানরাও চলে যায়। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * যখন নারী ও পুরুষের গড় আয়ু প্রায় সমান হয় তখন তার কারণ কেবল সন্তান জন্মদান নয় বরং রোগব্যাধি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, জলের অভাব, অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা এবং পুষ্টিহীনতা। শিল্পোন্নত সমাজে অকালমৃত্যুর প্রধান কারণ হলো মানসিক চাপ যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। যেহেতু মানসিক চাপ একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তাই পুরুষেরা নারীদের তুলনায় অনেক আগে মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * বিকল্পগুলো একজন নারীকে তার ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী নিজের ভূমিকা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেয়। কিন্তু একজন পুরুষ যদি ভালোভাবে ভরণপোষণ করতে চায় তবে সে তাই পরতে বাধ্য হয় যা তাকে মানায় না, বরং তাকে একটি স্যুট পরতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৩ * দ্য নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন সম্প্রতি জানিয়েছে যে নিজের দোষ নিয়ে কথা বলা আমাদের হৃদস্পন্দনের গতিতে অস্বাভাবিকতা তৈরি করে। সামান্য অস্বাভাবিকতা? না। স্থির সাইকেল চালিয়ে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া বা বুকে ব্যথা হওয়ার মতো তীব্র অস্বাভাবিকতা। সম্ভবত কিশোর বয়স থেকে পুরুষদের একে অপরের সমালোচনা করার যে অভ্যাস সেটিই ৫০ বছর বয়সের আগে নারীদের তুলনায় পুরুষদের চার গুণ বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ। আসলে আমাদের ছেলেরা হৃদরোগের প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ১৮৬ * সংক্ষেপে, আমরা নারীদের তুলনায় জেলখানায় থাকা পুরুষ, সামরিক বাহিনীতে থাকা পুরুষ এবং সাধারণভাবে পুরুষদের ওপর বেশি গবেষণা করি ঠিক যে কারণে আমরা মানুষের চেয়ে ইঁদুরের ওপর বেশি গবেষণা করি। ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * যদিও একটি সরকারি গবেষণায় দেখা গেছে যে নারীদের বা অন্য কোনো সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর চেয়ে পুরুষদের স্বাস্থ্য অনেক বেশি খারাপ, তবুও সারা দেশের শিরোনামে লেখা হয়েছিল: ‘সংখ্যালঘুরা বড় ধরনের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্যের সম্মুখীন’। তারা বলেনি: ‘পুরুষরা বড় ধরনের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্যের সম্মুখীন’। কেন? কারণ আমরা পুরুষদের জীবনের আত্মত্যাগকে বাকিদের রক্ষার উপায় হিসেবে দেখি। আর এই ধারণাটি আমাদের অবচেতনে পুরুষদের দীর্ঘকাল বেঁচে থাকার বিষয়ে উদাসীন হতে উৎসাহ দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৬ * যখন জন্মনিরোধক বড়ি ইউরোপে পাওয়া যেত কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাওয়া যেত না তখন আমেরিকান নারীরা চিৎকার করে বলেছিল যে বড়িটি সহজলভ্য না করা নারীদের জীবনের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে... যখন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) উচ্চ মাত্রার হরমোনযুক্ত বড়ি বাজারে ছেড়েছিল যা পরে অপ্রয়োজনীয় প্রমাণিত হয়, তখন তাদের এই বলে আক্রমণ করা হয়েছিল যে তারা নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করার বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন নয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৫ * দুর্ভাগ্যবশত একজন পুরুষের জীবনে অর্থ উপার্জনের প্রক্রিয়া মানেই ছিল তার স্ত্রীকে পর করে দেওয়া। মাঝে মাঝে এটি আইনত বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায় তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি মানসিক বিচ্ছেদের কারণ হয়। এই কারণেই ডাক্তারদের স্ত্রীদের ওপর করা একটি জরিপে দেখা গেছে যে তারা তাদের স্বামীদের প্রতি এক ধরনের প্রচণ্ড ঘৃণা পোষণ করেন। তবুও সেই স্ত্রীরা ডাক্তারদের সাথে সংসার চালিয়ে যান। কেন? তারা বলেছিলেন যে সবকিছুর চেয়ে তারা বিয়ের নিরাপত্তা চান... ফলে পুরুষেরা প্রায়ই এক ধরনের কৃত্রিম মানসিক নিরাপত্তার নেশায় নিজেদের বিলিয়ে দেন। অন্তত তাদের স্ত্রীদের কাছে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বাস্তবতা থাকে। ** পৃষ্ঠা ২০৩ * কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ, আদিবাসী পুরুষ এবং সমকামী পুরুষদের মধ্যে একটি মিল আছে: তারা নারীদের জন্য কোনো অর্থনৈতিক নিরাপত্তার চাদর দিতে পারেন না। ** পৃষ্ঠা ২০৬ * সমকামী যৌনতা মানে ছিল দুই ঘণ্টার আনন্দের বিনিময়ে দুই ঘণ্টার আনন্দ। বিষমকামী যৌনতা মানে ছিল দুই ঘণ্টার আনন্দের বিনিময়ে সারাজীবনের দায়িত্ব। বিষমকামী সম্পর্ক ছিল একটি লোকসানের চুক্তি! সমকামভীতির পেছনের ভয়টি ছিল যে পরবর্তী প্রজন্মের ভরণপোষণ করার কেউ থাকবে না। সবাই কেবল আনন্দ করবে। ফলে 'আনন্দ' করা হয়ে দাঁড়াল অপরিপক্কতার লক্ষণ; আর অনেক ধরনের 'ভোগবিলাস' অবৈধ হয়ে গেল। ** পৃষ্ঠা ২০৮ * আমরা কেন গৃহহীন পুরুষদের সাহায্য করতে অনীহা প্রকাশ করি? এর আংশিক কারণ হলো আমরা বুঝি না যে পরিবার চালানোর চাপ কীভাবে পুরুষদের এমন সব অস্থায়ী কাজ করতে বাধ্য করে যা তাদের গৃহহীন হওয়ার পথে এগিয়ে দেয় এবং আংশিক কারণ হলো আমরা সফল না হওয়া পুরুষদের প্রতি ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাই। ** পৃষ্ঠা ২০৯ * পুরুষদের এই পাগলামি থেকে স্বাভাবিক পথে ফিরে আসার দ্রুত উপায় হলো নারী-পুরুষ উভয় লিঙ্গের জন্যই ঘর এবং কর্মস্থলের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার দাবি করা। পুরুষদেরও তাদের স্ত্রীদের কাছ থেকে ঠিক তেমনভাবেই আর্থিক সহযোগিতা আশা করতে হবে যাতে তারা বাবা হওয়ার সময় দিতে পারে যেভাবে তারা এখন তাদের স্ত্রীদের মা হওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা দেয়। নারীদেরও টাকার যোদ্ধার বদলে ভালোবাসার যোদ্ধাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২১২ * নারীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করার সাথে সাথে আমাদের নারীদের রক্ষা করার প্রবণতা কি পুরুষদেরও রক্ষা করার নিয়ম তৈরি করবে? হ্যাঁ এবং না। হ্যাঁ, যেমন ডাক্তারদের সপ্তাহে ৮০ ঘণ্টার কম কাজ করার বিষয়টি এখন পুরুষদেরও প্রভাবিত করছে। না, যখন শ্রমিক শ্রেণির কাজগুলোকে ভাগ করা হয় যেখানে পুরুষেরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো নেয় আর নারীরা নিরাপদ কাজগুলো নেয়। আর পেশাগত জীবনে পুরুষেরা যদি সার্জারির মতো অনিয়মিত সময়ের কাজগুলো বেছে নেয় আর নারীরা যদি সাইকিয়াট্রির মতো নিয়মিত সময়ের কাজগুলো নেয় তবে আমরা কেবল নারীদের সুরক্ষিত শ্রেণি এবং পুরুষদের পরিত্যাজ্য শ্রেণি হিসেবে দেখার ধারণাটিকেই শক্তিশালী করব। ** পৃষ্ঠা ২১৩ * শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় কৃষ্ণাঙ্গদের খুনের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২১৪ * যখন আমরা শুনি যে পুরুষেরা অপরাধের বেশি শিকার হচ্ছে তখন আমরা বলি, ‘আরে, পুরুষরাই তো পুরুষদের মারছে।’ যখন আমরা শুনি যে কৃষ্ণাঙ্গরা বেশি শিকার হচ্ছে তখন আমরা একে বর্ণবাদী মনোভাব মনে করি যদি বলি, ‘আরে, কৃষ্ণাঙ্গরাই তো কৃষ্ণাঙ্গদের মারছে।’ অপরাধী যেই হোক না কেন ভুক্তভোগী সব সময় ভুক্তভোগীই হয়। ** পৃষ্ঠা ২১৫ * অপরাধ—বিশেষ করে অর্থের সাথে যুক্ত অপরাধ—ভরণপোষণ করার প্রত্যাশা এবং তা পূরণ করার ক্ষমতার মধ্যে ব্যবধানকে প্রতিফলিত করে... আমরা যদি সত্যিই চাই যে পুরুষেরা নারীদের মতো খুব কম অপরাধ করুক তবে আমাদের শুরু করতে হবে পুরুষদের কাছ থেকে নারীদের ভরণপোষণের যে প্রত্যাশা তা কমিয়ে দিয়ে। ** পৃষ্ঠা ২১৫-২১৬ * যখন আমরা কোনো শিশু কন্যার প্রতি সহিংসতা করি তখন আমরা তাকে শিশু নির্যাতন বলি; যখন আমরা কোনো শিশু পুত্রের প্রতি সহিংসতা করি তখন আমরা তাকে খতনা বলি। ** পৃষ্ঠা ২২১ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়াই খতনা করা হয়, যদিও অ্যানেস্থেসিয়া শিশুর মানসিক চাপ কমায় এবং সংক্রমণ ও রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে। ** পৃষ্ঠা ২২১ * আমরা যদি এখনো মেয়েদের যৌনাঙ্গের উপরের অংশ কাটতাম তবে একে মেয়েদের যৌনতাকে দমন করার ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখতে আমাদের কোনো অসুবিধা হতো না। আমেরিকা যে কোনো গবেষণা ছাড়াই খতনা করে যাচ্ছে তা মূলত বালকদের ব্যথার অনুভূতির প্রতি সংবেদনহীন করার ঐতিহ্যেরই প্রতিফলন। তাদের শেখানো হচ্ছে যাতে তারা তাদের শরীরের অঙ্গ পরিত্যাজ্য হওয়ার বিষয়ে কোনো প্রশ্ন না তোলে। ** পৃষ্ঠা ২২৩ * বিপদে পড়া নারীদের নিয়ে তৈরি সিনেমাগুলো আসলে রাজকন্যাকে ড্রাগনের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে পুরুষদের প্রাণ দেওয়ার সেই পুরনো গল্পের আধুনিক রূপ। এগুলো আসলে নারীদের সেরা রক্ষক খুঁজে নেওয়ার এবং বাকিদের বাদ দেওয়ার জন্য আধুনিক দিনের প্রশিক্ষণমূলক চলচ্চিত্র। ** পৃষ্ঠা ২২৫ * লিঙ্গবৈষম্যমূলক ধারণা হলো—কেবল নারীদের ওপর যে কোনো সহিংসতাকে নারী-বিরোধী মনে করা, কিন্তু পুরুষদের ওপর নারীর করা সহিংসতাকে সাধারণ সহিংসতা মনে করা। এই ধারণাটি নারীদের আরও বেশি সুরক্ষা দেওয়ার জন্য আইনের দাবি তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ২২৮ * পুরুষেরা কেবল নারীদের অবৈতনিক দেহরক্ষীই নয় বরং তারা নারী দেহরক্ষী হওয়ার জন্য উল্টো টাকাও খরচ করে। ** পৃষ্ঠা ২৩০ * নারীরা শিশুদের রক্ষা করার জন্য জীবন বাজি রাখবে কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক কোনো পুরুষকে রক্ষা করার জন্য খুব কমই জীবন বাজি রাখে। ** পৃষ্ঠা ২৩০ * নারী আন্দোলনের একটি বড় ভুল ধারণা: কাজ মানেই "ক্ষমতা" এবং "আত্মতৃপ্তি" মনে করা। ** পৃষ্ঠা ২৩২ * আমাকে প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয় যে নারীদের—বিশেষ করে দরিদ্র নারীদের—যৌনকর্মী হিসেবে নিজেদের শরীর ব্যবহার করার বিষয়ে পুরুষেরা কেন বিচলিত হয় না। কারণ অধিকাংশ পুরুষ অবচেতনভাবে প্রতিদিন নিজেদের যৌনকর্মী হিসেবেই অনুভব করে—খনি শ্রমিক, ফায়ারফাইটার, নির্মাণ শ্রমিক বা সৈনিকেরা আসলে সরাসরি অর্থ এবং পরিবারের জন্য নিজেদের শরীর উৎসর্গ করে। ** পৃষ্ঠা ২৩৩ * নারীদের রক্ষা করার জন্য আইনগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে যদি কোনো পুরুষের সাংবিধানিক অধিকারের সাথে নারীর সুরক্ষার বিষয়টি সাংঘর্ষিক হয় তবে সেই অধিকার গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * বিবাহবিচ্ছেদের ফলে পুরুষদের গোষ্ঠী (যাকে আইনসভা বলা হয়) সমষ্টিগতভাবে নারীদের রক্ষা করতে শুরু করে যখন অন্য পুরুষেরা (যাদের স্বামী বলা হয়) ব্যক্তিগতভাবে নারীদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * নারীদের বিশেষ সুরক্ষার আইনি পক্ষপাত সংবিধানের সমান সুরক্ষার গ্যারান্টিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে শুরু করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ ==== তৃতীয় খণ্ড: বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকার ==== * খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত একজন পুরুষের মৃত্যুদণ্ড পাওয়ার সম্ভাবনা একই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত একজন নারীর চেয়ে ২০ গুণ বেশি... ১৯৭৬ সালে মৃত্যুদণ্ড পুনরায় চালু হওয়ার পর থেকে ১২০ জন পুরুষ এবং মাত্র ১ জন নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। উত্তর ক্যারোলিনার সেই নারীটি বলেছিলেন যে তিনি মৃত্যুদণ্ডই পছন্দ করেন... উত্তর ক্যারোলিনায় দ্বিতীয় পর্যায়ের খুনের জন্য একজন পুরুষ গড়ে একজন নারীর চেয়ে ১২.৬ বছর বেশি সাজা পায়। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যখন একজন পুরুষ এবং একজন নারী মিলে কোনো অপরাধ করে তখন তারা দুজনেই প্রায়ই পুরুষটির ওপর দোষ চাপাতে রাজি হন—যদিও পুরুষটির দীর্ঘ সাজা পাওয়ার এবং কারাগারে ধর্ষিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যদি কৃষ্ণাঙ্গরা শ্বেতাঙ্গদের জন্য এমনটা করত তবে কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায় একে বুদ্ধিমত্তার সাথে ‘শেখানো দাসত্ব’ বলে অভিহিত করত। ** পৃষ্ঠা ২৪৩ * ১৯৫৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০,০০০ নারী খুন করেছেন। তাদের শিকার হয়েছেন প্রায় ৬০,০০০ পুরুষ। কিন্তু এই অধ্যায়ের দ্বিতীয় বিষয়ের তথ্যানুযায়ী কেবল একজন পুরুষকে হত্যার জন্য কোনো নারীরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি। প্রায় চার দশক ধরে আমরা নারীদের প্রতি ক্রমেই বেশি সুরক্ষিত এবং পুরুষদের প্রতি ক্রমেই কম সুরক্ষিত হয়ে উঠছি—এমনকি সেই ছেলেটি যদি নাবালকও হয় যেমনটা ছিল হিথ উইলকিন্স। ** পৃষ্ঠা ২৪৪ * যদি আমরা কোনো বিবাহিত পুরুষকে তার অর্থনৈতিক আইনি জটিলতার জন্য দায়ী করি তবে বিবাহিত নারীকেও তার বিপথে যাওয়া সন্তানদের জন্য দায়ী করা উচিত। ** পৃষ্ঠা ২৫০ * প্রিয়জনকে হত্যার হাত থেকে নারী বা পুরুষ কেউই মুক্ত নয়। পার্থক্য কেবল হত্যার পর তাদের সাথে কী ঘটে তার মধ্যে। ১২টি আলাদা আলাদা নারী-কেন্দ্রিক প্রতিরক্ষা কোনো নারীকে পরিকল্পিত খুনের অভিযোগ থেকে মুক্তি দিতে বা সাজা কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। কোনো পুরুষই একই পরিস্থিতিতে এই যুক্তিগুলো ব্যবহার করে সফল হয়নি। ** পৃষ্ঠা ২৫৪ * এটিই হলো “নির্দোষ নারী প্রতিরক্ষা”-র ভিত্তি—অর্থাৎ “নির্দোষ নারী নীতি”: নারীরা যখন বলে যে তারা সহিংসতায় জড়িত নয় তখন তাদের বিশ্বাস করা হয় এবং যখন তারা বলে যে তারা সহিংসতায় দোষী তখন তাদের খুব সহজেই সন্দেহ করা হয়। ** পৃষ্ঠা ২৫৫ * ''ফ্যারেলের অন্য এগারোটি প্রতিরক্ষা হলো ‘পিএমএস প্রতিরক্ষা’; ‘স্বামী প্রতিরক্ষা’ (ওয়ারেন, আমি পুরোপুরি জানি না কীভাবে এটি সংক্ষেপে বলব—আমি নিশ্চিত নই যে আমি এটি বুঝতে পেরেছি কি না); ‘নির্যাতিতা নারী সিনড্রোম’ প্রতিরক্ষা যা ‘শেখানো অসহায়ত্ব’ নামেও পরিচিত; ‘বিষণ্ণ মা’ প্রতিরক্ষা; ‘মায়েরা হত্যা করে না’ প্রতিরক্ষা; ‘শিশুদের মায়ের প্রয়োজন’ প্রতিরক্ষা; ‘বাবাকে দোষ দাও, মাকে বোঝো’ প্রতিরক্ষা; ‘আমার সন্তান, একে নির্যাতনের অধিকার আমার’ প্রতিরক্ষা; ‘সাজা কমানোর চুক্তির’ প্রতিরক্ষা; ‘সভেনগালি প্রতিরক্ষা’ এবং ‘চুক্তিতে হত্যা’ প্রতিরক্ষা।'' ** অধ্যায় ১২ * প্রতিটি যুদ্ধের অভিজ্ঞ পুরুষরাই পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের মাধ্যমে ‘নির্যাতিত পুরুষ সিনড্রোমে’ ভোগেন। এর মানসিক ফলাফল বছরের পর বছর তাদের সাথে থাকে। কিন্তু যদি ভুক্তভোগী কেউ এজেন্ট অরেঞ্জ স্প্রে করার আদেশ দেওয়ার জন্য অ্যাডমিরাল জুমওয়াল্টকে হত্যা করে তবে তাকে খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হবে। নির্যাতিত পুরুষ সিনড্রোমে ভোগা পুরুষদের তাদের নির্যাতনকারীকে আক্রমণ করার এবং একে আত্মরক্ষা বলার অনুমতি দেওয়া হয় না। ** পৃষ্ঠা ২৬৪ * চুক্তিতে করা হত্যাগুলো কখনোই কোনো নারীর পুরুষকে হত্যা করা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয় না। ** পৃষ্ঠা ২৮১ * আমরা তখনই নির্যাতন এবং হত্যা কমাতে পারি যখন আমরা বুঝব যে উভয় লিঙ্গের ক্ষেত্রেই নির্যাতন ক্ষমতা থেকে নয় বরং ক্ষমতার অভাব থেকে আসে। ** পৃষ্ঠা ২৮২ * কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি দক্ষতার পুরস্কারকে আকর্ষণীয় হওয়া এবং যৌন সহজলভ্যতার পুরস্কারের সাথে গুলিয়ে ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৮৪-৫ * একজন পুরুষের কাজ তখনই অবৈধ হবে যদি কোনো নারী মনে করে যে এটি একটি ‘প্রতিকূল পরিবেশ’ তৈরি করছে এবং যদি পুরুষটি সেই অপরাধ করে থাকে... ‘প্রতিকূল পরিবেশ’-এর সংজ্ঞা কে দেয়? নারীটি। এমনকি পুরুষটির উদ্দেশ্য কী ছিল তা আইনের ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য তৈরি করে না। অন্যান্য সকল অপরাধমূলক আচরণের ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এমনকি খুনের ক্ষেত্রেও। যৌন হয়রানি সংক্রান্ত বর্তমান আইন সকল পুরুষকে সকল নারীর তুলনায় অসমান করে দেয়। এটি সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর লিঙ্গ নির্বিশেষে সমান সুরক্ষার গ্যারান্টিকে সরাসরি লঙ্ঘন করে। এভাবেই কেবল নারীদের রক্ষা করার রাজনৈতিক ইচ্ছা উভয় লিঙ্গকে সমানভাবে রক্ষা করার সাংবিধানিক আদেশের চেয়ে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত বর্তমান আইন সকল পুরুষকে সকল নারীর তুলনায় অসমান করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * এক দশকে নারীরা কর্মক্ষেত্রে আপত্তিকর কৌতুকের বিরুদ্ধে যতটা সুরক্ষা পেয়েছে পুরুষেরা কয়েক শতাব্দীতেও কর্মক্ষেত্রে নিহত হওয়ার বিরুদ্ধে ততটা সুরক্ষা পায়নি। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইনগুলো পুরুষদের কাছে অন্যায্য মনে হয় কারণ তারা যদি কোনো জাতিগত কৌতুক বা কোনো নারীর পর্নোগ্রাফি নিয়ে আলোচনা করা বা বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার বিরুদ্ধে মামলা করত তবে তাদের নিয়ে হাসাহাসি করা হতো। ** পৃষ্ঠা ২৮৯ * এক অর্থে যৌন হয়রানি সংক্রান্ত মামলাগুলো হলো নারী নির্বাচনের প্রক্রিয়ার সবশেষ সংস্করণ—যা তাকে এমন পুরুষ বেছে নিতে সাহায্য করে যে তার ক্যারিয়ার ঝুঁকির মুখে ফেলার মতো তার প্রতি যত্নশীল। যার মধ্যে অভদ্র না হয়েও উদ্যোগ নেওয়ার দক্ষতা এবং মামলা হওয়ার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও উদ্যোগ নেওয়ার সাহস আছে... অতীতে তার এই বাধাগুলো অতিক্রম করার প্রক্রিয়াকে ‘কোর্টশিপ’ বলা হতো। এখন একে ‘কোর্টশিপ’ অথবা ‘যৌন হয়রানি’ বলা হয়। ** পৃষ্ঠা ২৯১ * যখন একজন পুরুষ কোনো নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয় তখন যৌন উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা তার ক্ষমতা বাড়ায় না বরং তাকে স্থবির করে দেয়। মামলার ভয় কেবল সেই স্থবিরতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। বিদ্রূপের বিষয় হলো পরিস্থিতি যত বিপজ্জনক হয় ‘নোংরা কৌতুক বলা’ ততটাই পরিস্থিতি বোঝার উপায় হিসেবে কাজ করে: যদি সে হাসে তবে হয়তো সে আগ্রহী; যদি সে বিরক্ত হয় তবে হয়তো সে আগ্রহী নয়। সে অনেক বেশি শক্তিশালী বোধ করত যদি নারীটি নিজে পরিস্থিতি বোঝার দায়িত্ব নিত। ** পৃষ্ঠা ২৯৪ * যদি একজন নারী কর্মী বিরক্ত বোধ করেন তবে তার বসের ইচ্ছা থাকে যে তিনি তাকে সেটা বলুক, মামলা না করুক। ** পৃষ্ঠা ২৯৪ * হেজিং হলো দলের কাছে নিজেকে সমর্পণ করার পরীক্ষা এবং প্রশিক্ষণ উভয়ই। ** পৃষ্ঠা ২৯৫ * যদি কোনো নারীকে এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে না হয় তবে তাকে আসলে যাচাই করা হচ্ছে না; তাই তাকে বিশ্বাসও করা হচ্ছে না। ** পৃষ্ঠা ২৯৫ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইন প্রায়ই একটি প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করে যা নারীকে শিশুর মতো করে উপস্থাপন করে। ** পৃষ্ঠা ২৯৭ * কর্মক্ষেত্রে আসলে সাত ধরনের যৌন মিথস্ক্রিয়া ঘটে... যৌন ব্ল্যাকমেইল। একজন বস কোনো কর্মীকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য হুমকি দেয় অন্যথায় তাকে বরখাস্ত করা হবে... যৌন ঘুষ। একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যৌনতার বিনিময়ে পদোন্নতির প্রতিশ্রুতি দেয়। এটি স্পষ্ট বা পরোক্ষ হতে পারে... কর্মক্ষেত্রের বেশ্যাবৃত্তি। পদোন্নতির বিনিময়ে একজন কর্মী যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে; একজন বিক্রয়কর্মী কোনো পণ্য বিক্রির জন্য যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে। যৌনতা দেওয়া হতে পারে বা কেবল প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতে পারে... কর্মক্ষেত্রের ইনসেস্ট। কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক। কর্মক্ষেত্রে পরিবারের মতো ক্ষমতার স্তর থাকে যা যৌন সম্পর্কের ফলে অস্পষ্ট হয়ে যায়... যৌন হয়রানি। একজন কর্মী ‘না’ বলার পরেও কর্মক্ষেত্রে বারবার যৌন প্রস্তাব দেওয়া... কর্মক্ষেত্রে ফ্লার্টেশন। ইঙ্গিতপূর্ণ পোশাক, চোখে চোখে কথা বলা, স্পর্শ এবং চোখের সংকেতের সমন্বয়... কর্মক্ষেত্রের পর্নোগ্রাফি। গ্রুপে পিনআপ ছবি, অশ্লীল কৌতুক এবং যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলা... ** পৃষ্ঠা ২৯৭-৯ * সমাধান: (...) অন্য লিঙ্গের ভালো উদ্দেশ্য বোঝার চেষ্টা করুন। ** পৃষ্ঠা ৩০৬ * আদি নারীবাদীরা এটি বুঝতে পেরেছিলেন: তারা সুরক্ষামূলক আইনের কট্টর বিরোধী ছিলেন। তারা জানতেন যতক্ষণ রাজকন্যাকে একটি মটরশুঁটি থেকে রক্ষা করা হবে ততক্ষণ নারীরা সমতা থেকে বঞ্চিত হবে। আধুনিক দিনের নারীদের জন্য সেই ‘মটরশুঁটি’ হলো কর্মক্ষেত্রের কঠিন পরিস্থিতি। আজকের নারীবাদীরা যখন সুরক্ষামূলক আইনের সমর্থক হন তখন তারা আসলে সমতার বিরোধিতা করেন। যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইন লিঙ্গবৈষম্যমূলক কারণ এটি যৌন মিলনের খেলায় কেবল পুরুষকেই পুরুষালি ভূমিকার জন্য দায়ী করে। ** পৃষ্ঠা ৩০৭ * মিথ। ধর্ষণ হলো পুরুষদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ। সত্য। একজন শ্বেতাঙ্গ পুরুষের তুলনায় একজন কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষের ধর্ষক হিসেবে অভিযুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তিন গুণ বেশি। কৃষ্ণাঙ্গদের কি হঠাৎ করে বেশি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা হয়ে গেছে? সম্ভবত ধর্ষণ ক্ষমতা থেকে আসে না বরং ক্ষমতার অভাব থেকে আসে। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * এটিও সম্ভব যে একজন নারী কোনো পুরুষের ঘরে গেল এবং তাকে বলল যে সে শারীরিক সম্পর্ক করতে চায় না এবং সে এটি বিশ্বাসও করে। কিন্তু পরে চুম্বন শুরু হলে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়ে যায় এবং সকালে সে অনুতাপ করে। কীভাবে? চুম্বন হলো পটেটো চিপস খাওয়ার মতো। আমরা বোঝার আগেই যতটুকু বলেছিলাম তার চেয়ে বেশি করে ফেলি। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * ধর্ষণের ক্ষেত্রে যৌন আকর্ষণের ভূমিকা অস্বীকার করা মানে নারীর যৌন সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষদের আসক্তিকে শক্তিশালী করার এবং পরে সেই আসক্তি থেকে তাদের বঞ্চিত করার জন্য আমাদের দায়িত্বকে অস্বীকার করা। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * যৌন আচরণের প্রতিটি বিচারের সমস্যা হলো এটি এমন সব মানুষ করে যারা বিচারের সময় উত্তেজিত অবস্থায় থাকে না। একজন জুরি যখন একটি শান্ত আদালতে একজন নারীকে দেখে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করে যে সে কী চেয়েছিল এবং ধরে নেয় যে বাকি যা কিছু ঘটেছে তার সব দায় পুরুষের, তবে এটি কেবল সেই নারীকেই নয় বরং যৌনতার শক্তিকেও অপমান করা। ** পৃষ্ঠা ৩১২ * একজন নারীর ইচ্ছার চেয়ে বেশি যৌন সম্পর্ক করার পর কোনো পুরুষের বিরুদ্ধে মামলা করা অনেকটা পটেটো চিপস বেশি খাওয়ার জন্য চিপস কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করার মতো। সংক্ষেপে ডেট রেপ একটি অপরাধ, একটি ভুল বোঝাবুঝি অথবা পরে অনুশোচনা হওয়ার মতো বিষয় হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩১২ * ডেট রেপ শব্দটি যখন নারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে নাটকীয় দিকটি বোঝাতে সাহায্য করেছে, পুরুষদের কাছে তেমন কোনো শব্দ নেই যা তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে যন্ত্রণাদায়ক দিকটি বোঝাতে পারে। অবশ্যই এখন সবচাইতে যন্ত্রণাদায়ক দিকটি হলো এমন একজন নারীর মাধ্যমে ডেট রেপের অভিযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা যাকে সে ভালোবাসত। যদি পুরুষেরা তাদের চিরাচরিত ভূমিকার খারাপ দিকগুলোকে চিহ্নিত করত তবে তারা সেগুলোকে “ডেট ডাকাতি”, “ডেট প্রত্যাখ্যান”, “ডেট দায়িত্ব”, “ডেট জালিয়াতি” এবং “ডেট মিথ্যাচার” বলতে পারত। ** পৃষ্ঠা ৩১৩ * অনেক পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে খারাপ দিকটি হলো এটি কীভাবে তার কাছে সামাজিক নিয়মের মাধ্যমে ডাকাতির মতো মনে হতে পারে—যেখানে সে পকেট থেকে টাকা বের করে তাকে দেয় এবং একে ডেট বলে। একজন তরুণের কাছে সবচাইতে খারাপ ডেট হলো লুণ্ঠিত এবং প্রত্যাখ্যাত হওয়ার মতো। ছেলেরা প্রত্যাখ্যান এড়াতে মৃত্যুর ঝুঁকি পর্যন্ত নেয় (যেমন সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া)। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * প্রত্যাখ্যাত হওয়ার জন্য টাকা খরচ করার একটি বিকেল বা সন্ধ্যা কোনো পুরুষের কাছে ডেট রেপের পুরুষ সংস্করণ মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * যদি কোনো পুরুষের নারীর মৌখিক “না”-কে উপেক্ষা করা ডেট রেপ হয় তবে যে নারী মুখে “না” বললেও শারীরিক ভাষায় “হ্যাঁ” বলে সে ডেট জালিয়াতি করছে। আর যে নারী “না” বলার পরেও যৌন সম্পর্ক চালিয়ে যায় সে ডেট মিথ্যাচার করছে। নারীরা কি এখনো এটি করে? দুই জন নারীবাদী গবেষণায় দেখেছেন যে উত্তরটি হলো হ্যাঁ। প্রায় ৪০ শতাংশ কলেজ ছাত্রী স্বীকার করেছেন যে তারা যৌনতার ক্ষেত্রে “না” বলেছিলেন এমনকি “যখন তারা মনে মনে হ্যাঁ চেয়েছিলেন”। দেড় লক্ষাধিক পুরুষ ও নারীর সাথে আমার নিজের কাজেও উত্তরটি হ্যাঁ। প্রায় সব অবিবাহিত নারী স্বীকার করেছেন যে তারা কোনো ছেলের জায়গায় “কেবল কথা বলতে” যেতে রাজি হয়েছেন কিন্তু তবুও তার প্রথম চুম্বনে সাড়া দিয়েছেন। প্রায় সবাই স্বীকার করেছেন যে তারা সম্প্রতি এমন কথা বলেছেন যে ‘আজ এই পর্যন্তই থাক’, যদিও তখনো তারা চুম্বন করছিলেন। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * আমরা ভুলে গেছি যে একে ডেট রেপ এবং ডেট জালিয়াতি বলার আগে আমরা একে উত্তেজনাপূর্ণ বলতাম। ** পৃষ্ঠা ৩১৪-৩১৫ * কোনোভাবেই নারীদের রোমান্স উপন্যাসের শিরোনাম ‘আমি যখন না বললাম সে তখন থেমে গেল’ এমন হয় না। সেগুলোর শিরোনাম হয় ‘সুইট স্যাভেজ লাভ’ যেখানে নারী সেই নম্র প্রেমিকের হাত প্রত্যাখ্যান করে যে তাকে ধর্ষকের হাত থেকে বাঁচায় এবং সেই পুরুষকে বিয়ে করে যে তাকে বারবার এবং পাশবিক ভাবে ধর্ষণ করে। এই “ধর্ষককে বিয়ে করার” থিমটিই ‘সুইট স্যাভেজ লাভ’ উপন্যাসকে কেবল একটি সেরা বই নয় বরং নারীদের সবচাইতে জনপ্রিয় রোমান্স উপন্যাসে পরিণত করেছে। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে একজন নারীর “না”-গুলোকে সম্মান করা হোক এবং তার “হ্যাঁ”-গুলোকেও সম্মান করা হোক। আর এটিও গুরুত্বপূর্ণ যে যখন তার শারীরিক “হ্যাঁ”-গুলো (জিহ্বার স্পর্শ বজায় থাকা) মৌখিক “না”-গুলোর সাথে সংঘর্ষ হয় তখন “না”-এর চেয়ে “হ্যাঁ” বেছে নেওয়ার জন্য পুরুষটিকে যেন জেলে না যেতে হয়। সে হয়তো কেবল তার কল্পনা পূরণ করার চেষ্টা করছিল। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * আমরা প্রায়ই শুনি “ধর্ষণ তো ধর্ষণই, তাই না?” না। ছুরির মুখে কোনো অপরিচিত ব্যক্তির কোনো নারীর ওপর চড়াও হওয়া আর মাতাল অবস্থায় কোনো পুরুষ ও নারীর যৌন সম্পর্ক করার পর সকালে অনুতাপ করা এক বিষয় নয়। পার্থক্য কী? একজন নারী যখন ডেটে যেতে রাজি হয় তখন সে যৌন সম্পর্কের সিদ্ধান্ত নেয় না ঠিকই কিন্তু সে যৌন সম্ভাবনার পথ খোলার সিদ্ধান্ত নেয়। কোনো অপরিচিত বা পরিচিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে নারী এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * ধর্ষণের ব্যাপক সংজ্ঞাসহ আইনগুলো অনেকটা পুরুষদের জন্য ঘণ্টায় ৫৫ মাইল গতির সীমা আর নারীদের জন্য কোনো গতির সীমা না রাখার মতো। ** পৃষ্ঠা ৩১৭ * বিদ্রূপের বিষয়: মদ্যপান করে গাড়ি চালানোর জন্য যখন আমরা মানুষকে ক্রমেই বেশি দায়ী করছি, তখন মদ্যপান করে যৌন সম্পর্ক করার জন্য আমরা নারীদের ক্রমেই কম দায়ী করছি। ** পৃষ্ঠা ৩২০ * যৌনতার ক্ষেত্রে অবশ্যই দুই লিঙ্গ সমান নয়। এটি মূলত নারীর অধিকতর যৌন ক্ষমতা যা একজন পুরুষকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার এতটাই ভীত করে তোলে যে সে তার ভয় কমাতে মদ্যপান করে। আসলে নারীর যৌন ক্ষমতা প্রায়ই পুরুষকে মদ্যপানের দিকে নিয়ে যায় কিন্তু পুরুষের যৌন ক্ষমতা খুব কমই নারীকে মদ্যপানের দিকে নিয়ে যায়। যদি তার ওপর নারীর ক্ষমতার কোনো প্রমাণ থাকে তবে সেটি হলো কোনো বিনিময় ছাড়াই তাকে নারীর জন্য পানীয় কিনতে টাকা খরচ করতে হয়। পুরুষরাই—নারীদের চেয়ে অনেক বেশি—মানসিক সক্ষমতা হারায় যখন তারা একজন সুন্দরী নারীর “প্রভাবে” থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩২০ * যতক্ষণ সমাজ পুরুষদের যৌনতার বিক্রেতা হতে বলে ততক্ষণ সমাজ যদি কেবল পুরুষদের জেলে পাঠায় যখন তারা ভালোভাবে বিক্রি করে তবে তা লিঙ্গবৈষম্যমূলক। আমরা অন্যান্য বিক্রেতাদের ক্লায়েন্টকে পানীয় খাওয়ানোর জন্য বা সফলভাবে “না”-কে “হয়তো”-তে এবং পরে “হ্যাঁ”-তে রূপান্তর করার জন্য জেলে পাঠাই না। যদি ক্লায়েন্ট অতিরিক্ত মদ্যপানের সিদ্ধান্ত নেয় এবং “হ্যাঁ” বলাটা তার ভুল সিদ্ধান্ত হয় তবে ক্লায়েন্টকেই বরখাস্ত করা হয়, বিক্রেতাকে নয়। ** পৃষ্ঠা ৩২১ * প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের মাধ্যমে পুরুষদের সবচাইতে বেশি ধর্ষিত হওয়ার উপায় হলো “জন্ম নিয়ন্ত্রণ ধর্ষণ”। ** পৃষ্ঠা ৩৩৫ * পুরুষদের অধিকাংশ ধর্ষণ কারাগারেই ঘটে। কিন্তু কারাগারের বাইরেও প্রায় ৯ শতাংশ নথিভুক্ত ধর্ষণ পুরুষদের বিরুদ্ধে হয়ে থাকে (সম্ভবত বেশিরভাগই পুরুষদের দ্বারা করা তবে কেউ নিশ্চিত নয়)। কারাগারের বাইরে ধর্ষণ পুরুষদের জন্য ঠিক তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমনটা নারীদের জন্য এইডস—এইডসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের প্রায় ১০ শতাংশ নারী। আমরা কি পুরুষদের ধর্ষিত হওয়া সম্পর্কে বেশি শুনি নাকি নারীদের এইডস হওয়া সম্পর্কে? ** পৃষ্ঠা ৩৩৫ * আমরা এখনো বুঝি না যে যখন আমরা পুরুষদের অবহেলা করি তখন আমরা নারীদের ধর্ষণ করি। ** পৃষ্ঠা ৩৩৬ * মিস জরিপ একে ধর্ষণ বলতে পারে; একজন সম্পর্ক বিষয়ক পরামর্শদাতা একে একটি সম্পর্ক বলবে। দাম্পত্য ধর্ষণের আইন হলো ব্ল্যাকমেইল হওয়ার অপেক্ষায় থাকা একটি সুযোগ। ** পৃষ্ঠা ৩৩৮ * এই সবকিছুর সমাধান অপরাধী সাব্যস্ত করা নয় বরং সামাজিকীকরণ পরিবর্তন করা। ** পৃষ্ঠা ৩৪০ * যদি আইন আমাদের “হ্যাঁ” এবং “না”-কে শাসন করার চেষ্টা করে তবে এটি “দা স্ট্রেইটজ্যাকেট জেনারেশন” তৈরি করবে—এমন এক প্রজন্ম যারা ফ্লার্ট করতে ভয় পাবে এবং আদালতে নিজেদের প্রেমের চিঠি খুঁজে পাওয়ার ভয়ে ভীত থাকবে। ডেট রেপ সংক্রান্ত আইন প্রেম নিবেদন বা কোর্টশিপের পথ বন্ধ করে দিয়ে আদালতে মামলা করার পথ তৈরি করবে। নারীদের ক্ষমতায়ন ডেট রেপ থেকে সুরক্ষার মধ্যে নেই বরং উভয় লিঙ্গকে ডেটের উদ্যোগ এবং খরচ ভাগ করে নেওয়ার সামাজিকীকরণের মধ্যে রয়েছে যাতে ডেট রেপ এবং ডেট জালিয়াতি উভয়ই কমে যায়। যখন পুরুষেরা দ্রুত উদ্যোগ নেয় না তখন তাদের “কাপুরুষ” বলে, যখন নেয় তখন “ধর্ষক” বলে এবং যখন তারা এটি ভুলভাবে করে তখন তাদের “ছোটলোক” বলে আমরা ডেট রেপ বন্ধ করতে পারি না। আমরা যদি কেবল পুরুষদের ওপর ভালো ফল করার চাপ বাড়াই তবে এটি পুরুষদের নারীদের বস্তু হিসেবে দেখার প্রয়োজনীয়তাকে আরও বাড়িয়ে দেবে—যা আরও ধর্ষণের দিকে নিয়ে যাবে। পুরুষেরা ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের ধর্ষক হবে যতক্ষণ পুরুষেরা আমাদের উদ্যোগ গ্রহণকারী হবে... ডেট রেপ সংক্রান্ত আইনগুলো ডেট ঘৃণা করার একটি পরিবেশ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ৩৪০ * বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকার নারীদের জন্য এমন কিছু করেছে যা শ্রমিক ইউনিয়নগুলো এখনো পুরুষদের জন্য করতে পারেনি। আর পুরুষেরা শ্রমিক ইউনিয়নের জন্য চাঁদা দেয়; করদাতারা নারীবাদের জন্য চাঁদা দেয়। নারীবাদ এবং সরকার খুব দ্রুতই করদাতা সমর্থিত নারী ইউনিয়নে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৪৪ * নিয়োগকর্তারা নিয়োগ এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে লিঙ্গবৈষম্য করতে বাধা পায় না। ** পৃষ্ঠা ৩৪৪ * আমরা বন্য ভালুক এবং ডলফিনকে ‘ফ্রি’ খাবার দেওয়া নিষিদ্ধ করেছি কারণ আমরা জানি যে এমন খাবার তাদের নির্ভরশীল করে তুলবে এবং তাদের বিলুপ্তির দিকে নিয়ে যাবে। কিন্তু যখন আমাদের নিজেদের প্রজাতির কথা আসে তখন আমরা স্বল্পমেয়াদী দয়া এবং দীর্ঘমেয়াদী নিষ্ঠুরতার মধ্যে সম্পর্ক দেখতে পাই না; আমরা নারীদের বেশি সন্তান নেওয়ার জন্য টাকা দিই যা তাদের প্রতিটি সন্তানের সাথে আরও নির্ভরশীল করে তোলে এবং তাদের নিজেদের জন্য লড়াই করার ক্ষমতা তৈরিতে নিরুৎসাহিত করে। নারীদের বিরুদ্ধে আসল বৈষম্য হলো এই ‘ফ্রি ফিডিং’। ** পৃষ্ঠা ৩৪৬ * অনেক কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ চলে যায় কারণ তারা আর্থিকভাবে দায়িত্বশীল—মানসিকভাবে দায়িত্বহীন হওয়ার কারণে নয়। ** পৃষ্ঠা ৩৪৮ * যখন সরকারি ভর্তুকি কোনো শিশুকে তার বাবার সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত করে তখন সরকার আসলে শিশু নির্যাতনকেই সহায়তা করছে। ** পৃষ্ঠা ৩৪৮ * যদি কেউ কোনো নোংরা কৌতুক বলে তবে তার বিরুদ্ধে ‘প্রতিকূল পরিবেশের’ অভিযোগ এনে কোনো কোম্পানিকে মামলা করার প্রশিক্ষণ দিয়ে আমরা আসলে নারীদের বিকল্প স্বামী বা বাবার কাছে অর্থাৎ সরকারের কাছে দৌড়াতে শেখাচ্ছি। এটি কোম্পানিগুলোকে নারীদের ভয় পেতে শেখায় কিন্তু সম্মান করতে শেখায় না। কর্মক্ষেত্রে সফল হওয়ার জন্য আমরা নারীদের যে সেরা প্রস্তুতি দিতে পারি তা হলো মামলা করার চেয়ে বাধাগুলো অতিক্রম করার শক্তি দেওয়া: সফল মানুষেরা মামলা করে না তারা সফল হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫১ ==== চতুর্থ খণ্ড: এখান থেকে আমরা কোথায় যাব ==== * আদর্শগতভাবে কেবল একটি পুরুষ আন্দোলন না হয়ে বরং একটি লিঙ্গ পরিবর্তনকালীন আন্দোলন হওয়া উচিত; শুধুমাত্র নারী আন্দোলনের প্রভাবই একটি পুরুষ আন্দোলনের সাময়িক প্রয়োজনীয়তা তৈরি করে। এবং এটি পুরুষদের জন্য একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ তৈরি করে: খুব কম রাজনৈতিক আন্দোলনই সুস্থ মানুষদের দিয়ে গঠিত হয়, তবুও রাজনৈতিক আন্দোলন ছাড়া খুব কমই ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে। ** পৃষ্ঠা ৩৫৬ * পুরুষদের ক্ষেত্রে আমরা ভুক্তভোগীকেই দোষারোপ করি। আমরা পুরুষদের দোষ দিই কারণ আমরা তাদের নিপীড়নকারী হতে শিখিয়ে পুরুষদের ভুক্তভোগী হওয়ার বিষয়টি আড়াল করেছি। পুরুষদের নিপীড়নকারী পরিচয় তাদের ভুক্তভোগী পরিচয়কে আড়াল করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫৭ * কাঠামো, (...) * নারীর সৌন্দর্য এবং যৌনতার প্রতি আসক্তি; * সুন্দরী নারী এবং তার সাথে যৌনতা থেকে বঞ্চিত হওয়া যতক্ষণ না পুরুষ তার বিনিময়ে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিচ্ছে; (...) ** পৃষ্ঠা ৩৫৮ * মানুষ সাধারণত নিজেদের স্বীকার করে নেওয়ার মাধ্যমেই পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু করে। এভাবেই কৃষ্ণাঙ্গরা তাদের গর্ব প্রকাশ করেছিল এবং বলেছিল যে কালো মানেই সুন্দর; নারীরা ঘোষণা করেছিল “আমি নারী, আমি শক্তিশালী”; আর পুরুষেরা বলছে “আমি পুরুষ, আমি ঠিক আছি”। পঁচিশ বছর ধরে পুরুষদের অপদস্থ করার পর এটি মন্দ শুরু নয়। ** পৃষ্ঠা ৩৬১ === জোনাথন রবিনসনের নেওয়া সাক্ষাৎকার (১৯৯৪) === <small>জোনাথন রবিনসনের ''ব্রিজেস টু হেভেন: হাউ ওয়েল-নোন সিকারস ডিফাইন অ্যান্ড ডিপেন দেয়ার কানেকশন উইথ গড'' (ওয়ালপোল, এনএইচ: স্টিলপয়েন্ট, ১৯৯৪) থেকে নেওয়া; এটি বিভিন্ন 'সিকার' সাক্ষাৎকারের একটি সংকলন।</small> * আমি যখন খাবার খাই তখন আমি সেই সব মানুষের কথা ভাবি যাদের পরিশ্রম আমার পুষ্টির যোগান দিয়েছে। এই ভাবনাটি আমার কৃতজ্ঞতাবোধকে বাড়িয়ে দেয়। আমি আশা করি এটি আপনাকেও পুষ্ট করবে। * একইসাথে সসীম এবং অসীম, অনেক কিছু আবার খুব সামান্য, সচেতন হয়েও নেহাতই আকস্মিক হওয়ার এই রহস্য আমাকে অবাক করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৪৬-৪৭ * আমার কাছে আমি যা জানি না তার বিশালতাই হলো ঈশ্বরকে অনুভব করার একটি পথ। এটি আমার মধ্যে নম্রতা এবং কৃতজ্ঞতার জন্ম দেয়। ** পৃষ্ঠা ৪৭ * আমি যখন অনেক ভালোবাসা পাই অথবা যখন মানুষকে লালন করি ও সাহায্য করি তখন আমার অভিজ্ঞতা আরও গভীর হয়। আমি এক বৃহত্তর উদ্দেশ্য এবং অর্থের সাথে যুক্ত বোধ করি। ** পৃষ্ঠা ৭১ * যখন আমি মানুষকে তাদের সেরাটা অর্জন করতে সাহায্য করার সেই বৃহত্তর বোধ হারিয়ে ফেলি তখন আমার ভেতরের ঈশ্বরের সাথে যোগাযোগ কমে যায়। ** পৃষ্ঠা ১০১ * ইতিহাসে এই প্রথম আমরা এত উচ্চ পর্যায়ের বিলাসিতা উপভোগ করছি। তাই ঈশ্বরকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * নিজেদের সচেতন সত্তার যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে আমরা নিজেদের পাশাপাশি অন্যদের শান্তি বজায় রাখতেও অবদান রাখি। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * আমার বাবা-মা যদি এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ আগেও বা পরেও মিলিত হতেন তবে আমার অস্তিত্ব থাকত না। কেবল জীবন পাওয়াটাই কত বড় এক অলৌকিক ঘটনা। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * মাঝে মাঝে যখন আমি আমার অতীতের দিকে ফিরে তাকাই তখন আমার মনে হয় যে আমি যা কিছুর মধ্য দিয়ে গিয়েছি তা আমাকে বর্তমান কাজের জন্য উপযুক্ত করে তৈরি করেছে। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমার কাছে ঈশ্বর হলো সারা জীবনে সঞ্চিত আমার সমস্ত জ্ঞান। আমি যখন মনোযোগ দিই তখন আমার শরীরই সেই জ্ঞানের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। ** পৃষ্ঠা ১৮৩ === ''উইমেন কান্ট হিয়ার হোয়াট মেন ডোন্ট সে'' (২০০০) === * তিরিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে কর্মশালা পরিচালনা করার অভিজ্ঞতায় কেউ কখনো আমাকে বলেনি, “ওয়ারেন, আমি বিচ্ছেদ চাই—আমার সঙ্গী আমাকে বোঝে।” ** পৃষ্ঠা ১৫ * একজন পুরুষ তার অনুভূতি প্রকাশ করে নয় বরং অনুভূতি দমন করার মাধ্যমেই সফল হয়। ** পৃষ্ঠা ১৬ * কোনো লিঙ্গ যখন তার অনুভূতি প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকে তার কারণ প্রায় সব সময়ই হলো তারা মনে করে না যে সেখানে অনুভূতি প্রকাশের মতো কোনো নিরাপদ পরিবেশ আছে। ** পৃষ্ঠা ১৬ * একজন পুরুষ ভয় পায় যে তার স্ত্রীর সাথে বিবাদ অন্তরঙ্গতা বাড়ানোর বদলে বরং তা কমিয়ে দেবে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * আমাদের সঙ্গী নির্বাচন সম্ভবত আমাদের জীবনদর্শনের সবচাইতে স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। তাই যখন আমরা কোনো কিছুর জন্য আমাদের সঙ্গীকে দোষ দিই, তখন আসলে আমাদের নিজেদেরই মুখোমুখি হওয়া উচিত। তা এই ভেবে নয় যে “হ্যাঁ, আমি ভুল নির্বাচন করেছি,” বরং এই ভেবে যে “এই নির্বাচন আমার মূল্যবোধকে কীভাবে প্রতিফলিত করছে?” ** পৃষ্ঠা ১৭ * পুরুষদের অনুভূতি প্রকাশে সহায়তা করার বিষয়ে যদি আমরা সত্যিই আন্তরিক হই তবে নারী-পুরুষের মধ্যকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এবং দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রশ্ন করা এবং পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮ * মানুষ গত ১০,০০০ বছরেরও বেশি সময় ব্যয় করেছে অন্য পক্ষের সাথে লড়াই এবং বিতর্ক করতে শিখতে কিন্তু একে অপরের কথা শুনতে বা সহানুভূতি প্রকাশ করতে শেখার জন্য প্রায় কোনো সময়ই ব্যয় করেনি। ** পৃষ্ঠা ১৮ * সত্য হলো যে রাগ প্রকাশ করতে এবং সমালোচিত হতে সবাই অস্বস্তি বোধ করে। রাগ এবং সমালোচনা প্রত্যাখ্যানের জন্ম দেয়। আর সবাই প্রত্যাখ্যানকে ঘৃণা করে। ** পৃষ্ঠা ২১ * যখন একজন নারী ভয় প্রকাশ করে তখন আমরা তাকে তার দায়িত্ব থেকে মুক্তি না দিয়ে আশ্বস্ত করতে পারি না; কিন্তু যখন আমরা পুরুষের সেই একই আবেগকেই রাগ হিসেবে দেখি তখন আমরা তাকে দোষারোপ করতে চাই এবং চাই সে যেন নিজের দায়িত্ব স্বীকার করে। আমরা তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চাই আর তাকে দোষী সাব্যস্ত করতে চাই। ** পৃষ্ঠা ২২ * আমরা অনুমোদন বা প্রশংসা প্রত্যাশীদের উত্তরসূরি। আমরা প্রশংসা পেতে এতটাই মরিয়া যে আমরা কখনো সবার সাথে মিশে গিয়ে তা পাওয়ার চেষ্টা করি আবার কখনো সবার চেয়ে আলাদা বা শ্রেষ্ঠ হয়ে তা পাওয়ার চেষ্টা করি। ** পৃষ্ঠা ২৪ * কথার চেয়ে কণ্ঠস্বরের ভঙ্গি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ২৫ * যদি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি সঙ্গীর ভালো উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করে তবে সাধারণত তা পাওয়া যায়। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যেকোনো পুরুষ যে দলগত খেলা খেলেছে সে “টিম স্পোর্ট এমপ্যাথি” নামক একটি দক্ষতা অনুশীলন করেছে: সে অন্য দলের পদক্ষেপগুলো অনুমান করার চর্চা করেছে। তার মানে হলো পরিস্থিতিকে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বোঝার চেষ্টা করা। ** পৃষ্ঠা ৩২ * নারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া পুরুষত্বেরই একটি বৈশিষ্ট্য। পুরুষেরা যখন রক্ষকের ভূমিকা পালন করে তখন তারা একজন নারীকে দুঃখ বা যন্ত্রণা থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। যদি তারা সেই দুঃখ বা যন্ত্রণার সামান্য আভাসও না পায় তবে তারা জানবে না কখন রক্ষা করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * সঙ্গীর সাথে দ্বিমত হওয়ার মুহূর্তে আমাদের অধিকাংশের মাথায় এটা আসে না যে আমাদের সঙ্গীর ইতিবাচক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলোর প্রশংসা করার জন্য সময় নেওয়া উচিত যা এমনকি সেই অবস্থানেও প্রতিফলিত হয় যার সাথে আমরা একমত নই। যখন আমরা তা করি তখন আমাদের সঙ্গী জানতে পারে যে সে যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন তাদের চরিত্রের প্রতি আমাদের বিশ্বাস কখনোই প্রশ্নবিদ্ধ হবে না। এটি প্রতিটি মতভেদকে ভালোবাসার একটি সম্ভাব্য উপহারে পরিণত করে। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * যখন আমরা কাউকে বিশ্বাস করি তখন আমরা বিনিময়ে বিশ্বাস পাই। আর যারা আমাদের বিশ্বাস করে তারা আমাদের প্রতি মনোযোগী হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * কোন বয়সে একটি শিশুকে সমালোচনা করা এবং গ্রহণ করার আরও ভালো উপায়গুলো শেখানো উচিত—যাকে আমি “সম্পর্কের ভাষা” বলি? স্কুল বয়সের আগেই। এর সেরা শিক্ষক কে? মা-বাবা। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * স্কুলগুলো বর্তমানে শিশুদের মতামত প্রকাশে উৎসাহিত করতে দক্ষ হলেও উদাহরণস্বরূপ, “ওহ, এটা তো আমার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আলাদা—আমাকে আরও বলো” এই ধরণের কথা বলতে উৎসাহিত করতে ব্যর্থ। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * শিশুদের কথা শুনতে না শিখিয়ে কেবল বিতর্ক করতে শেখানো হলো বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * যোগাযোগের সবচাইতে কঠিন অংশ হলো সমালোচনা শোনা যাতে তা সহজেই দেওয়া যায়। ** পৃষ্ঠা ৩৮ * আমরা সবাই কথা বলতে পারদর্শী কিন্তু শুনতে গেলে প্রতিবন্ধী। ** পৃষ্ঠা ৪০ * যেকোনো সমালোচনার প্রথম সহজাত প্রতিক্রিয়া হলো আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া। (প্রতিক্রিয়া যত দ্রুত হয় তা তত বেশি আত্মরক্ষামূলক হয়।) ** পৃষ্ঠা ৪০ * সমালোচনার বিপরীতে সকল আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিক। (অন্যের দৃষ্টিভঙ্গির আগে নিজের কথা চিন্তা করাটাই স্বাভাবিক।) ** পৃষ্ঠা ৪০ * সমালোচনাকারীকে থামিয়ে দেওয়া আমাদের বিবর্তনীয় অতীতের অংশ; সমালোচনার জবাবে মনোযোগ দিয়ে শোনা আমাদের বিবর্তনীয় ভবিষ্যতের অংশ। ** পৃষ্ঠা ৪১ * সমালোচনার জবাবে মনোযোগ দিয়ে শোনা আমাদের অভ্যন্তরীণ মনস্তত্ত্বের এমন একটি পরিবর্তন নির্দেশ করে যা সম্ভবত মানুষের করা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিবর্তনীয় পরিবর্তন। ** পৃষ্ঠা ৪১ * শোনা হলো অন্যদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নিজের ক্ষমতায়ন। ** পৃষ্ঠা ৪১ * পুরুষদের সাহায্যের প্রয়োজন নেই—এই বিশ্বাসটিই হলো সমস্যার একটি অংশ। * পুরুষেরা এখনো নারীদের পরিবর্তনের রক্ষক হিসেবে ভূমিকা পালন করছে এবং উভয় লিঙ্গই কেবল পুরুষদের কাছ থেকে নিজেদের পরিবর্তনগুলো নিজেরাই করার প্রত্যাশা করে। * পুরুষদের অনুভূতি প্রকাশে সাহায্য করার শুরুটা হয় পুরুষেরা কেন সেগুলো প্রকাশ করে না তা বোঝার মাধ্যমে। * অন্যদের জন্য কীভাবে আরও ভালো কাজ করা যায় সে সম্পর্কে নির্দেশনা দেওয়া আর জীবন নিয়ে নিজের অনুভূতি বা সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। * পুরুষদের দায়িত্বের ধরণ তাদের অনুভূতি থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে যেখানে নারীদের দায়িত্বের ধরণ অনুভূতি প্রকাশে উৎসাহিত করেছে। * পুরুষদের উপার্জিত অর্থ নারীদের ভালোবাসা এবং লালন করতে এবং একে অপরের সাথে যুক্ত থাকতে সাহায্য করেছে যাতে তারা লালনকারী হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে পুরুষেরা সেই অর্থ পেয়েছে এক ধরণের খুনি-রক্ষক হওয়ার বিনিময়ে। তারা একজন ‘হিউম্যান ডুইং’ (একজন ক্যাপ্টেন বা কয়লা খনি শ্রমিক) হয়ে ওঠার মাধ্যমে পারিশ্রমিক পেয়েছে, ‘হিউম্যান বিয়িং’ (সুখী বা দুঃখী অনুভব করতে পারা একজন মানুষ) হিসেবে নয়। * যেসব সমাজের পুরুষেরা যুদ্ধে নিজেদের উৎসর্গ করতে রাজি ছিল না সেই সমাজগুলো সাধারণত ধ্বংস হয়ে গেছে। সমাজগুলো খুনিদের মাধ্যমেই সুরক্ষিত ছিল, আর এ কারণেই আমি পুরুষদের প্রথাগত ভূমিকাকে খুনি-রক্ষক ভূমিকা বলি। * পুরুষদের ভয় এবং দুর্বলতার অনুভূতি প্রকাশ করা থেকে বিরত রাখার ক্ষেত্রে উভয় লিঙ্গেরই একটি অবচেতন স্বার্থ কাজ করত। * কোনো উপকথাই তার সন্তানদের শোনায় না যে সুন্দরী রাজকন্যারা বিবেকবান যুদ্ধ-বিরোধীদের প্রেমে পড়ছে। * যদি আমরা পুরুষদের অনুভূতি দমন করতে শিখিয়ে তার বদলে একজন ক্যাপ্টেন হওয়ার জন্য পুরস্কৃত করি তবে সে আমাদের রক্ষার জন্য মরতে রাজি হতে পারে; যদি আমরা তাকে একটি কয়লা খনিতে কাজ করার বিনিময়ে পরিবার চালানোর মতো যথেষ্ট অর্থ দিই তবে সে আমাদের উষ্ণ রাখার জন্য অকালে মরতে রাজি হতে পারে। কিন্তু এই সবকিছুর জন্য তাকে তার অনুভূতি বিসর্জন দিতে হয়েছে—যা একজন মানুষ হিসেবে তার ক্ষমতা—এবং তার বদলে তাকে ‘হিউম্যান ডুইং’ হিসেবে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে: অর্থাৎ অন্য কেউ খরচ করবে এমন অর্থ উপার্জনের দায়িত্ব নিয়ে নিজে অকালে মৃত্যুবরণ করা। * একজন ‘হিউম্যান ডুইং’ হয়ে ওঠা ছিল সমাজের ঠিক যা প্রয়োজন। কিন্তু একজন ব্যক্তি হিসেবে পুরুষের জন্য ‘হিউম্যান ডুইং’ হয়ে ওঠা ছিল তার নিজের সত্তাকে ধ্বংস করার নামান্তর। * এই সব কিছুই পুরুষদের জিনগত ঐতিহ্য। তবে পুরুষদের জিনগত ঐতিহ্য তাদের জিনগত ভবিষ্যতের সাথে সাংঘর্ষিক। * অতীতে পুরুষদের সেরা খুনি-রক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা ‘যোগ্যতমের’ টিকে থাকার দিকে নিয়ে যেত। ভবিষ্যতে পারমাণবিক প্রযুক্তির এই যুগে খুনিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া সবাইকে ধ্বংস করার দিকে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। * ভবিষ্যতে নারীরা ক্রমবর্ধমানভাবে এমন পুরুষদের চাইবে যারা তাদের লালন করতে পারে এবং তাদের সাথে একাত্ম হতে পারে। * ভবিষ্যতে নারীরা ক্রমবর্ধমানভাবে লালনকারী সঙ্গীদের চাইবে কারণ সে যা লালন করবে তার একটি অংশ হবে নারীর নিজের আত্মরক্ষার ক্ষমতা। * একাত্ম হতে এবং লালন করতে অনুভূতির সাথে যোগাযোগ থাকা কেবল সহায়কই নয় বরং এটি প্রয়োজনীয়। তাই পুরুষদের প্রথম কাজ—তাদের পরবর্তী বিবর্তনীয় কৌশল—হলো নিজের অনুভূতির সাথে সংযুক্ত হওয়া। * গত তিরিশ বছর ধরে নারী আন্দোলন নারীদের প্রায় প্রতিটি অনুভূতি প্রকাশে সমর্থন দিয়েছে। অন্য নারীদের কাছে। পুরুষদের কাছে। সমাজের কাছে। নারীদের অনুভূতি পাঠ্যক্রম, ওম্যান স্টাডিজ, টিভি স্পেশাল, টক শো এবং লাইফটাইম কেবলের বিষয়বস্তু হয়েছে। নারীদের অনুভূতিকে শিক্ষা এবং বিনোদন উভয়ই বলা হয়েছে। অন্যদিকে পুরুষদের অনুভূতি দমন করা হয়েছে যতক্ষণ না সেগুলো আলসারে পরিণত হয়েছে। * যেহেতু পুরুষেরা কম অভিযোগ করত তাই আমরা এই ভুল ধারণা তৈরি করেছিলাম যে নারীদের অভিযোগগুলো কেবল নারীদের অভিযোগ এবং তাই সেগুলো কেবল নারীদের সমস্যা। যা জননীতির মাধ্যমে নারীদের সমস্যা সমাধানের যুক্তি তৈরি করেছিল। * একজন বাবার প্রথাগত ভূমিকা তাকে পরিবারের ভালোবাসার কাছ থেকে দূরে থাকার মাধ্যমে নিজের পরিবারকে ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত করেছিল। * একজন মায়ের প্রথাগত ভূমিকা তাকে পরিবারের সাথে থাকার মাধ্যমে নিজের পরিবারকে ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত করেছিল। * আমরা মনে করি শ্রম বিভাজন এখন সেকেলে হয়ে গেছে কিন্তু আসলে এটি পুনরায় আবির্ভূত হয়েছে। আশির দশকের শুরুর দিকে একজন মায়ের পারিবারিক দায়িত্বের জন্য কাজ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা বাবার চেয়ে ৪৩ গুণ বেশি ছিল; সম্প্রতি একজন মায়ের কাজ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা ১৩৫ গুণ বেশি। * নারীদের মানসিক সমর্থনের জন্য চারটি অনানুষ্ঠানিক বিকল্প ব্যবহার করতে শেখানো হয়: স্বামী, নারী বন্ধু, সন্তান এবং মা-বাবা। পুরুষদের কেবল একটি বিকল্প ব্যবহার করতে শেখানো হয়: তাদের স্ত্রী বা নারী বন্ধু। * পুরুষেরা তাদের সমস্ত মানসিক চাওয়া তাদের স্ত্রীদের (বা নারী বন্ধুদের) ওপর নির্ভর করে রাখে। তাই একজন পুরুষের জন্য তার স্ত্রীর কাছে হতাশার অনুভূতি প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়ে কারণ সে যদি নিজেকে সরিয়ে নেয় তবে পুরুষটি মনে করে তার সম্পূর্ণ মানসিক সমর্থন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। * কোনো বিবাদের পর নারীরা কেবল সমর্থনের জন্য অন্য নারী বন্ধুদের কাছেই যায় না বরং বিবাদটি বিচ্ছেদে গড়ালে তাদের সন্তানদের সাথে থাকার সম্ভাবনা নয় গুণ বেশি। * মায়ের সাথে বসবাসকারী একজন নারীর স্বাধীনতা সীমিত হতে পারে; কিন্তু মায়ের সাথে বসবাসকারী একজন পুরুষের স্বাধীনতা এবং সম্মান উভয়ই সীমিত হয়ে পড়ে। অধিকাংশ পুরুষের জন্য সমর্থনের এই শূন্যতা এতটাই বিধ্বংসী যে তারা নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে মানসিক সমর্থন হারানোর ঝুঁকির চেয়ে স্ত্রীর সাথে একমত হওয়াকেই বেছে নেয়। * বিচ্ছেদের পর নারীদের সবচাইতে বড় ভয় হলো অর্থনৈতিক অভাব; পুরুষদের সবচাইতে বড় ভয় হলো মানসিক অভাব। * বিবাহবিচ্ছেদ আইন নারীদের বিচ্ছেদের পর অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়েছে; কিন্তু কোনো আইন পুরুষদের বিচ্ছেদের পর মানসিক সহায়তা দেয়নি। পুরুষদের তাদের প্রাক্তন স্ত্রীদের প্রতি ভরণপোষণ বা চাইল্ড সাপোর্টের দায়িত্ব পালন করে যেতে হয়; কিন্তু নারীদের তাদের প্রাক্তন স্বামীদের প্রতি গৃহস্থালির কাজ বা লালন-পালনের দায়িত্ব পালন করে যেতে হয় না। * নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে আমাদের অ্যাফারমেটিভ অ্যাকশন প্রোগ্রাম ছিল। এখন কি পুরুষদের অনুভূতির জন্য তেমন কিছু করার সময় এসেছে যা সরকার নারীদের অর্থনীতির জন্য করেছিল? * নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে পুরুষদের প্রতি রাগ এতটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল যে এমনকি ‘দ্য ইকোনমিস্ট’-এর মতো শান্ত প্রকাশনাগুলোও নারী বনাম পুরুষের কাজের চাপকে এভাবে তুলে ধরেছিল— “নারীর কাজ কখনোই শেষ হয় না; আর পুরুষ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মদ্যপ থাকে।” * এই আন্তর্জাতিক “সিস্টারহুড ইজ ভিকটিমহুড” বা নারীত্বের ভুক্তভোগী পরিচয়ের মেলবন্ধনের প্রভাব আমাদের সন্তানদের ওপর কী হতে পারে? * হোচশিল্ডের সবচাইতে বড় ভুল ছিল যা প্রায় প্রতিটি জনপ্রিয় গৃহস্থালির কাজ সংক্রান্ত গবেষণায় করা হয়: ঘরের কাজে পুরুষদের অবদানকে সঠিকভাবে পরিমাপ না করা। উদাহরণস্বরূপ, যদি মা শিশুদের ডে-কেয়ারে দিয়ে আসেন তবে তাকে গৃহস্থালির কাজ বলা হয়; কিন্তু বাবা যদি পরিবারকে নিয়ে দাদির বাড়িতে যান তবে তাকে গৃহস্থালির কাজ বলা হয় না। * লক্ষ্য করুন যে পুরুষেরা যা করে তার অনেক কিছুই একক মায়েরা করে থাকেন, তাই পুরুষরা যা করে তার প্রশংসা করা আমাদের একক মায়েরা যা করেন তা বুঝতেও সাহায্য করে। * বাস্তব জীবনে রাগের বদলে ভালোবাসা ফিরিয়ে আনার সেরা উপায় হলো আপনার সঙ্গী সাধারণত আপনার জন্য যা করে তা আপনি আপনার সঙ্গীর জন্য করার মাধ্যমে একে অপরকে লালন করা। * এমনকি যেসব পুরুষ তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তারা সহানুভূতির বদলে ‘ডিয়ার অ্যাবি’র দেওয়া উত্তরটি পায়: “নারীদের অবস্থা আরও খারাপ।” এই বিশ্বাসটি এতটাই শক্তিশালী যে গত ২৫ বছরে একজন রক্ষক-স্বামী পাওয়ার যে পুরনো কল্পনা নারীদের ছিল তা এখন এক নতুন দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে—আর তা হলো অত্যাচারী স্বামী। * আমরা যদি বিশ্বাস করি যে মূলত পুরুষরাই নারীদের ওপর অত্যাচার করে তবে নারীদেরও যে পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন তা দেখা কঠিন হয়ে পড়ে: আমরা বলতে থাকি, “শুধু পুরুষদের পরিবর্তন করো। তারাই তো অত্যাচারী।” * চারজন পুরুষ বর্ণনা করছেন কীভাবে তাদের স্ত্রীরা তাদের পিঠে লাঠি দিয়ে আঘাত করেছে, ফ্রাইং প্যান দিয়ে মাথায় বা ঘাড়ে আঘাত করেছে... প্রতিটি গল্পের পর দর্শকরা হাসছে। সেই পুরুষেরা একটি “পিএমএস মেন্স সাপোর্ট গ্রুপ”-এর অংশ ছিল। কল্পনা করুন নির্যাতিতা নারীরা যখন বর্ণনা করছে কীভাবে তাদের স্বামীরা ফ্রাইং প্যান দিয়ে তাদের মাথায় বা ঘাড়ে আঘাত করে মস্তিষ্কে বা মেরুদণ্ডে আঘাত করার হুমকি দিয়েছে তখন একদল পুরুষ হাসছে। * এই নির্যাতিত স্বামীদের সবাই এখনো তাদের স্ত্রীদের সাথেই আছেন। যখন একজন নারী তার ওপর অত্যাচার করা পুরুষের সাথে থাকে তখন আমরা তাকে পালিয়ে যেতে উৎসাহিত করার জন্য আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করি। যদি সে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তবে আমরা বলি সে “ব্যাটারড ওম্যান সিনড্রোম” বা নির্যাতিতা নারী সিনড্রোমের শিকার। * পুরুষদের গ্রুপের মূল লক্ষ্য ছিল পরিস্থিতি বোঝা, মানিয়ে নেওয়া, পরিবর্তন করা এবং সবকিছু ব্যর্থ হলে চলে যাওয়া; অন্যদিকে নির্যাতিতা নারীদের গ্রুপের মূল লক্ষ্য হলো প্রথমে চলে যাওয়া এবং দ্বিতীয়ত সমস্যার উৎসকে (পুরুষটিকে) আটকে রাখা। * সংক্ষেপে, যখন নারীরা অত্যাচার করে তখন পুরুষদের প্রথম অগ্রাধিকার হয় নারীদের সমর্থন দেওয়া এবং তাদের পরিবর্তনে সাহায্য করা; যখন পুরুষেরা অত্যাচার করে তখন নারীদের প্রথম অগ্রাধিকার হয় পুরুষদের কাছ থেকে পালানো এবং তাদের জেলে পাঠানো। * নারীবাদীদের মূলমন্ত্র: “একজন নারীকে আঘাত করার কোনো অজুহাত হতে পারে না।” এটি কি এমন হওয়া উচিত ছিল না— “আঘাত করার কোনো অজুহাত হতে পারে না”? * কমেডি নাটকগুলোতে নিয়মিতভাবে নারীদের পুরুষদের আঘাত করতে দেখা যায় কিন্তু পুরুষদের নারীদের আঘাত করার দৃশ্য প্রায় দেখাই যায় না। যখন পুরুষটি চলে যেতে ব্যর্থ হয় তখন তাকে “ব্যাটারড ম্যান সিনড্রোম” বলা হয় না; একে কমেডি বলা হয়। * লক্ষ্য করুন পুরুষদের ভয় যে তারা যদি এটি কর্তৃপক্ষকে জানায় তবে তাদের বিশ্বাস করা তো হবেই না বরং তাদের উপহাস করা হবে। * পুরুষেরা কষ্টকে “গৌরব” বলতে শেখে; নারীরা পুলিশকে ডাকতে শেখে। * কেন প্রায় প্রতিটি সংস্কৃতিই তার পুরুষদের সহিংসতা সহ্য করার জন্য পুরস্কৃত করত? যাতে যুদ্ধের সময় তাকে রক্ষা করার জন্য একদল মানুষ পাওয়া যায়। * যাদের সবচাইতে বেশি সুরক্ষার প্রয়োজন বলে মনে করা হতো তারা হলো নারী ও শিশু। আর যে লিঙ্গকে সবচাইতে পরিত্যাজ্য মনে করা হতো তা হলো পুরুষ। * একজন পুরুষকে যতটা “পুরুষ হয়ে উঠতে” প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ততটাই তাকে নারী ও শিশুদের রক্ষা করতে শেখানো হয়, তাদের আঘাত করতে নয়। তাকে এমনকি একজন অপরিচিত ব্যক্তি—বিশেষ করে নারী বা শিশু—আহত হওয়ার আগে নিজে মৃত্যুবরণ করতে রাজি হতে শেখানো হয়। * আমরা প্রায়ই মনে করি যখন একজন পুরুষ অন্য পুরুষকে “মেয়ে” বলে অপমান করে তখন সেই অপমান নারীদের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে। না। এটি সেইসব পুরুষের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে যারা নারীর মতো মূল্যবান কাউকে রক্ষা করার মতো নিজেকে শক্তিশালী করতে চায় না। * এই উপহাস হলো নিজেকে অন্য কারো চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করার একটি চাপ: একজন মায়ের চেয়ে একটি শিশু বেশি মূল্যবান; একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী বেশি মূল্যবান। * যেসব নারীবাদী বলেন যে পুরুষত্ব মানেই হলো পুরুষদের বিশ্বাস করা যে তারা নারীদের আঘাত করতে পারে তারা পুরুষ এবং পুরুষত্ব সম্পর্কে সবচাইতে গভীর অজ্ঞতা প্রদর্শন করেন। * পুরুষেরা কী বলবে যখন পুরুষদের অপদস্থ করাকে “মজার” বলা হয় কিন্তু নারীদের অপদস্থ করাকে “লিঙ্গবৈষম্য” বলা হয়। * মিস্যান্ড্রি বা পুরুষ-বিদ্বেষ হলো মিসোজিনি বা নারী-বিদ্বেষের সমতুল্য। আপনি যদি পুরুষ-বিদ্বেষ সম্পর্কে সচেতন না হন তবে এই দলে আপনাকে স্বাগতম। * এই অধ্যায়টি পড়ার এক সপ্তাহ পর বিজ্ঞাপন, চলচ্চিত্র এবং দৈনন্দিন কথাবার্তায় পুরুষ-বিদ্বেষ আপনার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠবে। কিন্তু যে পক্ষপাতটি দেখা সবচাইতে কঠিন তা হলো সেই পক্ষপাত যা আমরা সবাই মিলে করি। * এমনকি তথাকথিত লিঙ্গ-নিরপেক্ষ শব্দ যেমন “সেক্সিস্ট” বা লিঙ্গবৈষম্য বলতে কেবল নারীদের প্রতি অবমাননা বোঝায়। * ১৯২০ সালে পুরুষদের গড় আয়ু নারীদের চেয়ে এক বছর কম ছিল; আজ তা সাত বছর কম। তবুও ফেডারেল সরকারের কেবল নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য একটি গবেষণা দপ্তর (অফিস অফ রিসার্চ অন উইমেনস হেলথ) রয়েছে। * পরনিন্দার কাজ হলো একটি “শত্রু পক্ষ” তৈরির মাধ্যমে নিজেদের দলের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি করা। * “ভালোবাসা এবং বন্ধুত্ব” বিভাগে গিয়ে দেখুন নারীদের জন্য নারীদের কাছে পাঠানোর উপযোগী কয়েক ডজন কার্ড রয়েছে যার অধিকাংশতেই পুরুষদের অপদস্থ করা হয়েছে কিন্তু পুরুষদের সম্পর্কে ভালো কিছু বলা হয়েছে এমন কার্ড প্রায় নেই বললেই চলে। === ''ফাদার অ্যান্ড চাইল্ড রিইউনিয়ন'' (২০০১) === * সফল এবং সুখী জীবনের জন্য যদি এমন কোনো গুণ থাকে যা অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি প্রয়োজন তবে তা হলো সহানুভূতি। এটি পরিবারের স্থায়িত্ব এবং ভালোবাসার মূলে থাকে। আমার কাছে এমন কোনো দম্পতি আসেনি যারা বলেছে, “আমি বিচ্ছেদ চাই; আমার সঙ্গী আমাকে বোঝে।” ** পৃষ্ঠা ৩০ * সীমানা বা সীমাবদ্ধতাকে গুরুত্ব দিতে শেখানো শিশুকে অন্যদের অধিকার এবং প্রয়োজনকে সম্মান করতে শেখায়। অন্যের প্রয়োজন নিয়ে চিন্তা করলে সহানুভূতি জন্মায়। ** পৃষ্ঠা ৩১ * বাবা আছেন এমন পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা গণিত এবং বিজ্ঞানে ভালো ফল করে, এমনকি তারা দুর্বল মানের স্কুলে পড়লেও। ** পৃষ্ঠা ৩১ * বাবা যত বেশি জড়িত থাকেন শিশু তত সহজে নতুন মানুষের সাথে খোলাখুলিভাবে এবং বিশ্বাসের সাথে মিশতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩৪ * আমরা প্রায়ই শুনি যে মায়েরা যত্ন নেন আর বাবারা কেবল খেলাধুলা করেন। এটি একটি ভুল ধারণা—এমনকি বিপজ্জনকও—কারণ বাবার খেলার ধরণের মধ্যে শেখানোর একটি সচেতন লক্ষ্য থাকে। গবেষণা এখন দেখাচ্ছে যে বাবারা যখন সচেতনভাবে কিছু শেখানোর চেষ্টা না করেন তখনও তাদের খেলা শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক হয়। ** পৃষ্ঠা ৫৭ * যে পরিবার একসাথে খেলতে জানে তাদের একসাথে থাকার শক্তিও থাকে। ** পৃষ্ঠা ৫৯ * শিল্পায়ন এক অদ্ভুত সংকট তৈরি করেছে: একজন বাবা তার সন্তানদের ভালোবাসার জন্য তাদের কাছ থেকে দূরে থাকছেন। ** পৃষ্ঠা ৮৮ * শিল্প বিপ্লব পুরুষদের বাড়ি থেকে মাঝে মাঝে অনুপস্থিত থাকাকে—যা আগে কেবল শিকার বা যুদ্ধের সময় দরকার হতো—একটি নিয়মে পরিণত করেছে। এই ক্রমবর্ধমান শ্রম বিভাজন নারী ও পুরুষের আগ্রহের জায়গাকে আলাদা করে দিয়েছে। এটি মাতৃত্বের সহজাত প্রবৃত্তির ধারণা এবং বাবার সাথে দূরত্বের বাস্তবতাকে বাড়িয়ে দিয়েছে। শিল্পায়নের আগে বিচ্ছেদ হলে শিশুরা সাধারণত বাবার সাথেই থাকত। পরে আর তা থাকেনি। ** পৃষ্ঠা ৮৮ * পরিবারের আর্থিক যোগানদাতা হওয়ার বাধ্যবাধকতা বাবার পরিবারের সাথে যুক্ত থাকার পথে সবচাইতে বড় বাধা। এটি বাবার সেই অদ্ভুত সংকট তৈরি করে: পরিবার থেকে দূরে থেকে পরিবারকে ভালোবাসা। এটি গতানুগতিক পিতৃত্বের এক বিদ্রূপ: বাবা না হয়ে বাবা হওয়া। ** পৃষ্ঠা ৯০ * পিতৃত্ব তৈরি করা মানে একটি বড় মানসিক পরিবর্তন আনা। অন্য লিঙ্গের চিরাচরিত ভূমিকার মানসিক দায়িত্ব পুরোপুরি ভাগ করে নেওয়া উভয় লিঙ্গের জন্যই কঠিন—বিশেষ করে যখন অন্য লিঙ্গটি আশেপাশে থাকে। ** পৃষ্ঠা ৯০ * হলিউডের মায়েরা সব সময় সঠিক আর বাবারা কেবল উপস্থিত—এই সূত্রের মধ্যে একটি প্রচ্ছন্ন অর্থ আছে যে মায়ের কোনো দোষ নেই। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * শিশুদের পুরুষদের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত করে আমরা তাদের সেই নির্যাতনের প্রতি আরও অসহায় করে তুলেছি যা আমরা প্রতিরোধ করতে চাইছি। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * অবচেতন স্তরে যৌনতাকে দানবীয় রূপ দেওয়া মানেই সাধারণত পুরুষদের দানব এবং নারীদের ভুক্তভোগী হিসেবে দেখানো। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * আমাদের ছেলেদের আমরা যত কম বিশ্বাস করব নারীরা তাদের তত কম ভালোবাসতে পারবে। আর নারীরা তত বেশি তাদের কেবল টাকার ব্যাগ হিসেবে ব্যবহার করার অধিকার বোধ করবে। ** পৃষ্ঠা ৯৮ * আরও গভীরভাবে দেখলে আমাদের ছেলেরা যদি শেখে যে তারা অশ্লীল, জঘন্য এবং অবিশ্বস্ত, তবে এটি কি পিতৃত্বের জন্য সেরা প্রস্তুতি? আর একজন মায়ের জন্য কি এটি সেরা প্রস্তুতি যে সে তার নিজের ছেলে সম্পর্কে এমনটা ভাববে? ** পৃষ্ঠা ৯৮ * যখন আমরা পুরুষের মূল্যবোধকে তুচ্ছ করি এবং পুরুষের যৌনতাকে দানবীয় করি তখন অনেক ছেলে কে তারা তা বোঝার আগেই নিজেদের বিকৃতমনা মনে করতে শুরু করে। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * অতীতে আমরা বিশ্বাস করতাম যে নারী-পুরুষ উভয়ই পাপ নিয়ে জন্মায়। আজ আমরা অবচেতনভাবে বিশ্বাস করতে শুরু করেছি যে ছেলেদের জন্মই পাপ আর মেয়েরা জন্মগতভাবে নিষ্পাপ। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * একজন বাবার জন্য এটা বলা গুরুত্বপূর্ণ যে, "তুমি যখন ওটা করো তখন বাবা হিসেবে আমি নিজেকে অপ্রয়োজনীয় মনে করি" অথবা "আমার এই দুরন্তপনা মানে খারাপভাবে বড় করা নয়; এটি আমাদের সন্তানকে ঝুঁকি নিতে সাহায্য করছে।" নারীরা শুনতে পায় না যা পুরুষেরা বলে না। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * আমরা যখন বাবাকে কেবল উদাসীন বাবা হিসেবে দেখি তখন তিনি পরিবারের সাথে থাকতে চাওয়ার যে সংকেতগুলো দেন সেগুলোও আমরা দেখতে পাই না। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * আমরা যখন পুরুষদের যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণ দিই তখন আমরা যাকে প্রশিক্ষণ দিই তার ভেতরকার মানবিক অংশটুকু হারিয়ে ফেলি—এমনকি আমরা যুদ্ধে জিতলেও। যখন আমরা পুরুষদের ভালো লালনকারী হওয়ার প্রশিক্ষণ দিই তখন যারা সফল হয় না তারাও জিতে যায়। আর তাদের সাথে দেখা হওয়া প্রতিটি শিশুও জিতে যায়। পুরুষদের ভালোবাসতে শেখানো একটি জাতির জন্য সেরা বিনিয়োগ। ** পৃষ্ঠা ১১২ * আমরা যদি চাই আমাদের শিশুরা টাকা উপার্জন এবং ভালোবাসা দেখানোর মধ্যে ভারসাম্য রাখুক তবে বাবা-মা উভয়কেই সেই ভারসাম্যের উদাহরণ হতে হবে। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * কর্মক্ষেত্রে নারীদের চেয়ে পরিবারে বাবারা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ: কর্মক্ষেত্র নারীদের দ্বারা উপকৃত হয় কিন্তু পরিবারের বাবাকে প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * টিএএনএফ (TANF) এবং ডব্লিউআইসি-র (WIC) মতো প্রোগ্রামগুলো বাবাকে বাদ দেওয়াকেই সহায়তা করে। আসলে এগুলো ভবিষ্যতের সহায়তানির্ভর নাগরিক তৈরি করে যারা করদাতার অর্থ খরচ করে। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * সন্তান পালনের ক্ষেত্রে পুরুষেরা অনেকটা রোজি-দ্য-রিভিটারদের মতো: তাদের কেবল তখনই ডাকা হয় যখন প্রয়োজন হয় আর পরে তাদের ফেলে দেওয়া হয়। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * আমাদের শিশুরা পুরুষদের যখন শিশুদের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য পারিশ্রমিক পেতে দেখবে তখন পুরুষদের জন্য বাবা হিসেবে উপযুক্ত কাজ করা আরও সম্মানজনক হবে। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * মেল টিচার কোর শিশুদের কেবল বিভিন্ন পেশার পুরুষদের সাথেই পরিচয় করিয়ে দেয় না বরং ঝুঁকি নিতে সক্ষম এমন পুরুষালি শক্তি ও মূল্যবোধের সাথেও পরিচয় করায়। এটি পুরুষ এবং নারী মূল্যবোধের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * টিকে থাকার সংগ্রামের বিশ্বে একজন বাবার সমস্যা সমাধানকারী হওয়া দরকার ছিল। অনুভূতি লুকিয়ে তাকে কঠিন হতে হতো। তাকে নমনীয় না হয়ে বোঝানো, যুক্তি দেওয়া এবং নিয়ম তৈরি করার দরকার ছিল। এই গুণগুলোই তাকে যোগ্য করে তুলত এবং তার স্ত্রী ও সন্তান জুটত। এই গুণগুলোই ছিল তার সম্পর্কের ভাষা। সমস্যা হলো যে এই কঠিন হওয়া তার প্রিয়জনদের খাবার যোগালেও তাদের মনের খোরাক দিতে পারত না। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * দ্বিতীয় ধাপের বিশ্বে যেখানে টিকে থাকার সংগ্রাম জয় করে আত্মতৃপ্তির সাথে ভারসাম্য রাখা সম্ভব সেখানে আমাদের কাছে এমন সম্পর্কের ভাষা ব্যবহারের সুযোগ আছে যা আত্মাকে তৃপ্ত করে। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * যদিও আমাদের প্রাথমিক স্কুলগুলো বর্তমান যুগের প্রযুক্তিগত প্রয়োজনের সাথে তাল মেলাতে পুরো প্রজন্মকে কম্পিউটার ভাষা শেখাচ্ছে কিন্তু আমরা এই প্রজন্মকে সম্পর্কের ভাষা এবং বিবাদ মেটানোর দক্ষতা শেখাতে অবহেলা করেছি। জার্মানির মতো দেশগুলোতে যখন এটি শেখানো হয় তখন তাকে সামাজিক দক্ষতা বলা হলেও তার মূল লক্ষ্য থাকে কর্মক্ষেত্রের দলগত কাজ—যা আসলে সেই টিকে থাকার সংগ্রামেরই অংশ। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * বাবারা যখন সন্তানদের সাথে সবচাইতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেন তখন সাধারণত তাদের মধ্যে এমন এক সহজাত বোধ থাকে যে উদাহরণস্বরূপ ফুটবল খেলতে যাওয়ার জন্য গাড়ির ভ্রমণটি খেলার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ১১৮ * একজন ভালো বাবা তার মেয়ের দলগত খেলায় যুক্ত হওয়া নিশ্চিত করতে পারেন। এটি তাকে জীবনের সেই শিক্ষাগুলো পেতে সাহায্য করে যা একটি দলকে শক্তিশালী করতে দরকার হয়। ** পৃষ্ঠা ১১৯ * যেহেতু কেউ সব সময় সঠিক হতে পারে না তাই সব সময় সঠিক হওয়ার ভান করা আসলে সন্তানদের মনে নিজেকে অপদার্থ ভাবার বীজ বুনে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১২০ * তার শিক্ষক হওয়ার বদলে আমি যদি নিজের অন্ধকার দিক, দোষ এবং ভুলগুলো তার সাথে খোলাখুলিভাবে শেয়ার করি তবে আমি আরও ভালো উদাহরণ হতে পারব। ** পৃষ্ঠা ১২০ * বাবা যখন নিজের ভুল স্বীকার করেন বা সাহায্য চান তখন সন্তান নিজেও ভুল করলেও নিজেকে অপদার্থ মনে করে না। এটি শিশুদের নতুন কিছু করতে উৎসাহিত করে এবং তাদের সৃজনশীলতাকে বিকশিত করে কারণ তারা তখন কিছু অবদান রাখার সুযোগ পায়। ** পৃষ্ঠা ১২০ * মহামন্দা যেমন একটি প্রজন্মের বাবাদের মনে এই ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছিল যে তাদের কাছে যথেষ্ট টাকা নেই ঠিক একইভাবে বাবার সান্নিধ্য না পাওয়া একটি প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের মনে ভিন্ন এক মানসিক ক্ষত তৈরি করছে। ** পৃষ্ঠা ১২১ * সংক্ষেপে বাবার সান্নিধ্যহীন একটি শিশুকে পৃথিবীতে পাঠিয়ে সব ঠিক আছে মনে করা—কেবল বাবা টাকা দিচ্ছেন বলে—তা অনেকটা একজন মদ্যপ চালককে মহাসড়কে পাঠিয়ে সব ঠিক আছে ভাবার মতো কারণ পেট্রোলের দাম মেটানো হয়েছে। এর মানে এই নয় যে মদ্যপ চালক গন্তব্যে পৌঁছাবে না। এর মানে হলো ঝুঁকি অনেক বড় এবং ব্যর্থতার ফলাফল আজীবনের। ** পৃষ্ঠা ১২২ * বিংশ শতাব্দীতে নারীদের যেমন কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য আইনের সাহায্যের প্রয়োজন ছিল একবিংশ শতাব্দীতে পুরুষদের তাদের সন্তানদের ভালোবাসার জন্য আইনের সাহায্যের প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ১২২ * সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে নাউ (NOW)-এর সাথে আমার প্রথম বিরোধ শুরু হয় যখন এর শাখাগুলো বিচ্ছেদের পর বাবা-মায়ের সমান সময় কাটানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বাবার সংশ্লিষ্টতাকে নাকচ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * বাবা-মা উভয়ের অধিকার মূলত তাদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করার জন্য থাকা উচিত। মূলত মানে এই নয় যে একচেটিয়াভাবে। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * বাবা-মা উভয়য়ের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য থাকা উচিত যাতে শিশুরা উভয় অভিভাবকের সান্নিধ্য পেয়ে বড় হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * নারী-পুরুষের একাত্মতা কেবল নারীর অধিকার তৈরি করে না। এটি অধিকারের এক মেলবন্ধন তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * পুরুষের শরীর কি ঝুঁকির মুখে? যখন একজন পুরুষকে চাইল্ড সাপোর্ট দেওয়ার জন্য কাজ করতে বলা হয় তখন সে তার শরীর, সময় এবং জীবন ব্যয় করে—নয় মাস নয় বরং অন্তত ১৮ থেকে ২১ বছর। তাই একজন সৎ নারীবাদীর মূলমন্ত্র হওয়া উচিত, “এটি নারী ও পুরুষ উভয়েরই পছন্দের অধিকার কারণ এখানে নারী ও পুরুষ উভয়েরই শরীর জড়িত।” ** পৃষ্ঠা ১৩২ * একজন নারীর এমন কোনো একতরফা সিদ্ধান্তের অধিকার নেই যা একজন পুরুষের বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে ঠিক যেমন একজন পুরুষেরও এমন কোনো একতরফা সিদ্ধান্তের অধিকার নেই যা একজন নারীর বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * যখন কেবল পুরুষেরা ভোটের জন্য নিবন্ধন করতে পারত তখন কেবল তাদেরই বাধ্যতামূলক সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হতো। আজ উভয় লিঙ্গই ভোট দিতে পারে কিন্তু কেবল পুরুষদেরই সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * আমরা ইতিহাসের এক অদ্ভুত সময়ে আছি—যখন কোনো নারীর শরীর জড়িত থাকে তখন আমরা বলি সিদ্ধান্তটি তার; কিন্তু যখন কোনো বালকের শরীর জড়িত থাকে তখন আমরা বলি সিদ্ধান্তটি তার নয়—আইন আমাদের ১৮ বছর বয়সী ছেলেদের সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়তে বাধ্য করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * এটি বিদ্রূপের বিষয় যে একটি আন্দোলন যা জৈবিক পার্থক্যকে গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য পরিচিতি পেয়েছিল যখন সেই পার্থক্যগুলো নারীদের প্রতিকূলে ছিল তারা সঙ্গে সঙ্গেই সেই জৈবিক পার্থক্যের দোহাই দেওয়া শুরু করল যখন তা নারীদের অনুকূলে এল। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * আমরা কোনো পুরুষকে একজন নারীর জীবন নির্ধারণ করার অনুমতি দেওয়ার কথা ভাবি না কেবল একারণে যে তার সৃষ্টি করা একটি ভ্রূণ নারীর জঠরে আছে; তবে আমরা কেন একজন নারীকে একজন পুরুষের জীবন নির্ধারণ করার অনুমতি দেব কেবল একারণে যে তার সৃষ্টি করা একটি ভ্রূণ নারীর জঠরে আছে? ** পৃষ্ঠা ১৩৭ * পুরুষেরা নারীদের বিশ্বাস করতে শেখে যতক্ষণ না বিপরীত কিছু ঘটে; নারীরা পুরুষদের সন্দেহ করতে শেখে যতক্ষণ না কোনো পুরুষ নিজেকে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ করে। ** পৃষ্ঠা ১৩৯ * যখন কোনো সরকার একজন পুরুষকে এমন একটি শিশুর ভরণপোষণ দিতে বাধ্য করে যা তৈরিতে তাকে প্রতারণা করা হয়েছিল তখন সেই সরকার আসলে প্রতারণাকে সহায়তা করছে। না, এটি তার চেয়েও খারাপ: এটি ১৮-২১ বছর ধরে সম্মতি ছাড়াই একজন পুরুষের শরীর ব্যবহার করা নারীকে সহায়তা করছে। ** পৃষ্ঠা ১৪৩ * একটি গণতন্ত্রে সরকারের নীতিগুলো নিয়ে খুব কমই প্রশ্ন তোলা হয় যতক্ষণ না সেই নীতিগুলো তৈরির পেছনের ধারণাগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। ** পৃষ্ঠা ১৪৭ * একটি যৌথ পছন্দের আন্দোলন ভ্রূণকে একজন নারী ও একজন পুরুষের জিন হিসেবে দেখে; দেখে নারী ও পুরুষের রক্তমাংস হিসেবে; এবং এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের দায়িত্ব ও অধিকার হিসেবে গণ্য হয়। এটি সমতার দিকে এগিয়ে যেতে চায়। ** পৃষ্ঠা ১৫৮ * নারীবাদীরা প্রায়ই নারীদের দুটি কাজের কথা বলেন: চাকরি এবং সন্তান। ঠিক। কিন্তু বিচ্ছেদ হওয়া এবং পুনরায় বিয়ে করা পুরুষদের কথা কেউ বলে না যাদের তিনটি কাজ করতে হয়: চাকরি এবং দুই পক্ষের সন্তানদের লালন-পালন ও আর্থিক ভরণপোষণ। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমি দ্রুতই বুঝতে পেরেছিলাম যে যেসব নারীবাদী প্রধান অভিভাবক তত্ত্বকে সমর্থন করেছিলেন তারা সমসুযোগের পক্ষে ছিলেন না বরং অসম সুযোগ সন্ধানী ছিলেন। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * যেসব পুরুষ বিচ্ছেদের পর নিজেদের সন্তানদের জীবন থেকে চলে যান তারা বাধ্যবাধকতা ছাড়াই সুবিধা চান। নৈতিকভাবে তাদের চলে যাওয়ার কোনো অধিকার নেই। যে আইন তা করতে দেয় তাও অনৈতিক। প্রধান অভিভাবক আইনগুলো ঠিক তেমনই। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * প্রধান অভিভাবক আইনের বিদ্রূপ হলো যে একদিকে নারীবাদীরা পুরুষের অর্জিত সম্পত্তিতে নারীর সমান অধিকারের জন্য লড়াই করছিল অন্যদিকে তারা যৌথভাবে জন্ম দেওয়া সন্তানের ওপর পুরুষের সমান অধিকারের বিরোধিতা করছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * সংক্ষেপে তিনি পুরুষের তৈরি করা জিনিসের অংশীদার; আর তিনি নারীর তৈরি করা জিনিসের দর্শনার্থী মাত্র। আমার কাছে এটি সমতা ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * নারীবাদ যখন সমসুযোগ থেকে অসম সুযোগ সন্ধানীতে পরিণত হলো তখন আমিও এর সমর্থক থেকে সমালোচকে পরিণত হলাম। কিন্তু আমার মনে কোনো পরিবর্তন হয়নি: আমি সমতার সমর্থক থেকে সমতার সমর্থকই রয়ে গেলাম। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * সংক্ষেপে যখন একজন পুরুষ অর্থ যোগাতে ব্যর্থ হয় তখন আমরা তাকে জেলে পাঠাই; যখন একজন নারী মা হিসেবে ব্যর্থ হয় তখন আমরা তাকে সমাজসেবার প্রস্তাব দিই। আমরা পুরুষদের ক্ষেত্রে অপরাধমূলক ব্যবস্থা নিই আর নারীদের ক্ষেত্রে সমাজসেবামূলক ব্যবস্থা নিই। ** পৃষ্ঠা ১৭৯ * অধিকাংশ মায়েরা তাদের সন্তানদের জীবনে বাবার উপস্থিতি বেশি চান কম নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৬ * সন্তান পালন একক অভিভাবকদের জন্য তৈরি করা হয়নি। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমরা যদি মায়েদের দেখা করার সময় না দেওয়ার জন্য শাস্তি দিই তবে আমাদের সেইসব বাবাদেরও শাস্তি দিতে হবে যারা দেখা করার সময়ে আসেন না। বিষয়টি বাবার দেখা করার অধিকার নয় বরং সন্তানদের প্রতি উভয় অভিভাবকের বাধ্যবাধকতা। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমাদের সন্তানদের জন্য দেখা করা বনাম হেফাজত না বলে বরং প্যারেন্ট টাইম বা অভিভাবকের সময় বলাটা বেশি ভালো হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমরা যখন মায়ের হেফাজত জেতা বা বাবার দেখা করার সময়ের কথা বলি তখন আমরা কেউ জেতা আর কেউ হারার কথা বলি। আমরা যখন মা বা বাবার সন্তানের সাথে সময় কাটানোর কথা বলি তখন আমরা দুই অভিভাবকের কথা বলি—একজন অভিভাবক বনাম একজন দর্শনার্থীর কথা নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * দেখা করা বিষয়টি অনুপস্থিত বাবার যুগের প্রতিফলন; প্যারেন্ট টাইম বিষয়টি একজন নিবেদিত বাবার পুনরায় আবির্ভূত হওয়ার প্রভাব ফেলে। দেখা করা মানে পরিবারের ধ্বংস; প্যারেন্ট টাইম মানে পরিবারের পুনর্গঠন। এটি এমন এক যুগের কথা বলে যেখানে বোঝা যায় যে যেকোনো একজন অভিভাবকের পরাজয় মানেই শিশুদের পরাজয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * যখন একজন অভিভাবক শিশুকে তার প্যারেন্ট টাইম থেকে বঞ্চিত করেন তখন তিনি আসলে শিশুকে তার ভরণপোষণ থেকে বঞ্চিত করেন—মানসিক ভরণপোষণ। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * বিচ্ছেদের পর পুরুষদের সবচাইতে বড় ভয় হলো সন্তানদের হারানো (নারীদের ক্ষেত্রে তা হলো দারিদ্র্য)। ** পৃষ্ঠা ১৯০ * একজন নারীর দৃষ্টিকোণ থেকে অভিভাবকের সময় ভাগ করে নেওয়াটা অনেকটা এমন যেমনটা একজন পুরুষ অনুভব করতে পারে যদি তার প্রাক্তন স্ত্রী তার অফিসে এসে তার কাজ ভাগ করে নেয়। সে হয়তো দাবি করবে যে এই ভাগাভাগি কোম্পানির স্বার্থে ভালো নয়। কিন্তু সে আসলে ভয় পায় যে তার প্রাক্তন স্ত্রী যদি তার নিজের কাজে তার চেয়ে ভালো করে তবে তার সম্মান ক্ষুণ্ণ হবে। এই ভয়টি বোঝা গেলেও পার্থক্য হলো তার ক্যারিয়ার তার নিজের কিন্তু তাদের সন্তানরা তাদের উভয়ের। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * নারীদের জন্য যদি ইকুয়াল এমপ্লয়মেন্ট অপরচুনিটি কমিশন থাকে তবে পুরুষদের জন্য কেন ইকুয়াল ফ্যামিলি অপরচুনিটি কমিশন থাকবে না? ** পৃষ্ঠা ১৯৭ * রাগের সবচাইতে খারাপ রূপ হলো যখন একজন অভিভাবক মনে করেন যে তার প্রাক্তনকে ধ্বংস করার মাধ্যমেই তার সন্তানকে জেতার সুযোগ বাড়বে। আইন সবচাইতে প্রতিহিংসাপরায়ণ অভিভাবককে নির্যাতনের তাস খেলার একটি সুযোগ করে দিয়েছে। এটিই হলো বিশাল প্রলোভন। ** পৃষ্ঠা ১৯৯ * যখন নারীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করেছিল তখন অনেক পুরুষ তাদের মেন্টর ছিল এবং বিনিময়ে নারীদের অবদানকেও শ্রদ্ধা করতে শিখেছিল। এখন আমরা যখন পুরুষদের শিশুদের যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব দিচ্ছি তখন নারীদের মেন্টর হতে হবে এবং আমাদেরও পুরুষদের অনন্য অবদানগুলোকে শ্রদ্ধা করতে শিখতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * আমরা যদি পুরুষালি ধরণ-এর অভিভাবকত্বকে অবহেলা করি এবং সেই দায়িত্বশীল বাবাটিকে জেলে পাঠাই তবে পিতৃত্ব আরেকটি ঝুঁকিপূর্ণ পেশা হয়ে দাঁড়াবে। আর এই প্রক্রিয়ায় আমাদের শিশুরা একটি বড় উপহার হারাবে—তা হলো প্রকৃত পিতৃত্ব। এটি খারাপ খবর হলেও সুখবর হলো এই বাবা ও সন্তানের পুনর্মিলনের পথ আছে... ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * পুরুষেরা সেখানেই যায় যেখান থেকে প্রশংসা আসে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * চ্যালেঞ্জটি হলো আমাদের প্রশংসার ধরণ পরিবর্তন করা: বাবার টাকার বদলে বাবার ভালোবাসাকে বেশি মূল্য দেওয়া। আর সেই সাথে তার মানসিকতার পরিবর্তন ঘটানো যা তাকে ভালোবাসার যোগ্য করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * প্রযুক্তি বাড়িতে থাকা বাবার জন্য সহায়ক। এটি পরিবারকে গরিব না হয়েও আগের চেয়ে অনেক বেশি সৃজনশীল এবং নমনীয় হতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * অনেক নারী আবিষ্কার করছেন যে মাতৃত্বের সহজাত প্রবৃত্তি মানে শিশুদের জন্য বাবার উপস্থিতি নিশ্চিত করা—প্রতিদিন দূরে কোথাও নয়। কেউ কেউ সচেতন যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা মানে নিজের সন্তানকে আঁকড়ে ধরা নয় যেন এটি তার চাকরি। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * বাবাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের জন্য আমাদের বাবাদের ভালোবাসার ধরণ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা প্রয়োজন। এটা স্বীকার করা জরুরি যে অতীতের কঠোর নিয়মগুলো পুরুষরা কেবল নিজেদের সুবিধার জন্য তৈরি করেনি। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * আমরা যদি পুরুষদের স্বার্থপর মনে করি তবে আমরা তাদের লালনকারী হিসেবে ভাবতে পারব না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * সরকারি ও বেসরকারি উৎসের তহবিলের অভাব খুব একটা সমস্যা হতো না যদি প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার পুরুষদের ওপর নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রচারের জন্য খরচ না করা হতো। এই তহবিল পুরুষদের অধ্যয়ন বাদ দিয়ে নারী অধ্যয়নকে উৎসাহিত করে; উদাসীন বাবাদের নিয়ে গবেষণার জন্ম দেয় কিন্তু কপর্দকশূন্য বাবাদের নিয়ে কোনো গবেষণা করে না—কিংবা সেইসব মায়েদের নিয়ে যারা বাবাকে সন্তানদের কাছে আসতে দেয় না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * এই একপক্ষীয় তহবিল জাতিকে ভুল তথ্য দেয় যে বিচ্ছেদ হওয়া একজন মা বিচ্ছেদ হওয়া একজন পুরুষের চেয়ে বেশি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই বিচারকরা মনে করেন পুরুষের ভবিষ্যৎ আয় নারীর হওয়া উচিত আর আইনসভাও বাবাদের দেওয়া অর্থকে করমুক্ত করতে অস্বীকার করে যদিও নারী সেই অর্থের ওপর কোনো কর দেন না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * পুরুষদের চাপা অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করার জন্য কোনো তহবিল নেই: যেমন সন্তানদের বাবার কাছ থেকে দূরে রাখতে কখন মিথ্যা অভিযোগকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে; বা কখন অন্য অভিভাবক সন্তানের কাছে খারাপ কথা বলছেন; বা যখন উদাসীন বাবাদের পরিসংখ্যানে সেইসব পুরুষদের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে যারা মৃত বা বেকার; অথবা যখন পুরুষেরা পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * একপক্ষীয় তহবিল একপক্ষীয় চিত্র তৈরি করে যা সংবাদমাধ্যমকে শুধুমাত্র নারীদের সমস্যাগুলোই প্রগতি হিসেবে তুলে ধরতে উৎসাহিত করে। ফলে পুরুষদের বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা নারীদের ওপর সহিংসতার সমান তা জনমানসে খুব সামান্যই প্রভাব ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * এই পক্ষপাতদুষ্ট গবেষণা থেকেই পক্ষপাতদুষ্ট সামাজিক নীতি তৈরি হয়। কোটি কোটি ডলার খরচ করা হয় সেইসব বাবাদের সাজা দিতে যারা মায়েদের অর্থ দেন না; কিন্তু সেইসব মায়েদের সাজা দেওয়ার জন্য কিছুই করা হয় না যারা বাবাদের সন্তানদের সাথে দেখা করতে দেন না। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * তহবিলের প্রয়োজনীয়তা আসে গত কয়েক দশকের পুরুষদের প্রতি এক ধরণের মনোভাবের বিপরীতে ভারসাম্য তৈরি করার জন্য। আর কিছুটা প্রয়োজন হলো কীভাবে উভয় লিঙ্গ সেই কঠোর ভূমিকা থেকে নমনীয় পথে এগিয়ে যেতে পারে তার একটি সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * যেখানে কেউ শোনার নেই সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব কম। এভাবেই বাবা, ছেলে এবং পরিবারগুলো অকারণে হারিয়ে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * মানি নেওয়ার ক্ষমতা আমাদের বিবর্তনীয় ঐতিহ্যের অংশ—যে প্রজাতি টিকে থাকে তারা মানিয়ে নেয়। মানুষ বিবর্তনীয় মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তাদের অগ্রাধিকার পরিবর্তন করার মাধ্যমে মানিয়ে নেয়। ** পৃষ্ঠা ২৪২ * আমাদের স্কুলগুলোতে সম্পর্কের ভাষা শেখানোর জন্য তহবিল প্রয়োজন যাতে ভবিষ্যৎ অভিভাবকরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে; সন্তানদের সাথে কথা বলতে পারে এবং সন্তানদের শেখাতে পারে বিশ্বের সাথে কীভাবে যোগাযোগ করতে হয়। সামাজিক দক্ষতা ছাড়া প্রযুক্তিগত উন্নতি অনেকটা ব্যবিলনের টাওয়ারের মতো। ** পৃষ্ঠা ২৪৩ * বাবা ও সন্তানের পুনর্মিলন ঘটানোর সামাজিক নীতিগুলোর সব সময় নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত, “আমরা কি বাবাদের থাকার জন্য টাকা দিচ্ছি নাকি চলে যাওয়ার জন্য?” যদি একজন একক মা বাবা আশেপাশে না থাকলে থাকার চেয়ে বেশি টাকা পায় তবে আশেপাশে বাবাদের সংখ্যা কমই হবে। সরকার তখন তার বিকল্প স্বামী হয়ে উঠবে। ** পৃষ্ঠা ২৪৫ * পরিবারের চেয়ে শক্তিশালী বা বহুমুখী আর কোনো শক্তি নেই। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * সম্ভবত আমাদের সবচাইতে বড় প্রশংসা প্রয়োজন সেই লক্ষ লক্ষ পুরুষ ও নারীর প্রতি যাদের আমরা সৎ-অভিভাবক বলি। বিশেষ করে যারা নিজের কোনো সন্তান মানুষ করছেন না তবুও ভালোবেসে শিশুদের জন্য সময় এবং অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * আমরা যদি পুরুষদের বাবা হতে অনুপ্রাণিত করতে চাই তবে তাদের প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পাওয়া নিয়ে ঢালাও সমালোচনা বন্ধ করতে হবে এবং তারা আসলে কী ভয় পায় তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ === ''Why Men Earn More'' (2005) === * Helping women achieve higher pay is a core goal of this book. ** p. xvii. * There are 25 differences in the way women and men behave in the workplace. These 25 differences lead to men receiving higher pay and women having better lives—or at least more balanced lives. ** p. xvii. * A person working 45 hours per week averages 44% more income than someone working 40 hours per week. That’s 44% more income for 13% more time. ** p. xviii. * If an employer had to pay a man one dollar for the same work a woman could do for 59 cents, why would anyone hire a man? ** p. xix. * In 1969, nationwide, female professors who had never been married and never published earned 145% of their counterpart male colleagues. ** p. xxii. * Survey 2001: Men who never married, never had a child, worked full time and were college educated earn only 85% of what women with the same criteria earn. ** p. xxii. * A part-time working woman makes $1.10 for every dollar made by her male counterpart. ** p. xxii. * Our focus on discrimination against women during the past 30 years has blinded us to opportunities for women. ** p. xxiv. * I define power as control over one’s life. Pay is not about power. Pay is about giving up power to get the power of pay. ** p. xxiv. * Self-help books for those who believe You can have it all often advise, Follow your bliss and money will follow. With the collapse of the stock markets the reality of trade-offs is more like, When you follow your bliss, it’s money you’ll miss. ** p. 3. * Here’s the pay paradox that Why Men Earn More explains: Men earn more money, therefore men have more power; and men earn more money, therefore men have less power (earning more money as an obligation, not an option). The opposite is true for women: Women earn less money, therefore women have less power; and women earn less money, therefore women have more power (the option to raise children, or to not take a hazardous job). ** p. 11. * Perhaps the best reason to consider the hard sciences is that, well, one study suggests science, engineering, medicine, and dentistry graduates live longer than arts graduates (or law grads). So whatever money you make you can keep a bit longer. ** p. 18. * Pay is about the power we forfeit to get the power of pay. For example, we forfeit power when we work for others, not ourselves, but we get the power of the paycheck when we do that. * Do women avoid fields like engineering because of the tendency of male-dominated fields to discriminate against women? Probably not. Prior to the women's movement, engineering was no more male-dominated than medicine and law. And women have entered medicine and law by the droves. When women enter male-dominated fields, they tend to enter the more glamorous occupations. And the media reinforces this. There was L.A. Law, but no L.A. Engineering. ER doesn't mean Engineering Room. Women receive six layers of encouragement to enter fields involving engineering, computers, and math and science: first, better starting salaries than men's; second, special programs for girls in high school; third, female-only government scholarships; fourth, female-only corporate grants and scholarships; fifth, the advertising that reaches out to women to create a more female-supportive atmosphere; and sixth, special grants for science programs at leading women's colleges. ** p. 25. * There is what might be called a Catch-22 of hazardous occupations: The more hazardous the job, the more men; the more men, the less we care about making the job safer. The Catch-22 of hazardous occupations creates a 'glass cellar' which few women wish to enter. Women are alienated not just out of the fear of being hurt on the job, but by an atmosphere that can make a hazardous job more hazardous than it needs to be. ** p. 27. * Your daughter says, 'Dad. Mom. I want to join the armed services.' You look at her beautiful face, her life flashes before your eyes, and you see a body bag. Now's the time to let her know the biggest military secret: She can join the military and be as safe-from-death as she would be at home. How? In the war in Iraq, not a single woman has been killed in the Air Force. Nor has a single woman been killed in the Marines. And only one has died in the Navy. Your only job is to keep her out of the Army. ** p. 30. * Whether in a South African coal mine, on an Alaskan fishing boat, or in the American military, men's protective instinct toward women, and women's protective instinct toward themselves (and children) keeps men more disposable than women. Here's an example of the dynamic at work in the military. At the military's SERE (survival, evasion, resistance, and escape) schools, concern about the well-being of women was so prevalent among male students that trainers now work to desensitize men to sexual assault and other abuse of women lest their sensitivity be used against them in war. We think of women in the military as being safer in part because they are still prohibited from the most dangerous assignments. But this prohibition is just a reflection of the traditional male's instinct to protect women. ** p. 33. * Choosing safety is a choice of life over career. ** p. 35. * On oilrigs men who only work an 8-hour day are contemptuously called nine-to-fivers. In stark contrast, women are more likely not to take risks, even when the risks are minimal. What's the message to our sons? Our praise of our sons when they risk physical danger teaches them that a willingness to be physically abused creates love. Abuse-as-love? Yes. ** p. 39. * While we call role models 'leaders', most 'leaders' are really followers. Most 'leaders' follow their bribes. And we are the people who offer the bribes. We in essence give men two bribes to risk their lives: pay and praise... A man who self-selects for a death profession expects his body to be used in exchange for pay. The unspoken motto of the death professions is 'My body, not my choice.' ** p. 40. * The money men make from their willingness to work the least desirable hours is not a sign of discrimination against women, but a sign of the willingness of mostly married men to lose sleep to support the family as their wife loses sleep to feed the child. A willingness to do the uncomfortable shifts is one reason married men earn more than twice what never-married men earn. Men's contribution, made at night, need not be lost in the dark. ** p. 69. * When we don't take years of experience into account, it is easy for a woman to become discouraged when she reads headlines such as 'Study of TV News Directors Finds Discrimination Against Women.' When a woman in the mid-1980's read that TV news directors who were women got paid about 27% less than men directors, it might have made her avoid the field... If, on the other hand, a headline more accurately reflecting the study's core findings, read 'Female Managers Become TV News Directors Three Times as Quickly as Men,' well, that would have made a woman feel wanted... In brief, the road to higher pay is a toll road. But at this point in history, there are female tollbooths and male tollbooths, and the toll charged to women is lower. This should encourage every woman who wishes to embark on the road to higher pay to take it while the tolls are still low, and every man who wishes to be with his children--or just wishes to support the career-focused woman he loves--to be aware that there was never a better time to be a great dad and go with your wife's flow. ** p. 85-87. * People who get higher pay are more willing to relocate--especially to undesirable locations at the company's behest... A corporate secretary may change companies in the same town; a corporate executive is more likely to change towns with the same company. A talented corporate secretary sees an invitation to relocate as an invitation; a future corporate executive sees an invitation to relocate as an opportunity--and an obligation. ** p. 93-94. * When we look at the pay of men and women who do work equal hours, two discoveries are quite astonishing: <br>--When women and men work less than 40 hours a week, the women earn more than the men; <br>--When men and women work more than 40, the men earn more than the women. ** p. 79. * Women today are less than half as likely as men to work in excess of 50 hours per week. (Again, working women put in more hours at home.) It is rarer still for women to sustain that commitment for 20 years and then, without having burned out, increase her hours still more as a CEO. But exactly because it is rare, women who are willing stand out as more exceptional. Women, as it turns out, are far more 'European'--working to live rather than living to work. But the glass ceiling is rarely cracked by healthy, balanced people who work to live. ** p. 82. * Single women often fear that the men they are going out with wouldn't be comfortable with less career and more child. Perhaps. If a woman selects a man with a lot of career ambition, she'll get what she selected. The solution? Choose among men who would love to be married to a career woman who valued his being home full-time with the children for a few years. Can't find these men? State your interest on your Match.com profile--the Internet's the best net to catch the right fish. You'll be surprised. ** p. 83-84. * People Who Get Higher Pay Require Less Security. ITEM. It's 2004. I am presenting Why Men Earn More to the sales and marketing teams of my publisher (AMACOM). To illustrate financial risk as one of the ways to higher pay, I ask everyone in the room who is paid by commission to stand up. Eight men stand; no women. I then ask those paid by salary to stand: About equal numbers of men and women stand. ** p. 107. * The United States follows the pattern of men taking the financial risks even within a given field. Women physicians are three times as likely as men to work for the government or an HMO; men physicians are much more likely to be self-employed in a solo practice. ** p. 108. * The corporate Catch-22: Don't be flexible, lose good women; be flexible, lose good women... A company listening to women's desires for [flexibility and therefore] fewer promotions, giving fewer promotions to women, and then being sued for giving fewer promotions to women. Yiddish has a word for this: chutzpah. ** p. 111-12. * At this moment in history, millions of 'working dads' are desiring to do what they do not feel they have the right to do: be more devoted as a dad, less devoted as a worker. This feeling is far more ubiquitous among men executives than women executives in many areas of the world because, for instance, Asia-Pacific women executives today are more than six times as likely to not have children than men executives are. The Asia-Pacific executive man is about six times as likely to be a working dad as an executive woman is to be a working mom. ** p. 113. * For thousands of years women chose men based on their ability to provide. The more women increase their mastery of the workplace, the more they open themselves to partnership with a new type of man. It is my hope that Part One has begun a paradigm shift in the way we view men. As we saw women doing financially better than men in male-dominated professions, it hopefully offers a more generous view of the male attitude toward women in the workplace. As we contemplate making sacrifices to earn more, it is my hope we appreciate the sacrifices men have made to nurture the family by being their family's 'financial womb.' Especially the sacrifices of 'working dads' and of dads' 'invisible juggling act'. ** p. 122. * Men may be way behind in creating choices for themselves, but have actually been quiet supporters of the choices women want for themselves. ** p. 123. * The deeper purpose of a more positive attitude toward men is a better life for the children who are parented by the men who are their dads and stepdads; less shame for our sons who will become men; and, for our daughters, a deeper understanding of men's desire to please that leaves them feeling their willingness to please is not unrequited but returned--allowing our daughters to feel less lonely and more loved. If we earn more and love less, we pay for a home in which we do not live. ** p. 123. * In a sense, in the area of child care, children's relationships with parents' working has come full circle. We have gone from the mom-and-pop store (or mom-and-pop farm), with its integration of child care and work, to children-at-home and dad-at-work; to the mom-plus-daddy working at home, with its integration of childcare and work again. From mom-and-pop back to mom-and-pop. ** p. 131. * Throughout history, men learned that survival, respect and women’s love were all achieved by making a killing –whether killing animals, killing enemies, or making a killing on Wall Street . Women received the money that men produced by loving. Men came to feel themselves as unlovable without the money, property or the heroism it took to make them equal to a woman’s love. Women came to associate men spending money on them as a statement of how much they were valued—even loved-- by the man. Her ability to love became her source of security: a diamond is a girl’s best friend. Essentially this dynamic is true in almost all societies and all classes throughout history. ** p. 135. * The belief that women are discriminated against in the workplace reinforces a couple's tendency to have the woman stay at home. It is the tendency for women to stay at home that makes the workplace value her less. then, shortly after she is married, it begins to make sense for her to move for her husband's career, not for her husband to move for her career. Conversely, it makes sense for them to invest in his medical, law, or engineering degree--rather than hers... ironically, then, a reality has been created from a false reality. And, ironically, women's careers are hurt via comments meant to prod a society into helping women's careers. The road to hell is paved... ** p. 145. * When we suggest that men are at the top because men discriminate, we miss the point. Men are at the top of the work hierarchy because work has been primarily men's responsibility. ** p. 150. * If organized team sports develop managerial skills for a corporate setting, pickup team sports are more like training to be an entrepreneur... Pickup team sports are still about 99% male. That is, this form of preparation to be an entrepreneur is about 99% male socialization. I believe this is one of many contributors to why men who run their own business earn twice what their female counterparts earn. ** p. 156. * Both sexes allow men dentists inside our mouths, but, well, have you ever let a man who is a dental hygienist inside your mouth? The man must earn his way to our private places in a way not required of a woman--he must become the doctor or the dentist, or forget it. ** p. 181. * Women's greater social desirability and beauty power afford opportunities for creating both measurable and invisible income. While the opportunities are available to almost all women and some men, they are available in abundance to the genetic celebrity ... a woman so beautiful that men do more than look and talk--they follow her. ** p. 191. * When I was doing a book tour in Japan for Why Men Are The Way They Are, I was told of an institution called the snack. The snack works like this: A man is coming home from work, and has had a bad day. He doesn’t feel that his wife wants to hear about it, so he pays between $50 and $80 for a snack —a sandwich and a drink and an attractive woman who will listen empathetically to him—sort of a beautiful psychologist with refreshments. No men need apply. ** p. 198. * A study of attorneys found that the attorneys whose pictures were judged independently to be the better-looking ones were able to earn about 12% more per year than the less good-looking ones. The better-looking attorneys worked longer hours, but even when that and dozens of other variables were controlled for, the better-looking attorneys were able to bill significantly more per hour. Needless to say, the male attorneys were ranked as much less attractive than the women, increasing the gap in women’s pay over men’s. The bigger the gap in looks, the bigger was the gap in pay. The more time passed, the more the gap widened. Sometimes life isn’t fair. ** p. 199-200. * Women’s genetic celebrity power magnifies men’s protector instinct. It inspires the government-as-substitute-husband. Men’s addiction to the genetic celebrity is either invisible or in the denial stage—thus we either don’t see it, or when confronted, deny it. ** p. 207. * Test this out on yourself. Imagine that for a month you have neither had your garbage picked up nor an opportunity to read about new anthropological discoveries. Which would you pay more money to remedy? A society that functions effectively adjusts the pay until the supply matches the need. Failure to make these adjustments not only leaves streets filled with garbage, but also leaves unemployment lines filled with anthropologists. ** p. 211. * [[Unemployment]], of course, sends the economy into a recession, creating more unemployment. Ironically, unemployment hurts women more than men. Feminists argue that’s because of sex discrimination: women are the last to be hired and the first to be fired. Correct on the outcome; wrong on the reason. We hire first what we need most, and we fire first what we need least. That’s why you hire the garbage collector first, and fire him last. Men may be hired first and fired last because more men are willing to do society’s dirty work and hazardous work for a lower price. ** p. 212. * The most unacknowledged spending expectation among women is the amount of time spent by single mothers caring for children, not only physically, but psychologically. It is my feeling that only a small percentage of a mother’s time is normally compensated for by child support, given what a woman could make adding these hours to workforce hours… It is why women who have never been married and never had children earn so much more in the workplace than women who have had children. ** p. 222. === ''The Boy Crisis'' (2018) === * “Dads-to-be are almost twice as likely to prefer a daughter to a son.” ** pp. 2 * Young men between twenty-five and thirty-one are 66 percent more likely than their female counterparts to be living with their parents. ** pp. 2 * Anticipating “the end of men” is not exactly an inspiration for your son’s life journey. ** pp. 4 *Whenever only one sex wins, both sexes lose. ** pp. 4 * We cannot solve the boy crisis by looking only at boys. ** pp. 9 * I discuss men in a book about boys because men are the role models who either offer your son structure and inspiration, or leave him rudderless and depressed. ** pp. 9 * The Great Law of the Iroquois is that our most sacred duty is to think seven generations ahead in making any decision—to be aware of whether the decisions we make today will benefit not just ourselves and our children, but our children’s children several generations into the future. ** pp. 9 * When grandpa was a dad, no research documented why a dad’s typical style of hands-on parenting, such as roughhousing, or his expectation that his children serve rather than be served, was so crucial to his children’s development. ** pp. 10 * While no vision of the future can be perfect, the goal of The Boy Crisis is to integrate the half century of national discussion about the challenges faced by girls and women with an equally nuanced national discussion about those facing boys and men. ** pp. 10 * When a boy drives down the serpentine road of mental health, feeling depressed and isolated because he feels no one who knows the real him loves him, no one needs him, and there’s no hope of that changing, he may one day find a cliff and drive off. ** pp. 15 * The murder-suicide combination of school and other mass shootings is largely young white boys’ way of driving off the cliff at the end of mental health’s tortuous road. ** pp. 16 * The increase in suicide among white males led to as many white males’ lives lost to suicide as have been lost to AIDS. ** pp. 15 * More black boys between ten and twenty are killed by homicide than by the next nine leading causes of death combined. ** pp. 16 * Suicides increase as the pressures of the male role and hormones increase. Before puberty, the suicide rates among males and female are about equal. However, between ten and fourteen, boys commit suicide at almost twice the rate of girls. ** pp. 16 * Between fifteen and nineteen, boys commit suicide at four times the rate of girls; and between twenty and twenty-four, the rate of male suicide is between five and six times that of females. ** pp. 16 * Worth less, men considered themselves worthless. ** pp. 16 * By 2015, in good economic times, boys and men were committing suicide three and a half times more often than women. ** pp. 17 * There is probably no better evidence of the increase of the boy crisis as a mental health problem than the fact that the US jail and prison population increased by more than 700 percent between 1973 and 2013. ** pp. 17 * We often allow that the disproportionate percentage of young black men in prison may reflect our racism, but rarely contemplate whether, since the other half of “black men” is “men,” that it may also reflect our sexism. ** pp. 18 * To date, our prison debate has focused on rehabilitation versus incarceration, rather than prevention versus imprisonment.  ** pp. 18 * Prison spending has increased at five times the rate of spending per grade school student. ** pp. 19 * It is only now that boys and men under fifty are twice as likely to die as girls and women the same age. ** pp. 20 * Every day, 150 workers die from hazardous working conditions.i And 92 percent of them are male. ** pp. 21 * In aggregate, these jobs might be thought of as “glass cellar” jobs—all-male, because it is almost exclusively our sons who are willing to risk death so their family will have a better life. ** pp. 22 * Whether through bigorexia or choosing the death professions, our sons, like our daughters, are often responding to what they feel will give them more approval and respect. ** pp. 24 * The challenge for your son’s grandpa was grandpa’s job going nowhere; the challenge for your son is his job going elsewhere.  ** pp. 25 * Your son will enter an economy that has made a transition from muscle to mental—or from muscle to microchip. ** pp. 25 * Over the last forty years, the median annual earnings of a boy with just a high school diploma dropped 26 percent. ** pp. 25 * The harder it is to find a job, the harder it is to find a woman. ** pp. 26 * That is our genetic heritage. The process led to our survival in the past, but is not needed for our future. But since we can’t change evolution overnight, let’s help your son through the transition. ** pp. 26 * In the United States, by eighth grade, 41 percent of girls are at least “proficient” in writing, while only 20 percent of boys are. ** pp. 28 * While boys who are motivated can become many of society’s most constructive forces—becoming inventors and implementers of what they invent (the Amazons, Apples, Facebooks, Microsofts, and Googles)—boys whose energies are poorly channeled can become society’s most destructive forces—our serial killers and prisoners. ** pp. 29 * Japan has vastly increased its vocational education programs, with 23 percent of Japan’s high school graduates studying at vocational schools. The result: 99.6 percent of Japanese vocational students received jobs upon graduation. ** pp. 31 * Here’s why I predict emotional intelligence will be paramount for your son’s future: the more sophisticated artificial intelligence becomes, the more we will yearn for humans to fill the emotional intelligence void. ** pp. 31 * When both sexes are offered pay should they assess the feelings of others accurately, the empathy gender gap disappears! The implication? The capacity for empathy and emotional intelligence is latent inside boys and men; we just have to let guys know we’ll value them for focusing on it. ** pp. 32 * Both bullies and the bullied have three things in common: both come from negative family, school, and community environments; both have low self-esteem; and both have poor social skills. ** pp. 32 * Since empathy and emotional intelligence can be taught, and these skills are key to preparing our sons for the professions that will be in the greatest demand, we need to integrate this curriculum into our schools in the formative years. ** pp. 32 * Worldwide, boys are 50 percent more likely than girls to fail to meet basic proficiency in any of the three core subjects of reading, math, and science. ** pp. 34 * Boys’ IQs have dropped about 15 points since the 1980s. ** pp. 35 * Suicide now takes “more lives than war, murder, and natural disasters combined, stealing more than 36 million years of healthy life” around the world. ** pp. 35 * The rate of increase in male suicide in India is growing at more than nine times that of female suicide. ** pp. 35 * Sensitivity to the death and suffering of boys and men is in competition with our survival instinct. ** pp. 36 * To win wars, we had to train our sons to be disposable. We honored boys if they died so we could live. We called them heroes. ** pp. 36 * The more a boy represses his feelings and puts armor around his heart, the harder it is to open our hearts to him. ** pp. 36 * Whether we call it ikigai or sense of purpose, when we pursue what we believe gives life meaning, it gives us life. ** pp. 46 * If he followed his bliss, it’s the money you’d miss. ** pp. 48 * The road to high pay is a toll road. ** pp. 48 * Fatherhood was about your dad trading in the old glint in his eye—what he loved to do—for the new glint in his eye: his love for you.  ** pp. 48 * “My Father’s Glint Was His Career—He Always Did Just What He Wanted.” ** pp. 49 * Whether or not we know our dad, we have a relationship with him. The relationship in our mind is our relationship. ** pp. 51 * Your son may simultaneously feel that the male role is pressuring him to feel obligated to earn money someone else spends while he dies sooner.  ** pp. 52 * Your son’s heroes didn’t climb traditional ladders—they built their own. ** pp. 53 * The Japanese boys’ unconscious wisdom is: their dad as winner is really their dad as loser. ** pp. 53 * If Don Draper ended up at Esalen in a state of introspection about what it means to be a man, maybe that’s where he should start. ** pp. 55 * The women’s movement warned every girl how marriage can seduce her to make a sacrifice of her career. But no one warned every boy how marriage can seduce him to make a sacrifice in his career ** pp. 57 * Had John attended to his first son, Julian, the way he attended to Sean, we would never have heard of John Lennon. ** pp. 60 * The word hero derives from the root *ser-, from which we also get the word “servant”. ** pp. 61 * Preparing his son to be a football hero was Jack’s dad’s unconscious way of preparing Jack for manhood by preparing him to sacrifice his body in exchange for the social bribes of being praised and valued. ** pp. 64 * Your son learns the “hero paradox”: to value himself by not valuing himself.  ** pp. 65 * In The Deadliest Catch, the death the men face is the source of entertainment, but not of concern. ** pp. 67 * The pay of the volunteer fireman? Praise. Respect. Purpose.  ** pp. 67 * These are the social bribes that, if your son absorbs them before the point where he is old enough and mature enough to understand their purpose, can make your son a slave to the safety of others with little regard for the safety of himself. ** pp. 67 * Many of the qualities your son develops to kill in war—or be a hero at work—undermine the qualities it takes to love at home. ** pp. 68 * The women who were best able to grow spiritually and psychologically had married men who were the least able to grow.  ** pp. 71 * Nick was experiencing the father’s catch-22: loving his family by being away from the love of his family. ** pp. 74 * And without love, your son’s purpose has no purpose. ** pp. 77 * Emma Bovary had everything, and therefore nothing.  ** pp. 78 * The more survival is at stake, the more we say, “Sorry, it’s a girl.” The more luxury we feel, the more we can say, “Sorry, it’s a boy.”  ** pp. 79 * Valuing either sex less is unacceptable ** pp. 81 * Women who have the option of being economically self-sustaining will increasingly want your son to also have emotional and relationship intelligence. ** pp. 82 * Should your son follow his bliss, it’s most likely the money he’ll miss. ** pp. 83 * Boys who are not interested in school almost always have an interest that can be catalyzed into future employment if it is pursued via hands-on experience. ** pp. 87 * A key measure of emotional intelligence is knowing that every virtue taken to its extreme becomes a vice.  ** pp. 89 * We interview people who are extraordinary successes, so they are visible. We ignore people who create a balanced life, so they are invisible. ** pp. 93 * While your son’s internal security is most likely to be enhanced by the hands-on involvement of both parents, even one conscious parent can lead the way. ** pp. 93 * Exercise helps build the muscle of a child’s brain even more effectively than studying. ** pp. 94 * Pick-up sports are excellent preparation for entrepreneurship. ** pp. 94 * When your son participates in individual sports, plus both organized and pick-up team sports, he will be experiencing sports as a boy-friendly liberal art. ** pp. 94 * The motto for the evolved boy is “When the going gets tough, tune in to know when to tough it out.” ** pp. 95 * The traditional male hero is about self-sacrifice, not self-actualization. ** pp. 97 * In the traditional male hero’s hierarchy of needs, self-actualization is nowhere to be found—because the more he values himself, the less he is willing to sacrifice himself. ** pp. 97 * The discipline of postponing gratification is the single most important discipline your son needs. ** pp. 98 * The solution—raising a balanced male—requires blending the best of the traditional male with the self-actualized male.  ** pp. 99 * The boy crisis cannot be solved, then, without addressing the most important single crisis in developed countries: dad-deprived children, and especially dad-deprived boys. ** pp. 102 * Dads—like moms, air, and water—are essential to our lives. ** pp. 105 * And when boys are hurt, they hurt us—physically, psychologically, and economically. ** pp. 106 * After divorce or loss of a father, both girls and boys experience unhappiness, but especially with divorce, girls’ grief eases within a year or two, while boys’ does not. ** pp. 109 * Careers are for Now, Children are Forever. ** pp. 113 * The absence of Dad creates the presence of government. ** pp. 114 * Father involvement is an underused resource in the family in the same way that female involvement has been an underused resource in the workplace. ** pp. 116 * The desire to be a father begins in the son, who sees in his own dad who he could become. ** pp. 117 * Prisons are centers for dad-deprived males—boys who never became men.  ** pp. 120 * When he is convicted, on average your son will receive a 63 percent longer sentence. ** pp. 120 * The gap in sentencing is six times greater for men versus women than it is for blacks versus whites. ** pp. 120 * The gender gap in education might really stem from sons’ greater vulnerability to father absence. ** pp. 122 * Even when race, education, income, and other socioeconomic factors are equal, living without dad doubled a child’s chance of dropping out of high school. ** pp. 122 * Father absence is not just correlated with negative outcomes but actually causes negative outcomes.  ** pp. 123 * Students coming from father-present families score higher in math and science even when they come from academically weaker schools. ** pp. 123 * When children in homes with less income and more father were compared to children in homes with more income but less father, there was no difference in the rates of violent crime. ** pp. 123 * Not one daughter who had a good relationship with her biological father had a baby before the age of nineteen. ** pp. 123 * When unmarried couples live together when their child is born, by the child’s third birthday, 40 percent of those children will have no regular contact with their dad for the next two years—between ages three and five. ** pp. 124 * Half of children born to mothers under thirty were born outside marriage. ** pp. 124 * The Moynihan report concluded that in a majority-black community the main predictor of growing up poor was not race but being born to parents who are not married. Why? A predictable outcome of no marriage was no father involvement. ** pp. 125 * While the Moynihan Report identified the quarter of black children born outside marriage as a crisis with a solution in 1965, today the percentage of white children born outside marriage is 36 percent. ** pp. 126 * “My mom warns and warns; it’s like she ‘cries wolf.’ My dad gives us one warning, and then he becomes the wolf.” ** pp. 136 * Teaching a child to treat boundaries seriously teaches him or her to respect the needs of others. ** pp. 136 * Empathy is a virtue which, when it only goes from parent to child, and is not required of the child, becomes a vice. ** pp. 138 * Working from home requires self-starting. And children raised with poor boundary enforcement rarely master the postponed gratification that self-starting requires. ** pp. 141 * Playing with dad is like being on a roller coaster—kids are excited because they feel safe. ** pp. 142 * When Martin teased, he taught Maggie and Marty Jr. to interpret the meaning of a twinkle in his eye, slight alterations of his voice, shifts in his facial expression. ** pp. 149 * The exchange of wit-covered put-downs is boys’ and men’s unconscious way of training each other to handle the criticism it takes to become successful. ** pp. 150 * The trading of wit-covered put-downs is boys and men training each other to handle criticism, unconsciously knowing that the ability to handle criticism is a prerequisite to success. ** pp. 151 * Among guys, if you can’t tease ’em, you can’t trust ’em. ** pp. 152 * Married couples who tease each other during conflict feel more connected and happier after the conflict than those who criticize in a straightforward way. ** pp. 152 * Especially in the military, hazing helps recruits amputate each other’s individuality because the war machine works best with standardized parts, not with people who say, “I’m special.” ** pp. 153 * If female-to-female teasing and hazing does occur, as in Mean Girls, it signals that the woman being teased and hazed is on the outs, not that she’s being vetted for inclusion.  ** pp. 154 * Parenting plans should be consistent. ** pp. 165 * Children express intense dissatisfaction with the traditional arrangement of every other weekend. ** pp. 167 * Two-parent stability trumps geographical stability. ** pp. 168 * In a study of more than twelve thousand teenagers after divorce, children living with single dads fared better than children living with single moms. ** pp. 174 * Divorced men are almost ten times more likely to commit suicide than divorced women from similar backgrounds. ** pp. 175 * The word “warrior” is not added lightly. A warrior makes himself aware of the barriers to achieving his purpose. Then, rather than focus on what is standing in his way, a warrior focuses on how to get past those barriers. Which is exactly what he’ll be teaching his children. ** pp. 176 * Your son is unlikely to choose to be a “father warrior” if he doesn’t feel two things: first, a sense of purpose; second, that his contribution will be pivotal. So his role in the checks and balances of parenting requires a deeper dive. ** pp. 178 * The male-female pay gap is not a gap between men and women; it is a gap between moms and dads.  ** pp. 182 * If your son is nontraditional, he needs to know that the most important work of his life is selecting a woman who is free enough from social constraints to free him from social constraints. ** pp. 184 * Dads were user-friendly for companies, because they could most easily be used. ** pp. 185 * “Social workers tend to consider the children’s wishes as long as their preference is for maternal custody. When children express a paternal preference, their wishes carry no weight. ** pp. 189 * In The Second Stage, Friedan predicted women’s career goals would never be achieved if men were not more incorporated into the fathering role. ** pp. 189 * A mom has the right to children, but a dad has to fight for children.  ** pp. 191 * 70 percent of child support debt is owed by parents with incomes of less than $10,000 per year ** pp. 192 * When your son has sex with a woman, he puts his life in her hands. ** pp. 193 * Virtually 100 percent of TV ads that portray only one sex as a jerk portray the man as the jerk. ** pp. 193 * But a happy marriage is less about money, children, or lack of sex than about how we communicate about money, children, or lack of sex. ** pp. 197 * When the house is clean and the bills are paid, the effort our partner makes to keep things the same are invisible exactly because things are the same.  ** pp. 199 * If your son sees being an oppressor as his future, being a failure to launch might look like progress. ** pp. 200 * “The best parent is both parents” means mommy is no substitute for daddy, money is no substitute for daddy, and another man is no substitute for daddy. ** pp. 202 * The future will increasingly see the home place becoming the work place. ** pp. 203 * Mastery of content that is measurable, tangible, and translates into respect. ** pp. 210 * Three-quarters of dads who were in South Carolina jails for being behind in child support payments suffer from extreme poverty. And one-eighth of all South Carolina inmates are in jail for being behind in child support payments. ** pp. 222 * We spend billions to get from dads the money few of them have, and virtually nothing to allow dads to give the time they do have—the time their children need. ** pp. 223 * Our “cultural shrug” toward both the boy crisis and father involvement has led to no significant government effort to reduce the presence of government by increasing the involvement of dads. ** pp. 225 * If we get more of what we pay for, then let’s pay to get more dads, rather than pay more when dads are absent. ** pp. 227 * In the almost 20 years following Australia’s change in gun policy, mass shootings fell to zero. ** pp. 229 * Guns are not the cause of the boy crisis, but as we are working on the causes, the control of guns can limit the damage of dad-deprived sons. ** pp. 229 * When boys and men are told they are needed, they respond, and become responsible. ** pp. 231 * The male-female life expectancy gap has grown almost 400 percent. ** pp. 236 * Both parents’ cumulative health creates your son’s health; your son’s health begins before his beginning. ** pp. 236 * To be a hero is to be emotionally constipated.  ** pp. 237 * A desire to be nurtured is in our son’s nature. But it’s a nature we don’t often nurture. ** pp. 237 * Does the new heroine mean your son won’t have to risk his life for her love? ** pp. 239 * If your son is unclear as to what a highly powerful woman wants from him, he is more likely to go for a woman who is less powerful who has some need for him. ** pp. 240 * The female superhero’s lack of sexual neediness makes her a “super” superpower. ** pp. 240 * Hollywood plants the seeds for male-only draft registration. ** pp. 240 * If the life of a beloved woman—whether romantic partner or mother—is at risk, his life is at risk.  ** pp. 241 * Even if your son tries to use his power to save a woman, if he fails, that power will implode. ** pp. 241 * If a good woman is killed, a man is to blame. ** pp. 241 * We have taught boys that, while building strength is considered masculine, preventing its loss is feminine. ** pp. 245 * Preserving the best of traditional masculinity should be a priority of parents because your son is preoccupied with the paradox of learning how to simultaneously fit in and stand out. ** pp. 248 * Among former college players, 56 percent suffered from severe CTE pathology, which was associated with signs of dementia 85 percent of the time. ** pp. 251 * We teach boys to associate being abused with being loved. ** pp. 253 * Tackle football is a body-mind sport; flag football is a mind-body sport. ** pp. 253 * “Flag football is so much more about strategy. You can’t ‘take someone out’ with your body, so it’s more about your mind.” ** pp. 254 * Tackle football is using taxpayer money to risk the minds and bodies of only our sons before the age of consent.  ** pp. 255 * Even if a soldier lives, the risks of war come home with the warrior—that for every soldier killed, about twenty-five veterans kill themselves.  ** pp. 256 * The more your son wishes to be part of the elite, the more he will abhor being pitied. Yet boys who join the elite today are often the ones who are pitied tomorrow.  ** pp. 256 * You can easily feel judged and alone if you are the only one to understand that your son’s anger is the mask of his vulnerability.  ** pp. 260 * When a potential girlfriend hears a guy complain, it violates her instinct to be protected; but when a mom hears her son complain, it triggers her instinct to protect. ** pp. 261 * Compassionate listening positively affects the development of an adolescent’s brain in a way that affects the rest of his or her life. ** pp. 261 * Between ages thirteen and sixteen, boys show a temporary decline in empathy on a biological level—a decline not suffered by girls. ** pp. 263 * The rate of PTSD among boys who moved to better neighborhoods was like the rate found among soldiers returning from combat. ** pp. 265 * Counterintuitively, when it comes to a loss of friendships and love, your son is the more vulnerable sex. ** pp. 265 * The bully who is healed is the best protection for the bullied. ** pp. 268 * The male-female suicide gap in the United States has tripled since the Great Depression. ** pp. 273 * By age eighty-five, men’s suicide rate is 1,650 percent higher than that of women the same age. Women cry, men die. ** pp. 274 * Whether via forced unemployment, retirement, or loss of spouse, men’s response of suicide can just be the killing of what has already been killed. ** pp. 276 * Suicide is contagious. ** pp. 276 * There is almost no difference in the percentage of men versus women experiencing depression. ** pp. 278 * When the National Association of Social Workers studies suicide, they study only female suicide. ** pp. 284 * With confidentiality as the key, men’s groups open the door to men opening their hearts. ** pp. 286 * In my forty-five years of forming men’s groups, I have never heard of a man who was actively involved in a men’s group being hospitalized for depression, or commit suicide. ** pp. 287 * When a veteran internalizes that he’s failed to take personal responsibility, he is a step closer to suicide. ** pp. 289 * Many veterans are “rough, tough cream puffs.”  ** pp. 290 * Veterans create privilege for all those who have not had to serve. ** pp. 290 * Traditional men make their sacrifices in significant measure in the hopes of being appreciated when they come home, and having their learning experiences integrated into their homes. ** pp. 291 * One in five young men are not fertile. ** pp. 292 * Men with lower sperm count, even if they can reproduce, are likely to have a shorter life. ** pp. 292 * It is exactly this men’s health void that creates your son’s men’s health opportunity. ** pp. 300 * Love doesn’t eliminate defensiveness, because love creates vulnerability, and defensiveness is vulnerability’s mask. ** pp. 308 * The negative symptoms of the male culture are harnessed by the prescription drug culture. ** pp. 310 * While recess provides the playground in which bullying may be found, it is also the laboratory for reducing bullying. ** pp. 311 * Healed people heal people. ** pp. 312 === ''Miscellaneous'' === Roses aren't always red<br> Violets are violet, not blue<br> While you can't count on the flowers<br> You can count on my love for you. Love forever, Warren Posted on Facebook, 2/16/15 == External links== {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.nytimes.com/2005/02/27/business/yourmoney/27lunch.html New York Times: Are Women Responsible for Their Own Low Pay?], an interview with Warren Farrell, 2005. {{DEFAULTSORT:Farrell, Warren}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন শিক্ষায়তনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ-কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী]] [[Category:Educators from the United States]] [[Category:Civil rights activists]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয়কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক শহরের ব্যক্তি]] [[Category:University of California, Los Angeles alumni]] [[Category:Men's rights activists]] i30plgy9b7dyyg71tlpmyozsvjjvdxv 81634 81633 2026-04-27T12:10:38Z ARI 356 /* Why Men Earn More (2005) */ 81634 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Warren Farrell photo.jpg|thumb|ওয়ারেন ফ্যারেল, ২০১১]] '''ওয়ারেন ফ্যারেল''' (জন্ম ২৬ জুন, ১৯৪৩) একজন মার্কিন [[শিক্ষক]], কর্মী এবং [[নারী]]দের সাথে পুরুষদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে লেখা সাতটি বইয়ের লেখক। তিনি ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেনের নিউ ইয়র্ক সিটি বোর্ডে কাজ করেছেন এবং পুরুষ অধিকার আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। == উক্তি == === ''হোয়াই মেন আর দ্য ওয়ে দে আর'' (১৯৮৮) === * একে অপরের প্রতি না বলে, আমার অসহায়ত্ব তোমার অসহায়ত্বের চেয়ে বেশি, কি নারী ও পুরুষের পক্ষে একে অপরের কথা শোনা সম্ভব ছিল? এটা পরিষ্কার হয়ে উঠছিল যে প্রতিটি লিঙ্গের শক্তি এবং অসহায়ত্ব উভয় ক্ষেত্রেই একটি অনন্য অভিজ্ঞতা ছিল। আমার মনের চোখে আমি একটি শোনার কাঠামো কল্পনা করতে শুরু করলাম যার মধ্যে আমরা এই ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতাগুলো শুনতে পারি। এটি দেখতে এমন ছিল: ** পৃষ্ঠা ১৭ * আমি যখন এই শোনার কাঠামোর দিকে আরও যত্নসহকারে তাকালাম তখন দেখলাম যে গত বিশ বছর ধরে আমরা এর চারটি ভাগের প্রথমটির ওপর গুরুত্ব দিয়েছি, তা হলো নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতা। আমি দেখলাম আমি অবচেতনভাবে একটি ভুল ধারণা পোষণ করছিলাম: আমি নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতা যত গভীরভাবে বুঝছিলাম, ততই আমি ধরে নিচ্ছিলাম যে নারীদের যে ক্ষমতা ছিল না তা পুরুষদের আছে। আসলে, আমি যা বুঝছিলাম তা হলো পুরুষদের ক্ষমতা সম্পর্কে নারীদের অভিজ্ঞতা। ** পৃষ্ঠা ২০-২১ * যে পুরুষেরা নারীদের প্রতি মনোযোগী কিন্তু নিজেদের কষ্টের প্রতি মনোযোগী নন তারা সাধারণত এই মনোভাব ধরে রাখতেন যে নারীদের বিশেষ সুরক্ষার প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ২২ * পুরুষদের সাফল্যের বস্তু হিসেবে দেখার ইচ্ছা স্বীকার করতে নারীদের যে দুর্বলতা তা নারীদের প্রতি পুরুষদের তীব্র যৌন আকাঙ্ক্ষার বাধ্যবাধকতার স্বীকারোক্তির সাথে মিলে যায়। ** পৃষ্ঠা ২৬ * আমরা সবাই মিলে বুঝতে পারলাম যে কীভাবে আমরা পুরুষদের আবেগ প্রকাশ করতে অনুরোধ করি, কিন্তু তারপর যখন পুরুষেরা আবেগ প্রকাশ করে তখন আমরা তাকে লিঙ্গবৈষম্য, পুরুষতান্ত্রিক অহংকার অথবা পাল্টা আঘাত বলি। ** পৃষ্ঠা ২৭. * রাল্ফ ক্ষমতার বাহ্যিক রূপ পাওয়ার চেষ্টা করে প্রকৃত ক্ষমতা হারিয়েছিলেন। তিনি একজন নেতা ছিলেন। কিন্তু তিনি নেতাদের জন্য তৈরি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করছিলেন; তাই তিনি একজন অনুসারী ছিলেন... তিনি যেমনটা বলেছিলেন, তিনি ছিলেন একজন উচ্চপর্যায়ের সাধারণ মানুষ। ** পৃষ্ঠা ৯ * অধিকাংশ নারীর আদর্শ হলো নয়টি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যৌন সম্পর্কে না জড়ানো: শারীরিক আকর্ষণ; শ্রদ্ধা; মানসিক সামঞ্জস্য; বুদ্ধিমত্তা; অবিবাহিত হওয়া; সাফল্য (বা সম্ভাবনা); বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব পাওয়া; খরচ মেটানো; এবং প্রথম চুম্বনের উদ্যোগ নিয়ে পুরুষের প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়া…. পুরুষরা ততক্ষণ পর্যন্ত যৌনতা চায় যতক্ষণ একটি মাত্র শর্ত পূরণ হয়—শারীরিক আকর্ষণ। ** পৃষ্ঠা ১৩ * পুরুষদের কাছে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন হলো প্লেবয় এবং পেন্টহাউস। এগুলো পুরুষদের প্রধান কল্পনাকে উপস্থাপন করে: প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি ছাড়াই যত খুশি সুন্দরীদের কাছে যাওয়ার সুযোগ। নারীদের কাছে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন হলো বেটার হোমস অ্যান্ড গার্ডেনস এবং ফ্যামিলি সার্কেল, যা নারীদের প্রধান কল্পনাকে উপস্থাপন করে: আরও ভালো ঘরবাড়ি, বাগান এবং একটি পারিবারিক পরিমন্ডল। ** পৃষ্ঠা ১৮ * অবিবাহিত নারীদের কাছে ''কসমোপলিটান'' সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন। কসমো অবিবাহিত নারীদের জানায় কীভাবে তারা একজন পুরুষকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করতে পারে এবং আরও ভালো ঘরবাড়ি ও বাগানের প্রধান কল্পনা অর্জন করতে পারে। এটি প্লেবয়ের একটি নারী সংস্করণ। পর্নোগ্রাফি হলো পুরুষদের প্রধান কল্পনা--নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থাকা দামে প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি ছাড়াই যত খুশি সুন্দরীদের কাছে যাওয়ার সুযোগ! ** পৃষ্ঠা ১৮ * আমি যদি নিরাপত্তাকে কোনো নারীর প্রধান প্রয়োজন বলি তবে কীভাবে একে তার প্রধান কল্পনা বলতে পারি? কারণ যখন তার প্রধান প্রয়োজন হলো একটি ঘর এবং পারিবারিক পরিমন্ডলের নিরাপত্তা, তখন তার প্রধান কল্পনা হলো অন্য কেউ এগুলো পাওয়ার জন্য যথেষ্ট অর্থ উপার্জন করবে। একারণেই দুই বিলিয়ন নারী সাম্প্রতিক রাজকীয় বিয়ের দিকে মনোযোগ দিয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬ * সান ডিয়েগোতে হাউ টু ম্যারি মানি নামে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কোর্স আছে। লক্ষ্য করুন যে বিয়েটি হয় টাকার সাথে--কোনো ব্যক্তির সাথে নয়। আমি অংশগ্রহণকারী পুরুষদের শতাংশ সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম... নির্দেশক উত্তর দিয়েছিলেন, 'কোর্সটি আসলে নারীদের জন্য, এটি পুরুষদের জন্য প্রাসঙ্গিক নয়।' ** পৃষ্ঠা ৪৩ * পুরুষেরা যখন পছন্দ করানোর জন্য চটকদার কথা বলে তখন নারীরা পুরুষদের বিশ্বাস না করতে শেখে। যখন নারীরা মেকআপ করে তখন পুরুষেরা নারীদের বিশ্বাস না করতে শেখে। পুরুষদের চটকদার কথা এবং নারীদের মেকআপ হলো আসলে বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ৭১-৭২ * ফিমেল ওয়েস্টার্ন হলো সেরা পুরুষদের পাওয়ার জন্য ভালো এবং খারাপ পদ্ধতির মধ্যে লড়াই। ** পৃষ্ঠা ৭৩ * সন্ধ্যার টিভি নাটক থেকে শুরু করে কিশোর বয়সের রোমান্স পর্যন্ত, সব জায়গার বার্তা হলো যে অন্তর্নিহিত মূল্য কেবল পরাজিতদের জন্য। ** পৃষ্ঠা ৭৩ * পুরুষদের ম্যাগাজিনে সাফল্য হলো যৌনতা এবং ভালোবাসা পাওয়ার একটি হাতিয়ার, তাই সাফল্যের বাহ্যিক রূপ সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে নারীদের ম্যাগাজিনে ভালোবাসা এবং যৌনতা হলো সাফল্য পাওয়ার হাতিয়ার—তাই ভালোবাসার প্রকাশ এবং যৌন প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতি উভয়ই সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯ * গল্পের প্রধান চরিত্র বা বেঁচে যাওয়া ব্যক্তির জন্য পুরুষদের প্রতিযোগিতা এবং নারীদের প্রতিযোগিতার এই চিরাচরিত থিম আমাদের যোগ্যতমের টিকে থাকা থেকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে এসেছে যেখানে কেউ বেঁচে থাকবে না। লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকাগুলো প্রায় রাতারাতি কার্যকর থেকে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। একারণেই এই চিরাচরিত থিমটি নিয়ে এখন প্রশ্ন তোলা জরুরি। ** পৃষ্ঠা ৯১ * সম্ভবত পুরুষদের কাছে সবচেয়ে প্রচলিত প্রত্যাশা হলো আমাদের সুপারম্যান হওয়ার প্রত্যাশা: আমাদের ভয় যে আমরা কেবল ক্লার্ক কেন্ট যাদের সুপারম্যান না হওয়া পর্যন্ত কেউ গ্রহণ করবে না। ** পৃষ্ঠা ৯৬ * যখন বিবাহবিচ্ছেদের মানে দাঁড়াল যে বিয়ে আর সারাজীবনের জন্য নিরাপত্তা দিচ্ছে না, তখন নারীরা কেরিয়ার বা পেশাকে ক্ষমতায়ন হিসেবে দেখার মাধ্যমে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু যখন একটি পেশার জন্য ত্যাগ এবং পেশার ভেতরের ত্যাগগুলো সামনে এল, তখন পেশার কল্পনাটি লাভ-ক্ষতির বাস্তবতায় পরিণত হলো। নারীদের মধ্যে পেশা নিয়ে দ্বিধা তৈরি হলো। ** পৃষ্ঠা ১০১ * পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে, যখন প্রতিশ্রুতি হীরা এবং বন্ধকী ঋণের সাথে যুক্ত হয়, তখন ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি অনেকটা অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতির মতো মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * নারীরা যখন তাদের সৌন্দর্যের ক্ষমতার তুঙ্গে থাকে এবং সেটি ব্যবহার করে তখন আমরা তাকে বিয়ে বলি। পুরুষেরা যখন তাদের সাফল্যের ক্ষমতার তুঙ্গে থাকে এবং সেটি ব্যবহার করে তখন আমরা তাকে মধ্যবয়সের সংকট বলি। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * সে এবং তিনি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বাছাই করার সুযোগ পান; যখন পুরুষ তার প্রধান কল্পনা অর্থাৎ যৌনতা চায় তখন নারী বাছাই করার সুযোগ পায়; যখন নারী তার প্রধান কল্পনা অর্থাৎ প্রতিশ্রুতি চায় তখন পুরুষ বাছাই করার সুযোগ পায়। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * কম্পিউটার উইজ হতে বা কালো পোর্শে গাড়ির মালিক হতে কঠোর পরিশ্রম করা পুরুষেরা বিভ্রান্ত হয় যখন তাদের বলা হয় যে তারা যথেষ্ট সংবেদনশীল নয়। আমরা এমন পুরুষদের প্রেমে পড়তে পারি না যাদের অভেদ্য মনে হয় এবং আবার তাদের কাছে সংবেদনশীলতা আশা করি। সে কেন একটি কালো পোর্শে গাড়ি চেয়েছিল? কারণ সে কখনও কোনো অসুন্দর নারীকে এমন গাড়ি থেকে নামতে দেখেনি। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * উভয় লিঙ্গই মঞ্চে আসার আগে তাদের নিজেদের কথার প্রস্তুতি নেয়। পুরুষের কথাগুলো হলো সারাজীবনের পরিশ্রমের ফল; নারীর প্রাথমিক 'কথা' হলো তার বাহ্যিক রূপ--অথবা তার বয়সের ছাপহীনতা। কেরিয়ার যেভাবে পুরুষদের ক্ষমতা দেয়, সৌন্দর্য একইভাবে নারীদের ক্ষমতা দেয়। কিন্তু সবচাইতে সুন্দরীদের সাথে তুলনা যেভাবে একজন নারীকে ক্ষমতাহীন অনুভব করায়, সবচাইতে সফল পুরুষদের সাথে তুলনাও একইভাবে একজন পুরুষকে ক্ষমতাহীন অনুভব করায়। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * প্রথম পুরুষ বার্তাটি একজন বালক অবচেতনভাবে এভাবে অনুভব করে: ‘আমার ক্লাসের কিছু মেয়ে এখনই মুভি স্টারের মতো দেখতে। তারা যদি আমাকে ততটা চাইত যতটা আমি তাদের চাই, তবে আমি জানতাম যে আমি ঠিক আছি। তারা জন্মগত তারকা। আর আমি জন্মগত অনুরাগী।’ ** পৃষ্ঠা ১১১ * নারীদের সচেতনতা যখন বৃদ্ধি পেয়েছিল তখন নারীরা ঘরের কাজকে ঘৃণাভরে দেখতে শুরু করেছিল; যখন পুরুষদের সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে তখন যৌন প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়াকে পুরুষেরা ঘৃণ্য কাজ হিসেবে দেখবে। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যৌন বিষয়ে সন্দেহভাজন হওয়ার ভয়ে পুরুষদের সাথে আবেগীয় যোগাযোগ না করার ভয় বালকদের মেয়েদের সামনে আরও বেশি ক্ষমতাহীন করে তোলে। সমকামভীতি অনেকটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এটা বলার মতো যে এটি একটি দুর্বল জাতি হয়ে যাবে যদি তারা ওপেক থেকে সব তেল সংগ্রহ না করে। ** পৃষ্ঠা ১২৮ * সাফল্য যেমন সমাধান তেমনই ফাঁদ: একজন পুরুষ যৌন আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে যত কম ইচ্ছুক হবে, সে সাফল্যের বস্তু হওয়ার ফাঁদে তত বেশি আটকা পড়বে। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * অ্যালান আল্ডাকে সবাই ভালোবাসে কারণ সে কেবল সংবেদনশীল নয় বরং সে সফল এবং সংবেদনশীল। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকার প্রশিক্ষণ আসলে বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * একজন পুরুষের সফল হওয়ার একটি বিপদ হলো এটি তার স্ত্রী এবং কন্যাকে সাফল্য নিয়ে চিন্তা না করতে শেখায়। ** পৃষ্ঠা ১৪৮ * প্রতিশ্রুতি মানে অনেক সময় একজন নারীর তার প্রধান কল্পনা পূরণ হওয়া, যেখানে একজন পুরুষ তার কল্পনা ত্যাগ করে। তার প্রধান কল্পনা বিসর্জন দেওয়ার বিনিময়ে সে কী পাওয়ার আশা করে? তার প্রধান প্রয়োজন: ঘনিষ্ঠতা। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * একজন অবিবাহিত নারী যিনি নিজের ভরণপোষণ করেন তাকে কেরিয়ার ওম্যান বলা হয়, অন্যদিকে একজন অবিবাহিত পুরুষ যিনি নিজের ভরণপোষণ করেন তাকে প্লেবয় বলা হয়…বিদ্রূপের বিষয় হলো যে নারী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় এবং আর্থিকভাবে নির্ভরশীল হয় তাকে সেই পুরুষের চেয়ে বেশি পরিপক্ক মনে করা হয় যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয় কিন্তু আর্থিকভাবে স্বাধীন। ** পৃষ্ঠা ১৫৪ * একজন পুরুষ বুঝতে পারে না যে একজন নারী তাকে ভালোবাসে নাকি তার দেওয়া নিরাপত্তাকে ভালোবাসে যতক্ষণ না সেই নারী চলে যাওয়ার মতো আর্থিকভাবে এবং মানসিকভাবে যথেষ্ট স্বাধীন হয়। যতক্ষণ একজন নারী চলে যেতে না শেখে ততক্ষণ সে নিজেও নিশ্চিত হতে পারে না যে সে ভালোবাসতে শিখেছে কি না। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব না দেওয়া হলো সেক্সিজম বা লিঙ্গবৈষম্য; নতুন লিঙ্গবৈষম্য হলো পুরুষদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব না দেওয়া। ** পৃষ্ঠা ১৯৪ * পুরুষদের মেকআপ হলো তাদের পদবী, মর্যাদা এবং ডেটিংয়ের খরচ মেটানো। মেকআপ হলো এমন কিছু যা উভয় লিঙ্গই তাদের বর্তমান ক্ষমতা এবং তারা যে ক্ষমতা পেতে চায় তার মাঝখানের দূরত্ব ঘোচাতে ব্যবহার করে। নারী এবং পুরুষ উভয়ের মেকআপই হলো তাদের অসহায়ত্বের অনুভূতির ক্ষতিপূরণ। ** পৃষ্ঠা ২১৫ * পুরুষেরা ভিন্ন ভিন্ন নারীদের সাথে একই কথা বলে ঠিক যে কারণে নারীরা ভিন্ন ভিন্ন পুরুষের জন্য একই পারফিউম ব্যবহার করে; আমরা সবাই সেই জিনিসগুলোই চেষ্টা করি যা কাজ করে। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * সম্পর্কে যখন পুরুষদের কাছে বেশি টাকা থাকে তখন আমরা বলি তাদের ক্ষমতা আছে। সম্পর্কে যখন নারীদের কাছে বেশি টাকা থাকে তখন আমরা বলি তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ২১৮ * লিঙ্গবৈষম্যের নিয়মগুলো পুরুষদের সহিংসতার আতঙ্ক থেকে মুক্ত করে না; এগুলো কেবল পুরুষদের এই বিষয়ে অভিযোগ করা থেকে বিরত রাখে। ** পৃষ্ঠা ২৩২ * সে যৌনতা পায়, নারীও যৌনতা পায়; যদি এটি অসমান মনে করা হয় তবে পুরুষেরা কেন প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পায় তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যতক্ষণ না একজন নারী একজন পুরুষকে প্রথমবার বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় ঠিক যেভাবে পুরুষেরা তাকে দেয়, ততক্ষণ পর্যন্ত ‘সে আমাকে বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে তাই সে টাকা দেবে’ এই দাবিটি পুরুষদের ওপর দ্বিগুণ বোঝা: তাকে কেবল প্রস্তাবই দিতে হবে না বরং অতিরিক্ত প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত খরচও দিতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৭৭ * কিছুদিন আগে পর্যন্ত প্রশ্ন ছিল ‘কেন একজন নারী পুরুষের মতো হতে পারে না?’ এটি পরিবর্তন করে হওয়া উচিত ছিল ‘কেন উভয় লিঙ্গই একে অপরের সেরা গুণগুলোর মতো হতে পারে না?’ এর পরিবর্তে ১৯৬০-এর দশকের নারীবাদী ব্যাজগুলোতে লেখা থাকত অ্যাডাম ওয়াজ আ ফার্স্ট ড্রাফট। কথাটি যথেষ্ট সত্য। আমরা সবাই তাই। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * পুরুষেরা ততক্ষণ পরিবর্তন হবে না যতক্ষণ নারীরা ‘উপরে বিয়ে’ করবে। পুরুষেরা ততক্ষণ পরিবর্তন হবে না যতক্ষণ আমাদের এই বিষয়ে ধারণা না হবে যে ক্ষমতা আমাদের কতটা ক্ষমতাহীন করে তোলে। একজন নারী একজন পুরুষকে পরিবর্তন হতে সাহায্য করতে পারে না যতক্ষণ না তার এই বিষয়ে ধারণা হয় যে ক্ষমতা পুরুষদের কতটা ক্ষমতাহীন করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * আমি মনে করি যে ব্যবসায়িক জগতে সফল হওয়া নারীদের যেমন পুরুষ মেন্টর প্রয়োজন হয়, সম্ভবত আবেগীয় জগতে সফল হওয়া পুরুষদের জন্য নারী আবেগীয় মেন্টর প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ৩১৭ * আমাদের সঙ্গী নির্বাচন হলো আমাদের মূল্যবোধ নির্বাচনের অন্যতম স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। ** পৃষ্ঠা ৩৪১ * কেবল তখনই একজন নারী পুরুষকে সত্যিই বুঝতে শুরু করতে পারে যখন সে পুরুষদের ঝুঁকিগুলো ভাগ করে নেয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫৫ * শিশুদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা এত তাৎক্ষণিক কারণ আমরা তাদের অসহায়ত্ব সঙ্গে সঙ্গে অনুভব করতে পারি; বিপরীতে পুরুষদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা অস্বীকার করার একটি উপায় হলো পুরুষদের অসহায়ত্বকে অস্বীকার করা। আমরা প্রায়ই পুরুষদের প্রতি ভালোবাসাকে তাদের প্রতি শ্রদ্ধার সাথে গুলিয়ে ফেলি, বিশেষ করে আমাদের যত্ন নেওয়ার ক্ষমতার জন্য--যা আসলে কেবল নিজেদের প্রতিই ভালোবাসা। ** পৃষ্ঠা ৩৬০ * মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘনিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় মনোবিজ্ঞান প্রজাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় মনোবিজ্ঞানে পরিণত হয়েছে। ** পৃষ্ঠা ৩৭১ * পুরুষদের ভালোবাসা কি নারীবাদের পরিপন্থী? একদমই না। আমার বিশ্বাস প্রতিটি প্রকৃত নারীবাদী একজন পুরুষবাদী হওয়ার মাধ্যমে আরও গভীর এবং পরিপক্ক হয়--এমন একজন ব্যক্তি যে সমতা এবং স্বীকৃতির জন্য পুরুষদের অনুসন্ধানকে পুরুষের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুঝতে পারে। একইভাবে প্রতিটি পুরুষবাদী একজন নারীবাদী হওয়ার মাধ্যমে আরও গভীর হয় (এমন একজন ব্যক্তি যে সমতা এবং স্বীকৃতির জন্য নারীদের অনুসন্ধানকে নারীর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুঝতে পারে)। ** পৃষ্ঠা ৩৬৮ === ''দ্য মিথ অফ মেল পাওয়ার'' (১৯৯৩) === <small>সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ১ম সংস্করণ, ১৯৯৩; ২য় সংস্করণ, বার্কলে, ২০০০)</small> ==== প্রথম খণ্ড: দ্য মিথ অফ মেল পাওয়ার ==== * পুরুষদের দুর্বলতা হলো শক্তির কৃত্রিম বহিঃপ্রকাশ; নারীদের শক্তি হলো দুর্বলতার কৃত্রিম বহিঃপ্রকাশ। ** পৃষ্ঠা ১৩ * নারীবাদ নারীদের শিখিয়েছে যে যখন পুরুষেরা ভুল ব্যক্তির সাথে বা ভুল সময়ে উদ্যোগ নেয় তখন যৌন হয়রানি বা ডেট রেপের জন্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যায়; কিন্তু কেউ পুরুষদের শেখায়নি যে নারীরা যখন প্রথমে "হ্যাঁ", তারপর "না" এবং পরে আবার "হ্যাঁ" বলে তখন মানসিক আঘাতের জন্য মামলা করা যায়। ... পুরুষদের কাছ থেকে এখনো উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা করা হয়, কিন্তু এখন তারা যদি এটি ভুলভাবে করে তবে তাদের জেল হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে পোস্ট অফিসগুলোতে সিলেক্টিভ সার্ভিস পোস্টারে লেখা থাকে "একজন পুরুষকে তাই করতে হয় যা তার করা উচিত"। এগুলো পুরুষদের মনে করিয়ে দেয় যে কেবল তাদেরই বাধ্যতামূলক সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হবে। যদি পোস্ট অফিসে এমন পোস্টার থাকত যেখানে লেখা থাকত "একজন ইহুদিকে তাই করতে হয় যা তার করা উচিত..." অথবা কোনো গর্ভবতী নারীর শরীরের ওপর যদি লেখা থাকত "একজন নারীকে তাই করতে হয়..." ** পৃষ্ঠা ২৮ * যে সমাজগুলো টিকে আছে তারা তাদের সন্তানদের যুদ্ধে এবং কাজে এমনকি বাবা হিসেবেও উৎসর্গ করার বা পরিত্যাজ্য হওয়ার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করেই টিকে আছে। ** প্রথম খণ্ড * এমন অনেক দিক আছে যেখানে একজন নারী তার পুরুষ সঙ্গীর তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাহীন অনুভব করেন: গর্ভাবস্থা, বয়স বেড়ে যাওয়া, ধর্ষণ, ডেট রেপ এবং শারীরিকভাবে অবদমিত হওয়ার ভয়; স্বামী ও সন্তানদের ভরণপোষণ করার মতো যথেষ্ট বেতনের ক্যারিয়ার গড়ার সামাজিক শিক্ষার অভাব[...] সৌভাগ্যবশত, প্রায় সব শিল্পোন্নত জাতি নারীদের এই অভিজ্ঞতাগুলোকে স্বীকার করেছে। দুর্ভাগ্যবশত, তারা কেবল নারীদের অভিজ্ঞতাগুলোকেই স্বীকার করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৮ * ক্ষমতা মানে যদি নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকা বোঝায়, তবে আমাদের জীবনের ওপর লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকা এবং বর্ণবাদের প্রভাব বোঝার জন্য গড় আয়ুর চেয়ে ভালো কোনো মাপকাঠি নেই। ** পৃষ্ঠা ৩০ * বিষয়: মাইক টাইসনের বিচার। জুরিরা যে হোটেলে ছিলেন সেখানে আগুন লেগে যায়। দুই জন ফায়ারফাইটার সেখানকার বাসিন্দাদের বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারান। মাইক টাইসনের বিচার আমাদের পুরুষদের ধর্ষণকারী সত্তা সম্পর্কে সচেতন করেছে। কিন্তু ফায়ারফাইটারদের মৃত্যু আমাদের পুরুষদের রক্ষাকর্তা সত্তা সম্পর্কে সচেতন করেনি। আমরা একজন পুরুষের ক্ষতি করার বিষয়ে যতটা সচেতন ছিলাম, দুই জন পুরুষের বাঁচানোর বিষয়ে ততটা ছিলাম না... ** পৃষ্ঠা ৩৬ * ইতিহাসে এমন একটি উদাহরণ খুঁজে পাওয়া কঠিন যেখানে কোনো গোষ্ঠী ৫০ শতাংশের বেশি ভোট দিয়েও নিজেদের ভুক্তভোগী দাবি করে পার পেয়েছে... নারীরাই একমাত্র 'নিপীড়িত' গোষ্ঠী যারা 'নিপীড়কের' সাথে একই বাবা-মায়ের সন্তান; যারা 'নিপীড়কের' মতোই মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারে জন্ম নেয়; যারা 'নিপীড়কের' চেয়ে বেশি বিলাসদ্রব্যের মালিক হয়... ** পৃষ্ঠা ৪০ * আমরা 'তিনটি বিকল্প থাকা নারী এবং কোনো বিকল্প না থাকা পুরুষের যুগে' প্রবেশ করেছি। ** পৃষ্ঠা ৫২ * প্রথম ধাপে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি ছিল না, তাই পুরুষদের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলত না; দ্বিতীয় ধাপে সম্পর্ক বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যেতে পারে, তাই পুরুষদের সম্পর্কগুলো নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছিল। আমরা এমন রাজনৈতিক নেতাদের চাইনি যারা এমন আচরণের রোল মডেল হবেন যা নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে। ** পৃষ্ঠা ৬৩ * সংক্ষেপে, আমাদের জিনগত ঐতিহ্য আমাদের জিনগত ভবিষ্যতের সাথে সাংঘর্ষিক। মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি প্রজাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় গুণাবলি ভালোবাসার জন্য প্রয়োজনীয় গুণের সাথে মিলে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৬৫ * হাজার হাজার বছর ধরে অধিকাংশ বিয়ে ছিল প্রথম ধাপের—অর্থাৎ টিকে থাকার ওপর ভিত্তি করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিয়েগুলো ক্রমশ দ্বিতীয় ধাপের দিকে ঝুঁকেছে—যেখানে নিজের আত্মতৃপ্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়... ভালোবাসার সংজ্ঞায় একটি পরিবর্তন আসছে। ** পৃষ্ঠা ৪২ * নারী মুক্তি এবং পুরুষদের মধ্যবয়সের সংকট ছিল একই অনুসন্ধান—ব্যক্তিগত তৃপ্তি, সাধারণ মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসার জন্য। কিন্তু নারী মুক্তিকে যখন নিজস্ব পরিচয় তৈরির উপায় হিসেবে ভাবা হয়, পুরুষদের মধ্যবয়সের সংকটকে ভাবা হয় পরিচয়ের সংকট হিসেবে। ** পৃষ্ঠা ৪৪ * নিউ ইয়র্ক সিটিতে ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেনের পরিচালনা পর্ষদে থাকার সময় আমি কর্মক্ষেত্রে সমতা নিয়ে বিভিন্ন কর্পোরেট কর্মশালা করেছি। সেখানে সবচাইতে বেশি বাধার সম্মুখীন হয়েছি পুরুষ কর্মকর্তাদের কাছে নয়—বরং তাদের স্ত্রীদের কাছে। যতক্ষণ তার আয় তার স্বামীর কাছ থেকে আসছিল, ততক্ষণ তিনি মোটেও উদার বোধ করছিলেন না যখন দেখতেন ইতিবাচক পদক্ষেপের কারণে অন্য কোনো নারী তার স্বামীর (অর্থাৎ তার নিজের) আয়ের অংশীদার হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৪৬ * নারীদের ক্ষত চিহ্ন এবং প্রথাগুলো সৌন্দর্যের সাথে যুক্ত ছিল (কান ও নাক ফোঁড়ানো, পা বেঁধে রাখা এবং করসেট পরা); পুরুষদের প্রথাগুলো ছিল নারীদের রক্ষার সাথে যুক্ত। উগান্ডার ডোডোদের মতো যেসব সংস্কৃতিতে শারীরিক শক্তি এখনো নারীদের রক্ষার সেরা উপায়, সেখানে প্রতিটি মানুষকে হত্যার বিনিময়ে পুরুষদের একটি ক্ষত চিহ্ন দেওয়া হয়; ক্ষত চিহ্ন যত বেশি, তাকে তত বেশি যোগ্য মনে করা হয়। ** পৃষ্ঠা ৭২ * আজ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে যথাযথভাবেই ঘৃণা করা হয়। কিন্তু পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে আমরা বিনোদন বলি। ফুটবল, বক্সিং, কুস্তির কথা ভাবুন... এগুলো পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে মিষ্টি কথায় ঢাকার উপায়। আসলে এগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে আমাদের দল -- বা আমাদের সমাজ -- তার সেরা রক্ষকদের নিজেদের উৎসর্গ করার জন্য রাজি করাতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৭৫ * কল্পনা করুন আমরা কেমন বোধ করতাম যদি আমি এই অংশটি এভাবে শুরু করতাম, আজ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে যথাযথভাবে হাততালি দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। আমরা জানতাম যে আমি নারীদের মৃত্যু সমর্থন করি; কিন্তু যখন আমরা পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতার জন্য হাততালি দিই, তখন আমরা পুরুষদের মৃত্যুই সমর্থন করি। আমরা এটি করি কারণ আমরা শিখেছি যে পুরুষদের যত কার্যকরভাবে আত্মত্যাগের জন্য প্রস্তুত করব, আমরা তত বেশি সুরক্ষিত থাকব। ** পৃষ্ঠা ৭৬ * পুরুষেরা প্রায়ই সেই সমাজগুলোতে অহিংস হয়ে ওঠে যেখানে (১) পর্যাপ্ত খাবার আছে, (২) পর্যাপ্ত জল আছে এবং (৩) তারা নিজেদের আক্রমণ থেকে নিরাপদ মনে করে। উদাহরণস্বরূপ, তাহিতির পুরুষরা, ক্রিটের মিনোয়ান পুরুষরা এবং মধ্য মালয়েশিয়ার সেমাইরা তাদের ইতিহাসের সেই সময়ে অহিংস ছিল যখন এই তিনটি শর্তই বিদ্যমান ছিল। ** পৃষ্ঠা ৭৭ * প্রায়ই বলা হয় যে নারীরা জন্মগতভাবে যুদ্ধপ্রিয় পুরুষদের সভ্য করার একটি ভারসাম্য। নারীদের বদলে নিজেরা হত্যার কাজ করার মাধ্যমে পুরুষরাই নারীদের সভ্য করেছে বলা যেতে পারে। যখন টিকে থাকাই ছিল মূল বিষয়, তখন নারীদের গর্ভজাত সন্তানদের রক্ষার জন্য পুরুষদের হত্যা করা ছিল আসলে তাদের লালন-পালনেরই একটি ধরন। ** পৃষ্ঠা ৭৯ * তাহলে পিতৃতন্ত্রকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়? সম্ভবত এটিকে একটি সংস্কৃতিতে পুরুষদের আধিপত্য, দায়িত্ব এবং আনুগত্যের ক্ষেত্র হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে, যা টিকে থাকার প্রয়োজন মেটানোর জন্য উভয় লিঙ্গের মাধ্যমেই শক্তিশালী হয়েছে। মাতৃতন্ত্রকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়? একটি সংস্কৃতিতে নারীদের আধিপত্য, দায়িত্ব এবং আনুগত্যের ক্ষেত্র হিসেবে, যা টিকে থাকার প্রয়োজন মেটানোর জন্য উভয় লিঙ্গের মাধ্যমেই শক্তিশালী হয়েছে। ** পৃষ্ঠা ৯৮ ==== দ্বিতীয় খণ্ড: দ্য গ্লাস সেলারস অফ দ্য ডিসপোজেবল সেক্স ==== * প্রতিদিন কর্মক্ষেত্রে প্রায় ততজন পুরুষ মারা যান যতজন ভিয়েতনামের গড়পড়তা দিনে মারা যেতেন। পুরুষদের জন্য আসলে তিনটি পুরুষ-নির্ধারিত বাধ্যতামূলক তালিকা (ড্রাফট) আছে: সমস্ত যুদ্ধের জন্য পুরুষদের তালিকা; অবৈতনিক দেহরক্ষী হিসেবে প্রতিটি সাধারণ মানুষের তালিকা; এবং সমস্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ বা 'মৃত্যু পেশার' জন্য পুরুষদের তালিকা। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * কোনো আন্দোলনই প্রবাসী শ্রমিকদের নিপীড়িত বলে না যদিও তারা সেই নারীদের জন্য অর্থ যোগান দেয় যাদের কাছ থেকে তারা রান্নাবান্না বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সেবা পায় না; তারা তাদের স্ত্রীদের জন্য ঘরবাড়ি তৈরি করে দেয় অথচ নিজেরা মাটিতে ঘুমায়। ** পৃষ্ঠা ১১১ * যখন খনি এবং অন্যান্য মৃত্যু পেশা নিয়ে নারীবাদী প্রকাশনাগুলোতে আলোচনা করা হয় তখন সেগুলোকে পুরুষতান্ত্রিক ক্ষমতার প্রতীক বা কেবল পুরুষদের ক্লাবের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়। তবে মিস ম্যাগাজিনে যখন নারী খনি শ্রমিকদের কথা বলা হয়েছিল তখন এই বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল যে কীভাবে একজন নারী খনিতে কাজ করতে 'বাধ্য' হয়েছিলেন কারণ সেখানে সবথেকে ভালো বেতন পাওয়া যেত এবং তার পরিবারকে সাহায্য করার জন্য সেটিই ছিল একমাত্র পথ। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * পুরুষদের মরতে দেওয়া হলো টাকা বাঁচানোর একটি কৌশল। নিরাপত্তার জন্য টাকা খরচ করতে হয়। একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তার ভাষায়, ‘যখন সবকিছুতেই তাড়াহুড়ো থাকে, যখন আপনি মানুষের ওপর চাপ প্রয়োগ করেন এবং শর্টকাট ব্যবহার করেন তখন সবকিছু ভুল হতে পারে। আর তখন মানুষ মারা যায়।’ না। তখন পুরুষ মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ১১৯ * কোনো পেশা শারীরিকভাবে নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত নারীরা সেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় যোগ দেন না। তাই আমরা যতক্ষণ পুরুষদের নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন হয়ে মৃত্যু পেশাগুলোকে নিরাপদ পেশায় রূপান্তর না করব ততক্ষণ আমরা আসলে নারীদের প্রতি বৈষম্য করছি। কিন্তু যখন আমরা কেবল নারীদের অতিমাত্রায় সুরক্ষা দিই তখন সেটিও নারীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের দিকে নিয়ে যায়। যদি কোনো নিয়োগকর্তা বড় কোম্পানিতে কাজ করেন যেখানে কোটার কারণে বৈষম্য করা সম্ভব নয় তখন তারা স্থায়ীভাবে কাউকে নিয়োগ দেওয়ার বদলে ফ্রিল্যান্সারদের নিয়োগ দিতে বেশি আগ্রহী হন। তারা ভাবেন এতে কোনো নারীকে নিয়োগ দিয়ে সম্ভাব্য যৌন হয়রানির মামলার ঝুঁকি নিতে হবে না। ** পৃষ্ঠা ১২১ * একটি দেশ যত বেশি পুরুষতান্ত্রিক সেটি নারীদের তত বেশি সুরক্ষা দেয়। আর এভাবেই সেটি নারীদের সীমাবদ্ধ করে দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইতালি, স্পেন এবং ডেনমার্ক নারীদের বাধ্যবাধকতা ছাড়াই অনেক সুযোগ দেয়। তাই এই দেশগুলো এখনো পুরুষতান্ত্রিক। কোনো দেশ কতটা স্বাধীন তা নির্ভর করে সেই দেশ পুরুষদের নারীদের রক্ষা করার বাধ্যবাধকতা থেকে কতটা মুক্তি দেয় এবং নারীদের পুরুষদের সমানভাবে রক্ষা করতে কতটা শেখায় তার ওপর। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * যুদ্ধ কে ঘটায়? যুদ্ধ ঘটে আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার আদিম ভয় থেকে। এই ভয় নারী ও পুরুষ উভয়েরই আছে। এই ভয় এতটাই আদিম যে আমরা সহজেই সেইসব ব্যক্তিদের অসৎ উদ্দেশ্য সম্পর্কে বাড়িয়ে বলতে প্রলুব্ধ হই যারা আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। কেন? কোনো হুমকিকে অবমূল্যায়ন করার একটি ভুল সবাইকে ধ্বংস করে দিতে পারে; কিন্তু অতিমূল্যায়ন করার অনেক ভুল কেবল পুরুষদের ধ্বংস করে। ** পৃষ্ঠা ১৪২ * প্যারেড ম্যাগাজিন জানায় যে ১৯১৪ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে ৪০ মিলিয়ন সোভিয়েত পুরুষ নিহত হয়েছে। ম্যাগাজিনটির শিরোনাম ছিল ‘দুর্ভাগ্যের শিকার’। পুরুষরা মারা গেছে বলে? না। নারীদের দুর্ভাগ্যের শিকার হিসেবে দেখা হয়েছিল কারণ তারা ফ্যাক্টরি এবং রাস্তা পরিষ্কার করার কাজে আটকা পড়েছিলেন যে কাজগুলো করার জন্য পুরুষরা তখন বেঁচে ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১৪৫ * পুরুষেরা কেবল যুদ্ধের যোদ্ধা নয় বরং শান্তির যোদ্ধাও হতে পারে। প্রায় সবাই যারা শান্তির জন্য জীবন বাজি রাখে, জেলে যায় বা নিহত হয় তারা পুরুষ। নেলসন ম্যান্ডেলা, মার্টিন লুথার কিং, গান্ধী বা দাগ হ্যামারশোল্ডের মতো কিছু শান্তির যোদ্ধাকে মনে রাখা হলেও অধিকাংশকেই ভুলে যাওয়া হয়। নর্ম মরিসনের কথা মনে আছে? ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদ করার কয়েক বছর পর নর্ম পেন্টাগনের সিঁড়িতে নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন... কিন্তু নর্ম মরিসনকে আজ সবাই ভুলে গেছে। ** পৃষ্ঠা ১৫৩ * ১৯৭০-এর দশকের দিকে আমেরিকান নারীদের 'স্বাধীন' বা 'সুপারওম্যান' বলা হতো। অন্যদিকে আমেরিকান পুরুষেরা যদি ভিয়েতনামে যুদ্ধ করত তবে তাদের 'শিশু হত্যাকারী' বলা হতো। যদি তারা প্রতিবাদ করত তবে তাদের 'দেশদ্রোহী' বলা হতো আর যদি তারা কোনোটিই না করত তবে তাদের 'উদাসীন' বলা হতো। এমনকি যেসব পুরুষ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছিল তাদের দিকেও আক্ষরিক অর্থেই থুতু ফেলা হয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ১৫৫ * কিশোরী মেয়েদের দক্ষতা প্রমাণের চাপ কম থাকে এবং ভালোবাসা পাওয়ার সম্পদ বেশি থাকে। তাদের শরীর ও মন আসলে জন্মগত উপহার। ** পৃষ্ঠা ১৬৬ * কিশোর বালকদের উদ্বেগ এতটাই তীব্র হওয়ার কারণ হলো তাদের সামাজিক শিক্ষা তাদের কাছে দক্ষতা প্রমাণের দাবি করে কিন্তু সেই দক্ষতা অর্জনের সম্পদ দেয় না। ফলে তার ঝুঁকি যেমন অনেক তেমনই ব্যর্থতাও অনেক। এবং সেগুলো খুব স্পষ্ট... দ্বিতীয়ত, সবচাইতে বড় বিজয়ীরা—যেমন ফুটবল খেলোয়াড়েরা—নিজেদের ওপর অত্যাচার করার মাধ্যমে ভালোবাসা পায়। কিছু বালকের জন্য এই অত্যাচার উদ্বেগ তৈরি করে। কিন্তু ভালোবাসা হারানো আরও বেশি উদ্বেগ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * পৃথিবী এখন ক্রমশ মেয়েদের সুযোগ দিচ্ছে তারা যা হতে চায় তাই হওয়ার—গৃহিণী, মা, সেক্রেটারি বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * অতীতে যৌনতা এবং গর্ভাবস্থা নিয়ে নারী-পুরুষ উভয়েই চিন্তিত ছিল। এখন জন্মনিরোধক বড়ি নারীর উদ্বেগ কমিয়েছে এবং কনডম পুরুষের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এখন ব্রণযুক্ত চেহারার একটি বালককে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ঝুঁকি নিতে হয় এবং সেই সাথে হার্পিস ও এইডস নিয়ে নিজের ভয়কে জয় করতে হয়। সেই সাথে তাকে মেয়েটিকেও আশ্বস্ত করতে হয় যে ভয়ের কিছু নেই। তাকে এখনো যৌনতার ঝুঁকি নিতে হয়, কিন্তু এখন সে যদি খুব তাড়াতাড়ি ঝুঁকি নেয় তবে তাকে জেলে যেতে হতে পারে অথবা তাড়াতাড়ি না নিলে তাকে কাপুরুষ বলা হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৬৮ * এমনকি ৩০ বছর বয়সের একজন পুরুষ যার স্ত্রী মারা গেছে তার আত্মহত্যার সম্ভাবনা একই বয়সের একজন বিবাহিত পুরুষের চেয়ে ১১ গুণ বেশি। ৩০ বছর বয়সে যখন পুরুষেরা নিজেদের কাজে ডুবে থাকতে পারে এবং তারা নারীদের কাছে শারীরিকভাবে ও আর্থিকভাবে আকর্ষণীয় থাকে তখন নিজের ভালোবাসার মানুষকে হারানো এতটাই বিধ্বংসী হয় যে অনেক নারীর সুযোগ থাকলেও সেই কষ্ট কমে না... সংক্ষেপে, ভালোবাসা হারানোই পুরুষদের ধ্বংস করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৬৯ * নারীরা প্রায়ই আত্মহত্যার চেষ্টা করে কারণ তারা যাদের ভালোবাসে তাদের কাছে অগ্রাধিকার পেতে চায়, সব সময় কেবল তাদের অগ্রাধিকার দিতে চায় না। ** পৃষ্ঠা ১৭১ * যেসব পুরুষ সফল তারা ভালোবাসা পাওয়ার জন্য সাফল্যের ওপর সবচাইতে বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। যখন এই পুরুষটি তার সাফল্য হারায় তখন সে প্রায়ই ভয় পায় যে সে ভালোবাসা হারাবে। ** পৃষ্ঠা ১৭২ * একজন পুরুষের কাছে বেকারত্ব হলো একজন নারীর কাছে ধর্ষণের মানসিক যন্ত্রণার সমান। ** পৃষ্ঠা ১৭২ * বাধ্যতামূলক আগাম অবসর নেওয়া একজন পুরুষের কাছে তেমনটাই হতে পারে যেমনটা একজন নারীর কাছে কোনো 'অল্পবয়সী নারীর জন্য পরিত্যক্ত' হওয়া। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * বিষণ্ণতার অভিযোগ প্রায়ই পুরুষের ওপর নারীর নির্ভরশীলতার সাথে যুক্ত থাকে। কিন্তু এটি এমন পুরুষের ওপর নির্ভরশীলতা যারা একজন নারীকে টিকে থাকার সংগ্রামের চেয়েও বেশি কিছু নিয়ে ভাবার সময় দিতে যথেষ্ট সফল। এই কারণেই যখন আমরা বিষণ্ণতায় আক্রান্ত নারীদের কথা ভাবি তখন আমাদের মাথায় মধ্যবিত্ত নারীদের কথা আসে, শ্রমিক শ্রেণির নারীদের কথা নয়। শ্রমিক শ্রেণির নারীরা বেঁচে থাকার চিন্তায় এতই ব্যস্ত থাকেন যে বিষণ্ণতার কথা বলার সুযোগ পান না। বিষণ্ণতা এমন একটি রোগ যা তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায় যাদের বেঁচে থাকার চিন্তা ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে ভাবার বিলাসিতা আছে। একজন মানুষ দ্বিতীয় ধাপে যত বেশি এগিয়ে থাকে সে বিষণ্ণতার দিকে তত বেশি মনোযোগ দিতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৭৭ * যখন একজন পুরুষকে আগাম অবসর নিতে বাধ্য করা হয় তখন প্রায়ই তাকে 'একজন অল্পবয়সী পুরুষের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়'। একজন পুরুষের কাছে আগাম অবসর তেমনটাই হতে পারে যেমনটা একজন নারীর কাছে 'অল্পবয়সী নারীর জন্য পরিত্যক্ত' হওয়া... সন্তানরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেলে মায়েরা যতটা না বিচলিত হন পুরুষেরা কেন অবসরে গেলে তার চেয়ে বেশি বিচলিত হন? নারীরা যখন সন্তানদের কাছ থেকে অবসর নেন তখন তারা একটি পেশা শুরু করার চেষ্টা করতে পারেন; কিন্তু একজন পুরুষ যখন পেশা থেকে অবসর নেন তখন তার সন্তানরাও চলে যায়। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * যখন নারী ও পুরুষের গড় আয়ু প্রায় সমান হয় তখন তার কারণ কেবল সন্তান জন্মদান নয় বরং রোগব্যাধি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, জলের অভাব, অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা এবং পুষ্টিহীনতা। শিল্পোন্নত সমাজে অকালমৃত্যুর প্রধান কারণ হলো মানসিক চাপ যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। যেহেতু মানসিক চাপ একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তাই পুরুষেরা নারীদের তুলনায় অনেক আগে মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * বিকল্পগুলো একজন নারীকে তার ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী নিজের ভূমিকা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেয়। কিন্তু একজন পুরুষ যদি ভালোভাবে ভরণপোষণ করতে চায় তবে সে তাই পরতে বাধ্য হয় যা তাকে মানায় না, বরং তাকে একটি স্যুট পরতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৩ * দ্য নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন সম্প্রতি জানিয়েছে যে নিজের দোষ নিয়ে কথা বলা আমাদের হৃদস্পন্দনের গতিতে অস্বাভাবিকতা তৈরি করে। সামান্য অস্বাভাবিকতা? না। স্থির সাইকেল চালিয়ে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া বা বুকে ব্যথা হওয়ার মতো তীব্র অস্বাভাবিকতা। সম্ভবত কিশোর বয়স থেকে পুরুষদের একে অপরের সমালোচনা করার যে অভ্যাস সেটিই ৫০ বছর বয়সের আগে নারীদের তুলনায় পুরুষদের চার গুণ বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ। আসলে আমাদের ছেলেরা হৃদরোগের প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ১৮৬ * সংক্ষেপে, আমরা নারীদের তুলনায় জেলখানায় থাকা পুরুষ, সামরিক বাহিনীতে থাকা পুরুষ এবং সাধারণভাবে পুরুষদের ওপর বেশি গবেষণা করি ঠিক যে কারণে আমরা মানুষের চেয়ে ইঁদুরের ওপর বেশি গবেষণা করি। ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * যদিও একটি সরকারি গবেষণায় দেখা গেছে যে নারীদের বা অন্য কোনো সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর চেয়ে পুরুষদের স্বাস্থ্য অনেক বেশি খারাপ, তবুও সারা দেশের শিরোনামে লেখা হয়েছিল: ‘সংখ্যালঘুরা বড় ধরনের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্যের সম্মুখীন’। তারা বলেনি: ‘পুরুষরা বড় ধরনের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্যের সম্মুখীন’। কেন? কারণ আমরা পুরুষদের জীবনের আত্মত্যাগকে বাকিদের রক্ষার উপায় হিসেবে দেখি। আর এই ধারণাটি আমাদের অবচেতনে পুরুষদের দীর্ঘকাল বেঁচে থাকার বিষয়ে উদাসীন হতে উৎসাহ দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৬ * যখন জন্মনিরোধক বড়ি ইউরোপে পাওয়া যেত কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাওয়া যেত না তখন আমেরিকান নারীরা চিৎকার করে বলেছিল যে বড়িটি সহজলভ্য না করা নারীদের জীবনের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে... যখন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) উচ্চ মাত্রার হরমোনযুক্ত বড়ি বাজারে ছেড়েছিল যা পরে অপ্রয়োজনীয় প্রমাণিত হয়, তখন তাদের এই বলে আক্রমণ করা হয়েছিল যে তারা নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করার বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন নয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৫ * দুর্ভাগ্যবশত একজন পুরুষের জীবনে অর্থ উপার্জনের প্রক্রিয়া মানেই ছিল তার স্ত্রীকে পর করে দেওয়া। মাঝে মাঝে এটি আইনত বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায় তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি মানসিক বিচ্ছেদের কারণ হয়। এই কারণেই ডাক্তারদের স্ত্রীদের ওপর করা একটি জরিপে দেখা গেছে যে তারা তাদের স্বামীদের প্রতি এক ধরনের প্রচণ্ড ঘৃণা পোষণ করেন। তবুও সেই স্ত্রীরা ডাক্তারদের সাথে সংসার চালিয়ে যান। কেন? তারা বলেছিলেন যে সবকিছুর চেয়ে তারা বিয়ের নিরাপত্তা চান... ফলে পুরুষেরা প্রায়ই এক ধরনের কৃত্রিম মানসিক নিরাপত্তার নেশায় নিজেদের বিলিয়ে দেন। অন্তত তাদের স্ত্রীদের কাছে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বাস্তবতা থাকে। ** পৃষ্ঠা ২০৩ * কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ, আদিবাসী পুরুষ এবং সমকামী পুরুষদের মধ্যে একটি মিল আছে: তারা নারীদের জন্য কোনো অর্থনৈতিক নিরাপত্তার চাদর দিতে পারেন না। ** পৃষ্ঠা ২০৬ * সমকামী যৌনতা মানে ছিল দুই ঘণ্টার আনন্দের বিনিময়ে দুই ঘণ্টার আনন্দ। বিষমকামী যৌনতা মানে ছিল দুই ঘণ্টার আনন্দের বিনিময়ে সারাজীবনের দায়িত্ব। বিষমকামী সম্পর্ক ছিল একটি লোকসানের চুক্তি! সমকামভীতির পেছনের ভয়টি ছিল যে পরবর্তী প্রজন্মের ভরণপোষণ করার কেউ থাকবে না। সবাই কেবল আনন্দ করবে। ফলে 'আনন্দ' করা হয়ে দাঁড়াল অপরিপক্কতার লক্ষণ; আর অনেক ধরনের 'ভোগবিলাস' অবৈধ হয়ে গেল। ** পৃষ্ঠা ২০৮ * আমরা কেন গৃহহীন পুরুষদের সাহায্য করতে অনীহা প্রকাশ করি? এর আংশিক কারণ হলো আমরা বুঝি না যে পরিবার চালানোর চাপ কীভাবে পুরুষদের এমন সব অস্থায়ী কাজ করতে বাধ্য করে যা তাদের গৃহহীন হওয়ার পথে এগিয়ে দেয় এবং আংশিক কারণ হলো আমরা সফল না হওয়া পুরুষদের প্রতি ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাই। ** পৃষ্ঠা ২০৯ * পুরুষদের এই পাগলামি থেকে স্বাভাবিক পথে ফিরে আসার দ্রুত উপায় হলো নারী-পুরুষ উভয় লিঙ্গের জন্যই ঘর এবং কর্মস্থলের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার দাবি করা। পুরুষদেরও তাদের স্ত্রীদের কাছ থেকে ঠিক তেমনভাবেই আর্থিক সহযোগিতা আশা করতে হবে যাতে তারা বাবা হওয়ার সময় দিতে পারে যেভাবে তারা এখন তাদের স্ত্রীদের মা হওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা দেয়। নারীদেরও টাকার যোদ্ধার বদলে ভালোবাসার যোদ্ধাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২১২ * নারীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করার সাথে সাথে আমাদের নারীদের রক্ষা করার প্রবণতা কি পুরুষদেরও রক্ষা করার নিয়ম তৈরি করবে? হ্যাঁ এবং না। হ্যাঁ, যেমন ডাক্তারদের সপ্তাহে ৮০ ঘণ্টার কম কাজ করার বিষয়টি এখন পুরুষদেরও প্রভাবিত করছে। না, যখন শ্রমিক শ্রেণির কাজগুলোকে ভাগ করা হয় যেখানে পুরুষেরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো নেয় আর নারীরা নিরাপদ কাজগুলো নেয়। আর পেশাগত জীবনে পুরুষেরা যদি সার্জারির মতো অনিয়মিত সময়ের কাজগুলো বেছে নেয় আর নারীরা যদি সাইকিয়াট্রির মতো নিয়মিত সময়ের কাজগুলো নেয় তবে আমরা কেবল নারীদের সুরক্ষিত শ্রেণি এবং পুরুষদের পরিত্যাজ্য শ্রেণি হিসেবে দেখার ধারণাটিকেই শক্তিশালী করব। ** পৃষ্ঠা ২১৩ * শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় কৃষ্ণাঙ্গদের খুনের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২১৪ * যখন আমরা শুনি যে পুরুষেরা অপরাধের বেশি শিকার হচ্ছে তখন আমরা বলি, ‘আরে, পুরুষরাই তো পুরুষদের মারছে।’ যখন আমরা শুনি যে কৃষ্ণাঙ্গরা বেশি শিকার হচ্ছে তখন আমরা একে বর্ণবাদী মনোভাব মনে করি যদি বলি, ‘আরে, কৃষ্ণাঙ্গরাই তো কৃষ্ণাঙ্গদের মারছে।’ অপরাধী যেই হোক না কেন ভুক্তভোগী সব সময় ভুক্তভোগীই হয়। ** পৃষ্ঠা ২১৫ * অপরাধ—বিশেষ করে অর্থের সাথে যুক্ত অপরাধ—ভরণপোষণ করার প্রত্যাশা এবং তা পূরণ করার ক্ষমতার মধ্যে ব্যবধানকে প্রতিফলিত করে... আমরা যদি সত্যিই চাই যে পুরুষেরা নারীদের মতো খুব কম অপরাধ করুক তবে আমাদের শুরু করতে হবে পুরুষদের কাছ থেকে নারীদের ভরণপোষণের যে প্রত্যাশা তা কমিয়ে দিয়ে। ** পৃষ্ঠা ২১৫-২১৬ * যখন আমরা কোনো শিশু কন্যার প্রতি সহিংসতা করি তখন আমরা তাকে শিশু নির্যাতন বলি; যখন আমরা কোনো শিশু পুত্রের প্রতি সহিংসতা করি তখন আমরা তাকে খতনা বলি। ** পৃষ্ঠা ২২১ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়াই খতনা করা হয়, যদিও অ্যানেস্থেসিয়া শিশুর মানসিক চাপ কমায় এবং সংক্রমণ ও রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে। ** পৃষ্ঠা ২২১ * আমরা যদি এখনো মেয়েদের যৌনাঙ্গের উপরের অংশ কাটতাম তবে একে মেয়েদের যৌনতাকে দমন করার ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখতে আমাদের কোনো অসুবিধা হতো না। আমেরিকা যে কোনো গবেষণা ছাড়াই খতনা করে যাচ্ছে তা মূলত বালকদের ব্যথার অনুভূতির প্রতি সংবেদনহীন করার ঐতিহ্যেরই প্রতিফলন। তাদের শেখানো হচ্ছে যাতে তারা তাদের শরীরের অঙ্গ পরিত্যাজ্য হওয়ার বিষয়ে কোনো প্রশ্ন না তোলে। ** পৃষ্ঠা ২২৩ * বিপদে পড়া নারীদের নিয়ে তৈরি সিনেমাগুলো আসলে রাজকন্যাকে ড্রাগনের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে পুরুষদের প্রাণ দেওয়ার সেই পুরনো গল্পের আধুনিক রূপ। এগুলো আসলে নারীদের সেরা রক্ষক খুঁজে নেওয়ার এবং বাকিদের বাদ দেওয়ার জন্য আধুনিক দিনের প্রশিক্ষণমূলক চলচ্চিত্র। ** পৃষ্ঠা ২২৫ * লিঙ্গবৈষম্যমূলক ধারণা হলো—কেবল নারীদের ওপর যে কোনো সহিংসতাকে নারী-বিরোধী মনে করা, কিন্তু পুরুষদের ওপর নারীর করা সহিংসতাকে সাধারণ সহিংসতা মনে করা। এই ধারণাটি নারীদের আরও বেশি সুরক্ষা দেওয়ার জন্য আইনের দাবি তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ২২৮ * পুরুষেরা কেবল নারীদের অবৈতনিক দেহরক্ষীই নয় বরং তারা নারী দেহরক্ষী হওয়ার জন্য উল্টো টাকাও খরচ করে। ** পৃষ্ঠা ২৩০ * নারীরা শিশুদের রক্ষা করার জন্য জীবন বাজি রাখবে কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক কোনো পুরুষকে রক্ষা করার জন্য খুব কমই জীবন বাজি রাখে। ** পৃষ্ঠা ২৩০ * নারী আন্দোলনের একটি বড় ভুল ধারণা: কাজ মানেই "ক্ষমতা" এবং "আত্মতৃপ্তি" মনে করা। ** পৃষ্ঠা ২৩২ * আমাকে প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয় যে নারীদের—বিশেষ করে দরিদ্র নারীদের—যৌনকর্মী হিসেবে নিজেদের শরীর ব্যবহার করার বিষয়ে পুরুষেরা কেন বিচলিত হয় না। কারণ অধিকাংশ পুরুষ অবচেতনভাবে প্রতিদিন নিজেদের যৌনকর্মী হিসেবেই অনুভব করে—খনি শ্রমিক, ফায়ারফাইটার, নির্মাণ শ্রমিক বা সৈনিকেরা আসলে সরাসরি অর্থ এবং পরিবারের জন্য নিজেদের শরীর উৎসর্গ করে। ** পৃষ্ঠা ২৩৩ * নারীদের রক্ষা করার জন্য আইনগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে যদি কোনো পুরুষের সাংবিধানিক অধিকারের সাথে নারীর সুরক্ষার বিষয়টি সাংঘর্ষিক হয় তবে সেই অধিকার গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * বিবাহবিচ্ছেদের ফলে পুরুষদের গোষ্ঠী (যাকে আইনসভা বলা হয়) সমষ্টিগতভাবে নারীদের রক্ষা করতে শুরু করে যখন অন্য পুরুষেরা (যাদের স্বামী বলা হয়) ব্যক্তিগতভাবে নারীদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * নারীদের বিশেষ সুরক্ষার আইনি পক্ষপাত সংবিধানের সমান সুরক্ষার গ্যারান্টিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে শুরু করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ ==== তৃতীয় খণ্ড: বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকার ==== * খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত একজন পুরুষের মৃত্যুদণ্ড পাওয়ার সম্ভাবনা একই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত একজন নারীর চেয়ে ২০ গুণ বেশি... ১৯৭৬ সালে মৃত্যুদণ্ড পুনরায় চালু হওয়ার পর থেকে ১২০ জন পুরুষ এবং মাত্র ১ জন নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। উত্তর ক্যারোলিনার সেই নারীটি বলেছিলেন যে তিনি মৃত্যুদণ্ডই পছন্দ করেন... উত্তর ক্যারোলিনায় দ্বিতীয় পর্যায়ের খুনের জন্য একজন পুরুষ গড়ে একজন নারীর চেয়ে ১২.৬ বছর বেশি সাজা পায়। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যখন একজন পুরুষ এবং একজন নারী মিলে কোনো অপরাধ করে তখন তারা দুজনেই প্রায়ই পুরুষটির ওপর দোষ চাপাতে রাজি হন—যদিও পুরুষটির দীর্ঘ সাজা পাওয়ার এবং কারাগারে ধর্ষিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যদি কৃষ্ণাঙ্গরা শ্বেতাঙ্গদের জন্য এমনটা করত তবে কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায় একে বুদ্ধিমত্তার সাথে ‘শেখানো দাসত্ব’ বলে অভিহিত করত। ** পৃষ্ঠা ২৪৩ * ১৯৫৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০,০০০ নারী খুন করেছেন। তাদের শিকার হয়েছেন প্রায় ৬০,০০০ পুরুষ। কিন্তু এই অধ্যায়ের দ্বিতীয় বিষয়ের তথ্যানুযায়ী কেবল একজন পুরুষকে হত্যার জন্য কোনো নারীরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি। প্রায় চার দশক ধরে আমরা নারীদের প্রতি ক্রমেই বেশি সুরক্ষিত এবং পুরুষদের প্রতি ক্রমেই কম সুরক্ষিত হয়ে উঠছি—এমনকি সেই ছেলেটি যদি নাবালকও হয় যেমনটা ছিল হিথ উইলকিন্স। ** পৃষ্ঠা ২৪৪ * যদি আমরা কোনো বিবাহিত পুরুষকে তার অর্থনৈতিক আইনি জটিলতার জন্য দায়ী করি তবে বিবাহিত নারীকেও তার বিপথে যাওয়া সন্তানদের জন্য দায়ী করা উচিত। ** পৃষ্ঠা ২৫০ * প্রিয়জনকে হত্যার হাত থেকে নারী বা পুরুষ কেউই মুক্ত নয়। পার্থক্য কেবল হত্যার পর তাদের সাথে কী ঘটে তার মধ্যে। ১২টি আলাদা আলাদা নারী-কেন্দ্রিক প্রতিরক্ষা কোনো নারীকে পরিকল্পিত খুনের অভিযোগ থেকে মুক্তি দিতে বা সাজা কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। কোনো পুরুষই একই পরিস্থিতিতে এই যুক্তিগুলো ব্যবহার করে সফল হয়নি। ** পৃষ্ঠা ২৫৪ * এটিই হলো “নির্দোষ নারী প্রতিরক্ষা”-র ভিত্তি—অর্থাৎ “নির্দোষ নারী নীতি”: নারীরা যখন বলে যে তারা সহিংসতায় জড়িত নয় তখন তাদের বিশ্বাস করা হয় এবং যখন তারা বলে যে তারা সহিংসতায় দোষী তখন তাদের খুব সহজেই সন্দেহ করা হয়। ** পৃষ্ঠা ২৫৫ * ''ফ্যারেলের অন্য এগারোটি প্রতিরক্ষা হলো ‘পিএমএস প্রতিরক্ষা’; ‘স্বামী প্রতিরক্ষা’ (ওয়ারেন, আমি পুরোপুরি জানি না কীভাবে এটি সংক্ষেপে বলব—আমি নিশ্চিত নই যে আমি এটি বুঝতে পেরেছি কি না); ‘নির্যাতিতা নারী সিনড্রোম’ প্রতিরক্ষা যা ‘শেখানো অসহায়ত্ব’ নামেও পরিচিত; ‘বিষণ্ণ মা’ প্রতিরক্ষা; ‘মায়েরা হত্যা করে না’ প্রতিরক্ষা; ‘শিশুদের মায়ের প্রয়োজন’ প্রতিরক্ষা; ‘বাবাকে দোষ দাও, মাকে বোঝো’ প্রতিরক্ষা; ‘আমার সন্তান, একে নির্যাতনের অধিকার আমার’ প্রতিরক্ষা; ‘সাজা কমানোর চুক্তির’ প্রতিরক্ষা; ‘সভেনগালি প্রতিরক্ষা’ এবং ‘চুক্তিতে হত্যা’ প্রতিরক্ষা।'' ** অধ্যায় ১২ * প্রতিটি যুদ্ধের অভিজ্ঞ পুরুষরাই পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের মাধ্যমে ‘নির্যাতিত পুরুষ সিনড্রোমে’ ভোগেন। এর মানসিক ফলাফল বছরের পর বছর তাদের সাথে থাকে। কিন্তু যদি ভুক্তভোগী কেউ এজেন্ট অরেঞ্জ স্প্রে করার আদেশ দেওয়ার জন্য অ্যাডমিরাল জুমওয়াল্টকে হত্যা করে তবে তাকে খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হবে। নির্যাতিত পুরুষ সিনড্রোমে ভোগা পুরুষদের তাদের নির্যাতনকারীকে আক্রমণ করার এবং একে আত্মরক্ষা বলার অনুমতি দেওয়া হয় না। ** পৃষ্ঠা ২৬৪ * চুক্তিতে করা হত্যাগুলো কখনোই কোনো নারীর পুরুষকে হত্যা করা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয় না। ** পৃষ্ঠা ২৮১ * আমরা তখনই নির্যাতন এবং হত্যা কমাতে পারি যখন আমরা বুঝব যে উভয় লিঙ্গের ক্ষেত্রেই নির্যাতন ক্ষমতা থেকে নয় বরং ক্ষমতার অভাব থেকে আসে। ** পৃষ্ঠা ২৮২ * কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি দক্ষতার পুরস্কারকে আকর্ষণীয় হওয়া এবং যৌন সহজলভ্যতার পুরস্কারের সাথে গুলিয়ে ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৮৪-৫ * একজন পুরুষের কাজ তখনই অবৈধ হবে যদি কোনো নারী মনে করে যে এটি একটি ‘প্রতিকূল পরিবেশ’ তৈরি করছে এবং যদি পুরুষটি সেই অপরাধ করে থাকে... ‘প্রতিকূল পরিবেশ’-এর সংজ্ঞা কে দেয়? নারীটি। এমনকি পুরুষটির উদ্দেশ্য কী ছিল তা আইনের ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য তৈরি করে না। অন্যান্য সকল অপরাধমূলক আচরণের ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এমনকি খুনের ক্ষেত্রেও। যৌন হয়রানি সংক্রান্ত বর্তমান আইন সকল পুরুষকে সকল নারীর তুলনায় অসমান করে দেয়। এটি সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর লিঙ্গ নির্বিশেষে সমান সুরক্ষার গ্যারান্টিকে সরাসরি লঙ্ঘন করে। এভাবেই কেবল নারীদের রক্ষা করার রাজনৈতিক ইচ্ছা উভয় লিঙ্গকে সমানভাবে রক্ষা করার সাংবিধানিক আদেশের চেয়ে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত বর্তমান আইন সকল পুরুষকে সকল নারীর তুলনায় অসমান করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * এক দশকে নারীরা কর্মক্ষেত্রে আপত্তিকর কৌতুকের বিরুদ্ধে যতটা সুরক্ষা পেয়েছে পুরুষেরা কয়েক শতাব্দীতেও কর্মক্ষেত্রে নিহত হওয়ার বিরুদ্ধে ততটা সুরক্ষা পায়নি। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইনগুলো পুরুষদের কাছে অন্যায্য মনে হয় কারণ তারা যদি কোনো জাতিগত কৌতুক বা কোনো নারীর পর্নোগ্রাফি নিয়ে আলোচনা করা বা বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার বিরুদ্ধে মামলা করত তবে তাদের নিয়ে হাসাহাসি করা হতো। ** পৃষ্ঠা ২৮৯ * এক অর্থে যৌন হয়রানি সংক্রান্ত মামলাগুলো হলো নারী নির্বাচনের প্রক্রিয়ার সবশেষ সংস্করণ—যা তাকে এমন পুরুষ বেছে নিতে সাহায্য করে যে তার ক্যারিয়ার ঝুঁকির মুখে ফেলার মতো তার প্রতি যত্নশীল। যার মধ্যে অভদ্র না হয়েও উদ্যোগ নেওয়ার দক্ষতা এবং মামলা হওয়ার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও উদ্যোগ নেওয়ার সাহস আছে... অতীতে তার এই বাধাগুলো অতিক্রম করার প্রক্রিয়াকে ‘কোর্টশিপ’ বলা হতো। এখন একে ‘কোর্টশিপ’ অথবা ‘যৌন হয়রানি’ বলা হয়। ** পৃষ্ঠা ২৯১ * যখন একজন পুরুষ কোনো নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয় তখন যৌন উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা তার ক্ষমতা বাড়ায় না বরং তাকে স্থবির করে দেয়। মামলার ভয় কেবল সেই স্থবিরতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। বিদ্রূপের বিষয় হলো পরিস্থিতি যত বিপজ্জনক হয় ‘নোংরা কৌতুক বলা’ ততটাই পরিস্থিতি বোঝার উপায় হিসেবে কাজ করে: যদি সে হাসে তবে হয়তো সে আগ্রহী; যদি সে বিরক্ত হয় তবে হয়তো সে আগ্রহী নয়। সে অনেক বেশি শক্তিশালী বোধ করত যদি নারীটি নিজে পরিস্থিতি বোঝার দায়িত্ব নিত। ** পৃষ্ঠা ২৯৪ * যদি একজন নারী কর্মী বিরক্ত বোধ করেন তবে তার বসের ইচ্ছা থাকে যে তিনি তাকে সেটা বলুক, মামলা না করুক। ** পৃষ্ঠা ২৯৪ * হেজিং হলো দলের কাছে নিজেকে সমর্পণ করার পরীক্ষা এবং প্রশিক্ষণ উভয়ই। ** পৃষ্ঠা ২৯৫ * যদি কোনো নারীকে এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে না হয় তবে তাকে আসলে যাচাই করা হচ্ছে না; তাই তাকে বিশ্বাসও করা হচ্ছে না। ** পৃষ্ঠা ২৯৫ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইন প্রায়ই একটি প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করে যা নারীকে শিশুর মতো করে উপস্থাপন করে। ** পৃষ্ঠা ২৯৭ * কর্মক্ষেত্রে আসলে সাত ধরনের যৌন মিথস্ক্রিয়া ঘটে... যৌন ব্ল্যাকমেইল। একজন বস কোনো কর্মীকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য হুমকি দেয় অন্যথায় তাকে বরখাস্ত করা হবে... যৌন ঘুষ। একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যৌনতার বিনিময়ে পদোন্নতির প্রতিশ্রুতি দেয়। এটি স্পষ্ট বা পরোক্ষ হতে পারে... কর্মক্ষেত্রের বেশ্যাবৃত্তি। পদোন্নতির বিনিময়ে একজন কর্মী যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে; একজন বিক্রয়কর্মী কোনো পণ্য বিক্রির জন্য যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে। যৌনতা দেওয়া হতে পারে বা কেবল প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতে পারে... কর্মক্ষেত্রের ইনসেস্ট। কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক। কর্মক্ষেত্রে পরিবারের মতো ক্ষমতার স্তর থাকে যা যৌন সম্পর্কের ফলে অস্পষ্ট হয়ে যায়... যৌন হয়রানি। একজন কর্মী ‘না’ বলার পরেও কর্মক্ষেত্রে বারবার যৌন প্রস্তাব দেওয়া... কর্মক্ষেত্রে ফ্লার্টেশন। ইঙ্গিতপূর্ণ পোশাক, চোখে চোখে কথা বলা, স্পর্শ এবং চোখের সংকেতের সমন্বয়... কর্মক্ষেত্রের পর্নোগ্রাফি। গ্রুপে পিনআপ ছবি, অশ্লীল কৌতুক এবং যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলা... ** পৃষ্ঠা ২৯৭-৯ * সমাধান: (...) অন্য লিঙ্গের ভালো উদ্দেশ্য বোঝার চেষ্টা করুন। ** পৃষ্ঠা ৩০৬ * আদি নারীবাদীরা এটি বুঝতে পেরেছিলেন: তারা সুরক্ষামূলক আইনের কট্টর বিরোধী ছিলেন। তারা জানতেন যতক্ষণ রাজকন্যাকে একটি মটরশুঁটি থেকে রক্ষা করা হবে ততক্ষণ নারীরা সমতা থেকে বঞ্চিত হবে। আধুনিক দিনের নারীদের জন্য সেই ‘মটরশুঁটি’ হলো কর্মক্ষেত্রের কঠিন পরিস্থিতি। আজকের নারীবাদীরা যখন সুরক্ষামূলক আইনের সমর্থক হন তখন তারা আসলে সমতার বিরোধিতা করেন। যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইন লিঙ্গবৈষম্যমূলক কারণ এটি যৌন মিলনের খেলায় কেবল পুরুষকেই পুরুষালি ভূমিকার জন্য দায়ী করে। ** পৃষ্ঠা ৩০৭ * মিথ। ধর্ষণ হলো পুরুষদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ। সত্য। একজন শ্বেতাঙ্গ পুরুষের তুলনায় একজন কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষের ধর্ষক হিসেবে অভিযুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তিন গুণ বেশি। কৃষ্ণাঙ্গদের কি হঠাৎ করে বেশি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা হয়ে গেছে? সম্ভবত ধর্ষণ ক্ষমতা থেকে আসে না বরং ক্ষমতার অভাব থেকে আসে। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * এটিও সম্ভব যে একজন নারী কোনো পুরুষের ঘরে গেল এবং তাকে বলল যে সে শারীরিক সম্পর্ক করতে চায় না এবং সে এটি বিশ্বাসও করে। কিন্তু পরে চুম্বন শুরু হলে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়ে যায় এবং সকালে সে অনুতাপ করে। কীভাবে? চুম্বন হলো পটেটো চিপস খাওয়ার মতো। আমরা বোঝার আগেই যতটুকু বলেছিলাম তার চেয়ে বেশি করে ফেলি। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * ধর্ষণের ক্ষেত্রে যৌন আকর্ষণের ভূমিকা অস্বীকার করা মানে নারীর যৌন সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষদের আসক্তিকে শক্তিশালী করার এবং পরে সেই আসক্তি থেকে তাদের বঞ্চিত করার জন্য আমাদের দায়িত্বকে অস্বীকার করা। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * যৌন আচরণের প্রতিটি বিচারের সমস্যা হলো এটি এমন সব মানুষ করে যারা বিচারের সময় উত্তেজিত অবস্থায় থাকে না। একজন জুরি যখন একটি শান্ত আদালতে একজন নারীকে দেখে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করে যে সে কী চেয়েছিল এবং ধরে নেয় যে বাকি যা কিছু ঘটেছে তার সব দায় পুরুষের, তবে এটি কেবল সেই নারীকেই নয় বরং যৌনতার শক্তিকেও অপমান করা। ** পৃষ্ঠা ৩১২ * একজন নারীর ইচ্ছার চেয়ে বেশি যৌন সম্পর্ক করার পর কোনো পুরুষের বিরুদ্ধে মামলা করা অনেকটা পটেটো চিপস বেশি খাওয়ার জন্য চিপস কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করার মতো। সংক্ষেপে ডেট রেপ একটি অপরাধ, একটি ভুল বোঝাবুঝি অথবা পরে অনুশোচনা হওয়ার মতো বিষয় হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩১২ * ডেট রেপ শব্দটি যখন নারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে নাটকীয় দিকটি বোঝাতে সাহায্য করেছে, পুরুষদের কাছে তেমন কোনো শব্দ নেই যা তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে যন্ত্রণাদায়ক দিকটি বোঝাতে পারে। অবশ্যই এখন সবচাইতে যন্ত্রণাদায়ক দিকটি হলো এমন একজন নারীর মাধ্যমে ডেট রেপের অভিযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা যাকে সে ভালোবাসত। যদি পুরুষেরা তাদের চিরাচরিত ভূমিকার খারাপ দিকগুলোকে চিহ্নিত করত তবে তারা সেগুলোকে “ডেট ডাকাতি”, “ডেট প্রত্যাখ্যান”, “ডেট দায়িত্ব”, “ডেট জালিয়াতি” এবং “ডেট মিথ্যাচার” বলতে পারত। ** পৃষ্ঠা ৩১৩ * অনেক পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে খারাপ দিকটি হলো এটি কীভাবে তার কাছে সামাজিক নিয়মের মাধ্যমে ডাকাতির মতো মনে হতে পারে—যেখানে সে পকেট থেকে টাকা বের করে তাকে দেয় এবং একে ডেট বলে। একজন তরুণের কাছে সবচাইতে খারাপ ডেট হলো লুণ্ঠিত এবং প্রত্যাখ্যাত হওয়ার মতো। ছেলেরা প্রত্যাখ্যান এড়াতে মৃত্যুর ঝুঁকি পর্যন্ত নেয় (যেমন সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া)। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * প্রত্যাখ্যাত হওয়ার জন্য টাকা খরচ করার একটি বিকেল বা সন্ধ্যা কোনো পুরুষের কাছে ডেট রেপের পুরুষ সংস্করণ মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * যদি কোনো পুরুষের নারীর মৌখিক “না”-কে উপেক্ষা করা ডেট রেপ হয় তবে যে নারী মুখে “না” বললেও শারীরিক ভাষায় “হ্যাঁ” বলে সে ডেট জালিয়াতি করছে। আর যে নারী “না” বলার পরেও যৌন সম্পর্ক চালিয়ে যায় সে ডেট মিথ্যাচার করছে। নারীরা কি এখনো এটি করে? দুই জন নারীবাদী গবেষণায় দেখেছেন যে উত্তরটি হলো হ্যাঁ। প্রায় ৪০ শতাংশ কলেজ ছাত্রী স্বীকার করেছেন যে তারা যৌনতার ক্ষেত্রে “না” বলেছিলেন এমনকি “যখন তারা মনে মনে হ্যাঁ চেয়েছিলেন”। দেড় লক্ষাধিক পুরুষ ও নারীর সাথে আমার নিজের কাজেও উত্তরটি হ্যাঁ। প্রায় সব অবিবাহিত নারী স্বীকার করেছেন যে তারা কোনো ছেলের জায়গায় “কেবল কথা বলতে” যেতে রাজি হয়েছেন কিন্তু তবুও তার প্রথম চুম্বনে সাড়া দিয়েছেন। প্রায় সবাই স্বীকার করেছেন যে তারা সম্প্রতি এমন কথা বলেছেন যে ‘আজ এই পর্যন্তই থাক’, যদিও তখনো তারা চুম্বন করছিলেন। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * আমরা ভুলে গেছি যে একে ডেট রেপ এবং ডেট জালিয়াতি বলার আগে আমরা একে উত্তেজনাপূর্ণ বলতাম। ** পৃষ্ঠা ৩১৪-৩১৫ * কোনোভাবেই নারীদের রোমান্স উপন্যাসের শিরোনাম ‘আমি যখন না বললাম সে তখন থেমে গেল’ এমন হয় না। সেগুলোর শিরোনাম হয় ‘সুইট স্যাভেজ লাভ’ যেখানে নারী সেই নম্র প্রেমিকের হাত প্রত্যাখ্যান করে যে তাকে ধর্ষকের হাত থেকে বাঁচায় এবং সেই পুরুষকে বিয়ে করে যে তাকে বারবার এবং পাশবিক ভাবে ধর্ষণ করে। এই “ধর্ষককে বিয়ে করার” থিমটিই ‘সুইট স্যাভেজ লাভ’ উপন্যাসকে কেবল একটি সেরা বই নয় বরং নারীদের সবচাইতে জনপ্রিয় রোমান্স উপন্যাসে পরিণত করেছে। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে একজন নারীর “না”-গুলোকে সম্মান করা হোক এবং তার “হ্যাঁ”-গুলোকেও সম্মান করা হোক। আর এটিও গুরুত্বপূর্ণ যে যখন তার শারীরিক “হ্যাঁ”-গুলো (জিহ্বার স্পর্শ বজায় থাকা) মৌখিক “না”-গুলোর সাথে সংঘর্ষ হয় তখন “না”-এর চেয়ে “হ্যাঁ” বেছে নেওয়ার জন্য পুরুষটিকে যেন জেলে না যেতে হয়। সে হয়তো কেবল তার কল্পনা পূরণ করার চেষ্টা করছিল। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * আমরা প্রায়ই শুনি “ধর্ষণ তো ধর্ষণই, তাই না?” না। ছুরির মুখে কোনো অপরিচিত ব্যক্তির কোনো নারীর ওপর চড়াও হওয়া আর মাতাল অবস্থায় কোনো পুরুষ ও নারীর যৌন সম্পর্ক করার পর সকালে অনুতাপ করা এক বিষয় নয়। পার্থক্য কী? একজন নারী যখন ডেটে যেতে রাজি হয় তখন সে যৌন সম্পর্কের সিদ্ধান্ত নেয় না ঠিকই কিন্তু সে যৌন সম্ভাবনার পথ খোলার সিদ্ধান্ত নেয়। কোনো অপরিচিত বা পরিচিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে নারী এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * ধর্ষণের ব্যাপক সংজ্ঞাসহ আইনগুলো অনেকটা পুরুষদের জন্য ঘণ্টায় ৫৫ মাইল গতির সীমা আর নারীদের জন্য কোনো গতির সীমা না রাখার মতো। ** পৃষ্ঠা ৩১৭ * বিদ্রূপের বিষয়: মদ্যপান করে গাড়ি চালানোর জন্য যখন আমরা মানুষকে ক্রমেই বেশি দায়ী করছি, তখন মদ্যপান করে যৌন সম্পর্ক করার জন্য আমরা নারীদের ক্রমেই কম দায়ী করছি। ** পৃষ্ঠা ৩২০ * যৌনতার ক্ষেত্রে অবশ্যই দুই লিঙ্গ সমান নয়। এটি মূলত নারীর অধিকতর যৌন ক্ষমতা যা একজন পুরুষকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার এতটাই ভীত করে তোলে যে সে তার ভয় কমাতে মদ্যপান করে। আসলে নারীর যৌন ক্ষমতা প্রায়ই পুরুষকে মদ্যপানের দিকে নিয়ে যায় কিন্তু পুরুষের যৌন ক্ষমতা খুব কমই নারীকে মদ্যপানের দিকে নিয়ে যায়। যদি তার ওপর নারীর ক্ষমতার কোনো প্রমাণ থাকে তবে সেটি হলো কোনো বিনিময় ছাড়াই তাকে নারীর জন্য পানীয় কিনতে টাকা খরচ করতে হয়। পুরুষরাই—নারীদের চেয়ে অনেক বেশি—মানসিক সক্ষমতা হারায় যখন তারা একজন সুন্দরী নারীর “প্রভাবে” থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩২০ * যতক্ষণ সমাজ পুরুষদের যৌনতার বিক্রেতা হতে বলে ততক্ষণ সমাজ যদি কেবল পুরুষদের জেলে পাঠায় যখন তারা ভালোভাবে বিক্রি করে তবে তা লিঙ্গবৈষম্যমূলক। আমরা অন্যান্য বিক্রেতাদের ক্লায়েন্টকে পানীয় খাওয়ানোর জন্য বা সফলভাবে “না”-কে “হয়তো”-তে এবং পরে “হ্যাঁ”-তে রূপান্তর করার জন্য জেলে পাঠাই না। যদি ক্লায়েন্ট অতিরিক্ত মদ্যপানের সিদ্ধান্ত নেয় এবং “হ্যাঁ” বলাটা তার ভুল সিদ্ধান্ত হয় তবে ক্লায়েন্টকেই বরখাস্ত করা হয়, বিক্রেতাকে নয়। ** পৃষ্ঠা ৩২১ * প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের মাধ্যমে পুরুষদের সবচাইতে বেশি ধর্ষিত হওয়ার উপায় হলো “জন্ম নিয়ন্ত্রণ ধর্ষণ”। ** পৃষ্ঠা ৩৩৫ * পুরুষদের অধিকাংশ ধর্ষণ কারাগারেই ঘটে। কিন্তু কারাগারের বাইরেও প্রায় ৯ শতাংশ নথিভুক্ত ধর্ষণ পুরুষদের বিরুদ্ধে হয়ে থাকে (সম্ভবত বেশিরভাগই পুরুষদের দ্বারা করা তবে কেউ নিশ্চিত নয়)। কারাগারের বাইরে ধর্ষণ পুরুষদের জন্য ঠিক তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমনটা নারীদের জন্য এইডস—এইডসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের প্রায় ১০ শতাংশ নারী। আমরা কি পুরুষদের ধর্ষিত হওয়া সম্পর্কে বেশি শুনি নাকি নারীদের এইডস হওয়া সম্পর্কে? ** পৃষ্ঠা ৩৩৫ * আমরা এখনো বুঝি না যে যখন আমরা পুরুষদের অবহেলা করি তখন আমরা নারীদের ধর্ষণ করি। ** পৃষ্ঠা ৩৩৬ * মিস জরিপ একে ধর্ষণ বলতে পারে; একজন সম্পর্ক বিষয়ক পরামর্শদাতা একে একটি সম্পর্ক বলবে। দাম্পত্য ধর্ষণের আইন হলো ব্ল্যাকমেইল হওয়ার অপেক্ষায় থাকা একটি সুযোগ। ** পৃষ্ঠা ৩৩৮ * এই সবকিছুর সমাধান অপরাধী সাব্যস্ত করা নয় বরং সামাজিকীকরণ পরিবর্তন করা। ** পৃষ্ঠা ৩৪০ * যদি আইন আমাদের “হ্যাঁ” এবং “না”-কে শাসন করার চেষ্টা করে তবে এটি “দা স্ট্রেইটজ্যাকেট জেনারেশন” তৈরি করবে—এমন এক প্রজন্ম যারা ফ্লার্ট করতে ভয় পাবে এবং আদালতে নিজেদের প্রেমের চিঠি খুঁজে পাওয়ার ভয়ে ভীত থাকবে। ডেট রেপ সংক্রান্ত আইন প্রেম নিবেদন বা কোর্টশিপের পথ বন্ধ করে দিয়ে আদালতে মামলা করার পথ তৈরি করবে। নারীদের ক্ষমতায়ন ডেট রেপ থেকে সুরক্ষার মধ্যে নেই বরং উভয় লিঙ্গকে ডেটের উদ্যোগ এবং খরচ ভাগ করে নেওয়ার সামাজিকীকরণের মধ্যে রয়েছে যাতে ডেট রেপ এবং ডেট জালিয়াতি উভয়ই কমে যায়। যখন পুরুষেরা দ্রুত উদ্যোগ নেয় না তখন তাদের “কাপুরুষ” বলে, যখন নেয় তখন “ধর্ষক” বলে এবং যখন তারা এটি ভুলভাবে করে তখন তাদের “ছোটলোক” বলে আমরা ডেট রেপ বন্ধ করতে পারি না। আমরা যদি কেবল পুরুষদের ওপর ভালো ফল করার চাপ বাড়াই তবে এটি পুরুষদের নারীদের বস্তু হিসেবে দেখার প্রয়োজনীয়তাকে আরও বাড়িয়ে দেবে—যা আরও ধর্ষণের দিকে নিয়ে যাবে। পুরুষেরা ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের ধর্ষক হবে যতক্ষণ পুরুষেরা আমাদের উদ্যোগ গ্রহণকারী হবে... ডেট রেপ সংক্রান্ত আইনগুলো ডেট ঘৃণা করার একটি পরিবেশ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ৩৪০ * বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকার নারীদের জন্য এমন কিছু করেছে যা শ্রমিক ইউনিয়নগুলো এখনো পুরুষদের জন্য করতে পারেনি। আর পুরুষেরা শ্রমিক ইউনিয়নের জন্য চাঁদা দেয়; করদাতারা নারীবাদের জন্য চাঁদা দেয়। নারীবাদ এবং সরকার খুব দ্রুতই করদাতা সমর্থিত নারী ইউনিয়নে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৪৪ * নিয়োগকর্তারা নিয়োগ এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে লিঙ্গবৈষম্য করতে বাধা পায় না। ** পৃষ্ঠা ৩৪৪ * আমরা বন্য ভালুক এবং ডলফিনকে ‘ফ্রি’ খাবার দেওয়া নিষিদ্ধ করেছি কারণ আমরা জানি যে এমন খাবার তাদের নির্ভরশীল করে তুলবে এবং তাদের বিলুপ্তির দিকে নিয়ে যাবে। কিন্তু যখন আমাদের নিজেদের প্রজাতির কথা আসে তখন আমরা স্বল্পমেয়াদী দয়া এবং দীর্ঘমেয়াদী নিষ্ঠুরতার মধ্যে সম্পর্ক দেখতে পাই না; আমরা নারীদের বেশি সন্তান নেওয়ার জন্য টাকা দিই যা তাদের প্রতিটি সন্তানের সাথে আরও নির্ভরশীল করে তোলে এবং তাদের নিজেদের জন্য লড়াই করার ক্ষমতা তৈরিতে নিরুৎসাহিত করে। নারীদের বিরুদ্ধে আসল বৈষম্য হলো এই ‘ফ্রি ফিডিং’। ** পৃষ্ঠা ৩৪৬ * অনেক কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ চলে যায় কারণ তারা আর্থিকভাবে দায়িত্বশীল—মানসিকভাবে দায়িত্বহীন হওয়ার কারণে নয়। ** পৃষ্ঠা ৩৪৮ * যখন সরকারি ভর্তুকি কোনো শিশুকে তার বাবার সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত করে তখন সরকার আসলে শিশু নির্যাতনকেই সহায়তা করছে। ** পৃষ্ঠা ৩৪৮ * যদি কেউ কোনো নোংরা কৌতুক বলে তবে তার বিরুদ্ধে ‘প্রতিকূল পরিবেশের’ অভিযোগ এনে কোনো কোম্পানিকে মামলা করার প্রশিক্ষণ দিয়ে আমরা আসলে নারীদের বিকল্প স্বামী বা বাবার কাছে অর্থাৎ সরকারের কাছে দৌড়াতে শেখাচ্ছি। এটি কোম্পানিগুলোকে নারীদের ভয় পেতে শেখায় কিন্তু সম্মান করতে শেখায় না। কর্মক্ষেত্রে সফল হওয়ার জন্য আমরা নারীদের যে সেরা প্রস্তুতি দিতে পারি তা হলো মামলা করার চেয়ে বাধাগুলো অতিক্রম করার শক্তি দেওয়া: সফল মানুষেরা মামলা করে না তারা সফল হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫১ ==== চতুর্থ খণ্ড: এখান থেকে আমরা কোথায় যাব ==== * আদর্শগতভাবে কেবল একটি পুরুষ আন্দোলন না হয়ে বরং একটি লিঙ্গ পরিবর্তনকালীন আন্দোলন হওয়া উচিত; শুধুমাত্র নারী আন্দোলনের প্রভাবই একটি পুরুষ আন্দোলনের সাময়িক প্রয়োজনীয়তা তৈরি করে। এবং এটি পুরুষদের জন্য একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ তৈরি করে: খুব কম রাজনৈতিক আন্দোলনই সুস্থ মানুষদের দিয়ে গঠিত হয়, তবুও রাজনৈতিক আন্দোলন ছাড়া খুব কমই ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে। ** পৃষ্ঠা ৩৫৬ * পুরুষদের ক্ষেত্রে আমরা ভুক্তভোগীকেই দোষারোপ করি। আমরা পুরুষদের দোষ দিই কারণ আমরা তাদের নিপীড়নকারী হতে শিখিয়ে পুরুষদের ভুক্তভোগী হওয়ার বিষয়টি আড়াল করেছি। পুরুষদের নিপীড়নকারী পরিচয় তাদের ভুক্তভোগী পরিচয়কে আড়াল করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫৭ * কাঠামো, (...) * নারীর সৌন্দর্য এবং যৌনতার প্রতি আসক্তি; * সুন্দরী নারী এবং তার সাথে যৌনতা থেকে বঞ্চিত হওয়া যতক্ষণ না পুরুষ তার বিনিময়ে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিচ্ছে; (...) ** পৃষ্ঠা ৩৫৮ * মানুষ সাধারণত নিজেদের স্বীকার করে নেওয়ার মাধ্যমেই পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু করে। এভাবেই কৃষ্ণাঙ্গরা তাদের গর্ব প্রকাশ করেছিল এবং বলেছিল যে কালো মানেই সুন্দর; নারীরা ঘোষণা করেছিল “আমি নারী, আমি শক্তিশালী”; আর পুরুষেরা বলছে “আমি পুরুষ, আমি ঠিক আছি”। পঁচিশ বছর ধরে পুরুষদের অপদস্থ করার পর এটি মন্দ শুরু নয়। ** পৃষ্ঠা ৩৬১ === জোনাথন রবিনসনের নেওয়া সাক্ষাৎকার (১৯৯৪) === <small>জোনাথন রবিনসনের ''ব্রিজেস টু হেভেন: হাউ ওয়েল-নোন সিকারস ডিফাইন অ্যান্ড ডিপেন দেয়ার কানেকশন উইথ গড'' (ওয়ালপোল, এনএইচ: স্টিলপয়েন্ট, ১৯৯৪) থেকে নেওয়া; এটি বিভিন্ন 'সিকার' সাক্ষাৎকারের একটি সংকলন।</small> * আমি যখন খাবার খাই তখন আমি সেই সব মানুষের কথা ভাবি যাদের পরিশ্রম আমার পুষ্টির যোগান দিয়েছে। এই ভাবনাটি আমার কৃতজ্ঞতাবোধকে বাড়িয়ে দেয়। আমি আশা করি এটি আপনাকেও পুষ্ট করবে। * একইসাথে সসীম এবং অসীম, অনেক কিছু আবার খুব সামান্য, সচেতন হয়েও নেহাতই আকস্মিক হওয়ার এই রহস্য আমাকে অবাক করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৪৬-৪৭ * আমার কাছে আমি যা জানি না তার বিশালতাই হলো ঈশ্বরকে অনুভব করার একটি পথ। এটি আমার মধ্যে নম্রতা এবং কৃতজ্ঞতার জন্ম দেয়। ** পৃষ্ঠা ৪৭ * আমি যখন অনেক ভালোবাসা পাই অথবা যখন মানুষকে লালন করি ও সাহায্য করি তখন আমার অভিজ্ঞতা আরও গভীর হয়। আমি এক বৃহত্তর উদ্দেশ্য এবং অর্থের সাথে যুক্ত বোধ করি। ** পৃষ্ঠা ৭১ * যখন আমি মানুষকে তাদের সেরাটা অর্জন করতে সাহায্য করার সেই বৃহত্তর বোধ হারিয়ে ফেলি তখন আমার ভেতরের ঈশ্বরের সাথে যোগাযোগ কমে যায়। ** পৃষ্ঠা ১০১ * ইতিহাসে এই প্রথম আমরা এত উচ্চ পর্যায়ের বিলাসিতা উপভোগ করছি। তাই ঈশ্বরকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * নিজেদের সচেতন সত্তার যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে আমরা নিজেদের পাশাপাশি অন্যদের শান্তি বজায় রাখতেও অবদান রাখি। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * আমার বাবা-মা যদি এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ আগেও বা পরেও মিলিত হতেন তবে আমার অস্তিত্ব থাকত না। কেবল জীবন পাওয়াটাই কত বড় এক অলৌকিক ঘটনা। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * মাঝে মাঝে যখন আমি আমার অতীতের দিকে ফিরে তাকাই তখন আমার মনে হয় যে আমি যা কিছুর মধ্য দিয়ে গিয়েছি তা আমাকে বর্তমান কাজের জন্য উপযুক্ত করে তৈরি করেছে। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমার কাছে ঈশ্বর হলো সারা জীবনে সঞ্চিত আমার সমস্ত জ্ঞান। আমি যখন মনোযোগ দিই তখন আমার শরীরই সেই জ্ঞানের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। ** পৃষ্ঠা ১৮৩ === ''উইমেন কান্ট হিয়ার হোয়াট মেন ডোন্ট সে'' (২০০০) === * তিরিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে কর্মশালা পরিচালনা করার অভিজ্ঞতায় কেউ কখনো আমাকে বলেনি, “ওয়ারেন, আমি বিচ্ছেদ চাই—আমার সঙ্গী আমাকে বোঝে।” ** পৃষ্ঠা ১৫ * একজন পুরুষ তার অনুভূতি প্রকাশ করে নয় বরং অনুভূতি দমন করার মাধ্যমেই সফল হয়। ** পৃষ্ঠা ১৬ * কোনো লিঙ্গ যখন তার অনুভূতি প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকে তার কারণ প্রায় সব সময়ই হলো তারা মনে করে না যে সেখানে অনুভূতি প্রকাশের মতো কোনো নিরাপদ পরিবেশ আছে। ** পৃষ্ঠা ১৬ * একজন পুরুষ ভয় পায় যে তার স্ত্রীর সাথে বিবাদ অন্তরঙ্গতা বাড়ানোর বদলে বরং তা কমিয়ে দেবে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * আমাদের সঙ্গী নির্বাচন সম্ভবত আমাদের জীবনদর্শনের সবচাইতে স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। তাই যখন আমরা কোনো কিছুর জন্য আমাদের সঙ্গীকে দোষ দিই, তখন আসলে আমাদের নিজেদেরই মুখোমুখি হওয়া উচিত। তা এই ভেবে নয় যে “হ্যাঁ, আমি ভুল নির্বাচন করেছি,” বরং এই ভেবে যে “এই নির্বাচন আমার মূল্যবোধকে কীভাবে প্রতিফলিত করছে?” ** পৃষ্ঠা ১৭ * পুরুষদের অনুভূতি প্রকাশে সহায়তা করার বিষয়ে যদি আমরা সত্যিই আন্তরিক হই তবে নারী-পুরুষের মধ্যকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এবং দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রশ্ন করা এবং পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮ * মানুষ গত ১০,০০০ বছরেরও বেশি সময় ব্যয় করেছে অন্য পক্ষের সাথে লড়াই এবং বিতর্ক করতে শিখতে কিন্তু একে অপরের কথা শুনতে বা সহানুভূতি প্রকাশ করতে শেখার জন্য প্রায় কোনো সময়ই ব্যয় করেনি। ** পৃষ্ঠা ১৮ * সত্য হলো যে রাগ প্রকাশ করতে এবং সমালোচিত হতে সবাই অস্বস্তি বোধ করে। রাগ এবং সমালোচনা প্রত্যাখ্যানের জন্ম দেয়। আর সবাই প্রত্যাখ্যানকে ঘৃণা করে। ** পৃষ্ঠা ২১ * যখন একজন নারী ভয় প্রকাশ করে তখন আমরা তাকে তার দায়িত্ব থেকে মুক্তি না দিয়ে আশ্বস্ত করতে পারি না; কিন্তু যখন আমরা পুরুষের সেই একই আবেগকেই রাগ হিসেবে দেখি তখন আমরা তাকে দোষারোপ করতে চাই এবং চাই সে যেন নিজের দায়িত্ব স্বীকার করে। আমরা তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চাই আর তাকে দোষী সাব্যস্ত করতে চাই। ** পৃষ্ঠা ২২ * আমরা অনুমোদন বা প্রশংসা প্রত্যাশীদের উত্তরসূরি। আমরা প্রশংসা পেতে এতটাই মরিয়া যে আমরা কখনো সবার সাথে মিশে গিয়ে তা পাওয়ার চেষ্টা করি আবার কখনো সবার চেয়ে আলাদা বা শ্রেষ্ঠ হয়ে তা পাওয়ার চেষ্টা করি। ** পৃষ্ঠা ২৪ * কথার চেয়ে কণ্ঠস্বরের ভঙ্গি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ২৫ * যদি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি সঙ্গীর ভালো উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করে তবে সাধারণত তা পাওয়া যায়। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যেকোনো পুরুষ যে দলগত খেলা খেলেছে সে “টিম স্পোর্ট এমপ্যাথি” নামক একটি দক্ষতা অনুশীলন করেছে: সে অন্য দলের পদক্ষেপগুলো অনুমান করার চর্চা করেছে। তার মানে হলো পরিস্থিতিকে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বোঝার চেষ্টা করা। ** পৃষ্ঠা ৩২ * নারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া পুরুষত্বেরই একটি বৈশিষ্ট্য। পুরুষেরা যখন রক্ষকের ভূমিকা পালন করে তখন তারা একজন নারীকে দুঃখ বা যন্ত্রণা থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। যদি তারা সেই দুঃখ বা যন্ত্রণার সামান্য আভাসও না পায় তবে তারা জানবে না কখন রক্ষা করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * সঙ্গীর সাথে দ্বিমত হওয়ার মুহূর্তে আমাদের অধিকাংশের মাথায় এটা আসে না যে আমাদের সঙ্গীর ইতিবাচক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলোর প্রশংসা করার জন্য সময় নেওয়া উচিত যা এমনকি সেই অবস্থানেও প্রতিফলিত হয় যার সাথে আমরা একমত নই। যখন আমরা তা করি তখন আমাদের সঙ্গী জানতে পারে যে সে যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন তাদের চরিত্রের প্রতি আমাদের বিশ্বাস কখনোই প্রশ্নবিদ্ধ হবে না। এটি প্রতিটি মতভেদকে ভালোবাসার একটি সম্ভাব্য উপহারে পরিণত করে। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * যখন আমরা কাউকে বিশ্বাস করি তখন আমরা বিনিময়ে বিশ্বাস পাই। আর যারা আমাদের বিশ্বাস করে তারা আমাদের প্রতি মনোযোগী হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * কোন বয়সে একটি শিশুকে সমালোচনা করা এবং গ্রহণ করার আরও ভালো উপায়গুলো শেখানো উচিত—যাকে আমি “সম্পর্কের ভাষা” বলি? স্কুল বয়সের আগেই। এর সেরা শিক্ষক কে? মা-বাবা। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * স্কুলগুলো বর্তমানে শিশুদের মতামত প্রকাশে উৎসাহিত করতে দক্ষ হলেও উদাহরণস্বরূপ, “ওহ, এটা তো আমার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আলাদা—আমাকে আরও বলো” এই ধরণের কথা বলতে উৎসাহিত করতে ব্যর্থ। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * শিশুদের কথা শুনতে না শিখিয়ে কেবল বিতর্ক করতে শেখানো হলো বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * যোগাযোগের সবচাইতে কঠিন অংশ হলো সমালোচনা শোনা যাতে তা সহজেই দেওয়া যায়। ** পৃষ্ঠা ৩৮ * আমরা সবাই কথা বলতে পারদর্শী কিন্তু শুনতে গেলে প্রতিবন্ধী। ** পৃষ্ঠা ৪০ * যেকোনো সমালোচনার প্রথম সহজাত প্রতিক্রিয়া হলো আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া। (প্রতিক্রিয়া যত দ্রুত হয় তা তত বেশি আত্মরক্ষামূলক হয়।) ** পৃষ্ঠা ৪০ * সমালোচনার বিপরীতে সকল আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিক। (অন্যের দৃষ্টিভঙ্গির আগে নিজের কথা চিন্তা করাটাই স্বাভাবিক।) ** পৃষ্ঠা ৪০ * সমালোচনাকারীকে থামিয়ে দেওয়া আমাদের বিবর্তনীয় অতীতের অংশ; সমালোচনার জবাবে মনোযোগ দিয়ে শোনা আমাদের বিবর্তনীয় ভবিষ্যতের অংশ। ** পৃষ্ঠা ৪১ * সমালোচনার জবাবে মনোযোগ দিয়ে শোনা আমাদের অভ্যন্তরীণ মনস্তত্ত্বের এমন একটি পরিবর্তন নির্দেশ করে যা সম্ভবত মানুষের করা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিবর্তনীয় পরিবর্তন। ** পৃষ্ঠা ৪১ * শোনা হলো অন্যদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নিজের ক্ষমতায়ন। ** পৃষ্ঠা ৪১ * পুরুষদের সাহায্যের প্রয়োজন নেই—এই বিশ্বাসটিই হলো সমস্যার একটি অংশ। * পুরুষেরা এখনো নারীদের পরিবর্তনের রক্ষক হিসেবে ভূমিকা পালন করছে এবং উভয় লিঙ্গই কেবল পুরুষদের কাছ থেকে নিজেদের পরিবর্তনগুলো নিজেরাই করার প্রত্যাশা করে। * পুরুষদের অনুভূতি প্রকাশে সাহায্য করার শুরুটা হয় পুরুষেরা কেন সেগুলো প্রকাশ করে না তা বোঝার মাধ্যমে। * অন্যদের জন্য কীভাবে আরও ভালো কাজ করা যায় সে সম্পর্কে নির্দেশনা দেওয়া আর জীবন নিয়ে নিজের অনুভূতি বা সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। * পুরুষদের দায়িত্বের ধরণ তাদের অনুভূতি থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে যেখানে নারীদের দায়িত্বের ধরণ অনুভূতি প্রকাশে উৎসাহিত করেছে। * পুরুষদের উপার্জিত অর্থ নারীদের ভালোবাসা এবং লালন করতে এবং একে অপরের সাথে যুক্ত থাকতে সাহায্য করেছে যাতে তারা লালনকারী হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে পুরুষেরা সেই অর্থ পেয়েছে এক ধরণের খুনি-রক্ষক হওয়ার বিনিময়ে। তারা একজন ‘হিউম্যান ডুইং’ (একজন ক্যাপ্টেন বা কয়লা খনি শ্রমিক) হয়ে ওঠার মাধ্যমে পারিশ্রমিক পেয়েছে, ‘হিউম্যান বিয়িং’ (সুখী বা দুঃখী অনুভব করতে পারা একজন মানুষ) হিসেবে নয়। * যেসব সমাজের পুরুষেরা যুদ্ধে নিজেদের উৎসর্গ করতে রাজি ছিল না সেই সমাজগুলো সাধারণত ধ্বংস হয়ে গেছে। সমাজগুলো খুনিদের মাধ্যমেই সুরক্ষিত ছিল, আর এ কারণেই আমি পুরুষদের প্রথাগত ভূমিকাকে খুনি-রক্ষক ভূমিকা বলি। * পুরুষদের ভয় এবং দুর্বলতার অনুভূতি প্রকাশ করা থেকে বিরত রাখার ক্ষেত্রে উভয় লিঙ্গেরই একটি অবচেতন স্বার্থ কাজ করত। * কোনো উপকথাই তার সন্তানদের শোনায় না যে সুন্দরী রাজকন্যারা বিবেকবান যুদ্ধ-বিরোধীদের প্রেমে পড়ছে। * যদি আমরা পুরুষদের অনুভূতি দমন করতে শিখিয়ে তার বদলে একজন ক্যাপ্টেন হওয়ার জন্য পুরস্কৃত করি তবে সে আমাদের রক্ষার জন্য মরতে রাজি হতে পারে; যদি আমরা তাকে একটি কয়লা খনিতে কাজ করার বিনিময়ে পরিবার চালানোর মতো যথেষ্ট অর্থ দিই তবে সে আমাদের উষ্ণ রাখার জন্য অকালে মরতে রাজি হতে পারে। কিন্তু এই সবকিছুর জন্য তাকে তার অনুভূতি বিসর্জন দিতে হয়েছে—যা একজন মানুষ হিসেবে তার ক্ষমতা—এবং তার বদলে তাকে ‘হিউম্যান ডুইং’ হিসেবে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে: অর্থাৎ অন্য কেউ খরচ করবে এমন অর্থ উপার্জনের দায়িত্ব নিয়ে নিজে অকালে মৃত্যুবরণ করা। * একজন ‘হিউম্যান ডুইং’ হয়ে ওঠা ছিল সমাজের ঠিক যা প্রয়োজন। কিন্তু একজন ব্যক্তি হিসেবে পুরুষের জন্য ‘হিউম্যান ডুইং’ হয়ে ওঠা ছিল তার নিজের সত্তাকে ধ্বংস করার নামান্তর। * এই সব কিছুই পুরুষদের জিনগত ঐতিহ্য। তবে পুরুষদের জিনগত ঐতিহ্য তাদের জিনগত ভবিষ্যতের সাথে সাংঘর্ষিক। * অতীতে পুরুষদের সেরা খুনি-রক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা ‘যোগ্যতমের’ টিকে থাকার দিকে নিয়ে যেত। ভবিষ্যতে পারমাণবিক প্রযুক্তির এই যুগে খুনিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া সবাইকে ধ্বংস করার দিকে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। * ভবিষ্যতে নারীরা ক্রমবর্ধমানভাবে এমন পুরুষদের চাইবে যারা তাদের লালন করতে পারে এবং তাদের সাথে একাত্ম হতে পারে। * ভবিষ্যতে নারীরা ক্রমবর্ধমানভাবে লালনকারী সঙ্গীদের চাইবে কারণ সে যা লালন করবে তার একটি অংশ হবে নারীর নিজের আত্মরক্ষার ক্ষমতা। * একাত্ম হতে এবং লালন করতে অনুভূতির সাথে যোগাযোগ থাকা কেবল সহায়কই নয় বরং এটি প্রয়োজনীয়। তাই পুরুষদের প্রথম কাজ—তাদের পরবর্তী বিবর্তনীয় কৌশল—হলো নিজের অনুভূতির সাথে সংযুক্ত হওয়া। * গত তিরিশ বছর ধরে নারী আন্দোলন নারীদের প্রায় প্রতিটি অনুভূতি প্রকাশে সমর্থন দিয়েছে। অন্য নারীদের কাছে। পুরুষদের কাছে। সমাজের কাছে। নারীদের অনুভূতি পাঠ্যক্রম, ওম্যান স্টাডিজ, টিভি স্পেশাল, টক শো এবং লাইফটাইম কেবলের বিষয়বস্তু হয়েছে। নারীদের অনুভূতিকে শিক্ষা এবং বিনোদন উভয়ই বলা হয়েছে। অন্যদিকে পুরুষদের অনুভূতি দমন করা হয়েছে যতক্ষণ না সেগুলো আলসারে পরিণত হয়েছে। * যেহেতু পুরুষেরা কম অভিযোগ করত তাই আমরা এই ভুল ধারণা তৈরি করেছিলাম যে নারীদের অভিযোগগুলো কেবল নারীদের অভিযোগ এবং তাই সেগুলো কেবল নারীদের সমস্যা। যা জননীতির মাধ্যমে নারীদের সমস্যা সমাধানের যুক্তি তৈরি করেছিল। * একজন বাবার প্রথাগত ভূমিকা তাকে পরিবারের ভালোবাসার কাছ থেকে দূরে থাকার মাধ্যমে নিজের পরিবারকে ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত করেছিল। * একজন মায়ের প্রথাগত ভূমিকা তাকে পরিবারের সাথে থাকার মাধ্যমে নিজের পরিবারকে ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত করেছিল। * আমরা মনে করি শ্রম বিভাজন এখন সেকেলে হয়ে গেছে কিন্তু আসলে এটি পুনরায় আবির্ভূত হয়েছে। আশির দশকের শুরুর দিকে একজন মায়ের পারিবারিক দায়িত্বের জন্য কাজ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা বাবার চেয়ে ৪৩ গুণ বেশি ছিল; সম্প্রতি একজন মায়ের কাজ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা ১৩৫ গুণ বেশি। * নারীদের মানসিক সমর্থনের জন্য চারটি অনানুষ্ঠানিক বিকল্প ব্যবহার করতে শেখানো হয়: স্বামী, নারী বন্ধু, সন্তান এবং মা-বাবা। পুরুষদের কেবল একটি বিকল্প ব্যবহার করতে শেখানো হয়: তাদের স্ত্রী বা নারী বন্ধু। * পুরুষেরা তাদের সমস্ত মানসিক চাওয়া তাদের স্ত্রীদের (বা নারী বন্ধুদের) ওপর নির্ভর করে রাখে। তাই একজন পুরুষের জন্য তার স্ত্রীর কাছে হতাশার অনুভূতি প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়ে কারণ সে যদি নিজেকে সরিয়ে নেয় তবে পুরুষটি মনে করে তার সম্পূর্ণ মানসিক সমর্থন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। * কোনো বিবাদের পর নারীরা কেবল সমর্থনের জন্য অন্য নারী বন্ধুদের কাছেই যায় না বরং বিবাদটি বিচ্ছেদে গড়ালে তাদের সন্তানদের সাথে থাকার সম্ভাবনা নয় গুণ বেশি। * মায়ের সাথে বসবাসকারী একজন নারীর স্বাধীনতা সীমিত হতে পারে; কিন্তু মায়ের সাথে বসবাসকারী একজন পুরুষের স্বাধীনতা এবং সম্মান উভয়ই সীমিত হয়ে পড়ে। অধিকাংশ পুরুষের জন্য সমর্থনের এই শূন্যতা এতটাই বিধ্বংসী যে তারা নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে মানসিক সমর্থন হারানোর ঝুঁকির চেয়ে স্ত্রীর সাথে একমত হওয়াকেই বেছে নেয়। * বিচ্ছেদের পর নারীদের সবচাইতে বড় ভয় হলো অর্থনৈতিক অভাব; পুরুষদের সবচাইতে বড় ভয় হলো মানসিক অভাব। * বিবাহবিচ্ছেদ আইন নারীদের বিচ্ছেদের পর অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়েছে; কিন্তু কোনো আইন পুরুষদের বিচ্ছেদের পর মানসিক সহায়তা দেয়নি। পুরুষদের তাদের প্রাক্তন স্ত্রীদের প্রতি ভরণপোষণ বা চাইল্ড সাপোর্টের দায়িত্ব পালন করে যেতে হয়; কিন্তু নারীদের তাদের প্রাক্তন স্বামীদের প্রতি গৃহস্থালির কাজ বা লালন-পালনের দায়িত্ব পালন করে যেতে হয় না। * নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে আমাদের অ্যাফারমেটিভ অ্যাকশন প্রোগ্রাম ছিল। এখন কি পুরুষদের অনুভূতির জন্য তেমন কিছু করার সময় এসেছে যা সরকার নারীদের অর্থনীতির জন্য করেছিল? * নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে পুরুষদের প্রতি রাগ এতটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল যে এমনকি ‘দ্য ইকোনমিস্ট’-এর মতো শান্ত প্রকাশনাগুলোও নারী বনাম পুরুষের কাজের চাপকে এভাবে তুলে ধরেছিল— “নারীর কাজ কখনোই শেষ হয় না; আর পুরুষ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মদ্যপ থাকে।” * এই আন্তর্জাতিক “সিস্টারহুড ইজ ভিকটিমহুড” বা নারীত্বের ভুক্তভোগী পরিচয়ের মেলবন্ধনের প্রভাব আমাদের সন্তানদের ওপর কী হতে পারে? * হোচশিল্ডের সবচাইতে বড় ভুল ছিল যা প্রায় প্রতিটি জনপ্রিয় গৃহস্থালির কাজ সংক্রান্ত গবেষণায় করা হয়: ঘরের কাজে পুরুষদের অবদানকে সঠিকভাবে পরিমাপ না করা। উদাহরণস্বরূপ, যদি মা শিশুদের ডে-কেয়ারে দিয়ে আসেন তবে তাকে গৃহস্থালির কাজ বলা হয়; কিন্তু বাবা যদি পরিবারকে নিয়ে দাদির বাড়িতে যান তবে তাকে গৃহস্থালির কাজ বলা হয় না। * লক্ষ্য করুন যে পুরুষেরা যা করে তার অনেক কিছুই একক মায়েরা করে থাকেন, তাই পুরুষরা যা করে তার প্রশংসা করা আমাদের একক মায়েরা যা করেন তা বুঝতেও সাহায্য করে। * বাস্তব জীবনে রাগের বদলে ভালোবাসা ফিরিয়ে আনার সেরা উপায় হলো আপনার সঙ্গী সাধারণত আপনার জন্য যা করে তা আপনি আপনার সঙ্গীর জন্য করার মাধ্যমে একে অপরকে লালন করা। * এমনকি যেসব পুরুষ তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তারা সহানুভূতির বদলে ‘ডিয়ার অ্যাবি’র দেওয়া উত্তরটি পায়: “নারীদের অবস্থা আরও খারাপ।” এই বিশ্বাসটি এতটাই শক্তিশালী যে গত ২৫ বছরে একজন রক্ষক-স্বামী পাওয়ার যে পুরনো কল্পনা নারীদের ছিল তা এখন এক নতুন দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে—আর তা হলো অত্যাচারী স্বামী। * আমরা যদি বিশ্বাস করি যে মূলত পুরুষরাই নারীদের ওপর অত্যাচার করে তবে নারীদেরও যে পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন তা দেখা কঠিন হয়ে পড়ে: আমরা বলতে থাকি, “শুধু পুরুষদের পরিবর্তন করো। তারাই তো অত্যাচারী।” * চারজন পুরুষ বর্ণনা করছেন কীভাবে তাদের স্ত্রীরা তাদের পিঠে লাঠি দিয়ে আঘাত করেছে, ফ্রাইং প্যান দিয়ে মাথায় বা ঘাড়ে আঘাত করেছে... প্রতিটি গল্পের পর দর্শকরা হাসছে। সেই পুরুষেরা একটি “পিএমএস মেন্স সাপোর্ট গ্রুপ”-এর অংশ ছিল। কল্পনা করুন নির্যাতিতা নারীরা যখন বর্ণনা করছে কীভাবে তাদের স্বামীরা ফ্রাইং প্যান দিয়ে তাদের মাথায় বা ঘাড়ে আঘাত করে মস্তিষ্কে বা মেরুদণ্ডে আঘাত করার হুমকি দিয়েছে তখন একদল পুরুষ হাসছে। * এই নির্যাতিত স্বামীদের সবাই এখনো তাদের স্ত্রীদের সাথেই আছেন। যখন একজন নারী তার ওপর অত্যাচার করা পুরুষের সাথে থাকে তখন আমরা তাকে পালিয়ে যেতে উৎসাহিত করার জন্য আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করি। যদি সে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তবে আমরা বলি সে “ব্যাটারড ওম্যান সিনড্রোম” বা নির্যাতিতা নারী সিনড্রোমের শিকার। * পুরুষদের গ্রুপের মূল লক্ষ্য ছিল পরিস্থিতি বোঝা, মানিয়ে নেওয়া, পরিবর্তন করা এবং সবকিছু ব্যর্থ হলে চলে যাওয়া; অন্যদিকে নির্যাতিতা নারীদের গ্রুপের মূল লক্ষ্য হলো প্রথমে চলে যাওয়া এবং দ্বিতীয়ত সমস্যার উৎসকে (পুরুষটিকে) আটকে রাখা। * সংক্ষেপে, যখন নারীরা অত্যাচার করে তখন পুরুষদের প্রথম অগ্রাধিকার হয় নারীদের সমর্থন দেওয়া এবং তাদের পরিবর্তনে সাহায্য করা; যখন পুরুষেরা অত্যাচার করে তখন নারীদের প্রথম অগ্রাধিকার হয় পুরুষদের কাছ থেকে পালানো এবং তাদের জেলে পাঠানো। * নারীবাদীদের মূলমন্ত্র: “একজন নারীকে আঘাত করার কোনো অজুহাত হতে পারে না।” এটি কি এমন হওয়া উচিত ছিল না— “আঘাত করার কোনো অজুহাত হতে পারে না”? * কমেডি নাটকগুলোতে নিয়মিতভাবে নারীদের পুরুষদের আঘাত করতে দেখা যায় কিন্তু পুরুষদের নারীদের আঘাত করার দৃশ্য প্রায় দেখাই যায় না। যখন পুরুষটি চলে যেতে ব্যর্থ হয় তখন তাকে “ব্যাটারড ম্যান সিনড্রোম” বলা হয় না; একে কমেডি বলা হয়। * লক্ষ্য করুন পুরুষদের ভয় যে তারা যদি এটি কর্তৃপক্ষকে জানায় তবে তাদের বিশ্বাস করা তো হবেই না বরং তাদের উপহাস করা হবে। * পুরুষেরা কষ্টকে “গৌরব” বলতে শেখে; নারীরা পুলিশকে ডাকতে শেখে। * কেন প্রায় প্রতিটি সংস্কৃতিই তার পুরুষদের সহিংসতা সহ্য করার জন্য পুরস্কৃত করত? যাতে যুদ্ধের সময় তাকে রক্ষা করার জন্য একদল মানুষ পাওয়া যায়। * যাদের সবচাইতে বেশি সুরক্ষার প্রয়োজন বলে মনে করা হতো তারা হলো নারী ও শিশু। আর যে লিঙ্গকে সবচাইতে পরিত্যাজ্য মনে করা হতো তা হলো পুরুষ। * একজন পুরুষকে যতটা “পুরুষ হয়ে উঠতে” প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ততটাই তাকে নারী ও শিশুদের রক্ষা করতে শেখানো হয়, তাদের আঘাত করতে নয়। তাকে এমনকি একজন অপরিচিত ব্যক্তি—বিশেষ করে নারী বা শিশু—আহত হওয়ার আগে নিজে মৃত্যুবরণ করতে রাজি হতে শেখানো হয়। * আমরা প্রায়ই মনে করি যখন একজন পুরুষ অন্য পুরুষকে “মেয়ে” বলে অপমান করে তখন সেই অপমান নারীদের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে। না। এটি সেইসব পুরুষের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে যারা নারীর মতো মূল্যবান কাউকে রক্ষা করার মতো নিজেকে শক্তিশালী করতে চায় না। * এই উপহাস হলো নিজেকে অন্য কারো চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করার একটি চাপ: একজন মায়ের চেয়ে একটি শিশু বেশি মূল্যবান; একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী বেশি মূল্যবান। * যেসব নারীবাদী বলেন যে পুরুষত্ব মানেই হলো পুরুষদের বিশ্বাস করা যে তারা নারীদের আঘাত করতে পারে তারা পুরুষ এবং পুরুষত্ব সম্পর্কে সবচাইতে গভীর অজ্ঞতা প্রদর্শন করেন। * পুরুষেরা কী বলবে যখন পুরুষদের অপদস্থ করাকে “মজার” বলা হয় কিন্তু নারীদের অপদস্থ করাকে “লিঙ্গবৈষম্য” বলা হয়। * মিস্যান্ড্রি বা পুরুষ-বিদ্বেষ হলো মিসোজিনি বা নারী-বিদ্বেষের সমতুল্য। আপনি যদি পুরুষ-বিদ্বেষ সম্পর্কে সচেতন না হন তবে এই দলে আপনাকে স্বাগতম। * এই অধ্যায়টি পড়ার এক সপ্তাহ পর বিজ্ঞাপন, চলচ্চিত্র এবং দৈনন্দিন কথাবার্তায় পুরুষ-বিদ্বেষ আপনার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠবে। কিন্তু যে পক্ষপাতটি দেখা সবচাইতে কঠিন তা হলো সেই পক্ষপাত যা আমরা সবাই মিলে করি। * এমনকি তথাকথিত লিঙ্গ-নিরপেক্ষ শব্দ যেমন “সেক্সিস্ট” বা লিঙ্গবৈষম্য বলতে কেবল নারীদের প্রতি অবমাননা বোঝায়। * ১৯২০ সালে পুরুষদের গড় আয়ু নারীদের চেয়ে এক বছর কম ছিল; আজ তা সাত বছর কম। তবুও ফেডারেল সরকারের কেবল নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য একটি গবেষণা দপ্তর (অফিস অফ রিসার্চ অন উইমেনস হেলথ) রয়েছে। * পরনিন্দার কাজ হলো একটি “শত্রু পক্ষ” তৈরির মাধ্যমে নিজেদের দলের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি করা। * “ভালোবাসা এবং বন্ধুত্ব” বিভাগে গিয়ে দেখুন নারীদের জন্য নারীদের কাছে পাঠানোর উপযোগী কয়েক ডজন কার্ড রয়েছে যার অধিকাংশতেই পুরুষদের অপদস্থ করা হয়েছে কিন্তু পুরুষদের সম্পর্কে ভালো কিছু বলা হয়েছে এমন কার্ড প্রায় নেই বললেই চলে। === ''ফাদার অ্যান্ড চাইল্ড রিইউনিয়ন'' (২০০১) === * সফল এবং সুখী জীবনের জন্য যদি এমন কোনো গুণ থাকে যা অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি প্রয়োজন তবে তা হলো সহানুভূতি। এটি পরিবারের স্থায়িত্ব এবং ভালোবাসার মূলে থাকে। আমার কাছে এমন কোনো দম্পতি আসেনি যারা বলেছে, “আমি বিচ্ছেদ চাই; আমার সঙ্গী আমাকে বোঝে।” ** পৃষ্ঠা ৩০ * সীমানা বা সীমাবদ্ধতাকে গুরুত্ব দিতে শেখানো শিশুকে অন্যদের অধিকার এবং প্রয়োজনকে সম্মান করতে শেখায়। অন্যের প্রয়োজন নিয়ে চিন্তা করলে সহানুভূতি জন্মায়। ** পৃষ্ঠা ৩১ * বাবা আছেন এমন পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা গণিত এবং বিজ্ঞানে ভালো ফল করে, এমনকি তারা দুর্বল মানের স্কুলে পড়লেও। ** পৃষ্ঠা ৩১ * বাবা যত বেশি জড়িত থাকেন শিশু তত সহজে নতুন মানুষের সাথে খোলাখুলিভাবে এবং বিশ্বাসের সাথে মিশতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩৪ * আমরা প্রায়ই শুনি যে মায়েরা যত্ন নেন আর বাবারা কেবল খেলাধুলা করেন। এটি একটি ভুল ধারণা—এমনকি বিপজ্জনকও—কারণ বাবার খেলার ধরণের মধ্যে শেখানোর একটি সচেতন লক্ষ্য থাকে। গবেষণা এখন দেখাচ্ছে যে বাবারা যখন সচেতনভাবে কিছু শেখানোর চেষ্টা না করেন তখনও তাদের খেলা শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক হয়। ** পৃষ্ঠা ৫৭ * যে পরিবার একসাথে খেলতে জানে তাদের একসাথে থাকার শক্তিও থাকে। ** পৃষ্ঠা ৫৯ * শিল্পায়ন এক অদ্ভুত সংকট তৈরি করেছে: একজন বাবা তার সন্তানদের ভালোবাসার জন্য তাদের কাছ থেকে দূরে থাকছেন। ** পৃষ্ঠা ৮৮ * শিল্প বিপ্লব পুরুষদের বাড়ি থেকে মাঝে মাঝে অনুপস্থিত থাকাকে—যা আগে কেবল শিকার বা যুদ্ধের সময় দরকার হতো—একটি নিয়মে পরিণত করেছে। এই ক্রমবর্ধমান শ্রম বিভাজন নারী ও পুরুষের আগ্রহের জায়গাকে আলাদা করে দিয়েছে। এটি মাতৃত্বের সহজাত প্রবৃত্তির ধারণা এবং বাবার সাথে দূরত্বের বাস্তবতাকে বাড়িয়ে দিয়েছে। শিল্পায়নের আগে বিচ্ছেদ হলে শিশুরা সাধারণত বাবার সাথেই থাকত। পরে আর তা থাকেনি। ** পৃষ্ঠা ৮৮ * পরিবারের আর্থিক যোগানদাতা হওয়ার বাধ্যবাধকতা বাবার পরিবারের সাথে যুক্ত থাকার পথে সবচাইতে বড় বাধা। এটি বাবার সেই অদ্ভুত সংকট তৈরি করে: পরিবার থেকে দূরে থেকে পরিবারকে ভালোবাসা। এটি গতানুগতিক পিতৃত্বের এক বিদ্রূপ: বাবা না হয়ে বাবা হওয়া। ** পৃষ্ঠা ৯০ * পিতৃত্ব তৈরি করা মানে একটি বড় মানসিক পরিবর্তন আনা। অন্য লিঙ্গের চিরাচরিত ভূমিকার মানসিক দায়িত্ব পুরোপুরি ভাগ করে নেওয়া উভয় লিঙ্গের জন্যই কঠিন—বিশেষ করে যখন অন্য লিঙ্গটি আশেপাশে থাকে। ** পৃষ্ঠা ৯০ * হলিউডের মায়েরা সব সময় সঠিক আর বাবারা কেবল উপস্থিত—এই সূত্রের মধ্যে একটি প্রচ্ছন্ন অর্থ আছে যে মায়ের কোনো দোষ নেই। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * শিশুদের পুরুষদের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত করে আমরা তাদের সেই নির্যাতনের প্রতি আরও অসহায় করে তুলেছি যা আমরা প্রতিরোধ করতে চাইছি। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * অবচেতন স্তরে যৌনতাকে দানবীয় রূপ দেওয়া মানেই সাধারণত পুরুষদের দানব এবং নারীদের ভুক্তভোগী হিসেবে দেখানো। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * আমাদের ছেলেদের আমরা যত কম বিশ্বাস করব নারীরা তাদের তত কম ভালোবাসতে পারবে। আর নারীরা তত বেশি তাদের কেবল টাকার ব্যাগ হিসেবে ব্যবহার করার অধিকার বোধ করবে। ** পৃষ্ঠা ৯৮ * আরও গভীরভাবে দেখলে আমাদের ছেলেরা যদি শেখে যে তারা অশ্লীল, জঘন্য এবং অবিশ্বস্ত, তবে এটি কি পিতৃত্বের জন্য সেরা প্রস্তুতি? আর একজন মায়ের জন্য কি এটি সেরা প্রস্তুতি যে সে তার নিজের ছেলে সম্পর্কে এমনটা ভাববে? ** পৃষ্ঠা ৯৮ * যখন আমরা পুরুষের মূল্যবোধকে তুচ্ছ করি এবং পুরুষের যৌনতাকে দানবীয় করি তখন অনেক ছেলে কে তারা তা বোঝার আগেই নিজেদের বিকৃতমনা মনে করতে শুরু করে। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * অতীতে আমরা বিশ্বাস করতাম যে নারী-পুরুষ উভয়ই পাপ নিয়ে জন্মায়। আজ আমরা অবচেতনভাবে বিশ্বাস করতে শুরু করেছি যে ছেলেদের জন্মই পাপ আর মেয়েরা জন্মগতভাবে নিষ্পাপ। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * একজন বাবার জন্য এটা বলা গুরুত্বপূর্ণ যে, "তুমি যখন ওটা করো তখন বাবা হিসেবে আমি নিজেকে অপ্রয়োজনীয় মনে করি" অথবা "আমার এই দুরন্তপনা মানে খারাপভাবে বড় করা নয়; এটি আমাদের সন্তানকে ঝুঁকি নিতে সাহায্য করছে।" নারীরা শুনতে পায় না যা পুরুষেরা বলে না। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * আমরা যখন বাবাকে কেবল উদাসীন বাবা হিসেবে দেখি তখন তিনি পরিবারের সাথে থাকতে চাওয়ার যে সংকেতগুলো দেন সেগুলোও আমরা দেখতে পাই না। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * আমরা যখন পুরুষদের যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণ দিই তখন আমরা যাকে প্রশিক্ষণ দিই তার ভেতরকার মানবিক অংশটুকু হারিয়ে ফেলি—এমনকি আমরা যুদ্ধে জিতলেও। যখন আমরা পুরুষদের ভালো লালনকারী হওয়ার প্রশিক্ষণ দিই তখন যারা সফল হয় না তারাও জিতে যায়। আর তাদের সাথে দেখা হওয়া প্রতিটি শিশুও জিতে যায়। পুরুষদের ভালোবাসতে শেখানো একটি জাতির জন্য সেরা বিনিয়োগ। ** পৃষ্ঠা ১১২ * আমরা যদি চাই আমাদের শিশুরা টাকা উপার্জন এবং ভালোবাসা দেখানোর মধ্যে ভারসাম্য রাখুক তবে বাবা-মা উভয়কেই সেই ভারসাম্যের উদাহরণ হতে হবে। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * কর্মক্ষেত্রে নারীদের চেয়ে পরিবারে বাবারা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ: কর্মক্ষেত্র নারীদের দ্বারা উপকৃত হয় কিন্তু পরিবারের বাবাকে প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * টিএএনএফ (TANF) এবং ডব্লিউআইসি-র (WIC) মতো প্রোগ্রামগুলো বাবাকে বাদ দেওয়াকেই সহায়তা করে। আসলে এগুলো ভবিষ্যতের সহায়তানির্ভর নাগরিক তৈরি করে যারা করদাতার অর্থ খরচ করে। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * সন্তান পালনের ক্ষেত্রে পুরুষেরা অনেকটা রোজি-দ্য-রিভিটারদের মতো: তাদের কেবল তখনই ডাকা হয় যখন প্রয়োজন হয় আর পরে তাদের ফেলে দেওয়া হয়। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * আমাদের শিশুরা পুরুষদের যখন শিশুদের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য পারিশ্রমিক পেতে দেখবে তখন পুরুষদের জন্য বাবা হিসেবে উপযুক্ত কাজ করা আরও সম্মানজনক হবে। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * মেল টিচার কোর শিশুদের কেবল বিভিন্ন পেশার পুরুষদের সাথেই পরিচয় করিয়ে দেয় না বরং ঝুঁকি নিতে সক্ষম এমন পুরুষালি শক্তি ও মূল্যবোধের সাথেও পরিচয় করায়। এটি পুরুষ এবং নারী মূল্যবোধের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * টিকে থাকার সংগ্রামের বিশ্বে একজন বাবার সমস্যা সমাধানকারী হওয়া দরকার ছিল। অনুভূতি লুকিয়ে তাকে কঠিন হতে হতো। তাকে নমনীয় না হয়ে বোঝানো, যুক্তি দেওয়া এবং নিয়ম তৈরি করার দরকার ছিল। এই গুণগুলোই তাকে যোগ্য করে তুলত এবং তার স্ত্রী ও সন্তান জুটত। এই গুণগুলোই ছিল তার সম্পর্কের ভাষা। সমস্যা হলো যে এই কঠিন হওয়া তার প্রিয়জনদের খাবার যোগালেও তাদের মনের খোরাক দিতে পারত না। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * দ্বিতীয় ধাপের বিশ্বে যেখানে টিকে থাকার সংগ্রাম জয় করে আত্মতৃপ্তির সাথে ভারসাম্য রাখা সম্ভব সেখানে আমাদের কাছে এমন সম্পর্কের ভাষা ব্যবহারের সুযোগ আছে যা আত্মাকে তৃপ্ত করে। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * যদিও আমাদের প্রাথমিক স্কুলগুলো বর্তমান যুগের প্রযুক্তিগত প্রয়োজনের সাথে তাল মেলাতে পুরো প্রজন্মকে কম্পিউটার ভাষা শেখাচ্ছে কিন্তু আমরা এই প্রজন্মকে সম্পর্কের ভাষা এবং বিবাদ মেটানোর দক্ষতা শেখাতে অবহেলা করেছি। জার্মানির মতো দেশগুলোতে যখন এটি শেখানো হয় তখন তাকে সামাজিক দক্ষতা বলা হলেও তার মূল লক্ষ্য থাকে কর্মক্ষেত্রের দলগত কাজ—যা আসলে সেই টিকে থাকার সংগ্রামেরই অংশ। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * বাবারা যখন সন্তানদের সাথে সবচাইতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেন তখন সাধারণত তাদের মধ্যে এমন এক সহজাত বোধ থাকে যে উদাহরণস্বরূপ ফুটবল খেলতে যাওয়ার জন্য গাড়ির ভ্রমণটি খেলার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ১১৮ * একজন ভালো বাবা তার মেয়ের দলগত খেলায় যুক্ত হওয়া নিশ্চিত করতে পারেন। এটি তাকে জীবনের সেই শিক্ষাগুলো পেতে সাহায্য করে যা একটি দলকে শক্তিশালী করতে দরকার হয়। ** পৃষ্ঠা ১১৯ * যেহেতু কেউ সব সময় সঠিক হতে পারে না তাই সব সময় সঠিক হওয়ার ভান করা আসলে সন্তানদের মনে নিজেকে অপদার্থ ভাবার বীজ বুনে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১২০ * তার শিক্ষক হওয়ার বদলে আমি যদি নিজের অন্ধকার দিক, দোষ এবং ভুলগুলো তার সাথে খোলাখুলিভাবে শেয়ার করি তবে আমি আরও ভালো উদাহরণ হতে পারব। ** পৃষ্ঠা ১২০ * বাবা যখন নিজের ভুল স্বীকার করেন বা সাহায্য চান তখন সন্তান নিজেও ভুল করলেও নিজেকে অপদার্থ মনে করে না। এটি শিশুদের নতুন কিছু করতে উৎসাহিত করে এবং তাদের সৃজনশীলতাকে বিকশিত করে কারণ তারা তখন কিছু অবদান রাখার সুযোগ পায়। ** পৃষ্ঠা ১২০ * মহামন্দা যেমন একটি প্রজন্মের বাবাদের মনে এই ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছিল যে তাদের কাছে যথেষ্ট টাকা নেই ঠিক একইভাবে বাবার সান্নিধ্য না পাওয়া একটি প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের মনে ভিন্ন এক মানসিক ক্ষত তৈরি করছে। ** পৃষ্ঠা ১২১ * সংক্ষেপে বাবার সান্নিধ্যহীন একটি শিশুকে পৃথিবীতে পাঠিয়ে সব ঠিক আছে মনে করা—কেবল বাবা টাকা দিচ্ছেন বলে—তা অনেকটা একজন মদ্যপ চালককে মহাসড়কে পাঠিয়ে সব ঠিক আছে ভাবার মতো কারণ পেট্রোলের দাম মেটানো হয়েছে। এর মানে এই নয় যে মদ্যপ চালক গন্তব্যে পৌঁছাবে না। এর মানে হলো ঝুঁকি অনেক বড় এবং ব্যর্থতার ফলাফল আজীবনের। ** পৃষ্ঠা ১২২ * বিংশ শতাব্দীতে নারীদের যেমন কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য আইনের সাহায্যের প্রয়োজন ছিল একবিংশ শতাব্দীতে পুরুষদের তাদের সন্তানদের ভালোবাসার জন্য আইনের সাহায্যের প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ১২২ * সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে নাউ (NOW)-এর সাথে আমার প্রথম বিরোধ শুরু হয় যখন এর শাখাগুলো বিচ্ছেদের পর বাবা-মায়ের সমান সময় কাটানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বাবার সংশ্লিষ্টতাকে নাকচ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * বাবা-মা উভয়ের অধিকার মূলত তাদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করার জন্য থাকা উচিত। মূলত মানে এই নয় যে একচেটিয়াভাবে। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * বাবা-মা উভয়য়ের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য থাকা উচিত যাতে শিশুরা উভয় অভিভাবকের সান্নিধ্য পেয়ে বড় হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * নারী-পুরুষের একাত্মতা কেবল নারীর অধিকার তৈরি করে না। এটি অধিকারের এক মেলবন্ধন তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * পুরুষের শরীর কি ঝুঁকির মুখে? যখন একজন পুরুষকে চাইল্ড সাপোর্ট দেওয়ার জন্য কাজ করতে বলা হয় তখন সে তার শরীর, সময় এবং জীবন ব্যয় করে—নয় মাস নয় বরং অন্তত ১৮ থেকে ২১ বছর। তাই একজন সৎ নারীবাদীর মূলমন্ত্র হওয়া উচিত, “এটি নারী ও পুরুষ উভয়েরই পছন্দের অধিকার কারণ এখানে নারী ও পুরুষ উভয়েরই শরীর জড়িত।” ** পৃষ্ঠা ১৩২ * একজন নারীর এমন কোনো একতরফা সিদ্ধান্তের অধিকার নেই যা একজন পুরুষের বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে ঠিক যেমন একজন পুরুষেরও এমন কোনো একতরফা সিদ্ধান্তের অধিকার নেই যা একজন নারীর বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * যখন কেবল পুরুষেরা ভোটের জন্য নিবন্ধন করতে পারত তখন কেবল তাদেরই বাধ্যতামূলক সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হতো। আজ উভয় লিঙ্গই ভোট দিতে পারে কিন্তু কেবল পুরুষদেরই সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * আমরা ইতিহাসের এক অদ্ভুত সময়ে আছি—যখন কোনো নারীর শরীর জড়িত থাকে তখন আমরা বলি সিদ্ধান্তটি তার; কিন্তু যখন কোনো বালকের শরীর জড়িত থাকে তখন আমরা বলি সিদ্ধান্তটি তার নয়—আইন আমাদের ১৮ বছর বয়সী ছেলেদের সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়তে বাধ্য করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * এটি বিদ্রূপের বিষয় যে একটি আন্দোলন যা জৈবিক পার্থক্যকে গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য পরিচিতি পেয়েছিল যখন সেই পার্থক্যগুলো নারীদের প্রতিকূলে ছিল তারা সঙ্গে সঙ্গেই সেই জৈবিক পার্থক্যের দোহাই দেওয়া শুরু করল যখন তা নারীদের অনুকূলে এল। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * আমরা কোনো পুরুষকে একজন নারীর জীবন নির্ধারণ করার অনুমতি দেওয়ার কথা ভাবি না কেবল একারণে যে তার সৃষ্টি করা একটি ভ্রূণ নারীর জঠরে আছে; তবে আমরা কেন একজন নারীকে একজন পুরুষের জীবন নির্ধারণ করার অনুমতি দেব কেবল একারণে যে তার সৃষ্টি করা একটি ভ্রূণ নারীর জঠরে আছে? ** পৃষ্ঠা ১৩৭ * পুরুষেরা নারীদের বিশ্বাস করতে শেখে যতক্ষণ না বিপরীত কিছু ঘটে; নারীরা পুরুষদের সন্দেহ করতে শেখে যতক্ষণ না কোনো পুরুষ নিজেকে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ করে। ** পৃষ্ঠা ১৩৯ * যখন কোনো সরকার একজন পুরুষকে এমন একটি শিশুর ভরণপোষণ দিতে বাধ্য করে যা তৈরিতে তাকে প্রতারণা করা হয়েছিল তখন সেই সরকার আসলে প্রতারণাকে সহায়তা করছে। না, এটি তার চেয়েও খারাপ: এটি ১৮-২১ বছর ধরে সম্মতি ছাড়াই একজন পুরুষের শরীর ব্যবহার করা নারীকে সহায়তা করছে। ** পৃষ্ঠা ১৪৩ * একটি গণতন্ত্রে সরকারের নীতিগুলো নিয়ে খুব কমই প্রশ্ন তোলা হয় যতক্ষণ না সেই নীতিগুলো তৈরির পেছনের ধারণাগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। ** পৃষ্ঠা ১৪৭ * একটি যৌথ পছন্দের আন্দোলন ভ্রূণকে একজন নারী ও একজন পুরুষের জিন হিসেবে দেখে; দেখে নারী ও পুরুষের রক্তমাংস হিসেবে; এবং এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের দায়িত্ব ও অধিকার হিসেবে গণ্য হয়। এটি সমতার দিকে এগিয়ে যেতে চায়। ** পৃষ্ঠা ১৫৮ * নারীবাদীরা প্রায়ই নারীদের দুটি কাজের কথা বলেন: চাকরি এবং সন্তান। ঠিক। কিন্তু বিচ্ছেদ হওয়া এবং পুনরায় বিয়ে করা পুরুষদের কথা কেউ বলে না যাদের তিনটি কাজ করতে হয়: চাকরি এবং দুই পক্ষের সন্তানদের লালন-পালন ও আর্থিক ভরণপোষণ। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমি দ্রুতই বুঝতে পেরেছিলাম যে যেসব নারীবাদী প্রধান অভিভাবক তত্ত্বকে সমর্থন করেছিলেন তারা সমসুযোগের পক্ষে ছিলেন না বরং অসম সুযোগ সন্ধানী ছিলেন। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * যেসব পুরুষ বিচ্ছেদের পর নিজেদের সন্তানদের জীবন থেকে চলে যান তারা বাধ্যবাধকতা ছাড়াই সুবিধা চান। নৈতিকভাবে তাদের চলে যাওয়ার কোনো অধিকার নেই। যে আইন তা করতে দেয় তাও অনৈতিক। প্রধান অভিভাবক আইনগুলো ঠিক তেমনই। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * প্রধান অভিভাবক আইনের বিদ্রূপ হলো যে একদিকে নারীবাদীরা পুরুষের অর্জিত সম্পত্তিতে নারীর সমান অধিকারের জন্য লড়াই করছিল অন্যদিকে তারা যৌথভাবে জন্ম দেওয়া সন্তানের ওপর পুরুষের সমান অধিকারের বিরোধিতা করছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * সংক্ষেপে তিনি পুরুষের তৈরি করা জিনিসের অংশীদার; আর তিনি নারীর তৈরি করা জিনিসের দর্শনার্থী মাত্র। আমার কাছে এটি সমতা ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * নারীবাদ যখন সমসুযোগ থেকে অসম সুযোগ সন্ধানীতে পরিণত হলো তখন আমিও এর সমর্থক থেকে সমালোচকে পরিণত হলাম। কিন্তু আমার মনে কোনো পরিবর্তন হয়নি: আমি সমতার সমর্থক থেকে সমতার সমর্থকই রয়ে গেলাম। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * সংক্ষেপে যখন একজন পুরুষ অর্থ যোগাতে ব্যর্থ হয় তখন আমরা তাকে জেলে পাঠাই; যখন একজন নারী মা হিসেবে ব্যর্থ হয় তখন আমরা তাকে সমাজসেবার প্রস্তাব দিই। আমরা পুরুষদের ক্ষেত্রে অপরাধমূলক ব্যবস্থা নিই আর নারীদের ক্ষেত্রে সমাজসেবামূলক ব্যবস্থা নিই। ** পৃষ্ঠা ১৭৯ * অধিকাংশ মায়েরা তাদের সন্তানদের জীবনে বাবার উপস্থিতি বেশি চান কম নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৬ * সন্তান পালন একক অভিভাবকদের জন্য তৈরি করা হয়নি। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমরা যদি মায়েদের দেখা করার সময় না দেওয়ার জন্য শাস্তি দিই তবে আমাদের সেইসব বাবাদেরও শাস্তি দিতে হবে যারা দেখা করার সময়ে আসেন না। বিষয়টি বাবার দেখা করার অধিকার নয় বরং সন্তানদের প্রতি উভয় অভিভাবকের বাধ্যবাধকতা। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমাদের সন্তানদের জন্য দেখা করা বনাম হেফাজত না বলে বরং প্যারেন্ট টাইম বা অভিভাবকের সময় বলাটা বেশি ভালো হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমরা যখন মায়ের হেফাজত জেতা বা বাবার দেখা করার সময়ের কথা বলি তখন আমরা কেউ জেতা আর কেউ হারার কথা বলি। আমরা যখন মা বা বাবার সন্তানের সাথে সময় কাটানোর কথা বলি তখন আমরা দুই অভিভাবকের কথা বলি—একজন অভিভাবক বনাম একজন দর্শনার্থীর কথা নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * দেখা করা বিষয়টি অনুপস্থিত বাবার যুগের প্রতিফলন; প্যারেন্ট টাইম বিষয়টি একজন নিবেদিত বাবার পুনরায় আবির্ভূত হওয়ার প্রভাব ফেলে। দেখা করা মানে পরিবারের ধ্বংস; প্যারেন্ট টাইম মানে পরিবারের পুনর্গঠন। এটি এমন এক যুগের কথা বলে যেখানে বোঝা যায় যে যেকোনো একজন অভিভাবকের পরাজয় মানেই শিশুদের পরাজয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * যখন একজন অভিভাবক শিশুকে তার প্যারেন্ট টাইম থেকে বঞ্চিত করেন তখন তিনি আসলে শিশুকে তার ভরণপোষণ থেকে বঞ্চিত করেন—মানসিক ভরণপোষণ। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * বিচ্ছেদের পর পুরুষদের সবচাইতে বড় ভয় হলো সন্তানদের হারানো (নারীদের ক্ষেত্রে তা হলো দারিদ্র্য)। ** পৃষ্ঠা ১৯০ * একজন নারীর দৃষ্টিকোণ থেকে অভিভাবকের সময় ভাগ করে নেওয়াটা অনেকটা এমন যেমনটা একজন পুরুষ অনুভব করতে পারে যদি তার প্রাক্তন স্ত্রী তার অফিসে এসে তার কাজ ভাগ করে নেয়। সে হয়তো দাবি করবে যে এই ভাগাভাগি কোম্পানির স্বার্থে ভালো নয়। কিন্তু সে আসলে ভয় পায় যে তার প্রাক্তন স্ত্রী যদি তার নিজের কাজে তার চেয়ে ভালো করে তবে তার সম্মান ক্ষুণ্ণ হবে। এই ভয়টি বোঝা গেলেও পার্থক্য হলো তার ক্যারিয়ার তার নিজের কিন্তু তাদের সন্তানরা তাদের উভয়ের। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * নারীদের জন্য যদি ইকুয়াল এমপ্লয়মেন্ট অপরচুনিটি কমিশন থাকে তবে পুরুষদের জন্য কেন ইকুয়াল ফ্যামিলি অপরচুনিটি কমিশন থাকবে না? ** পৃষ্ঠা ১৯৭ * রাগের সবচাইতে খারাপ রূপ হলো যখন একজন অভিভাবক মনে করেন যে তার প্রাক্তনকে ধ্বংস করার মাধ্যমেই তার সন্তানকে জেতার সুযোগ বাড়বে। আইন সবচাইতে প্রতিহিংসাপরায়ণ অভিভাবককে নির্যাতনের তাস খেলার একটি সুযোগ করে দিয়েছে। এটিই হলো বিশাল প্রলোভন। ** পৃষ্ঠা ১৯৯ * যখন নারীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করেছিল তখন অনেক পুরুষ তাদের মেন্টর ছিল এবং বিনিময়ে নারীদের অবদানকেও শ্রদ্ধা করতে শিখেছিল। এখন আমরা যখন পুরুষদের শিশুদের যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব দিচ্ছি তখন নারীদের মেন্টর হতে হবে এবং আমাদেরও পুরুষদের অনন্য অবদানগুলোকে শ্রদ্ধা করতে শিখতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * আমরা যদি পুরুষালি ধরণ-এর অভিভাবকত্বকে অবহেলা করি এবং সেই দায়িত্বশীল বাবাটিকে জেলে পাঠাই তবে পিতৃত্ব আরেকটি ঝুঁকিপূর্ণ পেশা হয়ে দাঁড়াবে। আর এই প্রক্রিয়ায় আমাদের শিশুরা একটি বড় উপহার হারাবে—তা হলো প্রকৃত পিতৃত্ব। এটি খারাপ খবর হলেও সুখবর হলো এই বাবা ও সন্তানের পুনর্মিলনের পথ আছে... ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * পুরুষেরা সেখানেই যায় যেখান থেকে প্রশংসা আসে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * চ্যালেঞ্জটি হলো আমাদের প্রশংসার ধরণ পরিবর্তন করা: বাবার টাকার বদলে বাবার ভালোবাসাকে বেশি মূল্য দেওয়া। আর সেই সাথে তার মানসিকতার পরিবর্তন ঘটানো যা তাকে ভালোবাসার যোগ্য করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * প্রযুক্তি বাড়িতে থাকা বাবার জন্য সহায়ক। এটি পরিবারকে গরিব না হয়েও আগের চেয়ে অনেক বেশি সৃজনশীল এবং নমনীয় হতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * অনেক নারী আবিষ্কার করছেন যে মাতৃত্বের সহজাত প্রবৃত্তি মানে শিশুদের জন্য বাবার উপস্থিতি নিশ্চিত করা—প্রতিদিন দূরে কোথাও নয়। কেউ কেউ সচেতন যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা মানে নিজের সন্তানকে আঁকড়ে ধরা নয় যেন এটি তার চাকরি। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * বাবাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের জন্য আমাদের বাবাদের ভালোবাসার ধরণ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা প্রয়োজন। এটা স্বীকার করা জরুরি যে অতীতের কঠোর নিয়মগুলো পুরুষরা কেবল নিজেদের সুবিধার জন্য তৈরি করেনি। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * আমরা যদি পুরুষদের স্বার্থপর মনে করি তবে আমরা তাদের লালনকারী হিসেবে ভাবতে পারব না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * সরকারি ও বেসরকারি উৎসের তহবিলের অভাব খুব একটা সমস্যা হতো না যদি প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার পুরুষদের ওপর নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রচারের জন্য খরচ না করা হতো। এই তহবিল পুরুষদের অধ্যয়ন বাদ দিয়ে নারী অধ্যয়নকে উৎসাহিত করে; উদাসীন বাবাদের নিয়ে গবেষণার জন্ম দেয় কিন্তু কপর্দকশূন্য বাবাদের নিয়ে কোনো গবেষণা করে না—কিংবা সেইসব মায়েদের নিয়ে যারা বাবাকে সন্তানদের কাছে আসতে দেয় না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * এই একপক্ষীয় তহবিল জাতিকে ভুল তথ্য দেয় যে বিচ্ছেদ হওয়া একজন মা বিচ্ছেদ হওয়া একজন পুরুষের চেয়ে বেশি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই বিচারকরা মনে করেন পুরুষের ভবিষ্যৎ আয় নারীর হওয়া উচিত আর আইনসভাও বাবাদের দেওয়া অর্থকে করমুক্ত করতে অস্বীকার করে যদিও নারী সেই অর্থের ওপর কোনো কর দেন না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * পুরুষদের চাপা অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করার জন্য কোনো তহবিল নেই: যেমন সন্তানদের বাবার কাছ থেকে দূরে রাখতে কখন মিথ্যা অভিযোগকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে; বা কখন অন্য অভিভাবক সন্তানের কাছে খারাপ কথা বলছেন; বা যখন উদাসীন বাবাদের পরিসংখ্যানে সেইসব পুরুষদের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে যারা মৃত বা বেকার; অথবা যখন পুরুষেরা পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * একপক্ষীয় তহবিল একপক্ষীয় চিত্র তৈরি করে যা সংবাদমাধ্যমকে শুধুমাত্র নারীদের সমস্যাগুলোই প্রগতি হিসেবে তুলে ধরতে উৎসাহিত করে। ফলে পুরুষদের বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা নারীদের ওপর সহিংসতার সমান তা জনমানসে খুব সামান্যই প্রভাব ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * এই পক্ষপাতদুষ্ট গবেষণা থেকেই পক্ষপাতদুষ্ট সামাজিক নীতি তৈরি হয়। কোটি কোটি ডলার খরচ করা হয় সেইসব বাবাদের সাজা দিতে যারা মায়েদের অর্থ দেন না; কিন্তু সেইসব মায়েদের সাজা দেওয়ার জন্য কিছুই করা হয় না যারা বাবাদের সন্তানদের সাথে দেখা করতে দেন না। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * তহবিলের প্রয়োজনীয়তা আসে গত কয়েক দশকের পুরুষদের প্রতি এক ধরণের মনোভাবের বিপরীতে ভারসাম্য তৈরি করার জন্য। আর কিছুটা প্রয়োজন হলো কীভাবে উভয় লিঙ্গ সেই কঠোর ভূমিকা থেকে নমনীয় পথে এগিয়ে যেতে পারে তার একটি সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * যেখানে কেউ শোনার নেই সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব কম। এভাবেই বাবা, ছেলে এবং পরিবারগুলো অকারণে হারিয়ে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * মানি নেওয়ার ক্ষমতা আমাদের বিবর্তনীয় ঐতিহ্যের অংশ—যে প্রজাতি টিকে থাকে তারা মানিয়ে নেয়। মানুষ বিবর্তনীয় মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তাদের অগ্রাধিকার পরিবর্তন করার মাধ্যমে মানিয়ে নেয়। ** পৃষ্ঠা ২৪২ * আমাদের স্কুলগুলোতে সম্পর্কের ভাষা শেখানোর জন্য তহবিল প্রয়োজন যাতে ভবিষ্যৎ অভিভাবকরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে; সন্তানদের সাথে কথা বলতে পারে এবং সন্তানদের শেখাতে পারে বিশ্বের সাথে কীভাবে যোগাযোগ করতে হয়। সামাজিক দক্ষতা ছাড়া প্রযুক্তিগত উন্নতি অনেকটা ব্যবিলনের টাওয়ারের মতো। ** পৃষ্ঠা ২৪৩ * বাবা ও সন্তানের পুনর্মিলন ঘটানোর সামাজিক নীতিগুলোর সব সময় নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত, “আমরা কি বাবাদের থাকার জন্য টাকা দিচ্ছি নাকি চলে যাওয়ার জন্য?” যদি একজন একক মা বাবা আশেপাশে না থাকলে থাকার চেয়ে বেশি টাকা পায় তবে আশেপাশে বাবাদের সংখ্যা কমই হবে। সরকার তখন তার বিকল্প স্বামী হয়ে উঠবে। ** পৃষ্ঠা ২৪৫ * পরিবারের চেয়ে শক্তিশালী বা বহুমুখী আর কোনো শক্তি নেই। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * সম্ভবত আমাদের সবচাইতে বড় প্রশংসা প্রয়োজন সেই লক্ষ লক্ষ পুরুষ ও নারীর প্রতি যাদের আমরা সৎ-অভিভাবক বলি। বিশেষ করে যারা নিজের কোনো সন্তান মানুষ করছেন না তবুও ভালোবেসে শিশুদের জন্য সময় এবং অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * আমরা যদি পুরুষদের বাবা হতে অনুপ্রাণিত করতে চাই তবে তাদের প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পাওয়া নিয়ে ঢালাও সমালোচনা বন্ধ করতে হবে এবং তারা আসলে কী ভয় পায় তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ === ''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' (২০০৫) === * নারীদের আরও বেশি বেতন পেতে সাহায্য করা এই বইয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ** পৃষ্ঠা ১৭. (''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' (২০০৫)) * কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের আচরণের মধ্যে ২৫টি পার্থক্য রয়েছে। এই ২৫টি পার্থক্যের কারণেই পুরুষেরা বেশি বেতন পায় এবং নারীরা আরও ভালো জীবন—অথবা অন্তত আরও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন কাটাতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * সপ্তাহে ৪৫ ঘণ্টা কাজ করা একজন ব্যক্তি সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা কাজ করা ব্যক্তির চেয়ে গড়ে ৪৪% বেশি আয় করেন। অর্থাৎ ১৩% বেশি সময়ের বিনিময়ে ৪৪% বেশি আয়। ** পৃষ্ঠা ১৮ * যদি একজন নিয়োগকর্তাকে একই কাজের জন্য একজন পুরুষকে এক ডলার দিতে হয় যা একজন নারী ৫৯ সেন্টে করতে পারেন, তবে কেউ কেন একজন পুরুষকে নিয়োগ দেবেন? ** পৃষ্ঠা ১৯ * ১৯৬৯ সালে সারা দেশে সেইসব নারী অধ্যাপকেরা যারা কখনো বিয়ে করেননি এবং যাদের কোনো লেখা প্রকাশিত হয়নি, তারা তাদের সমপর্যায়ের পুরুষ সহকর্মীদের তুলনায় ১৪৫% বেশি আয় করতেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * ২০০১ সালের জরিপ: যেসব পুরুষ কখনো বিয়ে করেননি, যাদের সন্তান নেই, যারা পূর্ণকালীন কাজ করেন এবং কলেজ শিক্ষিত, তারা একই যোগ্যতাসম্পন্ন নারীদের আয়ের মাত্র ৮৫% আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * একজন খণ্ডকালীন নারী কর্মী তার সমপর্যায়ের পুরুষ কর্মীর প্রতিটি এক ডলার আয়ের বিপরীতে এক ডলার দশ সেন্ট আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * গত ৩০ বছর ধরে নারীদের প্রতি বৈষম্যের দিকে আমাদের অতিরিক্ত মনোযোগ আমাদের নারীদের জন্য থাকা সুযোগগুলোর প্রতি অন্ধ করে রেখেছে। ** পৃষ্ঠা ২৪ * আমি ক্ষমতাকে নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করি। বেতন বা আয় ক্ষমতার বিষয় নয়। বেতন হলো বেতনের ক্ষমতা পাওয়ার জন্য নিজের অন্য ক্ষমতা ত্যাগ করা। ** পৃষ্ঠা ২৪ * যারা বিশ্বাস করেন যে "আপনি সবকিছুই পেতে পারেন", তাদের জন্য লেখা সেলফ-হেল্প বইগুলো প্রায়ই পরামর্শ দেয়, "আপনার ভালো লাগার কাজগুলো করুন এবং টাকা এমনিতেই আসবে।" কিন্তু শেয়ার বাজারের ধসের পর এর আসল বিনিময় অনেকটা এমন— "যখন আপনি আপনার পছন্দের কাজগুলো করতে যাবেন, তখন আপনি টাকা মিস করবেন।" ** পৃষ্ঠা ৩ * ''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' বইতে বেতনের যে ধাঁধার কথা বলা হয়েছে তা হলো: পুরুষেরা বেশি টাকা আয় করে, তাই পুরুষদের ক্ষমতা বেশি; আবার পুরুষেরা বেশি টাকা আয় করে, তাই পুরুষদের ক্ষমতা কম (বেশি টাকা আয় করা সেখানে একটি বাধ্যবাধকতা, কোনো পছন্দ নয়)। নারীদের ক্ষেত্রে এর উল্টোটা সত্যি: নারীরা কম টাকা আয় করে, তাই নারীদের ক্ষমতা কম; আবার নারীরা কম টাকা আয় করে, তাই নারীদের ক্ষমতা বেশি (সন্তান লালন-পালনের সুযোগ থাকা অথবা কোনো বিপজ্জনক কাজ বেছে না নেওয়া)। ** পৃষ্ঠা ১১ * বিজ্ঞান বা কঠিন বিষয়গুলো নিয়ে পড়ার সবচাইতে ভালো কারণ সম্ভবত এটাই যে, একটি গবেষণা অনুযায়ী বিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিসিন এবং ডেন্টিস্ট্রির ছাত্ররা আর্টস (বা ল) ছাত্রদের চেয়ে বেশি দিন বাঁচেন। তাই আপনি যে টাকাই আয় করেন না কেন তা আপনি আরও বেশি দিন নিজের কাছে রাখতে পারবেন। ** পৃষ্ঠা ১৮ * বেতন হলো বেতনের ক্ষমতা পাওয়ার জন্য আমাদের ছেড়ে দেওয়া অন্য ক্ষমতা। উদাহরণস্বরূপ, আমরা যখন নিজেদের জন্য কাজ না করে অন্যের জন্য কাজ করি তখন আমরা আমাদের ক্ষমতা হারাই, কিন্তু বিনিময়ে আমরা বেতনের চেক বা আর্থিক ক্ষমতা পাই। * নারীরা কি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো ক্ষেত্রগুলো এড়িয়ে চলেন কারণ সেখানে পুরুষদের আধিপত্য বেশি এবং নারীদের প্রতি বৈষম্য করা হয়? সম্ভবত না। নারী আন্দোলনের আগে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রটি মেডিসিন বা আইনের চেয়ে বেশি পুরুষ-শাসিত ছিল না। আর নারীরা এখন প্রচুর সংখ্যায় মেডিসিন ও আইনে যোগ দিচ্ছেন। যখন নারীরা পুরুষ-শাসিত ক্ষেত্রে প্রবেশ করেন তখন তারা সাধারণত বেশি আকর্ষণীয় পেশাগুলো বেছে নেন। গণমাধ্যমও একে উৎসাহিত করে। ''এলএ ল'' ছিল কিন্তু কোনো ''এলএ ইঞ্জিনিয়ারিং'' ছিল না। ''ইআর'' মানে ইঞ্জিনিয়ারিং রুম নয়। ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার, গণিত ও বিজ্ঞানের মতো ক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য নারীরা ছয় স্তরের উৎসাহ পায়: প্রথমত, পুরুষদের চেয়ে ভালো শুরুর বেতন; দ্বিতীয়ত, হাই স্কুলের মেয়েদের জন্য বিশেষ প্রোগ্রাম; তৃতীয়ত, কেবল নারীদের জন্য সরকারি বৃত্তি; চতুর্থত, কেবল নারীদের জন্য কর্পোরেট অনুদান ও বৃত্তি; পঞ্চমত, নারীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বিজ্ঞাপন; এবং ষষ্ঠত, শীর্ষস্থানীয় মহিলা কলেজগুলোর বিজ্ঞান প্রোগ্রামের জন্য বিশেষ অনুদান। ** পৃষ্ঠা ২৫ * ঝুঁকিপূর্ণ পেশার ক্ষেত্রে এক ধরণের অদ্ভুত সংকট বা ক্যাচ-২২ পরিস্থিতি থাকে: কাজ যত ঝুঁকিপূর্ণ হয় সেখানে পুরুষ তত বেশি থাকে; সেখানে পুরুষ যত বেশি থাকে আমরা কাজটিকে নিরাপদ করার বিষয়ে তত কম গুরুত্ব দিই। ঝুঁকিপূর্ণ পেশার এই সংকট একটি ‘গ্লাস সেলার’ বা অন্ধকার ঘর তৈরি করে যেখানে খুব কম নারীই প্রবেশ করতে চান। নারীরা কেবল কাজের জায়গায় আঘাত পাওয়ার ভয়েই পিছিয়ে যান না বরং এমন এক পরিবেশের কারণেও পিছিয়ে যান যা একটি ঝুঁকিপূর্ণ কাজকে প্রয়োজনের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৭ * আপনার মেয়ে বলল, ‘বাবা, মা, আমি সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চাই।’ আপনি তার সুন্দর চেহারার দিকে তাকালেন, তার পুরো জীবন আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠল এবং আপনি একটি লাশের ব্যাগ দেখতে পেলেন। এখনই তাকে সামরিক বাহিনীর সবচাইতে বড় গোপন কথাটি জানানোর সময়: সে সামরিক বাহিনীতে যোগ দিয়েও ঘরে থাকার মতোই নিরাপদ থাকতে পারে। কীভাবে? ইরাক যুদ্ধে বিমান বাহিনীতে একজন নারীও নিহত হননি। নৌবাহিনীতে (মারিন্স) একজন নারীও নিহত হননি। আর নৌবাহিনীতে (নেভি) মাত্র একজন মারা গেছেন। আপনার কাজ হলো তাকে কেবল সেনাবাহিনী (আর্মি) থেকে দূরে রাখা। ** পৃষ্ঠা ৩০ * দক্ষিণ আফ্রিকার কয়লা খনি হোক, আলাস্কার মাছ ধরার নৌকা হোক বা আমেরিকার সামরিক বাহিনী হোক—নারীদের প্রতি পুরুষদের সুরক্ষামূলক মনোভাব এবং নারীদের নিজেদের (ও সন্তানদের) প্রতি সুরক্ষার প্রবৃত্তি পুরুষদের নারীদের তুলনায় অনেক বেশি পরিত্যাজ্য করে রাখে। সামরিক বাহিনীতে এই ধরণের একটি উদাহরণ দেখা যায়। সামরিক বাহিনীর এসইআরই (সারভাইভাল, ইভেশন, রেজিস্ট্যান্স এবং এস্কেপ) স্কুলগুলোতে নারী শিক্ষার্থীদের সুস্থতার বিষয়ে পুরুষ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এতটাই উদ্বেগ ছিল যে প্রশিক্ষকরা এখন পুরুষদের নারীদের ওপর যৌন নির্যাতন বা অন্যান্য লাঞ্ছনার বিষয়ে সংবেদনহীন করার চেষ্টা করেন যাতে যুদ্ধে তাদের এই সংবেদনশীলতাকে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার না করা যায়। আমরা সামরিক বাহিনীতে নারীদের নিরাপদ মনে করি কারণ তাদের এখনো সবচাইতে বিপজ্জনক কাজে নিয়োগ দেওয়া নিষিদ্ধ। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা আসলে নারীদের রক্ষা করার চিরাচরিত পুরুষালি প্রবৃত্তিরই প্রতিফলন। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * নিরাপত্তা বেছে নেওয়া মানে কেরিয়ারের চেয়ে জীবনকে প্রাধান্য দেওয়া। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * অয়েল রিগ বা তেলের খনিগুলোতে যে পুরুষেরা দিনে মাত্র ৮ ঘণ্টা কাজ করে তাদের অবজ্ঞার সাথে ‘নাইন-টু-ফাইভের’ বা অফিস ঘরানার মানুষ বলা হয়। এর উল্টোদিকে নারীরা ঝুঁকি খুব সামান্য হলেও তা নিতে চান না। আমাদের ছেলেদের জন্য বার্তাটি কী? আমাদের ছেলেরা যখন শারীরিক বিপদের ঝুঁকি নেয় তখন আমাদের প্রশংসা তাদের শেখায় যে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার ইচ্ছা ভালোবাসা তৈরি করে। লাঞ্ছনাই কি তবে ভালোবাসা? হ্যাঁ। ** পৃষ্ঠা ৩৯ * আমরা রোল মডেলদের ‘নেতা’ বললেও অধিকাংশ ‘নেতা’ আসলে অনুসারী। অধিকাংশ ‘নেতা’ তাদের প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধা বা প্রলোভনের অনুসারী। আর আমরাই সেই মানুষ যারা তাদের প্রলোভন দেখাই। আমরা মূলত পুরুষদের জীবন বাজি রাখার জন্য দুটি প্রলোভন দিই: বেতন এবং প্রশংসা... যে পুরুষ স্বেচ্ছায় একটি মৃত্যু পেশা বেছে নেয় সে তার শরীরের বিনিময়ে বেতন পাওয়ার আশা করে। মৃত্যু পেশাগুলোর না বলা মূলমন্ত্র হলো ‘আমার শরীর, কিন্তু সিদ্ধান্ত আমার নয়’। ** পৃষ্ঠা ৪০ * সবচাইতে অপ্রিয় সময়ে কাজ করতে ইচ্ছুক হওয়ার মাধ্যমে পুরুষেরা যে অর্থ উপার্জন করে তা নারীদের প্রতি বৈষম্যের চিহ্ন নয় বরং এটি অধিকাংশ বিবাহিত পুরুষের পরিবারের ভরণপোষণের জন্য নিজের ঘুম বিসর্জন দেওয়ার চিহ্ন, ঠিক যেমন তাদের স্ত্রীরা সন্তানকে খাওয়ানোর জন্য ঘুম বিসর্জন দেন। অস্বস্তিকর শিফটে কাজ করার এই মানসিকতাই বিবাহিত পুরুষদের অবিবাহিত পুরুষদের তুলনায় দ্বিগুণ আয় করার অন্যতম কারণ। রাতে করা পুরুষদের এই অবদান যেন অন্ধকারে হারিয়ে না যায়। ** পৃষ্ঠা ৬৯ * আমরা যখন অভিজ্ঞতার বছরগুলোকে হিসেবে ধরি না তখন একজন নারীর পক্ষে হতাশ হওয়া খুব সহজ যখন তিনি এমন শিরোনাম দেখেন যেমন— ‘টিভি নিউজ ডিরেক্টরদের ওপর গবেষণা নারীদের প্রতি বৈষম্য খুঁজে পেয়েছে।’ আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে কোনো নারী যখন পড়তেন যে নারী টিভি নিউজ ডিরেক্টররা পুরুষ ডিরেক্টরদের চেয়ে ২৭% কম বেতন পান তখন এটি তাকে এই ক্ষেত্রটি এড়িয়ে চলতে বাধ্য করত... অন্যদিকে যদি শিরোনামটি গবেষণার মূল ফলাফলকে আরও নির্ভুলভাবে তুলে ধরত যে, ‘নারী ম্যানেজাররা পুরুষদের চেয়ে তিন গুণ দ্রুত টিভি নিউজ ডিরেক্টর হন,’ তবে সেই নারী নিজেকে কাঙ্ক্ষিত মনে করতেন... সংক্ষেপে বেশি বেতনের পথটি হলো একটি টোল বা কর দেওয়ার পথ। কিন্তু ইতিহাসের এই সময়ে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা টোল বুথ রয়েছে এবং নারীদের কাছ থেকে নেওয়া টোলের পরিমাণ কম। যারা বেশি বেতনের পথে হাঁটতে চান এমন প্রতিটি নারীর জন্য এটি উৎসাহব্যঞ্জক হওয়া উচিত যাতে টোল কম থাকতেই তারা এই পথ বেছে নেন। আর যেসব পুরুষ সন্তানদের সাথে থাকতে চান—অথবা তাদের কর্মমুখী স্ত্রীকে সমর্থন করতে চান—তাদের সচেতন হওয়া উচিত যে একজন ভালো বাবা হওয়ার এবং স্ত্রীর সাফল্যকে সমর্থন করার এর চেয়ে ভালো সময় আর কখনো ছিল না। ** পৃষ্ঠা ৮৫-৮৭ * যারা বেশি বেতন পান তারা কোম্পানির প্রয়োজনে অন্য জায়গায়—বিশেষ করে অপ্রিয় জায়গাগুলোতে—যেতে বেশি ইচ্ছুক থাকেন... একজন কর্পোরেট সেক্রেটারি একই শহরের অন্য কোম্পানিতে বদলি হতে পারেন; কিন্তু একজন কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ একই কোম্পানির প্রয়োজনে অন্য শহরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। একজন প্রতিভাবান কর্পোরেট সেক্রেটারি অন্য জায়গায় যাওয়ার প্রস্তাবকে কেবল একটি আমন্ত্রণ হিসেবে দেখেন; কিন্তু একজন ভবিষ্যৎ কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ একে একটি সুযোগ এবং একটি বাধ্যবাধকতা হিসেবে দেখেন। ** পৃষ্ঠা ৯৩-৯৪ * আমরা যখন সমান ঘণ্টা কাজ করা নারী ও পুরুষদের বেতনের দিকে তাকাই তখন দুটি বিস্ময়কর আবিষ্কার পাওয়া যায়: <br>—যখন নারী ও পুরুষ সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টার কম কাজ করেন তখন নারীরা পুরুষদের চেয়ে বেশি আয় করেন; <br>—যখন তারা ৪০ ঘণ্টার বেশি কাজ করেন তখন পুরুষেরা নারীদের চেয়ে বেশি আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ৭৯ * বর্তমানে নারীদের সপ্তাহে ৫০ ঘণ্টার বেশি কাজ করার সম্ভাবনা পুরুষদের অর্ধেক। (আবারও বলছি কর্মজীবী নারীরা বাড়িতে বেশি সময় দেন।) কোনো নারীর পক্ষে এই প্রতিশ্রুতির সাথে ২০ বছর কাজ চালিয়ে যাওয়া এবং পরে সিইও হিসেবে নিজের কাজের সময় আরও বাড়িয়ে দেওয়া খুবই বিরল। কিন্তু ঠিক বিরল বলেই যেসব নারী এটি করতে ইচ্ছুক তারা অনেক বেশি ব্যতিক্রমী হিসেবে পরিচিত হন। আসলে নারীরা অনেক বেশি ‘ইউরোপীয়’ ধাচের—তারা বেঁচে থাকার জন্য কাজ করেন, কাজ করার জন্য বাঁচেন না। কিন্তু স্বাস্থ্যবান এবং ভারসাম্যপূর্ণ মানুষ যারা কেবল বাঁচার জন্য কাজ করেন তারা খুব কমই শীর্ষে পৌঁছাতে পারেন। ** পৃষ্ঠা ৮২ * অবিবাহিত নারীরা প্রায়ই ভয় পান যে তারা যে পুরুষদের সাথে ডেট করছেন তারা হয়তো কম কেরিয়ার এবং বেশি সন্তান পালনের বিষয়টি পছন্দ করবেন না। সম্ভবত। যদি কোনো নারী অনেক বেশি কেরিয়ার সচেতন পুরুষকে বেছে নেন তবে তিনি যা বেছেছেন তাই পাবেন। সমাধান কী? এমন পুরুষদের মধ্য থেকে বেছে নিন যারা কেরিয়ার সচেতন নারীকে বিয়ে করতে পছন্দ করবেন এবং কয়েক বছরের জন্য সন্তানদের সাথে ঘরে থাকতে ভালো বোধ করবেন। এমন পুরুষ খুঁজে পাচ্ছেন না? আপনার ম্যাচকটকম প্রোফাইলে আপনার আগ্রহের কথা জানান—সঠিক মানুষ খোঁজার জন্য ইন্টারনেটই সেরা মাধ্যম। আপনি অবাক হয়ে যাবেন। ** পৃষ্ঠা ৮৩-৮৪ * যারা বেশি বেতন পায় তারা কম নিরাপত্তা চায়। বিষয়। ২০০৪ সাল। আমি আমার প্রকাশক প্রতিষ্ঠানের (অ্যামাকম) সেলস এবং মার্কেটিং টিমের কাছে ''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' বইটি উপস্থাপন করছি। বেশি বেতনের অন্যতম উপায় হিসেবে আর্থিক ঝুঁকির উদাহরণ দিতে আমি ঘরে উপস্থিত সবাইকে জিজ্ঞাসা করলাম যারা কমিশনের বিনিময়ে কাজ করেন তারা দাঁড়িয়ে যান। আটজন পুরুষ দাঁড়িয়ে গেলেন; কোনো নারী দাঁড়ালেন না। এরপর আমি যারা নির্দিষ্ট বেতনের বিনিময়ে কাজ করেন তাদের দাঁড়াতে বললাম: প্রায় সমান সংখ্যক নারী ও পুরুষ দাঁড়িয়ে গেলেন। ** পৃষ্ঠা ১০৭ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এমনকি নির্দিষ্ট কোনো পেশার ভেতরেও পুরুষদের আর্থিক ঝুঁকি নেওয়ার ধরণ দেখা যায়। নারী চিকিৎসকদের সরকারি বা কোনো এইচএমও প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সম্ভাবনা পুরুষদের চেয়ে তিন গুণ বেশি; অন্যদিকে পুরুষ চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বার বা একক প্র্যাকটিস করার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। ** পৃষ্ঠা ১০৮ * কর্পোরেট সংকট বা ক্যাচ-২২: নমনীয়তা না দেখালে ভালো নারী কর্মীদের হারান; নমনীয়তা দেখালেও ভালো নারী কর্মীদের হারান... একটি কোম্পানি যখন নারীদের নমনীয়তার ইচ্ছা এবং কম পদোন্নতির আকাঙ্ক্ষার কথা শুনে তাদের পদোন্নতি কম দেয় এবং পরে আবার কম পদোন্নতি দেওয়ার জন্য সেই কোম্পানির বিরুদ্ধেই মামলা হয়। ইদ্দিশ ভাষায় এর জন্য একটি শব্দ আছে: চুটজপা। ** পৃষ্ঠা ১১১-১২ * ইতিহাসের এই মুহূর্তে লক্ষ লক্ষ ‘চাকরিজীবী বাবা’ এমন কিছু করতে চাচ্ছেন যা করার অধিকার তারা আছে বলে মনে করেন না: বাবা হিসেবে বেশি সময় দেওয়া এবং কর্মী হিসেবে কম সময় দেওয়া। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের নারী এক্সিকিউটিভদের তুলনায় পুরুষ এক্সিকিউটিভদের মধ্যে এই অনুভূতি অনেক বেশি কারণ সেই অঞ্চলের নারী এক্সিকিউটিভদের সন্তান না থাকার সম্ভাবনা পুরুষদের চেয়ে ছয় গুণ বেশি। একজন এশিয়া-প্যাসিফিক পুরুষ এক্সিকিউটিভের চাকরিজীবী বাবা হওয়ার সম্ভাবনা একজন নারী এক্সিকিউটিভের চাকরিজীবী মা হওয়ার চেয়ে প্রায় ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১১৩ * হাজার বছর ধরে নারীরা পুরুষদের তাদের ভরণপোষণ করার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে পছন্দ করেছে। নারীরা কর্মক্ষেত্রে যত বেশি পারদর্শী হবে তারা তত বেশি নতুন ধরণের পুরুষের সাথে অংশীদারিত্বের পথ খুলে দেবে। আমি আশা করি এই বইয়ের প্রথম অংশ পুরুষদের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে। আমরা যখন পুরুষ-শাসিত পেশাগুলোতে পুরুষদের চেয়ে নারীদের আর্থিকভাবে ভালো করতে দেখি তখন তা কর্মক্ষেত্রে নারীদের প্রতি পুরুষদের মনোভাবের একটি উদার চিত্র তুলে ধরে। যেহেতু আমরা বেশি উপার্জনের জন্য আত্মত্যাগ করার কথা ভাবি তাই আমি আশা করি আমরা সেই ত্যাগগুলোর প্রশংসা করব যা পুরুষেরা তাদের পরিবারের ‘আর্থিক জঠর’ হয়ে পরিবারকে লালন করার জন্য করেছে। বিশেষ করে ‘চাকরিজীবী বাবাদের’ ত্যাগ এবং তাদের ‘অদৃশ্য লড়াই’-এর প্রশংসা করব। ** পৃষ্ঠা ১২২ * পুরুষেরা নিজেদের জন্য পছন্দ বা বিকল্প তৈরির ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে থাকলেও তারা আসলে নারীরা নিজেদের জন্য যে পছন্দগুলো চায় তার নীরব সমর্থক ছিল। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * পুরুষদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাবের গভীর উদ্দেশ্য হলো সেইসব শিশুদের জন্য আরও ভালো জীবন নিশ্চিত করা যাদের বাবা বা সৎ বাবারা তাদের অভিভাবক; আমাদের ছেলেদের জন্য কম লজ্জার পরিবেশ তৈরি করা যারা ভবিষ্যতে পুরুষ হবে; এবং আমাদের মেয়েদের জন্য পুরুষদের সন্তুষ্ট করার ইচ্ছার একটি গভীর বোধ তৈরি করা যা তাদের অনুভব করাবে যে তাদের সন্তুষ্ট করার মানসিকতা একপক্ষীয় নয় বরং পারস্পরিক—এতে আমাদের মেয়েরা নিজেকে কম একা এবং বেশি ভালোবাসার যোগ্য মনে করবে। আমরা যদি আয় বেশি করি এবং ভালোবাসা কম দিই তবে আমরা এমন একটি বাড়ির জন্য টাকা দিচ্ছি যেখানে আমরা বাস করি না। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * এক অর্থে শিশু যত্নের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের কাজের সাথে শিশুদের সম্পর্কের বিষয়টি একটি পূর্ণ চক্র সম্পন্ন করেছে। আমরা ছোট পারিবারিক ব্যবসা বা খামার যেখানে শিশু যত্ন এবং কাজ একসাথে চলত তা থেকে সন্তানদের ঘরে রেখে বাবার কাজে যাওয়ার যুগে গিয়েছিলাম; এখন আবার মা এবং বাবা উভয়েই ঘরে বসে কাজ করছেন যেখানে শিশু যত্ন এবং কাজ পুনরায় একত্রিত হয়েছে। সেই পুরনো পারিবারিক কাজের ধরণে আমরা আবার ফিরে এসেছি। ** পৃষ্ঠা ১৩১ * ইতিহাস জুড়ে পুরুষেরা শিখেছে যে টিকে থাকা, সম্মান এবং নারীর ভালোবাসা সবই অর্জিত হয় কোনো বড় সাফল্য বা ‘মেকিং আ কিলিং’-এর মাধ্যমে—তা পশু শিকার হোক, শত্রু বিনাশ হোক অথবা ওয়াল স্ট্রিটে বড় কোনো সাফল্য পাওয়া হোক। পুরুষেরা ভালোবেসে যা উৎপাদন করত নারীরা সেই অর্থ পেত। পুরুষেরা মনে করত টাকা, সম্পত্তি বা বীরত্ব ছাড়া তারা নারীর ভালোবাসার যোগ্য নয়। নারীরা মনে করত পুরুষেরা তাদের জন্য যে টাকা খরচ করে তা হলো তারা সেই পুরুষের কাছে কতটা মূল্যবান বা ভালোবাসার পাত্রী তার বহিঃপ্রকাশ। নারীর ভালোবাসার ক্ষমতা হয়ে উঠেছিল তার নিরাপত্তার উৎস: ‘হীরাই হলো একটি মেয়ের পরম বন্ধু’। মূলত ইতিহাস জুড়ে প্রায় সব সমাজে এবং সব শ্রেণিতে এই ধরণটিই সত্যি ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৩৫ * কর্মক্ষেত্রে নারীরা বৈষম্যের শিকার হয় এই বিশ্বাসটি কোনো দম্পতির মধ্যে নারীর ঘরে থাকার প্রবণতাকে আরও শক্তিশালী করে। নারীর ঘরে থাকার এই প্রবণতাই কর্মক্ষেত্রে তার গুরুত্ব কমিয়ে দেয়। এরপর বিয়ের ঠিক পরেই স্বামীর কেরিয়ারের জন্য তার নিজের বদলি হওয়া যুক্তিযুক্ত মনে হয় কিন্তু স্ত্রীর কেরিয়ারের জন্য স্বামীর বদলি হওয়া নয়। একইভাবে স্ত্রীর কেরিয়ারের চেয়ে স্বামীর ডাক্তারি, আইন বা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিতে বিনিয়োগ করা তাদের কাছে বেশি যুক্তিযুক্ত মনে হয়... বিদ্রূপের বিষয় হলো একটি মিথ্যা বাস্তবতা থেকে একটি আসল বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। আর বিদ্রূপের বিষয় হলো নারীদের কেরিয়ারে সাহায্য করার জন্য দেওয়া মন্তব্যগুলোই উল্টো তাদের কেরিয়ারের ক্ষতি করছে। নরকের পথ ভালো উদ্দেশ্য দিয়েই তৈরি হয়... ** পৃষ্ঠা ১৪৫ * আমরা যখন বলি যে পুরুষেরা বৈষম্য করে বলেই তারা শীর্ষে রয়েছে তখন আমরা মূল বিষয়টি ধরতে ভুল করি। পুরুষেরা কর্মক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে কারণ কাজ মূলত পুরুষদের দায়িত্ব ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * যদি দলগত খেলাগুলো কর্পোরেট জগতের জন্য ব্যবস্থাপনার দক্ষতা তৈরি করে তবে পাড়ার খেলাগুলো অনেকটা উদ্যোক্তা হওয়ার প্রশিক্ষণের মতো... পাড়ার খেলাগুলোতে এখনো ৯৯% পুরুষ থাকে। অর্থাৎ উদ্যোক্তা হওয়ার এই ধরণের প্রস্তুতি মূলত ৯৯% পুরুষালি সামাজিকীকরণের অংশ। আমি মনে করি এটিই একটি অন্যতম কারণ যে নিজের ব্যবসা চালানো পুরুষেরা তাদের নারী সমকক্ষদের তুলনায় দ্বিগুণ আয় করে। ** পৃষ্ঠা ১৫৬ * নারী-পুরুষ উভয়ই পুরুষ ডেন্টিস্টদের আমাদের মুখের ভেতর কাজ করার অনুমতি দিই, কিন্তু আপনি কি কখনো কোনো পুরুষ ডেন্টাল হাইজিনিস্টকে আপনার মুখের ভেতর কাজ করতে দিয়েছেন? পুরুষকে আমাদের ব্যক্তিগত জায়গাগুলোতে পৌঁছানোর জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে হয় যা কোনো নারীর ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় না—তাকে হয় ডাক্তার বা ডেন্টিস্ট হতে হবে নতুবা সেই আশা ছাড়তে হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮১ * নারীদের অধিকতর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং সৌন্দর্যের ক্ষমতা দৃশ্যমান এবং অদৃশ্য উভয় ধরণের আয়ের সুযোগ করে দেয়। এই সুযোগ প্রায় সব নারী এবং কিছু পুরুষের জন্য থাকলেও ‘জেনেটিক সেলিব্রিটি’ বা জন্মগতভাবে সুন্দরীদের ক্ষেত্রে তা অঢেল পরিমাণে থাকে... এমন সুন্দরী নারী যার পেছনে পুরুষেরা কেবল তাকিয়ে দেখা বা কথা বলাই নয় বরং তার অনুসরণও করে। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * আমি যখন জাপানে ''হোয়াই মেন আর দ্য ওয়ে দে আর'' বইটির প্রচারে গিয়েছিলাম তখন আমাকে ‘স্নাক’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছিল। ‘স্নাক’ বিষয়টি এভাবে কাজ করে: একজন পুরুষ কাজ থেকে বাড়ি ফিরছে এবং তার দিনটি খুব খারাপ কেটেছে। সে মনে করে না যে তার স্ত্রী তার কথা শুনতে চাইবে তাই সে ৫০ থেকে ৮০ ডলার খরচ করে একটি ‘স্নাক’-এ যায়—যেখানে সে স্যান্ডউইচ, পানীয় এবং একজন সুন্দরী নারী পায় যে সহানুভূতির সাথে তার কথা শুনবে—নিরাপদভাবে বলতে গেলে খাবারের সাথে একজন সুন্দরী মনোবিজ্ঞানী। সেখানে কোনো পুরুষ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয় না। ** পৃষ্ঠা ১৯৮ * আইনজীবীদের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে যেসব আইনজীবীদের ছবি নিরপেক্ষভাবে বেশি সুদর্শন বলে মনে করা হয়েছিল তারা কম সুদর্শন আইনজীবীদের তুলনায় বছরে প্রায় ১২% বেশি আয় করেন। সুদর্শন আইনজীবীরা বেশি সময় ধরে কাজ করতেন কিন্তু যখন সেই সময় এবং অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয় তখনও দেখা যায় যে সুদর্শন আইনজীবীরা ঘণ্টায় অনেক বেশি আয় করেন। বলা বাহুল্য পুরুষ আইনজীবীদের নারীদের তুলনায় কম আকর্ষণীয় হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল যা নারীদের আয়ের ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। চেহারার আকর্ষণীয়তার ব্যবধান যত বেশি আয়ের ব্যবধানও তত বেশি ছিল। সময় যত গড়িয়েছে এই ব্যবধান তত বেড়েছে। মাঝে মাঝে জীবন ন্যায়বিচার করে না। ** পৃষ্ঠা ১৯৯-২০০ * নারীদের জন্মগত সৌন্দর্যের ক্ষমতা পুরুষদের রক্ষাকর্তার প্রবৃত্তিকে বাড়িয়ে দেয়। এটি বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকারকে অনুপ্রাণিত করে। জন্মগত সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষদের এই আসক্তি হয় অদৃশ্য অথবা তারা এটি অস্বীকার করার পর্যায়ে থাকে—ফলে আমরা হয় এটি দেখতে পাই না নতুবা সামনে এলে অস্বীকার করি। ** পৃষ্ঠা ২০৭ * এটি নিজের ওপর পরীক্ষা করে দেখুন। কল্পনা করুন এক মাস ধরে আপনার ময়লা পরিষ্কার করা হয়নি এবং আপনি নতুন কোনো নৃতাত্ত্বিক আবিষ্কার সম্পর্কে পড়ার সুযোগও পাননি। কোনটি সমাধান করতে আপনি বেশি টাকা খরচ করবেন? একটি সমাজ যখন কার্যকরভাবে চলে তখন তারা চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেতন নির্ধারণ করে। এই সামঞ্জস্য করতে ব্যর্থ হলে কেবল রাস্তা ময়লায় ভরে যায় না বরং নৃতাত্ত্বিকদের বেকারত্বের দীর্ঘ লাইনও তৈরি হয়। ** পৃষ্ঠা ২১১ * বেকারত্ব অবশ্যই অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দেয় যা আরও বেকারত্ব তৈরি করে। বিদ্রূপের বিষয় হলো বেকারত্ব পুরুষদের চেয়ে নারীদের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে। নারীবাদীরা যুক্তি দেন যে এটি লিঙ্গবৈষম্যের কারণে হয়: নারীদের সবশেষে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং সবার আগে ছাঁটাই করা হয়। ফলাফলটি সঠিক হলেও কারণটি ভুল। আমাদের যা সবচাইতে বেশি প্রয়োজন আমরা তাকে আগে নিয়োগ দিই এবং যা সবচাইতে কম প্রয়োজন তাকে আগে ছাঁটাই করি। একারণেই আপনি ময়লা সংগ্রাহককে আগে নিয়োগ দেন এবং সবার শেষে ছাঁটাই করেন। পুরুষদের হয়তো আগে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং সবার শেষে ছাঁটাই করা হয় কারণ অনেক পুরুষ সমাজের নোংরা এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো কম মূল্যে করতে রাজি হয়। ** পৃষ্ঠা ২১২ * নারীদের মধ্যে সবচাইতে অনস্বীকৃত ব্যয়ের প্রত্যাশা হলো একক মায়েরা শিশুদের লালন-পালনের পেছনে যে সময় ব্যয় করেন—তা কেবল শারীরিকভাবে নয় বরং মানসিকভাবেও। আমার মনে হয় একজন মায়ের সময়ের খুব সামান্য অংশই চাইল্ড সাপোর্ট বা আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে পূরণ করা হয় যদি বিবেচনা করা হয় যে সেই সময়টুকু তিনি কর্মক্ষেত্রে দিলে কত আয় করতে পারতেন... একারণেই যেসব নারী কখনো বিয়ে করেননি এবং যাদের সন্তান নেই তারা কর্মক্ষেত্রে মায়েদের তুলনায় অনেক বেশি আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২২ === ''The Boy Crisis'' (2018) === * “Dads-to-be are almost twice as likely to prefer a daughter to a son.” ** pp. 2 * Young men between twenty-five and thirty-one are 66 percent more likely than their female counterparts to be living with their parents. ** pp. 2 * Anticipating “the end of men” is not exactly an inspiration for your son’s life journey. ** pp. 4 *Whenever only one sex wins, both sexes lose. ** pp. 4 * We cannot solve the boy crisis by looking only at boys. ** pp. 9 * I discuss men in a book about boys because men are the role models who either offer your son structure and inspiration, or leave him rudderless and depressed. ** pp. 9 * The Great Law of the Iroquois is that our most sacred duty is to think seven generations ahead in making any decision—to be aware of whether the decisions we make today will benefit not just ourselves and our children, but our children’s children several generations into the future. ** pp. 9 * When grandpa was a dad, no research documented why a dad’s typical style of hands-on parenting, such as roughhousing, or his expectation that his children serve rather than be served, was so crucial to his children’s development. ** pp. 10 * While no vision of the future can be perfect, the goal of The Boy Crisis is to integrate the half century of national discussion about the challenges faced by girls and women with an equally nuanced national discussion about those facing boys and men. ** pp. 10 * When a boy drives down the serpentine road of mental health, feeling depressed and isolated because he feels no one who knows the real him loves him, no one needs him, and there’s no hope of that changing, he may one day find a cliff and drive off. ** pp. 15 * The murder-suicide combination of school and other mass shootings is largely young white boys’ way of driving off the cliff at the end of mental health’s tortuous road. ** pp. 16 * The increase in suicide among white males led to as many white males’ lives lost to suicide as have been lost to AIDS. ** pp. 15 * More black boys between ten and twenty are killed by homicide than by the next nine leading causes of death combined. ** pp. 16 * Suicides increase as the pressures of the male role and hormones increase. Before puberty, the suicide rates among males and female are about equal. However, between ten and fourteen, boys commit suicide at almost twice the rate of girls. ** pp. 16 * Between fifteen and nineteen, boys commit suicide at four times the rate of girls; and between twenty and twenty-four, the rate of male suicide is between five and six times that of females. ** pp. 16 * Worth less, men considered themselves worthless. ** pp. 16 * By 2015, in good economic times, boys and men were committing suicide three and a half times more often than women. ** pp. 17 * There is probably no better evidence of the increase of the boy crisis as a mental health problem than the fact that the US jail and prison population increased by more than 700 percent between 1973 and 2013. ** pp. 17 * We often allow that the disproportionate percentage of young black men in prison may reflect our racism, but rarely contemplate whether, since the other half of “black men” is “men,” that it may also reflect our sexism. ** pp. 18 * To date, our prison debate has focused on rehabilitation versus incarceration, rather than prevention versus imprisonment.  ** pp. 18 * Prison spending has increased at five times the rate of spending per grade school student. ** pp. 19 * It is only now that boys and men under fifty are twice as likely to die as girls and women the same age. ** pp. 20 * Every day, 150 workers die from hazardous working conditions.i And 92 percent of them are male. ** pp. 21 * In aggregate, these jobs might be thought of as “glass cellar” jobs—all-male, because it is almost exclusively our sons who are willing to risk death so their family will have a better life. ** pp. 22 * Whether through bigorexia or choosing the death professions, our sons, like our daughters, are often responding to what they feel will give them more approval and respect. ** pp. 24 * The challenge for your son’s grandpa was grandpa’s job going nowhere; the challenge for your son is his job going elsewhere.  ** pp. 25 * Your son will enter an economy that has made a transition from muscle to mental—or from muscle to microchip. ** pp. 25 * Over the last forty years, the median annual earnings of a boy with just a high school diploma dropped 26 percent. ** pp. 25 * The harder it is to find a job, the harder it is to find a woman. ** pp. 26 * That is our genetic heritage. The process led to our survival in the past, but is not needed for our future. But since we can’t change evolution overnight, let’s help your son through the transition. ** pp. 26 * In the United States, by eighth grade, 41 percent of girls are at least “proficient” in writing, while only 20 percent of boys are. ** pp. 28 * While boys who are motivated can become many of society’s most constructive forces—becoming inventors and implementers of what they invent (the Amazons, Apples, Facebooks, Microsofts, and Googles)—boys whose energies are poorly channeled can become society’s most destructive forces—our serial killers and prisoners. ** pp. 29 * Japan has vastly increased its vocational education programs, with 23 percent of Japan’s high school graduates studying at vocational schools. The result: 99.6 percent of Japanese vocational students received jobs upon graduation. ** pp. 31 * Here’s why I predict emotional intelligence will be paramount for your son’s future: the more sophisticated artificial intelligence becomes, the more we will yearn for humans to fill the emotional intelligence void. ** pp. 31 * When both sexes are offered pay should they assess the feelings of others accurately, the empathy gender gap disappears! The implication? The capacity for empathy and emotional intelligence is latent inside boys and men; we just have to let guys know we’ll value them for focusing on it. ** pp. 32 * Both bullies and the bullied have three things in common: both come from negative family, school, and community environments; both have low self-esteem; and both have poor social skills. ** pp. 32 * Since empathy and emotional intelligence can be taught, and these skills are key to preparing our sons for the professions that will be in the greatest demand, we need to integrate this curriculum into our schools in the formative years. ** pp. 32 * Worldwide, boys are 50 percent more likely than girls to fail to meet basic proficiency in any of the three core subjects of reading, math, and science. ** pp. 34 * Boys’ IQs have dropped about 15 points since the 1980s. ** pp. 35 * Suicide now takes “more lives than war, murder, and natural disasters combined, stealing more than 36 million years of healthy life” around the world. ** pp. 35 * The rate of increase in male suicide in India is growing at more than nine times that of female suicide. ** pp. 35 * Sensitivity to the death and suffering of boys and men is in competition with our survival instinct. ** pp. 36 * To win wars, we had to train our sons to be disposable. We honored boys if they died so we could live. We called them heroes. ** pp. 36 * The more a boy represses his feelings and puts armor around his heart, the harder it is to open our hearts to him. ** pp. 36 * Whether we call it ikigai or sense of purpose, when we pursue what we believe gives life meaning, it gives us life. ** pp. 46 * If he followed his bliss, it’s the money you’d miss. ** pp. 48 * The road to high pay is a toll road. ** pp. 48 * Fatherhood was about your dad trading in the old glint in his eye—what he loved to do—for the new glint in his eye: his love for you.  ** pp. 48 * “My Father’s Glint Was His Career—He Always Did Just What He Wanted.” ** pp. 49 * Whether or not we know our dad, we have a relationship with him. The relationship in our mind is our relationship. ** pp. 51 * Your son may simultaneously feel that the male role is pressuring him to feel obligated to earn money someone else spends while he dies sooner.  ** pp. 52 * Your son’s heroes didn’t climb traditional ladders—they built their own. ** pp. 53 * The Japanese boys’ unconscious wisdom is: their dad as winner is really their dad as loser. ** pp. 53 * If Don Draper ended up at Esalen in a state of introspection about what it means to be a man, maybe that’s where he should start. ** pp. 55 * The women’s movement warned every girl how marriage can seduce her to make a sacrifice of her career. But no one warned every boy how marriage can seduce him to make a sacrifice in his career ** pp. 57 * Had John attended to his first son, Julian, the way he attended to Sean, we would never have heard of John Lennon. ** pp. 60 * The word hero derives from the root *ser-, from which we also get the word “servant”. ** pp. 61 * Preparing his son to be a football hero was Jack’s dad’s unconscious way of preparing Jack for manhood by preparing him to sacrifice his body in exchange for the social bribes of being praised and valued. ** pp. 64 * Your son learns the “hero paradox”: to value himself by not valuing himself.  ** pp. 65 * In The Deadliest Catch, the death the men face is the source of entertainment, but not of concern. ** pp. 67 * The pay of the volunteer fireman? Praise. Respect. Purpose.  ** pp. 67 * These are the social bribes that, if your son absorbs them before the point where he is old enough and mature enough to understand their purpose, can make your son a slave to the safety of others with little regard for the safety of himself. ** pp. 67 * Many of the qualities your son develops to kill in war—or be a hero at work—undermine the qualities it takes to love at home. ** pp. 68 * The women who were best able to grow spiritually and psychologically had married men who were the least able to grow.  ** pp. 71 * Nick was experiencing the father’s catch-22: loving his family by being away from the love of his family. ** pp. 74 * And without love, your son’s purpose has no purpose. ** pp. 77 * Emma Bovary had everything, and therefore nothing.  ** pp. 78 * The more survival is at stake, the more we say, “Sorry, it’s a girl.” The more luxury we feel, the more we can say, “Sorry, it’s a boy.”  ** pp. 79 * Valuing either sex less is unacceptable ** pp. 81 * Women who have the option of being economically self-sustaining will increasingly want your son to also have emotional and relationship intelligence. ** pp. 82 * Should your son follow his bliss, it’s most likely the money he’ll miss. ** pp. 83 * Boys who are not interested in school almost always have an interest that can be catalyzed into future employment if it is pursued via hands-on experience. ** pp. 87 * A key measure of emotional intelligence is knowing that every virtue taken to its extreme becomes a vice.  ** pp. 89 * We interview people who are extraordinary successes, so they are visible. We ignore people who create a balanced life, so they are invisible. ** pp. 93 * While your son’s internal security is most likely to be enhanced by the hands-on involvement of both parents, even one conscious parent can lead the way. ** pp. 93 * Exercise helps build the muscle of a child’s brain even more effectively than studying. ** pp. 94 * Pick-up sports are excellent preparation for entrepreneurship. ** pp. 94 * When your son participates in individual sports, plus both organized and pick-up team sports, he will be experiencing sports as a boy-friendly liberal art. ** pp. 94 * The motto for the evolved boy is “When the going gets tough, tune in to know when to tough it out.” ** pp. 95 * The traditional male hero is about self-sacrifice, not self-actualization. ** pp. 97 * In the traditional male hero’s hierarchy of needs, self-actualization is nowhere to be found—because the more he values himself, the less he is willing to sacrifice himself. ** pp. 97 * The discipline of postponing gratification is the single most important discipline your son needs. ** pp. 98 * The solution—raising a balanced male—requires blending the best of the traditional male with the self-actualized male.  ** pp. 99 * The boy crisis cannot be solved, then, without addressing the most important single crisis in developed countries: dad-deprived children, and especially dad-deprived boys. ** pp. 102 * Dads—like moms, air, and water—are essential to our lives. ** pp. 105 * And when boys are hurt, they hurt us—physically, psychologically, and economically. ** pp. 106 * After divorce or loss of a father, both girls and boys experience unhappiness, but especially with divorce, girls’ grief eases within a year or two, while boys’ does not. ** pp. 109 * Careers are for Now, Children are Forever. ** pp. 113 * The absence of Dad creates the presence of government. ** pp. 114 * Father involvement is an underused resource in the family in the same way that female involvement has been an underused resource in the workplace. ** pp. 116 * The desire to be a father begins in the son, who sees in his own dad who he could become. ** pp. 117 * Prisons are centers for dad-deprived males—boys who never became men.  ** pp. 120 * When he is convicted, on average your son will receive a 63 percent longer sentence. ** pp. 120 * The gap in sentencing is six times greater for men versus women than it is for blacks versus whites. ** pp. 120 * The gender gap in education might really stem from sons’ greater vulnerability to father absence. ** pp. 122 * Even when race, education, income, and other socioeconomic factors are equal, living without dad doubled a child’s chance of dropping out of high school. ** pp. 122 * Father absence is not just correlated with negative outcomes but actually causes negative outcomes.  ** pp. 123 * Students coming from father-present families score higher in math and science even when they come from academically weaker schools. ** pp. 123 * When children in homes with less income and more father were compared to children in homes with more income but less father, there was no difference in the rates of violent crime. ** pp. 123 * Not one daughter who had a good relationship with her biological father had a baby before the age of nineteen. ** pp. 123 * When unmarried couples live together when their child is born, by the child’s third birthday, 40 percent of those children will have no regular contact with their dad for the next two years—between ages three and five. ** pp. 124 * Half of children born to mothers under thirty were born outside marriage. ** pp. 124 * The Moynihan report concluded that in a majority-black community the main predictor of growing up poor was not race but being born to parents who are not married. Why? A predictable outcome of no marriage was no father involvement. ** pp. 125 * While the Moynihan Report identified the quarter of black children born outside marriage as a crisis with a solution in 1965, today the percentage of white children born outside marriage is 36 percent. ** pp. 126 * “My mom warns and warns; it’s like she ‘cries wolf.’ My dad gives us one warning, and then he becomes the wolf.” ** pp. 136 * Teaching a child to treat boundaries seriously teaches him or her to respect the needs of others. ** pp. 136 * Empathy is a virtue which, when it only goes from parent to child, and is not required of the child, becomes a vice. ** pp. 138 * Working from home requires self-starting. And children raised with poor boundary enforcement rarely master the postponed gratification that self-starting requires. ** pp. 141 * Playing with dad is like being on a roller coaster—kids are excited because they feel safe. ** pp. 142 * When Martin teased, he taught Maggie and Marty Jr. to interpret the meaning of a twinkle in his eye, slight alterations of his voice, shifts in his facial expression. ** pp. 149 * The exchange of wit-covered put-downs is boys’ and men’s unconscious way of training each other to handle the criticism it takes to become successful. ** pp. 150 * The trading of wit-covered put-downs is boys and men training each other to handle criticism, unconsciously knowing that the ability to handle criticism is a prerequisite to success. ** pp. 151 * Among guys, if you can’t tease ’em, you can’t trust ’em. ** pp. 152 * Married couples who tease each other during conflict feel more connected and happier after the conflict than those who criticize in a straightforward way. ** pp. 152 * Especially in the military, hazing helps recruits amputate each other’s individuality because the war machine works best with standardized parts, not with people who say, “I’m special.” ** pp. 153 * If female-to-female teasing and hazing does occur, as in Mean Girls, it signals that the woman being teased and hazed is on the outs, not that she’s being vetted for inclusion.  ** pp. 154 * Parenting plans should be consistent. ** pp. 165 * Children express intense dissatisfaction with the traditional arrangement of every other weekend. ** pp. 167 * Two-parent stability trumps geographical stability. ** pp. 168 * In a study of more than twelve thousand teenagers after divorce, children living with single dads fared better than children living with single moms. ** pp. 174 * Divorced men are almost ten times more likely to commit suicide than divorced women from similar backgrounds. ** pp. 175 * The word “warrior” is not added lightly. A warrior makes himself aware of the barriers to achieving his purpose. Then, rather than focus on what is standing in his way, a warrior focuses on how to get past those barriers. Which is exactly what he’ll be teaching his children. ** pp. 176 * Your son is unlikely to choose to be a “father warrior” if he doesn’t feel two things: first, a sense of purpose; second, that his contribution will be pivotal. So his role in the checks and balances of parenting requires a deeper dive. ** pp. 178 * The male-female pay gap is not a gap between men and women; it is a gap between moms and dads.  ** pp. 182 * If your son is nontraditional, he needs to know that the most important work of his life is selecting a woman who is free enough from social constraints to free him from social constraints. ** pp. 184 * Dads were user-friendly for companies, because they could most easily be used. ** pp. 185 * “Social workers tend to consider the children’s wishes as long as their preference is for maternal custody. When children express a paternal preference, their wishes carry no weight. ** pp. 189 * In The Second Stage, Friedan predicted women’s career goals would never be achieved if men were not more incorporated into the fathering role. ** pp. 189 * A mom has the right to children, but a dad has to fight for children.  ** pp. 191 * 70 percent of child support debt is owed by parents with incomes of less than $10,000 per year ** pp. 192 * When your son has sex with a woman, he puts his life in her hands. ** pp. 193 * Virtually 100 percent of TV ads that portray only one sex as a jerk portray the man as the jerk. ** pp. 193 * But a happy marriage is less about money, children, or lack of sex than about how we communicate about money, children, or lack of sex. ** pp. 197 * When the house is clean and the bills are paid, the effort our partner makes to keep things the same are invisible exactly because things are the same.  ** pp. 199 * If your son sees being an oppressor as his future, being a failure to launch might look like progress. ** pp. 200 * “The best parent is both parents” means mommy is no substitute for daddy, money is no substitute for daddy, and another man is no substitute for daddy. ** pp. 202 * The future will increasingly see the home place becoming the work place. ** pp. 203 * Mastery of content that is measurable, tangible, and translates into respect. ** pp. 210 * Three-quarters of dads who were in South Carolina jails for being behind in child support payments suffer from extreme poverty. And one-eighth of all South Carolina inmates are in jail for being behind in child support payments. ** pp. 222 * We spend billions to get from dads the money few of them have, and virtually nothing to allow dads to give the time they do have—the time their children need. ** pp. 223 * Our “cultural shrug” toward both the boy crisis and father involvement has led to no significant government effort to reduce the presence of government by increasing the involvement of dads. ** pp. 225 * If we get more of what we pay for, then let’s pay to get more dads, rather than pay more when dads are absent. ** pp. 227 * In the almost 20 years following Australia’s change in gun policy, mass shootings fell to zero. ** pp. 229 * Guns are not the cause of the boy crisis, but as we are working on the causes, the control of guns can limit the damage of dad-deprived sons. ** pp. 229 * When boys and men are told they are needed, they respond, and become responsible. ** pp. 231 * The male-female life expectancy gap has grown almost 400 percent. ** pp. 236 * Both parents’ cumulative health creates your son’s health; your son’s health begins before his beginning. ** pp. 236 * To be a hero is to be emotionally constipated.  ** pp. 237 * A desire to be nurtured is in our son’s nature. But it’s a nature we don’t often nurture. ** pp. 237 * Does the new heroine mean your son won’t have to risk his life for her love? ** pp. 239 * If your son is unclear as to what a highly powerful woman wants from him, he is more likely to go for a woman who is less powerful who has some need for him. ** pp. 240 * The female superhero’s lack of sexual neediness makes her a “super” superpower. ** pp. 240 * Hollywood plants the seeds for male-only draft registration. ** pp. 240 * If the life of a beloved woman—whether romantic partner or mother—is at risk, his life is at risk.  ** pp. 241 * Even if your son tries to use his power to save a woman, if he fails, that power will implode. ** pp. 241 * If a good woman is killed, a man is to blame. ** pp. 241 * We have taught boys that, while building strength is considered masculine, preventing its loss is feminine. ** pp. 245 * Preserving the best of traditional masculinity should be a priority of parents because your son is preoccupied with the paradox of learning how to simultaneously fit in and stand out. ** pp. 248 * Among former college players, 56 percent suffered from severe CTE pathology, which was associated with signs of dementia 85 percent of the time. ** pp. 251 * We teach boys to associate being abused with being loved. ** pp. 253 * Tackle football is a body-mind sport; flag football is a mind-body sport. ** pp. 253 * “Flag football is so much more about strategy. You can’t ‘take someone out’ with your body, so it’s more about your mind.” ** pp. 254 * Tackle football is using taxpayer money to risk the minds and bodies of only our sons before the age of consent.  ** pp. 255 * Even if a soldier lives, the risks of war come home with the warrior—that for every soldier killed, about twenty-five veterans kill themselves.  ** pp. 256 * The more your son wishes to be part of the elite, the more he will abhor being pitied. Yet boys who join the elite today are often the ones who are pitied tomorrow.  ** pp. 256 * You can easily feel judged and alone if you are the only one to understand that your son’s anger is the mask of his vulnerability.  ** pp. 260 * When a potential girlfriend hears a guy complain, it violates her instinct to be protected; but when a mom hears her son complain, it triggers her instinct to protect. ** pp. 261 * Compassionate listening positively affects the development of an adolescent’s brain in a way that affects the rest of his or her life. ** pp. 261 * Between ages thirteen and sixteen, boys show a temporary decline in empathy on a biological level—a decline not suffered by girls. ** pp. 263 * The rate of PTSD among boys who moved to better neighborhoods was like the rate found among soldiers returning from combat. ** pp. 265 * Counterintuitively, when it comes to a loss of friendships and love, your son is the more vulnerable sex. ** pp. 265 * The bully who is healed is the best protection for the bullied. ** pp. 268 * The male-female suicide gap in the United States has tripled since the Great Depression. ** pp. 273 * By age eighty-five, men’s suicide rate is 1,650 percent higher than that of women the same age. Women cry, men die. ** pp. 274 * Whether via forced unemployment, retirement, or loss of spouse, men’s response of suicide can just be the killing of what has already been killed. ** pp. 276 * Suicide is contagious. ** pp. 276 * There is almost no difference in the percentage of men versus women experiencing depression. ** pp. 278 * When the National Association of Social Workers studies suicide, they study only female suicide. ** pp. 284 * With confidentiality as the key, men’s groups open the door to men opening their hearts. ** pp. 286 * In my forty-five years of forming men’s groups, I have never heard of a man who was actively involved in a men’s group being hospitalized for depression, or commit suicide. ** pp. 287 * When a veteran internalizes that he’s failed to take personal responsibility, he is a step closer to suicide. ** pp. 289 * Many veterans are “rough, tough cream puffs.”  ** pp. 290 * Veterans create privilege for all those who have not had to serve. ** pp. 290 * Traditional men make their sacrifices in significant measure in the hopes of being appreciated when they come home, and having their learning experiences integrated into their homes. ** pp. 291 * One in five young men are not fertile. ** pp. 292 * Men with lower sperm count, even if they can reproduce, are likely to have a shorter life. ** pp. 292 * It is exactly this men’s health void that creates your son’s men’s health opportunity. ** pp. 300 * Love doesn’t eliminate defensiveness, because love creates vulnerability, and defensiveness is vulnerability’s mask. ** pp. 308 * The negative symptoms of the male culture are harnessed by the prescription drug culture. ** pp. 310 * While recess provides the playground in which bullying may be found, it is also the laboratory for reducing bullying. ** pp. 311 * Healed people heal people. ** pp. 312 === ''Miscellaneous'' === Roses aren't always red<br> Violets are violet, not blue<br> While you can't count on the flowers<br> You can count on my love for you. Love forever, Warren Posted on Facebook, 2/16/15 == External links== {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.nytimes.com/2005/02/27/business/yourmoney/27lunch.html New York Times: Are Women Responsible for Their Own Low Pay?], an interview with Warren Farrell, 2005. {{DEFAULTSORT:Farrell, Warren}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন শিক্ষায়তনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ-কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী]] [[Category:Educators from the United States]] [[Category:Civil rights activists]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয়কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক শহরের ব্যক্তি]] [[Category:University of California, Los Angeles alumni]] [[Category:Men's rights activists]] 9cj8yar4xasspzbaxioqn49ip9posfn 81635 81634 2026-04-27T12:17:45Z ARI 356 /* The Boy Crisis (2018) */ 81635 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Warren Farrell photo.jpg|thumb|ওয়ারেন ফ্যারেল, ২০১১]] '''ওয়ারেন ফ্যারেল''' (জন্ম ২৬ জুন, ১৯৪৩) একজন মার্কিন [[শিক্ষক]], কর্মী এবং [[নারী]]দের সাথে পুরুষদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে লেখা সাতটি বইয়ের লেখক। তিনি ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেনের নিউ ইয়র্ক সিটি বোর্ডে কাজ করেছেন এবং পুরুষ অধিকার আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। == উক্তি == === ''হোয়াই মেন আর দ্য ওয়ে দে আর'' (১৯৮৮) === * একে অপরের প্রতি না বলে, আমার অসহায়ত্ব তোমার অসহায়ত্বের চেয়ে বেশি, কি নারী ও পুরুষের পক্ষে একে অপরের কথা শোনা সম্ভব ছিল? এটা পরিষ্কার হয়ে উঠছিল যে প্রতিটি লিঙ্গের শক্তি এবং অসহায়ত্ব উভয় ক্ষেত্রেই একটি অনন্য অভিজ্ঞতা ছিল। আমার মনের চোখে আমি একটি শোনার কাঠামো কল্পনা করতে শুরু করলাম যার মধ্যে আমরা এই ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতাগুলো শুনতে পারি। এটি দেখতে এমন ছিল: ** পৃষ্ঠা ১৭ * আমি যখন এই শোনার কাঠামোর দিকে আরও যত্নসহকারে তাকালাম তখন দেখলাম যে গত বিশ বছর ধরে আমরা এর চারটি ভাগের প্রথমটির ওপর গুরুত্ব দিয়েছি, তা হলো নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতা। আমি দেখলাম আমি অবচেতনভাবে একটি ভুল ধারণা পোষণ করছিলাম: আমি নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতা যত গভীরভাবে বুঝছিলাম, ততই আমি ধরে নিচ্ছিলাম যে নারীদের যে ক্ষমতা ছিল না তা পুরুষদের আছে। আসলে, আমি যা বুঝছিলাম তা হলো পুরুষদের ক্ষমতা সম্পর্কে নারীদের অভিজ্ঞতা। ** পৃষ্ঠা ২০-২১ * যে পুরুষেরা নারীদের প্রতি মনোযোগী কিন্তু নিজেদের কষ্টের প্রতি মনোযোগী নন তারা সাধারণত এই মনোভাব ধরে রাখতেন যে নারীদের বিশেষ সুরক্ষার প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ২২ * পুরুষদের সাফল্যের বস্তু হিসেবে দেখার ইচ্ছা স্বীকার করতে নারীদের যে দুর্বলতা তা নারীদের প্রতি পুরুষদের তীব্র যৌন আকাঙ্ক্ষার বাধ্যবাধকতার স্বীকারোক্তির সাথে মিলে যায়। ** পৃষ্ঠা ২৬ * আমরা সবাই মিলে বুঝতে পারলাম যে কীভাবে আমরা পুরুষদের আবেগ প্রকাশ করতে অনুরোধ করি, কিন্তু তারপর যখন পুরুষেরা আবেগ প্রকাশ করে তখন আমরা তাকে লিঙ্গবৈষম্য, পুরুষতান্ত্রিক অহংকার অথবা পাল্টা আঘাত বলি। ** পৃষ্ঠা ২৭. * রাল্ফ ক্ষমতার বাহ্যিক রূপ পাওয়ার চেষ্টা করে প্রকৃত ক্ষমতা হারিয়েছিলেন। তিনি একজন নেতা ছিলেন। কিন্তু তিনি নেতাদের জন্য তৈরি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করছিলেন; তাই তিনি একজন অনুসারী ছিলেন... তিনি যেমনটা বলেছিলেন, তিনি ছিলেন একজন উচ্চপর্যায়ের সাধারণ মানুষ। ** পৃষ্ঠা ৯ * অধিকাংশ নারীর আদর্শ হলো নয়টি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যৌন সম্পর্কে না জড়ানো: শারীরিক আকর্ষণ; শ্রদ্ধা; মানসিক সামঞ্জস্য; বুদ্ধিমত্তা; অবিবাহিত হওয়া; সাফল্য (বা সম্ভাবনা); বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব পাওয়া; খরচ মেটানো; এবং প্রথম চুম্বনের উদ্যোগ নিয়ে পুরুষের প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়া…. পুরুষরা ততক্ষণ পর্যন্ত যৌনতা চায় যতক্ষণ একটি মাত্র শর্ত পূরণ হয়—শারীরিক আকর্ষণ। ** পৃষ্ঠা ১৩ * পুরুষদের কাছে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন হলো প্লেবয় এবং পেন্টহাউস। এগুলো পুরুষদের প্রধান কল্পনাকে উপস্থাপন করে: প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি ছাড়াই যত খুশি সুন্দরীদের কাছে যাওয়ার সুযোগ। নারীদের কাছে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন হলো বেটার হোমস অ্যান্ড গার্ডেনস এবং ফ্যামিলি সার্কেল, যা নারীদের প্রধান কল্পনাকে উপস্থাপন করে: আরও ভালো ঘরবাড়ি, বাগান এবং একটি পারিবারিক পরিমন্ডল। ** পৃষ্ঠা ১৮ * অবিবাহিত নারীদের কাছে ''কসমোপলিটান'' সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন। কসমো অবিবাহিত নারীদের জানায় কীভাবে তারা একজন পুরুষকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করতে পারে এবং আরও ভালো ঘরবাড়ি ও বাগানের প্রধান কল্পনা অর্জন করতে পারে। এটি প্লেবয়ের একটি নারী সংস্করণ। পর্নোগ্রাফি হলো পুরুষদের প্রধান কল্পনা--নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থাকা দামে প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি ছাড়াই যত খুশি সুন্দরীদের কাছে যাওয়ার সুযোগ! ** পৃষ্ঠা ১৮ * আমি যদি নিরাপত্তাকে কোনো নারীর প্রধান প্রয়োজন বলি তবে কীভাবে একে তার প্রধান কল্পনা বলতে পারি? কারণ যখন তার প্রধান প্রয়োজন হলো একটি ঘর এবং পারিবারিক পরিমন্ডলের নিরাপত্তা, তখন তার প্রধান কল্পনা হলো অন্য কেউ এগুলো পাওয়ার জন্য যথেষ্ট অর্থ উপার্জন করবে। একারণেই দুই বিলিয়ন নারী সাম্প্রতিক রাজকীয় বিয়ের দিকে মনোযোগ দিয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬ * সান ডিয়েগোতে হাউ টু ম্যারি মানি নামে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কোর্স আছে। লক্ষ্য করুন যে বিয়েটি হয় টাকার সাথে--কোনো ব্যক্তির সাথে নয়। আমি অংশগ্রহণকারী পুরুষদের শতাংশ সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম... নির্দেশক উত্তর দিয়েছিলেন, 'কোর্সটি আসলে নারীদের জন্য, এটি পুরুষদের জন্য প্রাসঙ্গিক নয়।' ** পৃষ্ঠা ৪৩ * পুরুষেরা যখন পছন্দ করানোর জন্য চটকদার কথা বলে তখন নারীরা পুরুষদের বিশ্বাস না করতে শেখে। যখন নারীরা মেকআপ করে তখন পুরুষেরা নারীদের বিশ্বাস না করতে শেখে। পুরুষদের চটকদার কথা এবং নারীদের মেকআপ হলো আসলে বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ৭১-৭২ * ফিমেল ওয়েস্টার্ন হলো সেরা পুরুষদের পাওয়ার জন্য ভালো এবং খারাপ পদ্ধতির মধ্যে লড়াই। ** পৃষ্ঠা ৭৩ * সন্ধ্যার টিভি নাটক থেকে শুরু করে কিশোর বয়সের রোমান্স পর্যন্ত, সব জায়গার বার্তা হলো যে অন্তর্নিহিত মূল্য কেবল পরাজিতদের জন্য। ** পৃষ্ঠা ৭৩ * পুরুষদের ম্যাগাজিনে সাফল্য হলো যৌনতা এবং ভালোবাসা পাওয়ার একটি হাতিয়ার, তাই সাফল্যের বাহ্যিক রূপ সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে নারীদের ম্যাগাজিনে ভালোবাসা এবং যৌনতা হলো সাফল্য পাওয়ার হাতিয়ার—তাই ভালোবাসার প্রকাশ এবং যৌন প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতি উভয়ই সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯ * গল্পের প্রধান চরিত্র বা বেঁচে যাওয়া ব্যক্তির জন্য পুরুষদের প্রতিযোগিতা এবং নারীদের প্রতিযোগিতার এই চিরাচরিত থিম আমাদের যোগ্যতমের টিকে থাকা থেকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে এসেছে যেখানে কেউ বেঁচে থাকবে না। লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকাগুলো প্রায় রাতারাতি কার্যকর থেকে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। একারণেই এই চিরাচরিত থিমটি নিয়ে এখন প্রশ্ন তোলা জরুরি। ** পৃষ্ঠা ৯১ * সম্ভবত পুরুষদের কাছে সবচেয়ে প্রচলিত প্রত্যাশা হলো আমাদের সুপারম্যান হওয়ার প্রত্যাশা: আমাদের ভয় যে আমরা কেবল ক্লার্ক কেন্ট যাদের সুপারম্যান না হওয়া পর্যন্ত কেউ গ্রহণ করবে না। ** পৃষ্ঠা ৯৬ * যখন বিবাহবিচ্ছেদের মানে দাঁড়াল যে বিয়ে আর সারাজীবনের জন্য নিরাপত্তা দিচ্ছে না, তখন নারীরা কেরিয়ার বা পেশাকে ক্ষমতায়ন হিসেবে দেখার মাধ্যমে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু যখন একটি পেশার জন্য ত্যাগ এবং পেশার ভেতরের ত্যাগগুলো সামনে এল, তখন পেশার কল্পনাটি লাভ-ক্ষতির বাস্তবতায় পরিণত হলো। নারীদের মধ্যে পেশা নিয়ে দ্বিধা তৈরি হলো। ** পৃষ্ঠা ১০১ * পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে, যখন প্রতিশ্রুতি হীরা এবং বন্ধকী ঋণের সাথে যুক্ত হয়, তখন ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি অনেকটা অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতির মতো মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * নারীরা যখন তাদের সৌন্দর্যের ক্ষমতার তুঙ্গে থাকে এবং সেটি ব্যবহার করে তখন আমরা তাকে বিয়ে বলি। পুরুষেরা যখন তাদের সাফল্যের ক্ষমতার তুঙ্গে থাকে এবং সেটি ব্যবহার করে তখন আমরা তাকে মধ্যবয়সের সংকট বলি। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * সে এবং তিনি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বাছাই করার সুযোগ পান; যখন পুরুষ তার প্রধান কল্পনা অর্থাৎ যৌনতা চায় তখন নারী বাছাই করার সুযোগ পায়; যখন নারী তার প্রধান কল্পনা অর্থাৎ প্রতিশ্রুতি চায় তখন পুরুষ বাছাই করার সুযোগ পায়। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * কম্পিউটার উইজ হতে বা কালো পোর্শে গাড়ির মালিক হতে কঠোর পরিশ্রম করা পুরুষেরা বিভ্রান্ত হয় যখন তাদের বলা হয় যে তারা যথেষ্ট সংবেদনশীল নয়। আমরা এমন পুরুষদের প্রেমে পড়তে পারি না যাদের অভেদ্য মনে হয় এবং আবার তাদের কাছে সংবেদনশীলতা আশা করি। সে কেন একটি কালো পোর্শে গাড়ি চেয়েছিল? কারণ সে কখনও কোনো অসুন্দর নারীকে এমন গাড়ি থেকে নামতে দেখেনি। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * উভয় লিঙ্গই মঞ্চে আসার আগে তাদের নিজেদের কথার প্রস্তুতি নেয়। পুরুষের কথাগুলো হলো সারাজীবনের পরিশ্রমের ফল; নারীর প্রাথমিক 'কথা' হলো তার বাহ্যিক রূপ--অথবা তার বয়সের ছাপহীনতা। কেরিয়ার যেভাবে পুরুষদের ক্ষমতা দেয়, সৌন্দর্য একইভাবে নারীদের ক্ষমতা দেয়। কিন্তু সবচাইতে সুন্দরীদের সাথে তুলনা যেভাবে একজন নারীকে ক্ষমতাহীন অনুভব করায়, সবচাইতে সফল পুরুষদের সাথে তুলনাও একইভাবে একজন পুরুষকে ক্ষমতাহীন অনুভব করায়। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * প্রথম পুরুষ বার্তাটি একজন বালক অবচেতনভাবে এভাবে অনুভব করে: ‘আমার ক্লাসের কিছু মেয়ে এখনই মুভি স্টারের মতো দেখতে। তারা যদি আমাকে ততটা চাইত যতটা আমি তাদের চাই, তবে আমি জানতাম যে আমি ঠিক আছি। তারা জন্মগত তারকা। আর আমি জন্মগত অনুরাগী।’ ** পৃষ্ঠা ১১১ * নারীদের সচেতনতা যখন বৃদ্ধি পেয়েছিল তখন নারীরা ঘরের কাজকে ঘৃণাভরে দেখতে শুরু করেছিল; যখন পুরুষদের সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে তখন যৌন প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়াকে পুরুষেরা ঘৃণ্য কাজ হিসেবে দেখবে। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যৌন বিষয়ে সন্দেহভাজন হওয়ার ভয়ে পুরুষদের সাথে আবেগীয় যোগাযোগ না করার ভয় বালকদের মেয়েদের সামনে আরও বেশি ক্ষমতাহীন করে তোলে। সমকামভীতি অনেকটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এটা বলার মতো যে এটি একটি দুর্বল জাতি হয়ে যাবে যদি তারা ওপেক থেকে সব তেল সংগ্রহ না করে। ** পৃষ্ঠা ১২৮ * সাফল্য যেমন সমাধান তেমনই ফাঁদ: একজন পুরুষ যৌন আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে যত কম ইচ্ছুক হবে, সে সাফল্যের বস্তু হওয়ার ফাঁদে তত বেশি আটকা পড়বে। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * অ্যালান আল্ডাকে সবাই ভালোবাসে কারণ সে কেবল সংবেদনশীল নয় বরং সে সফল এবং সংবেদনশীল। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকার প্রশিক্ষণ আসলে বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * একজন পুরুষের সফল হওয়ার একটি বিপদ হলো এটি তার স্ত্রী এবং কন্যাকে সাফল্য নিয়ে চিন্তা না করতে শেখায়। ** পৃষ্ঠা ১৪৮ * প্রতিশ্রুতি মানে অনেক সময় একজন নারীর তার প্রধান কল্পনা পূরণ হওয়া, যেখানে একজন পুরুষ তার কল্পনা ত্যাগ করে। তার প্রধান কল্পনা বিসর্জন দেওয়ার বিনিময়ে সে কী পাওয়ার আশা করে? তার প্রধান প্রয়োজন: ঘনিষ্ঠতা। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * একজন অবিবাহিত নারী যিনি নিজের ভরণপোষণ করেন তাকে কেরিয়ার ওম্যান বলা হয়, অন্যদিকে একজন অবিবাহিত পুরুষ যিনি নিজের ভরণপোষণ করেন তাকে প্লেবয় বলা হয়…বিদ্রূপের বিষয় হলো যে নারী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় এবং আর্থিকভাবে নির্ভরশীল হয় তাকে সেই পুরুষের চেয়ে বেশি পরিপক্ক মনে করা হয় যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয় কিন্তু আর্থিকভাবে স্বাধীন। ** পৃষ্ঠা ১৫৪ * একজন পুরুষ বুঝতে পারে না যে একজন নারী তাকে ভালোবাসে নাকি তার দেওয়া নিরাপত্তাকে ভালোবাসে যতক্ষণ না সেই নারী চলে যাওয়ার মতো আর্থিকভাবে এবং মানসিকভাবে যথেষ্ট স্বাধীন হয়। যতক্ষণ একজন নারী চলে যেতে না শেখে ততক্ষণ সে নিজেও নিশ্চিত হতে পারে না যে সে ভালোবাসতে শিখেছে কি না। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব না দেওয়া হলো সেক্সিজম বা লিঙ্গবৈষম্য; নতুন লিঙ্গবৈষম্য হলো পুরুষদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব না দেওয়া। ** পৃষ্ঠা ১৯৪ * পুরুষদের মেকআপ হলো তাদের পদবী, মর্যাদা এবং ডেটিংয়ের খরচ মেটানো। মেকআপ হলো এমন কিছু যা উভয় লিঙ্গই তাদের বর্তমান ক্ষমতা এবং তারা যে ক্ষমতা পেতে চায় তার মাঝখানের দূরত্ব ঘোচাতে ব্যবহার করে। নারী এবং পুরুষ উভয়ের মেকআপই হলো তাদের অসহায়ত্বের অনুভূতির ক্ষতিপূরণ। ** পৃষ্ঠা ২১৫ * পুরুষেরা ভিন্ন ভিন্ন নারীদের সাথে একই কথা বলে ঠিক যে কারণে নারীরা ভিন্ন ভিন্ন পুরুষের জন্য একই পারফিউম ব্যবহার করে; আমরা সবাই সেই জিনিসগুলোই চেষ্টা করি যা কাজ করে। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * সম্পর্কে যখন পুরুষদের কাছে বেশি টাকা থাকে তখন আমরা বলি তাদের ক্ষমতা আছে। সম্পর্কে যখন নারীদের কাছে বেশি টাকা থাকে তখন আমরা বলি তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ২১৮ * লিঙ্গবৈষম্যের নিয়মগুলো পুরুষদের সহিংসতার আতঙ্ক থেকে মুক্ত করে না; এগুলো কেবল পুরুষদের এই বিষয়ে অভিযোগ করা থেকে বিরত রাখে। ** পৃষ্ঠা ২৩২ * সে যৌনতা পায়, নারীও যৌনতা পায়; যদি এটি অসমান মনে করা হয় তবে পুরুষেরা কেন প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পায় তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যতক্ষণ না একজন নারী একজন পুরুষকে প্রথমবার বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় ঠিক যেভাবে পুরুষেরা তাকে দেয়, ততক্ষণ পর্যন্ত ‘সে আমাকে বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে তাই সে টাকা দেবে’ এই দাবিটি পুরুষদের ওপর দ্বিগুণ বোঝা: তাকে কেবল প্রস্তাবই দিতে হবে না বরং অতিরিক্ত প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত খরচও দিতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৭৭ * কিছুদিন আগে পর্যন্ত প্রশ্ন ছিল ‘কেন একজন নারী পুরুষের মতো হতে পারে না?’ এটি পরিবর্তন করে হওয়া উচিত ছিল ‘কেন উভয় লিঙ্গই একে অপরের সেরা গুণগুলোর মতো হতে পারে না?’ এর পরিবর্তে ১৯৬০-এর দশকের নারীবাদী ব্যাজগুলোতে লেখা থাকত অ্যাডাম ওয়াজ আ ফার্স্ট ড্রাফট। কথাটি যথেষ্ট সত্য। আমরা সবাই তাই। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * পুরুষেরা ততক্ষণ পরিবর্তন হবে না যতক্ষণ নারীরা ‘উপরে বিয়ে’ করবে। পুরুষেরা ততক্ষণ পরিবর্তন হবে না যতক্ষণ আমাদের এই বিষয়ে ধারণা না হবে যে ক্ষমতা আমাদের কতটা ক্ষমতাহীন করে তোলে। একজন নারী একজন পুরুষকে পরিবর্তন হতে সাহায্য করতে পারে না যতক্ষণ না তার এই বিষয়ে ধারণা হয় যে ক্ষমতা পুরুষদের কতটা ক্ষমতাহীন করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * আমি মনে করি যে ব্যবসায়িক জগতে সফল হওয়া নারীদের যেমন পুরুষ মেন্টর প্রয়োজন হয়, সম্ভবত আবেগীয় জগতে সফল হওয়া পুরুষদের জন্য নারী আবেগীয় মেন্টর প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ৩১৭ * আমাদের সঙ্গী নির্বাচন হলো আমাদের মূল্যবোধ নির্বাচনের অন্যতম স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। ** পৃষ্ঠা ৩৪১ * কেবল তখনই একজন নারী পুরুষকে সত্যিই বুঝতে শুরু করতে পারে যখন সে পুরুষদের ঝুঁকিগুলো ভাগ করে নেয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫৫ * শিশুদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা এত তাৎক্ষণিক কারণ আমরা তাদের অসহায়ত্ব সঙ্গে সঙ্গে অনুভব করতে পারি; বিপরীতে পুরুষদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা অস্বীকার করার একটি উপায় হলো পুরুষদের অসহায়ত্বকে অস্বীকার করা। আমরা প্রায়ই পুরুষদের প্রতি ভালোবাসাকে তাদের প্রতি শ্রদ্ধার সাথে গুলিয়ে ফেলি, বিশেষ করে আমাদের যত্ন নেওয়ার ক্ষমতার জন্য--যা আসলে কেবল নিজেদের প্রতিই ভালোবাসা। ** পৃষ্ঠা ৩৬০ * মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘনিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় মনোবিজ্ঞান প্রজাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় মনোবিজ্ঞানে পরিণত হয়েছে। ** পৃষ্ঠা ৩৭১ * পুরুষদের ভালোবাসা কি নারীবাদের পরিপন্থী? একদমই না। আমার বিশ্বাস প্রতিটি প্রকৃত নারীবাদী একজন পুরুষবাদী হওয়ার মাধ্যমে আরও গভীর এবং পরিপক্ক হয়--এমন একজন ব্যক্তি যে সমতা এবং স্বীকৃতির জন্য পুরুষদের অনুসন্ধানকে পুরুষের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুঝতে পারে। একইভাবে প্রতিটি পুরুষবাদী একজন নারীবাদী হওয়ার মাধ্যমে আরও গভীর হয় (এমন একজন ব্যক্তি যে সমতা এবং স্বীকৃতির জন্য নারীদের অনুসন্ধানকে নারীর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুঝতে পারে)। ** পৃষ্ঠা ৩৬৮ === ''দ্য মিথ অফ মেল পাওয়ার'' (১৯৯৩) === <small>সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ১ম সংস্করণ, ১৯৯৩; ২য় সংস্করণ, বার্কলে, ২০০০)</small> ==== প্রথম খণ্ড: দ্য মিথ অফ মেল পাওয়ার ==== * পুরুষদের দুর্বলতা হলো শক্তির কৃত্রিম বহিঃপ্রকাশ; নারীদের শক্তি হলো দুর্বলতার কৃত্রিম বহিঃপ্রকাশ। ** পৃষ্ঠা ১৩ * নারীবাদ নারীদের শিখিয়েছে যে যখন পুরুষেরা ভুল ব্যক্তির সাথে বা ভুল সময়ে উদ্যোগ নেয় তখন যৌন হয়রানি বা ডেট রেপের জন্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যায়; কিন্তু কেউ পুরুষদের শেখায়নি যে নারীরা যখন প্রথমে "হ্যাঁ", তারপর "না" এবং পরে আবার "হ্যাঁ" বলে তখন মানসিক আঘাতের জন্য মামলা করা যায়। ... পুরুষদের কাছ থেকে এখনো উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা করা হয়, কিন্তু এখন তারা যদি এটি ভুলভাবে করে তবে তাদের জেল হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে পোস্ট অফিসগুলোতে সিলেক্টিভ সার্ভিস পোস্টারে লেখা থাকে "একজন পুরুষকে তাই করতে হয় যা তার করা উচিত"। এগুলো পুরুষদের মনে করিয়ে দেয় যে কেবল তাদেরই বাধ্যতামূলক সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হবে। যদি পোস্ট অফিসে এমন পোস্টার থাকত যেখানে লেখা থাকত "একজন ইহুদিকে তাই করতে হয় যা তার করা উচিত..." অথবা কোনো গর্ভবতী নারীর শরীরের ওপর যদি লেখা থাকত "একজন নারীকে তাই করতে হয়..." ** পৃষ্ঠা ২৮ * যে সমাজগুলো টিকে আছে তারা তাদের সন্তানদের যুদ্ধে এবং কাজে এমনকি বাবা হিসেবেও উৎসর্গ করার বা পরিত্যাজ্য হওয়ার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করেই টিকে আছে। ** প্রথম খণ্ড * এমন অনেক দিক আছে যেখানে একজন নারী তার পুরুষ সঙ্গীর তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাহীন অনুভব করেন: গর্ভাবস্থা, বয়স বেড়ে যাওয়া, ধর্ষণ, ডেট রেপ এবং শারীরিকভাবে অবদমিত হওয়ার ভয়; স্বামী ও সন্তানদের ভরণপোষণ করার মতো যথেষ্ট বেতনের ক্যারিয়ার গড়ার সামাজিক শিক্ষার অভাব[...] সৌভাগ্যবশত, প্রায় সব শিল্পোন্নত জাতি নারীদের এই অভিজ্ঞতাগুলোকে স্বীকার করেছে। দুর্ভাগ্যবশত, তারা কেবল নারীদের অভিজ্ঞতাগুলোকেই স্বীকার করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৮ * ক্ষমতা মানে যদি নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকা বোঝায়, তবে আমাদের জীবনের ওপর লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকা এবং বর্ণবাদের প্রভাব বোঝার জন্য গড় আয়ুর চেয়ে ভালো কোনো মাপকাঠি নেই। ** পৃষ্ঠা ৩০ * বিষয়: মাইক টাইসনের বিচার। জুরিরা যে হোটেলে ছিলেন সেখানে আগুন লেগে যায়। দুই জন ফায়ারফাইটার সেখানকার বাসিন্দাদের বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারান। মাইক টাইসনের বিচার আমাদের পুরুষদের ধর্ষণকারী সত্তা সম্পর্কে সচেতন করেছে। কিন্তু ফায়ারফাইটারদের মৃত্যু আমাদের পুরুষদের রক্ষাকর্তা সত্তা সম্পর্কে সচেতন করেনি। আমরা একজন পুরুষের ক্ষতি করার বিষয়ে যতটা সচেতন ছিলাম, দুই জন পুরুষের বাঁচানোর বিষয়ে ততটা ছিলাম না... ** পৃষ্ঠা ৩৬ * ইতিহাসে এমন একটি উদাহরণ খুঁজে পাওয়া কঠিন যেখানে কোনো গোষ্ঠী ৫০ শতাংশের বেশি ভোট দিয়েও নিজেদের ভুক্তভোগী দাবি করে পার পেয়েছে... নারীরাই একমাত্র 'নিপীড়িত' গোষ্ঠী যারা 'নিপীড়কের' সাথে একই বাবা-মায়ের সন্তান; যারা 'নিপীড়কের' মতোই মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারে জন্ম নেয়; যারা 'নিপীড়কের' চেয়ে বেশি বিলাসদ্রব্যের মালিক হয়... ** পৃষ্ঠা ৪০ * আমরা 'তিনটি বিকল্প থাকা নারী এবং কোনো বিকল্প না থাকা পুরুষের যুগে' প্রবেশ করেছি। ** পৃষ্ঠা ৫২ * প্রথম ধাপে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি ছিল না, তাই পুরুষদের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলত না; দ্বিতীয় ধাপে সম্পর্ক বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যেতে পারে, তাই পুরুষদের সম্পর্কগুলো নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছিল। আমরা এমন রাজনৈতিক নেতাদের চাইনি যারা এমন আচরণের রোল মডেল হবেন যা নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে। ** পৃষ্ঠা ৬৩ * সংক্ষেপে, আমাদের জিনগত ঐতিহ্য আমাদের জিনগত ভবিষ্যতের সাথে সাংঘর্ষিক। মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি প্রজাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় গুণাবলি ভালোবাসার জন্য প্রয়োজনীয় গুণের সাথে মিলে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৬৫ * হাজার হাজার বছর ধরে অধিকাংশ বিয়ে ছিল প্রথম ধাপের—অর্থাৎ টিকে থাকার ওপর ভিত্তি করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিয়েগুলো ক্রমশ দ্বিতীয় ধাপের দিকে ঝুঁকেছে—যেখানে নিজের আত্মতৃপ্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়... ভালোবাসার সংজ্ঞায় একটি পরিবর্তন আসছে। ** পৃষ্ঠা ৪২ * নারী মুক্তি এবং পুরুষদের মধ্যবয়সের সংকট ছিল একই অনুসন্ধান—ব্যক্তিগত তৃপ্তি, সাধারণ মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসার জন্য। কিন্তু নারী মুক্তিকে যখন নিজস্ব পরিচয় তৈরির উপায় হিসেবে ভাবা হয়, পুরুষদের মধ্যবয়সের সংকটকে ভাবা হয় পরিচয়ের সংকট হিসেবে। ** পৃষ্ঠা ৪৪ * নিউ ইয়র্ক সিটিতে ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেনের পরিচালনা পর্ষদে থাকার সময় আমি কর্মক্ষেত্রে সমতা নিয়ে বিভিন্ন কর্পোরেট কর্মশালা করেছি। সেখানে সবচাইতে বেশি বাধার সম্মুখীন হয়েছি পুরুষ কর্মকর্তাদের কাছে নয়—বরং তাদের স্ত্রীদের কাছে। যতক্ষণ তার আয় তার স্বামীর কাছ থেকে আসছিল, ততক্ষণ তিনি মোটেও উদার বোধ করছিলেন না যখন দেখতেন ইতিবাচক পদক্ষেপের কারণে অন্য কোনো নারী তার স্বামীর (অর্থাৎ তার নিজের) আয়ের অংশীদার হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৪৬ * নারীদের ক্ষত চিহ্ন এবং প্রথাগুলো সৌন্দর্যের সাথে যুক্ত ছিল (কান ও নাক ফোঁড়ানো, পা বেঁধে রাখা এবং করসেট পরা); পুরুষদের প্রথাগুলো ছিল নারীদের রক্ষার সাথে যুক্ত। উগান্ডার ডোডোদের মতো যেসব সংস্কৃতিতে শারীরিক শক্তি এখনো নারীদের রক্ষার সেরা উপায়, সেখানে প্রতিটি মানুষকে হত্যার বিনিময়ে পুরুষদের একটি ক্ষত চিহ্ন দেওয়া হয়; ক্ষত চিহ্ন যত বেশি, তাকে তত বেশি যোগ্য মনে করা হয়। ** পৃষ্ঠা ৭২ * আজ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে যথাযথভাবেই ঘৃণা করা হয়। কিন্তু পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে আমরা বিনোদন বলি। ফুটবল, বক্সিং, কুস্তির কথা ভাবুন... এগুলো পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে মিষ্টি কথায় ঢাকার উপায়। আসলে এগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে আমাদের দল -- বা আমাদের সমাজ -- তার সেরা রক্ষকদের নিজেদের উৎসর্গ করার জন্য রাজি করাতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৭৫ * কল্পনা করুন আমরা কেমন বোধ করতাম যদি আমি এই অংশটি এভাবে শুরু করতাম, আজ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে যথাযথভাবে হাততালি দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। আমরা জানতাম যে আমি নারীদের মৃত্যু সমর্থন করি; কিন্তু যখন আমরা পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতার জন্য হাততালি দিই, তখন আমরা পুরুষদের মৃত্যুই সমর্থন করি। আমরা এটি করি কারণ আমরা শিখেছি যে পুরুষদের যত কার্যকরভাবে আত্মত্যাগের জন্য প্রস্তুত করব, আমরা তত বেশি সুরক্ষিত থাকব। ** পৃষ্ঠা ৭৬ * পুরুষেরা প্রায়ই সেই সমাজগুলোতে অহিংস হয়ে ওঠে যেখানে (১) পর্যাপ্ত খাবার আছে, (২) পর্যাপ্ত জল আছে এবং (৩) তারা নিজেদের আক্রমণ থেকে নিরাপদ মনে করে। উদাহরণস্বরূপ, তাহিতির পুরুষরা, ক্রিটের মিনোয়ান পুরুষরা এবং মধ্য মালয়েশিয়ার সেমাইরা তাদের ইতিহাসের সেই সময়ে অহিংস ছিল যখন এই তিনটি শর্তই বিদ্যমান ছিল। ** পৃষ্ঠা ৭৭ * প্রায়ই বলা হয় যে নারীরা জন্মগতভাবে যুদ্ধপ্রিয় পুরুষদের সভ্য করার একটি ভারসাম্য। নারীদের বদলে নিজেরা হত্যার কাজ করার মাধ্যমে পুরুষরাই নারীদের সভ্য করেছে বলা যেতে পারে। যখন টিকে থাকাই ছিল মূল বিষয়, তখন নারীদের গর্ভজাত সন্তানদের রক্ষার জন্য পুরুষদের হত্যা করা ছিল আসলে তাদের লালন-পালনেরই একটি ধরন। ** পৃষ্ঠা ৭৯ * তাহলে পিতৃতন্ত্রকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়? সম্ভবত এটিকে একটি সংস্কৃতিতে পুরুষদের আধিপত্য, দায়িত্ব এবং আনুগত্যের ক্ষেত্র হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে, যা টিকে থাকার প্রয়োজন মেটানোর জন্য উভয় লিঙ্গের মাধ্যমেই শক্তিশালী হয়েছে। মাতৃতন্ত্রকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়? একটি সংস্কৃতিতে নারীদের আধিপত্য, দায়িত্ব এবং আনুগত্যের ক্ষেত্র হিসেবে, যা টিকে থাকার প্রয়োজন মেটানোর জন্য উভয় লিঙ্গের মাধ্যমেই শক্তিশালী হয়েছে। ** পৃষ্ঠা ৯৮ ==== দ্বিতীয় খণ্ড: দ্য গ্লাস সেলারস অফ দ্য ডিসপোজেবল সেক্স ==== * প্রতিদিন কর্মক্ষেত্রে প্রায় ততজন পুরুষ মারা যান যতজন ভিয়েতনামের গড়পড়তা দিনে মারা যেতেন। পুরুষদের জন্য আসলে তিনটি পুরুষ-নির্ধারিত বাধ্যতামূলক তালিকা (ড্রাফট) আছে: সমস্ত যুদ্ধের জন্য পুরুষদের তালিকা; অবৈতনিক দেহরক্ষী হিসেবে প্রতিটি সাধারণ মানুষের তালিকা; এবং সমস্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ বা 'মৃত্যু পেশার' জন্য পুরুষদের তালিকা। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * কোনো আন্দোলনই প্রবাসী শ্রমিকদের নিপীড়িত বলে না যদিও তারা সেই নারীদের জন্য অর্থ যোগান দেয় যাদের কাছ থেকে তারা রান্নাবান্না বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সেবা পায় না; তারা তাদের স্ত্রীদের জন্য ঘরবাড়ি তৈরি করে দেয় অথচ নিজেরা মাটিতে ঘুমায়। ** পৃষ্ঠা ১১১ * যখন খনি এবং অন্যান্য মৃত্যু পেশা নিয়ে নারীবাদী প্রকাশনাগুলোতে আলোচনা করা হয় তখন সেগুলোকে পুরুষতান্ত্রিক ক্ষমতার প্রতীক বা কেবল পুরুষদের ক্লাবের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়। তবে মিস ম্যাগাজিনে যখন নারী খনি শ্রমিকদের কথা বলা হয়েছিল তখন এই বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল যে কীভাবে একজন নারী খনিতে কাজ করতে 'বাধ্য' হয়েছিলেন কারণ সেখানে সবথেকে ভালো বেতন পাওয়া যেত এবং তার পরিবারকে সাহায্য করার জন্য সেটিই ছিল একমাত্র পথ। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * পুরুষদের মরতে দেওয়া হলো টাকা বাঁচানোর একটি কৌশল। নিরাপত্তার জন্য টাকা খরচ করতে হয়। একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তার ভাষায়, ‘যখন সবকিছুতেই তাড়াহুড়ো থাকে, যখন আপনি মানুষের ওপর চাপ প্রয়োগ করেন এবং শর্টকাট ব্যবহার করেন তখন সবকিছু ভুল হতে পারে। আর তখন মানুষ মারা যায়।’ না। তখন পুরুষ মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ১১৯ * কোনো পেশা শারীরিকভাবে নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত নারীরা সেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় যোগ দেন না। তাই আমরা যতক্ষণ পুরুষদের নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন হয়ে মৃত্যু পেশাগুলোকে নিরাপদ পেশায় রূপান্তর না করব ততক্ষণ আমরা আসলে নারীদের প্রতি বৈষম্য করছি। কিন্তু যখন আমরা কেবল নারীদের অতিমাত্রায় সুরক্ষা দিই তখন সেটিও নারীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের দিকে নিয়ে যায়। যদি কোনো নিয়োগকর্তা বড় কোম্পানিতে কাজ করেন যেখানে কোটার কারণে বৈষম্য করা সম্ভব নয় তখন তারা স্থায়ীভাবে কাউকে নিয়োগ দেওয়ার বদলে ফ্রিল্যান্সারদের নিয়োগ দিতে বেশি আগ্রহী হন। তারা ভাবেন এতে কোনো নারীকে নিয়োগ দিয়ে সম্ভাব্য যৌন হয়রানির মামলার ঝুঁকি নিতে হবে না। ** পৃষ্ঠা ১২১ * একটি দেশ যত বেশি পুরুষতান্ত্রিক সেটি নারীদের তত বেশি সুরক্ষা দেয়। আর এভাবেই সেটি নারীদের সীমাবদ্ধ করে দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইতালি, স্পেন এবং ডেনমার্ক নারীদের বাধ্যবাধকতা ছাড়াই অনেক সুযোগ দেয়। তাই এই দেশগুলো এখনো পুরুষতান্ত্রিক। কোনো দেশ কতটা স্বাধীন তা নির্ভর করে সেই দেশ পুরুষদের নারীদের রক্ষা করার বাধ্যবাধকতা থেকে কতটা মুক্তি দেয় এবং নারীদের পুরুষদের সমানভাবে রক্ষা করতে কতটা শেখায় তার ওপর। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * যুদ্ধ কে ঘটায়? যুদ্ধ ঘটে আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার আদিম ভয় থেকে। এই ভয় নারী ও পুরুষ উভয়েরই আছে। এই ভয় এতটাই আদিম যে আমরা সহজেই সেইসব ব্যক্তিদের অসৎ উদ্দেশ্য সম্পর্কে বাড়িয়ে বলতে প্রলুব্ধ হই যারা আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। কেন? কোনো হুমকিকে অবমূল্যায়ন করার একটি ভুল সবাইকে ধ্বংস করে দিতে পারে; কিন্তু অতিমূল্যায়ন করার অনেক ভুল কেবল পুরুষদের ধ্বংস করে। ** পৃষ্ঠা ১৪২ * প্যারেড ম্যাগাজিন জানায় যে ১৯১৪ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে ৪০ মিলিয়ন সোভিয়েত পুরুষ নিহত হয়েছে। ম্যাগাজিনটির শিরোনাম ছিল ‘দুর্ভাগ্যের শিকার’। পুরুষরা মারা গেছে বলে? না। নারীদের দুর্ভাগ্যের শিকার হিসেবে দেখা হয়েছিল কারণ তারা ফ্যাক্টরি এবং রাস্তা পরিষ্কার করার কাজে আটকা পড়েছিলেন যে কাজগুলো করার জন্য পুরুষরা তখন বেঁচে ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১৪৫ * পুরুষেরা কেবল যুদ্ধের যোদ্ধা নয় বরং শান্তির যোদ্ধাও হতে পারে। প্রায় সবাই যারা শান্তির জন্য জীবন বাজি রাখে, জেলে যায় বা নিহত হয় তারা পুরুষ। নেলসন ম্যান্ডেলা, মার্টিন লুথার কিং, গান্ধী বা দাগ হ্যামারশোল্ডের মতো কিছু শান্তির যোদ্ধাকে মনে রাখা হলেও অধিকাংশকেই ভুলে যাওয়া হয়। নর্ম মরিসনের কথা মনে আছে? ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদ করার কয়েক বছর পর নর্ম পেন্টাগনের সিঁড়িতে নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন... কিন্তু নর্ম মরিসনকে আজ সবাই ভুলে গেছে। ** পৃষ্ঠা ১৫৩ * ১৯৭০-এর দশকের দিকে আমেরিকান নারীদের 'স্বাধীন' বা 'সুপারওম্যান' বলা হতো। অন্যদিকে আমেরিকান পুরুষেরা যদি ভিয়েতনামে যুদ্ধ করত তবে তাদের 'শিশু হত্যাকারী' বলা হতো। যদি তারা প্রতিবাদ করত তবে তাদের 'দেশদ্রোহী' বলা হতো আর যদি তারা কোনোটিই না করত তবে তাদের 'উদাসীন' বলা হতো। এমনকি যেসব পুরুষ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছিল তাদের দিকেও আক্ষরিক অর্থেই থুতু ফেলা হয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ১৫৫ * কিশোরী মেয়েদের দক্ষতা প্রমাণের চাপ কম থাকে এবং ভালোবাসা পাওয়ার সম্পদ বেশি থাকে। তাদের শরীর ও মন আসলে জন্মগত উপহার। ** পৃষ্ঠা ১৬৬ * কিশোর বালকদের উদ্বেগ এতটাই তীব্র হওয়ার কারণ হলো তাদের সামাজিক শিক্ষা তাদের কাছে দক্ষতা প্রমাণের দাবি করে কিন্তু সেই দক্ষতা অর্জনের সম্পদ দেয় না। ফলে তার ঝুঁকি যেমন অনেক তেমনই ব্যর্থতাও অনেক। এবং সেগুলো খুব স্পষ্ট... দ্বিতীয়ত, সবচাইতে বড় বিজয়ীরা—যেমন ফুটবল খেলোয়াড়েরা—নিজেদের ওপর অত্যাচার করার মাধ্যমে ভালোবাসা পায়। কিছু বালকের জন্য এই অত্যাচার উদ্বেগ তৈরি করে। কিন্তু ভালোবাসা হারানো আরও বেশি উদ্বেগ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * পৃথিবী এখন ক্রমশ মেয়েদের সুযোগ দিচ্ছে তারা যা হতে চায় তাই হওয়ার—গৃহিণী, মা, সেক্রেটারি বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * অতীতে যৌনতা এবং গর্ভাবস্থা নিয়ে নারী-পুরুষ উভয়েই চিন্তিত ছিল। এখন জন্মনিরোধক বড়ি নারীর উদ্বেগ কমিয়েছে এবং কনডম পুরুষের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এখন ব্রণযুক্ত চেহারার একটি বালককে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ঝুঁকি নিতে হয় এবং সেই সাথে হার্পিস ও এইডস নিয়ে নিজের ভয়কে জয় করতে হয়। সেই সাথে তাকে মেয়েটিকেও আশ্বস্ত করতে হয় যে ভয়ের কিছু নেই। তাকে এখনো যৌনতার ঝুঁকি নিতে হয়, কিন্তু এখন সে যদি খুব তাড়াতাড়ি ঝুঁকি নেয় তবে তাকে জেলে যেতে হতে পারে অথবা তাড়াতাড়ি না নিলে তাকে কাপুরুষ বলা হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৬৮ * এমনকি ৩০ বছর বয়সের একজন পুরুষ যার স্ত্রী মারা গেছে তার আত্মহত্যার সম্ভাবনা একই বয়সের একজন বিবাহিত পুরুষের চেয়ে ১১ গুণ বেশি। ৩০ বছর বয়সে যখন পুরুষেরা নিজেদের কাজে ডুবে থাকতে পারে এবং তারা নারীদের কাছে শারীরিকভাবে ও আর্থিকভাবে আকর্ষণীয় থাকে তখন নিজের ভালোবাসার মানুষকে হারানো এতটাই বিধ্বংসী হয় যে অনেক নারীর সুযোগ থাকলেও সেই কষ্ট কমে না... সংক্ষেপে, ভালোবাসা হারানোই পুরুষদের ধ্বংস করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৬৯ * নারীরা প্রায়ই আত্মহত্যার চেষ্টা করে কারণ তারা যাদের ভালোবাসে তাদের কাছে অগ্রাধিকার পেতে চায়, সব সময় কেবল তাদের অগ্রাধিকার দিতে চায় না। ** পৃষ্ঠা ১৭১ * যেসব পুরুষ সফল তারা ভালোবাসা পাওয়ার জন্য সাফল্যের ওপর সবচাইতে বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। যখন এই পুরুষটি তার সাফল্য হারায় তখন সে প্রায়ই ভয় পায় যে সে ভালোবাসা হারাবে। ** পৃষ্ঠা ১৭২ * একজন পুরুষের কাছে বেকারত্ব হলো একজন নারীর কাছে ধর্ষণের মানসিক যন্ত্রণার সমান। ** পৃষ্ঠা ১৭২ * বাধ্যতামূলক আগাম অবসর নেওয়া একজন পুরুষের কাছে তেমনটাই হতে পারে যেমনটা একজন নারীর কাছে কোনো 'অল্পবয়সী নারীর জন্য পরিত্যক্ত' হওয়া। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * বিষণ্ণতার অভিযোগ প্রায়ই পুরুষের ওপর নারীর নির্ভরশীলতার সাথে যুক্ত থাকে। কিন্তু এটি এমন পুরুষের ওপর নির্ভরশীলতা যারা একজন নারীকে টিকে থাকার সংগ্রামের চেয়েও বেশি কিছু নিয়ে ভাবার সময় দিতে যথেষ্ট সফল। এই কারণেই যখন আমরা বিষণ্ণতায় আক্রান্ত নারীদের কথা ভাবি তখন আমাদের মাথায় মধ্যবিত্ত নারীদের কথা আসে, শ্রমিক শ্রেণির নারীদের কথা নয়। শ্রমিক শ্রেণির নারীরা বেঁচে থাকার চিন্তায় এতই ব্যস্ত থাকেন যে বিষণ্ণতার কথা বলার সুযোগ পান না। বিষণ্ণতা এমন একটি রোগ যা তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায় যাদের বেঁচে থাকার চিন্তা ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে ভাবার বিলাসিতা আছে। একজন মানুষ দ্বিতীয় ধাপে যত বেশি এগিয়ে থাকে সে বিষণ্ণতার দিকে তত বেশি মনোযোগ দিতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৭৭ * যখন একজন পুরুষকে আগাম অবসর নিতে বাধ্য করা হয় তখন প্রায়ই তাকে 'একজন অল্পবয়সী পুরুষের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়'। একজন পুরুষের কাছে আগাম অবসর তেমনটাই হতে পারে যেমনটা একজন নারীর কাছে 'অল্পবয়সী নারীর জন্য পরিত্যক্ত' হওয়া... সন্তানরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেলে মায়েরা যতটা না বিচলিত হন পুরুষেরা কেন অবসরে গেলে তার চেয়ে বেশি বিচলিত হন? নারীরা যখন সন্তানদের কাছ থেকে অবসর নেন তখন তারা একটি পেশা শুরু করার চেষ্টা করতে পারেন; কিন্তু একজন পুরুষ যখন পেশা থেকে অবসর নেন তখন তার সন্তানরাও চলে যায়। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * যখন নারী ও পুরুষের গড় আয়ু প্রায় সমান হয় তখন তার কারণ কেবল সন্তান জন্মদান নয় বরং রোগব্যাধি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, জলের অভাব, অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা এবং পুষ্টিহীনতা। শিল্পোন্নত সমাজে অকালমৃত্যুর প্রধান কারণ হলো মানসিক চাপ যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। যেহেতু মানসিক চাপ একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তাই পুরুষেরা নারীদের তুলনায় অনেক আগে মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * বিকল্পগুলো একজন নারীকে তার ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী নিজের ভূমিকা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেয়। কিন্তু একজন পুরুষ যদি ভালোভাবে ভরণপোষণ করতে চায় তবে সে তাই পরতে বাধ্য হয় যা তাকে মানায় না, বরং তাকে একটি স্যুট পরতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৩ * দ্য নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন সম্প্রতি জানিয়েছে যে নিজের দোষ নিয়ে কথা বলা আমাদের হৃদস্পন্দনের গতিতে অস্বাভাবিকতা তৈরি করে। সামান্য অস্বাভাবিকতা? না। স্থির সাইকেল চালিয়ে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া বা বুকে ব্যথা হওয়ার মতো তীব্র অস্বাভাবিকতা। সম্ভবত কিশোর বয়স থেকে পুরুষদের একে অপরের সমালোচনা করার যে অভ্যাস সেটিই ৫০ বছর বয়সের আগে নারীদের তুলনায় পুরুষদের চার গুণ বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ। আসলে আমাদের ছেলেরা হৃদরোগের প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ১৮৬ * সংক্ষেপে, আমরা নারীদের তুলনায় জেলখানায় থাকা পুরুষ, সামরিক বাহিনীতে থাকা পুরুষ এবং সাধারণভাবে পুরুষদের ওপর বেশি গবেষণা করি ঠিক যে কারণে আমরা মানুষের চেয়ে ইঁদুরের ওপর বেশি গবেষণা করি। ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * যদিও একটি সরকারি গবেষণায় দেখা গেছে যে নারীদের বা অন্য কোনো সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর চেয়ে পুরুষদের স্বাস্থ্য অনেক বেশি খারাপ, তবুও সারা দেশের শিরোনামে লেখা হয়েছিল: ‘সংখ্যালঘুরা বড় ধরনের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্যের সম্মুখীন’। তারা বলেনি: ‘পুরুষরা বড় ধরনের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্যের সম্মুখীন’। কেন? কারণ আমরা পুরুষদের জীবনের আত্মত্যাগকে বাকিদের রক্ষার উপায় হিসেবে দেখি। আর এই ধারণাটি আমাদের অবচেতনে পুরুষদের দীর্ঘকাল বেঁচে থাকার বিষয়ে উদাসীন হতে উৎসাহ দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৬ * যখন জন্মনিরোধক বড়ি ইউরোপে পাওয়া যেত কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাওয়া যেত না তখন আমেরিকান নারীরা চিৎকার করে বলেছিল যে বড়িটি সহজলভ্য না করা নারীদের জীবনের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে... যখন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) উচ্চ মাত্রার হরমোনযুক্ত বড়ি বাজারে ছেড়েছিল যা পরে অপ্রয়োজনীয় প্রমাণিত হয়, তখন তাদের এই বলে আক্রমণ করা হয়েছিল যে তারা নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করার বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন নয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৫ * দুর্ভাগ্যবশত একজন পুরুষের জীবনে অর্থ উপার্জনের প্রক্রিয়া মানেই ছিল তার স্ত্রীকে পর করে দেওয়া। মাঝে মাঝে এটি আইনত বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায় তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি মানসিক বিচ্ছেদের কারণ হয়। এই কারণেই ডাক্তারদের স্ত্রীদের ওপর করা একটি জরিপে দেখা গেছে যে তারা তাদের স্বামীদের প্রতি এক ধরনের প্রচণ্ড ঘৃণা পোষণ করেন। তবুও সেই স্ত্রীরা ডাক্তারদের সাথে সংসার চালিয়ে যান। কেন? তারা বলেছিলেন যে সবকিছুর চেয়ে তারা বিয়ের নিরাপত্তা চান... ফলে পুরুষেরা প্রায়ই এক ধরনের কৃত্রিম মানসিক নিরাপত্তার নেশায় নিজেদের বিলিয়ে দেন। অন্তত তাদের স্ত্রীদের কাছে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বাস্তবতা থাকে। ** পৃষ্ঠা ২০৩ * কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ, আদিবাসী পুরুষ এবং সমকামী পুরুষদের মধ্যে একটি মিল আছে: তারা নারীদের জন্য কোনো অর্থনৈতিক নিরাপত্তার চাদর দিতে পারেন না। ** পৃষ্ঠা ২০৬ * সমকামী যৌনতা মানে ছিল দুই ঘণ্টার আনন্দের বিনিময়ে দুই ঘণ্টার আনন্দ। বিষমকামী যৌনতা মানে ছিল দুই ঘণ্টার আনন্দের বিনিময়ে সারাজীবনের দায়িত্ব। বিষমকামী সম্পর্ক ছিল একটি লোকসানের চুক্তি! সমকামভীতির পেছনের ভয়টি ছিল যে পরবর্তী প্রজন্মের ভরণপোষণ করার কেউ থাকবে না। সবাই কেবল আনন্দ করবে। ফলে 'আনন্দ' করা হয়ে দাঁড়াল অপরিপক্কতার লক্ষণ; আর অনেক ধরনের 'ভোগবিলাস' অবৈধ হয়ে গেল। ** পৃষ্ঠা ২০৮ * আমরা কেন গৃহহীন পুরুষদের সাহায্য করতে অনীহা প্রকাশ করি? এর আংশিক কারণ হলো আমরা বুঝি না যে পরিবার চালানোর চাপ কীভাবে পুরুষদের এমন সব অস্থায়ী কাজ করতে বাধ্য করে যা তাদের গৃহহীন হওয়ার পথে এগিয়ে দেয় এবং আংশিক কারণ হলো আমরা সফল না হওয়া পুরুষদের প্রতি ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাই। ** পৃষ্ঠা ২০৯ * পুরুষদের এই পাগলামি থেকে স্বাভাবিক পথে ফিরে আসার দ্রুত উপায় হলো নারী-পুরুষ উভয় লিঙ্গের জন্যই ঘর এবং কর্মস্থলের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার দাবি করা। পুরুষদেরও তাদের স্ত্রীদের কাছ থেকে ঠিক তেমনভাবেই আর্থিক সহযোগিতা আশা করতে হবে যাতে তারা বাবা হওয়ার সময় দিতে পারে যেভাবে তারা এখন তাদের স্ত্রীদের মা হওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা দেয়। নারীদেরও টাকার যোদ্ধার বদলে ভালোবাসার যোদ্ধাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২১২ * নারীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করার সাথে সাথে আমাদের নারীদের রক্ষা করার প্রবণতা কি পুরুষদেরও রক্ষা করার নিয়ম তৈরি করবে? হ্যাঁ এবং না। হ্যাঁ, যেমন ডাক্তারদের সপ্তাহে ৮০ ঘণ্টার কম কাজ করার বিষয়টি এখন পুরুষদেরও প্রভাবিত করছে। না, যখন শ্রমিক শ্রেণির কাজগুলোকে ভাগ করা হয় যেখানে পুরুষেরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো নেয় আর নারীরা নিরাপদ কাজগুলো নেয়। আর পেশাগত জীবনে পুরুষেরা যদি সার্জারির মতো অনিয়মিত সময়ের কাজগুলো বেছে নেয় আর নারীরা যদি সাইকিয়াট্রির মতো নিয়মিত সময়ের কাজগুলো নেয় তবে আমরা কেবল নারীদের সুরক্ষিত শ্রেণি এবং পুরুষদের পরিত্যাজ্য শ্রেণি হিসেবে দেখার ধারণাটিকেই শক্তিশালী করব। ** পৃষ্ঠা ২১৩ * শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় কৃষ্ণাঙ্গদের খুনের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২১৪ * যখন আমরা শুনি যে পুরুষেরা অপরাধের বেশি শিকার হচ্ছে তখন আমরা বলি, ‘আরে, পুরুষরাই তো পুরুষদের মারছে।’ যখন আমরা শুনি যে কৃষ্ণাঙ্গরা বেশি শিকার হচ্ছে তখন আমরা একে বর্ণবাদী মনোভাব মনে করি যদি বলি, ‘আরে, কৃষ্ণাঙ্গরাই তো কৃষ্ণাঙ্গদের মারছে।’ অপরাধী যেই হোক না কেন ভুক্তভোগী সব সময় ভুক্তভোগীই হয়। ** পৃষ্ঠা ২১৫ * অপরাধ—বিশেষ করে অর্থের সাথে যুক্ত অপরাধ—ভরণপোষণ করার প্রত্যাশা এবং তা পূরণ করার ক্ষমতার মধ্যে ব্যবধানকে প্রতিফলিত করে... আমরা যদি সত্যিই চাই যে পুরুষেরা নারীদের মতো খুব কম অপরাধ করুক তবে আমাদের শুরু করতে হবে পুরুষদের কাছ থেকে নারীদের ভরণপোষণের যে প্রত্যাশা তা কমিয়ে দিয়ে। ** পৃষ্ঠা ২১৫-২১৬ * যখন আমরা কোনো শিশু কন্যার প্রতি সহিংসতা করি তখন আমরা তাকে শিশু নির্যাতন বলি; যখন আমরা কোনো শিশু পুত্রের প্রতি সহিংসতা করি তখন আমরা তাকে খতনা বলি। ** পৃষ্ঠা ২২১ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়াই খতনা করা হয়, যদিও অ্যানেস্থেসিয়া শিশুর মানসিক চাপ কমায় এবং সংক্রমণ ও রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে। ** পৃষ্ঠা ২২১ * আমরা যদি এখনো মেয়েদের যৌনাঙ্গের উপরের অংশ কাটতাম তবে একে মেয়েদের যৌনতাকে দমন করার ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখতে আমাদের কোনো অসুবিধা হতো না। আমেরিকা যে কোনো গবেষণা ছাড়াই খতনা করে যাচ্ছে তা মূলত বালকদের ব্যথার অনুভূতির প্রতি সংবেদনহীন করার ঐতিহ্যেরই প্রতিফলন। তাদের শেখানো হচ্ছে যাতে তারা তাদের শরীরের অঙ্গ পরিত্যাজ্য হওয়ার বিষয়ে কোনো প্রশ্ন না তোলে। ** পৃষ্ঠা ২২৩ * বিপদে পড়া নারীদের নিয়ে তৈরি সিনেমাগুলো আসলে রাজকন্যাকে ড্রাগনের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে পুরুষদের প্রাণ দেওয়ার সেই পুরনো গল্পের আধুনিক রূপ। এগুলো আসলে নারীদের সেরা রক্ষক খুঁজে নেওয়ার এবং বাকিদের বাদ দেওয়ার জন্য আধুনিক দিনের প্রশিক্ষণমূলক চলচ্চিত্র। ** পৃষ্ঠা ২২৫ * লিঙ্গবৈষম্যমূলক ধারণা হলো—কেবল নারীদের ওপর যে কোনো সহিংসতাকে নারী-বিরোধী মনে করা, কিন্তু পুরুষদের ওপর নারীর করা সহিংসতাকে সাধারণ সহিংসতা মনে করা। এই ধারণাটি নারীদের আরও বেশি সুরক্ষা দেওয়ার জন্য আইনের দাবি তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ২২৮ * পুরুষেরা কেবল নারীদের অবৈতনিক দেহরক্ষীই নয় বরং তারা নারী দেহরক্ষী হওয়ার জন্য উল্টো টাকাও খরচ করে। ** পৃষ্ঠা ২৩০ * নারীরা শিশুদের রক্ষা করার জন্য জীবন বাজি রাখবে কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক কোনো পুরুষকে রক্ষা করার জন্য খুব কমই জীবন বাজি রাখে। ** পৃষ্ঠা ২৩০ * নারী আন্দোলনের একটি বড় ভুল ধারণা: কাজ মানেই "ক্ষমতা" এবং "আত্মতৃপ্তি" মনে করা। ** পৃষ্ঠা ২৩২ * আমাকে প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয় যে নারীদের—বিশেষ করে দরিদ্র নারীদের—যৌনকর্মী হিসেবে নিজেদের শরীর ব্যবহার করার বিষয়ে পুরুষেরা কেন বিচলিত হয় না। কারণ অধিকাংশ পুরুষ অবচেতনভাবে প্রতিদিন নিজেদের যৌনকর্মী হিসেবেই অনুভব করে—খনি শ্রমিক, ফায়ারফাইটার, নির্মাণ শ্রমিক বা সৈনিকেরা আসলে সরাসরি অর্থ এবং পরিবারের জন্য নিজেদের শরীর উৎসর্গ করে। ** পৃষ্ঠা ২৩৩ * নারীদের রক্ষা করার জন্য আইনগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে যদি কোনো পুরুষের সাংবিধানিক অধিকারের সাথে নারীর সুরক্ষার বিষয়টি সাংঘর্ষিক হয় তবে সেই অধিকার গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * বিবাহবিচ্ছেদের ফলে পুরুষদের গোষ্ঠী (যাকে আইনসভা বলা হয়) সমষ্টিগতভাবে নারীদের রক্ষা করতে শুরু করে যখন অন্য পুরুষেরা (যাদের স্বামী বলা হয়) ব্যক্তিগতভাবে নারীদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * নারীদের বিশেষ সুরক্ষার আইনি পক্ষপাত সংবিধানের সমান সুরক্ষার গ্যারান্টিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে শুরু করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ ==== তৃতীয় খণ্ড: বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকার ==== * খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত একজন পুরুষের মৃত্যুদণ্ড পাওয়ার সম্ভাবনা একই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত একজন নারীর চেয়ে ২০ গুণ বেশি... ১৯৭৬ সালে মৃত্যুদণ্ড পুনরায় চালু হওয়ার পর থেকে ১২০ জন পুরুষ এবং মাত্র ১ জন নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। উত্তর ক্যারোলিনার সেই নারীটি বলেছিলেন যে তিনি মৃত্যুদণ্ডই পছন্দ করেন... উত্তর ক্যারোলিনায় দ্বিতীয় পর্যায়ের খুনের জন্য একজন পুরুষ গড়ে একজন নারীর চেয়ে ১২.৬ বছর বেশি সাজা পায়। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যখন একজন পুরুষ এবং একজন নারী মিলে কোনো অপরাধ করে তখন তারা দুজনেই প্রায়ই পুরুষটির ওপর দোষ চাপাতে রাজি হন—যদিও পুরুষটির দীর্ঘ সাজা পাওয়ার এবং কারাগারে ধর্ষিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যদি কৃষ্ণাঙ্গরা শ্বেতাঙ্গদের জন্য এমনটা করত তবে কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায় একে বুদ্ধিমত্তার সাথে ‘শেখানো দাসত্ব’ বলে অভিহিত করত। ** পৃষ্ঠা ২৪৩ * ১৯৫৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০,০০০ নারী খুন করেছেন। তাদের শিকার হয়েছেন প্রায় ৬০,০০০ পুরুষ। কিন্তু এই অধ্যায়ের দ্বিতীয় বিষয়ের তথ্যানুযায়ী কেবল একজন পুরুষকে হত্যার জন্য কোনো নারীরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি। প্রায় চার দশক ধরে আমরা নারীদের প্রতি ক্রমেই বেশি সুরক্ষিত এবং পুরুষদের প্রতি ক্রমেই কম সুরক্ষিত হয়ে উঠছি—এমনকি সেই ছেলেটি যদি নাবালকও হয় যেমনটা ছিল হিথ উইলকিন্স। ** পৃষ্ঠা ২৪৪ * যদি আমরা কোনো বিবাহিত পুরুষকে তার অর্থনৈতিক আইনি জটিলতার জন্য দায়ী করি তবে বিবাহিত নারীকেও তার বিপথে যাওয়া সন্তানদের জন্য দায়ী করা উচিত। ** পৃষ্ঠা ২৫০ * প্রিয়জনকে হত্যার হাত থেকে নারী বা পুরুষ কেউই মুক্ত নয়। পার্থক্য কেবল হত্যার পর তাদের সাথে কী ঘটে তার মধ্যে। ১২টি আলাদা আলাদা নারী-কেন্দ্রিক প্রতিরক্ষা কোনো নারীকে পরিকল্পিত খুনের অভিযোগ থেকে মুক্তি দিতে বা সাজা কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। কোনো পুরুষই একই পরিস্থিতিতে এই যুক্তিগুলো ব্যবহার করে সফল হয়নি। ** পৃষ্ঠা ২৫৪ * এটিই হলো “নির্দোষ নারী প্রতিরক্ষা”-র ভিত্তি—অর্থাৎ “নির্দোষ নারী নীতি”: নারীরা যখন বলে যে তারা সহিংসতায় জড়িত নয় তখন তাদের বিশ্বাস করা হয় এবং যখন তারা বলে যে তারা সহিংসতায় দোষী তখন তাদের খুব সহজেই সন্দেহ করা হয়। ** পৃষ্ঠা ২৫৫ * ''ফ্যারেলের অন্য এগারোটি প্রতিরক্ষা হলো ‘পিএমএস প্রতিরক্ষা’; ‘স্বামী প্রতিরক্ষা’ (ওয়ারেন, আমি পুরোপুরি জানি না কীভাবে এটি সংক্ষেপে বলব—আমি নিশ্চিত নই যে আমি এটি বুঝতে পেরেছি কি না); ‘নির্যাতিতা নারী সিনড্রোম’ প্রতিরক্ষা যা ‘শেখানো অসহায়ত্ব’ নামেও পরিচিত; ‘বিষণ্ণ মা’ প্রতিরক্ষা; ‘মায়েরা হত্যা করে না’ প্রতিরক্ষা; ‘শিশুদের মায়ের প্রয়োজন’ প্রতিরক্ষা; ‘বাবাকে দোষ দাও, মাকে বোঝো’ প্রতিরক্ষা; ‘আমার সন্তান, একে নির্যাতনের অধিকার আমার’ প্রতিরক্ষা; ‘সাজা কমানোর চুক্তির’ প্রতিরক্ষা; ‘সভেনগালি প্রতিরক্ষা’ এবং ‘চুক্তিতে হত্যা’ প্রতিরক্ষা।'' ** অধ্যায় ১২ * প্রতিটি যুদ্ধের অভিজ্ঞ পুরুষরাই পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের মাধ্যমে ‘নির্যাতিত পুরুষ সিনড্রোমে’ ভোগেন। এর মানসিক ফলাফল বছরের পর বছর তাদের সাথে থাকে। কিন্তু যদি ভুক্তভোগী কেউ এজেন্ট অরেঞ্জ স্প্রে করার আদেশ দেওয়ার জন্য অ্যাডমিরাল জুমওয়াল্টকে হত্যা করে তবে তাকে খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হবে। নির্যাতিত পুরুষ সিনড্রোমে ভোগা পুরুষদের তাদের নির্যাতনকারীকে আক্রমণ করার এবং একে আত্মরক্ষা বলার অনুমতি দেওয়া হয় না। ** পৃষ্ঠা ২৬৪ * চুক্তিতে করা হত্যাগুলো কখনোই কোনো নারীর পুরুষকে হত্যা করা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয় না। ** পৃষ্ঠা ২৮১ * আমরা তখনই নির্যাতন এবং হত্যা কমাতে পারি যখন আমরা বুঝব যে উভয় লিঙ্গের ক্ষেত্রেই নির্যাতন ক্ষমতা থেকে নয় বরং ক্ষমতার অভাব থেকে আসে। ** পৃষ্ঠা ২৮২ * কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি দক্ষতার পুরস্কারকে আকর্ষণীয় হওয়া এবং যৌন সহজলভ্যতার পুরস্কারের সাথে গুলিয়ে ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৮৪-৫ * একজন পুরুষের কাজ তখনই অবৈধ হবে যদি কোনো নারী মনে করে যে এটি একটি ‘প্রতিকূল পরিবেশ’ তৈরি করছে এবং যদি পুরুষটি সেই অপরাধ করে থাকে... ‘প্রতিকূল পরিবেশ’-এর সংজ্ঞা কে দেয়? নারীটি। এমনকি পুরুষটির উদ্দেশ্য কী ছিল তা আইনের ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য তৈরি করে না। অন্যান্য সকল অপরাধমূলক আচরণের ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এমনকি খুনের ক্ষেত্রেও। যৌন হয়রানি সংক্রান্ত বর্তমান আইন সকল পুরুষকে সকল নারীর তুলনায় অসমান করে দেয়। এটি সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর লিঙ্গ নির্বিশেষে সমান সুরক্ষার গ্যারান্টিকে সরাসরি লঙ্ঘন করে। এভাবেই কেবল নারীদের রক্ষা করার রাজনৈতিক ইচ্ছা উভয় লিঙ্গকে সমানভাবে রক্ষা করার সাংবিধানিক আদেশের চেয়ে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত বর্তমান আইন সকল পুরুষকে সকল নারীর তুলনায় অসমান করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * এক দশকে নারীরা কর্মক্ষেত্রে আপত্তিকর কৌতুকের বিরুদ্ধে যতটা সুরক্ষা পেয়েছে পুরুষেরা কয়েক শতাব্দীতেও কর্মক্ষেত্রে নিহত হওয়ার বিরুদ্ধে ততটা সুরক্ষা পায়নি। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইনগুলো পুরুষদের কাছে অন্যায্য মনে হয় কারণ তারা যদি কোনো জাতিগত কৌতুক বা কোনো নারীর পর্নোগ্রাফি নিয়ে আলোচনা করা বা বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার বিরুদ্ধে মামলা করত তবে তাদের নিয়ে হাসাহাসি করা হতো। ** পৃষ্ঠা ২৮৯ * এক অর্থে যৌন হয়রানি সংক্রান্ত মামলাগুলো হলো নারী নির্বাচনের প্রক্রিয়ার সবশেষ সংস্করণ—যা তাকে এমন পুরুষ বেছে নিতে সাহায্য করে যে তার ক্যারিয়ার ঝুঁকির মুখে ফেলার মতো তার প্রতি যত্নশীল। যার মধ্যে অভদ্র না হয়েও উদ্যোগ নেওয়ার দক্ষতা এবং মামলা হওয়ার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও উদ্যোগ নেওয়ার সাহস আছে... অতীতে তার এই বাধাগুলো অতিক্রম করার প্রক্রিয়াকে ‘কোর্টশিপ’ বলা হতো। এখন একে ‘কোর্টশিপ’ অথবা ‘যৌন হয়রানি’ বলা হয়। ** পৃষ্ঠা ২৯১ * যখন একজন পুরুষ কোনো নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয় তখন যৌন উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা তার ক্ষমতা বাড়ায় না বরং তাকে স্থবির করে দেয়। মামলার ভয় কেবল সেই স্থবিরতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। বিদ্রূপের বিষয় হলো পরিস্থিতি যত বিপজ্জনক হয় ‘নোংরা কৌতুক বলা’ ততটাই পরিস্থিতি বোঝার উপায় হিসেবে কাজ করে: যদি সে হাসে তবে হয়তো সে আগ্রহী; যদি সে বিরক্ত হয় তবে হয়তো সে আগ্রহী নয়। সে অনেক বেশি শক্তিশালী বোধ করত যদি নারীটি নিজে পরিস্থিতি বোঝার দায়িত্ব নিত। ** পৃষ্ঠা ২৯৪ * যদি একজন নারী কর্মী বিরক্ত বোধ করেন তবে তার বসের ইচ্ছা থাকে যে তিনি তাকে সেটা বলুক, মামলা না করুক। ** পৃষ্ঠা ২৯৪ * হেজিং হলো দলের কাছে নিজেকে সমর্পণ করার পরীক্ষা এবং প্রশিক্ষণ উভয়ই। ** পৃষ্ঠা ২৯৫ * যদি কোনো নারীকে এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে না হয় তবে তাকে আসলে যাচাই করা হচ্ছে না; তাই তাকে বিশ্বাসও করা হচ্ছে না। ** পৃষ্ঠা ২৯৫ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইন প্রায়ই একটি প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করে যা নারীকে শিশুর মতো করে উপস্থাপন করে। ** পৃষ্ঠা ২৯৭ * কর্মক্ষেত্রে আসলে সাত ধরনের যৌন মিথস্ক্রিয়া ঘটে... যৌন ব্ল্যাকমেইল। একজন বস কোনো কর্মীকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য হুমকি দেয় অন্যথায় তাকে বরখাস্ত করা হবে... যৌন ঘুষ। একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যৌনতার বিনিময়ে পদোন্নতির প্রতিশ্রুতি দেয়। এটি স্পষ্ট বা পরোক্ষ হতে পারে... কর্মক্ষেত্রের বেশ্যাবৃত্তি। পদোন্নতির বিনিময়ে একজন কর্মী যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে; একজন বিক্রয়কর্মী কোনো পণ্য বিক্রির জন্য যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে। যৌনতা দেওয়া হতে পারে বা কেবল প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতে পারে... কর্মক্ষেত্রের ইনসেস্ট। কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক। কর্মক্ষেত্রে পরিবারের মতো ক্ষমতার স্তর থাকে যা যৌন সম্পর্কের ফলে অস্পষ্ট হয়ে যায়... যৌন হয়রানি। একজন কর্মী ‘না’ বলার পরেও কর্মক্ষেত্রে বারবার যৌন প্রস্তাব দেওয়া... কর্মক্ষেত্রে ফ্লার্টেশন। ইঙ্গিতপূর্ণ পোশাক, চোখে চোখে কথা বলা, স্পর্শ এবং চোখের সংকেতের সমন্বয়... কর্মক্ষেত্রের পর্নোগ্রাফি। গ্রুপে পিনআপ ছবি, অশ্লীল কৌতুক এবং যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলা... ** পৃষ্ঠা ২৯৭-৯ * সমাধান: (...) অন্য লিঙ্গের ভালো উদ্দেশ্য বোঝার চেষ্টা করুন। ** পৃষ্ঠা ৩০৬ * আদি নারীবাদীরা এটি বুঝতে পেরেছিলেন: তারা সুরক্ষামূলক আইনের কট্টর বিরোধী ছিলেন। তারা জানতেন যতক্ষণ রাজকন্যাকে একটি মটরশুঁটি থেকে রক্ষা করা হবে ততক্ষণ নারীরা সমতা থেকে বঞ্চিত হবে। আধুনিক দিনের নারীদের জন্য সেই ‘মটরশুঁটি’ হলো কর্মক্ষেত্রের কঠিন পরিস্থিতি। আজকের নারীবাদীরা যখন সুরক্ষামূলক আইনের সমর্থক হন তখন তারা আসলে সমতার বিরোধিতা করেন। যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইন লিঙ্গবৈষম্যমূলক কারণ এটি যৌন মিলনের খেলায় কেবল পুরুষকেই পুরুষালি ভূমিকার জন্য দায়ী করে। ** পৃষ্ঠা ৩০৭ * মিথ। ধর্ষণ হলো পুরুষদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ। সত্য। একজন শ্বেতাঙ্গ পুরুষের তুলনায় একজন কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষের ধর্ষক হিসেবে অভিযুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তিন গুণ বেশি। কৃষ্ণাঙ্গদের কি হঠাৎ করে বেশি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা হয়ে গেছে? সম্ভবত ধর্ষণ ক্ষমতা থেকে আসে না বরং ক্ষমতার অভাব থেকে আসে। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * এটিও সম্ভব যে একজন নারী কোনো পুরুষের ঘরে গেল এবং তাকে বলল যে সে শারীরিক সম্পর্ক করতে চায় না এবং সে এটি বিশ্বাসও করে। কিন্তু পরে চুম্বন শুরু হলে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়ে যায় এবং সকালে সে অনুতাপ করে। কীভাবে? চুম্বন হলো পটেটো চিপস খাওয়ার মতো। আমরা বোঝার আগেই যতটুকু বলেছিলাম তার চেয়ে বেশি করে ফেলি। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * ধর্ষণের ক্ষেত্রে যৌন আকর্ষণের ভূমিকা অস্বীকার করা মানে নারীর যৌন সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষদের আসক্তিকে শক্তিশালী করার এবং পরে সেই আসক্তি থেকে তাদের বঞ্চিত করার জন্য আমাদের দায়িত্বকে অস্বীকার করা। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * যৌন আচরণের প্রতিটি বিচারের সমস্যা হলো এটি এমন সব মানুষ করে যারা বিচারের সময় উত্তেজিত অবস্থায় থাকে না। একজন জুরি যখন একটি শান্ত আদালতে একজন নারীকে দেখে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করে যে সে কী চেয়েছিল এবং ধরে নেয় যে বাকি যা কিছু ঘটেছে তার সব দায় পুরুষের, তবে এটি কেবল সেই নারীকেই নয় বরং যৌনতার শক্তিকেও অপমান করা। ** পৃষ্ঠা ৩১২ * একজন নারীর ইচ্ছার চেয়ে বেশি যৌন সম্পর্ক করার পর কোনো পুরুষের বিরুদ্ধে মামলা করা অনেকটা পটেটো চিপস বেশি খাওয়ার জন্য চিপস কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করার মতো। সংক্ষেপে ডেট রেপ একটি অপরাধ, একটি ভুল বোঝাবুঝি অথবা পরে অনুশোচনা হওয়ার মতো বিষয় হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩১২ * ডেট রেপ শব্দটি যখন নারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে নাটকীয় দিকটি বোঝাতে সাহায্য করেছে, পুরুষদের কাছে তেমন কোনো শব্দ নেই যা তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে যন্ত্রণাদায়ক দিকটি বোঝাতে পারে। অবশ্যই এখন সবচাইতে যন্ত্রণাদায়ক দিকটি হলো এমন একজন নারীর মাধ্যমে ডেট রেপের অভিযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা যাকে সে ভালোবাসত। যদি পুরুষেরা তাদের চিরাচরিত ভূমিকার খারাপ দিকগুলোকে চিহ্নিত করত তবে তারা সেগুলোকে “ডেট ডাকাতি”, “ডেট প্রত্যাখ্যান”, “ডেট দায়িত্ব”, “ডেট জালিয়াতি” এবং “ডেট মিথ্যাচার” বলতে পারত। ** পৃষ্ঠা ৩১৩ * অনেক পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে খারাপ দিকটি হলো এটি কীভাবে তার কাছে সামাজিক নিয়মের মাধ্যমে ডাকাতির মতো মনে হতে পারে—যেখানে সে পকেট থেকে টাকা বের করে তাকে দেয় এবং একে ডেট বলে। একজন তরুণের কাছে সবচাইতে খারাপ ডেট হলো লুণ্ঠিত এবং প্রত্যাখ্যাত হওয়ার মতো। ছেলেরা প্রত্যাখ্যান এড়াতে মৃত্যুর ঝুঁকি পর্যন্ত নেয় (যেমন সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া)। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * প্রত্যাখ্যাত হওয়ার জন্য টাকা খরচ করার একটি বিকেল বা সন্ধ্যা কোনো পুরুষের কাছে ডেট রেপের পুরুষ সংস্করণ মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * যদি কোনো পুরুষের নারীর মৌখিক “না”-কে উপেক্ষা করা ডেট রেপ হয় তবে যে নারী মুখে “না” বললেও শারীরিক ভাষায় “হ্যাঁ” বলে সে ডেট জালিয়াতি করছে। আর যে নারী “না” বলার পরেও যৌন সম্পর্ক চালিয়ে যায় সে ডেট মিথ্যাচার করছে। নারীরা কি এখনো এটি করে? দুই জন নারীবাদী গবেষণায় দেখেছেন যে উত্তরটি হলো হ্যাঁ। প্রায় ৪০ শতাংশ কলেজ ছাত্রী স্বীকার করেছেন যে তারা যৌনতার ক্ষেত্রে “না” বলেছিলেন এমনকি “যখন তারা মনে মনে হ্যাঁ চেয়েছিলেন”। দেড় লক্ষাধিক পুরুষ ও নারীর সাথে আমার নিজের কাজেও উত্তরটি হ্যাঁ। প্রায় সব অবিবাহিত নারী স্বীকার করেছেন যে তারা কোনো ছেলের জায়গায় “কেবল কথা বলতে” যেতে রাজি হয়েছেন কিন্তু তবুও তার প্রথম চুম্বনে সাড়া দিয়েছেন। প্রায় সবাই স্বীকার করেছেন যে তারা সম্প্রতি এমন কথা বলেছেন যে ‘আজ এই পর্যন্তই থাক’, যদিও তখনো তারা চুম্বন করছিলেন। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * আমরা ভুলে গেছি যে একে ডেট রেপ এবং ডেট জালিয়াতি বলার আগে আমরা একে উত্তেজনাপূর্ণ বলতাম। ** পৃষ্ঠা ৩১৪-৩১৫ * কোনোভাবেই নারীদের রোমান্স উপন্যাসের শিরোনাম ‘আমি যখন না বললাম সে তখন থেমে গেল’ এমন হয় না। সেগুলোর শিরোনাম হয় ‘সুইট স্যাভেজ লাভ’ যেখানে নারী সেই নম্র প্রেমিকের হাত প্রত্যাখ্যান করে যে তাকে ধর্ষকের হাত থেকে বাঁচায় এবং সেই পুরুষকে বিয়ে করে যে তাকে বারবার এবং পাশবিক ভাবে ধর্ষণ করে। এই “ধর্ষককে বিয়ে করার” থিমটিই ‘সুইট স্যাভেজ লাভ’ উপন্যাসকে কেবল একটি সেরা বই নয় বরং নারীদের সবচাইতে জনপ্রিয় রোমান্স উপন্যাসে পরিণত করেছে। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে একজন নারীর “না”-গুলোকে সম্মান করা হোক এবং তার “হ্যাঁ”-গুলোকেও সম্মান করা হোক। আর এটিও গুরুত্বপূর্ণ যে যখন তার শারীরিক “হ্যাঁ”-গুলো (জিহ্বার স্পর্শ বজায় থাকা) মৌখিক “না”-গুলোর সাথে সংঘর্ষ হয় তখন “না”-এর চেয়ে “হ্যাঁ” বেছে নেওয়ার জন্য পুরুষটিকে যেন জেলে না যেতে হয়। সে হয়তো কেবল তার কল্পনা পূরণ করার চেষ্টা করছিল। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * আমরা প্রায়ই শুনি “ধর্ষণ তো ধর্ষণই, তাই না?” না। ছুরির মুখে কোনো অপরিচিত ব্যক্তির কোনো নারীর ওপর চড়াও হওয়া আর মাতাল অবস্থায় কোনো পুরুষ ও নারীর যৌন সম্পর্ক করার পর সকালে অনুতাপ করা এক বিষয় নয়। পার্থক্য কী? একজন নারী যখন ডেটে যেতে রাজি হয় তখন সে যৌন সম্পর্কের সিদ্ধান্ত নেয় না ঠিকই কিন্তু সে যৌন সম্ভাবনার পথ খোলার সিদ্ধান্ত নেয়। কোনো অপরিচিত বা পরিচিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে নারী এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * ধর্ষণের ব্যাপক সংজ্ঞাসহ আইনগুলো অনেকটা পুরুষদের জন্য ঘণ্টায় ৫৫ মাইল গতির সীমা আর নারীদের জন্য কোনো গতির সীমা না রাখার মতো। ** পৃষ্ঠা ৩১৭ * বিদ্রূপের বিষয়: মদ্যপান করে গাড়ি চালানোর জন্য যখন আমরা মানুষকে ক্রমেই বেশি দায়ী করছি, তখন মদ্যপান করে যৌন সম্পর্ক করার জন্য আমরা নারীদের ক্রমেই কম দায়ী করছি। ** পৃষ্ঠা ৩২০ * যৌনতার ক্ষেত্রে অবশ্যই দুই লিঙ্গ সমান নয়। এটি মূলত নারীর অধিকতর যৌন ক্ষমতা যা একজন পুরুষকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার এতটাই ভীত করে তোলে যে সে তার ভয় কমাতে মদ্যপান করে। আসলে নারীর যৌন ক্ষমতা প্রায়ই পুরুষকে মদ্যপানের দিকে নিয়ে যায় কিন্তু পুরুষের যৌন ক্ষমতা খুব কমই নারীকে মদ্যপানের দিকে নিয়ে যায়। যদি তার ওপর নারীর ক্ষমতার কোনো প্রমাণ থাকে তবে সেটি হলো কোনো বিনিময় ছাড়াই তাকে নারীর জন্য পানীয় কিনতে টাকা খরচ করতে হয়। পুরুষরাই—নারীদের চেয়ে অনেক বেশি—মানসিক সক্ষমতা হারায় যখন তারা একজন সুন্দরী নারীর “প্রভাবে” থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩২০ * যতক্ষণ সমাজ পুরুষদের যৌনতার বিক্রেতা হতে বলে ততক্ষণ সমাজ যদি কেবল পুরুষদের জেলে পাঠায় যখন তারা ভালোভাবে বিক্রি করে তবে তা লিঙ্গবৈষম্যমূলক। আমরা অন্যান্য বিক্রেতাদের ক্লায়েন্টকে পানীয় খাওয়ানোর জন্য বা সফলভাবে “না”-কে “হয়তো”-তে এবং পরে “হ্যাঁ”-তে রূপান্তর করার জন্য জেলে পাঠাই না। যদি ক্লায়েন্ট অতিরিক্ত মদ্যপানের সিদ্ধান্ত নেয় এবং “হ্যাঁ” বলাটা তার ভুল সিদ্ধান্ত হয় তবে ক্লায়েন্টকেই বরখাস্ত করা হয়, বিক্রেতাকে নয়। ** পৃষ্ঠা ৩২১ * প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের মাধ্যমে পুরুষদের সবচাইতে বেশি ধর্ষিত হওয়ার উপায় হলো “জন্ম নিয়ন্ত্রণ ধর্ষণ”। ** পৃষ্ঠা ৩৩৫ * পুরুষদের অধিকাংশ ধর্ষণ কারাগারেই ঘটে। কিন্তু কারাগারের বাইরেও প্রায় ৯ শতাংশ নথিভুক্ত ধর্ষণ পুরুষদের বিরুদ্ধে হয়ে থাকে (সম্ভবত বেশিরভাগই পুরুষদের দ্বারা করা তবে কেউ নিশ্চিত নয়)। কারাগারের বাইরে ধর্ষণ পুরুষদের জন্য ঠিক তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমনটা নারীদের জন্য এইডস—এইডসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের প্রায় ১০ শতাংশ নারী। আমরা কি পুরুষদের ধর্ষিত হওয়া সম্পর্কে বেশি শুনি নাকি নারীদের এইডস হওয়া সম্পর্কে? ** পৃষ্ঠা ৩৩৫ * আমরা এখনো বুঝি না যে যখন আমরা পুরুষদের অবহেলা করি তখন আমরা নারীদের ধর্ষণ করি। ** পৃষ্ঠা ৩৩৬ * মিস জরিপ একে ধর্ষণ বলতে পারে; একজন সম্পর্ক বিষয়ক পরামর্শদাতা একে একটি সম্পর্ক বলবে। দাম্পত্য ধর্ষণের আইন হলো ব্ল্যাকমেইল হওয়ার অপেক্ষায় থাকা একটি সুযোগ। ** পৃষ্ঠা ৩৩৮ * এই সবকিছুর সমাধান অপরাধী সাব্যস্ত করা নয় বরং সামাজিকীকরণ পরিবর্তন করা। ** পৃষ্ঠা ৩৪০ * যদি আইন আমাদের “হ্যাঁ” এবং “না”-কে শাসন করার চেষ্টা করে তবে এটি “দা স্ট্রেইটজ্যাকেট জেনারেশন” তৈরি করবে—এমন এক প্রজন্ম যারা ফ্লার্ট করতে ভয় পাবে এবং আদালতে নিজেদের প্রেমের চিঠি খুঁজে পাওয়ার ভয়ে ভীত থাকবে। ডেট রেপ সংক্রান্ত আইন প্রেম নিবেদন বা কোর্টশিপের পথ বন্ধ করে দিয়ে আদালতে মামলা করার পথ তৈরি করবে। নারীদের ক্ষমতায়ন ডেট রেপ থেকে সুরক্ষার মধ্যে নেই বরং উভয় লিঙ্গকে ডেটের উদ্যোগ এবং খরচ ভাগ করে নেওয়ার সামাজিকীকরণের মধ্যে রয়েছে যাতে ডেট রেপ এবং ডেট জালিয়াতি উভয়ই কমে যায়। যখন পুরুষেরা দ্রুত উদ্যোগ নেয় না তখন তাদের “কাপুরুষ” বলে, যখন নেয় তখন “ধর্ষক” বলে এবং যখন তারা এটি ভুলভাবে করে তখন তাদের “ছোটলোক” বলে আমরা ডেট রেপ বন্ধ করতে পারি না। আমরা যদি কেবল পুরুষদের ওপর ভালো ফল করার চাপ বাড়াই তবে এটি পুরুষদের নারীদের বস্তু হিসেবে দেখার প্রয়োজনীয়তাকে আরও বাড়িয়ে দেবে—যা আরও ধর্ষণের দিকে নিয়ে যাবে। পুরুষেরা ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের ধর্ষক হবে যতক্ষণ পুরুষেরা আমাদের উদ্যোগ গ্রহণকারী হবে... ডেট রেপ সংক্রান্ত আইনগুলো ডেট ঘৃণা করার একটি পরিবেশ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ৩৪০ * বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকার নারীদের জন্য এমন কিছু করেছে যা শ্রমিক ইউনিয়নগুলো এখনো পুরুষদের জন্য করতে পারেনি। আর পুরুষেরা শ্রমিক ইউনিয়নের জন্য চাঁদা দেয়; করদাতারা নারীবাদের জন্য চাঁদা দেয়। নারীবাদ এবং সরকার খুব দ্রুতই করদাতা সমর্থিত নারী ইউনিয়নে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৪৪ * নিয়োগকর্তারা নিয়োগ এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে লিঙ্গবৈষম্য করতে বাধা পায় না। ** পৃষ্ঠা ৩৪৪ * আমরা বন্য ভালুক এবং ডলফিনকে ‘ফ্রি’ খাবার দেওয়া নিষিদ্ধ করেছি কারণ আমরা জানি যে এমন খাবার তাদের নির্ভরশীল করে তুলবে এবং তাদের বিলুপ্তির দিকে নিয়ে যাবে। কিন্তু যখন আমাদের নিজেদের প্রজাতির কথা আসে তখন আমরা স্বল্পমেয়াদী দয়া এবং দীর্ঘমেয়াদী নিষ্ঠুরতার মধ্যে সম্পর্ক দেখতে পাই না; আমরা নারীদের বেশি সন্তান নেওয়ার জন্য টাকা দিই যা তাদের প্রতিটি সন্তানের সাথে আরও নির্ভরশীল করে তোলে এবং তাদের নিজেদের জন্য লড়াই করার ক্ষমতা তৈরিতে নিরুৎসাহিত করে। নারীদের বিরুদ্ধে আসল বৈষম্য হলো এই ‘ফ্রি ফিডিং’। ** পৃষ্ঠা ৩৪৬ * অনেক কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ চলে যায় কারণ তারা আর্থিকভাবে দায়িত্বশীল—মানসিকভাবে দায়িত্বহীন হওয়ার কারণে নয়। ** পৃষ্ঠা ৩৪৮ * যখন সরকারি ভর্তুকি কোনো শিশুকে তার বাবার সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত করে তখন সরকার আসলে শিশু নির্যাতনকেই সহায়তা করছে। ** পৃষ্ঠা ৩৪৮ * যদি কেউ কোনো নোংরা কৌতুক বলে তবে তার বিরুদ্ধে ‘প্রতিকূল পরিবেশের’ অভিযোগ এনে কোনো কোম্পানিকে মামলা করার প্রশিক্ষণ দিয়ে আমরা আসলে নারীদের বিকল্প স্বামী বা বাবার কাছে অর্থাৎ সরকারের কাছে দৌড়াতে শেখাচ্ছি। এটি কোম্পানিগুলোকে নারীদের ভয় পেতে শেখায় কিন্তু সম্মান করতে শেখায় না। কর্মক্ষেত্রে সফল হওয়ার জন্য আমরা নারীদের যে সেরা প্রস্তুতি দিতে পারি তা হলো মামলা করার চেয়ে বাধাগুলো অতিক্রম করার শক্তি দেওয়া: সফল মানুষেরা মামলা করে না তারা সফল হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫১ ==== চতুর্থ খণ্ড: এখান থেকে আমরা কোথায় যাব ==== * আদর্শগতভাবে কেবল একটি পুরুষ আন্দোলন না হয়ে বরং একটি লিঙ্গ পরিবর্তনকালীন আন্দোলন হওয়া উচিত; শুধুমাত্র নারী আন্দোলনের প্রভাবই একটি পুরুষ আন্দোলনের সাময়িক প্রয়োজনীয়তা তৈরি করে। এবং এটি পুরুষদের জন্য একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ তৈরি করে: খুব কম রাজনৈতিক আন্দোলনই সুস্থ মানুষদের দিয়ে গঠিত হয়, তবুও রাজনৈতিক আন্দোলন ছাড়া খুব কমই ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে। ** পৃষ্ঠা ৩৫৬ * পুরুষদের ক্ষেত্রে আমরা ভুক্তভোগীকেই দোষারোপ করি। আমরা পুরুষদের দোষ দিই কারণ আমরা তাদের নিপীড়নকারী হতে শিখিয়ে পুরুষদের ভুক্তভোগী হওয়ার বিষয়টি আড়াল করেছি। পুরুষদের নিপীড়নকারী পরিচয় তাদের ভুক্তভোগী পরিচয়কে আড়াল করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫৭ * কাঠামো, (...) * নারীর সৌন্দর্য এবং যৌনতার প্রতি আসক্তি; * সুন্দরী নারী এবং তার সাথে যৌনতা থেকে বঞ্চিত হওয়া যতক্ষণ না পুরুষ তার বিনিময়ে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিচ্ছে; (...) ** পৃষ্ঠা ৩৫৮ * মানুষ সাধারণত নিজেদের স্বীকার করে নেওয়ার মাধ্যমেই পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু করে। এভাবেই কৃষ্ণাঙ্গরা তাদের গর্ব প্রকাশ করেছিল এবং বলেছিল যে কালো মানেই সুন্দর; নারীরা ঘোষণা করেছিল “আমি নারী, আমি শক্তিশালী”; আর পুরুষেরা বলছে “আমি পুরুষ, আমি ঠিক আছি”। পঁচিশ বছর ধরে পুরুষদের অপদস্থ করার পর এটি মন্দ শুরু নয়। ** পৃষ্ঠা ৩৬১ === জোনাথন রবিনসনের নেওয়া সাক্ষাৎকার (১৯৯৪) === <small>জোনাথন রবিনসনের ''ব্রিজেস টু হেভেন: হাউ ওয়েল-নোন সিকারস ডিফাইন অ্যান্ড ডিপেন দেয়ার কানেকশন উইথ গড'' (ওয়ালপোল, এনএইচ: স্টিলপয়েন্ট, ১৯৯৪) থেকে নেওয়া; এটি বিভিন্ন 'সিকার' সাক্ষাৎকারের একটি সংকলন।</small> * আমি যখন খাবার খাই তখন আমি সেই সব মানুষের কথা ভাবি যাদের পরিশ্রম আমার পুষ্টির যোগান দিয়েছে। এই ভাবনাটি আমার কৃতজ্ঞতাবোধকে বাড়িয়ে দেয়। আমি আশা করি এটি আপনাকেও পুষ্ট করবে। * একইসাথে সসীম এবং অসীম, অনেক কিছু আবার খুব সামান্য, সচেতন হয়েও নেহাতই আকস্মিক হওয়ার এই রহস্য আমাকে অবাক করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৪৬-৪৭ * আমার কাছে আমি যা জানি না তার বিশালতাই হলো ঈশ্বরকে অনুভব করার একটি পথ। এটি আমার মধ্যে নম্রতা এবং কৃতজ্ঞতার জন্ম দেয়। ** পৃষ্ঠা ৪৭ * আমি যখন অনেক ভালোবাসা পাই অথবা যখন মানুষকে লালন করি ও সাহায্য করি তখন আমার অভিজ্ঞতা আরও গভীর হয়। আমি এক বৃহত্তর উদ্দেশ্য এবং অর্থের সাথে যুক্ত বোধ করি। ** পৃষ্ঠা ৭১ * যখন আমি মানুষকে তাদের সেরাটা অর্জন করতে সাহায্য করার সেই বৃহত্তর বোধ হারিয়ে ফেলি তখন আমার ভেতরের ঈশ্বরের সাথে যোগাযোগ কমে যায়। ** পৃষ্ঠা ১০১ * ইতিহাসে এই প্রথম আমরা এত উচ্চ পর্যায়ের বিলাসিতা উপভোগ করছি। তাই ঈশ্বরকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * নিজেদের সচেতন সত্তার যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে আমরা নিজেদের পাশাপাশি অন্যদের শান্তি বজায় রাখতেও অবদান রাখি। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * আমার বাবা-মা যদি এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ আগেও বা পরেও মিলিত হতেন তবে আমার অস্তিত্ব থাকত না। কেবল জীবন পাওয়াটাই কত বড় এক অলৌকিক ঘটনা। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * মাঝে মাঝে যখন আমি আমার অতীতের দিকে ফিরে তাকাই তখন আমার মনে হয় যে আমি যা কিছুর মধ্য দিয়ে গিয়েছি তা আমাকে বর্তমান কাজের জন্য উপযুক্ত করে তৈরি করেছে। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমার কাছে ঈশ্বর হলো সারা জীবনে সঞ্চিত আমার সমস্ত জ্ঞান। আমি যখন মনোযোগ দিই তখন আমার শরীরই সেই জ্ঞানের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। ** পৃষ্ঠা ১৮৩ === ''উইমেন কান্ট হিয়ার হোয়াট মেন ডোন্ট সে'' (২০০০) === * তিরিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে কর্মশালা পরিচালনা করার অভিজ্ঞতায় কেউ কখনো আমাকে বলেনি, “ওয়ারেন, আমি বিচ্ছেদ চাই—আমার সঙ্গী আমাকে বোঝে।” ** পৃষ্ঠা ১৫ * একজন পুরুষ তার অনুভূতি প্রকাশ করে নয় বরং অনুভূতি দমন করার মাধ্যমেই সফল হয়। ** পৃষ্ঠা ১৬ * কোনো লিঙ্গ যখন তার অনুভূতি প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকে তার কারণ প্রায় সব সময়ই হলো তারা মনে করে না যে সেখানে অনুভূতি প্রকাশের মতো কোনো নিরাপদ পরিবেশ আছে। ** পৃষ্ঠা ১৬ * একজন পুরুষ ভয় পায় যে তার স্ত্রীর সাথে বিবাদ অন্তরঙ্গতা বাড়ানোর বদলে বরং তা কমিয়ে দেবে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * আমাদের সঙ্গী নির্বাচন সম্ভবত আমাদের জীবনদর্শনের সবচাইতে স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। তাই যখন আমরা কোনো কিছুর জন্য আমাদের সঙ্গীকে দোষ দিই, তখন আসলে আমাদের নিজেদেরই মুখোমুখি হওয়া উচিত। তা এই ভেবে নয় যে “হ্যাঁ, আমি ভুল নির্বাচন করেছি,” বরং এই ভেবে যে “এই নির্বাচন আমার মূল্যবোধকে কীভাবে প্রতিফলিত করছে?” ** পৃষ্ঠা ১৭ * পুরুষদের অনুভূতি প্রকাশে সহায়তা করার বিষয়ে যদি আমরা সত্যিই আন্তরিক হই তবে নারী-পুরুষের মধ্যকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এবং দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রশ্ন করা এবং পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮ * মানুষ গত ১০,০০০ বছরেরও বেশি সময় ব্যয় করেছে অন্য পক্ষের সাথে লড়াই এবং বিতর্ক করতে শিখতে কিন্তু একে অপরের কথা শুনতে বা সহানুভূতি প্রকাশ করতে শেখার জন্য প্রায় কোনো সময়ই ব্যয় করেনি। ** পৃষ্ঠা ১৮ * সত্য হলো যে রাগ প্রকাশ করতে এবং সমালোচিত হতে সবাই অস্বস্তি বোধ করে। রাগ এবং সমালোচনা প্রত্যাখ্যানের জন্ম দেয়। আর সবাই প্রত্যাখ্যানকে ঘৃণা করে। ** পৃষ্ঠা ২১ * যখন একজন নারী ভয় প্রকাশ করে তখন আমরা তাকে তার দায়িত্ব থেকে মুক্তি না দিয়ে আশ্বস্ত করতে পারি না; কিন্তু যখন আমরা পুরুষের সেই একই আবেগকেই রাগ হিসেবে দেখি তখন আমরা তাকে দোষারোপ করতে চাই এবং চাই সে যেন নিজের দায়িত্ব স্বীকার করে। আমরা তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চাই আর তাকে দোষী সাব্যস্ত করতে চাই। ** পৃষ্ঠা ২২ * আমরা অনুমোদন বা প্রশংসা প্রত্যাশীদের উত্তরসূরি। আমরা প্রশংসা পেতে এতটাই মরিয়া যে আমরা কখনো সবার সাথে মিশে গিয়ে তা পাওয়ার চেষ্টা করি আবার কখনো সবার চেয়ে আলাদা বা শ্রেষ্ঠ হয়ে তা পাওয়ার চেষ্টা করি। ** পৃষ্ঠা ২৪ * কথার চেয়ে কণ্ঠস্বরের ভঙ্গি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ২৫ * যদি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি সঙ্গীর ভালো উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করে তবে সাধারণত তা পাওয়া যায়। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যেকোনো পুরুষ যে দলগত খেলা খেলেছে সে “টিম স্পোর্ট এমপ্যাথি” নামক একটি দক্ষতা অনুশীলন করেছে: সে অন্য দলের পদক্ষেপগুলো অনুমান করার চর্চা করেছে। তার মানে হলো পরিস্থিতিকে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বোঝার চেষ্টা করা। ** পৃষ্ঠা ৩২ * নারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া পুরুষত্বেরই একটি বৈশিষ্ট্য। পুরুষেরা যখন রক্ষকের ভূমিকা পালন করে তখন তারা একজন নারীকে দুঃখ বা যন্ত্রণা থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। যদি তারা সেই দুঃখ বা যন্ত্রণার সামান্য আভাসও না পায় তবে তারা জানবে না কখন রক্ষা করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * সঙ্গীর সাথে দ্বিমত হওয়ার মুহূর্তে আমাদের অধিকাংশের মাথায় এটা আসে না যে আমাদের সঙ্গীর ইতিবাচক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলোর প্রশংসা করার জন্য সময় নেওয়া উচিত যা এমনকি সেই অবস্থানেও প্রতিফলিত হয় যার সাথে আমরা একমত নই। যখন আমরা তা করি তখন আমাদের সঙ্গী জানতে পারে যে সে যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন তাদের চরিত্রের প্রতি আমাদের বিশ্বাস কখনোই প্রশ্নবিদ্ধ হবে না। এটি প্রতিটি মতভেদকে ভালোবাসার একটি সম্ভাব্য উপহারে পরিণত করে। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * যখন আমরা কাউকে বিশ্বাস করি তখন আমরা বিনিময়ে বিশ্বাস পাই। আর যারা আমাদের বিশ্বাস করে তারা আমাদের প্রতি মনোযোগী হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * কোন বয়সে একটি শিশুকে সমালোচনা করা এবং গ্রহণ করার আরও ভালো উপায়গুলো শেখানো উচিত—যাকে আমি “সম্পর্কের ভাষা” বলি? স্কুল বয়সের আগেই। এর সেরা শিক্ষক কে? মা-বাবা। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * স্কুলগুলো বর্তমানে শিশুদের মতামত প্রকাশে উৎসাহিত করতে দক্ষ হলেও উদাহরণস্বরূপ, “ওহ, এটা তো আমার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আলাদা—আমাকে আরও বলো” এই ধরণের কথা বলতে উৎসাহিত করতে ব্যর্থ। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * শিশুদের কথা শুনতে না শিখিয়ে কেবল বিতর্ক করতে শেখানো হলো বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * যোগাযোগের সবচাইতে কঠিন অংশ হলো সমালোচনা শোনা যাতে তা সহজেই দেওয়া যায়। ** পৃষ্ঠা ৩৮ * আমরা সবাই কথা বলতে পারদর্শী কিন্তু শুনতে গেলে প্রতিবন্ধী। ** পৃষ্ঠা ৪০ * যেকোনো সমালোচনার প্রথম সহজাত প্রতিক্রিয়া হলো আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া। (প্রতিক্রিয়া যত দ্রুত হয় তা তত বেশি আত্মরক্ষামূলক হয়।) ** পৃষ্ঠা ৪০ * সমালোচনার বিপরীতে সকল আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিক। (অন্যের দৃষ্টিভঙ্গির আগে নিজের কথা চিন্তা করাটাই স্বাভাবিক।) ** পৃষ্ঠা ৪০ * সমালোচনাকারীকে থামিয়ে দেওয়া আমাদের বিবর্তনীয় অতীতের অংশ; সমালোচনার জবাবে মনোযোগ দিয়ে শোনা আমাদের বিবর্তনীয় ভবিষ্যতের অংশ। ** পৃষ্ঠা ৪১ * সমালোচনার জবাবে মনোযোগ দিয়ে শোনা আমাদের অভ্যন্তরীণ মনস্তত্ত্বের এমন একটি পরিবর্তন নির্দেশ করে যা সম্ভবত মানুষের করা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিবর্তনীয় পরিবর্তন। ** পৃষ্ঠা ৪১ * শোনা হলো অন্যদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নিজের ক্ষমতায়ন। ** পৃষ্ঠা ৪১ * পুরুষদের সাহায্যের প্রয়োজন নেই—এই বিশ্বাসটিই হলো সমস্যার একটি অংশ। * পুরুষেরা এখনো নারীদের পরিবর্তনের রক্ষক হিসেবে ভূমিকা পালন করছে এবং উভয় লিঙ্গই কেবল পুরুষদের কাছ থেকে নিজেদের পরিবর্তনগুলো নিজেরাই করার প্রত্যাশা করে। * পুরুষদের অনুভূতি প্রকাশে সাহায্য করার শুরুটা হয় পুরুষেরা কেন সেগুলো প্রকাশ করে না তা বোঝার মাধ্যমে। * অন্যদের জন্য কীভাবে আরও ভালো কাজ করা যায় সে সম্পর্কে নির্দেশনা দেওয়া আর জীবন নিয়ে নিজের অনুভূতি বা সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। * পুরুষদের দায়িত্বের ধরণ তাদের অনুভূতি থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে যেখানে নারীদের দায়িত্বের ধরণ অনুভূতি প্রকাশে উৎসাহিত করেছে। * পুরুষদের উপার্জিত অর্থ নারীদের ভালোবাসা এবং লালন করতে এবং একে অপরের সাথে যুক্ত থাকতে সাহায্য করেছে যাতে তারা লালনকারী হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে পুরুষেরা সেই অর্থ পেয়েছে এক ধরণের খুনি-রক্ষক হওয়ার বিনিময়ে। তারা একজন ‘হিউম্যান ডুইং’ (একজন ক্যাপ্টেন বা কয়লা খনি শ্রমিক) হয়ে ওঠার মাধ্যমে পারিশ্রমিক পেয়েছে, ‘হিউম্যান বিয়িং’ (সুখী বা দুঃখী অনুভব করতে পারা একজন মানুষ) হিসেবে নয়। * যেসব সমাজের পুরুষেরা যুদ্ধে নিজেদের উৎসর্গ করতে রাজি ছিল না সেই সমাজগুলো সাধারণত ধ্বংস হয়ে গেছে। সমাজগুলো খুনিদের মাধ্যমেই সুরক্ষিত ছিল, আর এ কারণেই আমি পুরুষদের প্রথাগত ভূমিকাকে খুনি-রক্ষক ভূমিকা বলি। * পুরুষদের ভয় এবং দুর্বলতার অনুভূতি প্রকাশ করা থেকে বিরত রাখার ক্ষেত্রে উভয় লিঙ্গেরই একটি অবচেতন স্বার্থ কাজ করত। * কোনো উপকথাই তার সন্তানদের শোনায় না যে সুন্দরী রাজকন্যারা বিবেকবান যুদ্ধ-বিরোধীদের প্রেমে পড়ছে। * যদি আমরা পুরুষদের অনুভূতি দমন করতে শিখিয়ে তার বদলে একজন ক্যাপ্টেন হওয়ার জন্য পুরস্কৃত করি তবে সে আমাদের রক্ষার জন্য মরতে রাজি হতে পারে; যদি আমরা তাকে একটি কয়লা খনিতে কাজ করার বিনিময়ে পরিবার চালানোর মতো যথেষ্ট অর্থ দিই তবে সে আমাদের উষ্ণ রাখার জন্য অকালে মরতে রাজি হতে পারে। কিন্তু এই সবকিছুর জন্য তাকে তার অনুভূতি বিসর্জন দিতে হয়েছে—যা একজন মানুষ হিসেবে তার ক্ষমতা—এবং তার বদলে তাকে ‘হিউম্যান ডুইং’ হিসেবে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে: অর্থাৎ অন্য কেউ খরচ করবে এমন অর্থ উপার্জনের দায়িত্ব নিয়ে নিজে অকালে মৃত্যুবরণ করা। * একজন ‘হিউম্যান ডুইং’ হয়ে ওঠা ছিল সমাজের ঠিক যা প্রয়োজন। কিন্তু একজন ব্যক্তি হিসেবে পুরুষের জন্য ‘হিউম্যান ডুইং’ হয়ে ওঠা ছিল তার নিজের সত্তাকে ধ্বংস করার নামান্তর। * এই সব কিছুই পুরুষদের জিনগত ঐতিহ্য। তবে পুরুষদের জিনগত ঐতিহ্য তাদের জিনগত ভবিষ্যতের সাথে সাংঘর্ষিক। * অতীতে পুরুষদের সেরা খুনি-রক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা ‘যোগ্যতমের’ টিকে থাকার দিকে নিয়ে যেত। ভবিষ্যতে পারমাণবিক প্রযুক্তির এই যুগে খুনিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া সবাইকে ধ্বংস করার দিকে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। * ভবিষ্যতে নারীরা ক্রমবর্ধমানভাবে এমন পুরুষদের চাইবে যারা তাদের লালন করতে পারে এবং তাদের সাথে একাত্ম হতে পারে। * ভবিষ্যতে নারীরা ক্রমবর্ধমানভাবে লালনকারী সঙ্গীদের চাইবে কারণ সে যা লালন করবে তার একটি অংশ হবে নারীর নিজের আত্মরক্ষার ক্ষমতা। * একাত্ম হতে এবং লালন করতে অনুভূতির সাথে যোগাযোগ থাকা কেবল সহায়কই নয় বরং এটি প্রয়োজনীয়। তাই পুরুষদের প্রথম কাজ—তাদের পরবর্তী বিবর্তনীয় কৌশল—হলো নিজের অনুভূতির সাথে সংযুক্ত হওয়া। * গত তিরিশ বছর ধরে নারী আন্দোলন নারীদের প্রায় প্রতিটি অনুভূতি প্রকাশে সমর্থন দিয়েছে। অন্য নারীদের কাছে। পুরুষদের কাছে। সমাজের কাছে। নারীদের অনুভূতি পাঠ্যক্রম, ওম্যান স্টাডিজ, টিভি স্পেশাল, টক শো এবং লাইফটাইম কেবলের বিষয়বস্তু হয়েছে। নারীদের অনুভূতিকে শিক্ষা এবং বিনোদন উভয়ই বলা হয়েছে। অন্যদিকে পুরুষদের অনুভূতি দমন করা হয়েছে যতক্ষণ না সেগুলো আলসারে পরিণত হয়েছে। * যেহেতু পুরুষেরা কম অভিযোগ করত তাই আমরা এই ভুল ধারণা তৈরি করেছিলাম যে নারীদের অভিযোগগুলো কেবল নারীদের অভিযোগ এবং তাই সেগুলো কেবল নারীদের সমস্যা। যা জননীতির মাধ্যমে নারীদের সমস্যা সমাধানের যুক্তি তৈরি করেছিল। * একজন বাবার প্রথাগত ভূমিকা তাকে পরিবারের ভালোবাসার কাছ থেকে দূরে থাকার মাধ্যমে নিজের পরিবারকে ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত করেছিল। * একজন মায়ের প্রথাগত ভূমিকা তাকে পরিবারের সাথে থাকার মাধ্যমে নিজের পরিবারকে ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত করেছিল। * আমরা মনে করি শ্রম বিভাজন এখন সেকেলে হয়ে গেছে কিন্তু আসলে এটি পুনরায় আবির্ভূত হয়েছে। আশির দশকের শুরুর দিকে একজন মায়ের পারিবারিক দায়িত্বের জন্য কাজ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা বাবার চেয়ে ৪৩ গুণ বেশি ছিল; সম্প্রতি একজন মায়ের কাজ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা ১৩৫ গুণ বেশি। * নারীদের মানসিক সমর্থনের জন্য চারটি অনানুষ্ঠানিক বিকল্প ব্যবহার করতে শেখানো হয়: স্বামী, নারী বন্ধু, সন্তান এবং মা-বাবা। পুরুষদের কেবল একটি বিকল্প ব্যবহার করতে শেখানো হয়: তাদের স্ত্রী বা নারী বন্ধু। * পুরুষেরা তাদের সমস্ত মানসিক চাওয়া তাদের স্ত্রীদের (বা নারী বন্ধুদের) ওপর নির্ভর করে রাখে। তাই একজন পুরুষের জন্য তার স্ত্রীর কাছে হতাশার অনুভূতি প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়ে কারণ সে যদি নিজেকে সরিয়ে নেয় তবে পুরুষটি মনে করে তার সম্পূর্ণ মানসিক সমর্থন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। * কোনো বিবাদের পর নারীরা কেবল সমর্থনের জন্য অন্য নারী বন্ধুদের কাছেই যায় না বরং বিবাদটি বিচ্ছেদে গড়ালে তাদের সন্তানদের সাথে থাকার সম্ভাবনা নয় গুণ বেশি। * মায়ের সাথে বসবাসকারী একজন নারীর স্বাধীনতা সীমিত হতে পারে; কিন্তু মায়ের সাথে বসবাসকারী একজন পুরুষের স্বাধীনতা এবং সম্মান উভয়ই সীমিত হয়ে পড়ে। অধিকাংশ পুরুষের জন্য সমর্থনের এই শূন্যতা এতটাই বিধ্বংসী যে তারা নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে মানসিক সমর্থন হারানোর ঝুঁকির চেয়ে স্ত্রীর সাথে একমত হওয়াকেই বেছে নেয়। * বিচ্ছেদের পর নারীদের সবচাইতে বড় ভয় হলো অর্থনৈতিক অভাব; পুরুষদের সবচাইতে বড় ভয় হলো মানসিক অভাব। * বিবাহবিচ্ছেদ আইন নারীদের বিচ্ছেদের পর অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়েছে; কিন্তু কোনো আইন পুরুষদের বিচ্ছেদের পর মানসিক সহায়তা দেয়নি। পুরুষদের তাদের প্রাক্তন স্ত্রীদের প্রতি ভরণপোষণ বা চাইল্ড সাপোর্টের দায়িত্ব পালন করে যেতে হয়; কিন্তু নারীদের তাদের প্রাক্তন স্বামীদের প্রতি গৃহস্থালির কাজ বা লালন-পালনের দায়িত্ব পালন করে যেতে হয় না। * নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে আমাদের অ্যাফারমেটিভ অ্যাকশন প্রোগ্রাম ছিল। এখন কি পুরুষদের অনুভূতির জন্য তেমন কিছু করার সময় এসেছে যা সরকার নারীদের অর্থনীতির জন্য করেছিল? * নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে পুরুষদের প্রতি রাগ এতটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল যে এমনকি ‘দ্য ইকোনমিস্ট’-এর মতো শান্ত প্রকাশনাগুলোও নারী বনাম পুরুষের কাজের চাপকে এভাবে তুলে ধরেছিল— “নারীর কাজ কখনোই শেষ হয় না; আর পুরুষ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মদ্যপ থাকে।” * এই আন্তর্জাতিক “সিস্টারহুড ইজ ভিকটিমহুড” বা নারীত্বের ভুক্তভোগী পরিচয়ের মেলবন্ধনের প্রভাব আমাদের সন্তানদের ওপর কী হতে পারে? * হোচশিল্ডের সবচাইতে বড় ভুল ছিল যা প্রায় প্রতিটি জনপ্রিয় গৃহস্থালির কাজ সংক্রান্ত গবেষণায় করা হয়: ঘরের কাজে পুরুষদের অবদানকে সঠিকভাবে পরিমাপ না করা। উদাহরণস্বরূপ, যদি মা শিশুদের ডে-কেয়ারে দিয়ে আসেন তবে তাকে গৃহস্থালির কাজ বলা হয়; কিন্তু বাবা যদি পরিবারকে নিয়ে দাদির বাড়িতে যান তবে তাকে গৃহস্থালির কাজ বলা হয় না। * লক্ষ্য করুন যে পুরুষেরা যা করে তার অনেক কিছুই একক মায়েরা করে থাকেন, তাই পুরুষরা যা করে তার প্রশংসা করা আমাদের একক মায়েরা যা করেন তা বুঝতেও সাহায্য করে। * বাস্তব জীবনে রাগের বদলে ভালোবাসা ফিরিয়ে আনার সেরা উপায় হলো আপনার সঙ্গী সাধারণত আপনার জন্য যা করে তা আপনি আপনার সঙ্গীর জন্য করার মাধ্যমে একে অপরকে লালন করা। * এমনকি যেসব পুরুষ তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তারা সহানুভূতির বদলে ‘ডিয়ার অ্যাবি’র দেওয়া উত্তরটি পায়: “নারীদের অবস্থা আরও খারাপ।” এই বিশ্বাসটি এতটাই শক্তিশালী যে গত ২৫ বছরে একজন রক্ষক-স্বামী পাওয়ার যে পুরনো কল্পনা নারীদের ছিল তা এখন এক নতুন দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে—আর তা হলো অত্যাচারী স্বামী। * আমরা যদি বিশ্বাস করি যে মূলত পুরুষরাই নারীদের ওপর অত্যাচার করে তবে নারীদেরও যে পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন তা দেখা কঠিন হয়ে পড়ে: আমরা বলতে থাকি, “শুধু পুরুষদের পরিবর্তন করো। তারাই তো অত্যাচারী।” * চারজন পুরুষ বর্ণনা করছেন কীভাবে তাদের স্ত্রীরা তাদের পিঠে লাঠি দিয়ে আঘাত করেছে, ফ্রাইং প্যান দিয়ে মাথায় বা ঘাড়ে আঘাত করেছে... প্রতিটি গল্পের পর দর্শকরা হাসছে। সেই পুরুষেরা একটি “পিএমএস মেন্স সাপোর্ট গ্রুপ”-এর অংশ ছিল। কল্পনা করুন নির্যাতিতা নারীরা যখন বর্ণনা করছে কীভাবে তাদের স্বামীরা ফ্রাইং প্যান দিয়ে তাদের মাথায় বা ঘাড়ে আঘাত করে মস্তিষ্কে বা মেরুদণ্ডে আঘাত করার হুমকি দিয়েছে তখন একদল পুরুষ হাসছে। * এই নির্যাতিত স্বামীদের সবাই এখনো তাদের স্ত্রীদের সাথেই আছেন। যখন একজন নারী তার ওপর অত্যাচার করা পুরুষের সাথে থাকে তখন আমরা তাকে পালিয়ে যেতে উৎসাহিত করার জন্য আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করি। যদি সে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তবে আমরা বলি সে “ব্যাটারড ওম্যান সিনড্রোম” বা নির্যাতিতা নারী সিনড্রোমের শিকার। * পুরুষদের গ্রুপের মূল লক্ষ্য ছিল পরিস্থিতি বোঝা, মানিয়ে নেওয়া, পরিবর্তন করা এবং সবকিছু ব্যর্থ হলে চলে যাওয়া; অন্যদিকে নির্যাতিতা নারীদের গ্রুপের মূল লক্ষ্য হলো প্রথমে চলে যাওয়া এবং দ্বিতীয়ত সমস্যার উৎসকে (পুরুষটিকে) আটকে রাখা। * সংক্ষেপে, যখন নারীরা অত্যাচার করে তখন পুরুষদের প্রথম অগ্রাধিকার হয় নারীদের সমর্থন দেওয়া এবং তাদের পরিবর্তনে সাহায্য করা; যখন পুরুষেরা অত্যাচার করে তখন নারীদের প্রথম অগ্রাধিকার হয় পুরুষদের কাছ থেকে পালানো এবং তাদের জেলে পাঠানো। * নারীবাদীদের মূলমন্ত্র: “একজন নারীকে আঘাত করার কোনো অজুহাত হতে পারে না।” এটি কি এমন হওয়া উচিত ছিল না— “আঘাত করার কোনো অজুহাত হতে পারে না”? * কমেডি নাটকগুলোতে নিয়মিতভাবে নারীদের পুরুষদের আঘাত করতে দেখা যায় কিন্তু পুরুষদের নারীদের আঘাত করার দৃশ্য প্রায় দেখাই যায় না। যখন পুরুষটি চলে যেতে ব্যর্থ হয় তখন তাকে “ব্যাটারড ম্যান সিনড্রোম” বলা হয় না; একে কমেডি বলা হয়। * লক্ষ্য করুন পুরুষদের ভয় যে তারা যদি এটি কর্তৃপক্ষকে জানায় তবে তাদের বিশ্বাস করা তো হবেই না বরং তাদের উপহাস করা হবে। * পুরুষেরা কষ্টকে “গৌরব” বলতে শেখে; নারীরা পুলিশকে ডাকতে শেখে। * কেন প্রায় প্রতিটি সংস্কৃতিই তার পুরুষদের সহিংসতা সহ্য করার জন্য পুরস্কৃত করত? যাতে যুদ্ধের সময় তাকে রক্ষা করার জন্য একদল মানুষ পাওয়া যায়। * যাদের সবচাইতে বেশি সুরক্ষার প্রয়োজন বলে মনে করা হতো তারা হলো নারী ও শিশু। আর যে লিঙ্গকে সবচাইতে পরিত্যাজ্য মনে করা হতো তা হলো পুরুষ। * একজন পুরুষকে যতটা “পুরুষ হয়ে উঠতে” প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ততটাই তাকে নারী ও শিশুদের রক্ষা করতে শেখানো হয়, তাদের আঘাত করতে নয়। তাকে এমনকি একজন অপরিচিত ব্যক্তি—বিশেষ করে নারী বা শিশু—আহত হওয়ার আগে নিজে মৃত্যুবরণ করতে রাজি হতে শেখানো হয়। * আমরা প্রায়ই মনে করি যখন একজন পুরুষ অন্য পুরুষকে “মেয়ে” বলে অপমান করে তখন সেই অপমান নারীদের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে। না। এটি সেইসব পুরুষের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে যারা নারীর মতো মূল্যবান কাউকে রক্ষা করার মতো নিজেকে শক্তিশালী করতে চায় না। * এই উপহাস হলো নিজেকে অন্য কারো চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করার একটি চাপ: একজন মায়ের চেয়ে একটি শিশু বেশি মূল্যবান; একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী বেশি মূল্যবান। * যেসব নারীবাদী বলেন যে পুরুষত্ব মানেই হলো পুরুষদের বিশ্বাস করা যে তারা নারীদের আঘাত করতে পারে তারা পুরুষ এবং পুরুষত্ব সম্পর্কে সবচাইতে গভীর অজ্ঞতা প্রদর্শন করেন। * পুরুষেরা কী বলবে যখন পুরুষদের অপদস্থ করাকে “মজার” বলা হয় কিন্তু নারীদের অপদস্থ করাকে “লিঙ্গবৈষম্য” বলা হয়। * মিস্যান্ড্রি বা পুরুষ-বিদ্বেষ হলো মিসোজিনি বা নারী-বিদ্বেষের সমতুল্য। আপনি যদি পুরুষ-বিদ্বেষ সম্পর্কে সচেতন না হন তবে এই দলে আপনাকে স্বাগতম। * এই অধ্যায়টি পড়ার এক সপ্তাহ পর বিজ্ঞাপন, চলচ্চিত্র এবং দৈনন্দিন কথাবার্তায় পুরুষ-বিদ্বেষ আপনার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠবে। কিন্তু যে পক্ষপাতটি দেখা সবচাইতে কঠিন তা হলো সেই পক্ষপাত যা আমরা সবাই মিলে করি। * এমনকি তথাকথিত লিঙ্গ-নিরপেক্ষ শব্দ যেমন “সেক্সিস্ট” বা লিঙ্গবৈষম্য বলতে কেবল নারীদের প্রতি অবমাননা বোঝায়। * ১৯২০ সালে পুরুষদের গড় আয়ু নারীদের চেয়ে এক বছর কম ছিল; আজ তা সাত বছর কম। তবুও ফেডারেল সরকারের কেবল নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য একটি গবেষণা দপ্তর (অফিস অফ রিসার্চ অন উইমেনস হেলথ) রয়েছে। * পরনিন্দার কাজ হলো একটি “শত্রু পক্ষ” তৈরির মাধ্যমে নিজেদের দলের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি করা। * “ভালোবাসা এবং বন্ধুত্ব” বিভাগে গিয়ে দেখুন নারীদের জন্য নারীদের কাছে পাঠানোর উপযোগী কয়েক ডজন কার্ড রয়েছে যার অধিকাংশতেই পুরুষদের অপদস্থ করা হয়েছে কিন্তু পুরুষদের সম্পর্কে ভালো কিছু বলা হয়েছে এমন কার্ড প্রায় নেই বললেই চলে। === ''ফাদার অ্যান্ড চাইল্ড রিইউনিয়ন'' (২০০১) === * সফল এবং সুখী জীবনের জন্য যদি এমন কোনো গুণ থাকে যা অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি প্রয়োজন তবে তা হলো সহানুভূতি। এটি পরিবারের স্থায়িত্ব এবং ভালোবাসার মূলে থাকে। আমার কাছে এমন কোনো দম্পতি আসেনি যারা বলেছে, “আমি বিচ্ছেদ চাই; আমার সঙ্গী আমাকে বোঝে।” ** পৃষ্ঠা ৩০ * সীমানা বা সীমাবদ্ধতাকে গুরুত্ব দিতে শেখানো শিশুকে অন্যদের অধিকার এবং প্রয়োজনকে সম্মান করতে শেখায়। অন্যের প্রয়োজন নিয়ে চিন্তা করলে সহানুভূতি জন্মায়। ** পৃষ্ঠা ৩১ * বাবা আছেন এমন পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা গণিত এবং বিজ্ঞানে ভালো ফল করে, এমনকি তারা দুর্বল মানের স্কুলে পড়লেও। ** পৃষ্ঠা ৩১ * বাবা যত বেশি জড়িত থাকেন শিশু তত সহজে নতুন মানুষের সাথে খোলাখুলিভাবে এবং বিশ্বাসের সাথে মিশতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩৪ * আমরা প্রায়ই শুনি যে মায়েরা যত্ন নেন আর বাবারা কেবল খেলাধুলা করেন। এটি একটি ভুল ধারণা—এমনকি বিপজ্জনকও—কারণ বাবার খেলার ধরণের মধ্যে শেখানোর একটি সচেতন লক্ষ্য থাকে। গবেষণা এখন দেখাচ্ছে যে বাবারা যখন সচেতনভাবে কিছু শেখানোর চেষ্টা না করেন তখনও তাদের খেলা শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক হয়। ** পৃষ্ঠা ৫৭ * যে পরিবার একসাথে খেলতে জানে তাদের একসাথে থাকার শক্তিও থাকে। ** পৃষ্ঠা ৫৯ * শিল্পায়ন এক অদ্ভুত সংকট তৈরি করেছে: একজন বাবা তার সন্তানদের ভালোবাসার জন্য তাদের কাছ থেকে দূরে থাকছেন। ** পৃষ্ঠা ৮৮ * শিল্প বিপ্লব পুরুষদের বাড়ি থেকে মাঝে মাঝে অনুপস্থিত থাকাকে—যা আগে কেবল শিকার বা যুদ্ধের সময় দরকার হতো—একটি নিয়মে পরিণত করেছে। এই ক্রমবর্ধমান শ্রম বিভাজন নারী ও পুরুষের আগ্রহের জায়গাকে আলাদা করে দিয়েছে। এটি মাতৃত্বের সহজাত প্রবৃত্তির ধারণা এবং বাবার সাথে দূরত্বের বাস্তবতাকে বাড়িয়ে দিয়েছে। শিল্পায়নের আগে বিচ্ছেদ হলে শিশুরা সাধারণত বাবার সাথেই থাকত। পরে আর তা থাকেনি। ** পৃষ্ঠা ৮৮ * পরিবারের আর্থিক যোগানদাতা হওয়ার বাধ্যবাধকতা বাবার পরিবারের সাথে যুক্ত থাকার পথে সবচাইতে বড় বাধা। এটি বাবার সেই অদ্ভুত সংকট তৈরি করে: পরিবার থেকে দূরে থেকে পরিবারকে ভালোবাসা। এটি গতানুগতিক পিতৃত্বের এক বিদ্রূপ: বাবা না হয়ে বাবা হওয়া। ** পৃষ্ঠা ৯০ * পিতৃত্ব তৈরি করা মানে একটি বড় মানসিক পরিবর্তন আনা। অন্য লিঙ্গের চিরাচরিত ভূমিকার মানসিক দায়িত্ব পুরোপুরি ভাগ করে নেওয়া উভয় লিঙ্গের জন্যই কঠিন—বিশেষ করে যখন অন্য লিঙ্গটি আশেপাশে থাকে। ** পৃষ্ঠা ৯০ * হলিউডের মায়েরা সব সময় সঠিক আর বাবারা কেবল উপস্থিত—এই সূত্রের মধ্যে একটি প্রচ্ছন্ন অর্থ আছে যে মায়ের কোনো দোষ নেই। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * শিশুদের পুরুষদের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত করে আমরা তাদের সেই নির্যাতনের প্রতি আরও অসহায় করে তুলেছি যা আমরা প্রতিরোধ করতে চাইছি। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * অবচেতন স্তরে যৌনতাকে দানবীয় রূপ দেওয়া মানেই সাধারণত পুরুষদের দানব এবং নারীদের ভুক্তভোগী হিসেবে দেখানো। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * আমাদের ছেলেদের আমরা যত কম বিশ্বাস করব নারীরা তাদের তত কম ভালোবাসতে পারবে। আর নারীরা তত বেশি তাদের কেবল টাকার ব্যাগ হিসেবে ব্যবহার করার অধিকার বোধ করবে। ** পৃষ্ঠা ৯৮ * আরও গভীরভাবে দেখলে আমাদের ছেলেরা যদি শেখে যে তারা অশ্লীল, জঘন্য এবং অবিশ্বস্ত, তবে এটি কি পিতৃত্বের জন্য সেরা প্রস্তুতি? আর একজন মায়ের জন্য কি এটি সেরা প্রস্তুতি যে সে তার নিজের ছেলে সম্পর্কে এমনটা ভাববে? ** পৃষ্ঠা ৯৮ * যখন আমরা পুরুষের মূল্যবোধকে তুচ্ছ করি এবং পুরুষের যৌনতাকে দানবীয় করি তখন অনেক ছেলে কে তারা তা বোঝার আগেই নিজেদের বিকৃতমনা মনে করতে শুরু করে। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * অতীতে আমরা বিশ্বাস করতাম যে নারী-পুরুষ উভয়ই পাপ নিয়ে জন্মায়। আজ আমরা অবচেতনভাবে বিশ্বাস করতে শুরু করেছি যে ছেলেদের জন্মই পাপ আর মেয়েরা জন্মগতভাবে নিষ্পাপ। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * একজন বাবার জন্য এটা বলা গুরুত্বপূর্ণ যে, "তুমি যখন ওটা করো তখন বাবা হিসেবে আমি নিজেকে অপ্রয়োজনীয় মনে করি" অথবা "আমার এই দুরন্তপনা মানে খারাপভাবে বড় করা নয়; এটি আমাদের সন্তানকে ঝুঁকি নিতে সাহায্য করছে।" নারীরা শুনতে পায় না যা পুরুষেরা বলে না। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * আমরা যখন বাবাকে কেবল উদাসীন বাবা হিসেবে দেখি তখন তিনি পরিবারের সাথে থাকতে চাওয়ার যে সংকেতগুলো দেন সেগুলোও আমরা দেখতে পাই না। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * আমরা যখন পুরুষদের যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণ দিই তখন আমরা যাকে প্রশিক্ষণ দিই তার ভেতরকার মানবিক অংশটুকু হারিয়ে ফেলি—এমনকি আমরা যুদ্ধে জিতলেও। যখন আমরা পুরুষদের ভালো লালনকারী হওয়ার প্রশিক্ষণ দিই তখন যারা সফল হয় না তারাও জিতে যায়। আর তাদের সাথে দেখা হওয়া প্রতিটি শিশুও জিতে যায়। পুরুষদের ভালোবাসতে শেখানো একটি জাতির জন্য সেরা বিনিয়োগ। ** পৃষ্ঠা ১১২ * আমরা যদি চাই আমাদের শিশুরা টাকা উপার্জন এবং ভালোবাসা দেখানোর মধ্যে ভারসাম্য রাখুক তবে বাবা-মা উভয়কেই সেই ভারসাম্যের উদাহরণ হতে হবে। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * কর্মক্ষেত্রে নারীদের চেয়ে পরিবারে বাবারা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ: কর্মক্ষেত্র নারীদের দ্বারা উপকৃত হয় কিন্তু পরিবারের বাবাকে প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * টিএএনএফ (TANF) এবং ডব্লিউআইসি-র (WIC) মতো প্রোগ্রামগুলো বাবাকে বাদ দেওয়াকেই সহায়তা করে। আসলে এগুলো ভবিষ্যতের সহায়তানির্ভর নাগরিক তৈরি করে যারা করদাতার অর্থ খরচ করে। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * সন্তান পালনের ক্ষেত্রে পুরুষেরা অনেকটা রোজি-দ্য-রিভিটারদের মতো: তাদের কেবল তখনই ডাকা হয় যখন প্রয়োজন হয় আর পরে তাদের ফেলে দেওয়া হয়। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * আমাদের শিশুরা পুরুষদের যখন শিশুদের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য পারিশ্রমিক পেতে দেখবে তখন পুরুষদের জন্য বাবা হিসেবে উপযুক্ত কাজ করা আরও সম্মানজনক হবে। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * মেল টিচার কোর শিশুদের কেবল বিভিন্ন পেশার পুরুষদের সাথেই পরিচয় করিয়ে দেয় না বরং ঝুঁকি নিতে সক্ষম এমন পুরুষালি শক্তি ও মূল্যবোধের সাথেও পরিচয় করায়। এটি পুরুষ এবং নারী মূল্যবোধের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * টিকে থাকার সংগ্রামের বিশ্বে একজন বাবার সমস্যা সমাধানকারী হওয়া দরকার ছিল। অনুভূতি লুকিয়ে তাকে কঠিন হতে হতো। তাকে নমনীয় না হয়ে বোঝানো, যুক্তি দেওয়া এবং নিয়ম তৈরি করার দরকার ছিল। এই গুণগুলোই তাকে যোগ্য করে তুলত এবং তার স্ত্রী ও সন্তান জুটত। এই গুণগুলোই ছিল তার সম্পর্কের ভাষা। সমস্যা হলো যে এই কঠিন হওয়া তার প্রিয়জনদের খাবার যোগালেও তাদের মনের খোরাক দিতে পারত না। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * দ্বিতীয় ধাপের বিশ্বে যেখানে টিকে থাকার সংগ্রাম জয় করে আত্মতৃপ্তির সাথে ভারসাম্য রাখা সম্ভব সেখানে আমাদের কাছে এমন সম্পর্কের ভাষা ব্যবহারের সুযোগ আছে যা আত্মাকে তৃপ্ত করে। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * যদিও আমাদের প্রাথমিক স্কুলগুলো বর্তমান যুগের প্রযুক্তিগত প্রয়োজনের সাথে তাল মেলাতে পুরো প্রজন্মকে কম্পিউটার ভাষা শেখাচ্ছে কিন্তু আমরা এই প্রজন্মকে সম্পর্কের ভাষা এবং বিবাদ মেটানোর দক্ষতা শেখাতে অবহেলা করেছি। জার্মানির মতো দেশগুলোতে যখন এটি শেখানো হয় তখন তাকে সামাজিক দক্ষতা বলা হলেও তার মূল লক্ষ্য থাকে কর্মক্ষেত্রের দলগত কাজ—যা আসলে সেই টিকে থাকার সংগ্রামেরই অংশ। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * বাবারা যখন সন্তানদের সাথে সবচাইতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেন তখন সাধারণত তাদের মধ্যে এমন এক সহজাত বোধ থাকে যে উদাহরণস্বরূপ ফুটবল খেলতে যাওয়ার জন্য গাড়ির ভ্রমণটি খেলার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ১১৮ * একজন ভালো বাবা তার মেয়ের দলগত খেলায় যুক্ত হওয়া নিশ্চিত করতে পারেন। এটি তাকে জীবনের সেই শিক্ষাগুলো পেতে সাহায্য করে যা একটি দলকে শক্তিশালী করতে দরকার হয়। ** পৃষ্ঠা ১১৯ * যেহেতু কেউ সব সময় সঠিক হতে পারে না তাই সব সময় সঠিক হওয়ার ভান করা আসলে সন্তানদের মনে নিজেকে অপদার্থ ভাবার বীজ বুনে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১২০ * তার শিক্ষক হওয়ার বদলে আমি যদি নিজের অন্ধকার দিক, দোষ এবং ভুলগুলো তার সাথে খোলাখুলিভাবে শেয়ার করি তবে আমি আরও ভালো উদাহরণ হতে পারব। ** পৃষ্ঠা ১২০ * বাবা যখন নিজের ভুল স্বীকার করেন বা সাহায্য চান তখন সন্তান নিজেও ভুল করলেও নিজেকে অপদার্থ মনে করে না। এটি শিশুদের নতুন কিছু করতে উৎসাহিত করে এবং তাদের সৃজনশীলতাকে বিকশিত করে কারণ তারা তখন কিছু অবদান রাখার সুযোগ পায়। ** পৃষ্ঠা ১২০ * মহামন্দা যেমন একটি প্রজন্মের বাবাদের মনে এই ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছিল যে তাদের কাছে যথেষ্ট টাকা নেই ঠিক একইভাবে বাবার সান্নিধ্য না পাওয়া একটি প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের মনে ভিন্ন এক মানসিক ক্ষত তৈরি করছে। ** পৃষ্ঠা ১২১ * সংক্ষেপে বাবার সান্নিধ্যহীন একটি শিশুকে পৃথিবীতে পাঠিয়ে সব ঠিক আছে মনে করা—কেবল বাবা টাকা দিচ্ছেন বলে—তা অনেকটা একজন মদ্যপ চালককে মহাসড়কে পাঠিয়ে সব ঠিক আছে ভাবার মতো কারণ পেট্রোলের দাম মেটানো হয়েছে। এর মানে এই নয় যে মদ্যপ চালক গন্তব্যে পৌঁছাবে না। এর মানে হলো ঝুঁকি অনেক বড় এবং ব্যর্থতার ফলাফল আজীবনের। ** পৃষ্ঠা ১২২ * বিংশ শতাব্দীতে নারীদের যেমন কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য আইনের সাহায্যের প্রয়োজন ছিল একবিংশ শতাব্দীতে পুরুষদের তাদের সন্তানদের ভালোবাসার জন্য আইনের সাহায্যের প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ১২২ * সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে নাউ (NOW)-এর সাথে আমার প্রথম বিরোধ শুরু হয় যখন এর শাখাগুলো বিচ্ছেদের পর বাবা-মায়ের সমান সময় কাটানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বাবার সংশ্লিষ্টতাকে নাকচ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * বাবা-মা উভয়ের অধিকার মূলত তাদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করার জন্য থাকা উচিত। মূলত মানে এই নয় যে একচেটিয়াভাবে। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * বাবা-মা উভয়য়ের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য থাকা উচিত যাতে শিশুরা উভয় অভিভাবকের সান্নিধ্য পেয়ে বড় হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * নারী-পুরুষের একাত্মতা কেবল নারীর অধিকার তৈরি করে না। এটি অধিকারের এক মেলবন্ধন তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * পুরুষের শরীর কি ঝুঁকির মুখে? যখন একজন পুরুষকে চাইল্ড সাপোর্ট দেওয়ার জন্য কাজ করতে বলা হয় তখন সে তার শরীর, সময় এবং জীবন ব্যয় করে—নয় মাস নয় বরং অন্তত ১৮ থেকে ২১ বছর। তাই একজন সৎ নারীবাদীর মূলমন্ত্র হওয়া উচিত, “এটি নারী ও পুরুষ উভয়েরই পছন্দের অধিকার কারণ এখানে নারী ও পুরুষ উভয়েরই শরীর জড়িত।” ** পৃষ্ঠা ১৩২ * একজন নারীর এমন কোনো একতরফা সিদ্ধান্তের অধিকার নেই যা একজন পুরুষের বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে ঠিক যেমন একজন পুরুষেরও এমন কোনো একতরফা সিদ্ধান্তের অধিকার নেই যা একজন নারীর বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * যখন কেবল পুরুষেরা ভোটের জন্য নিবন্ধন করতে পারত তখন কেবল তাদেরই বাধ্যতামূলক সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হতো। আজ উভয় লিঙ্গই ভোট দিতে পারে কিন্তু কেবল পুরুষদেরই সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * আমরা ইতিহাসের এক অদ্ভুত সময়ে আছি—যখন কোনো নারীর শরীর জড়িত থাকে তখন আমরা বলি সিদ্ধান্তটি তার; কিন্তু যখন কোনো বালকের শরীর জড়িত থাকে তখন আমরা বলি সিদ্ধান্তটি তার নয়—আইন আমাদের ১৮ বছর বয়সী ছেলেদের সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়তে বাধ্য করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * এটি বিদ্রূপের বিষয় যে একটি আন্দোলন যা জৈবিক পার্থক্যকে গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য পরিচিতি পেয়েছিল যখন সেই পার্থক্যগুলো নারীদের প্রতিকূলে ছিল তারা সঙ্গে সঙ্গেই সেই জৈবিক পার্থক্যের দোহাই দেওয়া শুরু করল যখন তা নারীদের অনুকূলে এল। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * আমরা কোনো পুরুষকে একজন নারীর জীবন নির্ধারণ করার অনুমতি দেওয়ার কথা ভাবি না কেবল একারণে যে তার সৃষ্টি করা একটি ভ্রূণ নারীর জঠরে আছে; তবে আমরা কেন একজন নারীকে একজন পুরুষের জীবন নির্ধারণ করার অনুমতি দেব কেবল একারণে যে তার সৃষ্টি করা একটি ভ্রূণ নারীর জঠরে আছে? ** পৃষ্ঠা ১৩৭ * পুরুষেরা নারীদের বিশ্বাস করতে শেখে যতক্ষণ না বিপরীত কিছু ঘটে; নারীরা পুরুষদের সন্দেহ করতে শেখে যতক্ষণ না কোনো পুরুষ নিজেকে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ করে। ** পৃষ্ঠা ১৩৯ * যখন কোনো সরকার একজন পুরুষকে এমন একটি শিশুর ভরণপোষণ দিতে বাধ্য করে যা তৈরিতে তাকে প্রতারণা করা হয়েছিল তখন সেই সরকার আসলে প্রতারণাকে সহায়তা করছে। না, এটি তার চেয়েও খারাপ: এটি ১৮-২১ বছর ধরে সম্মতি ছাড়াই একজন পুরুষের শরীর ব্যবহার করা নারীকে সহায়তা করছে। ** পৃষ্ঠা ১৪৩ * একটি গণতন্ত্রে সরকারের নীতিগুলো নিয়ে খুব কমই প্রশ্ন তোলা হয় যতক্ষণ না সেই নীতিগুলো তৈরির পেছনের ধারণাগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। ** পৃষ্ঠা ১৪৭ * একটি যৌথ পছন্দের আন্দোলন ভ্রূণকে একজন নারী ও একজন পুরুষের জিন হিসেবে দেখে; দেখে নারী ও পুরুষের রক্তমাংস হিসেবে; এবং এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের দায়িত্ব ও অধিকার হিসেবে গণ্য হয়। এটি সমতার দিকে এগিয়ে যেতে চায়। ** পৃষ্ঠা ১৫৮ * নারীবাদীরা প্রায়ই নারীদের দুটি কাজের কথা বলেন: চাকরি এবং সন্তান। ঠিক। কিন্তু বিচ্ছেদ হওয়া এবং পুনরায় বিয়ে করা পুরুষদের কথা কেউ বলে না যাদের তিনটি কাজ করতে হয়: চাকরি এবং দুই পক্ষের সন্তানদের লালন-পালন ও আর্থিক ভরণপোষণ। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমি দ্রুতই বুঝতে পেরেছিলাম যে যেসব নারীবাদী প্রধান অভিভাবক তত্ত্বকে সমর্থন করেছিলেন তারা সমসুযোগের পক্ষে ছিলেন না বরং অসম সুযোগ সন্ধানী ছিলেন। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * যেসব পুরুষ বিচ্ছেদের পর নিজেদের সন্তানদের জীবন থেকে চলে যান তারা বাধ্যবাধকতা ছাড়াই সুবিধা চান। নৈতিকভাবে তাদের চলে যাওয়ার কোনো অধিকার নেই। যে আইন তা করতে দেয় তাও অনৈতিক। প্রধান অভিভাবক আইনগুলো ঠিক তেমনই। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * প্রধান অভিভাবক আইনের বিদ্রূপ হলো যে একদিকে নারীবাদীরা পুরুষের অর্জিত সম্পত্তিতে নারীর সমান অধিকারের জন্য লড়াই করছিল অন্যদিকে তারা যৌথভাবে জন্ম দেওয়া সন্তানের ওপর পুরুষের সমান অধিকারের বিরোধিতা করছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * সংক্ষেপে তিনি পুরুষের তৈরি করা জিনিসের অংশীদার; আর তিনি নারীর তৈরি করা জিনিসের দর্শনার্থী মাত্র। আমার কাছে এটি সমতা ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * নারীবাদ যখন সমসুযোগ থেকে অসম সুযোগ সন্ধানীতে পরিণত হলো তখন আমিও এর সমর্থক থেকে সমালোচকে পরিণত হলাম। কিন্তু আমার মনে কোনো পরিবর্তন হয়নি: আমি সমতার সমর্থক থেকে সমতার সমর্থকই রয়ে গেলাম। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * সংক্ষেপে যখন একজন পুরুষ অর্থ যোগাতে ব্যর্থ হয় তখন আমরা তাকে জেলে পাঠাই; যখন একজন নারী মা হিসেবে ব্যর্থ হয় তখন আমরা তাকে সমাজসেবার প্রস্তাব দিই। আমরা পুরুষদের ক্ষেত্রে অপরাধমূলক ব্যবস্থা নিই আর নারীদের ক্ষেত্রে সমাজসেবামূলক ব্যবস্থা নিই। ** পৃষ্ঠা ১৭৯ * অধিকাংশ মায়েরা তাদের সন্তানদের জীবনে বাবার উপস্থিতি বেশি চান কম নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৬ * সন্তান পালন একক অভিভাবকদের জন্য তৈরি করা হয়নি। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমরা যদি মায়েদের দেখা করার সময় না দেওয়ার জন্য শাস্তি দিই তবে আমাদের সেইসব বাবাদেরও শাস্তি দিতে হবে যারা দেখা করার সময়ে আসেন না। বিষয়টি বাবার দেখা করার অধিকার নয় বরং সন্তানদের প্রতি উভয় অভিভাবকের বাধ্যবাধকতা। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমাদের সন্তানদের জন্য দেখা করা বনাম হেফাজত না বলে বরং প্যারেন্ট টাইম বা অভিভাবকের সময় বলাটা বেশি ভালো হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমরা যখন মায়ের হেফাজত জেতা বা বাবার দেখা করার সময়ের কথা বলি তখন আমরা কেউ জেতা আর কেউ হারার কথা বলি। আমরা যখন মা বা বাবার সন্তানের সাথে সময় কাটানোর কথা বলি তখন আমরা দুই অভিভাবকের কথা বলি—একজন অভিভাবক বনাম একজন দর্শনার্থীর কথা নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * দেখা করা বিষয়টি অনুপস্থিত বাবার যুগের প্রতিফলন; প্যারেন্ট টাইম বিষয়টি একজন নিবেদিত বাবার পুনরায় আবির্ভূত হওয়ার প্রভাব ফেলে। দেখা করা মানে পরিবারের ধ্বংস; প্যারেন্ট টাইম মানে পরিবারের পুনর্গঠন। এটি এমন এক যুগের কথা বলে যেখানে বোঝা যায় যে যেকোনো একজন অভিভাবকের পরাজয় মানেই শিশুদের পরাজয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * যখন একজন অভিভাবক শিশুকে তার প্যারেন্ট টাইম থেকে বঞ্চিত করেন তখন তিনি আসলে শিশুকে তার ভরণপোষণ থেকে বঞ্চিত করেন—মানসিক ভরণপোষণ। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * বিচ্ছেদের পর পুরুষদের সবচাইতে বড় ভয় হলো সন্তানদের হারানো (নারীদের ক্ষেত্রে তা হলো দারিদ্র্য)। ** পৃষ্ঠা ১৯০ * একজন নারীর দৃষ্টিকোণ থেকে অভিভাবকের সময় ভাগ করে নেওয়াটা অনেকটা এমন যেমনটা একজন পুরুষ অনুভব করতে পারে যদি তার প্রাক্তন স্ত্রী তার অফিসে এসে তার কাজ ভাগ করে নেয়। সে হয়তো দাবি করবে যে এই ভাগাভাগি কোম্পানির স্বার্থে ভালো নয়। কিন্তু সে আসলে ভয় পায় যে তার প্রাক্তন স্ত্রী যদি তার নিজের কাজে তার চেয়ে ভালো করে তবে তার সম্মান ক্ষুণ্ণ হবে। এই ভয়টি বোঝা গেলেও পার্থক্য হলো তার ক্যারিয়ার তার নিজের কিন্তু তাদের সন্তানরা তাদের উভয়ের। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * নারীদের জন্য যদি ইকুয়াল এমপ্লয়মেন্ট অপরচুনিটি কমিশন থাকে তবে পুরুষদের জন্য কেন ইকুয়াল ফ্যামিলি অপরচুনিটি কমিশন থাকবে না? ** পৃষ্ঠা ১৯৭ * রাগের সবচাইতে খারাপ রূপ হলো যখন একজন অভিভাবক মনে করেন যে তার প্রাক্তনকে ধ্বংস করার মাধ্যমেই তার সন্তানকে জেতার সুযোগ বাড়বে। আইন সবচাইতে প্রতিহিংসাপরায়ণ অভিভাবককে নির্যাতনের তাস খেলার একটি সুযোগ করে দিয়েছে। এটিই হলো বিশাল প্রলোভন। ** পৃষ্ঠা ১৯৯ * যখন নারীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করেছিল তখন অনেক পুরুষ তাদের মেন্টর ছিল এবং বিনিময়ে নারীদের অবদানকেও শ্রদ্ধা করতে শিখেছিল। এখন আমরা যখন পুরুষদের শিশুদের যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব দিচ্ছি তখন নারীদের মেন্টর হতে হবে এবং আমাদেরও পুরুষদের অনন্য অবদানগুলোকে শ্রদ্ধা করতে শিখতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * আমরা যদি পুরুষালি ধরণ-এর অভিভাবকত্বকে অবহেলা করি এবং সেই দায়িত্বশীল বাবাটিকে জেলে পাঠাই তবে পিতৃত্ব আরেকটি ঝুঁকিপূর্ণ পেশা হয়ে দাঁড়াবে। আর এই প্রক্রিয়ায় আমাদের শিশুরা একটি বড় উপহার হারাবে—তা হলো প্রকৃত পিতৃত্ব। এটি খারাপ খবর হলেও সুখবর হলো এই বাবা ও সন্তানের পুনর্মিলনের পথ আছে... ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * পুরুষেরা সেখানেই যায় যেখান থেকে প্রশংসা আসে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * চ্যালেঞ্জটি হলো আমাদের প্রশংসার ধরণ পরিবর্তন করা: বাবার টাকার বদলে বাবার ভালোবাসাকে বেশি মূল্য দেওয়া। আর সেই সাথে তার মানসিকতার পরিবর্তন ঘটানো যা তাকে ভালোবাসার যোগ্য করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * প্রযুক্তি বাড়িতে থাকা বাবার জন্য সহায়ক। এটি পরিবারকে গরিব না হয়েও আগের চেয়ে অনেক বেশি সৃজনশীল এবং নমনীয় হতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * অনেক নারী আবিষ্কার করছেন যে মাতৃত্বের সহজাত প্রবৃত্তি মানে শিশুদের জন্য বাবার উপস্থিতি নিশ্চিত করা—প্রতিদিন দূরে কোথাও নয়। কেউ কেউ সচেতন যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা মানে নিজের সন্তানকে আঁকড়ে ধরা নয় যেন এটি তার চাকরি। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * বাবাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের জন্য আমাদের বাবাদের ভালোবাসার ধরণ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা প্রয়োজন। এটা স্বীকার করা জরুরি যে অতীতের কঠোর নিয়মগুলো পুরুষরা কেবল নিজেদের সুবিধার জন্য তৈরি করেনি। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * আমরা যদি পুরুষদের স্বার্থপর মনে করি তবে আমরা তাদের লালনকারী হিসেবে ভাবতে পারব না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * সরকারি ও বেসরকারি উৎসের তহবিলের অভাব খুব একটা সমস্যা হতো না যদি প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার পুরুষদের ওপর নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রচারের জন্য খরচ না করা হতো। এই তহবিল পুরুষদের অধ্যয়ন বাদ দিয়ে নারী অধ্যয়নকে উৎসাহিত করে; উদাসীন বাবাদের নিয়ে গবেষণার জন্ম দেয় কিন্তু কপর্দকশূন্য বাবাদের নিয়ে কোনো গবেষণা করে না—কিংবা সেইসব মায়েদের নিয়ে যারা বাবাকে সন্তানদের কাছে আসতে দেয় না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * এই একপক্ষীয় তহবিল জাতিকে ভুল তথ্য দেয় যে বিচ্ছেদ হওয়া একজন মা বিচ্ছেদ হওয়া একজন পুরুষের চেয়ে বেশি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই বিচারকরা মনে করেন পুরুষের ভবিষ্যৎ আয় নারীর হওয়া উচিত আর আইনসভাও বাবাদের দেওয়া অর্থকে করমুক্ত করতে অস্বীকার করে যদিও নারী সেই অর্থের ওপর কোনো কর দেন না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * পুরুষদের চাপা অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করার জন্য কোনো তহবিল নেই: যেমন সন্তানদের বাবার কাছ থেকে দূরে রাখতে কখন মিথ্যা অভিযোগকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে; বা কখন অন্য অভিভাবক সন্তানের কাছে খারাপ কথা বলছেন; বা যখন উদাসীন বাবাদের পরিসংখ্যানে সেইসব পুরুষদের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে যারা মৃত বা বেকার; অথবা যখন পুরুষেরা পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * একপক্ষীয় তহবিল একপক্ষীয় চিত্র তৈরি করে যা সংবাদমাধ্যমকে শুধুমাত্র নারীদের সমস্যাগুলোই প্রগতি হিসেবে তুলে ধরতে উৎসাহিত করে। ফলে পুরুষদের বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা নারীদের ওপর সহিংসতার সমান তা জনমানসে খুব সামান্যই প্রভাব ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * এই পক্ষপাতদুষ্ট গবেষণা থেকেই পক্ষপাতদুষ্ট সামাজিক নীতি তৈরি হয়। কোটি কোটি ডলার খরচ করা হয় সেইসব বাবাদের সাজা দিতে যারা মায়েদের অর্থ দেন না; কিন্তু সেইসব মায়েদের সাজা দেওয়ার জন্য কিছুই করা হয় না যারা বাবাদের সন্তানদের সাথে দেখা করতে দেন না। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * তহবিলের প্রয়োজনীয়তা আসে গত কয়েক দশকের পুরুষদের প্রতি এক ধরণের মনোভাবের বিপরীতে ভারসাম্য তৈরি করার জন্য। আর কিছুটা প্রয়োজন হলো কীভাবে উভয় লিঙ্গ সেই কঠোর ভূমিকা থেকে নমনীয় পথে এগিয়ে যেতে পারে তার একটি সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * যেখানে কেউ শোনার নেই সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব কম। এভাবেই বাবা, ছেলে এবং পরিবারগুলো অকারণে হারিয়ে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * মানি নেওয়ার ক্ষমতা আমাদের বিবর্তনীয় ঐতিহ্যের অংশ—যে প্রজাতি টিকে থাকে তারা মানিয়ে নেয়। মানুষ বিবর্তনীয় মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তাদের অগ্রাধিকার পরিবর্তন করার মাধ্যমে মানিয়ে নেয়। ** পৃষ্ঠা ২৪২ * আমাদের স্কুলগুলোতে সম্পর্কের ভাষা শেখানোর জন্য তহবিল প্রয়োজন যাতে ভবিষ্যৎ অভিভাবকরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে; সন্তানদের সাথে কথা বলতে পারে এবং সন্তানদের শেখাতে পারে বিশ্বের সাথে কীভাবে যোগাযোগ করতে হয়। সামাজিক দক্ষতা ছাড়া প্রযুক্তিগত উন্নতি অনেকটা ব্যবিলনের টাওয়ারের মতো। ** পৃষ্ঠা ২৪৩ * বাবা ও সন্তানের পুনর্মিলন ঘটানোর সামাজিক নীতিগুলোর সব সময় নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত, “আমরা কি বাবাদের থাকার জন্য টাকা দিচ্ছি নাকি চলে যাওয়ার জন্য?” যদি একজন একক মা বাবা আশেপাশে না থাকলে থাকার চেয়ে বেশি টাকা পায় তবে আশেপাশে বাবাদের সংখ্যা কমই হবে। সরকার তখন তার বিকল্প স্বামী হয়ে উঠবে। ** পৃষ্ঠা ২৪৫ * পরিবারের চেয়ে শক্তিশালী বা বহুমুখী আর কোনো শক্তি নেই। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * সম্ভবত আমাদের সবচাইতে বড় প্রশংসা প্রয়োজন সেই লক্ষ লক্ষ পুরুষ ও নারীর প্রতি যাদের আমরা সৎ-অভিভাবক বলি। বিশেষ করে যারা নিজের কোনো সন্তান মানুষ করছেন না তবুও ভালোবেসে শিশুদের জন্য সময় এবং অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * আমরা যদি পুরুষদের বাবা হতে অনুপ্রাণিত করতে চাই তবে তাদের প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পাওয়া নিয়ে ঢালাও সমালোচনা বন্ধ করতে হবে এবং তারা আসলে কী ভয় পায় তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ === ''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' (২০০৫) === * নারীদের আরও বেশি বেতন পেতে সাহায্য করা এই বইয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ** পৃষ্ঠা ১৭. (''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' (২০০৫)) * কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের আচরণের মধ্যে ২৫টি পার্থক্য রয়েছে। এই ২৫টি পার্থক্যের কারণেই পুরুষেরা বেশি বেতন পায় এবং নারীরা আরও ভালো জীবন—অথবা অন্তত আরও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন কাটাতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * সপ্তাহে ৪৫ ঘণ্টা কাজ করা একজন ব্যক্তি সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা কাজ করা ব্যক্তির চেয়ে গড়ে ৪৪% বেশি আয় করেন। অর্থাৎ ১৩% বেশি সময়ের বিনিময়ে ৪৪% বেশি আয়। ** পৃষ্ঠা ১৮ * যদি একজন নিয়োগকর্তাকে একই কাজের জন্য একজন পুরুষকে এক ডলার দিতে হয় যা একজন নারী ৫৯ সেন্টে করতে পারেন, তবে কেউ কেন একজন পুরুষকে নিয়োগ দেবেন? ** পৃষ্ঠা ১৯ * ১৯৬৯ সালে সারা দেশে সেইসব নারী অধ্যাপকেরা যারা কখনো বিয়ে করেননি এবং যাদের কোনো লেখা প্রকাশিত হয়নি, তারা তাদের সমপর্যায়ের পুরুষ সহকর্মীদের তুলনায় ১৪৫% বেশি আয় করতেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * ২০০১ সালের জরিপ: যেসব পুরুষ কখনো বিয়ে করেননি, যাদের সন্তান নেই, যারা পূর্ণকালীন কাজ করেন এবং কলেজ শিক্ষিত, তারা একই যোগ্যতাসম্পন্ন নারীদের আয়ের মাত্র ৮৫% আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * একজন খণ্ডকালীন নারী কর্মী তার সমপর্যায়ের পুরুষ কর্মীর প্রতিটি এক ডলার আয়ের বিপরীতে এক ডলার দশ সেন্ট আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * গত ৩০ বছর ধরে নারীদের প্রতি বৈষম্যের দিকে আমাদের অতিরিক্ত মনোযোগ আমাদের নারীদের জন্য থাকা সুযোগগুলোর প্রতি অন্ধ করে রেখেছে। ** পৃষ্ঠা ২৪ * আমি ক্ষমতাকে নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করি। বেতন বা আয় ক্ষমতার বিষয় নয়। বেতন হলো বেতনের ক্ষমতা পাওয়ার জন্য নিজের অন্য ক্ষমতা ত্যাগ করা। ** পৃষ্ঠা ২৪ * যারা বিশ্বাস করেন যে "আপনি সবকিছুই পেতে পারেন", তাদের জন্য লেখা সেলফ-হেল্প বইগুলো প্রায়ই পরামর্শ দেয়, "আপনার ভালো লাগার কাজগুলো করুন এবং টাকা এমনিতেই আসবে।" কিন্তু শেয়ার বাজারের ধসের পর এর আসল বিনিময় অনেকটা এমন— "যখন আপনি আপনার পছন্দের কাজগুলো করতে যাবেন, তখন আপনি টাকা মিস করবেন।" ** পৃষ্ঠা ৩ * ''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' বইতে বেতনের যে ধাঁধার কথা বলা হয়েছে তা হলো: পুরুষেরা বেশি টাকা আয় করে, তাই পুরুষদের ক্ষমতা বেশি; আবার পুরুষেরা বেশি টাকা আয় করে, তাই পুরুষদের ক্ষমতা কম (বেশি টাকা আয় করা সেখানে একটি বাধ্যবাধকতা, কোনো পছন্দ নয়)। নারীদের ক্ষেত্রে এর উল্টোটা সত্যি: নারীরা কম টাকা আয় করে, তাই নারীদের ক্ষমতা কম; আবার নারীরা কম টাকা আয় করে, তাই নারীদের ক্ষমতা বেশি (সন্তান লালন-পালনের সুযোগ থাকা অথবা কোনো বিপজ্জনক কাজ বেছে না নেওয়া)। ** পৃষ্ঠা ১১ * বিজ্ঞান বা কঠিন বিষয়গুলো নিয়ে পড়ার সবচাইতে ভালো কারণ সম্ভবত এটাই যে, একটি গবেষণা অনুযায়ী বিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিসিন এবং ডেন্টিস্ট্রির ছাত্ররা আর্টস (বা ল) ছাত্রদের চেয়ে বেশি দিন বাঁচেন। তাই আপনি যে টাকাই আয় করেন না কেন তা আপনি আরও বেশি দিন নিজের কাছে রাখতে পারবেন। ** পৃষ্ঠা ১৮ * বেতন হলো বেতনের ক্ষমতা পাওয়ার জন্য আমাদের ছেড়ে দেওয়া অন্য ক্ষমতা। উদাহরণস্বরূপ, আমরা যখন নিজেদের জন্য কাজ না করে অন্যের জন্য কাজ করি তখন আমরা আমাদের ক্ষমতা হারাই, কিন্তু বিনিময়ে আমরা বেতনের চেক বা আর্থিক ক্ষমতা পাই। * নারীরা কি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো ক্ষেত্রগুলো এড়িয়ে চলেন কারণ সেখানে পুরুষদের আধিপত্য বেশি এবং নারীদের প্রতি বৈষম্য করা হয়? সম্ভবত না। নারী আন্দোলনের আগে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রটি মেডিসিন বা আইনের চেয়ে বেশি পুরুষ-শাসিত ছিল না। আর নারীরা এখন প্রচুর সংখ্যায় মেডিসিন ও আইনে যোগ দিচ্ছেন। যখন নারীরা পুরুষ-শাসিত ক্ষেত্রে প্রবেশ করেন তখন তারা সাধারণত বেশি আকর্ষণীয় পেশাগুলো বেছে নেন। গণমাধ্যমও একে উৎসাহিত করে। ''এলএ ল'' ছিল কিন্তু কোনো ''এলএ ইঞ্জিনিয়ারিং'' ছিল না। ''ইআর'' মানে ইঞ্জিনিয়ারিং রুম নয়। ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার, গণিত ও বিজ্ঞানের মতো ক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য নারীরা ছয় স্তরের উৎসাহ পায়: প্রথমত, পুরুষদের চেয়ে ভালো শুরুর বেতন; দ্বিতীয়ত, হাই স্কুলের মেয়েদের জন্য বিশেষ প্রোগ্রাম; তৃতীয়ত, কেবল নারীদের জন্য সরকারি বৃত্তি; চতুর্থত, কেবল নারীদের জন্য কর্পোরেট অনুদান ও বৃত্তি; পঞ্চমত, নারীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বিজ্ঞাপন; এবং ষষ্ঠত, শীর্ষস্থানীয় মহিলা কলেজগুলোর বিজ্ঞান প্রোগ্রামের জন্য বিশেষ অনুদান। ** পৃষ্ঠা ২৫ * ঝুঁকিপূর্ণ পেশার ক্ষেত্রে এক ধরণের অদ্ভুত সংকট বা ক্যাচ-২২ পরিস্থিতি থাকে: কাজ যত ঝুঁকিপূর্ণ হয় সেখানে পুরুষ তত বেশি থাকে; সেখানে পুরুষ যত বেশি থাকে আমরা কাজটিকে নিরাপদ করার বিষয়ে তত কম গুরুত্ব দিই। ঝুঁকিপূর্ণ পেশার এই সংকট একটি ‘গ্লাস সেলার’ বা অন্ধকার ঘর তৈরি করে যেখানে খুব কম নারীই প্রবেশ করতে চান। নারীরা কেবল কাজের জায়গায় আঘাত পাওয়ার ভয়েই পিছিয়ে যান না বরং এমন এক পরিবেশের কারণেও পিছিয়ে যান যা একটি ঝুঁকিপূর্ণ কাজকে প্রয়োজনের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৭ * আপনার মেয়ে বলল, ‘বাবা, মা, আমি সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চাই।’ আপনি তার সুন্দর চেহারার দিকে তাকালেন, তার পুরো জীবন আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠল এবং আপনি একটি লাশের ব্যাগ দেখতে পেলেন। এখনই তাকে সামরিক বাহিনীর সবচাইতে বড় গোপন কথাটি জানানোর সময়: সে সামরিক বাহিনীতে যোগ দিয়েও ঘরে থাকার মতোই নিরাপদ থাকতে পারে। কীভাবে? ইরাক যুদ্ধে বিমান বাহিনীতে একজন নারীও নিহত হননি। নৌবাহিনীতে (মারিন্স) একজন নারীও নিহত হননি। আর নৌবাহিনীতে (নেভি) মাত্র একজন মারা গেছেন। আপনার কাজ হলো তাকে কেবল সেনাবাহিনী (আর্মি) থেকে দূরে রাখা। ** পৃষ্ঠা ৩০ * দক্ষিণ আফ্রিকার কয়লা খনি হোক, আলাস্কার মাছ ধরার নৌকা হোক বা আমেরিকার সামরিক বাহিনী হোক—নারীদের প্রতি পুরুষদের সুরক্ষামূলক মনোভাব এবং নারীদের নিজেদের (ও সন্তানদের) প্রতি সুরক্ষার প্রবৃত্তি পুরুষদের নারীদের তুলনায় অনেক বেশি পরিত্যাজ্য করে রাখে। সামরিক বাহিনীতে এই ধরণের একটি উদাহরণ দেখা যায়। সামরিক বাহিনীর এসইআরই (সারভাইভাল, ইভেশন, রেজিস্ট্যান্স এবং এস্কেপ) স্কুলগুলোতে নারী শিক্ষার্থীদের সুস্থতার বিষয়ে পুরুষ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এতটাই উদ্বেগ ছিল যে প্রশিক্ষকরা এখন পুরুষদের নারীদের ওপর যৌন নির্যাতন বা অন্যান্য লাঞ্ছনার বিষয়ে সংবেদনহীন করার চেষ্টা করেন যাতে যুদ্ধে তাদের এই সংবেদনশীলতাকে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার না করা যায়। আমরা সামরিক বাহিনীতে নারীদের নিরাপদ মনে করি কারণ তাদের এখনো সবচাইতে বিপজ্জনক কাজে নিয়োগ দেওয়া নিষিদ্ধ। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা আসলে নারীদের রক্ষা করার চিরাচরিত পুরুষালি প্রবৃত্তিরই প্রতিফলন। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * নিরাপত্তা বেছে নেওয়া মানে কেরিয়ারের চেয়ে জীবনকে প্রাধান্য দেওয়া। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * অয়েল রিগ বা তেলের খনিগুলোতে যে পুরুষেরা দিনে মাত্র ৮ ঘণ্টা কাজ করে তাদের অবজ্ঞার সাথে ‘নাইন-টু-ফাইভের’ বা অফিস ঘরানার মানুষ বলা হয়। এর উল্টোদিকে নারীরা ঝুঁকি খুব সামান্য হলেও তা নিতে চান না। আমাদের ছেলেদের জন্য বার্তাটি কী? আমাদের ছেলেরা যখন শারীরিক বিপদের ঝুঁকি নেয় তখন আমাদের প্রশংসা তাদের শেখায় যে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার ইচ্ছা ভালোবাসা তৈরি করে। লাঞ্ছনাই কি তবে ভালোবাসা? হ্যাঁ। ** পৃষ্ঠা ৩৯ * আমরা রোল মডেলদের ‘নেতা’ বললেও অধিকাংশ ‘নেতা’ আসলে অনুসারী। অধিকাংশ ‘নেতা’ তাদের প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধা বা প্রলোভনের অনুসারী। আর আমরাই সেই মানুষ যারা তাদের প্রলোভন দেখাই। আমরা মূলত পুরুষদের জীবন বাজি রাখার জন্য দুটি প্রলোভন দিই: বেতন এবং প্রশংসা... যে পুরুষ স্বেচ্ছায় একটি মৃত্যু পেশা বেছে নেয় সে তার শরীরের বিনিময়ে বেতন পাওয়ার আশা করে। মৃত্যু পেশাগুলোর না বলা মূলমন্ত্র হলো ‘আমার শরীর, কিন্তু সিদ্ধান্ত আমার নয়’। ** পৃষ্ঠা ৪০ * সবচাইতে অপ্রিয় সময়ে কাজ করতে ইচ্ছুক হওয়ার মাধ্যমে পুরুষেরা যে অর্থ উপার্জন করে তা নারীদের প্রতি বৈষম্যের চিহ্ন নয় বরং এটি অধিকাংশ বিবাহিত পুরুষের পরিবারের ভরণপোষণের জন্য নিজের ঘুম বিসর্জন দেওয়ার চিহ্ন, ঠিক যেমন তাদের স্ত্রীরা সন্তানকে খাওয়ানোর জন্য ঘুম বিসর্জন দেন। অস্বস্তিকর শিফটে কাজ করার এই মানসিকতাই বিবাহিত পুরুষদের অবিবাহিত পুরুষদের তুলনায় দ্বিগুণ আয় করার অন্যতম কারণ। রাতে করা পুরুষদের এই অবদান যেন অন্ধকারে হারিয়ে না যায়। ** পৃষ্ঠা ৬৯ * আমরা যখন অভিজ্ঞতার বছরগুলোকে হিসেবে ধরি না তখন একজন নারীর পক্ষে হতাশ হওয়া খুব সহজ যখন তিনি এমন শিরোনাম দেখেন যেমন— ‘টিভি নিউজ ডিরেক্টরদের ওপর গবেষণা নারীদের প্রতি বৈষম্য খুঁজে পেয়েছে।’ আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে কোনো নারী যখন পড়তেন যে নারী টিভি নিউজ ডিরেক্টররা পুরুষ ডিরেক্টরদের চেয়ে ২৭% কম বেতন পান তখন এটি তাকে এই ক্ষেত্রটি এড়িয়ে চলতে বাধ্য করত... অন্যদিকে যদি শিরোনামটি গবেষণার মূল ফলাফলকে আরও নির্ভুলভাবে তুলে ধরত যে, ‘নারী ম্যানেজাররা পুরুষদের চেয়ে তিন গুণ দ্রুত টিভি নিউজ ডিরেক্টর হন,’ তবে সেই নারী নিজেকে কাঙ্ক্ষিত মনে করতেন... সংক্ষেপে বেশি বেতনের পথটি হলো একটি টোল বা কর দেওয়ার পথ। কিন্তু ইতিহাসের এই সময়ে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা টোল বুথ রয়েছে এবং নারীদের কাছ থেকে নেওয়া টোলের পরিমাণ কম। যারা বেশি বেতনের পথে হাঁটতে চান এমন প্রতিটি নারীর জন্য এটি উৎসাহব্যঞ্জক হওয়া উচিত যাতে টোল কম থাকতেই তারা এই পথ বেছে নেন। আর যেসব পুরুষ সন্তানদের সাথে থাকতে চান—অথবা তাদের কর্মমুখী স্ত্রীকে সমর্থন করতে চান—তাদের সচেতন হওয়া উচিত যে একজন ভালো বাবা হওয়ার এবং স্ত্রীর সাফল্যকে সমর্থন করার এর চেয়ে ভালো সময় আর কখনো ছিল না। ** পৃষ্ঠা ৮৫-৮৭ * যারা বেশি বেতন পান তারা কোম্পানির প্রয়োজনে অন্য জায়গায়—বিশেষ করে অপ্রিয় জায়গাগুলোতে—যেতে বেশি ইচ্ছুক থাকেন... একজন কর্পোরেট সেক্রেটারি একই শহরের অন্য কোম্পানিতে বদলি হতে পারেন; কিন্তু একজন কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ একই কোম্পানির প্রয়োজনে অন্য শহরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। একজন প্রতিভাবান কর্পোরেট সেক্রেটারি অন্য জায়গায় যাওয়ার প্রস্তাবকে কেবল একটি আমন্ত্রণ হিসেবে দেখেন; কিন্তু একজন ভবিষ্যৎ কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ একে একটি সুযোগ এবং একটি বাধ্যবাধকতা হিসেবে দেখেন। ** পৃষ্ঠা ৯৩-৯৪ * আমরা যখন সমান ঘণ্টা কাজ করা নারী ও পুরুষদের বেতনের দিকে তাকাই তখন দুটি বিস্ময়কর আবিষ্কার পাওয়া যায়: <br>—যখন নারী ও পুরুষ সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টার কম কাজ করেন তখন নারীরা পুরুষদের চেয়ে বেশি আয় করেন; <br>—যখন তারা ৪০ ঘণ্টার বেশি কাজ করেন তখন পুরুষেরা নারীদের চেয়ে বেশি আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ৭৯ * বর্তমানে নারীদের সপ্তাহে ৫০ ঘণ্টার বেশি কাজ করার সম্ভাবনা পুরুষদের অর্ধেক। (আবারও বলছি কর্মজীবী নারীরা বাড়িতে বেশি সময় দেন।) কোনো নারীর পক্ষে এই প্রতিশ্রুতির সাথে ২০ বছর কাজ চালিয়ে যাওয়া এবং পরে সিইও হিসেবে নিজের কাজের সময় আরও বাড়িয়ে দেওয়া খুবই বিরল। কিন্তু ঠিক বিরল বলেই যেসব নারী এটি করতে ইচ্ছুক তারা অনেক বেশি ব্যতিক্রমী হিসেবে পরিচিত হন। আসলে নারীরা অনেক বেশি ‘ইউরোপীয়’ ধাচের—তারা বেঁচে থাকার জন্য কাজ করেন, কাজ করার জন্য বাঁচেন না। কিন্তু স্বাস্থ্যবান এবং ভারসাম্যপূর্ণ মানুষ যারা কেবল বাঁচার জন্য কাজ করেন তারা খুব কমই শীর্ষে পৌঁছাতে পারেন। ** পৃষ্ঠা ৮২ * অবিবাহিত নারীরা প্রায়ই ভয় পান যে তারা যে পুরুষদের সাথে ডেট করছেন তারা হয়তো কম কেরিয়ার এবং বেশি সন্তান পালনের বিষয়টি পছন্দ করবেন না। সম্ভবত। যদি কোনো নারী অনেক বেশি কেরিয়ার সচেতন পুরুষকে বেছে নেন তবে তিনি যা বেছেছেন তাই পাবেন। সমাধান কী? এমন পুরুষদের মধ্য থেকে বেছে নিন যারা কেরিয়ার সচেতন নারীকে বিয়ে করতে পছন্দ করবেন এবং কয়েক বছরের জন্য সন্তানদের সাথে ঘরে থাকতে ভালো বোধ করবেন। এমন পুরুষ খুঁজে পাচ্ছেন না? আপনার ম্যাচকটকম প্রোফাইলে আপনার আগ্রহের কথা জানান—সঠিক মানুষ খোঁজার জন্য ইন্টারনেটই সেরা মাধ্যম। আপনি অবাক হয়ে যাবেন। ** পৃষ্ঠা ৮৩-৮৪ * যারা বেশি বেতন পায় তারা কম নিরাপত্তা চায়। বিষয়। ২০০৪ সাল। আমি আমার প্রকাশক প্রতিষ্ঠানের (অ্যামাকম) সেলস এবং মার্কেটিং টিমের কাছে ''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' বইটি উপস্থাপন করছি। বেশি বেতনের অন্যতম উপায় হিসেবে আর্থিক ঝুঁকির উদাহরণ দিতে আমি ঘরে উপস্থিত সবাইকে জিজ্ঞাসা করলাম যারা কমিশনের বিনিময়ে কাজ করেন তারা দাঁড়িয়ে যান। আটজন পুরুষ দাঁড়িয়ে গেলেন; কোনো নারী দাঁড়ালেন না। এরপর আমি যারা নির্দিষ্ট বেতনের বিনিময়ে কাজ করেন তাদের দাঁড়াতে বললাম: প্রায় সমান সংখ্যক নারী ও পুরুষ দাঁড়িয়ে গেলেন। ** পৃষ্ঠা ১০৭ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এমনকি নির্দিষ্ট কোনো পেশার ভেতরেও পুরুষদের আর্থিক ঝুঁকি নেওয়ার ধরণ দেখা যায়। নারী চিকিৎসকদের সরকারি বা কোনো এইচএমও প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সম্ভাবনা পুরুষদের চেয়ে তিন গুণ বেশি; অন্যদিকে পুরুষ চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বার বা একক প্র্যাকটিস করার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। ** পৃষ্ঠা ১০৮ * কর্পোরেট সংকট বা ক্যাচ-২২: নমনীয়তা না দেখালে ভালো নারী কর্মীদের হারান; নমনীয়তা দেখালেও ভালো নারী কর্মীদের হারান... একটি কোম্পানি যখন নারীদের নমনীয়তার ইচ্ছা এবং কম পদোন্নতির আকাঙ্ক্ষার কথা শুনে তাদের পদোন্নতি কম দেয় এবং পরে আবার কম পদোন্নতি দেওয়ার জন্য সেই কোম্পানির বিরুদ্ধেই মামলা হয়। ইদ্দিশ ভাষায় এর জন্য একটি শব্দ আছে: চুটজপা। ** পৃষ্ঠা ১১১-১২ * ইতিহাসের এই মুহূর্তে লক্ষ লক্ষ ‘চাকরিজীবী বাবা’ এমন কিছু করতে চাচ্ছেন যা করার অধিকার তারা আছে বলে মনে করেন না: বাবা হিসেবে বেশি সময় দেওয়া এবং কর্মী হিসেবে কম সময় দেওয়া। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের নারী এক্সিকিউটিভদের তুলনায় পুরুষ এক্সিকিউটিভদের মধ্যে এই অনুভূতি অনেক বেশি কারণ সেই অঞ্চলের নারী এক্সিকিউটিভদের সন্তান না থাকার সম্ভাবনা পুরুষদের চেয়ে ছয় গুণ বেশি। একজন এশিয়া-প্যাসিফিক পুরুষ এক্সিকিউটিভের চাকরিজীবী বাবা হওয়ার সম্ভাবনা একজন নারী এক্সিকিউটিভের চাকরিজীবী মা হওয়ার চেয়ে প্রায় ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১১৩ * হাজার বছর ধরে নারীরা পুরুষদের তাদের ভরণপোষণ করার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে পছন্দ করেছে। নারীরা কর্মক্ষেত্রে যত বেশি পারদর্শী হবে তারা তত বেশি নতুন ধরণের পুরুষের সাথে অংশীদারিত্বের পথ খুলে দেবে। আমি আশা করি এই বইয়ের প্রথম অংশ পুরুষদের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে। আমরা যখন পুরুষ-শাসিত পেশাগুলোতে পুরুষদের চেয়ে নারীদের আর্থিকভাবে ভালো করতে দেখি তখন তা কর্মক্ষেত্রে নারীদের প্রতি পুরুষদের মনোভাবের একটি উদার চিত্র তুলে ধরে। যেহেতু আমরা বেশি উপার্জনের জন্য আত্মত্যাগ করার কথা ভাবি তাই আমি আশা করি আমরা সেই ত্যাগগুলোর প্রশংসা করব যা পুরুষেরা তাদের পরিবারের ‘আর্থিক জঠর’ হয়ে পরিবারকে লালন করার জন্য করেছে। বিশেষ করে ‘চাকরিজীবী বাবাদের’ ত্যাগ এবং তাদের ‘অদৃশ্য লড়াই’-এর প্রশংসা করব। ** পৃষ্ঠা ১২২ * পুরুষেরা নিজেদের জন্য পছন্দ বা বিকল্প তৈরির ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে থাকলেও তারা আসলে নারীরা নিজেদের জন্য যে পছন্দগুলো চায় তার নীরব সমর্থক ছিল। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * পুরুষদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাবের গভীর উদ্দেশ্য হলো সেইসব শিশুদের জন্য আরও ভালো জীবন নিশ্চিত করা যাদের বাবা বা সৎ বাবারা তাদের অভিভাবক; আমাদের ছেলেদের জন্য কম লজ্জার পরিবেশ তৈরি করা যারা ভবিষ্যতে পুরুষ হবে; এবং আমাদের মেয়েদের জন্য পুরুষদের সন্তুষ্ট করার ইচ্ছার একটি গভীর বোধ তৈরি করা যা তাদের অনুভব করাবে যে তাদের সন্তুষ্ট করার মানসিকতা একপক্ষীয় নয় বরং পারস্পরিক—এতে আমাদের মেয়েরা নিজেকে কম একা এবং বেশি ভালোবাসার যোগ্য মনে করবে। আমরা যদি আয় বেশি করি এবং ভালোবাসা কম দিই তবে আমরা এমন একটি বাড়ির জন্য টাকা দিচ্ছি যেখানে আমরা বাস করি না। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * এক অর্থে শিশু যত্নের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের কাজের সাথে শিশুদের সম্পর্কের বিষয়টি একটি পূর্ণ চক্র সম্পন্ন করেছে। আমরা ছোট পারিবারিক ব্যবসা বা খামার যেখানে শিশু যত্ন এবং কাজ একসাথে চলত তা থেকে সন্তানদের ঘরে রেখে বাবার কাজে যাওয়ার যুগে গিয়েছিলাম; এখন আবার মা এবং বাবা উভয়েই ঘরে বসে কাজ করছেন যেখানে শিশু যত্ন এবং কাজ পুনরায় একত্রিত হয়েছে। সেই পুরনো পারিবারিক কাজের ধরণে আমরা আবার ফিরে এসেছি। ** পৃষ্ঠা ১৩১ * ইতিহাস জুড়ে পুরুষেরা শিখেছে যে টিকে থাকা, সম্মান এবং নারীর ভালোবাসা সবই অর্জিত হয় কোনো বড় সাফল্য বা ‘মেকিং আ কিলিং’-এর মাধ্যমে—তা পশু শিকার হোক, শত্রু বিনাশ হোক অথবা ওয়াল স্ট্রিটে বড় কোনো সাফল্য পাওয়া হোক। পুরুষেরা ভালোবেসে যা উৎপাদন করত নারীরা সেই অর্থ পেত। পুরুষেরা মনে করত টাকা, সম্পত্তি বা বীরত্ব ছাড়া তারা নারীর ভালোবাসার যোগ্য নয়। নারীরা মনে করত পুরুষেরা তাদের জন্য যে টাকা খরচ করে তা হলো তারা সেই পুরুষের কাছে কতটা মূল্যবান বা ভালোবাসার পাত্রী তার বহিঃপ্রকাশ। নারীর ভালোবাসার ক্ষমতা হয়ে উঠেছিল তার নিরাপত্তার উৎস: ‘হীরাই হলো একটি মেয়ের পরম বন্ধু’। মূলত ইতিহাস জুড়ে প্রায় সব সমাজে এবং সব শ্রেণিতে এই ধরণটিই সত্যি ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৩৫ * কর্মক্ষেত্রে নারীরা বৈষম্যের শিকার হয় এই বিশ্বাসটি কোনো দম্পতির মধ্যে নারীর ঘরে থাকার প্রবণতাকে আরও শক্তিশালী করে। নারীর ঘরে থাকার এই প্রবণতাই কর্মক্ষেত্রে তার গুরুত্ব কমিয়ে দেয়। এরপর বিয়ের ঠিক পরেই স্বামীর কেরিয়ারের জন্য তার নিজের বদলি হওয়া যুক্তিযুক্ত মনে হয় কিন্তু স্ত্রীর কেরিয়ারের জন্য স্বামীর বদলি হওয়া নয়। একইভাবে স্ত্রীর কেরিয়ারের চেয়ে স্বামীর ডাক্তারি, আইন বা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিতে বিনিয়োগ করা তাদের কাছে বেশি যুক্তিযুক্ত মনে হয়... বিদ্রূপের বিষয় হলো একটি মিথ্যা বাস্তবতা থেকে একটি আসল বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। আর বিদ্রূপের বিষয় হলো নারীদের কেরিয়ারে সাহায্য করার জন্য দেওয়া মন্তব্যগুলোই উল্টো তাদের কেরিয়ারের ক্ষতি করছে। নরকের পথ ভালো উদ্দেশ্য দিয়েই তৈরি হয়... ** পৃষ্ঠা ১৪৫ * আমরা যখন বলি যে পুরুষেরা বৈষম্য করে বলেই তারা শীর্ষে রয়েছে তখন আমরা মূল বিষয়টি ধরতে ভুল করি। পুরুষেরা কর্মক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে কারণ কাজ মূলত পুরুষদের দায়িত্ব ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * যদি দলগত খেলাগুলো কর্পোরেট জগতের জন্য ব্যবস্থাপনার দক্ষতা তৈরি করে তবে পাড়ার খেলাগুলো অনেকটা উদ্যোক্তা হওয়ার প্রশিক্ষণের মতো... পাড়ার খেলাগুলোতে এখনো ৯৯% পুরুষ থাকে। অর্থাৎ উদ্যোক্তা হওয়ার এই ধরণের প্রস্তুতি মূলত ৯৯% পুরুষালি সামাজিকীকরণের অংশ। আমি মনে করি এটিই একটি অন্যতম কারণ যে নিজের ব্যবসা চালানো পুরুষেরা তাদের নারী সমকক্ষদের তুলনায় দ্বিগুণ আয় করে। ** পৃষ্ঠা ১৫৬ * নারী-পুরুষ উভয়ই পুরুষ ডেন্টিস্টদের আমাদের মুখের ভেতর কাজ করার অনুমতি দিই, কিন্তু আপনি কি কখনো কোনো পুরুষ ডেন্টাল হাইজিনিস্টকে আপনার মুখের ভেতর কাজ করতে দিয়েছেন? পুরুষকে আমাদের ব্যক্তিগত জায়গাগুলোতে পৌঁছানোর জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে হয় যা কোনো নারীর ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় না—তাকে হয় ডাক্তার বা ডেন্টিস্ট হতে হবে নতুবা সেই আশা ছাড়তে হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮১ * নারীদের অধিকতর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং সৌন্দর্যের ক্ষমতা দৃশ্যমান এবং অদৃশ্য উভয় ধরণের আয়ের সুযোগ করে দেয়। এই সুযোগ প্রায় সব নারী এবং কিছু পুরুষের জন্য থাকলেও ‘জেনেটিক সেলিব্রিটি’ বা জন্মগতভাবে সুন্দরীদের ক্ষেত্রে তা অঢেল পরিমাণে থাকে... এমন সুন্দরী নারী যার পেছনে পুরুষেরা কেবল তাকিয়ে দেখা বা কথা বলাই নয় বরং তার অনুসরণও করে। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * আমি যখন জাপানে ''হোয়াই মেন আর দ্য ওয়ে দে আর'' বইটির প্রচারে গিয়েছিলাম তখন আমাকে ‘স্নাক’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছিল। ‘স্নাক’ বিষয়টি এভাবে কাজ করে: একজন পুরুষ কাজ থেকে বাড়ি ফিরছে এবং তার দিনটি খুব খারাপ কেটেছে। সে মনে করে না যে তার স্ত্রী তার কথা শুনতে চাইবে তাই সে ৫০ থেকে ৮০ ডলার খরচ করে একটি ‘স্নাক’-এ যায়—যেখানে সে স্যান্ডউইচ, পানীয় এবং একজন সুন্দরী নারী পায় যে সহানুভূতির সাথে তার কথা শুনবে—নিরাপদভাবে বলতে গেলে খাবারের সাথে একজন সুন্দরী মনোবিজ্ঞানী। সেখানে কোনো পুরুষ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয় না। ** পৃষ্ঠা ১৯৮ * আইনজীবীদের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে যেসব আইনজীবীদের ছবি নিরপেক্ষভাবে বেশি সুদর্শন বলে মনে করা হয়েছিল তারা কম সুদর্শন আইনজীবীদের তুলনায় বছরে প্রায় ১২% বেশি আয় করেন। সুদর্শন আইনজীবীরা বেশি সময় ধরে কাজ করতেন কিন্তু যখন সেই সময় এবং অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয় তখনও দেখা যায় যে সুদর্শন আইনজীবীরা ঘণ্টায় অনেক বেশি আয় করেন। বলা বাহুল্য পুরুষ আইনজীবীদের নারীদের তুলনায় কম আকর্ষণীয় হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল যা নারীদের আয়ের ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। চেহারার আকর্ষণীয়তার ব্যবধান যত বেশি আয়ের ব্যবধানও তত বেশি ছিল। সময় যত গড়িয়েছে এই ব্যবধান তত বেড়েছে। মাঝে মাঝে জীবন ন্যায়বিচার করে না। ** পৃষ্ঠা ১৯৯-২০০ * নারীদের জন্মগত সৌন্দর্যের ক্ষমতা পুরুষদের রক্ষাকর্তার প্রবৃত্তিকে বাড়িয়ে দেয়। এটি বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকারকে অনুপ্রাণিত করে। জন্মগত সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষদের এই আসক্তি হয় অদৃশ্য অথবা তারা এটি অস্বীকার করার পর্যায়ে থাকে—ফলে আমরা হয় এটি দেখতে পাই না নতুবা সামনে এলে অস্বীকার করি। ** পৃষ্ঠা ২০৭ * এটি নিজের ওপর পরীক্ষা করে দেখুন। কল্পনা করুন এক মাস ধরে আপনার ময়লা পরিষ্কার করা হয়নি এবং আপনি নতুন কোনো নৃতাত্ত্বিক আবিষ্কার সম্পর্কে পড়ার সুযোগও পাননি। কোনটি সমাধান করতে আপনি বেশি টাকা খরচ করবেন? একটি সমাজ যখন কার্যকরভাবে চলে তখন তারা চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেতন নির্ধারণ করে। এই সামঞ্জস্য করতে ব্যর্থ হলে কেবল রাস্তা ময়লায় ভরে যায় না বরং নৃতাত্ত্বিকদের বেকারত্বের দীর্ঘ লাইনও তৈরি হয়। ** পৃষ্ঠা ২১১ * বেকারত্ব অবশ্যই অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দেয় যা আরও বেকারত্ব তৈরি করে। বিদ্রূপের বিষয় হলো বেকারত্ব পুরুষদের চেয়ে নারীদের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে। নারীবাদীরা যুক্তি দেন যে এটি লিঙ্গবৈষম্যের কারণে হয়: নারীদের সবশেষে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং সবার আগে ছাঁটাই করা হয়। ফলাফলটি সঠিক হলেও কারণটি ভুল। আমাদের যা সবচাইতে বেশি প্রয়োজন আমরা তাকে আগে নিয়োগ দিই এবং যা সবচাইতে কম প্রয়োজন তাকে আগে ছাঁটাই করি। একারণেই আপনি ময়লা সংগ্রাহককে আগে নিয়োগ দেন এবং সবার শেষে ছাঁটাই করেন। পুরুষদের হয়তো আগে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং সবার শেষে ছাঁটাই করা হয় কারণ অনেক পুরুষ সমাজের নোংরা এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো কম মূল্যে করতে রাজি হয়। ** পৃষ্ঠা ২১২ * নারীদের মধ্যে সবচাইতে অনস্বীকৃত ব্যয়ের প্রত্যাশা হলো একক মায়েরা শিশুদের লালন-পালনের পেছনে যে সময় ব্যয় করেন—তা কেবল শারীরিকভাবে নয় বরং মানসিকভাবেও। আমার মনে হয় একজন মায়ের সময়ের খুব সামান্য অংশই চাইল্ড সাপোর্ট বা আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে পূরণ করা হয় যদি বিবেচনা করা হয় যে সেই সময়টুকু তিনি কর্মক্ষেত্রে দিলে কত আয় করতে পারতেন... একারণেই যেসব নারী কখনো বিয়ে করেননি এবং যাদের সন্তান নেই তারা কর্মক্ষেত্রে মায়েদের তুলনায় অনেক বেশি আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২২ === ''দ্য বয় ক্রাইসিস'' (২০১৮) === * “যারা বাবা হতে চলেছেন তাদের মধ্যে ছেলে সন্তানের চেয়ে মেয়ে সন্তান পছন্দ করার সম্ভাবনা প্রায় দ্বিগুণ।” ** পৃষ্ঠা ২ * পঁচিশ থেকে একত্রিশ বছর বয়সী যুবকদের তাদের সমবয়সী নারীদের তুলনায় বাবা-মায়ের সাথে থাকার সম্ভাবনা ৬৬ শতাংশ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২ * “পুরুষত্বের অবসান” বা পুরুষদের শেষ হয়ে যাওয়ার আগাম ধারণা আপনার ছেলের জীবন সংগ্রামের জন্য মোটেও কোনো অনুপ্রেরণা নয়। ** পৃষ্ঠা ৪ * যখন কেবল একটি লিঙ্গ জয়ী হয় তখন আসলে উভয় লিঙ্গই হেরে যায়। ** পৃষ্ঠা ৪ * কেবল ছেলেদের দিকে তাকিয়ে আমরা ছেলেদের সংকট বা বয় ক্রাইসিস সমাধান করতে পারি না। ** পৃষ্ঠা ৯ * ছেলেদের নিয়ে লেখা একটি বইতে আমি পুরুষদের নিয়ে আলোচনা করেছি কারণ পুরুষেরা হলো সেই রোল মডেল যারা আপনার ছেলেকে হয় একটি সুন্দর কাঠামো এবং অনুপ্রেরণা দেবে নতুবা তাকে লক্ষ্যহীন ও বিষণ্ণ করে তুলবে। ** পৃষ্ঠা ৯ * ইরোকুইদের মহান আইন হলো যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের পবিত্রতম দায়িত্ব হলো সাত প্রজন্ম পরের কথা ভাবা—অর্থাৎ আজ আমরা যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি তা কেবল আমাদের বা আমাদের সন্তানদের জন্যই নয় বরং ভবিষ্যতে আমাদের কয়েক প্রজন্ম পরের সন্তানদেরও উপকার করবে কি না তা নিয়ে সচেতন হওয়া। ** পৃষ্ঠা ৯ * যখন দাদারা বাবা ছিলেন তখন দাদাদের সেই বিশেষ ধরণের লালন-পালন যেমন বাচ্চাদের সাথে ধস্তাধস্তি করা অথবা সন্তানদের সেবা পাওয়ার বদলে সেবা করার যে প্রত্যাশা তা কেন শিশুদের বিকাশে এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল তা নিয়ে কোনো গবেষণা ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১০ * ভবিষ্যতের কোনো ভাবনাই নিখুঁত হতে পারে না। তবে ''দ্য বয় ক্রাইসিস''-এর লক্ষ্য হলো গত আধা শতাব্দী ধরে নারী ও মেয়েদের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে যে জাতীয় আলোচনা হয়েছে তার সাথে ছেলে এবং পুরুষদের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়েও একইভাবে বিস্তারিত আলোচনা করা। ** পৃষ্ঠা ১০ * কোনো ছেলে যখন মানসিক স্বাস্থ্যের এক আঁকাবাঁকা পথে চলতে থাকে এবং নিজেকে একা ও বিষণ্ণ মনে করে কারণ সে ভাবে যে তার আসল রূপটি কেউ ভালোবাসে না বা তাকে কারো প্রয়োজন নেই এবং এই অবস্থার পরিবর্তনের কোনো আশাও নেই—তখন সে একদিন পাহাড়ের কিনারায় পৌঁছে হয়তো নিজেকে শেষ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৫ * স্কুল এবং অন্যান্য গণ-শুটিংয়ে যে খুন ও আত্মহত্যার সমন্বয় দেখা যায় তা মূলত মানসিকভাবে বিপর্যস্ত শ্বেতাঙ্গ ছেলেদের পাহাড়ের কিনারা থেকে নিচে পড়ে যাওয়ার মতোই একটি বিষয়। ** পৃষ্ঠা ১৬ * শ্বেতাঙ্গ পুরুষদের মধ্যে আত্মহত্যার হার বৃদ্ধি পাওয়ায় এইডস-এ যত শ্বেতাঙ্গ পুরুষ মারা গেছেন ঠিক ততজনই আত্মহত্যার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন। ** পৃষ্ঠা ১৫ * দশ থেকে বিশ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ ছেলেদের মৃত্যুর প্রধান দশটি কারণের মধ্যে খুনের শিকার হয়ে মারা যাওয়ার সংখ্যা বাকি নয়টি কারণের সম্মিলিত সংখ্যার চেয়েও বেশি। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পুরুষালি ভূমিকার চাপ এবং হরমোনের প্রভাব বাড়ার সাথে সাথে আত্মহত্যার হারও বৃদ্ধি পায়। বয়ঃসন্ধির আগে ছেলে এবং মেয়েদের আত্মহত্যার হার প্রায় সমান থাকে। তবে দশ থেকে চৌদ্দ বছর বয়সের মধ্যে ছেলেদের আত্মহত্যার হার মেয়েদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পনেরো থেকে উনিশ বছর বয়সের মধ্যে ছেলেদের আত্মহত্যার হার মেয়েদের চার গুণ; আর বিশ থেকে চব্বিশ বছর বয়সের মধ্যে পুরুষদের আত্মহত্যার হার নারীদের তুলনায় পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১৬ * গুরুত্ব কমে যাওয়ার ফলে পুরুষেরা নিজেদের মূল্যহীন মনে করতে শুরু করেছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬ * ২০১৫ সালের দিকে ভালো অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যেও নারীদের তুলনায় পুরুষেরা সাড়ে তিন গুণ বেশি আত্মহত্যা করছিল। ** পৃষ্ঠা ১৭ * বয় ক্রাইসিস বা ছেলেদের সংকট যে একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে তার সবচাইতে বড় প্রমাণ হলো ১৯৭৩ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জেল এবং কয়েদিদের সংখ্যা ৭০০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * জেলে থাকা কৃষ্ণাঙ্গ যুবকদের বিশাল সংখ্যার পেছনে আমরা প্রায়ই বর্ণবাদকে কারণ হিসেবে দেখি কিন্তু যেহেতু কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষদের অন্য পরিচয়টি হলো তারা “পুরুষ”, তাই এর পেছনে আমাদের লিঙ্গবৈষম্য দায়ী কি না তা আমরা খুব কমই ভেবে দেখি। ** পৃষ্ঠা ১৮ * আজ পর্যন্ত আমাদের কারাগার সংক্রান্ত আলোচনা কেবল বন্দি রাখা বনাম সংশোধনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে, অপরাধ প্রতিরোধ বনাম বন্দিত্বের ওপর নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮ * একজন প্রাথমিক স্কুল শিক্ষার্থীর পেছনে ব্যয়ের তুলনায় জেলখানায় ব্যয়ের হার পাঁচ গুণ বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ১৯ * বর্তমানে পঞ্চাশ বছরের কম বয়সী ছেলে এবং পুরুষদের মৃত্যুর সম্ভাবনা একই বয়সী মেয়ে এবং নারীদের তুলনায় দ্বিগুণ। ** পৃষ্ঠা ২০ * প্রতিদিন ১৫০ জন কর্মী ঝুঁকিপূর্ণ কাজের পরিবেশে মারা যান। আর তাদের মধ্যে ৯২ শতাংশই হলেন পুরুষ। ** পৃষ্ঠা ২১ * সামগ্রিকভাবে এই কাজগুলোকে “গ্লাস সেলার” বা অন্ধকূপের কাজ বলা যেতে পারে। এখানে কেবল পুরুষরাই থাকে কারণ প্রায় সব ক্ষেত্রেই আমাদের ছেলেরাই তাদের পরিবারের সুন্দর জীবনের জন্য মৃত্যুর ঝুঁকি নিতে রাজি হয়। ** পৃষ্ঠা ২২ * বিগোরিক্সিয়া বা মৃত্যু পেশা বেছে নেওয়া যাই হোক না কেন আমাদের ছেলেরা এবং আমাদের মেয়েরা প্রায়ই এমন কিছুর প্রতি সাড়া দেয় যা তাদের প্রশংসা এবং শ্রদ্ধা এনে দেবে বলে তারা মনে করে। ** পৃষ্ঠা ২৪ * আপনার ছেলের দাদার কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল তার কাজের উন্নতি না হওয়া; কিন্তু আপনার ছেলের কাছে চ্যালেঞ্জ হলো তার কাজ অন্য কোথাও চলে যাওয়া। ** পৃষ্ঠা ২৫ * আপনার ছেলে এমন এক অর্থনীতিতে প্রবেশ করবে যা শারীরিক শক্তির বদলে এখন মানসিক শক্তি বা মাইক্রোচিপের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। ** পৃষ্ঠা ২৫ * গত চল্লিশ বছরে কেবল হাই স্কুল ডিপ্লোমা থাকা ছেলেদের বার্ষিক গড় আয় ২৬ শতাংশ কমেছে। ** পৃষ্ঠা ২৫ * চাকরি পাওয়া যত কঠিন হয় জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়াও ততটাই কঠিন হয়ে পড়ে। ** পৃষ্ঠা ২৬ * এটিই আমাদের জিনগত ঐতিহ্য। এই প্রক্রিয়াটি আমাদের অতীতে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে কিন্তু আমাদের ভবিষ্যতের জন্য এর আর প্রয়োজন নেই। কিন্তু যেহেতু আমরা রাতারাতি বিবর্তন পরিবর্তন করতে পারি না তাই আসুন আপনার ছেলেকে এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে সাহায্য করি। ** পৃষ্ঠা ২৬ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ৪১ শতাংশ মেয়ে লেখায় দক্ষ হলেও ছেলেদের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ২০ শতাংশ। ** পৃষ্ঠা ২৮ * যেসব ছেলে অনুপ্রাণিত হয় তারা সমাজের সবচাইতে গঠনমূলক শক্তিতে পরিণত হতে পারে—যেমন নতুন কিছু উদ্ভাবন করা (যেমন অ্যামাজন, অ্যাপল, ফেসবুক, মাইক্রোসফট এবং গুগল)—অন্যদিকে ছেলেদের শক্তিকে যদি সঠিকভাবে পরিচালিত করা না হয় তবে তারা সিরিয়াল কিলার বা অপরাধীতে পরিণত হয়ে সমাজের সবচাইতে ধ্বংসাত্মক শক্তিতেও পরিণত হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২৯ * জাপান তাদের কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম অনেক বাড়িয়েছে যেখানে ২৩ শতাংশ হাই স্কুল গ্র্যাজুয়েট কারিগরি স্কুলে পড়াশোনা করে। এর ফলে ৯৯.৬ শতাংশ জাপানি কারিগরি শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশনের পরপরই চাকরি পায়। ** পৃষ্ঠা ৩১ * আমার মনে হয় আপনার ছেলের ভবিষ্যতের জন্য আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হবে: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই যত উন্নত হবে মানুষ মানুষের কাছ থেকে সেই আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ততটাই বেশি করবে। ** পৃষ্ঠা ৩১ * যখন নারী ও পুরুষ উভয়কেই অন্যের অনুভূতি সঠিকভাবে বোঝার জন্য পারিশ্রমিক দেওয়া হয় তখন সহানুভূতির লিঙ্গ ব্যবধান ঘুচে যায়! এর মানে হলো সহানুভূতি এবং আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার ক্ষমতা ছেলে ও পুরুষদের ভেতরেই আছে; আমাদের শুধু তাদের জানাতে হবে যে আমরা এই গুণের জন্য তাদের মূল্যায়ন করব। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যারা অন্যদের উত্ত্যক্ত করে এবং যারা উত্ত্যক্ত হয় তাদের মধ্যে তিনটি মিল আছে: উভয়েই নেতিবাচক পরিবার, স্কুল এবং সামাজিক পরিবেশ থেকে আসে; উভয়েরই আত্মমর্যাদা কম এবং উভয়েরই সামাজিক দক্ষতা দুর্বল। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যেহেতু সহানুভূতি এবং আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা শেখানো সম্ভব এবং এই দক্ষতাগুলোই ভবিষ্যতের পেশার জন্য সবচাইতে বেশি প্রয়োজন তাই আমাদের প্রাথমিক স্কুল থেকেই এই শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা দরকার। ** পৃষ্ঠা ৩২ * বিশ্বজুড়ে ছেলেদের পড়ার দক্ষতা, গণিত এবং বিজ্ঞানের মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে মেয়েদের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি ফেল করার সম্ভাবনা থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩৪ * আশির দশকের পর থেকে ছেলেদের আইকিউ প্রায় ১৫ পয়েন্ট কমেছে। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * আত্মহত্যা এখন সারা বিশ্বে “যুদ্ধ, খুন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মিলিত মৃত্যুর চেয়েও বেশি প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে যা ৩৬ মিলিয়ন বছরের স্বাস্থ্যকর জীবন চুরি করে নিচ্ছে”। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * ভারতে পুরুষদের আত্মহত্যার হার নারীদের তুলনায় নয় গুণ বেশি দ্রুত গতিতে বাড়ছে। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * ছেলে ও পুরুষদের মৃত্যু এবং কষ্টের প্রতি আমাদের সংবেদনশীলতা আমাদের বেঁচে থাকার সহজাত প্রবৃত্তির সাথে প্রতিযোগিতায় নামে। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * যুদ্ধে জেতার জন্য আমাদের ছেলেদের পরিত্যাজ্য হতে শেখাতে হয়েছিল। আমরা ছেলেদের সম্মান জানাতাম যদি তারা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রাণ দিত। আমরা তাদের বীর বা হিরো বলতাম। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * কোনো ছেলে যত বেশি নিজের অনুভূতি দমন করে এবং নিজের হৃদয়ের চারপাশে বর্ম তৈরি করে আমাদের পক্ষে তার প্রতি মন খোলা রাখা ততটাই কঠিন হয়ে পড়ে। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * আমরা একে ইকিগাই বলি বা জীবনের উদ্দেশ্য—আমরা যখন এমন কিছু করি যা আমাদের জীবনকে অর্থবহ করে তোলে তখন সেটিই আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। ** পৃষ্ঠা ৪৬ * সে যদি তার ভালো লাগার কাজ করে তবে আপনি হয়তো টাকার অভাব অনুভব করবেন। ** পৃষ্ঠা ৪৮ * বেশি বেতনের পথটি একটি টোল বা কর দেওয়ার পথ। ** পৃষ্ঠা ৪৮ * পিতৃত্ব ছিল আপনার বাবার নিজের পছন্দের কাজ ত্যাগ করে আপনার প্রতি তার ভালোবাসা বেছে নেওয়া। ** পৃষ্ঠা ৪৮ * “আমার বাবার ধ্যান-জ্ঞান ছিল তার ক্যারিয়ার—তিনি সব সময় তাই করতেন যা তিনি পছন্দ করতেন।” ** পৃষ্ঠা ৪৯ * আমরা আমাদের বাবাকে চিনি আর না চিনি তার সাথে আমাদের একটি সম্পর্ক থাকে। আমাদের মনে যে ধারণাটি থাকে সেটিই হলো তার সাথে আমাদের সম্পর্ক। ** পৃষ্ঠা ৫১ * আপনার ছেলে হয়তো অনুভব করতে পারে যে পুরুষালি ভূমিকা তাকে অন্য কেউ খরচ করবে এমন অর্থ উপার্জনের দায়িত্ব দিয়ে নিজে অকালে মৃত্যুবরণ করার চাপ দিচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৫২ * আপনার ছেলের বীরেরা প্রথাগত মই বেয়ে ওঠেনি—তারা তাদের নিজস্ব পথ তৈরি করেছে। ** পৃষ্ঠা ৫৩ * জাপানি ছেলেদের অবচেতন বোধ হলো: বিজয়ী বাবা আসলে তাদের কাছে পরাজিত বাবা। ** পৃষ্ঠা ৫৩ * ডন ড্রেপার যদি পুরুষ হওয়ার অর্থ নিয়ে আত্মসমালোচনা করার পর্যায়ে পৌঁছান তবে সেখান থেকেই তার শুরু করা উচিত। ** পৃষ্ঠা ৫৫ * নারী আন্দোলন প্রতিটি মেয়েকে সাবধান করেছে কীভাবে বিয়ে তার ক্যারিয়ার বিসর্জন দিতে প্ররোচনা দিতে পারে। কিন্তু কেউ ছেলেদের সাবধান করেনি কীভাবে বিয়ে তার ক্যারিয়ারে আপস করতে প্ররোচনা দিতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৫৭ * জন লেনন যদি তার বড় ছেলে জুলিয়ানের প্রতি শনের মতো যত্নশীল হতেন তবে আমরা জন লেননের নামই শুনতাম না। ** পৃষ্ঠা ৬০ * হিরো শব্দটি এসেছে ‘সার-’ মূল থেকে যেখান থেকে আমরা ‘সার্ভেন্ট’ বা সেবক শব্দটিও পাই। ** পৃষ্ঠা ৬১ * জ্যাকের বাবাকে একজন ফুটবল বীর হিসেবে গড়ে তোলা ছিল জ্যাককে পুরুষত্বের জন্য প্রস্তুত করার একটি অবচেতন পথ যেখানে প্রশংসা এবং মূল্যায়নের বিনিময়ে সে তার শরীর বিসর্জন দিতে শেখে। ** পৃষ্ঠা ৬৪ * আপনার ছেলে সেই “হিরো প্যারাডক্স” বা বীরের ধাঁধা শেখে: নিজের গুরুত্ব না দেওয়ার মাধ্যমেই নিজের গুরুত্ব খুঁজে পাওয়া। ** পৃষ্ঠা ৬৫ * ‘দ্য ডেডলিয়েস্ট ক্যাচ’ অনুষ্ঠানে পুরুষেরা যে মৃত্যুর মুখোমুখি হয় তা বিনোদনের উৎস হয় কিন্তু উদ্বেগের কারণ হয় না। ** পৃষ্ঠা ৬৭ * একজন স্বেচ্ছাসেবক ফায়ারফাইটারের পারিশ্রমিক কী? প্রশংসা। সম্মান। উদ্দেশ্য। ** পৃষ্ঠা ৬৭ * এই সেই সামাজিক প্রলোভন যা আপনার ছেলে যদি বড় হওয়ার আগেই গ্রহণ করে ফেলে তবে তা তাকে অন্যের নিরাপত্তার দাসে পরিণত করতে পারে যেখানে নিজের নিরাপত্তার প্রতি তার কোনো ভ্রুক্ষেপ থাকবে না। ** পৃষ্ঠা ৬৭ * আপনার ছেলে যুদ্ধে মারার জন্য বা কর্মক্ষেত্রে বীর হওয়ার জন্য যেসব গুণাবলি অর্জন করে সেগুলো ঘরে ভালোবাসার জন্য প্রয়োজনীয় গুণগুলোকে নষ্ট করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৬৮ * যেসব নারী মানসিকভাবে এবং আধ্যাত্মিকভাবে উন্নতি করতে পেরেছিলেন তারা এমন পুরুষদের বিয়ে করেছিলেন যারা সবচাইতে কম উন্নতি করতে পেরেছিল। ** পৃষ্ঠা ৭১ * নিক সেই বাবার অদ্ভুত সংকট বা ক্যাচ-২২ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলেন: পরিবারকে ভালোবাসার জন্য পরিবারের ভালোবাসা থেকে দূরে থাকা। ** পৃষ্ঠা ৭৪ * আর ভালোবাসা ছাড়া আপনার ছেলের উদ্দেশ্যের কোনো মানে নেই। ** পৃষ্ঠা ৭৭ * এমা বোভারির সবকিছু ছিল কিন্তু তবুও আসলে কিছুই ছিল না। ** পৃষ্ঠা ৭৮ * টিকে থাকার প্রশ্ন যত বেশি থাকে আমরা তত বেশি বলি, “দুঃখিত, এটি একটি মেয়ে।” বিলাসিতা যত বেশি থাকে আমরা তত বেশি বলতে পারি, “দুঃখিত, এটি একটি ছেলে।” ** পৃষ্ঠা ৭৯ * যেকোনো লিঙ্গকে কম গুরুত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। ** পৃষ্ঠা ৮১ * যেসব নারীর অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ আছে তারা ক্রমবর্ধমানভাবে আপনার ছেলের কাছে আবেগীয় এবং সম্পর্কের বুদ্ধিমত্তা চাইবে। ** পৃষ্ঠা ৮২ * যদি আপনার ছেলে তার ভালো লাগার কাজ করে তবে সম্ভবত সে টাকার অভাব অনুভব করবে। ** পৃষ্ঠা ৮৩ * যেসব ছেলে স্কুলে আগ্রহী নয় তাদের প্রায়ই এমন কিছুতে আগ্রহ থাকে যা বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ভবিষ্যতের চাকরিতে কাজে লাগানো যেতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৮৭ * আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার একটি মূল মাপকাঠি হলো এটা জানা যে প্রতিটি গুণ যখন অতিরিক্ত করা হয় তখন তা দোষে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ৮৯ * আমরা অবিশ্বাস্যভাবে সফল ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার নিই তাই তারা সবার সামনে থাকে। কিন্তু যারা একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন কাটায় আমরা তাদের অবহেলা করি তাই তারা অদৃশ্য থেকে যায়। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * যদিও বাবা-মা উভয়ের সক্রিয় উপস্থিতি আপনার ছেলের মানসিক প্রশান্তিকে বাড়িয়ে দেয় তবুও একজন সচেতন অভিভাবকও পথ দেখাতে পারেন। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * ব্যায়াম করা পড়ার চেয়েও কার্যকরভাবে শিশুর মস্তিষ্কের গঠন ঠিক করতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ৯৪ * পাড়ার খেলাধুলা উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য চমৎকার প্রস্তুতি। ** পৃষ্ঠা ৯৪ * আপনার ছেলে যখন ব্যক্তিগত খেলাধুলার পাশাপাশি পাড়ার এবং দলগত খেলায় অংশ নেবে তখন সে খেলাধুলাকে ছেলেদের উপযোগী একটি শিল্প হিসেবে অনুভব করবে। ** পৃষ্ঠা ৯৪ * একজন আধুনিক ছেলের মূলমন্ত্র হলো “যখন পরিস্থিতি কঠিন হয় তখন বুঝতে চেষ্টা করো কখন ধৈর্য ধরতে হবে।” ** পৃষ্ঠা ৯৫ * চিরাচরিত পুরুষ বীর হলো আত্মত্যাগের প্রতীক, আত্ম-উপলব্ধির নয়। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * চিরাচরিত পুরুষ বীরের চাহিদার তালিকায় আত্ম-উপলব্ধি কোথাও নেই কারণ সে নিজেকে যত বেশি গুরুত্ব দেবে তত সে নিজেকে বিসর্জন দিতে কম আগ্রহী হবে। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * তাৎক্ষণিক তৃপ্তি ত্যাগ করার যে শৃঙ্খলা তা আপনার ছেলের সবচাইতে বেশি প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ৯৮ * সমাধান হলো—একজন ভারসাম্যপূর্ণ পুরুষ গড়ে তোলা—যেখানে চিরাচরিত পুরুষের সেরা গুণগুলোর সাথে আধুনিক আত্ম-সচেতন পুরুষের মেলবন্ধন থাকবে। ** পৃষ্ঠা ৯৯ * উন্নত দেশগুলোর সবচাইতে বড় সংকট হলো বাবা-বঞ্চিত সন্তান এবং বিশেষ করে বাবা-বঞ্চিত ছেলে। এটি সমাধান না করে বয় ক্রাইসিস সমাধান করা সম্ভব নয়। ** পৃষ্ঠা ১০২ * মা, বাতাস এবং জলের মতো বাবারাও আমাদের জীবনের জন্য অপরিহার্য। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * আর যখন ছেলেরা আঘাত পায় তখন তারা আমাদেরও আঘাত দেয়—শারীরিকভাবে, মানসিকভাবে এবং আর্থিকভাবে। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * বিচ্ছেদ বা বাবাকে হারানোর পর ছেলে ও মেয়ে উভয়েই অসুখী হয় কিন্তু বিশেষ করে বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে মেয়েদের কষ্ট এক বা দুই বছরের মধ্যে কমে যায় যেখানে ছেলেদের কষ্ট কমে না। ** পৃষ্ঠা ১০৯ * ক্যারিয়ার এখনকার জন্য কিন্তু সন্তানরা সব সময়ের জন্য। ** পৃষ্ঠা ১১৩ * বাবার অনুপস্থিতি সরকারের উপস্থিতিকে বাড়িয়ে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * পরিবারে বাবার সংশ্লিষ্টতা একটি অব্যবহৃত সম্পদ ঠিক যেমন এক সময় কর্মক্ষেত্রে নারীদের সংশ্লিষ্টতা একটি অব্যবহৃত সম্পদ ছিল। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * বাবা হওয়ার ইচ্ছা ছেলের মনে শুরু হয় যখন সে তার বাবার মধ্যে নিজেকে দেখতে পায়। ** পৃষ্ঠা ১১৭ * জেলখানাগুলো হলো বাবা-বঞ্চিত পুরুষদের কেন্দ্র—যারা কখনোই মানুষ হতে পারেনি। ** পৃষ্ঠা ১২০ * দোষী সাব্যস্ত হলে আপনার ছেলে গড়ে নারীদের তুলনায় ৬৩ শতাংশ দীর্ঘ সাজা পাবে। ** পৃষ্ঠা ১২০ * কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গদের সাজার ব্যবধানের তুলনায় পুরুষ ও নারীদের সাজার ব্যবধান ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১২০ * শিক্ষাক্ষেত্রে লিঙ্গ ব্যবধানের মূল কারণ হতে পারে বাবার অনুপস্থিতিতে ছেলেদের বেশি প্রভাবিত হওয়া। ** পৃষ্ঠা ১২২ * এমনকি বর্ণ, শিক্ষা, আয় এবং অন্যান্য বিষয় সমান থাকলেও বাবার সান্নিধ্য ছাড়া বড় হওয়া একটি শিশুর হাই স্কুল থেকে ড্রপ আউট হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণ বেড়ে যায়। ** পৃষ্ঠা ১২২ * বাবার অনুপস্থিতি কেবল নেতিবাচক ফলাফলের সাথেই যুক্ত নয় বরং এটিই নেতিবাচক ফলাফলের মূল কারণ। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * বাবা আছেন এমন পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা গণিত এবং বিজ্ঞানে ভালো ফল করে এমনকি তারা যদি একাডেমিকভাবে দুর্বল স্কুলে পড়ে তবুও। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যখন কম আয় এবং বাবার সান্নিধ্য পাওয়া শিশুদের সাথে বেশি আয় কিন্তু বাবার সান্নিধ্য না পাওয়া শিশুদের তুলনা করা হয়েছিল তখন সহিংস অপরাধের হারে কোনো পার্থক্য ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যেসব মেয়ের নিজের বাবার সাথে ভালো সম্পর্ক ছিল তাদের মধ্যে একজনও ১৯ বছর বয়সের আগে মা হয়নি। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * অবিবাহিত দম্পতিরা যখন সন্তান হওয়ার সময় একসাথে থাকে তখন সেই শিশুদের ৪০ শতাংশই তাদের তৃতীয় জন্মদিনের পর থেকে পরবর্তী দুই বছর অর্থাৎ তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে তাদের বাবার সাথে নিয়মিত কোনো যোগাযোগ পায় না। ** পৃষ্ঠা ১২৪ * তিরিশ বছরের কম বয়সী মায়েদের অর্ধেকের বেশি সন্তান বিয়ের বাইরে জন্ম নিয়েছে। ** পৃষ্ঠা ১২৪ * মইনিহান রিপোর্টে বলা হয়েছে যে একটি কৃষ্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠ সমাজে দরিদ্র হওয়ার মূল কারণ বর্ণ নয় বরং মা-বাবার অবিবাহিত থাকা। কেন? কারণ বিয়ের অনুপস্থিতি মানেই হলো বাবার সংশ্লিষ্টতা না থাকা। ** পৃষ্ঠা ১২৫ * ১৯৬৫ সালে মইনিহান রিপোর্টে এক-চতুর্থাংশ কৃষ্ণাঙ্গ শিশুর বিয়ের বাইরে জন্ম হওয়াকে সংকট বলা হয়েছিল কিন্তু আজ শ্বেতাঙ্গ শিশুদের ক্ষেত্রে এই হার ৩৬ শতাংশ। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * “আমার মা বারবার সাবধান করে যা অনেকটা ‘মিথ্যা রাখালের’ মতো। আমার বাবা একবার সাবধান করে আর তারপর সে নিজেই বাঘ হয়ে যায়।” ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * সীমানা বা সীমাবদ্ধতাকে গুরুত্ব দিতে শেখানো শিশুকে অন্যদের প্রয়োজনকে সম্মান করতে শেখায়। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * সহানুভূতি একটি গুণ যা যখন কেবল বাবা-মায়ের পক্ষ থেকে সন্তানের দিকে যায় কিন্তু সন্তানের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা করা হয় না তখন তা দোষে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩৮ * ঘর থেকে কাজ করার জন্য স্ব-প্রণোদিত হওয়া প্রয়োজন। আর কঠোর নিয়ম ছাড়া বড় হওয়া শিশুরা খুব কমই তাৎক্ষণিক তৃপ্তি ত্যাগ করার সেই গুণটি অর্জন করতে পারে যা স্ব-প্রণোদিত হওয়ার জন্য প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১৪১ * বাবার সাথে খেলা অনেকটা রোলার কোস্টারে ওঠার মতো—বাচ্চারা উত্তেজিত থাকে কারণ তারা নিরাপদ অনুভব করে। ** পৃষ্ঠা ১৪২ * মার্টিন যখন তামাশা করত তখন সে ম্যাগি এবং মার্টি জুনিয়রকে তার চোখের চাহনি, গলার স্বর বা মুখের ভঙ্গির সূক্ষ্ম পরিবর্তন দেখে অর্থ বুঝতে শেখাত। ** পৃষ্ঠা ১৪৯ * হাস্যরসের মাধ্যমে একে অপরকে খোঁচা দেওয়া হলো ছেলেদের এবং পুরুষদের অবচেতনভাবে একে অপরকে সেই সমালোচনা সহ্য করার প্রশিক্ষণ দেওয়া যা সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * হাস্যরসের ছলে একে অপরকে তুচ্ছ করা হলো সমালোচনার মুখোমুখি হওয়ার প্রশিক্ষণ কারণ অবচেতনভাবে তারা জানে যে সমালোচনা সহ্য করার ক্ষমতা সাফল্যের পূর্বশর্ত। ** পৃষ্ঠা ১৫১ * ছেলেদের মধ্যে যদি আপনি কাউকে নিয়ে মজা না করতে পারেন তবে আপনি তাকে বিশ্বাসও করতে পারবেন না। ** পৃষ্ঠা ১৫২ * যেসব বিবাহিত দম্পতি বিবাদের সময় একে অপরকে নিয়ে রসিকতা করে তারা সরাসরি সমালোচনা করা দম্পতিদের চেয়ে বিবাদের পর বেশি সুখী ও একাত্ম বোধ করে। ** পৃষ্ঠা ১৫২ * বিশেষ করে সামরিক বাহিনীতে হেজিং বা পরীক্ষা নতুনদের নিজেদের ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দিতে সাহায্য করে কারণ যুদ্ধ যন্ত্রটি তখনই ভালো কাজ করে যখন সেখানে সবাই এক ছাঁচে গড়া হয়, “আমি বিশেষ কেউ” এমন মানুষের জন্য সেখানে জায়গা নেই। ** পৃষ্ঠা ১৫৩ * যদি মেয়েদের মধ্যে একে অপরকে খোঁচা দেওয়া বা বিদ্রূপ করার ঘটনা ঘটে তবে তার মানে হলো সেই মেয়েটিকে দল থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে, তাকে দলে নেওয়ার জন্য যাচাই করা হচ্ছে না। ** পৃষ্ঠা ১৫৪ * প্যারেন্টিং প্ল্যান বা লালন-পালনের পরিকল্পনাগুলো সব সময় একই ধরণের হওয়া উচিত। ** পৃষ্ঠা ১৬৫ * শিশুরা প্রতি দ্বিতীয় উইকএন্ডে বাবার কাছে যাওয়ার প্রথাগত নিয়মের প্রতি তীব্র অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * ভৌগোলিক স্থিতিশীলতার চেয়ে দুই অভিভাবকের উপস্থিতির স্থিতিশীলতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ১৬৮ * বিচ্ছেদের পর বারো হাজার কিশোর-কিশোরীর ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে যে একক বাবার সাথে থাকা শিশুরা একক মায়ের সাথে থাকা শিশুদের চেয়ে ভালো ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * বিচ্ছেদ হওয়া পুরুষদের আত্মহত্যার সম্ভাবনা একই ধরণের পটভূমি থাকা বিচ্ছেদ হওয়া নারীদের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১৭৫ * “যোদ্ধা” শব্দটি হালকাভাবে যোগ করা হয়নি। একজন যোদ্ধা নিজের লক্ষ্য অর্জনের বাধাগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকে। তারপর বাধার ওপর মনোযোগ না দিয়ে সে মনোযোগ দেয় কীভাবে সেই বাধা অতিক্রম করা যায় তার ওপর। ঠিক এই জিনিসটিই সে তার সন্তানদের শেখাবে। ** পৃষ্ঠা ১৭৬ * আপনার ছেলে একজন “ফাদার ওয়ারিয়র” বা বাবা যোদ্ধা হতে চাইবে না যদি সে দুটি জিনিস অনুভব না করে: প্রথমত একটি উদ্দেশ্যের বোধ এবং দ্বিতীয়ত তার অবদানটি গুরুত্বপূর্ণ। তাই অভিভাবকত্বের ভারসাম্য রক্ষায় তার ভূমিকাটি আরও গভীরভাবে দেখা প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১৭৮ * নারী-পুরুষের বেতনের ব্যবধান মূলত পুরুষ ও নারীর ব্যবধান নয়; এটি হলো মা এবং বাবার আয়ের ব্যবধান। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * আপনার ছেলে যদি চিরাচরিত নিয়মের বাইরে চলতে চায় তবে তাকে জানতে হবে যে তার জীবনের সবচাইতে বড় কাজ হলো এমন একজন নারীকে বেছে নেওয়া যে সামাজিক বেড়াজাল থেকে মুক্ত হয়ে তাকেও মুক্ত করতে পারবে। ** পৃষ্ঠা ১৮৪ * বাবারা কোম্পানিগুলোর কাছে সবচাইতে বেশি সুবিধাজনক ছিল কারণ তাদের সবচাইতে সহজে ব্যবহার করা যেত। ** পৃষ্ঠা ১৮৫ * “সমাজকর্মীরা সাধারণত শিশুদের ইচ্ছাকে ততক্ষণই গুরুত্ব দেয় যতক্ষণ তারা মায়ের কাছে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করে। কিন্তু শিশুরা যখন বাবার কাছে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করে তখন তাদের সেই ইচ্ছাকে কোনো গুরুত্বই দেওয়া হয় না।” ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * ''দ্য সেকেন্ড স্টেজ''-এ ফ্রিডান ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে পুরুষদের যদি বাবা হিসেবে আরও বেশি সম্পৃক্ত করা না হয় তবে নারীদের ক্যারিয়ারের লক্ষ্য কখনোই পূরণ হবে না। ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * সন্তানের ওপর মায়ের অধিকার থাকে কিন্তু বাবাকে সন্তানের জন্য লড়াই করতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * চাইল্ড সাপোর্টের ঋণের ৭০ শতাংশই সেইসব অভিভাবকদের যাদের বার্ষিক আয় ১০,০০০ ডলারের কম। ** পৃষ্ঠা ১৯২ * আপনার ছেলে যখন কোনো নারীর সাথে যৌন সম্পর্ক করে তখন সে আসলে তার জীবন সেই নারীর হাতে তুলে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৩ * টিভির প্রায় ১০০ শতাংশ বিজ্ঞাপনে যেখানে কেবল একটি লিঙ্গকে বোকা হিসেবে দেখানো হয় সেখানে পুরুষকেই বোকা হিসেবে দেখানো হয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৩ * একটি সুখী বিয়ে টাকা, সন্তান বা যৌনতার অভাবের চেয়ে বেশি নির্ভর করে আমরা টাকা, সন্তান বা যৌনতা নিয়ে একে অপরের সাথে কীভাবে কথা বলছি তার ওপর। ** পৃষ্ঠা ১৯৭ * যখন ঘর পরিষ্কার থাকে এবং বিল পরিশোধ করা থাকে তখন আমাদের সঙ্গীর সবকিছু ঠিক রাখার সেই প্রচেষ্টাগুলো অদৃশ্য থাকে কারণ সবকিছুই ঠিক আছে। ** পৃষ্ঠা ১৯৯ * আপনার ছেলে যদি নিজেকে একজন নিপীড়নকারী হিসেবে মনে করে তবে স্বাবলম্বী হতে ব্যর্থ হওয়াকেও তার কাছে প্রগতি মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২০০ * “সবচাইতে ভালো অভিভাবক হলো উভয় অভিভাবক” এর মানে হলো মা বাবার বিকল্প নয়, টাকা বাবার বিকল্প নয় এবং অন্য কোনো পুরুষও বাবার বিকল্প নয়। ** পৃষ্ঠা ২০২ * ভবিষ্যতে ঘরই ক্রমবর্ধমানভাবে কর্মক্ষেত্রে পরিণত হবে। ** পৃষ্ঠা ২০৩ * এমন বিষয়ের ওপর দক্ষতা অর্জন করা যা পরিমাপযোগ্য, দৃশ্যমান এবং যা সম্মান বয়ে আনে। ** পৃষ্ঠা ২১০ * দক্ষিণ ক্যারোলিনার জেলে যেসব বাবা চাইল্ড সাপোর্ট দিতে না পারার কারণে বন্দি আছেন তাদের তিন-চতুর্থাংশই চরম দারিদ্র্যের শিকার। আর সেই জেলের মোট কয়েদির আট ভাগের এক ভাগই হলো চাইল্ড সাপোর্ট দিতে না পারা বাবা। ** পৃষ্ঠা ২২২ * আমরা কোটি কোটি ডলার খরচ করছি বাবাদের কাছ থেকে সেই টাকা আদায় করতে যা তাদের অনেকের কাছে নেই কিন্তু বাবাদের সেই সময়টুকু দেওয়ার সুযোগ করে দিতে আমরা কিছুই করছি না যা তাদের কাছে আছে—আর যা তাদের সন্তানদের সবচাইতে বেশি প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ২২৩ * বয় ক্রাইসিস বা ছেলেদের সংকট এবং বাবার সংশ্লিষ্টতার প্রতি আমাদের “উদাসীনতা” সরকারকে বাধ্য করেনি বাবাদের সংশ্লিষ্টতা বাড়িয়ে সরকারের উপস্থিতি কমানোর জন্য কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিতে। ** পৃষ্ঠা ২২৫ * আমরা যা খরচ করি তারই ফল পাই তাই আসুন বাবাদের উপস্থিতির জন্য খরচ করি, বাবার অনুপস্থিতির জন্য নয়। ** পৃষ্ঠা ২২৭ * অস্ট্রেলিয়া বন্দুক নীতি পরিবর্তনের পর প্রায় ২০ বছরে সেখানে গণ-শুটিংয়ের সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে। ** পৃষ্ঠা ২২৯ * বন্দুক বয় ক্রাইসিসের মূল কারণ নয় কিন্তু আমরা যখন মূল কারণগুলো নিয়ে কাজ করছি তখন বন্দুক নিয়ন্ত্রণ করা হলে বাবা-বঞ্চিত সন্তানদের দ্বারা ঘটা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানো সম্ভব। ** পৃষ্ঠা ২২৯ * যখন ছেলে ও পুরুষদের জানানো হয় যে তাদের প্রয়োজন আছে তখন তারা সাড়া দেয় এবং দায়িত্বশীল হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৩১ * নারী-পুরুষের গড় আয়ুর ব্যবধান প্রায় ৪০০ শতাংশ বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * বাবা-মা উভয়য়ের মিলিত স্বাস্থ্যই আপনার ছেলের স্বাস্থ্য তৈরি করে; আপনার ছেলের স্বাস্থ্য তার জন্মের অনেক আগে থেকেই শুরু হয়। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * বীর হওয়া মানে হলো নিজের আবেগ চেপে রাখা। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * ভালোবাসা পাওয়ার ইচ্ছা আমাদের ছেলের স্বভাবজাত। কিন্তু এই স্বভাবটিকে আমরা খুব কমই লালন করি। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * নতুন ধরণের বীরাঙ্গনাদের আবির্ভূত হওয়ার মানে কি এই যে আপনার ছেলেকে তার ভালোবাসার জন্য আর জীবন ঝুঁকি নিতে হবে না? ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * আপনার ছেলে যদি পরিষ্কারভাবে বুঝতে না পারে যে একজন শক্তিশালী নারী তার কাছে কী চায় তবে সে হয়তো কম শক্তিশালী কোনো নারীর দিকে ঝুঁকবে যাকে সে সাহায্য করতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * নারী সুপারহিরোদের যৌন আকাঙ্ক্ষার অভাব তাদের এক বিশাল শক্তিতে পরিণত করে। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * হলিউড কেবল পুরুষদের সামরিক তালিকায় নিবন্ধনের ভিত্তি তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যদি তার ভালোবাসার কোনো নারীর জীবন—সে প্রেমিকা হোক বা মা—ঝুঁকির মুখে পড়ে তবে তার জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়ে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * এমনকি আপনার ছেলে যদি তার শক্তি দিয়ে কোনো নারীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে এবং তাতে সে ব্যর্থ হয় তবে সেই শক্তিই তাকে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দেবে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * যদি একজন ভালো নারী নিহত হয় তবে তার দোষ কোনো পুরুষের ওপরই পড়ে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * আমরা ছেলেদের শিখিয়েছি যে শক্তি অর্জন করা পুরুষালি বিষয় কিন্তু সেই শক্তি ধরে রাখা বা ক্ষয় রোধ করা মেয়েলি বিষয়। ** পৃষ্ঠা ২৪৫ * চিরাচরিত পুরুষত্বের সেরা গুণগুলো রক্ষা করা অভিভাবকদের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত কারণ আপনার ছেলে অবচেতনভাবে সবার সাথে মিশে যাওয়া এবং একই সাথে সবার চেয়ে আলাদা হওয়ার এক অদ্ভুত দ্বন্দ্বে থাকে। ** পৃষ্ঠা ২৪৮ * সাবেক কলেজ খেলোয়াড়দের মধ্যে ৫৬ শতাংশই গুরুতর সিটিই (CTE) রোগে আক্রান্ত ছিল যার ৮৫ শতাংশই ছিল ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশের লক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ২৫১ * আমরা ছেলেদের শেখাই যে লাঞ্ছিত হওয়ার মানেই হলো ভালোবাসা পাওয়া। ** পৃষ্ঠা ২৫৩ * ট্যাকল ফুটবল হলো শরীর-মননির্ভর খেলা আর ফ্ল্যাগ ফুটবল হলো মন-শরীরনির্ভর খেলা। ** পৃষ্ঠা ২৫৩ * “ফ্ল্যাগ ফুটবল অনেক বেশি কৌশলনির্ভর। আপনি শরীর দিয়ে কাউকে সরিয়ে দিতে পারেন না তাই এখানে বুদ্ধির প্রয়োজন বেশি।” ** পৃষ্ঠা ২৫৪ * ট্যাকল ফুটবলে করদাতার অর্থ ব্যবহার করা হচ্ছে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই আমাদের সন্তানদের মন এবং শরীরের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৫৫ * এমনকি একজন সৈনিক বেঁচে থাকলেও যুদ্ধের ঝুঁকি তার সাথে ঘরে ফিরে আসে—প্রতি একজন সৈনিক নিহতের বিপরীতে প্রায় ২৫ জন প্রাক্তন সৈনিক আত্মহত্যা করে। ** পৃষ্ঠা ২৫৬ * আপনার ছেলে যত বেশি অভিজাত শ্রেণির অংশ হতে চাইবে তত সে করুণা পাওয়াকে ঘৃণা করবে। তবুও যারা আজ অভিজাত শ্রেণিতে যোগ দেয় কাল তারাই করুণার পাত্র হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৫৬ * আপনি যদি একা বুঝতে পারেন যে আপনার ছেলের রাগ আসলে তার অসহায়ত্বের মুখোশ তবে আপনি নিজেকে বিচারগ্রস্ত এবং একা মনে করতে পারেন। ** পৃষ্ঠা ২৬০ * কোনো সম্ভাব্য প্রেমিকা যখন কোনো ছেলের অভিযোগ শোনে তখন তার সুরক্ষার যে সহজাত প্রবৃত্তি তা বাধা পায় কিন্তু যখন একজন মা তার ছেলের অভিযোগ শোনেন তখন তা তার রক্ষার প্রবৃত্তিকে জাগিয়ে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৬১ * সহানুভূতির সাথে কথা শোনা একজন কিশোরের মস্তিষ্কের বিকাশে এমনভাবে প্রভাব ফেলে যা তার বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে। ** পৃষ্ঠা ২৬১ * তেরো থেকে ষোলো বছর বয়সের মধ্যে ছেলেদের মধ্যে জৈবিকভাবে সহানুভূতির ক্ষমতা সাময়িকভাবে কমে যায় যা মেয়েদের ক্ষেত্রে ঘটে না। ** পৃষ্ঠা ২৬৩ * যেসব ছেলে উন্নত এলাকায় বদলি হয়েছে তাদের মধ্যে পিটিএসডি (PTSD) বা আঘাত পরবর্তী মানসিক চাপের হার যুদ্ধ থেকে ফিরে আসা সৈনিকদের হারের মতো ছিল। ** পৃষ্ঠা ২৬৫ * আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে বন্ধুত্ব এবং ভালোবাসা হারানোর ক্ষেত্রে আপনার ছেলে সবচাইতে সংবেদনশীল। ** পৃষ্ঠা ২৬৫ * যে উত্ত্যক্তকারী বা বুলিকে সুস্থ করা হয়েছে সেই হলো উত্ত্যক্ত হওয়া ব্যক্তিদের সবচাইতে বড় সুরক্ষা। ** পৃষ্ঠা ২৬৮ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নারী-পুরুষের আত্মহত্যার হারের ব্যবধান মহামন্দার পর থেকে তিন গুণ বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ২৭৩ * পঁচাশি বছর বয়সের মধ্যে পুরুষদের আত্মহত্যার হার একই বয়সী নারীদের তুলনায় ১৬৫০ শতাংশ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২৭৪ * নারীরা কাঁদে কিন্তু পুরুষেরা মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ২৭৪ * বেকারত্ব, অবসর বা জীবনসঙ্গী হারানোই হোক—পুরুষদের আত্মহত্যার প্রতিক্রিয়া আসলে যা আগে থেকেই মরে গেছে তাকেই হত্যা করা। ** পৃষ্ঠা ২৭৬ * আত্মহত্যা সংক্রামক। ** পৃষ্ঠা ২৭৬ * বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের হারের মধ্যে প্রায় কোনো পার্থক্য নেই। ** পৃষ্ঠা ২৭৮ * যখন ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ সোশ্যাল ওয়ার্কার্স আত্মহত্যা নিয়ে গবেষণা করে তখন তারা কেবল নারীদের আত্মহত্যা নিয়ে কাজ করে। ** পৃষ্ঠা ২৮৪ * গোপনীয়তাকে মূল মন্ত্র করে পুরুষদের গ্রুপগুলো পুরুষদের হৃদয় খোলার পথ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ২৮৬ * আমার ৪৫ বছরের অভিজ্ঞতায় আমি দেখিনি যে কোনো পুরুষ যে কোনো পুরুষ গ্রুপের সাথে যুক্ত আছে সে বিষণ্ণতার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বা আত্মহত্যা করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৮৭ * যখন একজন প্রাক্তন সৈনিক মনে করে যে সে ব্যক্তিগত দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ হয়েছে তখন সে আত্মহত্যার এক ধাপ কাছাকাছি চলে যায়। ** পৃষ্ঠা ২৮৯ * অনেক প্রাক্তন সৈনিকই বাইরে থেকে কঠোর হলেও ভেতরে অনেক নরম মনের। ** পৃষ্ঠা ২৯০ * প্রাক্তন সৈনিকেরা সেইসব মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেয় যাদের সেনাবাহিনীতে কাজ করতে হয়নি। ** পৃষ্ঠা ২৯০ * চিরাচরিত পুরুষেরা তাদের ত্যাগ স্বীকার করে মূলত বাড়ি ফিরে আসার পর প্রশংসা পাওয়ার আশায় এবং তাদের অভিজ্ঞতাগুলো পরিবারের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৯১ * প্রতি পাঁচ জন যুবকের মধ্যে একজন উর্বর নয়। ** পৃষ্ঠা ২৯২ * যেসব পুরুষের শুক্রাণুর সংখ্যা কম তারা সন্তান জন্ম দিতে পারলেও তাদের গড় আয়ু কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ** পৃষ্ঠা ২৯২ * পুরুষদের স্বাস্থ্যের প্রতি এই অবহেলাই আপনার ছেলের জন্য পুরুষদের স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করার একটি সুযোগ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ৩০০ * ভালোবাসা আত্মরক্ষামূলক মনোভাব বা ডিফেনসিভনেস দূর করে না কারণ ভালোবাসা এক ধরণের অসহায়ত্ব তৈরি করে আর এই আত্মরক্ষামূলক মনোভাবই হলো অসহায়ত্বের মুখোশ। ** পৃষ্ঠা ৩০৮ * পুরুষালি সংস্কৃতির নেতিবাচক লক্ষণগুলোকে ওষুধ শিল্প কাজে লাগায়। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * টিফিনের সময় যেখানে উত্ত্যক্ত করার ঘটনা ঘটে সেখানে এটি কমানোর সুযোগও থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * সুস্থ হওয়া মানুষই অন্যকে সুস্থ হতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ৩১২ === ''Miscellaneous'' === Roses aren't always red<br> Violets are violet, not blue<br> While you can't count on the flowers<br> You can count on my love for you. Love forever, Warren Posted on Facebook, 2/16/15 == External links== {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.nytimes.com/2005/02/27/business/yourmoney/27lunch.html New York Times: Are Women Responsible for Their Own Low Pay?], an interview with Warren Farrell, 2005. {{DEFAULTSORT:Farrell, Warren}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন শিক্ষায়তনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ-কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী]] [[Category:Educators from the United States]] [[Category:Civil rights activists]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয়কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক শহরের ব্যক্তি]] [[Category:University of California, Los Angeles alumni]] [[Category:Men's rights activists]] oz1e8mugn6eb69sx2fwjwwp5ysozauu 81686 81635 2026-04-27T16:13:07Z ARI 356 /* Miscellaneous */ 81686 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Warren Farrell photo.jpg|thumb|ওয়ারেন ফ্যারেল, ২০১১]] '''ওয়ারেন ফ্যারেল''' (জন্ম ২৬ জুন, ১৯৪৩) একজন মার্কিন [[শিক্ষক]], কর্মী এবং [[নারী]]দের সাথে পুরুষদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে লেখা সাতটি বইয়ের লেখক। তিনি ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেনের নিউ ইয়র্ক সিটি বোর্ডে কাজ করেছেন এবং পুরুষ অধিকার আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। == উক্তি == === ''হোয়াই মেন আর দ্য ওয়ে দে আর'' (১৯৮৮) === * একে অপরের প্রতি না বলে, আমার অসহায়ত্ব তোমার অসহায়ত্বের চেয়ে বেশি, কি নারী ও পুরুষের পক্ষে একে অপরের কথা শোনা সম্ভব ছিল? এটা পরিষ্কার হয়ে উঠছিল যে প্রতিটি লিঙ্গের শক্তি এবং অসহায়ত্ব উভয় ক্ষেত্রেই একটি অনন্য অভিজ্ঞতা ছিল। আমার মনের চোখে আমি একটি শোনার কাঠামো কল্পনা করতে শুরু করলাম যার মধ্যে আমরা এই ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতাগুলো শুনতে পারি। এটি দেখতে এমন ছিল: ** পৃষ্ঠা ১৭ * আমি যখন এই শোনার কাঠামোর দিকে আরও যত্নসহকারে তাকালাম তখন দেখলাম যে গত বিশ বছর ধরে আমরা এর চারটি ভাগের প্রথমটির ওপর গুরুত্ব দিয়েছি, তা হলো নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতা। আমি দেখলাম আমি অবচেতনভাবে একটি ভুল ধারণা পোষণ করছিলাম: আমি নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতা যত গভীরভাবে বুঝছিলাম, ততই আমি ধরে নিচ্ছিলাম যে নারীদের যে ক্ষমতা ছিল না তা পুরুষদের আছে। আসলে, আমি যা বুঝছিলাম তা হলো পুরুষদের ক্ষমতা সম্পর্কে নারীদের অভিজ্ঞতা। ** পৃষ্ঠা ২০-২১ * যে পুরুষেরা নারীদের প্রতি মনোযোগী কিন্তু নিজেদের কষ্টের প্রতি মনোযোগী নন তারা সাধারণত এই মনোভাব ধরে রাখতেন যে নারীদের বিশেষ সুরক্ষার প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ২২ * পুরুষদের সাফল্যের বস্তু হিসেবে দেখার ইচ্ছা স্বীকার করতে নারীদের যে দুর্বলতা তা নারীদের প্রতি পুরুষদের তীব্র যৌন আকাঙ্ক্ষার বাধ্যবাধকতার স্বীকারোক্তির সাথে মিলে যায়। ** পৃষ্ঠা ২৬ * আমরা সবাই মিলে বুঝতে পারলাম যে কীভাবে আমরা পুরুষদের আবেগ প্রকাশ করতে অনুরোধ করি, কিন্তু তারপর যখন পুরুষেরা আবেগ প্রকাশ করে তখন আমরা তাকে লিঙ্গবৈষম্য, পুরুষতান্ত্রিক অহংকার অথবা পাল্টা আঘাত বলি। ** পৃষ্ঠা ২৭. * রাল্ফ ক্ষমতার বাহ্যিক রূপ পাওয়ার চেষ্টা করে প্রকৃত ক্ষমতা হারিয়েছিলেন। তিনি একজন নেতা ছিলেন। কিন্তু তিনি নেতাদের জন্য তৈরি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করছিলেন; তাই তিনি একজন অনুসারী ছিলেন... তিনি যেমনটা বলেছিলেন, তিনি ছিলেন একজন উচ্চপর্যায়ের সাধারণ মানুষ। ** পৃষ্ঠা ৯ * অধিকাংশ নারীর আদর্শ হলো নয়টি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যৌন সম্পর্কে না জড়ানো: শারীরিক আকর্ষণ; শ্রদ্ধা; মানসিক সামঞ্জস্য; বুদ্ধিমত্তা; অবিবাহিত হওয়া; সাফল্য (বা সম্ভাবনা); বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব পাওয়া; খরচ মেটানো; এবং প্রথম চুম্বনের উদ্যোগ নিয়ে পুরুষের প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়া…. পুরুষরা ততক্ষণ পর্যন্ত যৌনতা চায় যতক্ষণ একটি মাত্র শর্ত পূরণ হয়—শারীরিক আকর্ষণ। ** পৃষ্ঠা ১৩ * পুরুষদের কাছে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন হলো প্লেবয় এবং পেন্টহাউস। এগুলো পুরুষদের প্রধান কল্পনাকে উপস্থাপন করে: প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি ছাড়াই যত খুশি সুন্দরীদের কাছে যাওয়ার সুযোগ। নারীদের কাছে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন হলো বেটার হোমস অ্যান্ড গার্ডেনস এবং ফ্যামিলি সার্কেল, যা নারীদের প্রধান কল্পনাকে উপস্থাপন করে: আরও ভালো ঘরবাড়ি, বাগান এবং একটি পারিবারিক পরিমন্ডল। ** পৃষ্ঠা ১৮ * অবিবাহিত নারীদের কাছে ''কসমোপলিটান'' সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন। কসমো অবিবাহিত নারীদের জানায় কীভাবে তারা একজন পুরুষকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করতে পারে এবং আরও ভালো ঘরবাড়ি ও বাগানের প্রধান কল্পনা অর্জন করতে পারে। এটি প্লেবয়ের একটি নারী সংস্করণ। পর্নোগ্রাফি হলো পুরুষদের প্রধান কল্পনা--নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থাকা দামে প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি ছাড়াই যত খুশি সুন্দরীদের কাছে যাওয়ার সুযোগ! ** পৃষ্ঠা ১৮ * আমি যদি নিরাপত্তাকে কোনো নারীর প্রধান প্রয়োজন বলি তবে কীভাবে একে তার প্রধান কল্পনা বলতে পারি? কারণ যখন তার প্রধান প্রয়োজন হলো একটি ঘর এবং পারিবারিক পরিমন্ডলের নিরাপত্তা, তখন তার প্রধান কল্পনা হলো অন্য কেউ এগুলো পাওয়ার জন্য যথেষ্ট অর্থ উপার্জন করবে। একারণেই দুই বিলিয়ন নারী সাম্প্রতিক রাজকীয় বিয়ের দিকে মনোযোগ দিয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬ * সান ডিয়েগোতে হাউ টু ম্যারি মানি নামে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কোর্স আছে। লক্ষ্য করুন যে বিয়েটি হয় টাকার সাথে--কোনো ব্যক্তির সাথে নয়। আমি অংশগ্রহণকারী পুরুষদের শতাংশ সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম... নির্দেশক উত্তর দিয়েছিলেন, 'কোর্সটি আসলে নারীদের জন্য, এটি পুরুষদের জন্য প্রাসঙ্গিক নয়।' ** পৃষ্ঠা ৪৩ * পুরুষেরা যখন পছন্দ করানোর জন্য চটকদার কথা বলে তখন নারীরা পুরুষদের বিশ্বাস না করতে শেখে। যখন নারীরা মেকআপ করে তখন পুরুষেরা নারীদের বিশ্বাস না করতে শেখে। পুরুষদের চটকদার কথা এবং নারীদের মেকআপ হলো আসলে বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ৭১-৭২ * ফিমেল ওয়েস্টার্ন হলো সেরা পুরুষদের পাওয়ার জন্য ভালো এবং খারাপ পদ্ধতির মধ্যে লড়াই। ** পৃষ্ঠা ৭৩ * সন্ধ্যার টিভি নাটক থেকে শুরু করে কিশোর বয়সের রোমান্স পর্যন্ত, সব জায়গার বার্তা হলো যে অন্তর্নিহিত মূল্য কেবল পরাজিতদের জন্য। ** পৃষ্ঠা ৭৩ * পুরুষদের ম্যাগাজিনে সাফল্য হলো যৌনতা এবং ভালোবাসা পাওয়ার একটি হাতিয়ার, তাই সাফল্যের বাহ্যিক রূপ সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে নারীদের ম্যাগাজিনে ভালোবাসা এবং যৌনতা হলো সাফল্য পাওয়ার হাতিয়ার—তাই ভালোবাসার প্রকাশ এবং যৌন প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতি উভয়ই সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯ * গল্পের প্রধান চরিত্র বা বেঁচে যাওয়া ব্যক্তির জন্য পুরুষদের প্রতিযোগিতা এবং নারীদের প্রতিযোগিতার এই চিরাচরিত থিম আমাদের যোগ্যতমের টিকে থাকা থেকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে এসেছে যেখানে কেউ বেঁচে থাকবে না। লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকাগুলো প্রায় রাতারাতি কার্যকর থেকে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। একারণেই এই চিরাচরিত থিমটি নিয়ে এখন প্রশ্ন তোলা জরুরি। ** পৃষ্ঠা ৯১ * সম্ভবত পুরুষদের কাছে সবচেয়ে প্রচলিত প্রত্যাশা হলো আমাদের সুপারম্যান হওয়ার প্রত্যাশা: আমাদের ভয় যে আমরা কেবল ক্লার্ক কেন্ট যাদের সুপারম্যান না হওয়া পর্যন্ত কেউ গ্রহণ করবে না। ** পৃষ্ঠা ৯৬ * যখন বিবাহবিচ্ছেদের মানে দাঁড়াল যে বিয়ে আর সারাজীবনের জন্য নিরাপত্তা দিচ্ছে না, তখন নারীরা কেরিয়ার বা পেশাকে ক্ষমতায়ন হিসেবে দেখার মাধ্যমে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু যখন একটি পেশার জন্য ত্যাগ এবং পেশার ভেতরের ত্যাগগুলো সামনে এল, তখন পেশার কল্পনাটি লাভ-ক্ষতির বাস্তবতায় পরিণত হলো। নারীদের মধ্যে পেশা নিয়ে দ্বিধা তৈরি হলো। ** পৃষ্ঠা ১০১ * পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে, যখন প্রতিশ্রুতি হীরা এবং বন্ধকী ঋণের সাথে যুক্ত হয়, তখন ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি অনেকটা অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতির মতো মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * নারীরা যখন তাদের সৌন্দর্যের ক্ষমতার তুঙ্গে থাকে এবং সেটি ব্যবহার করে তখন আমরা তাকে বিয়ে বলি। পুরুষেরা যখন তাদের সাফল্যের ক্ষমতার তুঙ্গে থাকে এবং সেটি ব্যবহার করে তখন আমরা তাকে মধ্যবয়সের সংকট বলি। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * সে এবং তিনি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বাছাই করার সুযোগ পান; যখন পুরুষ তার প্রধান কল্পনা অর্থাৎ যৌনতা চায় তখন নারী বাছাই করার সুযোগ পায়; যখন নারী তার প্রধান কল্পনা অর্থাৎ প্রতিশ্রুতি চায় তখন পুরুষ বাছাই করার সুযোগ পায়। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * কম্পিউটার উইজ হতে বা কালো পোর্শে গাড়ির মালিক হতে কঠোর পরিশ্রম করা পুরুষেরা বিভ্রান্ত হয় যখন তাদের বলা হয় যে তারা যথেষ্ট সংবেদনশীল নয়। আমরা এমন পুরুষদের প্রেমে পড়তে পারি না যাদের অভেদ্য মনে হয় এবং আবার তাদের কাছে সংবেদনশীলতা আশা করি। সে কেন একটি কালো পোর্শে গাড়ি চেয়েছিল? কারণ সে কখনও কোনো অসুন্দর নারীকে এমন গাড়ি থেকে নামতে দেখেনি। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * উভয় লিঙ্গই মঞ্চে আসার আগে তাদের নিজেদের কথার প্রস্তুতি নেয়। পুরুষের কথাগুলো হলো সারাজীবনের পরিশ্রমের ফল; নারীর প্রাথমিক 'কথা' হলো তার বাহ্যিক রূপ--অথবা তার বয়সের ছাপহীনতা। কেরিয়ার যেভাবে পুরুষদের ক্ষমতা দেয়, সৌন্দর্য একইভাবে নারীদের ক্ষমতা দেয়। কিন্তু সবচাইতে সুন্দরীদের সাথে তুলনা যেভাবে একজন নারীকে ক্ষমতাহীন অনুভব করায়, সবচাইতে সফল পুরুষদের সাথে তুলনাও একইভাবে একজন পুরুষকে ক্ষমতাহীন অনুভব করায়। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * প্রথম পুরুষ বার্তাটি একজন বালক অবচেতনভাবে এভাবে অনুভব করে: ‘আমার ক্লাসের কিছু মেয়ে এখনই মুভি স্টারের মতো দেখতে। তারা যদি আমাকে ততটা চাইত যতটা আমি তাদের চাই, তবে আমি জানতাম যে আমি ঠিক আছি। তারা জন্মগত তারকা। আর আমি জন্মগত অনুরাগী।’ ** পৃষ্ঠা ১১১ * নারীদের সচেতনতা যখন বৃদ্ধি পেয়েছিল তখন নারীরা ঘরের কাজকে ঘৃণাভরে দেখতে শুরু করেছিল; যখন পুরুষদের সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে তখন যৌন প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়াকে পুরুষেরা ঘৃণ্য কাজ হিসেবে দেখবে। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যৌন বিষয়ে সন্দেহভাজন হওয়ার ভয়ে পুরুষদের সাথে আবেগীয় যোগাযোগ না করার ভয় বালকদের মেয়েদের সামনে আরও বেশি ক্ষমতাহীন করে তোলে। সমকামভীতি অনেকটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এটা বলার মতো যে এটি একটি দুর্বল জাতি হয়ে যাবে যদি তারা ওপেক থেকে সব তেল সংগ্রহ না করে। ** পৃষ্ঠা ১২৮ * সাফল্য যেমন সমাধান তেমনই ফাঁদ: একজন পুরুষ যৌন আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে যত কম ইচ্ছুক হবে, সে সাফল্যের বস্তু হওয়ার ফাঁদে তত বেশি আটকা পড়বে। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * অ্যালান আল্ডাকে সবাই ভালোবাসে কারণ সে কেবল সংবেদনশীল নয় বরং সে সফল এবং সংবেদনশীল। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকার প্রশিক্ষণ আসলে বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * একজন পুরুষের সফল হওয়ার একটি বিপদ হলো এটি তার স্ত্রী এবং কন্যাকে সাফল্য নিয়ে চিন্তা না করতে শেখায়। ** পৃষ্ঠা ১৪৮ * প্রতিশ্রুতি মানে অনেক সময় একজন নারীর তার প্রধান কল্পনা পূরণ হওয়া, যেখানে একজন পুরুষ তার কল্পনা ত্যাগ করে। তার প্রধান কল্পনা বিসর্জন দেওয়ার বিনিময়ে সে কী পাওয়ার আশা করে? তার প্রধান প্রয়োজন: ঘনিষ্ঠতা। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * একজন অবিবাহিত নারী যিনি নিজের ভরণপোষণ করেন তাকে কেরিয়ার ওম্যান বলা হয়, অন্যদিকে একজন অবিবাহিত পুরুষ যিনি নিজের ভরণপোষণ করেন তাকে প্লেবয় বলা হয়…বিদ্রূপের বিষয় হলো যে নারী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় এবং আর্থিকভাবে নির্ভরশীল হয় তাকে সেই পুরুষের চেয়ে বেশি পরিপক্ক মনে করা হয় যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয় কিন্তু আর্থিকভাবে স্বাধীন। ** পৃষ্ঠা ১৫৪ * একজন পুরুষ বুঝতে পারে না যে একজন নারী তাকে ভালোবাসে নাকি তার দেওয়া নিরাপত্তাকে ভালোবাসে যতক্ষণ না সেই নারী চলে যাওয়ার মতো আর্থিকভাবে এবং মানসিকভাবে যথেষ্ট স্বাধীন হয়। যতক্ষণ একজন নারী চলে যেতে না শেখে ততক্ষণ সে নিজেও নিশ্চিত হতে পারে না যে সে ভালোবাসতে শিখেছে কি না। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব না দেওয়া হলো সেক্সিজম বা লিঙ্গবৈষম্য; নতুন লিঙ্গবৈষম্য হলো পুরুষদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব না দেওয়া। ** পৃষ্ঠা ১৯৪ * পুরুষদের মেকআপ হলো তাদের পদবী, মর্যাদা এবং ডেটিংয়ের খরচ মেটানো। মেকআপ হলো এমন কিছু যা উভয় লিঙ্গই তাদের বর্তমান ক্ষমতা এবং তারা যে ক্ষমতা পেতে চায় তার মাঝখানের দূরত্ব ঘোচাতে ব্যবহার করে। নারী এবং পুরুষ উভয়ের মেকআপই হলো তাদের অসহায়ত্বের অনুভূতির ক্ষতিপূরণ। ** পৃষ্ঠা ২১৫ * পুরুষেরা ভিন্ন ভিন্ন নারীদের সাথে একই কথা বলে ঠিক যে কারণে নারীরা ভিন্ন ভিন্ন পুরুষের জন্য একই পারফিউম ব্যবহার করে; আমরা সবাই সেই জিনিসগুলোই চেষ্টা করি যা কাজ করে। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * সম্পর্কে যখন পুরুষদের কাছে বেশি টাকা থাকে তখন আমরা বলি তাদের ক্ষমতা আছে। সম্পর্কে যখন নারীদের কাছে বেশি টাকা থাকে তখন আমরা বলি তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ২১৮ * লিঙ্গবৈষম্যের নিয়মগুলো পুরুষদের সহিংসতার আতঙ্ক থেকে মুক্ত করে না; এগুলো কেবল পুরুষদের এই বিষয়ে অভিযোগ করা থেকে বিরত রাখে। ** পৃষ্ঠা ২৩২ * সে যৌনতা পায়, নারীও যৌনতা পায়; যদি এটি অসমান মনে করা হয় তবে পুরুষেরা কেন প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পায় তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যতক্ষণ না একজন নারী একজন পুরুষকে প্রথমবার বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় ঠিক যেভাবে পুরুষেরা তাকে দেয়, ততক্ষণ পর্যন্ত ‘সে আমাকে বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে তাই সে টাকা দেবে’ এই দাবিটি পুরুষদের ওপর দ্বিগুণ বোঝা: তাকে কেবল প্রস্তাবই দিতে হবে না বরং অতিরিক্ত প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত খরচও দিতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৭৭ * কিছুদিন আগে পর্যন্ত প্রশ্ন ছিল ‘কেন একজন নারী পুরুষের মতো হতে পারে না?’ এটি পরিবর্তন করে হওয়া উচিত ছিল ‘কেন উভয় লিঙ্গই একে অপরের সেরা গুণগুলোর মতো হতে পারে না?’ এর পরিবর্তে ১৯৬০-এর দশকের নারীবাদী ব্যাজগুলোতে লেখা থাকত অ্যাডাম ওয়াজ আ ফার্স্ট ড্রাফট। কথাটি যথেষ্ট সত্য। আমরা সবাই তাই। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * পুরুষেরা ততক্ষণ পরিবর্তন হবে না যতক্ষণ নারীরা ‘উপরে বিয়ে’ করবে। পুরুষেরা ততক্ষণ পরিবর্তন হবে না যতক্ষণ আমাদের এই বিষয়ে ধারণা না হবে যে ক্ষমতা আমাদের কতটা ক্ষমতাহীন করে তোলে। একজন নারী একজন পুরুষকে পরিবর্তন হতে সাহায্য করতে পারে না যতক্ষণ না তার এই বিষয়ে ধারণা হয় যে ক্ষমতা পুরুষদের কতটা ক্ষমতাহীন করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * আমি মনে করি যে ব্যবসায়িক জগতে সফল হওয়া নারীদের যেমন পুরুষ মেন্টর প্রয়োজন হয়, সম্ভবত আবেগীয় জগতে সফল হওয়া পুরুষদের জন্য নারী আবেগীয় মেন্টর প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ৩১৭ * আমাদের সঙ্গী নির্বাচন হলো আমাদের মূল্যবোধ নির্বাচনের অন্যতম স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। ** পৃষ্ঠা ৩৪১ * কেবল তখনই একজন নারী পুরুষকে সত্যিই বুঝতে শুরু করতে পারে যখন সে পুরুষদের ঝুঁকিগুলো ভাগ করে নেয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫৫ * শিশুদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা এত তাৎক্ষণিক কারণ আমরা তাদের অসহায়ত্ব সঙ্গে সঙ্গে অনুভব করতে পারি; বিপরীতে পুরুষদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা অস্বীকার করার একটি উপায় হলো পুরুষদের অসহায়ত্বকে অস্বীকার করা। আমরা প্রায়ই পুরুষদের প্রতি ভালোবাসাকে তাদের প্রতি শ্রদ্ধার সাথে গুলিয়ে ফেলি, বিশেষ করে আমাদের যত্ন নেওয়ার ক্ষমতার জন্য--যা আসলে কেবল নিজেদের প্রতিই ভালোবাসা। ** পৃষ্ঠা ৩৬০ * মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘনিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় মনোবিজ্ঞান প্রজাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় মনোবিজ্ঞানে পরিণত হয়েছে। ** পৃষ্ঠা ৩৭১ * পুরুষদের ভালোবাসা কি নারীবাদের পরিপন্থী? একদমই না। আমার বিশ্বাস প্রতিটি প্রকৃত নারীবাদী একজন পুরুষবাদী হওয়ার মাধ্যমে আরও গভীর এবং পরিপক্ক হয়--এমন একজন ব্যক্তি যে সমতা এবং স্বীকৃতির জন্য পুরুষদের অনুসন্ধানকে পুরুষের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুঝতে পারে। একইভাবে প্রতিটি পুরুষবাদী একজন নারীবাদী হওয়ার মাধ্যমে আরও গভীর হয় (এমন একজন ব্যক্তি যে সমতা এবং স্বীকৃতির জন্য নারীদের অনুসন্ধানকে নারীর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুঝতে পারে)। ** পৃষ্ঠা ৩৬৮ === ''দ্য মিথ অফ মেল পাওয়ার'' (১৯৯৩) === <small>সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ১ম সংস্করণ, ১৯৯৩; ২য় সংস্করণ, বার্কলে, ২০০০)</small> ==== প্রথম খণ্ড: দ্য মিথ অফ মেল পাওয়ার ==== * পুরুষদের দুর্বলতা হলো শক্তির কৃত্রিম বহিঃপ্রকাশ; নারীদের শক্তি হলো দুর্বলতার কৃত্রিম বহিঃপ্রকাশ। ** পৃষ্ঠা ১৩ * নারীবাদ নারীদের শিখিয়েছে যে যখন পুরুষেরা ভুল ব্যক্তির সাথে বা ভুল সময়ে উদ্যোগ নেয় তখন যৌন হয়রানি বা ডেট রেপের জন্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যায়; কিন্তু কেউ পুরুষদের শেখায়নি যে নারীরা যখন প্রথমে "হ্যাঁ", তারপর "না" এবং পরে আবার "হ্যাঁ" বলে তখন মানসিক আঘাতের জন্য মামলা করা যায়। ... পুরুষদের কাছ থেকে এখনো উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা করা হয়, কিন্তু এখন তারা যদি এটি ভুলভাবে করে তবে তাদের জেল হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে পোস্ট অফিসগুলোতে সিলেক্টিভ সার্ভিস পোস্টারে লেখা থাকে "একজন পুরুষকে তাই করতে হয় যা তার করা উচিত"। এগুলো পুরুষদের মনে করিয়ে দেয় যে কেবল তাদেরই বাধ্যতামূলক সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হবে। যদি পোস্ট অফিসে এমন পোস্টার থাকত যেখানে লেখা থাকত "একজন ইহুদিকে তাই করতে হয় যা তার করা উচিত..." অথবা কোনো গর্ভবতী নারীর শরীরের ওপর যদি লেখা থাকত "একজন নারীকে তাই করতে হয়..." ** পৃষ্ঠা ২৮ * যে সমাজগুলো টিকে আছে তারা তাদের সন্তানদের যুদ্ধে এবং কাজে এমনকি বাবা হিসেবেও উৎসর্গ করার বা পরিত্যাজ্য হওয়ার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করেই টিকে আছে। ** প্রথম খণ্ড * এমন অনেক দিক আছে যেখানে একজন নারী তার পুরুষ সঙ্গীর তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাহীন অনুভব করেন: গর্ভাবস্থা, বয়স বেড়ে যাওয়া, ধর্ষণ, ডেট রেপ এবং শারীরিকভাবে অবদমিত হওয়ার ভয়; স্বামী ও সন্তানদের ভরণপোষণ করার মতো যথেষ্ট বেতনের ক্যারিয়ার গড়ার সামাজিক শিক্ষার অভাব[...] সৌভাগ্যবশত, প্রায় সব শিল্পোন্নত জাতি নারীদের এই অভিজ্ঞতাগুলোকে স্বীকার করেছে। দুর্ভাগ্যবশত, তারা কেবল নারীদের অভিজ্ঞতাগুলোকেই স্বীকার করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৮ * ক্ষমতা মানে যদি নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকা বোঝায়, তবে আমাদের জীবনের ওপর লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকা এবং বর্ণবাদের প্রভাব বোঝার জন্য গড় আয়ুর চেয়ে ভালো কোনো মাপকাঠি নেই। ** পৃষ্ঠা ৩০ * বিষয়: মাইক টাইসনের বিচার। জুরিরা যে হোটেলে ছিলেন সেখানে আগুন লেগে যায়। দুই জন ফায়ারফাইটার সেখানকার বাসিন্দাদের বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারান। মাইক টাইসনের বিচার আমাদের পুরুষদের ধর্ষণকারী সত্তা সম্পর্কে সচেতন করেছে। কিন্তু ফায়ারফাইটারদের মৃত্যু আমাদের পুরুষদের রক্ষাকর্তা সত্তা সম্পর্কে সচেতন করেনি। আমরা একজন পুরুষের ক্ষতি করার বিষয়ে যতটা সচেতন ছিলাম, দুই জন পুরুষের বাঁচানোর বিষয়ে ততটা ছিলাম না... ** পৃষ্ঠা ৩৬ * ইতিহাসে এমন একটি উদাহরণ খুঁজে পাওয়া কঠিন যেখানে কোনো গোষ্ঠী ৫০ শতাংশের বেশি ভোট দিয়েও নিজেদের ভুক্তভোগী দাবি করে পার পেয়েছে... নারীরাই একমাত্র 'নিপীড়িত' গোষ্ঠী যারা 'নিপীড়কের' সাথে একই বাবা-মায়ের সন্তান; যারা 'নিপীড়কের' মতোই মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারে জন্ম নেয়; যারা 'নিপীড়কের' চেয়ে বেশি বিলাসদ্রব্যের মালিক হয়... ** পৃষ্ঠা ৪০ * আমরা 'তিনটি বিকল্প থাকা নারী এবং কোনো বিকল্প না থাকা পুরুষের যুগে' প্রবেশ করেছি। ** পৃষ্ঠা ৫২ * প্রথম ধাপে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি ছিল না, তাই পুরুষদের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলত না; দ্বিতীয় ধাপে সম্পর্ক বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যেতে পারে, তাই পুরুষদের সম্পর্কগুলো নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছিল। আমরা এমন রাজনৈতিক নেতাদের চাইনি যারা এমন আচরণের রোল মডেল হবেন যা নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে। ** পৃষ্ঠা ৬৩ * সংক্ষেপে, আমাদের জিনগত ঐতিহ্য আমাদের জিনগত ভবিষ্যতের সাথে সাংঘর্ষিক। মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি প্রজাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় গুণাবলি ভালোবাসার জন্য প্রয়োজনীয় গুণের সাথে মিলে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৬৫ * হাজার হাজার বছর ধরে অধিকাংশ বিয়ে ছিল প্রথম ধাপের—অর্থাৎ টিকে থাকার ওপর ভিত্তি করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিয়েগুলো ক্রমশ দ্বিতীয় ধাপের দিকে ঝুঁকেছে—যেখানে নিজের আত্মতৃপ্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়... ভালোবাসার সংজ্ঞায় একটি পরিবর্তন আসছে। ** পৃষ্ঠা ৪২ * নারী মুক্তি এবং পুরুষদের মধ্যবয়সের সংকট ছিল একই অনুসন্ধান—ব্যক্তিগত তৃপ্তি, সাধারণ মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসার জন্য। কিন্তু নারী মুক্তিকে যখন নিজস্ব পরিচয় তৈরির উপায় হিসেবে ভাবা হয়, পুরুষদের মধ্যবয়সের সংকটকে ভাবা হয় পরিচয়ের সংকট হিসেবে। ** পৃষ্ঠা ৪৪ * নিউ ইয়র্ক সিটিতে ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেনের পরিচালনা পর্ষদে থাকার সময় আমি কর্মক্ষেত্রে সমতা নিয়ে বিভিন্ন কর্পোরেট কর্মশালা করেছি। সেখানে সবচাইতে বেশি বাধার সম্মুখীন হয়েছি পুরুষ কর্মকর্তাদের কাছে নয়—বরং তাদের স্ত্রীদের কাছে। যতক্ষণ তার আয় তার স্বামীর কাছ থেকে আসছিল, ততক্ষণ তিনি মোটেও উদার বোধ করছিলেন না যখন দেখতেন ইতিবাচক পদক্ষেপের কারণে অন্য কোনো নারী তার স্বামীর (অর্থাৎ তার নিজের) আয়ের অংশীদার হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৪৬ * নারীদের ক্ষত চিহ্ন এবং প্রথাগুলো সৌন্দর্যের সাথে যুক্ত ছিল (কান ও নাক ফোঁড়ানো, পা বেঁধে রাখা এবং করসেট পরা); পুরুষদের প্রথাগুলো ছিল নারীদের রক্ষার সাথে যুক্ত। উগান্ডার ডোডোদের মতো যেসব সংস্কৃতিতে শারীরিক শক্তি এখনো নারীদের রক্ষার সেরা উপায়, সেখানে প্রতিটি মানুষকে হত্যার বিনিময়ে পুরুষদের একটি ক্ষত চিহ্ন দেওয়া হয়; ক্ষত চিহ্ন যত বেশি, তাকে তত বেশি যোগ্য মনে করা হয়। ** পৃষ্ঠা ৭২ * আজ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে যথাযথভাবেই ঘৃণা করা হয়। কিন্তু পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে আমরা বিনোদন বলি। ফুটবল, বক্সিং, কুস্তির কথা ভাবুন... এগুলো পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে মিষ্টি কথায় ঢাকার উপায়। আসলে এগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে আমাদের দল -- বা আমাদের সমাজ -- তার সেরা রক্ষকদের নিজেদের উৎসর্গ করার জন্য রাজি করাতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৭৫ * কল্পনা করুন আমরা কেমন বোধ করতাম যদি আমি এই অংশটি এভাবে শুরু করতাম, আজ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে যথাযথভাবে হাততালি দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। আমরা জানতাম যে আমি নারীদের মৃত্যু সমর্থন করি; কিন্তু যখন আমরা পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতার জন্য হাততালি দিই, তখন আমরা পুরুষদের মৃত্যুই সমর্থন করি। আমরা এটি করি কারণ আমরা শিখেছি যে পুরুষদের যত কার্যকরভাবে আত্মত্যাগের জন্য প্রস্তুত করব, আমরা তত বেশি সুরক্ষিত থাকব। ** পৃষ্ঠা ৭৬ * পুরুষেরা প্রায়ই সেই সমাজগুলোতে অহিংস হয়ে ওঠে যেখানে (১) পর্যাপ্ত খাবার আছে, (২) পর্যাপ্ত জল আছে এবং (৩) তারা নিজেদের আক্রমণ থেকে নিরাপদ মনে করে। উদাহরণস্বরূপ, তাহিতির পুরুষরা, ক্রিটের মিনোয়ান পুরুষরা এবং মধ্য মালয়েশিয়ার সেমাইরা তাদের ইতিহাসের সেই সময়ে অহিংস ছিল যখন এই তিনটি শর্তই বিদ্যমান ছিল। ** পৃষ্ঠা ৭৭ * প্রায়ই বলা হয় যে নারীরা জন্মগতভাবে যুদ্ধপ্রিয় পুরুষদের সভ্য করার একটি ভারসাম্য। নারীদের বদলে নিজেরা হত্যার কাজ করার মাধ্যমে পুরুষরাই নারীদের সভ্য করেছে বলা যেতে পারে। যখন টিকে থাকাই ছিল মূল বিষয়, তখন নারীদের গর্ভজাত সন্তানদের রক্ষার জন্য পুরুষদের হত্যা করা ছিল আসলে তাদের লালন-পালনেরই একটি ধরন। ** পৃষ্ঠা ৭৯ * তাহলে পিতৃতন্ত্রকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়? সম্ভবত এটিকে একটি সংস্কৃতিতে পুরুষদের আধিপত্য, দায়িত্ব এবং আনুগত্যের ক্ষেত্র হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে, যা টিকে থাকার প্রয়োজন মেটানোর জন্য উভয় লিঙ্গের মাধ্যমেই শক্তিশালী হয়েছে। মাতৃতন্ত্রকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়? একটি সংস্কৃতিতে নারীদের আধিপত্য, দায়িত্ব এবং আনুগত্যের ক্ষেত্র হিসেবে, যা টিকে থাকার প্রয়োজন মেটানোর জন্য উভয় লিঙ্গের মাধ্যমেই শক্তিশালী হয়েছে। ** পৃষ্ঠা ৯৮ ==== দ্বিতীয় খণ্ড: দ্য গ্লাস সেলারস অফ দ্য ডিসপোজেবল সেক্স ==== * প্রতিদিন কর্মক্ষেত্রে প্রায় ততজন পুরুষ মারা যান যতজন ভিয়েতনামের গড়পড়তা দিনে মারা যেতেন। পুরুষদের জন্য আসলে তিনটি পুরুষ-নির্ধারিত বাধ্যতামূলক তালিকা (ড্রাফট) আছে: সমস্ত যুদ্ধের জন্য পুরুষদের তালিকা; অবৈতনিক দেহরক্ষী হিসেবে প্রতিটি সাধারণ মানুষের তালিকা; এবং সমস্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ বা 'মৃত্যু পেশার' জন্য পুরুষদের তালিকা। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * কোনো আন্দোলনই প্রবাসী শ্রমিকদের নিপীড়িত বলে না যদিও তারা সেই নারীদের জন্য অর্থ যোগান দেয় যাদের কাছ থেকে তারা রান্নাবান্না বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সেবা পায় না; তারা তাদের স্ত্রীদের জন্য ঘরবাড়ি তৈরি করে দেয় অথচ নিজেরা মাটিতে ঘুমায়। ** পৃষ্ঠা ১১১ * যখন খনি এবং অন্যান্য মৃত্যু পেশা নিয়ে নারীবাদী প্রকাশনাগুলোতে আলোচনা করা হয় তখন সেগুলোকে পুরুষতান্ত্রিক ক্ষমতার প্রতীক বা কেবল পুরুষদের ক্লাবের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়। তবে মিস ম্যাগাজিনে যখন নারী খনি শ্রমিকদের কথা বলা হয়েছিল তখন এই বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল যে কীভাবে একজন নারী খনিতে কাজ করতে 'বাধ্য' হয়েছিলেন কারণ সেখানে সবথেকে ভালো বেতন পাওয়া যেত এবং তার পরিবারকে সাহায্য করার জন্য সেটিই ছিল একমাত্র পথ। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * পুরুষদের মরতে দেওয়া হলো টাকা বাঁচানোর একটি কৌশল। নিরাপত্তার জন্য টাকা খরচ করতে হয়। একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তার ভাষায়, ‘যখন সবকিছুতেই তাড়াহুড়ো থাকে, যখন আপনি মানুষের ওপর চাপ প্রয়োগ করেন এবং শর্টকাট ব্যবহার করেন তখন সবকিছু ভুল হতে পারে। আর তখন মানুষ মারা যায়।’ না। তখন পুরুষ মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ১১৯ * কোনো পেশা শারীরিকভাবে নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত নারীরা সেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় যোগ দেন না। তাই আমরা যতক্ষণ পুরুষদের নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন হয়ে মৃত্যু পেশাগুলোকে নিরাপদ পেশায় রূপান্তর না করব ততক্ষণ আমরা আসলে নারীদের প্রতি বৈষম্য করছি। কিন্তু যখন আমরা কেবল নারীদের অতিমাত্রায় সুরক্ষা দিই তখন সেটিও নারীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের দিকে নিয়ে যায়। যদি কোনো নিয়োগকর্তা বড় কোম্পানিতে কাজ করেন যেখানে কোটার কারণে বৈষম্য করা সম্ভব নয় তখন তারা স্থায়ীভাবে কাউকে নিয়োগ দেওয়ার বদলে ফ্রিল্যান্সারদের নিয়োগ দিতে বেশি আগ্রহী হন। তারা ভাবেন এতে কোনো নারীকে নিয়োগ দিয়ে সম্ভাব্য যৌন হয়রানির মামলার ঝুঁকি নিতে হবে না। ** পৃষ্ঠা ১২১ * একটি দেশ যত বেশি পুরুষতান্ত্রিক সেটি নারীদের তত বেশি সুরক্ষা দেয়। আর এভাবেই সেটি নারীদের সীমাবদ্ধ করে দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইতালি, স্পেন এবং ডেনমার্ক নারীদের বাধ্যবাধকতা ছাড়াই অনেক সুযোগ দেয়। তাই এই দেশগুলো এখনো পুরুষতান্ত্রিক। কোনো দেশ কতটা স্বাধীন তা নির্ভর করে সেই দেশ পুরুষদের নারীদের রক্ষা করার বাধ্যবাধকতা থেকে কতটা মুক্তি দেয় এবং নারীদের পুরুষদের সমানভাবে রক্ষা করতে কতটা শেখায় তার ওপর। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * যুদ্ধ কে ঘটায়? যুদ্ধ ঘটে আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার আদিম ভয় থেকে। এই ভয় নারী ও পুরুষ উভয়েরই আছে। এই ভয় এতটাই আদিম যে আমরা সহজেই সেইসব ব্যক্তিদের অসৎ উদ্দেশ্য সম্পর্কে বাড়িয়ে বলতে প্রলুব্ধ হই যারা আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। কেন? কোনো হুমকিকে অবমূল্যায়ন করার একটি ভুল সবাইকে ধ্বংস করে দিতে পারে; কিন্তু অতিমূল্যায়ন করার অনেক ভুল কেবল পুরুষদের ধ্বংস করে। ** পৃষ্ঠা ১৪২ * প্যারেড ম্যাগাজিন জানায় যে ১৯১৪ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে ৪০ মিলিয়ন সোভিয়েত পুরুষ নিহত হয়েছে। ম্যাগাজিনটির শিরোনাম ছিল ‘দুর্ভাগ্যের শিকার’। পুরুষরা মারা গেছে বলে? না। নারীদের দুর্ভাগ্যের শিকার হিসেবে দেখা হয়েছিল কারণ তারা ফ্যাক্টরি এবং রাস্তা পরিষ্কার করার কাজে আটকা পড়েছিলেন যে কাজগুলো করার জন্য পুরুষরা তখন বেঁচে ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১৪৫ * পুরুষেরা কেবল যুদ্ধের যোদ্ধা নয় বরং শান্তির যোদ্ধাও হতে পারে। প্রায় সবাই যারা শান্তির জন্য জীবন বাজি রাখে, জেলে যায় বা নিহত হয় তারা পুরুষ। নেলসন ম্যান্ডেলা, মার্টিন লুথার কিং, গান্ধী বা দাগ হ্যামারশোল্ডের মতো কিছু শান্তির যোদ্ধাকে মনে রাখা হলেও অধিকাংশকেই ভুলে যাওয়া হয়। নর্ম মরিসনের কথা মনে আছে? ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদ করার কয়েক বছর পর নর্ম পেন্টাগনের সিঁড়িতে নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন... কিন্তু নর্ম মরিসনকে আজ সবাই ভুলে গেছে। ** পৃষ্ঠা ১৫৩ * ১৯৭০-এর দশকের দিকে আমেরিকান নারীদের 'স্বাধীন' বা 'সুপারওম্যান' বলা হতো। অন্যদিকে আমেরিকান পুরুষেরা যদি ভিয়েতনামে যুদ্ধ করত তবে তাদের 'শিশু হত্যাকারী' বলা হতো। যদি তারা প্রতিবাদ করত তবে তাদের 'দেশদ্রোহী' বলা হতো আর যদি তারা কোনোটিই না করত তবে তাদের 'উদাসীন' বলা হতো। এমনকি যেসব পুরুষ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছিল তাদের দিকেও আক্ষরিক অর্থেই থুতু ফেলা হয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ১৫৫ * কিশোরী মেয়েদের দক্ষতা প্রমাণের চাপ কম থাকে এবং ভালোবাসা পাওয়ার সম্পদ বেশি থাকে। তাদের শরীর ও মন আসলে জন্মগত উপহার। ** পৃষ্ঠা ১৬৬ * কিশোর বালকদের উদ্বেগ এতটাই তীব্র হওয়ার কারণ হলো তাদের সামাজিক শিক্ষা তাদের কাছে দক্ষতা প্রমাণের দাবি করে কিন্তু সেই দক্ষতা অর্জনের সম্পদ দেয় না। ফলে তার ঝুঁকি যেমন অনেক তেমনই ব্যর্থতাও অনেক। এবং সেগুলো খুব স্পষ্ট... দ্বিতীয়ত, সবচাইতে বড় বিজয়ীরা—যেমন ফুটবল খেলোয়াড়েরা—নিজেদের ওপর অত্যাচার করার মাধ্যমে ভালোবাসা পায়। কিছু বালকের জন্য এই অত্যাচার উদ্বেগ তৈরি করে। কিন্তু ভালোবাসা হারানো আরও বেশি উদ্বেগ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * পৃথিবী এখন ক্রমশ মেয়েদের সুযোগ দিচ্ছে তারা যা হতে চায় তাই হওয়ার—গৃহিণী, মা, সেক্রেটারি বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * অতীতে যৌনতা এবং গর্ভাবস্থা নিয়ে নারী-পুরুষ উভয়েই চিন্তিত ছিল। এখন জন্মনিরোধক বড়ি নারীর উদ্বেগ কমিয়েছে এবং কনডম পুরুষের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এখন ব্রণযুক্ত চেহারার একটি বালককে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ঝুঁকি নিতে হয় এবং সেই সাথে হার্পিস ও এইডস নিয়ে নিজের ভয়কে জয় করতে হয়। সেই সাথে তাকে মেয়েটিকেও আশ্বস্ত করতে হয় যে ভয়ের কিছু নেই। তাকে এখনো যৌনতার ঝুঁকি নিতে হয়, কিন্তু এখন সে যদি খুব তাড়াতাড়ি ঝুঁকি নেয় তবে তাকে জেলে যেতে হতে পারে অথবা তাড়াতাড়ি না নিলে তাকে কাপুরুষ বলা হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৬৮ * এমনকি ৩০ বছর বয়সের একজন পুরুষ যার স্ত্রী মারা গেছে তার আত্মহত্যার সম্ভাবনা একই বয়সের একজন বিবাহিত পুরুষের চেয়ে ১১ গুণ বেশি। ৩০ বছর বয়সে যখন পুরুষেরা নিজেদের কাজে ডুবে থাকতে পারে এবং তারা নারীদের কাছে শারীরিকভাবে ও আর্থিকভাবে আকর্ষণীয় থাকে তখন নিজের ভালোবাসার মানুষকে হারানো এতটাই বিধ্বংসী হয় যে অনেক নারীর সুযোগ থাকলেও সেই কষ্ট কমে না... সংক্ষেপে, ভালোবাসা হারানোই পুরুষদের ধ্বংস করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৬৯ * নারীরা প্রায়ই আত্মহত্যার চেষ্টা করে কারণ তারা যাদের ভালোবাসে তাদের কাছে অগ্রাধিকার পেতে চায়, সব সময় কেবল তাদের অগ্রাধিকার দিতে চায় না। ** পৃষ্ঠা ১৭১ * যেসব পুরুষ সফল তারা ভালোবাসা পাওয়ার জন্য সাফল্যের ওপর সবচাইতে বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। যখন এই পুরুষটি তার সাফল্য হারায় তখন সে প্রায়ই ভয় পায় যে সে ভালোবাসা হারাবে। ** পৃষ্ঠা ১৭২ * একজন পুরুষের কাছে বেকারত্ব হলো একজন নারীর কাছে ধর্ষণের মানসিক যন্ত্রণার সমান। ** পৃষ্ঠা ১৭২ * বাধ্যতামূলক আগাম অবসর নেওয়া একজন পুরুষের কাছে তেমনটাই হতে পারে যেমনটা একজন নারীর কাছে কোনো 'অল্পবয়সী নারীর জন্য পরিত্যক্ত' হওয়া। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * বিষণ্ণতার অভিযোগ প্রায়ই পুরুষের ওপর নারীর নির্ভরশীলতার সাথে যুক্ত থাকে। কিন্তু এটি এমন পুরুষের ওপর নির্ভরশীলতা যারা একজন নারীকে টিকে থাকার সংগ্রামের চেয়েও বেশি কিছু নিয়ে ভাবার সময় দিতে যথেষ্ট সফল। এই কারণেই যখন আমরা বিষণ্ণতায় আক্রান্ত নারীদের কথা ভাবি তখন আমাদের মাথায় মধ্যবিত্ত নারীদের কথা আসে, শ্রমিক শ্রেণির নারীদের কথা নয়। শ্রমিক শ্রেণির নারীরা বেঁচে থাকার চিন্তায় এতই ব্যস্ত থাকেন যে বিষণ্ণতার কথা বলার সুযোগ পান না। বিষণ্ণতা এমন একটি রোগ যা তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায় যাদের বেঁচে থাকার চিন্তা ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে ভাবার বিলাসিতা আছে। একজন মানুষ দ্বিতীয় ধাপে যত বেশি এগিয়ে থাকে সে বিষণ্ণতার দিকে তত বেশি মনোযোগ দিতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৭৭ * যখন একজন পুরুষকে আগাম অবসর নিতে বাধ্য করা হয় তখন প্রায়ই তাকে 'একজন অল্পবয়সী পুরুষের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়'। একজন পুরুষের কাছে আগাম অবসর তেমনটাই হতে পারে যেমনটা একজন নারীর কাছে 'অল্পবয়সী নারীর জন্য পরিত্যক্ত' হওয়া... সন্তানরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেলে মায়েরা যতটা না বিচলিত হন পুরুষেরা কেন অবসরে গেলে তার চেয়ে বেশি বিচলিত হন? নারীরা যখন সন্তানদের কাছ থেকে অবসর নেন তখন তারা একটি পেশা শুরু করার চেষ্টা করতে পারেন; কিন্তু একজন পুরুষ যখন পেশা থেকে অবসর নেন তখন তার সন্তানরাও চলে যায়। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * যখন নারী ও পুরুষের গড় আয়ু প্রায় সমান হয় তখন তার কারণ কেবল সন্তান জন্মদান নয় বরং রোগব্যাধি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, জলের অভাব, অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা এবং পুষ্টিহীনতা। শিল্পোন্নত সমাজে অকালমৃত্যুর প্রধান কারণ হলো মানসিক চাপ যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। যেহেতু মানসিক চাপ একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তাই পুরুষেরা নারীদের তুলনায় অনেক আগে মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * বিকল্পগুলো একজন নারীকে তার ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী নিজের ভূমিকা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেয়। কিন্তু একজন পুরুষ যদি ভালোভাবে ভরণপোষণ করতে চায় তবে সে তাই পরতে বাধ্য হয় যা তাকে মানায় না, বরং তাকে একটি স্যুট পরতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৩ * দ্য নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন সম্প্রতি জানিয়েছে যে নিজের দোষ নিয়ে কথা বলা আমাদের হৃদস্পন্দনের গতিতে অস্বাভাবিকতা তৈরি করে। সামান্য অস্বাভাবিকতা? না। স্থির সাইকেল চালিয়ে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া বা বুকে ব্যথা হওয়ার মতো তীব্র অস্বাভাবিকতা। সম্ভবত কিশোর বয়স থেকে পুরুষদের একে অপরের সমালোচনা করার যে অভ্যাস সেটিই ৫০ বছর বয়সের আগে নারীদের তুলনায় পুরুষদের চার গুণ বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ। আসলে আমাদের ছেলেরা হৃদরোগের প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ১৮৬ * সংক্ষেপে, আমরা নারীদের তুলনায় জেলখানায় থাকা পুরুষ, সামরিক বাহিনীতে থাকা পুরুষ এবং সাধারণভাবে পুরুষদের ওপর বেশি গবেষণা করি ঠিক যে কারণে আমরা মানুষের চেয়ে ইঁদুরের ওপর বেশি গবেষণা করি। ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * যদিও একটি সরকারি গবেষণায় দেখা গেছে যে নারীদের বা অন্য কোনো সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর চেয়ে পুরুষদের স্বাস্থ্য অনেক বেশি খারাপ, তবুও সারা দেশের শিরোনামে লেখা হয়েছিল: ‘সংখ্যালঘুরা বড় ধরনের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্যের সম্মুখীন’। তারা বলেনি: ‘পুরুষরা বড় ধরনের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্যের সম্মুখীন’। কেন? কারণ আমরা পুরুষদের জীবনের আত্মত্যাগকে বাকিদের রক্ষার উপায় হিসেবে দেখি। আর এই ধারণাটি আমাদের অবচেতনে পুরুষদের দীর্ঘকাল বেঁচে থাকার বিষয়ে উদাসীন হতে উৎসাহ দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৬ * যখন জন্মনিরোধক বড়ি ইউরোপে পাওয়া যেত কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাওয়া যেত না তখন আমেরিকান নারীরা চিৎকার করে বলেছিল যে বড়িটি সহজলভ্য না করা নারীদের জীবনের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে... যখন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) উচ্চ মাত্রার হরমোনযুক্ত বড়ি বাজারে ছেড়েছিল যা পরে অপ্রয়োজনীয় প্রমাণিত হয়, তখন তাদের এই বলে আক্রমণ করা হয়েছিল যে তারা নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করার বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন নয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৫ * দুর্ভাগ্যবশত একজন পুরুষের জীবনে অর্থ উপার্জনের প্রক্রিয়া মানেই ছিল তার স্ত্রীকে পর করে দেওয়া। মাঝে মাঝে এটি আইনত বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায় তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি মানসিক বিচ্ছেদের কারণ হয়। এই কারণেই ডাক্তারদের স্ত্রীদের ওপর করা একটি জরিপে দেখা গেছে যে তারা তাদের স্বামীদের প্রতি এক ধরনের প্রচণ্ড ঘৃণা পোষণ করেন। তবুও সেই স্ত্রীরা ডাক্তারদের সাথে সংসার চালিয়ে যান। কেন? তারা বলেছিলেন যে সবকিছুর চেয়ে তারা বিয়ের নিরাপত্তা চান... ফলে পুরুষেরা প্রায়ই এক ধরনের কৃত্রিম মানসিক নিরাপত্তার নেশায় নিজেদের বিলিয়ে দেন। অন্তত তাদের স্ত্রীদের কাছে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বাস্তবতা থাকে। ** পৃষ্ঠা ২০৩ * কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ, আদিবাসী পুরুষ এবং সমকামী পুরুষদের মধ্যে একটি মিল আছে: তারা নারীদের জন্য কোনো অর্থনৈতিক নিরাপত্তার চাদর দিতে পারেন না। ** পৃষ্ঠা ২০৬ * সমকামী যৌনতা মানে ছিল দুই ঘণ্টার আনন্দের বিনিময়ে দুই ঘণ্টার আনন্দ। বিষমকামী যৌনতা মানে ছিল দুই ঘণ্টার আনন্দের বিনিময়ে সারাজীবনের দায়িত্ব। বিষমকামী সম্পর্ক ছিল একটি লোকসানের চুক্তি! সমকামভীতির পেছনের ভয়টি ছিল যে পরবর্তী প্রজন্মের ভরণপোষণ করার কেউ থাকবে না। সবাই কেবল আনন্দ করবে। ফলে 'আনন্দ' করা হয়ে দাঁড়াল অপরিপক্কতার লক্ষণ; আর অনেক ধরনের 'ভোগবিলাস' অবৈধ হয়ে গেল। ** পৃষ্ঠা ২০৮ * আমরা কেন গৃহহীন পুরুষদের সাহায্য করতে অনীহা প্রকাশ করি? এর আংশিক কারণ হলো আমরা বুঝি না যে পরিবার চালানোর চাপ কীভাবে পুরুষদের এমন সব অস্থায়ী কাজ করতে বাধ্য করে যা তাদের গৃহহীন হওয়ার পথে এগিয়ে দেয় এবং আংশিক কারণ হলো আমরা সফল না হওয়া পুরুষদের প্রতি ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাই। ** পৃষ্ঠা ২০৯ * পুরুষদের এই পাগলামি থেকে স্বাভাবিক পথে ফিরে আসার দ্রুত উপায় হলো নারী-পুরুষ উভয় লিঙ্গের জন্যই ঘর এবং কর্মস্থলের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার দাবি করা। পুরুষদেরও তাদের স্ত্রীদের কাছ থেকে ঠিক তেমনভাবেই আর্থিক সহযোগিতা আশা করতে হবে যাতে তারা বাবা হওয়ার সময় দিতে পারে যেভাবে তারা এখন তাদের স্ত্রীদের মা হওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা দেয়। নারীদেরও টাকার যোদ্ধার বদলে ভালোবাসার যোদ্ধাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২১২ * নারীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করার সাথে সাথে আমাদের নারীদের রক্ষা করার প্রবণতা কি পুরুষদেরও রক্ষা করার নিয়ম তৈরি করবে? হ্যাঁ এবং না। হ্যাঁ, যেমন ডাক্তারদের সপ্তাহে ৮০ ঘণ্টার কম কাজ করার বিষয়টি এখন পুরুষদেরও প্রভাবিত করছে। না, যখন শ্রমিক শ্রেণির কাজগুলোকে ভাগ করা হয় যেখানে পুরুষেরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো নেয় আর নারীরা নিরাপদ কাজগুলো নেয়। আর পেশাগত জীবনে পুরুষেরা যদি সার্জারির মতো অনিয়মিত সময়ের কাজগুলো বেছে নেয় আর নারীরা যদি সাইকিয়াট্রির মতো নিয়মিত সময়ের কাজগুলো নেয় তবে আমরা কেবল নারীদের সুরক্ষিত শ্রেণি এবং পুরুষদের পরিত্যাজ্য শ্রেণি হিসেবে দেখার ধারণাটিকেই শক্তিশালী করব। ** পৃষ্ঠা ২১৩ * শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় কৃষ্ণাঙ্গদের খুনের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২১৪ * যখন আমরা শুনি যে পুরুষেরা অপরাধের বেশি শিকার হচ্ছে তখন আমরা বলি, ‘আরে, পুরুষরাই তো পুরুষদের মারছে।’ যখন আমরা শুনি যে কৃষ্ণাঙ্গরা বেশি শিকার হচ্ছে তখন আমরা একে বর্ণবাদী মনোভাব মনে করি যদি বলি, ‘আরে, কৃষ্ণাঙ্গরাই তো কৃষ্ণাঙ্গদের মারছে।’ অপরাধী যেই হোক না কেন ভুক্তভোগী সব সময় ভুক্তভোগীই হয়। ** পৃষ্ঠা ২১৫ * অপরাধ—বিশেষ করে অর্থের সাথে যুক্ত অপরাধ—ভরণপোষণ করার প্রত্যাশা এবং তা পূরণ করার ক্ষমতার মধ্যে ব্যবধানকে প্রতিফলিত করে... আমরা যদি সত্যিই চাই যে পুরুষেরা নারীদের মতো খুব কম অপরাধ করুক তবে আমাদের শুরু করতে হবে পুরুষদের কাছ থেকে নারীদের ভরণপোষণের যে প্রত্যাশা তা কমিয়ে দিয়ে। ** পৃষ্ঠা ২১৫-২১৬ * যখন আমরা কোনো শিশু কন্যার প্রতি সহিংসতা করি তখন আমরা তাকে শিশু নির্যাতন বলি; যখন আমরা কোনো শিশু পুত্রের প্রতি সহিংসতা করি তখন আমরা তাকে খতনা বলি। ** পৃষ্ঠা ২২১ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়াই খতনা করা হয়, যদিও অ্যানেস্থেসিয়া শিশুর মানসিক চাপ কমায় এবং সংক্রমণ ও রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে। ** পৃষ্ঠা ২২১ * আমরা যদি এখনো মেয়েদের যৌনাঙ্গের উপরের অংশ কাটতাম তবে একে মেয়েদের যৌনতাকে দমন করার ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখতে আমাদের কোনো অসুবিধা হতো না। আমেরিকা যে কোনো গবেষণা ছাড়াই খতনা করে যাচ্ছে তা মূলত বালকদের ব্যথার অনুভূতির প্রতি সংবেদনহীন করার ঐতিহ্যেরই প্রতিফলন। তাদের শেখানো হচ্ছে যাতে তারা তাদের শরীরের অঙ্গ পরিত্যাজ্য হওয়ার বিষয়ে কোনো প্রশ্ন না তোলে। ** পৃষ্ঠা ২২৩ * বিপদে পড়া নারীদের নিয়ে তৈরি সিনেমাগুলো আসলে রাজকন্যাকে ড্রাগনের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে পুরুষদের প্রাণ দেওয়ার সেই পুরনো গল্পের আধুনিক রূপ। এগুলো আসলে নারীদের সেরা রক্ষক খুঁজে নেওয়ার এবং বাকিদের বাদ দেওয়ার জন্য আধুনিক দিনের প্রশিক্ষণমূলক চলচ্চিত্র। ** পৃষ্ঠা ২২৫ * লিঙ্গবৈষম্যমূলক ধারণা হলো—কেবল নারীদের ওপর যে কোনো সহিংসতাকে নারী-বিরোধী মনে করা, কিন্তু পুরুষদের ওপর নারীর করা সহিংসতাকে সাধারণ সহিংসতা মনে করা। এই ধারণাটি নারীদের আরও বেশি সুরক্ষা দেওয়ার জন্য আইনের দাবি তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ২২৮ * পুরুষেরা কেবল নারীদের অবৈতনিক দেহরক্ষীই নয় বরং তারা নারী দেহরক্ষী হওয়ার জন্য উল্টো টাকাও খরচ করে। ** পৃষ্ঠা ২৩০ * নারীরা শিশুদের রক্ষা করার জন্য জীবন বাজি রাখবে কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক কোনো পুরুষকে রক্ষা করার জন্য খুব কমই জীবন বাজি রাখে। ** পৃষ্ঠা ২৩০ * নারী আন্দোলনের একটি বড় ভুল ধারণা: কাজ মানেই "ক্ষমতা" এবং "আত্মতৃপ্তি" মনে করা। ** পৃষ্ঠা ২৩২ * আমাকে প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয় যে নারীদের—বিশেষ করে দরিদ্র নারীদের—যৌনকর্মী হিসেবে নিজেদের শরীর ব্যবহার করার বিষয়ে পুরুষেরা কেন বিচলিত হয় না। কারণ অধিকাংশ পুরুষ অবচেতনভাবে প্রতিদিন নিজেদের যৌনকর্মী হিসেবেই অনুভব করে—খনি শ্রমিক, ফায়ারফাইটার, নির্মাণ শ্রমিক বা সৈনিকেরা আসলে সরাসরি অর্থ এবং পরিবারের জন্য নিজেদের শরীর উৎসর্গ করে। ** পৃষ্ঠা ২৩৩ * নারীদের রক্ষা করার জন্য আইনগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে যদি কোনো পুরুষের সাংবিধানিক অধিকারের সাথে নারীর সুরক্ষার বিষয়টি সাংঘর্ষিক হয় তবে সেই অধিকার গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * বিবাহবিচ্ছেদের ফলে পুরুষদের গোষ্ঠী (যাকে আইনসভা বলা হয়) সমষ্টিগতভাবে নারীদের রক্ষা করতে শুরু করে যখন অন্য পুরুষেরা (যাদের স্বামী বলা হয়) ব্যক্তিগতভাবে নারীদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * নারীদের বিশেষ সুরক্ষার আইনি পক্ষপাত সংবিধানের সমান সুরক্ষার গ্যারান্টিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে শুরু করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ ==== তৃতীয় খণ্ড: বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকার ==== * খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত একজন পুরুষের মৃত্যুদণ্ড পাওয়ার সম্ভাবনা একই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত একজন নারীর চেয়ে ২০ গুণ বেশি... ১৯৭৬ সালে মৃত্যুদণ্ড পুনরায় চালু হওয়ার পর থেকে ১২০ জন পুরুষ এবং মাত্র ১ জন নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। উত্তর ক্যারোলিনার সেই নারীটি বলেছিলেন যে তিনি মৃত্যুদণ্ডই পছন্দ করেন... উত্তর ক্যারোলিনায় দ্বিতীয় পর্যায়ের খুনের জন্য একজন পুরুষ গড়ে একজন নারীর চেয়ে ১২.৬ বছর বেশি সাজা পায়। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যখন একজন পুরুষ এবং একজন নারী মিলে কোনো অপরাধ করে তখন তারা দুজনেই প্রায়ই পুরুষটির ওপর দোষ চাপাতে রাজি হন—যদিও পুরুষটির দীর্ঘ সাজা পাওয়ার এবং কারাগারে ধর্ষিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যদি কৃষ্ণাঙ্গরা শ্বেতাঙ্গদের জন্য এমনটা করত তবে কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায় একে বুদ্ধিমত্তার সাথে ‘শেখানো দাসত্ব’ বলে অভিহিত করত। ** পৃষ্ঠা ২৪৩ * ১৯৫৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০,০০০ নারী খুন করেছেন। তাদের শিকার হয়েছেন প্রায় ৬০,০০০ পুরুষ। কিন্তু এই অধ্যায়ের দ্বিতীয় বিষয়ের তথ্যানুযায়ী কেবল একজন পুরুষকে হত্যার জন্য কোনো নারীরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি। প্রায় চার দশক ধরে আমরা নারীদের প্রতি ক্রমেই বেশি সুরক্ষিত এবং পুরুষদের প্রতি ক্রমেই কম সুরক্ষিত হয়ে উঠছি—এমনকি সেই ছেলেটি যদি নাবালকও হয় যেমনটা ছিল হিথ উইলকিন্স। ** পৃষ্ঠা ২৪৪ * যদি আমরা কোনো বিবাহিত পুরুষকে তার অর্থনৈতিক আইনি জটিলতার জন্য দায়ী করি তবে বিবাহিত নারীকেও তার বিপথে যাওয়া সন্তানদের জন্য দায়ী করা উচিত। ** পৃষ্ঠা ২৫০ * প্রিয়জনকে হত্যার হাত থেকে নারী বা পুরুষ কেউই মুক্ত নয়। পার্থক্য কেবল হত্যার পর তাদের সাথে কী ঘটে তার মধ্যে। ১২টি আলাদা আলাদা নারী-কেন্দ্রিক প্রতিরক্ষা কোনো নারীকে পরিকল্পিত খুনের অভিযোগ থেকে মুক্তি দিতে বা সাজা কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। কোনো পুরুষই একই পরিস্থিতিতে এই যুক্তিগুলো ব্যবহার করে সফল হয়নি। ** পৃষ্ঠা ২৫৪ * এটিই হলো “নির্দোষ নারী প্রতিরক্ষা”-র ভিত্তি—অর্থাৎ “নির্দোষ নারী নীতি”: নারীরা যখন বলে যে তারা সহিংসতায় জড়িত নয় তখন তাদের বিশ্বাস করা হয় এবং যখন তারা বলে যে তারা সহিংসতায় দোষী তখন তাদের খুব সহজেই সন্দেহ করা হয়। ** পৃষ্ঠা ২৫৫ * ''ফ্যারেলের অন্য এগারোটি প্রতিরক্ষা হলো ‘পিএমএস প্রতিরক্ষা’; ‘স্বামী প্রতিরক্ষা’ (ওয়ারেন, আমি পুরোপুরি জানি না কীভাবে এটি সংক্ষেপে বলব—আমি নিশ্চিত নই যে আমি এটি বুঝতে পেরেছি কি না); ‘নির্যাতিতা নারী সিনড্রোম’ প্রতিরক্ষা যা ‘শেখানো অসহায়ত্ব’ নামেও পরিচিত; ‘বিষণ্ণ মা’ প্রতিরক্ষা; ‘মায়েরা হত্যা করে না’ প্রতিরক্ষা; ‘শিশুদের মায়ের প্রয়োজন’ প্রতিরক্ষা; ‘বাবাকে দোষ দাও, মাকে বোঝো’ প্রতিরক্ষা; ‘আমার সন্তান, একে নির্যাতনের অধিকার আমার’ প্রতিরক্ষা; ‘সাজা কমানোর চুক্তির’ প্রতিরক্ষা; ‘সভেনগালি প্রতিরক্ষা’ এবং ‘চুক্তিতে হত্যা’ প্রতিরক্ষা।'' ** অধ্যায় ১২ * প্রতিটি যুদ্ধের অভিজ্ঞ পুরুষরাই পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের মাধ্যমে ‘নির্যাতিত পুরুষ সিনড্রোমে’ ভোগেন। এর মানসিক ফলাফল বছরের পর বছর তাদের সাথে থাকে। কিন্তু যদি ভুক্তভোগী কেউ এজেন্ট অরেঞ্জ স্প্রে করার আদেশ দেওয়ার জন্য অ্যাডমিরাল জুমওয়াল্টকে হত্যা করে তবে তাকে খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হবে। নির্যাতিত পুরুষ সিনড্রোমে ভোগা পুরুষদের তাদের নির্যাতনকারীকে আক্রমণ করার এবং একে আত্মরক্ষা বলার অনুমতি দেওয়া হয় না। ** পৃষ্ঠা ২৬৪ * চুক্তিতে করা হত্যাগুলো কখনোই কোনো নারীর পুরুষকে হত্যা করা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয় না। ** পৃষ্ঠা ২৮১ * আমরা তখনই নির্যাতন এবং হত্যা কমাতে পারি যখন আমরা বুঝব যে উভয় লিঙ্গের ক্ষেত্রেই নির্যাতন ক্ষমতা থেকে নয় বরং ক্ষমতার অভাব থেকে আসে। ** পৃষ্ঠা ২৮২ * কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি দক্ষতার পুরস্কারকে আকর্ষণীয় হওয়া এবং যৌন সহজলভ্যতার পুরস্কারের সাথে গুলিয়ে ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৮৪-৫ * একজন পুরুষের কাজ তখনই অবৈধ হবে যদি কোনো নারী মনে করে যে এটি একটি ‘প্রতিকূল পরিবেশ’ তৈরি করছে এবং যদি পুরুষটি সেই অপরাধ করে থাকে... ‘প্রতিকূল পরিবেশ’-এর সংজ্ঞা কে দেয়? নারীটি। এমনকি পুরুষটির উদ্দেশ্য কী ছিল তা আইনের ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য তৈরি করে না। অন্যান্য সকল অপরাধমূলক আচরণের ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এমনকি খুনের ক্ষেত্রেও। যৌন হয়রানি সংক্রান্ত বর্তমান আইন সকল পুরুষকে সকল নারীর তুলনায় অসমান করে দেয়। এটি সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর লিঙ্গ নির্বিশেষে সমান সুরক্ষার গ্যারান্টিকে সরাসরি লঙ্ঘন করে। এভাবেই কেবল নারীদের রক্ষা করার রাজনৈতিক ইচ্ছা উভয় লিঙ্গকে সমানভাবে রক্ষা করার সাংবিধানিক আদেশের চেয়ে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত বর্তমান আইন সকল পুরুষকে সকল নারীর তুলনায় অসমান করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * এক দশকে নারীরা কর্মক্ষেত্রে আপত্তিকর কৌতুকের বিরুদ্ধে যতটা সুরক্ষা পেয়েছে পুরুষেরা কয়েক শতাব্দীতেও কর্মক্ষেত্রে নিহত হওয়ার বিরুদ্ধে ততটা সুরক্ষা পায়নি। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইনগুলো পুরুষদের কাছে অন্যায্য মনে হয় কারণ তারা যদি কোনো জাতিগত কৌতুক বা কোনো নারীর পর্নোগ্রাফি নিয়ে আলোচনা করা বা বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার বিরুদ্ধে মামলা করত তবে তাদের নিয়ে হাসাহাসি করা হতো। ** পৃষ্ঠা ২৮৯ * এক অর্থে যৌন হয়রানি সংক্রান্ত মামলাগুলো হলো নারী নির্বাচনের প্রক্রিয়ার সবশেষ সংস্করণ—যা তাকে এমন পুরুষ বেছে নিতে সাহায্য করে যে তার ক্যারিয়ার ঝুঁকির মুখে ফেলার মতো তার প্রতি যত্নশীল। যার মধ্যে অভদ্র না হয়েও উদ্যোগ নেওয়ার দক্ষতা এবং মামলা হওয়ার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও উদ্যোগ নেওয়ার সাহস আছে... অতীতে তার এই বাধাগুলো অতিক্রম করার প্রক্রিয়াকে ‘কোর্টশিপ’ বলা হতো। এখন একে ‘কোর্টশিপ’ অথবা ‘যৌন হয়রানি’ বলা হয়। ** পৃষ্ঠা ২৯১ * যখন একজন পুরুষ কোনো নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয় তখন যৌন উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা তার ক্ষমতা বাড়ায় না বরং তাকে স্থবির করে দেয়। মামলার ভয় কেবল সেই স্থবিরতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। বিদ্রূপের বিষয় হলো পরিস্থিতি যত বিপজ্জনক হয় ‘নোংরা কৌতুক বলা’ ততটাই পরিস্থিতি বোঝার উপায় হিসেবে কাজ করে: যদি সে হাসে তবে হয়তো সে আগ্রহী; যদি সে বিরক্ত হয় তবে হয়তো সে আগ্রহী নয়। সে অনেক বেশি শক্তিশালী বোধ করত যদি নারীটি নিজে পরিস্থিতি বোঝার দায়িত্ব নিত। ** পৃষ্ঠা ২৯৪ * যদি একজন নারী কর্মী বিরক্ত বোধ করেন তবে তার বসের ইচ্ছা থাকে যে তিনি তাকে সেটা বলুক, মামলা না করুক। ** পৃষ্ঠা ২৯৪ * হেজিং হলো দলের কাছে নিজেকে সমর্পণ করার পরীক্ষা এবং প্রশিক্ষণ উভয়ই। ** পৃষ্ঠা ২৯৫ * যদি কোনো নারীকে এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে না হয় তবে তাকে আসলে যাচাই করা হচ্ছে না; তাই তাকে বিশ্বাসও করা হচ্ছে না। ** পৃষ্ঠা ২৯৫ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইন প্রায়ই একটি প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করে যা নারীকে শিশুর মতো করে উপস্থাপন করে। ** পৃষ্ঠা ২৯৭ * কর্মক্ষেত্রে আসলে সাত ধরনের যৌন মিথস্ক্রিয়া ঘটে... যৌন ব্ল্যাকমেইল। একজন বস কোনো কর্মীকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য হুমকি দেয় অন্যথায় তাকে বরখাস্ত করা হবে... যৌন ঘুষ। একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যৌনতার বিনিময়ে পদোন্নতির প্রতিশ্রুতি দেয়। এটি স্পষ্ট বা পরোক্ষ হতে পারে... কর্মক্ষেত্রের বেশ্যাবৃত্তি। পদোন্নতির বিনিময়ে একজন কর্মী যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে; একজন বিক্রয়কর্মী কোনো পণ্য বিক্রির জন্য যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে। যৌনতা দেওয়া হতে পারে বা কেবল প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতে পারে... কর্মক্ষেত্রের ইনসেস্ট। কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক। কর্মক্ষেত্রে পরিবারের মতো ক্ষমতার স্তর থাকে যা যৌন সম্পর্কের ফলে অস্পষ্ট হয়ে যায়... যৌন হয়রানি। একজন কর্মী ‘না’ বলার পরেও কর্মক্ষেত্রে বারবার যৌন প্রস্তাব দেওয়া... কর্মক্ষেত্রে ফ্লার্টেশন। ইঙ্গিতপূর্ণ পোশাক, চোখে চোখে কথা বলা, স্পর্শ এবং চোখের সংকেতের সমন্বয়... কর্মক্ষেত্রের পর্নোগ্রাফি। গ্রুপে পিনআপ ছবি, অশ্লীল কৌতুক এবং যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলা... ** পৃষ্ঠা ২৯৭-৯ * সমাধান: (...) অন্য লিঙ্গের ভালো উদ্দেশ্য বোঝার চেষ্টা করুন। ** পৃষ্ঠা ৩০৬ * আদি নারীবাদীরা এটি বুঝতে পেরেছিলেন: তারা সুরক্ষামূলক আইনের কট্টর বিরোধী ছিলেন। তারা জানতেন যতক্ষণ রাজকন্যাকে একটি মটরশুঁটি থেকে রক্ষা করা হবে ততক্ষণ নারীরা সমতা থেকে বঞ্চিত হবে। আধুনিক দিনের নারীদের জন্য সেই ‘মটরশুঁটি’ হলো কর্মক্ষেত্রের কঠিন পরিস্থিতি। আজকের নারীবাদীরা যখন সুরক্ষামূলক আইনের সমর্থক হন তখন তারা আসলে সমতার বিরোধিতা করেন। যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইন লিঙ্গবৈষম্যমূলক কারণ এটি যৌন মিলনের খেলায় কেবল পুরুষকেই পুরুষালি ভূমিকার জন্য দায়ী করে। ** পৃষ্ঠা ৩০৭ * মিথ। ধর্ষণ হলো পুরুষদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ। সত্য। একজন শ্বেতাঙ্গ পুরুষের তুলনায় একজন কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষের ধর্ষক হিসেবে অভিযুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তিন গুণ বেশি। কৃষ্ণাঙ্গদের কি হঠাৎ করে বেশি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা হয়ে গেছে? সম্ভবত ধর্ষণ ক্ষমতা থেকে আসে না বরং ক্ষমতার অভাব থেকে আসে। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * এটিও সম্ভব যে একজন নারী কোনো পুরুষের ঘরে গেল এবং তাকে বলল যে সে শারীরিক সম্পর্ক করতে চায় না এবং সে এটি বিশ্বাসও করে। কিন্তু পরে চুম্বন শুরু হলে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়ে যায় এবং সকালে সে অনুতাপ করে। কীভাবে? চুম্বন হলো পটেটো চিপস খাওয়ার মতো। আমরা বোঝার আগেই যতটুকু বলেছিলাম তার চেয়ে বেশি করে ফেলি। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * ধর্ষণের ক্ষেত্রে যৌন আকর্ষণের ভূমিকা অস্বীকার করা মানে নারীর যৌন সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষদের আসক্তিকে শক্তিশালী করার এবং পরে সেই আসক্তি থেকে তাদের বঞ্চিত করার জন্য আমাদের দায়িত্বকে অস্বীকার করা। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * যৌন আচরণের প্রতিটি বিচারের সমস্যা হলো এটি এমন সব মানুষ করে যারা বিচারের সময় উত্তেজিত অবস্থায় থাকে না। একজন জুরি যখন একটি শান্ত আদালতে একজন নারীকে দেখে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করে যে সে কী চেয়েছিল এবং ধরে নেয় যে বাকি যা কিছু ঘটেছে তার সব দায় পুরুষের, তবে এটি কেবল সেই নারীকেই নয় বরং যৌনতার শক্তিকেও অপমান করা। ** পৃষ্ঠা ৩১২ * একজন নারীর ইচ্ছার চেয়ে বেশি যৌন সম্পর্ক করার পর কোনো পুরুষের বিরুদ্ধে মামলা করা অনেকটা পটেটো চিপস বেশি খাওয়ার জন্য চিপস কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করার মতো। সংক্ষেপে ডেট রেপ একটি অপরাধ, একটি ভুল বোঝাবুঝি অথবা পরে অনুশোচনা হওয়ার মতো বিষয় হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩১২ * ডেট রেপ শব্দটি যখন নারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে নাটকীয় দিকটি বোঝাতে সাহায্য করেছে, পুরুষদের কাছে তেমন কোনো শব্দ নেই যা তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে যন্ত্রণাদায়ক দিকটি বোঝাতে পারে। অবশ্যই এখন সবচাইতে যন্ত্রণাদায়ক দিকটি হলো এমন একজন নারীর মাধ্যমে ডেট রেপের অভিযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা যাকে সে ভালোবাসত। যদি পুরুষেরা তাদের চিরাচরিত ভূমিকার খারাপ দিকগুলোকে চিহ্নিত করত তবে তারা সেগুলোকে “ডেট ডাকাতি”, “ডেট প্রত্যাখ্যান”, “ডেট দায়িত্ব”, “ডেট জালিয়াতি” এবং “ডেট মিথ্যাচার” বলতে পারত। ** পৃষ্ঠা ৩১৩ * অনেক পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে খারাপ দিকটি হলো এটি কীভাবে তার কাছে সামাজিক নিয়মের মাধ্যমে ডাকাতির মতো মনে হতে পারে—যেখানে সে পকেট থেকে টাকা বের করে তাকে দেয় এবং একে ডেট বলে। একজন তরুণের কাছে সবচাইতে খারাপ ডেট হলো লুণ্ঠিত এবং প্রত্যাখ্যাত হওয়ার মতো। ছেলেরা প্রত্যাখ্যান এড়াতে মৃত্যুর ঝুঁকি পর্যন্ত নেয় (যেমন সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া)। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * প্রত্যাখ্যাত হওয়ার জন্য টাকা খরচ করার একটি বিকেল বা সন্ধ্যা কোনো পুরুষের কাছে ডেট রেপের পুরুষ সংস্করণ মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * যদি কোনো পুরুষের নারীর মৌখিক “না”-কে উপেক্ষা করা ডেট রেপ হয় তবে যে নারী মুখে “না” বললেও শারীরিক ভাষায় “হ্যাঁ” বলে সে ডেট জালিয়াতি করছে। আর যে নারী “না” বলার পরেও যৌন সম্পর্ক চালিয়ে যায় সে ডেট মিথ্যাচার করছে। নারীরা কি এখনো এটি করে? দুই জন নারীবাদী গবেষণায় দেখেছেন যে উত্তরটি হলো হ্যাঁ। প্রায় ৪০ শতাংশ কলেজ ছাত্রী স্বীকার করেছেন যে তারা যৌনতার ক্ষেত্রে “না” বলেছিলেন এমনকি “যখন তারা মনে মনে হ্যাঁ চেয়েছিলেন”। দেড় লক্ষাধিক পুরুষ ও নারীর সাথে আমার নিজের কাজেও উত্তরটি হ্যাঁ। প্রায় সব অবিবাহিত নারী স্বীকার করেছেন যে তারা কোনো ছেলের জায়গায় “কেবল কথা বলতে” যেতে রাজি হয়েছেন কিন্তু তবুও তার প্রথম চুম্বনে সাড়া দিয়েছেন। প্রায় সবাই স্বীকার করেছেন যে তারা সম্প্রতি এমন কথা বলেছেন যে ‘আজ এই পর্যন্তই থাক’, যদিও তখনো তারা চুম্বন করছিলেন। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * আমরা ভুলে গেছি যে একে ডেট রেপ এবং ডেট জালিয়াতি বলার আগে আমরা একে উত্তেজনাপূর্ণ বলতাম। ** পৃষ্ঠা ৩১৪-৩১৫ * কোনোভাবেই নারীদের রোমান্স উপন্যাসের শিরোনাম ‘আমি যখন না বললাম সে তখন থেমে গেল’ এমন হয় না। সেগুলোর শিরোনাম হয় ‘সুইট স্যাভেজ লাভ’ যেখানে নারী সেই নম্র প্রেমিকের হাত প্রত্যাখ্যান করে যে তাকে ধর্ষকের হাত থেকে বাঁচায় এবং সেই পুরুষকে বিয়ে করে যে তাকে বারবার এবং পাশবিক ভাবে ধর্ষণ করে। এই “ধর্ষককে বিয়ে করার” থিমটিই ‘সুইট স্যাভেজ লাভ’ উপন্যাসকে কেবল একটি সেরা বই নয় বরং নারীদের সবচাইতে জনপ্রিয় রোমান্স উপন্যাসে পরিণত করেছে। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে একজন নারীর “না”-গুলোকে সম্মান করা হোক এবং তার “হ্যাঁ”-গুলোকেও সম্মান করা হোক। আর এটিও গুরুত্বপূর্ণ যে যখন তার শারীরিক “হ্যাঁ”-গুলো (জিহ্বার স্পর্শ বজায় থাকা) মৌখিক “না”-গুলোর সাথে সংঘর্ষ হয় তখন “না”-এর চেয়ে “হ্যাঁ” বেছে নেওয়ার জন্য পুরুষটিকে যেন জেলে না যেতে হয়। সে হয়তো কেবল তার কল্পনা পূরণ করার চেষ্টা করছিল। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * আমরা প্রায়ই শুনি “ধর্ষণ তো ধর্ষণই, তাই না?” না। ছুরির মুখে কোনো অপরিচিত ব্যক্তির কোনো নারীর ওপর চড়াও হওয়া আর মাতাল অবস্থায় কোনো পুরুষ ও নারীর যৌন সম্পর্ক করার পর সকালে অনুতাপ করা এক বিষয় নয়। পার্থক্য কী? একজন নারী যখন ডেটে যেতে রাজি হয় তখন সে যৌন সম্পর্কের সিদ্ধান্ত নেয় না ঠিকই কিন্তু সে যৌন সম্ভাবনার পথ খোলার সিদ্ধান্ত নেয়। কোনো অপরিচিত বা পরিচিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে নারী এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * ধর্ষণের ব্যাপক সংজ্ঞাসহ আইনগুলো অনেকটা পুরুষদের জন্য ঘণ্টায় ৫৫ মাইল গতির সীমা আর নারীদের জন্য কোনো গতির সীমা না রাখার মতো। ** পৃষ্ঠা ৩১৭ * বিদ্রূপের বিষয়: মদ্যপান করে গাড়ি চালানোর জন্য যখন আমরা মানুষকে ক্রমেই বেশি দায়ী করছি, তখন মদ্যপান করে যৌন সম্পর্ক করার জন্য আমরা নারীদের ক্রমেই কম দায়ী করছি। ** পৃষ্ঠা ৩২০ * যৌনতার ক্ষেত্রে অবশ্যই দুই লিঙ্গ সমান নয়। এটি মূলত নারীর অধিকতর যৌন ক্ষমতা যা একজন পুরুষকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার এতটাই ভীত করে তোলে যে সে তার ভয় কমাতে মদ্যপান করে। আসলে নারীর যৌন ক্ষমতা প্রায়ই পুরুষকে মদ্যপানের দিকে নিয়ে যায় কিন্তু পুরুষের যৌন ক্ষমতা খুব কমই নারীকে মদ্যপানের দিকে নিয়ে যায়। যদি তার ওপর নারীর ক্ষমতার কোনো প্রমাণ থাকে তবে সেটি হলো কোনো বিনিময় ছাড়াই তাকে নারীর জন্য পানীয় কিনতে টাকা খরচ করতে হয়। পুরুষরাই—নারীদের চেয়ে অনেক বেশি—মানসিক সক্ষমতা হারায় যখন তারা একজন সুন্দরী নারীর “প্রভাবে” থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩২০ * যতক্ষণ সমাজ পুরুষদের যৌনতার বিক্রেতা হতে বলে ততক্ষণ সমাজ যদি কেবল পুরুষদের জেলে পাঠায় যখন তারা ভালোভাবে বিক্রি করে তবে তা লিঙ্গবৈষম্যমূলক। আমরা অন্যান্য বিক্রেতাদের ক্লায়েন্টকে পানীয় খাওয়ানোর জন্য বা সফলভাবে “না”-কে “হয়তো”-তে এবং পরে “হ্যাঁ”-তে রূপান্তর করার জন্য জেলে পাঠাই না। যদি ক্লায়েন্ট অতিরিক্ত মদ্যপানের সিদ্ধান্ত নেয় এবং “হ্যাঁ” বলাটা তার ভুল সিদ্ধান্ত হয় তবে ক্লায়েন্টকেই বরখাস্ত করা হয়, বিক্রেতাকে নয়। ** পৃষ্ঠা ৩২১ * প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের মাধ্যমে পুরুষদের সবচাইতে বেশি ধর্ষিত হওয়ার উপায় হলো “জন্ম নিয়ন্ত্রণ ধর্ষণ”। ** পৃষ্ঠা ৩৩৫ * পুরুষদের অধিকাংশ ধর্ষণ কারাগারেই ঘটে। কিন্তু কারাগারের বাইরেও প্রায় ৯ শতাংশ নথিভুক্ত ধর্ষণ পুরুষদের বিরুদ্ধে হয়ে থাকে (সম্ভবত বেশিরভাগই পুরুষদের দ্বারা করা তবে কেউ নিশ্চিত নয়)। কারাগারের বাইরে ধর্ষণ পুরুষদের জন্য ঠিক তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমনটা নারীদের জন্য এইডস—এইডসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের প্রায় ১০ শতাংশ নারী। আমরা কি পুরুষদের ধর্ষিত হওয়া সম্পর্কে বেশি শুনি নাকি নারীদের এইডস হওয়া সম্পর্কে? ** পৃষ্ঠা ৩৩৫ * আমরা এখনো বুঝি না যে যখন আমরা পুরুষদের অবহেলা করি তখন আমরা নারীদের ধর্ষণ করি। ** পৃষ্ঠা ৩৩৬ * মিস জরিপ একে ধর্ষণ বলতে পারে; একজন সম্পর্ক বিষয়ক পরামর্শদাতা একে একটি সম্পর্ক বলবে। দাম্পত্য ধর্ষণের আইন হলো ব্ল্যাকমেইল হওয়ার অপেক্ষায় থাকা একটি সুযোগ। ** পৃষ্ঠা ৩৩৮ * এই সবকিছুর সমাধান অপরাধী সাব্যস্ত করা নয় বরং সামাজিকীকরণ পরিবর্তন করা। ** পৃষ্ঠা ৩৪০ * যদি আইন আমাদের “হ্যাঁ” এবং “না”-কে শাসন করার চেষ্টা করে তবে এটি “দা স্ট্রেইটজ্যাকেট জেনারেশন” তৈরি করবে—এমন এক প্রজন্ম যারা ফ্লার্ট করতে ভয় পাবে এবং আদালতে নিজেদের প্রেমের চিঠি খুঁজে পাওয়ার ভয়ে ভীত থাকবে। ডেট রেপ সংক্রান্ত আইন প্রেম নিবেদন বা কোর্টশিপের পথ বন্ধ করে দিয়ে আদালতে মামলা করার পথ তৈরি করবে। নারীদের ক্ষমতায়ন ডেট রেপ থেকে সুরক্ষার মধ্যে নেই বরং উভয় লিঙ্গকে ডেটের উদ্যোগ এবং খরচ ভাগ করে নেওয়ার সামাজিকীকরণের মধ্যে রয়েছে যাতে ডেট রেপ এবং ডেট জালিয়াতি উভয়ই কমে যায়। যখন পুরুষেরা দ্রুত উদ্যোগ নেয় না তখন তাদের “কাপুরুষ” বলে, যখন নেয় তখন “ধর্ষক” বলে এবং যখন তারা এটি ভুলভাবে করে তখন তাদের “ছোটলোক” বলে আমরা ডেট রেপ বন্ধ করতে পারি না। আমরা যদি কেবল পুরুষদের ওপর ভালো ফল করার চাপ বাড়াই তবে এটি পুরুষদের নারীদের বস্তু হিসেবে দেখার প্রয়োজনীয়তাকে আরও বাড়িয়ে দেবে—যা আরও ধর্ষণের দিকে নিয়ে যাবে। পুরুষেরা ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের ধর্ষক হবে যতক্ষণ পুরুষেরা আমাদের উদ্যোগ গ্রহণকারী হবে... ডেট রেপ সংক্রান্ত আইনগুলো ডেট ঘৃণা করার একটি পরিবেশ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ৩৪০ * বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকার নারীদের জন্য এমন কিছু করেছে যা শ্রমিক ইউনিয়নগুলো এখনো পুরুষদের জন্য করতে পারেনি। আর পুরুষেরা শ্রমিক ইউনিয়নের জন্য চাঁদা দেয়; করদাতারা নারীবাদের জন্য চাঁদা দেয়। নারীবাদ এবং সরকার খুব দ্রুতই করদাতা সমর্থিত নারী ইউনিয়নে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৪৪ * নিয়োগকর্তারা নিয়োগ এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে লিঙ্গবৈষম্য করতে বাধা পায় না। ** পৃষ্ঠা ৩৪৪ * আমরা বন্য ভালুক এবং ডলফিনকে ‘ফ্রি’ খাবার দেওয়া নিষিদ্ধ করেছি কারণ আমরা জানি যে এমন খাবার তাদের নির্ভরশীল করে তুলবে এবং তাদের বিলুপ্তির দিকে নিয়ে যাবে। কিন্তু যখন আমাদের নিজেদের প্রজাতির কথা আসে তখন আমরা স্বল্পমেয়াদী দয়া এবং দীর্ঘমেয়াদী নিষ্ঠুরতার মধ্যে সম্পর্ক দেখতে পাই না; আমরা নারীদের বেশি সন্তান নেওয়ার জন্য টাকা দিই যা তাদের প্রতিটি সন্তানের সাথে আরও নির্ভরশীল করে তোলে এবং তাদের নিজেদের জন্য লড়াই করার ক্ষমতা তৈরিতে নিরুৎসাহিত করে। নারীদের বিরুদ্ধে আসল বৈষম্য হলো এই ‘ফ্রি ফিডিং’। ** পৃষ্ঠা ৩৪৬ * অনেক কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ চলে যায় কারণ তারা আর্থিকভাবে দায়িত্বশীল—মানসিকভাবে দায়িত্বহীন হওয়ার কারণে নয়। ** পৃষ্ঠা ৩৪৮ * যখন সরকারি ভর্তুকি কোনো শিশুকে তার বাবার সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত করে তখন সরকার আসলে শিশু নির্যাতনকেই সহায়তা করছে। ** পৃষ্ঠা ৩৪৮ * যদি কেউ কোনো নোংরা কৌতুক বলে তবে তার বিরুদ্ধে ‘প্রতিকূল পরিবেশের’ অভিযোগ এনে কোনো কোম্পানিকে মামলা করার প্রশিক্ষণ দিয়ে আমরা আসলে নারীদের বিকল্প স্বামী বা বাবার কাছে অর্থাৎ সরকারের কাছে দৌড়াতে শেখাচ্ছি। এটি কোম্পানিগুলোকে নারীদের ভয় পেতে শেখায় কিন্তু সম্মান করতে শেখায় না। কর্মক্ষেত্রে সফল হওয়ার জন্য আমরা নারীদের যে সেরা প্রস্তুতি দিতে পারি তা হলো মামলা করার চেয়ে বাধাগুলো অতিক্রম করার শক্তি দেওয়া: সফল মানুষেরা মামলা করে না তারা সফল হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫১ ==== চতুর্থ খণ্ড: এখান থেকে আমরা কোথায় যাব ==== * আদর্শগতভাবে কেবল একটি পুরুষ আন্দোলন না হয়ে বরং একটি লিঙ্গ পরিবর্তনকালীন আন্দোলন হওয়া উচিত; শুধুমাত্র নারী আন্দোলনের প্রভাবই একটি পুরুষ আন্দোলনের সাময়িক প্রয়োজনীয়তা তৈরি করে। এবং এটি পুরুষদের জন্য একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ তৈরি করে: খুব কম রাজনৈতিক আন্দোলনই সুস্থ মানুষদের দিয়ে গঠিত হয়, তবুও রাজনৈতিক আন্দোলন ছাড়া খুব কমই ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে। ** পৃষ্ঠা ৩৫৬ * পুরুষদের ক্ষেত্রে আমরা ভুক্তভোগীকেই দোষারোপ করি। আমরা পুরুষদের দোষ দিই কারণ আমরা তাদের নিপীড়নকারী হতে শিখিয়ে পুরুষদের ভুক্তভোগী হওয়ার বিষয়টি আড়াল করেছি। পুরুষদের নিপীড়নকারী পরিচয় তাদের ভুক্তভোগী পরিচয়কে আড়াল করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫৭ * কাঠামো, (...) * নারীর সৌন্দর্য এবং যৌনতার প্রতি আসক্তি; * সুন্দরী নারী এবং তার সাথে যৌনতা থেকে বঞ্চিত হওয়া যতক্ষণ না পুরুষ তার বিনিময়ে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিচ্ছে; (...) ** পৃষ্ঠা ৩৫৮ * মানুষ সাধারণত নিজেদের স্বীকার করে নেওয়ার মাধ্যমেই পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু করে। এভাবেই কৃষ্ণাঙ্গরা তাদের গর্ব প্রকাশ করেছিল এবং বলেছিল যে কালো মানেই সুন্দর; নারীরা ঘোষণা করেছিল “আমি নারী, আমি শক্তিশালী”; আর পুরুষেরা বলছে “আমি পুরুষ, আমি ঠিক আছি”। পঁচিশ বছর ধরে পুরুষদের অপদস্থ করার পর এটি মন্দ শুরু নয়। ** পৃষ্ঠা ৩৬১ === জোনাথন রবিনসনের নেওয়া সাক্ষাৎকার (১৯৯৪) === <small>জোনাথন রবিনসনের ''ব্রিজেস টু হেভেন: হাউ ওয়েল-নোন সিকারস ডিফাইন অ্যান্ড ডিপেন দেয়ার কানেকশন উইথ গড'' (ওয়ালপোল, এনএইচ: স্টিলপয়েন্ট, ১৯৯৪) থেকে নেওয়া; এটি বিভিন্ন 'সিকার' সাক্ষাৎকারের একটি সংকলন।</small> * আমি যখন খাবার খাই তখন আমি সেই সব মানুষের কথা ভাবি যাদের পরিশ্রম আমার পুষ্টির যোগান দিয়েছে। এই ভাবনাটি আমার কৃতজ্ঞতাবোধকে বাড়িয়ে দেয়। আমি আশা করি এটি আপনাকেও পুষ্ট করবে। * একইসাথে সসীম এবং অসীম, অনেক কিছু আবার খুব সামান্য, সচেতন হয়েও নেহাতই আকস্মিক হওয়ার এই রহস্য আমাকে অবাক করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৪৬-৪৭ * আমার কাছে আমি যা জানি না তার বিশালতাই হলো ঈশ্বরকে অনুভব করার একটি পথ। এটি আমার মধ্যে নম্রতা এবং কৃতজ্ঞতার জন্ম দেয়। ** পৃষ্ঠা ৪৭ * আমি যখন অনেক ভালোবাসা পাই অথবা যখন মানুষকে লালন করি ও সাহায্য করি তখন আমার অভিজ্ঞতা আরও গভীর হয়। আমি এক বৃহত্তর উদ্দেশ্য এবং অর্থের সাথে যুক্ত বোধ করি। ** পৃষ্ঠা ৭১ * যখন আমি মানুষকে তাদের সেরাটা অর্জন করতে সাহায্য করার সেই বৃহত্তর বোধ হারিয়ে ফেলি তখন আমার ভেতরের ঈশ্বরের সাথে যোগাযোগ কমে যায়। ** পৃষ্ঠা ১০১ * ইতিহাসে এই প্রথম আমরা এত উচ্চ পর্যায়ের বিলাসিতা উপভোগ করছি। তাই ঈশ্বরকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * নিজেদের সচেতন সত্তার যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে আমরা নিজেদের পাশাপাশি অন্যদের শান্তি বজায় রাখতেও অবদান রাখি। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * আমার বাবা-মা যদি এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ আগেও বা পরেও মিলিত হতেন তবে আমার অস্তিত্ব থাকত না। কেবল জীবন পাওয়াটাই কত বড় এক অলৌকিক ঘটনা। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * মাঝে মাঝে যখন আমি আমার অতীতের দিকে ফিরে তাকাই তখন আমার মনে হয় যে আমি যা কিছুর মধ্য দিয়ে গিয়েছি তা আমাকে বর্তমান কাজের জন্য উপযুক্ত করে তৈরি করেছে। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমার কাছে ঈশ্বর হলো সারা জীবনে সঞ্চিত আমার সমস্ত জ্ঞান। আমি যখন মনোযোগ দিই তখন আমার শরীরই সেই জ্ঞানের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। ** পৃষ্ঠা ১৮৩ === ''উইমেন কান্ট হিয়ার হোয়াট মেন ডোন্ট সে'' (২০০০) === * তিরিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে কর্মশালা পরিচালনা করার অভিজ্ঞতায় কেউ কখনো আমাকে বলেনি, “ওয়ারেন, আমি বিচ্ছেদ চাই—আমার সঙ্গী আমাকে বোঝে।” ** পৃষ্ঠা ১৫ * একজন পুরুষ তার অনুভূতি প্রকাশ করে নয় বরং অনুভূতি দমন করার মাধ্যমেই সফল হয়। ** পৃষ্ঠা ১৬ * কোনো লিঙ্গ যখন তার অনুভূতি প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকে তার কারণ প্রায় সব সময়ই হলো তারা মনে করে না যে সেখানে অনুভূতি প্রকাশের মতো কোনো নিরাপদ পরিবেশ আছে। ** পৃষ্ঠা ১৬ * একজন পুরুষ ভয় পায় যে তার স্ত্রীর সাথে বিবাদ অন্তরঙ্গতা বাড়ানোর বদলে বরং তা কমিয়ে দেবে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * আমাদের সঙ্গী নির্বাচন সম্ভবত আমাদের জীবনদর্শনের সবচাইতে স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। তাই যখন আমরা কোনো কিছুর জন্য আমাদের সঙ্গীকে দোষ দিই, তখন আসলে আমাদের নিজেদেরই মুখোমুখি হওয়া উচিত। তা এই ভেবে নয় যে “হ্যাঁ, আমি ভুল নির্বাচন করেছি,” বরং এই ভেবে যে “এই নির্বাচন আমার মূল্যবোধকে কীভাবে প্রতিফলিত করছে?” ** পৃষ্ঠা ১৭ * পুরুষদের অনুভূতি প্রকাশে সহায়তা করার বিষয়ে যদি আমরা সত্যিই আন্তরিক হই তবে নারী-পুরুষের মধ্যকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এবং দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রশ্ন করা এবং পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮ * মানুষ গত ১০,০০০ বছরেরও বেশি সময় ব্যয় করেছে অন্য পক্ষের সাথে লড়াই এবং বিতর্ক করতে শিখতে কিন্তু একে অপরের কথা শুনতে বা সহানুভূতি প্রকাশ করতে শেখার জন্য প্রায় কোনো সময়ই ব্যয় করেনি। ** পৃষ্ঠা ১৮ * সত্য হলো যে রাগ প্রকাশ করতে এবং সমালোচিত হতে সবাই অস্বস্তি বোধ করে। রাগ এবং সমালোচনা প্রত্যাখ্যানের জন্ম দেয়। আর সবাই প্রত্যাখ্যানকে ঘৃণা করে। ** পৃষ্ঠা ২১ * যখন একজন নারী ভয় প্রকাশ করে তখন আমরা তাকে তার দায়িত্ব থেকে মুক্তি না দিয়ে আশ্বস্ত করতে পারি না; কিন্তু যখন আমরা পুরুষের সেই একই আবেগকেই রাগ হিসেবে দেখি তখন আমরা তাকে দোষারোপ করতে চাই এবং চাই সে যেন নিজের দায়িত্ব স্বীকার করে। আমরা তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চাই আর তাকে দোষী সাব্যস্ত করতে চাই। ** পৃষ্ঠা ২২ * আমরা অনুমোদন বা প্রশংসা প্রত্যাশীদের উত্তরসূরি। আমরা প্রশংসা পেতে এতটাই মরিয়া যে আমরা কখনো সবার সাথে মিশে গিয়ে তা পাওয়ার চেষ্টা করি আবার কখনো সবার চেয়ে আলাদা বা শ্রেষ্ঠ হয়ে তা পাওয়ার চেষ্টা করি। ** পৃষ্ঠা ২৪ * কথার চেয়ে কণ্ঠস্বরের ভঙ্গি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ২৫ * যদি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি সঙ্গীর ভালো উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করে তবে সাধারণত তা পাওয়া যায়। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যেকোনো পুরুষ যে দলগত খেলা খেলেছে সে “টিম স্পোর্ট এমপ্যাথি” নামক একটি দক্ষতা অনুশীলন করেছে: সে অন্য দলের পদক্ষেপগুলো অনুমান করার চর্চা করেছে। তার মানে হলো পরিস্থিতিকে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বোঝার চেষ্টা করা। ** পৃষ্ঠা ৩২ * নারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া পুরুষত্বেরই একটি বৈশিষ্ট্য। পুরুষেরা যখন রক্ষকের ভূমিকা পালন করে তখন তারা একজন নারীকে দুঃখ বা যন্ত্রণা থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। যদি তারা সেই দুঃখ বা যন্ত্রণার সামান্য আভাসও না পায় তবে তারা জানবে না কখন রক্ষা করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * সঙ্গীর সাথে দ্বিমত হওয়ার মুহূর্তে আমাদের অধিকাংশের মাথায় এটা আসে না যে আমাদের সঙ্গীর ইতিবাচক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলোর প্রশংসা করার জন্য সময় নেওয়া উচিত যা এমনকি সেই অবস্থানেও প্রতিফলিত হয় যার সাথে আমরা একমত নই। যখন আমরা তা করি তখন আমাদের সঙ্গী জানতে পারে যে সে যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন তাদের চরিত্রের প্রতি আমাদের বিশ্বাস কখনোই প্রশ্নবিদ্ধ হবে না। এটি প্রতিটি মতভেদকে ভালোবাসার একটি সম্ভাব্য উপহারে পরিণত করে। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * যখন আমরা কাউকে বিশ্বাস করি তখন আমরা বিনিময়ে বিশ্বাস পাই। আর যারা আমাদের বিশ্বাস করে তারা আমাদের প্রতি মনোযোগী হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * কোন বয়সে একটি শিশুকে সমালোচনা করা এবং গ্রহণ করার আরও ভালো উপায়গুলো শেখানো উচিত—যাকে আমি “সম্পর্কের ভাষা” বলি? স্কুল বয়সের আগেই। এর সেরা শিক্ষক কে? মা-বাবা। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * স্কুলগুলো বর্তমানে শিশুদের মতামত প্রকাশে উৎসাহিত করতে দক্ষ হলেও উদাহরণস্বরূপ, “ওহ, এটা তো আমার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আলাদা—আমাকে আরও বলো” এই ধরণের কথা বলতে উৎসাহিত করতে ব্যর্থ। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * শিশুদের কথা শুনতে না শিখিয়ে কেবল বিতর্ক করতে শেখানো হলো বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * যোগাযোগের সবচাইতে কঠিন অংশ হলো সমালোচনা শোনা যাতে তা সহজেই দেওয়া যায়। ** পৃষ্ঠা ৩৮ * আমরা সবাই কথা বলতে পারদর্শী কিন্তু শুনতে গেলে প্রতিবন্ধী। ** পৃষ্ঠা ৪০ * যেকোনো সমালোচনার প্রথম সহজাত প্রতিক্রিয়া হলো আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া। (প্রতিক্রিয়া যত দ্রুত হয় তা তত বেশি আত্মরক্ষামূলক হয়।) ** পৃষ্ঠা ৪০ * সমালোচনার বিপরীতে সকল আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিক। (অন্যের দৃষ্টিভঙ্গির আগে নিজের কথা চিন্তা করাটাই স্বাভাবিক।) ** পৃষ্ঠা ৪০ * সমালোচনাকারীকে থামিয়ে দেওয়া আমাদের বিবর্তনীয় অতীতের অংশ; সমালোচনার জবাবে মনোযোগ দিয়ে শোনা আমাদের বিবর্তনীয় ভবিষ্যতের অংশ। ** পৃষ্ঠা ৪১ * সমালোচনার জবাবে মনোযোগ দিয়ে শোনা আমাদের অভ্যন্তরীণ মনস্তত্ত্বের এমন একটি পরিবর্তন নির্দেশ করে যা সম্ভবত মানুষের করা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিবর্তনীয় পরিবর্তন। ** পৃষ্ঠা ৪১ * শোনা হলো অন্যদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নিজের ক্ষমতায়ন। ** পৃষ্ঠা ৪১ * পুরুষদের সাহায্যের প্রয়োজন নেই—এই বিশ্বাসটিই হলো সমস্যার একটি অংশ। * পুরুষেরা এখনো নারীদের পরিবর্তনের রক্ষক হিসেবে ভূমিকা পালন করছে এবং উভয় লিঙ্গই কেবল পুরুষদের কাছ থেকে নিজেদের পরিবর্তনগুলো নিজেরাই করার প্রত্যাশা করে। * পুরুষদের অনুভূতি প্রকাশে সাহায্য করার শুরুটা হয় পুরুষেরা কেন সেগুলো প্রকাশ করে না তা বোঝার মাধ্যমে। * অন্যদের জন্য কীভাবে আরও ভালো কাজ করা যায় সে সম্পর্কে নির্দেশনা দেওয়া আর জীবন নিয়ে নিজের অনুভূতি বা সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। * পুরুষদের দায়িত্বের ধরণ তাদের অনুভূতি থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে যেখানে নারীদের দায়িত্বের ধরণ অনুভূতি প্রকাশে উৎসাহিত করেছে। * পুরুষদের উপার্জিত অর্থ নারীদের ভালোবাসা এবং লালন করতে এবং একে অপরের সাথে যুক্ত থাকতে সাহায্য করেছে যাতে তারা লালনকারী হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে পুরুষেরা সেই অর্থ পেয়েছে এক ধরণের খুনি-রক্ষক হওয়ার বিনিময়ে। তারা একজন ‘হিউম্যান ডুইং’ (একজন ক্যাপ্টেন বা কয়লা খনি শ্রমিক) হয়ে ওঠার মাধ্যমে পারিশ্রমিক পেয়েছে, ‘হিউম্যান বিয়িং’ (সুখী বা দুঃখী অনুভব করতে পারা একজন মানুষ) হিসেবে নয়। * যেসব সমাজের পুরুষেরা যুদ্ধে নিজেদের উৎসর্গ করতে রাজি ছিল না সেই সমাজগুলো সাধারণত ধ্বংস হয়ে গেছে। সমাজগুলো খুনিদের মাধ্যমেই সুরক্ষিত ছিল, আর এ কারণেই আমি পুরুষদের প্রথাগত ভূমিকাকে খুনি-রক্ষক ভূমিকা বলি। * পুরুষদের ভয় এবং দুর্বলতার অনুভূতি প্রকাশ করা থেকে বিরত রাখার ক্ষেত্রে উভয় লিঙ্গেরই একটি অবচেতন স্বার্থ কাজ করত। * কোনো উপকথাই তার সন্তানদের শোনায় না যে সুন্দরী রাজকন্যারা বিবেকবান যুদ্ধ-বিরোধীদের প্রেমে পড়ছে। * যদি আমরা পুরুষদের অনুভূতি দমন করতে শিখিয়ে তার বদলে একজন ক্যাপ্টেন হওয়ার জন্য পুরস্কৃত করি তবে সে আমাদের রক্ষার জন্য মরতে রাজি হতে পারে; যদি আমরা তাকে একটি কয়লা খনিতে কাজ করার বিনিময়ে পরিবার চালানোর মতো যথেষ্ট অর্থ দিই তবে সে আমাদের উষ্ণ রাখার জন্য অকালে মরতে রাজি হতে পারে। কিন্তু এই সবকিছুর জন্য তাকে তার অনুভূতি বিসর্জন দিতে হয়েছে—যা একজন মানুষ হিসেবে তার ক্ষমতা—এবং তার বদলে তাকে ‘হিউম্যান ডুইং’ হিসেবে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে: অর্থাৎ অন্য কেউ খরচ করবে এমন অর্থ উপার্জনের দায়িত্ব নিয়ে নিজে অকালে মৃত্যুবরণ করা। * একজন ‘হিউম্যান ডুইং’ হয়ে ওঠা ছিল সমাজের ঠিক যা প্রয়োজন। কিন্তু একজন ব্যক্তি হিসেবে পুরুষের জন্য ‘হিউম্যান ডুইং’ হয়ে ওঠা ছিল তার নিজের সত্তাকে ধ্বংস করার নামান্তর। * এই সব কিছুই পুরুষদের জিনগত ঐতিহ্য। তবে পুরুষদের জিনগত ঐতিহ্য তাদের জিনগত ভবিষ্যতের সাথে সাংঘর্ষিক। * অতীতে পুরুষদের সেরা খুনি-রক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা ‘যোগ্যতমের’ টিকে থাকার দিকে নিয়ে যেত। ভবিষ্যতে পারমাণবিক প্রযুক্তির এই যুগে খুনিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া সবাইকে ধ্বংস করার দিকে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। * ভবিষ্যতে নারীরা ক্রমবর্ধমানভাবে এমন পুরুষদের চাইবে যারা তাদের লালন করতে পারে এবং তাদের সাথে একাত্ম হতে পারে। * ভবিষ্যতে নারীরা ক্রমবর্ধমানভাবে লালনকারী সঙ্গীদের চাইবে কারণ সে যা লালন করবে তার একটি অংশ হবে নারীর নিজের আত্মরক্ষার ক্ষমতা। * একাত্ম হতে এবং লালন করতে অনুভূতির সাথে যোগাযোগ থাকা কেবল সহায়কই নয় বরং এটি প্রয়োজনীয়। তাই পুরুষদের প্রথম কাজ—তাদের পরবর্তী বিবর্তনীয় কৌশল—হলো নিজের অনুভূতির সাথে সংযুক্ত হওয়া। * গত তিরিশ বছর ধরে নারী আন্দোলন নারীদের প্রায় প্রতিটি অনুভূতি প্রকাশে সমর্থন দিয়েছে। অন্য নারীদের কাছে। পুরুষদের কাছে। সমাজের কাছে। নারীদের অনুভূতি পাঠ্যক্রম, ওম্যান স্টাডিজ, টিভি স্পেশাল, টক শো এবং লাইফটাইম কেবলের বিষয়বস্তু হয়েছে। নারীদের অনুভূতিকে শিক্ষা এবং বিনোদন উভয়ই বলা হয়েছে। অন্যদিকে পুরুষদের অনুভূতি দমন করা হয়েছে যতক্ষণ না সেগুলো আলসারে পরিণত হয়েছে। * যেহেতু পুরুষেরা কম অভিযোগ করত তাই আমরা এই ভুল ধারণা তৈরি করেছিলাম যে নারীদের অভিযোগগুলো কেবল নারীদের অভিযোগ এবং তাই সেগুলো কেবল নারীদের সমস্যা। যা জননীতির মাধ্যমে নারীদের সমস্যা সমাধানের যুক্তি তৈরি করেছিল। * একজন বাবার প্রথাগত ভূমিকা তাকে পরিবারের ভালোবাসার কাছ থেকে দূরে থাকার মাধ্যমে নিজের পরিবারকে ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত করেছিল। * একজন মায়ের প্রথাগত ভূমিকা তাকে পরিবারের সাথে থাকার মাধ্যমে নিজের পরিবারকে ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত করেছিল। * আমরা মনে করি শ্রম বিভাজন এখন সেকেলে হয়ে গেছে কিন্তু আসলে এটি পুনরায় আবির্ভূত হয়েছে। আশির দশকের শুরুর দিকে একজন মায়ের পারিবারিক দায়িত্বের জন্য কাজ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা বাবার চেয়ে ৪৩ গুণ বেশি ছিল; সম্প্রতি একজন মায়ের কাজ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা ১৩৫ গুণ বেশি। * নারীদের মানসিক সমর্থনের জন্য চারটি অনানুষ্ঠানিক বিকল্প ব্যবহার করতে শেখানো হয়: স্বামী, নারী বন্ধু, সন্তান এবং মা-বাবা। পুরুষদের কেবল একটি বিকল্প ব্যবহার করতে শেখানো হয়: তাদের স্ত্রী বা নারী বন্ধু। * পুরুষেরা তাদের সমস্ত মানসিক চাওয়া তাদের স্ত্রীদের (বা নারী বন্ধুদের) ওপর নির্ভর করে রাখে। তাই একজন পুরুষের জন্য তার স্ত্রীর কাছে হতাশার অনুভূতি প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়ে কারণ সে যদি নিজেকে সরিয়ে নেয় তবে পুরুষটি মনে করে তার সম্পূর্ণ মানসিক সমর্থন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। * কোনো বিবাদের পর নারীরা কেবল সমর্থনের জন্য অন্য নারী বন্ধুদের কাছেই যায় না বরং বিবাদটি বিচ্ছেদে গড়ালে তাদের সন্তানদের সাথে থাকার সম্ভাবনা নয় গুণ বেশি। * মায়ের সাথে বসবাসকারী একজন নারীর স্বাধীনতা সীমিত হতে পারে; কিন্তু মায়ের সাথে বসবাসকারী একজন পুরুষের স্বাধীনতা এবং সম্মান উভয়ই সীমিত হয়ে পড়ে। অধিকাংশ পুরুষের জন্য সমর্থনের এই শূন্যতা এতটাই বিধ্বংসী যে তারা নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে মানসিক সমর্থন হারানোর ঝুঁকির চেয়ে স্ত্রীর সাথে একমত হওয়াকেই বেছে নেয়। * বিচ্ছেদের পর নারীদের সবচাইতে বড় ভয় হলো অর্থনৈতিক অভাব; পুরুষদের সবচাইতে বড় ভয় হলো মানসিক অভাব। * বিবাহবিচ্ছেদ আইন নারীদের বিচ্ছেদের পর অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়েছে; কিন্তু কোনো আইন পুরুষদের বিচ্ছেদের পর মানসিক সহায়তা দেয়নি। পুরুষদের তাদের প্রাক্তন স্ত্রীদের প্রতি ভরণপোষণ বা চাইল্ড সাপোর্টের দায়িত্ব পালন করে যেতে হয়; কিন্তু নারীদের তাদের প্রাক্তন স্বামীদের প্রতি গৃহস্থালির কাজ বা লালন-পালনের দায়িত্ব পালন করে যেতে হয় না। * নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে আমাদের অ্যাফারমেটিভ অ্যাকশন প্রোগ্রাম ছিল। এখন কি পুরুষদের অনুভূতির জন্য তেমন কিছু করার সময় এসেছে যা সরকার নারীদের অর্থনীতির জন্য করেছিল? * নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে পুরুষদের প্রতি রাগ এতটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল যে এমনকি ‘দ্য ইকোনমিস্ট’-এর মতো শান্ত প্রকাশনাগুলোও নারী বনাম পুরুষের কাজের চাপকে এভাবে তুলে ধরেছিল— “নারীর কাজ কখনোই শেষ হয় না; আর পুরুষ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মদ্যপ থাকে।” * এই আন্তর্জাতিক “সিস্টারহুড ইজ ভিকটিমহুড” বা নারীত্বের ভুক্তভোগী পরিচয়ের মেলবন্ধনের প্রভাব আমাদের সন্তানদের ওপর কী হতে পারে? * হোচশিল্ডের সবচাইতে বড় ভুল ছিল যা প্রায় প্রতিটি জনপ্রিয় গৃহস্থালির কাজ সংক্রান্ত গবেষণায় করা হয়: ঘরের কাজে পুরুষদের অবদানকে সঠিকভাবে পরিমাপ না করা। উদাহরণস্বরূপ, যদি মা শিশুদের ডে-কেয়ারে দিয়ে আসেন তবে তাকে গৃহস্থালির কাজ বলা হয়; কিন্তু বাবা যদি পরিবারকে নিয়ে দাদির বাড়িতে যান তবে তাকে গৃহস্থালির কাজ বলা হয় না। * লক্ষ্য করুন যে পুরুষেরা যা করে তার অনেক কিছুই একক মায়েরা করে থাকেন, তাই পুরুষরা যা করে তার প্রশংসা করা আমাদের একক মায়েরা যা করেন তা বুঝতেও সাহায্য করে। * বাস্তব জীবনে রাগের বদলে ভালোবাসা ফিরিয়ে আনার সেরা উপায় হলো আপনার সঙ্গী সাধারণত আপনার জন্য যা করে তা আপনি আপনার সঙ্গীর জন্য করার মাধ্যমে একে অপরকে লালন করা। * এমনকি যেসব পুরুষ তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তারা সহানুভূতির বদলে ‘ডিয়ার অ্যাবি’র দেওয়া উত্তরটি পায়: “নারীদের অবস্থা আরও খারাপ।” এই বিশ্বাসটি এতটাই শক্তিশালী যে গত ২৫ বছরে একজন রক্ষক-স্বামী পাওয়ার যে পুরনো কল্পনা নারীদের ছিল তা এখন এক নতুন দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে—আর তা হলো অত্যাচারী স্বামী। * আমরা যদি বিশ্বাস করি যে মূলত পুরুষরাই নারীদের ওপর অত্যাচার করে তবে নারীদেরও যে পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন তা দেখা কঠিন হয়ে পড়ে: আমরা বলতে থাকি, “শুধু পুরুষদের পরিবর্তন করো। তারাই তো অত্যাচারী।” * চারজন পুরুষ বর্ণনা করছেন কীভাবে তাদের স্ত্রীরা তাদের পিঠে লাঠি দিয়ে আঘাত করেছে, ফ্রাইং প্যান দিয়ে মাথায় বা ঘাড়ে আঘাত করেছে... প্রতিটি গল্পের পর দর্শকরা হাসছে। সেই পুরুষেরা একটি “পিএমএস মেন্স সাপোর্ট গ্রুপ”-এর অংশ ছিল। কল্পনা করুন নির্যাতিতা নারীরা যখন বর্ণনা করছে কীভাবে তাদের স্বামীরা ফ্রাইং প্যান দিয়ে তাদের মাথায় বা ঘাড়ে আঘাত করে মস্তিষ্কে বা মেরুদণ্ডে আঘাত করার হুমকি দিয়েছে তখন একদল পুরুষ হাসছে। * এই নির্যাতিত স্বামীদের সবাই এখনো তাদের স্ত্রীদের সাথেই আছেন। যখন একজন নারী তার ওপর অত্যাচার করা পুরুষের সাথে থাকে তখন আমরা তাকে পালিয়ে যেতে উৎসাহিত করার জন্য আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করি। যদি সে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তবে আমরা বলি সে “ব্যাটারড ওম্যান সিনড্রোম” বা নির্যাতিতা নারী সিনড্রোমের শিকার। * পুরুষদের গ্রুপের মূল লক্ষ্য ছিল পরিস্থিতি বোঝা, মানিয়ে নেওয়া, পরিবর্তন করা এবং সবকিছু ব্যর্থ হলে চলে যাওয়া; অন্যদিকে নির্যাতিতা নারীদের গ্রুপের মূল লক্ষ্য হলো প্রথমে চলে যাওয়া এবং দ্বিতীয়ত সমস্যার উৎসকে (পুরুষটিকে) আটকে রাখা। * সংক্ষেপে, যখন নারীরা অত্যাচার করে তখন পুরুষদের প্রথম অগ্রাধিকার হয় নারীদের সমর্থন দেওয়া এবং তাদের পরিবর্তনে সাহায্য করা; যখন পুরুষেরা অত্যাচার করে তখন নারীদের প্রথম অগ্রাধিকার হয় পুরুষদের কাছ থেকে পালানো এবং তাদের জেলে পাঠানো। * নারীবাদীদের মূলমন্ত্র: “একজন নারীকে আঘাত করার কোনো অজুহাত হতে পারে না।” এটি কি এমন হওয়া উচিত ছিল না— “আঘাত করার কোনো অজুহাত হতে পারে না”? * কমেডি নাটকগুলোতে নিয়মিতভাবে নারীদের পুরুষদের আঘাত করতে দেখা যায় কিন্তু পুরুষদের নারীদের আঘাত করার দৃশ্য প্রায় দেখাই যায় না। যখন পুরুষটি চলে যেতে ব্যর্থ হয় তখন তাকে “ব্যাটারড ম্যান সিনড্রোম” বলা হয় না; একে কমেডি বলা হয়। * লক্ষ্য করুন পুরুষদের ভয় যে তারা যদি এটি কর্তৃপক্ষকে জানায় তবে তাদের বিশ্বাস করা তো হবেই না বরং তাদের উপহাস করা হবে। * পুরুষেরা কষ্টকে “গৌরব” বলতে শেখে; নারীরা পুলিশকে ডাকতে শেখে। * কেন প্রায় প্রতিটি সংস্কৃতিই তার পুরুষদের সহিংসতা সহ্য করার জন্য পুরস্কৃত করত? যাতে যুদ্ধের সময় তাকে রক্ষা করার জন্য একদল মানুষ পাওয়া যায়। * যাদের সবচাইতে বেশি সুরক্ষার প্রয়োজন বলে মনে করা হতো তারা হলো নারী ও শিশু। আর যে লিঙ্গকে সবচাইতে পরিত্যাজ্য মনে করা হতো তা হলো পুরুষ। * একজন পুরুষকে যতটা “পুরুষ হয়ে উঠতে” প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ততটাই তাকে নারী ও শিশুদের রক্ষা করতে শেখানো হয়, তাদের আঘাত করতে নয়। তাকে এমনকি একজন অপরিচিত ব্যক্তি—বিশেষ করে নারী বা শিশু—আহত হওয়ার আগে নিজে মৃত্যুবরণ করতে রাজি হতে শেখানো হয়। * আমরা প্রায়ই মনে করি যখন একজন পুরুষ অন্য পুরুষকে “মেয়ে” বলে অপমান করে তখন সেই অপমান নারীদের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে। না। এটি সেইসব পুরুষের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে যারা নারীর মতো মূল্যবান কাউকে রক্ষা করার মতো নিজেকে শক্তিশালী করতে চায় না। * এই উপহাস হলো নিজেকে অন্য কারো চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করার একটি চাপ: একজন মায়ের চেয়ে একটি শিশু বেশি মূল্যবান; একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী বেশি মূল্যবান। * যেসব নারীবাদী বলেন যে পুরুষত্ব মানেই হলো পুরুষদের বিশ্বাস করা যে তারা নারীদের আঘাত করতে পারে তারা পুরুষ এবং পুরুষত্ব সম্পর্কে সবচাইতে গভীর অজ্ঞতা প্রদর্শন করেন। * পুরুষেরা কী বলবে যখন পুরুষদের অপদস্থ করাকে “মজার” বলা হয় কিন্তু নারীদের অপদস্থ করাকে “লিঙ্গবৈষম্য” বলা হয়। * মিস্যান্ড্রি বা পুরুষ-বিদ্বেষ হলো মিসোজিনি বা নারী-বিদ্বেষের সমতুল্য। আপনি যদি পুরুষ-বিদ্বেষ সম্পর্কে সচেতন না হন তবে এই দলে আপনাকে স্বাগতম। * এই অধ্যায়টি পড়ার এক সপ্তাহ পর বিজ্ঞাপন, চলচ্চিত্র এবং দৈনন্দিন কথাবার্তায় পুরুষ-বিদ্বেষ আপনার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠবে। কিন্তু যে পক্ষপাতটি দেখা সবচাইতে কঠিন তা হলো সেই পক্ষপাত যা আমরা সবাই মিলে করি। * এমনকি তথাকথিত লিঙ্গ-নিরপেক্ষ শব্দ যেমন “সেক্সিস্ট” বা লিঙ্গবৈষম্য বলতে কেবল নারীদের প্রতি অবমাননা বোঝায়। * ১৯২০ সালে পুরুষদের গড় আয়ু নারীদের চেয়ে এক বছর কম ছিল; আজ তা সাত বছর কম। তবুও ফেডারেল সরকারের কেবল নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য একটি গবেষণা দপ্তর (অফিস অফ রিসার্চ অন উইমেনস হেলথ) রয়েছে। * পরনিন্দার কাজ হলো একটি “শত্রু পক্ষ” তৈরির মাধ্যমে নিজেদের দলের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি করা। * “ভালোবাসা এবং বন্ধুত্ব” বিভাগে গিয়ে দেখুন নারীদের জন্য নারীদের কাছে পাঠানোর উপযোগী কয়েক ডজন কার্ড রয়েছে যার অধিকাংশতেই পুরুষদের অপদস্থ করা হয়েছে কিন্তু পুরুষদের সম্পর্কে ভালো কিছু বলা হয়েছে এমন কার্ড প্রায় নেই বললেই চলে। === ''ফাদার অ্যান্ড চাইল্ড রিইউনিয়ন'' (২০০১) === * সফল এবং সুখী জীবনের জন্য যদি এমন কোনো গুণ থাকে যা অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি প্রয়োজন তবে তা হলো সহানুভূতি। এটি পরিবারের স্থায়িত্ব এবং ভালোবাসার মূলে থাকে। আমার কাছে এমন কোনো দম্পতি আসেনি যারা বলেছে, “আমি বিচ্ছেদ চাই; আমার সঙ্গী আমাকে বোঝে।” ** পৃষ্ঠা ৩০ * সীমানা বা সীমাবদ্ধতাকে গুরুত্ব দিতে শেখানো শিশুকে অন্যদের অধিকার এবং প্রয়োজনকে সম্মান করতে শেখায়। অন্যের প্রয়োজন নিয়ে চিন্তা করলে সহানুভূতি জন্মায়। ** পৃষ্ঠা ৩১ * বাবা আছেন এমন পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা গণিত এবং বিজ্ঞানে ভালো ফল করে, এমনকি তারা দুর্বল মানের স্কুলে পড়লেও। ** পৃষ্ঠা ৩১ * বাবা যত বেশি জড়িত থাকেন শিশু তত সহজে নতুন মানুষের সাথে খোলাখুলিভাবে এবং বিশ্বাসের সাথে মিশতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩৪ * আমরা প্রায়ই শুনি যে মায়েরা যত্ন নেন আর বাবারা কেবল খেলাধুলা করেন। এটি একটি ভুল ধারণা—এমনকি বিপজ্জনকও—কারণ বাবার খেলার ধরণের মধ্যে শেখানোর একটি সচেতন লক্ষ্য থাকে। গবেষণা এখন দেখাচ্ছে যে বাবারা যখন সচেতনভাবে কিছু শেখানোর চেষ্টা না করেন তখনও তাদের খেলা শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক হয়। ** পৃষ্ঠা ৫৭ * যে পরিবার একসাথে খেলতে জানে তাদের একসাথে থাকার শক্তিও থাকে। ** পৃষ্ঠা ৫৯ * শিল্পায়ন এক অদ্ভুত সংকট তৈরি করেছে: একজন বাবা তার সন্তানদের ভালোবাসার জন্য তাদের কাছ থেকে দূরে থাকছেন। ** পৃষ্ঠা ৮৮ * শিল্প বিপ্লব পুরুষদের বাড়ি থেকে মাঝে মাঝে অনুপস্থিত থাকাকে—যা আগে কেবল শিকার বা যুদ্ধের সময় দরকার হতো—একটি নিয়মে পরিণত করেছে। এই ক্রমবর্ধমান শ্রম বিভাজন নারী ও পুরুষের আগ্রহের জায়গাকে আলাদা করে দিয়েছে। এটি মাতৃত্বের সহজাত প্রবৃত্তির ধারণা এবং বাবার সাথে দূরত্বের বাস্তবতাকে বাড়িয়ে দিয়েছে। শিল্পায়নের আগে বিচ্ছেদ হলে শিশুরা সাধারণত বাবার সাথেই থাকত। পরে আর তা থাকেনি। ** পৃষ্ঠা ৮৮ * পরিবারের আর্থিক যোগানদাতা হওয়ার বাধ্যবাধকতা বাবার পরিবারের সাথে যুক্ত থাকার পথে সবচাইতে বড় বাধা। এটি বাবার সেই অদ্ভুত সংকট তৈরি করে: পরিবার থেকে দূরে থেকে পরিবারকে ভালোবাসা। এটি গতানুগতিক পিতৃত্বের এক বিদ্রূপ: বাবা না হয়ে বাবা হওয়া। ** পৃষ্ঠা ৯০ * পিতৃত্ব তৈরি করা মানে একটি বড় মানসিক পরিবর্তন আনা। অন্য লিঙ্গের চিরাচরিত ভূমিকার মানসিক দায়িত্ব পুরোপুরি ভাগ করে নেওয়া উভয় লিঙ্গের জন্যই কঠিন—বিশেষ করে যখন অন্য লিঙ্গটি আশেপাশে থাকে। ** পৃষ্ঠা ৯০ * হলিউডের মায়েরা সব সময় সঠিক আর বাবারা কেবল উপস্থিত—এই সূত্রের মধ্যে একটি প্রচ্ছন্ন অর্থ আছে যে মায়ের কোনো দোষ নেই। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * শিশুদের পুরুষদের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত করে আমরা তাদের সেই নির্যাতনের প্রতি আরও অসহায় করে তুলেছি যা আমরা প্রতিরোধ করতে চাইছি। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * অবচেতন স্তরে যৌনতাকে দানবীয় রূপ দেওয়া মানেই সাধারণত পুরুষদের দানব এবং নারীদের ভুক্তভোগী হিসেবে দেখানো। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * আমাদের ছেলেদের আমরা যত কম বিশ্বাস করব নারীরা তাদের তত কম ভালোবাসতে পারবে। আর নারীরা তত বেশি তাদের কেবল টাকার ব্যাগ হিসেবে ব্যবহার করার অধিকার বোধ করবে। ** পৃষ্ঠা ৯৮ * আরও গভীরভাবে দেখলে আমাদের ছেলেরা যদি শেখে যে তারা অশ্লীল, জঘন্য এবং অবিশ্বস্ত, তবে এটি কি পিতৃত্বের জন্য সেরা প্রস্তুতি? আর একজন মায়ের জন্য কি এটি সেরা প্রস্তুতি যে সে তার নিজের ছেলে সম্পর্কে এমনটা ভাববে? ** পৃষ্ঠা ৯৮ * যখন আমরা পুরুষের মূল্যবোধকে তুচ্ছ করি এবং পুরুষের যৌনতাকে দানবীয় করি তখন অনেক ছেলে কে তারা তা বোঝার আগেই নিজেদের বিকৃতমনা মনে করতে শুরু করে। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * অতীতে আমরা বিশ্বাস করতাম যে নারী-পুরুষ উভয়ই পাপ নিয়ে জন্মায়। আজ আমরা অবচেতনভাবে বিশ্বাস করতে শুরু করেছি যে ছেলেদের জন্মই পাপ আর মেয়েরা জন্মগতভাবে নিষ্পাপ। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * একজন বাবার জন্য এটা বলা গুরুত্বপূর্ণ যে, "তুমি যখন ওটা করো তখন বাবা হিসেবে আমি নিজেকে অপ্রয়োজনীয় মনে করি" অথবা "আমার এই দুরন্তপনা মানে খারাপভাবে বড় করা নয়; এটি আমাদের সন্তানকে ঝুঁকি নিতে সাহায্য করছে।" নারীরা শুনতে পায় না যা পুরুষেরা বলে না। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * আমরা যখন বাবাকে কেবল উদাসীন বাবা হিসেবে দেখি তখন তিনি পরিবারের সাথে থাকতে চাওয়ার যে সংকেতগুলো দেন সেগুলোও আমরা দেখতে পাই না। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * আমরা যখন পুরুষদের যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণ দিই তখন আমরা যাকে প্রশিক্ষণ দিই তার ভেতরকার মানবিক অংশটুকু হারিয়ে ফেলি—এমনকি আমরা যুদ্ধে জিতলেও। যখন আমরা পুরুষদের ভালো লালনকারী হওয়ার প্রশিক্ষণ দিই তখন যারা সফল হয় না তারাও জিতে যায়। আর তাদের সাথে দেখা হওয়া প্রতিটি শিশুও জিতে যায়। পুরুষদের ভালোবাসতে শেখানো একটি জাতির জন্য সেরা বিনিয়োগ। ** পৃষ্ঠা ১১২ * আমরা যদি চাই আমাদের শিশুরা টাকা উপার্জন এবং ভালোবাসা দেখানোর মধ্যে ভারসাম্য রাখুক তবে বাবা-মা উভয়কেই সেই ভারসাম্যের উদাহরণ হতে হবে। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * কর্মক্ষেত্রে নারীদের চেয়ে পরিবারে বাবারা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ: কর্মক্ষেত্র নারীদের দ্বারা উপকৃত হয় কিন্তু পরিবারের বাবাকে প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * টিএএনএফ (TANF) এবং ডব্লিউআইসি-র (WIC) মতো প্রোগ্রামগুলো বাবাকে বাদ দেওয়াকেই সহায়তা করে। আসলে এগুলো ভবিষ্যতের সহায়তানির্ভর নাগরিক তৈরি করে যারা করদাতার অর্থ খরচ করে। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * সন্তান পালনের ক্ষেত্রে পুরুষেরা অনেকটা রোজি-দ্য-রিভিটারদের মতো: তাদের কেবল তখনই ডাকা হয় যখন প্রয়োজন হয় আর পরে তাদের ফেলে দেওয়া হয়। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * আমাদের শিশুরা পুরুষদের যখন শিশুদের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য পারিশ্রমিক পেতে দেখবে তখন পুরুষদের জন্য বাবা হিসেবে উপযুক্ত কাজ করা আরও সম্মানজনক হবে। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * মেল টিচার কোর শিশুদের কেবল বিভিন্ন পেশার পুরুষদের সাথেই পরিচয় করিয়ে দেয় না বরং ঝুঁকি নিতে সক্ষম এমন পুরুষালি শক্তি ও মূল্যবোধের সাথেও পরিচয় করায়। এটি পুরুষ এবং নারী মূল্যবোধের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * টিকে থাকার সংগ্রামের বিশ্বে একজন বাবার সমস্যা সমাধানকারী হওয়া দরকার ছিল। অনুভূতি লুকিয়ে তাকে কঠিন হতে হতো। তাকে নমনীয় না হয়ে বোঝানো, যুক্তি দেওয়া এবং নিয়ম তৈরি করার দরকার ছিল। এই গুণগুলোই তাকে যোগ্য করে তুলত এবং তার স্ত্রী ও সন্তান জুটত। এই গুণগুলোই ছিল তার সম্পর্কের ভাষা। সমস্যা হলো যে এই কঠিন হওয়া তার প্রিয়জনদের খাবার যোগালেও তাদের মনের খোরাক দিতে পারত না। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * দ্বিতীয় ধাপের বিশ্বে যেখানে টিকে থাকার সংগ্রাম জয় করে আত্মতৃপ্তির সাথে ভারসাম্য রাখা সম্ভব সেখানে আমাদের কাছে এমন সম্পর্কের ভাষা ব্যবহারের সুযোগ আছে যা আত্মাকে তৃপ্ত করে। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * যদিও আমাদের প্রাথমিক স্কুলগুলো বর্তমান যুগের প্রযুক্তিগত প্রয়োজনের সাথে তাল মেলাতে পুরো প্রজন্মকে কম্পিউটার ভাষা শেখাচ্ছে কিন্তু আমরা এই প্রজন্মকে সম্পর্কের ভাষা এবং বিবাদ মেটানোর দক্ষতা শেখাতে অবহেলা করেছি। জার্মানির মতো দেশগুলোতে যখন এটি শেখানো হয় তখন তাকে সামাজিক দক্ষতা বলা হলেও তার মূল লক্ষ্য থাকে কর্মক্ষেত্রের দলগত কাজ—যা আসলে সেই টিকে থাকার সংগ্রামেরই অংশ। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * বাবারা যখন সন্তানদের সাথে সবচাইতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেন তখন সাধারণত তাদের মধ্যে এমন এক সহজাত বোধ থাকে যে উদাহরণস্বরূপ ফুটবল খেলতে যাওয়ার জন্য গাড়ির ভ্রমণটি খেলার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ১১৮ * একজন ভালো বাবা তার মেয়ের দলগত খেলায় যুক্ত হওয়া নিশ্চিত করতে পারেন। এটি তাকে জীবনের সেই শিক্ষাগুলো পেতে সাহায্য করে যা একটি দলকে শক্তিশালী করতে দরকার হয়। ** পৃষ্ঠা ১১৯ * যেহেতু কেউ সব সময় সঠিক হতে পারে না তাই সব সময় সঠিক হওয়ার ভান করা আসলে সন্তানদের মনে নিজেকে অপদার্থ ভাবার বীজ বুনে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১২০ * তার শিক্ষক হওয়ার বদলে আমি যদি নিজের অন্ধকার দিক, দোষ এবং ভুলগুলো তার সাথে খোলাখুলিভাবে শেয়ার করি তবে আমি আরও ভালো উদাহরণ হতে পারব। ** পৃষ্ঠা ১২০ * বাবা যখন নিজের ভুল স্বীকার করেন বা সাহায্য চান তখন সন্তান নিজেও ভুল করলেও নিজেকে অপদার্থ মনে করে না। এটি শিশুদের নতুন কিছু করতে উৎসাহিত করে এবং তাদের সৃজনশীলতাকে বিকশিত করে কারণ তারা তখন কিছু অবদান রাখার সুযোগ পায়। ** পৃষ্ঠা ১২০ * মহামন্দা যেমন একটি প্রজন্মের বাবাদের মনে এই ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছিল যে তাদের কাছে যথেষ্ট টাকা নেই ঠিক একইভাবে বাবার সান্নিধ্য না পাওয়া একটি প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের মনে ভিন্ন এক মানসিক ক্ষত তৈরি করছে। ** পৃষ্ঠা ১২১ * সংক্ষেপে বাবার সান্নিধ্যহীন একটি শিশুকে পৃথিবীতে পাঠিয়ে সব ঠিক আছে মনে করা—কেবল বাবা টাকা দিচ্ছেন বলে—তা অনেকটা একজন মদ্যপ চালককে মহাসড়কে পাঠিয়ে সব ঠিক আছে ভাবার মতো কারণ পেট্রোলের দাম মেটানো হয়েছে। এর মানে এই নয় যে মদ্যপ চালক গন্তব্যে পৌঁছাবে না। এর মানে হলো ঝুঁকি অনেক বড় এবং ব্যর্থতার ফলাফল আজীবনের। ** পৃষ্ঠা ১২২ * বিংশ শতাব্দীতে নারীদের যেমন কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য আইনের সাহায্যের প্রয়োজন ছিল একবিংশ শতাব্দীতে পুরুষদের তাদের সন্তানদের ভালোবাসার জন্য আইনের সাহায্যের প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ১২২ * সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে নাউ (NOW)-এর সাথে আমার প্রথম বিরোধ শুরু হয় যখন এর শাখাগুলো বিচ্ছেদের পর বাবা-মায়ের সমান সময় কাটানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বাবার সংশ্লিষ্টতাকে নাকচ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * বাবা-মা উভয়ের অধিকার মূলত তাদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করার জন্য থাকা উচিত। মূলত মানে এই নয় যে একচেটিয়াভাবে। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * বাবা-মা উভয়য়ের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য থাকা উচিত যাতে শিশুরা উভয় অভিভাবকের সান্নিধ্য পেয়ে বড় হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * নারী-পুরুষের একাত্মতা কেবল নারীর অধিকার তৈরি করে না। এটি অধিকারের এক মেলবন্ধন তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * পুরুষের শরীর কি ঝুঁকির মুখে? যখন একজন পুরুষকে চাইল্ড সাপোর্ট দেওয়ার জন্য কাজ করতে বলা হয় তখন সে তার শরীর, সময় এবং জীবন ব্যয় করে—নয় মাস নয় বরং অন্তত ১৮ থেকে ২১ বছর। তাই একজন সৎ নারীবাদীর মূলমন্ত্র হওয়া উচিত, “এটি নারী ও পুরুষ উভয়েরই পছন্দের অধিকার কারণ এখানে নারী ও পুরুষ উভয়েরই শরীর জড়িত।” ** পৃষ্ঠা ১৩২ * একজন নারীর এমন কোনো একতরফা সিদ্ধান্তের অধিকার নেই যা একজন পুরুষের বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে ঠিক যেমন একজন পুরুষেরও এমন কোনো একতরফা সিদ্ধান্তের অধিকার নেই যা একজন নারীর বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * যখন কেবল পুরুষেরা ভোটের জন্য নিবন্ধন করতে পারত তখন কেবল তাদেরই বাধ্যতামূলক সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হতো। আজ উভয় লিঙ্গই ভোট দিতে পারে কিন্তু কেবল পুরুষদেরই সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * আমরা ইতিহাসের এক অদ্ভুত সময়ে আছি—যখন কোনো নারীর শরীর জড়িত থাকে তখন আমরা বলি সিদ্ধান্তটি তার; কিন্তু যখন কোনো বালকের শরীর জড়িত থাকে তখন আমরা বলি সিদ্ধান্তটি তার নয়—আইন আমাদের ১৮ বছর বয়সী ছেলেদের সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়তে বাধ্য করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * এটি বিদ্রূপের বিষয় যে একটি আন্দোলন যা জৈবিক পার্থক্যকে গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য পরিচিতি পেয়েছিল যখন সেই পার্থক্যগুলো নারীদের প্রতিকূলে ছিল তারা সঙ্গে সঙ্গেই সেই জৈবিক পার্থক্যের দোহাই দেওয়া শুরু করল যখন তা নারীদের অনুকূলে এল। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * আমরা কোনো পুরুষকে একজন নারীর জীবন নির্ধারণ করার অনুমতি দেওয়ার কথা ভাবি না কেবল একারণে যে তার সৃষ্টি করা একটি ভ্রূণ নারীর জঠরে আছে; তবে আমরা কেন একজন নারীকে একজন পুরুষের জীবন নির্ধারণ করার অনুমতি দেব কেবল একারণে যে তার সৃষ্টি করা একটি ভ্রূণ নারীর জঠরে আছে? ** পৃষ্ঠা ১৩৭ * পুরুষেরা নারীদের বিশ্বাস করতে শেখে যতক্ষণ না বিপরীত কিছু ঘটে; নারীরা পুরুষদের সন্দেহ করতে শেখে যতক্ষণ না কোনো পুরুষ নিজেকে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ করে। ** পৃষ্ঠা ১৩৯ * যখন কোনো সরকার একজন পুরুষকে এমন একটি শিশুর ভরণপোষণ দিতে বাধ্য করে যা তৈরিতে তাকে প্রতারণা করা হয়েছিল তখন সেই সরকার আসলে প্রতারণাকে সহায়তা করছে। না, এটি তার চেয়েও খারাপ: এটি ১৮-২১ বছর ধরে সম্মতি ছাড়াই একজন পুরুষের শরীর ব্যবহার করা নারীকে সহায়তা করছে। ** পৃষ্ঠা ১৪৩ * একটি গণতন্ত্রে সরকারের নীতিগুলো নিয়ে খুব কমই প্রশ্ন তোলা হয় যতক্ষণ না সেই নীতিগুলো তৈরির পেছনের ধারণাগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। ** পৃষ্ঠা ১৪৭ * একটি যৌথ পছন্দের আন্দোলন ভ্রূণকে একজন নারী ও একজন পুরুষের জিন হিসেবে দেখে; দেখে নারী ও পুরুষের রক্তমাংস হিসেবে; এবং এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের দায়িত্ব ও অধিকার হিসেবে গণ্য হয়। এটি সমতার দিকে এগিয়ে যেতে চায়। ** পৃষ্ঠা ১৫৮ * নারীবাদীরা প্রায়ই নারীদের দুটি কাজের কথা বলেন: চাকরি এবং সন্তান। ঠিক। কিন্তু বিচ্ছেদ হওয়া এবং পুনরায় বিয়ে করা পুরুষদের কথা কেউ বলে না যাদের তিনটি কাজ করতে হয়: চাকরি এবং দুই পক্ষের সন্তানদের লালন-পালন ও আর্থিক ভরণপোষণ। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমি দ্রুতই বুঝতে পেরেছিলাম যে যেসব নারীবাদী প্রধান অভিভাবক তত্ত্বকে সমর্থন করেছিলেন তারা সমসুযোগের পক্ষে ছিলেন না বরং অসম সুযোগ সন্ধানী ছিলেন। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * যেসব পুরুষ বিচ্ছেদের পর নিজেদের সন্তানদের জীবন থেকে চলে যান তারা বাধ্যবাধকতা ছাড়াই সুবিধা চান। নৈতিকভাবে তাদের চলে যাওয়ার কোনো অধিকার নেই। যে আইন তা করতে দেয় তাও অনৈতিক। প্রধান অভিভাবক আইনগুলো ঠিক তেমনই। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * প্রধান অভিভাবক আইনের বিদ্রূপ হলো যে একদিকে নারীবাদীরা পুরুষের অর্জিত সম্পত্তিতে নারীর সমান অধিকারের জন্য লড়াই করছিল অন্যদিকে তারা যৌথভাবে জন্ম দেওয়া সন্তানের ওপর পুরুষের সমান অধিকারের বিরোধিতা করছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * সংক্ষেপে তিনি পুরুষের তৈরি করা জিনিসের অংশীদার; আর তিনি নারীর তৈরি করা জিনিসের দর্শনার্থী মাত্র। আমার কাছে এটি সমতা ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * নারীবাদ যখন সমসুযোগ থেকে অসম সুযোগ সন্ধানীতে পরিণত হলো তখন আমিও এর সমর্থক থেকে সমালোচকে পরিণত হলাম। কিন্তু আমার মনে কোনো পরিবর্তন হয়নি: আমি সমতার সমর্থক থেকে সমতার সমর্থকই রয়ে গেলাম। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * সংক্ষেপে যখন একজন পুরুষ অর্থ যোগাতে ব্যর্থ হয় তখন আমরা তাকে জেলে পাঠাই; যখন একজন নারী মা হিসেবে ব্যর্থ হয় তখন আমরা তাকে সমাজসেবার প্রস্তাব দিই। আমরা পুরুষদের ক্ষেত্রে অপরাধমূলক ব্যবস্থা নিই আর নারীদের ক্ষেত্রে সমাজসেবামূলক ব্যবস্থা নিই। ** পৃষ্ঠা ১৭৯ * অধিকাংশ মায়েরা তাদের সন্তানদের জীবনে বাবার উপস্থিতি বেশি চান কম নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৬ * সন্তান পালন একক অভিভাবকদের জন্য তৈরি করা হয়নি। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমরা যদি মায়েদের দেখা করার সময় না দেওয়ার জন্য শাস্তি দিই তবে আমাদের সেইসব বাবাদেরও শাস্তি দিতে হবে যারা দেখা করার সময়ে আসেন না। বিষয়টি বাবার দেখা করার অধিকার নয় বরং সন্তানদের প্রতি উভয় অভিভাবকের বাধ্যবাধকতা। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমাদের সন্তানদের জন্য দেখা করা বনাম হেফাজত না বলে বরং প্যারেন্ট টাইম বা অভিভাবকের সময় বলাটা বেশি ভালো হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমরা যখন মায়ের হেফাজত জেতা বা বাবার দেখা করার সময়ের কথা বলি তখন আমরা কেউ জেতা আর কেউ হারার কথা বলি। আমরা যখন মা বা বাবার সন্তানের সাথে সময় কাটানোর কথা বলি তখন আমরা দুই অভিভাবকের কথা বলি—একজন অভিভাবক বনাম একজন দর্শনার্থীর কথা নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * দেখা করা বিষয়টি অনুপস্থিত বাবার যুগের প্রতিফলন; প্যারেন্ট টাইম বিষয়টি একজন নিবেদিত বাবার পুনরায় আবির্ভূত হওয়ার প্রভাব ফেলে। দেখা করা মানে পরিবারের ধ্বংস; প্যারেন্ট টাইম মানে পরিবারের পুনর্গঠন। এটি এমন এক যুগের কথা বলে যেখানে বোঝা যায় যে যেকোনো একজন অভিভাবকের পরাজয় মানেই শিশুদের পরাজয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * যখন একজন অভিভাবক শিশুকে তার প্যারেন্ট টাইম থেকে বঞ্চিত করেন তখন তিনি আসলে শিশুকে তার ভরণপোষণ থেকে বঞ্চিত করেন—মানসিক ভরণপোষণ। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * বিচ্ছেদের পর পুরুষদের সবচাইতে বড় ভয় হলো সন্তানদের হারানো (নারীদের ক্ষেত্রে তা হলো দারিদ্র্য)। ** পৃষ্ঠা ১৯০ * একজন নারীর দৃষ্টিকোণ থেকে অভিভাবকের সময় ভাগ করে নেওয়াটা অনেকটা এমন যেমনটা একজন পুরুষ অনুভব করতে পারে যদি তার প্রাক্তন স্ত্রী তার অফিসে এসে তার কাজ ভাগ করে নেয়। সে হয়তো দাবি করবে যে এই ভাগাভাগি কোম্পানির স্বার্থে ভালো নয়। কিন্তু সে আসলে ভয় পায় যে তার প্রাক্তন স্ত্রী যদি তার নিজের কাজে তার চেয়ে ভালো করে তবে তার সম্মান ক্ষুণ্ণ হবে। এই ভয়টি বোঝা গেলেও পার্থক্য হলো তার ক্যারিয়ার তার নিজের কিন্তু তাদের সন্তানরা তাদের উভয়ের। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * নারীদের জন্য যদি ইকুয়াল এমপ্লয়মেন্ট অপরচুনিটি কমিশন থাকে তবে পুরুষদের জন্য কেন ইকুয়াল ফ্যামিলি অপরচুনিটি কমিশন থাকবে না? ** পৃষ্ঠা ১৯৭ * রাগের সবচাইতে খারাপ রূপ হলো যখন একজন অভিভাবক মনে করেন যে তার প্রাক্তনকে ধ্বংস করার মাধ্যমেই তার সন্তানকে জেতার সুযোগ বাড়বে। আইন সবচাইতে প্রতিহিংসাপরায়ণ অভিভাবককে নির্যাতনের তাস খেলার একটি সুযোগ করে দিয়েছে। এটিই হলো বিশাল প্রলোভন। ** পৃষ্ঠা ১৯৯ * যখন নারীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করেছিল তখন অনেক পুরুষ তাদের মেন্টর ছিল এবং বিনিময়ে নারীদের অবদানকেও শ্রদ্ধা করতে শিখেছিল। এখন আমরা যখন পুরুষদের শিশুদের যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব দিচ্ছি তখন নারীদের মেন্টর হতে হবে এবং আমাদেরও পুরুষদের অনন্য অবদানগুলোকে শ্রদ্ধা করতে শিখতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * আমরা যদি পুরুষালি ধরণ-এর অভিভাবকত্বকে অবহেলা করি এবং সেই দায়িত্বশীল বাবাটিকে জেলে পাঠাই তবে পিতৃত্ব আরেকটি ঝুঁকিপূর্ণ পেশা হয়ে দাঁড়াবে। আর এই প্রক্রিয়ায় আমাদের শিশুরা একটি বড় উপহার হারাবে—তা হলো প্রকৃত পিতৃত্ব। এটি খারাপ খবর হলেও সুখবর হলো এই বাবা ও সন্তানের পুনর্মিলনের পথ আছে... ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * পুরুষেরা সেখানেই যায় যেখান থেকে প্রশংসা আসে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * চ্যালেঞ্জটি হলো আমাদের প্রশংসার ধরণ পরিবর্তন করা: বাবার টাকার বদলে বাবার ভালোবাসাকে বেশি মূল্য দেওয়া। আর সেই সাথে তার মানসিকতার পরিবর্তন ঘটানো যা তাকে ভালোবাসার যোগ্য করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * প্রযুক্তি বাড়িতে থাকা বাবার জন্য সহায়ক। এটি পরিবারকে গরিব না হয়েও আগের চেয়ে অনেক বেশি সৃজনশীল এবং নমনীয় হতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * অনেক নারী আবিষ্কার করছেন যে মাতৃত্বের সহজাত প্রবৃত্তি মানে শিশুদের জন্য বাবার উপস্থিতি নিশ্চিত করা—প্রতিদিন দূরে কোথাও নয়। কেউ কেউ সচেতন যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা মানে নিজের সন্তানকে আঁকড়ে ধরা নয় যেন এটি তার চাকরি। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * বাবাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের জন্য আমাদের বাবাদের ভালোবাসার ধরণ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা প্রয়োজন। এটা স্বীকার করা জরুরি যে অতীতের কঠোর নিয়মগুলো পুরুষরা কেবল নিজেদের সুবিধার জন্য তৈরি করেনি। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * আমরা যদি পুরুষদের স্বার্থপর মনে করি তবে আমরা তাদের লালনকারী হিসেবে ভাবতে পারব না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * সরকারি ও বেসরকারি উৎসের তহবিলের অভাব খুব একটা সমস্যা হতো না যদি প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার পুরুষদের ওপর নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রচারের জন্য খরচ না করা হতো। এই তহবিল পুরুষদের অধ্যয়ন বাদ দিয়ে নারী অধ্যয়নকে উৎসাহিত করে; উদাসীন বাবাদের নিয়ে গবেষণার জন্ম দেয় কিন্তু কপর্দকশূন্য বাবাদের নিয়ে কোনো গবেষণা করে না—কিংবা সেইসব মায়েদের নিয়ে যারা বাবাকে সন্তানদের কাছে আসতে দেয় না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * এই একপক্ষীয় তহবিল জাতিকে ভুল তথ্য দেয় যে বিচ্ছেদ হওয়া একজন মা বিচ্ছেদ হওয়া একজন পুরুষের চেয়ে বেশি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই বিচারকরা মনে করেন পুরুষের ভবিষ্যৎ আয় নারীর হওয়া উচিত আর আইনসভাও বাবাদের দেওয়া অর্থকে করমুক্ত করতে অস্বীকার করে যদিও নারী সেই অর্থের ওপর কোনো কর দেন না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * পুরুষদের চাপা অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করার জন্য কোনো তহবিল নেই: যেমন সন্তানদের বাবার কাছ থেকে দূরে রাখতে কখন মিথ্যা অভিযোগকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে; বা কখন অন্য অভিভাবক সন্তানের কাছে খারাপ কথা বলছেন; বা যখন উদাসীন বাবাদের পরিসংখ্যানে সেইসব পুরুষদের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে যারা মৃত বা বেকার; অথবা যখন পুরুষেরা পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * একপক্ষীয় তহবিল একপক্ষীয় চিত্র তৈরি করে যা সংবাদমাধ্যমকে শুধুমাত্র নারীদের সমস্যাগুলোই প্রগতি হিসেবে তুলে ধরতে উৎসাহিত করে। ফলে পুরুষদের বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা নারীদের ওপর সহিংসতার সমান তা জনমানসে খুব সামান্যই প্রভাব ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * এই পক্ষপাতদুষ্ট গবেষণা থেকেই পক্ষপাতদুষ্ট সামাজিক নীতি তৈরি হয়। কোটি কোটি ডলার খরচ করা হয় সেইসব বাবাদের সাজা দিতে যারা মায়েদের অর্থ দেন না; কিন্তু সেইসব মায়েদের সাজা দেওয়ার জন্য কিছুই করা হয় না যারা বাবাদের সন্তানদের সাথে দেখা করতে দেন না। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * তহবিলের প্রয়োজনীয়তা আসে গত কয়েক দশকের পুরুষদের প্রতি এক ধরণের মনোভাবের বিপরীতে ভারসাম্য তৈরি করার জন্য। আর কিছুটা প্রয়োজন হলো কীভাবে উভয় লিঙ্গ সেই কঠোর ভূমিকা থেকে নমনীয় পথে এগিয়ে যেতে পারে তার একটি সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * যেখানে কেউ শোনার নেই সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব কম। এভাবেই বাবা, ছেলে এবং পরিবারগুলো অকারণে হারিয়ে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * মানি নেওয়ার ক্ষমতা আমাদের বিবর্তনীয় ঐতিহ্যের অংশ—যে প্রজাতি টিকে থাকে তারা মানিয়ে নেয়। মানুষ বিবর্তনীয় মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তাদের অগ্রাধিকার পরিবর্তন করার মাধ্যমে মানিয়ে নেয়। ** পৃষ্ঠা ২৪২ * আমাদের স্কুলগুলোতে সম্পর্কের ভাষা শেখানোর জন্য তহবিল প্রয়োজন যাতে ভবিষ্যৎ অভিভাবকরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে; সন্তানদের সাথে কথা বলতে পারে এবং সন্তানদের শেখাতে পারে বিশ্বের সাথে কীভাবে যোগাযোগ করতে হয়। সামাজিক দক্ষতা ছাড়া প্রযুক্তিগত উন্নতি অনেকটা ব্যবিলনের টাওয়ারের মতো। ** পৃষ্ঠা ২৪৩ * বাবা ও সন্তানের পুনর্মিলন ঘটানোর সামাজিক নীতিগুলোর সব সময় নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত, “আমরা কি বাবাদের থাকার জন্য টাকা দিচ্ছি নাকি চলে যাওয়ার জন্য?” যদি একজন একক মা বাবা আশেপাশে না থাকলে থাকার চেয়ে বেশি টাকা পায় তবে আশেপাশে বাবাদের সংখ্যা কমই হবে। সরকার তখন তার বিকল্প স্বামী হয়ে উঠবে। ** পৃষ্ঠা ২৪৫ * পরিবারের চেয়ে শক্তিশালী বা বহুমুখী আর কোনো শক্তি নেই। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * সম্ভবত আমাদের সবচাইতে বড় প্রশংসা প্রয়োজন সেই লক্ষ লক্ষ পুরুষ ও নারীর প্রতি যাদের আমরা সৎ-অভিভাবক বলি। বিশেষ করে যারা নিজের কোনো সন্তান মানুষ করছেন না তবুও ভালোবেসে শিশুদের জন্য সময় এবং অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * আমরা যদি পুরুষদের বাবা হতে অনুপ্রাণিত করতে চাই তবে তাদের প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পাওয়া নিয়ে ঢালাও সমালোচনা বন্ধ করতে হবে এবং তারা আসলে কী ভয় পায় তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ === ''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' (২০০৫) === * নারীদের আরও বেশি বেতন পেতে সাহায্য করা এই বইয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ** পৃষ্ঠা ১৭. (''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' (২০০৫)) * কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের আচরণের মধ্যে ২৫টি পার্থক্য রয়েছে। এই ২৫টি পার্থক্যের কারণেই পুরুষেরা বেশি বেতন পায় এবং নারীরা আরও ভালো জীবন—অথবা অন্তত আরও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন কাটাতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * সপ্তাহে ৪৫ ঘণ্টা কাজ করা একজন ব্যক্তি সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা কাজ করা ব্যক্তির চেয়ে গড়ে ৪৪% বেশি আয় করেন। অর্থাৎ ১৩% বেশি সময়ের বিনিময়ে ৪৪% বেশি আয়। ** পৃষ্ঠা ১৮ * যদি একজন নিয়োগকর্তাকে একই কাজের জন্য একজন পুরুষকে এক ডলার দিতে হয় যা একজন নারী ৫৯ সেন্টে করতে পারেন, তবে কেউ কেন একজন পুরুষকে নিয়োগ দেবেন? ** পৃষ্ঠা ১৯ * ১৯৬৯ সালে সারা দেশে সেইসব নারী অধ্যাপকেরা যারা কখনো বিয়ে করেননি এবং যাদের কোনো লেখা প্রকাশিত হয়নি, তারা তাদের সমপর্যায়ের পুরুষ সহকর্মীদের তুলনায় ১৪৫% বেশি আয় করতেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * ২০০১ সালের জরিপ: যেসব পুরুষ কখনো বিয়ে করেননি, যাদের সন্তান নেই, যারা পূর্ণকালীন কাজ করেন এবং কলেজ শিক্ষিত, তারা একই যোগ্যতাসম্পন্ন নারীদের আয়ের মাত্র ৮৫% আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * একজন খণ্ডকালীন নারী কর্মী তার সমপর্যায়ের পুরুষ কর্মীর প্রতিটি এক ডলার আয়ের বিপরীতে এক ডলার দশ সেন্ট আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * গত ৩০ বছর ধরে নারীদের প্রতি বৈষম্যের দিকে আমাদের অতিরিক্ত মনোযোগ আমাদের নারীদের জন্য থাকা সুযোগগুলোর প্রতি অন্ধ করে রেখেছে। ** পৃষ্ঠা ২৪ * আমি ক্ষমতাকে নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করি। বেতন বা আয় ক্ষমতার বিষয় নয়। বেতন হলো বেতনের ক্ষমতা পাওয়ার জন্য নিজের অন্য ক্ষমতা ত্যাগ করা। ** পৃষ্ঠা ২৪ * যারা বিশ্বাস করেন যে "আপনি সবকিছুই পেতে পারেন", তাদের জন্য লেখা সেলফ-হেল্প বইগুলো প্রায়ই পরামর্শ দেয়, "আপনার ভালো লাগার কাজগুলো করুন এবং টাকা এমনিতেই আসবে।" কিন্তু শেয়ার বাজারের ধসের পর এর আসল বিনিময় অনেকটা এমন— "যখন আপনি আপনার পছন্দের কাজগুলো করতে যাবেন, তখন আপনি টাকা মিস করবেন।" ** পৃষ্ঠা ৩ * ''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' বইতে বেতনের যে ধাঁধার কথা বলা হয়েছে তা হলো: পুরুষেরা বেশি টাকা আয় করে, তাই পুরুষদের ক্ষমতা বেশি; আবার পুরুষেরা বেশি টাকা আয় করে, তাই পুরুষদের ক্ষমতা কম (বেশি টাকা আয় করা সেখানে একটি বাধ্যবাধকতা, কোনো পছন্দ নয়)। নারীদের ক্ষেত্রে এর উল্টোটা সত্যি: নারীরা কম টাকা আয় করে, তাই নারীদের ক্ষমতা কম; আবার নারীরা কম টাকা আয় করে, তাই নারীদের ক্ষমতা বেশি (সন্তান লালন-পালনের সুযোগ থাকা অথবা কোনো বিপজ্জনক কাজ বেছে না নেওয়া)। ** পৃষ্ঠা ১১ * বিজ্ঞান বা কঠিন বিষয়গুলো নিয়ে পড়ার সবচাইতে ভালো কারণ সম্ভবত এটাই যে, একটি গবেষণা অনুযায়ী বিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিসিন এবং ডেন্টিস্ট্রির ছাত্ররা আর্টস (বা ল) ছাত্রদের চেয়ে বেশি দিন বাঁচেন। তাই আপনি যে টাকাই আয় করেন না কেন তা আপনি আরও বেশি দিন নিজের কাছে রাখতে পারবেন। ** পৃষ্ঠা ১৮ * বেতন হলো বেতনের ক্ষমতা পাওয়ার জন্য আমাদের ছেড়ে দেওয়া অন্য ক্ষমতা। উদাহরণস্বরূপ, আমরা যখন নিজেদের জন্য কাজ না করে অন্যের জন্য কাজ করি তখন আমরা আমাদের ক্ষমতা হারাই, কিন্তু বিনিময়ে আমরা বেতনের চেক বা আর্থিক ক্ষমতা পাই। * নারীরা কি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো ক্ষেত্রগুলো এড়িয়ে চলেন কারণ সেখানে পুরুষদের আধিপত্য বেশি এবং নারীদের প্রতি বৈষম্য করা হয়? সম্ভবত না। নারী আন্দোলনের আগে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রটি মেডিসিন বা আইনের চেয়ে বেশি পুরুষ-শাসিত ছিল না। আর নারীরা এখন প্রচুর সংখ্যায় মেডিসিন ও আইনে যোগ দিচ্ছেন। যখন নারীরা পুরুষ-শাসিত ক্ষেত্রে প্রবেশ করেন তখন তারা সাধারণত বেশি আকর্ষণীয় পেশাগুলো বেছে নেন। গণমাধ্যমও একে উৎসাহিত করে। ''এলএ ল'' ছিল কিন্তু কোনো ''এলএ ইঞ্জিনিয়ারিং'' ছিল না। ''ইআর'' মানে ইঞ্জিনিয়ারিং রুম নয়। ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার, গণিত ও বিজ্ঞানের মতো ক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য নারীরা ছয় স্তরের উৎসাহ পায়: প্রথমত, পুরুষদের চেয়ে ভালো শুরুর বেতন; দ্বিতীয়ত, হাই স্কুলের মেয়েদের জন্য বিশেষ প্রোগ্রাম; তৃতীয়ত, কেবল নারীদের জন্য সরকারি বৃত্তি; চতুর্থত, কেবল নারীদের জন্য কর্পোরেট অনুদান ও বৃত্তি; পঞ্চমত, নারীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বিজ্ঞাপন; এবং ষষ্ঠত, শীর্ষস্থানীয় মহিলা কলেজগুলোর বিজ্ঞান প্রোগ্রামের জন্য বিশেষ অনুদান। ** পৃষ্ঠা ২৫ * ঝুঁকিপূর্ণ পেশার ক্ষেত্রে এক ধরণের অদ্ভুত সংকট বা ক্যাচ-২২ পরিস্থিতি থাকে: কাজ যত ঝুঁকিপূর্ণ হয় সেখানে পুরুষ তত বেশি থাকে; সেখানে পুরুষ যত বেশি থাকে আমরা কাজটিকে নিরাপদ করার বিষয়ে তত কম গুরুত্ব দিই। ঝুঁকিপূর্ণ পেশার এই সংকট একটি ‘গ্লাস সেলার’ বা অন্ধকার ঘর তৈরি করে যেখানে খুব কম নারীই প্রবেশ করতে চান। নারীরা কেবল কাজের জায়গায় আঘাত পাওয়ার ভয়েই পিছিয়ে যান না বরং এমন এক পরিবেশের কারণেও পিছিয়ে যান যা একটি ঝুঁকিপূর্ণ কাজকে প্রয়োজনের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৭ * আপনার মেয়ে বলল, ‘বাবা, মা, আমি সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চাই।’ আপনি তার সুন্দর চেহারার দিকে তাকালেন, তার পুরো জীবন আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠল এবং আপনি একটি লাশের ব্যাগ দেখতে পেলেন। এখনই তাকে সামরিক বাহিনীর সবচাইতে বড় গোপন কথাটি জানানোর সময়: সে সামরিক বাহিনীতে যোগ দিয়েও ঘরে থাকার মতোই নিরাপদ থাকতে পারে। কীভাবে? ইরাক যুদ্ধে বিমান বাহিনীতে একজন নারীও নিহত হননি। নৌবাহিনীতে (মারিন্স) একজন নারীও নিহত হননি। আর নৌবাহিনীতে (নেভি) মাত্র একজন মারা গেছেন। আপনার কাজ হলো তাকে কেবল সেনাবাহিনী (আর্মি) থেকে দূরে রাখা। ** পৃষ্ঠা ৩০ * দক্ষিণ আফ্রিকার কয়লা খনি হোক, আলাস্কার মাছ ধরার নৌকা হোক বা আমেরিকার সামরিক বাহিনী হোক—নারীদের প্রতি পুরুষদের সুরক্ষামূলক মনোভাব এবং নারীদের নিজেদের (ও সন্তানদের) প্রতি সুরক্ষার প্রবৃত্তি পুরুষদের নারীদের তুলনায় অনেক বেশি পরিত্যাজ্য করে রাখে। সামরিক বাহিনীতে এই ধরণের একটি উদাহরণ দেখা যায়। সামরিক বাহিনীর এসইআরই (সারভাইভাল, ইভেশন, রেজিস্ট্যান্স এবং এস্কেপ) স্কুলগুলোতে নারী শিক্ষার্থীদের সুস্থতার বিষয়ে পুরুষ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এতটাই উদ্বেগ ছিল যে প্রশিক্ষকরা এখন পুরুষদের নারীদের ওপর যৌন নির্যাতন বা অন্যান্য লাঞ্ছনার বিষয়ে সংবেদনহীন করার চেষ্টা করেন যাতে যুদ্ধে তাদের এই সংবেদনশীলতাকে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার না করা যায়। আমরা সামরিক বাহিনীতে নারীদের নিরাপদ মনে করি কারণ তাদের এখনো সবচাইতে বিপজ্জনক কাজে নিয়োগ দেওয়া নিষিদ্ধ। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা আসলে নারীদের রক্ষা করার চিরাচরিত পুরুষালি প্রবৃত্তিরই প্রতিফলন। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * নিরাপত্তা বেছে নেওয়া মানে কেরিয়ারের চেয়ে জীবনকে প্রাধান্য দেওয়া। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * অয়েল রিগ বা তেলের খনিগুলোতে যে পুরুষেরা দিনে মাত্র ৮ ঘণ্টা কাজ করে তাদের অবজ্ঞার সাথে ‘নাইন-টু-ফাইভের’ বা অফিস ঘরানার মানুষ বলা হয়। এর উল্টোদিকে নারীরা ঝুঁকি খুব সামান্য হলেও তা নিতে চান না। আমাদের ছেলেদের জন্য বার্তাটি কী? আমাদের ছেলেরা যখন শারীরিক বিপদের ঝুঁকি নেয় তখন আমাদের প্রশংসা তাদের শেখায় যে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার ইচ্ছা ভালোবাসা তৈরি করে। লাঞ্ছনাই কি তবে ভালোবাসা? হ্যাঁ। ** পৃষ্ঠা ৩৯ * আমরা রোল মডেলদের ‘নেতা’ বললেও অধিকাংশ ‘নেতা’ আসলে অনুসারী। অধিকাংশ ‘নেতা’ তাদের প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধা বা প্রলোভনের অনুসারী। আর আমরাই সেই মানুষ যারা তাদের প্রলোভন দেখাই। আমরা মূলত পুরুষদের জীবন বাজি রাখার জন্য দুটি প্রলোভন দিই: বেতন এবং প্রশংসা... যে পুরুষ স্বেচ্ছায় একটি মৃত্যু পেশা বেছে নেয় সে তার শরীরের বিনিময়ে বেতন পাওয়ার আশা করে। মৃত্যু পেশাগুলোর না বলা মূলমন্ত্র হলো ‘আমার শরীর, কিন্তু সিদ্ধান্ত আমার নয়’। ** পৃষ্ঠা ৪০ * সবচাইতে অপ্রিয় সময়ে কাজ করতে ইচ্ছুক হওয়ার মাধ্যমে পুরুষেরা যে অর্থ উপার্জন করে তা নারীদের প্রতি বৈষম্যের চিহ্ন নয় বরং এটি অধিকাংশ বিবাহিত পুরুষের পরিবারের ভরণপোষণের জন্য নিজের ঘুম বিসর্জন দেওয়ার চিহ্ন, ঠিক যেমন তাদের স্ত্রীরা সন্তানকে খাওয়ানোর জন্য ঘুম বিসর্জন দেন। অস্বস্তিকর শিফটে কাজ করার এই মানসিকতাই বিবাহিত পুরুষদের অবিবাহিত পুরুষদের তুলনায় দ্বিগুণ আয় করার অন্যতম কারণ। রাতে করা পুরুষদের এই অবদান যেন অন্ধকারে হারিয়ে না যায়। ** পৃষ্ঠা ৬৯ * আমরা যখন অভিজ্ঞতার বছরগুলোকে হিসেবে ধরি না তখন একজন নারীর পক্ষে হতাশ হওয়া খুব সহজ যখন তিনি এমন শিরোনাম দেখেন যেমন— ‘টিভি নিউজ ডিরেক্টরদের ওপর গবেষণা নারীদের প্রতি বৈষম্য খুঁজে পেয়েছে।’ আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে কোনো নারী যখন পড়তেন যে নারী টিভি নিউজ ডিরেক্টররা পুরুষ ডিরেক্টরদের চেয়ে ২৭% কম বেতন পান তখন এটি তাকে এই ক্ষেত্রটি এড়িয়ে চলতে বাধ্য করত... অন্যদিকে যদি শিরোনামটি গবেষণার মূল ফলাফলকে আরও নির্ভুলভাবে তুলে ধরত যে, ‘নারী ম্যানেজাররা পুরুষদের চেয়ে তিন গুণ দ্রুত টিভি নিউজ ডিরেক্টর হন,’ তবে সেই নারী নিজেকে কাঙ্ক্ষিত মনে করতেন... সংক্ষেপে বেশি বেতনের পথটি হলো একটি টোল বা কর দেওয়ার পথ। কিন্তু ইতিহাসের এই সময়ে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা টোল বুথ রয়েছে এবং নারীদের কাছ থেকে নেওয়া টোলের পরিমাণ কম। যারা বেশি বেতনের পথে হাঁটতে চান এমন প্রতিটি নারীর জন্য এটি উৎসাহব্যঞ্জক হওয়া উচিত যাতে টোল কম থাকতেই তারা এই পথ বেছে নেন। আর যেসব পুরুষ সন্তানদের সাথে থাকতে চান—অথবা তাদের কর্মমুখী স্ত্রীকে সমর্থন করতে চান—তাদের সচেতন হওয়া উচিত যে একজন ভালো বাবা হওয়ার এবং স্ত্রীর সাফল্যকে সমর্থন করার এর চেয়ে ভালো সময় আর কখনো ছিল না। ** পৃষ্ঠা ৮৫-৮৭ * যারা বেশি বেতন পান তারা কোম্পানির প্রয়োজনে অন্য জায়গায়—বিশেষ করে অপ্রিয় জায়গাগুলোতে—যেতে বেশি ইচ্ছুক থাকেন... একজন কর্পোরেট সেক্রেটারি একই শহরের অন্য কোম্পানিতে বদলি হতে পারেন; কিন্তু একজন কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ একই কোম্পানির প্রয়োজনে অন্য শহরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। একজন প্রতিভাবান কর্পোরেট সেক্রেটারি অন্য জায়গায় যাওয়ার প্রস্তাবকে কেবল একটি আমন্ত্রণ হিসেবে দেখেন; কিন্তু একজন ভবিষ্যৎ কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ একে একটি সুযোগ এবং একটি বাধ্যবাধকতা হিসেবে দেখেন। ** পৃষ্ঠা ৯৩-৯৪ * আমরা যখন সমান ঘণ্টা কাজ করা নারী ও পুরুষদের বেতনের দিকে তাকাই তখন দুটি বিস্ময়কর আবিষ্কার পাওয়া যায়: <br>—যখন নারী ও পুরুষ সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টার কম কাজ করেন তখন নারীরা পুরুষদের চেয়ে বেশি আয় করেন; <br>—যখন তারা ৪০ ঘণ্টার বেশি কাজ করেন তখন পুরুষেরা নারীদের চেয়ে বেশি আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ৭৯ * বর্তমানে নারীদের সপ্তাহে ৫০ ঘণ্টার বেশি কাজ করার সম্ভাবনা পুরুষদের অর্ধেক। (আবারও বলছি কর্মজীবী নারীরা বাড়িতে বেশি সময় দেন।) কোনো নারীর পক্ষে এই প্রতিশ্রুতির সাথে ২০ বছর কাজ চালিয়ে যাওয়া এবং পরে সিইও হিসেবে নিজের কাজের সময় আরও বাড়িয়ে দেওয়া খুবই বিরল। কিন্তু ঠিক বিরল বলেই যেসব নারী এটি করতে ইচ্ছুক তারা অনেক বেশি ব্যতিক্রমী হিসেবে পরিচিত হন। আসলে নারীরা অনেক বেশি ‘ইউরোপীয়’ ধাচের—তারা বেঁচে থাকার জন্য কাজ করেন, কাজ করার জন্য বাঁচেন না। কিন্তু স্বাস্থ্যবান এবং ভারসাম্যপূর্ণ মানুষ যারা কেবল বাঁচার জন্য কাজ করেন তারা খুব কমই শীর্ষে পৌঁছাতে পারেন। ** পৃষ্ঠা ৮২ * অবিবাহিত নারীরা প্রায়ই ভয় পান যে তারা যে পুরুষদের সাথে ডেট করছেন তারা হয়তো কম কেরিয়ার এবং বেশি সন্তান পালনের বিষয়টি পছন্দ করবেন না। সম্ভবত। যদি কোনো নারী অনেক বেশি কেরিয়ার সচেতন পুরুষকে বেছে নেন তবে তিনি যা বেছেছেন তাই পাবেন। সমাধান কী? এমন পুরুষদের মধ্য থেকে বেছে নিন যারা কেরিয়ার সচেতন নারীকে বিয়ে করতে পছন্দ করবেন এবং কয়েক বছরের জন্য সন্তানদের সাথে ঘরে থাকতে ভালো বোধ করবেন। এমন পুরুষ খুঁজে পাচ্ছেন না? আপনার ম্যাচকটকম প্রোফাইলে আপনার আগ্রহের কথা জানান—সঠিক মানুষ খোঁজার জন্য ইন্টারনেটই সেরা মাধ্যম। আপনি অবাক হয়ে যাবেন। ** পৃষ্ঠা ৮৩-৮৪ * যারা বেশি বেতন পায় তারা কম নিরাপত্তা চায়। বিষয়। ২০০৪ সাল। আমি আমার প্রকাশক প্রতিষ্ঠানের (অ্যামাকম) সেলস এবং মার্কেটিং টিমের কাছে ''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' বইটি উপস্থাপন করছি। বেশি বেতনের অন্যতম উপায় হিসেবে আর্থিক ঝুঁকির উদাহরণ দিতে আমি ঘরে উপস্থিত সবাইকে জিজ্ঞাসা করলাম যারা কমিশনের বিনিময়ে কাজ করেন তারা দাঁড়িয়ে যান। আটজন পুরুষ দাঁড়িয়ে গেলেন; কোনো নারী দাঁড়ালেন না। এরপর আমি যারা নির্দিষ্ট বেতনের বিনিময়ে কাজ করেন তাদের দাঁড়াতে বললাম: প্রায় সমান সংখ্যক নারী ও পুরুষ দাঁড়িয়ে গেলেন। ** পৃষ্ঠা ১০৭ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এমনকি নির্দিষ্ট কোনো পেশার ভেতরেও পুরুষদের আর্থিক ঝুঁকি নেওয়ার ধরণ দেখা যায়। নারী চিকিৎসকদের সরকারি বা কোনো এইচএমও প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সম্ভাবনা পুরুষদের চেয়ে তিন গুণ বেশি; অন্যদিকে পুরুষ চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বার বা একক প্র্যাকটিস করার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। ** পৃষ্ঠা ১০৮ * কর্পোরেট সংকট বা ক্যাচ-২২: নমনীয়তা না দেখালে ভালো নারী কর্মীদের হারান; নমনীয়তা দেখালেও ভালো নারী কর্মীদের হারান... একটি কোম্পানি যখন নারীদের নমনীয়তার ইচ্ছা এবং কম পদোন্নতির আকাঙ্ক্ষার কথা শুনে তাদের পদোন্নতি কম দেয় এবং পরে আবার কম পদোন্নতি দেওয়ার জন্য সেই কোম্পানির বিরুদ্ধেই মামলা হয়। ইদ্দিশ ভাষায় এর জন্য একটি শব্দ আছে: চুটজপা। ** পৃষ্ঠা ১১১-১২ * ইতিহাসের এই মুহূর্তে লক্ষ লক্ষ ‘চাকরিজীবী বাবা’ এমন কিছু করতে চাচ্ছেন যা করার অধিকার তারা আছে বলে মনে করেন না: বাবা হিসেবে বেশি সময় দেওয়া এবং কর্মী হিসেবে কম সময় দেওয়া। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের নারী এক্সিকিউটিভদের তুলনায় পুরুষ এক্সিকিউটিভদের মধ্যে এই অনুভূতি অনেক বেশি কারণ সেই অঞ্চলের নারী এক্সিকিউটিভদের সন্তান না থাকার সম্ভাবনা পুরুষদের চেয়ে ছয় গুণ বেশি। একজন এশিয়া-প্যাসিফিক পুরুষ এক্সিকিউটিভের চাকরিজীবী বাবা হওয়ার সম্ভাবনা একজন নারী এক্সিকিউটিভের চাকরিজীবী মা হওয়ার চেয়ে প্রায় ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১১৩ * হাজার বছর ধরে নারীরা পুরুষদের তাদের ভরণপোষণ করার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে পছন্দ করেছে। নারীরা কর্মক্ষেত্রে যত বেশি পারদর্শী হবে তারা তত বেশি নতুন ধরণের পুরুষের সাথে অংশীদারিত্বের পথ খুলে দেবে। আমি আশা করি এই বইয়ের প্রথম অংশ পুরুষদের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে। আমরা যখন পুরুষ-শাসিত পেশাগুলোতে পুরুষদের চেয়ে নারীদের আর্থিকভাবে ভালো করতে দেখি তখন তা কর্মক্ষেত্রে নারীদের প্রতি পুরুষদের মনোভাবের একটি উদার চিত্র তুলে ধরে। যেহেতু আমরা বেশি উপার্জনের জন্য আত্মত্যাগ করার কথা ভাবি তাই আমি আশা করি আমরা সেই ত্যাগগুলোর প্রশংসা করব যা পুরুষেরা তাদের পরিবারের ‘আর্থিক জঠর’ হয়ে পরিবারকে লালন করার জন্য করেছে। বিশেষ করে ‘চাকরিজীবী বাবাদের’ ত্যাগ এবং তাদের ‘অদৃশ্য লড়াই’-এর প্রশংসা করব। ** পৃষ্ঠা ১২২ * পুরুষেরা নিজেদের জন্য পছন্দ বা বিকল্প তৈরির ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে থাকলেও তারা আসলে নারীরা নিজেদের জন্য যে পছন্দগুলো চায় তার নীরব সমর্থক ছিল। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * পুরুষদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাবের গভীর উদ্দেশ্য হলো সেইসব শিশুদের জন্য আরও ভালো জীবন নিশ্চিত করা যাদের বাবা বা সৎ বাবারা তাদের অভিভাবক; আমাদের ছেলেদের জন্য কম লজ্জার পরিবেশ তৈরি করা যারা ভবিষ্যতে পুরুষ হবে; এবং আমাদের মেয়েদের জন্য পুরুষদের সন্তুষ্ট করার ইচ্ছার একটি গভীর বোধ তৈরি করা যা তাদের অনুভব করাবে যে তাদের সন্তুষ্ট করার মানসিকতা একপক্ষীয় নয় বরং পারস্পরিক—এতে আমাদের মেয়েরা নিজেকে কম একা এবং বেশি ভালোবাসার যোগ্য মনে করবে। আমরা যদি আয় বেশি করি এবং ভালোবাসা কম দিই তবে আমরা এমন একটি বাড়ির জন্য টাকা দিচ্ছি যেখানে আমরা বাস করি না। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * এক অর্থে শিশু যত্নের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের কাজের সাথে শিশুদের সম্পর্কের বিষয়টি একটি পূর্ণ চক্র সম্পন্ন করেছে। আমরা ছোট পারিবারিক ব্যবসা বা খামার যেখানে শিশু যত্ন এবং কাজ একসাথে চলত তা থেকে সন্তানদের ঘরে রেখে বাবার কাজে যাওয়ার যুগে গিয়েছিলাম; এখন আবার মা এবং বাবা উভয়েই ঘরে বসে কাজ করছেন যেখানে শিশু যত্ন এবং কাজ পুনরায় একত্রিত হয়েছে। সেই পুরনো পারিবারিক কাজের ধরণে আমরা আবার ফিরে এসেছি। ** পৃষ্ঠা ১৩১ * ইতিহাস জুড়ে পুরুষেরা শিখেছে যে টিকে থাকা, সম্মান এবং নারীর ভালোবাসা সবই অর্জিত হয় কোনো বড় সাফল্য বা ‘মেকিং আ কিলিং’-এর মাধ্যমে—তা পশু শিকার হোক, শত্রু বিনাশ হোক অথবা ওয়াল স্ট্রিটে বড় কোনো সাফল্য পাওয়া হোক। পুরুষেরা ভালোবেসে যা উৎপাদন করত নারীরা সেই অর্থ পেত। পুরুষেরা মনে করত টাকা, সম্পত্তি বা বীরত্ব ছাড়া তারা নারীর ভালোবাসার যোগ্য নয়। নারীরা মনে করত পুরুষেরা তাদের জন্য যে টাকা খরচ করে তা হলো তারা সেই পুরুষের কাছে কতটা মূল্যবান বা ভালোবাসার পাত্রী তার বহিঃপ্রকাশ। নারীর ভালোবাসার ক্ষমতা হয়ে উঠেছিল তার নিরাপত্তার উৎস: ‘হীরাই হলো একটি মেয়ের পরম বন্ধু’। মূলত ইতিহাস জুড়ে প্রায় সব সমাজে এবং সব শ্রেণিতে এই ধরণটিই সত্যি ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৩৫ * কর্মক্ষেত্রে নারীরা বৈষম্যের শিকার হয় এই বিশ্বাসটি কোনো দম্পতির মধ্যে নারীর ঘরে থাকার প্রবণতাকে আরও শক্তিশালী করে। নারীর ঘরে থাকার এই প্রবণতাই কর্মক্ষেত্রে তার গুরুত্ব কমিয়ে দেয়। এরপর বিয়ের ঠিক পরেই স্বামীর কেরিয়ারের জন্য তার নিজের বদলি হওয়া যুক্তিযুক্ত মনে হয় কিন্তু স্ত্রীর কেরিয়ারের জন্য স্বামীর বদলি হওয়া নয়। একইভাবে স্ত্রীর কেরিয়ারের চেয়ে স্বামীর ডাক্তারি, আইন বা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিতে বিনিয়োগ করা তাদের কাছে বেশি যুক্তিযুক্ত মনে হয়... বিদ্রূপের বিষয় হলো একটি মিথ্যা বাস্তবতা থেকে একটি আসল বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। আর বিদ্রূপের বিষয় হলো নারীদের কেরিয়ারে সাহায্য করার জন্য দেওয়া মন্তব্যগুলোই উল্টো তাদের কেরিয়ারের ক্ষতি করছে। নরকের পথ ভালো উদ্দেশ্য দিয়েই তৈরি হয়... ** পৃষ্ঠা ১৪৫ * আমরা যখন বলি যে পুরুষেরা বৈষম্য করে বলেই তারা শীর্ষে রয়েছে তখন আমরা মূল বিষয়টি ধরতে ভুল করি। পুরুষেরা কর্মক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে কারণ কাজ মূলত পুরুষদের দায়িত্ব ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * যদি দলগত খেলাগুলো কর্পোরেট জগতের জন্য ব্যবস্থাপনার দক্ষতা তৈরি করে তবে পাড়ার খেলাগুলো অনেকটা উদ্যোক্তা হওয়ার প্রশিক্ষণের মতো... পাড়ার খেলাগুলোতে এখনো ৯৯% পুরুষ থাকে। অর্থাৎ উদ্যোক্তা হওয়ার এই ধরণের প্রস্তুতি মূলত ৯৯% পুরুষালি সামাজিকীকরণের অংশ। আমি মনে করি এটিই একটি অন্যতম কারণ যে নিজের ব্যবসা চালানো পুরুষেরা তাদের নারী সমকক্ষদের তুলনায় দ্বিগুণ আয় করে। ** পৃষ্ঠা ১৫৬ * নারী-পুরুষ উভয়ই পুরুষ ডেন্টিস্টদের আমাদের মুখের ভেতর কাজ করার অনুমতি দিই, কিন্তু আপনি কি কখনো কোনো পুরুষ ডেন্টাল হাইজিনিস্টকে আপনার মুখের ভেতর কাজ করতে দিয়েছেন? পুরুষকে আমাদের ব্যক্তিগত জায়গাগুলোতে পৌঁছানোর জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে হয় যা কোনো নারীর ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় না—তাকে হয় ডাক্তার বা ডেন্টিস্ট হতে হবে নতুবা সেই আশা ছাড়তে হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮১ * নারীদের অধিকতর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং সৌন্দর্যের ক্ষমতা দৃশ্যমান এবং অদৃশ্য উভয় ধরণের আয়ের সুযোগ করে দেয়। এই সুযোগ প্রায় সব নারী এবং কিছু পুরুষের জন্য থাকলেও ‘জেনেটিক সেলিব্রিটি’ বা জন্মগতভাবে সুন্দরীদের ক্ষেত্রে তা অঢেল পরিমাণে থাকে... এমন সুন্দরী নারী যার পেছনে পুরুষেরা কেবল তাকিয়ে দেখা বা কথা বলাই নয় বরং তার অনুসরণও করে। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * আমি যখন জাপানে ''হোয়াই মেন আর দ্য ওয়ে দে আর'' বইটির প্রচারে গিয়েছিলাম তখন আমাকে ‘স্নাক’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছিল। ‘স্নাক’ বিষয়টি এভাবে কাজ করে: একজন পুরুষ কাজ থেকে বাড়ি ফিরছে এবং তার দিনটি খুব খারাপ কেটেছে। সে মনে করে না যে তার স্ত্রী তার কথা শুনতে চাইবে তাই সে ৫০ থেকে ৮০ ডলার খরচ করে একটি ‘স্নাক’-এ যায়—যেখানে সে স্যান্ডউইচ, পানীয় এবং একজন সুন্দরী নারী পায় যে সহানুভূতির সাথে তার কথা শুনবে—নিরাপদভাবে বলতে গেলে খাবারের সাথে একজন সুন্দরী মনোবিজ্ঞানী। সেখানে কোনো পুরুষ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয় না। ** পৃষ্ঠা ১৯৮ * আইনজীবীদের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে যেসব আইনজীবীদের ছবি নিরপেক্ষভাবে বেশি সুদর্শন বলে মনে করা হয়েছিল তারা কম সুদর্শন আইনজীবীদের তুলনায় বছরে প্রায় ১২% বেশি আয় করেন। সুদর্শন আইনজীবীরা বেশি সময় ধরে কাজ করতেন কিন্তু যখন সেই সময় এবং অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয় তখনও দেখা যায় যে সুদর্শন আইনজীবীরা ঘণ্টায় অনেক বেশি আয় করেন। বলা বাহুল্য পুরুষ আইনজীবীদের নারীদের তুলনায় কম আকর্ষণীয় হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল যা নারীদের আয়ের ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। চেহারার আকর্ষণীয়তার ব্যবধান যত বেশি আয়ের ব্যবধানও তত বেশি ছিল। সময় যত গড়িয়েছে এই ব্যবধান তত বেড়েছে। মাঝে মাঝে জীবন ন্যায়বিচার করে না। ** পৃষ্ঠা ১৯৯-২০০ * নারীদের জন্মগত সৌন্দর্যের ক্ষমতা পুরুষদের রক্ষাকর্তার প্রবৃত্তিকে বাড়িয়ে দেয়। এটি বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকারকে অনুপ্রাণিত করে। জন্মগত সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষদের এই আসক্তি হয় অদৃশ্য অথবা তারা এটি অস্বীকার করার পর্যায়ে থাকে—ফলে আমরা হয় এটি দেখতে পাই না নতুবা সামনে এলে অস্বীকার করি। ** পৃষ্ঠা ২০৭ * এটি নিজের ওপর পরীক্ষা করে দেখুন। কল্পনা করুন এক মাস ধরে আপনার ময়লা পরিষ্কার করা হয়নি এবং আপনি নতুন কোনো নৃতাত্ত্বিক আবিষ্কার সম্পর্কে পড়ার সুযোগও পাননি। কোনটি সমাধান করতে আপনি বেশি টাকা খরচ করবেন? একটি সমাজ যখন কার্যকরভাবে চলে তখন তারা চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেতন নির্ধারণ করে। এই সামঞ্জস্য করতে ব্যর্থ হলে কেবল রাস্তা ময়লায় ভরে যায় না বরং নৃতাত্ত্বিকদের বেকারত্বের দীর্ঘ লাইনও তৈরি হয়। ** পৃষ্ঠা ২১১ * বেকারত্ব অবশ্যই অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দেয় যা আরও বেকারত্ব তৈরি করে। বিদ্রূপের বিষয় হলো বেকারত্ব পুরুষদের চেয়ে নারীদের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে। নারীবাদীরা যুক্তি দেন যে এটি লিঙ্গবৈষম্যের কারণে হয়: নারীদের সবশেষে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং সবার আগে ছাঁটাই করা হয়। ফলাফলটি সঠিক হলেও কারণটি ভুল। আমাদের যা সবচাইতে বেশি প্রয়োজন আমরা তাকে আগে নিয়োগ দিই এবং যা সবচাইতে কম প্রয়োজন তাকে আগে ছাঁটাই করি। একারণেই আপনি ময়লা সংগ্রাহককে আগে নিয়োগ দেন এবং সবার শেষে ছাঁটাই করেন। পুরুষদের হয়তো আগে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং সবার শেষে ছাঁটাই করা হয় কারণ অনেক পুরুষ সমাজের নোংরা এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো কম মূল্যে করতে রাজি হয়। ** পৃষ্ঠা ২১২ * নারীদের মধ্যে সবচাইতে অনস্বীকৃত ব্যয়ের প্রত্যাশা হলো একক মায়েরা শিশুদের লালন-পালনের পেছনে যে সময় ব্যয় করেন—তা কেবল শারীরিকভাবে নয় বরং মানসিকভাবেও। আমার মনে হয় একজন মায়ের সময়ের খুব সামান্য অংশই চাইল্ড সাপোর্ট বা আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে পূরণ করা হয় যদি বিবেচনা করা হয় যে সেই সময়টুকু তিনি কর্মক্ষেত্রে দিলে কত আয় করতে পারতেন... একারণেই যেসব নারী কখনো বিয়ে করেননি এবং যাদের সন্তান নেই তারা কর্মক্ষেত্রে মায়েদের তুলনায় অনেক বেশি আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২২ === ''দ্য বয় ক্রাইসিস'' (২০১৮) === * “যারা বাবা হতে চলেছেন তাদের মধ্যে ছেলে সন্তানের চেয়ে মেয়ে সন্তান পছন্দ করার সম্ভাবনা প্রায় দ্বিগুণ।” ** পৃষ্ঠা ২ * পঁচিশ থেকে একত্রিশ বছর বয়সী যুবকদের তাদের সমবয়সী নারীদের তুলনায় বাবা-মায়ের সাথে থাকার সম্ভাবনা ৬৬ শতাংশ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২ * “পুরুষত্বের অবসান” বা পুরুষদের শেষ হয়ে যাওয়ার আগাম ধারণা আপনার ছেলের জীবন সংগ্রামের জন্য মোটেও কোনো অনুপ্রেরণা নয়। ** পৃষ্ঠা ৪ * যখন কেবল একটি লিঙ্গ জয়ী হয় তখন আসলে উভয় লিঙ্গই হেরে যায়। ** পৃষ্ঠা ৪ * কেবল ছেলেদের দিকে তাকিয়ে আমরা ছেলেদের সংকট বা বয় ক্রাইসিস সমাধান করতে পারি না। ** পৃষ্ঠা ৯ * ছেলেদের নিয়ে লেখা একটি বইতে আমি পুরুষদের নিয়ে আলোচনা করেছি কারণ পুরুষেরা হলো সেই রোল মডেল যারা আপনার ছেলেকে হয় একটি সুন্দর কাঠামো এবং অনুপ্রেরণা দেবে নতুবা তাকে লক্ষ্যহীন ও বিষণ্ণ করে তুলবে। ** পৃষ্ঠা ৯ * ইরোকুইদের মহান আইন হলো যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের পবিত্রতম দায়িত্ব হলো সাত প্রজন্ম পরের কথা ভাবা—অর্থাৎ আজ আমরা যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি তা কেবল আমাদের বা আমাদের সন্তানদের জন্যই নয় বরং ভবিষ্যতে আমাদের কয়েক প্রজন্ম পরের সন্তানদেরও উপকার করবে কি না তা নিয়ে সচেতন হওয়া। ** পৃষ্ঠা ৯ * যখন দাদারা বাবা ছিলেন তখন দাদাদের সেই বিশেষ ধরণের লালন-পালন যেমন বাচ্চাদের সাথে ধস্তাধস্তি করা অথবা সন্তানদের সেবা পাওয়ার বদলে সেবা করার যে প্রত্যাশা তা কেন শিশুদের বিকাশে এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল তা নিয়ে কোনো গবেষণা ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১০ * ভবিষ্যতের কোনো ভাবনাই নিখুঁত হতে পারে না। তবে ''দ্য বয় ক্রাইসিস''-এর লক্ষ্য হলো গত আধা শতাব্দী ধরে নারী ও মেয়েদের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে যে জাতীয় আলোচনা হয়েছে তার সাথে ছেলে এবং পুরুষদের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়েও একইভাবে বিস্তারিত আলোচনা করা। ** পৃষ্ঠা ১০ * কোনো ছেলে যখন মানসিক স্বাস্থ্যের এক আঁকাবাঁকা পথে চলতে থাকে এবং নিজেকে একা ও বিষণ্ণ মনে করে কারণ সে ভাবে যে তার আসল রূপটি কেউ ভালোবাসে না বা তাকে কারো প্রয়োজন নেই এবং এই অবস্থার পরিবর্তনের কোনো আশাও নেই—তখন সে একদিন পাহাড়ের কিনারায় পৌঁছে হয়তো নিজেকে শেষ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৫ * স্কুল এবং অন্যান্য গণ-শুটিংয়ে যে খুন ও আত্মহত্যার সমন্বয় দেখা যায় তা মূলত মানসিকভাবে বিপর্যস্ত শ্বেতাঙ্গ ছেলেদের পাহাড়ের কিনারা থেকে নিচে পড়ে যাওয়ার মতোই একটি বিষয়। ** পৃষ্ঠা ১৬ * শ্বেতাঙ্গ পুরুষদের মধ্যে আত্মহত্যার হার বৃদ্ধি পাওয়ায় এইডস-এ যত শ্বেতাঙ্গ পুরুষ মারা গেছেন ঠিক ততজনই আত্মহত্যার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন। ** পৃষ্ঠা ১৫ * দশ থেকে বিশ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ ছেলেদের মৃত্যুর প্রধান দশটি কারণের মধ্যে খুনের শিকার হয়ে মারা যাওয়ার সংখ্যা বাকি নয়টি কারণের সম্মিলিত সংখ্যার চেয়েও বেশি। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পুরুষালি ভূমিকার চাপ এবং হরমোনের প্রভাব বাড়ার সাথে সাথে আত্মহত্যার হারও বৃদ্ধি পায়। বয়ঃসন্ধির আগে ছেলে এবং মেয়েদের আত্মহত্যার হার প্রায় সমান থাকে। তবে দশ থেকে চৌদ্দ বছর বয়সের মধ্যে ছেলেদের আত্মহত্যার হার মেয়েদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পনেরো থেকে উনিশ বছর বয়সের মধ্যে ছেলেদের আত্মহত্যার হার মেয়েদের চার গুণ; আর বিশ থেকে চব্বিশ বছর বয়সের মধ্যে পুরুষদের আত্মহত্যার হার নারীদের তুলনায় পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১৬ * গুরুত্ব কমে যাওয়ার ফলে পুরুষেরা নিজেদের মূল্যহীন মনে করতে শুরু করেছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬ * ২০১৫ সালের দিকে ভালো অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যেও নারীদের তুলনায় পুরুষেরা সাড়ে তিন গুণ বেশি আত্মহত্যা করছিল। ** পৃষ্ঠা ১৭ * বয় ক্রাইসিস বা ছেলেদের সংকট যে একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে তার সবচাইতে বড় প্রমাণ হলো ১৯৭৩ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জেল এবং কয়েদিদের সংখ্যা ৭০০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * জেলে থাকা কৃষ্ণাঙ্গ যুবকদের বিশাল সংখ্যার পেছনে আমরা প্রায়ই বর্ণবাদকে কারণ হিসেবে দেখি কিন্তু যেহেতু কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষদের অন্য পরিচয়টি হলো তারা “পুরুষ”, তাই এর পেছনে আমাদের লিঙ্গবৈষম্য দায়ী কি না তা আমরা খুব কমই ভেবে দেখি। ** পৃষ্ঠা ১৮ * আজ পর্যন্ত আমাদের কারাগার সংক্রান্ত আলোচনা কেবল বন্দি রাখা বনাম সংশোধনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে, অপরাধ প্রতিরোধ বনাম বন্দিত্বের ওপর নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮ * একজন প্রাথমিক স্কুল শিক্ষার্থীর পেছনে ব্যয়ের তুলনায় জেলখানায় ব্যয়ের হার পাঁচ গুণ বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ১৯ * বর্তমানে পঞ্চাশ বছরের কম বয়সী ছেলে এবং পুরুষদের মৃত্যুর সম্ভাবনা একই বয়সী মেয়ে এবং নারীদের তুলনায় দ্বিগুণ। ** পৃষ্ঠা ২০ * প্রতিদিন ১৫০ জন কর্মী ঝুঁকিপূর্ণ কাজের পরিবেশে মারা যান। আর তাদের মধ্যে ৯২ শতাংশই হলেন পুরুষ। ** পৃষ্ঠা ২১ * সামগ্রিকভাবে এই কাজগুলোকে “গ্লাস সেলার” বা অন্ধকূপের কাজ বলা যেতে পারে। এখানে কেবল পুরুষরাই থাকে কারণ প্রায় সব ক্ষেত্রেই আমাদের ছেলেরাই তাদের পরিবারের সুন্দর জীবনের জন্য মৃত্যুর ঝুঁকি নিতে রাজি হয়। ** পৃষ্ঠা ২২ * বিগোরিক্সিয়া বা মৃত্যু পেশা বেছে নেওয়া যাই হোক না কেন আমাদের ছেলেরা এবং আমাদের মেয়েরা প্রায়ই এমন কিছুর প্রতি সাড়া দেয় যা তাদের প্রশংসা এবং শ্রদ্ধা এনে দেবে বলে তারা মনে করে। ** পৃষ্ঠা ২৪ * আপনার ছেলের দাদার কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল তার কাজের উন্নতি না হওয়া; কিন্তু আপনার ছেলের কাছে চ্যালেঞ্জ হলো তার কাজ অন্য কোথাও চলে যাওয়া। ** পৃষ্ঠা ২৫ * আপনার ছেলে এমন এক অর্থনীতিতে প্রবেশ করবে যা শারীরিক শক্তির বদলে এখন মানসিক শক্তি বা মাইক্রোচিপের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। ** পৃষ্ঠা ২৫ * গত চল্লিশ বছরে কেবল হাই স্কুল ডিপ্লোমা থাকা ছেলেদের বার্ষিক গড় আয় ২৬ শতাংশ কমেছে। ** পৃষ্ঠা ২৫ * চাকরি পাওয়া যত কঠিন হয় জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়াও ততটাই কঠিন হয়ে পড়ে। ** পৃষ্ঠা ২৬ * এটিই আমাদের জিনগত ঐতিহ্য। এই প্রক্রিয়াটি আমাদের অতীতে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে কিন্তু আমাদের ভবিষ্যতের জন্য এর আর প্রয়োজন নেই। কিন্তু যেহেতু আমরা রাতারাতি বিবর্তন পরিবর্তন করতে পারি না তাই আসুন আপনার ছেলেকে এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে সাহায্য করি। ** পৃষ্ঠা ২৬ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ৪১ শতাংশ মেয়ে লেখায় দক্ষ হলেও ছেলেদের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ২০ শতাংশ। ** পৃষ্ঠা ২৮ * যেসব ছেলে অনুপ্রাণিত হয় তারা সমাজের সবচাইতে গঠনমূলক শক্তিতে পরিণত হতে পারে—যেমন নতুন কিছু উদ্ভাবন করা (যেমন অ্যামাজন, অ্যাপল, ফেসবুক, মাইক্রোসফট এবং গুগল)—অন্যদিকে ছেলেদের শক্তিকে যদি সঠিকভাবে পরিচালিত করা না হয় তবে তারা সিরিয়াল কিলার বা অপরাধীতে পরিণত হয়ে সমাজের সবচাইতে ধ্বংসাত্মক শক্তিতেও পরিণত হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২৯ * জাপান তাদের কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম অনেক বাড়িয়েছে যেখানে ২৩ শতাংশ হাই স্কুল গ্র্যাজুয়েট কারিগরি স্কুলে পড়াশোনা করে। এর ফলে ৯৯.৬ শতাংশ জাপানি কারিগরি শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশনের পরপরই চাকরি পায়। ** পৃষ্ঠা ৩১ * আমার মনে হয় আপনার ছেলের ভবিষ্যতের জন্য আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হবে: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই যত উন্নত হবে মানুষ মানুষের কাছ থেকে সেই আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ততটাই বেশি করবে। ** পৃষ্ঠা ৩১ * যখন নারী ও পুরুষ উভয়কেই অন্যের অনুভূতি সঠিকভাবে বোঝার জন্য পারিশ্রমিক দেওয়া হয় তখন সহানুভূতির লিঙ্গ ব্যবধান ঘুচে যায়! এর মানে হলো সহানুভূতি এবং আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার ক্ষমতা ছেলে ও পুরুষদের ভেতরেই আছে; আমাদের শুধু তাদের জানাতে হবে যে আমরা এই গুণের জন্য তাদের মূল্যায়ন করব। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যারা অন্যদের উত্ত্যক্ত করে এবং যারা উত্ত্যক্ত হয় তাদের মধ্যে তিনটি মিল আছে: উভয়েই নেতিবাচক পরিবার, স্কুল এবং সামাজিক পরিবেশ থেকে আসে; উভয়েরই আত্মমর্যাদা কম এবং উভয়েরই সামাজিক দক্ষতা দুর্বল। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যেহেতু সহানুভূতি এবং আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা শেখানো সম্ভব এবং এই দক্ষতাগুলোই ভবিষ্যতের পেশার জন্য সবচাইতে বেশি প্রয়োজন তাই আমাদের প্রাথমিক স্কুল থেকেই এই শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা দরকার। ** পৃষ্ঠা ৩২ * বিশ্বজুড়ে ছেলেদের পড়ার দক্ষতা, গণিত এবং বিজ্ঞানের মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে মেয়েদের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি ফেল করার সম্ভাবনা থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩৪ * আশির দশকের পর থেকে ছেলেদের আইকিউ প্রায় ১৫ পয়েন্ট কমেছে। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * আত্মহত্যা এখন সারা বিশ্বে “যুদ্ধ, খুন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মিলিত মৃত্যুর চেয়েও বেশি প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে যা ৩৬ মিলিয়ন বছরের স্বাস্থ্যকর জীবন চুরি করে নিচ্ছে”। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * ভারতে পুরুষদের আত্মহত্যার হার নারীদের তুলনায় নয় গুণ বেশি দ্রুত গতিতে বাড়ছে। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * ছেলে ও পুরুষদের মৃত্যু এবং কষ্টের প্রতি আমাদের সংবেদনশীলতা আমাদের বেঁচে থাকার সহজাত প্রবৃত্তির সাথে প্রতিযোগিতায় নামে। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * যুদ্ধে জেতার জন্য আমাদের ছেলেদের পরিত্যাজ্য হতে শেখাতে হয়েছিল। আমরা ছেলেদের সম্মান জানাতাম যদি তারা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রাণ দিত। আমরা তাদের বীর বা হিরো বলতাম। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * কোনো ছেলে যত বেশি নিজের অনুভূতি দমন করে এবং নিজের হৃদয়ের চারপাশে বর্ম তৈরি করে আমাদের পক্ষে তার প্রতি মন খোলা রাখা ততটাই কঠিন হয়ে পড়ে। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * আমরা একে ইকিগাই বলি বা জীবনের উদ্দেশ্য—আমরা যখন এমন কিছু করি যা আমাদের জীবনকে অর্থবহ করে তোলে তখন সেটিই আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। ** পৃষ্ঠা ৪৬ * সে যদি তার ভালো লাগার কাজ করে তবে আপনি হয়তো টাকার অভাব অনুভব করবেন। ** পৃষ্ঠা ৪৮ * বেশি বেতনের পথটি একটি টোল বা কর দেওয়ার পথ। ** পৃষ্ঠা ৪৮ * পিতৃত্ব ছিল আপনার বাবার নিজের পছন্দের কাজ ত্যাগ করে আপনার প্রতি তার ভালোবাসা বেছে নেওয়া। ** পৃষ্ঠা ৪৮ * “আমার বাবার ধ্যান-জ্ঞান ছিল তার ক্যারিয়ার—তিনি সব সময় তাই করতেন যা তিনি পছন্দ করতেন।” ** পৃষ্ঠা ৪৯ * আমরা আমাদের বাবাকে চিনি আর না চিনি তার সাথে আমাদের একটি সম্পর্ক থাকে। আমাদের মনে যে ধারণাটি থাকে সেটিই হলো তার সাথে আমাদের সম্পর্ক। ** পৃষ্ঠা ৫১ * আপনার ছেলে হয়তো অনুভব করতে পারে যে পুরুষালি ভূমিকা তাকে অন্য কেউ খরচ করবে এমন অর্থ উপার্জনের দায়িত্ব দিয়ে নিজে অকালে মৃত্যুবরণ করার চাপ দিচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৫২ * আপনার ছেলের বীরেরা প্রথাগত মই বেয়ে ওঠেনি—তারা তাদের নিজস্ব পথ তৈরি করেছে। ** পৃষ্ঠা ৫৩ * জাপানি ছেলেদের অবচেতন বোধ হলো: বিজয়ী বাবা আসলে তাদের কাছে পরাজিত বাবা। ** পৃষ্ঠা ৫৩ * ডন ড্রেপার যদি পুরুষ হওয়ার অর্থ নিয়ে আত্মসমালোচনা করার পর্যায়ে পৌঁছান তবে সেখান থেকেই তার শুরু করা উচিত। ** পৃষ্ঠা ৫৫ * নারী আন্দোলন প্রতিটি মেয়েকে সাবধান করেছে কীভাবে বিয়ে তার ক্যারিয়ার বিসর্জন দিতে প্ররোচনা দিতে পারে। কিন্তু কেউ ছেলেদের সাবধান করেনি কীভাবে বিয়ে তার ক্যারিয়ারে আপস করতে প্ররোচনা দিতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৫৭ * জন লেনন যদি তার বড় ছেলে জুলিয়ানের প্রতি শনের মতো যত্নশীল হতেন তবে আমরা জন লেননের নামই শুনতাম না। ** পৃষ্ঠা ৬০ * হিরো শব্দটি এসেছে ‘সার-’ মূল থেকে যেখান থেকে আমরা ‘সার্ভেন্ট’ বা সেবক শব্দটিও পাই। ** পৃষ্ঠা ৬১ * জ্যাকের বাবাকে একজন ফুটবল বীর হিসেবে গড়ে তোলা ছিল জ্যাককে পুরুষত্বের জন্য প্রস্তুত করার একটি অবচেতন পথ যেখানে প্রশংসা এবং মূল্যায়নের বিনিময়ে সে তার শরীর বিসর্জন দিতে শেখে। ** পৃষ্ঠা ৬৪ * আপনার ছেলে সেই “হিরো প্যারাডক্স” বা বীরের ধাঁধা শেখে: নিজের গুরুত্ব না দেওয়ার মাধ্যমেই নিজের গুরুত্ব খুঁজে পাওয়া। ** পৃষ্ঠা ৬৫ * ‘দ্য ডেডলিয়েস্ট ক্যাচ’ অনুষ্ঠানে পুরুষেরা যে মৃত্যুর মুখোমুখি হয় তা বিনোদনের উৎস হয় কিন্তু উদ্বেগের কারণ হয় না। ** পৃষ্ঠা ৬৭ * একজন স্বেচ্ছাসেবক ফায়ারফাইটারের পারিশ্রমিক কী? প্রশংসা। সম্মান। উদ্দেশ্য। ** পৃষ্ঠা ৬৭ * এই সেই সামাজিক প্রলোভন যা আপনার ছেলে যদি বড় হওয়ার আগেই গ্রহণ করে ফেলে তবে তা তাকে অন্যের নিরাপত্তার দাসে পরিণত করতে পারে যেখানে নিজের নিরাপত্তার প্রতি তার কোনো ভ্রুক্ষেপ থাকবে না। ** পৃষ্ঠা ৬৭ * আপনার ছেলে যুদ্ধে মারার জন্য বা কর্মক্ষেত্রে বীর হওয়ার জন্য যেসব গুণাবলি অর্জন করে সেগুলো ঘরে ভালোবাসার জন্য প্রয়োজনীয় গুণগুলোকে নষ্ট করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৬৮ * যেসব নারী মানসিকভাবে এবং আধ্যাত্মিকভাবে উন্নতি করতে পেরেছিলেন তারা এমন পুরুষদের বিয়ে করেছিলেন যারা সবচাইতে কম উন্নতি করতে পেরেছিল। ** পৃষ্ঠা ৭১ * নিক সেই বাবার অদ্ভুত সংকট বা ক্যাচ-২২ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলেন: পরিবারকে ভালোবাসার জন্য পরিবারের ভালোবাসা থেকে দূরে থাকা। ** পৃষ্ঠা ৭৪ * আর ভালোবাসা ছাড়া আপনার ছেলের উদ্দেশ্যের কোনো মানে নেই। ** পৃষ্ঠা ৭৭ * এমা বোভারির সবকিছু ছিল কিন্তু তবুও আসলে কিছুই ছিল না। ** পৃষ্ঠা ৭৮ * টিকে থাকার প্রশ্ন যত বেশি থাকে আমরা তত বেশি বলি, “দুঃখিত, এটি একটি মেয়ে।” বিলাসিতা যত বেশি থাকে আমরা তত বেশি বলতে পারি, “দুঃখিত, এটি একটি ছেলে।” ** পৃষ্ঠা ৭৯ * যেকোনো লিঙ্গকে কম গুরুত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। ** পৃষ্ঠা ৮১ * যেসব নারীর অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ আছে তারা ক্রমবর্ধমানভাবে আপনার ছেলের কাছে আবেগীয় এবং সম্পর্কের বুদ্ধিমত্তা চাইবে। ** পৃষ্ঠা ৮২ * যদি আপনার ছেলে তার ভালো লাগার কাজ করে তবে সম্ভবত সে টাকার অভাব অনুভব করবে। ** পৃষ্ঠা ৮৩ * যেসব ছেলে স্কুলে আগ্রহী নয় তাদের প্রায়ই এমন কিছুতে আগ্রহ থাকে যা বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ভবিষ্যতের চাকরিতে কাজে লাগানো যেতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৮৭ * আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার একটি মূল মাপকাঠি হলো এটা জানা যে প্রতিটি গুণ যখন অতিরিক্ত করা হয় তখন তা দোষে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ৮৯ * আমরা অবিশ্বাস্যভাবে সফল ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার নিই তাই তারা সবার সামনে থাকে। কিন্তু যারা একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন কাটায় আমরা তাদের অবহেলা করি তাই তারা অদৃশ্য থেকে যায়। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * যদিও বাবা-মা উভয়ের সক্রিয় উপস্থিতি আপনার ছেলের মানসিক প্রশান্তিকে বাড়িয়ে দেয় তবুও একজন সচেতন অভিভাবকও পথ দেখাতে পারেন। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * ব্যায়াম করা পড়ার চেয়েও কার্যকরভাবে শিশুর মস্তিষ্কের গঠন ঠিক করতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ৯৪ * পাড়ার খেলাধুলা উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য চমৎকার প্রস্তুতি। ** পৃষ্ঠা ৯৪ * আপনার ছেলে যখন ব্যক্তিগত খেলাধুলার পাশাপাশি পাড়ার এবং দলগত খেলায় অংশ নেবে তখন সে খেলাধুলাকে ছেলেদের উপযোগী একটি শিল্প হিসেবে অনুভব করবে। ** পৃষ্ঠা ৯৪ * একজন আধুনিক ছেলের মূলমন্ত্র হলো “যখন পরিস্থিতি কঠিন হয় তখন বুঝতে চেষ্টা করো কখন ধৈর্য ধরতে হবে।” ** পৃষ্ঠা ৯৫ * চিরাচরিত পুরুষ বীর হলো আত্মত্যাগের প্রতীক, আত্ম-উপলব্ধির নয়। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * চিরাচরিত পুরুষ বীরের চাহিদার তালিকায় আত্ম-উপলব্ধি কোথাও নেই কারণ সে নিজেকে যত বেশি গুরুত্ব দেবে তত সে নিজেকে বিসর্জন দিতে কম আগ্রহী হবে। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * তাৎক্ষণিক তৃপ্তি ত্যাগ করার যে শৃঙ্খলা তা আপনার ছেলের সবচাইতে বেশি প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ৯৮ * সমাধান হলো—একজন ভারসাম্যপূর্ণ পুরুষ গড়ে তোলা—যেখানে চিরাচরিত পুরুষের সেরা গুণগুলোর সাথে আধুনিক আত্ম-সচেতন পুরুষের মেলবন্ধন থাকবে। ** পৃষ্ঠা ৯৯ * উন্নত দেশগুলোর সবচাইতে বড় সংকট হলো বাবা-বঞ্চিত সন্তান এবং বিশেষ করে বাবা-বঞ্চিত ছেলে। এটি সমাধান না করে বয় ক্রাইসিস সমাধান করা সম্ভব নয়। ** পৃষ্ঠা ১০২ * মা, বাতাস এবং জলের মতো বাবারাও আমাদের জীবনের জন্য অপরিহার্য। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * আর যখন ছেলেরা আঘাত পায় তখন তারা আমাদেরও আঘাত দেয়—শারীরিকভাবে, মানসিকভাবে এবং আর্থিকভাবে। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * বিচ্ছেদ বা বাবাকে হারানোর পর ছেলে ও মেয়ে উভয়েই অসুখী হয় কিন্তু বিশেষ করে বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে মেয়েদের কষ্ট এক বা দুই বছরের মধ্যে কমে যায় যেখানে ছেলেদের কষ্ট কমে না। ** পৃষ্ঠা ১০৯ * ক্যারিয়ার এখনকার জন্য কিন্তু সন্তানরা সব সময়ের জন্য। ** পৃষ্ঠা ১১৩ * বাবার অনুপস্থিতি সরকারের উপস্থিতিকে বাড়িয়ে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * পরিবারে বাবার সংশ্লিষ্টতা একটি অব্যবহৃত সম্পদ ঠিক যেমন এক সময় কর্মক্ষেত্রে নারীদের সংশ্লিষ্টতা একটি অব্যবহৃত সম্পদ ছিল। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * বাবা হওয়ার ইচ্ছা ছেলের মনে শুরু হয় যখন সে তার বাবার মধ্যে নিজেকে দেখতে পায়। ** পৃষ্ঠা ১১৭ * জেলখানাগুলো হলো বাবা-বঞ্চিত পুরুষদের কেন্দ্র—যারা কখনোই মানুষ হতে পারেনি। ** পৃষ্ঠা ১২০ * দোষী সাব্যস্ত হলে আপনার ছেলে গড়ে নারীদের তুলনায় ৬৩ শতাংশ দীর্ঘ সাজা পাবে। ** পৃষ্ঠা ১২০ * কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গদের সাজার ব্যবধানের তুলনায় পুরুষ ও নারীদের সাজার ব্যবধান ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১২০ * শিক্ষাক্ষেত্রে লিঙ্গ ব্যবধানের মূল কারণ হতে পারে বাবার অনুপস্থিতিতে ছেলেদের বেশি প্রভাবিত হওয়া। ** পৃষ্ঠা ১২২ * এমনকি বর্ণ, শিক্ষা, আয় এবং অন্যান্য বিষয় সমান থাকলেও বাবার সান্নিধ্য ছাড়া বড় হওয়া একটি শিশুর হাই স্কুল থেকে ড্রপ আউট হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণ বেড়ে যায়। ** পৃষ্ঠা ১২২ * বাবার অনুপস্থিতি কেবল নেতিবাচক ফলাফলের সাথেই যুক্ত নয় বরং এটিই নেতিবাচক ফলাফলের মূল কারণ। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * বাবা আছেন এমন পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা গণিত এবং বিজ্ঞানে ভালো ফল করে এমনকি তারা যদি একাডেমিকভাবে দুর্বল স্কুলে পড়ে তবুও। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যখন কম আয় এবং বাবার সান্নিধ্য পাওয়া শিশুদের সাথে বেশি আয় কিন্তু বাবার সান্নিধ্য না পাওয়া শিশুদের তুলনা করা হয়েছিল তখন সহিংস অপরাধের হারে কোনো পার্থক্য ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যেসব মেয়ের নিজের বাবার সাথে ভালো সম্পর্ক ছিল তাদের মধ্যে একজনও ১৯ বছর বয়সের আগে মা হয়নি। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * অবিবাহিত দম্পতিরা যখন সন্তান হওয়ার সময় একসাথে থাকে তখন সেই শিশুদের ৪০ শতাংশই তাদের তৃতীয় জন্মদিনের পর থেকে পরবর্তী দুই বছর অর্থাৎ তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে তাদের বাবার সাথে নিয়মিত কোনো যোগাযোগ পায় না। ** পৃষ্ঠা ১২৪ * তিরিশ বছরের কম বয়সী মায়েদের অর্ধেকের বেশি সন্তান বিয়ের বাইরে জন্ম নিয়েছে। ** পৃষ্ঠা ১২৪ * মইনিহান রিপোর্টে বলা হয়েছে যে একটি কৃষ্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠ সমাজে দরিদ্র হওয়ার মূল কারণ বর্ণ নয় বরং মা-বাবার অবিবাহিত থাকা। কেন? কারণ বিয়ের অনুপস্থিতি মানেই হলো বাবার সংশ্লিষ্টতা না থাকা। ** পৃষ্ঠা ১২৫ * ১৯৬৫ সালে মইনিহান রিপোর্টে এক-চতুর্থাংশ কৃষ্ণাঙ্গ শিশুর বিয়ের বাইরে জন্ম হওয়াকে সংকট বলা হয়েছিল কিন্তু আজ শ্বেতাঙ্গ শিশুদের ক্ষেত্রে এই হার ৩৬ শতাংশ। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * “আমার মা বারবার সাবধান করে যা অনেকটা ‘মিথ্যা রাখালের’ মতো। আমার বাবা একবার সাবধান করে আর তারপর সে নিজেই বাঘ হয়ে যায়।” ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * সীমানা বা সীমাবদ্ধতাকে গুরুত্ব দিতে শেখানো শিশুকে অন্যদের প্রয়োজনকে সম্মান করতে শেখায়। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * সহানুভূতি একটি গুণ যা যখন কেবল বাবা-মায়ের পক্ষ থেকে সন্তানের দিকে যায় কিন্তু সন্তানের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা করা হয় না তখন তা দোষে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩৮ * ঘর থেকে কাজ করার জন্য স্ব-প্রণোদিত হওয়া প্রয়োজন। আর কঠোর নিয়ম ছাড়া বড় হওয়া শিশুরা খুব কমই তাৎক্ষণিক তৃপ্তি ত্যাগ করার সেই গুণটি অর্জন করতে পারে যা স্ব-প্রণোদিত হওয়ার জন্য প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১৪১ * বাবার সাথে খেলা অনেকটা রোলার কোস্টারে ওঠার মতো—বাচ্চারা উত্তেজিত থাকে কারণ তারা নিরাপদ অনুভব করে। ** পৃষ্ঠা ১৪২ * মার্টিন যখন তামাশা করত তখন সে ম্যাগি এবং মার্টি জুনিয়রকে তার চোখের চাহনি, গলার স্বর বা মুখের ভঙ্গির সূক্ষ্ম পরিবর্তন দেখে অর্থ বুঝতে শেখাত। ** পৃষ্ঠা ১৪৯ * হাস্যরসের মাধ্যমে একে অপরকে খোঁচা দেওয়া হলো ছেলেদের এবং পুরুষদের অবচেতনভাবে একে অপরকে সেই সমালোচনা সহ্য করার প্রশিক্ষণ দেওয়া যা সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * হাস্যরসের ছলে একে অপরকে তুচ্ছ করা হলো সমালোচনার মুখোমুখি হওয়ার প্রশিক্ষণ কারণ অবচেতনভাবে তারা জানে যে সমালোচনা সহ্য করার ক্ষমতা সাফল্যের পূর্বশর্ত। ** পৃষ্ঠা ১৫১ * ছেলেদের মধ্যে যদি আপনি কাউকে নিয়ে মজা না করতে পারেন তবে আপনি তাকে বিশ্বাসও করতে পারবেন না। ** পৃষ্ঠা ১৫২ * যেসব বিবাহিত দম্পতি বিবাদের সময় একে অপরকে নিয়ে রসিকতা করে তারা সরাসরি সমালোচনা করা দম্পতিদের চেয়ে বিবাদের পর বেশি সুখী ও একাত্ম বোধ করে। ** পৃষ্ঠা ১৫২ * বিশেষ করে সামরিক বাহিনীতে হেজিং বা পরীক্ষা নতুনদের নিজেদের ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দিতে সাহায্য করে কারণ যুদ্ধ যন্ত্রটি তখনই ভালো কাজ করে যখন সেখানে সবাই এক ছাঁচে গড়া হয়, “আমি বিশেষ কেউ” এমন মানুষের জন্য সেখানে জায়গা নেই। ** পৃষ্ঠা ১৫৩ * যদি মেয়েদের মধ্যে একে অপরকে খোঁচা দেওয়া বা বিদ্রূপ করার ঘটনা ঘটে তবে তার মানে হলো সেই মেয়েটিকে দল থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে, তাকে দলে নেওয়ার জন্য যাচাই করা হচ্ছে না। ** পৃষ্ঠা ১৫৪ * প্যারেন্টিং প্ল্যান বা লালন-পালনের পরিকল্পনাগুলো সব সময় একই ধরণের হওয়া উচিত। ** পৃষ্ঠা ১৬৫ * শিশুরা প্রতি দ্বিতীয় উইকএন্ডে বাবার কাছে যাওয়ার প্রথাগত নিয়মের প্রতি তীব্র অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * ভৌগোলিক স্থিতিশীলতার চেয়ে দুই অভিভাবকের উপস্থিতির স্থিতিশীলতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ১৬৮ * বিচ্ছেদের পর বারো হাজার কিশোর-কিশোরীর ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে যে একক বাবার সাথে থাকা শিশুরা একক মায়ের সাথে থাকা শিশুদের চেয়ে ভালো ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * বিচ্ছেদ হওয়া পুরুষদের আত্মহত্যার সম্ভাবনা একই ধরণের পটভূমি থাকা বিচ্ছেদ হওয়া নারীদের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১৭৫ * “যোদ্ধা” শব্দটি হালকাভাবে যোগ করা হয়নি। একজন যোদ্ধা নিজের লক্ষ্য অর্জনের বাধাগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকে। তারপর বাধার ওপর মনোযোগ না দিয়ে সে মনোযোগ দেয় কীভাবে সেই বাধা অতিক্রম করা যায় তার ওপর। ঠিক এই জিনিসটিই সে তার সন্তানদের শেখাবে। ** পৃষ্ঠা ১৭৬ * আপনার ছেলে একজন “ফাদার ওয়ারিয়র” বা বাবা যোদ্ধা হতে চাইবে না যদি সে দুটি জিনিস অনুভব না করে: প্রথমত একটি উদ্দেশ্যের বোধ এবং দ্বিতীয়ত তার অবদানটি গুরুত্বপূর্ণ। তাই অভিভাবকত্বের ভারসাম্য রক্ষায় তার ভূমিকাটি আরও গভীরভাবে দেখা প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১৭৮ * নারী-পুরুষের বেতনের ব্যবধান মূলত পুরুষ ও নারীর ব্যবধান নয়; এটি হলো মা এবং বাবার আয়ের ব্যবধান। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * আপনার ছেলে যদি চিরাচরিত নিয়মের বাইরে চলতে চায় তবে তাকে জানতে হবে যে তার জীবনের সবচাইতে বড় কাজ হলো এমন একজন নারীকে বেছে নেওয়া যে সামাজিক বেড়াজাল থেকে মুক্ত হয়ে তাকেও মুক্ত করতে পারবে। ** পৃষ্ঠা ১৮৪ * বাবারা কোম্পানিগুলোর কাছে সবচাইতে বেশি সুবিধাজনক ছিল কারণ তাদের সবচাইতে সহজে ব্যবহার করা যেত। ** পৃষ্ঠা ১৮৫ * “সমাজকর্মীরা সাধারণত শিশুদের ইচ্ছাকে ততক্ষণই গুরুত্ব দেয় যতক্ষণ তারা মায়ের কাছে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করে। কিন্তু শিশুরা যখন বাবার কাছে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করে তখন তাদের সেই ইচ্ছাকে কোনো গুরুত্বই দেওয়া হয় না।” ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * ''দ্য সেকেন্ড স্টেজ''-এ ফ্রিডান ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে পুরুষদের যদি বাবা হিসেবে আরও বেশি সম্পৃক্ত করা না হয় তবে নারীদের ক্যারিয়ারের লক্ষ্য কখনোই পূরণ হবে না। ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * সন্তানের ওপর মায়ের অধিকার থাকে কিন্তু বাবাকে সন্তানের জন্য লড়াই করতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * চাইল্ড সাপোর্টের ঋণের ৭০ শতাংশই সেইসব অভিভাবকদের যাদের বার্ষিক আয় ১০,০০০ ডলারের কম। ** পৃষ্ঠা ১৯২ * আপনার ছেলে যখন কোনো নারীর সাথে যৌন সম্পর্ক করে তখন সে আসলে তার জীবন সেই নারীর হাতে তুলে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৩ * টিভির প্রায় ১০০ শতাংশ বিজ্ঞাপনে যেখানে কেবল একটি লিঙ্গকে বোকা হিসেবে দেখানো হয় সেখানে পুরুষকেই বোকা হিসেবে দেখানো হয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৩ * একটি সুখী বিয়ে টাকা, সন্তান বা যৌনতার অভাবের চেয়ে বেশি নির্ভর করে আমরা টাকা, সন্তান বা যৌনতা নিয়ে একে অপরের সাথে কীভাবে কথা বলছি তার ওপর। ** পৃষ্ঠা ১৯৭ * যখন ঘর পরিষ্কার থাকে এবং বিল পরিশোধ করা থাকে তখন আমাদের সঙ্গীর সবকিছু ঠিক রাখার সেই প্রচেষ্টাগুলো অদৃশ্য থাকে কারণ সবকিছুই ঠিক আছে। ** পৃষ্ঠা ১৯৯ * আপনার ছেলে যদি নিজেকে একজন নিপীড়নকারী হিসেবে মনে করে তবে স্বাবলম্বী হতে ব্যর্থ হওয়াকেও তার কাছে প্রগতি মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২০০ * “সবচাইতে ভালো অভিভাবক হলো উভয় অভিভাবক” এর মানে হলো মা বাবার বিকল্প নয়, টাকা বাবার বিকল্প নয় এবং অন্য কোনো পুরুষও বাবার বিকল্প নয়। ** পৃষ্ঠা ২০২ * ভবিষ্যতে ঘরই ক্রমবর্ধমানভাবে কর্মক্ষেত্রে পরিণত হবে। ** পৃষ্ঠা ২০৩ * এমন বিষয়ের ওপর দক্ষতা অর্জন করা যা পরিমাপযোগ্য, দৃশ্যমান এবং যা সম্মান বয়ে আনে। ** পৃষ্ঠা ২১০ * দক্ষিণ ক্যারোলিনার জেলে যেসব বাবা চাইল্ড সাপোর্ট দিতে না পারার কারণে বন্দি আছেন তাদের তিন-চতুর্থাংশই চরম দারিদ্র্যের শিকার। আর সেই জেলের মোট কয়েদির আট ভাগের এক ভাগই হলো চাইল্ড সাপোর্ট দিতে না পারা বাবা। ** পৃষ্ঠা ২২২ * আমরা কোটি কোটি ডলার খরচ করছি বাবাদের কাছ থেকে সেই টাকা আদায় করতে যা তাদের অনেকের কাছে নেই কিন্তু বাবাদের সেই সময়টুকু দেওয়ার সুযোগ করে দিতে আমরা কিছুই করছি না যা তাদের কাছে আছে—আর যা তাদের সন্তানদের সবচাইতে বেশি প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ২২৩ * বয় ক্রাইসিস বা ছেলেদের সংকট এবং বাবার সংশ্লিষ্টতার প্রতি আমাদের “উদাসীনতা” সরকারকে বাধ্য করেনি বাবাদের সংশ্লিষ্টতা বাড়িয়ে সরকারের উপস্থিতি কমানোর জন্য কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিতে। ** পৃষ্ঠা ২২৫ * আমরা যা খরচ করি তারই ফল পাই তাই আসুন বাবাদের উপস্থিতির জন্য খরচ করি, বাবার অনুপস্থিতির জন্য নয়। ** পৃষ্ঠা ২২৭ * অস্ট্রেলিয়া বন্দুক নীতি পরিবর্তনের পর প্রায় ২০ বছরে সেখানে গণ-শুটিংয়ের সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে। ** পৃষ্ঠা ২২৯ * বন্দুক বয় ক্রাইসিসের মূল কারণ নয় কিন্তু আমরা যখন মূল কারণগুলো নিয়ে কাজ করছি তখন বন্দুক নিয়ন্ত্রণ করা হলে বাবা-বঞ্চিত সন্তানদের দ্বারা ঘটা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানো সম্ভব। ** পৃষ্ঠা ২২৯ * যখন ছেলে ও পুরুষদের জানানো হয় যে তাদের প্রয়োজন আছে তখন তারা সাড়া দেয় এবং দায়িত্বশীল হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৩১ * নারী-পুরুষের গড় আয়ুর ব্যবধান প্রায় ৪০০ শতাংশ বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * বাবা-মা উভয়য়ের মিলিত স্বাস্থ্যই আপনার ছেলের স্বাস্থ্য তৈরি করে; আপনার ছেলের স্বাস্থ্য তার জন্মের অনেক আগে থেকেই শুরু হয়। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * বীর হওয়া মানে হলো নিজের আবেগ চেপে রাখা। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * ভালোবাসা পাওয়ার ইচ্ছা আমাদের ছেলের স্বভাবজাত। কিন্তু এই স্বভাবটিকে আমরা খুব কমই লালন করি। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * নতুন ধরণের বীরাঙ্গনাদের আবির্ভূত হওয়ার মানে কি এই যে আপনার ছেলেকে তার ভালোবাসার জন্য আর জীবন ঝুঁকি নিতে হবে না? ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * আপনার ছেলে যদি পরিষ্কারভাবে বুঝতে না পারে যে একজন শক্তিশালী নারী তার কাছে কী চায় তবে সে হয়তো কম শক্তিশালী কোনো নারীর দিকে ঝুঁকবে যাকে সে সাহায্য করতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * নারী সুপারহিরোদের যৌন আকাঙ্ক্ষার অভাব তাদের এক বিশাল শক্তিতে পরিণত করে। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * হলিউড কেবল পুরুষদের সামরিক তালিকায় নিবন্ধনের ভিত্তি তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যদি তার ভালোবাসার কোনো নারীর জীবন—সে প্রেমিকা হোক বা মা—ঝুঁকির মুখে পড়ে তবে তার জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়ে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * এমনকি আপনার ছেলে যদি তার শক্তি দিয়ে কোনো নারীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে এবং তাতে সে ব্যর্থ হয় তবে সেই শক্তিই তাকে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দেবে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * যদি একজন ভালো নারী নিহত হয় তবে তার দোষ কোনো পুরুষের ওপরই পড়ে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * আমরা ছেলেদের শিখিয়েছি যে শক্তি অর্জন করা পুরুষালি বিষয় কিন্তু সেই শক্তি ধরে রাখা বা ক্ষয় রোধ করা মেয়েলি বিষয়। ** পৃষ্ঠা ২৪৫ * চিরাচরিত পুরুষত্বের সেরা গুণগুলো রক্ষা করা অভিভাবকদের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত কারণ আপনার ছেলে অবচেতনভাবে সবার সাথে মিশে যাওয়া এবং একই সাথে সবার চেয়ে আলাদা হওয়ার এক অদ্ভুত দ্বন্দ্বে থাকে। ** পৃষ্ঠা ২৪৮ * সাবেক কলেজ খেলোয়াড়দের মধ্যে ৫৬ শতাংশই গুরুতর সিটিই (CTE) রোগে আক্রান্ত ছিল যার ৮৫ শতাংশই ছিল ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশের লক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ২৫১ * আমরা ছেলেদের শেখাই যে লাঞ্ছিত হওয়ার মানেই হলো ভালোবাসা পাওয়া। ** পৃষ্ঠা ২৫৩ * ট্যাকল ফুটবল হলো শরীর-মননির্ভর খেলা আর ফ্ল্যাগ ফুটবল হলো মন-শরীরনির্ভর খেলা। ** পৃষ্ঠা ২৫৩ * “ফ্ল্যাগ ফুটবল অনেক বেশি কৌশলনির্ভর। আপনি শরীর দিয়ে কাউকে সরিয়ে দিতে পারেন না তাই এখানে বুদ্ধির প্রয়োজন বেশি।” ** পৃষ্ঠা ২৫৪ * ট্যাকল ফুটবলে করদাতার অর্থ ব্যবহার করা হচ্ছে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই আমাদের সন্তানদের মন এবং শরীরের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৫৫ * এমনকি একজন সৈনিক বেঁচে থাকলেও যুদ্ধের ঝুঁকি তার সাথে ঘরে ফিরে আসে—প্রতি একজন সৈনিক নিহতের বিপরীতে প্রায় ২৫ জন প্রাক্তন সৈনিক আত্মহত্যা করে। ** পৃষ্ঠা ২৫৬ * আপনার ছেলে যত বেশি অভিজাত শ্রেণির অংশ হতে চাইবে তত সে করুণা পাওয়াকে ঘৃণা করবে। তবুও যারা আজ অভিজাত শ্রেণিতে যোগ দেয় কাল তারাই করুণার পাত্র হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৫৬ * আপনি যদি একা বুঝতে পারেন যে আপনার ছেলের রাগ আসলে তার অসহায়ত্বের মুখোশ তবে আপনি নিজেকে বিচারগ্রস্ত এবং একা মনে করতে পারেন। ** পৃষ্ঠা ২৬০ * কোনো সম্ভাব্য প্রেমিকা যখন কোনো ছেলের অভিযোগ শোনে তখন তার সুরক্ষার যে সহজাত প্রবৃত্তি তা বাধা পায় কিন্তু যখন একজন মা তার ছেলের অভিযোগ শোনেন তখন তা তার রক্ষার প্রবৃত্তিকে জাগিয়ে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৬১ * সহানুভূতির সাথে কথা শোনা একজন কিশোরের মস্তিষ্কের বিকাশে এমনভাবে প্রভাব ফেলে যা তার বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে। ** পৃষ্ঠা ২৬১ * তেরো থেকে ষোলো বছর বয়সের মধ্যে ছেলেদের মধ্যে জৈবিকভাবে সহানুভূতির ক্ষমতা সাময়িকভাবে কমে যায় যা মেয়েদের ক্ষেত্রে ঘটে না। ** পৃষ্ঠা ২৬৩ * যেসব ছেলে উন্নত এলাকায় বদলি হয়েছে তাদের মধ্যে পিটিএসডি (PTSD) বা আঘাত পরবর্তী মানসিক চাপের হার যুদ্ধ থেকে ফিরে আসা সৈনিকদের হারের মতো ছিল। ** পৃষ্ঠা ২৬৫ * আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে বন্ধুত্ব এবং ভালোবাসা হারানোর ক্ষেত্রে আপনার ছেলে সবচাইতে সংবেদনশীল। ** পৃষ্ঠা ২৬৫ * যে উত্ত্যক্তকারী বা বুলিকে সুস্থ করা হয়েছে সেই হলো উত্ত্যক্ত হওয়া ব্যক্তিদের সবচাইতে বড় সুরক্ষা। ** পৃষ্ঠা ২৬৮ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নারী-পুরুষের আত্মহত্যার হারের ব্যবধান মহামন্দার পর থেকে তিন গুণ বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ২৭৩ * পঁচাশি বছর বয়সের মধ্যে পুরুষদের আত্মহত্যার হার একই বয়সী নারীদের তুলনায় ১৬৫০ শতাংশ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২৭৪ * নারীরা কাঁদে কিন্তু পুরুষেরা মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ২৭৪ * বেকারত্ব, অবসর বা জীবনসঙ্গী হারানোই হোক—পুরুষদের আত্মহত্যার প্রতিক্রিয়া আসলে যা আগে থেকেই মরে গেছে তাকেই হত্যা করা। ** পৃষ্ঠা ২৭৬ * আত্মহত্যা সংক্রামক। ** পৃষ্ঠা ২৭৬ * বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের হারের মধ্যে প্রায় কোনো পার্থক্য নেই। ** পৃষ্ঠা ২৭৮ * যখন ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ সোশ্যাল ওয়ার্কার্স আত্মহত্যা নিয়ে গবেষণা করে তখন তারা কেবল নারীদের আত্মহত্যা নিয়ে কাজ করে। ** পৃষ্ঠা ২৮৪ * গোপনীয়তাকে মূল মন্ত্র করে পুরুষদের গ্রুপগুলো পুরুষদের হৃদয় খোলার পথ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ২৮৬ * আমার ৪৫ বছরের অভিজ্ঞতায় আমি দেখিনি যে কোনো পুরুষ যে কোনো পুরুষ গ্রুপের সাথে যুক্ত আছে সে বিষণ্ণতার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বা আত্মহত্যা করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৮৭ * যখন একজন প্রাক্তন সৈনিক মনে করে যে সে ব্যক্তিগত দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ হয়েছে তখন সে আত্মহত্যার এক ধাপ কাছাকাছি চলে যায়। ** পৃষ্ঠা ২৮৯ * অনেক প্রাক্তন সৈনিকই বাইরে থেকে কঠোর হলেও ভেতরে অনেক নরম মনের। ** পৃষ্ঠা ২৯০ * প্রাক্তন সৈনিকেরা সেইসব মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেয় যাদের সেনাবাহিনীতে কাজ করতে হয়নি। ** পৃষ্ঠা ২৯০ * চিরাচরিত পুরুষেরা তাদের ত্যাগ স্বীকার করে মূলত বাড়ি ফিরে আসার পর প্রশংসা পাওয়ার আশায় এবং তাদের অভিজ্ঞতাগুলো পরিবারের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৯১ * প্রতি পাঁচ জন যুবকের মধ্যে একজন উর্বর নয়। ** পৃষ্ঠা ২৯২ * যেসব পুরুষের শুক্রাণুর সংখ্যা কম তারা সন্তান জন্ম দিতে পারলেও তাদের গড় আয়ু কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ** পৃষ্ঠা ২৯২ * পুরুষদের স্বাস্থ্যের প্রতি এই অবহেলাই আপনার ছেলের জন্য পুরুষদের স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করার একটি সুযোগ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ৩০০ * ভালোবাসা আত্মরক্ষামূলক মনোভাব বা ডিফেনসিভনেস দূর করে না কারণ ভালোবাসা এক ধরণের অসহায়ত্ব তৈরি করে আর এই আত্মরক্ষামূলক মনোভাবই হলো অসহায়ত্বের মুখোশ। ** পৃষ্ঠা ৩০৮ * পুরুষালি সংস্কৃতির নেতিবাচক লক্ষণগুলোকে ওষুধ শিল্প কাজে লাগায়। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * টিফিনের সময় যেখানে উত্ত্যক্ত করার ঘটনা ঘটে সেখানে এটি কমানোর সুযোগও থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * সুস্থ হওয়া মানুষই অন্যকে সুস্থ হতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ৩১২ === ''বিবিধ'' === গোলাপ সবসময় লাল হয় না<br> ভায়োলেট ফুল বেগুনি হয়, নীল নয়<br> তুমি হয়তো ফুলগুলোর ওপর ভরসা করতে পারো না<br> কিন্তু তোমার প্রতি আমার ভালোবাসার ওপর তুমি ঠিকই ভরসা করতে পারো। চিরকাল ভালোবাসি, ওয়ারেন ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছে, ১৬/২/১৫ == External links== {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.nytimes.com/2005/02/27/business/yourmoney/27lunch.html New York Times: Are Women Responsible for Their Own Low Pay?], an interview with Warren Farrell, 2005. {{DEFAULTSORT:Farrell, Warren}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন শিক্ষায়তনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ-কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী]] [[Category:Educators from the United States]] [[Category:Civil rights activists]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয়কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক শহরের ব্যক্তি]] [[Category:University of California, Los Angeles alumni]] [[Category:Men's rights activists]] to1z39kfm2egxhy0tocwq44kflmb68v 81687 81686 2026-04-27T16:13:57Z ARI 356 /* External links */ 81687 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Warren Farrell photo.jpg|thumb|ওয়ারেন ফ্যারেল, ২০১১]] '''ওয়ারেন ফ্যারেল''' (জন্ম ২৬ জুন, ১৯৪৩) একজন মার্কিন [[শিক্ষক]], কর্মী এবং [[নারী]]দের সাথে পুরুষদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে লেখা সাতটি বইয়ের লেখক। তিনি ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেনের নিউ ইয়র্ক সিটি বোর্ডে কাজ করেছেন এবং পুরুষ অধিকার আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। == উক্তি == === ''হোয়াই মেন আর দ্য ওয়ে দে আর'' (১৯৮৮) === * একে অপরের প্রতি না বলে, আমার অসহায়ত্ব তোমার অসহায়ত্বের চেয়ে বেশি, কি নারী ও পুরুষের পক্ষে একে অপরের কথা শোনা সম্ভব ছিল? এটা পরিষ্কার হয়ে উঠছিল যে প্রতিটি লিঙ্গের শক্তি এবং অসহায়ত্ব উভয় ক্ষেত্রেই একটি অনন্য অভিজ্ঞতা ছিল। আমার মনের চোখে আমি একটি শোনার কাঠামো কল্পনা করতে শুরু করলাম যার মধ্যে আমরা এই ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতাগুলো শুনতে পারি। এটি দেখতে এমন ছিল: ** পৃষ্ঠা ১৭ * আমি যখন এই শোনার কাঠামোর দিকে আরও যত্নসহকারে তাকালাম তখন দেখলাম যে গত বিশ বছর ধরে আমরা এর চারটি ভাগের প্রথমটির ওপর গুরুত্ব দিয়েছি, তা হলো নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতা। আমি দেখলাম আমি অবচেতনভাবে একটি ভুল ধারণা পোষণ করছিলাম: আমি নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতা যত গভীরভাবে বুঝছিলাম, ততই আমি ধরে নিচ্ছিলাম যে নারীদের যে ক্ষমতা ছিল না তা পুরুষদের আছে। আসলে, আমি যা বুঝছিলাম তা হলো পুরুষদের ক্ষমতা সম্পর্কে নারীদের অভিজ্ঞতা। ** পৃষ্ঠা ২০-২১ * যে পুরুষেরা নারীদের প্রতি মনোযোগী কিন্তু নিজেদের কষ্টের প্রতি মনোযোগী নন তারা সাধারণত এই মনোভাব ধরে রাখতেন যে নারীদের বিশেষ সুরক্ষার প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ২২ * পুরুষদের সাফল্যের বস্তু হিসেবে দেখার ইচ্ছা স্বীকার করতে নারীদের যে দুর্বলতা তা নারীদের প্রতি পুরুষদের তীব্র যৌন আকাঙ্ক্ষার বাধ্যবাধকতার স্বীকারোক্তির সাথে মিলে যায়। ** পৃষ্ঠা ২৬ * আমরা সবাই মিলে বুঝতে পারলাম যে কীভাবে আমরা পুরুষদের আবেগ প্রকাশ করতে অনুরোধ করি, কিন্তু তারপর যখন পুরুষেরা আবেগ প্রকাশ করে তখন আমরা তাকে লিঙ্গবৈষম্য, পুরুষতান্ত্রিক অহংকার অথবা পাল্টা আঘাত বলি। ** পৃষ্ঠা ২৭. * রাল্ফ ক্ষমতার বাহ্যিক রূপ পাওয়ার চেষ্টা করে প্রকৃত ক্ষমতা হারিয়েছিলেন। তিনি একজন নেতা ছিলেন। কিন্তু তিনি নেতাদের জন্য তৈরি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করছিলেন; তাই তিনি একজন অনুসারী ছিলেন... তিনি যেমনটা বলেছিলেন, তিনি ছিলেন একজন উচ্চপর্যায়ের সাধারণ মানুষ। ** পৃষ্ঠা ৯ * অধিকাংশ নারীর আদর্শ হলো নয়টি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যৌন সম্পর্কে না জড়ানো: শারীরিক আকর্ষণ; শ্রদ্ধা; মানসিক সামঞ্জস্য; বুদ্ধিমত্তা; অবিবাহিত হওয়া; সাফল্য (বা সম্ভাবনা); বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব পাওয়া; খরচ মেটানো; এবং প্রথম চুম্বনের উদ্যোগ নিয়ে পুরুষের প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়া…. পুরুষরা ততক্ষণ পর্যন্ত যৌনতা চায় যতক্ষণ একটি মাত্র শর্ত পূরণ হয়—শারীরিক আকর্ষণ। ** পৃষ্ঠা ১৩ * পুরুষদের কাছে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন হলো প্লেবয় এবং পেন্টহাউস। এগুলো পুরুষদের প্রধান কল্পনাকে উপস্থাপন করে: প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি ছাড়াই যত খুশি সুন্দরীদের কাছে যাওয়ার সুযোগ। নারীদের কাছে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন হলো বেটার হোমস অ্যান্ড গার্ডেনস এবং ফ্যামিলি সার্কেল, যা নারীদের প্রধান কল্পনাকে উপস্থাপন করে: আরও ভালো ঘরবাড়ি, বাগান এবং একটি পারিবারিক পরিমন্ডল। ** পৃষ্ঠা ১৮ * অবিবাহিত নারীদের কাছে ''কসমোপলিটান'' সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন। কসমো অবিবাহিত নারীদের জানায় কীভাবে তারা একজন পুরুষকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করতে পারে এবং আরও ভালো ঘরবাড়ি ও বাগানের প্রধান কল্পনা অর্জন করতে পারে। এটি প্লেবয়ের একটি নারী সংস্করণ। পর্নোগ্রাফি হলো পুরুষদের প্রধান কল্পনা--নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থাকা দামে প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি ছাড়াই যত খুশি সুন্দরীদের কাছে যাওয়ার সুযোগ! ** পৃষ্ঠা ১৮ * আমি যদি নিরাপত্তাকে কোনো নারীর প্রধান প্রয়োজন বলি তবে কীভাবে একে তার প্রধান কল্পনা বলতে পারি? কারণ যখন তার প্রধান প্রয়োজন হলো একটি ঘর এবং পারিবারিক পরিমন্ডলের নিরাপত্তা, তখন তার প্রধান কল্পনা হলো অন্য কেউ এগুলো পাওয়ার জন্য যথেষ্ট অর্থ উপার্জন করবে। একারণেই দুই বিলিয়ন নারী সাম্প্রতিক রাজকীয় বিয়ের দিকে মনোযোগ দিয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬ * সান ডিয়েগোতে হাউ টু ম্যারি মানি নামে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কোর্স আছে। লক্ষ্য করুন যে বিয়েটি হয় টাকার সাথে--কোনো ব্যক্তির সাথে নয়। আমি অংশগ্রহণকারী পুরুষদের শতাংশ সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম... নির্দেশক উত্তর দিয়েছিলেন, 'কোর্সটি আসলে নারীদের জন্য, এটি পুরুষদের জন্য প্রাসঙ্গিক নয়।' ** পৃষ্ঠা ৪৩ * পুরুষেরা যখন পছন্দ করানোর জন্য চটকদার কথা বলে তখন নারীরা পুরুষদের বিশ্বাস না করতে শেখে। যখন নারীরা মেকআপ করে তখন পুরুষেরা নারীদের বিশ্বাস না করতে শেখে। পুরুষদের চটকদার কথা এবং নারীদের মেকআপ হলো আসলে বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ৭১-৭২ * ফিমেল ওয়েস্টার্ন হলো সেরা পুরুষদের পাওয়ার জন্য ভালো এবং খারাপ পদ্ধতির মধ্যে লড়াই। ** পৃষ্ঠা ৭৩ * সন্ধ্যার টিভি নাটক থেকে শুরু করে কিশোর বয়সের রোমান্স পর্যন্ত, সব জায়গার বার্তা হলো যে অন্তর্নিহিত মূল্য কেবল পরাজিতদের জন্য। ** পৃষ্ঠা ৭৩ * পুরুষদের ম্যাগাজিনে সাফল্য হলো যৌনতা এবং ভালোবাসা পাওয়ার একটি হাতিয়ার, তাই সাফল্যের বাহ্যিক রূপ সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে নারীদের ম্যাগাজিনে ভালোবাসা এবং যৌনতা হলো সাফল্য পাওয়ার হাতিয়ার—তাই ভালোবাসার প্রকাশ এবং যৌন প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতি উভয়ই সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯ * গল্পের প্রধান চরিত্র বা বেঁচে যাওয়া ব্যক্তির জন্য পুরুষদের প্রতিযোগিতা এবং নারীদের প্রতিযোগিতার এই চিরাচরিত থিম আমাদের যোগ্যতমের টিকে থাকা থেকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে এসেছে যেখানে কেউ বেঁচে থাকবে না। লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকাগুলো প্রায় রাতারাতি কার্যকর থেকে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। একারণেই এই চিরাচরিত থিমটি নিয়ে এখন প্রশ্ন তোলা জরুরি। ** পৃষ্ঠা ৯১ * সম্ভবত পুরুষদের কাছে সবচেয়ে প্রচলিত প্রত্যাশা হলো আমাদের সুপারম্যান হওয়ার প্রত্যাশা: আমাদের ভয় যে আমরা কেবল ক্লার্ক কেন্ট যাদের সুপারম্যান না হওয়া পর্যন্ত কেউ গ্রহণ করবে না। ** পৃষ্ঠা ৯৬ * যখন বিবাহবিচ্ছেদের মানে দাঁড়াল যে বিয়ে আর সারাজীবনের জন্য নিরাপত্তা দিচ্ছে না, তখন নারীরা কেরিয়ার বা পেশাকে ক্ষমতায়ন হিসেবে দেখার মাধ্যমে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু যখন একটি পেশার জন্য ত্যাগ এবং পেশার ভেতরের ত্যাগগুলো সামনে এল, তখন পেশার কল্পনাটি লাভ-ক্ষতির বাস্তবতায় পরিণত হলো। নারীদের মধ্যে পেশা নিয়ে দ্বিধা তৈরি হলো। ** পৃষ্ঠা ১০১ * পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে, যখন প্রতিশ্রুতি হীরা এবং বন্ধকী ঋণের সাথে যুক্ত হয়, তখন ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি অনেকটা অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতির মতো মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * নারীরা যখন তাদের সৌন্দর্যের ক্ষমতার তুঙ্গে থাকে এবং সেটি ব্যবহার করে তখন আমরা তাকে বিয়ে বলি। পুরুষেরা যখন তাদের সাফল্যের ক্ষমতার তুঙ্গে থাকে এবং সেটি ব্যবহার করে তখন আমরা তাকে মধ্যবয়সের সংকট বলি। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * সে এবং তিনি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বাছাই করার সুযোগ পান; যখন পুরুষ তার প্রধান কল্পনা অর্থাৎ যৌনতা চায় তখন নারী বাছাই করার সুযোগ পায়; যখন নারী তার প্রধান কল্পনা অর্থাৎ প্রতিশ্রুতি চায় তখন পুরুষ বাছাই করার সুযোগ পায়। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * কম্পিউটার উইজ হতে বা কালো পোর্শে গাড়ির মালিক হতে কঠোর পরিশ্রম করা পুরুষেরা বিভ্রান্ত হয় যখন তাদের বলা হয় যে তারা যথেষ্ট সংবেদনশীল নয়। আমরা এমন পুরুষদের প্রেমে পড়তে পারি না যাদের অভেদ্য মনে হয় এবং আবার তাদের কাছে সংবেদনশীলতা আশা করি। সে কেন একটি কালো পোর্শে গাড়ি চেয়েছিল? কারণ সে কখনও কোনো অসুন্দর নারীকে এমন গাড়ি থেকে নামতে দেখেনি। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * উভয় লিঙ্গই মঞ্চে আসার আগে তাদের নিজেদের কথার প্রস্তুতি নেয়। পুরুষের কথাগুলো হলো সারাজীবনের পরিশ্রমের ফল; নারীর প্রাথমিক 'কথা' হলো তার বাহ্যিক রূপ--অথবা তার বয়সের ছাপহীনতা। কেরিয়ার যেভাবে পুরুষদের ক্ষমতা দেয়, সৌন্দর্য একইভাবে নারীদের ক্ষমতা দেয়। কিন্তু সবচাইতে সুন্দরীদের সাথে তুলনা যেভাবে একজন নারীকে ক্ষমতাহীন অনুভব করায়, সবচাইতে সফল পুরুষদের সাথে তুলনাও একইভাবে একজন পুরুষকে ক্ষমতাহীন অনুভব করায়। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * প্রথম পুরুষ বার্তাটি একজন বালক অবচেতনভাবে এভাবে অনুভব করে: ‘আমার ক্লাসের কিছু মেয়ে এখনই মুভি স্টারের মতো দেখতে। তারা যদি আমাকে ততটা চাইত যতটা আমি তাদের চাই, তবে আমি জানতাম যে আমি ঠিক আছি। তারা জন্মগত তারকা। আর আমি জন্মগত অনুরাগী।’ ** পৃষ্ঠা ১১১ * নারীদের সচেতনতা যখন বৃদ্ধি পেয়েছিল তখন নারীরা ঘরের কাজকে ঘৃণাভরে দেখতে শুরু করেছিল; যখন পুরুষদের সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে তখন যৌন প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়াকে পুরুষেরা ঘৃণ্য কাজ হিসেবে দেখবে। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যৌন বিষয়ে সন্দেহভাজন হওয়ার ভয়ে পুরুষদের সাথে আবেগীয় যোগাযোগ না করার ভয় বালকদের মেয়েদের সামনে আরও বেশি ক্ষমতাহীন করে তোলে। সমকামভীতি অনেকটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এটা বলার মতো যে এটি একটি দুর্বল জাতি হয়ে যাবে যদি তারা ওপেক থেকে সব তেল সংগ্রহ না করে। ** পৃষ্ঠা ১২৮ * সাফল্য যেমন সমাধান তেমনই ফাঁদ: একজন পুরুষ যৌন আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে যত কম ইচ্ছুক হবে, সে সাফল্যের বস্তু হওয়ার ফাঁদে তত বেশি আটকা পড়বে। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * অ্যালান আল্ডাকে সবাই ভালোবাসে কারণ সে কেবল সংবেদনশীল নয় বরং সে সফল এবং সংবেদনশীল। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকার প্রশিক্ষণ আসলে বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * একজন পুরুষের সফল হওয়ার একটি বিপদ হলো এটি তার স্ত্রী এবং কন্যাকে সাফল্য নিয়ে চিন্তা না করতে শেখায়। ** পৃষ্ঠা ১৪৮ * প্রতিশ্রুতি মানে অনেক সময় একজন নারীর তার প্রধান কল্পনা পূরণ হওয়া, যেখানে একজন পুরুষ তার কল্পনা ত্যাগ করে। তার প্রধান কল্পনা বিসর্জন দেওয়ার বিনিময়ে সে কী পাওয়ার আশা করে? তার প্রধান প্রয়োজন: ঘনিষ্ঠতা। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * একজন অবিবাহিত নারী যিনি নিজের ভরণপোষণ করেন তাকে কেরিয়ার ওম্যান বলা হয়, অন্যদিকে একজন অবিবাহিত পুরুষ যিনি নিজের ভরণপোষণ করেন তাকে প্লেবয় বলা হয়…বিদ্রূপের বিষয় হলো যে নারী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় এবং আর্থিকভাবে নির্ভরশীল হয় তাকে সেই পুরুষের চেয়ে বেশি পরিপক্ক মনে করা হয় যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয় কিন্তু আর্থিকভাবে স্বাধীন। ** পৃষ্ঠা ১৫৪ * একজন পুরুষ বুঝতে পারে না যে একজন নারী তাকে ভালোবাসে নাকি তার দেওয়া নিরাপত্তাকে ভালোবাসে যতক্ষণ না সেই নারী চলে যাওয়ার মতো আর্থিকভাবে এবং মানসিকভাবে যথেষ্ট স্বাধীন হয়। যতক্ষণ একজন নারী চলে যেতে না শেখে ততক্ষণ সে নিজেও নিশ্চিত হতে পারে না যে সে ভালোবাসতে শিখেছে কি না। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব না দেওয়া হলো সেক্সিজম বা লিঙ্গবৈষম্য; নতুন লিঙ্গবৈষম্য হলো পুরুষদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব না দেওয়া। ** পৃষ্ঠা ১৯৪ * পুরুষদের মেকআপ হলো তাদের পদবী, মর্যাদা এবং ডেটিংয়ের খরচ মেটানো। মেকআপ হলো এমন কিছু যা উভয় লিঙ্গই তাদের বর্তমান ক্ষমতা এবং তারা যে ক্ষমতা পেতে চায় তার মাঝখানের দূরত্ব ঘোচাতে ব্যবহার করে। নারী এবং পুরুষ উভয়ের মেকআপই হলো তাদের অসহায়ত্বের অনুভূতির ক্ষতিপূরণ। ** পৃষ্ঠা ২১৫ * পুরুষেরা ভিন্ন ভিন্ন নারীদের সাথে একই কথা বলে ঠিক যে কারণে নারীরা ভিন্ন ভিন্ন পুরুষের জন্য একই পারফিউম ব্যবহার করে; আমরা সবাই সেই জিনিসগুলোই চেষ্টা করি যা কাজ করে। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * সম্পর্কে যখন পুরুষদের কাছে বেশি টাকা থাকে তখন আমরা বলি তাদের ক্ষমতা আছে। সম্পর্কে যখন নারীদের কাছে বেশি টাকা থাকে তখন আমরা বলি তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ২১৮ * লিঙ্গবৈষম্যের নিয়মগুলো পুরুষদের সহিংসতার আতঙ্ক থেকে মুক্ত করে না; এগুলো কেবল পুরুষদের এই বিষয়ে অভিযোগ করা থেকে বিরত রাখে। ** পৃষ্ঠা ২৩২ * সে যৌনতা পায়, নারীও যৌনতা পায়; যদি এটি অসমান মনে করা হয় তবে পুরুষেরা কেন প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পায় তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যতক্ষণ না একজন নারী একজন পুরুষকে প্রথমবার বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় ঠিক যেভাবে পুরুষেরা তাকে দেয়, ততক্ষণ পর্যন্ত ‘সে আমাকে বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে তাই সে টাকা দেবে’ এই দাবিটি পুরুষদের ওপর দ্বিগুণ বোঝা: তাকে কেবল প্রস্তাবই দিতে হবে না বরং অতিরিক্ত প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত খরচও দিতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৭৭ * কিছুদিন আগে পর্যন্ত প্রশ্ন ছিল ‘কেন একজন নারী পুরুষের মতো হতে পারে না?’ এটি পরিবর্তন করে হওয়া উচিত ছিল ‘কেন উভয় লিঙ্গই একে অপরের সেরা গুণগুলোর মতো হতে পারে না?’ এর পরিবর্তে ১৯৬০-এর দশকের নারীবাদী ব্যাজগুলোতে লেখা থাকত অ্যাডাম ওয়াজ আ ফার্স্ট ড্রাফট। কথাটি যথেষ্ট সত্য। আমরা সবাই তাই। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * পুরুষেরা ততক্ষণ পরিবর্তন হবে না যতক্ষণ নারীরা ‘উপরে বিয়ে’ করবে। পুরুষেরা ততক্ষণ পরিবর্তন হবে না যতক্ষণ আমাদের এই বিষয়ে ধারণা না হবে যে ক্ষমতা আমাদের কতটা ক্ষমতাহীন করে তোলে। একজন নারী একজন পুরুষকে পরিবর্তন হতে সাহায্য করতে পারে না যতক্ষণ না তার এই বিষয়ে ধারণা হয় যে ক্ষমতা পুরুষদের কতটা ক্ষমতাহীন করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * আমি মনে করি যে ব্যবসায়িক জগতে সফল হওয়া নারীদের যেমন পুরুষ মেন্টর প্রয়োজন হয়, সম্ভবত আবেগীয় জগতে সফল হওয়া পুরুষদের জন্য নারী আবেগীয় মেন্টর প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ৩১৭ * আমাদের সঙ্গী নির্বাচন হলো আমাদের মূল্যবোধ নির্বাচনের অন্যতম স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। ** পৃষ্ঠা ৩৪১ * কেবল তখনই একজন নারী পুরুষকে সত্যিই বুঝতে শুরু করতে পারে যখন সে পুরুষদের ঝুঁকিগুলো ভাগ করে নেয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫৫ * শিশুদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা এত তাৎক্ষণিক কারণ আমরা তাদের অসহায়ত্ব সঙ্গে সঙ্গে অনুভব করতে পারি; বিপরীতে পুরুষদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা অস্বীকার করার একটি উপায় হলো পুরুষদের অসহায়ত্বকে অস্বীকার করা। আমরা প্রায়ই পুরুষদের প্রতি ভালোবাসাকে তাদের প্রতি শ্রদ্ধার সাথে গুলিয়ে ফেলি, বিশেষ করে আমাদের যত্ন নেওয়ার ক্ষমতার জন্য--যা আসলে কেবল নিজেদের প্রতিই ভালোবাসা। ** পৃষ্ঠা ৩৬০ * মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘনিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় মনোবিজ্ঞান প্রজাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় মনোবিজ্ঞানে পরিণত হয়েছে। ** পৃষ্ঠা ৩৭১ * পুরুষদের ভালোবাসা কি নারীবাদের পরিপন্থী? একদমই না। আমার বিশ্বাস প্রতিটি প্রকৃত নারীবাদী একজন পুরুষবাদী হওয়ার মাধ্যমে আরও গভীর এবং পরিপক্ক হয়--এমন একজন ব্যক্তি যে সমতা এবং স্বীকৃতির জন্য পুরুষদের অনুসন্ধানকে পুরুষের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুঝতে পারে। একইভাবে প্রতিটি পুরুষবাদী একজন নারীবাদী হওয়ার মাধ্যমে আরও গভীর হয় (এমন একজন ব্যক্তি যে সমতা এবং স্বীকৃতির জন্য নারীদের অনুসন্ধানকে নারীর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুঝতে পারে)। ** পৃষ্ঠা ৩৬৮ === ''দ্য মিথ অফ মেল পাওয়ার'' (১৯৯৩) === <small>সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ১ম সংস্করণ, ১৯৯৩; ২য় সংস্করণ, বার্কলে, ২০০০)</small> ==== প্রথম খণ্ড: দ্য মিথ অফ মেল পাওয়ার ==== * পুরুষদের দুর্বলতা হলো শক্তির কৃত্রিম বহিঃপ্রকাশ; নারীদের শক্তি হলো দুর্বলতার কৃত্রিম বহিঃপ্রকাশ। ** পৃষ্ঠা ১৩ * নারীবাদ নারীদের শিখিয়েছে যে যখন পুরুষেরা ভুল ব্যক্তির সাথে বা ভুল সময়ে উদ্যোগ নেয় তখন যৌন হয়রানি বা ডেট রেপের জন্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যায়; কিন্তু কেউ পুরুষদের শেখায়নি যে নারীরা যখন প্রথমে "হ্যাঁ", তারপর "না" এবং পরে আবার "হ্যাঁ" বলে তখন মানসিক আঘাতের জন্য মামলা করা যায়। ... পুরুষদের কাছ থেকে এখনো উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা করা হয়, কিন্তু এখন তারা যদি এটি ভুলভাবে করে তবে তাদের জেল হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে পোস্ট অফিসগুলোতে সিলেক্টিভ সার্ভিস পোস্টারে লেখা থাকে "একজন পুরুষকে তাই করতে হয় যা তার করা উচিত"। এগুলো পুরুষদের মনে করিয়ে দেয় যে কেবল তাদেরই বাধ্যতামূলক সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হবে। যদি পোস্ট অফিসে এমন পোস্টার থাকত যেখানে লেখা থাকত "একজন ইহুদিকে তাই করতে হয় যা তার করা উচিত..." অথবা কোনো গর্ভবতী নারীর শরীরের ওপর যদি লেখা থাকত "একজন নারীকে তাই করতে হয়..." ** পৃষ্ঠা ২৮ * যে সমাজগুলো টিকে আছে তারা তাদের সন্তানদের যুদ্ধে এবং কাজে এমনকি বাবা হিসেবেও উৎসর্গ করার বা পরিত্যাজ্য হওয়ার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করেই টিকে আছে। ** প্রথম খণ্ড * এমন অনেক দিক আছে যেখানে একজন নারী তার পুরুষ সঙ্গীর তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাহীন অনুভব করেন: গর্ভাবস্থা, বয়স বেড়ে যাওয়া, ধর্ষণ, ডেট রেপ এবং শারীরিকভাবে অবদমিত হওয়ার ভয়; স্বামী ও সন্তানদের ভরণপোষণ করার মতো যথেষ্ট বেতনের ক্যারিয়ার গড়ার সামাজিক শিক্ষার অভাব[...] সৌভাগ্যবশত, প্রায় সব শিল্পোন্নত জাতি নারীদের এই অভিজ্ঞতাগুলোকে স্বীকার করেছে। দুর্ভাগ্যবশত, তারা কেবল নারীদের অভিজ্ঞতাগুলোকেই স্বীকার করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৮ * ক্ষমতা মানে যদি নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকা বোঝায়, তবে আমাদের জীবনের ওপর লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকা এবং বর্ণবাদের প্রভাব বোঝার জন্য গড় আয়ুর চেয়ে ভালো কোনো মাপকাঠি নেই। ** পৃষ্ঠা ৩০ * বিষয়: মাইক টাইসনের বিচার। জুরিরা যে হোটেলে ছিলেন সেখানে আগুন লেগে যায়। দুই জন ফায়ারফাইটার সেখানকার বাসিন্দাদের বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারান। মাইক টাইসনের বিচার আমাদের পুরুষদের ধর্ষণকারী সত্তা সম্পর্কে সচেতন করেছে। কিন্তু ফায়ারফাইটারদের মৃত্যু আমাদের পুরুষদের রক্ষাকর্তা সত্তা সম্পর্কে সচেতন করেনি। আমরা একজন পুরুষের ক্ষতি করার বিষয়ে যতটা সচেতন ছিলাম, দুই জন পুরুষের বাঁচানোর বিষয়ে ততটা ছিলাম না... ** পৃষ্ঠা ৩৬ * ইতিহাসে এমন একটি উদাহরণ খুঁজে পাওয়া কঠিন যেখানে কোনো গোষ্ঠী ৫০ শতাংশের বেশি ভোট দিয়েও নিজেদের ভুক্তভোগী দাবি করে পার পেয়েছে... নারীরাই একমাত্র 'নিপীড়িত' গোষ্ঠী যারা 'নিপীড়কের' সাথে একই বাবা-মায়ের সন্তান; যারা 'নিপীড়কের' মতোই মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারে জন্ম নেয়; যারা 'নিপীড়কের' চেয়ে বেশি বিলাসদ্রব্যের মালিক হয়... ** পৃষ্ঠা ৪০ * আমরা 'তিনটি বিকল্প থাকা নারী এবং কোনো বিকল্প না থাকা পুরুষের যুগে' প্রবেশ করেছি। ** পৃষ্ঠা ৫২ * প্রথম ধাপে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি ছিল না, তাই পুরুষদের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলত না; দ্বিতীয় ধাপে সম্পর্ক বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যেতে পারে, তাই পুরুষদের সম্পর্কগুলো নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছিল। আমরা এমন রাজনৈতিক নেতাদের চাইনি যারা এমন আচরণের রোল মডেল হবেন যা নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে। ** পৃষ্ঠা ৬৩ * সংক্ষেপে, আমাদের জিনগত ঐতিহ্য আমাদের জিনগত ভবিষ্যতের সাথে সাংঘর্ষিক। মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি প্রজাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় গুণাবলি ভালোবাসার জন্য প্রয়োজনীয় গুণের সাথে মিলে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৬৫ * হাজার হাজার বছর ধরে অধিকাংশ বিয়ে ছিল প্রথম ধাপের—অর্থাৎ টিকে থাকার ওপর ভিত্তি করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিয়েগুলো ক্রমশ দ্বিতীয় ধাপের দিকে ঝুঁকেছে—যেখানে নিজের আত্মতৃপ্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়... ভালোবাসার সংজ্ঞায় একটি পরিবর্তন আসছে। ** পৃষ্ঠা ৪২ * নারী মুক্তি এবং পুরুষদের মধ্যবয়সের সংকট ছিল একই অনুসন্ধান—ব্যক্তিগত তৃপ্তি, সাধারণ মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসার জন্য। কিন্তু নারী মুক্তিকে যখন নিজস্ব পরিচয় তৈরির উপায় হিসেবে ভাবা হয়, পুরুষদের মধ্যবয়সের সংকটকে ভাবা হয় পরিচয়ের সংকট হিসেবে। ** পৃষ্ঠা ৪৪ * নিউ ইয়র্ক সিটিতে ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেনের পরিচালনা পর্ষদে থাকার সময় আমি কর্মক্ষেত্রে সমতা নিয়ে বিভিন্ন কর্পোরেট কর্মশালা করেছি। সেখানে সবচাইতে বেশি বাধার সম্মুখীন হয়েছি পুরুষ কর্মকর্তাদের কাছে নয়—বরং তাদের স্ত্রীদের কাছে। যতক্ষণ তার আয় তার স্বামীর কাছ থেকে আসছিল, ততক্ষণ তিনি মোটেও উদার বোধ করছিলেন না যখন দেখতেন ইতিবাচক পদক্ষেপের কারণে অন্য কোনো নারী তার স্বামীর (অর্থাৎ তার নিজের) আয়ের অংশীদার হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৪৬ * নারীদের ক্ষত চিহ্ন এবং প্রথাগুলো সৌন্দর্যের সাথে যুক্ত ছিল (কান ও নাক ফোঁড়ানো, পা বেঁধে রাখা এবং করসেট পরা); পুরুষদের প্রথাগুলো ছিল নারীদের রক্ষার সাথে যুক্ত। উগান্ডার ডোডোদের মতো যেসব সংস্কৃতিতে শারীরিক শক্তি এখনো নারীদের রক্ষার সেরা উপায়, সেখানে প্রতিটি মানুষকে হত্যার বিনিময়ে পুরুষদের একটি ক্ষত চিহ্ন দেওয়া হয়; ক্ষত চিহ্ন যত বেশি, তাকে তত বেশি যোগ্য মনে করা হয়। ** পৃষ্ঠা ৭২ * আজ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে যথাযথভাবেই ঘৃণা করা হয়। কিন্তু পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে আমরা বিনোদন বলি। ফুটবল, বক্সিং, কুস্তির কথা ভাবুন... এগুলো পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে মিষ্টি কথায় ঢাকার উপায়। আসলে এগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে আমাদের দল -- বা আমাদের সমাজ -- তার সেরা রক্ষকদের নিজেদের উৎসর্গ করার জন্য রাজি করাতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৭৫ * কল্পনা করুন আমরা কেমন বোধ করতাম যদি আমি এই অংশটি এভাবে শুরু করতাম, আজ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে যথাযথভাবে হাততালি দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। আমরা জানতাম যে আমি নারীদের মৃত্যু সমর্থন করি; কিন্তু যখন আমরা পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতার জন্য হাততালি দিই, তখন আমরা পুরুষদের মৃত্যুই সমর্থন করি। আমরা এটি করি কারণ আমরা শিখেছি যে পুরুষদের যত কার্যকরভাবে আত্মত্যাগের জন্য প্রস্তুত করব, আমরা তত বেশি সুরক্ষিত থাকব। ** পৃষ্ঠা ৭৬ * পুরুষেরা প্রায়ই সেই সমাজগুলোতে অহিংস হয়ে ওঠে যেখানে (১) পর্যাপ্ত খাবার আছে, (২) পর্যাপ্ত জল আছে এবং (৩) তারা নিজেদের আক্রমণ থেকে নিরাপদ মনে করে। উদাহরণস্বরূপ, তাহিতির পুরুষরা, ক্রিটের মিনোয়ান পুরুষরা এবং মধ্য মালয়েশিয়ার সেমাইরা তাদের ইতিহাসের সেই সময়ে অহিংস ছিল যখন এই তিনটি শর্তই বিদ্যমান ছিল। ** পৃষ্ঠা ৭৭ * প্রায়ই বলা হয় যে নারীরা জন্মগতভাবে যুদ্ধপ্রিয় পুরুষদের সভ্য করার একটি ভারসাম্য। নারীদের বদলে নিজেরা হত্যার কাজ করার মাধ্যমে পুরুষরাই নারীদের সভ্য করেছে বলা যেতে পারে। যখন টিকে থাকাই ছিল মূল বিষয়, তখন নারীদের গর্ভজাত সন্তানদের রক্ষার জন্য পুরুষদের হত্যা করা ছিল আসলে তাদের লালন-পালনেরই একটি ধরন। ** পৃষ্ঠা ৭৯ * তাহলে পিতৃতন্ত্রকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়? সম্ভবত এটিকে একটি সংস্কৃতিতে পুরুষদের আধিপত্য, দায়িত্ব এবং আনুগত্যের ক্ষেত্র হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে, যা টিকে থাকার প্রয়োজন মেটানোর জন্য উভয় লিঙ্গের মাধ্যমেই শক্তিশালী হয়েছে। মাতৃতন্ত্রকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়? একটি সংস্কৃতিতে নারীদের আধিপত্য, দায়িত্ব এবং আনুগত্যের ক্ষেত্র হিসেবে, যা টিকে থাকার প্রয়োজন মেটানোর জন্য উভয় লিঙ্গের মাধ্যমেই শক্তিশালী হয়েছে। ** পৃষ্ঠা ৯৮ ==== দ্বিতীয় খণ্ড: দ্য গ্লাস সেলারস অফ দ্য ডিসপোজেবল সেক্স ==== * প্রতিদিন কর্মক্ষেত্রে প্রায় ততজন পুরুষ মারা যান যতজন ভিয়েতনামের গড়পড়তা দিনে মারা যেতেন। পুরুষদের জন্য আসলে তিনটি পুরুষ-নির্ধারিত বাধ্যতামূলক তালিকা (ড্রাফট) আছে: সমস্ত যুদ্ধের জন্য পুরুষদের তালিকা; অবৈতনিক দেহরক্ষী হিসেবে প্রতিটি সাধারণ মানুষের তালিকা; এবং সমস্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ বা 'মৃত্যু পেশার' জন্য পুরুষদের তালিকা। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * কোনো আন্দোলনই প্রবাসী শ্রমিকদের নিপীড়িত বলে না যদিও তারা সেই নারীদের জন্য অর্থ যোগান দেয় যাদের কাছ থেকে তারা রান্নাবান্না বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সেবা পায় না; তারা তাদের স্ত্রীদের জন্য ঘরবাড়ি তৈরি করে দেয় অথচ নিজেরা মাটিতে ঘুমায়। ** পৃষ্ঠা ১১১ * যখন খনি এবং অন্যান্য মৃত্যু পেশা নিয়ে নারীবাদী প্রকাশনাগুলোতে আলোচনা করা হয় তখন সেগুলোকে পুরুষতান্ত্রিক ক্ষমতার প্রতীক বা কেবল পুরুষদের ক্লাবের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়। তবে মিস ম্যাগাজিনে যখন নারী খনি শ্রমিকদের কথা বলা হয়েছিল তখন এই বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল যে কীভাবে একজন নারী খনিতে কাজ করতে 'বাধ্য' হয়েছিলেন কারণ সেখানে সবথেকে ভালো বেতন পাওয়া যেত এবং তার পরিবারকে সাহায্য করার জন্য সেটিই ছিল একমাত্র পথ। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * পুরুষদের মরতে দেওয়া হলো টাকা বাঁচানোর একটি কৌশল। নিরাপত্তার জন্য টাকা খরচ করতে হয়। একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তার ভাষায়, ‘যখন সবকিছুতেই তাড়াহুড়ো থাকে, যখন আপনি মানুষের ওপর চাপ প্রয়োগ করেন এবং শর্টকাট ব্যবহার করেন তখন সবকিছু ভুল হতে পারে। আর তখন মানুষ মারা যায়।’ না। তখন পুরুষ মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ১১৯ * কোনো পেশা শারীরিকভাবে নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত নারীরা সেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় যোগ দেন না। তাই আমরা যতক্ষণ পুরুষদের নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন হয়ে মৃত্যু পেশাগুলোকে নিরাপদ পেশায় রূপান্তর না করব ততক্ষণ আমরা আসলে নারীদের প্রতি বৈষম্য করছি। কিন্তু যখন আমরা কেবল নারীদের অতিমাত্রায় সুরক্ষা দিই তখন সেটিও নারীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের দিকে নিয়ে যায়। যদি কোনো নিয়োগকর্তা বড় কোম্পানিতে কাজ করেন যেখানে কোটার কারণে বৈষম্য করা সম্ভব নয় তখন তারা স্থায়ীভাবে কাউকে নিয়োগ দেওয়ার বদলে ফ্রিল্যান্সারদের নিয়োগ দিতে বেশি আগ্রহী হন। তারা ভাবেন এতে কোনো নারীকে নিয়োগ দিয়ে সম্ভাব্য যৌন হয়রানির মামলার ঝুঁকি নিতে হবে না। ** পৃষ্ঠা ১২১ * একটি দেশ যত বেশি পুরুষতান্ত্রিক সেটি নারীদের তত বেশি সুরক্ষা দেয়। আর এভাবেই সেটি নারীদের সীমাবদ্ধ করে দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইতালি, স্পেন এবং ডেনমার্ক নারীদের বাধ্যবাধকতা ছাড়াই অনেক সুযোগ দেয়। তাই এই দেশগুলো এখনো পুরুষতান্ত্রিক। কোনো দেশ কতটা স্বাধীন তা নির্ভর করে সেই দেশ পুরুষদের নারীদের রক্ষা করার বাধ্যবাধকতা থেকে কতটা মুক্তি দেয় এবং নারীদের পুরুষদের সমানভাবে রক্ষা করতে কতটা শেখায় তার ওপর। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * যুদ্ধ কে ঘটায়? যুদ্ধ ঘটে আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার আদিম ভয় থেকে। এই ভয় নারী ও পুরুষ উভয়েরই আছে। এই ভয় এতটাই আদিম যে আমরা সহজেই সেইসব ব্যক্তিদের অসৎ উদ্দেশ্য সম্পর্কে বাড়িয়ে বলতে প্রলুব্ধ হই যারা আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। কেন? কোনো হুমকিকে অবমূল্যায়ন করার একটি ভুল সবাইকে ধ্বংস করে দিতে পারে; কিন্তু অতিমূল্যায়ন করার অনেক ভুল কেবল পুরুষদের ধ্বংস করে। ** পৃষ্ঠা ১৪২ * প্যারেড ম্যাগাজিন জানায় যে ১৯১৪ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে ৪০ মিলিয়ন সোভিয়েত পুরুষ নিহত হয়েছে। ম্যাগাজিনটির শিরোনাম ছিল ‘দুর্ভাগ্যের শিকার’। পুরুষরা মারা গেছে বলে? না। নারীদের দুর্ভাগ্যের শিকার হিসেবে দেখা হয়েছিল কারণ তারা ফ্যাক্টরি এবং রাস্তা পরিষ্কার করার কাজে আটকা পড়েছিলেন যে কাজগুলো করার জন্য পুরুষরা তখন বেঁচে ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১৪৫ * পুরুষেরা কেবল যুদ্ধের যোদ্ধা নয় বরং শান্তির যোদ্ধাও হতে পারে। প্রায় সবাই যারা শান্তির জন্য জীবন বাজি রাখে, জেলে যায় বা নিহত হয় তারা পুরুষ। নেলসন ম্যান্ডেলা, মার্টিন লুথার কিং, গান্ধী বা দাগ হ্যামারশোল্ডের মতো কিছু শান্তির যোদ্ধাকে মনে রাখা হলেও অধিকাংশকেই ভুলে যাওয়া হয়। নর্ম মরিসনের কথা মনে আছে? ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদ করার কয়েক বছর পর নর্ম পেন্টাগনের সিঁড়িতে নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন... কিন্তু নর্ম মরিসনকে আজ সবাই ভুলে গেছে। ** পৃষ্ঠা ১৫৩ * ১৯৭০-এর দশকের দিকে আমেরিকান নারীদের 'স্বাধীন' বা 'সুপারওম্যান' বলা হতো। অন্যদিকে আমেরিকান পুরুষেরা যদি ভিয়েতনামে যুদ্ধ করত তবে তাদের 'শিশু হত্যাকারী' বলা হতো। যদি তারা প্রতিবাদ করত তবে তাদের 'দেশদ্রোহী' বলা হতো আর যদি তারা কোনোটিই না করত তবে তাদের 'উদাসীন' বলা হতো। এমনকি যেসব পুরুষ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছিল তাদের দিকেও আক্ষরিক অর্থেই থুতু ফেলা হয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ১৫৫ * কিশোরী মেয়েদের দক্ষতা প্রমাণের চাপ কম থাকে এবং ভালোবাসা পাওয়ার সম্পদ বেশি থাকে। তাদের শরীর ও মন আসলে জন্মগত উপহার। ** পৃষ্ঠা ১৬৬ * কিশোর বালকদের উদ্বেগ এতটাই তীব্র হওয়ার কারণ হলো তাদের সামাজিক শিক্ষা তাদের কাছে দক্ষতা প্রমাণের দাবি করে কিন্তু সেই দক্ষতা অর্জনের সম্পদ দেয় না। ফলে তার ঝুঁকি যেমন অনেক তেমনই ব্যর্থতাও অনেক। এবং সেগুলো খুব স্পষ্ট... দ্বিতীয়ত, সবচাইতে বড় বিজয়ীরা—যেমন ফুটবল খেলোয়াড়েরা—নিজেদের ওপর অত্যাচার করার মাধ্যমে ভালোবাসা পায়। কিছু বালকের জন্য এই অত্যাচার উদ্বেগ তৈরি করে। কিন্তু ভালোবাসা হারানো আরও বেশি উদ্বেগ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * পৃথিবী এখন ক্রমশ মেয়েদের সুযোগ দিচ্ছে তারা যা হতে চায় তাই হওয়ার—গৃহিণী, মা, সেক্রেটারি বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * অতীতে যৌনতা এবং গর্ভাবস্থা নিয়ে নারী-পুরুষ উভয়েই চিন্তিত ছিল। এখন জন্মনিরোধক বড়ি নারীর উদ্বেগ কমিয়েছে এবং কনডম পুরুষের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এখন ব্রণযুক্ত চেহারার একটি বালককে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ঝুঁকি নিতে হয় এবং সেই সাথে হার্পিস ও এইডস নিয়ে নিজের ভয়কে জয় করতে হয়। সেই সাথে তাকে মেয়েটিকেও আশ্বস্ত করতে হয় যে ভয়ের কিছু নেই। তাকে এখনো যৌনতার ঝুঁকি নিতে হয়, কিন্তু এখন সে যদি খুব তাড়াতাড়ি ঝুঁকি নেয় তবে তাকে জেলে যেতে হতে পারে অথবা তাড়াতাড়ি না নিলে তাকে কাপুরুষ বলা হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৬৮ * এমনকি ৩০ বছর বয়সের একজন পুরুষ যার স্ত্রী মারা গেছে তার আত্মহত্যার সম্ভাবনা একই বয়সের একজন বিবাহিত পুরুষের চেয়ে ১১ গুণ বেশি। ৩০ বছর বয়সে যখন পুরুষেরা নিজেদের কাজে ডুবে থাকতে পারে এবং তারা নারীদের কাছে শারীরিকভাবে ও আর্থিকভাবে আকর্ষণীয় থাকে তখন নিজের ভালোবাসার মানুষকে হারানো এতটাই বিধ্বংসী হয় যে অনেক নারীর সুযোগ থাকলেও সেই কষ্ট কমে না... সংক্ষেপে, ভালোবাসা হারানোই পুরুষদের ধ্বংস করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৬৯ * নারীরা প্রায়ই আত্মহত্যার চেষ্টা করে কারণ তারা যাদের ভালোবাসে তাদের কাছে অগ্রাধিকার পেতে চায়, সব সময় কেবল তাদের অগ্রাধিকার দিতে চায় না। ** পৃষ্ঠা ১৭১ * যেসব পুরুষ সফল তারা ভালোবাসা পাওয়ার জন্য সাফল্যের ওপর সবচাইতে বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। যখন এই পুরুষটি তার সাফল্য হারায় তখন সে প্রায়ই ভয় পায় যে সে ভালোবাসা হারাবে। ** পৃষ্ঠা ১৭২ * একজন পুরুষের কাছে বেকারত্ব হলো একজন নারীর কাছে ধর্ষণের মানসিক যন্ত্রণার সমান। ** পৃষ্ঠা ১৭২ * বাধ্যতামূলক আগাম অবসর নেওয়া একজন পুরুষের কাছে তেমনটাই হতে পারে যেমনটা একজন নারীর কাছে কোনো 'অল্পবয়সী নারীর জন্য পরিত্যক্ত' হওয়া। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * বিষণ্ণতার অভিযোগ প্রায়ই পুরুষের ওপর নারীর নির্ভরশীলতার সাথে যুক্ত থাকে। কিন্তু এটি এমন পুরুষের ওপর নির্ভরশীলতা যারা একজন নারীকে টিকে থাকার সংগ্রামের চেয়েও বেশি কিছু নিয়ে ভাবার সময় দিতে যথেষ্ট সফল। এই কারণেই যখন আমরা বিষণ্ণতায় আক্রান্ত নারীদের কথা ভাবি তখন আমাদের মাথায় মধ্যবিত্ত নারীদের কথা আসে, শ্রমিক শ্রেণির নারীদের কথা নয়। শ্রমিক শ্রেণির নারীরা বেঁচে থাকার চিন্তায় এতই ব্যস্ত থাকেন যে বিষণ্ণতার কথা বলার সুযোগ পান না। বিষণ্ণতা এমন একটি রোগ যা তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায় যাদের বেঁচে থাকার চিন্তা ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে ভাবার বিলাসিতা আছে। একজন মানুষ দ্বিতীয় ধাপে যত বেশি এগিয়ে থাকে সে বিষণ্ণতার দিকে তত বেশি মনোযোগ দিতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৭৭ * যখন একজন পুরুষকে আগাম অবসর নিতে বাধ্য করা হয় তখন প্রায়ই তাকে 'একজন অল্পবয়সী পুরুষের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়'। একজন পুরুষের কাছে আগাম অবসর তেমনটাই হতে পারে যেমনটা একজন নারীর কাছে 'অল্পবয়সী নারীর জন্য পরিত্যক্ত' হওয়া... সন্তানরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেলে মায়েরা যতটা না বিচলিত হন পুরুষেরা কেন অবসরে গেলে তার চেয়ে বেশি বিচলিত হন? নারীরা যখন সন্তানদের কাছ থেকে অবসর নেন তখন তারা একটি পেশা শুরু করার চেষ্টা করতে পারেন; কিন্তু একজন পুরুষ যখন পেশা থেকে অবসর নেন তখন তার সন্তানরাও চলে যায়। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * যখন নারী ও পুরুষের গড় আয়ু প্রায় সমান হয় তখন তার কারণ কেবল সন্তান জন্মদান নয় বরং রোগব্যাধি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, জলের অভাব, অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা এবং পুষ্টিহীনতা। শিল্পোন্নত সমাজে অকালমৃত্যুর প্রধান কারণ হলো মানসিক চাপ যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। যেহেতু মানসিক চাপ একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তাই পুরুষেরা নারীদের তুলনায় অনেক আগে মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * বিকল্পগুলো একজন নারীকে তার ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী নিজের ভূমিকা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেয়। কিন্তু একজন পুরুষ যদি ভালোভাবে ভরণপোষণ করতে চায় তবে সে তাই পরতে বাধ্য হয় যা তাকে মানায় না, বরং তাকে একটি স্যুট পরতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৩ * দ্য নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন সম্প্রতি জানিয়েছে যে নিজের দোষ নিয়ে কথা বলা আমাদের হৃদস্পন্দনের গতিতে অস্বাভাবিকতা তৈরি করে। সামান্য অস্বাভাবিকতা? না। স্থির সাইকেল চালিয়ে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া বা বুকে ব্যথা হওয়ার মতো তীব্র অস্বাভাবিকতা। সম্ভবত কিশোর বয়স থেকে পুরুষদের একে অপরের সমালোচনা করার যে অভ্যাস সেটিই ৫০ বছর বয়সের আগে নারীদের তুলনায় পুরুষদের চার গুণ বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ। আসলে আমাদের ছেলেরা হৃদরোগের প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ১৮৬ * সংক্ষেপে, আমরা নারীদের তুলনায় জেলখানায় থাকা পুরুষ, সামরিক বাহিনীতে থাকা পুরুষ এবং সাধারণভাবে পুরুষদের ওপর বেশি গবেষণা করি ঠিক যে কারণে আমরা মানুষের চেয়ে ইঁদুরের ওপর বেশি গবেষণা করি। ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * যদিও একটি সরকারি গবেষণায় দেখা গেছে যে নারীদের বা অন্য কোনো সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর চেয়ে পুরুষদের স্বাস্থ্য অনেক বেশি খারাপ, তবুও সারা দেশের শিরোনামে লেখা হয়েছিল: ‘সংখ্যালঘুরা বড় ধরনের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্যের সম্মুখীন’। তারা বলেনি: ‘পুরুষরা বড় ধরনের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্যের সম্মুখীন’। কেন? কারণ আমরা পুরুষদের জীবনের আত্মত্যাগকে বাকিদের রক্ষার উপায় হিসেবে দেখি। আর এই ধারণাটি আমাদের অবচেতনে পুরুষদের দীর্ঘকাল বেঁচে থাকার বিষয়ে উদাসীন হতে উৎসাহ দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৬ * যখন জন্মনিরোধক বড়ি ইউরোপে পাওয়া যেত কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাওয়া যেত না তখন আমেরিকান নারীরা চিৎকার করে বলেছিল যে বড়িটি সহজলভ্য না করা নারীদের জীবনের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে... যখন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) উচ্চ মাত্রার হরমোনযুক্ত বড়ি বাজারে ছেড়েছিল যা পরে অপ্রয়োজনীয় প্রমাণিত হয়, তখন তাদের এই বলে আক্রমণ করা হয়েছিল যে তারা নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করার বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন নয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৫ * দুর্ভাগ্যবশত একজন পুরুষের জীবনে অর্থ উপার্জনের প্রক্রিয়া মানেই ছিল তার স্ত্রীকে পর করে দেওয়া। মাঝে মাঝে এটি আইনত বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায় তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি মানসিক বিচ্ছেদের কারণ হয়। এই কারণেই ডাক্তারদের স্ত্রীদের ওপর করা একটি জরিপে দেখা গেছে যে তারা তাদের স্বামীদের প্রতি এক ধরনের প্রচণ্ড ঘৃণা পোষণ করেন। তবুও সেই স্ত্রীরা ডাক্তারদের সাথে সংসার চালিয়ে যান। কেন? তারা বলেছিলেন যে সবকিছুর চেয়ে তারা বিয়ের নিরাপত্তা চান... ফলে পুরুষেরা প্রায়ই এক ধরনের কৃত্রিম মানসিক নিরাপত্তার নেশায় নিজেদের বিলিয়ে দেন। অন্তত তাদের স্ত্রীদের কাছে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বাস্তবতা থাকে। ** পৃষ্ঠা ২০৩ * কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ, আদিবাসী পুরুষ এবং সমকামী পুরুষদের মধ্যে একটি মিল আছে: তারা নারীদের জন্য কোনো অর্থনৈতিক নিরাপত্তার চাদর দিতে পারেন না। ** পৃষ্ঠা ২০৬ * সমকামী যৌনতা মানে ছিল দুই ঘণ্টার আনন্দের বিনিময়ে দুই ঘণ্টার আনন্দ। বিষমকামী যৌনতা মানে ছিল দুই ঘণ্টার আনন্দের বিনিময়ে সারাজীবনের দায়িত্ব। বিষমকামী সম্পর্ক ছিল একটি লোকসানের চুক্তি! সমকামভীতির পেছনের ভয়টি ছিল যে পরবর্তী প্রজন্মের ভরণপোষণ করার কেউ থাকবে না। সবাই কেবল আনন্দ করবে। ফলে 'আনন্দ' করা হয়ে দাঁড়াল অপরিপক্কতার লক্ষণ; আর অনেক ধরনের 'ভোগবিলাস' অবৈধ হয়ে গেল। ** পৃষ্ঠা ২০৮ * আমরা কেন গৃহহীন পুরুষদের সাহায্য করতে অনীহা প্রকাশ করি? এর আংশিক কারণ হলো আমরা বুঝি না যে পরিবার চালানোর চাপ কীভাবে পুরুষদের এমন সব অস্থায়ী কাজ করতে বাধ্য করে যা তাদের গৃহহীন হওয়ার পথে এগিয়ে দেয় এবং আংশিক কারণ হলো আমরা সফল না হওয়া পুরুষদের প্রতি ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাই। ** পৃষ্ঠা ২০৯ * পুরুষদের এই পাগলামি থেকে স্বাভাবিক পথে ফিরে আসার দ্রুত উপায় হলো নারী-পুরুষ উভয় লিঙ্গের জন্যই ঘর এবং কর্মস্থলের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার দাবি করা। পুরুষদেরও তাদের স্ত্রীদের কাছ থেকে ঠিক তেমনভাবেই আর্থিক সহযোগিতা আশা করতে হবে যাতে তারা বাবা হওয়ার সময় দিতে পারে যেভাবে তারা এখন তাদের স্ত্রীদের মা হওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা দেয়। নারীদেরও টাকার যোদ্ধার বদলে ভালোবাসার যোদ্ধাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২১২ * নারীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করার সাথে সাথে আমাদের নারীদের রক্ষা করার প্রবণতা কি পুরুষদেরও রক্ষা করার নিয়ম তৈরি করবে? হ্যাঁ এবং না। হ্যাঁ, যেমন ডাক্তারদের সপ্তাহে ৮০ ঘণ্টার কম কাজ করার বিষয়টি এখন পুরুষদেরও প্রভাবিত করছে। না, যখন শ্রমিক শ্রেণির কাজগুলোকে ভাগ করা হয় যেখানে পুরুষেরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো নেয় আর নারীরা নিরাপদ কাজগুলো নেয়। আর পেশাগত জীবনে পুরুষেরা যদি সার্জারির মতো অনিয়মিত সময়ের কাজগুলো বেছে নেয় আর নারীরা যদি সাইকিয়াট্রির মতো নিয়মিত সময়ের কাজগুলো নেয় তবে আমরা কেবল নারীদের সুরক্ষিত শ্রেণি এবং পুরুষদের পরিত্যাজ্য শ্রেণি হিসেবে দেখার ধারণাটিকেই শক্তিশালী করব। ** পৃষ্ঠা ২১৩ * শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় কৃষ্ণাঙ্গদের খুনের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২১৪ * যখন আমরা শুনি যে পুরুষেরা অপরাধের বেশি শিকার হচ্ছে তখন আমরা বলি, ‘আরে, পুরুষরাই তো পুরুষদের মারছে।’ যখন আমরা শুনি যে কৃষ্ণাঙ্গরা বেশি শিকার হচ্ছে তখন আমরা একে বর্ণবাদী মনোভাব মনে করি যদি বলি, ‘আরে, কৃষ্ণাঙ্গরাই তো কৃষ্ণাঙ্গদের মারছে।’ অপরাধী যেই হোক না কেন ভুক্তভোগী সব সময় ভুক্তভোগীই হয়। ** পৃষ্ঠা ২১৫ * অপরাধ—বিশেষ করে অর্থের সাথে যুক্ত অপরাধ—ভরণপোষণ করার প্রত্যাশা এবং তা পূরণ করার ক্ষমতার মধ্যে ব্যবধানকে প্রতিফলিত করে... আমরা যদি সত্যিই চাই যে পুরুষেরা নারীদের মতো খুব কম অপরাধ করুক তবে আমাদের শুরু করতে হবে পুরুষদের কাছ থেকে নারীদের ভরণপোষণের যে প্রত্যাশা তা কমিয়ে দিয়ে। ** পৃষ্ঠা ২১৫-২১৬ * যখন আমরা কোনো শিশু কন্যার প্রতি সহিংসতা করি তখন আমরা তাকে শিশু নির্যাতন বলি; যখন আমরা কোনো শিশু পুত্রের প্রতি সহিংসতা করি তখন আমরা তাকে খতনা বলি। ** পৃষ্ঠা ২২১ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়াই খতনা করা হয়, যদিও অ্যানেস্থেসিয়া শিশুর মানসিক চাপ কমায় এবং সংক্রমণ ও রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে। ** পৃষ্ঠা ২২১ * আমরা যদি এখনো মেয়েদের যৌনাঙ্গের উপরের অংশ কাটতাম তবে একে মেয়েদের যৌনতাকে দমন করার ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখতে আমাদের কোনো অসুবিধা হতো না। আমেরিকা যে কোনো গবেষণা ছাড়াই খতনা করে যাচ্ছে তা মূলত বালকদের ব্যথার অনুভূতির প্রতি সংবেদনহীন করার ঐতিহ্যেরই প্রতিফলন। তাদের শেখানো হচ্ছে যাতে তারা তাদের শরীরের অঙ্গ পরিত্যাজ্য হওয়ার বিষয়ে কোনো প্রশ্ন না তোলে। ** পৃষ্ঠা ২২৩ * বিপদে পড়া নারীদের নিয়ে তৈরি সিনেমাগুলো আসলে রাজকন্যাকে ড্রাগনের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে পুরুষদের প্রাণ দেওয়ার সেই পুরনো গল্পের আধুনিক রূপ। এগুলো আসলে নারীদের সেরা রক্ষক খুঁজে নেওয়ার এবং বাকিদের বাদ দেওয়ার জন্য আধুনিক দিনের প্রশিক্ষণমূলক চলচ্চিত্র। ** পৃষ্ঠা ২২৫ * লিঙ্গবৈষম্যমূলক ধারণা হলো—কেবল নারীদের ওপর যে কোনো সহিংসতাকে নারী-বিরোধী মনে করা, কিন্তু পুরুষদের ওপর নারীর করা সহিংসতাকে সাধারণ সহিংসতা মনে করা। এই ধারণাটি নারীদের আরও বেশি সুরক্ষা দেওয়ার জন্য আইনের দাবি তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ২২৮ * পুরুষেরা কেবল নারীদের অবৈতনিক দেহরক্ষীই নয় বরং তারা নারী দেহরক্ষী হওয়ার জন্য উল্টো টাকাও খরচ করে। ** পৃষ্ঠা ২৩০ * নারীরা শিশুদের রক্ষা করার জন্য জীবন বাজি রাখবে কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক কোনো পুরুষকে রক্ষা করার জন্য খুব কমই জীবন বাজি রাখে। ** পৃষ্ঠা ২৩০ * নারী আন্দোলনের একটি বড় ভুল ধারণা: কাজ মানেই "ক্ষমতা" এবং "আত্মতৃপ্তি" মনে করা। ** পৃষ্ঠা ২৩২ * আমাকে প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয় যে নারীদের—বিশেষ করে দরিদ্র নারীদের—যৌনকর্মী হিসেবে নিজেদের শরীর ব্যবহার করার বিষয়ে পুরুষেরা কেন বিচলিত হয় না। কারণ অধিকাংশ পুরুষ অবচেতনভাবে প্রতিদিন নিজেদের যৌনকর্মী হিসেবেই অনুভব করে—খনি শ্রমিক, ফায়ারফাইটার, নির্মাণ শ্রমিক বা সৈনিকেরা আসলে সরাসরি অর্থ এবং পরিবারের জন্য নিজেদের শরীর উৎসর্গ করে। ** পৃষ্ঠা ২৩৩ * নারীদের রক্ষা করার জন্য আইনগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে যদি কোনো পুরুষের সাংবিধানিক অধিকারের সাথে নারীর সুরক্ষার বিষয়টি সাংঘর্ষিক হয় তবে সেই অধিকার গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * বিবাহবিচ্ছেদের ফলে পুরুষদের গোষ্ঠী (যাকে আইনসভা বলা হয়) সমষ্টিগতভাবে নারীদের রক্ষা করতে শুরু করে যখন অন্য পুরুষেরা (যাদের স্বামী বলা হয়) ব্যক্তিগতভাবে নারীদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * নারীদের বিশেষ সুরক্ষার আইনি পক্ষপাত সংবিধানের সমান সুরক্ষার গ্যারান্টিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে শুরু করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ ==== তৃতীয় খণ্ড: বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকার ==== * খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত একজন পুরুষের মৃত্যুদণ্ড পাওয়ার সম্ভাবনা একই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত একজন নারীর চেয়ে ২০ গুণ বেশি... ১৯৭৬ সালে মৃত্যুদণ্ড পুনরায় চালু হওয়ার পর থেকে ১২০ জন পুরুষ এবং মাত্র ১ জন নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। উত্তর ক্যারোলিনার সেই নারীটি বলেছিলেন যে তিনি মৃত্যুদণ্ডই পছন্দ করেন... উত্তর ক্যারোলিনায় দ্বিতীয় পর্যায়ের খুনের জন্য একজন পুরুষ গড়ে একজন নারীর চেয়ে ১২.৬ বছর বেশি সাজা পায়। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যখন একজন পুরুষ এবং একজন নারী মিলে কোনো অপরাধ করে তখন তারা দুজনেই প্রায়ই পুরুষটির ওপর দোষ চাপাতে রাজি হন—যদিও পুরুষটির দীর্ঘ সাজা পাওয়ার এবং কারাগারে ধর্ষিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যদি কৃষ্ণাঙ্গরা শ্বেতাঙ্গদের জন্য এমনটা করত তবে কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায় একে বুদ্ধিমত্তার সাথে ‘শেখানো দাসত্ব’ বলে অভিহিত করত। ** পৃষ্ঠা ২৪৩ * ১৯৫৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০,০০০ নারী খুন করেছেন। তাদের শিকার হয়েছেন প্রায় ৬০,০০০ পুরুষ। কিন্তু এই অধ্যায়ের দ্বিতীয় বিষয়ের তথ্যানুযায়ী কেবল একজন পুরুষকে হত্যার জন্য কোনো নারীরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি। প্রায় চার দশক ধরে আমরা নারীদের প্রতি ক্রমেই বেশি সুরক্ষিত এবং পুরুষদের প্রতি ক্রমেই কম সুরক্ষিত হয়ে উঠছি—এমনকি সেই ছেলেটি যদি নাবালকও হয় যেমনটা ছিল হিথ উইলকিন্স। ** পৃষ্ঠা ২৪৪ * যদি আমরা কোনো বিবাহিত পুরুষকে তার অর্থনৈতিক আইনি জটিলতার জন্য দায়ী করি তবে বিবাহিত নারীকেও তার বিপথে যাওয়া সন্তানদের জন্য দায়ী করা উচিত। ** পৃষ্ঠা ২৫০ * প্রিয়জনকে হত্যার হাত থেকে নারী বা পুরুষ কেউই মুক্ত নয়। পার্থক্য কেবল হত্যার পর তাদের সাথে কী ঘটে তার মধ্যে। ১২টি আলাদা আলাদা নারী-কেন্দ্রিক প্রতিরক্ষা কোনো নারীকে পরিকল্পিত খুনের অভিযোগ থেকে মুক্তি দিতে বা সাজা কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। কোনো পুরুষই একই পরিস্থিতিতে এই যুক্তিগুলো ব্যবহার করে সফল হয়নি। ** পৃষ্ঠা ২৫৪ * এটিই হলো “নির্দোষ নারী প্রতিরক্ষা”-র ভিত্তি—অর্থাৎ “নির্দোষ নারী নীতি”: নারীরা যখন বলে যে তারা সহিংসতায় জড়িত নয় তখন তাদের বিশ্বাস করা হয় এবং যখন তারা বলে যে তারা সহিংসতায় দোষী তখন তাদের খুব সহজেই সন্দেহ করা হয়। ** পৃষ্ঠা ২৫৫ * ''ফ্যারেলের অন্য এগারোটি প্রতিরক্ষা হলো ‘পিএমএস প্রতিরক্ষা’; ‘স্বামী প্রতিরক্ষা’ (ওয়ারেন, আমি পুরোপুরি জানি না কীভাবে এটি সংক্ষেপে বলব—আমি নিশ্চিত নই যে আমি এটি বুঝতে পেরেছি কি না); ‘নির্যাতিতা নারী সিনড্রোম’ প্রতিরক্ষা যা ‘শেখানো অসহায়ত্ব’ নামেও পরিচিত; ‘বিষণ্ণ মা’ প্রতিরক্ষা; ‘মায়েরা হত্যা করে না’ প্রতিরক্ষা; ‘শিশুদের মায়ের প্রয়োজন’ প্রতিরক্ষা; ‘বাবাকে দোষ দাও, মাকে বোঝো’ প্রতিরক্ষা; ‘আমার সন্তান, একে নির্যাতনের অধিকার আমার’ প্রতিরক্ষা; ‘সাজা কমানোর চুক্তির’ প্রতিরক্ষা; ‘সভেনগালি প্রতিরক্ষা’ এবং ‘চুক্তিতে হত্যা’ প্রতিরক্ষা।'' ** অধ্যায় ১২ * প্রতিটি যুদ্ধের অভিজ্ঞ পুরুষরাই পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের মাধ্যমে ‘নির্যাতিত পুরুষ সিনড্রোমে’ ভোগেন। এর মানসিক ফলাফল বছরের পর বছর তাদের সাথে থাকে। কিন্তু যদি ভুক্তভোগী কেউ এজেন্ট অরেঞ্জ স্প্রে করার আদেশ দেওয়ার জন্য অ্যাডমিরাল জুমওয়াল্টকে হত্যা করে তবে তাকে খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হবে। নির্যাতিত পুরুষ সিনড্রোমে ভোগা পুরুষদের তাদের নির্যাতনকারীকে আক্রমণ করার এবং একে আত্মরক্ষা বলার অনুমতি দেওয়া হয় না। ** পৃষ্ঠা ২৬৪ * চুক্তিতে করা হত্যাগুলো কখনোই কোনো নারীর পুরুষকে হত্যা করা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয় না। ** পৃষ্ঠা ২৮১ * আমরা তখনই নির্যাতন এবং হত্যা কমাতে পারি যখন আমরা বুঝব যে উভয় লিঙ্গের ক্ষেত্রেই নির্যাতন ক্ষমতা থেকে নয় বরং ক্ষমতার অভাব থেকে আসে। ** পৃষ্ঠা ২৮২ * কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি দক্ষতার পুরস্কারকে আকর্ষণীয় হওয়া এবং যৌন সহজলভ্যতার পুরস্কারের সাথে গুলিয়ে ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৮৪-৫ * একজন পুরুষের কাজ তখনই অবৈধ হবে যদি কোনো নারী মনে করে যে এটি একটি ‘প্রতিকূল পরিবেশ’ তৈরি করছে এবং যদি পুরুষটি সেই অপরাধ করে থাকে... ‘প্রতিকূল পরিবেশ’-এর সংজ্ঞা কে দেয়? নারীটি। এমনকি পুরুষটির উদ্দেশ্য কী ছিল তা আইনের ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য তৈরি করে না। অন্যান্য সকল অপরাধমূলক আচরণের ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এমনকি খুনের ক্ষেত্রেও। যৌন হয়রানি সংক্রান্ত বর্তমান আইন সকল পুরুষকে সকল নারীর তুলনায় অসমান করে দেয়। এটি সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর লিঙ্গ নির্বিশেষে সমান সুরক্ষার গ্যারান্টিকে সরাসরি লঙ্ঘন করে। এভাবেই কেবল নারীদের রক্ষা করার রাজনৈতিক ইচ্ছা উভয় লিঙ্গকে সমানভাবে রক্ষা করার সাংবিধানিক আদেশের চেয়ে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত বর্তমান আইন সকল পুরুষকে সকল নারীর তুলনায় অসমান করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * এক দশকে নারীরা কর্মক্ষেত্রে আপত্তিকর কৌতুকের বিরুদ্ধে যতটা সুরক্ষা পেয়েছে পুরুষেরা কয়েক শতাব্দীতেও কর্মক্ষেত্রে নিহত হওয়ার বিরুদ্ধে ততটা সুরক্ষা পায়নি। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইনগুলো পুরুষদের কাছে অন্যায্য মনে হয় কারণ তারা যদি কোনো জাতিগত কৌতুক বা কোনো নারীর পর্নোগ্রাফি নিয়ে আলোচনা করা বা বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার বিরুদ্ধে মামলা করত তবে তাদের নিয়ে হাসাহাসি করা হতো। ** পৃষ্ঠা ২৮৯ * এক অর্থে যৌন হয়রানি সংক্রান্ত মামলাগুলো হলো নারী নির্বাচনের প্রক্রিয়ার সবশেষ সংস্করণ—যা তাকে এমন পুরুষ বেছে নিতে সাহায্য করে যে তার ক্যারিয়ার ঝুঁকির মুখে ফেলার মতো তার প্রতি যত্নশীল। যার মধ্যে অভদ্র না হয়েও উদ্যোগ নেওয়ার দক্ষতা এবং মামলা হওয়ার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও উদ্যোগ নেওয়ার সাহস আছে... অতীতে তার এই বাধাগুলো অতিক্রম করার প্রক্রিয়াকে ‘কোর্টশিপ’ বলা হতো। এখন একে ‘কোর্টশিপ’ অথবা ‘যৌন হয়রানি’ বলা হয়। ** পৃষ্ঠা ২৯১ * যখন একজন পুরুষ কোনো নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয় তখন যৌন উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা তার ক্ষমতা বাড়ায় না বরং তাকে স্থবির করে দেয়। মামলার ভয় কেবল সেই স্থবিরতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। বিদ্রূপের বিষয় হলো পরিস্থিতি যত বিপজ্জনক হয় ‘নোংরা কৌতুক বলা’ ততটাই পরিস্থিতি বোঝার উপায় হিসেবে কাজ করে: যদি সে হাসে তবে হয়তো সে আগ্রহী; যদি সে বিরক্ত হয় তবে হয়তো সে আগ্রহী নয়। সে অনেক বেশি শক্তিশালী বোধ করত যদি নারীটি নিজে পরিস্থিতি বোঝার দায়িত্ব নিত। ** পৃষ্ঠা ২৯৪ * যদি একজন নারী কর্মী বিরক্ত বোধ করেন তবে তার বসের ইচ্ছা থাকে যে তিনি তাকে সেটা বলুক, মামলা না করুক। ** পৃষ্ঠা ২৯৪ * হেজিং হলো দলের কাছে নিজেকে সমর্পণ করার পরীক্ষা এবং প্রশিক্ষণ উভয়ই। ** পৃষ্ঠা ২৯৫ * যদি কোনো নারীকে এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে না হয় তবে তাকে আসলে যাচাই করা হচ্ছে না; তাই তাকে বিশ্বাসও করা হচ্ছে না। ** পৃষ্ঠা ২৯৫ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইন প্রায়ই একটি প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করে যা নারীকে শিশুর মতো করে উপস্থাপন করে। ** পৃষ্ঠা ২৯৭ * কর্মক্ষেত্রে আসলে সাত ধরনের যৌন মিথস্ক্রিয়া ঘটে... যৌন ব্ল্যাকমেইল। একজন বস কোনো কর্মীকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য হুমকি দেয় অন্যথায় তাকে বরখাস্ত করা হবে... যৌন ঘুষ। একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যৌনতার বিনিময়ে পদোন্নতির প্রতিশ্রুতি দেয়। এটি স্পষ্ট বা পরোক্ষ হতে পারে... কর্মক্ষেত্রের বেশ্যাবৃত্তি। পদোন্নতির বিনিময়ে একজন কর্মী যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে; একজন বিক্রয়কর্মী কোনো পণ্য বিক্রির জন্য যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে। যৌনতা দেওয়া হতে পারে বা কেবল প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতে পারে... কর্মক্ষেত্রের ইনসেস্ট। কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক। কর্মক্ষেত্রে পরিবারের মতো ক্ষমতার স্তর থাকে যা যৌন সম্পর্কের ফলে অস্পষ্ট হয়ে যায়... যৌন হয়রানি। একজন কর্মী ‘না’ বলার পরেও কর্মক্ষেত্রে বারবার যৌন প্রস্তাব দেওয়া... কর্মক্ষেত্রে ফ্লার্টেশন। ইঙ্গিতপূর্ণ পোশাক, চোখে চোখে কথা বলা, স্পর্শ এবং চোখের সংকেতের সমন্বয়... কর্মক্ষেত্রের পর্নোগ্রাফি। গ্রুপে পিনআপ ছবি, অশ্লীল কৌতুক এবং যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলা... ** পৃষ্ঠা ২৯৭-৯ * সমাধান: (...) অন্য লিঙ্গের ভালো উদ্দেশ্য বোঝার চেষ্টা করুন। ** পৃষ্ঠা ৩০৬ * আদি নারীবাদীরা এটি বুঝতে পেরেছিলেন: তারা সুরক্ষামূলক আইনের কট্টর বিরোধী ছিলেন। তারা জানতেন যতক্ষণ রাজকন্যাকে একটি মটরশুঁটি থেকে রক্ষা করা হবে ততক্ষণ নারীরা সমতা থেকে বঞ্চিত হবে। আধুনিক দিনের নারীদের জন্য সেই ‘মটরশুঁটি’ হলো কর্মক্ষেত্রের কঠিন পরিস্থিতি। আজকের নারীবাদীরা যখন সুরক্ষামূলক আইনের সমর্থক হন তখন তারা আসলে সমতার বিরোধিতা করেন। যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইন লিঙ্গবৈষম্যমূলক কারণ এটি যৌন মিলনের খেলায় কেবল পুরুষকেই পুরুষালি ভূমিকার জন্য দায়ী করে। ** পৃষ্ঠা ৩০৭ * মিথ। ধর্ষণ হলো পুরুষদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ। সত্য। একজন শ্বেতাঙ্গ পুরুষের তুলনায় একজন কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষের ধর্ষক হিসেবে অভিযুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তিন গুণ বেশি। কৃষ্ণাঙ্গদের কি হঠাৎ করে বেশি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা হয়ে গেছে? সম্ভবত ধর্ষণ ক্ষমতা থেকে আসে না বরং ক্ষমতার অভাব থেকে আসে। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * এটিও সম্ভব যে একজন নারী কোনো পুরুষের ঘরে গেল এবং তাকে বলল যে সে শারীরিক সম্পর্ক করতে চায় না এবং সে এটি বিশ্বাসও করে। কিন্তু পরে চুম্বন শুরু হলে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়ে যায় এবং সকালে সে অনুতাপ করে। কীভাবে? চুম্বন হলো পটেটো চিপস খাওয়ার মতো। আমরা বোঝার আগেই যতটুকু বলেছিলাম তার চেয়ে বেশি করে ফেলি। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * ধর্ষণের ক্ষেত্রে যৌন আকর্ষণের ভূমিকা অস্বীকার করা মানে নারীর যৌন সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষদের আসক্তিকে শক্তিশালী করার এবং পরে সেই আসক্তি থেকে তাদের বঞ্চিত করার জন্য আমাদের দায়িত্বকে অস্বীকার করা। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * যৌন আচরণের প্রতিটি বিচারের সমস্যা হলো এটি এমন সব মানুষ করে যারা বিচারের সময় উত্তেজিত অবস্থায় থাকে না। একজন জুরি যখন একটি শান্ত আদালতে একজন নারীকে দেখে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করে যে সে কী চেয়েছিল এবং ধরে নেয় যে বাকি যা কিছু ঘটেছে তার সব দায় পুরুষের, তবে এটি কেবল সেই নারীকেই নয় বরং যৌনতার শক্তিকেও অপমান করা। ** পৃষ্ঠা ৩১২ * একজন নারীর ইচ্ছার চেয়ে বেশি যৌন সম্পর্ক করার পর কোনো পুরুষের বিরুদ্ধে মামলা করা অনেকটা পটেটো চিপস বেশি খাওয়ার জন্য চিপস কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করার মতো। সংক্ষেপে ডেট রেপ একটি অপরাধ, একটি ভুল বোঝাবুঝি অথবা পরে অনুশোচনা হওয়ার মতো বিষয় হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩১২ * ডেট রেপ শব্দটি যখন নারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে নাটকীয় দিকটি বোঝাতে সাহায্য করেছে, পুরুষদের কাছে তেমন কোনো শব্দ নেই যা তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে যন্ত্রণাদায়ক দিকটি বোঝাতে পারে। অবশ্যই এখন সবচাইতে যন্ত্রণাদায়ক দিকটি হলো এমন একজন নারীর মাধ্যমে ডেট রেপের অভিযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা যাকে সে ভালোবাসত। যদি পুরুষেরা তাদের চিরাচরিত ভূমিকার খারাপ দিকগুলোকে চিহ্নিত করত তবে তারা সেগুলোকে “ডেট ডাকাতি”, “ডেট প্রত্যাখ্যান”, “ডেট দায়িত্ব”, “ডেট জালিয়াতি” এবং “ডেট মিথ্যাচার” বলতে পারত। ** পৃষ্ঠা ৩১৩ * অনেক পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে খারাপ দিকটি হলো এটি কীভাবে তার কাছে সামাজিক নিয়মের মাধ্যমে ডাকাতির মতো মনে হতে পারে—যেখানে সে পকেট থেকে টাকা বের করে তাকে দেয় এবং একে ডেট বলে। একজন তরুণের কাছে সবচাইতে খারাপ ডেট হলো লুণ্ঠিত এবং প্রত্যাখ্যাত হওয়ার মতো। ছেলেরা প্রত্যাখ্যান এড়াতে মৃত্যুর ঝুঁকি পর্যন্ত নেয় (যেমন সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া)। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * প্রত্যাখ্যাত হওয়ার জন্য টাকা খরচ করার একটি বিকেল বা সন্ধ্যা কোনো পুরুষের কাছে ডেট রেপের পুরুষ সংস্করণ মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * যদি কোনো পুরুষের নারীর মৌখিক “না”-কে উপেক্ষা করা ডেট রেপ হয় তবে যে নারী মুখে “না” বললেও শারীরিক ভাষায় “হ্যাঁ” বলে সে ডেট জালিয়াতি করছে। আর যে নারী “না” বলার পরেও যৌন সম্পর্ক চালিয়ে যায় সে ডেট মিথ্যাচার করছে। নারীরা কি এখনো এটি করে? দুই জন নারীবাদী গবেষণায় দেখেছেন যে উত্তরটি হলো হ্যাঁ। প্রায় ৪০ শতাংশ কলেজ ছাত্রী স্বীকার করেছেন যে তারা যৌনতার ক্ষেত্রে “না” বলেছিলেন এমনকি “যখন তারা মনে মনে হ্যাঁ চেয়েছিলেন”। দেড় লক্ষাধিক পুরুষ ও নারীর সাথে আমার নিজের কাজেও উত্তরটি হ্যাঁ। প্রায় সব অবিবাহিত নারী স্বীকার করেছেন যে তারা কোনো ছেলের জায়গায় “কেবল কথা বলতে” যেতে রাজি হয়েছেন কিন্তু তবুও তার প্রথম চুম্বনে সাড়া দিয়েছেন। প্রায় সবাই স্বীকার করেছেন যে তারা সম্প্রতি এমন কথা বলেছেন যে ‘আজ এই পর্যন্তই থাক’, যদিও তখনো তারা চুম্বন করছিলেন। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * আমরা ভুলে গেছি যে একে ডেট রেপ এবং ডেট জালিয়াতি বলার আগে আমরা একে উত্তেজনাপূর্ণ বলতাম। ** পৃষ্ঠা ৩১৪-৩১৫ * কোনোভাবেই নারীদের রোমান্স উপন্যাসের শিরোনাম ‘আমি যখন না বললাম সে তখন থেমে গেল’ এমন হয় না। সেগুলোর শিরোনাম হয় ‘সুইট স্যাভেজ লাভ’ যেখানে নারী সেই নম্র প্রেমিকের হাত প্রত্যাখ্যান করে যে তাকে ধর্ষকের হাত থেকে বাঁচায় এবং সেই পুরুষকে বিয়ে করে যে তাকে বারবার এবং পাশবিক ভাবে ধর্ষণ করে। এই “ধর্ষককে বিয়ে করার” থিমটিই ‘সুইট স্যাভেজ লাভ’ উপন্যাসকে কেবল একটি সেরা বই নয় বরং নারীদের সবচাইতে জনপ্রিয় রোমান্স উপন্যাসে পরিণত করেছে। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে একজন নারীর “না”-গুলোকে সম্মান করা হোক এবং তার “হ্যাঁ”-গুলোকেও সম্মান করা হোক। আর এটিও গুরুত্বপূর্ণ যে যখন তার শারীরিক “হ্যাঁ”-গুলো (জিহ্বার স্পর্শ বজায় থাকা) মৌখিক “না”-গুলোর সাথে সংঘর্ষ হয় তখন “না”-এর চেয়ে “হ্যাঁ” বেছে নেওয়ার জন্য পুরুষটিকে যেন জেলে না যেতে হয়। সে হয়তো কেবল তার কল্পনা পূরণ করার চেষ্টা করছিল। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * আমরা প্রায়ই শুনি “ধর্ষণ তো ধর্ষণই, তাই না?” না। ছুরির মুখে কোনো অপরিচিত ব্যক্তির কোনো নারীর ওপর চড়াও হওয়া আর মাতাল অবস্থায় কোনো পুরুষ ও নারীর যৌন সম্পর্ক করার পর সকালে অনুতাপ করা এক বিষয় নয়। পার্থক্য কী? একজন নারী যখন ডেটে যেতে রাজি হয় তখন সে যৌন সম্পর্কের সিদ্ধান্ত নেয় না ঠিকই কিন্তু সে যৌন সম্ভাবনার পথ খোলার সিদ্ধান্ত নেয়। কোনো অপরিচিত বা পরিচিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে নারী এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * ধর্ষণের ব্যাপক সংজ্ঞাসহ আইনগুলো অনেকটা পুরুষদের জন্য ঘণ্টায় ৫৫ মাইল গতির সীমা আর নারীদের জন্য কোনো গতির সীমা না রাখার মতো। ** পৃষ্ঠা ৩১৭ * বিদ্রূপের বিষয়: মদ্যপান করে গাড়ি চালানোর জন্য যখন আমরা মানুষকে ক্রমেই বেশি দায়ী করছি, তখন মদ্যপান করে যৌন সম্পর্ক করার জন্য আমরা নারীদের ক্রমেই কম দায়ী করছি। ** পৃষ্ঠা ৩২০ * যৌনতার ক্ষেত্রে অবশ্যই দুই লিঙ্গ সমান নয়। এটি মূলত নারীর অধিকতর যৌন ক্ষমতা যা একজন পুরুষকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার এতটাই ভীত করে তোলে যে সে তার ভয় কমাতে মদ্যপান করে। আসলে নারীর যৌন ক্ষমতা প্রায়ই পুরুষকে মদ্যপানের দিকে নিয়ে যায় কিন্তু পুরুষের যৌন ক্ষমতা খুব কমই নারীকে মদ্যপানের দিকে নিয়ে যায়। যদি তার ওপর নারীর ক্ষমতার কোনো প্রমাণ থাকে তবে সেটি হলো কোনো বিনিময় ছাড়াই তাকে নারীর জন্য পানীয় কিনতে টাকা খরচ করতে হয়। পুরুষরাই—নারীদের চেয়ে অনেক বেশি—মানসিক সক্ষমতা হারায় যখন তারা একজন সুন্দরী নারীর “প্রভাবে” থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩২০ * যতক্ষণ সমাজ পুরুষদের যৌনতার বিক্রেতা হতে বলে ততক্ষণ সমাজ যদি কেবল পুরুষদের জেলে পাঠায় যখন তারা ভালোভাবে বিক্রি করে তবে তা লিঙ্গবৈষম্যমূলক। আমরা অন্যান্য বিক্রেতাদের ক্লায়েন্টকে পানীয় খাওয়ানোর জন্য বা সফলভাবে “না”-কে “হয়তো”-তে এবং পরে “হ্যাঁ”-তে রূপান্তর করার জন্য জেলে পাঠাই না। যদি ক্লায়েন্ট অতিরিক্ত মদ্যপানের সিদ্ধান্ত নেয় এবং “হ্যাঁ” বলাটা তার ভুল সিদ্ধান্ত হয় তবে ক্লায়েন্টকেই বরখাস্ত করা হয়, বিক্রেতাকে নয়। ** পৃষ্ঠা ৩২১ * প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের মাধ্যমে পুরুষদের সবচাইতে বেশি ধর্ষিত হওয়ার উপায় হলো “জন্ম নিয়ন্ত্রণ ধর্ষণ”। ** পৃষ্ঠা ৩৩৫ * পুরুষদের অধিকাংশ ধর্ষণ কারাগারেই ঘটে। কিন্তু কারাগারের বাইরেও প্রায় ৯ শতাংশ নথিভুক্ত ধর্ষণ পুরুষদের বিরুদ্ধে হয়ে থাকে (সম্ভবত বেশিরভাগই পুরুষদের দ্বারা করা তবে কেউ নিশ্চিত নয়)। কারাগারের বাইরে ধর্ষণ পুরুষদের জন্য ঠিক তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমনটা নারীদের জন্য এইডস—এইডসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের প্রায় ১০ শতাংশ নারী। আমরা কি পুরুষদের ধর্ষিত হওয়া সম্পর্কে বেশি শুনি নাকি নারীদের এইডস হওয়া সম্পর্কে? ** পৃষ্ঠা ৩৩৫ * আমরা এখনো বুঝি না যে যখন আমরা পুরুষদের অবহেলা করি তখন আমরা নারীদের ধর্ষণ করি। ** পৃষ্ঠা ৩৩৬ * মিস জরিপ একে ধর্ষণ বলতে পারে; একজন সম্পর্ক বিষয়ক পরামর্শদাতা একে একটি সম্পর্ক বলবে। দাম্পত্য ধর্ষণের আইন হলো ব্ল্যাকমেইল হওয়ার অপেক্ষায় থাকা একটি সুযোগ। ** পৃষ্ঠা ৩৩৮ * এই সবকিছুর সমাধান অপরাধী সাব্যস্ত করা নয় বরং সামাজিকীকরণ পরিবর্তন করা। ** পৃষ্ঠা ৩৪০ * যদি আইন আমাদের “হ্যাঁ” এবং “না”-কে শাসন করার চেষ্টা করে তবে এটি “দা স্ট্রেইটজ্যাকেট জেনারেশন” তৈরি করবে—এমন এক প্রজন্ম যারা ফ্লার্ট করতে ভয় পাবে এবং আদালতে নিজেদের প্রেমের চিঠি খুঁজে পাওয়ার ভয়ে ভীত থাকবে। ডেট রেপ সংক্রান্ত আইন প্রেম নিবেদন বা কোর্টশিপের পথ বন্ধ করে দিয়ে আদালতে মামলা করার পথ তৈরি করবে। নারীদের ক্ষমতায়ন ডেট রেপ থেকে সুরক্ষার মধ্যে নেই বরং উভয় লিঙ্গকে ডেটের উদ্যোগ এবং খরচ ভাগ করে নেওয়ার সামাজিকীকরণের মধ্যে রয়েছে যাতে ডেট রেপ এবং ডেট জালিয়াতি উভয়ই কমে যায়। যখন পুরুষেরা দ্রুত উদ্যোগ নেয় না তখন তাদের “কাপুরুষ” বলে, যখন নেয় তখন “ধর্ষক” বলে এবং যখন তারা এটি ভুলভাবে করে তখন তাদের “ছোটলোক” বলে আমরা ডেট রেপ বন্ধ করতে পারি না। আমরা যদি কেবল পুরুষদের ওপর ভালো ফল করার চাপ বাড়াই তবে এটি পুরুষদের নারীদের বস্তু হিসেবে দেখার প্রয়োজনীয়তাকে আরও বাড়িয়ে দেবে—যা আরও ধর্ষণের দিকে নিয়ে যাবে। পুরুষেরা ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের ধর্ষক হবে যতক্ষণ পুরুষেরা আমাদের উদ্যোগ গ্রহণকারী হবে... ডেট রেপ সংক্রান্ত আইনগুলো ডেট ঘৃণা করার একটি পরিবেশ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ৩৪০ * বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকার নারীদের জন্য এমন কিছু করেছে যা শ্রমিক ইউনিয়নগুলো এখনো পুরুষদের জন্য করতে পারেনি। আর পুরুষেরা শ্রমিক ইউনিয়নের জন্য চাঁদা দেয়; করদাতারা নারীবাদের জন্য চাঁদা দেয়। নারীবাদ এবং সরকার খুব দ্রুতই করদাতা সমর্থিত নারী ইউনিয়নে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৪৪ * নিয়োগকর্তারা নিয়োগ এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে লিঙ্গবৈষম্য করতে বাধা পায় না। ** পৃষ্ঠা ৩৪৪ * আমরা বন্য ভালুক এবং ডলফিনকে ‘ফ্রি’ খাবার দেওয়া নিষিদ্ধ করেছি কারণ আমরা জানি যে এমন খাবার তাদের নির্ভরশীল করে তুলবে এবং তাদের বিলুপ্তির দিকে নিয়ে যাবে। কিন্তু যখন আমাদের নিজেদের প্রজাতির কথা আসে তখন আমরা স্বল্পমেয়াদী দয়া এবং দীর্ঘমেয়াদী নিষ্ঠুরতার মধ্যে সম্পর্ক দেখতে পাই না; আমরা নারীদের বেশি সন্তান নেওয়ার জন্য টাকা দিই যা তাদের প্রতিটি সন্তানের সাথে আরও নির্ভরশীল করে তোলে এবং তাদের নিজেদের জন্য লড়াই করার ক্ষমতা তৈরিতে নিরুৎসাহিত করে। নারীদের বিরুদ্ধে আসল বৈষম্য হলো এই ‘ফ্রি ফিডিং’। ** পৃষ্ঠা ৩৪৬ * অনেক কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ চলে যায় কারণ তারা আর্থিকভাবে দায়িত্বশীল—মানসিকভাবে দায়িত্বহীন হওয়ার কারণে নয়। ** পৃষ্ঠা ৩৪৮ * যখন সরকারি ভর্তুকি কোনো শিশুকে তার বাবার সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত করে তখন সরকার আসলে শিশু নির্যাতনকেই সহায়তা করছে। ** পৃষ্ঠা ৩৪৮ * যদি কেউ কোনো নোংরা কৌতুক বলে তবে তার বিরুদ্ধে ‘প্রতিকূল পরিবেশের’ অভিযোগ এনে কোনো কোম্পানিকে মামলা করার প্রশিক্ষণ দিয়ে আমরা আসলে নারীদের বিকল্প স্বামী বা বাবার কাছে অর্থাৎ সরকারের কাছে দৌড়াতে শেখাচ্ছি। এটি কোম্পানিগুলোকে নারীদের ভয় পেতে শেখায় কিন্তু সম্মান করতে শেখায় না। কর্মক্ষেত্রে সফল হওয়ার জন্য আমরা নারীদের যে সেরা প্রস্তুতি দিতে পারি তা হলো মামলা করার চেয়ে বাধাগুলো অতিক্রম করার শক্তি দেওয়া: সফল মানুষেরা মামলা করে না তারা সফল হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫১ ==== চতুর্থ খণ্ড: এখান থেকে আমরা কোথায় যাব ==== * আদর্শগতভাবে কেবল একটি পুরুষ আন্দোলন না হয়ে বরং একটি লিঙ্গ পরিবর্তনকালীন আন্দোলন হওয়া উচিত; শুধুমাত্র নারী আন্দোলনের প্রভাবই একটি পুরুষ আন্দোলনের সাময়িক প্রয়োজনীয়তা তৈরি করে। এবং এটি পুরুষদের জন্য একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ তৈরি করে: খুব কম রাজনৈতিক আন্দোলনই সুস্থ মানুষদের দিয়ে গঠিত হয়, তবুও রাজনৈতিক আন্দোলন ছাড়া খুব কমই ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে। ** পৃষ্ঠা ৩৫৬ * পুরুষদের ক্ষেত্রে আমরা ভুক্তভোগীকেই দোষারোপ করি। আমরা পুরুষদের দোষ দিই কারণ আমরা তাদের নিপীড়নকারী হতে শিখিয়ে পুরুষদের ভুক্তভোগী হওয়ার বিষয়টি আড়াল করেছি। পুরুষদের নিপীড়নকারী পরিচয় তাদের ভুক্তভোগী পরিচয়কে আড়াল করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫৭ * কাঠামো, (...) * নারীর সৌন্দর্য এবং যৌনতার প্রতি আসক্তি; * সুন্দরী নারী এবং তার সাথে যৌনতা থেকে বঞ্চিত হওয়া যতক্ষণ না পুরুষ তার বিনিময়ে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিচ্ছে; (...) ** পৃষ্ঠা ৩৫৮ * মানুষ সাধারণত নিজেদের স্বীকার করে নেওয়ার মাধ্যমেই পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু করে। এভাবেই কৃষ্ণাঙ্গরা তাদের গর্ব প্রকাশ করেছিল এবং বলেছিল যে কালো মানেই সুন্দর; নারীরা ঘোষণা করেছিল “আমি নারী, আমি শক্তিশালী”; আর পুরুষেরা বলছে “আমি পুরুষ, আমি ঠিক আছি”। পঁচিশ বছর ধরে পুরুষদের অপদস্থ করার পর এটি মন্দ শুরু নয়। ** পৃষ্ঠা ৩৬১ === জোনাথন রবিনসনের নেওয়া সাক্ষাৎকার (১৯৯৪) === <small>জোনাথন রবিনসনের ''ব্রিজেস টু হেভেন: হাউ ওয়েল-নোন সিকারস ডিফাইন অ্যান্ড ডিপেন দেয়ার কানেকশন উইথ গড'' (ওয়ালপোল, এনএইচ: স্টিলপয়েন্ট, ১৯৯৪) থেকে নেওয়া; এটি বিভিন্ন 'সিকার' সাক্ষাৎকারের একটি সংকলন।</small> * আমি যখন খাবার খাই তখন আমি সেই সব মানুষের কথা ভাবি যাদের পরিশ্রম আমার পুষ্টির যোগান দিয়েছে। এই ভাবনাটি আমার কৃতজ্ঞতাবোধকে বাড়িয়ে দেয়। আমি আশা করি এটি আপনাকেও পুষ্ট করবে। * একইসাথে সসীম এবং অসীম, অনেক কিছু আবার খুব সামান্য, সচেতন হয়েও নেহাতই আকস্মিক হওয়ার এই রহস্য আমাকে অবাক করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৪৬-৪৭ * আমার কাছে আমি যা জানি না তার বিশালতাই হলো ঈশ্বরকে অনুভব করার একটি পথ। এটি আমার মধ্যে নম্রতা এবং কৃতজ্ঞতার জন্ম দেয়। ** পৃষ্ঠা ৪৭ * আমি যখন অনেক ভালোবাসা পাই অথবা যখন মানুষকে লালন করি ও সাহায্য করি তখন আমার অভিজ্ঞতা আরও গভীর হয়। আমি এক বৃহত্তর উদ্দেশ্য এবং অর্থের সাথে যুক্ত বোধ করি। ** পৃষ্ঠা ৭১ * যখন আমি মানুষকে তাদের সেরাটা অর্জন করতে সাহায্য করার সেই বৃহত্তর বোধ হারিয়ে ফেলি তখন আমার ভেতরের ঈশ্বরের সাথে যোগাযোগ কমে যায়। ** পৃষ্ঠা ১০১ * ইতিহাসে এই প্রথম আমরা এত উচ্চ পর্যায়ের বিলাসিতা উপভোগ করছি। তাই ঈশ্বরকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * নিজেদের সচেতন সত্তার যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে আমরা নিজেদের পাশাপাশি অন্যদের শান্তি বজায় রাখতেও অবদান রাখি। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * আমার বাবা-মা যদি এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ আগেও বা পরেও মিলিত হতেন তবে আমার অস্তিত্ব থাকত না। কেবল জীবন পাওয়াটাই কত বড় এক অলৌকিক ঘটনা। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * মাঝে মাঝে যখন আমি আমার অতীতের দিকে ফিরে তাকাই তখন আমার মনে হয় যে আমি যা কিছুর মধ্য দিয়ে গিয়েছি তা আমাকে বর্তমান কাজের জন্য উপযুক্ত করে তৈরি করেছে। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমার কাছে ঈশ্বর হলো সারা জীবনে সঞ্চিত আমার সমস্ত জ্ঞান। আমি যখন মনোযোগ দিই তখন আমার শরীরই সেই জ্ঞানের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। ** পৃষ্ঠা ১৮৩ === ''উইমেন কান্ট হিয়ার হোয়াট মেন ডোন্ট সে'' (২০০০) === * তিরিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে কর্মশালা পরিচালনা করার অভিজ্ঞতায় কেউ কখনো আমাকে বলেনি, “ওয়ারেন, আমি বিচ্ছেদ চাই—আমার সঙ্গী আমাকে বোঝে।” ** পৃষ্ঠা ১৫ * একজন পুরুষ তার অনুভূতি প্রকাশ করে নয় বরং অনুভূতি দমন করার মাধ্যমেই সফল হয়। ** পৃষ্ঠা ১৬ * কোনো লিঙ্গ যখন তার অনুভূতি প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকে তার কারণ প্রায় সব সময়ই হলো তারা মনে করে না যে সেখানে অনুভূতি প্রকাশের মতো কোনো নিরাপদ পরিবেশ আছে। ** পৃষ্ঠা ১৬ * একজন পুরুষ ভয় পায় যে তার স্ত্রীর সাথে বিবাদ অন্তরঙ্গতা বাড়ানোর বদলে বরং তা কমিয়ে দেবে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * আমাদের সঙ্গী নির্বাচন সম্ভবত আমাদের জীবনদর্শনের সবচাইতে স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। তাই যখন আমরা কোনো কিছুর জন্য আমাদের সঙ্গীকে দোষ দিই, তখন আসলে আমাদের নিজেদেরই মুখোমুখি হওয়া উচিত। তা এই ভেবে নয় যে “হ্যাঁ, আমি ভুল নির্বাচন করেছি,” বরং এই ভেবে যে “এই নির্বাচন আমার মূল্যবোধকে কীভাবে প্রতিফলিত করছে?” ** পৃষ্ঠা ১৭ * পুরুষদের অনুভূতি প্রকাশে সহায়তা করার বিষয়ে যদি আমরা সত্যিই আন্তরিক হই তবে নারী-পুরুষের মধ্যকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এবং দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রশ্ন করা এবং পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮ * মানুষ গত ১০,০০০ বছরেরও বেশি সময় ব্যয় করেছে অন্য পক্ষের সাথে লড়াই এবং বিতর্ক করতে শিখতে কিন্তু একে অপরের কথা শুনতে বা সহানুভূতি প্রকাশ করতে শেখার জন্য প্রায় কোনো সময়ই ব্যয় করেনি। ** পৃষ্ঠা ১৮ * সত্য হলো যে রাগ প্রকাশ করতে এবং সমালোচিত হতে সবাই অস্বস্তি বোধ করে। রাগ এবং সমালোচনা প্রত্যাখ্যানের জন্ম দেয়। আর সবাই প্রত্যাখ্যানকে ঘৃণা করে। ** পৃষ্ঠা ২১ * যখন একজন নারী ভয় প্রকাশ করে তখন আমরা তাকে তার দায়িত্ব থেকে মুক্তি না দিয়ে আশ্বস্ত করতে পারি না; কিন্তু যখন আমরা পুরুষের সেই একই আবেগকেই রাগ হিসেবে দেখি তখন আমরা তাকে দোষারোপ করতে চাই এবং চাই সে যেন নিজের দায়িত্ব স্বীকার করে। আমরা তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চাই আর তাকে দোষী সাব্যস্ত করতে চাই। ** পৃষ্ঠা ২২ * আমরা অনুমোদন বা প্রশংসা প্রত্যাশীদের উত্তরসূরি। আমরা প্রশংসা পেতে এতটাই মরিয়া যে আমরা কখনো সবার সাথে মিশে গিয়ে তা পাওয়ার চেষ্টা করি আবার কখনো সবার চেয়ে আলাদা বা শ্রেষ্ঠ হয়ে তা পাওয়ার চেষ্টা করি। ** পৃষ্ঠা ২৪ * কথার চেয়ে কণ্ঠস্বরের ভঙ্গি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ২৫ * যদি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি সঙ্গীর ভালো উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করে তবে সাধারণত তা পাওয়া যায়। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যেকোনো পুরুষ যে দলগত খেলা খেলেছে সে “টিম স্পোর্ট এমপ্যাথি” নামক একটি দক্ষতা অনুশীলন করেছে: সে অন্য দলের পদক্ষেপগুলো অনুমান করার চর্চা করেছে। তার মানে হলো পরিস্থিতিকে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বোঝার চেষ্টা করা। ** পৃষ্ঠা ৩২ * নারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া পুরুষত্বেরই একটি বৈশিষ্ট্য। পুরুষেরা যখন রক্ষকের ভূমিকা পালন করে তখন তারা একজন নারীকে দুঃখ বা যন্ত্রণা থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। যদি তারা সেই দুঃখ বা যন্ত্রণার সামান্য আভাসও না পায় তবে তারা জানবে না কখন রক্ষা করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * সঙ্গীর সাথে দ্বিমত হওয়ার মুহূর্তে আমাদের অধিকাংশের মাথায় এটা আসে না যে আমাদের সঙ্গীর ইতিবাচক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলোর প্রশংসা করার জন্য সময় নেওয়া উচিত যা এমনকি সেই অবস্থানেও প্রতিফলিত হয় যার সাথে আমরা একমত নই। যখন আমরা তা করি তখন আমাদের সঙ্গী জানতে পারে যে সে যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন তাদের চরিত্রের প্রতি আমাদের বিশ্বাস কখনোই প্রশ্নবিদ্ধ হবে না। এটি প্রতিটি মতভেদকে ভালোবাসার একটি সম্ভাব্য উপহারে পরিণত করে। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * যখন আমরা কাউকে বিশ্বাস করি তখন আমরা বিনিময়ে বিশ্বাস পাই। আর যারা আমাদের বিশ্বাস করে তারা আমাদের প্রতি মনোযোগী হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * কোন বয়সে একটি শিশুকে সমালোচনা করা এবং গ্রহণ করার আরও ভালো উপায়গুলো শেখানো উচিত—যাকে আমি “সম্পর্কের ভাষা” বলি? স্কুল বয়সের আগেই। এর সেরা শিক্ষক কে? মা-বাবা। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * স্কুলগুলো বর্তমানে শিশুদের মতামত প্রকাশে উৎসাহিত করতে দক্ষ হলেও উদাহরণস্বরূপ, “ওহ, এটা তো আমার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আলাদা—আমাকে আরও বলো” এই ধরণের কথা বলতে উৎসাহিত করতে ব্যর্থ। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * শিশুদের কথা শুনতে না শিখিয়ে কেবল বিতর্ক করতে শেখানো হলো বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * যোগাযোগের সবচাইতে কঠিন অংশ হলো সমালোচনা শোনা যাতে তা সহজেই দেওয়া যায়। ** পৃষ্ঠা ৩৮ * আমরা সবাই কথা বলতে পারদর্শী কিন্তু শুনতে গেলে প্রতিবন্ধী। ** পৃষ্ঠা ৪০ * যেকোনো সমালোচনার প্রথম সহজাত প্রতিক্রিয়া হলো আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া। (প্রতিক্রিয়া যত দ্রুত হয় তা তত বেশি আত্মরক্ষামূলক হয়।) ** পৃষ্ঠা ৪০ * সমালোচনার বিপরীতে সকল আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিক। (অন্যের দৃষ্টিভঙ্গির আগে নিজের কথা চিন্তা করাটাই স্বাভাবিক।) ** পৃষ্ঠা ৪০ * সমালোচনাকারীকে থামিয়ে দেওয়া আমাদের বিবর্তনীয় অতীতের অংশ; সমালোচনার জবাবে মনোযোগ দিয়ে শোনা আমাদের বিবর্তনীয় ভবিষ্যতের অংশ। ** পৃষ্ঠা ৪১ * সমালোচনার জবাবে মনোযোগ দিয়ে শোনা আমাদের অভ্যন্তরীণ মনস্তত্ত্বের এমন একটি পরিবর্তন নির্দেশ করে যা সম্ভবত মানুষের করা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিবর্তনীয় পরিবর্তন। ** পৃষ্ঠা ৪১ * শোনা হলো অন্যদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নিজের ক্ষমতায়ন। ** পৃষ্ঠা ৪১ * পুরুষদের সাহায্যের প্রয়োজন নেই—এই বিশ্বাসটিই হলো সমস্যার একটি অংশ। * পুরুষেরা এখনো নারীদের পরিবর্তনের রক্ষক হিসেবে ভূমিকা পালন করছে এবং উভয় লিঙ্গই কেবল পুরুষদের কাছ থেকে নিজেদের পরিবর্তনগুলো নিজেরাই করার প্রত্যাশা করে। * পুরুষদের অনুভূতি প্রকাশে সাহায্য করার শুরুটা হয় পুরুষেরা কেন সেগুলো প্রকাশ করে না তা বোঝার মাধ্যমে। * অন্যদের জন্য কীভাবে আরও ভালো কাজ করা যায় সে সম্পর্কে নির্দেশনা দেওয়া আর জীবন নিয়ে নিজের অনুভূতি বা সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। * পুরুষদের দায়িত্বের ধরণ তাদের অনুভূতি থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে যেখানে নারীদের দায়িত্বের ধরণ অনুভূতি প্রকাশে উৎসাহিত করেছে। * পুরুষদের উপার্জিত অর্থ নারীদের ভালোবাসা এবং লালন করতে এবং একে অপরের সাথে যুক্ত থাকতে সাহায্য করেছে যাতে তারা লালনকারী হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে পুরুষেরা সেই অর্থ পেয়েছে এক ধরণের খুনি-রক্ষক হওয়ার বিনিময়ে। তারা একজন ‘হিউম্যান ডুইং’ (একজন ক্যাপ্টেন বা কয়লা খনি শ্রমিক) হয়ে ওঠার মাধ্যমে পারিশ্রমিক পেয়েছে, ‘হিউম্যান বিয়িং’ (সুখী বা দুঃখী অনুভব করতে পারা একজন মানুষ) হিসেবে নয়। * যেসব সমাজের পুরুষেরা যুদ্ধে নিজেদের উৎসর্গ করতে রাজি ছিল না সেই সমাজগুলো সাধারণত ধ্বংস হয়ে গেছে। সমাজগুলো খুনিদের মাধ্যমেই সুরক্ষিত ছিল, আর এ কারণেই আমি পুরুষদের প্রথাগত ভূমিকাকে খুনি-রক্ষক ভূমিকা বলি। * পুরুষদের ভয় এবং দুর্বলতার অনুভূতি প্রকাশ করা থেকে বিরত রাখার ক্ষেত্রে উভয় লিঙ্গেরই একটি অবচেতন স্বার্থ কাজ করত। * কোনো উপকথাই তার সন্তানদের শোনায় না যে সুন্দরী রাজকন্যারা বিবেকবান যুদ্ধ-বিরোধীদের প্রেমে পড়ছে। * যদি আমরা পুরুষদের অনুভূতি দমন করতে শিখিয়ে তার বদলে একজন ক্যাপ্টেন হওয়ার জন্য পুরস্কৃত করি তবে সে আমাদের রক্ষার জন্য মরতে রাজি হতে পারে; যদি আমরা তাকে একটি কয়লা খনিতে কাজ করার বিনিময়ে পরিবার চালানোর মতো যথেষ্ট অর্থ দিই তবে সে আমাদের উষ্ণ রাখার জন্য অকালে মরতে রাজি হতে পারে। কিন্তু এই সবকিছুর জন্য তাকে তার অনুভূতি বিসর্জন দিতে হয়েছে—যা একজন মানুষ হিসেবে তার ক্ষমতা—এবং তার বদলে তাকে ‘হিউম্যান ডুইং’ হিসেবে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে: অর্থাৎ অন্য কেউ খরচ করবে এমন অর্থ উপার্জনের দায়িত্ব নিয়ে নিজে অকালে মৃত্যুবরণ করা। * একজন ‘হিউম্যান ডুইং’ হয়ে ওঠা ছিল সমাজের ঠিক যা প্রয়োজন। কিন্তু একজন ব্যক্তি হিসেবে পুরুষের জন্য ‘হিউম্যান ডুইং’ হয়ে ওঠা ছিল তার নিজের সত্তাকে ধ্বংস করার নামান্তর। * এই সব কিছুই পুরুষদের জিনগত ঐতিহ্য। তবে পুরুষদের জিনগত ঐতিহ্য তাদের জিনগত ভবিষ্যতের সাথে সাংঘর্ষিক। * অতীতে পুরুষদের সেরা খুনি-রক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা ‘যোগ্যতমের’ টিকে থাকার দিকে নিয়ে যেত। ভবিষ্যতে পারমাণবিক প্রযুক্তির এই যুগে খুনিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া সবাইকে ধ্বংস করার দিকে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। * ভবিষ্যতে নারীরা ক্রমবর্ধমানভাবে এমন পুরুষদের চাইবে যারা তাদের লালন করতে পারে এবং তাদের সাথে একাত্ম হতে পারে। * ভবিষ্যতে নারীরা ক্রমবর্ধমানভাবে লালনকারী সঙ্গীদের চাইবে কারণ সে যা লালন করবে তার একটি অংশ হবে নারীর নিজের আত্মরক্ষার ক্ষমতা। * একাত্ম হতে এবং লালন করতে অনুভূতির সাথে যোগাযোগ থাকা কেবল সহায়কই নয় বরং এটি প্রয়োজনীয়। তাই পুরুষদের প্রথম কাজ—তাদের পরবর্তী বিবর্তনীয় কৌশল—হলো নিজের অনুভূতির সাথে সংযুক্ত হওয়া। * গত তিরিশ বছর ধরে নারী আন্দোলন নারীদের প্রায় প্রতিটি অনুভূতি প্রকাশে সমর্থন দিয়েছে। অন্য নারীদের কাছে। পুরুষদের কাছে। সমাজের কাছে। নারীদের অনুভূতি পাঠ্যক্রম, ওম্যান স্টাডিজ, টিভি স্পেশাল, টক শো এবং লাইফটাইম কেবলের বিষয়বস্তু হয়েছে। নারীদের অনুভূতিকে শিক্ষা এবং বিনোদন উভয়ই বলা হয়েছে। অন্যদিকে পুরুষদের অনুভূতি দমন করা হয়েছে যতক্ষণ না সেগুলো আলসারে পরিণত হয়েছে। * যেহেতু পুরুষেরা কম অভিযোগ করত তাই আমরা এই ভুল ধারণা তৈরি করেছিলাম যে নারীদের অভিযোগগুলো কেবল নারীদের অভিযোগ এবং তাই সেগুলো কেবল নারীদের সমস্যা। যা জননীতির মাধ্যমে নারীদের সমস্যা সমাধানের যুক্তি তৈরি করেছিল। * একজন বাবার প্রথাগত ভূমিকা তাকে পরিবারের ভালোবাসার কাছ থেকে দূরে থাকার মাধ্যমে নিজের পরিবারকে ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত করেছিল। * একজন মায়ের প্রথাগত ভূমিকা তাকে পরিবারের সাথে থাকার মাধ্যমে নিজের পরিবারকে ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত করেছিল। * আমরা মনে করি শ্রম বিভাজন এখন সেকেলে হয়ে গেছে কিন্তু আসলে এটি পুনরায় আবির্ভূত হয়েছে। আশির দশকের শুরুর দিকে একজন মায়ের পারিবারিক দায়িত্বের জন্য কাজ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা বাবার চেয়ে ৪৩ গুণ বেশি ছিল; সম্প্রতি একজন মায়ের কাজ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা ১৩৫ গুণ বেশি। * নারীদের মানসিক সমর্থনের জন্য চারটি অনানুষ্ঠানিক বিকল্প ব্যবহার করতে শেখানো হয়: স্বামী, নারী বন্ধু, সন্তান এবং মা-বাবা। পুরুষদের কেবল একটি বিকল্প ব্যবহার করতে শেখানো হয়: তাদের স্ত্রী বা নারী বন্ধু। * পুরুষেরা তাদের সমস্ত মানসিক চাওয়া তাদের স্ত্রীদের (বা নারী বন্ধুদের) ওপর নির্ভর করে রাখে। তাই একজন পুরুষের জন্য তার স্ত্রীর কাছে হতাশার অনুভূতি প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়ে কারণ সে যদি নিজেকে সরিয়ে নেয় তবে পুরুষটি মনে করে তার সম্পূর্ণ মানসিক সমর্থন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। * কোনো বিবাদের পর নারীরা কেবল সমর্থনের জন্য অন্য নারী বন্ধুদের কাছেই যায় না বরং বিবাদটি বিচ্ছেদে গড়ালে তাদের সন্তানদের সাথে থাকার সম্ভাবনা নয় গুণ বেশি। * মায়ের সাথে বসবাসকারী একজন নারীর স্বাধীনতা সীমিত হতে পারে; কিন্তু মায়ের সাথে বসবাসকারী একজন পুরুষের স্বাধীনতা এবং সম্মান উভয়ই সীমিত হয়ে পড়ে। অধিকাংশ পুরুষের জন্য সমর্থনের এই শূন্যতা এতটাই বিধ্বংসী যে তারা নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে মানসিক সমর্থন হারানোর ঝুঁকির চেয়ে স্ত্রীর সাথে একমত হওয়াকেই বেছে নেয়। * বিচ্ছেদের পর নারীদের সবচাইতে বড় ভয় হলো অর্থনৈতিক অভাব; পুরুষদের সবচাইতে বড় ভয় হলো মানসিক অভাব। * বিবাহবিচ্ছেদ আইন নারীদের বিচ্ছেদের পর অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়েছে; কিন্তু কোনো আইন পুরুষদের বিচ্ছেদের পর মানসিক সহায়তা দেয়নি। পুরুষদের তাদের প্রাক্তন স্ত্রীদের প্রতি ভরণপোষণ বা চাইল্ড সাপোর্টের দায়িত্ব পালন করে যেতে হয়; কিন্তু নারীদের তাদের প্রাক্তন স্বামীদের প্রতি গৃহস্থালির কাজ বা লালন-পালনের দায়িত্ব পালন করে যেতে হয় না। * নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে আমাদের অ্যাফারমেটিভ অ্যাকশন প্রোগ্রাম ছিল। এখন কি পুরুষদের অনুভূতির জন্য তেমন কিছু করার সময় এসেছে যা সরকার নারীদের অর্থনীতির জন্য করেছিল? * নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে পুরুষদের প্রতি রাগ এতটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল যে এমনকি ‘দ্য ইকোনমিস্ট’-এর মতো শান্ত প্রকাশনাগুলোও নারী বনাম পুরুষের কাজের চাপকে এভাবে তুলে ধরেছিল— “নারীর কাজ কখনোই শেষ হয় না; আর পুরুষ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মদ্যপ থাকে।” * এই আন্তর্জাতিক “সিস্টারহুড ইজ ভিকটিমহুড” বা নারীত্বের ভুক্তভোগী পরিচয়ের মেলবন্ধনের প্রভাব আমাদের সন্তানদের ওপর কী হতে পারে? * হোচশিল্ডের সবচাইতে বড় ভুল ছিল যা প্রায় প্রতিটি জনপ্রিয় গৃহস্থালির কাজ সংক্রান্ত গবেষণায় করা হয়: ঘরের কাজে পুরুষদের অবদানকে সঠিকভাবে পরিমাপ না করা। উদাহরণস্বরূপ, যদি মা শিশুদের ডে-কেয়ারে দিয়ে আসেন তবে তাকে গৃহস্থালির কাজ বলা হয়; কিন্তু বাবা যদি পরিবারকে নিয়ে দাদির বাড়িতে যান তবে তাকে গৃহস্থালির কাজ বলা হয় না। * লক্ষ্য করুন যে পুরুষেরা যা করে তার অনেক কিছুই একক মায়েরা করে থাকেন, তাই পুরুষরা যা করে তার প্রশংসা করা আমাদের একক মায়েরা যা করেন তা বুঝতেও সাহায্য করে। * বাস্তব জীবনে রাগের বদলে ভালোবাসা ফিরিয়ে আনার সেরা উপায় হলো আপনার সঙ্গী সাধারণত আপনার জন্য যা করে তা আপনি আপনার সঙ্গীর জন্য করার মাধ্যমে একে অপরকে লালন করা। * এমনকি যেসব পুরুষ তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তারা সহানুভূতির বদলে ‘ডিয়ার অ্যাবি’র দেওয়া উত্তরটি পায়: “নারীদের অবস্থা আরও খারাপ।” এই বিশ্বাসটি এতটাই শক্তিশালী যে গত ২৫ বছরে একজন রক্ষক-স্বামী পাওয়ার যে পুরনো কল্পনা নারীদের ছিল তা এখন এক নতুন দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে—আর তা হলো অত্যাচারী স্বামী। * আমরা যদি বিশ্বাস করি যে মূলত পুরুষরাই নারীদের ওপর অত্যাচার করে তবে নারীদেরও যে পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন তা দেখা কঠিন হয়ে পড়ে: আমরা বলতে থাকি, “শুধু পুরুষদের পরিবর্তন করো। তারাই তো অত্যাচারী।” * চারজন পুরুষ বর্ণনা করছেন কীভাবে তাদের স্ত্রীরা তাদের পিঠে লাঠি দিয়ে আঘাত করেছে, ফ্রাইং প্যান দিয়ে মাথায় বা ঘাড়ে আঘাত করেছে... প্রতিটি গল্পের পর দর্শকরা হাসছে। সেই পুরুষেরা একটি “পিএমএস মেন্স সাপোর্ট গ্রুপ”-এর অংশ ছিল। কল্পনা করুন নির্যাতিতা নারীরা যখন বর্ণনা করছে কীভাবে তাদের স্বামীরা ফ্রাইং প্যান দিয়ে তাদের মাথায় বা ঘাড়ে আঘাত করে মস্তিষ্কে বা মেরুদণ্ডে আঘাত করার হুমকি দিয়েছে তখন একদল পুরুষ হাসছে। * এই নির্যাতিত স্বামীদের সবাই এখনো তাদের স্ত্রীদের সাথেই আছেন। যখন একজন নারী তার ওপর অত্যাচার করা পুরুষের সাথে থাকে তখন আমরা তাকে পালিয়ে যেতে উৎসাহিত করার জন্য আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করি। যদি সে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তবে আমরা বলি সে “ব্যাটারড ওম্যান সিনড্রোম” বা নির্যাতিতা নারী সিনড্রোমের শিকার। * পুরুষদের গ্রুপের মূল লক্ষ্য ছিল পরিস্থিতি বোঝা, মানিয়ে নেওয়া, পরিবর্তন করা এবং সবকিছু ব্যর্থ হলে চলে যাওয়া; অন্যদিকে নির্যাতিতা নারীদের গ্রুপের মূল লক্ষ্য হলো প্রথমে চলে যাওয়া এবং দ্বিতীয়ত সমস্যার উৎসকে (পুরুষটিকে) আটকে রাখা। * সংক্ষেপে, যখন নারীরা অত্যাচার করে তখন পুরুষদের প্রথম অগ্রাধিকার হয় নারীদের সমর্থন দেওয়া এবং তাদের পরিবর্তনে সাহায্য করা; যখন পুরুষেরা অত্যাচার করে তখন নারীদের প্রথম অগ্রাধিকার হয় পুরুষদের কাছ থেকে পালানো এবং তাদের জেলে পাঠানো। * নারীবাদীদের মূলমন্ত্র: “একজন নারীকে আঘাত করার কোনো অজুহাত হতে পারে না।” এটি কি এমন হওয়া উচিত ছিল না— “আঘাত করার কোনো অজুহাত হতে পারে না”? * কমেডি নাটকগুলোতে নিয়মিতভাবে নারীদের পুরুষদের আঘাত করতে দেখা যায় কিন্তু পুরুষদের নারীদের আঘাত করার দৃশ্য প্রায় দেখাই যায় না। যখন পুরুষটি চলে যেতে ব্যর্থ হয় তখন তাকে “ব্যাটারড ম্যান সিনড্রোম” বলা হয় না; একে কমেডি বলা হয়। * লক্ষ্য করুন পুরুষদের ভয় যে তারা যদি এটি কর্তৃপক্ষকে জানায় তবে তাদের বিশ্বাস করা তো হবেই না বরং তাদের উপহাস করা হবে। * পুরুষেরা কষ্টকে “গৌরব” বলতে শেখে; নারীরা পুলিশকে ডাকতে শেখে। * কেন প্রায় প্রতিটি সংস্কৃতিই তার পুরুষদের সহিংসতা সহ্য করার জন্য পুরস্কৃত করত? যাতে যুদ্ধের সময় তাকে রক্ষা করার জন্য একদল মানুষ পাওয়া যায়। * যাদের সবচাইতে বেশি সুরক্ষার প্রয়োজন বলে মনে করা হতো তারা হলো নারী ও শিশু। আর যে লিঙ্গকে সবচাইতে পরিত্যাজ্য মনে করা হতো তা হলো পুরুষ। * একজন পুরুষকে যতটা “পুরুষ হয়ে উঠতে” প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ততটাই তাকে নারী ও শিশুদের রক্ষা করতে শেখানো হয়, তাদের আঘাত করতে নয়। তাকে এমনকি একজন অপরিচিত ব্যক্তি—বিশেষ করে নারী বা শিশু—আহত হওয়ার আগে নিজে মৃত্যুবরণ করতে রাজি হতে শেখানো হয়। * আমরা প্রায়ই মনে করি যখন একজন পুরুষ অন্য পুরুষকে “মেয়ে” বলে অপমান করে তখন সেই অপমান নারীদের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে। না। এটি সেইসব পুরুষের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে যারা নারীর মতো মূল্যবান কাউকে রক্ষা করার মতো নিজেকে শক্তিশালী করতে চায় না। * এই উপহাস হলো নিজেকে অন্য কারো চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করার একটি চাপ: একজন মায়ের চেয়ে একটি শিশু বেশি মূল্যবান; একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী বেশি মূল্যবান। * যেসব নারীবাদী বলেন যে পুরুষত্ব মানেই হলো পুরুষদের বিশ্বাস করা যে তারা নারীদের আঘাত করতে পারে তারা পুরুষ এবং পুরুষত্ব সম্পর্কে সবচাইতে গভীর অজ্ঞতা প্রদর্শন করেন। * পুরুষেরা কী বলবে যখন পুরুষদের অপদস্থ করাকে “মজার” বলা হয় কিন্তু নারীদের অপদস্থ করাকে “লিঙ্গবৈষম্য” বলা হয়। * মিস্যান্ড্রি বা পুরুষ-বিদ্বেষ হলো মিসোজিনি বা নারী-বিদ্বেষের সমতুল্য। আপনি যদি পুরুষ-বিদ্বেষ সম্পর্কে সচেতন না হন তবে এই দলে আপনাকে স্বাগতম। * এই অধ্যায়টি পড়ার এক সপ্তাহ পর বিজ্ঞাপন, চলচ্চিত্র এবং দৈনন্দিন কথাবার্তায় পুরুষ-বিদ্বেষ আপনার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠবে। কিন্তু যে পক্ষপাতটি দেখা সবচাইতে কঠিন তা হলো সেই পক্ষপাত যা আমরা সবাই মিলে করি। * এমনকি তথাকথিত লিঙ্গ-নিরপেক্ষ শব্দ যেমন “সেক্সিস্ট” বা লিঙ্গবৈষম্য বলতে কেবল নারীদের প্রতি অবমাননা বোঝায়। * ১৯২০ সালে পুরুষদের গড় আয়ু নারীদের চেয়ে এক বছর কম ছিল; আজ তা সাত বছর কম। তবুও ফেডারেল সরকারের কেবল নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য একটি গবেষণা দপ্তর (অফিস অফ রিসার্চ অন উইমেনস হেলথ) রয়েছে। * পরনিন্দার কাজ হলো একটি “শত্রু পক্ষ” তৈরির মাধ্যমে নিজেদের দলের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি করা। * “ভালোবাসা এবং বন্ধুত্ব” বিভাগে গিয়ে দেখুন নারীদের জন্য নারীদের কাছে পাঠানোর উপযোগী কয়েক ডজন কার্ড রয়েছে যার অধিকাংশতেই পুরুষদের অপদস্থ করা হয়েছে কিন্তু পুরুষদের সম্পর্কে ভালো কিছু বলা হয়েছে এমন কার্ড প্রায় নেই বললেই চলে। === ''ফাদার অ্যান্ড চাইল্ড রিইউনিয়ন'' (২০০১) === * সফল এবং সুখী জীবনের জন্য যদি এমন কোনো গুণ থাকে যা অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি প্রয়োজন তবে তা হলো সহানুভূতি। এটি পরিবারের স্থায়িত্ব এবং ভালোবাসার মূলে থাকে। আমার কাছে এমন কোনো দম্পতি আসেনি যারা বলেছে, “আমি বিচ্ছেদ চাই; আমার সঙ্গী আমাকে বোঝে।” ** পৃষ্ঠা ৩০ * সীমানা বা সীমাবদ্ধতাকে গুরুত্ব দিতে শেখানো শিশুকে অন্যদের অধিকার এবং প্রয়োজনকে সম্মান করতে শেখায়। অন্যের প্রয়োজন নিয়ে চিন্তা করলে সহানুভূতি জন্মায়। ** পৃষ্ঠা ৩১ * বাবা আছেন এমন পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা গণিত এবং বিজ্ঞানে ভালো ফল করে, এমনকি তারা দুর্বল মানের স্কুলে পড়লেও। ** পৃষ্ঠা ৩১ * বাবা যত বেশি জড়িত থাকেন শিশু তত সহজে নতুন মানুষের সাথে খোলাখুলিভাবে এবং বিশ্বাসের সাথে মিশতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩৪ * আমরা প্রায়ই শুনি যে মায়েরা যত্ন নেন আর বাবারা কেবল খেলাধুলা করেন। এটি একটি ভুল ধারণা—এমনকি বিপজ্জনকও—কারণ বাবার খেলার ধরণের মধ্যে শেখানোর একটি সচেতন লক্ষ্য থাকে। গবেষণা এখন দেখাচ্ছে যে বাবারা যখন সচেতনভাবে কিছু শেখানোর চেষ্টা না করেন তখনও তাদের খেলা শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক হয়। ** পৃষ্ঠা ৫৭ * যে পরিবার একসাথে খেলতে জানে তাদের একসাথে থাকার শক্তিও থাকে। ** পৃষ্ঠা ৫৯ * শিল্পায়ন এক অদ্ভুত সংকট তৈরি করেছে: একজন বাবা তার সন্তানদের ভালোবাসার জন্য তাদের কাছ থেকে দূরে থাকছেন। ** পৃষ্ঠা ৮৮ * শিল্প বিপ্লব পুরুষদের বাড়ি থেকে মাঝে মাঝে অনুপস্থিত থাকাকে—যা আগে কেবল শিকার বা যুদ্ধের সময় দরকার হতো—একটি নিয়মে পরিণত করেছে। এই ক্রমবর্ধমান শ্রম বিভাজন নারী ও পুরুষের আগ্রহের জায়গাকে আলাদা করে দিয়েছে। এটি মাতৃত্বের সহজাত প্রবৃত্তির ধারণা এবং বাবার সাথে দূরত্বের বাস্তবতাকে বাড়িয়ে দিয়েছে। শিল্পায়নের আগে বিচ্ছেদ হলে শিশুরা সাধারণত বাবার সাথেই থাকত। পরে আর তা থাকেনি। ** পৃষ্ঠা ৮৮ * পরিবারের আর্থিক যোগানদাতা হওয়ার বাধ্যবাধকতা বাবার পরিবারের সাথে যুক্ত থাকার পথে সবচাইতে বড় বাধা। এটি বাবার সেই অদ্ভুত সংকট তৈরি করে: পরিবার থেকে দূরে থেকে পরিবারকে ভালোবাসা। এটি গতানুগতিক পিতৃত্বের এক বিদ্রূপ: বাবা না হয়ে বাবা হওয়া। ** পৃষ্ঠা ৯০ * পিতৃত্ব তৈরি করা মানে একটি বড় মানসিক পরিবর্তন আনা। অন্য লিঙ্গের চিরাচরিত ভূমিকার মানসিক দায়িত্ব পুরোপুরি ভাগ করে নেওয়া উভয় লিঙ্গের জন্যই কঠিন—বিশেষ করে যখন অন্য লিঙ্গটি আশেপাশে থাকে। ** পৃষ্ঠা ৯০ * হলিউডের মায়েরা সব সময় সঠিক আর বাবারা কেবল উপস্থিত—এই সূত্রের মধ্যে একটি প্রচ্ছন্ন অর্থ আছে যে মায়ের কোনো দোষ নেই। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * শিশুদের পুরুষদের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত করে আমরা তাদের সেই নির্যাতনের প্রতি আরও অসহায় করে তুলেছি যা আমরা প্রতিরোধ করতে চাইছি। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * অবচেতন স্তরে যৌনতাকে দানবীয় রূপ দেওয়া মানেই সাধারণত পুরুষদের দানব এবং নারীদের ভুক্তভোগী হিসেবে দেখানো। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * আমাদের ছেলেদের আমরা যত কম বিশ্বাস করব নারীরা তাদের তত কম ভালোবাসতে পারবে। আর নারীরা তত বেশি তাদের কেবল টাকার ব্যাগ হিসেবে ব্যবহার করার অধিকার বোধ করবে। ** পৃষ্ঠা ৯৮ * আরও গভীরভাবে দেখলে আমাদের ছেলেরা যদি শেখে যে তারা অশ্লীল, জঘন্য এবং অবিশ্বস্ত, তবে এটি কি পিতৃত্বের জন্য সেরা প্রস্তুতি? আর একজন মায়ের জন্য কি এটি সেরা প্রস্তুতি যে সে তার নিজের ছেলে সম্পর্কে এমনটা ভাববে? ** পৃষ্ঠা ৯৮ * যখন আমরা পুরুষের মূল্যবোধকে তুচ্ছ করি এবং পুরুষের যৌনতাকে দানবীয় করি তখন অনেক ছেলে কে তারা তা বোঝার আগেই নিজেদের বিকৃতমনা মনে করতে শুরু করে। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * অতীতে আমরা বিশ্বাস করতাম যে নারী-পুরুষ উভয়ই পাপ নিয়ে জন্মায়। আজ আমরা অবচেতনভাবে বিশ্বাস করতে শুরু করেছি যে ছেলেদের জন্মই পাপ আর মেয়েরা জন্মগতভাবে নিষ্পাপ। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * একজন বাবার জন্য এটা বলা গুরুত্বপূর্ণ যে, "তুমি যখন ওটা করো তখন বাবা হিসেবে আমি নিজেকে অপ্রয়োজনীয় মনে করি" অথবা "আমার এই দুরন্তপনা মানে খারাপভাবে বড় করা নয়; এটি আমাদের সন্তানকে ঝুঁকি নিতে সাহায্য করছে।" নারীরা শুনতে পায় না যা পুরুষেরা বলে না। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * আমরা যখন বাবাকে কেবল উদাসীন বাবা হিসেবে দেখি তখন তিনি পরিবারের সাথে থাকতে চাওয়ার যে সংকেতগুলো দেন সেগুলোও আমরা দেখতে পাই না। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * আমরা যখন পুরুষদের যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণ দিই তখন আমরা যাকে প্রশিক্ষণ দিই তার ভেতরকার মানবিক অংশটুকু হারিয়ে ফেলি—এমনকি আমরা যুদ্ধে জিতলেও। যখন আমরা পুরুষদের ভালো লালনকারী হওয়ার প্রশিক্ষণ দিই তখন যারা সফল হয় না তারাও জিতে যায়। আর তাদের সাথে দেখা হওয়া প্রতিটি শিশুও জিতে যায়। পুরুষদের ভালোবাসতে শেখানো একটি জাতির জন্য সেরা বিনিয়োগ। ** পৃষ্ঠা ১১২ * আমরা যদি চাই আমাদের শিশুরা টাকা উপার্জন এবং ভালোবাসা দেখানোর মধ্যে ভারসাম্য রাখুক তবে বাবা-মা উভয়কেই সেই ভারসাম্যের উদাহরণ হতে হবে। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * কর্মক্ষেত্রে নারীদের চেয়ে পরিবারে বাবারা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ: কর্মক্ষেত্র নারীদের দ্বারা উপকৃত হয় কিন্তু পরিবারের বাবাকে প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * টিএএনএফ (TANF) এবং ডব্লিউআইসি-র (WIC) মতো প্রোগ্রামগুলো বাবাকে বাদ দেওয়াকেই সহায়তা করে। আসলে এগুলো ভবিষ্যতের সহায়তানির্ভর নাগরিক তৈরি করে যারা করদাতার অর্থ খরচ করে। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * সন্তান পালনের ক্ষেত্রে পুরুষেরা অনেকটা রোজি-দ্য-রিভিটারদের মতো: তাদের কেবল তখনই ডাকা হয় যখন প্রয়োজন হয় আর পরে তাদের ফেলে দেওয়া হয়। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * আমাদের শিশুরা পুরুষদের যখন শিশুদের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য পারিশ্রমিক পেতে দেখবে তখন পুরুষদের জন্য বাবা হিসেবে উপযুক্ত কাজ করা আরও সম্মানজনক হবে। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * মেল টিচার কোর শিশুদের কেবল বিভিন্ন পেশার পুরুষদের সাথেই পরিচয় করিয়ে দেয় না বরং ঝুঁকি নিতে সক্ষম এমন পুরুষালি শক্তি ও মূল্যবোধের সাথেও পরিচয় করায়। এটি পুরুষ এবং নারী মূল্যবোধের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * টিকে থাকার সংগ্রামের বিশ্বে একজন বাবার সমস্যা সমাধানকারী হওয়া দরকার ছিল। অনুভূতি লুকিয়ে তাকে কঠিন হতে হতো। তাকে নমনীয় না হয়ে বোঝানো, যুক্তি দেওয়া এবং নিয়ম তৈরি করার দরকার ছিল। এই গুণগুলোই তাকে যোগ্য করে তুলত এবং তার স্ত্রী ও সন্তান জুটত। এই গুণগুলোই ছিল তার সম্পর্কের ভাষা। সমস্যা হলো যে এই কঠিন হওয়া তার প্রিয়জনদের খাবার যোগালেও তাদের মনের খোরাক দিতে পারত না। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * দ্বিতীয় ধাপের বিশ্বে যেখানে টিকে থাকার সংগ্রাম জয় করে আত্মতৃপ্তির সাথে ভারসাম্য রাখা সম্ভব সেখানে আমাদের কাছে এমন সম্পর্কের ভাষা ব্যবহারের সুযোগ আছে যা আত্মাকে তৃপ্ত করে। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * যদিও আমাদের প্রাথমিক স্কুলগুলো বর্তমান যুগের প্রযুক্তিগত প্রয়োজনের সাথে তাল মেলাতে পুরো প্রজন্মকে কম্পিউটার ভাষা শেখাচ্ছে কিন্তু আমরা এই প্রজন্মকে সম্পর্কের ভাষা এবং বিবাদ মেটানোর দক্ষতা শেখাতে অবহেলা করেছি। জার্মানির মতো দেশগুলোতে যখন এটি শেখানো হয় তখন তাকে সামাজিক দক্ষতা বলা হলেও তার মূল লক্ষ্য থাকে কর্মক্ষেত্রের দলগত কাজ—যা আসলে সেই টিকে থাকার সংগ্রামেরই অংশ। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * বাবারা যখন সন্তানদের সাথে সবচাইতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেন তখন সাধারণত তাদের মধ্যে এমন এক সহজাত বোধ থাকে যে উদাহরণস্বরূপ ফুটবল খেলতে যাওয়ার জন্য গাড়ির ভ্রমণটি খেলার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ১১৮ * একজন ভালো বাবা তার মেয়ের দলগত খেলায় যুক্ত হওয়া নিশ্চিত করতে পারেন। এটি তাকে জীবনের সেই শিক্ষাগুলো পেতে সাহায্য করে যা একটি দলকে শক্তিশালী করতে দরকার হয়। ** পৃষ্ঠা ১১৯ * যেহেতু কেউ সব সময় সঠিক হতে পারে না তাই সব সময় সঠিক হওয়ার ভান করা আসলে সন্তানদের মনে নিজেকে অপদার্থ ভাবার বীজ বুনে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১২০ * তার শিক্ষক হওয়ার বদলে আমি যদি নিজের অন্ধকার দিক, দোষ এবং ভুলগুলো তার সাথে খোলাখুলিভাবে শেয়ার করি তবে আমি আরও ভালো উদাহরণ হতে পারব। ** পৃষ্ঠা ১২০ * বাবা যখন নিজের ভুল স্বীকার করেন বা সাহায্য চান তখন সন্তান নিজেও ভুল করলেও নিজেকে অপদার্থ মনে করে না। এটি শিশুদের নতুন কিছু করতে উৎসাহিত করে এবং তাদের সৃজনশীলতাকে বিকশিত করে কারণ তারা তখন কিছু অবদান রাখার সুযোগ পায়। ** পৃষ্ঠা ১২০ * মহামন্দা যেমন একটি প্রজন্মের বাবাদের মনে এই ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছিল যে তাদের কাছে যথেষ্ট টাকা নেই ঠিক একইভাবে বাবার সান্নিধ্য না পাওয়া একটি প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের মনে ভিন্ন এক মানসিক ক্ষত তৈরি করছে। ** পৃষ্ঠা ১২১ * সংক্ষেপে বাবার সান্নিধ্যহীন একটি শিশুকে পৃথিবীতে পাঠিয়ে সব ঠিক আছে মনে করা—কেবল বাবা টাকা দিচ্ছেন বলে—তা অনেকটা একজন মদ্যপ চালককে মহাসড়কে পাঠিয়ে সব ঠিক আছে ভাবার মতো কারণ পেট্রোলের দাম মেটানো হয়েছে। এর মানে এই নয় যে মদ্যপ চালক গন্তব্যে পৌঁছাবে না। এর মানে হলো ঝুঁকি অনেক বড় এবং ব্যর্থতার ফলাফল আজীবনের। ** পৃষ্ঠা ১২২ * বিংশ শতাব্দীতে নারীদের যেমন কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য আইনের সাহায্যের প্রয়োজন ছিল একবিংশ শতাব্দীতে পুরুষদের তাদের সন্তানদের ভালোবাসার জন্য আইনের সাহায্যের প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ১২২ * সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে নাউ (NOW)-এর সাথে আমার প্রথম বিরোধ শুরু হয় যখন এর শাখাগুলো বিচ্ছেদের পর বাবা-মায়ের সমান সময় কাটানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বাবার সংশ্লিষ্টতাকে নাকচ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * বাবা-মা উভয়ের অধিকার মূলত তাদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করার জন্য থাকা উচিত। মূলত মানে এই নয় যে একচেটিয়াভাবে। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * বাবা-মা উভয়য়ের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য থাকা উচিত যাতে শিশুরা উভয় অভিভাবকের সান্নিধ্য পেয়ে বড় হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * নারী-পুরুষের একাত্মতা কেবল নারীর অধিকার তৈরি করে না। এটি অধিকারের এক মেলবন্ধন তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * পুরুষের শরীর কি ঝুঁকির মুখে? যখন একজন পুরুষকে চাইল্ড সাপোর্ট দেওয়ার জন্য কাজ করতে বলা হয় তখন সে তার শরীর, সময় এবং জীবন ব্যয় করে—নয় মাস নয় বরং অন্তত ১৮ থেকে ২১ বছর। তাই একজন সৎ নারীবাদীর মূলমন্ত্র হওয়া উচিত, “এটি নারী ও পুরুষ উভয়েরই পছন্দের অধিকার কারণ এখানে নারী ও পুরুষ উভয়েরই শরীর জড়িত।” ** পৃষ্ঠা ১৩২ * একজন নারীর এমন কোনো একতরফা সিদ্ধান্তের অধিকার নেই যা একজন পুরুষের বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে ঠিক যেমন একজন পুরুষেরও এমন কোনো একতরফা সিদ্ধান্তের অধিকার নেই যা একজন নারীর বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * যখন কেবল পুরুষেরা ভোটের জন্য নিবন্ধন করতে পারত তখন কেবল তাদেরই বাধ্যতামূলক সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হতো। আজ উভয় লিঙ্গই ভোট দিতে পারে কিন্তু কেবল পুরুষদেরই সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * আমরা ইতিহাসের এক অদ্ভুত সময়ে আছি—যখন কোনো নারীর শরীর জড়িত থাকে তখন আমরা বলি সিদ্ধান্তটি তার; কিন্তু যখন কোনো বালকের শরীর জড়িত থাকে তখন আমরা বলি সিদ্ধান্তটি তার নয়—আইন আমাদের ১৮ বছর বয়সী ছেলেদের সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়তে বাধ্য করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * এটি বিদ্রূপের বিষয় যে একটি আন্দোলন যা জৈবিক পার্থক্যকে গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য পরিচিতি পেয়েছিল যখন সেই পার্থক্যগুলো নারীদের প্রতিকূলে ছিল তারা সঙ্গে সঙ্গেই সেই জৈবিক পার্থক্যের দোহাই দেওয়া শুরু করল যখন তা নারীদের অনুকূলে এল। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * আমরা কোনো পুরুষকে একজন নারীর জীবন নির্ধারণ করার অনুমতি দেওয়ার কথা ভাবি না কেবল একারণে যে তার সৃষ্টি করা একটি ভ্রূণ নারীর জঠরে আছে; তবে আমরা কেন একজন নারীকে একজন পুরুষের জীবন নির্ধারণ করার অনুমতি দেব কেবল একারণে যে তার সৃষ্টি করা একটি ভ্রূণ নারীর জঠরে আছে? ** পৃষ্ঠা ১৩৭ * পুরুষেরা নারীদের বিশ্বাস করতে শেখে যতক্ষণ না বিপরীত কিছু ঘটে; নারীরা পুরুষদের সন্দেহ করতে শেখে যতক্ষণ না কোনো পুরুষ নিজেকে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ করে। ** পৃষ্ঠা ১৩৯ * যখন কোনো সরকার একজন পুরুষকে এমন একটি শিশুর ভরণপোষণ দিতে বাধ্য করে যা তৈরিতে তাকে প্রতারণা করা হয়েছিল তখন সেই সরকার আসলে প্রতারণাকে সহায়তা করছে। না, এটি তার চেয়েও খারাপ: এটি ১৮-২১ বছর ধরে সম্মতি ছাড়াই একজন পুরুষের শরীর ব্যবহার করা নারীকে সহায়তা করছে। ** পৃষ্ঠা ১৪৩ * একটি গণতন্ত্রে সরকারের নীতিগুলো নিয়ে খুব কমই প্রশ্ন তোলা হয় যতক্ষণ না সেই নীতিগুলো তৈরির পেছনের ধারণাগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। ** পৃষ্ঠা ১৪৭ * একটি যৌথ পছন্দের আন্দোলন ভ্রূণকে একজন নারী ও একজন পুরুষের জিন হিসেবে দেখে; দেখে নারী ও পুরুষের রক্তমাংস হিসেবে; এবং এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের দায়িত্ব ও অধিকার হিসেবে গণ্য হয়। এটি সমতার দিকে এগিয়ে যেতে চায়। ** পৃষ্ঠা ১৫৮ * নারীবাদীরা প্রায়ই নারীদের দুটি কাজের কথা বলেন: চাকরি এবং সন্তান। ঠিক। কিন্তু বিচ্ছেদ হওয়া এবং পুনরায় বিয়ে করা পুরুষদের কথা কেউ বলে না যাদের তিনটি কাজ করতে হয়: চাকরি এবং দুই পক্ষের সন্তানদের লালন-পালন ও আর্থিক ভরণপোষণ। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমি দ্রুতই বুঝতে পেরেছিলাম যে যেসব নারীবাদী প্রধান অভিভাবক তত্ত্বকে সমর্থন করেছিলেন তারা সমসুযোগের পক্ষে ছিলেন না বরং অসম সুযোগ সন্ধানী ছিলেন। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * যেসব পুরুষ বিচ্ছেদের পর নিজেদের সন্তানদের জীবন থেকে চলে যান তারা বাধ্যবাধকতা ছাড়াই সুবিধা চান। নৈতিকভাবে তাদের চলে যাওয়ার কোনো অধিকার নেই। যে আইন তা করতে দেয় তাও অনৈতিক। প্রধান অভিভাবক আইনগুলো ঠিক তেমনই। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * প্রধান অভিভাবক আইনের বিদ্রূপ হলো যে একদিকে নারীবাদীরা পুরুষের অর্জিত সম্পত্তিতে নারীর সমান অধিকারের জন্য লড়াই করছিল অন্যদিকে তারা যৌথভাবে জন্ম দেওয়া সন্তানের ওপর পুরুষের সমান অধিকারের বিরোধিতা করছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * সংক্ষেপে তিনি পুরুষের তৈরি করা জিনিসের অংশীদার; আর তিনি নারীর তৈরি করা জিনিসের দর্শনার্থী মাত্র। আমার কাছে এটি সমতা ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * নারীবাদ যখন সমসুযোগ থেকে অসম সুযোগ সন্ধানীতে পরিণত হলো তখন আমিও এর সমর্থক থেকে সমালোচকে পরিণত হলাম। কিন্তু আমার মনে কোনো পরিবর্তন হয়নি: আমি সমতার সমর্থক থেকে সমতার সমর্থকই রয়ে গেলাম। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * সংক্ষেপে যখন একজন পুরুষ অর্থ যোগাতে ব্যর্থ হয় তখন আমরা তাকে জেলে পাঠাই; যখন একজন নারী মা হিসেবে ব্যর্থ হয় তখন আমরা তাকে সমাজসেবার প্রস্তাব দিই। আমরা পুরুষদের ক্ষেত্রে অপরাধমূলক ব্যবস্থা নিই আর নারীদের ক্ষেত্রে সমাজসেবামূলক ব্যবস্থা নিই। ** পৃষ্ঠা ১৭৯ * অধিকাংশ মায়েরা তাদের সন্তানদের জীবনে বাবার উপস্থিতি বেশি চান কম নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৬ * সন্তান পালন একক অভিভাবকদের জন্য তৈরি করা হয়নি। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমরা যদি মায়েদের দেখা করার সময় না দেওয়ার জন্য শাস্তি দিই তবে আমাদের সেইসব বাবাদেরও শাস্তি দিতে হবে যারা দেখা করার সময়ে আসেন না। বিষয়টি বাবার দেখা করার অধিকার নয় বরং সন্তানদের প্রতি উভয় অভিভাবকের বাধ্যবাধকতা। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমাদের সন্তানদের জন্য দেখা করা বনাম হেফাজত না বলে বরং প্যারেন্ট টাইম বা অভিভাবকের সময় বলাটা বেশি ভালো হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমরা যখন মায়ের হেফাজত জেতা বা বাবার দেখা করার সময়ের কথা বলি তখন আমরা কেউ জেতা আর কেউ হারার কথা বলি। আমরা যখন মা বা বাবার সন্তানের সাথে সময় কাটানোর কথা বলি তখন আমরা দুই অভিভাবকের কথা বলি—একজন অভিভাবক বনাম একজন দর্শনার্থীর কথা নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * দেখা করা বিষয়টি অনুপস্থিত বাবার যুগের প্রতিফলন; প্যারেন্ট টাইম বিষয়টি একজন নিবেদিত বাবার পুনরায় আবির্ভূত হওয়ার প্রভাব ফেলে। দেখা করা মানে পরিবারের ধ্বংস; প্যারেন্ট টাইম মানে পরিবারের পুনর্গঠন। এটি এমন এক যুগের কথা বলে যেখানে বোঝা যায় যে যেকোনো একজন অভিভাবকের পরাজয় মানেই শিশুদের পরাজয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * যখন একজন অভিভাবক শিশুকে তার প্যারেন্ট টাইম থেকে বঞ্চিত করেন তখন তিনি আসলে শিশুকে তার ভরণপোষণ থেকে বঞ্চিত করেন—মানসিক ভরণপোষণ। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * বিচ্ছেদের পর পুরুষদের সবচাইতে বড় ভয় হলো সন্তানদের হারানো (নারীদের ক্ষেত্রে তা হলো দারিদ্র্য)। ** পৃষ্ঠা ১৯০ * একজন নারীর দৃষ্টিকোণ থেকে অভিভাবকের সময় ভাগ করে নেওয়াটা অনেকটা এমন যেমনটা একজন পুরুষ অনুভব করতে পারে যদি তার প্রাক্তন স্ত্রী তার অফিসে এসে তার কাজ ভাগ করে নেয়। সে হয়তো দাবি করবে যে এই ভাগাভাগি কোম্পানির স্বার্থে ভালো নয়। কিন্তু সে আসলে ভয় পায় যে তার প্রাক্তন স্ত্রী যদি তার নিজের কাজে তার চেয়ে ভালো করে তবে তার সম্মান ক্ষুণ্ণ হবে। এই ভয়টি বোঝা গেলেও পার্থক্য হলো তার ক্যারিয়ার তার নিজের কিন্তু তাদের সন্তানরা তাদের উভয়ের। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * নারীদের জন্য যদি ইকুয়াল এমপ্লয়মেন্ট অপরচুনিটি কমিশন থাকে তবে পুরুষদের জন্য কেন ইকুয়াল ফ্যামিলি অপরচুনিটি কমিশন থাকবে না? ** পৃষ্ঠা ১৯৭ * রাগের সবচাইতে খারাপ রূপ হলো যখন একজন অভিভাবক মনে করেন যে তার প্রাক্তনকে ধ্বংস করার মাধ্যমেই তার সন্তানকে জেতার সুযোগ বাড়বে। আইন সবচাইতে প্রতিহিংসাপরায়ণ অভিভাবককে নির্যাতনের তাস খেলার একটি সুযোগ করে দিয়েছে। এটিই হলো বিশাল প্রলোভন। ** পৃষ্ঠা ১৯৯ * যখন নারীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করেছিল তখন অনেক পুরুষ তাদের মেন্টর ছিল এবং বিনিময়ে নারীদের অবদানকেও শ্রদ্ধা করতে শিখেছিল। এখন আমরা যখন পুরুষদের শিশুদের যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব দিচ্ছি তখন নারীদের মেন্টর হতে হবে এবং আমাদেরও পুরুষদের অনন্য অবদানগুলোকে শ্রদ্ধা করতে শিখতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * আমরা যদি পুরুষালি ধরণ-এর অভিভাবকত্বকে অবহেলা করি এবং সেই দায়িত্বশীল বাবাটিকে জেলে পাঠাই তবে পিতৃত্ব আরেকটি ঝুঁকিপূর্ণ পেশা হয়ে দাঁড়াবে। আর এই প্রক্রিয়ায় আমাদের শিশুরা একটি বড় উপহার হারাবে—তা হলো প্রকৃত পিতৃত্ব। এটি খারাপ খবর হলেও সুখবর হলো এই বাবা ও সন্তানের পুনর্মিলনের পথ আছে... ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * পুরুষেরা সেখানেই যায় যেখান থেকে প্রশংসা আসে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * চ্যালেঞ্জটি হলো আমাদের প্রশংসার ধরণ পরিবর্তন করা: বাবার টাকার বদলে বাবার ভালোবাসাকে বেশি মূল্য দেওয়া। আর সেই সাথে তার মানসিকতার পরিবর্তন ঘটানো যা তাকে ভালোবাসার যোগ্য করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * প্রযুক্তি বাড়িতে থাকা বাবার জন্য সহায়ক। এটি পরিবারকে গরিব না হয়েও আগের চেয়ে অনেক বেশি সৃজনশীল এবং নমনীয় হতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * অনেক নারী আবিষ্কার করছেন যে মাতৃত্বের সহজাত প্রবৃত্তি মানে শিশুদের জন্য বাবার উপস্থিতি নিশ্চিত করা—প্রতিদিন দূরে কোথাও নয়। কেউ কেউ সচেতন যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা মানে নিজের সন্তানকে আঁকড়ে ধরা নয় যেন এটি তার চাকরি। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * বাবাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের জন্য আমাদের বাবাদের ভালোবাসার ধরণ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা প্রয়োজন। এটা স্বীকার করা জরুরি যে অতীতের কঠোর নিয়মগুলো পুরুষরা কেবল নিজেদের সুবিধার জন্য তৈরি করেনি। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * আমরা যদি পুরুষদের স্বার্থপর মনে করি তবে আমরা তাদের লালনকারী হিসেবে ভাবতে পারব না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * সরকারি ও বেসরকারি উৎসের তহবিলের অভাব খুব একটা সমস্যা হতো না যদি প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার পুরুষদের ওপর নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রচারের জন্য খরচ না করা হতো। এই তহবিল পুরুষদের অধ্যয়ন বাদ দিয়ে নারী অধ্যয়নকে উৎসাহিত করে; উদাসীন বাবাদের নিয়ে গবেষণার জন্ম দেয় কিন্তু কপর্দকশূন্য বাবাদের নিয়ে কোনো গবেষণা করে না—কিংবা সেইসব মায়েদের নিয়ে যারা বাবাকে সন্তানদের কাছে আসতে দেয় না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * এই একপক্ষীয় তহবিল জাতিকে ভুল তথ্য দেয় যে বিচ্ছেদ হওয়া একজন মা বিচ্ছেদ হওয়া একজন পুরুষের চেয়ে বেশি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই বিচারকরা মনে করেন পুরুষের ভবিষ্যৎ আয় নারীর হওয়া উচিত আর আইনসভাও বাবাদের দেওয়া অর্থকে করমুক্ত করতে অস্বীকার করে যদিও নারী সেই অর্থের ওপর কোনো কর দেন না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * পুরুষদের চাপা অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করার জন্য কোনো তহবিল নেই: যেমন সন্তানদের বাবার কাছ থেকে দূরে রাখতে কখন মিথ্যা অভিযোগকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে; বা কখন অন্য অভিভাবক সন্তানের কাছে খারাপ কথা বলছেন; বা যখন উদাসীন বাবাদের পরিসংখ্যানে সেইসব পুরুষদের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে যারা মৃত বা বেকার; অথবা যখন পুরুষেরা পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * একপক্ষীয় তহবিল একপক্ষীয় চিত্র তৈরি করে যা সংবাদমাধ্যমকে শুধুমাত্র নারীদের সমস্যাগুলোই প্রগতি হিসেবে তুলে ধরতে উৎসাহিত করে। ফলে পুরুষদের বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা নারীদের ওপর সহিংসতার সমান তা জনমানসে খুব সামান্যই প্রভাব ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * এই পক্ষপাতদুষ্ট গবেষণা থেকেই পক্ষপাতদুষ্ট সামাজিক নীতি তৈরি হয়। কোটি কোটি ডলার খরচ করা হয় সেইসব বাবাদের সাজা দিতে যারা মায়েদের অর্থ দেন না; কিন্তু সেইসব মায়েদের সাজা দেওয়ার জন্য কিছুই করা হয় না যারা বাবাদের সন্তানদের সাথে দেখা করতে দেন না। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * তহবিলের প্রয়োজনীয়তা আসে গত কয়েক দশকের পুরুষদের প্রতি এক ধরণের মনোভাবের বিপরীতে ভারসাম্য তৈরি করার জন্য। আর কিছুটা প্রয়োজন হলো কীভাবে উভয় লিঙ্গ সেই কঠোর ভূমিকা থেকে নমনীয় পথে এগিয়ে যেতে পারে তার একটি সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * যেখানে কেউ শোনার নেই সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব কম। এভাবেই বাবা, ছেলে এবং পরিবারগুলো অকারণে হারিয়ে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * মানি নেওয়ার ক্ষমতা আমাদের বিবর্তনীয় ঐতিহ্যের অংশ—যে প্রজাতি টিকে থাকে তারা মানিয়ে নেয়। মানুষ বিবর্তনীয় মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তাদের অগ্রাধিকার পরিবর্তন করার মাধ্যমে মানিয়ে নেয়। ** পৃষ্ঠা ২৪২ * আমাদের স্কুলগুলোতে সম্পর্কের ভাষা শেখানোর জন্য তহবিল প্রয়োজন যাতে ভবিষ্যৎ অভিভাবকরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে; সন্তানদের সাথে কথা বলতে পারে এবং সন্তানদের শেখাতে পারে বিশ্বের সাথে কীভাবে যোগাযোগ করতে হয়। সামাজিক দক্ষতা ছাড়া প্রযুক্তিগত উন্নতি অনেকটা ব্যবিলনের টাওয়ারের মতো। ** পৃষ্ঠা ২৪৩ * বাবা ও সন্তানের পুনর্মিলন ঘটানোর সামাজিক নীতিগুলোর সব সময় নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত, “আমরা কি বাবাদের থাকার জন্য টাকা দিচ্ছি নাকি চলে যাওয়ার জন্য?” যদি একজন একক মা বাবা আশেপাশে না থাকলে থাকার চেয়ে বেশি টাকা পায় তবে আশেপাশে বাবাদের সংখ্যা কমই হবে। সরকার তখন তার বিকল্প স্বামী হয়ে উঠবে। ** পৃষ্ঠা ২৪৫ * পরিবারের চেয়ে শক্তিশালী বা বহুমুখী আর কোনো শক্তি নেই। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * সম্ভবত আমাদের সবচাইতে বড় প্রশংসা প্রয়োজন সেই লক্ষ লক্ষ পুরুষ ও নারীর প্রতি যাদের আমরা সৎ-অভিভাবক বলি। বিশেষ করে যারা নিজের কোনো সন্তান মানুষ করছেন না তবুও ভালোবেসে শিশুদের জন্য সময় এবং অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * আমরা যদি পুরুষদের বাবা হতে অনুপ্রাণিত করতে চাই তবে তাদের প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পাওয়া নিয়ে ঢালাও সমালোচনা বন্ধ করতে হবে এবং তারা আসলে কী ভয় পায় তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ === ''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' (২০০৫) === * নারীদের আরও বেশি বেতন পেতে সাহায্য করা এই বইয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ** পৃষ্ঠা ১৭. (''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' (২০০৫)) * কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের আচরণের মধ্যে ২৫টি পার্থক্য রয়েছে। এই ২৫টি পার্থক্যের কারণেই পুরুষেরা বেশি বেতন পায় এবং নারীরা আরও ভালো জীবন—অথবা অন্তত আরও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন কাটাতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * সপ্তাহে ৪৫ ঘণ্টা কাজ করা একজন ব্যক্তি সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা কাজ করা ব্যক্তির চেয়ে গড়ে ৪৪% বেশি আয় করেন। অর্থাৎ ১৩% বেশি সময়ের বিনিময়ে ৪৪% বেশি আয়। ** পৃষ্ঠা ১৮ * যদি একজন নিয়োগকর্তাকে একই কাজের জন্য একজন পুরুষকে এক ডলার দিতে হয় যা একজন নারী ৫৯ সেন্টে করতে পারেন, তবে কেউ কেন একজন পুরুষকে নিয়োগ দেবেন? ** পৃষ্ঠা ১৯ * ১৯৬৯ সালে সারা দেশে সেইসব নারী অধ্যাপকেরা যারা কখনো বিয়ে করেননি এবং যাদের কোনো লেখা প্রকাশিত হয়নি, তারা তাদের সমপর্যায়ের পুরুষ সহকর্মীদের তুলনায় ১৪৫% বেশি আয় করতেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * ২০০১ সালের জরিপ: যেসব পুরুষ কখনো বিয়ে করেননি, যাদের সন্তান নেই, যারা পূর্ণকালীন কাজ করেন এবং কলেজ শিক্ষিত, তারা একই যোগ্যতাসম্পন্ন নারীদের আয়ের মাত্র ৮৫% আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * একজন খণ্ডকালীন নারী কর্মী তার সমপর্যায়ের পুরুষ কর্মীর প্রতিটি এক ডলার আয়ের বিপরীতে এক ডলার দশ সেন্ট আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * গত ৩০ বছর ধরে নারীদের প্রতি বৈষম্যের দিকে আমাদের অতিরিক্ত মনোযোগ আমাদের নারীদের জন্য থাকা সুযোগগুলোর প্রতি অন্ধ করে রেখেছে। ** পৃষ্ঠা ২৪ * আমি ক্ষমতাকে নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করি। বেতন বা আয় ক্ষমতার বিষয় নয়। বেতন হলো বেতনের ক্ষমতা পাওয়ার জন্য নিজের অন্য ক্ষমতা ত্যাগ করা। ** পৃষ্ঠা ২৪ * যারা বিশ্বাস করেন যে "আপনি সবকিছুই পেতে পারেন", তাদের জন্য লেখা সেলফ-হেল্প বইগুলো প্রায়ই পরামর্শ দেয়, "আপনার ভালো লাগার কাজগুলো করুন এবং টাকা এমনিতেই আসবে।" কিন্তু শেয়ার বাজারের ধসের পর এর আসল বিনিময় অনেকটা এমন— "যখন আপনি আপনার পছন্দের কাজগুলো করতে যাবেন, তখন আপনি টাকা মিস করবেন।" ** পৃষ্ঠা ৩ * ''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' বইতে বেতনের যে ধাঁধার কথা বলা হয়েছে তা হলো: পুরুষেরা বেশি টাকা আয় করে, তাই পুরুষদের ক্ষমতা বেশি; আবার পুরুষেরা বেশি টাকা আয় করে, তাই পুরুষদের ক্ষমতা কম (বেশি টাকা আয় করা সেখানে একটি বাধ্যবাধকতা, কোনো পছন্দ নয়)। নারীদের ক্ষেত্রে এর উল্টোটা সত্যি: নারীরা কম টাকা আয় করে, তাই নারীদের ক্ষমতা কম; আবার নারীরা কম টাকা আয় করে, তাই নারীদের ক্ষমতা বেশি (সন্তান লালন-পালনের সুযোগ থাকা অথবা কোনো বিপজ্জনক কাজ বেছে না নেওয়া)। ** পৃষ্ঠা ১১ * বিজ্ঞান বা কঠিন বিষয়গুলো নিয়ে পড়ার সবচাইতে ভালো কারণ সম্ভবত এটাই যে, একটি গবেষণা অনুযায়ী বিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিসিন এবং ডেন্টিস্ট্রির ছাত্ররা আর্টস (বা ল) ছাত্রদের চেয়ে বেশি দিন বাঁচেন। তাই আপনি যে টাকাই আয় করেন না কেন তা আপনি আরও বেশি দিন নিজের কাছে রাখতে পারবেন। ** পৃষ্ঠা ১৮ * বেতন হলো বেতনের ক্ষমতা পাওয়ার জন্য আমাদের ছেড়ে দেওয়া অন্য ক্ষমতা। উদাহরণস্বরূপ, আমরা যখন নিজেদের জন্য কাজ না করে অন্যের জন্য কাজ করি তখন আমরা আমাদের ক্ষমতা হারাই, কিন্তু বিনিময়ে আমরা বেতনের চেক বা আর্থিক ক্ষমতা পাই। * নারীরা কি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো ক্ষেত্রগুলো এড়িয়ে চলেন কারণ সেখানে পুরুষদের আধিপত্য বেশি এবং নারীদের প্রতি বৈষম্য করা হয়? সম্ভবত না। নারী আন্দোলনের আগে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রটি মেডিসিন বা আইনের চেয়ে বেশি পুরুষ-শাসিত ছিল না। আর নারীরা এখন প্রচুর সংখ্যায় মেডিসিন ও আইনে যোগ দিচ্ছেন। যখন নারীরা পুরুষ-শাসিত ক্ষেত্রে প্রবেশ করেন তখন তারা সাধারণত বেশি আকর্ষণীয় পেশাগুলো বেছে নেন। গণমাধ্যমও একে উৎসাহিত করে। ''এলএ ল'' ছিল কিন্তু কোনো ''এলএ ইঞ্জিনিয়ারিং'' ছিল না। ''ইআর'' মানে ইঞ্জিনিয়ারিং রুম নয়। ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার, গণিত ও বিজ্ঞানের মতো ক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য নারীরা ছয় স্তরের উৎসাহ পায়: প্রথমত, পুরুষদের চেয়ে ভালো শুরুর বেতন; দ্বিতীয়ত, হাই স্কুলের মেয়েদের জন্য বিশেষ প্রোগ্রাম; তৃতীয়ত, কেবল নারীদের জন্য সরকারি বৃত্তি; চতুর্থত, কেবল নারীদের জন্য কর্পোরেট অনুদান ও বৃত্তি; পঞ্চমত, নারীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বিজ্ঞাপন; এবং ষষ্ঠত, শীর্ষস্থানীয় মহিলা কলেজগুলোর বিজ্ঞান প্রোগ্রামের জন্য বিশেষ অনুদান। ** পৃষ্ঠা ২৫ * ঝুঁকিপূর্ণ পেশার ক্ষেত্রে এক ধরণের অদ্ভুত সংকট বা ক্যাচ-২২ পরিস্থিতি থাকে: কাজ যত ঝুঁকিপূর্ণ হয় সেখানে পুরুষ তত বেশি থাকে; সেখানে পুরুষ যত বেশি থাকে আমরা কাজটিকে নিরাপদ করার বিষয়ে তত কম গুরুত্ব দিই। ঝুঁকিপূর্ণ পেশার এই সংকট একটি ‘গ্লাস সেলার’ বা অন্ধকার ঘর তৈরি করে যেখানে খুব কম নারীই প্রবেশ করতে চান। নারীরা কেবল কাজের জায়গায় আঘাত পাওয়ার ভয়েই পিছিয়ে যান না বরং এমন এক পরিবেশের কারণেও পিছিয়ে যান যা একটি ঝুঁকিপূর্ণ কাজকে প্রয়োজনের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৭ * আপনার মেয়ে বলল, ‘বাবা, মা, আমি সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চাই।’ আপনি তার সুন্দর চেহারার দিকে তাকালেন, তার পুরো জীবন আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠল এবং আপনি একটি লাশের ব্যাগ দেখতে পেলেন। এখনই তাকে সামরিক বাহিনীর সবচাইতে বড় গোপন কথাটি জানানোর সময়: সে সামরিক বাহিনীতে যোগ দিয়েও ঘরে থাকার মতোই নিরাপদ থাকতে পারে। কীভাবে? ইরাক যুদ্ধে বিমান বাহিনীতে একজন নারীও নিহত হননি। নৌবাহিনীতে (মারিন্স) একজন নারীও নিহত হননি। আর নৌবাহিনীতে (নেভি) মাত্র একজন মারা গেছেন। আপনার কাজ হলো তাকে কেবল সেনাবাহিনী (আর্মি) থেকে দূরে রাখা। ** পৃষ্ঠা ৩০ * দক্ষিণ আফ্রিকার কয়লা খনি হোক, আলাস্কার মাছ ধরার নৌকা হোক বা আমেরিকার সামরিক বাহিনী হোক—নারীদের প্রতি পুরুষদের সুরক্ষামূলক মনোভাব এবং নারীদের নিজেদের (ও সন্তানদের) প্রতি সুরক্ষার প্রবৃত্তি পুরুষদের নারীদের তুলনায় অনেক বেশি পরিত্যাজ্য করে রাখে। সামরিক বাহিনীতে এই ধরণের একটি উদাহরণ দেখা যায়। সামরিক বাহিনীর এসইআরই (সারভাইভাল, ইভেশন, রেজিস্ট্যান্স এবং এস্কেপ) স্কুলগুলোতে নারী শিক্ষার্থীদের সুস্থতার বিষয়ে পুরুষ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এতটাই উদ্বেগ ছিল যে প্রশিক্ষকরা এখন পুরুষদের নারীদের ওপর যৌন নির্যাতন বা অন্যান্য লাঞ্ছনার বিষয়ে সংবেদনহীন করার চেষ্টা করেন যাতে যুদ্ধে তাদের এই সংবেদনশীলতাকে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার না করা যায়। আমরা সামরিক বাহিনীতে নারীদের নিরাপদ মনে করি কারণ তাদের এখনো সবচাইতে বিপজ্জনক কাজে নিয়োগ দেওয়া নিষিদ্ধ। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা আসলে নারীদের রক্ষা করার চিরাচরিত পুরুষালি প্রবৃত্তিরই প্রতিফলন। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * নিরাপত্তা বেছে নেওয়া মানে কেরিয়ারের চেয়ে জীবনকে প্রাধান্য দেওয়া। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * অয়েল রিগ বা তেলের খনিগুলোতে যে পুরুষেরা দিনে মাত্র ৮ ঘণ্টা কাজ করে তাদের অবজ্ঞার সাথে ‘নাইন-টু-ফাইভের’ বা অফিস ঘরানার মানুষ বলা হয়। এর উল্টোদিকে নারীরা ঝুঁকি খুব সামান্য হলেও তা নিতে চান না। আমাদের ছেলেদের জন্য বার্তাটি কী? আমাদের ছেলেরা যখন শারীরিক বিপদের ঝুঁকি নেয় তখন আমাদের প্রশংসা তাদের শেখায় যে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার ইচ্ছা ভালোবাসা তৈরি করে। লাঞ্ছনাই কি তবে ভালোবাসা? হ্যাঁ। ** পৃষ্ঠা ৩৯ * আমরা রোল মডেলদের ‘নেতা’ বললেও অধিকাংশ ‘নেতা’ আসলে অনুসারী। অধিকাংশ ‘নেতা’ তাদের প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধা বা প্রলোভনের অনুসারী। আর আমরাই সেই মানুষ যারা তাদের প্রলোভন দেখাই। আমরা মূলত পুরুষদের জীবন বাজি রাখার জন্য দুটি প্রলোভন দিই: বেতন এবং প্রশংসা... যে পুরুষ স্বেচ্ছায় একটি মৃত্যু পেশা বেছে নেয় সে তার শরীরের বিনিময়ে বেতন পাওয়ার আশা করে। মৃত্যু পেশাগুলোর না বলা মূলমন্ত্র হলো ‘আমার শরীর, কিন্তু সিদ্ধান্ত আমার নয়’। ** পৃষ্ঠা ৪০ * সবচাইতে অপ্রিয় সময়ে কাজ করতে ইচ্ছুক হওয়ার মাধ্যমে পুরুষেরা যে অর্থ উপার্জন করে তা নারীদের প্রতি বৈষম্যের চিহ্ন নয় বরং এটি অধিকাংশ বিবাহিত পুরুষের পরিবারের ভরণপোষণের জন্য নিজের ঘুম বিসর্জন দেওয়ার চিহ্ন, ঠিক যেমন তাদের স্ত্রীরা সন্তানকে খাওয়ানোর জন্য ঘুম বিসর্জন দেন। অস্বস্তিকর শিফটে কাজ করার এই মানসিকতাই বিবাহিত পুরুষদের অবিবাহিত পুরুষদের তুলনায় দ্বিগুণ আয় করার অন্যতম কারণ। রাতে করা পুরুষদের এই অবদান যেন অন্ধকারে হারিয়ে না যায়। ** পৃষ্ঠা ৬৯ * আমরা যখন অভিজ্ঞতার বছরগুলোকে হিসেবে ধরি না তখন একজন নারীর পক্ষে হতাশ হওয়া খুব সহজ যখন তিনি এমন শিরোনাম দেখেন যেমন— ‘টিভি নিউজ ডিরেক্টরদের ওপর গবেষণা নারীদের প্রতি বৈষম্য খুঁজে পেয়েছে।’ আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে কোনো নারী যখন পড়তেন যে নারী টিভি নিউজ ডিরেক্টররা পুরুষ ডিরেক্টরদের চেয়ে ২৭% কম বেতন পান তখন এটি তাকে এই ক্ষেত্রটি এড়িয়ে চলতে বাধ্য করত... অন্যদিকে যদি শিরোনামটি গবেষণার মূল ফলাফলকে আরও নির্ভুলভাবে তুলে ধরত যে, ‘নারী ম্যানেজাররা পুরুষদের চেয়ে তিন গুণ দ্রুত টিভি নিউজ ডিরেক্টর হন,’ তবে সেই নারী নিজেকে কাঙ্ক্ষিত মনে করতেন... সংক্ষেপে বেশি বেতনের পথটি হলো একটি টোল বা কর দেওয়ার পথ। কিন্তু ইতিহাসের এই সময়ে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা টোল বুথ রয়েছে এবং নারীদের কাছ থেকে নেওয়া টোলের পরিমাণ কম। যারা বেশি বেতনের পথে হাঁটতে চান এমন প্রতিটি নারীর জন্য এটি উৎসাহব্যঞ্জক হওয়া উচিত যাতে টোল কম থাকতেই তারা এই পথ বেছে নেন। আর যেসব পুরুষ সন্তানদের সাথে থাকতে চান—অথবা তাদের কর্মমুখী স্ত্রীকে সমর্থন করতে চান—তাদের সচেতন হওয়া উচিত যে একজন ভালো বাবা হওয়ার এবং স্ত্রীর সাফল্যকে সমর্থন করার এর চেয়ে ভালো সময় আর কখনো ছিল না। ** পৃষ্ঠা ৮৫-৮৭ * যারা বেশি বেতন পান তারা কোম্পানির প্রয়োজনে অন্য জায়গায়—বিশেষ করে অপ্রিয় জায়গাগুলোতে—যেতে বেশি ইচ্ছুক থাকেন... একজন কর্পোরেট সেক্রেটারি একই শহরের অন্য কোম্পানিতে বদলি হতে পারেন; কিন্তু একজন কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ একই কোম্পানির প্রয়োজনে অন্য শহরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। একজন প্রতিভাবান কর্পোরেট সেক্রেটারি অন্য জায়গায় যাওয়ার প্রস্তাবকে কেবল একটি আমন্ত্রণ হিসেবে দেখেন; কিন্তু একজন ভবিষ্যৎ কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ একে একটি সুযোগ এবং একটি বাধ্যবাধকতা হিসেবে দেখেন। ** পৃষ্ঠা ৯৩-৯৪ * আমরা যখন সমান ঘণ্টা কাজ করা নারী ও পুরুষদের বেতনের দিকে তাকাই তখন দুটি বিস্ময়কর আবিষ্কার পাওয়া যায়: <br>—যখন নারী ও পুরুষ সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টার কম কাজ করেন তখন নারীরা পুরুষদের চেয়ে বেশি আয় করেন; <br>—যখন তারা ৪০ ঘণ্টার বেশি কাজ করেন তখন পুরুষেরা নারীদের চেয়ে বেশি আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ৭৯ * বর্তমানে নারীদের সপ্তাহে ৫০ ঘণ্টার বেশি কাজ করার সম্ভাবনা পুরুষদের অর্ধেক। (আবারও বলছি কর্মজীবী নারীরা বাড়িতে বেশি সময় দেন।) কোনো নারীর পক্ষে এই প্রতিশ্রুতির সাথে ২০ বছর কাজ চালিয়ে যাওয়া এবং পরে সিইও হিসেবে নিজের কাজের সময় আরও বাড়িয়ে দেওয়া খুবই বিরল। কিন্তু ঠিক বিরল বলেই যেসব নারী এটি করতে ইচ্ছুক তারা অনেক বেশি ব্যতিক্রমী হিসেবে পরিচিত হন। আসলে নারীরা অনেক বেশি ‘ইউরোপীয়’ ধাচের—তারা বেঁচে থাকার জন্য কাজ করেন, কাজ করার জন্য বাঁচেন না। কিন্তু স্বাস্থ্যবান এবং ভারসাম্যপূর্ণ মানুষ যারা কেবল বাঁচার জন্য কাজ করেন তারা খুব কমই শীর্ষে পৌঁছাতে পারেন। ** পৃষ্ঠা ৮২ * অবিবাহিত নারীরা প্রায়ই ভয় পান যে তারা যে পুরুষদের সাথে ডেট করছেন তারা হয়তো কম কেরিয়ার এবং বেশি সন্তান পালনের বিষয়টি পছন্দ করবেন না। সম্ভবত। যদি কোনো নারী অনেক বেশি কেরিয়ার সচেতন পুরুষকে বেছে নেন তবে তিনি যা বেছেছেন তাই পাবেন। সমাধান কী? এমন পুরুষদের মধ্য থেকে বেছে নিন যারা কেরিয়ার সচেতন নারীকে বিয়ে করতে পছন্দ করবেন এবং কয়েক বছরের জন্য সন্তানদের সাথে ঘরে থাকতে ভালো বোধ করবেন। এমন পুরুষ খুঁজে পাচ্ছেন না? আপনার ম্যাচকটকম প্রোফাইলে আপনার আগ্রহের কথা জানান—সঠিক মানুষ খোঁজার জন্য ইন্টারনেটই সেরা মাধ্যম। আপনি অবাক হয়ে যাবেন। ** পৃষ্ঠা ৮৩-৮৪ * যারা বেশি বেতন পায় তারা কম নিরাপত্তা চায়। বিষয়। ২০০৪ সাল। আমি আমার প্রকাশক প্রতিষ্ঠানের (অ্যামাকম) সেলস এবং মার্কেটিং টিমের কাছে ''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' বইটি উপস্থাপন করছি। বেশি বেতনের অন্যতম উপায় হিসেবে আর্থিক ঝুঁকির উদাহরণ দিতে আমি ঘরে উপস্থিত সবাইকে জিজ্ঞাসা করলাম যারা কমিশনের বিনিময়ে কাজ করেন তারা দাঁড়িয়ে যান। আটজন পুরুষ দাঁড়িয়ে গেলেন; কোনো নারী দাঁড়ালেন না। এরপর আমি যারা নির্দিষ্ট বেতনের বিনিময়ে কাজ করেন তাদের দাঁড়াতে বললাম: প্রায় সমান সংখ্যক নারী ও পুরুষ দাঁড়িয়ে গেলেন। ** পৃষ্ঠা ১০৭ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এমনকি নির্দিষ্ট কোনো পেশার ভেতরেও পুরুষদের আর্থিক ঝুঁকি নেওয়ার ধরণ দেখা যায়। নারী চিকিৎসকদের সরকারি বা কোনো এইচএমও প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সম্ভাবনা পুরুষদের চেয়ে তিন গুণ বেশি; অন্যদিকে পুরুষ চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বার বা একক প্র্যাকটিস করার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। ** পৃষ্ঠা ১০৮ * কর্পোরেট সংকট বা ক্যাচ-২২: নমনীয়তা না দেখালে ভালো নারী কর্মীদের হারান; নমনীয়তা দেখালেও ভালো নারী কর্মীদের হারান... একটি কোম্পানি যখন নারীদের নমনীয়তার ইচ্ছা এবং কম পদোন্নতির আকাঙ্ক্ষার কথা শুনে তাদের পদোন্নতি কম দেয় এবং পরে আবার কম পদোন্নতি দেওয়ার জন্য সেই কোম্পানির বিরুদ্ধেই মামলা হয়। ইদ্দিশ ভাষায় এর জন্য একটি শব্দ আছে: চুটজপা। ** পৃষ্ঠা ১১১-১২ * ইতিহাসের এই মুহূর্তে লক্ষ লক্ষ ‘চাকরিজীবী বাবা’ এমন কিছু করতে চাচ্ছেন যা করার অধিকার তারা আছে বলে মনে করেন না: বাবা হিসেবে বেশি সময় দেওয়া এবং কর্মী হিসেবে কম সময় দেওয়া। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের নারী এক্সিকিউটিভদের তুলনায় পুরুষ এক্সিকিউটিভদের মধ্যে এই অনুভূতি অনেক বেশি কারণ সেই অঞ্চলের নারী এক্সিকিউটিভদের সন্তান না থাকার সম্ভাবনা পুরুষদের চেয়ে ছয় গুণ বেশি। একজন এশিয়া-প্যাসিফিক পুরুষ এক্সিকিউটিভের চাকরিজীবী বাবা হওয়ার সম্ভাবনা একজন নারী এক্সিকিউটিভের চাকরিজীবী মা হওয়ার চেয়ে প্রায় ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১১৩ * হাজার বছর ধরে নারীরা পুরুষদের তাদের ভরণপোষণ করার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে পছন্দ করেছে। নারীরা কর্মক্ষেত্রে যত বেশি পারদর্শী হবে তারা তত বেশি নতুন ধরণের পুরুষের সাথে অংশীদারিত্বের পথ খুলে দেবে। আমি আশা করি এই বইয়ের প্রথম অংশ পুরুষদের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে। আমরা যখন পুরুষ-শাসিত পেশাগুলোতে পুরুষদের চেয়ে নারীদের আর্থিকভাবে ভালো করতে দেখি তখন তা কর্মক্ষেত্রে নারীদের প্রতি পুরুষদের মনোভাবের একটি উদার চিত্র তুলে ধরে। যেহেতু আমরা বেশি উপার্জনের জন্য আত্মত্যাগ করার কথা ভাবি তাই আমি আশা করি আমরা সেই ত্যাগগুলোর প্রশংসা করব যা পুরুষেরা তাদের পরিবারের ‘আর্থিক জঠর’ হয়ে পরিবারকে লালন করার জন্য করেছে। বিশেষ করে ‘চাকরিজীবী বাবাদের’ ত্যাগ এবং তাদের ‘অদৃশ্য লড়াই’-এর প্রশংসা করব। ** পৃষ্ঠা ১২২ * পুরুষেরা নিজেদের জন্য পছন্দ বা বিকল্প তৈরির ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে থাকলেও তারা আসলে নারীরা নিজেদের জন্য যে পছন্দগুলো চায় তার নীরব সমর্থক ছিল। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * পুরুষদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাবের গভীর উদ্দেশ্য হলো সেইসব শিশুদের জন্য আরও ভালো জীবন নিশ্চিত করা যাদের বাবা বা সৎ বাবারা তাদের অভিভাবক; আমাদের ছেলেদের জন্য কম লজ্জার পরিবেশ তৈরি করা যারা ভবিষ্যতে পুরুষ হবে; এবং আমাদের মেয়েদের জন্য পুরুষদের সন্তুষ্ট করার ইচ্ছার একটি গভীর বোধ তৈরি করা যা তাদের অনুভব করাবে যে তাদের সন্তুষ্ট করার মানসিকতা একপক্ষীয় নয় বরং পারস্পরিক—এতে আমাদের মেয়েরা নিজেকে কম একা এবং বেশি ভালোবাসার যোগ্য মনে করবে। আমরা যদি আয় বেশি করি এবং ভালোবাসা কম দিই তবে আমরা এমন একটি বাড়ির জন্য টাকা দিচ্ছি যেখানে আমরা বাস করি না। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * এক অর্থে শিশু যত্নের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের কাজের সাথে শিশুদের সম্পর্কের বিষয়টি একটি পূর্ণ চক্র সম্পন্ন করেছে। আমরা ছোট পারিবারিক ব্যবসা বা খামার যেখানে শিশু যত্ন এবং কাজ একসাথে চলত তা থেকে সন্তানদের ঘরে রেখে বাবার কাজে যাওয়ার যুগে গিয়েছিলাম; এখন আবার মা এবং বাবা উভয়েই ঘরে বসে কাজ করছেন যেখানে শিশু যত্ন এবং কাজ পুনরায় একত্রিত হয়েছে। সেই পুরনো পারিবারিক কাজের ধরণে আমরা আবার ফিরে এসেছি। ** পৃষ্ঠা ১৩১ * ইতিহাস জুড়ে পুরুষেরা শিখেছে যে টিকে থাকা, সম্মান এবং নারীর ভালোবাসা সবই অর্জিত হয় কোনো বড় সাফল্য বা ‘মেকিং আ কিলিং’-এর মাধ্যমে—তা পশু শিকার হোক, শত্রু বিনাশ হোক অথবা ওয়াল স্ট্রিটে বড় কোনো সাফল্য পাওয়া হোক। পুরুষেরা ভালোবেসে যা উৎপাদন করত নারীরা সেই অর্থ পেত। পুরুষেরা মনে করত টাকা, সম্পত্তি বা বীরত্ব ছাড়া তারা নারীর ভালোবাসার যোগ্য নয়। নারীরা মনে করত পুরুষেরা তাদের জন্য যে টাকা খরচ করে তা হলো তারা সেই পুরুষের কাছে কতটা মূল্যবান বা ভালোবাসার পাত্রী তার বহিঃপ্রকাশ। নারীর ভালোবাসার ক্ষমতা হয়ে উঠেছিল তার নিরাপত্তার উৎস: ‘হীরাই হলো একটি মেয়ের পরম বন্ধু’। মূলত ইতিহাস জুড়ে প্রায় সব সমাজে এবং সব শ্রেণিতে এই ধরণটিই সত্যি ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৩৫ * কর্মক্ষেত্রে নারীরা বৈষম্যের শিকার হয় এই বিশ্বাসটি কোনো দম্পতির মধ্যে নারীর ঘরে থাকার প্রবণতাকে আরও শক্তিশালী করে। নারীর ঘরে থাকার এই প্রবণতাই কর্মক্ষেত্রে তার গুরুত্ব কমিয়ে দেয়। এরপর বিয়ের ঠিক পরেই স্বামীর কেরিয়ারের জন্য তার নিজের বদলি হওয়া যুক্তিযুক্ত মনে হয় কিন্তু স্ত্রীর কেরিয়ারের জন্য স্বামীর বদলি হওয়া নয়। একইভাবে স্ত্রীর কেরিয়ারের চেয়ে স্বামীর ডাক্তারি, আইন বা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিতে বিনিয়োগ করা তাদের কাছে বেশি যুক্তিযুক্ত মনে হয়... বিদ্রূপের বিষয় হলো একটি মিথ্যা বাস্তবতা থেকে একটি আসল বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। আর বিদ্রূপের বিষয় হলো নারীদের কেরিয়ারে সাহায্য করার জন্য দেওয়া মন্তব্যগুলোই উল্টো তাদের কেরিয়ারের ক্ষতি করছে। নরকের পথ ভালো উদ্দেশ্য দিয়েই তৈরি হয়... ** পৃষ্ঠা ১৪৫ * আমরা যখন বলি যে পুরুষেরা বৈষম্য করে বলেই তারা শীর্ষে রয়েছে তখন আমরা মূল বিষয়টি ধরতে ভুল করি। পুরুষেরা কর্মক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে কারণ কাজ মূলত পুরুষদের দায়িত্ব ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * যদি দলগত খেলাগুলো কর্পোরেট জগতের জন্য ব্যবস্থাপনার দক্ষতা তৈরি করে তবে পাড়ার খেলাগুলো অনেকটা উদ্যোক্তা হওয়ার প্রশিক্ষণের মতো... পাড়ার খেলাগুলোতে এখনো ৯৯% পুরুষ থাকে। অর্থাৎ উদ্যোক্তা হওয়ার এই ধরণের প্রস্তুতি মূলত ৯৯% পুরুষালি সামাজিকীকরণের অংশ। আমি মনে করি এটিই একটি অন্যতম কারণ যে নিজের ব্যবসা চালানো পুরুষেরা তাদের নারী সমকক্ষদের তুলনায় দ্বিগুণ আয় করে। ** পৃষ্ঠা ১৫৬ * নারী-পুরুষ উভয়ই পুরুষ ডেন্টিস্টদের আমাদের মুখের ভেতর কাজ করার অনুমতি দিই, কিন্তু আপনি কি কখনো কোনো পুরুষ ডেন্টাল হাইজিনিস্টকে আপনার মুখের ভেতর কাজ করতে দিয়েছেন? পুরুষকে আমাদের ব্যক্তিগত জায়গাগুলোতে পৌঁছানোর জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে হয় যা কোনো নারীর ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় না—তাকে হয় ডাক্তার বা ডেন্টিস্ট হতে হবে নতুবা সেই আশা ছাড়তে হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮১ * নারীদের অধিকতর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং সৌন্দর্যের ক্ষমতা দৃশ্যমান এবং অদৃশ্য উভয় ধরণের আয়ের সুযোগ করে দেয়। এই সুযোগ প্রায় সব নারী এবং কিছু পুরুষের জন্য থাকলেও ‘জেনেটিক সেলিব্রিটি’ বা জন্মগতভাবে সুন্দরীদের ক্ষেত্রে তা অঢেল পরিমাণে থাকে... এমন সুন্দরী নারী যার পেছনে পুরুষেরা কেবল তাকিয়ে দেখা বা কথা বলাই নয় বরং তার অনুসরণও করে। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * আমি যখন জাপানে ''হোয়াই মেন আর দ্য ওয়ে দে আর'' বইটির প্রচারে গিয়েছিলাম তখন আমাকে ‘স্নাক’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছিল। ‘স্নাক’ বিষয়টি এভাবে কাজ করে: একজন পুরুষ কাজ থেকে বাড়ি ফিরছে এবং তার দিনটি খুব খারাপ কেটেছে। সে মনে করে না যে তার স্ত্রী তার কথা শুনতে চাইবে তাই সে ৫০ থেকে ৮০ ডলার খরচ করে একটি ‘স্নাক’-এ যায়—যেখানে সে স্যান্ডউইচ, পানীয় এবং একজন সুন্দরী নারী পায় যে সহানুভূতির সাথে তার কথা শুনবে—নিরাপদভাবে বলতে গেলে খাবারের সাথে একজন সুন্দরী মনোবিজ্ঞানী। সেখানে কোনো পুরুষ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয় না। ** পৃষ্ঠা ১৯৮ * আইনজীবীদের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে যেসব আইনজীবীদের ছবি নিরপেক্ষভাবে বেশি সুদর্শন বলে মনে করা হয়েছিল তারা কম সুদর্শন আইনজীবীদের তুলনায় বছরে প্রায় ১২% বেশি আয় করেন। সুদর্শন আইনজীবীরা বেশি সময় ধরে কাজ করতেন কিন্তু যখন সেই সময় এবং অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয় তখনও দেখা যায় যে সুদর্শন আইনজীবীরা ঘণ্টায় অনেক বেশি আয় করেন। বলা বাহুল্য পুরুষ আইনজীবীদের নারীদের তুলনায় কম আকর্ষণীয় হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল যা নারীদের আয়ের ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। চেহারার আকর্ষণীয়তার ব্যবধান যত বেশি আয়ের ব্যবধানও তত বেশি ছিল। সময় যত গড়িয়েছে এই ব্যবধান তত বেড়েছে। মাঝে মাঝে জীবন ন্যায়বিচার করে না। ** পৃষ্ঠা ১৯৯-২০০ * নারীদের জন্মগত সৌন্দর্যের ক্ষমতা পুরুষদের রক্ষাকর্তার প্রবৃত্তিকে বাড়িয়ে দেয়। এটি বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকারকে অনুপ্রাণিত করে। জন্মগত সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষদের এই আসক্তি হয় অদৃশ্য অথবা তারা এটি অস্বীকার করার পর্যায়ে থাকে—ফলে আমরা হয় এটি দেখতে পাই না নতুবা সামনে এলে অস্বীকার করি। ** পৃষ্ঠা ২০৭ * এটি নিজের ওপর পরীক্ষা করে দেখুন। কল্পনা করুন এক মাস ধরে আপনার ময়লা পরিষ্কার করা হয়নি এবং আপনি নতুন কোনো নৃতাত্ত্বিক আবিষ্কার সম্পর্কে পড়ার সুযোগও পাননি। কোনটি সমাধান করতে আপনি বেশি টাকা খরচ করবেন? একটি সমাজ যখন কার্যকরভাবে চলে তখন তারা চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেতন নির্ধারণ করে। এই সামঞ্জস্য করতে ব্যর্থ হলে কেবল রাস্তা ময়লায় ভরে যায় না বরং নৃতাত্ত্বিকদের বেকারত্বের দীর্ঘ লাইনও তৈরি হয়। ** পৃষ্ঠা ২১১ * বেকারত্ব অবশ্যই অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দেয় যা আরও বেকারত্ব তৈরি করে। বিদ্রূপের বিষয় হলো বেকারত্ব পুরুষদের চেয়ে নারীদের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে। নারীবাদীরা যুক্তি দেন যে এটি লিঙ্গবৈষম্যের কারণে হয়: নারীদের সবশেষে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং সবার আগে ছাঁটাই করা হয়। ফলাফলটি সঠিক হলেও কারণটি ভুল। আমাদের যা সবচাইতে বেশি প্রয়োজন আমরা তাকে আগে নিয়োগ দিই এবং যা সবচাইতে কম প্রয়োজন তাকে আগে ছাঁটাই করি। একারণেই আপনি ময়লা সংগ্রাহককে আগে নিয়োগ দেন এবং সবার শেষে ছাঁটাই করেন। পুরুষদের হয়তো আগে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং সবার শেষে ছাঁটাই করা হয় কারণ অনেক পুরুষ সমাজের নোংরা এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো কম মূল্যে করতে রাজি হয়। ** পৃষ্ঠা ২১২ * নারীদের মধ্যে সবচাইতে অনস্বীকৃত ব্যয়ের প্রত্যাশা হলো একক মায়েরা শিশুদের লালন-পালনের পেছনে যে সময় ব্যয় করেন—তা কেবল শারীরিকভাবে নয় বরং মানসিকভাবেও। আমার মনে হয় একজন মায়ের সময়ের খুব সামান্য অংশই চাইল্ড সাপোর্ট বা আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে পূরণ করা হয় যদি বিবেচনা করা হয় যে সেই সময়টুকু তিনি কর্মক্ষেত্রে দিলে কত আয় করতে পারতেন... একারণেই যেসব নারী কখনো বিয়ে করেননি এবং যাদের সন্তান নেই তারা কর্মক্ষেত্রে মায়েদের তুলনায় অনেক বেশি আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২২ === ''দ্য বয় ক্রাইসিস'' (২০১৮) === * “যারা বাবা হতে চলেছেন তাদের মধ্যে ছেলে সন্তানের চেয়ে মেয়ে সন্তান পছন্দ করার সম্ভাবনা প্রায় দ্বিগুণ।” ** পৃষ্ঠা ২ * পঁচিশ থেকে একত্রিশ বছর বয়সী যুবকদের তাদের সমবয়সী নারীদের তুলনায় বাবা-মায়ের সাথে থাকার সম্ভাবনা ৬৬ শতাংশ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২ * “পুরুষত্বের অবসান” বা পুরুষদের শেষ হয়ে যাওয়ার আগাম ধারণা আপনার ছেলের জীবন সংগ্রামের জন্য মোটেও কোনো অনুপ্রেরণা নয়। ** পৃষ্ঠা ৪ * যখন কেবল একটি লিঙ্গ জয়ী হয় তখন আসলে উভয় লিঙ্গই হেরে যায়। ** পৃষ্ঠা ৪ * কেবল ছেলেদের দিকে তাকিয়ে আমরা ছেলেদের সংকট বা বয় ক্রাইসিস সমাধান করতে পারি না। ** পৃষ্ঠা ৯ * ছেলেদের নিয়ে লেখা একটি বইতে আমি পুরুষদের নিয়ে আলোচনা করেছি কারণ পুরুষেরা হলো সেই রোল মডেল যারা আপনার ছেলেকে হয় একটি সুন্দর কাঠামো এবং অনুপ্রেরণা দেবে নতুবা তাকে লক্ষ্যহীন ও বিষণ্ণ করে তুলবে। ** পৃষ্ঠা ৯ * ইরোকুইদের মহান আইন হলো যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের পবিত্রতম দায়িত্ব হলো সাত প্রজন্ম পরের কথা ভাবা—অর্থাৎ আজ আমরা যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি তা কেবল আমাদের বা আমাদের সন্তানদের জন্যই নয় বরং ভবিষ্যতে আমাদের কয়েক প্রজন্ম পরের সন্তানদেরও উপকার করবে কি না তা নিয়ে সচেতন হওয়া। ** পৃষ্ঠা ৯ * যখন দাদারা বাবা ছিলেন তখন দাদাদের সেই বিশেষ ধরণের লালন-পালন যেমন বাচ্চাদের সাথে ধস্তাধস্তি করা অথবা সন্তানদের সেবা পাওয়ার বদলে সেবা করার যে প্রত্যাশা তা কেন শিশুদের বিকাশে এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল তা নিয়ে কোনো গবেষণা ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১০ * ভবিষ্যতের কোনো ভাবনাই নিখুঁত হতে পারে না। তবে ''দ্য বয় ক্রাইসিস''-এর লক্ষ্য হলো গত আধা শতাব্দী ধরে নারী ও মেয়েদের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে যে জাতীয় আলোচনা হয়েছে তার সাথে ছেলে এবং পুরুষদের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়েও একইভাবে বিস্তারিত আলোচনা করা। ** পৃষ্ঠা ১০ * কোনো ছেলে যখন মানসিক স্বাস্থ্যের এক আঁকাবাঁকা পথে চলতে থাকে এবং নিজেকে একা ও বিষণ্ণ মনে করে কারণ সে ভাবে যে তার আসল রূপটি কেউ ভালোবাসে না বা তাকে কারো প্রয়োজন নেই এবং এই অবস্থার পরিবর্তনের কোনো আশাও নেই—তখন সে একদিন পাহাড়ের কিনারায় পৌঁছে হয়তো নিজেকে শেষ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৫ * স্কুল এবং অন্যান্য গণ-শুটিংয়ে যে খুন ও আত্মহত্যার সমন্বয় দেখা যায় তা মূলত মানসিকভাবে বিপর্যস্ত শ্বেতাঙ্গ ছেলেদের পাহাড়ের কিনারা থেকে নিচে পড়ে যাওয়ার মতোই একটি বিষয়। ** পৃষ্ঠা ১৬ * শ্বেতাঙ্গ পুরুষদের মধ্যে আত্মহত্যার হার বৃদ্ধি পাওয়ায় এইডস-এ যত শ্বেতাঙ্গ পুরুষ মারা গেছেন ঠিক ততজনই আত্মহত্যার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন। ** পৃষ্ঠা ১৫ * দশ থেকে বিশ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ ছেলেদের মৃত্যুর প্রধান দশটি কারণের মধ্যে খুনের শিকার হয়ে মারা যাওয়ার সংখ্যা বাকি নয়টি কারণের সম্মিলিত সংখ্যার চেয়েও বেশি। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পুরুষালি ভূমিকার চাপ এবং হরমোনের প্রভাব বাড়ার সাথে সাথে আত্মহত্যার হারও বৃদ্ধি পায়। বয়ঃসন্ধির আগে ছেলে এবং মেয়েদের আত্মহত্যার হার প্রায় সমান থাকে। তবে দশ থেকে চৌদ্দ বছর বয়সের মধ্যে ছেলেদের আত্মহত্যার হার মেয়েদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পনেরো থেকে উনিশ বছর বয়সের মধ্যে ছেলেদের আত্মহত্যার হার মেয়েদের চার গুণ; আর বিশ থেকে চব্বিশ বছর বয়সের মধ্যে পুরুষদের আত্মহত্যার হার নারীদের তুলনায় পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১৬ * গুরুত্ব কমে যাওয়ার ফলে পুরুষেরা নিজেদের মূল্যহীন মনে করতে শুরু করেছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬ * ২০১৫ সালের দিকে ভালো অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যেও নারীদের তুলনায় পুরুষেরা সাড়ে তিন গুণ বেশি আত্মহত্যা করছিল। ** পৃষ্ঠা ১৭ * বয় ক্রাইসিস বা ছেলেদের সংকট যে একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে তার সবচাইতে বড় প্রমাণ হলো ১৯৭৩ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জেল এবং কয়েদিদের সংখ্যা ৭০০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * জেলে থাকা কৃষ্ণাঙ্গ যুবকদের বিশাল সংখ্যার পেছনে আমরা প্রায়ই বর্ণবাদকে কারণ হিসেবে দেখি কিন্তু যেহেতু কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষদের অন্য পরিচয়টি হলো তারা “পুরুষ”, তাই এর পেছনে আমাদের লিঙ্গবৈষম্য দায়ী কি না তা আমরা খুব কমই ভেবে দেখি। ** পৃষ্ঠা ১৮ * আজ পর্যন্ত আমাদের কারাগার সংক্রান্ত আলোচনা কেবল বন্দি রাখা বনাম সংশোধনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে, অপরাধ প্রতিরোধ বনাম বন্দিত্বের ওপর নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮ * একজন প্রাথমিক স্কুল শিক্ষার্থীর পেছনে ব্যয়ের তুলনায় জেলখানায় ব্যয়ের হার পাঁচ গুণ বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ১৯ * বর্তমানে পঞ্চাশ বছরের কম বয়সী ছেলে এবং পুরুষদের মৃত্যুর সম্ভাবনা একই বয়সী মেয়ে এবং নারীদের তুলনায় দ্বিগুণ। ** পৃষ্ঠা ২০ * প্রতিদিন ১৫০ জন কর্মী ঝুঁকিপূর্ণ কাজের পরিবেশে মারা যান। আর তাদের মধ্যে ৯২ শতাংশই হলেন পুরুষ। ** পৃষ্ঠা ২১ * সামগ্রিকভাবে এই কাজগুলোকে “গ্লাস সেলার” বা অন্ধকূপের কাজ বলা যেতে পারে। এখানে কেবল পুরুষরাই থাকে কারণ প্রায় সব ক্ষেত্রেই আমাদের ছেলেরাই তাদের পরিবারের সুন্দর জীবনের জন্য মৃত্যুর ঝুঁকি নিতে রাজি হয়। ** পৃষ্ঠা ২২ * বিগোরিক্সিয়া বা মৃত্যু পেশা বেছে নেওয়া যাই হোক না কেন আমাদের ছেলেরা এবং আমাদের মেয়েরা প্রায়ই এমন কিছুর প্রতি সাড়া দেয় যা তাদের প্রশংসা এবং শ্রদ্ধা এনে দেবে বলে তারা মনে করে। ** পৃষ্ঠা ২৪ * আপনার ছেলের দাদার কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল তার কাজের উন্নতি না হওয়া; কিন্তু আপনার ছেলের কাছে চ্যালেঞ্জ হলো তার কাজ অন্য কোথাও চলে যাওয়া। ** পৃষ্ঠা ২৫ * আপনার ছেলে এমন এক অর্থনীতিতে প্রবেশ করবে যা শারীরিক শক্তির বদলে এখন মানসিক শক্তি বা মাইক্রোচিপের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। ** পৃষ্ঠা ২৫ * গত চল্লিশ বছরে কেবল হাই স্কুল ডিপ্লোমা থাকা ছেলেদের বার্ষিক গড় আয় ২৬ শতাংশ কমেছে। ** পৃষ্ঠা ২৫ * চাকরি পাওয়া যত কঠিন হয় জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়াও ততটাই কঠিন হয়ে পড়ে। ** পৃষ্ঠা ২৬ * এটিই আমাদের জিনগত ঐতিহ্য। এই প্রক্রিয়াটি আমাদের অতীতে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে কিন্তু আমাদের ভবিষ্যতের জন্য এর আর প্রয়োজন নেই। কিন্তু যেহেতু আমরা রাতারাতি বিবর্তন পরিবর্তন করতে পারি না তাই আসুন আপনার ছেলেকে এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে সাহায্য করি। ** পৃষ্ঠা ২৬ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ৪১ শতাংশ মেয়ে লেখায় দক্ষ হলেও ছেলেদের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ২০ শতাংশ। ** পৃষ্ঠা ২৮ * যেসব ছেলে অনুপ্রাণিত হয় তারা সমাজের সবচাইতে গঠনমূলক শক্তিতে পরিণত হতে পারে—যেমন নতুন কিছু উদ্ভাবন করা (যেমন অ্যামাজন, অ্যাপল, ফেসবুক, মাইক্রোসফট এবং গুগল)—অন্যদিকে ছেলেদের শক্তিকে যদি সঠিকভাবে পরিচালিত করা না হয় তবে তারা সিরিয়াল কিলার বা অপরাধীতে পরিণত হয়ে সমাজের সবচাইতে ধ্বংসাত্মক শক্তিতেও পরিণত হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২৯ * জাপান তাদের কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম অনেক বাড়িয়েছে যেখানে ২৩ শতাংশ হাই স্কুল গ্র্যাজুয়েট কারিগরি স্কুলে পড়াশোনা করে। এর ফলে ৯৯.৬ শতাংশ জাপানি কারিগরি শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশনের পরপরই চাকরি পায়। ** পৃষ্ঠা ৩১ * আমার মনে হয় আপনার ছেলের ভবিষ্যতের জন্য আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হবে: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই যত উন্নত হবে মানুষ মানুষের কাছ থেকে সেই আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ততটাই বেশি করবে। ** পৃষ্ঠা ৩১ * যখন নারী ও পুরুষ উভয়কেই অন্যের অনুভূতি সঠিকভাবে বোঝার জন্য পারিশ্রমিক দেওয়া হয় তখন সহানুভূতির লিঙ্গ ব্যবধান ঘুচে যায়! এর মানে হলো সহানুভূতি এবং আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার ক্ষমতা ছেলে ও পুরুষদের ভেতরেই আছে; আমাদের শুধু তাদের জানাতে হবে যে আমরা এই গুণের জন্য তাদের মূল্যায়ন করব। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যারা অন্যদের উত্ত্যক্ত করে এবং যারা উত্ত্যক্ত হয় তাদের মধ্যে তিনটি মিল আছে: উভয়েই নেতিবাচক পরিবার, স্কুল এবং সামাজিক পরিবেশ থেকে আসে; উভয়েরই আত্মমর্যাদা কম এবং উভয়েরই সামাজিক দক্ষতা দুর্বল। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যেহেতু সহানুভূতি এবং আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা শেখানো সম্ভব এবং এই দক্ষতাগুলোই ভবিষ্যতের পেশার জন্য সবচাইতে বেশি প্রয়োজন তাই আমাদের প্রাথমিক স্কুল থেকেই এই শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা দরকার। ** পৃষ্ঠা ৩২ * বিশ্বজুড়ে ছেলেদের পড়ার দক্ষতা, গণিত এবং বিজ্ঞানের মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে মেয়েদের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি ফেল করার সম্ভাবনা থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩৪ * আশির দশকের পর থেকে ছেলেদের আইকিউ প্রায় ১৫ পয়েন্ট কমেছে। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * আত্মহত্যা এখন সারা বিশ্বে “যুদ্ধ, খুন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মিলিত মৃত্যুর চেয়েও বেশি প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে যা ৩৬ মিলিয়ন বছরের স্বাস্থ্যকর জীবন চুরি করে নিচ্ছে”। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * ভারতে পুরুষদের আত্মহত্যার হার নারীদের তুলনায় নয় গুণ বেশি দ্রুত গতিতে বাড়ছে। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * ছেলে ও পুরুষদের মৃত্যু এবং কষ্টের প্রতি আমাদের সংবেদনশীলতা আমাদের বেঁচে থাকার সহজাত প্রবৃত্তির সাথে প্রতিযোগিতায় নামে। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * যুদ্ধে জেতার জন্য আমাদের ছেলেদের পরিত্যাজ্য হতে শেখাতে হয়েছিল। আমরা ছেলেদের সম্মান জানাতাম যদি তারা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রাণ দিত। আমরা তাদের বীর বা হিরো বলতাম। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * কোনো ছেলে যত বেশি নিজের অনুভূতি দমন করে এবং নিজের হৃদয়ের চারপাশে বর্ম তৈরি করে আমাদের পক্ষে তার প্রতি মন খোলা রাখা ততটাই কঠিন হয়ে পড়ে। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * আমরা একে ইকিগাই বলি বা জীবনের উদ্দেশ্য—আমরা যখন এমন কিছু করি যা আমাদের জীবনকে অর্থবহ করে তোলে তখন সেটিই আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। ** পৃষ্ঠা ৪৬ * সে যদি তার ভালো লাগার কাজ করে তবে আপনি হয়তো টাকার অভাব অনুভব করবেন। ** পৃষ্ঠা ৪৮ * বেশি বেতনের পথটি একটি টোল বা কর দেওয়ার পথ। ** পৃষ্ঠা ৪৮ * পিতৃত্ব ছিল আপনার বাবার নিজের পছন্দের কাজ ত্যাগ করে আপনার প্রতি তার ভালোবাসা বেছে নেওয়া। ** পৃষ্ঠা ৪৮ * “আমার বাবার ধ্যান-জ্ঞান ছিল তার ক্যারিয়ার—তিনি সব সময় তাই করতেন যা তিনি পছন্দ করতেন।” ** পৃষ্ঠা ৪৯ * আমরা আমাদের বাবাকে চিনি আর না চিনি তার সাথে আমাদের একটি সম্পর্ক থাকে। আমাদের মনে যে ধারণাটি থাকে সেটিই হলো তার সাথে আমাদের সম্পর্ক। ** পৃষ্ঠা ৫১ * আপনার ছেলে হয়তো অনুভব করতে পারে যে পুরুষালি ভূমিকা তাকে অন্য কেউ খরচ করবে এমন অর্থ উপার্জনের দায়িত্ব দিয়ে নিজে অকালে মৃত্যুবরণ করার চাপ দিচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৫২ * আপনার ছেলের বীরেরা প্রথাগত মই বেয়ে ওঠেনি—তারা তাদের নিজস্ব পথ তৈরি করেছে। ** পৃষ্ঠা ৫৩ * জাপানি ছেলেদের অবচেতন বোধ হলো: বিজয়ী বাবা আসলে তাদের কাছে পরাজিত বাবা। ** পৃষ্ঠা ৫৩ * ডন ড্রেপার যদি পুরুষ হওয়ার অর্থ নিয়ে আত্মসমালোচনা করার পর্যায়ে পৌঁছান তবে সেখান থেকেই তার শুরু করা উচিত। ** পৃষ্ঠা ৫৫ * নারী আন্দোলন প্রতিটি মেয়েকে সাবধান করেছে কীভাবে বিয়ে তার ক্যারিয়ার বিসর্জন দিতে প্ররোচনা দিতে পারে। কিন্তু কেউ ছেলেদের সাবধান করেনি কীভাবে বিয়ে তার ক্যারিয়ারে আপস করতে প্ররোচনা দিতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৫৭ * জন লেনন যদি তার বড় ছেলে জুলিয়ানের প্রতি শনের মতো যত্নশীল হতেন তবে আমরা জন লেননের নামই শুনতাম না। ** পৃষ্ঠা ৬০ * হিরো শব্দটি এসেছে ‘সার-’ মূল থেকে যেখান থেকে আমরা ‘সার্ভেন্ট’ বা সেবক শব্দটিও পাই। ** পৃষ্ঠা ৬১ * জ্যাকের বাবাকে একজন ফুটবল বীর হিসেবে গড়ে তোলা ছিল জ্যাককে পুরুষত্বের জন্য প্রস্তুত করার একটি অবচেতন পথ যেখানে প্রশংসা এবং মূল্যায়নের বিনিময়ে সে তার শরীর বিসর্জন দিতে শেখে। ** পৃষ্ঠা ৬৪ * আপনার ছেলে সেই “হিরো প্যারাডক্স” বা বীরের ধাঁধা শেখে: নিজের গুরুত্ব না দেওয়ার মাধ্যমেই নিজের গুরুত্ব খুঁজে পাওয়া। ** পৃষ্ঠা ৬৫ * ‘দ্য ডেডলিয়েস্ট ক্যাচ’ অনুষ্ঠানে পুরুষেরা যে মৃত্যুর মুখোমুখি হয় তা বিনোদনের উৎস হয় কিন্তু উদ্বেগের কারণ হয় না। ** পৃষ্ঠা ৬৭ * একজন স্বেচ্ছাসেবক ফায়ারফাইটারের পারিশ্রমিক কী? প্রশংসা। সম্মান। উদ্দেশ্য। ** পৃষ্ঠা ৬৭ * এই সেই সামাজিক প্রলোভন যা আপনার ছেলে যদি বড় হওয়ার আগেই গ্রহণ করে ফেলে তবে তা তাকে অন্যের নিরাপত্তার দাসে পরিণত করতে পারে যেখানে নিজের নিরাপত্তার প্রতি তার কোনো ভ্রুক্ষেপ থাকবে না। ** পৃষ্ঠা ৬৭ * আপনার ছেলে যুদ্ধে মারার জন্য বা কর্মক্ষেত্রে বীর হওয়ার জন্য যেসব গুণাবলি অর্জন করে সেগুলো ঘরে ভালোবাসার জন্য প্রয়োজনীয় গুণগুলোকে নষ্ট করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৬৮ * যেসব নারী মানসিকভাবে এবং আধ্যাত্মিকভাবে উন্নতি করতে পেরেছিলেন তারা এমন পুরুষদের বিয়ে করেছিলেন যারা সবচাইতে কম উন্নতি করতে পেরেছিল। ** পৃষ্ঠা ৭১ * নিক সেই বাবার অদ্ভুত সংকট বা ক্যাচ-২২ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলেন: পরিবারকে ভালোবাসার জন্য পরিবারের ভালোবাসা থেকে দূরে থাকা। ** পৃষ্ঠা ৭৪ * আর ভালোবাসা ছাড়া আপনার ছেলের উদ্দেশ্যের কোনো মানে নেই। ** পৃষ্ঠা ৭৭ * এমা বোভারির সবকিছু ছিল কিন্তু তবুও আসলে কিছুই ছিল না। ** পৃষ্ঠা ৭৮ * টিকে থাকার প্রশ্ন যত বেশি থাকে আমরা তত বেশি বলি, “দুঃখিত, এটি একটি মেয়ে।” বিলাসিতা যত বেশি থাকে আমরা তত বেশি বলতে পারি, “দুঃখিত, এটি একটি ছেলে।” ** পৃষ্ঠা ৭৯ * যেকোনো লিঙ্গকে কম গুরুত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। ** পৃষ্ঠা ৮১ * যেসব নারীর অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ আছে তারা ক্রমবর্ধমানভাবে আপনার ছেলের কাছে আবেগীয় এবং সম্পর্কের বুদ্ধিমত্তা চাইবে। ** পৃষ্ঠা ৮২ * যদি আপনার ছেলে তার ভালো লাগার কাজ করে তবে সম্ভবত সে টাকার অভাব অনুভব করবে। ** পৃষ্ঠা ৮৩ * যেসব ছেলে স্কুলে আগ্রহী নয় তাদের প্রায়ই এমন কিছুতে আগ্রহ থাকে যা বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ভবিষ্যতের চাকরিতে কাজে লাগানো যেতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৮৭ * আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার একটি মূল মাপকাঠি হলো এটা জানা যে প্রতিটি গুণ যখন অতিরিক্ত করা হয় তখন তা দোষে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ৮৯ * আমরা অবিশ্বাস্যভাবে সফল ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার নিই তাই তারা সবার সামনে থাকে। কিন্তু যারা একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন কাটায় আমরা তাদের অবহেলা করি তাই তারা অদৃশ্য থেকে যায়। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * যদিও বাবা-মা উভয়ের সক্রিয় উপস্থিতি আপনার ছেলের মানসিক প্রশান্তিকে বাড়িয়ে দেয় তবুও একজন সচেতন অভিভাবকও পথ দেখাতে পারেন। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * ব্যায়াম করা পড়ার চেয়েও কার্যকরভাবে শিশুর মস্তিষ্কের গঠন ঠিক করতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ৯৪ * পাড়ার খেলাধুলা উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য চমৎকার প্রস্তুতি। ** পৃষ্ঠা ৯৪ * আপনার ছেলে যখন ব্যক্তিগত খেলাধুলার পাশাপাশি পাড়ার এবং দলগত খেলায় অংশ নেবে তখন সে খেলাধুলাকে ছেলেদের উপযোগী একটি শিল্প হিসেবে অনুভব করবে। ** পৃষ্ঠা ৯৪ * একজন আধুনিক ছেলের মূলমন্ত্র হলো “যখন পরিস্থিতি কঠিন হয় তখন বুঝতে চেষ্টা করো কখন ধৈর্য ধরতে হবে।” ** পৃষ্ঠা ৯৫ * চিরাচরিত পুরুষ বীর হলো আত্মত্যাগের প্রতীক, আত্ম-উপলব্ধির নয়। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * চিরাচরিত পুরুষ বীরের চাহিদার তালিকায় আত্ম-উপলব্ধি কোথাও নেই কারণ সে নিজেকে যত বেশি গুরুত্ব দেবে তত সে নিজেকে বিসর্জন দিতে কম আগ্রহী হবে। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * তাৎক্ষণিক তৃপ্তি ত্যাগ করার যে শৃঙ্খলা তা আপনার ছেলের সবচাইতে বেশি প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ৯৮ * সমাধান হলো—একজন ভারসাম্যপূর্ণ পুরুষ গড়ে তোলা—যেখানে চিরাচরিত পুরুষের সেরা গুণগুলোর সাথে আধুনিক আত্ম-সচেতন পুরুষের মেলবন্ধন থাকবে। ** পৃষ্ঠা ৯৯ * উন্নত দেশগুলোর সবচাইতে বড় সংকট হলো বাবা-বঞ্চিত সন্তান এবং বিশেষ করে বাবা-বঞ্চিত ছেলে। এটি সমাধান না করে বয় ক্রাইসিস সমাধান করা সম্ভব নয়। ** পৃষ্ঠা ১০২ * মা, বাতাস এবং জলের মতো বাবারাও আমাদের জীবনের জন্য অপরিহার্য। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * আর যখন ছেলেরা আঘাত পায় তখন তারা আমাদেরও আঘাত দেয়—শারীরিকভাবে, মানসিকভাবে এবং আর্থিকভাবে। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * বিচ্ছেদ বা বাবাকে হারানোর পর ছেলে ও মেয়ে উভয়েই অসুখী হয় কিন্তু বিশেষ করে বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে মেয়েদের কষ্ট এক বা দুই বছরের মধ্যে কমে যায় যেখানে ছেলেদের কষ্ট কমে না। ** পৃষ্ঠা ১০৯ * ক্যারিয়ার এখনকার জন্য কিন্তু সন্তানরা সব সময়ের জন্য। ** পৃষ্ঠা ১১৩ * বাবার অনুপস্থিতি সরকারের উপস্থিতিকে বাড়িয়ে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * পরিবারে বাবার সংশ্লিষ্টতা একটি অব্যবহৃত সম্পদ ঠিক যেমন এক সময় কর্মক্ষেত্রে নারীদের সংশ্লিষ্টতা একটি অব্যবহৃত সম্পদ ছিল। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * বাবা হওয়ার ইচ্ছা ছেলের মনে শুরু হয় যখন সে তার বাবার মধ্যে নিজেকে দেখতে পায়। ** পৃষ্ঠা ১১৭ * জেলখানাগুলো হলো বাবা-বঞ্চিত পুরুষদের কেন্দ্র—যারা কখনোই মানুষ হতে পারেনি। ** পৃষ্ঠা ১২০ * দোষী সাব্যস্ত হলে আপনার ছেলে গড়ে নারীদের তুলনায় ৬৩ শতাংশ দীর্ঘ সাজা পাবে। ** পৃষ্ঠা ১২০ * কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গদের সাজার ব্যবধানের তুলনায় পুরুষ ও নারীদের সাজার ব্যবধান ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১২০ * শিক্ষাক্ষেত্রে লিঙ্গ ব্যবধানের মূল কারণ হতে পারে বাবার অনুপস্থিতিতে ছেলেদের বেশি প্রভাবিত হওয়া। ** পৃষ্ঠা ১২২ * এমনকি বর্ণ, শিক্ষা, আয় এবং অন্যান্য বিষয় সমান থাকলেও বাবার সান্নিধ্য ছাড়া বড় হওয়া একটি শিশুর হাই স্কুল থেকে ড্রপ আউট হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণ বেড়ে যায়। ** পৃষ্ঠা ১২২ * বাবার অনুপস্থিতি কেবল নেতিবাচক ফলাফলের সাথেই যুক্ত নয় বরং এটিই নেতিবাচক ফলাফলের মূল কারণ। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * বাবা আছেন এমন পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা গণিত এবং বিজ্ঞানে ভালো ফল করে এমনকি তারা যদি একাডেমিকভাবে দুর্বল স্কুলে পড়ে তবুও। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যখন কম আয় এবং বাবার সান্নিধ্য পাওয়া শিশুদের সাথে বেশি আয় কিন্তু বাবার সান্নিধ্য না পাওয়া শিশুদের তুলনা করা হয়েছিল তখন সহিংস অপরাধের হারে কোনো পার্থক্য ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যেসব মেয়ের নিজের বাবার সাথে ভালো সম্পর্ক ছিল তাদের মধ্যে একজনও ১৯ বছর বয়সের আগে মা হয়নি। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * অবিবাহিত দম্পতিরা যখন সন্তান হওয়ার সময় একসাথে থাকে তখন সেই শিশুদের ৪০ শতাংশই তাদের তৃতীয় জন্মদিনের পর থেকে পরবর্তী দুই বছর অর্থাৎ তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে তাদের বাবার সাথে নিয়মিত কোনো যোগাযোগ পায় না। ** পৃষ্ঠা ১২৪ * তিরিশ বছরের কম বয়সী মায়েদের অর্ধেকের বেশি সন্তান বিয়ের বাইরে জন্ম নিয়েছে। ** পৃষ্ঠা ১২৪ * মইনিহান রিপোর্টে বলা হয়েছে যে একটি কৃষ্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠ সমাজে দরিদ্র হওয়ার মূল কারণ বর্ণ নয় বরং মা-বাবার অবিবাহিত থাকা। কেন? কারণ বিয়ের অনুপস্থিতি মানেই হলো বাবার সংশ্লিষ্টতা না থাকা। ** পৃষ্ঠা ১২৫ * ১৯৬৫ সালে মইনিহান রিপোর্টে এক-চতুর্থাংশ কৃষ্ণাঙ্গ শিশুর বিয়ের বাইরে জন্ম হওয়াকে সংকট বলা হয়েছিল কিন্তু আজ শ্বেতাঙ্গ শিশুদের ক্ষেত্রে এই হার ৩৬ শতাংশ। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * “আমার মা বারবার সাবধান করে যা অনেকটা ‘মিথ্যা রাখালের’ মতো। আমার বাবা একবার সাবধান করে আর তারপর সে নিজেই বাঘ হয়ে যায়।” ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * সীমানা বা সীমাবদ্ধতাকে গুরুত্ব দিতে শেখানো শিশুকে অন্যদের প্রয়োজনকে সম্মান করতে শেখায়। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * সহানুভূতি একটি গুণ যা যখন কেবল বাবা-মায়ের পক্ষ থেকে সন্তানের দিকে যায় কিন্তু সন্তানের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা করা হয় না তখন তা দোষে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩৮ * ঘর থেকে কাজ করার জন্য স্ব-প্রণোদিত হওয়া প্রয়োজন। আর কঠোর নিয়ম ছাড়া বড় হওয়া শিশুরা খুব কমই তাৎক্ষণিক তৃপ্তি ত্যাগ করার সেই গুণটি অর্জন করতে পারে যা স্ব-প্রণোদিত হওয়ার জন্য প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১৪১ * বাবার সাথে খেলা অনেকটা রোলার কোস্টারে ওঠার মতো—বাচ্চারা উত্তেজিত থাকে কারণ তারা নিরাপদ অনুভব করে। ** পৃষ্ঠা ১৪২ * মার্টিন যখন তামাশা করত তখন সে ম্যাগি এবং মার্টি জুনিয়রকে তার চোখের চাহনি, গলার স্বর বা মুখের ভঙ্গির সূক্ষ্ম পরিবর্তন দেখে অর্থ বুঝতে শেখাত। ** পৃষ্ঠা ১৪৯ * হাস্যরসের মাধ্যমে একে অপরকে খোঁচা দেওয়া হলো ছেলেদের এবং পুরুষদের অবচেতনভাবে একে অপরকে সেই সমালোচনা সহ্য করার প্রশিক্ষণ দেওয়া যা সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * হাস্যরসের ছলে একে অপরকে তুচ্ছ করা হলো সমালোচনার মুখোমুখি হওয়ার প্রশিক্ষণ কারণ অবচেতনভাবে তারা জানে যে সমালোচনা সহ্য করার ক্ষমতা সাফল্যের পূর্বশর্ত। ** পৃষ্ঠা ১৫১ * ছেলেদের মধ্যে যদি আপনি কাউকে নিয়ে মজা না করতে পারেন তবে আপনি তাকে বিশ্বাসও করতে পারবেন না। ** পৃষ্ঠা ১৫২ * যেসব বিবাহিত দম্পতি বিবাদের সময় একে অপরকে নিয়ে রসিকতা করে তারা সরাসরি সমালোচনা করা দম্পতিদের চেয়ে বিবাদের পর বেশি সুখী ও একাত্ম বোধ করে। ** পৃষ্ঠা ১৫২ * বিশেষ করে সামরিক বাহিনীতে হেজিং বা পরীক্ষা নতুনদের নিজেদের ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দিতে সাহায্য করে কারণ যুদ্ধ যন্ত্রটি তখনই ভালো কাজ করে যখন সেখানে সবাই এক ছাঁচে গড়া হয়, “আমি বিশেষ কেউ” এমন মানুষের জন্য সেখানে জায়গা নেই। ** পৃষ্ঠা ১৫৩ * যদি মেয়েদের মধ্যে একে অপরকে খোঁচা দেওয়া বা বিদ্রূপ করার ঘটনা ঘটে তবে তার মানে হলো সেই মেয়েটিকে দল থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে, তাকে দলে নেওয়ার জন্য যাচাই করা হচ্ছে না। ** পৃষ্ঠা ১৫৪ * প্যারেন্টিং প্ল্যান বা লালন-পালনের পরিকল্পনাগুলো সব সময় একই ধরণের হওয়া উচিত। ** পৃষ্ঠা ১৬৫ * শিশুরা প্রতি দ্বিতীয় উইকএন্ডে বাবার কাছে যাওয়ার প্রথাগত নিয়মের প্রতি তীব্র অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * ভৌগোলিক স্থিতিশীলতার চেয়ে দুই অভিভাবকের উপস্থিতির স্থিতিশীলতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ১৬৮ * বিচ্ছেদের পর বারো হাজার কিশোর-কিশোরীর ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে যে একক বাবার সাথে থাকা শিশুরা একক মায়ের সাথে থাকা শিশুদের চেয়ে ভালো ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * বিচ্ছেদ হওয়া পুরুষদের আত্মহত্যার সম্ভাবনা একই ধরণের পটভূমি থাকা বিচ্ছেদ হওয়া নারীদের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১৭৫ * “যোদ্ধা” শব্দটি হালকাভাবে যোগ করা হয়নি। একজন যোদ্ধা নিজের লক্ষ্য অর্জনের বাধাগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকে। তারপর বাধার ওপর মনোযোগ না দিয়ে সে মনোযোগ দেয় কীভাবে সেই বাধা অতিক্রম করা যায় তার ওপর। ঠিক এই জিনিসটিই সে তার সন্তানদের শেখাবে। ** পৃষ্ঠা ১৭৬ * আপনার ছেলে একজন “ফাদার ওয়ারিয়র” বা বাবা যোদ্ধা হতে চাইবে না যদি সে দুটি জিনিস অনুভব না করে: প্রথমত একটি উদ্দেশ্যের বোধ এবং দ্বিতীয়ত তার অবদানটি গুরুত্বপূর্ণ। তাই অভিভাবকত্বের ভারসাম্য রক্ষায় তার ভূমিকাটি আরও গভীরভাবে দেখা প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১৭৮ * নারী-পুরুষের বেতনের ব্যবধান মূলত পুরুষ ও নারীর ব্যবধান নয়; এটি হলো মা এবং বাবার আয়ের ব্যবধান। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * আপনার ছেলে যদি চিরাচরিত নিয়মের বাইরে চলতে চায় তবে তাকে জানতে হবে যে তার জীবনের সবচাইতে বড় কাজ হলো এমন একজন নারীকে বেছে নেওয়া যে সামাজিক বেড়াজাল থেকে মুক্ত হয়ে তাকেও মুক্ত করতে পারবে। ** পৃষ্ঠা ১৮৪ * বাবারা কোম্পানিগুলোর কাছে সবচাইতে বেশি সুবিধাজনক ছিল কারণ তাদের সবচাইতে সহজে ব্যবহার করা যেত। ** পৃষ্ঠা ১৮৫ * “সমাজকর্মীরা সাধারণত শিশুদের ইচ্ছাকে ততক্ষণই গুরুত্ব দেয় যতক্ষণ তারা মায়ের কাছে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করে। কিন্তু শিশুরা যখন বাবার কাছে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করে তখন তাদের সেই ইচ্ছাকে কোনো গুরুত্বই দেওয়া হয় না।” ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * ''দ্য সেকেন্ড স্টেজ''-এ ফ্রিডান ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে পুরুষদের যদি বাবা হিসেবে আরও বেশি সম্পৃক্ত করা না হয় তবে নারীদের ক্যারিয়ারের লক্ষ্য কখনোই পূরণ হবে না। ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * সন্তানের ওপর মায়ের অধিকার থাকে কিন্তু বাবাকে সন্তানের জন্য লড়াই করতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * চাইল্ড সাপোর্টের ঋণের ৭০ শতাংশই সেইসব অভিভাবকদের যাদের বার্ষিক আয় ১০,০০০ ডলারের কম। ** পৃষ্ঠা ১৯২ * আপনার ছেলে যখন কোনো নারীর সাথে যৌন সম্পর্ক করে তখন সে আসলে তার জীবন সেই নারীর হাতে তুলে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৩ * টিভির প্রায় ১০০ শতাংশ বিজ্ঞাপনে যেখানে কেবল একটি লিঙ্গকে বোকা হিসেবে দেখানো হয় সেখানে পুরুষকেই বোকা হিসেবে দেখানো হয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৩ * একটি সুখী বিয়ে টাকা, সন্তান বা যৌনতার অভাবের চেয়ে বেশি নির্ভর করে আমরা টাকা, সন্তান বা যৌনতা নিয়ে একে অপরের সাথে কীভাবে কথা বলছি তার ওপর। ** পৃষ্ঠা ১৯৭ * যখন ঘর পরিষ্কার থাকে এবং বিল পরিশোধ করা থাকে তখন আমাদের সঙ্গীর সবকিছু ঠিক রাখার সেই প্রচেষ্টাগুলো অদৃশ্য থাকে কারণ সবকিছুই ঠিক আছে। ** পৃষ্ঠা ১৯৯ * আপনার ছেলে যদি নিজেকে একজন নিপীড়নকারী হিসেবে মনে করে তবে স্বাবলম্বী হতে ব্যর্থ হওয়াকেও তার কাছে প্রগতি মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২০০ * “সবচাইতে ভালো অভিভাবক হলো উভয় অভিভাবক” এর মানে হলো মা বাবার বিকল্প নয়, টাকা বাবার বিকল্প নয় এবং অন্য কোনো পুরুষও বাবার বিকল্প নয়। ** পৃষ্ঠা ২০২ * ভবিষ্যতে ঘরই ক্রমবর্ধমানভাবে কর্মক্ষেত্রে পরিণত হবে। ** পৃষ্ঠা ২০৩ * এমন বিষয়ের ওপর দক্ষতা অর্জন করা যা পরিমাপযোগ্য, দৃশ্যমান এবং যা সম্মান বয়ে আনে। ** পৃষ্ঠা ২১০ * দক্ষিণ ক্যারোলিনার জেলে যেসব বাবা চাইল্ড সাপোর্ট দিতে না পারার কারণে বন্দি আছেন তাদের তিন-চতুর্থাংশই চরম দারিদ্র্যের শিকার। আর সেই জেলের মোট কয়েদির আট ভাগের এক ভাগই হলো চাইল্ড সাপোর্ট দিতে না পারা বাবা। ** পৃষ্ঠা ২২২ * আমরা কোটি কোটি ডলার খরচ করছি বাবাদের কাছ থেকে সেই টাকা আদায় করতে যা তাদের অনেকের কাছে নেই কিন্তু বাবাদের সেই সময়টুকু দেওয়ার সুযোগ করে দিতে আমরা কিছুই করছি না যা তাদের কাছে আছে—আর যা তাদের সন্তানদের সবচাইতে বেশি প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ২২৩ * বয় ক্রাইসিস বা ছেলেদের সংকট এবং বাবার সংশ্লিষ্টতার প্রতি আমাদের “উদাসীনতা” সরকারকে বাধ্য করেনি বাবাদের সংশ্লিষ্টতা বাড়িয়ে সরকারের উপস্থিতি কমানোর জন্য কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিতে। ** পৃষ্ঠা ২২৫ * আমরা যা খরচ করি তারই ফল পাই তাই আসুন বাবাদের উপস্থিতির জন্য খরচ করি, বাবার অনুপস্থিতির জন্য নয়। ** পৃষ্ঠা ২২৭ * অস্ট্রেলিয়া বন্দুক নীতি পরিবর্তনের পর প্রায় ২০ বছরে সেখানে গণ-শুটিংয়ের সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে। ** পৃষ্ঠা ২২৯ * বন্দুক বয় ক্রাইসিসের মূল কারণ নয় কিন্তু আমরা যখন মূল কারণগুলো নিয়ে কাজ করছি তখন বন্দুক নিয়ন্ত্রণ করা হলে বাবা-বঞ্চিত সন্তানদের দ্বারা ঘটা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানো সম্ভব। ** পৃষ্ঠা ২২৯ * যখন ছেলে ও পুরুষদের জানানো হয় যে তাদের প্রয়োজন আছে তখন তারা সাড়া দেয় এবং দায়িত্বশীল হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৩১ * নারী-পুরুষের গড় আয়ুর ব্যবধান প্রায় ৪০০ শতাংশ বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * বাবা-মা উভয়য়ের মিলিত স্বাস্থ্যই আপনার ছেলের স্বাস্থ্য তৈরি করে; আপনার ছেলের স্বাস্থ্য তার জন্মের অনেক আগে থেকেই শুরু হয়। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * বীর হওয়া মানে হলো নিজের আবেগ চেপে রাখা। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * ভালোবাসা পাওয়ার ইচ্ছা আমাদের ছেলের স্বভাবজাত। কিন্তু এই স্বভাবটিকে আমরা খুব কমই লালন করি। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * নতুন ধরণের বীরাঙ্গনাদের আবির্ভূত হওয়ার মানে কি এই যে আপনার ছেলেকে তার ভালোবাসার জন্য আর জীবন ঝুঁকি নিতে হবে না? ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * আপনার ছেলে যদি পরিষ্কারভাবে বুঝতে না পারে যে একজন শক্তিশালী নারী তার কাছে কী চায় তবে সে হয়তো কম শক্তিশালী কোনো নারীর দিকে ঝুঁকবে যাকে সে সাহায্য করতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * নারী সুপারহিরোদের যৌন আকাঙ্ক্ষার অভাব তাদের এক বিশাল শক্তিতে পরিণত করে। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * হলিউড কেবল পুরুষদের সামরিক তালিকায় নিবন্ধনের ভিত্তি তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যদি তার ভালোবাসার কোনো নারীর জীবন—সে প্রেমিকা হোক বা মা—ঝুঁকির মুখে পড়ে তবে তার জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়ে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * এমনকি আপনার ছেলে যদি তার শক্তি দিয়ে কোনো নারীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে এবং তাতে সে ব্যর্থ হয় তবে সেই শক্তিই তাকে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দেবে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * যদি একজন ভালো নারী নিহত হয় তবে তার দোষ কোনো পুরুষের ওপরই পড়ে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * আমরা ছেলেদের শিখিয়েছি যে শক্তি অর্জন করা পুরুষালি বিষয় কিন্তু সেই শক্তি ধরে রাখা বা ক্ষয় রোধ করা মেয়েলি বিষয়। ** পৃষ্ঠা ২৪৫ * চিরাচরিত পুরুষত্বের সেরা গুণগুলো রক্ষা করা অভিভাবকদের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত কারণ আপনার ছেলে অবচেতনভাবে সবার সাথে মিশে যাওয়া এবং একই সাথে সবার চেয়ে আলাদা হওয়ার এক অদ্ভুত দ্বন্দ্বে থাকে। ** পৃষ্ঠা ২৪৮ * সাবেক কলেজ খেলোয়াড়দের মধ্যে ৫৬ শতাংশই গুরুতর সিটিই (CTE) রোগে আক্রান্ত ছিল যার ৮৫ শতাংশই ছিল ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশের লক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ২৫১ * আমরা ছেলেদের শেখাই যে লাঞ্ছিত হওয়ার মানেই হলো ভালোবাসা পাওয়া। ** পৃষ্ঠা ২৫৩ * ট্যাকল ফুটবল হলো শরীর-মননির্ভর খেলা আর ফ্ল্যাগ ফুটবল হলো মন-শরীরনির্ভর খেলা। ** পৃষ্ঠা ২৫৩ * “ফ্ল্যাগ ফুটবল অনেক বেশি কৌশলনির্ভর। আপনি শরীর দিয়ে কাউকে সরিয়ে দিতে পারেন না তাই এখানে বুদ্ধির প্রয়োজন বেশি।” ** পৃষ্ঠা ২৫৪ * ট্যাকল ফুটবলে করদাতার অর্থ ব্যবহার করা হচ্ছে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই আমাদের সন্তানদের মন এবং শরীরের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৫৫ * এমনকি একজন সৈনিক বেঁচে থাকলেও যুদ্ধের ঝুঁকি তার সাথে ঘরে ফিরে আসে—প্রতি একজন সৈনিক নিহতের বিপরীতে প্রায় ২৫ জন প্রাক্তন সৈনিক আত্মহত্যা করে। ** পৃষ্ঠা ২৫৬ * আপনার ছেলে যত বেশি অভিজাত শ্রেণির অংশ হতে চাইবে তত সে করুণা পাওয়াকে ঘৃণা করবে। তবুও যারা আজ অভিজাত শ্রেণিতে যোগ দেয় কাল তারাই করুণার পাত্র হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৫৬ * আপনি যদি একা বুঝতে পারেন যে আপনার ছেলের রাগ আসলে তার অসহায়ত্বের মুখোশ তবে আপনি নিজেকে বিচারগ্রস্ত এবং একা মনে করতে পারেন। ** পৃষ্ঠা ২৬০ * কোনো সম্ভাব্য প্রেমিকা যখন কোনো ছেলের অভিযোগ শোনে তখন তার সুরক্ষার যে সহজাত প্রবৃত্তি তা বাধা পায় কিন্তু যখন একজন মা তার ছেলের অভিযোগ শোনেন তখন তা তার রক্ষার প্রবৃত্তিকে জাগিয়ে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৬১ * সহানুভূতির সাথে কথা শোনা একজন কিশোরের মস্তিষ্কের বিকাশে এমনভাবে প্রভাব ফেলে যা তার বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে। ** পৃষ্ঠা ২৬১ * তেরো থেকে ষোলো বছর বয়সের মধ্যে ছেলেদের মধ্যে জৈবিকভাবে সহানুভূতির ক্ষমতা সাময়িকভাবে কমে যায় যা মেয়েদের ক্ষেত্রে ঘটে না। ** পৃষ্ঠা ২৬৩ * যেসব ছেলে উন্নত এলাকায় বদলি হয়েছে তাদের মধ্যে পিটিএসডি (PTSD) বা আঘাত পরবর্তী মানসিক চাপের হার যুদ্ধ থেকে ফিরে আসা সৈনিকদের হারের মতো ছিল। ** পৃষ্ঠা ২৬৫ * আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে বন্ধুত্ব এবং ভালোবাসা হারানোর ক্ষেত্রে আপনার ছেলে সবচাইতে সংবেদনশীল। ** পৃষ্ঠা ২৬৫ * যে উত্ত্যক্তকারী বা বুলিকে সুস্থ করা হয়েছে সেই হলো উত্ত্যক্ত হওয়া ব্যক্তিদের সবচাইতে বড় সুরক্ষা। ** পৃষ্ঠা ২৬৮ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নারী-পুরুষের আত্মহত্যার হারের ব্যবধান মহামন্দার পর থেকে তিন গুণ বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ২৭৩ * পঁচাশি বছর বয়সের মধ্যে পুরুষদের আত্মহত্যার হার একই বয়সী নারীদের তুলনায় ১৬৫০ শতাংশ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২৭৪ * নারীরা কাঁদে কিন্তু পুরুষেরা মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ২৭৪ * বেকারত্ব, অবসর বা জীবনসঙ্গী হারানোই হোক—পুরুষদের আত্মহত্যার প্রতিক্রিয়া আসলে যা আগে থেকেই মরে গেছে তাকেই হত্যা করা। ** পৃষ্ঠা ২৭৬ * আত্মহত্যা সংক্রামক। ** পৃষ্ঠা ২৭৬ * বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের হারের মধ্যে প্রায় কোনো পার্থক্য নেই। ** পৃষ্ঠা ২৭৮ * যখন ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ সোশ্যাল ওয়ার্কার্স আত্মহত্যা নিয়ে গবেষণা করে তখন তারা কেবল নারীদের আত্মহত্যা নিয়ে কাজ করে। ** পৃষ্ঠা ২৮৪ * গোপনীয়তাকে মূল মন্ত্র করে পুরুষদের গ্রুপগুলো পুরুষদের হৃদয় খোলার পথ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ২৮৬ * আমার ৪৫ বছরের অভিজ্ঞতায় আমি দেখিনি যে কোনো পুরুষ যে কোনো পুরুষ গ্রুপের সাথে যুক্ত আছে সে বিষণ্ণতার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বা আত্মহত্যা করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৮৭ * যখন একজন প্রাক্তন সৈনিক মনে করে যে সে ব্যক্তিগত দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ হয়েছে তখন সে আত্মহত্যার এক ধাপ কাছাকাছি চলে যায়। ** পৃষ্ঠা ২৮৯ * অনেক প্রাক্তন সৈনিকই বাইরে থেকে কঠোর হলেও ভেতরে অনেক নরম মনের। ** পৃষ্ঠা ২৯০ * প্রাক্তন সৈনিকেরা সেইসব মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেয় যাদের সেনাবাহিনীতে কাজ করতে হয়নি। ** পৃষ্ঠা ২৯০ * চিরাচরিত পুরুষেরা তাদের ত্যাগ স্বীকার করে মূলত বাড়ি ফিরে আসার পর প্রশংসা পাওয়ার আশায় এবং তাদের অভিজ্ঞতাগুলো পরিবারের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৯১ * প্রতি পাঁচ জন যুবকের মধ্যে একজন উর্বর নয়। ** পৃষ্ঠা ২৯২ * যেসব পুরুষের শুক্রাণুর সংখ্যা কম তারা সন্তান জন্ম দিতে পারলেও তাদের গড় আয়ু কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ** পৃষ্ঠা ২৯২ * পুরুষদের স্বাস্থ্যের প্রতি এই অবহেলাই আপনার ছেলের জন্য পুরুষদের স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করার একটি সুযোগ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ৩০০ * ভালোবাসা আত্মরক্ষামূলক মনোভাব বা ডিফেনসিভনেস দূর করে না কারণ ভালোবাসা এক ধরণের অসহায়ত্ব তৈরি করে আর এই আত্মরক্ষামূলক মনোভাবই হলো অসহায়ত্বের মুখোশ। ** পৃষ্ঠা ৩০৮ * পুরুষালি সংস্কৃতির নেতিবাচক লক্ষণগুলোকে ওষুধ শিল্প কাজে লাগায়। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * টিফিনের সময় যেখানে উত্ত্যক্ত করার ঘটনা ঘটে সেখানে এটি কমানোর সুযোগও থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * সুস্থ হওয়া মানুষই অন্যকে সুস্থ হতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ৩১২ === ''বিবিধ'' === গোলাপ সবসময় লাল হয় না<br> ভায়োলেট ফুল বেগুনি হয়, নীল নয়<br> তুমি হয়তো ফুলগুলোর ওপর ভরসা করতে পারো না<br> কিন্তু তোমার প্রতি আমার ভালোবাসার ওপর তুমি ঠিকই ভরসা করতে পারো। চিরকাল ভালোবাসি, ওয়ারেন ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছে, ১৬/২/১৫ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.nytimes.com/2005/02/27/business/yourmoney/27lunch.html নিউ ইয়র্ক টাইমস: নারীদের কম বেতনের জন্য কি তারা নিজেরাই দায়ী?], ওয়ারেন ফ্যারেলের একটি সাক্ষাৎকার, ২০০৫। [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন শিক্ষায়তনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ-কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয়কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক শহরের ব্যক্তি]] tid0pzarx3mmzbdzq76a8x2f2adwozk 81778 81687 2026-04-28T02:13:24Z ARI 356 পরিষ্কারকরণ 81778 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Warren Farrell photo.jpg|thumb|ওয়ারেন ফ্যারেল, ২০১১]] '''ওয়ারেন ফ্যারেল''' (জন্ম ২৬ জুন, ১৯৪৩) একজন মার্কিন [[শিক্ষক]], কর্মী এবং [[নারী]]দের সাথে পুরুষদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে লেখা সাতটি বইয়ের লেখক। তিনি ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেনের নিউ ইয়র্ক সিটি বোর্ডে কাজ করেছেন এবং পুরুষ অধিকার আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। == উক্তি == === ''হোয়াই মেন আর দ্য ওয়ে দে আর'' (১৯৮৮) === * একে অপরের প্রতি না বলে, আমার অসহায়ত্ব তোমার অসহায়ত্বের চেয়ে বেশি, কি নারী ও পুরুষের পক্ষে একে অপরের কথা শোনা সম্ভব ছিল? এটা পরিষ্কার হয়ে উঠছিল যে প্রতিটি লিঙ্গের শক্তি এবং অসহায়ত্ব উভয় ক্ষেত্রেই একটি অনন্য অভিজ্ঞতা ছিল। আমার মনের চোখে আমি একটি শোনার কাঠামো কল্পনা করতে শুরু করলাম যার মধ্যে আমরা এই ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতাগুলো শুনতে পারি। এটি দেখতে এমন ছিল: ** পৃষ্ঠা ১৭ * আমি যখন এই শোনার কাঠামোর দিকে আরও যত্নসহকারে তাকালাম তখন দেখলাম যে গত বিশ বছর ধরে আমরা এর চারটি ভাগের প্রথমটির ওপর গুরুত্ব দিয়েছি, তা হলো নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতা। আমি দেখলাম আমি অবচেতনভাবে একটি ভুল ধারণা পোষণ করছিলাম: আমি নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতা যত গভীরভাবে বুঝছিলাম, ততই আমি ধরে নিচ্ছিলাম যে নারীদের যে ক্ষমতা ছিল না তা পুরুষদের আছে। আসলে, আমি যা বুঝছিলাম তা হলো পুরুষদের ক্ষমতা সম্পর্কে নারীদের অভিজ্ঞতা। ** পৃষ্ঠা ২০-২১ * যে পুরুষেরা নারীদের প্রতি মনোযোগী কিন্তু নিজেদের কষ্টের প্রতি মনোযোগী নন তারা সাধারণত এই মনোভাব ধরে রাখতেন যে নারীদের বিশেষ সুরক্ষার প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ২২ * পুরুষদের সাফল্যের বস্তু হিসেবে দেখার ইচ্ছা স্বীকার করতে নারীদের যে দুর্বলতা তা নারীদের প্রতি পুরুষদের তীব্র যৌন আকাঙ্ক্ষার বাধ্যবাধকতার স্বীকারোক্তির সাথে মিলে যায়। ** পৃষ্ঠা ২৬ * আমরা সবাই মিলে বুঝতে পারলাম যে কীভাবে আমরা পুরুষদের আবেগ প্রকাশ করতে অনুরোধ করি, কিন্তু তারপর যখন পুরুষেরা আবেগ প্রকাশ করে তখন আমরা তাকে লিঙ্গবৈষম্য, পুরুষতান্ত্রিক অহংকার অথবা পাল্টা আঘাত বলি। ** পৃষ্ঠা ২৭. * রাল্ফ ক্ষমতার বাহ্যিক রূপ পাওয়ার চেষ্টা করে প্রকৃত ক্ষমতা হারিয়েছিলেন। তিনি একজন নেতা ছিলেন। কিন্তু তিনি নেতাদের জন্য তৈরি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করছিলেন; তাই তিনি একজন অনুসারী ছিলেন... তিনি যেমনটা বলেছিলেন, তিনি ছিলেন একজন উচ্চপর্যায়ের সাধারণ মানুষ। ** পৃষ্ঠা ৯ * অধিকাংশ নারীর আদর্শ হলো নয়টি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যৌন সম্পর্কে না জড়ানো: শারীরিক আকর্ষণ; শ্রদ্ধা; মানসিক সামঞ্জস্য; বুদ্ধিমত্তা; অবিবাহিত হওয়া; সাফল্য (বা সম্ভাবনা); বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব পাওয়া; খরচ মেটানো; এবং প্রথম চুম্বনের উদ্যোগ নিয়ে পুরুষের প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়া…. পুরুষরা ততক্ষণ পর্যন্ত যৌনতা চায় যতক্ষণ একটি মাত্র শর্ত পূরণ হয়—শারীরিক আকর্ষণ। ** পৃষ্ঠা ১৩ * পুরুষদের কাছে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন হলো প্লেবয় এবং পেন্টহাউস। এগুলো পুরুষদের প্রধান কল্পনাকে উপস্থাপন করে: প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি ছাড়াই যত খুশি সুন্দরীদের কাছে যাওয়ার সুযোগ। নারীদের কাছে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন হলো বেটার হোমস অ্যান্ড গার্ডেনস এবং ফ্যামিলি সার্কেল, যা নারীদের প্রধান কল্পনাকে উপস্থাপন করে: আরও ভালো ঘরবাড়ি, বাগান এবং একটি পারিবারিক পরিমন্ডল। ** পৃষ্ঠা ১৮ * অবিবাহিত নারীদের কাছে ''কসমোপলিটান'' সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন। কসমো অবিবাহিত নারীদের জানায় কীভাবে তারা একজন পুরুষকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করতে পারে এবং আরও ভালো ঘরবাড়ি ও বাগানের প্রধান কল্পনা অর্জন করতে পারে। এটি প্লেবয়ের একটি নারী সংস্করণ। পর্নোগ্রাফি হলো পুরুষদের প্রধান কল্পনা--নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থাকা দামে প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি ছাড়াই যত খুশি সুন্দরীদের কাছে যাওয়ার সুযোগ! ** পৃষ্ঠা ১৮ * আমি যদি নিরাপত্তাকে কোনো নারীর প্রধান প্রয়োজন বলি তবে কীভাবে একে তার প্রধান কল্পনা বলতে পারি? কারণ যখন তার প্রধান প্রয়োজন হলো একটি ঘর এবং পারিবারিক পরিমন্ডলের নিরাপত্তা, তখন তার প্রধান কল্পনা হলো অন্য কেউ এগুলো পাওয়ার জন্য যথেষ্ট অর্থ উপার্জন করবে। একারণেই দুই বিলিয়ন নারী সাম্প্রতিক রাজকীয় বিয়ের দিকে মনোযোগ দিয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬ * সান ডিয়েগোতে হাউ টু ম্যারি মানি নামে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কোর্স আছে। লক্ষ্য করুন যে বিয়েটি হয় টাকার সাথে--কোনো ব্যক্তির সাথে নয়। আমি অংশগ্রহণকারী পুরুষদের শতাংশ সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম... নির্দেশক উত্তর দিয়েছিলেন, 'কোর্সটি আসলে নারীদের জন্য, এটি পুরুষদের জন্য প্রাসঙ্গিক নয়।' ** পৃষ্ঠা ৪৩ * পুরুষেরা যখন পছন্দ করানোর জন্য চটকদার কথা বলে তখন নারীরা পুরুষদের বিশ্বাস না করতে শেখে। যখন নারীরা মেকআপ করে তখন পুরুষেরা নারীদের বিশ্বাস না করতে শেখে। পুরুষদের চটকদার কথা এবং নারীদের মেকআপ হলো আসলে বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ৭১-৭২ * ফিমেল ওয়েস্টার্ন হলো সেরা পুরুষদের পাওয়ার জন্য ভালো এবং খারাপ পদ্ধতির মধ্যে লড়াই। ** পৃষ্ঠা ৭৩ * সন্ধ্যার টিভি নাটক থেকে শুরু করে কিশোর বয়সের রোমান্স পর্যন্ত, সব জায়গার বার্তা হলো যে অন্তর্নিহিত মূল্য কেবল পরাজিতদের জন্য। ** পৃষ্ঠা ৭৩ * পুরুষদের ম্যাগাজিনে সাফল্য হলো যৌনতা এবং ভালোবাসা পাওয়ার একটি হাতিয়ার, তাই সাফল্যের বাহ্যিক রূপ সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে নারীদের ম্যাগাজিনে ভালোবাসা এবং যৌনতা হলো সাফল্য পাওয়ার হাতিয়ার—তাই ভালোবাসার প্রকাশ এবং যৌন প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতি উভয়ই সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯ * গল্পের প্রধান চরিত্র বা বেঁচে যাওয়া ব্যক্তির জন্য পুরুষদের প্রতিযোগিতা এবং নারীদের প্রতিযোগিতার এই চিরাচরিত থিম আমাদের যোগ্যতমের টিকে থাকা থেকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে এসেছে যেখানে কেউ বেঁচে থাকবে না। লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকাগুলো প্রায় রাতারাতি কার্যকর থেকে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। একারণেই এই চিরাচরিত থিমটি নিয়ে এখন প্রশ্ন তোলা জরুরি। ** পৃষ্ঠা ৯১ * সম্ভবত পুরুষদের কাছে সবচেয়ে প্রচলিত প্রত্যাশা হলো আমাদের সুপারম্যান হওয়ার প্রত্যাশা: আমাদের ভয় যে আমরা কেবল ক্লার্ক কেন্ট যাদের সুপারম্যান না হওয়া পর্যন্ত কেউ গ্রহণ করবে না। ** পৃষ্ঠা ৯৬ * যখন বিবাহবিচ্ছেদের মানে দাঁড়াল যে বিয়ে আর সারাজীবনের জন্য নিরাপত্তা দিচ্ছে না, তখন নারীরা কেরিয়ার বা পেশাকে ক্ষমতায়ন হিসেবে দেখার মাধ্যমে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু যখন একটি পেশার জন্য ত্যাগ এবং পেশার ভেতরের ত্যাগগুলো সামনে এল, তখন পেশার কল্পনাটি লাভ-ক্ষতির বাস্তবতায় পরিণত হলো। নারীদের মধ্যে পেশা নিয়ে দ্বিধা তৈরি হলো। ** পৃষ্ঠা ১০১ * পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে, যখন প্রতিশ্রুতি হীরা এবং বন্ধকী ঋণের সাথে যুক্ত হয়, তখন ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি অনেকটা অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতির মতো মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * নারীরা যখন তাদের সৌন্দর্যের ক্ষমতার তুঙ্গে থাকে এবং সেটি ব্যবহার করে তখন আমরা তাকে বিয়ে বলি। পুরুষেরা যখন তাদের সাফল্যের ক্ষমতার তুঙ্গে থাকে এবং সেটি ব্যবহার করে তখন আমরা তাকে মধ্যবয়সের সংকট বলি। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * সে এবং তিনি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বাছাই করার সুযোগ পান; যখন পুরুষ তার প্রধান কল্পনা অর্থাৎ যৌনতা চায় তখন নারী বাছাই করার সুযোগ পায়; যখন নারী তার প্রধান কল্পনা অর্থাৎ প্রতিশ্রুতি চায় তখন পুরুষ বাছাই করার সুযোগ পায়। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * কম্পিউটার উইজ হতে বা কালো পোর্শে গাড়ির মালিক হতে কঠোর পরিশ্রম করা পুরুষেরা বিভ্রান্ত হয় যখন তাদের বলা হয় যে তারা যথেষ্ট সংবেদনশীল নয়। আমরা এমন পুরুষদের প্রেমে পড়তে পারি না যাদের অভেদ্য মনে হয় এবং আবার তাদের কাছে সংবেদনশীলতা আশা করি। সে কেন একটি কালো পোর্শে গাড়ি চেয়েছিল? কারণ সে কখনও কোনো অসুন্দর নারীকে এমন গাড়ি থেকে নামতে দেখেনি। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * উভয় লিঙ্গই মঞ্চে আসার আগে তাদের নিজেদের কথার প্রস্তুতি নেয়। পুরুষের কথাগুলো হলো সারাজীবনের পরিশ্রমের ফল; নারীর প্রাথমিক 'কথা' হলো তার বাহ্যিক রূপ--অথবা তার বয়সের ছাপহীনতা। কেরিয়ার যেভাবে পুরুষদের ক্ষমতা দেয়, সৌন্দর্য একইভাবে নারীদের ক্ষমতা দেয়। কিন্তু সবচাইতে সুন্দরীদের সাথে তুলনা যেভাবে একজন নারীকে ক্ষমতাহীন অনুভব করায়, সবচাইতে সফল পুরুষদের সাথে তুলনাও একইভাবে একজন পুরুষকে ক্ষমতাহীন অনুভব করায়। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * প্রথম পুরুষ বার্তাটি একজন বালক অবচেতনভাবে এভাবে অনুভব করে: ‘আমার ক্লাসের কিছু মেয়ে এখনই মুভি স্টারের মতো দেখতে। তারা যদি আমাকে ততটা চাইত যতটা আমি তাদের চাই, তবে আমি জানতাম যে আমি ঠিক আছি। তারা জন্মগত তারকা। আর আমি জন্মগত অনুরাগী।’ ** পৃষ্ঠা ১১১ * নারীদের সচেতনতা যখন বৃদ্ধি পেয়েছিল তখন নারীরা ঘরের কাজকে ঘৃণাভরে দেখতে শুরু করেছিল; যখন পুরুষদের সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে তখন যৌন প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়াকে পুরুষেরা ঘৃণ্য কাজ হিসেবে দেখবে। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যৌন বিষয়ে সন্দেহভাজন হওয়ার ভয়ে পুরুষদের সাথে আবেগীয় যোগাযোগ না করার ভয় বালকদের মেয়েদের সামনে আরও বেশি ক্ষমতাহীন করে তোলে। সমকামভীতি অনেকটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এটা বলার মতো যে এটি একটি দুর্বল জাতি হয়ে যাবে যদি তারা ওপেক থেকে সব তেল সংগ্রহ না করে। ** পৃষ্ঠা ১২৮ * সাফল্য যেমন সমাধান তেমনই ফাঁদ: একজন পুরুষ যৌন আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে যত কম ইচ্ছুক হবে, সে সাফল্যের বস্তু হওয়ার ফাঁদে তত বেশি আটকা পড়বে। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * অ্যালান আল্ডাকে সবাই ভালোবাসে কারণ সে কেবল সংবেদনশীল নয় বরং সে সফল এবং সংবেদনশীল। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকার প্রশিক্ষণ আসলে বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * একজন পুরুষের সফল হওয়ার একটি বিপদ হলো এটি তার স্ত্রী এবং কন্যাকে সাফল্য নিয়ে চিন্তা না করতে শেখায়। ** পৃষ্ঠা ১৪৮ * প্রতিশ্রুতি মানে অনেক সময় একজন নারীর তার প্রধান কল্পনা পূরণ হওয়া, যেখানে একজন পুরুষ তার কল্পনা ত্যাগ করে। তার প্রধান কল্পনা বিসর্জন দেওয়ার বিনিময়ে সে কী পাওয়ার আশা করে? তার প্রধান প্রয়োজন: ঘনিষ্ঠতা। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * একজন অবিবাহিত নারী যিনি নিজের ভরণপোষণ করেন তাকে কেরিয়ার ওম্যান বলা হয়, অন্যদিকে একজন অবিবাহিত পুরুষ যিনি নিজের ভরণপোষণ করেন তাকে প্লেবয় বলা হয়…বিদ্রূপের বিষয় হলো যে নারী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় এবং আর্থিকভাবে নির্ভরশীল হয় তাকে সেই পুরুষের চেয়ে বেশি পরিপক্ক মনে করা হয় যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয় কিন্তু আর্থিকভাবে স্বাধীন। ** পৃষ্ঠা ১৫৪ * একজন পুরুষ বুঝতে পারে না যে একজন নারী তাকে ভালোবাসে নাকি তার দেওয়া নিরাপত্তাকে ভালোবাসে যতক্ষণ না সেই নারী চলে যাওয়ার মতো আর্থিকভাবে এবং মানসিকভাবে যথেষ্ট স্বাধীন হয়। যতক্ষণ একজন নারী চলে যেতে না শেখে ততক্ষণ সে নিজেও নিশ্চিত হতে পারে না যে সে ভালোবাসতে শিখেছে কি না। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব না দেওয়া হলো সেক্সিজম বা লিঙ্গবৈষম্য; নতুন লিঙ্গবৈষম্য হলো পুরুষদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব না দেওয়া। ** পৃষ্ঠা ১৯৪ * পুরুষদের মেকআপ হলো তাদের পদবী, মর্যাদা এবং ডেটিংয়ের খরচ মেটানো। মেকআপ হলো এমন কিছু যা উভয় লিঙ্গই তাদের বর্তমান ক্ষমতা এবং তারা যে ক্ষমতা পেতে চায় তার মাঝখানের দূরত্ব ঘোচাতে ব্যবহার করে। নারী এবং পুরুষ উভয়ের মেকআপই হলো তাদের অসহায়ত্বের অনুভূতির ক্ষতিপূরণ। ** পৃষ্ঠা ২১৫ * পুরুষেরা ভিন্ন ভিন্ন নারীদের সাথে একই কথা বলে ঠিক যে কারণে নারীরা ভিন্ন ভিন্ন পুরুষের জন্য একই পারফিউম ব্যবহার করে; আমরা সবাই সেই জিনিসগুলোই চেষ্টা করি যা কাজ করে। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * সম্পর্কে যখন পুরুষদের কাছে বেশি টাকা থাকে তখন আমরা বলি তাদের ক্ষমতা আছে। সম্পর্কে যখন নারীদের কাছে বেশি টাকা থাকে তখন আমরা বলি তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ২১৮ * লিঙ্গবৈষম্যের নিয়মগুলো পুরুষদের সহিংসতার আতঙ্ক থেকে মুক্ত করে না; এগুলো কেবল পুরুষদের এই বিষয়ে অভিযোগ করা থেকে বিরত রাখে। ** পৃষ্ঠা ২৩২ * সে যৌনতা পায়, নারীও যৌনতা পায়; যদি এটি অসমান মনে করা হয় তবে পুরুষেরা কেন প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পায় তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যতক্ষণ না একজন নারী একজন পুরুষকে প্রথমবার বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় ঠিক যেভাবে পুরুষেরা তাকে দেয়, ততক্ষণ পর্যন্ত ‘সে আমাকে বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে তাই সে টাকা দেবে’ এই দাবিটি পুরুষদের ওপর দ্বিগুণ বোঝা: তাকে কেবল প্রস্তাবই দিতে হবে না বরং অতিরিক্ত প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত খরচও দিতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৭৭ * কিছুদিন আগে পর্যন্ত প্রশ্ন ছিল ‘কেন একজন নারী পুরুষের মতো হতে পারে না?’ এটি পরিবর্তন করে হওয়া উচিত ছিল ‘কেন উভয় লিঙ্গই একে অপরের সেরা গুণগুলোর মতো হতে পারে না?’ এর পরিবর্তে ১৯৬০-এর দশকের নারীবাদী ব্যাজগুলোতে লেখা থাকত অ্যাডাম ওয়াজ আ ফার্স্ট ড্রাফট। কথাটি যথেষ্ট সত্য। আমরা সবাই তাই। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * পুরুষেরা ততক্ষণ পরিবর্তন হবে না যতক্ষণ নারীরা ‘উপরে বিয়ে’ করবে। পুরুষেরা ততক্ষণ পরিবর্তন হবে না যতক্ষণ আমাদের এই বিষয়ে ধারণা না হবে যে ক্ষমতা আমাদের কতটা ক্ষমতাহীন করে তোলে। একজন নারী একজন পুরুষকে পরিবর্তন হতে সাহায্য করতে পারে না যতক্ষণ না তার এই বিষয়ে ধারণা হয় যে ক্ষমতা পুরুষদের কতটা ক্ষমতাহীন করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * আমি মনে করি যে ব্যবসায়িক জগতে সফল হওয়া নারীদের যেমন পুরুষ মেন্টর প্রয়োজন হয়, সম্ভবত আবেগীয় জগতে সফল হওয়া পুরুষদের জন্য নারী আবেগীয় মেন্টর প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ৩১৭ * আমাদের সঙ্গী নির্বাচন হলো আমাদের মূল্যবোধ নির্বাচনের অন্যতম স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। ** পৃষ্ঠা ৩৪১ * কেবল তখনই একজন নারী পুরুষকে সত্যিই বুঝতে শুরু করতে পারে যখন সে পুরুষদের ঝুঁকিগুলো ভাগ করে নেয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫৫ * শিশুদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা এত তাৎক্ষণিক কারণ আমরা তাদের অসহায়ত্ব সঙ্গে সঙ্গে অনুভব করতে পারি; বিপরীতে পুরুষদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা অস্বীকার করার একটি উপায় হলো পুরুষদের অসহায়ত্বকে অস্বীকার করা। আমরা প্রায়ই পুরুষদের প্রতি ভালোবাসাকে তাদের প্রতি শ্রদ্ধার সাথে গুলিয়ে ফেলি, বিশেষ করে আমাদের যত্ন নেওয়ার ক্ষমতার জন্য--যা আসলে কেবল নিজেদের প্রতিই ভালোবাসা। ** পৃষ্ঠা ৩৬০ * মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘনিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় মনোবিজ্ঞান প্রজাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় মনোবিজ্ঞানে পরিণত হয়েছে। ** পৃষ্ঠা ৩৭১ * পুরুষদের ভালোবাসা কি নারীবাদের পরিপন্থী? একদমই না। আমার বিশ্বাস প্রতিটি প্রকৃত নারীবাদী একজন পুরুষবাদী হওয়ার মাধ্যমে আরও গভীর এবং পরিপক্ক হয়--এমন একজন ব্যক্তি যে সমতা এবং স্বীকৃতির জন্য পুরুষদের অনুসন্ধানকে পুরুষের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুঝতে পারে। একইভাবে প্রতিটি পুরুষবাদী একজন নারীবাদী হওয়ার মাধ্যমে আরও গভীর হয় (এমন একজন ব্যক্তি যে সমতা এবং স্বীকৃতির জন্য নারীদের অনুসন্ধানকে নারীর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুঝতে পারে)। ** পৃষ্ঠা ৩৬৮ === ''দ্য মিথ অফ মেল পাওয়ার'' (১৯৯৩) === <small>সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ১ম সংস্করণ, ১৯৯৩; ২য় সংস্করণ, বার্কলে, ২০০০)</small> ==== প্রথম খণ্ড: দ্য মিথ অফ মেল পাওয়ার ==== * পুরুষদের দুর্বলতা হলো শক্তির কৃত্রিম বহিঃপ্রকাশ; নারীদের শক্তি হলো দুর্বলতার কৃত্রিম বহিঃপ্রকাশ। ** পৃষ্ঠা ১৩ * নারীবাদ নারীদের শিখিয়েছে যে যখন পুরুষেরা ভুল ব্যক্তির সাথে বা ভুল সময়ে উদ্যোগ নেয় তখন যৌন হয়রানি বা ডেট রেপের জন্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যায়; কিন্তু কেউ পুরুষদের শেখায়নি যে নারীরা যখন প্রথমে "হ্যাঁ", তারপর "না" এবং পরে আবার "হ্যাঁ" বলে তখন মানসিক আঘাতের জন্য মামলা করা যায়। ... পুরুষদের কাছ থেকে এখনো উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা করা হয়, কিন্তু এখন তারা যদি এটি ভুলভাবে করে তবে তাদের জেল হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে পোস্ট অফিসগুলোতে সিলেক্টিভ সার্ভিস পোস্টারে লেখা থাকে "একজন পুরুষকে তাই করতে হয় যা তার করা উচিত"। এগুলো পুরুষদের মনে করিয়ে দেয় যে কেবল তাদেরই বাধ্যতামূলক সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হবে। যদি পোস্ট অফিসে এমন পোস্টার থাকত যেখানে লেখা থাকত "একজন ইহুদিকে তাই করতে হয় যা তার করা উচিত..." অথবা কোনো গর্ভবতী নারীর শরীরের ওপর যদি লেখা থাকত "একজন নারীকে তাই করতে হয়..." ** পৃষ্ঠা ২৮ * যে সমাজগুলো টিকে আছে তারা তাদের সন্তানদের যুদ্ধে এবং কাজে এমনকি বাবা হিসেবেও উৎসর্গ করার বা পরিত্যাজ্য হওয়ার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করেই টিকে আছে। ** প্রথম খণ্ড * এমন অনেক দিক আছে যেখানে একজন নারী তার পুরুষ সঙ্গীর তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাহীন অনুভব করেন: গর্ভাবস্থা, বয়স বেড়ে যাওয়া, ধর্ষণ, ডেট রেপ এবং শারীরিকভাবে অবদমিত হওয়ার ভয়; স্বামী ও সন্তানদের ভরণপোষণ করার মতো যথেষ্ট বেতনের ক্যারিয়ার গড়ার সামাজিক শিক্ষার অভাব[...] সৌভাগ্যবশত, প্রায় সব শিল্পোন্নত জাতি নারীদের এই অভিজ্ঞতাগুলোকে স্বীকার করেছে। দুর্ভাগ্যবশত, তারা কেবল নারীদের অভিজ্ঞতাগুলোকেই স্বীকার করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৮ * ক্ষমতা মানে যদি নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকা বোঝায়, তবে আমাদের জীবনের ওপর লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকা এবং বর্ণবাদের প্রভাব বোঝার জন্য গড় আয়ুর চেয়ে ভালো কোনো মাপকাঠি নেই। ** পৃষ্ঠা ৩০ * বিষয়: মাইক টাইসনের বিচার। জুরিরা যে হোটেলে ছিলেন সেখানে আগুন লেগে যায়। দুই জন ফায়ারফাইটার সেখানকার বাসিন্দাদের বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারান। মাইক টাইসনের বিচার আমাদের পুরুষদের ধর্ষণকারী সত্তা সম্পর্কে সচেতন করেছে। কিন্তু ফায়ারফাইটারদের মৃত্যু আমাদের পুরুষদের রক্ষাকর্তা সত্তা সম্পর্কে সচেতন করেনি। আমরা একজন পুরুষের ক্ষতি করার বিষয়ে যতটা সচেতন ছিলাম, দুই জন পুরুষের বাঁচানোর বিষয়ে ততটা ছিলাম না... ** পৃষ্ঠা ৩৬ * ইতিহাসে এমন একটি উদাহরণ খুঁজে পাওয়া কঠিন যেখানে কোনো গোষ্ঠী ৫০ শতাংশের বেশি ভোট দিয়েও নিজেদের ভুক্তভোগী দাবি করে পার পেয়েছে... নারীরাই একমাত্র 'নিপীড়িত' গোষ্ঠী যারা 'নিপীড়কের' সাথে একই বাবা-মায়ের সন্তান; যারা 'নিপীড়কের' মতোই মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারে জন্ম নেয়; যারা 'নিপীড়কের' চেয়ে বেশি বিলাসদ্রব্যের মালিক হয়... ** পৃষ্ঠা ৪০ * আমরা 'তিনটি বিকল্প থাকা নারী এবং কোনো বিকল্প না থাকা পুরুষের যুগে' প্রবেশ করেছি। ** পৃষ্ঠা ৫২ * প্রথম ধাপে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি ছিল না, তাই পুরুষদের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলত না; দ্বিতীয় ধাপে সম্পর্ক বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যেতে পারে, তাই পুরুষদের সম্পর্কগুলো নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছিল। আমরা এমন রাজনৈতিক নেতাদের চাইনি যারা এমন আচরণের রোল মডেল হবেন যা নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে। ** পৃষ্ঠা ৬৩ * সংক্ষেপে, আমাদের জিনগত ঐতিহ্য আমাদের জিনগত ভবিষ্যতের সাথে সাংঘর্ষিক। মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি প্রজাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় গুণাবলি ভালোবাসার জন্য প্রয়োজনীয় গুণের সাথে মিলে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৬৫ * হাজার হাজার বছর ধরে অধিকাংশ বিয়ে ছিল প্রথম ধাপের—অর্থাৎ টিকে থাকার ওপর ভিত্তি করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিয়েগুলো ক্রমশ দ্বিতীয় ধাপের দিকে ঝুঁকেছে—যেখানে নিজের আত্মতৃপ্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়... ভালোবাসার সংজ্ঞায় একটি পরিবর্তন আসছে। ** পৃষ্ঠা ৪২ * নারী মুক্তি এবং পুরুষদের মধ্যবয়সের সংকট ছিল একই অনুসন্ধান—ব্যক্তিগত তৃপ্তি, সাধারণ মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসার জন্য। কিন্তু নারী মুক্তিকে যখন নিজস্ব পরিচয় তৈরির উপায় হিসেবে ভাবা হয়, পুরুষদের মধ্যবয়সের সংকটকে ভাবা হয় পরিচয়ের সংকট হিসেবে। ** পৃষ্ঠা ৪৪ * নিউ ইয়র্ক সিটিতে ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেনের পরিচালনা পর্ষদে থাকার সময় আমি কর্মক্ষেত্রে সমতা নিয়ে বিভিন্ন কর্পোরেট কর্মশালা করেছি। সেখানে সবচাইতে বেশি বাধার সম্মুখীন হয়েছি পুরুষ কর্মকর্তাদের কাছে নয়—বরং তাদের স্ত্রীদের কাছে। যতক্ষণ তার আয় তার স্বামীর কাছ থেকে আসছিল, ততক্ষণ তিনি মোটেও উদার বোধ করছিলেন না যখন দেখতেন ইতিবাচক পদক্ষেপের কারণে অন্য কোনো নারী তার স্বামীর (অর্থাৎ তার নিজের) আয়ের অংশীদার হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৪৬ * নারীদের ক্ষত চিহ্ন এবং প্রথাগুলো সৌন্দর্যের সাথে যুক্ত ছিল (কান ও নাক ফোঁড়ানো, পা বেঁধে রাখা এবং করসেট পরা); পুরুষদের প্রথাগুলো ছিল নারীদের রক্ষার সাথে যুক্ত। উগান্ডার ডোডোদের মতো যেসব সংস্কৃতিতে শারীরিক শক্তি এখনো নারীদের রক্ষার সেরা উপায়, সেখানে প্রতিটি মানুষকে হত্যার বিনিময়ে পুরুষদের একটি ক্ষত চিহ্ন দেওয়া হয়; ক্ষত চিহ্ন যত বেশি, তাকে তত বেশি যোগ্য মনে করা হয়। ** পৃষ্ঠা ৭২ * আজ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে যথাযথভাবেই ঘৃণা করা হয়। কিন্তু পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে আমরা বিনোদন বলি। ফুটবল, বক্সিং, কুস্তির কথা ভাবুন... এগুলো পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে মিষ্টি কথায় ঢাকার উপায়। আসলে এগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে আমাদের দল -- বা আমাদের সমাজ -- তার সেরা রক্ষকদের নিজেদের উৎসর্গ করার জন্য রাজি করাতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৭৫ * কল্পনা করুন আমরা কেমন বোধ করতাম যদি আমি এই অংশটি এভাবে শুরু করতাম, আজ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে যথাযথভাবে হাততালি দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। আমরা জানতাম যে আমি নারীদের মৃত্যু সমর্থন করি; কিন্তু যখন আমরা পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতার জন্য হাততালি দিই, তখন আমরা পুরুষদের মৃত্যুই সমর্থন করি। আমরা এটি করি কারণ আমরা শিখেছি যে পুরুষদের যত কার্যকরভাবে আত্মত্যাগের জন্য প্রস্তুত করব, আমরা তত বেশি সুরক্ষিত থাকব। ** পৃষ্ঠা ৭৬ * পুরুষেরা প্রায়ই সেই সমাজগুলোতে অহিংস হয়ে ওঠে যেখানে (১) পর্যাপ্ত খাবার আছে, (২) পর্যাপ্ত জল আছে এবং (৩) তারা নিজেদের আক্রমণ থেকে নিরাপদ মনে করে। উদাহরণস্বরূপ, তাহিতির পুরুষরা, ক্রিটের মিনোয়ান পুরুষরা এবং মধ্য মালয়েশিয়ার সেমাইরা তাদের ইতিহাসের সেই সময়ে অহিংস ছিল যখন এই তিনটি শর্তই বিদ্যমান ছিল। ** পৃষ্ঠা ৭৭ * প্রায়ই বলা হয় যে নারীরা জন্মগতভাবে যুদ্ধপ্রিয় পুরুষদের সভ্য করার একটি ভারসাম্য। নারীদের বদলে নিজেরা হত্যার কাজ করার মাধ্যমে পুরুষরাই নারীদের সভ্য করেছে বলা যেতে পারে। যখন টিকে থাকাই ছিল মূল বিষয়, তখন নারীদের গর্ভজাত সন্তানদের রক্ষার জন্য পুরুষদের হত্যা করা ছিল আসলে তাদের লালন-পালনেরই একটি ধরন। ** পৃষ্ঠা ৭৯ * তাহলে পিতৃতন্ত্রকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়? সম্ভবত এটিকে একটি সংস্কৃতিতে পুরুষদের আধিপত্য, দায়িত্ব এবং আনুগত্যের ক্ষেত্র হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে, যা টিকে থাকার প্রয়োজন মেটানোর জন্য উভয় লিঙ্গের মাধ্যমেই শক্তিশালী হয়েছে। মাতৃতন্ত্রকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়? একটি সংস্কৃতিতে নারীদের আধিপত্য, দায়িত্ব এবং আনুগত্যের ক্ষেত্র হিসেবে, যা টিকে থাকার প্রয়োজন মেটানোর জন্য উভয় লিঙ্গের মাধ্যমেই শক্তিশালী হয়েছে। ** পৃষ্ঠা ৯৮ ==== দ্বিতীয় খণ্ড: দ্য গ্লাস সেলারস অফ দ্য ডিসপোজেবল সেক্স ==== * প্রতিদিন কর্মক্ষেত্রে প্রায় ততজন পুরুষ মারা যান যতজন ভিয়েতনামের গড়পড়তা দিনে মারা যেতেন। পুরুষদের জন্য আসলে তিনটি পুরুষ-নির্ধারিত বাধ্যতামূলক তালিকা (ড্রাফট) আছে: সমস্ত যুদ্ধের জন্য পুরুষদের তালিকা; অবৈতনিক দেহরক্ষী হিসেবে প্রতিটি সাধারণ মানুষের তালিকা; এবং সমস্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ বা 'মৃত্যু পেশার' জন্য পুরুষদের তালিকা। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * কোনো আন্দোলনই প্রবাসী শ্রমিকদের নিপীড়িত বলে না যদিও তারা সেই নারীদের জন্য অর্থ যোগান দেয় যাদের কাছ থেকে তারা রান্নাবান্না বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সেবা পায় না; তারা তাদের স্ত্রীদের জন্য ঘরবাড়ি তৈরি করে দেয় অথচ নিজেরা মাটিতে ঘুমায়। ** পৃষ্ঠা ১১১ * যখন খনি এবং অন্যান্য মৃত্যু পেশা নিয়ে নারীবাদী প্রকাশনাগুলোতে আলোচনা করা হয় তখন সেগুলোকে পুরুষতান্ত্রিক ক্ষমতার প্রতীক বা কেবল পুরুষদের ক্লাবের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়। তবে মিস ম্যাগাজিনে যখন নারী খনি শ্রমিকদের কথা বলা হয়েছিল তখন এই বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল যে কীভাবে একজন নারী খনিতে কাজ করতে 'বাধ্য' হয়েছিলেন কারণ সেখানে সবথেকে ভালো বেতন পাওয়া যেত এবং তার পরিবারকে সাহায্য করার জন্য সেটিই ছিল একমাত্র পথ। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * পুরুষদের মরতে দেওয়া হলো টাকা বাঁচানোর একটি কৌশল। নিরাপত্তার জন্য টাকা খরচ করতে হয়। একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তার ভাষায়, ‘যখন সবকিছুতেই তাড়াহুড়ো থাকে, যখন আপনি মানুষের ওপর চাপ প্রয়োগ করেন এবং শর্টকাট ব্যবহার করেন তখন সবকিছু ভুল হতে পারে। আর তখন মানুষ মারা যায়।’ না। তখন পুরুষ মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ১১৯ * কোনো পেশা শারীরিকভাবে নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত নারীরা সেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় যোগ দেন না। তাই আমরা যতক্ষণ পুরুষদের নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন হয়ে মৃত্যু পেশাগুলোকে নিরাপদ পেশায় রূপান্তর না করব ততক্ষণ আমরা আসলে নারীদের প্রতি বৈষম্য করছি। কিন্তু যখন আমরা কেবল নারীদের অতিমাত্রায় সুরক্ষা দিই তখন সেটিও নারীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের দিকে নিয়ে যায়। যদি কোনো নিয়োগকর্তা বড় কোম্পানিতে কাজ করেন যেখানে কোটার কারণে বৈষম্য করা সম্ভব নয় তখন তারা স্থায়ীভাবে কাউকে নিয়োগ দেওয়ার বদলে ফ্রিল্যান্সারদের নিয়োগ দিতে বেশি আগ্রহী হন। তারা ভাবেন এতে কোনো নারীকে নিয়োগ দিয়ে সম্ভাব্য যৌন হয়রানির মামলার ঝুঁকি নিতে হবে না। ** পৃষ্ঠা ১২১ * একটি দেশ যত বেশি পুরুষতান্ত্রিক সেটি নারীদের তত বেশি সুরক্ষা দেয়। আর এভাবেই সেটি নারীদের সীমাবদ্ধ করে দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইতালি, স্পেন এবং ডেনমার্ক নারীদের বাধ্যবাধকতা ছাড়াই অনেক সুযোগ দেয়। তাই এই দেশগুলো এখনো পুরুষতান্ত্রিক। কোনো দেশ কতটা স্বাধীন তা নির্ভর করে সেই দেশ পুরুষদের নারীদের রক্ষা করার বাধ্যবাধকতা থেকে কতটা মুক্তি দেয় এবং নারীদের পুরুষদের সমানভাবে রক্ষা করতে কতটা শেখায় তার ওপর। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * যুদ্ধ কে ঘটায়? যুদ্ধ ঘটে আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার আদিম ভয় থেকে। এই ভয় নারী ও পুরুষ উভয়েরই আছে। এই ভয় এতটাই আদিম যে আমরা সহজেই সেইসব ব্যক্তিদের অসৎ উদ্দেশ্য সম্পর্কে বাড়িয়ে বলতে প্রলুব্ধ হই যারা আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। কেন? কোনো হুমকিকে অবমূল্যায়ন করার একটি ভুল সবাইকে ধ্বংস করে দিতে পারে; কিন্তু অতিমূল্যায়ন করার অনেক ভুল কেবল পুরুষদের ধ্বংস করে। ** পৃষ্ঠা ১৪২ * প্যারেড ম্যাগাজিন জানায় যে ১৯১৪ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে ৪০ মিলিয়ন সোভিয়েত পুরুষ নিহত হয়েছে। ম্যাগাজিনটির শিরোনাম ছিল ‘দুর্ভাগ্যের শিকার’। পুরুষরা মারা গেছে বলে? না। নারীদের দুর্ভাগ্যের শিকার হিসেবে দেখা হয়েছিল কারণ তারা ফ্যাক্টরি এবং রাস্তা পরিষ্কার করার কাজে আটকা পড়েছিলেন যে কাজগুলো করার জন্য পুরুষরা তখন বেঁচে ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১৪৫ * পুরুষেরা কেবল যুদ্ধের যোদ্ধা নয় বরং শান্তির যোদ্ধাও হতে পারে। প্রায় সবাই যারা শান্তির জন্য জীবন বাজি রাখে, জেলে যায় বা নিহত হয় তারা পুরুষ। নেলসন ম্যান্ডেলা, মার্টিন লুথার কিং, গান্ধী বা দাগ হ্যামারশোল্ডের মতো কিছু শান্তির যোদ্ধাকে মনে রাখা হলেও অধিকাংশকেই ভুলে যাওয়া হয়। নর্ম মরিসনের কথা মনে আছে? ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদ করার কয়েক বছর পর নর্ম পেন্টাগনের সিঁড়িতে নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন... কিন্তু নর্ম মরিসনকে আজ সবাই ভুলে গেছে। ** পৃষ্ঠা ১৫৩ * ১৯৭০-এর দশকের দিকে আমেরিকান নারীদের 'স্বাধীন' বা 'সুপারওম্যান' বলা হতো। অন্যদিকে আমেরিকান পুরুষেরা যদি ভিয়েতনামে যুদ্ধ করত তবে তাদের 'শিশু হত্যাকারী' বলা হতো। যদি তারা প্রতিবাদ করত তবে তাদের 'দেশদ্রোহী' বলা হতো আর যদি তারা কোনোটিই না করত তবে তাদের 'উদাসীন' বলা হতো। এমনকি যেসব পুরুষ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছিল তাদের দিকেও আক্ষরিক অর্থেই থুতু ফেলা হয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ১৫৫ * কিশোরী মেয়েদের দক্ষতা প্রমাণের চাপ কম থাকে এবং ভালোবাসা পাওয়ার সম্পদ বেশি থাকে। তাদের শরীর ও মন আসলে জন্মগত উপহার। ** পৃষ্ঠা ১৬৬ * কিশোর বালকদের উদ্বেগ এতটাই তীব্র হওয়ার কারণ হলো তাদের সামাজিক শিক্ষা তাদের কাছে দক্ষতা প্রমাণের দাবি করে কিন্তু সেই দক্ষতা অর্জনের সম্পদ দেয় না। ফলে তার ঝুঁকি যেমন অনেক তেমনই ব্যর্থতাও অনেক। এবং সেগুলো খুব স্পষ্ট... দ্বিতীয়ত, সবচাইতে বড় বিজয়ীরা—যেমন ফুটবল খেলোয়াড়েরা—নিজেদের ওপর অত্যাচার করার মাধ্যমে ভালোবাসা পায়। কিছু বালকের জন্য এই অত্যাচার উদ্বেগ তৈরি করে। কিন্তু ভালোবাসা হারানো আরও বেশি উদ্বেগ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * পৃথিবী এখন ক্রমশ মেয়েদের সুযোগ দিচ্ছে তারা যা হতে চায় তাই হওয়ার—গৃহিণী, মা, সেক্রেটারি বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * অতীতে যৌনতা এবং গর্ভাবস্থা নিয়ে নারী-পুরুষ উভয়েই চিন্তিত ছিল। এখন জন্মনিরোধক বড়ি নারীর উদ্বেগ কমিয়েছে এবং কনডম পুরুষের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এখন ব্রণযুক্ত চেহারার একটি বালককে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ঝুঁকি নিতে হয় এবং সেই সাথে হার্পিস ও এইডস নিয়ে নিজের ভয়কে জয় করতে হয়। সেই সাথে তাকে মেয়েটিকেও আশ্বস্ত করতে হয় যে ভয়ের কিছু নেই। তাকে এখনো যৌনতার ঝুঁকি নিতে হয়, কিন্তু এখন সে যদি খুব তাড়াতাড়ি ঝুঁকি নেয় তবে তাকে জেলে যেতে হতে পারে অথবা তাড়াতাড়ি না নিলে তাকে কাপুরুষ বলা হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৬৮ * এমনকি ৩০ বছর বয়সের একজন পুরুষ যার স্ত্রী মারা গেছে তার আত্মহত্যার সম্ভাবনা একই বয়সের একজন বিবাহিত পুরুষের চেয়ে ১১ গুণ বেশি। ৩০ বছর বয়সে যখন পুরুষেরা নিজেদের কাজে ডুবে থাকতে পারে এবং তারা নারীদের কাছে শারীরিকভাবে ও আর্থিকভাবে আকর্ষণীয় থাকে তখন নিজের ভালোবাসার মানুষকে হারানো এতটাই বিধ্বংসী হয় যে অনেক নারীর সুযোগ থাকলেও সেই কষ্ট কমে না... সংক্ষেপে, ভালোবাসা হারানোই পুরুষদের ধ্বংস করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৬৯ * নারীরা প্রায়ই আত্মহত্যার চেষ্টা করে কারণ তারা যাদের ভালোবাসে তাদের কাছে অগ্রাধিকার পেতে চায়, সব সময় কেবল তাদের অগ্রাধিকার দিতে চায় না। ** পৃষ্ঠা ১৭১ * যেসব পুরুষ সফল তারা ভালোবাসা পাওয়ার জন্য সাফল্যের ওপর সবচাইতে বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। যখন এই পুরুষটি তার সাফল্য হারায় তখন সে প্রায়ই ভয় পায় যে সে ভালোবাসা হারাবে। ** পৃষ্ঠা ১৭২ * একজন পুরুষের কাছে বেকারত্ব হলো একজন নারীর কাছে ধর্ষণের মানসিক যন্ত্রণার সমান। ** পৃষ্ঠা ১৭২ * বাধ্যতামূলক আগাম অবসর নেওয়া একজন পুরুষের কাছে তেমনটাই হতে পারে যেমনটা একজন নারীর কাছে কোনো 'অল্পবয়সী নারীর জন্য পরিত্যক্ত' হওয়া। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * বিষণ্ণতার অভিযোগ প্রায়ই পুরুষের ওপর নারীর নির্ভরশীলতার সাথে যুক্ত থাকে। কিন্তু এটি এমন পুরুষের ওপর নির্ভরশীলতা যারা একজন নারীকে টিকে থাকার সংগ্রামের চেয়েও বেশি কিছু নিয়ে ভাবার সময় দিতে যথেষ্ট সফল। এই কারণেই যখন আমরা বিষণ্ণতায় আক্রান্ত নারীদের কথা ভাবি তখন আমাদের মাথায় মধ্যবিত্ত নারীদের কথা আসে, শ্রমিক শ্রেণির নারীদের কথা নয়। শ্রমিক শ্রেণির নারীরা বেঁচে থাকার চিন্তায় এতই ব্যস্ত থাকেন যে বিষণ্ণতার কথা বলার সুযোগ পান না। বিষণ্ণতা এমন একটি রোগ যা তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায় যাদের বেঁচে থাকার চিন্তা ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে ভাবার বিলাসিতা আছে। একজন মানুষ দ্বিতীয় ধাপে যত বেশি এগিয়ে থাকে সে বিষণ্ণতার দিকে তত বেশি মনোযোগ দিতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৭৭ * যখন একজন পুরুষকে আগাম অবসর নিতে বাধ্য করা হয় তখন প্রায়ই তাকে 'একজন অল্পবয়সী পুরুষের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়'। একজন পুরুষের কাছে আগাম অবসর তেমনটাই হতে পারে যেমনটা একজন নারীর কাছে 'অল্পবয়সী নারীর জন্য পরিত্যক্ত' হওয়া... সন্তানরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেলে মায়েরা যতটা না বিচলিত হন পুরুষেরা কেন অবসরে গেলে তার চেয়ে বেশি বিচলিত হন? নারীরা যখন সন্তানদের কাছ থেকে অবসর নেন তখন তারা একটি পেশা শুরু করার চেষ্টা করতে পারেন; কিন্তু একজন পুরুষ যখন পেশা থেকে অবসর নেন তখন তার সন্তানরাও চলে যায়। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * যখন নারী ও পুরুষের গড় আয়ু প্রায় সমান হয় তখন তার কারণ কেবল সন্তান জন্মদান নয় বরং রোগব্যাধি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, জলের অভাব, অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা এবং পুষ্টিহীনতা। শিল্পোন্নত সমাজে অকালমৃত্যুর প্রধান কারণ হলো মানসিক চাপ যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। যেহেতু মানসিক চাপ একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তাই পুরুষেরা নারীদের তুলনায় অনেক আগে মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * বিকল্পগুলো একজন নারীকে তার ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী নিজের ভূমিকা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেয়। কিন্তু একজন পুরুষ যদি ভালোভাবে ভরণপোষণ করতে চায় তবে সে তাই পরতে বাধ্য হয় যা তাকে মানায় না, বরং তাকে একটি স্যুট পরতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৩ * দ্য নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন সম্প্রতি জানিয়েছে যে নিজের দোষ নিয়ে কথা বলা আমাদের হৃদস্পন্দনের গতিতে অস্বাভাবিকতা তৈরি করে। সামান্য অস্বাভাবিকতা? না। স্থির সাইকেল চালিয়ে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া বা বুকে ব্যথা হওয়ার মতো তীব্র অস্বাভাবিকতা। সম্ভবত কিশোর বয়স থেকে পুরুষদের একে অপরের সমালোচনা করার যে অভ্যাস সেটিই ৫০ বছর বয়সের আগে নারীদের তুলনায় পুরুষদের চার গুণ বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ। আসলে আমাদের ছেলেরা হৃদরোগের প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ১৮৬ * সংক্ষেপে, আমরা নারীদের তুলনায় জেলখানায় থাকা পুরুষ, সামরিক বাহিনীতে থাকা পুরুষ এবং সাধারণভাবে পুরুষদের ওপর বেশি গবেষণা করি ঠিক যে কারণে আমরা মানুষের চেয়ে ইঁদুরের ওপর বেশি গবেষণা করি। ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * যদিও একটি সরকারি গবেষণায় দেখা গেছে যে নারীদের বা অন্য কোনো সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর চেয়ে পুরুষদের স্বাস্থ্য অনেক বেশি খারাপ, তবুও সারা দেশের শিরোনামে লেখা হয়েছিল: ‘সংখ্যালঘুরা বড় ধরনের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্যের সম্মুখীন’। তারা বলেনি: ‘পুরুষরা বড় ধরনের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্যের সম্মুখীন’। কেন? কারণ আমরা পুরুষদের জীবনের আত্মত্যাগকে বাকিদের রক্ষার উপায় হিসেবে দেখি। আর এই ধারণাটি আমাদের অবচেতনে পুরুষদের দীর্ঘকাল বেঁচে থাকার বিষয়ে উদাসীন হতে উৎসাহ দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৬ * যখন জন্মনিরোধক বড়ি ইউরোপে পাওয়া যেত কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাওয়া যেত না তখন আমেরিকান নারীরা চিৎকার করে বলেছিল যে বড়িটি সহজলভ্য না করা নারীদের জীবনের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে... যখন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) উচ্চ মাত্রার হরমোনযুক্ত বড়ি বাজারে ছেড়েছিল যা পরে অপ্রয়োজনীয় প্রমাণিত হয়, তখন তাদের এই বলে আক্রমণ করা হয়েছিল যে তারা নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করার বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন নয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৫ * দুর্ভাগ্যবশত একজন পুরুষের জীবনে অর্থ উপার্জনের প্রক্রিয়া মানেই ছিল তার স্ত্রীকে পর করে দেওয়া। মাঝে মাঝে এটি আইনত বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায় তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি মানসিক বিচ্ছেদের কারণ হয়। এই কারণেই ডাক্তারদের স্ত্রীদের ওপর করা একটি জরিপে দেখা গেছে যে তারা তাদের স্বামীদের প্রতি এক ধরনের প্রচণ্ড ঘৃণা পোষণ করেন। তবুও সেই স্ত্রীরা ডাক্তারদের সাথে সংসার চালিয়ে যান। কেন? তারা বলেছিলেন যে সবকিছুর চেয়ে তারা বিয়ের নিরাপত্তা চান... ফলে পুরুষেরা প্রায়ই এক ধরনের কৃত্রিম মানসিক নিরাপত্তার নেশায় নিজেদের বিলিয়ে দেন। অন্তত তাদের স্ত্রীদের কাছে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বাস্তবতা থাকে। ** পৃষ্ঠা ২০৩ * কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ, আদিবাসী পুরুষ এবং সমকামী পুরুষদের মধ্যে একটি মিল আছে: তারা নারীদের জন্য কোনো অর্থনৈতিক নিরাপত্তার চাদর দিতে পারেন না। ** পৃষ্ঠা ২০৬ * সমকামী যৌনতা মানে ছিল দুই ঘণ্টার আনন্দের বিনিময়ে দুই ঘণ্টার আনন্দ। বিষমকামী যৌনতা মানে ছিল দুই ঘণ্টার আনন্দের বিনিময়ে সারাজীবনের দায়িত্ব। বিষমকামী সম্পর্ক ছিল একটি লোকসানের চুক্তি! সমকামভীতির পেছনের ভয়টি ছিল যে পরবর্তী প্রজন্মের ভরণপোষণ করার কেউ থাকবে না। সবাই কেবল আনন্দ করবে। ফলে 'আনন্দ' করা হয়ে দাঁড়াল অপরিপক্কতার লক্ষণ; আর অনেক ধরনের 'ভোগবিলাস' অবৈধ হয়ে গেল। ** পৃষ্ঠা ২০৮ * আমরা কেন গৃহহীন পুরুষদের সাহায্য করতে অনীহা প্রকাশ করি? এর আংশিক কারণ হলো আমরা বুঝি না যে পরিবার চালানোর চাপ কীভাবে পুরুষদের এমন সব অস্থায়ী কাজ করতে বাধ্য করে যা তাদের গৃহহীন হওয়ার পথে এগিয়ে দেয় এবং আংশিক কারণ হলো আমরা সফল না হওয়া পুরুষদের প্রতি ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাই। ** পৃষ্ঠা ২০৯ * পুরুষদের এই পাগলামি থেকে স্বাভাবিক পথে ফিরে আসার দ্রুত উপায় হলো নারী-পুরুষ উভয় লিঙ্গের জন্যই ঘর এবং কর্মস্থলের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার দাবি করা। পুরুষদেরও তাদের স্ত্রীদের কাছ থেকে ঠিক তেমনভাবেই আর্থিক সহযোগিতা আশা করতে হবে যাতে তারা বাবা হওয়ার সময় দিতে পারে যেভাবে তারা এখন তাদের স্ত্রীদের মা হওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা দেয়। নারীদেরও টাকার যোদ্ধার বদলে ভালোবাসার যোদ্ধাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২১২ * নারীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করার সাথে সাথে আমাদের নারীদের রক্ষা করার প্রবণতা কি পুরুষদেরও রক্ষা করার নিয়ম তৈরি করবে? হ্যাঁ এবং না। হ্যাঁ, যেমন ডাক্তারদের সপ্তাহে ৮০ ঘণ্টার কম কাজ করার বিষয়টি এখন পুরুষদেরও প্রভাবিত করছে। না, যখন শ্রমিক শ্রেণির কাজগুলোকে ভাগ করা হয় যেখানে পুরুষেরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো নেয় আর নারীরা নিরাপদ কাজগুলো নেয়। আর পেশাগত জীবনে পুরুষেরা যদি সার্জারির মতো অনিয়মিত সময়ের কাজগুলো বেছে নেয় আর নারীরা যদি সাইকিয়াট্রির মতো নিয়মিত সময়ের কাজগুলো নেয় তবে আমরা কেবল নারীদের সুরক্ষিত শ্রেণি এবং পুরুষদের পরিত্যাজ্য শ্রেণি হিসেবে দেখার ধারণাটিকেই শক্তিশালী করব। ** পৃষ্ঠা ২১৩ * শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় কৃষ্ণাঙ্গদের খুনের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২১৪ * যখন আমরা শুনি যে পুরুষেরা অপরাধের বেশি শিকার হচ্ছে তখন আমরা বলি, ‘আরে, পুরুষরাই তো পুরুষদের মারছে।’ যখন আমরা শুনি যে কৃষ্ণাঙ্গরা বেশি শিকার হচ্ছে তখন আমরা একে বর্ণবাদী মনোভাব মনে করি যদি বলি, ‘আরে, কৃষ্ণাঙ্গরাই তো কৃষ্ণাঙ্গদের মারছে।’ অপরাধী যেই হোক না কেন ভুক্তভোগী সব সময় ভুক্তভোগীই হয়। ** পৃষ্ঠা ২১৫ * অপরাধ বিশেষ করে অর্থের সাথে যুক্ত অপরাধ ভরণপোষণ করার প্রত্যাশা এবং তা পূরণ করার ক্ষমতার মধ্যে ব্যবধানকে প্রতিফলিত করে... আমরা যদি সত্যিই চাই যে পুরুষেরা নারীদের মতো খুব কম অপরাধ করুক তবে আমাদের শুরু করতে হবে পুরুষদের কাছ থেকে নারীদের ভরণপোষণের যে প্রত্যাশা তা কমিয়ে দিয়ে। ** পৃষ্ঠা ২১৫-২১৬ * যখন আমরা কোনো শিশু কন্যার প্রতি সহিংসতা করি তখন আমরা তাকে শিশু নির্যাতন বলি; যখন আমরা কোনো শিশু পুত্রের প্রতি সহিংসতা করি তখন আমরা তাকে খতনা বলি। ** পৃষ্ঠা ২২১ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়াই খতনা করা হয়, যদিও অ্যানেস্থেসিয়া শিশুর মানসিক চাপ কমায় এবং সংক্রমণ ও রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে। ** পৃষ্ঠা ২২১ * আমরা যদি এখনো মেয়েদের যৌনাঙ্গের উপরের অংশ কাটতাম তবে একে মেয়েদের যৌনতাকে দমন করার ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখতে আমাদের কোনো অসুবিধা হতো না। আমেরিকা যে কোনো গবেষণা ছাড়াই খতনা করে যাচ্ছে তা মূলত বালকদের ব্যথার অনুভূতির প্রতি সংবেদনহীন করার ঐতিহ্যেরই প্রতিফলন। তাদের শেখানো হচ্ছে যাতে তারা তাদের শরীরের অঙ্গ পরিত্যাজ্য হওয়ার বিষয়ে কোনো প্রশ্ন না তোলে। ** পৃষ্ঠা ২২৩ * বিপদে পড়া নারীদের নিয়ে তৈরি সিনেমাগুলো আসলে রাজকন্যাকে ড্রাগনের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে পুরুষদের প্রাণ দেওয়ার সেই পুরনো গল্পের আধুনিক রূপ। এগুলো আসলে নারীদের সেরা রক্ষক খুঁজে নেওয়ার এবং বাকিদের বাদ দেওয়ার জন্য আধুনিক দিনের প্রশিক্ষণমূলক চলচ্চিত্র। ** পৃষ্ঠা ২২৫ * লিঙ্গবৈষম্যমূলক ধারণা হলো কেবল নারীদের ওপর যে কোনো সহিংসতাকে নারী-বিরোধী মনে করা, কিন্তু পুরুষদের ওপর নারীর করা সহিংসতাকে সাধারণ সহিংসতা মনে করা। এই ধারণাটি নারীদের আরও বেশি সুরক্ষা দেওয়ার জন্য আইনের দাবি তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ২২৮ * পুরুষেরা কেবল নারীদের অবৈতনিক দেহরক্ষীই নয় বরং তারা নারী দেহরক্ষী হওয়ার জন্য উল্টো টাকাও খরচ করে। ** পৃষ্ঠা ২৩০ * নারীরা শিশুদের রক্ষা করার জন্য জীবন বাজি রাখবে কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক কোনো পুরুষকে রক্ষা করার জন্য খুব কমই জীবন বাজি রাখে। ** পৃষ্ঠা ২৩০ * নারী আন্দোলনের একটি বড় ভুল ধারণা: কাজ মানেই "ক্ষমতা" এবং "আত্মতৃপ্তি" মনে করা। ** পৃষ্ঠা ২৩২ * আমাকে প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয় যে নারীদের বিশেষ করে দরিদ্র নারীদের যৌনকর্মী হিসেবে নিজেদের শরীর ব্যবহার করার বিষয়ে পুরুষেরা কেন বিচলিত হয় না। কারণ অধিকাংশ পুরুষ অবচেতনভাবে প্রতিদিন নিজেদের যৌনকর্মী হিসেবেই অনুভব করে খনি শ্রমিক, ফায়ারফাইটার, নির্মাণ শ্রমিক বা সৈনিকেরা আসলে সরাসরি অর্থ এবং পরিবারের জন্য নিজেদের শরীর উৎসর্গ করে। ** পৃষ্ঠা ২৩৩ * নারীদের রক্ষা করার জন্য আইনগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে যদি কোনো পুরুষের সাংবিধানিক অধিকারের সাথে নারীর সুরক্ষার বিষয়টি সাংঘর্ষিক হয় তবে সেই অধিকার গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * বিবাহবিচ্ছেদের ফলে পুরুষদের গোষ্ঠী (যাকে আইনসভা বলা হয়) সমষ্টিগতভাবে নারীদের রক্ষা করতে শুরু করে যখন অন্য পুরুষেরা (যাদের স্বামী বলা হয়) ব্যক্তিগতভাবে নারীদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * নারীদের বিশেষ সুরক্ষার আইনি পক্ষপাত সংবিধানের সমান সুরক্ষার গ্যারান্টিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে শুরু করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ ==== তৃতীয় খণ্ড: বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকার ==== * খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত একজন পুরুষের মৃত্যুদণ্ড পাওয়ার সম্ভাবনা একই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত একজন নারীর চেয়ে ২০ গুণ বেশি... ১৯৭৬ সালে মৃত্যুদণ্ড পুনরায় চালু হওয়ার পর থেকে ১২০ জন পুরুষ এবং মাত্র ১ জন নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। উত্তর ক্যারোলিনার সেই নারীটি বলেছিলেন যে তিনি মৃত্যুদণ্ডই পছন্দ করেন... উত্তর ক্যারোলিনায় দ্বিতীয় পর্যায়ের খুনের জন্য একজন পুরুষ গড়ে একজন নারীর চেয়ে ১২.৬ বছর বেশি সাজা পায়। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যখন একজন পুরুষ এবং একজন নারী মিলে কোনো অপরাধ করে তখন তারা দুজনেই প্রায়ই পুরুষটির ওপর দোষ চাপাতে রাজি হন—যদিও পুরুষটির দীর্ঘ সাজা পাওয়ার এবং কারাগারে ধর্ষিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যদি কৃষ্ণাঙ্গরা শ্বেতাঙ্গদের জন্য এমনটা করত তবে কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায় একে বুদ্ধিমত্তার সাথে ‘শেখানো দাসত্ব’ বলে অভিহিত করত। ** পৃষ্ঠা ২৪৩ * ১৯৫৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০,০০০ নারী খুন করেছেন। তাদের শিকার হয়েছেন প্রায় ৬০,০০০ পুরুষ। কিন্তু এই অধ্যায়ের দ্বিতীয় বিষয়ের তথ্যানুযায়ী কেবল একজন পুরুষকে হত্যার জন্য কোনো নারীরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি। প্রায় চার দশক ধরে আমরা নারীদের প্রতি ক্রমেই বেশি সুরক্ষিত এবং পুরুষদের প্রতি ক্রমেই কম সুরক্ষিত হয়ে উঠছি এমনকি সেই ছেলেটি যদি নাবালকও হয় যেমনটা ছিল হিথ উইলকিন্স। ** পৃষ্ঠা ২৪৪ * যদি আমরা কোনো বিবাহিত পুরুষকে তার অর্থনৈতিক আইনি জটিলতার জন্য দায়ী করি তবে বিবাহিত নারীকেও তার বিপথে যাওয়া সন্তানদের জন্য দায়ী করা উচিত। ** পৃষ্ঠা ২৫০ * প্রিয়জনকে হত্যার হাত থেকে নারী বা পুরুষ কেউই মুক্ত নয়। পার্থক্য কেবল হত্যার পর তাদের সাথে কী ঘটে তার মধ্যে। ১২টি আলাদা আলাদা নারী-কেন্দ্রিক প্রতিরক্ষা কোনো নারীকে পরিকল্পিত খুনের অভিযোগ থেকে মুক্তি দিতে বা সাজা কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। কোনো পুরুষই একই পরিস্থিতিতে এই যুক্তিগুলো ব্যবহার করে সফল হয়নি। ** পৃষ্ঠা ২৫৪ * এটিই হলো “নির্দোষ নারী প্রতিরক্ষা”-র ভিত্তি অর্থাৎ “নির্দোষ নারী নীতি”: নারীরা যখন বলে যে তারা সহিংসতায় জড়িত নয় তখন তাদের বিশ্বাস করা হয় এবং যখন তারা বলে যে তারা সহিংসতায় দোষী তখন তাদের খুব সহজেই সন্দেহ করা হয়। ** পৃষ্ঠা ২৫৫ * ''ফ্যারেলের অন্য এগারোটি প্রতিরক্ষা হলো ‘পিএমএস প্রতিরক্ষা’; ‘স্বামী প্রতিরক্ষা’ (ওয়ারেন, আমি পুরোপুরি জানি না কীভাবে এটি সংক্ষেপে বলব আমি নিশ্চিত নই যে আমি এটি বুঝতে পেরেছি কি না); ‘নির্যাতিতা নারী সিনড্রোম’ প্রতিরক্ষা যা ‘শেখানো অসহায়ত্ব’ নামেও পরিচিত; ‘বিষণ্ণ মা’ প্রতিরক্ষা; ‘মায়েরা হত্যা করে না’ প্রতিরক্ষা; ‘শিশুদের মায়ের প্রয়োজন’ প্রতিরক্ষা; ‘বাবাকে দোষ দাও, মাকে বোঝো’ প্রতিরক্ষা; ‘আমার সন্তান, একে নির্যাতনের অধিকার আমার’ প্রতিরক্ষা; ‘সাজা কমানোর চুক্তির’ প্রতিরক্ষা; ‘সভেনগালি প্রতিরক্ষা’ এবং ‘চুক্তিতে হত্যা’ প্রতিরক্ষা।'' ** অধ্যায় ১২ * প্রতিটি যুদ্ধের অভিজ্ঞ পুরুষরাই পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের মাধ্যমে ‘নির্যাতিত পুরুষ সিনড্রোমে’ ভোগেন। এর মানসিক ফলাফল বছরের পর বছর তাদের সাথে থাকে। কিন্তু যদি ভুক্তভোগী কেউ এজেন্ট অরেঞ্জ স্প্রে করার আদেশ দেওয়ার জন্য অ্যাডমিরাল জুমওয়াল্টকে হত্যা করে তবে তাকে খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হবে। নির্যাতিত পুরুষ সিনড্রোমে ভোগা পুরুষদের তাদের নির্যাতনকারীকে আক্রমণ করার এবং একে আত্মরক্ষা বলার অনুমতি দেওয়া হয় না। ** পৃষ্ঠা ২৬৪ * চুক্তিতে করা হত্যাগুলো কখনোই কোনো নারীর পুরুষকে হত্যা করা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয় না। ** পৃষ্ঠা ২৮১ * আমরা তখনই নির্যাতন এবং হত্যা কমাতে পারি যখন আমরা বুঝব যে উভয় লিঙ্গের ক্ষেত্রেই নির্যাতন ক্ষমতা থেকে নয় বরং ক্ষমতার অভাব থেকে আসে। ** পৃষ্ঠা ২৮২ * কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি দক্ষতার পুরস্কারকে আকর্ষণীয় হওয়া এবং যৌন সহজলভ্যতার পুরস্কারের সাথে গুলিয়ে ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৮৪-৫ * একজন পুরুষের কাজ তখনই অবৈধ হবে যদি কোনো নারী মনে করে যে এটি একটি ‘প্রতিকূল পরিবেশ’ তৈরি করছে এবং যদি পুরুষটি সেই অপরাধ করে থাকে... ‘প্রতিকূল পরিবেশ’-এর সংজ্ঞা কে দেয়? নারীটি। এমনকি পুরুষটির উদ্দেশ্য কী ছিল তা আইনের ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য তৈরি করে না। অন্যান্য সকল অপরাধমূলক আচরণের ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এমনকি খুনের ক্ষেত্রেও। যৌন হয়রানি সংক্রান্ত বর্তমান আইন সকল পুরুষকে সকল নারীর তুলনায় অসমান করে দেয়। এটি সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর লিঙ্গ নির্বিশেষে সমান সুরক্ষার গ্যারান্টিকে সরাসরি লঙ্ঘন করে। এভাবেই কেবল নারীদের রক্ষা করার রাজনৈতিক ইচ্ছা উভয় লিঙ্গকে সমানভাবে রক্ষা করার সাংবিধানিক আদেশের চেয়ে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত বর্তমান আইন সকল পুরুষকে সকল নারীর তুলনায় অসমান করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * এক দশকে নারীরা কর্মক্ষেত্রে আপত্তিকর কৌতুকের বিরুদ্ধে যতটা সুরক্ষা পেয়েছে পুরুষেরা কয়েক শতাব্দীতেও কর্মক্ষেত্রে নিহত হওয়ার বিরুদ্ধে ততটা সুরক্ষা পায়নি। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইনগুলো পুরুষদের কাছে অন্যায্য মনে হয় কারণ তারা যদি কোনো জাতিগত কৌতুক বা কোনো নারীর পর্নোগ্রাফি নিয়ে আলোচনা করা বা বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার বিরুদ্ধে মামলা করত তবে তাদের নিয়ে হাসাহাসি করা হতো। ** পৃষ্ঠা ২৮৯ * এক অর্থে যৌন হয়রানি সংক্রান্ত মামলাগুলো হলো নারী নির্বাচনের প্রক্রিয়ার সবশেষ সংস্করণ—যা তাকে এমন পুরুষ বেছে নিতে সাহায্য করে যে তার ক্যারিয়ার ঝুঁকির মুখে ফেলার মতো তার প্রতি যত্নশীল। যার মধ্যে অভদ্র না হয়েও উদ্যোগ নেওয়ার দক্ষতা এবং মামলা হওয়ার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও উদ্যোগ নেওয়ার সাহস আছে... অতীতে তার এই বাধাগুলো অতিক্রম করার প্রক্রিয়াকে ‘কোর্টশিপ’ বলা হতো। এখন একে ‘কোর্টশিপ’ অথবা ‘যৌন হয়রানি’ বলা হয়। ** পৃষ্ঠা ২৯১ * যখন একজন পুরুষ কোনো নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয় তখন যৌন উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা তার ক্ষমতা বাড়ায় না বরং তাকে স্থবির করে দেয়। মামলার ভয় কেবল সেই স্থবিরতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। বিদ্রূপের বিষয় হলো পরিস্থিতি যত বিপজ্জনক হয় ‘নোংরা কৌতুক বলা’ ততটাই পরিস্থিতি বোঝার উপায় হিসেবে কাজ করে: যদি সে হাসে তবে হয়তো সে আগ্রহী; যদি সে বিরক্ত হয় তবে হয়তো সে আগ্রহী নয়। সে অনেক বেশি শক্তিশালী বোধ করত যদি নারীটি নিজে পরিস্থিতি বোঝার দায়িত্ব নিত। ** পৃষ্ঠা ২৯৪ * যদি একজন নারী কর্মী বিরক্ত বোধ করেন তবে তার বসের ইচ্ছা থাকে যে তিনি তাকে সেটা বলুক, মামলা না করুক। ** পৃষ্ঠা ২৯৪ * হেজিং হলো দলের কাছে নিজেকে সমর্পণ করার পরীক্ষা এবং প্রশিক্ষণ উভয়ই। ** পৃষ্ঠা ২৯৫ * যদি কোনো নারীকে এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে না হয় তবে তাকে আসলে যাচাই করা হচ্ছে না; তাই তাকে বিশ্বাসও করা হচ্ছে না। ** পৃষ্ঠা ২৯৫ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইন প্রায়ই একটি প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করে যা নারীকে শিশুর মতো করে উপস্থাপন করে। ** পৃষ্ঠা ২৯৭ * কর্মক্ষেত্রে আসলে সাত ধরনের যৌন মিথস্ক্রিয়া ঘটে... যৌন ব্ল্যাকমেইল। একজন বস কোনো কর্মীকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য হুমকি দেয় অন্যথায় তাকে বরখাস্ত করা হবে... যৌন ঘুষ। একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যৌনতার বিনিময়ে পদোন্নতির প্রতিশ্রুতি দেয়। এটি স্পষ্ট বা পরোক্ষ হতে পারে... কর্মক্ষেত্রের বেশ্যাবৃত্তি। পদোন্নতির বিনিময়ে একজন কর্মী যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে; একজন বিক্রয়কর্মী কোনো পণ্য বিক্রির জন্য যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে। যৌনতা দেওয়া হতে পারে বা কেবল প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতে পারে... কর্মক্ষেত্রের ইনসেস্ট। কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক। কর্মক্ষেত্রে পরিবারের মতো ক্ষমতার স্তর থাকে যা যৌন সম্পর্কের ফলে অস্পষ্ট হয়ে যায়... যৌন হয়রানি। একজন কর্মী ‘না’ বলার পরেও কর্মক্ষেত্রে বারবার যৌন প্রস্তাব দেওয়া... কর্মক্ষেত্রে ফ্লার্টেশন। ইঙ্গিতপূর্ণ পোশাক, চোখে চোখে কথা বলা, স্পর্শ এবং চোখের সংকেতের সমন্বয়... কর্মক্ষেত্রের পর্নোগ্রাফি। গ্রুপে পিনআপ ছবি, অশ্লীল কৌতুক এবং যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলা... ** পৃষ্ঠা ২৯৭-৯ * সমাধান: (...) অন্য লিঙ্গের ভালো উদ্দেশ্য বোঝার চেষ্টা করুন। ** পৃষ্ঠা ৩০৬ * আদি নারীবাদীরা এটি বুঝতে পেরেছিলেন: তারা সুরক্ষামূলক আইনের কট্টর বিরোধী ছিলেন। তারা জানতেন যতক্ষণ রাজকন্যাকে একটি মটরশুঁটি থেকে রক্ষা করা হবে ততক্ষণ নারীরা সমতা থেকে বঞ্চিত হবে। আধুনিক দিনের নারীদের জন্য সেই ‘মটরশুঁটি’ হলো কর্মক্ষেত্রের কঠিন পরিস্থিতি। আজকের নারীবাদীরা যখন সুরক্ষামূলক আইনের সমর্থক হন তখন তারা আসলে সমতার বিরোধিতা করেন। যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইন লিঙ্গবৈষম্যমূলক কারণ এটি যৌন মিলনের খেলায় কেবল পুরুষকেই পুরুষালি ভূমিকার জন্য দায়ী করে। ** পৃষ্ঠা ৩০৭ * মিথ। ধর্ষণ হলো পুরুষদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ। সত্য। একজন শ্বেতাঙ্গ পুরুষের তুলনায় একজন কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষের ধর্ষক হিসেবে অভিযুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তিন গুণ বেশি। কৃষ্ণাঙ্গদের কি হঠাৎ করে বেশি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা হয়ে গেছে? সম্ভবত ধর্ষণ ক্ষমতা থেকে আসে না বরং ক্ষমতার অভাব থেকে আসে। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * এটিও সম্ভব যে একজন নারী কোনো পুরুষের ঘরে গেল এবং তাকে বলল যে সে শারীরিক সম্পর্ক করতে চায় না এবং সে এটি বিশ্বাসও করে। কিন্তু পরে চুম্বন শুরু হলে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়ে যায় এবং সকালে সে অনুতাপ করে। কীভাবে? চুম্বন হলো পটেটো চিপস খাওয়ার মতো। আমরা বোঝার আগেই যতটুকু বলেছিলাম তার চেয়ে বেশি করে ফেলি। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * ধর্ষণের ক্ষেত্রে যৌন আকর্ষণের ভূমিকা অস্বীকার করা মানে নারীর যৌন সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষদের আসক্তিকে শক্তিশালী করার এবং পরে সেই আসক্তি থেকে তাদের বঞ্চিত করার জন্য আমাদের দায়িত্বকে অস্বীকার করা। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * যৌন আচরণের প্রতিটি বিচারের সমস্যা হলো এটি এমন সব মানুষ করে যারা বিচারের সময় উত্তেজিত অবস্থায় থাকে না। একজন জুরি যখন একটি শান্ত আদালতে একজন নারীকে দেখে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করে যে সে কী চেয়েছিল এবং ধরে নেয় যে বাকি যা কিছু ঘটেছে তার সব দায় পুরুষের, তবে এটি কেবল সেই নারীকেই নয় বরং যৌনতার শক্তিকেও অপমান করা। ** পৃষ্ঠা ৩১২ * একজন নারীর ইচ্ছার চেয়ে বেশি যৌন সম্পর্ক করার পর কোনো পুরুষের বিরুদ্ধে মামলা করা অনেকটা পটেটো চিপস বেশি খাওয়ার জন্য চিপস কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করার মতো। সংক্ষেপে ডেট রেপ একটি অপরাধ, একটি ভুল বোঝাবুঝি অথবা পরে অনুশোচনা হওয়ার মতো বিষয় হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩১২ * ডেট রেপ শব্দটি যখন নারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে নাটকীয় দিকটি বোঝাতে সাহায্য করেছে, পুরুষদের কাছে তেমন কোনো শব্দ নেই যা তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে যন্ত্রণাদায়ক দিকটি বোঝাতে পারে। অবশ্যই এখন সবচাইতে যন্ত্রণাদায়ক দিকটি হলো এমন একজন নারীর মাধ্যমে ডেট রেপের অভিযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা যাকে সে ভালোবাসত। যদি পুরুষেরা তাদের চিরাচরিত ভূমিকার খারাপ দিকগুলোকে চিহ্নিত করত তবে তারা সেগুলোকে “ডেট ডাকাতি”, “ডেট প্রত্যাখ্যান”, “ডেট দায়িত্ব”, “ডেট জালিয়াতি” এবং “ডেট মিথ্যাচার” বলতে পারত। ** পৃষ্ঠা ৩১৩ * অনেক পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে খারাপ দিকটি হলো এটি কীভাবে তার কাছে সামাজিক নিয়মের মাধ্যমে ডাকাতির মতো মনে হতে পারে যেখানে সে পকেট থেকে টাকা বের করে তাকে দেয় এবং একে ডেট বলে। একজন তরুণের কাছে সবচাইতে খারাপ ডেট হলো লুণ্ঠিত এবং প্রত্যাখ্যাত হওয়ার মতো। ছেলেরা প্রত্যাখ্যান এড়াতে মৃত্যুর ঝুঁকি পর্যন্ত নেয় (যেমন সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া)। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * প্রত্যাখ্যাত হওয়ার জন্য টাকা খরচ করার একটি বিকেল বা সন্ধ্যা কোনো পুরুষের কাছে ডেট রেপের পুরুষ সংস্করণ মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * যদি কোনো পুরুষের নারীর মৌখিক “না”-কে উপেক্ষা করা ডেট রেপ হয় তবে যে নারী মুখে “না” বললেও শারীরিক ভাষায় “হ্যাঁ” বলে সে ডেট জালিয়াতি করছে। আর যে নারী “না” বলার পরেও যৌন সম্পর্ক চালিয়ে যায় সে ডেট মিথ্যাচার করছে। নারীরা কি এখনো এটি করে? দুই জন নারীবাদী গবেষণায় দেখেছেন যে উত্তরটি হলো হ্যাঁ। প্রায় ৪০ শতাংশ কলেজ ছাত্রী স্বীকার করেছেন যে তারা যৌনতার ক্ষেত্রে “না” বলেছিলেন এমনকি “যখন তারা মনে মনে হ্যাঁ চেয়েছিলেন”। দেড় লক্ষাধিক পুরুষ ও নারীর সাথে আমার নিজের কাজেও উত্তরটি হ্যাঁ। প্রায় সব অবিবাহিত নারী স্বীকার করেছেন যে তারা কোনো ছেলের জায়গায় “কেবল কথা বলতে” যেতে রাজি হয়েছেন কিন্তু তবুও তার প্রথম চুম্বনে সাড়া দিয়েছেন। প্রায় সবাই স্বীকার করেছেন যে তারা সম্প্রতি এমন কথা বলেছেন যে ‘আজ এই পর্যন্তই থাক’, যদিও তখনো তারা চুম্বন করছিলেন ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * আমরা ভুলে গেছি যে একে ডেট রেপ এবং ডেট জালিয়াতি বলার আগে আমরা একে উত্তেজনাপূর্ণ বলতাম। ** পৃষ্ঠা ৩১৪-৩১৫ * কোনোভাবেই নারীদের রোমান্স উপন্যাসের শিরোনাম ‘আমি যখন না বললাম সে তখন থেমে গেল’ এমন হয় না। সেগুলোর শিরোনাম হয় ‘সুইট স্যাভেজ লাভ’ যেখানে নারী সেই নম্র প্রেমিকের হাত প্রত্যাখ্যান করে যে তাকে ধর্ষকের হাত থেকে বাঁচায় এবং সেই পুরুষকে বিয়ে করে যে তাকে বারবার এবং পাশবিক ভাবে ধর্ষণ করে। এই “ধর্ষককে বিয়ে করার” থিমটিই ‘সুইট স্যাভেজ লাভ’ উপন্যাসকে কেবল একটি সেরা বই নয় বরং নারীদের সবচাইতে জনপ্রিয় রোমান্স উপন্যাসে পরিণত করেছে। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে একজন নারীর “না”-গুলোকে সম্মান করা হোক এবং তার “হ্যাঁ”-গুলোকেও সম্মান করা হোক। আর এটিও গুরুত্বপূর্ণ যে যখন তার শারীরিক “হ্যাঁ”-গুলো (জিহ্বার স্পর্শ বজায় থাকা) মৌখিক “না”-গুলোর সাথে সংঘর্ষ হয় তখন “না”-এর চেয়ে “হ্যাঁ” বেছে নেওয়ার জন্য পুরুষটিকে যেন জেলে না যেতে হয়। সে হয়তো কেবল তার কল্পনা পূরণ করার চেষ্টা করছিল। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * আমরা প্রায়ই শুনি “ধর্ষণ তো ধর্ষণই, তাই না?” না। ছুরির মুখে কোনো অপরিচিত ব্যক্তির কোনো নারীর ওপর চড়াও হওয়া আর মাতাল অবস্থায় কোনো পুরুষ ও নারীর যৌন সম্পর্ক করার পর সকালে অনুতাপ করা এক বিষয় নয়। পার্থক্য কী? একজন নারী যখন ডেটে যেতে রাজি হয় তখন সে যৌন সম্পর্কের সিদ্ধান্ত নেয় না ঠিকই কিন্তু সে যৌন সম্ভাবনার পথ খোলার সিদ্ধান্ত নেয়। কোনো অপরিচিত বা পরিচিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে নারী এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * ধর্ষণের ব্যাপক সংজ্ঞাসহ আইনগুলো অনেকটা পুরুষদের জন্য ঘণ্টায় ৫৫ মাইল গতির সীমা আর নারীদের জন্য কোনো গতির সীমা না রাখার মতো। ** পৃষ্ঠা ৩১৭ * বিদ্রূপের বিষয়: মদ্যপান করে গাড়ি চালানোর জন্য যখন আমরা মানুষকে ক্রমেই বেশি দায়ী করছি, তখন মদ্যপান করে যৌন সম্পর্ক করার জন্য আমরা নারীদের ক্রমেই কম দায়ী করছি। ** পৃষ্ঠা ৩২০ * যৌনতার ক্ষেত্রে অবশ্যই দুই লিঙ্গ সমান নয়। এটি মূলত নারীর অধিকতর যৌন ক্ষমতা যা একজন পুরুষকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার এতটাই ভীত করে তোলে যে সে তার ভয় কমাতে মদ্যপান করে। আসলে নারীর যৌন ক্ষমতা প্রায়ই পুরুষকে মদ্যপানের দিকে নিয়ে যায় কিন্তু পুরুষের যৌন ক্ষমতা খুব কমই নারীকে মদ্যপানের দিকে নিয়ে যায়। যদি তার ওপর নারীর ক্ষমতার কোনো প্রমাণ থাকে তবে সেটি হলো কোনো বিনিময় ছাড়াই তাকে নারীর জন্য পানীয় কিনতে টাকা খরচ করতে হয়। পুরুষরাই নারীদের চেয়ে অনেক বেশি মানসিক সক্ষমতা হারায় যখন তারা একজন সুন্দরী নারীর “প্রভাবে” থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩২০ * যতক্ষণ সমাজ পুরুষদের যৌনতার বিক্রেতা হতে বলে ততক্ষণ সমাজ যদি কেবল পুরুষদের জেলে পাঠায় যখন তারা ভালোভাবে বিক্রি করে তবে তা লিঙ্গবৈষম্যমূলক। আমরা অন্যান্য বিক্রেতাদের ক্লায়েন্টকে পানীয় খাওয়ানোর জন্য বা সফলভাবে “না”-কে “হয়তো”-তে এবং পরে “হ্যাঁ”-তে রূপান্তর করার জন্য জেলে পাঠাই না। যদি ক্লায়েন্ট অতিরিক্ত মদ্যপানের সিদ্ধান্ত নেয় এবং “হ্যাঁ” বলাটা তার ভুল সিদ্ধান্ত হয় তবে ক্লায়েন্টকেই বরখাস্ত করা হয়, বিক্রেতাকে নয়। ** পৃষ্ঠা ৩২১ * প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের মাধ্যমে পুরুষদের সবচাইতে বেশি ধর্ষিত হওয়ার উপায় হলো “জন্ম নিয়ন্ত্রণ ধর্ষণ”। ** পৃষ্ঠা ৩৩৫ * পুরুষদের অধিকাংশ ধর্ষণ কারাগারেই ঘটে। কিন্তু কারাগারের বাইরেও প্রায় ৯ শতাংশ নথিভুক্ত ধর্ষণ পুরুষদের বিরুদ্ধে হয়ে থাকে (সম্ভবত বেশিরভাগই পুরুষদের দ্বারা করা তবে কেউ নিশ্চিত নয়)। কারাগারের বাইরে ধর্ষণ পুরুষদের জন্য ঠিক তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমনটা নারীদের জন্য এইডস—এইডসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের প্রায় ১০ শতাংশ নারী। আমরা কি পুরুষদের ধর্ষিত হওয়া সম্পর্কে বেশি শুনি নাকি নারীদের এইডস হওয়া সম্পর্কে? ** পৃষ্ঠা ৩৩৫ * আমরা এখনো বুঝি না যে যখন আমরা পুরুষদের অবহেলা করি তখন আমরা নারীদের ধর্ষণ করি। ** পৃষ্ঠা ৩৩৬ * মিস জরিপ একে ধর্ষণ বলতে পারে; একজন সম্পর্ক বিষয়ক পরামর্শদাতা একে একটি সম্পর্ক বলবে। দাম্পত্য ধর্ষণের আইন হলো ব্ল্যাকমেইল হওয়ার অপেক্ষায় থাকা একটি সুযোগ। ** পৃষ্ঠা ৩৩৮ * এই সবকিছুর সমাধান অপরাধী সাব্যস্ত করা নয় বরং সামাজিকীকরণ পরিবর্তন করা। ** পৃষ্ঠা ৩৪০ * যদি আইন আমাদের “হ্যাঁ” এবং “না”-কে শাসন করার চেষ্টা করে তবে এটি “দা স্ট্রেইটজ্যাকেট জেনারেশন” তৈরি করবে—এমন এক প্রজন্ম যারা ফ্লার্ট করতে ভয় পাবে এবং আদালতে নিজেদের প্রেমের চিঠি খুঁজে পাওয়ার ভয়ে ভীত থাকবে। ডেট রেপ সংক্রান্ত আইন প্রেম নিবেদন বা কোর্টশিপের পথ বন্ধ করে দিয়ে আদালতে মামলা করার পথ তৈরি করবে। নারীদের ক্ষমতায়ন ডেট রেপ থেকে সুরক্ষার মধ্যে নেই বরং উভয় লিঙ্গকে ডেটের উদ্যোগ এবং খরচ ভাগ করে নেওয়ার সামাজিকীকরণের মধ্যে রয়েছে যাতে ডেট রেপ এবং ডেট জালিয়াতি উভয়ই কমে যায়। যখন পুরুষেরা দ্রুত উদ্যোগ নেয় না তখন তাদের “কাপুরুষ” বলে, যখন নেয় তখন “ধর্ষক” বলে এবং যখন তারা এটি ভুলভাবে করে তখন তাদের “ছোটলোক” বলে আমরা ডেট রেপ বন্ধ করতে পারি না। আমরা যদি কেবল পুরুষদের ওপর ভালো ফল করার চাপ বাড়াই তবে এটি পুরুষদের নারীদের বস্তু হিসেবে দেখার প্রয়োজনীয়তাকে আরও বাড়িয়ে দেবে যা আরও ধর্ষণের দিকে নিয়ে যাবে। পুরুষেরা ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের ধর্ষক হবে যতক্ষণ পুরুষেরা আমাদের উদ্যোগ গ্রহণকারী হবে... ডেট রেপ সংক্রান্ত আইনগুলো ডেট ঘৃণা করার একটি পরিবেশ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ৩৪০ * বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকার নারীদের জন্য এমন কিছু করেছে যা শ্রমিক ইউনিয়নগুলো এখনো পুরুষদের জন্য করতে পারেনি। আর পুরুষেরা শ্রমিক ইউনিয়নের জন্য চাঁদা দেয়; করদাতারা নারীবাদের জন্য চাঁদা দেয়। নারীবাদ এবং সরকার খুব দ্রুতই করদাতা সমর্থিত নারী ইউনিয়নে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৪৪ * নিয়োগকর্তারা নিয়োগ এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে লিঙ্গবৈষম্য করতে বাধা পায় না। ** পৃষ্ঠা ৩৪৪ * আমরা বন্য ভালুক এবং ডলফিনকে ‘ফ্রি’ খাবার দেওয়া নিষিদ্ধ করেছি কারণ আমরা জানি যে এমন খাবার তাদের নির্ভরশীল করে তুলবে এবং তাদের বিলুপ্তির দিকে নিয়ে যাবে। কিন্তু যখন আমাদের নিজেদের প্রজাতির কথা আসে তখন আমরা স্বল্পমেয়াদী দয়া এবং দীর্ঘমেয়াদী নিষ্ঠুরতার মধ্যে সম্পর্ক দেখতে পাই না; আমরা নারীদের বেশি সন্তান নেওয়ার জন্য টাকা দিই যা তাদের প্রতিটি সন্তানের সাথে আরও নির্ভরশীল করে তোলে এবং তাদের নিজেদের জন্য লড়াই করার ক্ষমতা তৈরিতে নিরুৎসাহিত করে। নারীদের বিরুদ্ধে আসল বৈষম্য হলো এই ‘ফ্রি ফিডিং’। ** পৃষ্ঠা ৩৪৬ * অনেক কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ চলে যায় কারণ তারা আর্থিকভাবে দায়িত্বশীল মানসিকভাবে দায়িত্বহীন হওয়ার কারণে নয়। ** পৃষ্ঠা ৩৪৮ * যখন সরকারি ভর্তুকি কোনো শিশুকে তার বাবার সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত করে তখন সরকার আসলে শিশু নির্যাতনকেই সহায়তা করছে। ** পৃষ্ঠা ৩৪৮ * যদি কেউ কোনো নোংরা কৌতুক বলে তবে তার বিরুদ্ধে ‘প্রতিকূল পরিবেশের’ অভিযোগ এনে কোনো কোম্পানিকে মামলা করার প্রশিক্ষণ দিয়ে আমরা আসলে নারীদের বিকল্প স্বামী বা বাবার কাছে অর্থাৎ সরকারের কাছে দৌড়াতে শেখাচ্ছি। এটি কোম্পানিগুলোকে নারীদের ভয় পেতে শেখায় কিন্তু সম্মান করতে শেখায় না। কর্মক্ষেত্রে সফল হওয়ার জন্য আমরা নারীদের যে সেরা প্রস্তুতি দিতে পারি তা হলো মামলা করার চেয়ে বাধাগুলো অতিক্রম করার শক্তি দেওয়া: সফল মানুষেরা মামলা করে না তারা সফল হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫১ ==== চতুর্থ খণ্ড: এখান থেকে আমরা কোথায় যাব ==== * আদর্শগতভাবে কেবল একটি পুরুষ আন্দোলন না হয়ে বরং একটি লিঙ্গ পরিবর্তনকালীন আন্দোলন হওয়া উচিত; শুধুমাত্র নারী আন্দোলনের প্রভাবই একটি পুরুষ আন্দোলনের সাময়িক প্রয়োজনীয়তা তৈরি করে। এবং এটি পুরুষদের জন্য একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ তৈরি করে: খুব কম রাজনৈতিক আন্দোলনই সুস্থ মানুষদের দিয়ে গঠিত হয়, তবুও রাজনৈতিক আন্দোলন ছাড়া খুব কমই ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে। ** পৃষ্ঠা ৩৫৬ * পুরুষদের ক্ষেত্রে আমরা ভুক্তভোগীকেই দোষারোপ করি। আমরা পুরুষদের দোষ দিই কারণ আমরা তাদের নিপীড়নকারী হতে শিখিয়ে পুরুষদের ভুক্তভোগী হওয়ার বিষয়টি আড়াল করেছি। পুরুষদের নিপীড়নকারী পরিচয় তাদের ভুক্তভোগী পরিচয়কে আড়াল করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫৭ * কাঠামো, (...) * নারীর সৌন্দর্য এবং যৌনতার প্রতি আসক্তি; * সুন্দরী নারী এবং তার সাথে যৌনতা থেকে বঞ্চিত হওয়া যতক্ষণ না পুরুষ তার বিনিময়ে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিচ্ছে; (...) ** পৃষ্ঠা ৩৫৮ * মানুষ সাধারণত নিজেদের স্বীকার করে নেওয়ার মাধ্যমেই পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু করে। এভাবেই কৃষ্ণাঙ্গরা তাদের গর্ব প্রকাশ করেছিল এবং বলেছিল যে কালো মানেই সুন্দর; নারীরা ঘোষণা করেছিল “আমি নারী, আমি শক্তিশালী”; আর পুরুষেরা বলছে “আমি পুরুষ, আমি ঠিক আছি”। পঁচিশ বছর ধরে পুরুষদের অপদস্থ করার পর এটি মন্দ শুরু নয়। ** পৃষ্ঠা ৩৬১ === জোনাথন রবিনসনের নেওয়া সাক্ষাৎকার (১৯৯৪) === <small>জোনাথন রবিনসনের ''ব্রিজেস টু হেভেন: হাউ ওয়েল-নোন সিকারস ডিফাইন অ্যান্ড ডিপেন দেয়ার কানেকশন উইথ গড'' (ওয়ালপোল, এনএইচ: স্টিলপয়েন্ট, ১৯৯৪) থেকে নেওয়া; এটি বিভিন্ন 'সিকার' সাক্ষাৎকারের একটি সংকলন।</small> * আমি যখন খাবার খাই তখন আমি সেই সব মানুষের কথা ভাবি যাদের পরিশ্রম আমার পুষ্টির যোগান দিয়েছে। এই ভাবনাটি আমার কৃতজ্ঞতাবোধকে বাড়িয়ে দেয়। আমি আশা করি এটি আপনাকেও পুষ্ট করবে। * একইসাথে সসীম এবং অসীম, অনেক কিছু আবার খুব সামান্য, সচেতন হয়েও নেহাতই আকস্মিক হওয়ার এই রহস্য আমাকে অবাক করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৪৬-৪৭ * আমার কাছে আমি যা জানি না তার বিশালতাই হলো ঈশ্বরকে অনুভব করার একটি পথ। এটি আমার মধ্যে নম্রতা এবং কৃতজ্ঞতার জন্ম দেয়। ** পৃষ্ঠা ৪৭ * আমি যখন অনেক ভালোবাসা পাই অথবা যখন মানুষকে লালন করি ও সাহায্য করি তখন আমার অভিজ্ঞতা আরও গভীর হয়। আমি এক বৃহত্তর উদ্দেশ্য এবং অর্থের সাথে যুক্ত বোধ করি। ** পৃষ্ঠা ৭১ * যখন আমি মানুষকে তাদের সেরাটা অর্জন করতে সাহায্য করার সেই বৃহত্তর বোধ হারিয়ে ফেলি তখন আমার ভেতরের ঈশ্বরের সাথে যোগাযোগ কমে যায়। ** পৃষ্ঠা ১০১ * ইতিহাসে এই প্রথম আমরা এত উচ্চ পর্যায়ের বিলাসিতা উপভোগ করছি। তাই ঈশ্বরকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * নিজেদের সচেতন সত্তার যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে আমরা নিজেদের পাশাপাশি অন্যদের শান্তি বজায় রাখতেও অবদান রাখি। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * আমার বাবা-মা যদি এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ আগেও বা পরেও মিলিত হতেন তবে আমার অস্তিত্ব থাকত না। কেবল জীবন পাওয়াটাই কত বড় এক অলৌকিক ঘটনা। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * মাঝে মাঝে যখন আমি আমার অতীতের দিকে ফিরে তাকাই তখন আমার মনে হয় যে আমি যা কিছুর মধ্য দিয়ে গিয়েছি তা আমাকে বর্তমান কাজের জন্য উপযুক্ত করে তৈরি করেছে। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমার কাছে ঈশ্বর হলো সারা জীবনে সঞ্চিত আমার সমস্ত জ্ঞান। আমি যখন মনোযোগ দিই তখন আমার শরীরই সেই জ্ঞানের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। ** পৃষ্ঠা ১৮৩ === ''উইমেন কান্ট হিয়ার হোয়াট মেন ডোন্ট সে'' (২০০০) === * তিরিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে কর্মশালা পরিচালনা করার অভিজ্ঞতায় কেউ কখনো আমাকে বলেনি, “ওয়ারেন, আমি বিচ্ছেদ চাই—আমার সঙ্গী আমাকে বোঝে।” ** পৃষ্ঠা ১৫ * একজন পুরুষ তার অনুভূতি প্রকাশ করে নয় বরং অনুভূতি দমন করার মাধ্যমেই সফল হয়। ** পৃষ্ঠা ১৬ * কোনো লিঙ্গ যখন তার অনুভূতি প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকে তার কারণ প্রায় সব সময়ই হলো তারা মনে করে না যে সেখানে অনুভূতি প্রকাশের মতো কোনো নিরাপদ পরিবেশ আছে। ** পৃষ্ঠা ১৬ * একজন পুরুষ ভয় পায় যে তার স্ত্রীর সাথে বিবাদ অন্তরঙ্গতা বাড়ানোর বদলে বরং তা কমিয়ে দেবে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * আমাদের সঙ্গী নির্বাচন সম্ভবত আমাদের জীবনদর্শনের সবচাইতে স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। তাই যখন আমরা কোনো কিছুর জন্য আমাদের সঙ্গীকে দোষ দিই, তখন আসলে আমাদের নিজেদেরই মুখোমুখি হওয়া উচিত। তা এই ভেবে নয় যে “হ্যাঁ, আমি ভুল নির্বাচন করেছি,” বরং এই ভেবে যে “এই নির্বাচন আমার মূল্যবোধকে কীভাবে প্রতিফলিত করছে?” ** পৃষ্ঠা ১৭ * পুরুষদের অনুভূতি প্রকাশে সহায়তা করার বিষয়ে যদি আমরা সত্যিই আন্তরিক হই তবে নারী-পুরুষের মধ্যকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এবং দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রশ্ন করা এবং পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮ * মানুষ গত ১০,০০০ বছরেরও বেশি সময় ব্যয় করেছে অন্য পক্ষের সাথে লড়াই এবং বিতর্ক করতে শিখতে কিন্তু একে অপরের কথা শুনতে বা সহানুভূতি প্রকাশ করতে শেখার জন্য প্রায় কোনো সময়ই ব্যয় করেনি। ** পৃষ্ঠা ১৮ * সত্য হলো যে রাগ প্রকাশ করতে এবং সমালোচিত হতে সবাই অস্বস্তি বোধ করে। রাগ এবং সমালোচনা প্রত্যাখ্যানের জন্ম দেয়। আর সবাই প্রত্যাখ্যানকে ঘৃণা করে। ** পৃষ্ঠা ২১ * যখন একজন নারী ভয় প্রকাশ করে তখন আমরা তাকে তার দায়িত্ব থেকে মুক্তি না দিয়ে আশ্বস্ত করতে পারি না; কিন্তু যখন আমরা পুরুষের সেই একই আবেগকেই রাগ হিসেবে দেখি তখন আমরা তাকে দোষারোপ করতে চাই এবং চাই সে যেন নিজের দায়িত্ব স্বীকার করে। আমরা তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চাই আর তাকে দোষী সাব্যস্ত করতে চাই। ** পৃষ্ঠা ২২ * আমরা অনুমোদন বা প্রশংসা প্রত্যাশীদের উত্তরসূরি। আমরা প্রশংসা পেতে এতটাই মরিয়া যে আমরা কখনো সবার সাথে মিশে গিয়ে তা পাওয়ার চেষ্টা করি আবার কখনো সবার চেয়ে আলাদা বা শ্রেষ্ঠ হয়ে তা পাওয়ার চেষ্টা করি। ** পৃষ্ঠা ২৪ * কথার চেয়ে কণ্ঠস্বরের ভঙ্গি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ২৫ * যদি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি সঙ্গীর ভালো উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করে তবে সাধারণত তা পাওয়া যায়। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যেকোনো পুরুষ যে দলগত খেলা খেলেছে সে “টিম স্পোর্ট এমপ্যাথি” নামক একটি দক্ষতা অনুশীলন করেছে: সে অন্য দলের পদক্ষেপগুলো অনুমান করার চর্চা করেছে। তার মানে হলো পরিস্থিতিকে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বোঝার চেষ্টা করা। ** পৃষ্ঠা ৩২ * নারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া পুরুষত্বেরই একটি বৈশিষ্ট্য। পুরুষেরা যখন রক্ষকের ভূমিকা পালন করে তখন তারা একজন নারীকে দুঃখ বা যন্ত্রণা থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। যদি তারা সেই দুঃখ বা যন্ত্রণার সামান্য আভাসও না পায় তবে তারা জানবে না কখন রক্ষা করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * সঙ্গীর সাথে দ্বিমত হওয়ার মুহূর্তে আমাদের অধিকাংশের মাথায় এটা আসে না যে আমাদের সঙ্গীর ইতিবাচক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলোর প্রশংসা করার জন্য সময় নেওয়া উচিত যা এমনকি সেই অবস্থানেও প্রতিফলিত হয় যার সাথে আমরা একমত নই। যখন আমরা তা করি তখন আমাদের সঙ্গী জানতে পারে যে সে যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন তাদের চরিত্রের প্রতি আমাদের বিশ্বাস কখনোই প্রশ্নবিদ্ধ হবে না। এটি প্রতিটি মতভেদকে ভালোবাসার একটি সম্ভাব্য উপহারে পরিণত করে। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * যখন আমরা কাউকে বিশ্বাস করি তখন আমরা বিনিময়ে বিশ্বাস পাই। আর যারা আমাদের বিশ্বাস করে তারা আমাদের প্রতি মনোযোগী হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * কোন বয়সে একটি শিশুকে সমালোচনা করা এবং গ্রহণ করার আরও ভালো উপায়গুলো শেখানো উচিত—যাকে আমি “সম্পর্কের ভাষা” বলি? স্কুল বয়সের আগেই। এর সেরা শিক্ষক কে? মা-বাবা। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * স্কুলগুলো বর্তমানে শিশুদের মতামত প্রকাশে উৎসাহিত করতে দক্ষ হলেও উদাহরণস্বরূপ, “ওহ, এটা তো আমার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আলাদা—আমাকে আরও বলো” এই ধরণের কথা বলতে উৎসাহিত করতে ব্যর্থ। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * শিশুদের কথা শুনতে না শিখিয়ে কেবল বিতর্ক করতে শেখানো হলো বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * যোগাযোগের সবচাইতে কঠিন অংশ হলো সমালোচনা শোনা যাতে তা সহজেই দেওয়া যায়। ** পৃষ্ঠা ৩৮ * আমরা সবাই কথা বলতে পারদর্শী কিন্তু শুনতে গেলে প্রতিবন্ধী। ** পৃষ্ঠা ৪০ * যেকোনো সমালোচনার প্রথম সহজাত প্রতিক্রিয়া হলো আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া। (প্রতিক্রিয়া যত দ্রুত হয় তা তত বেশি আত্মরক্ষামূলক হয়।) ** পৃষ্ঠা ৪০ * সমালোচনার বিপরীতে সকল আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিক। (অন্যের দৃষ্টিভঙ্গির আগে নিজের কথা চিন্তা করাটাই স্বাভাবিক।) ** পৃষ্ঠা ৪০ * সমালোচনাকারীকে থামিয়ে দেওয়া আমাদের বিবর্তনীয় অতীতের অংশ; সমালোচনার জবাবে মনোযোগ দিয়ে শোনা আমাদের বিবর্তনীয় ভবিষ্যতের অংশ। ** পৃষ্ঠা ৪১ * সমালোচনার জবাবে মনোযোগ দিয়ে শোনা আমাদের অভ্যন্তরীণ মনস্তত্ত্বের এমন একটি পরিবর্তন নির্দেশ করে যা সম্ভবত মানুষের করা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিবর্তনীয় পরিবর্তন। ** পৃষ্ঠা ৪১ * শোনা হলো অন্যদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নিজের ক্ষমতায়ন। ** পৃষ্ঠা ৪১ * পুরুষদের সাহায্যের প্রয়োজন নেই—এই বিশ্বাসটিই হলো সমস্যার একটি অংশ। * পুরুষেরা এখনো নারীদের পরিবর্তনের রক্ষক হিসেবে ভূমিকা পালন করছে এবং উভয় লিঙ্গই কেবল পুরুষদের কাছ থেকে নিজেদের পরিবর্তনগুলো নিজেরাই করার প্রত্যাশা করে। * পুরুষদের অনুভূতি প্রকাশে সাহায্য করার শুরুটা হয় পুরুষেরা কেন সেগুলো প্রকাশ করে না তা বোঝার মাধ্যমে। * অন্যদের জন্য কীভাবে আরও ভালো কাজ করা যায় সে সম্পর্কে নির্দেশনা দেওয়া আর জীবন নিয়ে নিজের অনুভূতি বা সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। * পুরুষদের দায়িত্বের ধরণ তাদের অনুভূতি থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে যেখানে নারীদের দায়িত্বের ধরণ অনুভূতি প্রকাশে উৎসাহিত করেছে। * পুরুষদের উপার্জিত অর্থ নারীদের ভালোবাসা এবং লালন করতে এবং একে অপরের সাথে যুক্ত থাকতে সাহায্য করেছে যাতে তারা লালনকারী হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে পুরুষেরা সেই অর্থ পেয়েছে এক ধরণের খুনি-রক্ষক হওয়ার বিনিময়ে। তারা একজন ‘হিউম্যান ডুইং’ (একজন ক্যাপ্টেন বা কয়লা খনি শ্রমিক) হয়ে ওঠার মাধ্যমে পারিশ্রমিক পেয়েছে, ‘হিউম্যান বিয়িং’ (সুখী বা দুঃখী অনুভব করতে পারা একজন মানুষ) হিসেবে নয়। * যেসব সমাজের পুরুষেরা যুদ্ধে নিজেদের উৎসর্গ করতে রাজি ছিল না সেই সমাজগুলো সাধারণত ধ্বংস হয়ে গেছে। সমাজগুলো খুনিদের মাধ্যমেই সুরক্ষিত ছিল, আর এ কারণেই আমি পুরুষদের প্রথাগত ভূমিকাকে খুনি-রক্ষক ভূমিকা বলি। * পুরুষদের ভয় এবং দুর্বলতার অনুভূতি প্রকাশ করা থেকে বিরত রাখার ক্ষেত্রে উভয় লিঙ্গেরই একটি অবচেতন স্বার্থ কাজ করত। * কোনো উপকথাই তার সন্তানদের শোনায় না যে সুন্দরী রাজকন্যারা বিবেকবান যুদ্ধ-বিরোধীদের প্রেমে পড়ছে। * যদি আমরা পুরুষদের অনুভূতি দমন করতে শিখিয়ে তার বদলে একজন ক্যাপ্টেন হওয়ার জন্য পুরস্কৃত করি তবে সে আমাদের রক্ষার জন্য মরতে রাজি হতে পারে; যদি আমরা তাকে একটি কয়লা খনিতে কাজ করার বিনিময়ে পরিবার চালানোর মতো যথেষ্ট অর্থ দিই তবে সে আমাদের উষ্ণ রাখার জন্য অকালে মরতে রাজি হতে পারে। কিন্তু এই সবকিছুর জন্য তাকে তার অনুভূতি বিসর্জন দিতে হয়েছে—যা একজন মানুষ হিসেবে তার ক্ষমতা—এবং তার বদলে তাকে ‘হিউম্যান ডুইং’ হিসেবে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে: অর্থাৎ অন্য কেউ খরচ করবে এমন অর্থ উপার্জনের দায়িত্ব নিয়ে নিজে অকালে মৃত্যুবরণ করা। * একজন ‘হিউম্যান ডুইং’ হয়ে ওঠা ছিল সমাজের ঠিক যা প্রয়োজন। কিন্তু একজন ব্যক্তি হিসেবে পুরুষের জন্য ‘হিউম্যান ডুইং’ হয়ে ওঠা ছিল তার নিজের সত্তাকে ধ্বংস করার নামান্তর। * এই সব কিছুই পুরুষদের জিনগত ঐতিহ্য। তবে পুরুষদের জিনগত ঐতিহ্য তাদের জিনগত ভবিষ্যতের সাথে সাংঘর্ষিক। * অতীতে পুরুষদের সেরা খুনি-রক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা ‘যোগ্যতমের’ টিকে থাকার দিকে নিয়ে যেত। ভবিষ্যতে পারমাণবিক প্রযুক্তির এই যুগে খুনিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া সবাইকে ধ্বংস করার দিকে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। * ভবিষ্যতে নারীরা ক্রমবর্ধমানভাবে এমন পুরুষদের চাইবে যারা তাদের লালন করতে পারে এবং তাদের সাথে একাত্ম হতে পারে। * ভবিষ্যতে নারীরা ক্রমবর্ধমানভাবে লালনকারী সঙ্গীদের চাইবে কারণ সে যা লালন করবে তার একটি অংশ হবে নারীর নিজের আত্মরক্ষার ক্ষমতা। * একাত্ম হতে এবং লালন করতে অনুভূতির সাথে যোগাযোগ থাকা কেবল সহায়কই নয় বরং এটি প্রয়োজনীয়। তাই পুরুষদের প্রথম কাজ—তাদের পরবর্তী বিবর্তনীয় কৌশল—হলো নিজের অনুভূতির সাথে সংযুক্ত হওয়া। * গত তিরিশ বছর ধরে নারী আন্দোলন নারীদের প্রায় প্রতিটি অনুভূতি প্রকাশে সমর্থন দিয়েছে। অন্য নারীদের কাছে। পুরুষদের কাছে। সমাজের কাছে। নারীদের অনুভূতি পাঠ্যক্রম, ওম্যান স্টাডিজ, টিভি স্পেশাল, টক শো এবং লাইফটাইম কেবলের বিষয়বস্তু হয়েছে। নারীদের অনুভূতিকে শিক্ষা এবং বিনোদন উভয়ই বলা হয়েছে। অন্যদিকে পুরুষদের অনুভূতি দমন করা হয়েছে যতক্ষণ না সেগুলো আলসারে পরিণত হয়েছে। * যেহেতু পুরুষেরা কম অভিযোগ করত তাই আমরা এই ভুল ধারণা তৈরি করেছিলাম যে নারীদের অভিযোগগুলো কেবল নারীদের অভিযোগ এবং তাই সেগুলো কেবল নারীদের সমস্যা। যা জননীতির মাধ্যমে নারীদের সমস্যা সমাধানের যুক্তি তৈরি করেছিল। * একজন বাবার প্রথাগত ভূমিকা তাকে পরিবারের ভালোবাসার কাছ থেকে দূরে থাকার মাধ্যমে নিজের পরিবারকে ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত করেছিল। * একজন মায়ের প্রথাগত ভূমিকা তাকে পরিবারের সাথে থাকার মাধ্যমে নিজের পরিবারকে ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত করেছিল। * আমরা মনে করি শ্রম বিভাজন এখন সেকেলে হয়ে গেছে কিন্তু আসলে এটি পুনরায় আবির্ভূত হয়েছে। আশির দশকের শুরুর দিকে একজন মায়ের পারিবারিক দায়িত্বের জন্য কাজ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা বাবার চেয়ে ৪৩ গুণ বেশি ছিল; সম্প্রতি একজন মায়ের কাজ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা ১৩৫ গুণ বেশি। * নারীদের মানসিক সমর্থনের জন্য চারটি অনানুষ্ঠানিক বিকল্প ব্যবহার করতে শেখানো হয়: স্বামী, নারী বন্ধু, সন্তান এবং মা-বাবা। পুরুষদের কেবল একটি বিকল্প ব্যবহার করতে শেখানো হয়: তাদের স্ত্রী বা নারী বন্ধু। * পুরুষেরা তাদের সমস্ত মানসিক চাওয়া তাদের স্ত্রীদের (বা নারী বন্ধুদের) ওপর নির্ভর করে রাখে। তাই একজন পুরুষের জন্য তার স্ত্রীর কাছে হতাশার অনুভূতি প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়ে কারণ সে যদি নিজেকে সরিয়ে নেয় তবে পুরুষটি মনে করে তার সম্পূর্ণ মানসিক সমর্থন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। * কোনো বিবাদের পর নারীরা কেবল সমর্থনের জন্য অন্য নারী বন্ধুদের কাছেই যায় না বরং বিবাদটি বিচ্ছেদে গড়ালে তাদের সন্তানদের সাথে থাকার সম্ভাবনা নয় গুণ বেশি। * মায়ের সাথে বসবাসকারী একজন নারীর স্বাধীনতা সীমিত হতে পারে; কিন্তু মায়ের সাথে বসবাসকারী একজন পুরুষের স্বাধীনতা এবং সম্মান উভয়ই সীমিত হয়ে পড়ে। অধিকাংশ পুরুষের জন্য সমর্থনের এই শূন্যতা এতটাই বিধ্বংসী যে তারা নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে মানসিক সমর্থন হারানোর ঝুঁকির চেয়ে স্ত্রীর সাথে একমত হওয়াকেই বেছে নেয়। * বিচ্ছেদের পর নারীদের সবচাইতে বড় ভয় হলো অর্থনৈতিক অভাব; পুরুষদের সবচাইতে বড় ভয় হলো মানসিক অভাব। * বিবাহবিচ্ছেদ আইন নারীদের বিচ্ছেদের পর অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়েছে; কিন্তু কোনো আইন পুরুষদের বিচ্ছেদের পর মানসিক সহায়তা দেয়নি। পুরুষদের তাদের প্রাক্তন স্ত্রীদের প্রতি ভরণপোষণ বা চাইল্ড সাপোর্টের দায়িত্ব পালন করে যেতে হয়; কিন্তু নারীদের তাদের প্রাক্তন স্বামীদের প্রতি গৃহস্থালির কাজ বা লালন-পালনের দায়িত্ব পালন করে যেতে হয় না। * নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে আমাদের অ্যাফারমেটিভ অ্যাকশন প্রোগ্রাম ছিল। এখন কি পুরুষদের অনুভূতির জন্য তেমন কিছু করার সময় এসেছে যা সরকার নারীদের অর্থনীতির জন্য করেছিল? * নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে পুরুষদের প্রতি রাগ এতটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল যে এমনকি দ্য ইকোনমিস্টের মতো শান্ত প্রকাশনাগুলোও নারী বনাম পুরুষের কাজের চাপকে এভাবে তুলে ধরেছিল “নারীর কাজ কখনোই শেষ হয় না; আর পুরুষ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মদ্যপ থাকে।” * এই আন্তর্জাতিক “সিস্টারহুড ইজ ভিকটিমহুড” বা নারীত্বের ভুক্তভোগী পরিচয়ের মেলবন্ধনের প্রভাব আমাদের সন্তানদের ওপর কী হতে পারে? * হোচশিল্ডের সবচাইতে বড় ভুল ছিল যা প্রায় প্রতিটি জনপ্রিয় গৃহস্থালির কাজ সংক্রান্ত গবেষণায় করা হয়: ঘরের কাজে পুরুষদের অবদানকে সঠিকভাবে পরিমাপ না করা। উদাহরণস্বরূপ, যদি মা শিশুদের ডে-কেয়ারে দিয়ে আসেন তবে তাকে গৃহস্থালির কাজ বলা হয়; কিন্তু বাবা যদি পরিবারকে নিয়ে দাদির বাড়িতে যান তবে তাকে গৃহস্থালির কাজ বলা হয় না। * লক্ষ্য করুন যে পুরুষেরা যা করে তার অনেক কিছুই একক মায়েরা করে থাকেন, তাই পুরুষরা যা করে তার প্রশংসা করা আমাদের একক মায়েরা যা করেন তা বুঝতেও সাহায্য করে। * বাস্তব জীবনে রাগের বদলে ভালোবাসা ফিরিয়ে আনার সেরা উপায় হলো আপনার সঙ্গী সাধারণত আপনার জন্য যা করে তা আপনি আপনার সঙ্গীর জন্য করার মাধ্যমে একে অপরকে লালন করা। * এমনকি যেসব পুরুষ তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তারা সহানুভূতির বদলে ‘ডিয়ার অ্যাবি’র দেওয়া উত্তরটি পায়: “নারীদের অবস্থা আরও খারাপ।” এই বিশ্বাসটি এতটাই শক্তিশালী যে গত ২৫ বছরে একজন রক্ষক-স্বামী পাওয়ার যে পুরনো কল্পনা নারীদের ছিল তা এখন এক নতুন দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে আর তা হলো অত্যাচারী স্বামী। * আমরা যদি বিশ্বাস করি যে মূলত পুরুষরাই নারীদের ওপর অত্যাচার করে তবে নারীদেরও যে পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন তা দেখা কঠিন হয়ে পড়ে: আমরা বলতে থাকি, “শুধু পুরুষদের পরিবর্তন করো। তারাই তো অত্যাচারী।” * চারজন পুরুষ বর্ণনা করছেন কীভাবে তাদের স্ত্রীরা তাদের পিঠে লাঠি দিয়ে আঘাত করেছে, ফ্রাইং প্যান দিয়ে মাথায় বা ঘাড়ে আঘাত করেছে... প্রতিটি গল্পের পর দর্শকরা হাসছে। সেই পুরুষেরা একটি পিএমএস মেন্স সাপোর্ট গ্রুপের অংশ ছিল। কল্পনা করুন নির্যাতিতা নারীরা যখন বর্ণনা করছে কীভাবে তাদের স্বামীরা ফ্রাইং প্যান দিয়ে তাদের মাথায় বা ঘাড়ে আঘাত করে মস্তিষ্কে বা মেরুদণ্ডে আঘাত করার হুমকি দিয়েছে তখন একদল পুরুষ হাসছে। * এই নির্যাতিত স্বামীদের সবাই এখনো তাদের স্ত্রীদের সাথেই আছেন। যখন একজন নারী তার ওপর অত্যাচার করা পুরুষের সাথে থাকে তখন আমরা তাকে পালিয়ে যেতে উৎসাহিত করার জন্য আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করি। যদি সে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তবে আমরা বলি সে “ব্যাটারড ওম্যান সিনড্রোম” বা নির্যাতিতা নারী সিনড্রোমের শিকার। * পুরুষদের গ্রুপের মূল লক্ষ্য ছিল পরিস্থিতি বোঝা, মানিয়ে নেওয়া, পরিবর্তন করা এবং সবকিছু ব্যর্থ হলে চলে যাওয়া; অন্যদিকে নির্যাতিতা নারীদের গ্রুপের মূল লক্ষ্য হলো প্রথমে চলে যাওয়া এবং দ্বিতীয়ত সমস্যার উৎসকে (পুরুষটিকে) আটকে রাখা। * সংক্ষেপে, যখন নারীরা অত্যাচার করে তখন পুরুষদের প্রথম অগ্রাধিকার হয় নারীদের সমর্থন দেওয়া এবং তাদের পরিবর্তনে সাহায্য করা; যখন পুরুষেরা অত্যাচার করে তখন নারীদের প্রথম অগ্রাধিকার হয় পুরুষদের কাছ থেকে পালানো এবং তাদের জেলে পাঠানো। * নারীবাদীদের মূলমন্ত্র: “একজন নারীকে আঘাত করার কোনো অজুহাত হতে পারে না।” এটি কি এমন হওয়া উচিত ছিল না “আঘাত করার কোনো অজুহাত হতে পারে না”? * কমেডি নাটকগুলোতে নিয়মিতভাবে নারীদের পুরুষদের আঘাত করতে দেখা যায় কিন্তু পুরুষদের নারীদের আঘাত করার দৃশ্য প্রায় দেখাই যায় না। যখন পুরুষটি চলে যেতে ব্যর্থ হয় তখন তাকে “ব্যাটারড ম্যান সিনড্রোম” বলা হয় না; একে কমেডি বলা হয়। * লক্ষ্য করুন পুরুষদের ভয় যে তারা যদি এটি কর্তৃপক্ষকে জানায় তবে তাদের বিশ্বাস করা তো হবেই না বরং তাদের উপহাস করা হবে। * পুরুষেরা কষ্টকে “গৌরব” বলতে শেখে; নারীরা পুলিশকে ডাকতে শেখে। * কেন প্রায় প্রতিটি সংস্কৃতিই তার পুরুষদের সহিংসতা সহ্য করার জন্য পুরস্কৃত করত? যাতে যুদ্ধের সময় তাকে রক্ষা করার জন্য একদল মানুষ পাওয়া যায়। * যাদের সবচাইতে বেশি সুরক্ষার প্রয়োজন বলে মনে করা হতো তারা হলো নারী ও শিশু। আর যে লিঙ্গকে সবচাইতে পরিত্যাজ্য মনে করা হতো তা হলো পুরুষ। * একজন পুরুষকে যতটা “পুরুষ হয়ে উঠতে” প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ততটাই তাকে নারী ও শিশুদের রক্ষা করতে শেখানো হয়, তাদের আঘাত করতে নয়। তাকে এমনকি একজন অপরিচিত ব্যক্তি বিশেষ করে নারী বা শিশু আহত হওয়ার আগে নিজে মৃত্যুবরণ করতে রাজি হতে শেখানো হয়। * আমরা প্রায়ই মনে করি যখন একজন পুরুষ অন্য পুরুষকে “মেয়ে” বলে অপমান করে তখন সেই অপমান নারীদের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে। না। এটি সেইসব পুরুষের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে যারা নারীর মতো মূল্যবান কাউকে রক্ষা করার মতো নিজেকে শক্তিশালী করতে চায় না। * এই উপহাস হলো নিজেকে অন্য কারো চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করার একটি চাপ: একজন মায়ের চেয়ে একটি শিশু বেশি মূল্যবান; একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী বেশি মূল্যবান। * যেসব নারীবাদী বলেন যে পুরুষত্ব মানেই হলো পুরুষদের বিশ্বাস করা যে তারা নারীদের আঘাত করতে পারে তারা পুরুষ এবং পুরুষত্ব সম্পর্কে সবচাইতে গভীর অজ্ঞতা প্রদর্শন করেন। * পুরুষেরা কী বলবে যখন পুরুষদের অপদস্থ করাকে “মজার” বলা হয় কিন্তু নারীদের অপদস্থ করাকে “লিঙ্গবৈষম্য” বলা হয়। * মিস্যান্ড্রি বা পুরুষ-বিদ্বেষ হলো মিসোজিনি বা নারী-বিদ্বেষের সমতুল্য। আপনি যদি পুরুষ-বিদ্বেষ সম্পর্কে সচেতন না হন তবে এই দলে আপনাকে স্বাগতম। * এই অধ্যায়টি পড়ার এক সপ্তাহ পর বিজ্ঞাপন, চলচ্চিত্র এবং দৈনন্দিন কথাবার্তায় পুরুষ-বিদ্বেষ আপনার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠবে। কিন্তু যে পক্ষপাতটি দেখা সবচাইতে কঠিন তা হলো সেই পক্ষপাত যা আমরা সবাই মিলে করি। * এমনকি তথাকথিত লিঙ্গ-নিরপেক্ষ শব্দ যেমন “সেক্সিস্ট” বা লিঙ্গবৈষম্য বলতে কেবল নারীদের প্রতি অবমাননা বোঝায়। * ১৯২০ সালে পুরুষদের গড় আয়ু নারীদের চেয়ে এক বছর কম ছিল; আজ তা সাত বছর কম। তবুও ফেডারেল সরকারের কেবল নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য একটি গবেষণা দপ্তর (অফিস অফ রিসার্চ অন উইমেনস হেলথ) রয়েছে। * পরনিন্দার কাজ হলো একটি “শত্রু পক্ষ” তৈরির মাধ্যমে নিজেদের দলের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি করা। * “ভালোবাসা এবং বন্ধুত্ব” বিভাগে গিয়ে দেখুন নারীদের জন্য নারীদের কাছে পাঠানোর উপযোগী কয়েক ডজন কার্ড রয়েছে যার অধিকাংশতেই পুরুষদের অপদস্থ করা হয়েছে কিন্তু পুরুষদের সম্পর্কে ভালো কিছু বলা হয়েছে এমন কার্ড প্রায় নেই বললেই চলে। === ''ফাদার অ্যান্ড চাইল্ড রিইউনিয়ন'' (২০০১) === * সফল এবং সুখী জীবনের জন্য যদি এমন কোনো গুণ থাকে যা অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি প্রয়োজন তবে তা হলো সহানুভূতি। এটি পরিবারের স্থায়িত্ব এবং ভালোবাসার মূলে থাকে। আমার কাছে এমন কোনো দম্পতি আসেনি যারা বলেছে, “আমি বিচ্ছেদ চাই; আমার সঙ্গী আমাকে বোঝে।” ** পৃষ্ঠা ৩০ * সীমানা বা সীমাবদ্ধতাকে গুরুত্ব দিতে শেখানো শিশুকে অন্যদের অধিকার এবং প্রয়োজনকে সম্মান করতে শেখায়। অন্যের প্রয়োজন নিয়ে চিন্তা করলে সহানুভূতি জন্মায়। ** পৃষ্ঠা ৩১ * বাবা আছেন এমন পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা গণিত এবং বিজ্ঞানে ভালো ফল করে, এমনকি তারা দুর্বল মানের স্কুলে পড়লেও। ** পৃষ্ঠা ৩১ * বাবা যত বেশি জড়িত থাকেন শিশু তত সহজে নতুন মানুষের সাথে খোলাখুলিভাবে এবং বিশ্বাসের সাথে মিশতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩৪ * আমরা প্রায়ই শুনি যে মায়েরা যত্ন নেন আর বাবারা কেবল খেলাধুলা করেন। এটি একটি ভুল ধারণা এমনকি বিপজ্জনকও কারণ বাবার খেলার ধরণের মধ্যে শেখানোর একটি সচেতন লক্ষ্য থাকে। গবেষণা এখন দেখাচ্ছে যে বাবারা যখন সচেতনভাবে কিছু শেখানোর চেষ্টা না করেন তখনও তাদের খেলা শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক হয়। ** পৃষ্ঠা ৫৭ * যে পরিবার একসাথে খেলতে জানে তাদের একসাথে থাকার শক্তিও থাকে। ** পৃষ্ঠা ৫৯ * শিল্পায়ন এক অদ্ভুত সংকট তৈরি করেছে: একজন বাবা তার সন্তানদের ভালোবাসার জন্য তাদের কাছ থেকে দূরে থাকছেন। ** পৃষ্ঠা ৮৮ * শিল্প বিপ্লব পুরুষদের বাড়ি থেকে মাঝে মাঝে অনুপস্থিত থাকাকে যা আগে কেবল শিকার বা যুদ্ধের সময় দরকার হতো একটি নিয়মে পরিণত করেছে। এই ক্রমবর্ধমান শ্রম বিভাজন নারী ও পুরুষের আগ্রহের জায়গাকে আলাদা করে দিয়েছে। এটি মাতৃত্বের সহজাত প্রবৃত্তির ধারণা এবং বাবার সাথে দূরত্বের বাস্তবতাকে বাড়িয়ে দিয়েছে। শিল্পায়নের আগে বিচ্ছেদ হলে শিশুরা সাধারণত বাবার সাথেই থাকত। পরে আর তা থাকেনি। ** পৃষ্ঠা ৮৮ * পরিবারের আর্থিক যোগানদাতা হওয়ার বাধ্যবাধকতা বাবার পরিবারের সাথে যুক্ত থাকার পথে সবচাইতে বড় বাধা। এটি বাবার সেই অদ্ভুত সংকট তৈরি করে: পরিবার থেকে দূরে থেকে পরিবারকে ভালোবাসা। এটি গতানুগতিক পিতৃত্বের এক বিদ্রূপ: বাবা না হয়ে বাবা হওয়া। ** পৃষ্ঠা ৯০ * পিতৃত্ব তৈরি করা মানে একটি বড় মানসিক পরিবর্তন আনা। অন্য লিঙ্গের চিরাচরিত ভূমিকার মানসিক দায়িত্ব পুরোপুরি ভাগ করে নেওয়া উভয় লিঙ্গের জন্যই কঠিন বিশেষ করে যখন অন্য লিঙ্গটি আশেপাশে থাকে। ** পৃষ্ঠা ৯০ * হলিউডের মায়েরা সব সময় সঠিক আর বাবারা কেবল উপস্থিত এই সূত্রের মধ্যে একটি প্রচ্ছন্ন অর্থ আছে যে মায়ের কোনো দোষ নেই। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * শিশুদের পুরুষদের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত করে আমরা তাদের সেই নির্যাতনের প্রতি আরও অসহায় করে তুলেছি যা আমরা প্রতিরোধ করতে চাইছি। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * অবচেতন স্তরে যৌনতাকে দানবীয় রূপ দেওয়া মানেই সাধারণত পুরুষদের দানব এবং নারীদের ভুক্তভোগী হিসেবে দেখানো। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * আমাদের ছেলেদের আমরা যত কম বিশ্বাস করব নারীরা তাদের তত কম ভালোবাসতে পারবে। আর নারীরা তত বেশি তাদের কেবল টাকার ব্যাগ হিসেবে ব্যবহার করার অধিকার বোধ করবে। ** পৃষ্ঠা ৯৮ * আরও গভীরভাবে দেখলে আমাদের ছেলেরা যদি শেখে যে তারা অশ্লীল, জঘন্য এবং অবিশ্বস্ত, তবে এটি কি পিতৃত্বের জন্য সেরা প্রস্তুতি? আর একজন মায়ের জন্য কি এটি সেরা প্রস্তুতি যে সে তার নিজের ছেলে সম্পর্কে এমনটা ভাববে? ** পৃষ্ঠা ৯৮ * যখন আমরা পুরুষের মূল্যবোধকে তুচ্ছ করি এবং পুরুষের যৌনতাকে দানবীয় করি তখন অনেক ছেলে কে তারা তা বোঝার আগেই নিজেদের বিকৃতমনা মনে করতে শুরু করে। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * অতীতে আমরা বিশ্বাস করতাম যে নারী-পুরুষ উভয়ই পাপ নিয়ে জন্মায়। আজ আমরা অবচেতনভাবে বিশ্বাস করতে শুরু করেছি যে ছেলেদের জন্মই পাপ আর মেয়েরা জন্মগতভাবে নিষ্পাপ। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * একজন বাবার জন্য এটা বলা গুরুত্বপূর্ণ যে, "তুমি যখন ওটা করো তখন বাবা হিসেবে আমি নিজেকে অপ্রয়োজনীয় মনে করি" অথবা "আমার এই দুরন্তপনা মানে খারাপভাবে বড় করা নয়; এটি আমাদের সন্তানকে ঝুঁকি নিতে সাহায্য করছে।" নারীরা শুনতে পায় না যা পুরুষেরা বলে না। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * আমরা যখন বাবাকে কেবল উদাসীন বাবা হিসেবে দেখি তখন তিনি পরিবারের সাথে থাকতে চাওয়ার যে সংকেতগুলো দেন সেগুলোও আমরা দেখতে পাই না। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * আমরা যখন পুরুষদের যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণ দিই তখন আমরা যাকে প্রশিক্ষণ দিই তার ভেতরকার মানবিক অংশটুকু হারিয়ে ফেলি এমনকি আমরা যুদ্ধে জিতলেও। যখন আমরা পুরুষদের ভালো লালনকারী হওয়ার প্রশিক্ষণ দিই তখন যারা সফল হয় না তারাও জিতে যায়। আর তাদের সাথে দেখা হওয়া প্রতিটি শিশুও জিতে যায়। পুরুষদের ভালোবাসতে শেখানো একটি জাতির জন্য সেরা বিনিয়োগ। ** পৃষ্ঠা ১১২ * আমরা যদি চাই আমাদের শিশুরা টাকা উপার্জন এবং ভালোবাসা দেখানোর মধ্যে ভারসাম্য রাখুক তবে বাবা-মা উভয়কেই সেই ভারসাম্যের উদাহরণ হতে হবে। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * কর্মক্ষেত্রে নারীদের চেয়ে পরিবারে বাবারা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ: কর্মক্ষেত্র নারীদের দ্বারা উপকৃত হয় কিন্তু পরিবারের বাবাকে প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * টিএএনএফ এবং ডব্লিউআইসির মতো প্রোগ্রামগুলো বাবাকে বাদ দেওয়াকেই সহায়তা করে। আসলে এগুলো ভবিষ্যতের সহায়তানির্ভর নাগরিক তৈরি করে যারা করদাতার অর্থ খরচ করে। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * সন্তান পালনের ক্ষেত্রে পুরুষেরা অনেকটা রোজি-দ্য-রিভিটারদের মতো: তাদের কেবল তখনই ডাকা হয় যখন প্রয়োজন হয় আর পরে তাদের ফেলে দেওয়া হয়। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * আমাদের শিশুরা পুরুষদের যখন শিশুদের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য পারিশ্রমিক পেতে দেখবে তখন পুরুষদের জন্য বাবা হিসেবে উপযুক্ত কাজ করা আরও সম্মানজনক হবে। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * মেল টিচার কোর শিশুদের কেবল বিভিন্ন পেশার পুরুষদের সাথেই পরিচয় করিয়ে দেয় না বরং ঝুঁকি নিতে সক্ষম এমন পুরুষালি শক্তি ও মূল্যবোধের সাথেও পরিচয় করায়। এটি পুরুষ এবং নারী মূল্যবোধের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * টিকে থাকার সংগ্রামের বিশ্বে একজন বাবার সমস্যা সমাধানকারী হওয়া দরকার ছিল। অনুভূতি লুকিয়ে তাকে কঠিন হতে হতো। তাকে নমনীয় না হয়ে বোঝানো, যুক্তি দেওয়া এবং নিয়ম তৈরি করার দরকার ছিল। এই গুণগুলোই তাকে যোগ্য করে তুলত এবং তার স্ত্রী ও সন্তান জুটত। এই গুণগুলোই ছিল তার সম্পর্কের ভাষা। সমস্যা হলো যে এই কঠিন হওয়া তার প্রিয়জনদের খাবার যোগালেও তাদের মনের খোরাক দিতে পারত না। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * দ্বিতীয় ধাপের বিশ্বে যেখানে টিকে থাকার সংগ্রাম জয় করে আত্মতৃপ্তির সাথে ভারসাম্য রাখা সম্ভব সেখানে আমাদের কাছে এমন সম্পর্কের ভাষা ব্যবহারের সুযোগ আছে যা আত্মাকে তৃপ্ত করে। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * যদিও আমাদের প্রাথমিক স্কুলগুলো বর্তমান যুগের প্রযুক্তিগত প্রয়োজনের সাথে তাল মেলাতে পুরো প্রজন্মকে কম্পিউটার ভাষা শেখাচ্ছে কিন্তু আমরা এই প্রজন্মকে সম্পর্কের ভাষা এবং বিবাদ মেটানোর দক্ষতা শেখাতে অবহেলা করেছি। জার্মানির মতো দেশগুলোতে যখন এটি শেখানো হয় তখন তাকে সামাজিক দক্ষতা বলা হলেও তার মূল লক্ষ্য থাকে কর্মক্ষেত্রের দলগত কাজ যা আসলে সেই টিকে থাকার সংগ্রামেরই অংশ। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * বাবারা যখন সন্তানদের সাথে সবচাইতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেন তখন সাধারণত তাদের মধ্যে এমন এক সহজাত বোধ থাকে যে উদাহরণস্বরূপ ফুটবল খেলতে যাওয়ার জন্য গাড়ির ভ্রমণটি খেলার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ১১৮ * একজন ভালো বাবা তার মেয়ের দলগত খেলায় যুক্ত হওয়া নিশ্চিত করতে পারেন। এটি তাকে জীবনের সেই শিক্ষাগুলো পেতে সাহায্য করে যা একটি দলকে শক্তিশালী করতে দরকার হয়। ** পৃষ্ঠা ১১৯ * যেহেতু কেউ সব সময় সঠিক হতে পারে না তাই সব সময় সঠিক হওয়ার ভান করা আসলে সন্তানদের মনে নিজেকে অপদার্থ ভাবার বীজ বুনে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১২০ * তার শিক্ষক হওয়ার বদলে আমি যদি নিজের অন্ধকার দিক, দোষ এবং ভুলগুলো তার সাথে খোলাখুলিভাবে শেয়ার করি তবে আমি আরও ভালো উদাহরণ হতে পারব। ** পৃষ্ঠা ১২০ * বাবা যখন নিজের ভুল স্বীকার করেন বা সাহায্য চান তখন সন্তান নিজেও ভুল করলেও নিজেকে অপদার্থ মনে করে না। এটি শিশুদের নতুন কিছু করতে উৎসাহিত করে এবং তাদের সৃজনশীলতাকে বিকশিত করে কারণ তারা তখন কিছু অবদান রাখার সুযোগ পায়। ** পৃষ্ঠা ১২০ * মহামন্দা যেমন একটি প্রজন্মের বাবাদের মনে এই ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছিল যে তাদের কাছে যথেষ্ট টাকা নেই ঠিক একইভাবে বাবার সান্নিধ্য না পাওয়া একটি প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের মনে ভিন্ন এক মানসিক ক্ষত তৈরি করছে। ** পৃষ্ঠা ১২১ * সংক্ষেপে বাবার সান্নিধ্যহীন একটি শিশুকে পৃথিবীতে পাঠিয়ে সব ঠিক আছে মনে করা কেবল বাবা টাকা দিচ্ছেন বলে তা অনেকটা একজন মদ্যপ চালককে মহাসড়কে পাঠিয়ে সব ঠিক আছে ভাবার মতো কারণ পেট্রোলের দাম মেটানো হয়েছে। এর মানে এই নয় যে মদ্যপ চালক গন্তব্যে পৌঁছাবে না। এর মানে হলো ঝুঁকি অনেক বড় এবং ব্যর্থতার ফলাফল আজীবনের। ** পৃষ্ঠা ১২২ * বিংশ শতাব্দীতে নারীদের যেমন কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য আইনের সাহায্যের প্রয়োজন ছিল একবিংশ শতাব্দীতে পুরুষদের তাদের সন্তানদের ভালোবাসার জন্য আইনের সাহায্যের প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ১২২ * সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে নাউ-এর সাথে আমার প্রথম বিরোধ শুরু হয় যখন এর শাখাগুলো বিচ্ছেদের পর বাবা-মায়ের সমান সময় কাটানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বাবার সংশ্লিষ্টতাকে নাকচ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * বাবা-মা উভয়ের অধিকার মূলত তাদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করার জন্য থাকা উচিত। মূলত মানে এই নয় যে একচেটিয়াভাবে। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * বাবা-মা উভয়য়ের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য থাকা উচিত যাতে শিশুরা উভয় অভিভাবকের সান্নিধ্য পেয়ে বড় হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * নারী-পুরুষের একাত্মতা কেবল নারীর অধিকার তৈরি করে না। এটি অধিকারের এক মেলবন্ধন তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * পুরুষের শরীর কি ঝুঁকির মুখে? যখন একজন পুরুষকে চাইল্ড সাপোর্ট দেওয়ার জন্য কাজ করতে বলা হয় তখন সে তার শরীর, সময় এবং জীবন ব্যয় করে নয় মাস নয় বরং অন্তত ১৮ থেকে ২১ বছর। তাই একজন সৎ নারীবাদীর মূলমন্ত্র হওয়া উচিত, “এটি নারী ও পুরুষ উভয়েরই পছন্দের অধিকার কারণ এখানে নারী ও পুরুষ উভয়েরই শরীর জড়িত।” ** পৃষ্ঠা ১৩২ * একজন নারীর এমন কোনো একতরফা সিদ্ধান্তের অধিকার নেই যা একজন পুরুষের বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে ঠিক যেমন একজন পুরুষেরও এমন কোনো একতরফা সিদ্ধান্তের অধিকার নেই যা একজন নারীর বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * যখন কেবল পুরুষেরা ভোটের জন্য নিবন্ধন করতে পারত তখন কেবল তাদেরই বাধ্যতামূলক সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হতো। আজ উভয় লিঙ্গই ভোট দিতে পারে কিন্তু কেবল পুরুষদেরই সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * আমরা ইতিহাসের এক অদ্ভুত সময়ে আছি যখন কোনো নারীর শরীর জড়িত থাকে তখন আমরা বলি সিদ্ধান্তটি তার; কিন্তু যখন কোনো বালকের শরীর জড়িত থাকে তখন আমরা বলি সিদ্ধান্তটি তার নয় আইন আমাদের ১৮ বছর বয়সী ছেলেদের সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়তে বাধ্য করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * এটি বিদ্রূপের বিষয় যে একটি আন্দোলন যা জৈবিক পার্থক্যকে গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য পরিচিতি পেয়েছিল যখন সেই পার্থক্যগুলো নারীদের প্রতিকূলে ছিল তারা সঙ্গে সঙ্গেই সেই জৈবিক পার্থক্যের দোহাই দেওয়া শুরু করল যখন তা নারীদের অনুকূলে এল। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * আমরা কোনো পুরুষকে একজন নারীর জীবন নির্ধারণ করার অনুমতি দেওয়ার কথা ভাবি না কেবল একারণে যে তার সৃষ্টি করা একটি ভ্রূণ নারীর জঠরে আছে; তবে আমরা কেন একজন নারীকে একজন পুরুষের জীবন নির্ধারণ করার অনুমতি দেব কেবল একারণে যে তার সৃষ্টি করা একটি ভ্রূণ নারীর জঠরে আছে? ** পৃষ্ঠা ১৩৭ * পুরুষেরা নারীদের বিশ্বাস করতে শেখে যতক্ষণ না বিপরীত কিছু ঘটে; নারীরা পুরুষদের সন্দেহ করতে শেখে যতক্ষণ না কোনো পুরুষ নিজেকে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ করে। ** পৃষ্ঠা ১৩৯ * যখন কোনো সরকার একজন পুরুষকে এমন একটি শিশুর ভরণপোষণ দিতে বাধ্য করে যা তৈরিতে তাকে প্রতারণা করা হয়েছিল তখন সেই সরকার আসলে প্রতারণাকে সহায়তা করছে। না, এটি তার চেয়েও খারাপ: এটি ১৮-২১ বছর ধরে সম্মতি ছাড়াই একজন পুরুষের শরীর ব্যবহার করা নারীকে সহায়তা করছে। ** পৃষ্ঠা ১৪৩ * একটি গণতন্ত্রে সরকারের নীতিগুলো নিয়ে খুব কমই প্রশ্ন তোলা হয় যতক্ষণ না সেই নীতিগুলো তৈরির পেছনের ধারণাগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। ** পৃষ্ঠা ১৪৭ * একটি যৌথ পছন্দের আন্দোলন ভ্রূণকে একজন নারী ও একজন পুরুষের জিন হিসেবে দেখে; দেখে নারী ও পুরুষের রক্তমাংস হিসেবে; এবং এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের দায়িত্ব ও অধিকার হিসেবে গণ্য হয়। এটি সমতার দিকে এগিয়ে যেতে চায়। ** পৃষ্ঠা ১৫৮ * নারীবাদীরা প্রায়ই নারীদের দুটি কাজের কথা বলেন: চাকরি এবং সন্তান। ঠিক। কিন্তু বিচ্ছেদ হওয়া এবং পুনরায় বিয়ে করা পুরুষদের কথা কেউ বলে না যাদের তিনটি কাজ করতে হয়: চাকরি এবং দুই পক্ষের সন্তানদের লালন-পালন ও আর্থিক ভরণপোষণ। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমি দ্রুতই বুঝতে পেরেছিলাম যে যেসব নারীবাদী প্রধান অভিভাবক তত্ত্বকে সমর্থন করেছিলেন তারা সমসুযোগের পক্ষে ছিলেন না বরং অসম সুযোগ সন্ধানী ছিলেন। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * যেসব পুরুষ বিচ্ছেদের পর নিজেদের সন্তানদের জীবন থেকে চলে যান তারা বাধ্যবাধকতা ছাড়াই সুবিধা চান। নৈতিকভাবে তাদের চলে যাওয়ার কোনো অধিকার নেই। যে আইন তা করতে দেয় তাও অনৈতিক। প্রধান অভিভাবক আইনগুলো ঠিক তেমনই। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * প্রধান অভিভাবক আইনের বিদ্রূপ হলো যে একদিকে নারীবাদীরা পুরুষের অর্জিত সম্পত্তিতে নারীর সমান অধিকারের জন্য লড়াই করছিল অন্যদিকে তারা যৌথভাবে জন্ম দেওয়া সন্তানের ওপর পুরুষের সমান অধিকারের বিরোধিতা করছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * সংক্ষেপে তিনি পুরুষের তৈরি করা জিনিসের অংশীদার; আর তিনি নারীর তৈরি করা জিনিসের দর্শনার্থী মাত্র। আমার কাছে এটি সমতা ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * নারীবাদ যখন সমসুযোগ থেকে অসম সুযোগ সন্ধানীতে পরিণত হলো তখন আমিও এর সমর্থক থেকে সমালোচকে পরিণত হলাম। কিন্তু আমার মনে কোনো পরিবর্তন হয়নি: আমি সমতার সমর্থক থেকে সমতার সমর্থকই রয়ে গেলাম। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * সংক্ষেপে যখন একজন পুরুষ অর্থ যোগাতে ব্যর্থ হয় তখন আমরা তাকে জেলে পাঠাই; যখন একজন নারী মা হিসেবে ব্যর্থ হয় তখন আমরা তাকে সমাজসেবার প্রস্তাব দিই। আমরা পুরুষদের ক্ষেত্রে অপরাধমূলক ব্যবস্থা নিই আর নারীদের ক্ষেত্রে সমাজসেবামূলক ব্যবস্থা নিই। ** পৃষ্ঠা ১৭৯ * অধিকাংশ মায়েরা তাদের সন্তানদের জীবনে বাবার উপস্থিতি বেশি চান কম নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৬ * সন্তান পালন একক অভিভাবকদের জন্য তৈরি করা হয়নি। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমরা যদি মায়েদের দেখা করার সময় না দেওয়ার জন্য শাস্তি দিই তবে আমাদের সেইসব বাবাদেরও শাস্তি দিতে হবে যারা দেখা করার সময়ে আসেন না। বিষয়টি বাবার দেখা করার অধিকার নয় বরং সন্তানদের প্রতি উভয় অভিভাবকের বাধ্যবাধকতা। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমাদের সন্তানদের জন্য দেখা করা বনাম হেফাজত না বলে বরং প্যারেন্ট টাইম বা অভিভাবকের সময় বলাটা বেশি ভালো হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমরা যখন মায়ের হেফাজত জেতা বা বাবার দেখা করার সময়ের কথা বলি তখন আমরা কেউ জেতা আর কেউ হারার কথা বলি। আমরা যখন মা বা বাবার সন্তানের সাথে সময় কাটানোর কথা বলি তখন আমরা দুই অভিভাবকের কথা বলি—একজন অভিভাবক বনাম একজন দর্শনার্থীর কথা নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * দেখা করা বিষয়টি অনুপস্থিত বাবার যুগের প্রতিফলন; প্যারেন্ট টাইম বিষয়টি একজন নিবেদিত বাবার পুনরায় আবির্ভূত হওয়ার প্রভাব ফেলে। দেখা করা মানে পরিবারের ধ্বংস; প্যারেন্ট টাইম মানে পরিবারের পুনর্গঠন। এটি এমন এক যুগের কথা বলে যেখানে বোঝা যায় যে যেকোনো একজন অভিভাবকের পরাজয় মানেই শিশুদের পরাজয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * যখন একজন অভিভাবক শিশুকে তার প্যারেন্ট টাইম থেকে বঞ্চিত করেন তখন তিনি আসলে শিশুকে তার ভরণপোষণ থেকে বঞ্চিত করেন মানসিক ভরণপোষণ। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * বিচ্ছেদের পর পুরুষদের সবচাইতে বড় ভয় হলো সন্তানদের হারানো (নারীদের ক্ষেত্রে তা হলো দারিদ্র্য)। ** পৃষ্ঠা ১৯০ * একজন নারীর দৃষ্টিকোণ থেকে অভিভাবকের সময় ভাগ করে নেওয়াটা অনেকটা এমন যেমনটা একজন পুরুষ অনুভব করতে পারে যদি তার প্রাক্তন স্ত্রী তার অফিসে এসে তার কাজ ভাগ করে নেয়। সে হয়তো দাবি করবে যে এই ভাগাভাগি কোম্পানির স্বার্থে ভালো নয়। কিন্তু সে আসলে ভয় পায় যে তার প্রাক্তন স্ত্রী যদি তার নিজের কাজে তার চেয়ে ভালো করে তবে তার সম্মান ক্ষুণ্ণ হবে। এই ভয়টি বোঝা গেলেও পার্থক্য হলো তার ক্যারিয়ার তার নিজের কিন্তু তাদের সন্তানরা তাদের উভয়ের। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * নারীদের জন্য যদি ইকুয়াল এমপ্লয়মেন্ট অপরচুনিটি কমিশন থাকে তবে পুরুষদের জন্য কেন ইকুয়াল ফ্যামিলি অপরচুনিটি কমিশন থাকবে না? ** পৃষ্ঠা ১৯৭ * রাগের সবচাইতে খারাপ রূপ হলো যখন একজন অভিভাবক মনে করেন যে তার প্রাক্তনকে ধ্বংস করার মাধ্যমেই তার সন্তানকে জেতার সুযোগ বাড়বে। আইন সবচাইতে প্রতিহিংসাপরায়ণ অভিভাবককে নির্যাতনের তাস খেলার একটি সুযোগ করে দিয়েছে। এটিই হলো বিশাল প্রলোভন। ** পৃষ্ঠা ১৯৯ * যখন নারীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করেছিল তখন অনেক পুরুষ তাদের মেন্টর ছিল এবং বিনিময়ে নারীদের অবদানকেও শ্রদ্ধা করতে শিখেছিল। এখন আমরা যখন পুরুষদের শিশুদের যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব দিচ্ছি তখন নারীদের মেন্টর হতে হবে এবং আমাদেরও পুরুষদের অনন্য অবদানগুলোকে শ্রদ্ধা করতে শিখতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * আমরা যদি পুরুষালি ধরণের অভিভাবকত্বকে অবহেলা করি এবং সেই দায়িত্বশীল বাবাটিকে জেলে পাঠাই তবে পিতৃত্ব আরেকটি ঝুঁকিপূর্ণ পেশা হয়ে দাঁড়াবে। আর এই প্রক্রিয়ায় আমাদের শিশুরা একটি বড় উপহার হারাবে তা হলো প্রকৃত পিতৃত্ব। এটি খারাপ খবর হলেও সুখবর হলো এই বাবা ও সন্তানের পুনর্মিলনের পথ আছে... ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * পুরুষেরা সেখানেই যায় যেখান থেকে প্রশংসা আসে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * চ্যালেঞ্জটি হলো আমাদের প্রশংসার ধরণ পরিবর্তন করা: বাবার টাকার বদলে বাবার ভালোবাসাকে বেশি মূল্য দেওয়া। আর সেই সাথে তার মানসিকতার পরিবর্তন ঘটানো যা তাকে ভালোবাসার যোগ্য করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * প্রযুক্তি বাড়িতে থাকা বাবার জন্য সহায়ক। এটি পরিবারকে গরিব না হয়েও আগের চেয়ে অনেক বেশি সৃজনশীল এবং নমনীয় হতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * অনেক নারী আবিষ্কার করছেন যে মাতৃত্বের সহজাত প্রবৃত্তি মানে শিশুদের জন্য বাবার উপস্থিতি নিশ্চিত করা প্রতিদিন দূরে কোথাও নয়। কেউ কেউ সচেতন যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা মানে নিজের সন্তানকে আঁকড়ে ধরা নয় যেন এটি তার চাকরি। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * বাবাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের জন্য আমাদের বাবাদের ভালোবাসার ধরণ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা প্রয়োজন। এটা স্বীকার করা জরুরি যে অতীতের কঠোর নিয়মগুলো পুরুষরা কেবল নিজেদের সুবিধার জন্য তৈরি করেনি। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * আমরা যদি পুরুষদের স্বার্থপর মনে করি তবে আমরা তাদের লালনকারী হিসেবে ভাবতে পারব না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * সরকারি ও বেসরকারি উৎসের তহবিলের অভাব খুব একটা সমস্যা হতো না যদি প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার পুরুষদের ওপর নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রচারের জন্য খরচ না করা হতো। এই তহবিল পুরুষদের অধ্যয়ন বাদ দিয়ে নারী অধ্যয়নকে উৎসাহিত করে; উদাসীন বাবাদের নিয়ে গবেষণার জন্ম দেয় কিন্তু কপর্দকশূন্য বাবাদের নিয়ে কোনো গবেষণা করে না কিংবা সেইসব মায়েদের নিয়ে যারা বাবাকে সন্তানদের কাছে আসতে দেয় না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * এই একপক্ষীয় তহবিল জাতিকে ভুল তথ্য দেয় যে বিচ্ছেদ হওয়া একজন মা বিচ্ছেদ হওয়া একজন পুরুষের চেয়ে বেশি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই বিচারকরা মনে করেন পুরুষের ভবিষ্যৎ আয় নারীর হওয়া উচিত আর আইনসভাও বাবাদের দেওয়া অর্থকে করমুক্ত করতে অস্বীকার করে যদিও নারী সেই অর্থের ওপর কোনো কর দেন না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * পুরুষদের চাপা অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করার জন্য কোনো তহবিল নেই: যেমন সন্তানদের বাবার কাছ থেকে দূরে রাখতে কখন মিথ্যা অভিযোগকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে; বা কখন অন্য অভিভাবক সন্তানের কাছে খারাপ কথা বলছেন; বা যখন উদাসীন বাবাদের পরিসংখ্যানে সেইসব পুরুষদের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে যারা মৃত বা বেকার; অথবা যখন পুরুষেরা পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * একপক্ষীয় তহবিল একপক্ষীয় চিত্র তৈরি করে যা সংবাদমাধ্যমকে শুধুমাত্র নারীদের সমস্যাগুলোই প্রগতি হিসেবে তুলে ধরতে উৎসাহিত করে। ফলে পুরুষদের বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা নারীদের ওপর সহিংসতার সমান তা জনমানসে খুব সামান্যই প্রভাব ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * এই পক্ষপাতদুষ্ট গবেষণা থেকেই পক্ষপাতদুষ্ট সামাজিক নীতি তৈরি হয়। কোটি কোটি ডলার খরচ করা হয় সেইসব বাবাদের সাজা দিতে যারা মায়েদের অর্থ দেন না; কিন্তু সেইসব মায়েদের সাজা দেওয়ার জন্য কিছুই করা হয় না যারা বাবাদের সন্তানদের সাথে দেখা করতে দেন না। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * তহবিলের প্রয়োজনীয়তা আসে গত কয়েক দশকের পুরুষদের প্রতি এক ধরণের মনোভাবের বিপরীতে ভারসাম্য তৈরি করার জন্য। আর কিছুটা প্রয়োজন হলো কীভাবে উভয় লিঙ্গ সেই কঠোর ভূমিকা থেকে নমনীয় পথে এগিয়ে যেতে পারে তার একটি সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * যেখানে কেউ শোনার নেই সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব কম। এভাবেই বাবা, ছেলে এবং পরিবারগুলো অকারণে হারিয়ে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * মানি নেওয়ার ক্ষমতা আমাদের বিবর্তনীয় ঐতিহ্যের অংশ যে প্রজাতি টিকে থাকে তারা মানিয়ে নেয়। মানুষ বিবর্তনীয় মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তাদের অগ্রাধিকার পরিবর্তন করার মাধ্যমে মানিয়ে নেয়। ** পৃষ্ঠা ২৪২ * আমাদের স্কুলগুলোতে সম্পর্কের ভাষা শেখানোর জন্য তহবিল প্রয়োজন যাতে ভবিষ্যৎ অভিভাবকরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে; সন্তানদের সাথে কথা বলতে পারে এবং সন্তানদের শেখাতে পারে বিশ্বের সাথে কীভাবে যোগাযোগ করতে হয়। সামাজিক দক্ষতা ছাড়া প্রযুক্তিগত উন্নতি অনেকটা ব্যবিলনের টাওয়ারের মতো। ** পৃষ্ঠা ২৪৩ * বাবা ও সন্তানের পুনর্মিলন ঘটানোর সামাজিক নীতিগুলোর সব সময় নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত, “আমরা কি বাবাদের থাকার জন্য টাকা দিচ্ছি নাকি চলে যাওয়ার জন্য?” যদি একজন একক মা বাবা আশেপাশে না থাকলে থাকার চেয়ে বেশি টাকা পায় তবে আশেপাশে বাবাদের সংখ্যা কমই হবে। সরকার তখন তার বিকল্প স্বামী হয়ে উঠবে। ** পৃষ্ঠা ২৪৫ * পরিবারের চেয়ে শক্তিশালী বা বহুমুখী আর কোনো শক্তি নেই। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * সম্ভবত আমাদের সবচাইতে বড় প্রশংসা প্রয়োজন সেই লক্ষ লক্ষ পুরুষ ও নারীর প্রতি যাদের আমরা সৎ-অভিভাবক বলি। বিশেষ করে যারা নিজের কোনো সন্তান মানুষ করছেন না তবুও ভালোবেসে শিশুদের জন্য সময় এবং অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * আমরা যদি পুরুষদের বাবা হতে অনুপ্রাণিত করতে চাই তবে তাদের প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পাওয়া নিয়ে ঢালাও সমালোচনা বন্ধ করতে হবে এবং তারা আসলে কী ভয় পায় তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ === ''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' (২০০৫) === * নারীদের আরও বেশি বেতন পেতে সাহায্য করা এই বইয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ** পৃষ্ঠা ১৭. * কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের আচরণের মধ্যে ২৫টি পার্থক্য রয়েছে। এই ২৫টি পার্থক্যের কারণেই পুরুষেরা বেশি বেতন পায় এবং নারীরা আরও ভালো জীবন—অথবা অন্তত আরও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন কাটাতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * সপ্তাহে ৪৫ ঘণ্টা কাজ করা একজন ব্যক্তি সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা কাজ করা ব্যক্তির চেয়ে গড়ে ৪৪% বেশি আয় করেন। অর্থাৎ ১৩% বেশি সময়ের বিনিময়ে ৪৪% বেশি আয়। ** পৃষ্ঠা ১৮ * যদি একজন নিয়োগকর্তাকে একই কাজের জন্য একজন পুরুষকে এক ডলার দিতে হয় যা একজন নারী ৫৯ সেন্টে করতে পারেন, তবে কেউ কেন একজন পুরুষকে নিয়োগ দেবেন? ** পৃষ্ঠা ১৯ * ১৯৬৯ সালে সারা দেশে সেইসব নারী অধ্যাপকেরা যারা কখনো বিয়ে করেননি এবং যাদের কোনো লেখা প্রকাশিত হয়নি, তারা তাদের সমপর্যায়ের পুরুষ সহকর্মীদের তুলনায় ১৪৫% বেশি আয় করতেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * ২০০১ সালের জরিপ: যেসব পুরুষ কখনো বিয়ে করেননি, যাদের সন্তান নেই, যারা পূর্ণকালীন কাজ করেন এবং কলেজ শিক্ষিত, তারা একই যোগ্যতাসম্পন্ন নারীদের আয়ের মাত্র ৮৫% আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * একজন খণ্ডকালীন নারী কর্মী তার সমপর্যায়ের পুরুষ কর্মীর প্রতিটি এক ডলার আয়ের বিপরীতে এক ডলার দশ সেন্ট আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * গত ৩০ বছর ধরে নারীদের প্রতি বৈষম্যের দিকে আমাদের অতিরিক্ত মনোযোগ আমাদের নারীদের জন্য থাকা সুযোগগুলোর প্রতি অন্ধ করে রেখেছে। ** পৃষ্ঠা ২৪ * আমি ক্ষমতাকে নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করি। বেতন বা আয় ক্ষমতার বিষয় নয়। বেতন হলো বেতনের ক্ষমতা পাওয়ার জন্য নিজের অন্য ক্ষমতা ত্যাগ করা। ** পৃষ্ঠা ২৪ * যারা বিশ্বাস করেন যে "আপনি সবকিছুই পেতে পারেন", তাদের জন্য লেখা বইগুলো প্রায়ই পরামর্শ দেয়, "আপনার ভালো লাগার কাজগুলো করুন এবং টাকা এমনিতেই আসবে।" কিন্তু শেয়ার বাজারের ধসের পর এর আসল বিনিময় অনেকটা এমন "যখন আপনি আপনার পছন্দের কাজগুলো করতে যাবেন, তখন আপনি টাকা মিস করবেন।" ** পৃষ্ঠা ৩ * হোয়াই মেন আর্ন মোর বইতে বেতনের যে ধাঁধার কথা বলা হয়েছে তা হলো: পুরুষেরা বেশি টাকা আয় করে, তাই পুরুষদের ক্ষমতা বেশি; আবার পুরুষেরা বেশি টাকা আয় করে, তাই পুরুষদের ক্ষমতা কম (বেশি টাকা আয় করা সেখানে একটি বাধ্যবাধকতা, কোনো পছন্দ নয়)। নারীদের ক্ষেত্রে এর উল্টোটা সত্যি: নারীরা কম টাকা আয় করে, তাই নারীদের ক্ষমতা কম; আবার নারীরা কম টাকা আয় করে, তাই নারীদের ক্ষমতা বেশি (সন্তান লালন-পালনের সুযোগ থাকা অথবা কোনো বিপজ্জনক কাজ বেছে না নেওয়া)। ** পৃষ্ঠা ১১ * বিজ্ঞান বা কঠিন বিষয়গুলো নিয়ে পড়ার সবচাইতে ভালো কারণ সম্ভবত এটাই যে, একটি গবেষণা অনুযায়ী বিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিসিন এবং ডেন্টিস্ট্রির ছাত্ররা আর্টস (বা ল) ছাত্রদের চেয়ে বেশি দিন বাঁচেন। তাই আপনি যে টাকাই আয় করেন না কেন তা আপনি আরও বেশি দিন নিজের কাছে রাখতে পারবেন। ** পৃষ্ঠা ১৮ * বেতন হলো বেতনের ক্ষমতা পাওয়ার জন্য আমাদের ছেড়ে দেওয়া অন্য ক্ষমতা। উদাহরণস্বরূপ, আমরা যখন নিজেদের জন্য কাজ না করে অন্যের জন্য কাজ করি তখন আমরা আমাদের ক্ষমতা হারাই, কিন্তু বিনিময়ে আমরা বেতনের চেক বা আর্থিক ক্ষমতা পাই। * নারীরা কি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো ক্ষেত্রগুলো এড়িয়ে চলেন কারণ সেখানে পুরুষদের আধিপত্য বেশি এবং নারীদের প্রতি বৈষম্য করা হয়? সম্ভবত না। নারী আন্দোলনের আগে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রটি মেডিসিন বা আইনের চেয়ে বেশি পুরুষ-শাসিত ছিল না। আর নারীরা এখন প্রচুর সংখ্যায় মেডিসিন ও আইনে যোগ দিচ্ছেন। যখন নারীরা পুরুষ-শাসিত ক্ষেত্রে প্রবেশ করেন তখন তারা সাধারণত বেশি আকর্ষণীয় পেশাগুলো বেছে নেন। গণমাধ্যমও একে উৎসাহিত করে। এলএ ল ছিল কিন্তু কোনো এলএ ইঞ্জিনিয়ারিং ছিল না। ইআর মানে ইঞ্জিনিয়ারিং রুম নয়। ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার, গণিত ও বিজ্ঞানের মতো ক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য নারীরা ছয় স্তরের উৎসাহ পায়: প্রথমত, পুরুষদের চেয়ে ভালো শুরুর বেতন; দ্বিতীয়ত, হাই স্কুলের মেয়েদের জন্য বিশেষ প্রোগ্রাম; তৃতীয়ত, কেবল নারীদের জন্য সরকারি বৃত্তি; চতুর্থত, কেবল নারীদের জন্য কর্পোরেট অনুদান ও বৃত্তি; পঞ্চমত, নারীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বিজ্ঞাপন; এবং ষষ্ঠত, শীর্ষস্থানীয় মহিলা কলেজগুলোর বিজ্ঞান প্রোগ্রামের জন্য বিশেষ অনুদান। ** পৃষ্ঠা ২৫ * ঝুঁকিপূর্ণ পেশার ক্ষেত্রে এক ধরণের অদ্ভুত সংকট বা ক্যাচ-২২ পরিস্থিতি থাকে: কাজ যত ঝুঁকিপূর্ণ হয় সেখানে পুরুষ তত বেশি থাকে; সেখানে পুরুষ যত বেশি থাকে আমরা কাজটিকে নিরাপদ করার বিষয়ে তত কম গুরুত্ব দিই। ঝুঁকিপূর্ণ পেশার এই সংকট একটি ‘গ্লাস সেলার’ বা অন্ধকার ঘর তৈরি করে যেখানে খুব কম নারীই প্রবেশ করতে চান। নারীরা কেবল কাজের জায়গায় আঘাত পাওয়ার ভয়েই পিছিয়ে যান না বরং এমন এক পরিবেশের কারণেও পিছিয়ে যান যা একটি ঝুঁকিপূর্ণ কাজকে প্রয়োজনের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৭ * আপনার মেয়ে বলল, ‘বাবা, মা, আমি সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চাই।’ আপনি তার সুন্দর চেহারার দিকে তাকালেন, তার পুরো জীবন আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠল এবং আপনি একটি লাশের ব্যাগ দেখতে পেলেন। এখনই তাকে সামরিক বাহিনীর সবচাইতে বড় গোপন কথাটি জানানোর সময়: সে সামরিক বাহিনীতে যোগ দিয়েও ঘরে থাকার মতোই নিরাপদ থাকতে পারে। কীভাবে? ইরাক যুদ্ধে বিমান বাহিনীতে একজন নারীও নিহত হননি। নৌবাহিনীতে (মারিন্স) একজন নারীও নিহত হননি। আর নৌবাহিনীতে (নেভি) মাত্র একজন মারা গেছেন। আপনার কাজ হলো তাকে কেবল সেনাবাহিনী (আর্মি) থেকে দূরে রাখা। ** পৃষ্ঠা ৩০ * দক্ষিণ আফ্রিকার কয়লা খনি হোক, আলাস্কার মাছ ধরার নৌকা হোক বা আমেরিকার সামরিক বাহিনী হোক নারীদের প্রতি পুরুষদের সুরক্ষামূলক মনোভাব এবং নারীদের নিজেদের (ও সন্তানদের) প্রতি সুরক্ষার প্রবৃত্তি পুরুষদের নারীদের তুলনায় অনেক বেশি পরিত্যাজ্য করে রাখে। সামরিক বাহিনীতে এই ধরণের একটি উদাহরণ দেখা যায়। সামরিক বাহিনীর এসইআরই (সারভাইভাল, ইভেশন, রেজিস্ট্যান্স এবং এস্কেপ) স্কুলগুলোতে নারী শিক্ষার্থীদের সুস্থতার বিষয়ে পুরুষ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এতটাই উদ্বেগ ছিল যে প্রশিক্ষকরা এখন পুরুষদের নারীদের ওপর যৌন নির্যাতন বা অন্যান্য লাঞ্ছনার বিষয়ে সংবেদনহীন করার চেষ্টা করেন যাতে যুদ্ধে তাদের এই সংবেদনশীলতাকে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার না করা যায়। আমরা সামরিক বাহিনীতে নারীদের নিরাপদ মনে করি কারণ তাদের এখনো সবচাইতে বিপজ্জনক কাজে নিয়োগ দেওয়া নিষিদ্ধ। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা আসলে নারীদের রক্ষা করার চিরাচরিত পুরুষালি প্রবৃত্তিরই প্রতিফলন। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * নিরাপত্তা বেছে নেওয়া মানে কেরিয়ারের চেয়ে জীবনকে প্রাধান্য দেওয়া। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * অয়েল রিগ বা তেলের খনিগুলোতে যে পুরুষেরা দিনে মাত্র ৮ ঘণ্টা কাজ করে তাদের অবজ্ঞার সাথে ‘নাইন-টু-ফাইভের’ বা অফিস ঘরানার মানুষ বলা হয়। এর উল্টোদিকে নারীরা ঝুঁকি খুব সামান্য হলেও তা নিতে চান না। আমাদের ছেলেদের জন্য বার্তাটি কী? আমাদের ছেলেরা যখন শারীরিক বিপদের ঝুঁকি নেয় তখন আমাদের প্রশংসা তাদের শেখায় যে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার ইচ্ছা ভালোবাসা তৈরি করে। লাঞ্ছনাই কি তবে ভালোবাসা? হ্যাঁ। ** পৃষ্ঠা ৩৯ * আমরা রোল মডেলদের ‘নেতা’ বললেও অধিকাংশ নেতা আসলে অনুসারী। অধিকাংশ ‘নেতা’ তাদের প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধা বা প্রলোভনের অনুসারী। আর আমরাই সেই মানুষ যারা তাদের প্রলোভন দেখাই। আমরা মূলত পুরুষদের জীবন বাজি রাখার জন্য দুটি প্রলোভন দিই: বেতন এবং প্রশংসা... যে পুরুষ স্বেচ্ছায় একটি মৃত্যু পেশা বেছে নেয় সে তার শরীরের বিনিময়ে বেতন পাওয়ার আশা করে। মৃত্যু পেশাগুলোর না বলা মূলমন্ত্র হলো ‘আমার শরীর, কিন্তু সিদ্ধান্ত আমার নয়’। ** পৃষ্ঠা ৪০ * সবচাইতে অপ্রিয় সময়ে কাজ করতে ইচ্ছুক হওয়ার মাধ্যমে পুরুষেরা যে অর্থ উপার্জন করে তা নারীদের প্রতি বৈষম্যের চিহ্ন নয় বরং এটি অধিকাংশ বিবাহিত পুরুষের পরিবারের ভরণপোষণের জন্য নিজের ঘুম বিসর্জন দেওয়ার চিহ্ন, ঠিক যেমন তাদের স্ত্রীরা সন্তানকে খাওয়ানোর জন্য ঘুম বিসর্জন দেন। অস্বস্তিকর শিফটে কাজ করার এই মানসিকতাই বিবাহিত পুরুষদের অবিবাহিত পুরুষদের তুলনায় দ্বিগুণ আয় করার অন্যতম কারণ। রাতে করা পুরুষদের এই অবদান যেন অন্ধকারে হারিয়ে না যায়। ** পৃষ্ঠা ৬৯ * আমরা যখন অভিজ্ঞতার বছরগুলোকে হিসেবে ধরি না তখন একজন নারীর পক্ষে হতাশ হওয়া খুব সহজ যখন তিনি এমন শিরোনাম দেখেন যেমন টিভি নিউজ ডিরেক্টরদের ওপর গবেষণা নারীদের প্রতি বৈষম্য খুঁজে পেয়েছে। আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে কোনো নারী যখন পড়তেন যে নারী টিভি নিউজ ডিরেক্টররা পুরুষ ডিরেক্টরদের চেয়ে ২৭% কম বেতন পান তখন এটি তাকে এই ক্ষেত্রটি এড়িয়ে চলতে বাধ্য করত... অন্যদিকে যদি শিরোনামটি গবেষণার মূল ফলাফলকে আরও নির্ভুলভাবে তুলে ধরত যে, ‘নারী ম্যানেজাররা পুরুষদের চেয়ে তিন গুণ দ্রুত টিভি নিউজ ডিরেক্টর হন,’ তবে সেই নারী নিজেকে কাঙ্ক্ষিত মনে করতেন... সংক্ষেপে বেশি বেতনের পথটি হলো একটি টোল বা কর দেওয়ার পথ। কিন্তু ইতিহাসের এই সময়ে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা টোল বুথ রয়েছে এবং নারীদের কাছ থেকে নেওয়া টোলের পরিমাণ কম। যারা বেশি বেতনের পথে হাঁটতে চান এমন প্রতিটি নারীর জন্য এটি উৎসাহব্যঞ্জক হওয়া উচিত যাতে টোল কম থাকতেই তারা এই পথ বেছে নেন। আর যেসব পুরুষ সন্তানদের সাথে থাকতে চান অথবা তাদের কর্মমুখী স্ত্রীকে সমর্থন করতে চান তাদের সচেতন হওয়া উচিত যে একজন ভালো বাবা হওয়ার এবং স্ত্রীর সাফল্যকে সমর্থন করার এর চেয়ে ভালো সময় আর কখনো ছিল না। ** পৃষ্ঠা ৮৫-৮৭ * যারা বেশি বেতন পান তারা কোম্পানির প্রয়োজনে অন্য জায়গায় বিশেষ করে অপ্রিয় জায়গাগুলোতে যেতে বেশি ইচ্ছুক থাকেন... একজন কর্পোরেট সেক্রেটারি একই শহরের অন্য কোম্পানিতে বদলি হতে পারেন; কিন্তু একজন কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ একই কোম্পানির প্রয়োজনে অন্য শহরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। একজন প্রতিভাবান কর্পোরেট সেক্রেটারি অন্য জায়গায় যাওয়ার প্রস্তাবকে কেবল একটি আমন্ত্রণ হিসেবে দেখেন; কিন্তু একজন ভবিষ্যৎ কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ একে একটি সুযোগ এবং একটি বাধ্যবাধকতা হিসেবে দেখেন। ** পৃষ্ঠা ৯৩-৯৪ * আমরা যখন সমান ঘণ্টা কাজ করা নারী ও পুরুষদের বেতনের দিকে তাকাই তখন দুটি বিস্ময়কর আবিষ্কার পাওয়া যায়: <br>—যখন নারী ও পুরুষ সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টার কম কাজ করেন তখন নারীরা পুরুষদের চেয়ে বেশি আয় করেন; <br>—যখন তারা ৪০ ঘণ্টার বেশি কাজ করেন তখন পুরুষেরা নারীদের চেয়ে বেশি আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ৭৯ * বর্তমানে নারীদের সপ্তাহে ৫০ ঘণ্টার বেশি কাজ করার সম্ভাবনা পুরুষদের অর্ধেক। (আবারও বলছি কর্মজীবী নারীরা বাড়িতে বেশি সময় দেন।) কোনো নারীর পক্ষে এই প্রতিশ্রুতির সাথে ২০ বছর কাজ চালিয়ে যাওয়া এবং পরে সিইও হিসেবে নিজের কাজের সময় আরও বাড়িয়ে দেওয়া খুবই বিরল। কিন্তু ঠিক বিরল বলেই যেসব নারী এটি করতে ইচ্ছুক তারা অনেক বেশি ব্যতিক্রমী হিসেবে পরিচিত হন। আসলে নারীরা অনেক বেশি ‘ইউরোপীয়’ ধাচের—তারা বেঁচে থাকার জন্য কাজ করেন, কাজ করার জন্য বাঁচেন না। কিন্তু স্বাস্থ্যবান এবং ভারসাম্যপূর্ণ মানুষ যারা কেবল বাঁচার জন্য কাজ করেন তারা খুব কমই শীর্ষে পৌঁছাতে পারেন। ** পৃষ্ঠা ৮২ * অবিবাহিত নারীরা প্রায়ই ভয় পান যে তারা যে পুরুষদের সাথে ডেট করছেন তারা হয়তো কম কেরিয়ার এবং বেশি সন্তান পালনের বিষয়টি পছন্দ করবেন না। সম্ভবত। যদি কোনো নারী অনেক বেশি কেরিয়ার সচেতন পুরুষকে বেছে নেন তবে তিনি যা বেছেছেন তাই পাবেন। সমাধান কী? এমন পুরুষদের মধ্য থেকে বেছে নিন যারা কেরিয়ার সচেতন নারীকে বিয়ে করতে পছন্দ করবেন এবং কয়েক বছরের জন্য সন্তানদের সাথে ঘরে থাকতে ভালো বোধ করবেন। এমন পুরুষ খুঁজে পাচ্ছেন না? আপনার ম্যাচকটকম প্রোফাইলে আপনার আগ্রহের কথা জানান—সঠিক মানুষ খোঁজার জন্য ইন্টারনেটই সেরা মাধ্যম। আপনি অবাক হয়ে যাবেন। ** পৃষ্ঠা ৮৩-৮৪ * যারা বেশি বেতন পায় তারা কম নিরাপত্তা চায়। বিষয়। ২০০৪ সাল। আমি আমার প্রকাশক প্রতিষ্ঠানের (অ্যামাকম) সেলস এবং মার্কেটিং টিমের কাছে হোয়াই মেন আর্ন মোর বইটি উপস্থাপন করছি। বেশি বেতনের অন্যতম উপায় হিসেবে আর্থিক ঝুঁকির উদাহরণ দিতে আমি ঘরে উপস্থিত সবাইকে জিজ্ঞাসা করলাম যারা কমিশনের বিনিময়ে কাজ করেন তারা দাঁড়িয়ে যান। আটজন পুরুষ দাঁড়িয়ে গেলেন; কোনো নারী দাঁড়ালেন না। এরপর আমি যারা নির্দিষ্ট বেতনের বিনিময়ে কাজ করেন তাদের দাঁড়াতে বললাম: প্রায় সমান সংখ্যক নারী ও পুরুষ দাঁড়িয়ে গেলেন। ** পৃষ্ঠা ১০৭ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এমনকি নির্দিষ্ট কোনো পেশার ভেতরেও পুরুষদের আর্থিক ঝুঁকি নেওয়ার ধরণ দেখা যায়। নারী চিকিৎসকদের সরকারি বা কোনো এইচএমও প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সম্ভাবনা পুরুষদের চেয়ে তিন গুণ বেশি; অন্যদিকে পুরুষ চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বার বা একক প্র্যাকটিস করার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। ** পৃষ্ঠা ১০৮ * কর্পোরেট সংকট বা ক্যাচ-২২: নমনীয়তা না দেখালে ভালো নারী কর্মীদের হারান; নমনীয়তা দেখালেও ভালো নারী কর্মীদের হারান... একটি কোম্পানি যখন নারীদের নমনীয়তার ইচ্ছা এবং কম পদোন্নতির আকাঙ্ক্ষার কথা শুনে তাদের পদোন্নতি কম দেয় এবং পরে আবার কম পদোন্নতি দেওয়ার জন্য সেই কোম্পানির বিরুদ্ধেই মামলা হয়। ইদ্দিশ ভাষায় এর জন্য একটি শব্দ আছে: চুটজপা। ** পৃষ্ঠা ১১১-১২ * ইতিহাসের এই মুহূর্তে লক্ষ লক্ষ ‘চাকরিজীবী বাবা’ এমন কিছু করতে চাচ্ছেন যা করার অধিকার তারা আছে বলে মনে করেন না: বাবা হিসেবে বেশি সময় দেওয়া এবং কর্মী হিসেবে কম সময় দেওয়া। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের নারী এক্সিকিউটিভদের তুলনায় পুরুষ এক্সিকিউটিভদের মধ্যে এই অনুভূতি অনেক বেশি কারণ সেই অঞ্চলের নারী এক্সিকিউটিভদের সন্তান না থাকার সম্ভাবনা পুরুষদের চেয়ে ছয় গুণ বেশি। একজন এশিয়া-প্যাসিফিক পুরুষ এক্সিকিউটিভের চাকরিজীবী বাবা হওয়ার সম্ভাবনা একজন নারী এক্সিকিউটিভের চাকরিজীবী মা হওয়ার চেয়ে প্রায় ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১১৩ * হাজার বছর ধরে নারীরা পুরুষদের তাদের ভরণপোষণ করার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে পছন্দ করেছে। নারীরা কর্মক্ষেত্রে যত বেশি পারদর্শী হবে তারা তত বেশি নতুন ধরণের পুরুষের সাথে অংশীদারিত্বের পথ খুলে দেবে। আমি আশা করি এই বইয়ের প্রথম অংশ পুরুষদের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে। আমরা যখন পুরুষ-শাসিত পেশাগুলোতে পুরুষদের চেয়ে নারীদের আর্থিকভাবে ভালো করতে দেখি তখন তা কর্মক্ষেত্রে নারীদের প্রতি পুরুষদের মনোভাবের একটি উদার চিত্র তুলে ধরে। যেহেতু আমরা বেশি উপার্জনের জন্য আত্মত্যাগ করার কথা ভাবি তাই আমি আশা করি আমরা সেই ত্যাগগুলোর প্রশংসা করব যা পুরুষেরা তাদের পরিবারের ‘আর্থিক জঠর’ হয়ে পরিবারকে লালন করার জন্য করেছে। বিশেষ করে ‘চাকরিজীবী বাবাদের’ ত্যাগ এবং তাদের ‘অদৃশ্য লড়াইয়ের’ প্রশংসা করব। ** পৃষ্ঠা ১২২ * পুরুষেরা নিজেদের জন্য পছন্দ বা বিকল্প তৈরির ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে থাকলেও তারা আসলে নারীরা নিজেদের জন্য যে পছন্দগুলো চায় তার নীরব সমর্থক ছিল। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * পুরুষদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাবের গভীর উদ্দেশ্য হলো সেইসব শিশুদের জন্য আরও ভালো জীবন নিশ্চিত করা যাদের বাবা বা সৎ বাবারা তাদের অভিভাবক; আমাদের ছেলেদের জন্য কম লজ্জার পরিবেশ তৈরি করা যারা ভবিষ্যতে পুরুষ হবে; এবং আমাদের মেয়েদের জন্য পুরুষদের সন্তুষ্ট করার ইচ্ছার একটি গভীর বোধ তৈরি করা যা তাদের অনুভব করাবে যে তাদের সন্তুষ্ট করার মানসিকতা একপক্ষীয় নয় বরং পারস্পরিক—এতে আমাদের মেয়েরা নিজেকে কম একা এবং বেশি ভালোবাসার যোগ্য মনে করবে। আমরা যদি আয় বেশি করি এবং ভালোবাসা কম দিই তবে আমরা এমন একটি বাড়ির জন্য টাকা দিচ্ছি যেখানে আমরা বাস করি না। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * এক অর্থে শিশু যত্নের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের কাজের সাথে শিশুদের সম্পর্কের বিষয়টি একটি পূর্ণ চক্র সম্পন্ন করেছে। আমরা ছোট পারিবারিক ব্যবসা বা খামার যেখানে শিশু যত্ন এবং কাজ একসাথে চলত তা থেকে সন্তানদের ঘরে রেখে বাবার কাজে যাওয়ার যুগে গিয়েছিলাম; এখন আবার মা এবং বাবা উভয়েই ঘরে বসে কাজ করছেন যেখানে শিশু যত্ন এবং কাজ পুনরায় একত্রিত হয়েছে। সেই পুরনো পারিবারিক কাজের ধরণে আমরা আবার ফিরে এসেছি। ** পৃষ্ঠা ১৩১ * ইতিহাস জুড়ে পুরুষেরা শিখেছে যে টিকে থাকা, সম্মান এবং নারীর ভালোবাসা সবই অর্জিত হয় কোনো বড় সাফল্য বা ‘মেকিং আ কিলিং’-এর মাধ্যমে—তা পশু শিকার হোক, শত্রু বিনাশ হোক অথবা ওয়াল স্ট্রিটে বড় কোনো সাফল্য পাওয়া হোক। পুরুষেরা ভালোবেসে যা উৎপাদন করত নারীরা সেই অর্থ পেত। পুরুষেরা মনে করত টাকা, সম্পত্তি বা বীরত্ব ছাড়া তারা নারীর ভালোবাসার যোগ্য নয়। নারীরা মনে করত পুরুষেরা তাদের জন্য যে টাকা খরচ করে তা হলো তারা সেই পুরুষের কাছে কতটা মূল্যবান বা ভালোবাসার পাত্রী তার বহিঃপ্রকাশ। নারীর ভালোবাসার ক্ষমতা হয়ে উঠেছিল তার নিরাপত্তার উৎস: ‘হীরাই হলো একটি মেয়ের পরম বন্ধু’। মূলত ইতিহাস জুড়ে প্রায় সব সমাজে এবং সব শ্রেণিতে এই ধরণটিই সত্যি ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৩৫ * কর্মক্ষেত্রে নারীরা বৈষম্যের শিকার হয় এই বিশ্বাসটি কোনো দম্পতির মধ্যে নারীর ঘরে থাকার প্রবণতাকে আরও শক্তিশালী করে। নারীর ঘরে থাকার এই প্রবণতাই কর্মক্ষেত্রে তার গুরুত্ব কমিয়ে দেয়। এরপর বিয়ের ঠিক পরেই স্বামীর কেরিয়ারের জন্য তার নিজের বদলি হওয়া যুক্তিযুক্ত মনে হয় কিন্তু স্ত্রীর কেরিয়ারের জন্য স্বামীর বদলি হওয়া নয়। একইভাবে স্ত্রীর কেরিয়ারের চেয়ে স্বামীর ডাক্তারি, আইন বা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিতে বিনিয়োগ করা তাদের কাছে বেশি যুক্তিযুক্ত মনে হয়... বিদ্রূপের বিষয় হলো একটি মিথ্যা বাস্তবতা থেকে একটি আসল বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। আর বিদ্রূপের বিষয় হলো নারীদের কেরিয়ারে সাহায্য করার জন্য দেওয়া মন্তব্যগুলোই উল্টো তাদের কেরিয়ারের ক্ষতি করছে। নরকের পথ ভালো উদ্দেশ্য দিয়েই তৈরি হয়... ** পৃষ্ঠা ১৪৫ * আমরা যখন বলি যে পুরুষেরা বৈষম্য করে বলেই তারা শীর্ষে রয়েছে তখন আমরা মূল বিষয়টি ধরতে ভুল করি। পুরুষেরা কর্মক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে কারণ কাজ মূলত পুরুষদের দায়িত্ব ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * যদি দলগত খেলাগুলো কর্পোরেট জগতের জন্য ব্যবস্থাপনার দক্ষতা তৈরি করে তবে পাড়ার খেলাগুলো অনেকটা উদ্যোক্তা হওয়ার প্রশিক্ষণের মতো... পাড়ার খেলাগুলোতে এখনো ৯৯% পুরুষ থাকে। অর্থাৎ উদ্যোক্তা হওয়ার এই ধরণের প্রস্তুতি মূলত ৯৯% পুরুষালি সামাজিকীকরণের অংশ। আমি মনে করি এটিই একটি অন্যতম কারণ যে নিজের ব্যবসা চালানো পুরুষেরা তাদের নারী সমকক্ষদের তুলনায় দ্বিগুণ আয় করে। ** পৃষ্ঠা ১৫৬ * নারী-পুরুষ উভয়ই পুরুষ ডেন্টিস্টদের আমাদের মুখের ভেতর কাজ করার অনুমতি দিই, কিন্তু আপনি কি কখনো কোনো পুরুষ ডেন্টাল হাইজিনিস্টকে আপনার মুখের ভেতর কাজ করতে দিয়েছেন? পুরুষকে আমাদের ব্যক্তিগত জায়গাগুলোতে পৌঁছানোর জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে হয় যা কোনো নারীর ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় না—তাকে হয় ডাক্তার বা ডেন্টিস্ট হতে হবে নতুবা সেই আশা ছাড়তে হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮১ * নারীদের অধিকতর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং সৌন্দর্যের ক্ষমতা দৃশ্যমান এবং অদৃশ্য উভয় ধরণের আয়ের সুযোগ করে দেয়। এই সুযোগ প্রায় সব নারী এবং কিছু পুরুষের জন্য থাকলেও ‘জেনেটিক সেলিব্রিটি’ বা জন্মগতভাবে সুন্দরীদের ক্ষেত্রে তা অঢেল পরিমাণে থাকে... এমন সুন্দরী নারী যার পেছনে পুরুষেরা কেবল তাকিয়ে দেখা বা কথা বলাই নয় বরং তার অনুসরণও করে। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * আমি যখন জাপানে হোয়াই মেন আর দ্য ওয়ে দে আর বইটির প্রচারে গিয়েছিলাম তখন আমাকে ‘স্নাক’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছিল। স্নাক বিষয়টি এভাবে কাজ করে: একজন পুরুষ কাজ থেকে বাড়ি ফিরছে এবং তার দিনটি খুব খারাপ কেটেছে। সে মনে করে না যে তার স্ত্রী তার কথা শুনতে চাইবে তাই সে ৫০ থেকে ৮০ ডলার খরচ করে একটি স্নাকে যায়—যেখানে সে স্যান্ডউইচ, পানীয় এবং একজন সুন্দরী নারী পায় যে সহানুভূতির সাথে তার কথা শুনবে—নিরাপদভাবে বলতে গেলে খাবারের সাথে একজন সুন্দরী মনোবিজ্ঞানী। সেখানে কোনো পুরুষ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয় না। ** পৃষ্ঠা ১৯৮ * আইনজীবীদের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে যেসব আইনজীবীদের ছবি নিরপেক্ষভাবে বেশি সুদর্শন বলে মনে করা হয়েছিল তারা কম সুদর্শন আইনজীবীদের তুলনায় বছরে প্রায় ১২% বেশি আয় করেন। সুদর্শন আইনজীবীরা বেশি সময় ধরে কাজ করতেন কিন্তু যখন সেই সময় এবং অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয় তখনও দেখা যায় যে সুদর্শন আইনজীবীরা ঘণ্টায় অনেক বেশি আয় করেন। বলা বাহুল্য পুরুষ আইনজীবীদের নারীদের তুলনায় কম আকর্ষণীয় হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল যা নারীদের আয়ের ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। চেহারার আকর্ষণীয়তার ব্যবধান যত বেশি আয়ের ব্যবধানও তত বেশি ছিল। সময় যত গড়িয়েছে এই ব্যবধান তত বেড়েছে। মাঝে মাঝে জীবন ন্যায়বিচার করে না। ** পৃষ্ঠা ১৯৯-২০০ * নারীদের জন্মগত সৌন্দর্যের ক্ষমতা পুরুষদের রক্ষাকর্তার প্রবৃত্তিকে বাড়িয়ে দেয়। এটি বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকারকে অনুপ্রাণিত করে। জন্মগত সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষদের এই আসক্তি হয় অদৃশ্য অথবা তারা এটি অস্বীকার করার পর্যায়ে থাকে—ফলে আমরা হয় এটি দেখতে পাই না নতুবা সামনে এলে অস্বীকার করি। ** পৃষ্ঠা ২০৭ * এটি নিজের ওপর পরীক্ষা করে দেখুন। কল্পনা করুন এক মাস ধরে আপনার ময়লা পরিষ্কার করা হয়নি এবং আপনি নতুন কোনো নৃতাত্ত্বিক আবিষ্কার সম্পর্কে পড়ার সুযোগও পাননি। কোনটি সমাধান করতে আপনি বেশি টাকা খরচ করবেন? একটি সমাজ যখন কার্যকরভাবে চলে তখন তারা চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেতন নির্ধারণ করে। এই সামঞ্জস্য করতে ব্যর্থ হলে কেবল রাস্তা ময়লায় ভরে যায় না বরং নৃতাত্ত্বিকদের বেকারত্বের দীর্ঘ লাইনও তৈরি হয়। ** পৃষ্ঠা ২১১ * বেকারত্ব অবশ্যই অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দেয় যা আরও বেকারত্ব তৈরি করে। বিদ্রূপের বিষয় হলো বেকারত্ব পুরুষদের চেয়ে নারীদের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে। নারীবাদীরা যুক্তি দেন যে এটি লিঙ্গবৈষম্যের কারণে হয়: নারীদের সবশেষে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং সবার আগে ছাঁটাই করা হয়। ফলাফলটি সঠিক হলেও কারণটি ভুল। আমাদের যা সবচাইতে বেশি প্রয়োজন আমরা তাকে আগে নিয়োগ দিই এবং যা সবচাইতে কম প্রয়োজন তাকে আগে ছাঁটাই করি। একারণেই আপনি ময়লা সংগ্রাহককে আগে নিয়োগ দেন এবং সবার শেষে ছাঁটাই করেন। পুরুষদের হয়তো আগে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং সবার শেষে ছাঁটাই করা হয় কারণ অনেক পুরুষ সমাজের নোংরা এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো কম মূল্যে করতে রাজি হয়। ** পৃষ্ঠা ২১২ * নারীদের মধ্যে সবচাইতে অনস্বীকৃত ব্যয়ের প্রত্যাশা হলো একক মায়েরা শিশুদের লালন-পালনের পেছনে যে সময় ব্যয় করেন তা কেবল শারীরিকভাবে নয় বরং মানসিকভাবেও। আমার মনে হয় একজন মায়ের সময়ের খুব সামান্য অংশই চাইল্ড সাপোর্ট বা আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে পূরণ করা হয় যদি বিবেচনা করা হয় যে সেই সময়টুকু তিনি কর্মক্ষেত্রে দিলে কত আয় করতে পারতেন... একারণেই যেসব নারী কখনো বিয়ে করেননি এবং যাদের সন্তান নেই তারা কর্মক্ষেত্রে মায়েদের তুলনায় অনেক বেশি আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২২ === ''দ্য বয় ক্রাইসিস'' (২০১৮) === * “যারা বাবা হতে চলেছেন তাদের মধ্যে ছেলে সন্তানের চেয়ে মেয়ে সন্তান পছন্দ করার সম্ভাবনা প্রায় দ্বিগুণ।” ** পৃষ্ঠা ২ * পঁচিশ থেকে একত্রিশ বছর বয়সী যুবকদের তাদের সমবয়সী নারীদের তুলনায় বাবা-মায়ের সাথে থাকার সম্ভাবনা ৬৬ শতাংশ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২ * “পুরুষত্বের অবসান” হয়ে যাওয়ার আগাম ধারণা আপনার ছেলের জীবন সংগ্রামের জন্য মোটেও কোনো অনুপ্রেরণা নয়। ** পৃষ্ঠা ৪ * যখন কেবল একটি লিঙ্গ জয়ী হয় তখন আসলে উভয় লিঙ্গই হেরে যায়। ** পৃষ্ঠা ৪ * কেবল ছেলেদের দিকে তাকিয়ে আমরা ছেলেদের সংকট বা বয় ক্রাইসিস সমাধান করতে পারি না। ** পৃষ্ঠা ৯ * ছেলেদের নিয়ে লেখা একটি বইতে আমি পুরুষদের নিয়ে আলোচনা করেছি কারণ পুরুষেরা হলো সেই রোল মডেল যারা আপনার ছেলেকে হয় একটি সুন্দর কাঠামো এবং অনুপ্রেরণা দেবে নতুবা তাকে লক্ষ্যহীন ও বিষণ্ণ করে তুলবে। ** পৃষ্ঠা ৯ * ইরোকুইদের মহান আইন হলো যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের পবিত্রতম দায়িত্ব হলো সাত প্রজন্ম পরের কথা ভাবা—অর্থাৎ আজ আমরা যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি তা কেবল আমাদের বা আমাদের সন্তানদের জন্যই নয় বরং ভবিষ্যতে আমাদের কয়েক প্রজন্ম পরের সন্তানদেরও উপকার করবে কি না তা নিয়ে সচেতন হওয়া। ** পৃষ্ঠা ৯ * যখন দাদারা বাবা ছিলেন তখন দাদাদের সেই বিশেষ ধরণের লালন-পালন যেমন বাচ্চাদের সাথে ধস্তাধস্তি করা অথবা সন্তানদের সেবা পাওয়ার বদলে সেবা করার যে প্রত্যাশা তা কেন শিশুদের বিকাশে এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল তা নিয়ে কোনো গবেষণা ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১০ * ভবিষ্যতের কোনো ভাবনাই নিখুঁত হতে পারে না। তবে ''দ্য বয় ক্রাইসিস''-এর লক্ষ্য হলো গত আধা শতাব্দী ধরে নারী ও মেয়েদের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে যে জাতীয় আলোচনা হয়েছে তার সাথে ছেলে এবং পুরুষদের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়েও একইভাবে বিস্তারিত আলোচনা করা। ** পৃষ্ঠা ১০ * কোনো ছেলে যখন মানসিক স্বাস্থ্যের এক আঁকাবাঁকা পথে চলতে থাকে এবং নিজেকে একা ও বিষণ্ণ মনে করে কারণ সে ভাবে যে তার আসল রূপটি কেউ ভালোবাসে না বা তাকে কারো প্রয়োজন নেই এবং এই অবস্থার পরিবর্তনের কোনো আশাও নেই—তখন সে একদিন পাহাড়ের কিনারায় পৌঁছে হয়তো নিজেকে শেষ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৫ * স্কুল এবং অন্যান্য গণ-শুটিংয়ে যে খুন ও আত্মহত্যার সমন্বয় দেখা যায় তা মূলত মানসিকভাবে বিপর্যস্ত শ্বেতাঙ্গ ছেলেদের পাহাড়ের কিনারা থেকে নিচে পড়ে যাওয়ার মতোই একটি বিষয়। ** পৃষ্ঠা ১৬ * শ্বেতাঙ্গ পুরুষদের মধ্যে আত্মহত্যার হার বৃদ্ধি পাওয়ায় এইডস-এ যত শ্বেতাঙ্গ পুরুষ মারা গেছেন ঠিক ততজনই আত্মহত্যার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন। ** পৃষ্ঠা ১৫ * দশ থেকে বিশ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ ছেলেদের মৃত্যুর প্রধান দশটি কারণের মধ্যে খুনের শিকার হয়ে মারা যাওয়ার সংখ্যা বাকি নয়টি কারণের সম্মিলিত সংখ্যার চেয়েও বেশি। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পুরুষালি ভূমিকার চাপ এবং হরমোনের প্রভাব বাড়ার সাথে সাথে আত্মহত্যার হারও বৃদ্ধি পায়। বয়ঃসন্ধির আগে ছেলে এবং মেয়েদের আত্মহত্যার হার প্রায় সমান থাকে। তবে দশ থেকে চৌদ্দ বছর বয়সের মধ্যে ছেলেদের আত্মহত্যার হার মেয়েদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পনেরো থেকে উনিশ বছর বয়সের মধ্যে ছেলেদের আত্মহত্যার হার মেয়েদের চার গুণ; আর বিশ থেকে চব্বিশ বছর বয়সের মধ্যে পুরুষদের আত্মহত্যার হার নারীদের তুলনায় পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১৬ * গুরুত্ব কমে যাওয়ার ফলে পুরুষেরা নিজেদের মূল্যহীন মনে করতে শুরু করেছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬ * ২০১৫ সালের দিকে ভালো অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যেও নারীদের তুলনায় পুরুষেরা সাড়ে তিন গুণ বেশি আত্মহত্যা করছিল। ** পৃষ্ঠা ১৭ * বয় ক্রাইসিস বা ছেলেদের সংকট যে একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে তার সবচাইতে বড় প্রমাণ হলো ১৯৭৩ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জেল এবং কয়েদিদের সংখ্যা ৭০০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * জেলে থাকা কৃষ্ণাঙ্গ যুবকদের বিশাল সংখ্যার পেছনে আমরা প্রায়ই বর্ণবাদকে কারণ হিসেবে দেখি কিন্তু যেহেতু "কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষদের" অন্য পরিচয়টি হলো তারা “পুরুষ”, তাই এর পেছনে আমাদের লিঙ্গবৈষম্য দায়ী কি না তা আমরা খুব কমই ভেবে দেখি। ** পৃষ্ঠা ১৮ * আজ পর্যন্ত আমাদের কারাগার সংক্রান্ত আলোচনা কেবল বন্দি রাখা বনাম সংশোধনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে, অপরাধ প্রতিরোধ বনাম বন্দিত্বের ওপর নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮ * একজন প্রাথমিক স্কুল শিক্ষার্থীর পেছনে ব্যয়ের তুলনায় জেলখানায় ব্যয়ের হার পাঁচ গুণ বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ১৯ * বর্তমানে পঞ্চাশ বছরের কম বয়সী ছেলে এবং পুরুষদের মৃত্যুর সম্ভাবনা একই বয়সী মেয়ে এবং নারীদের তুলনায় দ্বিগুণ। ** পৃষ্ঠা ২০ * প্রতিদিন ১৫০ জন কর্মী ঝুঁকিপূর্ণ কাজের পরিবেশে মারা যান। আর তাদের মধ্যে ৯২ শতাংশই হলেন পুরুষ। ** পৃষ্ঠা ২১ * সামগ্রিকভাবে এই কাজগুলোকে "অন্ধকূপের কাজ" বলা যেতে পারে। এখানে কেবল পুরুষরাই থাকে কারণ প্রায় সব ক্ষেত্রেই আমাদের ছেলেরাই তাদের পরিবারের সুন্দর জীবনের জন্য মৃত্যুর ঝুঁকি নিতে রাজি হয়। ** পৃষ্ঠা ২২ * বিগোরিক্সিয়া বা মৃত্যু পেশা বেছে নেওয়া যাই হোক না কেন আমাদের ছেলেরা এবং আমাদের মেয়েরা প্রায়ই এমন কিছুর প্রতি সাড়া দেয় যা তাদের প্রশংসা এবং শ্রদ্ধা এনে দেবে বলে তারা মনে করে। ** পৃষ্ঠা ২৪ * আপনার ছেলের দাদার কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল তার কাজের উন্নতি না হওয়া; কিন্তু আপনার ছেলের কাছে চ্যালেঞ্জ হলো তার কাজ অন্য কোথাও চলে যাওয়া। ** পৃষ্ঠা ২৫ * আপনার ছেলে এমন এক অর্থনীতিতে প্রবেশ করবে যা শারীরিক শক্তির বদলে এখন মানসিক শক্তি বা মাইক্রোচিপের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। ** পৃষ্ঠা ২৫ * গত চল্লিশ বছরে কেবল হাই স্কুল ডিপ্লোমা থাকা ছেলেদের বার্ষিক গড় আয় ২৬ শতাংশ কমেছে। ** পৃষ্ঠা ২৫ * চাকরি পাওয়া যত কঠিন হয় জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়াও ততটাই কঠিন হয়ে পড়ে। ** পৃষ্ঠা ২৬ * এটিই আমাদের জিনগত ঐতিহ্য। এই প্রক্রিয়াটি আমাদের অতীতে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে কিন্তু আমাদের ভবিষ্যতের জন্য এর আর প্রয়োজন নেই। কিন্তু যেহেতু আমরা রাতারাতি বিবর্তন পরিবর্তন করতে পারি না তাই আসুন আপনার ছেলেকে এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে সাহায্য করি। ** পৃষ্ঠা ২৬ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ৪১ শতাংশ মেয়ে লেখায় "দক্ষ" হলেও ছেলেদের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ২০ শতাংশ। ** পৃষ্ঠা ২৮ * যেসব ছেলে অনুপ্রাণিত হয় তারা সমাজের সবচাইতে গঠনমূলক শক্তিতে পরিণত হতে পারে—যেমন নতুন কিছু উদ্ভাবন করা (যেমন অ্যামাজন, অ্যাপল, ফেসবুক, মাইক্রোসফট এবং গুগল)—অন্যদিকে ছেলেদের শক্তিকে যদি সঠিকভাবে পরিচালিত করা না হয় তবে তারা সিরিয়াল কিলার বা অপরাধীতে পরিণত হয়ে সমাজের সবচাইতে ধ্বংসাত্মক শক্তিতেও পরিণত হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২৯ * জাপান তাদের কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম অনেক বাড়িয়েছে যেখানে ২৩ শতাংশ হাই স্কুল গ্র্যাজুয়েট কারিগরি স্কুলে পড়াশোনা করে। এর ফলে ৯৯.৬ শতাংশ জাপানি কারিগরি শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশনের পরপরই চাকরি পায়। ** পৃষ্ঠা ৩১ * আমার মনে হয় আপনার ছেলের ভবিষ্যতের জন্য আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হবে: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই যত উন্নত হবে মানুষ মানুষের কাছ থেকে সেই আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ততটাই বেশি করবে। ** পৃষ্ঠা ৩১ * যখন নারী ও পুরুষ উভয়কেই অন্যের অনুভূতি সঠিকভাবে বোঝার জন্য পারিশ্রমিক দেওয়া হয় তখন সহানুভূতির লিঙ্গ ব্যবধান ঘুচে যায়! এর মানে হলো সহানুভূতি এবং আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার ক্ষমতা ছেলে ও পুরুষদের ভেতরেই আছে; আমাদের শুধু তাদের জানাতে হবে যে আমরা এই গুণের জন্য তাদের মূল্যায়ন করব। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যারা অন্যদের উত্ত্যক্ত করে এবং যারা উত্ত্যক্ত হয় তাদের মধ্যে তিনটি মিল আছে: উভয়েই নেতিবাচক পরিবার, স্কুল এবং সামাজিক পরিবেশ থেকে আসে; উভয়েরই আত্মমর্যাদা কম এবং উভয়েরই সামাজিক দক্ষতা দুর্বল। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যেহেতু সহানুভূতি এবং আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা শেখানো সম্ভব এবং এই দক্ষতাগুলোই ভবিষ্যতের পেশার জন্য সবচাইতে বেশি প্রয়োজন তাই আমাদের প্রাথমিক স্কুল থেকেই এই শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা দরকার। ** পৃষ্ঠা ৩২ * বিশ্বজুড়ে ছেলেদের পড়ার দক্ষতা, গণিত এবং বিজ্ঞানের মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে মেয়েদের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি ফেল করার সম্ভাবনা থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩৪ * আশির দশকের পর থেকে ছেলেদের আইকিউ প্রায় ১৫ পয়েন্ট কমেছে। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * আত্মহত্যা এখন সারা বিশ্বে “যুদ্ধ, খুন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মিলিত মৃত্যুর চেয়েও বেশি প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে যা ৩৬ মিলিয়ন বছরের স্বাস্থ্যকর জীবন চুরি করে নিচ্ছে”। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * ভারতে পুরুষদের আত্মহত্যার হার নারীদের তুলনায় নয় গুণ বেশি দ্রুত গতিতে বাড়ছে। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * ছেলে ও পুরুষদের মৃত্যু এবং কষ্টের প্রতি আমাদের সংবেদনশীলতা আমাদের বেঁচে থাকার সহজাত প্রবৃত্তির সাথে প্রতিযোগিতায় নামে। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * যুদ্ধে জেতার জন্য আমাদের ছেলেদের পরিত্যাজ্য হতে শেখাতে হয়েছিল। আমরা ছেলেদের সম্মান জানাতাম যদি তারা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রাণ দিত। আমরা তাদের বীর বা হিরো বলতাম। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * কোনো ছেলে যত বেশি নিজের অনুভূতি দমন করে এবং নিজের হৃদয়ের চারপাশে বর্ম তৈরি করে আমাদের পক্ষে তার প্রতি মন খোলা রাখা ততটাই কঠিন হয়ে পড়ে। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * আমরা একে ইকিগাই বলি বা জীবনের উদ্দেশ্য—আমরা যখন এমন কিছু করি যা আমাদের জীবনকে অর্থবহ করে তোলে তখন সেটিই আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। ** পৃষ্ঠা ৪৬ * সে যদি তার ভালো লাগার কাজ করে তবে আপনি হয়তো টাকার অভাব অনুভব করবেন। ** পৃষ্ঠা ৪৮ * বেশি বেতনের পথটি একটি টোল বা কর দেওয়ার পথ। ** পৃষ্ঠা ৪৮ * পিতৃত্ব ছিল আপনার বাবার নিজের পছন্দের কাজ ত্যাগ করে আপনার প্রতি তার ভালোবাসা বেছে নেওয়া। ** পৃষ্ঠা ৪৮ * “আমার বাবার ধ্যান-জ্ঞান ছিল তার ক্যারিয়ার—তিনি সব সময় তাই করতেন যা তিনি পছন্দ করতেন।” ** পৃষ্ঠা ৪৯ * আমরা আমাদের বাবাকে চিনি আর না চিনি তার সাথে আমাদের একটি সম্পর্ক থাকে। আমাদের মনে যে ধারণাটি থাকে সেটিই হলো তার সাথে আমাদের সম্পর্ক। ** পৃষ্ঠা ৫১ * আপনার ছেলে হয়তো অনুভব করতে পারে যে পুরুষালি ভূমিকা তাকে অন্য কেউ খরচ করবে এমন অর্থ উপার্জনের দায়িত্ব দিয়ে নিজে অকালে মৃত্যুবরণ করার চাপ দিচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৫২ * আপনার ছেলের বীরেরা প্রথাগত মই বেয়ে ওঠেনি—তারা তাদের নিজস্ব পথ তৈরি করেছে। ** পৃষ্ঠা ৫৩ * জাপানি ছেলেদের অবচেতন বোধ হলো: বিজয়ী বাবা আসলে তাদের কাছে পরাজিত বাবা। ** পৃষ্ঠা ৫৩ * ডন ড্রেপার যদি পুরুষ হওয়ার অর্থ নিয়ে আত্মসমালোচনা করার পর্যায়ে পৌঁছান তবে সেখান থেকেই তার শুরু করা উচিত। ** পৃষ্ঠা ৫৫ * নারী আন্দোলন প্রতিটি মেয়েকে সাবধান করেছে কীভাবে বিয়ে তার ক্যারিয়ার বিসর্জন দিতে প্ররোচনা দিতে পারে। কিন্তু কেউ ছেলেদের সাবধান করেনি কীভাবে বিয়ে তার ক্যারিয়ারে আপস করতে প্ররোচনা দিতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৫৭ * জন লেনন যদি তার বড় ছেলে জুলিয়ানের প্রতি শনের মতো যত্নশীল হতেন তবে আমরা জন লেননের নামই শুনতাম না। ** পৃষ্ঠা ৬০ * হিরো শব্দটি এসেছে *সার-, মূল থেকে যেখান থেকে আমরা "সার্ভেন্ট" বা সেবক শব্দটিও পাই। ** পৃষ্ঠা ৬১ * জ্যাকের বাবাকে একজন ফুটবল বীর হিসেবে গড়ে তোলা ছিল জ্যাককে পুরুষত্বের জন্য প্রস্তুত করার একটি অবচেতন পথ যেখানে প্রশংসা এবং মূল্যায়নের বিনিময়ে সে তার শরীর বিসর্জন দিতে শেখে। ** পৃষ্ঠা ৬৪ * আপনার ছেলে সেই “হিরো প্যারাডক্স” শেখে: নিজের গুরুত্ব না দেওয়ার মাধ্যমেই নিজের গুরুত্ব খুঁজে পাওয়া। ** পৃষ্ঠা ৬৫ * ‘দ্য ডেডলিয়েস্ট ক্যাচ’ অনুষ্ঠানে পুরুষেরা যে মৃত্যুর মুখোমুখি হয় তা বিনোদনের উৎস হয় কিন্তু উদ্বেগের কারণ হয় না। ** পৃষ্ঠা ৬৭ * একজন স্বেচ্ছাসেবক ফায়ারফাইটারের পারিশ্রমিক কী? প্রশংসা। সম্মান। উদ্দেশ্য। ** পৃষ্ঠা ৬৭ * এই সেই সামাজিক প্রলোভন যা আপনার ছেলে যদি বড় হওয়ার আগেই গ্রহণ করে ফেলে তবে তা তাকে অন্যের নিরাপত্তার দাসে পরিণত করতে পারে যেখানে নিজের নিরাপত্তার প্রতি তার কোনো ভ্রুক্ষেপ থাকবে না। ** পৃষ্ঠা ৬৭ * আপনার ছেলে যুদ্ধে মারার জন্য বা কর্মক্ষেত্রে বীর হওয়ার জন্য যেসব গুণাবলি অর্জন করে সেগুলো ঘরে ভালোবাসার জন্য প্রয়োজনীয় গুণগুলোকে নষ্ট করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৬৮ * যেসব নারী মানসিকভাবে এবং আধ্যাত্মিকভাবে উন্নতি করতে পেরেছিলেন তারা এমন পুরুষদের বিয়ে করেছিলেন যারা সবচাইতে কম উন্নতি করতে পেরেছিল। ** পৃষ্ঠা ৭১ * নিক সেই বাবার অদ্ভুত সংকট বা ক্যাচ-২২ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলেন: পরিবারকে ভালোবাসার জন্য পরিবারের ভালোবাসা থেকে দূরে থাকা। ** পৃষ্ঠা ৭৪ * আর ভালোবাসা ছাড়া আপনার ছেলের উদ্দেশ্যের কোনো মানে নেই। ** পৃষ্ঠা ৭৭ * এমা বোভারির সবকিছু ছিল কিন্তু তবুও আসলে কিছুই ছিল না। ** পৃষ্ঠা ৭৮ * টিকে থাকার প্রশ্ন যত বেশি থাকে আমরা তত বেশি বলি, “দুঃখিত, এটি একটি মেয়ে।” বিলাসিতা যত বেশি থাকে আমরা তত বেশি বলতে পারি, “দুঃখিত, এটি একটি ছেলে।” ** পৃষ্ঠা ৭৯ * যেকোনো লিঙ্গকে কম গুরুত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। ** পৃষ্ঠা ৮১ * যেসব নারীর অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ আছে তারা ক্রমবর্ধমানভাবে আপনার ছেলের কাছে আবেগীয় এবং সম্পর্কের বুদ্ধিমত্তা চাইবে। ** পৃষ্ঠা ৮২ * যদি আপনার ছেলে তার ভালো লাগার কাজ করে তবে সম্ভবত সে টাকার অভাব অনুভব করবে। ** পৃষ্ঠা ৮৩ * যেসব ছেলে স্কুলে আগ্রহী নয় তাদের প্রায়ই এমন কিছুতে আগ্রহ থাকে যা বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ভবিষ্যতের চাকরিতে কাজে লাগানো যেতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৮৭ * আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার একটি মূল মাপকাঠি হলো এটা জানা যে প্রতিটি গুণ যখন অতিরিক্ত করা হয় তখন তা দোষে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ৮৯ * আমরা অবিশ্বাস্যভাবে সফল ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার নিই তাই তারা সবার সামনে থাকে। কিন্তু যারা একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন কাটায় আমরা তাদের অবহেলা করি তাই তারা অদৃশ্য থেকে যায়। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * যদিও বাবা-মা উভয়ের সক্রিয় উপস্থিতি আপনার ছেলের মানসিক প্রশান্তিকে বাড়িয়ে দেয় তবুও একজন সচেতন অভিভাবকও পথ দেখাতে পারেন। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * ব্যায়াম করা পড়ার চেয়েও কার্যকরভাবে শিশুর মস্তিষ্কের গঠন ঠিক করতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ৯৪ * পাড়ার খেলাধুলা উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য চমৎকার প্রস্তুতি। ** পৃষ্ঠা ৯৪ * আপনার ছেলে যখন ব্যক্তিগত খেলাধুলার পাশাপাশি পাড়ার এবং দলগত খেলায় অংশ নেবে তখন সে খেলাধুলাকে ছেলেদের উপযোগী একটি শিল্প হিসেবে অনুভব করবে। ** পৃষ্ঠা ৯৪ * একজন আধুনিক ছেলের মূলমন্ত্র হলো “যখন পরিস্থিতি কঠিন হয় তখন বুঝতে চেষ্টা করো কখন ধৈর্য ধরতে হবে।” ** পৃষ্ঠা ৯৫ * চিরাচরিত পুরুষ বীর হলো আত্মত্যাগের প্রতীক, আত্ম-উপলব্ধির নয়। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * চিরাচরিত পুরুষ বীরের চাহিদার তালিকায় আত্ম-উপলব্ধি কোথাও নেই কারণ সে নিজেকে যত বেশি গুরুত্ব দেবে তত সে নিজেকে বিসর্জন দিতে কম আগ্রহী হবে। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * তাৎক্ষণিক তৃপ্তি ত্যাগ করার যে শৃঙ্খলা তা আপনার ছেলের সবচাইতে বেশি প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ৯৮ * সমাধান হলো—একজন ভারসাম্যপূর্ণ পুরুষ গড়ে তোলা—যেখানে চিরাচরিত পুরুষের সেরা গুণগুলোর সাথে আধুনিক আত্ম-সচেতন পুরুষের মেলবন্ধন থাকবে। ** পৃষ্ঠা ৯৯ * উন্নত দেশগুলোর সবচাইতে বড় সংকট হলো বাবা-বঞ্চিত সন্তান এবং বিশেষ করে বাবা-বঞ্চিত ছেলে। এটি সমাধান না করে বয় ক্রাইসিস সমাধান করা সম্ভব নয়। ** পৃষ্ঠা ১০২ * মা, বাতাস এবং জলের মতো বাবারাও আমাদের জীবনের জন্য অপরিহার্য। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * আর যখন ছেলেরা আঘাত পায় তখন তারা আমাদেরও আঘাত দেয়—শারীরিকভাবে, মানসিকভাবে এবং আর্থিকভাবে। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * বিচ্ছেদ বা বাবাকে হারানোর পর ছেলে ও মেয়ে উভয়েই অসুখী হয় কিন্তু বিশেষ করে বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে মেয়েদের কষ্ট এক বা দুই বছরের মধ্যে কমে যায় যেখানে ছেলেদের কষ্ট কমে না। ** পৃষ্ঠা ১০৯ * ক্যারিয়ার এখনকার জন্য কিন্তু সন্তানরা সব সময়ের জন্য। ** পৃষ্ঠা ১১৩ * বাবার অনুপস্থিতি সরকারের উপস্থিতিকে বাড়িয়ে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * পরিবারে বাবার সংশ্লিষ্টতা একটি অব্যবহৃত সম্পদ ঠিক যেমন এক সময় কর্মক্ষেত্রে নারীদের সংশ্লিষ্টতা একটি অব্যবহৃত সম্পদ ছিল। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * বাবা হওয়ার ইচ্ছা ছেলের মনে শুরু হয় যখন সে তার বাবার মধ্যে নিজেকে দেখতে পায়। ** পৃষ্ঠা ১১৭ * জেলখানাগুলো হলো বাবা-বঞ্চিত পুরুষদের কেন্দ্র—যারা কখনোই মানুষ হতে পারেনি। ** পৃষ্ঠা ১২০ * দোষী সাব্যস্ত হলে আপনার ছেলে গড়ে নারীদের তুলনায় ৬৩ শতাংশ দীর্ঘ সাজা পাবে। ** পৃষ্ঠা ১২০ * কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গদের সাজার ব্যবধানের তুলনায় পুরুষ ও নারীদের সাজার ব্যবধান ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১২০ * শিক্ষাক্ষেত্রে লিঙ্গ ব্যবধানের মূল কারণ হতে পারে বাবার অনুপস্থিতিতে ছেলেদের বেশি প্রভাবিত হওয়া। ** পৃষ্ঠা ১২২ * এমনকি বর্ণ, শিক্ষা, আয় এবং অন্যান্য বিষয় সমান থাকলেও বাবার সান্নিধ্য ছাড়া বড় হওয়া একটি শিশুর হাই স্কুল থেকে ড্রপ আউট হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণ বেড়ে যায়। ** পৃষ্ঠা ১২২ * বাবার অনুপস্থিতি কেবল নেতিবাচক ফলাফলের সাথেই যুক্ত নয় বরং এটিই নেতিবাচক ফলাফলের মূল কারণ। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * বাবা আছেন এমন পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা গণিত এবং বিজ্ঞানে ভালো ফল করে এমনকি তারা যদি একাডেমিকভাবে দুর্বল স্কুলে পড়ে তবুও। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যখন কম আয় এবং বাবার সান্নিধ্য পাওয়া শিশুদের সাথে বেশি আয় কিন্তু বাবার সান্নিধ্য না পাওয়া শিশুদের তুলনা করা হয়েছিল তখন সহিংস অপরাধের হারে কোনো পার্থক্য ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যেসব মেয়ের নিজের বাবার সাথে ভালো সম্পর্ক ছিল তাদের মধ্যে একজনও ১৯ বছর বয়সের আগে মা হয়নি। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * অবিবাহিত দম্পতিরা যখন সন্তান হওয়ার সময় একসাথে থাকে তখন সেই শিশুদের ৪০ শতাংশই তাদের তৃতীয় জন্মদিনের পর থেকে পরবর্তী দুই বছর অর্থাৎ তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে তাদের বাবার সাথে নিয়মিত কোনো যোগাযোগ পায় না। ** পৃষ্ঠা ১২৪ * তিরিশ বছরের কম বয়সী মায়েদের অর্ধেকের বেশি সন্তান বিয়ের বাইরে জন্ম নিয়েছে। ** পৃষ্ঠা ১২৪ * মইনিহান রিপোর্টে বলা হয়েছে যে একটি কৃষ্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠ সমাজে দরিদ্র হওয়ার মূল কারণ বর্ণ নয় বরং মা-বাবার অবিবাহিত থাকা। কেন? কারণ বিয়ের অনুপস্থিতি মানেই হলো বাবার সংশ্লিষ্টতা না থাকা। ** পৃষ্ঠা ১২৫ * ১৯৬৫ সালে মইনিহান রিপোর্টে এক-চতুর্থাংশ কৃষ্ণাঙ্গ শিশুর বিয়ের বাইরে জন্ম হওয়াকে সংকট বলা হয়েছিল কিন্তু আজ শ্বেতাঙ্গ শিশুদের ক্ষেত্রে এই হার ৩৬ শতাংশ। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * “আমার মা বারবার সাবধান করে যা অনেকটা ‘মিথ্যা রাখালের’ মতো। আমার বাবা একবার সাবধান করে আর তারপর সে নিজেই বাঘ হয়ে যায়।” ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * সীমানা বা সীমাবদ্ধতাকে গুরুত্ব দিতে শেখানো শিশুকে অন্যদের প্রয়োজনকে সম্মান করতে শেখায়। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * সহানুভূতি একটি গুণ যা যখন কেবল বাবা-মায়ের পক্ষ থেকে সন্তানের দিকে যায় কিন্তু সন্তানের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা করা হয় না তখন তা দোষে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩৮ * ঘর থেকে কাজ করার জন্য স্ব-প্রণোদিত হওয়া প্রয়োজন। আর কঠোর নিয়ম ছাড়া বড় হওয়া শিশুরা খুব কমই তাৎক্ষণিক তৃপ্তি ত্যাগ করার সেই গুণটি অর্জন করতে পারে যা স্ব-প্রণোদিত হওয়ার জন্য প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১৪১ * বাবার সাথে খেলা অনেকটা রোলার কোস্টারে ওঠার মতো—বাচ্চারা উত্তেজিত থাকে কারণ তারা নিরাপদ অনুভব করে। ** পৃষ্ঠা ১৪২ * মার্টিন যখন তামাশা করত তখন সে ম্যাগি এবং মার্টি জুনিয়রকে তার চোখের চাহনি, গলার স্বর বা মুখের ভঙ্গির সূক্ষ্ম পরিবর্তন দেখে অর্থ বুঝতে শেখাত। ** পৃষ্ঠা ১৪৯ * হাস্যরসের মাধ্যমে একে অপরকে খোঁচা দেওয়া হলো ছেলেদের এবং পুরুষদের অবচেতনভাবে একে অপরকে সেই সমালোচনা সহ্য করার প্রশিক্ষণ দেওয়া যা সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * হাস্যরসের ছলে একে অপরকে তুচ্ছ করা হলো সমালোচনার মুখোমুখি হওয়ার প্রশিক্ষণ কারণ অবচেতনভাবে তারা জানে যে সমালোচনা সহ্য করার ক্ষমতা সাফল্যের পূর্বশর্ত। ** পৃষ্ঠা ১৫১ * ছেলেদের মধ্যে যদি আপনি কাউকে নিয়ে মজা না করতে পারেন তবে আপনি তাকে বিশ্বাসও করতে পারবেন না। ** পৃষ্ঠা ১৫২ * যেসব বিবাহিত দম্পতি বিবাদের সময় একে অপরকে নিয়ে রসিকতা করে তারা সরাসরি সমালোচনা করা দম্পতিদের চেয়ে বিবাদের পর বেশি সুখী ও একাত্ম বোধ করে। ** পৃষ্ঠা ১৫২ * বিশেষ করে সামরিক বাহিনীতে হেজিং বা পরীক্ষা নতুনদের নিজেদের ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দিতে সাহায্য করে কারণ যুদ্ধ যন্ত্রটি তখনই ভালো কাজ করে যখন সেখানে সবাই এক ছাঁচে গড়া হয়, “আমি বিশেষ কেউ” এমন মানুষের জন্য সেখানে জায়গা নেই। ** পৃষ্ঠা ১৫৩ * যদি মেয়েদের মধ্যে একে অপরকে খোঁচা দেওয়া বা বিদ্রূপ করার ঘটনা ঘটে তবে তার মানে হলো সেই মেয়েটিকে দল থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে, তাকে দলে নেওয়ার জন্য যাচাই করা হচ্ছে না। ** পৃষ্ঠা ১৫৪ * প্যারেন্টিং প্ল্যান বা লালন-পালনের পরিকল্পনাগুলো সব সময় একই ধরণের হওয়া উচিত। ** পৃষ্ঠা ১৬৫ * শিশুরা প্রতি দ্বিতীয় উইকএন্ডে বাবার কাছে যাওয়ার প্রথাগত নিয়মের প্রতি তীব্র অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * ভৌগোলিক স্থিতিশীলতার চেয়ে দুই অভিভাবকের উপস্থিতির স্থিতিশীলতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ১৬৮ * বিচ্ছেদের পর বারো হাজার কিশোর-কিশোরীর ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে যে একক বাবার সাথে থাকা শিশুরা একক মায়ের সাথে থাকা শিশুদের চেয়ে ভালো ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * বিচ্ছেদ হওয়া পুরুষদের আত্মহত্যার সম্ভাবনা একই ধরণের পটভূমি থাকা বিচ্ছেদ হওয়া নারীদের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১৭৫ * “যোদ্ধা” শব্দটি হালকাভাবে যোগ করা হয়নি। একজন যোদ্ধা নিজের লক্ষ্য অর্জনের বাধাগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকে। তারপর বাধার ওপর মনোযোগ না দিয়ে সে মনোযোগ দেয় কীভাবে সেই বাধা অতিক্রম করা যায় তার ওপর। ঠিক এই জিনিসটিই সে তার সন্তানদের শেখাবে। ** পৃষ্ঠা ১৭৬ * আপনার ছেলে একজন “ফাদার ওয়ারিয়র” হতে চাইবে না যদি সে দুটি জিনিস অনুভব না করে: প্রথমত একটি উদ্দেশ্যের বোধ এবং দ্বিতীয়ত তার অবদানটি গুরুত্বপূর্ণ। তাই অভিভাবকত্বের ভারসাম্য রক্ষায় তার ভূমিকাটি আরও গভীরভাবে দেখা প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১৭৮ * নারী-পুরুষের বেতনের ব্যবধান মূলত পুরুষ ও নারীর ব্যবধান নয়; এটি হলো মা এবং বাবার আয়ের ব্যবধান। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * আপনার ছেলে যদি চিরাচরিত নিয়মের বাইরে চলতে চায় তবে তাকে জানতে হবে যে তার জীবনের সবচাইতে বড় কাজ হলো এমন একজন নারীকে বেছে নেওয়া যে সামাজিক বেড়াজাল থেকে মুক্ত হয়ে তাকেও মুক্ত করতে পারবে। ** পৃষ্ঠা ১৮৪ * বাবারা কোম্পানিগুলোর কাছে সবচাইতে বেশি সুবিধাজনক ছিল কারণ তাদের সবচাইতে সহজে ব্যবহার করা যেত। ** পৃষ্ঠা ১৮৫ * “সমাজকর্মীরা সাধারণত শিশুদের ইচ্ছাকে ততক্ষণই গুরুত্ব দেয় যতক্ষণ তারা মায়ের কাছে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করে। কিন্তু শিশুরা যখন বাবার কাছে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করে তখন তাদের সেই ইচ্ছাকে কোনো গুরুত্বই দেওয়া হয় না।” ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * ''দ্য সেকেন্ড স্টেজে'' ফ্রিডান ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে পুরুষদের যদি বাবা হিসেবে আরও বেশি সম্পৃক্ত করা না হয় তবে নারীদের ক্যারিয়ারের লক্ষ্য কখনোই পূরণ হবে না। ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * সন্তানের ওপর মায়ের অধিকার থাকে কিন্তু বাবাকে সন্তানের জন্য লড়াই করতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * চাইল্ড সাপোর্টের ঋণের ৭০ শতাংশই সেইসব অভিভাবকদের যাদের বার্ষিক আয় ১০,০০০ ডলারের কম। ** পৃষ্ঠা ১৯২ * আপনার ছেলে যখন কোনো নারীর সাথে যৌন সম্পর্ক করে তখন সে আসলে তার জীবন সেই নারীর হাতে তুলে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৩ * টিভির প্রায় ১০০ শতাংশ বিজ্ঞাপনে যেখানে কেবল একটি লিঙ্গকে বোকা হিসেবে দেখানো হয় সেখানে পুরুষকেই বোকা হিসেবে দেখানো হয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৩ * একটি সুখী বিয়ে টাকা, সন্তান বা যৌনতার অভাবের চেয়ে বেশি নির্ভর করে আমরা টাকা, সন্তান বা যৌনতা নিয়ে একে অপরের সাথে কীভাবে কথা বলছি তার ওপর। ** পৃষ্ঠা ১৯৭ * যখন ঘর পরিষ্কার থাকে এবং বিল পরিশোধ করা থাকে তখন আমাদের সঙ্গীর সবকিছু ঠিক রাখার সেই প্রচেষ্টাগুলো অদৃশ্য থাকে কারণ সবকিছুই ঠিক আছে। ** পৃষ্ঠা ১৯৯ * আপনার ছেলে যদি নিজেকে একজন নিপীড়নকারী হিসেবে মনে করে তবে স্বাবলম্বী হতে ব্যর্থ হওয়াকেও তার কাছে প্রগতি মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২০০ * “সবচাইতে ভালো অভিভাবক হলো উভয় অভিভাবক” এর মানে হলো মা বাবার বিকল্প নয়, টাকা বাবার বিকল্প নয় এবং অন্য কোনো পুরুষও বাবার বিকল্প নয়। ** পৃষ্ঠা ২০২ * ভবিষ্যতে ঘরই ক্রমবর্ধমানভাবে কর্মক্ষেত্রে পরিণত হবে। ** পৃষ্ঠা ২০৩ * এমন বিষয়ের ওপর দক্ষতা অর্জন করা যা পরিমাপযোগ্য, দৃশ্যমান এবং যা সম্মান বয়ে আনে। ** পৃষ্ঠা ২১০ * দক্ষিণ ক্যারোলিনার জেলে যেসব বাবা চাইল্ড সাপোর্ট দিতে না পারার কারণে বন্দি আছেন তাদের তিন-চতুর্থাংশই চরম দারিদ্র্যের শিকার। আর সেই জেলের মোট কয়েদির আট ভাগের এক ভাগই হলো চাইল্ড সাপোর্ট দিতে না পারা বাবা। ** পৃষ্ঠা ২২২ * আমরা কোটি কোটি ডলার খরচ করছি বাবাদের কাছ থেকে সেই টাকা আদায় করতে যা তাদের অনেকের কাছে নেই কিন্তু বাবাদের সেই সময়টুকু দেওয়ার সুযোগ করে দিতে আমরা কিছুই করছি না যা তাদের কাছে আছে আর যা তাদের সন্তানদের সবচাইতে বেশি প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ২২৩ * বয় ক্রাইসিস বা ছেলেদের সংকট এবং বাবার সংশ্লিষ্টতার প্রতি আমাদের “উদাসীনতা” সরকারকে বাধ্য করেনি বাবাদের সংশ্লিষ্টতা বাড়িয়ে সরকারের উপস্থিতি কমানোর জন্য কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিতে। ** পৃষ্ঠা ২২৫ * আমরা যা খরচ করি তারই ফল পাই তাই আসুন বাবাদের উপস্থিতির জন্য খরচ করি, বাবার অনুপস্থিতির জন্য নয়। ** পৃষ্ঠা ২২৭ * অস্ট্রেলিয়া বন্দুক নীতি পরিবর্তনের পর প্রায় ২০ বছরে সেখানে গণ-শুটিংয়ের সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে। ** পৃষ্ঠা ২২৯ * বন্দুক বয় ক্রাইসিসের মূল কারণ নয় কিন্তু আমরা যখন মূল কারণগুলো নিয়ে কাজ করছি তখন বন্দুক নিয়ন্ত্রণ করা হলে বাবা-বঞ্চিত সন্তানদের দ্বারা ঘটা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানো সম্ভব। ** পৃষ্ঠা ২২৯ * যখন ছেলে ও পুরুষদের জানানো হয় যে তাদের প্রয়োজন আছে তখন তারা সাড়া দেয় এবং দায়িত্বশীল হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৩১ * নারী-পুরুষের গড় আয়ুর ব্যবধান প্রায় ৪০০ শতাংশ বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * বাবা-মা উভয়য়ের মিলিত স্বাস্থ্যই আপনার ছেলের স্বাস্থ্য তৈরি করে; আপনার ছেলের স্বাস্থ্য তার জন্মের অনেক আগে থেকেই শুরু হয়। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * বীর হওয়া মানে হলো নিজের আবেগ চেপে রাখা। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * ভালোবাসা পাওয়ার ইচ্ছা আমাদের ছেলের স্বভাবজাত। কিন্তু এই স্বভাবটিকে আমরা খুব কমই লালন করি। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * নতুন ধরণের বীরাঙ্গনাদের আবির্ভূত হওয়ার মানে কি এই যে আপনার ছেলেকে তার ভালোবাসার জন্য আর জীবন ঝুঁকি নিতে হবে না? ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * আপনার ছেলে যদি পরিষ্কারভাবে বুঝতে না পারে যে একজন শক্তিশালী নারী তার কাছে কী চায় তবে সে হয়তো কম শক্তিশালী কোনো নারীর দিকে ঝুঁকবে যাকে সে সাহায্য করতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * নারী সুপারহিরোদের যৌন আকাঙ্ক্ষার অভাব তাদের এক "বিশাল" শক্তিতে পরিণত করে। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * হলিউড কেবল পুরুষদের সামরিক তালিকায় নিবন্ধনের ভিত্তি তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যদি তার ভালোবাসার কোনো নারীর জীবন সে প্রেমিকা হোক বা মা ঝুঁকির মুখে পড়ে তবে তার জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়ে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * এমনকি আপনার ছেলে যদি তার শক্তি দিয়ে কোনো নারীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে এবং তাতে সে ব্যর্থ হয় তবে সেই শক্তিই তাকে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দেবে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * যদি একজন ভালো নারী নিহত হয় তবে তার দোষ কোনো পুরুষের ওপরই পড়ে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * আমরা ছেলেদের শিখিয়েছি যে শক্তি অর্জন করা পুরুষালি বিষয় কিন্তু সেই শক্তি ধরে রাখা বা ক্ষয় রোধ করা মেয়েলি বিষয়। ** পৃষ্ঠা ২৪৫ * চিরাচরিত পুরুষত্বের সেরা গুণগুলো রক্ষা করা অভিভাবকদের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত কারণ আপনার ছেলে অবচেতনভাবে সবার সাথে মিশে যাওয়া এবং একই সাথে সবার চেয়ে আলাদা হওয়ার এক অদ্ভুত দ্বন্দ্বে থাকে। ** পৃষ্ঠা ২৪৮ * সাবেক কলেজ খেলোয়াড়দের মধ্যে ৫৬ শতাংশই গুরুতর সিটিই রোগে আক্রান্ত ছিল যার ৮৫ শতাংশই ছিল ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশের লক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ২৫১ * আমরা ছেলেদের শেখাই যে লাঞ্ছিত হওয়ার মানেই হলো ভালোবাসা পাওয়া। ** পৃষ্ঠা ২৫৩ * ট্যাকল ফুটবল হলো শরীর-মননির্ভর খেলা আর ফ্ল্যাগ ফুটবল হলো মন-শরীরনির্ভর খেলা। ** পৃষ্ঠা ২৫৩ * “ফ্ল্যাগ ফুটবল অনেক বেশি কৌশলনির্ভর। আপনি শরীর দিয়ে কাউকে সরিয়ে দিতে পারেন না তাই এখানে বুদ্ধির প্রয়োজন বেশি।” ** পৃষ্ঠা ২৫৪ * ট্যাকল ফুটবলে করদাতার অর্থ ব্যবহার করা হচ্ছে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই আমাদের সন্তানদের মন এবং শরীরের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৫৫ * এমনকি একজন সৈনিক বেঁচে থাকলেও যুদ্ধের ঝুঁকি তার সাথে ঘরে ফিরে আসে প্রতি একজন সৈনিক নিহতের বিপরীতে প্রায় ২৫ জন প্রাক্তন সৈনিক আত্মহত্যা করে। ** পৃষ্ঠা ২৫৬ * আপনার ছেলে যত বেশি অভিজাত শ্রেণির অংশ হতে চাইবে তত সে করুণা পাওয়াকে ঘৃণা করবে। তবুও যারা আজ অভিজাত শ্রেণিতে যোগ দেয় কাল তারাই করুণার পাত্র হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৫৬ * আপনি যদি একা বুঝতে পারেন যে আপনার ছেলের রাগ আসলে তার অসহায়ত্বের মুখোশ তবে আপনি নিজেকে বিচারগ্রস্ত এবং একা মনে করতে পারেন। ** পৃষ্ঠা ২৬০ * কোনো সম্ভাব্য প্রেমিকা যখন কোনো ছেলের অভিযোগ শোনে তখন তার সুরক্ষার যে সহজাত প্রবৃত্তি তা বাধা পায় কিন্তু যখন একজন মা তার ছেলের অভিযোগ শোনেন তখন তা তার রক্ষার প্রবৃত্তিকে জাগিয়ে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৬১ * সহানুভূতির সাথে কথা শোনা একজন কিশোরের মস্তিষ্কের বিকাশে এমনভাবে প্রভাব ফেলে যা তার বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে। ** পৃষ্ঠা ২৬১ * তেরো থেকে ষোলো বছর বয়সের মধ্যে ছেলেদের মধ্যে জৈবিকভাবে সহানুভূতির ক্ষমতা সাময়িকভাবে কমে যায় যা মেয়েদের ক্ষেত্রে ঘটে না। ** পৃষ্ঠা ২৬৩ * যেসব ছেলে উন্নত এলাকায় বদলি হয়েছে তাদের মধ্যে আঘাত পরবর্তী মানসিক চাপের হার যুদ্ধ থেকে ফিরে আসা সৈনিকদের হারের মতো ছিল। ** পৃষ্ঠা ২৬৫ * আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে বন্ধুত্ব এবং ভালোবাসা হারানোর ক্ষেত্রে আপনার ছেলে সবচাইতে সংবেদনশীল। ** পৃষ্ঠা ২৬৫ * যে উত্ত্যক্তকারী বা বুলিকে সুস্থ করা হয়েছে সেই হলো উত্ত্যক্ত হওয়া ব্যক্তিদের সবচাইতে বড় সুরক্ষা। ** পৃষ্ঠা ২৬৮ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নারী-পুরুষের আত্মহত্যার হারের ব্যবধান মহামন্দার পর থেকে তিন গুণ বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ২৭৩ * পঁচাশি বছর বয়সের মধ্যে পুরুষদের আত্মহত্যার হার একই বয়সী নারীদের তুলনায় ১৬৫০ শতাংশ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২৭৪ * নারীরা কাঁদে কিন্তু পুরুষেরা মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ২৭৪ * বেকারত্ব, অবসর বা জীবনসঙ্গী হারানোই হোক পুরুষদের আত্মহত্যার প্রতিক্রিয়া আসলে যা আগে থেকেই মরে গেছে তাকেই হত্যা করা। ** পৃষ্ঠা ২৭৬ * আত্মহত্যা সংক্রামক। ** পৃষ্ঠা ২৭৬ * বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের হারের মধ্যে প্রায় কোনো পার্থক্য নেই। ** পৃষ্ঠা ২৭৮ * যখন ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ সোশ্যাল ওয়ার্কার্স আত্মহত্যা নিয়ে গবেষণা করে তখন তারা কেবল নারীদের আত্মহত্যা নিয়ে কাজ করে। ** পৃষ্ঠা ২৮৪ * গোপনীয়তাকে মূল মন্ত্র করে পুরুষদের গ্রুপগুলো পুরুষদের হৃদয় খোলার পথ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ২৮৬ * আমার ৪৫ বছরের অভিজ্ঞতায় আমি দেখিনি যে কোনো পুরুষ যে কোনো পুরুষ গ্রুপের সাথে যুক্ত আছে সে বিষণ্ণতার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বা আত্মহত্যা করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৮৭ * যখন একজন প্রাক্তন সৈনিক মনে করে যে সে ব্যক্তিগত দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ হয়েছে তখন সে আত্মহত্যার এক ধাপ কাছাকাছি চলে যায়। ** পৃষ্ঠা ২৮৯ * অনেক প্রাক্তন সৈনিকই "বাইরে থেকে কঠোর হলেও ভেতরে অনেক নরম মনের।" ** পৃষ্ঠা ২৯০ * প্রাক্তন সৈনিকেরা সেইসব মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেয় যাদের সেনাবাহিনীতে কাজ করতে হয়নি। ** পৃষ্ঠা ২৯০ * চিরাচরিত পুরুষেরা তাদের ত্যাগ স্বীকার করে মূলত বাড়ি ফিরে আসার পর প্রশংসা পাওয়ার আশায় এবং তাদের অভিজ্ঞতাগুলো পরিবারের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৯১ * প্রতি পাঁচ জন যুবকের মধ্যে একজন উর্বর নয়। ** পৃষ্ঠা ২৯২ * যেসব পুরুষের শুক্রাণুর সংখ্যা কম তারা সন্তান জন্ম দিতে পারলেও তাদের গড় আয়ু কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ** পৃষ্ঠা ২৯২ * পুরুষদের স্বাস্থ্যের প্রতি এই অবহেলাই আপনার ছেলের জন্য পুরুষদের স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করার একটি সুযোগ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ৩০০ * ভালোবাসা আত্মরক্ষামূলক মনোভাব বা ডিফেনসিভনেস দূর করে না কারণ ভালোবাসা এক ধরণের অসহায়ত্ব তৈরি করে আর এই আত্মরক্ষামূলক মনোভাবই হলো অসহায়ত্বের মুখোশ। ** পৃষ্ঠা ৩০৮ * পুরুষালি সংস্কৃতির নেতিবাচক লক্ষণগুলোকে ওষুধ শিল্প কাজে লাগায়। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * টিফিনের সময় যেখানে উত্ত্যক্ত করার ঘটনা ঘটে সেখানে এটি কমানোর সুযোগও থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * সুস্থ হওয়া মানুষই অন্যকে সুস্থ হতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ৩১২ === ''বিবিধ'' === গোলাপ সবসময় লাল হয় না<br> ভায়োলেট ফুল বেগুনি হয়, নীল নয়<br> তুমি হয়তো ফুলগুলোর ওপর ভরসা করতে পারো না<br> কিন্তু তোমার প্রতি আমার ভালোবাসার ওপর তুমি ঠিকই ভরসা করতে পারো। চিরকাল ভালোবাসি, ওয়ারেন ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছে, ১৬/২/১৫ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.nytimes.com/2005/02/27/business/yourmoney/27lunch.html নিউ ইয়র্ক টাইমস: নারীদের কম বেতনের জন্য কি তারা নিজেরাই দায়ী?], ওয়ারেন ফ্যারেলের একটি সাক্ষাৎকার, ২০০৫। [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন শিক্ষায়তনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ-কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয়কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক শহরের ব্যক্তি]] hc5gazp4ivjl5on542rzdxv9i9s36lb 81781 81778 2026-04-28T02:23:31Z ARI 356 পরিষ্কারকরণ 81781 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Warren Farrell photo.jpg|thumb|ওয়ারেন ফ্যারেল, ২০১১]] '''ওয়ারেন ফ্যারেল''' (জন্ম ২৬ জুন, ১৯৪৩) একজন মার্কিন [[শিক্ষক]], কর্মী এবং [[নারী]]দের সাথে পুরুষদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে লেখা সাতটি বইয়ের লেখক। তিনি ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেনের নিউ ইয়র্ক সিটি বোর্ডে কাজ করেছেন এবং পুরুষ অধিকার আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। == উক্তি == === ''হোয়াই মেন আর দ্য ওয়ে দে আর'' (১৯৮৮) === * একে অপরের প্রতি না বলে, আমার অসহায়ত্ব তোমার অসহায়ত্বের চেয়ে বেশি, কি নারী ও পুরুষের পক্ষে একে অপরের কথা শোনা সম্ভব ছিল? এটা পরিষ্কার হয়ে উঠছিল যে প্রতিটি লিঙ্গের শক্তি এবং অসহায়ত্ব উভয় ক্ষেত্রেই একটি অনন্য অভিজ্ঞতা ছিল। আমার মনের চোখে আমি একটি শোনার কাঠামো কল্পনা করতে শুরু করলাম যার মধ্যে আমরা এই ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতাগুলো শুনতে পারি। এটি দেখতে এমন ছিল: ** পৃষ্ঠা ১৭ * আমি যখন এই শোনার কাঠামোর দিকে আরও যত্নসহকারে তাকালাম তখন দেখলাম যে গত বিশ বছর ধরে আমরা এর চারটি ভাগের প্রথমটির ওপর গুরুত্ব দিয়েছি, তা হলো নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতা। আমি দেখলাম আমি অবচেতনভাবে একটি ভুল ধারণা পোষণ করছিলাম: আমি নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতা যত গভীরভাবে বুঝছিলাম, ততই আমি ধরে নিচ্ছিলাম যে নারীদের যে ক্ষমতা ছিল না তা পুরুষদের আছে। আসলে, আমি যা বুঝছিলাম তা হলো পুরুষদের ক্ষমতা সম্পর্কে নারীদের অভিজ্ঞতা। ** পৃষ্ঠা ২০-২১ * যে পুরুষেরা নারীদের প্রতি মনোযোগী কিন্তু নিজেদের কষ্টের প্রতি মনোযোগী নন তারা সাধারণত এই মনোভাব ধরে রাখতেন যে নারীদের বিশেষ সুরক্ষার প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ২২ * পুরুষদের সাফল্যের বস্তু হিসেবে দেখার ইচ্ছা স্বীকার করতে নারীদের যে দুর্বলতা তা নারীদের প্রতি পুরুষদের তীব্র যৌন আকাঙ্ক্ষার বাধ্যবাধকতার স্বীকারোক্তির সাথে মিলে যায়। ** পৃষ্ঠা ২৬ * আমরা সবাই মিলে বুঝতে পারলাম যে কীভাবে আমরা পুরুষদের আবেগ প্রকাশ করতে অনুরোধ করি, কিন্তু তারপর যখন পুরুষেরা আবেগ প্রকাশ করে তখন আমরা তাকে লিঙ্গবৈষম্য, পুরুষতান্ত্রিক অহংকার অথবা পাল্টা আঘাত বলি। ** পৃষ্ঠা ২৭. * রাল্ফ ক্ষমতার বাহ্যিক রূপ পাওয়ার চেষ্টা করে প্রকৃত ক্ষমতা হারিয়েছিলেন। তিনি একজন নেতা ছিলেন। কিন্তু তিনি নেতাদের জন্য তৈরি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করছিলেন; তাই তিনি একজন অনুসারী ছিলেন... তিনি যেমনটা বলেছিলেন, তিনি ছিলেন একজন উচ্চপর্যায়ের সাধারণ মানুষ। ** পৃষ্ঠা ৯ * অধিকাংশ নারীর আদর্শ হলো নয়টি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যৌন সম্পর্কে না জড়ানো: শারীরিক আকর্ষণ; শ্রদ্ধা; মানসিক সামঞ্জস্য; বুদ্ধিমত্তা; অবিবাহিত হওয়া; সাফল্য (বা সম্ভাবনা); বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব পাওয়া; খরচ মেটানো; এবং প্রথম চুম্বনের উদ্যোগ নিয়ে পুরুষের প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়া…. পুরুষরা ততক্ষণ পর্যন্ত যৌনতা চায় যতক্ষণ একটি মাত্র শর্ত পূরণ হয়—শারীরিক আকর্ষণ। ** পৃষ্ঠা ১৩ * পুরুষদের কাছে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন হলো প্লেবয় এবং পেন্টহাউস। এগুলো পুরুষদের প্রধান কল্পনাকে উপস্থাপন করে: প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি ছাড়াই যত খুশি সুন্দরীদের কাছে যাওয়ার সুযোগ। নারীদের কাছে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন হলো বেটার হোমস অ্যান্ড গার্ডেনস এবং ফ্যামিলি সার্কেল, যা নারীদের প্রধান কল্পনাকে উপস্থাপন করে: আরও ভালো ঘরবাড়ি, বাগান এবং একটি পারিবারিক পরিমন্ডল। ** পৃষ্ঠা ১৮ * অবিবাহিত নারীদের কাছে ''কসমোপলিটান'' সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ম্যাগাজিন। কসমো অবিবাহিত নারীদের জানায় কীভাবে তারা একজন পুরুষকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করতে পারে এবং আরও ভালো ঘরবাড়ি ও বাগানের প্রধান কল্পনা অর্জন করতে পারে। এটি প্লেবয়ের একটি নারী সংস্করণ। পর্নোগ্রাফি হলো পুরুষদের প্রধান কল্পনা--নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থাকা দামে প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি ছাড়াই যত খুশি সুন্দরীদের কাছে যাওয়ার সুযোগ! ** পৃষ্ঠা ১৮ * আমি যদি নিরাপত্তাকে কোনো নারীর প্রধান প্রয়োজন বলি তবে কীভাবে একে তার প্রধান কল্পনা বলতে পারি? কারণ যখন তার প্রধান প্রয়োজন হলো একটি ঘর এবং পারিবারিক পরিমন্ডলের নিরাপত্তা, তখন তার প্রধান কল্পনা হলো অন্য কেউ এগুলো পাওয়ার জন্য যথেষ্ট অর্থ উপার্জন করবে। একারণেই দুই বিলিয়ন নারী সাম্প্রতিক রাজকীয় বিয়ের দিকে মনোযোগ দিয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬ * সান ডিয়েগোতে হাউ টু ম্যারি মানি নামে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কোর্স আছে। লক্ষ্য করুন যে বিয়েটি হয় টাকার সাথে--কোনো ব্যক্তির সাথে নয়। আমি অংশগ্রহণকারী পুরুষদের শতাংশ সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম... নির্দেশক উত্তর দিয়েছিলেন, 'কোর্সটি আসলে নারীদের জন্য, এটি পুরুষদের জন্য প্রাসঙ্গিক নয়।' ** পৃষ্ঠা ৪৩ * পুরুষেরা যখন পছন্দ করানোর জন্য চটকদার কথা বলে তখন নারীরা পুরুষদের বিশ্বাস না করতে শেখে। যখন নারীরা মেকআপ করে তখন পুরুষেরা নারীদের বিশ্বাস না করতে শেখে। পুরুষদের চটকদার কথা এবং নারীদের মেকআপ হলো আসলে বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ৭১-৭২ * ফিমেল ওয়েস্টার্ন হলো সেরা পুরুষদের পাওয়ার জন্য ভালো এবং খারাপ পদ্ধতির মধ্যে লড়াই। ** পৃষ্ঠা ৭৩ * সন্ধ্যার টিভি নাটক থেকে শুরু করে কিশোর বয়সের রোমান্স পর্যন্ত, সব জায়গার বার্তা হলো যে অন্তর্নিহিত মূল্য কেবল পরাজিতদের জন্য। ** পৃষ্ঠা ৭৩ * পুরুষদের ম্যাগাজিনে সাফল্য হলো যৌনতা এবং ভালোবাসা পাওয়ার একটি হাতিয়ার, তাই সাফল্যের বাহ্যিক রূপ সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে নারীদের ম্যাগাজিনে ভালোবাসা এবং যৌনতা হলো সাফল্য পাওয়ার হাতিয়ার—তাই ভালোবাসার প্রকাশ এবং যৌন প্রলোভন উভয়ই সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯ * গল্পের প্রধান চরিত্রের জন্য পুরুষদের প্রতিযোগিতা এবং নারীদের প্রতিযোগিতার এই চিরাচরিত থিম আমাদের যোগ্যতমের টিকে থাকা থেকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে এসেছে যেখানে কেউ বেঁচে থাকবে না। লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকাগুলো প্রায় রাতারাতি কার্যকর থেকে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। একারণেই এই চিরাচরিত থিমটি নিয়ে এখন প্রশ্ন তোলা জরুরি। ** পৃষ্ঠা ৯১ * সম্ভবত পুরুষদের কাছে সবচেয়ে প্রচলিত প্রত্যাশা হলো আমাদের সুপারম্যান হওয়ার প্রত্যাশা: আমাদের ভয় যে আমরা কেবল ক্লার্ক কেন্ট যাদের সুপারম্যান না হওয়া পর্যন্ত কেউ গ্রহণ করবে না। ** পৃষ্ঠা ৯৬ * যখন বিবাহবিচ্ছেদের মানে দাঁড়াল যে বিয়ে আর সারাজীবনের জন্য নিরাপত্তা দিচ্ছে না, তখন নারীরা কেরিয়ার বা পেশাকে ক্ষমতায়ন হিসেবে দেখার মাধ্যমে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু যখন একটি পেশার জন্য ত্যাগ এবং পেশার ভেতরের ত্যাগগুলো সামনে এল, তখন পেশার কল্পনাটি লাভ-ক্ষতির বাস্তবতায় পরিণত হলো। নারীদের মধ্যে পেশা নিয়ে দ্বিধা তৈরি হলো। ** পৃষ্ঠা ১০১ * পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে, যখন প্রতিশ্রুতি হীরা এবং বন্ধকী ঋণের সাথে যুক্ত হয়, তখন ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি অনেকটা অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতির মতো মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * নারীরা যখন তাদের সৌন্দর্যের ক্ষমতার তুঙ্গে থাকে এবং সেটি ব্যবহার করে তখন আমরা তাকে বিয়ে বলি। পুরুষেরা যখন তাদের সাফল্যের ক্ষমতার তুঙ্গে থাকে এবং সেটি ব্যবহার করে তখন আমরা তাকে মধ্যবয়সের সংকট বলি। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * সে এবং তিনি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বাছাই করার সুযোগ পান; যখন পুরুষ তার প্রধান কল্পনা অর্থাৎ যৌনতা চায় তখন নারী বাছাই করার সুযোগ পায়; যখন নারী তার প্রধান কল্পনা অর্থাৎ প্রতিশ্রুতি চায় তখন পুরুষ বাছাই করার সুযোগ পায়। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * কম্পিউটার উইজ হতে বা কালো পোর্শে গাড়ির মালিক হতে কঠোর পরিশ্রম করা পুরুষেরা বিভ্রান্ত হয় যখন তাদের বলা হয় যে তারা যথেষ্ট সংবেদনশীল নয়। আমরা এমন পুরুষদের প্রেমে পড়তে পারি না যাদের অভেদ্য মনে হয় এবং আবার তাদের কাছে সংবেদনশীলতা আশা করি। সে কেন একটি কালো পোর্শে গাড়ি চেয়েছিল? কারণ সে কখনও কোনো অসুন্দর নারীকে এমন গাড়ি থেকে নামতে দেখেনি। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * উভয় লিঙ্গই মঞ্চে আসার আগে তাদের নিজেদের কথার প্রস্তুতি নেয়। পুরুষের কথাগুলো হলো সারাজীবনের পরিশ্রমের ফল; নারীর প্রাথমিক 'কথা' হলো তার বাহ্যিক রূপ--অথবা তার বয়সের ছাপহীনতা। কেরিয়ার যেভাবে পুরুষদের ক্ষমতা দেয়, সৌন্দর্য একইভাবে নারীদের ক্ষমতা দেয়। কিন্তু সবচাইতে সুন্দরীদের সাথে তুলনা যেভাবে একজন নারীকে ক্ষমতাহীন অনুভব করায়, সবচাইতে সফল পুরুষদের সাথে তুলনাও একইভাবে একজন পুরুষকে ক্ষমতাহীন অনুভব করায়। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * প্রথম পুরুষ বার্তাটি একজন বালক অবচেতনভাবে এভাবে অনুভব করে: ‘আমার ক্লাসের কিছু মেয়ে এখনই মুভি স্টারের মতো দেখতে। তারা যদি আমাকে ততটা চাইত যতটা আমি তাদের চাই, তবে আমি জানতাম যে আমি ঠিক আছি। তারা জন্মগত তারকা। আর আমি জন্মগত অনুরাগী।’ ** পৃষ্ঠা ১১১ * নারীদের সচেতনতা যখন বৃদ্ধি পেয়েছিল তখন নারীরা ঘরের কাজকে ঘৃণাভরে দেখতে শুরু করেছিল; যখন পুরুষদের সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে তখন যৌন প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়াকে পুরুষেরা ঘৃণ্য কাজ হিসেবে দেখবে। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যৌন বিষয়ে সন্দেহভাজন হওয়ার ভয়ে পুরুষদের সাথে আবেগীয় যোগাযোগ না করার ভয় বালকদের মেয়েদের সামনে আরও বেশি ক্ষমতাহীন করে তোলে। সমকামভীতি অনেকটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এটা বলার মতো যে এটি একটি দুর্বল জাতি হয়ে যাবে যদি তারা ওপেক থেকে সব তেল সংগ্রহ না করে। ** পৃষ্ঠা ১২৮ * সাফল্য যেমন সমাধান তেমনই ফাঁদ: একজন পুরুষ যৌন আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে যত কম ইচ্ছুক হবে, সে সাফল্যের বস্তু হওয়ার ফাঁদে তত বেশি আটকা পড়বে। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * অ্যালান আল্ডাকে সবাই ভালোবাসে কারণ সে কেবল সংবেদনশীল নয় বরং সে সফল এবং সংবেদনশীল। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকার প্রশিক্ষণ আসলে বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * একজন পুরুষের সফল হওয়ার একটি বিপদ হলো এটি তার স্ত্রী এবং কন্যাকে সাফল্য নিয়ে চিন্তা না করতে শেখায়। ** পৃষ্ঠা ১৪৮ * প্রতিশ্রুতি মানে অনেক সময় একজন নারীর তার প্রধান কল্পনা পূরণ হওয়া, যেখানে একজন পুরুষ তার কল্পনা ত্যাগ করে। তার প্রধান কল্পনা বিসর্জন দেওয়ার বিনিময়ে সে কী পাওয়ার আশা করে? তার প্রধান প্রয়োজন: ঘনিষ্ঠতা। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * একজন অবিবাহিত নারী যিনি নিজের ভরণপোষণ করেন তাকে কেরিয়ার ওম্যান বলা হয়, অন্যদিকে একজন অবিবাহিত পুরুষ যিনি নিজের ভরণপোষণ করেন তাকে প্লেবয় বলা হয়…বিদ্রূপের বিষয় হলো যে নারী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় এবং আর্থিকভাবে নির্ভরশীল হয় তাকে সেই পুরুষের চেয়ে বেশি পরিপক্ক মনে করা হয় যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয় কিন্তু আর্থিকভাবে স্বাধীন। ** পৃষ্ঠা ১৫৪ * একজন পুরুষ বুঝতে পারে না যে একজন নারী তাকে ভালোবাসে নাকি তার দেওয়া নিরাপত্তাকে ভালোবাসে যতক্ষণ না সেই নারী চলে যাওয়ার মতো আর্থিকভাবে এবং মানসিকভাবে যথেষ্ট স্বাধীন হয়। যতক্ষণ একজন নারী চলে যেতে না শেখে ততক্ষণ সে নিজেও নিশ্চিত হতে পারে না যে সে ভালোবাসতে শিখেছে কি না। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * নারীদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব না দেওয়া হলো সেক্সিজম বা লিঙ্গবৈষম্য; নতুন লিঙ্গবৈষম্য হলো পুরুষদের অসহায়ত্বের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব না দেওয়া। ** পৃষ্ঠা ১৯৪ * পুরুষদের মেকআপ হলো তাদের পদবী, মর্যাদা এবং ডেটিংয়ের খরচ মেটানো। মেকআপ হলো এমন কিছু যা উভয় লিঙ্গই তাদের বর্তমান ক্ষমতা এবং তারা যে ক্ষমতা পেতে চায় তার মাঝখানের দূরত্ব ঘোচাতে ব্যবহার করে। নারী এবং পুরুষ উভয়ের মেকআপই হলো তাদের অসহায়ত্বের অনুভূতির ক্ষতিপূরণ। ** পৃষ্ঠা ২১৫ * পুরুষেরা ভিন্ন ভিন্ন নারীদের সাথে একই কথা বলে ঠিক যে কারণে নারীরা ভিন্ন ভিন্ন পুরুষের জন্য একই পারফিউম ব্যবহার করে; আমরা সবাই সেই জিনিসগুলোই চেষ্টা করি যা কাজ করে। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * সম্পর্কে যখন পুরুষদের কাছে বেশি টাকা থাকে তখন আমরা বলি তাদের ক্ষমতা আছে। সম্পর্কে যখন নারীদের কাছে বেশি টাকা থাকে তখন আমরা বলি তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ২১৮ * লিঙ্গবৈষম্যের নিয়মগুলো পুরুষদের সহিংসতার আতঙ্ক থেকে মুক্ত করে না; এগুলো কেবল পুরুষদের এই বিষয়ে অভিযোগ করা থেকে বিরত রাখে। ** পৃষ্ঠা ২৩২ * সে যৌনতা পায়, নারীও যৌনতা পায়; যদি এটি অসমান মনে করা হয় তবে পুরুষেরা কেন প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পায় তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যতক্ষণ না একজন নারী একজন পুরুষকে প্রথমবার বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় ঠিক যেভাবে পুরুষেরা তাকে দেয়, ততক্ষণ পর্যন্ত ‘সে আমাকে বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে তাই সে টাকা দেবে’ এই দাবিটি পুরুষদের ওপর দ্বিগুণ বোঝা: তাকে কেবল প্রস্তাবই দিতে হবে না বরং অতিরিক্ত প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত খরচও দিতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৭৭ * কিছুদিন আগে পর্যন্ত প্রশ্ন ছিল ‘কেন একজন নারী পুরুষের মতো হতে পারে না?’ এটি পরিবর্তন করে হওয়া উচিত ছিল ‘কেন উভয় লিঙ্গই একে অপরের সেরা গুণগুলোর মতো হতে পারে না?’ এর পরিবর্তে ১৯৬০-এর দশকের নারীবাদী ব্যাজগুলোতে লেখা থাকত অ্যাডাম ওয়াজ আ ফার্স্ট ড্রাফট। কথাটি যথেষ্ট সত্য। আমরা সবাই তাই। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * পুরুষেরা ততক্ষণ পরিবর্তন হবে না যতক্ষণ নারীরা ‘উপরে বিয়ে’ করবে। পুরুষেরা ততক্ষণ পরিবর্তন হবে না যতক্ষণ আমাদের এই বিষয়ে ধারণা না হবে যে ক্ষমতা আমাদের কতটা ক্ষমতাহীন করে তোলে। একজন নারী একজন পুরুষকে পরিবর্তন হতে সাহায্য করতে পারে না যতক্ষণ না তার এই বিষয়ে ধারণা হয় যে ক্ষমতা পুরুষদের কতটা ক্ষমতাহীন করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * আমি মনে করি যে ব্যবসায়িক জগতে সফল হওয়া নারীদের যেমন পুরুষ মেন্টর প্রয়োজন হয়, সম্ভবত আবেগীয় জগতে সফল হওয়া পুরুষদের জন্য নারী আবেগীয় মেন্টর প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ৩১৭ * আমাদের সঙ্গী নির্বাচন হলো আমাদের মূল্যবোধ নির্বাচনের অন্যতম স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। ** পৃষ্ঠা ৩৪১ * কেবল তখনই একজন নারী পুরুষকে সত্যিই বুঝতে শুরু করতে পারে যখন সে পুরুষদের ঝুঁকিগুলো ভাগ করে নেয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫৫ * শিশুদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা এত তাৎক্ষণিক কারণ আমরা তাদের অসহায়ত্ব সঙ্গে সঙ্গে অনুভব করতে পারি; বিপরীতে পুরুষদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা অস্বীকার করার একটি উপায় হলো পুরুষদের অসহায়ত্বকে অস্বীকার করা। আমরা প্রায়ই পুরুষদের প্রতি ভালোবাসাকে তাদের প্রতি শ্রদ্ধার সাথে গুলিয়ে ফেলি, বিশেষ করে আমাদের যত্ন নেওয়ার ক্ষমতার জন্য--যা আসলে কেবল নিজেদের প্রতিই ভালোবাসা। ** পৃষ্ঠা ৩৬০ * মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘনিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় মনোবিজ্ঞান প্রজাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় মনোবিজ্ঞানে পরিণত হয়েছে। ** পৃষ্ঠা ৩৭১ * পুরুষদের ভালোবাসা কি নারীবাদের পরিপন্থী? একদমই না। আমার বিশ্বাস প্রতিটি প্রকৃত নারীবাদী একজন পুরুষবাদী হওয়ার মাধ্যমে আরও গভীর এবং পরিপক্ক হয়--এমন একজন ব্যক্তি যে সমতা এবং স্বীকৃতির জন্য পুরুষদের অনুসন্ধানকে পুরুষের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুঝতে পারে। একইভাবে প্রতিটি পুরুষবাদী একজন নারীবাদী হওয়ার মাধ্যমে আরও গভীর হয় (এমন একজন ব্যক্তি যে সমতা এবং স্বীকৃতির জন্য নারীদের অনুসন্ধানকে নারীর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুঝতে পারে)। ** পৃষ্ঠা ৩৬৮ === ''দ্য মিথ অফ মেল পাওয়ার'' (১৯৯৩) === <small>সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ১ম সংস্করণ, ১৯৯৩; ২য় সংস্করণ, বার্কলে, ২০০০)</small> ==== প্রথম খণ্ড: দ্য মিথ অফ মেল পাওয়ার ==== * পুরুষদের দুর্বলতা হলো শক্তির কৃত্রিম বহিঃপ্রকাশ; নারীদের শক্তি হলো দুর্বলতার কৃত্রিম বহিঃপ্রকাশ। ** পৃষ্ঠা ১৩ * নারীবাদ নারীদের শিখিয়েছে যে যখন পুরুষেরা ভুল ব্যক্তির সাথে বা ভুল সময়ে উদ্যোগ নেয় তখন যৌন হয়রানির জন্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যায়; কিন্তু কেউ পুরুষদের শেখায়নি যে নারীরা যখন প্রথমে "হ্যাঁ", তারপর "না" এবং পরে আবার "হ্যাঁ" বলে তখন মানসিক আঘাতের জন্য মামলা করা যায়। ... পুরুষদের কাছ থেকে এখনো উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা করা হয়, কিন্তু এখন তারা যদি এটি ভুলভাবে করে তবে তাদের জেল হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে পোস্ট অফিসগুলোতে সিলেক্টিভ সার্ভিস পোস্টারে লেখা থাকে "একজন পুরুষকে তাই করতে হয় যা তার করা উচিত"। এগুলো পুরুষদের মনে করিয়ে দেয় যে কেবল তাদেরই বাধ্যতামূলক সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হবে। যদি পোস্ট অফিসে এমন পোস্টার থাকত যেখানে লেখা থাকত "একজন ইহুদিকে তাই করতে হয় যা তার করা উচিত..." অথবা কোনো গর্ভবতী নারীর শরীরের ওপর যদি লেখা থাকত "একজন নারীকে তাই করতে হয়..." ** পৃষ্ঠা ২৮ * যে সমাজগুলো টিকে আছে তারা তাদের সন্তানদের যুদ্ধে এবং কাজে এমনকি বাবা হিসেবেও উৎসর্গ করার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করেই টিকে আছে। ** প্রথম খণ্ড * এমন অনেক দিক আছে যেখানে একজন নারী তার পুরুষ সঙ্গীর তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাহীন অনুভব করেন: গর্ভাবস্থা, বয়স বেড়ে যাওয়া, ধর্ষণ, ডেট রেপ এবং শারীরিকভাবে অবদমিত হওয়ার ভয়; স্বামী ও সন্তানদের ভরণপোষণ করার মতো যথেষ্ট বেতনের ক্যারিয়ার গড়ার সামাজিক শিক্ষার অভাব[...] সৌভাগ্যবশত, প্রায় সব শিল্পোন্নত জাতি নারীদের এই অভিজ্ঞতাগুলোকে স্বীকার করেছে। দুর্ভাগ্যবশত, তারা কেবল নারীদের অভিজ্ঞতাগুলোকেই স্বীকার করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৮ * ক্ষমতা মানে যদি নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকা বোঝায়, তবে আমাদের জীবনের ওপর লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকা এবং বর্ণবাদের প্রভাব বোঝার জন্য গড় আয়ুর চেয়ে ভালো কোনো মাপকাঠি নেই। ** পৃষ্ঠা ৩০ * বিষয়: মাইক টাইসনের বিচার। জুরিরা যে হোটেলে ছিলেন সেখানে আগুন লেগে যায়। দুই জন ফায়ারফাইটার সেখানকার বাসিন্দাদের বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারান। মাইক টাইসনের বিচার আমাদের পুরুষদের ধর্ষণকারী সত্তা সম্পর্কে সচেতন করেছে। কিন্তু ফায়ারফাইটারদের মৃত্যু আমাদের পুরুষদের রক্ষাকর্তা সত্তা সম্পর্কে সচেতন করেনি। আমরা একজন পুরুষের ক্ষতি করার বিষয়ে যতটা সচেতন ছিলাম, দুই জন পুরুষের বাঁচানোর বিষয়ে ততটা ছিলাম না... ** পৃষ্ঠা ৩৬ * ইতিহাসে এমন একটি উদাহরণ খুঁজে পাওয়া কঠিন যেখানে কোনো গোষ্ঠী ৫০ শতাংশের বেশি ভোট দিয়েও নিজেদের ভুক্তভোগী দাবি করে পার পেয়েছে... নারীরাই একমাত্র 'নিপীড়িত' গোষ্ঠী যারা 'নিপীড়কের' সাথে একই বাবা-মায়ের সন্তান; যারা 'নিপীড়কের' মতোই মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারে জন্ম নেয়; যারা 'নিপীড়কের' চেয়ে বেশি বিলাসদ্রব্যের মালিক হয়... ** পৃষ্ঠা ৪০ * আমরা 'তিনটি বিকল্প থাকা নারী এবং কোনো বিকল্প না থাকা পুরুষের যুগে' প্রবেশ করেছি। ** পৃষ্ঠা ৫২ * প্রথম ধাপে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি ছিল না, তাই পুরুষদের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলত না; দ্বিতীয় ধাপে সম্পর্ক বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যেতে পারে, তাই পুরুষদের সম্পর্কগুলো নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছিল। আমরা এমন রাজনৈতিক নেতাদের চাইনি যারা এমন আচরণের রোল মডেল হবেন যা নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে। ** পৃষ্ঠা ৬৩ * সংক্ষেপে, আমাদের জিনগত ঐতিহ্য আমাদের জিনগত ভবিষ্যতের সাথে সাংঘর্ষিক। মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি প্রজাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় গুণাবলি ভালোবাসার জন্য প্রয়োজনীয় গুণের সাথে মিলে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৬৫ * হাজার হাজার বছর ধরে অধিকাংশ বিয়ে ছিল প্রথম ধাপের—অর্থাৎ টিকে থাকার ওপর ভিত্তি করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিয়েগুলো ক্রমশ দ্বিতীয় ধাপের দিকে ঝুঁকেছে—যেখানে নিজের আত্মতৃপ্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়... ভালোবাসার সংজ্ঞায় একটি পরিবর্তন আসছে। ** পৃষ্ঠা ৪২ * নারী মুক্তি এবং পুরুষদের মধ্যবয়সের সংকট ছিল একই অনুসন্ধান—ব্যক্তিগত তৃপ্তি, সাধারণ মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসার জন্য। কিন্তু নারী মুক্তিকে যখন নিজস্ব পরিচয় তৈরির উপায় হিসেবে ভাবা হয়, পুরুষদের মধ্যবয়সের সংকটকে ভাবা হয় পরিচয়ের সংকট হিসেবে। ** পৃষ্ঠা ৪৪ * নিউ ইয়র্ক সিটিতে ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেনের পরিচালনা পর্ষদে থাকার সময় আমি কর্মক্ষেত্রে সমতা নিয়ে বিভিন্ন কর্পোরেট কর্মশালা করেছি। সেখানে সবচাইতে বেশি বাধার সম্মুখীন হয়েছি পুরুষ কর্মকর্তাদের কাছে নয়—বরং তাদের স্ত্রীদের কাছে। যতক্ষণ তার আয় তার স্বামীর কাছ থেকে আসছিল, ততক্ষণ তিনি মোটেও উদার বোধ করছিলেন না যখন দেখতেন ইতিবাচক পদক্ষেপের কারণে অন্য কোনো নারী তার স্বামীর (অর্থাৎ তার নিজের) আয়ের অংশীদার হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৪৬ * নারীদের ক্ষত চিহ্ন এবং প্রথাগুলো সৌন্দর্যের সাথে যুক্ত ছিল (কান ও নাক ফোঁড়ানো, পা বেঁধে রাখা এবং করসেট পরা); পুরুষদের প্রথাগুলো ছিল নারীদের রক্ষার সাথে যুক্ত। উগান্ডার ডোডোদের মতো যেসব সংস্কৃতিতে শারীরিক শক্তি এখনো নারীদের রক্ষার সেরা উপায়, সেখানে প্রতিটি মানুষকে হত্যার বিনিময়ে পুরুষদের একটি ক্ষত চিহ্ন দেওয়া হয়; ক্ষত চিহ্ন যত বেশি, তাকে তত বেশি যোগ্য মনে করা হয়। ** পৃষ্ঠা ৭২ * আজ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে যথাযথভাবেই ঘৃণা করা হয়। কিন্তু পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে আমরা বিনোদন বলি। ফুটবল, বক্সিং, কুস্তির কথা ভাবুন... এগুলো পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে মিষ্টি কথায় ঢাকার উপায়। আসলে এগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে আমাদের দল -- বা আমাদের সমাজ -- তার সেরা রক্ষকদের নিজেদের উৎসর্গ করার জন্য রাজি করাতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৭৫ * কল্পনা করুন আমরা কেমন বোধ করতাম যদি আমি এই অংশটি এভাবে শুরু করতাম, আজ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে যথাযথভাবে হাততালি দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। আমরা জানতাম যে আমি নারীদের মৃত্যু সমর্থন করি; কিন্তু যখন আমরা পুরুষদের বিরুদ্ধে সহিংসতার জন্য হাততালি দিই, তখন আমরা পুরুষদের মৃত্যুই সমর্থন করি। আমরা এটি করি কারণ আমরা শিখেছি যে পুরুষদের যত কার্যকরভাবে আত্মত্যাগের জন্য প্রস্তুত করব, আমরা তত বেশি সুরক্ষিত থাকব। ** পৃষ্ঠা ৭৬ * পুরুষেরা প্রায়ই সেই সমাজগুলোতে অহিংস হয়ে ওঠে যেখানে (১) পর্যাপ্ত খাবার আছে, (২) পর্যাপ্ত জল আছে এবং (৩) তারা নিজেদের আক্রমণ থেকে নিরাপদ মনে করে। উদাহরণস্বরূপ, তাহিতির পুরুষরা, ক্রিটের মিনোয়ান পুরুষরা এবং মধ্য মালয়েশিয়ার সেমাইরা তাদের ইতিহাসের সেই সময়ে অহিংস ছিল যখন এই তিনটি শর্তই বিদ্যমান ছিল। ** পৃষ্ঠা ৭৭ * প্রায়ই বলা হয় যে নারীরা জন্মগতভাবে যুদ্ধপ্রিয় পুরুষদের সভ্য করার একটি ভারসাম্য। নারীদের বদলে নিজেরা হত্যার কাজ করার মাধ্যমে পুরুষরাই নারীদের সভ্য করেছে বলা যেতে পারে। যখন টিকে থাকাই ছিল মূল বিষয়, তখন নারীদের গর্ভজাত সন্তানদের রক্ষার জন্য পুরুষদের হত্যা করা ছিল আসলে তাদের লালন-পালনেরই একটি ধরন। ** পৃষ্ঠা ৭৯ * তাহলে পিতৃতন্ত্রকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়? সম্ভবত এটিকে একটি সংস্কৃতিতে পুরুষদের আধিপত্য, দায়িত্ব এবং আনুগত্যের ক্ষেত্র হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে, যা টিকে থাকার প্রয়োজন মেটানোর জন্য উভয় লিঙ্গের মাধ্যমেই শক্তিশালী হয়েছে। মাতৃতন্ত্রকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়? একটি সংস্কৃতিতে নারীদের আধিপত্য, দায়িত্ব এবং আনুগত্যের ক্ষেত্র হিসেবে, যা টিকে থাকার প্রয়োজন মেটানোর জন্য উভয় লিঙ্গের মাধ্যমেই শক্তিশালী হয়েছে। ** পৃষ্ঠা ৯৮ ==== দ্বিতীয় খণ্ড: দ্য গ্লাস সেলারস অফ দ্য ডিসপোজেবল সেক্স ==== * প্রতিদিন কর্মক্ষেত্রে প্রায় ততজন পুরুষ মারা যান যতজন ভিয়েতনামের গড়পড়তা দিনে মারা যেতেন। পুরুষদের জন্য আসলে তিনটি পুরুষ-নির্ধারিত বাধ্যতামূলক তালিকা (ড্রাফট) আছে: সমস্ত যুদ্ধের জন্য পুরুষদের তালিকা; অবৈতনিক দেহরক্ষী হিসেবে প্রতিটি সাধারণ মানুষের তালিকা; এবং সমস্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ বা 'মৃত্যু পেশার' জন্য পুরুষদের তালিকা। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * কোনো আন্দোলনই প্রবাসী শ্রমিকদের নিপীড়িত বলে না যদিও তারা সেই নারীদের জন্য অর্থ যোগান দেয় যাদের কাছ থেকে তারা রান্নাবান্না বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সেবা পায় না; তারা তাদের স্ত্রীদের জন্য ঘরবাড়ি তৈরি করে দেয় অথচ নিজেরা মাটিতে ঘুমায়। ** পৃষ্ঠা ১১১ * যখন খনি এবং অন্যান্য মৃত্যু পেশা নিয়ে নারীবাদী প্রকাশনাগুলোতে আলোচনা করা হয় তখন সেগুলোকে পুরুষতান্ত্রিক ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়। তবে মিস ম্যাগাজিনে যখন নারী খনি শ্রমিকদের কথা বলা হয়েছিল তখন এই বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল যে কীভাবে একজন নারী খনিতে কাজ করতে 'বাধ্য' হয়েছিলেন কারণ সেখানে সবথেকে ভালো বেতন পাওয়া যেত এবং তার পরিবারকে সাহায্য করার জন্য সেটিই ছিল একমাত্র পথ। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * পুরুষদের মরতে দেওয়া হলো টাকা বাঁচানোর একটি কৌশল। নিরাপত্তার জন্য টাকা খরচ করতে হয়। একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তার ভাষায়, ‘যখন সবকিছুতেই তাড়াহুড়ো থাকে, যখন আপনি মানুষের ওপর চাপ প্রয়োগ করেন এবং শর্টকাট ব্যবহার করেন তখন সবকিছু ভুল হতে পারে। আর তখন মানুষ মারা যায়।’ না। তখন পুরুষ মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ১১৯ * কোনো পেশা শারীরিকভাবে নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত নারীরা সেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় যোগ দেন না। তাই আমরা যতক্ষণ পুরুষদের নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন হয়ে মৃত্যু পেশাগুলোকে নিরাপদ পেশায় রূপান্তর না করব ততক্ষণ আমরা আসলে নারীদের প্রতি বৈষম্য করছি। কিন্তু যখন আমরা কেবল নারীদের অতিমাত্রায় সুরক্ষা দিই তখন সেটিও নারীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের দিকে নিয়ে যায়। যদি কোনো নিয়োগকর্তা বড় কোম্পানিতে কাজ করেন যেখানে কোটার কারণে বৈষম্য করা সম্ভব নয় তখন তারা স্থায়ীভাবে কাউকে নিয়োগ দেওয়ার বদলে ফ্রিল্যান্সারদের নিয়োগ দিতে বেশি আগ্রহী হন। তারা ভাবেন এতে কোনো নারীকে নিয়োগ দিয়ে সম্ভাব্য যৌন হয়রানির মামলার ঝুঁকি নিতে হবে না। ** পৃষ্ঠা ১২১ * একটি দেশ যত বেশি পুরুষতান্ত্রিক সেটি নারীদের তত বেশি সুরক্ষা দেয়। আর এভাবেই সেটি নারীদের সীমাবদ্ধ করে দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইতালি, স্পেন এবং ডেনমার্ক নারীদের বাধ্যবাধকতা ছাড়াই অনেক সুযোগ দেয়। তাই এই দেশগুলো এখনো পুরুষতান্ত্রিক। কোনো দেশ কতটা স্বাধীন তা নির্ভর করে সেই দেশ পুরুষদের নারীদের রক্ষা করার বাধ্যবাধকতা থেকে কতটা মুক্তি দেয় এবং নারীদের পুরুষদের সমানভাবে রক্ষা করতে কতটা শেখায় তার ওপর। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * যুদ্ধ কে ঘটায়? যুদ্ধ ঘটে আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার আদিম ভয় থেকে। এই ভয় নারী ও পুরুষ উভয়েরই আছে। এই ভয় এতটাই আদিম যে আমরা সহজেই সেইসব ব্যক্তিদের অসৎ উদ্দেশ্য সম্পর্কে বাড়িয়ে বলতে প্রলুব্ধ হই যারা আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। কেন? কোনো হুমকিকে অবমূল্যায়ন করার একটি ভুল সবাইকে ধ্বংস করে দিতে পারে; কিন্তু অতিমূল্যায়ন করার অনেক ভুল কেবল পুরুষদের ধ্বংস করে। ** পৃষ্ঠা ১৪২ * প্যারেড ম্যাগাজিন জানায় যে ১৯১৪ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে ৪০ মিলিয়ন সোভিয়েত পুরুষ নিহত হয়েছে। ম্যাগাজিনটির শিরোনাম ছিল ‘দুর্ভাগ্যের শিকার’। পুরুষরা মারা গেছে বলে? না। নারীদের দুর্ভাগ্যের শিকার হিসেবে দেখা হয়েছিল কারণ তারা ফ্যাক্টরি এবং রাস্তা পরিষ্কার করার কাজে আটকা পড়েছিলেন যে কাজগুলো করার জন্য পুরুষরা তখন বেঁচে ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১৪৫ * পুরুষেরা কেবল যুদ্ধের যোদ্ধা নয় বরং শান্তির যোদ্ধাও হতে পারে। প্রায় সবাই যারা শান্তির জন্য জীবন বাজি রাখে, জেলে যায় বা নিহত হয় তারা পুরুষ। নেলসন ম্যান্ডেলা, মার্টিন লুথার কিং, গান্ধী বা দাগ হ্যামারশোল্ডের মতো কিছু শান্তির যোদ্ধাকে মনে রাখা হলেও অধিকাংশকেই ভুলে যাওয়া হয়। নর্ম মরিসনের কথা মনে আছে? ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদ করার কয়েক বছর পর নর্ম পেন্টাগনের সিঁড়িতে নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন... কিন্তু নর্ম মরিসনকে আজ সবাই ভুলে গেছে। ** পৃষ্ঠা ১৫৩ * ১৯৭০-এর দশকের দিকে আমেরিকান নারীদের 'স্বাধীন' বলা হতো। অন্যদিকে আমেরিকান পুরুষেরা যদি ভিয়েতনামে যুদ্ধ করত তবে তাদের 'শিশু হত্যাকারী' বলা হতো। যদি তারা প্রতিবাদ করত তবে তাদের 'দেশদ্রোহী' বলা হতো আর যদি তারা কোনোটিই না করত তবে তাদের 'উদাসীন' বলা হতো। এমনকি যেসব পুরুষ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছিল তাদের দিকেও আক্ষরিক অর্থেই থুতু ফেলা হয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ১৫৫ * কিশোরী মেয়েদের দক্ষতা প্রমাণের চাপ কম থাকে এবং ভালোবাসা পাওয়ার সম্পদ বেশি থাকে। তাদের শরীর ও মন আসলে জন্মগত উপহার। ** পৃষ্ঠা ১৬৬ * কিশোর বালকদের উদ্বেগ এতটাই তীব্র হওয়ার কারণ হলো তাদের সামাজিক শিক্ষা তাদের কাছে দক্ষতা প্রমাণের দাবি করে কিন্তু সেই দক্ষতা অর্জনের সম্পদ দেয় না। ফলে তার ঝুঁকি যেমন অনেক তেমনই ব্যর্থতাও অনেক। এবং সেগুলো খুব স্পষ্ট... দ্বিতীয়ত, সবচাইতে বড় বিজয়ীরা—যেমন ফুটবল খেলোয়াড়েরা—নিজেদের ওপর অত্যাচার করার মাধ্যমে ভালোবাসা পায়। কিছু বালকের জন্য এই অত্যাচার উদ্বেগ তৈরি করে। কিন্তু ভালোবাসা হারানো আরও বেশি উদ্বেগ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * পৃথিবী এখন ক্রমশ মেয়েদের সুযোগ দিচ্ছে তারা যা হতে চায় তাই হওয়ার—গৃহিণী, মা, সেক্রেটারি বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * অতীতে যৌনতা এবং গর্ভাবস্থা নিয়ে নারী-পুরুষ উভয়েই চিন্তিত ছিল। এখন জন্মনিরোধক বড়ি নারীর উদ্বেগ কমিয়েছে এবং কনডম পুরুষের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এখন ব্রণযুক্ত চেহারার একটি বালককে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ঝুঁকি নিতে হয় এবং সেই সাথে হার্পিস ও এইডস নিয়ে নিজের ভয়কে জয় করতে হয়। সেই সাথে তাকে মেয়েটিকেও আশ্বস্ত করতে হয় যে ভয়ের কিছু নেই। তাকে এখনো যৌনতার ঝুঁকি নিতে হয়, কিন্তু এখন সে যদি খুব তাড়াতাড়ি ঝুঁকি নেয় তবে তাকে জেলে যেতে হতে পারে অথবা তাড়াতাড়ি না নিলে তাকে কাপুরুষ বলা হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৬৮ * এমনকি ৩০ বছর বয়সের একজন পুরুষ যার স্ত্রী মারা গেছে তার আত্মহত্যার সম্ভাবনা একই বয়সের একজন বিবাহিত পুরুষের চেয়ে ১১ গুণ বেশি। ৩০ বছর বয়সে যখন পুরুষেরা নিজেদের কাজে ডুবে থাকতে পারে এবং তারা নারীদের কাছে শারীরিকভাবে ও আর্থিকভাবে আকর্ষণীয় থাকে তখন নিজের ভালোবাসার মানুষকে হারানো এতটাই বিধ্বংসী হয় যে অনেক নারীর সুযোগ থাকলেও সেই কষ্ট কমে না... সংক্ষেপে, ভালোবাসা হারানোই পুরুষদের ধ্বংস করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৬৯ * নারীরা প্রায়ই আত্মহত্যার চেষ্টা করে কারণ তারা যাদের ভালোবাসে তাদের কাছে অগ্রাধিকার পেতে চায়, সব সময় কেবল তাদের অগ্রাধিকার দিতে চায় না। ** পৃষ্ঠা ১৭১ * যেসব পুরুষ সফল তারা ভালোবাসা পাওয়ার জন্য সাফল্যের ওপর সবচাইতে বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। যখন এই পুরুষটি তার সাফল্য হারায় তখন সে প্রায়ই ভয় পায় যে সে ভালোবাসা হারাবে। ** পৃষ্ঠা ১৭২ * একজন পুরুষের কাছে বেকারত্ব হলো একজন নারীর কাছে ধর্ষণের মানসিক যন্ত্রণার সমান। ** পৃষ্ঠা ১৭২ * বাধ্যতামূলক আগাম অবসর নেওয়া একজন পুরুষের কাছে তেমনটাই হতে পারে যেমনটা একজন নারীর কাছে কোনো 'অল্পবয়সী নারীর জন্য পরিত্যক্ত' হওয়া। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * বিষণ্ণতার অভিযোগ প্রায়ই পুরুষের ওপর নারীর নির্ভরশীলতার সাথে যুক্ত থাকে। কিন্তু এটি এমন পুরুষের ওপর নির্ভরশীলতা যারা একজন নারীকে টিকে থাকার সংগ্রামের চেয়েও বেশি কিছু নিয়ে ভাবার সময় দিতে যথেষ্ট সফল। এই কারণেই যখন আমরা বিষণ্ণতায় আক্রান্ত নারীদের কথা ভাবি তখন আমাদের মাথায় মধ্যবিত্ত নারীদের কথা আসে, শ্রমিক শ্রেণির নারীদের কথা নয়। শ্রমিক শ্রেণির নারীরা বেঁচে থাকার চিন্তায় এতই ব্যস্ত থাকেন যে বিষণ্ণতার কথা বলার সুযোগ পান না। বিষণ্ণতা এমন একটি রোগ যা তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায় যাদের বেঁচে থাকার চিন্তা ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে ভাবার বিলাসিতা আছে। একজন মানুষ দ্বিতীয় ধাপে যত বেশি এগিয়ে থাকে সে বিষণ্ণতার দিকে তত বেশি মনোযোগ দিতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৭৭ * যখন একজন পুরুষকে আগাম অবসর নিতে বাধ্য করা হয় তখন প্রায়ই তাকে 'একজন অল্পবয়সী পুরুষের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়'। একজন পুরুষের কাছে আগাম অবসর তেমনটাই হতে পারে যেমনটা একজন নারীর কাছে 'অল্পবয়সী নারীর জন্য পরিত্যক্ত' হওয়া... সন্তানরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেলে মায়েরা যতটা না বিচলিত হন পুরুষেরা কেন অবসরে গেলে তার চেয়ে বেশি বিচলিত হন? নারীরা যখন সন্তানদের কাছ থেকে অবসর নেন তখন তারা একটি পেশা শুরু করার চেষ্টা করতে পারেন; কিন্তু একজন পুরুষ যখন পেশা থেকে অবসর নেন তখন তার সন্তানরাও চলে যায়। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * যখন নারী ও পুরুষের গড় আয়ু প্রায় সমান হয় তখন তার কারণ কেবল সন্তান জন্মদান নয় বরং রোগব্যাধি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, জলের অভাব, অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা এবং পুষ্টিহীনতা। শিল্পোন্নত সমাজে অকালমৃত্যুর প্রধান কারণ হলো মানসিক চাপ যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। যেহেতু মানসিক চাপ একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তাই পুরুষেরা নারীদের তুলনায় অনেক আগে মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * বিকল্পগুলো একজন নারীকে তার ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী নিজের ভূমিকা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেয়। কিন্তু একজন পুরুষ যদি ভালোভাবে ভরণপোষণ করতে চায় তবে সে তাই পরতে বাধ্য হয় যা তাকে মানায় না, বরং তাকে একটি স্যুট পরতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৩ * দ্য নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন সম্প্রতি জানিয়েছে যে নিজের দোষ নিয়ে কথা বলা আমাদের হৃদস্পন্দনের গতিতে অস্বাভাবিকতা তৈরি করে। সামান্য অস্বাভাবিকতা? না। স্থির সাইকেল চালিয়ে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া বা বুকে ব্যথা হওয়ার মতো তীব্র অস্বাভাবিকতা। সম্ভবত কিশোর বয়স থেকে পুরুষদের একে অপরের সমালোচনা করার যে অভ্যাস সেটিই ৫০ বছর বয়সের আগে নারীদের তুলনায় পুরুষদের চার গুণ বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ। আসলে আমাদের ছেলেরা হৃদরোগের প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ১৮৬ * সংক্ষেপে, আমরা নারীদের তুলনায় জেলখানায় থাকা পুরুষ, সামরিক বাহিনীতে থাকা পুরুষ এবং সাধারণভাবে পুরুষদের ওপর বেশি গবেষণা করি ঠিক যে কারণে আমরা মানুষের চেয়ে ইঁদুরের ওপর বেশি গবেষণা করি। ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * যদিও একটি সরকারি গবেষণায় দেখা গেছে যে নারীদের বা অন্য কোনো সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর চেয়ে পুরুষদের স্বাস্থ্য অনেক বেশি খারাপ, তবুও সারা দেশের শিরোনামে লেখা হয়েছিল: ‘সংখ্যালঘুরা বড় ধরনের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্যের সম্মুখীন’। তারা বলেনি: ‘পুরুষরা বড় ধরনের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্যের সম্মুখীন’। কেন? কারণ আমরা পুরুষদের জীবনের আত্মত্যাগকে বাকিদের রক্ষার উপায় হিসেবে দেখি। আর এই ধারণাটি আমাদের অবচেতনে পুরুষদের দীর্ঘকাল বেঁচে থাকার বিষয়ে উদাসীন হতে উৎসাহ দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৬ * যখন জন্মনিরোধক বড়ি ইউরোপে পাওয়া যেত কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাওয়া যেত না তখন আমেরিকান নারীরা চিৎকার করে বলেছিল যে বড়িটি সহজলভ্য না করা নারীদের জীবনের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে... যখন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) উচ্চ মাত্রার হরমোনযুক্ত বড়ি বাজারে ছেড়েছিল যা পরে অপ্রয়োজনীয় প্রমাণিত হয়, তখন তাদের এই বলে আক্রমণ করা হয়েছিল যে তারা নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করার বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন নয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৫ * দুর্ভাগ্যবশত একজন পুরুষের জীবনে অর্থ উপার্জনের প্রক্রিয়া মানেই ছিল তার স্ত্রীকে পর করে দেওয়া। মাঝে মাঝে এটি আইনত বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায় তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি মানসিক বিচ্ছেদের কারণ হয়। এই কারণেই ডাক্তারদের স্ত্রীদের ওপর করা একটি জরিপে দেখা গেছে যে তারা তাদের স্বামীদের প্রতি এক ধরনের প্রচণ্ড ঘৃণা পোষণ করেন। তবুও সেই স্ত্রীরা ডাক্তারদের সাথে সংসার চালিয়ে যান। কেন? তারা বলেছিলেন যে সবকিছুর চেয়ে তারা বিয়ের নিরাপত্তা চান... ফলে পুরুষেরা প্রায়ই এক ধরনের কৃত্রিম মানসিক নিরাপত্তার নেশায় নিজেদের বিলিয়ে দেন। অন্তত তাদের স্ত্রীদের কাছে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বাস্তবতা থাকে। ** পৃষ্ঠা ২০৩ * কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ, আদিবাসী পুরুষ এবং সমকামী পুরুষদের মধ্যে একটি মিল আছে: তারা নারীদের জন্য কোনো অর্থনৈতিক নিরাপত্তার চাদর দিতে পারেন না। ** পৃষ্ঠা ২০৬ * সমকামী যৌনতা মানে ছিল দুই ঘণ্টার আনন্দের বিনিময়ে দুই ঘণ্টার আনন্দ। বিষমকামী যৌনতা মানে ছিল দুই ঘণ্টার আনন্দের বিনিময়ে সারাজীবনের দায়িত্ব। বিষমকামী সম্পর্ক ছিল একটি লোকসানের চুক্তি! সমকামভীতির পেছনের ভয়টি ছিল যে পরবর্তী প্রজন্মের ভরণপোষণ করার কেউ থাকবে না। সবাই কেবল আনন্দ করবে। ফলে 'আনন্দ' করা হয়ে দাঁড়াল অপরিপক্কতার লক্ষণ; আর অনেক ধরনের 'ভোগবিলাস' অবৈধ হয়ে গেল। ** পৃষ্ঠা ২০৮ * আমরা কেন গৃহহীন পুরুষদের সাহায্য করতে অনীহা প্রকাশ করি? এর আংশিক কারণ হলো আমরা বুঝি না যে পরিবার চালানোর চাপ কীভাবে পুরুষদের এমন সব অস্থায়ী কাজ করতে বাধ্য করে যা তাদের গৃহহীন হওয়ার পথে এগিয়ে দেয় এবং আংশিক কারণ হলো আমরা সফল না হওয়া পুরুষদের প্রতি ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাই। ** পৃষ্ঠা ২০৯ * পুরুষদের এই পাগলামি থেকে স্বাভাবিক পথে ফিরে আসার দ্রুত উপায় হলো নারী-পুরুষ উভয় লিঙ্গের জন্যই ঘর এবং কর্মস্থলের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার দাবি করা। পুরুষদেরও তাদের স্ত্রীদের কাছ থেকে ঠিক তেমনভাবেই আর্থিক সহযোগিতা আশা করতে হবে যাতে তারা বাবা হওয়ার সময় দিতে পারে যেভাবে তারা এখন তাদের স্ত্রীদের মা হওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা দেয়। নারীদেরও টাকার যোদ্ধার বদলে ভালোবাসার যোদ্ধাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২১২ * নারীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করার সাথে সাথে আমাদের নারীদের রক্ষা করার প্রবণতা কি পুরুষদেরও রক্ষা করার নিয়ম তৈরি করবে? হ্যাঁ এবং না। হ্যাঁ, যেমন ডাক্তারদের সপ্তাহে ৮০ ঘণ্টার কম কাজ করার বিষয়টি এখন পুরুষদেরও প্রভাবিত করছে। না, যখন শ্রমিক শ্রেণির কাজগুলোকে ভাগ করা হয় যেখানে পুরুষেরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো নেয় আর নারীরা নিরাপদ কাজগুলো নেয়। আর পেশাগত জীবনে পুরুষেরা যদি সার্জারির মতো অনিয়মিত সময়ের কাজগুলো বেছে নেয় আর নারীরা যদি সাইকিয়াট্রির মতো নিয়মিত সময়ের কাজগুলো নেয় তবে আমরা কেবল নারীদের সুরক্ষিত শ্রেণি এবং পুরুষদের পরিত্যাজ্য শ্রেণি হিসেবে দেখার ধারণাটিকেই শক্তিশালী করব। ** পৃষ্ঠা ২১৩ * শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় কৃষ্ণাঙ্গদের খুনের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২১৪ * যখন আমরা শুনি যে পুরুষেরা অপরাধের বেশি শিকার হচ্ছে তখন আমরা বলি, ‘আরে, পুরুষরাই তো পুরুষদের মারছে।’ যখন আমরা শুনি যে কৃষ্ণাঙ্গরা বেশি শিকার হচ্ছে তখন আমরা একে বর্ণবাদী মনোভাব মনে করি যদি বলি, ‘আরে, কৃষ্ণাঙ্গরাই তো কৃষ্ণাঙ্গদের মারছে।’ অপরাধী যেই হোক না কেন ভুক্তভোগী সব সময় ভুক্তভোগীই হয়। ** পৃষ্ঠা ২১৫ * অপরাধ বিশেষ করে অর্থের সাথে যুক্ত অপরাধ ভরণপোষণ করার প্রত্যাশা এবং তা পূরণ করার ক্ষমতার মধ্যে ব্যবধানকে প্রতিফলিত করে... আমরা যদি সত্যিই চাই যে পুরুষেরা নারীদের মতো খুব কম অপরাধ করুক তবে আমাদের শুরু করতে হবে পুরুষদের কাছ থেকে নারীদের ভরণপোষণের যে প্রত্যাশা তা কমিয়ে দিয়ে। ** পৃষ্ঠা ২১৫-২১৬ * যখন আমরা কোনো শিশু কন্যার প্রতি সহিংসতা করি তখন আমরা তাকে শিশু নির্যাতন বলি; যখন আমরা কোনো শিশু পুত্রের প্রতি সহিংসতা করি তখন আমরা তাকে খতনা বলি। ** পৃষ্ঠা ২২১ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়াই খতনা করা হয়, যদিও অ্যানেস্থেসিয়া শিশুর মানসিক চাপ কমায় এবং সংক্রমণ ও রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে। ** পৃষ্ঠা ২২১ * আমরা যদি এখনো মেয়েদের যৌনাঙ্গের উপরের অংশ কাটতাম তবে একে মেয়েদের যৌনতাকে দমন করার ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখতে আমাদের কোনো অসুবিধা হতো না। আমেরিকা যে কোনো গবেষণা ছাড়াই খতনা করে যাচ্ছে তা মূলত বালকদের ব্যথার অনুভূতির প্রতি সংবেদনহীন করার ঐতিহ্যেরই প্রতিফলন। তাদের শেখানো হচ্ছে যাতে তারা তাদের শরীরের অঙ্গ পরিত্যাজ্য হওয়ার বিষয়ে কোনো প্রশ্ন না তোলে। ** পৃষ্ঠা ২২৩ * বিপদে পড়া নারীদের নিয়ে তৈরি সিনেমাগুলো আসলে রাজকন্যাকে ড্রাগনের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে পুরুষদের প্রাণ দেওয়ার সেই পুরনো গল্পের আধুনিক রূপ। এগুলো আসলে নারীদের সেরা রক্ষক খুঁজে নেওয়ার এবং বাকিদের বাদ দেওয়ার জন্য আধুনিক দিনের প্রশিক্ষণমূলক চলচ্চিত্র। ** পৃষ্ঠা ২২৫ * লিঙ্গবৈষম্যমূলক ধারণা হলো কেবল নারীদের ওপর যে কোনো সহিংসতাকে নারী-বিরোধী মনে করা, কিন্তু পুরুষদের ওপর নারীর করা সহিংসতাকে সাধারণ সহিংসতা মনে করা। এই ধারণাটি নারীদের আরও বেশি সুরক্ষা দেওয়ার জন্য আইনের দাবি তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ২২৮ * পুরুষেরা কেবল নারীদের অবৈতনিক দেহরক্ষীই নয় বরং তারা নারী দেহরক্ষী হওয়ার জন্য উল্টো টাকাও খরচ করে। ** পৃষ্ঠা ২৩০ * নারীরা শিশুদের রক্ষা করার জন্য জীবন বাজি রাখবে কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক কোনো পুরুষকে রক্ষা করার জন্য খুব কমই জীবন বাজি রাখে। ** পৃষ্ঠা ২৩০ * নারী আন্দোলনের একটি বড় ভুল ধারণা: কাজ মানেই "ক্ষমতা" এবং "আত্মতৃপ্তি" মনে করা। ** পৃষ্ঠা ২৩২ * আমাকে প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয় যে নারীদের বিশেষ করে দরিদ্র নারীদের যৌনকর্মী হিসেবে নিজেদের শরীর ব্যবহার করার বিষয়ে পুরুষেরা কেন বিচলিত হয় না। কারণ অধিকাংশ পুরুষ অবচেতনভাবে প্রতিদিন নিজেদের যৌনকর্মী হিসেবেই অনুভব করে খনি শ্রমিক, ফায়ারফাইটার, নির্মাণ শ্রমিকরা আসলে সরাসরি অর্থ এবং পরিবারের জন্য নিজেদের শরীর উৎসর্গ করে। ** পৃষ্ঠা ২৩৩ * নারীদের রক্ষা করার জন্য আইনগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে যদি কোনো পুরুষের সাংবিধানিক অধিকারের সাথে নারীর সুরক্ষার বিষয়টি সাংঘর্ষিক হয় তবে সেই অধিকার গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * বিবাহবিচ্ছেদের ফলে পুরুষদের গোষ্ঠী (যাকে আইনসভা বলা হয়) সমষ্টিগতভাবে নারীদের রক্ষা করতে শুরু করে যখন অন্য পুরুষেরা (যাদের স্বামী বলা হয়) ব্যক্তিগতভাবে নারীদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * নারীদের বিশেষ সুরক্ষার আইনি পক্ষপাত সংবিধানের সমান সুরক্ষার গ্যারান্টিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে শুরু করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ ==== তৃতীয় খণ্ড: বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকার ==== * খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত একজন পুরুষের মৃত্যুদণ্ড পাওয়ার সম্ভাবনা একই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত একজন নারীর চেয়ে ২০ গুণ বেশি... ১৯৭৬ সালে মৃত্যুদণ্ড পুনরায় চালু হওয়ার পর থেকে ১২০ জন পুরুষ এবং মাত্র ১ জন নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। উত্তর ক্যারোলিনার সেই নারীটি বলেছিলেন যে তিনি মৃত্যুদণ্ডই পছন্দ করেন... উত্তর ক্যারোলিনায় দ্বিতীয় পর্যায়ের খুনের জন্য একজন পুরুষ গড়ে একজন নারীর চেয়ে ১২.৬ বছর বেশি সাজা পায়। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যখন একজন পুরুষ এবং একজন নারী মিলে কোনো অপরাধ করে তখন তারা দুজনেই প্রায়ই পুরুষটির ওপর দোষ চাপাতে রাজি হন—যদিও পুরুষটির দীর্ঘ সাজা পাওয়ার এবং কারাগারে ধর্ষিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যদি কৃষ্ণাঙ্গরা শ্বেতাঙ্গদের জন্য এমনটা করত তবে কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায় একে বুদ্ধিমত্তার সাথে ‘শেখানো দাসত্ব’ বলে অভিহিত করত। ** পৃষ্ঠা ২৪৩ * ১৯৫৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০,০০০ নারী খুন করেছেন। তাদের শিকার হয়েছেন প্রায় ৬০,০০০ পুরুষ। কিন্তু এই অধ্যায়ের দ্বিতীয় বিষয়ের তথ্যানুযায়ী কেবল একজন পুরুষকে হত্যার জন্য কোনো নারীরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি। প্রায় চার দশক ধরে আমরা নারীদের প্রতি ক্রমেই বেশি সুরক্ষিত এবং পুরুষদের প্রতি ক্রমেই কম সুরক্ষিত হয়ে উঠছি এমনকি সেই ছেলেটি যদি নাবালকও হয় যেমনটা ছিল হিথ উইলকিন্স। ** পৃষ্ঠা ২৪৪ * যদি আমরা কোনো বিবাহিত পুরুষকে তার অর্থনৈতিক আইনি জটিলতার জন্য দায়ী করি তবে বিবাহিত নারীকেও তার বিপথে যাওয়া সন্তানদের জন্য দায়ী করা উচিত। ** পৃষ্ঠা ২৫০ * প্রিয়জনকে হত্যার হাত থেকে নারী বা পুরুষ কেউই মুক্ত নয়। পার্থক্য কেবল হত্যার পর তাদের সাথে কী ঘটে তার মধ্যে। ১২টি আলাদা আলাদা নারী-কেন্দ্রিক প্রতিরক্ষা কোনো নারীকে পরিকল্পিত খুনের অভিযোগ থেকে মুক্তি দিতে বা সাজা কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। কোনো পুরুষই একই পরিস্থিতিতে এই যুক্তিগুলো ব্যবহার করে সফল হয়নি। ** পৃষ্ঠা ২৫৪ * এটিই হলো “নির্দোষ নারী প্রতিরক্ষা”-র ভিত্তি অর্থাৎ “নির্দোষ নারী নীতি”: নারীরা যখন বলে যে তারা সহিংসতায় জড়িত নয় তখন তাদের বিশ্বাস করা হয় এবং যখন তারা বলে যে তারা সহিংসতায় দোষী তখন তাদের খুব সহজেই সন্দেহ করা হয়। ** পৃষ্ঠা ২৫৫ * ''ফ্যারেলের অন্য এগারোটি প্রতিরক্ষা হলো ‘পিএমএস প্রতিরক্ষা’; ‘স্বামী প্রতিরক্ষা’ (ওয়ারেন, আমি পুরোপুরি জানি না কীভাবে এটি সংক্ষেপে বলব আমি নিশ্চিত নই যে আমি এটি বুঝতে পেরেছি কি না); ‘নির্যাতিতা নারী সিনড্রোম’ প্রতিরক্ষা যা ‘শেখানো অসহায়ত্ব’ নামেও পরিচিত; ‘বিষণ্ণ মা’ প্রতিরক্ষা; ‘মায়েরা হত্যা করে না’ প্রতিরক্ষা; ‘শিশুদের মায়ের প্রয়োজন’ প্রতিরক্ষা; ‘বাবাকে দোষ দাও, মাকে বোঝো’ প্রতিরক্ষা; ‘আমার সন্তান, একে নির্যাতনের অধিকার আমার’ প্রতিরক্ষা; ‘সাজা কমানোর চুক্তির’ প্রতিরক্ষা; ‘সভেনগালি প্রতিরক্ষা’ এবং ‘চুক্তিতে হত্যা’ প্রতিরক্ষা।'' ** অধ্যায় ১২ * প্রতিটি যুদ্ধের অভিজ্ঞ পুরুষরাই পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের মাধ্যমে ‘নির্যাতিত পুরুষ সিনড্রোমে’ ভোগেন। এর মানসিক ফলাফল বছরের পর বছর তাদের সাথে থাকে। কিন্তু যদি ভুক্তভোগী কেউ এজেন্ট অরেঞ্জ স্প্রে করার আদেশ দেওয়ার জন্য অ্যাডমিরাল জুমওয়াল্টকে হত্যা করে তবে তাকে খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হবে। নির্যাতিত পুরুষ সিনড্রোমে ভোগা পুরুষদের তাদের নির্যাতনকারীকে আক্রমণ করার এবং একে আত্মরক্ষা বলার অনুমতি দেওয়া হয় না। ** পৃষ্ঠা ২৬৪ * চুক্তিতে করা হত্যাগুলো কখনোই কোনো নারীর পুরুষকে হত্যা করা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয় না। ** পৃষ্ঠা ২৮১ * আমরা তখনই নির্যাতন এবং হত্যা কমাতে পারি যখন আমরা বুঝব যে উভয় লিঙ্গের ক্ষেত্রেই নির্যাতন ক্ষমতা থেকে নয় বরং ক্ষমতার অভাব থেকে আসে। ** পৃষ্ঠা ২৮২ * কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি দক্ষতার পুরস্কারকে আকর্ষণীয় হওয়া এবং যৌন সহজলভ্যতার পুরস্কারের সাথে গুলিয়ে ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৮৪-৫ * একজন পুরুষের কাজ তখনই অবৈধ হবে যদি কোনো নারী মনে করে যে এটি একটি ‘প্রতিকূল পরিবেশ’ তৈরি করছে এবং যদি পুরুষটি সেই অপরাধ করে থাকে... ‘প্রতিকূল পরিবেশ’-এর সংজ্ঞা কে দেয়? নারীটি। এমনকি পুরুষটির উদ্দেশ্য কী ছিল তা আইনের ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য তৈরি করে না। অন্যান্য সকল অপরাধমূলক আচরণের ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এমনকি খুনের ক্ষেত্রেও। যৌন হয়রানি সংক্রান্ত বর্তমান আইন সকল পুরুষকে সকল নারীর তুলনায় অসমান করে দেয়। এটি সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর লিঙ্গ নির্বিশেষে সমান সুরক্ষার গ্যারান্টিকে সরাসরি লঙ্ঘন করে। এভাবেই কেবল নারীদের রক্ষা করার রাজনৈতিক ইচ্ছা উভয় লিঙ্গকে সমানভাবে রক্ষা করার সাংবিধানিক আদেশের চেয়ে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত বর্তমান আইন সকল পুরুষকে সকল নারীর তুলনায় অসমান করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * এক দশকে নারীরা কর্মক্ষেত্রে আপত্তিকর কৌতুকের বিরুদ্ধে যতটা সুরক্ষা পেয়েছে পুরুষেরা কয়েক শতাব্দীতেও কর্মক্ষেত্রে নিহত হওয়ার বিরুদ্ধে ততটা সুরক্ষা পায়নি। ** পৃষ্ঠা ২৮৮ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইনগুলো পুরুষদের কাছে অন্যায্য মনে হয় কারণ তারা যদি কোনো জাতিগত কৌতুক বা কোনো নারীর পর্নোগ্রাফি নিয়ে আলোচনা করা বা বাইরে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার বিরুদ্ধে মামলা করত তবে তাদের নিয়ে হাসাহাসি করা হতো। ** পৃষ্ঠা ২৮৯ * এক অর্থে যৌন হয়রানি সংক্রান্ত মামলাগুলো হলো নারী নির্বাচনের প্রক্রিয়ার সবশেষ সংস্করণ—যা তাকে এমন পুরুষ বেছে নিতে সাহায্য করে যে তার ক্যারিয়ার ঝুঁকির মুখে ফেলার মতো তার প্রতি যত্নশীল। যার মধ্যে অভদ্র না হয়েও উদ্যোগ নেওয়ার দক্ষতা এবং মামলা হওয়ার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও উদ্যোগ নেওয়ার সাহস আছে... অতীতে তার এই বাধাগুলো অতিক্রম করার প্রক্রিয়াকে ‘কোর্টশিপ’ বলা হতো। এখন একে ‘কোর্টশিপ’ অথবা ‘যৌন হয়রানি’ বলা হয়। ** পৃষ্ঠা ২৯১ * যখন একজন পুরুষ কোনো নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয় তখন যৌন উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা তার ক্ষমতা বাড়ায় না বরং তাকে স্থবির করে দেয়। মামলার ভয় কেবল সেই স্থবিরতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। বিদ্রূপের বিষয় হলো পরিস্থিতি যত বিপজ্জনক হয় ‘নোংরা কৌতুক বলা’ ততটাই পরিস্থিতি বোঝার উপায় হিসেবে কাজ করে: যদি সে হাসে তবে হয়তো সে আগ্রহী; যদি সে বিরক্ত হয় তবে হয়তো সে আগ্রহী নয়। সে অনেক বেশি শক্তিশালী বোধ করত যদি নারীটি নিজে পরিস্থিতি বোঝার দায়িত্ব নিত। ** পৃষ্ঠা ২৯৪ * যদি একজন নারী কর্মী বিরক্ত বোধ করেন তবে তার বসের ইচ্ছা থাকে যে তিনি তাকে সেটা বলুক, মামলা না করুক। ** পৃষ্ঠা ২৯৪ * হেজিং হলো দলের কাছে নিজেকে সমর্পণ করার পরীক্ষা এবং প্রশিক্ষণ উভয়ই। ** পৃষ্ঠা ২৯৫ * যদি কোনো নারীকে এই পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে না হয় তবে তাকে আসলে যাচাই করা হচ্ছে না; তাই তাকে বিশ্বাসও করা হচ্ছে না। ** পৃষ্ঠা ২৯৫ * যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইন প্রায়ই একটি প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করে যা নারীকে শিশুর মতো করে উপস্থাপন করে। ** পৃষ্ঠা ২৯৭ * কর্মক্ষেত্রে আসলে সাত ধরনের যৌন মিথস্ক্রিয়া ঘটে... যৌন ব্ল্যাকমেইল। একজন বস কোনো কর্মীকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য হুমকি দেয় অন্যথায় তাকে বরখাস্ত করা হবে... যৌন ঘুষ। একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যৌনতার বিনিময়ে পদোন্নতির প্রতিশ্রুতি দেয়। এটি স্পষ্ট বা পরোক্ষ হতে পারে... কর্মক্ষেত্রের বেশ্যাবৃত্তি। পদোন্নতির বিনিময়ে একজন কর্মী যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে; একজন বিক্রয়কর্মী কোনো পণ্য বিক্রির জন্য যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে। যৌন সম্পর্ক হতে পারে বা কেবল প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতে পারে... কর্মক্ষেত্রের ইনসেস্ট। কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক। কর্মক্ষেত্রে পরিবারের মতো ক্ষমতার স্তর থাকে যা যৌন সম্পর্কের ফলে অস্পষ্ট হয়ে যায়... যৌন হয়রানি। একজন কর্মী ‘না’ বলার পরেও কর্মক্ষেত্রে বারবার যৌন প্রস্তাব দেওয়া... কর্মক্ষেত্রে ফ্লার্টেশন। ইঙ্গিতপূর্ণ পোশাক, চোখে চোখে কথা বলা, স্পর্শ এবং চোখের সংকেতের সমন্বয়... কর্মক্ষেত্রের পর্নোগ্রাফি। গ্রুপে পিনআপ ছবি, অশ্লীল কৌতুক এবং যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলা... ** পৃষ্ঠা ২৯৭-৯ * সমাধান: (...) অন্য লিঙ্গের ভালো উদ্দেশ্য বোঝার চেষ্টা করুন। ** পৃষ্ঠা ৩০৬ * আদি নারীবাদীরা এটি বুঝতে পেরেছিলেন: তারা সুরক্ষামূলক আইনের কট্টর বিরোধী ছিলেন। তারা জানতেন যতক্ষণ রাজকন্যাকে একটি মটরশুঁটি থেকে রক্ষা করা হবে ততক্ষণ নারীরা সমতা থেকে বঞ্চিত হবে। আধুনিক দিনের নারীদের জন্য সেই ‘মটরশুঁটি’ হলো কর্মক্ষেত্রের কঠিন পরিস্থিতি। আজকের নারীবাদীরা যখন সুরক্ষামূলক আইনের সমর্থক হন তখন তারা আসলে সমতার বিরোধিতা করেন। যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আইন লিঙ্গবৈষম্যমূলক কারণ এটি যৌন মিলনের খেলায় কেবল পুরুষকেই পুরুষালি ভূমিকার জন্য দায়ী করে। ** পৃষ্ঠা ৩০৭ * মিথ। ধর্ষণ হলো পুরুষদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ। সত্য। একজন শ্বেতাঙ্গ পুরুষের তুলনায় একজন কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষের ধর্ষক হিসেবে অভিযুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তিন গুণ বেশি। কৃষ্ণাঙ্গদের কি হঠাৎ করে বেশি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা হয়ে গেছে? সম্ভবত ধর্ষণ ক্ষমতা থেকে আসে না বরং ক্ষমতার অভাব থেকে আসে। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * এটিও সম্ভব যে একজন নারী কোনো পুরুষের ঘরে গেল এবং তাকে বলল যে সে শারীরিক সম্পর্ক করতে চায় না এবং সে এটি বিশ্বাসও করে। কিন্তু পরে চুম্বন শুরু হলে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়ে যায় এবং সকালে সে অনুতাপ করে। কীভাবে? চুম্বন হলো পটেটো চিপস খাওয়ার মতো। আমরা বোঝার আগেই যতটুকু বলেছিলাম তার চেয়ে বেশি করে ফেলি। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * ধর্ষণের ক্ষেত্রে যৌন আকর্ষণের ভূমিকা অস্বীকার করা মানে নারীর যৌন সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষদের আসক্তিকে শক্তিশালী করার এবং পরে সেই আসক্তি থেকে তাদের বঞ্চিত করার জন্য আমাদের দায়িত্বকে অস্বীকার করা। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * যৌন আচরণের প্রতিটি বিচারের সমস্যা হলো এটি এমন সব মানুষ করে যারা বিচারের সময় উত্তেজিত অবস্থায় থাকে না। একজন জুরি যখন একটি শান্ত আদালতে একজন নারীকে দেখে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করে যে সে কী চেয়েছিল এবং ধরে নেয় যে বাকি যা কিছু ঘটেছে তার সব দায় পুরুষের, তবে এটি কেবল সেই নারীকেই নয় বরং যৌনতার শক্তিকেও অপমান করা। ** পৃষ্ঠা ৩১২ * একজন নারীর ইচ্ছার চেয়ে বেশি যৌন সম্পর্ক করার পর কোনো পুরুষের বিরুদ্ধে মামলা করা অনেকটা পটেটো চিপস বেশি খাওয়ার জন্য চিপস কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করার মতো। সংক্ষেপে ডেট রেপ একটি অপরাধ, একটি ভুল বোঝাবুঝি অথবা পরে অনুশোচনা হওয়ার মতো বিষয় হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩১২ * ডেট রেপ শব্দটি যখন নারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে নাটকীয় দিকটি বোঝাতে সাহায্য করেছে, পুরুষদের কাছে তেমন কোনো শব্দ নেই যা তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে যন্ত্রণাদায়ক দিকটি বোঝাতে পারে। অবশ্যই এখন সবচাইতে যন্ত্রণাদায়ক দিকটি হলো এমন একজন নারীর মাধ্যমে ডেট রেপের অভিযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা যাকে সে ভালোবাসত। যদি পুরুষেরা তাদের চিরাচরিত ভূমিকার খারাপ দিকগুলোকে চিহ্নিত করত তবে তারা সেগুলোকে “ডেট ডাকাতি”, “ডেট প্রত্যাখ্যান”, “ডেট দায়িত্ব”, “ডেট জালিয়াতি” এবং “ডেট মিথ্যাচার” বলতে পারত। ** পৃষ্ঠা ৩১৩ * অনেক পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে ডেটিংয়ের সবচাইতে খারাপ দিকটি হলো এটি কীভাবে তার কাছে সামাজিক নিয়মের মাধ্যমে ডাকাতির মতো মনে হতে পারে যেখানে সে পকেট থেকে টাকা বের করে তাকে দেয় এবং একে ডেট বলে। একজন তরুণের কাছে সবচাইতে খারাপ ডেট হলো লুণ্ঠিত এবং প্রত্যাখ্যাত হওয়ার মতো। ছেলেরা প্রত্যাখ্যান এড়াতে মৃত্যুর ঝুঁকি পর্যন্ত নেয় (যেমন সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া)। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * প্রত্যাখ্যাত হওয়ার জন্য টাকা খরচ করার একটি সন্ধ্যা কোনো পুরুষের কাছে ডেট রেপের পুরুষ সংস্করণ মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * যদি কোনো পুরুষের নারীর মৌখিক “না”-কে উপেক্ষা করা ডেট রেপ হয় তবে যে নারী মুখে “না” বললেও শারীরিক ভাষায় “হ্যাঁ” বলে সে ডেট জালিয়াতি করছে। আর যে নারী “না” বলার পরেও যৌন সম্পর্ক চালিয়ে যায় সে ডেট মিথ্যাচার করছে। নারীরা কি এখনো এটি করে? দুই জন নারীবাদী গবেষণায় দেখেছেন যে উত্তরটি হলো হ্যাঁ। প্রায় ৪০ শতাংশ কলেজ ছাত্রী স্বীকার করেছেন যে তারা যৌনতার ক্ষেত্রে “না” বলেছিলেন এমনকি “যখন তারা মনে মনে হ্যাঁ চেয়েছিলেন”। দেড় লক্ষাধিক পুরুষ ও নারীর সাথে আমার নিজের কাজেও উত্তরটি হ্যাঁ। প্রায় সব অবিবাহিত নারী স্বীকার করেছেন যে তারা কোনো ছেলের জায়গায় “কেবল কথা বলতে” যেতে রাজি হয়েছেন কিন্তু তবুও তার প্রথম চুম্বনে সাড়া দিয়েছেন। প্রায় সবাই স্বীকার করেছেন যে তারা সম্প্রতি এমন কথা বলেছেন যে ‘আজ এই পর্যন্তই থাক’, যদিও তখনো তারা চুম্বন করছিলেন ** পৃষ্ঠা ৩১৪ * আমরা ভুলে গেছি যে একে ডেট রেপ এবং ডেট জালিয়াতি বলার আগে আমরা একে উত্তেজনাপূর্ণ বলতাম। ** পৃষ্ঠা ৩১৪-৩১৫ * কোনোভাবেই নারীদের রোমান্স উপন্যাসের শিরোনাম ‘আমি যখন না বললাম সে তখন থেমে গেল’ এমন হয় না। সেগুলোর শিরোনাম হয় ‘সুইট স্যাভেজ লাভ’ যেখানে নারী সেই নম্র প্রেমিকের হাত প্রত্যাখ্যান করে যে তাকে ধর্ষকের হাত থেকে বাঁচায় এবং সেই পুরুষকে বিয়ে করে যে তাকে বারবার এবং পাশবিক ভাবে ধর্ষণ করে। এই “ধর্ষককে বিয়ে করার” থিমটিই ‘সুইট স্যাভেজ লাভ’ উপন্যাসকে কেবল একটি সেরা বই নয় বরং নারীদের সবচাইতে জনপ্রিয় রোমান্স উপন্যাসে পরিণত করেছে। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে একজন নারীর “না”-গুলোকে সম্মান করা হোক এবং তার “হ্যাঁ”-গুলোকেও সম্মান করা হোক। আর এটিও গুরুত্বপূর্ণ যে যখন তার শারীরিক “হ্যাঁ”-গুলো (জিহ্বার স্পর্শ বজায় থাকা) মৌখিক “না”-গুলোর সাথে সংঘর্ষ হয় তখন “না”-এর চেয়ে “হ্যাঁ” বেছে নেওয়ার জন্য পুরুষটিকে যেন জেলে না যেতে হয়। সে হয়তো কেবল তার কল্পনা পূরণ করার চেষ্টা করছিল। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * আমরা প্রায়ই শুনি “ধর্ষণ তো ধর্ষণই, তাই না?” না। ছুরির মুখে কোনো অপরিচিত ব্যক্তির কোনো নারীর ওপর চড়াও হওয়া আর মাতাল অবস্থায় কোনো পুরুষ ও নারীর যৌন সম্পর্ক করার পর সকালে অনুতাপ করা এক বিষয় নয়। পার্থক্য কী? একজন নারী যখন ডেটে যেতে রাজি হয় তখন সে যৌন সম্পর্কের সিদ্ধান্ত নেয় না ঠিকই কিন্তু সে যৌন সম্ভাবনার পথ খোলার সিদ্ধান্ত নেয়। কোনো অপরিচিত বা পরিচিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে নারী এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না। ** পৃষ্ঠা ৩১৫ * ধর্ষণের ব্যাপক সংজ্ঞাসহ আইনগুলো অনেকটা পুরুষদের জন্য ঘণ্টায় ৫৫ মাইল গতির সীমা আর নারীদের জন্য কোনো গতির সীমা না রাখার মতো। ** পৃষ্ঠা ৩১৭ * বিদ্রূপের বিষয়: মদ্যপান করে গাড়ি চালানোর জন্য যখন আমরা মানুষকে ক্রমেই বেশি দায়ী করছি, তখন মদ্যপান করে যৌন সম্পর্ক করার জন্য আমরা নারীদের ক্রমেই কম দায়ী করছি। ** পৃষ্ঠা ৩২০ * যৌনতার ক্ষেত্রে অবশ্যই দুই লিঙ্গ সমান নয়। এটি মূলত নারীর অধিকতর যৌন ক্ষমতা যা একজন পুরুষকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার এতটাই ভীত করে তোলে যে সে তার ভয় কমাতে মদ্যপান করে। আসলে নারীর যৌন ক্ষমতা প্রায়ই পুরুষকে মদ্যপানের দিকে নিয়ে যায় কিন্তু পুরুষের যৌন ক্ষমতা খুব কমই নারীকে মদ্যপানের দিকে নিয়ে যায়। যদি তার ওপর নারীর ক্ষমতার কোনো প্রমাণ থাকে তবে সেটি হলো কোনো বিনিময় ছাড়াই তাকে নারীর জন্য পানীয় কিনতে টাকা খরচ করতে হয়। পুরুষরাই নারীদের চেয়ে অনেক বেশি মানসিক সক্ষমতা হারায় যখন তারা একজন সুন্দরী নারীর “প্রভাবে” থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩২০ * যতক্ষণ সমাজ পুরুষদের যৌনতার বিক্রেতা হতে বলে ততক্ষণ সমাজ যদি কেবল পুরুষদের জেলে পাঠায় যখন তারা ভালোভাবে বিক্রি করে তবে তা লিঙ্গবৈষম্যমূলক। আমরা অন্যান্য বিক্রেতাদের ক্লায়েন্টকে পানীয় খাওয়ানোর জন্য বা সফলভাবে “না”-কে “হয়তো”-তে এবং পরে “হ্যাঁ”-তে রূপান্তর করার জন্য জেলে পাঠাই না। যদি ক্লায়েন্ট অতিরিক্ত মদ্যপানের সিদ্ধান্ত নেয় এবং “হ্যাঁ” বলাটা তার ভুল সিদ্ধান্ত হয় তবে ক্লায়েন্টকেই বরখাস্ত করা হয়, বিক্রেতাকে নয়। ** পৃষ্ঠা ৩২১ * প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের মাধ্যমে পুরুষদের সবচাইতে বেশি ধর্ষিত হওয়ার উপায় হলো “জন্ম নিয়ন্ত্রণ ধর্ষণ”। ** পৃষ্ঠা ৩৩৫ * পুরুষদের অধিকাংশ ধর্ষণ কারাগারেই ঘটে। কিন্তু কারাগারের বাইরেও প্রায় ৯ শতাংশ নথিভুক্ত ধর্ষণ পুরুষদের বিরুদ্ধে হয়ে থাকে (সম্ভবত বেশিরভাগই পুরুষদের দ্বারা করা তবে কেউ নিশ্চিত নয়)। কারাগারের বাইরে ধর্ষণ পুরুষদের জন্য ঠিক তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমনটা নারীদের জন্য এইডস—এইডসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের প্রায় ১০ শতাংশ নারী। আমরা কি পুরুষদের ধর্ষিত হওয়া সম্পর্কে বেশি শুনি নাকি নারীদের এইডস হওয়া সম্পর্কে? ** পৃষ্ঠা ৩৩৫ * আমরা এখনো বুঝি না যে যখন আমরা পুরুষদের অবহেলা করি তখন আমরা নারীদের ধর্ষণ করি। ** পৃষ্ঠা ৩৩৬ * মিস জরিপ একে ধর্ষণ বলতে পারে; একজন সম্পর্ক বিষয়ক পরামর্শদাতা একে একটি সম্পর্ক বলবে। দাম্পত্য ধর্ষণের আইন হলো ব্ল্যাকমেইল হওয়ার অপেক্ষায় থাকা একটি সুযোগ। ** পৃষ্ঠা ৩৩৮ * এই সবকিছুর সমাধান অপরাধী সাব্যস্ত করা নয় বরং সামাজিকীকরণ পরিবর্তন করা। ** পৃষ্ঠা ৩৪০ * যদি আইন আমাদের “হ্যাঁ” এবং “না”-কে শাসন করার চেষ্টা করে তবে এটি “দা স্ট্রেইটজ্যাকেট জেনারেশন” তৈরি করবে—এমন এক প্রজন্ম যারা ফ্লার্ট করতে ভয় পাবে এবং আদালতে নিজেদের প্রেমের চিঠি খুঁজে পাওয়ার ভয়ে ভীত থাকবে। ডেট রেপ সংক্রান্ত আইন প্রেম নিবেদন বা কোর্টশিপের পথ বন্ধ করে দিয়ে আদালতে মামলা করার পথ তৈরি করবে। নারীদের ক্ষমতায়ন ডেট রেপ থেকে সুরক্ষার মধ্যে নেই বরং উভয় লিঙ্গকে ডেটের উদ্যোগ এবং খরচ ভাগ করে নেওয়ার সামাজিকীকরণের মধ্যে রয়েছে যাতে ডেট রেপ এবং ডেট জালিয়াতি উভয়ই কমে যায়। যখন পুরুষেরা দ্রুত উদ্যোগ নেয় না তখন তাদের “কাপুরুষ” বলে, যখন নেয় তখন “ধর্ষক” বলে এবং যখন তারা এটি ভুলভাবে করে তখন তাদের “ছোটলোক” বলে আমরা ডেট রেপ বন্ধ করতে পারি না। আমরা যদি কেবল পুরুষদের ওপর ভালো ফল করার চাপ বাড়াই তবে এটি পুরুষদের নারীদের বস্তু হিসেবে দেখার প্রয়োজনীয়তাকে আরও বাড়িয়ে দেবে যা আরও ধর্ষণের দিকে নিয়ে যাবে। পুরুষেরা ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের ধর্ষক হবে যতক্ষণ পুরুষেরা আমাদের উদ্যোগ গ্রহণকারী হবে... ডেট রেপ সংক্রান্ত আইনগুলো ডেট ঘৃণা করার একটি পরিবেশ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ৩৪০ * বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকার নারীদের জন্য এমন কিছু করেছে যা শ্রমিক ইউনিয়নগুলো এখনো পুরুষদের জন্য করতে পারেনি। আর পুরুষেরা শ্রমিক ইউনিয়নের জন্য চাঁদা দেয়; করদাতারা নারীবাদের জন্য চাঁদা দেয়। নারীবাদ এবং সরকার খুব দ্রুতই করদাতা সমর্থিত নারী ইউনিয়নে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৪৪ * নিয়োগকর্তারা নিয়োগ এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে লিঙ্গবৈষম্য করতে বাধা পায় না। ** পৃষ্ঠা ৩৪৪ * আমরা বন্য ভালুক এবং ডলফিনকে ‘ফ্রি’ খাবার দেওয়া নিষিদ্ধ করেছি কারণ আমরা জানি যে এমন খাবার তাদের নির্ভরশীল করে তুলবে এবং তাদের বিলুপ্তির দিকে নিয়ে যাবে। কিন্তু যখন আমাদের নিজেদের প্রজাতির কথা আসে তখন আমরা স্বল্পমেয়াদী দয়া এবং দীর্ঘমেয়াদী নিষ্ঠুরতার মধ্যে সম্পর্ক দেখতে পাই না; আমরা নারীদের বেশি সন্তান নেওয়ার জন্য টাকা দিই যা তাদের প্রতিটি সন্তানের সাথে আরও নির্ভরশীল করে তোলে এবং তাদের নিজেদের জন্য লড়াই করার ক্ষমতা তৈরিতে নিরুৎসাহিত করে। নারীদের বিরুদ্ধে আসল বৈষম্য হলো এই ‘ফ্রি ফিডিং’। ** পৃষ্ঠা ৩৪৬ * অনেক কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ চলে যায় কারণ তারা আর্থিকভাবে দায়িত্বশীল মানসিকভাবে দায়িত্বহীন হওয়ার কারণে নয়। ** পৃষ্ঠা ৩৪৮ * যখন সরকারি ভর্তুকি কোনো শিশুকে তার বাবার সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত করে তখন সরকার আসলে শিশু নির্যাতনকেই সহায়তা করছে। ** পৃষ্ঠা ৩৪৮ * যদি কেউ কোনো নোংরা কৌতুক বলে তবে তার বিরুদ্ধে ‘প্রতিকূল পরিবেশের’ অভিযোগ এনে কোনো কোম্পানিকে মামলা করার প্রশিক্ষণ দিয়ে আমরা আসলে নারীদের বিকল্প স্বামী বা বাবার কাছে অর্থাৎ সরকারের কাছে দৌড়াতে শেখাচ্ছি। এটি কোম্পানিগুলোকে নারীদের ভয় পেতে শেখায় কিন্তু সম্মান করতে শেখায় না। কর্মক্ষেত্রে সফল হওয়ার জন্য আমরা নারীদের যে সেরা প্রস্তুতি দিতে পারি তা হলো মামলা করার চেয়ে বাধাগুলো অতিক্রম করার শক্তি দেওয়া: সফল মানুষেরা মামলা করে না তারা সফল হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫১ ==== চতুর্থ খণ্ড: এখান থেকে আমরা কোথায় যাব ==== * আদর্শগতভাবে কেবল একটি পুরুষ আন্দোলন না হয়ে বরং একটি লিঙ্গ পরিবর্তনকালীন আন্দোলন হওয়া উচিত; শুধুমাত্র নারী আন্দোলনের প্রভাবই একটি পুরুষ আন্দোলনের সাময়িক প্রয়োজনীয়তা তৈরি করে। এবং এটি পুরুষদের জন্য একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ তৈরি করে: খুব কম রাজনৈতিক আন্দোলনই সুস্থ মানুষদের দিয়ে গঠিত হয়, তবুও রাজনৈতিক আন্দোলন ছাড়া খুব কমই ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে। ** পৃষ্ঠা ৩৫৬ * পুরুষদের ক্ষেত্রে আমরা ভুক্তভোগীকেই দোষারোপ করি। আমরা পুরুষদের দোষ দিই কারণ আমরা তাদের নিপীড়নকারী হতে শিখিয়ে পুরুষদের ভুক্তভোগী হওয়ার বিষয়টি আড়াল করেছি। পুরুষদের নিপীড়নকারী পরিচয় তাদের ভুক্তভোগী পরিচয়কে আড়াল করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৩৫৭ * কাঠামো, (...) * নারীর সৌন্দর্য এবং যৌনতার প্রতি আসক্তি; * সুন্দরী নারী এবং তার সাথে যৌনতা থেকে বঞ্চিত হওয়া যতক্ষণ না পুরুষ তার বিনিময়ে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিচ্ছে; (...) ** পৃষ্ঠা ৩৫৮ * মানুষ সাধারণত নিজেদের স্বীকার করে নেওয়ার মাধ্যমেই পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু করে। এভাবেই কৃষ্ণাঙ্গরা তাদের গর্ব প্রকাশ করেছিল এবং বলেছিল যে কালো মানেই সুন্দর; নারীরা ঘোষণা করেছিল “আমি নারী, আমি শক্তিশালী”; আর পুরুষেরা বলছে “আমি পুরুষ, আমি ঠিক আছি”। পঁচিশ বছর ধরে পুরুষদের অপদস্থ করার পর এটি মন্দ শুরু নয়। ** পৃষ্ঠা ৩৬১ === জোনাথন রবিনসনের নেওয়া সাক্ষাৎকার (১৯৯৪) === <small>জোনাথন রবিনসনের ''ব্রিজেস টু হেভেন: হাউ ওয়েল-নোন সিকারস ডিফাইন অ্যান্ড ডিপেন দেয়ার কানেকশন উইথ গড'' (ওয়ালপোল, এনএইচ: স্টিলপয়েন্ট, ১৯৯৪) থেকে নেওয়া; এটি বিভিন্ন 'সিকার' সাক্ষাৎকারের একটি সংকলন।</small> * আমি যখন খাবার খাই তখন আমি সেই সব মানুষের কথা ভাবি যাদের পরিশ্রম আমার পুষ্টির যোগান দিয়েছে। এই ভাবনাটি আমার কৃতজ্ঞতাবোধকে বাড়িয়ে দেয়। আমি আশা করি এটি আপনাকেও পুষ্ট করবে। * একইসাথে সসীম এবং অসীম, অনেক কিছু আবার খুব সামান্য, সচেতন হয়েও নেহাতই আকস্মিক হওয়ার এই রহস্য আমাকে অবাক করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৪৬-৪৭ * আমার কাছে আমি যা জানি না তার বিশালতাই হলো ঈশ্বরকে অনুভব করার একটি পথ। এটি আমার মধ্যে নম্রতা এবং কৃতজ্ঞতার জন্ম দেয়। ** পৃষ্ঠা ৪৭ * আমি যখন অনেক ভালোবাসা পাই অথবা যখন মানুষকে লালন করি ও সাহায্য করি তখন আমার অভিজ্ঞতা আরও গভীর হয়। আমি এক বৃহত্তর উদ্দেশ্য এবং অর্থের সাথে যুক্ত বোধ করি। ** পৃষ্ঠা ৭১ * যখন আমি মানুষকে তাদের সেরাটা অর্জন করতে সাহায্য করার সেই বৃহত্তর বোধ হারিয়ে ফেলি তখন আমার ভেতরের ঈশ্বরের সাথে যোগাযোগ কমে যায়। ** পৃষ্ঠা ১০১ * ইতিহাসে এই প্রথম আমরা এত উচ্চ পর্যায়ের বিলাসিতা উপভোগ করছি। তাই ঈশ্বরকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * নিজেদের সচেতন সত্তার যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে আমরা নিজেদের পাশাপাশি অন্যদের শান্তি বজায় রাখতেও অবদান রাখি। ** পৃষ্ঠা ১৩৪ * আমার বাবা-মা যদি এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ আগেও বা পরেও মিলিত হতেন তবে আমার অস্তিত্ব থাকত না। কেবল জীবন পাওয়াটাই কত বড় এক অলৌকিক ঘটনা। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * মাঝে মাঝে যখন আমি আমার অতীতের দিকে ফিরে তাকাই তখন আমার মনে হয় যে আমি যা কিছুর মধ্য দিয়ে গিয়েছি তা আমাকে বর্তমান কাজের জন্য উপযুক্ত করে তৈরি করেছে। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমার কাছে ঈশ্বর হলো সারা জীবনে সঞ্চিত আমার সমস্ত জ্ঞান। আমি যখন মনোযোগ দিই তখন আমার শরীরই সেই জ্ঞানের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। ** পৃষ্ঠা ১৮৩ === ''উইমেন কান্ট হিয়ার হোয়াট মেন ডোন্ট সে'' (২০০০) === * তিরিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে কর্মশালা পরিচালনা করার অভিজ্ঞতায় কেউ কখনো আমাকে বলেনি, “ওয়ারেন, আমি বিচ্ছেদ চাই—আমার সঙ্গী আমাকে বোঝে।” ** পৃষ্ঠা ১৫ * একজন পুরুষ তার অনুভূতি প্রকাশ করে নয় বরং অনুভূতি দমন করার মাধ্যমেই সফল হয়। ** পৃষ্ঠা ১৬ * কোনো লিঙ্গ যখন তার অনুভূতি প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকে তার কারণ প্রায় সব সময়ই হলো তারা মনে করে না যে সেখানে অনুভূতি প্রকাশের মতো কোনো নিরাপদ পরিবেশ আছে। ** পৃষ্ঠা ১৬ * একজন পুরুষ ভয় পায় যে তার স্ত্রীর সাথে বিবাদ অন্তরঙ্গতা বাড়ানোর বদলে বরং তা কমিয়ে দেবে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * আমাদের সঙ্গী নির্বাচন সম্ভবত আমাদের জীবনদর্শনের সবচাইতে স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। তাই যখন আমরা কোনো কিছুর জন্য আমাদের সঙ্গীকে দোষ দিই, তখন আসলে আমাদের নিজেদেরই মুখোমুখি হওয়া উচিত। তা এই ভেবে নয় যে “হ্যাঁ, আমি ভুল নির্বাচন করেছি,” বরং এই ভেবে যে “এই নির্বাচন আমার মূল্যবোধকে কীভাবে প্রতিফলিত করছে?” ** পৃষ্ঠা ১৭ * পুরুষদের অনুভূতি প্রকাশে সহায়তা করার বিষয়ে যদি আমরা সত্যিই আন্তরিক হই তবে নারী-পুরুষের মধ্যকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এবং দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রশ্ন করা এবং পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮ * মানুষ গত ১০,০০০ বছরেরও বেশি সময় ব্যয় করেছে অন্য পক্ষের সাথে লড়াই এবং বিতর্ক করতে শিখতে কিন্তু একে অপরের কথা শুনতে বা সহানুভূতি প্রকাশ করতে শেখার জন্য প্রায় কোনো সময়ই ব্যয় করেনি। ** পৃষ্ঠা ১৮ * সত্য হলো যে রাগ প্রকাশ করতে এবং সমালোচিত হতে সবাই অস্বস্তি বোধ করে। রাগ এবং সমালোচনা প্রত্যাখ্যানের জন্ম দেয়। আর সবাই প্রত্যাখ্যানকে ঘৃণা করে। ** পৃষ্ঠা ২১ * যখন একজন নারী ভয় প্রকাশ করে তখন আমরা তাকে তার দায়িত্ব থেকে মুক্তি না দিয়ে আশ্বস্ত করতে পারি না; কিন্তু যখন আমরা পুরুষের সেই একই আবেগকেই রাগ হিসেবে দেখি তখন আমরা তাকে দোষারোপ করতে চাই এবং চাই সে যেন নিজের দায়িত্ব স্বীকার করে। আমরা তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চাই আর তাকে দোষী সাব্যস্ত করতে চাই। ** পৃষ্ঠা ২২ * আমরা অনুমোদন প্রত্যাশীদের উত্তরসূরি। আমরা প্রশংসা পেতে এতটাই মরিয়া যে আমরা কখনো সবার সাথে মিশে গিয়ে তা পাওয়ার চেষ্টা করি আবার কখনো সবার চেয়ে শ্রেষ্ঠ হয়ে তা পাওয়ার চেষ্টা করি। ** পৃষ্ঠা ২৪ * কথার চেয়ে কণ্ঠস্বরের ভঙ্গি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ২৫ * যদি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি সঙ্গীর ভালো উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করে তবে সাধারণত তা পাওয়া যায়। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যেকোনো পুরুষ যে দলগত খেলা খেলেছে সে “টিম স্পোর্ট এমপ্যাথি” নামক একটি দক্ষতা অনুশীলন করেছে: সে অন্য দলের পদক্ষেপগুলো অনুমান করার চর্চা করেছে। তার মানে হলো পরিস্থিতিকে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বোঝার চেষ্টা করা। ** পৃষ্ঠা ৩২ * নারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া পুরুষত্বেরই একটি বৈশিষ্ট্য। পুরুষেরা যখন রক্ষকের ভূমিকা পালন করে তখন তারা একজন নারীকে দুঃখ বা যন্ত্রণা থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। যদি তারা সেই দুঃখ বা যন্ত্রণার সামান্য আভাসও না পায় তবে তারা জানবে না কখন রক্ষা করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * সঙ্গীর সাথে দ্বিমত হওয়ার মুহূর্তে আমাদের অধিকাংশের মাথায় এটা আসে না যে আমাদের সঙ্গীর ইতিবাচক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলোর প্রশংসা করার জন্য সময় নেওয়া উচিত যা এমনকি সেই অবস্থানেও প্রতিফলিত হয় যার সাথে আমরা একমত নই। যখন আমরা তা করি তখন আমাদের সঙ্গী জানতে পারে যে সে যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন তাদের চরিত্রের প্রতি আমাদের বিশ্বাস কখনোই প্রশ্নবিদ্ধ হবে না। এটি প্রতিটি মতভেদকে ভালোবাসার একটি সম্ভাব্য উপহারে পরিণত করে। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * যখন আমরা কাউকে বিশ্বাস করি তখন আমরা বিনিময়ে বিশ্বাস পাই। আর যারা আমাদের বিশ্বাস করে তারা আমাদের প্রতি মনোযোগী হয়। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * কোন বয়সে একটি শিশুকে সমালোচনা করা এবং গ্রহণ করার আরও ভালো উপায়গুলো শেখানো উচিত—যাকে আমি “সম্পর্কের ভাষা” বলি? স্কুল বয়সের আগেই। এর সেরা শিক্ষক কে? মা-বাবা। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * স্কুলগুলো বর্তমানে শিশুদের মতামত প্রকাশে উৎসাহিত করতে দক্ষ হলেও উদাহরণস্বরূপ, “ওহ, এটা তো আমার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আলাদা—আমাকে আরও বলো” এই ধরণের কথা বলতে উৎসাহিত করতে ব্যর্থ। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * শিশুদের কথা শুনতে না শিখিয়ে কেবল বিতর্ক করতে শেখানো হলো বিচ্ছেদের প্রশিক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * যোগাযোগের সবচাইতে কঠিন অংশ হলো সমালোচনা শোনা যাতে তা সহজেই দেওয়া যায়। ** পৃষ্ঠা ৩৮ * আমরা সবাই কথা বলতে পারদর্শী কিন্তু শুনতে গেলে প্রতিবন্ধী। ** পৃষ্ঠা ৪০ * যেকোনো সমালোচনার প্রথম সহজাত প্রতিক্রিয়া হলো আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া। (প্রতিক্রিয়া যত দ্রুত হয় তা তত বেশি আত্মরক্ষামূলক হয়।) ** পৃষ্ঠা ৪০ * সমালোচনার বিপরীতে সকল আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিক। (অন্যের দৃষ্টিভঙ্গির আগে নিজের কথা চিন্তা করাটাই স্বাভাবিক।) ** পৃষ্ঠা ৪০ * সমালোচনাকারীকে থামিয়ে দেওয়া আমাদের বিবর্তনীয় অতীতের অংশ; সমালোচনার জবাবে মনোযোগ দিয়ে শোনা আমাদের বিবর্তনীয় ভবিষ্যতের অংশ। ** পৃষ্ঠা ৪১ * সমালোচনার জবাবে মনোযোগ দিয়ে শোনা আমাদের অভ্যন্তরীণ মনস্তত্ত্বের এমন একটি পরিবর্তন নির্দেশ করে যা সম্ভবত মানুষের করা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিবর্তনীয় পরিবর্তন। ** পৃষ্ঠা ৪১ * শোনা হলো অন্যদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নিজের ক্ষমতায়ন। ** পৃষ্ঠা ৪১ * পুরুষদের সাহায্যের প্রয়োজন নেই—এই বিশ্বাসটিই হলো সমস্যার একটি অংশ। * পুরুষেরা এখনো নারীদের পরিবর্তনের রক্ষক হিসেবে ভূমিকা পালন করছে এবং উভয় লিঙ্গই কেবল পুরুষদের কাছ থেকে নিজেদের পরিবর্তনগুলো নিজেরাই করার প্রত্যাশা করে। * পুরুষদের অনুভূতি প্রকাশে সাহায্য করার শুরুটা হয় পুরুষেরা কেন সেগুলো প্রকাশ করে না তা বোঝার মাধ্যমে। * অন্যদের জন্য কীভাবে আরও ভালো কাজ করা যায় সে সম্পর্কে নির্দেশনা দেওয়া আর জীবন নিয়ে নিজের অনুভূতি ভাগ করে নেওয়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। * পুরুষদের দায়িত্বের ধরণ তাদের অনুভূতি থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে যেখানে নারীদের দায়িত্বের ধরণ অনুভূতি প্রকাশে উৎসাহিত করেছে। * পুরুষদের উপার্জিত অর্থ নারীদের ভালোবাসা এবং লালন করতে এবং একে অপরের সাথে যুক্ত থাকতে সাহায্য করেছে যাতে তারা লালনকারী হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে পুরুষেরা সেই অর্থ পেয়েছে এক ধরণের খুনি-রক্ষক হওয়ার বিনিময়ে। তারা একজন ‘হিউম্যান ডুইং’ (একজন ক্যাপ্টেন বা কয়লা খনি শ্রমিক) হয়ে ওঠার মাধ্যমে পারিশ্রমিক পেয়েছে, ‘হিউম্যান বিয়িং’ (সুখী বা দুঃখী অনুভব করতে পারা একজন মানুষ) হিসেবে নয়। * যেসব সমাজের পুরুষেরা যুদ্ধে নিজেদের উৎসর্গ করতে রাজি ছিল না সেই সমাজগুলো সাধারণত ধ্বংস হয়ে গেছে। সমাজগুলো খুনিদের মাধ্যমেই সুরক্ষিত ছিল, আর এ কারণেই আমি পুরুষদের প্রথাগত ভূমিকাকে খুনি-রক্ষক ভূমিকা বলি। * পুরুষদের ভয় এবং দুর্বলতার অনুভূতি প্রকাশ করা থেকে বিরত রাখার ক্ষেত্রে উভয় লিঙ্গেরই একটি অবচেতন স্বার্থ কাজ করত। * কোনো উপকথাই তার সন্তানদের শোনায় না যে সুন্দরী রাজকন্যারা বিবেকবান যুদ্ধ-বিরোধীদের প্রেমে পড়ছে। * যদি আমরা পুরুষদের অনুভূতি দমন করতে শিখিয়ে তার বদলে একজন ক্যাপ্টেন হওয়ার জন্য পুরস্কৃত করি তবে সে আমাদের রক্ষার জন্য মরতে রাজি হতে পারে; যদি আমরা তাকে একটি কয়লা খনিতে কাজ করার বিনিময়ে পরিবার চালানোর মতো যথেষ্ট অর্থ দিই তবে সে আমাদের উষ্ণ রাখার জন্য অকালে মরতে রাজি হতে পারে। কিন্তু এই সবকিছুর জন্য তাকে তার অনুভূতি বিসর্জন দিতে হয়েছে—যা একজন মানুষ হিসেবে তার ক্ষমতা—এবং তার বদলে তাকে ‘হিউম্যান ডুইং’ হিসেবে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে: অর্থাৎ অন্য কেউ খরচ করবে এমন অর্থ উপার্জনের দায়িত্ব নিয়ে নিজে অকালে মৃত্যুবরণ করা। * একজন ‘হিউম্যান ডুইং’ হয়ে ওঠা ছিল সমাজের ঠিক যা প্রয়োজন। কিন্তু একজন ব্যক্তি হিসেবে পুরুষের জন্য ‘হিউম্যান ডুইং’ হয়ে ওঠা ছিল তার নিজের সত্তাকে ধ্বংস করার নামান্তর। * এই সব কিছুই পুরুষদের জিনগত ঐতিহ্য। তবে পুরুষদের জিনগত ঐতিহ্য তাদের জিনগত ভবিষ্যতের সাথে সাংঘর্ষিক। * অতীতে পুরুষদের সেরা খুনি-রক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা ‘যোগ্যতমের’ টিকে থাকার দিকে নিয়ে যেত। ভবিষ্যতে পারমাণবিক প্রযুক্তির এই যুগে খুনিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া সবাইকে ধ্বংস করার দিকে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। * ভবিষ্যতে নারীরা ক্রমবর্ধমানভাবে এমন পুরুষদের চাইবে যারা তাদের লালন করতে পারে এবং তাদের সাথে একাত্ম হতে পারে। * ভবিষ্যতে নারীরা ক্রমবর্ধমানভাবে লালনকারী সঙ্গীদের চাইবে কারণ সে যা লালন করবে তার একটি অংশ হবে নারীর নিজের আত্মরক্ষার ক্ষমতা। * একাত্ম হতে এবং লালন করতে অনুভূতির সাথে যোগাযোগ থাকা কেবল সহায়কই নয় বরং এটি প্রয়োজনীয়। তাই পুরুষদের প্রথম কাজ—তাদের পরবর্তী বিবর্তনীয় কৌশল—হলো নিজের অনুভূতির সাথে সংযুক্ত হওয়া। * গত তিরিশ বছর ধরে নারী আন্দোলন নারীদের প্রায় প্রতিটি অনুভূতি প্রকাশে সমর্থন দিয়েছে। অন্য নারীদের কাছে। পুরুষদের কাছে। সমাজের কাছে। নারীদের অনুভূতি পাঠ্যক্রম, ওম্যান স্টাডিজ, টিভি স্পেশাল, টক শো এবং লাইফটাইম কেবলের বিষয়বস্তু হয়েছে। নারীদের অনুভূতিকে শিক্ষা এবং বিনোদন উভয়ই বলা হয়েছে। অন্যদিকে পুরুষদের অনুভূতি দমন করা হয়েছে যতক্ষণ না সেগুলো আলসারে পরিণত হয়েছে। * যেহেতু পুরুষেরা কম অভিযোগ করত তাই আমরা এই ভুল ধারণা তৈরি করেছিলাম যে নারীদের অভিযোগগুলো কেবল নারীদের অভিযোগ এবং তাই সেগুলো কেবল নারীদের সমস্যা। যা জননীতির মাধ্যমে নারীদের সমস্যা সমাধানের যুক্তি তৈরি করেছিল। * একজন বাবার প্রথাগত ভূমিকা তাকে পরিবারের ভালোবাসার কাছ থেকে দূরে থাকার মাধ্যমে নিজের পরিবারকে ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত করেছিল। * একজন মায়ের প্রথাগত ভূমিকা তাকে পরিবারের সাথে থাকার মাধ্যমে নিজের পরিবারকে ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত করেছিল। * আমরা মনে করি শ্রম বিভাজন এখন সেকেলে হয়ে গেছে কিন্তু আসলে এটি পুনরায় আবির্ভূত হয়েছে। আশির দশকের শুরুর দিকে একজন মায়ের পারিবারিক দায়িত্বের জন্য কাজ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা বাবার চেয়ে ৪৩ গুণ বেশি ছিল; সম্প্রতি একজন মায়ের কাজ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা ১৩৫ গুণ বেশি। * নারীদের মানসিক সমর্থনের জন্য চারটি অনানুষ্ঠানিক বিকল্প ব্যবহার করতে শেখানো হয়: স্বামী, নারী বন্ধু, সন্তান এবং মা-বাবা। পুরুষদের কেবল একটি বিকল্প ব্যবহার করতে শেখানো হয়: তাদের নারী বন্ধু। * পুরুষেরা তাদের সমস্ত মানসিক চাওয়া তাদের স্ত্রীদের (বা নারী বন্ধুদের) ওপর নির্ভর করে রাখে। তাই একজন পুরুষের জন্য তার স্ত্রীর কাছে হতাশার অনুভূতি প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়ে কারণ সে যদি নিজেকে সরিয়ে নেয় তবে পুরুষটি মনে করে তার সম্পূর্ণ মানসিক সমর্থন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। * কোনো বিবাদের পর নারীরা কেবল সমর্থনের জন্য অন্য নারী বন্ধুদের কাছেই যায় না বরং বিবাদটি বিচ্ছেদে গড়ালে তাদের সন্তানদের সাথে থাকার সম্ভাবনা নয় গুণ বেশি। * মায়ের সাথে বসবাসকারী একজন নারীর স্বাধীনতা সীমিত হতে পারে; কিন্তু মায়ের সাথে বসবাসকারী একজন পুরুষের স্বাধীনতা এবং সম্মান উভয়ই সীমিত হয়ে পড়ে। অধিকাংশ পুরুষের জন্য সমর্থনের এই শূন্যতা এতটাই বিধ্বংসী যে তারা নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে মানসিক সমর্থন হারানোর ঝুঁকির চেয়ে স্ত্রীর সাথে একমত হওয়াকেই বেছে নেয়। * বিচ্ছেদের পর নারীদের সবচাইতে বড় ভয় হলো অর্থনৈতিক অভাব; পুরুষদের সবচাইতে বড় ভয় হলো মানসিক অভাব। * বিবাহবিচ্ছেদ আইন নারীদের বিচ্ছেদের পর অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়েছে; কিন্তু কোনো আইন পুরুষদের বিচ্ছেদের পর মানসিক সহায়তা দেয়নি। পুরুষদের তাদের প্রাক্তন স্ত্রীদের প্রতি ভরণপোষণ বা চাইল্ড সাপোর্টের দায়িত্ব পালন করে যেতে হয়; কিন্তু নারীদের তাদের প্রাক্তন স্বামীদের প্রতি গৃহস্থালির কাজ বা লালন-পালনের দায়িত্ব পালন করে যেতে হয় না। * নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে আমাদের অ্যাফারমেটিভ অ্যাকশন প্রোগ্রাম ছিল। এখন কি পুরুষদের অনুভূতির জন্য তেমন কিছু করার সময় এসেছে যা সরকার নারীদের অর্থনীতির জন্য করেছিল? * নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে পুরুষদের প্রতি রাগ এতটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল যে এমনকি দ্য ইকোনমিস্টের মতো শান্ত প্রকাশনাগুলোও নারী বনাম পুরুষের কাজের চাপকে এভাবে তুলে ধরেছিল “নারীর কাজ কখনোই শেষ হয় না; আর পুরুষ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মদ্যপ থাকে।” * এই আন্তর্জাতিক নারীত্বের ভুক্তভোগী পরিচয়ের মেলবন্ধনের প্রভাব আমাদের সন্তানদের ওপর কী হতে পারে? * হোচশিল্ডের সবচাইতে বড় ভুল ছিল যা প্রায় প্রতিটি জনপ্রিয় গৃহস্থালির কাজ সংক্রান্ত গবেষণায় করা হয়: ঘরের কাজে পুরুষদের অবদানকে সঠিকভাবে পরিমাপ না করা। উদাহরণস্বরূপ, যদি মা শিশুদের ডে-কেয়ারে দিয়ে আসেন তবে তাকে গৃহস্থালির কাজ বলা হয়; কিন্তু বাবা যদি পরিবারকে নিয়ে দাদির বাড়িতে যান তবে তাকে গৃহস্থালির কাজ বলা হয় না। * লক্ষ্য করুন যে পুরুষেরা যা করে তার অনেক কিছুই একক মায়েরা করে থাকেন, তাই পুরুষরা যা করে তার প্রশংসা করা আমাদের একক মায়েরা যা করেন তা বুঝতেও সাহায্য করে। * বাস্তব জীবনে রাগের বদলে ভালোবাসা ফিরিয়ে আনার সেরা উপায় হলো আপনার সঙ্গী সাধারণত আপনার জন্য যা করে তা আপনি আপনার সঙ্গীর জন্য করার মাধ্যমে একে অপরকে লালন করা। * এমনকি যেসব পুরুষ তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তারা সহানুভূতির বদলে ‘ডিয়ার অ্যাবি’র দেওয়া উত্তরটি পায়: “নারীদের অবস্থা আরও খারাপ।” এই বিশ্বাসটি এতটাই শক্তিশালী যে গত ২৫ বছরে একজন রক্ষক-স্বামী পাওয়ার যে পুরনো কল্পনা নারীদের ছিল তা এখন এক নতুন দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে আর তা হলো অত্যাচারী স্বামী। * আমরা যদি বিশ্বাস করি যে মূলত পুরুষরাই নারীদের ওপর অত্যাচার করে তবে নারীদেরও যে পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন তা দেখা কঠিন হয়ে পড়ে: আমরা বলতে থাকি, “শুধু পুরুষদের পরিবর্তন করো। তারাই তো অত্যাচারী।” * চারজন পুরুষ বর্ণনা করছেন কীভাবে তাদের স্ত্রীরা তাদের পিঠে লাঠি দিয়ে আঘাত করেছে, ফ্রাইং প্যান দিয়ে মাথায় আঘাত করেছে... প্রতিটি গল্পের পর দর্শকরা হাসছে। সেই পুরুষেরা একটি পিএমএস মেন্স সাপোর্ট গ্রুপের অংশ ছিল। কল্পনা করুন নির্যাতিতা নারীরা যখন বর্ণনা করছে কীভাবে তাদের স্বামীরা ফ্রাইং প্যান দিয়ে তাদের মাথায় আঘাত করে মস্তিষ্কে বা মেরুদণ্ডে আঘাত করার হুমকি দিয়েছে তখন একদল পুরুষ হাসছে। * এই নির্যাতিত স্বামীদের সবাই এখনো তাদের স্ত্রীদের সাথেই আছেন। যখন একজন নারী তার ওপর অত্যাচার করা পুরুষের সাথে থাকে তখন আমরা তাকে পালিয়ে যেতে উৎসাহিত করার জন্য আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করি। যদি সে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তবে আমরা বলি সে নির্যাতিতা নারী সিনড্রোমের শিকার। * পুরুষদের গ্রুপের মূল লক্ষ্য ছিল পরিস্থিতি বোঝা, মানিয়ে নেওয়া, পরিবর্তন করা এবং সবকিছু ব্যর্থ হলে চলে যাওয়া; অন্যদিকে নির্যাতিতা নারীদের গ্রুপের মূল লক্ষ্য হলো প্রথমে চলে যাওয়া এবং দ্বিতীয়ত সমস্যার উৎসকে (পুরুষটিকে) আটকে রাখা। * সংক্ষেপে, যখন নারীরা অত্যাচার করে তখন পুরুষদের প্রথম অগ্রাধিকার হয় নারীদের সমর্থন দেওয়া এবং তাদের পরিবর্তনে সাহায্য করা; যখন পুরুষেরা অত্যাচার করে তখন নারীদের প্রথম অগ্রাধিকার হয় পুরুষদের কাছ থেকে পালানো এবং তাদের জেলে পাঠানো। * নারীবাদীদের মূলমন্ত্র: “একজন নারীকে আঘাত করার কোনো অজুহাত হতে পারে না।” এটি কি এমন হওয়া উচিত ছিল না “আঘাত করার কোনো অজুহাত হতে পারে না”? * কমেডি নাটকগুলোতে নিয়মিতভাবে নারীদের পুরুষদের আঘাত করতে দেখা যায় কিন্তু পুরুষদের নারীদের আঘাত করার দৃশ্য প্রায় দেখাই যায় না। যখন পুরুষটি চলে যেতে ব্যর্থ হয় তখন তাকে “ব্যাটারড ম্যান সিনড্রোম” বলা হয় না; একে কমেডি বলা হয়। * লক্ষ্য করুন পুরুষদের ভয় যে তারা যদি এটি কর্তৃপক্ষকে জানায় তবে তাদের বিশ্বাস করা তো হবেই না বরং তাদের উপহাস করা হবে। * পুরুষেরা কষ্টকে “গৌরব” বলতে শেখে; নারীরা পুলিশকে ডাকতে শেখে। * কেন প্রায় প্রতিটি সংস্কৃতিই তার পুরুষদের সহিংসতা সহ্য করার জন্য পুরস্কৃত করত? যাতে যুদ্ধের সময় তাকে রক্ষা করার জন্য একদল মানুষ পাওয়া যায়। * যাদের সবচাইতে বেশি সুরক্ষার প্রয়োজন বলে মনে করা হতো তারা হলো নারী ও শিশু। আর যে লিঙ্গকে সবচাইতে পরিত্যাজ্য মনে করা হতো তা হলো পুরুষ। * একজন পুরুষকে যতটা “পুরুষ হয়ে উঠতে” প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ততটাই তাকে নারী ও শিশুদের রক্ষা করতে শেখানো হয়, তাদের আঘাত করতে নয়। তাকে এমনকি একজন অপরিচিত ব্যক্তি বিশেষ করে নারী বা শিশু আহত হওয়ার আগে নিজে মৃত্যুবরণ করতে রাজি হতে শেখানো হয়। * আমরা প্রায়ই মনে করি যখন একজন পুরুষ অন্য পুরুষকে “মেয়ে” বলে অপমান করে তখন সেই অপমান নারীদের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে। না। এটি সেইসব পুরুষের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে যারা নারীর মতো মূল্যবান কাউকে রক্ষা করার মতো নিজেকে শক্তিশালী করতে চায় না। * এই উপহাস হলো নিজেকে অন্য কারো চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করার একটি চাপ: একজন মায়ের চেয়ে একটি শিশু বেশি মূল্যবান; একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী বেশি মূল্যবান। * যেসব নারীবাদী বলেন যে পুরুষত্ব মানেই হলো পুরুষদের বিশ্বাস করা যে তারা নারীদের আঘাত করতে পারে তারা পুরুষ এবং পুরুষত্ব সম্পর্কে সবচাইতে গভীর অজ্ঞতা প্রদর্শন করেন। * পুরুষেরা কী বলবে যখন পুরুষদের অপদস্থ করাকে “মজার” বলা হয় কিন্তু নারীদের অপদস্থ করাকে “লিঙ্গবৈষম্য” বলা হয়। * মিস্যান্ড্রি বা পুরুষ-বিদ্বেষ হলো মিসোজিনি বা নারী-বিদ্বেষের সমতুল্য। আপনি যদি পুরুষ-বিদ্বেষ সম্পর্কে সচেতন না হন তবে এই দলে আপনাকে স্বাগতম। * এই অধ্যায়টি পড়ার এক সপ্তাহ পর বিজ্ঞাপন, চলচ্চিত্র এবং দৈনন্দিন কথাবার্তায় পুরুষ-বিদ্বেষ আপনার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠবে। কিন্তু যে পক্ষপাতটি দেখা সবচাইতে কঠিন তা হলো সেই পক্ষপাত যা আমরা সবাই মিলে করি। * এমনকি তথাকথিত লিঙ্গ-নিরপেক্ষ শব্দ যেমন লিঙ্গবৈষম্য বলতে কেবল নারীদের প্রতি অবমাননা বোঝায়। * ১৯২০ সালে পুরুষদের গড় আয়ু নারীদের চেয়ে এক বছর কম ছিল; আজ তা সাত বছর কম। তবুও ফেডারেল সরকারের কেবল নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য একটি গবেষণা দপ্তর (অফিস অফ রিসার্চ অন উইমেনস হেলথ) রয়েছে। * পরনিন্দার কাজ হলো একটি “শত্রু পক্ষ” তৈরির মাধ্যমে নিজেদের দলের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি করা। * “ভালোবাসা এবং বন্ধুত্ব” বিভাগে গিয়ে দেখুন নারীদের জন্য নারীদের কাছে পাঠানোর উপযোগী কয়েক ডজন কার্ড রয়েছে যার অধিকাংশতেই পুরুষদের অপদস্থ করা হয়েছে কিন্তু পুরুষদের সম্পর্কে ভালো কিছু বলা হয়েছে এমন কার্ড প্রায় নেই বললেই চলে। === ''ফাদার অ্যান্ড চাইল্ড রিইউনিয়ন'' (২০০১) === * সফল এবং সুখী জীবনের জন্য যদি এমন কোনো গুণ থাকে যা অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি প্রয়োজন তবে তা হলো সহানুভূতি। এটি পরিবারের স্থায়িত্ব এবং ভালোবাসার মূলে থাকে। আমার কাছে এমন কোনো দম্পতি আসেনি যারা বলেছে, “আমি বিচ্ছেদ চাই; আমার সঙ্গী আমাকে বোঝে।” ** পৃষ্ঠা ৩০ * সীমানা বা সীমাবদ্ধতাকে গুরুত্ব দিতে শেখানো শিশুকে অন্যদের অধিকার এবং প্রয়োজনকে সম্মান করতে শেখায়। অন্যের প্রয়োজন নিয়ে চিন্তা করলে সহানুভূতি জন্মায়। ** পৃষ্ঠা ৩১ * বাবা আছেন এমন পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা গণিত এবং বিজ্ঞানে ভালো ফল করে, এমনকি তারা দুর্বল মানের স্কুলে পড়লেও। ** পৃষ্ঠা ৩১ * বাবা যত বেশি জড়িত থাকেন শিশু তত সহজে নতুন মানুষের সাথে খোলাখুলিভাবে এবং বিশ্বাসের সাথে মিশতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩৪ * আমরা প্রায়ই শুনি যে মায়েরা যত্ন নেন আর বাবারা কেবল খেলাধুলা করেন। এটি একটি ভুল ধারণা এমনকি বিপজ্জনকও কারণ বাবার খেলার ধরণের মধ্যে শেখানোর একটি সচেতন লক্ষ্য থাকে। গবেষণা এখন দেখাচ্ছে যে বাবারা যখন সচেতনভাবে কিছু শেখানোর চেষ্টা না করেন তখনও তাদের খেলা শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক হয়। ** পৃষ্ঠা ৫৭ * যে পরিবার একসাথে খেলতে জানে তাদের একসাথে থাকার শক্তিও থাকে। ** পৃষ্ঠা ৫৯ * শিল্পায়ন এক অদ্ভুত সংকট তৈরি করেছে: একজন বাবা তার সন্তানদের ভালোবাসার জন্য তাদের কাছ থেকে দূরে থাকছেন। ** পৃষ্ঠা ৮৮ * শিল্প বিপ্লব পুরুষদের বাড়ি থেকে মাঝে মাঝে অনুপস্থিত থাকাকে যা আগে কেবল শিকার বা যুদ্ধের সময় দরকার হতো একটি নিয়মে পরিণত করেছে। এই ক্রমবর্ধমান শ্রম বিভাজন নারী ও পুরুষের আগ্রহের জায়গাকে আলাদা করে দিয়েছে। এটি মাতৃত্বের সহজাত প্রবৃত্তির ধারণা এবং বাবার সাথে দূরত্বের বাস্তবতাকে বাড়িয়ে দিয়েছে। শিল্পায়নের আগে বিচ্ছেদ হলে শিশুরা সাধারণত বাবার সাথেই থাকত। পরে আর তা থাকেনি। ** পৃষ্ঠা ৮৮ * পরিবারের আর্থিক যোগানদাতা হওয়ার বাধ্যবাধকতা বাবার পরিবারের সাথে যুক্ত থাকার পথে সবচাইতে বড় বাধা। এটি বাবার সেই অদ্ভুত সংকট তৈরি করে: পরিবার থেকে দূরে থেকে পরিবারকে ভালোবাসা। এটি গতানুগতিক পিতৃত্বের এক বিদ্রূপ: বাবা না হয়ে বাবা হওয়া। ** পৃষ্ঠা ৯০ * পিতৃত্ব তৈরি করা মানে একটি বড় মানসিক পরিবর্তন আনা। অন্য লিঙ্গের চিরাচরিত ভূমিকার মানসিক দায়িত্ব পুরোপুরি ভাগ করে নেওয়া উভয় লিঙ্গের জন্যই কঠিন বিশেষ করে যখন অন্য লিঙ্গটি আশেপাশে থাকে। ** পৃষ্ঠা ৯০ * হলিউডের মায়েরা সব সময় সঠিক আর বাবারা কেবল উপস্থিত এই সূত্রের মধ্যে একটি প্রচ্ছন্ন অর্থ আছে যে মায়ের কোনো দোষ নেই। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * শিশুদের পুরুষদের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত করে আমরা তাদের সেই নির্যাতনের প্রতি আরও অসহায় করে তুলেছি যা আমরা প্রতিরোধ করতে চাইছি। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * অবচেতন স্তরে যৌনতাকে দানবীয় রূপ দেওয়া মানেই সাধারণত পুরুষদের দানব এবং নারীদের ভুক্তভোগী হিসেবে দেখানো। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * আমাদের ছেলেদের আমরা যত কম বিশ্বাস করব নারীরা তাদের তত কম ভালোবাসতে পারবে। আর নারীরা তত বেশি তাদের কেবল টাকার ব্যাগ হিসেবে ব্যবহার করার অধিকার বোধ করবে। ** পৃষ্ঠা ৯৮ * আরও গভীরভাবে দেখলে আমাদের ছেলেরা যদি শেখে যে তারা অশ্লীল, জঘন্য এবং অবিশ্বস্ত, তবে এটি কি পিতৃত্বের জন্য সেরা প্রস্তুতি? আর একজন মায়ের জন্য কি এটি সেরা প্রস্তুতি যে সে তার নিজের ছেলে সম্পর্কে এমনটা ভাববে? ** পৃষ্ঠা ৯৮ * যখন আমরা পুরুষের মূল্যবোধকে তুচ্ছ করি এবং পুরুষের যৌনতাকে দানবীয় করি তখন অনেক ছেলে কে তারা তা বোঝার আগেই নিজেদের বিকৃতমনা মনে করতে শুরু করে। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * অতীতে আমরা বিশ্বাস করতাম যে নারী-পুরুষ উভয়ই পাপ নিয়ে জন্মায়। আজ আমরা অবচেতনভাবে বিশ্বাস করতে শুরু করেছি যে ছেলেদের জন্মই পাপ আর মেয়েরা জন্মগতভাবে নিষ্পাপ। ** পৃষ্ঠা ১০৩ * একজন বাবার জন্য এটা বলা গুরুত্বপূর্ণ যে, "তুমি যখন ওটা করো তখন বাবা হিসেবে আমি নিজেকে অপ্রয়োজনীয় মনে করি" অথবা "আমার এই দুরন্তপনা মানে খারাপভাবে বড় করা নয়; এটি আমাদের সন্তানকে ঝুঁকি নিতে সাহায্য করছে।" নারীরা শুনতে পায় না যা পুরুষেরা বলে না। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * আমরা যখন বাবাকে কেবল উদাসীন বাবা হিসেবে দেখি তখন তিনি পরিবারের সাথে থাকতে চাওয়ার যে সংকেতগুলো দেন সেগুলোও আমরা দেখতে পাই না। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * আমরা যখন পুরুষদের যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণ দিই তখন আমরা যাকে প্রশিক্ষণ দিই তার ভেতরকার মানবিক অংশটুকু হারিয়ে ফেলি এমনকি আমরা যুদ্ধে জিতলেও। যখন আমরা পুরুষদের ভালো লালনকারী হওয়ার প্রশিক্ষণ দিই তখন যারা সফল হয় না তারাও জিতে যায়। আর তাদের সাথে দেখা হওয়া প্রতিটি শিশুও জিতে যায়। পুরুষদের ভালোবাসতে শেখানো একটি জাতির জন্য সেরা বিনিয়োগ। ** পৃষ্ঠা ১১২ * আমরা যদি চাই আমাদের শিশুরা টাকা উপার্জন এবং ভালোবাসা দেখানোর মধ্যে ভারসাম্য রাখুক তবে বাবা-মা উভয়কেই সেই ভারসাম্যের উদাহরণ হতে হবে। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * কর্মক্ষেত্রে নারীদের চেয়ে পরিবারে বাবারা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ: কর্মক্ষেত্র নারীদের দ্বারা উপকৃত হয় কিন্তু পরিবারের বাবাকে প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * টিএএনএফ এবং ডব্লিউআইসির মতো প্রোগ্রামগুলো বাবাকে বাদ দেওয়াকেই সহায়তা করে। আসলে এগুলো ভবিষ্যতের সহায়তানির্ভর নাগরিক তৈরি করে যারা করদাতার অর্থ খরচ করে। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * সন্তান পালনের ক্ষেত্রে পুরুষেরা অনেকটা রোজি-দ্য-রিভিটারদের মতো: তাদের কেবল তখনই ডাকা হয় যখন প্রয়োজন হয় আর পরে তাদের ফেলে দেওয়া হয়। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * আমাদের শিশুরা পুরুষদের যখন শিশুদের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য পারিশ্রমিক পেতে দেখবে তখন পুরুষদের জন্য বাবা হিসেবে উপযুক্ত কাজ করা আরও সম্মানজনক হবে। ** পৃষ্ঠা ১১৫ * মেল টিচার কোর শিশুদের কেবল বিভিন্ন পেশার পুরুষদের সাথেই পরিচয় করিয়ে দেয় না বরং ঝুঁকি নিতে সক্ষম এমন পুরুষালি শক্তি ও মূল্যবোধের সাথেও পরিচয় করায়। এটি পুরুষ এবং নারী মূল্যবোধের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * টিকে থাকার সংগ্রামের বিশ্বে একজন বাবার সমস্যা সমাধানকারী হওয়া দরকার ছিল। অনুভূতি লুকিয়ে তাকে কঠিন হতে হতো। তাকে নমনীয় না হয়ে বোঝানো, যুক্তি দেওয়া এবং নিয়ম তৈরি করার দরকার ছিল। এই গুণগুলোই তাকে যোগ্য করে তুলত এবং তার স্ত্রী ও সন্তান জুটত। এই গুণগুলোই ছিল তার সম্পর্কের ভাষা। সমস্যা হলো যে এই কঠিন হওয়া তার প্রিয়জনদের খাবার যোগালেও তাদের মনের খোরাক দিতে পারত না। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * দ্বিতীয় ধাপের বিশ্বে যেখানে টিকে থাকার সংগ্রাম জয় করে আত্মতৃপ্তির সাথে ভারসাম্য রাখা সম্ভব সেখানে আমাদের কাছে এমন সম্পর্কের ভাষা ব্যবহারের সুযোগ আছে যা আত্মাকে তৃপ্ত করে। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * যদিও আমাদের প্রাথমিক স্কুলগুলো বর্তমান যুগের প্রযুক্তিগত প্রয়োজনের সাথে তাল মেলাতে পুরো প্রজন্মকে কম্পিউটার ভাষা শেখাচ্ছে কিন্তু আমরা এই প্রজন্মকে সম্পর্কের ভাষা এবং বিবাদ মেটানোর দক্ষতা শেখাতে অবহেলা করেছি। জার্মানির মতো দেশগুলোতে যখন এটি শেখানো হয় তখন তাকে সামাজিক দক্ষতা বলা হলেও তার মূল লক্ষ্য থাকে কর্মক্ষেত্রের দলগত কাজ যা আসলে সেই টিকে থাকার সংগ্রামেরই অংশ। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * বাবারা যখন সন্তানদের সাথে সবচাইতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেন তখন সাধারণত তাদের মধ্যে এমন এক সহজাত বোধ থাকে যে উদাহরণস্বরূপ ফুটবল খেলতে যাওয়ার জন্য গাড়ির ভ্রমণটি খেলার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ১১৮ * একজন ভালো বাবা তার মেয়ের দলগত খেলায় যুক্ত হওয়া নিশ্চিত করতে পারেন। এটি তাকে জীবনের সেই শিক্ষাগুলো পেতে সাহায্য করে যা একটি দলকে শক্তিশালী করতে দরকার হয়। ** পৃষ্ঠা ১১৯ * যেহেতু কেউ সব সময় সঠিক হতে পারে না তাই সব সময় সঠিক হওয়ার ভান করা আসলে সন্তানদের মনে নিজেকে অপদার্থ ভাবার বীজ বুনে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১২০ * তার শিক্ষক হওয়ার বদলে আমি যদি নিজের অন্ধকার দিক, দোষ এবং ভুলগুলো তার সাথে খোলাখুলিভাবে শেয়ার করি তবে আমি আরও ভালো উদাহরণ হতে পারব। ** পৃষ্ঠা ১২০ * বাবা যখন নিজের ভুল স্বীকার করেন তখন সন্তান নিজেও ভুল করলেও নিজেকে অপদার্থ মনে করে না। এটি শিশুদের নতুন কিছু করতে উৎসাহিত করে এবং তাদের সৃজনশীলতাকে বিকশিত করে কারণ তারা তখন কিছু অবদান রাখার সুযোগ পায়। ** পৃষ্ঠা ১২০ * মহামন্দা যেমন একটি প্রজন্মের বাবাদের মনে এই ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছিল যে তাদের কাছে যথেষ্ট টাকা নেই ঠিক একইভাবে বাবার সান্নিধ্য না পাওয়া একটি প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের মনে ভিন্ন এক মানসিক ক্ষত তৈরি করছে। ** পৃষ্ঠা ১২১ * সংক্ষেপে বাবার সান্নিধ্যহীন একটি শিশুকে পৃথিবীতে পাঠিয়ে সব ঠিক আছে মনে করা কেবল বাবা টাকা দিচ্ছেন বলে তা অনেকটা একজন মদ্যপ চালককে মহাসড়কে পাঠিয়ে সব ঠিক আছে ভাবার মতো কারণ পেট্রোলের দাম মেটানো হয়েছে। এর মানে এই নয় যে মদ্যপ চালক গন্তব্যে পৌঁছাবে না। এর মানে হলো ঝুঁকি অনেক বড় এবং ব্যর্থতার ফলাফল আজীবনের। ** পৃষ্ঠা ১২২ * বিংশ শতাব্দীতে নারীদের যেমন কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য আইনের সাহায্যের প্রয়োজন ছিল একবিংশ শতাব্দীতে পুরুষদের তাদের সন্তানদের ভালোবাসার জন্য আইনের সাহায্যের প্রয়োজন হবে। ** পৃষ্ঠা ১২২ * সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে নাউ-এর সাথে আমার প্রথম বিরোধ শুরু হয় যখন এর শাখাগুলো বিচ্ছেদের পর বাবা-মায়ের সমান সময় কাটানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বাবার সংশ্লিষ্টতাকে নাকচ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * বাবা-মা উভয়ের অধিকার মূলত তাদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করার জন্য থাকা উচিত। মূলত মানে এই নয় যে একচেটিয়াভাবে। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * বাবা-মা উভয়য়ের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য থাকা উচিত যাতে শিশুরা উভয় অভিভাবকের সান্নিধ্য পেয়ে বড় হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * নারী-পুরুষের একাত্মতা কেবল নারীর অধিকার তৈরি করে না। এটি অধিকারের এক মেলবন্ধন তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * পুরুষের শরীর কি ঝুঁকির মুখে? যখন একজন পুরুষকে চাইল্ড সাপোর্ট দেওয়ার জন্য কাজ করতে বলা হয় তখন সে তার শরীর, সময় এবং জীবন ব্যয় করে নয় মাস নয় বরং অন্তত ১৮ থেকে ২১ বছর। তাই একজন সৎ নারীবাদীর মূলমন্ত্র হওয়া উচিত, “এটি নারী ও পুরুষ উভয়েরই পছন্দের অধিকার কারণ এখানে নারী ও পুরুষ উভয়েরই শরীর জড়িত।” ** পৃষ্ঠা ১৩২ * একজন নারীর এমন কোনো একতরফা সিদ্ধান্তের অধিকার নেই যা একজন পুরুষের বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে ঠিক যেমন একজন পুরুষেরও এমন কোনো একতরফা সিদ্ধান্তের অধিকার নেই যা একজন নারীর বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * যখন কেবল পুরুষেরা ভোটের জন্য নিবন্ধন করতে পারত তখন কেবল তাদেরই বাধ্যতামূলক সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হতো। আজ উভয় লিঙ্গই ভোট দিতে পারে কিন্তু কেবল পুরুষদেরই সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * আমরা ইতিহাসের এক অদ্ভুত সময়ে আছি যখন কোনো নারীর শরীর জড়িত থাকে তখন আমরা বলি সিদ্ধান্তটি তার; কিন্তু যখন কোনো বালকের শরীর জড়িত থাকে তখন আমরা বলি সিদ্ধান্তটি তার নয় আইন আমাদের ১৮ বছর বয়সী ছেলেদের সামরিক তালিকায় নাম লেখাতে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়তে বাধ্য করে। ** পৃষ্ঠা ১৩২ * এটি বিদ্রূপের বিষয় যে একটি আন্দোলন যা জৈবিক পার্থক্যকে গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য পরিচিতি পেয়েছিল যখন সেই পার্থক্যগুলো নারীদের প্রতিকূলে ছিল তারা সঙ্গে সঙ্গেই সেই জৈবিক পার্থক্যের দোহাই দেওয়া শুরু করল যখন তা নারীদের অনুকূলে এল। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * আমরা কোনো পুরুষকে একজন নারীর জীবন নির্ধারণ করার অনুমতি দেওয়ার কথা ভাবি না কেবল একারণে যে তার সৃষ্টি করা একটি ভ্রূণ নারীর জঠরে আছে; তবে আমরা কেন একজন নারীকে একজন পুরুষের জীবন নির্ধারণ করার অনুমতি দেব কেবল একারণে যে তার সৃষ্টি করা একটি ভ্রূণ নারীর জঠরে আছে? ** পৃষ্ঠা ১৩৭ * পুরুষেরা নারীদের বিশ্বাস করতে শেখে যতক্ষণ না বিপরীত কিছু ঘটে; নারীরা পুরুষদের সন্দেহ করতে শেখে যতক্ষণ না কোনো পুরুষ নিজেকে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ করে। ** পৃষ্ঠা ১৩৯ * যখন কোনো সরকার একজন পুরুষকে এমন একটি শিশুর ভরণপোষণ দিতে বাধ্য করে যা তৈরিতে তাকে প্রতারণা করা হয়েছিল তখন সেই সরকার আসলে প্রতারণাকে সহায়তা করছে। না, এটি তার চেয়েও খারাপ: এটি ১৮-২১ বছর ধরে সম্মতি ছাড়াই একজন পুরুষের শরীর ব্যবহার করা নারীকে সহায়তা করছে। ** পৃষ্ঠা ১৪৩ * একটি গণতন্ত্রে সরকারের নীতিগুলো নিয়ে খুব কমই প্রশ্ন তোলা হয় যতক্ষণ না সেই নীতিগুলো তৈরির পেছনের ধারণাগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। ** পৃষ্ঠা ১৪৭ * একটি যৌথ পছন্দের আন্দোলন ভ্রূণকে একজন নারী ও একজন পুরুষের জিন হিসেবে দেখে; দেখে নারী ও পুরুষের রক্তমাংস হিসেবে; এবং এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের দায়িত্ব ও অধিকার হিসেবে গণ্য হয়। এটি সমতার দিকে এগিয়ে যেতে চায়। ** পৃষ্ঠা ১৫৮ * নারীবাদীরা প্রায়ই নারীদের দুটি কাজের কথা বলেন: চাকরি এবং সন্তান। ঠিক। কিন্তু বিচ্ছেদ হওয়া এবং পুনরায় বিয়ে করা পুরুষদের কথা কেউ বলে না যাদের তিনটি কাজ করতে হয়: চাকরি এবং দুই পক্ষের সন্তানদের লালন-পালন ও আর্থিক ভরণপোষণ। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমি দ্রুতই বুঝতে পেরেছিলাম যে যেসব নারীবাদী প্রধান অভিভাবক তত্ত্বকে সমর্থন করেছিলেন তারা সমসুযোগের পক্ষে ছিলেন না বরং অসম সুযোগ সন্ধানী ছিলেন। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * যেসব পুরুষ বিচ্ছেদের পর নিজেদের সন্তানদের জীবন থেকে চলে যান তারা বাধ্যবাধকতা ছাড়াই সুবিধা চান। নৈতিকভাবে তাদের চলে যাওয়ার কোনো অধিকার নেই। যে আইন তা করতে দেয় তাও অনৈতিক। প্রধান অভিভাবক আইনগুলো ঠিক তেমনই। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * প্রধান অভিভাবক আইনের বিদ্রূপ হলো যে একদিকে নারীবাদীরা পুরুষের অর্জিত সম্পত্তিতে নারীর সমান অধিকারের জন্য লড়াই করছিল অন্যদিকে তারা যৌথভাবে জন্ম দেওয়া সন্তানের ওপর পুরুষের সমান অধিকারের বিরোধিতা করছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * সংক্ষেপে তিনি পুরুষের তৈরি করা জিনিসের অংশীদার; আর তিনি নারীর তৈরি করা জিনিসের দর্শনার্থী মাত্র। আমার কাছে এটি সমতা ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * নারীবাদ যখন সমসুযোগ থেকে অসম সুযোগ সন্ধানীতে পরিণত হলো তখন আমিও এর সমর্থক থেকে সমালোচকে পরিণত হলাম। কিন্তু আমার মনে কোনো পরিবর্তন হয়নি: আমি সমতার সমর্থক থেকে সমতার সমর্থকই রয়ে গেলাম। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * সংক্ষেপে যখন একজন পুরুষ অর্থ যোগাতে ব্যর্থ হয় তখন আমরা তাকে জেলে পাঠাই; যখন একজন নারী মা হিসেবে ব্যর্থ হয় তখন আমরা তাকে সমাজসেবার প্রস্তাব দিই। আমরা পুরুষদের ক্ষেত্রে অপরাধমূলক ব্যবস্থা নিই আর নারীদের ক্ষেত্রে সমাজসেবামূলক ব্যবস্থা নিই। ** পৃষ্ঠা ১৭৯ * অধিকাংশ মায়েরা তাদের সন্তানদের জীবনে বাবার উপস্থিতি বেশি চান কম নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৬ * সন্তান পালন একক অভিভাবকদের জন্য তৈরি করা হয়নি। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমরা যদি মায়েদের দেখা করার সময় না দেওয়ার জন্য শাস্তি দিই তবে আমাদের সেইসব বাবাদেরও শাস্তি দিতে হবে যারা দেখা করার সময়ে আসেন না। বিষয়টি বাবার দেখা করার অধিকার নয় বরং সন্তানদের প্রতি উভয় অভিভাবকের বাধ্যবাধকতা। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমাদের সন্তানদের জন্য দেখা করা বনাম হেফাজত না বলে বরং প্যারেন্ট টাইম বা অভিভাবকের সময় বলাটা বেশি ভালো হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * আমরা যখন মায়ের জেতা বা বাবার দেখা করার সময়ের কথা বলি তখন আমরা কেউ জেতা আর কেউ হারার কথা বলি। আমরা যখন মা বাবার সন্তানের সাথে সময় কাটানোর কথা বলি তখন আমরা দুই অভিভাবকের কথা বলি একজন অভিভাবক বনাম একজন দর্শনার্থীর কথা নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * দেখা করা বিষয়টি অনুপস্থিত বাবার যুগের প্রতিফলন; প্যারেন্ট টাইম বিষয়টি একজন নিবেদিত বাবার পুনরায় আবির্ভূত হওয়ার প্রভাব ফেলে। দেখা করা মানে পরিবারের ধ্বংস; প্যারেন্ট টাইম মানে পরিবারের পুনর্গঠন। এটি এমন এক যুগের কথা বলে যেখানে বোঝা যায় যে যেকোনো একজন অভিভাবকের পরাজয় মানেই শিশুদের পরাজয়। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * যখন একজন অভিভাবক শিশুকে তার প্যারেন্ট টাইম থেকে বঞ্চিত করেন তখন তিনি আসলে শিশুকে তার ভরণপোষণ থেকে বঞ্চিত করেন মানসিক ভরণপোষণ। ** পৃষ্ঠা ১৮৭ * বিচ্ছেদের পর পুরুষদের সবচাইতে বড় ভয় হলো সন্তানদের হারানো (নারীদের ক্ষেত্রে তা হলো দারিদ্র্য)। ** পৃষ্ঠা ১৯০ * একজন নারীর দৃষ্টিকোণ থেকে অভিভাবকের সময় ভাগ করে নেওয়াটা অনেকটা এমন যেমনটা একজন পুরুষ অনুভব করতে পারে যদি তার প্রাক্তন স্ত্রী তার অফিসে এসে তার কাজ ভাগ করে নেয়। সে হয়তো দাবি করবে যে এই ভাগাভাগি কোম্পানির স্বার্থে ভালো নয়। কিন্তু সে আসলে ভয় পায় যে তার প্রাক্তন স্ত্রী যদি তার নিজের কাজে তার চেয়ে ভালো করে তবে তার সম্মান ক্ষুণ্ণ হবে। এই ভয়টি বোঝা গেলেও পার্থক্য হলো তার ক্যারিয়ার তার নিজের কিন্তু তাদের সন্তানরা তাদের উভয়ের। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * নারীদের জন্য যদি ইকুয়াল এমপ্লয়মেন্ট অপরচুনিটি কমিশন থাকে তবে পুরুষদের জন্য কেন ইকুয়াল ফ্যামিলি অপরচুনিটি কমিশন থাকবে না? ** পৃষ্ঠা ১৯৭ * রাগের সবচাইতে খারাপ রূপ হলো যখন একজন অভিভাবক মনে করেন যে তার প্রাক্তনকে ধ্বংস করার মাধ্যমেই তার সন্তানকে জেতার সুযোগ বাড়বে। আইন সবচাইতে প্রতিহিংসাপরায়ণ অভিভাবককে নির্যাতনের তাস খেলার একটি সুযোগ করে দিয়েছে। এটিই হলো বিশাল প্রলোভন। ** পৃষ্ঠা ১৯৯ * যখন নারীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করেছিল তখন অনেক পুরুষ তাদের মেন্টর ছিল এবং বিনিময়ে নারীদের অবদানকেও শ্রদ্ধা করতে শিখেছিল। এখন আমরা যখন পুরুষদের শিশুদের যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব দিচ্ছি তখন নারীদের মেন্টর হতে হবে এবং আমাদেরও পুরুষদের অনন্য অবদানগুলোকে শ্রদ্ধা করতে শিখতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * আমরা যদি পুরুষালি ধরণের অভিভাবকত্বকে অবহেলা করি এবং সেই দায়িত্বশীল বাবাটিকে জেলে পাঠাই তবে পিতৃত্ব আরেকটি ঝুঁকিপূর্ণ পেশা হয়ে দাঁড়াবে। আর এই প্রক্রিয়ায় আমাদের শিশুরা একটি বড় উপহার হারাবে তা হলো প্রকৃত পিতৃত্ব। এটি খারাপ খবর হলেও সুখবর হলো এই বাবা ও সন্তানের পুনর্মিলনের পথ আছে... ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * পুরুষেরা সেখানেই যায় যেখান থেকে প্রশংসা আসে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * চ্যালেঞ্জটি হলো আমাদের প্রশংসার ধরণ পরিবর্তন করা: বাবার টাকার বদলে বাবার ভালোবাসাকে বেশি মূল্য দেওয়া। আর সেই সাথে তার মানসিকতার পরিবর্তন ঘটানো যা তাকে ভালোবাসার যোগ্য করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৩৮ * প্রযুক্তি বাড়িতে থাকা বাবার জন্য সহায়ক। এটি পরিবারকে গরিব না হয়েও আগের চেয়ে অনেক বেশি সৃজনশীল এবং নমনীয় হতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * অনেক নারী আবিষ্কার করছেন যে মাতৃত্বের সহজাত প্রবৃত্তি মানে শিশুদের জন্য বাবার উপস্থিতি নিশ্চিত করা প্রতিদিন দূরে কোথাও নয়। কেউ কেউ সচেতন যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা মানে নিজের সন্তানকে আঁকড়ে ধরা নয় যেন এটি তার চাকরি। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * বাবাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের জন্য আমাদের বাবাদের ভালোবাসার ধরণ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা প্রয়োজন। এটা স্বীকার করা জরুরি যে অতীতের কঠোর নিয়মগুলো পুরুষরা কেবল নিজেদের সুবিধার জন্য তৈরি করেনি। ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * আমরা যদি পুরুষদের স্বার্থপর মনে করি তবে আমরা তাদের লালনকারী হিসেবে ভাবতে পারব না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * সরকারি ও বেসরকারি উৎসের তহবিলের অভাব খুব একটা সমস্যা হতো না যদি প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার পুরুষদের ওপর নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রচারের জন্য খরচ না করা হতো। এই তহবিল পুরুষদের অধ্যয়ন বাদ দিয়ে নারী অধ্যয়নকে উৎসাহিত করে; উদাসীন বাবাদের নিয়ে গবেষণার জন্ম দেয় কিন্তু কপর্দকশূন্য বাবাদের নিয়ে কোনো গবেষণা করে না কিংবা সেইসব মায়েদের নিয়ে যারা বাবাকে সন্তানদের কাছে আসতে দেয় না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * এই একপক্ষীয় তহবিল জাতিকে ভুল তথ্য দেয় যে বিচ্ছেদ হওয়া একজন মা বিচ্ছেদ হওয়া একজন পুরুষের চেয়ে বেশি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই বিচারকরা মনে করেন পুরুষের ভবিষ্যৎ আয় নারীর হওয়া উচিত আর আইনসভাও বাবাদের দেওয়া অর্থকে করমুক্ত করতে অস্বীকার করে যদিও নারী সেই অর্থের ওপর কোনো কর দেন না। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * পুরুষদের চাপা অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করার জন্য কোনো তহবিল নেই: যেমন সন্তানদের বাবার কাছ থেকে দূরে রাখতে কখন মিথ্যা অভিযোগকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে; বা কখন অন্য অভিভাবক সন্তানের কাছে খারাপ কথা বলছেন; বা যখন উদাসীন বাবাদের পরিসংখ্যানে সেইসব পুরুষদের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে যারা মৃত বা বেকার; অথবা যখন পুরুষেরা পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * একপক্ষীয় তহবিল একপক্ষীয় চিত্র তৈরি করে যা সংবাদমাধ্যমকে শুধুমাত্র নারীদের সমস্যাগুলোই প্রগতি হিসেবে তুলে ধরতে উৎসাহিত করে। ফলে পুরুষদের বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা নারীদের ওপর সহিংসতার সমান তা জনমানসে খুব সামান্যই প্রভাব ফেলে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * এই পক্ষপাতদুষ্ট গবেষণা থেকেই পক্ষপাতদুষ্ট সামাজিক নীতি তৈরি হয়। কোটি কোটি ডলার খরচ করা হয় সেইসব বাবাদের সাজা দিতে যারা মায়েদের অর্থ দেন না; কিন্তু সেইসব মায়েদের সাজা দেওয়ার জন্য কিছুই করা হয় না যারা বাবাদের সন্তানদের সাথে দেখা করতে দেন না। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * তহবিলের প্রয়োজনীয়তা আসে গত কয়েক দশকের পুরুষদের প্রতি এক ধরণের মনোভাবের বিপরীতে ভারসাম্য তৈরি করার জন্য। আর কিছুটা প্রয়োজন হলো কীভাবে উভয় লিঙ্গ সেই কঠোর ভূমিকা থেকে নমনীয় পথে এগিয়ে যেতে পারে তার একটি সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * যেখানে কেউ শোনার নেই সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব কম। এভাবেই বাবা, ছেলে এবং পরিবারগুলো অকারণে হারিয়ে যাচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * মানি নেওয়ার ক্ষমতা আমাদের বিবর্তনীয় ঐতিহ্যের অংশ যে প্রজাতি টিকে থাকে তারা মানিয়ে নেয়। মানুষ বিবর্তনীয় মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তাদের অগ্রাধিকার পরিবর্তন করার মাধ্যমে মানিয়ে নেয়। ** পৃষ্ঠা ২৪২ * আমাদের স্কুলগুলোতে সম্পর্কের ভাষা শেখানোর জন্য তহবিল প্রয়োজন যাতে ভবিষ্যৎ অভিভাবকরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে; সন্তানদের সাথে কথা বলতে পারে এবং সন্তানদের শেখাতে পারে বিশ্বের সাথে কীভাবে যোগাযোগ করতে হয়। সামাজিক দক্ষতা ছাড়া প্রযুক্তিগত উন্নতি অনেকটা ব্যবিলনের টাওয়ারের মতো। ** পৃষ্ঠা ২৪৩ * বাবা ও সন্তানের পুনর্মিলন ঘটানোর সামাজিক নীতিগুলোর সব সময় নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত, “আমরা কি বাবাদের থাকার জন্য টাকা দিচ্ছি নাকি চলে যাওয়ার জন্য?” যদি একজন একক মা বাবা আশেপাশে না থাকলে থাকার চেয়ে বেশি টাকা পায় তবে আশেপাশে বাবাদের সংখ্যা কমই হবে। সরকার তখন তার বিকল্প স্বামী হয়ে উঠবে। ** পৃষ্ঠা ২৪৫ * পরিবারের চেয়ে শক্তিশালী আর কোনো শক্তি নেই। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * সম্ভবত আমাদের সবচাইতে বড় প্রশংসা প্রয়োজন সেই লক্ষ লক্ষ পুরুষ ও নারীর প্রতি যাদের আমরা সৎ-অভিভাবক বলি। বিশেষ করে যারা নিজের কোনো সন্তান মানুষ করছেন না তবুও ভালোবেসে শিশুদের জন্য সময় এবং অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ * আমরা যদি পুরুষদের বাবা হতে অনুপ্রাণিত করতে চাই তবে তাদের প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পাওয়া নিয়ে ঢালাও সমালোচনা বন্ধ করতে হবে এবং তারা আসলে কী ভয় পায় তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ২৪৬ === ''হোয়াই মেন আর্ন মোর'' (২০০৫) === * নারীদের আরও বেশি বেতন পেতে সাহায্য করা এই বইয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ** পৃষ্ঠা ১৭. * কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের আচরণের মধ্যে ২৫টি পার্থক্য রয়েছে। এই ২৫টি পার্থক্যের কারণেই পুরুষেরা বেশি বেতন পায় এবং নারীরা আরও ভালো জীবন—অথবা অন্তত আরও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন কাটাতে পারে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * সপ্তাহে ৪৫ ঘণ্টা কাজ করা একজন ব্যক্তি সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা কাজ করা ব্যক্তির চেয়ে গড়ে ৪৪% বেশি আয় করেন। অর্থাৎ ১৩% বেশি সময়ের বিনিময়ে ৪৪% বেশি আয়। ** পৃষ্ঠা ১৮ * যদি একজন নিয়োগকর্তাকে একই কাজের জন্য একজন পুরুষকে এক ডলার দিতে হয় যা একজন নারী ৫৯ সেন্টে করতে পারেন, তবে কেউ কেন একজন পুরুষকে নিয়োগ দেবেন? ** পৃষ্ঠা ১৯ * ১৯৬৯ সালে সারা দেশে সেইসব নারী অধ্যাপকেরা যারা কখনো বিয়ে করেননি এবং যাদের কোনো লেখা প্রকাশিত হয়নি, তারা তাদের সমপর্যায়ের পুরুষ সহকর্মীদের তুলনায় ১৪৫% বেশি আয় করতেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * ২০০১ সালের জরিপ: যেসব পুরুষ কখনো বিয়ে করেননি, যাদের সন্তান নেই, যারা পূর্ণকালীন কাজ করেন এবং কলেজ শিক্ষিত, তারা একই যোগ্যতাসম্পন্ন নারীদের আয়ের মাত্র ৮৫% আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * একজন খণ্ডকালীন নারী কর্মী তার সমপর্যায়ের পুরুষ কর্মীর প্রতিটি এক ডলার আয়ের বিপরীতে এক ডলার দশ সেন্ট আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২ * গত ৩০ বছর ধরে নারীদের প্রতি বৈষম্যের দিকে আমাদের অতিরিক্ত মনোযোগ আমাদের নারীদের জন্য থাকা সুযোগগুলোর প্রতি অন্ধ করে রেখেছে। ** পৃষ্ঠা ২৪ * আমি ক্ষমতাকে নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করি। বেতন বা আয় ক্ষমতার বিষয় নয়। বেতন হলো বেতনের ক্ষমতা পাওয়ার জন্য নিজের অন্য ক্ষমতা ত্যাগ করা। ** পৃষ্ঠা ২৪ * যারা বিশ্বাস করেন যে "আপনি সবকিছুই পেতে পারেন", তাদের জন্য লেখা বইগুলো প্রায়ই পরামর্শ দেয়, "আপনার ভালো লাগার কাজগুলো করুন এবং টাকা এমনিতেই আসবে।" কিন্তু শেয়ার বাজারের ধসের পর এর আসল বিনিময় অনেকটা এমন "যখন আপনি আপনার পছন্দের কাজগুলো করতে যাবেন, তখন আপনি টাকা মিস করবেন।" ** পৃষ্ঠা ৩ * হোয়াই মেন আর্ন মোর বইতে বেতনের যে ধাঁধার কথা বলা হয়েছে তা হলো: পুরুষেরা বেশি টাকা আয় করে, তাই পুরুষদের ক্ষমতা বেশি; আবার পুরুষেরা বেশি টাকা আয় করে, তাই পুরুষদের ক্ষমতা কম (বেশি টাকা আয় করা সেখানে একটি বাধ্যবাধকতা, কোনো পছন্দ নয়)। নারীদের ক্ষেত্রে এর উল্টোটা সত্যি: নারীরা কম টাকা আয় করে, তাই নারীদের ক্ষমতা কম; আবার নারীরা কম টাকা আয় করে, তাই নারীদের ক্ষমতা বেশি (সন্তান লালন-পালনের সুযোগ থাকা অথবা কোনো বিপজ্জনক কাজ বেছে না নেওয়া)। ** পৃষ্ঠা ১১ * বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার সবচাইতে ভালো কারণ সম্ভবত এটাই যে, একটি গবেষণা অনুযায়ী বিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিসিন এবং ডেন্টিস্ট্রির ছাত্ররা আর্টস (বা ল) ছাত্রদের চেয়ে বেশি দিন বাঁচেন। তাই আপনি যে টাকাই আয় করেন না কেন তা আপনি আরও বেশি দিন নিজের কাছে রাখতে পারবেন। ** পৃষ্ঠা ১৮ * বেতন হলো বেতনের ক্ষমতা পাওয়ার জন্য আমাদের ছেড়ে দেওয়া অন্য ক্ষমতা। উদাহরণস্বরূপ, আমরা যখন নিজেদের জন্য কাজ না করে অন্যের জন্য কাজ করি তখন আমরা আমাদের ক্ষমতা হারাই, কিন্তু বিনিময়ে আমরা আর্থিক ক্ষমতা পাই। * নারীরা কি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো ক্ষেত্রগুলো এড়িয়ে চলেন কারণ সেখানে পুরুষদের আধিপত্য বেশি এবং নারীদের প্রতি বৈষম্য করা হয়? সম্ভবত না। নারী আন্দোলনের আগে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রটি ঔষধ বা আইনের চেয়ে বেশি পুরুষ-শাসিত ছিল না। আর নারীরা এখন প্রচুর সংখ্যায় মেডিসিন ও আইনে যোগ দিচ্ছেন। যখন নারীরা পুরুষ-শাসিত ক্ষেত্রে প্রবেশ করেন তখন তারা সাধারণত বেশি আকর্ষণীয় পেশাগুলো বেছে নেন। গণমাধ্যমও একে উৎসাহিত করে। এলএ ল ছিল কিন্তু কোনো এলএ ইঞ্জিনিয়ারিং ছিল না। ইআর মানে ইঞ্জিনিয়ারিং রুম নয়। ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার, গণিত ও বিজ্ঞানের মতো ক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য নারীরা ছয় স্তরের উৎসাহ পায়: প্রথমত, পুরুষদের চেয়ে ভালো শুরুর বেতন; দ্বিতীয়ত, হাই স্কুলের মেয়েদের জন্য বিশেষ প্রোগ্রাম; তৃতীয়ত, কেবল নারীদের জন্য সরকারি বৃত্তি; চতুর্থত, কেবল নারীদের জন্য কর্পোরেট অনুদান ও বৃত্তি; পঞ্চমত, নারীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বিজ্ঞাপন; এবং ষষ্ঠত, শীর্ষস্থানীয় মহিলা কলেজগুলোর বিজ্ঞান প্রোগ্রামের জন্য বিশেষ অনুদান। ** পৃষ্ঠা ২৫ * ঝুঁকিপূর্ণ পেশার ক্ষেত্রে এক ধরণের অদ্ভুত সংকট বা ক্যাচ-২২ পরিস্থিতি থাকে: কাজ যত ঝুঁকিপূর্ণ হয় সেখানে পুরুষ তত বেশি থাকে; সেখানে পুরুষ যত বেশি থাকে আমরা কাজটিকে নিরাপদ করার বিষয়ে তত কম গুরুত্ব দিই। ঝুঁকিপূর্ণ পেশার এই সংকট একটি ‘গ্লাস সেলার’ বা অন্ধকার ঘর তৈরি করে যেখানে খুব কম নারীই প্রবেশ করতে চান। নারীরা কেবল কাজের জায়গায় আঘাত পাওয়ার ভয়েই পিছিয়ে যান না বরং এমন এক পরিবেশের কারণেও পিছিয়ে যান যা একটি ঝুঁকিপূর্ণ কাজকে প্রয়োজনের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক করে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৭ * আপনার মেয়ে বলল, ‘বাবা, মা, আমি সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চাই।’ আপনি তার সুন্দর চেহারার দিকে তাকালেন, তার পুরো জীবন আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠল এবং আপনি একটি লাশের ব্যাগ দেখতে পেলেন। এখনই তাকে সামরিক বাহিনীর সবচাইতে বড় গোপন কথাটি জানানোর সময়: সে সামরিক বাহিনীতে যোগ দিয়েও ঘরে থাকার মতোই নিরাপদ থাকতে পারে। কীভাবে? ইরাক যুদ্ধে বিমান বাহিনীতে একজন নারীও নিহত হননি। নৌবাহিনীতে (মারিন্স) একজন নারীও নিহত হননি। আর নৌবাহিনীতে (নেভি) মাত্র একজন মারা গেছেন। আপনার কাজ হলো তাকে কেবল সেনাবাহিনী (আর্মি) থেকে দূরে রাখা। ** পৃষ্ঠা ৩০ * দক্ষিণ আফ্রিকার কয়লা খনি হোক, আলাস্কার মাছ ধরার নৌকা হোক বা আমেরিকার সামরিক বাহিনী হোক নারীদের প্রতি পুরুষদের সুরক্ষামূলক মনোভাব এবং নারীদের নিজেদের (ও সন্তানদের) প্রতি সুরক্ষার প্রবৃত্তি পুরুষদের নারীদের তুলনায় অনেক বেশি পরিত্যাজ্য করে রাখে। সামরিক বাহিনীতে এই ধরণের একটি উদাহরণ দেখা যায়। সামরিক বাহিনীর এসইআরই (সারভাইভাল, ইভেশন, রেজিস্ট্যান্স এবং এস্কেপ) স্কুলগুলোতে নারী শিক্ষার্থীদের সুস্থতার বিষয়ে পুরুষ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এতটাই উদ্বেগ ছিল যে প্রশিক্ষকরা এখন পুরুষদের নারীদের ওপর যৌন নির্যাতন বা অন্যান্য লাঞ্ছনার বিষয়ে সংবেদনহীন করার চেষ্টা করেন যাতে যুদ্ধে তাদের এই সংবেদনশীলতাকে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার না করা যায়। আমরা সামরিক বাহিনীতে নারীদের নিরাপদ মনে করি কারণ তাদের এখনো সবচাইতে বিপজ্জনক কাজে নিয়োগ দেওয়া নিষিদ্ধ। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা আসলে নারীদের রক্ষা করার চিরাচরিত পুরুষালি প্রবৃত্তিরই প্রতিফলন। ** পৃষ্ঠা ৩৩ * নিরাপত্তা বেছে নেওয়া মানে কেরিয়ারের চেয়ে জীবনকে প্রাধান্য দেওয়া। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * তেলের খনিগুলোতে যে পুরুষেরা দিনে মাত্র ৮ ঘণ্টা কাজ করে তাদের অবজ্ঞার সাথে অফিস ঘরানার মানুষ বলা হয়। এর উল্টোদিকে নারীরা ঝুঁকি খুব সামান্য হলেও তা নিতে চান না। আমাদের ছেলেদের জন্য বার্তাটি কী? আমাদের ছেলেরা যখন শারীরিক বিপদের ঝুঁকি নেয় তখন আমাদের প্রশংসা তাদের শেখায় যে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার ইচ্ছা ভালোবাসা তৈরি করে। লাঞ্ছনাই কি তবে ভালোবাসা? হ্যাঁ। ** পৃষ্ঠা ৩৯ * আমরা রোল মডেলদের নেতা বললেও অধিকাংশ নেতা আসলে অনুসারী। অধিকাংশ ‘নেতা’ তাদের প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অনুসারী। আর আমরাই সেই মানুষ যারা তাদের প্রলোভন দেখাই। আমরা মূলত পুরুষদের জীবন বাজি রাখার জন্য দুটি প্রলোভন দিই: বেতন এবং প্রশংসা... যে পুরুষ স্বেচ্ছায় একটি মৃত্যু পেশা বেছে নেয় সে তার শরীরের বিনিময়ে বেতন পাওয়ার আশা করে। মৃত্যু পেশাগুলোর না বলা মূলমন্ত্র হলো ‘আমার শরীর, কিন্তু সিদ্ধান্ত আমার নয়’। ** পৃষ্ঠা ৪০ * সবচাইতে অপ্রিয় সময়ে কাজ করতে ইচ্ছুক হওয়ার মাধ্যমে পুরুষেরা যে অর্থ উপার্জন করে তা নারীদের প্রতি বৈষম্যের চিহ্ন নয় বরং এটি অধিকাংশ বিবাহিত পুরুষের পরিবারের ভরণপোষণের জন্য নিজের ঘুম বিসর্জন দেওয়ার চিহ্ন, ঠিক যেমন তাদের স্ত্রীরা সন্তানকে খাওয়ানোর জন্য ঘুম বিসর্জন দেন। অস্বস্তিকর শিফটে কাজ করার এই মানসিকতাই বিবাহিত পুরুষদের অবিবাহিত পুরুষদের তুলনায় দ্বিগুণ আয় করার অন্যতম কারণ। রাতে করা পুরুষদের এই অবদান যেন অন্ধকারে হারিয়ে না যায়। ** পৃষ্ঠা ৬৯ * আমরা যখন অভিজ্ঞতার বছরগুলোকে হিসেবে ধরি না তখন একজন নারীর পক্ষে হতাশ হওয়া খুব সহজ যখন তিনি এমন শিরোনাম দেখেন যেমন টিভি নিউজ ডিরেক্টরদের ওপর গবেষণা নারীদের প্রতি বৈষম্য খুঁজে পেয়েছে। আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে কোনো নারী যখন পড়তেন যে নারী টিভি নিউজ ডিরেক্টররা পুরুষ ডিরেক্টরদের চেয়ে ২৭% কম বেতন পান তখন এটি তাকে এই ক্ষেত্রটি এড়িয়ে চলতে বাধ্য করত... অন্যদিকে যদি শিরোনামটি গবেষণার মূল ফলাফলকে আরও নির্ভুলভাবে তুলে ধরত যে, ‘নারী ম্যানেজাররা পুরুষদের চেয়ে তিন গুণ দ্রুত টিভি নিউজ ডিরেক্টর হন,’ তবে সেই নারী নিজেকে কাঙ্ক্ষিত মনে করতেন... সংক্ষেপে বেশি বেতনের পথটি হলো একটি টোল বা কর দেওয়ার পথ। কিন্তু ইতিহাসের এই সময়ে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা টোল বুথ রয়েছে এবং নারীদের কাছ থেকে নেওয়া টোলের পরিমাণ কম। যারা বেশি বেতনের পথে হাঁটতে চান এমন প্রতিটি নারীর জন্য এটি উৎসাহব্যঞ্জক হওয়া উচিত যাতে টোল কম থাকতেই তারা এই পথ বেছে নেন। আর যেসব পুরুষ সন্তানদের সাথে থাকতে চান অথবা তাদের কর্মমুখী স্ত্রীকে সমর্থন করতে চান তাদের সচেতন হওয়া উচিত যে একজন ভালো বাবা হওয়ার এবং স্ত্রীর সাফল্যকে সমর্থন করার এর চেয়ে ভালো সময় আর কখনো ছিল না। ** পৃষ্ঠা ৮৫-৮৭ * যারা বেশি বেতন পান তারা কোম্পানির প্রয়োজনে অন্য জায়গায় বিশেষ করে অপ্রিয় জায়গাগুলোতে যেতে বেশি ইচ্ছুক থাকেন... একজন কর্পোরেট সেক্রেটারি একই শহরের অন্য কোম্পানিতে বদলি হতে পারেন; কিন্তু একজন কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ একই কোম্পানির প্রয়োজনে অন্য শহরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। একজন প্রতিভাবান কর্পোরেট সেক্রেটারি অন্য জায়গায় যাওয়ার প্রস্তাবকে কেবল একটি আমন্ত্রণ হিসেবে দেখেন; কিন্তু একজন ভবিষ্যৎ কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ একে একটি সুযোগ এবং একটি বাধ্যবাধকতা হিসেবে দেখেন। ** পৃষ্ঠা ৯৩-৯৪ * আমরা যখন সমান ঘণ্টা কাজ করা নারী ও পুরুষদের বেতনের দিকে তাকাই তখন দুটি বিস্ময়কর আবিষ্কার পাওয়া যায়: <br>—যখন নারী ও পুরুষ সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টার কম কাজ করেন তখন নারীরা পুরুষদের চেয়ে বেশি আয় করেন; <br>—যখন তারা ৪০ ঘণ্টার বেশি কাজ করেন তখন পুরুষেরা নারীদের চেয়ে বেশি আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ৭৯ * বর্তমানে নারীদের সপ্তাহে ৫০ ঘণ্টার বেশি কাজ করার সম্ভাবনা পুরুষদের অর্ধেক। (আবারও বলছি কর্মজীবী নারীরা বাড়িতে বেশি সময় দেন।) কোনো নারীর পক্ষে এই প্রতিশ্রুতির সাথে ২০ বছর কাজ চালিয়ে যাওয়া এবং পরে সিইও হিসেবে নিজের কাজের সময় আরও বাড়িয়ে দেওয়া খুবই বিরল। কিন্তু ঠিক বিরল বলেই যেসব নারী এটি করতে ইচ্ছুক তারা অনেক বেশি ব্যতিক্রমী হিসেবে পরিচিত হন। আসলে নারীরা অনেক বেশি ‘ইউরোপীয়’ ধাচের—তারা বেঁচে থাকার জন্য কাজ করেন, কাজ করার জন্য বাঁচেন না। কিন্তু স্বাস্থ্যবান এবং ভারসাম্যপূর্ণ মানুষ যারা কেবল বাঁচার জন্য কাজ করেন তারা খুব কমই শীর্ষে পৌঁছাতে পারেন। ** পৃষ্ঠা ৮২ * অবিবাহিত নারীরা প্রায়ই ভয় পান যে তারা যে পুরুষদের সাথে ডেট করছেন তারা হয়তো কম কেরিয়ার এবং বেশি সন্তান পালনের বিষয়টি পছন্দ করবেন না। সম্ভবত। যদি কোনো নারী অনেক বেশি কেরিয়ার সচেতন পুরুষকে বেছে নেন তবে তিনি যা বেছেছেন তাই পাবেন। সমাধান কী? এমন পুরুষদের মধ্য থেকে বেছে নিন যারা কেরিয়ার সচেতন নারীকে বিয়ে করতে পছন্দ করবেন এবং কয়েক বছরের জন্য সন্তানদের সাথে ঘরে থাকতে ভালো বোধ করবেন। এমন পুরুষ খুঁজে পাচ্ছেন না? আপনার ম্যাচকটকম প্রোফাইলে আপনার আগ্রহের কথা জানান—সঠিক মানুষ খোঁজার জন্য ইন্টারনেটই সেরা মাধ্যম। আপনি অবাক হয়ে যাবেন। ** পৃষ্ঠা ৮৩-৮৪ * যারা বেশি বেতন পায় তারা কম নিরাপত্তা চায়। বিষয়। ২০০৪ সাল। আমি আমার প্রকাশক প্রতিষ্ঠানের (অ্যামাকম) সেলস এবং মার্কেটিং টিমের কাছে হোয়াই মেন আর্ন মোর বইটি উপস্থাপন করছি। বেশি বেতনের অন্যতম উপায় হিসেবে আর্থিক ঝুঁকির উদাহরণ দিতে আমি ঘরে উপস্থিত সবাইকে জিজ্ঞাসা করলাম যারা কমিশনের বিনিময়ে কাজ করেন তারা দাঁড়িয়ে যান। আটজন পুরুষ দাঁড়িয়ে গেলেন; কোনো নারী দাঁড়ালেন না। এরপর আমি যারা নির্দিষ্ট বেতনের বিনিময়ে কাজ করেন তাদের দাঁড়াতে বললাম: প্রায় সমান সংখ্যক নারী ও পুরুষ দাঁড়িয়ে গেলেন। ** পৃষ্ঠা ১০৭ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এমনকি নির্দিষ্ট কোনো পেশার ভেতরেও পুরুষদের আর্থিক ঝুঁকি নেওয়ার ধরণ দেখা যায়। নারী চিকিৎসকদের সরকারি বা কোনো এইচএমও প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সম্ভাবনা পুরুষদের চেয়ে তিন গুণ বেশি; অন্যদিকে পুরুষ চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বার বা একক প্র্যাকটিস করার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। ** পৃষ্ঠা ১০৮ * কর্পোরেট সংকট বা ক্যাচ-২২: নমনীয়তা না দেখালে ভালো নারী কর্মীদের হারান; নমনীয়তা দেখালেও ভালো নারী কর্মীদের হারান... একটি কোম্পানি যখন নারীদের নমনীয়তার ইচ্ছা এবং কম পদোন্নতির আকাঙ্ক্ষার কথা শুনে তাদের পদোন্নতি কম দেয় এবং পরে আবার কম পদোন্নতি দেওয়ার জন্য সেই কোম্পানির বিরুদ্ধেই মামলা হয়। ইদ্দিশ ভাষায় এর জন্য একটি শব্দ আছে: চুটজপা। ** পৃষ্ঠা ১১১-১২ * ইতিহাসের এই মুহূর্তে লক্ষ লক্ষ ‘চাকরিজীবী বাবা’ এমন কিছু করতে চাচ্ছেন যা করার অধিকার তারা আছে বলে মনে করেন না: বাবা হিসেবে বেশি সময় দেওয়া এবং কর্মী হিসেবে কম সময় দেওয়া। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের নারী এক্সিকিউটিভদের তুলনায় পুরুষ এক্সিকিউটিভদের মধ্যে এই অনুভূতি অনেক বেশি কারণ সেই অঞ্চলের নারী এক্সিকিউটিভদের সন্তান না থাকার সম্ভাবনা পুরুষদের চেয়ে ছয় গুণ বেশি। একজন এশিয়া-প্যাসিফিক পুরুষ এক্সিকিউটিভের চাকরিজীবী বাবা হওয়ার সম্ভাবনা একজন নারী এক্সিকিউটিভের চাকরিজীবী মা হওয়ার চেয়ে প্রায় ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১১৩ * হাজার বছর ধরে নারীরা পুরুষদের তাদের ভরণপোষণ করার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে পছন্দ করেছে। নারীরা কর্মক্ষেত্রে যত বেশি পারদর্শী হবে তারা তত বেশি নতুন ধরণের পুরুষের সাথে অংশীদারিত্বের পথ খুলে দেবে। আমি আশা করি এই বইয়ের প্রথম অংশ পুরুষদের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে। আমরা যখন পুরুষ-শাসিত পেশাগুলোতে পুরুষদের চেয়ে নারীদের আর্থিকভাবে ভালো করতে দেখি তখন তা কর্মক্ষেত্রে নারীদের প্রতি পুরুষদের মনোভাবের একটি উদার চিত্র তুলে ধরে। যেহেতু আমরা বেশি উপার্জনের জন্য আত্মত্যাগ করার কথা ভাবি তাই আমি আশা করি আমরা সেই ত্যাগগুলোর প্রশংসা করব যা পুরুষেরা তাদের পরিবারের ‘আর্থিক জঠর’ হয়ে পরিবারকে লালন করার জন্য করেছে। বিশেষ করে ‘চাকরিজীবী বাবাদের’ ত্যাগ এবং তাদের ‘অদৃশ্য লড়াইয়ের’ প্রশংসা করব। ** পৃষ্ঠা ১২২ * পুরুষেরা নিজেদের জন্য পছন্দ বা বিকল্প তৈরির ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে থাকলেও তারা আসলে নারীরা নিজেদের জন্য যে পছন্দগুলো চায় তার নীরব সমর্থক ছিল। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * পুরুষদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাবের গভীর উদ্দেশ্য হলো সেইসব শিশুদের জন্য আরও ভালো জীবন নিশ্চিত করা যাদের বাবা বা সৎ বাবারা তাদের অভিভাবক; আমাদের ছেলেদের জন্য কম লজ্জার পরিবেশ তৈরি করা যারা ভবিষ্যতে পুরুষ হবে; এবং আমাদের মেয়েদের জন্য পুরুষদের সন্তুষ্ট করার ইচ্ছার একটি গভীর বোধ তৈরি করা যা তাদের অনুভব করাবে যে তাদের সন্তুষ্ট করার মানসিকতা একপক্ষীয় নয় বরং পারস্পরিক—এতে আমাদের মেয়েরা নিজেকে কম একা এবং বেশি ভালোবাসার যোগ্য মনে করবে। আমরা যদি আয় বেশি করি এবং ভালোবাসা কম দিই তবে আমরা এমন একটি বাড়ির জন্য টাকা দিচ্ছি যেখানে আমরা বাস করি না। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * এক অর্থে শিশু যত্নের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের কাজের সাথে শিশুদের সম্পর্কের বিষয়টি একটি পূর্ণ চক্র সম্পন্ন করেছে। আমরা ছোট পারিবারিক ব্যবসা বা খামার যেখানে শিশু যত্ন এবং কাজ একসাথে চলত তা থেকে সন্তানদের ঘরে রেখে বাবার কাজে যাওয়ার যুগে গিয়েছিলাম; এখন আবার মা এবং বাবা উভয়েই ঘরে বসে কাজ করছেন যেখানে শিশু যত্ন এবং কাজ পুনরায় একত্রিত হয়েছে। সেই পুরনো পারিবারিক কাজের ধরণে আমরা আবার ফিরে এসেছি। ** পৃষ্ঠা ১৩১ * ইতিহাস জুড়ে পুরুষেরা শিখেছে যে টিকে থাকা, সম্মান এবং নারীর ভালোবাসা সবই অর্জিত হয় কোনো বড় সাফল্যের মাধ্যমে তা পশু শিকার হোক, শত্রু বিনাশ হোক অথবা ওয়াল স্ট্রিটে বড় কোনো সাফল্য পাওয়া হোক। পুরুষেরা ভালোবেসে যা উৎপাদন করত নারীরা সেই অর্থ পেত। পুরুষেরা মনে করত টাকা, সম্পত্তি বা বীরত্ব ছাড়া তারা নারীর ভালোবাসার যোগ্য নয়। নারীরা মনে করত পুরুষেরা তাদের জন্য যে টাকা খরচ করে তা হলো তারা সেই পুরুষের কাছে কতটা ভালোবাসার পাত্রী তার বহিঃপ্রকাশ। নারীর ভালোবাসার ক্ষমতা হয়ে উঠেছিল তার নিরাপত্তার উৎস: ‘হীরাই হলো একটি মেয়ের পরম বন্ধু’। মূলত ইতিহাস জুড়ে প্রায় সব সমাজে এবং সব শ্রেণিতে এই ধরণটিই সত্যি ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৩৫ * কর্মক্ষেত্রে নারীরা বৈষম্যের শিকার হয় এই বিশ্বাসটি কোনো দম্পতির মধ্যে নারীর ঘরে থাকার প্রবণতাকে আরও শক্তিশালী করে। নারীর ঘরে থাকার এই প্রবণতাই কর্মক্ষেত্রে তার গুরুত্ব কমিয়ে দেয়। এরপর বিয়ের ঠিক পরেই স্বামীর কেরিয়ারের জন্য তার নিজের বদলি হওয়া যুক্তিযুক্ত মনে হয় কিন্তু স্ত্রীর কেরিয়ারের জন্য স্বামীর বদলি হওয়া নয়। একইভাবে স্ত্রীর কেরিয়ারের চেয়ে স্বামীর ডাক্তারি, আইন বা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিতে বিনিয়োগ করা তাদের কাছে বেশি যুক্তিযুক্ত মনে হয়... বিদ্রূপের বিষয় হলো একটি মিথ্যা বাস্তবতা থেকে একটি আসল বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। আর বিদ্রূপের বিষয় হলো নারীদের কেরিয়ারে সাহায্য করার জন্য দেওয়া মন্তব্যগুলোই উল্টো তাদের কেরিয়ারের ক্ষতি করছে। নরকের পথ ভালো উদ্দেশ্য দিয়েই তৈরি হয়... ** পৃষ্ঠা ১৪৫ * আমরা যখন বলি যে পুরুষেরা বৈষম্য করে বলেই তারা শীর্ষে রয়েছে তখন আমরা মূল বিষয়টি ধরতে ভুল করি। পুরুষেরা কর্মক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে কারণ কাজ মূলত পুরুষদের দায়িত্ব ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * যদি দলগত খেলাগুলো কর্পোরেট জগতের জন্য ব্যবস্থাপনার দক্ষতা তৈরি করে তবে পাড়ার খেলাগুলো অনেকটা উদ্যোক্তা হওয়ার প্রশিক্ষণের মতো... পাড়ার খেলাগুলোতে এখনো ৯৯% পুরুষ থাকে। অর্থাৎ উদ্যোক্তা হওয়ার এই ধরণের প্রস্তুতি মূলত ৯৯% পুরুষালি সামাজিকীকরণের অংশ। আমি মনে করি এটিই একটি অন্যতম কারণ যে নিজের ব্যবসা চালানো পুরুষেরা তাদের নারী সমকক্ষদের তুলনায় দ্বিগুণ আয় করে। ** পৃষ্ঠা ১৫৬ * নারী-পুরুষ উভয়ই পুরুষ ডেন্টিস্টদের আমাদের মুখের ভেতর কাজ করার অনুমতি দিই, কিন্তু আপনি কি কখনো কোনো পুরুষ ডেন্টাল হাইজিনিস্টকে আপনার মুখের ভেতর কাজ করতে দিয়েছেন? পুরুষকে আমাদের ব্যক্তিগত জায়গাগুলোতে পৌঁছানোর জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে হয় যা কোনো নারীর ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় না—তাকে হয় ডাক্তার বা ডেন্টিস্ট হতে হবে নতুবা সেই আশা ছাড়তে হবে। ** পৃষ্ঠা ১৮১ * নারীদের অধিকতর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং সৌন্দর্যের ক্ষমতা দৃশ্যমান এবং অদৃশ্য উভয় ধরণের আয়ের সুযোগ করে দেয়। এই সুযোগ প্রায় সব নারী এবং কিছু পুরুষের জন্য থাকলেও ‘জেনেটিক সেলিব্রিটি’ বা জন্মগতভাবে সুন্দরীদের ক্ষেত্রে তা অঢেল পরিমাণে থাকে... এমন সুন্দরী নারী যার পেছনে পুরুষেরা কেবল তাকিয়ে দেখা বা কথা বলাই নয় বরং তার অনুসরণও করে। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * আমি যখন জাপানে হোয়াই মেন আর দ্য ওয়ে দে আর বইটির প্রচারে গিয়েছিলাম তখন আমাকে ‘স্নাক’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছিল। স্নাক বিষয়টি এভাবে কাজ করে: একজন পুরুষ কাজ থেকে বাড়ি ফিরছে এবং তার দিনটি খুব খারাপ কেটেছে। সে মনে করে না যে তার স্ত্রী তার কথা শুনতে চাইবে তাই সে ৫০ থেকে ৮০ ডলার খরচ করে একটি স্নাকে যায়—যেখানে সে স্যান্ডউইচ, পানীয় এবং একজন সুন্দরী নারী পায় যে সহানুভূতির সাথে তার কথা শুনবে—নিরাপদভাবে বলতে গেলে খাবারের সাথে একজন সুন্দরী মনোবিজ্ঞানী। সেখানে কোনো পুরুষ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয় না। ** পৃষ্ঠা ১৯৮ * আইনজীবীদের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে যেসব আইনজীবীদের ছবি নিরপেক্ষভাবে বেশি সুদর্শন বলে মনে করা হয়েছিল তারা কম সুদর্শন আইনজীবীদের তুলনায় বছরে প্রায় ১২% বেশি আয় করেন। সুদর্শন আইনজীবীরা বেশি সময় ধরে কাজ করতেন কিন্তু যখন সেই সময় এবং অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয় তখনও দেখা যায় যে সুদর্শন আইনজীবীরা ঘণ্টায় অনেক বেশি আয় করেন। বলা বাহুল্য পুরুষ আইনজীবীদের নারীদের তুলনায় কম আকর্ষণীয় হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল যা নারীদের আয়ের ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। চেহারার আকর্ষণীয়তার ব্যবধান যত বেশি আয়ের ব্যবধানও তত বেশি ছিল। সময় যত গড়িয়েছে এই ব্যবধান তত বেড়েছে। মাঝে মাঝে জীবন ন্যায়বিচার করে না। ** পৃষ্ঠা ১৯৯-২০০ * নারীদের জন্মগত সৌন্দর্যের ক্ষমতা পুরুষদের রক্ষাকর্তার প্রবৃত্তিকে বাড়িয়ে দেয়। এটি বিকল্প স্বামী হিসেবে সরকারকে অনুপ্রাণিত করে। জন্মগত সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষদের এই আসক্তি হয় অদৃশ্য অথবা তারা এটি অস্বীকার করার পর্যায়ে থাকে—ফলে আমরা হয় এটি দেখতে পাই না নতুবা সামনে এলে অস্বীকার করি। ** পৃষ্ঠা ২০৭ * এটি নিজের ওপর পরীক্ষা করে দেখুন। কল্পনা করুন এক মাস ধরে আপনার ময়লা পরিষ্কার করা হয়নি এবং আপনি নতুন কোনো নৃতাত্ত্বিক আবিষ্কার সম্পর্কে পড়ার সুযোগও পাননি। কোনটি সমাধান করতে আপনি বেশি টাকা খরচ করবেন? একটি সমাজ যখন কার্যকরভাবে চলে তখন তারা চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেতন নির্ধারণ করে। এই সামঞ্জস্য করতে ব্যর্থ হলে কেবল রাস্তা ময়লায় ভরে যায় না বরং নৃতাত্ত্বিকদের বেকারত্বের দীর্ঘ লাইনও তৈরি হয়। ** পৃষ্ঠা ২১১ * বেকারত্ব অবশ্যই অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দেয় যা আরও বেকারত্ব তৈরি করে। বিদ্রূপের বিষয় হলো বেকারত্ব পুরুষদের চেয়ে নারীদের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে। নারীবাদীরা যুক্তি দেন যে এটি লিঙ্গবৈষম্যের কারণে হয়: নারীদের সবশেষে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং সবার আগে ছাঁটাই করা হয়। ফলাফলটি সঠিক হলেও কারণটি ভুল। আমাদের যা সবচাইতে বেশি প্রয়োজন আমরা তাকে আগে নিয়োগ দিই এবং যা সবচাইতে কম প্রয়োজন তাকে আগে ছাঁটাই করি। একারণেই আপনি ময়লা সংগ্রাহককে আগে নিয়োগ দেন এবং সবার শেষে ছাঁটাই করেন। পুরুষদের হয়তো আগে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং সবার শেষে ছাঁটাই করা হয় কারণ অনেক পুরুষ সমাজের নোংরা এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো কম মূল্যে করতে রাজি হয়। ** পৃষ্ঠা ২১২ * নারীদের মধ্যে সবচাইতে অনস্বীকৃত ব্যয়ের প্রত্যাশা হলো একক মায়েরা শিশুদের লালন-পালনের পেছনে যে সময় ব্যয় করেন তা কেবল শারীরিকভাবে নয় বরং মানসিকভাবেও। আমার মনে হয় একজন মায়ের সময়ের খুব সামান্য অংশই চাইল্ড সাপোর্ট বা আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে পূরণ করা হয় যদি বিবেচনা করা হয় যে সেই সময়টুকু তিনি কর্মক্ষেত্রে দিলে কত আয় করতে পারতেন... একারণেই যেসব নারী কখনো বিয়ে করেননি এবং যাদের সন্তান নেই তারা কর্মক্ষেত্রে মায়েদের তুলনায় অনেক বেশি আয় করেন। ** পৃষ্ঠা ২২২ === ''দ্য বয় ক্রাইসিস'' (২০১৮) === * “যারা বাবা হতে চলেছেন তাদের মধ্যে ছেলে সন্তানের চেয়ে মেয়ে সন্তান পছন্দ করার সম্ভাবনা প্রায় দ্বিগুণ।” ** পৃষ্ঠা ২ * পঁচিশ থেকে একত্রিশ বছর বয়সী যুবকদের তাদের সমবয়সী নারীদের তুলনায় বাবা-মায়ের সাথে থাকার সম্ভাবনা ৬৬ শতাংশ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২ * “পুরুষত্বের অবসান” হয়ে যাওয়ার আগাম ধারণা আপনার ছেলের জীবন সংগ্রামের জন্য মোটেও কোনো অনুপ্রেরণা নয়। ** পৃষ্ঠা ৪ * যখন কেবল একটি লিঙ্গ জয়ী হয় তখন আসলে উভয় লিঙ্গই হেরে যায়। ** পৃষ্ঠা ৪ * কেবল ছেলেদের দিকে তাকিয়ে আমরা ছেলেদের সংকট বা বয় ক্রাইসিস সমাধান করতে পারি না। ** পৃষ্ঠা ৯ * ছেলেদের নিয়ে লেখা একটি বইতে আমি পুরুষদের নিয়ে আলোচনা করেছি কারণ পুরুষেরা হলো সেই রোল মডেল যারা আপনার ছেলেকে হয় একটি সুন্দর কাঠামো এবং অনুপ্রেরণা দেবে নতুবা তাকে লক্ষ্যহীন ও বিষণ্ণ করে তুলবে। ** পৃষ্ঠা ৯ * ইরোকুইদের মহান আইন হলো যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের পবিত্রতম দায়িত্ব হলো সাত প্রজন্ম পরের কথা ভাবা—অর্থাৎ আজ আমরা যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি তা কেবল আমাদের সন্তানদের জন্যই নয় বরং ভবিষ্যতে আমাদের কয়েক প্রজন্ম পরের সন্তানদেরও উপকার করবে কি না তা নিয়ে সচেতন হওয়া। ** পৃষ্ঠা ৯ * যখন দাদারা বাবা ছিলেন তখন দাদাদের সেই বিশেষ ধরণের লালন-পালন যেমন বাচ্চাদের সাথে ধস্তাধস্তি করা অথবা সন্তানদের সেবা পাওয়ার বদলে সেবা করার যে প্রত্যাশা তা কেন শিশুদের বিকাশে এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল তা নিয়ে কোনো গবেষণা ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১০ * ভবিষ্যতের কোনো ভাবনাই নিখুঁত হতে পারে না। তবে ''দ্য বয় ক্রাইসিস''-এর লক্ষ্য হলো গত আধা শতাব্দী ধরে নারী ও মেয়েদের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে যে জাতীয় আলোচনা হয়েছে তার সাথে ছেলে এবং পুরুষদের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়েও একইভাবে বিস্তারিত আলোচনা করা। ** পৃষ্ঠা ১০ * কোনো ছেলে যখন মানসিক স্বাস্থ্যের এক আঁকাবাঁকা পথে চলতে থাকে এবং নিজেকে একা ও বিষণ্ণ মনে করে কারণ সে ভাবে যে তার আসল রূপটি কেউ ভালোবাসে না বা তাকে কারো প্রয়োজন নেই এবং এই অবস্থার পরিবর্তনের কোনো আশাও নেই—তখন সে একদিন পাহাড়ের কিনারায় পৌঁছে হয়তো নিজেকে শেষ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৫ * স্কুল এবং অন্যান্য গণ-শুটিংয়ে যে খুন ও আত্মহত্যার সমন্বয় দেখা যায় তা মূলত মানসিকভাবে বিপর্যস্ত শ্বেতাঙ্গ ছেলেদের পাহাড়ের কিনারা থেকে নিচে পড়ে যাওয়ার মতোই একটি বিষয়। ** পৃষ্ঠা ১৬ * শ্বেতাঙ্গ পুরুষদের মধ্যে আত্মহত্যার হার বৃদ্ধি পাওয়ায় এইডস-এ যত শ্বেতাঙ্গ পুরুষ মারা গেছেন ঠিক ততজনই আত্মহত্যার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন। ** পৃষ্ঠা ১৫ * দশ থেকে বিশ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ ছেলেদের মৃত্যুর প্রধান দশটি কারণের মধ্যে খুনের শিকার হয়ে মারা যাওয়ার সংখ্যা বাকি নয়টি কারণের সম্মিলিত সংখ্যার চেয়েও বেশি। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পুরুষালি ভূমিকার চাপ এবং হরমোনের প্রভাব বাড়ার সাথে সাথে আত্মহত্যার হারও বৃদ্ধি পায়। বয়ঃসন্ধির আগে ছেলে এবং মেয়েদের আত্মহত্যার হার প্রায় সমান থাকে। তবে দশ থেকে চৌদ্দ বছর বয়সের মধ্যে ছেলেদের আত্মহত্যার হার মেয়েদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। ** পৃষ্ঠা ১৬ * পনেরো থেকে উনিশ বছর বয়সের মধ্যে ছেলেদের আত্মহত্যার হার মেয়েদের চার গুণ; আর বিশ থেকে চব্বিশ বছর বয়সের মধ্যে পুরুষদের আত্মহত্যার হার নারীদের তুলনায় পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১৬ * গুরুত্ব কমে যাওয়ার ফলে পুরুষেরা নিজেদের মূল্যহীন মনে করতে শুরু করেছিল। ** পৃষ্ঠা ১৬ * ২০১৫ সালের দিকে ভালো অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যেও নারীদের তুলনায় পুরুষেরা সাড়ে তিন গুণ বেশি আত্মহত্যা করছিল। ** পৃষ্ঠা ১৭ * ছেলেদের সংকট যে একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে তার সবচাইতে বড় প্রমাণ হলো ১৯৭৩ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জেল এবং কয়েদিদের সংখ্যা ৭০০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ১৭ * জেলে থাকা কৃষ্ণাঙ্গ যুবকদের বিশাল সংখ্যার পেছনে আমরা প্রায়ই বর্ণবাদকে কারণ হিসেবে দেখি কিন্তু যেহেতু "কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষদের" অন্য পরিচয়টি হলো তারা “পুরুষ”, তাই এর পেছনে আমাদের লিঙ্গবৈষম্য দায়ী কি না তা আমরা খুব কমই ভেবে দেখি। ** পৃষ্ঠা ১৮ * আজ পর্যন্ত আমাদের কারাগার সংক্রান্ত আলোচনা কেবল বন্দি রাখা বনাম সংশোধনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে, অপরাধ প্রতিরোধ বনাম বন্দিত্বের ওপর নয়। ** পৃষ্ঠা ১৮ * একজন প্রাথমিক স্কুল শিক্ষার্থীর পেছনে ব্যয়ের তুলনায় জেলখানায় ব্যয়ের হার পাঁচ গুণ বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ১৯ * বর্তমানে পঞ্চাশ বছরের কম বয়সী ছেলে এবং পুরুষদের মৃত্যুর সম্ভাবনা একই বয়সী মেয়ে এবং নারীদের তুলনায় দ্বিগুণ। ** পৃষ্ঠা ২০ * প্রতিদিন ১৫০ জন কর্মী ঝুঁকিপূর্ণ কাজের পরিবেশে মারা যান। আর তাদের মধ্যে ৯২ শতাংশই হলেন পুরুষ। ** পৃষ্ঠা ২১ * সামগ্রিকভাবে এই কাজগুলোকে "অন্ধকূপের কাজ" বলা যেতে পারে। এখানে কেবল পুরুষরাই থাকে কারণ প্রায় সব ক্ষেত্রেই আমাদের ছেলেরাই তাদের পরিবারের সুন্দর জীবনের জন্য মৃত্যুর ঝুঁকি নিতে রাজি হয়। ** পৃষ্ঠা ২২ * বিগোরিক্সিয়া বা মৃত্যু পেশা বেছে নেওয়া যাই হোক না কেন আমাদের ছেলেরা এবং আমাদের মেয়েরা প্রায়ই এমন কিছুর প্রতি সাড়া দেয় যা তাদের প্রশংসা এবং শ্রদ্ধা এনে দেবে বলে তারা মনে করে। ** পৃষ্ঠা ২৪ * আপনার ছেলের দাদার কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল তার কাজের উন্নতি না হওয়া; কিন্তু আপনার ছেলের কাছে চ্যালেঞ্জ হলো তার কাজ অন্য কোথাও চলে যাওয়া। ** পৃষ্ঠা ২৫ * আপনার ছেলে এমন এক অর্থনীতিতে প্রবেশ করবে যা শারীরিক শক্তির বদলে এখন মানসিক শক্তির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। ** পৃষ্ঠা ২৫ * গত চল্লিশ বছরে কেবল হাই স্কুল ডিপ্লোমা থাকা ছেলেদের বার্ষিক গড় আয় ২৬ শতাংশ কমেছে। ** পৃষ্ঠা ২৫ * চাকরি পাওয়া যত কঠিন হয় জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়াও ততটাই কঠিন হয়ে পড়ে। ** পৃষ্ঠা ২৬ * এটিই আমাদের জিনগত ঐতিহ্য। এই প্রক্রিয়াটি আমাদের অতীতে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে কিন্তু আমাদের ভবিষ্যতের জন্য এর আর প্রয়োজন নেই। কিন্তু যেহেতু আমরা রাতারাতি বিবর্তন পরিবর্তন করতে পারি না তাই আসুন আপনার ছেলেকে এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে সাহায্য করি। ** পৃষ্ঠা ২৬ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ৪১ শতাংশ মেয়ে লেখায় "দক্ষ" হলেও ছেলেদের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ২০ শতাংশ। ** পৃষ্ঠা ২৮ * যেসব ছেলে অনুপ্রাণিত হয় তারা সমাজের সবচাইতে গঠনমূলক শক্তিতে পরিণত হতে পারে—যেমন নতুন কিছু উদ্ভাবন করা (যেমন অ্যামাজন, অ্যাপল, ফেসবুক, মাইক্রোসফট এবং গুগল)—অন্যদিকে ছেলেদের শক্তিকে যদি সঠিকভাবে পরিচালিত করা না হয় তবে তারা সিরিয়াল কিলার বা অপরাধীতে পরিণত হয়ে সমাজের সবচাইতে ধ্বংসাত্মক শক্তিতেও পরিণত হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২৯ * জাপান তাদের কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম অনেক বাড়িয়েছে যেখানে ২৩ শতাংশ হাই স্কুল গ্র্যাজুয়েট কারিগরি স্কুলে পড়াশোনা করে। এর ফলে ৯৯.৬ শতাংশ জাপানি কারিগরি শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশনের পরপরই চাকরি পায়। ** পৃষ্ঠা ৩১ * আমার মনে হয় আপনার ছেলের ভবিষ্যতের জন্য আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হবে: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যত উন্নত হবে মানুষ মানুষের কাছ থেকে সেই আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ততটাই বেশি করবে। ** পৃষ্ঠা ৩১ * যখন নারী ও পুরুষ উভয়কেই অন্যের অনুভূতি সঠিকভাবে বোঝার জন্য পারিশ্রমিক দেওয়া হয় তখন সহানুভূতির লিঙ্গ ব্যবধান ঘুচে যায়! এর মানে হলো সহানুভূতি এবং আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার ক্ষমতা ছেলে ও পুরুষদের ভেতরেই আছে; আমাদের শুধু তাদের জানাতে হবে যে আমরা এই গুণের জন্য তাদের মূল্যায়ন করব। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যারা অন্যদের উত্ত্যক্ত করে এবং যারা উত্ত্যক্ত হয় তাদের মধ্যে তিনটি মিল আছে: উভয়েই নেতিবাচক পরিবার, স্কুল এবং সামাজিক পরিবেশ থেকে আসে; উভয়েরই আত্মমর্যাদা কম এবং উভয়েরই সামাজিক দক্ষতা দুর্বল। ** পৃষ্ঠা ৩২ * যেহেতু সহানুভূতি এবং আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা শেখানো সম্ভব এবং এই দক্ষতাগুলোই ভবিষ্যতের পেশার জন্য সবচাইতে বেশি প্রয়োজন তাই আমাদের প্রাথমিক স্কুল থেকেই এই শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা দরকার। ** পৃষ্ঠা ৩২ * বিশ্বজুড়ে ছেলেদের পড়ার দক্ষতা, গণিত এবং বিজ্ঞানের মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে মেয়েদের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি ফেল করার সম্ভাবনা থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩৪ * আশির দশকের পর থেকে ছেলেদের আইকিউ প্রায় ১৫ পয়েন্ট কমেছে। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * আত্মহত্যা এখন সারা বিশ্বে “যুদ্ধ, খুন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মিলিত মৃত্যুর চেয়েও বেশি প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে যা ৩৬ মিলিয়ন বছরের স্বাস্থ্যকর জীবন চুরি করে নিচ্ছে”। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * ভারতে পুরুষদের আত্মহত্যার হার নারীদের তুলনায় নয় গুণ বেশি দ্রুত গতিতে বাড়ছে। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * ছেলে ও পুরুষদের মৃত্যু এবং কষ্টের প্রতি আমাদের সংবেদনশীলতা আমাদের বেঁচে থাকার সহজাত প্রবৃত্তির সাথে প্রতিযোগিতায় নামে। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * যুদ্ধে জেতার জন্য আমাদের ছেলেদের পরিত্যাজ্য হতে শেখাতে হয়েছিল। আমরা ছেলেদের সম্মান জানাতাম যদি তারা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রাণ দিত। আমরা তাদের বীর বা হিরো বলতাম। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * কোনো ছেলে যত বেশি নিজের অনুভূতি দমন করে এবং নিজের হৃদয়ের চারপাশে বর্ম তৈরি করে আমাদের পক্ষে তার প্রতি মন খোলা রাখা ততটাই কঠিন হয়ে পড়ে। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * আমরা একে ইকিগাই বলি, আমরা যখন এমন কিছু করি যা আমাদের জীবনকে অর্থবহ করে তোলে তখন সেটিই আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। ** পৃষ্ঠা ৪৬ * সে যদি তার ভালো লাগার কাজ করে তবে আপনি হয়তো টাকার অভাব অনুভব করবেন। ** পৃষ্ঠা ৪৮ * বেশি বেতনের পথটি একটি কর দেওয়ার পথ। ** পৃষ্ঠা ৪৮ * পিতৃত্ব ছিল আপনার বাবার নিজের পছন্দের কাজ ত্যাগ করে আপনার প্রতি তার ভালোবাসা বেছে নেওয়া। ** পৃষ্ঠা ৪৮ * “আমার বাবার ধ্যান-জ্ঞান ছিল তার ক্যারিয়ার—তিনি সব সময় তাই করতেন যা তিনি পছন্দ করতেন।” ** পৃষ্ঠা ৪৯ * আমরা আমাদের বাবাকে চিনি আর না চিনি তার সাথে আমাদের একটি সম্পর্ক থাকে। আমাদের মনে যে ধারণাটি থাকে সেটিই হলো তার সাথে আমাদের সম্পর্ক। ** পৃষ্ঠা ৫১ * আপনার ছেলে হয়তো অনুভব করতে পারে যে পুরুষালি ভূমিকা তাকে অন্য কেউ খরচ করবে এমন অর্থ উপার্জনের দায়িত্ব দিয়ে নিজে অকালে মৃত্যুবরণ করার চাপ দিচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ৫২ * আপনার ছেলের বীরেরা প্রথাগত মই বেয়ে ওঠেনি—তারা তাদের নিজস্ব পথ তৈরি করেছে। ** পৃষ্ঠা ৫৩ * জাপানি ছেলেদের অবচেতন বোধ হলো: বিজয়ী বাবা আসলে তাদের কাছে পরাজিত বাবা। ** পৃষ্ঠা ৫৩ * ডন ড্রেপার যদি পুরুষ হওয়ার অর্থ নিয়ে আত্মসমালোচনা করার পর্যায়ে পৌঁছান তবে সেখান থেকেই তার শুরু করা উচিত। ** পৃষ্ঠা ৫৫ * নারী আন্দোলন প্রতিটি মেয়েকে সাবধান করেছে কীভাবে বিয়ে তার ক্যারিয়ার বিসর্জন দিতে প্ররোচনা দিতে পারে। কিন্তু কেউ ছেলেদের সাবধান করেনি কীভাবে বিয়ে তার ক্যারিয়ারে আপস করতে প্ররোচনা দিতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৫৭ * জন লেনন যদি তার বড় ছেলে জুলিয়ানের প্রতি শনের মতো যত্নশীল হতেন তবে আমরা জন লেননের নামই শুনতাম না। ** পৃষ্ঠা ৬০ * হিরো শব্দটি এসেছে *সার-, মূল থেকে যেখান থেকে আমরা "সার্ভেন্ট" বা সেবক শব্দটিও পাই। ** পৃষ্ঠা ৬১ * জ্যাকের বাবাকে একজন ফুটবল বীর হিসেবে গড়ে তোলা ছিল জ্যাককে পুরুষত্বের জন্য প্রস্তুত করার একটি অবচেতন পথ যেখানে প্রশংসা এবং মূল্যায়নের বিনিময়ে সে তার শরীর বিসর্জন দিতে শেখে। ** পৃষ্ঠা ৬৪ * আপনার ছেলে সেই “হিরো প্যারাডক্স” শেখে: নিজের গুরুত্ব না দেওয়ার মাধ্যমেই নিজের গুরুত্ব খুঁজে পাওয়া। ** পৃষ্ঠা ৬৫ * ‘দ্য ডেডলিয়েস্ট ক্যাচ’ অনুষ্ঠানে পুরুষেরা যে মৃত্যুর মুখোমুখি হয় তা বিনোদনের উৎস হয় কিন্তু উদ্বেগের কারণ হয় না। ** পৃষ্ঠা ৬৭ * একজন স্বেচ্ছাসেবক ফায়ারফাইটারের পারিশ্রমিক কী? প্রশংসা। সম্মান। উদ্দেশ্য। ** পৃষ্ঠা ৬৭ * এই সেই সামাজিক প্রলোভন যা আপনার ছেলে যদি বড় হওয়ার আগেই গ্রহণ করে ফেলে তবে তা তাকে অন্যের নিরাপত্তার দাসে পরিণত করতে পারে যেখানে নিজের নিরাপত্তার প্রতি তার কোনো ভ্রুক্ষেপ থাকবে না। ** পৃষ্ঠা ৬৭ * আপনার ছেলে যুদ্ধে মারার জন্য বা কর্মক্ষেত্রে বীর হওয়ার জন্য যেসব গুণাবলি অর্জন করে সেগুলো ঘরে ভালোবাসার জন্য প্রয়োজনীয় গুণগুলোকে নষ্ট করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৬৮ * যেসব নারী মানসিকভাবে এবং আধ্যাত্মিকভাবে উন্নতি করতে পেরেছিলেন তারা এমন পুরুষদের বিয়ে করেছিলেন যারা সবচাইতে কম উন্নতি করতে পেরেছিল। ** পৃষ্ঠা ৭১ * নিক সেই বাবার অদ্ভুত সংকট বা ক্যাচ-২২ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলেন: পরিবারকে ভালোবাসার জন্য পরিবারের ভালোবাসা থেকে দূরে থাকা। ** পৃষ্ঠা ৭৪ * আর ভালোবাসা ছাড়া আপনার ছেলের উদ্দেশ্যের কোনো মানে নেই। ** পৃষ্ঠা ৭৭ * এমা বোভারির সবকিছু ছিল কিন্তু তবুও আসলে কিছুই ছিল না। ** পৃষ্ঠা ৭৮ * টিকে থাকার প্রশ্ন যত বেশি থাকে আমরা তত বেশি বলি, “দুঃখিত, এটি একটি মেয়ে।” বিলাসিতা যত বেশি থাকে আমরা তত বেশি বলতে পারি, “দুঃখিত, এটি একটি ছেলে।” ** পৃষ্ঠা ৭৯ * যেকোনো লিঙ্গকে কম গুরুত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। ** পৃষ্ঠা ৮১ * যেসব নারীর অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ আছে তারা ক্রমবর্ধমানভাবে আপনার ছেলের কাছে আবেগীয় এবং সম্পর্কের বুদ্ধিমত্তা চাইবে। ** পৃষ্ঠা ৮২ * যদি আপনার ছেলে তার ভালো লাগার কাজ করে তবে সম্ভবত সে টাকার অভাব অনুভব করবে। ** পৃষ্ঠা ৮৩ * যেসব ছেলে স্কুলে আগ্রহী নয় তাদের প্রায়ই এমন কিছুতে আগ্রহ থাকে যা বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ভবিষ্যতের চাকরিতে কাজে লাগানো যেতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৮৭ * আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার একটি মূল মাপকাঠি হলো এটা জানা যে প্রতিটি গুণ যখন অতিরিক্ত করা হয় তখন তা দোষে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ৮৯ * আমরা অবিশ্বাস্যভাবে সফল ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার নিই তাই তারা সবার সামনে থাকে। কিন্তু যারা একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন কাটায় আমরা তাদের অবহেলা করি তাই তারা অদৃশ্য থেকে যায়। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * যদিও বাবা-মা উভয়ের সক্রিয় উপস্থিতি আপনার ছেলের মানসিক প্রশান্তিকে বাড়িয়ে দেয় তবুও একজন সচেতন অভিভাবকও পথ দেখাতে পারেন। ** পৃষ্ঠা ৯৩ * ব্যায়াম করা পড়ার চেয়েও কার্যকরভাবে শিশুর মস্তিষ্কের গঠন ঠিক করতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ৯৪ * পাড়ার খেলাধুলা উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য চমৎকার প্রস্তুতি। ** পৃষ্ঠা ৯৪ * আপনার ছেলে যখন ব্যক্তিগত খেলাধুলার পাশাপাশি পাড়ার এবং দলগত খেলায় অংশ নেবে তখন সে খেলাধুলাকে ছেলেদের উপযোগী একটি শিল্প হিসেবে অনুভব করবে। ** পৃষ্ঠা ৯৪ * একজন আধুনিক ছেলের মূলমন্ত্র হলো “যখন পরিস্থিতি কঠিন হয় তখন বুঝতে চেষ্টা করো কখন ধৈর্য ধরতে হবে।” ** পৃষ্ঠা ৯৫ * চিরাচরিত পুরুষ বীর হলো আত্মত্যাগের প্রতীক, আত্ম-উপলব্ধির নয়। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * চিরাচরিত পুরুষ বীরের চাহিদার তালিকায় আত্ম-উপলব্ধি কোথাও নেই কারণ সে নিজেকে যত বেশি গুরুত্ব দেবে তত সে নিজেকে বিসর্জন দিতে কম আগ্রহী হবে। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * তাৎক্ষণিক তৃপ্তি ত্যাগ করার যে শৃঙ্খলা তা আপনার ছেলের সবচাইতে বেশি প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ৯৮ * সমাধান হলো—একজন ভারসাম্যপূর্ণ পুরুষ গড়ে তোলা—যেখানে চিরাচরিত পুরুষের সেরা গুণগুলোর সাথে আধুনিক আত্ম-সচেতন পুরুষের মেলবন্ধন থাকবে। ** পৃষ্ঠা ৯৯ * উন্নত দেশগুলোর সবচাইতে বড় সংকট হলো বাবা-বঞ্চিত সন্তান এবং বিশেষ করে বাবা-বঞ্চিত ছেলে। এটি সমাধান না করে বয় ক্রাইসিস সমাধান করা সম্ভব নয়। ** পৃষ্ঠা ১০২ * মা, বাতাস এবং জলের মতো বাবারাও আমাদের জীবনের জন্য অপরিহার্য। ** পৃষ্ঠা ১০৫ * আর যখন ছেলেরা আঘাত পায় তখন তারা আমাদেরও আঘাত দেয়—শারীরিকভাবে, মানসিকভাবে এবং আর্থিকভাবে। ** পৃষ্ঠা ১০৬ * বাবাকে হারানোর পর ছেলে ও মেয়ে উভয়েই অসুখী হয় কিন্তু বিশেষ করে বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে মেয়েদের কষ্ট এক বা দুই বছরের মধ্যে কমে যায় যেখানে ছেলেদের কষ্ট কমে না। ** পৃষ্ঠা ১০৯ * ক্যারিয়ার এখনকার জন্য কিন্তু সন্তানরা সব সময়ের জন্য। ** পৃষ্ঠা ১১৩ * বাবার অনুপস্থিতি সরকারের উপস্থিতিকে বাড়িয়ে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১১৪ * পরিবারে বাবার সংশ্লিষ্টতা একটি অব্যবহৃত সম্পদ ঠিক যেমন এক সময় কর্মক্ষেত্রে নারীদের সংশ্লিষ্টতা একটি অব্যবহৃত সম্পদ ছিল। ** পৃষ্ঠা ১১৬ * বাবা হওয়ার ইচ্ছা ছেলের মনে শুরু হয় যখন সে তার বাবার মধ্যে নিজেকে দেখতে পায়। ** পৃষ্ঠা ১১৭ * জেলখানাগুলো হলো বাবা-বঞ্চিত পুরুষদের কেন্দ্র—যারা কখনোই মানুষ হতে পারেনি। ** পৃষ্ঠা ১২০ * দোষী সাব্যস্ত হলে আপনার ছেলে গড়ে নারীদের তুলনায় ৬৩ শতাংশ দীর্ঘ সাজা পাবে। ** পৃষ্ঠা ১২০ * কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গদের সাজার ব্যবধানের তুলনায় পুরুষ ও নারীদের সাজার ব্যবধান ছয় গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১২০ * শিক্ষাক্ষেত্রে লিঙ্গ ব্যবধানের মূল কারণ হতে পারে বাবার অনুপস্থিতিতে ছেলেদের বেশি প্রভাবিত হওয়া। ** পৃষ্ঠা ১২২ * এমনকি বর্ণ, শিক্ষা, আয় এবং অন্যান্য বিষয় সমান থাকলেও বাবার সান্নিধ্য ছাড়া বড় হওয়া একটি শিশুর হাই স্কুল থেকে ড্রপ আউট হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণ বেড়ে যায়। ** পৃষ্ঠা ১২২ * বাবার অনুপস্থিতি কেবল নেতিবাচক ফলাফলের সাথেই যুক্ত নয় বরং এটিই নেতিবাচক ফলাফলের মূল কারণ। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * বাবা আছেন এমন পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা গণিত এবং বিজ্ঞানে ভালো ফল করে এমনকি তারা যদি একাডেমিকভাবে দুর্বল স্কুলে পড়ে তবুও। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যখন কম আয় এবং বাবার সান্নিধ্য পাওয়া শিশুদের সাথে বেশি আয় কিন্তু বাবার সান্নিধ্য না পাওয়া শিশুদের তুলনা করা হয়েছিল তখন সহিংস অপরাধের হারে কোনো পার্থক্য ছিল না। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * যেসব মেয়ের নিজের বাবার সাথে ভালো সম্পর্ক ছিল তাদের মধ্যে একজনও ১৯ বছর বয়সের আগে মা হয়নি। ** পৃষ্ঠা ১২৩ * অবিবাহিত দম্পতিরা যখন সন্তান হওয়ার সময় একসাথে থাকে তখন সেই শিশুদের ৪০ শতাংশই তাদের তৃতীয় জন্মদিনের পর থেকে পরবর্তী দুই বছর অর্থাৎ তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে তাদের বাবার সাথে নিয়মিত কোনো যোগাযোগ পায় না। ** পৃষ্ঠা ১২৪ * তিরিশ বছরের কম বয়সী মায়েদের অর্ধেকের বেশি সন্তান বিয়ের বাইরে জন্ম নিয়েছে। ** পৃষ্ঠা ১২৪ * মইনিহান রিপোর্টে বলা হয়েছে যে একটি কৃষ্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠ সমাজে দরিদ্র হওয়ার মূল কারণ বর্ণ নয় বরং মা-বাবার অবিবাহিত থাকা। কেন? কারণ বিয়ের অনুপস্থিতি মানেই হলো বাবার সংশ্লিষ্টতা না থাকা। ** পৃষ্ঠা ১২৫ * ১৯৬৫ সালে মইনিহান রিপোর্টে এক-চতুর্থাংশ কৃষ্ণাঙ্গ শিশুর বিয়ের বাইরে জন্ম হওয়াকে সংকট বলা হয়েছিল কিন্তু আজ শ্বেতাঙ্গ শিশুদের ক্ষেত্রে এই হার ৩৬ শতাংশ। ** পৃষ্ঠা ১২৬ * “আমার মা বারবার সাবধান করে যা অনেকটা ‘মিথ্যা রাখালের’ মতো। আমার বাবা একবার সাবধান করে আর তারপর সে নিজেই বাঘ হয়ে যায়।” ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * সীমাবদ্ধতাকে গুরুত্ব দিতে শেখানো শিশুকে অন্যদের প্রয়োজনকে সম্মান করতে শেখায়। ** পৃষ্ঠা ১৩৬ * সহানুভূতি একটি গুণ যা যখন কেবল বাবা-মায়ের পক্ষ থেকে সন্তানের দিকে যায় কিন্তু সন্তানের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা করা হয় না তখন তা দোষে পরিণত হয়। ** পৃষ্ঠা ১৩৮ * ঘর থেকে কাজ করার জন্য স্ব-প্রণোদিত হওয়া প্রয়োজন। আর কঠোর নিয়ম ছাড়া বড় হওয়া শিশুরা খুব কমই তাৎক্ষণিক তৃপ্তি ত্যাগ করার সেই গুণটি অর্জন করতে পারে যা স্ব-প্রণোদিত হওয়ার জন্য প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১৪১ * বাবার সাথে খেলা অনেকটা রোলার কোস্টারে ওঠার মতো—বাচ্চারা উত্তেজিত থাকে কারণ তারা নিরাপদ অনুভব করে। ** পৃষ্ঠা ১৪২ * মার্টিন যখন তামাশা করত তখন সে ম্যাগি এবং মার্টি জুনিয়রকে তার চোখের চাহনি, গলার স্বর বা মুখের ভঙ্গির সূক্ষ্ম পরিবর্তন দেখে অর্থ বুঝতে শেখাত। ** পৃষ্ঠা ১৪৯ * হাস্যরসের মাধ্যমে একে অপরকে খোঁচা দেওয়া হলো ছেলেদের এবং পুরুষদের অবচেতনভাবে একে অপরকে সেই সমালোচনা সহ্য করার প্রশিক্ষণ দেওয়া যা সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১৫০ * হাস্যরসের ছলে একে অপরকে তুচ্ছ করা হলো সমালোচনার মুখোমুখি হওয়ার প্রশিক্ষণ কারণ অবচেতনভাবে তারা জানে যে সমালোচনা সহ্য করার ক্ষমতা সাফল্যের পূর্বশর্ত। ** পৃষ্ঠা ১৫১ * ছেলেদের মধ্যে যদি আপনি কাউকে নিয়ে মজা না করতে পারেন তবে আপনি তাকে বিশ্বাসও করতে পারবেন না। ** পৃষ্ঠা ১৫২ * যেসব বিবাহিত দম্পতি বিবাদের সময় একে অপরকে নিয়ে রসিকতা করে তারা সরাসরি সমালোচনা করা দম্পতিদের চেয়ে বিবাদের পর বেশি সুখী ও একাত্ম বোধ করে। ** পৃষ্ঠা ১৫২ * বিশেষ করে সামরিক বাহিনীতে পরীক্ষা নতুনদের নিজেদের ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দিতে সাহায্য করে কারণ যুদ্ধ যন্ত্রটি তখনই ভালো কাজ করে যখন সেখানে সবাই এক ছাঁচে গড়া হয়, “আমি বিশেষ কেউ” এমন মানুষের জন্য সেখানে জায়গা নেই। ** পৃষ্ঠা ১৫৩ * যদি মেয়েদের মধ্যে একে অপরকে বিদ্রূপ করার ঘটনা ঘটে তবে তার মানে হলো সেই মেয়েটিকে দল থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে, তাকে দলে নেওয়ার জন্য যাচাই করা হচ্ছে না। ** পৃষ্ঠা ১৫৪ * লালন-পালনের পরিকল্পনাগুলো সব সময় একই ধরণের হওয়া উচিত। ** পৃষ্ঠা ১৬৫ * শিশুরা প্রতি দ্বিতীয় উইকএন্ডে বাবার কাছে যাওয়ার প্রথাগত নিয়মের প্রতি তীব্র অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে। ** পৃষ্ঠা ১৬৭ * ভৌগোলিক স্থিতিশীলতার চেয়ে দুই অভিভাবকের উপস্থিতির স্থিতিশীলতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** পৃষ্ঠা ১৬৮ * বিচ্ছেদের পর বারো হাজার কিশোর-কিশোরীর ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে যে একক বাবার সাথে থাকা শিশুরা একক মায়ের সাথে থাকা শিশুদের চেয়ে ভালো ছিল। ** পৃষ্ঠা ১৭৪ * বিচ্ছেদ হওয়া পুরুষদের আত্মহত্যার সম্ভাবনা একই ধরণের পটভূমি থাকা বিচ্ছেদ হওয়া নারীদের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি। ** পৃষ্ঠা ১৭৫ * “যোদ্ধা” শব্দটি হালকাভাবে যোগ করা হয়নি। একজন যোদ্ধা নিজের লক্ষ্য অর্জনের বাধাগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকে। তারপর বাধার ওপর মনোযোগ না দিয়ে সে মনোযোগ দেয় কীভাবে সেই বাধা অতিক্রম করা যায় তার ওপর। ঠিক এই জিনিসটিই সে তার সন্তানদের শেখাবে। ** পৃষ্ঠা ১৭৬ * আপনার ছেলে একজন “ফাদার ওয়ারিয়র” হতে চাইবে না যদি সে দুটি জিনিস অনুভব না করে: প্রথমত একটি উদ্দেশ্যের বোধ এবং দ্বিতীয়ত তার অবদানটি গুরুত্বপূর্ণ। তাই অভিভাবকত্বের ভারসাম্য রক্ষায় তার ভূমিকাটি আরও গভীরভাবে দেখা প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ১৭৮ * নারী-পুরুষের বেতনের ব্যবধান মূলত পুরুষ ও নারীর ব্যবধান নয়; এটি হলো মা এবং বাবার আয়ের ব্যবধান। ** পৃষ্ঠা ১৮২ * আপনার ছেলে যদি চিরাচরিত নিয়মের বাইরে চলতে চায় তবে তাকে জানতে হবে যে তার জীবনের সবচাইতে বড় কাজ হলো এমন একজন নারীকে বেছে নেওয়া যে সামাজিক বেড়াজাল থেকে মুক্ত হয়ে তাকেও মুক্ত করতে পারবে। ** পৃষ্ঠা ১৮৪ * বাবারা কোম্পানিগুলোর কাছে সবচাইতে বেশি সুবিধাজনক ছিল কারণ তাদের সবচাইতে সহজে ব্যবহার করা যেত। ** পৃষ্ঠা ১৮৫ * “সমাজকর্মীরা সাধারণত শিশুদের ইচ্ছাকে ততক্ষণই গুরুত্ব দেয় যতক্ষণ তারা মায়ের কাছে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করে। কিন্তু শিশুরা যখন বাবার কাছে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করে তখন তাদের সেই ইচ্ছাকে কোনো গুরুত্বই দেওয়া হয় না।” ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * ''দ্য সেকেন্ড স্টেজে'' ফ্রিডান ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে পুরুষদের যদি বাবা হিসেবে আরও বেশি সম্পৃক্ত করা না হয় তবে নারীদের ক্যারিয়ারের লক্ষ্য কখনোই পূরণ হবে না। ** পৃষ্ঠা ১৮৯ * সন্তানের ওপর মায়ের অধিকার থাকে কিন্তু বাবাকে সন্তানের জন্য লড়াই করতে হয়। ** পৃষ্ঠা ১৯১ * চাইল্ড সাপোর্টের ঋণের ৭০ শতাংশই সেইসব অভিভাবকদের যাদের বার্ষিক আয় ১০,০০০ ডলারের কম। ** পৃষ্ঠা ১৯২ * আপনার ছেলে যখন কোনো নারীর সাথে যৌন সম্পর্ক করে তখন সে আসলে তার জীবন সেই নারীর হাতে তুলে দেয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৩ * টিভির প্রায় ১০০ শতাংশ বিজ্ঞাপনে যেখানে কেবল একটি লিঙ্গকে বোকা হিসেবে দেখানো হয় সেখানে পুরুষকেই বোকা হিসেবে দেখানো হয়। ** পৃষ্ঠা ১৯৩ * একটি সুখী বিয়ে টাকা, সন্তান বা যৌনতার অভাবের চেয়ে বেশি নির্ভর করে আমরা টাকা, সন্তান বা যৌনতা নিয়ে একে অপরের সাথে কীভাবে কথা বলছি তার ওপর। ** পৃষ্ঠা ১৯৭ * যখন ঘর পরিষ্কার থাকে এবং বিল পরিশোধ করা থাকে তখন আমাদের সঙ্গীর সবকিছু ঠিক রাখার সেই প্রচেষ্টাগুলো অদৃশ্য থাকে কারণ সবকিছুই ঠিক আছে। ** পৃষ্ঠা ১৯৯ * আপনার ছেলে যদি নিজেকে একজন নিপীড়নকারী হিসেবে মনে করে তবে স্বাবলম্বী হতে ব্যর্থ হওয়াকেও তার কাছে প্রগতি মনে হতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২০০ * “সবচাইতে ভালো অভিভাবক হলো উভয় অভিভাবক” এর মানে হলো মা বাবার বিকল্প নয়, টাকা বাবার বিকল্প নয় এবং অন্য কোনো পুরুষও বাবার বিকল্প নয়। ** পৃষ্ঠা ২০২ * ভবিষ্যতে ঘরই ক্রমবর্ধমানভাবে কর্মক্ষেত্রে পরিণত হবে। ** পৃষ্ঠা ২০৩ * এমন বিষয়ের ওপর দক্ষতা অর্জন করা যা পরিমাপযোগ্য, দৃশ্যমান এবং যা সম্মান বয়ে আনে। ** পৃষ্ঠা ২১০ * দক্ষিণ ক্যারোলিনার জেলে যেসব বাবা চাইল্ড সাপোর্ট দিতে না পারার কারণে বন্দি আছেন তাদের তিন-চতুর্থাংশই চরম দারিদ্র্যের শিকার। আর সেই জেলের মোট কয়েদির আট ভাগের এক ভাগই হলো চাইল্ড সাপোর্ট দিতে না পারা বাবা। ** পৃষ্ঠা ২২২ * আমরা কোটি কোটি ডলার খরচ করছি বাবাদের কাছ থেকে সেই টাকা আদায় করতে যা তাদের অনেকের কাছে নেই কিন্তু বাবাদের সেই সময়টুকু দেওয়ার সুযোগ করে দিতে আমরা কিছুই করছি না যা তাদের কাছে আছে আর যা তাদের সন্তানদের সবচাইতে বেশি প্রয়োজন। ** পৃষ্ঠা ২২৩ * বয় ক্রাইসিস বা ছেলেদের সংকট এবং বাবার সংশ্লিষ্টতার প্রতি আমাদের “উদাসীনতা” সরকারকে বাধ্য করেনি বাবাদের সংশ্লিষ্টতা বাড়িয়ে সরকারের উপস্থিতি কমানোর জন্য কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিতে। ** পৃষ্ঠা ২২৫ * আমরা যা খরচ করি তারই ফল পাই তাই আসুন বাবাদের উপস্থিতির জন্য খরচ করি, বাবার অনুপস্থিতির জন্য নয়। ** পৃষ্ঠা ২২৭ * অস্ট্রেলিয়া বন্দুক নীতি পরিবর্তনের পর প্রায় ২০ বছরে সেখানে গণ-শুটিংয়ের সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে। ** পৃষ্ঠা ২২৯ * বন্দুক বয় ক্রাইসিসের মূল কারণ নয় কিন্তু আমরা যখন মূল কারণগুলো নিয়ে কাজ করছি তখন বন্দুক নিয়ন্ত্রণ করা হলে বাবা-বঞ্চিত সন্তানদের দ্বারা ঘটা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানো সম্ভব। ** পৃষ্ঠা ২২৯ * যখন ছেলে ও পুরুষদের জানানো হয় যে তাদের প্রয়োজন আছে তখন তারা সাড়া দেয় এবং দায়িত্বশীল হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৩১ * নারী-পুরুষের গড় আয়ুর ব্যবধান প্রায় ৪০০ শতাংশ বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * বাবা-মা উভয়য়ের মিলিত স্বাস্থ্যই আপনার ছেলের স্বাস্থ্য তৈরি করে; আপনার ছেলের স্বাস্থ্য তার জন্মের অনেক আগে থেকেই শুরু হয়। ** পৃষ্ঠা ২৩৬ * বীর হওয়া মানে হলো নিজের আবেগ চেপে রাখা। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * ভালোবাসা পাওয়ার ইচ্ছা আমাদের ছেলের স্বভাবজাত। কিন্তু এই স্বভাবটিকে আমরা খুব কমই লালন করি। ** পৃষ্ঠা ২৩৭ * নতুন ধরণের বীরাঙ্গনাদের আবির্ভূত হওয়ার মানে কি এই যে আপনার ছেলেকে তার ভালোবাসার জন্য আর জীবন ঝুঁকি নিতে হবে না? ** পৃষ্ঠা ২৩৯ * আপনার ছেলে যদি পরিষ্কারভাবে বুঝতে না পারে যে একজন শক্তিশালী নারী তার কাছে কী চায় তবে সে হয়তো কম শক্তিশালী কোনো নারীর দিকে ঝুঁকবে যাকে সে সাহায্য করতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * নারী সুপারহিরোদের যৌন আকাঙ্ক্ষার অভাব তাদের এক "বিশাল" শক্তিতে পরিণত করে। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * হলিউড কেবল পুরুষদের সামরিক তালিকায় নিবন্ধনের ভিত্তি তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ২৪০ * যদি তার ভালোবাসার কোনো নারীর জীবন সে প্রেমিকা হোক বা মা ঝুঁকির মুখে পড়ে তবে তার জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়ে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * এমনকি আপনার ছেলে যদি তার শক্তি দিয়ে কোনো নারীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে এবং তাতে সে ব্যর্থ হয় তবে সেই শক্তিই তাকে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দেবে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * যদি একজন ভালো নারী নিহত হয় তবে তার দোষ কোনো পুরুষের ওপরই পড়ে। ** পৃষ্ঠা ২৪১ * আমরা ছেলেদের শিখিয়েছি যে শক্তি অর্জন করা পুরুষালি বিষয় কিন্তু সেই শক্তি ধরে রাখা মেয়েলি বিষয়। ** পৃষ্ঠা ২৪৫ * চিরাচরিত পুরুষত্বের সেরা গুণগুলো রক্ষা করা অভিভাবকদের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত কারণ আপনার ছেলে অবচেতনভাবে সবার সাথে মিশে যাওয়া এবং একই সাথে সবার চেয়ে আলাদা হওয়ার এক অদ্ভুত দ্বন্দ্বে থাকে। ** পৃষ্ঠা ২৪৮ * সাবেক কলেজ খেলোয়াড়দের মধ্যে ৫৬ শতাংশই গুরুতর সিটিই রোগে আক্রান্ত ছিল যার ৮৫ শতাংশই ছিল স্মৃতিভ্রংশের লক্ষণ। ** পৃষ্ঠা ২৫১ * আমরা ছেলেদের শেখাই যে লাঞ্ছিত হওয়ার মানেই হলো ভালোবাসা পাওয়া। ** পৃষ্ঠা ২৫৩ * ট্যাকল ফুটবল হলো শরীর-মননির্ভর খেলা আর ফ্ল্যাগ ফুটবল হলো মন-শরীরনির্ভর খেলা। ** পৃষ্ঠা ২৫৩ * “ফ্ল্যাগ ফুটবল অনেক বেশি কৌশলনির্ভর। আপনি শরীর দিয়ে কাউকে সরিয়ে দিতে পারেন না তাই এখানে বুদ্ধির প্রয়োজন বেশি।” ** পৃষ্ঠা ২৫৪ * ট্যাকল ফুটবলে করদাতার অর্থ ব্যবহার করা হচ্ছে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই আমাদের সন্তানদের মন এবং শরীরের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৫৫ * এমনকি একজন সৈনিক বেঁচে থাকলেও যুদ্ধের ঝুঁকি তার সাথে ঘরে ফিরে আসে প্রতি একজন সৈনিক নিহতের বিপরীতে প্রায় ২৫ জন প্রাক্তন সৈনিক আত্মহত্যা করে। ** পৃষ্ঠা ২৫৬ * আপনার ছেলে যত বেশি অভিজাত শ্রেণির অংশ হতে চাইবে তত সে করুণা পাওয়াকে ঘৃণা করবে। তবুও যারা আজ অভিজাত শ্রেণিতে যোগ দেয় কাল তারাই করুণার পাত্র হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৫৬ * আপনি যদি একা বুঝতে পারেন যে আপনার ছেলের রাগ আসলে তার অসহায়ত্বের মুখোশ তবে আপনি নিজেকে বিচারগ্রস্ত এবং একা মনে করতে পারেন। ** পৃষ্ঠা ২৬০ * কোনো সম্ভাব্য প্রেমিকা যখন কোনো ছেলের অভিযোগ শোনে তখন তার সুরক্ষার যে সহজাত প্রবৃত্তি তা বাধা পায় কিন্তু যখন একজন মা তার ছেলের অভিযোগ শোনেন তখন তা তার রক্ষার প্রবৃত্তিকে জাগিয়ে তোলে। ** পৃষ্ঠা ২৬১ * সহানুভূতির সাথে কথা শোনা একজন কিশোরের মস্তিষ্কের বিকাশে এমনভাবে প্রভাব ফেলে যা তার বাকি জীবনকে প্রভাবিত করে। ** পৃষ্ঠা ২৬১ * তেরো থেকে ষোলো বছর বয়সের মধ্যে ছেলেদের মধ্যে জৈবিকভাবে সহানুভূতির ক্ষমতা সাময়িকভাবে কমে যায় যা মেয়েদের ক্ষেত্রে ঘটে না। ** পৃষ্ঠা ২৬৩ * যেসব ছেলে উন্নত এলাকায় বদলি হয়েছে তাদের মধ্যে আঘাত পরবর্তী মানসিক চাপের হার যুদ্ধ থেকে ফিরে আসা সৈনিকদের হারের মতো ছিল। ** পৃষ্ঠা ২৬৫ * আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে বন্ধুত্ব এবং ভালোবাসা হারানোর ক্ষেত্রে আপনার ছেলে সবচাইতে সংবেদনশীল। ** পৃষ্ঠা ২৬৫ * যে উত্ত্যক্তকারী বা বুলিকে সুস্থ করা হয়েছে সেই হলো উত্ত্যক্ত হওয়া ব্যক্তিদের সবচাইতে বড় সুরক্ষা। ** পৃষ্ঠা ২৬৮ * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নারী-পুরুষের আত্মহত্যার হারের ব্যবধান মহামন্দার পর থেকে তিন গুণ বেড়েছে। ** পৃষ্ঠা ২৭৩ * পঁচাশি বছর বয়সের মধ্যে পুরুষদের আত্মহত্যার হার একই বয়সী নারীদের তুলনায় ১৬৫০ শতাংশ বেশি। ** পৃষ্ঠা ২৭৪ * নারীরা কাঁদে কিন্তু পুরুষেরা মারা যায়। ** পৃষ্ঠা ২৭৪ * বেকারত্ব, অবসর বা জীবনসঙ্গী হারানোই হোক পুরুষদের আত্মহত্যার প্রতিক্রিয়া আসলে যা আগে থেকেই মরে গেছে তাকেই হত্যা করা। ** পৃষ্ঠা ২৭৬ * আত্মহত্যা সংক্রামক। ** পৃষ্ঠা ২৭৬ * বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের হারের মধ্যে প্রায় কোনো পার্থক্য নেই। ** পৃষ্ঠা ২৭৮ * যখন ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ সোশ্যাল ওয়ার্কার্স আত্মহত্যা নিয়ে গবেষণা করে তখন তারা কেবল নারীদের আত্মহত্যা নিয়ে কাজ করে। ** পৃষ্ঠা ২৮৪ * গোপনীয়তাকে মূল মন্ত্র করে পুরুষদের গ্রুপগুলো পুরুষদের হৃদয় খোলার পথ করে দেয়। ** পৃষ্ঠা ২৮৬ * আমার ৪৫ বছরের অভিজ্ঞতায় আমি দেখিনি যে কোনো পুরুষ যে কোনো পুরুষ গ্রুপের সাথে যুক্ত আছে সে বিষণ্ণতার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বা আত্মহত্যা করেছে। ** পৃষ্ঠা ২৮৭ * যখন একজন প্রাক্তন সৈনিক মনে করে যে সে ব্যক্তিগত দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ হয়েছে তখন সে আত্মহত্যার এক ধাপ কাছাকাছি চলে যায়। ** পৃষ্ঠা ২৮৯ * অনেক প্রাক্তন সৈনিকই "বাইরে থেকে কঠোর হলেও ভেতরে অনেক নরম মনের।" ** পৃষ্ঠা ২৯০ * প্রাক্তন সৈনিকেরা সেইসব মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেয় যাদের সেনাবাহিনীতে কাজ করতে হয়নি। ** পৃষ্ঠা ২৯০ * চিরাচরিত পুরুষেরা তাদের ত্যাগ স্বীকার করে মূলত বাড়ি ফিরে আসার পর প্রশংসা পাওয়ার আশায় এবং তাদের অভিজ্ঞতাগুলো পরিবারের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য। ** পৃষ্ঠা ২৯১ * প্রতি পাঁচ জন যুবকের মধ্যে একজন উর্বর নয়। ** পৃষ্ঠা ২৯২ * যেসব পুরুষের শুক্রাণুর সংখ্যা কম তারা সন্তান জন্ম দিতে পারলেও তাদের গড় আয়ু কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ** পৃষ্ঠা ২৯২ * পুরুষদের স্বাস্থ্যের প্রতি এই অবহেলাই আপনার ছেলের জন্য পুরুষদের স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করার একটি সুযোগ তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ৩০০ * ভালোবাসা আত্মরক্ষামূলক মনোভাব বা ডিফেনসিভনেস দূর করে না কারণ ভালোবাসা এক ধরণের অসহায়ত্ব তৈরি করে আর এই আত্মরক্ষামূলক মনোভাবই হলো অসহায়ত্বের মুখোশ। ** পৃষ্ঠা ৩০৮ * পুরুষালি সংস্কৃতির নেতিবাচক লক্ষণগুলোকে ওষুধ শিল্প কাজে লাগায়। ** পৃষ্ঠা ৩১০ * টিফিনের সময় যেখানে উত্ত্যক্ত করার ঘটনা ঘটে সেখানে এটি কমানোর সুযোগও থাকে। ** পৃষ্ঠা ৩১১ * সুস্থ হওয়া মানুষই অন্যকে সুস্থ হতে সাহায্য করে। ** পৃষ্ঠা ৩১২ === ''বিবিধ'' === গোলাপ সবসময় লাল হয় না<br> ভায়োলেট ফুল বেগুনি হয়, নীল নয়<br> তুমি হয়তো ফুলগুলোর ওপর ভরসা করতে পারো না<br> কিন্তু তোমার প্রতি আমার ভালোবাসার ওপর তুমি ঠিকই ভরসা করতে পারো। চিরকাল ভালোবাসি, ওয়ারেন ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছে, ১৬/২/১৫ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.nytimes.com/2005/02/27/business/yourmoney/27lunch.html নিউ ইয়র্ক টাইমস: নারীদের কম বেতনের জন্য কি তারা নিজেরাই দায়ী?], ওয়ারেন ফ্যারেলের একটি সাক্ষাৎকার, ২০০৫। [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন শিক্ষায়তনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ-কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয়কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক শহরের ব্যক্তি]] 6a4xkjxgwijfk358bzb9lcwcy41a7u2 মার্টিন রিস 0 13603 81759 81141 2026-04-28T00:34:43Z Mehedi Abedin 50 81759 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Martin Rees-6Nov2005.jpg|থাম্ব|প্রমাণের অনুপস্থিতি অনুপস্থিতির প্রমাণ নয়।]] '''[[w:মার্টিন রিস, ব্যারন রিস অফ লাডলো|মার্টিন জন রিস]]''' (জন্ম ২৩ জুন ১৯৪২ ইয়র্ক-এ) একজন ইংরেজ মহাকাশবিজ্ঞানী এবং {{w|জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী}}। তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে অ্যাস্ট্রোনমার রয়্যাল, ২০০৪ সাল থেকে ট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজের মাস্টার এবং ২০০৫ সাল থেকে রয়্যাল সোসাইটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। {{scientist-stub}} == উক্তি == [[চিত্র:Martin Rees and Freeman Dyson-4Aug2007.jpg|থাম্ব| কেউ বলতে পারে না কোন পদ্ধতিটি সঠিক তাই কেউ বলতে পারে না যে আমরা একটি সমাধানের কতটা কাছাকাছি আছি ]] * '''প্রমাণের অনুপস্থিতি অনুপস্থিতির প্রমাণ নয়।''' ** বার্নার্ড এম. অলিভার এবং জন বিলিংহাম রচিত [http://ntrs.nasa.gov/archive/nasa/casi.ntrs.nasa.gov/19730010095_1973010095.pdf ''প্রজেক্ট সাইক্লপস: এ ডিজাইন স্টাডি অফ এ সিস্টেম ফর ডিটেক্টিং এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ইনটেলিজেন্ট লাইফ'' (১৯৭১)], অধ্যায় ২ : লাইফ ইন দ্য ইউনিভার্স, পৃষ্ঠা ৩-এ উদ্ধৃত; এটি প্রায়শই ভুলবশত [[কার্ল সাগান|কার্ল সাগানের]] উক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, যিনি তাঁর কিছু উপস্থাপনায় এটি উদ্ধৃত করেছিলেন। * '''একবার যদি সেই সীমা অতিক্রম করা সম্ভব হয় যেখানে মহাকাশে জীবনের একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্তর তৈরি হবে, তবে [[পৃথিবী]]র যেকোনো ঝুঁকি নির্বিশেষে (একমাত্র [[মহাকাশ]] নিজেই যদি ধ্বংস হয়ে যায় সেই ব্যতিক্রম ছাড়া) জীবনের সুদূরপ্রসারী ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হয়ে যাবে।''' আমাদের প্রযুক্তিগত সভ্যতা ভেঙে পড়ার আগেই কি এমনটা ঘটবে, নাকি এটি কেবল একটি সম্ভাবনা হিসেবেই থেকে যাবে? কোনো বিপর্যয় এই ধরনের প্রচেষ্টার সম্ভাবনাকে চিরতরে বন্ধ করে দেওয়ার আগেই কি মহাকাশে স্বয়ংসম্পূর্ণ বসতি স্থাপন করা সম্ভব হবে? '''আমরা এমন এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি যা কেবল আমাদের পৃথিবীর জন্যই নয়, বরং সমগ্র মহাবিশ্বের জন্য একটি সংজ্ঞায়িত মুহূর্ত হতে পারে।''' ** ''আওয়ার ফাইনাল আওয়ার: এ সায়েন্টিস্ট'স ওয়ার্নিং'' (২০০৩) * আমরা সবাই আমাদের নিজস্ব বিশেষত্বের বাইরে হতাশাজনকভাবে 'সাধারণ মানুষ' সাম্প্রতিক জৈবিক অগ্রগতি সম্পর্কে আমার নিজের জ্ঞান, যতটুকু আছে, তার সিংহভাগই এসেছে 'জনপ্রিয়' বই এবং সাংবাদিকতা থেকে। ** জেসিকা ব্ল্যান্ড কর্তৃক উদ্ধৃত: {{cite web|date=১৬ জানুয়ারি ২০১২|title=মার্টিন রিস লুকস ব্যাক টু আন্ডারস্ট্যান্ড হোয়াই 'সায়েন্টিফিক সিটিজেনস' উইল বি ইম্পর্ট্যান্ট ইন দ্য ফিউচার|website=ইন ভার্বা, দ্য রয়্যাল সোসাইটি|url=http://blogs.royalsociety.org/in-verba/2012/01/16/martin-rees-looks-back-to-understand-why-‘scientific-citizens’-will-be-important-in-the-future/}} * '''কেউ বলতে পারে না কোন পদ্ধতিটি সঠিক তাই কেউ বলতে পারে না যে আমরা একটি সমাধানের কতটা কাছাকাছি আছি।''' ** কোয়ান্টাম তত্ত্ব, আপেক্ষিকতা এবং শাস্ত্রীয় পদার্থবিজ্ঞানের একীকরণ তৈরির বিষয়ে, [https://www.templeton.org/who-we-are/media-room/video-and-audio/conversation-with-martin-rees টেম্পলটন ফাউন্ডেশনে "কনভারসেশন উইথ মার্টিন রিস" (১ জুন ২০১২)] * '''যখন আমি বুঝতে পারি যে আমি ভুল করছি, তখন আমি আমার মত পরিবর্তন করি। আপনি কী করেন?''' ** প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির একটি আলোচনা সভায় শোনা কথা, আনুমানিক ১৯৯৭ * ... আমি এই বিষয়ের ওপর জোর দিতে চাই যে মহাকাশবিজ্ঞান এবং জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানের বেশিরভাগ অগ্রগতি উন্নত যন্ত্রপাতি এবং প্রযুক্তির কারণে হয়েছে তাত্ত্বিক আলোচনার অবদান ৫ শতাংশেরও কম। এবং আমি আশা করি এই ভারসাম্য ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে। ** {{cite journal|title=মার্টিন রিস: প্রগ্রেস অ্যান্ড ফ্রাস্ট্রেশন ইন কসমোলজি|date=৫ মে ২০২১|journal=অ্যাস্ট্রোফিজিকা ইউসি, ইউটিউব|url=https://www.youtube.com/watch?v=ZOiuGutC6jY}} (উক্তিটি ১:৪৫:৪৫ সময়ের মধ্যে ১:০৪:১৫ মিনিটে) == রিস সম্পর্কে উক্তি == * এটি ঠিক সেই ধরণের কাজ যা [[w:জন টেম্পলটন ফাউন্ডেশন|টেম্পলটন]] নিরন্তর পাওয়ার চেষ্টা করে প্রকৃত বিজ্ঞানীদের মধ্যে স্বীকৃতি – এবং তারা তাদের বৈজ্ঞানিক গ্রহণযোগ্যতার প্রতি যে এক অবাস্তব লালসা রয়েছে তা মেটাতে নির্লজ্জভাবে অর্থ ব্যবহার করে। তারা [[w:রয়্যাল সোসাইটি|লন্ডনের রয়্যাল সোসাইটির]] সাথেও এটি চেষ্টা করেছিল এবং মনে হয় তারা বর্তমান প্রেসিডেন্ট মার্টিন রিসের মধ্যে একজন অনুগত [[w:কুইজলিং|কুইজলিং]]কে খুঁজে পেয়েছে। রিস নিজে ধার্মিক না হওয়া সত্ত্বেও তিনি 'বিশ্বাসের ওপর বিশ্বাসী' একজন প্রবল ব্যক্তি। ** [[রিচার্ড ডকিন্স]], ২০১০ সালের টেম্পলটন পুরস্কারের ঘোষণা আয়োজনকারী মার্কিন ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস-এর বিষয়ে, [http://richarddawkins.net/articles/5304-shame-on-the-national-academy "শেম অন দ্য ন্যাশনাল একাডেমি" (২৩ মার্চ ২০১০)]-এ। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{commonscat}} * [http://www.ted.com/speakers/sir_martin_rees.html ২০০৫ টেড টক: এটিই কি আমাদের শেষ শতাব্দী?] * [http://www.charlierose.com/guest/view/1729 চার্লি রোজের সাথে সাক্ষাৎকার, ২০০৩ এবং ২০০৮] * [http://www.newstatesman.com/ideas/2010/04/interview-science-climate ''নিউ স্টেটসম্যান''-এ "দ্য এনএস ইন্টারভিউ: মার্টিন রিস, প্রেসিডেন্ট অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি" (৬ এপ্রিল ২০১০)] * [https://www.youtube.com/watch?v=9UmZng-2rmQ "আওয়ার ইউনিভার্স অ্যান্ড আদার্স" (২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩)] {{DEFAULTSORT:রিস, মার্টিন}} [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মহাকাশবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের জ্যোতির্বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ পিয়ার্স]] [[বিষয়শ্রেণী:ইয়র্কের ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:টেম্পলটন পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সদস্য]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্রাফোর্ড পুরস্কার বিজয়ী]] g1zzlv6vjurb5cj0cni37ew007iymyu পিটার অ্যাক্রয়েড 0 13629 81763 81225 2026-04-28T00:54:28Z Mehedi Abedin 50 81763 wikitext text/x-wiki [[File:Peter Ackroyd in 2007 (cropped).jpg|thumb|পিটার অ্যাক্রয়েড (২০০৭)]] '''[[w:পিটার অ্যাক্রয়েড|পিটার অ্যাক্রয়েড]]''' (জন্ম ৫ অক্টোবর ১৯৪৯) হলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক, জীবনীকার, কবি এবং শিশুতোষ সাহিত্যিক। == উক্তি == * গ্রন্থাগারের গন্ধ সবসময় একই রকম ছিল—পুরানো কাপড়ের ভ্যাপসা গন্ধের সাথে ধোয়া হয়নি এমন শরীরের কটু ঘ্রাণ মিশে একাকার হয়ে থাকত, যা প্রধান গ্রন্থাগারিক একবার "সামাজিক সূপের বাষ্প" হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। ** ''চ্যাটারটন'' (লন্ডন: অ্যাবাকাস, [১৯৮৭] ১৯৯১), অধ্যায় ৫, পৃষ্ঠা ৭২। * কোনো কবিই কখনও সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে যান না। তার শৈশবের রহস্যটি তার কাছে নিরাপদ থাকে, কোনো এক গোপন গুহার মতো যেখানে তিনি হাঁটু গেড়ে বসতে পারেন। আর যখন আমরা তার কবিতা পড়ি, তখন আমরাও সেখানে তার সাথে যোগ দিতে পারি। ** ''চ্যাটারটন'' (লন্ডন: অ্যাবাকাস, [১৯৮৭] ১৯৯১), অধ্যায় ১০, পৃষ্ঠা ১৫১। * লন্ডন যেকোনো সীমানা বা প্রথার ঊর্ধ্বে চলে যায়। এতে রয়েছে মানুষের বলা প্রতিটি ইচ্ছা বা শব্দ, প্রতিটি কাজ বা অঙ্গভঙ্গি, প্রকাশিত প্রতিটি রূঢ় বা মহৎ উক্তি। এটি অসীম। এটি এক অনন্ত লন্ডন। ** ''লন্ডন: দ্য বায়োগ্রাফি'' (লন্ডন: ভিনটেজ, [২০০০] ২০০১) পৃষ্ঠা ৭৭৯। === ''[[w:দ্য লাস্ট টেস্টামেন্ট অফ অস্কার ওয়াইল্ড|দ্য লাস্ট টেস্টামেন্ট অফ অস্কার ওয়াইল্ড]]'' (১৯৮৩) === <small>উদ্ধৃতিগুলো প্রথম সংস্করণ (লন্ডন: হ্যামিশ হ্যামিল্টন, ১৯৮৩) থেকে নেওয়া হয়েছে।</small> * ইহুদিদের কাছে বন্দিদশা যেমন, আইরিশদের কাছে নির্বাসন ঠিক তেমনই। আমাদের জন্য আমাদের মাতৃভূমির রোমাঞ্চ শুরু হয় কেবল ঘর ছাড়ার পর; আসলে অন্যদের সংস্পর্শে এসেই আমরা প্রকৃত আইরিশ হয়ে উঠি। ** পৃষ্ঠা ৭। * ইংরেজরা হাসতে পারে এবং একই সাথে আপনাকে ধরাশায়ী করতে পারে, বিন্দুমাত্র অনুশোচনা ছাড়াই। এটি একটি জাতি হিসেবে তাদের সাফল্যের রহস্য। ** পৃষ্ঠা ২৫। * তার ছিল এমন এক সন্তুষ্ট চেহারা যা দেখে মনে হয় তিনি নিজেকে কখনও বিরক্ত করতে বা একঘেয়েমিতে ফেলতে পারেননি। ** পৃষ্ঠা ৪৫। * একজন মানুষ [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|শেক্সপিয়ারকে]] সবকিছুর জন্যই ক্ষমা করতে পারেন, কেবল নিজের বাজে লাইনগুলো ছাড়া। ** পৃষ্ঠা ৪৬। * কেবল বড় উচ্চাকাঙ্ক্ষা সম্পন্ন ব্যক্তিরাই জানেন যে কোন বড় ভয় তাদের সামনের দিকে ঠেলে দেয়। ** পৃষ্ঠা ৫২। * আমি বিশ্বাস করি যে দেবতারা নিজেরাও সেই জগতকে নিয়ে ভীত যা তারা নিজেরা গড়ে তুলেছেন। ** পৃষ্ঠা ১২৮-৯। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের জীবনীকার]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের সমালোচক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:শিশুতোষ লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:লন্ডনের ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:উত্তর-আধুনিক লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:গে ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:গে কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচারের ফেলো]] 5n3abs8m82ui4n196rm453zznrf1obo ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026 3 13679 81881 81373 2026-04-28T07:42:59Z DNA2026 5657 /* অন্নদামঙ্গল কাব্য */ নতুন অনুচ্ছেদ 81881 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় DNA2026,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১৫:১৩, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == অন্নদামঙ্গল কাব্য == "প্রণমিয়া পাটনী কহিল জোর হাতে আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৪২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) clbdw4vfdqnlw2lf29rb5ka13ihiqy2 81888 81881 2026-04-28T07:52:51Z DNA2026 5657 /* ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর */ নতুন অনুচ্ছেদ 81888 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় DNA2026,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১৫:১৩, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == অন্নদামঙ্গল কাব্য == "প্রণমিয়া পাটনী কহিল জোর হাতে আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৪২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর == "মন্ত্রের ধসান কিংবা শরীর পাতন" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৫২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 25rvvjx9wk1oi7195nti2054j659ecj 81889 81888 2026-04-28T07:56:41Z DNA2026 5657 /* মুকুন্দরাম */ নতুন অনুচ্ছেদ 81889 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় DNA2026,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১৫:১৩, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == অন্নদামঙ্গল কাব্য == "প্রণমিয়া পাটনী কহিল জোর হাতে আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৪২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর == "মন্ত্রের ধসান কিংবা শরীর পাতন" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৫২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == মুকুন্দরাম == "অভাগা যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৫৬, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) kmlch4x2uu7xjigxntcukcbjdecg9bn 81893 81889 2026-04-28T07:58:31Z DNA2026 5657 /* চন্ডীদাস */ নতুন অনুচ্ছেদ 81893 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় DNA2026,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১৫:১৩, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == অন্নদামঙ্গল কাব্য == "প্রণমিয়া পাটনী কহিল জোর হাতে আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৪২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর == "মন্ত্রের ধসান কিংবা শরীর পাতন" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৫২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == মুকুন্দরাম == "অভাগা যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৫৬, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == চন্ডীদাস == "সই, কেমনে ধরিব হিয়া আমার ধবুয়া আন বাড়ি যায় আমার আঙিনা দিয়া।" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৫৮, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 4y7vtpyou30emz2exthnpkosqpb4wr9 81894 81893 2026-04-28T08:01:09Z DNA2026 5657 /* চর্যাপদ */ নতুন অনুচ্ছেদ 81894 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় DNA2026,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১৫:১৩, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == অন্নদামঙ্গল কাব্য == "প্রণমিয়া পাটনী কহিল জোর হাতে আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৪২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর == "মন্ত্রের ধসান কিংবা শরীর পাতন" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৫২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == মুকুন্দরাম == "অভাগা যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৫৬, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == চন্ডীদাস == "সই, কেমনে ধরিব হিয়া আমার ধবুয়া আন বাড়ি যায় আমার আঙিনা দিয়া।" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৫৮, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == চর্যাপদ == "এক সে পদ্ম তার চৌষট্টি পাখনা," [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৮:০১, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 7hosflcemlizier6hmeds6xzg8aj2u5 81896 81894 2026-04-28T08:03:56Z DNA2026 5657 /* চন্ডীদাস */ নতুন অনুচ্ছেদ 81896 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় DNA2026,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১৫:১৩, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == অন্নদামঙ্গল কাব্য == "প্রণমিয়া পাটনী কহিল জোর হাতে আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৪২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর == "মন্ত্রের ধসান কিংবা শরীর পাতন" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৫২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == মুকুন্দরাম == "অভাগা যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৫৬, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == চন্ডীদাস == "সই, কেমনে ধরিব হিয়া আমার ধবুয়া আন বাড়ি যায় আমার আঙিনা দিয়া।" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৭:৫৮, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == চর্যাপদ == "এক সে পদ্ম তার চৌষট্টি পাখনা," [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৮:০১, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == চন্ডীদাস == "রুপলাগি অখিঁ ঝুরে মন ভোর প্রতি অঙ্গ লাগি কান্দে প্রতি অঙ্গ মোর।" [[ব্যবহারকারী:DNA2026|DNA2026]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DNA2026#top|আলাপ]]) ০৮:০৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) n9p6kp9fl5kkxgqs1x05qadl0jdfg06 নার্গিস মোহাম্মাদি 0 13704 81651 81453 2026-04-27T14:40:36Z Dr. Mosaddek Khondoker 2987 81651 wikitext text/x-wiki [[File:Narges Mohammadi (cropped).jpg|thumb|একজন [[মানুষ|মানুষকে]] [[হত্যা|হত্যা করা]], বন্দি করা বা তার [[অধিকার]] থেকে বঞ্চিত করা কেবল একজন [[ব্যক্তি|ব্যক্তির]] প্রতি অবিচার নয়; এটি পুরো একটি [[সমাজ|সমাজকে]] শৃঙ্খলিত করে এবং মেরে ফেলে।]] '''{{w|নার্গিস মোহাম্মদী}}''' ([[w:ফার্সি ভাষা|ফার্সি]]: نرگس محمدی; জন্ম ২১ এপ্রিল ১৯৭২) হলেন একজন [[ইরান|ইরানি]] {{w|মানবাধিকার কর্মী}} এবং {{w|ডিফেন্ডারস অফ হিউম্যান রাইটস সেন্টার|ডিফেন্ডারস অফ হিউম্যান রাইটস সেন্টারের}} ভাইস প্রেসিডেন্ট। ২০১৬ সালের মে মাসে তাকে [[তেহরান|তেহরানে]] কারারুদ্ধ করা হয়। "মৃত্যুদণ্ড বাতিলের পক্ষে প্রচারণাকারী একটি মানবাধিকার আন্দোলন" প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার অভিযোগে ইরান সরকাফ্র তাকে এই দেয়। ২০২০ সালে তিনি মুক্তি পান। পুনরায় কারাগারে থাকাকালীন তিনি [[w:২০২৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার|২০২৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারে]] ভূষিত হন। "ইরানে নারীদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই এবং সবার জন্য মানবাধিকার ও স্বাধীনতা প্রচারের লড়াইয়ের জন্য" তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ==উক্তি== * আমি আমার নিজের মাতৃভূমিতে একজন [[w:ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে মানবাধিকার|মানবাধিকার]] কর্মী, একজন [[নারীবাদ|নারীবাদী]] এবং [[w:ইরানে মৃত্যুদণ্ড|মৃত্যুদণ্ডের]] বিরোধিতাকারী হওয়ার [[অপরাধ|অপরাধে]] দণ্ডিত ও [[কারাগার|কারারুদ্ধ]] হয়েছি। তবে আমার কারাবাস এবং সাম্প্রতিক ১৬ বছরের [[w:সাজা (আইন)|সাজা]] আমাকে কেবল অনুতাপহীনই করেনি, বরং এগুলো আসলে মানবাধিকার রক্ষার প্রতি আমার [[বিশ্বাস]] এবং প্রতিশ্রুতিকে আগের চেয়ে আরও বেশি শক্তিশালী করেছে। ** [http://www.vocativ.com/tech/facebook/facebook-double-standard-why-these-women-had-their-pictures-taken-down/index.html "ডিড ফেসবুক সেন্সর অ্যান আরব উইমেনস রাইটস গ্রুপ?"]-এ উদ্ধৃত, ''{{w|ভোক্যাটিভ}}'' (১৩ নভেম্বর ২০১২) * আমি ৪৪ বছর বয়সী একজন [[নারী|নারী]], যাকে [[ইরান|ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান]] ২২ বছরের [[w:ইরানের বিচার ব্যবস্থা#কারাগার ব্যবস্থা|কারাদণ্ডে]] দণ্ডিত করেছে। আমি খুব ভালোভাবে জানি যে, এটাই এই গল্পের সমাপ্তি নয়। আমার কোনো [[সন্দেহ]] নেই, যারা এ ধরনের রায় লেখার জন্য কলমের কালি সরবরাহ করেছে এবং যারা এটি লিখতে ব্যবহার করেছে, পাশাপাশি আমার দেশের মহৎ [[মানুষ|মানুষেরা]] সবাই জানে, আমি এমন কোনো অপরাধ বা [[পাপ]] করিনি, যেটার জন্য এত কঠোর [[শাস্তি]] প্রাপ্য। আমি আমার বেছে নেওয়া পথের প্রতি, আমার নেওয়া পদক্ষেপগুলোর প্রতি এবং আমার [[বিশ্বাস|বিশ্বাসের]] প্রতি আস্থা রাখি। আমি ইরানে [[মানবাধিকার|মানবাধিকারকে]] বাস্তবে রূপ দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং আমার কোনো অনুশোচনা নেই। যারা [[ন্যায়বিচার]] ছড়িয়ে দেওয়ার দাবি করে তারা যদি আমার বিরুদ্ধে তাদের রায়ে অটল থাকে, তবে আমিও আমার আস্থা ও বিশ্বাসে অটল আছি। আমি এমন [[স্বৈরাচার|স্বৈরাচারী]] শাস্তির কাছে মাথা নত করব না, যা আমার [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতাকে]] জেলের কুঠুরির চার দেয়ালে সীমাবদ্ধ করে দেবে। আমি এই বন্দিদশা সহ্য করব, তবে আমি কখনই এটিকে [[আইন|আইনসম্মত]], [[মানবতা|মানবিক]] বা নৈতিক হিসেবে মেনে নেব না। আমি সবসময় এই অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলব। ** [https://www.iranhumanrights.org/2016/10/narges-mohammadi-letter/ "প্রমিনেন্ট রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নার্গিস মোহাম্মদী রিজেক্টস প্রিজন সেন্টেন্স ইন স্টিংগিং ওপেন লেটার"]-এ উদ্ধৃত, {{w|সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ইন ইরান}} (১৪ অক্টোবর ২০১৬)। * এই সমাবেশের জন্য আমাদের উদ্দেশ্য ছিল [[w:ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলি#সদস্যপদ|সংসদ সদস্যদের]] কিছু পরিকল্পনার প্রতিবাদ করা, যেগুলো [[w:ইরানে নারী|নারীদের]] শরীর এবং [[w:মানসিকতা (মনোবিজ্ঞান)|মানসিকতাকে]] লক্ষ্যবস্তু করছে। ‘সৎকাজের প্রচার এবং অসৎকাজের প্রতিরোধ সুরক্ষা পরিকল্পনা’ এবং ‘পবিত্রতা ও হিজাব সুরক্ষা পরিকল্পনা’র মতো পরিকল্পনাগুলোতে এমন কিছু সমস্যা এবং শব্দভাণ্ডার রয়েছে, যা ইরানি সমাজে অপব্যবহার করা হতে পারে। এগুলো [[w:নারীর প্রতি সহিংসতা|নারীদের প্রতি সহিংসতার]] অজুহাতে পরিণত হতে পারে। ** {{w|ইসফাহানে নারীদের ওপর এসিড হামলা|ইসফাহানে নারীদের ওপর এসিড হামলার}} বিষয়ে ২০১৪ সালের প্রতিবাদ সম্পর্কে। [https://www.iranhumanrights.org/2014/10/protesters-acid-attacks/?_sm_au_=iVVj7fBvFSWnQjmQ "প্রোটেস্টার্স ডেপ্লোরিং এসিড অ্যাটাকস অ্যাগেইনস্ট উইমেন আর বিটেন অ্যান্ড অ্যারেস্টেড"]-এ উদ্ধৃত, {{w|সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ইন ইরান}} (২৪ অক্টোবর ২০১৪)। * যখন একটি [[w:ইরানের বিচার ব্যবস্থা|বিচার ব্যবস্থা]] [[w:নিরাপত্তা সংস্থা|নিরাপত্তা]] এবং সামরিক সংস্থাগুলোর পক্ষপাতদুষ্ট ও বিদ্বেষপূর্ণ মতামত অনুযায়ী মানুষকে [[w:আটক (কারাবাস)|আটক]], দোষী সাব্যস্ত এবং শাস্তি দেয় এবং বন্দীদের তাদের [[w:বন্দীদের অধিকার|আইনি অধিকার]] থেকে বঞ্চিত করে, তখন সেগুলো কেবল প্রতারণামূলক [[শব্দ]] যা ন্যায়বিচারকে উপহাস করে। ** [https://www.iranhumanrights.org/2018/02/1000-days-in-prison-narges-mohammadi-condemns-iranian-judiciarys-subservience-to-security-agencies/ "১,০০০ ডেজ ইন প্রিজন: নার্গিস মোহাম্মদী কনডেমস ইরানিয়ান জুডিশিয়ারিস 'সাবসারভিয়েন্স' টু সিকিউরিটি এজেন্সিস"]-এ উদ্ধৃত, {{w|সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ইন ইরান}} (২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)। * একজন [[মানুষ|মানুষকে]] [[হত্যা|হত্যা করা]], বন্দি করা বা তার [[অধিকার]] থেকে বঞ্চিত করা কেবল একজন ব্যক্তির প্রতি অবিচার নয়; এটি পুরো একটি [[সমাজ|সমাজকে]] শৃঙ্খলিত করে এবং মেরে ফেলে। ** [[কুরআন]] [[w:আল-মায়েদা#আয়াত ৩২ ও ৩৩|৫:৩২]]-এর অনুরূপ, [https://www.iranhumanrights.org/2018/02/1000-days-in-prison-narges-mohammadi-condemns-iranian-judiciarys-subservience-to-security-agencies/ "১,০০০ ডেজ ইন প্রিজন: নার্গিস মোহাম্মদী কনডেমস ইরানিয়ান জুডিশিয়ারিস 'সাবসারভিয়েন্স' টু সিকিউরিটি এজেন্সিস"]-এ উদ্ধৃত, {{w|সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ইন ইরান}} (২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)। * গত বছরে নাভিদ আফকারি এবং রুহুল্লাহ জামের মতো মানুষদের ফাঁসি ইরানে সবচেয়ে অস্পষ্ট ফাঁসিগুলোর মধ্যে একটি। আহমদ রেজা জালালীর [[মৃত্যুদণ্ড]] প্রদান করা সবচেয়ে ভুল রায়গুলোর মধ্যে একটি। এই মৃত্যুদণ্ড প্রদানের কারণগুলো সাবধানে পরীক্ষা করা দরকার। নির্জন কারাবাসে রেখে ভয়ঙ্কর মনস্তাত্ত্বিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর এই মানুষদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একারণে আমি বিচারিক প্রক্রিয়াটিকে ন্যায্য বা ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করি না। আসামিদের নির্জন কারাবাসে রাখা এবং তাদের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করাকে আমি এই রায় প্রদানের মূল প্রমাণ হিসেবে দেখি। একারণে আমি বিশেষ করে সিস্তান-বেলুচিস্তান এবং কুর্দিস্তানে সাম্প্রতিক গ্রেপ্তার নিয়ে চিন্তিত। আমি আশা করি, মৃত্যুদণ্ড বিরোধী সংস্থাগুলো বন্দীদের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেবে। আমি আশঙ্কা করি, আমরা আগামী বছরে ফাঁসির আরেকটি ঢেউয়ের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। ** [https://iranhr.net/en/articles/4680/ "নার্গিস মোহাম্মদী: ভায়োলেন্স অফ ডেথ পেনাল্টি ইজ ওর্স দ্যান ওয়ার"]-এ উদ্ধৃত, ইরান হিউম্যান রাইটস। (৩০ মার্চ ২০২১) === ২০১৮ আন্দ্রে সাখারভ পুরস্কার গ্রহণপত্র (২০১৮) === :<small>'''{{w|এভিন কারাগার|এভিন কারাগারে}} কারাবাসের সময় লেখা। [https://www.iranhumanrights.org/2018/04/imprisoned-rights-defender-narges-mohammadi-gives-message-of-hope-and-strength-in-accepting-2018-andrei-sakharov-prize/ প্রতিলিপি অনলাইনে উপলব্ধ]।'''</small> * [[মহাবিশ্ব|মহাবিশ্বকে]] বোঝার উপায় হিসেবে [[বিশ্ববিদ্যালয়|বিশ্ববিদ্যালয়ে]] [[w:কোয়ান্টাম_পদার্থবিজ্ঞান|কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান]] অধ্যয়ন করার সময় আমি [[আনন্দ|আনন্দে]] পূর্ণ ছিলাম। তবে একই সাথে আমি আমার দেশের নিপীড়নমূলক পরিস্থিতি এবং আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়, [[বুদ্ধিজীবী]] এবং [[w:ইরানের গণমাধ্যম|গণমাধ্যমের]] উপর চালানো স্বৈরাচারের কারণে চিন্তিত ছিলাম। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও অনেকের মতো আমিও স্বাধীনতার সংগ্রামে যোগ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। আমরা যা [[অভিজ্ঞতা|অনুভব]] করি তা হলো কয়েক দশক পুরনো স্বৈরাচার বাকস্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তা সহ্য করতে পারে না। [[ধর্ম|ধর্মের]] নামে এটি [[বিজ্ঞান]], [[w:বুদ্ধিবাদ-বিরোধিতা|বুদ্ধি]] এবং এমনকি [[ভালোবাসা|ভালোবাসাকেও]] সীমাবদ্ধ করে এবং শাস্তি দেয়। এটি তার রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এমন সবকিছুকেই জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং সমাজের জন্য বিষাক্ত হিসেবে আখ্যায়িত করে। এটি অবাঞ্ছিত ধারণাগুলোকে শাস্তি দেওয়াকে ইতিবাচক বিষয় বলে মনে করে। এটি মত-পার্থক্য সহ্য করে না; এটি যুক্তির উত্তর যুক্তি, আলোচনা বা সংলাপ দিয়ে দেয় না, বরং দমন দিয়ে দেয়। স্বৈরাচার বলতে আমি এমন একটি শাসক শক্তিকে বোঝাই, যা সমাজে [[বহুত্ববাদ|বহুত্ববাদকে]] পাত্তা না দিয়ে কেবল একটি কণ্ঠস্বরকে (ইরানে একটি প্রভাবশালী সংখ্যালঘুর কণ্ঠস্বর) প্রভাবশালী করার চেষ্টা করে। স্বৈরাচার বলতে আমি এমন একটি বিচার ব্যবস্থাকে বোঝাই যা ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নিজস্ব সংবিধানকেও অবজ্ঞা করে এবং বুদ্ধিজীবী, লেখক, সাংবাদিক এবং [[w:রাজনৈতিক সক্রিয়তা|রাজনৈতিক]] ও {{w|নাগরিক কর্মী|নাগরিক কর্মীদের}} কোনো যথাযথ প্রক্রিয়া ও আইন আদালতে বিচার ছাড়াই দীর্ঘমেয়াদী {{w|কারাবাস|কারাদণ্ড}} দেয়। স্বৈরাচার বলতে আমি সেই সকল ক্ষমতাধরদের বোঝাই যারা মনে করে তারা [[আইন|আইনের]] ঊর্ধ্বে এবং যারা ন্যায়বিচার ও মানব বিবেকের জরুরি দাবিগুলোকে অবজ্ঞা করে। * একজন নাগরিক কর্মী হিসেবে আমি এমন ভয়ানক [[w:ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে মানবাধিকার#বন্দীদের ওপর নির্যাতন ও দুর্ব্যবহার|নির্যাতনের]] হাজার হাজার শিকারের একজন। আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি: নির্জন কারাবাসের লক্ষ্য হলো [[মগজ ধোলাই]], যাতে বন্দীরা স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থেকে বঞ্চিত হয়ে তাদের অনন্য মানবিক বৈশিষ্ট্য, তাদের [[চিন্তা]] ও ধারণার ধারা এবং তাদের শারীরিক ও [[w:মানসিক স্বাস্থ্য|মানসিক]] স্বাস্থ্য হারিয়ে ফেলে। * স্বৈরাচার কেবল {{w|রাজনৈতিক ক্ষেত্র|রাজনৈতিক ক্ষেত্রেই}} নিজেকে চাপিয়ে দেয় না। এই স্বৈরাচার লিঙ্গ, যৌনতা, [[ধর্ম]], [[w:জাতিগত বৈষম্য|জাতিত্ব]] এবং আদর্শিক অভিমুখীতার ভিত্তিতে, বিশেষ করে নারীদের বিরুদ্ধে [[w:প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য|বৈষম্যকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ]] দিতে [[রাষ্ট্র|রাষ্ট্রের]] হাতে থাকা প্রতিটি সম্ভাব্য সুবিধা ব্যবহার করে। পিতৃতান্ত্রিক [[w:পুরুষ আধিপত্য|আধিপত্য]] বজায় রেখ নারীবিদ্বেষী আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করে এবং এমনকি [[w:সামাজিক নিয়ম|সমাজের নিয়মগুলোর]] সাথে সাংঘর্ষিক একটি মিথ্যা সংস্কৃতি তৈরি করে এটি নারীদের তাদের মানবিক ও নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করে এবং তাদের {{w|সামাজিক সম্পৃক্ততা}} থেকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তাই আমার মতো কোনো নারী যখন তাদের নির্দেশিত নিয়ম ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন অন্যান্য নারীদের জন্য একটি ভীতিজনক শিক্ষা হিসেবে তাকে অবশ্যই কারাবাস এবং [[w:শিশু স্থানান্তর|সন্তানদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্নতা]] ভোগ করতে হয়। * সত্তা ও বিকাশের মধ্যকার দ্বান্দ্বিক সম্পর্কের মতো প্রশ্নগুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা আমার বিশ্বাসকে অনুপ্রাণিত ও শক্তিশালী করেছে। আপনারা এখানে কোনো আবেগপ্রবণ [[শিক্ষার্থী|শিক্ষার্থীর]] বা কোনো বিপর্যস্ত বন্দীর কিছু এলোমেলো ধারণা শুনছেন না, বরং একজন নারী পদার্থবিদের অভিজ্ঞতার মূলে থাকা প্রতিফলন শুনছেন। তিনি সমান অধিকার এবং মানবাধিকারের পক্ষে কথা বলেছেন। এর ফলে তিনি হুমকি, বঞ্চনা, গ্রেপ্তার, ক্রমাগত বিচারের শিকার হয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত তাকে মোট ২৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ বছর ইরানের প্রচলিত আইনের ভিত্তিতে কাটাতে হবে। আমার প্রতি এই কঠোর আচরণ এবং অতিরিক্ত সাজা আমার কোনো গোপন সহিংস বা [[সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসী]] কর্মকাণ্ডের কারণে ছিল না। এই ব্যবস্থার বিচারকদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, এটি ছিল নাগরিক সমাজ এবং মানবাধিকারের অধিকারের উপর আমার জেদের কারণে। তাহলে আমার মামলাটি পরিষ্কারভাবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অন্যায়, নিষ্ঠুর এবং অবৈধ প্রথাগুলোকে তুলে ধরে। * [[সরকার|সরকারি]] নিয়ন্ত্রণ থেকে [[স্বাধীনতা|স্বাধীন]] বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ছাড়া জ্ঞান অর্জন এবং চিন্তার বিকাশের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে, যদি তা অসম্ভব নাও হয়ে ওঠে। * '''আমি [[আশাহীন]] নই বা আমি আমার [[প্রেরণা]] হারাইনি। আমরা চেষ্টা করা বন্ধ করতে পারি না। আমি এখনও আশা করি এবং গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে আমাদের নাগরিক সমাজ অ্যাক্টিভিস্টদের অক্লান্ত প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ফল বয়ে আনবে।''' মুক্তির পর পুনরায় এই কাজগুলোতে আমার সহকর্মীদের সাথে যোগ দেওয়ার মুহূর্তের জন্য আমি অপেক্ষা করছি। ইরানে [[গণতন্ত্র|গণতন্ত্রের]] পথ সহিংসতা, [[যুদ্ধ]] বা কোনো বিদেশী সরকারের সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে নয়, বরং নাগরিক সমাজ প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংগঠিত ও শক্তিশালী করার মাধ্যমে আসে। সরকার এটি খুব ভালোভাবে জানে। এর অগণতান্ত্রিক প্রকৃতির কারণেই এটি সুনির্দিষ্টভাবে [[w:বেসরকারি সংস্থা|বেসরকারি নাগরিক সমাজ সংস্থাগুলোকে]] ভয় পায়। * '''একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে লক্ষ লক্ষ ইরানির মতো আমি [[মৃত্যুদণ্ড|মৃত্যুদণ্ডকে]] ঘৃণা করি; আমি [[w:লিঙ্গ বৈষম্য#লিঙ্গবাদ ও বৈষম্য|নারীদের প্রতি বৈষম্য ও অবিচারকে]] তুচ্ছজ্ঞান করি; আমি রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার কর্মীদের নির্জন কারাবাসে বন্দী এবং নির্যাতনের প্রতিবাদ করি; এবং আমি [[w:মানবাধিকার#লঙ্ঘন|মানবাধিকার লঙ্ঘনের]] মুখে চুপ থাকব না। মানবাধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং জনগণ ও রাষ্ট্রের মধ্যে [[শান্তি]] অর্জন করতে, আমি আমার স্বাধীনতা এবং অধিকার থেকে বঞ্চনা সহ্য করব; যদিও আমার সন্তানদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া আমার জন্য মৃত্যুর চেয়ে কম কিছু নয়। আমি একজন নারী এবং একজন [[মা]]; আমার সমস্ত {{w|নারীসুলভ}} ও [[w:মাতৃত্বকালীন সংবেদনশীলতা|মাতৃত্বকালীন সংবেদনশীলতা]] দিয়ে আমি সহিংসতা ও অবিচারমুক্ত একটি [[বিশ্ব]] চাই; এমনকি যদি আমি নিজে দশবার অবিচার এবং সহিংসতার শিকার হয়ে থাকি তবুও।''' * '''চিন্তা এবং [[স্বপ্ন]] মরে না। স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি বিশ্বাস কারাবাস, নির্যাতন বা এমনকি মৃত্যুর মাধ্যমে ধ্বংস হয়ে যায় না এবং স্বৈরাচার স্বাধীনতার উপর জয়ী হয় না;''' এমনকি তারা রাষ্ট্রের ক্ষমতার উপর নির্ভর করার সময়েও [তা হয় না]। কারাগারে বসে আপনারা আমাকে যে সম্মান দিয়েছেন, তাতে আমি গভীরভাবে বিনয়ী হয়েছি; '''যতক্ষণ না আমরা শান্তি, মতামতের বহুত্ববাদের প্রতি সহনশীলতা এবং মানবাধিকার অর্জন করি, ততক্ষণ আমি আমার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।''' ==মোহাম্মদী সম্পর্কে উক্তি== * আমি তার জন্য খুব আনন্দিত। এটি আমাকে কাঁদায়। সে এভিনে আমাদের সবার জন্য অনেক কিছু করেছে। নারীদের অধিকার লঙ্ঘন, নির্জন কারাবাসের ব্যবহার এবং ইরানের বিচার ব্যবস্থায় মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে নির্ভীক লড়াইয়ের জন্য নার্গিস [[w:এভিন_কারাগার|এভিনের]] মহিলা ওয়ার্ডের নারীদের জন্য এক অনুপ্রেরণা এবং স্তম্ভ। এই পুরস্কার প্রতিটি ইরানি নারীর, যারা কোনো না কোনোভাবে ইরানে অবিচারের শিকার হয়েছেন এবং আছেন। ** [[w:নাজানিন জাগারি-র‍্যাটক্লিফ|নাজানিন জাগারি-র‍্যাটক্লিফ]], [https://www.theguardian.com/world/2023/oct/06/jailed-iranian-activist-narges-mohammadi-wins-2023-nobel-peace-prize "জেইলড ইরানিয়ান অ্যাক্টিভিস্ট নার্গিস মোহাম্মদী উইনস ২০২৩ নোবেল পিস প্রাইজ"]-এ উদ্ধৃত, ''দ্য গার্ডিয়ান'' (৬ অক্টোবর ২০২৩) ** নাজানিন জাগারি-র‍্যাটক্লি, নিজের কারাবাসের সময় তেহরানের [[w:এভিন কারাগার|এভিন কারাগারে]] মোহাম্মদীর সাথে একই প্রকোষ্ঠে ছিলেন। * '''ইরানে [[নারী|নারীদের]] নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই এবং সবার জন্য [[মানবাধিকার]] ও [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতা]] প্রচারের লড়াইয়ের জন্য নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি নার্গিস মোহাম্মদীকে ২০২৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।''' তার সাহসী সংগ্রাম বিশাল ব্যক্তিগত মূল্যের বিনিময়ে এসেছে। সামগ্রিকভাবে শাসনব্যবস্থা তাকে ১৩ বার গ্রেপ্তার করেছে, ৫ বার দোষী সাব্যস্ত করেছে এবং তাকে মোট ৩১ বছরের কারাদণ্ড এবং ১৫৪টি বেত্রাঘাতের শাস্তি দিয়েছে। … মানবাধিকার, স্বাধীনতা এবং [[গণতন্ত্র|গণতন্ত্রের]] জন্য তার সাহসী লড়াইকে সম্মান জানাতে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি তাকে এই বছরের [[নোবেল শান্তি পুরস্কার]] প্রদান করতে চায়। এই বছরের শান্তি পুরস্কার পূর্ববর্তী বছরে নারীদের লক্ষ্য করে শাসনব্যবস্থার বৈষম্য ও নিপীড়নের নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী শত শত হাজার হাজার মানুষকেও স্বীকৃতি দেয়। সবার জন্য সমান অধিকার গ্রহণ করার মাধ্যমেই কেবল [[বিশ্ব]] জাতিগুলোর মধ্যে সেই ভ্রাতৃত্ব অর্জন করতে পারে, যা [[আলফ্রেড নোবেল]] প্রচার করতে চেয়েছিলেন। নার্গিস মোহাম্মদীকে দেওয়া পুরস্কারটি একটি দীর্ঘ ঐতিহ্য অনুসরণ করে, যেখানে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি সামাজিক ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং [[গণতন্ত্র|গণতন্ত্রের]] অগ্রগতির জন্য কাজ করা ব্যক্তিদের শান্তি পুরস্কার প্রদান করেছে। এগুলো স্থায়ী [[শান্তি|শান্তির]] জন্য গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত। ** [[নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি]], [https://www.nobelpeaceprize.org/articles/nobel-peace-prize-for-2023 ২০২৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি] ==বহিঃসংযোগ== {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মানবাধিকার কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:নারী অধিকার কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাকস্বাধীনতা কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:সামাজিক সমালোচক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইরানি সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইরানি প্রাবন্ধিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইরানি পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইরানি অধিকারকর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭০-এর দশকে জন্ম নেওয়া নারী]] [[বিষয়শ্রেণী:নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী]] 4tnuzg9996xmfr8aektadh8ms9ymfj8 সাদি কার্নো 0 13705 81653 81477 2026-04-27T14:54:21Z Dr. Mosaddek Khondoker 2987 81653 wikitext text/x-wiki [[File:Sadi Carnot.jpeg|thumb|right|{{center/s}}১৮১৩ সালে নিকোলাস লিওনার্ড সাদি কার্নো{{center/e}}]] '''{{w|নিকোলাস লিওনার্ড সাদি কার্নো}}''' (ফরাসি: [kaʁno]; ১ জুন ১৭৯৬ – ২৪ আগস্ট ১৮৩২) ছিলেন একজন ফরাসি সামরিক প্রকৌশলী এবং পদার্থবিজ্ঞানী। তাকে প্রায়ই "[[তাপগতিবিদ্যা|তাপগতিবিদ্যার]] জনক" হিসেবে বর্ণনা করা হয়। ১৮২৪ সালের মনোগ্রাফ ''{{w|রিফ্লেকশনস অন দ্য মোটিভ পাওয়ার অফ ফায়ার|রিফ্লেকশনস অন দ্য মোটিভ পাওয়ার অফ ফায়ারে}}'' কার্নো {{w|তাপ ইঞ্জিন|তাপ ইঞ্জিনের}} সর্বাধিক দক্ষতার প্রথম সফল তত্ত্ব দিয়েছিলেন। এটি ছিল তার একমাত্র প্রকাশনা। কার্নোর কাজ তার জীবদ্দশায় খুব কমই মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল। তবে পরবর্তীতে [[রুডলফ ক্লসিয়াস]] এবং [[লর্ড কেলভিন]] [[তাপগতিবিদ্যা#তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র/এনট্রপি|তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্রকে]] আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং {{w|এনট্রপি|এনট্রপির}} ধারণা সংজ্ঞায়িত করতে এটি ব্যবহার করেছিলেন। == উক্তি == === ''[[s:রিফ্লেকশনস অন দ্য মোটিভ পাওয়ার অফ হিট|রিফ্লেকশনস অন দ্য মোটিভ পাওয়ার অফ হিট]]'' (১৮২৪) === :<small>''Réflexions sur la puissance motrice du feu et sur les machines propres à développer cette puissance'' (১৮২৪)। আর. এইচ. থার্স্টন (১৮৯৭) কর্তৃক শিরোনাম অনুবাদিত; এটি ''{{w|রিফ্লেকশনস অন দ্য মোটিভ পাওয়ার অফ ফায়ার}} অ্যান্ড অন মেশিনস ফিটেড টু ডেভেলপ দ্যাট পাওয়ার'' নামেও পরিচিত। অন্যথায় নির্দেশিত না হলে সমস্ত উক্তি ১৮৯৭ সালের থার্স্টনের অনুবাদ থেকে নেওয়া হয়েছে।</small> * প্রকৃতি সব দিক থেকে আমাদের দাহ্য পদার্থ সরবরাহ করে সব সময় এবং সব জায়গায় তাপ ও চালিকাশক্তি তৈরি করার ক্ষমতা দিয়েছে। এটিই এর ফলাফল। এই শক্তিকে বিকশিত করা এবং আমাদের ব্যবহারের উপযোগী করাই হলো তাপীয় ইঞ্জিনের উদ্দেশ্য। * লোহা এবং তাপ হলো... যান্ত্রিক শিল্পের সমর্থক এবং ভিত্তি। * আজ ইংল্যান্ড থেকে তাদের [[বাষ্পীয় ইঞ্জিন|বাষ্পীয় ইঞ্জিনগুলো]] কেড়ে নেওয়া মানে একই সাথে তার [[কয়লা]] ও [[লোহা|লোহাও]] কেড়ে নেওয়া। এটি তাদের সম্পদের সমস্ত উৎস শুকিয়ে দেবে; যার উপর তাদের সমৃদ্ধি নির্ভর করে তা ধ্বংস করবে। সংক্ষেপে সেই বিশাল শক্তিকেই নিশ্চিহ্ন করে দেবে। * বাষ্পীয় নেভিগেশন (নৌচালনা)... পৃথিবীর সব জাতিকে একক দেশের অধিবাসী হিসেবে ঐক্যবদ্ধ করতে সাহায্য করে। ...এটি কি দূরত্ব অনেক কমিয়ে দেওয়ার সমান নয়? * প্রথম যে যন্ত্রে বাষ্পের সম্প্রসারণশীল শক্তি প্রদর্শিত হয়েছিল এবং বর্তমান যন্ত্রের মধ্যে প্রায় ততটাই দূরত্ব রয়েছে, যতটা মানুষের তৈরি প্রথম ভেলা এবং আধুনিক জাহাজের মধ্যে রয়েছে। * সেভেরি, [[w:টমাস নিউকমেন|নিউকমেন]], [[w:জন স্মিটন|স্মিটন]], বিখ্যাত [[জেমস ওয়াট|ওয়াট]], [[w:আর্থার উলফ|উলফ]], [[w:রিচার্ড ট্রেভিথিক|ট্রেভিথিক]] এবং অন্যান্য কয়েকজন ইংরেজ প্রকৌশলী হলেন বাষ্পীয় ইঞ্জিনের প্রকৃত স্রষ্টা। * বাষ্পীয় ইঞ্জিন দ্বারা সম্পন্ন সমস্ত ধরণের কাজ সত্ত্বেও... তাদের তত্ত্ব খুব কমই বোঝা যায়; তাদের উন্নত করার প্রচেষ্টা এখনও প্রায় ঘটনাক্রমে পরিচালিত হয়। * তাপের সাহায্যে গতি উৎপাদনের ঘটনাটিকে পর্যাপ্ত সাধারণ দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা হয়নি। আমরা এটি কেবল যন্ত্রে [ব্যবহারের জন্য] বিবেচনা করেছি... [এর ফলে] ঘটনাটি... অসম্পূর্ণ। এর নীতি জানা এবং এর সূত্রগুলো অধ্যয়ন করা কঠিন হয়ে পড়ে। ...তাপের সাহায্যে গতি উৎপাদনের নীতি... যেকোনো প্রক্রিয়া বা... নির্দিষ্ট এজেন্টের স্বাধীনভাবে বিবেচনা করা আবশ্যক। কেবল বাষ্পীয় ইঞ্জিনের জন্যই নয়, বরং কার্যকরী পদার্থ যাই হোক না কেন এবং এটি পরিচালনা করার পদ্ধতি যাই হোক না কেন, সকল সম্ভাব্য [[w:তাপ ইঞ্জিন|তাপ ইঞ্জিনের]] জন্য প্রযোজ্য নীতি প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। * আমাদের কাছে কেবল তখনই [একটি সম্পূর্ণ তত্ত্ব] থাকবে যখন পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রগুলো যথেষ্ট বিস্তৃত এবং সাধারণীকৃত হবে, যাতে কোনো বস্তুর উপর একটি নির্দিষ্ট উপায়ে কাজ করা তাপের সমস্ত প্রভাব আগে থেকেই জানা যায়। * বাষ্পীয় ইঞ্জিনে গতি উৎপাদন সর্বদা... [[w:ক্যালরিক তত্ত্ব|ক্যালরিকের]] ভারসাম্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার সাথে অনুষঙ্গী হয়; অর্থাৎ কমবেশি উচ্চ তাপমাত্রার একটি বস্তু থেকে নিম্ন তাপমাত্রার অন্য বস্তুতে এর উত্তরণ ঘটে। * বাষ্পীয় ইঞ্জিনে... কী ঘটে...? দহনের প্রভাবে চুল্লিতে বিকশিত ক্যালরিক বয়লারের দেয়াল অতিক্রম করে্রর বাষ্প তৈরি করে এবং কোনোভাবে এর সাথে নিজেকে যুক্ত করে। বাষ্প এটিকে দূরে বহন করে প্রথমে সিলিন্ডারে নিয়ে যায়, যেখানে এটি কিছু কাজ করে। সেখান থেকে এটি [[w:ঘনীভবন (তাপ স্থানান্তর)|কন্ডেন্সারে]] নিয়ে যায়, যেখানে এটি ঠান্ডা পানির সংস্পর্শে তরল হয়ে যায়... কন্ডেন্সারের ঠান্ডা পানি [[w:ক্যালরিক তত্ত্ব|ক্যালরিকের]] দখল নেয়... বাষ্পের হস্তক্ষেপে এটি এমনভাবে উত্তপ্ত হয় যেন এটি সরাসরি চুল্লির উপর রাখা হয়েছিল। এখানে বাষ্প কেবল ক্যালরিক পরিবহনের একটি মাধ্যম। * আমরা এইমাত্র ক্যালরিকে ভারসাম্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা, একটি... উত্তপ্ত বস্তু থেকে অপেক্ষাকৃত শীতল বস্তুতে এর উত্তরণের কথা বর্ণনা করেছি। * তাহলে চালিকাশক্তি উৎপাদনের কারণ হলো... ক্যালরিকের প্রকৃত খরচ নয়, বরং একটি উষ্ণ বস্তু থেকে শীতল বস্তুতে এর পরিবহন... ভারসাম্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য... * কেবল তাপ উৎপাদনই চালিকাশক্তির জন্ম দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়: শীতলতারও উপস্থিতি প্রয়োজন; এটি ছাড়া তাপ অকেজো হয়ে পড়বে। * আমরা যদি আমাদের আশেপাশে কেবল আমাদের চুল্লির মতো গরম বস্তুই পাই, তবে আমরা কীভাবে বাষ্প ঘনীভূত করব? একবার তৈরি হওয়ার পর আমরা এটি দিয়ে কী করব? * যেখানেই তাপমাত্রার পার্থক্য থাকে... সেখানেই চালিকাশক্তি তৈরি করা সম্ভব। ...প্রকৃতির সমস্ত পদার্থ এই উদ্দেশ্যে নিযুক্ত করা যেতে পারে, সবগুলোই তাপ এবং ঠান্ডার পরিবর্তনের মাধ্যমে আয়তনের পরিবর্তন, ক্রমাগত সংকোচন এবং [[wiktionary:dilatation#Noun|সম্প্রসারণের]] জন্য সংবেদনশীল। আয়তনের পরিবর্তনের মাধ্যমে এরা সবাই নির্দিষ্ট প্রতিরোধ অতিক্রম করতে সক্ষম... একটি কঠিন পদার্থ... একটি তরল পদার্থ... একটি বায়বীয় তরল... যদি এটি পিস্টনযুক্ত সিলিন্ডারের মতো সম্প্রসারণযোগ্য স্থানে আবদ্ধ থাকে, তবে এটি ব্যাপক গতি তৈরি করবে। গ্যাসীয় অবস্থায় যেতে সক্ষম সমস্ত পদার্থের বাষ্প, যেমন {{w|অ্যালকোহল|অ্যালকোহলের}}, [[পারদ|পারদের]], {{w|গন্ধক|গন্ধকের}} বাষ্প ইত্যাদি পানির বাষ্পের মতো একই কাজ করতে পারে। ...এগুলোর বেশিরভাগই... প্রস্তাব করা হয়েছে, এমনকি অনেকগুলো পরীক্ষাও করা হয়েছে, যদিও... উল্লেখযোগ্য কোনো সাফল্য ছাড়াই। * তাপ দৃশ্যতই কেবল বস্তুর আয়তন বা আকারের পরিবর্তনের কারণে গতির কারণ হতে পারে। * বাষ্প ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট চালিকাশক্তির সর্বোচ্চ পরিমাণই হলো যেকোনো উপায়ে অর্জনযোগ্য চালিকাশক্তির সর্বোচ্চ পরিমাণ। * যখন কোনো বস্তুর কোনো পরিবর্তন হয় এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক রূপান্তরের পর এটি ঠিক তার প্রাথমিক অবস্থায় ফিরে আসে, অর্থাৎ ঘনত্ব, তাপমাত্রা, একত্রীকরণের অবস্থার দিক থেকে বিবেচনা করা অবস্থায় ধরা যাক, এই বস্তুটি প্রথমে যে পরিমাণ তাপ ধারণ করেছিল ঠিক সেই পরিমাণ তাপই এতে পাওয়া যায়, অথবা এই বিভিন্ন রূপান্তরের ফলে শোষিত বা মুক্ত তাপের পরিমাণ ঠিক ঠিক ক্ষতিপূরণ করা হয়। এই সত্যটি কখনও প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি। এটি প্রথমে বিনা চিন্তায় স্বীকার করা হয় এবং পরবর্তীতে {{w|ক্যালরিমিটার|ক্যালরিমিটারের}} সাহায্যে পরীক্ষার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে যাচাই করা হয়েছিল। এটিকে অস্বীকার করা মানে তাপের পুরো তত্ত্বকে বাতিল করা, যেটির ভিত্তি হিসেবে এটি কাজ করে। বাকিটার জন্য আমরা বলতে পারি, তাপের তত্ত্বটি যে মূল নীতিগুলোর উপর দাঁড়িয়ে আছে সেগুলোর খুব সাবধানে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এই তত্ত্বের বর্তমান অবস্থায় অনেক পরীক্ষামূলক তথ্য প্রায় অব্যাখ্যাত বলে মনে হয়। === মরণোত্তর পাণ্ডুলিপি (১৮৭৮) === :<small>কার্নোর অপ্রকাশিত লেখা থেকে নিষ্কাশিত। ''রিফ্লেকশনস সুর লা পুয়াসান্স মোট্রিস ডু ফিউর'' ২য় সংস্করণের পরিশিষ্টে অন্তর্ভুক্ত। ১ম ইংরেজি অনুবাদ: ''রিফ্লেকশনস অন দ্য মোটিভ পাওয়ার অফ হিট'' (১৮৯০) অনুবাদ করেছেন রবার্ট এইচ. থার্স্টন। উক্তিগুলো [https://sites.pitt.edu/~jdnorton/teaching/2559_Therm_Stat_Mech/docs/Carnot%20Reflections%201897%20facsimile.pdf ২য় সংশোধিত সংস্করণ] (১৮৯৭) থেকে নেওয়া হয়েছে।</small> [[File:CarnotSadi1813Bailly.jpg|thumb|এল. এইচ. সাদি কার্নো, বয়স ১৭, [[w:লুই-লিওপোল্ড বোইলি|এল.এল. বোইলি]]ের ১৮১৩ সালের প্রতিকৃতি থেকে, ''রিফ্লেকশনস অন দ্য মোটিভ পাওয়ার অফ হিট'' (১৮৯৭) ২য় সংস্করণের ফ্রন্টিসপিস। অনুবাদ করেছেন আর. এইচ. থার্স্টন।]] ==== ১. নোট ==== * সকালে দিনের কাজের পরিকল্পনা করুন এবং সন্ধ্যায় কী করা হয়েছে তার ওপর প্রতিফলন করুন। * '''হাঁটার সময় একটি বই এবং ধারণাগুলো সংরক্ষণ করার জন্য একটি নোট-বুক সঙ্গে রাখুন। আর প্রয়োজনে হাঁটার সময় বাড়ানোর জন্য এক টুকরো [[রুটি]] রাখুন।''' * '''মানসিক এবং শারীরিক ব্যায়ামে [[wikt:variety#Noun|বৈচিত্র্য]] আনুন:''' নাচ, অশ্বারোহণ, সাঁতার, তলোয়ার ও সাবার দিয়ে অসিযুদ্ধ, বন্দুক ও পিস্তল দিয়ে শ্যুটিং, স্কেটিং, গুলতি, স্টিল্টস, টেনিস, বোলস; এক পায়ে লাফ দেওয়া, হাত আড়াআড়ি করা, উঁচুতে এবং দূরে লাফ দেওয়া, দেয়ালের সাথে ঠেস দিয়ে এক পায়ে ঘোরা, ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঘাম ঝরাতে সন্ধ্যায় শার্ট গায়ে ব্যায়াম করা; টার্নিং, জয়েনরি, বাগান করা, হাঁটার সময় পড়া, ডেক্লেমেশন, গান গাওয়া, বেহালা, শ্লোক রচনা, সঙ্গীত রচনা; '''আট ঘণ্টা [[ঘুম]]; খাওয়ার আগে এবং পরে ঘুম থেকে ওঠার পর হাঁটাহাঁটি; প্রচুর সংযম; ধীরে, অল্প এবং ঘন ঘন খাওয়া; অলসতা এবং অকেজো ধ্যান এড়িয়ে চলা।''' * আমি যখন আমার জীবনযাপন পদ্ধতি পরিবর্তন করি, তখন ভালো অভ্যাস গড়ে তুলি। * '''[[ভবিষ্যৎ|ভবিষ্যৎকে]] আলোকিত করার জন্য ছাড়া কখনও [[অতীত|অতীতের]] দিকে ফিরে তাকাবেন না। অনুতাপ অকেজো।''' * '''আগে থেকেই সংকল্প তৈরি করু্‌ যাতে কাজের সময় ভাবতে না হয়। তারপর নিজেকে অন্ধের মতো মেনে চলুন।''' * [[wikt:resolution#Noun|সংকল্পের]] [[wikt:promptitude#Noun|দ্রুততা]] প্রায়শই এর [[ন্যায়বিচার|ন্যায়বিচারের]] সাথে মিলে যায়। * '''প্রথম [[অনুপ্রেরণা|অনুপ্রেরণার]] কাছে প্রায়শই নতি স্বীকার করুন।''' একই বিষয়ে অত্যধিক ধ্যান সবচেয়ে খারাপ অংশের পরামর্শ দিয়ে শেষ হয়, বা অন্তত মূল্যবান [[সময়|সময়]] নষ্ট করে। * মনে হয় না বোঝার ভান করে সামান্য অসুবিধাগুলো সহ্য করুন, কিন্তু যে স্পষ্টভাবে আপনাকে আঘাত বা অপমানিত করার অভিপ্রায় রাখে তাকে চূড়ান্তভাবে [[wikt:repulse#Verb|প্রত্যাখ্যান]] করুন। * কারও '''এমন কোনো চরিত্রের [[wikt:feign#Verb|ভান করা]] উচিত নয় যা তার নেই, বা এমন কোনো চরিত্রকে [[wikt:affect#Verb_2|প্রভাবিত করা]] উচিত নয় যা সে বজায় রাখতে পারে না।''' * '''আত্মতৃপ্তি ছাড়াই আত্ম-নিয়ন্ত্রণ। [[wikt:effrontery#Noun|ধৃষ্টতা]] ছাড়াই সাহস।''' * কেবল অনেক [[wikt:circumspection#Noun|সতর্কতার]] সাথেই অন্তরঙ্গ পরিচয় তৈরি করুন; যারা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষিত হয়েছে তাদের প্রতি নিখুঁত [[বিশ্বাস]] রাখুন। অন্যদের সাথে কিছু করার নেই। * অন্যকে কী খুশি করবে তা জানতে নিজেকে প্রশ্ন করুন। * অকেজো কোনো কথা নয়। '''যেসব কথোপকথন নিজেদের বা অন্যদের আলোকিত করতে, [[হৃদয়|হৃদয়কে]] আগ্রহী করতে বা [[মন|মনকে]] আনন্দ দিতে কাজ করে না, সেগুলো ক্ষতিকর।''' * '''আপনি যা [[জ্ঞান|জানেন]] সে সম্পর্কে সামান্য কথা বলুন এবং যা জানেন না সে সম্পর্কে একেবারেই কথা বলবেন না।''' * '''প্রত্যেককে সেই বিষয়ে কথা বলুন যা সে সবচেয়ে ভালো জানে।''' এটি তাকে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করাবে এবং আপনার জন্য লাভজনক হবে। * '''আঘাত করতে পারে এমন সমস্ত আনন্দ থেকে বিরত থাকুন।''' * কেবল সবচেয়ে নিখুঁত [[wikt:propriety#Noun|যৌক্তিকতার]] অভিব্যক্তি ব্যবহার করুন। * আপনার [[w:আলাপচারী (ভাষাবিজ্ঞান)|আলাপচারীর]] কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন, এবং তাকে আপনার উত্তরের জন্য একইভাবে শুনতে প্রস্তুত করুন এবং আপনার যুক্তির পক্ষে তাকে প্ররোচিত করুন। * আলোচনায় আবেগ বা ক্লান্তি কোনোটাই দেখাবেন না। * '''কখনও কারও বিরুদ্ধে কোনো যুক্তি দেবেন না।''' আপনি যদি আপনার [[wikt:adversary#Noun|প্রতিপক্ষের]] বিরুদ্ধে কিছু বিবরণ জানেন, তবে তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য তাকে তা জানানোর অধিকার আপনার আছে। তবে বিচক্ষণতার সাথে এগিয়ে যান এবং তাকে অন্যদের সামনে আঘাত করবেন না। * '''যখন আলোচনা [[wikt:dispute#Noun|তর্কে]] পরিণত হয়, তখন নীরব থাকুন'''; এর মানে নিজেকে পরাজিত ঘোষণা করা নয়। * নম্রতা কতটা যোগ্যতা যোগ করে! একজন প্রতিভাবান ব্যক্তি যিনি তার [[জ্ঞান]] লুকিয়ে রাখেন, তিনি [[ফল|ফলের]] ওজনে নুয়ে পড়া ডালের মতো। * কেন বুদ্ধিমান হওয়ার চেষ্টা করবেন? বুদ্ধিমান এবং দাম্ভিক হওয়ার চেয়ে আমি বরং বোকা এবং নম্র হিসেবে বিবেচিত হতে পছন্দ করব। * মানুষ নিজেদের ঈর্ষান্বিত করার চেয়ে বেশি আর কিছুই চায় না। * '''[[অহংকার]] হলো সমস্ত দুর্গুণগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ এবং সবচেয়ে [[ঘৃণা|ঘৃণিত]]।''' সঠিকভাবে বলতে গেলে, '''এটিই একমাত্র যাকে ঘৃণা করা উচিত।''' * আত্ম-প্রেমের [[আনন্দ|আনন্দগুলোই]] একমাত্র আনন্দ যা সত্যিই উপহাসে পরিণত হতে পারে। * '''আমি জানি না কেন''' এই দুটি অভিব্যক্তি, '''[[wikt:discernment#Noun|সঠিক বোধ]] এবং সাধারণ জ্ঞানকে গুলিয়ে ফেলা হয়। সঠিক বোধের চেয়ে কম সাধারণ আর কিছুই নেই।''' * ভোগান্তির চাপ [[মন|মনকে]] ক্ষয় করে দেয়। * এটা হতেই হবে যে সমস্ত সৎ মানুষ [[wikt:galley#English:_kitchen|রান্নাঘরে]] আছে; কেবল [[wikt:knave#English:_deceitful_person|দুর্বৃত্তদের]] অন্যত্র দেখা যায়। * '''আমি সেই সমস্ত দুর্ভাগ্যের জন্য আনন্দিত যা আমার সাথে ঘটতে পারত এবং যা থেকে আমি রক্ষা পেয়েছি।''' * জীবন যথেষ্ট ছোট একটি পথ। আমি যাত্রার অর্ধেক পার হয়েছি। বাকিটা আমি যতটা পারি শেষ করব। * '''[[আশা]] সমস্ত আশীর্বাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় হওয়ায়, সুখী হওয়ার জন্য [[ভবিষ্যৎ|ভবিষ্যতের]] জন্য বর্তমানকে [[ত্যাগ|ত্যাগ]] করা প্রয়োজন।''' * '''আসুন আমরা [[wikt:exacting#Adjective|কঠোর]] না হই; নিখুঁততা খুবই বিরল।'''<br />[[wikt:indulgence#English:_tolerance|ক্ষমা]]! ক্ষমা! * '''একটি বস্তু যত বেশি নিখুঁততার কাছাকাছি আসে, আমরা তার সামান্যতম ত্রুটিগুলো তত বেশি লক্ষ্য করি।''' * নিরীহ আনন্দের সুযোগ অবহেলা করা মানে আমাদের নিজেদের ক্ষতি। * [[wikt:recherché#English:_pretentious|ভণ্ডামিপূর্ণ]] [[আনন্দ|আনন্দগুলো]] [[সরলতা|সাধারণ]] আনন্দগুলোকে তাদের সমস্ত আকর্ষণ হারাতে বাধ্য করে। * কখনও কখনও অধিকার ছেড়ে দেওয়া প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু যখন এর প্রয়োজন হবে তখন কেউ কীভাবে এটি পুনরুদ্ধার করবে? * [[ভালোবাসা]] হলো প্রায় একমাত্র [[আবেগ]] যা ভালো মানুষ স্বীকার করতে পারে। এটিই একমাত্র যা কোমলতার সাথে [[wikt:accord#Verb|মিলে যায়]]। * '''এমন কিছু করবেন না যা গোটা বিশ্ব জানতে পারে না।''' * '''প্রকৃতপক্ষে জ্ঞানী মানুষ হলেন তিনি যিনি [[পুণ্য|পুণ্যকে]] তার নিজের জন্য ভালোবাসেন।''' * '''আমরা বলি যে মানুষ একজন [[অহংকার|অহংকারী]], এবং তবুও তার সবচেয়ে মিষ্টি আনন্দগুলো অন্যদের মাধ্যমেই তার কাছে আসে। সে কেবল এগুলো ভাগ করার শর্তেই উপভোগ করে।''' * কেউ যদি ক্রমাগত তার [[ইচ্ছা|ইচ্ছাগুলো]] মেটাতে পারত, তবে তার ইচ্ছা করার মতো সময়ই থাকত না। [[সুখ]] তাহলে অনিবার্যভাবে বিকল্প নিয়ে গঠিত। এটি স্থির স্তরে থাকতে পারে না। * '''প্রত্যেক বিজয়ীকে বলা যেতে পারে, যখন সে আমাদের এই দরিদ্র গোলককে [[wikt:torment#Verb|নির্যাতন]] করা বন্ধ করে দেয়, "আপনি কি পিচবোর্ডের একটি ছোট গোলকের বিরুদ্ধে সমানভাবে [[wikt:tilt#Verb|লড়াই]] করতে পারতেন না?"''' * '''[[যুদ্ধ|যুদ্ধের]] সূত্র, তারা কি তাই বলে? যেন যুদ্ধ সমস্ত [[আইন|সূত্রের]] ধ্বংস নয়।''' * জনসংখ্যার খুব দ্রুত বৃদ্ধি রোধ করার জন্য [[যুদ্ধ|যুদ্ধকে]] প্রয়োজনীয় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, কিন্তু '''যুদ্ধ যুবকদের ফুলকে কেটে ফেলে, যখন এটি প্রকৃতি দ্বারা কলঙ্কিত পুরুষদের রেহাই দেয়। তাই এটি প্রজাতির অবক্ষয়ের দিকে নিয়ে যায়।''' * গ্রীক এবং রোমানদের... অবক্ষয় প্রথাগুলোর ওপর প্রতিষ্ঠানের প্রভাব প্রমাণ করে। * আধুনিক [[অর্থনীতি|অর্থনীতিবিদদের]] ব্যবস্থা অনুযায়ী, এটি বাঞ্ছনীয় যে [[সরকার]] দেশের বাণিজ্য এবং [[শিল্প|শিল্পে]] যতটা সম্ভব কম হস্তক্ষেপ করবে। তবুও আমরা অস্বীকার করতে পারি না যে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এই [[w:বাজার হস্তক্ষেপ|হস্তক্ষেপ]] খুব দরকারী। * করকে অর্থনীতিবিদরা একটি মন্দ হিসেবে বিবেচনা করেন, তবে এটি একটি প্রয়োজনীয় মন্দ, যেহেতু এটি জনসাধারণের ব্যয়ের জন্য সরবরাহ করে। ফলস্বরূপ, অর্থনীতিবিদরা মনে করেন যে সরকারের কাছে যদি পর্যাপ্ত রাজস্ব থাকে, উদাহরণস্বরূপ [[w:ডিরেকশন দে ল'ইমোবিলিয়ার দে ল'এটাত|ডোমেইনে]], তবে সমস্ত কর বাতিল করা একটি বাঞ্ছনীয় পদক্ষেপ হবে। * [[কর]] হলো উৎপাদন এবং [[বাণিজ্য|বাণিজ্যকে]] প্রভাবিত করার একটি মাধ্যম, যাতে তাদের এমন একটি দিক নির্দেশনা দেওয়া যায় যা তারা স্বাভাবিকভাবে নিত না। এ ধরনের প্রভাবের নিঃসন্দেহে অবাঞ্ছিত পরিণতি হতে পারে যদি করগুলো বৈষম্যহীনভাবে বা একচেটিয়াভাবে [[অর্থ|আর্থিক]] উদ্দেশ্যে আরোপ করা হয়, তবে এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন হবে যদি [[প্রজ্ঞা]] এবং [[wikt:tact#Noun|কৌশল]] তাদের প্রতিষ্ঠায় সভাপতিত্ব করে। * মানুষ সেই ঘটনাগুলোকে সুযোগের কারণ হিসেবে দায়ী করে যেগুলো সম্পর্কে তারা [[অজ্ঞতা|অজ্ঞ]]। যদি তারা এই কারণগুলো [[wikt:divine#Verb|অনুমান করতে]] সফল হয়, তবে সুযোগ অদৃশ্য হয়ে যায়। কোনো ঘটনা সুযোগক্রমে ঘটেছে বলার অর্থ হলো, আমরা এর পূর্বাভাস দিতে পারিনি। আমি নিজে বিশ্বাস করি না যে এই শব্দের অন্য কোনো অর্থ থাকতে পারে। একজন অজ্ঞ মানুষের কাছে যা সুযোগ, একজন শিক্ষিত মানুষের কাছে তা সুযোগ হতে পারে না। * যদি মানব যুক্তি দেবত্বের রহস্য আবিষ্কার করতে অক্ষম হয়, তবে কেন দেবত্ব মানব যুক্তিকে আরও দূরদর্শী করেনি? * [[ঈশ্বর]] যখন এত সহজেই মানুষকে আলোকিত এবং রাজি করাতে পারতেন, তখন বিশ্বাস না করার জন্য তিনি মানুষকে [[শাস্তি]] দিতে পারেন না। * যদি [[ঈশ্বর]] চরমভাবে [[সদাশয়তা|ভালো]] হন, তবে কেন তিনি [[পাপ|পাপীকে]] অনন্ত কালের জন্য [[শাস্তি]] দেবেন, যেহেতু তিনি তাকে ভালোর দিকে নিয়ে যান না বা তাকে কোনো উদাহরণ দেন না? * [[গির্জা|গির্জার]] মতবাদ অনুযায়ী, [[ঈশ্বর]] অনেকটা {{w|স্ফিংস|স্ফিংসের}} মতো যিনি [[wikt:enigma#Noun|ধাঁধা]] প্রস্তাব করেন এবং যারা তা অনুমান করতে পারে না তাদের গ্রাস করেন। * [[গির্জা]] সমস্ত মানবিক [[আবেগ|আবেগ]]—[[রাগ]], প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষা, কৌতূহল, স্বৈরাচার, পক্ষপাতিত্ব, অলসতা—[[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] উপর আরোপ করে। * '''যদি [[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মকে]] এমন সবকিছু থেকে ছেঁটে ফেলা হতো যা [[খ্রিস্ট]] নয়, তবে এই ধর্মটি বিশ্বের সবচেয়ে সহজ ধর্মে পরিণত হতো।''' * সমস্ত ধর্মীয় ব্যবস্থা প্রত্যাখ্যানকারী লেখকদের কোন উদ্দেশ্যগুলো প্রভাবিত করেছে? এটা কি এই দৃঢ় প্রত্যয় যে তারা যে ধারণাগুলোর বিরোধিতা করে সেগুলো সবই [[সমাজ|সমাজের]] জন্য ক্ষতিকর? তারা কি ধর্ম এবং এর অপব্যবহারকে একই [[wikt:proscription#Noun|নিষেধাজ্ঞায়]] অন্তর্ভুক্ত করেনি? * '''একজন ''সর্বশক্তিমান'' সত্তার প্রতি [[বিশ্বাস]], যিনি আমাদের [[ভালোবাসা|ভালোবাসেন]] এবং আমাদের ওপর নজর রাখেন, দুর্ভাগ্য সহ্য করার জন্য [[মন|মনকে]] অসীম শক্তি প্রদান করে।''' * '''আত্মার জন্য উপযোগী এবং সম্মানের যোগ্য ব্যক্তিদের দ্বারা প্রচারিত একটি [[ধর্ম]] [[সমাজ]] এবং প্রথাগুলোর ওপর সবচেয়ে [[wikt:salutary#Adjective|হিতকর]] প্রভাব ফেলবে।''' ==== ২. গণিত, পদার্থবিজ্ঞান এবং অন্যান্য বিষয়ের ওপর নোট ==== * গতির কারণে বস্তুর তাপমাত্রায় যে পরিবর্তন ঘটে তা খুব সামান্যই অধ্যয়ন করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনাগুলো... মনোযোগের... দাবি রাখে... যখন বস্তুগুলো গতিশীল থাকে, বিশেষ করে যখন সেই গতি অদৃশ্য হয়ে যায়, বা যখন এটি চালিকাশক্তি তৈরি করে, তখন তাপের বিতরণে এবং সম্ভবত এর পরিমাণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটে। * ''বস্তুর [[w:প্রভাব (বলবিদ্যা)|সংঘর্ষ]]''। ...বস্তুর সংঘর্ষের ক্ষেত্রে সবসময় চালিকাশক্তির ব্যয় হয়। সম্পূর্ণ [[w:স্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ|স্থিতিস্থাপক]] বস্তুগুলো কেবল একটি ব্যতিক্রম তৈরি করে এবং [[প্রকৃতি|প্রকৃতিতে]] এমন কোনো বস্তুই পাওয়া যায় না। * সর্বদা বস্তুর সংঘর্ষের ক্ষেত্রে... তাপমাত্রা বৃদ্ধি ঘটে। আমরা [[w:ক্লদ লুই বার্থোলেট|এম. বার্থোলেটের]] মতো এই ক্ষেত্রে মুক্ত তাপকে বস্তুর আয়তন হ্রাসের কারণ হিসেবে দায়ী করতে পারি না... ** <small>'''রেফারেন্স''': {{w|ক্লদ লুই বার্থোলেট}}, ''এসে দে স্ট্যাটিক চিমিক'' (১৮০৩) বা ''অ্যান এসে অন কেমিক্যাল স্ট্যাটিক্স'' (১৮০৪)। বি ল্যাম্বার্ট কর্তৃক অনুবাদিত খণ্ড ১, পরিচ্ছেদ ৩ ক্যালরিক, [https://archive.org/details/b21727326_0001/page/141/mode/1up পৃ. ১৪১।]</small> * মনে হতে পারে... যে তাপ মুক্ত হয়েছে তা ধাতুর অণুগুলোর ঘর্ষণের কারণে দায়ী করা উচিত, যা একে অপরের সাপেক্ষে স্থান পরিবর্তন করে। অর্থাৎ চলমান বল যেখানে ব্যয় হয় ঠিক সেখানেই তাপ মুক্ত হয়। ...আমরা আরও উল্লেখ করতে পারি... একটি ধাতব দণ্ড ভাঙার ঠিক আগে এর প্রসারণের ফলে যে তাপ তৈরি হয়... ভাঙার আগে এর প্রসারণ যত বেশি হয়, তাপমাত্রা বৃদ্ধি তত বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হয়। * '''যখন কোনো অনুমান ঘটনাগুলো ব্যাখ্যা করার জন্য আর পর্যাপ্ত থাকে না, তখন তা পরিত্যাগ করা উচিত। এটি... বিষয় হিসেবে [[w:ক্যালরিক তত্ত্ব|ক্যালরিকের]] ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা একটি [[wikt:subtile#Adjective|সূক্ষ্ম]] তরল হিসেবে কাজ করে।''' এই তত্ত্ব ধ্বংস করার প্রবণতামূলক পরীক্ষামূলক তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:<br />(১) বস্তুর ঘর্ষণ বা আঘাতের ফলে তাপের বিকাশ ([[w:বেঞ্জামিন থম্পসন|রামফোর্ডের]] পরীক্ষা, অক্ষের উপর... চাকার ঘর্ষণ...)। এখানে ঘর্ষণকারী বস্তু এবং ঘর্ষিত বস্তুতে একই সাথে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। ...এভাবে গতির মাধ্যমে তাপ তৈরি হয়। যদি... [ক্যালরিক] বস্তু হয়... তবে গতির মাধ্যমে বস্তু তৈরি হয়।<br />(২) ...পাম্পের সাহায্যে সংকুচিত বাতাসের তাপমাত্রা অবশ্যই বাইরের বাতাসের তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হতে হবে এবং এটি উচ্চ তাপমাত্রায় নির্গত হয়। ...এভাবে গতির মাধ্যমে তাপ তৈরি হয়েছে। * '''[[আলো|আলোকে]] সাধারণত [[w:ইথার (ধ্রুপদী উপাদান)|ইথারীয় তরলের]] একটি কম্পনশীল গতির ফলাফল হিসেবে গণ্য করা হয়। আলো তাপ তৈরি করে, বা অন্তত বিকিরণকারী তাপের সাথে থাকে এবং তাপের মতো একই বেগে চলে। তাহলে বিকিরণকারী তাপ একটি কম্পনশীল গতি। এটা ভাবা হাস্যকর হবে যে এটি বস্তুর নির্গমন অথচ এর সাথে থাকা আলো কেবল একটি গতি হতে পারে।''' * কোনো গতি (বিকিরণকারী তাপের মতো) কি বস্তু ([[w:ক্যালরিক তত্ত্ব|ক্যালরিক]]) তৈরি করতে পারে? নিঃসন্দেহে না; এটি কেবল একটি গতি তৈরি করতে পারে। তাহলে তাপ একটি গতির ফলাফল। তাহলে এটি স্পষ্ট যে এটি চালিকাশক্তি ব্যয়ের মাধ্যমে তৈরি হতে পারে এবং এটি এই শক্তি তৈরি করতে পারে। * তাপ কি অণুর কম্পনশীল গতির ফলাফল? যদি তাই হয়... তাপের পরিমাণ কেবল চালিকাশক্তির পরিমাণ। যতক্ষণ পর্যন্ত চালিকাশক্তি কম্পনশীল আন্দোলন তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, তাপের পরিমাণ অবশ্যই অপরিবর্তনীয় হতে হবে... কিন্তু যখন এটি সংবেদনশীল মাত্রার আন্দোলনে চলে যায়, তখন তাপের পরিমাণ আর ধ্রুবক থাকতে পারে না। * বস্তুর তরলীকরণ, তরল পদার্থের দৃঢ়ীকরণ, স্ফটিকীকরণ—এগুলো কি অপরিহার্য [[অণু|অণুর]] সংমিশ্রণের রূপ নয়? * '''[[w:ভিস ভাইভা|জীবন্ত শক্তির]] ক্ষতি হতে পারে না, বা একই কথা হলো চালিকাশক্তির ক্ষতি হতে পারে না''', যদি বস্তুগুলো একে অপরকে সরাসরি স্পর্শ না করে বা সরাসরি সংঘর্ষ ছাড়া একে অপরের ওপর কাজ করে। ...'''বস্তুর [[অণু|অণুগুলো]] সর্বদা একে অপরের থেকে কিছু স্থান দ্বারা পৃথক থাকে ...তারা কখনই সরাসরি সংস্পর্শে থাকে না।''' যদি তারা একে অপরকে স্পর্শ করত, তবে তারা একত্রিত থাকত এবং ফলস্বরূপ রূপ পরিবর্তন করত।<br />বস্তুর অণুগুলো যদি কখনই একে অপরের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে না থাকে, তবে যে... শক্তিই... তাদের আলাদা বা আকর্ষণ করুক না কেন, চালিকাশক্তির উৎপাদন বা ক্ষতি কখনোই হতে পারে না... এই শক্তিকে বস্তুর মতোই পরিমাণে অপরিবর্তনীয় হতে হবে। * '''তাপ কেবল চালিকাশক্তি, বা বরং রূপ পরিবর্তনকারী গতি। এটি বস্তুর কণাগুলোর মধ্যে একটি আন্দোলন। যেখানেই চালিকাশক্তির বিনাশ ঘটে, সেখানেই একই সাথে ধ্বংস হওয়া চালিকাশক্তির পরিমাণের ঠিক সমানুপাতিক তাপের উৎপাদন হয়। বিপরীতভাবে, যেখানে তাপের বিনাশ ঘটে, সেখানে চালিকাশক্তির উৎপাদন হয়।''' * '''[[শক্তি|চালিকাশক্তি]] পরিমাণে প্রকৃতিতে অপরিবর্তনীয়; সঠিকভাবে বলতে গেলে এটি কখনও উৎপন্ন বা ধ্বংস হয় না। এটা সত্য যে এটি রূপ পরিবর্তন করে, অর্থাৎ এটি কখনো এক ধরণের গতি তৈরি করে, কখনো অন্য ধরনের। কিন্তু এটি কখনও ধ্বংস হয় না।''' == কার্নো সম্পর্কে উক্তি == * কার্নোর কাজ, ''সুর লা পুয়াসান্স মোট্রিস ডু ফিউ'' হলো প্রথম কাজ যেখানে তাপ থেকে কাজের উৎপাদন ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। এটি দুর্ভাগ্যবশত তার এই অনুমানের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে তাপ একটি বস্তুগত উপাদান। যদিও এটা বলা ন্যায্য যে তিনি এই অনুমানের সত্যতা সম্পর্কে গুরুতর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। ...তিনি নিম্নলিখিত সঠিক নীতিটি উল্লেখ করে তার তদন্ত শুরু করেন যা পরবর্তী অনেক লেখকরা দুঃখজনকভাবে অবহেলা করেছেন: 'যদি কোনো বস্তু একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর, ঘনত্ব, তাপমাত্রা এবং আণবিক গঠনের দিক থেকে হুবহু তার আদিম অবস্থায় ফিরে আসে, তবে এতে অবশ্যই সেই একই পরিমাণ তাপ থাকতে হবে যা এটি প্রাথমিকভাবে ধারণ করেছিল।' এখান থেকে তিনি এই সিদ্ধান্তে আসেন যে যখন তাপ কাজ তৈরি করে, তখন এটি একটি বাষ্পীয় ইঞ্জিনের বয়লার থেকে কন্ডেন্সারের মতো একটি গরম বস্তু থেকে ঠান্ডা বস্তুতে ''নামিয়ে দেওয়ার'' ফলে হয়। তার তদন্ত... আধুনিক তত্ত্বের ভিত্তি তৈরি করে। ** ''চেম্বারস এনসাইক্লোপিডিয়া'' (১৮৮০) "থার্মো-ডায়নামিক্স" [https://books.google.com/books?id=E0hAAAAAYAAJ&pg=PP797 পৃ. ৭৫১।] * উনবিংশ শতাব্দীতে সাদি কার্নো এই পুরোনো ধারণার সাথে একত্রিত করে দেখিয়েছিলেন, [[w:অবিরাম গতি|অবিরাম-গতির]] মেশিনগুলো অসম্ভব ([[w:তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র|প্রথম সূত্রের]] একটি প্রাথমিক এবং অসম্পূর্ণ সংস্করণ) এবং {{w|ক্যালরিক তত্ত্ব}} (তাপ একটি পদার্থ) দিয়ে প্রমাণ করেছিলেন, একটি তাপ ইঞ্জিনে ঠান্ডা পরিবেশে তাপ নির্গমন অনিবার্য। এই সূচনা বিন্দু থেকে তিনি এবং অন্যরা তাপ ইঞ্জিনের কর্মদক্ষতা এবং পদার্থের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে কিছু অসাধারণ সিদ্ধান্তে এসেছিলেন... ** মার্টিন গোল্ডস্টেইন, ইঙ্গে এফ গোল্ডস্টেইন, ''দ্য রেফ্রিজারেটর অ্যান্ড দ্য ইউনিভার্স'' (১৯৯৩) পৃ. ১০৫। * কার্নো বিবেচনা করেছিলেন, বাষ্পীয় ইঞ্জিন অন্য একটি [[wiktionary:prime mover#Noun|প্রাইম মুভার]], অনেকটা ওয়াটার হুইলের মতো। এই উপমার পাশাপাশি {{w|ক্যালরিক তত্ত্ব}} (যার ওপর এটি ভিত্তি করে ছিল) কার্নোকে একটি ভুল সিদ্ধান্তে পৌঁছে দেয়। তা হলো, বাষ্পীয় ইঞ্জিন পরিচালনার সময় কোনো তাপ হারায়নি বা যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়নি। তিনি ভেবেছিলেন, উচ্চ তাপমাত্রায় বয়লার দিয়ে ঠিক সেই পরিমাণ তাপই দেওয়া হয় যা নিম্ন তাপমাত্রায় [[w:ঘনীভবন (তাপ স্থানান্তর)|কন্ডেন্সার]] গ্রহণ করে। তবে এই উপমাটি তাকে একটি ফলপ্রসূ ধারণায়ও নিয়ে যায়। সেটি হলো, উৎপাদিত শক্তির পরিমাণ... নীতিগতভাবে বয়লার এবং কন্ডেন্সারের মধ্যকার তাপমাত্রার পার্থক্য এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়া তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে। তাই এটা মনে হয়েছিল যে সাধারণভাবে সমস্ত তাপ ইঞ্জিনের একই দক্ষতা থাকবে যদি তারা একই তাপমাত্রা স্তরের মধ্যে কাজ করে। তিনি এটিকে প্রমাণিত করেন... [[w:তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র#কার্নোর নীতি|কার্নোর নীতি]] বলে, এটি সত্য না হলে {{w|অবিরাম গতি}} সম্ভব হতো। যদি একই তাপমাত্রা স্তরের মধ্যে কাজ করা দুটি নিখুঁত তাপ ইঞ্জিনের একই দক্ষতা না থাকে, তবে বেশি দক্ষ ইঞ্জিনটির পক্ষে... কম দক্ষ ইঞ্জিনটিকে পিছনের দিকে চালানো সম্ভব হবে। যার ফলে নিম্ন তাপমাত্রা থেকে উচ্চ তাপমাত্রায় তাপ পাম্প করা যাবে। এভাবে তাপীয় অবস্থা অপরিবর্তিত রেখেও শক্তির অবিচ্ছিন্ন আধিক্য তৈরি হবে। ** [[w:স্টিফেন ফিনি ম্যাসন|স্টিফেন এফ ম্যাসন]], ''এ হিস্ট্রি অফ দ্য সায়েন্সেস'' (১৯৫৬) * পরবর্তীতে ১৮৩০ সালে কার্নো উপলব্ধি করেছিলেন যে ওয়াটার হুইলের সাথে... তার তুলনাটি সঠিক ছিল না এবং কিছু তাপ যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছিল... এরপর তিনি {{w|ক্যালরিক তত্ত্ব}} পরিত্যাগ করে এই মত গ্রহণ করেন, তাপ ছিল... বস্তুর কণাগুলোর গতি, তাপ এবং যান্ত্রিক শক্তি পরস্পর পরিবর্তনযোগ্য... ১৮৩২ সালে কার্নোর মৃত্যু হয়... এবং তার পরবর্তী মতামত... ১৮৭৮ সালের আগে প্রকাশিত হয়নি। ** স্টিফেন এফ. ম্যাসন, ''এ হিস্ট্রি অফ দ্য সায়েন্সেস'' (১৯৫৬) * নিকোলাস-লিওনার্ড-সাদি কার্নো ছিলেন সম্ভবত এই শতাব্দীর অন্তত ভৌত বিজ্ঞান বিভাগে সবচেয়ে বড় প্রতিভা। ...[[w:রিফ্লেকশনস অন দ্য মোটিভ পাওয়ার অফ ফায়ার|তার একটি ছোট বই]] লেখা হয়েছিল যখন তার বয়স ছিল মাত্র তেইশ বা চব্বিশ; এটি তাকে অমর করে রেখেছে। ** আর. এইচ. থার্স্টন, সাদি কার্নো রচিত ''রিফ্লেকশনস অন দ্য মোটিভ পাওয়ার অফ হিট'' (১৮৯৭)-এ "দ্য ওয়ার্ক অফ সাদি কার্নো"। * কেউ... নিরাপদে ঘোষণা করতে পারে, 'পদার্থবিজ্ঞান... এমন একটি বিষয় হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে যা শক্তির রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করে।' [[হেরাক্লিটাস|হেরাক্লিটোস]] এবং [[এমপেডোক্লেস|এমপেডোক্লেস]]ের দার্শনিক রূপ... পরিবর্তন এবং বিনিময়ের একটি অবিচ্ছিন্ন চক্র... একটি পরিমাণগত ভৌত তত্ত্বে স্ফটিকাকার ধারণ করেছিল। কিন্তু এই... চিত্রটি... ছিল... অসম্পূর্ণ। কারণ... প্রকৃতিতে একটি দ্বিতীয়, সমানভাবে সাধারণ এবং মৌলিক উপাদান ছিল—একটি ''দিকনির্দেশক'' উপাদান। এটি ১৮২০-এর দশকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের মোজার্ট, সাদি কার্নো প্রথম সূত্রবদ্ধ করেছিলেন। ...কার্নো এই প্রশ্ন দিয়ে শুরু করেছিলেন: কোনো ব্যবস্থায় থাকা তাপের কত শতাংশ যান্ত্রিক শক্তি উৎপাদনের উপায় হিসেবে 'উপলভ্য'? ...কার্নো প্রদর্শন করেছিলেন ...একটি একশ-শতাংশ-দক্ষ ইঞ্জিন কেবল তাকে সরবরাহ করা তাপের একটি ভগ্নাংশকে কাজে লাগাতে পারে... একটি 'অতি-দক্ষ' মেশিন যা সরবরাহ করা ''সমস্ত'' তাপকে কাজে লাগাতে পারে, তা (যেমন কার্নোর গণিত প্রমাণ করেছিল) একটি {{w|অবিরাম গতি}} মেশিন হবে... যা সরবরাহ করা শক্তির চেয়ে বেশি শক্তি উৎপন্ন করতে পারে... একটি {{w|বিচ্ছিন্ন ব্যবস্থা|বিচ্ছিন্ন ব্যবস্থায়}}... ভৌত পরিবর্তনগুলো সর্বাধিক [[w:প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া (তাপগতিবিদ্যা)|সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাবর্তী]] হতে পারে; [কিন্তু] স্বাভাবিক ক্ষেত্রে তারা অনুপলব্ধ তাপ তৈরি করে যান্ত্রিক শক্তির প্রগতিশীল... 'অবক্ষয়ের' দিকে নিয়ে যাবে। একে চিহ্নিত করতে... [[রুডলফ ক্লসিয়াস|ক্লসিয়াস]] '{{w|এনট্রপি}}' শব্দটি উদ্ভাবন করেন... কার্নো এবং ক্লসিয়াসের দিকনির্দেশক নীতি (যা [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] অন্তর্দৃষ্টির সুনির্দিষ্ট অভিব্যক্তি দিয়েছিল যে 'গতি অর্জন করার চেয়ে হারানো সহজ, এবং তা ক্রমাগত হ্রাসের দিকে এগোচ্ছে') [[w:তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র|তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্রে]] পরিণত হয়। ** {{w|স্টিফেন টুলমিন}}, {{w|জুন গুডফিল্ড}}, ''দ্য আর্কিটেকচার অফ ম্যাটার'' (১৯৬২) * ১৭৯৩ সালের ১৬ জানুয়ারি, প্যারিসের {{w|জাতীয় সম্মেলন}} {{w|লুই ১৬|ষোড়শ লুইকে}} মৃত্যুদণ্ড দেয়। যারা এই মারাত্মক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাদের মধ্যে ছিলেন... লাজার কার্নো... [যাঁর] মহান ফার্সি কবি সাদি শিরাজির প্রতি অনুরাগ ছিল... কার্নো তাঁর প্রথম ছেলের নাম রাখেন সাদি। সাদি কার্নো এভাবেই কবিতা এবং বিদ্রোহ থেকে জন্মগ্রহণ করেন।<br />একজন যুবক হিসেবে, তিনি সেই বাষ্পীয় ইঞ্জিনগুলোর প্রতি আবেগ গড়ে তোলেন... যা বিশ্বকে বদলে দিতে শুরু করেছিল... ১৮২৪ সালে তিনি লেখেন... "{{w|রিফ্লেকশনস অন দ্য মোটিভ পাওয়ার অফ ফায়ার}}," যেখানে তিনি... এই যন্ত্রগুলোর তাত্ত্বিক ভিত্তি বোঝার চেষ্টা করেন। এই ছোট প্রবন্ধটি ভুল অনুমানে পূর্ণ: তিনি কল্পনা করেন যে তাপ একটি নির্দিষ্ট সত্তা... এমন একটি তরল যা গরম জিনিস থেকে ঠান্ডায় "পড়ে" শক্তি উৎপন্ন করে, ঠিক যেমন... জলপ্রপাত... তবে এতে একটি মূল ধারণা রয়েছে: বাষ্পীয় ইঞ্জিনগুলো কাজ করে... কারণ তাপ গরম থেকে ঠান্ডায় যায়। ** কার্লো রোভেলি, ''দ্য অর্ডার অফ টাইম'' (২০১৮) অধ্যায় ২: লস অফ ডিরেকশন। * বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি দুটি অর্থে অবিচ্ছেদ্য। প্রথমত, মহাবিশ্বের সূত্রগুলোর বোঝাপড়া সবসময় প্রযুক্তিতে ''অন্তর্নিহিত'' থাকে। ([[ফ্রান্সিস বেকন]] বলেছিলেন, "প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে তাকে মেনে চলতে হবে।") দ্বিতীয়ত, কারণ প্রযুক্তির একটি নির্দিষ্ট স্তরের বাইরে, এই বোঝাপড়া স্পষ্ট হতে থাকে। সম্ভবত সবচেয়ে গভীর বৈজ্ঞানিক সত্য হলো তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র, যা সর্বজনীন বিশৃঙ্খলার অমোঘতা লক্ষ্য করে এবং এভাবে... সেই স্রোতকে সংজ্ঞায়িত করে যার বিপরীতে জৈব বিবর্তন এবং সাংস্কৃতিক বিবর্তন উভয়ই সাঁতার কাটে। উনবিংশ শতাব্দীতে ফরাসি সাদি কার্নোর কাছ থেকে দ্বিতীয় সূত্রের প্রথম বিবৃতি আসে, যিনি নিজেকে "বাষ্পীয় ইঞ্জিনের একজন নির্মাতা" হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন, সেই পেশাটিই আসলে তাকে দ্বিতীয় সূত্রের সারাংশ দেখতে পরিচালিত করেছিল। ** [[w:রবার্ট রাইট (সাংবাদিক)|রবার্ট রাইট]], ''{{w|ননজিরো: দ্য লজিক অফ হিউম্যান ডেস্টিনি}}'' (২০০০) পৃ. ১৫৯। === অ্যান অ্যাকাউন্ট অফ কার্নো'স থিওরি অফ দ্য মোটিভ পাওয়ার অফ হিট (১৮৫১) === :<small>[[উইলিয়াম থমসন, ১ম ব্যারন কেলভিন|উইলিয়াম থমসন]] রচিত, ...বাষ্পের ওপর [[w:হেনরি ভিক্টর রেগনাল্ট|রেগনাল্টের]] পরীক্ষা থেকে উদ্ভূত সংখ্যাসূচক ফলাফলসহ, ''প্রসিডিংস অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি অফ এডিনবার্গ'' (১৮৫১) খণ্ড ২, [https://books.google.com/books?id=n9dWAAAAIAAJ&pg=PA198 পৃ. ১৯৮-২০৪।]</small> * পুরো তত্ত্বটি একটি স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে সাধারণভাবে স্বীকৃত নীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যা কার্নো নিম্নলিখিত শর্তাবলীতে প্রকাশ করেছেন:—<br />"আমাদের প্রদর্শনে, আমরা নিভৃতে ধরে নিচ্ছি যে কোনো বস্তু একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর, যদি এটিকে ঘনত্ব, তাপমাত্রা এবং আণবিক গঠনের দিক থেকে হুবহু তার আদিম ভৌত অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়, তবে এতে অবশ্যই সেই একই পরিমাণ তাপ থাকতে হবে যা এটি প্রাথমিকভাবে ধারণ করেছিল; বা অন্যভাবে বলতে গেলে, আমরা মনে করি যে একটি কাজের ফলে বস্তুর হারিয়ে যাওয়া তাপের পরিমাণ, অন্য কাজে শোষিত তাপ দ্বারা নিখুঁতভাবে পূরণ করা হয়। এই সত্যটি নিয়ে কখনও সন্দেহ করা হয়নি; এটি প্রথমে বিনা চিন্তায় স্বীকার করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে [[w:ক্যালরিমেট্রি|ক্যালরিমেট্রিক্যাল]] পরীক্ষার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে যাচাই করা হয়েছিল। এটিকে অস্বীকার করা মানে তাপের পুরো তত্ত্বকে বাতিল করা, যার এটি একটি মৌলিক নীতি। তবে এটি অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে তাপের তত্ত্বটি যে মূল ভিত্তিগুলোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে সেগুলোর খুব সাবধানে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এই তত্ত্বের বর্তমান অবস্থায় বেশ কিছু পরীক্ষামূলক তথ্য প্রায় অব্যাখ্যাত বলে মনে হয়।"<br />কার্নো যখন এভাবে নিজেকে প্রকাশ করেছিলেন, তখন থেকেই তাপের তত্ত্বের সম্পূর্ণ পরীক্ষামূলক ভিত্তির খুব সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করার প্রয়োজনীয়তা আরও বেশি জরুরি হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সেই সমস্ত অনুমান যা এই ধারণার ওপর নির্ভর করে যে তাপ একটি ''পদার্থ'' যা পরিমাণে অপরিবর্তনীয়, অন্য কোনো উপাদানে রূপান্তরযোগ্য নয় এবং কোনো ভৌত সংস্থা দ্বারা ''উৎপন্ন'' হতে অক্ষম... * বিজ্ঞানের বর্তমান অবস্থায়... এমন কোনো কাজ জানা নেই যার মাধ্যমে তাপ তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা সুপ্ত অবস্থায় পরিণত না হয়ে, এবং এর ভৌত অবস্থায় কোনো পরিবর্তন তৈরি না করে কোনো বস্তুতে শোষিত হতে পারে; এবং কার্নো দ্বারা গৃহীত মৌলিক স্বতঃসিদ্ধটি এখনও তাপের চালিকাশক্তি তদন্তের জন্য সবচেয়ে সম্ভাব্য ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে; যদিও এটি এবং এর সাথে তাপের তত্ত্বের প্রতিটি অন্যান্য শাখা শেষ পর্যন্ত অন্য ভিত্তির ওপর পুনর্গঠন করার প্রয়োজন হতে পারে, যখন আমাদের পরীক্ষামূলক তথ্য আরও সম্পূর্ণ হবে। এই বোঝাপড়ায় বর্তমান গবেষণাপত্রের লেখক কার্নোর মৌলিক নীতির উল্লেখ করেছেন, যেন এর সত্যতা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। * যদি আমরা এমন কোনো পরিস্থিতি বিবেচনা করি যেখানে তাপীয় উৎস থেকে যেকোনো পদার্থের বিকল্প সম্প্রসারণ এবং সংকোচনের মাধ্যমে যান্ত্রিক প্রভাব পাওয়া যায় এবং কার্নো নির্দেশিত যুক্তির একটি সম্পূর্ণ কঠোর প্রক্রিয়া অনুসরণ করি, তবে আমরা নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাই...<br />''যে তাপীয় সংস্থার মাধ্যমে যান্ত্রিক প্রভাব পাওয়া যেতে পারে, তা হলো একটি বস্তু থেকে নিম্ন তাপমাত্রায় অন্য বস্তুতে তাপ স্থানান্তর করা।'' * একটি ''নিখুঁত থার্মো-ডায়নামিক ইঞ্জিনের'' মাপকাঠি এভাবে বলা হয়েছে:<br />''একটি নিখুঁত থার্মো-ডায়নামিক ইঞ্জিন এমন হতে হবে যে, কোনো প্রদত্ত তাপীয় সংস্থা থেকে এটি যে পরিমাণ যান্ত্রিক প্রভাব পেতে পারে, যদি সমপরিমাণ প্রভাব একে বিপরীত দিকে চালানোর জন্য ব্যয় করা হয়, তবে একটি সমতুল্য বিপরীত তাপীয় প্রভাব তৈরি হবে।''<br />যেকোনো দুটি নিখুঁত ইঞ্জিন, তাদের নির্মাণ বা নিযুক্ত ভৌত মাধ্যমের ক্ষেত্রে যত ভিন্নই হোক না কেন, প্রদত্ত তাপীয় সংস্থা থেকে একই সমতুল্য যান্ত্রিক প্রভাব পেতে হবে। কার্নো একটি বাষ্পীয় ইঞ্জিন এবং একটি বায়ু-ইঞ্জিনের বর্ণনা দিয়েছেন, যার প্রতিটি উপরে উল্লিখিত মাপকাঠি পূরণ করে (তবে প্রতি ক্ষেত্রেই নির্মাণটি কার্যত অসম্ভব); এবং তিনি দেখান কীভাবে নির্দিষ্ট ভৌত তথ্য দিয়ে, একটি ক্ষেত্রে বাষ্পের সাপেক্ষে এবং অন্য ক্ষেত্রে বায়ু বা কোনো গ্যাসের সাপেক্ষে, প্রদত্ত তাপীয় সংস্থা থেকে প্রাপ্ত যান্ত্রিক প্রভাবের সমতুল্য হিসাব করা যেতে পারে। === ''স্কেচ অফ থার্মোডায়নামিক্স'' (১৮৬৮) === :<small>[[w:পিটার টেইট (পদার্থবিজ্ঞানী)|পিটার গুথ্রি টেইট]], অধ্যায় ১ হিস্টোরিক্যাল স্কেচ অফ দ্য ডায়নামিক্যাল থিওরি অফ হিট, [https://books.google.com/books?id=pb5bAAAAcAAJ উৎস।]</small> * বর্তমান শতাব্দীর একটি উল্লেখযোগ্য সময়ের জন্য, তাপ সম্পর্কে ডেভির আবিষ্কারগুলো অবহেলিত ছিল বা কেবল ঘটনাক্রমে উল্লেখ করা হয়েছিল; কিন্তু এর গুরুত্ব খুব কমই ছিল, কারণ এদের প্রাথমিক গ্রহণ কিছু সময়ের জন্য সেই বিশাল অগ্রগতিগুলোকে পিছিয়ে রাখতে পারত যা পরে উল্লেখ করতে হবে—বিষয়টির তাত্ত্বিক এবং গাণিতিক পদ্ধতিতে বিশাল পদক্ষেপ এবং অনেকাংশে তাপের প্রকৃতির স্বাধীন। এগুলো [[জোসেফ ফুরিয়ার|ফুরিয়ার]] এবং সাদি কার্নোর অবদান এবং এটি বলা যেতে পারে যে তাদের অসাধারণ কাজের কারণেই তাপের প্রকৃত তত্ত্ব... এত দ্রুত তার বর্তমান বিশাল রূপ লাভ করেছে। ...ফুরিয়ারের পদ্ধতিগত গ্রন্থের রূপ এবং উদ্দেশ্যের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন হলো সাদি কার্নোর গভীর এবং মূল্যবান প্রবন্ধ, ''রিফ্লেকশনস সুর লা পুয়াসান্স মোট্রিস ডু ফিউ'', যা ১৮২৪ সালে প্রকাশিত হয়। লেখক নির্ধারণ করার চেষ্টা করেছেন ''কীভাবে'' তাপ যান্ত্রিক প্রভাব তৈরি করে... * আমাদের অবশ্যই কার্নোর যুক্তির অদ্ভুত যোগ্যতা লক্ষ্য করতে হবে, যা এই ধারণায় গঠিত যে কোনো বস্তুকে তার আদিম অবস্থায় ফিরিয়ে আনা, যেমন তাপমাত্রা, ঘনত্ব এবং আণবিক অবস্থার ক্ষেত্রে, অপারেশনের একটি চক্রের পরে, এটি কতটা তাপ ধারণ করে সে সম্পর্কে কোনো বিবৃতি দেওয়ার আগে। * কার্নোর দৃষ্টিকোণ থেকে, এটি স্পষ্ট যে তাপের চালিকাশক্তি নির্ভর করে এর এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে স্থানান্তরিত হওয়ার ওপর, সেই মাধ্যমের ''মাধ্যমে'' যার আয়তন বা আকার পরিবর্তনের মাধ্যমে বাহ্যিক যান্ত্রিক প্রভাব তৈরি হয়, কারণ এই মাধ্যমটি অপারেশনের শেষে ঠিক সেই অবস্থায় থাকে যা শুরুতে ছিল। তিনি এর উপমা হিসেবে উচ্চ থেকে নিম্ন স্তরে পড়া পানি থেকে প্রাপ্ত কাজের কথা বলেন। * কার্নোর যুক্তি... এটি দেখায় যে সিলিন্ডারে পিস্টনের আরোহণের সময়, বাহ্যিক শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য পিস্টনকে নামাতে এবং এর প্রথম অবস্থানে ফিরিয়ে আনার জন্য যে কাজ করা প্রয়োজন তার চেয়ে ''বেশি'' কাজ করা হয়। এবং কার্নোর স্বতঃসিদ্ধটি যাতে কঠোরতার সাথে, তবু সরলতার সাথে প্রয়োগ করা যায়, সে জন্য বাস্তব ইঞ্জিনের চেয়ে একটি অনুমানমূলক ইঞ্জিন বিবেচনা করা ভালো। * এটি কেবল সাধারণ ন্যায়বিচার... এটি স্বীকার করা যে কার্নো নিজে [[w:ক্যালরিক তত্ত্ব|ক্যালরিক অনুমানের]] ব্যাপারে মোটেও সন্তুষ্ট ছিলেন না এবং তিনি ইশারা করেন... এর সঠিকতা সম্পর্কে নিছক সন্দেহের চেয়েও বেশি কিছু। * যদি আমরা... অপারেশনের চক্রটি সাবধানে পরীক্ষা করি তবে আমরা সহজেই দেখতে পাব যে এগুলো ''[[w:প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া (তাপগতিবিদ্যা)|প্রত্যাবর্তী]], অর্থাৎ'', বিপরীত ক্রমে একই অপারেশন সম্পাদন করে ক্যালরিকের প্রদত্ত পরিমাণ ফিরে পাওয়ার... জন্য প্রয়োজন যে আমরা পিস্টনের ওপর সামগ্রিকভাবে ততটা কাজ ব্যয় করি যতটা সরাসরি অপারেশনের সময় অর্জিত হয়েছিল। এই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধারণাটি কার্নোর অবদান, এবং এখান থেকেই তিনি একটি ''নিখুঁত'' ইঞ্জিনের পরীক্ষা বের করেন, বা এমন একটি ইঞ্জিন যা এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে (প্রত্যেকটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায়) ক্যালরিকের প্রদত্ত পরিমাণ স্থানান্তরের মাধ্যমে সর্বাধিক সম্ভাব্য পরিমাণ কাজ দেয়। আর পরীক্ষাটি হলো কেবল এই যে ''অপারেশনের চক্রটি অবশ্যই প্রত্যাবর্তী হতে হবে''। * কার্নো প্রমাণ করেছিলেন... যে একটি নিখুঁত (অর্থাৎ, একটি প্রত্যাবর্তী) ইঞ্জিন দ্বারা সম্পন্ন কাজের অনুপাত এবং উৎস থেকে নেওয়া তাপের অনুপাত কেবল উৎস এবং কন্ডেন্সারের তাপমাত্রার একটি কাজ। যখন এই তাপমাত্রা প্রায় সমান হয়, তখন এই ফাংশনকে বলা হয় ''কার্নোর ফাংশন''।<br />[[উইলিয়াম থমসন, ১ম ব্যারন কেলভিন|ডব্লিউ. থমসন]], ১৮৪৮ সালের শুরুর দিকেই এই অসাধারণ প্রস্তাবটি গ্রহণ করেছিলেন এবং একে একটি ''পরম'' [[w:কেলভিন|থার্মোমেট্রিক]] স্কেলের প্রাথমিক পরামর্শের ভিত্তি বানিয়েছিলেন; পরম এই অর্থে যে এটি কঠোর তাপগতিবিদ্যার নীতিগুলোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের বৈশিষ্ট্যের ওপর সম্পূর্ণ স্বাধীন। * ১৮৩৪ সালে [[w:বেনোয়া পল এমিল ক্ল্যাপিরন|ক্ল্যাপিরন]] কার্নোর যুক্তির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং [[জেমস ওয়াট|ওয়াটের]] [[w:চাপ–আয়তন চিত্র#ইতিহাস|শক্তির চিত্রকে]] বস্তুর আয়তন বা আণবিক অবস্থায় অস্থায়ী পরিবর্তনের মাধ্যমে তাপ থেকে কাজ পাওয়ার প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত বিভিন্ন পরিমাণের জ্যামিতিক প্রদর্শনে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করেন। তিনি প্রথম কার্নোর প্রক্রিয়াগুলোর একটি বিশ্লেষণাত্মক রূপে উপস্থাপনাও দিয়েছিলেন। কিন্তু কার্নোর গ্রন্থ প্রকাশের পর প্রায় বিশ বছর ধরে তাপের ''তত্ত্ব'' সম্পর্কে খুব কমই কাজ হয়েছে বলে মনে হয়। === ''দ্য সেকেন্ড ল অফ থার্মোডায়নামিক্স: মেমোয়ার্স'' (১৮৯৯) === :<small>ভূমিকা, লিখেছেন {{w|উইলিয়াম ফ্রান্সিস ম্যাগি}}, কার্নো, [[রুডলফ ক্লসিয়াস|ক্লসিয়াস]] এবং [[উইলিয়াম থমসন, ১ম ব্যারন কেলভিন|থমসনের]] এই স্মৃতিচারণগুলোর সম্পাদক এবং অনুবাদক; [https://books.google.com/books?id=2sg4AQAAMAAJ উৎস।]</small> * [[জেমস ওয়াট]] কর্তৃক বর্তমান রূপে বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারের পর, প্রকৌশলী এবং বিজ্ঞানীদের মনোযোগ এ্রটি আরও উন্নতির সমস্যার দিকে পরিচালিত হয়েছিল। এই লক্ষ্যে, তরুণ সাদি কার্নো ১৮২৪ সালে ''রিফ্লেকশনস সুর লা পুয়াসান্স মোট্রিস ডু ফিউ'' প্রকাশ করেন... কার্নো তাপ এবং একটি আদর্শ ইঞ্জিনে ব্যবহৃত তাপ দ্বারা সম্পন্ন কাজের মধ্যে সম্পর্ক পরীক্ষা করেন এবং সমস্যাটিকে এর সবচেয়ে সহজ আকারে কমিয়ে এনে... এমন শর্তগুলো প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যার ওপর সমস্ত [[w:তাপ ইঞ্জিন|তাপ ইঞ্জিনের]] অর্থনৈতিক কাজ নির্ভর করে। ...যদিও প্রমাণটি অবৈধ ছিল, প্রস্তাবনাটি সত্যই রয়ে গিয়েছিল এবং এর সাথে কেবল তার ওপর ভিত্তি করে কার্নোর সিদ্ধান্তগুলোর সত্যতাও বহন করেছিল। * কার্নোর স্মৃতিচারণ দীর্ঘকাল ধরে প্রশংসিত হয়নি, এবং ১৮৪৮ সালে [[উইলিয়াম থমসন]] (বর্তমানে লর্ড কেলভিন) তাপমাত্রার একটি পরম স্কেল প্রতিষ্ঠা করতে এটি ব্যবহার করার আগ পর্যন্ত এতে প্রস্তাবিত পদ্ধতির যোগ্যতা স্বীকৃত হয়নি। * <nowiki>[</nowiki>[[উইলিয়াম থমসন|থমসন]]] দেখতে পান, কার্নোর প্রস্তাবনাকে আর "অবিরাম গতি"র সম্ভাবনা অস্বীকার করে প্রমাণ করা যাবে না, এবং প্রদর্শনে কাজ করার জন্য একটি দ্বিতীয় মৌলিক নীতি নির্ধারণ করতে পরিচালিত হন। এই নীতিটি [মার্চ, ১৮৫১ সালে থমসনের স্মৃতিকথায় প্রকাশিত] বর্তমানে [[w:তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র|তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র]] নামে পরিচিত। * [১৮৫০ সালে]... ক্লসিয়াস... কার্নোর প্রস্তাবনার প্রদর্শনে ব্যবহারের জন্য একটি নীতি নির্ধারণ করেন, যা থমসনের মতো আকারে এক না হলেও বিষয়বস্তুর দিক থেকে একই। এটি [[w:তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র|তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্রের]] আরেকটি বিবৃতি হিসেবে গণ্য হয়। ক্লসিয়াস অন্যান্য কাগজপত্রের মাধ্যমে এই গবেষণাপত্রটি অনুসরণ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে একটি বই প্রকাশ করেছিলেন যেখানে [[তাপগতিবিদ্যা|তাপগতিবিদ্যার]] বিষয়টি একটি পদ্ধতিগত উপায়ে আলোচনা করা হয়েছিল এবং যেখানে তিনি {{w|এনট্রপি}} নামে পরিচিত গুরুত্বপূর্ণ ফাংশনটি প্রবর্তন ও বিকাশ করেছিলেন। * এই তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তির শ্রম দ্বারা প্রতিষ্ঠিত তাপগতিবিদ্যার বিজ্ঞান ভৌত বিজ্ঞানের সমস্ত বিভাগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিকাশের দিকে পরিচালিত করেছে। এটি বস্তুর বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে এমন সম্পর্কের দিকে নির্দেশ করেছে যা অন্য কোনো উপায়ে খুব কমই অনুমান করা যেত; এটি [[w:রাসায়নিক পদার্থবিদ্যা|রাসায়নিক পদার্থবিজ্ঞানের]] বিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেছে; এবং [[জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল|ম্যাক্সওয়েল]] এবং বোল্টজম্যানের বিকশিত গ্যাসের গতিতত্ত্বের সাথে সংযোগে নেওয়া হলে এটি মহাবিশ্বের ক্রিয়াকলাপের একটি সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করেছে। এটি বিশুদ্ধভাবে গতিশীল যুক্তি দ্বারা পৌঁছানো যেত এমন যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক উন্নত। == আরও দেখুন == * [[তাপগতিবিদ্যা]] == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} * [http://www-history.mcs.st-andrews.ac.uk/Biographies/Carnot_Sadi.html সাদি নিকোলাস লিওনার্ড কার্নো] @ম্যাকটিউটর হিস্ট্রি অফ ম্যাথমেটিক্স আর্কাইভ {{DEFAULTSORT:কার্নো, সাদি}} [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের প্রকৌশলী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ডিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:১৭৯৬-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৩২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:প্যারিসের ব্যক্তি]] 8h1wv1izp7rvpkieqhwd9zlq4kjmdz3 মারে গেল-মান 0 13709 81655 81479 2026-04-27T14:57:22Z Dr. Mosaddek Khondoker 2987 81655 wikitext text/x-wiki [[File:MurrayGellMannJI1.jpg|thumb|২০০৭ সালে মারে গেল-মান]] [[File:Murray_Gell-Mann.jpg|thumb|আমি যদি অন্যদের চেয়ে বেশি দূর দেখতে পাই, তার কারণ হলো আমি বামনদের দ্বারা পরিবেষ্টিত।]] '''[[w:মারে গেল-মান|মারে গেল-মান]]''' (১৫ সেপ্টেম্বর ১৯২৯ – ২৪ মে ২০১৯) ছিলেন একজন আমেরিকান [[w:তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী|তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী]]। [[w:কণা পদার্থবিজ্ঞান|মৌলিক কণাগুলোর]] তত্ত্বের বিকাশে তিনি একটি অসামান্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। এর জন্য তিনি ১৯৬৯ সালে [[w:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] পান। গেল-মান দৃঢ়ভাবে যোগাযোগকারী কণাগুলোর মৌলিক নির্মাণ উপাদান হিসেবে [[w:কোয়ার্ক|কোয়ার্কের]] ধারণা এবং কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্ব ও পরিসংখ্যানগত বলবিদ্যার একটি মৌলিক উপাদান হিসেবে [[w:রিনর্মালাইজেশন গ্রুপ|রিনর্মালাইজেশন গ্রুপের]] ধারণা প্রবর্তন করেন। তিনি দুর্বল মিথস্ক্রিয়াগুলোর তত্ত্বে কাইরালিটির ধারণা এবং সবল মিথস্ক্রিয়াগুলোতে স্বতঃস্ফূর্ত [[w:কাইরাল প্রতিসাম্য ভাঙন|কাইরাল প্রতিসাম্য ভাঙনের]] ধারণা বিকাশে মূল ভূমিকা পালন করেছেন। এটি হালকা [[w:মেসন|মেসনগুলোর]] পদার্থবিজ্ঞান নিয়ন্ত্রণ করে। ১৯৭০-এর দশকে তিনি কোয়ান্টাম ক্রোমোডায়নামিক্সের (কিউসিডি) একজন সহ-উদ্ভাবক ছিলেন। এটি মেসন এবং [[w:ব্যারিওন|ব্যারিওনগুলোতে]] কোয়ার্কের আবদ্ধতা ব্যাখ্যা করে এবং মৌলিক কণা ও শক্তির প্রমিত মডেলের একটি বড় অংশ তৈরি করে। == উক্তি == [[File:Murray Gell-Mann - World Economic Forum Annual Meeting 2012.jpg|thumb|যেখানে বাস্তবে কোনো সমস্যা নেই, সেখানে অহেতুক রহস্যময়তার অবতারণা করার কোনো মানে নেই।]] [[File:Murray-gell-mann.jpg|thumb|অতিরিক্ত কিছু পাওয়ার জন্য আপনার অতিরিক্ত কিছুর প্রয়োজন নেই। ইমার্জেন্স বা উদ্ভব বলতে এটাই বোঝায়।]] * সম্ভবত আমরা পর্যবেক্ষণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এমন একটি মার্জিত মডেল খুঁজে পাব, যা কোয়ার্কের খালি ভরের প্যাটার্নের পাশাপাশি লেপটন ভরের প্যাটার্নও প্রদান করে এবং এমনকি হ্যাড্রন ও লেপটনকে সম্পর্কিত করে। এটি <u>আমাদের</u> স্বপ্ন; আমাদের স্পর্শ করুন! ** {{cite web|title=জেনারেল স্ট্যাটাস: সামারি অ্যান্ড আউটলুক|pages=৩৩৩–৩৫৫|website=সিইআরএন, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড|year=১৯৮৩|url=https://s3.cern.ch/inspire-prod-files-f/f5e8c99f83a61681ed7f3799f2ebc46a}} (উদ্ধৃতি পৃ. ৩৩৬ থেকে) * '''আজ [[মানুষ|মানব]] জাতিকে নিজের এবং জীবজগতের বাকি অংশের সাথে যুক্ত করা সম্পর্কগুলোর জাল এতটা জটিল যে এর সমস্ত দিক অস্বাভাবিক মাত্রায় অন্য সকলকে প্রভাবিত করে।''' কারো উচিত পুরো সিস্টেমটি অধ্যয়ন করা, তা যতই অমার্জিতভাবে করা হোক না কেন, কারণ '''একটি জটিল অ-রৈখিক সিস্টেমের আংশিক অধ্যয়নের কোনো জোড়াতালিই পুরোটির আচরণ সম্পর্কে ভালো ধারণা দিতে পারে না।''' ** মারে গেল-মান [http://www.newciv.org/ISSS_Primer/seminar.html আইএসএসএস দ্য প্রাইমার প্রজেক্ট] ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর দ্য সিস্টেমস সায়েন্সেস (আইএসএসএস) সেমিনার (১২ অক্টোবর - ১০ নভেম্বর ১৯৯৭)। * আমি নিজেকে হত্যা করার কথা ভেবেছিলাম কিন্তু দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে '''আমি সবসময় এমআইটি-তে চেষ্টা করতে পারি এবং যদি তা এতটা খারাপ হয় তবে পরে নিজেকে হত্যা করতে পারি। কিন্তু আমি [[আত্মহত্যা]] করে পরে এমআইটি-তে চেষ্টা করতে পারব না।''' আত্মহত্যা এবং এমআইটিতে যাওয়া, এই দুটি কাজ স্থানবিনিময়যোগ্য নয়... ** [http://www.edge.org/3rd_culture/gell-mann03/gell-mann_print.html ''এজ.অর্গে'' "দ্য মেকিং অফ এ ফিজিসিস্ট : এ টক উইথ মারে গেল-মান" (২০০৩)]। * পারমাণবিক স্তরে জিনিসগুলো কিছুটা নোংরা হয়ে যায় এর মানে এই নয় যে সমস্ত বাজি বাতিল হয়ে গেছে। ** পেন জিলেট কর্তৃক মারে গেল-মানের ওপর আরোপিত, [http://penn.freefm.com/episode_download.php?contentType=36&contentId=364451 পেন রেডিও (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৭)]। * তিনটি নীতি—নিজের সাথে [[প্রকৃতি|প্রকৃতির]] সামঞ্জস্য, [[সরলতা|সরলতার]] মাপকাঠির প্রয়োগ এবং শারীরিক বাস্তবতা বর্ণনায় [[গণিত|গণিতের]] নির্দিষ্ট অংশের "অযৌক্তিক কার্যকারিতা"—এভাবে মৌলিক কণা এবং তাদের মিথস্ক্রিয়াগুলোর অন্তর্নিহিত [[আইন|আইনের]] ফলাফল। এই তিনটি নীতিকে আলাদা পরাভৌতিক স্বীকার্য হিসেবে ধরে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং এগুলো [[পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিজ্ঞানের]] মৌলিক আইনগুলোর উদ্ভূত বৈশিষ্ট্য। ** [http://ted.com/index.php/talks/murray_gell_mann_on_beauty_and_truth_in_physics.html পদার্থবিজ্ঞানে সৌন্দর্য এবং সত্য নিয়ে টেড টক —ভিডিও টাইমকোড ১৪মি২৮সে (মার্চ ২০০৭)]। * '''অতিরিক্ত কিছু পাওয়ার জন্য আপনার অতিরিক্ত কিছুর প্রয়োজন নেই। ইমার্জেন্স বা উদ্ভব বলতে এটাই বোঝায়।''' পদার্থবিজ্ঞান এবং [[রসায়ন]] সহ অনেক দুর্ঘটনার মাধ্যমে [[জীবন]] উদ্ভূত হতে পারে। নিউরোবায়োলজি এবং অনেক দুর্ঘটনা থেকে মানুষের [[মন|মনোভাব]] উদ্ভূত হতে পারে, ঠিক যেভাবে পদার্থবিজ্ঞান এবং কিছু নির্দিষ্ট দুর্ঘটনা থেকে রাসায়নিক বন্ধন উদ্ভূত হয়। আরও মৌলিক বিষয় এবং দুর্ঘটনাগুলো থেকে এগুলো উদ্ভূত হয়েছে জানলে এই বিষয়গুলোর গুরুত্ব কমে যায় না। ** [http://ted.com/index.php/talks/murray_gell_mann_on_beauty_and_truth_in_physics.html পদার্থবিজ্ঞানে সৌন্দর্য এবং সত্য নিয়ে টেড টক — ভিডিও টিসি ১৪মি৪৮সে (মার্চ ২০০৭)]। * '''আমি যদি অন্যদের চেয়ে বেশি দূর দেখতে পাই, তার কারণ হলো আমি বামনদের দ্বারা পরিবেষ্টিত।''' ** [http://www.newscientist.com/article/dn17771-wilson-vs-watson-the-blessing-of-great-enemies.html ''নিউ সায়েন্টিস্টে''আমান্ডা গেফটারের "উইলসন বনাম ওয়াটসন: দ্য ব্লেসিং অফ গ্রেট এনিমিস" (১০ সেপ্টেম্বর ২০০৯)]-এ উদ্ধৃত; এটি [[আইজ্যাক নিউটন|আইজ্যাক নিউটনের]] বিখ্যাত উক্তির ওপর ভিত্তি করে একটি নাটক: "আমি যদি আরও দূর দেখতে পাই তবে তা কেবল দৈত্যদের কাঁধে দাঁড়ানোর কারণে।" * '''নিলস বোর পদার্থবিজ্ঞানীদের একটি পুরো প্রজন্মকে মগজ ধোলাই করে বিশ্বাস করিয়েছিলেন যে পঞ্চাশ বছর আগেই সমস্যাটির সমাধান হয়ে গেছে''' [কোপেনহেগেন ব্যাখ্যার ওপর গেল-মানের মন্তব্য] ** ''দ্য নেচার অফ দ্য ফিজিক্যাল ইউনিভার্স, দ্য ১৯৭৬ নোবেল কনফারেন্সে'', (১৯৭৯, পৃ. ২৯) === ''দ্য কোয়ার্ক অ্যান্ড দ্য জাগুয়ার'' (১৯৯৪) === * '''যেখানে [[কোয়ান্টাম বলবিদ্যা]] সম্পর্কে অনেক প্রশ্ন এখনও পুরোপুরি সমাধান হয়নি, সেখানে বাস্তবে কোনো সমস্যা না থাকলে অহেতুক রহস্যময়তার অবতারণা করার কোনো মানে নেই।''' তবুও কোয়ান্টাম বলবিদ্যা সম্পর্কে সাম্প্রতিক অনেক লেখায় ঠিক সেটাই করা হয়েছে। ** অধ্যায় ১২ : কোয়ান্টাম মেকানিক্স অ্যান্ড ফ্ল্যাপডুডল, পৃ. ১৬৭। * '''ছড়িয়ে দেওয়া প্রধান বিকৃতিটি হলো... এই অন্তর্নিহিত অর্থ, বা এমনকি প্রকাশ্য দাবি যে <nowiki>[</nowiki>[[w:ডেভিড বোহম#ইপিআর প্যারাডক্সের বোহম এবং অ্যারনভ রূপ|ইপিআরবি]]<nowiki>]</nowiki> ফোটনগুলোর একটির মেরুকরণ (বৃত্তাকার বা সমতল) পরিমাপ করা হলে তা কোনোভাবে অন্য ফোটনকে প্রভাবিত করে। প্রকৃতপক্ষে, পরিমাপ কোনো ভৌত প্রভাবকে এক ফোটন থেকে অন্য ফোটনে প্রসারিত করে না।''' ...যদি ইতিহাসের এক শাখায় একটি ফোটনের সমতল মেরুকরণ পরিমাপ করা হয় এবং এর মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে নির্দিষ্ট করা হয়, তবে ইতিহাসের একই শাখায় অন্য ফোটনের বৃত্তাকার মেরুকরণও নিশ্চিতভাবে নির্দিষ্ট করা হয়। ইতিহাসের ভিন্ন একটি শাখায় ফোটনগুলোর একটির বৃত্তাকার মেরুকরণ পরিমাপ করা যেতে পারে, এক্ষেত্রে উভয় ফোটনের বৃত্তাকার মেরুকরণ নিশ্চিতভাবে নির্দিষ্ট করা হয়। প্রতিটি শাখায় পরিস্থিতি জন বেল বর্ণিত [[w:রেইনহোল্ড বার্টলম্যান|বার্টলম্যানের]] মোজার মতো... বার্টলম্যান... সবসময় একটি গোলাপি এবং একটি সবুজ মোজা পরেন। আপনি যদি কেবল একটি দেখতে পান... আপনি সাথে সাথে অন্যটি সম্পর্কে জেনে যান... অথচ কোনো সংকেত প্রচারিত হয় না... একইভাবে কোয়ান্টাম বলবিদ্যা নিশ্চিতকারী পরীক্ষায় এক ফোটন থেকে অন্য ফোটনে কোনো সংকেত যায় না। দূর থেকে কোনো পদক্ষেপ ঘটে না। ** অধ্যায় ১২ : কোয়ান্টাম মেকানিক্স অ্যান্ড ফ্ল্যাপডুডল, পৃ. ১৭২। * '''একটি ফোটন পরিমাপ করা হলে তা সাথে সাথে অন্যটিকে প্রভাবিত করে—এমন মিথ্যা প্রতিবেদন সব ধরনের দুর্ভাগ্যজনক সিদ্ধান্তের দিকে নিয়ে যায়।''' ...কথিত প্রভাব... আপেক্ষিকতা তত্ত্বের এই প্রয়োজনীয়তা লঙ্ঘন করবে যে আলোর গতির চেয়ে দ্রুত কোনো সংকেত... ভ্রমণ করতে পারে না। যদি এটি তা করে, তবে কিছু গতির অবস্থায় পর্যবেক্ষকদের কাছে মনে হবে যে সংকেতটি সময়ের পিছনের দিকে ভ্রমণ করছে। ** অধ্যায় ১২ : কোয়ান্টাম মেকানিক্স অ্যান্ড ফ্ল্যাপডুডল, পৃ. ১৭২-১৭৩ ''দেখুন'' ইপিআর প্যারাডক্স। == গেল-মান সম্পর্কে উক্তি == * আমি সবেমাত্র বসেছিলাম যখন তিনি আমাকে বলতে শুরু করেছিলেন... যে বিজ্ঞান লেখকরা "অজ্ঞ" এবং "ভয়ানক জাত" যারা সর্বদা ভুল করে: কেবল বিজ্ঞানীরাই জনগণের কাছে তাদের কাজ উপস্থাপন করার জন্য সত্যিই যোগ্য। সময়ের সাথে সাথে আমি কম বিরক্ত বোধ করেছি, কারণ এটি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে গেল-মান তার বেশিরভাগ বৈজ্ঞানিক সহকর্মীকেও অবজ্ঞার চোখে দেখতেন। ** জন হোরগান, ''দ্য এন্ড অফ সায়েন্স'' (১৯৯৬) পৃ. ২১২ * গেল-মানকে এত অসহ্য করে তোলার অন্যতম কারণ হলো তিনি প্রায় সবসময় সঠিক। ** জন হোরগান, ''দ্য এন্ড অফ সায়েন্স'' (১৯৯৬) পৃ. ২১৫ * সংক্ষেপে বলতে গেলে গেল-মান অ্যামনেসিয়া প্রভাব নিম্নলিখিতভাবে কাজ করে। আপনি কোনো বিষয়ে একটি নিবন্ধ পড়ার জন্য সংবাদপত্র খোলেন যা আপনি ভালোভাবে জানেন। মারের ক্ষেত্রে এটি পদার্থবিজ্ঞান। আমার ক্ষেত্রে শো বিজনেস। আপনি নিবন্ধটি পড়েন এবং দেখেন সাংবাদিকের তথ্য বা সমস্যা সম্পর্কে একেবারেই কোনো ধারণা নেই। প্রায়শই নিবন্ধটি এত ভুল থাকে যে এটি আসলেই পিছন দিকে গল্পটি উপস্থাপন করে—কারণ এবং প্রভাবকে বিপরীত করে। আমি এগুলোকে “ভেজা রাস্তা বৃষ্টির কারণ” গল্প বলি। সংবাদপত্র এগুলোতে পূর্ণ থাকে। যাই হোক, আপনি গল্পের একাধিক ভুল নিয়ে বিরক্তি বা বিনোদনের সাথে পড়েন—এবং তারপরে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয়ে পৃষ্ঠা উল্টান এবং নতুন আগ্রহের সাথে পড়তে থাকেন যেন সংবাদপত্রের বাকি অংশ দূরবর্তী ফিলিস্তিনের বিষয়ে আপনি যে গল্পটি এইমাত্র পড়েছেন তার চেয়ে কোনোভাবে বেশি নির্ভুল। আপনি পৃষ্ঠা উল্টান এবং যা জানেন তা ভুলে যান। ** মাইকেল ক্রিচটন, ''হোয়াই স্পেকুলেট'' (২৬ এপ্রিল ২০০২) {{disputed begin}} == বিতর্কিত == * [[রিচার্ড ফাইনম্যান|ফাইনম্যান]] [সমস্যা-সমাধান] অ্যালগরিদম: <br> &nbsp; (১) সমস্যাটি লিখুন। <br> &nbsp; (২) খুব গভীরভাবে চিন্তা করুন। <br> &nbsp; (৩) সমাধানটি লিখুন। ** রূপান্তর: ডিকের পদ্ধতিটি হলো এই। আপনি সমস্যাটি লেখেন। আপনি খুব গভীরভাবে চিন্তা করেন। ... তারপর আপনি উত্তরটি লেখেন। ([[w:সিডনি কোলম্যান|সিডনি কোলম্যানের]] সাথে একটি সাক্ষাৎকার থেকে, [[w:জেমস গ্লীক|জেমস গ্লীক]] দ্বারা ''জিনিয়াস: দ্য লাইফ অ্যান্ড সায়েন্স অফ রিচার্ড ফাইনম্যান'' (১৯৯২), পৃ. ৩১৫-এ প্রতিবেদন করা হয়েছে।) ** [[রিচার্ড ফাইনম্যান|রিচার্ড ফাইনম্যানের]] প্রতিভা সম্পর্কে একটি মন্তব্য, [http://wiki.c2.com/?FeynmanAlgorithm যা প্রায়ই গেল-মানের ওপর আরোপিত হয়], কিন্তু এখনও কোনো নির্দিষ্ট উদ্ধৃতি পাওয়া যায়নি। {{disputed end}} {{Misattributed begin}} == ভুলভাবে আরোপিত == * যা নিষিদ্ধ নয় তা বাধ্যতামূলক। ** এটি কোয়ান্টাম বিজ্ঞানীদের মধ্যে একটি সাধারণ বাক্যাংশে পরিণত হয়েছে এবং প্রায়শই গেল-মানের ওপর আরোপ করা হয়, তবে মূল উৎসের কোনো উদ্ধৃতি এখনও পাওয়া যায়নি; মনে হচ্ছে এটি [[টি এইচ হোয়াইট]] রচিত ''[[দ্য ওয়ানস অ্যান্ড ফিউচার কিং|ওয়ানস অ্যান্ড ফিউচার কিংয়ের]]'' প্রথম অংশ ''[[w:দ্য সোর্ড ইন দ্য স্টোন|দ্য সোর্ড ইন দ্য স্টোন]]'' (১৯৩৮)-এর পিঁপড়ার কলোনিতে করা দাবি থেকে উদ্ভূত হয়েছে: যা নিষিদ্ধ নয় তার সবকিছুই বাধ্যতামূলক। {{Misattributed end}} == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} *[http://www.osti.gov/accomplishments/gellmann.html বায়োগ্রাফি অ্যান্ড বিলিওগ্রাফিক রিসোর্সেস], শক্তি বিভাগ, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত তথ্য অফিস থেকে *[http://www.santafe.edu/~mgm/ এসএফআই-তে গেল-মানের হোম পেজ] *[http://www.ted.com/talks/view/id/194 টেড টকস: টেডে পদার্থবিজ্ঞানে সৌন্দর্য এবং সত্য নিয়ে মারে গেল-মান (২০০৭)] *[http://www.ted.com/talks/view/id/276 টেড টকস: টেডে ভাষার পূর্বপুরুষ নিয়ে মারে গেল-মান (২০০৭)] *[http://www.achievement.org/autodoc/page/gel0int-1 অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্টের সাথে মারে গেল-মানের ভিডিও সাক্ষাৎকার (১৯৯০)] *[http://www.guardian.co.uk/science/video/2010/oct/22/murray-gell-mann-quarks কোয়ার্ক নিয়ে মারে গেল-মানের কথা (ভিডিও)] *[http://www.genealogy.ams.org/id.php?id=22479 গণিত বংশলতিকা প্রোফাইল] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১৯-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:সিস্টেম বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের অজ্ঞেয়বাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:সংশয়বাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] h61ko5bc4ndl73fycah56mu3rjn6vzn 81658 81655 2026-04-27T14:58:48Z Dr. Mosaddek Khondoker 2987 81658 wikitext text/x-wiki [[File:MurrayGellMannJI1.jpg|thumb|২০০৭ সালে মারে গেল-মান]] [[File:Murray_Gell-Mann.jpg|thumb|আমি যদি অন্যদের চেয়ে বেশি দূর দেখতে পাই, তার কারণ হলো আমি বামনদের দ্বারা পরিবেষ্টিত।]] '''[[w:মারে গেল-মান|মারে গেল-মান]]''' (১৫ সেপ্টেম্বর ১৯২৯ – ২৪ মে ২০১৯) ছিলেন একজন আমেরিকান [[w:তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী|তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী]]। [[w:কণা পদার্থবিজ্ঞান|মৌলিক কণাগুলোর]] তত্ত্বের বিকাশে তিনি একটি অসামান্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। এর জন্য তিনি ১৯৬৯ সালে [[w:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] পান। গেল-মান দৃঢ়ভাবে যোগাযোগকারী কণাগুলোর মৌলিক নির্মাণ উপাদান হিসেবে [[w:কোয়ার্ক|কোয়ার্কের]] ধারণা এবং কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্ব ও পরিসংখ্যানগত বলবিদ্যার একটি মৌলিক উপাদান হিসেবে [[w:রিনর্মালাইজেশন গ্রুপ|রিনর্মালাইজেশন গ্রুপের]] ধারণা প্রবর্তন করেন। তিনি দুর্বল মিথস্ক্রিয়াগুলোর তত্ত্বে কাইরালিটির ধারণা এবং সবল মিথস্ক্রিয়াগুলোতে স্বতঃস্ফূর্ত [[w:কাইরাল প্রতিসাম্য ভাঙন|কাইরাল প্রতিসাম্য ভাঙনের]] ধারণা বিকাশে মূল ভূমিকা পালন করেছেন। এটি হালকা [[w:মেসন|মেসনগুলোর]] পদার্থবিজ্ঞান নিয়ন্ত্রণ করে। ১৯৭০-এর দশকে তিনি কোয়ান্টাম ক্রোমোডায়নামিক্সের (কিউসিডি) একজন সহ-উদ্ভাবক ছিলেন। এটি মেসন এবং [[w:ব্যারিওন|ব্যারিওনগুলোতে]] কোয়ার্কের আবদ্ধতা ব্যাখ্যা করে এবং মৌলিক কণা ও শক্তির প্রমিত মডেলের একটি বড় অংশ তৈরি করে। == উক্তি == [[File:Murray Gell-Mann - World Economic Forum Annual Meeting 2012.jpg|thumb|যেখানে বাস্তবে কোনো সমস্যা নেই, সেখানে অহেতুক রহস্যময়তার অবতারণা করার কোনো মানে নেই।]] [[File:Murray-gell-mann.jpg|thumb|অতিরিক্ত কিছু পাওয়ার জন্য আপনার অতিরিক্ত কিছুর প্রয়োজন নেই। ইমার্জেন্স বা উদ্ভব বলতে এটাই বোঝায়।]] * সম্ভবত আমরা পর্যবেক্ষণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এমন একটি মার্জিত মডেল খুঁজে পাব, যা কোয়ার্কের খালি ভরের প্যাটার্নের পাশাপাশি লেপটন ভরের প্যাটার্নও প্রদান করে এবং এমনকি হ্যাড্রন ও লেপটনকে সম্পর্কিত করে। এটি <u>আমাদের</u> স্বপ্ন; আমাদের স্পর্শ করুন! ** {{cite web|title=জেনারেল স্ট্যাটাস: সামারি অ্যান্ড আউটলুক|pages=৩৩৩–৩৫৫|website=সিইআরএন, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড|year=১৯৮৩|url=https://s3.cern.ch/inspire-prod-files-f/f5e8c99f83a61681ed7f3799f2ebc46a}} (উদ্ধৃতি পৃ. ৩৩৬ থেকে) * '''আজ [[মানুষ|মানব]] জাতিকে নিজের এবং জীবজগতের বাকি অংশের সাথে যুক্ত করা সম্পর্কগুলোর জাল এতটা জটিল যে এর সমস্ত দিক অস্বাভাবিক মাত্রায় অন্য সকলকে প্রভাবিত করে।''' কারো উচিত পুরো সিস্টেমটি অধ্যয়ন করা, তা যতই অমার্জিতভাবে করা হোক না কেন, কারণ '''একটি জটিল অ-রৈখিক সিস্টেমের আংশিক অধ্যয়নের কোনো জোড়াতালিই পুরোটির আচরণ সম্পর্কে ভালো ধারণা দিতে পারে না।''' ** মারে গেল-মান [http://www.newciv.org/ISSS_Primer/seminar.html আইএসএসএস দ্য প্রাইমার প্রজেক্ট] ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর দ্য সিস্টেমস সায়েন্সেস (আইএসএসএস) সেমিনার (১২ অক্টোবর - ১০ নভেম্বর ১৯৯৭)। * আমি নিজেকে হত্যা করার কথা ভেবেছিলাম কিন্তু দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে '''আমি সবসময় এমআইটি-তে চেষ্টা করতে পারি এবং যদি তা এতটা খারাপ হয় তবে পরে নিজেকে হত্যা করতে পারি। কিন্তু আমি [[আত্মহত্যা]] করে পরে এমআইটি-তে চেষ্টা করতে পারব না।''' আত্মহত্যা এবং এমআইটিতে যাওয়া, এই দুটি কাজ স্থানবিনিময়যোগ্য নয়... ** [http://www.edge.org/3rd_culture/gell-mann03/gell-mann_print.html ''এজ.অর্গে'' "দ্য মেকিং অফ এ ফিজিসিস্ট : এ টক উইথ মারে গেল-মান" (২০০৩)]। * পারমাণবিক স্তরে জিনিসগুলো কিছুটা নোংরা হয়ে যায়, এর মানে এই নয় যে সমস্ত বাজি বাতিল হয়ে গেছে। ** পেন জিলেট কর্তৃক মারে গেল-মানের ওপর আরোপিত, [http://penn.freefm.com/episode_download.php?contentType=36&contentId=364451 পেন রেডিও (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৭)]। * তিনটি নীতি—নিজের সাথে [[প্রকৃতি|প্রকৃতির]] সামঞ্জস্য, [[সরলতা|সরলতার]] মাপকাঠির প্রয়োগ এবং শারীরিক বাস্তবতা বর্ণনায় [[গণিত|গণিতের]] নির্দিষ্ট অংশের "অযৌক্তিক কার্যকারিতা"—এভাবে মৌলিক কণা এবং তাদের মিথস্ক্রিয়াগুলোর অন্তর্নিহিত সূত্রের ফলাফল। এই তিনটি নীতিকে আলাদা পরাভৌতিক স্বীকার্য হিসেবে ধরে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং এগুলো [[পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিজ্ঞানের]] মৌলিক সূত্রগুলোর উদ্ভূত বৈশিষ্ট্য। ** [http://ted.com/index.php/talks/murray_gell_mann_on_beauty_and_truth_in_physics.html পদার্থবিজ্ঞানে সৌন্দর্য এবং সত্য নিয়ে টেড টক —ভিডিও টাইমকোড ১৪মি২৮সে (মার্চ ২০০৭)]। * '''অতিরিক্ত কিছু পাওয়ার জন্য আপনার অতিরিক্ত কিছুর প্রয়োজন নেই। ইমার্জেন্স বা উদ্ভব বলতে এটাই বোঝায়।''' পদার্থবিজ্ঞান এবং [[রসায়ন]] সহ অনেক দুর্ঘটনার মাধ্যমে [[জীবন]] উদ্ভূত হতে পারে। নিউরোবায়োলজি এবং অনেক দুর্ঘটনা থেকে মানুষের [[মন|মনোভাব]] উদ্ভূত হতে পারে, ঠিক যেভাবে পদার্থবিজ্ঞান এবং কিছু নির্দিষ্ট দুর্ঘটনা থেকে রাসায়নিক বন্ধন উদ্ভূত হয়। আরও মৌলিক বিষয় এবং দুর্ঘটনাগুলো থেকে এগুলো উদ্ভূত হয়েছে জানলে এই বিষয়গুলোর গুরুত্ব কমে যায় না। ** [http://ted.com/index.php/talks/murray_gell_mann_on_beauty_and_truth_in_physics.html পদার্থবিজ্ঞানে সৌন্দর্য এবং সত্য নিয়ে টেড টক — ভিডিও টিসি ১৪মি৪৮সে (মার্চ ২০০৭)]। * '''আমি যদি অন্যদের চেয়ে বেশি দূর দেখতে পাই, তার কারণ হলো আমি বামনদের দ্বারা পরিবেষ্টিত।''' ** [http://www.newscientist.com/article/dn17771-wilson-vs-watson-the-blessing-of-great-enemies.html ''নিউ সায়েন্টিস্টে''আমান্ডা গেফটারের "উইলসন বনাম ওয়াটসন: দ্য ব্লেসিং অফ গ্রেট এনিমিস" (১০ সেপ্টেম্বর ২০০৯)]-এ উদ্ধৃত; এটি [[আইজ্যাক নিউটন|আইজ্যাক নিউটনের]] বিখ্যাত উক্তির ওপর ভিত্তি করে একটি নাটক: "আমি যদি আরও দূর দেখতে পাই তবে তা কেবল দৈত্যদের কাঁধে দাঁড়ানোর কারণে।" * '''নিলস বোর পদার্থবিজ্ঞানীদের একটি পুরো প্রজন্মকে মগজ ধোলাই করে বিশ্বাস করিয়েছিলেন যে পঞ্চাশ বছর আগেই সমস্যাটির সমাধান হয়ে গেছে''' [কোপেনহেগেন ব্যাখ্যার ওপর গেল-মানের মন্তব্য] ** ''দ্য নেচার অফ দ্য ফিজিক্যাল ইউনিভার্স, দ্য ১৯৭৬ নোবেল কনফারেন্সে'', (১৯৭৯, পৃ. ২৯) === ''দ্য কোয়ার্ক অ্যান্ড দ্য জাগুয়ার'' (১৯৯৪) === * '''যেখানে [[কোয়ান্টাম বলবিদ্যা]] সম্পর্কে অনেক প্রশ্ন এখনও পুরোপুরি সমাধান হয়নি, সেখানে বাস্তবে কোনো সমস্যা না থাকলে অহেতুক রহস্যময়তার অবতারণা করার কোনো মানে নেই।''' তবুও কোয়ান্টাম বলবিদ্যা সম্পর্কে সাম্প্রতিক অনেক লেখায় ঠিক সেটাই করা হয়েছে। ** অধ্যায় ১২ : কোয়ান্টাম মেকানিক্স অ্যান্ড ফ্ল্যাপডুডল, পৃ. ১৬৭। * '''ছড়িয়ে দেওয়া প্রধান বিকৃতিটি হলো... এই অন্তর্নিহিত অর্থ, বা এমনকি প্রকাশ্য দাবি যে <nowiki>[</nowiki>[[w:ডেভিড বোহম#ইপিআর প্যারাডক্সের বোহম এবং অ্যারনভ রূপ|ইপিআরবি]]<nowiki>]</nowiki> ফোটনগুলোর একটির মেরুকরণ (বৃত্তাকার বা সমতল) পরিমাপ করা হলে তা কোনোভাবে অন্য ফোটনকে প্রভাবিত করে। প্রকৃতপক্ষে, পরিমাপ কোনো ভৌত প্রভাবকে এক ফোটন থেকে অন্য ফোটনে প্রসারিত করে না।''' ...যদি ইতিহাসের এক শাখায় একটি ফোটনের সমতল মেরুকরণ পরিমাপ করা হয় এবং এর মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে নির্দিষ্ট করা হয়, তবে ইতিহাসের একই শাখায় অন্য ফোটনের বৃত্তাকার মেরুকরণও নিশ্চিতভাবে নির্দিষ্ট করা হয়। ইতিহাসের ভিন্ন একটি শাখায় ফোটনগুলোর একটির বৃত্তাকার মেরুকরণ পরিমাপ করা যেতে পারে, এক্ষেত্রে উভয় ফোটনের বৃত্তাকার মেরুকরণ নিশ্চিতভাবে নির্দিষ্ট করা হয়। প্রতিটি শাখায় পরিস্থিতি জন বেল বর্ণিত [[w:রেইনহোল্ড বার্টলম্যান|বার্টলম্যানের]] মোজার মতো... বার্টলম্যান... সবসময় একটি গোলাপি এবং একটি সবুজ মোজা পরেন। আপনি যদি কেবল একটি দেখতে পান... আপনি সাথে সাথে অন্যটি সম্পর্কে জেনে যান... অথচ কোনো সংকেত প্রচারিত হয় না... একইভাবে কোয়ান্টাম বলবিদ্যা নিশ্চিতকারী পরীক্ষায় এক ফোটন থেকে অন্য ফোটনে কোনো সংকেত যায় না। দূর থেকে কোনো পদক্ষেপ ঘটে না। ** অধ্যায় ১২ : কোয়ান্টাম মেকানিক্স অ্যান্ড ফ্ল্যাপডুডল, পৃ. ১৭২। * '''একটি ফোটন পরিমাপ করা হলে তা সাথে সাথে অন্যটিকে প্রভাবিত করে—এমন মিথ্যা প্রতিবেদন সব ধরনের দুর্ভাগ্যজনক সিদ্ধান্তের দিকে নিয়ে যায়।''' ...কথিত প্রভাব... আপেক্ষিকতা তত্ত্বের এই প্রয়োজনীয়তা লঙ্ঘন করবে যে আলোর গতির চেয়ে দ্রুত কোনো সংকেত... ভ্রমণ করতে পারে না। যদি এটি তা করে, তবে কিছু গতির অবস্থায় পর্যবেক্ষকদের কাছে মনে হবে যে সংকেতটি সময়ের পিছনের দিকে ভ্রমণ করছে। ** অধ্যায় ১২ : কোয়ান্টাম মেকানিক্স অ্যান্ড ফ্ল্যাপডুডল, পৃ. ১৭২-১৭৩ ''দেখুন'' ইপিআর প্যারাডক্স। == গেল-মান সম্পর্কে উক্তি == * আমি সবেমাত্র বসেছিলাম যখন তিনি আমাকে বলতে শুরু করেছিলেন... যে বিজ্ঞান লেখকরা "অজ্ঞ" এবং "ভয়ানক জাত" যারা সর্বদা ভুল করে: কেবল বিজ্ঞানীরাই জনগণের কাছে তাদের কাজ উপস্থাপন করার জন্য সত্যিই যোগ্য। সময়ের সাথে সাথে আমি কম বিরক্ত বোধ করেছি, কারণ এটি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে গেল-মান তার বেশিরভাগ বৈজ্ঞানিক সহকর্মীকেও অবজ্ঞার চোখে দেখতেন। ** জন হোরগান, ''দ্য এন্ড অফ সায়েন্স'' (১৯৯৬) পৃ. ২১২ * গেল-মানকে এত অসহ্য করে তোলার অন্যতম কারণ হলো তিনি প্রায় সবসময় সঠিক। ** জন হোরগান, ''দ্য এন্ড অফ সায়েন্স'' (১৯৯৬) পৃ. ২১৫ * সংক্ষেপে বলতে গেলে গেল-মান অ্যামনেসিয়া প্রভাব নিম্নলিখিতভাবে কাজ করে। আপনি কোনো বিষয়ে একটি নিবন্ধ পড়ার জন্য সংবাদপত্র খোলেন যা আপনি ভালোভাবে জানেন। মারের ক্ষেত্রে এটি পদার্থবিজ্ঞান। আমার ক্ষেত্রে শো বিজনেস। আপনি নিবন্ধটি পড়েন এবং দেখেন সাংবাদিকের তথ্য বা সমস্যা সম্পর্কে একেবারেই কোনো ধারণা নেই। প্রায়শই নিবন্ধটি এত ভুল থাকে যে এটি আসলেই পিছন দিকে গল্পটি উপস্থাপন করে—কারণ এবং প্রভাবকে বিপরীত করে। আমি এগুলোকে “ভেজা রাস্তা বৃষ্টির কারণ” গল্প বলি। সংবাদপত্র এগুলোতে পূর্ণ থাকে। যাই হোক, আপনি গল্পের একাধিক ভুল নিয়ে বিরক্তি বা বিনোদনের সাথে পড়েন—এবং তারপরে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয়ে পৃষ্ঠা উল্টান এবং নতুন আগ্রহের সাথে পড়তে থাকেন যেন সংবাদপত্রের বাকি অংশ দূরবর্তী ফিলিস্তিনের বিষয়ে আপনি যে গল্পটি এইমাত্র পড়েছেন তার চেয়ে কোনোভাবে বেশি নির্ভুল। আপনি পৃষ্ঠা উল্টান এবং যা জানেন তা ভুলে যান। ** মাইকেল ক্রিচটন, ''হোয়াই স্পেকুলেট'' (২৬ এপ্রিল ২০০২) {{disputed begin}} == বিতর্কিত == * [[রিচার্ড ফাইনম্যান|ফাইনম্যান]] [সমস্যা-সমাধান] অ্যালগরিদম: <br> &nbsp; (১) সমস্যাটি লিখুন। <br> &nbsp; (২) খুব গভীরভাবে চিন্তা করুন। <br> &nbsp; (৩) সমাধানটি লিখুন। ** রূপান্তর: ডিকের পদ্ধতিটি হলো এই। আপনি সমস্যাটি লেখেন। আপনি খুব গভীরভাবে চিন্তা করেন। ... তারপর আপনি উত্তরটি লেখেন। ([[w:সিডনি কোলম্যান|সিডনি কোলম্যানের]] সাথে একটি সাক্ষাৎকার থেকে, [[w:জেমস গ্লীক|জেমস গ্লীক]] দ্বারা ''জিনিয়াস: দ্য লাইফ অ্যান্ড সায়েন্স অফ রিচার্ড ফাইনম্যান'' (১৯৯২), পৃ. ৩১৫-এ প্রতিবেদন করা হয়েছে।) ** [[রিচার্ড ফাইনম্যান|রিচার্ড ফাইনম্যানের]] প্রতিভা সম্পর্কে একটি মন্তব্য, [http://wiki.c2.com/?FeynmanAlgorithm যা প্রায়ই গেল-মানের ওপর আরোপিত হয়], কিন্তু এখনও কোনো নির্দিষ্ট উদ্ধৃতি পাওয়া যায়নি। {{disputed end}} {{Misattributed begin}} == ভুলভাবে আরোপিত == * যা নিষিদ্ধ নয় তা বাধ্যতামূলক। ** এটি কোয়ান্টাম বিজ্ঞানীদের মধ্যে একটি সাধারণ বাক্যাংশে পরিণত হয়েছে এবং প্রায়শই গেল-মানের ওপর আরোপ করা হয়, তবে মূল উৎসের কোনো উদ্ধৃতি এখনও পাওয়া যায়নি; মনে হচ্ছে এটি [[টি এইচ হোয়াইট]] রচিত ''[[দ্য ওয়ানস অ্যান্ড ফিউচার কিং|ওয়ানস অ্যান্ড ফিউচার কিংয়ের]]'' প্রথম অংশ ''[[w:দ্য সোর্ড ইন দ্য স্টোন|দ্য সোর্ড ইন দ্য স্টোন]]'' (১৯৩৮)-এর পিঁপড়ার কলোনিতে করা দাবি থেকে উদ্ভূত হয়েছে: যা নিষিদ্ধ নয় তার সবকিছুই বাধ্যতামূলক। {{Misattributed end}} == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} *[http://www.osti.gov/accomplishments/gellmann.html বায়োগ্রাফি অ্যান্ড বিলিওগ্রাফিক রিসোর্সেস], শক্তি বিভাগ, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত তথ্য অফিস থেকে *[http://www.santafe.edu/~mgm/ এসএফআই-তে গেল-মানের হোম পেজ] *[http://www.ted.com/talks/view/id/194 টেড টকস: টেডে পদার্থবিজ্ঞানে সৌন্দর্য এবং সত্য নিয়ে মারে গেল-মান (২০০৭)] *[http://www.ted.com/talks/view/id/276 টেড টকস: টেডে ভাষার পূর্বপুরুষ নিয়ে মারে গেল-মান (২০০৭)] *[http://www.achievement.org/autodoc/page/gel0int-1 অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্টের সাথে মারে গেল-মানের ভিডিও সাক্ষাৎকার (১৯৯০)] *[http://www.guardian.co.uk/science/video/2010/oct/22/murray-gell-mann-quarks কোয়ার্ক নিয়ে মারে গেল-মানের কথা (ভিডিও)] *[http://www.genealogy.ams.org/id.php?id=22479 গণিত বংশলতিকা প্রোফাইল] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১৯-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:সিস্টেম বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের অজ্ঞেয়বাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:সংশয়বাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] l0r2kvtb257qpw2olifqm1yp1jrvzlt 81661 81658 2026-04-27T15:04:22Z Dr. Mosaddek Khondoker 2987 81661 wikitext text/x-wiki [[File:MurrayGellMannJI1.jpg|thumb|২০০৭ সালে মারে গেল-মান]] [[File:Murray_Gell-Mann.jpg|thumb|আমি যদি অন্যদের চেয়ে বেশি দূর দেখতে পাই, তার কারণ হলো আমি বামনদের দ্বারা পরিবেষ্টিত।]] '''[[w:মারে গেল-মান|মারে গেল-মান]]''' (১৫ সেপ্টেম্বর ১৯২৯ – ২৪ মে ২০১৯) ছিলেন একজন আমেরিকান [[w:তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী|তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী]]। [[w:কণা পদার্থবিজ্ঞান|মৌলিক কণাগুলোর]] তত্ত্বের বিকাশে তিনি একটি অসামান্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। এর জন্য তিনি ১৯৬৯ সালে [[w:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] পান। গেল-মান দৃঢ়ভাবে যোগাযোগকারী কণাগুলোর মৌলিক নির্মাণ উপাদান হিসেবে [[w:কোয়ার্ক|কোয়ার্কের]] ধারণা এবং কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্ব ও পরিসংখ্যানগত বলবিদ্যার একটি মৌলিক উপাদান হিসেবে [[w:রিনর্মালাইজেশন গ্রুপ|রিনর্মালাইজেশন গ্রুপের]] ধারণা প্রবর্তন করেন। তিনি দুর্বল মিথস্ক্রিয়াগুলোর তত্ত্বে কাইরালিটির ধারণা এবং সবল মিথস্ক্রিয়াগুলোতে স্বতঃস্ফূর্ত [[w:কাইরাল প্রতিসাম্য ভাঙন|কাইরাল প্রতিসাম্য ভাঙনের]] ধারণা বিকাশে মূল ভূমিকা পালন করেছেন। এটি হালকা [[w:মেসন|মেসনগুলোর]] পদার্থবিজ্ঞান নিয়ন্ত্রণ করে। ১৯৭০-এর দশকে তিনি কোয়ান্টাম ক্রোমোডায়নামিক্সের (কিউসিডি) একজন সহ-উদ্ভাবক ছিলেন। এটি মেসন এবং [[w:ব্যারিওন|ব্যারিওনগুলোতে]] কোয়ার্কের আবদ্ধতা ব্যাখ্যা করে এবং মৌলিক কণা ও শক্তির প্রমিত মডেলের একটি বড় অংশ তৈরি করে। == উক্তি == [[File:Murray Gell-Mann - World Economic Forum Annual Meeting 2012.jpg|thumb|যেখানে বাস্তবে কোনো সমস্যা নেই, সেখানে অহেতুক রহস্যময়তার অবতারণা করার কোনো মানে নেই।]] [[File:Murray-gell-mann.jpg|thumb|অতিরিক্ত কিছু পাওয়ার জন্য আপনার অতিরিক্ত কিছুর প্রয়োজন নেই। ইমার্জেন্স বা উদ্ভব বলতে এটাই বোঝায়।]] * সম্ভবত আমরা পর্যবেক্ষণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এমন একটি মার্জিত মডেল খুঁজে পাব, যা কোয়ার্কের খালি ভরের প্যাটার্নের পাশাপাশি লেপটন ভরের প্যাটার্নও প্রদান করে এবং এমনকি হ্যাড্রন ও লেপটনকে সম্পর্কিত করে। এটি <u>আমাদের</u> স্বপ্ন; আমাদের স্পর্শ করুন! ** {{cite web|title=জেনারেল স্ট্যাটাস: সামারি অ্যান্ড আউটলুক|pages=৩৩৩–৩৫৫|website=সিইআরএন, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড|year=১৯৮৩|url=https://s3.cern.ch/inspire-prod-files-f/f5e8c99f83a61681ed7f3799f2ebc46a}} (উদ্ধৃতি পৃ. ৩৩৬ থেকে) * '''আজ [[মানুষ|মানব]] জাতিকে নিজের এবং জীবজগতের বাকি অংশের সাথে যুক্ত করা সম্পর্কগুলোর জাল এতটা জটিল যে এর সমস্ত দিক অস্বাভাবিক মাত্রায় অন্য সকলকে প্রভাবিত করে।''' কারো উচিত পুরো সিস্টেমটি অধ্যয়ন করা, তা যতই অমার্জিতভাবে করা হোক না কেন, কারণ '''একটি জটিল অ-রৈখিক সিস্টেমের আংশিক অধ্যয়নের কোনো জোড়াতালিই পুরোটির আচরণ সম্পর্কে ভালো ধারণা দিতে পারে না।''' ** মারে গেল-মান [http://www.newciv.org/ISSS_Primer/seminar.html আইএসএসএস দ্য প্রাইমার প্রজেক্ট] ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর দ্য সিস্টেমস সায়েন্সেস (আইএসএসএস) সেমিনার (১২ অক্টোবর - ১০ নভেম্বর ১৯৯৭)। * আমি নিজেকে হত্যা করার কথা ভেবেছিলাম কিন্তু দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে '''আমি সবসময় এমআইটি-তে চেষ্টা করতে পারি এবং যদি তা এতটা খারাপ হয় তবে পরে নিজেকে হত্যা করতে পারি। কিন্তু আমি [[আত্মহত্যা]] করে পরে এমআইটি-তে চেষ্টা করতে পারব না।''' আত্মহত্যা এবং এমআইটিতে যাওয়া, এই দুটি কাজ স্থানবিনিময়যোগ্য নয়... ** [http://www.edge.org/3rd_culture/gell-mann03/gell-mann_print.html ''এজ.অর্গে'' "দ্য মেকিং অফ এ ফিজিসিস্ট : এ টক উইথ মারে গেল-মান" (২০০৩)]। * পারমাণবিক স্তরে জিনিসগুলো কিছুটা নোংরা হয়ে যায়, এর মানে এই নয় যে সমস্ত বাজি বাতিল হয়ে গেছে। ** পেন জিলেট কর্তৃক মারে গেল-মানের ওপর আরোপিত, [http://penn.freefm.com/episode_download.php?contentType=36&contentId=364451 পেন রেডিও (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৭)]। * তিনটি নীতি—নিজের সাথে [[প্রকৃতি|প্রকৃতির]] সামঞ্জস্য, [[সরলতা|সরলতার]] মাপকাঠির প্রয়োগ এবং শারীরিক বাস্তবতা বর্ণনায় [[গণিত|গণিতের]] নির্দিষ্ট অংশের "অযৌক্তিক কার্যকারিতা"—এভাবে মৌলিক কণা এবং তাদের মিথস্ক্রিয়াগুলোর অন্তর্নিহিত সূত্রের ফলাফল। এই তিনটি নীতিকে আলাদা পরাভৌতিক স্বীকার্য হিসেবে ধরে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং এগুলো [[পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিজ্ঞানের]] মৌলিক সূত্রগুলোর উদ্ভূত বৈশিষ্ট্য। ** [http://ted.com/index.php/talks/murray_gell_mann_on_beauty_and_truth_in_physics.html পদার্থবিজ্ঞানে সৌন্দর্য এবং সত্য নিয়ে টেড টক —ভিডিও টাইমকোড ১৪মি২৮সে (মার্চ ২০০৭)]। * '''অতিরিক্ত কিছু পাওয়ার জন্য আপনার অতিরিক্ত কিছুর প্রয়োজন নেই। ইমার্জেন্স বা উদ্ভব বলতে এটাই বোঝায়।''' পদার্থবিজ্ঞান এবং [[রসায়ন]] সহ অনেক দুর্ঘটনার মাধ্যমে [[জীবন]] উদ্ভূত হতে পারে। নিউরোবায়োলজি এবং অনেক দুর্ঘটনা থেকে মানুষের [[মন|মনোভাব]] উদ্ভূত হতে পারে, ঠিক যেভাবে পদার্থবিজ্ঞান এবং কিছু নির্দিষ্ট দুর্ঘটনা থেকে রাসায়নিক বন্ধন উদ্ভূত হয়। আরও মৌলিক বিষয় এবং দুর্ঘটনাগুলো থেকে এগুলো উদ্ভূত হয়েছে জানলে এই বিষয়গুলোর গুরুত্ব কমে যায় না। ** [http://ted.com/index.php/talks/murray_gell_mann_on_beauty_and_truth_in_physics.html পদার্থবিজ্ঞানে সৌন্দর্য এবং সত্য নিয়ে টেড টক — ভিডিও টিসি ১৪মি৪৮সে (মার্চ ২০০৭)]। * '''আমি যদি অন্যদের চেয়ে বেশি দূর দেখতে পাই, তার কারণ হলো আমি বামনদের দ্বারা পরিবেষ্টিত।''' ** [http://www.newscientist.com/article/dn17771-wilson-vs-watson-the-blessing-of-great-enemies.html ''নিউ সায়েন্টিস্টে''আমান্ডা গেফটারের "উইলসন বনাম ওয়াটসন: দ্য ব্লেসিং অফ গ্রেট এনিমিস" (১০ সেপ্টেম্বর ২০০৯)]-এ উদ্ধৃত; এটি [[আইজ্যাক নিউটন|আইজ্যাক নিউটনের]] বিখ্যাত উক্তির ওপর ভিত্তি করে একটি নাটক: "আমি যদি আরও দূর দেখতে পাই তবে তা কেবল দৈত্যদের কাঁধে দাঁড়ানোর কারণে।" * '''নিলস বোর পদার্থবিজ্ঞানীদের একটি পুরো প্রজন্মকে মগজ ধোলাই করে বিশ্বাস করিয়েছিলেন যে পঞ্চাশ বছর আগেই সমস্যাটির সমাধান হয়ে গেছে''' [কোপেনহেগেন ব্যাখ্যার ওপর গেল-মানের মন্তব্য] ** ''দ্য নেচার অফ দ্য ফিজিক্যাল ইউনিভার্স, দ্য ১৯৭৬ নোবেল কনফারেন্সে'', (১৯৭৯, পৃ. ২৯) === ''দ্য কোয়ার্ক অ্যান্ড দ্য জাগুয়ার'' (১৯৯৪) === * '''যেখানে [[কোয়ান্টাম বলবিদ্যা]] সম্পর্কে অনেক প্রশ্ন এখনও পুরোপুরি সমাধান হয়নি, সেখানে বাস্তবে কোনো সমস্যা না থাকলে অহেতুক রহস্যময়তার অবতারণা করার কোনো মানে নেই।''' তবুও কোয়ান্টাম বলবিদ্যা সম্পর্কে সাম্প্রতিক অনেক লেখায় ঠিক সেটাই করা হয়েছে। ** অধ্যায় ১২ : কোয়ান্টাম মেকানিক্স অ্যান্ড ফ্ল্যাপডুডল, পৃ. ১৬৭। * '''ছড়িয়ে দেওয়া প্রধান বিকৃতিটি হলো... এই অন্তর্নিহিত অর্থ, বা এমনকি প্রকাশ্য দাবি যে <nowiki>[</nowiki>[[w:ডেভিড বোহম#ইপিআর প্যারাডক্সের বোহম এবং অ্যারনভ রূপ|ইপিআরবি]]<nowiki>]</nowiki> ফোটনগুলোর একটির মেরুকরণ (বৃত্তাকার বা সমতল) পরিমাপ করা হলে তা কোনোভাবে অন্য ফোটনকে প্রভাবিত করে। প্রকৃতপক্ষে, পরিমাপ কোনো ভৌত প্রভাবকে এক ফোটন থেকে অন্য ফোটনে বিস্তার করে না।''' ...যদি ইতিহাসের এক শাখায় একটি ফোটনের সমতল মেরুকরণ পরিমাপ করা হয় এবং এর মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে নির্দিষ্ট করা হয়, তবে ইতিহাসের একই শাখায় অন্য ফোটনের বৃত্তাকার মেরুকরণও নিশ্চিতভাবে নির্দিষ্ট করা হয়। ইতিহাসের ভিন্ন একটি শাখায় ফোটনগুলোর একটির বৃত্তাকার মেরুকরণ পরিমাপ করা যেতে পারে, এক্ষেত্রে উভয় ফোটনের বৃত্তাকার মেরুকরণ নিশ্চিতভাবে নির্দিষ্ট করা হয়। প্রতিটি শাখায় পরিস্থিতি জন বেল বর্ণিত [[w:রেইনহোল্ড বার্টলম্যান|বার্টলম্যানের]] মোজার মতো... বার্টলম্যান... সবসময় একটি গোলাপি এবং একটি সবুজ মোজা পরেন। আপনি যদি কেবল একটি দেখতে পান... আপনি সাথে সাথে অন্যটি সম্পর্কে জেনে যান... অথচ কোনো সংকেত প্রচারিত হয় না... একইভাবে কোয়ান্টাম বলবিদ্যা নিশ্চিতকারী পরীক্ষায় এক ফোটন থেকে অন্য ফোটনে কোনো সংকেত যায় না। দূর থেকে কোনো পদক্ষেপ ঘটে না। ** অধ্যায় ১২ : কোয়ান্টাম মেকানিক্স অ্যান্ড ফ্ল্যাপডুডল, পৃ. ১৭২। * '''একটি ফোটন পরিমাপ করা হলে তা সাথে সাথে অন্যটিকে প্রভাবিত করে—এমন মিথ্যা প্রতিবেদন সব ধরনের দুর্ভাগ্যজনক সিদ্ধান্তের দিকে নিয়ে যায়।''' ...কথিত প্রভাব... আপেক্ষিকতা তত্ত্বের এই প্রয়োজনীয়তা লঙ্ঘন করে। কারণ আলোর গতির চেয়ে দ্রুত কোনো সংকেত... ভ্রমণ করতে পারে না। যদি এটি তা করে, তবে কিছু গতির অবস্থায় পর্যবেক্ষকদের কাছে মনে হবে যে সংকেতটি সময়ের পিছনের দিকে ভ্রমণ করছে। ** অধ্যায় ১২ : কোয়ান্টাম মেকানিক্স অ্যান্ড ফ্ল্যাপডুডল, পৃ. ১৭২-১৭৩ ''দেখুন'' ইপিআর প্যারাডক্স। == গেল-মান সম্পর্কে উক্তি == * আমি সবেমাত্র বসেছিলাম, যখন তিনি আমাকে বলতে শুরু করেছিলেন... যে বিজ্ঞান লেখকরা "অজ্ঞ" এবং "ভয়ানক জাত" যারা সর্বদা ভুল করে: কেবল বিজ্ঞানীরাই জনগণের কাছে তাদের কাজ উপস্থাপন করার জন্য সত্যিই যোগ্য। সময়ের সাথে সাথে আমি কম বিরক্ত বোধ করেছি, কারণ এটি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে গেল-মান তার বেশিরভাগ বৈজ্ঞানিক সহকর্মীকেও অবজ্ঞার চোখে দেখতেন। ** জন হোরগান, ''দ্য এন্ড অফ সায়েন্স'' (১৯৯৬) পৃ. ২১২ * গেল-মানকে এত অসহ্য করে তোলার অন্যতম কারণ হলো তিনি প্রায় সবসময় সঠিক। ** জন হোরগান, ''দ্য এন্ড অফ সায়েন্স'' (১৯৯৬) পৃ. ২১৫ * সংক্ষেপে বলতে গেলে গেল-মান অ্যামনেসিয়া প্রভাব নিম্নলিখিতভাবে কাজ করে। আপনি কোনো বিষয়ে একটি নিবন্ধ পড়ার জন্য সংবাদপত্র খোলেন যা আপনি ভালোভাবে জানেন। মারের ক্ষেত্রে এটি পদার্থবিজ্ঞান। আমার ক্ষেত্রে শো বিজনেস। আপনি নিবন্ধটি পড়েন এবং দেখেন সাংবাদিকের তথ্য বা সমস্যা সম্পর্কে একেবারেই কোনো ধারণা নেই। প্রায়শই নিবন্ধটি এত ভুল থাকে যে এটি আসলেই পিছন দিকে গল্পটি উপস্থাপন করে—কারণ এবং প্রভাবকে বিপরীত করে। আমি এগুলোকে “ভেজা রাস্তা বৃষ্টির কারণ” গল্প বলি। সংবাদপত্র এগুলোতে পূর্ণ থাকে। যাই হোক, আপনি গল্পের একাধিক ভুল নিয়ে বিরক্তি বা বিনোদনের সাথে পড়েন—এবং তারপরে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয়ে পৃষ্ঠা উল্টান এবং নতুন আগ্রহের সাথে পড়তে থাকেন যেন সংবাদপত্রের বাকি অংশ দূরবর্তী ফিলিস্তিনের বিষয়ে আপনি যে গল্পটি এইমাত্র পড়েছেন তার চেয়ে কোনোভাবে বেশি নির্ভুল। আপনি পৃষ্ঠা উল্টান এবং যা জানেন তা ভুলে যান। ** মাইকেল ক্রিচটন, ''হোয়াই স্পেকুলেট'' (২৬ এপ্রিল ২০০২) {{disputed begin}} == বিতর্কিত == * [[রিচার্ড ফাইনম্যান|ফাইনম্যান]] [সমস্যা-সমাধান] অ্যালগরিদম: <br> &nbsp; (১) সমস্যাটি লিখুন। <br> &nbsp; (২) খুব গভীরভাবে চিন্তা করুন। <br> &nbsp; (৩) সমাধানটি লিখুন। ** রূপান্তর: ডিকের পদ্ধতিটি হলো এই। আপনি সমস্যাটি লেখেন। আপনি খুব গভীরভাবে চিন্তা করেন। ... তারপর আপনি উত্তরটি লেখেন। ([[w:সিডনি কোলম্যান|সিডনি কোলম্যানের]] সাথে একটি সাক্ষাৎকার থেকে, [[w:জেমস গ্লীক|জেমস গ্লীক]] দ্বারা ''জিনিয়াস: দ্য লাইফ অ্যান্ড সায়েন্স অফ রিচার্ড ফাইনম্যান'' (১৯৯২), পৃ. ৩১৫-এ প্রতিবেদন করা হয়েছে।) ** [[রিচার্ড ফাইনম্যান|রিচার্ড ফাইনম্যানের]] প্রতিভা সম্পর্কে একটি মন্তব্য, [http://wiki.c2.com/?FeynmanAlgorithm যা প্রায়ই গেল-মানের ওপর আরোপিত হয়], কিন্তু এখনও কোনো নির্দিষ্ট উদ্ধৃতি পাওয়া যায়নি। {{disputed end}} {{Misattributed begin}} == ভুলভাবে আরোপিত == * যা নিষিদ্ধ নয় তা বাধ্যতামূলক। ** এটি কোয়ান্টাম বিজ্ঞানীদের মধ্যে একটি সাধারণ বাক্যাংশে পরিণত হয়েছে এবং প্রায়শই গেল-মানের ওপর আরোপ করা হয়, তবে মূল উৎসের কোনো উদ্ধৃতি এখনও পাওয়া যায়নি; মনে হচ্ছে এটি [[টি এইচ হোয়াইট]] রচিত ''[[দ্য ওয়ানস অ্যান্ড ফিউচার কিং|ওয়ানস অ্যান্ড ফিউচার কিংয়ের]]'' প্রথম অংশ ''[[w:দ্য সোর্ড ইন দ্য স্টোন|দ্য সোর্ড ইন দ্য স্টোন]]'' (১৯৩৮)-এর পিঁপড়ার কলোনিতে করা দাবি থেকে উদ্ভূত হয়েছে: যা নিষিদ্ধ নয় তার সবকিছুই বাধ্যতামূলক। {{Misattributed end}} == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} *[http://www.osti.gov/accomplishments/gellmann.html বায়োগ্রাফি অ্যান্ড বিলিওগ্রাফিক রিসোর্সেস], শক্তি বিভাগ, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত তথ্য অফিস থেকে *[http://www.santafe.edu/~mgm/ এসএফআই-তে গেল-মানের হোম পেজ] *[http://www.ted.com/talks/view/id/194 টেড টকস: টেডে পদার্থবিজ্ঞানে সৌন্দর্য এবং সত্য নিয়ে মারে গেল-মান (২০০৭)] *[http://www.ted.com/talks/view/id/276 টেড টকস: টেডে ভাষার পূর্বপুরুষ নিয়ে মারে গেল-মান (২০০৭)] *[http://www.achievement.org/autodoc/page/gel0int-1 অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্টের সাথে মারে গেল-মানের ভিডিও সাক্ষাৎকার (১৯৯০)] *[http://www.guardian.co.uk/science/video/2010/oct/22/murray-gell-mann-quarks কোয়ার্ক নিয়ে মারে গেল-মানের কথা (ভিডিও)] *[http://www.genealogy.ams.org/id.php?id=22479 গণিত বংশলতিকা প্রোফাইল] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১৯-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:সিস্টেম বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের অজ্ঞেয়বাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:সংশয়বাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] scjfk34o4k86ptvv3hj31ubxb28rs8s জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ 0 13747 81780 81609 2026-04-28T02:22:28Z Tanbiruzzaman 806 /* ২০০৭ */ 81780 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[File:Videoconferencia con Julián Assange - Foro Cultura Digital (22175392526).jpg|thumb|সত্য দিয়েই শুরু করতে হবে। সত্যই একমাত্র পথ যার মাধ্যমে আমরা কোনো লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি। কারণ মিথ্যা বা অজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তই ভালো পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে না।]] [[File:Sydney Wikileaks 2010-Dec-10.JPG|thumb|অ্যাসাঞ্জ ও স্নোডেন ক্ষমতার যে গোপন রহস্য ও মিথ্যাচার উন্মোচন করেছেন, কোনো সংবাদপত্রই তার ধারেকাছেও আসতে পারেনি। এই দুজনই যে পলাতক, তা স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের নীতি থেকে উদার গণতন্ত্রগুলোর পশ্চাদপসরণেরই ইঙ্গিত দেয়। উইকিলিকস সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক কেন? কারণ এর প্রকাশনাগুলো শতভাগ নির্ভুলতার সাথে আমাদের বলে দিয়েছে, কীভাবে এবং কেন বিশ্বের একটি বিশাল অংশ বিভক্ত ও পরিচালিত হয়। ~ জন পিলজার]] [[File:Julian Assange 20091117 Copenhagen 1 cropped to shoulders.jpg|thumb|সক্ষম ও উদার মনের মানুষরা ভুক্তভোগী তৈরি করেন না, বরং তাদের লালন-পালন করেন।]] [[File:Digital_rain_animation_small_letters_shine.gif|thumb|এই পৃথিবী... শাসন করে ভেতরের লোকেরা... ভেতরের লোকেরা বাইরের কাউকে সত্যিটা বলে না, আর তারা অন্য ভেতরের লোকদের বিরুদ্ধেও যায় না... ~ইয়ানিস ভারুফাকিস]] [[File:Julian_Assange_in_Ecuadorian_Embassy_cropped.jpg|thumb|...জুলিয়ান [অ্যাসাঞ্জ]... সেই প্রযুক্তি তৈরি করেছিলেন যা বহিরাগতদের ভেতরে উঁকি দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল... এবং এই কারণেই তাকে নির্যাতন করা হচ্ছে। ~ইয়ানিস ভারুফাকিস]] [[File:WL_Hour_Glass_Bottom.jpg|thumb|উইকিলিকস একটি বহু-অধিক্ষেত্রীয় জনসেবা... আমরা বিশ্বাস করি যে সরকারি কার্যকলাপে স্বচ্ছতা দুর্নীতি হ্রাস, উন্নততর সরকার এবং শক্তিশালী গণতন্ত্রের দিকে পরিচালিত করে... পেন্টাগন পেপার্স সংক্রান্ত তার যুগান্তকারী রায়ে, মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে যে "কেবলমাত্র একটি স্বাধীন ও বাধাহীন গণমাধ্যমই সরকারের প্রতারণা কার্যকরভাবে উন্মোচন করতে পারে।" আমরা একমত... [https://www.wikileaks.org/wiki/Wikileaks:About উইকিলিকস:আমাদের সম্পর্কে]]] [[File:John Pilger, Richard Gizbert, and Julian Assange - The Wikileaks Files - Book Launch - London - 29th September 2015.jpg|thumb|উদারপন্থী আদর্শের জন্য যারা কাজ করেন, তাদের অনেকেই শুধু লাজুকই নন, বরং প্রায়শই ষড়যন্ত্রকারী প্রকৃতির। তারা চায় পরিবর্তনটা সুন্দরভাবে ঘটুক, কিন্তু তা হবে না। তারা চায় কোনো রকম কষ্ট বা বিব্রত হওয়া ছাড়াই শালীনতা প্রতিষ্ঠিত হোক, কিন্তু সেটাও হবে না। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, তারা উন্মুক্ত সরকারের অনেক শত্রুকে সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখতে চায়, কিন্তু আমি তা করি না... এই আশায় কোনো কিছু প্রকাশ করা যায় না যে তাতে কারও রাতের খাবার নষ্ট হবে না।]] [[File:Chris_hedges_blur.jpg|thumb|আমেরিকান সাম্রাজ্যের অন্ধকারময় চক্রান্ত ও অপরাধ উন্মোচনে অন্য যেকোনো সংবাদ সংস্থার চেয়ে [[উইকিলিকস]] ও অ্যাসাঞ্জ বেশি ভূমিকা রেখেছে। আমাদের অন্তহীন যুদ্ধগুলোতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত নৃশংসতা ও অপরাধ উন্মোচন এবং ক্লিনটন প্রচারণার অভ্যন্তরীণ কার্যকলাপ প্রকাশ করার পাশাপাশি, অ্যাসাঞ্জ সিআইএ ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সির ব্যবহৃত হ্যাকিং সরঞ্জাম, তাদের নজরদারি কর্মসূচি এবং বিদেশি নির্বাচনে তাদের হস্তক্ষেপের বিষয়টিও জনসমক্ষে এনেছেন... ~ক্রিস হেজেস]] [[File:Rueda de Prensa ofrecida por el Canciller Ricardo Patiño junto a la Sra. Christine Assange (7679136868).jpg|thumb|একটি বৈধ, নিবন্ধিত, বহু পুরস্কার বিজয়ী গণমাধ্যম সংস্থা এবং তার সম্পাদক বিশ্বের বৃহত্তম পরাশক্তির বিষয়ে আইনসম্মতভাবে সত্য প্রকাশ করে তাদের বিব্রত করেছেন এবং যুদ্ধাপরাধ, দুর্নীতি ও জালিয়াতির মতো অন্যায়ের জন্য তাদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন... এই পুরো কর্মকাণ্ডটি সত্যকে কলঙ্কিত ও স্তব্ধ করার জন্য সাজানো হয়েছে... ~ক্রিস্টিন অ্যাসাঞ্জ]] [[File:John Pilger in August 2011.jpg|thumb|তার অপরাধ হলো এই অন্ধকার সময়ে অর্থবহ পরিস্থিতি তৈরি করা। উইকিলিকসের নির্ভুলতা ও সত্যতার এক অনবদ্য রেকর্ড রয়েছে, যার সমকক্ষ কোনো সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল, রেডিও স্টেশন, বিবিসি, নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট বা গার্ডিয়ানও হতে পারে না। বস্তুত, এটি তাদের লজ্জিত করে। আর একারণেই তাকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। ~জন পিলজার]] [[File:CollateralMurder.ogv|thumb|২০১০ সালে, উইকিলিকস একটি গ্রাফিক ভিডিও পোস্ট করে [যা সেই সময়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি গোপনীয় তথ্য ছিল], যেখানে রয়টার্সের দুজন সাংবাদিকসহ প্রায় এক ডজন [নিরস্ত্র] ইরাকিকে হত্যা করার দৃশ্য চিত্রিত করা হয়েছিল... ~দ্য আটলান্টিক]] [[File:David-goliath28.jpg|thumb|আমরা একটি সম্ভাব্য বিশ্বযুদ্ধের মুখোমুখি, এবং একই সাথে সাংবাদিকতার বিরুদ্ধেও একটি যুদ্ধের সম্মুখীন, কারণ স্পষ্টতই তারা চায় না যে সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা প্রকাশিত হোক এবং প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের জন্য লাভজনক এই যুদ্ধ বন্ধ করার যেকোনো প্রচেষ্টাকে থামিয়ে দিক। ~জন পিলজার<ref> https://healingearth.info/transcription-of-christine-assanges-interview/ </ref>]] [[File:Aix-en-Provence Mausolee Joseph Sec 05 20061227.jpg|thumb|উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক হিসেবে তার অপরাধ হলো এই অন্ধকার সময়ে বোধগম্যতা তৈরি করা। উইকিলিকসের নির্ভুলতা ও সত্যতার এক অনবদ্য রেকর্ড রয়েছে, যার সমকক্ষ কোনো সংবাদপত্র হতে পারে না। বস্তুত, এটি তাদের লজ্জিত করে। আর এ কারণেই তাকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।]] [[File:Jack Goldsmith (7440848688).jpg|thumb|যারা মনে করেন অ্যাসাঞ্জকে অযথা কলঙ্কিত করা হচ্ছে, আমি তাদের সাথে একমত... তিনি কোন আইন লঙ্ঘন করেছেন তা স্পষ্ট নয়। ... মার্কিন বিচার বিভাগ যদি মামলাটি এগিয়ে নিয়ে যায়, তবে তাদের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে: উইকিলিকস যদি একটি অপরাধী সংগঠন হয়, তাহলে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের মতো এর গণমাধ্যম সহযোগীদের কী হবে। ~ জ্যাক গোল্ডস্মিথ]] '''{{w|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ}}''' (জন্ম জুলিয়ান পল হকিন্স; ৩ জুলাই ১৯৭১) একজন অস্ট্রেলীয় কম্পিউটার প্রোগ্রামার। তিনি ২০০৬ সালে [[উইকিলিকস]] প্রতিষ্ঠা করেন এবং ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেন, যখন উইকিলিকস চেলসি ম্যানিং-এর দেওয়া ধারাবাহিক তথ্য ফাঁস করে। এর মধ্যে ছিল কোলাটেরাল খুনের ভিডিও (এপ্রিল ২০১০), আফগানিস্তান যুদ্ধের লগ, ইরাক যুদ্ধের লগ এবং ক্যাবলগেট (নভেম্বর ২০১০)। ২০১২ সালের আগস্টে, ইকুয়েডর তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রদান করে এবং তিনি লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসে অবস্থান করেন। ইকুয়েডর আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর, ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল ব্রিটিশ পুলিশ অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করে এবং কারারুদ্ধ করে; প্রাথমিকভাবে দূতাবাসে প্রবেশ করে জামিন ভঙ্গের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে প্রত্যর্পণের চেষ্টা করেছিল, কিন্তু ২০২৪ সালের জুনে তিনি মুক্তি পান। তিনি উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি মার্কিন ভূখণ্ডে আদালতের শুনানির জন্য যান, যেখানে তিনি একটি অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তাকে আর কারাগারে থাকতে হয়নি এবং তিনি অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসেন। == উক্তি == === ২০০৭ === * যখনই আমরা কোনো অবিচার দেখি এবং কোনো পদক্ষেপ না নিই, তখন আমরা তার উপস্থিতিতে নিজেদের চরিত্রকে নিষ্ক্রিয় থাকতে প্রশিক্ষণ দিই এবং এর ফলে অবশেষে নিজেদের ও প্রিয়জনদের রক্ষা করার সমস্ত ক্ষমতা হারিয়ে ফেলি।<br/>আধুনিক অর্থনীতিতে অবিচার থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন রাখা অসম্ভব।<br/>যদি আমাদের মেধা বা সাহস থাকে, তবে আমরা ধন্য এবং আমাদের এই গুণগুলোকে নষ্ট করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে, অন্যের ধারণায় হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে থেকে, ক্ষমতার প্রতিযোগিতায় জিতে, নব্য-কর্পোরেট রাষ্ট্রের কার্যকারিতা বাড়িয়ে, বা জ্ঞানশূন্যতায় ডুবে থেকে নয়; বরং ভালোবাসার যত শক্তিশালী প্রতিপক্ষ আমরা খুঁজে পাই, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিভার তেজ প্রমাণ করার জন্য।<br/>যদি আমরা কেবল একবারই বাঁচতে পারি, তবে তা হোক এক দুঃসাহসিক অভিযান যা আমাদের সমস্ত শক্তিকে কাজে লাগায়।<br/>তা হোক আমাদের মতো মানুষদের সাথে, যাদের হৃদয় ও মস্তিষ্ক নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি। আমাদের নাতি-নাতনিরা যেন আমাদের গল্পের শুরুটা তাদের কানে খুঁজে পেয়ে আনন্দ পায়, আর শেষটা তাদের বিচরণশীল চোখে দেখতে পায় চারিদিকে।<br/>সমগ্র মহাবিশ্ব অথবা যে কাঠামো একে উপলব্ধি করে, তা এক যোগ্য প্রতিপক্ষ, কিন্তু শত চেষ্টা করেও আমি যন্ত্রণার ধ্বনি থেকে পালাতে পারি না।<br/>হয়তো বৃদ্ধ বয়সে আমি গবেষণাগারে টুকটাক কাজ করে এবং গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় ছাত্রদের সাথে মৃদুস্বরে কথা বলে পরম সান্ত্বনা খুঁজে নেব এবং নির্বিকারভাবে যন্ত্রণাকে মেনে নেব।<br/>কিন্তু এখন নয়; যৌবনকালে মানুষের যদি কোনো দৃঢ় বিশ্বাস থাকে, তবে সেই অনুযায়ী কাজ করাই তাদের কর্তব্য। ** [http://web.archive.org/web/20071020051936/http://iq.org/#Witnessing "সাক্ষ্যদান"]। ২০০৭-০১-০৩। সংগৃহীত: ২০১২-০৮-১৬। * আমরা সবাই একবারই বাঁচি। তাই আমাদের হাতে যে সময় আছে, তার সদ্ব্যবহার করা এবং অর্থপূর্ণ ও তৃপ্তিদায়ক কিছু করা আমাদের কর্তব্য। এই কাজটিই আমার কাছে অর্থপূর্ণ ও তৃপ্তিদায়ক। এটাই আমার স্বভাব। আমি বড় পরিসরে ব্যবস্থা তৈরি করতে উপভোগ করি, এবং আমি অসহায় মানুষদের সাহায্য করতে উপভোগ করি। আর আমি বদমাশদের পিষে ফেলতে উপভোগ করি। ** [http://www.spiegel.de/international/world/0,1518,708518,00.html "‘উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ‘ওয়ার লগস’ প্রসঙ্গে"।] ''Spiegel.de''। ২৬-০৭-২০১০। সংগৃহীত ০৩-০৮-২০১০। * সম্পূর্ণ পরীক্ষামূলক তথ্য ও ফলাফল ছাড়া পদার্থবিজ্ঞানের কোনো গবেষণাপত্র প্রকাশ করা যায় না, সাংবাদিকতায় এটাই মানদণ্ড হওয়া উচিত। সংবাদপত্রে এটা করা যায় না কারণ সেখানে পর্যাপ্ত জায়গা নেই, কিন্তু এখন ইন্টারনেটের কল্যাণে তা সম্ভব। ** [http://blogs.journalism.co.uk/editors/2010/07/12/a-real-free-press-for-the-first-time-in-history-wikileaks-editor-speaks-out-in-london/ "‘ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সত্যিকারের স্বাধীন সংবাদমাধ্যম’: লন্ডনে মুখ খুললেন উইকিলিকস সম্পাদক"]। Journalism.co.uk. ২০০৭-০৮-১২। সংগৃহীত: ২০১০-০৮-০১। === ২০১০ === === ২০১১ === === ২০১২ === === ২০১৩ === === ২০১৪ === ==== জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, "যখন গুগল উইকিলিকসের মুখোমুখি হলো" (ওআরবুকস, নিউ ইয়র্ক, ২০১৪) ==== === ২০১৬ === ==== Repubblica.it সাক্ষাৎকার (২৩ ডিসেম্বর ২০১৬) ==== === ২০১৯ === === ২০২১-২০২২ === === ২০২৫ === == অ্যাসাঞ্জ সম্পর্কিত উক্তি == === ২০২৩ === === ২০২২ === === ২০২১ === === ২০২০ === === ২০১৯ === === ২০১৮ === ==== ক্রিস হেজেস: জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে ক্রুশবিদ্ধ করা, ট্রুথডিগ, (১২ নভেম্বর ২০১৮) ==== === ২০০৯-২০১৬ === === ২০২৫ === == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{commonscat}} 383o3z4cfsnjfx5s8lkjo33qbgdthkr 81792 81780 2026-04-28T02:41:00Z Tanbiruzzaman 806 /* ২০১০ */ 81792 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[File:Videoconferencia con Julián Assange - Foro Cultura Digital (22175392526).jpg|thumb|সত্য দিয়েই শুরু করতে হবে। সত্যই একমাত্র পথ যার মাধ্যমে আমরা কোনো লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি। কারণ মিথ্যা বা অজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তই ভালো পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে না।]] [[File:Sydney Wikileaks 2010-Dec-10.JPG|thumb|অ্যাসাঞ্জ ও স্নোডেন ক্ষমতার যে গোপন রহস্য ও মিথ্যাচার উন্মোচন করেছেন, কোনো সংবাদপত্রই তার ধারেকাছেও আসতে পারেনি। এই দুজনই যে পলাতক, তা স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের নীতি থেকে উদার গণতন্ত্রগুলোর পশ্চাদপসরণেরই ইঙ্গিত দেয়। উইকিলিকস সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক কেন? কারণ এর প্রকাশনাগুলো শতভাগ নির্ভুলতার সাথে আমাদের বলে দিয়েছে, কীভাবে এবং কেন বিশ্বের একটি বিশাল অংশ বিভক্ত ও পরিচালিত হয়। ~ জন পিলজার]] [[File:Julian Assange 20091117 Copenhagen 1 cropped to shoulders.jpg|thumb|সক্ষম ও উদার মনের মানুষরা ভুক্তভোগী তৈরি করেন না, বরং তাদের লালন-পালন করেন।]] [[File:Digital_rain_animation_small_letters_shine.gif|thumb|এই পৃথিবী... শাসন করে ভেতরের লোকেরা... ভেতরের লোকেরা বাইরের কাউকে সত্যিটা বলে না, আর তারা অন্য ভেতরের লোকদের বিরুদ্ধেও যায় না... ~ইয়ানিস ভারুফাকিস]] [[File:Julian_Assange_in_Ecuadorian_Embassy_cropped.jpg|thumb|...জুলিয়ান [অ্যাসাঞ্জ]... সেই প্রযুক্তি তৈরি করেছিলেন যা বহিরাগতদের ভেতরে উঁকি দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল... এবং এই কারণেই তাকে নির্যাতন করা হচ্ছে। ~ইয়ানিস ভারুফাকিস]] [[File:WL_Hour_Glass_Bottom.jpg|thumb|উইকিলিকস একটি বহু-অধিক্ষেত্রীয় জনসেবা... আমরা বিশ্বাস করি যে সরকারি কার্যকলাপে স্বচ্ছতা দুর্নীতি হ্রাস, উন্নততর সরকার এবং শক্তিশালী গণতন্ত্রের দিকে পরিচালিত করে... পেন্টাগন পেপার্স সংক্রান্ত তার যুগান্তকারী রায়ে, মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে যে "কেবলমাত্র একটি স্বাধীন ও বাধাহীন গণমাধ্যমই সরকারের প্রতারণা কার্যকরভাবে উন্মোচন করতে পারে।" আমরা একমত... [https://www.wikileaks.org/wiki/Wikileaks:About উইকিলিকস:আমাদের সম্পর্কে]]] [[File:John Pilger, Richard Gizbert, and Julian Assange - The Wikileaks Files - Book Launch - London - 29th September 2015.jpg|thumb|উদারপন্থী আদর্শের জন্য যারা কাজ করেন, তাদের অনেকেই শুধু লাজুকই নন, বরং প্রায়শই ষড়যন্ত্রকারী প্রকৃতির। তারা চায় পরিবর্তনটা সুন্দরভাবে ঘটুক, কিন্তু তা হবে না। তারা চায় কোনো রকম কষ্ট বা বিব্রত হওয়া ছাড়াই শালীনতা প্রতিষ্ঠিত হোক, কিন্তু সেটাও হবে না। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, তারা উন্মুক্ত সরকারের অনেক শত্রুকে সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখতে চায়, কিন্তু আমি তা করি না... এই আশায় কোনো কিছু প্রকাশ করা যায় না যে তাতে কারও রাতের খাবার নষ্ট হবে না।]] [[File:Chris_hedges_blur.jpg|thumb|আমেরিকান সাম্রাজ্যের অন্ধকারময় চক্রান্ত ও অপরাধ উন্মোচনে অন্য যেকোনো সংবাদ সংস্থার চেয়ে [[উইকিলিকস]] ও অ্যাসাঞ্জ বেশি ভূমিকা রেখেছে। আমাদের অন্তহীন যুদ্ধগুলোতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত নৃশংসতা ও অপরাধ উন্মোচন এবং ক্লিনটন প্রচারণার অভ্যন্তরীণ কার্যকলাপ প্রকাশ করার পাশাপাশি, অ্যাসাঞ্জ সিআইএ ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সির ব্যবহৃত হ্যাকিং সরঞ্জাম, তাদের নজরদারি কর্মসূচি এবং বিদেশি নির্বাচনে তাদের হস্তক্ষেপের বিষয়টিও জনসমক্ষে এনেছেন... ~ক্রিস হেজেস]] [[File:Rueda de Prensa ofrecida por el Canciller Ricardo Patiño junto a la Sra. Christine Assange (7679136868).jpg|thumb|একটি বৈধ, নিবন্ধিত, বহু পুরস্কার বিজয়ী গণমাধ্যম সংস্থা এবং তার সম্পাদক বিশ্বের বৃহত্তম পরাশক্তির বিষয়ে আইনসম্মতভাবে সত্য প্রকাশ করে তাদের বিব্রত করেছেন এবং যুদ্ধাপরাধ, দুর্নীতি ও জালিয়াতির মতো অন্যায়ের জন্য তাদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন... এই পুরো কর্মকাণ্ডটি সত্যকে কলঙ্কিত ও স্তব্ধ করার জন্য সাজানো হয়েছে... ~ক্রিস্টিন অ্যাসাঞ্জ]] [[File:John Pilger in August 2011.jpg|thumb|তার অপরাধ হলো এই অন্ধকার সময়ে অর্থবহ পরিস্থিতি তৈরি করা। উইকিলিকসের নির্ভুলতা ও সত্যতার এক অনবদ্য রেকর্ড রয়েছে, যার সমকক্ষ কোনো সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল, রেডিও স্টেশন, বিবিসি, নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট বা গার্ডিয়ানও হতে পারে না। বস্তুত, এটি তাদের লজ্জিত করে। আর একারণেই তাকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। ~জন পিলজার]] [[File:CollateralMurder.ogv|thumb|২০১০ সালে, উইকিলিকস একটি গ্রাফিক ভিডিও পোস্ট করে [যা সেই সময়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি গোপনীয় তথ্য ছিল], যেখানে রয়টার্সের দুজন সাংবাদিকসহ প্রায় এক ডজন [নিরস্ত্র] ইরাকিকে হত্যা করার দৃশ্য চিত্রিত করা হয়েছিল... ~দ্য আটলান্টিক]] [[File:David-goliath28.jpg|thumb|আমরা একটি সম্ভাব্য বিশ্বযুদ্ধের মুখোমুখি, এবং একই সাথে সাংবাদিকতার বিরুদ্ধেও একটি যুদ্ধের সম্মুখীন, কারণ স্পষ্টতই তারা চায় না যে সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা প্রকাশিত হোক এবং প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের জন্য লাভজনক এই যুদ্ধ বন্ধ করার যেকোনো প্রচেষ্টাকে থামিয়ে দিক। ~জন পিলজার<ref> https://healingearth.info/transcription-of-christine-assanges-interview/ </ref>]] [[File:Aix-en-Provence Mausolee Joseph Sec 05 20061227.jpg|thumb|উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক হিসেবে তার অপরাধ হলো এই অন্ধকার সময়ে বোধগম্যতা তৈরি করা। উইকিলিকসের নির্ভুলতা ও সত্যতার এক অনবদ্য রেকর্ড রয়েছে, যার সমকক্ষ কোনো সংবাদপত্র হতে পারে না। বস্তুত, এটি তাদের লজ্জিত করে। আর এ কারণেই তাকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।]] [[File:Jack Goldsmith (7440848688).jpg|thumb|যারা মনে করেন অ্যাসাঞ্জকে অযথা কলঙ্কিত করা হচ্ছে, আমি তাদের সাথে একমত... তিনি কোন আইন লঙ্ঘন করেছেন তা স্পষ্ট নয়। ... মার্কিন বিচার বিভাগ যদি মামলাটি এগিয়ে নিয়ে যায়, তবে তাদের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে: উইকিলিকস যদি একটি অপরাধী সংগঠন হয়, তাহলে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের মতো এর গণমাধ্যম সহযোগীদের কী হবে। ~ জ্যাক গোল্ডস্মিথ]] '''{{w|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ}}''' (জন্ম জুলিয়ান পল হকিন্স; ৩ জুলাই ১৯৭১) একজন অস্ট্রেলীয় কম্পিউটার প্রোগ্রামার। তিনি ২০০৬ সালে [[উইকিলিকস]] প্রতিষ্ঠা করেন এবং ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেন, যখন উইকিলিকস চেলসি ম্যানিং-এর দেওয়া ধারাবাহিক তথ্য ফাঁস করে। এর মধ্যে ছিল কোলাটেরাল খুনের ভিডিও (এপ্রিল ২০১০), আফগানিস্তান যুদ্ধের লগ, ইরাক যুদ্ধের লগ এবং ক্যাবলগেট (নভেম্বর ২০১০)। ২০১২ সালের আগস্টে, ইকুয়েডর তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রদান করে এবং তিনি লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসে অবস্থান করেন। ইকুয়েডর আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর, ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল ব্রিটিশ পুলিশ অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করে এবং কারারুদ্ধ করে; প্রাথমিকভাবে দূতাবাসে প্রবেশ করে জামিন ভঙ্গের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে প্রত্যর্পণের চেষ্টা করেছিল, কিন্তু ২০২৪ সালের জুনে তিনি মুক্তি পান। তিনি উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি মার্কিন ভূখণ্ডে আদালতের শুনানির জন্য যান, যেখানে তিনি একটি অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তাকে আর কারাগারে থাকতে হয়নি এবং তিনি অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসেন। == উক্তি == === ২০০৭ === * যখনই আমরা কোনো অবিচার দেখি এবং কোনো পদক্ষেপ না নিই, তখন আমরা তার উপস্থিতিতে নিজেদের চরিত্রকে নিষ্ক্রিয় থাকতে প্রশিক্ষণ দিই এবং এর ফলে অবশেষে নিজেদের ও প্রিয়জনদের রক্ষা করার সমস্ত ক্ষমতা হারিয়ে ফেলি।<br/>আধুনিক অর্থনীতিতে অবিচার থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন রাখা অসম্ভব।<br/>যদি আমাদের মেধা বা সাহস থাকে, তবে আমরা ধন্য এবং আমাদের এই গুণগুলোকে নষ্ট করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে, অন্যের ধারণায় হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে থেকে, ক্ষমতার প্রতিযোগিতায় জিতে, নব্য-কর্পোরেট রাষ্ট্রের কার্যকারিতা বাড়িয়ে, বা জ্ঞানশূন্যতায় ডুবে থেকে নয়; বরং ভালোবাসার যত শক্তিশালী প্রতিপক্ষ আমরা খুঁজে পাই, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিভার তেজ প্রমাণ করার জন্য।<br/>যদি আমরা কেবল একবারই বাঁচতে পারি, তবে তা হোক এক দুঃসাহসিক অভিযান যা আমাদের সমস্ত শক্তিকে কাজে লাগায়।<br/>তা হোক আমাদের মতো মানুষদের সাথে, যাদের হৃদয় ও মস্তিষ্ক নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি। আমাদের নাতি-নাতনিরা যেন আমাদের গল্পের শুরুটা তাদের কানে খুঁজে পেয়ে আনন্দ পায়, আর শেষটা তাদের বিচরণশীল চোখে দেখতে পায় চারিদিকে।<br/>সমগ্র মহাবিশ্ব অথবা যে কাঠামো একে উপলব্ধি করে, তা এক যোগ্য প্রতিপক্ষ, কিন্তু শত চেষ্টা করেও আমি যন্ত্রণার ধ্বনি থেকে পালাতে পারি না।<br/>হয়তো বৃদ্ধ বয়সে আমি গবেষণাগারে টুকটাক কাজ করে এবং গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় ছাত্রদের সাথে মৃদুস্বরে কথা বলে পরম সান্ত্বনা খুঁজে নেব এবং নির্বিকারভাবে যন্ত্রণাকে মেনে নেব।<br/>কিন্তু এখন নয়; যৌবনকালে মানুষের যদি কোনো দৃঢ় বিশ্বাস থাকে, তবে সেই অনুযায়ী কাজ করাই তাদের কর্তব্য। ** [http://web.archive.org/web/20071020051936/http://iq.org/#Witnessing "সাক্ষ্যদান"]। ২০০৭-০১-০৩। সংগৃহীত: ২০১২-০৮-১৬। * আমরা সবাই একবারই বাঁচি। তাই আমাদের হাতে যে সময় আছে, তার সদ্ব্যবহার করা এবং অর্থপূর্ণ ও তৃপ্তিদায়ক কিছু করা আমাদের কর্তব্য। এই কাজটিই আমার কাছে অর্থপূর্ণ ও তৃপ্তিদায়ক। এটাই আমার স্বভাব। আমি বড় পরিসরে ব্যবস্থা তৈরি করতে উপভোগ করি, এবং আমি অসহায় মানুষদের সাহায্য করতে উপভোগ করি। আর আমি বদমাশদের পিষে ফেলতে উপভোগ করি। ** [http://www.spiegel.de/international/world/0,1518,708518,00.html "‘উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ‘ওয়ার লগস’ প্রসঙ্গে"।] ''Spiegel.de''। ২৬-০৭-২০১০। সংগৃহীত ০৩-০৮-২০১০। * সম্পূর্ণ পরীক্ষামূলক তথ্য ও ফলাফল ছাড়া পদার্থবিজ্ঞানের কোনো গবেষণাপত্র প্রকাশ করা যায় না, সাংবাদিকতায় এটাই মানদণ্ড হওয়া উচিত। সংবাদপত্রে এটা করা যায় না কারণ সেখানে পর্যাপ্ত জায়গা নেই, কিন্তু এখন ইন্টারনেটের কল্যাণে তা সম্ভব। ** [http://blogs.journalism.co.uk/editors/2010/07/12/a-real-free-press-for-the-first-time-in-history-wikileaks-editor-speaks-out-in-london/ "‘ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সত্যিকারের স্বাধীন সংবাদমাধ্যম’: লন্ডনে মুখ খুললেন উইকিলিকস সম্পাদক"]। Journalism.co.uk. ২০০৭-০৮-১২। সংগৃহীত: ২০১০-০৮-০১। === ২০১০ === * আইনি খরচের কারণে বড় সংবাদপত্রগুলো নিয়মিতভাবে [[বিবাচন]]ের শিকার হয়। এটা বন্ধ হওয়ার সময় এসেছে। এখন সময় এসেছে কোনো দেশের বলার যে, আর নয়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, ইতিহাসকে রক্ষা করতে হবে, এবং আমরা ঝড়ের হাত থেকে আশ্রয় দেব। ** ট্রান, মার্ক (১২ ফেব্রুয়ারি ২০১০)। [http://www.guardian.co.uk/world/2010/feb/12/iceland-haven-freedom-speech-wikileaks?KeepThis=true&TB_iframe=true&height=600&width=990 "বাকস্বাধীনতার বৈশ্বিক আশ্রয়স্থল হিসেবে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করছে আইসল্যান্ড"]। ''দ্য গার্ডিয়ান''। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * বলা যায়, গুপ্তচর সংস্থাগুলো ঠিক এটাই করে — অত্যাধুনিক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা। এখন সময় এসেছে গণমাধ্যমেরও সেই ধারায় নিজেদের সক্ষমতা উন্নত করার। ** কোহেন, নোয়াম (৬ এপ্রিল ২০১০)। [https://www.nytimes.com/2010/04/07/world/07wikileaks.html?src=mv "ইরাকের ভিডিও একটি ওয়েবসাইটের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে"]। ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস কোম্পানি)। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * চলমান রাজনৈতিক সংস্কারগুলো, যা সারা বিশ্বের মানুষের উপর প্রকৃত প্রভাব ফেলে, তা অত্যন্ত সন্তোষজনক। কিন্তু আমরা চাই, কিন্ডারগার্টেনের সাথে কোনো বিরোধে থাকা প্রত্যেক ব্যক্তি যেন আমাদের কাছে তথ্য পাঠাতে আত্মবিশ্বাসী বোধ করে। ** কুশনার, ডেভিড (৬ এপ্রিল ২০১০)। [http://motherjones.com/politics/2010/04/wikileaks-julian-assange-iraq-video?page=1 "উইকিলিকসের তথ্য ফাঁসের কারখানার ভেতরে"]। ''মাদার জোন্স''। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * অপব্যবহার যে ঘটছে, তা না জানলে তার প্রতিকার করা অসম্ভব। ** [http://www.oslofreedomforum.com/speakers/julian-assange.html জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অসলো ফ্রিডম ফোরাম], ২৬-২৯ এপ্রিল ২০১০। ইউআরএল ৮ জুলাই ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। ([https://www.youtube.com/watch?v=4S6002S8PTU ইউটিউব ভিডিও])। * বিভিন্ন সংস্কৃতির সংস্পর্শে এসে যে দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়, আমি তাকে অত্যন্ত মূল্যবান বলে মনে করি, কারণ এটি আপনাকে একটি দেশের কাঠামো আরও স্পষ্টভাবে দেখতে সাহায্য করে এবং আপনাকে মানসিক স্বাধীনতার অনুভূতি দেয়। আপনি একটি জাতির তুচ্ছ বিষয়ে জড়িয়ে পড়েন না। আপনি গুরুতর বিষয়গুলিতে মনোযোগ দিতে পারেন। ** [http://www.smh.com.au/technology/technology-news/the-secret-life-of-wikileaks-founder-julian-assange-20100521-w1um.html "উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের গোপন জীবন"]। ''দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড''। ২২ মে ২০১০। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * রাজনৈতিকভাবে কী গ্রহণযোগ্য, তার সীমা গণমাধ্যমই নিয়ন্ত্রণ করে, তাই গণমাধ্যমকে পরিবর্তন করাই শ্রেয়। মুনাফার উদ্দেশ্য এর বিরুদ্ধে কাজ করে, কিন্তু আমরা যদি দর্শকদের এটা বোঝাতে পারি যে সাংবাদিকতার অন্য বেশিরভাগ মাধ্যমই বিশ্বাসযোগ্য নয়, তাহলে হয়তো এটি একটি বাধ্যকারী পদক্ষেপ হতে পারে। ** ফার্কুহার, পিটার (১৯ মে ২০১০)। [http://www.news.com.au/technology/ipad/wikileaks-founder-julian-assange-adamant-his-site-broke-collateral-murder-encryption/story-fn5knrwy-1225868870785 "উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ দৃঢ়ভাবে দাবি করেন যে তার সাইট ‘কোল্যাটারাল মার্ডার’-এর এনক্রিপশন ভেঙেছে"]। ''নিউজ.কম.এইউ''। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * শেষ পেরেকটি ছিল এএনইউ-তে পদার্থবিজ্ঞানের শতবর্ষ পূর্তির অনুষ্ঠানে আমার যাওয়া। সেখানে প্রায় ১৫০০ জন দর্শনার্থী ছিলেন, চারজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী এবং তাদের প্রত্যেকেই পিঠে করে ডিফেন্স সায়েন্স টেকনোলজি অর্গানাইজেশনের দেওয়া একটি পিঠের ব্যাগ বয়ে বেড়াচ্ছিলেন। অন্তত এটি একটি অস্ট্রেলিয়ান প্রতিরক্ষা বিজ্ঞান সংস্থা ছিল। আর তাদের পোশাক, তাদের চলাফেরার ভঙ্গি, এবং অবশ্যই তাদের পিঠের ব্যাগগুলো এই সবকিছুতেই একটা অন্যরকম ব্যাপার ছিল। আমি তাদেরকে পুরুষ হিসেবে সম্মান করতে পারিনি। ** [http://www.theage.com.au/national/keeper-of-secrets-20100521-w230.html "গোপন তথ্যের রক্ষক"]। ''দ্য মেলবোর্ন এজ''। ২২ মে ২০১০। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে সংগৃহীত। * উইকিলিকস যেমন সুইস ব্যাংক, রাশিয়ার অফশোর স্টেম-সেল কেন্দ্র, প্রাক্তন আফ্রিকান দুর্নীতিবাজ শাসক বা পেন্টাগনের অনুরূপ দাবি মেনে নেয়নি, ঠিক তেমনি সায়েন্টোলজির কাছ থেকে আসা আইনসম্মতভাবে আপত্তিকর অনুরোধও আর মানবে না। * খাচাদোরিয়ান, রাফি (৯ জুন ২০১০)। [http://www.newyorker.com/reporting/2010/06/07/100607fa_fact_khatchadourian "কোনো গোপনীয়তা নেই"]। ''দ্য নিউ ইয়র্কার''। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * সক্ষম, উদার মানুষেরা ভুক্তভোগী তৈরি করে না, তারা তাদের লালন-পালন করে। ** [http://www.ted.com/talks/julian_assange_why_the_world_needs_wikileaks.html "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ: কেন বিশ্বের উইকিলিকস প্রয়োজন"]। ''টেড: আইডিয়াস ওর্থ স্প্রেডিং'' (www.ted.com)। জুলাই ২০১০। ২২ জুলাই ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * আপনাকে [[সত্য]] দিয়েই শুরু করতে হবে। সত্যই একমাত্র পথ যার মাধ্যমে আমরা কোনো লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি। কারণ মিথ্যা বা অজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তই একটি ভালো উপসংহারে পৌঁছাতে পারে না। * [http://www.guardian.co.uk/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সন্ন্যাসী যিনি বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়েই প্রাণবন্ত হয়ে ওঠেন"]। ''দ্য গার্ডিয়ান''। ১ আগস্ট ২০১০। ১ আগস্ট ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * শুধুমাত্র ক্ষতি হতে পারে বলেই আমরা ভালো কাজ করার ক্ষেত্র ছেড়ে যাচ্ছি না... আমাদের চার বছরের প্রকাশনার ইতিহাসে, আমাদের জানা মতে বা কারো কোনো অভিযোগ অনুযায়ী, কেউ কখনো শারীরিক ক্ষতির শিকার হননি। অন্যদিকে, আমরা সরকার ও সংবিধান পরিবর্তন করেছি এবং তার অসাধারণ ইতিবাচক ফলাফল পেয়েছি... আমরা সংবাদ হতে চাইনি, বরং সংবাদ তৈরি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটাই আমাদের পরিচয় নিয়ে অসাধারণ কৌতূহল তৈরি করেছিল... সংবাদ না হওয়ার এই চেষ্টাই আমাদেরকে সংবাদে পরিণত করেছে... আমরা আমাদের পেছনে এমন একটি পরিসর তৈরি করছি যা এমন এক ধরনের সাংবাদিকতাকে অনুমোদন দেয়, যা সাংবাদিকতার সেই নামের মর্যাদা রক্ষা করে, যে নাম সাংবাদিকতা সবসময় নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে এসেছে। আমরা সেই পরিসর তৈরি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর কঠোর মুখোশ উন্মোচনের ফলে আসা সমালোচনার মোকাবিলা করছি... আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই। আমাদের উদ্বেগ মানুষের জন্য... আমাদের ওপর ১০০টিরও বেশি আইনি আক্রমণ হয়েছে। আমরা প্রায় প্রতিটি আইনি আক্রমণেই বিজয়ী হয়েছি... আমরা আইনের শাসনের অধীনেই কাজ করি। ** [https://www.theguardian.com/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সন্ন্যাসী যিনি বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে প্রাণবন্ত]], ক্যারল ক্যাডওয়ালাডার, ''দ্য গার্ডিয়ান'', (১ আগস্ট ২০১০) * পশ্চিমারা চুক্তি, ঋণ, শেয়ারহোল্ডিং, ব্যাংক হোল্ডিং ইত্যাদির এক জালের মাধ্যমে তাদের মৌলিক ক্ষমতার সম্পর্ককে রাজস্বায়িত করেছে। এমন পরিবেশে বাকস্বাধীনতা "মুক্ত" হওয়া সহজ, কারণ রাজনৈতিক ইচ্ছার পরিবর্তন এই মৌলিক উপকরণগুলোতে খুব কমই কোনো পরিবর্তন আনে। পশ্চিমা বাকস্বাধীনতা, যা ক্ষমতার ওপর খুব কমই প্রভাব ফেলে, তা ব্যাজার ও পাখির মতো মুক্ত। ** [http://www.guardian.co.uk/world/blog/2010/dec/03/julian-assange-wikileaks "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ আপনার প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন"] দ্য গার্ডিয়ান। ৩ ডিসেম্বর ২০১০। ১৪ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * সুইডেন হলো নারীবাদীদের সৌদি আরব। ** [http://www.thesundaytimes.co.uk/sto/news/uk_news/People/article490823.ece "অভিযোগকারী আমার নগ্ন ছবি তুলেছিল"]। ''দ্য সানডে টাইমস''। ২৬ ডিসেম্বর ২০১০। ২৮ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। === ২০১১ === === ২০১২ === === ২০১৩ === === ২০১৪ === ==== জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, "যখন গুগল উইকিলিকসের মুখোমুখি হলো" (ওআরবুকস, নিউ ইয়র্ক, ২০১৪) ==== === ২০১৬ === ==== Repubblica.it সাক্ষাৎকার (২৩ ডিসেম্বর ২০১৬) ==== === ২০১৯ === === ২০২১-২০২২ === === ২০২৫ === == অ্যাসাঞ্জ সম্পর্কিত উক্তি == === ২০২৩ === === ২০২২ === === ২০২১ === === ২০২০ === === ২০১৯ === === ২০১৮ === ==== ক্রিস হেজেস: জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে ক্রুশবিদ্ধ করা, ট্রুথডিগ, (১২ নভেম্বর ২০১৮) ==== === ২০০৯-২০১৬ === === ২০২৫ === == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{commonscat}} agkopw38dr8cb13lovgry2x4oir06nt 81797 81792 2026-04-28T02:48:58Z Tanbiruzzaman 806 /* ২০১০ */ 81797 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[File:Videoconferencia con Julián Assange - Foro Cultura Digital (22175392526).jpg|thumb|সত্য দিয়েই শুরু করতে হবে। সত্যই একমাত্র পথ যার মাধ্যমে আমরা কোনো লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি। কারণ মিথ্যা বা অজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তই ভালো পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে না।]] [[File:Sydney Wikileaks 2010-Dec-10.JPG|thumb|অ্যাসাঞ্জ ও স্নোডেন ক্ষমতার যে গোপন রহস্য ও মিথ্যাচার উন্মোচন করেছেন, কোনো সংবাদপত্রই তার ধারেকাছেও আসতে পারেনি। এই দুজনই যে পলাতক, তা স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের নীতি থেকে উদার গণতন্ত্রগুলোর পশ্চাদপসরণেরই ইঙ্গিত দেয়। উইকিলিকস সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক কেন? কারণ এর প্রকাশনাগুলো শতভাগ নির্ভুলতার সাথে আমাদের বলে দিয়েছে, কীভাবে এবং কেন বিশ্বের একটি বিশাল অংশ বিভক্ত ও পরিচালিত হয়। ~ জন পিলজার]] [[File:Julian Assange 20091117 Copenhagen 1 cropped to shoulders.jpg|thumb|সক্ষম ও উদার মনের মানুষরা ভুক্তভোগী তৈরি করেন না, বরং তাদের লালন-পালন করেন।]] [[File:Digital_rain_animation_small_letters_shine.gif|thumb|এই পৃথিবী... শাসন করে ভেতরের লোকেরা... ভেতরের লোকেরা বাইরের কাউকে সত্যিটা বলে না, আর তারা অন্য ভেতরের লোকদের বিরুদ্ধেও যায় না... ~ইয়ানিস ভারুফাকিস]] [[File:Julian_Assange_in_Ecuadorian_Embassy_cropped.jpg|thumb|...জুলিয়ান [অ্যাসাঞ্জ]... সেই প্রযুক্তি তৈরি করেছিলেন যা বহিরাগতদের ভেতরে উঁকি দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল... এবং এই কারণেই তাকে নির্যাতন করা হচ্ছে। ~ইয়ানিস ভারুফাকিস]] [[File:WL_Hour_Glass_Bottom.jpg|thumb|উইকিলিকস একটি বহু-অধিক্ষেত্রীয় জনসেবা... আমরা বিশ্বাস করি যে সরকারি কার্যকলাপে স্বচ্ছতা দুর্নীতি হ্রাস, উন্নততর সরকার এবং শক্তিশালী গণতন্ত্রের দিকে পরিচালিত করে... পেন্টাগন পেপার্স সংক্রান্ত তার যুগান্তকারী রায়ে, মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে যে "কেবলমাত্র একটি স্বাধীন ও বাধাহীন গণমাধ্যমই সরকারের প্রতারণা কার্যকরভাবে উন্মোচন করতে পারে।" আমরা একমত... [https://www.wikileaks.org/wiki/Wikileaks:About উইকিলিকস:আমাদের সম্পর্কে]]] [[File:John Pilger, Richard Gizbert, and Julian Assange - The Wikileaks Files - Book Launch - London - 29th September 2015.jpg|thumb|উদারপন্থী আদর্শের জন্য যারা কাজ করেন, তাদের অনেকেই শুধু লাজুকই নন, বরং প্রায়শই ষড়যন্ত্রকারী প্রকৃতির। তারা চায় পরিবর্তনটা সুন্দরভাবে ঘটুক, কিন্তু তা হবে না। তারা চায় কোনো রকম কষ্ট বা বিব্রত হওয়া ছাড়াই শালীনতা প্রতিষ্ঠিত হোক, কিন্তু সেটাও হবে না। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, তারা উন্মুক্ত সরকারের অনেক শত্রুকে সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখতে চায়, কিন্তু আমি তা করি না... এই আশায় কোনো কিছু প্রকাশ করা যায় না যে তাতে কারও রাতের খাবার নষ্ট হবে না।]] [[File:Chris_hedges_blur.jpg|thumb|আমেরিকান সাম্রাজ্যের অন্ধকারময় চক্রান্ত ও অপরাধ উন্মোচনে অন্য যেকোনো সংবাদ সংস্থার চেয়ে [[উইকিলিকস]] ও অ্যাসাঞ্জ বেশি ভূমিকা রেখেছে। আমাদের অন্তহীন যুদ্ধগুলোতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত নৃশংসতা ও অপরাধ উন্মোচন এবং ক্লিনটন প্রচারণার অভ্যন্তরীণ কার্যকলাপ প্রকাশ করার পাশাপাশি, অ্যাসাঞ্জ সিআইএ ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সির ব্যবহৃত হ্যাকিং সরঞ্জাম, তাদের নজরদারি কর্মসূচি এবং বিদেশি নির্বাচনে তাদের হস্তক্ষেপের বিষয়টিও জনসমক্ষে এনেছেন... ~ক্রিস হেজেস]] [[File:Rueda de Prensa ofrecida por el Canciller Ricardo Patiño junto a la Sra. Christine Assange (7679136868).jpg|thumb|একটি বৈধ, নিবন্ধিত, বহু পুরস্কার বিজয়ী গণমাধ্যম সংস্থা এবং তার সম্পাদক বিশ্বের বৃহত্তম পরাশক্তির বিষয়ে আইনসম্মতভাবে সত্য প্রকাশ করে তাদের বিব্রত করেছেন এবং যুদ্ধাপরাধ, দুর্নীতি ও জালিয়াতির মতো অন্যায়ের জন্য তাদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন... এই পুরো কর্মকাণ্ডটি সত্যকে কলঙ্কিত ও স্তব্ধ করার জন্য সাজানো হয়েছে... ~ক্রিস্টিন অ্যাসাঞ্জ]] [[File:John Pilger in August 2011.jpg|thumb|তার অপরাধ হলো এই অন্ধকার সময়ে অর্থবহ পরিস্থিতি তৈরি করা। উইকিলিকসের নির্ভুলতা ও সত্যতার এক অনবদ্য রেকর্ড রয়েছে, যার সমকক্ষ কোনো সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল, রেডিও স্টেশন, বিবিসি, নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট বা গার্ডিয়ানও হতে পারে না। বস্তুত, এটি তাদের লজ্জিত করে। আর একারণেই তাকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। ~জন পিলজার]] [[File:CollateralMurder.ogv|thumb|২০১০ সালে, উইকিলিকস একটি গ্রাফিক ভিডিও পোস্ট করে [যা সেই সময়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি গোপনীয় তথ্য ছিল], যেখানে রয়টার্সের দুজন সাংবাদিকসহ প্রায় এক ডজন [নিরস্ত্র] ইরাকিকে হত্যা করার দৃশ্য চিত্রিত করা হয়েছিল... ~দ্য আটলান্টিক]] [[File:David-goliath28.jpg|thumb|আমরা একটি সম্ভাব্য বিশ্বযুদ্ধের মুখোমুখি, এবং একই সাথে সাংবাদিকতার বিরুদ্ধেও একটি যুদ্ধের সম্মুখীন, কারণ স্পষ্টতই তারা চায় না যে সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা প্রকাশিত হোক এবং প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের জন্য লাভজনক এই যুদ্ধ বন্ধ করার যেকোনো প্রচেষ্টাকে থামিয়ে দিক। ~জন পিলজার<ref> https://healingearth.info/transcription-of-christine-assanges-interview/ </ref>]] [[File:Aix-en-Provence Mausolee Joseph Sec 05 20061227.jpg|thumb|উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক হিসেবে তার অপরাধ হলো এই অন্ধকার সময়ে বোধগম্যতা তৈরি করা। উইকিলিকসের নির্ভুলতা ও সত্যতার এক অনবদ্য রেকর্ড রয়েছে, যার সমকক্ষ কোনো সংবাদপত্র হতে পারে না। বস্তুত, এটি তাদের লজ্জিত করে। আর এ কারণেই তাকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।]] [[File:Jack Goldsmith (7440848688).jpg|thumb|যারা মনে করেন অ্যাসাঞ্জকে অযথা কলঙ্কিত করা হচ্ছে, আমি তাদের সাথে একমত... তিনি কোন আইন লঙ্ঘন করেছেন তা স্পষ্ট নয়। ... মার্কিন বিচার বিভাগ যদি মামলাটি এগিয়ে নিয়ে যায়, তবে তাদের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে: উইকিলিকস যদি একটি অপরাধী সংগঠন হয়, তাহলে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের মতো এর গণমাধ্যম সহযোগীদের কী হবে। ~ জ্যাক গোল্ডস্মিথ]] '''{{w|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ}}''' (জন্ম জুলিয়ান পল হকিন্স; ৩ জুলাই ১৯৭১) একজন অস্ট্রেলীয় কম্পিউটার প্রোগ্রামার। তিনি ২০০৬ সালে [[উইকিলিকস]] প্রতিষ্ঠা করেন এবং ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেন, যখন উইকিলিকস চেলসি ম্যানিং-এর দেওয়া ধারাবাহিক তথ্য ফাঁস করে। এর মধ্যে ছিল কোলাটেরাল খুনের ভিডিও (এপ্রিল ২০১০), আফগানিস্তান যুদ্ধের লগ, ইরাক যুদ্ধের লগ এবং ক্যাবলগেট (নভেম্বর ২০১০)। ২০১২ সালের আগস্টে, ইকুয়েডর তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রদান করে এবং তিনি লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসে অবস্থান করেন। ইকুয়েডর আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর, ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল ব্রিটিশ পুলিশ অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করে এবং কারারুদ্ধ করে; প্রাথমিকভাবে দূতাবাসে প্রবেশ করে জামিন ভঙ্গের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে প্রত্যর্পণের চেষ্টা করেছিল, কিন্তু ২০২৪ সালের জুনে তিনি মুক্তি পান। তিনি উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি মার্কিন ভূখণ্ডে আদালতের শুনানির জন্য যান, যেখানে তিনি একটি অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তাকে আর কারাগারে থাকতে হয়নি এবং তিনি অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসেন। == উক্তি == === ২০০৭ === * যখনই আমরা কোনো অবিচার দেখি এবং কোনো পদক্ষেপ না নিই, তখন আমরা তার উপস্থিতিতে নিজেদের চরিত্রকে নিষ্ক্রিয় থাকতে প্রশিক্ষণ দিই এবং এর ফলে অবশেষে নিজেদের ও প্রিয়জনদের রক্ষা করার সমস্ত ক্ষমতা হারিয়ে ফেলি।<br/>আধুনিক অর্থনীতিতে অবিচার থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন রাখা অসম্ভব।<br/>যদি আমাদের মেধা বা সাহস থাকে, তবে আমরা ধন্য এবং আমাদের এই গুণগুলোকে নষ্ট করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে, অন্যের ধারণায় হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে থেকে, ক্ষমতার প্রতিযোগিতায় জিতে, নব্য-কর্পোরেট রাষ্ট্রের কার্যকারিতা বাড়িয়ে, বা জ্ঞানশূন্যতায় ডুবে থেকে নয়; বরং ভালোবাসার যত শক্তিশালী প্রতিপক্ষ আমরা খুঁজে পাই, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিভার তেজ প্রমাণ করার জন্য।<br/>যদি আমরা কেবল একবারই বাঁচতে পারি, তবে তা হোক এক দুঃসাহসিক অভিযান যা আমাদের সমস্ত শক্তিকে কাজে লাগায়।<br/>তা হোক আমাদের মতো মানুষদের সাথে, যাদের হৃদয় ও মস্তিষ্ক নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি। আমাদের নাতি-নাতনিরা যেন আমাদের গল্পের শুরুটা তাদের কানে খুঁজে পেয়ে আনন্দ পায়, আর শেষটা তাদের বিচরণশীল চোখে দেখতে পায় চারিদিকে।<br/>সমগ্র মহাবিশ্ব অথবা যে কাঠামো একে উপলব্ধি করে, তা এক যোগ্য প্রতিপক্ষ, কিন্তু শত চেষ্টা করেও আমি যন্ত্রণার ধ্বনি থেকে পালাতে পারি না।<br/>হয়তো বৃদ্ধ বয়সে আমি গবেষণাগারে টুকটাক কাজ করে এবং গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় ছাত্রদের সাথে মৃদুস্বরে কথা বলে পরম সান্ত্বনা খুঁজে নেব এবং নির্বিকারভাবে যন্ত্রণাকে মেনে নেব।<br/>কিন্তু এখন নয়; যৌবনকালে মানুষের যদি কোনো দৃঢ় বিশ্বাস থাকে, তবে সেই অনুযায়ী কাজ করাই তাদের কর্তব্য। ** [http://web.archive.org/web/20071020051936/http://iq.org/#Witnessing "সাক্ষ্যদান"]। ২০০৭-০১-০৩। সংগৃহীত: ২০১২-০৮-১৬। * আমরা সবাই একবারই বাঁচি। তাই আমাদের হাতে যে সময় আছে, তার সদ্ব্যবহার করা এবং অর্থপূর্ণ ও তৃপ্তিদায়ক কিছু করা আমাদের কর্তব্য। এই কাজটিই আমার কাছে অর্থপূর্ণ ও তৃপ্তিদায়ক। এটাই আমার স্বভাব। আমি বড় পরিসরে ব্যবস্থা তৈরি করতে উপভোগ করি, এবং আমি অসহায় মানুষদের সাহায্য করতে উপভোগ করি। আর আমি বদমাশদের পিষে ফেলতে উপভোগ করি। ** [http://www.spiegel.de/international/world/0,1518,708518,00.html "‘উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ‘ওয়ার লগস’ প্রসঙ্গে"।] ''Spiegel.de''। ২৬-০৭-২০১০। সংগৃহীত ০৩-০৮-২০১০। * সম্পূর্ণ পরীক্ষামূলক তথ্য ও ফলাফল ছাড়া পদার্থবিজ্ঞানের কোনো গবেষণাপত্র প্রকাশ করা যায় না, সাংবাদিকতায় এটাই মানদণ্ড হওয়া উচিত। সংবাদপত্রে এটা করা যায় না কারণ সেখানে পর্যাপ্ত জায়গা নেই, কিন্তু এখন ইন্টারনেটের কল্যাণে তা সম্ভব। ** [http://blogs.journalism.co.uk/editors/2010/07/12/a-real-free-press-for-the-first-time-in-history-wikileaks-editor-speaks-out-in-london/ "‘ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সত্যিকারের স্বাধীন সংবাদমাধ্যম’: লন্ডনে মুখ খুললেন উইকিলিকস সম্পাদক"]। Journalism.co.uk. ২০০৭-০৮-১২। সংগৃহীত: ২০১০-০৮-০১। === ২০১০ === * আইনি খরচের কারণে বড় সংবাদপত্রগুলো নিয়মিতভাবে [[বিবাচন]]ের শিকার হয়। এটা বন্ধ হওয়ার সময় এসেছে। এখন সময় এসেছে কোনো দেশের বলার যে, আর নয়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, ইতিহাসকে রক্ষা করতে হবে, এবং আমরা ঝড়ের হাত থেকে আশ্রয় দেব। ** ট্রান, মার্ক (১২ ফেব্রুয়ারি ২০১০)। [http://www.guardian.co.uk/world/2010/feb/12/iceland-haven-freedom-speech-wikileaks?KeepThis=true&TB_iframe=true&height=600&width=990 "বাকস্বাধীনতার বৈশ্বিক আশ্রয়স্থল হিসেবে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করছে আইসল্যান্ড"]। ''দ্য গার্ডিয়ান''। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * বলা যায়, গুপ্তচর সংস্থাগুলো ঠিক এটাই করে — অত্যাধুনিক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা। এখন সময় এসেছে গণমাধ্যমেরও সেই ধারায় নিজেদের সক্ষমতা উন্নত করার। ** কোহেন, নোয়াম (৬ এপ্রিল ২০১০)। [https://www.nytimes.com/2010/04/07/world/07wikileaks.html?src=mv "ইরাকের ভিডিও একটি ওয়েবসাইটের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে"]। ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস কোম্পানি)। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * চলমান রাজনৈতিক সংস্কারগুলো, যা সারা বিশ্বের মানুষের উপর প্রকৃত প্রভাব ফেলে, তা অত্যন্ত সন্তোষজনক। কিন্তু আমরা চাই, কিন্ডারগার্টেনের সাথে কোনো বিরোধে থাকা প্রত্যেক ব্যক্তি যেন আমাদের কাছে তথ্য পাঠাতে আত্মবিশ্বাসী বোধ করে। ** কুশনার, ডেভিড (৬ এপ্রিল ২০১০)। [http://motherjones.com/politics/2010/04/wikileaks-julian-assange-iraq-video?page=1 "উইকিলিকসের তথ্য ফাঁসের কারখানার ভেতরে"]। ''মাদার জোন্স''। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * অপব্যবহার যে ঘটছে, তা না জানলে তার প্রতিকার করা অসম্ভব। ** [http://www.oslofreedomforum.com/speakers/julian-assange.html জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অসলো ফ্রিডম ফোরাম], ২৬-২৯ এপ্রিল ২০১০। ইউআরএল ৮ জুলাই ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। ([https://www.youtube.com/watch?v=4S6002S8PTU ইউটিউব ভিডিও])। * বিভিন্ন সংস্কৃতির সংস্পর্শে এসে যে দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়, আমি তাকে অত্যন্ত মূল্যবান বলে মনে করি, কারণ এটি আপনাকে একটি দেশের কাঠামো আরও স্পষ্টভাবে দেখতে সাহায্য করে এবং আপনাকে মানসিক স্বাধীনতার অনুভূতি দেয়। আপনি একটি জাতির তুচ্ছ বিষয়ে জড়িয়ে পড়েন না। আপনি গুরুতর বিষয়গুলিতে মনোযোগ দিতে পারেন। ** [http://www.smh.com.au/technology/technology-news/the-secret-life-of-wikileaks-founder-julian-assange-20100521-w1um.html "উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের গোপন জীবন"]। ''দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড''। ২২ মে ২০১০। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * রাজনৈতিকভাবে কী গ্রহণযোগ্য, তার সীমা গণমাধ্যমই নিয়ন্ত্রণ করে, তাই গণমাধ্যমকে পরিবর্তন করাই শ্রেয়। মুনাফার উদ্দেশ্য এর বিরুদ্ধে কাজ করে, কিন্তু আমরা যদি দর্শকদের এটা বোঝাতে পারি যে সাংবাদিকতার অন্য বেশিরভাগ মাধ্যমই বিশ্বাসযোগ্য নয়, তাহলে হয়তো এটি একটি বাধ্যকারী পদক্ষেপ হতে পারে। ** ফার্কুহার, পিটার (১৯ মে ২০১০)। [http://www.news.com.au/technology/ipad/wikileaks-founder-julian-assange-adamant-his-site-broke-collateral-murder-encryption/story-fn5knrwy-1225868870785 "উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ দৃঢ়ভাবে দাবি করেন যে তার সাইট ‘কোল্যাটারাল মার্ডার’-এর এনক্রিপশন ভেঙেছে"]। ''নিউজ.কম.এইউ''। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * শেষ পেরেকটি ছিল এএনইউ-তে পদার্থবিজ্ঞানের শতবর্ষ পূর্তির অনুষ্ঠানে আমার যাওয়া। সেখানে প্রায় ১৫০০ জন দর্শনার্থী ছিলেন, চারজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী এবং তাদের প্রত্যেকেই পিঠে করে ডিফেন্স সায়েন্স টেকনোলজি অর্গানাইজেশনের দেওয়া একটি পিঠের ব্যাগ বয়ে বেড়াচ্ছিলেন। অন্তত এটি একটি অস্ট্রেলিয়ান প্রতিরক্ষা বিজ্ঞান সংস্থা ছিল। আর তাদের পোশাক, তাদের চলাফেরার ভঙ্গি, এবং অবশ্যই তাদের পিঠের ব্যাগগুলো এই সবকিছুতেই একটা অন্যরকম ব্যাপার ছিল। আমি তাদেরকে পুরুষ হিসেবে সম্মান করতে পারিনি। ** [http://www.theage.com.au/national/keeper-of-secrets-20100521-w230.html "গোপন তথ্যের রক্ষক"]। ''দ্য মেলবোর্ন এজ''। ২২ মে ২০১০। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে সংগৃহীত। * উইকিলিকস যেমন সুইস ব্যাংক, রাশিয়ার অফশোর স্টেম-সেল কেন্দ্র, প্রাক্তন আফ্রিকান দুর্নীতিবাজ শাসক বা পেন্টাগনের অনুরূপ দাবি মেনে নেয়নি, ঠিক তেমনি সায়েন্টোলজির কাছ থেকে আসা আইনসম্মতভাবে আপত্তিকর অনুরোধও আর মানবে না। * খাচাদোরিয়ান, রাফি (৯ জুন ২০১০)। [http://www.newyorker.com/reporting/2010/06/07/100607fa_fact_khatchadourian "কোনো গোপনীয়তা নেই"]। ''দ্য নিউ ইয়র্কার''। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * সক্ষম, উদার মানুষেরা ভুক্তভোগী তৈরি করে না, তারা তাদের লালন-পালন করে। ** [http://www.ted.com/talks/julian_assange_why_the_world_needs_wikileaks.html "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ: কেন বিশ্বের উইকিলিকস প্রয়োজন"]। ''টেড: আইডিয়াস ওর্থ স্প্রেডিং'' (www.ted.com)। জুলাই ২০১০। ২২ জুলাই ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * আপনাকে [[সত্য]] দিয়েই শুরু করতে হবে। সত্যই একমাত্র পথ যার মাধ্যমে আমরা কোনো লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি। কারণ মিথ্যা বা অজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তই একটি ভালো উপসংহারে পৌঁছাতে পারে না। * [http://www.guardian.co.uk/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সন্ন্যাসী যিনি বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়েই প্রাণবন্ত হয়ে ওঠেন"]। ''দ্য গার্ডিয়ান''। ১ আগস্ট ২০১০। ১ আগস্ট ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * শুধুমাত্র ক্ষতি হতে পারে বলেই আমরা ভালো কাজ করার ক্ষেত্র ছেড়ে যাচ্ছি না... আমাদের চার বছরের প্রকাশনার ইতিহাসে, আমাদের জানা মতে বা কারো কোনো অভিযোগ অনুযায়ী, কেউ কখনো শারীরিক ক্ষতির শিকার হননি। অন্যদিকে, আমরা সরকার ও সংবিধান পরিবর্তন করেছি এবং তার অসাধারণ ইতিবাচক ফলাফল পেয়েছি... আমরা সংবাদ হতে চাইনি, বরং সংবাদ তৈরি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটাই আমাদের পরিচয় নিয়ে অসাধারণ কৌতূহল তৈরি করেছিল... সংবাদ না হওয়ার এই চেষ্টাই আমাদেরকে সংবাদে পরিণত করেছে... আমরা আমাদের পেছনে এমন একটি পরিসর তৈরি করছি যা এমন এক ধরনের সাংবাদিকতাকে অনুমোদন দেয়, যা সাংবাদিকতার সেই নামের মর্যাদা রক্ষা করে, যে নাম সাংবাদিকতা সবসময় নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে এসেছে। আমরা সেই পরিসর তৈরি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর কঠোর মুখোশ উন্মোচনের ফলে আসা সমালোচনার মোকাবিলা করছি... আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই। আমাদের উদ্বেগ মানুষের জন্য... আমাদের ওপর ১০০টিরও বেশি আইনি আক্রমণ হয়েছে। আমরা প্রায় প্রতিটি আইনি আক্রমণেই বিজয়ী হয়েছি... আমরা আইনের শাসনের অধীনেই কাজ করি। ** [https://www.theguardian.com/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সন্ন্যাসী যিনি বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে প্রাণবন্ত], ক্যারল ক্যাডওয়ালাডার, ''দ্য গার্ডিয়ান'', (১ আগস্ট ২০১০) * পশ্চিমারা চুক্তি, ঋণ, শেয়ারহোল্ডিং, ব্যাংক হোল্ডিং ইত্যাদির এক জালের মাধ্যমে তাদের মৌলিক ক্ষমতার সম্পর্ককে রাজস্বায়িত করেছে। এমন পরিবেশে বাকস্বাধীনতা "মুক্ত" হওয়া সহজ, কারণ রাজনৈতিক ইচ্ছার পরিবর্তন এই মৌলিক উপকরণগুলোতে খুব কমই কোনো পরিবর্তন আনে। পশ্চিমা বাকস্বাধীনতা, যা ক্ষমতার ওপর খুব কমই প্রভাব ফেলে, তা ব্যাজার ও পাখির মতো মুক্ত। ** [http://www.guardian.co.uk/world/blog/2010/dec/03/julian-assange-wikileaks "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ আপনার প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন"] দ্য গার্ডিয়ান। ৩ ডিসেম্বর ২০১০। ১৪ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * সুইডেন হলো নারীবাদীদের সৌদি আরব। ** [http://www.thesundaytimes.co.uk/sto/news/uk_news/People/article490823.ece "অভিযোগকারী আমার নগ্ন ছবি তুলেছিল"]। ''দ্য সানডে টাইমস''। ২৬ ডিসেম্বর ২০১০। ২৮ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। === ২০১১ === === ২০১২ === === ২০১৩ === === ২০১৪ === ==== জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, "যখন গুগল উইকিলিকসের মুখোমুখি হলো" (ওআরবুকস, নিউ ইয়র্ক, ২০১৪) ==== === ২০১৬ === ==== Repubblica.it সাক্ষাৎকার (২৩ ডিসেম্বর ২০১৬) ==== === ২০১৯ === === ২০২১-২০২২ === === ২০২৫ === == অ্যাসাঞ্জ সম্পর্কিত উক্তি == === ২০২৩ === === ২০২২ === === ২০২১ === === ২০২০ === === ২০১৯ === === ২০১৮ === ==== ক্রিস হেজেস: জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে ক্রুশবিদ্ধ করা, ট্রুথডিগ, (১২ নভেম্বর ২০১৮) ==== === ২০০৯-২০১৬ === === ২০২৫ === == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{commonscat}} 3w14h8kgzdaormzassqojc8txnrjxb7 81799 81797 2026-04-28T02:54:48Z Tanbiruzzaman 806 /* ২০১১ */ 81799 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[File:Videoconferencia con Julián Assange - Foro Cultura Digital (22175392526).jpg|thumb|সত্য দিয়েই শুরু করতে হবে। সত্যই একমাত্র পথ যার মাধ্যমে আমরা কোনো লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি। কারণ মিথ্যা বা অজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তই ভালো পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে না।]] [[File:Sydney Wikileaks 2010-Dec-10.JPG|thumb|অ্যাসাঞ্জ ও স্নোডেন ক্ষমতার যে গোপন রহস্য ও মিথ্যাচার উন্মোচন করেছেন, কোনো সংবাদপত্রই তার ধারেকাছেও আসতে পারেনি। এই দুজনই যে পলাতক, তা স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের নীতি থেকে উদার গণতন্ত্রগুলোর পশ্চাদপসরণেরই ইঙ্গিত দেয়। উইকিলিকস সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক কেন? কারণ এর প্রকাশনাগুলো শতভাগ নির্ভুলতার সাথে আমাদের বলে দিয়েছে, কীভাবে এবং কেন বিশ্বের একটি বিশাল অংশ বিভক্ত ও পরিচালিত হয়। ~ জন পিলজার]] [[File:Julian Assange 20091117 Copenhagen 1 cropped to shoulders.jpg|thumb|সক্ষম ও উদার মনের মানুষরা ভুক্তভোগী তৈরি করেন না, বরং তাদের লালন-পালন করেন।]] [[File:Digital_rain_animation_small_letters_shine.gif|thumb|এই পৃথিবী... শাসন করে ভেতরের লোকেরা... ভেতরের লোকেরা বাইরের কাউকে সত্যিটা বলে না, আর তারা অন্য ভেতরের লোকদের বিরুদ্ধেও যায় না... ~ইয়ানিস ভারুফাকিস]] [[File:Julian_Assange_in_Ecuadorian_Embassy_cropped.jpg|thumb|...জুলিয়ান [অ্যাসাঞ্জ]... সেই প্রযুক্তি তৈরি করেছিলেন যা বহিরাগতদের ভেতরে উঁকি দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল... এবং এই কারণেই তাকে নির্যাতন করা হচ্ছে। ~ইয়ানিস ভারুফাকিস]] [[File:WL_Hour_Glass_Bottom.jpg|thumb|উইকিলিকস একটি বহু-অধিক্ষেত্রীয় জনসেবা... আমরা বিশ্বাস করি যে সরকারি কার্যকলাপে স্বচ্ছতা দুর্নীতি হ্রাস, উন্নততর সরকার এবং শক্তিশালী গণতন্ত্রের দিকে পরিচালিত করে... পেন্টাগন পেপার্স সংক্রান্ত তার যুগান্তকারী রায়ে, মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে যে "কেবলমাত্র একটি স্বাধীন ও বাধাহীন গণমাধ্যমই সরকারের প্রতারণা কার্যকরভাবে উন্মোচন করতে পারে।" আমরা একমত... [https://www.wikileaks.org/wiki/Wikileaks:About উইকিলিকস:আমাদের সম্পর্কে]]] [[File:John Pilger, Richard Gizbert, and Julian Assange - The Wikileaks Files - Book Launch - London - 29th September 2015.jpg|thumb|উদারপন্থী আদর্শের জন্য যারা কাজ করেন, তাদের অনেকেই শুধু লাজুকই নন, বরং প্রায়শই ষড়যন্ত্রকারী প্রকৃতির। তারা চায় পরিবর্তনটা সুন্দরভাবে ঘটুক, কিন্তু তা হবে না। তারা চায় কোনো রকম কষ্ট বা বিব্রত হওয়া ছাড়াই শালীনতা প্রতিষ্ঠিত হোক, কিন্তু সেটাও হবে না। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, তারা উন্মুক্ত সরকারের অনেক শত্রুকে সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখতে চায়, কিন্তু আমি তা করি না... এই আশায় কোনো কিছু প্রকাশ করা যায় না যে তাতে কারও রাতের খাবার নষ্ট হবে না।]] [[File:Chris_hedges_blur.jpg|thumb|আমেরিকান সাম্রাজ্যের অন্ধকারময় চক্রান্ত ও অপরাধ উন্মোচনে অন্য যেকোনো সংবাদ সংস্থার চেয়ে [[উইকিলিকস]] ও অ্যাসাঞ্জ বেশি ভূমিকা রেখেছে। আমাদের অন্তহীন যুদ্ধগুলোতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত নৃশংসতা ও অপরাধ উন্মোচন এবং ক্লিনটন প্রচারণার অভ্যন্তরীণ কার্যকলাপ প্রকাশ করার পাশাপাশি, অ্যাসাঞ্জ সিআইএ ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সির ব্যবহৃত হ্যাকিং সরঞ্জাম, তাদের নজরদারি কর্মসূচি এবং বিদেশি নির্বাচনে তাদের হস্তক্ষেপের বিষয়টিও জনসমক্ষে এনেছেন... ~ক্রিস হেজেস]] [[File:Rueda de Prensa ofrecida por el Canciller Ricardo Patiño junto a la Sra. Christine Assange (7679136868).jpg|thumb|একটি বৈধ, নিবন্ধিত, বহু পুরস্কার বিজয়ী গণমাধ্যম সংস্থা এবং তার সম্পাদক বিশ্বের বৃহত্তম পরাশক্তির বিষয়ে আইনসম্মতভাবে সত্য প্রকাশ করে তাদের বিব্রত করেছেন এবং যুদ্ধাপরাধ, দুর্নীতি ও জালিয়াতির মতো অন্যায়ের জন্য তাদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন... এই পুরো কর্মকাণ্ডটি সত্যকে কলঙ্কিত ও স্তব্ধ করার জন্য সাজানো হয়েছে... ~ক্রিস্টিন অ্যাসাঞ্জ]] [[File:John Pilger in August 2011.jpg|thumb|তার অপরাধ হলো এই অন্ধকার সময়ে অর্থবহ পরিস্থিতি তৈরি করা। উইকিলিকসের নির্ভুলতা ও সত্যতার এক অনবদ্য রেকর্ড রয়েছে, যার সমকক্ষ কোনো সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল, রেডিও স্টেশন, বিবিসি, নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট বা গার্ডিয়ানও হতে পারে না। বস্তুত, এটি তাদের লজ্জিত করে। আর একারণেই তাকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। ~জন পিলজার]] [[File:CollateralMurder.ogv|thumb|২০১০ সালে, উইকিলিকস একটি গ্রাফিক ভিডিও পোস্ট করে [যা সেই সময়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি গোপনীয় তথ্য ছিল], যেখানে রয়টার্সের দুজন সাংবাদিকসহ প্রায় এক ডজন [নিরস্ত্র] ইরাকিকে হত্যা করার দৃশ্য চিত্রিত করা হয়েছিল... ~দ্য আটলান্টিক]] [[File:David-goliath28.jpg|thumb|আমরা একটি সম্ভাব্য বিশ্বযুদ্ধের মুখোমুখি, এবং একই সাথে সাংবাদিকতার বিরুদ্ধেও একটি যুদ্ধের সম্মুখীন, কারণ স্পষ্টতই তারা চায় না যে সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা প্রকাশিত হোক এবং প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের জন্য লাভজনক এই যুদ্ধ বন্ধ করার যেকোনো প্রচেষ্টাকে থামিয়ে দিক। ~জন পিলজার<ref> https://healingearth.info/transcription-of-christine-assanges-interview/ </ref>]] [[File:Aix-en-Provence Mausolee Joseph Sec 05 20061227.jpg|thumb|উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক হিসেবে তার অপরাধ হলো এই অন্ধকার সময়ে বোধগম্যতা তৈরি করা। উইকিলিকসের নির্ভুলতা ও সত্যতার এক অনবদ্য রেকর্ড রয়েছে, যার সমকক্ষ কোনো সংবাদপত্র হতে পারে না। বস্তুত, এটি তাদের লজ্জিত করে। আর এ কারণেই তাকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।]] [[File:Jack Goldsmith (7440848688).jpg|thumb|যারা মনে করেন অ্যাসাঞ্জকে অযথা কলঙ্কিত করা হচ্ছে, আমি তাদের সাথে একমত... তিনি কোন আইন লঙ্ঘন করেছেন তা স্পষ্ট নয়। ... মার্কিন বিচার বিভাগ যদি মামলাটি এগিয়ে নিয়ে যায়, তবে তাদের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে: উইকিলিকস যদি একটি অপরাধী সংগঠন হয়, তাহলে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের মতো এর গণমাধ্যম সহযোগীদের কী হবে। ~ জ্যাক গোল্ডস্মিথ]] '''{{w|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ}}''' (জন্ম জুলিয়ান পল হকিন্স; ৩ জুলাই ১৯৭১) একজন অস্ট্রেলীয় কম্পিউটার প্রোগ্রামার। তিনি ২০০৬ সালে [[উইকিলিকস]] প্রতিষ্ঠা করেন এবং ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেন, যখন উইকিলিকস চেলসি ম্যানিং-এর দেওয়া ধারাবাহিক তথ্য ফাঁস করে। এর মধ্যে ছিল কোলাটেরাল খুনের ভিডিও (এপ্রিল ২০১০), আফগানিস্তান যুদ্ধের লগ, ইরাক যুদ্ধের লগ এবং ক্যাবলগেট (নভেম্বর ২০১০)। ২০১২ সালের আগস্টে, ইকুয়েডর তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রদান করে এবং তিনি লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসে অবস্থান করেন। ইকুয়েডর আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর, ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল ব্রিটিশ পুলিশ অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করে এবং কারারুদ্ধ করে; প্রাথমিকভাবে দূতাবাসে প্রবেশ করে জামিন ভঙ্গের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে প্রত্যর্পণের চেষ্টা করেছিল, কিন্তু ২০২৪ সালের জুনে তিনি মুক্তি পান। তিনি উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি মার্কিন ভূখণ্ডে আদালতের শুনানির জন্য যান, যেখানে তিনি একটি অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তাকে আর কারাগারে থাকতে হয়নি এবং তিনি অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসেন। == উক্তি == === ২০০৭ === * যখনই আমরা কোনো অবিচার দেখি এবং কোনো পদক্ষেপ না নিই, তখন আমরা তার উপস্থিতিতে নিজেদের চরিত্রকে নিষ্ক্রিয় থাকতে প্রশিক্ষণ দিই এবং এর ফলে অবশেষে নিজেদের ও প্রিয়জনদের রক্ষা করার সমস্ত ক্ষমতা হারিয়ে ফেলি।<br/>আধুনিক অর্থনীতিতে অবিচার থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন রাখা অসম্ভব।<br/>যদি আমাদের মেধা বা সাহস থাকে, তবে আমরা ধন্য এবং আমাদের এই গুণগুলোকে নষ্ট করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে, অন্যের ধারণায় হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে থেকে, ক্ষমতার প্রতিযোগিতায় জিতে, নব্য-কর্পোরেট রাষ্ট্রের কার্যকারিতা বাড়িয়ে, বা জ্ঞানশূন্যতায় ডুবে থেকে নয়; বরং ভালোবাসার যত শক্তিশালী প্রতিপক্ষ আমরা খুঁজে পাই, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিভার তেজ প্রমাণ করার জন্য।<br/>যদি আমরা কেবল একবারই বাঁচতে পারি, তবে তা হোক এক দুঃসাহসিক অভিযান যা আমাদের সমস্ত শক্তিকে কাজে লাগায়।<br/>তা হোক আমাদের মতো মানুষদের সাথে, যাদের হৃদয় ও মস্তিষ্ক নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি। আমাদের নাতি-নাতনিরা যেন আমাদের গল্পের শুরুটা তাদের কানে খুঁজে পেয়ে আনন্দ পায়, আর শেষটা তাদের বিচরণশীল চোখে দেখতে পায় চারিদিকে।<br/>সমগ্র মহাবিশ্ব অথবা যে কাঠামো একে উপলব্ধি করে, তা এক যোগ্য প্রতিপক্ষ, কিন্তু শত চেষ্টা করেও আমি যন্ত্রণার ধ্বনি থেকে পালাতে পারি না।<br/>হয়তো বৃদ্ধ বয়সে আমি গবেষণাগারে টুকটাক কাজ করে এবং গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় ছাত্রদের সাথে মৃদুস্বরে কথা বলে পরম সান্ত্বনা খুঁজে নেব এবং নির্বিকারভাবে যন্ত্রণাকে মেনে নেব।<br/>কিন্তু এখন নয়; যৌবনকালে মানুষের যদি কোনো দৃঢ় বিশ্বাস থাকে, তবে সেই অনুযায়ী কাজ করাই তাদের কর্তব্য। ** [http://web.archive.org/web/20071020051936/http://iq.org/#Witnessing "সাক্ষ্যদান"]। ২০০৭-০১-০৩। সংগৃহীত: ২০১২-০৮-১৬। * আমরা সবাই একবারই বাঁচি। তাই আমাদের হাতে যে সময় আছে, তার সদ্ব্যবহার করা এবং অর্থপূর্ণ ও তৃপ্তিদায়ক কিছু করা আমাদের কর্তব্য। এই কাজটিই আমার কাছে অর্থপূর্ণ ও তৃপ্তিদায়ক। এটাই আমার স্বভাব। আমি বড় পরিসরে ব্যবস্থা তৈরি করতে উপভোগ করি, এবং আমি অসহায় মানুষদের সাহায্য করতে উপভোগ করি। আর আমি বদমাশদের পিষে ফেলতে উপভোগ করি। ** [http://www.spiegel.de/international/world/0,1518,708518,00.html "‘উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ‘ওয়ার লগস’ প্রসঙ্গে"।] ''Spiegel.de''। ২৬-০৭-২০১০। সংগৃহীত ০৩-০৮-২০১০। * সম্পূর্ণ পরীক্ষামূলক তথ্য ও ফলাফল ছাড়া পদার্থবিজ্ঞানের কোনো গবেষণাপত্র প্রকাশ করা যায় না, সাংবাদিকতায় এটাই মানদণ্ড হওয়া উচিত। সংবাদপত্রে এটা করা যায় না কারণ সেখানে পর্যাপ্ত জায়গা নেই, কিন্তু এখন ইন্টারনেটের কল্যাণে তা সম্ভব। ** [http://blogs.journalism.co.uk/editors/2010/07/12/a-real-free-press-for-the-first-time-in-history-wikileaks-editor-speaks-out-in-london/ "‘ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সত্যিকারের স্বাধীন সংবাদমাধ্যম’: লন্ডনে মুখ খুললেন উইকিলিকস সম্পাদক"]। Journalism.co.uk. ২০০৭-০৮-১২। সংগৃহীত: ২০১০-০৮-০১। === ২০১০ === * আইনি খরচের কারণে বড় সংবাদপত্রগুলো নিয়মিতভাবে [[বিবাচন]]ের শিকার হয়। এটা বন্ধ হওয়ার সময় এসেছে। এখন সময় এসেছে কোনো দেশের বলার যে, আর নয়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, ইতিহাসকে রক্ষা করতে হবে, এবং আমরা ঝড়ের হাত থেকে আশ্রয় দেব। ** ট্রান, মার্ক (১২ ফেব্রুয়ারি ২০১০)। [http://www.guardian.co.uk/world/2010/feb/12/iceland-haven-freedom-speech-wikileaks?KeepThis=true&TB_iframe=true&height=600&width=990 "বাকস্বাধীনতার বৈশ্বিক আশ্রয়স্থল হিসেবে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করছে আইসল্যান্ড"]। ''দ্য গার্ডিয়ান''। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * বলা যায়, গুপ্তচর সংস্থাগুলো ঠিক এটাই করে — অত্যাধুনিক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা। এখন সময় এসেছে গণমাধ্যমেরও সেই ধারায় নিজেদের সক্ষমতা উন্নত করার। ** কোহেন, নোয়াম (৬ এপ্রিল ২০১০)। [https://www.nytimes.com/2010/04/07/world/07wikileaks.html?src=mv "ইরাকের ভিডিও একটি ওয়েবসাইটের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে"]। ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস কোম্পানি)। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * চলমান রাজনৈতিক সংস্কারগুলো, যা সারা বিশ্বের মানুষের উপর প্রকৃত প্রভাব ফেলে, তা অত্যন্ত সন্তোষজনক। কিন্তু আমরা চাই, কিন্ডারগার্টেনের সাথে কোনো বিরোধে থাকা প্রত্যেক ব্যক্তি যেন আমাদের কাছে তথ্য পাঠাতে আত্মবিশ্বাসী বোধ করে। ** কুশনার, ডেভিড (৬ এপ্রিল ২০১০)। [http://motherjones.com/politics/2010/04/wikileaks-julian-assange-iraq-video?page=1 "উইকিলিকসের তথ্য ফাঁসের কারখানার ভেতরে"]। ''মাদার জোন্স''। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * অপব্যবহার যে ঘটছে, তা না জানলে তার প্রতিকার করা অসম্ভব। ** [http://www.oslofreedomforum.com/speakers/julian-assange.html জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অসলো ফ্রিডম ফোরাম], ২৬-২৯ এপ্রিল ২০১০। ইউআরএল ৮ জুলাই ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। ([https://www.youtube.com/watch?v=4S6002S8PTU ইউটিউব ভিডিও])। * বিভিন্ন সংস্কৃতির সংস্পর্শে এসে যে দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়, আমি তাকে অত্যন্ত মূল্যবান বলে মনে করি, কারণ এটি আপনাকে একটি দেশের কাঠামো আরও স্পষ্টভাবে দেখতে সাহায্য করে এবং আপনাকে মানসিক স্বাধীনতার অনুভূতি দেয়। আপনি একটি জাতির তুচ্ছ বিষয়ে জড়িয়ে পড়েন না। আপনি গুরুতর বিষয়গুলিতে মনোযোগ দিতে পারেন। ** [http://www.smh.com.au/technology/technology-news/the-secret-life-of-wikileaks-founder-julian-assange-20100521-w1um.html "উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের গোপন জীবন"]। ''দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড''। ২২ মে ২০১০। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * রাজনৈতিকভাবে কী গ্রহণযোগ্য, তার সীমা গণমাধ্যমই নিয়ন্ত্রণ করে, তাই গণমাধ্যমকে পরিবর্তন করাই শ্রেয়। মুনাফার উদ্দেশ্য এর বিরুদ্ধে কাজ করে, কিন্তু আমরা যদি দর্শকদের এটা বোঝাতে পারি যে সাংবাদিকতার অন্য বেশিরভাগ মাধ্যমই বিশ্বাসযোগ্য নয়, তাহলে হয়তো এটি একটি বাধ্যকারী পদক্ষেপ হতে পারে। ** ফার্কুহার, পিটার (১৯ মে ২০১০)। [http://www.news.com.au/technology/ipad/wikileaks-founder-julian-assange-adamant-his-site-broke-collateral-murder-encryption/story-fn5knrwy-1225868870785 "উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ দৃঢ়ভাবে দাবি করেন যে তার সাইট ‘কোল্যাটারাল মার্ডার’-এর এনক্রিপশন ভেঙেছে"]। ''নিউজ.কম.এইউ''। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * শেষ পেরেকটি ছিল এএনইউ-তে পদার্থবিজ্ঞানের শতবর্ষ পূর্তির অনুষ্ঠানে আমার যাওয়া। সেখানে প্রায় ১৫০০ জন দর্শনার্থী ছিলেন, চারজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী এবং তাদের প্রত্যেকেই পিঠে করে ডিফেন্স সায়েন্স টেকনোলজি অর্গানাইজেশনের দেওয়া একটি পিঠের ব্যাগ বয়ে বেড়াচ্ছিলেন। অন্তত এটি একটি অস্ট্রেলিয়ান প্রতিরক্ষা বিজ্ঞান সংস্থা ছিল। আর তাদের পোশাক, তাদের চলাফেরার ভঙ্গি, এবং অবশ্যই তাদের পিঠের ব্যাগগুলো এই সবকিছুতেই একটা অন্যরকম ব্যাপার ছিল। আমি তাদেরকে পুরুষ হিসেবে সম্মান করতে পারিনি। ** [http://www.theage.com.au/national/keeper-of-secrets-20100521-w230.html "গোপন তথ্যের রক্ষক"]। ''দ্য মেলবোর্ন এজ''। ২২ মে ২০১০। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে সংগৃহীত। * উইকিলিকস যেমন সুইস ব্যাংক, রাশিয়ার অফশোর স্টেম-সেল কেন্দ্র, প্রাক্তন আফ্রিকান দুর্নীতিবাজ শাসক বা পেন্টাগনের অনুরূপ দাবি মেনে নেয়নি, ঠিক তেমনি সায়েন্টোলজির কাছ থেকে আসা আইনসম্মতভাবে আপত্তিকর অনুরোধও আর মানবে না। * খাচাদোরিয়ান, রাফি (৯ জুন ২০১০)। [http://www.newyorker.com/reporting/2010/06/07/100607fa_fact_khatchadourian "কোনো গোপনীয়তা নেই"]। ''দ্য নিউ ইয়র্কার''। ১৭ জুন ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * সক্ষম, উদার মানুষেরা ভুক্তভোগী তৈরি করে না, তারা তাদের লালন-পালন করে। ** [http://www.ted.com/talks/julian_assange_why_the_world_needs_wikileaks.html "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ: কেন বিশ্বের উইকিলিকস প্রয়োজন"]। ''টেড: আইডিয়াস ওর্থ স্প্রেডিং'' (www.ted.com)। জুলাই ২০১০। ২২ জুলাই ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * আপনাকে [[সত্য]] দিয়েই শুরু করতে হবে। সত্যই একমাত্র পথ যার মাধ্যমে আমরা কোনো লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি। কারণ মিথ্যা বা অজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তই একটি ভালো উপসংহারে পৌঁছাতে পারে না। * [http://www.guardian.co.uk/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সন্ন্যাসী যিনি বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়েই প্রাণবন্ত হয়ে ওঠেন"]। ''দ্য গার্ডিয়ান''। ১ আগস্ট ২০১০। ১ আগস্ট ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * শুধুমাত্র ক্ষতি হতে পারে বলেই আমরা ভালো কাজ করার ক্ষেত্র ছেড়ে যাচ্ছি না... আমাদের চার বছরের প্রকাশনার ইতিহাসে, আমাদের জানা মতে বা কারো কোনো অভিযোগ অনুযায়ী, কেউ কখনো শারীরিক ক্ষতির শিকার হননি। অন্যদিকে, আমরা সরকার ও সংবিধান পরিবর্তন করেছি এবং তার অসাধারণ ইতিবাচক ফলাফল পেয়েছি... আমরা সংবাদ হতে চাইনি, বরং সংবাদ তৈরি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটাই আমাদের পরিচয় নিয়ে অসাধারণ কৌতূহল তৈরি করেছিল... সংবাদ না হওয়ার এই চেষ্টাই আমাদেরকে সংবাদে পরিণত করেছে... আমরা আমাদের পেছনে এমন একটি পরিসর তৈরি করছি যা এমন এক ধরনের সাংবাদিকতাকে অনুমোদন দেয়, যা সাংবাদিকতার সেই নামের মর্যাদা রক্ষা করে, যে নাম সাংবাদিকতা সবসময় নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে এসেছে। আমরা সেই পরিসর তৈরি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর কঠোর মুখোশ উন্মোচনের ফলে আসা সমালোচনার মোকাবিলা করছি... আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই। আমাদের উদ্বেগ মানুষের জন্য... আমাদের ওপর ১০০টিরও বেশি আইনি আক্রমণ হয়েছে। আমরা প্রায় প্রতিটি আইনি আক্রমণেই বিজয়ী হয়েছি... আমরা আইনের শাসনের অধীনেই কাজ করি। ** [https://www.theguardian.com/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সন্ন্যাসী যিনি বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে প্রাণবন্ত], ক্যারল ক্যাডওয়ালাডার, ''দ্য গার্ডিয়ান'', (১ আগস্ট ২০১০) * পশ্চিমারা চুক্তি, ঋণ, শেয়ারহোল্ডিং, ব্যাংক হোল্ডিং ইত্যাদির এক জালের মাধ্যমে তাদের মৌলিক ক্ষমতার সম্পর্ককে রাজস্বায়িত করেছে। এমন পরিবেশে বাকস্বাধীনতা "মুক্ত" হওয়া সহজ, কারণ রাজনৈতিক ইচ্ছার পরিবর্তন এই মৌলিক উপকরণগুলোতে খুব কমই কোনো পরিবর্তন আনে। পশ্চিমা বাকস্বাধীনতা, যা ক্ষমতার ওপর খুব কমই প্রভাব ফেলে, তা ব্যাজার ও পাখির মতো মুক্ত। ** [http://www.guardian.co.uk/world/blog/2010/dec/03/julian-assange-wikileaks "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ আপনার প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন"] দ্য গার্ডিয়ান। ৩ ডিসেম্বর ২০১০। ১৪ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। * সুইডেন হলো নারীবাদীদের সৌদি আরব। ** [http://www.thesundaytimes.co.uk/sto/news/uk_news/People/article490823.ece "অভিযোগকারী আমার নগ্ন ছবি তুলেছিল"]। ''দ্য সানডে টাইমস''। ২৬ ডিসেম্বর ২০১০। ২৮ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে সংগৃহীত। === ২০১১ === * সমস্ত স্মৃতিকথাই বেশ্যাবৃত্তি। ** নিজের সম্পর্কে একটি জীবনীর প্রথম খসড়া পড়ার পর (মার্চ ২০১১), যেমনটি তাইব্বি, ম্যাট (২৩ নভেম্বর ২০১৮)-এর [https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/taibbi-julian-assange-case-wikileaks-758883/ "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ মামলা নিয়ে আপনার কেন উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত"] শীর্ষক রোলিং স্টোন-এ উদ্ধৃত হয়েছে। * আমি ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় সানন্দে গ্রহণ করব, যে দেশকে আমি ভালোবাসি। বিনিময়ে, আমি মায়াবতীর জন্য সেরা মানের ব্রিটিশ জুতার একটি সম্ভার নিয়ে আসব। ** [http://www.thehindu.com/news/article2430172.ece "মায়াবতী বিতর্ক: জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের বিবৃতির পাঠ"]। ''দ্য হিন্দু''। ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১১। ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১১ তারিখে সংগৃহীত। * লক্ষ্য হলো ন্যায়বিচার, পদ্ধতি হলো স্বচ্ছতা। লক্ষ্য এবং পদ্ধতিকে গুলিয়ে না ফেলাটা গুরুত্বপূর্ণ। ** ''[https://www.youtube.com/watch?v=lGUq0kYV-8Q জন পিলগারের নেওয়া জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের সাক্ষাৎকার]'' * রাষ্ট্রকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখার অধিকার ও কর্তব্য নাগরিকদের রয়েছে। ** [https://sydneypeacefoundation.org.au/peace-medal-julian-assange/%7C সিডনি শান্তি পদক: জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ] - ''সিডনি পিস ফাউন্ডেশন'' ==== দ্য ইকোনমিস্ট (১ অক্টোবর ২০১১) পৃ. ৮৯ ==== * আমি হয়তো কোনো এক ধরনের পুরুষতান্ত্রিক শুয়োর, কিন্তু আমি ধর্ষক নই। ** যৌন নিপীড়নের অভিযোগ প্রসঙ্গে * সংবাদপত্রের লোকের অহংকার বেশ্যার গায়ের সুগন্ধির মতো; তারা নিজেদের কদর্য গন্ধ ঠেকানোর জন্য এটা ব্যবহার করে। * আমার কোনো পথপ্রদর্শক ছিল না। আমাকে চলতে চলতে নিজেকেই তৈরি করে নিতে হয়েছিল। === ২০১২ === === ২০১৩ === === ২০১৪ === ==== জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, "যখন গুগল উইকিলিকসের মুখোমুখি হলো" (ওআরবুকস, নিউ ইয়র্ক, ২০১৪) ==== === ২০১৬ === ==== Repubblica.it সাক্ষাৎকার (২৩ ডিসেম্বর ২০১৬) ==== === ২০১৯ === === ২০২১-২০২২ === === ২০২৫ === == অ্যাসাঞ্জ সম্পর্কিত উক্তি == === ২০২৩ === === ২০২২ === === ২০২১ === === ২০২০ === === ২০১৯ === === ২০১৮ === ==== ক্রিস হেজেস: জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে ক্রুশবিদ্ধ করা, ট্রুথডিগ, (১২ নভেম্বর ২০১৮) ==== === ২০০৯-২০১৬ === === ২০২৫ === == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{commonscat}} m05nlgwxlxw8fm6iz9k9fmdv06ts07h ভারতে ঔষধ শিল্প 0 13750 81753 81608 2026-04-27T23:36:51Z Mehedi Abedin 50 81753 wikitext text/x-wiki '''[[w:ভারতের ওষুধ শিল্প|ভারতের ওষুধ শিল্প]]''' ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আনুমানিক ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ছিল এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ১৩০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারত পরিমাণের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম [[w:জেনেরিক ওষুধ|জেনেরিক ওষুধ]] সরবরাহকারী, যা মোট বৈশ্বিক ওষুধ রপ্তানির ২০% দখল করে আছে। এটি পরিমাণের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম [[w:টিকা|টিকা]] সরবরাহকারীও বটে, যা বিশ্বে উৎপাদিত মোট টিকার ৬০%-এরও বেশি সরবরাহ করে। == উক্তি == * টিকাদান প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে গুটিবসন্তের রোগীর শরীর থেকে নির্গত তরল গরুর ওলানে প্রয়োগ করে যে নির্যাস পাওয়া যায়, তা চামড়ার নিচে ইনজেকশন দেওয়া... টিকাদান একটি বর্বরোচিত প্রথা, এবং এটি আমাদের সময়ের সবচেয়ে মারাত্মক বিভ্রান্তিগুলোর মধ্যে একটি, যা এমনকি বিশ্বের তথাকথিত আদিম জাতিগুলোর মধ্যেও পাওয়া যায় না। এর সমর্থকরা কেবল তাদের মাধ্যমেই এটি গ্রহণ করিয়ে সন্তুষ্ট নয় যাদের এতে আপত্তি নেই, বরং তারা শাস্তিমূলক আইন এবং কঠোর দণ্ডের সাহায্যে সকল মানুষের ওপর এটি চাপিয়ে দিতে চায়।... (দ্বিতীয় খণ্ড, ষষ্ঠ অধ্যায় ছোঁয়াচে রোগ: গুটিবসন্ত) ** মহাত্মা গান্ধী, ‘এ গাইড টু হেলথ’ (১৯২১)। <small> এ. রামা আইয়ার কর্তৃক হিন্দি থেকে অনূদিত। ([https://www.gutenberg.org/ebooks/40373 পূর্ণ টেক্সট বিভিন্ন ফরম্যাটে])</small> * আমি এটি অনুভব না করে পারছি না যে [[টিকা|টিকাদান]] ধর্ম এবং নৈতিকতার নির্দেশনাবলির পরিপন্থী। মৃত [[প্রাণী|প্রাণীদের]] রক্ত পান করা এমনকি অভ্যস্ত মাংসভোজীদের কাছেও ঘৃণ্য মনে হয়। তবুও, টিকাদান আসলে কী? এটি একটি নিষ্পাপ জীবন্ত পশুর বিষাক্ত রক্ত গ্রহণ করা ছাড়া আর কিছু নয়। ঈশ্বরভীরু মানুষদের জন্য গুটিবসন্তের শিকার হওয়া এবং এমনকি ভয়ানক মৃত্যু বরণ করাও হাজার গুণ ভালো, তবুও তাদের এমন অপবিত্র কাজ করা উচিত নয়। (দ্বিতীয় খণ্ড, ষষ্ঠ অধ্যায় ছোঁয়াচে রোগ: গুটিবসন্ত) ** মহাত্মা গান্ধী, ‘এ গাইড টু হেলথ’ (১৯২১)। <small> এ. রামা আইয়ার কর্তৃক হিন্দি থেকে অনূদিত। ([https://www.gutenberg.org/ebooks/40373 পূর্ণ টেক্সট বিভিন্ন ফরম্যাটে])</small> * আমার মনে কোনো সন্দেহ নেই যে টিকাদান একটি নোংরা প্রক্রিয়া, এটি শেষ পর্যন্ত ক্ষতিকারক এবং এটি [[w:গোমাংস|গোমাংস]] খাওয়ার চেয়ে কম কিছু নয়। ** মহাত্মা গান্ধী [https://www.mkgandhi.org/ebks/Mahatma_Vol3.pdf অধ্যায় ০১. ইন্ডিপেনডেন্স প্লেজ (১৯৩০)], [https://www.gandhi-manibhavan.org/quotations/quotations-v.html#vaccination] * ভারত এমন একটি দেশের উদাহরণ যেখানে অনেক কিছু কঠিন। সেখানে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টির উন্নতি হচ্ছে এবং তারা যথেষ্ট স্থিতিশীল ও নিজস্ব সরকারি রাজস্ব উৎপন্ন করছে যে সম্ভবত ২০ বছর পর সেখানকার মানুষ নাটকীয়ভাবে ভালো অবস্থানে থাকবে। এটি এমন এক ধরনের ল্যাবরেটরি যেখানে অনেক কিছু পরীক্ষা করা যায়; যখন আপনি ভারতে সেগুলো সফলভাবে প্রমাণ করবেন, তখন আপনি সেগুলো অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে পারবেন। ** [[বিল গেটস]], ৪ ডিসেম্বর ২০২৪। [https://economictimes.indiatimes.com/news/international/global-trends/bill-gates-courts-controversy-for-calling-india-a-kind-of-laboratory-to-try-things-see-viral-video/articleshow/115929311.cms ‘বিল গেটস কোর্টস কন্ট্রোভার্সি ফর কলিং ইন্ডিয়া এ কাইন্ড অফ ল্যাবরেটরি টু ট্রাই থিংস’]-এ উদ্ধৃত। দ্য ইকোনমিক টাইমস। * ভারতের আসলে যা প্রয়োজন তা হলো ওষুধ কোম্পানিগুলো থেকে ক্লিনিক্যাল রিসার্চ আউটসোর্সিং কোম্পানি হয়ে ডাক্তারদের কাছে অর্থের প্রবাহের বিষয়ে একটি তদন্ত। ** ভারতে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পর্কে [[কলিন গনসালভেস]]। [https://www.thelancet.com/journals/lancet/article/PIIS0140-6736(12)60172-X/fulltext রেগুলেশন ফেইলিং টু কিপ আপ উইথ ইন্ডিয়াস ট্রায়ালস বুম]। ইয়ে, অ্যামি। দ্য ল্যানসেট, খণ্ড ৩৭৯, সংখ্যা ৯৮১৪, ৩৯৭ - ৩৯৮। * ২০০৫ সাল থেকে ভারতে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের সংখ্যা বেড়ে ১৬০০টি গবেষণায় পৌঁছেছে যেখানে ১,৫০,০০০-এর বেশি গবেষণার বিষয় জড়িত। ভারতের স্বাস্থ্য প্রচারকরা এমন একটি শিল্পের কঠোর নিয়ন্ত্রণের দাবিতে জোরালো প্রচারণা চালিয়েছেন যেখানে ২০০৭ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে ২০০০-এর বেশি গবেষণায় অংশগ্রহণকারীর মৃত্যু হয়েছে।... ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সম্প্রতি ভারতীয় সংসদে রিপোর্ট করেছেন যে আজ পর্যন্ত ২৫টিরও কম পরিবার প্রাণের বিনিময়ে বিদেশী ওষুধ কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ পেয়েছে। পরিবারগুলো মাথাপিছু গড়ে প্রায় ৩০০০ ডলার পেয়েছে, যা অত্যন্ত সামান্য। ** লিনসে ম্যাকগোয় - ‘নো সাচ থিং অ্যাজ এ ফ্রি গিফট: দ্য গেটস ফাউন্ডেশন অ্যান্ড দ্য প্রাইস অফ ফিলানথ্রপি’—ভারসো (২০১৫)। * সম্ভবত সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, পাথ কোনো সিস্টেম বা ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি টিকার ক্ষেত্রে বড় ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা প্রতিকূল ঘটনা রেকর্ড করার জন্য, যা বড় আকারের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য আইনত বাধ্যতামূলক ছিল... ২০১০ সালে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল এথিক্স স্বীকার করেছে যে এই পরীক্ষার অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের নিজস্ব নৈতিক প্রোটোকল লঙ্ঘন করা হয়েছে। ** লিনসে ম্যাকগোয় - ‘নো সাচ থিং অ্যাজ এ ফ্রি গিফট: দ্য গেটস ফাউন্ডেশন অ্যান্ড দ্য প্রাইস অফ ফিলানথ্রপি’—ভারসো (২০১৫)। * এনটিএজিআই সচিবালয়কে মন্ত্রণালয় থেকে পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশন অফ ইন্ডিয়ার অফিসে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং সেই সচিবালয়ের ৩২ জন কর্মীর বেতন আসে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন থেকে। এখানে স্বার্থের দ্বন্দ্ব স্পষ্ট। একদিকে এই ফাউন্ডেশন সেই সচিবালয়ে অর্থায়ন করে যা টিকার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা, অন্যদিকে তারা গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনে ওষুধ শিল্পের অংশীদার। এটি গ্রহণযোগ্য নয়। ** ন্যাশনাল হেলথ মিশন-এর স্টিয়ারিং গ্রুপ। [https://indianexpress.com/article/india/india-news-india/conflict-of-interest-nhm-panel-raises-questions-on-bill-gates-foundation/ ‘কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট’: এনএইচএম প্যানেল রেইজেস কোয়েশ্চনস অন বিল গেটস ফাউন্ডেশন]-এ উদ্ধৃত। * ২০১১ সালে অ-পোলিওজনিত তীব্র ফ্ল্যাসিড প্যারালাইসিসের ৪৭,৫০০টি অতিরিক্ত নতুন কেস ছিল। চিকিৎসাগতভাবে এটি পোলিও পক্ষাঘাত থেকে অভিন্ন কিন্তু দ্বিগুণ মারাত্মক। এই অ-পোলিও তীব্র ফ্ল্যাসিড প্যারালাইসিসের প্রকোপ সরাসরি মুখে নেওয়া পোলিও ডোজের সমানুপাতিক ছিল। যেসব অঞ্চলে শিশুদের একাধিকবার টিকা দেওয়া হয়, সেখানে অ-পোলিও তীব্র ফ্ল্যাসিড প্যারালাইসিসের হার আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় ৩৫ গুণ পর্যন্ত বেশি। একটি নির্দিষ্ট বছরে অ-পোলিও তীব্র ফ্ল্যাসিড প্যারালাইসিসের হার পূর্ববর্তী ৩ বছরে প্রাপ্ত ওরাল পোলিও টিকার ক্রমবর্ধমান ডোজের সাথে সম্পর্কিত। ** বশিষ্ঠ এন, পুলিয়েল জে। পোলিও প্রোগ্রাম: লেট আস ডিক্লেয়ার ভিক্টরি অ্যান্ড মুভ অন। ইন্ডিয়ান জে মেড এথিক্স ২০১২ এপ্রিল-জুন; ৯(২): ১১৪-৭। === রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র, ‘দ্য রিয়েল অ্যান্থনি ফাউচি’ === : রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র, ‘দ্য রিয়েল অ্যান্থনি ফাউচি: বিল গেটস, বিগ ফার্মা, অ্যান্ড দ্য গ্লোবাল ওয়ার অন ডেমোক্রেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথ’ (২০২১) * ২০০৯ এবং ২০১২ সালে, গেটস ফাউন্ডেশন ভারতের প্রত্যন্ত প্রদেশগুলোতে ১১-১৪ বছর বয়সী ২৩,০০০ মেয়ের ওপর পরীক্ষামূলক এইচপিভি টিকার পরীক্ষার অর্থায়ন করেছিল, যা গেটসের অংশীদার জিএসকে এবং মের্ক দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল। গেটসের গবেষণায় অন্তত ১,২০০ মেয়ে প্রতি ২০ জনের মধ্যে ১ জন অটোইমিউন এবং উর্বরতা ব্যাধিসহ মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার শিকার হয়েছিল। সাতজন মারা গিয়েছিল, যা জরায়ুমুখের ক্যান্সারে মার্কিন মৃত্যুর হারের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি, যে রোগে সাধারণত অল্পবয়সীরা মারা যায় না। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই ট্রায়াল স্থগিত করে এবং এই কেলেঙ্কারি তদন্তের জন্য একটি সংসদীয় বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে। ভারত সরকারের তদন্তকারীরা দেখেছেন যে পাথ-এর গেটস-তহবিলপ্রাপ্ত গবেষকরা ব্যাপক নৈতিক লঙ্ঘন করেছেন: অরক্ষিত গ্রামের মেয়েদের ট্রায়ালে অংশ নিতে চাপ দেওয়া, নিরক্ষর অভিভাবকদের ভয় দেখানো এবং সম্মতির ফর্মে স্বাক্ষর জাল করা। গেটস তার পাথ কর্মীদের জন্য স্বাস্থ্য বীমা প্রদান করলেও ট্রায়ালে অংশগ্রহণকারী কাউকে তা দেননি এবং আহত শত শত মেয়েকে চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করেছিলেন। পাথ গবেষকরা আশ্রম পাঠশালার (উপজাতি শিশুদের জন্য বোর্ডিং স্কুল) মেয়েদের লক্ষ্যবস্তু করেছিলেন যাতে ইনজেকশনের জন্য অভিভাবকদের সম্মতির প্রয়োজন এড়ানো যায়। তারা মেয়েদের “এইচপিভি ইমিউনাইজেশন কার্ড” দিয়েছিল যা ইংরেজিতে ছাপা ছিল এবং মেয়েরা তা পড়তে পারত না। তারা মেয়েদের বলেনি যে তারা একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অংশ ছিল এবং পরিবর্তে তাদের কাছে এই মিথ্যা বলে প্রতারণা করেছিল যে এগুলো ছিল “সুস্থতার ইনজেকশন” যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে “আজীবন সুরক্ষা” নিশ্চিত করবে। সেটি সত্য ছিল না। পাথ দরিদ্র গ্রামীণ এলাকায় এই ট্রায়ালগুলো পরিচালনা করেছিল যেখানে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো ট্র্যাক করার মতো কোনো ব্যবস্থা ছিল না এবং টিকার বড় ধরনের প্রতিকূল প্রতিক্রিয়া রেকর্ড করার কোনো পদ্ধতি ছিল না, যা বড় আকারের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য আইনত বাধ্যতামূলক। ** দশম অধ্যায়: মোর হার্ম দ্যান গুড * টিকার উচ্চমূল্য এবং সামান্য উপকারিতা নিয়ে এমন উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও, গেটস তার সহযোগী সংস্থা গাভি, পাথ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে ২০০৭-০৮ সালে ভারত সরকারকে হেপাটাইটিস বি টিকা চালু করতে বাধ্য করেন। গাভি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে তাদের অফিসিয়াল নীতি পরিবর্তন করে একটি সার্বজনীন সুপারিশে রূপান্তর করতে চাপ দেয়, যার অর্থ হলো এমনকি যেসব দেশে এই রোগের প্রাদুর্ভাব কম সেখানেও টিকাদান বাধ্যতামূলক করা হবে। গাভি আশা করেছিল যে এটি ভারতীয় বাজারকে পুনরায় উন্মুক্ত করবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাধ্য হয়ে তাদের সুপারিশ পরিবর্তন করে সব দেশের জন্য হেপাটাইটিস বি টিকার সার্বজনীন টিকাদান অন্তর্ভুক্ত করে, এমনকি যেখানে যকৃতের ক্যান্সার কোনো সমস্যা ছিল না সেখানেও। ভারত সরকার বাধ্যগতভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই সুপারিশ গ্রহণ করে। ** দশম অধ্যায়: মোর হার্ম দ্যান গুড * ২০১২ সালে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল ব্যঙ্গাত্মকভাবে উল্লেখ করেছিল যে ভারতে পোলিও নির্মূল “রোগটির নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে অর্জন করা হয়েছে”। সেই বছর মোহভঙ্গ হওয়া ভারত সরকার গেটসের টিকার রেজিম কমিয়ে দেয় এবং গেটসের সহযোগীদের জাতীয় পরামর্শক বোর্ড থেকে বের করে দেয়। এরপর পোলিও পক্ষাঘাতের হার দ্রুত হ্রাস পায়। গেটসের নির্দেশে পোলিও মহামারীর পেছনে তাদের মোট বাজেটের অর্ধেক অপচয় করার পর – বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনিচ্ছাসত্ত্বেও স্বীকার করে যে বিশ্বব্যাপী পোলিও বিস্ফোরণ প্রধানত টিকার স্ট্রেন থেকে হচ্ছে, যার অর্থ এটি গেটসের টিকা কর্মসূচির কারণেই ঘটছে। কঙ্গো, ফিলিপাইন এবং আফগানিস্তানে সবচেয়ে ভয়াবহ মহামারীগুলো তার প্রচারিত টিকার সাথে যুক্ত। গেটস এই ভয়ানক রোগটি পুনরায় প্রবর্তন করার আগে ওই প্রতিটি দেশ থেকে পোলিও পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল... ২০১২ সালে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল রিপোর্ট করেছিল যে, “বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন পরিচালিত ভারতের সাম্প্রতিক গণ-পোলিও টিকাদান কর্মসূচির ফলে পোলিও আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।” ** দশম অধ্যায়: মোর হার্ম দ্যান গুড * ২০১০ সালে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল এথিক্স দেখতে পায় যে গেটস গ্রুপ ভারতের নৈতিক প্রোটোকল লঙ্ঘন করেছে। ২০১৩ সালের আগস্টে একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি পাথ-কে তীব্র তিরস্কার করে জানায় যে এই এনজিওটির “একমাত্র লক্ষ্য ছিল এইচপিভি টিকা প্রস্তুতকারকদের বাণিজ্যিক স্বার্থ প্রচার করা, যারা পাথ এইচপিভি টিকাকে দেশের সার্বজনীন টিকাদান কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করতে সফল হলে বিপুল মুনাফা অর্জন করত।” ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ডক্টর [[কলিন গনসালভেস|কলিন গনসালভেসের]] মতে: : ভারতীয় সংসদ একটি কমিটি গঠন করেছিল এবং এটি ছিল বেশ অবাক করার মতো একটি পদক্ষেপ, কারণ দরিদ্র মানুষকে প্রভাবিত করে এমন বিষয়ে সচরাচর উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত দেখা যায় না। সেটি ছিল একটি অসাধারণ রিপোর্ট। আমি মনে করি না ভারতীয় সংসদ এর আগে কখনো এমন কঠোর রিপোর্ট দিয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা সামনে এসে বলেছিলেন, “আমাদের এটি অনুমোদন করা উচিত হয়নি, আমরা দুঃখিত এবং আমরা তাদের আর অনুমতি দেব না”। তবে এখন তারা আবার ফিরে এসেছে, তাদের সেই পুরনো কৌশলগুলোই আবার ব্যবহার করছে। ** দশম অধ্যায়: মোর হার্ম দ্যান গুড * ভারতের উৎসুক চিকিৎসা সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কাটিয়ে উঠতে ২০০৫ সালে গেটস গাভির মাধ্যমে বাংলাদেশে হিব টিকার সুবিধার প্রচারের লক্ষ্যে চার বছর মেয়াদী ৩৭ মিলিয়ন ডলারের একটি গবেষণায় অর্থায়ন করেন। গাভির সেই বাংলাদেশ গবেষণাটি হিতে বিপরীত হয় এবং হিব টিকাদানের কোনো সুফল দেখাতে ব্যর্থ হয়। প্রতিক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একটি প্রভাবশালী দল, যারা কাকতালীয়ভাবে গেটস-তহবিলপ্রাপ্ত সংস্থা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গাভি, ইউনিসেফ, ইউএসএআইডি, জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অফ পাবলিক হেলথ, লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন এবং সিডিসি-এর সাথে যুক্ত একটি প্রতারণামূলক ঘোষণা জারি করেন যেখানে দাবি করা হয় যে বাংলাদেশের গবেষণা প্রমাণ করেছে হিব টিকা শিশুদের মারাত্মক নিউমোনিয়া এবং মেনিনাইটিস থেকে রক্ষা করে।... গেটসের পরিকল্পিত এই চাতুরীর ওপর ভিত্তি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০০৬ সালে এই অবস্থান নেয় যে “হিব টিকা সকল রুটিন টিকাদান কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।” আবারও ভারত সরকার গেটসের কাছে নতি স্বীকার করে এবং ভারতে হিব টিকা বাধ্যতামূলক করে, যেখানে হিবজনিত রোগের অস্তিত্ব ছিল না বললেই চলে। আত্মতুষ্টিমূলক নিবন্ধগুলোতে গাভি ভারত সরকার থেকে হিব টিকা প্রকল্প উদ্ধারে তাদের ভূমিকার কথা সগর্বে প্রচার করে, অথচ বাংলাদেশের গবেষণায় এই টিকাটি অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছুই প্রমাণিত হয়নি। গাভির নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে যে ভারতে হিব রোগের প্রাদুর্ভাব খুব কম ছিল বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশের পক্ষে সমর্থন জোগাড় করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। গাভি দম্ভোক্তি করে যে তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে চাপ দিয়ে হিব টিকার নীতি পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছে, যাতে এটি একটি দুর্বল সুপারিশ থেকে সব দেশের জন্য একটি দৃঢ় এবং সার্বজনীন সুপারিশে পরিণত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই ভোল পাল্টানো অনিচ্ছুক ভারতীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের এই অকেজো টিকার সুপারিশ করতে বাধ্য করে। ** দশম অধ্যায়: মোর হার্ম দ্যান গুড * পুলিয়েল প্রতিবাদ করে বলেন যে গেটস ফাউন্ডেশন আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য নীতিকে বেসরকারীকরণ এবং বাণিজ্যিকীকরণ করেছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশগুলোকে কার্যকর ম্যান্ডেটে পরিণত করেছে এবং দরিদ্র দেশগুলোকে বিদেশী ওষুধ কোম্পানিগুলোকে বার্ষিক কর দিতে বাধ্য করছে। পুলিয়েল আমাকে বলেছেন যে ভারত এবং অন্যান্য এশীয় দেশগুলো এখন কার্যকরভাবে এই টিকা দিতে এবং হিব টিকার লক্ষ্যমাত্রা বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে, “তা একটি দেশের রোগের প্রাদুর্ভাব যাই হোক না কেন, দেশের অভ্যন্তরে রোগের বিরুদ্ধে অর্জিত প্রাকৃতিক অনাক্রম্যতা যা-ই হোক না কেন এবং সীমিত সম্পদ ব্যবহারের বিষয়ে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের অধিকারকে তোয়াক্কা না করেই।” তিনি আরও যোগ করেন যে, “একটি মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা নেই এমন রোগের ক্ষেত্রে এই ধরনের নির্দেশনা দেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা প্রয়োজন।” ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে ডক্টর পুলিয়েলের ভাষ্য গেটস এবং গাভিকে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে হিব টিকা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য এবং তাদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গবেষণার তথ্যের ভুল উপস্থাপনের জন্য নিন্দা করেছে: “এশিয়ায় এই টিকার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়কে বোঝাতে বেশ কয়েকবার ব্যর্থ হওয়ার পর এই নির্দেশনা এসেছে।” পুলিয়েল হিব কাণ্ডকে “দামি নতুন টিকা মোতায়েনের জন্য সরকারগুলোর ওপর প্রয়োগ করা দৃশ্যমান এবং অদৃশ্য চাপের একটি উদাহরণ” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ** দশম অধ্যায়: মোর হার্ম দ্যান গুড == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারত]] [[বিষয়শ্রেণী:স্বাস্থ্যসেবা]] r8aeos7sif4cug6anybozoan86xfiix আফগান যুদ্ধ (২০০১-২০২১) 0 13757 81648 2026-04-27T14:04:30Z Oindrojalik Watch 4169 "<div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%..." দিয়ে পাতা তৈরি 81648 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> আফগানিস্তান যুদ্ধ (২০০১-২০২১) ( বা আফগানিস্তানে মার্কিন যুদ্ধ বা আফগান যুদ্ধ), যার সাংকেতিক নাম ছিল অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম (২০০১-১৪) এবং অপারেশন ফ্রিডমস সেন্টিনেল (২০১৫-২০২১), ২০০১ সালের ৭ই অক্টোবর আফগানিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের পর শুরু হয়। এই আগ্রাসনের উদ্দেশ্য ছিল আল-কায়েদাকে আফগানিস্তানে তাদের কার্যক্রমের জন্য একটি নিরাপদ ঘাঁটি তৈরি করতে না দেওয়া, এবং সেই লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা সফলভাবে তালেবানদের ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত করে । প্রাথমিক উদ্দেশ্যগুলো সম্পন্ন হওয়ার পর, ৪০টিরও বেশি দেশের ( ন্যাটোর সকল সদস্যসহ) একটি জোট দেশটিতে একটি নিরাপত্তা মিশন গঠন করে। 7djtqfx8wler6gfi9hrcyde57uijpxi ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ (২০২৩-বর্তমান) 0 13758 81649 2026-04-27T14:07:44Z Oindrojalik Watch 4169 "<div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%..." দিয়ে পাতা তৈরি 81649 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> ২০২১-২০২২ সালের রুশ-ইউক্রেনীয় সংকটটিতে ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের ভূমিকা এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২-এ রুশ সৈন্যদের আগ্রাসন ও তার পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ উভয় থেকেই উদ্ধৃতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে । প্রসঙ্গক্রমে বলা যায়, ২০২১ সালের মার্চ ও এপ্রিল মাসে রাশিয়া ইউক্রেন সীমান্তের কাছে প্রায় এক লক্ষ সৈন্য ও সামরিক সরঞ্জাম জড়ো করেছিল , যা ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলের পর থেকে সর্বোচ্চ সেনা সমাবেশ ছিল। স্যাটেলাইট চিত্রে সাঁজোয়া যান, ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য ভারী অস্ত্রের চলাচল দেখা গিয়েছিল। জুনের মধ্যে সৈন্যদের আংশিকভাবে সরিয়ে নেওয়া হলেও ডিসেম্বরে আবারও সীমান্তের কাছে এক লক্ষেরও বেশি রুশ সৈন্য জড়ো করা হয়। চলমান সংকটটি ২০১৪ সালের শুরুতে শুরু হওয়া দীর্ঘস্থায়ী রুশ-ইউক্রেনীয় যুদ্ধ থেকে উদ্ভূত হয়েছে । ২০২১ সালের ডিসেম্বরে, রাশিয়া দুটি খসড়া চুক্তি পেশ করে, যেগুলোতে তাদের ভাষায় "নিরাপত্তা নিশ্চয়তা" চেয়ে বিভিন্ন দাবি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর মধ্যে ছিল একটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক প্রতিশ্রুতি যে ইউক্রেন উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (ন্যাটো)-তে যোগ দেবে না , সেইসাথে পূর্ব ইউরোপে মোতায়েন থাকা ন্যাটো সৈন্য এবং সামরিক সরঞ্জাম হ্রাস করার দাবি। এছাড়া, এই দাবিগুলো সম্পূর্ণরূপে পূরণ না হলে অনির্দিষ্ট সামরিক পদক্ষেপের হুমকিও দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটোর অন্যান্য সদস্য দেশগুলো এই দাবিগুলো প্রত্যাখ্যান করে এবং রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি দেয় যে, ইউক্রেনে আরও আগ্রাসন চালালে "দ্রুত ও কঠোর" অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। ২৪শে ফেব্রুয়ারি, রুশ সৈন্যরা ইউক্রেনে আগ্রাসন চালায়। tlk49ig4yj25yyczu11gcbv1pd30fb3 জেমস ওয়াট 0 13759 81652 2026-04-27T14:47:41Z Md. Shakil Mahmud Sojib 5713 "''রিগ্যান প্রসাসনের কর্মকর্তার জন্য, দেখুন জেমস. জি ওয়াট।''" দিয়ে পাতা তৈরি 81652 wikitext text/x-wiki ''রিগ্যান প্রসাসনের কর্মকর্তার জন্য, দেখুন জেমস. জি ওয়াট।'' 3skio2bi4f7a89tpj9318s845mw06m6 গেরহার্ড শ্রোডার 0 13760 81656 2026-04-27T14:57:24Z Sumanta3023 4175 "[[চিত্র:Gerhard_Schr%C3%B6der_%28cropped%29.jpg|থাম্ব|আমরা যুদ্ধ করি না, তবে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান আরোপ করার জন্য আমাদের আহ্বান জানানো হয়।]] '''[[w:গেরহার্ড শ্রোডার|গেরহার্ড ফ্রিটজ কুর্ট শ্রোডার]]''' (..." দিয়ে পাতা তৈরি 81656 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Gerhard_Schr%C3%B6der_%28cropped%29.jpg|থাম্ব|আমরা যুদ্ধ করি না, তবে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান আরোপ করার জন্য আমাদের আহ্বান জানানো হয়।]] '''[[w:গেরহার্ড শ্রোডার|গেরহার্ড ফ্রিটজ কুর্ট শ্রোডার]]''' (জন্ম ৭ এপ্রিল ১৯৪৪) একজন জার্মান রাজনীতিবিদ যিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত জার্মানির চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর শাসনামলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক উদ্যোগ ছিল অ্যাজেন্ডা ২০১০। জার্মানির সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এসপিডি) নেতা হিসেবে তিনি এসপিডি এবং অ্যালায়েন্স ৯০/দ্য গ্রিনসের একটি জোট সরকার পরিচালনা করেছিলেন। শ্রোডার ২০১৭ সাল থেকে রুশ জ্বালানি কোম্পানি রোজনেফটের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। == উক্তি == * '''আমরা যুদ্ধ করি না, তবে সামরিক উপায়ে কসোভোতে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান আরোপ করার জন্য আমাদের আহ্বান জানানো হয়।''' ** ২৪ মার্চ ১৯৯৯ সালে জার্মান টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্য; ‘এস বিগ্যান মিট আইনার লুগে’ নামক প্রামাণ্যচিত্রে উদ্ধৃত। * আমাদের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা হ্রাস করতে, ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধকে উৎসাহিত করতে এবং প্রত্যেক ব্যক্তির কাছ থেকে উচ্চতর ব্যক্তিগত অবদানের দাবি করতে বাধ্য হতে হবে। ** সরকারি নীতিগত বিবৃতি, ১৪ মার্চ ২০০৩; [http://www.ksta.de/politik/hintergrund--das-reformpaket---132agenda-2010--148,15187246,13237294.html ksta.de]-এ উদ্ধৃত। * যতদিন তিনি বেঁচে ছিলেন, [[ইয়াসির আরাফাত]] ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার পথে পরিচালিত করতে এবং একটি সার্বভৌম ও টেকসই ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাঁর প্রচেষ্টা নিয়োজিত করেছিলেন। ** ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আহমেদ কুরেই-এর কাছে পাঠানো শোকবার্তা, ১১ নভেম্বর ২০০৪; [http://www.zeit.de/2004/47/Arafat_c zeit.de]-এ উদ্ধৃত। * আমাদের এই বিষয়ে অনড় থাকতে হবে যে, '''যারা আমাদের কাছে আসছে তাদের একীভূত হওয়ার ইচ্ছা যেন আমাদের গ্রহণ করার প্রস্তুতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।''' ** অভিবাসীদের একীভূতকরণ প্রসঙ্গে, ‘প্রাইস ফর টলারেন্স অ্যান্ড আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ প্রদান উপলক্ষে দেওয়া ভাষণ, ২০ নভেম্বর ২০০৪; [http://www.dradio.de/dlr/sendungen/fazit/323593/ dradio.de]-এ উদ্ধৃত। * আমি তাঁকে বিশ্বাস করি এবং আমি নিশ্চিত যে তিনি তা-ই। ** ‘পুতিন কি একজন অনুকরণীয় গণতন্ত্রকামী?’ এই প্রশ্নের উত্তরে; ‘বেকম্যান’ টিভি শো-তে সাক্ষাৎকার, ২৩ নভেম্বর ২০০৪; [http://www.dradio.de/dlf/sendungen/interview_dlf/1015218/ dradio.de]-এ উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{কমন্স}} {{DEFAULTSORT:শ্রোডার, গেরহার্ড}} [[বিষয়শ্রেণী:জার্মানির রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:সরকার প্রধান]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:জার্মানির চ্যান্সেলর]] [[বিষয়শ্রেণী:জার্মানির ব্যবসায়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি]] nz7vwifhs6a88pnhgr9vtnpmklc1wd8 আলাপ:গেরহার্ড শ্রোডার 1 13761 81657 2026-04-27T14:57:49Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81657 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ (১৯৬৫ সাল) 0 13762 81664 2026-04-27T15:06:57Z Oindrojalik Watch 4169 " ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ , যা দ্বিতীয় কাশ্মীর যুদ্ধ নামেও পরিচিত , ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৯৬৫ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে সংঘটিত ধারাবাহিক সং..." দিয়ে পাতা তৈরি 81664 wikitext text/x-wiki ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ , যা দ্বিতীয় কাশ্মীর যুদ্ধ নামেও পরিচিত , ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৯৬৫ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে সংঘটিত ধারাবাহিক সংঘর্ষের চূড়ান্ত পরিণতি । কাশ্মীর অঞ্চল নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এটি ছিল দ্বিতীয় যুদ্ধ; প্রথমটি সংঘটিত হয়েছিল ১৯৪৭ সালে । যুদ্ধটি পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী হয়েছিল, এতে উভয় পক্ষে হাজার হাজার হতাহতের ঘটনা ঘটে এবং জাতিসংঘের নির্দেশিত একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে এর অবসান ঘটে। সাধারণভাবে এটা স্বীকৃত যে, জম্মু ও কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ ও আগ্রাসনের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত পাকিস্তানের ‘অপারেশন জিব্রাল্টার’- এর ব্যর্থতার পর এই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল । fq6cmtenosiemnjpvuwezzgq3c5s80l 81688 81664 2026-04-27T16:15:53Z Oindrojalik Watch 4169 81688 wikitext text/x-wiki [[File:M48 Patton.jpg|thumb|১৯৬৫ সালে অপারেশন গ্র্যান্ড স্ল্যাম চলাকালীন কাশ্মীরের চম্ব সেক্টরে একটি পাকিস্তানি M48A1 প্যাটন ট্যাঙ্ক এগিয়ে যাচ্ছে।]] '''[[:w:১৯৬৫-এর ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধ|১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]]''', যা '''দ্বিতীয় কাশ্মীর যুদ্ধ''' নামেও পরিচিত, এটি ছিল ১৯৬৫ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত [[:w:ভারত|ভারত]] ও [[:w:পাকিস্তান|পাকিস্তানer]] মধ্যে চলা দফায় দফায় সংঘর্ষের একটি চূড়ান্ত পরিণতি। [[:w:কাশ্মীর|কাশ্মীর]] অঞ্চল নিয়ে এটি ছিল দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় যুদ্ধ; এর আগে [[:w:ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৪৭|১৯৪৭]] সালে প্রথমবার তারা মুখোমুখি হয়েছিল। পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী এই যুদ্ধে উভয় পক্ষেই প্রচুর প্রাণহানি ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] হস্তক্ষেপে একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে এর অবসান হয়। অধিকাংশের মতে, জম্মু ও কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ ও দখলদারিত্বের লক্ষ্যে পাকিস্তান যে [[:w:অপারেশন জিব্রাল্টার|অপারেশন জিব্রাল্টার]] শুরু করেছিল, তার ব্যর্থতা থেকেই এই যুদ্ধের সূত্রপাত। == উক্তি == * পাকিস্তানের সেনাবাহিনী যে ভারতকে একরকম নিশ্চল অবস্থায় আটকে দিতে সক্ষম হয়েছিল, তা সত্যিই বিস্ময়কর। এর বিশাল কৃতিত্ব পাকিস্তান বিমান বাহিনীর প্রাপ্য, যারা তাদের চেয়ে বহুগুণ বড় ভারতীয় প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করেছে এবং স্থলবাহিনীকে পূর্ণ সমর্থন জুগিয়েছে। বিমান বাহিনীর প্রধান নূর খান অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পাকিস্তান বিমান বাহিনীকে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। তাদের প্রতিটি আক্রমণে ছিল লক্ষ্যপূরণের এক প্রবল সংকল্প... এটিও স্পষ্ট যে, ভারতীয় সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন শাখার মধ্যে সমন্বয়ের যেখানে চরম অভাব ছিল, সেখানে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রতিটি স্তরে ছিল চমৎকার সহযোগিতা। ** '''''ব্রায়ান ক্লাফলি''''', [[:iarchive:historyofpakista0000clou_i1l0|পাকিস্তান সেনাবাহিনী]], পৃষ্ঠা ১৪২ * [[:w:জওহরলাল নেহরু|জওহরলাল নেহরুর]] মৃত্যুর এক বছরের কিছু বেশি সময় পর, ১৯৬৫ সালে কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তান দ্বিতীয়বার যুদ্ধে জড়ায়। পাকিস্তানের তৎকালীন শাসক ফিল্ড মার্শাল [[:w:আইয়ুব খান|আইয়ুব খান]] ব্যক্তিগতভাবে অপারেশন গ্র্যান্ড স্ল্যাম-এর পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি আশা করেছিলেন যে, কাশ্মীরের সরু দক্ষিণাঞ্চলীয় অংশটি দখল করে পাঞ্জাব থেকে রাজ্যটিকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেবেন। আইয়ুব খান ছিলেন একজন দীর্ঘদেহী ও শক্তিশালী মানুষ; বিপরীতে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী [[:w:লাল বাহাদুর শাস্ত্রী|লাল বাহাদুর শাস্ত্রী]] ছিলেন শারীরিকভাবে বেশ ছোটখাটো ও ক্ষীণকায়। তবে ভারতের সেনাবাহিনী ছিল পাকিস্তানের চারগুণ বড়, যারা দ্রুতই সেই জনপ্রিয় পাকিস্তানি ধারণাটি ভেঙে চুরমার করে দেয় যে একজন মুসলিম সৈন্য দশজন [[:w:হিন্দু|হিন্দুর]] সমান। ভারতের ট্যাঙ্কগুলো যখন পাঞ্জাব সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিম দিকে [[:w:লাহোর|লাহোর]] অভিমুখে যাত্রা শুরু করল, তখনই অপারেশন গ্র্যান্ড স্ল্যাম থমকে যায়। তিন সপ্তাহ পর যখন কোনো পক্ষই চূড়ান্ত বিজয় পায়নি, তখন [[:w:ওয়াশিংটন, ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] দুই দেশের সেনাবাহিনীর ওপর অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহে [[:w:নিষেধাজ্ঞা|নিষেধাজ্ঞা]] জারি করলে এই যুদ্ধ কার্যত ড্র বা অমীমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়। তবে যুদ্ধবিরতি ডাকার সময় ভারত পাঞ্জাবের রাজধানী লাহোরের ব্যাপক ক্ষতি করার কিংবা তা দখল করে নেওয়ার মতো সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল এবং আইয়ুব খানের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে কাশ্মীরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ উরি-পুঞ্চ এলাকাও তখন ভারতের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ** '''''স্ট্যানলি ওলপার্ট''''', ''[http://content.cdlib.org/xtf/view?docId=ft0489n6j7&chunk.id=d0e4022&toc.depth=1&toc.id=d0e4019&brand=eschol&query=martial%20arts# ইন্ডিয়া]'' (১৯৯০)। * সংঘাত শেষে উভয় পক্ষই নিজেদের বিজয়ী দাবি করে। তবে উন্নত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার কারণে ভারতীয়রা সাঁজোয়া যান বা আর্মার ব্যবহারে অধিকতর কৌশলগত মুন্সীয়ানা দেখাতে সক্ষম হয়েছিল। এটি অবশ্যই অনুধাবন করতে হবে যে, ভারতীয় আর্মার্ড কোর একসময় পাকিস্তানি প্রোপাগান্ডা প্রচারণায় কিছুটা বিভ্রান্ত হয়েছিল এবং বেশ আশঙ্কার সাথেই যুদ্ধে প্রবেশ করেছিল। তারা বিশ্বাস করত যে প্যাটন ট্যাঙ্ক (অর্থাৎ এম-৪৭ এবং এম-৪৮) অগ্নিশক্তি, সুরক্ষা এবং গতিশীলতার দিক থেকে ভারতের যেকোনো ট্যাঙ্কের চেয়ে বহুগুণ শ্রেষ্ঠ। এই উদ্বেগের প্রতিফলন যুদ্ধপরবর্তী সাহসিকতার অনেক রাষ্ট্রীয় সম্মাননাতেও দেখা যায়, যার একটিতে একজন এনসিওকে "অজেয় বলে কথিত বেশ কয়েকটি প্যাটনের" বিরুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য প্রশংসিত করা হয়েছিল।<br>প্রকৃতপক্ষে, মনে হয় পাকিস্তানিরা তাদের নিজেদের প্রচারণারই শিকার হয়েছিল এবং বিশ্বাস করতে শুরু করেছিল যে প্যাটন ট্যাঙ্ক প্রায় অবিনশ্বর। এর ফলে তারা সরাসরি ভারতীয় অবস্থানের ওপর আক্রমণ চালানোর মতো হঠকারী কৌশল গ্রহণ করে এবং সম্মুখভাগে থাকা প্যাটন ট্যাঙ্কগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। শিয়ালকোটের ধূলিধূসরিত যুদ্ধের ময়দানে সেঞ্চুরিয়ন এবং প্যাটন ট্যাঙ্কের লড়াই হয়েছিল ১,০০০ গজেরও কম দূরত্বে। সাধারণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার শক্তিশালী সেঞ্চুরিয়ন ট্যাঙ্কগুলো এম-৪৭ এবং এম-৪৮ প্যাটনের তুলনায় শ্রেষ্ঠ প্রমাণিত হয়েছিল; কারণ প্যাটনের জটিল স্টেরিওস্কোপিক রেঞ্জ-ফাইন্ডার এবং অত্যাধুনিক ব্যালেস্টিক কম্পিউটারগুলো সাধারণ পাকিস্তানি "সওয়ার" বা সেনাদের জন্য পরিচালনা করা বেশ কঠিন ছিল। ** '''''পিটার সারসন, টনি ব্রায়ান এবং ডেভিড ই. স্মিথ''''', ''সেঞ্চুরিয়ন ট্যাঙ্ক ইন ব্যাটেল'' (অসপ্রে - ভ্যানগার্ড ২২)। * ভারত সরকার যখন একতরফাভাবে ঘোষণা করল যে জম্মু ও কাশ্মীর এখন থেকে ভারতের অন্যান্য রাজ্যের মতো সমান মর্যাদা পাবে, তখন ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের সাথে আবারও বৈরিতার সৃষ্টি হয়। এর ফলে স্থানীয় লক্ষ্য অর্জনের জন্য উভয় পক্ষ কঠোর ও প্রথাগত যুদ্ধে লিপ্ত হয়। কচ্ছের রনে খণ্ডযুদ্ধ (এপ্রিল-মে) ছাড়াও পাকিস্তান কাশ্মীর যুদ্ধবিরতি রেখা বরাবর আর্টিলারি বা কামানের সহায়তায় অনুপ্রবেশ শুরু করে, যা ওই ধরনের ভূখণ্ডে গেরিলা কৌশলের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছিল—যেখানে প্রায় ১০,০০০ অনিয়মিত যোদ্ধা ২০০-এর বেশি কামান ও মর্টারের সহায়তায় থাকা ৫০,০০০ নিয়মিত ভারতীয় সেনাকে ব্যস্ত রাখতে সক্ষম হয়েছিল। ভারতীয়রা এভাবে বিভ্রান্ত হয়ে আছে ভেবে ১৯৬৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানিরা জম্মুর উত্তরে চাম্ব সেক্টরে আক্রমণ চালায়। এটি ছিল ট্যাঙ্কের জন্য উপযোগী সমতল এলাকা এবং তারা সেখানে বিশাল আর্মার্ড শক্তি ও ব্যাপক কামানের সমর্থন নিয়ে চড়াও হয়েছিল। কিন্তু কঠোর যুদ্ধের পর ভারতীয়রা তাদের প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতীয়রা ৬ সেপ্টেম্বর অমৃতসর-লাহোর অক্ষ বরাবর একটি সীমিত আক্রমণ শুরু করে যার লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানি ট্যাঙ্কগুলোকে চাম্ব থেকে সরিয়ে আনা এবং যুদ্ধের গতি বাড়ার সাথে সাথে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ওপর নির্ণায়ক আঘাত হানা। পরবর্তী পাক্ষিক জুড়ে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ চলতে থাকে এবং খুব সামান্য আঞ্চলিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যুদ্ধটি স্তিমিত হয়ে আসে। তবে ট্যাঙ্ক ধ্বংসের হিসাব স্পষ্টভাবেই ভারতীয়দের অনুকূলে ছিল, যার মাধ্যমে পাকিস্তানিরা বুঝতে শুরু করেছিল যে ভারতীয়দের হারানো মোটেও সহজ কাজ নয়। ** '''''ব্রিগেডিয়ার শেলফোর্ড বিডওয়েল''''', ''দ্য এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ল্যান্ড ওয়ারফেয়ার ইন দ্য টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি'' (সালামাণ্ডার বুকস লিমিটেড ১৯৭৭), খণ্ড ৫, এশিয়ান ওয়ারস অফ ইম্পেরিয়াল সাকসেশন, পৃষ্ঠা ১৬৪-১৭৩। * [[:w:ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক|ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার এই দ্বন্দ্ব]] ছিল উত্তর-উপনিবেশিক যুগের এমন এক বৈরিতা যা [[:w:দেতঁত|দেতঁত (উত্তেজনা প্রশমন)]] কে এক কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছিল। এই [[:w:কাশ্মীর বিরোধ|বিরোধের মূল কেন্দ্রবিন্দু]] ছিল কাশ্মীর অঞ্চল, যার [[:w:ভারত বিভাগ|১৯৪৮ সালের বিভক্তিকে]] পাকিস্তান সবসময়ই অস্বীকার করে এসেছে। শুরুতে ভারত [[:w:স্নায়ুযুদ্ধ|স্নায়ুযুদ্ধের]] সময় নিরপেক্ষ অবস্থান নিতে চেয়েছিল, কিন্তু [[:w:১৯৬২-র ভারত-চীন যুদ্ধ|১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধের]] পর দেশটি [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নের]] দিকে ঝুঁকে পড়ে। অন্যদিকে পাকিস্তান, যারা আগে পশ্চিমা ব্লকের একনিষ্ঠ সদস্য ছিল, ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর [[:w:চীন|চীনের]] ঘনিষ্ঠ হতে শুরু করে। উভয় ক্ষেত্রেই [[:w:ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধে]] নিমজ্জিত [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল। তবে ১৯৬৬ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন একজন সফল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে উভয় পক্ষের কৃতজ্ঞতা অর্জন করে। ** '''''ক্যারোল সি. ফিঙ্ক''''', ''দ্য কোল্ড ওয়ার: অ্যান ইন্টারন্যাশনাল হিস্ট্রি'' (২০১৭) * [[:w:স্নায়ুযুদ্ধ|স্নায়ুযুদ্ধের]] সময় [[:w:নিয়তিবাদ|নির্ণয়বাদ]] বা নিয়তিবাদ থেকে সবথেকে বড় বিচ্যুতি ঘটেছিল প্রত্যক্ষ যুদ্ধগুলোর ক্ষেত্রে। ১৯৪৫ সালের আগে শক্তিশালী দেশগুলো একে অপরের সাথে এত ঘনঘন বড় বড় যুদ্ধে লিপ্ত হতো যে, মনে হতো যুদ্ধ যেন [[:w:আন্তর্জাতিক সম্পর্ক|আন্তর্জাতিক ভূ-প্রকৃতির]] এক স্থায়ী বৈশিষ্ট্য: [[:w:ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] এমনকি বিশ্বাস করতেন যে এই যুদ্ধগুলোর মাধ্যমেই [[:w:পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদের]] বিনাশ ঘটবে। তবে ১৯৪৫ সালের পর যুদ্ধগুলো সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে হয় পরাশক্তি ও ছোট শক্তির মধ্যে—যেমন [[:w:কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়া]], [[:w:ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম]] ও [[:w:আফগানিস্তানে সোভিয়েত যুদ্ধ|আফগানিস্তানে]]—অথবা কেবল ছোট শক্তিগুলোর নিজেদের মধ্যে। এর উদাহরণ হলো ১৯৪৮ থেকে ১৯৭৩ সালের মধ্যে [[:w:আরব-ইসরায়েল সংঘাত|ইসরায়েল ও তার আরব প্রতিবেশীদের মধ্যকার চারটি যুদ্ধ]], অথবা [[:w:ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৪৭|১৯৪৭-৪৮]], ১৯৬৫ এবং [[:w:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|১৯৭১]] সালের তিনটি ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, কিংবা [[:w:ইরান-ইরাক যুদ্ধ|ইরান ও ইরাকের মধ্যকার সেই দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী লড়াই]] যা সমগ্র [[:w:১৯৮০-এর দশক|আশির দশককে]] গ্রাস করেছিল। ** '''''জন লুইস গ্যাডিস''''', ''দ্য কোল্ড ওয়ার: এ নিউ হিস্ট্রি'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ২৬১ * “১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ এবং ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট বিবৃতিগুলো সামান্য বিশ্লেষণ করলেই এর প্রচুর প্রমাণ পাওয়া যায় যে, সামরিক অর্থে [[:w:জিহাদ|জিহাদ]] ধারণার আদি ও কঠোর রূপটি আজও কতটা শক্তিশালী। অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই করাকে একটি সামষ্টিক ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে দেখা হয় এবং এর মাধ্যমে ধর্মীয় পুণ্য অর্জিত হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। ইস্যুটি যতই ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ হোক না কেন, মুসলিম ও অমুসলিমদের মধ্যকার সরাসরি সংঘাতের সাধারণ বাস্তবতাই জনমনে একে একটি ধর্মীয় যুদ্ধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যথেষ্ট; এবং এর ফলে সরকারগুলোও সেদিকেই পরিচালিত হয়। পশ্চিমা দর্শকদের সামনে কর্তৃপক্ষ যখন এই সত্যকে অস্বীকার করে, তখন তার অর্থ দাঁড়ায় কেবল বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে নিজেদের বক্তব্যকে এমনভাবে উপস্থাপন করার একটি প্রচেষ্টা—যা ধর্মযুদ্ধবিরোধী এবং ধর্ম ও রাজনীতিকে আলাদা করে দেখা কোনো ফোরামের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়...।” ** '''''গুস্তাভ ফন গ্রুনবাম''''', ১৯৭০; উদ্ধৃত: [[:w:অ্যান্ড্রু বোস্টম|অ্যান্ড্রু বোস্টম]] (২০১৫), ''শরিয়া বনাম ফ্রিডম: দ্য লেগাসি অফ ইসলামিক টোটালিটারিয়ানিজম''। * [[:w:লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়|লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের]] ইতিহাসের অধ্যাপক অ্যাভ্রিল পাওয়েলের মতে, পাকিস্তানের পাঠ্যপুস্তকগুলোতে বিশেষ করে তথ্য বাদ দেওয়ার মাধ্যমে ঐতিহাসিক বর্ণনাগুলোকে বিকৃত করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। ইতিহাস মুছে ফেলার এই অভ্যাসের দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব থাকতে পারে। এর একটি উদাহরণ হলো পাকিস্তানি পাঠ্যবইগুলোতে ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের আলোচনার ধরন। ছাত্রছাত্রী এবং সাধারণ মানুষের জন্য তৈরি করা এই যুদ্ধের প্রচলিত বর্ণনায় চার দশক পরেও 'অপারেশন জিব্রাল্টার'-এর কোনো উল্লেখ নেই। প্রকৃতপক্ষে, আমি যে কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ইতিহাস অধ্যাপকের সাক্ষাৎকার নিয়েছি, তারা দাবি করেছেন যে তারা কখনো অপারেশন জিব্রাল্টার এবং সেই অদূরদর্শী সামরিক হঠকারিতার পরিণাম সম্পর্কে শোনেননি, যার ফলে ভারত লাহোরে আক্রমণ চালিয়েছিল.... যেহেতু তারা তাদের সামরিক নেতাদের এই হঠকারিতা সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত ছিলেন না, তাই তারা কেবল এটিই মনে করতে পারেন যে পাকিস্তানি রাজনীতিবিদরা আবারও কোনোভাবে "সামরিক বিজয়ের মুখ থেকে কূটনৈতিক পরাজয় ছিনিয়ে এনেছেন"। ** '''''ওয়াই. রোসার''''', ''ইসলামাইজেশন অফ পাকিস্তানি সোশ্যাল স্টাডিজ টেক্সটবুকস'', ২০০৩। * ১৯৬৫ সালে যখন সালমানের বয়স ছিল তেরো বছর, তখন সে অন্য এক ধরনের ইসলাম সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে। এটি ছিল ভারতের সাথে সেই সংক্ষিপ্ত ও অমীমাংসিত যুদ্ধের সময়। "তখন মুজাহিদদের যুদ্ধে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে এবং তাদের জান্নাত ও স্বর্গের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গান প্রচার করা হতো। লাহোর শহরের সাধারণ মানুষের দল, যাদের হাতে ছিল কেবল লাঠি, তারা অবিশ্বাসী হিন্দুদের বিরুদ্ধে পবিত্র যুদ্ধে লড়াই করার জন্য বেরিয়ে পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত তাদের ফিরিয়ে দিতে হয়েছিল। মোল্লারা তাদের ভেতরে এমন উন্মাদনা জাগিয়ে দিয়েছিলেন। মজার ব্যাপার হলো, সেই মোল্লা কিন্তু লোকগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন না; তিনি তার মসজিদে নিরাপদেই বসে ছিলেন।" ** '''''ভি. এস. নাইপল''''', ''বিয়ন্ড বিলিফ'' (ভিন্টেজ, ১৯৯৯)। == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানে ২০তম শতাব্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ২০তম শতাব্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সামরিক বাহিনী]] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ার সামরিক ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৫]] [[বিষয়শ্রেণী:২০তম শতাব্দীর সামরিক ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ায় ১৯৬০-এর দশক]] 422vm8vorpj1kpcbfz7akh4055kstft 81690 81688 2026-04-27T16:51:13Z Oindrojalik Watch 4169 81690 wikitext text/x-wiki [[File:M48 Patton.jpg|thumb|১৯৬৫ সালে অপারেশন গ্র্যান্ড স্ল্যাম চলাকালীন [[কাশ্মীর|কাশ্মীরের]] চম্ব সেক্টরে একটি [[পাকিস্তান|পাকিস্তানি]] M48A1 প্যাটন ট্যাঙ্ক এগিয়ে যাচ্ছে।]] '''[[:w:১৯৬৫-এর ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধ|১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]]''', যা '''দ্বিতীয় কাশ্মীর যুদ্ধ''' নামেও পরিচিত, এটি ছিল ১৯৬৫ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত [[:w:ভারত|ভারত]] ও [[:w:পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] মধ্যে চলা দফায় দফায় সংঘর্ষের একটি চূড়ান্ত পরিণতি। [[:w:কাশ্মীর|কাশ্মীর]] অঞ্চল নিয়ে এটি ছিল দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় যুদ্ধ; এর আগে ১৯৪৭ সালে ([[w:ভারত–পাকিস্তান_যুদ্ধ_১৯৪৭|ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৪৭]]) প্রথমবার তারা মুখোমুখি হয়েছিল। পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী এই যুদ্ধে উভয় পক্ষেই প্রচুর প্রাণহানি ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] হস্তক্ষেপে একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে এর অবসান হয়। অধিকাংশের মতে, জম্মু ও কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ ও দখলদারিত্বের লক্ষ্যে পাকিস্তান যে [[:w:অপারেশন জিব্রাল্টার|অপারেশন জিব্রাল্টার]] শুরু করেছিল, তার ব্যর্থতা থেকেই এই যুদ্ধের সূত্রপাত। == উক্তি == * [[w:পাকিস্তান_সেনাবাহিনী|পাকিস্তানের সেনাবাহিনী]] যে ভারতকে একরকম নিশ্চল অবস্থায় আটকে দিতে সক্ষম হয়েছিল, তা সত্যিই বিস্ময়কর। এর বিশাল কৃতিত্ব [[w:পাকিস্তান_বিমানবাহিনী|পাকিস্তান বিমান বাহিনীর]] প্রাপ্য, যারা তাদের চেয়ে বহুগুণ বড় ভারতীয় প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করেছে এবং স্থলবাহিনীকে পূর্ণ সমর্থন জুগিয়েছে। বিমান বাহিনীর প্রধান নূর খান অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পাকিস্তান বিমান বাহিনীকে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। তাদের প্রতিটি আক্রমণে ছিল লক্ষ্যপূরণের এক প্রবল সংকল্প... এটিও স্পষ্ট যে, ভারতীয় সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন শাখার মধ্যে সমন্বয়ের যেখানে চরম অভাব ছিল, সেখানে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রতিটি স্তরে ছিল চমৎকার সহযোগিতা। ** '''''ব্রায়ান ক্লাফলি''''', [[:iarchive:historyofpakista0000clou_i1l0|পাকিস্তান সেনাবাহিনী]], পৃষ্ঠা ১৪২ * [[:w:জওহরলাল নেহরু|জওহরলাল নেহরুর]] মৃত্যুর এক বছরের কিছু বেশি সময় পর, ১৯৬৫ সালে কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তান দ্বিতীয়বার যুদ্ধে জড়ায়। পাকিস্তানের তৎকালীন শাসক ফিল্ড মার্শাল [[:w:আইয়ুব খান|আইয়ুব খান]] ব্যক্তিগতভাবে অপারেশন গ্র্যান্ড স্ল্যামের পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি আশা করেছিলেন যে, কাশ্মীরের সরু দক্ষিণাঞ্চলীয় অংশটি দখল করে পাঞ্জাব থেকে রাজ্যটিকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেবেন। আইয়ুব খান ছিলেন একজন দীর্ঘদেহী ও শক্তিশালী মানুষ; বিপরীতে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী [[:w:লাল বাহাদুর শাস্ত্রী|লাল বাহাদুর শাস্ত্রী]] ছিলেন শারীরিকভাবে বেশ ছোটখাটো ও ক্ষীণকায় ব্যক্তি। তবে [[w:ভারতীয়_সেনাবাহিনী|ভারতের সেনাবাহিনী]] ছিল পাকিস্তানের চারগুণ বড়, যারা দ্রুতই সেই জনপ্রিয় পাকিস্তানি ধারণাটি ভেঙে চুরমার করে দেয় যে একজন [[w:মুসলিম|মুসলিম]] সৈন্য দশজন [[:w:হিন্দু|হিন্দুর]] সমান। ভারতের ট্যাঙ্কগুলো যখন পাঞ্জাব সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিম দিকে [[:w:লাহোর|লাহোর]] অভিমুখে যাত্রা শুরু করল, তখনই অপারেশন গ্র্যান্ড স্ল্যাম থমকে যায়। তিন সপ্তাহ পর যখন কোনো পক্ষই চূড়ান্ত বিজয় পায়নি, তখন [[:w:ওয়াশিংটন, ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] দুই দেশের সেনাবাহিনীর ওপর অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহে নিষেধাজ্ঞা জারি করলে এই যুদ্ধ ''De facto'' বা [[w:কার্যত|কার্যত]] ড্র অর্থাৎ অমীমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়ে যায়। তবে যুদ্ধবিরতি ডাকার সময় ভারত পাঞ্জাবের রাজধানী লাহোরের ব্যাপক ক্ষতি করার কিংবা তা দখল করে নেওয়ার মতো সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল এবং আইয়ুব খানের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে কাশ্মীরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ উরি-পুঞ্চ এলাকাও তখন ভারতের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ** '''''স্ট্যানলি ওলপার্ট''''', ''[http://content.cdlib.org/xtf/view?docId=ft0489n6j7&chunk.id=d0e4022&toc.depth=1&toc.id=d0e4019&brand=eschol&query=martial%20arts# ইন্ডিয়া]'' (১৯৯০)। * সংঘাত শেষে উভয় পক্ষই নিজেদের বিজয়ী দাবি করে। তবে উন্নত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার কারণে ভারতীয়রা সাঁজোয়া যান বা আর্মার ব্যবহারে অধিকতর কৌশলগত মুন্সীয়ানা দেখাতে সক্ষম হয়েছিল। এটি অবশ্যই অনুধাবন করতে হবে যে, ভারতীয় আর্মার্ড কোর একসময় পাকিস্তানি প্রোপাগান্ডা প্রচারণায় কিছুটা বিভ্রান্ত হয়েছিল এবং বেশ আশঙ্কার সাথেই যুদ্ধে প্রবেশ করেছিল। তারা বিশ্বাস করত যে প্যাটন ট্যাঙ্ক (অর্থাৎ এম-৪৭ এবং এম-৪৮) অগ্নিশক্তি, সুরক্ষা এবং গতিশীলতার দিক থেকে ভারতের যেকোনো ট্যাঙ্কের চেয়ে বহুগুণে শ্রেষ্ঠ। এই উদ্বেগের প্রতিফলন যুদ্ধপরবর্তী সাহসিকতার অনেক রাষ্ট্রীয় সম্মাননাতেও দেখা যায়, যার একটিতে একজন এনসিওকে "অজেয় বলে কথিত বেশ কয়েকটি প্যাটনের" বিরুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য প্রশংসিত করা হয়েছিল।<br>প্রকৃতপক্ষে, মনে হয় যে পাকিস্তানিরা তাদের নিজেদের প্রচারণারই শিকার হয়েছিল এবং বিশ্বাস করতে শুরু করেছিল যে প্যাটন ট্যাঙ্ক প্রায় অবিনশ্বর। এর ফলে তারা সরাসরি ভারতীয় অবস্থানের ওপর আক্রমণ চালানোর মতো হঠকারী কৌশল গ্রহণ করে এবং সম্মুখভাগে থাকা প্যাটন ট্যাঙ্কগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। [[w:শিয়ালকোট|শিয়ালকোটের]] ধূলিধূসরিত যুদ্ধের ময়দানে সেঞ্চুরিয়ন এবং প্যাটন ট্যাঙ্কের লড়াই হয়েছিল মাত্র ১,০০০ গজেরও কম দূরত্বে। সাধারণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার শক্তিশালী সেঞ্চুরিয়ন ট্যাঙ্কগুলো এম-৪৭ এবং এম-৪৮ প্যাটনের তুলনায় শ্রেষ্ঠ প্রমাণিত হয়েছিল; কারণ প্যাটনের জটিল স্টেরিওস্কোপিক রেঞ্জ-ফাইন্ডার এবং অত্যাধুনিক ব্যালেস্টিক কম্পিউটারগুলো সাধারণ পাকিস্তানি "সওয়ার" বা সেনাদের জন্য পরিচালনা করা বেশ কঠিন ছিল। ** '''''পিটার সারসন, টনি ব্রায়ান এবং ডেভিড ই. স্মিথ''''', ''সেঞ্চুরিয়ন ট্যাঙ্ক ইন ব্যাটেল'' (অসপ্রে - ভ্যানগার্ড ২২)। * [[w:ভারত_সরকার|ভারত সরকার]] যখন একতরফাভাবে ঘোষণা করল যে [[w:জম্মু_ও_কাশ্মীর|জম্মু ও কাশ্মীর]] এখন থেকে ভারতের অন্যান্য রাজ্যের মতো সমান মর্যাদা পাবে, তখন ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের সাথে আবারও বৈরিতার সৃষ্টি হয়। এর ফলে স্থানীয় লক্ষ্য অর্জনের জন্য উভয় পক্ষই কঠোর এবং প্রথাগত যুদ্ধে লিপ্ত হ্যে যায়। কচ্ছের রনে খণ্ড খন্ড যুদ্ধ (এপ্রিল-মে) ছাড়াও পাকিস্তান কাশ্মীর যুদ্ধবিরতি রেখা বরাবর [[w:কামান_(অস্ত্র)|আর্টিলারি বা কামানের]] সহায়তায় অনুপ্রবেশ শুরু করে, যা ওই ধরনের ভূখণ্ডে গেরিলা কৌশলের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছিল—যেখানে প্রায় ১০,০০০ অনিয়মিত যোদ্ধা ২০০-এর বেশি কামান ও মর্টারের সহায়তায় থাকা ৫০,০০০ নিয়মিত ভারতীয় সেনাকে ব্যস্ত রাখতে সক্ষম হয়েছিল। ভারতীয়রা এভাবে বিভ্রান্ত হয়ে আছে ভেবে ১৯৬৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানিরা [[w:জম্মু|জম্মুর]] উত্তরে চাম্ব সেক্টরে আক্রমণ চালায়। এটি ছিল ট্যাঙ্কের জন্য উপযোগী সমতল এলাকা এবং তারা সেখানে বিশাল আর্মার্ড শক্তি ও ব্যাপক কামানের সমর্থন নিয়ে তাদের উপর চড়াও হয়েছিল। কিন্তু একটি কঠোর যুদ্ধের পর ভারতীয়রা তাদের প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতীয়রা ৬ সেপ্টেম্বর অমৃতসর-লাহোর অক্ষ বরাবর একটি সীমিত আক্রমণ শুরু করে যার লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানি ট্যাঙ্কগুলোকে চাম্ব থেকে সরিয়ে আনা এবং যুদ্ধের গতি বাড়ার সাথে সাথে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ওপর নির্ণায়ক আঘাত হানা। পরবর্তী পাক্ষিক জুড়ে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ চলতে থাকে এবং খুব সামান্য আঞ্চলিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে একসময় যুদ্ধটি এক প্রকার স্তিমিত হয়ে আসে। তবে ট্যাঙ্ক ধ্বংসের হিসাব স্পষ্টভাবেই ভারতীয়দের অনুকূলে ছিল, যার মাধ্যমে পাকিস্তানিরা বুঝতে শুরু করেছিল যে ভারতীয়দের হারানো মোটেও সহজ কাজ নয়। ** '''''ব্রিগেডিয়ার শেলফোর্ড বিডওয়েল''''', ''দ্য এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ল্যান্ড ওয়ারফেয়ার ইন দ্য টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি'' (সালামাণ্ডার বুকস লিমিটেড ১৯৭৭), খণ্ড ৫, এশিয়ান ওয়ারস অফ ইম্পেরিয়াল সাকসেশন, পৃষ্ঠা ১৬৪-১৭৩। * ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার এই দ্বন্দ্ব ছিল উত্তর-উপনিবেশিক যুগের এমন এক বৈরিতা যা ''দেতঁত'' (উত্তেজনা প্রশমন) কে এক কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছিল। এই বিরোধের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল কাশ্মীর অঞ্চল, যার ১৯৪৮ সালের বিভক্তিকে ([[w:ভারত_বিভাজন|ভারত বিভাজন]]) পাকিস্তান সবসময়ই অস্বীকার করে এসেছে। শুরুতে ভারত [[স্নায়ুযুদ্ধ|স্নায়ুযুদ্ধের]] সময় নিরপেক্ষ অবস্থান নিতে চেয়েছিল, কিন্তু [[w:চীন-ভারত_যুদ্ধ|১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধের]] পর দেশটি [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নের]] দিকে ঝুঁকে পড়ে। অন্যদিকে পাকিস্তান, যারা আগে পশ্চিমা ব্লকের একনিষ্ঠ সদস্য ছিল, ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর [[:w:চীন|চীনের]] ঘনিষ্ঠ হতে শুরু করে। উভয় ক্ষেত্রেই [[:w:ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধে]] নিমজ্জিত [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল। তবে ১৯৬৬ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন একজন সফল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে উভয় পক্ষের-ই কৃতজ্ঞতা অর্জন করে। ** '''''ক্যারোল সি. ফিঙ্ক''''', ''দ্য কোল্ড ওয়ার: অ্যান ইন্টারন্যাশনাল হিস্ট্রি'' (২০১৭) * [[স্নায়ুযুদ্ধ|স্নায়ুযুদ্ধের]] সময় নির্ণয়বাদ বা নিয়তিবাদ থেকে সবথেকে বড় বিচ্যুতিটি ঘটেছিল মুখোমুখি যুদ্ধগুলোর ক্ষেত্রে। ১৯৪৫ সালের আগে শক্তিশালী দেশগুলো একে অপরের সাথে এত ঘনঘন বড় বড় যুদ্ধে লিপ্ত হতো যে, মনে হতো যুদ্ধ যেন [[:w:আন্তর্জাতিক সম্পর্ক|আন্তর্জাতিক সম্পর্কের]] এক স্থায়ী বৈশিষ্ট্য: এমনকি [[:w:ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] ও একসময় বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন যে এই যুদ্ধগুলোর মাধ্যমেই [[:w:পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদের]] বিনাশ ঘটে যাবে! তবে ১৯৪৫ সালের পর যুদ্ধগুলো সীমাবদ্ধ হয়ে স্থানান্তরিত হয় পরাশক্তি ও ছোট শক্তিগুলোর মাঝে—যেমন [[w:কোরীয়_যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধ]], [[w:ভিয়েতনাম_যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধ]] ও [[:w:আফগানিস্তানে সোভিয়েত যুদ্ধ|আফগানিস্তান-সোভিয়েত যুদ্ধ]]—অথবা কেবল ছোট শক্তিগুলোর নিজেদের মধ্যে। এর উদাহরণ হলো ১৯৪৮ থেকে ১৯৭৩ সালের মধ্যে [[w:আরব-ইসরায়েলি_সংঘাত|ইসরায়েল ও তার আরব প্রতিবেশীদের মধ্যকার চারটি যুদ্ধ]], অথবা [[:w:ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৪৭|১৯৪৭-৪৮]], ১৯৬৫ এবং [[:w:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|১৯৭১]] সালের তিনটি ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, কিংবা [[:w:ইরান-ইরাক যুদ্ধ|ইরান ও ইরাকের মধ্যকার সেই দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী লড়াই]] যা সমগ্র আশির দশককে গ্রাস করেছিল। ** '''''জন লুইস গ্যাডিস''''', ''দ্য কোল্ড ওয়ার: এ নিউ হিস্ট্রি'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ২৬১ * “১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ এবং ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট বিবৃতিগুলো সামান্য বিশ্লেষণ করলেই এর প্রচুর প্রমাণ পাওয়া যায় যে, সামরিক অর্থে [[:w:জিহাদ|জিহাদ]] ধারণার আদি ও কঠোর রূপটি আজও কতটা শক্তিশালী। অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই করাকে একটি সামষ্টিক ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে দেখা হয় এবং এর মাধ্যমে ধর্মীয় পুণ্য অর্জিত হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। ইস্যুটি যতই ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ হোক না কেন, মুসলিম ও অমুসলিমদের মধ্যকার সরাসরি সংঘাতের সাধারণ বাস্তবতাই জনমনে একে একটি ধর্মীয় যুদ্ধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যথেষ্ট; এবং এর ফলে সরকারগুলোও সেদিকেই পরিচালিত হয়। পশ্চিমা দর্শকদের সামনে কর্তৃপক্ষ যখন এই সত্যকে অস্বীকার করে, তখন তার অর্থ দাঁড়ায় কেবল বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে নিজেদের বক্তব্যকে এমনভাবে উপস্থাপন করার একটি প্রচেষ্টা—যা ধর্মযুদ্ধবিরোধী এবং ধর্ম ও রাজনীতিকে আলাদা করে দেখা কোনো ফোরামের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়...।” ** '''''গুস্তাভ ফন গ্রুনবাম''''', ১৯৭০; উদ্ধৃত: অ্যান্ড্রু বোস্টম (২০১৫), ''শরিয়া বনাম ফ্রিডম: দ্য লেগাসি অফ ইসলামিক টোটালিটারিয়ানিজম''। * [[:w:লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়|লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের]] ইতিহাসের অধ্যাপক অ্যাভ্রিল পাওয়েলের মতে, পাকিস্তানের পাঠ্যপুস্তকগুলোতে বিশেষ করে তথ্য বাদ দেওয়ার মাধ্যমে ঐতিহাসিক বর্ণনাগুলোকে বিকৃত করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। ইতিহাস মুছে ফেলার এই অভ্যাসের দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব থাকতে পারে। এর একটি উদাহরণ হলো পাকিস্তানি পাঠ্যবইগুলোতে ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের আলোচনার ধরন। ছাত্রছাত্রী এবং সাধারণ মানুষের জন্য তৈরি করা এই যুদ্ধের প্রচলিত বর্ণনায় চার দশক পরেও অপারেশন জিব্রাল্টারের কোনো উল্লেখ নেই। প্রকৃতপক্ষে, আমি যে কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ইতিহাস অধ্যাপকের সাক্ষাৎকার নিয়েছি, তারা দাবি করেছেন যে তারা কখনো অপারেশন জিব্রাল্টার এবং সেই অদূরদর্শী সামরিক হঠকারিতার পরিণাম সম্পর্কে শোনেননি, যার ফলে ভারত লাহোরে আক্রমণ চালিয়েছিল.... যেহেতু তারা তাদের সামরিক নেতাদের এই হঠকারিতা সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত ছিলেন না, তাই তারা কেবল এটিই মনে করতে পারেন যে পাকিস্তানি রাজনীতিবিদরা আবারও কোনোভাবে "সামরিক বিজয়ের মুখ থেকে কূটনৈতিক পরাজয় ছিনিয়ে এনেছেন"। ** '''''ওয়াই. রোসার''''', ''ইসলামাইজেশন অফ পাকিস্তানি সোশ্যাল স্টাডিজ টেক্সটবুকস'', ২০০৩। * ১৯৬৫ সালে যখন সালমানের বয়স ছিল তেরো বছর, তখন সে অন্য এক ধরনের ইসলাম সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে। এটি ছিল ভারতের সাথে সেই সংক্ষিপ্ত ও অমীমাংসিত যুদ্ধের সময়। "তখন মুজাহিদদের যুদ্ধে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে এবং তাদের জান্নাত ও স্বর্গের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গান প্রচার করা হতো। লাহোর শহরের সাধারণ মানুষের দল, যাদের হাতে ছিল কেবল লাঠি, তারা অবিশ্বাসী হিন্দুদের বিরুদ্ধে পবিত্র যুদ্ধে লড়াই করার জন্য বেরিয়ে পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত তাদের ফিরিয়ে দিতে হয়েছিল। মৌলভিরা তাদের ভেতরে এমন উন্মাদনা জাগিয়ে দিচ্ছিলেন। মজার ব্যাপার হলো, সেই মৌলভি কিন্তু লোকগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন না; তিনি তার মসজিদে নিরাপদেই বসে ছিলেন।" ** '''''ভি. এস. নাইপল''''', ''বিয়ন্ড বিলিফ'' (ভিন্টেজ, ১৯৯৯)। == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানে ২০তম শতাব্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ২০তম শতাব্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সামরিক বাহিনী]] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ার সামরিক ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৫]] [[বিষয়শ্রেণী:২০তম শতাব্দীর সামরিক ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ায় ১৯৬০-এর দশক]] 3a3gttl13p1nmudmluf6ddv4piw4dux 81691 81690 2026-04-27T17:01:39Z Oindrojalik Watch 4169 চিত্র 81691 wikitext text/x-wiki [[File:M48 Patton.jpg|thumb|১৯৬৫ সালে অপারেশন গ্র্যান্ড স্ল্যাম চলাকালীন [[কাশ্মীর|কাশ্মীরের]] চম্ব সেক্টরে একটি [[পাকিস্তান|পাকিস্তানি]] M48A1 প্যাটন ট্যাঙ্ক এগিয়ে যাচ্ছে।]] '''[[:w:১৯৬৫-এর ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধ|১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]]''', যা '''দ্বিতীয় কাশ্মীর যুদ্ধ''' নামেও পরিচিত, এটি ছিল ১৯৬৫ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত [[:w:ভারত|ভারত]] ও [[:w:পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] মধ্যে চলা দফায় দফায় সংঘর্ষের একটি চূড়ান্ত পরিণতি। [[:w:কাশ্মীর|কাশ্মীর]] অঞ্চল নিয়ে এটি ছিল দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় যুদ্ধ; এর আগে ১৯৪৭ সালে ([[w:ভারত–পাকিস্তান_যুদ্ধ_১৯৪৭|ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৪৭]]) প্রথমবার তারা মুখোমুখি হয়েছিল। পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী এই যুদ্ধে উভয় পক্ষেই প্রচুর প্রাণহানি ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] হস্তক্ষেপে একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে এর অবসান হয়। অধিকাংশের মতে, জম্মু ও কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ ও দখলদারিত্বের লক্ষ্যে পাকিস্তান যে [[:w:অপারেশন জিব্রাল্টার|অপারেশন জিব্রাল্টার]] শুরু করেছিল, তার ব্যর্থতা থেকেই এই যুদ্ধের সূত্রপাত। == উক্তি == * [[w:পাকিস্তান_সেনাবাহিনী|পাকিস্তানের সেনাবাহিনী]] যে ভারতকে একরকম নিশ্চল অবস্থায় আটকে দিতে সক্ষম হয়েছিল, তা সত্যিই বিস্ময়কর। এর বিশাল কৃতিত্ব [[w:পাকিস্তান_বিমানবাহিনী|পাকিস্তান বিমান বাহিনীর]] প্রাপ্য, যারা তাদের চেয়ে বহুগুণ বড় ভারতীয় প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করেছে এবং স্থলবাহিনীকে পূর্ণ সমর্থন জুগিয়েছে। বিমান বাহিনীর প্রধান নূর খান অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পাকিস্তান বিমান বাহিনীকে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। তাদের প্রতিটি আক্রমণে ছিল লক্ষ্যপূরণের এক প্রবল সংকল্প... এটিও স্পষ্ট যে, ভারতীয় সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন শাখার মধ্যে সমন্বয়ের যেখানে চরম অভাব ছিল, সেখানে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রতিটি স্তরে ছিল চমৎকার সহযোগিতা। ** '''''ব্রায়ান ক্লাফলি''''', [[:iarchive:historyofpakista0000clou_i1l0|পাকিস্তান সেনাবাহিনী]], পৃষ্ঠা ১৪২ * [[:w:জওহরলাল নেহরু|জওহরলাল নেহরুর]] মৃত্যুর এক বছরের কিছু বেশি সময় পর, ১৯৬৫ সালে কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তান দ্বিতীয়বার যুদ্ধে জড়ায়। পাকিস্তানের তৎকালীন শাসক ফিল্ড মার্শাল [[:w:আইয়ুব খান|আইয়ুব খান]] ব্যক্তিগতভাবে অপারেশন গ্র্যান্ড স্ল্যামের পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি আশা করেছিলেন যে, কাশ্মীরের সরু দক্ষিণাঞ্চলীয় অংশটি দখল করে পাঞ্জাব থেকে রাজ্যটিকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেবেন। আইয়ুব খান ছিলেন একজন দীর্ঘদেহী ও শক্তিশালী মানুষ; বিপরীতে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী [[:w:লাল বাহাদুর শাস্ত্রী|লাল বাহাদুর শাস্ত্রী]] ছিলেন শারীরিকভাবে বেশ ছোটখাটো ও ক্ষীণকায় ব্যক্তি। তবে [[w:ভারতীয়_সেনাবাহিনী|ভারতের সেনাবাহিনী]] ছিল পাকিস্তানের চারগুণ বড়, যারা দ্রুতই সেই জনপ্রিয় পাকিস্তানি ধারণাটি ভেঙে চুরমার করে দেয় যে একজন [[w:মুসলিম|মুসলিম]] সৈন্য দশজন [[:w:হিন্দু|হিন্দুর]] সমান। ভারতের ট্যাঙ্কগুলো যখন পাঞ্জাব সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিম দিকে [[:w:লাহোর|লাহোর]] অভিমুখে যাত্রা শুরু করল, তখনই অপারেশন গ্র্যান্ড স্ল্যাম থমকে যায়। তিন সপ্তাহ পর যখন কোনো পক্ষই চূড়ান্ত বিজয় পায়নি, তখন [[:w:ওয়াশিংটন, ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] দুই দেশের সেনাবাহিনীর ওপর অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহে নিষেধাজ্ঞা জারি করলে এই যুদ্ধ ''De facto'' বা [[w:কার্যত|কার্যত]] ড্র অর্থাৎ অমীমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়ে যায়। তবে যুদ্ধবিরতি ডাকার সময় ভারত পাঞ্জাবের রাজধানী লাহোরের ব্যাপক ক্ষতি করার কিংবা তা দখল করে নেওয়ার মতো সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল এবং আইয়ুব খানের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে কাশ্মীরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ উরি-পুঞ্চ এলাকাও তখন ভারতের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ** '''''স্ট্যানলি ওলপার্ট''''', ''[http://content.cdlib.org/xtf/view?docId=ft0489n6j7&chunk.id=d0e4022&toc.depth=1&toc.id=d0e4019&brand=eschol&query=martial%20arts# ইন্ডিয়া]'' (১৯৯০)। [[File:1965 Indo-Pak War DestroyedMasjid-2.jpg|thumb|ভারতীয় সেনাবাহিনী কর্তৃক ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি [[:w:মসজিদ|মসজিদ]]]] * সংঘাত শেষে উভয় পক্ষই নিজেদের বিজয়ী দাবি করে। তবে উন্নত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার কারণে ভারতীয়রা সাঁজোয়া যান বা আর্মার ব্যবহারে অধিকতর কৌশলগত মুন্সীয়ানা দেখাতে সক্ষম হয়েছিল। এটি অবশ্যই অনুধাবন করতে হবে যে, ভারতীয় আর্মার্ড কোর একসময় পাকিস্তানি প্রোপাগান্ডা প্রচারণায় কিছুটা বিভ্রান্ত হয়েছিল এবং বেশ আশঙ্কার সাথেই যুদ্ধে প্রবেশ করেছিল। তারা বিশ্বাস করত যে প্যাটন ট্যাঙ্ক (অর্থাৎ এম-৪৭ এবং এম-৪৮) অগ্নিশক্তি, সুরক্ষা এবং গতিশীলতার দিক থেকে ভারতের যেকোনো ট্যাঙ্কের চেয়ে বহুগুণে শ্রেষ্ঠ। এই উদ্বেগের প্রতিফলন যুদ্ধপরবর্তী সাহসিকতার অনেক রাষ্ট্রীয় সম্মাননাতেও দেখা যায়, যার একটিতে একজন এনসিওকে "অজেয় বলে কথিত বেশ কয়েকটি প্যাটনের" বিরুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য প্রশংসিত করা হয়েছিল।<br>প্রকৃতপক্ষে, মনে হয় যে পাকিস্তানিরা তাদের নিজেদের প্রচারণারই শিকার হয়েছিল এবং বিশ্বাস করতে শুরু করেছিল যে প্যাটন ট্যাঙ্ক প্রায় অবিনশ্বর। এর ফলে তারা সরাসরি ভারতীয় অবস্থানের ওপর আক্রমণ চালানোর মতো হঠকারী কৌশল গ্রহণ করে এবং সম্মুখভাগে থাকা প্যাটন ট্যাঙ্কগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। [[w:শিয়ালকোট|শিয়ালকোটের]] ধূলিধূসরিত যুদ্ধের ময়দানে সেঞ্চুরিয়ন এবং প্যাটন ট্যাঙ্কের লড়াই হয়েছিল মাত্র ১,০০০ গজেরও কম দূরত্বে। সাধারণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার শক্তিশালী সেঞ্চুরিয়ন ট্যাঙ্কগুলো এম-৪৭ এবং এম-৪৮ প্যাটনের তুলনায় শ্রেষ্ঠ প্রমাণিত হয়েছিল; কারণ প্যাটনের জটিল স্টেরিওস্কোপিক রেঞ্জ-ফাইন্ডার এবং অত্যাধুনিক ব্যালেস্টিক কম্পিউটারগুলো সাধারণ পাকিস্তানি "সওয়ার" বা সেনাদের জন্য পরিচালনা করা বেশ কঠিন ছিল। ** '''''পিটার সারসন, টনি ব্রায়ান এবং ডেভিড ই. স্মিথ''''', ''সেঞ্চুরিয়ন ট্যাঙ্ক ইন ব্যাটেল'' (অসপ্রে - ভ্যানগার্ড ২২)। * [[w:ভারত_সরকার|ভারত সরকার]] যখন একতরফাভাবে ঘোষণা করল যে [[w:জম্মু_ও_কাশ্মীর|জম্মু ও কাশ্মীর]] এখন থেকে ভারতের অন্যান্য রাজ্যের মতো সমান মর্যাদা পাবে, তখন ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের সাথে আবারও বৈরিতার সৃষ্টি হয়। এর ফলে স্থানীয় লক্ষ্য অর্জনের জন্য উভয় পক্ষই কঠোর এবং প্রথাগত যুদ্ধে লিপ্ত হ্যে যায়। কচ্ছের রনে খণ্ড খন্ড যুদ্ধ (এপ্রিল-মে) ছাড়াও পাকিস্তান কাশ্মীর যুদ্ধবিরতি রেখা বরাবর [[w:কামান_(অস্ত্র)|আর্টিলারি বা কামানের]] সহায়তায় অনুপ্রবেশ শুরু করে, যা ওই ধরনের ভূখণ্ডে গেরিলা কৌশলের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছিল—যেখানে প্রায় ১০,০০০ অনিয়মিত যোদ্ধা ২০০-এর বেশি কামান ও মর্টারের সহায়তায় থাকা ৫০,০০০ নিয়মিত ভারতীয় সেনাকে ব্যস্ত রাখতে সক্ষম হয়েছিল। ভারতীয়রা এভাবে বিভ্রান্ত হয়ে আছে ভেবে ১৯৬৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানিরা [[w:জম্মু|জম্মুর]] উত্তরে চাম্ব সেক্টরে আক্রমণ চালায়। এটি ছিল ট্যাঙ্কের জন্য উপযোগী সমতল এলাকা এবং তারা সেখানে বিশাল আর্মার্ড শক্তি ও ব্যাপক কামানের সমর্থন নিয়ে তাদের উপর চড়াও হয়েছিল। কিন্তু একটি কঠোর যুদ্ধের পর ভারতীয়রা তাদের প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতীয়রা ৬ সেপ্টেম্বর অমৃতসর-লাহোর অক্ষ বরাবর একটি সীমিত আক্রমণ শুরু করে যার লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানি ট্যাঙ্কগুলোকে চাম্ব থেকে সরিয়ে আনা এবং যুদ্ধের গতি বাড়ার সাথে সাথে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ওপর নির্ণায়ক আঘাত হানা। পরবর্তী পাক্ষিক জুড়ে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ চলতে থাকে এবং খুব সামান্য আঞ্চলিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে একসময় যুদ্ধটি এক প্রকার স্তিমিত হয়ে আসে। তবে ট্যাঙ্ক ধ্বংসের হিসাব স্পষ্টভাবেই ভারতীয়দের অনুকূলে ছিল, যার মাধ্যমে পাকিস্তানিরা বুঝতে শুরু করেছিল যে ভারতীয়দের হারানো মোটেও সহজ কাজ নয়। ** '''''ব্রিগেডিয়ার শেলফোর্ড বিডওয়েল''''', ''দ্য এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ল্যান্ড ওয়ারফেয়ার ইন দ্য টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি'' (সালামাণ্ডার বুকস লিমিটেড ১৯৭৭), খণ্ড ৫, এশিয়ান ওয়ারস অফ ইম্পেরিয়াল সাকসেশন, পৃষ্ঠা ১৬৪-১৭৩। [[File:1965 war Munabao (Flag).jpg|thumb|১১ সেপ্টেম্বর ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানি বাহিনী ভারতের রাজস্থানের মুনাবাও রেলওয়ে স্টেশনটি দখল করে সেখানে তাদের পতাকা উত্তোলন করেছিল। যুদ্ধের পর তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে ভারত পুনরায় এই গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত স্টেশনটির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়। বর্তমানে এটি দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক সীমান্ত সংযোগস্থল হিসেবে পরিচিত।]] * ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার এই দ্বন্দ্ব ছিল উত্তর-উপনিবেশিক যুগের এমন এক বৈরিতা যা ''দেতঁত'' (উত্তেজনা প্রশমন) কে এক কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছিল। এই বিরোধের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল কাশ্মীর অঞ্চল, যার ১৯৪৮ সালের বিভক্তিকে ([[w:ভারত_বিভাজন|ভারত বিভাজন]]) পাকিস্তান সবসময়ই অস্বীকার করে এসেছে। শুরুতে ভারত [[স্নায়ুযুদ্ধ|স্নায়ুযুদ্ধের]] সময় নিরপেক্ষ অবস্থান নিতে চেয়েছিল, কিন্তু [[w:চীন-ভারত_যুদ্ধ|১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধের]] পর দেশটি [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নের]] দিকে ঝুঁকে পড়ে। অন্যদিকে পাকিস্তান, যারা আগে পশ্চিমা ব্লকের একনিষ্ঠ সদস্য ছিল, ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর [[:w:চীন|চীনের]] ঘনিষ্ঠ হতে শুরু করে। উভয় ক্ষেত্রেই [[:w:ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধে]] নিমজ্জিত [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল। তবে ১৯৬৬ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন একজন সফল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে উভয় পক্ষের-ই কৃতজ্ঞতা অর্জন করে। ** '''''ক্যারোল সি. ফিঙ্ক''''', ''দ্য কোল্ড ওয়ার: অ্যান ইন্টারন্যাশনাল হিস্ট্রি'' (২০১৭) * [[স্নায়ুযুদ্ধ|স্নায়ুযুদ্ধের]] সময় নির্ণয়বাদ বা নিয়তিবাদ থেকে সবথেকে বড় বিচ্যুতিটি ঘটেছিল মুখোমুখি যুদ্ধগুলোর ক্ষেত্রে। ১৯৪৫ সালের আগে শক্তিশালী দেশগুলো একে অপরের সাথে এত ঘনঘন বড় বড় যুদ্ধে লিপ্ত হতো যে, মনে হতো যুদ্ধ যেন [[:w:আন্তর্জাতিক সম্পর্ক|আন্তর্জাতিক সম্পর্কের]] এক স্থায়ী বৈশিষ্ট্য: এমনকি [[:w:ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] ও একসময় বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন যে এই যুদ্ধগুলোর মাধ্যমেই [[:w:পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদের]] বিনাশ ঘটে যাবে! তবে ১৯৪৫ সালের পর যুদ্ধগুলো সীমাবদ্ধ হয়ে স্থানান্তরিত হয় পরাশক্তি ও ছোট শক্তিগুলোর মাঝে—যেমন [[w:কোরীয়_যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধ]], [[w:ভিয়েতনাম_যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধ]] ও [[:w:আফগানিস্তানে সোভিয়েত যুদ্ধ|আফগানিস্তান-সোভিয়েত যুদ্ধ]]—অথবা কেবল ছোট শক্তিগুলোর নিজেদের মধ্যে। এর উদাহরণ হলো ১৯৪৮ থেকে ১৯৭৩ সালের মধ্যে [[w:আরব-ইসরায়েলি_সংঘাত|ইসরায়েল ও তার আরব প্রতিবেশীদের মধ্যকার চারটি যুদ্ধ]], অথবা [[:w:ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৪৭|১৯৪৭-৪৮]], ১৯৬৫ এবং [[:w:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|১৯৭১]] সালের তিনটি ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, কিংবা [[:w:ইরান-ইরাক যুদ্ধ|ইরান ও ইরাকের মধ্যকার সেই দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী লড়াই]] যা সমগ্র আশির দশককে গ্রাস করেছিল। ** '''''জন লুইস গ্যাডিস''''', ''দ্য কোল্ড ওয়ার: এ নিউ হিস্ট্রি'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ২৬১ * “১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ এবং ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট বিবৃতিগুলো সামান্য বিশ্লেষণ করলেই এর প্রচুর প্রমাণ পাওয়া যায় যে, সামরিক অর্থে [[:w:জিহাদ|জিহাদ]] ধারণার আদি ও কঠোর রূপটি আজও কতটা শক্তিশালী। অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই করাকে একটি সামষ্টিক ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে দেখা হয় এবং এর মাধ্যমে ধর্মীয় পুণ্য অর্জিত হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। ইস্যুটি যতই ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ হোক না কেন, মুসলিম ও অমুসলিমদের মধ্যকার সরাসরি সংঘাতের সাধারণ বাস্তবতাই জনমনে একে একটি ধর্মীয় যুদ্ধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যথেষ্ট; এবং এর ফলে সরকারগুলোও সেদিকেই পরিচালিত হয়। পশ্চিমা দর্শকদের সামনে কর্তৃপক্ষ যখন এই সত্যকে অস্বীকার করে, তখন তার অর্থ দাঁড়ায় কেবল বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে নিজেদের বক্তব্যকে এমনভাবে উপস্থাপন করার একটি প্রচেষ্টা—যা ধর্মযুদ্ধবিরোধী এবং ধর্ম ও রাজনীতিকে আলাদা করে দেখা কোনো ফোরামের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়...।” ** '''''গুস্তাভ ফন গ্রুনবাম''''', ১৯৭০; উদ্ধৃত: অ্যান্ড্রু বোস্টম (২০১৫), ''শরিয়া বনাম ফ্রিডম: দ্য লেগাসি অফ ইসলামিক টোটালিটারিয়ানিজম''। * [[:w:লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়|লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের]] ইতিহাসের অধ্যাপক অ্যাভ্রিল পাওয়েলের মতে, পাকিস্তানের পাঠ্যপুস্তকগুলোতে বিশেষ করে তথ্য বাদ দেওয়ার মাধ্যমে ঐতিহাসিক বর্ণনাগুলোকে বিকৃত করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। ইতিহাস মুছে ফেলার এই অভ্যাসের দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব থাকতে পারে। এর একটি উদাহরণ হলো পাকিস্তানি পাঠ্যবইগুলোতে ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের আলোচনার ধরন। ছাত্রছাত্রী এবং সাধারণ মানুষের জন্য তৈরি করা এই যুদ্ধের প্রচলিত বর্ণনায় চার দশক পরেও অপারেশন জিব্রাল্টারের কোনো উল্লেখ নেই। প্রকৃতপক্ষে, আমি যে কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ইতিহাস অধ্যাপকের সাক্ষাৎকার নিয়েছি, তারা দাবি করেছেন যে তারা কখনো অপারেশন জিব্রাল্টার এবং সেই অদূরদর্শী সামরিক হঠকারিতার পরিণাম সম্পর্কে শোনেননি, যার ফলে ভারত লাহোরে আক্রমণ চালিয়েছিল.... যেহেতু তারা তাদের সামরিক নেতাদের এই হঠকারিতা সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত ছিলেন না, তাই তারা কেবল এটিই মনে করতে পারেন যে পাকিস্তানি রাজনীতিবিদরা আবারও কোনোভাবে "সামরিক বিজয়ের মুখ থেকে কূটনৈতিক পরাজয় ছিনিয়ে এনেছেন"। ** '''''ওয়াই. রোসার''''', ''ইসলামাইজেশন অফ পাকিস্তানি সোশ্যাল স্টাডিজ টেক্সটবুকস'', ২০০৩। * ১৯৬৫ সালে যখন সালমানের বয়স ছিল তেরো বছর, তখন সে অন্য এক ধরনের ইসলাম সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে। এটি ছিল ভারতের সাথে সেই সংক্ষিপ্ত ও অমীমাংসিত যুদ্ধের সময়। "তখন মুজাহিদদের যুদ্ধে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে এবং তাদের জান্নাত ও স্বর্গের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গান প্রচার করা হতো। লাহোর শহরের সাধারণ মানুষের দল, যাদের হাতে ছিল কেবল লাঠি, তারা অবিশ্বাসী হিন্দুদের বিরুদ্ধে পবিত্র যুদ্ধে লড়াই করার জন্য বেরিয়ে পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত তাদের ফিরিয়ে দিতে হয়েছিল। মৌলভিরা তাদের ভেতরে এমন উন্মাদনা জাগিয়ে দিচ্ছিলেন। মজার ব্যাপার হলো, সেই মৌলভি কিন্তু লোকগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন না; তিনি তার মসজিদে নিরাপদেই বসে ছিলেন।" ** '''''ভি. এস. নাইপল''''', ''বিয়ন্ড বিলিফ'' (ভিন্টেজ, ১৯৯৯)। == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানে ২০তম শতাব্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ২০তম শতাব্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সামরিক বাহিনী]] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ার সামরিক ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৫]] [[বিষয়শ্রেণী:২০তম শতাব্দীর সামরিক ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ায় ১৯৬০-এর দশক]] 52i6z3hwn39ex38ocaxv4vuvcodj3nf 81692 81691 2026-04-27T17:07:28Z Oindrojalik Watch 4169 81692 wikitext text/x-wiki [[File:M48 Patton.jpg|thumb|১৯৬৫ সালে অপারেশন গ্র্যান্ড স্ল্যাম চলাকালীন [[কাশ্মীর|কাশ্মীরের]] চম্ব সেক্টরে একটি [[পাকিস্তান|পাকিস্তানি]] M48A1 প্যাটন ট্যাঙ্ক এগিয়ে যাচ্ছে।]] '''[[:w:১৯৬৫-এর ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধ|১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]]''', যা '''দ্বিতীয় কাশ্মীর যুদ্ধ''' নামেও পরিচিত, এটি ছিল ১৯৬৫ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত [[:w:ভারত|ভারত]] ও [[:w:পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] মধ্যে চলা দফায় দফায় সংঘর্ষের একটি চূড়ান্ত পরিণতি। [[:w:কাশ্মীর|কাশ্মীর]] অঞ্চল নিয়ে এটি ছিল দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় যুদ্ধ; এর আগে ১৯৪৭ সালে ([[w:ভারত–পাকিস্তান_যুদ্ধ_১৯৪৭|ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৪৭]]) প্রথমবার তারা মুখোমুখি হয়েছিল। পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী এই যুদ্ধে উভয় পক্ষেই প্রচুর প্রাণহানি ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] হস্তক্ষেপে একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে এর অবসান হয়। অধিকাংশের মতে, জম্মু ও কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ ও দখলদারিত্বের লক্ষ্যে পাকিস্তান যে [[:w:অপারেশন জিব্রাল্টার|অপারেশন জিব্রাল্টার]] শুরু করেছিল, তার ব্যর্থতা থেকেই এই যুদ্ধের সূত্রপাত। == উক্তি == * [[w:পাকিস্তান_সেনাবাহিনী|পাকিস্তানের সেনাবাহিনী]] যে ভারতকে একরকম নিশ্চল অবস্থায় আটকে দিতে সক্ষম হয়েছিল, তা সত্যিই বিস্ময়কর। এর বিশাল কৃতিত্ব [[w:পাকিস্তান_বিমানবাহিনী|পাকিস্তান বিমান বাহিনীর]] প্রাপ্য, যারা তাদের চেয়ে বহুগুণ বড় ভারতীয় প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করেছে এবং স্থলবাহিনীকে পূর্ণ সমর্থন জুগিয়েছে। বিমান বাহিনীর প্রধান নূর খান অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পাকিস্তান বিমান বাহিনীকে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। তাদের প্রতিটি আক্রমণে ছিল লক্ষ্যপূরণের এক প্রবল সংকল্প... এটিও স্পষ্ট যে, ভারতীয় সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন শাখার মধ্যে সমন্বয়ের যেখানে চরম অভাব ছিল, সেখানে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রতিটি স্তরে ছিল চমৎকার সহযোগিতা। ** '''''ব্রায়ান ক্লাফলি''''', [[:iarchive:historyofpakista0000clou_i1l0|পাকিস্তান সেনাবাহিনী]], পৃষ্ঠা ১৪২ * [[:w:জওহরলাল নেহরু|জওহরলাল নেহরুর]] মৃত্যুর এক বছরের কিছু বেশি সময় পর, ১৯৬৫ সালে কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তান দ্বিতীয়বার যুদ্ধে জড়ায়। পাকিস্তানের তৎকালীন শাসক ফিল্ড মার্শাল [[:w:আইয়ুব খান|আইয়ুব খান]] ব্যক্তিগতভাবে অপারেশন গ্র্যান্ড স্ল্যামের পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি আশা করেছিলেন যে, কাশ্মীরের সরু দক্ষিণাঞ্চলীয় অংশটি দখল করে পাঞ্জাব থেকে রাজ্যটিকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেবেন। আইয়ুব খান ছিলেন একজন দীর্ঘদেহী ও শক্তিশালী মানুষ; বিপরীতে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী [[:w:লাল বাহাদুর শাস্ত্রী|লাল বাহাদুর শাস্ত্রী]] ছিলেন শারীরিকভাবে বেশ ছোটখাটো ও ক্ষীণকায় ব্যক্তি। তবে [[w:ভারতীয়_সেনাবাহিনী|ভারতের সেনাবাহিনী]] ছিল পাকিস্তানের চারগুণ বড়, যারা দ্রুতই সেই জনপ্রিয় পাকিস্তানি ধারণাটি ভেঙে চুরমার করে দেয় যে একজন [[w:মুসলিম|মুসলিম]] সৈন্য দশজন [[:w:হিন্দু|হিন্দুর]] সমান। ভারতের ট্যাঙ্কগুলো যখন পাঞ্জাব সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিম দিকে [[:w:লাহোর|লাহোর]] অভিমুখে যাত্রা শুরু করল, তখনই অপারেশন গ্র্যান্ড স্ল্যাম থমকে যায়। তিন সপ্তাহ পর যখন কোনো পক্ষই চূড়ান্ত বিজয় পায়নি, তখন [[:w:ওয়াশিংটন, ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] দুই দেশের সেনাবাহিনীর ওপর অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহে নিষেধাজ্ঞা জারি করলে এই যুদ্ধ ''De facto'' বা [[w:কার্যত|কার্যত]] ড্র অর্থাৎ অমীমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়ে যায়। তবে যুদ্ধবিরতি ডাকার সময় ভারত পাঞ্জাবের রাজধানী লাহোরের ব্যাপক ক্ষতি করার কিংবা তা দখল করে নেওয়ার মতো সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল এবং আইয়ুব খানের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে কাশ্মীরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ উরি-পুঞ্চ এলাকাও তখন ভারতের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ** '''''স্ট্যানলি ওলপার্ট''''', ''[http://content.cdlib.org/xtf/view?docId=ft0489n6j7&chunk.id=d0e4022&toc.depth=1&toc.id=d0e4019&brand=eschol&query=martial%20arts# ইন্ডিয়া]'' (১৯৯০)। [[File:1965 Indo-Pak War DestroyedMasjid-2.jpg|thumb|[[w:ভারতীয়_সেনাবাহিনী|ভারতীয় সেনাবাহিনী]] কর্তৃক ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি [[:w:মসজিদ|মসজিদ]]।]] * সংঘাত শেষে উভয় পক্ষই নিজেদের বিজয়ী দাবি করে। তবে উন্নত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার কারণে ভারতীয়রা সাঁজোয়া যান বা আর্মার ব্যবহারে অধিকতর কৌশলগত মুন্সীয়ানা দেখাতে সক্ষম হয়েছিল। এটি অবশ্যই অনুধাবন করতে হবে যে, ভারতীয় আর্মার্ড কোর একসময় পাকিস্তানি প্রোপাগান্ডা প্রচারণায় কিছুটা বিভ্রান্ত হয়েছিল এবং বেশ আশঙ্কার সাথেই যুদ্ধে প্রবেশ করেছিল। তারা বিশ্বাস করত যে প্যাটন ট্যাঙ্ক (অর্থাৎ এম-৪৭ এবং এম-৪৮) অগ্নিশক্তি, সুরক্ষা এবং গতিশীলতার দিক থেকে ভারতের যেকোনো ট্যাঙ্কের চেয়ে বহুগুণে শ্রেষ্ঠ। এই উদ্বেগের প্রতিফলন যুদ্ধপরবর্তী সাহসিকতার অনেক রাষ্ট্রীয় সম্মাননাতেও দেখা যায়, যার একটিতে একজন এনসিওকে "অজেয় বলে কথিত বেশ কয়েকটি প্যাটনের" বিরুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য প্রশংসিত করা হয়েছিল।<br>প্রকৃতপক্ষে, মনে হয় যে পাকিস্তানিরা তাদের নিজেদের প্রচারণারই শিকার হয়েছিল এবং বিশ্বাস করতে শুরু করেছিল যে প্যাটন ট্যাঙ্ক প্রায় অবিনশ্বর। এর ফলে তারা সরাসরি ভারতীয় অবস্থানের ওপর আক্রমণ চালানোর মতো হঠকারী কৌশল গ্রহণ করে এবং সম্মুখভাগে থাকা প্যাটন ট্যাঙ্কগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। [[w:শিয়ালকোট|শিয়ালকোটের]] ধূলিধূসরিত যুদ্ধের ময়দানে সেঞ্চুরিয়ন এবং প্যাটন ট্যাঙ্কের লড়াই হয়েছিল মাত্র ১,০০০ গজেরও কম দূরত্বে। সাধারণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার শক্তিশালী সেঞ্চুরিয়ন ট্যাঙ্কগুলো এম-৪৭ এবং এম-৪৮ প্যাটনের তুলনায় শ্রেষ্ঠ প্রমাণিত হয়েছিল; কারণ প্যাটনের জটিল স্টেরিওস্কোপিক রেঞ্জ-ফাইন্ডার এবং অত্যাধুনিক ব্যালেস্টিক কম্পিউটারগুলো সাধারণ পাকিস্তানি "সওয়ার" বা সেনাদের জন্য পরিচালনা করা বেশ কঠিন ছিল। ** '''''পিটার সারসন, টনি ব্রায়ান এবং ডেভিড ই. স্মিথ''''', ''সেঞ্চুরিয়ন ট্যাঙ্ক ইন ব্যাটেল'' (অসপ্রে - ভ্যানগার্ড ২২)। * [[w:ভারত_সরকার|ভারত সরকার]] যখন একতরফাভাবে ঘোষণা করল যে [[w:জম্মু_ও_কাশ্মীর|জম্মু ও কাশ্মীর]] এখন থেকে ভারতের অন্যান্য রাজ্যের মতো সমান মর্যাদা পাবে, তখন ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের সাথে আবারও বৈরিতার সৃষ্টি হয়। এর ফলে স্থানীয় লক্ষ্য অর্জনের জন্য উভয় পক্ষই কঠোর এবং প্রথাগত যুদ্ধে লিপ্ত হ্যে যায়। কচ্ছের রনে খণ্ড খন্ড যুদ্ধ (এপ্রিল-মে) ছাড়াও পাকিস্তান কাশ্মীর যুদ্ধবিরতি রেখা বরাবর [[w:কামান_(অস্ত্র)|আর্টিলারি বা কামানের]] সহায়তায় অনুপ্রবেশ শুরু করে, যা ওই ধরনের ভূখণ্ডে গেরিলা কৌশলের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছিল—যেখানে প্রায় ১০,০০০ অনিয়মিত যোদ্ধা ২০০-এর বেশি কামান ও মর্টারের সহায়তায় থাকা ৫০,০০০ নিয়মিত ভারতীয় সেনাকে ব্যস্ত রাখতে সক্ষম হয়েছিল। ভারতীয়রা এভাবে বিভ্রান্ত হয়ে আছে ভেবে ১৯৬৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানিরা [[w:জম্মু|জম্মুর]] উত্তরে চাম্ব সেক্টরে আক্রমণ চালায়। এটি ছিল ট্যাঙ্কের জন্য উপযোগী সমতল এলাকা এবং তারা সেখানে বিশাল আর্মার্ড শক্তি ও ব্যাপক কামানের সমর্থন নিয়ে তাদের উপর চড়াও হয়েছিল। কিন্তু একটি কঠোর যুদ্ধের পর ভারতীয়রা তাদের প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতীয়রা ৬ সেপ্টেম্বর অমৃতসর-লাহোর অক্ষ বরাবর একটি সীমিত আক্রমণ শুরু করে যার লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানি ট্যাঙ্কগুলোকে চাম্ব থেকে সরিয়ে আনা এবং যুদ্ধের গতি বাড়ার সাথে সাথে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ওপর নির্ণায়ক আঘাত হানা। পরবর্তী পাক্ষিক জুড়ে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ চলতে থাকে এবং খুব সামান্য আঞ্চলিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে একসময় যুদ্ধটি এক প্রকার স্তিমিত হয়ে আসে। তবে ট্যাঙ্ক ধ্বংসের হিসাব স্পষ্টভাবেই ভারতীয়দের অনুকূলে ছিল, যার মাধ্যমে পাকিস্তানিরা বুঝতে শুরু করেছিল যে ভারতীয়দের হারানো মোটেও সহজ কাজ নয়। ** '''''ব্রিগেডিয়ার শেলফোর্ড বিডওয়েল''''', ''দ্য এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ল্যান্ড ওয়ারফেয়ার ইন দ্য টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি'' (সালামাণ্ডার বুকস লিমিটেড ১৯৭৭), খণ্ড ৫, এশিয়ান ওয়ারস অফ ইম্পেরিয়াল সাকসেশন, পৃষ্ঠা ১৬৪-১৭৩। [[File:1965 war Munabao (Flag).jpg|thumb|১১ সেপ্টেম্বর ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানি বাহিনী ভারতের [[w:রাজস্থান|রাজস্থানের]] মুনাবাও [[w:রেলওয়ে_স্টেশন|রেলওয়ে স্টেশনটি]] দখল করে সেখানে তাদের [[w:পাকিস্তানের_জাতীয়_পতাকা|পতাকা]] উত্তোলন করেছিল। যুদ্ধের পর [[w:তাশখন্দ_চুক্তি|তাশখন্দ চুক্তির]] মাধ্যমে ভারত পুনরায় এই গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত স্টেশনটির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়। বর্তমানে এটি দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক সীমান্ত সংযোগস্থল হিসেবে পরিচিত।]] * ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার এই দ্বন্দ্ব ছিল উত্তর-উপনিবেশিক যুগের এমন এক বৈরিতা যা ''দেতঁত'' (উত্তেজনা প্রশমন) কে এক কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছিল। এই বিরোধের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল কাশ্মীর অঞ্চল, যার ১৯৪৮ সালের বিভক্তিকে ([[w:ভারত_বিভাজন|ভারত বিভাজন]]) পাকিস্তান সবসময়ই অস্বীকার করে এসেছে। শুরুতে ভারত [[স্নায়ুযুদ্ধ|স্নায়ুযুদ্ধের]] সময় নিরপেক্ষ অবস্থান নিতে চেয়েছিল, কিন্তু [[w:চীন-ভারত_যুদ্ধ|১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধের]] পর দেশটি [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নের]] দিকে ঝুঁকে পড়ে। অন্যদিকে পাকিস্তান, যারা আগে পশ্চিমা ব্লকের একনিষ্ঠ সদস্য ছিল, ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর [[:w:চীন|চীনের]] ঘনিষ্ঠ হতে শুরু করে। উভয় ক্ষেত্রেই [[:w:ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধে]] নিমজ্জিত [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল। তবে ১৯৬৬ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন একজন সফল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে উভয় পক্ষের-ই কৃতজ্ঞতা অর্জন করে। ** '''''ক্যারোল সি. ফিঙ্ক''''', ''দ্য কোল্ড ওয়ার: অ্যান ইন্টারন্যাশনাল হিস্ট্রি'' (২০১৭) * [[স্নায়ুযুদ্ধ|স্নায়ুযুদ্ধের]] সময় নির্ণয়বাদ বা নিয়তিবাদ থেকে সবথেকে বড় বিচ্যুতিটি ঘটেছিল মুখোমুখি যুদ্ধগুলোর ক্ষেত্রে। ১৯৪৫ সালের আগে শক্তিশালী দেশগুলো একে অপরের সাথে এত ঘনঘন বড় বড় যুদ্ধে লিপ্ত হতো যে, মনে হতো যুদ্ধ যেন [[:w:আন্তর্জাতিক সম্পর্ক|আন্তর্জাতিক সম্পর্কের]] এক স্থায়ী বৈশিষ্ট্য: এমনকি [[:w:ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] ও একসময় বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন যে এই যুদ্ধগুলোর মাধ্যমেই [[:w:পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদের]] বিনাশ ঘটে যাবে! তবে ১৯৪৫ সালের পর যুদ্ধগুলো সীমাবদ্ধ হয়ে স্থানান্তরিত হয় পরাশক্তি ও ছোট শক্তিগুলোর মাঝে—যেমন [[w:কোরীয়_যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধ]], [[w:ভিয়েতনাম_যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধ]] ও [[:w:আফগানিস্তানে সোভিয়েত যুদ্ধ|আফগানিস্তান-সোভিয়েত যুদ্ধ]]—অথবা কেবল ছোট শক্তিগুলোর নিজেদের মধ্যে। এর উদাহরণ হলো ১৯৪৮ থেকে ১৯৭৩ সালের মধ্যে [[w:আরব-ইসরায়েলি_সংঘাত|ইসরায়েল ও তার আরব প্রতিবেশীদের মধ্যকার চারটি যুদ্ধ]], অথবা [[:w:ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৪৭|১৯৪৭-৪৮]], ১৯৬৫ এবং [[:w:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|১৯৭১]] সালের তিনটি ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, কিংবা [[:w:ইরান-ইরাক যুদ্ধ|ইরান ও ইরাকের মধ্যকার সেই দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী লড়াই]] যা সমগ্র আশির দশককে গ্রাস করেছিল। ** '''''জন লুইস গ্যাডিস''''', ''দ্য কোল্ড ওয়ার: এ নিউ হিস্ট্রি'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ২৬১ * “১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ এবং ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট বিবৃতিগুলো সামান্য বিশ্লেষণ করলেই এর প্রচুর প্রমাণ পাওয়া যায় যে, সামরিক অর্থে [[:w:জিহাদ|জিহাদ]] ধারণার আদি ও কঠোর রূপটি আজও কতটা শক্তিশালী। অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই করাকে একটি সামষ্টিক ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে দেখা হয় এবং এর মাধ্যমে ধর্মীয় পুণ্য অর্জিত হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। ইস্যুটি যতই ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ হোক না কেন, মুসলিম ও অমুসলিমদের মধ্যকার সরাসরি সংঘাতের সাধারণ বাস্তবতাই জনমনে একে একটি ধর্মীয় যুদ্ধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যথেষ্ট; এবং এর ফলে সরকারগুলোও সেদিকেই পরিচালিত হয়। পশ্চিমা দর্শকদের সামনে কর্তৃপক্ষ যখন এই সত্যকে অস্বীকার করে, তখন তার অর্থ দাঁড়ায় কেবল বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে নিজেদের বক্তব্যকে এমনভাবে উপস্থাপন করার একটি প্রচেষ্টা—যা ধর্মযুদ্ধবিরোধী এবং ধর্ম ও রাজনীতিকে আলাদা করে দেখা কোনো ফোরামের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়...।” ** '''''গুস্তাভ ফন গ্রুনবাম''''', ১৯৭০; উদ্ধৃত: অ্যান্ড্রু বোস্টম (২০১৫), ''শরিয়া বনাম ফ্রিডম: দ্য লেগাসি অফ ইসলামিক টোটালিটারিয়ানিজম''। * [[:w:লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়|লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের]] ইতিহাসের অধ্যাপক অ্যাভ্রিল পাওয়েলের মতে, পাকিস্তানের পাঠ্যপুস্তকগুলোতে বিশেষ করে তথ্য বাদ দেওয়ার মাধ্যমে ঐতিহাসিক বর্ণনাগুলোকে বিকৃত করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। ইতিহাস মুছে ফেলার এই অভ্যাসের দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব থাকতে পারে। এর একটি উদাহরণ হলো পাকিস্তানি পাঠ্যবইগুলোতে ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের আলোচনার ধরন। ছাত্রছাত্রী এবং সাধারণ মানুষের জন্য তৈরি করা এই যুদ্ধের প্রচলিত বর্ণনায় চার দশক পরেও অপারেশন জিব্রাল্টারের কোনো উল্লেখ নেই। প্রকৃতপক্ষে, আমি যে কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ইতিহাস অধ্যাপকের সাক্ষাৎকার নিয়েছি, তারা দাবি করেছেন যে তারা কখনো অপারেশন জিব্রাল্টার এবং সেই অদূরদর্শী সামরিক হঠকারিতার পরিণাম সম্পর্কে শোনেননি, যার ফলে ভারত লাহোরে আক্রমণ চালিয়েছিল.... যেহেতু তারা তাদের সামরিক নেতাদের এই হঠকারিতা সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত ছিলেন না, তাই তারা কেবল এটিই মনে করতে পারেন যে পাকিস্তানি রাজনীতিবিদরা আবারও কোনোভাবে "সামরিক বিজয়ের মুখ থেকে কূটনৈতিক পরাজয় ছিনিয়ে এনেছেন"। ** '''''ওয়াই. রোসার''''', ''ইসলামাইজেশন অফ পাকিস্তানি সোশ্যাল স্টাডিজ টেক্সটবুকস'', ২০০৩। * ১৯৬৫ সালে যখন সালমানের বয়স ছিল তেরো বছর, তখন সে অন্য এক ধরনের ইসলাম সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে। এটি ছিল ভারতের সাথে সেই সংক্ষিপ্ত ও অমীমাংসিত যুদ্ধের সময়। "তখন মুজাহিদদের যুদ্ধে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে এবং তাদের জান্নাত ও স্বর্গের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গান প্রচার করা হতো। লাহোর শহরের সাধারণ মানুষের দল, যাদের হাতে ছিল কেবল লাঠি, তারা অবিশ্বাসী হিন্দুদের বিরুদ্ধে পবিত্র যুদ্ধে লড়াই করার জন্য বেরিয়ে পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত তাদের ফিরিয়ে দিতে হয়েছিল। মৌলভিরা তাদের ভেতরে এমন উন্মাদনা জাগিয়ে দিচ্ছিলেন। মজার ব্যাপার হলো, সেই মৌলভি কিন্তু লোকগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন না; তিনি তার মসজিদে নিরাপদেই বসে ছিলেন।" ** '''''ভি. এস. নাইপল''''', ''বিয়ন্ড বিলিফ'' (ভিন্টেজ, ১৯৯৯)। == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানে ২০তম শতাব্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ২০তম শতাব্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সামরিক বাহিনী]] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ার সামরিক ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৫]] [[বিষয়শ্রেণী:২০তম শতাব্দীর সামরিক ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ায় ১৯৬০-এর দশক]] 3bgenxcomaqy7wuj5hu6cx3x2mvzvvd মার্গারেট চ্যান 0 13763 81665 2026-04-27T15:07:20Z Sumanta3023 4175 "চিত্র:Margaret Chan (5833078070).jpg|থাম্ব|হংকংয়ের স্বাস্থ্য পরিচালক হিসেবে আমার কার্যকাল থেকে দুটি বিষয় নিয়ে আমি খুব খুশি: আমরা গর্ভধারণ থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা..." দিয়ে পাতা তৈরি 81665 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Margaret Chan (5833078070).jpg|থাম্ব|হংকংয়ের স্বাস্থ্য পরিচালক হিসেবে আমার কার্যকাল থেকে দুটি বিষয় নিয়ে আমি খুব খুশি: আমরা গর্ভধারণ থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রতিরোধমূলক পরিষেবা চালু করেছিলাম; এবং আমরা ভেষজবিদদের সাথে মিলে প্রথাগত চীনা চিকিৎসাপদ্ধতিকে প্রচার, উন্নয়ন এবং নিয়ন্ত্রণের একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছিলাম।]] '''[[w:মার্গারেট চ্যান|মার্গারেট চ্যান]]''' [[w:অর্ডার অফ দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার|ওবিই]], এমডি, [[w:জাস্টিস অফ দ্য পিস|জেপি]] (জন্ম ২১ আগস্ট ১৯৪৭, হংকং) ২০০৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ছিলেন। চ্যান এর আগে হংকং সরকারের স্বাস্থ্য পরিচালক (১৯৯৪-২০০৩) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংক্রামক ব্যাধি বিষয়ক সহকারী মহাপরিচালক (২০০৩-২০০৬) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। == উক্তি == * শিশুদের স্বাস্থ্য মায়েদের ওপর নির্ভর করে, তাই আমরা যদি সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের গতি বাড়াতে পারি, তবে তা আফ্রিকার মানুষের জন্য কল্যাণকর হবে। আমাদের এটিও দেখা উচিত যে কীভাবে আমরা নারীদের তাদের সম্পদ ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাতে এবং পরিবর্তনের কারিগর হিসেবে গড়ে তুলতে ক্ষমতায়ন করতে পারি। আমরা একের পর এক উদাহরণ দেখেছি যেখানে নারীরা যথাযথভাবে অনুপ্রাণিত হলে এবং সঠিক পরিবেশ পেলে কেবল নিজের নয়, বরং তাদের পরিবার ও সমাজেরও পরিবর্তন ঘটাতে পারেন। ** [http://www.who.int/dg/chan/interviews/taking_office/en/ মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকার], ফ্রন্টলাইনস, ৪ জানুয়ারি ২০০৭। * হংকংয়ের স্বাস্থ্য পরিচালক হিসেবে আমার কার্যকাল থেকে দুটি বিষয় নিয়ে আমি খুব খুশি: আমরা গর্ভধারণ থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রতিরোধমূলক পরিষেবা চালু করেছিলাম; এবং আমরা ভেষজবিদদের সাথে মিলে প্রথাগত চীনা চিকিৎসাপদ্ধতিকে প্রচার, উন্নয়ন এবং নিয়ন্ত্রণের একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছিলাম। ** [http://www.who.int/dg/chan/interviews/taking_office/en/ মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকার], ফ্রন্টলাইনস, ৪ জানুয়ারি ২০০৭। * আমি প্রতিটি দেশের সরকারকে তামাক শিল্পের ব্যবহৃত নানাবিধ পাল্টা-কৌশল এবং এর শক্তি সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই এটি এমন এক শিল্প যার প্রচুর অর্থ রয়েছে এবং এটি সবচেয়ে কুটিল উপায়ে সেই অর্থ ব্যবহার করতে দ্বিধাবোধ করে না। ** বিশ্ব তামাক মহামারী সংক্রান্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে। উৎস: [http://apps.who.int/iris/bitstream/10665/70894/1/WHO_NMH_TFI_12.1_eng.pdf ''টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রি ইন্টারফেয়ারেন্স: এ গ্লোবাল ব্রিফ''], বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ২০০৮, পৃষ্ঠা ৬। * স্বাস্থ্য ব্যবস্থা হলো সামাজিক প্রতিষ্ঠান। সমাজ সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এগুলো সন্তান প্রসব এবং ওষুধ সরবরাহের চেয়েও অনেক বেশি কিছু করে, যেমনটি একটি পোস্ট অফিস কেবল পার্সেল বিলি করে না। সঠিকভাবে পরিচালিত এবং পর্যাপ্ত অর্থায়িত একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সামাজিক সংহতি এবং স্থিতিশীলতায় অবদান রাখে। ** [https://2012-2017.usaid.gov/news-information/frontlines/global-healthiraq/exclusive-interview-whos-dr-margaret-chan "এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ উইথ ডব্লিউএইচও’স ডক্টর মার্গারেট চ্যান"], এপ্রিল-মে ২০১১। * আমার দৃষ্টিতে, সবচেয়ে ভালো উপায় হলো মূলে ফিরে যাওয়া: প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার মূল্যবোধ, নীতি এবং পদ্ধতিগুলো। কয়েক দশকের অভিজ্ঞলব্ধ প্রচুর প্রমাণ এই মতকে সমর্থন করে। যখন পরিষেবাগুলো প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার নীতি অনুযায়ী সংগঠিত হয়, তখন একই রকম আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের স্তরে থাকা দেশগুলো সমপরিমাণ অর্থ ব্যয়ে স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অনেক ভালো ফলাফল অর্জন করে। ** [https://2012-2017.usaid.gov/news-information/frontlines/global-healthiraq/exclusive-interview-whos-dr-margaret-chan "এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ উইথ ডব্লিউএইচও’স ডক্টর মার্গারেট চ্যান"], এপ্রিল-মে ২০১১। * দারিদ্র্য বিমোচন হলো সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এমডিজি এর প্রধান উদ্দেশ্য। এর অগ্রগতি জাতীয় বা বৈশ্বিক গড়ের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয় না, বরং দরিদ্র মানুষের স্বাস্থ্যের কতটা উন্নতি হয়েছে তার ভিত্তিতে পরিমাপ করা হয়। আমরা যদি দরিদ্রদের বাদ দিই, তবে আমরা মূল লক্ষ্যই হারাব। একটি স্বাস্থ্য ব্যবস্থা যাতে উচ্চ-মৃত্যুহার সম্পন্ন সংক্রামক ব্যাধি এবং মা ও শিশুদের মৃত্যুর প্রধান কারণগুলো মোকাবিলার উপকরণের অভাব রয়েছে, তা কখনোই পর্যাপ্ত প্রভাব ফেলতে পারবে না। ** [https://2012-2017.usaid.gov/news-information/frontlines/global-healthiraq/exclusive-interview-whos-dr-margaret-chan "এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ উইথ ডব্লিউএইচও’স ডক্টর মার্গারেট চ্যান"], এপ্রিল-মে ২০১১। * অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধের প্রচেষ্টাগুলো শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রভাবশালীদের ব্যবসায়িক স্বার্থের পরিপন্থী। আমার মতে, স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে এটি অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। [...] এখন এটি আর কেবল বড় তামাক কোম্পানিগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। জনস্বাস্থ্যকে এখন বড় খাদ্য কোম্পানি , বড় পানীয় কোম্পানি এবং বড় মদ্যপায়ী শিল্পের বিরুদ্ধেও লড়াই করতে হচ্ছে। এই সমস্ত শিল্পই সরকারি নিয়ন্ত্রণ বা রেগুলেশনকে ভয় পায় এবং একই ধরনের কৌশল ব্যবহার করে নিজেদের রক্ষা করে। গবেষণায় এই কৌশলগুলো ভালোভাবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রন্ট গ্রুপ, লবিং, স্ব-নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি, মামলা এবং শিল্প-অর্থায়িত গবেষণা যা প্রমাণগুলোকে বিভ্রান্ত করে এবং জনগণকে সন্দেহের মধ্যে রাখে। এই কৌশলগুলোর মধ্যে উপহার, অনুদান এবং জনহিতকর কাজে অবদান রাখাও অন্তর্ভুক্ত, যা রাজনীতিবিদ এবং জনগণের চোখে এই শিল্পগুলোকে সম্মানিত কর্পোরেট নাগরিক হিসেবে উপস্থাপন করে। তারা এমন যুক্তি দেয় যা স্বাস্থ্যের ক্ষতির দায় ব্যক্তির ওপর চাপিয়ে দেয় এবং সরকারি পদক্ষেপকে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও স্বাধীন পছন্দের ওপর হস্তক্ষেপ হিসেবে চিত্রিত করে। এটি একটি শক্তিশালী প্রতিবন্ধকতা। [...] যখন নীতি নির্ধারণে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো যুক্ত থাকে, তখন নিশ্চিত থাকুন যে সবচেয়ে কার্যকর নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপগুলোকে তুচ্ছ করা হবে অথবা পুরোপুরি বাদ দেওয়া হবে। এটিও সুপ্রমাণিত এবং বিপজ্জনক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়নকে বাণিজ্যিক বা কায়েমী স্বার্থের বিকৃতি থেকে অবশ্যই রক্ষা করতে হবে। ** [https://www.who.int/director-general/speeches/detail/who-director-general-addresses-health-promotion-conference হেলসিংকি, ফিনল্যান্ডে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ক ৮ম বিশ্ব সম্মেলনে উদ্বোধনী ভাষণ], ১০ জুন ২০১৩। == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia}} {{DEFAULTSORT:চ্যান, মার্গারেট}} [[বিষয়শ্রেণী:চীনের চিকিৎসক]] [[বিষয়শ্রেণী:হংকংয়ের ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক]] j75wzostvnz1mkfcq0wotm69foqifna আলাপ:মার্গারেট চ্যান 1 13764 81666 2026-04-27T15:07:48Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81666 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm মেরি বিয়ার্ড (ক্ল্যাসিসিস্ট) 0 13765 81667 2026-04-27T15:09:36Z Sumanta3023 4175 "[[চিত্র:Mary Beard UC3M 2017 (cropped).JPG|থাম্ব|২০১৭ সালে মেরি বিয়ার্ড।]] '''[[w:মেরি বিয়ার্ড (ক্ল্যাসিসিস্ট)|উইনিফ্রেড মেরি বিয়ার্ড]]''' (জন্ম ১ জানুয়ারি ১৯৫৫; মাচ ওয়েনলক, শ্রপশায়ার, ইংল্যান্ড)..." দিয়ে পাতা তৈরি 81667 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Mary Beard UC3M 2017 (cropped).JPG|থাম্ব|২০১৭ সালে মেরি বিয়ার্ড।]] '''[[w:মেরি বিয়ার্ড (ক্ল্যাসিসিস্ট)|উইনিফ্রেড মেরি বিয়ার্ড]]''' (জন্ম ১ জানুয়ারি ১৯৫৫; মাচ ওয়েনলক, শ্রপশায়ার, ইংল্যান্ড) প্রাচীন রোম বিশেষজ্ঞ একজন ইংরেজ পণ্ডিত। তিনি [[ব্রিটিশ মিউজিয়াম|ব্রিটিশ মিউজিয়ামের]] একজন ট্রাস্টি এবং পূর্বে [[কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়|কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে]] ক্ল্যাসিকস-এর অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি কেমব্রিজের নিউনহ্যাম কলেজের একজন ফেলো এবং [[রয়্যাল একাডেমি অফ আর্টস]]-এর প্রাচীন সাহিত্যের অধ্যাপক। db8qw91sg30kq0sjmrcxzp0076cu4ra 81669 81667 2026-04-27T15:14:56Z Sumanta3023 4175 81669 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Mary Beard UC3M 2017 (cropped).JPG|থাম্ব|২০১৭ সালে মেরি বিয়ার্ড।]] '''[[w:মেরি বিয়ার্ড (ক্ল্যাসিসিস্ট)|উইনিফ্রেড মেরি বিয়ার্ড]]''' (জন্ম ১ জানুয়ারি ১৯৫৫; মাচ ওয়েনলক, শ্রপশায়ার, ইংল্যান্ড) প্রাচীন রোম বিশেষজ্ঞ একজন ইংরেজ পণ্ডিত। তিনি [[ব্রিটিশ মিউজিয়াম|ব্রিটিশ মিউজিয়ামের]] একজন ট্রাস্টি এবং পূর্বে [[কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়|কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে]] ক্ল্যাসিকস-এর অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি কেমব্রিজের নিউনহ্যাম কলেজের একজন ফেলো এবং [[রয়্যাল একাডেমি অফ আর্টস]]-এর প্রাচীন সাহিত্যের অধ্যাপক। == উক্তি == * কিন্তু প্রাথমিক ধাক্কাটি কেটে যাওয়ার পর আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। এটি কেবল এই অনুভূতি ছিল না যে যতই কৌশলে আপনি একে সাজান না কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কপালে এটিই হওয়ার কথা ছিল। প্রকৃতপক্ষে, অনেক মানুষ প্রকাশ্যে বা গোপনে এমনটাই মনে করেন। বিশ্বের দাদাগিরি করা শক্তিগুলো, তাদের উদ্দেশ্য ভালো হলেও, শেষ পর্যন্ত এর মাসুল দিতেই হয়। সেই সাথে এই অনুভূতিও কাজ করে যে, পুরো ‘সভ্য জগত’ (একটি শব্দবন্ধ যা পশ্চিমা নেতারা মনে হয় কোনো ব্যঙ্গ ছাড়াই ব্যবহার করতে পারেন) সন্ত্রাসবাদের তাদের অগভীর সংজ্ঞা এবং ‘সন্ত্রাসীরা’ কী বলতে চায় তা শুনতে অস্বীকার করার মাসুল দিচ্ছে। ** লন্ডন রিভিউ অফ বুকস, [https://www.lrb.co.uk/the-paper/v23/n19/nine-eleven-writers/11-september ৪ অক্টোবর ২০০১] * প্রাচীন বিশ্বে রোমই ছিল একমাত্র জায়গা যেখানে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের পর্যাপ্ত খাবার নিশ্চিত করার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল। [তারা জানত] কীভাবে একটি মানব সম্প্রদায়কে কার্যকর করতে হয়। * রোমান সমাজ তাদের অন্তর্ভুক্ত করেছিল যারা প্রাচীন বিশ্বে মূলত বহিষ্কৃত ছিল, সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ হলো নারী... রোমে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক অধিকার ছিল না। ** গ্রিস বনাম রোম, বরিস জনসনের সাথে বিতর্ক (১৯ নভেম্বর ২০১৫) * গ্রিক পুরুষরা সবাই দেখতে এমন ছিলেন না। এমনকি এই ব্যক্তিটির যে পেশিবহুল দেহ, তা শারীরিকভাবে আসলে অসম্ভব। এগুলো মূলত গ্রিক পুরুষত্বের একটি নিখুঁত সংস্করণের চিত্রায়ন। ** শক অফ দ্য নিউড (২০২০), ১ম পর্ব * তিনি মোমের তৈরি সেই সব মডেল সিরিজের একজন, যা শারীরস্থান (anatomy) ক্লাসে দেহের অভ্যন্তরীণ গঠন প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হতো... প্রশিক্ষক এসে কিছুটা নিষ্ঠুরভাবে স্তন, বুক এবং পেট সরিয়ে ভেতরের অংশগুলো উন্মোচন করতেন। আর মজার বিষয় হলো, সেখানে ভ্রূণসহ একটি জরায়ু রয়েছে যা আমাদের স্পষ্টভাবে দেখায় যে আঠারো শতকের মানুষ নারীদের অস্তিত্বকে কী কাজের জন্য মনে করত। ** শক অফ দ্য নিউড (২০২০), ২য় পর্ব * আমি ১৯৭০-এর দশকের শুরুর দিকে একজন আন্ডারগ্রাজুয়েট হিসেবে কেমব্রিজে গিয়েছিলাম এবং তখন এটি ছিল [একটি] শ্বেতাঙ্গ, অভিজাত এবং পুরুষতান্ত্রিক দুর্গ। মাত্র দশ শতাংশ শিক্ষার্থী ছিল নারী এবং সেখানে কোনো ধরনের বৈচিত্র্য ছিল না বললেই চলে। আমি সেখান থেকে চলে আসি এবং এরপর জায়গাটি ভালোর দিকে আমূল বদলে গেছে। ১৯৮২ সালে আমি যাদের পড়াতাম, সেই মোটা বুদ্ধির শ্বেতাঙ্গ রাগবি খেলোয়াড়দের (thick white rugger buggers) এখন আর সেখানে দেখা যায় না। ** চেলটেনহ্যাম লিটারেচার ফেস্টিভ্যালে দেওয়া মন্তব্য, [https://www.telegraph.co.uk/news/2025/10/13/mary-beard-cambridge-better-off-thick-white-rugby-players/ অক্টোবর ২০২৫] ===''উইমেন অ্যান্ড পাওয়ার: এ ম্যানিফেস্টো'' (২০১৭)=== * অদ্ভুত বিষয় হলো, থ্যাচারের স্বর্ণযুগে আমি যখন একটি একাডেমিক পদের জন্য আমার প্রথম ইন্টারভিউ দিতে যাই, তখন সেই উপলক্ষেই এক জোড়া নীল মোজা (blue stockings) কিনেছিলাম। যদিও এটি আমার সাধারণ স্টাইল ছিল না, তবে এর পেছনের যুক্তিটি ছিল সন্তোষজনক: "আপনারা সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীরা যদি মনে করেন যে আমি একজন প্রকৃত 'ব্লুস্টকিং' (পাণ্ডিত্যপূর্ণ নারী), তবে আমি আপনাদের দেখিয়ে দেব যে আপনারা কী ভাবছেন তা আমি জানি এবং এটি আমি আপনাদের আগেই ভেবে রেখেছি।" ** পৃষ্ঠা ৮১ * নারীদের বহিষ্কারকে বৈধতা দেয় এমন গভীর সাংস্কৃতিক কাঠামোর ক্ষেত্রে, এই ধীরগতির পরিবর্তনগুলো খুব সম্ভবত অনেক দীর্ঘস্থায়ী হবে অন্তত আমার জন্য তো বটেই। আমাদের প্রতিফলন করা প্রয়োজন যে ক্ষমতা কী, এটি কীসের জন্য এবং কীভাবে এর পরিমাপ করা হয়; অন্যথায়, আমরা যদি অনুভব না করি যে নারীরা পুরোপুরি ক্ষমতার কাঠামোর ভেতরে রয়েছে, তবে আমাদের নারীদের নয় বরং ক্ষমতাকেই পুনরায় সংজ্ঞায়িত করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ৮২ * এটি ঐতিহ্যগত অর্থে একটি "উচ্চ-পর্যায়ের" ক্ষমতা এবং যা "কাঁচের ছাদ" (glass ceiling)-এর চিত্রের সাথে যুক্ত। এটি কেবল নারীদের ক্ষমতার বাইরেই রাখে না, বরং অগ্রগামীদের এমন সফল 'সুপারওম্যান' হিসেবে কল্পনা করে যাদের শীর্ষে পৌঁছাতে কেবল পুরুষতান্ত্রিক কুসংস্কারের কিছু অবশিষ্টাংশ বাধা দিয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ৮৩ * প্রাথমিকভাবে পুরুষালি হিসেবে কোড করা বা চিহ্নিত করা একটি কাঠামোর মধ্যে নারীদের খাপ খাইয়ে নেওয়া সহজ নয়: যা করা দরকার তা হলো কাঠামোটিকেই পরিবর্তন করা। ** পৃষ্ঠা ৮৬ * আরও স্পষ্টভাবে বলতে গেলে, নারীরা যে হয়রানির শিকার হয়েছে (এবং অনেক নারীর দীর্ঘদিনের নীরবতার মূল কারণ) তা নিশ্চিতভাবেই ক্ষমতার কাঠামোর গভীরে নিহিত। যদি তাই হয়, তবে এর একমাত্র কার্যকর প্রতিকার হলো সেই কাঠামোগুলোর পরিবর্তন। যতক্ষণ পর্যন্ত শীর্ষস্থানীয় হলিউড চলচ্চিত্রগুলোর পরিচালকদের দশ শতাংশেরও কম নারী থাকবেন (২০১৭ সালের চিত্র অনুযায়ী), ততক্ষণ পর্যন্ত পুরুষরাই চলচ্চিত্র শিল্পে সাফল্যের দ্বাররক্ষী হয়ে থাকবেন এবং যৌন সংস্কৃতির ওপর নারীদের কণ্ঠস্বরের প্রভাব তারা এখন যত জোরেই আওয়াজ তুলুক না কেন খুবই সীমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ** পৃষ্ঠা ১০০ === ''এসপিকিউআর: এ হিস্ট্রি অফ অ্যানশিয়েন্ট রোম'' (২০১৭) === * [[প্রাচীন রোম|প্রাচীন রোম]] অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। [[রোমান|রোমানদের উপেক্ষা করা]] কেবল সুদূর [[অতীত]]কে এড়িয়ে যাওয়া নয়; কারণ রোম আজও আমাদের জগত এবং নিজেদের বোঝার পথ নির্দেশ করতে সাহায্য করে তা সে মহৎ [[তত্ত্ব]]ই হোক বা স্থূল কমেডি। দুই হাজার বছর পরও, রোম এখনো [[সংস্কৃতি]] ও [[রাজনীতি]], [[সাহিত্য]] এবং জগত ও সেই জগতে মানুষের অবস্থান বোঝার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ** পৃষ্ঠা ১৫ * রোমান সাম্রাজ্যের আঞ্চলিক সীমানাসমূহ আজকের [[ইউরোপ]] এবং অন্যান্য অঞ্চলের রাজনৈতিক ভূগোল নির্ধারণ করে দিয়েছে। [[লন্ডন]] যে [[গ্রেট ব্রিটেন]]-এর রাজধানী হওয়ার প্রধান কারণ হলো রোমানরা একে তাদের ‘ব্রিটানিয়া’ প্রদেশের রাজধানী করেছিল যা ছিল সভ্য জগতকে ঘিরে রাখা বিশাল [[মহাসাগর]]-এর অন্য পাড়ের এক বিপজ্জনক স্থান। রোম আমাদের [[স্বাধীনতা]] ও নাগরিকত্বের ধারণার পাশাপাশি সাম্রাজ্যবাদী শোষণ এবং ‘সিনেটর’ থেকে ‘ডিক্টেটর’ বা একনায়ক-এর মতো আজকের রাজনৈতিক শব্দভাণ্ডার উপহার দিয়েছে। রোম আমাদের প্রবাদ উপহার দিয়েছে যেমন: "গ্রিকদের ভয় করো, এমনকি যদি তারা উপহার নিয়ে আসে" (fear the Greeks, even if they bring gifts), "রোম যখন পুড়ছিল, তখন বাঁশি বাজানো" এবং এমনকি "যতক্ষণ শ্বাস, ততক্ষণ আশ"। আর রোম আমাদের মধ্যে সমপরিমাণ হাস্যরস, বিস্ময় এবং ভয় জাগ্রত করেছে। ** পৃষ্ঠা ১৫ * আমরা যদি মনে করি যে আমরা আমাদের পূর্বসূরিদের চেয়ে ভালো ইতিহাসবিদ, তবে সেটি হবে একটি বিপজ্জনক বিভ্রম। ** পৃষ্ঠা ১৬ * রোমান ইতিহাস নিয়ে ক্রমাগত নতুন নতুন দৃষ্টিভঙ্গি রচিত হচ্ছে, এটি সবসময়ই হয়ে এসেছে; এক অর্থে, আমরা আমাদের প্রাচীন রোমানদের সম্পর্কে তাদের নিজেদের চেয়েও বেশি জানি। অন্য কথায়, রোমান ইতিহাস হলো একটি চলমান কাজ যা প্রতিনিয়ত বিবর্তিত হচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ১৬ == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{Commons category|Mary Beard}} {{wikidata|Q458403}} {{DEFAULTSORT:বিয়ার্ড, মেরি}} [[বিষয়শ্রেণী:ভাষাতাত্ত্বিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:টেলিভিশন উপস্থাপক]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের নারী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের নারী শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫০-এর দশকে জন্ম নেওয়া নারী]] [[বিষয়শ্রেণী:আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সদস্য]] [[বিষয়শ্রেণী:সাইবার বুলিংয়ের শিকার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] ebe1dskdxcqieg08mkz6mfqgsn5ch26 81670 81669 2026-04-27T15:15:32Z Sumanta3023 4175 81670 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Mary Beard UC3M 2017 (cropped).JPG|থাম্ব|২০১৭ সালে মেরি বিয়ার্ড।]] '''[[w:মেরি বিয়ার্ড (ক্ল্যাসিসিস্ট)|উইনিফ্রেড মেরি বিয়ার্ড]]''' (জন্ম ১ জানুয়ারি ১৯৫৫; মাচ ওয়েনলক, শ্রপশায়ার, ইংল্যান্ড) প্রাচীন রোম বিশেষজ্ঞ একজন ইংরেজ পণ্ডিত। তিনি ব্রিটিশ মিউজিয়ামের একজন ট্রাস্টি এবং পূর্বে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্ল্যাসিকস-এর অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি কেমব্রিজের নিউনহ্যাম কলেজের একজন ফেলো এবং রয়্যাল একাডেমি অফ আর্টসের প্রাচীন সাহিত্যের অধ্যাপক। == উক্তি == * কিন্তু প্রাথমিক ধাক্কাটি কেটে যাওয়ার পর আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। এটি কেবল এই অনুভূতি ছিল না যে যতই কৌশলে আপনি একে সাজান না কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কপালে এটিই হওয়ার কথা ছিল। প্রকৃতপক্ষে, অনেক মানুষ প্রকাশ্যে বা গোপনে এমনটাই মনে করেন। বিশ্বের দাদাগিরি করা শক্তিগুলো, তাদের উদ্দেশ্য ভালো হলেও, শেষ পর্যন্ত এর মাসুল দিতেই হয়। সেই সাথে এই অনুভূতিও কাজ করে যে, পুরো ‘সভ্য জগত’ (একটি শব্দবন্ধ যা পশ্চিমা নেতারা মনে হয় কোনো ব্যঙ্গ ছাড়াই ব্যবহার করতে পারেন) সন্ত্রাসবাদের তাদের অগভীর সংজ্ঞা এবং ‘সন্ত্রাসীরা’ কী বলতে চায় তা শুনতে অস্বীকার করার মাসুল দিচ্ছে। ** লন্ডন রিভিউ অফ বুকস, [https://www.lrb.co.uk/the-paper/v23/n19/nine-eleven-writers/11-september ৪ অক্টোবর ২০০১] * প্রাচীন বিশ্বে রোমই ছিল একমাত্র জায়গা যেখানে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের পর্যাপ্ত খাবার নিশ্চিত করার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল। [তারা জানত] কীভাবে একটি মানব সম্প্রদায়কে কার্যকর করতে হয়। * রোমান সমাজ তাদের অন্তর্ভুক্ত করেছিল যারা প্রাচীন বিশ্বে মূলত বহিষ্কৃত ছিল, সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ হলো নারী... রোমে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক অধিকার ছিল না। ** গ্রিস বনাম রোম, বরিস জনসনের সাথে বিতর্ক (১৯ নভেম্বর ২০১৫) * গ্রিক পুরুষরা সবাই দেখতে এমন ছিলেন না। এমনকি এই ব্যক্তিটির যে পেশিবহুল দেহ, তা শারীরিকভাবে আসলে অসম্ভব। এগুলো মূলত গ্রিক পুরুষত্বের একটি নিখুঁত সংস্করণের চিত্রায়ন। ** শক অফ দ্য নিউড (২০২০), ১ম পর্ব * তিনি মোমের তৈরি সেই সব মডেল সিরিজের একজন, যা শারীরস্থান (anatomy) ক্লাসে দেহের অভ্যন্তরীণ গঠন প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হতো... প্রশিক্ষক এসে কিছুটা নিষ্ঠুরভাবে স্তন, বুক এবং পেট সরিয়ে ভেতরের অংশগুলো উন্মোচন করতেন। আর মজার বিষয় হলো, সেখানে ভ্রূণসহ একটি জরায়ু রয়েছে যা আমাদের স্পষ্টভাবে দেখায় যে আঠারো শতকের মানুষ নারীদের অস্তিত্বকে কী কাজের জন্য মনে করত। ** শক অফ দ্য নিউড (২০২০), ২য় পর্ব * আমি ১৯৭০-এর দশকের শুরুর দিকে একজন আন্ডারগ্রাজুয়েট হিসেবে কেমব্রিজে গিয়েছিলাম এবং তখন এটি ছিল [একটি] শ্বেতাঙ্গ, অভিজাত এবং পুরুষতান্ত্রিক দুর্গ। মাত্র দশ শতাংশ শিক্ষার্থী ছিল নারী এবং সেখানে কোনো ধরনের বৈচিত্র্য ছিল না বললেই চলে। আমি সেখান থেকে চলে আসি এবং এরপর জায়গাটি ভালোর দিকে আমূল বদলে গেছে। ১৯৮২ সালে আমি যাদের পড়াতাম, সেই মোটা বুদ্ধির শ্বেতাঙ্গ রাগবি খেলোয়াড়দের (thick white rugger buggers) এখন আর সেখানে দেখা যায় না। ** চেলটেনহ্যাম লিটারেচার ফেস্টিভ্যালে দেওয়া মন্তব্য, [https://www.telegraph.co.uk/news/2025/10/13/mary-beard-cambridge-better-off-thick-white-rugby-players/ অক্টোবর ২০২৫] ===''উইমেন অ্যান্ড পাওয়ার: এ ম্যানিফেস্টো'' (২০১৭)=== * অদ্ভুত বিষয় হলো, থ্যাচারের স্বর্ণযুগে আমি যখন একটি একাডেমিক পদের জন্য আমার প্রথম ইন্টারভিউ দিতে যাই, তখন সেই উপলক্ষেই এক জোড়া নীল মোজা (blue stockings) কিনেছিলাম। যদিও এটি আমার সাধারণ স্টাইল ছিল না, তবে এর পেছনের যুক্তিটি ছিল সন্তোষজনক: "আপনারা সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীরা যদি মনে করেন যে আমি একজন প্রকৃত 'ব্লুস্টকিং' (পাণ্ডিত্যপূর্ণ নারী), তবে আমি আপনাদের দেখিয়ে দেব যে আপনারা কী ভাবছেন তা আমি জানি এবং এটি আমি আপনাদের আগেই ভেবে রেখেছি।" ** পৃষ্ঠা ৮১ * নারীদের বহিষ্কারকে বৈধতা দেয় এমন গভীর সাংস্কৃতিক কাঠামোর ক্ষেত্রে, এই ধীরগতির পরিবর্তনগুলো খুব সম্ভবত অনেক দীর্ঘস্থায়ী হবে অন্তত আমার জন্য তো বটেই। আমাদের প্রতিফলন করা প্রয়োজন যে ক্ষমতা কী, এটি কীসের জন্য এবং কীভাবে এর পরিমাপ করা হয়; অন্যথায়, আমরা যদি অনুভব না করি যে নারীরা পুরোপুরি ক্ষমতার কাঠামোর ভেতরে রয়েছে, তবে আমাদের নারীদের নয় বরং ক্ষমতাকেই পুনরায় সংজ্ঞায়িত করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ৮২ * এটি ঐতিহ্যগত অর্থে একটি "উচ্চ-পর্যায়ের" ক্ষমতা এবং যা "কাঁচের ছাদ" (glass ceiling)-এর চিত্রের সাথে যুক্ত। এটি কেবল নারীদের ক্ষমতার বাইরেই রাখে না, বরং অগ্রগামীদের এমন সফল 'সুপারওম্যান' হিসেবে কল্পনা করে যাদের শীর্ষে পৌঁছাতে কেবল পুরুষতান্ত্রিক কুসংস্কারের কিছু অবশিষ্টাংশ বাধা দিয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ৮৩ * প্রাথমিকভাবে পুরুষালি হিসেবে কোড করা বা চিহ্নিত করা একটি কাঠামোর মধ্যে নারীদের খাপ খাইয়ে নেওয়া সহজ নয়: যা করা দরকার তা হলো কাঠামোটিকেই পরিবর্তন করা। ** পৃষ্ঠা ৮৬ * আরও স্পষ্টভাবে বলতে গেলে, নারীরা যে হয়রানির শিকার হয়েছে (এবং অনেক নারীর দীর্ঘদিনের নীরবতার মূল কারণ) তা নিশ্চিতভাবেই ক্ষমতার কাঠামোর গভীরে নিহিত। যদি তাই হয়, তবে এর একমাত্র কার্যকর প্রতিকার হলো সেই কাঠামোগুলোর পরিবর্তন। যতক্ষণ পর্যন্ত শীর্ষস্থানীয় হলিউড চলচ্চিত্রগুলোর পরিচালকদের দশ শতাংশেরও কম নারী থাকবেন (২০১৭ সালের চিত্র অনুযায়ী), ততক্ষণ পর্যন্ত পুরুষরাই চলচ্চিত্র শিল্পে সাফল্যের দ্বাররক্ষী হয়ে থাকবেন এবং যৌন সংস্কৃতির ওপর নারীদের কণ্ঠস্বরের প্রভাব তারা এখন যত জোরেই আওয়াজ তুলুক না কেন খুবই সীমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ** পৃষ্ঠা ১০০ === ''এসপিকিউআর: এ হিস্ট্রি অফ অ্যানশিয়েন্ট রোম'' (২০১৭) === * [[প্রাচীন রোম|প্রাচীন রোম]] অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। [[রোমান|রোমানদের উপেক্ষা করা]] কেবল সুদূর [[অতীত]]কে এড়িয়ে যাওয়া নয়; কারণ রোম আজও আমাদের জগত এবং নিজেদের বোঝার পথ নির্দেশ করতে সাহায্য করে তা সে মহৎ [[তত্ত্ব]]ই হোক বা স্থূল কমেডি। দুই হাজার বছর পরও, রোম এখনো [[সংস্কৃতি]] ও [[রাজনীতি]], [[সাহিত্য]] এবং জগত ও সেই জগতে মানুষের অবস্থান বোঝার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ** পৃষ্ঠা ১৫ * রোমান সাম্রাজ্যের আঞ্চলিক সীমানাসমূহ আজকের [[ইউরোপ]] এবং অন্যান্য অঞ্চলের রাজনৈতিক ভূগোল নির্ধারণ করে দিয়েছে। [[লন্ডন]] যে [[গ্রেট ব্রিটেন]]-এর রাজধানী হওয়ার প্রধান কারণ হলো রোমানরা একে তাদের ‘ব্রিটানিয়া’ প্রদেশের রাজধানী করেছিল যা ছিল সভ্য জগতকে ঘিরে রাখা বিশাল [[মহাসাগর]]-এর অন্য পাড়ের এক বিপজ্জনক স্থান। রোম আমাদের [[স্বাধীনতা]] ও নাগরিকত্বের ধারণার পাশাপাশি সাম্রাজ্যবাদী শোষণ এবং ‘সিনেটর’ থেকে ‘ডিক্টেটর’ বা একনায়ক-এর মতো আজকের রাজনৈতিক শব্দভাণ্ডার উপহার দিয়েছে। রোম আমাদের প্রবাদ উপহার দিয়েছে যেমন: "গ্রিকদের ভয় করো, এমনকি যদি তারা উপহার নিয়ে আসে" (fear the Greeks, even if they bring gifts), "রোম যখন পুড়ছিল, তখন বাঁশি বাজানো" এবং এমনকি "যতক্ষণ শ্বাস, ততক্ষণ আশ"। আর রোম আমাদের মধ্যে সমপরিমাণ হাস্যরস, বিস্ময় এবং ভয় জাগ্রত করেছে। ** পৃষ্ঠা ১৫ * আমরা যদি মনে করি যে আমরা আমাদের পূর্বসূরিদের চেয়ে ভালো ইতিহাসবিদ, তবে সেটি হবে একটি বিপজ্জনক বিভ্রম। ** পৃষ্ঠা ১৬ * রোমান ইতিহাস নিয়ে ক্রমাগত নতুন নতুন দৃষ্টিভঙ্গি রচিত হচ্ছে, এটি সবসময়ই হয়ে এসেছে; এক অর্থে, আমরা আমাদের প্রাচীন রোমানদের সম্পর্কে তাদের নিজেদের চেয়েও বেশি জানি। অন্য কথায়, রোমান ইতিহাস হলো একটি চলমান কাজ যা প্রতিনিয়ত বিবর্তিত হচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ১৬ == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{Commons category|Mary Beard}} {{wikidata|Q458403}} {{DEFAULTSORT:বিয়ার্ড, মেরি}} [[বিষয়শ্রেণী:ভাষাতাত্ত্বিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:টেলিভিশন উপস্থাপক]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের নারী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের নারী শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫০-এর দশকে জন্ম নেওয়া নারী]] [[বিষয়শ্রেণী:আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সদস্য]] [[বিষয়শ্রেণী:সাইবার বুলিংয়ের শিকার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] bg21vk0jydvqj6sh0gu1dc0m9ztqgr7 81671 81670 2026-04-27T15:16:58Z Sumanta3023 4175 /* এসপিকিউআর: এ হিস্ট্রি অফ অ্যানশিয়েন্ট রোম (২০১৭) */ 81671 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Mary Beard UC3M 2017 (cropped).JPG|থাম্ব|২০১৭ সালে মেরি বিয়ার্ড।]] '''[[w:মেরি বিয়ার্ড (ক্ল্যাসিসিস্ট)|উইনিফ্রেড মেরি বিয়ার্ড]]''' (জন্ম ১ জানুয়ারি ১৯৫৫; মাচ ওয়েনলক, শ্রপশায়ার, ইংল্যান্ড) প্রাচীন রোম বিশেষজ্ঞ একজন ইংরেজ পণ্ডিত। তিনি ব্রিটিশ মিউজিয়ামের একজন ট্রাস্টি এবং পূর্বে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্ল্যাসিকস-এর অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি কেমব্রিজের নিউনহ্যাম কলেজের একজন ফেলো এবং রয়্যাল একাডেমি অফ আর্টসের প্রাচীন সাহিত্যের অধ্যাপক। == উক্তি == * কিন্তু প্রাথমিক ধাক্কাটি কেটে যাওয়ার পর আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। এটি কেবল এই অনুভূতি ছিল না যে যতই কৌশলে আপনি একে সাজান না কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কপালে এটিই হওয়ার কথা ছিল। প্রকৃতপক্ষে, অনেক মানুষ প্রকাশ্যে বা গোপনে এমনটাই মনে করেন। বিশ্বের দাদাগিরি করা শক্তিগুলো, তাদের উদ্দেশ্য ভালো হলেও, শেষ পর্যন্ত এর মাসুল দিতেই হয়। সেই সাথে এই অনুভূতিও কাজ করে যে, পুরো ‘সভ্য জগত’ (একটি শব্দবন্ধ যা পশ্চিমা নেতারা মনে হয় কোনো ব্যঙ্গ ছাড়াই ব্যবহার করতে পারেন) সন্ত্রাসবাদের তাদের অগভীর সংজ্ঞা এবং ‘সন্ত্রাসীরা’ কী বলতে চায় তা শুনতে অস্বীকার করার মাসুল দিচ্ছে। ** লন্ডন রিভিউ অফ বুকস, [https://www.lrb.co.uk/the-paper/v23/n19/nine-eleven-writers/11-september ৪ অক্টোবর ২০০১] * প্রাচীন বিশ্বে রোমই ছিল একমাত্র জায়গা যেখানে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের পর্যাপ্ত খাবার নিশ্চিত করার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল। [তারা জানত] কীভাবে একটি মানব সম্প্রদায়কে কার্যকর করতে হয়। * রোমান সমাজ তাদের অন্তর্ভুক্ত করেছিল যারা প্রাচীন বিশ্বে মূলত বহিষ্কৃত ছিল, সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ হলো নারী... রোমে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক অধিকার ছিল না। ** গ্রিস বনাম রোম, বরিস জনসনের সাথে বিতর্ক (১৯ নভেম্বর ২০১৫) * গ্রিক পুরুষরা সবাই দেখতে এমন ছিলেন না। এমনকি এই ব্যক্তিটির যে পেশিবহুল দেহ, তা শারীরিকভাবে আসলে অসম্ভব। এগুলো মূলত গ্রিক পুরুষত্বের একটি নিখুঁত সংস্করণের চিত্রায়ন। ** শক অফ দ্য নিউড (২০২০), ১ম পর্ব * তিনি মোমের তৈরি সেই সব মডেল সিরিজের একজন, যা শারীরস্থান (anatomy) ক্লাসে দেহের অভ্যন্তরীণ গঠন প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হতো... প্রশিক্ষক এসে কিছুটা নিষ্ঠুরভাবে স্তন, বুক এবং পেট সরিয়ে ভেতরের অংশগুলো উন্মোচন করতেন। আর মজার বিষয় হলো, সেখানে ভ্রূণসহ একটি জরায়ু রয়েছে যা আমাদের স্পষ্টভাবে দেখায় যে আঠারো শতকের মানুষ নারীদের অস্তিত্বকে কী কাজের জন্য মনে করত। ** শক অফ দ্য নিউড (২০২০), ২য় পর্ব * আমি ১৯৭০-এর দশকের শুরুর দিকে একজন আন্ডারগ্রাজুয়েট হিসেবে কেমব্রিজে গিয়েছিলাম এবং তখন এটি ছিল [একটি] শ্বেতাঙ্গ, অভিজাত এবং পুরুষতান্ত্রিক দুর্গ। মাত্র দশ শতাংশ শিক্ষার্থী ছিল নারী এবং সেখানে কোনো ধরনের বৈচিত্র্য ছিল না বললেই চলে। আমি সেখান থেকে চলে আসি এবং এরপর জায়গাটি ভালোর দিকে আমূল বদলে গেছে। ১৯৮২ সালে আমি যাদের পড়াতাম, সেই মোটা বুদ্ধির শ্বেতাঙ্গ রাগবি খেলোয়াড়দের (thick white rugger buggers) এখন আর সেখানে দেখা যায় না। ** চেলটেনহ্যাম লিটারেচার ফেস্টিভ্যালে দেওয়া মন্তব্য, [https://www.telegraph.co.uk/news/2025/10/13/mary-beard-cambridge-better-off-thick-white-rugby-players/ অক্টোবর ২০২৫] ===''উইমেন অ্যান্ড পাওয়ার: এ ম্যানিফেস্টো'' (২০১৭)=== * অদ্ভুত বিষয় হলো, থ্যাচারের স্বর্ণযুগে আমি যখন একটি একাডেমিক পদের জন্য আমার প্রথম ইন্টারভিউ দিতে যাই, তখন সেই উপলক্ষেই এক জোড়া নীল মোজা (blue stockings) কিনেছিলাম। যদিও এটি আমার সাধারণ স্টাইল ছিল না, তবে এর পেছনের যুক্তিটি ছিল সন্তোষজনক: "আপনারা সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীরা যদি মনে করেন যে আমি একজন প্রকৃত 'ব্লুস্টকিং' (পাণ্ডিত্যপূর্ণ নারী), তবে আমি আপনাদের দেখিয়ে দেব যে আপনারা কী ভাবছেন তা আমি জানি এবং এটি আমি আপনাদের আগেই ভেবে রেখেছি।" ** পৃষ্ঠা ৮১ * নারীদের বহিষ্কারকে বৈধতা দেয় এমন গভীর সাংস্কৃতিক কাঠামোর ক্ষেত্রে, এই ধীরগতির পরিবর্তনগুলো খুব সম্ভবত অনেক দীর্ঘস্থায়ী হবে অন্তত আমার জন্য তো বটেই। আমাদের প্রতিফলন করা প্রয়োজন যে ক্ষমতা কী, এটি কীসের জন্য এবং কীভাবে এর পরিমাপ করা হয়; অন্যথায়, আমরা যদি অনুভব না করি যে নারীরা পুরোপুরি ক্ষমতার কাঠামোর ভেতরে রয়েছে, তবে আমাদের নারীদের নয় বরং ক্ষমতাকেই পুনরায় সংজ্ঞায়িত করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ৮২ * এটি ঐতিহ্যগত অর্থে একটি "উচ্চ-পর্যায়ের" ক্ষমতা এবং যা "কাঁচের ছাদ" (glass ceiling)-এর চিত্রের সাথে যুক্ত। এটি কেবল নারীদের ক্ষমতার বাইরেই রাখে না, বরং অগ্রগামীদের এমন সফল 'সুপারওম্যান' হিসেবে কল্পনা করে যাদের শীর্ষে পৌঁছাতে কেবল পুরুষতান্ত্রিক কুসংস্কারের কিছু অবশিষ্টাংশ বাধা দিয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ৮৩ * প্রাথমিকভাবে পুরুষালি হিসেবে কোড করা বা চিহ্নিত করা একটি কাঠামোর মধ্যে নারীদের খাপ খাইয়ে নেওয়া সহজ নয়: যা করা দরকার তা হলো কাঠামোটিকেই পরিবর্তন করা। ** পৃষ্ঠা ৮৬ * আরও স্পষ্টভাবে বলতে গেলে, নারীরা যে হয়রানির শিকার হয়েছে (এবং অনেক নারীর দীর্ঘদিনের নীরবতার মূল কারণ) তা নিশ্চিতভাবেই ক্ষমতার কাঠামোর গভীরে নিহিত। যদি তাই হয়, তবে এর একমাত্র কার্যকর প্রতিকার হলো সেই কাঠামোগুলোর পরিবর্তন। যতক্ষণ পর্যন্ত শীর্ষস্থানীয় হলিউড চলচ্চিত্রগুলোর পরিচালকদের দশ শতাংশেরও কম নারী থাকবেন (২০১৭ সালের চিত্র অনুযায়ী), ততক্ষণ পর্যন্ত পুরুষরাই চলচ্চিত্র শিল্পে সাফল্যের দ্বাররক্ষী হয়ে থাকবেন এবং যৌন সংস্কৃতির ওপর নারীদের কণ্ঠস্বরের প্রভাব তারা এখন যত জোরেই আওয়াজ তুলুক না কেন খুবই সীমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ** পৃষ্ঠা ১০০ === ''এসপিকিউআর: এ হিস্ট্রি অফ অ্যানশিয়েন্ট রোম'' (২০১৭) === * প্রাচীন রোম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোমানদের উপেক্ষা করা কেবল সুদূর অতীতকে এড়িয়ে যাওয়া নয়; কারণ রোম আজও আমাদের জগত এবং নিজেদের বোঝার পথ নির্দেশ করতে সাহায্য করে তা সে মহৎ তত্ত্বই হোক বা স্থূল কমেডি। দুই হাজার বছর পরও, রোম এখনো [[সংস্কৃতি]] ও [[রাজনীতি]], [[সাহিত্য]] এবং জগত ও সেই জগতে মানুষের অবস্থান বোঝার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ** পৃষ্ঠা ১৫ * রোমান সাম্রাজ্যের আঞ্চলিক সীমানাসমূহ আজকের [[ইউরোপ]] এবং অন্যান্য অঞ্চলের রাজনৈতিক ভূগোল নির্ধারণ করে দিয়েছে। [[লন্ডন]] যে [[গ্রেট ব্রিটেন|গ্রেট ব্রিটেনের]] রাজধানী হওয়ার প্রধান কারণ হলো রোমানরা একে তাদের ‘ব্রিটানিয়া’ প্রদেশের রাজধানী করেছিল যা ছিল সভ্য জগতকে ঘিরে রাখা বিশাল মহাসাগরের অন্য পাড়ের এক বিপজ্জনক স্থান। রোম আমাদের [[স্বাধীনতা]] ও নাগরিকত্বের ধারণার পাশাপাশি সাম্রাজ্যবাদী শোষণ এবং ‘সিনেটর’ থেকে ‘ডিক্টেটর’ বা একনায়ক-এর মতো আজকের রাজনৈতিক শব্দভাণ্ডার উপহার দিয়েছে। রোম আমাদের প্রবাদ উপহার দিয়েছে যেমন: "গ্রিকদের ভয় করো, এমনকি যদি তারা উপহার নিয়ে আসে" (fear the Greeks, even if they bring gifts), "রোম যখন পুড়ছিল, তখন বাঁশি বাজানো" এবং এমনকি "যতক্ষণ শ্বাস, ততক্ষণ আশ"। আর রোম আমাদের মধ্যে সমপরিমাণ হাস্যরস, বিস্ময় এবং ভয় জাগ্রত করেছে। ** পৃষ্ঠা ১৫ * আমরা যদি মনে করি যে আমরা আমাদের পূর্বসূরিদের চেয়ে ভালো ইতিহাসবিদ, তবে সেটি হবে একটি বিপজ্জনক বিভ্রম। ** পৃষ্ঠা ১৬ * রোমান ইতিহাস নিয়ে ক্রমাগত নতুন নতুন দৃষ্টিভঙ্গি রচিত হচ্ছে, এটি সবসময়ই হয়ে এসেছে; এক অর্থে, আমরা আমাদের প্রাচীন রোমানদের সম্পর্কে তাদের নিজেদের চেয়েও বেশি জানি। অন্য কথায়, রোমান ইতিহাস হলো একটি চলমান কাজ যা প্রতিনিয়ত বিবর্তিত হচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ১৬ == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{Commons category|Mary Beard}} {{wikidata|Q458403}} {{DEFAULTSORT:বিয়ার্ড, মেরি}} [[বিষয়শ্রেণী:ভাষাতাত্ত্বিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:টেলিভিশন উপস্থাপক]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের নারী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের নারী শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫০-এর দশকে জন্ম নেওয়া নারী]] [[বিষয়শ্রেণী:আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সদস্য]] [[বিষয়শ্রেণী:সাইবার বুলিংয়ের শিকার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] ok2d277p61rsvqlmocs96nyexxg4gn3 81672 81671 2026-04-27T15:18:44Z Sumanta3023 4175 81672 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Mary Beard UC3M 2017 (cropped).JPG|থাম্ব|২০১৭ সালে মেরি বিয়ার্ড।]] '''[[w:মেরি বিয়ার্ড (ক্ল্যাসিসিস্ট)|উইনিফ্রেড মেরি বিয়ার্ড]]''' (জন্ম ১ জানুয়ারি ১৯৫৫; মাচ ওয়েনলক, শ্রপশায়ার, ইংল্যান্ড) প্রাচীন রোম বিশেষজ্ঞ একজন ইংরেজ পণ্ডিত। তিনি ব্রিটিশ মিউজিয়ামের একজন ট্রাস্টি এবং পূর্বে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্ল্যাসিকস-এর অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি কেমব্রিজের নিউনহ্যাম কলেজের একজন ফেলো এবং রয়্যাল একাডেমি অফ আর্টসের প্রাচীন সাহিত্যের অধ্যাপক। == উক্তি == * কিন্তু প্রাথমিক ধাক্কাটি কেটে যাওয়ার পর আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। এটি কেবল এই অনুভূতি ছিল না যে যতই কৌশলে আপনি একে সাজান না কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কপালে এটিই হওয়ার কথা ছিল। প্রকৃতপক্ষে, অনেক মানুষ প্রকাশ্যে বা গোপনে এমনটাই মনে করেন। বিশ্বের দাদাগিরি করা শক্তিগুলো, তাদের উদ্দেশ্য ভালো হলেও, শেষ পর্যন্ত এর মাসুল দিতেই হয়। সেই সাথে এই অনুভূতিও কাজ করে যে, পুরো ‘সভ্য জগত’ (একটি শব্দবন্ধ যা পশ্চিমা নেতারা মনে হয় কোনো ব্যঙ্গ ছাড়াই ব্যবহার করতে পারেন) সন্ত্রাসবাদের তাদের অগভীর সংজ্ঞা এবং ‘সন্ত্রাসীরা’ কী বলতে চায় তা শুনতে অস্বীকার করার মাসুল দিচ্ছে। ** লন্ডন রিভিউ অফ বুকস, [https://www.lrb.co.uk/the-paper/v23/n19/nine-eleven-writers/11-september ৪ অক্টোবর ২০০১] * প্রাচীন বিশ্বে রোমই ছিল একমাত্র জায়গা যেখানে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের পর্যাপ্ত খাবার নিশ্চিত করার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল। [তারা জানত] কীভাবে একটি মানব সম্প্রদায়কে কার্যকর করতে হয়। * রোমান সমাজ তাদের অন্তর্ভুক্ত করেছিল যারা প্রাচীন বিশ্বে মূলত বহিষ্কৃত ছিল, সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ হলো নারী... রোমে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক অধিকার ছিল না। ** গ্রিস বনাম রোম, বরিস জনসনের সাথে বিতর্ক (১৯ নভেম্বর ২০১৫) * গ্রিক পুরুষরা সবাই দেখতে এমন ছিলেন না। এমনকি এই ব্যক্তিটির যে পেশিবহুল দেহ, তা শারীরিকভাবে আসলে অসম্ভব। এগুলো মূলত গ্রিক পুরুষত্বের একটি নিখুঁত সংস্করণের চিত্রায়ন। ** শক অফ দ্য নিউড (২০২০), ১ম পর্ব * তিনি মোমের তৈরি সেই সব মডেল সিরিজের একজন, যা শারীরস্থান ক্লাসে দেহের অভ্যন্তরীণ গঠন প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হতো... প্রশিক্ষক এসে কিছুটা নিষ্ঠুরভাবে স্তন, বুক এবং পেট সরিয়ে ভেতরের অংশগুলো উন্মোচন করতেন। আর মজার বিষয় হলো, সেখানে ভ্রূণসহ একটি জরায়ু রয়েছে যা আমাদের স্পষ্টভাবে দেখায় যে আঠারো শতকের মানুষ নারীদের অস্তিত্বকে কী কাজের জন্য মনে করত। ** শক অফ দ্য নিউড (২০২০), ২য় পর্ব * আমি ১৯৭০-এর দশকের শুরুর দিকে একজন আন্ডারগ্রাজুয়েট হিসেবে কেমব্রিজে গিয়েছিলাম এবং তখন এটি ছিল [একটি] শ্বেতাঙ্গ, অভিজাত এবং পুরুষতান্ত্রিক দুর্গ। মাত্র দশ শতাংশ শিক্ষার্থী ছিল নারী এবং সেখানে কোনো ধরনের বৈচিত্র্য ছিল না বললেই চলে। আমি সেখান থেকে চলে আসি এবং এরপর জায়গাটি ভালোর দিকে আমূল বদলে গেছে। ১৯৮২ সালে আমি যাদের পড়াতাম, সেই মোটা বুদ্ধির শ্বেতাঙ্গ রাগবি খেলোয়াড়দের এখন আর সেখানে দেখা যায় না। ** চেলটেনহ্যাম লিটারেচার ফেস্টিভ্যালে দেওয়া মন্তব্য, [https://www.telegraph.co.uk/news/2025/10/13/mary-beard-cambridge-better-off-thick-white-rugby-players/ অক্টোবর ২০২৫] ===''উইমেন অ্যান্ড পাওয়ার: এ ম্যানিফেস্টো'' (২০১৭)=== * অদ্ভুত বিষয় হলো, থ্যাচারের স্বর্ণযুগে আমি যখন একটি একাডেমিক পদের জন্য আমার প্রথম ইন্টারভিউ দিতে যাই, তখন সেই উপলক্ষেই এক জোড়া নীল মোজা কিনেছিলাম। যদিও এটি আমার সাধারণ স্টাইল ছিল না, তবে এর পেছনের যুক্তিটি ছিল সন্তোষজনক: "আপনারা সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীরা যদি মনে করেন যে আমি একজন প্রকৃত 'ব্লুস্টকিং' (পাণ্ডিত্যপূর্ণ নারী), তবে আমি আপনাদের দেখিয়ে দেব যে আপনারা কী ভাবছেন তা আমি জানি এবং এটি আমি আপনাদের আগেই ভেবে রেখেছি।" ** পৃষ্ঠা ৮১ * নারীদের বহিষ্কারকে বৈধতা দেয় এমন গভীর সাংস্কৃতিক কাঠামোর ক্ষেত্রে, এই ধীরগতির পরিবর্তনগুলো খুব সম্ভবত অনেক দীর্ঘস্থায়ী হবে অন্তত আমার জন্য তো বটেই। আমাদের প্রতিফলন করা প্রয়োজন যে ক্ষমতা কী, এটি কীসের জন্য এবং কীভাবে এর পরিমাপ করা হয়; অন্যথায়, আমরা যদি অনুভব না করি যে নারীরা পুরোপুরি ক্ষমতার কাঠামোর ভেতরে রয়েছে, তবে আমাদের নারীদের নয় বরং ক্ষমতাকেই পুনরায় সংজ্ঞায়িত করতে হবে। ** পৃষ্ঠা ৮২ * এটি ঐতিহ্যগত অর্থে একটি "উচ্চ-পর্যায়ের" ক্ষমতা এবং যা "কাঁচের ছাদের" চিত্রের সাথে যুক্ত। এটি কেবল নারীদের ক্ষমতার বাইরেই রাখে না, বরং অগ্রগামীদের এমন সফল 'সুপারওম্যান' হিসেবে কল্পনা করে যাদের শীর্ষে পৌঁছাতে কেবল পুরুষতান্ত্রিক কুসংস্কারের কিছু অবশিষ্টাংশ বাধা দিয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ৮৩ * প্রাথমিকভাবে পুরুষালি হিসেবে কোড করা বা চিহ্নিত করা একটি কাঠামোর মধ্যে নারীদের খাপ খাইয়ে নেওয়া সহজ নয়: যা করা দরকার তা হলো কাঠামোটিকেই পরিবর্তন করা। ** পৃষ্ঠা ৮৬ * আরও স্পষ্টভাবে বলতে গেলে, নারীরা যে হয়রানির শিকার হয়েছে (এবং অনেক নারীর দীর্ঘদিনের নীরবতার মূল কারণ) তা নিশ্চিতভাবেই ক্ষমতার কাঠামোর গভীরে নিহিত। যদি তাই হয়, তবে এর একমাত্র কার্যকর প্রতিকার হলো সেই কাঠামোগুলোর পরিবর্তন। যতক্ষণ পর্যন্ত শীর্ষস্থানীয় হলিউড চলচ্চিত্রগুলোর পরিচালকদের দশ শতাংশেরও কম নারী থাকবেন (২০১৭ সালের চিত্র অনুযায়ী), ততক্ষণ পর্যন্ত পুরুষরাই চলচ্চিত্র শিল্পে সাফল্যের দ্বাররক্ষী হয়ে থাকবেন এবং যৌন সংস্কৃতির ওপর নারীদের কণ্ঠস্বরের প্রভাব তারা এখন যত জোরেই আওয়াজ তুলুক না কেন খুবই সীমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ** পৃষ্ঠা ১০০ === ''এসপিকিউআর: এ হিস্ট্রি অফ অ্যানশিয়েন্ট রোম'' (২০১৭) === * প্রাচীন রোম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোমানদের উপেক্ষা করা কেবল সুদূর অতীতকে এড়িয়ে যাওয়া নয়; কারণ রোম আজও আমাদের জগত এবং নিজেদের বোঝার পথ নির্দেশ করতে সাহায্য করে তা সে মহৎ তত্ত্বই হোক বা স্থূল কমেডি। দুই হাজার বছর পরও, রোম এখনো [[সংস্কৃতি]] ও [[রাজনীতি]], [[সাহিত্য]] এবং জগত ও সেই জগতে মানুষের অবস্থান বোঝার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ** পৃষ্ঠা ১৫ * রোমান সাম্রাজ্যের আঞ্চলিক সীমানাসমূহ আজকের [[ইউরোপ]] এবং অন্যান্য অঞ্চলের রাজনৈতিক ভূগোল নির্ধারণ করে দিয়েছে। [[লন্ডন]] যে [[গ্রেট ব্রিটেন|গ্রেট ব্রিটেনের]] রাজধানী হওয়ার প্রধান কারণ হলো রোমানরা একে তাদের ‘ব্রিটানিয়া’ প্রদেশের রাজধানী করেছিল যা ছিল সভ্য জগতকে ঘিরে রাখা বিশাল মহাসাগরের অন্য পাড়ের এক বিপজ্জনক স্থান। রোম আমাদের [[স্বাধীনতা]] ও নাগরিকত্বের ধারণার পাশাপাশি সাম্রাজ্যবাদী শোষণ এবং ‘সিনেটর’ থেকে ‘ডিক্টেটর’ বা একনায়ক-এর মতো আজকের রাজনৈতিক শব্দভাণ্ডার উপহার দিয়েছে। রোম আমাদের প্রবাদ উপহার দিয়েছে যেমন: "গ্রিকদের ভয় করো, এমনকি যদি তারা উপহার নিয়ে আসে", "রোম যখন পুড়ছিল, তখন বাঁশি বাজানো" এবং এমনকি "যতক্ষণ শ্বাস, ততক্ষণ আশ"। আর রোম আমাদের মধ্যে সমপরিমাণ হাস্যরস, বিস্ময় এবং ভয় জাগ্রত করেছে। ** পৃষ্ঠা ১৫ * আমরা যদি মনে করি যে আমরা আমাদের পূর্বসূরিদের চেয়ে ভালো ইতিহাসবিদ, তবে সেটি হবে একটি বিপজ্জনক বিভ্রম। ** পৃষ্ঠা ১৬ * রোমান ইতিহাস নিয়ে ক্রমাগত নতুন নতুন দৃষ্টিভঙ্গি রচিত হচ্ছে, এটি সবসময়ই হয়ে এসেছে; এক অর্থে, আমরা আমাদের প্রাচীন রোমানদের সম্পর্কে তাদের নিজেদের চেয়েও বেশি জানি। অন্য কথায়, রোমান ইতিহাস হলো একটি চলমান কাজ যা প্রতিনিয়ত বিবর্তিত হচ্ছে। ** পৃষ্ঠা ১৬ == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{Commons category|Mary Beard}} {{wikidata|Q458403}} {{DEFAULTSORT:বিয়ার্ড, মেরি}} [[বিষয়শ্রেণী:ভাষাতাত্ত্বিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:টেলিভিশন উপস্থাপক]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের নারী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের নারী শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫০-এর দশকে জন্ম নেওয়া নারী]] [[বিষয়শ্রেণী:আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সদস্য]] [[বিষয়শ্রেণী:সাইবার বুলিংয়ের শিকার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] 1u134sq28jvhotaw396z78kzyuj479p ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Shakil Mahmud Sojib 3 13766 81668 2026-04-27T15:13:04Z অভ্যর্থনা কমিটি বট 1112 উইকিউক্তিতে স্বাগত! 81668 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Md. Shakil Mahmud Sojib,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১৫:১৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) etv2he2bpyvtk8cuamsemy1mnkjp7a7 আলাপ:মেরি বিয়ার্ড (ক্ল্যাসিসিস্ট) 1 13767 81673 2026-04-27T15:19:11Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81673 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm মার্টন মিলার 0 13768 81675 2026-04-27T15:25:57Z Sumanta3023 4175 "'''[[:w:মার্টন মিলার|মার্টন হাওয়ার্ড মিলার]]''' (১৬ মে ১৯২৩ – ৩ জুন ২০০০) ছিলেন একজন মার্কিন অর্থনীতিবিদ এবং ১৯৫৮ সালে প্রস্তাবিত মডিলিয়ানি-মিলার উপপাদ্যের সহ-রচয়িতা। এই উপপা..." দিয়ে পাতা তৈরি 81675 wikitext text/x-wiki '''[[:w:মার্টন মিলার|মার্টন হাওয়ার্ড মিলার]]''' (১৬ মে ১৯২৩ – ৩ জুন ২০০০) ছিলেন একজন মার্কিন অর্থনীতিবিদ এবং ১৯৫৮ সালে প্রস্তাবিত মডিলিয়ানি-মিলার উপপাদ্যের সহ-রচয়িতা। এই উপপাদ্যটি কর্পোরেট অর্থায়নে ঋণ এবং ইক্যুইটি কাঠামোর অপ্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরে। ১৯৯০ সালে তিনি [[হ্যারি মার্কোউইটজ]] এবং [[উইলিয়াম এফ. শার্প|উইলিয়াম এফ. শার্পের]] সাথে যৌথভাবে অর্থনীতিতে নোবেল মেমোরিয়াল পুরস্কার লাভ করেন। মিলার তাঁর একাডেমিক কর্মজীবনের অধিকাংশ সময় শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের বুথ স্কুল অফ বিজনেসে অতিবাহিত করেছেন। {{economist-stub}} == উক্তি == [[চিত্র:2006 AEGold Proof Obv.png|থাম্ব|আসল বিষয় হলো আপনি আপনার টাকা দিয়ে কী করছেন, সেটি কোথা থেকে এসেছে তা নয়।]] * একটি ফার্মের জন্য "মূলধনের খরচ" কী হবে এমন এক পৃথিবীতে যেখানে তহবিল ব্যবহার করা হয় এমন সব সম্পদ অর্জনের জন্য যার মুনাফা অনিশ্চিত; এবং যেখানে বিভিন্ন মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ করা যায় তা হতে পারে বিশুদ্ধ ঋণপত্র (যা নির্দিষ্ট অর্থের দাবি জানায়), থেকে শুরু করে বিশুদ্ধ ইক্যুইটি ইস্যু (যা ধারককে কেবল অনিশ্চিত ব্যবসায়িক উদ্যোগের সমানুপাতিক অংশীদারিত্বের অধিকার দেয়)? এই প্রশ্নটি অন্তত তিন শ্রেণির অর্থনীতিবিদকে ভাবিয়ে তুলেছে: (১) কর্পোরেশন ফিন্যান্স বিশেষজ্ঞ, যারা ফার্মের টিকে থাকা এবং প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে অর্থায়নের কৌশল নিয়ে কাজ করেন; (২) ব্যবস্থাপক অর্থনীতিবিদ, যারা মূলধন বাজেটিং নিয়ে কাজ করেন; এবং (৩) অর্থনৈতিক তাত্ত্বিক, যারা ক্ষুদ্র ও বৃহৎ উভয় স্তরে বিনিয়োগ আচরণ ব্যাখ্যার সাথে যুক্ত। ** [[ফ্রাঙ্কো মডিলিয়ানি]] এবং মার্টন এইচ. মিলার; "দ্য কস্ট অফ ক্যাপিটাল, কর্পোরেশন ফিন্যান্স অ্যান্ড দ্য থিওরি অফ ইনভেস্টমেন্ট", দ্য আমেরিকান ইকোনমিক রিভিউ (১৯৫৮): ২৬১-২৯৭। * ফার্মটিকে খাঁটি দুধের একটি বিশাল পাত্র হিসেবে কল্পনা করুন। কৃষক চাইলে এই খাঁটি দুধ যে অবস্থায় আছে সেভাবেই বিক্রি করতে পারেন। অথবা তিনি এর থেকে ননী আলাদা করতে পারেন এবং খাঁটি দুধের চেয়ে অনেক বেশি দামে তা বিক্রি করতে পারেন। (ননী বিক্রি করা হলো একটি ফার্মের ঋণপত্র বা ডেট সিকিউরিটিজ বিক্রির অনুরূপ, যা চুক্তিবদ্ধ মুনাফা প্রদান করে।) কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই, কৃষকের কাছে তখন যা অবশিষ্ট থাকবে তা হলো ননী-তোলা পাতলা দুধ, যাতে ফ্যাটের পরিমাণ কম এবং যা খাঁটি দুধের চেয়ে অনেক কম দামে বিক্রি হবে। (এই পাতলা দুধ হলো লিভারেজড ইক্যুইটির অনুরূপ।) মডিলিয়ানি-মিলার প্রস্তাবনা বলছে যে, যদি এই পৃথকীকরণের কোনো খরচ না থাকে (এবং অবশ্যই কোনো সরকারি দুগ্ধ সহায়তা কর্মসূচি না থাকে), তবে ননী এবং পাতলা দুধের সম্মিলিত দাম খাঁটি দুধের দামের সমানই হবে। ** ''ফিন্যান্সিয়াল ইনোভেশনস অ্যান্ড মার্কেট ভোলাটালিটি'' (১৯৯১), পৃষ্ঠা ২৬৯; পিটার জে. তানুস-এর ''ইনভেস্টমেন্ট গুরুস''-এ উদ্ধৃত। === ''ইনভেস্টমেন্ট গুরুস: এ রোড ম্যাপ টু ওয়েলথ ফ্রম দ্য ওয়ার্ল্ড'স বেস্ট মানি ম্যানেজারস'' (১৯৯৯) === :<small>পিটার জে. তানুস রচিত ''ইনভেস্টমেন্ট গুরুস: এ রোড ম্যাপ টু ওয়েলথ ফ্রম দ্য ওয়ার্ল্ড'স বেস্ট মানি ম্যানেজারস'' (১৯৯৯) বইতে উদ্ধৃত মার্টন মিলারের উক্তি।</small> * আমি যখন শেয়ার বাজার নিয়ে দুশ্চিন্তা শুরু করি, তখন ছিল ১৯৩০-এর দশকের শেষ এবং ১৯৪০-এর দশকের শুরু; তখনও মনে হতো না যে এটি টাকা উপার্জনের খুব ভালো কোনো উপায়। ** পৃষ্ঠা ২৬৩ * আসল বিষয় হলো আপনি আপনার টাকা দিয়ে কী করছেন, সেটি কোথা থেকে এসেছে তা নয়। ** পৃষ্ঠা ২৬৭ * অধিকাংশ মানুষের জন্য পুরো বাজারের একটি অংশ (শেয়ার) কেনাই ভালো, যেখানে সমস্ত তথ্য একত্রিত থাকে; বাজার যা জানে না এমন কিছু নিজে জানেন এই ভেবে নিজেদের বিভ্রান্ত করার চেয়ে এটিই শ্রেয়। ** পৃষ্ঠা ২৬৯ == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:মিলার, মার্টন}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯২৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০০০-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক তাত্ত্বিক]] [[বিষয়শ্রেণী:কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:বস্টনের ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] 241pj9q2t8qzf2293naq6n0qk5x82yg আলাপ:মার্টন মিলার 1 13769 81676 2026-04-27T15:26:15Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81676 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm মাইকেল আতিয়াহ 0 13770 81677 2026-04-27T15:32:23Z Sumanta3023 4175 "[[চিত্র:Michael Francis Atiyah.jpg|থাম্ব|২০০৭ সালে মাইকেল আতিয়াহ]] স্যার '''[[w:মাইকেল আতিয়াহ|মাইকেল আতিয়াহ]]''' (২২ এপ্রিল ১৯২৯ – ১১ জানুয়ারি ২০১৯) ছিলেন একজন ব্রিটিশ [[গণিতবিদ]], যিনি জ্যামিতি..." দিয়ে পাতা তৈরি 81677 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Michael Francis Atiyah.jpg|থাম্ব|২০০৭ সালে মাইকেল আতিয়াহ]] স্যার '''[[w:মাইকেল আতিয়াহ|মাইকেল আতিয়াহ]]''' (২২ এপ্রিল ১৯২৯ – ১১ জানুয়ারি ২০১৯) ছিলেন একজন ব্রিটিশ [[গণিতবিদ]], যিনি জ্যামিতি শাস্ত্রে বিশেষজ্ঞ ছিলেন। {{mathematician-stub}} == উক্তি == * বীজগণিত হলো গণিতবিদের কাছে শয়তানের দেওয়া একটি প্রস্তাব। শয়তান বলে: 'আমি তোমাকে এই শক্তিশালী যন্ত্র দেব, যা তোমার যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেবে। তোমাকে কেবল একটি কাজই করতে হবে, তা হলো তোমার আত্মা আমাকে দিয়ে দেওয়া: জ্যামিতি ত্যাগ করো, আর বদলে তুমি পাবে এই চমৎকার যন্ত্রটি।' ** {{cite book|author=মাইকেল আতিয়াহ|title=কালেক্টেড ওয়ার্কস, খণ্ড ৬|publisher=দ্য ক্ল্যারেন্ডন প্রেস অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস|series=অক্সফোর্ড সায়েন্স পাবলিকেশনস|url=http://www.math.tamu.edu/~rojas/atiyah20thcentury.pdf|isbn=978-0-19-853099-2|mr=2160826|year=২০০৪}} * আমার নিজের সুপারভাইজার [[ডব্লিউ. ভি. ডি. হজ|উইলিয়াম হজ]], যিনি হারমোনিক ফর্মের উর্বর তত্ত্বের স্রষ্টা, তিনি [[শ্রীনিবাস রামানুজন|রামানুজনের]] মতো [[প্রতিভাধর]] ছিলেন না, তবে তিনি অনেকটা [[সলোমন লেফশেটজ|সলোমন লেফশেটজ]]-এর মতো ছিলেন। ** {{cite book|author=মাইকেল আতিয়াহ|title=মাইকেল আতিয়াহ কালেক্টেড ওয়ার্কস: ভলিউম ৭: ২০০২-২০১৩|url=https://books.google.com/books?id=Rm6VAwAAQBAJ&pg=PA286|date=৩ এপ্রিল ২০১৪|publisher=অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-19-968926-2|page=২৮৬}} * এই ‘[[হজ অনুমান|হজ কনজেকচার]]’ বা হজ অনুমান এখন একটি উল্লেখযোগ্য মর্যাদা লাভ করেছে, যা অনেকটা [[রিম্যান হাইপোথিসিস]] বা [[পোয়াঁকারে অনুমান|পোয়াঁকারে কনজেকচারের]] সমপর্যায়ের। ** {{cite book|author=মাইকেল আতিয়াহ|title=কালেক্টেড ওয়ার্কস: মাইকেল আতিয়াহ কালেক্টেড ওয়ার্কস: ভলিউম ১: আর্লি পেপারস; জেনারেল পেপারস|url=http://books.google.com/books?id=YJ0cZwxLECAC&pg=PA250|date=২৮ এপ্রিল ১৯৮৮|publisher=ক্ল্যারেন্ডন প্রেস|isbn=978-0-19-853275-0|pages=২৫০}} * '''আমি সবসময় বোঝার চেষ্টা করি কেন জিনিসগুলো কাজ করে। এর অর্থ না জেনে কেবল একটি সূত্র পাওয়ার বিষয়ে আমার কোনো আগ্রহ নেই। আমি সবসময় পর্দার আড়ালের কারণটি খুঁজি; তাই যদি আমার কাছে কোনো সূত্র থাকে, আমি বুঝতে পারি কেন সেটি সেখানে আছে। আর এই ‘বোঝা’ বিষয়টি খুব কঠিন একটি ধারণা'''। মানুষ মনে করে গণিত শুরু হয় যখন আপনি একটি উপপাদ্য এবং তার প্রমাণ লিখে ফেলেন। সেটি শুরু নয়, সেটি হলো শেষ। আমার কাছে গণিতের সৃজনশীল জায়গাটি হলো কাগজে কলমে কোনো কিছু লেখার আগের মুহূর্তটি, কোনো সূত্র লেখার আগের সময়টি। আপনি মনে মনে বিভিন্ন বিষয় কল্পনা করেন, সেগুলোকে নিয়ে ভাবেন। আপনি সৃজন করার চেষ্টা করছেন, ঠিক যেমন একজন সংগীতশিল্পী সংগীত তৈরি করেন অথবা একজন কবি কবিতা। এখানে কোনো বাধাাধরা নিয়ম নেই। আপনাকে আপনার নিজের মতো করেই করতে হবে। কিন্তু শেষে, ঠিক যেভাবে একজন সুরকারকে তা কাগজে লিখে রাখতে হয়, আপনাকেও তা লিখতে হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো উপলব্ধি করা বা বুঝতে পারা। একটি প্রমাণ নিজে থেকে আপনাকে অন্তর্দৃষ্টি বা উপলব্ধি দিতে পারে না। আপনার কাছে একটি দীর্ঘ প্রমাণ থাকতে পারে কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেন এটি কাজ করছে সে সম্পর্কে আপনার কোনো ধারণাই না-ও থাকতে পারে। কিন্তু এটি কেন কাজ করছে তা বোঝার জন্য আপনার একটি সহজাত বোধ থাকতে হবে। আপনাকে এটি অনুভব করতে হবে। ** কোয়ান্টাম ম্যাগাজিনের একটি নিবন্ধে (যখন তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল: '''এমন কোনো বড় প্রশ্ন কি আছে যা আপনাকে সবসময় পথ দেখিয়েছে?''') [https://www.quantamagazine.org/michael-atiyahs-mathematical-dreams-20160303] == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:আতিয়াহ, মাইকেল}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯২৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১৯-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:লন্ডনের ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:আবেল পুরস্কার বিজয়ী]] 928271fvulx0jg79wghm4rmp95k893z 81678 81677 2026-04-27T15:33:43Z Sumanta3023 4175 /* উক্তি */ 81678 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Michael Francis Atiyah.jpg|থাম্ব|২০০৭ সালে মাইকেল আতিয়াহ]] স্যার '''[[w:মাইকেল আতিয়াহ|মাইকেল আতিয়াহ]]''' (২২ এপ্রিল ১৯২৯ – ১১ জানুয়ারি ২০১৯) ছিলেন একজন ব্রিটিশ [[গণিতবিদ]], যিনি জ্যামিতি শাস্ত্রে বিশেষজ্ঞ ছিলেন। {{mathematician-stub}} == উক্তি == * বীজগণিত হলো গণিতবিদের কাছে শয়তানের দেওয়া একটি প্রস্তাব। শয়তান বলে: 'আমি তোমাকে এই শক্তিশালী যন্ত্র দেব, যা তোমার যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেবে। তোমাকে কেবল একটি কাজই করতে হবে, তা হলো তোমার আত্মা আমাকে দিয়ে দেওয়া: জ্যামিতি ত্যাগ করো, আর বদলে তুমি পাবে এই চমৎকার যন্ত্রটি।' ** {{cite book|author=মাইকেল আতিয়াহ|title=কালেক্টেড ওয়ার্কস, খণ্ড ৬|publisher=দ্য ক্ল্যারেন্ডন প্রেস অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস|series=অক্সফোর্ড সায়েন্স পাবলিকেশনস|url=http://www.math.tamu.edu/~rojas/atiyah20thcentury.pdf|isbn=978-0-19-853099-2|mr=2160826|year=২০০৪}} * আমার নিজের সুপারভাইজার [[ডব্লিউ. ভি. ডি. হজ|উইলিয়াম হজ]], যিনি হারমোনিক ফর্মের উর্বর তত্ত্বের স্রষ্টা, তিনি [[শ্রীনিবাস রামানুজন|রামানুজনের]] মতো প্রতিভাধর ছিলেন না, তবে তিনি অনেকটা [[সলোমন লেফশেটজ|সলোমন লেফশেটজের]] মতো ছিলেন। ** {{cite book|author=মাইকেল আতিয়াহ|title=মাইকেল আতিয়াহ কালেক্টেড ওয়ার্কস: ভলিউম ৭: ২০০২-২০১৩|url=https://books.google.com/books?id=Rm6VAwAAQBAJ&pg=PA286|date=৩ এপ্রিল ২০১৪|publisher=অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-19-968926-2|page=২৮৬}} * এই ‘[[হজ অনুমান|হজ কনজেকচার]]’ বা হজ অনুমান এখন একটি উল্লেখযোগ্য মর্যাদা লাভ করেছে, যা অনেকটা রিম্যান হাইপোথিসিস বা পোয়াঁকারে কনজেকচারের সমপর্যায়ের। ** {{cite book|author=মাইকেল আতিয়াহ|title=কালেক্টেড ওয়ার্কস: মাইকেল আতিয়াহ কালেক্টেড ওয়ার্কস: ভলিউম ১: আর্লি পেপারস; জেনারেল পেপারস|url=http://books.google.com/books?id=YJ0cZwxLECAC&pg=PA250|date=২৮ এপ্রিল ১৯৮৮|publisher=ক্ল্যারেন্ডন প্রেস|isbn=978-0-19-853275-0|pages=২৫০}} * '''আমি সবসময় বোঝার চেষ্টা করি কেন জিনিসগুলো কাজ করে। এর অর্থ না জেনে কেবল একটি সূত্র পাওয়ার বিষয়ে আমার কোনো আগ্রহ নেই। আমি সবসময় পর্দার আড়ালের কারণটি খুঁজি; তাই যদি আমার কাছে কোনো সূত্র থাকে, আমি বুঝতে পারি কেন সেটি সেখানে আছে। আর এই ‘বোঝা’ বিষয়টি খুব কঠিন একটি ধারণা'''। মানুষ মনে করে গণিত শুরু হয় যখন আপনি একটি উপপাদ্য এবং তার প্রমাণ লিখে ফেলেন। সেটি শুরু নয়, সেটি হলো শেষ। আমার কাছে গণিতের সৃজনশীল জায়গাটি হলো কাগজে কলমে কোনো কিছু লেখার আগের মুহূর্তটি, কোনো সূত্র লেখার আগের সময়টি। আপনি মনে মনে বিভিন্ন বিষয় কল্পনা করেন, সেগুলোকে নিয়ে ভাবেন। আপনি সৃজন করার চেষ্টা করছেন, ঠিক যেমন একজন সংগীতশিল্পী সংগীত তৈরি করেন অথবা একজন কবি কবিতা। এখানে কোনো বাধাাধরা নিয়ম নেই। আপনাকে আপনার নিজের মতো করেই করতে হবে। কিন্তু শেষে, ঠিক যেভাবে একজন সুরকারকে তা কাগজে লিখে রাখতে হয়, আপনাকেও তা লিখতে হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো উপলব্ধি করা বা বুঝতে পারা। একটি প্রমাণ নিজে থেকে আপনাকে অন্তর্দৃষ্টি বা উপলব্ধি দিতে পারে না। আপনার কাছে একটি দীর্ঘ প্রমাণ থাকতে পারে কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেন এটি কাজ করছে সে সম্পর্কে আপনার কোনো ধারণাই না-ও থাকতে পারে। কিন্তু এটি কেন কাজ করছে তা বোঝার জন্য আপনার একটি সহজাত বোধ থাকতে হবে। আপনাকে এটি অনুভব করতে হবে। ** কোয়ান্টাম ম্যাগাজিনের একটি নিবন্ধে (যখন তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল: '''এমন কোনো বড় প্রশ্ন কি আছে যা আপনাকে সবসময় পথ দেখিয়েছে?''') [https://www.quantamagazine.org/michael-atiyahs-mathematical-dreams-20160303] == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:আতিয়াহ, মাইকেল}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯২৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১৯-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:লন্ডনের ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:আবেল পুরস্কার বিজয়ী]] 4ao04itece6kyczmj8f0068jmh19hxn আলাপ:মাইকেল আতিয়াহ 1 13771 81679 2026-04-27T15:34:08Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81679 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm পল আর. এহর্লিচ 0 13772 81681 2026-04-27T15:48:45Z Sumanta3023 4175 "[[চিত্র:Paul Ehrlich - 1974.jpg|থাম্ব|১৯৭৪ সালে পল আর. এহর্লিচ]] '''[[w:পল আর. এহর্লিচ|পল রাল্ফ এহর্লিচ]]''' (২৯ মে ১৯৩২ – ১৫ মার্চ ২০২৬) ছিলেন একজন [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন]] জীববিজ্ঞানী, যিনি..." দিয়ে পাতা তৈরি 81681 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Paul Ehrlich - 1974.jpg|থাম্ব|১৯৭৪ সালে পল আর. এহর্লিচ]] '''[[w:পল আর. এহর্লিচ|পল রাল্ফ এহর্লিচ]]''' (২৯ মে ১৯৩২ – ১৫ মার্চ ২০২৬) ছিলেন একজন [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন]] জীববিজ্ঞানী, যিনি মূলত [[জনসংখ্যা বৃদ্ধি]] এবং সীমিত সম্পদের পরিণাম সম্পর্কে তাঁর সতর্কবার্তার জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। == উক্তি == * আমি যদি একজন জুয়াড়ি হতাম, তবে আমি সমান বাজি ধরতাম যে ২০০০ সালে ইংল্যান্ডের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। ** ১৯৬৯ সালের উক্তি। {{cite web | url = http://www.wired.com/wired/archive/5.02/ffsimon_pr.html | title = দ্য ডুমস্লেয়ার | last = রেজিস | first = এড | work = [[ওয়াইয়ার্ড (ম্যাগাজিন)|ওয়াইয়ার্ড]] (সংখ্যা ৫.০২) | year = ১৯৯৭ | accessdate = ২০১০-০৩-০১ | archiveurl = http://www.webcitation.org/5Xu64dbNz | archivedate = ২০০৮-০৫-১৮ }} * প্রকৃতপক্ষে, এই মুহূর্তে সমাজকে সস্তা ও প্রচুর শক্তি সরবরাহ করা হবে একজন মূর্খ শিশুর হাতে মেশিনগান তুলে দেওয়ার নৈতিক সমতুল্য। সস্তা ও প্রচুর শক্তি হাতে পেলে, গ্রহের শেষ বিন্দু পর্যন্ত পাকা রাস্তা তৈরি, উন্নয়ন, শিল্পায়ন এবং শোষণের চেষ্টা স্পষ্টভাবে করা হবে এমন একটি প্রবণতা যা অনিবার্যভাবে আমাদের জীবন-ধারণের ব্যবস্থাগুলোকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে, যার ওপর এই সভ্যতা নির্ভরশীল। ** "অ্যান ইকোলজিস্ট'স পারসপেক্টিভ অন নিউক্লিয়ার পাওয়ার", [https://fas.org/faspir/archive/1970-1981/May-June1975.pdf ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস পাবলিক ইন্টারেস্ট রিপোর্ট ভলিউম ২৮, নং ৫-৬ (মে-জুন, ১৯৭৫)], পৃষ্ঠা ৫। * আসলে, পৃথিবীর সমস্যা হলো এখানে অনেক বেশি ধনী মানুষ বাস করে। ** [http://news.google.com/newspapers?id=TjAcAAAAIBAJ&sjid=KHoEAAAAIBAJ&pg=6924,333924&hl=en আমেরিকানরা কি গ্রহ লুণ্ঠন করছে?], অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, ৬ এপ্রিল ১৯৯০। * এরপর থেকে এমন কিছু বিষয় সামনে এসেছে যা সমস্যাটিকে অবিশ্বাস্যভাবে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে... ওজোন স্তরে ছিদ্র... অ্যাসিড বৃষ্টি... 'দ্য পপুলেশন বোম্ব' লেখার পর থেকে ত্রিশ কোটি মানুষ না খেয়ে মারা গেছে। দুর্ভিক্ষগুলো কৃষিবিদদের ধারণার মতো ততটা প্রকট হয়নি... দরিদ্র দেশগুলোতে... সবুজ বিপ্লব প্রযুক্তির বিস্তারের কারণে... বর্তমানে আমাদের যা দুশ্চিন্তায় ফেলছে তা হলো আমাদের খাদ্য উৎপাদন ব্যাপকভাবে বাড়াতে আবার কোনো মরিয়া পদক্ষেপ নেওয়ার পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে... ১৯৬৫ সালে আমরা জানতাম কীভাবে এটি করতে হয়, প্রশ্নটি ছিল আমরা কত দ্রুত তা বাস্তবায়ন করতে পারব আজকে আমাদের কাছে নতুন করে প্রয়োগ করার মতো কিছুই অবশিষ্ট নেই এটি অত্যন্ত ভীতিকর... একটি প্রজাতি হিসেবে আমরা আমাদের আয়ের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকতে পারছি না; আমরা আমাদের পুঁজি ভেঙে খাচ্ছি, আমাদের উর্বর কৃষি জমি ধ্বংস হচ্ছে, ভূগর্ভস্থ পানি অতিরিক্ত উত্তোলন করা হচ্ছে এবং আমাদের জীববৈচিত্র্য তথা জীবন-ধারণের ব্যবস্থাগুলো হুমকির মুখে সহনক্ষমতার সীমা আমরা আগেই অতিক্রম করেছি। ** কেকিউইডি রেডিও সিটি আর্টস অ্যান্ড লেকচারস, সান ফ্রান্সিসকো ১৯৯৬। * পরিবেশগত সংকটের প্রধান তিনটি উপাদানের মধ্যে কোনটি বেশি ক্ষতি করছে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা, সম্পদের অতিরিক্ত ভোগ নাকি দেশগুলোর মধ্যে সম্পদের অসম/অন্যায্য বণ্টন (যেখানে ধনী দেশগুলো দরিদ্র দেশগুলোর চেয়ে অনেক বেশি সম্পদ ভোগ করে) তা নিয়ে বিতর্ক করা অনেকটা ত্রিভুজের ভূমি না কি বাহু, কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে বিতর্ক করার মতো। আপনি এই তিনটি উপাদানকে আলাদা করতে পারবেন না। আমরা যদি অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে সংখ্যাগুলো বিশ্লেষণ করি, তবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে ভোগের চেয়ে জনসংখ্যার আকারের প্রভাব বেশি। অন্যদিকে, ভোগ এবং অসম বণ্টনও গুরুত্বপূর্ণ দিক। আমরা যদি একই সাথে এই তিনটি উপাদানে পরিবর্তন না আনি, তবে আমাদের জীবনযাত্রার মান নাটকীয়ভাবে বদলে যাবে। আজ মানবজাতি প্রকৃতির ওপর মারাত্মক আঘাত হানছে, কিন্তু এটি স্পষ্ট যে প্রকৃতিই শেষ আঘাতটি হানবে। ** পল এহর্লিচ, ''[http://www.haaretz.co.il/1.1875624 মানুষের উচিত অনেক কম সন্তান জন্ম দেওয়া, অন্যথায় সবচেয়ে খারাপ কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকা]'' (ডিসেম্বর ২০১২), [[w:হারেতজ|হারেতজ]]। * সবাই যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্তরে সম্পদ ভোগ করত যা বর্তমান বিশ্বের আকাঙ্ক্ষা তবে আপনার আরও চারটি বা পাঁচটি পৃথিবীর প্রয়োজন হতো। ** [https://www.theguardian.com/environment/2017/feb/25/half-all-species-extinct-end-century-vatican-conference জীববিজ্ঞানীরা মনে করেন শতাব্দীর শেষ নাগাদ ৫০% প্রজাতি বিলুপ্তির সম্মুখীন হবে]; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৭)। * আমি বহুবার বলেছি, 'নিরন্তর প্রবৃদ্ধি হলো ক্যান্সার কোষের ধর্ম'। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * শুরু করার জন্য, আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং সহায়ক গর্ভপাত সবার জন্য সহজলভ্য করুন এবং নারীদের পুরুষদের সমান পূর্ণ অধিকার, বেতন ও সুযোগ প্রদান করুন। আমি আশা করি এটি প্রজনন হারকে যথেষ্ট নিচে নামিয়ে আনবে যাতে জনসংখ্যার প্রয়োজনীয় সংকোচন সম্ভব হয়। [কিন্তু] মানবিক উপায়ে মোট জনসংখ্যাকে একটি টেকসই আকারে কমিয়ে আনতে অনেক দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হবে। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * আমাদের কাছে থাকা প্রমাণগুলো বলছে যে বিষাক্ত পদার্থ শিশুদের বুদ্ধিমত্তা কমিয়ে দেয় এবং সেই বিষক্রিয়ায় প্রবলভাবে প্রভাবিত প্রথম প্রজন্মের সদস্যরা এখন প্রাপ্তবয়স্ক। আমরা যে ''হোমো সেপিয়েন্স''-এর বুদ্ধিবৃত্তিক অবনতি ঘটাচ্ছি তার প্রথম অভিজ্ঞলব্ধ প্রমাণ ছিল ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বিতর্কগুলো এবং এর ফলে সৃষ্ট এক 'কাকিস্টোক্র্যাসি' (অযোগ্যদের শাসন)। অন্যদিকে, বিষক্রিয়া হয়তো জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে, কারণ শুক্রাণুর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * বিশ্বে অতিমাত্রায় ধনী মানুষের উপস্থিতি মানব ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় হুমকি; অন্যদিকে সাংস্কৃতিক এবং জেনেটিক বৈচিত্র্য হলো মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * জীবন এখন ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির স্তরে প্রবেশ করেছে। এটি সম্ভবত সবচেয়ে গুরুতর পরিবেশগত সমস্যা, কারণ একটি প্রজাতির বিলুপ্তি চিরস্থায়ী এবং তাদের প্রত্যেকেই আমাদের নির্ভরশীল এই জীবন্ত ব্যবস্থায় কমবেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান সংকটকে সংজ্ঞায়িতকারী এই প্রজাতি বিলুপ্তি মূলত তাদের অন্তর্ভুক্ত জনসংখ্যাগুলোর ব্যাপক অন্তর্ধানের ওপর ভিত্তি করে ঘটছে, যার বেশিরভাগই ১৮০০-এর দশকের পর থেকে শুরু হয়েছে। আমরা যে বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হোমো সেপিয়েন্সের কর্মকাণ্ডের কারণে ঘটছে। এর প্রায় পুরোটাই ঘটেছে প্রায় ১১,০০০ বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষদের কৃষি উদ্ভাবনের পর থেকে। সেই সময়ে বিশ্বজুড়ে আমাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ লক্ষ; এখন আমরা ৭৭০ কোটি এবং এই সংখ্যা এখনও দ্রুত বাড়ছে। আমাদের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মানবজাতি তার বিশাল সংখ্যক সহচর প্রাণীদের জন্য এক অভূতপূর্ব হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ** জেরার্ডো সেবালোস এবং পিটার এইচ. র‍্যাভেন-এর সাথে যৌথভাবে রচিত; "[https://www.pnas.org/content/early/2020/05/27/1922686117 জৈবিক বিনাশ এবং ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির সূচক হিসেবে প্রান্তিক মেরুদণ্ডী প্রাণী]"; ''পিএনএএস'', ১ জুন ২০২০। * 'গ্রোথম্যানিয়া' বা প্রবৃদ্ধির উন্মাদনা হলো সভ্যতার এক প্রাণঘাতী ব্যাধি একে এমন সব প্রচারণার দ্বারা প্রতিস্থাপিত করতে হবে যা সাম্য এবং জনকল্যাণকে সমাজের লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করবে, আবর্জনা তুল্য পণ্যের ভোগ বৃদ্ধিকে নয়। ** [https://www.theguardian.com/environment/2021/jan/13/top-scientists-warn-of-ghastly-future-of-mass-extinction-and-climate-disruption-aoe শীর্ষ বিজ্ঞানীরা গণবিলুপ্তি এবং জলবায়ু বিপর্যয়ের ‘ভয়াবহ ভবিষ্যৎ’ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন]; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০২১)। === পল এহর্লিচ অ্যান্ড দ্য পপুলেশন বোম্ব === কানাডিয়ান জীববিজ্ঞানী ডক্টর ডেভিড সুজুকি প্রযোজিত পিবিএস ভিডিও'পল এহর্লিচ অ্যান্ড দ্য পপুলেশন বোম্ব' * একটি সীমিত গ্রহে আমরা চিরকাল প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে পারব এই ধারণাটি সম্পূর্ণ মূর্খতাসুলভ... জঙ্ক-মেইল মার্কেটিংয়ের অধ্যাপক জুলিয়ান সাইমন এবং তাঁর অনুসারীরা মনে করেন যে প্রযুক্তি সবকিছু সমাধান করে দেবে... আমরা পৃথিবী শেষ করে ফেলব এবং তারপর মহাকাশযানে চড়ে অন্য কোথাও চলে যাব... প্রযুক্তি জীববৈচিত্র্য, বসবাসের জায়গা বা আবাদি জমির সমস্যার কোনো সমাধান করতে পারে না... সুপেয় পানি এবং আবাদি জমি হলো সীমিত সম্পদ... আমরা ইতিমধ্যে একটি টেকসই জীবনযাপনের সীমা অনেক আগেই অতিক্রম করেছি... আমেরিকার পূর্ব উপকূলের কোনো সমৃদ্ধ শহরে বসবাসকারী ব্যক্তির সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবতার চেয়ে অনেক ভিন্ন। বিশ্বের বেশিরভাগ অংশই গ্রীষ্মমন্ডলীয়, ক্ষুধার্ত এবং দরিদ্র। উন্নয়নশীল বিশ্ব এবং দক্ষিণ গোলার্ধ ভ্রমণ করলে আপনি বাস্তবতার এক ভিন্ন রূপ দেখতে পাবেন। * জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান করলেই বর্ণবাদ... লিঙ্গবৈষম্য... ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা... যুদ্ধ... কিংবা চরম অর্থনৈতিক বৈষম্যের সমাধান হয়ে যাবে না কিন্তু আপনি যদি জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান না করেন, তবে আপনি এই সমস্যাগুলোর একটিরও সমাধান করতে পারবেন না। আপনি যে সমস্যা নিয়েই আগ্রহী হন না কেন, জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান না করলে আপনি তাতে সফল হবেন না। '''আপনার উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ছাড়া সেটি একটি ব্যর্থ উদ্দেশ্যে পরিণত হতে বাধ্য।''' === ''দ্য পপুলেশন এক্সপ্লোশন'' (১৯৯০) === * ভূগর্ভস্থ জলস্তরের অতিরিক্ত ব্যবহারই একটি কারণ যার জন্য আমাদের ভূতাত্ত্বিক সহকর্মীরা নিশ্চিত যে, পানির অভাব মানব জনসংখ্যার এই বিস্ফোরণকে থামিয়ে দেবে। তেলের বিকল্প আছে; কিন্তু সুপেয় পানির কোনো বিকল্প নেই। * অতিরিক্ত জনসংখ্যা বা জনবিস্ফোরণ বোঝার চাবিকাঠি জনঘনত্ব নয়, বরং একটি এলাকার সম্পদের পরিমাণ এবং মানুষের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করার পরিবেশগত ক্ষমতার (অর্থাৎ ধারণক্ষমতা) বিপরীতে মানুষের সংখ্যা। একটি এলাকা কখন জনাকীর্ণ বা অতি-জনসংখ্যার শিকার হয়? যখন অ-নবায়নযোগ্য সম্পদ দ্রুত নিঃশেষ না করে সেই জনসংখ্যাকে আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না... '''এই মানদণ্ড অনুযায়ী, পুরো গ্রহ এবং কার্যত প্রতিটি দেশই ইতিমধ্যে বিশাল জনবিস্ফোরণের শিকার।''' == পল এহর্লিচ সম্পর্কে উক্তি == * মার্কিন জীববিজ্ঞানী পল এহর্লিচ একটি বাস্তুসংস্থানিক সম্প্রদায় থেকে প্রজাতির বিলুপ্তিকে একটি বিমানের ডানা থেকে যথেচ্ছভাবে রিভেট বা নাট-বল্টু খুলে ফেলার সাথে তুলনা করেছেন। একটি বা দুটি সরিয়ে ফেললে বিমানটি সম্ভবত ঠিকই থাকবে। দশটি, বিশটি বা পঞ্চাশটি সরিয়ে ফেললে কোনো এক মুহূর্তে একটি বিপর্যয়কর যান্ত্রিক ত্রুটি ঘটবে এবং বিমানটি আকাশ থেকে আছড়ে পড়বে। পতঙ্গরা হলো সেই রিভেট যা বাস্তুসংস্থানকে সচল রাখে... পল এহর্লিচের উপমা অনুযায়ী, আমরা হয়তো সেই বিন্দুটির খুব কাছাকাছি চলে এসেছি যেখানে বিমানের ডানা দুটি খুলে পড়ে যাবে। ** [[গ্রেটা থুনবার্গ]] সম্পাদিত 'দ্য ক্লাইমেট বুক' (২০২২)-এ [[ডেভ গুলসন]]। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:এহর্লিচ, পল আর.}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:পতঙ্গবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাস্তুসংস্থানবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাক্টিভিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিলাডেলফিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ম্যাকআর্থার ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্রাফোর্ড পুরস্কার বিজয়ী]] 2fkaz06r06ae4f59t5je723b5d4nsek 81682 81681 2026-04-27T15:48:59Z Sumanta3023 4175 81682 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Paul Ehrlich - 1974.jpg|থাম্ব|১৯৭৪ সালে পল আর. এহর্লিচ]] '''[[w:পল আর. এহর্লিচ|পল রাল্ফ এহর্লিচ]]''' (২৯ মে ১৯৩২ – ১৫ মার্চ ২০২৬) ছিলেন একজন [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন]] জীববিজ্ঞানী, যিনি মূলত জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং সীমিত সম্পদের পরিণাম সম্পর্কে তাঁর সতর্কবার্তার জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। == উক্তি == * আমি যদি একজন জুয়াড়ি হতাম, তবে আমি সমান বাজি ধরতাম যে ২০০০ সালে ইংল্যান্ডের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। ** ১৯৬৯ সালের উক্তি। {{cite web | url = http://www.wired.com/wired/archive/5.02/ffsimon_pr.html | title = দ্য ডুমস্লেয়ার | last = রেজিস | first = এড | work = [[ওয়াইয়ার্ড (ম্যাগাজিন)|ওয়াইয়ার্ড]] (সংখ্যা ৫.০২) | year = ১৯৯৭ | accessdate = ২০১০-০৩-০১ | archiveurl = http://www.webcitation.org/5Xu64dbNz | archivedate = ২০০৮-০৫-১৮ }} * প্রকৃতপক্ষে, এই মুহূর্তে সমাজকে সস্তা ও প্রচুর শক্তি সরবরাহ করা হবে একজন মূর্খ শিশুর হাতে মেশিনগান তুলে দেওয়ার নৈতিক সমতুল্য। সস্তা ও প্রচুর শক্তি হাতে পেলে, গ্রহের শেষ বিন্দু পর্যন্ত পাকা রাস্তা তৈরি, উন্নয়ন, শিল্পায়ন এবং শোষণের চেষ্টা স্পষ্টভাবে করা হবে এমন একটি প্রবণতা যা অনিবার্যভাবে আমাদের জীবন-ধারণের ব্যবস্থাগুলোকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে, যার ওপর এই সভ্যতা নির্ভরশীল। ** "অ্যান ইকোলজিস্ট'স পারসপেক্টিভ অন নিউক্লিয়ার পাওয়ার", [https://fas.org/faspir/archive/1970-1981/May-June1975.pdf ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস পাবলিক ইন্টারেস্ট রিপোর্ট ভলিউম ২৮, নং ৫-৬ (মে-জুন, ১৯৭৫)], পৃষ্ঠা ৫। * আসলে, পৃথিবীর সমস্যা হলো এখানে অনেক বেশি ধনী মানুষ বাস করে। ** [http://news.google.com/newspapers?id=TjAcAAAAIBAJ&sjid=KHoEAAAAIBAJ&pg=6924,333924&hl=en আমেরিকানরা কি গ্রহ লুণ্ঠন করছে?], অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, ৬ এপ্রিল ১৯৯০। * এরপর থেকে এমন কিছু বিষয় সামনে এসেছে যা সমস্যাটিকে অবিশ্বাস্যভাবে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে... ওজোন স্তরে ছিদ্র... অ্যাসিড বৃষ্টি... 'দ্য পপুলেশন বোম্ব' লেখার পর থেকে ত্রিশ কোটি মানুষ না খেয়ে মারা গেছে। দুর্ভিক্ষগুলো কৃষিবিদদের ধারণার মতো ততটা প্রকট হয়নি... দরিদ্র দেশগুলোতে... সবুজ বিপ্লব প্রযুক্তির বিস্তারের কারণে... বর্তমানে আমাদের যা দুশ্চিন্তায় ফেলছে তা হলো আমাদের খাদ্য উৎপাদন ব্যাপকভাবে বাড়াতে আবার কোনো মরিয়া পদক্ষেপ নেওয়ার পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে... ১৯৬৫ সালে আমরা জানতাম কীভাবে এটি করতে হয়, প্রশ্নটি ছিল আমরা কত দ্রুত তা বাস্তবায়ন করতে পারব আজকে আমাদের কাছে নতুন করে প্রয়োগ করার মতো কিছুই অবশিষ্ট নেই এটি অত্যন্ত ভীতিকর... একটি প্রজাতি হিসেবে আমরা আমাদের আয়ের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকতে পারছি না; আমরা আমাদের পুঁজি ভেঙে খাচ্ছি, আমাদের উর্বর কৃষি জমি ধ্বংস হচ্ছে, ভূগর্ভস্থ পানি অতিরিক্ত উত্তোলন করা হচ্ছে এবং আমাদের জীববৈচিত্র্য তথা জীবন-ধারণের ব্যবস্থাগুলো হুমকির মুখে সহনক্ষমতার সীমা আমরা আগেই অতিক্রম করেছি। ** কেকিউইডি রেডিও সিটি আর্টস অ্যান্ড লেকচারস, সান ফ্রান্সিসকো ১৯৯৬। * পরিবেশগত সংকটের প্রধান তিনটি উপাদানের মধ্যে কোনটি বেশি ক্ষতি করছে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা, সম্পদের অতিরিক্ত ভোগ নাকি দেশগুলোর মধ্যে সম্পদের অসম/অন্যায্য বণ্টন (যেখানে ধনী দেশগুলো দরিদ্র দেশগুলোর চেয়ে অনেক বেশি সম্পদ ভোগ করে) তা নিয়ে বিতর্ক করা অনেকটা ত্রিভুজের ভূমি না কি বাহু, কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে বিতর্ক করার মতো। আপনি এই তিনটি উপাদানকে আলাদা করতে পারবেন না। আমরা যদি অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে সংখ্যাগুলো বিশ্লেষণ করি, তবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে ভোগের চেয়ে জনসংখ্যার আকারের প্রভাব বেশি। অন্যদিকে, ভোগ এবং অসম বণ্টনও গুরুত্বপূর্ণ দিক। আমরা যদি একই সাথে এই তিনটি উপাদানে পরিবর্তন না আনি, তবে আমাদের জীবনযাত্রার মান নাটকীয়ভাবে বদলে যাবে। আজ মানবজাতি প্রকৃতির ওপর মারাত্মক আঘাত হানছে, কিন্তু এটি স্পষ্ট যে প্রকৃতিই শেষ আঘাতটি হানবে। ** পল এহর্লিচ, ''[http://www.haaretz.co.il/1.1875624 মানুষের উচিত অনেক কম সন্তান জন্ম দেওয়া, অন্যথায় সবচেয়ে খারাপ কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকা]'' (ডিসেম্বর ২০১২), [[w:হারেতজ|হারেতজ]]। * সবাই যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্তরে সম্পদ ভোগ করত যা বর্তমান বিশ্বের আকাঙ্ক্ষা তবে আপনার আরও চারটি বা পাঁচটি পৃথিবীর প্রয়োজন হতো। ** [https://www.theguardian.com/environment/2017/feb/25/half-all-species-extinct-end-century-vatican-conference জীববিজ্ঞানীরা মনে করেন শতাব্দীর শেষ নাগাদ ৫০% প্রজাতি বিলুপ্তির সম্মুখীন হবে]; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৭)। * আমি বহুবার বলেছি, 'নিরন্তর প্রবৃদ্ধি হলো ক্যান্সার কোষের ধর্ম'। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * শুরু করার জন্য, আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং সহায়ক গর্ভপাত সবার জন্য সহজলভ্য করুন এবং নারীদের পুরুষদের সমান পূর্ণ অধিকার, বেতন ও সুযোগ প্রদান করুন। আমি আশা করি এটি প্রজনন হারকে যথেষ্ট নিচে নামিয়ে আনবে যাতে জনসংখ্যার প্রয়োজনীয় সংকোচন সম্ভব হয়। [কিন্তু] মানবিক উপায়ে মোট জনসংখ্যাকে একটি টেকসই আকারে কমিয়ে আনতে অনেক দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হবে। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * আমাদের কাছে থাকা প্রমাণগুলো বলছে যে বিষাক্ত পদার্থ শিশুদের বুদ্ধিমত্তা কমিয়ে দেয় এবং সেই বিষক্রিয়ায় প্রবলভাবে প্রভাবিত প্রথম প্রজন্মের সদস্যরা এখন প্রাপ্তবয়স্ক। আমরা যে ''হোমো সেপিয়েন্স''-এর বুদ্ধিবৃত্তিক অবনতি ঘটাচ্ছি তার প্রথম অভিজ্ঞলব্ধ প্রমাণ ছিল ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বিতর্কগুলো এবং এর ফলে সৃষ্ট এক 'কাকিস্টোক্র্যাসি' (অযোগ্যদের শাসন)। অন্যদিকে, বিষক্রিয়া হয়তো জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে, কারণ শুক্রাণুর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * বিশ্বে অতিমাত্রায় ধনী মানুষের উপস্থিতি মানব ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় হুমকি; অন্যদিকে সাংস্কৃতিক এবং জেনেটিক বৈচিত্র্য হলো মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * জীবন এখন ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির স্তরে প্রবেশ করেছে। এটি সম্ভবত সবচেয়ে গুরুতর পরিবেশগত সমস্যা, কারণ একটি প্রজাতির বিলুপ্তি চিরস্থায়ী এবং তাদের প্রত্যেকেই আমাদের নির্ভরশীল এই জীবন্ত ব্যবস্থায় কমবেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান সংকটকে সংজ্ঞায়িতকারী এই প্রজাতি বিলুপ্তি মূলত তাদের অন্তর্ভুক্ত জনসংখ্যাগুলোর ব্যাপক অন্তর্ধানের ওপর ভিত্তি করে ঘটছে, যার বেশিরভাগই ১৮০০-এর দশকের পর থেকে শুরু হয়েছে। আমরা যে বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হোমো সেপিয়েন্সের কর্মকাণ্ডের কারণে ঘটছে। এর প্রায় পুরোটাই ঘটেছে প্রায় ১১,০০০ বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষদের কৃষি উদ্ভাবনের পর থেকে। সেই সময়ে বিশ্বজুড়ে আমাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ লক্ষ; এখন আমরা ৭৭০ কোটি এবং এই সংখ্যা এখনও দ্রুত বাড়ছে। আমাদের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মানবজাতি তার বিশাল সংখ্যক সহচর প্রাণীদের জন্য এক অভূতপূর্ব হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ** জেরার্ডো সেবালোস এবং পিটার এইচ. র‍্যাভেন-এর সাথে যৌথভাবে রচিত; "[https://www.pnas.org/content/early/2020/05/27/1922686117 জৈবিক বিনাশ এবং ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির সূচক হিসেবে প্রান্তিক মেরুদণ্ডী প্রাণী]"; ''পিএনএএস'', ১ জুন ২০২০। * 'গ্রোথম্যানিয়া' বা প্রবৃদ্ধির উন্মাদনা হলো সভ্যতার এক প্রাণঘাতী ব্যাধি একে এমন সব প্রচারণার দ্বারা প্রতিস্থাপিত করতে হবে যা সাম্য এবং জনকল্যাণকে সমাজের লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করবে, আবর্জনা তুল্য পণ্যের ভোগ বৃদ্ধিকে নয়। ** [https://www.theguardian.com/environment/2021/jan/13/top-scientists-warn-of-ghastly-future-of-mass-extinction-and-climate-disruption-aoe শীর্ষ বিজ্ঞানীরা গণবিলুপ্তি এবং জলবায়ু বিপর্যয়ের ‘ভয়াবহ ভবিষ্যৎ’ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন]; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০২১)। === পল এহর্লিচ অ্যান্ড দ্য পপুলেশন বোম্ব === কানাডিয়ান জীববিজ্ঞানী ডক্টর ডেভিড সুজুকি প্রযোজিত পিবিএস ভিডিও'পল এহর্লিচ অ্যান্ড দ্য পপুলেশন বোম্ব' * একটি সীমিত গ্রহে আমরা চিরকাল প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে পারব এই ধারণাটি সম্পূর্ণ মূর্খতাসুলভ... জঙ্ক-মেইল মার্কেটিংয়ের অধ্যাপক জুলিয়ান সাইমন এবং তাঁর অনুসারীরা মনে করেন যে প্রযুক্তি সবকিছু সমাধান করে দেবে... আমরা পৃথিবী শেষ করে ফেলব এবং তারপর মহাকাশযানে চড়ে অন্য কোথাও চলে যাব... প্রযুক্তি জীববৈচিত্র্য, বসবাসের জায়গা বা আবাদি জমির সমস্যার কোনো সমাধান করতে পারে না... সুপেয় পানি এবং আবাদি জমি হলো সীমিত সম্পদ... আমরা ইতিমধ্যে একটি টেকসই জীবনযাপনের সীমা অনেক আগেই অতিক্রম করেছি... আমেরিকার পূর্ব উপকূলের কোনো সমৃদ্ধ শহরে বসবাসকারী ব্যক্তির সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবতার চেয়ে অনেক ভিন্ন। বিশ্বের বেশিরভাগ অংশই গ্রীষ্মমন্ডলীয়, ক্ষুধার্ত এবং দরিদ্র। উন্নয়নশীল বিশ্ব এবং দক্ষিণ গোলার্ধ ভ্রমণ করলে আপনি বাস্তবতার এক ভিন্ন রূপ দেখতে পাবেন। * জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান করলেই বর্ণবাদ... লিঙ্গবৈষম্য... ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা... যুদ্ধ... কিংবা চরম অর্থনৈতিক বৈষম্যের সমাধান হয়ে যাবে না কিন্তু আপনি যদি জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান না করেন, তবে আপনি এই সমস্যাগুলোর একটিরও সমাধান করতে পারবেন না। আপনি যে সমস্যা নিয়েই আগ্রহী হন না কেন, জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান না করলে আপনি তাতে সফল হবেন না। '''আপনার উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ছাড়া সেটি একটি ব্যর্থ উদ্দেশ্যে পরিণত হতে বাধ্য।''' === ''দ্য পপুলেশন এক্সপ্লোশন'' (১৯৯০) === * ভূগর্ভস্থ জলস্তরের অতিরিক্ত ব্যবহারই একটি কারণ যার জন্য আমাদের ভূতাত্ত্বিক সহকর্মীরা নিশ্চিত যে, পানির অভাব মানব জনসংখ্যার এই বিস্ফোরণকে থামিয়ে দেবে। তেলের বিকল্প আছে; কিন্তু সুপেয় পানির কোনো বিকল্প নেই। * অতিরিক্ত জনসংখ্যা বা জনবিস্ফোরণ বোঝার চাবিকাঠি জনঘনত্ব নয়, বরং একটি এলাকার সম্পদের পরিমাণ এবং মানুষের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করার পরিবেশগত ক্ষমতার (অর্থাৎ ধারণক্ষমতা) বিপরীতে মানুষের সংখ্যা। একটি এলাকা কখন জনাকীর্ণ বা অতি-জনসংখ্যার শিকার হয়? যখন অ-নবায়নযোগ্য সম্পদ দ্রুত নিঃশেষ না করে সেই জনসংখ্যাকে আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না... '''এই মানদণ্ড অনুযায়ী, পুরো গ্রহ এবং কার্যত প্রতিটি দেশই ইতিমধ্যে বিশাল জনবিস্ফোরণের শিকার।''' == পল এহর্লিচ সম্পর্কে উক্তি == * মার্কিন জীববিজ্ঞানী পল এহর্লিচ একটি বাস্তুসংস্থানিক সম্প্রদায় থেকে প্রজাতির বিলুপ্তিকে একটি বিমানের ডানা থেকে যথেচ্ছভাবে রিভেট বা নাট-বল্টু খুলে ফেলার সাথে তুলনা করেছেন। একটি বা দুটি সরিয়ে ফেললে বিমানটি সম্ভবত ঠিকই থাকবে। দশটি, বিশটি বা পঞ্চাশটি সরিয়ে ফেললে কোনো এক মুহূর্তে একটি বিপর্যয়কর যান্ত্রিক ত্রুটি ঘটবে এবং বিমানটি আকাশ থেকে আছড়ে পড়বে। পতঙ্গরা হলো সেই রিভেট যা বাস্তুসংস্থানকে সচল রাখে... পল এহর্লিচের উপমা অনুযায়ী, আমরা হয়তো সেই বিন্দুটির খুব কাছাকাছি চলে এসেছি যেখানে বিমানের ডানা দুটি খুলে পড়ে যাবে। ** [[গ্রেটা থুনবার্গ]] সম্পাদিত 'দ্য ক্লাইমেট বুক' (২০২২)-এ [[ডেভ গুলসন]]। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:এহর্লিচ, পল আর.}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:পতঙ্গবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাস্তুসংস্থানবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাক্টিভিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিলাডেলফিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ম্যাকআর্থার ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্রাফোর্ড পুরস্কার বিজয়ী]] qv7errqgc5mvf4uiku1f8jfw8jgpoma 81683 81682 2026-04-27T15:49:40Z Sumanta3023 4175 /* উক্তি */ 81683 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Paul Ehrlich - 1974.jpg|থাম্ব|১৯৭৪ সালে পল আর. এহর্লিচ]] '''[[w:পল আর. এহর্লিচ|পল রাল্ফ এহর্লিচ]]''' (২৯ মে ১৯৩২ – ১৫ মার্চ ২০২৬) ছিলেন একজন [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন]] জীববিজ্ঞানী, যিনি মূলত জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং সীমিত সম্পদের পরিণাম সম্পর্কে তাঁর সতর্কবার্তার জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। == উক্তি == * আমি যদি একজন জুয়াড়ি হতাম, তবে আমি সমান বাজি ধরতাম যে ২০০০ সালে ইংল্যান্ডের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। ** ১৯৬৯ সালের উক্তি। {{cite web | url = http://www.wired.com/wired/archive/5.02/ffsimon_pr.html | title = দ্য ডুমস্লেয়ার | last = রেজিস | first = এড | work = ওয়াইয়ার্ড (সংখ্যা ৫.০২) | year = ১৯৯৭ | accessdate = ২০১০-০৩-০১ | archiveurl = http://www.webcitation.org/5Xu64dbNz | archivedate = ২০০৮-০৫-১৮ }} * প্রকৃতপক্ষে, এই মুহূর্তে সমাজকে সস্তা ও প্রচুর শক্তি সরবরাহ করা হবে একজন মূর্খ শিশুর হাতে মেশিনগান তুলে দেওয়ার নৈতিক সমতুল্য। সস্তা ও প্রচুর শক্তি হাতে পেলে, গ্রহের শেষ বিন্দু পর্যন্ত পাকা রাস্তা তৈরি, উন্নয়ন, শিল্পায়ন এবং শোষণের চেষ্টা স্পষ্টভাবে করা হবে এমন একটি প্রবণতা যা অনিবার্যভাবে আমাদের জীবন-ধারণের ব্যবস্থাগুলোকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে, যার ওপর এই সভ্যতা নির্ভরশীল। ** "অ্যান ইকোলজিস্ট'স পারসপেক্টিভ অন নিউক্লিয়ার পাওয়ার", [https://fas.org/faspir/archive/1970-1981/May-June1975.pdf ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস পাবলিক ইন্টারেস্ট রিপোর্ট ভলিউম ২৮, নং ৫-৬ (মে-জুন, ১৯৭৫)], পৃষ্ঠা ৫। * আসলে, পৃথিবীর সমস্যা হলো এখানে অনেক বেশি ধনী মানুষ বাস করে। ** [http://news.google.com/newspapers?id=TjAcAAAAIBAJ&sjid=KHoEAAAAIBAJ&pg=6924,333924&hl=en আমেরিকানরা কি গ্রহ লুণ্ঠন করছে?], অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, ৬ এপ্রিল ১৯৯০। * এরপর থেকে এমন কিছু বিষয় সামনে এসেছে যা সমস্যাটিকে অবিশ্বাস্যভাবে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে... ওজোন স্তরে ছিদ্র... অ্যাসিড বৃষ্টি... 'দ্য পপুলেশন বোম্ব' লেখার পর থেকে ত্রিশ কোটি মানুষ না খেয়ে মারা গেছে। দুর্ভিক্ষগুলো কৃষিবিদদের ধারণার মতো ততটা প্রকট হয়নি... দরিদ্র দেশগুলোতে... সবুজ বিপ্লব প্রযুক্তির বিস্তারের কারণে... বর্তমানে আমাদের যা দুশ্চিন্তায় ফেলছে তা হলো আমাদের খাদ্য উৎপাদন ব্যাপকভাবে বাড়াতে আবার কোনো মরিয়া পদক্ষেপ নেওয়ার পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে... ১৯৬৫ সালে আমরা জানতাম কীভাবে এটি করতে হয়, প্রশ্নটি ছিল আমরা কত দ্রুত তা বাস্তবায়ন করতে পারব আজকে আমাদের কাছে নতুন করে প্রয়োগ করার মতো কিছুই অবশিষ্ট নেই এটি অত্যন্ত ভীতিকর... একটি প্রজাতি হিসেবে আমরা আমাদের আয়ের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকতে পারছি না; আমরা আমাদের পুঁজি ভেঙে খাচ্ছি, আমাদের উর্বর কৃষি জমি ধ্বংস হচ্ছে, ভূগর্ভস্থ পানি অতিরিক্ত উত্তোলন করা হচ্ছে এবং আমাদের জীববৈচিত্র্য তথা জীবন-ধারণের ব্যবস্থাগুলো হুমকির মুখে সহনক্ষমতার সীমা আমরা আগেই অতিক্রম করেছি। ** কেকিউইডি রেডিও সিটি আর্টস অ্যান্ড লেকচারস, সান ফ্রান্সিসকো ১৯৯৬। * পরিবেশগত সংকটের প্রধান তিনটি উপাদানের মধ্যে কোনটি বেশি ক্ষতি করছে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা, সম্পদের অতিরিক্ত ভোগ নাকি দেশগুলোর মধ্যে সম্পদের অসম/অন্যায্য বণ্টন (যেখানে ধনী দেশগুলো দরিদ্র দেশগুলোর চেয়ে অনেক বেশি সম্পদ ভোগ করে) তা নিয়ে বিতর্ক করা অনেকটা ত্রিভুজের ভূমি না কি বাহু, কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে বিতর্ক করার মতো। আপনি এই তিনটি উপাদানকে আলাদা করতে পারবেন না। আমরা যদি অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে সংখ্যাগুলো বিশ্লেষণ করি, তবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে ভোগের চেয়ে জনসংখ্যার আকারের প্রভাব বেশি। অন্যদিকে, ভোগ এবং অসম বণ্টনও গুরুত্বপূর্ণ দিক। আমরা যদি একই সাথে এই তিনটি উপাদানে পরিবর্তন না আনি, তবে আমাদের জীবনযাত্রার মান নাটকীয়ভাবে বদলে যাবে। আজ মানবজাতি প্রকৃতির ওপর মারাত্মক আঘাত হানছে, কিন্তু এটি স্পষ্ট যে প্রকৃতিই শেষ আঘাতটি হানবে। ** পল এহর্লিচ, ''[http://www.haaretz.co.il/1.1875624 মানুষের উচিত অনেক কম সন্তান জন্ম দেওয়া, অন্যথায় সবচেয়ে খারাপ কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকা]'' (ডিসেম্বর ২০১২), [[w:হারেতজ|হারেতজ]]। * সবাই যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্তরে সম্পদ ভোগ করত যা বর্তমান বিশ্বের আকাঙ্ক্ষা তবে আপনার আরও চারটি বা পাঁচটি পৃথিবীর প্রয়োজন হতো। ** [https://www.theguardian.com/environment/2017/feb/25/half-all-species-extinct-end-century-vatican-conference জীববিজ্ঞানীরা মনে করেন শতাব্দীর শেষ নাগাদ ৫০% প্রজাতি বিলুপ্তির সম্মুখীন হবে]; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৭)। * আমি বহুবার বলেছি, 'নিরন্তর প্রবৃদ্ধি হলো ক্যান্সার কোষের ধর্ম'। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * শুরু করার জন্য, আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং সহায়ক গর্ভপাত সবার জন্য সহজলভ্য করুন এবং নারীদের পুরুষদের সমান পূর্ণ অধিকার, বেতন ও সুযোগ প্রদান করুন। আমি আশা করি এটি প্রজনন হারকে যথেষ্ট নিচে নামিয়ে আনবে যাতে জনসংখ্যার প্রয়োজনীয় সংকোচন সম্ভব হয়। [কিন্তু] মানবিক উপায়ে মোট জনসংখ্যাকে একটি টেকসই আকারে কমিয়ে আনতে অনেক দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হবে। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * আমাদের কাছে থাকা প্রমাণগুলো বলছে যে বিষাক্ত পদার্থ শিশুদের বুদ্ধিমত্তা কমিয়ে দেয় এবং সেই বিষক্রিয়ায় প্রবলভাবে প্রভাবিত প্রথম প্রজন্মের সদস্যরা এখন প্রাপ্তবয়স্ক। আমরা যে ''হোমো সেপিয়েন্স''-এর বুদ্ধিবৃত্তিক অবনতি ঘটাচ্ছি তার প্রথম অভিজ্ঞলব্ধ প্রমাণ ছিল ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বিতর্কগুলো এবং এর ফলে সৃষ্ট এক 'কাকিস্টোক্র্যাসি' (অযোগ্যদের শাসন)। অন্যদিকে, বিষক্রিয়া হয়তো জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে, কারণ শুক্রাণুর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * বিশ্বে অতিমাত্রায় ধনী মানুষের উপস্থিতি মানব ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় হুমকি; অন্যদিকে সাংস্কৃতিক এবং জেনেটিক বৈচিত্র্য হলো মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * জীবন এখন ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির স্তরে প্রবেশ করেছে। এটি সম্ভবত সবচেয়ে গুরুতর পরিবেশগত সমস্যা, কারণ একটি প্রজাতির বিলুপ্তি চিরস্থায়ী এবং তাদের প্রত্যেকেই আমাদের নির্ভরশীল এই জীবন্ত ব্যবস্থায় কমবেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান সংকটকে সংজ্ঞায়িতকারী এই প্রজাতি বিলুপ্তি মূলত তাদের অন্তর্ভুক্ত জনসংখ্যাগুলোর ব্যাপক অন্তর্ধানের ওপর ভিত্তি করে ঘটছে, যার বেশিরভাগই ১৮০০-এর দশকের পর থেকে শুরু হয়েছে। আমরা যে বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হোমো সেপিয়েন্সের কর্মকাণ্ডের কারণে ঘটছে। এর প্রায় পুরোটাই ঘটেছে প্রায় ১১,০০০ বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষদের কৃষি উদ্ভাবনের পর থেকে। সেই সময়ে বিশ্বজুড়ে আমাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ লক্ষ; এখন আমরা ৭৭০ কোটি এবং এই সংখ্যা এখনও দ্রুত বাড়ছে। আমাদের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মানবজাতি তার বিশাল সংখ্যক সহচর প্রাণীদের জন্য এক অভূতপূর্ব হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ** জেরার্ডো সেবালোস এবং পিটার এইচ. র‍্যাভেন-এর সাথে যৌথভাবে রচিত; "[https://www.pnas.org/content/early/2020/05/27/1922686117 জৈবিক বিনাশ এবং ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির সূচক হিসেবে প্রান্তিক মেরুদণ্ডী প্রাণী]"; ''পিএনএএস'', ১ জুন ২০২০। * 'গ্রোথম্যানিয়া' বা প্রবৃদ্ধির উন্মাদনা হলো সভ্যতার এক প্রাণঘাতী ব্যাধি একে এমন সব প্রচারণার দ্বারা প্রতিস্থাপিত করতে হবে যা সাম্য এবং জনকল্যাণকে সমাজের লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করবে, আবর্জনা তুল্য পণ্যের ভোগ বৃদ্ধিকে নয়। ** [https://www.theguardian.com/environment/2021/jan/13/top-scientists-warn-of-ghastly-future-of-mass-extinction-and-climate-disruption-aoe শীর্ষ বিজ্ঞানীরা গণবিলুপ্তি এবং জলবায়ু বিপর্যয়ের ‘ভয়াবহ ভবিষ্যৎ’ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন]; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০২১)। === পল এহর্লিচ অ্যান্ড দ্য পপুলেশন বোম্ব === কানাডিয়ান জীববিজ্ঞানী ডক্টর ডেভিড সুজুকি প্রযোজিত পিবিএস ভিডিও'পল এহর্লিচ অ্যান্ড দ্য পপুলেশন বোম্ব' * একটি সীমিত গ্রহে আমরা চিরকাল প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে পারব এই ধারণাটি সম্পূর্ণ মূর্খতাসুলভ... জঙ্ক-মেইল মার্কেটিংয়ের অধ্যাপক জুলিয়ান সাইমন এবং তাঁর অনুসারীরা মনে করেন যে প্রযুক্তি সবকিছু সমাধান করে দেবে... আমরা পৃথিবী শেষ করে ফেলব এবং তারপর মহাকাশযানে চড়ে অন্য কোথাও চলে যাব... প্রযুক্তি জীববৈচিত্র্য, বসবাসের জায়গা বা আবাদি জমির সমস্যার কোনো সমাধান করতে পারে না... সুপেয় পানি এবং আবাদি জমি হলো সীমিত সম্পদ... আমরা ইতিমধ্যে একটি টেকসই জীবনযাপনের সীমা অনেক আগেই অতিক্রম করেছি... আমেরিকার পূর্ব উপকূলের কোনো সমৃদ্ধ শহরে বসবাসকারী ব্যক্তির সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবতার চেয়ে অনেক ভিন্ন। বিশ্বের বেশিরভাগ অংশই গ্রীষ্মমন্ডলীয়, ক্ষুধার্ত এবং দরিদ্র। উন্নয়নশীল বিশ্ব এবং দক্ষিণ গোলার্ধ ভ্রমণ করলে আপনি বাস্তবতার এক ভিন্ন রূপ দেখতে পাবেন। * জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান করলেই বর্ণবাদ... লিঙ্গবৈষম্য... ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা... যুদ্ধ... কিংবা চরম অর্থনৈতিক বৈষম্যের সমাধান হয়ে যাবে না কিন্তু আপনি যদি জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান না করেন, তবে আপনি এই সমস্যাগুলোর একটিরও সমাধান করতে পারবেন না। আপনি যে সমস্যা নিয়েই আগ্রহী হন না কেন, জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান না করলে আপনি তাতে সফল হবেন না। '''আপনার উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ছাড়া সেটি একটি ব্যর্থ উদ্দেশ্যে পরিণত হতে বাধ্য।''' === ''দ্য পপুলেশন এক্সপ্লোশন'' (১৯৯০) === * ভূগর্ভস্থ জলস্তরের অতিরিক্ত ব্যবহারই একটি কারণ যার জন্য আমাদের ভূতাত্ত্বিক সহকর্মীরা নিশ্চিত যে, পানির অভাব মানব জনসংখ্যার এই বিস্ফোরণকে থামিয়ে দেবে। তেলের বিকল্প আছে; কিন্তু সুপেয় পানির কোনো বিকল্প নেই। * অতিরিক্ত জনসংখ্যা বা জনবিস্ফোরণ বোঝার চাবিকাঠি জনঘনত্ব নয়, বরং একটি এলাকার সম্পদের পরিমাণ এবং মানুষের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করার পরিবেশগত ক্ষমতার (অর্থাৎ ধারণক্ষমতা) বিপরীতে মানুষের সংখ্যা। একটি এলাকা কখন জনাকীর্ণ বা অতি-জনসংখ্যার শিকার হয়? যখন অ-নবায়নযোগ্য সম্পদ দ্রুত নিঃশেষ না করে সেই জনসংখ্যাকে আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না... '''এই মানদণ্ড অনুযায়ী, পুরো গ্রহ এবং কার্যত প্রতিটি দেশই ইতিমধ্যে বিশাল জনবিস্ফোরণের শিকার।''' == পল এহর্লিচ সম্পর্কে উক্তি == * মার্কিন জীববিজ্ঞানী পল এহর্লিচ একটি বাস্তুসংস্থানিক সম্প্রদায় থেকে প্রজাতির বিলুপ্তিকে একটি বিমানের ডানা থেকে যথেচ্ছভাবে রিভেট বা নাট-বল্টু খুলে ফেলার সাথে তুলনা করেছেন। একটি বা দুটি সরিয়ে ফেললে বিমানটি সম্ভবত ঠিকই থাকবে। দশটি, বিশটি বা পঞ্চাশটি সরিয়ে ফেললে কোনো এক মুহূর্তে একটি বিপর্যয়কর যান্ত্রিক ত্রুটি ঘটবে এবং বিমানটি আকাশ থেকে আছড়ে পড়বে। পতঙ্গরা হলো সেই রিভেট যা বাস্তুসংস্থানকে সচল রাখে... পল এহর্লিচের উপমা অনুযায়ী, আমরা হয়তো সেই বিন্দুটির খুব কাছাকাছি চলে এসেছি যেখানে বিমানের ডানা দুটি খুলে পড়ে যাবে। ** [[গ্রেটা থুনবার্গ]] সম্পাদিত 'দ্য ক্লাইমেট বুক' (২০২২)-এ [[ডেভ গুলসন]]। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:এহর্লিচ, পল আর.}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:পতঙ্গবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাস্তুসংস্থানবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাক্টিভিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিলাডেলফিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ম্যাকআর্থার ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্রাফোর্ড পুরস্কার বিজয়ী]] 2a21nle65jqwdbcdm9kqdmgu22ubffo 81684 81683 2026-04-27T15:50:05Z Sumanta3023 4175 /* পল এহর্লিচ সম্পর্কে উক্তি */ 81684 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Paul Ehrlich - 1974.jpg|থাম্ব|১৯৭৪ সালে পল আর. এহর্লিচ]] '''[[w:পল আর. এহর্লিচ|পল রাল্ফ এহর্লিচ]]''' (২৯ মে ১৯৩২ – ১৫ মার্চ ২০২৬) ছিলেন একজন [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন]] জীববিজ্ঞানী, যিনি মূলত জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং সীমিত সম্পদের পরিণাম সম্পর্কে তাঁর সতর্কবার্তার জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। == উক্তি == * আমি যদি একজন জুয়াড়ি হতাম, তবে আমি সমান বাজি ধরতাম যে ২০০০ সালে ইংল্যান্ডের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। ** ১৯৬৯ সালের উক্তি। {{cite web | url = http://www.wired.com/wired/archive/5.02/ffsimon_pr.html | title = দ্য ডুমস্লেয়ার | last = রেজিস | first = এড | work = ওয়াইয়ার্ড (সংখ্যা ৫.০২) | year = ১৯৯৭ | accessdate = ২০১০-০৩-০১ | archiveurl = http://www.webcitation.org/5Xu64dbNz | archivedate = ২০০৮-০৫-১৮ }} * প্রকৃতপক্ষে, এই মুহূর্তে সমাজকে সস্তা ও প্রচুর শক্তি সরবরাহ করা হবে একজন মূর্খ শিশুর হাতে মেশিনগান তুলে দেওয়ার নৈতিক সমতুল্য। সস্তা ও প্রচুর শক্তি হাতে পেলে, গ্রহের শেষ বিন্দু পর্যন্ত পাকা রাস্তা তৈরি, উন্নয়ন, শিল্পায়ন এবং শোষণের চেষ্টা স্পষ্টভাবে করা হবে এমন একটি প্রবণতা যা অনিবার্যভাবে আমাদের জীবন-ধারণের ব্যবস্থাগুলোকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে, যার ওপর এই সভ্যতা নির্ভরশীল। ** "অ্যান ইকোলজিস্ট'স পারসপেক্টিভ অন নিউক্লিয়ার পাওয়ার", [https://fas.org/faspir/archive/1970-1981/May-June1975.pdf ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস পাবলিক ইন্টারেস্ট রিপোর্ট ভলিউম ২৮, নং ৫-৬ (মে-জুন, ১৯৭৫)], পৃষ্ঠা ৫। * আসলে, পৃথিবীর সমস্যা হলো এখানে অনেক বেশি ধনী মানুষ বাস করে। ** [http://news.google.com/newspapers?id=TjAcAAAAIBAJ&sjid=KHoEAAAAIBAJ&pg=6924,333924&hl=en আমেরিকানরা কি গ্রহ লুণ্ঠন করছে?], অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, ৬ এপ্রিল ১৯৯০। * এরপর থেকে এমন কিছু বিষয় সামনে এসেছে যা সমস্যাটিকে অবিশ্বাস্যভাবে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে... ওজোন স্তরে ছিদ্র... অ্যাসিড বৃষ্টি... 'দ্য পপুলেশন বোম্ব' লেখার পর থেকে ত্রিশ কোটি মানুষ না খেয়ে মারা গেছে। দুর্ভিক্ষগুলো কৃষিবিদদের ধারণার মতো ততটা প্রকট হয়নি... দরিদ্র দেশগুলোতে... সবুজ বিপ্লব প্রযুক্তির বিস্তারের কারণে... বর্তমানে আমাদের যা দুশ্চিন্তায় ফেলছে তা হলো আমাদের খাদ্য উৎপাদন ব্যাপকভাবে বাড়াতে আবার কোনো মরিয়া পদক্ষেপ নেওয়ার পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে... ১৯৬৫ সালে আমরা জানতাম কীভাবে এটি করতে হয়, প্রশ্নটি ছিল আমরা কত দ্রুত তা বাস্তবায়ন করতে পারব আজকে আমাদের কাছে নতুন করে প্রয়োগ করার মতো কিছুই অবশিষ্ট নেই এটি অত্যন্ত ভীতিকর... একটি প্রজাতি হিসেবে আমরা আমাদের আয়ের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকতে পারছি না; আমরা আমাদের পুঁজি ভেঙে খাচ্ছি, আমাদের উর্বর কৃষি জমি ধ্বংস হচ্ছে, ভূগর্ভস্থ পানি অতিরিক্ত উত্তোলন করা হচ্ছে এবং আমাদের জীববৈচিত্র্য তথা জীবন-ধারণের ব্যবস্থাগুলো হুমকির মুখে সহনক্ষমতার সীমা আমরা আগেই অতিক্রম করেছি। ** কেকিউইডি রেডিও সিটি আর্টস অ্যান্ড লেকচারস, সান ফ্রান্সিসকো ১৯৯৬। * পরিবেশগত সংকটের প্রধান তিনটি উপাদানের মধ্যে কোনটি বেশি ক্ষতি করছে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা, সম্পদের অতিরিক্ত ভোগ নাকি দেশগুলোর মধ্যে সম্পদের অসম/অন্যায্য বণ্টন (যেখানে ধনী দেশগুলো দরিদ্র দেশগুলোর চেয়ে অনেক বেশি সম্পদ ভোগ করে) তা নিয়ে বিতর্ক করা অনেকটা ত্রিভুজের ভূমি না কি বাহু, কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে বিতর্ক করার মতো। আপনি এই তিনটি উপাদানকে আলাদা করতে পারবেন না। আমরা যদি অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে সংখ্যাগুলো বিশ্লেষণ করি, তবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে ভোগের চেয়ে জনসংখ্যার আকারের প্রভাব বেশি। অন্যদিকে, ভোগ এবং অসম বণ্টনও গুরুত্বপূর্ণ দিক। আমরা যদি একই সাথে এই তিনটি উপাদানে পরিবর্তন না আনি, তবে আমাদের জীবনযাত্রার মান নাটকীয়ভাবে বদলে যাবে। আজ মানবজাতি প্রকৃতির ওপর মারাত্মক আঘাত হানছে, কিন্তু এটি স্পষ্ট যে প্রকৃতিই শেষ আঘাতটি হানবে। ** পল এহর্লিচ, ''[http://www.haaretz.co.il/1.1875624 মানুষের উচিত অনেক কম সন্তান জন্ম দেওয়া, অন্যথায় সবচেয়ে খারাপ কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকা]'' (ডিসেম্বর ২০১২), [[w:হারেতজ|হারেতজ]]। * সবাই যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্তরে সম্পদ ভোগ করত যা বর্তমান বিশ্বের আকাঙ্ক্ষা তবে আপনার আরও চারটি বা পাঁচটি পৃথিবীর প্রয়োজন হতো। ** [https://www.theguardian.com/environment/2017/feb/25/half-all-species-extinct-end-century-vatican-conference জীববিজ্ঞানীরা মনে করেন শতাব্দীর শেষ নাগাদ ৫০% প্রজাতি বিলুপ্তির সম্মুখীন হবে]; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৭)। * আমি বহুবার বলেছি, 'নিরন্তর প্রবৃদ্ধি হলো ক্যান্সার কোষের ধর্ম'। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * শুরু করার জন্য, আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং সহায়ক গর্ভপাত সবার জন্য সহজলভ্য করুন এবং নারীদের পুরুষদের সমান পূর্ণ অধিকার, বেতন ও সুযোগ প্রদান করুন। আমি আশা করি এটি প্রজনন হারকে যথেষ্ট নিচে নামিয়ে আনবে যাতে জনসংখ্যার প্রয়োজনীয় সংকোচন সম্ভব হয়। [কিন্তু] মানবিক উপায়ে মোট জনসংখ্যাকে একটি টেকসই আকারে কমিয়ে আনতে অনেক দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হবে। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * আমাদের কাছে থাকা প্রমাণগুলো বলছে যে বিষাক্ত পদার্থ শিশুদের বুদ্ধিমত্তা কমিয়ে দেয় এবং সেই বিষক্রিয়ায় প্রবলভাবে প্রভাবিত প্রথম প্রজন্মের সদস্যরা এখন প্রাপ্তবয়স্ক। আমরা যে ''হোমো সেপিয়েন্স''-এর বুদ্ধিবৃত্তিক অবনতি ঘটাচ্ছি তার প্রথম অভিজ্ঞলব্ধ প্রমাণ ছিল ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বিতর্কগুলো এবং এর ফলে সৃষ্ট এক 'কাকিস্টোক্র্যাসি' (অযোগ্যদের শাসন)। অন্যদিকে, বিষক্রিয়া হয়তো জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে, কারণ শুক্রাণুর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * বিশ্বে অতিমাত্রায় ধনী মানুষের উপস্থিতি মানব ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় হুমকি; অন্যদিকে সাংস্কৃতিক এবং জেনেটিক বৈচিত্র্য হলো মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * জীবন এখন ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির স্তরে প্রবেশ করেছে। এটি সম্ভবত সবচেয়ে গুরুতর পরিবেশগত সমস্যা, কারণ একটি প্রজাতির বিলুপ্তি চিরস্থায়ী এবং তাদের প্রত্যেকেই আমাদের নির্ভরশীল এই জীবন্ত ব্যবস্থায় কমবেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান সংকটকে সংজ্ঞায়িতকারী এই প্রজাতি বিলুপ্তি মূলত তাদের অন্তর্ভুক্ত জনসংখ্যাগুলোর ব্যাপক অন্তর্ধানের ওপর ভিত্তি করে ঘটছে, যার বেশিরভাগই ১৮০০-এর দশকের পর থেকে শুরু হয়েছে। আমরা যে বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হোমো সেপিয়েন্সের কর্মকাণ্ডের কারণে ঘটছে। এর প্রায় পুরোটাই ঘটেছে প্রায় ১১,০০০ বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষদের কৃষি উদ্ভাবনের পর থেকে। সেই সময়ে বিশ্বজুড়ে আমাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ লক্ষ; এখন আমরা ৭৭০ কোটি এবং এই সংখ্যা এখনও দ্রুত বাড়ছে। আমাদের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মানবজাতি তার বিশাল সংখ্যক সহচর প্রাণীদের জন্য এক অভূতপূর্ব হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ** জেরার্ডো সেবালোস এবং পিটার এইচ. র‍্যাভেন-এর সাথে যৌথভাবে রচিত; "[https://www.pnas.org/content/early/2020/05/27/1922686117 জৈবিক বিনাশ এবং ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির সূচক হিসেবে প্রান্তিক মেরুদণ্ডী প্রাণী]"; ''পিএনএএস'', ১ জুন ২০২০। * 'গ্রোথম্যানিয়া' বা প্রবৃদ্ধির উন্মাদনা হলো সভ্যতার এক প্রাণঘাতী ব্যাধি একে এমন সব প্রচারণার দ্বারা প্রতিস্থাপিত করতে হবে যা সাম্য এবং জনকল্যাণকে সমাজের লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করবে, আবর্জনা তুল্য পণ্যের ভোগ বৃদ্ধিকে নয়। ** [https://www.theguardian.com/environment/2021/jan/13/top-scientists-warn-of-ghastly-future-of-mass-extinction-and-climate-disruption-aoe শীর্ষ বিজ্ঞানীরা গণবিলুপ্তি এবং জলবায়ু বিপর্যয়ের ‘ভয়াবহ ভবিষ্যৎ’ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন]; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০২১)। === পল এহর্লিচ অ্যান্ড দ্য পপুলেশন বোম্ব === কানাডিয়ান জীববিজ্ঞানী ডক্টর ডেভিড সুজুকি প্রযোজিত পিবিএস ভিডিও'পল এহর্লিচ অ্যান্ড দ্য পপুলেশন বোম্ব' * একটি সীমিত গ্রহে আমরা চিরকাল প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে পারব এই ধারণাটি সম্পূর্ণ মূর্খতাসুলভ... জঙ্ক-মেইল মার্কেটিংয়ের অধ্যাপক জুলিয়ান সাইমন এবং তাঁর অনুসারীরা মনে করেন যে প্রযুক্তি সবকিছু সমাধান করে দেবে... আমরা পৃথিবী শেষ করে ফেলব এবং তারপর মহাকাশযানে চড়ে অন্য কোথাও চলে যাব... প্রযুক্তি জীববৈচিত্র্য, বসবাসের জায়গা বা আবাদি জমির সমস্যার কোনো সমাধান করতে পারে না... সুপেয় পানি এবং আবাদি জমি হলো সীমিত সম্পদ... আমরা ইতিমধ্যে একটি টেকসই জীবনযাপনের সীমা অনেক আগেই অতিক্রম করেছি... আমেরিকার পূর্ব উপকূলের কোনো সমৃদ্ধ শহরে বসবাসকারী ব্যক্তির সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবতার চেয়ে অনেক ভিন্ন। বিশ্বের বেশিরভাগ অংশই গ্রীষ্মমন্ডলীয়, ক্ষুধার্ত এবং দরিদ্র। উন্নয়নশীল বিশ্ব এবং দক্ষিণ গোলার্ধ ভ্রমণ করলে আপনি বাস্তবতার এক ভিন্ন রূপ দেখতে পাবেন। * জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান করলেই বর্ণবাদ... লিঙ্গবৈষম্য... ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা... যুদ্ধ... কিংবা চরম অর্থনৈতিক বৈষম্যের সমাধান হয়ে যাবে না কিন্তু আপনি যদি জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান না করেন, তবে আপনি এই সমস্যাগুলোর একটিরও সমাধান করতে পারবেন না। আপনি যে সমস্যা নিয়েই আগ্রহী হন না কেন, জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান না করলে আপনি তাতে সফল হবেন না। '''আপনার উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ছাড়া সেটি একটি ব্যর্থ উদ্দেশ্যে পরিণত হতে বাধ্য।''' === ''দ্য পপুলেশন এক্সপ্লোশন'' (১৯৯০) === * ভূগর্ভস্থ জলস্তরের অতিরিক্ত ব্যবহারই একটি কারণ যার জন্য আমাদের ভূতাত্ত্বিক সহকর্মীরা নিশ্চিত যে, পানির অভাব মানব জনসংখ্যার এই বিস্ফোরণকে থামিয়ে দেবে। তেলের বিকল্প আছে; কিন্তু সুপেয় পানির কোনো বিকল্প নেই। * অতিরিক্ত জনসংখ্যা বা জনবিস্ফোরণ বোঝার চাবিকাঠি জনঘনত্ব নয়, বরং একটি এলাকার সম্পদের পরিমাণ এবং মানুষের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করার পরিবেশগত ক্ষমতার (অর্থাৎ ধারণক্ষমতা) বিপরীতে মানুষের সংখ্যা। একটি এলাকা কখন জনাকীর্ণ বা অতি-জনসংখ্যার শিকার হয়? যখন অ-নবায়নযোগ্য সম্পদ দ্রুত নিঃশেষ না করে সেই জনসংখ্যাকে আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না... '''এই মানদণ্ড অনুযায়ী, পুরো গ্রহ এবং কার্যত প্রতিটি দেশই ইতিমধ্যে বিশাল জনবিস্ফোরণের শিকার।''' == পল এহর্লিচ সম্পর্কে উক্তি == * মার্কিন জীববিজ্ঞানী পল এহর্লিচ একটি বাস্তুসংস্থানিক সম্প্রদায় থেকে প্রজাতির বিলুপ্তিকে একটি বিমানের ডানা থেকে যথেচ্ছভাবে রিভেট বা নাট-বল্টু খুলে ফেলার সাথে তুলনা করেছেন। একটি বা দুটি সরিয়ে ফেললে বিমানটি সম্ভবত ঠিকই থাকবে। দশটি, বিশটি বা পঞ্চাশটি সরিয়ে ফেললে কোনো এক মুহূর্তে একটি বিপর্যয়কর যান্ত্রিক ত্রুটি ঘটবে এবং বিমানটি আকাশ থেকে আছড়ে পড়বে। পতঙ্গরা হলো সেই রিভেট যা বাস্তুসংস্থানকে সচল রাখে... পল এহর্লিচের উপমা অনুযায়ী, আমরা হয়তো সেই বিন্দুটির খুব কাছাকাছি চলে এসেছি যেখানে বিমানের ডানা দুটি খুলে পড়ে যাবে। ** [[গ্রেটা থুনবার্গ]] সম্পাদিত 'দ্য ক্লাইমেট বুক' (২০২২)-এ ডেভ গুলসন। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:এহর্লিচ, পল আর.}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:পতঙ্গবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাস্তুসংস্থানবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাক্টিভিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিলাডেলফিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ম্যাকআর্থার ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্রাফোর্ড পুরস্কার বিজয়ী]] j5hvibmnsmbuoyeixzysk4ehftxipud 81727 81684 2026-04-27T19:30:31Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]] যোগ 81727 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Paul Ehrlich - 1974.jpg|থাম্ব|১৯৭৪ সালে পল আর. এহর্লিচ]] '''[[w:পল আর. এহর্লিচ|পল রাল্ফ এহর্লিচ]]''' (২৯ মে ১৯৩২ – ১৫ মার্চ ২০২৬) ছিলেন একজন [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন]] জীববিজ্ঞানী, যিনি মূলত জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং সীমিত সম্পদের পরিণাম সম্পর্কে তাঁর সতর্কবার্তার জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। == উক্তি == * আমি যদি একজন জুয়াড়ি হতাম, তবে আমি সমান বাজি ধরতাম যে ২০০০ সালে ইংল্যান্ডের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। ** ১৯৬৯ সালের উক্তি। {{cite web | url = http://www.wired.com/wired/archive/5.02/ffsimon_pr.html | title = দ্য ডুমস্লেয়ার | last = রেজিস | first = এড | work = ওয়াইয়ার্ড (সংখ্যা ৫.০২) | year = ১৯৯৭ | accessdate = ২০১০-০৩-০১ | archiveurl = http://www.webcitation.org/5Xu64dbNz | archivedate = ২০০৮-০৫-১৮ }} * প্রকৃতপক্ষে, এই মুহূর্তে সমাজকে সস্তা ও প্রচুর শক্তি সরবরাহ করা হবে একজন মূর্খ শিশুর হাতে মেশিনগান তুলে দেওয়ার নৈতিক সমতুল্য। সস্তা ও প্রচুর শক্তি হাতে পেলে, গ্রহের শেষ বিন্দু পর্যন্ত পাকা রাস্তা তৈরি, উন্নয়ন, শিল্পায়ন এবং শোষণের চেষ্টা স্পষ্টভাবে করা হবে এমন একটি প্রবণতা যা অনিবার্যভাবে আমাদের জীবন-ধারণের ব্যবস্থাগুলোকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে, যার ওপর এই সভ্যতা নির্ভরশীল। ** "অ্যান ইকোলজিস্ট'স পারসপেক্টিভ অন নিউক্লিয়ার পাওয়ার", [https://fas.org/faspir/archive/1970-1981/May-June1975.pdf ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস পাবলিক ইন্টারেস্ট রিপোর্ট ভলিউম ২৮, নং ৫-৬ (মে-জুন, ১৯৭৫)], পৃষ্ঠা ৫। * আসলে, পৃথিবীর সমস্যা হলো এখানে অনেক বেশি ধনী মানুষ বাস করে। ** [http://news.google.com/newspapers?id=TjAcAAAAIBAJ&sjid=KHoEAAAAIBAJ&pg=6924,333924&hl=en আমেরিকানরা কি গ্রহ লুণ্ঠন করছে?], অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, ৬ এপ্রিল ১৯৯০। * এরপর থেকে এমন কিছু বিষয় সামনে এসেছে যা সমস্যাটিকে অবিশ্বাস্যভাবে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে... ওজোন স্তরে ছিদ্র... অ্যাসিড বৃষ্টি... 'দ্য পপুলেশন বোম্ব' লেখার পর থেকে ত্রিশ কোটি মানুষ না খেয়ে মারা গেছে। দুর্ভিক্ষগুলো কৃষিবিদদের ধারণার মতো ততটা প্রকট হয়নি... দরিদ্র দেশগুলোতে... সবুজ বিপ্লব প্রযুক্তির বিস্তারের কারণে... বর্তমানে আমাদের যা দুশ্চিন্তায় ফেলছে তা হলো আমাদের খাদ্য উৎপাদন ব্যাপকভাবে বাড়াতে আবার কোনো মরিয়া পদক্ষেপ নেওয়ার পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে... ১৯৬৫ সালে আমরা জানতাম কীভাবে এটি করতে হয়, প্রশ্নটি ছিল আমরা কত দ্রুত তা বাস্তবায়ন করতে পারব আজকে আমাদের কাছে নতুন করে প্রয়োগ করার মতো কিছুই অবশিষ্ট নেই এটি অত্যন্ত ভীতিকর... একটি প্রজাতি হিসেবে আমরা আমাদের আয়ের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকতে পারছি না; আমরা আমাদের পুঁজি ভেঙে খাচ্ছি, আমাদের উর্বর কৃষি জমি ধ্বংস হচ্ছে, ভূগর্ভস্থ পানি অতিরিক্ত উত্তোলন করা হচ্ছে এবং আমাদের জীববৈচিত্র্য তথা জীবন-ধারণের ব্যবস্থাগুলো হুমকির মুখে সহনক্ষমতার সীমা আমরা আগেই অতিক্রম করেছি। ** কেকিউইডি রেডিও সিটি আর্টস অ্যান্ড লেকচারস, সান ফ্রান্সিসকো ১৯৯৬। * পরিবেশগত সংকটের প্রধান তিনটি উপাদানের মধ্যে কোনটি বেশি ক্ষতি করছে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা, সম্পদের অতিরিক্ত ভোগ নাকি দেশগুলোর মধ্যে সম্পদের অসম/অন্যায্য বণ্টন (যেখানে ধনী দেশগুলো দরিদ্র দেশগুলোর চেয়ে অনেক বেশি সম্পদ ভোগ করে) তা নিয়ে বিতর্ক করা অনেকটা ত্রিভুজের ভূমি না কি বাহু, কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে বিতর্ক করার মতো। আপনি এই তিনটি উপাদানকে আলাদা করতে পারবেন না। আমরা যদি অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে সংখ্যাগুলো বিশ্লেষণ করি, তবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে ভোগের চেয়ে জনসংখ্যার আকারের প্রভাব বেশি। অন্যদিকে, ভোগ এবং অসম বণ্টনও গুরুত্বপূর্ণ দিক। আমরা যদি একই সাথে এই তিনটি উপাদানে পরিবর্তন না আনি, তবে আমাদের জীবনযাত্রার মান নাটকীয়ভাবে বদলে যাবে। আজ মানবজাতি প্রকৃতির ওপর মারাত্মক আঘাত হানছে, কিন্তু এটি স্পষ্ট যে প্রকৃতিই শেষ আঘাতটি হানবে। ** পল এহর্লিচ, ''[http://www.haaretz.co.il/1.1875624 মানুষের উচিত অনেক কম সন্তান জন্ম দেওয়া, অন্যথায় সবচেয়ে খারাপ কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকা]'' (ডিসেম্বর ২০১২), [[w:হারেতজ|হারেতজ]]। * সবাই যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্তরে সম্পদ ভোগ করত যা বর্তমান বিশ্বের আকাঙ্ক্ষা তবে আপনার আরও চারটি বা পাঁচটি পৃথিবীর প্রয়োজন হতো। ** [https://www.theguardian.com/environment/2017/feb/25/half-all-species-extinct-end-century-vatican-conference জীববিজ্ঞানীরা মনে করেন শতাব্দীর শেষ নাগাদ ৫০% প্রজাতি বিলুপ্তির সম্মুখীন হবে]; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৭)। * আমি বহুবার বলেছি, 'নিরন্তর প্রবৃদ্ধি হলো ক্যান্সার কোষের ধর্ম'। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * শুরু করার জন্য, আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং সহায়ক গর্ভপাত সবার জন্য সহজলভ্য করুন এবং নারীদের পুরুষদের সমান পূর্ণ অধিকার, বেতন ও সুযোগ প্রদান করুন। আমি আশা করি এটি প্রজনন হারকে যথেষ্ট নিচে নামিয়ে আনবে যাতে জনসংখ্যার প্রয়োজনীয় সংকোচন সম্ভব হয়। [কিন্তু] মানবিক উপায়ে মোট জনসংখ্যাকে একটি টেকসই আকারে কমিয়ে আনতে অনেক দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হবে। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * আমাদের কাছে থাকা প্রমাণগুলো বলছে যে বিষাক্ত পদার্থ শিশুদের বুদ্ধিমত্তা কমিয়ে দেয় এবং সেই বিষক্রিয়ায় প্রবলভাবে প্রভাবিত প্রথম প্রজন্মের সদস্যরা এখন প্রাপ্তবয়স্ক। আমরা যে ''হোমো সেপিয়েন্স''-এর বুদ্ধিবৃত্তিক অবনতি ঘটাচ্ছি তার প্রথম অভিজ্ঞলব্ধ প্রমাণ ছিল ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বিতর্কগুলো এবং এর ফলে সৃষ্ট এক 'কাকিস্টোক্র্যাসি' (অযোগ্যদের শাসন)। অন্যদিকে, বিষক্রিয়া হয়তো জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে, কারণ শুক্রাণুর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * বিশ্বে অতিমাত্রায় ধনী মানুষের উপস্থিতি মানব ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় হুমকি; অন্যদিকে সাংস্কৃতিক এবং জেনেটিক বৈচিত্র্য হলো মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। ** [https://www.theguardian.com/cities/2018/mar/22/collapse-civilisation-near-certain-decades-population-bomb-paul-ehrlich পল এহর্লিচ: 'কয়েক দশকের মধ্যে সভ্যতার পতন প্রায় নিশ্চিত']; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০১৮)। * জীবন এখন ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির স্তরে প্রবেশ করেছে। এটি সম্ভবত সবচেয়ে গুরুতর পরিবেশগত সমস্যা, কারণ একটি প্রজাতির বিলুপ্তি চিরস্থায়ী এবং তাদের প্রত্যেকেই আমাদের নির্ভরশীল এই জীবন্ত ব্যবস্থায় কমবেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান সংকটকে সংজ্ঞায়িতকারী এই প্রজাতি বিলুপ্তি মূলত তাদের অন্তর্ভুক্ত জনসংখ্যাগুলোর ব্যাপক অন্তর্ধানের ওপর ভিত্তি করে ঘটছে, যার বেশিরভাগই ১৮০০-এর দশকের পর থেকে শুরু হয়েছে। আমরা যে বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হোমো সেপিয়েন্সের কর্মকাণ্ডের কারণে ঘটছে। এর প্রায় পুরোটাই ঘটেছে প্রায় ১১,০০০ বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষদের কৃষি উদ্ভাবনের পর থেকে। সেই সময়ে বিশ্বজুড়ে আমাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ লক্ষ; এখন আমরা ৭৭০ কোটি এবং এই সংখ্যা এখনও দ্রুত বাড়ছে। আমাদের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মানবজাতি তার বিশাল সংখ্যক সহচর প্রাণীদের জন্য এক অভূতপূর্ব হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ** জেরার্ডো সেবালোস এবং পিটার এইচ. র‍্যাভেন-এর সাথে যৌথভাবে রচিত; "[https://www.pnas.org/content/early/2020/05/27/1922686117 জৈবিক বিনাশ এবং ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির সূচক হিসেবে প্রান্তিক মেরুদণ্ডী প্রাণী]"; ''পিএনএএস'', ১ জুন ২০২০। * 'গ্রোথম্যানিয়া' বা প্রবৃদ্ধির উন্মাদনা হলো সভ্যতার এক প্রাণঘাতী ব্যাধি একে এমন সব প্রচারণার দ্বারা প্রতিস্থাপিত করতে হবে যা সাম্য এবং জনকল্যাণকে সমাজের লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করবে, আবর্জনা তুল্য পণ্যের ভোগ বৃদ্ধিকে নয়। ** [https://www.theguardian.com/environment/2021/jan/13/top-scientists-warn-of-ghastly-future-of-mass-extinction-and-climate-disruption-aoe শীর্ষ বিজ্ঞানীরা গণবিলুপ্তি এবং জলবায়ু বিপর্যয়ের ‘ভয়াবহ ভবিষ্যৎ’ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন]; ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২০২১)। === পল এহর্লিচ অ্যান্ড দ্য পপুলেশন বোম্ব === কানাডিয়ান জীববিজ্ঞানী ডক্টর ডেভিড সুজুকি প্রযোজিত পিবিএস ভিডিও'পল এহর্লিচ অ্যান্ড দ্য পপুলেশন বোম্ব' * একটি সীমিত গ্রহে আমরা চিরকাল প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে পারব এই ধারণাটি সম্পূর্ণ মূর্খতাসুলভ... জঙ্ক-মেইল মার্কেটিংয়ের অধ্যাপক জুলিয়ান সাইমন এবং তাঁর অনুসারীরা মনে করেন যে প্রযুক্তি সবকিছু সমাধান করে দেবে... আমরা পৃথিবী শেষ করে ফেলব এবং তারপর মহাকাশযানে চড়ে অন্য কোথাও চলে যাব... প্রযুক্তি জীববৈচিত্র্য, বসবাসের জায়গা বা আবাদি জমির সমস্যার কোনো সমাধান করতে পারে না... সুপেয় পানি এবং আবাদি জমি হলো সীমিত সম্পদ... আমরা ইতিমধ্যে একটি টেকসই জীবনযাপনের সীমা অনেক আগেই অতিক্রম করেছি... আমেরিকার পূর্ব উপকূলের কোনো সমৃদ্ধ শহরে বসবাসকারী ব্যক্তির সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবতার চেয়ে অনেক ভিন্ন। বিশ্বের বেশিরভাগ অংশই গ্রীষ্মমন্ডলীয়, ক্ষুধার্ত এবং দরিদ্র। উন্নয়নশীল বিশ্ব এবং দক্ষিণ গোলার্ধ ভ্রমণ করলে আপনি বাস্তবতার এক ভিন্ন রূপ দেখতে পাবেন। * জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান করলেই বর্ণবাদ... লিঙ্গবৈষম্য... ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা... যুদ্ধ... কিংবা চরম অর্থনৈতিক বৈষম্যের সমাধান হয়ে যাবে না কিন্তু আপনি যদি জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান না করেন, তবে আপনি এই সমস্যাগুলোর একটিরও সমাধান করতে পারবেন না। আপনি যে সমস্যা নিয়েই আগ্রহী হন না কেন, জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান না করলে আপনি তাতে সফল হবেন না। '''আপনার উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ছাড়া সেটি একটি ব্যর্থ উদ্দেশ্যে পরিণত হতে বাধ্য।''' === ''দ্য পপুলেশন এক্সপ্লোশন'' (১৯৯০) === * ভূগর্ভস্থ জলস্তরের অতিরিক্ত ব্যবহারই একটি কারণ যার জন্য আমাদের ভূতাত্ত্বিক সহকর্মীরা নিশ্চিত যে, পানির অভাব মানব জনসংখ্যার এই বিস্ফোরণকে থামিয়ে দেবে। তেলের বিকল্প আছে; কিন্তু সুপেয় পানির কোনো বিকল্প নেই। * অতিরিক্ত জনসংখ্যা বা জনবিস্ফোরণ বোঝার চাবিকাঠি জনঘনত্ব নয়, বরং একটি এলাকার সম্পদের পরিমাণ এবং মানুষের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করার পরিবেশগত ক্ষমতার (অর্থাৎ ধারণক্ষমতা) বিপরীতে মানুষের সংখ্যা। একটি এলাকা কখন জনাকীর্ণ বা অতি-জনসংখ্যার শিকার হয়? যখন অ-নবায়নযোগ্য সম্পদ দ্রুত নিঃশেষ না করে সেই জনসংখ্যাকে আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না... '''এই মানদণ্ড অনুযায়ী, পুরো গ্রহ এবং কার্যত প্রতিটি দেশই ইতিমধ্যে বিশাল জনবিস্ফোরণের শিকার।''' == পল এহর্লিচ সম্পর্কে উক্তি == * মার্কিন জীববিজ্ঞানী পল এহর্লিচ একটি বাস্তুসংস্থানিক সম্প্রদায় থেকে প্রজাতির বিলুপ্তিকে একটি বিমানের ডানা থেকে যথেচ্ছভাবে রিভেট বা নাট-বল্টু খুলে ফেলার সাথে তুলনা করেছেন। একটি বা দুটি সরিয়ে ফেললে বিমানটি সম্ভবত ঠিকই থাকবে। দশটি, বিশটি বা পঞ্চাশটি সরিয়ে ফেললে কোনো এক মুহূর্তে একটি বিপর্যয়কর যান্ত্রিক ত্রুটি ঘটবে এবং বিমানটি আকাশ থেকে আছড়ে পড়বে। পতঙ্গরা হলো সেই রিভেট যা বাস্তুসংস্থানকে সচল রাখে... পল এহর্লিচের উপমা অনুযায়ী, আমরা হয়তো সেই বিন্দুটির খুব কাছাকাছি চলে এসেছি যেখানে বিমানের ডানা দুটি খুলে পড়ে যাবে। ** [[গ্রেটা থুনবার্গ]] সম্পাদিত 'দ্য ক্লাইমেট বুক' (২০২২)-এ ডেভ গুলসন। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:এহর্লিচ, পল আর.}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:পতঙ্গবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাস্তুসংস্থানবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাক্টিভিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিলাডেলফিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ম্যাকআর্থার ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্রাফোর্ড পুরস্কার বিজয়ী]] oejrg3fqupksrv6iugn1if565v4ortx আলাপ:পল আর. এহর্লিচ 1 13773 81685 2026-04-27T15:50:22Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81685 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ (১৯৬৫ সাল) 1 13774 81693 2026-04-27T17:08:46Z Oindrojalik Watch 4169 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81693 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ 1 13775 81697 2026-04-27T17:43:43Z Oindrojalik Watch 4169 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81697 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm বিষয়শ্রেণী:ফিফা 14 13776 81708 2026-04-27T19:04:10Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন পাতা 81708 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 81710 81708 2026-04-27T19:06:36Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] যোগ 81710 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] 20rhk66gp0uihtsvnrm41jegv1l4t7p বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়ামূলক ঘটনা 14 13777 81709 2026-04-27T19:04:36Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন পাতা 81709 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 81725 81709 2026-04-27T19:24:39Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়া]] যোগ 81725 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়া]] sllyuar3anv2rqsjbrnw259w0qp9j1x ফিফা নারী বিশ্বকাপ 0 13778 81713 2026-04-27T19:14:50Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন নিবন্ধন 81713 wikitext text/x-wiki [[File:FIFA logo without slogan.svg|thumb|FIFA লোগো (স্লোগান ছাড়া)]] '''[[w:ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ|ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]]''' হলো একটি আন্তর্জাতিক [[association football|ফুটবল]] প্রতিযোগিতা, যা [[w:list of women's national association football teams|মহিলা জাতীয় দলসমূহ]] দ্বারা অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। এটি পরিচালনা করে ফুটবলের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা [[ফিফা|ফিফা]] (Fédération Internationale de Football Association)। == ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ সম্পর্কে উক্তি == * চার বছর পরপর মহিলা বিশ্বকাপ আয়োজনের বিষয়টি খুব ভালো নয়। কারণ, একজন নারী হিসেবে এই সময়ে ওজন বাড়তে পারে এবং গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। আমার মতে, মহিলা বিশ্বকাপের ব্যবধান তিন (৩) বছর হওয়া উচিত। পুরুষদের বিশ্বকাপ যদি চার বছরে একবার হয়, তাহলে নারীদের জন্য তিন বছর হওয়া উচিত। ** [[Adjoa Bayor|আডজোয়া বায়োর]], [https://mybrytfmonline.com/ex-black-queens-captain-adjoa-bayor-calls-for-review-of-four-year-womens-world-cup-cycle/], ''MyBrytnewsroom'', ১৩ ডিসেম্বর ২০২১। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[Category:ফিফা]] [[Category:নারী ক্রীড়া]] [[Category:ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ| ]] 846ucr16850wjh2lt04f4h66uqwp7gn 81714 81713 2026-04-27T19:15:32Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 81714 wikitext text/x-wiki [[File:FIFA logo without slogan.svg|thumb|FIFA লোগো (স্লোগান ছাড়া)]] '''[[w:ফিফা নারী বিশ্বকাপ|ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]]''' হলো একটি আন্তর্জাতিক [[association football|ফুটবল]] প্রতিযোগিতা, যা [[w:list of women's national association football teams|মহিলা জাতীয় দলসমূহ]] দ্বারা অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। এটি পরিচালনা করে ফুটবলের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা [[ফিফা|ফিফা]] (Fédération Internationale de Football Association)। == ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ সম্পর্কে উক্তি == * চার বছর পরপর মহিলা বিশ্বকাপ আয়োজনের বিষয়টি খুব ভালো নয়। কারণ, একজন নারী হিসেবে এই সময়ে ওজন বাড়তে পারে এবং গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। আমার মতে, মহিলা বিশ্বকাপের ব্যবধান তিন (৩) বছর হওয়া উচিত। পুরুষদের বিশ্বকাপ যদি চার বছরে একবার হয়, তাহলে নারীদের জন্য তিন বছর হওয়া উচিত। ** [[Adjoa Bayor|আডজোয়া বায়োর]], [https://mybrytfmonline.com/ex-black-queens-captain-adjoa-bayor-calls-for-review-of-four-year-womens-world-cup-cycle/], ''MyBrytnewsroom'', ১৩ ডিসেম্বর ২০২১। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[Category:ফিফা]] [[Category:নারী ক্রীড়া]] [[Category:ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ| ]] rg1sk48m41cxxikbsj5s9uugd4jc5v9 81715 81714 2026-04-27T19:16:15Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 মোহাম্মদ জনি হোসেন [[ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] কে [[ফিফা নারী বিশ্বকাপ]] শিরোনামে স্থানান্তর করেছেন 81714 wikitext text/x-wiki [[File:FIFA logo without slogan.svg|thumb|FIFA লোগো (স্লোগান ছাড়া)]] '''[[w:ফিফা নারী বিশ্বকাপ|ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]]''' হলো একটি আন্তর্জাতিক [[association football|ফুটবল]] প্রতিযোগিতা, যা [[w:list of women's national association football teams|মহিলা জাতীয় দলসমূহ]] দ্বারা অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। এটি পরিচালনা করে ফুটবলের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা [[ফিফা|ফিফা]] (Fédération Internationale de Football Association)। == ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ সম্পর্কে উক্তি == * চার বছর পরপর মহিলা বিশ্বকাপ আয়োজনের বিষয়টি খুব ভালো নয়। কারণ, একজন নারী হিসেবে এই সময়ে ওজন বাড়তে পারে এবং গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। আমার মতে, মহিলা বিশ্বকাপের ব্যবধান তিন (৩) বছর হওয়া উচিত। পুরুষদের বিশ্বকাপ যদি চার বছরে একবার হয়, তাহলে নারীদের জন্য তিন বছর হওয়া উচিত। ** [[Adjoa Bayor|আডজোয়া বায়োর]], [https://mybrytfmonline.com/ex-black-queens-captain-adjoa-bayor-calls-for-review-of-four-year-womens-world-cup-cycle/], ''MyBrytnewsroom'', ১৩ ডিসেম্বর ২০২১। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[Category:ফিফা]] [[Category:নারী ক্রীড়া]] [[Category:ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ| ]] rg1sk48m41cxxikbsj5s9uugd4jc5v9 81717 81715 2026-04-27T19:18:38Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা নারী বিশ্বকাপ]] যোগ 81717 wikitext text/x-wiki [[File:FIFA logo without slogan.svg|thumb|FIFA লোগো (স্লোগান ছাড়া)]] '''[[w:ফিফা নারী বিশ্বকাপ|ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]]''' হলো একটি আন্তর্জাতিক [[association football|ফুটবল]] প্রতিযোগিতা, যা [[w:list of women's national association football teams|মহিলা জাতীয় দলসমূহ]] দ্বারা অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। এটি পরিচালনা করে ফুটবলের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা [[ফিফা|ফিফা]] (Fédération Internationale de Football Association)। == ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ সম্পর্কে উক্তি == * চার বছর পরপর মহিলা বিশ্বকাপ আয়োজনের বিষয়টি খুব ভালো নয়। কারণ, একজন নারী হিসেবে এই সময়ে ওজন বাড়তে পারে এবং গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। আমার মতে, মহিলা বিশ্বকাপের ব্যবধান তিন (৩) বছর হওয়া উচিত। পুরুষদের বিশ্বকাপ যদি চার বছরে একবার হয়, তাহলে নারীদের জন্য তিন বছর হওয়া উচিত। ** [[Adjoa Bayor|আডজোয়া বায়োর]], [https://mybrytfmonline.com/ex-black-queens-captain-adjoa-bayor-calls-for-review-of-four-year-womens-world-cup-cycle/], ''MyBrytnewsroom'', ১৩ ডিসেম্বর ২০২১। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[Category:ফিফা]] [[Category:নারী ক্রীড়া]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা নারী বিশ্বকাপ| ]] t7x8udybh84bg5pugnilsiughb9gw1n 81718 81717 2026-04-27T19:18:58Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:নারী ক্রীড়া]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:নারী ১ ক্রীড়া]] যোগ 81718 wikitext text/x-wiki [[File:FIFA logo without slogan.svg|thumb|FIFA লোগো (স্লোগান ছাড়া)]] '''[[w:ফিফা নারী বিশ্বকাপ|ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]]''' হলো একটি আন্তর্জাতিক [[association football|ফুটবল]] প্রতিযোগিতা, যা [[w:list of women's national association football teams|মহিলা জাতীয় দলসমূহ]] দ্বারা অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। এটি পরিচালনা করে ফুটবলের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা [[ফিফা|ফিফা]] (Fédération Internationale de Football Association)। == ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ সম্পর্কে উক্তি == * চার বছর পরপর মহিলা বিশ্বকাপ আয়োজনের বিষয়টি খুব ভালো নয়। কারণ, একজন নারী হিসেবে এই সময়ে ওজন বাড়তে পারে এবং গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। আমার মতে, মহিলা বিশ্বকাপের ব্যবধান তিন (৩) বছর হওয়া উচিত। পুরুষদের বিশ্বকাপ যদি চার বছরে একবার হয়, তাহলে নারীদের জন্য তিন বছর হওয়া উচিত। ** [[Adjoa Bayor|আডজোয়া বায়োর]], [https://mybrytfmonline.com/ex-black-queens-captain-adjoa-bayor-calls-for-review-of-four-year-womens-world-cup-cycle/], ''MyBrytnewsroom'', ১৩ ডিসেম্বর ২০২১। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[Category:ফিফা]] [[বিষয়শ্রেণী:নারী ১ ক্রীড়া]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা নারী বিশ্বকাপ| ]] itu4vamkxuw8ivpocb2nurm1sa9c0x1 81719 81718 2026-04-27T19:19:14Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:নারী ১ ক্রীড়া]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়ায় নারী]] যোগ 81719 wikitext text/x-wiki [[File:FIFA logo without slogan.svg|thumb|FIFA লোগো (স্লোগান ছাড়া)]] '''[[w:ফিফা নারী বিশ্বকাপ|ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]]''' হলো একটি আন্তর্জাতিক [[association football|ফুটবল]] প্রতিযোগিতা, যা [[w:list of women's national association football teams|মহিলা জাতীয় দলসমূহ]] দ্বারা অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। এটি পরিচালনা করে ফুটবলের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা [[ফিফা|ফিফা]] (Fédération Internationale de Football Association)। == ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ সম্পর্কে উক্তি == * চার বছর পরপর মহিলা বিশ্বকাপ আয়োজনের বিষয়টি খুব ভালো নয়। কারণ, একজন নারী হিসেবে এই সময়ে ওজন বাড়তে পারে এবং গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। আমার মতে, মহিলা বিশ্বকাপের ব্যবধান তিন (৩) বছর হওয়া উচিত। পুরুষদের বিশ্বকাপ যদি চার বছরে একবার হয়, তাহলে নারীদের জন্য তিন বছর হওয়া উচিত। ** [[Adjoa Bayor|আডজোয়া বায়োর]], [https://mybrytfmonline.com/ex-black-queens-captain-adjoa-bayor-calls-for-review-of-four-year-womens-world-cup-cycle/], ''MyBrytnewsroom'', ১৩ ডিসেম্বর ২০২১। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[Category:ফিফা]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়ায় নারী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা নারী বিশ্বকাপ| ]] 00nxzpud9f6uvqb1jdzsuq9zqey49hk ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ 0 13779 81716 2026-04-27T19:16:15Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 মোহাম্মদ জনি হোসেন [[ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] কে [[ফিফা নারী বিশ্বকাপ]] শিরোনামে স্থানান্তর করেছেন 81716 wikitext text/x-wiki #পুনর্নির্দেশ [[ফিফা নারী বিশ্বকাপ]] au4euqx31pvc8lk6o9sbuwfa0ssevp0 বিষয়শ্রেণী:ফিফা নারী বিশ্বকাপ 14 13780 81720 2026-04-27T19:19:34Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন নিবন্ধন 81720 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 81722 81720 2026-04-27T19:22:52Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়ামূলক ঘটনা]] যোগ 81722 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়ামূলক ঘটনা]] sankyfiv64yma79dimripqg6a706vg4 81723 81722 2026-04-27T19:23:03Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়ায় নারী]] যোগ 81723 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়ামূলক ঘটনা]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়ায় নারী]] ig49dyowm8tzl9myq5mgloiuo5z5h6m 81724 81723 2026-04-27T19:23:14Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা]] যোগ 81724 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়ামূলক ঘটনা]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্রীড়ায় নারী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা]] sex72egxbrj7fdfknukxpzjnn2ulska বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী 14 13781 81728 2026-04-27T19:32:25Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন পাতা 81728 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 81729 81728 2026-04-27T19:33:41Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ অনুযায়ী প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] যোগ 81729 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ অনুযায়ী প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] l2bnguktc3egtfyacfh46pef394j3xq 81730 81729 2026-04-27T19:34:24Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়]] যোগ 81730 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ অনুযায়ী প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়]] 8v5udr0yu82rozq6ohmn22mugow0hi1 বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় 14 13782 81731 2026-04-27T19:34:44Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন পাতা 81731 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 81732 81731 2026-04-27T19:37:32Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ]] যোগ 81732 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ]] 6el1foa74uw9uxz56w0n06focxmfi0u বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ 14 13783 81733 2026-04-27T19:38:42Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন পাতা 81733 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 81734 81733 2026-04-27T19:38:55Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়]] যোগ 81734 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়]] gdx5b5iemy376p9tellsktifcbb8i4o 81735 81734 2026-04-27T19:39:19Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়]] অপসারণ 81735 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 81736 81735 2026-04-27T19:39:47Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়]] যোগ 81736 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়]] gdx5b5iemy376p9tellsktifcbb8i4o 81737 81736 2026-04-27T19:40:01Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 81737 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া]] 7d5hgg7m6vg6lj0ydaabmaoxhit3ak7 বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া 14 13784 81738 2026-04-27T19:41:27Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন পাতা 81738 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 81739 81738 2026-04-27T19:41:37Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য]] যোগ 81739 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য]] 8kqlc7ecczu0xa1ck4gna1x95pci8gk বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক 14 13785 81741 2026-04-27T19:43:53Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন পাতা 81741 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 81742 81741 2026-04-27T19:45:18Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়]] যোগ 81742 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়]] gdx5b5iemy376p9tellsktifcbb8i4o 81743 81742 2026-04-27T19:45:29Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ অনুযায়ী শিক্ষক]] যোগ 81743 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ অনুযায়ী শিক্ষক]] 2pwi4j3wlqgdjgp8i6zfuw21kkuhw71 ব্যবহারকারী আলাপ:Nazmul Nahib 3 13786 81777 2026-04-28T02:13:03Z অভ্যর্থনা কমিটি বট 1112 উইকিউক্তিতে স্বাগত! 81777 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Nazmul Nahib,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ০২:১৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) gc399eehfx6t3asg2dfxyzjhnsx50rr আলাপ:ওয়ারেন ফ্যারেল 1 13787 81782 2026-04-28T02:24:00Z ARI 356 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81782 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ভারতে ধর্মহীনতা 0 13788 81800 2026-04-28T03:03:22Z ARI 356 [[:en:Irreligion in India|]] থেকে অনুবাদ/আমদানি 81800 wikitext text/x-wiki [[File:YUKTHIVADI.JPG|thumb|150px|The ''Yukthivadi'' in 1929 was the first atheist/rationalist magazine published in [[Malayalam]].]] [[Irreligion]] is the absence or rejection of religious beliefs or practices. [[নাস্তিক্যবাদ]] and [[agnosticism]] have a long history in India. ==Quotes by atheist, agnostic and rationalist Indians== ===Ancient India=== * No fruits are produced from alms-giving or donations, no fruits from sacrifices, no fruits from Homa ceremonies, and no fruits from good and bad deeds. '''To those who are dead, this world exists not. To those who are living, another world does not exist.''' No results are produced from what is done to mother or father. There are no sentient beings of spontaneous generation. ** Attributed to [[w:Ajita Kesakambali|Ajita Kesakambali]] (c. 6th century BCE), [[materialist]] philosopher, from {{বই উদ্ধৃতি|title=The Visible Fruits of the Life of a Buddhist Monk (A Translation of the Sammahaplialasutta)|url=https://archive.org/details/visiblefruitsofl00unse|author=J. Wettha Sinha|year=1921}} * Who knows that the soul exists? Of what use is this knowledge? Who knows that the soul does not exist? Of what use is this knowledge? ** An [[w:Ajñana|Ajñana]] quote recorded by [[Jain]] philosopher Silanka (9th Century CE), as quoted in {{বই উদ্ধৃতি|page=119|publisher=George Allen and Unwin Ltd.|year=1963|title=Early Buddhist Theory of Knowledge|url=https://web.archive.org/web/20150911084454/http://www.ahandfulofleaves.org/documents/Early%20Buddhist%20Theory%20of%20Knowledge_Jayatilleke.pdf|last=K. N. Jayatilleke}} * '''There is no heaven, no final liberation, nor any soul in another world,''' <br>Nor do the actions of the four castes, orders, produce any real effect. <br>The Agnihotra, the three Vedas, the ascetic's three staves, and smearing one's self with ashes, <br>Were made by Nature as the livelihood of those destitute of knowledge and manliness. <br>If a beast slain in the Jyotishṭoma rite will itself go to heaven, <br>Why then does not the sacrificer forthwith offer his own father? ** Attributed to Bṛihaspati, early [[w:Carvaka|Carvaka]] philosopher, from {{বই উদ্ধৃতি|title=The Sarva Darsana Samgraha|author=[[w:Vidyaranya|Madhavacharya]] (1291-1391); E. B. Cowell & A. E. Gough (translators)|Chapter=The Charvaka System|url=https://www.gutenberg.org/files/34125/34125-h/34125-h.htm#CHAPTER_I}} ===Pre-Independence=== * Under the guise of religion the Brahmin has his finger in every thing, big or small, which the Shudra undertakes. Go to his house, to his field or to the court to which business may invite him, the Brahmin is there under some specious pretext or other, trying to squeeze out of him as much as his cunning and wily brain can manage. The Brahmin despoils the Shudra not only in his capacity of a priest, but does so in a variety of other ways. ** [[w:Jyotirao Phule|Jyotirao Phule]] (1827-1890), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Slavery (English translation of Gulamgiri)|year=1873|url=https://thesatyashodhak.com/wp-content/uploads/2020/05/Jotirao-Phule-Slavery-Government-of-Maharashtra-1991.pdf|author=P. G. Patil (Translator)}} * When are we to get into the right path of devotion to god? When I ask this, the Brahmins dub us as atheists. Believing these Brahmins and their hirelings, the ignorant people raise the cry against us that god is in danger, religion is in danger! Is behaving in this barbarous way, theism or atheism? Whatever it be, we will not be cowed down by their hindering activities. Whatever we feel right, we will boldly say. We say Hindu religion and gods are dreadful diseases. Unless they are effaced out of existence our people cannot and country would not prosper. We say what we feel. ** [[Periyar]] (1879-1973), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Collected Works of Periyar E.V.R.|publisher= The Periyar Self-Respect Propaganda Institution|ISBN=9788190357906|page=76|url=https://www.google.co.in/books/edition/Collected_Works_of_Periyar_E_V_R/c9uvoQEACAAJ?hl=en}} * Of all the living creatures man is the most intelligent. It is man who created god, religion, philosophy and spiritualism. It is also said that extra ordinary men have actually succeeded in realising god. Some are said to have become one with god itself. I venture to ask, why even such greatmen have not found out a solution for all these follies of the world. ** [[Periyar]] (1879-1973), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=The World To Come|url=https://thesatyashodhak.com/wp-content/uploads/2020/05/Periyar-E-V-Ramasamy-The-World-to-Come-The-Periyar-Self-Respect-Propaganda-Institution-2012.pdf|publisher= The Periyar Self-Respect Propaganda Institution|page=8}} * By claiming the monopoly<br>Over the unknown<br>Religions also split the people apart<br>And spread hatred among them. ** [[w:Sahodaran Ayyappan|Sahodaran Ayyappan]] (1889-1968), freedom fighter, as quoted by {{ওয়েব উদ্ধৃতি|title=Shaping a Modern Kerala: Sahodaran’s Poetry of Fraternity, Liberty and Equality|website=Sahapedia|author=Ajay S. Sekher|url=https://www.sahapedia.org/shaping-modern-kerala-sahodaran%E2%80%99s-poetry-of-fraternity-liberty-and-equality}} * Let us see how I carry on: one friend asked me to pray. When informed of my atheism, he said, “During your last days, you will begin to believe”. I said, “No, dear Sir, it shall not be”. I will think that to be an act of degradation and demoralization on my part. For selfish motives, I am not going to pray. Readers and friends, “Is this vanity?” If it is, I stand for it. ** [[ভগৎ সিং]] ([[1907]]-[[1931]]), [[ভারত]]n freedom fighter, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Why I am an Atheist and Other Works|publisher=Penguin India|ISBN=9780143462262}} * The characteristic feature of modern civilisation is the progressive triumph of science over superstition, reason over faith. The struggle had been going on ever since the dawn of history. ** [[w:M. N. Roy|M. N. Roy]] (1887-1954), [[সাম্যবাদ]] revolutionary, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Reason, Romanticism and Revolution|url=https://www.google.co.in/books/edition/Reason_Romanticism_and_Revolution/KOx3PwAACAAJ?hl=en|page=59|ISBN=9788120201675}} * Religion is bound to be liquidated by science, because scientific knowledge enables mankind to answer questions, confronted by which in its childhood, it was compelled to assume super-natural forces or agencies. If the assumption really answered the questions, then religion would have precluded the rise of science. But religion did not explain natural phenomena. It simply created a new set of problems, which overshadowed the original problems of existence. ** [[w:M. N. Roy|M. N. Roy]] (1887-1954), [[সাম্যবাদ]] revolutionary, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Science and Philosophy|page=8|year=1947|publisher=Ajanta Publication|url=https://www.google.co.in/books/edition/Science_And_Philosphy/V74a0AEACAAJ?hl=en|ISBN=9781021185549}} * The spectacle of what is called religion, or at any rate organized religion, in India and elsewhere has filled me with horror, and I have frequently condemned it and wished to make a clean sweep of it. ** [[জওহরলাল নেহরু]] ([[1889]]-[[1964]]), Prime Minister of [[ভারত]], from {{বই উদ্ধৃতি|title=An Autobiography|publisher=Penguin India|isbn=9789385990045}} * Religion, as I saw it practised, and accepted even by thinking minds, whether it was Hinduism or Islam or Buddhism or Christianity, did not attract me. It seemed to be closely associated with superstitious practices and dogmatic beliefs, and behind it lay a method of approach to life’s problems which was certainly not that of science. There was an element of magic about it, an uncritical credulousness, a reliance on the supernatural. ** [[জওহরলাল নেহরু]] ([[1889]]-[[1964]]), Prime Minister of [[ভারত]], from {{বই উদ্ধৃতি|title=Discovery of India|publisher=Penguin India|ISBN=9789385990052}} * I want ethics to rule and idealism to grow. That can be achieved only when belief in god and fate is done away with and consequently the theistic philosophy of life is changed. In positive terms, I want atheism, so that man shall cease to depend on god and stand firmly on his own legs. In such a man a healthy social outlook will grow, because atheism finds no justification for the economic and social inequalities between man and man. ** [[w:Goparaju Ramachandra Rao|Goparaju Ramachandra Rao]] (1902-1975), social reformer, from {{বই উদ্ধৃতি|title=An Atheist with Gandhi|url=https://www.google.co.in/books/edition/An_Atheist_with_Gandhi/M7s9AAAAIAAJ?hl=en&gbpv=0&bsq=An%20Atheist%20with%20Gandhi|year=1951|publisher=Navajivan Publishing House}} ===Modern India=== ====Born between 1900 and 1945==== * If the scientist and the [[w:Rishi|Rishi]] resemble each other in their inspiration, they also differ radically from each other in their conception of truth. Truth for the Rishi is essentially mystic - that is, intuitive, absolute and transcendental. Scientific truth is discursive or rational in structure, empirical in content and secular in character. ** [[w:A. B. Shah|A. B. Shah]] (1920-1981), founder of Indian Secular Society, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Scientific Method|page=28|year=1964|publishers=Allied Publishers|oclc=593639163}} * When I was young, I had to memorise parts of the Bible and perform rituals. It was perhaps this experience that turned me into an atheist. When I grew up, I saw people using religion to earn money and fool others. This made my belief all the more stronger. I don't, however, thrust my beliefs and ideologies on anyone. ** [[Verghese Kurien]] (1921-2012), social entrepreneur, from {{cite news|newspaper=The Times of India|title=I Am: Verghese Kurien|url=https://timesofindia.indiatimes.com/I-AM-Verghese-Kurien/articleshow/1473433.cms|date=01 April 2006}} * I lay curled up at night, unable to sleep, trembling with fear, praying to every god I knew to let him live, just let my father come back to us. But he too left, leaving behind only us children. That was when I decided, gods who don’t answer such prayers need not be called again. ** [[w:V. S. Achuthanandan|V. S. Achuthanandan]] (1923-2025), freedom fighter, on losing both parents to [[smallpox]], from {{cite news|newspaper=Deshabhimani|url=https://english.deshabhimani.com/deshabhimani-english-/kerala-news/vs-achuthanandan--memoir-56071|title=The Day Faith Left Me: V S Achuthanandan’s Memoir|date=22 July 2025}} * I believe in only one god. My conscience. ** [[w:M. Karunanidhi|M. Karunanidhi]] (1924-2018), politician, as quoted in {{cite news|title=I’m not against Ram. They can keep Ram. My conscience is my only god: Karunanidhi|date=07 August 2018|url=https://theprint.in/walk-the-talk/im-not-against-ram-they-can-keep-ram-my-conscience-is-my-only-god-karunanidhi/94937/|newspaper=The Print}} * One cannot question Puranas or the religions. But Science is all about asking questions. Though we know all this, we are still scared to question it. So, we say that education should take us in the direction of fulfilling this objective of scientific thinking. ** K. Veeramani (born 1933), politician, from {{cite news|url=https://www.roundtableindia.co.in/caste-organizations-should-not-exist-in-tamil-nadu-dr-k-veeramani-president-dravida-kazhagam/|date=23 October 2023|newspaper=Round Table India|title=‘Caste organizations should not exist in Tamil Nadu’ – Dr K Veeramani, President, Dravida Kazhagam}} * '''Science is always humble. It never lays claim to the final word. It is religion that asserts, ‘I have understood it all, I have figured the universe out, now do as I say.’''' Science believes in testing objects and incidents, and searching tirelessly for solutions to unsolved problems. Scientists are not to be praised for being right; they are to be praised for trying to state principles rigorously and thoroughly. Science remains objective even while it extends or overturns the work of its own giants. ** [[w:Narendra Dabholkar|Narendra Dabholkar]] (1945-2013), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Please Think: Practical Lessons in Developing a Scientific Temper|author=Jai Vipra (Translator)|ISBN=9789388754026|year=1994|url=|publisher=Westland Publications}} * Life is about exploration: I don’t believe in God; spirituality means nothing much to me. I enjoy exploring things I don’t have answers for. ** [[w:Amol Palekar|Amol Palekar]] (born 1944), actor, from {{cite news|title=Amol Palekar: Baaton Baaton Mein|date=19 October 2003|newspaper=The Times of India|url=https://timesofindia.indiatimes.com/delhi-times/amol-palekar-baaton-baaton-mein/articleshow/240783.cms}} * Those belong to different faiths and those who were not part of any religion had taken active part in our freedom struggle. This nation belongs to all people and all sections of Indian society in equal measure. ** [[w:Pinarayi Vijayan|Pinarayi Vijayan]] (born 1945), politicians, as quoted in {{cite news|title=Nation Belongs To All, Religion Is A Private Affair: Kerala's Pinarayi Vijayan|url=https://timelinedaily.com/india/nation-belongs-to-all-religion-is-a-private-affair-keralas-pinarayi-vijayan|newspaper-Timeline|date=22 January 2024}} * All these religions, all the religions without exception, belong to the dark ages. Their roots are in the dark ages. You bring the dark age with you. Your umbilical cord has not been cut from the dark ages. ** [[w:Javed Akhtar|Javed Akhtar]] (born 1945), lyricist, from {{cite news|title=Javed Akhtar On Being Atheist: All Religions Belong To Dark Ages, It's Time Of Schizophrenia|newspaper=Times Now|date=30 August 2024|url=https://www.timesnownews.com/entertainment-news/bollywood/javed-akhtar-on-being-atheist-all-religions-belong-to-dark-ages-its-time-of-schizophrenia-article-112915311}} * When it comes to the forced inculcation of religion and the resulting abuses of children in the name of religion, the United Nations, all of its affiliated organizations, and almost all national governments remains steadfastly silent. ** Innaiah Narisetti (born 1937), journalist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Forced Into Faith: How Religion Abuses Children's Rights|date=2009|publisher=Globe Pequot Publishing|url=https://www.google.co.in/books/edition/Forced_Into_Faith/B1kKAQAAMAAJ?hl=en&gbpv=0&bsq=Forced%20Into%20Faith%20Innaiah%20Narisetti|ISBN=9781591026068}} * I am an atheist by belief, but I did not come to atheism through rebellion against the Hinduism I was born into. Rather, through the influence of my atheist father, whose particular brand of non-religious rationalism was, I now realise, in keeping with the spirit of the late 19th-early 20th century Prabodhan or renaissance in Maharashtra. ** [[w:Wandana Sonalkar|Wandana Sonalkar]], scholar, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Why I Am Not a Hindu Woman|date=2021|publisher=Women Unlimited|url=https://www.google.co.in/books/edition/Why_I_Am_Not_a_Hindu_Woman/CGcRzgEACAAJ?hl=en|isbn=9789385606311}} ====Born between 1946 and 1975==== * We reject the Hinduization programme in toto for two reasons. One, Hinduism has never been a humane philosophy. It is the most brutal religious school that the history of religions has witnessed. The Dalitbhujan castes of India are the living evidence of its brutality. Second, even if Hinduization expressed a desire to humanize itself in future, there is no scope for this to happen, since the history of religion itself is coming to an end. ** [[Kancha Ilaiah]] (born 1952), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Why I Am Not a Hindu: A Sudra Critique of Hindutva, Philosophy, Culture, and Political Economy|year=1996|isbn=9788185604183|url=https://www.google.co.in/books/edition/Why_I_Am_Not_a_Hindu/TF4qAAAAYAAJ?hl=en|publisher=Stree-Samya Books}} * By sixteen, I was a borderline rabid atheist. Then, things cooled down, and I decided not to be angry. I finally settled down for a rational view of the world because for me it was not necessary to demolish god. ** [[w:Kamal Hasan|Kamal Hasan]], actor, as quoted in {{cite news|title=‘By 16, I was a borderline rabid atheist’: How Kamal Haasan developed his politics as a child|url=https://scroll.in/article/924182/by-16-i-was-a-borderline-rabid-atheist-how-kamal-haasan-developed-his-politics-as-a-child|date=22 May 2019|newspaper=22 May 2019}} * I am an atheist, but being so doesn't stop me from respecting those who believe in religion. Every individual has the right to lead his or her life according to their wish and I respect that. I don't try to influence anyone or force my opinion on them. Also, my beliefs cannot be influenced by anyone. ** [[w:Rahul Bose|Rahul Bose]] (born 1967), actor, as quoted in {{cite news|title=I am: Rahul Bose|newspaper=The Times of India|url=https://timesofindia.indiatimes.com/i-am-rahul-bose/articleshow/1998701.cms|date=17 September 2006}} * I'm not overtly religious, but I do bow my head and offer my respects everytime I pass a holy place. My dad always said more than learning any form of organised religion, it was essential to be a good human being first. I'm not an atheist, I'm more of an agnostic. ** [[w:John Abraham|John Abraham]] (born [[1972]]), actor, from {{cite news|title=I Am: John Abraham|url=https://timesofindia.indiatimes.com/i-am-john-abraham/articleshow/1227156.cms|newspaper=The Times of India|date=11 September 2005}} * My father raised me without a religion and to question everything. When you are raised without a religion who automatically question everything. He never told us don’t believe in God, we just imbibed what we saw. It was more about questioning thing and trying to apply logic or scientific evidence to things. Those things are important because something has to be provable before you can say that it is a fact otherwise it is a theory. Billions of people get by on faith and it is strange the comfort the people who have faith have, it is very difficult for people who don’t have faith to get that. ** [[w:Farhan Akhtar|Farhan Akhtar]] (born 1974), actor, from {{cite news|newspaper=The Indian Express|url=https://indianexpress.com/article/entertainment/bollywood/farhan-akhtar-on-growing-up-in-an-inter-faith-home-being-raised-without-a-religion-9537751/|title=Farhan Akhtar on growing up in an inter-faith home, being raised ‘without a religion’: ‘I was taught to question everything’|date=28 August 2024}} * I don’t follow any religion. I am an atheist. So where will you get me out of? How would you get somebody out of a place they don't exist in the first place! ** [[w:Urfi Javed|Uorfi Javed]] (born 1995), actress, on rumours of being expelled from [[ইসলাম]], as quoted in {{cite news|title=Uorfi Javed dismisses claims of being 'expelled' from Islam, says she is atheist and follows no religion|url=https://zeenews.india.com/people/uorfi-javed-dismisses-claims-of-being-expelled-from-islam-says-she-is-atheist-and-follows-no-religion-3012381.html|newspaper=Zee News|date=31 January 2026}} ==Quotes about Irreligion in India== * The Indian atheist activists with whom we have spent time - as opposed to those often characterized dismissively by activists as metropolitan-based ‘talking shop’ humanists or ‘armchair atheists’ - do not simply ‘believe’ in materialism. They seek to debunk or ‘expose’ what they consider to be pernicious supernatural beliefs via skilled deployments of materials. ** On Indian atheist activists, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Being Godless: Ethnographies of Atheism and Non-Religion|year=2017|publisher=Berghahn Books|ISBN= 9781785335730|url=https://www.google.co.in/books/edition/Being_Godless/KZ3vDQAAQBAJ?hl=en&gbpv=0|Chapter=2|author=Jacob Copeman and [[w:Johannes Quack|Johannes Quack]]}} ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মহীনতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারত]] p96xyypvqm0u30kh6imjewrk0iqizm7 81801 81800 2026-04-28T03:05:14Z ARI 356 অনুবাদ 81801 wikitext text/x-wiki [[File:YUKTHIVADI.JPG|thumb|150px|১৯২৯ সালের ''যুক্তিবাাদী'' ছিল মালয়ালম ভাষায় প্রকাশিত প্রথম নাস্তিক বা যুক্তিবাদী পত্রিকা।]] ধর্মহীনতা হলো ধর্মীয় বিশ্বাস বা আচার-আচরণ না থাকা অথবা তা বর্জন করা। ভারতে [[নাস্তিক্যবাদ]] এবং অজ্ঞেয়বাদের এক দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ==Quotes by atheist, agnostic and rationalist Indians== ===Ancient India=== * No fruits are produced from alms-giving or donations, no fruits from sacrifices, no fruits from Homa ceremonies, and no fruits from good and bad deeds. '''To those who are dead, this world exists not. To those who are living, another world does not exist.''' No results are produced from what is done to mother or father. There are no sentient beings of spontaneous generation. ** Attributed to [[w:Ajita Kesakambali|Ajita Kesakambali]] (c. 6th century BCE), [[materialist]] philosopher, from {{বই উদ্ধৃতি|title=The Visible Fruits of the Life of a Buddhist Monk (A Translation of the Sammahaplialasutta)|url=https://archive.org/details/visiblefruitsofl00unse|author=J. Wettha Sinha|year=1921}} * Who knows that the soul exists? Of what use is this knowledge? Who knows that the soul does not exist? Of what use is this knowledge? ** An [[w:Ajñana|Ajñana]] quote recorded by [[Jain]] philosopher Silanka (9th Century CE), as quoted in {{বই উদ্ধৃতি|page=119|publisher=George Allen and Unwin Ltd.|year=1963|title=Early Buddhist Theory of Knowledge|url=https://web.archive.org/web/20150911084454/http://www.ahandfulofleaves.org/documents/Early%20Buddhist%20Theory%20of%20Knowledge_Jayatilleke.pdf|last=K. N. Jayatilleke}} * '''There is no heaven, no final liberation, nor any soul in another world,''' <br>Nor do the actions of the four castes, orders, produce any real effect. <br>The Agnihotra, the three Vedas, the ascetic's three staves, and smearing one's self with ashes, <br>Were made by Nature as the livelihood of those destitute of knowledge and manliness. <br>If a beast slain in the Jyotishṭoma rite will itself go to heaven, <br>Why then does not the sacrificer forthwith offer his own father? ** Attributed to Bṛihaspati, early [[w:Carvaka|Carvaka]] philosopher, from {{বই উদ্ধৃতি|title=The Sarva Darsana Samgraha|author=[[w:Vidyaranya|Madhavacharya]] (1291-1391); E. B. Cowell & A. E. Gough (translators)|Chapter=The Charvaka System|url=https://www.gutenberg.org/files/34125/34125-h/34125-h.htm#CHAPTER_I}} ===Pre-Independence=== * Under the guise of religion the Brahmin has his finger in every thing, big or small, which the Shudra undertakes. Go to his house, to his field or to the court to which business may invite him, the Brahmin is there under some specious pretext or other, trying to squeeze out of him as much as his cunning and wily brain can manage. The Brahmin despoils the Shudra not only in his capacity of a priest, but does so in a variety of other ways. ** [[w:Jyotirao Phule|Jyotirao Phule]] (1827-1890), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Slavery (English translation of Gulamgiri)|year=1873|url=https://thesatyashodhak.com/wp-content/uploads/2020/05/Jotirao-Phule-Slavery-Government-of-Maharashtra-1991.pdf|author=P. G. Patil (Translator)}} * When are we to get into the right path of devotion to god? When I ask this, the Brahmins dub us as atheists. Believing these Brahmins and their hirelings, the ignorant people raise the cry against us that god is in danger, religion is in danger! Is behaving in this barbarous way, theism or atheism? Whatever it be, we will not be cowed down by their hindering activities. Whatever we feel right, we will boldly say. We say Hindu religion and gods are dreadful diseases. Unless they are effaced out of existence our people cannot and country would not prosper. We say what we feel. ** [[Periyar]] (1879-1973), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Collected Works of Periyar E.V.R.|publisher= The Periyar Self-Respect Propaganda Institution|ISBN=9788190357906|page=76|url=https://www.google.co.in/books/edition/Collected_Works_of_Periyar_E_V_R/c9uvoQEACAAJ?hl=en}} * Of all the living creatures man is the most intelligent. It is man who created god, religion, philosophy and spiritualism. It is also said that extra ordinary men have actually succeeded in realising god. Some are said to have become one with god itself. I venture to ask, why even such greatmen have not found out a solution for all these follies of the world. ** [[Periyar]] (1879-1973), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=The World To Come|url=https://thesatyashodhak.com/wp-content/uploads/2020/05/Periyar-E-V-Ramasamy-The-World-to-Come-The-Periyar-Self-Respect-Propaganda-Institution-2012.pdf|publisher= The Periyar Self-Respect Propaganda Institution|page=8}} * By claiming the monopoly<br>Over the unknown<br>Religions also split the people apart<br>And spread hatred among them. ** [[w:Sahodaran Ayyappan|Sahodaran Ayyappan]] (1889-1968), freedom fighter, as quoted by {{ওয়েব উদ্ধৃতি|title=Shaping a Modern Kerala: Sahodaran’s Poetry of Fraternity, Liberty and Equality|website=Sahapedia|author=Ajay S. Sekher|url=https://www.sahapedia.org/shaping-modern-kerala-sahodaran%E2%80%99s-poetry-of-fraternity-liberty-and-equality}} * Let us see how I carry on: one friend asked me to pray. When informed of my atheism, he said, “During your last days, you will begin to believe”. I said, “No, dear Sir, it shall not be”. I will think that to be an act of degradation and demoralization on my part. For selfish motives, I am not going to pray. Readers and friends, “Is this vanity?” If it is, I stand for it. ** [[ভগৎ সিং]] ([[1907]]-[[1931]]), [[ভারত]]n freedom fighter, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Why I am an Atheist and Other Works|publisher=Penguin India|ISBN=9780143462262}} * The characteristic feature of modern civilisation is the progressive triumph of science over superstition, reason over faith. The struggle had been going on ever since the dawn of history. ** [[w:M. N. Roy|M. N. Roy]] (1887-1954), [[সাম্যবাদ]] revolutionary, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Reason, Romanticism and Revolution|url=https://www.google.co.in/books/edition/Reason_Romanticism_and_Revolution/KOx3PwAACAAJ?hl=en|page=59|ISBN=9788120201675}} * Religion is bound to be liquidated by science, because scientific knowledge enables mankind to answer questions, confronted by which in its childhood, it was compelled to assume super-natural forces or agencies. If the assumption really answered the questions, then religion would have precluded the rise of science. But religion did not explain natural phenomena. It simply created a new set of problems, which overshadowed the original problems of existence. ** [[w:M. N. Roy|M. N. Roy]] (1887-1954), [[সাম্যবাদ]] revolutionary, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Science and Philosophy|page=8|year=1947|publisher=Ajanta Publication|url=https://www.google.co.in/books/edition/Science_And_Philosphy/V74a0AEACAAJ?hl=en|ISBN=9781021185549}} * The spectacle of what is called religion, or at any rate organized religion, in India and elsewhere has filled me with horror, and I have frequently condemned it and wished to make a clean sweep of it. ** [[জওহরলাল নেহরু]] ([[1889]]-[[1964]]), Prime Minister of [[ভারত]], from {{বই উদ্ধৃতি|title=An Autobiography|publisher=Penguin India|isbn=9789385990045}} * Religion, as I saw it practised, and accepted even by thinking minds, whether it was Hinduism or Islam or Buddhism or Christianity, did not attract me. It seemed to be closely associated with superstitious practices and dogmatic beliefs, and behind it lay a method of approach to life’s problems which was certainly not that of science. There was an element of magic about it, an uncritical credulousness, a reliance on the supernatural. ** [[জওহরলাল নেহরু]] ([[1889]]-[[1964]]), Prime Minister of [[ভারত]], from {{বই উদ্ধৃতি|title=Discovery of India|publisher=Penguin India|ISBN=9789385990052}} * I want ethics to rule and idealism to grow. That can be achieved only when belief in god and fate is done away with and consequently the theistic philosophy of life is changed. In positive terms, I want atheism, so that man shall cease to depend on god and stand firmly on his own legs. In such a man a healthy social outlook will grow, because atheism finds no justification for the economic and social inequalities between man and man. ** [[w:Goparaju Ramachandra Rao|Goparaju Ramachandra Rao]] (1902-1975), social reformer, from {{বই উদ্ধৃতি|title=An Atheist with Gandhi|url=https://www.google.co.in/books/edition/An_Atheist_with_Gandhi/M7s9AAAAIAAJ?hl=en&gbpv=0&bsq=An%20Atheist%20with%20Gandhi|year=1951|publisher=Navajivan Publishing House}} ===Modern India=== ====Born between 1900 and 1945==== * If the scientist and the [[w:Rishi|Rishi]] resemble each other in their inspiration, they also differ radically from each other in their conception of truth. Truth for the Rishi is essentially mystic - that is, intuitive, absolute and transcendental. Scientific truth is discursive or rational in structure, empirical in content and secular in character. ** [[w:A. B. Shah|A. B. Shah]] (1920-1981), founder of Indian Secular Society, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Scientific Method|page=28|year=1964|publishers=Allied Publishers|oclc=593639163}} * When I was young, I had to memorise parts of the Bible and perform rituals. It was perhaps this experience that turned me into an atheist. When I grew up, I saw people using religion to earn money and fool others. This made my belief all the more stronger. I don't, however, thrust my beliefs and ideologies on anyone. ** [[Verghese Kurien]] (1921-2012), social entrepreneur, from {{cite news|newspaper=The Times of India|title=I Am: Verghese Kurien|url=https://timesofindia.indiatimes.com/I-AM-Verghese-Kurien/articleshow/1473433.cms|date=01 April 2006}} * I lay curled up at night, unable to sleep, trembling with fear, praying to every god I knew to let him live, just let my father come back to us. But he too left, leaving behind only us children. That was when I decided, gods who don’t answer such prayers need not be called again. ** [[w:V. S. Achuthanandan|V. S. Achuthanandan]] (1923-2025), freedom fighter, on losing both parents to [[smallpox]], from {{cite news|newspaper=Deshabhimani|url=https://english.deshabhimani.com/deshabhimani-english-/kerala-news/vs-achuthanandan--memoir-56071|title=The Day Faith Left Me: V S Achuthanandan’s Memoir|date=22 July 2025}} * I believe in only one god. My conscience. ** [[w:M. Karunanidhi|M. Karunanidhi]] (1924-2018), politician, as quoted in {{cite news|title=I’m not against Ram. They can keep Ram. My conscience is my only god: Karunanidhi|date=07 August 2018|url=https://theprint.in/walk-the-talk/im-not-against-ram-they-can-keep-ram-my-conscience-is-my-only-god-karunanidhi/94937/|newspaper=The Print}} * One cannot question Puranas or the religions. But Science is all about asking questions. Though we know all this, we are still scared to question it. So, we say that education should take us in the direction of fulfilling this objective of scientific thinking. ** K. Veeramani (born 1933), politician, from {{cite news|url=https://www.roundtableindia.co.in/caste-organizations-should-not-exist-in-tamil-nadu-dr-k-veeramani-president-dravida-kazhagam/|date=23 October 2023|newspaper=Round Table India|title=‘Caste organizations should not exist in Tamil Nadu’ – Dr K Veeramani, President, Dravida Kazhagam}} * '''Science is always humble. It never lays claim to the final word. It is religion that asserts, ‘I have understood it all, I have figured the universe out, now do as I say.’''' Science believes in testing objects and incidents, and searching tirelessly for solutions to unsolved problems. Scientists are not to be praised for being right; they are to be praised for trying to state principles rigorously and thoroughly. Science remains objective even while it extends or overturns the work of its own giants. ** [[w:Narendra Dabholkar|Narendra Dabholkar]] (1945-2013), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Please Think: Practical Lessons in Developing a Scientific Temper|author=Jai Vipra (Translator)|ISBN=9789388754026|year=1994|url=|publisher=Westland Publications}} * Life is about exploration: I don’t believe in God; spirituality means nothing much to me. I enjoy exploring things I don’t have answers for. ** [[w:Amol Palekar|Amol Palekar]] (born 1944), actor, from {{cite news|title=Amol Palekar: Baaton Baaton Mein|date=19 October 2003|newspaper=The Times of India|url=https://timesofindia.indiatimes.com/delhi-times/amol-palekar-baaton-baaton-mein/articleshow/240783.cms}} * Those belong to different faiths and those who were not part of any religion had taken active part in our freedom struggle. This nation belongs to all people and all sections of Indian society in equal measure. ** [[w:Pinarayi Vijayan|Pinarayi Vijayan]] (born 1945), politicians, as quoted in {{cite news|title=Nation Belongs To All, Religion Is A Private Affair: Kerala's Pinarayi Vijayan|url=https://timelinedaily.com/india/nation-belongs-to-all-religion-is-a-private-affair-keralas-pinarayi-vijayan|newspaper-Timeline|date=22 January 2024}} * All these religions, all the religions without exception, belong to the dark ages. Their roots are in the dark ages. You bring the dark age with you. Your umbilical cord has not been cut from the dark ages. ** [[w:Javed Akhtar|Javed Akhtar]] (born 1945), lyricist, from {{cite news|title=Javed Akhtar On Being Atheist: All Religions Belong To Dark Ages, It's Time Of Schizophrenia|newspaper=Times Now|date=30 August 2024|url=https://www.timesnownews.com/entertainment-news/bollywood/javed-akhtar-on-being-atheist-all-religions-belong-to-dark-ages-its-time-of-schizophrenia-article-112915311}} * When it comes to the forced inculcation of religion and the resulting abuses of children in the name of religion, the United Nations, all of its affiliated organizations, and almost all national governments remains steadfastly silent. ** Innaiah Narisetti (born 1937), journalist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Forced Into Faith: How Religion Abuses Children's Rights|date=2009|publisher=Globe Pequot Publishing|url=https://www.google.co.in/books/edition/Forced_Into_Faith/B1kKAQAAMAAJ?hl=en&gbpv=0&bsq=Forced%20Into%20Faith%20Innaiah%20Narisetti|ISBN=9781591026068}} * I am an atheist by belief, but I did not come to atheism through rebellion against the Hinduism I was born into. Rather, through the influence of my atheist father, whose particular brand of non-religious rationalism was, I now realise, in keeping with the spirit of the late 19th-early 20th century Prabodhan or renaissance in Maharashtra. ** [[w:Wandana Sonalkar|Wandana Sonalkar]], scholar, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Why I Am Not a Hindu Woman|date=2021|publisher=Women Unlimited|url=https://www.google.co.in/books/edition/Why_I_Am_Not_a_Hindu_Woman/CGcRzgEACAAJ?hl=en|isbn=9789385606311}} ====Born between 1946 and 1975==== * We reject the Hinduization programme in toto for two reasons. One, Hinduism has never been a humane philosophy. It is the most brutal religious school that the history of religions has witnessed. The Dalitbhujan castes of India are the living evidence of its brutality. Second, even if Hinduization expressed a desire to humanize itself in future, there is no scope for this to happen, since the history of religion itself is coming to an end. ** [[Kancha Ilaiah]] (born 1952), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Why I Am Not a Hindu: A Sudra Critique of Hindutva, Philosophy, Culture, and Political Economy|year=1996|isbn=9788185604183|url=https://www.google.co.in/books/edition/Why_I_Am_Not_a_Hindu/TF4qAAAAYAAJ?hl=en|publisher=Stree-Samya Books}} * By sixteen, I was a borderline rabid atheist. Then, things cooled down, and I decided not to be angry. I finally settled down for a rational view of the world because for me it was not necessary to demolish god. ** [[w:Kamal Hasan|Kamal Hasan]], actor, as quoted in {{cite news|title=‘By 16, I was a borderline rabid atheist’: How Kamal Haasan developed his politics as a child|url=https://scroll.in/article/924182/by-16-i-was-a-borderline-rabid-atheist-how-kamal-haasan-developed-his-politics-as-a-child|date=22 May 2019|newspaper=22 May 2019}} * I am an atheist, but being so doesn't stop me from respecting those who believe in religion. Every individual has the right to lead his or her life according to their wish and I respect that. I don't try to influence anyone or force my opinion on them. Also, my beliefs cannot be influenced by anyone. ** [[w:Rahul Bose|Rahul Bose]] (born 1967), actor, as quoted in {{cite news|title=I am: Rahul Bose|newspaper=The Times of India|url=https://timesofindia.indiatimes.com/i-am-rahul-bose/articleshow/1998701.cms|date=17 September 2006}} * I'm not overtly religious, but I do bow my head and offer my respects everytime I pass a holy place. My dad always said more than learning any form of organised religion, it was essential to be a good human being first. I'm not an atheist, I'm more of an agnostic. ** [[w:John Abraham|John Abraham]] (born [[1972]]), actor, from {{cite news|title=I Am: John Abraham|url=https://timesofindia.indiatimes.com/i-am-john-abraham/articleshow/1227156.cms|newspaper=The Times of India|date=11 September 2005}} * My father raised me without a religion and to question everything. When you are raised without a religion who automatically question everything. He never told us don’t believe in God, we just imbibed what we saw. It was more about questioning thing and trying to apply logic or scientific evidence to things. Those things are important because something has to be provable before you can say that it is a fact otherwise it is a theory. Billions of people get by on faith and it is strange the comfort the people who have faith have, it is very difficult for people who don’t have faith to get that. ** [[w:Farhan Akhtar|Farhan Akhtar]] (born 1974), actor, from {{cite news|newspaper=The Indian Express|url=https://indianexpress.com/article/entertainment/bollywood/farhan-akhtar-on-growing-up-in-an-inter-faith-home-being-raised-without-a-religion-9537751/|title=Farhan Akhtar on growing up in an inter-faith home, being raised ‘without a religion’: ‘I was taught to question everything’|date=28 August 2024}} * I don’t follow any religion. I am an atheist. So where will you get me out of? How would you get somebody out of a place they don't exist in the first place! ** [[w:Urfi Javed|Uorfi Javed]] (born 1995), actress, on rumours of being expelled from [[ইসলাম]], as quoted in {{cite news|title=Uorfi Javed dismisses claims of being 'expelled' from Islam, says she is atheist and follows no religion|url=https://zeenews.india.com/people/uorfi-javed-dismisses-claims-of-being-expelled-from-islam-says-she-is-atheist-and-follows-no-religion-3012381.html|newspaper=Zee News|date=31 January 2026}} ==Quotes about Irreligion in India== * The Indian atheist activists with whom we have spent time - as opposed to those often characterized dismissively by activists as metropolitan-based ‘talking shop’ humanists or ‘armchair atheists’ - do not simply ‘believe’ in materialism. They seek to debunk or ‘expose’ what they consider to be pernicious supernatural beliefs via skilled deployments of materials. ** On Indian atheist activists, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Being Godless: Ethnographies of Atheism and Non-Religion|year=2017|publisher=Berghahn Books|ISBN= 9781785335730|url=https://www.google.co.in/books/edition/Being_Godless/KZ3vDQAAQBAJ?hl=en&gbpv=0|Chapter=2|author=Jacob Copeman and [[w:Johannes Quack|Johannes Quack]]}} ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মহীনতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারত]] 2qyc9wzvbwfuavmeu3iau0lkdb9plf1 81802 81801 2026-04-28T03:07:09Z ARI 356 /* Quotes by atheist, agnostic and rationalist Indians */ ; অনুবাদ 81802 wikitext text/x-wiki [[File:YUKTHIVADI.JPG|thumb|150px|১৯২৯ সালের ''যুক্তিবাাদী'' ছিল মালয়ালম ভাষায় প্রকাশিত প্রথম নাস্তিক বা যুক্তিবাদী পত্রিকা।]] ধর্মহীনতা হলো ধর্মীয় বিশ্বাস বা আচার-আচরণ না থাকা অথবা তা বর্জন করা। ভারতে [[নাস্তিক্যবাদ]] এবং অজ্ঞেয়বাদের এক দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। == নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী এবং যুক্তিবাদী ভারতীয়দের উক্তি == === প্রাচীন ভারত === * দান-ধ্যান করলে কোনো ফল পাওয়া যায় না। কোনো ফল পাওয়া যায় না বলিদান বা হোম অনুষ্ঠান থেকেও। ভালো বা মন্দ কাজেরও কোনো ফল নেই। '''যারা মারা গেছে, তাদের জন্য এই জগতের কোনো অস্তিত্ব নেই। আর যারা বেঁচে আছে, তাদের জন্য অন্য কোনো জগতের অস্তিত্ব নেই।''' মা বা বাবার জন্য কিছু করলেও কোনো ফল পাওয়া যায় না। আপনাআপনি জন্মানো কোনো সচেতন সত্তা নেই। ** অজিত কেশকম্বলী (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দী), বস্তুবাদী দার্শনিক বলে পরিচিত; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য ভিজিবল ফ্রুটস অফ দ্য লাইফ অফ আ বুদ্ধিস্ট মঙ্ক (আ ট্রান্সলেশন অফ দ্য সামাহাফলাসুত্ত)|url=https://archive.org/details/visiblefruitsofl00unse|author=জে. ওয়েত্থা সিনহা|year=১৯২১}} * কে জানে যে আত্মার অস্তিত্ব আছে? এই জ্ঞানের কী দরকার? কে জানে যে আত্মার অস্তিত্ব নেই? এই জ্ঞানেরই বা কী দরকার? ** একজন অজ্ঞানবাদী দ্বারা বলা উক্তি যা জৈন দার্শনিক শিলাঙ্ক (৯ম শতাব্দী) দ্বারা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|পৃষ্ঠা=১১৯|publisher=জর্জ অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন লিমিটেড|year=১৯৬৩|title=আর্লি বুদ্ধিস্ট থিওরি অফ নলেজ|url=https://web.archive.org/web/20150911084454/http://www.ahandfulofleaves.org/documents/Early%20Buddhist%20Theory%20of%20Knowledge_Jayatilleke.pdf|last=কে. এন. জয়তিল্লেকে}} * '''কোনো স্বর্গ নেই, নেই কোনো চূড়ান্ত মুক্তি, এমনকি অন্য কোনো জগতের আত্মাও নেই,''' <br>না চার বর্ণের কর্ম ও বিধান কোনো বাস্তব প্রভাব ফেলে। <br>অগ্নিহোত্র, তিনটি বেদ, সন্ন্যাসীর তিনটি দণ্ড এবং গায়ে ছাই মাখা, <br>এসবই প্রকৃতি তৈরি করেছে সেই সব মানুষের জীবিকা হিসেবে যাদের জ্ঞান ও পুরুষত্ব নেই। <br>যদি জ্যোতিষ্টোম যজ্ঞে বলি দেওয়া পশুটি নিজেই স্বর্গে যায়, <br>তবে যজ্ঞকারী কেন সরাসরি নিজের পিতাকেই উৎসর্গ করেন না? ** প্রাচীন চার্বাক দার্শনিক বৃহস্পতিকে উৎসর্গ করা; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য সর্ব দর্শন সংগ্রহ|author=মাধবাচার্য (১২৯১-১৩৯১); ই. বি. কাওয়েল ও এ. ই. গফ (অনুবাদক)|chapter=দ্য চার্বাক সিস্টেম|url=https://www.gutenberg.org/files/34125/34125-h/34125-h.htm#CHAPTER_I}} ===Pre-Independence=== * Under the guise of religion the Brahmin has his finger in every thing, big or small, which the Shudra undertakes. Go to his house, to his field or to the court to which business may invite him, the Brahmin is there under some specious pretext or other, trying to squeeze out of him as much as his cunning and wily brain can manage. The Brahmin despoils the Shudra not only in his capacity of a priest, but does so in a variety of other ways. ** [[w:Jyotirao Phule|Jyotirao Phule]] (1827-1890), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Slavery (English translation of Gulamgiri)|year=1873|url=https://thesatyashodhak.com/wp-content/uploads/2020/05/Jotirao-Phule-Slavery-Government-of-Maharashtra-1991.pdf|author=P. G. Patil (Translator)}} * When are we to get into the right path of devotion to god? When I ask this, the Brahmins dub us as atheists. Believing these Brahmins and their hirelings, the ignorant people raise the cry against us that god is in danger, religion is in danger! Is behaving in this barbarous way, theism or atheism? Whatever it be, we will not be cowed down by their hindering activities. Whatever we feel right, we will boldly say. We say Hindu religion and gods are dreadful diseases. Unless they are effaced out of existence our people cannot and country would not prosper. We say what we feel. ** [[Periyar]] (1879-1973), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Collected Works of Periyar E.V.R.|publisher= The Periyar Self-Respect Propaganda Institution|ISBN=9788190357906|page=76|url=https://www.google.co.in/books/edition/Collected_Works_of_Periyar_E_V_R/c9uvoQEACAAJ?hl=en}} * Of all the living creatures man is the most intelligent. It is man who created god, religion, philosophy and spiritualism. It is also said that extra ordinary men have actually succeeded in realising god. Some are said to have become one with god itself. I venture to ask, why even such greatmen have not found out a solution for all these follies of the world. ** [[Periyar]] (1879-1973), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=The World To Come|url=https://thesatyashodhak.com/wp-content/uploads/2020/05/Periyar-E-V-Ramasamy-The-World-to-Come-The-Periyar-Self-Respect-Propaganda-Institution-2012.pdf|publisher= The Periyar Self-Respect Propaganda Institution|page=8}} * By claiming the monopoly<br>Over the unknown<br>Religions also split the people apart<br>And spread hatred among them. ** [[w:Sahodaran Ayyappan|Sahodaran Ayyappan]] (1889-1968), freedom fighter, as quoted by {{ওয়েব উদ্ধৃতি|title=Shaping a Modern Kerala: Sahodaran’s Poetry of Fraternity, Liberty and Equality|website=Sahapedia|author=Ajay S. Sekher|url=https://www.sahapedia.org/shaping-modern-kerala-sahodaran%E2%80%99s-poetry-of-fraternity-liberty-and-equality}} * Let us see how I carry on: one friend asked me to pray. When informed of my atheism, he said, “During your last days, you will begin to believe”. I said, “No, dear Sir, it shall not be”. I will think that to be an act of degradation and demoralization on my part. For selfish motives, I am not going to pray. Readers and friends, “Is this vanity?” If it is, I stand for it. ** [[ভগৎ সিং]] ([[1907]]-[[1931]]), [[ভারত]]n freedom fighter, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Why I am an Atheist and Other Works|publisher=Penguin India|ISBN=9780143462262}} * The characteristic feature of modern civilisation is the progressive triumph of science over superstition, reason over faith. The struggle had been going on ever since the dawn of history. ** [[w:M. N. Roy|M. N. Roy]] (1887-1954), [[সাম্যবাদ]] revolutionary, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Reason, Romanticism and Revolution|url=https://www.google.co.in/books/edition/Reason_Romanticism_and_Revolution/KOx3PwAACAAJ?hl=en|page=59|ISBN=9788120201675}} * Religion is bound to be liquidated by science, because scientific knowledge enables mankind to answer questions, confronted by which in its childhood, it was compelled to assume super-natural forces or agencies. If the assumption really answered the questions, then religion would have precluded the rise of science. But religion did not explain natural phenomena. It simply created a new set of problems, which overshadowed the original problems of existence. ** [[w:M. N. Roy|M. N. Roy]] (1887-1954), [[সাম্যবাদ]] revolutionary, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Science and Philosophy|page=8|year=1947|publisher=Ajanta Publication|url=https://www.google.co.in/books/edition/Science_And_Philosphy/V74a0AEACAAJ?hl=en|ISBN=9781021185549}} * The spectacle of what is called religion, or at any rate organized religion, in India and elsewhere has filled me with horror, and I have frequently condemned it and wished to make a clean sweep of it. ** [[জওহরলাল নেহরু]] ([[1889]]-[[1964]]), Prime Minister of [[ভারত]], from {{বই উদ্ধৃতি|title=An Autobiography|publisher=Penguin India|isbn=9789385990045}} * Religion, as I saw it practised, and accepted even by thinking minds, whether it was Hinduism or Islam or Buddhism or Christianity, did not attract me. It seemed to be closely associated with superstitious practices and dogmatic beliefs, and behind it lay a method of approach to life’s problems which was certainly not that of science. There was an element of magic about it, an uncritical credulousness, a reliance on the supernatural. ** [[জওহরলাল নেহরু]] ([[1889]]-[[1964]]), Prime Minister of [[ভারত]], from {{বই উদ্ধৃতি|title=Discovery of India|publisher=Penguin India|ISBN=9789385990052}} * I want ethics to rule and idealism to grow. That can be achieved only when belief in god and fate is done away with and consequently the theistic philosophy of life is changed. In positive terms, I want atheism, so that man shall cease to depend on god and stand firmly on his own legs. In such a man a healthy social outlook will grow, because atheism finds no justification for the economic and social inequalities between man and man. ** [[w:Goparaju Ramachandra Rao|Goparaju Ramachandra Rao]] (1902-1975), social reformer, from {{বই উদ্ধৃতি|title=An Atheist with Gandhi|url=https://www.google.co.in/books/edition/An_Atheist_with_Gandhi/M7s9AAAAIAAJ?hl=en&gbpv=0&bsq=An%20Atheist%20with%20Gandhi|year=1951|publisher=Navajivan Publishing House}} ===Modern India=== ====Born between 1900 and 1945==== * If the scientist and the [[w:Rishi|Rishi]] resemble each other in their inspiration, they also differ radically from each other in their conception of truth. Truth for the Rishi is essentially mystic - that is, intuitive, absolute and transcendental. Scientific truth is discursive or rational in structure, empirical in content and secular in character. ** [[w:A. B. Shah|A. B. Shah]] (1920-1981), founder of Indian Secular Society, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Scientific Method|page=28|year=1964|publishers=Allied Publishers|oclc=593639163}} * When I was young, I had to memorise parts of the Bible and perform rituals. It was perhaps this experience that turned me into an atheist. When I grew up, I saw people using religion to earn money and fool others. This made my belief all the more stronger. I don't, however, thrust my beliefs and ideologies on anyone. ** [[Verghese Kurien]] (1921-2012), social entrepreneur, from {{cite news|newspaper=The Times of India|title=I Am: Verghese Kurien|url=https://timesofindia.indiatimes.com/I-AM-Verghese-Kurien/articleshow/1473433.cms|date=01 April 2006}} * I lay curled up at night, unable to sleep, trembling with fear, praying to every god I knew to let him live, just let my father come back to us. But he too left, leaving behind only us children. That was when I decided, gods who don’t answer such prayers need not be called again. ** [[w:V. S. Achuthanandan|V. S. Achuthanandan]] (1923-2025), freedom fighter, on losing both parents to [[smallpox]], from {{cite news|newspaper=Deshabhimani|url=https://english.deshabhimani.com/deshabhimani-english-/kerala-news/vs-achuthanandan--memoir-56071|title=The Day Faith Left Me: V S Achuthanandan’s Memoir|date=22 July 2025}} * I believe in only one god. My conscience. ** [[w:M. Karunanidhi|M. Karunanidhi]] (1924-2018), politician, as quoted in {{cite news|title=I’m not against Ram. They can keep Ram. My conscience is my only god: Karunanidhi|date=07 August 2018|url=https://theprint.in/walk-the-talk/im-not-against-ram-they-can-keep-ram-my-conscience-is-my-only-god-karunanidhi/94937/|newspaper=The Print}} * One cannot question Puranas or the religions. But Science is all about asking questions. Though we know all this, we are still scared to question it. So, we say that education should take us in the direction of fulfilling this objective of scientific thinking. ** K. Veeramani (born 1933), politician, from {{cite news|url=https://www.roundtableindia.co.in/caste-organizations-should-not-exist-in-tamil-nadu-dr-k-veeramani-president-dravida-kazhagam/|date=23 October 2023|newspaper=Round Table India|title=‘Caste organizations should not exist in Tamil Nadu’ – Dr K Veeramani, President, Dravida Kazhagam}} * '''Science is always humble. It never lays claim to the final word. It is religion that asserts, ‘I have understood it all, I have figured the universe out, now do as I say.’''' Science believes in testing objects and incidents, and searching tirelessly for solutions to unsolved problems. Scientists are not to be praised for being right; they are to be praised for trying to state principles rigorously and thoroughly. Science remains objective even while it extends or overturns the work of its own giants. ** [[w:Narendra Dabholkar|Narendra Dabholkar]] (1945-2013), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Please Think: Practical Lessons in Developing a Scientific Temper|author=Jai Vipra (Translator)|ISBN=9789388754026|year=1994|url=|publisher=Westland Publications}} * Life is about exploration: I don’t believe in God; spirituality means nothing much to me. I enjoy exploring things I don’t have answers for. ** [[w:Amol Palekar|Amol Palekar]] (born 1944), actor, from {{cite news|title=Amol Palekar: Baaton Baaton Mein|date=19 October 2003|newspaper=The Times of India|url=https://timesofindia.indiatimes.com/delhi-times/amol-palekar-baaton-baaton-mein/articleshow/240783.cms}} * Those belong to different faiths and those who were not part of any religion had taken active part in our freedom struggle. This nation belongs to all people and all sections of Indian society in equal measure. ** [[w:Pinarayi Vijayan|Pinarayi Vijayan]] (born 1945), politicians, as quoted in {{cite news|title=Nation Belongs To All, Religion Is A Private Affair: Kerala's Pinarayi Vijayan|url=https://timelinedaily.com/india/nation-belongs-to-all-religion-is-a-private-affair-keralas-pinarayi-vijayan|newspaper-Timeline|date=22 January 2024}} * All these religions, all the religions without exception, belong to the dark ages. Their roots are in the dark ages. You bring the dark age with you. Your umbilical cord has not been cut from the dark ages. ** [[w:Javed Akhtar|Javed Akhtar]] (born 1945), lyricist, from {{cite news|title=Javed Akhtar On Being Atheist: All Religions Belong To Dark Ages, It's Time Of Schizophrenia|newspaper=Times Now|date=30 August 2024|url=https://www.timesnownews.com/entertainment-news/bollywood/javed-akhtar-on-being-atheist-all-religions-belong-to-dark-ages-its-time-of-schizophrenia-article-112915311}} * When it comes to the forced inculcation of religion and the resulting abuses of children in the name of religion, the United Nations, all of its affiliated organizations, and almost all national governments remains steadfastly silent. ** Innaiah Narisetti (born 1937), journalist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Forced Into Faith: How Religion Abuses Children's Rights|date=2009|publisher=Globe Pequot Publishing|url=https://www.google.co.in/books/edition/Forced_Into_Faith/B1kKAQAAMAAJ?hl=en&gbpv=0&bsq=Forced%20Into%20Faith%20Innaiah%20Narisetti|ISBN=9781591026068}} * I am an atheist by belief, but I did not come to atheism through rebellion against the Hinduism I was born into. Rather, through the influence of my atheist father, whose particular brand of non-religious rationalism was, I now realise, in keeping with the spirit of the late 19th-early 20th century Prabodhan or renaissance in Maharashtra. ** [[w:Wandana Sonalkar|Wandana Sonalkar]], scholar, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Why I Am Not a Hindu Woman|date=2021|publisher=Women Unlimited|url=https://www.google.co.in/books/edition/Why_I_Am_Not_a_Hindu_Woman/CGcRzgEACAAJ?hl=en|isbn=9789385606311}} ====Born between 1946 and 1975==== * We reject the Hinduization programme in toto for two reasons. One, Hinduism has never been a humane philosophy. It is the most brutal religious school that the history of religions has witnessed. The Dalitbhujan castes of India are the living evidence of its brutality. Second, even if Hinduization expressed a desire to humanize itself in future, there is no scope for this to happen, since the history of religion itself is coming to an end. ** [[Kancha Ilaiah]] (born 1952), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Why I Am Not a Hindu: A Sudra Critique of Hindutva, Philosophy, Culture, and Political Economy|year=1996|isbn=9788185604183|url=https://www.google.co.in/books/edition/Why_I_Am_Not_a_Hindu/TF4qAAAAYAAJ?hl=en|publisher=Stree-Samya Books}} * By sixteen, I was a borderline rabid atheist. Then, things cooled down, and I decided not to be angry. I finally settled down for a rational view of the world because for me it was not necessary to demolish god. ** [[w:Kamal Hasan|Kamal Hasan]], actor, as quoted in {{cite news|title=‘By 16, I was a borderline rabid atheist’: How Kamal Haasan developed his politics as a child|url=https://scroll.in/article/924182/by-16-i-was-a-borderline-rabid-atheist-how-kamal-haasan-developed-his-politics-as-a-child|date=22 May 2019|newspaper=22 May 2019}} * I am an atheist, but being so doesn't stop me from respecting those who believe in religion. Every individual has the right to lead his or her life according to their wish and I respect that. I don't try to influence anyone or force my opinion on them. Also, my beliefs cannot be influenced by anyone. ** [[w:Rahul Bose|Rahul Bose]] (born 1967), actor, as quoted in {{cite news|title=I am: Rahul Bose|newspaper=The Times of India|url=https://timesofindia.indiatimes.com/i-am-rahul-bose/articleshow/1998701.cms|date=17 September 2006}} * I'm not overtly religious, but I do bow my head and offer my respects everytime I pass a holy place. My dad always said more than learning any form of organised religion, it was essential to be a good human being first. I'm not an atheist, I'm more of an agnostic. ** [[w:John Abraham|John Abraham]] (born [[1972]]), actor, from {{cite news|title=I Am: John Abraham|url=https://timesofindia.indiatimes.com/i-am-john-abraham/articleshow/1227156.cms|newspaper=The Times of India|date=11 September 2005}} * My father raised me without a religion and to question everything. When you are raised without a religion who automatically question everything. He never told us don’t believe in God, we just imbibed what we saw. It was more about questioning thing and trying to apply logic or scientific evidence to things. Those things are important because something has to be provable before you can say that it is a fact otherwise it is a theory. Billions of people get by on faith and it is strange the comfort the people who have faith have, it is very difficult for people who don’t have faith to get that. ** [[w:Farhan Akhtar|Farhan Akhtar]] (born 1974), actor, from {{cite news|newspaper=The Indian Express|url=https://indianexpress.com/article/entertainment/bollywood/farhan-akhtar-on-growing-up-in-an-inter-faith-home-being-raised-without-a-religion-9537751/|title=Farhan Akhtar on growing up in an inter-faith home, being raised ‘without a religion’: ‘I was taught to question everything’|date=28 August 2024}} * I don’t follow any religion. I am an atheist. So where will you get me out of? How would you get somebody out of a place they don't exist in the first place! ** [[w:Urfi Javed|Uorfi Javed]] (born 1995), actress, on rumours of being expelled from [[ইসলাম]], as quoted in {{cite news|title=Uorfi Javed dismisses claims of being 'expelled' from Islam, says she is atheist and follows no religion|url=https://zeenews.india.com/people/uorfi-javed-dismisses-claims-of-being-expelled-from-islam-says-she-is-atheist-and-follows-no-religion-3012381.html|newspaper=Zee News|date=31 January 2026}} ==Quotes about Irreligion in India== * The Indian atheist activists with whom we have spent time - as opposed to those often characterized dismissively by activists as metropolitan-based ‘talking shop’ humanists or ‘armchair atheists’ - do not simply ‘believe’ in materialism. They seek to debunk or ‘expose’ what they consider to be pernicious supernatural beliefs via skilled deployments of materials. ** On Indian atheist activists, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Being Godless: Ethnographies of Atheism and Non-Religion|year=2017|publisher=Berghahn Books|ISBN= 9781785335730|url=https://www.google.co.in/books/edition/Being_Godless/KZ3vDQAAQBAJ?hl=en&gbpv=0|Chapter=2|author=Jacob Copeman and [[w:Johannes Quack|Johannes Quack]]}} ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মহীনতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারত]] 50fu9a7x80dhzjue4cr0tww7e8u3708 81806 81802 2026-04-28T03:15:38Z ARI 356 /* Pre-Independence */ ; অনুবাদ 81806 wikitext text/x-wiki [[File:YUKTHIVADI.JPG|thumb|150px|১৯২৯ সালের ''যুক্তিবাাদী'' ছিল মালয়ালম ভাষায় প্রকাশিত প্রথম নাস্তিক বা যুক্তিবাদী পত্রিকা।]] ধর্মহীনতা হলো ধর্মীয় বিশ্বাস বা আচার-আচরণ না থাকা অথবা তা বর্জন করা। ভারতে [[নাস্তিক্যবাদ]] এবং অজ্ঞেয়বাদের এক দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। == নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী এবং যুক্তিবাদী ভারতীয়দের উক্তি == === প্রাচীন ভারত === * দান-ধ্যান করলে কোনো ফল পাওয়া যায় না। কোনো ফল পাওয়া যায় না বলিদান বা হোম অনুষ্ঠান থেকেও। ভালো বা মন্দ কাজেরও কোনো ফল নেই। '''যারা মারা গেছে, তাদের জন্য এই জগতের কোনো অস্তিত্ব নেই। আর যারা বেঁচে আছে, তাদের জন্য অন্য কোনো জগতের অস্তিত্ব নেই।''' মা বা বাবার জন্য কিছু করলেও কোনো ফল পাওয়া যায় না। আপনাআপনি জন্মানো কোনো সচেতন সত্তা নেই। ** অজিত কেশকম্বলী (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দী), বস্তুবাদী দার্শনিক বলে পরিচিত; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য ভিজিবল ফ্রুটস অফ দ্য লাইফ অফ আ বুদ্ধিস্ট মঙ্ক (আ ট্রান্সলেশন অফ দ্য সামাহাফলাসুত্ত)|url=https://archive.org/details/visiblefruitsofl00unse|author=জে. ওয়েত্থা সিনহা|year=১৯২১}} * কে জানে যে আত্মার অস্তিত্ব আছে? এই জ্ঞানের কী দরকার? কে জানে যে আত্মার অস্তিত্ব নেই? এই জ্ঞানেরই বা কী দরকার? ** একজন অজ্ঞানবাদী দ্বারা বলা উক্তি যা জৈন দার্শনিক শিলাঙ্ক (৯ম শতাব্দী) দ্বারা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|পৃষ্ঠা=১১৯|publisher=জর্জ অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন লিমিটেড|year=১৯৬৩|title=আর্লি বুদ্ধিস্ট থিওরি অফ নলেজ|url=https://web.archive.org/web/20150911084454/http://www.ahandfulofleaves.org/documents/Early%20Buddhist%20Theory%20of%20Knowledge_Jayatilleke.pdf|last=কে. এন. জয়তিল্লেকে}} * '''কোনো স্বর্গ নেই, নেই কোনো চূড়ান্ত মুক্তি, এমনকি অন্য কোনো জগতের আত্মাও নেই,''' <br>না চার বর্ণের কর্ম ও বিধান কোনো বাস্তব প্রভাব ফেলে। <br>অগ্নিহোত্র, তিনটি বেদ, সন্ন্যাসীর তিনটি দণ্ড এবং গায়ে ছাই মাখা, <br>এসবই প্রকৃতি তৈরি করেছে সেই সব মানুষের জীবিকা হিসেবে যাদের জ্ঞান ও পুরুষত্ব নেই। <br>যদি জ্যোতিষ্টোম যজ্ঞে বলি দেওয়া পশুটি নিজেই স্বর্গে যায়, <br>তবে যজ্ঞকারী কেন সরাসরি নিজের পিতাকেই উৎসর্গ করেন না? ** প্রাচীন চার্বাক দার্শনিক বৃহস্পতিকে উৎসর্গ করা; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য সর্ব দর্শন সংগ্রহ|author=মাধবাচার্য (১২৯১-১৩৯১); ই. বি. কাওয়েল ও এ. ই. গফ (অনুবাদক)|chapter=দ্য চার্বাক সিস্টেম|url=https://www.gutenberg.org/files/34125/34125-h/34125-h.htm#CHAPTER_I}} === স্বাধীনতা-পূর্ব === * ধর্মের ছদ্মবেশে ব্রাহ্মণরা শূদ্রদের প্রতিটি কাজে তা ছোট হোক বা বড় হস্তক্ষেপ করে। তাদের ঘরে হোক, মাঠে হোক বা আদালতে হোক, ব্রাহ্মণরা কোনো না কোনো ছুতোয় সেখানে উপস্থিত থাকে এবং তাদের চতুর ও কুটিল বুদ্ধি ব্যবহার করে যতটুকু সম্ভব হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ব্রাহ্মণরা কেবল পুরোহিত হিসেবেই শূদ্রদের সর্বস্বান্ত করে না, আরও অনেক উপায়েও তা করে। ** জ্যোতিরাও ফুলে (১৮২৭-১৮৯০), সামাজিক কর্মী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=স্লেভারি (গোলামগিরির ইংরেজি অনুবাদ)|year=১৮৭৩|url=https://thesatyashodhak.com/wp-content/uploads/2020/05/Jotirao-Phule-Slavery-Government-of-Maharashtra-1991.pdf|author=পি. জি. পাতিল (অনুবাদক)}} * ঈশ্বরভক্তির সঠিক পথে আমরা কবে যাব? আমি যখন এই প্রশ্ন করি, ব্রাহ্মণরা আমাদের নাস্তিক বলে দাগিয়ে দেয়। এই ব্রাহ্মণ এবং তাদের অনুচরদের বিশ্বাস করে সাধারণ অজ্ঞ মানুষ চিৎকার শুরু করে যে ঈশ্বর বিপদে, ধর্ম বিপদে! এই বর্বরোচিত আচরণ করা কি আস্তিকতা না নাস্তিকতা? যাই হোক না কেন, তাদের এই বাধাদানকারী কর্মকাণ্ডে আমরা দমে যাব না। আমাদের যা সঠিক মনে হয়, আমরা সাহসের সাথে তা বলব। আমরা বলি যে হিন্দু ধর্ম এবং দেবতারা হলো এক ভয়াবহ ব্যাধি। এগুলো নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের মানুষ এবং দেশের উন্নতি সম্ভব নয়। আমরা যা অনুভব করি, তাই বলি। ** পেরিয়ার (১৮৭৯-১৯৭৩), সামাজিক কর্মী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=কালেক্টেড ওয়ার্কস অফ পেরিয়ার ই. ভি. আর.|publisher=দ্য পেরিয়ার সেলফ-রেসপেক্ট প্রোপাগান্ডা ইনস্টিটিউশন|ISBN=9788190357906|পৃষ্ঠা=৭৬|url=https://www.google.co.in/books/edition/Collected_Works_of_Periyar_E_V_R/c9uvoQEACAAJ?hl=en}} * সব জীবের মধ্যে মানুষই সবচেয়ে বুদ্ধিমান। এই মানুষই ঈশ্বর, ধর্ম, দর্শন এবং আধ্যাত্মিকতা তৈরি করেছে। আরও বলা হয় যে, অসাধারণ প্রতিভাবান ব্যক্তিরা নাকি ঈশ্বরকে উপলব্ধি করতে পেরেছেন। কেউ কেউ নাকি ঈশ্বরের সাথে এক হয়ে গেছেন। আমি সাহস করে জিজ্ঞেস করতে চাই, তবে কেন এমন মহান ব্যক্তিরাও এই পৃথিবীর সব বোকামির কোনো সমাধান খুঁজে পাননি? ** পেরিয়ার (১৮৭৯-১৯৭৩), সামাজিক কর্মী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য ওয়ার্ল্ড টু কাম|url=https://thesatyashodhak.com/wp-content/uploads/2020/05/Periyar-E-V-Ramasamy-The-World-to-Come-The-Periyar-Self-Respect-Propaganda-Institution-2012.pdf|publisher=দ্য পেরিয়ার সেলফ-রেসপেক্ট প্রোপাগান্ডা ইনস্টিটিউশন|পৃষ্ঠা=৮}} * অজানার ওপর একচেটিয়া আধিপত্য দাবি করে<br>ধর্মগুলো মানুষকে বিভক্ত করে<br>এবং তাদের মধ্যে ঘৃণা ছড়ায়। ** সহোদরন আয়াপ্পান (১৮৮৯-১৯৬৮), স্বাধীনতা সংগ্রামী; সূত্র: {{ওয়েব উদ্ধৃতি|title=শেপিং আ মডার্ন কেরালা: সহোদরন'স পোয়েট্রি অফ ফ্র্যাটারনিটি, লিবার্টি অ্যান্ড ইকুয়ালিটি|website=সহপিডিয়া|author=অজয় এস. শেখর|url=https://www.sahapedia.org/shaping-modern-kerala-sahodaran%E2%80%99s-poetry-of-fraternity-liberty-and-equality}} * দেখা যাক আমি কীভাবে চলি: আমার এক বন্ধু আমাকে প্রার্থনা করতে বলেছিলেন। আমার নাস্তিকতার কথা শুনে তিনি বললেন, "তোমার শেষ সময়ে তুমি বিশ্বাস করতে শুরু করবে।" আমি বললাম, "না প্রিয় সুহৃদ, এমনটা হবে না।" আমি এটাকে আমার নিজের অধঃপতন ও মনোবলহীনতা বলে মনে করব। স্বার্থের জন্য আমি প্রার্থনা করতে যাচ্ছি না। পাঠক ও বন্ধুরা, "এটা কি অহংকার?" যদি তাই হয়, তবে আমি এর পক্ষেই আছি। ** [[ভগৎ সিং]] (১৯০৭-১৯৩১), ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=হোয়াই আই অ্যাম অ্যান এথিস্ট অ্যান্ড আদার ওয়ার্কস|publisher=পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া|ISBN=9780143462262}} * আধুনিক সভ্যতার বৈশিষ্ট্য হলো কুসংস্কারের ওপর বিজ্ঞানের এবং বিশ্বাসের ওপর যুক্তির ক্রমাগত জয়। ইতিহাসের শুরু থেকেই এই সংগ্রাম চলে আসছে। ** এম. এন. রায় (১৮৮৭-১৯৫৪), [[সাম্যবাদ|সাম্যবাদী]] বিপ্লবী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=রিজন, রোমান্টিসিজম অ্যান্ড রেভল্যুশন|url=https://www.google.co.in/books/edition/Reason_Romanticism_and_Revolution/KOx3PwAACAAJ?hl=en|পৃষ্ঠা=৫৯|ISBN=9788120201675}} * বিজ্ঞান ধর্মকে বিলুপ্ত করতে বাধ্য, কারণ বৈজ্ঞানিক জ্ঞান মানুষকে এমন সব প্রশ্নের উত্তর দিতে সাহায্য করে যা মানুষের শৈশবে তাকে অতিপ্রাকৃত শক্তি বা মাধ্যমের কথা ভাবতে বাধ্য করেছিল। যদি সেই ধারণাগুলো সত্যিই প্রশ্নের উত্তর দিত, তবে ধর্ম বিজ্ঞানের উত্থানকে আটকে দিত। কিন্তু ধর্ম প্রাকৃতিক ঘটনা ব্যাখ্যা করেনি। এটি কেবল একগুচ্ছ নতুন সমস্যা তৈরি করেছে, যা অস্তিত্বের মূল সমস্যাগুলোকে আড়াল করে দিয়েছিল। ** এম. এন. রায় (১৮৮৭-১৯৫৪), [[সাম্যবাদ|সাম্যবাদী]] বিপ্লবী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=সায়েন্স অ্যান্ড ফিলোসফি|পৃষ্ঠা=৮|year=১৯৪৭|publisher=অজন্তা পাবলিকেশন|url=https://www.google.co.in/books/edition/Science_And_Philosphy/V74a0AEACAAJ?hl=en|ISBN=9781021185549}} * ভারত এবং অন্যান্য জায়গায় ধর্ম বা অন্তত তথাকথিত সংগঠিত ধর্মের যে রূপ আমি দেখেছি, তা আমাকে আতঙ্কিত করে তুলেছে। আমি প্রায়ই এর তীব্র নিন্দা করেছি এবং একে ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে চেয়েছি। ** [[জওহরলাল নেহরু]] (১৮৮৯-১৯৬৪), [[ভারত|ভারতের]] প্রধানমন্ত্রী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=অ্যান অটোবায়োগ্রাফি|publisher=পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া|isbn= 9789385990045}} * হিন্দু, ইসলাম, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান—যেকোনো ধর্মই হোক না কেন, আমি যেভাবে এর অনুশীলন দেখেছি এবং এমনকি চিন্তাশীল মানুষদেরও তা গ্রহণ করতে দেখেছি, তা আমাকে আকৃষ্ট করেনি। এটি কুসংস্কার এবং গোঁড়া বিশ্বাসের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে মনে হতো। এর পেছনে জীবনের সমস্যা সমাধানের এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল যা মোটেও বৈজ্ঞানিক ছিল না। এর মধ্যে যাদুবিদ্যার একটি উপাদান, বিচারহীন বিশ্বাসপ্রবণতা এবং অতিপ্রাকৃতের ওপর নির্ভরশীলতা ছিল। ** [[জওহরলাল নেহরু]] (১৮৮৯-১৯৬৪), [[ভারত|ভারতের]] প্রধানমন্ত্রী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া|publisher=পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া|ISBN=9789385990052}} * আমি চাই নীতিবোধ শাসন করুক এবং আদর্শবাদের প্রসার ঘটুক। এটি তখনই সম্ভব যখন ঈশ্বর এবং ভাগ্যের ওপর বিশ্বাস দূর হবে এবং ফলস্বরূপ জীবনের আস্তিক্যবাদী দর্শন পরিবর্তিত হবে। স্পষ্ট করে বললে, আমি নাস্তিকতা চাই যাতে মানুষ ঈশ্বরের ওপর নির্ভর করা ছেড়ে দিয়ে নিজের পায়ে শক্ত হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমন মানুষের মধ্যে এক স্বাস্থ্যকর সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হবে, কারণ নাস্তিকতা মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের কোনো যৌক্তিকতা খুঁজে পায় না। ** গোপারাজু রামচন্দ্র রাও (১৯০২-১৯৭৫), সমাজ সংস্কারক; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=অ্যান এথিস্ট উইথ গান্ধী|url=https://www.google.co.in/books/edition/An_Atheist_with_Gandhi/M7s9AAAAIAAJ?hl=en&gbpv=0&bsq=An%20Atheist%20with%20Gandhi|year=১৯৫১|publisher=নবজীবন পাবলিশিং হাউস}} ===Modern India=== ====Born between 1900 and 1945==== * If the scientist and the [[w:Rishi|Rishi]] resemble each other in their inspiration, they also differ radically from each other in their conception of truth. Truth for the Rishi is essentially mystic - that is, intuitive, absolute and transcendental. Scientific truth is discursive or rational in structure, empirical in content and secular in character. ** [[w:A. B. Shah|A. B. Shah]] (1920-1981), founder of Indian Secular Society, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Scientific Method|page=28|year=1964|publishers=Allied Publishers|oclc=593639163}} * When I was young, I had to memorise parts of the Bible and perform rituals. It was perhaps this experience that turned me into an atheist. When I grew up, I saw people using religion to earn money and fool others. This made my belief all the more stronger. I don't, however, thrust my beliefs and ideologies on anyone. ** [[Verghese Kurien]] (1921-2012), social entrepreneur, from {{cite news|newspaper=The Times of India|title=I Am: Verghese Kurien|url=https://timesofindia.indiatimes.com/I-AM-Verghese-Kurien/articleshow/1473433.cms|date=01 April 2006}} * I lay curled up at night, unable to sleep, trembling with fear, praying to every god I knew to let him live, just let my father come back to us. But he too left, leaving behind only us children. That was when I decided, gods who don’t answer such prayers need not be called again. ** [[w:V. S. Achuthanandan|V. S. Achuthanandan]] (1923-2025), freedom fighter, on losing both parents to [[smallpox]], from {{cite news|newspaper=Deshabhimani|url=https://english.deshabhimani.com/deshabhimani-english-/kerala-news/vs-achuthanandan--memoir-56071|title=The Day Faith Left Me: V S Achuthanandan’s Memoir|date=22 July 2025}} * I believe in only one god. My conscience. ** [[w:M. Karunanidhi|M. Karunanidhi]] (1924-2018), politician, as quoted in {{cite news|title=I’m not against Ram. They can keep Ram. My conscience is my only god: Karunanidhi|date=07 August 2018|url=https://theprint.in/walk-the-talk/im-not-against-ram-they-can-keep-ram-my-conscience-is-my-only-god-karunanidhi/94937/|newspaper=The Print}} * One cannot question Puranas or the religions. But Science is all about asking questions. Though we know all this, we are still scared to question it. So, we say that education should take us in the direction of fulfilling this objective of scientific thinking. ** K. Veeramani (born 1933), politician, from {{cite news|url=https://www.roundtableindia.co.in/caste-organizations-should-not-exist-in-tamil-nadu-dr-k-veeramani-president-dravida-kazhagam/|date=23 October 2023|newspaper=Round Table India|title=‘Caste organizations should not exist in Tamil Nadu’ – Dr K Veeramani, President, Dravida Kazhagam}} * '''Science is always humble. It never lays claim to the final word. It is religion that asserts, ‘I have understood it all, I have figured the universe out, now do as I say.’''' Science believes in testing objects and incidents, and searching tirelessly for solutions to unsolved problems. Scientists are not to be praised for being right; they are to be praised for trying to state principles rigorously and thoroughly. Science remains objective even while it extends or overturns the work of its own giants. ** [[w:Narendra Dabholkar|Narendra Dabholkar]] (1945-2013), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Please Think: Practical Lessons in Developing a Scientific Temper|author=Jai Vipra (Translator)|ISBN=9789388754026|year=1994|url=|publisher=Westland Publications}} * Life is about exploration: I don’t believe in God; spirituality means nothing much to me. I enjoy exploring things I don’t have answers for. ** [[w:Amol Palekar|Amol Palekar]] (born 1944), actor, from {{cite news|title=Amol Palekar: Baaton Baaton Mein|date=19 October 2003|newspaper=The Times of India|url=https://timesofindia.indiatimes.com/delhi-times/amol-palekar-baaton-baaton-mein/articleshow/240783.cms}} * Those belong to different faiths and those who were not part of any religion had taken active part in our freedom struggle. This nation belongs to all people and all sections of Indian society in equal measure. ** [[w:Pinarayi Vijayan|Pinarayi Vijayan]] (born 1945), politicians, as quoted in {{cite news|title=Nation Belongs To All, Religion Is A Private Affair: Kerala's Pinarayi Vijayan|url=https://timelinedaily.com/india/nation-belongs-to-all-religion-is-a-private-affair-keralas-pinarayi-vijayan|newspaper-Timeline|date=22 January 2024}} * All these religions, all the religions without exception, belong to the dark ages. Their roots are in the dark ages. You bring the dark age with you. Your umbilical cord has not been cut from the dark ages. ** [[w:Javed Akhtar|Javed Akhtar]] (born 1945), lyricist, from {{cite news|title=Javed Akhtar On Being Atheist: All Religions Belong To Dark Ages, It's Time Of Schizophrenia|newspaper=Times Now|date=30 August 2024|url=https://www.timesnownews.com/entertainment-news/bollywood/javed-akhtar-on-being-atheist-all-religions-belong-to-dark-ages-its-time-of-schizophrenia-article-112915311}} * When it comes to the forced inculcation of religion and the resulting abuses of children in the name of religion, the United Nations, all of its affiliated organizations, and almost all national governments remains steadfastly silent. ** Innaiah Narisetti (born 1937), journalist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Forced Into Faith: How Religion Abuses Children's Rights|date=2009|publisher=Globe Pequot Publishing|url=https://www.google.co.in/books/edition/Forced_Into_Faith/B1kKAQAAMAAJ?hl=en&gbpv=0&bsq=Forced%20Into%20Faith%20Innaiah%20Narisetti|ISBN=9781591026068}} * I am an atheist by belief, but I did not come to atheism through rebellion against the Hinduism I was born into. Rather, through the influence of my atheist father, whose particular brand of non-religious rationalism was, I now realise, in keeping with the spirit of the late 19th-early 20th century Prabodhan or renaissance in Maharashtra. ** [[w:Wandana Sonalkar|Wandana Sonalkar]], scholar, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Why I Am Not a Hindu Woman|date=2021|publisher=Women Unlimited|url=https://www.google.co.in/books/edition/Why_I_Am_Not_a_Hindu_Woman/CGcRzgEACAAJ?hl=en|isbn=9789385606311}} ====Born between 1946 and 1975==== * We reject the Hinduization programme in toto for two reasons. One, Hinduism has never been a humane philosophy. It is the most brutal religious school that the history of religions has witnessed. The Dalitbhujan castes of India are the living evidence of its brutality. Second, even if Hinduization expressed a desire to humanize itself in future, there is no scope for this to happen, since the history of religion itself is coming to an end. ** [[Kancha Ilaiah]] (born 1952), social activist, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Why I Am Not a Hindu: A Sudra Critique of Hindutva, Philosophy, Culture, and Political Economy|year=1996|isbn=9788185604183|url=https://www.google.co.in/books/edition/Why_I_Am_Not_a_Hindu/TF4qAAAAYAAJ?hl=en|publisher=Stree-Samya Books}} * By sixteen, I was a borderline rabid atheist. Then, things cooled down, and I decided not to be angry. I finally settled down for a rational view of the world because for me it was not necessary to demolish god. ** [[w:Kamal Hasan|Kamal Hasan]], actor, as quoted in {{cite news|title=‘By 16, I was a borderline rabid atheist’: How Kamal Haasan developed his politics as a child|url=https://scroll.in/article/924182/by-16-i-was-a-borderline-rabid-atheist-how-kamal-haasan-developed-his-politics-as-a-child|date=22 May 2019|newspaper=22 May 2019}} * I am an atheist, but being so doesn't stop me from respecting those who believe in religion. Every individual has the right to lead his or her life according to their wish and I respect that. I don't try to influence anyone or force my opinion on them. Also, my beliefs cannot be influenced by anyone. ** [[w:Rahul Bose|Rahul Bose]] (born 1967), actor, as quoted in {{cite news|title=I am: Rahul Bose|newspaper=The Times of India|url=https://timesofindia.indiatimes.com/i-am-rahul-bose/articleshow/1998701.cms|date=17 September 2006}} * I'm not overtly religious, but I do bow my head and offer my respects everytime I pass a holy place. My dad always said more than learning any form of organised religion, it was essential to be a good human being first. I'm not an atheist, I'm more of an agnostic. ** [[w:John Abraham|John Abraham]] (born [[1972]]), actor, from {{cite news|title=I Am: John Abraham|url=https://timesofindia.indiatimes.com/i-am-john-abraham/articleshow/1227156.cms|newspaper=The Times of India|date=11 September 2005}} * My father raised me without a religion and to question everything. When you are raised without a religion who automatically question everything. He never told us don’t believe in God, we just imbibed what we saw. It was more about questioning thing and trying to apply logic or scientific evidence to things. Those things are important because something has to be provable before you can say that it is a fact otherwise it is a theory. Billions of people get by on faith and it is strange the comfort the people who have faith have, it is very difficult for people who don’t have faith to get that. ** [[w:Farhan Akhtar|Farhan Akhtar]] (born 1974), actor, from {{cite news|newspaper=The Indian Express|url=https://indianexpress.com/article/entertainment/bollywood/farhan-akhtar-on-growing-up-in-an-inter-faith-home-being-raised-without-a-religion-9537751/|title=Farhan Akhtar on growing up in an inter-faith home, being raised ‘without a religion’: ‘I was taught to question everything’|date=28 August 2024}} * I don’t follow any religion. I am an atheist. So where will you get me out of? How would you get somebody out of a place they don't exist in the first place! ** [[w:Urfi Javed|Uorfi Javed]] (born 1995), actress, on rumours of being expelled from [[ইসলাম]], as quoted in {{cite news|title=Uorfi Javed dismisses claims of being 'expelled' from Islam, says she is atheist and follows no religion|url=https://zeenews.india.com/people/uorfi-javed-dismisses-claims-of-being-expelled-from-islam-says-she-is-atheist-and-follows-no-religion-3012381.html|newspaper=Zee News|date=31 January 2026}} ==Quotes about Irreligion in India== * The Indian atheist activists with whom we have spent time - as opposed to those often characterized dismissively by activists as metropolitan-based ‘talking shop’ humanists or ‘armchair atheists’ - do not simply ‘believe’ in materialism. They seek to debunk or ‘expose’ what they consider to be pernicious supernatural beliefs via skilled deployments of materials. ** On Indian atheist activists, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Being Godless: Ethnographies of Atheism and Non-Religion|year=2017|publisher=Berghahn Books|ISBN= 9781785335730|url=https://www.google.co.in/books/edition/Being_Godless/KZ3vDQAAQBAJ?hl=en&gbpv=0|Chapter=2|author=Jacob Copeman and [[w:Johannes Quack|Johannes Quack]]}} ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মহীনতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারত]] octj4b237zn7l1nc1qek986u69s8d0n 81833 81806 2026-04-28T04:13:26Z ARI 356 /* Modern India */ ; অনুবাদ 81833 wikitext text/x-wiki [[File:YUKTHIVADI.JPG|thumb|150px|১৯২৯ সালের ''যুক্তিবাাদী'' ছিল মালয়ালম ভাষায় প্রকাশিত প্রথম নাস্তিক বা যুক্তিবাদী পত্রিকা।]] ধর্মহীনতা হলো ধর্মীয় বিশ্বাস বা আচার-আচরণ না থাকা অথবা তা বর্জন করা। ভারতে [[নাস্তিক্যবাদ]] এবং অজ্ঞেয়বাদের এক দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। == নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী এবং যুক্তিবাদী ভারতীয়দের উক্তি == === প্রাচীন ভারত === * দান-ধ্যান করলে কোনো ফল পাওয়া যায় না। কোনো ফল পাওয়া যায় না বলিদান বা হোম অনুষ্ঠান থেকেও। ভালো বা মন্দ কাজেরও কোনো ফল নেই। '''যারা মারা গেছে, তাদের জন্য এই জগতের কোনো অস্তিত্ব নেই। আর যারা বেঁচে আছে, তাদের জন্য অন্য কোনো জগতের অস্তিত্ব নেই।''' মা বা বাবার জন্য কিছু করলেও কোনো ফল পাওয়া যায় না। আপনাআপনি জন্মানো কোনো সচেতন সত্তা নেই। ** অজিত কেশকম্বলী (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দী), বস্তুবাদী দার্শনিক বলে পরিচিত; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য ভিজিবল ফ্রুটস অফ দ্য লাইফ অফ আ বুদ্ধিস্ট মঙ্ক (আ ট্রান্সলেশন অফ দ্য সামাহাফলাসুত্ত)|url=https://archive.org/details/visiblefruitsofl00unse|author=জে. ওয়েত্থা সিনহা|year=১৯২১}} * কে জানে যে আত্মার অস্তিত্ব আছে? এই জ্ঞানের কী দরকার? কে জানে যে আত্মার অস্তিত্ব নেই? এই জ্ঞানেরই বা কী দরকার? ** একজন অজ্ঞানবাদী দ্বারা বলা উক্তি যা জৈন দার্শনিক শিলাঙ্ক (৯ম শতাব্দী) দ্বারা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|পৃষ্ঠা=১১৯|publisher=জর্জ অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন লিমিটেড|year=১৯৬৩|title=আর্লি বুদ্ধিস্ট থিওরি অফ নলেজ|url=https://web.archive.org/web/20150911084454/http://www.ahandfulofleaves.org/documents/Early%20Buddhist%20Theory%20of%20Knowledge_Jayatilleke.pdf|last=কে. এন. জয়তিল্লেকে}} * '''কোনো স্বর্গ নেই, নেই কোনো চূড়ান্ত মুক্তি, এমনকি অন্য কোনো জগতের আত্মাও নেই,''' <br>না চার বর্ণের কর্ম ও বিধান কোনো বাস্তব প্রভাব ফেলে। <br>অগ্নিহোত্র, তিনটি বেদ, সন্ন্যাসীর তিনটি দণ্ড এবং গায়ে ছাই মাখা, <br>এসবই প্রকৃতি তৈরি করেছে সেই সব মানুষের জীবিকা হিসেবে যাদের জ্ঞান ও পুরুষত্ব নেই। <br>যদি জ্যোতিষ্টোম যজ্ঞে বলি দেওয়া পশুটি নিজেই স্বর্গে যায়, <br>তবে যজ্ঞকারী কেন সরাসরি নিজের পিতাকেই উৎসর্গ করেন না? ** প্রাচীন চার্বাক দার্শনিক বৃহস্পতিকে উৎসর্গ করা; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য সর্ব দর্শন সংগ্রহ|author=মাধবাচার্য (১২৯১-১৩৯১); ই. বি. কাওয়েল ও এ. ই. গফ (অনুবাদক)|chapter=দ্য চার্বাক সিস্টেম|url=https://www.gutenberg.org/files/34125/34125-h/34125-h.htm#CHAPTER_I}} === স্বাধীনতা-পূর্ব === * ধর্মের ছদ্মবেশে ব্রাহ্মণরা শূদ্রদের প্রতিটি কাজে তা ছোট হোক বা বড় হস্তক্ষেপ করে। তাদের ঘরে হোক, মাঠে হোক বা আদালতে হোক, ব্রাহ্মণরা কোনো না কোনো ছুতোয় সেখানে উপস্থিত থাকে এবং তাদের চতুর ও কুটিল বুদ্ধি ব্যবহার করে যতটুকু সম্ভব হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ব্রাহ্মণরা কেবল পুরোহিত হিসেবেই শূদ্রদের সর্বস্বান্ত করে না, আরও অনেক উপায়েও তা করে। ** জ্যোতিরাও ফুলে (১৮২৭-১৮৯০), সামাজিক কর্মী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=স্লেভারি (গোলামগিরির ইংরেজি অনুবাদ)|year=১৮৭৩|url=https://thesatyashodhak.com/wp-content/uploads/2020/05/Jotirao-Phule-Slavery-Government-of-Maharashtra-1991.pdf|author=পি. জি. পাতিল (অনুবাদক)}} * ঈশ্বরভক্তির সঠিক পথে আমরা কবে যাব? আমি যখন এই প্রশ্ন করি, ব্রাহ্মণরা আমাদের নাস্তিক বলে দাগিয়ে দেয়। এই ব্রাহ্মণ এবং তাদের অনুচরদের বিশ্বাস করে সাধারণ অজ্ঞ মানুষ চিৎকার শুরু করে যে ঈশ্বর বিপদে, ধর্ম বিপদে! এই বর্বরোচিত আচরণ করা কি আস্তিকতা না নাস্তিকতা? যাই হোক না কেন, তাদের এই বাধাদানকারী কর্মকাণ্ডে আমরা দমে যাব না। আমাদের যা সঠিক মনে হয়, আমরা সাহসের সাথে তা বলব। আমরা বলি যে হিন্দু ধর্ম এবং দেবতারা হলো এক ভয়াবহ ব্যাধি। এগুলো নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের মানুষ এবং দেশের উন্নতি সম্ভব নয়। আমরা যা অনুভব করি, তাই বলি। ** পেরিয়ার (১৮৭৯-১৯৭৩), সামাজিক কর্মী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=কালেক্টেড ওয়ার্কস অফ পেরিয়ার ই. ভি. আর.|publisher=দ্য পেরিয়ার সেলফ-রেসপেক্ট প্রোপাগান্ডা ইনস্টিটিউশন|ISBN=9788190357906|পৃষ্ঠা=৭৬|url=https://www.google.co.in/books/edition/Collected_Works_of_Periyar_E_V_R/c9uvoQEACAAJ?hl=en}} * সব জীবের মধ্যে মানুষই সবচেয়ে বুদ্ধিমান। এই মানুষই ঈশ্বর, ধর্ম, দর্শন এবং আধ্যাত্মিকতা তৈরি করেছে। আরও বলা হয় যে, অসাধারণ প্রতিভাবান ব্যক্তিরা নাকি ঈশ্বরকে উপলব্ধি করতে পেরেছেন। কেউ কেউ নাকি ঈশ্বরের সাথে এক হয়ে গেছেন। আমি সাহস করে জিজ্ঞেস করতে চাই, তবে কেন এমন মহান ব্যক্তিরাও এই পৃথিবীর সব বোকামির কোনো সমাধান খুঁজে পাননি? ** পেরিয়ার (১৮৭৯-১৯৭৩), সামাজিক কর্মী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য ওয়ার্ল্ড টু কাম|url=https://thesatyashodhak.com/wp-content/uploads/2020/05/Periyar-E-V-Ramasamy-The-World-to-Come-The-Periyar-Self-Respect-Propaganda-Institution-2012.pdf|publisher=দ্য পেরিয়ার সেলফ-রেসপেক্ট প্রোপাগান্ডা ইনস্টিটিউশন|পৃষ্ঠা=৮}} * অজানার ওপর একচেটিয়া আধিপত্য দাবি করে<br>ধর্মগুলো মানুষকে বিভক্ত করে<br>এবং তাদের মধ্যে ঘৃণা ছড়ায়। ** সহোদরন আয়াপ্পান (১৮৮৯-১৯৬৮), স্বাধীনতা সংগ্রামী; সূত্র: {{ওয়েব উদ্ধৃতি|title=শেপিং আ মডার্ন কেরালা: সহোদরন'স পোয়েট্রি অফ ফ্র্যাটারনিটি, লিবার্টি অ্যান্ড ইকুয়ালিটি|website=সহপিডিয়া|author=অজয় এস. শেখর|url=https://www.sahapedia.org/shaping-modern-kerala-sahodaran%E2%80%99s-poetry-of-fraternity-liberty-and-equality}} * দেখা যাক আমি কীভাবে চলি: আমার এক বন্ধু আমাকে প্রার্থনা করতে বলেছিলেন। আমার নাস্তিকতার কথা শুনে তিনি বললেন, "তোমার শেষ সময়ে তুমি বিশ্বাস করতে শুরু করবে।" আমি বললাম, "না প্রিয় সুহৃদ, এমনটা হবে না।" আমি এটাকে আমার নিজের অধঃপতন ও মনোবলহীনতা বলে মনে করব। স্বার্থের জন্য আমি প্রার্থনা করতে যাচ্ছি না। পাঠক ও বন্ধুরা, "এটা কি অহংকার?" যদি তাই হয়, তবে আমি এর পক্ষেই আছি। ** [[ভগৎ সিং]] (১৯০৭-১৯৩১), ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=হোয়াই আই অ্যাম অ্যান এথিস্ট অ্যান্ড আদার ওয়ার্কস|publisher=পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া|ISBN=9780143462262}} * আধুনিক সভ্যতার বৈশিষ্ট্য হলো কুসংস্কারের ওপর বিজ্ঞানের এবং বিশ্বাসের ওপর যুক্তির ক্রমাগত জয়। ইতিহাসের শুরু থেকেই এই সংগ্রাম চলে আসছে। ** এম. এন. রায় (১৮৮৭-১৯৫৪), [[সাম্যবাদ|সাম্যবাদী]] বিপ্লবী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=রিজন, রোমান্টিসিজম অ্যান্ড রেভল্যুশন|url=https://www.google.co.in/books/edition/Reason_Romanticism_and_Revolution/KOx3PwAACAAJ?hl=en|পৃষ্ঠা=৫৯|ISBN=9788120201675}} * বিজ্ঞান ধর্মকে বিলুপ্ত করতে বাধ্য, কারণ বৈজ্ঞানিক জ্ঞান মানুষকে এমন সব প্রশ্নের উত্তর দিতে সাহায্য করে যা মানুষের শৈশবে তাকে অতিপ্রাকৃত শক্তি বা মাধ্যমের কথা ভাবতে বাধ্য করেছিল। যদি সেই ধারণাগুলো সত্যিই প্রশ্নের উত্তর দিত, তবে ধর্ম বিজ্ঞানের উত্থানকে আটকে দিত। কিন্তু ধর্ম প্রাকৃতিক ঘটনা ব্যাখ্যা করেনি। এটি কেবল একগুচ্ছ নতুন সমস্যা তৈরি করেছে, যা অস্তিত্বের মূল সমস্যাগুলোকে আড়াল করে দিয়েছিল। ** এম. এন. রায় (১৮৮৭-১৯৫৪), [[সাম্যবাদ|সাম্যবাদী]] বিপ্লবী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=সায়েন্স অ্যান্ড ফিলোসফি|পৃষ্ঠা=৮|year=১৯৪৭|publisher=অজন্তা পাবলিকেশন|url=https://www.google.co.in/books/edition/Science_And_Philosphy/V74a0AEACAAJ?hl=en|ISBN=9781021185549}} * ভারত এবং অন্যান্য জায়গায় ধর্ম বা অন্তত তথাকথিত সংগঠিত ধর্মের যে রূপ আমি দেখেছি, তা আমাকে আতঙ্কিত করে তুলেছে। আমি প্রায়ই এর তীব্র নিন্দা করেছি এবং একে ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে চেয়েছি। ** [[জওহরলাল নেহরু]] (১৮৮৯-১৯৬৪), [[ভারত|ভারতের]] প্রধানমন্ত্রী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=অ্যান অটোবায়োগ্রাফি|publisher=পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া|isbn= 9789385990045}} * হিন্দু, ইসলাম, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান—যেকোনো ধর্মই হোক না কেন, আমি যেভাবে এর অনুশীলন দেখেছি এবং এমনকি চিন্তাশীল মানুষদেরও তা গ্রহণ করতে দেখেছি, তা আমাকে আকৃষ্ট করেনি। এটি কুসংস্কার এবং গোঁড়া বিশ্বাসের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে মনে হতো। এর পেছনে জীবনের সমস্যা সমাধানের এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল যা মোটেও বৈজ্ঞানিক ছিল না। এর মধ্যে যাদুবিদ্যার একটি উপাদান, বিচারহীন বিশ্বাসপ্রবণতা এবং অতিপ্রাকৃতের ওপর নির্ভরশীলতা ছিল। ** [[জওহরলাল নেহরু]] (১৮৮৯-১৯৬৪), [[ভারত|ভারতের]] প্রধানমন্ত্রী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া|publisher=পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া|ISBN=9789385990052}} * আমি চাই নীতিবোধ শাসন করুক এবং আদর্শবাদের প্রসার ঘটুক। এটি তখনই সম্ভব যখন ঈশ্বর এবং ভাগ্যের ওপর বিশ্বাস দূর হবে এবং ফলস্বরূপ জীবনের আস্তিক্যবাদী দর্শন পরিবর্তিত হবে। স্পষ্ট করে বললে, আমি নাস্তিকতা চাই যাতে মানুষ ঈশ্বরের ওপর নির্ভর করা ছেড়ে দিয়ে নিজের পায়ে শক্ত হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমন মানুষের মধ্যে এক স্বাস্থ্যকর সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হবে, কারণ নাস্তিকতা মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের কোনো যৌক্তিকতা খুঁজে পায় না। ** গোপারাজু রামচন্দ্র রাও (১৯০২-১৯৭৫), সমাজ সংস্কারক; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=অ্যান এথিস্ট উইথ গান্ধী|url=https://www.google.co.in/books/edition/An_Atheist_with_Gandhi/M7s9AAAAIAAJ?hl=en&gbpv=0&bsq=An%20Atheist%20with%20Gandhi|year=১৯৫১|publisher=নবজীবন পাবলিশিং হাউস}} === আধুনিক ভারত === ==== ১৯০০ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে জন্ম ==== * যদি বিজ্ঞানী এবং ঋষির অনুপ্রেরণা একইরকম হয়, তবুও সত্যের ধারণা নিয়ে তাদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। ঋষির কাছে সত্য মূলত মরমী—অর্থাৎ তা স্বজ্ঞাত, পরম এবং অলৌকিক। বৈজ্ঞানিক সত্য হলো যুক্তিনির্ভর, অভিজ্ঞতাভিত্তিক এবং ধর্মনিরপেক্ষ। ** এ. বি. শাহ (১৯২০-১৯৮১), ইন্ডিয়ান সেকুলার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=সায়েন্টিফিক মেথড|পৃষ্ঠা=২৮|year=১৯৬৪|publisher=অ্যালাইড পাবলিশার্স|oclc=৫৯৩৬৩৯১৬৩}} * আমি যখন ছোট ছিলাম, আমাকে বাইবেলের অংশ মুখস্থ করতে হতো এবং ধর্মীয় আচার পালন করতে হতো। সম্ভবত এই অভিজ্ঞতাই আমাকে নাস্তিকে পরিণত করেছিল। বড় হওয়ার পর আমি দেখেছি মানুষ ধর্মকে ব্যবহার করে টাকা কামাতে এবং অন্যদের বোকা বানাতে। এটি আমার বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে। তবে আমি আমার বিশ্বাস বা আদর্শ কারো ওপর চাপিয়ে দিই না। ** ভার্গিস কুরিয়েন (১৯২১-২০১২), সামাজিক উদ্যোক্তা; সূত্র: {{cite news|newspaper=দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া|title=আই অ্যাম: ভার্গিস কুরিয়েন|url=https://timesofindia.indiatimes.com/I-AM-Verghese-Kurien/articleshow/1473433.cms|date=১ এপ্রিল ২০০৬}} * আমি রাতে শুয়ে থাকতাম, ভয়ে কাঁপতাম আর ঘুমাতে পারতাম না। আমার চেনা সব দেবতার কাছে প্রার্থনা করতাম যেন আমার বাবাকে বাঁচিয়ে রাখা হয়, যেন তিনি আমাদের কাছে ফিরে আসেন। কিন্তু তিনিও চলে গেলেন, আমাদের সন্তানদের ফেলে রেখে। তখনই আমি ঠিক করলাম, যে ঈশ্বর এমন প্রার্থনায় সাড়া দেন না, তাকে আর ডাকার প্রয়োজন নেই। ** ভি. এস. অচ্যুতানন্দ (১৯২৩-২০২৫), স্বাধীনতা সংগ্রামী, গুটিবসন্তের কারণে বাবা-মা উভয়কে হারানো প্রসঙ্গে; সূত্র: {{cite news|newspaper=দেশাভিমানী|url=https://english.deshabhimani.com/deshabhimani-english-/kerala-news/vs-achuthanandan--memoir-56071|title=দ্য ডে ফেইথ লেফট মি: ভি এস অচ্যুতানন্দ’স মেমোর|date=২২ জুলাই ২০২৫}} * আমি কেবল একজন ঈশ্বরকেই বিশ্বাস করি। তা হলো আমার বিবেক। ** এম. করুণানিধি (১৯২৪-২০১৮), রাজনীতিক; সূত্র: {{cite news|title=আই’ম নট এগেইনস্ট রাম। দে ক্যান কিপ রাম। মাই কনসায়েন্স ইজ মাই অনলি গড: করুণানিধি|date=০৭ আগস্ট ২০১৮|url=https://theprint.in/walk-the-talk/im-not-against-ram-they-can-keep-ram-my-conscience-is-my-only-god-karunanidhi/94937/|newspaper=দ্য প্রিন্ট}} * কেউ পুরাণ বা ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে না। কিন্তু বিজ্ঞানের কাজই হলো প্রশ্ন করা। এসব জানা সত্ত্বেও আমরা প্রশ্ন করতে ভয় পাই। তাই আমরা বলি যে, শিক্ষার উচিত আমাদের বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনার লক্ষ্য পূরণের দিকে নিয়ে যাওয়া। ** কে. বীরমানি (জন্ম ১৯৩৩), রাজনীতিক; সূত্র: {{cite news|url=https://www.roundtableindia.co.in/caste-organizations-should-not-exist-in-tamil-nadu-dr-k-veeramani-president-dravida-kazhagam/|date=২৩ অক্টোবর ২০২৩|newspaper=রাউন্ড টেবিল ইন্ডিয়া|title=‘কাস্ট অর্গানাইজেশনস শুড নট এক্সিস্ট ইন তামিল নাড়ু’ – ড. কে বীরমানি, প্রেসিডেন্ট, দ্রাবিড় কাড়গম}} * '''বিজ্ঞান সবসময়ই বিনয়ী। এটি কখনোই চূড়ান্ত সত্যের দাবি করে না। ধর্মই দাবি করে যে—আমি সব বুঝে ফেলেছি, আমি মহাবিশ্বকে জেনে ফেলেছি, এখন আমি যা বলি তা-ই করো।''' বিজ্ঞান বস্তু এবং ঘটনা যাচাই করতে বিশ্বাস করে এবং অমীমাংসিত সমস্যার সমাধানের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে। বিজ্ঞানীদের সঠিক হওয়ার জন্য প্রশংসা করা উচিত নয়; বরং নীতিগুলো কঠোরভাবে এবং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বর্ণনা করার চেষ্টার জন্য তাদের প্রশংসা করা উচিত। বিজ্ঞান নিজের সেরাদের কাজকে প্রসারিত বা বাতিল করার সময়ও বস্তুনিষ্ঠ থাকে। ** নরেন্দ্র দাভোলকর (১৯৪৫-২০১৩), সামাজিক কর্মী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=প্লিজ থিঙ্ক: প্র্যাকটিক্যাল লেসনস ইন ডেভেলপিং আ সায়েন্টিফিক টেম্পার|author=জয় বিপ্র (অনুবাদক)|ISBN=৯৭৮৯৩৮৮৭৫৪০২৬|year=১৯৯৪|url=|publisher=ওয়েস্টল্যান্ড পাবলিকেশনস}} * জীবন হলো অন্বেষণ: আমি ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না; আধ্যাত্মিকতা আমার কাছে বিশেষ কিছু নয়। যেসব জিনিসের উত্তর আমার কাছে নেই, সেগুলো নিয়ে অনুসন্ধান করা আমি উপভোগ করি। ** অমল পালেকর (জন্ম ১৯৪৪), অভিনেতা; সূত্র: {{cite news|title=অমল পালেকর: বাতোঁ বাতোঁ মেঁ|date=১৯ অক্টোবর ২০০৩|newspaper=দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া|url=https://timesofindia.indiatimes.com/delhi-times/amol-palekar-baaton-baaton-mein/articleshow/240783.cms}} * বিভিন্ন ধর্মবিশ্বাসের মানুষ এবং যারা কোনো ধর্মের অংশ ছিল না, তারা সবাই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিল। এই দেশ ভারতীয় সমাজের সব মানুষের এবং সব অংশের সমান অধিকারের জায়গা। ** পিনারাই বিজয়ন (জন্ম ১৯৪৫), রাজনীতিক; সূত্র: {{cite news|title=নেশন বিলংস টু অল, রিলিজিয়ন ইজ আ প্রাইভেট অ্যাফেয়ার: কেরালা'স পিনারাই বিজয়ন|url=https://timelinedaily.com/india/nation-belongs-to-all-religion-is-a-private-affair-keralas-pinarayi-vijayan|newspaper-টাইমলাইন|date=২২ জানুয়ারি ২০২৪}} * এই সব ধর্ম, ব্যতিক্রমহীনভাবে সব ধর্মই অন্ধকার যুগের। এগুলোর শিকড় অন্ধকার যুগে গেঁথে আছে। আপনি আপনার সাথে অন্ধকার যুগকে বয়ে নিয়ে বেড়ান। অন্ধকার যুগের সাথে আপনার নাড়ির বন্ধন এখনো কাটেনি। ** জাভেদ আখতার (জন্ম ১৯৪৫), গীতিকার; সূত্র: {{cite news|title=জাভেদ আখতার অন বিয়িং এথিস্ট: অল রিলিজিয়নস বিলং টু ডার্ক এজেস, ইটস টাইম অফ সিজোফ্রেনিয়া|newspaper=টাইমস নাও|date=৩০ আগস্ট ২০২৪|url=https://www.timesnownews.com/entertainment-news/bollywood/javed-akhtar-on-being-atheist-all-religions-belong-to-dark-ages-its-time-of-schizophrenia-article-112915311}} * যখন ধর্মের ওপর জোর দেওয়া এবং ধর্মের নামে শিশুদের ওপর নির্যাতনের বিষয়টি আসে, তখন জাতিসংঘ, এর সহযোগী সংস্থাগুলো এবং প্রায় সব জাতীয় সরকার রহস্যজনকভাবে চুপ থাকে। ** ইন্নাইয়া নারিসেত্তি (জন্ম ১৯৩৭), সাংবাদিক; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=ফোর্সড ইনটু ফেইথ: হাউ রিলিজিয়ন অ্যাবিউজেস চিলড্রেন'স রাইটস|date=২০০৯|publisher=গ্লোব পিকো পাবলিশিং|url=https://www.google.co.in/books/edition/Forced_Into_Faith/B1kKAQAAMAAJ?hl=en&gbpv=0&bsq=Forced%20Into%20Faith%20Innaiah%20Narisetti|ISBN=৯৭৮১৫৯১০২৬০৬৮}} * আমি বিশ্বাসগতভাবে একজন নাস্তিক, তবে আমি যে হিন্দু পরিবারে জন্মেছি তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে নাস্তিক হইনি। বরং আমার নাস্তিক বাবার প্রভাবে আমি এমন হয়েছি। আমি এখন বুঝতে পারি যে তার বিশেষ ধরনের ধর্মহীন যুক্তিবাদ ১৯শ শতকের শেষ এবং ২০শ শতকের শুরুর মহারাষ্ট্রের প্রবোধন বা নবজাগরণের চেতনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। ** বন্দনা সোনালকর, পণ্ডিত; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=হোয়াই আই অ্যাম নট আ হিন্দু ওম্যান|date=২০২১|publisher=উইমেন আনলিমিটেড|url=https://www.google.co.in/books/edition/Why_I_Am_Not_a_Hindu_Woman/CGcRzgEACAAJ?hl=en|isbn=৯৭৮৯৩৮৫৬০৬৩১১}} ==== ১৯৪৬ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যে জন্ম ==== * আমরা হিন্দুকরণ কর্মসূচিকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করি দুটি কারণে। প্রথমত, হিন্দুধর্ম কখনোই একটি মানবিক দর্শন ছিল না। এটি ধর্মের ইতিহাসে দেখা সবচেয়ে নৃশংস ধর্মীয় ঘরানা। ভারতের দলিত-বহুজন জাতিগুলো এর নৃশংসতার জীবন্ত প্রমাণ। দ্বিতীয়ত, হিন্দুকরণ যদি ভবিষ্যতে নিজেকে মানবিক করার ইচ্ছা প্রকাশও করে, তবুও তার কোনো সুযোগ নেই, কারণ ধর্মের ইতিহাস নিজেই শেষ হয়ে আসছে। ** কাঞ্চা ইলাইয়া (জন্ম ১৯৫২), সামাজিক কর্মী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=হোয়াই আই অ্যাম নট আ হিন্দু: আ শূদ্র ক্রিটিক অফ হিন্দুত্ব, ফিলোসফি, কালচার অ্যান্ড পলিটিক্যাল ইকোনমি|year=১৯৯৬|isbn=৯৭৮৮১৮৫৬০৪১৮৩|url=https://www.google.co.in/books/edition/Why_I_Am_Not_a_Hindu/TF4qAAAAYAAJ?hl=en|publisher=স্ত্রী-সাম্য বুকস}} * ষোলো বছর বয়সের মধ্যে আমি প্রায় চরমপন্থী নাস্তিক হয়ে উঠেছিলাম। তারপর পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং আমি রাগ না করার সিদ্ধান্ত নিই। শেষ পর্যন্ত আমি জগতের প্রতি এক যুক্তিবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে স্থির হই, কারণ আমার জন্য ঈশ্বরকে ধ্বংস করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। ** কমল হাসান, অভিনেতা; সূত্র: {{cite news|title=‘বাই ১৬, আই ওয়াজ আ বর্ডারলাইন র‍্যাবিড এথিস্ট’: হাউ কমল হাসান ডেভেলপড হিজ পলিটিক্স অ্যাজ আ চাইল্ড|url=https://scroll.in/article/924182/by-16-i-was-a-borderline-rabid-atheist-how-kamal-haasan-developed-his-politics-as-a-child|date=২২ মে ২০১৯|newspaper=২২ মে ২০১৯}} * আমি একজন নাস্তিক, কিন্তু নাস্তিক হওয়া আমাকে তাদের সম্মান করা থেকে বিরত রাখে না যারা ধর্মে বিশ্বাসী। প্রতিটি ব্যক্তির নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী জীবন যাপনের অধিকার আছে এবং আমি তাকে সম্মান করি। আমি কাউকে প্রভাবিত করার বা তাদের ওপর আমার মতামত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি না। আবার আমার বিশ্বাসকেও কেউ প্রভাবিত করতে পারে না। ** রাহুল বোস (জন্ম ১৯৬৭), অভিনেতা; সূত্র: {{cite news|title=আই অ্যাম: রাহুল বোস|newspaper=দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া|url=https://timesofindia.indiatimes.com/i-am-rahul-bose/articleshow/1998701.cms|date=১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৬}} * আমি খুব একটা ধর্মপ্রাণ নই, তবে প্রতিবার যখন কোনো পবিত্র স্থানের পাশ দিয়ে যাই, আমি মাথা নত করি এবং শ্রদ্ধা জানাই। আমার বাবা সবসময় বলতেন যে কোনো সুসংগঠিত ধর্ম শেখার চেয়ে আগে একজন ভালো মানুষ হওয়া জরুরি। আমি নাস্তিক নই, আমি বরং একজন অজ্ঞেয়বাদী। ** জন আব্রাহাম (জন্ম ১৯৭২), অভিনেতা; সূত্র: {{cite news|title=আই অ্যাম: জন আব্রাহাম|url=https://timesofindia.indiatimes.com/i-am-john-abraham/articleshow/1227156.cms|newspaper=দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া|date=১১ সেপ্টেম্বর ২০০৫}} * আমার বাবা আমাকে কোনো ধর্ম ছাড়াই বড় করেছেন এবং সবকিছু নিয়ে প্রশ্ন করতে শিখিয়েছেন। আপনি যখন কোনো ধর্ম ছাড়া বড় হবেন, তখন আপনি এমনিতেই সব বিষয়ে প্রশ্ন করবেন। তিনি আমাদের কখনো বলেননি যে ঈশ্বরে বিশ্বাস করো না, আমরা যা দেখেছি তা থেকেই শিখেছি। এটি ছিল মূলত বিষয়গুলো নিয়ে প্রশ্ন করা এবং সেগুলোতে যুক্তি বা বৈজ্ঞানিক প্রমাণ প্রয়োগ করার চেষ্টা করা। এই জিনিসগুলো গুরুত্বপূর্ণ কারণ কোনো কিছুকে সত্য বলার আগে তা প্রমাণযোগ্য হতে হয়, অন্যথায় এটি কেবল একটি তত্ত্ব। কোটি কোটি মানুষ বিশ্বাসের ওপর ভর করে বেঁচে থাকে এবং যারা বিশ্বাসী তাদের মনের শান্তি দেখে অবাক লাগে, কারণ যারা বিশ্বাসী নয় তাদের জন্য সেই শান্তি পাওয়া খুব কঠিন। ** ফারহান আখতার (জন্ম ১৯৭৪), অভিনেতা; সূত্র: {{cite news|newspaper=দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|url=https://indianexpress.com/article/entertainment/bollywood/farhan-akhtar-on-growing-up-in-an-inter-faith-home-being-raised-without-a-religion-9537751/|title=ফারহান আখতার অন গ্রোয়িং আপ ইন অ্যান ইন্টার-ফেইথ হোম, বিয়িং রেজড ‘উইদাউট আ রিলিজিয়ন’: ‘আই ওয়াজ টট টু কোয়েশ্চেন এভরিথিং’|date=২৮ আগস্ট ২০২৪}} * আমি কোনো ধর্ম মানি না। আমি একজন নাস্তিক। তাই আপনারা আমাকে কোথা থেকে বের করে দেবেন? যে জায়গায় আগে থেকেই আমার কোনো অস্তিত্ব নেই, সেখান থেকে আপনি কাউকে কীভাবে বের করবেন! ** উরফি জাভেদ (জন্ম ১৯৯৫), অভিনেত্রী, [[ইসলাম]] থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার গুজব প্রসঙ্গে; সূত্র: {{cite news|title=উরফি জাভেদ ডিসমিসেস ক্লেইমস অফ বিয়িং 'এক্সপেলড' ফ্রম ইসলাম, সেজ শি ইজ এথিস্ট অ্যান্ড ফলোজ নো রিলিজিয়ন|url=https://zeenews.india.com/people/uorfi-javed-dismisses-claims-of-being-expelled-from-islam-says-she-is-atheist-and-follows-no-religion-3012381.html|newspaper=জি নিউজ|date=৩১ জানুয়ারি ২০২৬}}``` ==Quotes about Irreligion in India== * The Indian atheist activists with whom we have spent time - as opposed to those often characterized dismissively by activists as metropolitan-based ‘talking shop’ humanists or ‘armchair atheists’ - do not simply ‘believe’ in materialism. They seek to debunk or ‘expose’ what they consider to be pernicious supernatural beliefs via skilled deployments of materials. ** On Indian atheist activists, from {{বই উদ্ধৃতি|title=Being Godless: Ethnographies of Atheism and Non-Religion|year=2017|publisher=Berghahn Books|ISBN= 9781785335730|url=https://www.google.co.in/books/edition/Being_Godless/KZ3vDQAAQBAJ?hl=en&gbpv=0|Chapter=2|author=Jacob Copeman and [[w:Johannes Quack|Johannes Quack]]}} ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মহীনতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারত]] kfg55ukr5299ox0b44pjrhyr4wtw8tn 81836 81833 2026-04-28T04:15:25Z ARI 356 /* Quotes about Irreligion in India */ ; অনুবাদ 81836 wikitext text/x-wiki [[File:YUKTHIVADI.JPG|thumb|150px|১৯২৯ সালের ''যুক্তিবাাদী'' ছিল মালয়ালম ভাষায় প্রকাশিত প্রথম নাস্তিক বা যুক্তিবাদী পত্রিকা।]] ধর্মহীনতা হলো ধর্মীয় বিশ্বাস বা আচার-আচরণ না থাকা অথবা তা বর্জন করা। ভারতে [[নাস্তিক্যবাদ]] এবং অজ্ঞেয়বাদের এক দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। == নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী এবং যুক্তিবাদী ভারতীয়দের উক্তি == === প্রাচীন ভারত === * দান-ধ্যান করলে কোনো ফল পাওয়া যায় না। কোনো ফল পাওয়া যায় না বলিদান বা হোম অনুষ্ঠান থেকেও। ভালো বা মন্দ কাজেরও কোনো ফল নেই। '''যারা মারা গেছে, তাদের জন্য এই জগতের কোনো অস্তিত্ব নেই। আর যারা বেঁচে আছে, তাদের জন্য অন্য কোনো জগতের অস্তিত্ব নেই।''' মা বা বাবার জন্য কিছু করলেও কোনো ফল পাওয়া যায় না। আপনাআপনি জন্মানো কোনো সচেতন সত্তা নেই। ** অজিত কেশকম্বলী (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দী), বস্তুবাদী দার্শনিক বলে পরিচিত; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য ভিজিবল ফ্রুটস অফ দ্য লাইফ অফ আ বুদ্ধিস্ট মঙ্ক (আ ট্রান্সলেশন অফ দ্য সামাহাফলাসুত্ত)|url=https://archive.org/details/visiblefruitsofl00unse|author=জে. ওয়েত্থা সিনহা|year=১৯২১}} * কে জানে যে আত্মার অস্তিত্ব আছে? এই জ্ঞানের কী দরকার? কে জানে যে আত্মার অস্তিত্ব নেই? এই জ্ঞানেরই বা কী দরকার? ** একজন অজ্ঞানবাদী দ্বারা বলা উক্তি যা জৈন দার্শনিক শিলাঙ্ক (৯ম শতাব্দী) দ্বারা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|পৃষ্ঠা=১১৯|publisher=জর্জ অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন লিমিটেড|year=১৯৬৩|title=আর্লি বুদ্ধিস্ট থিওরি অফ নলেজ|url=https://web.archive.org/web/20150911084454/http://www.ahandfulofleaves.org/documents/Early%20Buddhist%20Theory%20of%20Knowledge_Jayatilleke.pdf|last=কে. এন. জয়তিল্লেকে}} * '''কোনো স্বর্গ নেই, নেই কোনো চূড়ান্ত মুক্তি, এমনকি অন্য কোনো জগতের আত্মাও নেই,''' <br>না চার বর্ণের কর্ম ও বিধান কোনো বাস্তব প্রভাব ফেলে। <br>অগ্নিহোত্র, তিনটি বেদ, সন্ন্যাসীর তিনটি দণ্ড এবং গায়ে ছাই মাখা, <br>এসবই প্রকৃতি তৈরি করেছে সেই সব মানুষের জীবিকা হিসেবে যাদের জ্ঞান ও পুরুষত্ব নেই। <br>যদি জ্যোতিষ্টোম যজ্ঞে বলি দেওয়া পশুটি নিজেই স্বর্গে যায়, <br>তবে যজ্ঞকারী কেন সরাসরি নিজের পিতাকেই উৎসর্গ করেন না? ** প্রাচীন চার্বাক দার্শনিক বৃহস্পতিকে উৎসর্গ করা; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য সর্ব দর্শন সংগ্রহ|author=মাধবাচার্য (১২৯১-১৩৯১); ই. বি. কাওয়েল ও এ. ই. গফ (অনুবাদক)|chapter=দ্য চার্বাক সিস্টেম|url=https://www.gutenberg.org/files/34125/34125-h/34125-h.htm#CHAPTER_I}} === স্বাধীনতা-পূর্ব === * ধর্মের ছদ্মবেশে ব্রাহ্মণরা শূদ্রদের প্রতিটি কাজে তা ছোট হোক বা বড় হস্তক্ষেপ করে। তাদের ঘরে হোক, মাঠে হোক বা আদালতে হোক, ব্রাহ্মণরা কোনো না কোনো ছুতোয় সেখানে উপস্থিত থাকে এবং তাদের চতুর ও কুটিল বুদ্ধি ব্যবহার করে যতটুকু সম্ভব হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ব্রাহ্মণরা কেবল পুরোহিত হিসেবেই শূদ্রদের সর্বস্বান্ত করে না, আরও অনেক উপায়েও তা করে। ** জ্যোতিরাও ফুলে (১৮২৭-১৮৯০), সামাজিক কর্মী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=স্লেভারি (গোলামগিরির ইংরেজি অনুবাদ)|year=১৮৭৩|url=https://thesatyashodhak.com/wp-content/uploads/2020/05/Jotirao-Phule-Slavery-Government-of-Maharashtra-1991.pdf|author=পি. জি. পাতিল (অনুবাদক)}} * ঈশ্বরভক্তির সঠিক পথে আমরা কবে যাব? আমি যখন এই প্রশ্ন করি, ব্রাহ্মণরা আমাদের নাস্তিক বলে দাগিয়ে দেয়। এই ব্রাহ্মণ এবং তাদের অনুচরদের বিশ্বাস করে সাধারণ অজ্ঞ মানুষ চিৎকার শুরু করে যে ঈশ্বর বিপদে, ধর্ম বিপদে! এই বর্বরোচিত আচরণ করা কি আস্তিকতা না নাস্তিকতা? যাই হোক না কেন, তাদের এই বাধাদানকারী কর্মকাণ্ডে আমরা দমে যাব না। আমাদের যা সঠিক মনে হয়, আমরা সাহসের সাথে তা বলব। আমরা বলি যে হিন্দু ধর্ম এবং দেবতারা হলো এক ভয়াবহ ব্যাধি। এগুলো নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের মানুষ এবং দেশের উন্নতি সম্ভব নয়। আমরা যা অনুভব করি, তাই বলি। ** পেরিয়ার (১৮৭৯-১৯৭৩), সামাজিক কর্মী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=কালেক্টেড ওয়ার্কস অফ পেরিয়ার ই. ভি. আর.|publisher=দ্য পেরিয়ার সেলফ-রেসপেক্ট প্রোপাগান্ডা ইনস্টিটিউশন|ISBN=9788190357906|পৃষ্ঠা=৭৬|url=https://www.google.co.in/books/edition/Collected_Works_of_Periyar_E_V_R/c9uvoQEACAAJ?hl=en}} * সব জীবের মধ্যে মানুষই সবচেয়ে বুদ্ধিমান। এই মানুষই ঈশ্বর, ধর্ম, দর্শন এবং আধ্যাত্মিকতা তৈরি করেছে। আরও বলা হয় যে, অসাধারণ প্রতিভাবান ব্যক্তিরা নাকি ঈশ্বরকে উপলব্ধি করতে পেরেছেন। কেউ কেউ নাকি ঈশ্বরের সাথে এক হয়ে গেছেন। আমি সাহস করে জিজ্ঞেস করতে চাই, তবে কেন এমন মহান ব্যক্তিরাও এই পৃথিবীর সব বোকামির কোনো সমাধান খুঁজে পাননি? ** পেরিয়ার (১৮৭৯-১৯৭৩), সামাজিক কর্মী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য ওয়ার্ল্ড টু কাম|url=https://thesatyashodhak.com/wp-content/uploads/2020/05/Periyar-E-V-Ramasamy-The-World-to-Come-The-Periyar-Self-Respect-Propaganda-Institution-2012.pdf|publisher=দ্য পেরিয়ার সেলফ-রেসপেক্ট প্রোপাগান্ডা ইনস্টিটিউশন|পৃষ্ঠা=৮}} * অজানার ওপর একচেটিয়া আধিপত্য দাবি করে<br>ধর্মগুলো মানুষকে বিভক্ত করে<br>এবং তাদের মধ্যে ঘৃণা ছড়ায়। ** সহোদরন আয়াপ্পান (১৮৮৯-১৯৬৮), স্বাধীনতা সংগ্রামী; সূত্র: {{ওয়েব উদ্ধৃতি|title=শেপিং আ মডার্ন কেরালা: সহোদরন'স পোয়েট্রি অফ ফ্র্যাটারনিটি, লিবার্টি অ্যান্ড ইকুয়ালিটি|website=সহপিডিয়া|author=অজয় এস. শেখর|url=https://www.sahapedia.org/shaping-modern-kerala-sahodaran%E2%80%99s-poetry-of-fraternity-liberty-and-equality}} * দেখা যাক আমি কীভাবে চলি: আমার এক বন্ধু আমাকে প্রার্থনা করতে বলেছিলেন। আমার নাস্তিকতার কথা শুনে তিনি বললেন, "তোমার শেষ সময়ে তুমি বিশ্বাস করতে শুরু করবে।" আমি বললাম, "না প্রিয় সুহৃদ, এমনটা হবে না।" আমি এটাকে আমার নিজের অধঃপতন ও মনোবলহীনতা বলে মনে করব। স্বার্থের জন্য আমি প্রার্থনা করতে যাচ্ছি না। পাঠক ও বন্ধুরা, "এটা কি অহংকার?" যদি তাই হয়, তবে আমি এর পক্ষেই আছি। ** [[ভগৎ সিং]] (১৯০৭-১৯৩১), ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=হোয়াই আই অ্যাম অ্যান এথিস্ট অ্যান্ড আদার ওয়ার্কস|publisher=পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া|ISBN=9780143462262}} * আধুনিক সভ্যতার বৈশিষ্ট্য হলো কুসংস্কারের ওপর বিজ্ঞানের এবং বিশ্বাসের ওপর যুক্তির ক্রমাগত জয়। ইতিহাসের শুরু থেকেই এই সংগ্রাম চলে আসছে। ** এম. এন. রায় (১৮৮৭-১৯৫৪), [[সাম্যবাদ|সাম্যবাদী]] বিপ্লবী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=রিজন, রোমান্টিসিজম অ্যান্ড রেভল্যুশন|url=https://www.google.co.in/books/edition/Reason_Romanticism_and_Revolution/KOx3PwAACAAJ?hl=en|পৃষ্ঠা=৫৯|ISBN=9788120201675}} * বিজ্ঞান ধর্মকে বিলুপ্ত করতে বাধ্য, কারণ বৈজ্ঞানিক জ্ঞান মানুষকে এমন সব প্রশ্নের উত্তর দিতে সাহায্য করে যা মানুষের শৈশবে তাকে অতিপ্রাকৃত শক্তি বা মাধ্যমের কথা ভাবতে বাধ্য করেছিল। যদি সেই ধারণাগুলো সত্যিই প্রশ্নের উত্তর দিত, তবে ধর্ম বিজ্ঞানের উত্থানকে আটকে দিত। কিন্তু ধর্ম প্রাকৃতিক ঘটনা ব্যাখ্যা করেনি। এটি কেবল একগুচ্ছ নতুন সমস্যা তৈরি করেছে, যা অস্তিত্বের মূল সমস্যাগুলোকে আড়াল করে দিয়েছিল। ** এম. এন. রায় (১৮৮৭-১৯৫৪), [[সাম্যবাদ|সাম্যবাদী]] বিপ্লবী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=সায়েন্স অ্যান্ড ফিলোসফি|পৃষ্ঠা=৮|year=১৯৪৭|publisher=অজন্তা পাবলিকেশন|url=https://www.google.co.in/books/edition/Science_And_Philosphy/V74a0AEACAAJ?hl=en|ISBN=9781021185549}} * ভারত এবং অন্যান্য জায়গায় ধর্ম বা অন্তত তথাকথিত সংগঠিত ধর্মের যে রূপ আমি দেখেছি, তা আমাকে আতঙ্কিত করে তুলেছে। আমি প্রায়ই এর তীব্র নিন্দা করেছি এবং একে ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে চেয়েছি। ** [[জওহরলাল নেহরু]] (১৮৮৯-১৯৬৪), [[ভারত|ভারতের]] প্রধানমন্ত্রী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=অ্যান অটোবায়োগ্রাফি|publisher=পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া|isbn= 9789385990045}} * হিন্দু, ইসলাম, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান—যেকোনো ধর্মই হোক না কেন, আমি যেভাবে এর অনুশীলন দেখেছি এবং এমনকি চিন্তাশীল মানুষদেরও তা গ্রহণ করতে দেখেছি, তা আমাকে আকৃষ্ট করেনি। এটি কুসংস্কার এবং গোঁড়া বিশ্বাসের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে মনে হতো। এর পেছনে জীবনের সমস্যা সমাধানের এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল যা মোটেও বৈজ্ঞানিক ছিল না। এর মধ্যে যাদুবিদ্যার একটি উপাদান, বিচারহীন বিশ্বাসপ্রবণতা এবং অতিপ্রাকৃতের ওপর নির্ভরশীলতা ছিল। ** [[জওহরলাল নেহরু]] (১৮৮৯-১৯৬৪), [[ভারত|ভারতের]] প্রধানমন্ত্রী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া|publisher=পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া|ISBN=9789385990052}} * আমি চাই নীতিবোধ শাসন করুক এবং আদর্শবাদের প্রসার ঘটুক। এটি তখনই সম্ভব যখন ঈশ্বর এবং ভাগ্যের ওপর বিশ্বাস দূর হবে এবং ফলস্বরূপ জীবনের আস্তিক্যবাদী দর্শন পরিবর্তিত হবে। স্পষ্ট করে বললে, আমি নাস্তিকতা চাই যাতে মানুষ ঈশ্বরের ওপর নির্ভর করা ছেড়ে দিয়ে নিজের পায়ে শক্ত হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমন মানুষের মধ্যে এক স্বাস্থ্যকর সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হবে, কারণ নাস্তিকতা মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের কোনো যৌক্তিকতা খুঁজে পায় না। ** গোপারাজু রামচন্দ্র রাও (১৯০২-১৯৭৫), সমাজ সংস্কারক; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=অ্যান এথিস্ট উইথ গান্ধী|url=https://www.google.co.in/books/edition/An_Atheist_with_Gandhi/M7s9AAAAIAAJ?hl=en&gbpv=0&bsq=An%20Atheist%20with%20Gandhi|year=১৯৫১|publisher=নবজীবন পাবলিশিং হাউস}} === আধুনিক ভারত === ==== ১৯০০ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে জন্ম ==== * যদি বিজ্ঞানী এবং ঋষির অনুপ্রেরণা একইরকম হয়, তবুও সত্যের ধারণা নিয়ে তাদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। ঋষির কাছে সত্য মূলত মরমী—অর্থাৎ তা স্বজ্ঞাত, পরম এবং অলৌকিক। বৈজ্ঞানিক সত্য হলো যুক্তিনির্ভর, অভিজ্ঞতাভিত্তিক এবং ধর্মনিরপেক্ষ। ** এ. বি. শাহ (১৯২০-১৯৮১), ইন্ডিয়ান সেকুলার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=সায়েন্টিফিক মেথড|পৃষ্ঠা=২৮|year=১৯৬৪|publisher=অ্যালাইড পাবলিশার্স|oclc=৫৯৩৬৩৯১৬৩}} * আমি যখন ছোট ছিলাম, আমাকে বাইবেলের অংশ মুখস্থ করতে হতো এবং ধর্মীয় আচার পালন করতে হতো। সম্ভবত এই অভিজ্ঞতাই আমাকে নাস্তিকে পরিণত করেছিল। বড় হওয়ার পর আমি দেখেছি মানুষ ধর্মকে ব্যবহার করে টাকা কামাতে এবং অন্যদের বোকা বানাতে। এটি আমার বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে। তবে আমি আমার বিশ্বাস বা আদর্শ কারো ওপর চাপিয়ে দিই না। ** ভার্গিস কুরিয়েন (১৯২১-২০১২), সামাজিক উদ্যোক্তা; সূত্র: {{cite news|newspaper=দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া|title=আই অ্যাম: ভার্গিস কুরিয়েন|url=https://timesofindia.indiatimes.com/I-AM-Verghese-Kurien/articleshow/1473433.cms|date=১ এপ্রিল ২০০৬}} * আমি রাতে শুয়ে থাকতাম, ভয়ে কাঁপতাম আর ঘুমাতে পারতাম না। আমার চেনা সব দেবতার কাছে প্রার্থনা করতাম যেন আমার বাবাকে বাঁচিয়ে রাখা হয়, যেন তিনি আমাদের কাছে ফিরে আসেন। কিন্তু তিনিও চলে গেলেন, আমাদের সন্তানদের ফেলে রেখে। তখনই আমি ঠিক করলাম, যে ঈশ্বর এমন প্রার্থনায় সাড়া দেন না, তাকে আর ডাকার প্রয়োজন নেই। ** ভি. এস. অচ্যুতানন্দ (১৯২৩-২০২৫), স্বাধীনতা সংগ্রামী, গুটিবসন্তের কারণে বাবা-মা উভয়কে হারানো প্রসঙ্গে; সূত্র: {{cite news|newspaper=দেশাভিমানী|url=https://english.deshabhimani.com/deshabhimani-english-/kerala-news/vs-achuthanandan--memoir-56071|title=দ্য ডে ফেইথ লেফট মি: ভি এস অচ্যুতানন্দ’স মেমোর|date=২২ জুলাই ২০২৫}} * আমি কেবল একজন ঈশ্বরকেই বিশ্বাস করি। তা হলো আমার বিবেক। ** এম. করুণানিধি (১৯২৪-২০১৮), রাজনীতিক; সূত্র: {{cite news|title=আই’ম নট এগেইনস্ট রাম। দে ক্যান কিপ রাম। মাই কনসায়েন্স ইজ মাই অনলি গড: করুণানিধি|date=০৭ আগস্ট ২০১৮|url=https://theprint.in/walk-the-talk/im-not-against-ram-they-can-keep-ram-my-conscience-is-my-only-god-karunanidhi/94937/|newspaper=দ্য প্রিন্ট}} * কেউ পুরাণ বা ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে না। কিন্তু বিজ্ঞানের কাজই হলো প্রশ্ন করা। এসব জানা সত্ত্বেও আমরা প্রশ্ন করতে ভয় পাই। তাই আমরা বলি যে, শিক্ষার উচিত আমাদের বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনার লক্ষ্য পূরণের দিকে নিয়ে যাওয়া। ** কে. বীরমানি (জন্ম ১৯৩৩), রাজনীতিক; সূত্র: {{cite news|url=https://www.roundtableindia.co.in/caste-organizations-should-not-exist-in-tamil-nadu-dr-k-veeramani-president-dravida-kazhagam/|date=২৩ অক্টোবর ২০২৩|newspaper=রাউন্ড টেবিল ইন্ডিয়া|title=‘কাস্ট অর্গানাইজেশনস শুড নট এক্সিস্ট ইন তামিল নাড়ু’ – ড. কে বীরমানি, প্রেসিডেন্ট, দ্রাবিড় কাড়গম}} * '''বিজ্ঞান সবসময়ই বিনয়ী। এটি কখনোই চূড়ান্ত সত্যের দাবি করে না। ধর্মই দাবি করে যে—আমি সব বুঝে ফেলেছি, আমি মহাবিশ্বকে জেনে ফেলেছি, এখন আমি যা বলি তা-ই করো।''' বিজ্ঞান বস্তু এবং ঘটনা যাচাই করতে বিশ্বাস করে এবং অমীমাংসিত সমস্যার সমাধানের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে। বিজ্ঞানীদের সঠিক হওয়ার জন্য প্রশংসা করা উচিত নয়; বরং নীতিগুলো কঠোরভাবে এবং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বর্ণনা করার চেষ্টার জন্য তাদের প্রশংসা করা উচিত। বিজ্ঞান নিজের সেরাদের কাজকে প্রসারিত বা বাতিল করার সময়ও বস্তুনিষ্ঠ থাকে। ** নরেন্দ্র দাভোলকর (১৯৪৫-২০১৩), সামাজিক কর্মী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=প্লিজ থিঙ্ক: প্র্যাকটিক্যাল লেসনস ইন ডেভেলপিং আ সায়েন্টিফিক টেম্পার|author=জয় বিপ্র (অনুবাদক)|ISBN=৯৭৮৯৩৮৮৭৫৪০২৬|year=১৯৯৪|url=|publisher=ওয়েস্টল্যান্ড পাবলিকেশনস}} * জীবন হলো অন্বেষণ: আমি ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না; আধ্যাত্মিকতা আমার কাছে বিশেষ কিছু নয়। যেসব জিনিসের উত্তর আমার কাছে নেই, সেগুলো নিয়ে অনুসন্ধান করা আমি উপভোগ করি। ** অমল পালেকর (জন্ম ১৯৪৪), অভিনেতা; সূত্র: {{cite news|title=অমল পালেকর: বাতোঁ বাতোঁ মেঁ|date=১৯ অক্টোবর ২০০৩|newspaper=দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া|url=https://timesofindia.indiatimes.com/delhi-times/amol-palekar-baaton-baaton-mein/articleshow/240783.cms}} * বিভিন্ন ধর্মবিশ্বাসের মানুষ এবং যারা কোনো ধর্মের অংশ ছিল না, তারা সবাই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিল। এই দেশ ভারতীয় সমাজের সব মানুষের এবং সব অংশের সমান অধিকারের জায়গা। ** পিনারাই বিজয়ন (জন্ম ১৯৪৫), রাজনীতিক; সূত্র: {{cite news|title=নেশন বিলংস টু অল, রিলিজিয়ন ইজ আ প্রাইভেট অ্যাফেয়ার: কেরালা'স পিনারাই বিজয়ন|url=https://timelinedaily.com/india/nation-belongs-to-all-religion-is-a-private-affair-keralas-pinarayi-vijayan|newspaper-টাইমলাইন|date=২২ জানুয়ারি ২০২৪}} * এই সব ধর্ম, ব্যতিক্রমহীনভাবে সব ধর্মই অন্ধকার যুগের। এগুলোর শিকড় অন্ধকার যুগে গেঁথে আছে। আপনি আপনার সাথে অন্ধকার যুগকে বয়ে নিয়ে বেড়ান। অন্ধকার যুগের সাথে আপনার নাড়ির বন্ধন এখনো কাটেনি। ** জাভেদ আখতার (জন্ম ১৯৪৫), গীতিকার; সূত্র: {{cite news|title=জাভেদ আখতার অন বিয়িং এথিস্ট: অল রিলিজিয়নস বিলং টু ডার্ক এজেস, ইটস টাইম অফ সিজোফ্রেনিয়া|newspaper=টাইমস নাও|date=৩০ আগস্ট ২০২৪|url=https://www.timesnownews.com/entertainment-news/bollywood/javed-akhtar-on-being-atheist-all-religions-belong-to-dark-ages-its-time-of-schizophrenia-article-112915311}} * যখন ধর্মের ওপর জোর দেওয়া এবং ধর্মের নামে শিশুদের ওপর নির্যাতনের বিষয়টি আসে, তখন জাতিসংঘ, এর সহযোগী সংস্থাগুলো এবং প্রায় সব জাতীয় সরকার রহস্যজনকভাবে চুপ থাকে। ** ইন্নাইয়া নারিসেত্তি (জন্ম ১৯৩৭), সাংবাদিক; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=ফোর্সড ইনটু ফেইথ: হাউ রিলিজিয়ন অ্যাবিউজেস চিলড্রেন'স রাইটস|date=২০০৯|publisher=গ্লোব পিকো পাবলিশিং|url=https://www.google.co.in/books/edition/Forced_Into_Faith/B1kKAQAAMAAJ?hl=en&gbpv=0&bsq=Forced%20Into%20Faith%20Innaiah%20Narisetti|ISBN=৯৭৮১৫৯১০২৬০৬৮}} * আমি বিশ্বাসগতভাবে একজন নাস্তিক, তবে আমি যে হিন্দু পরিবারে জন্মেছি তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে নাস্তিক হইনি। বরং আমার নাস্তিক বাবার প্রভাবে আমি এমন হয়েছি। আমি এখন বুঝতে পারি যে তার বিশেষ ধরনের ধর্মহীন যুক্তিবাদ ১৯শ শতকের শেষ এবং ২০শ শতকের শুরুর মহারাষ্ট্রের প্রবোধন বা নবজাগরণের চেতনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। ** বন্দনা সোনালকর, পণ্ডিত; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=হোয়াই আই অ্যাম নট আ হিন্দু ওম্যান|date=২০২১|publisher=উইমেন আনলিমিটেড|url=https://www.google.co.in/books/edition/Why_I_Am_Not_a_Hindu_Woman/CGcRzgEACAAJ?hl=en|isbn=৯৭৮৯৩৮৫৬০৬৩১১}} ==== ১৯৪৬ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যে জন্ম ==== * আমরা হিন্দুকরণ কর্মসূচিকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করি দুটি কারণে। প্রথমত, হিন্দুধর্ম কখনোই একটি মানবিক দর্শন ছিল না। এটি ধর্মের ইতিহাসে দেখা সবচেয়ে নৃশংস ধর্মীয় ঘরানা। ভারতের দলিত-বহুজন জাতিগুলো এর নৃশংসতার জীবন্ত প্রমাণ। দ্বিতীয়ত, হিন্দুকরণ যদি ভবিষ্যতে নিজেকে মানবিক করার ইচ্ছা প্রকাশও করে, তবুও তার কোনো সুযোগ নেই, কারণ ধর্মের ইতিহাস নিজেই শেষ হয়ে আসছে। ** কাঞ্চা ইলাইয়া (জন্ম ১৯৫২), সামাজিক কর্মী; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=হোয়াই আই অ্যাম নট আ হিন্দু: আ শূদ্র ক্রিটিক অফ হিন্দুত্ব, ফিলোসফি, কালচার অ্যান্ড পলিটিক্যাল ইকোনমি|year=১৯৯৬|isbn=৯৭৮৮১৮৫৬০৪১৮৩|url=https://www.google.co.in/books/edition/Why_I_Am_Not_a_Hindu/TF4qAAAAYAAJ?hl=en|publisher=স্ত্রী-সাম্য বুকস}} * ষোলো বছর বয়সের মধ্যে আমি প্রায় চরমপন্থী নাস্তিক হয়ে উঠেছিলাম। তারপর পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং আমি রাগ না করার সিদ্ধান্ত নিই। শেষ পর্যন্ত আমি জগতের প্রতি এক যুক্তিবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে স্থির হই, কারণ আমার জন্য ঈশ্বরকে ধ্বংস করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। ** কমল হাসান, অভিনেতা; সূত্র: {{cite news|title=‘বাই ১৬, আই ওয়াজ আ বর্ডারলাইন র‍্যাবিড এথিস্ট’: হাউ কমল হাসান ডেভেলপড হিজ পলিটিক্স অ্যাজ আ চাইল্ড|url=https://scroll.in/article/924182/by-16-i-was-a-borderline-rabid-atheist-how-kamal-haasan-developed-his-politics-as-a-child|date=২২ মে ২০১৯|newspaper=২২ মে ২০১৯}} * আমি একজন নাস্তিক, কিন্তু নাস্তিক হওয়া আমাকে তাদের সম্মান করা থেকে বিরত রাখে না যারা ধর্মে বিশ্বাসী। প্রতিটি ব্যক্তির নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী জীবন যাপনের অধিকার আছে এবং আমি তাকে সম্মান করি। আমি কাউকে প্রভাবিত করার বা তাদের ওপর আমার মতামত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি না। আবার আমার বিশ্বাসকেও কেউ প্রভাবিত করতে পারে না। ** রাহুল বোস (জন্ম ১৯৬৭), অভিনেতা; সূত্র: {{cite news|title=আই অ্যাম: রাহুল বোস|newspaper=দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া|url=https://timesofindia.indiatimes.com/i-am-rahul-bose/articleshow/1998701.cms|date=১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৬}} * আমি খুব একটা ধর্মপ্রাণ নই, তবে প্রতিবার যখন কোনো পবিত্র স্থানের পাশ দিয়ে যাই, আমি মাথা নত করি এবং শ্রদ্ধা জানাই। আমার বাবা সবসময় বলতেন যে কোনো সুসংগঠিত ধর্ম শেখার চেয়ে আগে একজন ভালো মানুষ হওয়া জরুরি। আমি নাস্তিক নই, আমি বরং একজন অজ্ঞেয়বাদী। ** জন আব্রাহাম (জন্ম ১৯৭২), অভিনেতা; সূত্র: {{cite news|title=আই অ্যাম: জন আব্রাহাম|url=https://timesofindia.indiatimes.com/i-am-john-abraham/articleshow/1227156.cms|newspaper=দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া|date=১১ সেপ্টেম্বর ২০০৫}} * আমার বাবা আমাকে কোনো ধর্ম ছাড়াই বড় করেছেন এবং সবকিছু নিয়ে প্রশ্ন করতে শিখিয়েছেন। আপনি যখন কোনো ধর্ম ছাড়া বড় হবেন, তখন আপনি এমনিতেই সব বিষয়ে প্রশ্ন করবেন। তিনি আমাদের কখনো বলেননি যে ঈশ্বরে বিশ্বাস করো না, আমরা যা দেখেছি তা থেকেই শিখেছি। এটি ছিল মূলত বিষয়গুলো নিয়ে প্রশ্ন করা এবং সেগুলোতে যুক্তি বা বৈজ্ঞানিক প্রমাণ প্রয়োগ করার চেষ্টা করা। এই জিনিসগুলো গুরুত্বপূর্ণ কারণ কোনো কিছুকে সত্য বলার আগে তা প্রমাণযোগ্য হতে হয়, অন্যথায় এটি কেবল একটি তত্ত্ব। কোটি কোটি মানুষ বিশ্বাসের ওপর ভর করে বেঁচে থাকে এবং যারা বিশ্বাসী তাদের মনের শান্তি দেখে অবাক লাগে, কারণ যারা বিশ্বাসী নয় তাদের জন্য সেই শান্তি পাওয়া খুব কঠিন। ** ফারহান আখতার (জন্ম ১৯৭৪), অভিনেতা; সূত্র: {{cite news|newspaper=দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|url=https://indianexpress.com/article/entertainment/bollywood/farhan-akhtar-on-growing-up-in-an-inter-faith-home-being-raised-without-a-religion-9537751/|title=ফারহান আখতার অন গ্রোয়িং আপ ইন অ্যান ইন্টার-ফেইথ হোম, বিয়িং রেজড ‘উইদাউট আ রিলিজিয়ন’: ‘আই ওয়াজ টট টু কোয়েশ্চেন এভরিথিং’|date=২৮ আগস্ট ২০২৪}} * আমি কোনো ধর্ম মানি না। আমি একজন নাস্তিক। তাই আপনারা আমাকে কোথা থেকে বের করে দেবেন? যে জায়গায় আগে থেকেই আমার কোনো অস্তিত্ব নেই, সেখান থেকে আপনি কাউকে কীভাবে বের করবেন! ** উরফি জাভেদ (জন্ম ১৯৯৫), অভিনেত্রী, [[ইসলাম]] থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার গুজব প্রসঙ্গে; সূত্র: {{cite news|title=উরফি জাভেদ ডিসমিসেস ক্লেইমস অফ বিয়িং 'এক্সপেলড' ফ্রম ইসলাম, সেজ শি ইজ এথিস্ট অ্যান্ড ফলোজ নো রিলিজিয়ন|url=https://zeenews.india.com/people/uorfi-javed-dismisses-claims-of-being-expelled-from-islam-says-she-is-atheist-and-follows-no-religion-3012381.html|newspaper=জি নিউজ|date=৩১ জানুয়ারি ২০২৬}}``` == ভারতে ধর্মহীনতা সম্পর্কে উক্তি == * যেসব ভারতীয় নাস্তিক কর্মীদের সাথে আমরা সময় কাটিয়েছি, তারা কেবল বস্তুবাদে ‘বিশ্বাস’ করেন না। অন্য কর্মীরা প্রায়ই তাদের শহর-কেন্দ্রিক ‘আড্ডা প্রিয়’ মানবতাবাদী বা ‘আরামপ্রিয় নাস্তিক’ বলে তুচ্ছ করেন। কিন্তু এই কর্মীরা দক্ষতার সাথে বিভিন্ন উপকরণের ব্যবহারের মাধ্যমে ক্ষতিকর অতিপ্রাকৃত বিশ্বাসগুলোকে খণ্ডন বা ‘উন্মোচন’ করতে চান। ** ভারতীয় নাস্তিক কর্মীদের সম্পর্কে; সূত্র: {{বই উদ্ধৃতি|title=বিয়িং গডলেস: এথনোগ্রাফিস অফ এথিজম অ্যান্ড নন-রিলিজিয়ন|year=২০১৭|publisher=বার্গান বুকস|ISBN= ৯৭৮১৭৮৫৩৩৫৭৩০|url=https://www.google.co.in/books/edition/Being_Godless/KZ3vDQAAQBAJ?hl=en&gbpv=0|chapter=২|author=জ্যাকব কোপম্যান এবং জোহানেস কোয়াক}} ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মহীনতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারত]] 5u1fu0vp0p6t5079bpfbwqbxwobokx9 81837 81836 2026-04-28T04:19:30Z ARI 356 পরিষ্কারকরণ 81837 wikitext text/x-wiki [[File:YUKTHIVADI.JPG|thumb|150px|১৯২৯ সালের ''যুক্তিবাাদী'' ছিল মালয়ালম ভাষায় প্রকাশিত প্রথম নাস্তিক বা যুক্তিবাদী পত্রিকা।]] ধর্মহীনতা হলো ধর্মীয় বিশ্বাস বা আচার-আচরণ না থাকা অথবা তা বর্জন করা। ভারতে [[নাস্তিক্যবাদ]] এবং অজ্ঞেয়বাদের এক দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। == নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী এবং যুক্তিবাদী ভারতীয়দের উক্তি == === প্রাচীন ভারত === * দান-ধ্যান করলে কোনো ফল পাওয়া যায় না। কোনো ফল পাওয়া যায় না বলিদান বা হোম অনুষ্ঠান থেকেও। ভালো বা মন্দ কাজেরও কোনো ফল নেই। '''যারা মারা গেছে, তাদের জন্য এই জগতের কোনো অস্তিত্ব নেই। আর যারা বেঁচে আছে, তাদের জন্য অন্য কোনো জগতের অস্তিত্ব নেই।''' মা বা বাবার জন্য কিছু করলেও কোনো ফল পাওয়া যায় না। আপনাআপনি জন্মানো কোনো সচেতন সত্তা নেই। ** অজিত কেশকম্বলী (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দী), বস্তুবাদী দার্শনিক বলে পরিচিত; {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য ভিজিবল ফ্রুটস অফ দ্য লাইফ অফ আ বুদ্ধিস্ট মঙ্ক (আ ট্রান্সলেশন অফ দ্য সামাহাফলাসুত্ত)|url=https://archive.org/details/visiblefruitsofl00unse|author=জে. ওয়েত্থা সিনহা|year=১৯২১}} * কে জানে যে আত্মার অস্তিত্ব আছে? এই জ্ঞানের কী দরকার? কে জানে যে আত্মার অস্তিত্ব নেই? এই জ্ঞানেরই বা কী দরকার? ** একজন অজ্ঞানবাদী দ্বারা বলা উক্তি যা জৈন দার্শনিক শিলাঙ্ক (৯ম শতাব্দী) দ্বারা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে; {{বই উদ্ধৃতি|পৃষ্ঠা=১১৯|publisher=জর্জ অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন লিমিটেড|year=১৯৬৩|title=আর্লি বুদ্ধিস্ট থিওরি অফ নলেজ|url=https://web.archive.org/web/20150911084454/http://www.ahandfulofleaves.org/documents/Early%20Buddhist%20Theory%20of%20Knowledge_Jayatilleke.pdf|last=কে. এন. জয়তিল্লেকে}} * '''কোনো স্বর্গ নেই, নেই কোনো চূড়ান্ত মুক্তি, এমনকি অন্য কোনো জগতের আত্মাও নেই,''' <br>না চার বর্ণের কর্ম ও বিধান কোনো বাস্তব প্রভাব ফেলে। <br>অগ্নিহোত্র, তিনটি বেদ, সন্ন্যাসীর তিনটি দণ্ড এবং গায়ে ছাই মাখা, <br>এসবই প্রকৃতি তৈরি করেছে সেই সব মানুষের জীবিকা হিসেবে যাদের জ্ঞান ও পুরুষত্ব নেই। <br>যদি জ্যোতিষ্টোম যজ্ঞে বলি দেওয়া পশুটি নিজেই স্বর্গে যায়, <br>তবে যজ্ঞকারী কেন সরাসরি নিজের পিতাকেই উৎসর্গ করেন না? ** প্রাচীন চার্বাক দার্শনিক বৃহস্পতিকে উৎসর্গ করা; {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য সর্ব দর্শন সংগ্রহ|author=মাধবাচার্য (১২৯১-১৩৯১); ই. বি. কাওয়েল ও এ. ই. গফ (অনুবাদক)|chapter=দ্য চার্বাক সিস্টেম|url=https://www.gutenberg.org/files/34125/34125-h/34125-h.htm#CHAPTER_I}} === স্বাধীনতা-পূর্ব === * ধর্মের ছদ্মবেশে ব্রাহ্মণরা শূদ্রদের প্রতিটি কাজে তা ছোট হোক বা বড় হস্তক্ষেপ করে। তাদের ঘরে হোক, মাঠে হোক বা আদালতে হোক, ব্রাহ্মণরা কোনো না কোনো ছুতোয় সেখানে উপস্থিত থাকে এবং তাদের চতুর ও কুটিল বুদ্ধি ব্যবহার করে যতটুকু সম্ভব হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ব্রাহ্মণরা কেবল পুরোহিত হিসেবেই শূদ্রদের সর্বস্বান্ত করে না, আরও অনেক উপায়েও তা করে। ** জ্যোতিরাও ফুলে (১৮২৭-১৮৯০), সামাজিক কর্মী; {{বই উদ্ধৃতি|title=স্লেভারি (গোলামগিরির ইংরেজি অনুবাদ)|year=১৮৭৩|url=https://thesatyashodhak.com/wp-content/uploads/2020/05/Jotirao-Phule-Slavery-Government-of-Maharashtra-1991.pdf|author=পি. জি. পাতিল (অনুবাদক)}} * ঈশ্বরভক্তির সঠিক পথে আমরা কবে যাব? আমি যখন এই প্রশ্ন করি, ব্রাহ্মণরা আমাদের নাস্তিক বলে দাগিয়ে দেয়। এই ব্রাহ্মণ এবং তাদের অনুচরদের বিশ্বাস করে সাধারণ অজ্ঞ মানুষ চিৎকার শুরু করে যে ঈশ্বর বিপদে, ধর্ম বিপদে! এই বর্বরোচিত আচরণ করা কি আস্তিকতা না নাস্তিকতা? যাই হোক না কেন, তাদের এই বাধাদানকারী কর্মকাণ্ডে আমরা দমে যাব না। আমাদের যা সঠিক মনে হয়, আমরা সাহসের সাথে তা বলব। আমরা বলি যে হিন্দু ধর্ম এবং দেবতারা হলো এক ভয়াবহ ব্যাধি। এগুলো নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের মানুষ এবং দেশের উন্নতি সম্ভব নয়। আমরা যা অনুভব করি, তাই বলি। ** পেরিয়ার (১৮৭৯-১৯৭৩), সামাজিক কর্মী; {{বই উদ্ধৃতি|title=কালেক্টেড ওয়ার্কস অফ পেরিয়ার ই. ভি. আর.|publisher=দ্য পেরিয়ার সেলফ-রেসপেক্ট প্রোপাগান্ডা ইনস্টিটিউশন|ISBN=9788190357906|পৃষ্ঠা=৭৬|url=https://www.google.co.in/books/edition/Collected_Works_of_Periyar_E_V_R/c9uvoQEACAAJ?hl=en}} * সব জীবের মধ্যে মানুষই সবচেয়ে বুদ্ধিমান। এই মানুষই ঈশ্বর, ধর্ম, দর্শন এবং আধ্যাত্মিকতা তৈরি করেছে। আরও বলা হয় যে, অসাধারণ প্রতিভাবান ব্যক্তিরা নাকি ঈশ্বরকে উপলব্ধি করতে পেরেছেন। কেউ কেউ নাকি ঈশ্বরের সাথে এক হয়ে গেছেন। আমি সাহস করে জিজ্ঞেস করতে চাই, তবে কেন এমন মহান ব্যক্তিরাও এই পৃথিবীর সব বোকামির কোনো সমাধান খুঁজে পাননি? ** পেরিয়ার (১৮৭৯-১৯৭৩), সামাজিক কর্মী; {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য ওয়ার্ল্ড টু কাম|url=https://thesatyashodhak.com/wp-content/uploads/2020/05/Periyar-E-V-Ramasamy-The-World-to-Come-The-Periyar-Self-Respect-Propaganda-Institution-2012.pdf|publisher=দ্য পেরিয়ার সেলফ-রেসপেক্ট প্রোপাগান্ডা ইনস্টিটিউশন|পৃষ্ঠা=৮}} * অজানার ওপর একচেটিয়া আধিপত্য দাবি করে<br>ধর্মগুলো মানুষকে বিভক্ত করে<br>এবং তাদের মধ্যে ঘৃণা ছড়ায়। ** সহোদরন আয়াপ্পান (১৮৮৯-১৯৬৮), স্বাধীনতা সংগ্রামী; {{ওয়েব উদ্ধৃতি|title=শেপিং আ মডার্ন কেরালা: সহোদরন'স পোয়েট্রি অফ ফ্র্যাটারনিটি, লিবার্টি অ্যান্ড ইকুয়ালিটি|website=সহপিডিয়া|author=অজয় এস. শেখর|url=https://www.sahapedia.org/shaping-modern-kerala-sahodaran%E2%80%99s-poetry-of-fraternity-liberty-and-equality}} * দেখা যাক আমি কীভাবে চলি: আমার এক বন্ধু আমাকে প্রার্থনা করতে বলেছিলেন। আমার নাস্তিকতার কথা শুনে তিনি বললেন, "তোমার শেষ সময়ে তুমি বিশ্বাস করতে শুরু করবে।" আমি বললাম, "না প্রিয় সুহৃদ, এমনটা হবে না।" আমি এটাকে আমার নিজের অধঃপতন ও মনোবলহীনতা বলে মনে করব। স্বার্থের জন্য আমি প্রার্থনা করতে যাচ্ছি না। পাঠক ও বন্ধুরা, "এটা কি অহংকার?" যদি তাই হয়, তবে আমি এর পক্ষেই আছি। ** [[ভগৎ সিং]] (১৯০৭-১৯৩১), ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী; {{বই উদ্ধৃতি|title=হোয়াই আই অ্যাম অ্যান এথিস্ট অ্যান্ড আদার ওয়ার্কস|publisher=পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া|ISBN=9780143462262}} * আধুনিক সভ্যতার বৈশিষ্ট্য হলো কুসংস্কারের ওপর বিজ্ঞানের এবং বিশ্বাসের ওপর যুক্তির ক্রমাগত জয়। ইতিহাসের শুরু থেকেই এই সংগ্রাম চলে আসছে। ** এম. এন. রায় (১৮৮৭-১৯৫৪), [[সাম্যবাদ|সাম্যবাদী]] বিপ্লবী; {{বই উদ্ধৃতি|title=রিজন, রোমান্টিসিজম অ্যান্ড রেভল্যুশন|url=https://www.google.co.in/books/edition/Reason_Romanticism_and_Revolution/KOx3PwAACAAJ?hl=en|পৃষ্ঠা=৫৯|ISBN=9788120201675}} * বিজ্ঞান ধর্মকে বিলুপ্ত করতে বাধ্য, কারণ বৈজ্ঞানিক জ্ঞান মানুষকে এমন সব প্রশ্নের উত্তর দিতে সাহায্য করে যা মানুষের শৈশবে তাকে অতিপ্রাকৃত শক্তি বা মাধ্যমের কথা ভাবতে বাধ্য করেছিল। যদি সেই ধারণাগুলো সত্যিই প্রশ্নের উত্তর দিত, তবে ধর্ম বিজ্ঞানের উত্থানকে আটকে দিত। কিন্তু ধর্ম প্রাকৃতিক ঘটনা ব্যাখ্যা করেনি। এটি কেবল একগুচ্ছ নতুন সমস্যা তৈরি করেছে, যা অস্তিত্বের মূল সমস্যাগুলোকে আড়াল করে দিয়েছিল। ** এম. এন. রায় (১৮৮৭-১৯৫৪), [[সাম্যবাদ|সাম্যবাদী]] বিপ্লবী; {{বই উদ্ধৃতি|title=সায়েন্স অ্যান্ড ফিলোসফি|পৃষ্ঠা=৮|year=১৯৪৭|publisher=অজন্তা পাবলিকেশন|url=https://www.google.co.in/books/edition/Science_And_Philosphy/V74a0AEACAAJ?hl=en|ISBN=9781021185549}} * ভারত এবং অন্যান্য জায়গায় ধর্ম বা অন্তত তথাকথিত সংগঠিত ধর্মের যে রূপ আমি দেখেছি, তা আমাকে আতঙ্কিত করে তুলেছে। আমি প্রায়ই এর তীব্র নিন্দা করেছি এবং একে ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে চেয়েছি। ** [[জওহরলাল নেহরু]] (১৮৮৯-১৯৬৪), [[ভারত|ভারতের]] প্রধানমন্ত্রী; {{বই উদ্ধৃতি|title=অ্যান অটোবায়োগ্রাফি|publisher=পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া|isbn= 9789385990045}} * হিন্দু, ইসলাম, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান—যেকোনো ধর্মই হোক না কেন, আমি যেভাবে এর অনুশীলন দেখেছি এবং এমনকি চিন্তাশীল মানুষদেরও তা গ্রহণ করতে দেখেছি, তা আমাকে আকৃষ্ট করেনি। এটি কুসংস্কার এবং গোঁড়া বিশ্বাসের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে মনে হতো। এর পেছনে জীবনের সমস্যা সমাধানের এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল যা মোটেও বৈজ্ঞানিক ছিল না। এর মধ্যে যাদুবিদ্যার একটি উপাদান, বিচারহীন বিশ্বাসপ্রবণতা এবং অতিপ্রাকৃতের ওপর নির্ভরশীলতা ছিল। ** [[জওহরলাল নেহরু]] (১৮৮৯-১৯৬৪), [[ভারত|ভারতের]] প্রধানমন্ত্রী; {{বই উদ্ধৃতি|title=ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া|publisher=পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া|ISBN=9789385990052}} * আমি চাই নীতিবোধ শাসন করুক এবং আদর্শবাদের প্রসার ঘটুক। এটি তখনই সম্ভব যখন ঈশ্বর এবং ভাগ্যের ওপর বিশ্বাস দূর হবে এবং ফলস্বরূপ জীবনের আস্তিক্যবাদী দর্শন পরিবর্তিত হবে। স্পষ্ট করে বললে, আমি নাস্তিকতা চাই যাতে মানুষ ঈশ্বরের ওপর নির্ভর করা ছেড়ে দিয়ে নিজের পায়ে শক্ত হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমন মানুষের মধ্যে এক স্বাস্থ্যকর সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হবে, কারণ নাস্তিকতা মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের কোনো যৌক্তিকতা খুঁজে পায় না। ** গোপারাজু রামচন্দ্র রাও (১৯০২-১৯৭৫), সমাজ সংস্কারক; {{বই উদ্ধৃতি|title=অ্যান এথিস্ট উইথ গান্ধী|url=https://www.google.co.in/books/edition/An_Atheist_with_Gandhi/M7s9AAAAIAAJ?hl=en&gbpv=0&bsq=An%20Atheist%20with%20Gandhi|year=১৯৫১|publisher=নবজীবন পাবলিশিং হাউস}} === আধুনিক ভারত === ==== ১৯০০ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে জন্ম ==== * যদি বিজ্ঞানী এবং ঋষির অনুপ্রেরণা একইরকম হয়, তবুও সত্যের ধারণা নিয়ে তাদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। ঋষির কাছে সত্য মূলত মরমী—অর্থাৎ তা স্বজ্ঞাত, পরম এবং অলৌকিক। বৈজ্ঞানিক সত্য হলো যুক্তিনির্ভর, অভিজ্ঞতাভিত্তিক এবং ধর্মনিরপেক্ষ। ** এ. বি. শাহ (১৯২০-১৯৮১), ইন্ডিয়ান সেকুলার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা; {{বই উদ্ধৃতি|title=সায়েন্টিফিক মেথড|পৃষ্ঠা=২৮|year=১৯৬৪|publisher=অ্যালাইড পাবলিশার্স|oclc=৫৯৩৬৩৯১৬৩}} * আমি যখন ছোট ছিলাম, আমাকে বাইবেলের অংশ মুখস্থ করতে হতো এবং ধর্মীয় আচার পালন করতে হতো। সম্ভবত এই অভিজ্ঞতাই আমাকে নাস্তিকে পরিণত করেছিল। বড় হওয়ার পর আমি দেখেছি মানুষ ধর্মকে ব্যবহার করে টাকা কামাতে এবং অন্যদের বোকা বানাতে। এটি আমার বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে। তবে আমি আমার বিশ্বাস বা আদর্শ কারো ওপর চাপিয়ে দিই না। ** ভার্গিস কুরিয়েন (১৯২১-২০১২), সামাজিক উদ্যোক্তা; {{cite news|newspaper=দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া|title=আই অ্যাম: ভার্গিস কুরিয়েন|url=https://timesofindia.indiatimes.com/I-AM-Verghese-Kurien/articleshow/1473433.cms|date=১ এপ্রিল ২০০৬}} * আমি রাতে শুয়ে থাকতাম, ভয়ে কাঁপতাম আর ঘুমাতে পারতাম না। আমার চেনা সব দেবতার কাছে প্রার্থনা করতাম যেন আমার বাবাকে বাঁচিয়ে রাখা হয়, যেন তিনি আমাদের কাছে ফিরে আসেন। কিন্তু তিনিও চলে গেলেন, আমাদের সন্তানদের ফেলে রেখে। তখনই আমি ঠিক করলাম, যে ঈশ্বর এমন প্রার্থনায় সাড়া দেন না, তাকে আর ডাকার প্রয়োজন নেই। ** ভি. এস. অচ্যুতানন্দ (১৯২৩-২০২৫), স্বাধীনতা সংগ্রামী, গুটিবসন্তের কারণে বাবা-মা উভয়কে হারানো প্রসঙ্গে; {{cite news|newspaper=দেশাভিমানী|url=https://english.deshabhimani.com/deshabhimani-english-/kerala-news/vs-achuthanandan--memoir-56071|title=দ্য ডে ফেইথ লেফট মি: ভি এস অচ্যুতানন্দ’স মেমোর|date=২২ জুলাই ২০২৫}} * আমি কেবল একজন ঈশ্বরকেই বিশ্বাস করি। তা হলো আমার বিবেক। ** এম. করুণানিধি (১৯২৪-২০১৮), রাজনীতিক; {{cite news|title=আই’ম নট এগেইনস্ট রাম। দে ক্যান কিপ রাম। মাই কনসায়েন্স ইজ মাই অনলি গড: করুণানিধি|date=৭ আগস্ট ২০১৮|url=https://theprint.in/walk-the-talk/im-not-against-ram-they-can-keep-ram-my-conscience-is-my-only-god-karunanidhi/94937/|newspaper=দ্য প্রিন্ট}} * কেউ পুরাণ বা ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে না। কিন্তু বিজ্ঞানের কাজই হলো প্রশ্ন করা। এসব জানা সত্ত্বেও আমরা প্রশ্ন করতে ভয় পাই। তাই আমরা বলি যে, শিক্ষার উচিত আমাদের বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনার লক্ষ্য পূরণের দিকে নিয়ে যাওয়া। ** কে. বীরমানি (জন্ম ১৯৩৩), রাজনীতিক; {{cite news|url=https://www.roundtableindia.co.in/caste-organizations-should-not-exist-in-tamil-nadu-dr-k-veeramani-president-dravida-kazhagam/|date=২৩ অক্টোবর ২০২৩|newspaper=রাউন্ড টেবিল ইন্ডিয়া|title=‘কাস্ট অর্গানাইজেশনস শুড নট এক্সিস্ট ইন তামিল নাড়ু’ – ড. কে বীরমানি, প্রেসিডেন্ট, দ্রাবিড় কাড়গম}} * '''বিজ্ঞান সবসময়ই বিনয়ী। এটি কখনোই চূড়ান্ত সত্যের দাবি করে না। ধর্মই দাবি করে যে—আমি সব বুঝে ফেলেছি, আমি মহাবিশ্বকে জেনে ফেলেছি, এখন আমি যা বলি তা-ই করো।''' বিজ্ঞান বস্তু এবং ঘটনা যাচাই করতে বিশ্বাস করে এবং অমীমাংসিত সমস্যার সমাধানের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে। বিজ্ঞানীদের সঠিক হওয়ার জন্য প্রশংসা করা উচিত নয়; বরং নীতিগুলো কঠোরভাবে এবং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বর্ণনা করার চেষ্টার জন্য তাদের প্রশংসা করা উচিত। বিজ্ঞান নিজের সেরাদের কাজকে প্রসারিত বা বাতিল করার সময়ও বস্তুনিষ্ঠ থাকে। ** নরেন্দ্র দাভোলকর (১৯৪৫-২০১৩), সামাজিক কর্মী; {{বই উদ্ধৃতি|title=প্লিজ থিঙ্ক: প্র্যাকটিক্যাল লেসনস ইন ডেভেলপিং আ সায়েন্টিফিক টেম্পার|author=জয় বিপ্র (অনুবাদক)|ISBN=৯৭৮৯৩৮৮৭৫৪০২৬|year=১৯৯৪|url=|publisher=ওয়েস্টল্যান্ড পাবলিকেশনস}} * জীবন হলো অন্বেষণ: আমি ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না; আধ্যাত্মিকতা আমার কাছে বিশেষ কিছু নয়। যেসব জিনিসের উত্তর আমার কাছে নেই, সেগুলো নিয়ে অনুসন্ধান করা আমি উপভোগ করি। ** অমল পালেকর (জন্ম ১৯৪৪), অভিনেতা; {{cite news|title=অমল পালেকর: বাতোঁ বাতোঁ মেঁ|date=১৯ অক্টোবর ২০০৩|newspaper=দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া|url=https://timesofindia.indiatimes.com/delhi-times/amol-palekar-baaton-baaton-mein/articleshow/240783.cms}} * বিভিন্ন ধর্মবিশ্বাসের মানুষ এবং যারা কোনো ধর্মের অংশ ছিল না, তারা সবাই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিল। এই দেশ ভারতীয় সমাজের সব মানুষের এবং সব অংশের সমান অধিকারের জায়গা। ** পিনারাই বিজয়ন (জন্ম ১৯৪৫), রাজনীতিক; {{cite news|title=নেশন বিলংস টু অল, রিলিজিয়ন ইজ আ প্রাইভেট অ্যাফেয়ার: কেরালা'স পিনারাই বিজয়ন|url=https://timelinedaily.com/india/nation-belongs-to-all-religion-is-a-private-affair-keralas-pinarayi-vijayan|newspaper-টাইমলাইন|date=২২ জানুয়ারি ২০২৪}} * এই সব ধর্ম, ব্যতিক্রমহীনভাবে সব ধর্মই অন্ধকার যুগের। এগুলোর শিকড় অন্ধকার যুগে গেঁথে আছে। আপনি আপনার সাথে অন্ধকার যুগকে বয়ে নিয়ে বেড়ান। অন্ধকার যুগের সাথে আপনার নাড়ির বন্ধন এখনো কাটেনি। ** জাভেদ আখতার (জন্ম ১৯৪৫), গীতিকার; {{cite news|title=জাভেদ আখতার অন বিয়িং এথিস্ট: অল রিলিজিয়নস বিলং টু ডার্ক এজেস, ইটস টাইম অফ সিজোফ্রেনিয়া|newspaper=টাইমস নাও|date=৩০ আগস্ট ২০২৪|url=https://www.timesnownews.com/entertainment-news/bollywood/javed-akhtar-on-being-atheist-all-religions-belong-to-dark-ages-its-time-of-schizophrenia-article-112915311}} * যখন ধর্মের ওপর জোর দেওয়া এবং ধর্মের নামে শিশুদের ওপর নির্যাতনের বিষয়টি আসে, তখন জাতিসংঘ, এর সহযোগী সংস্থাগুলো এবং প্রায় সব জাতীয় সরকার রহস্যজনকভাবে চুপ থাকে। ** ইন্নাইয়া নারিসেত্তি (জন্ম ১৯৩৭), সাংবাদিক; {{বই উদ্ধৃতি|title=ফোর্সড ইনটু ফেইথ: হাউ রিলিজিয়ন অ্যাবিউজেস চিলড্রেন'স রাইটস|date=২০০৯|publisher=গ্লোব পিকো পাবলিশিং|url=https://www.google.co.in/books/edition/Forced_Into_Faith/B1kKAQAAMAAJ?hl=en&gbpv=0&bsq=Forced%20Into%20Faith%20Innaiah%20Narisetti|ISBN=৯৭৮১৫৯১০২৬০৬৮}} * আমি বিশ্বাসগতভাবে একজন নাস্তিক, তবে আমি যে হিন্দু পরিবারে জন্মেছি তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে নাস্তিক হইনি। বরং আমার নাস্তিক বাবার প্রভাবে আমি এমন হয়েছি। আমি এখন বুঝতে পারি যে তার বিশেষ ধরনের ধর্মহীন যুক্তিবাদ ১৯শ শতকের শেষ এবং ২০শ শতকের শুরুর মহারাষ্ট্রের প্রবোধন বা নবজাগরণের চেতনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। ** বন্দনা সোনালকর, পণ্ডিত; {{বই উদ্ধৃতি|title=হোয়াই আই অ্যাম নট আ হিন্দু ওম্যান|date=২০২১|publisher=উইমেন আনলিমিটেড|url=https://www.google.co.in/books/edition/Why_I_Am_Not_a_Hindu_Woman/CGcRzgEACAAJ?hl=en|isbn=৯৭৮৯৩৮৫৬০৬৩১১}} ==== ১৯৪৬ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যে জন্ম ==== * আমরা হিন্দুকরণ কর্মসূচিকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করি দুটি কারণে। প্রথমত, হিন্দুধর্ম কখনোই একটি মানবিক দর্শন ছিল না। এটি ধর্মের ইতিহাসে দেখা সবচেয়ে নৃশংস ধর্মীয় ঘরানা। ভারতের দলিত-বহুজন জাতিগুলো এর নৃশংসতার জীবন্ত প্রমাণ। দ্বিতীয়ত, হিন্দুকরণ যদি ভবিষ্যতে নিজেকে মানবিক করার ইচ্ছা প্রকাশও করে, তবুও তার কোনো সুযোগ নেই, কারণ ধর্মের ইতিহাস নিজেই শেষ হয়ে আসছে। ** কাঞ্চা ইলাইয়া (জন্ম ১৯৫২), সামাজিক কর্মী; {{বই উদ্ধৃতি|title=হোয়াই আই অ্যাম নট আ হিন্দু: আ শূদ্র ক্রিটিক অফ হিন্দুত্ব, ফিলোসফি, কালচার অ্যান্ড পলিটিক্যাল ইকোনমি|year=১৯৯৬|isbn=৯৭৮৮১৮৫৬০৪১৮৩|url=https://www.google.co.in/books/edition/Why_I_Am_Not_a_Hindu/TF4qAAAAYAAJ?hl=en|publisher=স্ত্রী-সাম্য বুকস}} * ষোলো বছর বয়সের মধ্যে আমি প্রায় চরমপন্থী নাস্তিক হয়ে উঠেছিলাম। তারপর পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং আমি রাগ না করার সিদ্ধান্ত নিই। শেষ পর্যন্ত আমি জগতের প্রতি এক যুক্তিবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে স্থির হই, কারণ আমার জন্য ঈশ্বরকে ধ্বংস করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। ** কমল হাসান, অভিনেতা; {{cite news|title=‘বাই ১৬, আই ওয়াজ আ বর্ডারলাইন র‍্যাবিড এথিস্ট’: হাউ কমল হাসান ডেভেলপড হিজ পলিটিক্স অ্যাজ আ চাইল্ড|url=https://scroll.in/article/924182/by-16-i-was-a-borderline-rabid-atheist-how-kamal-haasan-developed-his-politics-as-a-child|date=২২ মে ২০১৯|newspaper=২২ মে ২০১৯}} * আমি একজন নাস্তিক, কিন্তু নাস্তিক হওয়া আমাকে তাদের সম্মান করা থেকে বিরত রাখে না যারা ধর্মে বিশ্বাসী। প্রতিটি ব্যক্তির নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী জীবন যাপনের অধিকার আছে এবং আমি তাকে সম্মান করি। আমি কাউকে প্রভাবিত করার বা তাদের ওপর আমার মতামত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি না। আবার আমার বিশ্বাসকেও কেউ প্রভাবিত করতে পারে না। ** রাহুল বোস (জন্ম ১৯৬৭), অভিনেতা; {{cite news|title=আই অ্যাম: রাহুল বোস|newspaper=দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া|url=https://timesofindia.indiatimes.com/i-am-rahul-bose/articleshow/1998701.cms|date=১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৬}} * আমি খুব একটা ধর্মপ্রাণ নই, তবে প্রতিবার যখন কোনো পবিত্র স্থানের পাশ দিয়ে যাই, আমি মাথা নত করি এবং শ্রদ্ধা জানাই। আমার বাবা সবসময় বলতেন যে কোনো সুসংগঠিত ধর্ম শেখার চেয়ে আগে একজন ভালো মানুষ হওয়া জরুরি। আমি নাস্তিক নই, আমি বরং একজন অজ্ঞেয়বাদী। ** জন আব্রাহাম (জন্ম ১৯৭২), অভিনেতা; {{cite news|title=আই অ্যাম: জন আব্রাহাম|url=https://timesofindia.indiatimes.com/i-am-john-abraham/articleshow/1227156.cms|newspaper=দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া|date=১১ সেপ্টেম্বর ২০০৫}} * আমার বাবা আমাকে কোনো ধর্ম ছাড়াই বড় করেছেন এবং সবকিছু নিয়ে প্রশ্ন করতে শিখিয়েছেন। আপনি যখন কোনো ধর্ম ছাড়া বড় হবেন, তখন আপনি এমনিতেই সব বিষয়ে প্রশ্ন করবেন। তিনি আমাদের কখনো বলেননি যে ঈশ্বরে বিশ্বাস করো না, আমরা যা দেখেছি তা থেকেই শিখেছি। এটি ছিল মূলত বিষয়গুলো নিয়ে প্রশ্ন করা এবং সেগুলোতে যুক্তি বা বৈজ্ঞানিক প্রমাণ প্রয়োগ করার চেষ্টা করা। এই জিনিসগুলো গুরুত্বপূর্ণ কারণ কোনো কিছুকে সত্য বলার আগে তা প্রমাণযোগ্য হতে হয়, অন্যথায় এটি কেবল একটি তত্ত্ব। কোটি কোটি মানুষ বিশ্বাসের ওপর ভর করে বেঁচে থাকে এবং যারা বিশ্বাসী তাদের মনের শান্তি দেখে অবাক লাগে, কারণ যারা বিশ্বাসী নয় তাদের জন্য সেই শান্তি পাওয়া খুব কঠিন। ** ফারহান আখতার (জন্ম ১৯৭৪), অভিনেতা; {{cite news|newspaper=দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|url=https://indianexpress.com/article/entertainment/bollywood/farhan-akhtar-on-growing-up-in-an-inter-faith-home-being-raised-without-a-religion-9537751/|title=ফারহান আখতার অন গ্রোয়িং আপ ইন অ্যান ইন্টার-ফেইথ হোম, বিয়িং রেজড ‘উইদাউট আ রিলিজিয়ন’: ‘আই ওয়াজ টট টু কোয়েশ্চেন এভরিথিং’|date=২৮ আগস্ট ২০২৪}} * আমি কোনো ধর্ম মানি না। আমি একজন নাস্তিক। তাই আপনারা আমাকে কোথা থেকে বের করে দেবেন? যে জায়গায় আগে থেকেই আমার কোনো অস্তিত্ব নেই, সেখান থেকে আপনি কাউকে কীভাবে বের করবেন! ** উরফি জাভেদ (জন্ম ১৯৯৫), অভিনেত্রী, [[ইসলাম]] থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার গুজব প্রসঙ্গে; {{cite news|title=উরফি জাভেদ ডিসমিসেস ক্লেইমস অফ বিয়িং 'এক্সপেলড' ফ্রম ইসলাম, সেজ শি ইজ এথিস্ট অ্যান্ড ফলোজ নো রিলিজিয়ন|url=https://zeenews.india.com/people/uorfi-javed-dismisses-claims-of-being-expelled-from-islam-says-she-is-atheist-and-follows-no-religion-3012381.html|newspaper=জি নিউজ|date=৩১ জানুয়ারি ২০২৬}}``` == ভারতে ধর্মহীনতা সম্পর্কে উক্তি == * যেসব ভারতীয় নাস্তিক কর্মীদের সাথে আমরা সময় কাটিয়েছি, তারা কেবল বস্তুবাদে ‘বিশ্বাস’ করেন না। অন্য কর্মীরা প্রায়ই তাদের শহর-কেন্দ্রিক ‘আড্ডা প্রিয়’ মানবতাবাদী বা ‘আরামপ্রিয় নাস্তিক’ বলে তুচ্ছ করেন। কিন্তু এই কর্মীরা দক্ষতার সাথে বিভিন্ন উপকরণের ব্যবহারের মাধ্যমে ক্ষতিকর অতিপ্রাকৃত বিশ্বাসগুলোকে খণ্ডন বা ‘উন্মোচন’ করতে চান। ** ভারতীয় নাস্তিক কর্মীদের সম্পর্কে; {{বই উদ্ধৃতি|title=বিয়িং গডলেস: এথনোগ্রাফিস অফ এথিজম অ্যান্ড নন-রিলিজিয়ন|year=২০১৭|publisher=বার্গান বুকস|ISBN= ৯৭৮১৭৮৫৩৩৫৭৩০|url=https://www.google.co.in/books/edition/Being_Godless/KZ3vDQAAQBAJ?hl=en&gbpv=0|chapter=২|author=জ্যাকব কোপম্যান এবং জোহানেস কোয়াক}} ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মহীনতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারত]] 2t5gan8iv7h4lrgamd3oic84njeomiz 81838 81837 2026-04-28T04:21:14Z ARI 356 পরিষ্কারকরণ 81838 wikitext text/x-wiki [[File:YUKTHIVADI.JPG|thumb|150px|১৯২৯ সালের ''যুক্তিবাাদী'' ছিল মালয়ালম ভাষায় প্রকাশিত প্রথম নাস্তিক বা যুক্তিবাদী পত্রিকা।]] ধর্মহীনতা হলো ধর্মীয় বিশ্বাস বা আচার-আচরণ না থাকা অথবা তা বর্জন করা। ভারতে [[নাস্তিক্যবাদ]] এবং অজ্ঞেয়বাদের এক দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। == নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী এবং যুক্তিবাদী ভারতীয়দের উক্তি == === প্রাচীন ভারত === * দান-ধ্যান করলে কোনো ফল পাওয়া যায় না। কোনো ফল পাওয়া যায় না বলিদান বা হোম অনুষ্ঠান থেকেও। ভালো বা মন্দ কাজেরও কোনো ফল নেই। '''যারা মারা গেছে, তাদের জন্য এই জগতের কোনো অস্তিত্ব নেই। আর যারা বেঁচে আছে, তাদের জন্য অন্য কোনো জগতের অস্তিত্ব নেই।''' মা বা বাবার জন্য কিছু করলেও কোনো ফল পাওয়া যায় না। আপনাআপনি জন্মানো কোনো সচেতন সত্তা নেই। ** অজিত কেশকম্বলী (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দী), বস্তুবাদী দার্শনিক বলে পরিচিত; {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য ভিজিবল ফ্রুটস অফ দ্য লাইফ অফ আ বুদ্ধিস্ট মঙ্ক (আ ট্রান্সলেশন অফ দ্য সামাহাফলাসুত্ত)|url=https://archive.org/details/visiblefruitsofl00unse|author=জে. ওয়েত্থা সিনহা|year=১৯২১}} * কে জানে যে আত্মার অস্তিত্ব আছে? এই জ্ঞানের কী দরকার? কে জানে যে আত্মার অস্তিত্ব নেই? এই জ্ঞানেরই বা কী দরকার? ** একজন অজ্ঞানবাদী দ্বারা বলা উক্তি যা জৈন দার্শনিক শিলাঙ্ক (৯ম শতাব্দী) দ্বারা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে; {{বই উদ্ধৃতি|পৃষ্ঠা=১১৯|publisher=জর্জ অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন লিমিটেড|year=১৯৬৩|title=আর্লি বুদ্ধিস্ট থিওরি অফ নলেজ|url=https://web.archive.org/web/20150911084454/http://www.ahandfulofleaves.org/documents/Early%20Buddhist%20Theory%20of%20Knowledge_Jayatilleke.pdf|last=কে. এন. জয়তিল্লেকে}} * '''কোনো স্বর্গ নেই, নেই কোনো চূড়ান্ত মুক্তি, এমনকি অন্য কোনো জগতের আত্মাও নেই,''' <br>না চার বর্ণের কর্ম ও বিধান কোনো বাস্তব প্রভাব ফেলে। <br>অগ্নিহোত্র, তিনটি বেদ, সন্ন্যাসীর তিনটি দণ্ড এবং গায়ে ছাই মাখা, <br>এসবই প্রকৃতি তৈরি করেছে সেই সব মানুষের জীবিকা হিসেবে যাদের জ্ঞান ও পুরুষত্ব নেই। <br>যদি জ্যোতিষ্টোম যজ্ঞে বলি দেওয়া পশুটি নিজেই স্বর্গে যায়, <br>তবে যজ্ঞকারী কেন সরাসরি নিজের পিতাকেই উৎসর্গ করেন না? ** প্রাচীন চার্বাক দার্শনিক বৃহস্পতিকে উৎসর্গ করা; {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য সর্ব দর্শন সংগ্রহ|author=মাধবাচার্য (১২৯১-১৩৯১); ই. বি. কাওয়েল ও এ. ই. গফ (অনুবাদক)|chapter=দ্য চার্বাক সিস্টেম|url=https://www.gutenberg.org/files/34125/34125-h/34125-h.htm#CHAPTER_I}} === স্বাধীনতা-পূর্ব === * ধর্মের ছদ্মবেশে ব্রাহ্মণরা শূদ্রদের প্রতিটি কাজে তা ছোট হোক বা বড় হস্তক্ষেপ করে। তাদের ঘরে হোক, মাঠে হোক বা আদালতে হোক, ব্রাহ্মণরা কোনো না কোনো ছুতোয় সেখানে উপস্থিত থাকে এবং তাদের চতুর ও কুটিল বুদ্ধি ব্যবহার করে যতটুকু সম্ভব হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ব্রাহ্মণরা কেবল পুরোহিত হিসেবেই শূদ্রদের সর্বস্বান্ত করে না, আরও অনেক উপায়েও তা করে। ** জ্যোতিরাও ফুলে (১৮২৭-১৮৯০), সামাজিক কর্মী; {{বই উদ্ধৃতি|title=স্লেভারি (গোলামগিরির ইংরেজি অনুবাদ)|year=১৮৭৩|url=https://thesatyashodhak.com/wp-content/uploads/2020/05/Jotirao-Phule-Slavery-Government-of-Maharashtra-1991.pdf|author=পি. জি. পাতিল (অনুবাদক)}} * ঈশ্বরভক্তির সঠিক পথে আমরা কবে যাব? আমি যখন এই প্রশ্ন করি, ব্রাহ্মণরা আমাদের নাস্তিক বলে দাগিয়ে দেয়। এই ব্রাহ্মণ এবং তাদের অনুচরদের বিশ্বাস করে সাধারণ অজ্ঞ মানুষ চিৎকার শুরু করে যে ঈশ্বর বিপদে, ধর্ম বিপদে! এই বর্বরোচিত আচরণ করা কি আস্তিকতা না নাস্তিকতা? যাই হোক না কেন, তাদের এই বাধাদানকারী কর্মকাণ্ডে আমরা দমে যাব না। আমাদের যা সঠিক মনে হয়, আমরা সাহসের সাথে তা বলব। আমরা বলি যে হিন্দু ধর্ম এবং দেবতারা হলো এক ভয়াবহ ব্যাধি। এগুলো নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের মানুষ এবং দেশের উন্নতি সম্ভব নয়। আমরা যা অনুভব করি, তাই বলি। ** পেরিয়ার (১৮৭৯-১৯৭৩), সামাজিক কর্মী; {{বই উদ্ধৃতি|title=কালেক্টেড ওয়ার্কস অফ পেরিয়ার ই. ভি. আর.|publisher=দ্য পেরিয়ার সেলফ-রেসপেক্ট প্রোপাগান্ডা ইনস্টিটিউশন|ISBN=9788190357906|পৃষ্ঠা=৭৬|url=https://www.google.co.in/books/edition/Collected_Works_of_Periyar_E_V_R/c9uvoQEACAAJ?hl=en}} * সব জীবের মধ্যে মানুষই সবচেয়ে বুদ্ধিমান। এই মানুষই ঈশ্বর, ধর্ম, দর্শন এবং আধ্যাত্মিকতা তৈরি করেছে। আরও বলা হয় যে, অসাধারণ প্রতিভাবান ব্যক্তিরা নাকি ঈশ্বরকে উপলব্ধি করতে পেরেছেন। কেউ কেউ নাকি ঈশ্বরের সাথে এক হয়ে গেছেন। আমি সাহস করে জিজ্ঞেস করতে চাই, তবে কেন এমন মহান ব্যক্তিরাও এই পৃথিবীর সব বোকামির কোনো সমাধান খুঁজে পাননি? ** পেরিয়ার (১৮৭৯-১৯৭৩), সামাজিক কর্মী; {{বই উদ্ধৃতি|title=দ্য ওয়ার্ল্ড টু কাম|url=https://thesatyashodhak.com/wp-content/uploads/2020/05/Periyar-E-V-Ramasamy-The-World-to-Come-The-Periyar-Self-Respect-Propaganda-Institution-2012.pdf|publisher=দ্য পেরিয়ার সেলফ-রেসপেক্ট প্রোপাগান্ডা ইনস্টিটিউশন|পৃষ্ঠা=৮}} * অজানার ওপর একচেটিয়া আধিপত্য দাবি করে<br>ধর্মগুলো মানুষকে বিভক্ত করে<br>এবং তাদের মধ্যে ঘৃণা ছড়ায়। ** সহোদরন আয়াপ্পান (১৮৮৯-১৯৬৮), স্বাধীনতা সংগ্রামী; {{ওয়েব উদ্ধৃতি|title=শেপিং আ মডার্ন কেরালা: সহোদরন'স পোয়েট্রি অফ ফ্র্যাটারনিটি, লিবার্টি অ্যান্ড ইকুয়ালিটি|website=সহপিডিয়া|author=অজয় এস. শেখর|url=https://www.sahapedia.org/shaping-modern-kerala-sahodaran%E2%80%99s-poetry-of-fraternity-liberty-and-equality}} * দেখা যাক আমি কীভাবে চলি: আমার এক বন্ধু আমাকে প্রার্থনা করতে বলেছিলেন। আমার নাস্তিকতার কথা শুনে তিনি বললেন, "তোমার শেষ সময়ে তুমি বিশ্বাস করতে শুরু করবে।" আমি বললাম, "না প্রিয় সুহৃদ, এমনটা হবে না।" আমি এটাকে আমার নিজের অধঃপতন ও মনোবলহীনতা বলে মনে করব। স্বার্থের জন্য আমি প্রার্থনা করতে যাচ্ছি না। পাঠক ও বন্ধুরা, "এটা কি অহংকার?" যদি তাই হয়, তবে আমি এর পক্ষেই আছি। ** [[ভগৎ সিং]] (১৯০৭-১৯৩১), ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী; {{বই উদ্ধৃতি|title=হোয়াই আই অ্যাম অ্যান এথিস্ট অ্যান্ড আদার ওয়ার্কস|publisher=পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া|ISBN=9780143462262}} * আধুনিক সভ্যতার বৈশিষ্ট্য হলো কুসংস্কারের ওপর বিজ্ঞানের এবং বিশ্বাসের ওপর যুক্তির ক্রমাগত জয়। ইতিহাসের শুরু থেকেই এই সংগ্রাম চলে আসছে। ** এম. এন. রায় (১৮৮৭-১৯৫৪), [[সাম্যবাদ|সাম্যবাদী]] বিপ্লবী; {{বই উদ্ধৃতি|title=রিজন, রোমান্টিসিজম অ্যান্ড রেভল্যুশন|url=https://www.google.co.in/books/edition/Reason_Romanticism_and_Revolution/KOx3PwAACAAJ?hl=en|পৃষ্ঠা=৫৯|ISBN=9788120201675}} * বিজ্ঞান ধর্মকে বিলুপ্ত করতে বাধ্য, কারণ বৈজ্ঞানিক জ্ঞান মানুষকে এমন সব প্রশ্নের উত্তর দিতে সাহায্য করে যা মানুষের শৈশবে তাকে অতিপ্রাকৃত শক্তি বা মাধ্যমের কথা ভাবতে বাধ্য করেছিল। যদি সেই ধারণাগুলো সত্যিই প্রশ্নের উত্তর দিত, তবে ধর্ম বিজ্ঞানের উত্থানকে আটকে দিত। কিন্তু ধর্ম প্রাকৃতিক ঘটনা ব্যাখ্যা করেনি। এটি কেবল একগুচ্ছ নতুন সমস্যা তৈরি করেছে, যা অস্তিত্বের মূল সমস্যাগুলোকে আড়াল করে দিয়েছিল। ** এম. এন. রায় (১৮৮৭-১৯৫৪), [[সাম্যবাদ|সাম্যবাদী]] বিপ্লবী; {{বই উদ্ধৃতি|title=সায়েন্স অ্যান্ড ফিলোসফি|পৃষ্ঠা=৮|year=১৯৪৭|publisher=অজন্তা পাবলিকেশন|url=https://www.google.co.in/books/edition/Science_And_Philosphy/V74a0AEACAAJ?hl=en|ISBN=9781021185549}} * ভারত এবং অন্যান্য জায়গায় ধর্ম বা অন্তত তথাকথিত সংগঠিত ধর্মের যে রূপ আমি দেখেছি, তা আমাকে আতঙ্কিত করে তুলেছে। আমি প্রায়ই এর তীব্র নিন্দা করেছি এবং একে ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে চেয়েছি। ** [[জওহরলাল নেহরু]] (১৮৮৯-১৯৬৪), [[ভারত|ভারতের]] প্রধানমন্ত্রী; {{বই উদ্ধৃতি|title=অ্যান অটোবায়োগ্রাফি|publisher=পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া|isbn= 9789385990045}} * হিন্দু, ইসলাম, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান যেকোনো ধর্মই হোক না কেন, আমি যেভাবে এর অনুশীলন দেখেছি এবং এমনকি চিন্তাশীল মানুষদেরও তা গ্রহণ করতে দেখেছি, তা আমাকে আকৃষ্ট করেনি। এটি কুসংস্কার এবং গোঁড়া বিশ্বাসের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে মনে হতো। এর পেছনে জীবনের সমস্যা সমাধানের এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল যা মোটেও বৈজ্ঞানিক ছিল না। এর মধ্যে যাদুবিদ্যার একটি উপাদান, বিচারহীন বিশ্বাসপ্রবণতা এবং অতিপ্রাকৃতের ওপর নির্ভরশীলতা ছিল। ** [[জওহরলাল নেহরু]] (১৮৮৯-১৯৬৪), [[ভারত|ভারতের]] প্রধানমন্ত্রী; {{বই উদ্ধৃতি|title=ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া|publisher=পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া|ISBN=9789385990052}} * আমি চাই নীতিবোধ শাসন করুক এবং আদর্শবাদের প্রসার ঘটুক। এটি তখনই সম্ভব যখন ঈশ্বর এবং ভাগ্যের ওপর বিশ্বাস দূর হবে এবং ফলস্বরূপ জীবনের আস্তিক্যবাদী দর্শন পরিবর্তিত হবে। স্পষ্ট করে বললে, আমি নাস্তিকতা চাই যাতে মানুষ ঈশ্বরের ওপর নির্ভর করা ছেড়ে দিয়ে নিজের পায়ে শক্ত হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমন মানুষের মধ্যে এক স্বাস্থ্যকর সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হবে, কারণ নাস্তিকতা মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের কোনো যৌক্তিকতা খুঁজে পায় না। ** গোপারাজু রামচন্দ্র রাও (১৯০২-১৯৭৫), সমাজ সংস্কারক; {{বই উদ্ধৃতি|title=অ্যান এথিস্ট উইথ গান্ধী|url=https://www.google.co.in/books/edition/An_Atheist_with_Gandhi/M7s9AAAAIAAJ?hl=en&gbpv=0&bsq=An%20Atheist%20with%20Gandhi|year=১৯৫১|publisher=নবজীবন পাবলিশিং হাউস}} === আধুনিক ভারত === ==== ১৯০০ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে জন্ম ==== * যদি বিজ্ঞানী এবং ঋষির অনুপ্রেরণা একইরকম হয়, তবুও সত্যের ধারণা নিয়ে তাদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। ঋষির কাছে সত্য মূলত মরমী অর্থাৎ তা স্বজ্ঞাত, পরম এবং অলৌকিক। বৈজ্ঞানিক সত্য হলো যুক্তিনির্ভর, অভিজ্ঞতাভিত্তিক এবং ধর্মনিরপেক্ষ। ** এ. বি. শাহ (১৯২০-১৯৮১), ইন্ডিয়ান সেকুলার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা; {{বই উদ্ধৃতি|title=সায়েন্টিফিক মেথড|পৃষ্ঠা=২৮|year=১৯৬৪|publisher=অ্যালাইড পাবলিশার্স|oclc=৫৯৩৬৩৯১৬৩}} * আমি যখন ছোট ছিলাম, আমাকে বাইবেলের অংশ মুখস্থ করতে হতো এবং ধর্মীয় আচার পালন করতে হতো। সম্ভবত এই অভিজ্ঞতাই আমাকে নাস্তিকে পরিণত করেছিল। বড় হওয়ার পর আমি দেখেছি মানুষ ধর্মকে ব্যবহার করে টাকা কামাতে এবং অন্যদের বোকা বানাতে। এটি আমার বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে। তবে আমি আমার বিশ্বাস বা আদর্শ কারো ওপর চাপিয়ে দিই না। ** ভার্গিস কুরিয়েন (১৯২১-২০১২), সামাজিক উদ্যোক্তা; {{cite news|newspaper=দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া|title=আই অ্যাম: ভার্গিস কুরিয়েন|url=https://timesofindia.indiatimes.com/I-AM-Verghese-Kurien/articleshow/1473433.cms|date=১ এপ্রিল ২০০৬}} * আমি রাতে শুয়ে থাকতাম, ভয়ে কাঁপতাম আর ঘুমাতে পারতাম না। আমার চেনা সব দেবতার কাছে প্রার্থনা করতাম যেন আমার বাবাকে বাঁচিয়ে রাখা হয়, যেন তিনি আমাদের কাছে ফিরে আসেন। কিন্তু তিনিও চলে গেলেন, আমাদের সন্তানদের ফেলে রেখে। তখনই আমি ঠিক করলাম, যে ঈশ্বর এমন প্রার্থনায় সাড়া দেন না, তাকে আর ডাকার প্রয়োজন নেই। ** ভি. এস. অচ্যুতানন্দ (১৯২৩-২০২৫), স্বাধীনতা সংগ্রামী, গুটিবসন্তের কারণে বাবা-মা উভয়কে হারানো প্রসঙ্গে; {{cite news|newspaper=দেশাভিমানী|url=https://english.deshabhimani.com/deshabhimani-english-/kerala-news/vs-achuthanandan--memoir-56071|title=দ্য ডে ফেইথ লেফট মি: ভি এস অচ্যুতানন্দ’স মেমোর|date=২২ জুলাই ২০২৫}} * আমি কেবল একজন ঈশ্বরকেই বিশ্বাস করি। তা হলো আমার বিবেক। ** এম. করুণানিধি (১৯২৪-২০১৮), রাজনীতিক; {{cite news|title=আই’ম নট এগেইনস্ট রাম। দে ক্যান কিপ রাম। মাই কনসায়েন্স ইজ মাই অনলি গড: করুণানিধি|date=৭ আগস্ট ২০১৮|url=https://theprint.in/walk-the-talk/im-not-against-ram-they-can-keep-ram-my-conscience-is-my-only-god-karunanidhi/94937/|newspaper=দ্য প্রিন্ট}} * কেউ পুরাণ বা ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে না। কিন্তু বিজ্ঞানের কাজই হলো প্রশ্ন করা। এসব জানা সত্ত্বেও আমরা প্রশ্ন করতে ভয় পাই। তাই আমরা বলি যে, শিক্ষার উচিত আমাদের বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনার লক্ষ্য পূরণের দিকে নিয়ে যাওয়া। ** কে. বীরমানি (জন্ম ১৯৩৩), রাজনীতিক; {{cite news|url=https://www.roundtableindia.co.in/caste-organizations-should-not-exist-in-tamil-nadu-dr-k-veeramani-president-dravida-kazhagam/|date=২৩ অক্টোবর ২০২৩|newspaper=রাউন্ড টেবিল ইন্ডিয়া|title=‘কাস্ট অর্গানাইজেশনস শুড নট এক্সিস্ট ইন তামিল নাড়ু’ – ড. কে বীরমানি, প্রেসিডেন্ট, দ্রাবিড় কাড়গম}} * '''বিজ্ঞান সবসময়ই বিনয়ী। এটি কখনোই চূড়ান্ত সত্যের দাবি করে না। ধর্মই দাবি করে যে আমি সব বুঝে ফেলেছি, আমি মহাবিশ্বকে জেনে ফেলেছি, এখন আমি যা বলি তা-ই করো।''' বিজ্ঞান বস্তু এবং ঘটনা যাচাই করতে বিশ্বাস করে এবং অমীমাংসিত সমস্যার সমাধানের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে। বিজ্ঞানীদের সঠিক হওয়ার জন্য প্রশংসা করা উচিত নয়; বরং নীতিগুলো কঠোরভাবে এবং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বর্ণনা করার চেষ্টার জন্য তাদের প্রশংসা করা উচিত। বিজ্ঞান নিজের সেরাদের কাজকে প্রসারিত বা বাতিল করার সময়ও বস্তুনিষ্ঠ থাকে। ** নরেন্দ্র দাভোলকর (১৯৪৫-২০১৩), সামাজিক কর্মী; {{বই উদ্ধৃতি|title=প্লিজ থিঙ্ক: প্র্যাকটিক্যাল লেসনস ইন ডেভেলপিং আ সায়েন্টিফিক টেম্পার|author=জয় বিপ্র (অনুবাদক)|ISBN=৯৭৮৯৩৮৮৭৫৪০২৬|year=১৯৯৪|url=|publisher=ওয়েস্টল্যান্ড পাবলিকেশনস}} * জীবন হলো অন্বেষণ: আমি ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না; আধ্যাত্মিকতা আমার কাছে বিশেষ কিছু নয়। যেসব জিনিসের উত্তর আমার কাছে নেই, সেগুলো নিয়ে অনুসন্ধান করা আমি উপভোগ করি। ** অমল পালেকর (জন্ম ১৯৪৪), অভিনেতা; {{cite news|title=অমল পালেকর: বাতোঁ বাতোঁ মেঁ|date=১৯ অক্টোবর ২০০৩|newspaper=দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া|url=https://timesofindia.indiatimes.com/delhi-times/amol-palekar-baaton-baaton-mein/articleshow/240783.cms}} * বিভিন্ন ধর্মবিশ্বাসের মানুষ এবং যারা কোনো ধর্মের অংশ ছিল না, তারা সবাই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিল। এই দেশ ভারতীয় সমাজের সব মানুষের এবং সব অংশের সমান অধিকারের জায়গা। ** পিনারাই বিজয়ন (জন্ম ১৯৪৫), রাজনীতিক; {{cite news|title=নেশন বিলংস টু অল, রিলিজিয়ন ইজ আ প্রাইভেট অ্যাফেয়ার: কেরালা'স পিনারাই বিজয়ন|url=https://timelinedaily.com/india/nation-belongs-to-all-religion-is-a-private-affair-keralas-pinarayi-vijayan|newspaper-টাইমলাইন|date=২২ জানুয়ারি ২০২৪}} * এই সব ধর্ম, ব্যতিক্রমহীনভাবে সব ধর্মই অন্ধকার যুগের। এগুলোর শিকড় অন্ধকার যুগে গেঁথে আছে। আপনি আপনার সাথে অন্ধকার যুগকে বয়ে নিয়ে বেড়ান। অন্ধকার যুগের সাথে আপনার নাড়ির বন্ধন এখনো কাটেনি। ** জাভেদ আখতার (জন্ম ১৯৪৫), গীতিকার; {{cite news|title=জাভেদ আখতার অন বিয়িং এথিস্ট: অল রিলিজিয়নস বিলং টু ডার্ক এজেস, ইটস টাইম অফ সিজোফ্রেনিয়া|newspaper=টাইমস নাও|date=৩০ আগস্ট ২০২৪|url=https://www.timesnownews.com/entertainment-news/bollywood/javed-akhtar-on-being-atheist-all-religions-belong-to-dark-ages-its-time-of-schizophrenia-article-112915311}} * যখন ধর্মের ওপর জোর দেওয়া এবং ধর্মের নামে শিশুদের ওপর নির্যাতনের বিষয়টি আসে, তখন জাতিসংঘ, এর সহযোগী সংস্থাগুলো এবং প্রায় সব জাতীয় সরকার রহস্যজনকভাবে চুপ থাকে। ** ইন্নাইয়া নারিসেত্তি (জন্ম ১৯৩৭), সাংবাদিক; {{বই উদ্ধৃতি|title=ফোর্সড ইনটু ফেইথ: হাউ রিলিজিয়ন অ্যাবিউজেস চিলড্রেন'স রাইটস|date=২০০৯|publisher=গ্লোব পিকো পাবলিশিং|url=https://www.google.co.in/books/edition/Forced_Into_Faith/B1kKAQAAMAAJ?hl=en&gbpv=0&bsq=Forced%20Into%20Faith%20Innaiah%20Narisetti|ISBN=৯৭৮১৫৯১০২৬০৬৮}} * আমি বিশ্বাসগতভাবে একজন নাস্তিক, তবে আমি যে হিন্দু পরিবারে জন্মেছি তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে নাস্তিক হইনি। বরং আমার নাস্তিক বাবার প্রভাবে আমি এমন হয়েছি। আমি এখন বুঝতে পারি যে তার বিশেষ ধরনের ধর্মহীন যুক্তিবাদ ১৯শ শতকের শেষ এবং ২০শ শতকের শুরুর মহারাষ্ট্রের প্রবোধন বা নবজাগরণের চেতনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। ** বন্দনা সোনালকর, পণ্ডিত; {{বই উদ্ধৃতি|title=হোয়াই আই অ্যাম নট আ হিন্দু ওম্যান|date=২০২১|publisher=উইমেন আনলিমিটেড|url=https://www.google.co.in/books/edition/Why_I_Am_Not_a_Hindu_Woman/CGcRzgEACAAJ?hl=en|isbn=৯৭৮৯৩৮৫৬০৬৩১১}} ==== ১৯৪৬ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যে জন্ম ==== * আমরা হিন্দুকরণ কর্মসূচিকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করি দুটি কারণে। প্রথমত, হিন্দুধর্ম কখনোই একটি মানবিক দর্শন ছিল না। এটি ধর্মের ইতিহাসে দেখা সবচেয়ে নৃশংস ধর্মীয় ঘরানা। ভারতের দলিত-বহুজন জাতিগুলো এর নৃশংসতার জীবন্ত প্রমাণ। দ্বিতীয়ত, হিন্দুকরণ যদি ভবিষ্যতে নিজেকে মানবিক করার ইচ্ছা প্রকাশও করে, তবুও তার কোনো সুযোগ নেই, কারণ ধর্মের ইতিহাস নিজেই শেষ হয়ে আসছে। ** কাঞ্চা ইলাইয়া (জন্ম ১৯৫২), সামাজিক কর্মী; {{বই উদ্ধৃতি|title=হোয়াই আই অ্যাম নট আ হিন্দু: আ শূদ্র ক্রিটিক অফ হিন্দুত্ব, ফিলোসফি, কালচার অ্যান্ড পলিটিক্যাল ইকোনমি|year=১৯৯৬|isbn=৯৭৮৮১৮৫৬০৪১৮৩|url=https://www.google.co.in/books/edition/Why_I_Am_Not_a_Hindu/TF4qAAAAYAAJ?hl=en|publisher=স্ত্রী-সাম্য বুকস}} * ষোলো বছর বয়সের মধ্যে আমি প্রায় চরমপন্থী নাস্তিক হয়ে উঠেছিলাম। তারপর পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং আমি রাগ না করার সিদ্ধান্ত নিই। শেষ পর্যন্ত আমি জগতের প্রতি এক যুক্তিবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে স্থির হই, কারণ আমার জন্য ঈশ্বরকে ধ্বংস করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। ** কমল হাসান, অভিনেতা; {{cite news|title=‘বাই ১৬, আই ওয়াজ আ বর্ডারলাইন র‍্যাবিড এথিস্ট’: হাউ কমল হাসান ডেভেলপড হিজ পলিটিক্স অ্যাজ আ চাইল্ড|url=https://scroll.in/article/924182/by-16-i-was-a-borderline-rabid-atheist-how-kamal-haasan-developed-his-politics-as-a-child|date=২২ মে ২০১৯|newspaper=২২ মে ২০১৯}} * আমি একজন নাস্তিক, কিন্তু নাস্তিক হওয়া আমাকে তাদের সম্মান করা থেকে বিরত রাখে না যারা ধর্মে বিশ্বাসী। প্রতিটি ব্যক্তির নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী জীবন যাপনের অধিকার আছে এবং আমি তাকে সম্মান করি। আমি কাউকে প্রভাবিত করার বা তাদের ওপর আমার মতামত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি না। আবার আমার বিশ্বাসকেও কেউ প্রভাবিত করতে পারে না। ** রাহুল বোস (জন্ম ১৯৬৭), অভিনেতা; {{cite news|title=আই অ্যাম: রাহুল বোস|newspaper=দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া|url=https://timesofindia.indiatimes.com/i-am-rahul-bose/articleshow/1998701.cms|date=১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৬}} * আমি খুব একটা ধর্মপ্রাণ নই, তবে প্রতিবার যখন কোনো পবিত্র স্থানের পাশ দিয়ে যাই, আমি মাথা নত করি এবং শ্রদ্ধা জানাই। আমার বাবা সবসময় বলতেন যে কোনো সুসংগঠিত ধর্ম শেখার চেয়ে আগে একজন ভালো মানুষ হওয়া জরুরি। আমি নাস্তিক নই, আমি বরং একজন অজ্ঞেয়বাদী। ** জন আব্রাহাম (জন্ম ১৯৭২), অভিনেতা; {{cite news|title=আই অ্যাম: জন আব্রাহাম|url=https://timesofindia.indiatimes.com/i-am-john-abraham/articleshow/1227156.cms|newspaper=দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া|date=১১ সেপ্টেম্বর ২০০৫}} * আমার বাবা আমাকে কোনো ধর্ম ছাড়াই বড় করেছেন এবং সবকিছু নিয়ে প্রশ্ন করতে শিখিয়েছেন। আপনি যখন কোনো ধর্ম ছাড়া বড় হবেন, তখন আপনি এমনিতেই সব বিষয়ে প্রশ্ন করবেন। তিনি আমাদের কখনো বলেননি যে ঈশ্বরে বিশ্বাস করো না, আমরা যা দেখেছি তা থেকেই শিখেছি। এটি ছিল মূলত বিষয়গুলো নিয়ে প্রশ্ন করা এবং সেগুলোতে যুক্তি বা বৈজ্ঞানিক প্রমাণ প্রয়োগ করার চেষ্টা করা। এই জিনিসগুলো গুরুত্বপূর্ণ কারণ কোনো কিছুকে সত্য বলার আগে তা প্রমাণযোগ্য হতে হয়, অন্যথায় এটি কেবল একটি তত্ত্ব। কোটি কোটি মানুষ বিশ্বাসের ওপর ভর করে বেঁচে থাকে এবং যারা বিশ্বাসী তাদের মনের শান্তি দেখে অবাক লাগে, কারণ যারা বিশ্বাসী নয় তাদের জন্য সেই শান্তি পাওয়া খুব কঠিন। ** ফারহান আখতার (জন্ম ১৯৭৪), অভিনেতা; {{cite news|newspaper=দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|url=https://indianexpress.com/article/entertainment/bollywood/farhan-akhtar-on-growing-up-in-an-inter-faith-home-being-raised-without-a-religion-9537751/|title=ফারহান আখতার অন গ্রোয়িং আপ ইন অ্যান ইন্টার-ফেইথ হোম, বিয়িং রেজড ‘উইদাউট আ রিলিজিয়ন’: ‘আই ওয়াজ টট টু কোয়েশ্চেন এভরিথিং’|date=২৮ আগস্ট ২০২৪}} * আমি কোনো ধর্ম মানি না। আমি একজন নাস্তিক। তাই আপনারা আমাকে কোথা থেকে বের করে দেবেন? যে জায়গায় আগে থেকেই আমার কোনো অস্তিত্ব নেই, সেখান থেকে আপনি কাউকে কীভাবে বের করবেন! ** উরফি জাভেদ (জন্ম ১৯৯৫), অভিনেত্রী, [[ইসলাম]] থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার গুজব প্রসঙ্গে; {{cite news|title=উরফি জাভেদ ডিসমিসেস ক্লেইমস অফ বিয়িং 'এক্সপেলড' ফ্রম ইসলাম, সেজ শি ইজ এথিস্ট অ্যান্ড ফলোজ নো রিলিজিয়ন|url=https://zeenews.india.com/people/uorfi-javed-dismisses-claims-of-being-expelled-from-islam-says-she-is-atheist-and-follows-no-religion-3012381.html|newspaper=জি নিউজ|date=৩১ জানুয়ারি ২০২৬}}``` == ভারতে ধর্মহীনতা সম্পর্কে উক্তি == * যেসব ভারতীয় নাস্তিক কর্মীদের সাথে আমরা সময় কাটিয়েছি, তারা কেবল বস্তুবাদে ‘বিশ্বাস’ করেন না। অন্য কর্মীরা প্রায়ই তাদের শহর-কেন্দ্রিক ‘আড্ডা প্রিয়’ মানবতাবাদী বা ‘আরামপ্রিয় নাস্তিক’ বলে তুচ্ছ করেন। কিন্তু এই কর্মীরা দক্ষতার সাথে বিভিন্ন উপকরণের ব্যবহারের মাধ্যমে ক্ষতিকর অতিপ্রাকৃত বিশ্বাসগুলোকে খণ্ডন বা ‘উন্মোচন’ করতে চান। ** ভারতীয় নাস্তিক কর্মীদের সম্পর্কে; {{বই উদ্ধৃতি|title=বিয়িং গডলেস: এথনোগ্রাফিস অফ এথিজম অ্যান্ড নন-রিলিজিয়ন|year=২০১৭|publisher=বার্গান বুকস|ISBN= ৯৭৮১৭৮৫৩৩৫৭৩০|url=https://www.google.co.in/books/edition/Being_Godless/KZ3vDQAAQBAJ?hl=en&gbpv=0|chapter=২|author=জ্যাকব কোপম্যান এবং জোহানেস কোয়াক}} ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মহীনতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারত]] r0a2cvcts4vsdq9n8ldpyolmpscqvom ফ্লিন্ডার্স পেট্রি 0 13789 81803 2026-04-28T03:11:39Z Sumanta3023 4175 "'''{{w|ফ্লিন্ডার্স পেট্রি|স্যার উইলিয়াম ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স পেট্রি}}''' (অথবা '''স্যার ফ্লিন্ডার্স পেট্রি''') {{w|ফেলো অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি|এফআরএস}}, {{w|ফেলো অফ দ্য ব্রিটিশ একাডেমি|..." দিয়ে পাতা তৈরি 81803 wikitext text/x-wiki '''{{w|ফ্লিন্ডার্স পেট্রি|স্যার উইলিয়াম ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স পেট্রি}}''' (অথবা '''স্যার ফ্লিন্ডার্স পেট্রি''') {{w|ফেলো অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি|এফআরএস}}, {{w|ফেলো অফ দ্য ব্রিটিশ একাডেমি|এফবিএ}} (৩ জুন ১৮৫৩ – ২৮ জুলাই ১৯৪২) ছিলেন একজন ব্রিটিশ {{w|মিশরবিদ্যা|মিশরীয়বিদ}} এবং [[প্রত্নতত্ত্ব|প্রত্নতত্ত্বের]] পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া ও {{w|প্রত্নবস্তু|প্রত্নবস্তু}} সংরক্ষণের একজন বিখ্যাত পথপ্রদর্শক। তাকে মাঝে মাঝে "মিশরীয় প্রত্নতত্ত্বের জনক" বলা হয়। ১৯২৩ সালের জুলাই মাসে তিনি নাইট উপাধিতে ভূষিত হন। ==উক্তি== * [[মিশর|মিশরে]] পৌঁছানোর পর প্রথম বিবেচ্য বিষয় ছিল কোথায় থাকা যায়। সেই দিনগুলোতে [[গিজা পিরামিড কমপ্লেক্স|পিরামিডগুলোর]] কাছাকাছি কোনো বিলাসবহুল {{w|হোটেল|হোটেল}} ছিল না; যদি কাউকে সেখানে থাকতে হতো, তবে তাকে হয় কোনো [[সমাধি|সমাধিতে]] অথবা আরব গ্রামে থাকতে হতো। যেহেতু একজন ইংরেজ প্রকৌশলী দরজা ও পাল্লা লাগানো একটি সমাধি রেখে গিয়েছিলেন, তাই আমি এমন আবাসন পেয়ে আনন্দিত হয়েছিলাম। যখন আমি সমাধি বলি, তখন বুঝতে হবে এটি সেই উপরের কক্ষ যেখানে মিশরীয়রা তাদের পূর্বপুরুষদের নৈবেদ্য প্রদান করত, এটি প্রকৃত [[:wiktionary:sepulchre|কবর]] নয়। এবং আমার তিনটি ঘর ছিল, যা মূলত আলাদা আলাদা সমাধির অন্তর্ভুক্ত ছিল; মিতব্যয়ী মিশরীয়রা তাদের খননের মাঝখানে পাথরের যে পাতলা দেয়াল রেখে দিয়েছিল, সেগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। ফলে আমার বসার ঘরে যাওয়ার জন্য মাঝখানে একটি প্রবেশপথ, শোবার ঘরের জন্য একপাশে একটি জানালা এবং ভাণ্ডার ঘরের জন্য বিপরীতে অন্য একটি জানালা ছিল। আমি এখানে দুই বছরের একটি বড় অংশ বসবাস করেছি; এবং প্রায়ই যখন খসখসে বাড়িতে বা শীতল তাঁবুতে থাকতাম, তখন আমি নিজের সমাধিতে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করতাম। শক্ত পাথর কেটে তৈরি করা ঘরের মতো তাপ ও ঠান্ডায় এত সমভাবাপন্ন জায়গা আর নেই; এটি ঠান্ডা আবহাওয়ায় আগুনের মতো আরামদায়ক এবং গরমে মনোরম শীতল মনে হয়। ** {{cite book|title=টেন ইয়ার্স ডিগিং ইন ইজিপ্ট, ১৮৮১–১৮৯১|edition=৩য়, সংশোধিত|year=১৯০০|publisher=দ্য রিলিজিয়াস ট্র্যাক্ট সোসাইটি|url=https://archive.org/details/tenyearsdigging00petr|pages=১১–১২}} (১ম সংস্করণ ১৮৯২) * ১৮৯৩-১৮৯৪ সালে আমি {{w|কিফ্ট|কোপ্টোস}}-এ রাজবংশীয় জাতির ধ্বংসাবশেষ খুঁজতে গিয়েছিলাম, যারা সম্ভবত লোহিত সাগর থেকে সেই বিন্দু দিয়ে [[মিশর|মিশরে]] প্রবেশ করেছিল। মন্দিরের ভিত্তির সর্বনিম্ন অংশে আমরা স্থানীয় দেবতা {{w|মিন (দেবতা)|মিনের}} তিনটি বিশাল মূর্তির অংশ পেয়েছিলাম, যার প্রত্যেকটির উপরিভাগে পশুপাখি ইত্যাদির খোদাই করা চিত্র ছিল। সেগুলো স্পষ্টতই মিশরে পরিচিত যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক আগের শিল্পের অন্তর্ভুক্ত ছিল, এবং পরবর্তী সমস্ত আবিষ্কার নিশ্চিত করে যে সেগুলোকে লোহিত সাগর থেকে আসা {{w|প্রাগৈতিহাসিক মিশর|রাজবংশীয় জাতির}} প্রাচীনতম কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা {{w|প্রাচীন মিশরের রাজবংশ|রাজবংশগুলো}} প্রতিষ্ঠার অনেক আগের। একটি মূর্তি কায়রোতে আছে, এবং [https://www.ashmolean.org/egypt-and-its-origins-gallery দুটি অক্সফোর্ডের অ্যাশমোলিয়ান মিউজিয়ামে রয়েছে]। ** {{cite book|year=১৯০১|title=ডিওসপোলিস পার্ভা: দ্য সেমেটারিজ অফ আবাদিয়া অ্যান্ড হু ১৮৯৮-৯|volume=খণ্ড ২০|publisher=ইজিপ্ট এক্সপ্লোরেশন ফান্ড|url=https://books.google.com/books?hl=en&lr=&id=Tl8LAAAAIAAJ&pg=PA২|page=২}} * খুব কম ধরনের কাজই আছে যেখানে ফলাফলগুলো কর্মীর ব্যক্তিত্বের ওপর এতটা সরাসরি নির্ভরশীল, যতটা খননকার্যের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। সেই পুরনো প্রবাদটি যে, একজন মানুষ একটি বিষয়ের মধ্যে সেটিই খুঁজে পায় যা সে খুঁজছে, তা অত্যন্ত সত্য; অথবা যদি সে যা খুঁজছে তা নিশ্চিতভাবে খুঁজে পাওয়ার মতো পর্যাপ্ত অন্তর্দৃষ্টি তার না থাকে, তবে অন্তত এটি দুঃখজনকভাবে সত্য যে, সে এমন কিছুই খুঁজে পায় না যা সে খুঁজছে না। খননকারীরা {{w|মিশরীয় চিত্রলিপি|শিলালিপি}}, {{w|প্রাচীন মিশরীয় স্থাপত্য#অলঙ্করণ এবং মোটিফ|খোদাই করা শিল্পকর্ম}}, {{w|প্রাচীন মিশরের প্যাপাইরির তালিকা|প্যাপাইরি}}, অথবা {{w|মমি#মিশরীয় মমি|মমি}}—এর মধ্যে যা-ই অনুসন্ধান করে থাকুক না কেন, তারা খুব কমই তাদের নিজস্ব সীমিত লক্ষ্যের বাইরে অন্য কোনো কিছুর সংরক্ষণ বা যত্ন নিয়েছে। <br>সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কেবল লাভজনক লুণ্ঠনের জন্য খনন করা, অথবা ক্লান্তদের মনে নতুন উত্তেজনা জাগিয়ে তোলার ধারণাটি অপ্রীতিকরভাবে ছড়িয়ে পড়েছে—অন্তত [[মিশর|মিশরে]]। খননের অনুমতি খোঁজা অনেকটা {{w|মঠ বিলুপ্তি|মঠ বিলুপ্তির}} সময় একটি [[মঠ|মঠের]] মঞ্জুরি পাওয়ার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে: যে ব্যক্তির প্রভাব বা প্রতিপত্তি, কোনো উপাধি বা ব্যবসায়িক যোগাযোগ আছে, সে এই দেশের লুটের মালে নিজের ভাগ্য পরীক্ষা করার দাবি জানায়। স্বর্ণ খননের ক্ষেত্রে অন্তত ফাটকাবাজদের ধ্বংস হয়ে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনো নৈতিক দায়বদ্ধতা নেই; কিন্তু অতীতকে নষ্ট করার মধ্যে একটি তীব্র নৈতিক অপরাধ রয়েছে, যা যারা করে তাদের সম্পর্কে উদারভাবে ধরে নেওয়া যেতে পারে যে তারা এটি দেখতে বা উপলব্ধি করতে পারার মতো যথেষ্ট অজ্ঞ বা বুদ্ধিহীন। ** {{cite book|title=মেথডস অ্যান্ড এইমস ইন আর্কিওলজি|location=লন্ডন|publisher=ম্যাকমিলান অ্যান্ড কোম্পানি|year=১৯০৪|url=https://books.google.com/books?id=3mAUAAAAYAAJ&pg=PA১|pages=১–২}} (৬৬টি চিত্রসহ) * মিশরীয়দের কাছে [[উপাস্য|দেবতারা]] মরণশীল হতে পারত; এমনকি সূর্যদেব {{w|রা (দেবতা)|রা}} সম্পর্কেও বলা হয় যে তিনি বৃদ্ধ ও দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, {{w|ওসাইরিস|ওসাইরিসকে}} হত্যা করা হয়েছিল এবং আকাশের মহান শিকারি {{w|অরিয়ন (পুরাণ)|অরিয়ন}} দেবতাদের হত্যা করেছিলেন ও খেয়েছিলেন। দেবতাদের মরণশীলতার বিষয়টি {{w|জেমস জর্জ ফ্রেজার|ডক্টর ফ্রেজার}} (''{{w|দ্য গোল্ডেন বাউ|গোল্ডেন বাউ}}'') বিশদভাবে আলোচনা করেছেন, এবং দেবতাদের অনেক [[সমাধি|সমাধির]] দৃষ্টান্ত এবং উপাস্য দেবতুল্য মানুষকে হত্যার ঘটনা—এই সবই প্রমাণ করে যে অমরত্ব কোনো ঐশ্বরিক গুণ ছিল না। তারা জীবিত অবস্থায় কষ্ট পেতে পারে—এমন বিষয়েও কোনো সন্দেহ ছিল না; একটি পৌরাণিক কাহিনী বলে যে রা যখন পৃথিবীতে হাঁটতেন, তখন একটি জাদুকরী সর্প তাকে দংশন করেছিল এবং তিনি যন্ত্রণায় ভুগেছিলেন। দেবতাদের জীবনও মানুষের মতো বলে কল্পনা করা হতো, কেবল মিশরেই নয় বরং অধিকাংশ প্রাচীন দেশেই। তাদের জন্য প্রতিনিয়ত খাদ্য ও পানীয়ের নৈবেদ্য সরবরাহ করা হতো, যা মিশরে বেদীর ওপর রাখা হতো এবং অন্যান্য দেশে সুগন্ধির জন্য পুড়িয়ে দেওয়া হতো। ** {{cite book|title=দ্য রিলিজিয়ন অফ অ্যানশিয়েন্ট ইজিপ্ট|series=রিলিজিয়নস অ্যানশিয়েন্ট অ্যান্ড মডার্ন|edition=২য়|publisher=আর্চিবল্ড কনস্টেবল অ্যান্ড কোম্পানি|year=১৯০৬|isbn=১ ৭৭৪৪১ ৫৩৫ ৬|url=https://books.google.com/books?id=XB0YAAAAYAAJ&pg=PA২|page=২}} (৯৭ পৃষ্ঠা) * ''{{w|সেবাখ}}'' খননকারীদের কাছ থেকে আমি চমৎকার অবস্থায় সত্তরটি অ্যাটিক {{w|টেট্রাড্রাকম|টেট্রাড্রাকমস}} সংগ্রহ করেছিলাম, যা [[অ্যাথেন্স|অ্যাথেন্সের]] টাঁকশালের নির্ভুলতা প্রমাণ করতে সাহায্য করেছিল, কারণ অধিকাংশ মুদ্রাই আমাদের নিজস্ব টাঁকশালের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতো। ** {{cite book|title=সেভেন্টি ইয়ার্স ইন আর্কিওলজি|publisher=স্যাম্পসন লো, মারস্টন অ্যান্ড কোম্পানি|year=১৯৩১|url=https://books.google.com/books?id=GD1AAAAAIAAJ&focus=searchwithinvolume&q=tetradrachms|page=৫৫}} ==ফ্লিন্ডার্স পেট্রি সম্পর্কে উক্তি== * তিনি মিশরের প্রত্নতত্ত্বকে গুপ্তধন খোঁজার একটি নেশা হিসেবে পেয়েছিলেন; তিনি একে একটি বিজ্ঞানে রূপ দিয়ে রেখে গেছেন। ** {{w|মার্গারেট স্টেফানা ড্রোয়ার|মার্গারেট এস. ড্রোয়ার}}, {{cite book|chapter=প্রলোগ|title=ফ্লিন্ডার্স পেট্রি: এ লাইফ ইন আর্কিওলজি|series=উইসকনসিন স্টাডিজ ইন ক্লাসিকস|publisher=ইউনিভার্সিটি অফ উইসকনসিন প্রেস|year=১৯৯৫|isbn=০২৯৯১৪৬২৩৫|url=https://books.google.com/books?id=bY2XZ8GyzBAC&pg=PR২২|pages=xix–xxii}} (উক্তিটি পৃষ্ঠা ২২ থেকে) * ফ্লিন্ডার্স পেট্রির কোনো স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণ ছিল না। তার মা ছিলেন {{w|ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স|ক্যাপ্টেন ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স}}-এর একমাত্র সন্তান, যিনি একজন নৌ কর্মকর্তা ছিলেন এবং ''{{w|এইচএমএস বাউন্টি|দ্য বাউন্টির}}'' [[উইলিয়াম ব্লাই|ব্লাইয়ের]] অধীনে কাজ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে [[অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়ার]] উপকূলের অনেক অংশ অন্বেষণ ও জরিপ করেছিলেন। এই নারী তার ছেলেকে জ্ঞানের প্রাথমিক পাঠ শিখিয়েছিলেন এবং অল্প বয়সেই তাকে গ্রীক ও রোমান মুদ্রা সংগ্রহ ও অধ্যয়নের প্রতি অনুরাগী করে তুলেছিলেন। ** {{w|পার্সি নিউবেরি|পার্সি ই. নিউবেরি}}, {{cite journal|title=উইলিয়াম ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স পেট্রি, কেটি., এফআরএস, এফবিএ|journal=দ্য জার্নাল অফ ইজিপ্টিয়ান আর্কিওলজি|volume=২৯|issue=১|year=১৯৪৩|pages=৬৭–৭০|url=https://journals.sagepub.com/doi/abs/10.1177/030751334302900108|doi=১০.১১৭৭/০৩০৭৫১৩৩৪৩২৯MDAxMDg=}} (উক্তিটি পৃষ্ঠা ৬৭ থেকে) * ১৮৮০ সালে … পেট্রি মিশরে একটি দীর্ঘ-পরিকল্পিত এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন অভিযানের উদ্দেশ্যে রওনা হন, যা তার বাবা তার সাথে যেতে পারেন এমন একটি নিষ্ফল আশায় বিলম্বিত হয়েছিল। <br>তাই পিরামিডগুলোর জরিপ, যা একটি খোলা মন নিয়ে শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত ভবিষ্যদ্বাণীমূলক ফুট এবং ইঞ্চির বিতর্ক চিরতরে মিটিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল, তা প্রায় একা হাতে সম্পন্ন হয়েছিল। তার একমাত্র সাহায্যকারী ছিলেন একজন বৃদ্ধ মিশরীয়, যিনি শিশু হিসেবে {{w|হাওয়ার্ড ভাইজ|কর্নেল হাওয়ার্ড ভাইজ}} এবং পরবর্তীতে {{w|ওয়াইনম্যান ডিক্সন}} ও {{w|চার্লস পিয়াজি স্মিথ|পিয়াজি স্মিথের}} অধীনে কাজ করেছিলেন। মিশরে দুই শীতকাল এবং পরিকল্পনার ওপর এক বছরের কাজের পর পেট্রি যখন ১৮৮৩ সালে {{w|রয়্যাল সোসাইটি|রয়্যাল সোসাইটিতে}} তার বিবরণ পেশ করেন, তখন [[ফ্রান্সিস গ্যাল্টন]] এটি সম্পর্কে এতটাই ইতিবাচক প্রতিবেদন দেন যে এটি প্রকাশের জন্য ১০০ পাউন্ড অনুদান দেওয়া হয়। গ্যাল্টন পরবর্তী বছরগুলোতেও তার উৎসাহ বজায় রেখেছিলেন, এবং {{w|ইরাসমাস উইলসন}}, যিনি {{w|অ্যামিলিয়া এডওয়ার্ডস|মিস এডওয়ার্ডস}} ও অন্যদের সাথে মিলে সবেমাত্র {{w|ইজিপ্ট এক্সপ্লোরেশন ফান্ড|ইজিপ্ট এক্সপ্লোরেশন ফান্ড}} প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তিনি জোর দিয়েছিলেন যে এই নতুন সংস্থাটি যেন এই তরুণকে খনন করার সুযোগ দেয়। এভাবেই তার খননকার্য শুরু হয় যখন তার বয়স ত্রিশ; খুব বিরল ব্যতিক্রম ছাড়া পরবর্তী পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতি বছর তা অব্যাহত ছিল। ** {{w|সিডনি স্মিথ (অ্যাসিরিওলজিস্ট)|সিডনি স্মিথ}}, {{cite journal|title=উইলিয়াম ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স পেট্রি, ১৮৫৩ - ১৯৪২|date=নভেম্বর ১৯৪৫|volume=৫|issue=১৪|pages=৩–১৬|journal=বায়োগ্রাফিক্যাল মেমোয়ার্স অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি|doi=১০.১০৯৮/আরএসবিএম.১৯৪৫.০০০১}} (উক্তিটি পৃষ্ঠা ৪ থেকে) ==বহিঃসংযোগ== * {{wikipedia-inline|বাংলা=উইকিপিডিয়া}} * {{cite web|title=উইলিয়াম ম্যাথিউস ফ্লিন্ডার্স পেট্রি (১৮৫৩ - ১৯৪২)|website=লিব্রিভক্স|url=https://librivox.org/author/5137?primary_key=5137&search_category=author&search_page=1&search_form=get_results&search_order=alpha}} {{DEFAULTSORT:পেট্রি, ফ্লিন্ডার্স}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৫৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের প্রত্নতত্ত্ববিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ফেলো অফ দ্য ব্রিটিশ একাডেমি]] [[বিষয়শ্রেণী:ফেলো অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি]] [[বিষয়শ্রেণী:লন্ডনের ব্যক্তিত্ব]] aqbnpok4wzje8u7c4q9svyqcjk5e457 81804 81803 2026-04-28T03:11:56Z Sumanta3023 4175 81804 wikitext text/x-wiki '''{{w|ফ্লিন্ডার্স পেট্রি|স্যার উইলিয়াম ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স পেট্রি}}''' (অথবা '''স্যার ফ্লিন্ডার্স পেট্রি''') {{w|ফেলো অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি|এফআরএস}}, {{w|ফেলো অফ দ্য ব্রিটিশ একাডেমি|এফবিএ}} (৩ জুন ১৮৫৩ – ২৮ জুলাই ১৯৪২) ছিলেন একজন ব্রিটিশ {{w|মিশরবিদ্যা|মিশরীয়বিদ}} এবং প্রত্নতত্ত্বের পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া ও {{w|প্রত্নবস্তু|প্রত্নবস্তু}} সংরক্ষণের একজন বিখ্যাত পথপ্রদর্শক। তাকে মাঝে মাঝে "মিশরীয় প্রত্নতত্ত্বের জনক" বলা হয়। ১৯২৩ সালের জুলাই মাসে তিনি নাইট উপাধিতে ভূষিত হন। ==উক্তি== * [[মিশর|মিশরে]] পৌঁছানোর পর প্রথম বিবেচ্য বিষয় ছিল কোথায় থাকা যায়। সেই দিনগুলোতে [[গিজা পিরামিড কমপ্লেক্স|পিরামিডগুলোর]] কাছাকাছি কোনো বিলাসবহুল {{w|হোটেল|হোটেল}} ছিল না; যদি কাউকে সেখানে থাকতে হতো, তবে তাকে হয় কোনো [[সমাধি|সমাধিতে]] অথবা আরব গ্রামে থাকতে হতো। যেহেতু একজন ইংরেজ প্রকৌশলী দরজা ও পাল্লা লাগানো একটি সমাধি রেখে গিয়েছিলেন, তাই আমি এমন আবাসন পেয়ে আনন্দিত হয়েছিলাম। যখন আমি সমাধি বলি, তখন বুঝতে হবে এটি সেই উপরের কক্ষ যেখানে মিশরীয়রা তাদের পূর্বপুরুষদের নৈবেদ্য প্রদান করত, এটি প্রকৃত [[:wiktionary:sepulchre|কবর]] নয়। এবং আমার তিনটি ঘর ছিল, যা মূলত আলাদা আলাদা সমাধির অন্তর্ভুক্ত ছিল; মিতব্যয়ী মিশরীয়রা তাদের খননের মাঝখানে পাথরের যে পাতলা দেয়াল রেখে দিয়েছিল, সেগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। ফলে আমার বসার ঘরে যাওয়ার জন্য মাঝখানে একটি প্রবেশপথ, শোবার ঘরের জন্য একপাশে একটি জানালা এবং ভাণ্ডার ঘরের জন্য বিপরীতে অন্য একটি জানালা ছিল। আমি এখানে দুই বছরের একটি বড় অংশ বসবাস করেছি; এবং প্রায়ই যখন খসখসে বাড়িতে বা শীতল তাঁবুতে থাকতাম, তখন আমি নিজের সমাধিতে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করতাম। শক্ত পাথর কেটে তৈরি করা ঘরের মতো তাপ ও ঠান্ডায় এত সমভাবাপন্ন জায়গা আর নেই; এটি ঠান্ডা আবহাওয়ায় আগুনের মতো আরামদায়ক এবং গরমে মনোরম শীতল মনে হয়। ** {{cite book|title=টেন ইয়ার্স ডিগিং ইন ইজিপ্ট, ১৮৮১–১৮৯১|edition=৩য়, সংশোধিত|year=১৯০০|publisher=দ্য রিলিজিয়াস ট্র্যাক্ট সোসাইটি|url=https://archive.org/details/tenyearsdigging00petr|pages=১১–১২}} (১ম সংস্করণ ১৮৯২) * ১৮৯৩-১৮৯৪ সালে আমি {{w|কিফ্ট|কোপ্টোস}}-এ রাজবংশীয় জাতির ধ্বংসাবশেষ খুঁজতে গিয়েছিলাম, যারা সম্ভবত লোহিত সাগর থেকে সেই বিন্দু দিয়ে [[মিশর|মিশরে]] প্রবেশ করেছিল। মন্দিরের ভিত্তির সর্বনিম্ন অংশে আমরা স্থানীয় দেবতা {{w|মিন (দেবতা)|মিনের}} তিনটি বিশাল মূর্তির অংশ পেয়েছিলাম, যার প্রত্যেকটির উপরিভাগে পশুপাখি ইত্যাদির খোদাই করা চিত্র ছিল। সেগুলো স্পষ্টতই মিশরে পরিচিত যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক আগের শিল্পের অন্তর্ভুক্ত ছিল, এবং পরবর্তী সমস্ত আবিষ্কার নিশ্চিত করে যে সেগুলোকে লোহিত সাগর থেকে আসা {{w|প্রাগৈতিহাসিক মিশর|রাজবংশীয় জাতির}} প্রাচীনতম কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা {{w|প্রাচীন মিশরের রাজবংশ|রাজবংশগুলো}} প্রতিষ্ঠার অনেক আগের। একটি মূর্তি কায়রোতে আছে, এবং [https://www.ashmolean.org/egypt-and-its-origins-gallery দুটি অক্সফোর্ডের অ্যাশমোলিয়ান মিউজিয়ামে রয়েছে]। ** {{cite book|year=১৯০১|title=ডিওসপোলিস পার্ভা: দ্য সেমেটারিজ অফ আবাদিয়া অ্যান্ড হু ১৮৯৮-৯|volume=খণ্ড ২০|publisher=ইজিপ্ট এক্সপ্লোরেশন ফান্ড|url=https://books.google.com/books?hl=en&lr=&id=Tl8LAAAAIAAJ&pg=PA২|page=২}} * খুব কম ধরনের কাজই আছে যেখানে ফলাফলগুলো কর্মীর ব্যক্তিত্বের ওপর এতটা সরাসরি নির্ভরশীল, যতটা খননকার্যের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। সেই পুরনো প্রবাদটি যে, একজন মানুষ একটি বিষয়ের মধ্যে সেটিই খুঁজে পায় যা সে খুঁজছে, তা অত্যন্ত সত্য; অথবা যদি সে যা খুঁজছে তা নিশ্চিতভাবে খুঁজে পাওয়ার মতো পর্যাপ্ত অন্তর্দৃষ্টি তার না থাকে, তবে অন্তত এটি দুঃখজনকভাবে সত্য যে, সে এমন কিছুই খুঁজে পায় না যা সে খুঁজছে না। খননকারীরা {{w|মিশরীয় চিত্রলিপি|শিলালিপি}}, {{w|প্রাচীন মিশরীয় স্থাপত্য#অলঙ্করণ এবং মোটিফ|খোদাই করা শিল্পকর্ম}}, {{w|প্রাচীন মিশরের প্যাপাইরির তালিকা|প্যাপাইরি}}, অথবা {{w|মমি#মিশরীয় মমি|মমি}}—এর মধ্যে যা-ই অনুসন্ধান করে থাকুক না কেন, তারা খুব কমই তাদের নিজস্ব সীমিত লক্ষ্যের বাইরে অন্য কোনো কিছুর সংরক্ষণ বা যত্ন নিয়েছে। <br>সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কেবল লাভজনক লুণ্ঠনের জন্য খনন করা, অথবা ক্লান্তদের মনে নতুন উত্তেজনা জাগিয়ে তোলার ধারণাটি অপ্রীতিকরভাবে ছড়িয়ে পড়েছে—অন্তত [[মিশর|মিশরে]]। খননের অনুমতি খোঁজা অনেকটা {{w|মঠ বিলুপ্তি|মঠ বিলুপ্তির}} সময় একটি [[মঠ|মঠের]] মঞ্জুরি পাওয়ার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে: যে ব্যক্তির প্রভাব বা প্রতিপত্তি, কোনো উপাধি বা ব্যবসায়িক যোগাযোগ আছে, সে এই দেশের লুটের মালে নিজের ভাগ্য পরীক্ষা করার দাবি জানায়। স্বর্ণ খননের ক্ষেত্রে অন্তত ফাটকাবাজদের ধ্বংস হয়ে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনো নৈতিক দায়বদ্ধতা নেই; কিন্তু অতীতকে নষ্ট করার মধ্যে একটি তীব্র নৈতিক অপরাধ রয়েছে, যা যারা করে তাদের সম্পর্কে উদারভাবে ধরে নেওয়া যেতে পারে যে তারা এটি দেখতে বা উপলব্ধি করতে পারার মতো যথেষ্ট অজ্ঞ বা বুদ্ধিহীন। ** {{cite book|title=মেথডস অ্যান্ড এইমস ইন আর্কিওলজি|location=লন্ডন|publisher=ম্যাকমিলান অ্যান্ড কোম্পানি|year=১৯০৪|url=https://books.google.com/books?id=3mAUAAAAYAAJ&pg=PA১|pages=১–২}} (৬৬টি চিত্রসহ) * মিশরীয়দের কাছে [[উপাস্য|দেবতারা]] মরণশীল হতে পারত; এমনকি সূর্যদেব {{w|রা (দেবতা)|রা}} সম্পর্কেও বলা হয় যে তিনি বৃদ্ধ ও দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, {{w|ওসাইরিস|ওসাইরিসকে}} হত্যা করা হয়েছিল এবং আকাশের মহান শিকারি {{w|অরিয়ন (পুরাণ)|অরিয়ন}} দেবতাদের হত্যা করেছিলেন ও খেয়েছিলেন। দেবতাদের মরণশীলতার বিষয়টি {{w|জেমস জর্জ ফ্রেজার|ডক্টর ফ্রেজার}} (''{{w|দ্য গোল্ডেন বাউ|গোল্ডেন বাউ}}'') বিশদভাবে আলোচনা করেছেন, এবং দেবতাদের অনেক [[সমাধি|সমাধির]] দৃষ্টান্ত এবং উপাস্য দেবতুল্য মানুষকে হত্যার ঘটনা—এই সবই প্রমাণ করে যে অমরত্ব কোনো ঐশ্বরিক গুণ ছিল না। তারা জীবিত অবস্থায় কষ্ট পেতে পারে—এমন বিষয়েও কোনো সন্দেহ ছিল না; একটি পৌরাণিক কাহিনী বলে যে রা যখন পৃথিবীতে হাঁটতেন, তখন একটি জাদুকরী সর্প তাকে দংশন করেছিল এবং তিনি যন্ত্রণায় ভুগেছিলেন। দেবতাদের জীবনও মানুষের মতো বলে কল্পনা করা হতো, কেবল মিশরেই নয় বরং অধিকাংশ প্রাচীন দেশেই। তাদের জন্য প্রতিনিয়ত খাদ্য ও পানীয়ের নৈবেদ্য সরবরাহ করা হতো, যা মিশরে বেদীর ওপর রাখা হতো এবং অন্যান্য দেশে সুগন্ধির জন্য পুড়িয়ে দেওয়া হতো। ** {{cite book|title=দ্য রিলিজিয়ন অফ অ্যানশিয়েন্ট ইজিপ্ট|series=রিলিজিয়নস অ্যানশিয়েন্ট অ্যান্ড মডার্ন|edition=২য়|publisher=আর্চিবল্ড কনস্টেবল অ্যান্ড কোম্পানি|year=১৯০৬|isbn=১ ৭৭৪৪১ ৫৩৫ ৬|url=https://books.google.com/books?id=XB0YAAAAYAAJ&pg=PA২|page=২}} (৯৭ পৃষ্ঠা) * ''{{w|সেবাখ}}'' খননকারীদের কাছ থেকে আমি চমৎকার অবস্থায় সত্তরটি অ্যাটিক {{w|টেট্রাড্রাকম|টেট্রাড্রাকমস}} সংগ্রহ করেছিলাম, যা [[অ্যাথেন্স|অ্যাথেন্সের]] টাঁকশালের নির্ভুলতা প্রমাণ করতে সাহায্য করেছিল, কারণ অধিকাংশ মুদ্রাই আমাদের নিজস্ব টাঁকশালের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতো। ** {{cite book|title=সেভেন্টি ইয়ার্স ইন আর্কিওলজি|publisher=স্যাম্পসন লো, মারস্টন অ্যান্ড কোম্পানি|year=১৯৩১|url=https://books.google.com/books?id=GD1AAAAAIAAJ&focus=searchwithinvolume&q=tetradrachms|page=৫৫}} ==ফ্লিন্ডার্স পেট্রি সম্পর্কে উক্তি== * তিনি মিশরের প্রত্নতত্ত্বকে গুপ্তধন খোঁজার একটি নেশা হিসেবে পেয়েছিলেন; তিনি একে একটি বিজ্ঞানে রূপ দিয়ে রেখে গেছেন। ** {{w|মার্গারেট স্টেফানা ড্রোয়ার|মার্গারেট এস. ড্রোয়ার}}, {{cite book|chapter=প্রলোগ|title=ফ্লিন্ডার্স পেট্রি: এ লাইফ ইন আর্কিওলজি|series=উইসকনসিন স্টাডিজ ইন ক্লাসিকস|publisher=ইউনিভার্সিটি অফ উইসকনসিন প্রেস|year=১৯৯৫|isbn=০২৯৯১৪৬২৩৫|url=https://books.google.com/books?id=bY2XZ8GyzBAC&pg=PR২২|pages=xix–xxii}} (উক্তিটি পৃষ্ঠা ২২ থেকে) * ফ্লিন্ডার্স পেট্রির কোনো স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণ ছিল না। তার মা ছিলেন {{w|ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স|ক্যাপ্টেন ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স}}-এর একমাত্র সন্তান, যিনি একজন নৌ কর্মকর্তা ছিলেন এবং ''{{w|এইচএমএস বাউন্টি|দ্য বাউন্টির}}'' [[উইলিয়াম ব্লাই|ব্লাইয়ের]] অধীনে কাজ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে [[অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়ার]] উপকূলের অনেক অংশ অন্বেষণ ও জরিপ করেছিলেন। এই নারী তার ছেলেকে জ্ঞানের প্রাথমিক পাঠ শিখিয়েছিলেন এবং অল্প বয়সেই তাকে গ্রীক ও রোমান মুদ্রা সংগ্রহ ও অধ্যয়নের প্রতি অনুরাগী করে তুলেছিলেন। ** {{w|পার্সি নিউবেরি|পার্সি ই. নিউবেরি}}, {{cite journal|title=উইলিয়াম ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স পেট্রি, কেটি., এফআরএস, এফবিএ|journal=দ্য জার্নাল অফ ইজিপ্টিয়ান আর্কিওলজি|volume=২৯|issue=১|year=১৯৪৩|pages=৬৭–৭০|url=https://journals.sagepub.com/doi/abs/10.1177/030751334302900108|doi=১০.১১৭৭/০৩০৭৫১৩৩৪৩২৯MDAxMDg=}} (উক্তিটি পৃষ্ঠা ৬৭ থেকে) * ১৮৮০ সালে … পেট্রি মিশরে একটি দীর্ঘ-পরিকল্পিত এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন অভিযানের উদ্দেশ্যে রওনা হন, যা তার বাবা তার সাথে যেতে পারেন এমন একটি নিষ্ফল আশায় বিলম্বিত হয়েছিল। <br>তাই পিরামিডগুলোর জরিপ, যা একটি খোলা মন নিয়ে শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত ভবিষ্যদ্বাণীমূলক ফুট এবং ইঞ্চির বিতর্ক চিরতরে মিটিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল, তা প্রায় একা হাতে সম্পন্ন হয়েছিল। তার একমাত্র সাহায্যকারী ছিলেন একজন বৃদ্ধ মিশরীয়, যিনি শিশু হিসেবে {{w|হাওয়ার্ড ভাইজ|কর্নেল হাওয়ার্ড ভাইজ}} এবং পরবর্তীতে {{w|ওয়াইনম্যান ডিক্সন}} ও {{w|চার্লস পিয়াজি স্মিথ|পিয়াজি স্মিথের}} অধীনে কাজ করেছিলেন। মিশরে দুই শীতকাল এবং পরিকল্পনার ওপর এক বছরের কাজের পর পেট্রি যখন ১৮৮৩ সালে {{w|রয়্যাল সোসাইটি|রয়্যাল সোসাইটিতে}} তার বিবরণ পেশ করেন, তখন [[ফ্রান্সিস গ্যাল্টন]] এটি সম্পর্কে এতটাই ইতিবাচক প্রতিবেদন দেন যে এটি প্রকাশের জন্য ১০০ পাউন্ড অনুদান দেওয়া হয়। গ্যাল্টন পরবর্তী বছরগুলোতেও তার উৎসাহ বজায় রেখেছিলেন, এবং {{w|ইরাসমাস উইলসন}}, যিনি {{w|অ্যামিলিয়া এডওয়ার্ডস|মিস এডওয়ার্ডস}} ও অন্যদের সাথে মিলে সবেমাত্র {{w|ইজিপ্ট এক্সপ্লোরেশন ফান্ড|ইজিপ্ট এক্সপ্লোরেশন ফান্ড}} প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তিনি জোর দিয়েছিলেন যে এই নতুন সংস্থাটি যেন এই তরুণকে খনন করার সুযোগ দেয়। এভাবেই তার খননকার্য শুরু হয় যখন তার বয়স ত্রিশ; খুব বিরল ব্যতিক্রম ছাড়া পরবর্তী পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতি বছর তা অব্যাহত ছিল। ** {{w|সিডনি স্মিথ (অ্যাসিরিওলজিস্ট)|সিডনি স্মিথ}}, {{cite journal|title=উইলিয়াম ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স পেট্রি, ১৮৫৩ - ১৯৪২|date=নভেম্বর ১৯৪৫|volume=৫|issue=১৪|pages=৩–১৬|journal=বায়োগ্রাফিক্যাল মেমোয়ার্স অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি|doi=১০.১০৯৮/আরএসবিএম.১৯৪৫.০০০১}} (উক্তিটি পৃষ্ঠা ৪ থেকে) ==বহিঃসংযোগ== * {{wikipedia-inline|বাংলা=উইকিপিডিয়া}} * {{cite web|title=উইলিয়াম ম্যাথিউস ফ্লিন্ডার্স পেট্রি (১৮৫৩ - ১৯৪২)|website=লিব্রিভক্স|url=https://librivox.org/author/5137?primary_key=5137&search_category=author&search_page=1&search_form=get_results&search_order=alpha}} {{DEFAULTSORT:পেট্রি, ফ্লিন্ডার্স}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৫৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের প্রত্নতত্ত্ববিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ফেলো অফ দ্য ব্রিটিশ একাডেমি]] [[বিষয়শ্রেণী:ফেলো অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি]] [[বিষয়শ্রেণী:লন্ডনের ব্যক্তিত্ব]] mituz7ykekov9rcyy1ld1fgj3n8j92c 81805 81804 2026-04-28T03:15:12Z Sumanta3023 4175 /* উক্তি */ 81805 wikitext text/x-wiki '''{{w|ফ্লিন্ডার্স পেট্রি|স্যার উইলিয়াম ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স পেট্রি}}''' (অথবা '''স্যার ফ্লিন্ডার্স পেট্রি''') {{w|ফেলো অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি|এফআরএস}}, {{w|ফেলো অফ দ্য ব্রিটিশ একাডেমি|এফবিএ}} (৩ জুন ১৮৫৩ – ২৮ জুলাই ১৯৪২) ছিলেন একজন ব্রিটিশ {{w|মিশরবিদ্যা|মিশরীয়বিদ}} এবং প্রত্নতত্ত্বের পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া ও {{w|প্রত্নবস্তু|প্রত্নবস্তু}} সংরক্ষণের একজন বিখ্যাত পথপ্রদর্শক। তাকে মাঝে মাঝে "মিশরীয় প্রত্নতত্ত্বের জনক" বলা হয়। ১৯২৩ সালের জুলাই মাসে তিনি নাইট উপাধিতে ভূষিত হন। ==উক্তি== * [[মিশর|মিশরে]] পৌঁছানোর পর প্রথম বিবেচ্য বিষয় ছিল কোথায় থাকা যায়। সেই দিনগুলোতে পিরামিডগুলোর কাছাকাছি কোনো বিলাসবহুল {{w|হোটেল|হোটেল}} ছিল না; যদি কাউকে সেখানে থাকতে হতো, তবে তাকে হয় কোনো সমাধিতে অথবা আরব গ্রামে থাকতে হতো। যেহেতু একজন ইংরেজ প্রকৌশলী দরজা ও পাল্লা লাগানো একটি সমাধি রেখে গিয়েছিলেন, তাই আমি এমন আবাসন পেয়ে আনন্দিত হয়েছিলাম। যখন আমি সমাধি বলি, তখন বুঝতে হবে এটি সেই উপরের কক্ষ যেখানে মিশরীয়রা তাদের পূর্বপুরুষদের নৈবেদ্য প্রদান করত, এটি প্রকৃত [[:wiktionary:sepulchre|কবর]] নয়। এবং আমার তিনটি ঘর ছিল, যা মূলত আলাদা আলাদা সমাধির অন্তর্ভুক্ত ছিল; মিতব্যয়ী মিশরীয়রা তাদের খননের মাঝখানে পাথরের যে পাতলা দেয়াল রেখে দিয়েছিল, সেগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। ফলে আমার বসার ঘরে যাওয়ার জন্য মাঝখানে একটি প্রবেশপথ, শোবার ঘরের জন্য একপাশে একটি জানালা এবং ভাণ্ডার ঘরের জন্য বিপরীতে অন্য একটি জানালা ছিল। আমি এখানে দুই বছরের একটি বড় অংশ বসবাস করেছি; এবং প্রায়ই যখন খসখসে বাড়িতে বা শীতল তাঁবুতে থাকতাম, তখন আমি নিজের সমাধিতে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করতাম। শক্ত পাথর কেটে তৈরি করা ঘরের মতো তাপ ও ঠান্ডায় এত সমভাবাপন্ন জায়গা আর নেই; এটি ঠান্ডা আবহাওয়ায় আগুনের মতো আরামদায়ক এবং গরমে মনোরম শীতল মনে হয়। ** {{cite book|title=টেন ইয়ার্স ডিগিং ইন ইজিপ্ট, ১৮৮১–১৮৯১|edition=৩য়, সংশোধিত|year=১৯০০|publisher=দ্য রিলিজিয়াস ট্র্যাক্ট সোসাইটি|url=https://archive.org/details/tenyearsdigging00petr|pages=১১–১২}} (১ম সংস্করণ ১৮৯২) * ১৮৯৩-১৮৯৪ সালে আমি {{w|কিফ্ট|কোপ্টোস}}-এ রাজবংশীয় জাতির ধ্বংসাবশেষ খুঁজতে গিয়েছিলাম, যারা সম্ভবত লোহিত সাগর থেকে সেই বিন্দু দিয়ে [[মিশর|মিশরে]] প্রবেশ করেছিল। মন্দিরের ভিত্তির সর্বনিম্ন অংশে আমরা স্থানীয় দেবতা {{w|মিন (দেবতা)|মিনের}} তিনটি বিশাল মূর্তির অংশ পেয়েছিলাম, যার প্রত্যেকটির উপরিভাগে পশুপাখি ইত্যাদির খোদাই করা চিত্র ছিল। সেগুলো স্পষ্টতই মিশরে পরিচিত যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক আগের শিল্পের অন্তর্ভুক্ত ছিল, এবং পরবর্তী সমস্ত আবিষ্কার নিশ্চিত করে যে সেগুলোকে লোহিত সাগর থেকে আসা {{w|প্রাগৈতিহাসিক মিশর|রাজবংশীয় জাতির}} প্রাচীনতম কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা {{w|প্রাচীন মিশরের রাজবংশ|রাজবংশগুলো}} প্রতিষ্ঠার অনেক আগের। একটি মূর্তি কায়রোতে আছে, এবং [https://www.ashmolean.org/egypt-and-its-origins-gallery দুটি অক্সফোর্ডের অ্যাশমোলিয়ান মিউজিয়ামে রয়েছে]। ** {{cite book|year=১৯০১|title=ডিওসপোলিস পার্ভা: দ্য সেমেটারিজ অফ আবাদিয়া অ্যান্ড হু ১৮৯৮-৯|volume=খণ্ড ২০|publisher=ইজিপ্ট এক্সপ্লোরেশন ফান্ড|url=https://books.google.com/books?hl=en&lr=&id=Tl8LAAAAIAAJ&pg=PA২|page=২}} * খুব কম ধরনের কাজই আছে যেখানে ফলাফলগুলো কর্মীর ব্যক্তিত্বের ওপর এতটা সরাসরি নির্ভরশীল, যতটা খননকার্যের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। সেই পুরনো প্রবাদটি যে, একজন মানুষ একটি বিষয়ের মধ্যে সেটিই খুঁজে পায় যা সে খুঁজছে, তা অত্যন্ত সত্য; অথবা যদি সে যা খুঁজছে তা নিশ্চিতভাবে খুঁজে পাওয়ার মতো পর্যাপ্ত অন্তর্দৃষ্টি তার না থাকে, তবে অন্তত এটি দুঃখজনকভাবে সত্য যে, সে এমন কিছুই খুঁজে পায় না যা সে খুঁজছে না। খননকারীরা {{w|মিশরীয় চিত্রলিপি|শিলালিপি}}, {{w|প্রাচীন মিশরীয় স্থাপত্য#অলঙ্করণ এবং মোটিফ|খোদাই করা শিল্পকর্ম}}, {{w|প্রাচীন মিশরের প্যাপাইরির তালিকা|প্যাপাইরি}}, অথবা {{w|মমি#মিশরীয় মমি|মমি}} এর মধ্যে যা-ই অনুসন্ধান করে থাকুক না কেন, তারা খুব কমই তাদের নিজস্ব সীমিত লক্ষ্যের বাইরে অন্য কোনো কিছুর সংরক্ষণ বা যত্ন নিয়েছে। <br>সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কেবল লাভজনক লুণ্ঠনের জন্য খনন করা, অথবা ক্লান্তদের মনে নতুন উত্তেজনা জাগিয়ে তোলার ধারণাটি অপ্রীতিকরভাবে ছড়িয়ে পড়েছে অন্তত [[মিশর|মিশরে]]। খননের অনুমতি খোঁজা অনেকটা {{w|মঠ বিলুপ্তি|মঠ বিলুপ্তির}} সময় একটি মঠের মঞ্জুরি পাওয়ার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে: যে ব্যক্তির প্রভাব বা প্রতিপত্তি, কোনো উপাধি বা ব্যবসায়িক যোগাযোগ আছে, সে এই দেশের লুটের মালে নিজের ভাগ্য পরীক্ষা করার দাবি জানায়। স্বর্ণ খননের ক্ষেত্রে অন্তত ফাটকাবাজদের ধ্বংস হয়ে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনো নৈতিক দায়বদ্ধতা নেই; কিন্তু অতীতকে নষ্ট করার মধ্যে একটি তীব্র নৈতিক অপরাধ রয়েছে, যা যারা করে তাদের সম্পর্কে উদারভাবে ধরে নেওয়া যেতে পারে যে তারা এটি দেখতে বা উপলব্ধি করতে পারার মতো যথেষ্ট অজ্ঞ বা বুদ্ধিহীন। ** {{cite book|title=মেথডস অ্যান্ড এইমস ইন আর্কিওলজি|location=লন্ডন|publisher=ম্যাকমিলান অ্যান্ড কোম্পানি|year=১৯০৪|url=https://books.google.com/books?id=3mAUAAAAYAAJ&pg=PA১|pages=১–২}} (৬৬টি চিত্রসহ) * মিশরীয়দের কাছে দেবতারা মরণশীল হতে পারত; এমনকি সূর্যদেব সম্পর্কেও বলা হয় যে তিনি বৃদ্ধ ও দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, {{w|ওসাইরিস|ওসাইরিসকে}} হত্যা করা হয়েছিল এবং আকাশের মহান শিকারি {{w|অরিয়ন (পুরাণ)|অরিয়ন}} দেবতাদের হত্যা করেছিলেন ও খেয়েছিলেন। দেবতাদের মরণশীলতার বিষয়টি {{w|জেমস জর্জ ফ্রেজার|ডক্টর ফ্রেজার}} (''{{w|দ্য গোল্ডেন বাউ|গোল্ডেন বাউ}}'') বিশদভাবে আলোচনা করেছেন, এবং দেবতাদের অনেক সমাধির দৃষ্টান্ত এবং উপাস্য দেবতুল্য মানুষকে হত্যার ঘটনা এই সবই প্রমাণ করে যে অমরত্ব কোনো ঐশ্বরিক গুণ ছিল না। তারা জীবিত অবস্থায় কষ্ট পেতে পারে এমন বিষয়েও কোনো সন্দেহ ছিল না; একটি পৌরাণিক কাহিনী বলে যে রা যখন পৃথিবীতে হাঁটতেন, তখন একটি জাদুকরী সর্প তাকে দংশন করেছিল এবং তিনি যন্ত্রণায় ভুগেছিলেন। দেবতাদের জীবনও মানুষের মতো বলে কল্পনা করা হতো, কেবল মিশরেই নয় বরং অধিকাংশ প্রাচীন দেশেই। তাদের জন্য প্রতিনিয়ত খাদ্য ও পানীয়ের নৈবেদ্য সরবরাহ করা হতো, যা মিশরে বেদীর ওপর রাখা হতো এবং অন্যান্য দেশে সুগন্ধির জন্য পুড়িয়ে দেওয়া হতো। ** {{cite book|title=দ্য রিলিজিয়ন অফ অ্যানশিয়েন্ট ইজিপ্ট|series=রিলিজিয়নস অ্যানশিয়েন্ট অ্যান্ড মডার্ন|edition=২য়|publisher=আর্চিবল্ড কনস্টেবল অ্যান্ড কোম্পানি|year=১৯০৬|isbn=১ ৭৭৪৪১ ৫৩৫ ৬|url=https://books.google.com/books?id=XB0YAAAAYAAJ&pg=PA২|page=২}} (৯৭ পৃষ্ঠা) * ''{{w|সেবাখ}}'' খননকারীদের কাছ থেকে আমি চমৎকার অবস্থায় সত্তরটি অ্যাটিক {{w|টেট্রাড্রাকম|টেট্রাড্রাকমস}} সংগ্রহ করেছিলাম, যা [[অ্যাথেন্স|অ্যাথেন্সের]] টাঁকশালের নির্ভুলতা প্রমাণ করতে সাহায্য করেছিল, কারণ অধিকাংশ মুদ্রাই আমাদের নিজস্ব টাঁকশালের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতো। ** {{cite book|title=সেভেন্টি ইয়ার্স ইন আর্কিওলজি|publisher=স্যাম্পসন লো, মারস্টন অ্যান্ড কোম্পানি|year=১৯৩১|url=https://books.google.com/books?id=GD1AAAAAIAAJ&focus=searchwithinvolume&q=tetradrachms|page=৫৫}} ==ফ্লিন্ডার্স পেট্রি সম্পর্কে উক্তি== * তিনি মিশরের প্রত্নতত্ত্বকে গুপ্তধন খোঁজার একটি নেশা হিসেবে পেয়েছিলেন; তিনি একে একটি বিজ্ঞানে রূপ দিয়ে রেখে গেছেন। ** {{w|মার্গারেট স্টেফানা ড্রোয়ার|মার্গারেট এস. ড্রোয়ার}}, {{cite book|chapter=প্রলোগ|title=ফ্লিন্ডার্স পেট্রি: এ লাইফ ইন আর্কিওলজি|series=উইসকনসিন স্টাডিজ ইন ক্লাসিকস|publisher=ইউনিভার্সিটি অফ উইসকনসিন প্রেস|year=১৯৯৫|isbn=০২৯৯১৪৬২৩৫|url=https://books.google.com/books?id=bY2XZ8GyzBAC&pg=PR২২|pages=xix–xxii}} (উক্তিটি পৃষ্ঠা ২২ থেকে) * ফ্লিন্ডার্স পেট্রির কোনো স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণ ছিল না। তার মা ছিলেন {{w|ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স|ক্যাপ্টেন ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স}}-এর একমাত্র সন্তান, যিনি একজন নৌ কর্মকর্তা ছিলেন এবং ''{{w|এইচএমএস বাউন্টি|দ্য বাউন্টির}}'' [[উইলিয়াম ব্লাই|ব্লাইয়ের]] অধীনে কাজ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে [[অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়ার]] উপকূলের অনেক অংশ অন্বেষণ ও জরিপ করেছিলেন। এই নারী তার ছেলেকে জ্ঞানের প্রাথমিক পাঠ শিখিয়েছিলেন এবং অল্প বয়সেই তাকে গ্রীক ও রোমান মুদ্রা সংগ্রহ ও অধ্যয়নের প্রতি অনুরাগী করে তুলেছিলেন। ** {{w|পার্সি নিউবেরি|পার্সি ই. নিউবেরি}}, {{cite journal|title=উইলিয়াম ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স পেট্রি, কেটি., এফআরএস, এফবিএ|journal=দ্য জার্নাল অফ ইজিপ্টিয়ান আর্কিওলজি|volume=২৯|issue=১|year=১৯৪৩|pages=৬৭–৭০|url=https://journals.sagepub.com/doi/abs/10.1177/030751334302900108|doi=১০.১১৭৭/০৩০৭৫১৩৩৪৩২৯MDAxMDg=}} (উক্তিটি পৃষ্ঠা ৬৭ থেকে) * ১৮৮০ সালে … পেট্রি মিশরে একটি দীর্ঘ-পরিকল্পিত এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন অভিযানের উদ্দেশ্যে রওনা হন, যা তার বাবা তার সাথে যেতে পারেন এমন একটি নিষ্ফল আশায় বিলম্বিত হয়েছিল। <br>তাই পিরামিডগুলোর জরিপ, যা একটি খোলা মন নিয়ে শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত ভবিষ্যদ্বাণীমূলক ফুট এবং ইঞ্চির বিতর্ক চিরতরে মিটিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল, তা প্রায় একা হাতে সম্পন্ন হয়েছিল। তার একমাত্র সাহায্যকারী ছিলেন একজন বৃদ্ধ মিশরীয়, যিনি শিশু হিসেবে {{w|হাওয়ার্ড ভাইজ|কর্নেল হাওয়ার্ড ভাইজ}} এবং পরবর্তীতে {{w|ওয়াইনম্যান ডিক্সন}} ও {{w|চার্লস পিয়াজি স্মিথ|পিয়াজি স্মিথের}} অধীনে কাজ করেছিলেন। মিশরে দুই শীতকাল এবং পরিকল্পনার ওপর এক বছরের কাজের পর পেট্রি যখন ১৮৮৩ সালে {{w|রয়্যাল সোসাইটি|রয়্যাল সোসাইটিতে}} তার বিবরণ পেশ করেন, তখন [[ফ্রান্সিস গ্যাল্টন]] এটি সম্পর্কে এতটাই ইতিবাচক প্রতিবেদন দেন যে এটি প্রকাশের জন্য ১০০ পাউন্ড অনুদান দেওয়া হয়। গ্যাল্টন পরবর্তী বছরগুলোতেও তার উৎসাহ বজায় রেখেছিলেন, এবং {{w|ইরাসমাস উইলসন}}, যিনি {{w|অ্যামিলিয়া এডওয়ার্ডস|মিস এডওয়ার্ডস}} ও অন্যদের সাথে মিলে সবেমাত্র {{w|ইজিপ্ট এক্সপ্লোরেশন ফান্ড|ইজিপ্ট এক্সপ্লোরেশন ফান্ড}} প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তিনি জোর দিয়েছিলেন যে এই নতুন সংস্থাটি যেন এই তরুণকে খনন করার সুযোগ দেয়। এভাবেই তার খননকার্য শুরু হয় যখন তার বয়স ত্রিশ; খুব বিরল ব্যতিক্রম ছাড়া পরবর্তী পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতি বছর তা অব্যাহত ছিল। ** {{w|সিডনি স্মিথ (অ্যাসিরিওলজিস্ট)|সিডনি স্মিথ}}, {{cite journal|title=উইলিয়াম ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স পেট্রি, ১৮৫৩ - ১৯৪২|date=নভেম্বর ১৯৪৫|volume=৫|issue=১৪|pages=৩–১৬|journal=বায়োগ্রাফিক্যাল মেমোয়ার্স অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি|doi=১০.১০৯৮/আরএসবিএম.১৯৪৫.০০০১}} (উক্তিটি পৃষ্ঠা ৪ থেকে) ==বহিঃসংযোগ== * {{wikipedia-inline|বাংলা=উইকিপিডিয়া}} * {{cite web|title=উইলিয়াম ম্যাথিউস ফ্লিন্ডার্স পেট্রি (১৮৫৩ - ১৯৪২)|website=লিব্রিভক্স|url=https://librivox.org/author/5137?primary_key=5137&search_category=author&search_page=1&search_form=get_results&search_order=alpha}} {{DEFAULTSORT:পেট্রি, ফ্লিন্ডার্স}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৫৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের প্রত্নতত্ত্ববিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ফেলো অফ দ্য ব্রিটিশ একাডেমি]] [[বিষয়শ্রেণী:ফেলো অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি]] [[বিষয়শ্রেণী:লন্ডনের ব্যক্তিত্ব]] ko4mr1advalt4esd98u3fg89w1hir9x 81807 81805 2026-04-28T03:16:20Z Sumanta3023 4175 /* উক্তি */ 81807 wikitext text/x-wiki '''{{w|ফ্লিন্ডার্স পেট্রি|স্যার উইলিয়াম ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স পেট্রি}}''' (অথবা '''স্যার ফ্লিন্ডার্স পেট্রি''') {{w|ফেলো অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি|এফআরএস}}, {{w|ফেলো অফ দ্য ব্রিটিশ একাডেমি|এফবিএ}} (৩ জুন ১৮৫৩ – ২৮ জুলাই ১৯৪২) ছিলেন একজন ব্রিটিশ {{w|মিশরবিদ্যা|মিশরীয়বিদ}} এবং প্রত্নতত্ত্বের পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া ও {{w|প্রত্নবস্তু|প্রত্নবস্তু}} সংরক্ষণের একজন বিখ্যাত পথপ্রদর্শক। তাকে মাঝে মাঝে "মিশরীয় প্রত্নতত্ত্বের জনক" বলা হয়। ১৯২৩ সালের জুলাই মাসে তিনি নাইট উপাধিতে ভূষিত হন। ==উক্তি== * [[মিশর|মিশরে]] পৌঁছানোর পর প্রথম বিবেচ্য বিষয় ছিল কোথায় থাকা যায়। সেই দিনগুলোতে পিরামিডগুলোর কাছাকাছি কোনো বিলাসবহুল {{w|হোটেল|হোটেল}} ছিল না; যদি কাউকে সেখানে থাকতে হতো, তবে তাকে হয় কোনো সমাধিতে অথবা আরব গ্রামে থাকতে হতো। যেহেতু একজন ইংরেজ প্রকৌশলী দরজা ও পাল্লা লাগানো একটি সমাধি রেখে গিয়েছিলেন, তাই আমি এমন আবাসন পেয়ে আনন্দিত হয়েছিলাম। যখন আমি সমাধি বলি, তখন বুঝতে হবে এটি সেই উপরের কক্ষ যেখানে মিশরীয়রা তাদের পূর্বপুরুষদের নৈবেদ্য প্রদান করত, এটি প্রকৃত [[:wiktionary:sepulchre|কবর]] নয়। এবং আমার তিনটি ঘর ছিল, যা মূলত আলাদা আলাদা সমাধির অন্তর্ভুক্ত ছিল; মিতব্যয়ী মিশরীয়রা তাদের খননের মাঝখানে পাথরের যে পাতলা দেয়াল রেখে দিয়েছিল, সেগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। ফলে আমার বসার ঘরে যাওয়ার জন্য মাঝখানে একটি প্রবেশপথ, শোবার ঘরের জন্য একপাশে একটি জানালা এবং ভাণ্ডার ঘরের জন্য বিপরীতে অন্য একটি জানালা ছিল। আমি এখানে দুই বছরের একটি বড় অংশ বসবাস করেছি; এবং প্রায়ই যখন খসখসে বাড়িতে বা শীতল তাঁবুতে থাকতাম, তখন আমি নিজের সমাধিতে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করতাম। শক্ত পাথর কেটে তৈরি করা ঘরের মতো তাপ ও ঠান্ডায় এত সমভাবাপন্ন জায়গা আর নেই; এটি ঠান্ডা আবহাওয়ায় আগুনের মতো আরামদায়ক এবং গরমে মনোরম শীতল মনে হয়। ** {{cite book|title=টেন ইয়ার্স ডিগিং ইন ইজিপ্ট, ১৮৮১–১৮৯১|edition=৩য়, সংশোধিত|year=১৯০০|publisher=দ্য রিলিজিয়াস ট্র্যাক্ট সোসাইটি|url=https://archive.org/details/tenyearsdigging00petr|pages=১১–১২}} (১ম সংস্করণ ১৮৯২) * ১৮৯৩-১৮৯৪ সালে আমি {{w|কিফ্ট|কোপ্টোস}}-এ রাজবংশীয় জাতির ধ্বংসাবশেষ খুঁজতে গিয়েছিলাম, যারা সম্ভবত লোহিত সাগর থেকে সেই বিন্দু দিয়ে [[মিশর|মিশরে]] প্রবেশ করেছিল। মন্দিরের ভিত্তির সর্বনিম্ন অংশে আমরা স্থানীয় দেবতা {{w|মিন (দেবতা)|মিনের}} তিনটি বিশাল মূর্তির অংশ পেয়েছিলাম, যার প্রত্যেকটির উপরিভাগে পশুপাখি ইত্যাদির খোদাই করা চিত্র ছিল। সেগুলো স্পষ্টতই মিশরে পরিচিত যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক আগের শিল্পের অন্তর্ভুক্ত ছিল, এবং পরবর্তী সমস্ত আবিষ্কার নিশ্চিত করে যে সেগুলোকে লোহিত সাগর থেকে আসা {{w|প্রাগৈতিহাসিক মিশর|রাজবংশীয় জাতির}} প্রাচীনতম কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা {{w|প্রাচীন মিশরের রাজবংশ|রাজবংশগুলো}} প্রতিষ্ঠার অনেক আগের। একটি মূর্তি কায়রোতে আছে, এবং [https://www.ashmolean.org/egypt-and-its-origins-gallery দুটি অক্সফোর্ডের অ্যাশমোলিয়ান মিউজিয়ামে রয়েছে]। ** {{cite book|year=১৯০১|title=ডিওসপোলিস পার্ভা: দ্য সেমেটারিজ অফ আবাদিয়া অ্যান্ড হু ১৮৯৮-৯|volume=খণ্ড ২০|publisher=ইজিপ্ট এক্সপ্লোরেশন ফান্ড|url=https://books.google.com/books?hl=en&lr=&id=Tl8LAAAAIAAJ&pg=PA২|page=২}} * খুব কম ধরনের কাজই আছে যেখানে ফলাফলগুলো কর্মীর ব্যক্তিত্বের ওপর এতটা সরাসরি নির্ভরশীল, যতটা খননকার্যের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। সেই পুরনো প্রবাদটি যে, একজন মানুষ একটি বিষয়ের মধ্যে সেটিই খুঁজে পায় যা সে খুঁজছে, তা অত্যন্ত সত্য; অথবা যদি সে যা খুঁজছে তা নিশ্চিতভাবে খুঁজে পাওয়ার মতো পর্যাপ্ত অন্তর্দৃষ্টি তার না থাকে, তবে অন্তত এটি দুঃখজনকভাবে সত্য যে, সে এমন কিছুই খুঁজে পায় না যা সে খুঁজছে না। খননকারীরা {{w|মিশরীয় চিত্রলিপি|শিলালিপি}}, {{w|প্রাচীন মিশরীয় স্থাপত্য#অলঙ্করণ এবং মোটিফ|খোদাই করা শিল্পকর্ম}}, {{w|প্রাচীন মিশরের প্যাপাইরির তালিকা|প্যাপাইরি}}, অথবা {{w|মমি#মিশরীয় মমি|মমি}} এর মধ্যে যা-ই অনুসন্ধান করে থাকুক না কেন, তারা খুব কমই তাদের নিজস্ব সীমিত লক্ষ্যের বাইরে অন্য কোনো কিছুর সংরক্ষণ বা যত্ন নিয়েছে। <br>সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কেবল লাভজনক লুণ্ঠনের জন্য খনন করা, অথবা ক্লান্তদের মনে নতুন উত্তেজনা জাগিয়ে তোলার ধারণাটি অপ্রীতিকরভাবে ছড়িয়ে পড়েছে অন্তত [[মিশর|মিশরে]]। খননের অনুমতি খোঁজা অনেকটা {{w|মঠ বিলুপ্তি|মঠ বিলুপ্তির}} সময় একটি মঠের মঞ্জুরি পাওয়ার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে: যে ব্যক্তির প্রভাব বা প্রতিপত্তি, কোনো উপাধি বা ব্যবসায়িক যোগাযোগ আছে, সে এই দেশের লুটের মালে নিজের ভাগ্য পরীক্ষা করার দাবি জানায়। স্বর্ণ খননের ক্ষেত্রে অন্তত ফাটকাবাজদের ধ্বংস হয়ে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনো নৈতিক দায়বদ্ধতা নেই; কিন্তু অতীতকে নষ্ট করার মধ্যে একটি তীব্র নৈতিক অপরাধ রয়েছে, যা যারা করে তাদের সম্পর্কে উদারভাবে ধরে নেওয়া যেতে পারে যে তারা এটি দেখতে বা উপলব্ধি করতে পারার মতো যথেষ্ট অজ্ঞ বা বুদ্ধিহীন। ** {{cite book|title=মেথডস অ্যান্ড এইমস ইন আর্কিওলজি|location=লন্ডন|publisher=ম্যাকমিলান অ্যান্ড কোম্পানি|year=১৯০৪|url=https://books.google.com/books?id=3mAUAAAAYAAJ&pg=PA১|pages=১–২}} (৬৬টি চিত্রসহ) * মিশরীয়দের কাছে দেবতারা মরণশীল হতে পারত; এমনকি সূর্যদেব সম্পর্কেও বলা হয় যে তিনি বৃদ্ধ ও দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, {{w|ওসাইরিস|ওসাইরিসকে}} হত্যা করা হয়েছিল এবং আকাশের মহান শিকারি {{w|অরিয়ন (পুরাণ)|অরিয়ন}} দেবতাদের হত্যা করেছিলেন ও খেয়েছিলেন। দেবতাদের মরণশীলতার বিষয়টি {{w|জেমস জর্জ ফ্রেজার|ডক্টর ফ্রেজার}} (''{{w|দ্য গোল্ডেন বাউ|গোল্ডেন বাউ}}'') বিশদভাবে আলোচনা করেছেন, এবং দেবতাদের অনেক সমাধির দৃষ্টান্ত এবং উপাস্য দেবতুল্য মানুষকে হত্যার ঘটনা এই সবই প্রমাণ করে যে অমরত্ব কোনো ঐশ্বরিক গুণ ছিল না। তারা জীবিত অবস্থায় কষ্ট পেতে পারে এমন বিষয়েও কোনো সন্দেহ ছিল না; একটি পৌরাণিক কাহিনী বলে যে রা যখন পৃথিবীতে হাঁটতেন, তখন একটি জাদুকরী সর্প তাকে দংশন করেছিল এবং তিনি যন্ত্রণায় ভুগেছিলেন। দেবতাদের জীবনও মানুষের মতো বলে কল্পনা করা হতো, কেবল মিশরেই নয় বরং অধিকাংশ প্রাচীন দেশেই। তাদের জন্য প্রতিনিয়ত খাদ্য ও পানীয়ের নৈবেদ্য সরবরাহ করা হতো, যা মিশরে বেদীর ওপর রাখা হতো এবং অন্যান্য দেশে সুগন্ধির জন্য পুড়িয়ে দেওয়া হতো। ** {{cite book|title=দ্য রিলিজিয়ন অফ অ্যানশিয়েন্ট ইজিপ্ট|series=রিলিজিয়নস অ্যানশিয়েন্ট অ্যান্ড মডার্ন|edition=২য়|publisher=আর্চিবল্ড কনস্টেবল অ্যান্ড কোম্পানি|year=১৯০৬|isbn=1774415356|url=https://books.google.com/books?id=XB0YAAAAYAAJ&pg=PA২|page=২}} (৯৭ পৃষ্ঠা) * ''{{w|সেবাখ}}'' খননকারীদের কাছ থেকে আমি চমৎকার অবস্থায় সত্তরটি অ্যাটিক {{w|টেট্রাড্রাকম|টেট্রাড্রাকমস}} সংগ্রহ করেছিলাম, যা [[অ্যাথেন্স|অ্যাথেন্সের]] টাঁকশালের নির্ভুলতা প্রমাণ করতে সাহায্য করেছিল, কারণ অধিকাংশ মুদ্রাই আমাদের নিজস্ব টাঁকশালের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতো। ** {{cite book|title=সেভেন্টি ইয়ার্স ইন আর্কিওলজি|publisher=স্যাম্পসন লো, মারস্টন অ্যান্ড কোম্পানি|year=১৯৩১|url=https://books.google.com/books?id=GD1AAAAAIAAJ&focus=searchwithinvolume&q=tetradrachms|page=৫৫}} ==ফ্লিন্ডার্স পেট্রি সম্পর্কে উক্তি== * তিনি মিশরের প্রত্নতত্ত্বকে গুপ্তধন খোঁজার একটি নেশা হিসেবে পেয়েছিলেন; তিনি একে একটি বিজ্ঞানে রূপ দিয়ে রেখে গেছেন। ** {{w|মার্গারেট স্টেফানা ড্রোয়ার|মার্গারেট এস. ড্রোয়ার}}, {{cite book|chapter=প্রলোগ|title=ফ্লিন্ডার্স পেট্রি: এ লাইফ ইন আর্কিওলজি|series=উইসকনসিন স্টাডিজ ইন ক্লাসিকস|publisher=ইউনিভার্সিটি অফ উইসকনসিন প্রেস|year=১৯৯৫|isbn=০২৯৯১৪৬২৩৫|url=https://books.google.com/books?id=bY2XZ8GyzBAC&pg=PR২২|pages=xix–xxii}} (উক্তিটি পৃষ্ঠা ২২ থেকে) * ফ্লিন্ডার্স পেট্রির কোনো স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণ ছিল না। তার মা ছিলেন {{w|ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স|ক্যাপ্টেন ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স}}-এর একমাত্র সন্তান, যিনি একজন নৌ কর্মকর্তা ছিলেন এবং ''{{w|এইচএমএস বাউন্টি|দ্য বাউন্টির}}'' [[উইলিয়াম ব্লাই|ব্লাইয়ের]] অধীনে কাজ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে [[অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়ার]] উপকূলের অনেক অংশ অন্বেষণ ও জরিপ করেছিলেন। এই নারী তার ছেলেকে জ্ঞানের প্রাথমিক পাঠ শিখিয়েছিলেন এবং অল্প বয়সেই তাকে গ্রীক ও রোমান মুদ্রা সংগ্রহ ও অধ্যয়নের প্রতি অনুরাগী করে তুলেছিলেন। ** {{w|পার্সি নিউবেরি|পার্সি ই. নিউবেরি}}, {{cite journal|title=উইলিয়াম ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স পেট্রি, কেটি., এফআরএস, এফবিএ|journal=দ্য জার্নাল অফ ইজিপ্টিয়ান আর্কিওলজি|volume=২৯|issue=১|year=১৯৪৩|pages=৬৭–৭০|url=https://journals.sagepub.com/doi/abs/10.1177/030751334302900108|doi=১০.১১৭৭/০৩০৭৫১৩৩৪৩২৯MDAxMDg=}} (উক্তিটি পৃষ্ঠা ৬৭ থেকে) * ১৮৮০ সালে … পেট্রি মিশরে একটি দীর্ঘ-পরিকল্পিত এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন অভিযানের উদ্দেশ্যে রওনা হন, যা তার বাবা তার সাথে যেতে পারেন এমন একটি নিষ্ফল আশায় বিলম্বিত হয়েছিল। <br>তাই পিরামিডগুলোর জরিপ, যা একটি খোলা মন নিয়ে শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত ভবিষ্যদ্বাণীমূলক ফুট এবং ইঞ্চির বিতর্ক চিরতরে মিটিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল, তা প্রায় একা হাতে সম্পন্ন হয়েছিল। তার একমাত্র সাহায্যকারী ছিলেন একজন বৃদ্ধ মিশরীয়, যিনি শিশু হিসেবে {{w|হাওয়ার্ড ভাইজ|কর্নেল হাওয়ার্ড ভাইজ}} এবং পরবর্তীতে {{w|ওয়াইনম্যান ডিক্সন}} ও {{w|চার্লস পিয়াজি স্মিথ|পিয়াজি স্মিথের}} অধীনে কাজ করেছিলেন। মিশরে দুই শীতকাল এবং পরিকল্পনার ওপর এক বছরের কাজের পর পেট্রি যখন ১৮৮৩ সালে {{w|রয়্যাল সোসাইটি|রয়্যাল সোসাইটিতে}} তার বিবরণ পেশ করেন, তখন [[ফ্রান্সিস গ্যাল্টন]] এটি সম্পর্কে এতটাই ইতিবাচক প্রতিবেদন দেন যে এটি প্রকাশের জন্য ১০০ পাউন্ড অনুদান দেওয়া হয়। গ্যাল্টন পরবর্তী বছরগুলোতেও তার উৎসাহ বজায় রেখেছিলেন, এবং {{w|ইরাসমাস উইলসন}}, যিনি {{w|অ্যামিলিয়া এডওয়ার্ডস|মিস এডওয়ার্ডস}} ও অন্যদের সাথে মিলে সবেমাত্র {{w|ইজিপ্ট এক্সপ্লোরেশন ফান্ড|ইজিপ্ট এক্সপ্লোরেশন ফান্ড}} প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তিনি জোর দিয়েছিলেন যে এই নতুন সংস্থাটি যেন এই তরুণকে খনন করার সুযোগ দেয়। এভাবেই তার খননকার্য শুরু হয় যখন তার বয়স ত্রিশ; খুব বিরল ব্যতিক্রম ছাড়া পরবর্তী পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতি বছর তা অব্যাহত ছিল। ** {{w|সিডনি স্মিথ (অ্যাসিরিওলজিস্ট)|সিডনি স্মিথ}}, {{cite journal|title=উইলিয়াম ম্যাথিউ ফ্লিন্ডার্স পেট্রি, ১৮৫৩ - ১৯৪২|date=নভেম্বর ১৯৪৫|volume=৫|issue=১৪|pages=৩–১৬|journal=বায়োগ্রাফিক্যাল মেমোয়ার্স অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি|doi=১০.১০৯৮/আরএসবিএম.১৯৪৫.০০০১}} (উক্তিটি পৃষ্ঠা ৪ থেকে) ==বহিঃসংযোগ== * {{wikipedia-inline|বাংলা=উইকিপিডিয়া}} * {{cite web|title=উইলিয়াম ম্যাথিউস ফ্লিন্ডার্স পেট্রি (১৮৫৩ - ১৯৪২)|website=লিব্রিভক্স|url=https://librivox.org/author/5137?primary_key=5137&search_category=author&search_page=1&search_form=get_results&search_order=alpha}} {{DEFAULTSORT:পেট্রি, ফ্লিন্ডার্স}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৫৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের প্রত্নতত্ত্ববিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ফেলো অফ দ্য ব্রিটিশ একাডেমি]] [[বিষয়শ্রেণী:ফেলো অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি]] [[বিষয়শ্রেণী:লন্ডনের ব্যক্তিত্ব]] jw0ozo4l8hj275et246ltrmbr9s1dwe আলাপ:ফ্লিন্ডার্স পেট্রি 1 13790 81808 2026-04-28T03:16:35Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81808 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ 0 13791 81811 2026-04-28T03:26:40Z Sumanta3023 4175 "[[Image:Reagan_Mitterrand_1984_(cropped).jpg|thumb|right|তরুণরা সবসময় সঠিক হয় না, কিন্তু যে সমাজ তাদের উপেক্ষা করে এবং তাদের ওপর আঘাত হানে, সেই সমাজ সবসময় ভুল।]] '''w:ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ|ফ্রঁসোয়া মরিস অ্যাড্র..." দিয়ে পাতা তৈরি 81811 wikitext text/x-wiki [[Image:Reagan_Mitterrand_1984_(cropped).jpg|thumb|right|তরুণরা সবসময় সঠিক হয় না, কিন্তু যে সমাজ তাদের উপেক্ষা করে এবং তাদের ওপর আঘাত হানে, সেই সমাজ সবসময় ভুল।]] '''[[w:ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ|ফ্রঁসোয়া মরিস অ্যাড্রিয়েন মারি মিতেরঁ]]''' (২৬ অক্টোবর ১৯১৬ – ৮ জানুয়ারি ১৯৯৬) ছিলেন একজন [[ফ্রান্স|ফরাসি]] [[রাজনীতিবিদ|রাজনীতিবিদ]]। তিনি ১৯৮১ সালের মে মাসে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, ১৯৮৮ সালে পুনরায় নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ==উক্তি== * আমাদের দেশে [[w:বোনাপার্টবাদ|বোনাপার্টবাদের]] একটি শক্তিশালী ধারাবাহিকতা বিদ্যমান, যেখানে [[ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] মহত্ত্বের আকাঙ্ক্ষা, [[রাজতন্ত্র|রাজতান্ত্রিক]] ঐতিহ্য, [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের প্রতি আবেগ]] এবং [[ফরাসি বিপ্লব|জ্যাকোবিন]] ঐতিহ্য একত্রিত হয়েছে। ** ''[[w:fr:Le Coup d'État permanent|ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ]]'' (১৯৬৪) দ্বিতীয় অংশ, অধ্যায় ১ * জনগণের [[সার্বভৌমত্ব|সার্বভৌমত্বের]] প্রতিটি বিপর্যয় এবং প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি বিলুপ্তির সাথে রাজকীয় [[বিচার ব্যবস্থা|বিচার ব্যবস্থার]] প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ পুনঃপ্রতিষ্ঠা জড়িত। "আপনি কিসের ভিত্তিতে বিচার করেন তা আমাকে বলুন, আর আমি বলে দেব আপনি কে।" [...] রাজনীতিতে এর চেয়ে নিশ্চিত কোনো স্বতঃসিদ্ধ আর নেই। ** ''ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ'' (১৯৬৪) তৃতীয় অংশ * আজ সন্ধ্যায় যা শুরু হয়েছে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না; এবং যেহেতু আপনারা [[শ্রমিক আন্দোলন|শ্রমিক জগতের শক্তির]] প্রতিনিধিত্ব করছেন, আপনারা যারা যৌবনের শক্তি, আপনাদের বিজয় অনিবার্য। ** শাতো-শিনোঁ (১৯৭৪) * প্রত্যেক মহান ব্যক্তির পেছনে একজন [[w:রিচার্ড ডেলিসলে|রিচার্ড ডেলিসলে]] থাকেন। ** ''ল্যাবেঁই এ লার্কিতেক'' [''দ্য বি অ্যান্ড দ্য আর্কিটেক্ট''] (১৯৮০) অধ্যায় ৬ * আমার কাছে [[গ্রিস]] মানেই হলো [[w:মারিয়া ফারান্তুরি|মারিয়া ফারান্তুরি]]। আমি দেবী হেরাকে ঠিক এভাবেই কল্পনা করেছিলাম: শক্তিশালী, বিশুদ্ধ এবং অতন্দ্র। ঐশ্বরিক সত্তার এমন তীব্র অনুভূতি দিতে পারেন, এমন আর কোনো শিল্পীর দেখা আমি পাইনি। ** ''ল্যাবেঁই এ লার্কিতেক'' [''দ্য বি অ্যান্ড দ্য আর্কিটেক্ট''] (১৯৮০) * অতীতের মানুষ। ** [[w:ভালেরি জিসকার দেস্তাঁ|ভালেরি জিসকার দেস্তাঁ]]র সাথে বিতর্ক, পরবর্তী ব্যক্তিকে বিশেষায়িত করে (মে ১৯৮১) * একজনকে অবশ্যই তার [[কুসংস্কার|কুসংস্কারকে]] জয় করতে হবে। আমি এখানে আপনাদের কাছে যা দাবি করছি তা প্রায় অসম্ভব, কারণ আমাদের নিজেদের ইতিহাসকে জয় করতে হবে। এবং তবুও, যদি আমরা একে জয় করতে না পারি, তবে একটি নিয়ম আমাদের ওপর চেপে বসবে তা জেনে রাখুন, মহোদয় ও মহোদয়াগণ: '''[[w:জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদ]] মানেই [[যুদ্ধ]]'''! যুদ্ধ কেবল আমাদের অতীত নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যৎও হতে পারে; এবং আপনারা যারা [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট|পার্লামেন্টের]] সদস্য, আপনারাই এখন থেকে আমাদের [[শান্তি]], আমাদের [[নিরাপত্তা]] এবং এই ভবিষ্যতের রক্ষক। ** ইউরোপীয় পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তৃতা (১৭ জানুয়ারি ১৯৯৫) * আমি আধ্যাত্মিক শক্তিতে বিশ্বাস করি, এবং আমি আপনাদের ছেড়ে যাব না। ** ফরাসি জনগণের উদ্দেশ্যে শেষ টেলিভিশন ভাষণ, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৪ == গুণাবলী আরোপ করা হয়েছে == * "এই ধরনের দেশগুলিতে, [[গণহত্যা|গণহত্যা]] খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়..." ** ২৬ এপ্রিল ১৯৯৯ তারিখে ''দ্য নিউ ইয়র্কার''-এ ফিলিপ গুরেভিচ কর্তৃক "রিভার্সিং দ্য রিভার্সালস অফ ওয়ার" নিবন্ধে রাষ্ট্রপতি মিতেরঁ এর প্রতি আরোপিত রুয়ান্ডা সম্পর্কিত মন্তব্য। * আমি বলতে চাইতাম, আন্তরিকতা। কিন্তু এটি আসলে, উদাসীনতা। ** একজন রাজনীতিবিদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ সম্পর্কে। ** এম. জে. আত্তালি কর্তৃক আরোপিত। আর. কট্রেল কর্তৃক উদ্ধৃত, ''দ্য স্পেক্টেটর'', ২২ মে ১৯৯৩। == মিতেরঁ সম্পর্কে উক্তি == * ১৯৮০-এর দশক ছিল আমূল [[রক্ষণশীলতা|রক্ষণশীল]] একটি দশক, এমনকি যেখানে [[সমাজতন্ত্র|সমাজতান্ত্রিক]] বা লেবার সরকার নির্বাচিত হয়েছিল, সেখানেও [[মার্ক্সবাদ]], [[সমষ্টিবাদ]] এবং [[বামপন্থী রাজনীতি|বামপন্থার]] সমস্ত ঐতিহ্যবাহী 'বাদ' বা 'িজম' থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয় ছিল। এই প্রক্রিয়াটি ফ্রান্সে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল। তেইশ বছরের [[w:গোলবাদ|গোলবাদ]] এবং তার উত্তরসূরিদের পর ১৯৮১ সালে সমাজতান্ত্রিক ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় সমাজতান্ত্রিক [[সমতাবাদ]] এবং ব্যবসা-বিরোধী নীতির একটি সংক্ষিপ্ত সময়কাল শুরু হয়; যা দ্রুত ফ্রাঁ-এর টানা তিনবার অবমূল্যায়নের দিকে পরিচালিত করে। এরপর, ফরাসি [[w:সোশ্যালিস্ট পার্টি (ফ্রান্স)|সোশ্যালিস্ট পার্টি]] দ্রুত [[ডানপন্থী রাজনীতি|ডানপন্থা]] এবং [[মুক্ত বাজার|মুক্ত-বাজার]] নীতির দিকে অগ্রসর হয়; এবং ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে ও ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে সমাজতান্ত্রিক ও রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে ক্ষমতার পালাবদল [[অর্থনৈতিক নীতি]], [[প্রতিরক্ষা]] বা [[পররাষ্ট্র নীতি|পররাষ্ট্র বিষয়ে]] খুব কমই পার্থক্য তৈরি করেছিল বলে মনে হয়। ** [[পল জনসন]], ''মডার্ন টাইমস: দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্রম দ্য টুয়েন্টিজ টু দ্য নাইনটিজ'', ১৯৯২ * আমরা পারমাণবিক হুমকির শত্রু এবং আমরা [[দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর|দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে]] [[পারমাণবিক অস্ত্র]] পরীক্ষার শত্রু। [[নিউজিল্যান্ড]] এই দ্বন্দ্বে স্বেচ্ছায় জড়ায়নি। ফ্রান্স নিউজিল্যান্ডে তাদের গুপ্তচর পাঠিয়েছে। ফ্রান্স নিউজিল্যান্ডে স্পাই পাঠিয়েছে। ফ্রান্স প্রশান্ত মহাসাগরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। ফ্রান্স তার রাষ্ট্রপতিকে প্রশান্ত মহাসাগরে পাঠায় এই নিয়ে দম্ভ করার জন্য। ** [[ডেভিড ল্যাঞ্জ]], উৎস: এম. কিং, ''ডেথ অফ দ্য রেইনবো ওয়ারিয়র'' (১৯৮৬), পৃষ্ঠা ২০০। ** [[w:রেইনবো ওয়ারিয়র নিমজ্জন|রেইনবো ওয়ারিয়র বোমা হামলার]] প্রসঙ্গে। * ১৯৮০-এর দশকের যাত্রাটি বেশ দীর্ঘ ছিল এবং আমরা কিছু উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়েও ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। আর শেষ পর্যন্ত, আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছি। বাস্তবতা হলো, গ্রেনাডা থেকে [[ওয়াশিংটন, ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] ও [[মস্কো]] শীর্ষ সম্মেলন, [[wikipedia:early_1980s_recession|'৮১ থেকে '৮২ সালের মন্দা]] থেকে শুরু করে '৮২-এর শেষের দিকে শুরু হওয়া প্রবৃদ্ধি যা আজ অবধি অব্যাহত রয়েছে আমরা একটি পরিবর্তন আনতে পেরেছি। আমার দৃষ্টিতে দুটি বড় জয় ছিল, যে দুটি জিনিসের জন্য আমি সবচেয়ে বেশি গর্বিত। একটি হলো [[অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি|অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার]], যার মাধ্যমে [[যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] জনগণ ১ কোটি ৯০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পূরণ করেছে। অন্যটি হলো আমাদের মনোবল পুনরুদ্ধার। বিশ্বে আমেরিকা আবারও সম্মানিত এবং নেতৃত্বের জন্য তার দিকে তাকিয়ে থাকা হয়। কয়েক বছর আগের একটি ঘটনা এর কিছুটা প্রতিফলন ঘটায়। সেটি ১৯৮১ সালের কথা, আমি সে বছর [[কানাডা|কানাডায়]] অনুষ্ঠিত আমার প্রথম বড় অর্থনৈতিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলাম। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পর্যায়ক্রমে বৈঠকের স্থান পরিবর্তিত হয়। উদ্বোধনী সভাটি ছিল সাতটি [[শিল্পোন্নত দেশ|শিল্পোন্নত দেশের]] সরকারপ্রধানদের একটি আনুষ্ঠানিক নৈশভোজ। সেখানে আমি স্কুলের নবাগত ছেলের মতো বসে শুনছিলাম, আর সবার আলাপে ছিল কেবল 'ফ্রঁসোয়া' এই বা '[[হেলমুট কোল|হেলমুট]]' ওই। তারা পদবি ছেড়ে একে অপরকে প্রথম নামে ডাকছিলেন। এক পর্যায়ে আমি কিছুটা ঝুঁকে বললাম, "আমার নাম রন।" সেই বছরই আমরা এমন পদক্ষেপ শুরু করি যা একটি অর্থনৈতিক প্রত্যাবর্তন ঘটাবে বলে আমরা অনুভব করেছিলাম [[কর|কর]] ও [[প্রবিধান|নিয়ন্ত্রণ]] কমানো এবং [[সরকারি ব্যয়|ব্যয়]] সংকোচন শুরু করা। আর শীঘ্রই পুনরুদ্ধার শুরু হলো। দুই বছর পর, প্রায় একই ব্যক্তিদের নিয়ে আরেকটি অর্থনৈতিক শীর্ষ সম্মেলন। বড় উদ্বোধনী সভায় আমরা সবাই একত্রিত হলাম এবং হঠাৎ এক মুহূর্তের জন্য আমি দেখলাম সবাই কেবল আমার দিকে তাকিয়ে বসে আছে। তারপর তাদের একজন নীরবতা ভাঙলেন। তিনি বললেন, "আমাদের আমেরিকার অলৌকিক ঘটনাটি সম্পর্কে বলুন।" ** [[রোনাল্ড রেগান]], [https://millercenter.org/the-presidency/presidential-speeches/january-11-1989-farewell-address বিদায়ী ভাষণ], ১১ জানুয়ারি ১৯৮৯ * [[ক্ষমতা]] [[দুর্নীতি|দুর্নীতিগ্রস্ত]] করে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা আপনাকে সত্যিই কামুক করে তোলে। [[বিল ক্লিনটন|ক্লিনটন]], [[জ্যাক শিরাক|শিরাক]], [[মাও সে তুং|মাও]], মিতেরঁ। ** [[ডোনাল্ড সাদারল্যান্ড]], [[গ্যারি রস]]কে লেখা ইমেল "[https://www.businessinsider.com/donald-sutherland-hunger-games-email-2014-11 লেটারস ফ্রম দ্য রোজ গার্ডেন]", ২০১১; যা ''[[দ্য হাঙ্গার গেমস (চলচ্চিত্র)|দ্য হাঙ্গার গেমস]]'' (২০১২) চলচ্চিত্রের বিশেষ ফিচারে অন্তর্ভুক্ত। * অবশ্যই, [[ইউরোপীয় ইউনিয়ন|ইউনিয়ন]] ছাড়াও [[ইউরোপ|ইউরোপে]] [[শান্তি]] আসতে পারত। হয়তো। আমরা তা কখনোই জানতে পারব না। কিন্তু এটি কখনোই একই মানের হতো না। একটি স্থায়ী শান্তি, কেবল কোনো শীতল যুদ্ধবিরতি নয়। আমার কাছে যা একে বিশেষ করে তোলে, তা হলো পুনর্মিলন। জীবনে যেমন, রাজনীতিতেও পুনর্মিলন সবচেয়ে কঠিন কাজ। এটি ক্ষমা করা বা ভুলে যাওয়া অথবা কেবল পাতা উল্টানোর চেয়েও অনেক বেশি কিছু। [[ফ্রান্স]] এবং [[জার্মানি]] যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছিল তা ভাবলে..., এবং তারপর এই পদক্ষেপ নেওয়া... একটি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষর করা... প্রতিবার যখন আমি এই শব্দগুলো শুনি ''ফ্রুয়ান্ডশ্যাফ্ট'', ''অ্যামিটিয়ে'' আমি বিচলিত হয়ে পড়ি। এগুলো ব্যক্তিগত শব্দ, জাতিগুলোর মধ্যে চুক্তির জন্য নয়। কিন্তু ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে না দেওয়ার এবং আমূল নতুন কিছু করার ইচ্ছা এতটাই প্রবল ছিল যে নতুন শব্দ খুঁজে নিতে হয়েছিল। মানুষের কাছে ইউরোপ ছিল একটি প্রতিশ্রুতি, ইউরোপ মানেই ছিল আশা। ১৯৫১ সালে যখন [[কনরাড আডেনাওয়ার]] কয়লা ও ইস্পাত চুক্তি সম্পন্ন করতে [[প্যারিস|প্যারিসে]] আসেন, এক সন্ধ্যায় তিনি তার হোটেলে একটি উপহার পান। সেটি ছিল একটি যুদ্ধ পদক, ''উ্যন ক্রোয়া দ্য গের'', যা একজন [[ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী|ফরাসি সৈনিকের]] ছিল। তার মেয়ে, এক তরুণী শিক্ষার্থী, চ্যান্সেলরের জন্য পুনর্মিলন এবং আশার নিদর্শন হিসেবে একটি ছোট নোটসহ এটি রেখে গিয়েছিল। আমার চোখের সামনে আরও অনেক আলোড়ন সৃষ্টিকারী ছবি ভেসে ওঠে। এক নতুন ভবিষ্যৎ উন্মোচনের জন্য [[রোম|রোমে]] সমবেত ছয়টি রাষ্ট্রের নেতারা... [[ওয়ারশ|ওয়ারশতে]] হাঁটু গেড়ে বসা [[উইলি ব্র্যান্ট]]। গদানস্কের ডক শ্রমিকরা, তাদের [[নৌ স্থাপত্য|জাহাজ নির্মাণ কারখানার]] ফটকে। হাতে হাত ধরে মিতেরঁ এবং [[হেলমুট কোল|কোল]]। ১৯৮৯ সালে [[তালিন]] থেকে [[রিগা]] হয়ে [[ভিলনিয়াস]] পর্যন্ত ২০ লক্ষ মানুষের এক মানবশৃঙ্খল। এই মুহূর্তগুলো ইউরোপকে সারিয়ে তুলেছিল। ** [[w:হার্মান ভ্যান রম্পুই|হার্মান ভ্যান রম্পুই]], [https://www.nobelprize.org/prizes/peace/2012/eu/lecture/ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নোবেল শান্তি পুরস্কার বক্তৃতা], ১০ ডিসেম্বর ২০১২ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{Commons|বিষয়শ্রেণী:ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ|ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ}} * [http://www.mitterrand.org ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ ইনস্টিটিউট] * [http://fr.wikisource.org/wiki/Inauguration_du_Grand_Louvre মিতেরঁ কর্তৃক লুভর উদ্বোধনী ভাষণ] * [http://www.guardian.co.uk/france/story/0,,1676950,00.html ফরাসি রাষ্ট্রপতি জরিপ (০১/২০০৬)] * [http://www.thenation.com/doc.mhtml?i=19960129&s=singer "মিতেরঁ'স লিগ্যাসি"] (১৯৯৬), ''[[w:দ্য নেশন (মার্কিন সাময়িকী)|দ্য নেশন]]''-এ প্রকাশিত {{DEFAULTSORT:মিতেরঁ, ফ্রঁসোয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:সরকার মন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের আইনজীবী]] [[বিষয়শ্রেণী:অজ্ঞেয়বাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৬-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:স্নায়ুযুদ্ধের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপীয় ইউনিয়নের পথপ্রদর্শক]] r8nhisyiv297ki4wxic1jg0khpjhoh9 81812 81811 2026-04-28T03:27:02Z Sumanta3023 4175 81812 wikitext text/x-wiki [[Image:Reagan_Mitterrand_1984_(cropped).jpg|thumb|right|তরুণরা সবসময় সঠিক হয় না, কিন্তু যে সমাজ তাদের উপেক্ষা করে এবং তাদের ওপর আঘাত হানে, সেই সমাজ সবসময় ভুল।]] '''[[w:ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ|ফ্রঁসোয়া মরিস অ্যাড্রিয়েন মারি মিতেরঁ]]''' (২৬ অক্টোবর ১৯১৬ – ৮ জানুয়ারি ১৯৯৬) ছিলেন একজন [[ফ্রান্স|ফরাসি]] রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯৮১ সালের মে মাসে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, ১৯৮৮ সালে পুনরায় নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ==উক্তি== * আমাদের দেশে [[w:বোনাপার্টবাদ|বোনাপার্টবাদের]] একটি শক্তিশালী ধারাবাহিকতা বিদ্যমান, যেখানে [[ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] মহত্ত্বের আকাঙ্ক্ষা, [[রাজতন্ত্র|রাজতান্ত্রিক]] ঐতিহ্য, [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের প্রতি আবেগ]] এবং [[ফরাসি বিপ্লব|জ্যাকোবিন]] ঐতিহ্য একত্রিত হয়েছে। ** ''[[w:fr:Le Coup d'État permanent|ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ]]'' (১৯৬৪) দ্বিতীয় অংশ, অধ্যায় ১ * জনগণের [[সার্বভৌমত্ব|সার্বভৌমত্বের]] প্রতিটি বিপর্যয় এবং প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি বিলুপ্তির সাথে রাজকীয় [[বিচার ব্যবস্থা|বিচার ব্যবস্থার]] প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ পুনঃপ্রতিষ্ঠা জড়িত। "আপনি কিসের ভিত্তিতে বিচার করেন তা আমাকে বলুন, আর আমি বলে দেব আপনি কে।" [...] রাজনীতিতে এর চেয়ে নিশ্চিত কোনো স্বতঃসিদ্ধ আর নেই। ** ''ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ'' (১৯৬৪) তৃতীয় অংশ * আজ সন্ধ্যায় যা শুরু হয়েছে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না; এবং যেহেতু আপনারা [[শ্রমিক আন্দোলন|শ্রমিক জগতের শক্তির]] প্রতিনিধিত্ব করছেন, আপনারা যারা যৌবনের শক্তি, আপনাদের বিজয় অনিবার্য। ** শাতো-শিনোঁ (১৯৭৪) * প্রত্যেক মহান ব্যক্তির পেছনে একজন [[w:রিচার্ড ডেলিসলে|রিচার্ড ডেলিসলে]] থাকেন। ** ''ল্যাবেঁই এ লার্কিতেক'' [''দ্য বি অ্যান্ড দ্য আর্কিটেক্ট''] (১৯৮০) অধ্যায় ৬ * আমার কাছে [[গ্রিস]] মানেই হলো [[w:মারিয়া ফারান্তুরি|মারিয়া ফারান্তুরি]]। আমি দেবী হেরাকে ঠিক এভাবেই কল্পনা করেছিলাম: শক্তিশালী, বিশুদ্ধ এবং অতন্দ্র। ঐশ্বরিক সত্তার এমন তীব্র অনুভূতি দিতে পারেন, এমন আর কোনো শিল্পীর দেখা আমি পাইনি। ** ''ল্যাবেঁই এ লার্কিতেক'' [''দ্য বি অ্যান্ড দ্য আর্কিটেক্ট''] (১৯৮০) * অতীতের মানুষ। ** [[w:ভালেরি জিসকার দেস্তাঁ|ভালেরি জিসকার দেস্তাঁ]]র সাথে বিতর্ক, পরবর্তী ব্যক্তিকে বিশেষায়িত করে (মে ১৯৮১) * একজনকে অবশ্যই তার [[কুসংস্কার|কুসংস্কারকে]] জয় করতে হবে। আমি এখানে আপনাদের কাছে যা দাবি করছি তা প্রায় অসম্ভব, কারণ আমাদের নিজেদের ইতিহাসকে জয় করতে হবে। এবং তবুও, যদি আমরা একে জয় করতে না পারি, তবে একটি নিয়ম আমাদের ওপর চেপে বসবে তা জেনে রাখুন, মহোদয় ও মহোদয়াগণ: '''[[w:জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদ]] মানেই [[যুদ্ধ]]'''! যুদ্ধ কেবল আমাদের অতীত নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যৎও হতে পারে; এবং আপনারা যারা [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট|পার্লামেন্টের]] সদস্য, আপনারাই এখন থেকে আমাদের [[শান্তি]], আমাদের [[নিরাপত্তা]] এবং এই ভবিষ্যতের রক্ষক। ** ইউরোপীয় পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তৃতা (১৭ জানুয়ারি ১৯৯৫) * আমি আধ্যাত্মিক শক্তিতে বিশ্বাস করি, এবং আমি আপনাদের ছেড়ে যাব না। ** ফরাসি জনগণের উদ্দেশ্যে শেষ টেলিভিশন ভাষণ, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৪ == গুণাবলী আরোপ করা হয়েছে == * "এই ধরনের দেশগুলিতে, [[গণহত্যা|গণহত্যা]] খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়..." ** ২৬ এপ্রিল ১৯৯৯ তারিখে ''দ্য নিউ ইয়র্কার''-এ ফিলিপ গুরেভিচ কর্তৃক "রিভার্সিং দ্য রিভার্সালস অফ ওয়ার" নিবন্ধে রাষ্ট্রপতি মিতেরঁ এর প্রতি আরোপিত রুয়ান্ডা সম্পর্কিত মন্তব্য। * আমি বলতে চাইতাম, আন্তরিকতা। কিন্তু এটি আসলে, উদাসীনতা। ** একজন রাজনীতিবিদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ সম্পর্কে। ** এম. জে. আত্তালি কর্তৃক আরোপিত। আর. কট্রেল কর্তৃক উদ্ধৃত, ''দ্য স্পেক্টেটর'', ২২ মে ১৯৯৩। == মিতেরঁ সম্পর্কে উক্তি == * ১৯৮০-এর দশক ছিল আমূল [[রক্ষণশীলতা|রক্ষণশীল]] একটি দশক, এমনকি যেখানে [[সমাজতন্ত্র|সমাজতান্ত্রিক]] বা লেবার সরকার নির্বাচিত হয়েছিল, সেখানেও [[মার্ক্সবাদ]], [[সমষ্টিবাদ]] এবং [[বামপন্থী রাজনীতি|বামপন্থার]] সমস্ত ঐতিহ্যবাহী 'বাদ' বা 'িজম' থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয় ছিল। এই প্রক্রিয়াটি ফ্রান্সে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল। তেইশ বছরের [[w:গোলবাদ|গোলবাদ]] এবং তার উত্তরসূরিদের পর ১৯৮১ সালে সমাজতান্ত্রিক ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় সমাজতান্ত্রিক [[সমতাবাদ]] এবং ব্যবসা-বিরোধী নীতির একটি সংক্ষিপ্ত সময়কাল শুরু হয়; যা দ্রুত ফ্রাঁ-এর টানা তিনবার অবমূল্যায়নের দিকে পরিচালিত করে। এরপর, ফরাসি [[w:সোশ্যালিস্ট পার্টি (ফ্রান্স)|সোশ্যালিস্ট পার্টি]] দ্রুত [[ডানপন্থী রাজনীতি|ডানপন্থা]] এবং [[মুক্ত বাজার|মুক্ত-বাজার]] নীতির দিকে অগ্রসর হয়; এবং ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে ও ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে সমাজতান্ত্রিক ও রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে ক্ষমতার পালাবদল [[অর্থনৈতিক নীতি]], [[প্রতিরক্ষা]] বা [[পররাষ্ট্র নীতি|পররাষ্ট্র বিষয়ে]] খুব কমই পার্থক্য তৈরি করেছিল বলে মনে হয়। ** [[পল জনসন]], ''মডার্ন টাইমস: দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্রম দ্য টুয়েন্টিজ টু দ্য নাইনটিজ'', ১৯৯২ * আমরা পারমাণবিক হুমকির শত্রু এবং আমরা [[দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর|দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে]] [[পারমাণবিক অস্ত্র]] পরীক্ষার শত্রু। [[নিউজিল্যান্ড]] এই দ্বন্দ্বে স্বেচ্ছায় জড়ায়নি। ফ্রান্স নিউজিল্যান্ডে তাদের গুপ্তচর পাঠিয়েছে। ফ্রান্স নিউজিল্যান্ডে স্পাই পাঠিয়েছে। ফ্রান্স প্রশান্ত মহাসাগরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। ফ্রান্স তার রাষ্ট্রপতিকে প্রশান্ত মহাসাগরে পাঠায় এই নিয়ে দম্ভ করার জন্য। ** [[ডেভিড ল্যাঞ্জ]], উৎস: এম. কিং, ''ডেথ অফ দ্য রেইনবো ওয়ারিয়র'' (১৯৮৬), পৃষ্ঠা ২০০। ** [[w:রেইনবো ওয়ারিয়র নিমজ্জন|রেইনবো ওয়ারিয়র বোমা হামলার]] প্রসঙ্গে। * ১৯৮০-এর দশকের যাত্রাটি বেশ দীর্ঘ ছিল এবং আমরা কিছু উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়েও ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। আর শেষ পর্যন্ত, আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছি। বাস্তবতা হলো, গ্রেনাডা থেকে [[ওয়াশিংটন, ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] ও [[মস্কো]] শীর্ষ সম্মেলন, [[wikipedia:early_1980s_recession|'৮১ থেকে '৮২ সালের মন্দা]] থেকে শুরু করে '৮২-এর শেষের দিকে শুরু হওয়া প্রবৃদ্ধি যা আজ অবধি অব্যাহত রয়েছে আমরা একটি পরিবর্তন আনতে পেরেছি। আমার দৃষ্টিতে দুটি বড় জয় ছিল, যে দুটি জিনিসের জন্য আমি সবচেয়ে বেশি গর্বিত। একটি হলো [[অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি|অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার]], যার মাধ্যমে [[যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] জনগণ ১ কোটি ৯০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পূরণ করেছে। অন্যটি হলো আমাদের মনোবল পুনরুদ্ধার। বিশ্বে আমেরিকা আবারও সম্মানিত এবং নেতৃত্বের জন্য তার দিকে তাকিয়ে থাকা হয়। কয়েক বছর আগের একটি ঘটনা এর কিছুটা প্রতিফলন ঘটায়। সেটি ১৯৮১ সালের কথা, আমি সে বছর [[কানাডা|কানাডায়]] অনুষ্ঠিত আমার প্রথম বড় অর্থনৈতিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলাম। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পর্যায়ক্রমে বৈঠকের স্থান পরিবর্তিত হয়। উদ্বোধনী সভাটি ছিল সাতটি [[শিল্পোন্নত দেশ|শিল্পোন্নত দেশের]] সরকারপ্রধানদের একটি আনুষ্ঠানিক নৈশভোজ। সেখানে আমি স্কুলের নবাগত ছেলের মতো বসে শুনছিলাম, আর সবার আলাপে ছিল কেবল 'ফ্রঁসোয়া' এই বা '[[হেলমুট কোল|হেলমুট]]' ওই। তারা পদবি ছেড়ে একে অপরকে প্রথম নামে ডাকছিলেন। এক পর্যায়ে আমি কিছুটা ঝুঁকে বললাম, "আমার নাম রন।" সেই বছরই আমরা এমন পদক্ষেপ শুরু করি যা একটি অর্থনৈতিক প্রত্যাবর্তন ঘটাবে বলে আমরা অনুভব করেছিলাম [[কর|কর]] ও [[প্রবিধান|নিয়ন্ত্রণ]] কমানো এবং [[সরকারি ব্যয়|ব্যয়]] সংকোচন শুরু করা। আর শীঘ্রই পুনরুদ্ধার শুরু হলো। দুই বছর পর, প্রায় একই ব্যক্তিদের নিয়ে আরেকটি অর্থনৈতিক শীর্ষ সম্মেলন। বড় উদ্বোধনী সভায় আমরা সবাই একত্রিত হলাম এবং হঠাৎ এক মুহূর্তের জন্য আমি দেখলাম সবাই কেবল আমার দিকে তাকিয়ে বসে আছে। তারপর তাদের একজন নীরবতা ভাঙলেন। তিনি বললেন, "আমাদের আমেরিকার অলৌকিক ঘটনাটি সম্পর্কে বলুন।" ** [[রোনাল্ড রেগান]], [https://millercenter.org/the-presidency/presidential-speeches/january-11-1989-farewell-address বিদায়ী ভাষণ], ১১ জানুয়ারি ১৯৮৯ * [[ক্ষমতা]] [[দুর্নীতি|দুর্নীতিগ্রস্ত]] করে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা আপনাকে সত্যিই কামুক করে তোলে। [[বিল ক্লিনটন|ক্লিনটন]], [[জ্যাক শিরাক|শিরাক]], [[মাও সে তুং|মাও]], মিতেরঁ। ** [[ডোনাল্ড সাদারল্যান্ড]], [[গ্যারি রস]]কে লেখা ইমেল "[https://www.businessinsider.com/donald-sutherland-hunger-games-email-2014-11 লেটারস ফ্রম দ্য রোজ গার্ডেন]", ২০১১; যা ''[[দ্য হাঙ্গার গেমস (চলচ্চিত্র)|দ্য হাঙ্গার গেমস]]'' (২০১২) চলচ্চিত্রের বিশেষ ফিচারে অন্তর্ভুক্ত। * অবশ্যই, [[ইউরোপীয় ইউনিয়ন|ইউনিয়ন]] ছাড়াও [[ইউরোপ|ইউরোপে]] [[শান্তি]] আসতে পারত। হয়তো। আমরা তা কখনোই জানতে পারব না। কিন্তু এটি কখনোই একই মানের হতো না। একটি স্থায়ী শান্তি, কেবল কোনো শীতল যুদ্ধবিরতি নয়। আমার কাছে যা একে বিশেষ করে তোলে, তা হলো পুনর্মিলন। জীবনে যেমন, রাজনীতিতেও পুনর্মিলন সবচেয়ে কঠিন কাজ। এটি ক্ষমা করা বা ভুলে যাওয়া অথবা কেবল পাতা উল্টানোর চেয়েও অনেক বেশি কিছু। [[ফ্রান্স]] এবং [[জার্মানি]] যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছিল তা ভাবলে..., এবং তারপর এই পদক্ষেপ নেওয়া... একটি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষর করা... প্রতিবার যখন আমি এই শব্দগুলো শুনি ''ফ্রুয়ান্ডশ্যাফ্ট'', ''অ্যামিটিয়ে'' আমি বিচলিত হয়ে পড়ি। এগুলো ব্যক্তিগত শব্দ, জাতিগুলোর মধ্যে চুক্তির জন্য নয়। কিন্তু ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে না দেওয়ার এবং আমূল নতুন কিছু করার ইচ্ছা এতটাই প্রবল ছিল যে নতুন শব্দ খুঁজে নিতে হয়েছিল। মানুষের কাছে ইউরোপ ছিল একটি প্রতিশ্রুতি, ইউরোপ মানেই ছিল আশা। ১৯৫১ সালে যখন [[কনরাড আডেনাওয়ার]] কয়লা ও ইস্পাত চুক্তি সম্পন্ন করতে [[প্যারিস|প্যারিসে]] আসেন, এক সন্ধ্যায় তিনি তার হোটেলে একটি উপহার পান। সেটি ছিল একটি যুদ্ধ পদক, ''উ্যন ক্রোয়া দ্য গের'', যা একজন [[ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী|ফরাসি সৈনিকের]] ছিল। তার মেয়ে, এক তরুণী শিক্ষার্থী, চ্যান্সেলরের জন্য পুনর্মিলন এবং আশার নিদর্শন হিসেবে একটি ছোট নোটসহ এটি রেখে গিয়েছিল। আমার চোখের সামনে আরও অনেক আলোড়ন সৃষ্টিকারী ছবি ভেসে ওঠে। এক নতুন ভবিষ্যৎ উন্মোচনের জন্য [[রোম|রোমে]] সমবেত ছয়টি রাষ্ট্রের নেতারা... [[ওয়ারশ|ওয়ারশতে]] হাঁটু গেড়ে বসা [[উইলি ব্র্যান্ট]]। গদানস্কের ডক শ্রমিকরা, তাদের [[নৌ স্থাপত্য|জাহাজ নির্মাণ কারখানার]] ফটকে। হাতে হাত ধরে মিতেরঁ এবং [[হেলমুট কোল|কোল]]। ১৯৮৯ সালে [[তালিন]] থেকে [[রিগা]] হয়ে [[ভিলনিয়াস]] পর্যন্ত ২০ লক্ষ মানুষের এক মানবশৃঙ্খল। এই মুহূর্তগুলো ইউরোপকে সারিয়ে তুলেছিল। ** [[w:হার্মান ভ্যান রম্পুই|হার্মান ভ্যান রম্পুই]], [https://www.nobelprize.org/prizes/peace/2012/eu/lecture/ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নোবেল শান্তি পুরস্কার বক্তৃতা], ১০ ডিসেম্বর ২০১২ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{Commons|বিষয়শ্রেণী:ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ|ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ}} * [http://www.mitterrand.org ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ ইনস্টিটিউট] * [http://fr.wikisource.org/wiki/Inauguration_du_Grand_Louvre মিতেরঁ কর্তৃক লুভর উদ্বোধনী ভাষণ] * [http://www.guardian.co.uk/france/story/0,,1676950,00.html ফরাসি রাষ্ট্রপতি জরিপ (০১/২০০৬)] * [http://www.thenation.com/doc.mhtml?i=19960129&s=singer "মিতেরঁ'স লিগ্যাসি"] (১৯৯৬), ''[[w:দ্য নেশন (মার্কিন সাময়িকী)|দ্য নেশন]]''-এ প্রকাশিত {{DEFAULTSORT:মিতেরঁ, ফ্রঁসোয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:সরকার মন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের আইনজীবী]] [[বিষয়শ্রেণী:অজ্ঞেয়বাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৬-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:স্নায়ুযুদ্ধের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপীয় ইউনিয়নের পথপ্রদর্শক]] 8069evalxioasv0skpobjt4eqka8qde 81813 81812 2026-04-28T03:27:37Z Sumanta3023 4175 /* উক্তি */ 81813 wikitext text/x-wiki [[Image:Reagan_Mitterrand_1984_(cropped).jpg|thumb|right|তরুণরা সবসময় সঠিক হয় না, কিন্তু যে সমাজ তাদের উপেক্ষা করে এবং তাদের ওপর আঘাত হানে, সেই সমাজ সবসময় ভুল।]] '''[[w:ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ|ফ্রঁসোয়া মরিস অ্যাড্রিয়েন মারি মিতেরঁ]]''' (২৬ অক্টোবর ১৯১৬ – ৮ জানুয়ারি ১৯৯৬) ছিলেন একজন [[ফ্রান্স|ফরাসি]] রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯৮১ সালের মে মাসে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, ১৯৮৮ সালে পুনরায় নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ==উক্তি== * আমাদের দেশে [[w:বোনাপার্টবাদ|বোনাপার্টবাদের]] একটি শক্তিশালী ধারাবাহিকতা বিদ্যমান, যেখানে [[ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] মহত্ত্বের আকাঙ্ক্ষা, [[রাজতন্ত্র|রাজতান্ত্রিক]] ঐতিহ্য, [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের প্রতি আবেগ]] এবং [[ফরাসি বিপ্লব|জ্যাকোবিন]] ঐতিহ্য একত্রিত হয়েছে। ** ''[[w:ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ|ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ]]'' (১৯৬৪) দ্বিতীয় অংশ, অধ্যায় ১ * জনগণের [[সার্বভৌমত্ব|সার্বভৌমত্বের]] প্রতিটি বিপর্যয় এবং প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি বিলুপ্তির সাথে রাজকীয় [[বিচার ব্যবস্থা|বিচার ব্যবস্থার]] প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ পুনঃপ্রতিষ্ঠা জড়িত। "আপনি কিসের ভিত্তিতে বিচার করেন তা আমাকে বলুন, আর আমি বলে দেব আপনি কে।" [...] রাজনীতিতে এর চেয়ে নিশ্চিত কোনো স্বতঃসিদ্ধ আর নেই। ** ''ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ'' (১৯৬৪) তৃতীয় অংশ * আজ সন্ধ্যায় যা শুরু হয়েছে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না; এবং যেহেতু আপনারা [[শ্রমিক আন্দোলন|শ্রমিক জগতের শক্তির]] প্রতিনিধিত্ব করছেন, আপনারা যারা যৌবনের শক্তি, আপনাদের বিজয় অনিবার্য। ** শাতো-শিনোঁ (১৯৭৪) * প্রত্যেক মহান ব্যক্তির পেছনে একজন [[w:রিচার্ড ডেলিসলে|রিচার্ড ডেলিসলে]] থাকেন। ** ''ল্যাবেঁই এ লার্কিতেক'' [''দ্য বি অ্যান্ড দ্য আর্কিটেক্ট''] (১৯৮০) অধ্যায় ৬ * আমার কাছে [[গ্রিস]] মানেই হলো [[w:মারিয়া ফারান্তুরি|মারিয়া ফারান্তুরি]]। আমি দেবী হেরাকে ঠিক এভাবেই কল্পনা করেছিলাম: শক্তিশালী, বিশুদ্ধ এবং অতন্দ্র। ঐশ্বরিক সত্তার এমন তীব্র অনুভূতি দিতে পারেন, এমন আর কোনো শিল্পীর দেখা আমি পাইনি। ** ''ল্যাবেঁই এ লার্কিতেক'' [''দ্য বি অ্যান্ড দ্য আর্কিটেক্ট''] (১৯৮০) * অতীতের মানুষ। ** [[w:ভালেরি জিসকার দেস্তাঁ|ভালেরি জিসকার দেস্তাঁ]]র সাথে বিতর্ক, পরবর্তী ব্যক্তিকে বিশেষায়িত করে (মে ১৯৮১) * একজনকে অবশ্যই তার [[কুসংস্কার|কুসংস্কারকে]] জয় করতে হবে। আমি এখানে আপনাদের কাছে যা দাবি করছি তা প্রায় অসম্ভব, কারণ আমাদের নিজেদের ইতিহাসকে জয় করতে হবে। এবং তবুও, যদি আমরা একে জয় করতে না পারি, তবে একটি নিয়ম আমাদের ওপর চেপে বসবে তা জেনে রাখুন, মহোদয় ও মহোদয়াগণ: '''[[w:জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদ]] মানেই [[যুদ্ধ]]'''! যুদ্ধ কেবল আমাদের অতীত নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যৎও হতে পারে; এবং আপনারা যারা [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট|পার্লামেন্টের]] সদস্য, আপনারাই এখন থেকে আমাদের [[শান্তি]], আমাদের [[নিরাপত্তা]] এবং এই ভবিষ্যতের রক্ষক। ** ইউরোপীয় পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তৃতা (১৭ জানুয়ারি ১৯৯৫) * আমি আধ্যাত্মিক শক্তিতে বিশ্বাস করি, এবং আমি আপনাদের ছেড়ে যাব না। ** ফরাসি জনগণের উদ্দেশ্যে শেষ টেলিভিশন ভাষণ, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৪ == গুণাবলী আরোপ করা হয়েছে == * "এই ধরনের দেশগুলিতে, [[গণহত্যা|গণহত্যা]] খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়..." ** ২৬ এপ্রিল ১৯৯৯ তারিখে ''দ্য নিউ ইয়র্কার''-এ ফিলিপ গুরেভিচ কর্তৃক "রিভার্সিং দ্য রিভার্সালস অফ ওয়ার" নিবন্ধে রাষ্ট্রপতি মিতেরঁ এর প্রতি আরোপিত রুয়ান্ডা সম্পর্কিত মন্তব্য। * আমি বলতে চাইতাম, আন্তরিকতা। কিন্তু এটি আসলে, উদাসীনতা। ** একজন রাজনীতিবিদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ সম্পর্কে। ** এম. জে. আত্তালি কর্তৃক আরোপিত। আর. কট্রেল কর্তৃক উদ্ধৃত, ''দ্য স্পেক্টেটর'', ২২ মে ১৯৯৩। == মিতেরঁ সম্পর্কে উক্তি == * ১৯৮০-এর দশক ছিল আমূল [[রক্ষণশীলতা|রক্ষণশীল]] একটি দশক, এমনকি যেখানে [[সমাজতন্ত্র|সমাজতান্ত্রিক]] বা লেবার সরকার নির্বাচিত হয়েছিল, সেখানেও [[মার্ক্সবাদ]], [[সমষ্টিবাদ]] এবং [[বামপন্থী রাজনীতি|বামপন্থার]] সমস্ত ঐতিহ্যবাহী 'বাদ' বা 'িজম' থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয় ছিল। এই প্রক্রিয়াটি ফ্রান্সে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল। তেইশ বছরের [[w:গোলবাদ|গোলবাদ]] এবং তার উত্তরসূরিদের পর ১৯৮১ সালে সমাজতান্ত্রিক ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় সমাজতান্ত্রিক [[সমতাবাদ]] এবং ব্যবসা-বিরোধী নীতির একটি সংক্ষিপ্ত সময়কাল শুরু হয়; যা দ্রুত ফ্রাঁ-এর টানা তিনবার অবমূল্যায়নের দিকে পরিচালিত করে। এরপর, ফরাসি [[w:সোশ্যালিস্ট পার্টি (ফ্রান্স)|সোশ্যালিস্ট পার্টি]] দ্রুত [[ডানপন্থী রাজনীতি|ডানপন্থা]] এবং [[মুক্ত বাজার|মুক্ত-বাজার]] নীতির দিকে অগ্রসর হয়; এবং ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে ও ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে সমাজতান্ত্রিক ও রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে ক্ষমতার পালাবদল [[অর্থনৈতিক নীতি]], [[প্রতিরক্ষা]] বা [[পররাষ্ট্র নীতি|পররাষ্ট্র বিষয়ে]] খুব কমই পার্থক্য তৈরি করেছিল বলে মনে হয়। ** [[পল জনসন]], ''মডার্ন টাইমস: দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্রম দ্য টুয়েন্টিজ টু দ্য নাইনটিজ'', ১৯৯২ * আমরা পারমাণবিক হুমকির শত্রু এবং আমরা [[দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর|দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে]] [[পারমাণবিক অস্ত্র]] পরীক্ষার শত্রু। [[নিউজিল্যান্ড]] এই দ্বন্দ্বে স্বেচ্ছায় জড়ায়নি। ফ্রান্স নিউজিল্যান্ডে তাদের গুপ্তচর পাঠিয়েছে। ফ্রান্স নিউজিল্যান্ডে স্পাই পাঠিয়েছে। ফ্রান্স প্রশান্ত মহাসাগরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। ফ্রান্স তার রাষ্ট্রপতিকে প্রশান্ত মহাসাগরে পাঠায় এই নিয়ে দম্ভ করার জন্য। ** [[ডেভিড ল্যাঞ্জ]], উৎস: এম. কিং, ''ডেথ অফ দ্য রেইনবো ওয়ারিয়র'' (১৯৮৬), পৃষ্ঠা ২০০। ** [[w:রেইনবো ওয়ারিয়র নিমজ্জন|রেইনবো ওয়ারিয়র বোমা হামলার]] প্রসঙ্গে। * ১৯৮০-এর দশকের যাত্রাটি বেশ দীর্ঘ ছিল এবং আমরা কিছু উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়েও ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। আর শেষ পর্যন্ত, আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছি। বাস্তবতা হলো, গ্রেনাডা থেকে [[ওয়াশিংটন, ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] ও [[মস্কো]] শীর্ষ সম্মেলন, [[wikipedia:early_1980s_recession|'৮১ থেকে '৮২ সালের মন্দা]] থেকে শুরু করে '৮২-এর শেষের দিকে শুরু হওয়া প্রবৃদ্ধি যা আজ অবধি অব্যাহত রয়েছে আমরা একটি পরিবর্তন আনতে পেরেছি। আমার দৃষ্টিতে দুটি বড় জয় ছিল, যে দুটি জিনিসের জন্য আমি সবচেয়ে বেশি গর্বিত। একটি হলো [[অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি|অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার]], যার মাধ্যমে [[যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] জনগণ ১ কোটি ৯০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পূরণ করেছে। অন্যটি হলো আমাদের মনোবল পুনরুদ্ধার। বিশ্বে আমেরিকা আবারও সম্মানিত এবং নেতৃত্বের জন্য তার দিকে তাকিয়ে থাকা হয়। কয়েক বছর আগের একটি ঘটনা এর কিছুটা প্রতিফলন ঘটায়। সেটি ১৯৮১ সালের কথা, আমি সে বছর [[কানাডা|কানাডায়]] অনুষ্ঠিত আমার প্রথম বড় অর্থনৈতিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলাম। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পর্যায়ক্রমে বৈঠকের স্থান পরিবর্তিত হয়। উদ্বোধনী সভাটি ছিল সাতটি [[শিল্পোন্নত দেশ|শিল্পোন্নত দেশের]] সরকারপ্রধানদের একটি আনুষ্ঠানিক নৈশভোজ। সেখানে আমি স্কুলের নবাগত ছেলের মতো বসে শুনছিলাম, আর সবার আলাপে ছিল কেবল 'ফ্রঁসোয়া' এই বা '[[হেলমুট কোল|হেলমুট]]' ওই। তারা পদবি ছেড়ে একে অপরকে প্রথম নামে ডাকছিলেন। এক পর্যায়ে আমি কিছুটা ঝুঁকে বললাম, "আমার নাম রন।" সেই বছরই আমরা এমন পদক্ষেপ শুরু করি যা একটি অর্থনৈতিক প্রত্যাবর্তন ঘটাবে বলে আমরা অনুভব করেছিলাম [[কর|কর]] ও [[প্রবিধান|নিয়ন্ত্রণ]] কমানো এবং [[সরকারি ব্যয়|ব্যয়]] সংকোচন শুরু করা। আর শীঘ্রই পুনরুদ্ধার শুরু হলো। দুই বছর পর, প্রায় একই ব্যক্তিদের নিয়ে আরেকটি অর্থনৈতিক শীর্ষ সম্মেলন। বড় উদ্বোধনী সভায় আমরা সবাই একত্রিত হলাম এবং হঠাৎ এক মুহূর্তের জন্য আমি দেখলাম সবাই কেবল আমার দিকে তাকিয়ে বসে আছে। তারপর তাদের একজন নীরবতা ভাঙলেন। তিনি বললেন, "আমাদের আমেরিকার অলৌকিক ঘটনাটি সম্পর্কে বলুন।" ** [[রোনাল্ড রেগান]], [https://millercenter.org/the-presidency/presidential-speeches/january-11-1989-farewell-address বিদায়ী ভাষণ], ১১ জানুয়ারি ১৯৮৯ * [[ক্ষমতা]] [[দুর্নীতি|দুর্নীতিগ্রস্ত]] করে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা আপনাকে সত্যিই কামুক করে তোলে। [[বিল ক্লিনটন|ক্লিনটন]], [[জ্যাক শিরাক|শিরাক]], [[মাও সে তুং|মাও]], মিতেরঁ। ** [[ডোনাল্ড সাদারল্যান্ড]], [[গ্যারি রস]]কে লেখা ইমেল "[https://www.businessinsider.com/donald-sutherland-hunger-games-email-2014-11 লেটারস ফ্রম দ্য রোজ গার্ডেন]", ২০১১; যা ''[[দ্য হাঙ্গার গেমস (চলচ্চিত্র)|দ্য হাঙ্গার গেমস]]'' (২০১২) চলচ্চিত্রের বিশেষ ফিচারে অন্তর্ভুক্ত। * অবশ্যই, [[ইউরোপীয় ইউনিয়ন|ইউনিয়ন]] ছাড়াও [[ইউরোপ|ইউরোপে]] [[শান্তি]] আসতে পারত। হয়তো। আমরা তা কখনোই জানতে পারব না। কিন্তু এটি কখনোই একই মানের হতো না। একটি স্থায়ী শান্তি, কেবল কোনো শীতল যুদ্ধবিরতি নয়। আমার কাছে যা একে বিশেষ করে তোলে, তা হলো পুনর্মিলন। জীবনে যেমন, রাজনীতিতেও পুনর্মিলন সবচেয়ে কঠিন কাজ। এটি ক্ষমা করা বা ভুলে যাওয়া অথবা কেবল পাতা উল্টানোর চেয়েও অনেক বেশি কিছু। [[ফ্রান্স]] এবং [[জার্মানি]] যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছিল তা ভাবলে..., এবং তারপর এই পদক্ষেপ নেওয়া... একটি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষর করা... প্রতিবার যখন আমি এই শব্দগুলো শুনি ''ফ্রুয়ান্ডশ্যাফ্ট'', ''অ্যামিটিয়ে'' আমি বিচলিত হয়ে পড়ি। এগুলো ব্যক্তিগত শব্দ, জাতিগুলোর মধ্যে চুক্তির জন্য নয়। কিন্তু ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে না দেওয়ার এবং আমূল নতুন কিছু করার ইচ্ছা এতটাই প্রবল ছিল যে নতুন শব্দ খুঁজে নিতে হয়েছিল। মানুষের কাছে ইউরোপ ছিল একটি প্রতিশ্রুতি, ইউরোপ মানেই ছিল আশা। ১৯৫১ সালে যখন [[কনরাড আডেনাওয়ার]] কয়লা ও ইস্পাত চুক্তি সম্পন্ন করতে [[প্যারিস|প্যারিসে]] আসেন, এক সন্ধ্যায় তিনি তার হোটেলে একটি উপহার পান। সেটি ছিল একটি যুদ্ধ পদক, ''উ্যন ক্রোয়া দ্য গের'', যা একজন [[ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী|ফরাসি সৈনিকের]] ছিল। তার মেয়ে, এক তরুণী শিক্ষার্থী, চ্যান্সেলরের জন্য পুনর্মিলন এবং আশার নিদর্শন হিসেবে একটি ছোট নোটসহ এটি রেখে গিয়েছিল। আমার চোখের সামনে আরও অনেক আলোড়ন সৃষ্টিকারী ছবি ভেসে ওঠে। এক নতুন ভবিষ্যৎ উন্মোচনের জন্য [[রোম|রোমে]] সমবেত ছয়টি রাষ্ট্রের নেতারা... [[ওয়ারশ|ওয়ারশতে]] হাঁটু গেড়ে বসা [[উইলি ব্র্যান্ট]]। গদানস্কের ডক শ্রমিকরা, তাদের [[নৌ স্থাপত্য|জাহাজ নির্মাণ কারখানার]] ফটকে। হাতে হাত ধরে মিতেরঁ এবং [[হেলমুট কোল|কোল]]। ১৯৮৯ সালে [[তালিন]] থেকে [[রিগা]] হয়ে [[ভিলনিয়াস]] পর্যন্ত ২০ লক্ষ মানুষের এক মানবশৃঙ্খল। এই মুহূর্তগুলো ইউরোপকে সারিয়ে তুলেছিল। ** [[w:হার্মান ভ্যান রম্পুই|হার্মান ভ্যান রম্পুই]], [https://www.nobelprize.org/prizes/peace/2012/eu/lecture/ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নোবেল শান্তি পুরস্কার বক্তৃতা], ১০ ডিসেম্বর ২০১২ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{Commons|বিষয়শ্রেণী:ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ|ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ}} * [http://www.mitterrand.org ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ ইনস্টিটিউট] * [http://fr.wikisource.org/wiki/Inauguration_du_Grand_Louvre মিতেরঁ কর্তৃক লুভর উদ্বোধনী ভাষণ] * [http://www.guardian.co.uk/france/story/0,,1676950,00.html ফরাসি রাষ্ট্রপতি জরিপ (০১/২০০৬)] * [http://www.thenation.com/doc.mhtml?i=19960129&s=singer "মিতেরঁ'স লিগ্যাসি"] (১৯৯৬), ''[[w:দ্য নেশন (মার্কিন সাময়িকী)|দ্য নেশন]]''-এ প্রকাশিত {{DEFAULTSORT:মিতেরঁ, ফ্রঁসোয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:সরকার মন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের আইনজীবী]] [[বিষয়শ্রেণী:অজ্ঞেয়বাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৬-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:স্নায়ুযুদ্ধের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপীয় ইউনিয়নের পথপ্রদর্শক]] 7owj10d79p9op4tyvx4d0zkms6015l6 81814 81813 2026-04-28T03:29:49Z Sumanta3023 4175 /* উক্তি */ 81814 wikitext text/x-wiki [[Image:Reagan_Mitterrand_1984_(cropped).jpg|thumb|right|তরুণরা সবসময় সঠিক হয় না, কিন্তু যে সমাজ তাদের উপেক্ষা করে এবং তাদের ওপর আঘাত হানে, সেই সমাজ সবসময় ভুল।]] '''[[w:ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ|ফ্রঁসোয়া মরিস অ্যাড্রিয়েন মারি মিতেরঁ]]''' (২৬ অক্টোবর ১৯১৬ – ৮ জানুয়ারি ১৯৯৬) ছিলেন একজন [[ফ্রান্স|ফরাসি]] রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯৮১ সালের মে মাসে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, ১৯৮৮ সালে পুনরায় নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ==উক্তি== * আমাদের দেশে [[w:বোনাপার্টবাদ|বোনাপার্টবাদের]] একটি শক্তিশালী ধারাবাহিকতা বিদ্যমান, যেখানে [[ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] মহত্ত্বের আকাঙ্ক্ষা, রাজতান্ত্রিক ঐতিহ্য, [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের প্রতি আবেগ]] এবং জ্যাকোবিন ঐতিহ্য একত্রিত হয়েছে। ** ''ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ|ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ'' (১৯৬৪) দ্বিতীয় অংশ, অধ্যায় ১ * জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রতিটি বিপর্যয় এবং প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি বিলুপ্তির সাথে রাজকীয় বিচার ব্যবস্থার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ পুনঃপ্রতিষ্ঠা জড়িত। "আপনি কিসের ভিত্তিতে বিচার করেন তা আমাকে বলুন, আর আমি বলে দেব আপনি কে।" [...] রাজনীতিতে এর চেয়ে নিশ্চিত কোনো স্বতঃসিদ্ধ আর নেই। ** ''ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ'' (১৯৬৪) তৃতীয় অংশ * আজ সন্ধ্যায় যা শুরু হয়েছে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না; এবং যেহেতু আপনারা শ্রমিক জগতের শক্তির প্রতিনিধিত্ব করছেন, আপনারা যারা যৌবনের শক্তি, আপনাদের বিজয় অনিবার্য। ** শাতো-শিনোঁ (১৯৭৪) * প্রত্যেক মহান ব্যক্তির পেছনে একজন [[w:রিচার্ড ডেলিসলে|রিচার্ড ডেলিসলে]] থাকেন। ** ''ল্যাবেঁই এ লার্কিতেক'' [''দ্য বি অ্যান্ড দ্য আর্কিটেক্ট''] (১৯৮০) অধ্যায় ৬ * আমার কাছে গ্রিস মানেই হলো [[w:মারিয়া ফারান্তুরি|মারিয়া ফারান্তুরি]]। আমি দেবী হেরাকে ঠিক এভাবেই কল্পনা করেছিলাম: শক্তিশালী, বিশুদ্ধ এবং অতন্দ্র। ঐশ্বরিক সত্তার এমন তীব্র অনুভূতি দিতে পারেন, এমন আর কোনো শিল্পীর দেখা আমি পাইনি। ** ''ল্যাবেঁই এ লার্কিতেক'' [''দ্য বি অ্যান্ড দ্য আর্কিটেক্ট''] (১৯৮০) * অতীতের মানুষ। ** [[w:ভালেরি জিসকার দেস্তাঁ|ভালেরি জিসকার দেস্তাঁ]]র সাথে বিতর্ক, পরবর্তী ব্যক্তিকে বিশেষায়িত করে (মে ১৯৮১) * একজনকে অবশ্যই তার কুসংস্কারকে জয় করতে হবে। আমি এখানে আপনাদের কাছে যা দাবি করছি তা প্রায় অসম্ভব, কারণ আমাদের নিজেদের ইতিহাসকে জয় করতে হবে। এবং তবুও, যদি আমরা একে জয় করতে না পারি, তবে একটি নিয়ম আমাদের ওপর চেপে বসবে তা জেনে রাখুন, মহোদয় ও মহোদয়াগণ: '''[[w:জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদ]] মানেই [[যুদ্ধ]]'''! যুদ্ধ কেবল আমাদের অতীত নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যৎও হতে পারে; এবং আপনারা যারা [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট|পার্লামেন্টের]] সদস্য, আপনারাই এখন থেকে আমাদের [[শান্তি]], আমাদের নিরাপত্তা এবং এই ভবিষ্যতের রক্ষক। ** ইউরোপীয় পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তৃতা (১৭ জানুয়ারি ১৯৯৫) * আমি আধ্যাত্মিক শক্তিতে বিশ্বাস করি, এবং আমি আপনাদের ছেড়ে যাব না। ** ফরাসি জনগণের উদ্দেশ্যে শেষ টেলিভিশন ভাষণ, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৪ == গুণাবলী আরোপ করা হয়েছে == * "এই ধরনের দেশগুলিতে, [[গণহত্যা|গণহত্যা]] খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়..." ** ২৬ এপ্রিল ১৯৯৯ তারিখে ''দ্য নিউ ইয়র্কার''-এ ফিলিপ গুরেভিচ কর্তৃক "রিভার্সিং দ্য রিভার্সালস অফ ওয়ার" নিবন্ধে রাষ্ট্রপতি মিতেরঁ এর প্রতি আরোপিত রুয়ান্ডা সম্পর্কিত মন্তব্য। * আমি বলতে চাইতাম, আন্তরিকতা। কিন্তু এটি আসলে, উদাসীনতা। ** একজন রাজনীতিবিদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ সম্পর্কে। ** এম. জে. আত্তালি কর্তৃক আরোপিত। আর. কট্রেল কর্তৃক উদ্ধৃত, ''দ্য স্পেক্টেটর'', ২২ মে ১৯৯৩। == মিতেরঁ সম্পর্কে উক্তি == * ১৯৮০-এর দশক ছিল আমূল [[রক্ষণশীলতা|রক্ষণশীল]] একটি দশক, এমনকি যেখানে [[সমাজতন্ত্র|সমাজতান্ত্রিক]] বা লেবার সরকার নির্বাচিত হয়েছিল, সেখানেও [[মার্ক্সবাদ]], [[সমষ্টিবাদ]] এবং [[বামপন্থী রাজনীতি|বামপন্থার]] সমস্ত ঐতিহ্যবাহী 'বাদ' বা 'িজম' থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয় ছিল। এই প্রক্রিয়াটি ফ্রান্সে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল। তেইশ বছরের [[w:গোলবাদ|গোলবাদ]] এবং তার উত্তরসূরিদের পর ১৯৮১ সালে সমাজতান্ত্রিক ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় সমাজতান্ত্রিক [[সমতাবাদ]] এবং ব্যবসা-বিরোধী নীতির একটি সংক্ষিপ্ত সময়কাল শুরু হয়; যা দ্রুত ফ্রাঁ-এর টানা তিনবার অবমূল্যায়নের দিকে পরিচালিত করে। এরপর, ফরাসি [[w:সোশ্যালিস্ট পার্টি (ফ্রান্স)|সোশ্যালিস্ট পার্টি]] দ্রুত [[ডানপন্থী রাজনীতি|ডানপন্থা]] এবং [[মুক্ত বাজার|মুক্ত-বাজার]] নীতির দিকে অগ্রসর হয়; এবং ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে ও ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে সমাজতান্ত্রিক ও রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে ক্ষমতার পালাবদল [[অর্থনৈতিক নীতি]], [[প্রতিরক্ষা]] বা [[পররাষ্ট্র নীতি|পররাষ্ট্র বিষয়ে]] খুব কমই পার্থক্য তৈরি করেছিল বলে মনে হয়। ** [[পল জনসন]], ''মডার্ন টাইমস: দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্রম দ্য টুয়েন্টিজ টু দ্য নাইনটিজ'', ১৯৯২ * আমরা পারমাণবিক হুমকির শত্রু এবং আমরা [[দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর|দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে]] [[পারমাণবিক অস্ত্র]] পরীক্ষার শত্রু। [[নিউজিল্যান্ড]] এই দ্বন্দ্বে স্বেচ্ছায় জড়ায়নি। ফ্রান্স নিউজিল্যান্ডে তাদের গুপ্তচর পাঠিয়েছে। ফ্রান্স নিউজিল্যান্ডে স্পাই পাঠিয়েছে। ফ্রান্স প্রশান্ত মহাসাগরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। ফ্রান্স তার রাষ্ট্রপতিকে প্রশান্ত মহাসাগরে পাঠায় এই নিয়ে দম্ভ করার জন্য। ** [[ডেভিড ল্যাঞ্জ]], উৎস: এম. কিং, ''ডেথ অফ দ্য রেইনবো ওয়ারিয়র'' (১৯৮৬), পৃষ্ঠা ২০০। ** [[w:রেইনবো ওয়ারিয়র নিমজ্জন|রেইনবো ওয়ারিয়র বোমা হামলার]] প্রসঙ্গে। * ১৯৮০-এর দশকের যাত্রাটি বেশ দীর্ঘ ছিল এবং আমরা কিছু উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়েও ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। আর শেষ পর্যন্ত, আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছি। বাস্তবতা হলো, গ্রেনাডা থেকে [[ওয়াশিংটন, ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] ও [[মস্কো]] শীর্ষ সম্মেলন, [[wikipedia:early_1980s_recession|'৮১ থেকে '৮২ সালের মন্দা]] থেকে শুরু করে '৮২-এর শেষের দিকে শুরু হওয়া প্রবৃদ্ধি যা আজ অবধি অব্যাহত রয়েছে আমরা একটি পরিবর্তন আনতে পেরেছি। আমার দৃষ্টিতে দুটি বড় জয় ছিল, যে দুটি জিনিসের জন্য আমি সবচেয়ে বেশি গর্বিত। একটি হলো [[অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি|অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার]], যার মাধ্যমে [[যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] জনগণ ১ কোটি ৯০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পূরণ করেছে। অন্যটি হলো আমাদের মনোবল পুনরুদ্ধার। বিশ্বে আমেরিকা আবারও সম্মানিত এবং নেতৃত্বের জন্য তার দিকে তাকিয়ে থাকা হয়। কয়েক বছর আগের একটি ঘটনা এর কিছুটা প্রতিফলন ঘটায়। সেটি ১৯৮১ সালের কথা, আমি সে বছর [[কানাডা|কানাডায়]] অনুষ্ঠিত আমার প্রথম বড় অর্থনৈতিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলাম। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পর্যায়ক্রমে বৈঠকের স্থান পরিবর্তিত হয়। উদ্বোধনী সভাটি ছিল সাতটি [[শিল্পোন্নত দেশ|শিল্পোন্নত দেশের]] সরকারপ্রধানদের একটি আনুষ্ঠানিক নৈশভোজ। সেখানে আমি স্কুলের নবাগত ছেলের মতো বসে শুনছিলাম, আর সবার আলাপে ছিল কেবল 'ফ্রঁসোয়া' এই বা '[[হেলমুট কোল|হেলমুট]]' ওই। তারা পদবি ছেড়ে একে অপরকে প্রথম নামে ডাকছিলেন। এক পর্যায়ে আমি কিছুটা ঝুঁকে বললাম, "আমার নাম রন।" সেই বছরই আমরা এমন পদক্ষেপ শুরু করি যা একটি অর্থনৈতিক প্রত্যাবর্তন ঘটাবে বলে আমরা অনুভব করেছিলাম [[কর|কর]] ও [[প্রবিধান|নিয়ন্ত্রণ]] কমানো এবং [[সরকারি ব্যয়|ব্যয়]] সংকোচন শুরু করা। আর শীঘ্রই পুনরুদ্ধার শুরু হলো। দুই বছর পর, প্রায় একই ব্যক্তিদের নিয়ে আরেকটি অর্থনৈতিক শীর্ষ সম্মেলন। বড় উদ্বোধনী সভায় আমরা সবাই একত্রিত হলাম এবং হঠাৎ এক মুহূর্তের জন্য আমি দেখলাম সবাই কেবল আমার দিকে তাকিয়ে বসে আছে। তারপর তাদের একজন নীরবতা ভাঙলেন। তিনি বললেন, "আমাদের আমেরিকার অলৌকিক ঘটনাটি সম্পর্কে বলুন।" ** [[রোনাল্ড রেগান]], [https://millercenter.org/the-presidency/presidential-speeches/january-11-1989-farewell-address বিদায়ী ভাষণ], ১১ জানুয়ারি ১৯৮৯ * [[ক্ষমতা]] [[দুর্নীতি|দুর্নীতিগ্রস্ত]] করে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা আপনাকে সত্যিই কামুক করে তোলে। [[বিল ক্লিনটন|ক্লিনটন]], [[জ্যাক শিরাক|শিরাক]], [[মাও সে তুং|মাও]], মিতেরঁ। ** [[ডোনাল্ড সাদারল্যান্ড]], [[গ্যারি রস]]কে লেখা ইমেল "[https://www.businessinsider.com/donald-sutherland-hunger-games-email-2014-11 লেটারস ফ্রম দ্য রোজ গার্ডেন]", ২০১১; যা ''[[দ্য হাঙ্গার গেমস (চলচ্চিত্র)|দ্য হাঙ্গার গেমস]]'' (২০১২) চলচ্চিত্রের বিশেষ ফিচারে অন্তর্ভুক্ত। * অবশ্যই, [[ইউরোপীয় ইউনিয়ন|ইউনিয়ন]] ছাড়াও [[ইউরোপ|ইউরোপে]] [[শান্তি]] আসতে পারত। হয়তো। আমরা তা কখনোই জানতে পারব না। কিন্তু এটি কখনোই একই মানের হতো না। একটি স্থায়ী শান্তি, কেবল কোনো শীতল যুদ্ধবিরতি নয়। আমার কাছে যা একে বিশেষ করে তোলে, তা হলো পুনর্মিলন। জীবনে যেমন, রাজনীতিতেও পুনর্মিলন সবচেয়ে কঠিন কাজ। এটি ক্ষমা করা বা ভুলে যাওয়া অথবা কেবল পাতা উল্টানোর চেয়েও অনেক বেশি কিছু। [[ফ্রান্স]] এবং [[জার্মানি]] যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছিল তা ভাবলে..., এবং তারপর এই পদক্ষেপ নেওয়া... একটি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষর করা... প্রতিবার যখন আমি এই শব্দগুলো শুনি ''ফ্রুয়ান্ডশ্যাফ্ট'', ''অ্যামিটিয়ে'' আমি বিচলিত হয়ে পড়ি। এগুলো ব্যক্তিগত শব্দ, জাতিগুলোর মধ্যে চুক্তির জন্য নয়। কিন্তু ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে না দেওয়ার এবং আমূল নতুন কিছু করার ইচ্ছা এতটাই প্রবল ছিল যে নতুন শব্দ খুঁজে নিতে হয়েছিল। মানুষের কাছে ইউরোপ ছিল একটি প্রতিশ্রুতি, ইউরোপ মানেই ছিল আশা। ১৯৫১ সালে যখন [[কনরাড আডেনাওয়ার]] কয়লা ও ইস্পাত চুক্তি সম্পন্ন করতে [[প্যারিস|প্যারিসে]] আসেন, এক সন্ধ্যায় তিনি তার হোটেলে একটি উপহার পান। সেটি ছিল একটি যুদ্ধ পদক, ''উ্যন ক্রোয়া দ্য গের'', যা একজন [[ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী|ফরাসি সৈনিকের]] ছিল। তার মেয়ে, এক তরুণী শিক্ষার্থী, চ্যান্সেলরের জন্য পুনর্মিলন এবং আশার নিদর্শন হিসেবে একটি ছোট নোটসহ এটি রেখে গিয়েছিল। আমার চোখের সামনে আরও অনেক আলোড়ন সৃষ্টিকারী ছবি ভেসে ওঠে। এক নতুন ভবিষ্যৎ উন্মোচনের জন্য [[রোম|রোমে]] সমবেত ছয়টি রাষ্ট্রের নেতারা... [[ওয়ারশ|ওয়ারশতে]] হাঁটু গেড়ে বসা [[উইলি ব্র্যান্ট]]। গদানস্কের ডক শ্রমিকরা, তাদের [[নৌ স্থাপত্য|জাহাজ নির্মাণ কারখানার]] ফটকে। হাতে হাত ধরে মিতেরঁ এবং [[হেলমুট কোল|কোল]]। ১৯৮৯ সালে [[তালিন]] থেকে [[রিগা]] হয়ে [[ভিলনিয়াস]] পর্যন্ত ২০ লক্ষ মানুষের এক মানবশৃঙ্খল। এই মুহূর্তগুলো ইউরোপকে সারিয়ে তুলেছিল। ** [[w:হার্মান ভ্যান রম্পুই|হার্মান ভ্যান রম্পুই]], [https://www.nobelprize.org/prizes/peace/2012/eu/lecture/ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নোবেল শান্তি পুরস্কার বক্তৃতা], ১০ ডিসেম্বর ২০১২ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{Commons|বিষয়শ্রেণী:ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ|ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ}} * [http://www.mitterrand.org ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ ইনস্টিটিউট] * [http://fr.wikisource.org/wiki/Inauguration_du_Grand_Louvre মিতেরঁ কর্তৃক লুভর উদ্বোধনী ভাষণ] * [http://www.guardian.co.uk/france/story/0,,1676950,00.html ফরাসি রাষ্ট্রপতি জরিপ (০১/২০০৬)] * [http://www.thenation.com/doc.mhtml?i=19960129&s=singer "মিতেরঁ'স লিগ্যাসি"] (১৯৯৬), ''[[w:দ্য নেশন (মার্কিন সাময়িকী)|দ্য নেশন]]''-এ প্রকাশিত {{DEFAULTSORT:মিতেরঁ, ফ্রঁসোয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:সরকার মন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের আইনজীবী]] [[বিষয়শ্রেণী:অজ্ঞেয়বাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৬-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:স্নায়ুযুদ্ধের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপীয় ইউনিয়নের পথপ্রদর্শক]] rj5agqrxulkz6vapop0w7ohero4xbfn 81815 81814 2026-04-28T03:30:08Z Sumanta3023 4175 /* গুণাবলী আরোপ করা হয়েছে */ 81815 wikitext text/x-wiki [[Image:Reagan_Mitterrand_1984_(cropped).jpg|thumb|right|তরুণরা সবসময় সঠিক হয় না, কিন্তু যে সমাজ তাদের উপেক্ষা করে এবং তাদের ওপর আঘাত হানে, সেই সমাজ সবসময় ভুল।]] '''[[w:ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ|ফ্রঁসোয়া মরিস অ্যাড্রিয়েন মারি মিতেরঁ]]''' (২৬ অক্টোবর ১৯১৬ – ৮ জানুয়ারি ১৯৯৬) ছিলেন একজন [[ফ্রান্স|ফরাসি]] রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯৮১ সালের মে মাসে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, ১৯৮৮ সালে পুনরায় নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ==উক্তি== * আমাদের দেশে [[w:বোনাপার্টবাদ|বোনাপার্টবাদের]] একটি শক্তিশালী ধারাবাহিকতা বিদ্যমান, যেখানে [[ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] মহত্ত্বের আকাঙ্ক্ষা, রাজতান্ত্রিক ঐতিহ্য, [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের প্রতি আবেগ]] এবং জ্যাকোবিন ঐতিহ্য একত্রিত হয়েছে। ** ''ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ|ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ'' (১৯৬৪) দ্বিতীয় অংশ, অধ্যায় ১ * জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রতিটি বিপর্যয় এবং প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি বিলুপ্তির সাথে রাজকীয় বিচার ব্যবস্থার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ পুনঃপ্রতিষ্ঠা জড়িত। "আপনি কিসের ভিত্তিতে বিচার করেন তা আমাকে বলুন, আর আমি বলে দেব আপনি কে।" [...] রাজনীতিতে এর চেয়ে নিশ্চিত কোনো স্বতঃসিদ্ধ আর নেই। ** ''ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ'' (১৯৬৪) তৃতীয় অংশ * আজ সন্ধ্যায় যা শুরু হয়েছে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না; এবং যেহেতু আপনারা শ্রমিক জগতের শক্তির প্রতিনিধিত্ব করছেন, আপনারা যারা যৌবনের শক্তি, আপনাদের বিজয় অনিবার্য। ** শাতো-শিনোঁ (১৯৭৪) * প্রত্যেক মহান ব্যক্তির পেছনে একজন [[w:রিচার্ড ডেলিসলে|রিচার্ড ডেলিসলে]] থাকেন। ** ''ল্যাবেঁই এ লার্কিতেক'' [''দ্য বি অ্যান্ড দ্য আর্কিটেক্ট''] (১৯৮০) অধ্যায় ৬ * আমার কাছে গ্রিস মানেই হলো [[w:মারিয়া ফারান্তুরি|মারিয়া ফারান্তুরি]]। আমি দেবী হেরাকে ঠিক এভাবেই কল্পনা করেছিলাম: শক্তিশালী, বিশুদ্ধ এবং অতন্দ্র। ঐশ্বরিক সত্তার এমন তীব্র অনুভূতি দিতে পারেন, এমন আর কোনো শিল্পীর দেখা আমি পাইনি। ** ''ল্যাবেঁই এ লার্কিতেক'' [''দ্য বি অ্যান্ড দ্য আর্কিটেক্ট''] (১৯৮০) * অতীতের মানুষ। ** [[w:ভালেরি জিসকার দেস্তাঁ|ভালেরি জিসকার দেস্তাঁ]]র সাথে বিতর্ক, পরবর্তী ব্যক্তিকে বিশেষায়িত করে (মে ১৯৮১) * একজনকে অবশ্যই তার কুসংস্কারকে জয় করতে হবে। আমি এখানে আপনাদের কাছে যা দাবি করছি তা প্রায় অসম্ভব, কারণ আমাদের নিজেদের ইতিহাসকে জয় করতে হবে। এবং তবুও, যদি আমরা একে জয় করতে না পারি, তবে একটি নিয়ম আমাদের ওপর চেপে বসবে তা জেনে রাখুন, মহোদয় ও মহোদয়াগণ: '''[[w:জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদ]] মানেই [[যুদ্ধ]]'''! যুদ্ধ কেবল আমাদের অতীত নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যৎও হতে পারে; এবং আপনারা যারা [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট|পার্লামেন্টের]] সদস্য, আপনারাই এখন থেকে আমাদের [[শান্তি]], আমাদের নিরাপত্তা এবং এই ভবিষ্যতের রক্ষক। ** ইউরোপীয় পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তৃতা (১৭ জানুয়ারি ১৯৯৫) * আমি আধ্যাত্মিক শক্তিতে বিশ্বাস করি, এবং আমি আপনাদের ছেড়ে যাব না। ** ফরাসি জনগণের উদ্দেশ্যে শেষ টেলিভিশন ভাষণ, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৪ == গুণাবলী আরোপ করা হয়েছে == * "এই ধরনের দেশগুলিতে, গণহত্যা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়..." ** ২৬ এপ্রিল ১৯৯৯ তারিখে ''দ্য নিউ ইয়র্কার''-এ ফিলিপ গুরেভিচ কর্তৃক "রিভার্সিং দ্য রিভার্সালস অফ ওয়ার" নিবন্ধে রাষ্ট্রপতি মিতেরঁ এর প্রতি আরোপিত রুয়ান্ডা সম্পর্কিত মন্তব্য। * আমি বলতে চাইতাম, আন্তরিকতা। কিন্তু এটি আসলে, উদাসীনতা। ** একজন রাজনীতিবিদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ সম্পর্কে। ** এম. জে. আত্তালি কর্তৃক আরোপিত। আর. কট্রেল কর্তৃক উদ্ধৃত, ''দ্য স্পেক্টেটর'', ২২ মে ১৯৯৩। == মিতেরঁ সম্পর্কে উক্তি == * ১৯৮০-এর দশক ছিল আমূল [[রক্ষণশীলতা|রক্ষণশীল]] একটি দশক, এমনকি যেখানে [[সমাজতন্ত্র|সমাজতান্ত্রিক]] বা লেবার সরকার নির্বাচিত হয়েছিল, সেখানেও [[মার্ক্সবাদ]], [[সমষ্টিবাদ]] এবং [[বামপন্থী রাজনীতি|বামপন্থার]] সমস্ত ঐতিহ্যবাহী 'বাদ' বা 'িজম' থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয় ছিল। এই প্রক্রিয়াটি ফ্রান্সে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল। তেইশ বছরের [[w:গোলবাদ|গোলবাদ]] এবং তার উত্তরসূরিদের পর ১৯৮১ সালে সমাজতান্ত্রিক ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় সমাজতান্ত্রিক [[সমতাবাদ]] এবং ব্যবসা-বিরোধী নীতির একটি সংক্ষিপ্ত সময়কাল শুরু হয়; যা দ্রুত ফ্রাঁ-এর টানা তিনবার অবমূল্যায়নের দিকে পরিচালিত করে। এরপর, ফরাসি [[w:সোশ্যালিস্ট পার্টি (ফ্রান্স)|সোশ্যালিস্ট পার্টি]] দ্রুত [[ডানপন্থী রাজনীতি|ডানপন্থা]] এবং [[মুক্ত বাজার|মুক্ত-বাজার]] নীতির দিকে অগ্রসর হয়; এবং ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে ও ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে সমাজতান্ত্রিক ও রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে ক্ষমতার পালাবদল [[অর্থনৈতিক নীতি]], [[প্রতিরক্ষা]] বা [[পররাষ্ট্র নীতি|পররাষ্ট্র বিষয়ে]] খুব কমই পার্থক্য তৈরি করেছিল বলে মনে হয়। ** [[পল জনসন]], ''মডার্ন টাইমস: দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্রম দ্য টুয়েন্টিজ টু দ্য নাইনটিজ'', ১৯৯২ * আমরা পারমাণবিক হুমকির শত্রু এবং আমরা [[দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর|দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে]] [[পারমাণবিক অস্ত্র]] পরীক্ষার শত্রু। [[নিউজিল্যান্ড]] এই দ্বন্দ্বে স্বেচ্ছায় জড়ায়নি। ফ্রান্স নিউজিল্যান্ডে তাদের গুপ্তচর পাঠিয়েছে। ফ্রান্স নিউজিল্যান্ডে স্পাই পাঠিয়েছে। ফ্রান্স প্রশান্ত মহাসাগরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। ফ্রান্স তার রাষ্ট্রপতিকে প্রশান্ত মহাসাগরে পাঠায় এই নিয়ে দম্ভ করার জন্য। ** [[ডেভিড ল্যাঞ্জ]], উৎস: এম. কিং, ''ডেথ অফ দ্য রেইনবো ওয়ারিয়র'' (১৯৮৬), পৃষ্ঠা ২০০। ** [[w:রেইনবো ওয়ারিয়র নিমজ্জন|রেইনবো ওয়ারিয়র বোমা হামলার]] প্রসঙ্গে। * ১৯৮০-এর দশকের যাত্রাটি বেশ দীর্ঘ ছিল এবং আমরা কিছু উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়েও ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। আর শেষ পর্যন্ত, আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছি। বাস্তবতা হলো, গ্রেনাডা থেকে [[ওয়াশিংটন, ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] ও [[মস্কো]] শীর্ষ সম্মেলন, [[wikipedia:early_1980s_recession|'৮১ থেকে '৮২ সালের মন্দা]] থেকে শুরু করে '৮২-এর শেষের দিকে শুরু হওয়া প্রবৃদ্ধি যা আজ অবধি অব্যাহত রয়েছে আমরা একটি পরিবর্তন আনতে পেরেছি। আমার দৃষ্টিতে দুটি বড় জয় ছিল, যে দুটি জিনিসের জন্য আমি সবচেয়ে বেশি গর্বিত। একটি হলো [[অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি|অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার]], যার মাধ্যমে [[যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] জনগণ ১ কোটি ৯০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পূরণ করেছে। অন্যটি হলো আমাদের মনোবল পুনরুদ্ধার। বিশ্বে আমেরিকা আবারও সম্মানিত এবং নেতৃত্বের জন্য তার দিকে তাকিয়ে থাকা হয়। কয়েক বছর আগের একটি ঘটনা এর কিছুটা প্রতিফলন ঘটায়। সেটি ১৯৮১ সালের কথা, আমি সে বছর [[কানাডা|কানাডায়]] অনুষ্ঠিত আমার প্রথম বড় অর্থনৈতিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলাম। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পর্যায়ক্রমে বৈঠকের স্থান পরিবর্তিত হয়। উদ্বোধনী সভাটি ছিল সাতটি [[শিল্পোন্নত দেশ|শিল্পোন্নত দেশের]] সরকারপ্রধানদের একটি আনুষ্ঠানিক নৈশভোজ। সেখানে আমি স্কুলের নবাগত ছেলের মতো বসে শুনছিলাম, আর সবার আলাপে ছিল কেবল 'ফ্রঁসোয়া' এই বা '[[হেলমুট কোল|হেলমুট]]' ওই। তারা পদবি ছেড়ে একে অপরকে প্রথম নামে ডাকছিলেন। এক পর্যায়ে আমি কিছুটা ঝুঁকে বললাম, "আমার নাম রন।" সেই বছরই আমরা এমন পদক্ষেপ শুরু করি যা একটি অর্থনৈতিক প্রত্যাবর্তন ঘটাবে বলে আমরা অনুভব করেছিলাম [[কর|কর]] ও [[প্রবিধান|নিয়ন্ত্রণ]] কমানো এবং [[সরকারি ব্যয়|ব্যয়]] সংকোচন শুরু করা। আর শীঘ্রই পুনরুদ্ধার শুরু হলো। দুই বছর পর, প্রায় একই ব্যক্তিদের নিয়ে আরেকটি অর্থনৈতিক শীর্ষ সম্মেলন। বড় উদ্বোধনী সভায় আমরা সবাই একত্রিত হলাম এবং হঠাৎ এক মুহূর্তের জন্য আমি দেখলাম সবাই কেবল আমার দিকে তাকিয়ে বসে আছে। তারপর তাদের একজন নীরবতা ভাঙলেন। তিনি বললেন, "আমাদের আমেরিকার অলৌকিক ঘটনাটি সম্পর্কে বলুন।" ** [[রোনাল্ড রেগান]], [https://millercenter.org/the-presidency/presidential-speeches/january-11-1989-farewell-address বিদায়ী ভাষণ], ১১ জানুয়ারি ১৯৮৯ * [[ক্ষমতা]] [[দুর্নীতি|দুর্নীতিগ্রস্ত]] করে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা আপনাকে সত্যিই কামুক করে তোলে। [[বিল ক্লিনটন|ক্লিনটন]], [[জ্যাক শিরাক|শিরাক]], [[মাও সে তুং|মাও]], মিতেরঁ। ** [[ডোনাল্ড সাদারল্যান্ড]], [[গ্যারি রস]]কে লেখা ইমেল "[https://www.businessinsider.com/donald-sutherland-hunger-games-email-2014-11 লেটারস ফ্রম দ্য রোজ গার্ডেন]", ২০১১; যা ''[[দ্য হাঙ্গার গেমস (চলচ্চিত্র)|দ্য হাঙ্গার গেমস]]'' (২০১২) চলচ্চিত্রের বিশেষ ফিচারে অন্তর্ভুক্ত। * অবশ্যই, [[ইউরোপীয় ইউনিয়ন|ইউনিয়ন]] ছাড়াও [[ইউরোপ|ইউরোপে]] [[শান্তি]] আসতে পারত। হয়তো। আমরা তা কখনোই জানতে পারব না। কিন্তু এটি কখনোই একই মানের হতো না। একটি স্থায়ী শান্তি, কেবল কোনো শীতল যুদ্ধবিরতি নয়। আমার কাছে যা একে বিশেষ করে তোলে, তা হলো পুনর্মিলন। জীবনে যেমন, রাজনীতিতেও পুনর্মিলন সবচেয়ে কঠিন কাজ। এটি ক্ষমা করা বা ভুলে যাওয়া অথবা কেবল পাতা উল্টানোর চেয়েও অনেক বেশি কিছু। [[ফ্রান্স]] এবং [[জার্মানি]] যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছিল তা ভাবলে..., এবং তারপর এই পদক্ষেপ নেওয়া... একটি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষর করা... প্রতিবার যখন আমি এই শব্দগুলো শুনি ''ফ্রুয়ান্ডশ্যাফ্ট'', ''অ্যামিটিয়ে'' আমি বিচলিত হয়ে পড়ি। এগুলো ব্যক্তিগত শব্দ, জাতিগুলোর মধ্যে চুক্তির জন্য নয়। কিন্তু ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে না দেওয়ার এবং আমূল নতুন কিছু করার ইচ্ছা এতটাই প্রবল ছিল যে নতুন শব্দ খুঁজে নিতে হয়েছিল। মানুষের কাছে ইউরোপ ছিল একটি প্রতিশ্রুতি, ইউরোপ মানেই ছিল আশা। ১৯৫১ সালে যখন [[কনরাড আডেনাওয়ার]] কয়লা ও ইস্পাত চুক্তি সম্পন্ন করতে [[প্যারিস|প্যারিসে]] আসেন, এক সন্ধ্যায় তিনি তার হোটেলে একটি উপহার পান। সেটি ছিল একটি যুদ্ধ পদক, ''উ্যন ক্রোয়া দ্য গের'', যা একজন [[ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী|ফরাসি সৈনিকের]] ছিল। তার মেয়ে, এক তরুণী শিক্ষার্থী, চ্যান্সেলরের জন্য পুনর্মিলন এবং আশার নিদর্শন হিসেবে একটি ছোট নোটসহ এটি রেখে গিয়েছিল। আমার চোখের সামনে আরও অনেক আলোড়ন সৃষ্টিকারী ছবি ভেসে ওঠে। এক নতুন ভবিষ্যৎ উন্মোচনের জন্য [[রোম|রোমে]] সমবেত ছয়টি রাষ্ট্রের নেতারা... [[ওয়ারশ|ওয়ারশতে]] হাঁটু গেড়ে বসা [[উইলি ব্র্যান্ট]]। গদানস্কের ডক শ্রমিকরা, তাদের [[নৌ স্থাপত্য|জাহাজ নির্মাণ কারখানার]] ফটকে। হাতে হাত ধরে মিতেরঁ এবং [[হেলমুট কোল|কোল]]। ১৯৮৯ সালে [[তালিন]] থেকে [[রিগা]] হয়ে [[ভিলনিয়াস]] পর্যন্ত ২০ লক্ষ মানুষের এক মানবশৃঙ্খল। এই মুহূর্তগুলো ইউরোপকে সারিয়ে তুলেছিল। ** [[w:হার্মান ভ্যান রম্পুই|হার্মান ভ্যান রম্পুই]], [https://www.nobelprize.org/prizes/peace/2012/eu/lecture/ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নোবেল শান্তি পুরস্কার বক্তৃতা], ১০ ডিসেম্বর ২০১২ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{Commons|বিষয়শ্রেণী:ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ|ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ}} * [http://www.mitterrand.org ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ ইনস্টিটিউট] * [http://fr.wikisource.org/wiki/Inauguration_du_Grand_Louvre মিতেরঁ কর্তৃক লুভর উদ্বোধনী ভাষণ] * [http://www.guardian.co.uk/france/story/0,,1676950,00.html ফরাসি রাষ্ট্রপতি জরিপ (০১/২০০৬)] * [http://www.thenation.com/doc.mhtml?i=19960129&s=singer "মিতেরঁ'স লিগ্যাসি"] (১৯৯৬), ''[[w:দ্য নেশন (মার্কিন সাময়িকী)|দ্য নেশন]]''-এ প্রকাশিত {{DEFAULTSORT:মিতেরঁ, ফ্রঁসোয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:সরকার মন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের আইনজীবী]] [[বিষয়শ্রেণী:অজ্ঞেয়বাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৬-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:স্নায়ুযুদ্ধের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপীয় ইউনিয়নের পথপ্রদর্শক]] qjl5726d4vdg2t9trflz84oghfkbkjf 81816 81815 2026-04-28T03:31:10Z Sumanta3023 4175 /* মিতেরঁ সম্পর্কে উক্তি */ 81816 wikitext text/x-wiki [[Image:Reagan_Mitterrand_1984_(cropped).jpg|thumb|right|তরুণরা সবসময় সঠিক হয় না, কিন্তু যে সমাজ তাদের উপেক্ষা করে এবং তাদের ওপর আঘাত হানে, সেই সমাজ সবসময় ভুল।]] '''[[w:ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ|ফ্রঁসোয়া মরিস অ্যাড্রিয়েন মারি মিতেরঁ]]''' (২৬ অক্টোবর ১৯১৬ – ৮ জানুয়ারি ১৯৯৬) ছিলেন একজন [[ফ্রান্স|ফরাসি]] রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯৮১ সালের মে মাসে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, ১৯৮৮ সালে পুনরায় নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ==উক্তি== * আমাদের দেশে [[w:বোনাপার্টবাদ|বোনাপার্টবাদের]] একটি শক্তিশালী ধারাবাহিকতা বিদ্যমান, যেখানে [[ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] মহত্ত্বের আকাঙ্ক্ষা, রাজতান্ত্রিক ঐতিহ্য, [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের প্রতি আবেগ]] এবং জ্যাকোবিন ঐতিহ্য একত্রিত হয়েছে। ** ''ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ|ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ'' (১৯৬৪) দ্বিতীয় অংশ, অধ্যায় ১ * জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রতিটি বিপর্যয় এবং প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি বিলুপ্তির সাথে রাজকীয় বিচার ব্যবস্থার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ পুনঃপ্রতিষ্ঠা জড়িত। "আপনি কিসের ভিত্তিতে বিচার করেন তা আমাকে বলুন, আর আমি বলে দেব আপনি কে।" [...] রাজনীতিতে এর চেয়ে নিশ্চিত কোনো স্বতঃসিদ্ধ আর নেই। ** ''ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ'' (১৯৬৪) তৃতীয় অংশ * আজ সন্ধ্যায় যা শুরু হয়েছে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না; এবং যেহেতু আপনারা শ্রমিক জগতের শক্তির প্রতিনিধিত্ব করছেন, আপনারা যারা যৌবনের শক্তি, আপনাদের বিজয় অনিবার্য। ** শাতো-শিনোঁ (১৯৭৪) * প্রত্যেক মহান ব্যক্তির পেছনে একজন [[w:রিচার্ড ডেলিসলে|রিচার্ড ডেলিসলে]] থাকেন। ** ''ল্যাবেঁই এ লার্কিতেক'' [''দ্য বি অ্যান্ড দ্য আর্কিটেক্ট''] (১৯৮০) অধ্যায় ৬ * আমার কাছে গ্রিস মানেই হলো [[w:মারিয়া ফারান্তুরি|মারিয়া ফারান্তুরি]]। আমি দেবী হেরাকে ঠিক এভাবেই কল্পনা করেছিলাম: শক্তিশালী, বিশুদ্ধ এবং অতন্দ্র। ঐশ্বরিক সত্তার এমন তীব্র অনুভূতি দিতে পারেন, এমন আর কোনো শিল্পীর দেখা আমি পাইনি। ** ''ল্যাবেঁই এ লার্কিতেক'' [''দ্য বি অ্যান্ড দ্য আর্কিটেক্ট''] (১৯৮০) * অতীতের মানুষ। ** [[w:ভালেরি জিসকার দেস্তাঁ|ভালেরি জিসকার দেস্তাঁ]]র সাথে বিতর্ক, পরবর্তী ব্যক্তিকে বিশেষায়িত করে (মে ১৯৮১) * একজনকে অবশ্যই তার কুসংস্কারকে জয় করতে হবে। আমি এখানে আপনাদের কাছে যা দাবি করছি তা প্রায় অসম্ভব, কারণ আমাদের নিজেদের ইতিহাসকে জয় করতে হবে। এবং তবুও, যদি আমরা একে জয় করতে না পারি, তবে একটি নিয়ম আমাদের ওপর চেপে বসবে তা জেনে রাখুন, মহোদয় ও মহোদয়াগণ: '''[[w:জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদ]] মানেই [[যুদ্ধ]]'''! যুদ্ধ কেবল আমাদের অতীত নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যৎও হতে পারে; এবং আপনারা যারা [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট|পার্লামেন্টের]] সদস্য, আপনারাই এখন থেকে আমাদের [[শান্তি]], আমাদের নিরাপত্তা এবং এই ভবিষ্যতের রক্ষক। ** ইউরোপীয় পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তৃতা (১৭ জানুয়ারি ১৯৯৫) * আমি আধ্যাত্মিক শক্তিতে বিশ্বাস করি, এবং আমি আপনাদের ছেড়ে যাব না। ** ফরাসি জনগণের উদ্দেশ্যে শেষ টেলিভিশন ভাষণ, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৪ == গুণাবলী আরোপ করা হয়েছে == * "এই ধরনের দেশগুলিতে, গণহত্যা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়..." ** ২৬ এপ্রিল ১৯৯৯ তারিখে ''দ্য নিউ ইয়র্কার''-এ ফিলিপ গুরেভিচ কর্তৃক "রিভার্সিং দ্য রিভার্সালস অফ ওয়ার" নিবন্ধে রাষ্ট্রপতি মিতেরঁ এর প্রতি আরোপিত রুয়ান্ডা সম্পর্কিত মন্তব্য। * আমি বলতে চাইতাম, আন্তরিকতা। কিন্তু এটি আসলে, উদাসীনতা। ** একজন রাজনীতিবিদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ সম্পর্কে। ** এম. জে. আত্তালি কর্তৃক আরোপিত। আর. কট্রেল কর্তৃক উদ্ধৃত, ''দ্য স্পেক্টেটর'', ২২ মে ১৯৯৩। == মিতেরঁ সম্পর্কে উক্তি == * ১৯৮০-এর দশক ছিল আমূল রক্ষণশীল একটি দশক, এমনকি যেখানে সমাজতান্ত্রিক বা লেবার সরকার নির্বাচিত হয়েছিল, সেখানেও মার্ক্সবাদ, সমষ্টিবাদ এবং বামপন্থার সমস্ত ঐতিহ্যবাহী 'বাদ' বা 'িজম' থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয় ছিল। এই প্রক্রিয়াটি ফ্রান্সে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল। তেইশ বছরের [[w:গোলবাদ|গোলবাদ]] এবং তার উত্তরসূরিদের পর ১৯৮১ সালে সমাজতান্ত্রিক ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় সমাজতান্ত্রিক [[সমতাবাদ]] এবং ব্যবসা-বিরোধী নীতির একটি সংক্ষিপ্ত সময়কাল শুরু হয়; যা দ্রুত ফ্রাঁ-এর টানা তিনবার অবমূল্যায়নের দিকে পরিচালিত করে। এরপর, ফরাসি [[w:সোশ্যালিস্ট পার্টি (ফ্রান্স)|সোশ্যালিস্ট পার্টি]] দ্রুত [[ডানপন্থী রাজনীতি|ডানপন্থা]] এবং [[মুক্ত বাজার|মুক্ত-বাজার]] নীতির দিকে অগ্রসর হয়; এবং ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে ও ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে সমাজতান্ত্রিক ও রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে ক্ষমতার পালাবদল [[অর্থনৈতিক নীতি]], [[প্রতিরক্ষা]] বা [[পররাষ্ট্র নীতি|পররাষ্ট্র বিষয়ে]] খুব কমই পার্থক্য তৈরি করেছিল বলে মনে হয়। ** [[পল জনসন]], ''মডার্ন টাইমস: দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্রম দ্য টুয়েন্টিজ টু দ্য নাইনটিজ'', ১৯৯২ * আমরা পারমাণবিক হুমকির শত্রু এবং আমরা [[দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর|দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে]] [[পারমাণবিক অস্ত্র]] পরীক্ষার শত্রু। [[নিউজিল্যান্ড]] এই দ্বন্দ্বে স্বেচ্ছায় জড়ায়নি। ফ্রান্স নিউজিল্যান্ডে তাদের গুপ্তচর পাঠিয়েছে। ফ্রান্স নিউজিল্যান্ডে স্পাই পাঠিয়েছে। ফ্রান্স প্রশান্ত মহাসাগরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। ফ্রান্স তার রাষ্ট্রপতিকে প্রশান্ত মহাসাগরে পাঠায় এই নিয়ে দম্ভ করার জন্য। ** [[ডেভিড ল্যাঞ্জ]], উৎস: এম. কিং, ''ডেথ অফ দ্য রেইনবো ওয়ারিয়র'' (১৯৮৬), পৃষ্ঠা ২০০। ** [[w:রেইনবো ওয়ারিয়র নিমজ্জন|রেইনবো ওয়ারিয়র বোমা হামলার]] প্রসঙ্গে। * ১৯৮০-এর দশকের যাত্রাটি বেশ দীর্ঘ ছিল এবং আমরা কিছু উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়েও ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। আর শেষ পর্যন্ত, আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছি। বাস্তবতা হলো, গ্রেনাডা থেকে [[ওয়াশিংটন, ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] ও [[মস্কো]] শীর্ষ সম্মেলন, [[wikipedia:early_1980s_recession|'৮১ থেকে '৮২ সালের মন্দা]] থেকে শুরু করে '৮২-এর শেষের দিকে শুরু হওয়া প্রবৃদ্ধি যা আজ অবধি অব্যাহত রয়েছে আমরা একটি পরিবর্তন আনতে পেরেছি। আমার দৃষ্টিতে দুটি বড় জয় ছিল, যে দুটি জিনিসের জন্য আমি সবচেয়ে বেশি গর্বিত। একটি হলো [[অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি|অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার]], যার মাধ্যমে [[যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] জনগণ ১ কোটি ৯০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পূরণ করেছে। অন্যটি হলো আমাদের মনোবল পুনরুদ্ধার। বিশ্বে আমেরিকা আবারও সম্মানিত এবং নেতৃত্বের জন্য তার দিকে তাকিয়ে থাকা হয়। কয়েক বছর আগের একটি ঘটনা এর কিছুটা প্রতিফলন ঘটায়। সেটি ১৯৮১ সালের কথা, আমি সে বছর [[কানাডা|কানাডায়]] অনুষ্ঠিত আমার প্রথম বড় অর্থনৈতিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলাম। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পর্যায়ক্রমে বৈঠকের স্থান পরিবর্তিত হয়। উদ্বোধনী সভাটি ছিল সাতটি [[শিল্পোন্নত দেশ|শিল্পোন্নত দেশের]] সরকারপ্রধানদের একটি আনুষ্ঠানিক নৈশভোজ। সেখানে আমি স্কুলের নবাগত ছেলের মতো বসে শুনছিলাম, আর সবার আলাপে ছিল কেবল 'ফ্রঁসোয়া' এই বা '[[হেলমুট কোল|হেলমুট]]' ওই। তারা পদবি ছেড়ে একে অপরকে প্রথম নামে ডাকছিলেন। এক পর্যায়ে আমি কিছুটা ঝুঁকে বললাম, "আমার নাম রন।" সেই বছরই আমরা এমন পদক্ষেপ শুরু করি যা একটি অর্থনৈতিক প্রত্যাবর্তন ঘটাবে বলে আমরা অনুভব করেছিলাম [[কর|কর]] ও [[প্রবিধান|নিয়ন্ত্রণ]] কমানো এবং [[সরকারি ব্যয়|ব্যয়]] সংকোচন শুরু করা। আর শীঘ্রই পুনরুদ্ধার শুরু হলো। দুই বছর পর, প্রায় একই ব্যক্তিদের নিয়ে আরেকটি অর্থনৈতিক শীর্ষ সম্মেলন। বড় উদ্বোধনী সভায় আমরা সবাই একত্রিত হলাম এবং হঠাৎ এক মুহূর্তের জন্য আমি দেখলাম সবাই কেবল আমার দিকে তাকিয়ে বসে আছে। তারপর তাদের একজন নীরবতা ভাঙলেন। তিনি বললেন, "আমাদের আমেরিকার অলৌকিক ঘটনাটি সম্পর্কে বলুন।" ** [[রোনাল্ড রেগান]], [https://millercenter.org/the-presidency/presidential-speeches/january-11-1989-farewell-address বিদায়ী ভাষণ], ১১ জানুয়ারি ১৯৮৯ * [[ক্ষমতা]] [[দুর্নীতি|দুর্নীতিগ্রস্ত]] করে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা আপনাকে সত্যিই কামুক করে তোলে। [[বিল ক্লিনটন|ক্লিনটন]], [[জ্যাক শিরাক|শিরাক]], [[মাও সে তুং|মাও]], মিতেরঁ। ** [[ডোনাল্ড সাদারল্যান্ড]], [[গ্যারি রস]]কে লেখা ইমেল "[https://www.businessinsider.com/donald-sutherland-hunger-games-email-2014-11 লেটারস ফ্রম দ্য রোজ গার্ডেন]", ২০১১; যা ''[[দ্য হাঙ্গার গেমস (চলচ্চিত্র)|দ্য হাঙ্গার গেমস]]'' (২০১২) চলচ্চিত্রের বিশেষ ফিচারে অন্তর্ভুক্ত। * অবশ্যই, [[ইউরোপীয় ইউনিয়ন|ইউনিয়ন]] ছাড়াও [[ইউরোপ|ইউরোপে]] [[শান্তি]] আসতে পারত। হয়তো। আমরা তা কখনোই জানতে পারব না। কিন্তু এটি কখনোই একই মানের হতো না। একটি স্থায়ী শান্তি, কেবল কোনো শীতল যুদ্ধবিরতি নয়। আমার কাছে যা একে বিশেষ করে তোলে, তা হলো পুনর্মিলন। জীবনে যেমন, রাজনীতিতেও পুনর্মিলন সবচেয়ে কঠিন কাজ। এটি ক্ষমা করা বা ভুলে যাওয়া অথবা কেবল পাতা উল্টানোর চেয়েও অনেক বেশি কিছু। [[ফ্রান্স]] এবং [[জার্মানি]] যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছিল তা ভাবলে..., এবং তারপর এই পদক্ষেপ নেওয়া... একটি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষর করা... প্রতিবার যখন আমি এই শব্দগুলো শুনি ''ফ্রুয়ান্ডশ্যাফ্ট'', ''অ্যামিটিয়ে'' আমি বিচলিত হয়ে পড়ি। এগুলো ব্যক্তিগত শব্দ, জাতিগুলোর মধ্যে চুক্তির জন্য নয়। কিন্তু ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে না দেওয়ার এবং আমূল নতুন কিছু করার ইচ্ছা এতটাই প্রবল ছিল যে নতুন শব্দ খুঁজে নিতে হয়েছিল। মানুষের কাছে ইউরোপ ছিল একটি প্রতিশ্রুতি, ইউরোপ মানেই ছিল আশা। ১৯৫১ সালে যখন [[কনরাড আডেনাওয়ার]] কয়লা ও ইস্পাত চুক্তি সম্পন্ন করতে [[প্যারিস|প্যারিসে]] আসেন, এক সন্ধ্যায় তিনি তার হোটেলে একটি উপহার পান। সেটি ছিল একটি যুদ্ধ পদক, ''উ্যন ক্রোয়া দ্য গের'', যা একজন [[ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী|ফরাসি সৈনিকের]] ছিল। তার মেয়ে, এক তরুণী শিক্ষার্থী, চ্যান্সেলরের জন্য পুনর্মিলন এবং আশার নিদর্শন হিসেবে একটি ছোট নোটসহ এটি রেখে গিয়েছিল। আমার চোখের সামনে আরও অনেক আলোড়ন সৃষ্টিকারী ছবি ভেসে ওঠে। এক নতুন ভবিষ্যৎ উন্মোচনের জন্য [[রোম|রোমে]] সমবেত ছয়টি রাষ্ট্রের নেতারা... [[ওয়ারশ|ওয়ারশতে]] হাঁটু গেড়ে বসা [[উইলি ব্র্যান্ট]]। গদানস্কের ডক শ্রমিকরা, তাদের [[নৌ স্থাপত্য|জাহাজ নির্মাণ কারখানার]] ফটকে। হাতে হাত ধরে মিতেরঁ এবং [[হেলমুট কোল|কোল]]। ১৯৮৯ সালে [[তালিন]] থেকে [[রিগা]] হয়ে [[ভিলনিয়াস]] পর্যন্ত ২০ লক্ষ মানুষের এক মানবশৃঙ্খল। এই মুহূর্তগুলো ইউরোপকে সারিয়ে তুলেছিল। ** [[w:হার্মান ভ্যান রম্পুই|হার্মান ভ্যান রম্পুই]], [https://www.nobelprize.org/prizes/peace/2012/eu/lecture/ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নোবেল শান্তি পুরস্কার বক্তৃতা], ১০ ডিসেম্বর ২০১২ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{Commons|বিষয়শ্রেণী:ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ|ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ}} * [http://www.mitterrand.org ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ ইনস্টিটিউট] * [http://fr.wikisource.org/wiki/Inauguration_du_Grand_Louvre মিতেরঁ কর্তৃক লুভর উদ্বোধনী ভাষণ] * [http://www.guardian.co.uk/france/story/0,,1676950,00.html ফরাসি রাষ্ট্রপতি জরিপ (০১/২০০৬)] * [http://www.thenation.com/doc.mhtml?i=19960129&s=singer "মিতেরঁ'স লিগ্যাসি"] (১৯৯৬), ''[[w:দ্য নেশন (মার্কিন সাময়িকী)|দ্য নেশন]]''-এ প্রকাশিত {{DEFAULTSORT:মিতেরঁ, ফ্রঁসোয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:সরকার মন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের আইনজীবী]] [[বিষয়শ্রেণী:অজ্ঞেয়বাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৬-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:স্নায়ুযুদ্ধের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপীয় ইউনিয়নের পথপ্রদর্শক]] gwojawk1clez964385zyekzx7xoplid 81818 81816 2026-04-28T03:35:37Z Sumanta3023 4175 /* মিতেরঁ সম্পর্কে উক্তি */ 81818 wikitext text/x-wiki [[Image:Reagan_Mitterrand_1984_(cropped).jpg|thumb|right|তরুণরা সবসময় সঠিক হয় না, কিন্তু যে সমাজ তাদের উপেক্ষা করে এবং তাদের ওপর আঘাত হানে, সেই সমাজ সবসময় ভুল।]] '''[[w:ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ|ফ্রঁসোয়া মরিস অ্যাড্রিয়েন মারি মিতেরঁ]]''' (২৬ অক্টোবর ১৯১৬ – ৮ জানুয়ারি ১৯৯৬) ছিলেন একজন [[ফ্রান্স|ফরাসি]] রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯৮১ সালের মে মাসে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, ১৯৮৮ সালে পুনরায় নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ==উক্তি== * আমাদের দেশে [[w:বোনাপার্টবাদ|বোনাপার্টবাদের]] একটি শক্তিশালী ধারাবাহিকতা বিদ্যমান, যেখানে [[ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] মহত্ত্বের আকাঙ্ক্ষা, রাজতান্ত্রিক ঐতিহ্য, [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের প্রতি আবেগ]] এবং জ্যাকোবিন ঐতিহ্য একত্রিত হয়েছে। ** ''ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ|ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ'' (১৯৬৪) দ্বিতীয় অংশ, অধ্যায় ১ * জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রতিটি বিপর্যয় এবং প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি বিলুপ্তির সাথে রাজকীয় বিচার ব্যবস্থার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ পুনঃপ্রতিষ্ঠা জড়িত। "আপনি কিসের ভিত্তিতে বিচার করেন তা আমাকে বলুন, আর আমি বলে দেব আপনি কে।" [...] রাজনীতিতে এর চেয়ে নিশ্চিত কোনো স্বতঃসিদ্ধ আর নেই। ** ''ল্য কুপ দেতাত পার্মানঁ'' (১৯৬৪) তৃতীয় অংশ * আজ সন্ধ্যায় যা শুরু হয়েছে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না; এবং যেহেতু আপনারা শ্রমিক জগতের শক্তির প্রতিনিধিত্ব করছেন, আপনারা যারা যৌবনের শক্তি, আপনাদের বিজয় অনিবার্য। ** শাতো-শিনোঁ (১৯৭৪) * প্রত্যেক মহান ব্যক্তির পেছনে একজন [[w:রিচার্ড ডেলিসলে|রিচার্ড ডেলিসলে]] থাকেন। ** ''ল্যাবেঁই এ লার্কিতেক'' [''দ্য বি অ্যান্ড দ্য আর্কিটেক্ট''] (১৯৮০) অধ্যায় ৬ * আমার কাছে গ্রিস মানেই হলো [[w:মারিয়া ফারান্তুরি|মারিয়া ফারান্তুরি]]। আমি দেবী হেরাকে ঠিক এভাবেই কল্পনা করেছিলাম: শক্তিশালী, বিশুদ্ধ এবং অতন্দ্র। ঐশ্বরিক সত্তার এমন তীব্র অনুভূতি দিতে পারেন, এমন আর কোনো শিল্পীর দেখা আমি পাইনি। ** ''ল্যাবেঁই এ লার্কিতেক'' [''দ্য বি অ্যান্ড দ্য আর্কিটেক্ট''] (১৯৮০) * অতীতের মানুষ। ** [[w:ভালেরি জিসকার দেস্তাঁ|ভালেরি জিসকার দেস্তাঁ]]র সাথে বিতর্ক, পরবর্তী ব্যক্তিকে বিশেষায়িত করে (মে ১৯৮১) * একজনকে অবশ্যই তার কুসংস্কারকে জয় করতে হবে। আমি এখানে আপনাদের কাছে যা দাবি করছি তা প্রায় অসম্ভব, কারণ আমাদের নিজেদের ইতিহাসকে জয় করতে হবে। এবং তবুও, যদি আমরা একে জয় করতে না পারি, তবে একটি নিয়ম আমাদের ওপর চেপে বসবে তা জেনে রাখুন, মহোদয় ও মহোদয়াগণ: '''[[w:জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদ]] মানেই [[যুদ্ধ]]'''! যুদ্ধ কেবল আমাদের অতীত নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যৎও হতে পারে; এবং আপনারা যারা [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট|পার্লামেন্টের]] সদস্য, আপনারাই এখন থেকে আমাদের [[শান্তি]], আমাদের নিরাপত্তা এবং এই ভবিষ্যতের রক্ষক। ** ইউরোপীয় পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তৃতা (১৭ জানুয়ারি ১৯৯৫) * আমি আধ্যাত্মিক শক্তিতে বিশ্বাস করি, এবং আমি আপনাদের ছেড়ে যাব না। ** ফরাসি জনগণের উদ্দেশ্যে শেষ টেলিভিশন ভাষণ, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৪ == গুণাবলী আরোপ করা হয়েছে == * "এই ধরনের দেশগুলিতে, গণহত্যা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়..." ** ২৬ এপ্রিল ১৯৯৯ তারিখে ''দ্য নিউ ইয়র্কার''-এ ফিলিপ গুরেভিচ কর্তৃক "রিভার্সিং দ্য রিভার্সালস অফ ওয়ার" নিবন্ধে রাষ্ট্রপতি মিতেরঁ এর প্রতি আরোপিত রুয়ান্ডা সম্পর্কিত মন্তব্য। * আমি বলতে চাইতাম, আন্তরিকতা। কিন্তু এটি আসলে, উদাসীনতা। ** একজন রাজনীতিবিদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ সম্পর্কে। ** এম. জে. আত্তালি কর্তৃক আরোপিত। আর. কট্রেল কর্তৃক উদ্ধৃত, ''দ্য স্পেক্টেটর'', ২২ মে ১৯৯৩। == মিতেরঁ সম্পর্কে উক্তি == * ১৯৮০-এর দশক ছিল আমূল রক্ষণশীল একটি দশক, এমনকি যেখানে সমাজতান্ত্রিক বা লেবার সরকার নির্বাচিত হয়েছিল, সেখানেও মার্ক্সবাদ, সমষ্টিবাদ এবং বামপন্থার সমস্ত ঐতিহ্যবাহী 'বাদ' বা 'িজম' থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয় ছিল। এই প্রক্রিয়াটি ফ্রান্সে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল। তেইশ বছরের [[w:গোলবাদ|গোলবাদ]] এবং তার উত্তরসূরিদের পর ১৯৮১ সালে সমাজতান্ত্রিক ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় সমাজতান্ত্রিক সমতাবাদ এবং ব্যবসা-বিরোধী নীতির একটি সংক্ষিপ্ত সময়কাল শুরু হয়; যা দ্রুত ফ্রাঁ-এর টানা তিনবার অবমূল্যায়নের দিকে পরিচালিত করে। এরপর, ফরাসি [[w:সোশ্যালিস্ট পার্টি (ফ্রান্স)|সোশ্যালিস্ট পার্টি]] দ্রুত ডানপন্থা এবং মুক্ত-বাজার নীতির দিকে অগ্রসর হয়; এবং ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে ও ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে সমাজতান্ত্রিক ও রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে ক্ষমতার পালাবদল অর্থনৈতিক নীতি, প্রতিরক্ষা বা পররাষ্ট্র বিষয়ে খুব কমই পার্থক্য তৈরি করেছিল বলে মনে হয়। ** [[পল জনসন]], ''মডার্ন টাইমস: দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্রম দ্য টুয়েন্টিজ টু দ্য নাইনটিজ'', ১৯৯২ * আমরা পারমাণবিক হুমকির শত্রু এবং আমরা [[দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর|দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে]] পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার শত্রু। [[নিউজিল্যান্ড]] এই দ্বন্দ্বে স্বেচ্ছায় জড়ায়নি। ফ্রান্স নিউজিল্যান্ডে তাদের গুপ্তচর পাঠিয়েছে। ফ্রান্স নিউজিল্যান্ডে স্পাই পাঠিয়েছে। ফ্রান্স প্রশান্ত মহাসাগরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। ফ্রান্স তার রাষ্ট্রপতিকে প্রশান্ত মহাসাগরে পাঠায় এই নিয়ে দম্ভ করার জন্য। ** [[ডেভিড ল্যাঞ্জ]], উৎস: এম. কিং, ''ডেথ অফ দ্য রেইনবো ওয়ারিয়র'' (১৯৮৬), পৃষ্ঠা ২০০। ** [[w:রেইনবো ওয়ারিয়র নিমজ্জন|রেইনবো ওয়ারিয়র বোমা হামলার]] প্রসঙ্গে। * ১৯৮০-এর দশকের যাত্রাটি বেশ দীর্ঘ ছিল এবং আমরা কিছু উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়েও ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। আর শেষ পর্যন্ত, আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছি। বাস্তবতা হলো, গ্রেনাডা থেকে [[ওয়াশিংটন, ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] ও [[মস্কো]] শীর্ষ সম্মেলন, '৮১ থেকে '৮২ সালের মন্দা থেকে শুরু করে '৮২-এর শেষের দিকে শুরু হওয়া প্রবৃদ্ধি যা আজ অবধি অব্যাহত রয়েছে আমরা একটি পরিবর্তন আনতে পেরেছি। আমার দৃষ্টিতে দুটি বড় জয় ছিল, যে দুটি জিনিসের জন্য আমি সবচেয়ে বেশি গর্বিত। একটি হলো অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, যার মাধ্যমে [[যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] জনগণ ১ কোটি ৯০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পূরণ করেছে। অন্যটি হলো আমাদের মনোবল পুনরুদ্ধার। বিশ্বে আমেরিকা আবারও সম্মানিত এবং নেতৃত্বের জন্য তার দিকে তাকিয়ে থাকা হয়। কয়েক বছর আগের একটি ঘটনা এর কিছুটা প্রতিফলন ঘটায়। সেটি ১৯৮১ সালের কথা, আমি সে বছর [[কানাডা|কানাডায়]] অনুষ্ঠিত আমার প্রথম বড় অর্থনৈতিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলাম। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পর্যায়ক্রমে বৈঠকের স্থান পরিবর্তিত হয়। উদ্বোধনী সভাটি ছিল সাতটি শিল্পোন্নত দেশের সরকারপ্রধানদের একটি আনুষ্ঠানিক নৈশভোজ। সেখানে আমি স্কুলের নবাগত ছেলের মতো বসে শুনছিলাম, আর সবার আলাপে ছিল কেবল 'ফ্রঁসোয়া' এই বা '[[হেলমুট কোল|হেলমুট]]' ওই। তারা পদবি ছেড়ে একে অপরকে প্রথম নামে ডাকছিলেন। এক পর্যায়ে আমি কিছুটা ঝুঁকে বললাম, "আমার নাম রন।" সেই বছরই আমরা এমন পদক্ষেপ শুরু করি যা একটি অর্থনৈতিক প্রত্যাবর্তন ঘটাবে বলে আমরা অনুভব করেছিলাম কর ও নিয়ন্ত্রণ কমানো এবং ব্যয় সংকোচন শুরু করা। আর শীঘ্রই পুনরুদ্ধার শুরু হলো। দুই বছর পর, প্রায় একই ব্যক্তিদের নিয়ে আরেকটি অর্থনৈতিক শীর্ষ সম্মেলন। বড় উদ্বোধনী সভায় আমরা সবাই একত্রিত হলাম এবং হঠাৎ এক মুহূর্তের জন্য আমি দেখলাম সবাই কেবল আমার দিকে তাকিয়ে বসে আছে। তারপর তাদের একজন নীরবতা ভাঙলেন। তিনি বললেন, "আমাদের আমেরিকার অলৌকিক ঘটনাটি সম্পর্কে বলুন।" ** [[রোনাল্ড রেগান]], [https://millercenter.org/the-presidency/presidential-speeches/january-11-1989-farewell-address বিদায়ী ভাষণ], ১১ জানুয়ারি ১৯৮৯ * ক্ষমতা দুর্নীতিগ্রস্ত করে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা আপনাকে সত্যিই কামুক করে তোলে। [[বিল ক্লিনটন|ক্লিনটন]], [[জ্যাক শিরাক|শিরাক]], [[মাও সে তুং|মাও]], মিতেরঁ। ** [[ডোনাল্ড সাদারল্যান্ড]], [[গ্যারি রস]]কে লেখা ইমেল "[https://www.businessinsider.com/donald-sutherland-hunger-games-email-2014-11 লেটারস ফ্রম দ্য রোজ গার্ডেন]", ২০১১; যা ''[[দ্য হাঙ্গার গেমস (চলচ্চিত্র)|দ্য হাঙ্গার গেমস]]'' (২০১২) চলচ্চিত্রের বিশেষ ফিচারে অন্তর্ভুক্ত। * অবশ্যই, [[ইউরোপীয় ইউনিয়ন|ইউনিয়ন]] ছাড়াও [[ইউরোপ|ইউরোপে]] শান্তি আসতে পারত। হয়তো। আমরা তা কখনোই জানতে পারব না। কিন্তু এটি কখনোই একই মানের হতো না। একটি স্থায়ী শান্তি, কেবল কোনো শীতল যুদ্ধবিরতি নয়। আমার কাছে যা একে বিশেষ করে তোলে, তা হলো পুনর্মিলন। জীবনে যেমন, রাজনীতিতেও পুনর্মিলন সবচেয়ে কঠিন কাজ। এটি ক্ষমা করা বা ভুলে যাওয়া অথবা কেবল পাতা উল্টানোর চেয়েও অনেক বেশি কিছু। [[ফ্রান্স]] এবং [[জার্মানি]] যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছিল তা ভাবলে..., এবং তারপর এই পদক্ষেপ নেওয়া... একটি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষর করা... প্রতিবার যখন আমি এই শব্দগুলো শুনি ''ফ্রুয়ান্ডশ্যাফ্ট'', ''অ্যামিটিয়ে'' আমি বিচলিত হয়ে পড়ি। এগুলো ব্যক্তিগত শব্দ, জাতিগুলোর মধ্যে চুক্তির জন্য নয়। কিন্তু ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে না দেওয়ার এবং আমূল নতুন কিছু করার ইচ্ছা এতটাই প্রবল ছিল যে নতুন শব্দ খুঁজে নিতে হয়েছিল। মানুষের কাছে ইউরোপ ছিল একটি প্রতিশ্রুতি, ইউরোপ মানেই ছিল আশা। ১৯৫১ সালে যখন [[কনরাড আডেনাওয়ার]] কয়লা ও ইস্পাত চুক্তি সম্পন্ন করতে [[প্যারিস|প্যারিসে]] আসেন, এক সন্ধ্যায় তিনি তার হোটেলে একটি উপহার পান। সেটি ছিল একটি যুদ্ধ পদক, ''উ্যন ক্রোয়া দ্য গের'', যা একজন ফরাসি সৈনিকের ছিল। তার মেয়ে, এক তরুণী শিক্ষার্থী, চ্যান্সেলরের জন্য পুনর্মিলন এবং আশার নিদর্শন হিসেবে একটি ছোট নোটসহ এটি রেখে গিয়েছিল। আমার চোখের সামনে আরও অনেক আলোড়ন সৃষ্টিকারী ছবি ভেসে ওঠে। এক নতুন ভবিষ্যৎ উন্মোচনের জন্য [[রোম|রোমে]] সমবেত ছয়টি রাষ্ট্রের নেতারা... [[ওয়ারশ|ওয়ারশতে]] হাঁটু গেড়ে বসা [[উইলি ব্র্যান্ট]]। গদানস্কের ডক শ্রমিকরা, তাদের জাহাজ নির্মাণ কারখানার ফটকে। হাতে হাত ধরে মিতেরঁ এবং [[হেলমুট কোল|কোল]]। ১৯৮৯ সালে [[তালিন]] থেকে [[রিগা]] হয়ে [[ভিলনিয়াস]] পর্যন্ত ২০ লক্ষ মানুষের এক মানবশৃঙ্খল। এই মুহূর্তগুলো ইউরোপকে সারিয়ে তুলেছিল। ** [[w:হার্মান ভ্যান রম্পুই|হার্মান ভ্যান রম্পুই]], [https://www.nobelprize.org/prizes/peace/2012/eu/lecture/ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নোবেল শান্তি পুরস্কার বক্তৃতা], ১০ ডিসেম্বর ২০১২ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{Commons|বিষয়শ্রেণী:ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ|ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ}} * [http://www.mitterrand.org ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ ইনস্টিটিউট] * [http://fr.wikisource.org/wiki/Inauguration_du_Grand_Louvre মিতেরঁ কর্তৃক লুভর উদ্বোধনী ভাষণ] * [http://www.guardian.co.uk/france/story/0,,1676950,00.html ফরাসি রাষ্ট্রপতি জরিপ (০১/২০০৬)] * [http://www.thenation.com/doc.mhtml?i=19960129&s=singer "মিতেরঁ'স লিগ্যাসি"] (১৯৯৬), ''[[w:দ্য নেশন (মার্কিন সাময়িকী)|দ্য নেশন]]''-এ প্রকাশিত {{DEFAULTSORT:মিতেরঁ, ফ্রঁসোয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:সরকার মন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের আইনজীবী]] [[বিষয়শ্রেণী:অজ্ঞেয়বাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৬-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:স্নায়ুযুদ্ধের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপীয় ইউনিয়নের পথপ্রদর্শক]] mxtv6om4brzgubcsdwvoq5ntexmmwsx আলাপ:ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ 1 13792 81817 2026-04-28T03:31:25Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81817 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm লুই দ্য ব্রোয়ি 0 13793 81821 2026-04-28T03:43:13Z Sumanta3023 4175 "[[File:Broglie Big.jpg|thumb|আমাদের [[জ্ঞান|জ্ঞানের]] বর্তমান অবস্থা সর্বদা সাময়িক এবং... বর্তমানে যা জানা আছে তার বাইরেও আবিষ্কার করার মতো বিশাল নতুন অঞ্চল অবশ্যই রয়েছে।]] '''w:লুই দ্য ব্রোয়..." দিয়ে পাতা তৈরি 81821 wikitext text/x-wiki [[File:Broglie Big.jpg|thumb|আমাদের [[জ্ঞান|জ্ঞানের]] বর্তমান অবস্থা সর্বদা সাময়িক এবং... বর্তমানে যা জানা আছে তার বাইরেও আবিষ্কার করার মতো বিশাল নতুন অঞ্চল অবশ্যই রয়েছে।]] '''[[w:লুই দ্য ব্রোয়ি|লুই দ্য ব্রোয়ি]]''' ([[১৫ আগস্ট]] [[১৮৯২]] – [[১৯ মার্চ]] [[১৯৮৭]]) ছিলেন একজন ফরাসি অভিজাত এবং [[পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিজ্ঞানী]] যিনি [[w:পুরানো কোয়ান্টাম তত্ত্ব|কোয়ান্টাম তত্ত্বে]] যুগান্তকারী অবদান রেখেছিলেন। তার ১৯২৪ সালের পিএইচডি থিসিসে, তিনি [[ইলেকট্রন|ইলেকট্রনের]] তরঙ্গ প্রকৃতির ধারণা প্রদান করেন এবং প্রস্তাব করেন যে [[w:পদার্থ তরঙ্গ|সকল পদার্থেরই তরঙ্গ ধর্ম রয়েছে]]। এই ধারণাটি দ্য ব্রোয়ি প্রকল্প নামে পরিচিত, যা [[w:তরঙ্গ-কণা দ্বৈততা|তরঙ্গ-কণা দ্বৈততার]] একটি উদাহরণ এবং [[কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান|কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের]] তত্ত্বের একটি কেন্দ্রীয় অংশ গঠন করে। ১৯২৭ সালে পদার্থের তরঙ্গ-সদৃশ আচরণ [[w:ডেভিসন-জার্মার পরীক্ষা|পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম প্রদর্শিত হওয়ার]] পর, ১৯২৯ সালে দ্য ব্রোয়ি [[w:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। {{physicist-stub}} == উক্তি == [[File:Atom deBroglie.png|thumb|অস্তিত্ব নেই এমন বিন্দুর স্থানাঙ্ক দিয়ে একটি কনফিগারেশন স্পেস তৈরি করা কিছুটা [[অসংগতি|অসংগতিপূর্ণ]] বলে মনে হয়।]] * '''অস্তিত্ব নেই এমন বিন্দুর স্থানাঙ্ক দিয়ে একটি [[w:কনফিগারেশন স্পেস|কনফিগারেশন স্পেস]] তৈরি করা কিছুটা [[অসংগতি|অসংগতিপূর্ণ]] বলে মনে হয়।''' ** ''লা নুভেল দিনামিক দে কোয়ান্তা'' (১৯২৮), অনুবাদ করেছেন {{cite book | author= বাচিয়াগালুপ্পি, জি., ভ্যালেন্টিনি, এ. | title= কোয়ান্টাম থিওরি অ্যাট দ্য ক্রসরোডস: রিকনসিডারিং দ্য ১৯২৭ সলভে কনফারেন্স | publisher= কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস | year= ২০০৯ |url= | isbn=০৫২১৮১৪২১৯ | page=৩৮০ }} * '''[[বিজ্ঞান|বিজ্ঞানের]] [[ইতিহাস]] দেখায় যে, বিজ্ঞানের অগ্রগতি ক্রমাগত কিছু ধারণার [[স্বৈরাচারী]] [[প্রভাব|প্রভাবের]] কারণে ব্যাহত হয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত ডগমা হিসেবে বিবেচিত হতে শুরু করেছিল।''' এই কারণে, আমরা যে [[নীতি|নীতিগুলোকে]] আর কোনো আলোচনা ছাড়াই গ্রহণ করে নিয়েছি, সেগুলোকে পর্যায়ক্রমে খুব নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করা উচিত। ** ''উইল কোয়ান্টাম ফিজিক্স রিমেইন ইনডিটারমিনিস্টিক'', যা অন্তর্ভুক্ত আছে {{cite book | author= লুই দ্য ব্রোয়ি | title= দ্য রেভোলিউশন ইন ফিজিক্স: এ নন-ম্যাথমেটিক্যাল সার্ভে অফ কোয়ান্তা | publisher= নুনডে প্রেস | year= ১৯৫৩ |url=http://arxiv.org/abs/arXiv:quant-ph/0609184 | isbn= | page=২৩৭ }} তে * '''দুটি আপাতদৃষ্টিতে বেমানান ধারণা প্রত্যেকেই [[সত্য|সত্যের]] একটি দিককে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে... তারা সরাসরি দ্বন্দ্বে লিপ্ত না হয়েও পর্যায়ক্রমে [[তথ্য|তথ্যসমূহকে]] উপস্থাপন করতে পারে।''' ** ''ডায়ালেক্টিকা'', খণ্ড ২, সংখ্যা ৩/৪ (১৯৪৮), পৃষ্ঠা ৩২৬। * '''আমাদের [[জ্ঞান|জ্ঞানের]] বর্তমান অবস্থা সর্বদা সাময়িক এবং... বর্তমানে যা জানা আছে তার বাইরেও আবিষ্কার করার মতো বিশাল নতুন অঞ্চল অবশ্যই রয়েছে।''' ** বইয়ের ভূমিকা: {{cite book | author= ডেভিড বোম | title= কজালিটি অ্যান্ড চান্স ইন মডার্ন ফিজিক্স | publisher= রাউটলেজ | year= ১৯৮৪ |url= | isbn= ০৪১৫১৭৪৪০৬ | page=x }} * ''Admettant que la particule possède une vibration interne qui permet de l'assimiler à une petite horloge, je supposais que cette horloge se déplaçait dans son onde de façon que sa vibration interne reste constamment en phase avec celle de l'onde : c'est le postulat de l'accord des phases.'' ** '''কণাটির একটি অভ্যন্তরীণ কম্পন রয়েছে যা একে একটি ছোট ঘড়ির সাথে তুলনা করার সুযোগ দেয় এমনটি ধরে নিয়ে আমি কল্পনা করেছিলাম যে, ঘড়িটি তরঙ্গের সাথে এমনভাবে ভ্রমণ করছে যেন তার অভ্যন্তরীণ কম্পনটি ক্রমাগত তরঙ্গের কম্পনের সাথে একই দশায় থাকে: এটিই হলো ফেজ ম্যাচিং পোস্টুলেট (দশা সামঞ্জস্যের স্বতঃসিদ্ধ)।''' *** ''সার লে ভেরিয়েবল ইদে দ্য বেস দ্য লা মেকানিক অন্দুলেতোয়ার'', লুই দ্য ব্রোয়ি, সি. আর. অ্যাকাদ. সাই., ২৭৭, সিরিজ বি, ১৯৭৩, পৃষ্ঠা ৭১-৭৩। == বহিঃসংযোগ == *{{wikipedia-inline|বাংলা=উইকিপিডিয়া}} *{{Commonscat-inline|বাংলা=কমন্সক্যাট}} {{DEFAULTSORT:ব্রোয়ি, লুই দ্য}} [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৯২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৭-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের নোবেল বিজয়ী]] nc96uodqwbz5aiekn28guqz7rxfvplr 81823 81821 2026-04-28T03:44:54Z Sumanta3023 4175 81823 wikitext text/x-wiki [[File:Broglie Big.jpg|thumb|আমাদের [[জ্ঞান|জ্ঞানের]] বর্তমান অবস্থা সর্বদা সাময়িক এবং... বর্তমানে যা জানা আছে তার বাইরেও আবিষ্কার করার মতো বিশাল নতুন অঞ্চল অবশ্যই রয়েছে।]] '''[[w:লুই দ্য ব্রোয়ি|লুই দ্য ব্রোয়ি]]''' (১৫ আগস্ট ১৮৯২ – ১৯ মার্চ ১৯৮৭) ছিলেন একজন ফরাসি অভিজাত এবং [[পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিজ্ঞানী]] যিনি [[w:পুরানো কোয়ান্টাম তত্ত্ব|কোয়ান্টাম তত্ত্বে]] যুগান্তকারী অবদান রেখেছিলেন। তার ১৯২৪ সালের পিএইচডি থিসিসে, তিনি ইলেকট্রনের তরঙ্গ প্রকৃতির ধারণা প্রদান করেন এবং প্রস্তাব করেন যে [[w:পদার্থ তরঙ্গ|সকল পদার্থেরই তরঙ্গ ধর্ম রয়েছে]]। এই ধারণাটি দ্য ব্রোয়ি প্রকল্প নামে পরিচিত, যা [[w:তরঙ্গ-কণা দ্বৈততা|তরঙ্গ-কণা দ্বৈততার]] একটি উদাহরণ এবং [[কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান|কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের]] তত্ত্বের একটি কেন্দ্রীয় অংশ গঠন করে। ১৯২৭ সালে পদার্থের তরঙ্গ-সদৃশ আচরণ [[w:ডেভিসন-জার্মার পরীক্ষা|পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম প্রদর্শিত হওয়ার]] পর, ১৯২৯ সালে দ্য ব্রোয়ি [[w:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। {{physicist-stub}} == উক্তি == [[File:Atom deBroglie.png|thumb|অস্তিত্ব নেই এমন বিন্দুর স্থানাঙ্ক দিয়ে একটি কনফিগারেশন স্পেস তৈরি করা কিছুটা [[অসংগতি|অসংগতিপূর্ণ]] বলে মনে হয়।]] * '''অস্তিত্ব নেই এমন বিন্দুর স্থানাঙ্ক দিয়ে একটি [[w:কনফিগারেশন স্পেস|কনফিগারেশন স্পেস]] তৈরি করা কিছুটা [[অসংগতি|অসংগতিপূর্ণ]] বলে মনে হয়।''' ** ''লা নুভেল দিনামিক দে কোয়ান্তা'' (১৯২৮), অনুবাদ করেছেন {{cite book | author= বাচিয়াগালুপ্পি, জি., ভ্যালেন্টিনি, এ. | title= কোয়ান্টাম থিওরি অ্যাট দ্য ক্রসরোডস: রিকনসিডারিং দ্য ১৯২৭ সলভে কনফারেন্স | publisher= কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস | year= ২০০৯ |url= | isbn=০৫২১৮১৪২১৯ | page=৩৮০ }} * '''[[বিজ্ঞান|বিজ্ঞানের]] [[ইতিহাস]] দেখায় যে, বিজ্ঞানের অগ্রগতি ক্রমাগত কিছু ধারণার [[স্বৈরাচারী]] [[প্রভাব|প্রভাবের]] কারণে ব্যাহত হয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত ডগমা হিসেবে বিবেচিত হতে শুরু করেছিল।''' এই কারণে, আমরা যে [[নীতি|নীতিগুলোকে]] আর কোনো আলোচনা ছাড়াই গ্রহণ করে নিয়েছি, সেগুলোকে পর্যায়ক্রমে খুব নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করা উচিত। ** ''উইল কোয়ান্টাম ফিজিক্স রিমেইন ইনডিটারমিনিস্টিক'', যা অন্তর্ভুক্ত আছে {{cite book | author= লুই দ্য ব্রোয়ি | title= দ্য রেভোলিউশন ইন ফিজিক্স: এ নন-ম্যাথমেটিক্যাল সার্ভে অফ কোয়ান্তা | publisher= নুনডে প্রেস | year= ১৯৫৩ |url=http://arxiv.org/abs/arXiv:quant-ph/0609184 | isbn= | page=২৩৭ }} তে * '''দুটি আপাতদৃষ্টিতে বেমানান ধারণা প্রত্যেকেই [[সত্য|সত্যের]] একটি দিককে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে... তারা সরাসরি দ্বন্দ্বে লিপ্ত না হয়েও পর্যায়ক্রমে [[তথ্য|তথ্যসমূহকে]] উপস্থাপন করতে পারে।''' ** ''ডায়ালেক্টিকা'', খণ্ড ২, সংখ্যা ৩/৪ (১৯৪৮), পৃষ্ঠা ৩২৬। * '''আমাদের [[জ্ঞান|জ্ঞানের]] বর্তমান অবস্থা সর্বদা সাময়িক এবং... বর্তমানে যা জানা আছে তার বাইরেও আবিষ্কার করার মতো বিশাল নতুন অঞ্চল অবশ্যই রয়েছে।''' ** বইয়ের ভূমিকা: {{cite book | author= ডেভিড বোম | title= কজালিটি অ্যান্ড চান্স ইন মডার্ন ফিজিক্স | publisher= রাউটলেজ | year= ১৯৮৪ |url= | isbn= ০৪১৫১৭৪৪০৬ | page=x }} * ''Admettant que la particule possède une vibration interne qui permet de l'assimiler à une petite horloge, je supposais que cette horloge se déplaçait dans son onde de façon que sa vibration interne reste constamment en phase avec celle de l'onde : c'est le postulat de l'accord des phases.'' ** '''কণাটির একটি অভ্যন্তরীণ কম্পন রয়েছে যা একে একটি ছোট ঘড়ির সাথে তুলনা করার সুযোগ দেয় এমনটি ধরে নিয়ে আমি কল্পনা করেছিলাম যে, ঘড়িটি তরঙ্গের সাথে এমনভাবে ভ্রমণ করছে যেন তার অভ্যন্তরীণ কম্পনটি ক্রমাগত তরঙ্গের কম্পনের সাথে একই দশায় থাকে: এটিই হলো ফেজ ম্যাচিং পোস্টুলেট (দশা সামঞ্জস্যের স্বতঃসিদ্ধ)।''' *** ''সার লে ভেরিয়েবল ইদে দ্য বেস দ্য লা মেকানিক অন্দুলেতোয়ার'', লুই দ্য ব্রোয়ি, সি. আর. অ্যাকাদ. সাই., ২৭৭, সিরিজ বি, ১৯৭৩, পৃষ্ঠা ৭১-৭৩। == বহিঃসংযোগ == *{{wikipedia-inline|বাংলা=উইকিপিডিয়া}} *{{Commonscat-inline|বাংলা=কমন্সক্যাট}} {{DEFAULTSORT:ব্রোয়ি, লুই দ্য}} [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৯২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৭-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের নোবেল বিজয়ী]] r78d92rsl0qb2pphz1n27vj8ceg5f2g 81824 81823 2026-04-28T03:46:09Z Sumanta3023 4175 /* উক্তি */ 81824 wikitext text/x-wiki [[File:Broglie Big.jpg|thumb|আমাদের [[জ্ঞান|জ্ঞানের]] বর্তমান অবস্থা সর্বদা সাময়িক এবং... বর্তমানে যা জানা আছে তার বাইরেও আবিষ্কার করার মতো বিশাল নতুন অঞ্চল অবশ্যই রয়েছে।]] '''[[w:লুই দ্য ব্রোয়ি|লুই দ্য ব্রোয়ি]]''' (১৫ আগস্ট ১৮৯২ – ১৯ মার্চ ১৯৮৭) ছিলেন একজন ফরাসি অভিজাত এবং [[পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিজ্ঞানী]] যিনি [[w:পুরানো কোয়ান্টাম তত্ত্ব|কোয়ান্টাম তত্ত্বে]] যুগান্তকারী অবদান রেখেছিলেন। তার ১৯২৪ সালের পিএইচডি থিসিসে, তিনি ইলেকট্রনের তরঙ্গ প্রকৃতির ধারণা প্রদান করেন এবং প্রস্তাব করেন যে [[w:পদার্থ তরঙ্গ|সকল পদার্থেরই তরঙ্গ ধর্ম রয়েছে]]। এই ধারণাটি দ্য ব্রোয়ি প্রকল্প নামে পরিচিত, যা [[w:তরঙ্গ-কণা দ্বৈততা|তরঙ্গ-কণা দ্বৈততার]] একটি উদাহরণ এবং [[কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান|কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের]] তত্ত্বের একটি কেন্দ্রীয় অংশ গঠন করে। ১৯২৭ সালে পদার্থের তরঙ্গ-সদৃশ আচরণ [[w:ডেভিসন-জার্মার পরীক্ষা|পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম প্রদর্শিত হওয়ার]] পর, ১৯২৯ সালে দ্য ব্রোয়ি [[w:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। {{physicist-stub}} == উক্তি == [[File:Atom deBroglie.png|thumb|অস্তিত্ব নেই এমন বিন্দুর স্থানাঙ্ক দিয়ে একটি কনফিগারেশন স্পেস তৈরি করা কিছুটা অসংগতিপূর্ণ বলে মনে হয়।]] * '''অস্তিত্ব নেই এমন বিন্দুর স্থানাঙ্ক দিয়ে একটি [[w:কনফিগারেশন স্পেস|কনফিগারেশন স্পেস]] তৈরি করা কিছুটা অসংগতিপূর্ণ বলে মনে হয়।''' ** ''লা নুভেল দিনামিক দে কোয়ান্তা'' (১৯২৮), অনুবাদ করেছেন {{cite book | author= বাচিয়াগালুপ্পি, জি., ভ্যালেন্টিনি, এ. | title= কোয়ান্টাম থিওরি অ্যাট দ্য ক্রসরোডস: রিকনসিডারিং দ্য ১৯২৭ সলভে কনফারেন্স | publisher= কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস | year= ২০০৯ |url= | isbn=০৫২১৮১৪২১৯ | page=৩৮০ }} * '''[[বিজ্ঞান|বিজ্ঞানের]] [[ইতিহাস]] দেখায় যে, বিজ্ঞানের অগ্রগতি ক্রমাগত কিছু ধারণার স্বৈরাচারী প্রভাবের কারণে ব্যাহত হয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত ডগমা হিসেবে বিবেচিত হতে শুরু করেছিল।''' এই কারণে, আমরা যে নীতিগুলোকে আর কোনো আলোচনা ছাড়াই গ্রহণ করে নিয়েছি, সেগুলোকে পর্যায়ক্রমে খুব নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করা উচিত। ** ''উইল কোয়ান্টাম ফিজিক্স রিমেইন ইনডিটারমিনিস্টিক'', যা অন্তর্ভুক্ত আছে {{cite book | author= লুই দ্য ব্রোয়ি | title= দ্য রেভোলিউশন ইন ফিজিক্স: এ নন-ম্যাথমেটিক্যাল সার্ভে অফ কোয়ান্তা | publisher= নুনডে প্রেস | year= ১৯৫৩ |url=http://arxiv.org/abs/arXiv:quant-ph/0609184 | isbn= | page=২৩৭ }} তে * '''দুটি আপাতদৃষ্টিতে বেমানান ধারণা প্রত্যেকেই [[সত্য|সত্যের]] একটি দিককে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে... তারা সরাসরি দ্বন্দ্বে লিপ্ত না হয়েও পর্যায়ক্রমে [[তথ্য|তথ্যসমূহকে]] উপস্থাপন করতে পারে।''' ** ''ডায়ালেক্টিকা'', খণ্ড ২, সংখ্যা ৩/৪ (১৯৪৮), পৃষ্ঠা ৩২৬। * '''আমাদের [[জ্ঞান|জ্ঞানের]] বর্তমান অবস্থা সর্বদা সাময়িক এবং... বর্তমানে যা জানা আছে তার বাইরেও আবিষ্কার করার মতো বিশাল নতুন অঞ্চল অবশ্যই রয়েছে।''' ** বইয়ের ভূমিকা: {{cite book | author= ডেভিড বোম | title= কজালিটি অ্যান্ড চান্স ইন মডার্ন ফিজিক্স | publisher= রাউটলেজ | year= ১৯৮৪ |url= | isbn= ০৪১৫১৭৪৪০৬ | page=x }} * ''Admettant que la particule possède une vibration interne qui permet de l'assimiler à une petite horloge, je supposais que cette horloge se déplaçait dans son onde de façon que sa vibration interne reste constamment en phase avec celle de l'onde : c'est le postulat de l'accord des phases.'' ** '''কণাটির একটি অভ্যন্তরীণ কম্পন রয়েছে যা একে একটি ছোট ঘড়ির সাথে তুলনা করার সুযোগ দেয় এমনটি ধরে নিয়ে আমি কল্পনা করেছিলাম যে, ঘড়িটি তরঙ্গের সাথে এমনভাবে ভ্রমণ করছে যেন তার অভ্যন্তরীণ কম্পনটি ক্রমাগত তরঙ্গের কম্পনের সাথে একই দশায় থাকে: এটিই হলো ফেজ ম্যাচিং পোস্টুলেট (দশা সামঞ্জস্যের স্বতঃসিদ্ধ)।''' *** ''সার লে ভেরিয়েবল ইদে দ্য বেস দ্য লা মেকানিক অন্দুলেতোয়ার'', লুই দ্য ব্রোয়ি, সি. আর. অ্যাকাদ. সাই., ২৭৭, সিরিজ বি, ১৯৭৩, পৃষ্ঠা ৭১-৭৩। == বহিঃসংযোগ == *{{wikipedia-inline|বাংলা=উইকিপিডিয়া}} *{{Commonscat-inline|বাংলা=কমন্সক্যাট}} {{DEFAULTSORT:ব্রোয়ি, লুই দ্য}} [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৯২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৭-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের নোবেল বিজয়ী]] fmz5iebapzh3askrouge70r2kk1b43t 81826 81824 2026-04-28T03:47:20Z Sumanta3023 4175 /* উক্তি */ 81826 wikitext text/x-wiki [[File:Broglie Big.jpg|thumb|আমাদের [[জ্ঞান|জ্ঞানের]] বর্তমান অবস্থা সর্বদা সাময়িক এবং... বর্তমানে যা জানা আছে তার বাইরেও আবিষ্কার করার মতো বিশাল নতুন অঞ্চল অবশ্যই রয়েছে।]] '''[[w:লুই দ্য ব্রোয়ি|লুই দ্য ব্রোয়ি]]''' (১৫ আগস্ট ১৮৯২ – ১৯ মার্চ ১৯৮৭) ছিলেন একজন ফরাসি অভিজাত এবং [[পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিজ্ঞানী]] যিনি [[w:পুরানো কোয়ান্টাম তত্ত্ব|কোয়ান্টাম তত্ত্বে]] যুগান্তকারী অবদান রেখেছিলেন। তার ১৯২৪ সালের পিএইচডি থিসিসে, তিনি ইলেকট্রনের তরঙ্গ প্রকৃতির ধারণা প্রদান করেন এবং প্রস্তাব করেন যে [[w:পদার্থ তরঙ্গ|সকল পদার্থেরই তরঙ্গ ধর্ম রয়েছে]]। এই ধারণাটি দ্য ব্রোয়ি প্রকল্প নামে পরিচিত, যা [[w:তরঙ্গ-কণা দ্বৈততা|তরঙ্গ-কণা দ্বৈততার]] একটি উদাহরণ এবং [[কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান|কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের]] তত্ত্বের একটি কেন্দ্রীয় অংশ গঠন করে। ১৯২৭ সালে পদার্থের তরঙ্গ-সদৃশ আচরণ [[w:ডেভিসন-জার্মার পরীক্ষা|পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম প্রদর্শিত হওয়ার]] পর, ১৯২৯ সালে দ্য ব্রোয়ি [[w:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। {{physicist-stub}} == উক্তি == [[File:Atom deBroglie.png|thumb|অস্তিত্ব নেই এমন বিন্দুর স্থানাঙ্ক দিয়ে একটি কনফিগারেশন স্পেস তৈরি করা কিছুটা অসংগতিপূর্ণ বলে মনে হয়।]] * '''অস্তিত্ব নেই এমন বিন্দুর স্থানাঙ্ক দিয়ে একটি [[w:কনফিগারেশন স্পেস|কনফিগারেশন স্পেস]] তৈরি করা কিছুটা অসংগতিপূর্ণ বলে মনে হয়।''' ** ''লা নুভেল দিনামিক দে কোয়ান্তা'' (১৯২৮), অনুবাদ করেছেন {{cite book | author= বাচিয়াগালুপ্পি, জি., ভ্যালেন্টিনি, এ. | title= কোয়ান্টাম থিওরি অ্যাট দ্য ক্রসরোডস: রিকনসিডারিং দ্য ১৯২৭ সলভে কনফারেন্স | publisher= কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস | year= ২০০৯ |url= | isbn=০৫২১৮১৪২১৯ | page=৩৮০ }} * '''[[বিজ্ঞান|বিজ্ঞানের]] [[ইতিহাস]] দেখায় যে, বিজ্ঞানের অগ্রগতি ক্রমাগত কিছু ধারণার স্বৈরাচারী প্রভাবের কারণে ব্যাহত হয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত ডগমা হিসেবে বিবেচিত হতে শুরু করেছিল।''' এই কারণে, আমরা যে নীতিগুলোকে আর কোনো আলোচনা ছাড়াই গ্রহণ করে নিয়েছি, সেগুলোকে পর্যায়ক্রমে খুব নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করা উচিত। ** ''উইল কোয়ান্টাম ফিজিক্স রিমেইন ইনডিটারমিনিস্টিক'', যা অন্তর্ভুক্ত আছে {{cite book | author= লুই দ্য ব্রোয়ি | title= দ্য রেভোলিউশন ইন ফিজিক্স: এ নন-ম্যাথমেটিক্যাল সার্ভে অফ কোয়ান্তা | publisher= নুনডে প্রেস | year= ১৯৫৩ |url=http://arxiv.org/abs/arXiv:quant-ph/0609184 | isbn= | page=২৩৭ }} তে * '''দুটি আপাতদৃষ্টিতে বেমানান ধারণা প্রত্যেকেই [[সত্য|সত্যের]] একটি দিককে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে... তারা সরাসরি দ্বন্দ্বে লিপ্ত না হয়েও পর্যায়ক্রমে তথ্যসমূহকে উপস্থাপন করতে পারে।''' ** ''ডায়ালেক্টিকা'', খণ্ড ২, সংখ্যা ৩/৪ (১৯৪৮), পৃষ্ঠা ৩২৬। * '''আমাদের [[জ্ঞান|জ্ঞানের]] বর্তমান অবস্থা সর্বদা সাময়িক এবং... বর্তমানে যা জানা আছে তার বাইরেও আবিষ্কার করার মতো বিশাল নতুন অঞ্চল অবশ্যই রয়েছে।''' ** বইয়ের ভূমিকা: {{cite book | author= ডেভিড বোম | title= কজালিটি অ্যান্ড চান্স ইন মডার্ন ফিজিক্স | publisher= রাউটলেজ | year= ১৯৮৪ |url= | isbn= ০৪১৫১৭৪৪০৬ | page=x }} * ''আদমেতঁ কো লা পার্তিকুল পোসেদ উন ভিব্রাসিওঁ অ্যাঁতের্ন কি পেরমে দ্য লাসিমিল এ উন প্যতিত ওরলোজ, জ্য সুপোজেই কো সেত্ত ওরলোজ স্য দেপ্লাসেই দঁ সঁ ওঁদ দ্য ফাসোঁ কো সা ভিব্রাসিওঁ অ্যাঁতের্ন রেস্ত কোঁস্তাতমোঁ অঁ ফাজ আভেক সেল দ্য লোঁদ : সে ল্য পোস্তুলা দ্য লাকোর দে ফাজ।'' ** '''কণাটির একটি অভ্যন্তরীণ কম্পন রয়েছে যা একে একটি ছোট ঘড়ির সাথে তুলনা করার সুযোগ দেয় এমনটি ধরে নিয়ে আমি কল্পনা করেছিলাম যে, ঘড়িটি তরঙ্গের সাথে এমনভাবে ভ্রমণ করছে যেন তার অভ্যন্তরীণ কম্পনটি ক্রমাগত তরঙ্গের কম্পনের সাথে একই দশায় থাকে: এটিই হলো ফেজ ম্যাচিং পোস্টুলেট (দশা সামঞ্জস্যের স্বতঃসিদ্ধ)।''' *** ''সার লে ভেরিয়েবল ইদে দ্য বেস দ্য লা মেকানিক অন্দুলেতোয়ার'', লুই দ্য ব্রোয়ি, সি. আর. অ্যাকাদ. সাই., ২৭৭, সিরিজ বি, ১৯৭৩, পৃষ্ঠা ৭১-৭৩। == বহিঃসংযোগ == *{{wikipedia-inline|বাংলা=উইকিপিডিয়া}} *{{Commonscat-inline|বাংলা=কমন্সক্যাট}} {{DEFAULTSORT:ব্রোয়ি, লুই দ্য}} [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৯২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৭-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের নোবেল বিজয়ী]] 9hxupukjx9ranvebkxgivnkfwh4c8fa আলাপ:লুই দ্য ব্রোয়ি 1 13794 81827 2026-04-28T03:47:50Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81827 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:ঘাস 1 13795 81829 2026-04-28T03:55:18Z Salil Kumar Mukherjee 39 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81829 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ভারতে দুর্ভিক্ষ 0 13796 81839 2026-04-28T04:22:22Z ARI 356 [[:en:Famine in India|]] থেকে অনুবাদ/আমদানি 81839 wikitext text/x-wiki [[File:India-famine-family-crop-420.jpg|thumb|Victims of the Great Famine of 1876–78 in India, pictured in 1877.]] '''[[w:Famine in India|Famine]]''' had been a recurrent feature of life in the [[w:Indian sub-continent|Indian sub-continent]]al countries of [[ভারত]], [[পাকিস্তান]] and [[বাংলাদেশ]], most accurately recorded during [[w:British rule|British rule]]. Famines in India resulted in more than 30 million deaths over the course of the 18th, 19th, and early 20th centuries. Famines in [[British India]] were severe enough to have a substantial impact on the long-term population growth of the country in the 19th and early 20th centuries. ==Quotes== *The mighty [[peril]] is the entire starvation of the country [India] by foreign exploiters and its complete and hopeless dependence on aliens for almost all articles of common use. **[[অরবিন্দ ঘোষ]], in ''[http://books.google.co.in/books?id=rXiXje2B46QC&pg=PA263&lpg=PA263 Sri Aurobindo Ghose]'' (1 January 1993), p. 263 *You see somewhere a man who is starving and if you misunderstand [[karma]] — as too many of you do, to the shame of [[ভারত]], in a land where this teaching is of immemorial [[antiquity]] — you turn aside from that starving man and say that it is his karma to starve and [[w:perish|perish]]; in those hardened [[heart]] of yours you use the will of [[ঈশ্বর]] as a cover for your lack of [[ভালোবাসা]]. That man’s karma to starve? Aye, and therefore he is starving! But if a [[w:Deva|Deva]] guides you to the place where your brother is starving, it is because he would make you the agent of his [[beneficence]] to that man whose [[evil]] karma of the present moment has been exhausted by his suffering; the Deva thus says to you: “Man your brother man is starving give him the [[w:Relief|relief]] it is his karma to receive, and be my agent in carrying out the [[আইন]]. **[[অ্যানি বেসান্ত]], in ''[http://books.google.co.in/books?id=eIrD4GQFCPIC&pg=PT475 The Theosophical Writings of Annie Besant],'' (Google eBook) (2012), p. 475 * Then comes a year of famine; but the nose-rings and gold elbow-bangles are gone and people starve by thousands. What matters it? They die in Christ, and Rome scatters her blessings over their corpses, of which thousands float yearly down the sacred rivers to the ocean. **Helena Blavatsky, Isis Unveiled *The Lieutenant Governor of Bengal was to the fullest extent responsible for not having made any preparation against the famine. ... The doctrines of political economy had been worshipped as a sort of "fetish" by officials who, because they believed that in the long run supply and demand would square themselves, seemed to have utterly forgotten that human life was short, and that men could not subsist without food beyond a few days. They mechanically left the laws of political economy to work themselves out while hundreds of thousands of human beings were perishing from famine. **[[Robert Gascoyne-Cecil, 3rd Marquess of Salisbury|Viscount Cranborne]], [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1867/aug/02/motion-for-an-address#S3V0189P0_18670802_HOC_126 speech in the House of Commons (2 August 1867)] on the [[w:Orissa famine of 1866|Orissa famine of 1866]] *He ([[George Curzon, 1st Marquess Curzon of Kedleston|George Curzon]]) was likewise determined to prevent famine from being used as a cause for reform. With hunger spreading on an unprecedented scale through two-thirds of the subcontinent, he ordered his officials to publicly attribute the crisis strictly to drought. When an incautious member of the Legislative Council in Calcutta, Donald Smeaton, raised the problem of over-taxation, he was (in Boer War parlance) prompdy "Stellenboshed." Although Curzons own appetite for viceregal pomp and circumstance was notorious, he lectured starving villagers that "any Government which imperilled the financial position of India in the interests of prodigal philanthropy would be open to serious criticism; but any Government which by indiscriminate alms-giving weakened the fibre and demoralised the self-reliance of the population, would be guilty of a public crime." **[[w:Mike_Davis_(scholar)|Davis, Mike]]. [[w:Late Victorian Holocausts|Late Victorian Holocausts]]. 1. Verso, 2000. {{আইএসবিএন|1-85984-739-0}} pg 162 *And what lesson did the British draw from these catastrophes? The most comprehensive official survey, the Report on the Famine in Bombay Presidency, 1899-1902, conceded that much of the excess mortality might have been avoided by "widespread gratious [home] relief from the beginning," but insisted that "the cost could have been such as no country would bear or should be called upon to bear"... **[[w:Mike_Davis_(scholar)|Davis, Mike]]. [[w:Late Victorian Holocausts|Late Victorian Holocausts]]. 1. Verso, 2000. {{আইএসবিএন|1-85984-739-0}} pg 175 *How do we weigh smug claims about the life-saving benefits of steam transportation and modern grain markets when so many millions, especially in British India, died along railroad tracks or on the steps of grain depots? **Author and political activist Mike Davis poses the question in his book, Late Victorian Holocausts *Sir William Hunter, estimated that 40,000,000 of the people of India were seldom or never able to satisfy their hunger. In 1901, 272,000 died of plague introduced from abroad, in 1902, 500,000 died of plague; in 1903, 800,000; in 1904, 1,000,000. We can now understand why there are famines in India. Their cause, in plain terms, is not the absence of food, but the inability of the people to pay for it. It was hoped the railways would solve the problem...the fact that the worst famines have come since the building of the railways...behind all these, as the fundamental source of the terrible famines in India, lies such merciless exploitation, such unbalanced exploitation of goods, and such brutal collection of high taxes in the very midst of famine.... **(source: The Case for India - By Will Durant Simon and Schuster, New York. 1930 p.50-53). * "So great an economic drain out of the resources of the land," says Dutt, "would impoverish the most prosperous countries on earth; it has reduced India to a land of famines more frequent, more widespread, and more fatal, than any known before in the history of India or of the world." **Dutt quoted at [https://archive.org/stream/dli.ministry.10950/E15048_The_Case_For_India_djvu.txt] *According to British records, one million Indians died of famine between 1800 and 1825, 4 million between 1825-1850, 5 million between 1850-1875 and 15 million between 1875-1900. Thus 25 million Indians died in 100 years ! The British must be proud of their bloody record. It is probably more honorable and straightforward to kill in the name of Allah, than in the guise of petty commercial interests and total disregard for the ways of a 5000 year civilization. Thus, by the beginning of the 20th century, India was bled dry and there were no resources left. **(source: India's Self Denial - By Francois Gautier ) * '''The Great [[বঙ্গ]] Famine of 1770 reminds us that taxes have a destructive power, and may be used to deny [[freedom of religion]] or belief as well.'''<br>This is why we support Tai Ji Men dizi (disciples) in their protest—and support the “Declaration of the International Day Against Judicial and Tax Persecution by State Power” as well. ** [[Massimo Introvigne]], [https://bitterwinter.org/great-bengal-famine-1770-taxes-created-a-genocide/ "The Great Bengal Famine of 1770: When Taxes Created a Genocide"], ''Bitter Winter'' *Inhabitants were reduced to the direst extremity. Life was offered for a loaf, but none would buy. Dog’s flesh was sold for goat flesh. The pounded bones of the dead were mixed in flour and sold. Men began to devour each other, and the flesh of a son was preferred to his love. The number of deaths caused obstructions in the roads. Those lands which had been famous for fertility and plenty of resources retain no traces of production. ** Abdul Hamid Lahori, Badshahnama; Henry Miers Elliot (ed.), John Dowson, The History of India, as Told by Its Own Historians, London: Sh. Mubarak Ali, 1867–77, Vol. VII, p. 12. quoted in Aabhas Maldahiyar - Babur_ The Chessboard King-Vintage Books (2024) * During the first 80 years of the 19th century 18,000,000 of the Indian people perished of famine. In one year alone - the year when Her Majesty, Queen Victoria, assumed the title of the Empress, - 5,000,000 of the people of Southern India were starved to death. In the District of Bellary, with which I am personally acquainted - a region twice the size of Wales - 1/4 of the whole population perished in the famine of 1876-77. I shall never forget my own famine experience; how, as I rode out on horseback, morning after morning, I passed crowds of wandering skeletons, and saw human corpses by the roadside, unburied, uncared for, half devoured by dogs and vultures; and how - still sadder sight - children, 'the joy of the world' as the old Greeks deemed them, had become its ineffable sorrow there, forsaken even by their mothers, their feverish eyes shining from hollow sockets, their flesh utterly wasted away, only gristle and sinew and cold shivering skin remaining, their heads mere skulls, their puny frames full of loathsome disease engendered by the starvation... Everyone who has been in India in famine times, and has left the beaten track of western made prosperity, knows how true a picture this is. ** Mr. W. S. Lily in his - India and Its Problems *Surat (Gujarat)- Great famine, highways unpassable, infested by thieves looking not for gold but grain; Kirka- Town empty. Half inhabitants fled. Another half dead; Dhaita- Children sold for 6 dams or given for free to any who could take them so they might be kept alive; Nandurbar (Maharashtra)-No space to pitch a tent, dead bodies everywhere. Noisome smell from a neighboring pit where 40 dead bodies were thrown. Survivors searching for grains in the excrement of men and animals. Highway stowed with dead bodies from Surat to Burhanpur... In Bazar lay people dead and others breathing their last with the food almost near their mouths, yet dying for want of it, they not having wherewith to buy, nor the others so much pity to spare them any without money. There being no course taken in this Country to remedy this great evil, the rich and strong engrossing and taking perforce all to themselves. ** Peter Mundy, The Travels of Peter Mundy in Europe and Asia, 1608–1667. (ed.) Lt. Col. Sir Richard Carnac Temple. Cambridge: Cambridge University Press, 1907. pp. 40–48. Vol. II. quoted in Aabhas Maldahiyar - Babur_ The Chessboard King-Vintage Books (2024) *...in the name of civilizing our country [India] they exploited our country making us poorer day by day. There were perpetual [[w:Famine|famine]] and starvation in India. But the [[w:British raj|British]] had always been callous to it. **[[স্বামী বিবেকানন্দ]], in "Swami Vivekananda: Messiah of Resurgent India (1 January 2003)", p. 185 *[[সংস্কৃতি]]ly it was a time of [[w:Economic stagnation|stagnation]]. [[দারিদ্র্য]] and starvation were the common [[phenomenon]] in the [[সমাজ]]. The [[w:British Government|imperial power]] invested huge capital in India and made enormous profit. The British looked upon India as a place where capital could hope to maintain a [[স্বর্গ]]. But [[paradoxical]]ly enough, the Indian masses were rotting in poverty and starvation. Thus a great [[predicament]], surrounded India in the 18th and 19th centuries. **[[স্বামী বিবেকানন্দ]], in "Swami Vivekananda: Messiah of Resurgent India (1 January 2003)", pp. 205-06 *They have sucked out [[রক্ত]], they have carried away with them millions of our money, while our people have starved. **[[স্বামী বিবেকানন্দ]], in "Swami Vivekananda: Messiah of Resurgent India (1 January 2003)", p. 291 *Twenty years from 1860-1908 were the years of [[w:Famine|famine]]. Nearly 29 million people died during famines from 1854-1901. These famines revealed that [[দারিদ্র্য]] and chronic starvation had taken firm roots in [[w:Colonial India|colonial India]]. **[[স্বামী বিবেকানন্দ]], in "Swami Vivekananda: Messiah of Resurgent India (1 January 2003)", p. 291 *...amidst wretchedness, [[দারিদ্র্য]] and starvation it is too difficult to [[preach]] [[w:Advaita|Advaitism]] and realize the grand [[স্বপ্ন]] of Universal Unity...poor must be given [[রুটি]] first and then [[ধর্ম]]. **[[স্বামী বিবেকানন্দ]], in "Swami Vivekananda: Messiah of Resurgent India (1 January 2003)", p. 353 *...the imperialistic drain of [[wealth]] from the backward parts of the [[বিশ্ব]] and its piling up in capitalistic areas of the [[West]] that causes poverty and starvation in one part and plentitude in another part of the [[বিশ্ব]]. **[[স্বামী বিবেকানন্দ]], in "Swami Vivekananda: Messiah of Resurgent India (1 January 2003)", p. 353 *“The famine has wrought miracles. The catechumenates are filling, baptismal water flows in streams, and starving little tots fly in masses to heaven… A hospital is a readymade congregation. There is no need to go into the highways and hedges and ‘compel them to come in’. They send each other.” **About the sudden jumps in the number of Christian converts during famines. Archbishop of Pondicherry, ‘Spiritual Advantages of Famine and Cholera’, India and Its Missions, 1823. cited in Arun Shourie, Missionaries in India, New Delhi, 1994 quoted from Madhya Pradesh (India), Goel, S. R., Niyogi, M. B. (1998). Vindicated by time: The Niyogi Committee report on Christian missionary activities. (RIFT IN THE LUTE) ISBN 9789385485121 *“Between 1387 and 1395 the Deccan was visited by a severe famine, and Muhammad’s53 measures for the relief of his subjects displayed a combination of administrative ability, enlightened compassion, and religious bigotry. A thousand bullocks belonging to the transport establishment maintained for the court were placed at the disposal of. those in charge of relief measures, and travelled incessantly to and fro between his dominions and Gujarat and Malwa, which had escaped the visitation bringing thence grain which was sold at low rates in the Deccan, but to Muslims only.” ** Cambridge History of India., III, p.385. quoted from K.S. Lal, Indian Muslims who are they, 1990. * The greater part of the soil is under irrigation, and consequently bears two crops in the course of the year. . . . It is accordingly affirmed that famine has never visited India, and that there has never been a general scarcity in the supply of nourishing food. **Megasthenes Quoted in Durant, Will (1963). Our Oriental heritage. New York: Simon & Schuster. *‘The misery of the war on the coast of Africa, the terrible prospect of the Indian famine, may furnish the very opening which we most desire. They may be the very touchstones by which these suffering heathens will test the practical efficiency of a Christian government and a Christian nation, of Christian missionaries and Christian people, and, having so tested it, will judge’. **Max Muller, quoted in Subrata Chattopadhyay Banerjee - The Development of Aryan Invasion Theory in India, A Critique of Nineteenth-Century Social Constructionism-Springer (2020) *Nixon bitterly said, “The Indians need—what they need really is a—” Kissinger interjected, “They’re such bastards.” Nixon finished his thought: “A mass famine.” **Richard Nixon, FRUS, vol. E-7, White House tapes, Oval Office 505-4, 26 May 1971, 10:38 a.m. quoted in Bass, G. J. (2014). The Blood telegram: Nixon, Kissinger, and a forgotten genocide. ch 9 * It is true that lack of rain causes famine but it is also true that the people of India have not the strength to fight the evil. The poverty of India is wholly due to the present rule. India is being bled till only the skeleton remains…all the vitality of the people is being sapped and we are left in an emaciated state of slavery. ** [[বাল গঙ্গাধর তিলক]] {{বই উদ্ধৃতি|last1=Bhagwat|first1=A.K.|last2=Pradhan|first2=G.P. |title=Lokmanya Tilak – A Biography|url=http://books.google.com/books?id=bYfMbCXyc3kC&pg=PT167|year=1958|publisher=Jaico Publishing House|isbn=978-81-7992-846-2|pages=167–}} * Famine is India's specialty. Elsewhere famines are inconsequential incidents — in India they are devastating cataclysms; in one case they annihilate hundreds; in the other, millions. ** [[মার্ক টোয়েইন]], ''Following the Equator'' (1897), [http://www.gutenberg.org/files/2895/2895-h/p5.htm Ch. XLIII] * How marvellous are the Lord’s way? One might almost say that the divine intention has been to make the parents disappear in order that their children might be led to the mission……… The last two periods of famine have brought to the Catholic Mission thousands of orphans……… ** “Hospital Conscience” of the standard Bishop-the Catholic Bishop of Lahore. quoted in A Mid-Victorian Hindu: A Sketch of the Life and Times of Rakhal Das Haldar, and quoted in Young India, 13 -14: 2, in : Madhya Pradesh (India), Goel, S. R., Niyogi, M. B. (1998). Vindicated by time: The Niyogi Committee report on Christian missionary activities. ISBN 9789385485121 *The famine of 1769-70 in India, under the East India Company, appalled Horace Walpole and made him feel ashamed of his countrymen: "We have outdone the Spaniards in Peru. They were at least butchers on a religious principle, however diabolical their zeal. We have murdered, deposed, plundered, usurpednay, what you think of the famine in Bengal in which three millions perished being caused by a monopoly of the servants of the East India Company."'' **H. Walpole quoted in Ibn Warraq, Defending the West: A Critique of Edward Said's Orientalism. Ibn, W. (2009). Defending the West: A critique of Edward Said's Orientalism. Amherst, N.Y: Prometheus Books. *Although the drought in [[w:Kalahandi|Kalahandi]] was a moderate natural disaster, the starvation deaths were a completely avoidable man-made disaster. ** [[Tapan Kumar Pradhan]], {{বই উদ্ধৃতি|title=Kalahandi : The Untold Story |year=2020|publisher=Kohinoor Books|isbn= 978-81-945797-1-7}} *In the great famine which raged through Indostan in the year 1770, and the ravages of which were particularly felt in every part of Bengal, the Jungleterry is said to have suffered greatly. I have understood that it was before this time highly cultivated, and filled with industrious husbandmen and manufacturers, and the population was estimated at more than eighteen thousand people. It is, however, at present reduced to a few hundreds, great numbers having been cut off by famine, and others having migrated in search of food. <br>The country I had passed through from Allahabad to Lucknow, and thence to Fyzabad, has the same general character, and there are very few elevations to be seen in it that are considerable. It is in a moderate state of cultivation, in some parts better than others; but where it is neglected, it is evidently more from the want of property in the people, than the natural fertility of the country, which, on the contrary, I believe to be capable of producing the finest crops. The villages, of which there are many, some are comfortable in their appearance, and others apparently distressed. After leaving the flourishing district of Benaras, I could not help viewing with a melancholy concern the miserable appearance of all the territories which were under the absolute direction of Mussulman tyrants…<br>The country from Lucknow to Etaya is in a moderate state of cultivation, but the villages are poor.… The country from Etaya to this place [Jeswotnagur] is very little cultivated; the villages are not populous, and the few inhabitants appear very wretched. On the 16th we halted at O’Kraine, six coss further, almost at the termination of the Nabob of Oud’s country. Through the whole of the last day’s journey I observed scarcely a spot in cultivation; the villages, of which there are several, were in ruins, and the whole presented almost on uninterrupted scene of desolation. On the last day’s march we met a few unfortunate people passing down into the provinces, in order actually to avoid being starved, begging their way.… Between Shekoabad and Fyrozabad are a few spots of cultivated ground. This village takes its name from the Purgunnah, which is a small district within a larger: it was at this time in the hands of a Gosine, or Hindoo Religious; and as the spirit of the Hindoo government is favourable to agriculture in the highest degree, this spot appeared a perfect garden. It must, indeed, be observed, that although the Hindoo governors or proprietors, from the principle of avarice, may sometimes distress, they do not destroy the endeavours of the poor, as the Mussulmans.… **Famine of A.D. 1770, poor state of the countryside, William Hodges Hodges, William, Travels in India During the Years 1780, 1781, 1782, and 1783, Munshiram Manoharlal, 1999.quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter2 *Maharajpore. We now pass through every day, the finest country for dust that it is possible to imagine and there is nothing else to be seen, not a blade of grass – the cattle are to be fed by Oude grass, just as we are to be fed by Oude cooks. We shall not pass through the distressed districts but the famine on one side of the country round Cawnpore, where we shall be the day after tomorrow, is very frightful now. A man was here the other day who had just travelled though that part and said the people were dying in hundreds by the roadside. He had sometimes seen twenty and thirty bodies lying close together.…<br>My dearest, I am sick at heart with all this starvation we see about us. Now we are only upon the outskirts of the country where famine is raging but we are among those who have only wandered from it to die, and even here some of the villages are depopulated, the crops are dying fast for want of rain. As yet there are funds at all the civil stations for giving food to all who want it but many die upon the road and everyday we see those who do not seem to have an hour’s life left in them. Every evening all who come are fed with rice but even these were more than three hundred and it was found difficult to prevent them tearing the rice from each other. Some scarcely look human, particularly the children. It made me shudder yesterday to see one little wretch who was lying alone in the middle of the camp tear bread off the loaf with his teeth which it had hardly strength enough to swallow. The mothers offer to sell their skeletons of babies for a rupee. The fathers seem to get what food they can for themselves and to leave women and children for starve – but many men too quietly lie down and die. If rain would come during the next fortnight, the crops for the next year might be saved and then the rich natives who have grain in their granaries might sell it, but it is generally during the Xmas week that the rain comes and there is no appearance of it. Already I feel as if we were only giving a few more days of misery to those we feed, for they must die of hunger at last. Three or four days will take away from the sight of all this suffering but I am sure I will never forget it…<br>January 7th1836 Kanonze. I have not really had the heart to write the last three days – we have been surrounded by people dying of starvation. Some hundred came for food yesterday, a thousand were fed today, but many of them are still lying round the camp, children who have not many hours of life left in them – some of the grown-up people too are nothing but skin and bone, their faces like skulls. Captain Cunningham found many more today, one woman dead and a man and woman dying, many sitting round but taking no notice. There is plenty of grain too in the granaries but the rich natives, from fear of a greater scarcity next year, will not sell it. The distribution of food is grown very difficult, they will not wait for their turns but rush forwards to tear it from each other and the children are nearly crushed. Almost all our native servants have adopted either orphans or children they have bought for a rupee or two – a very common thing in these times of distress – and they generally keep them for the rest of their lives. We are now within three days of Futteghar and there work is provided for all who can work and funds to support the women and children who cannot…<br>January 9th Our poor people are improving a little and have been much less vociferous today. I saw a gentleman today who has come from that part of the country from which these have wandered, and he says the sights there are horrible – hundreds dead and he saw many as he passed stripping bark off the trees and cooking it. Our French servant went out to look for cantaloupes by the side of the river, and found above a hundred lying together and some skeletons upright in the water and passed through a village where but two inhabitants were left. My dearest, I am longing to be away from all these horrors, where I feel that we can do but little good – all that is consumed by man and beast comes to us from Oude. The country is bare even of grass – at the best it is thinly inhabited. But it is no affectation to say that when we sit down to dinner with the band playing and all the pomp and circumstances of life about us, which is just as much kept up in a tent as anywhere else, my very soul sickens at the cries of the starving children outside which never seem to cease. **(b) Famine and starvation deaths, 19 December 1835, Fanny Eden Eden, Fanny, Tigers, Durbars And Kings, Fanny Eden’s Indian Journals, 1837-1838, Ed., Janet Dunbar, John Murray, 1988. quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter2 *We learn that about the middle of last century certain English speculators bought up the whole rice-harvest of India, and thus induced a famine in the land, which swept away three millions of the natives: yet not one of these starving wretches could be moved to slay and eat his household animals; only after their masters, did they famish too. A mighty testimony to the genuineness of a religious belief, with which, however, the confessors themselves have been expunged from "History." **Religion and Art By Richard Wagner Translated by William Ashton Ellis ==See also== *[[Altruism]] *[[Compassion]] *[[দুর্ভিক্ষ]] *[[ক্ষুধা]] *[[ভালোবাসা]] *[[Sharing]] == External links == {{উইকিপিডিয়া}} [[Category:Famines in India]] aje7shgfcga9t0qyas9j990i8azf0mx 81840 81839 2026-04-28T04:25:56Z ARI 356 অনুবাদ 81840 wikitext text/x-wiki [[File:India-famine-family-crop-420.jpg|thumb|১৮৭৬–৭৮ সালের ভারতের মহা দুর্ভিক্ষের শিকার হওয়া কিছু মানুষ, ১৮৭৭ সালে তোলা ছবি।]] '''দুর্ভিক্ষ''' ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মতো ভারত উপমহাদেশীয় দেশগুলোর জীবনের একটি নিয়মিত অংশ ছিল। ব্রিটিশ শাসনের সময় এই দুর্ভিক্ষের তথ্যগুলো সবচেয়ে নিখুঁতভাবে রেকর্ড করা হয়েছিল। ১৮শ, ১৯শ এবং ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে ভারতে দুর্ভিক্ষের কারণে ৩ কোটিরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল। ব্রিটিশ ভারতের দুর্ভিক্ষগুলো এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, ১৯শ এবং ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে দেশের দীর্ঘমেয়াদী জনসংখ্যা বৃদ্ধির ওপর এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল। ==Quotes== *The mighty [[peril]] is the entire starvation of the country [India] by foreign exploiters and its complete and hopeless dependence on aliens for almost all articles of common use. **[[অরবিন্দ ঘোষ]], in ''[http://books.google.co.in/books?id=rXiXje2B46QC&pg=PA263&lpg=PA263 Sri Aurobindo Ghose]'' (1 January 1993), p. 263 *You see somewhere a man who is starving and if you misunderstand [[karma]] — as too many of you do, to the shame of [[ভারত]], in a land where this teaching is of immemorial [[antiquity]] — you turn aside from that starving man and say that it is his karma to starve and [[w:perish|perish]]; in those hardened [[heart]] of yours you use the will of [[ঈশ্বর]] as a cover for your lack of [[ভালোবাসা]]. That man’s karma to starve? Aye, and therefore he is starving! But if a [[w:Deva|Deva]] guides you to the place where your brother is starving, it is because he would make you the agent of his [[beneficence]] to that man whose [[evil]] karma of the present moment has been exhausted by his suffering; the Deva thus says to you: “Man your brother man is starving give him the [[w:Relief|relief]] it is his karma to receive, and be my agent in carrying out the [[আইন]]. **[[অ্যানি বেসান্ত]], in ''[http://books.google.co.in/books?id=eIrD4GQFCPIC&pg=PT475 The Theosophical Writings of Annie Besant],'' (Google eBook) (2012), p. 475 * Then comes a year of famine; but the nose-rings and gold elbow-bangles are gone and people starve by thousands. What matters it? They die in Christ, and Rome scatters her blessings over their corpses, of which thousands float yearly down the sacred rivers to the ocean. **Helena Blavatsky, Isis Unveiled *The Lieutenant Governor of Bengal was to the fullest extent responsible for not having made any preparation against the famine. ... The doctrines of political economy had been worshipped as a sort of "fetish" by officials who, because they believed that in the long run supply and demand would square themselves, seemed to have utterly forgotten that human life was short, and that men could not subsist without food beyond a few days. They mechanically left the laws of political economy to work themselves out while hundreds of thousands of human beings were perishing from famine. **[[Robert Gascoyne-Cecil, 3rd Marquess of Salisbury|Viscount Cranborne]], [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1867/aug/02/motion-for-an-address#S3V0189P0_18670802_HOC_126 speech in the House of Commons (2 August 1867)] on the [[w:Orissa famine of 1866|Orissa famine of 1866]] *He ([[George Curzon, 1st Marquess Curzon of Kedleston|George Curzon]]) was likewise determined to prevent famine from being used as a cause for reform. With hunger spreading on an unprecedented scale through two-thirds of the subcontinent, he ordered his officials to publicly attribute the crisis strictly to drought. When an incautious member of the Legislative Council in Calcutta, Donald Smeaton, raised the problem of over-taxation, he was (in Boer War parlance) prompdy "Stellenboshed." Although Curzons own appetite for viceregal pomp and circumstance was notorious, he lectured starving villagers that "any Government which imperilled the financial position of India in the interests of prodigal philanthropy would be open to serious criticism; but any Government which by indiscriminate alms-giving weakened the fibre and demoralised the self-reliance of the population, would be guilty of a public crime." **[[w:Mike_Davis_(scholar)|Davis, Mike]]. [[w:Late Victorian Holocausts|Late Victorian Holocausts]]. 1. Verso, 2000. {{আইএসবিএন|1-85984-739-0}} pg 162 *And what lesson did the British draw from these catastrophes? The most comprehensive official survey, the Report on the Famine in Bombay Presidency, 1899-1902, conceded that much of the excess mortality might have been avoided by "widespread gratious [home] relief from the beginning," but insisted that "the cost could have been such as no country would bear or should be called upon to bear"... **[[w:Mike_Davis_(scholar)|Davis, Mike]]. [[w:Late Victorian Holocausts|Late Victorian Holocausts]]. 1. Verso, 2000. {{আইএসবিএন|1-85984-739-0}} pg 175 *How do we weigh smug claims about the life-saving benefits of steam transportation and modern grain markets when so many millions, especially in British India, died along railroad tracks or on the steps of grain depots? **Author and political activist Mike Davis poses the question in his book, Late Victorian Holocausts *Sir William Hunter, estimated that 40,000,000 of the people of India were seldom or never able to satisfy their hunger. In 1901, 272,000 died of plague introduced from abroad, in 1902, 500,000 died of plague; in 1903, 800,000; in 1904, 1,000,000. We can now understand why there are famines in India. Their cause, in plain terms, is not the absence of food, but the inability of the people to pay for it. It was hoped the railways would solve the problem...the fact that the worst famines have come since the building of the railways...behind all these, as the fundamental source of the terrible famines in India, lies such merciless exploitation, such unbalanced exploitation of goods, and such brutal collection of high taxes in the very midst of famine.... **(source: The Case for India - By Will Durant Simon and Schuster, New York. 1930 p.50-53). * "So great an economic drain out of the resources of the land," says Dutt, "would impoverish the most prosperous countries on earth; it has reduced India to a land of famines more frequent, more widespread, and more fatal, than any known before in the history of India or of the world." **Dutt quoted at [https://archive.org/stream/dli.ministry.10950/E15048_The_Case_For_India_djvu.txt] *According to British records, one million Indians died of famine between 1800 and 1825, 4 million between 1825-1850, 5 million between 1850-1875 and 15 million between 1875-1900. Thus 25 million Indians died in 100 years ! The British must be proud of their bloody record. It is probably more honorable and straightforward to kill in the name of Allah, than in the guise of petty commercial interests and total disregard for the ways of a 5000 year civilization. Thus, by the beginning of the 20th century, India was bled dry and there were no resources left. **(source: India's Self Denial - By Francois Gautier ) * '''The Great [[বঙ্গ]] Famine of 1770 reminds us that taxes have a destructive power, and may be used to deny [[freedom of religion]] or belief as well.'''<br>This is why we support Tai Ji Men dizi (disciples) in their protest—and support the “Declaration of the International Day Against Judicial and Tax Persecution by State Power” as well. ** [[Massimo Introvigne]], [https://bitterwinter.org/great-bengal-famine-1770-taxes-created-a-genocide/ "The Great Bengal Famine of 1770: When Taxes Created a Genocide"], ''Bitter Winter'' *Inhabitants were reduced to the direst extremity. Life was offered for a loaf, but none would buy. Dog’s flesh was sold for goat flesh. The pounded bones of the dead were mixed in flour and sold. Men began to devour each other, and the flesh of a son was preferred to his love. The number of deaths caused obstructions in the roads. Those lands which had been famous for fertility and plenty of resources retain no traces of production. ** Abdul Hamid Lahori, Badshahnama; Henry Miers Elliot (ed.), John Dowson, The History of India, as Told by Its Own Historians, London: Sh. Mubarak Ali, 1867–77, Vol. VII, p. 12. quoted in Aabhas Maldahiyar - Babur_ The Chessboard King-Vintage Books (2024) * During the first 80 years of the 19th century 18,000,000 of the Indian people perished of famine. In one year alone - the year when Her Majesty, Queen Victoria, assumed the title of the Empress, - 5,000,000 of the people of Southern India were starved to death. In the District of Bellary, with which I am personally acquainted - a region twice the size of Wales - 1/4 of the whole population perished in the famine of 1876-77. I shall never forget my own famine experience; how, as I rode out on horseback, morning after morning, I passed crowds of wandering skeletons, and saw human corpses by the roadside, unburied, uncared for, half devoured by dogs and vultures; and how - still sadder sight - children, 'the joy of the world' as the old Greeks deemed them, had become its ineffable sorrow there, forsaken even by their mothers, their feverish eyes shining from hollow sockets, their flesh utterly wasted away, only gristle and sinew and cold shivering skin remaining, their heads mere skulls, their puny frames full of loathsome disease engendered by the starvation... Everyone who has been in India in famine times, and has left the beaten track of western made prosperity, knows how true a picture this is. ** Mr. W. S. Lily in his - India and Its Problems *Surat (Gujarat)- Great famine, highways unpassable, infested by thieves looking not for gold but grain; Kirka- Town empty. Half inhabitants fled. Another half dead; Dhaita- Children sold for 6 dams or given for free to any who could take them so they might be kept alive; Nandurbar (Maharashtra)-No space to pitch a tent, dead bodies everywhere. Noisome smell from a neighboring pit where 40 dead bodies were thrown. Survivors searching for grains in the excrement of men and animals. Highway stowed with dead bodies from Surat to Burhanpur... In Bazar lay people dead and others breathing their last with the food almost near their mouths, yet dying for want of it, they not having wherewith to buy, nor the others so much pity to spare them any without money. There being no course taken in this Country to remedy this great evil, the rich and strong engrossing and taking perforce all to themselves. ** Peter Mundy, The Travels of Peter Mundy in Europe and Asia, 1608–1667. (ed.) Lt. Col. Sir Richard Carnac Temple. Cambridge: Cambridge University Press, 1907. pp. 40–48. Vol. II. quoted in Aabhas Maldahiyar - Babur_ The Chessboard King-Vintage Books (2024) *...in the name of civilizing our country [India] they exploited our country making us poorer day by day. There were perpetual [[w:Famine|famine]] and starvation in India. But the [[w:British raj|British]] had always been callous to it. **[[স্বামী বিবেকানন্দ]], in "Swami Vivekananda: Messiah of Resurgent India (1 January 2003)", p. 185 *[[সংস্কৃতি]]ly it was a time of [[w:Economic stagnation|stagnation]]. [[দারিদ্র্য]] and starvation were the common [[phenomenon]] in the [[সমাজ]]. The [[w:British Government|imperial power]] invested huge capital in India and made enormous profit. The British looked upon India as a place where capital could hope to maintain a [[স্বর্গ]]. But [[paradoxical]]ly enough, the Indian masses were rotting in poverty and starvation. Thus a great [[predicament]], surrounded India in the 18th and 19th centuries. **[[স্বামী বিবেকানন্দ]], in "Swami Vivekananda: Messiah of Resurgent India (1 January 2003)", pp. 205-06 *They have sucked out [[রক্ত]], they have carried away with them millions of our money, while our people have starved. **[[স্বামী বিবেকানন্দ]], in "Swami Vivekananda: Messiah of Resurgent India (1 January 2003)", p. 291 *Twenty years from 1860-1908 were the years of [[w:Famine|famine]]. Nearly 29 million people died during famines from 1854-1901. These famines revealed that [[দারিদ্র্য]] and chronic starvation had taken firm roots in [[w:Colonial India|colonial India]]. **[[স্বামী বিবেকানন্দ]], in "Swami Vivekananda: Messiah of Resurgent India (1 January 2003)", p. 291 *...amidst wretchedness, [[দারিদ্র্য]] and starvation it is too difficult to [[preach]] [[w:Advaita|Advaitism]] and realize the grand [[স্বপ্ন]] of Universal Unity...poor must be given [[রুটি]] first and then [[ধর্ম]]. **[[স্বামী বিবেকানন্দ]], in "Swami Vivekananda: Messiah of Resurgent India (1 January 2003)", p. 353 *...the imperialistic drain of [[wealth]] from the backward parts of the [[বিশ্ব]] and its piling up in capitalistic areas of the [[West]] that causes poverty and starvation in one part and plentitude in another part of the [[বিশ্ব]]. **[[স্বামী বিবেকানন্দ]], in "Swami Vivekananda: Messiah of Resurgent India (1 January 2003)", p. 353 *“The famine has wrought miracles. The catechumenates are filling, baptismal water flows in streams, and starving little tots fly in masses to heaven… A hospital is a readymade congregation. There is no need to go into the highways and hedges and ‘compel them to come in’. They send each other.” **About the sudden jumps in the number of Christian converts during famines. Archbishop of Pondicherry, ‘Spiritual Advantages of Famine and Cholera’, India and Its Missions, 1823. cited in Arun Shourie, Missionaries in India, New Delhi, 1994 quoted from Madhya Pradesh (India), Goel, S. R., Niyogi, M. B. (1998). Vindicated by time: The Niyogi Committee report on Christian missionary activities. (RIFT IN THE LUTE) ISBN 9789385485121 *“Between 1387 and 1395 the Deccan was visited by a severe famine, and Muhammad’s53 measures for the relief of his subjects displayed a combination of administrative ability, enlightened compassion, and religious bigotry. A thousand bullocks belonging to the transport establishment maintained for the court were placed at the disposal of. those in charge of relief measures, and travelled incessantly to and fro between his dominions and Gujarat and Malwa, which had escaped the visitation bringing thence grain which was sold at low rates in the Deccan, but to Muslims only.” ** Cambridge History of India., III, p.385. quoted from K.S. Lal, Indian Muslims who are they, 1990. * The greater part of the soil is under irrigation, and consequently bears two crops in the course of the year. . . . It is accordingly affirmed that famine has never visited India, and that there has never been a general scarcity in the supply of nourishing food. **Megasthenes Quoted in Durant, Will (1963). Our Oriental heritage. New York: Simon & Schuster. *‘The misery of the war on the coast of Africa, the terrible prospect of the Indian famine, may furnish the very opening which we most desire. They may be the very touchstones by which these suffering heathens will test the practical efficiency of a Christian government and a Christian nation, of Christian missionaries and Christian people, and, having so tested it, will judge’. **Max Muller, quoted in Subrata Chattopadhyay Banerjee - The Development of Aryan Invasion Theory in India, A Critique of Nineteenth-Century Social Constructionism-Springer (2020) *Nixon bitterly said, “The Indians need—what they need really is a—” Kissinger interjected, “They’re such bastards.” Nixon finished his thought: “A mass famine.” **Richard Nixon, FRUS, vol. E-7, White House tapes, Oval Office 505-4, 26 May 1971, 10:38 a.m. quoted in Bass, G. J. (2014). The Blood telegram: Nixon, Kissinger, and a forgotten genocide. ch 9 * It is true that lack of rain causes famine but it is also true that the people of India have not the strength to fight the evil. The poverty of India is wholly due to the present rule. India is being bled till only the skeleton remains…all the vitality of the people is being sapped and we are left in an emaciated state of slavery. ** [[বাল গঙ্গাধর তিলক]] {{বই উদ্ধৃতি|last1=Bhagwat|first1=A.K.|last2=Pradhan|first2=G.P. |title=Lokmanya Tilak – A Biography|url=http://books.google.com/books?id=bYfMbCXyc3kC&pg=PT167|year=1958|publisher=Jaico Publishing House|isbn=978-81-7992-846-2|pages=167–}} * Famine is India's specialty. Elsewhere famines are inconsequential incidents — in India they are devastating cataclysms; in one case they annihilate hundreds; in the other, millions. ** [[মার্ক টোয়েইন]], ''Following the Equator'' (1897), [http://www.gutenberg.org/files/2895/2895-h/p5.htm Ch. XLIII] * How marvellous are the Lord’s way? One might almost say that the divine intention has been to make the parents disappear in order that their children might be led to the mission……… The last two periods of famine have brought to the Catholic Mission thousands of orphans……… ** “Hospital Conscience” of the standard Bishop-the Catholic Bishop of Lahore. quoted in A Mid-Victorian Hindu: A Sketch of the Life and Times of Rakhal Das Haldar, and quoted in Young India, 13 -14: 2, in : Madhya Pradesh (India), Goel, S. R., Niyogi, M. B. (1998). Vindicated by time: The Niyogi Committee report on Christian missionary activities. ISBN 9789385485121 *The famine of 1769-70 in India, under the East India Company, appalled Horace Walpole and made him feel ashamed of his countrymen: "We have outdone the Spaniards in Peru. They were at least butchers on a religious principle, however diabolical their zeal. We have murdered, deposed, plundered, usurpednay, what you think of the famine in Bengal in which three millions perished being caused by a monopoly of the servants of the East India Company."'' **H. Walpole quoted in Ibn Warraq, Defending the West: A Critique of Edward Said's Orientalism. Ibn, W. (2009). Defending the West: A critique of Edward Said's Orientalism. Amherst, N.Y: Prometheus Books. *Although the drought in [[w:Kalahandi|Kalahandi]] was a moderate natural disaster, the starvation deaths were a completely avoidable man-made disaster. ** [[Tapan Kumar Pradhan]], {{বই উদ্ধৃতি|title=Kalahandi : The Untold Story |year=2020|publisher=Kohinoor Books|isbn= 978-81-945797-1-7}} *In the great famine which raged through Indostan in the year 1770, and the ravages of which were particularly felt in every part of Bengal, the Jungleterry is said to have suffered greatly. I have understood that it was before this time highly cultivated, and filled with industrious husbandmen and manufacturers, and the population was estimated at more than eighteen thousand people. It is, however, at present reduced to a few hundreds, great numbers having been cut off by famine, and others having migrated in search of food. <br>The country I had passed through from Allahabad to Lucknow, and thence to Fyzabad, has the same general character, and there are very few elevations to be seen in it that are considerable. It is in a moderate state of cultivation, in some parts better than others; but where it is neglected, it is evidently more from the want of property in the people, than the natural fertility of the country, which, on the contrary, I believe to be capable of producing the finest crops. The villages, of which there are many, some are comfortable in their appearance, and others apparently distressed. After leaving the flourishing district of Benaras, I could not help viewing with a melancholy concern the miserable appearance of all the territories which were under the absolute direction of Mussulman tyrants…<br>The country from Lucknow to Etaya is in a moderate state of cultivation, but the villages are poor.… The country from Etaya to this place [Jeswotnagur] is very little cultivated; the villages are not populous, and the few inhabitants appear very wretched. On the 16th we halted at O’Kraine, six coss further, almost at the termination of the Nabob of Oud’s country. Through the whole of the last day’s journey I observed scarcely a spot in cultivation; the villages, of which there are several, were in ruins, and the whole presented almost on uninterrupted scene of desolation. On the last day’s march we met a few unfortunate people passing down into the provinces, in order actually to avoid being starved, begging their way.… Between Shekoabad and Fyrozabad are a few spots of cultivated ground. This village takes its name from the Purgunnah, which is a small district within a larger: it was at this time in the hands of a Gosine, or Hindoo Religious; and as the spirit of the Hindoo government is favourable to agriculture in the highest degree, this spot appeared a perfect garden. It must, indeed, be observed, that although the Hindoo governors or proprietors, from the principle of avarice, may sometimes distress, they do not destroy the endeavours of the poor, as the Mussulmans.… **Famine of A.D. 1770, poor state of the countryside, William Hodges Hodges, William, Travels in India During the Years 1780, 1781, 1782, and 1783, Munshiram Manoharlal, 1999.quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter2 *Maharajpore. We now pass through every day, the finest country for dust that it is possible to imagine and there is nothing else to be seen, not a blade of grass – the cattle are to be fed by Oude grass, just as we are to be fed by Oude cooks. We shall not pass through the distressed districts but the famine on one side of the country round Cawnpore, where we shall be the day after tomorrow, is very frightful now. A man was here the other day who had just travelled though that part and said the people were dying in hundreds by the roadside. He had sometimes seen twenty and thirty bodies lying close together.…<br>My dearest, I am sick at heart with all this starvation we see about us. Now we are only upon the outskirts of the country where famine is raging but we are among those who have only wandered from it to die, and even here some of the villages are depopulated, the crops are dying fast for want of rain. As yet there are funds at all the civil stations for giving food to all who want it but many die upon the road and everyday we see those who do not seem to have an hour’s life left in them. Every evening all who come are fed with rice but even these were more than three hundred and it was found difficult to prevent them tearing the rice from each other. Some scarcely look human, particularly the children. It made me shudder yesterday to see one little wretch who was lying alone in the middle of the camp tear bread off the loaf with his teeth which it had hardly strength enough to swallow. The mothers offer to sell their skeletons of babies for a rupee. The fathers seem to get what food they can for themselves and to leave women and children for starve – but many men too quietly lie down and die. If rain would come during the next fortnight, the crops for the next year might be saved and then the rich natives who have grain in their granaries might sell it, but it is generally during the Xmas week that the rain comes and there is no appearance of it. Already I feel as if we were only giving a few more days of misery to those we feed, for they must die of hunger at last. Three or four days will take away from the sight of all this suffering but I am sure I will never forget it…<br>January 7th1836 Kanonze. I have not really had the heart to write the last three days – we have been surrounded by people dying of starvation. Some hundred came for food yesterday, a thousand were fed today, but many of them are still lying round the camp, children who have not many hours of life left in them – some of the grown-up people too are nothing but skin and bone, their faces like skulls. Captain Cunningham found many more today, one woman dead and a man and woman dying, many sitting round but taking no notice. There is plenty of grain too in the granaries but the rich natives, from fear of a greater scarcity next year, will not sell it. The distribution of food is grown very difficult, they will not wait for their turns but rush forwards to tear it from each other and the children are nearly crushed. Almost all our native servants have adopted either orphans or children they have bought for a rupee or two – a very common thing in these times of distress – and they generally keep them for the rest of their lives. We are now within three days of Futteghar and there work is provided for all who can work and funds to support the women and children who cannot…<br>January 9th Our poor people are improving a little and have been much less vociferous today. I saw a gentleman today who has come from that part of the country from which these have wandered, and he says the sights there are horrible – hundreds dead and he saw many as he passed stripping bark off the trees and cooking it. Our French servant went out to look for cantaloupes by the side of the river, and found above a hundred lying together and some skeletons upright in the water and passed through a village where but two inhabitants were left. My dearest, I am longing to be away from all these horrors, where I feel that we can do but little good – all that is consumed by man and beast comes to us from Oude. The country is bare even of grass – at the best it is thinly inhabited. But it is no affectation to say that when we sit down to dinner with the band playing and all the pomp and circumstances of life about us, which is just as much kept up in a tent as anywhere else, my very soul sickens at the cries of the starving children outside which never seem to cease. **(b) Famine and starvation deaths, 19 December 1835, Fanny Eden Eden, Fanny, Tigers, Durbars And Kings, Fanny Eden’s Indian Journals, 1837-1838, Ed., Janet Dunbar, John Murray, 1988. quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter2 *We learn that about the middle of last century certain English speculators bought up the whole rice-harvest of India, and thus induced a famine in the land, which swept away three millions of the natives: yet not one of these starving wretches could be moved to slay and eat his household animals; only after their masters, did they famish too. A mighty testimony to the genuineness of a religious belief, with which, however, the confessors themselves have been expunged from "History." **Religion and Art By Richard Wagner Translated by William Ashton Ellis ==See also== *[[Altruism]] *[[Compassion]] *[[দুর্ভিক্ষ]] *[[ক্ষুধা]] *[[ভালোবাসা]] *[[Sharing]] == External links == {{উইকিপিডিয়া}} [[Category:Famines in India]] 5jrwyk6ih9008o8rfk98jq5fhl0iwh8 81845 81840 2026-04-28T05:52:57Z ARI 356 /* Quotes */ ; অনুবাদ 81845 wikitext text/x-wiki [[File:India-famine-family-crop-420.jpg|thumb|১৮৭৬–৭৮ সালের ভারতের মহা দুর্ভিক্ষের শিকার হওয়া কিছু মানুষ, ১৮৭৭ সালে তোলা ছবি।]] '''দুর্ভিক্ষ''' ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মতো ভারত উপমহাদেশীয় দেশগুলোর জীবনের একটি নিয়মিত অংশ ছিল। ব্রিটিশ শাসনের সময় এই দুর্ভিক্ষের তথ্যগুলো সবচেয়ে নিখুঁতভাবে রেকর্ড করা হয়েছিল। ১৮শ, ১৯শ এবং ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে ভারতে দুর্ভিক্ষের কারণে ৩ কোটিরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল। ব্রিটিশ ভারতের দুর্ভিক্ষগুলো এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, ১৯শ এবং ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে দেশের দীর্ঘমেয়াদী জনসংখ্যা বৃদ্ধির ওপর এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল। == উক্তি == * প্রধান বিপদ হলো বিদেশী শোষকদের কারণে পুরো দেশের [ভারত] অনাহারে থাকা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সবকিছুর জন্য বিদেশীদের ওপর সম্পূর্ণ ও আশাহীনভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়া। ** [[অরবিন্দ ঘোষ]], ''[http://books.google.co.in/books?id=rXiXje2B46QC&pg=PA263&lpg=PA263 শ্রী অরবিন্দ ঘোষ]'' (১ জানুয়ারি ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২৬৩। * আপনি হয়তো কোথাও একজন মানুষকে না খেয়ে থাকতে দেখেন। যদি আপনি কর্মের ভুল ব্যাখ্যা করেন, যা আপনাদের মধ্যে অনেকেই করেন এবং যা ভারতের জন্য লজ্জার, বিশেষ করে এমন এক দেশে যেখানে এই শিক্ষা অতি প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে, তবে আপনি সেই ক্ষুধার্ত মানুষটির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন এবং বলেন যে না খেয়ে থাকা আর মারা যাওয়া তার কর্ম। আপনাদের ওই কঠিন হৃদয়ে আপনারা নিজেদের ভালোবাসার অভাব ঢাকতে ঈশ্বরের ইচ্ছাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেন। সেই মানুষের কর্ম কি না খেয়ে থাকা? হ্যাঁ, আর সেইজন্যই সে না খেয়ে আছে! কিন্তু যদি কোনো দেব আপনাকে সেই জায়গায় নিয়ে যান যেখানে আপনার ভাই ক্ষুধার্ত অবস্থায় আছে, তবে সেটি এই কারণে যে তিনি আপনাকে তার দানশীলতার প্রতিনিধি করতে চান। সেই মানুষের বর্তমান সময়ের খারাপ কর্ম তার কষ্টের মাধ্যমে শেষ হয়ে গেছে। দেব তখন আপনাকে বলেন: “মানুষ, তোমার ভাই না খেয়ে আছে, তাকে সেই ত্রাণ দাও যা পাওয়া তার কর্মের মধ্যে আছে, আর এই নিয়ম পালনে আমার প্রতিনিধি হও।” ** [[অ্যানি বেসান্ত]], ''[http://books.google.co.in/books?id=eIrD4GQFCPIC&pg=PT475 দ্য থিওসফিক্যাল রাইটিংস অফ অ্যানি বেসান্ত]'' (গুগল ই-বুক) (২০১২), পৃষ্ঠা ৪৭৫ * এরপর আসে দুর্ভিক্ষের বছর; কিন্তু নাকফুল আর সোনার চুড়িগুলো তখন আর থাকে না এবং হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মারা যায়। তাতে কী আসে যায়? তারা খ্রিস্টের কোলে প্রাণ হারায় এবং রোম তাদের লাশের ওপর আশীর্বাদ ছড়িয়ে দেয়। প্রতি বছর এমন হাজার হাজার লাশ পবিত্র নদীগুলো দিয়ে ভেসে সাগরে চলে যায়। ** হেলেনা ব্লাভাটস্কি, আইসিস আনভেইল্ড * দুর্ভিক্ষের বিরুদ্ধে কোনো প্রস্তুতি না নেওয়ার জন্য বাংলার লেফটেন্যান্ট গভর্নর পুরোপুরি দায়ী ছিলেন। ... কর্মকর্তাদের কাছে অর্থনীতির নীতিগুলো এক ধরনের "অন্ধবিশ্বাসের" মতো ছিল। তারা বিশ্বাস করতেন যে দীর্ঘমেয়াদে চাহিদা ও জোগান নিজেই ভারসাম্য ফিরিয়ে আনবে। তারা যেন একদমই ভুলে গিয়েছিলেন যে মানুষের জীবন খুব ছোট, আর খাবার ছাড়া মানুষ মাত্র কয়েক দিনের বেশি বাঁচতে পারে না। তারা যান্ত্রিকভাবে অর্থনীতির নিয়মগুলোকে নিজেদের মতো কাজ করতে দিয়েছিলেন, আর এদিকে দুর্ভিক্ষের কারণে লাখ লাখ মানুষ মারা যাচ্ছিল। ** ভাইকাউন্ট ক্র্যানবোর্ন, [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1867/aug/02/motion-for-an-address#S3V0189P0_18670802_HOC_126 ব্রিটিশ সংসদের নিম্নকক্ষে দেওয়া ভাষণ (২ আগস্ট ১৮৬৭)], ১৮৬৬ সালের উড়িষ্যার দুর্ভিক্ষ সম্পর্কে * তিনি (জর্জ কার্জন) একইভাবে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন যাতে দুর্ভিক্ষকে সংস্কারের কারণ হিসেবে ব্যবহার করা না হয়। যখন উপমহাদেশের দুই-তৃতীয়াংশ এলাকায় অভূতপূর্বভাবে ক্ষুধা ছড়িয়ে পড়ছিল, তখন তিনি তার কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যাতে তারা জনসমক্ষে এই সংকটের জন্য কঠোরভাবে কেবল খরাকেই দায়ী করেন। যখন ক্যালকাটা লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের একজন অসতর্ক সদস্য ডোনাল্ড স্মিটন অতিরিক্ত কর আদায়ের সমস্যাটি তুলে ধরেন, তাকে দ্রুত পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কার্জনের নিজের রাজকীয় আড়ম্বর ও জাঁকজমকের প্রতি আসক্তি সবার জানা থাকলেও তিনি ক্ষুধার্ত গ্রামবাসীদের উপদেশ দিতেন। তিনি বলতেন যে, “যেকোনো সরকার যদি অঢেল জনহিতকর কাজের স্বার্থে ভারতের আর্থিক অবস্থাকে বিপন্ন করে, তবে তাকে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে হবে। কিন্তু যদি কোনো সরকার বাছবিচারহীনভাবে দান-খয়রাত করে জনগণের মনোবল দুর্বল করে এবং তাদের আত্মনির্ভরশীলতা নষ্ট করে, তবে তারা এক জনবিরোধী অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হবে।” ** মাইক ডেভিস। লেট ভিক্টোরিয়ান হলোকাস্টস। ১। ভারসো, ২০০০। {{আইএসবিএন|১৮৫৯৮৪৭৩৯০}} পৃষ্ঠা ১৬২ * আর এই মহাবিপর্যয়গুলো থেকে ব্রিটিশরা কী শিক্ষা নিয়েছিল? সবচেয়ে বিস্তারিত সরকারি জরিপ, রিপোর্ট অন দ্য ফেমিন ইন বোম্বে প্রেসিডেন্সি, ১৮৯৯-১৯০২, স্বীকার করেছে যে "শুরু থেকে ব্যাপকভাবে অনুদানমূলক [গৃহ] ত্রাণ প্রদানের মাধ্যমে" অতিরিক্ত মৃত্যুর অনেকটাই এড়ানো যেত, কিন্তু জোর দিয়ে বলেছে যে "এর খরচ এমন হতে পারত যা কোনো দেশই বহন করত না বা বহন করতে বলা উচিত হতো না"... ** মাইক ডেভিস। লেট ভিক্টোরিয়ান হলোকাস্টস। ১। ভারসো, ২০০০। {{আইএসবিএন|১৮৫৯৮৪৭৩৯০}} পৃষ্ঠা ১৭৫ * আমরা কীভাবে বাষ্পীয় পরিবহন এবং আধুনিক শস্য বাজারের জীবন রক্ষাকারী সুবিধার আত্মতুষ্ট দাবিগুলোকে বিচার করব, যখন লাখ লাখ মানুষ, বিশেষ করে ব্রিটিশ ভারতে, রেলপথের ধারে বা শস্যভাণ্ডারের সিঁড়িতে মারা গিয়েছিল? ** লেখক এবং রাজনৈতিক কর্মী মাইক ডেভিস তার বই, লেট ভিক্টোরিয়ান হলোকাস্টসে এই প্রশ্নটি তুলেছেন * স্যার উইলিয়াম হান্টার অনুমান করেছিলেন যে, ভারতের ৪,০০,০০,০০০ মানুষ খুব কমই বা কখনোই তাদের ক্ষুধা মেটাতে পারত না। ১৯০১ সালে বিদেশ থেকে আসা প্লেগে ২,৭২,০০০ মানুষ মারা যায়; ১৯০২ সালে প্লেগে মারা যায় ৫,০০,০০০ মানুষ; ১৯০৩ সালে ৮,০০,০০০; ১৯০৪ সালে ১০,০০,০০০। আমরা এখন বুঝতে পারি কেন ভারতে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। সহজ কথায় এর কারণ খাবারের অভাব ছিল না, বরং মানুষের খাবার কেনার অক্ষমতা ছিল। আশা করা হয়েছিল যে রেলপথ এই সমস্যার সমাধান করবে... আসল ঘটনা হলো রেলপথ নির্মাণের পর থেকেই সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষগুলো এসেছে... এই সবকিছুর পেছনে ভারতের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের মূল উৎস হিসেবে রয়েছে এমন নির্দয় শোষণ, পণ্যের ভারসাম্যহীন শোষণ এবং দুর্ভিক্ষের ঠিক মাঝখানে উচ্চ হারে কর আদায়ের নিষ্ঠুরতা... **(সূত্র: দ্য কেস ফর ইন্ডিয়া - উইল ডুরান্ট, সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, নিউ ইয়র্ক। ১৯৩০ পৃষ্ঠা ৫০-৫৩)। * "দেশের সম্পদ থেকে এত বড় অর্থনৈতিক নিষ্কাশন," দত্ত বলেন, "পৃথিবীর সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশগুলোকেও দরিদ্র করে তুলবে; এটি ভারতকে এমন এক দুর্ভিক্ষের দেশে পরিণত করেছে যা ভারতের বা পৃথিবীর ইতিহাসে আগের চেয়ে আরও ঘন ঘন, আরও ব্যাপক এবং আরও মারাত্মক।" ** দত্তের উক্তিটি উদ্ধৃত করা হয়েছে [https://archive.org/stream/dli.ministry.10950/E15048_The_Case_For_India_djvu.txt এখানে] * ব্রিটিশ রেকর্ড অনুযায়ী, ১৮০০ থেকে ১৮২৫ সালের মধ্যে ১০ লাখ ভারতীয় দুর্ভিক্ষে মারা গিয়েছিল, ১৮২৫-১৮৫০ সালের মধ্যে ৪০ লাখ, ১৮৫০-১৮৭৫ সালের মধ্যে ৫০ লাখ এবং ১৮৭৫-১৯০০ সালের মধ্যে ১ কোটি ৫০ লাখ। অর্থাৎ ১০০ বছরে ২ কোটি ৫০ লাখ ভারতীয় মারা গিয়েছে! ব্রিটিশরা নিশ্চয়ই তাদের এই রক্তমাখা রেকর্ডের জন্য গর্বিত। সামান্য বাণিজ্যিক স্বার্থের ছদ্মবেশে এবং ৫০০০ বছরের পুরোনো সভ্যতার রীতিনীতির প্রতি চরম অবজ্ঞা প্রদর্শন করার চেয়ে আল্লাহর নামে হত্যা করা সম্ভবত অনেক বেশি সম্মানজনক এবং স্পষ্ট। এভাবে ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে ভারতের রক্ত শুষে নেওয়া হয়েছিল এবং কোনো সম্পদ অবশিষ্ট ছিল না। **(সূত্র: ইন্ডিয়াস সেলফ ডিনায়াল - ফ্রাঁসোয়া গতিয়ে) * '''১৭৭০ সালের মহান [[বঙ্গ|বাংলার]] দুর্ভিক্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে করের একটি ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা রয়েছে এবং এটি [[ধর্মীয় স্বাধীনতা]] বা বিশ্বাসকে অস্বীকার করার জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে।'''<br>এই কারণেই আমরা তাই জি মেন দিজি (শিষ্যদের) তাদের প্রতিবাদে সমর্থন করি—এবং সেই সাথে “রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার মাধ্যমে বিচার বিভাগীয় এবং কর নিপীড়নের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা”-কেও সমর্থন করি। ** মাসিমো ইনত্রোভিনে, [https://bitterwinter.org/great-bengal-famine-1770-taxes-created-a-genocide/ "দ্য গ্রেট বেঙ্গল ফেমিন অফ ১৭৭০: হোয়েন ট্যাক্সেস ক্রিয়েটেড এ জেনোসাইড"], ''বিটার উইন্টার'' * বাসিন্দারা চরম দুর্দশার মধ্যে পড়েছিল। এক টুকরো রুটির বিনিময়ে জীবন বিলিয়ে দেওয়া হচ্ছিল, কিন্তু কেউ তা কেনার মতো ছিল না। কুকুরের মাংস ছাগলের মাংস হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছিল। মৃতদের হাড়ের গুঁড়ো আটার সাথে মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল। মানুষ একে অপরকে গ্রাস করতে শুরু করেছিল এবং ভালোবাসার চেয়ে নিজের ছেলের মাংসই তাদের কাছে বেশি প্রিয় হয়ে উঠেছিল। মৃত্যুর আধিক্যের কারণে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। যে জমিগুলো একসময় উর্বরতা এবং প্রচুর সম্পদের জন্য বিখ্যাত ছিল, সেখানে উৎপাদনের আর কোনো চিহ্ন ছিল না। ** আব্দুল হামিদ লাহোরি, ''পাদশাহনামা''; হেনরি মায়ার্স এলিয়ট (সম্পা.), জন ডাওসন, ''দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওউন হিস্টোরিয়ানস'', লন্ডন: শ. মোবারক আলী, ১৮৬৭–৭৭, খণ্ড ৭, পৃষ্ঠা ১২। আভাস মালদাহিয়্যারের ''বাবর: দ্য চেসবোর্ড কিং'' (২০২৪) * ১৯শ শতাব্দীর প্রথম ৮০ বছরে ১,৮০,০০,০০০ ভারতীয় মানুষ দুর্ভিক্ষে প্রাণ হারায়। শুধুমাত্র এক বছরেই—যে বছর মহারানি ভিক্টোরিয়া ভারত সম্রাজ্ঞী উপাধি গ্রহণ করেন—দক্ষিণ ভারতের ৫০,০০,০০০ মানুষ না খেতে পেয়ে মারা যায়। বেলারি জেলায়, যে এলাকার সাথে আমি ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত - যা ওয়েলসের দ্বিগুণ বড় - সেখানে ১৮৭৬-৭৭ সালের দুর্ভিক্ষে মোট জনসংখ্যার ১/৪ অংশ মারা গিয়েছিল। আমি আমার সেই দুর্ভিক্ষের অভিজ্ঞতা কখনোই ভুলব না; যখন আমি ঘোড়ায় চড়ে বের হতাম, সকালের পর সকাল আমি সারি সারি কঙ্কালসার মানুষকে হেঁটে বেড়াতে দেখতাম এবং রাস্তার পাশে মানুষের লাশ পড়ে থাকতে দেখতাম; যা ছিল অসংরক্ষিত ও অবহেলিত, কুকুর আর শকুন সেগুলো অর্ধেক খেয়ে ফেলেছিল। এবং আরও করুণ দৃশ্য হলো—শিশুরা, যাদের প্রাচীন গ্রিকরা 'বিশ্বের আনন্দ' মনে করত, তারা সেখানে অবর্ণনীয় শোকে পরিণত হয়েছিল। এমনকি মায়েরা তাদের পরিত্যাগ করেছিল; তাদের কোটরগত চোখগুলো জ্বরের ঘোরে চকচক করছিল, তাদের শরীরের মাংস পুরোপুরি শুকিয়ে গিয়েছিল, শুধু হাড়ের তরুণাস্থি, পেশি আর ঠাণ্ডায় কাঁপা চামড়া অবশিষ্ট ছিল। তাদের মাথাগুলো ছিল নিছক মাথার খুলি, আর তাদের ছোট ছোট শরীরগুলো অনাহারজনিত ঘিনঘিনে রোগে ভরে গিয়েছিল... দুর্ভিক্ষের সময় যারা ভারতে গিয়েছেন এবং পশ্চিমের তৈরি করা সমৃদ্ধির পরিচিত পথের বাইরে পা রেখেছেন, তারা সবাই জানেন এই চিত্রটি কতটা সত্য। ** মিস্টার ডব্লিউ. এস. লিলি তার - ''ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইটস প্রবলেমস'' * সুরাট (গুজরাট)—ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, মহাসড়কগুলো দুর্গম হয়ে পড়েছে; চোরেরা সোনাদানা নয় বরং শস্যের খোঁজে হানা দিচ্ছে। কিরকা—শহরটি জনশূন্য। অর্ধেক বাসিন্দা পালিয়ে গেছে, বাকি অর্ধেক মৃত। ধাইতা - শিশুদের ৬ দামের বিনিময়ে বিক্রি করা হচ্ছিল অথবা যে কেউ তাদের নিতে পারত তাকেই বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছিল যাতে তারা বেঁচে থাকতে পারে। নন্দুরবার (মহারাষ্ট্র) - তাঁবু ফেলার জায়গা পর্যন্ত নেই, চারপাশে শুধু লাশ। পাশের একটি গর্ত যেখানে ৪০টি লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছে সেখান থেকে উৎকট দুর্গন্ধ আসছে। জীবিতরা মানুষ এবং পশুর মলের মধ্যে শস্য খুঁজছে। সুরাট থেকে বুরহানপুর পর্যন্ত মহাসড়ক লাশে ভরে গেছে... বাজারে অনেক মানুষ মৃত অবস্থায় পড়ে ছিল আর অন্যরা তাদের সামনে খাবার থাকা সত্ত্বেও শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করছিল; অথচ সেই খাবার কেনার মতো সামর্থ্য তাদের ছিল না এবং অন্যদেরও তাদের প্রতি করুণা ছিল না যে তারা টাকা ছাড়া খাবার দেবে। এই দেশে এই চরম দুর্ভোগের প্রতিকারের কোনো ব্যবস্থা নেই; ধনী আর শক্তিশালীরা জোরপূর্বক সব নিজেদের কুক্ষিগত করে রেখেছে। ** পিটার মুন্ডি, ''দ্য ট্রাভেলস অফ পিটার মুন্ডি ইন ইউরোপ অ্যান্ড এশিয়া, ১৬০৮–১৬৬৭''। (সম্পা.) লে. কর্নেল স্যার রিচার্ড কার্নাক টেম্পল। কেমব্রিজ: কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯০৭। পৃষ্ঠা ৪০–৪৮। খণ্ড ২। আভাস মালদাহিয়্যারের ''বাবর: দ্য চেসবোর্ড কিং'' (২০২৪) * ...আমাদের দেশকে [ভারত] সভ্য করার নামে তারা আমাদের দেশকে শোষণ করেছিল এবং দিনে দিনে আমাদের আরও দরিদ্র করে তুলেছিল। ভারতে নিরন্তর দুর্ভিক্ষ এবং অনাহার লেগেই থাকত। কিন্তু ব্রিটিশরা সবসময়ই এর প্রতি উদাসীন ছিল। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ১৮৫ * সাংস্কৃতিকভাবে এটি স্থবিরতার সময় ছিল। সমাজে দারিদ্র্য এবং অনাহার ছিল সাধারণ ঘটনা। সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ভারতে বিশাল মূলধন বিনিয়োগ করেছিল এবং প্রচুর মুনাফা অর্জন করেছিল। ব্রিটিশরা ভারতকে এমন একটি জায়গা হিসেবে দেখত যেখানে পুঁজি একটি স্বর্গ বজায় রাখার আশা করতে পারে। কিন্তু পরিহাসের বিষয় হলো, ভারতীয় জনসাধারণ দারিদ্র্য ও অনাহারে ধুঁকছিল। এভাবেই ১৮শ এবং ১৯শ শতাব্দীতে ভারত এক মহা সংকটে পড়েছিল। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ২০৫-০৬ * তারা রক্ত শুষে নিয়েছে; তারা আমাদের কোটি কোটি টাকা নিয়ে গেছে, আর আমাদের মানুষ অনাহারে থেকেছে। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ২৯১ * ১৮৬০ থেকে ১৯০৮ সাল পর্যন্ত কুড়ি বছর ছিল দুর্ভিক্ষের বছর। ১৮৫৪ থেকে ১৯০১ সালের মধ্যে দুর্ভিক্ষের সময় প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল। এই দুর্ভিক্ষগুলো প্রকাশ করেছিল যে ঔপনিবেশিক ভারতে দারিদ্র্য এবং চিরস্থায়ী অনাহার শক্তভাবে শিকড় গেড়েছিল। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ২৯১ * ...দুর্দশা, দারিদ্র্য এবং অনাহারের মধ্যে অদ্বৈতবাদ প্রচার করা এবং বিশ্বজনীন ঐক্যের বিশাল স্বপ্ন উপলব্ধি করা খুবই কঠিন... গরিবদের আগে রুটি দিতে হবে এবং তারপর ধর্ম। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ৩৫৩ * ...বিশ্বের অনগ্রসর অংশগুলো থেকে সাম্রাজ্যবাদী সম্পদ নিষ্কাশন এবং পশ্চিমের পুঁজিবাদী অঞ্চলগুলোতে তা জমা করার ফলেই বিশ্বের এক অংশে দারিদ্র্য ও অনাহার এবং অন্য অংশে প্রাচুর্য দেখা দেয়। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ৩৫৩ * “দুর্ভিক্ষ অলৌকিক কাজ করেছে। দীক্ষার্থীরা দলে দলে আসছে, ব্যাপ্টিজমের জল ধারার মতো বইছে, আর ক্ষুধার্ত ছোট ছোট শিশুরা দলে দলে স্বর্গে চলে যাচ্ছে... একটি হাসপাতাল হলো একটি তৈরি উপাসক দল। রাজপথে বা ঝোপঝাড়ে গিয়ে তাদের ‘ভেতরে আসার জন্য বাধ্য করার’ কোনো প্রয়োজন নেই। তারা একে অপরকে পাঠায়।” ** দুর্ভিক্ষের সময় খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত মানুষের সংখ্যার আকস্মিক বৃদ্ধি সম্পর্কে। পন্ডিচেরির আর্চবিশপ, ‘স্পিরিচুয়াল অ্যাডভান্টেজস অফ ফেমিন অ্যান্ড কলেরা’, ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইটস মিশনস, ১৮২৩। অরুণ শৌরির মিশনারিজ ইন ইন্ডিয়া, নয়াদিল্লি, ১৯৯৪-এ উদ্ধৃত; যা মধ্যপ্রদেশ (ভারত), গোয়েল, এস. আর., নিয়োগী, এম. বি. (১৯৯৮), ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট অন খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিজ থেকে নেওয়া। (রিফট ইন দ্য লিউট) {{আইএসবিএন|৯৭৮৯৩৮৫৪৮৫১২১}} * “১৩৮৭ থেকে ১৩৯৫ সালের মধ্যে দাক্ষিণাত্যে এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। তার প্রজাদের ত্রাণের জন্য মুহম্মদের গৃহীত পদক্ষেপগুলোতে প্রশাসনিক দক্ষতা, জ্ঞানদীপ্ত মমতা এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির এক সংমিশ্রণ দেখা গিয়েছিল। রাজদরবারের পরিবহনের জন্য রাখা এক হাজার বলদ ত্রাণকার্যের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। সেগুলো ক্রমাগত তার সাম্রাজ্য এবং গুজরাট ও মালবের মধ্যে যাতায়াত করত, যা দুর্ভিক্ষের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছিল। সেখান থেকে শস্য আনা হতো এবং দাক্ষিণাত্যে কম দামে বিক্রি করা হতো, কিন্তু তা দেওয়া হতো শুধুমাত্র মুসলিমদের।” ** কেমব্রিজ হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, ৩, পৃষ্ঠা ৩৮৫। কে. এস. লালের ইন্ডিয়ান মুসলিমস হু আর দে, ১৯৯০। * মাটির বড় অংশ সেচ ব্যবস্থার আওতায় রয়েছে এবং এর ফলে বছরে দুইবার ফসল ফলে। . . . সেই অনুযায়ী এটি নিশ্চিত করা হয়েছে যে ভারতে কখনোই দুর্ভিক্ষ আসেনি এবং পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহে কখনোই সাধারণ কোনো অভাব দেখা দেয়নি। ** মেগাস্থিনিস, ডুরান্ট, উইল (১৯৬৩), আওয়ার ওরিয়েন্টাল হেরিটেজ। নিউ ইয়র্ক: সাইমন অ্যান্ড শুস্টার। * ‘আফ্রিকার উপকূলের যুদ্ধের দুর্দশা, ভারতের দুর্ভিক্ষের ভয়াবহ সম্ভাবনা হয়তো সেই পথটি তৈরি করে দিতে পারে যা আমরা সবচেয়ে বেশি চাই। এগুলো হয়তো সেই পরশপাথর হতে পারে যার মাধ্যমে এই দুর্দশাগ্রস্ত পৌত্তলিকরা একজন খ্রিস্টান সরকার এবং একটি খ্রিস্টান জাতির, খ্রিস্টান মিশনারি এবং খ্রিস্টান জনগণের বাস্তব কার্যকারিতা পরীক্ষা করবে; এবং পরীক্ষা করার পর তারা বিচার করবে’। ** ম্যাক্স মুলার, সুব্রত চট্টোপাধ্যায় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ আরিয়ান ইনভেশন থিওরি ইন ইন্ডিয়া, আ ক্রিটিক অফ নাইনটিন্থ-সেঞ্চুরি সোশ্যাল কনস্ট্রাকশনিজম—স্প্রিঙ্গার (২০২০) * নিক্সন তিক্তভাবে বলেছিলেন, “ভারতীয়দের প্রয়োজন—তাদের আসলে যা প্রয়োজন তা হলো—” কিসিঞ্জার মাঝপথে বলে ওঠেন, “ওগুলো আস্ত শয়তান।” নিক্সন তার চিন্তা শেষ করেন: “একটি গণদুর্ভক্ষ।” ** রিচার্ড নিক্সন, এফআরইউএস, খণ্ড ই-৭, হোয়াইট হাউস টেপস, ওভাল অফিস ৫০৫-৪, ২৬ মে ১৯৭১, সকাল ১০:৩৮। জি. জে. ব্যাস-এর দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, কিসিঞ্জার, অ্যান্ড আ ফরগোটেন জেনোসাইড (২০১৪), অধ্যায় ৯ * এটি সত্য যে বৃষ্টির অভাব দুর্ভিক্ষের কারণ হয় কিন্তু এটিও সত্য যে ভারতের মানুষের এই অমঙ্গলের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি নেই। ভারতের দারিদ্র্য পুরোপুরি বর্তমান শাসনের কারণে। কঙ্কাল অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত ভারতের রক্ত শুষে নেওয়া হচ্ছে... জনগণের সমস্ত জীবনীশক্তি শুষে নেওয়া হচ্ছে এবং আমাদের দাসত্বের এক জীর্ণ অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে। ** [[বাল গঙ্গাধর তিলক]], {{বই উদ্ধৃতি|last1=ভাগবত|first1=এ.কে.|last2=প্রধান|first2=জি.পি. |title=লোকমান্য তিলক – আ বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=bYfMbCXyc3kC&pg=PT167|year=১৯৫৮|publisher=জাইকো পাবলিশিং হাউস|isbn=৯৭৮-৮১-৭৯৯২-৮৪৬-২|pages=১৬৭–}} * দুর্ভিক্ষ হলো ভারতের বিশেষত্ব। অন্য জায়গায় দুর্ভিক্ষগুলো নগণ্য ঘটনা—ভারতে এগুলো বিধ্বংসী মহাপ্রলয়; এক ক্ষেত্রে এগুলো কয়েকশ মানুষকে বিনাশ করে, অন্য ক্ষেত্রে লাখ লাখ। ** [[মার্ক টোয়েইন]], ''ফলোয়িং দ্য ইকুয়েটর'' (১৮৯৭), [http://www.gutenberg.org/files/2895/2895-h/p5.htm অধ্যায় ৪৩] * প্রভুর পথ কতই না বিস্ময়কর? কেউ হয়তো বলবেন যে ঐশ্বরিক ইচ্ছা এটাই ছিল যে মা-বাবারা যেন অদৃশ্য হয়ে যান যাতে তাদের সন্তানদের মিশনের দিকে নিয়ে আসা যায়... গত দুটি দুর্ভিক্ষের সময় ক্যাথলিক মিশনে হাজার হাজার এতিম এসেছে... ** লাহোরের ক্যাথলিক বিশপের “হসপিটাল কনসায়েন্স”। আ মিড-ভিক্টোরিয়ান হিন্দু: আ স্কেচ অফ দ্য লাইফ অ্যান্ড টাইমস অফ রাখাল দাস হালদার এবং ইয়াং ইন্ডিয়া, ১৩-১৪: ২-এ উদ্ধৃত; যা মধ্যপ্রদেশ (ভারত), গোয়েল, এস. আর., নিয়োগী, এম. বি. (১৯৯৮), ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট অন খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিজ থেকে নেওয়া। {{আইএসবিএন|৯৭৮৯৩৮৫৪৮৫১২১}} * ১৭৬৯-৭০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে ভারতের দুর্ভিক্ষ হোরাস ওয়ালপোলকে স্তম্ভিত করেছিল এবং তাকে তার দেশবাসীদের জন্য লজ্জিত করেছিল: "আমরা পেরুর স্প্যানিশদেরও ছাড়িয়ে গেছি। তারা অন্তত একটি ধর্মীয় নীতির ভিত্তিতে কসাই হয়েছিল, তাদের উদ্যম যতই পৈশাচিক হোক না কেন। আমরা হত্যা করেছি, ক্ষমতাচ্যুত করেছি, লুণ্ঠন করেছি, জবরদস্তি করেছি—অথচ বাংলার সেই দুর্ভিক্ষ সম্পর্কে আপনার কী মনে হয় যাতে ৩০ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল এবং যা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারীদের একচেটিয়া ব্যবসার কারণে হয়েছিল।" ** এইচ. ওয়ালপোল, ইবনে ওয়াররাকের ডিফেন্ডিং দ্য ওয়েস্ট: আ ক্রিটিক অফ এডওয়ার্ড সাইদ'স ওরিয়েন্টালিজম। ইবনে, ডব্লিউ. (২০০৯)। ডিফেন্ডিং দ্য ওয়েস্ট: আ ক্রিটিক অফ এডওয়ার্ড সাইদ'স ওরিয়েন্টালিজম। আমহার্স্ট, নিউ ইয়র্ক: প্রমিথিউস বুকস। * যদিও কালাহান্ডির খরা একটি মাঝারি ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছিল, কিন্তু অনাহারে মৃত্যু ছিল সম্পূর্ণ এড়ানো সম্ভব এমন একটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগ। ** তপন কুমার প্রধান, {{বই উদ্ধৃতি|title=কালাহান্ডি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি |year=২০২০|publisher=কোহিনূর বুকস|isbn= ৯৭৮-৮১-৯৪৫৭৯৭-১-৭}} * ১৭৭০ সালে হিন্দুস্তানে যে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল এবং যার তাণ্ডব বাংলার প্রতিটি অংশে অনুভূত হয়েছিল, তাতে জঙ্গলতেরি এলাকাটি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা যায়। আমি জানতে পেরেছি যে, এই সময়ের আগে এখানে প্রচুর চাষাবাদ হতো এবং এলাকাটি পরিশ্রমী কৃষক ও কারিগরদের দ্বারা পূর্ণ ছিল। তখন জনসংখ্যা প্রায় ১৮ হাজারের বেশি ছিল বলে অনুমান করা হয়। তবে বর্তমানে এটি মাত্র কয়েকশতে নেমে এসেছে। অনেক মানুষ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ে মারা গিয়েছে এবং অন্যরা খাবারের সন্ধানে অন্যত্র চলে গিয়েছে। <br>এলাহাবাদ থেকে লখনউ এবং সেখান থেকে ফয়জাবাদ পর্যন্ত আমি যে অঞ্চলের মধ্য দিয়ে এসেছি, সেগুলোর অবস্থাও প্রায় একই রকম। চাষাবাদের অবস্থা মাঝারি মানের, কোথাও ভালো আবার কোথাও খারাপ। তবে যেখানে অবহেলা দেখা যায়, সেটি মাটির উর্বরতার অভাবে নয় বরং মানুষের সহায়-সম্বলহীনতার কারণে। গ্রামগুলোর মধ্যে কয়েকটির অবস্থা বেশ ভালো, আবার অন্যগুলো বেশ বিপর্যস্ত। বেনারসের সমৃদ্ধ এলাকা ছাড়ার পর, মুসলিম অত্যাচারীদের শাসনের অধীনে থাকা অঞ্চলগুলোর শোচনীয় অবস্থা দেখে আমি দুঃখ প্রকাশ না করে পারলাম না... <br>লখনউ থেকে ইটাওয়া পর্যন্ত এলাকাগুলো মোটামুটি চাষাবাদ হয়, তবে গ্রামগুলো গরিব।... ইটাওয়া থেকে জেসমতপুর পর্যন্ত খুব কম চাষাবাদ হয়; গ্রামগুলো জনবহুল নয় এবং অল্প যে কয়েকজন অধিবাসী আছেন তাদের খুব অসহায় মনে হয়। ১৬ তারিখে আমরা ও'ক্রেনে যাত্রা বিরতি করি, যা অযোধ্যার নবাবের এলাকার একদম শেষ প্রান্তে। শেষ দিনের পুরো যাত্রাপথে আমি চাষাবাদের কোনো চিহ্ন দেখতে পাইনি; গ্রামগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং পুরো এলাকাটি যেন জনশূন্য এক ধ্বংসলীলার দৃশ্য। যাত্রার শেষ দিনে আমরা কিছু দুর্ভাগা মানুষের দেখা পেলাম যারা স্রেফ না খেয়ে মরা থেকে বাঁচতে ভিক্ষা করতে করতে নীচের প্রদেশগুলোর দিকে যাচ্ছিলেন।... শেকোয়াবাদ এবং ফিরোজাবাদের মধ্যে সামান্য কিছু চাষের জমি আছে। এই গ্রামটি একটি পরগনা থেকে এর নাম নিয়েছে। এই এলাকাটি সেই সময় একজন হিন্দু ধর্মীয় ব্যক্তির অধীনে ছিল; এবং যেহেতু হিন্দু শাসনের আদর্শ কৃষি কাজের জন্য অত্যন্ত অনুকূল, তাই এই জায়গাটি একটি নিখুঁত বাগানের মতো মনে হচ্ছিল। এটি অবশ্যই লক্ষ্য করা উচিত যে, যদিও হিন্দু শাসক বা মালিকরা লোভের কারণে কখনও কখনও কষ্ট দিতে পারেন, তারা মুসলিমদের মতো দরিদ্রদের প্রচেষ্টাকে ধ্বংস করেন না।... ** ১৭৭০ সালের দুর্ভিক্ষ, গ্রামাঞ্চলের শোচনীয় অবস্থা, উইলিয়াম হজেস, ট্রাভেলস ইন ইন্ডিয়া ডিউরিং দ্য ইয়ারস ১৭৮০, ১৭৮১, ১৭৮২, অ্যান্ড ১৭৮৩, মুন্সীরাম মনোহরলাল, ১৯৯৯। জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১), দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ৪, অধ্যায় ২। * মহারাজপুর। আমরা এখন প্রতিদিন ধুলোর জন্য সবচেয়ে চমৎকার এক দেশের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি এবং ধুলো ছাড়া সেখানে আর কিছুই দেখার নেই। এক টুকরো ঘাসও নেই – গবাদি পশুদের অযোধ্যার ঘাস খাওয়াতে হবে, ঠিক যেমন আমাদের অযোধ্যার রাঁধুনিদের রান্না করা খাবার খেতে হবে। আমরা সবচেয়ে বিপর্যস্ত জেলাগুলোর ভেতর দিয়ে যাব না, তবে কানপুরের চারপাশের একদিকের দুর্ভিক্ষের অবস্থা এখন খুবই ভয়াবহ, যেখানে আমরা পরশু দিন পৌঁছাব। গতদিন একজন লোক এখানে এসেছিলেন যিনি ঠিক সেই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করেছেন। তিনি বললেন যে রাস্তার পাশে শত শত মানুষ মারা যাচ্ছে। তিনি মাঝেমধ্যে বিশ-ত্রিশটি লাশ একসাথে পড়ে থাকতে দেখেছেন।... <br>প্রিয়তম, আমাদের চারপাশে এই অনাহার দেখে আমার মন বিষিয়ে উঠেছে। এখন আমরা সেই অঞ্চলের উপকণ্ঠে আছি যেখানে দুর্ভিক্ষ চলছে, কিন্তু আমরা তাদের মধ্যে আছি যারা শুধু মরার জন্যই এখান থেকে সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এমনকি এখানকার কিছু গ্রাম জনশূন্য হয়ে গেছে এবং বৃষ্টির অভাবে ফসল দ্রুত মরে যাচ্ছে। এখনো সব সিভিল স্টেশনে যারা চায় তাদের খাবার দেওয়ার জন্য তহবিল আছে, কিন্তু অনেকেই রাস্তায় মারা যাচ্ছে। প্রতিদিন আমরা এমন লোকদের দেখছি যাদের জীবনে আর এক ঘন্টাও অবশিষ্ট নেই বলে মনে হয়। প্রতিদিন সন্ধ্যায় যারা আসে তাদের সবাইকে চাল খাওয়ানো হয়, কিন্তু তাদের সংখ্যা তিনশরও বেশি ছিল এবং একে অপরের কাছ থেকে চাল কেড়ে নেওয়া বন্ধ করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে শিশুদের দেখে মানুষ বলে মনে হয় না। গতকাল ক্যাম্পের মাঝখানে একা শুয়ে থাকা একটি ছোট ছেলেকে তার দাঁত দিয়ে রুটি ছিঁড়তে দেখে আমি শিউরে উঠেছিলাম; তার সেই রুটি গেলার মতো শক্তিও ছিল না। মায়েরা তাদের কঙ্কালসার শিশুদের এক টাকার বিনিময়ে বিক্রি করতে চায়। বাবারা নিজেদের জন্য যা পায় তা জোগাড় করার চেষ্টা করে এবং নারী ও শিশুদের না খেয়ে মরার জন্য ফেলে রেখে যায় – কিন্তু অনেক পুরুষও শান্তভাবে শুয়ে থাকে এবং মারা যায়। যদি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বৃষ্টি আসে তবে পরের বছরের ফসল রক্ষা করা যেতে পারে এবং তখন ধনী ব্যক্তিরা যাদের গুদামে শস্য আছে তারা তা বিক্রি করতে পারে। কিন্তু সাধারণত বড়দিনের সপ্তাহে বৃষ্টি আসে এবং এখন তার কোনো লক্ষণ নেই। এখনই আমার মনে হচ্ছে যে আমরা যাদের খাওয়াচ্ছি তাদের হয়তো কষ্টের আর কয়েকটা দিন বাড়িয়ে দিচ্ছি মাত্র, কারণ শেষ পর্যন্ত তাদের না খেয়েই মরতে হবে। তিন বা চার দিন পর এই দৃশ্যগুলো চোখের আড়াল হবে কিন্তু আমি নিশ্চিত যে আমি এগুলো কখনোই ভুলব না... <br>৭ জানুয়ারি ১৮৩৬ কনৌজ। গত তিন দিন আমার লেখার মতো সাহস ছিল না – আমরা অনাহারে মারা যাওয়া মানুষের দ্বারা পরিবেষ্টিত ছিলাম। গতকাল কয়েকশ লোক খাবারের জন্য এসেছিল, আজ এক হাজার লোককে খাওয়ানো হয়েছে। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেকেই এখনো ক্যাম্পের চারপাশে পড়ে আছে, যে শিশুদের হাতে আর কয়েক ঘন্টার জীবনও নেই – প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও অনেকে শুধু চামড়া আর হাড় ছাড়া আর কিছুই নয়, তাদের মুখগুলো খুলির মতো। ক্যাপ্টেন কানিংহাম আজ আরও অনেককে খুঁজে পেয়েছেন, একজন মহিলা মৃত এবং একজন পুরুষ ও মহিলা মুমূর্ষু অবস্থায়। অনেকে চারপাশে বসে থাকলেও কেউ কারো দিকে তাকাচ্ছে না। গুদামে প্রচুর শস্যও আছে কিন্তু ধনী বাসিন্দারা আগামী বছর আরও বড় সংকটের ভয়ে তা বিক্রি করবে না। খাবার বিতরণ করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে, তারা তাদের পালার জন্য অপেক্ষা করবে না বরং একে অপরের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার জন্য ছুটে আসবে এবং শিশুরা প্রায় পিষ্ট হয়ে যাবে। আমাদের প্রায় সব ভারতীয় ভৃত্যই হয় এতিম অথবা শিশুদের এক বা দুই টাকায় কিনে দত্তক নিয়েছে – দুর্দশার এই সময়ে এটি খুব সাধারণ ঘটনা – এবং তারা সাধারণত সারাজীবনের জন্য তাদের নিজেদের কাছে রাখে। আমরা এখন ফতেগড় থেকে তিন দিনের দূরত্বে আছি এবং সেখানে যারা কাজ করতে পারে তাদের কাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং যারা পারে না সেই নারী ও শিশুদের সহায়তার জন্য তহবিল আছে... <br>৯ জানুয়ারি আমাদের দরিদ্র মানুষগুলোর অবস্থা কিছুটা উন্নতি হচ্ছে এবং আজ তারা অনেক কম চিৎকার করেছে। আজ আমি একজন ভদ্রলোকের সাথে দেখা করলাম যিনি সেই অঞ্চল থেকে এসেছেন যেখান থেকে এই মানুষগুলো ঘুরে বেড়াচ্ছিল। তিনি বলেন যে সেখানকার দৃশ্যগুলো ভয়াবহ – শত শত মৃতদেহ এবং তিনি যাওয়ার সময় অনেককে গাছের ছাল ছাড়িয়ে তা রান্না করতে দেখেছেন। আমাদের ফরাসি ভৃত্য নদীর ধারে তরমুজ খুঁজতে গিয়েছিল এবং সে সেখানে একসাথে একশরও বেশি লোককে পড়ে থাকতে দেখেছে এবং কিছু কঙ্কাল পানির ওপর সোজা হয়ে ছিল। সে এমন একটি গ্রামের মধ্য দিয়ে এসেছে যেখানে মাত্র দুজন অধিবাসী অবশিষ্ট ছিল। প্রিয়তম, আমি এই সমস্ত ভয়াবহতা থেকে দূরে থাকতে চাই, যেখানে আমি অনুভব করি যে আমরা খুব কমই ভালো করতে পারছি। মানুষ এবং পশু যা কিছু গ্রহণ করছে তার সবটাই অযোধ্যা থেকে আমাদের কাছে আসছে। দেশটা ঘাসবিহীন এমনকি জনশূন্য। তবে এটি কোনো অভিনয় নয় যে যখন আমরা ব্যান্ডের বাজনার সাথে রাজকীয় আড়ম্বরে ডিনারে বসি – যা তাঁবুর ভেতরেও অন্য জায়গার মতোই বজায় রাখা হয় - বাইরের অনাহারী শিশুদের কান্নায় আমার আত্মা অস্থির হয়ে ওঠে যা মনে হয় কখনোই থামবে না। ** দুর্ভিক্ষের ওপর একটি বর্ণনা এবং অনাহারে মৃত্যু, ১৯ ডিসেম্বর ১৮৩৫, ফ্যানি ইডেন। ফ্যানি ইডেন, টাইগারস, দরবারস অ্যান্ড কিংস, ফ্যানি ইডেন’স ইন্ডিয়ান জার্নালস, ১৮৩৭-১৮৩৮, সম্পা. জ্যানেট ডানবার, জন মারে, ১৯৮৮। জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১), দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ৪, অধ্যায় ২ । * আমরা জানতে পারি যে গত শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে কিছু ইংরেজ ফটকাবাজ ভারতের পুরো ধান কাটার মজুদ কিনে নিয়েছিল এবং এইভাবে দেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করেছিল যা ৩০ লাখ স্থানীয় মানুষকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিল। তবুও এই অনাহারী হতভাগ্যদের একজনকে তাদের গৃহপালিত পশুদের হত্যা করে খেতে রাজি করানো যায়নি; তাদের প্রভুরা মারা যাওয়ার পরই কেবল তারা অনাহারে প্রাণ হারিয়েছে। এটি একটি ধর্মীয় বিশ্বাসের অকৃত্রিমতার এক বিশাল প্রমাণ, যার মাধ্যমে স্বীকারোক্তি প্রদানকারীরা নিজেরাই "ইতিহাস" থেকে মুছে গেছে। ** রিচার্ড ভাগনারের রিলিজিয়ন অ্যান্ড আর্ট। উইলিয়াম অ্যাশটন এলিস কর্তৃক অনূদিত। ==See also== *[[Altruism]] *[[Compassion]] *[[দুর্ভিক্ষ]] *[[ক্ষুধা]] *[[ভালোবাসা]] *[[Sharing]] == External links == {{উইকিপিডিয়া}} [[Category:Famines in India]] s0zqa189jx6yzm0ky9b7upxfq0f08e3 81846 81845 2026-04-28T05:53:45Z ARI 356 /* See also */ 81846 wikitext text/x-wiki [[File:India-famine-family-crop-420.jpg|thumb|১৮৭৬–৭৮ সালের ভারতের মহা দুর্ভিক্ষের শিকার হওয়া কিছু মানুষ, ১৮৭৭ সালে তোলা ছবি।]] '''দুর্ভিক্ষ''' ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মতো ভারত উপমহাদেশীয় দেশগুলোর জীবনের একটি নিয়মিত অংশ ছিল। ব্রিটিশ শাসনের সময় এই দুর্ভিক্ষের তথ্যগুলো সবচেয়ে নিখুঁতভাবে রেকর্ড করা হয়েছিল। ১৮শ, ১৯শ এবং ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে ভারতে দুর্ভিক্ষের কারণে ৩ কোটিরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল। ব্রিটিশ ভারতের দুর্ভিক্ষগুলো এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, ১৯শ এবং ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে দেশের দীর্ঘমেয়াদী জনসংখ্যা বৃদ্ধির ওপর এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল। == উক্তি == * প্রধান বিপদ হলো বিদেশী শোষকদের কারণে পুরো দেশের [ভারত] অনাহারে থাকা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সবকিছুর জন্য বিদেশীদের ওপর সম্পূর্ণ ও আশাহীনভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়া। ** [[অরবিন্দ ঘোষ]], ''[http://books.google.co.in/books?id=rXiXje2B46QC&pg=PA263&lpg=PA263 শ্রী অরবিন্দ ঘোষ]'' (১ জানুয়ারি ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২৬৩। * আপনি হয়তো কোথাও একজন মানুষকে না খেয়ে থাকতে দেখেন। যদি আপনি কর্মের ভুল ব্যাখ্যা করেন, যা আপনাদের মধ্যে অনেকেই করেন এবং যা ভারতের জন্য লজ্জার, বিশেষ করে এমন এক দেশে যেখানে এই শিক্ষা অতি প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে, তবে আপনি সেই ক্ষুধার্ত মানুষটির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন এবং বলেন যে না খেয়ে থাকা আর মারা যাওয়া তার কর্ম। আপনাদের ওই কঠিন হৃদয়ে আপনারা নিজেদের ভালোবাসার অভাব ঢাকতে ঈশ্বরের ইচ্ছাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেন। সেই মানুষের কর্ম কি না খেয়ে থাকা? হ্যাঁ, আর সেইজন্যই সে না খেয়ে আছে! কিন্তু যদি কোনো দেব আপনাকে সেই জায়গায় নিয়ে যান যেখানে আপনার ভাই ক্ষুধার্ত অবস্থায় আছে, তবে সেটি এই কারণে যে তিনি আপনাকে তার দানশীলতার প্রতিনিধি করতে চান। সেই মানুষের বর্তমান সময়ের খারাপ কর্ম তার কষ্টের মাধ্যমে শেষ হয়ে গেছে। দেব তখন আপনাকে বলেন: “মানুষ, তোমার ভাই না খেয়ে আছে, তাকে সেই ত্রাণ দাও যা পাওয়া তার কর্মের মধ্যে আছে, আর এই নিয়ম পালনে আমার প্রতিনিধি হও।” ** [[অ্যানি বেসান্ত]], ''[http://books.google.co.in/books?id=eIrD4GQFCPIC&pg=PT475 দ্য থিওসফিক্যাল রাইটিংস অফ অ্যানি বেসান্ত]'' (গুগল ই-বুক) (২০১২), পৃষ্ঠা ৪৭৫ * এরপর আসে দুর্ভিক্ষের বছর; কিন্তু নাকফুল আর সোনার চুড়িগুলো তখন আর থাকে না এবং হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মারা যায়। তাতে কী আসে যায়? তারা খ্রিস্টের কোলে প্রাণ হারায় এবং রোম তাদের লাশের ওপর আশীর্বাদ ছড়িয়ে দেয়। প্রতি বছর এমন হাজার হাজার লাশ পবিত্র নদীগুলো দিয়ে ভেসে সাগরে চলে যায়। ** হেলেনা ব্লাভাটস্কি, আইসিস আনভেইল্ড * দুর্ভিক্ষের বিরুদ্ধে কোনো প্রস্তুতি না নেওয়ার জন্য বাংলার লেফটেন্যান্ট গভর্নর পুরোপুরি দায়ী ছিলেন। ... কর্মকর্তাদের কাছে অর্থনীতির নীতিগুলো এক ধরনের "অন্ধবিশ্বাসের" মতো ছিল। তারা বিশ্বাস করতেন যে দীর্ঘমেয়াদে চাহিদা ও জোগান নিজেই ভারসাম্য ফিরিয়ে আনবে। তারা যেন একদমই ভুলে গিয়েছিলেন যে মানুষের জীবন খুব ছোট, আর খাবার ছাড়া মানুষ মাত্র কয়েক দিনের বেশি বাঁচতে পারে না। তারা যান্ত্রিকভাবে অর্থনীতির নিয়মগুলোকে নিজেদের মতো কাজ করতে দিয়েছিলেন, আর এদিকে দুর্ভিক্ষের কারণে লাখ লাখ মানুষ মারা যাচ্ছিল। ** ভাইকাউন্ট ক্র্যানবোর্ন, [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1867/aug/02/motion-for-an-address#S3V0189P0_18670802_HOC_126 ব্রিটিশ সংসদের নিম্নকক্ষে দেওয়া ভাষণ (২ আগস্ট ১৮৬৭)], ১৮৬৬ সালের উড়িষ্যার দুর্ভিক্ষ সম্পর্কে * তিনি (জর্জ কার্জন) একইভাবে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন যাতে দুর্ভিক্ষকে সংস্কারের কারণ হিসেবে ব্যবহার করা না হয়। যখন উপমহাদেশের দুই-তৃতীয়াংশ এলাকায় অভূতপূর্বভাবে ক্ষুধা ছড়িয়ে পড়ছিল, তখন তিনি তার কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যাতে তারা জনসমক্ষে এই সংকটের জন্য কঠোরভাবে কেবল খরাকেই দায়ী করেন। যখন ক্যালকাটা লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের একজন অসতর্ক সদস্য ডোনাল্ড স্মিটন অতিরিক্ত কর আদায়ের সমস্যাটি তুলে ধরেন, তাকে দ্রুত পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কার্জনের নিজের রাজকীয় আড়ম্বর ও জাঁকজমকের প্রতি আসক্তি সবার জানা থাকলেও তিনি ক্ষুধার্ত গ্রামবাসীদের উপদেশ দিতেন। তিনি বলতেন যে, “যেকোনো সরকার যদি অঢেল জনহিতকর কাজের স্বার্থে ভারতের আর্থিক অবস্থাকে বিপন্ন করে, তবে তাকে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে হবে। কিন্তু যদি কোনো সরকার বাছবিচারহীনভাবে দান-খয়রাত করে জনগণের মনোবল দুর্বল করে এবং তাদের আত্মনির্ভরশীলতা নষ্ট করে, তবে তারা এক জনবিরোধী অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হবে।” ** মাইক ডেভিস। লেট ভিক্টোরিয়ান হলোকাস্টস। ১। ভারসো, ২০০০। {{আইএসবিএন|১৮৫৯৮৪৭৩৯০}} পৃষ্ঠা ১৬২ * আর এই মহাবিপর্যয়গুলো থেকে ব্রিটিশরা কী শিক্ষা নিয়েছিল? সবচেয়ে বিস্তারিত সরকারি জরিপ, রিপোর্ট অন দ্য ফেমিন ইন বোম্বে প্রেসিডেন্সি, ১৮৯৯-১৯০২, স্বীকার করেছে যে "শুরু থেকে ব্যাপকভাবে অনুদানমূলক [গৃহ] ত্রাণ প্রদানের মাধ্যমে" অতিরিক্ত মৃত্যুর অনেকটাই এড়ানো যেত, কিন্তু জোর দিয়ে বলেছে যে "এর খরচ এমন হতে পারত যা কোনো দেশই বহন করত না বা বহন করতে বলা উচিত হতো না"... ** মাইক ডেভিস। লেট ভিক্টোরিয়ান হলোকাস্টস। ১। ভারসো, ২০০০। {{আইএসবিএন|১৮৫৯৮৪৭৩৯০}} পৃষ্ঠা ১৭৫ * আমরা কীভাবে বাষ্পীয় পরিবহন এবং আধুনিক শস্য বাজারের জীবন রক্ষাকারী সুবিধার আত্মতুষ্ট দাবিগুলোকে বিচার করব, যখন লাখ লাখ মানুষ, বিশেষ করে ব্রিটিশ ভারতে, রেলপথের ধারে বা শস্যভাণ্ডারের সিঁড়িতে মারা গিয়েছিল? ** লেখক এবং রাজনৈতিক কর্মী মাইক ডেভিস তার বই, লেট ভিক্টোরিয়ান হলোকাস্টসে এই প্রশ্নটি তুলেছেন * স্যার উইলিয়াম হান্টার অনুমান করেছিলেন যে, ভারতের ৪,০০,০০,০০০ মানুষ খুব কমই বা কখনোই তাদের ক্ষুধা মেটাতে পারত না। ১৯০১ সালে বিদেশ থেকে আসা প্লেগে ২,৭২,০০০ মানুষ মারা যায়; ১৯০২ সালে প্লেগে মারা যায় ৫,০০,০০০ মানুষ; ১৯০৩ সালে ৮,০০,০০০; ১৯০৪ সালে ১০,০০,০০০। আমরা এখন বুঝতে পারি কেন ভারতে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। সহজ কথায় এর কারণ খাবারের অভাব ছিল না, বরং মানুষের খাবার কেনার অক্ষমতা ছিল। আশা করা হয়েছিল যে রেলপথ এই সমস্যার সমাধান করবে... আসল ঘটনা হলো রেলপথ নির্মাণের পর থেকেই সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষগুলো এসেছে... এই সবকিছুর পেছনে ভারতের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের মূল উৎস হিসেবে রয়েছে এমন নির্দয় শোষণ, পণ্যের ভারসাম্যহীন শোষণ এবং দুর্ভিক্ষের ঠিক মাঝখানে উচ্চ হারে কর আদায়ের নিষ্ঠুরতা... **(সূত্র: দ্য কেস ফর ইন্ডিয়া - উইল ডুরান্ট, সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, নিউ ইয়র্ক। ১৯৩০ পৃষ্ঠা ৫০-৫৩)। * "দেশের সম্পদ থেকে এত বড় অর্থনৈতিক নিষ্কাশন," দত্ত বলেন, "পৃথিবীর সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশগুলোকেও দরিদ্র করে তুলবে; এটি ভারতকে এমন এক দুর্ভিক্ষের দেশে পরিণত করেছে যা ভারতের বা পৃথিবীর ইতিহাসে আগের চেয়ে আরও ঘন ঘন, আরও ব্যাপক এবং আরও মারাত্মক।" ** দত্তের উক্তিটি উদ্ধৃত করা হয়েছে [https://archive.org/stream/dli.ministry.10950/E15048_The_Case_For_India_djvu.txt এখানে] * ব্রিটিশ রেকর্ড অনুযায়ী, ১৮০০ থেকে ১৮২৫ সালের মধ্যে ১০ লাখ ভারতীয় দুর্ভিক্ষে মারা গিয়েছিল, ১৮২৫-১৮৫০ সালের মধ্যে ৪০ লাখ, ১৮৫০-১৮৭৫ সালের মধ্যে ৫০ লাখ এবং ১৮৭৫-১৯০০ সালের মধ্যে ১ কোটি ৫০ লাখ। অর্থাৎ ১০০ বছরে ২ কোটি ৫০ লাখ ভারতীয় মারা গিয়েছে! ব্রিটিশরা নিশ্চয়ই তাদের এই রক্তমাখা রেকর্ডের জন্য গর্বিত। সামান্য বাণিজ্যিক স্বার্থের ছদ্মবেশে এবং ৫০০০ বছরের পুরোনো সভ্যতার রীতিনীতির প্রতি চরম অবজ্ঞা প্রদর্শন করার চেয়ে আল্লাহর নামে হত্যা করা সম্ভবত অনেক বেশি সম্মানজনক এবং স্পষ্ট। এভাবে ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে ভারতের রক্ত শুষে নেওয়া হয়েছিল এবং কোনো সম্পদ অবশিষ্ট ছিল না। **(সূত্র: ইন্ডিয়াস সেলফ ডিনায়াল - ফ্রাঁসোয়া গতিয়ে) * '''১৭৭০ সালের মহান [[বঙ্গ|বাংলার]] দুর্ভিক্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে করের একটি ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা রয়েছে এবং এটি [[ধর্মীয় স্বাধীনতা]] বা বিশ্বাসকে অস্বীকার করার জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে।'''<br>এই কারণেই আমরা তাই জি মেন দিজি (শিষ্যদের) তাদের প্রতিবাদে সমর্থন করি—এবং সেই সাথে “রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার মাধ্যমে বিচার বিভাগীয় এবং কর নিপীড়নের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা”-কেও সমর্থন করি। ** মাসিমো ইনত্রোভিনে, [https://bitterwinter.org/great-bengal-famine-1770-taxes-created-a-genocide/ "দ্য গ্রেট বেঙ্গল ফেমিন অফ ১৭৭০: হোয়েন ট্যাক্সেস ক্রিয়েটেড এ জেনোসাইড"], ''বিটার উইন্টার'' * বাসিন্দারা চরম দুর্দশার মধ্যে পড়েছিল। এক টুকরো রুটির বিনিময়ে জীবন বিলিয়ে দেওয়া হচ্ছিল, কিন্তু কেউ তা কেনার মতো ছিল না। কুকুরের মাংস ছাগলের মাংস হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছিল। মৃতদের হাড়ের গুঁড়ো আটার সাথে মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল। মানুষ একে অপরকে গ্রাস করতে শুরু করেছিল এবং ভালোবাসার চেয়ে নিজের ছেলের মাংসই তাদের কাছে বেশি প্রিয় হয়ে উঠেছিল। মৃত্যুর আধিক্যের কারণে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। যে জমিগুলো একসময় উর্বরতা এবং প্রচুর সম্পদের জন্য বিখ্যাত ছিল, সেখানে উৎপাদনের আর কোনো চিহ্ন ছিল না। ** আব্দুল হামিদ লাহোরি, ''পাদশাহনামা''; হেনরি মায়ার্স এলিয়ট (সম্পা.), জন ডাওসন, ''দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওউন হিস্টোরিয়ানস'', লন্ডন: শ. মোবারক আলী, ১৮৬৭–৭৭, খণ্ড ৭, পৃষ্ঠা ১২। আভাস মালদাহিয়্যারের ''বাবর: দ্য চেসবোর্ড কিং'' (২০২৪) * ১৯শ শতাব্দীর প্রথম ৮০ বছরে ১,৮০,০০,০০০ ভারতীয় মানুষ দুর্ভিক্ষে প্রাণ হারায়। শুধুমাত্র এক বছরেই—যে বছর মহারানি ভিক্টোরিয়া ভারত সম্রাজ্ঞী উপাধি গ্রহণ করেন—দক্ষিণ ভারতের ৫০,০০,০০০ মানুষ না খেতে পেয়ে মারা যায়। বেলারি জেলায়, যে এলাকার সাথে আমি ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত - যা ওয়েলসের দ্বিগুণ বড় - সেখানে ১৮৭৬-৭৭ সালের দুর্ভিক্ষে মোট জনসংখ্যার ১/৪ অংশ মারা গিয়েছিল। আমি আমার সেই দুর্ভিক্ষের অভিজ্ঞতা কখনোই ভুলব না; যখন আমি ঘোড়ায় চড়ে বের হতাম, সকালের পর সকাল আমি সারি সারি কঙ্কালসার মানুষকে হেঁটে বেড়াতে দেখতাম এবং রাস্তার পাশে মানুষের লাশ পড়ে থাকতে দেখতাম; যা ছিল অসংরক্ষিত ও অবহেলিত, কুকুর আর শকুন সেগুলো অর্ধেক খেয়ে ফেলেছিল। এবং আরও করুণ দৃশ্য হলো—শিশুরা, যাদের প্রাচীন গ্রিকরা 'বিশ্বের আনন্দ' মনে করত, তারা সেখানে অবর্ণনীয় শোকে পরিণত হয়েছিল। এমনকি মায়েরা তাদের পরিত্যাগ করেছিল; তাদের কোটরগত চোখগুলো জ্বরের ঘোরে চকচক করছিল, তাদের শরীরের মাংস পুরোপুরি শুকিয়ে গিয়েছিল, শুধু হাড়ের তরুণাস্থি, পেশি আর ঠাণ্ডায় কাঁপা চামড়া অবশিষ্ট ছিল। তাদের মাথাগুলো ছিল নিছক মাথার খুলি, আর তাদের ছোট ছোট শরীরগুলো অনাহারজনিত ঘিনঘিনে রোগে ভরে গিয়েছিল... দুর্ভিক্ষের সময় যারা ভারতে গিয়েছেন এবং পশ্চিমের তৈরি করা সমৃদ্ধির পরিচিত পথের বাইরে পা রেখেছেন, তারা সবাই জানেন এই চিত্রটি কতটা সত্য। ** মিস্টার ডব্লিউ. এস. লিলি তার - ''ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইটস প্রবলেমস'' * সুরাট (গুজরাট)—ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, মহাসড়কগুলো দুর্গম হয়ে পড়েছে; চোরেরা সোনাদানা নয় বরং শস্যের খোঁজে হানা দিচ্ছে। কিরকা—শহরটি জনশূন্য। অর্ধেক বাসিন্দা পালিয়ে গেছে, বাকি অর্ধেক মৃত। ধাইতা - শিশুদের ৬ দামের বিনিময়ে বিক্রি করা হচ্ছিল অথবা যে কেউ তাদের নিতে পারত তাকেই বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছিল যাতে তারা বেঁচে থাকতে পারে। নন্দুরবার (মহারাষ্ট্র) - তাঁবু ফেলার জায়গা পর্যন্ত নেই, চারপাশে শুধু লাশ। পাশের একটি গর্ত যেখানে ৪০টি লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছে সেখান থেকে উৎকট দুর্গন্ধ আসছে। জীবিতরা মানুষ এবং পশুর মলের মধ্যে শস্য খুঁজছে। সুরাট থেকে বুরহানপুর পর্যন্ত মহাসড়ক লাশে ভরে গেছে... বাজারে অনেক মানুষ মৃত অবস্থায় পড়ে ছিল আর অন্যরা তাদের সামনে খাবার থাকা সত্ত্বেও শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করছিল; অথচ সেই খাবার কেনার মতো সামর্থ্য তাদের ছিল না এবং অন্যদেরও তাদের প্রতি করুণা ছিল না যে তারা টাকা ছাড়া খাবার দেবে। এই দেশে এই চরম দুর্ভোগের প্রতিকারের কোনো ব্যবস্থা নেই; ধনী আর শক্তিশালীরা জোরপূর্বক সব নিজেদের কুক্ষিগত করে রেখেছে। ** পিটার মুন্ডি, ''দ্য ট্রাভেলস অফ পিটার মুন্ডি ইন ইউরোপ অ্যান্ড এশিয়া, ১৬০৮–১৬৬৭''। (সম্পা.) লে. কর্নেল স্যার রিচার্ড কার্নাক টেম্পল। কেমব্রিজ: কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯০৭। পৃষ্ঠা ৪০–৪৮। খণ্ড ২। আভাস মালদাহিয়্যারের ''বাবর: দ্য চেসবোর্ড কিং'' (২০২৪) * ...আমাদের দেশকে [ভারত] সভ্য করার নামে তারা আমাদের দেশকে শোষণ করেছিল এবং দিনে দিনে আমাদের আরও দরিদ্র করে তুলেছিল। ভারতে নিরন্তর দুর্ভিক্ষ এবং অনাহার লেগেই থাকত। কিন্তু ব্রিটিশরা সবসময়ই এর প্রতি উদাসীন ছিল। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ১৮৫ * সাংস্কৃতিকভাবে এটি স্থবিরতার সময় ছিল। সমাজে দারিদ্র্য এবং অনাহার ছিল সাধারণ ঘটনা। সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ভারতে বিশাল মূলধন বিনিয়োগ করেছিল এবং প্রচুর মুনাফা অর্জন করেছিল। ব্রিটিশরা ভারতকে এমন একটি জায়গা হিসেবে দেখত যেখানে পুঁজি একটি স্বর্গ বজায় রাখার আশা করতে পারে। কিন্তু পরিহাসের বিষয় হলো, ভারতীয় জনসাধারণ দারিদ্র্য ও অনাহারে ধুঁকছিল। এভাবেই ১৮শ এবং ১৯শ শতাব্দীতে ভারত এক মহা সংকটে পড়েছিল। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ২০৫-০৬ * তারা রক্ত শুষে নিয়েছে; তারা আমাদের কোটি কোটি টাকা নিয়ে গেছে, আর আমাদের মানুষ অনাহারে থেকেছে। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ২৯১ * ১৮৬০ থেকে ১৯০৮ সাল পর্যন্ত কুড়ি বছর ছিল দুর্ভিক্ষের বছর। ১৮৫৪ থেকে ১৯০১ সালের মধ্যে দুর্ভিক্ষের সময় প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল। এই দুর্ভিক্ষগুলো প্রকাশ করেছিল যে ঔপনিবেশিক ভারতে দারিদ্র্য এবং চিরস্থায়ী অনাহার শক্তভাবে শিকড় গেড়েছিল। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ২৯১ * ...দুর্দশা, দারিদ্র্য এবং অনাহারের মধ্যে অদ্বৈতবাদ প্রচার করা এবং বিশ্বজনীন ঐক্যের বিশাল স্বপ্ন উপলব্ধি করা খুবই কঠিন... গরিবদের আগে রুটি দিতে হবে এবং তারপর ধর্ম। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ৩৫৩ * ...বিশ্বের অনগ্রসর অংশগুলো থেকে সাম্রাজ্যবাদী সম্পদ নিষ্কাশন এবং পশ্চিমের পুঁজিবাদী অঞ্চলগুলোতে তা জমা করার ফলেই বিশ্বের এক অংশে দারিদ্র্য ও অনাহার এবং অন্য অংশে প্রাচুর্য দেখা দেয়। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ৩৫৩ * “দুর্ভিক্ষ অলৌকিক কাজ করেছে। দীক্ষার্থীরা দলে দলে আসছে, ব্যাপ্টিজমের জল ধারার মতো বইছে, আর ক্ষুধার্ত ছোট ছোট শিশুরা দলে দলে স্বর্গে চলে যাচ্ছে... একটি হাসপাতাল হলো একটি তৈরি উপাসক দল। রাজপথে বা ঝোপঝাড়ে গিয়ে তাদের ‘ভেতরে আসার জন্য বাধ্য করার’ কোনো প্রয়োজন নেই। তারা একে অপরকে পাঠায়।” ** দুর্ভিক্ষের সময় খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত মানুষের সংখ্যার আকস্মিক বৃদ্ধি সম্পর্কে। পন্ডিচেরির আর্চবিশপ, ‘স্পিরিচুয়াল অ্যাডভান্টেজস অফ ফেমিন অ্যান্ড কলেরা’, ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইটস মিশনস, ১৮২৩। অরুণ শৌরির মিশনারিজ ইন ইন্ডিয়া, নয়াদিল্লি, ১৯৯৪-এ উদ্ধৃত; যা মধ্যপ্রদেশ (ভারত), গোয়েল, এস. আর., নিয়োগী, এম. বি. (১৯৯৮), ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট অন খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিজ থেকে নেওয়া। (রিফট ইন দ্য লিউট) {{আইএসবিএন|৯৭৮৯৩৮৫৪৮৫১২১}} * “১৩৮৭ থেকে ১৩৯৫ সালের মধ্যে দাক্ষিণাত্যে এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। তার প্রজাদের ত্রাণের জন্য মুহম্মদের গৃহীত পদক্ষেপগুলোতে প্রশাসনিক দক্ষতা, জ্ঞানদীপ্ত মমতা এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির এক সংমিশ্রণ দেখা গিয়েছিল। রাজদরবারের পরিবহনের জন্য রাখা এক হাজার বলদ ত্রাণকার্যের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। সেগুলো ক্রমাগত তার সাম্রাজ্য এবং গুজরাট ও মালবের মধ্যে যাতায়াত করত, যা দুর্ভিক্ষের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছিল। সেখান থেকে শস্য আনা হতো এবং দাক্ষিণাত্যে কম দামে বিক্রি করা হতো, কিন্তু তা দেওয়া হতো শুধুমাত্র মুসলিমদের।” ** কেমব্রিজ হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, ৩, পৃষ্ঠা ৩৮৫। কে. এস. লালের ইন্ডিয়ান মুসলিমস হু আর দে, ১৯৯০। * মাটির বড় অংশ সেচ ব্যবস্থার আওতায় রয়েছে এবং এর ফলে বছরে দুইবার ফসল ফলে। . . . সেই অনুযায়ী এটি নিশ্চিত করা হয়েছে যে ভারতে কখনোই দুর্ভিক্ষ আসেনি এবং পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহে কখনোই সাধারণ কোনো অভাব দেখা দেয়নি। ** মেগাস্থিনিস, ডুরান্ট, উইল (১৯৬৩), আওয়ার ওরিয়েন্টাল হেরিটেজ। নিউ ইয়র্ক: সাইমন অ্যান্ড শুস্টার। * ‘আফ্রিকার উপকূলের যুদ্ধের দুর্দশা, ভারতের দুর্ভিক্ষের ভয়াবহ সম্ভাবনা হয়তো সেই পথটি তৈরি করে দিতে পারে যা আমরা সবচেয়ে বেশি চাই। এগুলো হয়তো সেই পরশপাথর হতে পারে যার মাধ্যমে এই দুর্দশাগ্রস্ত পৌত্তলিকরা একজন খ্রিস্টান সরকার এবং একটি খ্রিস্টান জাতির, খ্রিস্টান মিশনারি এবং খ্রিস্টান জনগণের বাস্তব কার্যকারিতা পরীক্ষা করবে; এবং পরীক্ষা করার পর তারা বিচার করবে’। ** ম্যাক্স মুলার, সুব্রত চট্টোপাধ্যায় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ আরিয়ান ইনভেশন থিওরি ইন ইন্ডিয়া, আ ক্রিটিক অফ নাইনটিন্থ-সেঞ্চুরি সোশ্যাল কনস্ট্রাকশনিজম—স্প্রিঙ্গার (২০২০) * নিক্সন তিক্তভাবে বলেছিলেন, “ভারতীয়দের প্রয়োজন—তাদের আসলে যা প্রয়োজন তা হলো—” কিসিঞ্জার মাঝপথে বলে ওঠেন, “ওগুলো আস্ত শয়তান।” নিক্সন তার চিন্তা শেষ করেন: “একটি গণদুর্ভক্ষ।” ** রিচার্ড নিক্সন, এফআরইউএস, খণ্ড ই-৭, হোয়াইট হাউস টেপস, ওভাল অফিস ৫০৫-৪, ২৬ মে ১৯৭১, সকাল ১০:৩৮। জি. জে. ব্যাস-এর দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, কিসিঞ্জার, অ্যান্ড আ ফরগোটেন জেনোসাইড (২০১৪), অধ্যায় ৯ * এটি সত্য যে বৃষ্টির অভাব দুর্ভিক্ষের কারণ হয় কিন্তু এটিও সত্য যে ভারতের মানুষের এই অমঙ্গলের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি নেই। ভারতের দারিদ্র্য পুরোপুরি বর্তমান শাসনের কারণে। কঙ্কাল অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত ভারতের রক্ত শুষে নেওয়া হচ্ছে... জনগণের সমস্ত জীবনীশক্তি শুষে নেওয়া হচ্ছে এবং আমাদের দাসত্বের এক জীর্ণ অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে। ** [[বাল গঙ্গাধর তিলক]], {{বই উদ্ধৃতি|last1=ভাগবত|first1=এ.কে.|last2=প্রধান|first2=জি.পি. |title=লোকমান্য তিলক – আ বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=bYfMbCXyc3kC&pg=PT167|year=১৯৫৮|publisher=জাইকো পাবলিশিং হাউস|isbn=৯৭৮-৮১-৭৯৯২-৮৪৬-২|pages=১৬৭–}} * দুর্ভিক্ষ হলো ভারতের বিশেষত্ব। অন্য জায়গায় দুর্ভিক্ষগুলো নগণ্য ঘটনা—ভারতে এগুলো বিধ্বংসী মহাপ্রলয়; এক ক্ষেত্রে এগুলো কয়েকশ মানুষকে বিনাশ করে, অন্য ক্ষেত্রে লাখ লাখ। ** [[মার্ক টোয়েইন]], ''ফলোয়িং দ্য ইকুয়েটর'' (১৮৯৭), [http://www.gutenberg.org/files/2895/2895-h/p5.htm অধ্যায় ৪৩] * প্রভুর পথ কতই না বিস্ময়কর? কেউ হয়তো বলবেন যে ঐশ্বরিক ইচ্ছা এটাই ছিল যে মা-বাবারা যেন অদৃশ্য হয়ে যান যাতে তাদের সন্তানদের মিশনের দিকে নিয়ে আসা যায়... গত দুটি দুর্ভিক্ষের সময় ক্যাথলিক মিশনে হাজার হাজার এতিম এসেছে... ** লাহোরের ক্যাথলিক বিশপের “হসপিটাল কনসায়েন্স”। আ মিড-ভিক্টোরিয়ান হিন্দু: আ স্কেচ অফ দ্য লাইফ অ্যান্ড টাইমস অফ রাখাল দাস হালদার এবং ইয়াং ইন্ডিয়া, ১৩-১৪: ২-এ উদ্ধৃত; যা মধ্যপ্রদেশ (ভারত), গোয়েল, এস. আর., নিয়োগী, এম. বি. (১৯৯৮), ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট অন খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিজ থেকে নেওয়া। {{আইএসবিএন|৯৭৮৯৩৮৫৪৮৫১২১}} * ১৭৬৯-৭০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে ভারতের দুর্ভিক্ষ হোরাস ওয়ালপোলকে স্তম্ভিত করেছিল এবং তাকে তার দেশবাসীদের জন্য লজ্জিত করেছিল: "আমরা পেরুর স্প্যানিশদেরও ছাড়িয়ে গেছি। তারা অন্তত একটি ধর্মীয় নীতির ভিত্তিতে কসাই হয়েছিল, তাদের উদ্যম যতই পৈশাচিক হোক না কেন। আমরা হত্যা করেছি, ক্ষমতাচ্যুত করেছি, লুণ্ঠন করেছি, জবরদস্তি করেছি—অথচ বাংলার সেই দুর্ভিক্ষ সম্পর্কে আপনার কী মনে হয় যাতে ৩০ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল এবং যা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারীদের একচেটিয়া ব্যবসার কারণে হয়েছিল।" ** এইচ. ওয়ালপোল, ইবনে ওয়াররাকের ডিফেন্ডিং দ্য ওয়েস্ট: আ ক্রিটিক অফ এডওয়ার্ড সাইদ'স ওরিয়েন্টালিজম। ইবনে, ডব্লিউ. (২০০৯)। ডিফেন্ডিং দ্য ওয়েস্ট: আ ক্রিটিক অফ এডওয়ার্ড সাইদ'স ওরিয়েন্টালিজম। আমহার্স্ট, নিউ ইয়র্ক: প্রমিথিউস বুকস। * যদিও কালাহান্ডির খরা একটি মাঝারি ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছিল, কিন্তু অনাহারে মৃত্যু ছিল সম্পূর্ণ এড়ানো সম্ভব এমন একটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগ। ** তপন কুমার প্রধান, {{বই উদ্ধৃতি|title=কালাহান্ডি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি |year=২০২০|publisher=কোহিনূর বুকস|isbn= ৯৭৮-৮১-৯৪৫৭৯৭-১-৭}} * ১৭৭০ সালে হিন্দুস্তানে যে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল এবং যার তাণ্ডব বাংলার প্রতিটি অংশে অনুভূত হয়েছিল, তাতে জঙ্গলতেরি এলাকাটি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা যায়। আমি জানতে পেরেছি যে, এই সময়ের আগে এখানে প্রচুর চাষাবাদ হতো এবং এলাকাটি পরিশ্রমী কৃষক ও কারিগরদের দ্বারা পূর্ণ ছিল। তখন জনসংখ্যা প্রায় ১৮ হাজারের বেশি ছিল বলে অনুমান করা হয়। তবে বর্তমানে এটি মাত্র কয়েকশতে নেমে এসেছে। অনেক মানুষ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ে মারা গিয়েছে এবং অন্যরা খাবারের সন্ধানে অন্যত্র চলে গিয়েছে। <br>এলাহাবাদ থেকে লখনউ এবং সেখান থেকে ফয়জাবাদ পর্যন্ত আমি যে অঞ্চলের মধ্য দিয়ে এসেছি, সেগুলোর অবস্থাও প্রায় একই রকম। চাষাবাদের অবস্থা মাঝারি মানের, কোথাও ভালো আবার কোথাও খারাপ। তবে যেখানে অবহেলা দেখা যায়, সেটি মাটির উর্বরতার অভাবে নয় বরং মানুষের সহায়-সম্বলহীনতার কারণে। গ্রামগুলোর মধ্যে কয়েকটির অবস্থা বেশ ভালো, আবার অন্যগুলো বেশ বিপর্যস্ত। বেনারসের সমৃদ্ধ এলাকা ছাড়ার পর, মুসলিম অত্যাচারীদের শাসনের অধীনে থাকা অঞ্চলগুলোর শোচনীয় অবস্থা দেখে আমি দুঃখ প্রকাশ না করে পারলাম না... <br>লখনউ থেকে ইটাওয়া পর্যন্ত এলাকাগুলো মোটামুটি চাষাবাদ হয়, তবে গ্রামগুলো গরিব।... ইটাওয়া থেকে জেসমতপুর পর্যন্ত খুব কম চাষাবাদ হয়; গ্রামগুলো জনবহুল নয় এবং অল্প যে কয়েকজন অধিবাসী আছেন তাদের খুব অসহায় মনে হয়। ১৬ তারিখে আমরা ও'ক্রেনে যাত্রা বিরতি করি, যা অযোধ্যার নবাবের এলাকার একদম শেষ প্রান্তে। শেষ দিনের পুরো যাত্রাপথে আমি চাষাবাদের কোনো চিহ্ন দেখতে পাইনি; গ্রামগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং পুরো এলাকাটি যেন জনশূন্য এক ধ্বংসলীলার দৃশ্য। যাত্রার শেষ দিনে আমরা কিছু দুর্ভাগা মানুষের দেখা পেলাম যারা স্রেফ না খেয়ে মরা থেকে বাঁচতে ভিক্ষা করতে করতে নীচের প্রদেশগুলোর দিকে যাচ্ছিলেন।... শেকোয়াবাদ এবং ফিরোজাবাদের মধ্যে সামান্য কিছু চাষের জমি আছে। এই গ্রামটি একটি পরগনা থেকে এর নাম নিয়েছে। এই এলাকাটি সেই সময় একজন হিন্দু ধর্মীয় ব্যক্তির অধীনে ছিল; এবং যেহেতু হিন্দু শাসনের আদর্শ কৃষি কাজের জন্য অত্যন্ত অনুকূল, তাই এই জায়গাটি একটি নিখুঁত বাগানের মতো মনে হচ্ছিল। এটি অবশ্যই লক্ষ্য করা উচিত যে, যদিও হিন্দু শাসক বা মালিকরা লোভের কারণে কখনও কখনও কষ্ট দিতে পারেন, তারা মুসলিমদের মতো দরিদ্রদের প্রচেষ্টাকে ধ্বংস করেন না।... ** ১৭৭০ সালের দুর্ভিক্ষ, গ্রামাঞ্চলের শোচনীয় অবস্থা, উইলিয়াম হজেস, ট্রাভেলস ইন ইন্ডিয়া ডিউরিং দ্য ইয়ারস ১৭৮০, ১৭৮১, ১৭৮২, অ্যান্ড ১৭৮৩, মুন্সীরাম মনোহরলাল, ১৯৯৯। জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১), দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ৪, অধ্যায় ২। * মহারাজপুর। আমরা এখন প্রতিদিন ধুলোর জন্য সবচেয়ে চমৎকার এক দেশের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি এবং ধুলো ছাড়া সেখানে আর কিছুই দেখার নেই। এক টুকরো ঘাসও নেই – গবাদি পশুদের অযোধ্যার ঘাস খাওয়াতে হবে, ঠিক যেমন আমাদের অযোধ্যার রাঁধুনিদের রান্না করা খাবার খেতে হবে। আমরা সবচেয়ে বিপর্যস্ত জেলাগুলোর ভেতর দিয়ে যাব না, তবে কানপুরের চারপাশের একদিকের দুর্ভিক্ষের অবস্থা এখন খুবই ভয়াবহ, যেখানে আমরা পরশু দিন পৌঁছাব। গতদিন একজন লোক এখানে এসেছিলেন যিনি ঠিক সেই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করেছেন। তিনি বললেন যে রাস্তার পাশে শত শত মানুষ মারা যাচ্ছে। তিনি মাঝেমধ্যে বিশ-ত্রিশটি লাশ একসাথে পড়ে থাকতে দেখেছেন।... <br>প্রিয়তম, আমাদের চারপাশে এই অনাহার দেখে আমার মন বিষিয়ে উঠেছে। এখন আমরা সেই অঞ্চলের উপকণ্ঠে আছি যেখানে দুর্ভিক্ষ চলছে, কিন্তু আমরা তাদের মধ্যে আছি যারা শুধু মরার জন্যই এখান থেকে সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এমনকি এখানকার কিছু গ্রাম জনশূন্য হয়ে গেছে এবং বৃষ্টির অভাবে ফসল দ্রুত মরে যাচ্ছে। এখনো সব সিভিল স্টেশনে যারা চায় তাদের খাবার দেওয়ার জন্য তহবিল আছে, কিন্তু অনেকেই রাস্তায় মারা যাচ্ছে। প্রতিদিন আমরা এমন লোকদের দেখছি যাদের জীবনে আর এক ঘন্টাও অবশিষ্ট নেই বলে মনে হয়। প্রতিদিন সন্ধ্যায় যারা আসে তাদের সবাইকে চাল খাওয়ানো হয়, কিন্তু তাদের সংখ্যা তিনশরও বেশি ছিল এবং একে অপরের কাছ থেকে চাল কেড়ে নেওয়া বন্ধ করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে শিশুদের দেখে মানুষ বলে মনে হয় না। গতকাল ক্যাম্পের মাঝখানে একা শুয়ে থাকা একটি ছোট ছেলেকে তার দাঁত দিয়ে রুটি ছিঁড়তে দেখে আমি শিউরে উঠেছিলাম; তার সেই রুটি গেলার মতো শক্তিও ছিল না। মায়েরা তাদের কঙ্কালসার শিশুদের এক টাকার বিনিময়ে বিক্রি করতে চায়। বাবারা নিজেদের জন্য যা পায় তা জোগাড় করার চেষ্টা করে এবং নারী ও শিশুদের না খেয়ে মরার জন্য ফেলে রেখে যায় – কিন্তু অনেক পুরুষও শান্তভাবে শুয়ে থাকে এবং মারা যায়। যদি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বৃষ্টি আসে তবে পরের বছরের ফসল রক্ষা করা যেতে পারে এবং তখন ধনী ব্যক্তিরা যাদের গুদামে শস্য আছে তারা তা বিক্রি করতে পারে। কিন্তু সাধারণত বড়দিনের সপ্তাহে বৃষ্টি আসে এবং এখন তার কোনো লক্ষণ নেই। এখনই আমার মনে হচ্ছে যে আমরা যাদের খাওয়াচ্ছি তাদের হয়তো কষ্টের আর কয়েকটা দিন বাড়িয়ে দিচ্ছি মাত্র, কারণ শেষ পর্যন্ত তাদের না খেয়েই মরতে হবে। তিন বা চার দিন পর এই দৃশ্যগুলো চোখের আড়াল হবে কিন্তু আমি নিশ্চিত যে আমি এগুলো কখনোই ভুলব না... <br>৭ জানুয়ারি ১৮৩৬ কনৌজ। গত তিন দিন আমার লেখার মতো সাহস ছিল না – আমরা অনাহারে মারা যাওয়া মানুষের দ্বারা পরিবেষ্টিত ছিলাম। গতকাল কয়েকশ লোক খাবারের জন্য এসেছিল, আজ এক হাজার লোককে খাওয়ানো হয়েছে। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেকেই এখনো ক্যাম্পের চারপাশে পড়ে আছে, যে শিশুদের হাতে আর কয়েক ঘন্টার জীবনও নেই – প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও অনেকে শুধু চামড়া আর হাড় ছাড়া আর কিছুই নয়, তাদের মুখগুলো খুলির মতো। ক্যাপ্টেন কানিংহাম আজ আরও অনেককে খুঁজে পেয়েছেন, একজন মহিলা মৃত এবং একজন পুরুষ ও মহিলা মুমূর্ষু অবস্থায়। অনেকে চারপাশে বসে থাকলেও কেউ কারো দিকে তাকাচ্ছে না। গুদামে প্রচুর শস্যও আছে কিন্তু ধনী বাসিন্দারা আগামী বছর আরও বড় সংকটের ভয়ে তা বিক্রি করবে না। খাবার বিতরণ করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে, তারা তাদের পালার জন্য অপেক্ষা করবে না বরং একে অপরের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার জন্য ছুটে আসবে এবং শিশুরা প্রায় পিষ্ট হয়ে যাবে। আমাদের প্রায় সব ভারতীয় ভৃত্যই হয় এতিম অথবা শিশুদের এক বা দুই টাকায় কিনে দত্তক নিয়েছে – দুর্দশার এই সময়ে এটি খুব সাধারণ ঘটনা – এবং তারা সাধারণত সারাজীবনের জন্য তাদের নিজেদের কাছে রাখে। আমরা এখন ফতেগড় থেকে তিন দিনের দূরত্বে আছি এবং সেখানে যারা কাজ করতে পারে তাদের কাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং যারা পারে না সেই নারী ও শিশুদের সহায়তার জন্য তহবিল আছে... <br>৯ জানুয়ারি আমাদের দরিদ্র মানুষগুলোর অবস্থা কিছুটা উন্নতি হচ্ছে এবং আজ তারা অনেক কম চিৎকার করেছে। আজ আমি একজন ভদ্রলোকের সাথে দেখা করলাম যিনি সেই অঞ্চল থেকে এসেছেন যেখান থেকে এই মানুষগুলো ঘুরে বেড়াচ্ছিল। তিনি বলেন যে সেখানকার দৃশ্যগুলো ভয়াবহ – শত শত মৃতদেহ এবং তিনি যাওয়ার সময় অনেককে গাছের ছাল ছাড়িয়ে তা রান্না করতে দেখেছেন। আমাদের ফরাসি ভৃত্য নদীর ধারে তরমুজ খুঁজতে গিয়েছিল এবং সে সেখানে একসাথে একশরও বেশি লোককে পড়ে থাকতে দেখেছে এবং কিছু কঙ্কাল পানির ওপর সোজা হয়ে ছিল। সে এমন একটি গ্রামের মধ্য দিয়ে এসেছে যেখানে মাত্র দুজন অধিবাসী অবশিষ্ট ছিল। প্রিয়তম, আমি এই সমস্ত ভয়াবহতা থেকে দূরে থাকতে চাই, যেখানে আমি অনুভব করি যে আমরা খুব কমই ভালো করতে পারছি। মানুষ এবং পশু যা কিছু গ্রহণ করছে তার সবটাই অযোধ্যা থেকে আমাদের কাছে আসছে। দেশটা ঘাসবিহীন এমনকি জনশূন্য। তবে এটি কোনো অভিনয় নয় যে যখন আমরা ব্যান্ডের বাজনার সাথে রাজকীয় আড়ম্বরে ডিনারে বসি – যা তাঁবুর ভেতরেও অন্য জায়গার মতোই বজায় রাখা হয় - বাইরের অনাহারী শিশুদের কান্নায় আমার আত্মা অস্থির হয়ে ওঠে যা মনে হয় কখনোই থামবে না। ** দুর্ভিক্ষের ওপর একটি বর্ণনা এবং অনাহারে মৃত্যু, ১৯ ডিসেম্বর ১৮৩৫, ফ্যানি ইডেন। ফ্যানি ইডেন, টাইগারস, দরবারস অ্যান্ড কিংস, ফ্যানি ইডেন’স ইন্ডিয়ান জার্নালস, ১৮৩৭-১৮৩৮, সম্পা. জ্যানেট ডানবার, জন মারে, ১৯৮৮। জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১), দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ৪, অধ্যায় ২ । * আমরা জানতে পারি যে গত শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে কিছু ইংরেজ ফটকাবাজ ভারতের পুরো ধান কাটার মজুদ কিনে নিয়েছিল এবং এইভাবে দেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করেছিল যা ৩০ লাখ স্থানীয় মানুষকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিল। তবুও এই অনাহারী হতভাগ্যদের একজনকে তাদের গৃহপালিত পশুদের হত্যা করে খেতে রাজি করানো যায়নি; তাদের প্রভুরা মারা যাওয়ার পরই কেবল তারা অনাহারে প্রাণ হারিয়েছে। এটি একটি ধর্মীয় বিশ্বাসের অকৃত্রিমতার এক বিশাল প্রমাণ, যার মাধ্যমে স্বীকারোক্তি প্রদানকারীরা নিজেরাই "ইতিহাস" থেকে মুছে গেছে। ** রিচার্ড ভাগনারের রিলিজিয়ন অ্যান্ড আর্ট। উইলিয়াম অ্যাশটন এলিস কর্তৃক অনূদিত। == আরও দেখুন == * [[পরোপকার]] * [[করুণা]] * [[দুর্ভিক্ষ]] * [[ক্ষুধা]] * [[ভালোবাসা]] == External links == {{উইকিপিডিয়া}} [[Category:Famines in India]] 6i31kbs7b3x6je717agmvw8dawq5f7h 81847 81846 2026-04-28T05:54:42Z ARI 356 /* External links */ 81847 wikitext text/x-wiki [[File:India-famine-family-crop-420.jpg|thumb|১৮৭৬–৭৮ সালের ভারতের মহা দুর্ভিক্ষের শিকার হওয়া কিছু মানুষ, ১৮৭৭ সালে তোলা ছবি।]] '''দুর্ভিক্ষ''' ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মতো ভারত উপমহাদেশীয় দেশগুলোর জীবনের একটি নিয়মিত অংশ ছিল। ব্রিটিশ শাসনের সময় এই দুর্ভিক্ষের তথ্যগুলো সবচেয়ে নিখুঁতভাবে রেকর্ড করা হয়েছিল। ১৮শ, ১৯শ এবং ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে ভারতে দুর্ভিক্ষের কারণে ৩ কোটিরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল। ব্রিটিশ ভারতের দুর্ভিক্ষগুলো এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, ১৯শ এবং ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে দেশের দীর্ঘমেয়াদী জনসংখ্যা বৃদ্ধির ওপর এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল। == উক্তি == * প্রধান বিপদ হলো বিদেশী শোষকদের কারণে পুরো দেশের [ভারত] অনাহারে থাকা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সবকিছুর জন্য বিদেশীদের ওপর সম্পূর্ণ ও আশাহীনভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়া। ** [[অরবিন্দ ঘোষ]], ''[http://books.google.co.in/books?id=rXiXje2B46QC&pg=PA263&lpg=PA263 শ্রী অরবিন্দ ঘোষ]'' (১ জানুয়ারি ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২৬৩। * আপনি হয়তো কোথাও একজন মানুষকে না খেয়ে থাকতে দেখেন। যদি আপনি কর্মের ভুল ব্যাখ্যা করেন, যা আপনাদের মধ্যে অনেকেই করেন এবং যা ভারতের জন্য লজ্জার, বিশেষ করে এমন এক দেশে যেখানে এই শিক্ষা অতি প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে, তবে আপনি সেই ক্ষুধার্ত মানুষটির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন এবং বলেন যে না খেয়ে থাকা আর মারা যাওয়া তার কর্ম। আপনাদের ওই কঠিন হৃদয়ে আপনারা নিজেদের ভালোবাসার অভাব ঢাকতে ঈশ্বরের ইচ্ছাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেন। সেই মানুষের কর্ম কি না খেয়ে থাকা? হ্যাঁ, আর সেইজন্যই সে না খেয়ে আছে! কিন্তু যদি কোনো দেব আপনাকে সেই জায়গায় নিয়ে যান যেখানে আপনার ভাই ক্ষুধার্ত অবস্থায় আছে, তবে সেটি এই কারণে যে তিনি আপনাকে তার দানশীলতার প্রতিনিধি করতে চান। সেই মানুষের বর্তমান সময়ের খারাপ কর্ম তার কষ্টের মাধ্যমে শেষ হয়ে গেছে। দেব তখন আপনাকে বলেন: “মানুষ, তোমার ভাই না খেয়ে আছে, তাকে সেই ত্রাণ দাও যা পাওয়া তার কর্মের মধ্যে আছে, আর এই নিয়ম পালনে আমার প্রতিনিধি হও।” ** [[অ্যানি বেসান্ত]], ''[http://books.google.co.in/books?id=eIrD4GQFCPIC&pg=PT475 দ্য থিওসফিক্যাল রাইটিংস অফ অ্যানি বেসান্ত]'' (গুগল ই-বুক) (২০১২), পৃষ্ঠা ৪৭৫ * এরপর আসে দুর্ভিক্ষের বছর; কিন্তু নাকফুল আর সোনার চুড়িগুলো তখন আর থাকে না এবং হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মারা যায়। তাতে কী আসে যায়? তারা খ্রিস্টের কোলে প্রাণ হারায় এবং রোম তাদের লাশের ওপর আশীর্বাদ ছড়িয়ে দেয়। প্রতি বছর এমন হাজার হাজার লাশ পবিত্র নদীগুলো দিয়ে ভেসে সাগরে চলে যায়। ** হেলেনা ব্লাভাটস্কি, আইসিস আনভেইল্ড * দুর্ভিক্ষের বিরুদ্ধে কোনো প্রস্তুতি না নেওয়ার জন্য বাংলার লেফটেন্যান্ট গভর্নর পুরোপুরি দায়ী ছিলেন। ... কর্মকর্তাদের কাছে অর্থনীতির নীতিগুলো এক ধরনের "অন্ধবিশ্বাসের" মতো ছিল। তারা বিশ্বাস করতেন যে দীর্ঘমেয়াদে চাহিদা ও জোগান নিজেই ভারসাম্য ফিরিয়ে আনবে। তারা যেন একদমই ভুলে গিয়েছিলেন যে মানুষের জীবন খুব ছোট, আর খাবার ছাড়া মানুষ মাত্র কয়েক দিনের বেশি বাঁচতে পারে না। তারা যান্ত্রিকভাবে অর্থনীতির নিয়মগুলোকে নিজেদের মতো কাজ করতে দিয়েছিলেন, আর এদিকে দুর্ভিক্ষের কারণে লাখ লাখ মানুষ মারা যাচ্ছিল। ** ভাইকাউন্ট ক্র্যানবোর্ন, [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1867/aug/02/motion-for-an-address#S3V0189P0_18670802_HOC_126 ব্রিটিশ সংসদের নিম্নকক্ষে দেওয়া ভাষণ (২ আগস্ট ১৮৬৭)], ১৮৬৬ সালের উড়িষ্যার দুর্ভিক্ষ সম্পর্কে * তিনি (জর্জ কার্জন) একইভাবে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন যাতে দুর্ভিক্ষকে সংস্কারের কারণ হিসেবে ব্যবহার করা না হয়। যখন উপমহাদেশের দুই-তৃতীয়াংশ এলাকায় অভূতপূর্বভাবে ক্ষুধা ছড়িয়ে পড়ছিল, তখন তিনি তার কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যাতে তারা জনসমক্ষে এই সংকটের জন্য কঠোরভাবে কেবল খরাকেই দায়ী করেন। যখন ক্যালকাটা লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের একজন অসতর্ক সদস্য ডোনাল্ড স্মিটন অতিরিক্ত কর আদায়ের সমস্যাটি তুলে ধরেন, তাকে দ্রুত পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কার্জনের নিজের রাজকীয় আড়ম্বর ও জাঁকজমকের প্রতি আসক্তি সবার জানা থাকলেও তিনি ক্ষুধার্ত গ্রামবাসীদের উপদেশ দিতেন। তিনি বলতেন যে, “যেকোনো সরকার যদি অঢেল জনহিতকর কাজের স্বার্থে ভারতের আর্থিক অবস্থাকে বিপন্ন করে, তবে তাকে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে হবে। কিন্তু যদি কোনো সরকার বাছবিচারহীনভাবে দান-খয়রাত করে জনগণের মনোবল দুর্বল করে এবং তাদের আত্মনির্ভরশীলতা নষ্ট করে, তবে তারা এক জনবিরোধী অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হবে।” ** মাইক ডেভিস। লেট ভিক্টোরিয়ান হলোকাস্টস। ১। ভারসো, ২০০০। {{আইএসবিএন|১৮৫৯৮৪৭৩৯০}} পৃষ্ঠা ১৬২ * আর এই মহাবিপর্যয়গুলো থেকে ব্রিটিশরা কী শিক্ষা নিয়েছিল? সবচেয়ে বিস্তারিত সরকারি জরিপ, রিপোর্ট অন দ্য ফেমিন ইন বোম্বে প্রেসিডেন্সি, ১৮৯৯-১৯০২, স্বীকার করেছে যে "শুরু থেকে ব্যাপকভাবে অনুদানমূলক [গৃহ] ত্রাণ প্রদানের মাধ্যমে" অতিরিক্ত মৃত্যুর অনেকটাই এড়ানো যেত, কিন্তু জোর দিয়ে বলেছে যে "এর খরচ এমন হতে পারত যা কোনো দেশই বহন করত না বা বহন করতে বলা উচিত হতো না"... ** মাইক ডেভিস। লেট ভিক্টোরিয়ান হলোকাস্টস। ১। ভারসো, ২০০০। {{আইএসবিএন|১৮৫৯৮৪৭৩৯০}} পৃষ্ঠা ১৭৫ * আমরা কীভাবে বাষ্পীয় পরিবহন এবং আধুনিক শস্য বাজারের জীবন রক্ষাকারী সুবিধার আত্মতুষ্ট দাবিগুলোকে বিচার করব, যখন লাখ লাখ মানুষ, বিশেষ করে ব্রিটিশ ভারতে, রেলপথের ধারে বা শস্যভাণ্ডারের সিঁড়িতে মারা গিয়েছিল? ** লেখক এবং রাজনৈতিক কর্মী মাইক ডেভিস তার বই, লেট ভিক্টোরিয়ান হলোকাস্টসে এই প্রশ্নটি তুলেছেন * স্যার উইলিয়াম হান্টার অনুমান করেছিলেন যে, ভারতের ৪,০০,০০,০০০ মানুষ খুব কমই বা কখনোই তাদের ক্ষুধা মেটাতে পারত না। ১৯০১ সালে বিদেশ থেকে আসা প্লেগে ২,৭২,০০০ মানুষ মারা যায়; ১৯০২ সালে প্লেগে মারা যায় ৫,০০,০০০ মানুষ; ১৯০৩ সালে ৮,০০,০০০; ১৯০৪ সালে ১০,০০,০০০। আমরা এখন বুঝতে পারি কেন ভারতে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। সহজ কথায় এর কারণ খাবারের অভাব ছিল না, বরং মানুষের খাবার কেনার অক্ষমতা ছিল। আশা করা হয়েছিল যে রেলপথ এই সমস্যার সমাধান করবে... আসল ঘটনা হলো রেলপথ নির্মাণের পর থেকেই সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষগুলো এসেছে... এই সবকিছুর পেছনে ভারতের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের মূল উৎস হিসেবে রয়েছে এমন নির্দয় শোষণ, পণ্যের ভারসাম্যহীন শোষণ এবং দুর্ভিক্ষের ঠিক মাঝখানে উচ্চ হারে কর আদায়ের নিষ্ঠুরতা... **(সূত্র: দ্য কেস ফর ইন্ডিয়া - উইল ডুরান্ট, সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, নিউ ইয়র্ক। ১৯৩০ পৃষ্ঠা ৫০-৫৩)। * "দেশের সম্পদ থেকে এত বড় অর্থনৈতিক নিষ্কাশন," দত্ত বলেন, "পৃথিবীর সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশগুলোকেও দরিদ্র করে তুলবে; এটি ভারতকে এমন এক দুর্ভিক্ষের দেশে পরিণত করেছে যা ভারতের বা পৃথিবীর ইতিহাসে আগের চেয়ে আরও ঘন ঘন, আরও ব্যাপক এবং আরও মারাত্মক।" ** দত্তের উক্তিটি উদ্ধৃত করা হয়েছে [https://archive.org/stream/dli.ministry.10950/E15048_The_Case_For_India_djvu.txt এখানে] * ব্রিটিশ রেকর্ড অনুযায়ী, ১৮০০ থেকে ১৮২৫ সালের মধ্যে ১০ লাখ ভারতীয় দুর্ভিক্ষে মারা গিয়েছিল, ১৮২৫-১৮৫০ সালের মধ্যে ৪০ লাখ, ১৮৫০-১৮৭৫ সালের মধ্যে ৫০ লাখ এবং ১৮৭৫-১৯০০ সালের মধ্যে ১ কোটি ৫০ লাখ। অর্থাৎ ১০০ বছরে ২ কোটি ৫০ লাখ ভারতীয় মারা গিয়েছে! ব্রিটিশরা নিশ্চয়ই তাদের এই রক্তমাখা রেকর্ডের জন্য গর্বিত। সামান্য বাণিজ্যিক স্বার্থের ছদ্মবেশে এবং ৫০০০ বছরের পুরোনো সভ্যতার রীতিনীতির প্রতি চরম অবজ্ঞা প্রদর্শন করার চেয়ে আল্লাহর নামে হত্যা করা সম্ভবত অনেক বেশি সম্মানজনক এবং স্পষ্ট। এভাবে ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে ভারতের রক্ত শুষে নেওয়া হয়েছিল এবং কোনো সম্পদ অবশিষ্ট ছিল না। **(সূত্র: ইন্ডিয়াস সেলফ ডিনায়াল - ফ্রাঁসোয়া গতিয়ে) * '''১৭৭০ সালের মহান [[বঙ্গ|বাংলার]] দুর্ভিক্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে করের একটি ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা রয়েছে এবং এটি [[ধর্মীয় স্বাধীনতা]] বা বিশ্বাসকে অস্বীকার করার জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে।'''<br>এই কারণেই আমরা তাই জি মেন দিজি (শিষ্যদের) তাদের প্রতিবাদে সমর্থন করি—এবং সেই সাথে “রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার মাধ্যমে বিচার বিভাগীয় এবং কর নিপীড়নের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা”-কেও সমর্থন করি। ** মাসিমো ইনত্রোভিনে, [https://bitterwinter.org/great-bengal-famine-1770-taxes-created-a-genocide/ "দ্য গ্রেট বেঙ্গল ফেমিন অফ ১৭৭০: হোয়েন ট্যাক্সেস ক্রিয়েটেড এ জেনোসাইড"], ''বিটার উইন্টার'' * বাসিন্দারা চরম দুর্দশার মধ্যে পড়েছিল। এক টুকরো রুটির বিনিময়ে জীবন বিলিয়ে দেওয়া হচ্ছিল, কিন্তু কেউ তা কেনার মতো ছিল না। কুকুরের মাংস ছাগলের মাংস হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছিল। মৃতদের হাড়ের গুঁড়ো আটার সাথে মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল। মানুষ একে অপরকে গ্রাস করতে শুরু করেছিল এবং ভালোবাসার চেয়ে নিজের ছেলের মাংসই তাদের কাছে বেশি প্রিয় হয়ে উঠেছিল। মৃত্যুর আধিক্যের কারণে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। যে জমিগুলো একসময় উর্বরতা এবং প্রচুর সম্পদের জন্য বিখ্যাত ছিল, সেখানে উৎপাদনের আর কোনো চিহ্ন ছিল না। ** আব্দুল হামিদ লাহোরি, ''পাদশাহনামা''; হেনরি মায়ার্স এলিয়ট (সম্পা.), জন ডাওসন, ''দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওউন হিস্টোরিয়ানস'', লন্ডন: শ. মোবারক আলী, ১৮৬৭–৭৭, খণ্ড ৭, পৃষ্ঠা ১২। আভাস মালদাহিয়্যারের ''বাবর: দ্য চেসবোর্ড কিং'' (২০২৪) * ১৯শ শতাব্দীর প্রথম ৮০ বছরে ১,৮০,০০,০০০ ভারতীয় মানুষ দুর্ভিক্ষে প্রাণ হারায়। শুধুমাত্র এক বছরেই—যে বছর মহারানি ভিক্টোরিয়া ভারত সম্রাজ্ঞী উপাধি গ্রহণ করেন—দক্ষিণ ভারতের ৫০,০০,০০০ মানুষ না খেতে পেয়ে মারা যায়। বেলারি জেলায়, যে এলাকার সাথে আমি ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত - যা ওয়েলসের দ্বিগুণ বড় - সেখানে ১৮৭৬-৭৭ সালের দুর্ভিক্ষে মোট জনসংখ্যার ১/৪ অংশ মারা গিয়েছিল। আমি আমার সেই দুর্ভিক্ষের অভিজ্ঞতা কখনোই ভুলব না; যখন আমি ঘোড়ায় চড়ে বের হতাম, সকালের পর সকাল আমি সারি সারি কঙ্কালসার মানুষকে হেঁটে বেড়াতে দেখতাম এবং রাস্তার পাশে মানুষের লাশ পড়ে থাকতে দেখতাম; যা ছিল অসংরক্ষিত ও অবহেলিত, কুকুর আর শকুন সেগুলো অর্ধেক খেয়ে ফেলেছিল। এবং আরও করুণ দৃশ্য হলো—শিশুরা, যাদের প্রাচীন গ্রিকরা 'বিশ্বের আনন্দ' মনে করত, তারা সেখানে অবর্ণনীয় শোকে পরিণত হয়েছিল। এমনকি মায়েরা তাদের পরিত্যাগ করেছিল; তাদের কোটরগত চোখগুলো জ্বরের ঘোরে চকচক করছিল, তাদের শরীরের মাংস পুরোপুরি শুকিয়ে গিয়েছিল, শুধু হাড়ের তরুণাস্থি, পেশি আর ঠাণ্ডায় কাঁপা চামড়া অবশিষ্ট ছিল। তাদের মাথাগুলো ছিল নিছক মাথার খুলি, আর তাদের ছোট ছোট শরীরগুলো অনাহারজনিত ঘিনঘিনে রোগে ভরে গিয়েছিল... দুর্ভিক্ষের সময় যারা ভারতে গিয়েছেন এবং পশ্চিমের তৈরি করা সমৃদ্ধির পরিচিত পথের বাইরে পা রেখেছেন, তারা সবাই জানেন এই চিত্রটি কতটা সত্য। ** মিস্টার ডব্লিউ. এস. লিলি তার - ''ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইটস প্রবলেমস'' * সুরাট (গুজরাট)—ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, মহাসড়কগুলো দুর্গম হয়ে পড়েছে; চোরেরা সোনাদানা নয় বরং শস্যের খোঁজে হানা দিচ্ছে। কিরকা—শহরটি জনশূন্য। অর্ধেক বাসিন্দা পালিয়ে গেছে, বাকি অর্ধেক মৃত। ধাইতা - শিশুদের ৬ দামের বিনিময়ে বিক্রি করা হচ্ছিল অথবা যে কেউ তাদের নিতে পারত তাকেই বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছিল যাতে তারা বেঁচে থাকতে পারে। নন্দুরবার (মহারাষ্ট্র) - তাঁবু ফেলার জায়গা পর্যন্ত নেই, চারপাশে শুধু লাশ। পাশের একটি গর্ত যেখানে ৪০টি লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছে সেখান থেকে উৎকট দুর্গন্ধ আসছে। জীবিতরা মানুষ এবং পশুর মলের মধ্যে শস্য খুঁজছে। সুরাট থেকে বুরহানপুর পর্যন্ত মহাসড়ক লাশে ভরে গেছে... বাজারে অনেক মানুষ মৃত অবস্থায় পড়ে ছিল আর অন্যরা তাদের সামনে খাবার থাকা সত্ত্বেও শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করছিল; অথচ সেই খাবার কেনার মতো সামর্থ্য তাদের ছিল না এবং অন্যদেরও তাদের প্রতি করুণা ছিল না যে তারা টাকা ছাড়া খাবার দেবে। এই দেশে এই চরম দুর্ভোগের প্রতিকারের কোনো ব্যবস্থা নেই; ধনী আর শক্তিশালীরা জোরপূর্বক সব নিজেদের কুক্ষিগত করে রেখেছে। ** পিটার মুন্ডি, ''দ্য ট্রাভেলস অফ পিটার মুন্ডি ইন ইউরোপ অ্যান্ড এশিয়া, ১৬০৮–১৬৬৭''। (সম্পা.) লে. কর্নেল স্যার রিচার্ড কার্নাক টেম্পল। কেমব্রিজ: কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯০৭। পৃষ্ঠা ৪০–৪৮। খণ্ড ২। আভাস মালদাহিয়্যারের ''বাবর: দ্য চেসবোর্ড কিং'' (২০২৪) * ...আমাদের দেশকে [ভারত] সভ্য করার নামে তারা আমাদের দেশকে শোষণ করেছিল এবং দিনে দিনে আমাদের আরও দরিদ্র করে তুলেছিল। ভারতে নিরন্তর দুর্ভিক্ষ এবং অনাহার লেগেই থাকত। কিন্তু ব্রিটিশরা সবসময়ই এর প্রতি উদাসীন ছিল। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ১৮৫ * সাংস্কৃতিকভাবে এটি স্থবিরতার সময় ছিল। সমাজে দারিদ্র্য এবং অনাহার ছিল সাধারণ ঘটনা। সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ভারতে বিশাল মূলধন বিনিয়োগ করেছিল এবং প্রচুর মুনাফা অর্জন করেছিল। ব্রিটিশরা ভারতকে এমন একটি জায়গা হিসেবে দেখত যেখানে পুঁজি একটি স্বর্গ বজায় রাখার আশা করতে পারে। কিন্তু পরিহাসের বিষয় হলো, ভারতীয় জনসাধারণ দারিদ্র্য ও অনাহারে ধুঁকছিল। এভাবেই ১৮শ এবং ১৯শ শতাব্দীতে ভারত এক মহা সংকটে পড়েছিল। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ২০৫-০৬ * তারা রক্ত শুষে নিয়েছে; তারা আমাদের কোটি কোটি টাকা নিয়ে গেছে, আর আমাদের মানুষ অনাহারে থেকেছে। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ২৯১ * ১৮৬০ থেকে ১৯০৮ সাল পর্যন্ত কুড়ি বছর ছিল দুর্ভিক্ষের বছর। ১৮৫৪ থেকে ১৯০১ সালের মধ্যে দুর্ভিক্ষের সময় প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল। এই দুর্ভিক্ষগুলো প্রকাশ করেছিল যে ঔপনিবেশিক ভারতে দারিদ্র্য এবং চিরস্থায়ী অনাহার শক্তভাবে শিকড় গেড়েছিল। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ২৯১ * ...দুর্দশা, দারিদ্র্য এবং অনাহারের মধ্যে অদ্বৈতবাদ প্রচার করা এবং বিশ্বজনীন ঐক্যের বিশাল স্বপ্ন উপলব্ধি করা খুবই কঠিন... গরিবদের আগে রুটি দিতে হবে এবং তারপর ধর্ম। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ৩৫৩ * ...বিশ্বের অনগ্রসর অংশগুলো থেকে সাম্রাজ্যবাদী সম্পদ নিষ্কাশন এবং পশ্চিমের পুঁজিবাদী অঞ্চলগুলোতে তা জমা করার ফলেই বিশ্বের এক অংশে দারিদ্র্য ও অনাহার এবং অন্য অংশে প্রাচুর্য দেখা দেয়। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ৩৫৩ * “দুর্ভিক্ষ অলৌকিক কাজ করেছে। দীক্ষার্থীরা দলে দলে আসছে, ব্যাপ্টিজমের জল ধারার মতো বইছে, আর ক্ষুধার্ত ছোট ছোট শিশুরা দলে দলে স্বর্গে চলে যাচ্ছে... একটি হাসপাতাল হলো একটি তৈরি উপাসক দল। রাজপথে বা ঝোপঝাড়ে গিয়ে তাদের ‘ভেতরে আসার জন্য বাধ্য করার’ কোনো প্রয়োজন নেই। তারা একে অপরকে পাঠায়।” ** দুর্ভিক্ষের সময় খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত মানুষের সংখ্যার আকস্মিক বৃদ্ধি সম্পর্কে। পন্ডিচেরির আর্চবিশপ, ‘স্পিরিচুয়াল অ্যাডভান্টেজস অফ ফেমিন অ্যান্ড কলেরা’, ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইটস মিশনস, ১৮২৩। অরুণ শৌরির মিশনারিজ ইন ইন্ডিয়া, নয়াদিল্লি, ১৯৯৪-এ উদ্ধৃত; যা মধ্যপ্রদেশ (ভারত), গোয়েল, এস. আর., নিয়োগী, এম. বি. (১৯৯৮), ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট অন খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিজ থেকে নেওয়া। (রিফট ইন দ্য লিউট) {{আইএসবিএন|৯৭৮৯৩৮৫৪৮৫১২১}} * “১৩৮৭ থেকে ১৩৯৫ সালের মধ্যে দাক্ষিণাত্যে এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। তার প্রজাদের ত্রাণের জন্য মুহম্মদের গৃহীত পদক্ষেপগুলোতে প্রশাসনিক দক্ষতা, জ্ঞানদীপ্ত মমতা এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির এক সংমিশ্রণ দেখা গিয়েছিল। রাজদরবারের পরিবহনের জন্য রাখা এক হাজার বলদ ত্রাণকার্যের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। সেগুলো ক্রমাগত তার সাম্রাজ্য এবং গুজরাট ও মালবের মধ্যে যাতায়াত করত, যা দুর্ভিক্ষের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছিল। সেখান থেকে শস্য আনা হতো এবং দাক্ষিণাত্যে কম দামে বিক্রি করা হতো, কিন্তু তা দেওয়া হতো শুধুমাত্র মুসলিমদের।” ** কেমব্রিজ হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, ৩, পৃষ্ঠা ৩৮৫। কে. এস. লালের ইন্ডিয়ান মুসলিমস হু আর দে, ১৯৯০। * মাটির বড় অংশ সেচ ব্যবস্থার আওতায় রয়েছে এবং এর ফলে বছরে দুইবার ফসল ফলে। . . . সেই অনুযায়ী এটি নিশ্চিত করা হয়েছে যে ভারতে কখনোই দুর্ভিক্ষ আসেনি এবং পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহে কখনোই সাধারণ কোনো অভাব দেখা দেয়নি। ** মেগাস্থিনিস, ডুরান্ট, উইল (১৯৬৩), আওয়ার ওরিয়েন্টাল হেরিটেজ। নিউ ইয়র্ক: সাইমন অ্যান্ড শুস্টার। * ‘আফ্রিকার উপকূলের যুদ্ধের দুর্দশা, ভারতের দুর্ভিক্ষের ভয়াবহ সম্ভাবনা হয়তো সেই পথটি তৈরি করে দিতে পারে যা আমরা সবচেয়ে বেশি চাই। এগুলো হয়তো সেই পরশপাথর হতে পারে যার মাধ্যমে এই দুর্দশাগ্রস্ত পৌত্তলিকরা একজন খ্রিস্টান সরকার এবং একটি খ্রিস্টান জাতির, খ্রিস্টান মিশনারি এবং খ্রিস্টান জনগণের বাস্তব কার্যকারিতা পরীক্ষা করবে; এবং পরীক্ষা করার পর তারা বিচার করবে’। ** ম্যাক্স মুলার, সুব্রত চট্টোপাধ্যায় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ আরিয়ান ইনভেশন থিওরি ইন ইন্ডিয়া, আ ক্রিটিক অফ নাইনটিন্থ-সেঞ্চুরি সোশ্যাল কনস্ট্রাকশনিজম—স্প্রিঙ্গার (২০২০) * নিক্সন তিক্তভাবে বলেছিলেন, “ভারতীয়দের প্রয়োজন—তাদের আসলে যা প্রয়োজন তা হলো—” কিসিঞ্জার মাঝপথে বলে ওঠেন, “ওগুলো আস্ত শয়তান।” নিক্সন তার চিন্তা শেষ করেন: “একটি গণদুর্ভক্ষ।” ** রিচার্ড নিক্সন, এফআরইউএস, খণ্ড ই-৭, হোয়াইট হাউস টেপস, ওভাল অফিস ৫০৫-৪, ২৬ মে ১৯৭১, সকাল ১০:৩৮। জি. জে. ব্যাস-এর দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, কিসিঞ্জার, অ্যান্ড আ ফরগোটেন জেনোসাইড (২০১৪), অধ্যায় ৯ * এটি সত্য যে বৃষ্টির অভাব দুর্ভিক্ষের কারণ হয় কিন্তু এটিও সত্য যে ভারতের মানুষের এই অমঙ্গলের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি নেই। ভারতের দারিদ্র্য পুরোপুরি বর্তমান শাসনের কারণে। কঙ্কাল অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত ভারতের রক্ত শুষে নেওয়া হচ্ছে... জনগণের সমস্ত জীবনীশক্তি শুষে নেওয়া হচ্ছে এবং আমাদের দাসত্বের এক জীর্ণ অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে। ** [[বাল গঙ্গাধর তিলক]], {{বই উদ্ধৃতি|last1=ভাগবত|first1=এ.কে.|last2=প্রধান|first2=জি.পি. |title=লোকমান্য তিলক – আ বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=bYfMbCXyc3kC&pg=PT167|year=১৯৫৮|publisher=জাইকো পাবলিশিং হাউস|isbn=৯৭৮-৮১-৭৯৯২-৮৪৬-২|pages=১৬৭–}} * দুর্ভিক্ষ হলো ভারতের বিশেষত্ব। অন্য জায়গায় দুর্ভিক্ষগুলো নগণ্য ঘটনা—ভারতে এগুলো বিধ্বংসী মহাপ্রলয়; এক ক্ষেত্রে এগুলো কয়েকশ মানুষকে বিনাশ করে, অন্য ক্ষেত্রে লাখ লাখ। ** [[মার্ক টোয়েইন]], ''ফলোয়িং দ্য ইকুয়েটর'' (১৮৯৭), [http://www.gutenberg.org/files/2895/2895-h/p5.htm অধ্যায় ৪৩] * প্রভুর পথ কতই না বিস্ময়কর? কেউ হয়তো বলবেন যে ঐশ্বরিক ইচ্ছা এটাই ছিল যে মা-বাবারা যেন অদৃশ্য হয়ে যান যাতে তাদের সন্তানদের মিশনের দিকে নিয়ে আসা যায়... গত দুটি দুর্ভিক্ষের সময় ক্যাথলিক মিশনে হাজার হাজার এতিম এসেছে... ** লাহোরের ক্যাথলিক বিশপের “হসপিটাল কনসায়েন্স”। আ মিড-ভিক্টোরিয়ান হিন্দু: আ স্কেচ অফ দ্য লাইফ অ্যান্ড টাইমস অফ রাখাল দাস হালদার এবং ইয়াং ইন্ডিয়া, ১৩-১৪: ২-এ উদ্ধৃত; যা মধ্যপ্রদেশ (ভারত), গোয়েল, এস. আর., নিয়োগী, এম. বি. (১৯৯৮), ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট অন খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিজ থেকে নেওয়া। {{আইএসবিএন|৯৭৮৯৩৮৫৪৮৫১২১}} * ১৭৬৯-৭০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে ভারতের দুর্ভিক্ষ হোরাস ওয়ালপোলকে স্তম্ভিত করেছিল এবং তাকে তার দেশবাসীদের জন্য লজ্জিত করেছিল: "আমরা পেরুর স্প্যানিশদেরও ছাড়িয়ে গেছি। তারা অন্তত একটি ধর্মীয় নীতির ভিত্তিতে কসাই হয়েছিল, তাদের উদ্যম যতই পৈশাচিক হোক না কেন। আমরা হত্যা করেছি, ক্ষমতাচ্যুত করেছি, লুণ্ঠন করেছি, জবরদস্তি করেছি—অথচ বাংলার সেই দুর্ভিক্ষ সম্পর্কে আপনার কী মনে হয় যাতে ৩০ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল এবং যা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারীদের একচেটিয়া ব্যবসার কারণে হয়েছিল।" ** এইচ. ওয়ালপোল, ইবনে ওয়াররাকের ডিফেন্ডিং দ্য ওয়েস্ট: আ ক্রিটিক অফ এডওয়ার্ড সাইদ'স ওরিয়েন্টালিজম। ইবনে, ডব্লিউ. (২০০৯)। ডিফেন্ডিং দ্য ওয়েস্ট: আ ক্রিটিক অফ এডওয়ার্ড সাইদ'স ওরিয়েন্টালিজম। আমহার্স্ট, নিউ ইয়র্ক: প্রমিথিউস বুকস। * যদিও কালাহান্ডির খরা একটি মাঝারি ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছিল, কিন্তু অনাহারে মৃত্যু ছিল সম্পূর্ণ এড়ানো সম্ভব এমন একটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগ। ** তপন কুমার প্রধান, {{বই উদ্ধৃতি|title=কালাহান্ডি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি |year=২০২০|publisher=কোহিনূর বুকস|isbn= ৯৭৮-৮১-৯৪৫৭৯৭-১-৭}} * ১৭৭০ সালে হিন্দুস্তানে যে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল এবং যার তাণ্ডব বাংলার প্রতিটি অংশে অনুভূত হয়েছিল, তাতে জঙ্গলতেরি এলাকাটি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা যায়। আমি জানতে পেরেছি যে, এই সময়ের আগে এখানে প্রচুর চাষাবাদ হতো এবং এলাকাটি পরিশ্রমী কৃষক ও কারিগরদের দ্বারা পূর্ণ ছিল। তখন জনসংখ্যা প্রায় ১৮ হাজারের বেশি ছিল বলে অনুমান করা হয়। তবে বর্তমানে এটি মাত্র কয়েকশতে নেমে এসেছে। অনেক মানুষ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ে মারা গিয়েছে এবং অন্যরা খাবারের সন্ধানে অন্যত্র চলে গিয়েছে। <br>এলাহাবাদ থেকে লখনউ এবং সেখান থেকে ফয়জাবাদ পর্যন্ত আমি যে অঞ্চলের মধ্য দিয়ে এসেছি, সেগুলোর অবস্থাও প্রায় একই রকম। চাষাবাদের অবস্থা মাঝারি মানের, কোথাও ভালো আবার কোথাও খারাপ। তবে যেখানে অবহেলা দেখা যায়, সেটি মাটির উর্বরতার অভাবে নয় বরং মানুষের সহায়-সম্বলহীনতার কারণে। গ্রামগুলোর মধ্যে কয়েকটির অবস্থা বেশ ভালো, আবার অন্যগুলো বেশ বিপর্যস্ত। বেনারসের সমৃদ্ধ এলাকা ছাড়ার পর, মুসলিম অত্যাচারীদের শাসনের অধীনে থাকা অঞ্চলগুলোর শোচনীয় অবস্থা দেখে আমি দুঃখ প্রকাশ না করে পারলাম না... <br>লখনউ থেকে ইটাওয়া পর্যন্ত এলাকাগুলো মোটামুটি চাষাবাদ হয়, তবে গ্রামগুলো গরিব।... ইটাওয়া থেকে জেসমতপুর পর্যন্ত খুব কম চাষাবাদ হয়; গ্রামগুলো জনবহুল নয় এবং অল্প যে কয়েকজন অধিবাসী আছেন তাদের খুব অসহায় মনে হয়। ১৬ তারিখে আমরা ও'ক্রেনে যাত্রা বিরতি করি, যা অযোধ্যার নবাবের এলাকার একদম শেষ প্রান্তে। শেষ দিনের পুরো যাত্রাপথে আমি চাষাবাদের কোনো চিহ্ন দেখতে পাইনি; গ্রামগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং পুরো এলাকাটি যেন জনশূন্য এক ধ্বংসলীলার দৃশ্য। যাত্রার শেষ দিনে আমরা কিছু দুর্ভাগা মানুষের দেখা পেলাম যারা স্রেফ না খেয়ে মরা থেকে বাঁচতে ভিক্ষা করতে করতে নীচের প্রদেশগুলোর দিকে যাচ্ছিলেন।... শেকোয়াবাদ এবং ফিরোজাবাদের মধ্যে সামান্য কিছু চাষের জমি আছে। এই গ্রামটি একটি পরগনা থেকে এর নাম নিয়েছে। এই এলাকাটি সেই সময় একজন হিন্দু ধর্মীয় ব্যক্তির অধীনে ছিল; এবং যেহেতু হিন্দু শাসনের আদর্শ কৃষি কাজের জন্য অত্যন্ত অনুকূল, তাই এই জায়গাটি একটি নিখুঁত বাগানের মতো মনে হচ্ছিল। এটি অবশ্যই লক্ষ্য করা উচিত যে, যদিও হিন্দু শাসক বা মালিকরা লোভের কারণে কখনও কখনও কষ্ট দিতে পারেন, তারা মুসলিমদের মতো দরিদ্রদের প্রচেষ্টাকে ধ্বংস করেন না।... ** ১৭৭০ সালের দুর্ভিক্ষ, গ্রামাঞ্চলের শোচনীয় অবস্থা, উইলিয়াম হজেস, ট্রাভেলস ইন ইন্ডিয়া ডিউরিং দ্য ইয়ারস ১৭৮০, ১৭৮১, ১৭৮২, অ্যান্ড ১৭৮৩, মুন্সীরাম মনোহরলাল, ১৯৯৯। জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১), দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ৪, অধ্যায় ২। * মহারাজপুর। আমরা এখন প্রতিদিন ধুলোর জন্য সবচেয়ে চমৎকার এক দেশের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি এবং ধুলো ছাড়া সেখানে আর কিছুই দেখার নেই। এক টুকরো ঘাসও নেই – গবাদি পশুদের অযোধ্যার ঘাস খাওয়াতে হবে, ঠিক যেমন আমাদের অযোধ্যার রাঁধুনিদের রান্না করা খাবার খেতে হবে। আমরা সবচেয়ে বিপর্যস্ত জেলাগুলোর ভেতর দিয়ে যাব না, তবে কানপুরের চারপাশের একদিকের দুর্ভিক্ষের অবস্থা এখন খুবই ভয়াবহ, যেখানে আমরা পরশু দিন পৌঁছাব। গতদিন একজন লোক এখানে এসেছিলেন যিনি ঠিক সেই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করেছেন। তিনি বললেন যে রাস্তার পাশে শত শত মানুষ মারা যাচ্ছে। তিনি মাঝেমধ্যে বিশ-ত্রিশটি লাশ একসাথে পড়ে থাকতে দেখেছেন।... <br>প্রিয়তম, আমাদের চারপাশে এই অনাহার দেখে আমার মন বিষিয়ে উঠেছে। এখন আমরা সেই অঞ্চলের উপকণ্ঠে আছি যেখানে দুর্ভিক্ষ চলছে, কিন্তু আমরা তাদের মধ্যে আছি যারা শুধু মরার জন্যই এখান থেকে সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এমনকি এখানকার কিছু গ্রাম জনশূন্য হয়ে গেছে এবং বৃষ্টির অভাবে ফসল দ্রুত মরে যাচ্ছে। এখনো সব সিভিল স্টেশনে যারা চায় তাদের খাবার দেওয়ার জন্য তহবিল আছে, কিন্তু অনেকেই রাস্তায় মারা যাচ্ছে। প্রতিদিন আমরা এমন লোকদের দেখছি যাদের জীবনে আর এক ঘন্টাও অবশিষ্ট নেই বলে মনে হয়। প্রতিদিন সন্ধ্যায় যারা আসে তাদের সবাইকে চাল খাওয়ানো হয়, কিন্তু তাদের সংখ্যা তিনশরও বেশি ছিল এবং একে অপরের কাছ থেকে চাল কেড়ে নেওয়া বন্ধ করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে শিশুদের দেখে মানুষ বলে মনে হয় না। গতকাল ক্যাম্পের মাঝখানে একা শুয়ে থাকা একটি ছোট ছেলেকে তার দাঁত দিয়ে রুটি ছিঁড়তে দেখে আমি শিউরে উঠেছিলাম; তার সেই রুটি গেলার মতো শক্তিও ছিল না। মায়েরা তাদের কঙ্কালসার শিশুদের এক টাকার বিনিময়ে বিক্রি করতে চায়। বাবারা নিজেদের জন্য যা পায় তা জোগাড় করার চেষ্টা করে এবং নারী ও শিশুদের না খেয়ে মরার জন্য ফেলে রেখে যায় – কিন্তু অনেক পুরুষও শান্তভাবে শুয়ে থাকে এবং মারা যায়। যদি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বৃষ্টি আসে তবে পরের বছরের ফসল রক্ষা করা যেতে পারে এবং তখন ধনী ব্যক্তিরা যাদের গুদামে শস্য আছে তারা তা বিক্রি করতে পারে। কিন্তু সাধারণত বড়দিনের সপ্তাহে বৃষ্টি আসে এবং এখন তার কোনো লক্ষণ নেই। এখনই আমার মনে হচ্ছে যে আমরা যাদের খাওয়াচ্ছি তাদের হয়তো কষ্টের আর কয়েকটা দিন বাড়িয়ে দিচ্ছি মাত্র, কারণ শেষ পর্যন্ত তাদের না খেয়েই মরতে হবে। তিন বা চার দিন পর এই দৃশ্যগুলো চোখের আড়াল হবে কিন্তু আমি নিশ্চিত যে আমি এগুলো কখনোই ভুলব না... <br>৭ জানুয়ারি ১৮৩৬ কনৌজ। গত তিন দিন আমার লেখার মতো সাহস ছিল না – আমরা অনাহারে মারা যাওয়া মানুষের দ্বারা পরিবেষ্টিত ছিলাম। গতকাল কয়েকশ লোক খাবারের জন্য এসেছিল, আজ এক হাজার লোককে খাওয়ানো হয়েছে। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেকেই এখনো ক্যাম্পের চারপাশে পড়ে আছে, যে শিশুদের হাতে আর কয়েক ঘন্টার জীবনও নেই – প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও অনেকে শুধু চামড়া আর হাড় ছাড়া আর কিছুই নয়, তাদের মুখগুলো খুলির মতো। ক্যাপ্টেন কানিংহাম আজ আরও অনেককে খুঁজে পেয়েছেন, একজন মহিলা মৃত এবং একজন পুরুষ ও মহিলা মুমূর্ষু অবস্থায়। অনেকে চারপাশে বসে থাকলেও কেউ কারো দিকে তাকাচ্ছে না। গুদামে প্রচুর শস্যও আছে কিন্তু ধনী বাসিন্দারা আগামী বছর আরও বড় সংকটের ভয়ে তা বিক্রি করবে না। খাবার বিতরণ করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে, তারা তাদের পালার জন্য অপেক্ষা করবে না বরং একে অপরের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার জন্য ছুটে আসবে এবং শিশুরা প্রায় পিষ্ট হয়ে যাবে। আমাদের প্রায় সব ভারতীয় ভৃত্যই হয় এতিম অথবা শিশুদের এক বা দুই টাকায় কিনে দত্তক নিয়েছে – দুর্দশার এই সময়ে এটি খুব সাধারণ ঘটনা – এবং তারা সাধারণত সারাজীবনের জন্য তাদের নিজেদের কাছে রাখে। আমরা এখন ফতেগড় থেকে তিন দিনের দূরত্বে আছি এবং সেখানে যারা কাজ করতে পারে তাদের কাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং যারা পারে না সেই নারী ও শিশুদের সহায়তার জন্য তহবিল আছে... <br>৯ জানুয়ারি আমাদের দরিদ্র মানুষগুলোর অবস্থা কিছুটা উন্নতি হচ্ছে এবং আজ তারা অনেক কম চিৎকার করেছে। আজ আমি একজন ভদ্রলোকের সাথে দেখা করলাম যিনি সেই অঞ্চল থেকে এসেছেন যেখান থেকে এই মানুষগুলো ঘুরে বেড়াচ্ছিল। তিনি বলেন যে সেখানকার দৃশ্যগুলো ভয়াবহ – শত শত মৃতদেহ এবং তিনি যাওয়ার সময় অনেককে গাছের ছাল ছাড়িয়ে তা রান্না করতে দেখেছেন। আমাদের ফরাসি ভৃত্য নদীর ধারে তরমুজ খুঁজতে গিয়েছিল এবং সে সেখানে একসাথে একশরও বেশি লোককে পড়ে থাকতে দেখেছে এবং কিছু কঙ্কাল পানির ওপর সোজা হয়ে ছিল। সে এমন একটি গ্রামের মধ্য দিয়ে এসেছে যেখানে মাত্র দুজন অধিবাসী অবশিষ্ট ছিল। প্রিয়তম, আমি এই সমস্ত ভয়াবহতা থেকে দূরে থাকতে চাই, যেখানে আমি অনুভব করি যে আমরা খুব কমই ভালো করতে পারছি। মানুষ এবং পশু যা কিছু গ্রহণ করছে তার সবটাই অযোধ্যা থেকে আমাদের কাছে আসছে। দেশটা ঘাসবিহীন এমনকি জনশূন্য। তবে এটি কোনো অভিনয় নয় যে যখন আমরা ব্যান্ডের বাজনার সাথে রাজকীয় আড়ম্বরে ডিনারে বসি – যা তাঁবুর ভেতরেও অন্য জায়গার মতোই বজায় রাখা হয় - বাইরের অনাহারী শিশুদের কান্নায় আমার আত্মা অস্থির হয়ে ওঠে যা মনে হয় কখনোই থামবে না। ** দুর্ভিক্ষের ওপর একটি বর্ণনা এবং অনাহারে মৃত্যু, ১৯ ডিসেম্বর ১৮৩৫, ফ্যানি ইডেন। ফ্যানি ইডেন, টাইগারস, দরবারস অ্যান্ড কিংস, ফ্যানি ইডেন’স ইন্ডিয়ান জার্নালস, ১৮৩৭-১৮৩৮, সম্পা. জ্যানেট ডানবার, জন মারে, ১৯৮৮। জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১), দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ৪, অধ্যায় ২ । * আমরা জানতে পারি যে গত শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে কিছু ইংরেজ ফটকাবাজ ভারতের পুরো ধান কাটার মজুদ কিনে নিয়েছিল এবং এইভাবে দেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করেছিল যা ৩০ লাখ স্থানীয় মানুষকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিল। তবুও এই অনাহারী হতভাগ্যদের একজনকে তাদের গৃহপালিত পশুদের হত্যা করে খেতে রাজি করানো যায়নি; তাদের প্রভুরা মারা যাওয়ার পরই কেবল তারা অনাহারে প্রাণ হারিয়েছে। এটি একটি ধর্মীয় বিশ্বাসের অকৃত্রিমতার এক বিশাল প্রমাণ, যার মাধ্যমে স্বীকারোক্তি প্রদানকারীরা নিজেরাই "ইতিহাস" থেকে মুছে গেছে। ** রিচার্ড ভাগনারের রিলিজিয়ন অ্যান্ড আর্ট। উইলিয়াম অ্যাশটন এলিস কর্তৃক অনূদিত। == আরও দেখুন == * [[পরোপকার]] * [[করুণা]] * [[দুর্ভিক্ষ]] * [[ক্ষুধা]] * [[ভালোবাসা]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে দুর্ভিক্ষ]] cs1fvo60d34pqghdvotra8cemuud69d 81853 81847 2026-04-28T06:05:03Z ARI 356 81853 wikitext text/x-wiki [[File:India-famine-family-crop-420.jpg|thumb|১৮৭৬–৭৮ সালের ভারতের মহা দুর্ভিক্ষের শিকার হওয়া কিছু মানুষ, ১৮৭৭ সালে তোলা ছবি।]] '''দুর্ভিক্ষ''' ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মতো ভারত উপমহাদেশীয় দেশগুলোর জীবনের একটি নিয়মিত অংশ ছিল। ব্রিটিশ শাসনের সময় এই দুর্ভিক্ষের তথ্যগুলো সবচেয়ে নিখুঁতভাবে রেকর্ড করা হয়েছিল। ১৮শ, ১৯শ এবং ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে ভারতে দুর্ভিক্ষের কারণে ৩ কোটিরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল। ব্রিটিশ ভারতের দুর্ভিক্ষগুলো এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, ১৯শ এবং ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে দেশের দীর্ঘমেয়াদী জনসংখ্যা বৃদ্ধির ওপর এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল। == উক্তি == * প্রধান বিপদ হলো বিদেশী শোষকদের কারণে পুরো দেশের [ভারত] অনাহারে থাকা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সবকিছুর জন্য বিদেশীদের ওপর সম্পূর্ণ ও আশাহীনভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়া। ** [[অরবিন্দ ঘোষ]], ''[http://books.google.co.in/books?id=rXiXje2B46QC&pg=PA263&lpg=PA263 শ্রী অরবিন্দ ঘোষ]'' (১ জানুয়ারি ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২৬৩। * আপনি হয়তো কোথাও একজন মানুষকে না খেয়ে থাকতে দেখেন। যদি আপনি কর্মের ভুল ব্যাখ্যা করেন, যা আপনাদের মধ্যে অনেকেই করেন এবং যা ভারতের জন্য লজ্জার, বিশেষ করে এমন এক দেশে যেখানে এই শিক্ষা অতি প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে, তবে আপনি সেই ক্ষুধার্ত মানুষটির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন এবং বলেন যে না খেয়ে থাকা আর মারা যাওয়া তার কর্ম। আপনাদের ওই কঠিন হৃদয়ে আপনারা নিজেদের ভালোবাসার অভাব ঢাকতে ঈশ্বরের ইচ্ছাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেন। সেই মানুষের কর্ম কি না খেয়ে থাকা? হ্যাঁ, আর সেইজন্যই সে না খেয়ে আছে! কিন্তু যদি কোনো দেব আপনাকে সেই জায়গায় নিয়ে যান যেখানে আপনার ভাই ক্ষুধার্ত অবস্থায় আছে, তবে সেটি এই কারণে যে তিনি আপনাকে তার দানশীলতার প্রতিনিধি করতে চান। সেই মানুষের বর্তমান সময়ের খারাপ কর্ম তার কষ্টের মাধ্যমে শেষ হয়ে গেছে। দেব তখন আপনাকে বলেন: “মানুষ, তোমার ভাই না খেয়ে আছে, তাকে সেই ত্রাণ দাও যা পাওয়া তার কর্মের মধ্যে আছে, আর এই নিয়ম পালনে আমার প্রতিনিধি হও।” ** [[অ্যানি বেসান্ত]], ''[http://books.google.co.in/books?id=eIrD4GQFCPIC&pg=PT475 দ্য থিওসফিক্যাল রাইটিংস অফ অ্যানি বেসান্ত]'' (গুগল ই-বুক) (২০১২), পৃষ্ঠা ৪৭৫ * এরপর আসে দুর্ভিক্ষের বছর; কিন্তু নাকফুল আর সোনার চুড়িগুলো তখন আর থাকে না এবং হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মারা যায়। তাতে কী আসে যায়? তারা খ্রিস্টের কোলে প্রাণ হারায় এবং রোম তাদের লাশের ওপর আশীর্বাদ ছড়িয়ে দেয়। প্রতি বছর এমন হাজার হাজার লাশ পবিত্র নদীগুলো দিয়ে ভেসে সাগরে চলে যায়। ** হেলেনা ব্লাভাটস্কি, আইসিস আনভেইল্ড * দুর্ভিক্ষের বিরুদ্ধে কোনো প্রস্তুতি না নেওয়ার জন্য বাংলার লেফটেন্যান্ট গভর্নর পুরোপুরি দায়ী ছিলেন। ... কর্মকর্তাদের কাছে অর্থনীতির নীতিগুলো এক ধরনের "অন্ধবিশ্বাসের" মতো ছিল। তারা বিশ্বাস করতেন যে দীর্ঘমেয়াদে চাহিদা ও জোগান নিজেই ভারসাম্য ফিরিয়ে আনবে। তারা যেন একদমই ভুলে গিয়েছিলেন যে মানুষের জীবন খুব ছোট, আর খাবার ছাড়া মানুষ মাত্র কয়েক দিনের বেশি বাঁচতে পারে না। তারা যান্ত্রিকভাবে অর্থনীতির নিয়মগুলোকে নিজেদের মতো কাজ করতে দিয়েছিলেন, আর এদিকে দুর্ভিক্ষের কারণে লাখ লাখ মানুষ মারা যাচ্ছিল। ** ভাইকাউন্ট ক্র্যানবোর্ন, [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1867/aug/02/motion-for-an-address#S3V0189P0_18670802_HOC_126 ব্রিটিশ সংসদের নিম্নকক্ষে দেওয়া ভাষণ (২ আগস্ট ১৮৬৭)], ১৮৬৬ সালের উড়িষ্যার দুর্ভিক্ষ সম্পর্কে * তিনি (জর্জ কার্জন) একইভাবে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন যাতে দুর্ভিক্ষকে সংস্কারের কারণ হিসেবে ব্যবহার করা না হয়। যখন উপমহাদেশের দুই-তৃতীয়াংশ এলাকায় অভূতপূর্বভাবে ক্ষুধা ছড়িয়ে পড়ছিল, তখন তিনি তার কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যাতে তারা জনসমক্ষে এই সংকটের জন্য কঠোরভাবে কেবল খরাকেই দায়ী করেন। যখন ক্যালকাটা লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের একজন অসতর্ক সদস্য ডোনাল্ড স্মিটন অতিরিক্ত কর আদায়ের সমস্যাটি তুলে ধরেন, তাকে দ্রুত পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কার্জনের নিজের রাজকীয় আড়ম্বর ও জাঁকজমকের প্রতি আসক্তি সবার জানা থাকলেও তিনি ক্ষুধার্ত গ্রামবাসীদের উপদেশ দিতেন। তিনি বলতেন যে, “যেকোনো সরকার যদি অঢেল জনহিতকর কাজের স্বার্থে ভারতের আর্থিক অবস্থাকে বিপন্ন করে, তবে তাকে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে হবে। কিন্তু যদি কোনো সরকার বাছবিচারহীনভাবে দান-খয়রাত করে জনগণের মনোবল দুর্বল করে এবং তাদের আত্মনির্ভরশীলতা নষ্ট করে, তবে তারা এক জনবিরোধী অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হবে।” ** মাইক ডেভিস। লেট ভিক্টোরিয়ান হলোকাস্টস। ১। ভারসো, ২০০০। {{আইএসবিএন|১৮৫৯৮৪৭৩৯০}} পৃষ্ঠা ১৬২ * আর এই মহাবিপর্যয়গুলো থেকে ব্রিটিশরা কী শিক্ষা নিয়েছিল? সবচেয়ে বিস্তারিত সরকারি জরিপ, রিপোর্ট অন দ্য ফেমিন ইন বোম্বে প্রেসিডেন্সি, ১৮৯৯-১৯০২, স্বীকার করেছে যে "শুরু থেকে ব্যাপকভাবে অনুদানমূলক [গৃহ] ত্রাণ প্রদানের মাধ্যমে" অতিরিক্ত মৃত্যুর অনেকটাই এড়ানো যেত, কিন্তু জোর দিয়ে বলেছে যে "এর খরচ এমন হতে পারত যা কোনো দেশই বহন করত না বা বহন করতে বলা উচিত হতো না"... ** মাইক ডেভিস। লেট ভিক্টোরিয়ান হলোকাস্টস। ১। ভারসো, ২০০০। {{আইএসবিএন|১৮৫৯৮৪৭৩৯০}} পৃষ্ঠা ১৭৫ * আমরা কীভাবে বাষ্পীয় পরিবহন এবং আধুনিক শস্য বাজারের জীবন রক্ষাকারী সুবিধার আত্মতুষ্ট দাবিগুলোকে বিচার করব, যখন লাখ লাখ মানুষ, বিশেষ করে ব্রিটিশ ভারতে, রেলপথের ধারে বা শস্যভাণ্ডারের সিঁড়িতে মারা গিয়েছিল? ** লেখক এবং রাজনৈতিক কর্মী মাইক ডেভিস তার বই, লেট ভিক্টোরিয়ান হলোকাস্টসে এই প্রশ্নটি তুলেছেন * স্যার উইলিয়াম হান্টার অনুমান করেছিলেন যে, ভারতের ৪,০০,০০,০০০ মানুষ খুব কমই বা কখনোই তাদের ক্ষুধা মেটাতে পারত না। ১৯০১ সালে বিদেশ থেকে আসা প্লেগে ২,৭২,০০০ মানুষ মারা যায়; ১৯০২ সালে প্লেগে মারা যায় ৫,০০,০০০ মানুষ; ১৯০৩ সালে ৮,০০,০০০; ১৯০৪ সালে ১০,০০,০০০। আমরা এখন বুঝতে পারি কেন ভারতে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। সহজ কথায় এর কারণ খাবারের অভাব ছিল না, বরং মানুষের খাবার কেনার অক্ষমতা ছিল। আশা করা হয়েছিল যে রেলপথ এই সমস্যার সমাধান করবে... আসল ঘটনা হলো রেলপথ নির্মাণের পর থেকেই সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষগুলো এসেছে... এই সবকিছুর পেছনে ভারতের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের মূল উৎস হিসেবে রয়েছে এমন নির্দয় শোষণ, পণ্যের ভারসাম্যহীন শোষণ এবং দুর্ভিক্ষের ঠিক মাঝখানে উচ্চ হারে কর আদায়ের নিষ্ঠুরতা... **(সূত্র: দ্য কেস ফর ইন্ডিয়া - উইল ডুরান্ট, সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, নিউ ইয়র্ক। ১৯৩০ পৃষ্ঠা ৫০-৫৩)। * "দেশের সম্পদ থেকে এত বড় অর্থনৈতিক নিষ্কাশন," দত্ত বলেন, "পৃথিবীর সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশগুলোকেও দরিদ্র করে তুলবে; এটি ভারতকে এমন এক দুর্ভিক্ষের দেশে পরিণত করেছে যা ভারতের বা পৃথিবীর ইতিহাসে আগের চেয়ে আরও ঘন ঘন, আরও ব্যাপক এবং আরও মারাত্মক।" ** দত্তের উক্তিটি উদ্ধৃত করা হয়েছে [https://archive.org/stream/dli.ministry.10950/E15048_The_Case_For_India_djvu.txt এখানে] * ব্রিটিশ রেকর্ড অনুযায়ী, ১৮০০ থেকে ১৮২৫ সালের মধ্যে ১০ লাখ ভারতীয় দুর্ভিক্ষে মারা গিয়েছিল, ১৮২৫-১৮৫০ সালের মধ্যে ৪০ লাখ, ১৮৫০-১৮৭৫ সালের মধ্যে ৫০ লাখ এবং ১৮৭৫-১৯০০ সালের মধ্যে ১ কোটি ৫০ লাখ। অর্থাৎ ১০০ বছরে ২ কোটি ৫০ লাখ ভারতীয় মারা গিয়েছে! ব্রিটিশরা নিশ্চয়ই তাদের এই রক্তমাখা রেকর্ডের জন্য গর্বিত। সামান্য বাণিজ্যিক স্বার্থের ছদ্মবেশে এবং ৫০০০ বছরের পুরোনো সভ্যতার রীতিনীতির প্রতি চরম অবজ্ঞা প্রদর্শন করার চেয়ে আল্লাহর নামে হত্যা করা সম্ভবত অনেক বেশি সম্মানজনক এবং স্পষ্ট। এভাবে ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে ভারতের রক্ত শুষে নেওয়া হয়েছিল এবং কোনো সম্পদ অবশিষ্ট ছিল না। **(সূত্র: ইন্ডিয়াস সেলফ ডিনায়াল - ফ্রাঁসোয়া গতিয়ে) * '''১৭৭০ সালের মহান [[বঙ্গ|বাংলার]] দুর্ভিক্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে করের একটি ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা রয়েছে এবং এটি [[ধর্মীয় স্বাধীনতা]] বা বিশ্বাসকে অস্বীকার করার জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে।'''<br>এই কারণেই আমরা তাই জি মেন দিজি (শিষ্যদের) তাদের প্রতিবাদে সমর্থন করি—এবং সেই সাথে “রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার মাধ্যমে বিচার বিভাগীয় এবং কর নিপীড়নের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা”-কেও সমর্থন করি। ** মাসিমো ইনত্রোভিনে, [https://bitterwinter.org/great-bengal-famine-1770-taxes-created-a-genocide/ "দ্য গ্রেট বেঙ্গল ফেমিন অফ ১৭৭০: হোয়েন ট্যাক্সেস ক্রিয়েটেড এ জেনোসাইড"], ''বিটার উইন্টার'' * বাসিন্দারা চরম দুর্দশার মধ্যে পড়েছিল। এক টুকরো রুটির বিনিময়ে জীবন বিলিয়ে দেওয়া হচ্ছিল, কিন্তু কেউ তা কেনার মতো ছিল না। কুকুরের মাংস ছাগলের মাংস হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছিল। মৃতদের হাড়ের গুঁড়ো আটার সাথে মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল। মানুষ একে অপরকে গ্রাস করতে শুরু করেছিল এবং ভালোবাসার চেয়ে নিজের ছেলের মাংসই তাদের কাছে বেশি প্রিয় হয়ে উঠেছিল। মৃত্যুর আধিক্যের কারণে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। যে জমিগুলো একসময় উর্বরতা এবং প্রচুর সম্পদের জন্য বিখ্যাত ছিল, সেখানে উৎপাদনের আর কোনো চিহ্ন ছিল না। ** আব্দুল হামিদ লাহোরি, ''পাদশাহনামা''; হেনরি মায়ার্স এলিয়ট (সম্পা.), জন ডাওসন, ''দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওউন হিস্টোরিয়ানস'', লন্ডন: শ. মোবারক আলী, ১৮৬৭–৭৭, খণ্ড ৭, পৃষ্ঠা ১২। আভাস মালদাহিয়্যারের ''বাবর: দ্য চেসবোর্ড কিং'' (২০২৪) * ১৯শ শতাব্দীর প্রথম ৮০ বছরে ১,৮০,০০,০০০ ভারতীয় মানুষ দুর্ভিক্ষে প্রাণ হারায়। শুধুমাত্র এক বছরেই যে বছর মহারানি ভিক্টোরিয়া ভারত সম্রাজ্ঞী উপাধি গ্রহণ করেন দক্ষিণ ভারতের ৫০,০০,০০০ মানুষ না খেতে পেয়ে মারা যায়। বেলারি জেলায়, যে এলাকার সাথে আমি ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত - যা ওয়েলসের দ্বিগুণ বড় - সেখানে ১৮৭৬-৭৭ সালের দুর্ভিক্ষে মোট জনসংখ্যার ১/৪ অংশ মারা গিয়েছিল। আমি আমার সেই দুর্ভিক্ষের অভিজ্ঞতা কখনোই ভুলব না; যখন আমি ঘোড়ায় চড়ে বের হতাম, সকালের পর সকাল আমি সারি সারি কঙ্কালসার মানুষকে হেঁটে বেড়াতে দেখতাম এবং রাস্তার পাশে মানুষের লাশ পড়ে থাকতে দেখতাম; যা ছিল অসংরক্ষিত ও অবহেলিত, কুকুর আর শকুন সেগুলো অর্ধেক খেয়ে ফেলেছিল। এবং আরও করুণ দৃশ্য হলো—শিশুরা, যাদের প্রাচীন গ্রিকরা 'বিশ্বের আনন্দ' মনে করত, তারা সেখানে অবর্ণনীয় শোকে পরিণত হয়েছিল। এমনকি মায়েরা তাদের পরিত্যাগ করেছিল; তাদের কোটরগত চোখগুলো জ্বরের ঘোরে চকচক করছিল, তাদের শরীরের মাংস পুরোপুরি শুকিয়ে গিয়েছিল, শুধু হাড়ের তরুণাস্থি, পেশি আর ঠাণ্ডায় কাঁপা চামড়া অবশিষ্ট ছিল। তাদের মাথাগুলো ছিল নিছক মাথার খুলি, আর তাদের ছোট ছোট শরীরগুলো অনাহারজনিত ঘিনঘিনে রোগে ভরে গিয়েছিল... দুর্ভিক্ষের সময় যারা ভারতে গিয়েছেন এবং পশ্চিমের তৈরি করা সমৃদ্ধির পরিচিত পথের বাইরে পা রেখেছেন, তারা সবাই জানেন এই চিত্রটি কতটা সত্য। ** মিস্টার ডব্লিউ. এস. লিলি তার - ''ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইটস প্রবলেমস'' * সুরাট (গুজরাট) - ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, মহাসড়কগুলো দুর্গম হয়ে পড়েছে; চোরেরা সোনাদানা নয় বরং শস্যের খোঁজে হানা দিচ্ছে। কিরকা - শহরটি জনশূন্য। অর্ধেক বাসিন্দা পালিয়ে গেছে, বাকি অর্ধেক মৃত। ধাইতা - শিশুদের ৬ দামের বিনিময়ে বিক্রি করা হচ্ছিল অথবা যে কেউ তাদের নিতে পারত তাকেই বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছিল যাতে তারা বেঁচে থাকতে পারে। নন্দুরবার (মহারাষ্ট্র) - তাঁবু ফেলার জায়গা পর্যন্ত নেই, চারপাশে শুধু লাশ। পাশের একটি গর্ত যেখানে ৪০টি লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছে সেখান থেকে উৎকট দুর্গন্ধ আসছে। জীবিতরা মানুষ এবং পশুর মলের মধ্যে শস্য খুঁজছে। সুরাট থেকে বুরহানপুর পর্যন্ত মহাসড়ক লাশে ভরে গেছে... বাজারে অনেক মানুষ মৃত অবস্থায় পড়ে ছিল আর অন্যরা তাদের সামনে খাবার থাকা সত্ত্বেও শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করছিল; অথচ সেই খাবার কেনার মতো সামর্থ্য তাদের ছিল না এবং অন্যদেরও তাদের প্রতি করুণা ছিল না যে তারা টাকা ছাড়া খাবার দেবে। এই দেশে এই চরম দুর্ভোগের প্রতিকারের কোনো ব্যবস্থা নেই; ধনী আর শক্তিশালীরা জোরপূর্বক সব নিজেদের কুক্ষিগত করে রেখেছে। ** পিটার মুন্ডি, ''দ্য ট্রাভেলস অফ পিটার মুন্ডি ইন ইউরোপ অ্যান্ড এশিয়া, ১৬০৮–১৬৬৭''। (সম্পা.) লে. কর্নেল স্যার রিচার্ড কার্নাক টেম্পল। কেমব্রিজ: কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯০৭। পৃষ্ঠা ৪০–৪৮। খণ্ড ২। আভাস মালদাহিয়্যারের ''বাবর: দ্য চেসবোর্ড কিং'' (২০২৪) * ...আমাদের দেশকে [ভারত] সভ্য করার নামে তারা আমাদের দেশকে শোষণ করেছিল এবং দিনে দিনে আমাদের আরও দরিদ্র করে তুলেছিল। ভারতে নিরন্তর দুর্ভিক্ষ এবং অনাহার লেগেই থাকত। কিন্তু ব্রিটিশরা সবসময়ই এর প্রতি উদাসীন ছিল। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ১৮৫ * সাংস্কৃতিকভাবে এটি স্থবিরতার সময় ছিল। সমাজে দারিদ্র্য এবং অনাহার ছিল সাধারণ ঘটনা। সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ভারতে বিশাল মূলধন বিনিয়োগ করেছিল এবং প্রচুর মুনাফা অর্জন করেছিল। ব্রিটিশরা ভারতকে এমন একটি জায়গা হিসেবে দেখত যেখানে পুঁজি একটি স্বর্গ বজায় রাখার আশা করতে পারে। কিন্তু পরিহাসের বিষয় হলো, ভারতীয় জনসাধারণ দারিদ্র্য ও অনাহারে ধুঁকছিল। এভাবেই ১৮শ এবং ১৯শ শতাব্দীতে ভারত এক মহা সংকটে পড়েছিল। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ২০৫-০৬ * তারা রক্ত শুষে নিয়েছে; তারা আমাদের কোটি কোটি টাকা নিয়ে গেছে, আর আমাদের মানুষ অনাহারে থেকেছে। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ২৯১ * ১৮৬০ থেকে ১৯০৮ সাল পর্যন্ত কুড়ি বছর ছিল দুর্ভিক্ষের বছর। ১৮৫৪ থেকে ১৯০১ সালের মধ্যে দুর্ভিক্ষের সময় প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল। এই দুর্ভিক্ষগুলো প্রকাশ করেছিল যে ঔপনিবেশিক ভারতে দারিদ্র্য এবং চিরস্থায়ী অনাহার শক্তভাবে শিকড় গেড়েছিল। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ২৯১ * ...দুর্দশা, দারিদ্র্য এবং অনাহারের মধ্যে অদ্বৈতবাদ প্রচার করা এবং বিশ্বজনীন ঐক্যের বিশাল স্বপ্ন উপলব্ধি করা খুবই কঠিন... গরিবদের আগে রুটি দিতে হবে এবং তারপর ধর্ম। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ৩৫৩ * ...বিশ্বের অনগ্রসর অংশগুলো থেকে সাম্রাজ্যবাদী সম্পদ নিষ্কাশন এবং পশ্চিমের পুঁজিবাদী অঞ্চলগুলোতে তা জমা করার ফলেই বিশ্বের এক অংশে দারিদ্র্য ও অনাহার এবং অন্য অংশে প্রাচুর্য দেখা দেয়। ** [[স্বামী বিবেকানন্দ]], "স্বামী বিবেকানন্দ: মসীহা অফ রিসার্জেন্ট ইন্ডিয়া (১ জানুয়ারি ২০০৩)", পৃষ্ঠা ৩৫৩ * “দুর্ভিক্ষ অলৌকিক কাজ করেছে। দীক্ষার্থীরা দলে দলে আসছে, ব্যাপ্টিজমের জল ধারার মতো বইছে, আর ক্ষুধার্ত ছোট ছোট শিশুরা দলে দলে স্বর্গে চলে যাচ্ছে... একটি হাসপাতাল হলো একটি তৈরি উপাসক দল। রাজপথে বা ঝোপঝাড়ে গিয়ে তাদের ‘ভেতরে আসার জন্য বাধ্য করার’ কোনো প্রয়োজন নেই। তারা একে অপরকে পাঠায়।” ** দুর্ভিক্ষের সময় খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত মানুষের সংখ্যার আকস্মিক বৃদ্ধি সম্পর্কে। পন্ডিচেরির আর্চবিশপ, ‘স্পিরিচুয়াল অ্যাডভান্টেজস অফ ফেমিন অ্যান্ড কলেরা’, ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইটস মিশনস, ১৮২৩। অরুণ শৌরির মিশনারিজ ইন ইন্ডিয়া, নয়াদিল্লি, ১৯৯৪-এ উদ্ধৃত; যা মধ্যপ্রদেশ (ভারত), গোয়েল, এস. আর., নিয়োগী, এম. বি. (১৯৯৮), ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট অন খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিজ থেকে নেওয়া। (রিফট ইন দ্য লিউট) {{আইএসবিএন|৯৭৮৯৩৮৫৪৮৫১২১}} * “১৩৮৭ থেকে ১৩৯৫ সালের মধ্যে দাক্ষিণাত্যে এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। তার প্রজাদের ত্রাণের জন্য মুহম্মদের গৃহীত পদক্ষেপগুলোতে প্রশাসনিক দক্ষতা, জ্ঞানদীপ্ত মমতা এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির এক সংমিশ্রণ দেখা গিয়েছিল। রাজদরবারের পরিবহনের জন্য রাখা এক হাজার বলদ ত্রাণকার্যের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। সেগুলো ক্রমাগত তার সাম্রাজ্য এবং গুজরাট ও মালবের মধ্যে যাতায়াত করত, যা দুর্ভিক্ষের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছিল। সেখান থেকে শস্য আনা হতো এবং দাক্ষিণাত্যে কম দামে বিক্রি করা হতো, কিন্তু তা দেওয়া হতো শুধুমাত্র মুসলিমদের।” ** কেমব্রিজ হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, ৩, পৃষ্ঠা ৩৮৫। কে. এস. লালের ইন্ডিয়ান মুসলিমস হু আর দে, ১৯৯০। * মাটির বড় অংশ সেচ ব্যবস্থার আওতায় রয়েছে এবং এর ফলে বছরে দুইবার ফসল ফলে। . . . সেই অনুযায়ী এটি নিশ্চিত করা হয়েছে যে ভারতে কখনোই দুর্ভিক্ষ আসেনি এবং পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহে কখনোই সাধারণ কোনো অভাব দেখা দেয়নি। ** মেগাস্থিনিস, ডুরান্ট, উইল (১৯৬৩), আওয়ার ওরিয়েন্টাল হেরিটেজ। নিউ ইয়র্ক: সাইমন অ্যান্ড শুস্টার। * ‘আফ্রিকার উপকূলের যুদ্ধের দুর্দশা, ভারতের দুর্ভিক্ষের ভয়াবহ সম্ভাবনা হয়তো সেই পথটি তৈরি করে দিতে পারে যা আমরা সবচেয়ে বেশি চাই। এগুলো হয়তো সেই পরশপাথর হতে পারে যার মাধ্যমে এই দুর্দশাগ্রস্ত পৌত্তলিকরা একজন খ্রিস্টান সরকার এবং একটি খ্রিস্টান জাতির, খ্রিস্টান মিশনারি এবং খ্রিস্টান জনগণের বাস্তব কার্যকারিতা পরীক্ষা করবে; এবং পরীক্ষা করার পর তারা বিচার করবে’। ** ম্যাক্স মুলার, সুব্রত চট্টোপাধ্যায় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ আরিয়ান ইনভেশন থিওরি ইন ইন্ডিয়া, আ ক্রিটিক অফ নাইনটিন্থ-সেঞ্চুরি সোশ্যাল কনস্ট্রাকশনিজম—স্প্রিঙ্গার (২০২০) * নিক্সন তিক্তভাবে বলেছিলেন, “ভারতীয়দের প্রয়োজন—তাদের আসলে যা প্রয়োজন তা হলো—” কিসিঞ্জার মাঝপথে বলে ওঠেন, “ওগুলো আস্ত শয়তান।” নিক্সন তার চিন্তা শেষ করেন: “একটি গণদুর্ভক্ষ।” ** রিচার্ড নিক্সন, এফআরইউএস, খণ্ড ই-৭, হোয়াইট হাউস টেপস, ওভাল অফিস ৫০৫-৪, ২৬ মে ১৯৭১, সকাল ১০:৩৮। জি. জে. ব্যাস-এর দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, কিসিঞ্জার, অ্যান্ড আ ফরগোটেন জেনোসাইড (২০১৪), অধ্যায় ৯ * এটি সত্য যে বৃষ্টির অভাব দুর্ভিক্ষের কারণ হয় কিন্তু এটিও সত্য যে ভারতের মানুষের এই অমঙ্গলের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি নেই। ভারতের দারিদ্র্য পুরোপুরি বর্তমান শাসনের কারণে। কঙ্কাল অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত ভারতের রক্ত শুষে নেওয়া হচ্ছে... জনগণের সমস্ত জীবনীশক্তি শুষে নেওয়া হচ্ছে এবং আমাদের দাসত্বের এক জীর্ণ অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে। ** [[বাল গঙ্গাধর তিলক]], {{বই উদ্ধৃতি|last1=ভাগবত|first1=এ.কে.|last2=প্রধান|first2=জি.পি. |title=লোকমান্য তিলক – আ বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=bYfMbCXyc3kC&pg=PT167|year=১৯৫৮|publisher=জাইকো পাবলিশিং হাউস|isbn=৯৭৮-৮১-৭৯৯২-৮৪৬-২|pages=১৬৭–}} * দুর্ভিক্ষ হলো ভারতের বিশেষত্ব। অন্য জায়গায় দুর্ভিক্ষগুলো নগণ্য ঘটনা—ভারতে এগুলো বিধ্বংসী মহাপ্রলয়; এক ক্ষেত্রে এগুলো কয়েকশ মানুষকে বিনাশ করে, অন্য ক্ষেত্রে লাখ লাখ। ** [[মার্ক টোয়েইন]], ''ফলোয়িং দ্য ইকুয়েটর'' (১৮৯৭), [http://www.gutenberg.org/files/2895/2895-h/p5.htm অধ্যায় ৪৩] * প্রভুর পথ কতই না বিস্ময়কর? কেউ হয়তো বলবেন যে ঐশ্বরিক ইচ্ছা এটাই ছিল যে মা-বাবারা যেন অদৃশ্য হয়ে যান যাতে তাদের সন্তানদের মিশনের দিকে নিয়ে আসা যায়... গত দুটি দুর্ভিক্ষের সময় ক্যাথলিক মিশনে হাজার হাজার এতিম এসেছে... ** লাহোরের ক্যাথলিক বিশপের “হসপিটাল কনসায়েন্স”। আ মিড-ভিক্টোরিয়ান হিন্দু: আ স্কেচ অফ দ্য লাইফ অ্যান্ড টাইমস অফ রাখাল দাস হালদার এবং ইয়াং ইন্ডিয়া, ১৩-১৪: ২-এ উদ্ধৃত; যা মধ্যপ্রদেশ (ভারত), গোয়েল, এস. আর., নিয়োগী, এম. বি. (১৯৯৮), ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট অন খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিজ থেকে নেওয়া। {{আইএসবিএন|৯৭৮৯৩৮৫৪৮৫১২১}} * ১৭৬৯-৭০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে ভারতের দুর্ভিক্ষ হোরাস ওয়ালপোলকে স্তম্ভিত করেছিল এবং তাকে তার দেশবাসীদের জন্য লজ্জিত করেছিল: "আমরা পেরুর স্প্যানিশদেরও ছাড়িয়ে গেছি। তারা অন্তত একটি ধর্মীয় নীতির ভিত্তিতে কসাই হয়েছিল, তাদের উদ্যম যতই পৈশাচিক হোক না কেন। আমরা হত্যা করেছি, ক্ষমতাচ্যুত করেছি, লুণ্ঠন করেছি, জবরদস্তি করেছি—অথচ বাংলার সেই দুর্ভিক্ষ সম্পর্কে আপনার কী মনে হয় যাতে ৩০ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল এবং যা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারীদের একচেটিয়া ব্যবসার কারণে হয়েছিল।" ** এইচ. ওয়ালপোল, ইবনে ওয়াররাকের ডিফেন্ডিং দ্য ওয়েস্ট: আ ক্রিটিক অফ এডওয়ার্ড সাইদ'স ওরিয়েন্টালিজম। ইবনে, ডব্লিউ. (২০০৯)। ডিফেন্ডিং দ্য ওয়েস্ট: আ ক্রিটিক অফ এডওয়ার্ড সাইদ'স ওরিয়েন্টালিজম। আমহার্স্ট, নিউ ইয়র্ক: প্রমিথিউস বুকস। * যদিও কালাহান্ডির খরা একটি মাঝারি ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছিল, কিন্তু অনাহারে মৃত্যু ছিল সম্পূর্ণ এড়ানো সম্ভব এমন একটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগ। ** তপন কুমার প্রধান, {{বই উদ্ধৃতি|title=কালাহান্ডি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি |year=২০২০|publisher=কোহিনূর বুকস|isbn= ৯৭৮-৮১-৯৪৫৭৯৭-১-৭}} * ১৭৭০ সালে হিন্দুস্তানে যে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল এবং যার তাণ্ডব বাংলার প্রতিটি অংশে অনুভূত হয়েছিল, তাতে জঙ্গলতেরি এলাকাটি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা যায়। আমি জানতে পেরেছি যে, এই সময়ের আগে এখানে প্রচুর চাষাবাদ হতো এবং এলাকাটি পরিশ্রমী কৃষক ও কারিগরদের দ্বারা পূর্ণ ছিল। তখন জনসংখ্যা প্রায় ১৮ হাজারের বেশি ছিল বলে অনুমান করা হয়। তবে বর্তমানে এটি মাত্র কয়েকশতে নেমে এসেছে। অনেক মানুষ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ে মারা গিয়েছে এবং অন্যরা খাবারের সন্ধানে অন্যত্র চলে গিয়েছে। <br>এলাহাবাদ থেকে লখনউ এবং সেখান থেকে ফয়জাবাদ পর্যন্ত আমি যে অঞ্চলের মধ্য দিয়ে এসেছি, সেগুলোর অবস্থাও প্রায় একই রকম। চাষাবাদের অবস্থা মাঝারি মানের, কোথাও ভালো আবার কোথাও খারাপ। তবে যেখানে অবহেলা দেখা যায়, সেটি মাটির উর্বরতার অভাবে নয় বরং মানুষের সহায়-সম্বলহীনতার কারণে। গ্রামগুলোর মধ্যে কয়েকটির অবস্থা বেশ ভালো, আবার অন্যগুলো বেশ বিপর্যস্ত। বেনারসের সমৃদ্ধ এলাকা ছাড়ার পর, মুসলিম অত্যাচারীদের শাসনের অধীনে থাকা অঞ্চলগুলোর শোচনীয় অবস্থা দেখে আমি দুঃখ প্রকাশ না করে পারলাম না... <br>লখনউ থেকে ইটাওয়া পর্যন্ত এলাকাগুলো মোটামুটি চাষাবাদ হয়, তবে গ্রামগুলো গরিব।... ইটাওয়া থেকে জেসমতপুর পর্যন্ত খুব কম চাষাবাদ হয়; গ্রামগুলো জনবহুল নয় এবং অল্প যে কয়েকজন অধিবাসী আছেন তাদের খুব অসহায় মনে হয়। ১৬ তারিখে আমরা ও'ক্রেনে যাত্রা বিরতি করি, যা অযোধ্যার নবাবের এলাকার একদম শেষ প্রান্তে। শেষ দিনের পুরো যাত্রাপথে আমি চাষাবাদের কোনো চিহ্ন দেখতে পাইনি; গ্রামগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং পুরো এলাকাটি যেন জনশূন্য এক ধ্বংসলীলার দৃশ্য। যাত্রার শেষ দিনে আমরা কিছু দুর্ভাগা মানুষের দেখা পেলাম যারা স্রেফ না খেয়ে মরা থেকে বাঁচতে ভিক্ষা করতে করতে নীচের প্রদেশগুলোর দিকে যাচ্ছিলেন।... শেকোয়াবাদ এবং ফিরোজাবাদের মধ্যে সামান্য কিছু চাষের জমি আছে। এই গ্রামটি একটি পরগনা থেকে এর নাম নিয়েছে। এই এলাকাটি সেই সময় একজন হিন্দু ধর্মীয় ব্যক্তির অধীনে ছিল; এবং যেহেতু হিন্দু শাসনের আদর্শ কৃষি কাজের জন্য অত্যন্ত অনুকূল, তাই এই জায়গাটি একটি নিখুঁত বাগানের মতো মনে হচ্ছিল। এটি অবশ্যই লক্ষ্য করা উচিত যে, যদিও হিন্দু শাসক বা মালিকরা লোভের কারণে কখনও কখনও কষ্ট দিতে পারেন, তারা মুসলিমদের মতো দরিদ্রদের প্রচেষ্টাকে ধ্বংস করেন না।... ** ১৭৭০ সালের দুর্ভিক্ষ, গ্রামাঞ্চলের শোচনীয় অবস্থা, উইলিয়াম হজেস, ট্রাভেলস ইন ইন্ডিয়া ডিউরিং দ্য ইয়ারস ১৭৮০, ১৭৮১, ১৭৮২, অ্যান্ড ১৭৮৩, মুন্সীরাম মনোহরলাল, ১৯৯৯। জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১), দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ৪, অধ্যায় ২। * মহারাজপুর। আমরা এখন প্রতিদিন ধুলোর জন্য সবচেয়ে চমৎকার এক দেশের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি এবং ধুলো ছাড়া সেখানে আর কিছুই দেখার নেই। এক টুকরো ঘাসও নেই – গবাদি পশুদের অযোধ্যার ঘাস খাওয়াতে হবে, ঠিক যেমন আমাদের অযোধ্যার রাঁধুনিদের রান্না করা খাবার খেতে হবে। আমরা সবচেয়ে বিপর্যস্ত জেলাগুলোর ভেতর দিয়ে যাব না, তবে কানপুরের চারপাশের একদিকের দুর্ভিক্ষের অবস্থা এখন খুবই ভয়াবহ, যেখানে আমরা পরশু দিন পৌঁছাব। গতদিন একজন লোক এখানে এসেছিলেন যিনি ঠিক সেই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করেছেন। তিনি বললেন যে রাস্তার পাশে শত শত মানুষ মারা যাচ্ছে। তিনি মাঝেমধ্যে বিশ-ত্রিশটি লাশ একসাথে পড়ে থাকতে দেখেছেন।... <br>প্রিয়তম, আমাদের চারপাশে এই অনাহার দেখে আমার মন বিষিয়ে উঠেছে। এখন আমরা সেই অঞ্চলের উপকণ্ঠে আছি যেখানে দুর্ভিক্ষ চলছে, কিন্তু আমরা তাদের মধ্যে আছি যারা শুধু মরার জন্যই এখান থেকে সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এমনকি এখানকার কিছু গ্রাম জনশূন্য হয়ে গেছে এবং বৃষ্টির অভাবে ফসল দ্রুত মরে যাচ্ছে। এখনো সব সিভিল স্টেশনে যারা চায় তাদের খাবার দেওয়ার জন্য তহবিল আছে, কিন্তু অনেকেই রাস্তায় মারা যাচ্ছে। প্রতিদিন আমরা এমন লোকদের দেখছি যাদের জীবনে আর এক ঘন্টাও অবশিষ্ট নেই বলে মনে হয়। প্রতিদিন সন্ধ্যায় যারা আসে তাদের সবাইকে চাল খাওয়ানো হয়, কিন্তু তাদের সংখ্যা তিনশরও বেশি ছিল এবং একে অপরের কাছ থেকে চাল কেড়ে নেওয়া বন্ধ করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে শিশুদের দেখে মানুষ বলে মনে হয় না। গতকাল ক্যাম্পের মাঝখানে একা শুয়ে থাকা একটি ছোট ছেলেকে তার দাঁত দিয়ে রুটি ছিঁড়তে দেখে আমি শিউরে উঠেছিলাম; তার সেই রুটি গেলার মতো শক্তিও ছিল না। মায়েরা তাদের কঙ্কালসার শিশুদের এক টাকার বিনিময়ে বিক্রি করতে চায়। বাবারা নিজেদের জন্য যা পায় তা জোগাড় করার চেষ্টা করে এবং নারী ও শিশুদের না খেয়ে মরার জন্য ফেলে রেখে যায় – কিন্তু অনেক পুরুষও শান্তভাবে শুয়ে থাকে এবং মারা যায়। যদি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বৃষ্টি আসে তবে পরের বছরের ফসল রক্ষা করা যেতে পারে এবং তখন ধনী ব্যক্তিরা যাদের গুদামে শস্য আছে তারা তা বিক্রি করতে পারে। কিন্তু সাধারণত বড়দিনের সপ্তাহে বৃষ্টি আসে এবং এখন তার কোনো লক্ষণ নেই। এখনই আমার মনে হচ্ছে যে আমরা যাদের খাওয়াচ্ছি তাদের হয়তো কষ্টের আর কয়েকটা দিন বাড়িয়ে দিচ্ছি মাত্র, কারণ শেষ পর্যন্ত তাদের না খেয়েই মরতে হবে। তিন বা চার দিন পর এই দৃশ্যগুলো চোখের আড়াল হবে কিন্তু আমি নিশ্চিত যে আমি এগুলো কখনোই ভুলব না... <br>৭ জানুয়ারি ১৮৩৬ কনৌজ। গত তিন দিন আমার লেখার মতো সাহস ছিল না – আমরা অনাহারে মারা যাওয়া মানুষের দ্বারা পরিবেষ্টিত ছিলাম। গতকাল কয়েকশ লোক খাবারের জন্য এসেছিল, আজ এক হাজার লোককে খাওয়ানো হয়েছে। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেকেই এখনো ক্যাম্পের চারপাশে পড়ে আছে, যে শিশুদের হাতে আর কয়েক ঘন্টার জীবনও নেই – প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও অনেকে শুধু চামড়া আর হাড় ছাড়া আর কিছুই নয়, তাদের মুখগুলো খুলির মতো। ক্যাপ্টেন কানিংহাম আজ আরও অনেককে খুঁজে পেয়েছেন, একজন মহিলা মৃত এবং একজন পুরুষ ও মহিলা মুমূর্ষু অবস্থায়। অনেকে চারপাশে বসে থাকলেও কেউ কারো দিকে তাকাচ্ছে না। গুদামে প্রচুর শস্যও আছে কিন্তু ধনী বাসিন্দারা আগামী বছর আরও বড় সংকটের ভয়ে তা বিক্রি করবে না। খাবার বিতরণ করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে, তারা তাদের পালার জন্য অপেক্ষা করবে না বরং একে অপরের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার জন্য ছুটে আসবে এবং শিশুরা প্রায় পিষ্ট হয়ে যাবে। আমাদের প্রায় সব ভারতীয় ভৃত্যই হয় এতিম অথবা শিশুদের এক বা দুই টাকায় কিনে দত্তক নিয়েছে – দুর্দশার এই সময়ে এটি খুব সাধারণ ঘটনা – এবং তারা সাধারণত সারাজীবনের জন্য তাদের নিজেদের কাছে রাখে। আমরা এখন ফতেগড় থেকে তিন দিনের দূরত্বে আছি এবং সেখানে যারা কাজ করতে পারে তাদের কাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং যারা পারে না সেই নারী ও শিশুদের সহায়তার জন্য তহবিল আছে... <br>৯ জানুয়ারি আমাদের দরিদ্র মানুষগুলোর অবস্থা কিছুটা উন্নতি হচ্ছে এবং আজ তারা অনেক কম চিৎকার করেছে। আজ আমি একজন ভদ্রলোকের সাথে দেখা করলাম যিনি সেই অঞ্চল থেকে এসেছেন যেখান থেকে এই মানুষগুলো ঘুরে বেড়াচ্ছিল। তিনি বলেন যে সেখানকার দৃশ্যগুলো ভয়াবহ – শত শত মৃতদেহ এবং তিনি যাওয়ার সময় অনেককে গাছের ছাল ছাড়িয়ে তা রান্না করতে দেখেছেন। আমাদের ফরাসি ভৃত্য নদীর ধারে তরমুজ খুঁজতে গিয়েছিল এবং সে সেখানে একসাথে একশরও বেশি লোককে পড়ে থাকতে দেখেছে এবং কিছু কঙ্কাল পানির ওপর সোজা হয়ে ছিল। সে এমন একটি গ্রামের মধ্য দিয়ে এসেছে যেখানে মাত্র দুজন অধিবাসী অবশিষ্ট ছিল। প্রিয়তম, আমি এই সমস্ত ভয়াবহতা থেকে দূরে থাকতে চাই, যেখানে আমি অনুভব করি যে আমরা খুব কমই ভালো করতে পারছি। মানুষ এবং পশু যা কিছু গ্রহণ করছে তার সবটাই অযোধ্যা থেকে আমাদের কাছে আসছে। দেশটা ঘাসবিহীন এমনকি জনশূন্য। তবে এটি কোনো অভিনয় নয় যে যখন আমরা ব্যান্ডের বাজনার সাথে রাজকীয় আড়ম্বরে ডিনারে বসি – যা তাঁবুর ভেতরেও অন্য জায়গার মতোই বজায় রাখা হয় - বাইরের অনাহারী শিশুদের কান্নায় আমার আত্মা অস্থির হয়ে ওঠে যা মনে হয় কখনোই থামবে না। ** দুর্ভিক্ষের ওপর একটি বর্ণনা এবং অনাহারে মৃত্যু, ১৯ ডিসেম্বর ১৮৩৫, ফ্যানি ইডেন। ফ্যানি ইডেন, টাইগারস, দরবারস অ্যান্ড কিংস, ফ্যানি ইডেন’স ইন্ডিয়ান জার্নালস, ১৮৩৭-১৮৩৮, সম্পা. জ্যানেট ডানবার, জন মারে, ১৯৮৮। জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১), দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ৪, অধ্যায় ২ । * আমরা জানতে পারি যে গত শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে কিছু ইংরেজ ফটকাবাজ ভারতের পুরো ধান কাটার মজুদ কিনে নিয়েছিল এবং এইভাবে দেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করেছিল যা ৩০ লাখ স্থানীয় মানুষকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিল। তবুও এই অনাহারী হতভাগ্যদের একজনকে তাদের গৃহপালিত পশুদের হত্যা করে খেতে রাজি করানো যায়নি; তাদের প্রভুরা মারা যাওয়ার পরই কেবল তারা অনাহারে প্রাণ হারিয়েছে। এটি একটি ধর্মীয় বিশ্বাসের অকৃত্রিমতার এক বিশাল প্রমাণ, যার মাধ্যমে স্বীকারোক্তি প্রদানকারীরা নিজেরাই "ইতিহাস" থেকে মুছে গেছে। ** রিচার্ড ভাগনারের রিলিজিয়ন অ্যান্ড আর্ট। উইলিয়াম অ্যাশটন এলিস কর্তৃক অনূদিত। == আরও দেখুন == * [[পরোপকার]] * [[করুণা]] * [[দুর্ভিক্ষ]] * [[ক্ষুধা]] * [[ভালোবাসা]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে দুর্ভিক্ষ]] a57xsnqkt8sr593yxm0dzvphdmkxzyu বল বীর 0 13797 81843 2026-04-28T05:47:51Z Nihabd1 5745 "{{উক্তি|বল বীর–<br>বল উন্নত মম শির!|কাজী নজরুল ইসলাম|অগ্নিবীণা}} == উৎস == * কাজী নজরুল ইসলাম, ''অগ্নিবীণা'', কবিতা: বিদ্রোহী [[বিষয়শ্রেণী:কাজী নজরুল ইসলামের উক্তি]] বিষয়শ্রেণী:বাংল..." দিয়ে পাতা তৈরি 81843 wikitext text/x-wiki {{উক্তি|বল বীর–<br>বল উন্নত মম শির!|কাজী নজরুল ইসলাম|অগ্নিবীণা}} == উৎস == * কাজী নজরুল ইসলাম, ''অগ্নিবীণা'', কবিতা: বিদ্রোহী [[বিষয়শ্রেণী:কাজী নজরুল ইসলামের উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা কবিতার উক্তি]] n1mzfb8dc35xdfbo3u6nqn5l96vpyb7 81916 81843 2026-04-28T10:04:21Z Nihabd1 5745 81916 wikitext text/x-wiki {{উক্তি|বল বীর–<br>বল উন্নত মম শির!|কাজী নজরুল ইসলাম|অগ্নিবীণা}}* বল বীর – বল উন্নত মম শির! * শির নেহারি’ আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির! * বল বীর – বল মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি == উৎস == * [[অগ্নি-বীণা]] - [[কাজী নজরুল ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:কবিতা]] [[বিষয়শ্রেণী:নজরুল ইসলাম]] == উৎস == * কাজী নজরুল ইসলাম, ''অগ্নিবীণা'', কবিতা: বিদ্রোহী [[বিষয়শ্রেণী:কাজী নজরুল ইসলামের উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা কবিতার উক্তি]] n3wvc2nu78astbsaz4azbn0wzhqe3e9 81919 81916 2026-04-28T10:17:55Z Nihabd1 5745 81919 wikitext text/x-wiki {{উক্তি|বল বীর–<br>বল উন্নত মম শির!|কাজী নজরুল ইসলাম|অগ্নিবীণা}}* বল বীর – বল উন্নত মম শির! * শির নেহারি’ আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির! * বল বীর – বল মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি* বল বীর – বল উন্নত মম শির! * শির নেহারি’ আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির! * বল বীর – বল মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি == উৎস == * [[অগ্নি-বীণা]] - [[কাজী নজরুল ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:কবিতা]] [[বিষয়শ্রেণী:কাজী নজরুল ইসলাম]] == উৎস == * [[অগ্নি-বীণা]] - [[কাজী নজরুল ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:কবিতা]] [[বিষয়শ্রেণী:নজরুল ইসলাম]] == উৎস == * কাজী নজরুল ইসলাম, ''অগ্নিবীণা'', কবিতা: বিদ্রোহী [[বিষয়শ্রেণী:কাজী নজরুল ইসলামের উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা কবিতার উক্তি]] f5i32e0bk8nm5t8cm38xlbks59pweue বিষয়শ্রেণী:ভারতে দুর্ভিক্ষ 14 13798 81848 2026-04-28T05:56:44Z ARI 356 [[:en:Category:Famines in India|]] থেকে অনুবাদ/আমদানি 81848 wikitext text/x-wiki {{উইকিপিডিয়া|বিষয়শ্রেণী:ভারতে দুর্ভিক্ষ}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে দুর্ভিক্ষ}] [[বিষয়শ্রেণী:মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:দুর্ভিক্ষ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে স্বাস্থ্য]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে দারিদ্র্য]] 3qqe4jj7dr0b1rid1g8su5gxh64alsd বিষয়শ্রেণী:ভারতে দারিদ্র্য 14 13799 81849 2026-04-28T05:58:24Z ARI 356 [[:en:Category:Poverty in India|]] থেকে অনুবাদ/আমদানি 81849 wikitext text/x-wiki {{উইকিপিডিয়া|বিষয়শ্রেণী:ভারতে দারিদ্র্য}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারত]] hgrzfeon46sb1jnjplvl9i9nh4era0s ভারতের সংস্কৃতি 0 13800 81854 2026-04-28T06:07:36Z ARI 356 [[:en:Culture of India|]] থেকে অনুবাদ/আমদানি 81854 wikitext text/x-wiki The '''{{W|culture of India}}''' or '''Indian culture''', sometimes equated to '''Indian civilization''', is the [[w:Cultural heritage|heritage]] of {{W|social norms}}, {{W|ethical value}}s, [[tradition]]al customs, {{W|belief systems}}, {{W|political system}}s, [[w:Cultural artifact|artifacts]] and [[technology|technologies]] that originated in or are associated with the [[দক্ষিণ এশিয়া]]. == উক্তি == ==A== *“Will the spiritual motive which India represents prevail on Europe and create there new forms congenial to the West, or will European rationalism and commercialism put an end for ever to the Indian type of culture? That is the one radical and poignant question at issue.” **Aurobindo, in Danino, M., & Nahar, S. (1996). The invasion that never was (1st ed). Mother’s Institute of Research & Mira Aditi, Mysore, India. * More high-reaching, subtle, many-sided, curious and profound than the [[Greeks|Greek]], more noble and humane than the [[Roman Empire|Roman]], more large and spiritual than the [[Ancient Egypt|old Egyptian]], more vast and original than any other [[এশিয়া|Asiatic]] civilization, more intellectual than the [[ইউরোপ|European]] prior to the 18th century, possessing all that these had and more, it was the most powerful, self-possessed, stimulating and wide in influence of all past human cultures. ** [[অরবিন্দ ঘোষ]], {{বই উদ্ধৃতি |title=The Message and Mission of India |date=1964 |publisher={{W|Bharatiya Vidya Bhavan}} |url=https://books.google.com/books?id=AcRKAAAAMAAJ}} **Sri Aurobindo, The Foundations of Indian Culture (1953), p. 31 *"Spirituality is the master key of the Indian mind. It is this dominant inclination of India, which gives character to all the expressions of her culture. In fact, they have grown out of her inborn spiritual tendency of which her religion is a natural out flowering. The Indian mind has always realized that the Supreme is the Infinite and perceived that to the soul in Nature the Infinite must always present itself in an infinite variety of aspects. The aggressive and quite illogical idea of a single religion for all mankind, a religion llniversal by the very force of its narrowness, one set of dogmas, one cult, one system of ceremonies, one ecclesiastical ordinance, one array of prohibitions and injunctions which all minds must accept on peril of persecution by men and spiritual rejection or eternal punishment by God, that grotesque creation of human unreason which has been the parent of so much intolerance, cruelty and obscurantism and aggressive fanaticism, has never been able to take firm hold of the Indian mentality." ... "India is the meeting place of the religions and among these Hinduism alone is by itself a vast and complex thing, not so much a religion as a great diversified and yet subtly unified mass of spintual thought, realization and aspiration." ** Atributed to [[অরবিন্দ ঘোষ]] in {{বই উদ্ধৃতি |title=India: Vision and Fulfilment |date=1972 |publisher=D. B. Taraporevala Sons |url=https://books.google.com/books?id=MKE5AQAAIAAJ |last1=Mitra |first1=Sisir Kumar |authorlink1=w:Sisir Kumar Mitra}} **Sri Aurobindo, Sri Aurobindo The Renaissance in India 'Arya', August 1918-November 1918 (reviewed and corrected in 1920) also in Mitra, Sisirkumar The vision of India New Delhi: Crest Pub. House, 1994 p. 53 - 54, Ghose, Aurobindo The renaissance in India. Arya Publishing House Calcutta. A Defense of Indian Culture. ==B== *The unique feature of India's contacts and relationship with other countries and peoples of the world is that the cultural expansion was never confused with [[Colonialism|colonial domination]] and commercial dynamism, far less [[অর্থনীতি|economic]] exploitation. That culture can advance without political motives, that [[trade]] can proceed without [[Imperialism|imperialist]] designs, settlements can take place without colonial excesses, and that literature, [[ধর্ম]] and [[ভাষা]] can be transported without [[xenophobia]], [[jingoism]] and [[race]] complexes are amply evidenced from the history of India's contact with her neighbors…Thus although a considerable part of central and south-eastern Asia became flourishing centers of Indian culture, they were seldom subject to the regime of any Indian king or conquerors and hardly witnessed the horrors and havocs of any [[Military history of India|Indian military campaign]]. They were perfectly free, politically and economically, and their people, representing an integration of Indian and indigenous elements, had no links with any Indian state and looked upon India as a holy land rather than a motherland – a land of pilgrimage and not an area of jurisdiction. **Arun Bhattacharjee's Greater India, quoted from Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. * In A Cultural History of India , [[Arthur Llewellyn Basham|A.L. Basham]] notes that '[by] the fifth century ce, Indianized states, that is to say states organized along the traditional lines of [[Politics of India|Indian political theory]] and following the [[বৌদ্ধধর্ম|Buddhist]] or [[হিন্দুধর্ম|Hindu religions]], had established themselves in many regions of [[মিয়ানমার]], [[Thailand]], Indo-China, [[মালয়েশিয়া]], and [[ইন্দোনেশিয়া]]'. **quoted from Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. ==D== * It is true that even across the [[হিমালয়|Himalayan]] barrier India has sent to us such questionable gifts as [[grammar]] and [[logic]], [[Indian philosophy|philosophy]] and [[Panchatantra|fables]], [[hypnotism]] and [[দাবা]], and above all our [[Number|numerals]] and our decimal system. But these are not the essence of her spirit; they are trifles compared to what we may learn from her in the future. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] * Perhaps in return for conquest, arrogance and spoliation, India will teach us the tolerance and gentleness of the mature mind, the quiet content of the unacquisitive soul, the calm of the understanding spirit, and a unifying, a pacifying love for all living things. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] * India was the motherland of our race, and Sanskrit the mother of [[Indo-European languages|Europe's languages]]: she was the mother of our philosophy; mother, through the [[Arabs]], of much of our [[গণিত]]; mother, through the [[গৌতম বুদ্ধ|Buddha]], of the ideals embodied in [[খ্রিস্টধর্ম]]; mother, through the village community, of self-government and democracy. Mother India is in many ways the mother of us all. Nothing should more deeply shame the modern student than the recency and inadequacy of his acquaintance with India....This is the India that patient scholarship is now opening up like a new intellectual continent to that Western mind which only yesterday thought civilization an exclusive Western thing. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] * "As flowing rivers disappear in the sea, losing their name and form, thus a wise man, freed from name and form, goes to the divine person who is beyond all." Such a theory of life and death will not please Western man, whose religion is as permeated with [[individualism]] as are his political and economic institutions. But it has satisfied the philosophical Hindu mind with astonishing continuity. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] * Even in [[ইউরোপ]] and [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|America]], this wistful [[theosophy]] has won millions upon millions of followers, from lonely women and tired men to [[Arthur Schopenhauer|Schopenhauer]] and [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন|Emerson]]. Who would have thought that the great American philosopher of individualism would give perfect expression to the Hindu conviction in his poem 'Brahma', that individuality is a delusion? **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] *They are the oldest extant philosophy and [[psychology]] of our race; the surprisingly subtle and patient effort of man to understand the mind and the world, and their relation. The [[উপনিষদ]] are as old as [[হোমার]], and as modem as [[ইমানুয়েল কান্ট|Kant]]. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] ==E== [[File:Sri Krishna (Miniature Painting, Kashmir School, 19th century).jpg|thumb|The Indian teaching, through its clouds of legends, has yet a simple and grand religion, like a queenly countenance seen through a rich veil. It teaches to speak truth, love others, and to dispose trifles. The East is grand—and makes Europe appear the land of trifles … All is soul and the soul is the Almighty. ~ [[Ralph Waldo Emerson]]]] * Let me confess that I cannot share the confidence in the superiority of Europeans and their ways which is prevalent in the West. European civilization is not satisfying and [[এশিয়া]] can still offer something more attractive to many who are far from Asiatic in spirit. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'', p. 41 * I do not think that [[খ্রিস্টধর্ম]] will ever make much progress in Asia, for what is commonly known by that name is not the teaching of [[Christ]] but a rearrangement of it made in Europe and like most European institutions practical rather than thoughtful. And as for the teaching of Christ himself, the Indian finds it excellent but not ample or satisfying. There is little in it which cannot be found in some of the many scriptures of Hinduism..." **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' * The claim of India to the attention of the world is that she, more than any other nation since history began, has devoted herself to contemplating the ultimate mysteries of existence and, in my eyes, the fact that Indian thought diverges widely from our own popular thought is a positive merit. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' * Hinduism has not been made, but has grown. It is a jungle, not a building. It is a living example of a great national [[পৌত্তলিকতাবাদ]] such as might have existed in Europe if [[Early Christianity|Christianity]] had not become the state religion of the [[Roman Empire]], if there had remained an incongruous jumble of old local [[কুসংস্কার|superstitions]], Greek philosophy, and oriental cults such as the worship of [[w:Sarapis|Sarapis]] or Mitras. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]] ,''Philosophy and the Self: East and West'' * Compared to Islam and Christianity, Hinduism’s doctrines are extraordinarily fluid, and multiform. India deals in images and metaphors. Restless, subtle and argumentative as Hindu thought is, it is less prone than European theology to the vice of distorting transcendental ideas by too stringent definition. It adumbrates the indescribable by metaphors and figures. It is not afraid of inconsistencies which may illustrate different aspects of the infinite, but it rarely tries to cramp the divine within the limits of a logical phrase. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' * The Hindu has an extraordinary power of combining dogma and free thought, uniformity, and variety. Utmost latitude of interpretation is allowed. In all ages Hindus have been passionately devoted to speculation. It is also to point out that from the Upanishads down to the writings of [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] in the present day [[Indian literature|literature]] from time to time enunciates the idea that the whole [[মহাবিশ্ব]] is the manifestation of some exuberant force giving expression to itself in joyous movement. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' *The Indian teaching, through its clouds of legends, has yet a simple and grand religion, like a queenly countenance seen through a rich veil. It teaches to speak truth, love others, and to dispose trifles. The East is grand—and makes Europe appear the land of trifles … All is soul and the soul is the Almighty. **Ralph Waldo Emerson. source: The West Looks at India, Krishnanand Joshi. Quoted from Gewali, Salil (2013). Great Minds on India. New Delhi: Penguin Random House. ==G== * In actual life, it is impossible to separate us into two nations. We are not two nations. Every [[ভারতে ইসলাম|Moslem]] will have a [[হিন্দু]] name if he goes back far enough in his family history. Every [[মুসলমান|Moslem]] is merely a Hindu who has accepted [[ইসলাম]]. That does not create nationality. … We in India have a common culture. In the North, [[হিন্দি ভাষা]] and [[উর্দু]] are understood by both Hindus and Moslems. In [[Madras]], Hindus and Moslems speak [[Tamil language|Tamil]], and in [[বঙ্গ]], they both speak [[বাংলা ভাষা|Bengali]] and neither Hindi nor Urdu. When [[সাম্প্রদায়িকতা|communal]] riots take place, they are always provoked by incidents over cows and by religious processions. That means that it is our [[কুসংস্কার|superstitions]] that create the trouble and not our separate [[জাতি|nationalities]]. ** [[মহাত্মা গান্ধী]], Conversations with Louis Fischer, June 6, 1942, in Louis Fischer, ''A Week with Gandhi'', pp. 45-46. *Before long, I read my first book on [[হিন্দু]] philosophy. It was like a blow to my solar plexus; it jarred me awake. Here, at last, was what I sought. Instead of an object of dispute and often ridicule, here, reincarnation was taken for granted. The teachings were logical, unsentimental, yet filled with the spirit of non-harmfulness, compassion, understanding, love. **[[Nina Graboi]] ''One Foot in the Future: A Woman's Spiritual Journey'' (2000), chapter nineteen ==H== * The notion of a single Hindu culture, incommensurable with [[ইসলাম]] or western epistemes and forms of organization, is the real fiction at work here, imposed by [[orientalism]] and painstakingly promulgated, organized, and reformulated by generation of [[Hindu nationalists]] and other {{W|Indian nationalists}} for more than a century. [...] In order to understand Hindu nationalism we need to analyze carefully the [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা|official secularism]] it opposed. Textbook versions of [[ধর্মনিরপেক্ষতা]] as the absence of [[Religion in India|religion]] from the public sphere, or a more fashionable understanding of secularism as a metonym of scientific rationalism, will not suffice. We need to take a closer and more informed look at the practices and meanings of secularism in the public culture of independent India. The dominant interpretation of secularism in India did not entail the removal of religion from the political sphere, but rather the belief that religion and culture were elevated to an ostensibly apolitical level, above the profanities of the political. This institutionalized notion of culture and religion as apolitical, and the derived notion of selfless "social work" as ennobling and purifying by virtue of its elevation above politics and money, provided an unassailable moral high ground to a certain genre of "antipolitical activism," conspicuous among social and cultural organization but also often invoked in agitations and in electoral politics in India. I submit that it was from this discursive field of "antipolitics" and "religious activism" that the Hindu nationalist movement, with great ingenuity, built its campaigns and organizational networks for decades. Like other forms of cultural nationalism, the Hindu nationalist movement always entertained a complex ambivalence vis-à-vis democracy and apprehension toward the "political vocation." The evolution of the movement, its organization, and its political strategies must be understood in the context of a constant negotiation and oscillation across the deep bifurcation in modern Indian political culture between a realm of "sublime" culture and realm of "profane" competitive politics. ** [[Thomas Blom Hansen]], {{বই উদ্ধৃতি |title=The Saffron Wave: Democracy and Hindu Nationalism in Modern India |date=1999 |publisher={{W|Princeton University Press}} |isbn=978-1-4008-2305-5 |page=11 |url=https://books.google.com/books?id=SAqn3OIGE54C&pg=PA11}} * The sparkling energy of India lies in Hinduism. Without the framework of Hindu belief India would fall apart. Without Hinduism India is not herself... Because Indian society has, like the Chinese, been a unitary one where science and religion have never been in conflict, there has been no basic split as has happened with our own Christian background. Our own antagonism between the two disciplines of [[theology]] and [[বিজ্ঞান]] has created chaos in our thinking and a curious dichotomy during the past two centuries. In India I found a thankful release from our restricted vision of the creation of God... Hinduism has remained in constant, replenished usage throughout this tremendous stretch of time, impervious to outside influence, as onward flowing as the imperturbable Ganga itself. Not even [[Muslim conquests in the Indian subcontinent|Moghul invasion]] and [[ভারতে ইসলাম|Muslim]] supremacy for 700 years, nor the arrival of the [[British Empire|British]], [[Dutch Empire|Dutch]], [[French Colonial Empire|French]] and [[পর্তুগিজ সাম্রাজ্য|Portuguese]] with their own civilization and standards, penetrated into the imperious core of this steadfast faith. Hindu thought took and absorbed according to its own will, folding itself inwards at the sense of approaching danger like some gigantic sea-anemone drawing up all its tentacles, only to stretch outwards and flourish when the danger was past. One continues to hope that this will remain so, that modern Indians will realize that this is their enviable strength despite all their understandable yearnings for the material advantages of [[technology]] which they have seen give power and monopoly of advantage to the Western world. But their quality of synthesis, of intelligent absorption, may still save them from the sterility of urban life and the monotonous obsession with quantity and things, rather than with quality and life-perspective. **(source: The Music of India - By Peggy Holroyde p. 44-52). ==M== *Judged by a similar standard, the patronage and cultivation of Hindu learning by the Muslims, or their contribution to the development of Hindu culture during their rule . . . pales into insignificance when compared with the achievements of the [[British Raj|British rule]]... It is only by instituting such comparison that we can make an objective study of the condition of the Hindus under Muslim rule, and view it in its true perspective. **R. C. Majumdar, ed., The History and Culture of the Indian People, vol. 6, The Delhi Sultanate (London: G. Allen & Unwin, 1952), p. 623. quoted in Ibn Warraq, Why the West is the best, "India under the Arabs and the British". also quoted in Bostom, A. G. M. D., & Bostom, A. G. (2010). The Legacy of Jihad: Islamic Holy War and the Fate of Non-Muslims. Amherst: Prometheus. *From at least the beginning of the Common Era until about the thirteenth century, Sanskrit was the primary linguistic and cultural medium for the ruling and administrative circles from Purushapura ([[Peshawar]]) in Gandhara (Afghanistan and parts of Pakistan) to as far eat as Pandurang in Annam ([[South Vietnam]]) and Prambanam in Central Java. It influenced much of Asia for more than a thousand years. Sanskriti was neither imposed by an imperial power nor sustained by any centrally organized Church ecclesiology. Thus, it has been both the result and cause of a cultural consciousness shared by most South and South-east Asians regardless of religion, class or gender. Centuries prior to the Europeanization of the globe, the entire arc – from [[এশিয়া]] through [[আফগানিস্তান]], India, [[শ্রীলঙ্কা]], [[Thailand]], [[কম্বোডিয়া]], [[Vietnam]] and all the way to [[ইন্দোনেশিয়া]] – was a crucible of a sophisticated Pan-Asian civilization... However, unlike the violent spread of the [[Roman Civilization|Roman civilization]] which made [[Latin]] the European language for centuries, the Sanskritization of Asia was entirely peaceful, without conquest, domination, or subversion of local identities. This is not to say that political disputes and wars of conquest never occurred, but in most instances, the motive was not the imposition of cultural or religious homogeneity. ** Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. ==Q== *India made, more loudly than anyone, what we might call the “declaration of the rights of the Being.” There, in this divine self, in this society of the infinite with itself, lies clearly the foundation, the root of all life and all history. **Edgar Quinet in Jean Biès, Littérature française et pensée hindoue des origines à 1950 in India’s Impact on French Thought and Literature: Eighteenth to Twentieth Century by Michel Danino (Published in Critical Practice, X:2, June 2003, pp. 46-56) ==T== * '''Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speech, grandmother of [[পুরাণবিদ্যা|legend]], great grandmother of [[tradition]]. The land that all men desire to see and having seen once even by a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined.''' **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'', p. 113 * It is a good and gentle religion, but inconvenient. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * India had the start of the whole world in the beginning of things. She had the first civilization; she had the first accumulation of material wealth; she was populous with deep thinkers and subtle intellects; she had mines, and woods, and a fruitful soul. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * Our most valuable and most instructive materials in the history of man are treasured up in India. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * "Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speak, grandmother of legacy, great grandmother of tradition. The land that all men desire to see and having seen once even a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined." **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' *Years earlier, the British historian [[Arnold Toynbee|A.J. Toynbee]] remarked: 'India is the central link in a chain of regional civilizations that extends from [[জাপান]] in the far north-east to [[আয়ারল্যান্ড]] in the far northwest. Between these two extremities the chain sags down southwards in a festoon that dips below the Equator in Indonesia.' **quoted from Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. *[[পুঁজিবাদ]], or the ideology of the unbridled pursuit of [[wealth]], is destroying culture on an unbridled scale... countless cultural activities, seen to be non-lucrative or less lucrative, are being abandoned all over the country. Others are being severely compromised in order to keep or make them lucrative: compromise in materials or techniques used, shoddiness in workmanship or performance, short-cut methods, etc. These are resulting in loss of natural spontaneity, cultural authenticity, technological expertise and performance satisfaction, which, in turn, gradually leads to the degeneration and further abandonment of cultural activities. All this is affecting various fields of culture: musical forms and styles, musical instruments, dance forms, architectural styles, art forms, handicrafts, traditional crops, culinary items, etc... owever, the concept of Money as God has now changed all this. For perhaps the first time in [[History of India|India’s long history]], there is now no real official support for Indian culture. In the last decade or so, apparently coinciding with the advocacy and adoption of new policies of economic ‘reforms’, it is now passé for [[ভারত সরকার|governments]] to do anything concrete to protect, preserve, record or perpetuate India’s traditional culture, or even to aid and encourage individuals or organizations doing so. Institutions established in the post-Independence era are being literally starved for funds, or funds are being used for any purpose but to achieve the original aims and objectives, or, simply, the very aims and objectives of these institutions are being changed. In any case no new activities, except occasional pedestrian ‘cultural’ projects of a political nature, are being undertaken: the institutions are being slowly transformed from cultural to commercial institutions, in line with the ‘changing times’.<br>“Infinitely worse is what is happening to the detailed records of the research, documentation and collection undertaken by these institutions, in the not so distant past, to preserve, popularize and perpetuate different aspects of Indian culture. These archival records ¾ print, tape, film or actual physical objects ¾ are suddenly becoming an eyesore or an embarrassment, or simply a financial burden, to a cash-conscious leadership with a ‘reformist’ eye on the ‘globe’. A standard sequence now is as follows: state-funded [[জাদুঘর|museums]], [[গ্রন্থাগার]] and archives ¾ or at least the records in them ¾ slowly become rare or inaccessible, in different ways, to the (lay or scholarly) public eye. Often ‘constraints of space’ force the authorities to remove these records from their protected environments and dump them in ill-maintained godowns, to rot and decay, unseen and forgotten. And, occasionally, mysterious fires break out in the places which house these archives, destroying invaluable and irreplaceable records (including those pertaining to the golden age of Indian movies), then to be forgotten forever. All these events, coincidentally, make available valuable land and funds for more lucrative commercial purposes. The persons in authority are too busy saving or making money - for themselves, or, if they are to be believed, for the public coffers - to care. **S. Talageri, in (“Sita Ram Goel, memories and ideas”, in Koenraad Elst, ed.: India’s Only Communalist: In Commemoration of Sita Ram Goel, Voice of India, Delhi 2005, p.239-346) quoted from [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2016/07/cultural-policy-and-folk-art.html Review of "From the Personal Collection of KC Aryan. Unknown Masterpieces of Indian Folk & Tribal Art (KC Aryan’s Home of Folk Art, Gurgaon 2016, 301 pp., 635 illustrations). " presenting KC Aryan’s art collection, in (Law Animated World, Hyderabad, 16 July 2016)] ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[Category:Culture of India| ]] 78e08qjbld13zec3qaklo1ncces3v2n 81855 81854 2026-04-28T06:10:45Z ARI 356 অনুবাদ 81855 wikitext text/x-wiki '''[[ভারতের সংস্কৃতি]]''' অথবা '''ভারতীয় সংস্কৃতি''' অনেক সময় '''ভারতীয় সভ্যতা'''র সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি সামাজিক নিয়ম, নৈতিক মূল্যবোধ, প্রথাগত রীতিনীতি, বিশ্বাস ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, নিদর্শন এবং প্রযুক্তির এক ঐতিহ্য। এই বিষয়গুলো [[দক্ষিণ এশিয়া]]য় উদ্ভূত হয়েছে অথবা এই অঞ্চলের সাথে যুক্ত। == উক্তি == ==A== *“Will the spiritual motive which India represents prevail on Europe and create there new forms congenial to the West, or will European rationalism and commercialism put an end for ever to the Indian type of culture? That is the one radical and poignant question at issue.” **Aurobindo, in Danino, M., & Nahar, S. (1996). The invasion that never was (1st ed). Mother’s Institute of Research & Mira Aditi, Mysore, India. * More high-reaching, subtle, many-sided, curious and profound than the [[Greeks|Greek]], more noble and humane than the [[Roman Empire|Roman]], more large and spiritual than the [[Ancient Egypt|old Egyptian]], more vast and original than any other [[এশিয়া|Asiatic]] civilization, more intellectual than the [[ইউরোপ|European]] prior to the 18th century, possessing all that these had and more, it was the most powerful, self-possessed, stimulating and wide in influence of all past human cultures. ** [[অরবিন্দ ঘোষ]], {{বই উদ্ধৃতি |title=The Message and Mission of India |date=1964 |publisher={{W|Bharatiya Vidya Bhavan}} |url=https://books.google.com/books?id=AcRKAAAAMAAJ}} **Sri Aurobindo, The Foundations of Indian Culture (1953), p. 31 *"Spirituality is the master key of the Indian mind. It is this dominant inclination of India, which gives character to all the expressions of her culture. In fact, they have grown out of her inborn spiritual tendency of which her religion is a natural out flowering. The Indian mind has always realized that the Supreme is the Infinite and perceived that to the soul in Nature the Infinite must always present itself in an infinite variety of aspects. The aggressive and quite illogical idea of a single religion for all mankind, a religion llniversal by the very force of its narrowness, one set of dogmas, one cult, one system of ceremonies, one ecclesiastical ordinance, one array of prohibitions and injunctions which all minds must accept on peril of persecution by men and spiritual rejection or eternal punishment by God, that grotesque creation of human unreason which has been the parent of so much intolerance, cruelty and obscurantism and aggressive fanaticism, has never been able to take firm hold of the Indian mentality." ... "India is the meeting place of the religions and among these Hinduism alone is by itself a vast and complex thing, not so much a religion as a great diversified and yet subtly unified mass of spintual thought, realization and aspiration." ** Atributed to [[অরবিন্দ ঘোষ]] in {{বই উদ্ধৃতি |title=India: Vision and Fulfilment |date=1972 |publisher=D. B. Taraporevala Sons |url=https://books.google.com/books?id=MKE5AQAAIAAJ |last1=Mitra |first1=Sisir Kumar |authorlink1=w:Sisir Kumar Mitra}} **Sri Aurobindo, Sri Aurobindo The Renaissance in India 'Arya', August 1918-November 1918 (reviewed and corrected in 1920) also in Mitra, Sisirkumar The vision of India New Delhi: Crest Pub. House, 1994 p. 53 - 54, Ghose, Aurobindo The renaissance in India. Arya Publishing House Calcutta. A Defense of Indian Culture. ==B== *The unique feature of India's contacts and relationship with other countries and peoples of the world is that the cultural expansion was never confused with [[Colonialism|colonial domination]] and commercial dynamism, far less [[অর্থনীতি|economic]] exploitation. That culture can advance without political motives, that [[trade]] can proceed without [[Imperialism|imperialist]] designs, settlements can take place without colonial excesses, and that literature, [[ধর্ম]] and [[ভাষা]] can be transported without [[xenophobia]], [[jingoism]] and [[race]] complexes are amply evidenced from the history of India's contact with her neighbors…Thus although a considerable part of central and south-eastern Asia became flourishing centers of Indian culture, they were seldom subject to the regime of any Indian king or conquerors and hardly witnessed the horrors and havocs of any [[Military history of India|Indian military campaign]]. They were perfectly free, politically and economically, and their people, representing an integration of Indian and indigenous elements, had no links with any Indian state and looked upon India as a holy land rather than a motherland – a land of pilgrimage and not an area of jurisdiction. **Arun Bhattacharjee's Greater India, quoted from Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. * In A Cultural History of India , [[Arthur Llewellyn Basham|A.L. Basham]] notes that '[by] the fifth century ce, Indianized states, that is to say states organized along the traditional lines of [[Politics of India|Indian political theory]] and following the [[বৌদ্ধধর্ম|Buddhist]] or [[হিন্দুধর্ম|Hindu religions]], had established themselves in many regions of [[মিয়ানমার]], [[Thailand]], Indo-China, [[মালয়েশিয়া]], and [[ইন্দোনেশিয়া]]'. **quoted from Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. ==D== * It is true that even across the [[হিমালয়|Himalayan]] barrier India has sent to us such questionable gifts as [[grammar]] and [[logic]], [[Indian philosophy|philosophy]] and [[Panchatantra|fables]], [[hypnotism]] and [[দাবা]], and above all our [[Number|numerals]] and our decimal system. But these are not the essence of her spirit; they are trifles compared to what we may learn from her in the future. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] * Perhaps in return for conquest, arrogance and spoliation, India will teach us the tolerance and gentleness of the mature mind, the quiet content of the unacquisitive soul, the calm of the understanding spirit, and a unifying, a pacifying love for all living things. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] * India was the motherland of our race, and Sanskrit the mother of [[Indo-European languages|Europe's languages]]: she was the mother of our philosophy; mother, through the [[Arabs]], of much of our [[গণিত]]; mother, through the [[গৌতম বুদ্ধ|Buddha]], of the ideals embodied in [[খ্রিস্টধর্ম]]; mother, through the village community, of self-government and democracy. Mother India is in many ways the mother of us all. Nothing should more deeply shame the modern student than the recency and inadequacy of his acquaintance with India....This is the India that patient scholarship is now opening up like a new intellectual continent to that Western mind which only yesterday thought civilization an exclusive Western thing. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] * "As flowing rivers disappear in the sea, losing their name and form, thus a wise man, freed from name and form, goes to the divine person who is beyond all." Such a theory of life and death will not please Western man, whose religion is as permeated with [[individualism]] as are his political and economic institutions. But it has satisfied the philosophical Hindu mind with astonishing continuity. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] * Even in [[ইউরোপ]] and [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|America]], this wistful [[theosophy]] has won millions upon millions of followers, from lonely women and tired men to [[Arthur Schopenhauer|Schopenhauer]] and [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন|Emerson]]. Who would have thought that the great American philosopher of individualism would give perfect expression to the Hindu conviction in his poem 'Brahma', that individuality is a delusion? **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] *They are the oldest extant philosophy and [[psychology]] of our race; the surprisingly subtle and patient effort of man to understand the mind and the world, and their relation. The [[উপনিষদ]] are as old as [[হোমার]], and as modem as [[ইমানুয়েল কান্ট|Kant]]. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] ==E== [[File:Sri Krishna (Miniature Painting, Kashmir School, 19th century).jpg|thumb|The Indian teaching, through its clouds of legends, has yet a simple and grand religion, like a queenly countenance seen through a rich veil. It teaches to speak truth, love others, and to dispose trifles. The East is grand—and makes Europe appear the land of trifles … All is soul and the soul is the Almighty. ~ [[Ralph Waldo Emerson]]]] * Let me confess that I cannot share the confidence in the superiority of Europeans and their ways which is prevalent in the West. European civilization is not satisfying and [[এশিয়া]] can still offer something more attractive to many who are far from Asiatic in spirit. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'', p. 41 * I do not think that [[খ্রিস্টধর্ম]] will ever make much progress in Asia, for what is commonly known by that name is not the teaching of [[Christ]] but a rearrangement of it made in Europe and like most European institutions practical rather than thoughtful. And as for the teaching of Christ himself, the Indian finds it excellent but not ample or satisfying. There is little in it which cannot be found in some of the many scriptures of Hinduism..." **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' * The claim of India to the attention of the world is that she, more than any other nation since history began, has devoted herself to contemplating the ultimate mysteries of existence and, in my eyes, the fact that Indian thought diverges widely from our own popular thought is a positive merit. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' * Hinduism has not been made, but has grown. It is a jungle, not a building. It is a living example of a great national [[পৌত্তলিকতাবাদ]] such as might have existed in Europe if [[Early Christianity|Christianity]] had not become the state religion of the [[Roman Empire]], if there had remained an incongruous jumble of old local [[কুসংস্কার|superstitions]], Greek philosophy, and oriental cults such as the worship of [[w:Sarapis|Sarapis]] or Mitras. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]] ,''Philosophy and the Self: East and West'' * Compared to Islam and Christianity, Hinduism’s doctrines are extraordinarily fluid, and multiform. India deals in images and metaphors. Restless, subtle and argumentative as Hindu thought is, it is less prone than European theology to the vice of distorting transcendental ideas by too stringent definition. It adumbrates the indescribable by metaphors and figures. It is not afraid of inconsistencies which may illustrate different aspects of the infinite, but it rarely tries to cramp the divine within the limits of a logical phrase. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' * The Hindu has an extraordinary power of combining dogma and free thought, uniformity, and variety. Utmost latitude of interpretation is allowed. In all ages Hindus have been passionately devoted to speculation. It is also to point out that from the Upanishads down to the writings of [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] in the present day [[Indian literature|literature]] from time to time enunciates the idea that the whole [[মহাবিশ্ব]] is the manifestation of some exuberant force giving expression to itself in joyous movement. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' *The Indian teaching, through its clouds of legends, has yet a simple and grand religion, like a queenly countenance seen through a rich veil. It teaches to speak truth, love others, and to dispose trifles. The East is grand—and makes Europe appear the land of trifles … All is soul and the soul is the Almighty. **Ralph Waldo Emerson. source: The West Looks at India, Krishnanand Joshi. Quoted from Gewali, Salil (2013). Great Minds on India. New Delhi: Penguin Random House. ==G== * In actual life, it is impossible to separate us into two nations. We are not two nations. Every [[ভারতে ইসলাম|Moslem]] will have a [[হিন্দু]] name if he goes back far enough in his family history. Every [[মুসলমান|Moslem]] is merely a Hindu who has accepted [[ইসলাম]]. That does not create nationality. … We in India have a common culture. In the North, [[হিন্দি ভাষা]] and [[উর্দু]] are understood by both Hindus and Moslems. In [[Madras]], Hindus and Moslems speak [[Tamil language|Tamil]], and in [[বঙ্গ]], they both speak [[বাংলা ভাষা|Bengali]] and neither Hindi nor Urdu. When [[সাম্প্রদায়িকতা|communal]] riots take place, they are always provoked by incidents over cows and by religious processions. That means that it is our [[কুসংস্কার|superstitions]] that create the trouble and not our separate [[জাতি|nationalities]]. ** [[মহাত্মা গান্ধী]], Conversations with Louis Fischer, June 6, 1942, in Louis Fischer, ''A Week with Gandhi'', pp. 45-46. *Before long, I read my first book on [[হিন্দু]] philosophy. It was like a blow to my solar plexus; it jarred me awake. Here, at last, was what I sought. Instead of an object of dispute and often ridicule, here, reincarnation was taken for granted. The teachings were logical, unsentimental, yet filled with the spirit of non-harmfulness, compassion, understanding, love. **[[Nina Graboi]] ''One Foot in the Future: A Woman's Spiritual Journey'' (2000), chapter nineteen ==H== * The notion of a single Hindu culture, incommensurable with [[ইসলাম]] or western epistemes and forms of organization, is the real fiction at work here, imposed by [[orientalism]] and painstakingly promulgated, organized, and reformulated by generation of [[Hindu nationalists]] and other {{W|Indian nationalists}} for more than a century. [...] In order to understand Hindu nationalism we need to analyze carefully the [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা|official secularism]] it opposed. Textbook versions of [[ধর্মনিরপেক্ষতা]] as the absence of [[Religion in India|religion]] from the public sphere, or a more fashionable understanding of secularism as a metonym of scientific rationalism, will not suffice. We need to take a closer and more informed look at the practices and meanings of secularism in the public culture of independent India. The dominant interpretation of secularism in India did not entail the removal of religion from the political sphere, but rather the belief that religion and culture were elevated to an ostensibly apolitical level, above the profanities of the political. This institutionalized notion of culture and religion as apolitical, and the derived notion of selfless "social work" as ennobling and purifying by virtue of its elevation above politics and money, provided an unassailable moral high ground to a certain genre of "antipolitical activism," conspicuous among social and cultural organization but also often invoked in agitations and in electoral politics in India. I submit that it was from this discursive field of "antipolitics" and "religious activism" that the Hindu nationalist movement, with great ingenuity, built its campaigns and organizational networks for decades. Like other forms of cultural nationalism, the Hindu nationalist movement always entertained a complex ambivalence vis-à-vis democracy and apprehension toward the "political vocation." The evolution of the movement, its organization, and its political strategies must be understood in the context of a constant negotiation and oscillation across the deep bifurcation in modern Indian political culture between a realm of "sublime" culture and realm of "profane" competitive politics. ** [[Thomas Blom Hansen]], {{বই উদ্ধৃতি |title=The Saffron Wave: Democracy and Hindu Nationalism in Modern India |date=1999 |publisher={{W|Princeton University Press}} |isbn=978-1-4008-2305-5 |page=11 |url=https://books.google.com/books?id=SAqn3OIGE54C&pg=PA11}} * The sparkling energy of India lies in Hinduism. Without the framework of Hindu belief India would fall apart. Without Hinduism India is not herself... Because Indian society has, like the Chinese, been a unitary one where science and religion have never been in conflict, there has been no basic split as has happened with our own Christian background. Our own antagonism between the two disciplines of [[theology]] and [[বিজ্ঞান]] has created chaos in our thinking and a curious dichotomy during the past two centuries. In India I found a thankful release from our restricted vision of the creation of God... Hinduism has remained in constant, replenished usage throughout this tremendous stretch of time, impervious to outside influence, as onward flowing as the imperturbable Ganga itself. Not even [[Muslim conquests in the Indian subcontinent|Moghul invasion]] and [[ভারতে ইসলাম|Muslim]] supremacy for 700 years, nor the arrival of the [[British Empire|British]], [[Dutch Empire|Dutch]], [[French Colonial Empire|French]] and [[পর্তুগিজ সাম্রাজ্য|Portuguese]] with their own civilization and standards, penetrated into the imperious core of this steadfast faith. Hindu thought took and absorbed according to its own will, folding itself inwards at the sense of approaching danger like some gigantic sea-anemone drawing up all its tentacles, only to stretch outwards and flourish when the danger was past. One continues to hope that this will remain so, that modern Indians will realize that this is their enviable strength despite all their understandable yearnings for the material advantages of [[technology]] which they have seen give power and monopoly of advantage to the Western world. But their quality of synthesis, of intelligent absorption, may still save them from the sterility of urban life and the monotonous obsession with quantity and things, rather than with quality and life-perspective. **(source: The Music of India - By Peggy Holroyde p. 44-52). ==M== *Judged by a similar standard, the patronage and cultivation of Hindu learning by the Muslims, or their contribution to the development of Hindu culture during their rule . . . pales into insignificance when compared with the achievements of the [[British Raj|British rule]]... It is only by instituting such comparison that we can make an objective study of the condition of the Hindus under Muslim rule, and view it in its true perspective. **R. C. Majumdar, ed., The History and Culture of the Indian People, vol. 6, The Delhi Sultanate (London: G. Allen & Unwin, 1952), p. 623. quoted in Ibn Warraq, Why the West is the best, "India under the Arabs and the British". also quoted in Bostom, A. G. M. D., & Bostom, A. G. (2010). The Legacy of Jihad: Islamic Holy War and the Fate of Non-Muslims. Amherst: Prometheus. *From at least the beginning of the Common Era until about the thirteenth century, Sanskrit was the primary linguistic and cultural medium for the ruling and administrative circles from Purushapura ([[Peshawar]]) in Gandhara (Afghanistan and parts of Pakistan) to as far eat as Pandurang in Annam ([[South Vietnam]]) and Prambanam in Central Java. It influenced much of Asia for more than a thousand years. Sanskriti was neither imposed by an imperial power nor sustained by any centrally organized Church ecclesiology. Thus, it has been both the result and cause of a cultural consciousness shared by most South and South-east Asians regardless of religion, class or gender. Centuries prior to the Europeanization of the globe, the entire arc – from [[এশিয়া]] through [[আফগানিস্তান]], India, [[শ্রীলঙ্কা]], [[Thailand]], [[কম্বোডিয়া]], [[Vietnam]] and all the way to [[ইন্দোনেশিয়া]] – was a crucible of a sophisticated Pan-Asian civilization... However, unlike the violent spread of the [[Roman Civilization|Roman civilization]] which made [[Latin]] the European language for centuries, the Sanskritization of Asia was entirely peaceful, without conquest, domination, or subversion of local identities. This is not to say that political disputes and wars of conquest never occurred, but in most instances, the motive was not the imposition of cultural or religious homogeneity. ** Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. ==Q== *India made, more loudly than anyone, what we might call the “declaration of the rights of the Being.” There, in this divine self, in this society of the infinite with itself, lies clearly the foundation, the root of all life and all history. **Edgar Quinet in Jean Biès, Littérature française et pensée hindoue des origines à 1950 in India’s Impact on French Thought and Literature: Eighteenth to Twentieth Century by Michel Danino (Published in Critical Practice, X:2, June 2003, pp. 46-56) ==T== * '''Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speech, grandmother of [[পুরাণবিদ্যা|legend]], great grandmother of [[tradition]]. The land that all men desire to see and having seen once even by a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined.''' **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'', p. 113 * It is a good and gentle religion, but inconvenient. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * India had the start of the whole world in the beginning of things. She had the first civilization; she had the first accumulation of material wealth; she was populous with deep thinkers and subtle intellects; she had mines, and woods, and a fruitful soul. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * Our most valuable and most instructive materials in the history of man are treasured up in India. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * "Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speak, grandmother of legacy, great grandmother of tradition. The land that all men desire to see and having seen once even a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined." **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' *Years earlier, the British historian [[Arnold Toynbee|A.J. Toynbee]] remarked: 'India is the central link in a chain of regional civilizations that extends from [[জাপান]] in the far north-east to [[আয়ারল্যান্ড]] in the far northwest. Between these two extremities the chain sags down southwards in a festoon that dips below the Equator in Indonesia.' **quoted from Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. *[[পুঁজিবাদ]], or the ideology of the unbridled pursuit of [[wealth]], is destroying culture on an unbridled scale... countless cultural activities, seen to be non-lucrative or less lucrative, are being abandoned all over the country. Others are being severely compromised in order to keep or make them lucrative: compromise in materials or techniques used, shoddiness in workmanship or performance, short-cut methods, etc. These are resulting in loss of natural spontaneity, cultural authenticity, technological expertise and performance satisfaction, which, in turn, gradually leads to the degeneration and further abandonment of cultural activities. All this is affecting various fields of culture: musical forms and styles, musical instruments, dance forms, architectural styles, art forms, handicrafts, traditional crops, culinary items, etc... owever, the concept of Money as God has now changed all this. For perhaps the first time in [[History of India|India’s long history]], there is now no real official support for Indian culture. In the last decade or so, apparently coinciding with the advocacy and adoption of new policies of economic ‘reforms’, it is now passé for [[ভারত সরকার|governments]] to do anything concrete to protect, preserve, record or perpetuate India’s traditional culture, or even to aid and encourage individuals or organizations doing so. Institutions established in the post-Independence era are being literally starved for funds, or funds are being used for any purpose but to achieve the original aims and objectives, or, simply, the very aims and objectives of these institutions are being changed. In any case no new activities, except occasional pedestrian ‘cultural’ projects of a political nature, are being undertaken: the institutions are being slowly transformed from cultural to commercial institutions, in line with the ‘changing times’.<br>“Infinitely worse is what is happening to the detailed records of the research, documentation and collection undertaken by these institutions, in the not so distant past, to preserve, popularize and perpetuate different aspects of Indian culture. These archival records ¾ print, tape, film or actual physical objects ¾ are suddenly becoming an eyesore or an embarrassment, or simply a financial burden, to a cash-conscious leadership with a ‘reformist’ eye on the ‘globe’. A standard sequence now is as follows: state-funded [[জাদুঘর|museums]], [[গ্রন্থাগার]] and archives ¾ or at least the records in them ¾ slowly become rare or inaccessible, in different ways, to the (lay or scholarly) public eye. Often ‘constraints of space’ force the authorities to remove these records from their protected environments and dump them in ill-maintained godowns, to rot and decay, unseen and forgotten. And, occasionally, mysterious fires break out in the places which house these archives, destroying invaluable and irreplaceable records (including those pertaining to the golden age of Indian movies), then to be forgotten forever. All these events, coincidentally, make available valuable land and funds for more lucrative commercial purposes. The persons in authority are too busy saving or making money - for themselves, or, if they are to be believed, for the public coffers - to care. **S. Talageri, in (“Sita Ram Goel, memories and ideas”, in Koenraad Elst, ed.: India’s Only Communalist: In Commemoration of Sita Ram Goel, Voice of India, Delhi 2005, p.239-346) quoted from [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2016/07/cultural-policy-and-folk-art.html Review of "From the Personal Collection of KC Aryan. Unknown Masterpieces of Indian Folk & Tribal Art (KC Aryan’s Home of Folk Art, Gurgaon 2016, 301 pp., 635 illustrations). " presenting KC Aryan’s art collection, in (Law Animated World, Hyderabad, 16 July 2016)] ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[Category:Culture of India| ]] c0kcea0bzqg39qelu2ezwwshlayetwh 81858 81855 2026-04-28T06:18:40Z ARI 356 /* A */ ; অনুবাদ 81858 wikitext text/x-wiki '''[[ভারতের সংস্কৃতি]]''' অথবা '''ভারতীয় সংস্কৃতি''' অনেক সময় '''ভারতীয় সভ্যতা'''র সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি সামাজিক নিয়ম, নৈতিক মূল্যবোধ, প্রথাগত রীতিনীতি, বিশ্বাস ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, নিদর্শন এবং প্রযুক্তির এক ঐতিহ্য। এই বিষয়গুলো [[দক্ষিণ এশিয়া]]য় উদ্ভূত হয়েছে অথবা এই অঞ্চলের সাথে যুক্ত। == উক্তি == * "ভারত যে আধ্যাত্মিক লক্ষ্যকে তুলে ধরে, তা কি ইউরোপের ওপর প্রভাব ফেলবে এবং সেখানে পশ্চিমা সমাজের উপযোগী নতুন রূপ তৈরি করবে? নাকি ইউরোপীয় যুক্তিবাদ ও ভোগবাদ ভারতীয় সংস্কৃতির চিরতরে অবসান ঘটাবে? এটিই বর্তমানে একটি অত্যন্ত মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।" ** অরবিন্দ, দনিনো, এম., এবং নাহার, এস. (১৯৯৬) এর মধ্যে। দ্য ইনভেশন দ্যাট নেভার ওয়াজ (প্রথম সংস্করণ)। মাদার্স ইনস্টিটিউট অফ রিসার্চ অ্যান্ড মিরা অদিতি, মহীশূর, ভারত। * গ্রিকদের চেয়েও উচ্চাভিলাষী, সূক্ষ্ম, বহুমুখী, কৌতূহলী ও গভীর; রোমানদের চেয়েও মহান ও মানবিক; প্রাচীন মিশরীয়দের চেয়েও বিশাল ও আধ্যাত্মিক; অন্য যেকোনো এশীয় সভ্যতার চেয়েও ব্যাপক ও মৌলিক; এবং ১৮শ শতাব্দীর আগের ইউরোপীয়দের চেয়েও বেশি বুদ্ধিদীপ্ত ছিল এই সংস্কৃতি। এদের কাছে যা কিছু ছিল, তার সবকিছু এবং আরও অনেক বেশি সমৃদ্ধ এই সংস্কৃতি ছিল অতীত মানব সভ্যতার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী, আত্মনিয়ন্ত্রিত, উদ্দীপনামূলক এবং সুদূরপ্রসারী। ** [[অরবিন্দ ঘোষ]], {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=দ্য মেসেজ অ্যান্ড মিশন অব ইন্ডিয়া |তারিখ=১৯৬৪ |প্রকাশক=ভারতী বিদ্যা ভবন |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=AcRKAAAAMAAJ}} ** শ্রী অরবিন্দ, দ্য ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিয়ান কালচার (১৯৫৩), পৃষ্ঠা ৩১। * "আধ্যাত্মিকতাই হলো ভারতীয় মনের মূল চাবিকাঠি। ভারতের এই প্রবল আগ্রহই তার সংস্কৃতির সব বহিঃপ্রকাশের চরিত্র নির্ধারণ করে। প্রকৃতপক্ষে, তার জন্মগত আধ্যাত্মিক প্রবণতা থেকেই এই সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছে, যার এক স্বাভাবিক প্রকাশ হলো তার ধর্ম। ভারতীয় মন সব সময় উপলব্ধি করেছে যে পরম সত্তা অসীম। তারা দেখেছে যে প্রকৃতির মধ্যে থাকা আত্মার কাছে সেই অসীম সত্তা সব সময়ই অসীম বৈচিত্র্যের সাথে হাজির হতে পারে। পুরো মানবজাতির জন্য একটিমাত্র ধর্মের উগ্র এবং যুক্তিহীন ধারণা, অর্থাৎ একটিমাত্র গোঁড়ামি, উপাসনা পদ্ধতি, আচার-অনুষ্ঠান বা অনুশাসন সবাইকে মেনে নিতে বাধ্য করার যে উদ্ভট চেষ্টা যা আসলে অসহিষ্ণুতা, নিষ্ঠুরতা এবং অন্ধকারের জন্ম দেয় তা ভারতের মানসিকতায় কখনও শক্তভাবে জায়গা করে নিতে পারেনি।" ... "ভারত হলো ধর্মের মিলনস্থল এবং এর মধ্যে হিন্দুধর্ম নিজেই এক বিশাল ও জটিল বিষয়। এটি কেবল একটি ধর্ম নয়, বরং আধ্যাত্মিক চিন্তা, উপলব্ধি এবং আকাঙ্ক্ষার এক বৈচিত্র্যময় অথচ সূক্ষ্মভাবে ঐক্যবদ্ধ রূপ।" ** [[অরবিন্দ ঘোষ]]ের প্রতি আরোপিত, {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ইন্ডিয়া: ভিশন অ্যান্ড ফুলফিলমেন্ট |তারিখ=১৯৭২ |প্রকাশক=ডি. বি. তারাপোরেভালা সন্স |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=MKE5AQAAIAAJ |শেষ১=মিত্র |প্রথম১=শিশির কুমার |লেখকসংযোগ১=w:Sisir Kumar Mitra}} ** শ্রী অরবিন্দ, শ্রী অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া 'আর্য', আগস্ট ১৯১৮-নভেম্বর ১৯১৮ (১৯২০ সালে পর্যালোচিত ও সংশোধিত) এছাড়াও মিত্র, শিশিরকুমার দ্য ভিশন অফ ইন্ডিয়া নয়াদিল্লি: ক্রেস্ট পাবলিশিং হাউস, ১৯৯৪ পৃষ্ঠা ৫৩ - ৫৪, ঘোষ, অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া। আর্য পাবলিশিং হাউস কলকাতা। এ ডিফেন্স অফ ইন্ডিয়ান কালচার। ==B== *The unique feature of India's contacts and relationship with other countries and peoples of the world is that the cultural expansion was never confused with [[Colonialism|colonial domination]] and commercial dynamism, far less [[অর্থনীতি|economic]] exploitation. That culture can advance without political motives, that [[trade]] can proceed without [[Imperialism|imperialist]] designs, settlements can take place without colonial excesses, and that literature, [[ধর্ম]] and [[ভাষা]] can be transported without [[xenophobia]], [[jingoism]] and [[race]] complexes are amply evidenced from the history of India's contact with her neighbors…Thus although a considerable part of central and south-eastern Asia became flourishing centers of Indian culture, they were seldom subject to the regime of any Indian king or conquerors and hardly witnessed the horrors and havocs of any [[Military history of India|Indian military campaign]]. They were perfectly free, politically and economically, and their people, representing an integration of Indian and indigenous elements, had no links with any Indian state and looked upon India as a holy land rather than a motherland – a land of pilgrimage and not an area of jurisdiction. **Arun Bhattacharjee's Greater India, quoted from Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. * In A Cultural History of India , [[Arthur Llewellyn Basham|A.L. Basham]] notes that '[by] the fifth century ce, Indianized states, that is to say states organized along the traditional lines of [[Politics of India|Indian political theory]] and following the [[বৌদ্ধধর্ম|Buddhist]] or [[হিন্দুধর্ম|Hindu religions]], had established themselves in many regions of [[মিয়ানমার]], [[Thailand]], Indo-China, [[মালয়েশিয়া]], and [[ইন্দোনেশিয়া]]'. **quoted from Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. ==D== * It is true that even across the [[হিমালয়|Himalayan]] barrier India has sent to us such questionable gifts as [[grammar]] and [[logic]], [[Indian philosophy|philosophy]] and [[Panchatantra|fables]], [[hypnotism]] and [[দাবা]], and above all our [[Number|numerals]] and our decimal system. But these are not the essence of her spirit; they are trifles compared to what we may learn from her in the future. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] * Perhaps in return for conquest, arrogance and spoliation, India will teach us the tolerance and gentleness of the mature mind, the quiet content of the unacquisitive soul, the calm of the understanding spirit, and a unifying, a pacifying love for all living things. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] * India was the motherland of our race, and Sanskrit the mother of [[Indo-European languages|Europe's languages]]: she was the mother of our philosophy; mother, through the [[Arabs]], of much of our [[গণিত]]; mother, through the [[গৌতম বুদ্ধ|Buddha]], of the ideals embodied in [[খ্রিস্টধর্ম]]; mother, through the village community, of self-government and democracy. Mother India is in many ways the mother of us all. Nothing should more deeply shame the modern student than the recency and inadequacy of his acquaintance with India....This is the India that patient scholarship is now opening up like a new intellectual continent to that Western mind which only yesterday thought civilization an exclusive Western thing. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] * "As flowing rivers disappear in the sea, losing their name and form, thus a wise man, freed from name and form, goes to the divine person who is beyond all." Such a theory of life and death will not please Western man, whose religion is as permeated with [[individualism]] as are his political and economic institutions. But it has satisfied the philosophical Hindu mind with astonishing continuity. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] * Even in [[ইউরোপ]] and [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|America]], this wistful [[theosophy]] has won millions upon millions of followers, from lonely women and tired men to [[Arthur Schopenhauer|Schopenhauer]] and [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন|Emerson]]. Who would have thought that the great American philosopher of individualism would give perfect expression to the Hindu conviction in his poem 'Brahma', that individuality is a delusion? **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] *They are the oldest extant philosophy and [[psychology]] of our race; the surprisingly subtle and patient effort of man to understand the mind and the world, and their relation. The [[উপনিষদ]] are as old as [[হোমার]], and as modem as [[ইমানুয়েল কান্ট|Kant]]. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] ==E== [[File:Sri Krishna (Miniature Painting, Kashmir School, 19th century).jpg|thumb|The Indian teaching, through its clouds of legends, has yet a simple and grand religion, like a queenly countenance seen through a rich veil. It teaches to speak truth, love others, and to dispose trifles. The East is grand—and makes Europe appear the land of trifles … All is soul and the soul is the Almighty. ~ [[Ralph Waldo Emerson]]]] * Let me confess that I cannot share the confidence in the superiority of Europeans and their ways which is prevalent in the West. European civilization is not satisfying and [[এশিয়া]] can still offer something more attractive to many who are far from Asiatic in spirit. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'', p. 41 * I do not think that [[খ্রিস্টধর্ম]] will ever make much progress in Asia, for what is commonly known by that name is not the teaching of [[Christ]] but a rearrangement of it made in Europe and like most European institutions practical rather than thoughtful. And as for the teaching of Christ himself, the Indian finds it excellent but not ample or satisfying. There is little in it which cannot be found in some of the many scriptures of Hinduism..." **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' * The claim of India to the attention of the world is that she, more than any other nation since history began, has devoted herself to contemplating the ultimate mysteries of existence and, in my eyes, the fact that Indian thought diverges widely from our own popular thought is a positive merit. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' * Hinduism has not been made, but has grown. It is a jungle, not a building. It is a living example of a great national [[পৌত্তলিকতাবাদ]] such as might have existed in Europe if [[Early Christianity|Christianity]] had not become the state religion of the [[Roman Empire]], if there had remained an incongruous jumble of old local [[কুসংস্কার|superstitions]], Greek philosophy, and oriental cults such as the worship of [[w:Sarapis|Sarapis]] or Mitras. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]] ,''Philosophy and the Self: East and West'' * Compared to Islam and Christianity, Hinduism’s doctrines are extraordinarily fluid, and multiform. India deals in images and metaphors. Restless, subtle and argumentative as Hindu thought is, it is less prone than European theology to the vice of distorting transcendental ideas by too stringent definition. It adumbrates the indescribable by metaphors and figures. It is not afraid of inconsistencies which may illustrate different aspects of the infinite, but it rarely tries to cramp the divine within the limits of a logical phrase. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' * The Hindu has an extraordinary power of combining dogma and free thought, uniformity, and variety. Utmost latitude of interpretation is allowed. In all ages Hindus have been passionately devoted to speculation. It is also to point out that from the Upanishads down to the writings of [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] in the present day [[Indian literature|literature]] from time to time enunciates the idea that the whole [[মহাবিশ্ব]] is the manifestation of some exuberant force giving expression to itself in joyous movement. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' *The Indian teaching, through its clouds of legends, has yet a simple and grand religion, like a queenly countenance seen through a rich veil. It teaches to speak truth, love others, and to dispose trifles. The East is grand—and makes Europe appear the land of trifles … All is soul and the soul is the Almighty. **Ralph Waldo Emerson. source: The West Looks at India, Krishnanand Joshi. Quoted from Gewali, Salil (2013). Great Minds on India. New Delhi: Penguin Random House. ==G== * In actual life, it is impossible to separate us into two nations. We are not two nations. Every [[ভারতে ইসলাম|Moslem]] will have a [[হিন্দু]] name if he goes back far enough in his family history. Every [[মুসলমান|Moslem]] is merely a Hindu who has accepted [[ইসলাম]]. That does not create nationality. … We in India have a common culture. In the North, [[হিন্দি ভাষা]] and [[উর্দু]] are understood by both Hindus and Moslems. In [[Madras]], Hindus and Moslems speak [[Tamil language|Tamil]], and in [[বঙ্গ]], they both speak [[বাংলা ভাষা|Bengali]] and neither Hindi nor Urdu. When [[সাম্প্রদায়িকতা|communal]] riots take place, they are always provoked by incidents over cows and by religious processions. That means that it is our [[কুসংস্কার|superstitions]] that create the trouble and not our separate [[জাতি|nationalities]]. ** [[মহাত্মা গান্ধী]], Conversations with Louis Fischer, June 6, 1942, in Louis Fischer, ''A Week with Gandhi'', pp. 45-46. *Before long, I read my first book on [[হিন্দু]] philosophy. It was like a blow to my solar plexus; it jarred me awake. Here, at last, was what I sought. Instead of an object of dispute and often ridicule, here, reincarnation was taken for granted. The teachings were logical, unsentimental, yet filled with the spirit of non-harmfulness, compassion, understanding, love. **[[Nina Graboi]] ''One Foot in the Future: A Woman's Spiritual Journey'' (2000), chapter nineteen ==H== * The notion of a single Hindu culture, incommensurable with [[ইসলাম]] or western epistemes and forms of organization, is the real fiction at work here, imposed by [[orientalism]] and painstakingly promulgated, organized, and reformulated by generation of [[Hindu nationalists]] and other {{W|Indian nationalists}} for more than a century. [...] In order to understand Hindu nationalism we need to analyze carefully the [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা|official secularism]] it opposed. Textbook versions of [[ধর্মনিরপেক্ষতা]] as the absence of [[Religion in India|religion]] from the public sphere, or a more fashionable understanding of secularism as a metonym of scientific rationalism, will not suffice. We need to take a closer and more informed look at the practices and meanings of secularism in the public culture of independent India. The dominant interpretation of secularism in India did not entail the removal of religion from the political sphere, but rather the belief that religion and culture were elevated to an ostensibly apolitical level, above the profanities of the political. This institutionalized notion of culture and religion as apolitical, and the derived notion of selfless "social work" as ennobling and purifying by virtue of its elevation above politics and money, provided an unassailable moral high ground to a certain genre of "antipolitical activism," conspicuous among social and cultural organization but also often invoked in agitations and in electoral politics in India. I submit that it was from this discursive field of "antipolitics" and "religious activism" that the Hindu nationalist movement, with great ingenuity, built its campaigns and organizational networks for decades. Like other forms of cultural nationalism, the Hindu nationalist movement always entertained a complex ambivalence vis-à-vis democracy and apprehension toward the "political vocation." The evolution of the movement, its organization, and its political strategies must be understood in the context of a constant negotiation and oscillation across the deep bifurcation in modern Indian political culture between a realm of "sublime" culture and realm of "profane" competitive politics. ** [[Thomas Blom Hansen]], {{বই উদ্ধৃতি |title=The Saffron Wave: Democracy and Hindu Nationalism in Modern India |date=1999 |publisher={{W|Princeton University Press}} |isbn=978-1-4008-2305-5 |page=11 |url=https://books.google.com/books?id=SAqn3OIGE54C&pg=PA11}} * The sparkling energy of India lies in Hinduism. Without the framework of Hindu belief India would fall apart. Without Hinduism India is not herself... Because Indian society has, like the Chinese, been a unitary one where science and religion have never been in conflict, there has been no basic split as has happened with our own Christian background. Our own antagonism between the two disciplines of [[theology]] and [[বিজ্ঞান]] has created chaos in our thinking and a curious dichotomy during the past two centuries. In India I found a thankful release from our restricted vision of the creation of God... Hinduism has remained in constant, replenished usage throughout this tremendous stretch of time, impervious to outside influence, as onward flowing as the imperturbable Ganga itself. Not even [[Muslim conquests in the Indian subcontinent|Moghul invasion]] and [[ভারতে ইসলাম|Muslim]] supremacy for 700 years, nor the arrival of the [[British Empire|British]], [[Dutch Empire|Dutch]], [[French Colonial Empire|French]] and [[পর্তুগিজ সাম্রাজ্য|Portuguese]] with their own civilization and standards, penetrated into the imperious core of this steadfast faith. Hindu thought took and absorbed according to its own will, folding itself inwards at the sense of approaching danger like some gigantic sea-anemone drawing up all its tentacles, only to stretch outwards and flourish when the danger was past. One continues to hope that this will remain so, that modern Indians will realize that this is their enviable strength despite all their understandable yearnings for the material advantages of [[technology]] which they have seen give power and monopoly of advantage to the Western world. But their quality of synthesis, of intelligent absorption, may still save them from the sterility of urban life and the monotonous obsession with quantity and things, rather than with quality and life-perspective. **(source: The Music of India - By Peggy Holroyde p. 44-52). ==M== *Judged by a similar standard, the patronage and cultivation of Hindu learning by the Muslims, or their contribution to the development of Hindu culture during their rule . . . pales into insignificance when compared with the achievements of the [[British Raj|British rule]]... It is only by instituting such comparison that we can make an objective study of the condition of the Hindus under Muslim rule, and view it in its true perspective. **R. C. Majumdar, ed., The History and Culture of the Indian People, vol. 6, The Delhi Sultanate (London: G. Allen & Unwin, 1952), p. 623. quoted in Ibn Warraq, Why the West is the best, "India under the Arabs and the British". also quoted in Bostom, A. G. M. D., & Bostom, A. G. (2010). The Legacy of Jihad: Islamic Holy War and the Fate of Non-Muslims. Amherst: Prometheus. *From at least the beginning of the Common Era until about the thirteenth century, Sanskrit was the primary linguistic and cultural medium for the ruling and administrative circles from Purushapura ([[Peshawar]]) in Gandhara (Afghanistan and parts of Pakistan) to as far eat as Pandurang in Annam ([[South Vietnam]]) and Prambanam in Central Java. It influenced much of Asia for more than a thousand years. Sanskriti was neither imposed by an imperial power nor sustained by any centrally organized Church ecclesiology. Thus, it has been both the result and cause of a cultural consciousness shared by most South and South-east Asians regardless of religion, class or gender. Centuries prior to the Europeanization of the globe, the entire arc – from [[এশিয়া]] through [[আফগানিস্তান]], India, [[শ্রীলঙ্কা]], [[Thailand]], [[কম্বোডিয়া]], [[Vietnam]] and all the way to [[ইন্দোনেশিয়া]] – was a crucible of a sophisticated Pan-Asian civilization... However, unlike the violent spread of the [[Roman Civilization|Roman civilization]] which made [[Latin]] the European language for centuries, the Sanskritization of Asia was entirely peaceful, without conquest, domination, or subversion of local identities. This is not to say that political disputes and wars of conquest never occurred, but in most instances, the motive was not the imposition of cultural or religious homogeneity. ** Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. ==Q== *India made, more loudly than anyone, what we might call the “declaration of the rights of the Being.” There, in this divine self, in this society of the infinite with itself, lies clearly the foundation, the root of all life and all history. **Edgar Quinet in Jean Biès, Littérature française et pensée hindoue des origines à 1950 in India’s Impact on French Thought and Literature: Eighteenth to Twentieth Century by Michel Danino (Published in Critical Practice, X:2, June 2003, pp. 46-56) ==T== * '''Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speech, grandmother of [[পুরাণবিদ্যা|legend]], great grandmother of [[tradition]]. The land that all men desire to see and having seen once even by a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined.''' **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'', p. 113 * It is a good and gentle religion, but inconvenient. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * India had the start of the whole world in the beginning of things. She had the first civilization; she had the first accumulation of material wealth; she was populous with deep thinkers and subtle intellects; she had mines, and woods, and a fruitful soul. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * Our most valuable and most instructive materials in the history of man are treasured up in India. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * "Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speak, grandmother of legacy, great grandmother of tradition. The land that all men desire to see and having seen once even a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined." **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' *Years earlier, the British historian [[Arnold Toynbee|A.J. Toynbee]] remarked: 'India is the central link in a chain of regional civilizations that extends from [[জাপান]] in the far north-east to [[আয়ারল্যান্ড]] in the far northwest. Between these two extremities the chain sags down southwards in a festoon that dips below the Equator in Indonesia.' **quoted from Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. *[[পুঁজিবাদ]], or the ideology of the unbridled pursuit of [[wealth]], is destroying culture on an unbridled scale... countless cultural activities, seen to be non-lucrative or less lucrative, are being abandoned all over the country. Others are being severely compromised in order to keep or make them lucrative: compromise in materials or techniques used, shoddiness in workmanship or performance, short-cut methods, etc. These are resulting in loss of natural spontaneity, cultural authenticity, technological expertise and performance satisfaction, which, in turn, gradually leads to the degeneration and further abandonment of cultural activities. All this is affecting various fields of culture: musical forms and styles, musical instruments, dance forms, architectural styles, art forms, handicrafts, traditional crops, culinary items, etc... owever, the concept of Money as God has now changed all this. For perhaps the first time in [[History of India|India’s long history]], there is now no real official support for Indian culture. In the last decade or so, apparently coinciding with the advocacy and adoption of new policies of economic ‘reforms’, it is now passé for [[ভারত সরকার|governments]] to do anything concrete to protect, preserve, record or perpetuate India’s traditional culture, or even to aid and encourage individuals or organizations doing so. Institutions established in the post-Independence era are being literally starved for funds, or funds are being used for any purpose but to achieve the original aims and objectives, or, simply, the very aims and objectives of these institutions are being changed. In any case no new activities, except occasional pedestrian ‘cultural’ projects of a political nature, are being undertaken: the institutions are being slowly transformed from cultural to commercial institutions, in line with the ‘changing times’.<br>“Infinitely worse is what is happening to the detailed records of the research, documentation and collection undertaken by these institutions, in the not so distant past, to preserve, popularize and perpetuate different aspects of Indian culture. These archival records ¾ print, tape, film or actual physical objects ¾ are suddenly becoming an eyesore or an embarrassment, or simply a financial burden, to a cash-conscious leadership with a ‘reformist’ eye on the ‘globe’. A standard sequence now is as follows: state-funded [[জাদুঘর|museums]], [[গ্রন্থাগার]] and archives ¾ or at least the records in them ¾ slowly become rare or inaccessible, in different ways, to the (lay or scholarly) public eye. Often ‘constraints of space’ force the authorities to remove these records from their protected environments and dump them in ill-maintained godowns, to rot and decay, unseen and forgotten. And, occasionally, mysterious fires break out in the places which house these archives, destroying invaluable and irreplaceable records (including those pertaining to the golden age of Indian movies), then to be forgotten forever. All these events, coincidentally, make available valuable land and funds for more lucrative commercial purposes. The persons in authority are too busy saving or making money - for themselves, or, if they are to be believed, for the public coffers - to care. **S. Talageri, in (“Sita Ram Goel, memories and ideas”, in Koenraad Elst, ed.: India’s Only Communalist: In Commemoration of Sita Ram Goel, Voice of India, Delhi 2005, p.239-346) quoted from [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2016/07/cultural-policy-and-folk-art.html Review of "From the Personal Collection of KC Aryan. Unknown Masterpieces of Indian Folk & Tribal Art (KC Aryan’s Home of Folk Art, Gurgaon 2016, 301 pp., 635 illustrations). " presenting KC Aryan’s art collection, in (Law Animated World, Hyderabad, 16 July 2016)] ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[Category:Culture of India| ]] o744cw093vwn9ejwigvil0fhl3gbzw0 81859 81858 2026-04-28T06:25:53Z ARI 356 /* B */ ; অনুবাদ 81859 wikitext text/x-wiki '''[[ভারতের সংস্কৃতি]]''' অথবা '''ভারতীয় সংস্কৃতি''' অনেক সময় '''ভারতীয় সভ্যতা'''র সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি সামাজিক নিয়ম, নৈতিক মূল্যবোধ, প্রথাগত রীতিনীতি, বিশ্বাস ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, নিদর্শন এবং প্রযুক্তির এক ঐতিহ্য। এই বিষয়গুলো [[দক্ষিণ এশিয়া]]য় উদ্ভূত হয়েছে অথবা এই অঞ্চলের সাথে যুক্ত। == উক্তি == * "ভারত যে আধ্যাত্মিক লক্ষ্যকে তুলে ধরে, তা কি ইউরোপের ওপর প্রভাব ফেলবে এবং সেখানে পশ্চিমা সমাজের উপযোগী নতুন রূপ তৈরি করবে? নাকি ইউরোপীয় যুক্তিবাদ ও ভোগবাদ ভারতীয় সংস্কৃতির চিরতরে অবসান ঘটাবে? এটিই বর্তমানে একটি অত্যন্ত মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।" ** অরবিন্দ, দনিনো, এম., এবং নাহার, এস. (১৯৯৬) এর মধ্যে। দ্য ইনভেশন দ্যাট নেভার ওয়াজ (প্রথম সংস্করণ)। মাদার্স ইনস্টিটিউট অফ রিসার্চ অ্যান্ড মিরা অদিতি, মহীশূর, ভারত। * গ্রিকদের চেয়েও উচ্চাভিলাষী, সূক্ষ্ম, বহুমুখী, কৌতূহলী ও গভীর; রোমানদের চেয়েও মহান ও মানবিক; প্রাচীন মিশরীয়দের চেয়েও বিশাল ও আধ্যাত্মিক; অন্য যেকোনো এশীয় সভ্যতার চেয়েও ব্যাপক ও মৌলিক; এবং ১৮শ শতাব্দীর আগের ইউরোপীয়দের চেয়েও বেশি বুদ্ধিদীপ্ত ছিল এই সংস্কৃতি। এদের কাছে যা কিছু ছিল, তার সবকিছু এবং আরও অনেক বেশি সমৃদ্ধ এই সংস্কৃতি ছিল অতীত মানব সভ্যতার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী, আত্মনিয়ন্ত্রিত, উদ্দীপনামূলক এবং সুদূরপ্রসারী। ** [[অরবিন্দ ঘোষ]], {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=দ্য মেসেজ অ্যান্ড মিশন অব ইন্ডিয়া |তারিখ=১৯৬৪ |প্রকাশক=ভারতী বিদ্যা ভবন |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=AcRKAAAAMAAJ}} ** শ্রী অরবিন্দ, দ্য ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিয়ান কালচার (১৯৫৩), পৃষ্ঠা ৩১। * "আধ্যাত্মিকতাই হলো ভারতীয় মনের মূল চাবিকাঠি। ভারতের এই প্রবল আগ্রহই তার সংস্কৃতির সব বহিঃপ্রকাশের চরিত্র নির্ধারণ করে। প্রকৃতপক্ষে, তার জন্মগত আধ্যাত্মিক প্রবণতা থেকেই এই সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছে, যার এক স্বাভাবিক প্রকাশ হলো তার ধর্ম। ভারতীয় মন সব সময় উপলব্ধি করেছে যে পরম সত্তা অসীম। তারা দেখেছে যে প্রকৃতির মধ্যে থাকা আত্মার কাছে সেই অসীম সত্তা সব সময়ই অসীম বৈচিত্র্যের সাথে হাজির হতে পারে। পুরো মানবজাতির জন্য একটিমাত্র ধর্মের উগ্র এবং যুক্তিহীন ধারণা, অর্থাৎ একটিমাত্র গোঁড়ামি, উপাসনা পদ্ধতি, আচার-অনুষ্ঠান বা অনুশাসন সবাইকে মেনে নিতে বাধ্য করার যে উদ্ভট চেষ্টা যা আসলে অসহিষ্ণুতা, নিষ্ঠুরতা এবং অন্ধকারের জন্ম দেয় তা ভারতের মানসিকতায় কখনও শক্তভাবে জায়গা করে নিতে পারেনি।" ... "ভারত হলো ধর্মের মিলনস্থল এবং এর মধ্যে হিন্দুধর্ম নিজেই এক বিশাল ও জটিল বিষয়। এটি কেবল একটি ধর্ম নয়, বরং আধ্যাত্মিক চিন্তা, উপলব্ধি এবং আকাঙ্ক্ষার এক বৈচিত্র্যময় অথচ সূক্ষ্মভাবে ঐক্যবদ্ধ রূপ।" ** [[অরবিন্দ ঘোষ]]ের প্রতি আরোপিত, {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ইন্ডিয়া: ভিশন অ্যান্ড ফুলফিলমেন্ট |তারিখ=১৯৭২ |প্রকাশক=ডি. বি. তারাপোরেভালা সন্স |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=MKE5AQAAIAAJ |শেষ১=মিত্র |প্রথম১=শিশির কুমার |লেখকসংযোগ১=w:Sisir Kumar Mitra}} ** শ্রী অরবিন্দ, শ্রী অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া 'আর্য', আগস্ট ১৯১৮-নভেম্বর ১৯১৮ (১৯২০ সালে পর্যালোচিত ও সংশোধিত) এছাড়াও মিত্র, শিশিরকুমার দ্য ভিশন অফ ইন্ডিয়া নয়াদিল্লি: ক্রেস্ট পাবলিশিং হাউস, ১৯৯৪ পৃষ্ঠা ৫৩ - ৫৪, ঘোষ, অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া। আর্য পাবলিশিং হাউস কলকাতা। এ ডিফেন্স অফ ইন্ডিয়ান কালচার। * বিশ্বের অন্যান্য দেশ ও জাতির সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ ও সম্পর্কের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো এই যে, এখানে সাংস্কৃতিক বিস্তারকে কখনোই ঔপনিবেশিক আধিপত্য এবং বাণিজ্যিক সক্রিয়তার সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়নি, আর অর্থনৈতিক শোষণ তো অনেক পরের কথা। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছাড়াও যে সংস্কৃতির বিকাশ হতে পারে, সাম্রাজ্যবাদী পরিকল্পনা ছাড়াই বাণিজ্য চলতে পারে, ঔপনিবেশিক বাড়াবাড়ি ছাড়াই জনবসতি গড়ে উঠতে পারে এবং সাহিত্য, [[ধর্ম]] ও [[ভাষা]] যে বিদেশি-বিদ্বেষ, উগ্র জাতীয়তাবাদ বা বর্ণবিদ্বেষ ছাড়াই ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব, তার যথেষ্ট প্রমাণ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ইতিহাসে পাওয়া যায়... এইভাবে যদিও মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি বড় অংশ ভারতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধ কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল, তবুও তারা খুব কমই কোনো ভারতীয় রাজা বা বিজয়ীর শাসনাধীন ছিল। তারা ভারতীয় সামরিক অভিযানের ভয়াবহতা ও ধ্বংসলীলা খুব একটা দেখেনি। তারা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ স্বাধীন ছিল এবং তাদের জনগণ ছিল ভারতীয় ও স্থানীয় উপাদানের এক সংমিশ্রণ। ভারতীয় কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো যোগসূত্র ছিল না এবং তারা ভারতকে জন্মভূমির চেয়ে বরং একটি পবিত্র ভূমি হিসেবে দেখত। এটি ছিল তাদের কাছে একটি তীর্থস্থান, কোনো শাসনভুক্ত এলাকা নয়। ** অরুণ ভট্টাচার্যের গ্রেটার ইন্ডিয়া, মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এ কালচারাল হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে এ. এল. ব্যাশাম উল্লেখ করেছেন যে, 'খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীর মধ্যে ভারতীয়করণ হওয়া রাষ্ট্রগুলো, অর্থাৎ ভারতীয় রাজনৈতিক তত্ত্বের প্রথাগত ধারা অনুযায়ী গঠিত এবং বৌদ্ধ বা হিন্দু ধর্ম অনুসরণকারী রাষ্ট্রগুলো [[মিয়ানমার]], থাইল্যান্ড, ইন্দো-চায়না, [[মালয়েশিয়া]] এবং [[ইন্দোনেশিয়া]]র অনেক অঞ্চলে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল'। ** মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। ==D== * It is true that even across the [[হিমালয়|Himalayan]] barrier India has sent to us such questionable gifts as [[grammar]] and [[logic]], [[Indian philosophy|philosophy]] and [[Panchatantra|fables]], [[hypnotism]] and [[দাবা]], and above all our [[Number|numerals]] and our decimal system. But these are not the essence of her spirit; they are trifles compared to what we may learn from her in the future. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] * Perhaps in return for conquest, arrogance and spoliation, India will teach us the tolerance and gentleness of the mature mind, the quiet content of the unacquisitive soul, the calm of the understanding spirit, and a unifying, a pacifying love for all living things. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] * India was the motherland of our race, and Sanskrit the mother of [[Indo-European languages|Europe's languages]]: she was the mother of our philosophy; mother, through the [[Arabs]], of much of our [[গণিত]]; mother, through the [[গৌতম বুদ্ধ|Buddha]], of the ideals embodied in [[খ্রিস্টধর্ম]]; mother, through the village community, of self-government and democracy. Mother India is in many ways the mother of us all. Nothing should more deeply shame the modern student than the recency and inadequacy of his acquaintance with India....This is the India that patient scholarship is now opening up like a new intellectual continent to that Western mind which only yesterday thought civilization an exclusive Western thing. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] * "As flowing rivers disappear in the sea, losing their name and form, thus a wise man, freed from name and form, goes to the divine person who is beyond all." Such a theory of life and death will not please Western man, whose religion is as permeated with [[individualism]] as are his political and economic institutions. But it has satisfied the philosophical Hindu mind with astonishing continuity. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] * Even in [[ইউরোপ]] and [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|America]], this wistful [[theosophy]] has won millions upon millions of followers, from lonely women and tired men to [[Arthur Schopenhauer|Schopenhauer]] and [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন|Emerson]]. Who would have thought that the great American philosopher of individualism would give perfect expression to the Hindu conviction in his poem 'Brahma', that individuality is a delusion? **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] *They are the oldest extant philosophy and [[psychology]] of our race; the surprisingly subtle and patient effort of man to understand the mind and the world, and their relation. The [[উপনিষদ]] are as old as [[হোমার]], and as modem as [[ইমানুয়েল কান্ট|Kant]]. **[[Will Durant]], As Quoted and attributed in Londhe, S. (2008). [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ A tribute to Hinduism: Thoughts and wisdom spanning continents and time about India and her culture] ==E== [[File:Sri Krishna (Miniature Painting, Kashmir School, 19th century).jpg|thumb|The Indian teaching, through its clouds of legends, has yet a simple and grand religion, like a queenly countenance seen through a rich veil. It teaches to speak truth, love others, and to dispose trifles. The East is grand—and makes Europe appear the land of trifles … All is soul and the soul is the Almighty. ~ [[Ralph Waldo Emerson]]]] * Let me confess that I cannot share the confidence in the superiority of Europeans and their ways which is prevalent in the West. European civilization is not satisfying and [[এশিয়া]] can still offer something more attractive to many who are far from Asiatic in spirit. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'', p. 41 * I do not think that [[খ্রিস্টধর্ম]] will ever make much progress in Asia, for what is commonly known by that name is not the teaching of [[Christ]] but a rearrangement of it made in Europe and like most European institutions practical rather than thoughtful. And as for the teaching of Christ himself, the Indian finds it excellent but not ample or satisfying. There is little in it which cannot be found in some of the many scriptures of Hinduism..." **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' * The claim of India to the attention of the world is that she, more than any other nation since history began, has devoted herself to contemplating the ultimate mysteries of existence and, in my eyes, the fact that Indian thought diverges widely from our own popular thought is a positive merit. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' * Hinduism has not been made, but has grown. It is a jungle, not a building. It is a living example of a great national [[পৌত্তলিকতাবাদ]] such as might have existed in Europe if [[Early Christianity|Christianity]] had not become the state religion of the [[Roman Empire]], if there had remained an incongruous jumble of old local [[কুসংস্কার|superstitions]], Greek philosophy, and oriental cults such as the worship of [[w:Sarapis|Sarapis]] or Mitras. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]] ,''Philosophy and the Self: East and West'' * Compared to Islam and Christianity, Hinduism’s doctrines are extraordinarily fluid, and multiform. India deals in images and metaphors. Restless, subtle and argumentative as Hindu thought is, it is less prone than European theology to the vice of distorting transcendental ideas by too stringent definition. It adumbrates the indescribable by metaphors and figures. It is not afraid of inconsistencies which may illustrate different aspects of the infinite, but it rarely tries to cramp the divine within the limits of a logical phrase. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' * The Hindu has an extraordinary power of combining dogma and free thought, uniformity, and variety. Utmost latitude of interpretation is allowed. In all ages Hindus have been passionately devoted to speculation. It is also to point out that from the Upanishads down to the writings of [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] in the present day [[Indian literature|literature]] from time to time enunciates the idea that the whole [[মহাবিশ্ব]] is the manifestation of some exuberant force giving expression to itself in joyous movement. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' *The Indian teaching, through its clouds of legends, has yet a simple and grand religion, like a queenly countenance seen through a rich veil. It teaches to speak truth, love others, and to dispose trifles. The East is grand—and makes Europe appear the land of trifles … All is soul and the soul is the Almighty. **Ralph Waldo Emerson. source: The West Looks at India, Krishnanand Joshi. Quoted from Gewali, Salil (2013). Great Minds on India. New Delhi: Penguin Random House. ==G== * In actual life, it is impossible to separate us into two nations. We are not two nations. Every [[ভারতে ইসলাম|Moslem]] will have a [[হিন্দু]] name if he goes back far enough in his family history. Every [[মুসলমান|Moslem]] is merely a Hindu who has accepted [[ইসলাম]]. That does not create nationality. … We in India have a common culture. In the North, [[হিন্দি ভাষা]] and [[উর্দু]] are understood by both Hindus and Moslems. In [[Madras]], Hindus and Moslems speak [[Tamil language|Tamil]], and in [[বঙ্গ]], they both speak [[বাংলা ভাষা|Bengali]] and neither Hindi nor Urdu. When [[সাম্প্রদায়িকতা|communal]] riots take place, they are always provoked by incidents over cows and by religious processions. That means that it is our [[কুসংস্কার|superstitions]] that create the trouble and not our separate [[জাতি|nationalities]]. ** [[মহাত্মা গান্ধী]], Conversations with Louis Fischer, June 6, 1942, in Louis Fischer, ''A Week with Gandhi'', pp. 45-46. *Before long, I read my first book on [[হিন্দু]] philosophy. It was like a blow to my solar plexus; it jarred me awake. Here, at last, was what I sought. Instead of an object of dispute and often ridicule, here, reincarnation was taken for granted. The teachings were logical, unsentimental, yet filled with the spirit of non-harmfulness, compassion, understanding, love. **[[Nina Graboi]] ''One Foot in the Future: A Woman's Spiritual Journey'' (2000), chapter nineteen ==H== * The notion of a single Hindu culture, incommensurable with [[ইসলাম]] or western epistemes and forms of organization, is the real fiction at work here, imposed by [[orientalism]] and painstakingly promulgated, organized, and reformulated by generation of [[Hindu nationalists]] and other {{W|Indian nationalists}} for more than a century. [...] In order to understand Hindu nationalism we need to analyze carefully the [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা|official secularism]] it opposed. Textbook versions of [[ধর্মনিরপেক্ষতা]] as the absence of [[Religion in India|religion]] from the public sphere, or a more fashionable understanding of secularism as a metonym of scientific rationalism, will not suffice. We need to take a closer and more informed look at the practices and meanings of secularism in the public culture of independent India. The dominant interpretation of secularism in India did not entail the removal of religion from the political sphere, but rather the belief that religion and culture were elevated to an ostensibly apolitical level, above the profanities of the political. This institutionalized notion of culture and religion as apolitical, and the derived notion of selfless "social work" as ennobling and purifying by virtue of its elevation above politics and money, provided an unassailable moral high ground to a certain genre of "antipolitical activism," conspicuous among social and cultural organization but also often invoked in agitations and in electoral politics in India. I submit that it was from this discursive field of "antipolitics" and "religious activism" that the Hindu nationalist movement, with great ingenuity, built its campaigns and organizational networks for decades. Like other forms of cultural nationalism, the Hindu nationalist movement always entertained a complex ambivalence vis-à-vis democracy and apprehension toward the "political vocation." The evolution of the movement, its organization, and its political strategies must be understood in the context of a constant negotiation and oscillation across the deep bifurcation in modern Indian political culture between a realm of "sublime" culture and realm of "profane" competitive politics. ** [[Thomas Blom Hansen]], {{বই উদ্ধৃতি |title=The Saffron Wave: Democracy and Hindu Nationalism in Modern India |date=1999 |publisher={{W|Princeton University Press}} |isbn=978-1-4008-2305-5 |page=11 |url=https://books.google.com/books?id=SAqn3OIGE54C&pg=PA11}} * The sparkling energy of India lies in Hinduism. Without the framework of Hindu belief India would fall apart. Without Hinduism India is not herself... Because Indian society has, like the Chinese, been a unitary one where science and religion have never been in conflict, there has been no basic split as has happened with our own Christian background. Our own antagonism between the two disciplines of [[theology]] and [[বিজ্ঞান]] has created chaos in our thinking and a curious dichotomy during the past two centuries. In India I found a thankful release from our restricted vision of the creation of God... Hinduism has remained in constant, replenished usage throughout this tremendous stretch of time, impervious to outside influence, as onward flowing as the imperturbable Ganga itself. Not even [[Muslim conquests in the Indian subcontinent|Moghul invasion]] and [[ভারতে ইসলাম|Muslim]] supremacy for 700 years, nor the arrival of the [[British Empire|British]], [[Dutch Empire|Dutch]], [[French Colonial Empire|French]] and [[পর্তুগিজ সাম্রাজ্য|Portuguese]] with their own civilization and standards, penetrated into the imperious core of this steadfast faith. Hindu thought took and absorbed according to its own will, folding itself inwards at the sense of approaching danger like some gigantic sea-anemone drawing up all its tentacles, only to stretch outwards and flourish when the danger was past. One continues to hope that this will remain so, that modern Indians will realize that this is their enviable strength despite all their understandable yearnings for the material advantages of [[technology]] which they have seen give power and monopoly of advantage to the Western world. But their quality of synthesis, of intelligent absorption, may still save them from the sterility of urban life and the monotonous obsession with quantity and things, rather than with quality and life-perspective. **(source: The Music of India - By Peggy Holroyde p. 44-52). ==M== *Judged by a similar standard, the patronage and cultivation of Hindu learning by the Muslims, or their contribution to the development of Hindu culture during their rule . . . pales into insignificance when compared with the achievements of the [[British Raj|British rule]]... It is only by instituting such comparison that we can make an objective study of the condition of the Hindus under Muslim rule, and view it in its true perspective. **R. C. Majumdar, ed., The History and Culture of the Indian People, vol. 6, The Delhi Sultanate (London: G. Allen & Unwin, 1952), p. 623. quoted in Ibn Warraq, Why the West is the best, "India under the Arabs and the British". also quoted in Bostom, A. G. M. D., & Bostom, A. G. (2010). The Legacy of Jihad: Islamic Holy War and the Fate of Non-Muslims. Amherst: Prometheus. *From at least the beginning of the Common Era until about the thirteenth century, Sanskrit was the primary linguistic and cultural medium for the ruling and administrative circles from Purushapura ([[Peshawar]]) in Gandhara (Afghanistan and parts of Pakistan) to as far eat as Pandurang in Annam ([[South Vietnam]]) and Prambanam in Central Java. It influenced much of Asia for more than a thousand years. Sanskriti was neither imposed by an imperial power nor sustained by any centrally organized Church ecclesiology. Thus, it has been both the result and cause of a cultural consciousness shared by most South and South-east Asians regardless of religion, class or gender. Centuries prior to the Europeanization of the globe, the entire arc – from [[এশিয়া]] through [[আফগানিস্তান]], India, [[শ্রীলঙ্কা]], [[Thailand]], [[কম্বোডিয়া]], [[Vietnam]] and all the way to [[ইন্দোনেশিয়া]] – was a crucible of a sophisticated Pan-Asian civilization... However, unlike the violent spread of the [[Roman Civilization|Roman civilization]] which made [[Latin]] the European language for centuries, the Sanskritization of Asia was entirely peaceful, without conquest, domination, or subversion of local identities. This is not to say that political disputes and wars of conquest never occurred, but in most instances, the motive was not the imposition of cultural or religious homogeneity. ** Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. ==Q== *India made, more loudly than anyone, what we might call the “declaration of the rights of the Being.” There, in this divine self, in this society of the infinite with itself, lies clearly the foundation, the root of all life and all history. **Edgar Quinet in Jean Biès, Littérature française et pensée hindoue des origines à 1950 in India’s Impact on French Thought and Literature: Eighteenth to Twentieth Century by Michel Danino (Published in Critical Practice, X:2, June 2003, pp. 46-56) ==T== * '''Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speech, grandmother of [[পুরাণবিদ্যা|legend]], great grandmother of [[tradition]]. The land that all men desire to see and having seen once even by a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined.''' **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'', p. 113 * It is a good and gentle religion, but inconvenient. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * India had the start of the whole world in the beginning of things. She had the first civilization; she had the first accumulation of material wealth; she was populous with deep thinkers and subtle intellects; she had mines, and woods, and a fruitful soul. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * Our most valuable and most instructive materials in the history of man are treasured up in India. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * "Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speak, grandmother of legacy, great grandmother of tradition. The land that all men desire to see and having seen once even a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined." **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' *Years earlier, the British historian [[Arnold Toynbee|A.J. Toynbee]] remarked: 'India is the central link in a chain of regional civilizations that extends from [[জাপান]] in the far north-east to [[আয়ারল্যান্ড]] in the far northwest. Between these two extremities the chain sags down southwards in a festoon that dips below the Equator in Indonesia.' **quoted from Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. *[[পুঁজিবাদ]], or the ideology of the unbridled pursuit of [[wealth]], is destroying culture on an unbridled scale... countless cultural activities, seen to be non-lucrative or less lucrative, are being abandoned all over the country. Others are being severely compromised in order to keep or make them lucrative: compromise in materials or techniques used, shoddiness in workmanship or performance, short-cut methods, etc. These are resulting in loss of natural spontaneity, cultural authenticity, technological expertise and performance satisfaction, which, in turn, gradually leads to the degeneration and further abandonment of cultural activities. All this is affecting various fields of culture: musical forms and styles, musical instruments, dance forms, architectural styles, art forms, handicrafts, traditional crops, culinary items, etc... owever, the concept of Money as God has now changed all this. For perhaps the first time in [[History of India|India’s long history]], there is now no real official support for Indian culture. In the last decade or so, apparently coinciding with the advocacy and adoption of new policies of economic ‘reforms’, it is now passé for [[ভারত সরকার|governments]] to do anything concrete to protect, preserve, record or perpetuate India’s traditional culture, or even to aid and encourage individuals or organizations doing so. Institutions established in the post-Independence era are being literally starved for funds, or funds are being used for any purpose but to achieve the original aims and objectives, or, simply, the very aims and objectives of these institutions are being changed. In any case no new activities, except occasional pedestrian ‘cultural’ projects of a political nature, are being undertaken: the institutions are being slowly transformed from cultural to commercial institutions, in line with the ‘changing times’.<br>“Infinitely worse is what is happening to the detailed records of the research, documentation and collection undertaken by these institutions, in the not so distant past, to preserve, popularize and perpetuate different aspects of Indian culture. These archival records ¾ print, tape, film or actual physical objects ¾ are suddenly becoming an eyesore or an embarrassment, or simply a financial burden, to a cash-conscious leadership with a ‘reformist’ eye on the ‘globe’. A standard sequence now is as follows: state-funded [[জাদুঘর|museums]], [[গ্রন্থাগার]] and archives ¾ or at least the records in them ¾ slowly become rare or inaccessible, in different ways, to the (lay or scholarly) public eye. Often ‘constraints of space’ force the authorities to remove these records from their protected environments and dump them in ill-maintained godowns, to rot and decay, unseen and forgotten. And, occasionally, mysterious fires break out in the places which house these archives, destroying invaluable and irreplaceable records (including those pertaining to the golden age of Indian movies), then to be forgotten forever. All these events, coincidentally, make available valuable land and funds for more lucrative commercial purposes. The persons in authority are too busy saving or making money - for themselves, or, if they are to be believed, for the public coffers - to care. **S. Talageri, in (“Sita Ram Goel, memories and ideas”, in Koenraad Elst, ed.: India’s Only Communalist: In Commemoration of Sita Ram Goel, Voice of India, Delhi 2005, p.239-346) quoted from [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2016/07/cultural-policy-and-folk-art.html Review of "From the Personal Collection of KC Aryan. Unknown Masterpieces of Indian Folk & Tribal Art (KC Aryan’s Home of Folk Art, Gurgaon 2016, 301 pp., 635 illustrations). " presenting KC Aryan’s art collection, in (Law Animated World, Hyderabad, 16 July 2016)] ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[Category:Culture of India| ]] o8551cuppaw3i8kzn2tpkkb5p07tn4w 81924 81859 2026-04-28T11:27:28Z ARI 356 /* D */ ; অনুবাদ 81924 wikitext text/x-wiki '''[[ভারতের সংস্কৃতি]]''' অথবা '''ভারতীয় সংস্কৃতি''' অনেক সময় '''ভারতীয় সভ্যতা'''র সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি সামাজিক নিয়ম, নৈতিক মূল্যবোধ, প্রথাগত রীতিনীতি, বিশ্বাস ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, নিদর্শন এবং প্রযুক্তির এক ঐতিহ্য। এই বিষয়গুলো [[দক্ষিণ এশিয়া]]য় উদ্ভূত হয়েছে অথবা এই অঞ্চলের সাথে যুক্ত। == উক্তি == * "ভারত যে আধ্যাত্মিক লক্ষ্যকে তুলে ধরে, তা কি ইউরোপের ওপর প্রভাব ফেলবে এবং সেখানে পশ্চিমা সমাজের উপযোগী নতুন রূপ তৈরি করবে? নাকি ইউরোপীয় যুক্তিবাদ ও ভোগবাদ ভারতীয় সংস্কৃতির চিরতরে অবসান ঘটাবে? এটিই বর্তমানে একটি অত্যন্ত মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।" ** অরবিন্দ, দনিনো, এম., এবং নাহার, এস. (১৯৯৬) এর মধ্যে। দ্য ইনভেশন দ্যাট নেভার ওয়াজ (প্রথম সংস্করণ)। মাদার্স ইনস্টিটিউট অফ রিসার্চ অ্যান্ড মিরা অদিতি, মহীশূর, ভারত। * গ্রিকদের চেয়েও উচ্চাভিলাষী, সূক্ষ্ম, বহুমুখী, কৌতূহলী ও গভীর; রোমানদের চেয়েও মহান ও মানবিক; প্রাচীন মিশরীয়দের চেয়েও বিশাল ও আধ্যাত্মিক; অন্য যেকোনো এশীয় সভ্যতার চেয়েও ব্যাপক ও মৌলিক; এবং ১৮শ শতাব্দীর আগের ইউরোপীয়দের চেয়েও বেশি বুদ্ধিদীপ্ত ছিল এই সংস্কৃতি। এদের কাছে যা কিছু ছিল, তার সবকিছু এবং আরও অনেক বেশি সমৃদ্ধ এই সংস্কৃতি ছিল অতীত মানব সভ্যতার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী, আত্মনিয়ন্ত্রিত, উদ্দীপনামূলক এবং সুদূরপ্রসারী। ** [[অরবিন্দ ঘোষ]], {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=দ্য মেসেজ অ্যান্ড মিশন অব ইন্ডিয়া |তারিখ=১৯৬৪ |প্রকাশক=ভারতী বিদ্যা ভবন |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=AcRKAAAAMAAJ}} ** শ্রী অরবিন্দ, দ্য ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিয়ান কালচার (১৯৫৩), পৃষ্ঠা ৩১। * "আধ্যাত্মিকতাই হলো ভারতীয় মনের মূল চাবিকাঠি। ভারতের এই প্রবল আগ্রহই তার সংস্কৃতির সব বহিঃপ্রকাশের চরিত্র নির্ধারণ করে। প্রকৃতপক্ষে, তার জন্মগত আধ্যাত্মিক প্রবণতা থেকেই এই সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছে, যার এক স্বাভাবিক প্রকাশ হলো তার ধর্ম। ভারতীয় মন সব সময় উপলব্ধি করেছে যে পরম সত্তা অসীম। তারা দেখেছে যে প্রকৃতির মধ্যে থাকা আত্মার কাছে সেই অসীম সত্তা সব সময়ই অসীম বৈচিত্র্যের সাথে হাজির হতে পারে। পুরো মানবজাতির জন্য একটিমাত্র ধর্মের উগ্র এবং যুক্তিহীন ধারণা, অর্থাৎ একটিমাত্র গোঁড়ামি, উপাসনা পদ্ধতি, আচার-অনুষ্ঠান বা অনুশাসন সবাইকে মেনে নিতে বাধ্য করার যে উদ্ভট চেষ্টা যা আসলে অসহিষ্ণুতা, নিষ্ঠুরতা এবং অন্ধকারের জন্ম দেয় তা ভারতের মানসিকতায় কখনও শক্তভাবে জায়গা করে নিতে পারেনি।" ... "ভারত হলো ধর্মের মিলনস্থল এবং এর মধ্যে হিন্দুধর্ম নিজেই এক বিশাল ও জটিল বিষয়। এটি কেবল একটি ধর্ম নয়, বরং আধ্যাত্মিক চিন্তা, উপলব্ধি এবং আকাঙ্ক্ষার এক বৈচিত্র্যময় অথচ সূক্ষ্মভাবে ঐক্যবদ্ধ রূপ।" ** [[অরবিন্দ ঘোষ]]ের প্রতি আরোপিত, {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ইন্ডিয়া: ভিশন অ্যান্ড ফুলফিলমেন্ট |তারিখ=১৯৭২ |প্রকাশক=ডি. বি. তারাপোরেভালা সন্স |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=MKE5AQAAIAAJ |শেষ১=মিত্র |প্রথম১=শিশির কুমার |লেখকসংযোগ১=w:Sisir Kumar Mitra}} ** শ্রী অরবিন্দ, শ্রী অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া 'আর্য', আগস্ট ১৯১৮-নভেম্বর ১৯১৮ (১৯২০ সালে পর্যালোচিত ও সংশোধিত) এছাড়াও মিত্র, শিশিরকুমার দ্য ভিশন অফ ইন্ডিয়া নয়াদিল্লি: ক্রেস্ট পাবলিশিং হাউস, ১৯৯৪ পৃষ্ঠা ৫৩ - ৫৪, ঘোষ, অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া। আর্য পাবলিশিং হাউস কলকাতা। এ ডিফেন্স অফ ইন্ডিয়ান কালচার। * বিশ্বের অন্যান্য দেশ ও জাতির সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ ও সম্পর্কের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো এই যে, এখানে সাংস্কৃতিক বিস্তারকে কখনোই ঔপনিবেশিক আধিপত্য এবং বাণিজ্যিক সক্রিয়তার সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়নি, আর অর্থনৈতিক শোষণ তো অনেক পরের কথা। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছাড়াও যে সংস্কৃতির বিকাশ হতে পারে, সাম্রাজ্যবাদী পরিকল্পনা ছাড়াই বাণিজ্য চলতে পারে, ঔপনিবেশিক বাড়াবাড়ি ছাড়াই জনবসতি গড়ে উঠতে পারে এবং সাহিত্য, [[ধর্ম]] ও [[ভাষা]] যে বিদেশি-বিদ্বেষ, উগ্র জাতীয়তাবাদ বা বর্ণবিদ্বেষ ছাড়াই ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব, তার যথেষ্ট প্রমাণ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ইতিহাসে পাওয়া যায়... এইভাবে যদিও মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি বড় অংশ ভারতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধ কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল, তবুও তারা খুব কমই কোনো ভারতীয় রাজা বা বিজয়ীর শাসনাধীন ছিল। তারা ভারতীয় সামরিক অভিযানের ভয়াবহতা ও ধ্বংসলীলা খুব একটা দেখেনি। তারা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ স্বাধীন ছিল এবং তাদের জনগণ ছিল ভারতীয় ও স্থানীয় উপাদানের এক সংমিশ্রণ। ভারতীয় কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো যোগসূত্র ছিল না এবং তারা ভারতকে জন্মভূমির চেয়ে বরং একটি পবিত্র ভূমি হিসেবে দেখত। এটি ছিল তাদের কাছে একটি তীর্থস্থান, কোনো শাসনভুক্ত এলাকা নয়। ** অরুণ ভট্টাচার্যের গ্রেটার ইন্ডিয়া, মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এ কালচারাল হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে এ. এল. ব্যাশাম উল্লেখ করেছেন যে, 'খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীর মধ্যে ভারতীয়করণ হওয়া রাষ্ট্রগুলো, অর্থাৎ ভারতীয় রাজনৈতিক তত্ত্বের প্রথাগত ধারা অনুযায়ী গঠিত এবং বৌদ্ধ বা হিন্দু ধর্ম অনুসরণকারী রাষ্ট্রগুলো [[মিয়ানমার]], থাইল্যান্ড, ইন্দো-চায়না, [[মালয়েশিয়া]] এবং [[ইন্দোনেশিয়া]]র অনেক অঞ্চলে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল'। ** মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এটা সত্য যে হিমালয় পেরিয়েও ভারত আমাদের কাছে ব্যাকরণ ও যুক্তিবিদ্যা, দর্শন ও পঞ্চতন্ত্রের গল্প, সম্মোহন বিদ্যা এবং [[দাবা]]র মতো কিছু বিচিত্র উপহার পাঠিয়েছে। আর সবার উপরে রয়েছে আমাদের সংখ্যা এবং দশমিক পদ্ধতি। কিন্তু এগুলো তার আত্মার আসল নির্যাস নয়; ভবিষ্যতে আমরা তার কাছ থেকে যা শিখতে পারি, তার তুলনায় এগুলো অতি তুচ্ছ। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * হয়তো বিজয়, অহংকার এবং লুণ্ঠনের বিনিময়ে ভারত আমাদের একটি পরিপক্ক মনের সহনশীলতা ও নম্রতা, নির্লোভ আত্মার প্রশান্তি, বোধশক্তিসম্পন্ন হৃদয়ের স্থিরতা এবং সমস্ত জীবজগতের প্রতি একটি ঐক্যবদ্ধ ও শান্তিময় ভালোবাসা শেখাবে। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * ভারত ছিল আমাদের জাতির মাতৃভূমি এবং সংস্কৃত ছিল ইউরোপের ভাষাগুলোর জননী। ভারত ছিল আমাদের দর্শনের জননী; আরবদের মাধ্যমে আমাদের অনেক [[গণিত]]ের জননী; বুদ্ধের মাধ্যমে [[খ্রিস্টধর্ম]]ে মিশে থাকা আদর্শের জননী এবং গ্রাম্য সমাজের মাধ্যমে স্বায়ত্তশাসন ও গণতন্ত্রের জননী। মা ভারত অনেক দিক থেকেই আমাদের সবার মা। ভারতের সাথে আধুনিক ছাত্রছাত্রীদের পরিচয়ের অভাব এবং এই পরিচয়ের স্বল্পতা তাদের গভীরভাবে লজ্জিত করা উচিত... এই সেই ভারত যাকে ধৈর্যশীল জ্ঞানচর্চা এখন একটি নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক মহাদেশের মতো সেই পশ্চিমা মনের কাছে উন্মোচন করছে, যারা কেবল গতকাল পর্যন্তও মনে করত যে সভ্যতা কেবল পশ্চিমাদের একচেটিয়া অধিকার। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * "প্রবহমান নদী যেমন সমুদ্রে গিয়ে নিজের নাম ও রূপ হারিয়ে ফেলে, তেমনি একজন জ্ঞানী ব্যক্তি নাম ও রূপের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে সেই পরম সত্তার কাছে যান যিনি সবকিছুর ঊর্ধ্বে।" জীবন ও মৃত্যুর এমন তত্ত্ব পশ্চিমা মানুষের ভালো লাগবে না, যাদের ধর্ম তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মতোই ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদে পূর্ণ। কিন্তু এটি বিস্ময়কর ধারাবাহিকতার সাথে হিন্দু দার্শনিক মনকে সন্তুষ্ট করেছে। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * এমনকি ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও এই গভীর থিওসফি লক্ষ লক্ষ অনুসারী পেয়েছে। এদের মধ্যে একাকী নারী ও ক্লান্ত পুরুষ থেকে শুরু করে আর্থার শোপেনহাওয়ার এবং [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]] পর্যন্ত সবাই রয়েছেন। কে ভেবেছিল যে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের মহান আমেরিকান দার্শনিক তার 'ব্রহ্মা' কবিতায় হিন্দু বিশ্বাসের এক নিখুঁত প্রকাশ ঘটাবেন যে ব্যক্তিত্ব একটি বিভ্রম? ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * এগুলো হলো আমাদের জাতির টিকে থাকা প্রাচীনতম দর্শন এবং মনোবিজ্ঞান। মন ও বিশ্ব এবং তাদের মধ্যকার সম্পর্ক বোঝার জন্য মানুষের এক আশ্চর্যজনক সূক্ষ্ম ও ধৈর্যশীল প্রচেষ্টা। [[উপনিষদ]] [[হোমার]]ের মতো প্রাচীন এবং ইমানুয়েল কান্টের মতো আধুনিক। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] ==E== [[File:Sri Krishna (Miniature Painting, Kashmir School, 19th century).jpg|thumb|The Indian teaching, through its clouds of legends, has yet a simple and grand religion, like a queenly countenance seen through a rich veil. It teaches to speak truth, love others, and to dispose trifles. The East is grand—and makes Europe appear the land of trifles … All is soul and the soul is the Almighty. ~ [[Ralph Waldo Emerson]]]] * Let me confess that I cannot share the confidence in the superiority of Europeans and their ways which is prevalent in the West. European civilization is not satisfying and [[এশিয়া]] can still offer something more attractive to many who are far from Asiatic in spirit. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'', p. 41 * I do not think that [[খ্রিস্টধর্ম]] will ever make much progress in Asia, for what is commonly known by that name is not the teaching of [[Christ]] but a rearrangement of it made in Europe and like most European institutions practical rather than thoughtful. And as for the teaching of Christ himself, the Indian finds it excellent but not ample or satisfying. There is little in it which cannot be found in some of the many scriptures of Hinduism..." **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' * The claim of India to the attention of the world is that she, more than any other nation since history began, has devoted herself to contemplating the ultimate mysteries of existence and, in my eyes, the fact that Indian thought diverges widely from our own popular thought is a positive merit. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' * Hinduism has not been made, but has grown. It is a jungle, not a building. It is a living example of a great national [[পৌত্তলিকতাবাদ]] such as might have existed in Europe if [[Early Christianity|Christianity]] had not become the state religion of the [[Roman Empire]], if there had remained an incongruous jumble of old local [[কুসংস্কার|superstitions]], Greek philosophy, and oriental cults such as the worship of [[w:Sarapis|Sarapis]] or Mitras. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]] ,''Philosophy and the Self: East and West'' * Compared to Islam and Christianity, Hinduism’s doctrines are extraordinarily fluid, and multiform. India deals in images and metaphors. Restless, subtle and argumentative as Hindu thought is, it is less prone than European theology to the vice of distorting transcendental ideas by too stringent definition. It adumbrates the indescribable by metaphors and figures. It is not afraid of inconsistencies which may illustrate different aspects of the infinite, but it rarely tries to cramp the divine within the limits of a logical phrase. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' * The Hindu has an extraordinary power of combining dogma and free thought, uniformity, and variety. Utmost latitude of interpretation is allowed. In all ages Hindus have been passionately devoted to speculation. It is also to point out that from the Upanishads down to the writings of [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] in the present day [[Indian literature|literature]] from time to time enunciates the idea that the whole [[মহাবিশ্ব]] is the manifestation of some exuberant force giving expression to itself in joyous movement. **[[w:Charles Eliot (diplomat)|Sir Charles Eliot]], ''Philosophy and the Self: East and West'' *The Indian teaching, through its clouds of legends, has yet a simple and grand religion, like a queenly countenance seen through a rich veil. It teaches to speak truth, love others, and to dispose trifles. The East is grand—and makes Europe appear the land of trifles … All is soul and the soul is the Almighty. **Ralph Waldo Emerson. source: The West Looks at India, Krishnanand Joshi. Quoted from Gewali, Salil (2013). Great Minds on India. New Delhi: Penguin Random House. ==G== * In actual life, it is impossible to separate us into two nations. We are not two nations. Every [[ভারতে ইসলাম|Moslem]] will have a [[হিন্দু]] name if he goes back far enough in his family history. Every [[মুসলমান|Moslem]] is merely a Hindu who has accepted [[ইসলাম]]. That does not create nationality. … We in India have a common culture. In the North, [[হিন্দি ভাষা]] and [[উর্দু]] are understood by both Hindus and Moslems. In [[Madras]], Hindus and Moslems speak [[Tamil language|Tamil]], and in [[বঙ্গ]], they both speak [[বাংলা ভাষা|Bengali]] and neither Hindi nor Urdu. When [[সাম্প্রদায়িকতা|communal]] riots take place, they are always provoked by incidents over cows and by religious processions. That means that it is our [[কুসংস্কার|superstitions]] that create the trouble and not our separate [[জাতি|nationalities]]. ** [[মহাত্মা গান্ধী]], Conversations with Louis Fischer, June 6, 1942, in Louis Fischer, ''A Week with Gandhi'', pp. 45-46. *Before long, I read my first book on [[হিন্দু]] philosophy. It was like a blow to my solar plexus; it jarred me awake. Here, at last, was what I sought. Instead of an object of dispute and often ridicule, here, reincarnation was taken for granted. The teachings were logical, unsentimental, yet filled with the spirit of non-harmfulness, compassion, understanding, love. **[[Nina Graboi]] ''One Foot in the Future: A Woman's Spiritual Journey'' (2000), chapter nineteen ==H== * The notion of a single Hindu culture, incommensurable with [[ইসলাম]] or western epistemes and forms of organization, is the real fiction at work here, imposed by [[orientalism]] and painstakingly promulgated, organized, and reformulated by generation of [[Hindu nationalists]] and other {{W|Indian nationalists}} for more than a century. [...] In order to understand Hindu nationalism we need to analyze carefully the [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা|official secularism]] it opposed. Textbook versions of [[ধর্মনিরপেক্ষতা]] as the absence of [[Religion in India|religion]] from the public sphere, or a more fashionable understanding of secularism as a metonym of scientific rationalism, will not suffice. We need to take a closer and more informed look at the practices and meanings of secularism in the public culture of independent India. The dominant interpretation of secularism in India did not entail the removal of religion from the political sphere, but rather the belief that religion and culture were elevated to an ostensibly apolitical level, above the profanities of the political. This institutionalized notion of culture and religion as apolitical, and the derived notion of selfless "social work" as ennobling and purifying by virtue of its elevation above politics and money, provided an unassailable moral high ground to a certain genre of "antipolitical activism," conspicuous among social and cultural organization but also often invoked in agitations and in electoral politics in India. I submit that it was from this discursive field of "antipolitics" and "religious activism" that the Hindu nationalist movement, with great ingenuity, built its campaigns and organizational networks for decades. Like other forms of cultural nationalism, the Hindu nationalist movement always entertained a complex ambivalence vis-à-vis democracy and apprehension toward the "political vocation." The evolution of the movement, its organization, and its political strategies must be understood in the context of a constant negotiation and oscillation across the deep bifurcation in modern Indian political culture between a realm of "sublime" culture and realm of "profane" competitive politics. ** [[Thomas Blom Hansen]], {{বই উদ্ধৃতি |title=The Saffron Wave: Democracy and Hindu Nationalism in Modern India |date=1999 |publisher={{W|Princeton University Press}} |isbn=978-1-4008-2305-5 |page=11 |url=https://books.google.com/books?id=SAqn3OIGE54C&pg=PA11}} * The sparkling energy of India lies in Hinduism. Without the framework of Hindu belief India would fall apart. Without Hinduism India is not herself... Because Indian society has, like the Chinese, been a unitary one where science and religion have never been in conflict, there has been no basic split as has happened with our own Christian background. Our own antagonism between the two disciplines of [[theology]] and [[বিজ্ঞান]] has created chaos in our thinking and a curious dichotomy during the past two centuries. In India I found a thankful release from our restricted vision of the creation of God... Hinduism has remained in constant, replenished usage throughout this tremendous stretch of time, impervious to outside influence, as onward flowing as the imperturbable Ganga itself. Not even [[Muslim conquests in the Indian subcontinent|Moghul invasion]] and [[ভারতে ইসলাম|Muslim]] supremacy for 700 years, nor the arrival of the [[British Empire|British]], [[Dutch Empire|Dutch]], [[French Colonial Empire|French]] and [[পর্তুগিজ সাম্রাজ্য|Portuguese]] with their own civilization and standards, penetrated into the imperious core of this steadfast faith. Hindu thought took and absorbed according to its own will, folding itself inwards at the sense of approaching danger like some gigantic sea-anemone drawing up all its tentacles, only to stretch outwards and flourish when the danger was past. One continues to hope that this will remain so, that modern Indians will realize that this is their enviable strength despite all their understandable yearnings for the material advantages of [[technology]] which they have seen give power and monopoly of advantage to the Western world. But their quality of synthesis, of intelligent absorption, may still save them from the sterility of urban life and the monotonous obsession with quantity and things, rather than with quality and life-perspective. **(source: The Music of India - By Peggy Holroyde p. 44-52). ==M== *Judged by a similar standard, the patronage and cultivation of Hindu learning by the Muslims, or their contribution to the development of Hindu culture during their rule . . . pales into insignificance when compared with the achievements of the [[British Raj|British rule]]... It is only by instituting such comparison that we can make an objective study of the condition of the Hindus under Muslim rule, and view it in its true perspective. **R. C. Majumdar, ed., The History and Culture of the Indian People, vol. 6, The Delhi Sultanate (London: G. Allen & Unwin, 1952), p. 623. quoted in Ibn Warraq, Why the West is the best, "India under the Arabs and the British". also quoted in Bostom, A. G. M. D., & Bostom, A. G. (2010). The Legacy of Jihad: Islamic Holy War and the Fate of Non-Muslims. Amherst: Prometheus. *From at least the beginning of the Common Era until about the thirteenth century, Sanskrit was the primary linguistic and cultural medium for the ruling and administrative circles from Purushapura ([[Peshawar]]) in Gandhara (Afghanistan and parts of Pakistan) to as far eat as Pandurang in Annam ([[South Vietnam]]) and Prambanam in Central Java. It influenced much of Asia for more than a thousand years. Sanskriti was neither imposed by an imperial power nor sustained by any centrally organized Church ecclesiology. Thus, it has been both the result and cause of a cultural consciousness shared by most South and South-east Asians regardless of religion, class or gender. Centuries prior to the Europeanization of the globe, the entire arc – from [[এশিয়া]] through [[আফগানিস্তান]], India, [[শ্রীলঙ্কা]], [[Thailand]], [[কম্বোডিয়া]], [[Vietnam]] and all the way to [[ইন্দোনেশিয়া]] – was a crucible of a sophisticated Pan-Asian civilization... However, unlike the violent spread of the [[Roman Civilization|Roman civilization]] which made [[Latin]] the European language for centuries, the Sanskritization of Asia was entirely peaceful, without conquest, domination, or subversion of local identities. This is not to say that political disputes and wars of conquest never occurred, but in most instances, the motive was not the imposition of cultural or religious homogeneity. ** Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. ==Q== *India made, more loudly than anyone, what we might call the “declaration of the rights of the Being.” There, in this divine self, in this society of the infinite with itself, lies clearly the foundation, the root of all life and all history. **Edgar Quinet in Jean Biès, Littérature française et pensée hindoue des origines à 1950 in India’s Impact on French Thought and Literature: Eighteenth to Twentieth Century by Michel Danino (Published in Critical Practice, X:2, June 2003, pp. 46-56) ==T== * '''Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speech, grandmother of [[পুরাণবিদ্যা|legend]], great grandmother of [[tradition]]. The land that all men desire to see and having seen once even by a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined.''' **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'', p. 113 * It is a good and gentle religion, but inconvenient. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * India had the start of the whole world in the beginning of things. She had the first civilization; she had the first accumulation of material wealth; she was populous with deep thinkers and subtle intellects; she had mines, and woods, and a fruitful soul. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * Our most valuable and most instructive materials in the history of man are treasured up in India. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * "Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speak, grandmother of legacy, great grandmother of tradition. The land that all men desire to see and having seen once even a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined." **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' *Years earlier, the British historian [[Arnold Toynbee|A.J. Toynbee]] remarked: 'India is the central link in a chain of regional civilizations that extends from [[জাপান]] in the far north-east to [[আয়ারল্যান্ড]] in the far northwest. Between these two extremities the chain sags down southwards in a festoon that dips below the Equator in Indonesia.' **quoted from Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. *[[পুঁজিবাদ]], or the ideology of the unbridled pursuit of [[wealth]], is destroying culture on an unbridled scale... countless cultural activities, seen to be non-lucrative or less lucrative, are being abandoned all over the country. Others are being severely compromised in order to keep or make them lucrative: compromise in materials or techniques used, shoddiness in workmanship or performance, short-cut methods, etc. These are resulting in loss of natural spontaneity, cultural authenticity, technological expertise and performance satisfaction, which, in turn, gradually leads to the degeneration and further abandonment of cultural activities. All this is affecting various fields of culture: musical forms and styles, musical instruments, dance forms, architectural styles, art forms, handicrafts, traditional crops, culinary items, etc... owever, the concept of Money as God has now changed all this. For perhaps the first time in [[History of India|India’s long history]], there is now no real official support for Indian culture. In the last decade or so, apparently coinciding with the advocacy and adoption of new policies of economic ‘reforms’, it is now passé for [[ভারত সরকার|governments]] to do anything concrete to protect, preserve, record or perpetuate India’s traditional culture, or even to aid and encourage individuals or organizations doing so. Institutions established in the post-Independence era are being literally starved for funds, or funds are being used for any purpose but to achieve the original aims and objectives, or, simply, the very aims and objectives of these institutions are being changed. In any case no new activities, except occasional pedestrian ‘cultural’ projects of a political nature, are being undertaken: the institutions are being slowly transformed from cultural to commercial institutions, in line with the ‘changing times’.<br>“Infinitely worse is what is happening to the detailed records of the research, documentation and collection undertaken by these institutions, in the not so distant past, to preserve, popularize and perpetuate different aspects of Indian culture. These archival records ¾ print, tape, film or actual physical objects ¾ are suddenly becoming an eyesore or an embarrassment, or simply a financial burden, to a cash-conscious leadership with a ‘reformist’ eye on the ‘globe’. A standard sequence now is as follows: state-funded [[জাদুঘর|museums]], [[গ্রন্থাগার]] and archives ¾ or at least the records in them ¾ slowly become rare or inaccessible, in different ways, to the (lay or scholarly) public eye. Often ‘constraints of space’ force the authorities to remove these records from their protected environments and dump them in ill-maintained godowns, to rot and decay, unseen and forgotten. And, occasionally, mysterious fires break out in the places which house these archives, destroying invaluable and irreplaceable records (including those pertaining to the golden age of Indian movies), then to be forgotten forever. All these events, coincidentally, make available valuable land and funds for more lucrative commercial purposes. The persons in authority are too busy saving or making money - for themselves, or, if they are to be believed, for the public coffers - to care. **S. Talageri, in (“Sita Ram Goel, memories and ideas”, in Koenraad Elst, ed.: India’s Only Communalist: In Commemoration of Sita Ram Goel, Voice of India, Delhi 2005, p.239-346) quoted from [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2016/07/cultural-policy-and-folk-art.html Review of "From the Personal Collection of KC Aryan. Unknown Masterpieces of Indian Folk & Tribal Art (KC Aryan’s Home of Folk Art, Gurgaon 2016, 301 pp., 635 illustrations). " presenting KC Aryan’s art collection, in (Law Animated World, Hyderabad, 16 July 2016)] ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[Category:Culture of India| ]] n6slkbvoqiiylqtlxlzt1hxw9j658dh 81925 81924 2026-04-28T11:29:31Z ARI 356 /* E */ ; অনুবাদ 81925 wikitext text/x-wiki '''[[ভারতের সংস্কৃতি]]''' অথবা '''ভারতীয় সংস্কৃতি''' অনেক সময় '''ভারতীয় সভ্যতা'''র সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি সামাজিক নিয়ম, নৈতিক মূল্যবোধ, প্রথাগত রীতিনীতি, বিশ্বাস ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, নিদর্শন এবং প্রযুক্তির এক ঐতিহ্য। এই বিষয়গুলো [[দক্ষিণ এশিয়া]]য় উদ্ভূত হয়েছে অথবা এই অঞ্চলের সাথে যুক্ত। == উক্তি == * "ভারত যে আধ্যাত্মিক লক্ষ্যকে তুলে ধরে, তা কি ইউরোপের ওপর প্রভাব ফেলবে এবং সেখানে পশ্চিমা সমাজের উপযোগী নতুন রূপ তৈরি করবে? নাকি ইউরোপীয় যুক্তিবাদ ও ভোগবাদ ভারতীয় সংস্কৃতির চিরতরে অবসান ঘটাবে? এটিই বর্তমানে একটি অত্যন্ত মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।" ** অরবিন্দ, দনিনো, এম., এবং নাহার, এস. (১৯৯৬) এর মধ্যে। দ্য ইনভেশন দ্যাট নেভার ওয়াজ (প্রথম সংস্করণ)। মাদার্স ইনস্টিটিউট অফ রিসার্চ অ্যান্ড মিরা অদিতি, মহীশূর, ভারত। * গ্রিকদের চেয়েও উচ্চাভিলাষী, সূক্ষ্ম, বহুমুখী, কৌতূহলী ও গভীর; রোমানদের চেয়েও মহান ও মানবিক; প্রাচীন মিশরীয়দের চেয়েও বিশাল ও আধ্যাত্মিক; অন্য যেকোনো এশীয় সভ্যতার চেয়েও ব্যাপক ও মৌলিক; এবং ১৮শ শতাব্দীর আগের ইউরোপীয়দের চেয়েও বেশি বুদ্ধিদীপ্ত ছিল এই সংস্কৃতি। এদের কাছে যা কিছু ছিল, তার সবকিছু এবং আরও অনেক বেশি সমৃদ্ধ এই সংস্কৃতি ছিল অতীত মানব সভ্যতার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী, আত্মনিয়ন্ত্রিত, উদ্দীপনামূলক এবং সুদূরপ্রসারী। ** [[অরবিন্দ ঘোষ]], {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=দ্য মেসেজ অ্যান্ড মিশন অব ইন্ডিয়া |তারিখ=১৯৬৪ |প্রকাশক=ভারতী বিদ্যা ভবন |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=AcRKAAAAMAAJ}} ** শ্রী অরবিন্দ, দ্য ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিয়ান কালচার (১৯৫৩), পৃষ্ঠা ৩১। * "আধ্যাত্মিকতাই হলো ভারতীয় মনের মূল চাবিকাঠি। ভারতের এই প্রবল আগ্রহই তার সংস্কৃতির সব বহিঃপ্রকাশের চরিত্র নির্ধারণ করে। প্রকৃতপক্ষে, তার জন্মগত আধ্যাত্মিক প্রবণতা থেকেই এই সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছে, যার এক স্বাভাবিক প্রকাশ হলো তার ধর্ম। ভারতীয় মন সব সময় উপলব্ধি করেছে যে পরম সত্তা অসীম। তারা দেখেছে যে প্রকৃতির মধ্যে থাকা আত্মার কাছে সেই অসীম সত্তা সব সময়ই অসীম বৈচিত্র্যের সাথে হাজির হতে পারে। পুরো মানবজাতির জন্য একটিমাত্র ধর্মের উগ্র এবং যুক্তিহীন ধারণা, অর্থাৎ একটিমাত্র গোঁড়ামি, উপাসনা পদ্ধতি, আচার-অনুষ্ঠান বা অনুশাসন সবাইকে মেনে নিতে বাধ্য করার যে উদ্ভট চেষ্টা যা আসলে অসহিষ্ণুতা, নিষ্ঠুরতা এবং অন্ধকারের জন্ম দেয় তা ভারতের মানসিকতায় কখনও শক্তভাবে জায়গা করে নিতে পারেনি।" ... "ভারত হলো ধর্মের মিলনস্থল এবং এর মধ্যে হিন্দুধর্ম নিজেই এক বিশাল ও জটিল বিষয়। এটি কেবল একটি ধর্ম নয়, বরং আধ্যাত্মিক চিন্তা, উপলব্ধি এবং আকাঙ্ক্ষার এক বৈচিত্র্যময় অথচ সূক্ষ্মভাবে ঐক্যবদ্ধ রূপ।" ** [[অরবিন্দ ঘোষ]]ের প্রতি আরোপিত, {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ইন্ডিয়া: ভিশন অ্যান্ড ফুলফিলমেন্ট |তারিখ=১৯৭২ |প্রকাশক=ডি. বি. তারাপোরেভালা সন্স |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=MKE5AQAAIAAJ |শেষ১=মিত্র |প্রথম১=শিশির কুমার |লেখকসংযোগ১=w:Sisir Kumar Mitra}} ** শ্রী অরবিন্দ, শ্রী অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া 'আর্য', আগস্ট ১৯১৮-নভেম্বর ১৯১৮ (১৯২০ সালে পর্যালোচিত ও সংশোধিত) এছাড়াও মিত্র, শিশিরকুমার দ্য ভিশন অফ ইন্ডিয়া নয়াদিল্লি: ক্রেস্ট পাবলিশিং হাউস, ১৯৯৪ পৃষ্ঠা ৫৩ - ৫৪, ঘোষ, অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া। আর্য পাবলিশিং হাউস কলকাতা। এ ডিফেন্স অফ ইন্ডিয়ান কালচার। * বিশ্বের অন্যান্য দেশ ও জাতির সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ ও সম্পর্কের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো এই যে, এখানে সাংস্কৃতিক বিস্তারকে কখনোই ঔপনিবেশিক আধিপত্য এবং বাণিজ্যিক সক্রিয়তার সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়নি, আর অর্থনৈতিক শোষণ তো অনেক পরের কথা। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছাড়াও যে সংস্কৃতির বিকাশ হতে পারে, সাম্রাজ্যবাদী পরিকল্পনা ছাড়াই বাণিজ্য চলতে পারে, ঔপনিবেশিক বাড়াবাড়ি ছাড়াই জনবসতি গড়ে উঠতে পারে এবং সাহিত্য, [[ধর্ম]] ও [[ভাষা]] যে বিদেশি-বিদ্বেষ, উগ্র জাতীয়তাবাদ বা বর্ণবিদ্বেষ ছাড়াই ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব, তার যথেষ্ট প্রমাণ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ইতিহাসে পাওয়া যায়... এইভাবে যদিও মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি বড় অংশ ভারতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধ কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল, তবুও তারা খুব কমই কোনো ভারতীয় রাজা বা বিজয়ীর শাসনাধীন ছিল। তারা ভারতীয় সামরিক অভিযানের ভয়াবহতা ও ধ্বংসলীলা খুব একটা দেখেনি। তারা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ স্বাধীন ছিল এবং তাদের জনগণ ছিল ভারতীয় ও স্থানীয় উপাদানের এক সংমিশ্রণ। ভারতীয় কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো যোগসূত্র ছিল না এবং তারা ভারতকে জন্মভূমির চেয়ে বরং একটি পবিত্র ভূমি হিসেবে দেখত। এটি ছিল তাদের কাছে একটি তীর্থস্থান, কোনো শাসনভুক্ত এলাকা নয়। ** অরুণ ভট্টাচার্যের গ্রেটার ইন্ডিয়া, মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এ কালচারাল হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে এ. এল. ব্যাশাম উল্লেখ করেছেন যে, 'খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীর মধ্যে ভারতীয়করণ হওয়া রাষ্ট্রগুলো, অর্থাৎ ভারতীয় রাজনৈতিক তত্ত্বের প্রথাগত ধারা অনুযায়ী গঠিত এবং বৌদ্ধ বা হিন্দু ধর্ম অনুসরণকারী রাষ্ট্রগুলো [[মিয়ানমার]], থাইল্যান্ড, ইন্দো-চায়না, [[মালয়েশিয়া]] এবং [[ইন্দোনেশিয়া]]র অনেক অঞ্চলে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল'। ** মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এটা সত্য যে হিমালয় পেরিয়েও ভারত আমাদের কাছে ব্যাকরণ ও যুক্তিবিদ্যা, দর্শন ও পঞ্চতন্ত্রের গল্প, সম্মোহন বিদ্যা এবং [[দাবা]]র মতো কিছু বিচিত্র উপহার পাঠিয়েছে। আর সবার উপরে রয়েছে আমাদের সংখ্যা এবং দশমিক পদ্ধতি। কিন্তু এগুলো তার আত্মার আসল নির্যাস নয়; ভবিষ্যতে আমরা তার কাছ থেকে যা শিখতে পারি, তার তুলনায় এগুলো অতি তুচ্ছ। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * হয়তো বিজয়, অহংকার এবং লুণ্ঠনের বিনিময়ে ভারত আমাদের একটি পরিপক্ক মনের সহনশীলতা ও নম্রতা, নির্লোভ আত্মার প্রশান্তি, বোধশক্তিসম্পন্ন হৃদয়ের স্থিরতা এবং সমস্ত জীবজগতের প্রতি একটি ঐক্যবদ্ধ ও শান্তিময় ভালোবাসা শেখাবে। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * ভারত ছিল আমাদের জাতির মাতৃভূমি এবং সংস্কৃত ছিল ইউরোপের ভাষাগুলোর জননী। ভারত ছিল আমাদের দর্শনের জননী; আরবদের মাধ্যমে আমাদের অনেক [[গণিত]]ের জননী; বুদ্ধের মাধ্যমে [[খ্রিস্টধর্ম]]ে মিশে থাকা আদর্শের জননী এবং গ্রাম্য সমাজের মাধ্যমে স্বায়ত্তশাসন ও গণতন্ত্রের জননী। মা ভারত অনেক দিক থেকেই আমাদের সবার মা। ভারতের সাথে আধুনিক ছাত্রছাত্রীদের পরিচয়ের অভাব এবং এই পরিচয়ের স্বল্পতা তাদের গভীরভাবে লজ্জিত করা উচিত... এই সেই ভারত যাকে ধৈর্যশীল জ্ঞানচর্চা এখন একটি নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক মহাদেশের মতো সেই পশ্চিমা মনের কাছে উন্মোচন করছে, যারা কেবল গতকাল পর্যন্তও মনে করত যে সভ্যতা কেবল পশ্চিমাদের একচেটিয়া অধিকার। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * "প্রবহমান নদী যেমন সমুদ্রে গিয়ে নিজের নাম ও রূপ হারিয়ে ফেলে, তেমনি একজন জ্ঞানী ব্যক্তি নাম ও রূপের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে সেই পরম সত্তার কাছে যান যিনি সবকিছুর ঊর্ধ্বে।" জীবন ও মৃত্যুর এমন তত্ত্ব পশ্চিমা মানুষের ভালো লাগবে না, যাদের ধর্ম তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মতোই ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদে পূর্ণ। কিন্তু এটি বিস্ময়কর ধারাবাহিকতার সাথে হিন্দু দার্শনিক মনকে সন্তুষ্ট করেছে। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * এমনকি ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও এই গভীর থিওসফি লক্ষ লক্ষ অনুসারী পেয়েছে। এদের মধ্যে একাকী নারী ও ক্লান্ত পুরুষ থেকে শুরু করে আর্থার শোপেনহাওয়ার এবং [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]] পর্যন্ত সবাই রয়েছেন। কে ভেবেছিল যে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের মহান আমেরিকান দার্শনিক তার 'ব্রহ্মা' কবিতায় হিন্দু বিশ্বাসের এক নিখুঁত প্রকাশ ঘটাবেন যে ব্যক্তিত্ব একটি বিভ্রম? ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * এগুলো হলো আমাদের জাতির টিকে থাকা প্রাচীনতম দর্শন এবং মনোবিজ্ঞান। মন ও বিশ্ব এবং তাদের মধ্যকার সম্পর্ক বোঝার জন্য মানুষের এক আশ্চর্যজনক সূক্ষ্ম ও ধৈর্যশীল প্রচেষ্টা। [[উপনিষদ]] [[হোমার]]ের মতো প্রাচীন এবং ইমানুয়েল কান্টের মতো আধুনিক। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] [[চিত্র:Sri Krishna (Miniature Painting, Kashmir School, 19th century).jpg|থাম্ব|ভারতীয় শিক্ষা, তার অসংখ্য কিংবদন্তির আড়ালে থাকলেও, এতে একটি সরল ও মহৎ ধর্ম রয়েছে, যা যেন এক মখমল পর্দার আড়ালে থাকা কোনো রানীর রাজকীয় মুখাবয়ব। এটি সত্য কথা বলতে, অন্যকে ভালোবাসতে এবং তুচ্ছ বিষয়গুলোকে বর্জন করতে শেখায়। প্রাচ্য মহান এবং এটি ইউরোপকে তুচ্ছ জিনিসের দেশ বলে মনে করায়... সবকিছুই আত্মা এবং সেই আত্মাই হলো সর্বশক্তিমান। ~ [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]]]] * আমি স্বীকার করি যে পশ্চিমে ইউরোপীয়দের এবং তাদের রীতিনীতির শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে যে আত্মবিশ্বাস প্রচলিত, আমি তার অংশীদার হতে পারছি না। ইউরোপীয় সভ্যতা সন্তোষজনক নয় এবং যারা আত্মিকভাবে এশীয়দের থেকে অনেক দূরে, [[এশিয়া]] তাদের জন্য এখনও আকর্ষণীয় কিছু দিতে পারে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'', পৃষ্ঠা ৪১ * আমি মনে করি না যে [[খ্রিস্টধর্ম]] কখনো এশিয়ায় খুব বেশি উন্নতি করতে পারবে, কারণ সাধারণভাবে এই নামে যা পরিচিত তা খ্রিস্টের শিক্ষা নয় বরং ইউরোপে তৈরি করা এর একটি নতুন রূপ এবং বেশিরভাগ ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানের মতো এটি চিন্তাশীল হওয়ার চেয়ে বেশি বাস্তববাদী। আর স্বয়ং খ্রিস্টের শিক্ষার কথা বললে, ভারতীয়রা একে চমৎকার মনে করলেও এটি তাদের কাছে যথেষ্ট বা সন্তোষজনক নয়। এতে এমন খুব কমই আছে যা হিন্দুধর্মের অনেক শাস্ত্রের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে না..." ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * বিশ্বের মনোযোগের ক্ষেত্রে ভারতের দাবি হলো এই যে, ইতিহাস শুরু হওয়ার পর থেকে অন্য যেকোনো জাতির তুলনায় তারা অস্তিত্বের পরম রহস্য নিয়ে চিন্তাভাবনা করার জন্য নিজেকে বেশি নিয়োজিত করেছে। আমার চোখে ভারতীয় চিন্তা আমাদের সাধারণ চিন্তাধারা থেকে যে ব্যাপকভাবে আলাদা, তা একটি ইতিবাচক গুণ। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * হিন্দুধর্ম তৈরি করা হয়নি বরং এটি গড়ে উঠেছে। এটি একটি জঙ্গল, কোনো ভবন নয়। এটি একটি মহান জাতীয় [[পৌত্তলিকতাবাদ]]ের জীবন্ত উদাহরণ যা হয়তো ইউরোপেও থাকত যদি খ্রিস্টধর্ম রোমান সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রীয় ধর্ম না হতো। সেখানে যদি পুরনো স্থানীয় [[কুসংস্কার]]ের এক অদ্ভুত জটলা, গ্রিক দর্শন এবং সারাপিস বা মিত্রাসের উপাসনার মতো প্রাচ্যের ধর্মীয় আচারগুলো থেকে যেত। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * ইসলাম এবং খ্রিস্টধর্মের তুলনায় হিন্দুধর্মের মতবাদগুলো অত্যন্ত পরিবর্তনশীল এবং বহুমুখী। ভারত রূপক এবং উপমার মাধ্যমে কাজ করে। হিন্দু চিন্তা যেমন অস্থির, সূক্ষ্ম এবং তর্কমূলক, এটি ইউরোপীয় ধর্মতত্ত্বের মতো অতি কঠোর সংজ্ঞার মাধ্যমে অতিপ্রাকৃত ধারণাগুলোকে বিকৃত করার দোষে কম দুষ্ট। এটি উপমা এবং প্রতীকের মাধ্যমে অবর্ণনীয় বিষয়কে তুলে ধরে। এটি অসঙ্গতিকে ভয় পায় না যা অসীমের বিভিন্ন দিক ফুটিয়ে তুলতে পারে, কিন্তু এটি ঈশ্বরকে একটি যৌক্তিক বাক্যাংশের সীমানায় বন্দি করার চেষ্টা খুব কমই করে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * হিন্দুদের মধ্যে অন্ধবিশ্বাস এবং মুক্ত চিন্তার সমন্বয় ঘটানোর এক অসাধারণ ক্ষমতা আছে। এতে ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বাধীনতা দেওয়া হয়। সব যুগেই হিন্দুরা গভীরভাবে দার্শনিক চিন্তায় মগ্ন ছিল। এটিও লক্ষণীয় যে উপনিষদ থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]ের লেখা পর্যন্ত ভারতীয় সাহিত্যে সময়ে সময়ে এই ধারণা ব্যক্ত হয়েছে যে, পুরো [[মহাবিশ্ব]] কোনো এক উচ্ছ্বসিত শক্তির বহিঃপ্রকাশ যা আনন্দময় গতির মাধ্যমে নিজেকে প্রকাশ করে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * ভারতীয় শিক্ষা, তার অসংখ্য কিংবদন্তির আড়ালে থাকলেও, এতে একটি সরল ও মহৎ ধর্ম রয়েছে, যা যেন এক মখমল পর্দার আড়ালে থাকা কোনো রানীর রাজকীয় মুখাবয়ব। এটি সত্য কথা বলতে, অন্যকে ভালোবাসতে এবং তুচ্ছ বিষয়গুলোকে বর্জন করতে শেখায়। প্রাচ্য মহান এবং এটি ইউরোপকে তুচ্ছ জিনিসের দেশ বলে মনে করায়... সবকিছুই আত্মা এবং সেই আত্মাই হলো সর্বশক্তিমান। ** রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন। উৎস: দ্য ওয়েস্ট লুকস অ্যাট ইন্ডিয়া, কৃষ্ণানন্দ জোশী। উদ্ধৃত: গেওয়ালি, সলিল (২০১৩)। গ্রেট মাইন্ডস অন ইন্ডিয়া। নিউ দিল্লি: পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস। ==G== * In actual life, it is impossible to separate us into two nations. We are not two nations. Every [[ভারতে ইসলাম|Moslem]] will have a [[হিন্দু]] name if he goes back far enough in his family history. Every [[মুসলমান|Moslem]] is merely a Hindu who has accepted [[ইসলাম]]. That does not create nationality. … We in India have a common culture. In the North, [[হিন্দি ভাষা]] and [[উর্দু]] are understood by both Hindus and Moslems. In [[Madras]], Hindus and Moslems speak [[Tamil language|Tamil]], and in [[বঙ্গ]], they both speak [[বাংলা ভাষা|Bengali]] and neither Hindi nor Urdu. When [[সাম্প্রদায়িকতা|communal]] riots take place, they are always provoked by incidents over cows and by religious processions. That means that it is our [[কুসংস্কার|superstitions]] that create the trouble and not our separate [[জাতি|nationalities]]. ** [[মহাত্মা গান্ধী]], Conversations with Louis Fischer, June 6, 1942, in Louis Fischer, ''A Week with Gandhi'', pp. 45-46. *Before long, I read my first book on [[হিন্দু]] philosophy. It was like a blow to my solar plexus; it jarred me awake. Here, at last, was what I sought. Instead of an object of dispute and often ridicule, here, reincarnation was taken for granted. The teachings were logical, unsentimental, yet filled with the spirit of non-harmfulness, compassion, understanding, love. **[[Nina Graboi]] ''One Foot in the Future: A Woman's Spiritual Journey'' (2000), chapter nineteen ==H== * The notion of a single Hindu culture, incommensurable with [[ইসলাম]] or western epistemes and forms of organization, is the real fiction at work here, imposed by [[orientalism]] and painstakingly promulgated, organized, and reformulated by generation of [[Hindu nationalists]] and other {{W|Indian nationalists}} for more than a century. [...] In order to understand Hindu nationalism we need to analyze carefully the [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা|official secularism]] it opposed. Textbook versions of [[ধর্মনিরপেক্ষতা]] as the absence of [[Religion in India|religion]] from the public sphere, or a more fashionable understanding of secularism as a metonym of scientific rationalism, will not suffice. We need to take a closer and more informed look at the practices and meanings of secularism in the public culture of independent India. The dominant interpretation of secularism in India did not entail the removal of religion from the political sphere, but rather the belief that religion and culture were elevated to an ostensibly apolitical level, above the profanities of the political. This institutionalized notion of culture and religion as apolitical, and the derived notion of selfless "social work" as ennobling and purifying by virtue of its elevation above politics and money, provided an unassailable moral high ground to a certain genre of "antipolitical activism," conspicuous among social and cultural organization but also often invoked in agitations and in electoral politics in India. I submit that it was from this discursive field of "antipolitics" and "religious activism" that the Hindu nationalist movement, with great ingenuity, built its campaigns and organizational networks for decades. Like other forms of cultural nationalism, the Hindu nationalist movement always entertained a complex ambivalence vis-à-vis democracy and apprehension toward the "political vocation." The evolution of the movement, its organization, and its political strategies must be understood in the context of a constant negotiation and oscillation across the deep bifurcation in modern Indian political culture between a realm of "sublime" culture and realm of "profane" competitive politics. ** [[Thomas Blom Hansen]], {{বই উদ্ধৃতি |title=The Saffron Wave: Democracy and Hindu Nationalism in Modern India |date=1999 |publisher={{W|Princeton University Press}} |isbn=978-1-4008-2305-5 |page=11 |url=https://books.google.com/books?id=SAqn3OIGE54C&pg=PA11}} * The sparkling energy of India lies in Hinduism. Without the framework of Hindu belief India would fall apart. Without Hinduism India is not herself... Because Indian society has, like the Chinese, been a unitary one where science and religion have never been in conflict, there has been no basic split as has happened with our own Christian background. Our own antagonism between the two disciplines of [[theology]] and [[বিজ্ঞান]] has created chaos in our thinking and a curious dichotomy during the past two centuries. In India I found a thankful release from our restricted vision of the creation of God... Hinduism has remained in constant, replenished usage throughout this tremendous stretch of time, impervious to outside influence, as onward flowing as the imperturbable Ganga itself. Not even [[Muslim conquests in the Indian subcontinent|Moghul invasion]] and [[ভারতে ইসলাম|Muslim]] supremacy for 700 years, nor the arrival of the [[British Empire|British]], [[Dutch Empire|Dutch]], [[French Colonial Empire|French]] and [[পর্তুগিজ সাম্রাজ্য|Portuguese]] with their own civilization and standards, penetrated into the imperious core of this steadfast faith. Hindu thought took and absorbed according to its own will, folding itself inwards at the sense of approaching danger like some gigantic sea-anemone drawing up all its tentacles, only to stretch outwards and flourish when the danger was past. One continues to hope that this will remain so, that modern Indians will realize that this is their enviable strength despite all their understandable yearnings for the material advantages of [[technology]] which they have seen give power and monopoly of advantage to the Western world. But their quality of synthesis, of intelligent absorption, may still save them from the sterility of urban life and the monotonous obsession with quantity and things, rather than with quality and life-perspective. **(source: The Music of India - By Peggy Holroyde p. 44-52). ==M== *Judged by a similar standard, the patronage and cultivation of Hindu learning by the Muslims, or their contribution to the development of Hindu culture during their rule . . . pales into insignificance when compared with the achievements of the [[British Raj|British rule]]... It is only by instituting such comparison that we can make an objective study of the condition of the Hindus under Muslim rule, and view it in its true perspective. **R. C. Majumdar, ed., The History and Culture of the Indian People, vol. 6, The Delhi Sultanate (London: G. Allen & Unwin, 1952), p. 623. quoted in Ibn Warraq, Why the West is the best, "India under the Arabs and the British". also quoted in Bostom, A. G. M. D., & Bostom, A. G. (2010). The Legacy of Jihad: Islamic Holy War and the Fate of Non-Muslims. Amherst: Prometheus. *From at least the beginning of the Common Era until about the thirteenth century, Sanskrit was the primary linguistic and cultural medium for the ruling and administrative circles from Purushapura ([[Peshawar]]) in Gandhara (Afghanistan and parts of Pakistan) to as far eat as Pandurang in Annam ([[South Vietnam]]) and Prambanam in Central Java. It influenced much of Asia for more than a thousand years. Sanskriti was neither imposed by an imperial power nor sustained by any centrally organized Church ecclesiology. Thus, it has been both the result and cause of a cultural consciousness shared by most South and South-east Asians regardless of religion, class or gender. Centuries prior to the Europeanization of the globe, the entire arc – from [[এশিয়া]] through [[আফগানিস্তান]], India, [[শ্রীলঙ্কা]], [[Thailand]], [[কম্বোডিয়া]], [[Vietnam]] and all the way to [[ইন্দোনেশিয়া]] – was a crucible of a sophisticated Pan-Asian civilization... However, unlike the violent spread of the [[Roman Civilization|Roman civilization]] which made [[Latin]] the European language for centuries, the Sanskritization of Asia was entirely peaceful, without conquest, domination, or subversion of local identities. This is not to say that political disputes and wars of conquest never occurred, but in most instances, the motive was not the imposition of cultural or religious homogeneity. ** Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. ==Q== *India made, more loudly than anyone, what we might call the “declaration of the rights of the Being.” There, in this divine self, in this society of the infinite with itself, lies clearly the foundation, the root of all life and all history. **Edgar Quinet in Jean Biès, Littérature française et pensée hindoue des origines à 1950 in India’s Impact on French Thought and Literature: Eighteenth to Twentieth Century by Michel Danino (Published in Critical Practice, X:2, June 2003, pp. 46-56) ==T== * '''Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speech, grandmother of [[পুরাণবিদ্যা|legend]], great grandmother of [[tradition]]. The land that all men desire to see and having seen once even by a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined.''' **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'', p. 113 * It is a good and gentle religion, but inconvenient. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * India had the start of the whole world in the beginning of things. She had the first civilization; she had the first accumulation of material wealth; she was populous with deep thinkers and subtle intellects; she had mines, and woods, and a fruitful soul. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * Our most valuable and most instructive materials in the history of man are treasured up in India. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * "Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speak, grandmother of legacy, great grandmother of tradition. The land that all men desire to see and having seen once even a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined." **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' *Years earlier, the British historian [[Arnold Toynbee|A.J. Toynbee]] remarked: 'India is the central link in a chain of regional civilizations that extends from [[জাপান]] in the far north-east to [[আয়ারল্যান্ড]] in the far northwest. Between these two extremities the chain sags down southwards in a festoon that dips below the Equator in Indonesia.' **quoted from Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. *[[পুঁজিবাদ]], or the ideology of the unbridled pursuit of [[wealth]], is destroying culture on an unbridled scale... countless cultural activities, seen to be non-lucrative or less lucrative, are being abandoned all over the country. Others are being severely compromised in order to keep or make them lucrative: compromise in materials or techniques used, shoddiness in workmanship or performance, short-cut methods, etc. These are resulting in loss of natural spontaneity, cultural authenticity, technological expertise and performance satisfaction, which, in turn, gradually leads to the degeneration and further abandonment of cultural activities. All this is affecting various fields of culture: musical forms and styles, musical instruments, dance forms, architectural styles, art forms, handicrafts, traditional crops, culinary items, etc... owever, the concept of Money as God has now changed all this. For perhaps the first time in [[History of India|India’s long history]], there is now no real official support for Indian culture. In the last decade or so, apparently coinciding with the advocacy and adoption of new policies of economic ‘reforms’, it is now passé for [[ভারত সরকার|governments]] to do anything concrete to protect, preserve, record or perpetuate India’s traditional culture, or even to aid and encourage individuals or organizations doing so. Institutions established in the post-Independence era are being literally starved for funds, or funds are being used for any purpose but to achieve the original aims and objectives, or, simply, the very aims and objectives of these institutions are being changed. In any case no new activities, except occasional pedestrian ‘cultural’ projects of a political nature, are being undertaken: the institutions are being slowly transformed from cultural to commercial institutions, in line with the ‘changing times’.<br>“Infinitely worse is what is happening to the detailed records of the research, documentation and collection undertaken by these institutions, in the not so distant past, to preserve, popularize and perpetuate different aspects of Indian culture. These archival records ¾ print, tape, film or actual physical objects ¾ are suddenly becoming an eyesore or an embarrassment, or simply a financial burden, to a cash-conscious leadership with a ‘reformist’ eye on the ‘globe’. A standard sequence now is as follows: state-funded [[জাদুঘর|museums]], [[গ্রন্থাগার]] and archives ¾ or at least the records in them ¾ slowly become rare or inaccessible, in different ways, to the (lay or scholarly) public eye. Often ‘constraints of space’ force the authorities to remove these records from their protected environments and dump them in ill-maintained godowns, to rot and decay, unseen and forgotten. And, occasionally, mysterious fires break out in the places which house these archives, destroying invaluable and irreplaceable records (including those pertaining to the golden age of Indian movies), then to be forgotten forever. All these events, coincidentally, make available valuable land and funds for more lucrative commercial purposes. The persons in authority are too busy saving or making money - for themselves, or, if they are to be believed, for the public coffers - to care. **S. Talageri, in (“Sita Ram Goel, memories and ideas”, in Koenraad Elst, ed.: India’s Only Communalist: In Commemoration of Sita Ram Goel, Voice of India, Delhi 2005, p.239-346) quoted from [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2016/07/cultural-policy-and-folk-art.html Review of "From the Personal Collection of KC Aryan. Unknown Masterpieces of Indian Folk & Tribal Art (KC Aryan’s Home of Folk Art, Gurgaon 2016, 301 pp., 635 illustrations). " presenting KC Aryan’s art collection, in (Law Animated World, Hyderabad, 16 July 2016)] ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[Category:Culture of India| ]] q1vo0iqgboofjhpiykg8afttdmczpli 81926 81925 2026-04-28T11:31:07Z ARI 356 /* G */ ; অনুবাদ 81926 wikitext text/x-wiki '''[[ভারতের সংস্কৃতি]]''' অথবা '''ভারতীয় সংস্কৃতি''' অনেক সময় '''ভারতীয় সভ্যতা'''র সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি সামাজিক নিয়ম, নৈতিক মূল্যবোধ, প্রথাগত রীতিনীতি, বিশ্বাস ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, নিদর্শন এবং প্রযুক্তির এক ঐতিহ্য। এই বিষয়গুলো [[দক্ষিণ এশিয়া]]য় উদ্ভূত হয়েছে অথবা এই অঞ্চলের সাথে যুক্ত। == উক্তি == * "ভারত যে আধ্যাত্মিক লক্ষ্যকে তুলে ধরে, তা কি ইউরোপের ওপর প্রভাব ফেলবে এবং সেখানে পশ্চিমা সমাজের উপযোগী নতুন রূপ তৈরি করবে? নাকি ইউরোপীয় যুক্তিবাদ ও ভোগবাদ ভারতীয় সংস্কৃতির চিরতরে অবসান ঘটাবে? এটিই বর্তমানে একটি অত্যন্ত মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।" ** অরবিন্দ, দনিনো, এম., এবং নাহার, এস. (১৯৯৬) এর মধ্যে। দ্য ইনভেশন দ্যাট নেভার ওয়াজ (প্রথম সংস্করণ)। মাদার্স ইনস্টিটিউট অফ রিসার্চ অ্যান্ড মিরা অদিতি, মহীশূর, ভারত। * গ্রিকদের চেয়েও উচ্চাভিলাষী, সূক্ষ্ম, বহুমুখী, কৌতূহলী ও গভীর; রোমানদের চেয়েও মহান ও মানবিক; প্রাচীন মিশরীয়দের চেয়েও বিশাল ও আধ্যাত্মিক; অন্য যেকোনো এশীয় সভ্যতার চেয়েও ব্যাপক ও মৌলিক; এবং ১৮শ শতাব্দীর আগের ইউরোপীয়দের চেয়েও বেশি বুদ্ধিদীপ্ত ছিল এই সংস্কৃতি। এদের কাছে যা কিছু ছিল, তার সবকিছু এবং আরও অনেক বেশি সমৃদ্ধ এই সংস্কৃতি ছিল অতীত মানব সভ্যতার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী, আত্মনিয়ন্ত্রিত, উদ্দীপনামূলক এবং সুদূরপ্রসারী। ** [[অরবিন্দ ঘোষ]], {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=দ্য মেসেজ অ্যান্ড মিশন অব ইন্ডিয়া |তারিখ=১৯৬৪ |প্রকাশক=ভারতী বিদ্যা ভবন |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=AcRKAAAAMAAJ}} ** শ্রী অরবিন্দ, দ্য ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিয়ান কালচার (১৯৫৩), পৃষ্ঠা ৩১। * "আধ্যাত্মিকতাই হলো ভারতীয় মনের মূল চাবিকাঠি। ভারতের এই প্রবল আগ্রহই তার সংস্কৃতির সব বহিঃপ্রকাশের চরিত্র নির্ধারণ করে। প্রকৃতপক্ষে, তার জন্মগত আধ্যাত্মিক প্রবণতা থেকেই এই সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছে, যার এক স্বাভাবিক প্রকাশ হলো তার ধর্ম। ভারতীয় মন সব সময় উপলব্ধি করেছে যে পরম সত্তা অসীম। তারা দেখেছে যে প্রকৃতির মধ্যে থাকা আত্মার কাছে সেই অসীম সত্তা সব সময়ই অসীম বৈচিত্র্যের সাথে হাজির হতে পারে। পুরো মানবজাতির জন্য একটিমাত্র ধর্মের উগ্র এবং যুক্তিহীন ধারণা, অর্থাৎ একটিমাত্র গোঁড়ামি, উপাসনা পদ্ধতি, আচার-অনুষ্ঠান বা অনুশাসন সবাইকে মেনে নিতে বাধ্য করার যে উদ্ভট চেষ্টা যা আসলে অসহিষ্ণুতা, নিষ্ঠুরতা এবং অন্ধকারের জন্ম দেয় তা ভারতের মানসিকতায় কখনও শক্তভাবে জায়গা করে নিতে পারেনি।" ... "ভারত হলো ধর্মের মিলনস্থল এবং এর মধ্যে হিন্দুধর্ম নিজেই এক বিশাল ও জটিল বিষয়। এটি কেবল একটি ধর্ম নয়, বরং আধ্যাত্মিক চিন্তা, উপলব্ধি এবং আকাঙ্ক্ষার এক বৈচিত্র্যময় অথচ সূক্ষ্মভাবে ঐক্যবদ্ধ রূপ।" ** [[অরবিন্দ ঘোষ]]ের প্রতি আরোপিত, {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ইন্ডিয়া: ভিশন অ্যান্ড ফুলফিলমেন্ট |তারিখ=১৯৭২ |প্রকাশক=ডি. বি. তারাপোরেভালা সন্স |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=MKE5AQAAIAAJ |শেষ১=মিত্র |প্রথম১=শিশির কুমার |লেখকসংযোগ১=w:Sisir Kumar Mitra}} ** শ্রী অরবিন্দ, শ্রী অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া 'আর্য', আগস্ট ১৯১৮-নভেম্বর ১৯১৮ (১৯২০ সালে পর্যালোচিত ও সংশোধিত) এছাড়াও মিত্র, শিশিরকুমার দ্য ভিশন অফ ইন্ডিয়া নয়াদিল্লি: ক্রেস্ট পাবলিশিং হাউস, ১৯৯৪ পৃষ্ঠা ৫৩ - ৫৪, ঘোষ, অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া। আর্য পাবলিশিং হাউস কলকাতা। এ ডিফেন্স অফ ইন্ডিয়ান কালচার। * বিশ্বের অন্যান্য দেশ ও জাতির সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ ও সম্পর্কের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো এই যে, এখানে সাংস্কৃতিক বিস্তারকে কখনোই ঔপনিবেশিক আধিপত্য এবং বাণিজ্যিক সক্রিয়তার সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়নি, আর অর্থনৈতিক শোষণ তো অনেক পরের কথা। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছাড়াও যে সংস্কৃতির বিকাশ হতে পারে, সাম্রাজ্যবাদী পরিকল্পনা ছাড়াই বাণিজ্য চলতে পারে, ঔপনিবেশিক বাড়াবাড়ি ছাড়াই জনবসতি গড়ে উঠতে পারে এবং সাহিত্য, [[ধর্ম]] ও [[ভাষা]] যে বিদেশি-বিদ্বেষ, উগ্র জাতীয়তাবাদ বা বর্ণবিদ্বেষ ছাড়াই ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব, তার যথেষ্ট প্রমাণ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ইতিহাসে পাওয়া যায়... এইভাবে যদিও মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি বড় অংশ ভারতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধ কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল, তবুও তারা খুব কমই কোনো ভারতীয় রাজা বা বিজয়ীর শাসনাধীন ছিল। তারা ভারতীয় সামরিক অভিযানের ভয়াবহতা ও ধ্বংসলীলা খুব একটা দেখেনি। তারা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ স্বাধীন ছিল এবং তাদের জনগণ ছিল ভারতীয় ও স্থানীয় উপাদানের এক সংমিশ্রণ। ভারতীয় কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো যোগসূত্র ছিল না এবং তারা ভারতকে জন্মভূমির চেয়ে বরং একটি পবিত্র ভূমি হিসেবে দেখত। এটি ছিল তাদের কাছে একটি তীর্থস্থান, কোনো শাসনভুক্ত এলাকা নয়। ** অরুণ ভট্টাচার্যের গ্রেটার ইন্ডিয়া, মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এ কালচারাল হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে এ. এল. ব্যাশাম উল্লেখ করেছেন যে, 'খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীর মধ্যে ভারতীয়করণ হওয়া রাষ্ট্রগুলো, অর্থাৎ ভারতীয় রাজনৈতিক তত্ত্বের প্রথাগত ধারা অনুযায়ী গঠিত এবং বৌদ্ধ বা হিন্দু ধর্ম অনুসরণকারী রাষ্ট্রগুলো [[মিয়ানমার]], থাইল্যান্ড, ইন্দো-চায়না, [[মালয়েশিয়া]] এবং [[ইন্দোনেশিয়া]]র অনেক অঞ্চলে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল'। ** মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এটা সত্য যে হিমালয় পেরিয়েও ভারত আমাদের কাছে ব্যাকরণ ও যুক্তিবিদ্যা, দর্শন ও পঞ্চতন্ত্রের গল্প, সম্মোহন বিদ্যা এবং [[দাবা]]র মতো কিছু বিচিত্র উপহার পাঠিয়েছে। আর সবার উপরে রয়েছে আমাদের সংখ্যা এবং দশমিক পদ্ধতি। কিন্তু এগুলো তার আত্মার আসল নির্যাস নয়; ভবিষ্যতে আমরা তার কাছ থেকে যা শিখতে পারি, তার তুলনায় এগুলো অতি তুচ্ছ। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * হয়তো বিজয়, অহংকার এবং লুণ্ঠনের বিনিময়ে ভারত আমাদের একটি পরিপক্ক মনের সহনশীলতা ও নম্রতা, নির্লোভ আত্মার প্রশান্তি, বোধশক্তিসম্পন্ন হৃদয়ের স্থিরতা এবং সমস্ত জীবজগতের প্রতি একটি ঐক্যবদ্ধ ও শান্তিময় ভালোবাসা শেখাবে। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * ভারত ছিল আমাদের জাতির মাতৃভূমি এবং সংস্কৃত ছিল ইউরোপের ভাষাগুলোর জননী। ভারত ছিল আমাদের দর্শনের জননী; আরবদের মাধ্যমে আমাদের অনেক [[গণিত]]ের জননী; বুদ্ধের মাধ্যমে [[খ্রিস্টধর্ম]]ে মিশে থাকা আদর্শের জননী এবং গ্রাম্য সমাজের মাধ্যমে স্বায়ত্তশাসন ও গণতন্ত্রের জননী। মা ভারত অনেক দিক থেকেই আমাদের সবার মা। ভারতের সাথে আধুনিক ছাত্রছাত্রীদের পরিচয়ের অভাব এবং এই পরিচয়ের স্বল্পতা তাদের গভীরভাবে লজ্জিত করা উচিত... এই সেই ভারত যাকে ধৈর্যশীল জ্ঞানচর্চা এখন একটি নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক মহাদেশের মতো সেই পশ্চিমা মনের কাছে উন্মোচন করছে, যারা কেবল গতকাল পর্যন্তও মনে করত যে সভ্যতা কেবল পশ্চিমাদের একচেটিয়া অধিকার। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * "প্রবহমান নদী যেমন সমুদ্রে গিয়ে নিজের নাম ও রূপ হারিয়ে ফেলে, তেমনি একজন জ্ঞানী ব্যক্তি নাম ও রূপের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে সেই পরম সত্তার কাছে যান যিনি সবকিছুর ঊর্ধ্বে।" জীবন ও মৃত্যুর এমন তত্ত্ব পশ্চিমা মানুষের ভালো লাগবে না, যাদের ধর্ম তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মতোই ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদে পূর্ণ। কিন্তু এটি বিস্ময়কর ধারাবাহিকতার সাথে হিন্দু দার্শনিক মনকে সন্তুষ্ট করেছে। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * এমনকি ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও এই গভীর থিওসফি লক্ষ লক্ষ অনুসারী পেয়েছে। এদের মধ্যে একাকী নারী ও ক্লান্ত পুরুষ থেকে শুরু করে আর্থার শোপেনহাওয়ার এবং [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]] পর্যন্ত সবাই রয়েছেন। কে ভেবেছিল যে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের মহান আমেরিকান দার্শনিক তার 'ব্রহ্মা' কবিতায় হিন্দু বিশ্বাসের এক নিখুঁত প্রকাশ ঘটাবেন যে ব্যক্তিত্ব একটি বিভ্রম? ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * এগুলো হলো আমাদের জাতির টিকে থাকা প্রাচীনতম দর্শন এবং মনোবিজ্ঞান। মন ও বিশ্ব এবং তাদের মধ্যকার সম্পর্ক বোঝার জন্য মানুষের এক আশ্চর্যজনক সূক্ষ্ম ও ধৈর্যশীল প্রচেষ্টা। [[উপনিষদ]] [[হোমার]]ের মতো প্রাচীন এবং ইমানুয়েল কান্টের মতো আধুনিক। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] [[চিত্র:Sri Krishna (Miniature Painting, Kashmir School, 19th century).jpg|থাম্ব|ভারতীয় শিক্ষা, তার অসংখ্য কিংবদন্তির আড়ালে থাকলেও, এতে একটি সরল ও মহৎ ধর্ম রয়েছে, যা যেন এক মখমল পর্দার আড়ালে থাকা কোনো রানীর রাজকীয় মুখাবয়ব। এটি সত্য কথা বলতে, অন্যকে ভালোবাসতে এবং তুচ্ছ বিষয়গুলোকে বর্জন করতে শেখায়। প্রাচ্য মহান এবং এটি ইউরোপকে তুচ্ছ জিনিসের দেশ বলে মনে করায়... সবকিছুই আত্মা এবং সেই আত্মাই হলো সর্বশক্তিমান। ~ [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]]]] * আমি স্বীকার করি যে পশ্চিমে ইউরোপীয়দের এবং তাদের রীতিনীতির শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে যে আত্মবিশ্বাস প্রচলিত, আমি তার অংশীদার হতে পারছি না। ইউরোপীয় সভ্যতা সন্তোষজনক নয় এবং যারা আত্মিকভাবে এশীয়দের থেকে অনেক দূরে, [[এশিয়া]] তাদের জন্য এখনও আকর্ষণীয় কিছু দিতে পারে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'', পৃষ্ঠা ৪১ * আমি মনে করি না যে [[খ্রিস্টধর্ম]] কখনো এশিয়ায় খুব বেশি উন্নতি করতে পারবে, কারণ সাধারণভাবে এই নামে যা পরিচিত তা খ্রিস্টের শিক্ষা নয় বরং ইউরোপে তৈরি করা এর একটি নতুন রূপ এবং বেশিরভাগ ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানের মতো এটি চিন্তাশীল হওয়ার চেয়ে বেশি বাস্তববাদী। আর স্বয়ং খ্রিস্টের শিক্ষার কথা বললে, ভারতীয়রা একে চমৎকার মনে করলেও এটি তাদের কাছে যথেষ্ট বা সন্তোষজনক নয়। এতে এমন খুব কমই আছে যা হিন্দুধর্মের অনেক শাস্ত্রের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে না..." ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * বিশ্বের মনোযোগের ক্ষেত্রে ভারতের দাবি হলো এই যে, ইতিহাস শুরু হওয়ার পর থেকে অন্য যেকোনো জাতির তুলনায় তারা অস্তিত্বের পরম রহস্য নিয়ে চিন্তাভাবনা করার জন্য নিজেকে বেশি নিয়োজিত করেছে। আমার চোখে ভারতীয় চিন্তা আমাদের সাধারণ চিন্তাধারা থেকে যে ব্যাপকভাবে আলাদা, তা একটি ইতিবাচক গুণ। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * হিন্দুধর্ম তৈরি করা হয়নি বরং এটি গড়ে উঠেছে। এটি একটি জঙ্গল, কোনো ভবন নয়। এটি একটি মহান জাতীয় [[পৌত্তলিকতাবাদ]]ের জীবন্ত উদাহরণ যা হয়তো ইউরোপেও থাকত যদি খ্রিস্টধর্ম রোমান সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রীয় ধর্ম না হতো। সেখানে যদি পুরনো স্থানীয় [[কুসংস্কার]]ের এক অদ্ভুত জটলা, গ্রিক দর্শন এবং সারাপিস বা মিত্রাসের উপাসনার মতো প্রাচ্যের ধর্মীয় আচারগুলো থেকে যেত। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * ইসলাম এবং খ্রিস্টধর্মের তুলনায় হিন্দুধর্মের মতবাদগুলো অত্যন্ত পরিবর্তনশীল এবং বহুমুখী। ভারত রূপক এবং উপমার মাধ্যমে কাজ করে। হিন্দু চিন্তা যেমন অস্থির, সূক্ষ্ম এবং তর্কমূলক, এটি ইউরোপীয় ধর্মতত্ত্বের মতো অতি কঠোর সংজ্ঞার মাধ্যমে অতিপ্রাকৃত ধারণাগুলোকে বিকৃত করার দোষে কম দুষ্ট। এটি উপমা এবং প্রতীকের মাধ্যমে অবর্ণনীয় বিষয়কে তুলে ধরে। এটি অসঙ্গতিকে ভয় পায় না যা অসীমের বিভিন্ন দিক ফুটিয়ে তুলতে পারে, কিন্তু এটি ঈশ্বরকে একটি যৌক্তিক বাক্যাংশের সীমানায় বন্দি করার চেষ্টা খুব কমই করে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * হিন্দুদের মধ্যে অন্ধবিশ্বাস এবং মুক্ত চিন্তার সমন্বয় ঘটানোর এক অসাধারণ ক্ষমতা আছে। এতে ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বাধীনতা দেওয়া হয়। সব যুগেই হিন্দুরা গভীরভাবে দার্শনিক চিন্তায় মগ্ন ছিল। এটিও লক্ষণীয় যে উপনিষদ থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]ের লেখা পর্যন্ত ভারতীয় সাহিত্যে সময়ে সময়ে এই ধারণা ব্যক্ত হয়েছে যে, পুরো [[মহাবিশ্ব]] কোনো এক উচ্ছ্বসিত শক্তির বহিঃপ্রকাশ যা আনন্দময় গতির মাধ্যমে নিজেকে প্রকাশ করে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * ভারতীয় শিক্ষা, তার অসংখ্য কিংবদন্তির আড়ালে থাকলেও, এতে একটি সরল ও মহৎ ধর্ম রয়েছে, যা যেন এক মখমল পর্দার আড়ালে থাকা কোনো রানীর রাজকীয় মুখাবয়ব। এটি সত্য কথা বলতে, অন্যকে ভালোবাসতে এবং তুচ্ছ বিষয়গুলোকে বর্জন করতে শেখায়। প্রাচ্য মহান এবং এটি ইউরোপকে তুচ্ছ জিনিসের দেশ বলে মনে করায়... সবকিছুই আত্মা এবং সেই আত্মাই হলো সর্বশক্তিমান। ** রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন। উৎস: দ্য ওয়েস্ট লুকস অ্যাট ইন্ডিয়া, কৃষ্ণানন্দ জোশী। উদ্ধৃত: গেওয়ালি, সলিল (২০১৩)। গ্রেট মাইন্ডস অন ইন্ডিয়া। নিউ দিল্লি: পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস। * বাস্তব জীবনে আমাদের দুটি জাতিতে বিভক্ত করা অসম্ভব। আমরা দুটি জাতি নই। প্রতিটি মুসলিমের একটি [[হিন্দু]] নাম থাকবে যদি সে তার পারিবারিক ইতিহাসে যথেষ্ট পেছনে যায়। প্রতিটি মুসলমান আসলে একজন হিন্দু যিনি [[ইসলাম]] গ্রহণ করেছেন। এটি কোনো জাতীয়তা তৈরি করে না। ... ভারতে আমাদের সংস্কৃতি একই। উত্তর ভারতে হিন্দু এবং মুসলিম—উভয়ই [[হিন্দি ভাষা]] ও [[উর্দু]] বোঝেন। মাদ্রাজ-এ হিন্দু এবং মুসলিমরা তামিল ভাষায় কথা বলেন এবং [[বঙ্গ]]তে তারা দুজনেই [[বাংলা ভাষা|বাংলা]] ভাষায় কথা বলেন, হিন্দি বা উর্দুতে নয়। যখন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঘটে, সেগুলো সব সময় গরু সংক্রান্ত ঘটনা এবং ধর্মীয় শোভাযাত্রার কারণে উস্কানি পায়। এর অর্থ হলো আমাদের [[কুসংস্কার]]ই সমস্যার সৃষ্টি করে, আমাদের আলাদা জাতীয়তা নয়। ** [[মহাত্মা গান্ধী]], কনভারসেশনস উইথ লুই ফিশার, ৬ জুন ১৯৪২, লুই ফিশারের ''আ উইক উইথ গান্ধী''তে, পৃষ্ঠা ৪৫–৪৬। * অল্প সময়ের মধ্যেই আমি [[হিন্দু]] দর্শনের ওপর আমার প্রথম বইটি পড়লাম। এটি আমাকে প্রচণ্ড ধাক্কা দিল এবং যেন জাগিয়ে তুলল। এখানে অবশেষে আমি যা খুঁজছিলাম তা পেলাম। একে কেবল বিতর্ক বা প্রায়ই উপহাসের বিষয় হিসেবে দেখার বদলে এখানে পুনর্জন্মকে একটি স্বীকৃত সত্য হিসেবে ধরা হয়েছে। এই শিক্ষাগুলো ছিল যুক্তিপূর্ণ ও আবেগবর্জিত, কিন্তু তবুও অহিংসা, করুণা, সহানুভূতি ও ভালোবাসার চেতনায় পরিপূর্ণ। ** নিনা গ্রাবোই, ''ওয়ান ফুট ইন দ্য ফিউচার: আ ওম্যান'স স্পিরিচুয়াল জার্নি'' (২০০০), অধ্যায় উনিশ। ==H== * The notion of a single Hindu culture, incommensurable with [[ইসলাম]] or western epistemes and forms of organization, is the real fiction at work here, imposed by [[orientalism]] and painstakingly promulgated, organized, and reformulated by generation of [[Hindu nationalists]] and other {{W|Indian nationalists}} for more than a century. [...] In order to understand Hindu nationalism we need to analyze carefully the [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা|official secularism]] it opposed. Textbook versions of [[ধর্মনিরপেক্ষতা]] as the absence of [[Religion in India|religion]] from the public sphere, or a more fashionable understanding of secularism as a metonym of scientific rationalism, will not suffice. We need to take a closer and more informed look at the practices and meanings of secularism in the public culture of independent India. The dominant interpretation of secularism in India did not entail the removal of religion from the political sphere, but rather the belief that religion and culture were elevated to an ostensibly apolitical level, above the profanities of the political. This institutionalized notion of culture and religion as apolitical, and the derived notion of selfless "social work" as ennobling and purifying by virtue of its elevation above politics and money, provided an unassailable moral high ground to a certain genre of "antipolitical activism," conspicuous among social and cultural organization but also often invoked in agitations and in electoral politics in India. I submit that it was from this discursive field of "antipolitics" and "religious activism" that the Hindu nationalist movement, with great ingenuity, built its campaigns and organizational networks for decades. Like other forms of cultural nationalism, the Hindu nationalist movement always entertained a complex ambivalence vis-à-vis democracy and apprehension toward the "political vocation." The evolution of the movement, its organization, and its political strategies must be understood in the context of a constant negotiation and oscillation across the deep bifurcation in modern Indian political culture between a realm of "sublime" culture and realm of "profane" competitive politics. ** [[Thomas Blom Hansen]], {{বই উদ্ধৃতি |title=The Saffron Wave: Democracy and Hindu Nationalism in Modern India |date=1999 |publisher={{W|Princeton University Press}} |isbn=978-1-4008-2305-5 |page=11 |url=https://books.google.com/books?id=SAqn3OIGE54C&pg=PA11}} * The sparkling energy of India lies in Hinduism. Without the framework of Hindu belief India would fall apart. Without Hinduism India is not herself... Because Indian society has, like the Chinese, been a unitary one where science and religion have never been in conflict, there has been no basic split as has happened with our own Christian background. Our own antagonism between the two disciplines of [[theology]] and [[বিজ্ঞান]] has created chaos in our thinking and a curious dichotomy during the past two centuries. In India I found a thankful release from our restricted vision of the creation of God... Hinduism has remained in constant, replenished usage throughout this tremendous stretch of time, impervious to outside influence, as onward flowing as the imperturbable Ganga itself. Not even [[Muslim conquests in the Indian subcontinent|Moghul invasion]] and [[ভারতে ইসলাম|Muslim]] supremacy for 700 years, nor the arrival of the [[British Empire|British]], [[Dutch Empire|Dutch]], [[French Colonial Empire|French]] and [[পর্তুগিজ সাম্রাজ্য|Portuguese]] with their own civilization and standards, penetrated into the imperious core of this steadfast faith. Hindu thought took and absorbed according to its own will, folding itself inwards at the sense of approaching danger like some gigantic sea-anemone drawing up all its tentacles, only to stretch outwards and flourish when the danger was past. One continues to hope that this will remain so, that modern Indians will realize that this is their enviable strength despite all their understandable yearnings for the material advantages of [[technology]] which they have seen give power and monopoly of advantage to the Western world. But their quality of synthesis, of intelligent absorption, may still save them from the sterility of urban life and the monotonous obsession with quantity and things, rather than with quality and life-perspective. **(source: The Music of India - By Peggy Holroyde p. 44-52). ==M== *Judged by a similar standard, the patronage and cultivation of Hindu learning by the Muslims, or their contribution to the development of Hindu culture during their rule . . . pales into insignificance when compared with the achievements of the [[British Raj|British rule]]... It is only by instituting such comparison that we can make an objective study of the condition of the Hindus under Muslim rule, and view it in its true perspective. **R. C. Majumdar, ed., The History and Culture of the Indian People, vol. 6, The Delhi Sultanate (London: G. Allen & Unwin, 1952), p. 623. quoted in Ibn Warraq, Why the West is the best, "India under the Arabs and the British". also quoted in Bostom, A. G. M. D., & Bostom, A. G. (2010). The Legacy of Jihad: Islamic Holy War and the Fate of Non-Muslims. Amherst: Prometheus. *From at least the beginning of the Common Era until about the thirteenth century, Sanskrit was the primary linguistic and cultural medium for the ruling and administrative circles from Purushapura ([[Peshawar]]) in Gandhara (Afghanistan and parts of Pakistan) to as far eat as Pandurang in Annam ([[South Vietnam]]) and Prambanam in Central Java. It influenced much of Asia for more than a thousand years. Sanskriti was neither imposed by an imperial power nor sustained by any centrally organized Church ecclesiology. Thus, it has been both the result and cause of a cultural consciousness shared by most South and South-east Asians regardless of religion, class or gender. Centuries prior to the Europeanization of the globe, the entire arc – from [[এশিয়া]] through [[আফগানিস্তান]], India, [[শ্রীলঙ্কা]], [[Thailand]], [[কম্বোডিয়া]], [[Vietnam]] and all the way to [[ইন্দোনেশিয়া]] – was a crucible of a sophisticated Pan-Asian civilization... However, unlike the violent spread of the [[Roman Civilization|Roman civilization]] which made [[Latin]] the European language for centuries, the Sanskritization of Asia was entirely peaceful, without conquest, domination, or subversion of local identities. This is not to say that political disputes and wars of conquest never occurred, but in most instances, the motive was not the imposition of cultural or religious homogeneity. ** Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. ==Q== *India made, more loudly than anyone, what we might call the “declaration of the rights of the Being.” There, in this divine self, in this society of the infinite with itself, lies clearly the foundation, the root of all life and all history. **Edgar Quinet in Jean Biès, Littérature française et pensée hindoue des origines à 1950 in India’s Impact on French Thought and Literature: Eighteenth to Twentieth Century by Michel Danino (Published in Critical Practice, X:2, June 2003, pp. 46-56) ==T== * '''Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speech, grandmother of [[পুরাণবিদ্যা|legend]], great grandmother of [[tradition]]. The land that all men desire to see and having seen once even by a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined.''' **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'', p. 113 * It is a good and gentle religion, but inconvenient. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * India had the start of the whole world in the beginning of things. She had the first civilization; she had the first accumulation of material wealth; she was populous with deep thinkers and subtle intellects; she had mines, and woods, and a fruitful soul. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * Our most valuable and most instructive materials in the history of man are treasured up in India. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * "Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speak, grandmother of legacy, great grandmother of tradition. The land that all men desire to see and having seen once even a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined." **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' *Years earlier, the British historian [[Arnold Toynbee|A.J. Toynbee]] remarked: 'India is the central link in a chain of regional civilizations that extends from [[জাপান]] in the far north-east to [[আয়ারল্যান্ড]] in the far northwest. Between these two extremities the chain sags down southwards in a festoon that dips below the Equator in Indonesia.' **quoted from Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. *[[পুঁজিবাদ]], or the ideology of the unbridled pursuit of [[wealth]], is destroying culture on an unbridled scale... countless cultural activities, seen to be non-lucrative or less lucrative, are being abandoned all over the country. Others are being severely compromised in order to keep or make them lucrative: compromise in materials or techniques used, shoddiness in workmanship or performance, short-cut methods, etc. These are resulting in loss of natural spontaneity, cultural authenticity, technological expertise and performance satisfaction, which, in turn, gradually leads to the degeneration and further abandonment of cultural activities. All this is affecting various fields of culture: musical forms and styles, musical instruments, dance forms, architectural styles, art forms, handicrafts, traditional crops, culinary items, etc... owever, the concept of Money as God has now changed all this. For perhaps the first time in [[History of India|India’s long history]], there is now no real official support for Indian culture. In the last decade or so, apparently coinciding with the advocacy and adoption of new policies of economic ‘reforms’, it is now passé for [[ভারত সরকার|governments]] to do anything concrete to protect, preserve, record or perpetuate India’s traditional culture, or even to aid and encourage individuals or organizations doing so. Institutions established in the post-Independence era are being literally starved for funds, or funds are being used for any purpose but to achieve the original aims and objectives, or, simply, the very aims and objectives of these institutions are being changed. In any case no new activities, except occasional pedestrian ‘cultural’ projects of a political nature, are being undertaken: the institutions are being slowly transformed from cultural to commercial institutions, in line with the ‘changing times’.<br>“Infinitely worse is what is happening to the detailed records of the research, documentation and collection undertaken by these institutions, in the not so distant past, to preserve, popularize and perpetuate different aspects of Indian culture. These archival records ¾ print, tape, film or actual physical objects ¾ are suddenly becoming an eyesore or an embarrassment, or simply a financial burden, to a cash-conscious leadership with a ‘reformist’ eye on the ‘globe’. A standard sequence now is as follows: state-funded [[জাদুঘর|museums]], [[গ্রন্থাগার]] and archives ¾ or at least the records in them ¾ slowly become rare or inaccessible, in different ways, to the (lay or scholarly) public eye. Often ‘constraints of space’ force the authorities to remove these records from their protected environments and dump them in ill-maintained godowns, to rot and decay, unseen and forgotten. And, occasionally, mysterious fires break out in the places which house these archives, destroying invaluable and irreplaceable records (including those pertaining to the golden age of Indian movies), then to be forgotten forever. All these events, coincidentally, make available valuable land and funds for more lucrative commercial purposes. The persons in authority are too busy saving or making money - for themselves, or, if they are to be believed, for the public coffers - to care. **S. Talageri, in (“Sita Ram Goel, memories and ideas”, in Koenraad Elst, ed.: India’s Only Communalist: In Commemoration of Sita Ram Goel, Voice of India, Delhi 2005, p.239-346) quoted from [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2016/07/cultural-policy-and-folk-art.html Review of "From the Personal Collection of KC Aryan. Unknown Masterpieces of Indian Folk & Tribal Art (KC Aryan’s Home of Folk Art, Gurgaon 2016, 301 pp., 635 illustrations). " presenting KC Aryan’s art collection, in (Law Animated World, Hyderabad, 16 July 2016)] ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[Category:Culture of India| ]] h0gxruyna6v2ohrp4ksucczuy7qaw5p 81928 81926 2026-04-28T11:34:02Z ARI 356 /* H */ ; অনুবাদ 81928 wikitext text/x-wiki '''[[ভারতের সংস্কৃতি]]''' অথবা '''ভারতীয় সংস্কৃতি''' অনেক সময় '''ভারতীয় সভ্যতা'''র সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি সামাজিক নিয়ম, নৈতিক মূল্যবোধ, প্রথাগত রীতিনীতি, বিশ্বাস ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, নিদর্শন এবং প্রযুক্তির এক ঐতিহ্য। এই বিষয়গুলো [[দক্ষিণ এশিয়া]]য় উদ্ভূত হয়েছে অথবা এই অঞ্চলের সাথে যুক্ত। == উক্তি == * "ভারত যে আধ্যাত্মিক লক্ষ্যকে তুলে ধরে, তা কি ইউরোপের ওপর প্রভাব ফেলবে এবং সেখানে পশ্চিমা সমাজের উপযোগী নতুন রূপ তৈরি করবে? নাকি ইউরোপীয় যুক্তিবাদ ও ভোগবাদ ভারতীয় সংস্কৃতির চিরতরে অবসান ঘটাবে? এটিই বর্তমানে একটি অত্যন্ত মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।" ** অরবিন্দ, দনিনো, এম., এবং নাহার, এস. (১৯৯৬) এর মধ্যে। দ্য ইনভেশন দ্যাট নেভার ওয়াজ (প্রথম সংস্করণ)। মাদার্স ইনস্টিটিউট অফ রিসার্চ অ্যান্ড মিরা অদিতি, মহীশূর, ভারত। * গ্রিকদের চেয়েও উচ্চাভিলাষী, সূক্ষ্ম, বহুমুখী, কৌতূহলী ও গভীর; রোমানদের চেয়েও মহান ও মানবিক; প্রাচীন মিশরীয়দের চেয়েও বিশাল ও আধ্যাত্মিক; অন্য যেকোনো এশীয় সভ্যতার চেয়েও ব্যাপক ও মৌলিক; এবং ১৮শ শতাব্দীর আগের ইউরোপীয়দের চেয়েও বেশি বুদ্ধিদীপ্ত ছিল এই সংস্কৃতি। এদের কাছে যা কিছু ছিল, তার সবকিছু এবং আরও অনেক বেশি সমৃদ্ধ এই সংস্কৃতি ছিল অতীত মানব সভ্যতার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী, আত্মনিয়ন্ত্রিত, উদ্দীপনামূলক এবং সুদূরপ্রসারী। ** [[অরবিন্দ ঘোষ]], {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=দ্য মেসেজ অ্যান্ড মিশন অব ইন্ডিয়া |তারিখ=১৯৬৪ |প্রকাশক=ভারতী বিদ্যা ভবন |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=AcRKAAAAMAAJ}} ** শ্রী অরবিন্দ, দ্য ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিয়ান কালচার (১৯৫৩), পৃষ্ঠা ৩১। * "আধ্যাত্মিকতাই হলো ভারতীয় মনের মূল চাবিকাঠি। ভারতের এই প্রবল আগ্রহই তার সংস্কৃতির সব বহিঃপ্রকাশের চরিত্র নির্ধারণ করে। প্রকৃতপক্ষে, তার জন্মগত আধ্যাত্মিক প্রবণতা থেকেই এই সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছে, যার এক স্বাভাবিক প্রকাশ হলো তার ধর্ম। ভারতীয় মন সব সময় উপলব্ধি করেছে যে পরম সত্তা অসীম। তারা দেখেছে যে প্রকৃতির মধ্যে থাকা আত্মার কাছে সেই অসীম সত্তা সব সময়ই অসীম বৈচিত্র্যের সাথে হাজির হতে পারে। পুরো মানবজাতির জন্য একটিমাত্র ধর্মের উগ্র এবং যুক্তিহীন ধারণা, অর্থাৎ একটিমাত্র গোঁড়ামি, উপাসনা পদ্ধতি, আচার-অনুষ্ঠান বা অনুশাসন সবাইকে মেনে নিতে বাধ্য করার যে উদ্ভট চেষ্টা যা আসলে অসহিষ্ণুতা, নিষ্ঠুরতা এবং অন্ধকারের জন্ম দেয় তা ভারতের মানসিকতায় কখনও শক্তভাবে জায়গা করে নিতে পারেনি।" ... "ভারত হলো ধর্মের মিলনস্থল এবং এর মধ্যে হিন্দুধর্ম নিজেই এক বিশাল ও জটিল বিষয়। এটি কেবল একটি ধর্ম নয়, বরং আধ্যাত্মিক চিন্তা, উপলব্ধি এবং আকাঙ্ক্ষার এক বৈচিত্র্যময় অথচ সূক্ষ্মভাবে ঐক্যবদ্ধ রূপ।" ** [[অরবিন্দ ঘোষ]]ের প্রতি আরোপিত, {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ইন্ডিয়া: ভিশন অ্যান্ড ফুলফিলমেন্ট |তারিখ=১৯৭২ |প্রকাশক=ডি. বি. তারাপোরেভালা সন্স |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=MKE5AQAAIAAJ |শেষ১=মিত্র |প্রথম১=শিশির কুমার |লেখকসংযোগ১=w:Sisir Kumar Mitra}} ** শ্রী অরবিন্দ, শ্রী অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া 'আর্য', আগস্ট ১৯১৮-নভেম্বর ১৯১৮ (১৯২০ সালে পর্যালোচিত ও সংশোধিত) এছাড়াও মিত্র, শিশিরকুমার দ্য ভিশন অফ ইন্ডিয়া নয়াদিল্লি: ক্রেস্ট পাবলিশিং হাউস, ১৯৯৪ পৃষ্ঠা ৫৩ - ৫৪, ঘোষ, অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া। আর্য পাবলিশিং হাউস কলকাতা। এ ডিফেন্স অফ ইন্ডিয়ান কালচার। * বিশ্বের অন্যান্য দেশ ও জাতির সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ ও সম্পর্কের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো এই যে, এখানে সাংস্কৃতিক বিস্তারকে কখনোই ঔপনিবেশিক আধিপত্য এবং বাণিজ্যিক সক্রিয়তার সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়নি, আর অর্থনৈতিক শোষণ তো অনেক পরের কথা। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছাড়াও যে সংস্কৃতির বিকাশ হতে পারে, সাম্রাজ্যবাদী পরিকল্পনা ছাড়াই বাণিজ্য চলতে পারে, ঔপনিবেশিক বাড়াবাড়ি ছাড়াই জনবসতি গড়ে উঠতে পারে এবং সাহিত্য, [[ধর্ম]] ও [[ভাষা]] যে বিদেশি-বিদ্বেষ, উগ্র জাতীয়তাবাদ বা বর্ণবিদ্বেষ ছাড়াই ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব, তার যথেষ্ট প্রমাণ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ইতিহাসে পাওয়া যায়... এইভাবে যদিও মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি বড় অংশ ভারতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধ কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল, তবুও তারা খুব কমই কোনো ভারতীয় রাজা বা বিজয়ীর শাসনাধীন ছিল। তারা ভারতীয় সামরিক অভিযানের ভয়াবহতা ও ধ্বংসলীলা খুব একটা দেখেনি। তারা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ স্বাধীন ছিল এবং তাদের জনগণ ছিল ভারতীয় ও স্থানীয় উপাদানের এক সংমিশ্রণ। ভারতীয় কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো যোগসূত্র ছিল না এবং তারা ভারতকে জন্মভূমির চেয়ে বরং একটি পবিত্র ভূমি হিসেবে দেখত। এটি ছিল তাদের কাছে একটি তীর্থস্থান, কোনো শাসনভুক্ত এলাকা নয়। ** অরুণ ভট্টাচার্যের গ্রেটার ইন্ডিয়া, মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এ কালচারাল হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে এ. এল. ব্যাশাম উল্লেখ করেছেন যে, 'খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীর মধ্যে ভারতীয়করণ হওয়া রাষ্ট্রগুলো, অর্থাৎ ভারতীয় রাজনৈতিক তত্ত্বের প্রথাগত ধারা অনুযায়ী গঠিত এবং বৌদ্ধ বা হিন্দু ধর্ম অনুসরণকারী রাষ্ট্রগুলো [[মিয়ানমার]], থাইল্যান্ড, ইন্দো-চায়না, [[মালয়েশিয়া]] এবং [[ইন্দোনেশিয়া]]র অনেক অঞ্চলে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল'। ** মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এটা সত্য যে হিমালয় পেরিয়েও ভারত আমাদের কাছে ব্যাকরণ ও যুক্তিবিদ্যা, দর্শন ও পঞ্চতন্ত্রের গল্প, সম্মোহন বিদ্যা এবং [[দাবা]]র মতো কিছু বিচিত্র উপহার পাঠিয়েছে। আর সবার উপরে রয়েছে আমাদের সংখ্যা এবং দশমিক পদ্ধতি। কিন্তু এগুলো তার আত্মার আসল নির্যাস নয়; ভবিষ্যতে আমরা তার কাছ থেকে যা শিখতে পারি, তার তুলনায় এগুলো অতি তুচ্ছ। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * হয়তো বিজয়, অহংকার এবং লুণ্ঠনের বিনিময়ে ভারত আমাদের একটি পরিপক্ক মনের সহনশীলতা ও নম্রতা, নির্লোভ আত্মার প্রশান্তি, বোধশক্তিসম্পন্ন হৃদয়ের স্থিরতা এবং সমস্ত জীবজগতের প্রতি একটি ঐক্যবদ্ধ ও শান্তিময় ভালোবাসা শেখাবে। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * ভারত ছিল আমাদের জাতির মাতৃভূমি এবং সংস্কৃত ছিল ইউরোপের ভাষাগুলোর জননী। ভারত ছিল আমাদের দর্শনের জননী; আরবদের মাধ্যমে আমাদের অনেক [[গণিত]]ের জননী; বুদ্ধের মাধ্যমে [[খ্রিস্টধর্ম]]ে মিশে থাকা আদর্শের জননী এবং গ্রাম্য সমাজের মাধ্যমে স্বায়ত্তশাসন ও গণতন্ত্রের জননী। মা ভারত অনেক দিক থেকেই আমাদের সবার মা। ভারতের সাথে আধুনিক ছাত্রছাত্রীদের পরিচয়ের অভাব এবং এই পরিচয়ের স্বল্পতা তাদের গভীরভাবে লজ্জিত করা উচিত... এই সেই ভারত যাকে ধৈর্যশীল জ্ঞানচর্চা এখন একটি নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক মহাদেশের মতো সেই পশ্চিমা মনের কাছে উন্মোচন করছে, যারা কেবল গতকাল পর্যন্তও মনে করত যে সভ্যতা কেবল পশ্চিমাদের একচেটিয়া অধিকার। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * "প্রবহমান নদী যেমন সমুদ্রে গিয়ে নিজের নাম ও রূপ হারিয়ে ফেলে, তেমনি একজন জ্ঞানী ব্যক্তি নাম ও রূপের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে সেই পরম সত্তার কাছে যান যিনি সবকিছুর ঊর্ধ্বে।" জীবন ও মৃত্যুর এমন তত্ত্ব পশ্চিমা মানুষের ভালো লাগবে না, যাদের ধর্ম তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মতোই ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদে পূর্ণ। কিন্তু এটি বিস্ময়কর ধারাবাহিকতার সাথে হিন্দু দার্শনিক মনকে সন্তুষ্ট করেছে। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * এমনকি ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও এই গভীর থিওসফি লক্ষ লক্ষ অনুসারী পেয়েছে। এদের মধ্যে একাকী নারী ও ক্লান্ত পুরুষ থেকে শুরু করে আর্থার শোপেনহাওয়ার এবং [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]] পর্যন্ত সবাই রয়েছেন। কে ভেবেছিল যে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের মহান আমেরিকান দার্শনিক তার 'ব্রহ্মা' কবিতায় হিন্দু বিশ্বাসের এক নিখুঁত প্রকাশ ঘটাবেন যে ব্যক্তিত্ব একটি বিভ্রম? ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * এগুলো হলো আমাদের জাতির টিকে থাকা প্রাচীনতম দর্শন এবং মনোবিজ্ঞান। মন ও বিশ্ব এবং তাদের মধ্যকার সম্পর্ক বোঝার জন্য মানুষের এক আশ্চর্যজনক সূক্ষ্ম ও ধৈর্যশীল প্রচেষ্টা। [[উপনিষদ]] [[হোমার]]ের মতো প্রাচীন এবং ইমানুয়েল কান্টের মতো আধুনিক। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] [[চিত্র:Sri Krishna (Miniature Painting, Kashmir School, 19th century).jpg|থাম্ব|ভারতীয় শিক্ষা, তার অসংখ্য কিংবদন্তির আড়ালে থাকলেও, এতে একটি সরল ও মহৎ ধর্ম রয়েছে, যা যেন এক মখমল পর্দার আড়ালে থাকা কোনো রানীর রাজকীয় মুখাবয়ব। এটি সত্য কথা বলতে, অন্যকে ভালোবাসতে এবং তুচ্ছ বিষয়গুলোকে বর্জন করতে শেখায়। প্রাচ্য মহান এবং এটি ইউরোপকে তুচ্ছ জিনিসের দেশ বলে মনে করায়... সবকিছুই আত্মা এবং সেই আত্মাই হলো সর্বশক্তিমান। ~ [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]]]] * আমি স্বীকার করি যে পশ্চিমে ইউরোপীয়দের এবং তাদের রীতিনীতির শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে যে আত্মবিশ্বাস প্রচলিত, আমি তার অংশীদার হতে পারছি না। ইউরোপীয় সভ্যতা সন্তোষজনক নয় এবং যারা আত্মিকভাবে এশীয়দের থেকে অনেক দূরে, [[এশিয়া]] তাদের জন্য এখনও আকর্ষণীয় কিছু দিতে পারে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'', পৃষ্ঠা ৪১ * আমি মনে করি না যে [[খ্রিস্টধর্ম]] কখনো এশিয়ায় খুব বেশি উন্নতি করতে পারবে, কারণ সাধারণভাবে এই নামে যা পরিচিত তা খ্রিস্টের শিক্ষা নয় বরং ইউরোপে তৈরি করা এর একটি নতুন রূপ এবং বেশিরভাগ ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানের মতো এটি চিন্তাশীল হওয়ার চেয়ে বেশি বাস্তববাদী। আর স্বয়ং খ্রিস্টের শিক্ষার কথা বললে, ভারতীয়রা একে চমৎকার মনে করলেও এটি তাদের কাছে যথেষ্ট বা সন্তোষজনক নয়। এতে এমন খুব কমই আছে যা হিন্দুধর্মের অনেক শাস্ত্রের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে না..." ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * বিশ্বের মনোযোগের ক্ষেত্রে ভারতের দাবি হলো এই যে, ইতিহাস শুরু হওয়ার পর থেকে অন্য যেকোনো জাতির তুলনায় তারা অস্তিত্বের পরম রহস্য নিয়ে চিন্তাভাবনা করার জন্য নিজেকে বেশি নিয়োজিত করেছে। আমার চোখে ভারতীয় চিন্তা আমাদের সাধারণ চিন্তাধারা থেকে যে ব্যাপকভাবে আলাদা, তা একটি ইতিবাচক গুণ। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * হিন্দুধর্ম তৈরি করা হয়নি বরং এটি গড়ে উঠেছে। এটি একটি জঙ্গল, কোনো ভবন নয়। এটি একটি মহান জাতীয় [[পৌত্তলিকতাবাদ]]ের জীবন্ত উদাহরণ যা হয়তো ইউরোপেও থাকত যদি খ্রিস্টধর্ম রোমান সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রীয় ধর্ম না হতো। সেখানে যদি পুরনো স্থানীয় [[কুসংস্কার]]ের এক অদ্ভুত জটলা, গ্রিক দর্শন এবং সারাপিস বা মিত্রাসের উপাসনার মতো প্রাচ্যের ধর্মীয় আচারগুলো থেকে যেত। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * ইসলাম এবং খ্রিস্টধর্মের তুলনায় হিন্দুধর্মের মতবাদগুলো অত্যন্ত পরিবর্তনশীল এবং বহুমুখী। ভারত রূপক এবং উপমার মাধ্যমে কাজ করে। হিন্দু চিন্তা যেমন অস্থির, সূক্ষ্ম এবং তর্কমূলক, এটি ইউরোপীয় ধর্মতত্ত্বের মতো অতি কঠোর সংজ্ঞার মাধ্যমে অতিপ্রাকৃত ধারণাগুলোকে বিকৃত করার দোষে কম দুষ্ট। এটি উপমা এবং প্রতীকের মাধ্যমে অবর্ণনীয় বিষয়কে তুলে ধরে। এটি অসঙ্গতিকে ভয় পায় না যা অসীমের বিভিন্ন দিক ফুটিয়ে তুলতে পারে, কিন্তু এটি ঈশ্বরকে একটি যৌক্তিক বাক্যাংশের সীমানায় বন্দি করার চেষ্টা খুব কমই করে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * হিন্দুদের মধ্যে অন্ধবিশ্বাস এবং মুক্ত চিন্তার সমন্বয় ঘটানোর এক অসাধারণ ক্ষমতা আছে। এতে ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বাধীনতা দেওয়া হয়। সব যুগেই হিন্দুরা গভীরভাবে দার্শনিক চিন্তায় মগ্ন ছিল। এটিও লক্ষণীয় যে উপনিষদ থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]ের লেখা পর্যন্ত ভারতীয় সাহিত্যে সময়ে সময়ে এই ধারণা ব্যক্ত হয়েছে যে, পুরো [[মহাবিশ্ব]] কোনো এক উচ্ছ্বসিত শক্তির বহিঃপ্রকাশ যা আনন্দময় গতির মাধ্যমে নিজেকে প্রকাশ করে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * ভারতীয় শিক্ষা, তার অসংখ্য কিংবদন্তির আড়ালে থাকলেও, এতে একটি সরল ও মহৎ ধর্ম রয়েছে, যা যেন এক মখমল পর্দার আড়ালে থাকা কোনো রানীর রাজকীয় মুখাবয়ব। এটি সত্য কথা বলতে, অন্যকে ভালোবাসতে এবং তুচ্ছ বিষয়গুলোকে বর্জন করতে শেখায়। প্রাচ্য মহান এবং এটি ইউরোপকে তুচ্ছ জিনিসের দেশ বলে মনে করায়... সবকিছুই আত্মা এবং সেই আত্মাই হলো সর্বশক্তিমান। ** রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন। উৎস: দ্য ওয়েস্ট লুকস অ্যাট ইন্ডিয়া, কৃষ্ণানন্দ জোশী। উদ্ধৃত: গেওয়ালি, সলিল (২০১৩)। গ্রেট মাইন্ডস অন ইন্ডিয়া। নিউ দিল্লি: পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস। * বাস্তব জীবনে আমাদের দুটি জাতিতে বিভক্ত করা অসম্ভব। আমরা দুটি জাতি নই। প্রতিটি মুসলিমের একটি [[হিন্দু]] নাম থাকবে যদি সে তার পারিবারিক ইতিহাসে যথেষ্ট পেছনে যায়। প্রতিটি মুসলমান আসলে একজন হিন্দু যিনি [[ইসলাম]] গ্রহণ করেছেন। এটি কোনো জাতীয়তা তৈরি করে না। ... ভারতে আমাদের সংস্কৃতি একই। উত্তর ভারতে হিন্দু এবং মুসলিম—উভয়ই [[হিন্দি ভাষা]] ও [[উর্দু]] বোঝেন। মাদ্রাজ-এ হিন্দু এবং মুসলিমরা তামিল ভাষায় কথা বলেন এবং [[বঙ্গ]]তে তারা দুজনেই [[বাংলা ভাষা|বাংলা]] ভাষায় কথা বলেন, হিন্দি বা উর্দুতে নয়। যখন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঘটে, সেগুলো সব সময় গরু সংক্রান্ত ঘটনা এবং ধর্মীয় শোভাযাত্রার কারণে উস্কানি পায়। এর অর্থ হলো আমাদের [[কুসংস্কার]]ই সমস্যার সৃষ্টি করে, আমাদের আলাদা জাতীয়তা নয়। ** [[মহাত্মা গান্ধী]], কনভারসেশনস উইথ লুই ফিশার, ৬ জুন ১৯৪২, লুই ফিশারের ''আ উইক উইথ গান্ধী''তে, পৃষ্ঠা ৪৫–৪৬। * অল্প সময়ের মধ্যেই আমি [[হিন্দু]] দর্শনের ওপর আমার প্রথম বইটি পড়লাম। এটি আমাকে প্রচণ্ড ধাক্কা দিল এবং যেন জাগিয়ে তুলল। এখানে অবশেষে আমি যা খুঁজছিলাম তা পেলাম। একে কেবল বিতর্ক বা প্রায়ই উপহাসের বিষয় হিসেবে দেখার বদলে এখানে পুনর্জন্মকে একটি স্বীকৃত সত্য হিসেবে ধরা হয়েছে। এই শিক্ষাগুলো ছিল যুক্তিপূর্ণ ও আবেগবর্জিত, কিন্তু তবুও অহিংসা, করুণা, সহানুভূতি ও ভালোবাসার চেতনায় পরিপূর্ণ। ** নিনা গ্রাবোই, ''ওয়ান ফুট ইন দ্য ফিউচার: আ ওম্যান'স স্পিরিচুয়াল জার্নি'' (২০০০), অধ্যায় উনিশ। * একটি অভিন্ন হিন্দু সংস্কৃতির ধারণা, যা [[ইসলাম]] বা পশ্চিমা জ্ঞানতত্ত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সাথে তুলনীয় নয়, তা আসলে একটি কাল্পনিক বিষয়। এটি ওরিয়েন্টালিজম বা প্রাচ্যতত্ত্বের মাধ্যমে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে হিন্দু জাতীয়তাবাদী এবং অন্যান্য ভারতীয় জাতীয়তাবাদীরা অত্যন্ত যত্নের সাথে এটি প্রচার, সংগঠিত ও সংস্কার করেছে। [...] হিন্দু জাতীয়তাবাদ বুঝতে হলে আমাদের সেই [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা|সরকারি ধর্মনিরপেক্ষতাকে]] সতর্কতার সাথে বিশ্লেষণ করতে হবে যার তারা বিরোধিতা করেছিল। জনপরিসরে [[ধর্ম]]ের অনুপস্থিতি হিসেবে [[ধর্মনিরপেক্ষতা]]র পাঠ্যবইীয় সংস্করণ, অথবা বৈজ্ঞানিক যুক্তিবাদ হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতার ধারণা এখানে যথেষ্ট হবে না। আমাদের স্বাধীন ভারতের গণসংস্কৃতিতে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রয়োগ ও অর্থ সম্পর্কে আরও নিবিড়ভাবে জানতে হবে। ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রধান ব্যাখ্যাটি রাজনৈতিক ক্ষেত্র থেকে ধর্মকে সরিয়ে দেওয়া ছিল না। বরং বিশ্বাসটি ছিল এমন যে, ধর্ম ও সংস্কৃতিকে দৃশ্যত একটি অরাজনৈতিক স্তরে তুলে ধরা হয়েছে, যা রাজনীতির জগতের ঊর্ধ্বে। সংস্কৃতি ও ধর্মকে অরাজনৈতিক হিসেবে দেখার এই প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা এবং এর থেকে আসা নিঃস্বার্থ "সমাজসেবা" রাজনীতি ও অর্থের ঊর্ধ্বে হওয়ার কারণে একটি সম্মানজনক ও পবিত্র রূপ পেয়েছে। এটি এক ধরনের "অরাজনৈতিক সক্রিয়তা"-কে একটি নৈতিক ভিত্তি দিয়েছিল, যা ভারতের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে তো ছিলই, এমনকি অনেক সময় আন্দোলন ও নির্বাচনী রাজনীতিতেও এর ব্যবহার দেখা গেছে। আমি বলতে চাই যে, "অরাজনীতি" এবং "ধর্মীয় সক্রিয়তা"-র এই ক্ষেত্র থেকেই হিন্দু জাতীয়তাবাদী আন্দোলন অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে কয়েক দশক ধরে তাদের প্রচার এবং সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। অন্যান্য সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের মতো হিন্দু জাতীয়তাবাদী আন্দোলনও গণতন্ত্রের প্রতি সব সময় একটি জটিল দ্বিমুখী মনোভাব এবং "রাজনৈতিক পেশা"-র প্রতি এক ধরনের ভীতি পোষণ করত। এই আন্দোলনের বিবর্তন, এর সংগঠন এবং এর রাজনৈতিক কৌশলগুলোকে বুঝতে হবে আধুনিক ভারতীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতির গভীর বিভাজনের প্রেক্ষিতে—যেখানে একপাশে রয়েছে "পবিত্র" সংস্কৃতির জগৎ এবং অন্যপাশে রয়েছে প্রতিযোগিতামূলক "পার্থিব" রাজনীতির জগৎ। ** থমাস ব্লম হ্যানসেন, {{বই উদ্ধৃতি |title=দ্য স্যাফরন ওয়েভ: ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন মডার্ন ইন্ডিয়া |date=১৯৯৯ |publisher=প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি প্রেস |isbn=978-1-4008-2305-5 |page=পৃষ্ঠা ১১ |url=https://books.google.com/books?id=SAqn3OIGE54C&pg=PA11}} * ভারতের প্রদীপ্ত শক্তি হিন্দুধর্মের মধ্যেই নিহিত। হিন্দু বিশ্বাসের কাঠামো ছাড়া ভারত ভেঙে পড়বে। হিন্দুধর্ম ছাড়া ভারত নিজেকে চেনা যায় না... কারণ চীনাদের মতো ভারতীয় সমাজও একটি ঐক্যবদ্ধ সমাজ ছিল যেখানে বিজ্ঞান এবং ধর্মের মধ্যে কখনোই কোনো বিরোধ ছিল না। ফলে আমাদের নিজস্ব খ্রিস্টীয় প্রেক্ষাপটের মতো এখানে কোনো মৌলিক বিভাজন তৈরি হয়নি। বিগত দুই শতাব্দী ধরে ধর্মতত্ত্ব এবং [[বিজ্ঞান]]ের মধ্যে আমাদের বিরোধ আমাদের চিন্তাধারায় বিশৃঙ্খলা এবং একটি অদ্ভুত দ্বৈততা তৈরি করেছে। ভারতে আমি ঈশ্বরের সৃষ্টি সম্পর্কে আমাদের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এক পরম মুক্তি খুঁজে পেয়েছি... হিন্দুধর্ম এই দীর্ঘ সময় ধরে বাহ্যিক প্রভাবমুক্ত থেকে নিরন্তর চলে আসছে, যেমন শান্ত গঙ্গা নদী বয়ে চলে। এমনকি মুঘল আক্রমণ এবং ৭০০ বছরের [[ভারতে ইসলাম|মুসলিম]] আধিপত্য, কিংবা ব্রিটিশ, ডাচ, ফরাসি এবং [[পর্তুগিজ সাম্রাজ্য|পর্তুগিজদের]] নিজস্ব সভ্যতা ও মানদণ্ড নিয়ে আগমনও এই অবিচল বিশ্বাসের মূল ভিত্তি স্পর্শ করতে পারেনি। ভারতীয় চিন্তা নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী গ্রহণ ও আত্মস্থ করেছে। কোনো আসন্ন বিপদের আঁচ পেলে সে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে, ঠিক যেমন কোনো বিশাল সামুদ্রিক প্রাণী তার শুঁড়গুলো গুটিয়ে নেয়। আবার বিপদ কেটে গেলে তা বিকশিত ও প্রস্ফুটিত হয়েছে। কেউ কেউ আশা করে থাকেন যে এটি তেমনই থাকবে। আধুনিক ভারতীয়রা বুঝতে পারবেন যে এটি তাদের ঈর্ষণীয় শক্তি। যদিও প্রযুক্তির বস্তুগত সুবিধার জন্য তাদের আকাঙ্ক্ষা বোধগম্য, যা পশ্চিমা বিশ্বকে ক্ষমতা ও একচেটিয়া অধিকার দিয়েছে। কিন্তু তাদের সমন্বয় এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে গ্রহণ করার ক্ষমতা তাদের হয়তো নগরজীবনের বন্ধ্যাত্ব এবং গুণমান ও জীবনের দৃষ্টিভঙ্গির চেয়ে পরিমাণ ও বস্তুর প্রতি একঘেয়ে মোহ থেকে রক্ষা করতে পারে। ** (উৎস: দ্য মিউজিক অফ ইন্ডিয়া - পেগি হলরয়েড পৃষ্ঠা ৪৪–৫২)। ==M== *Judged by a similar standard, the patronage and cultivation of Hindu learning by the Muslims, or their contribution to the development of Hindu culture during their rule . . . pales into insignificance when compared with the achievements of the [[British Raj|British rule]]... It is only by instituting such comparison that we can make an objective study of the condition of the Hindus under Muslim rule, and view it in its true perspective. **R. C. Majumdar, ed., The History and Culture of the Indian People, vol. 6, The Delhi Sultanate (London: G. Allen & Unwin, 1952), p. 623. quoted in Ibn Warraq, Why the West is the best, "India under the Arabs and the British". also quoted in Bostom, A. G. M. D., & Bostom, A. G. (2010). The Legacy of Jihad: Islamic Holy War and the Fate of Non-Muslims. Amherst: Prometheus. *From at least the beginning of the Common Era until about the thirteenth century, Sanskrit was the primary linguistic and cultural medium for the ruling and administrative circles from Purushapura ([[Peshawar]]) in Gandhara (Afghanistan and parts of Pakistan) to as far eat as Pandurang in Annam ([[South Vietnam]]) and Prambanam in Central Java. It influenced much of Asia for more than a thousand years. Sanskriti was neither imposed by an imperial power nor sustained by any centrally organized Church ecclesiology. Thus, it has been both the result and cause of a cultural consciousness shared by most South and South-east Asians regardless of religion, class or gender. Centuries prior to the Europeanization of the globe, the entire arc – from [[এশিয়া]] through [[আফগানিস্তান]], India, [[শ্রীলঙ্কা]], [[Thailand]], [[কম্বোডিয়া]], [[Vietnam]] and all the way to [[ইন্দোনেশিয়া]] – was a crucible of a sophisticated Pan-Asian civilization... However, unlike the violent spread of the [[Roman Civilization|Roman civilization]] which made [[Latin]] the European language for centuries, the Sanskritization of Asia was entirely peaceful, without conquest, domination, or subversion of local identities. This is not to say that political disputes and wars of conquest never occurred, but in most instances, the motive was not the imposition of cultural or religious homogeneity. ** Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. ==Q== *India made, more loudly than anyone, what we might call the “declaration of the rights of the Being.” There, in this divine self, in this society of the infinite with itself, lies clearly the foundation, the root of all life and all history. **Edgar Quinet in Jean Biès, Littérature française et pensée hindoue des origines à 1950 in India’s Impact on French Thought and Literature: Eighteenth to Twentieth Century by Michel Danino (Published in Critical Practice, X:2, June 2003, pp. 46-56) ==T== * '''Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speech, grandmother of [[পুরাণবিদ্যা|legend]], great grandmother of [[tradition]]. The land that all men desire to see and having seen once even by a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined.''' **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'', p. 113 * It is a good and gentle religion, but inconvenient. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * India had the start of the whole world in the beginning of things. She had the first civilization; she had the first accumulation of material wealth; she was populous with deep thinkers and subtle intellects; she had mines, and woods, and a fruitful soul. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * Our most valuable and most instructive materials in the history of man are treasured up in India. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * "Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speak, grandmother of legacy, great grandmother of tradition. The land that all men desire to see and having seen once even a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined." **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' *Years earlier, the British historian [[Arnold Toynbee|A.J. Toynbee]] remarked: 'India is the central link in a chain of regional civilizations that extends from [[জাপান]] in the far north-east to [[আয়ারল্যান্ড]] in the far northwest. Between these two extremities the chain sags down southwards in a festoon that dips below the Equator in Indonesia.' **quoted from Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. *[[পুঁজিবাদ]], or the ideology of the unbridled pursuit of [[wealth]], is destroying culture on an unbridled scale... countless cultural activities, seen to be non-lucrative or less lucrative, are being abandoned all over the country. Others are being severely compromised in order to keep or make them lucrative: compromise in materials or techniques used, shoddiness in workmanship or performance, short-cut methods, etc. These are resulting in loss of natural spontaneity, cultural authenticity, technological expertise and performance satisfaction, which, in turn, gradually leads to the degeneration and further abandonment of cultural activities. All this is affecting various fields of culture: musical forms and styles, musical instruments, dance forms, architectural styles, art forms, handicrafts, traditional crops, culinary items, etc... owever, the concept of Money as God has now changed all this. For perhaps the first time in [[History of India|India’s long history]], there is now no real official support for Indian culture. In the last decade or so, apparently coinciding with the advocacy and adoption of new policies of economic ‘reforms’, it is now passé for [[ভারত সরকার|governments]] to do anything concrete to protect, preserve, record or perpetuate India’s traditional culture, or even to aid and encourage individuals or organizations doing so. Institutions established in the post-Independence era are being literally starved for funds, or funds are being used for any purpose but to achieve the original aims and objectives, or, simply, the very aims and objectives of these institutions are being changed. In any case no new activities, except occasional pedestrian ‘cultural’ projects of a political nature, are being undertaken: the institutions are being slowly transformed from cultural to commercial institutions, in line with the ‘changing times’.<br>“Infinitely worse is what is happening to the detailed records of the research, documentation and collection undertaken by these institutions, in the not so distant past, to preserve, popularize and perpetuate different aspects of Indian culture. These archival records ¾ print, tape, film or actual physical objects ¾ are suddenly becoming an eyesore or an embarrassment, or simply a financial burden, to a cash-conscious leadership with a ‘reformist’ eye on the ‘globe’. A standard sequence now is as follows: state-funded [[জাদুঘর|museums]], [[গ্রন্থাগার]] and archives ¾ or at least the records in them ¾ slowly become rare or inaccessible, in different ways, to the (lay or scholarly) public eye. Often ‘constraints of space’ force the authorities to remove these records from their protected environments and dump them in ill-maintained godowns, to rot and decay, unseen and forgotten. And, occasionally, mysterious fires break out in the places which house these archives, destroying invaluable and irreplaceable records (including those pertaining to the golden age of Indian movies), then to be forgotten forever. All these events, coincidentally, make available valuable land and funds for more lucrative commercial purposes. The persons in authority are too busy saving or making money - for themselves, or, if they are to be believed, for the public coffers - to care. **S. Talageri, in (“Sita Ram Goel, memories and ideas”, in Koenraad Elst, ed.: India’s Only Communalist: In Commemoration of Sita Ram Goel, Voice of India, Delhi 2005, p.239-346) quoted from [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2016/07/cultural-policy-and-folk-art.html Review of "From the Personal Collection of KC Aryan. Unknown Masterpieces of Indian Folk & Tribal Art (KC Aryan’s Home of Folk Art, Gurgaon 2016, 301 pp., 635 illustrations). " presenting KC Aryan’s art collection, in (Law Animated World, Hyderabad, 16 July 2016)] ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[Category:Culture of India| ]] jnmj4lhdhd00ejtv7ivy8kj6f27g9gw 81930 81928 2026-04-28T11:36:00Z ARI 356 /* M */ ; অনুবাদ 81930 wikitext text/x-wiki '''[[ভারতের সংস্কৃতি]]''' অথবা '''ভারতীয় সংস্কৃতি''' অনেক সময় '''ভারতীয় সভ্যতা'''র সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি সামাজিক নিয়ম, নৈতিক মূল্যবোধ, প্রথাগত রীতিনীতি, বিশ্বাস ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, নিদর্শন এবং প্রযুক্তির এক ঐতিহ্য। এই বিষয়গুলো [[দক্ষিণ এশিয়া]]য় উদ্ভূত হয়েছে অথবা এই অঞ্চলের সাথে যুক্ত। == উক্তি == * "ভারত যে আধ্যাত্মিক লক্ষ্যকে তুলে ধরে, তা কি ইউরোপের ওপর প্রভাব ফেলবে এবং সেখানে পশ্চিমা সমাজের উপযোগী নতুন রূপ তৈরি করবে? নাকি ইউরোপীয় যুক্তিবাদ ও ভোগবাদ ভারতীয় সংস্কৃতির চিরতরে অবসান ঘটাবে? এটিই বর্তমানে একটি অত্যন্ত মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।" ** অরবিন্দ, দনিনো, এম., এবং নাহার, এস. (১৯৯৬) এর মধ্যে। দ্য ইনভেশন দ্যাট নেভার ওয়াজ (প্রথম সংস্করণ)। মাদার্স ইনস্টিটিউট অফ রিসার্চ অ্যান্ড মিরা অদিতি, মহীশূর, ভারত। * গ্রিকদের চেয়েও উচ্চাভিলাষী, সূক্ষ্ম, বহুমুখী, কৌতূহলী ও গভীর; রোমানদের চেয়েও মহান ও মানবিক; প্রাচীন মিশরীয়দের চেয়েও বিশাল ও আধ্যাত্মিক; অন্য যেকোনো এশীয় সভ্যতার চেয়েও ব্যাপক ও মৌলিক; এবং ১৮শ শতাব্দীর আগের ইউরোপীয়দের চেয়েও বেশি বুদ্ধিদীপ্ত ছিল এই সংস্কৃতি। এদের কাছে যা কিছু ছিল, তার সবকিছু এবং আরও অনেক বেশি সমৃদ্ধ এই সংস্কৃতি ছিল অতীত মানব সভ্যতার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী, আত্মনিয়ন্ত্রিত, উদ্দীপনামূলক এবং সুদূরপ্রসারী। ** [[অরবিন্দ ঘোষ]], {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=দ্য মেসেজ অ্যান্ড মিশন অব ইন্ডিয়া |তারিখ=১৯৬৪ |প্রকাশক=ভারতী বিদ্যা ভবন |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=AcRKAAAAMAAJ}} ** শ্রী অরবিন্দ, দ্য ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিয়ান কালচার (১৯৫৩), পৃষ্ঠা ৩১। * "আধ্যাত্মিকতাই হলো ভারতীয় মনের মূল চাবিকাঠি। ভারতের এই প্রবল আগ্রহই তার সংস্কৃতির সব বহিঃপ্রকাশের চরিত্র নির্ধারণ করে। প্রকৃতপক্ষে, তার জন্মগত আধ্যাত্মিক প্রবণতা থেকেই এই সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছে, যার এক স্বাভাবিক প্রকাশ হলো তার ধর্ম। ভারতীয় মন সব সময় উপলব্ধি করেছে যে পরম সত্তা অসীম। তারা দেখেছে যে প্রকৃতির মধ্যে থাকা আত্মার কাছে সেই অসীম সত্তা সব সময়ই অসীম বৈচিত্র্যের সাথে হাজির হতে পারে। পুরো মানবজাতির জন্য একটিমাত্র ধর্মের উগ্র এবং যুক্তিহীন ধারণা, অর্থাৎ একটিমাত্র গোঁড়ামি, উপাসনা পদ্ধতি, আচার-অনুষ্ঠান বা অনুশাসন সবাইকে মেনে নিতে বাধ্য করার যে উদ্ভট চেষ্টা যা আসলে অসহিষ্ণুতা, নিষ্ঠুরতা এবং অন্ধকারের জন্ম দেয় তা ভারতের মানসিকতায় কখনও শক্তভাবে জায়গা করে নিতে পারেনি।" ... "ভারত হলো ধর্মের মিলনস্থল এবং এর মধ্যে হিন্দুধর্ম নিজেই এক বিশাল ও জটিল বিষয়। এটি কেবল একটি ধর্ম নয়, বরং আধ্যাত্মিক চিন্তা, উপলব্ধি এবং আকাঙ্ক্ষার এক বৈচিত্র্যময় অথচ সূক্ষ্মভাবে ঐক্যবদ্ধ রূপ।" ** [[অরবিন্দ ঘোষ]]ের প্রতি আরোপিত, {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ইন্ডিয়া: ভিশন অ্যান্ড ফুলফিলমেন্ট |তারিখ=১৯৭২ |প্রকাশক=ডি. বি. তারাপোরেভালা সন্স |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=MKE5AQAAIAAJ |শেষ১=মিত্র |প্রথম১=শিশির কুমার |লেখকসংযোগ১=w:Sisir Kumar Mitra}} ** শ্রী অরবিন্দ, শ্রী অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া 'আর্য', আগস্ট ১৯১৮-নভেম্বর ১৯১৮ (১৯২০ সালে পর্যালোচিত ও সংশোধিত) এছাড়াও মিত্র, শিশিরকুমার দ্য ভিশন অফ ইন্ডিয়া নয়াদিল্লি: ক্রেস্ট পাবলিশিং হাউস, ১৯৯৪ পৃষ্ঠা ৫৩ - ৫৪, ঘোষ, অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া। আর্য পাবলিশিং হাউস কলকাতা। এ ডিফেন্স অফ ইন্ডিয়ান কালচার। * বিশ্বের অন্যান্য দেশ ও জাতির সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ ও সম্পর্কের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো এই যে, এখানে সাংস্কৃতিক বিস্তারকে কখনোই ঔপনিবেশিক আধিপত্য এবং বাণিজ্যিক সক্রিয়তার সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়নি, আর অর্থনৈতিক শোষণ তো অনেক পরের কথা। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছাড়াও যে সংস্কৃতির বিকাশ হতে পারে, সাম্রাজ্যবাদী পরিকল্পনা ছাড়াই বাণিজ্য চলতে পারে, ঔপনিবেশিক বাড়াবাড়ি ছাড়াই জনবসতি গড়ে উঠতে পারে এবং সাহিত্য, [[ধর্ম]] ও [[ভাষা]] যে বিদেশি-বিদ্বেষ, উগ্র জাতীয়তাবাদ বা বর্ণবিদ্বেষ ছাড়াই ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব, তার যথেষ্ট প্রমাণ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ইতিহাসে পাওয়া যায়... এইভাবে যদিও মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি বড় অংশ ভারতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধ কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল, তবুও তারা খুব কমই কোনো ভারতীয় রাজা বা বিজয়ীর শাসনাধীন ছিল। তারা ভারতীয় সামরিক অভিযানের ভয়াবহতা ও ধ্বংসলীলা খুব একটা দেখেনি। তারা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ স্বাধীন ছিল এবং তাদের জনগণ ছিল ভারতীয় ও স্থানীয় উপাদানের এক সংমিশ্রণ। ভারতীয় কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো যোগসূত্র ছিল না এবং তারা ভারতকে জন্মভূমির চেয়ে বরং একটি পবিত্র ভূমি হিসেবে দেখত। এটি ছিল তাদের কাছে একটি তীর্থস্থান, কোনো শাসনভুক্ত এলাকা নয়। ** অরুণ ভট্টাচার্যের গ্রেটার ইন্ডিয়া, মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এ কালচারাল হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে এ. এল. ব্যাশাম উল্লেখ করেছেন যে, 'খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীর মধ্যে ভারতীয়করণ হওয়া রাষ্ট্রগুলো, অর্থাৎ ভারতীয় রাজনৈতিক তত্ত্বের প্রথাগত ধারা অনুযায়ী গঠিত এবং বৌদ্ধ বা হিন্দু ধর্ম অনুসরণকারী রাষ্ট্রগুলো [[মিয়ানমার]], থাইল্যান্ড, ইন্দো-চায়না, [[মালয়েশিয়া]] এবং [[ইন্দোনেশিয়া]]র অনেক অঞ্চলে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল'। ** মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এটা সত্য যে হিমালয় পেরিয়েও ভারত আমাদের কাছে ব্যাকরণ ও যুক্তিবিদ্যা, দর্শন ও পঞ্চতন্ত্রের গল্প, সম্মোহন বিদ্যা এবং [[দাবা]]র মতো কিছু বিচিত্র উপহার পাঠিয়েছে। আর সবার উপরে রয়েছে আমাদের সংখ্যা এবং দশমিক পদ্ধতি। কিন্তু এগুলো তার আত্মার আসল নির্যাস নয়; ভবিষ্যতে আমরা তার কাছ থেকে যা শিখতে পারি, তার তুলনায় এগুলো অতি তুচ্ছ। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * হয়তো বিজয়, অহংকার এবং লুণ্ঠনের বিনিময়ে ভারত আমাদের একটি পরিপক্ক মনের সহনশীলতা ও নম্রতা, নির্লোভ আত্মার প্রশান্তি, বোধশক্তিসম্পন্ন হৃদয়ের স্থিরতা এবং সমস্ত জীবজগতের প্রতি একটি ঐক্যবদ্ধ ও শান্তিময় ভালোবাসা শেখাবে। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * ভারত ছিল আমাদের জাতির মাতৃভূমি এবং সংস্কৃত ছিল ইউরোপের ভাষাগুলোর জননী। ভারত ছিল আমাদের দর্শনের জননী; আরবদের মাধ্যমে আমাদের অনেক [[গণিত]]ের জননী; বুদ্ধের মাধ্যমে [[খ্রিস্টধর্ম]]ে মিশে থাকা আদর্শের জননী এবং গ্রাম্য সমাজের মাধ্যমে স্বায়ত্তশাসন ও গণতন্ত্রের জননী। মা ভারত অনেক দিক থেকেই আমাদের সবার মা। ভারতের সাথে আধুনিক ছাত্রছাত্রীদের পরিচয়ের অভাব এবং এই পরিচয়ের স্বল্পতা তাদের গভীরভাবে লজ্জিত করা উচিত... এই সেই ভারত যাকে ধৈর্যশীল জ্ঞানচর্চা এখন একটি নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক মহাদেশের মতো সেই পশ্চিমা মনের কাছে উন্মোচন করছে, যারা কেবল গতকাল পর্যন্তও মনে করত যে সভ্যতা কেবল পশ্চিমাদের একচেটিয়া অধিকার। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * "প্রবহমান নদী যেমন সমুদ্রে গিয়ে নিজের নাম ও রূপ হারিয়ে ফেলে, তেমনি একজন জ্ঞানী ব্যক্তি নাম ও রূপের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে সেই পরম সত্তার কাছে যান যিনি সবকিছুর ঊর্ধ্বে।" জীবন ও মৃত্যুর এমন তত্ত্ব পশ্চিমা মানুষের ভালো লাগবে না, যাদের ধর্ম তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মতোই ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদে পূর্ণ। কিন্তু এটি বিস্ময়কর ধারাবাহিকতার সাথে হিন্দু দার্শনিক মনকে সন্তুষ্ট করেছে। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * এমনকি ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও এই গভীর থিওসফি লক্ষ লক্ষ অনুসারী পেয়েছে। এদের মধ্যে একাকী নারী ও ক্লান্ত পুরুষ থেকে শুরু করে আর্থার শোপেনহাওয়ার এবং [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]] পর্যন্ত সবাই রয়েছেন। কে ভেবেছিল যে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের মহান আমেরিকান দার্শনিক তার 'ব্রহ্মা' কবিতায় হিন্দু বিশ্বাসের এক নিখুঁত প্রকাশ ঘটাবেন যে ব্যক্তিত্ব একটি বিভ্রম? ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * এগুলো হলো আমাদের জাতির টিকে থাকা প্রাচীনতম দর্শন এবং মনোবিজ্ঞান। মন ও বিশ্ব এবং তাদের মধ্যকার সম্পর্ক বোঝার জন্য মানুষের এক আশ্চর্যজনক সূক্ষ্ম ও ধৈর্যশীল প্রচেষ্টা। [[উপনিষদ]] [[হোমার]]ের মতো প্রাচীন এবং ইমানুয়েল কান্টের মতো আধুনিক। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] [[চিত্র:Sri Krishna (Miniature Painting, Kashmir School, 19th century).jpg|থাম্ব|ভারতীয় শিক্ষা, তার অসংখ্য কিংবদন্তির আড়ালে থাকলেও, এতে একটি সরল ও মহৎ ধর্ম রয়েছে, যা যেন এক মখমল পর্দার আড়ালে থাকা কোনো রানীর রাজকীয় মুখাবয়ব। এটি সত্য কথা বলতে, অন্যকে ভালোবাসতে এবং তুচ্ছ বিষয়গুলোকে বর্জন করতে শেখায়। প্রাচ্য মহান এবং এটি ইউরোপকে তুচ্ছ জিনিসের দেশ বলে মনে করায়... সবকিছুই আত্মা এবং সেই আত্মাই হলো সর্বশক্তিমান। ~ [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]]]] * আমি স্বীকার করি যে পশ্চিমে ইউরোপীয়দের এবং তাদের রীতিনীতির শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে যে আত্মবিশ্বাস প্রচলিত, আমি তার অংশীদার হতে পারছি না। ইউরোপীয় সভ্যতা সন্তোষজনক নয় এবং যারা আত্মিকভাবে এশীয়দের থেকে অনেক দূরে, [[এশিয়া]] তাদের জন্য এখনও আকর্ষণীয় কিছু দিতে পারে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'', পৃষ্ঠা ৪১ * আমি মনে করি না যে [[খ্রিস্টধর্ম]] কখনো এশিয়ায় খুব বেশি উন্নতি করতে পারবে, কারণ সাধারণভাবে এই নামে যা পরিচিত তা খ্রিস্টের শিক্ষা নয় বরং ইউরোপে তৈরি করা এর একটি নতুন রূপ এবং বেশিরভাগ ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানের মতো এটি চিন্তাশীল হওয়ার চেয়ে বেশি বাস্তববাদী। আর স্বয়ং খ্রিস্টের শিক্ষার কথা বললে, ভারতীয়রা একে চমৎকার মনে করলেও এটি তাদের কাছে যথেষ্ট বা সন্তোষজনক নয়। এতে এমন খুব কমই আছে যা হিন্দুধর্মের অনেক শাস্ত্রের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে না..." ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * বিশ্বের মনোযোগের ক্ষেত্রে ভারতের দাবি হলো এই যে, ইতিহাস শুরু হওয়ার পর থেকে অন্য যেকোনো জাতির তুলনায় তারা অস্তিত্বের পরম রহস্য নিয়ে চিন্তাভাবনা করার জন্য নিজেকে বেশি নিয়োজিত করেছে। আমার চোখে ভারতীয় চিন্তা আমাদের সাধারণ চিন্তাধারা থেকে যে ব্যাপকভাবে আলাদা, তা একটি ইতিবাচক গুণ। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * হিন্দুধর্ম তৈরি করা হয়নি বরং এটি গড়ে উঠেছে। এটি একটি জঙ্গল, কোনো ভবন নয়। এটি একটি মহান জাতীয় [[পৌত্তলিকতাবাদ]]ের জীবন্ত উদাহরণ যা হয়তো ইউরোপেও থাকত যদি খ্রিস্টধর্ম রোমান সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রীয় ধর্ম না হতো। সেখানে যদি পুরনো স্থানীয় [[কুসংস্কার]]ের এক অদ্ভুত জটলা, গ্রিক দর্শন এবং সারাপিস বা মিত্রাসের উপাসনার মতো প্রাচ্যের ধর্মীয় আচারগুলো থেকে যেত। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * ইসলাম এবং খ্রিস্টধর্মের তুলনায় হিন্দুধর্মের মতবাদগুলো অত্যন্ত পরিবর্তনশীল এবং বহুমুখী। ভারত রূপক এবং উপমার মাধ্যমে কাজ করে। হিন্দু চিন্তা যেমন অস্থির, সূক্ষ্ম এবং তর্কমূলক, এটি ইউরোপীয় ধর্মতত্ত্বের মতো অতি কঠোর সংজ্ঞার মাধ্যমে অতিপ্রাকৃত ধারণাগুলোকে বিকৃত করার দোষে কম দুষ্ট। এটি উপমা এবং প্রতীকের মাধ্যমে অবর্ণনীয় বিষয়কে তুলে ধরে। এটি অসঙ্গতিকে ভয় পায় না যা অসীমের বিভিন্ন দিক ফুটিয়ে তুলতে পারে, কিন্তু এটি ঈশ্বরকে একটি যৌক্তিক বাক্যাংশের সীমানায় বন্দি করার চেষ্টা খুব কমই করে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * হিন্দুদের মধ্যে অন্ধবিশ্বাস এবং মুক্ত চিন্তার সমন্বয় ঘটানোর এক অসাধারণ ক্ষমতা আছে। এতে ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বাধীনতা দেওয়া হয়। সব যুগেই হিন্দুরা গভীরভাবে দার্শনিক চিন্তায় মগ্ন ছিল। এটিও লক্ষণীয় যে উপনিষদ থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]ের লেখা পর্যন্ত ভারতীয় সাহিত্যে সময়ে সময়ে এই ধারণা ব্যক্ত হয়েছে যে, পুরো [[মহাবিশ্ব]] কোনো এক উচ্ছ্বসিত শক্তির বহিঃপ্রকাশ যা আনন্দময় গতির মাধ্যমে নিজেকে প্রকাশ করে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * ভারতীয় শিক্ষা, তার অসংখ্য কিংবদন্তির আড়ালে থাকলেও, এতে একটি সরল ও মহৎ ধর্ম রয়েছে, যা যেন এক মখমল পর্দার আড়ালে থাকা কোনো রানীর রাজকীয় মুখাবয়ব। এটি সত্য কথা বলতে, অন্যকে ভালোবাসতে এবং তুচ্ছ বিষয়গুলোকে বর্জন করতে শেখায়। প্রাচ্য মহান এবং এটি ইউরোপকে তুচ্ছ জিনিসের দেশ বলে মনে করায়... সবকিছুই আত্মা এবং সেই আত্মাই হলো সর্বশক্তিমান। ** রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন। উৎস: দ্য ওয়েস্ট লুকস অ্যাট ইন্ডিয়া, কৃষ্ণানন্দ জোশী। উদ্ধৃত: গেওয়ালি, সলিল (২০১৩)। গ্রেট মাইন্ডস অন ইন্ডিয়া। নিউ দিল্লি: পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস। * বাস্তব জীবনে আমাদের দুটি জাতিতে বিভক্ত করা অসম্ভব। আমরা দুটি জাতি নই। প্রতিটি মুসলিমের একটি [[হিন্দু]] নাম থাকবে যদি সে তার পারিবারিক ইতিহাসে যথেষ্ট পেছনে যায়। প্রতিটি মুসলমান আসলে একজন হিন্দু যিনি [[ইসলাম]] গ্রহণ করেছেন। এটি কোনো জাতীয়তা তৈরি করে না। ... ভারতে আমাদের সংস্কৃতি একই। উত্তর ভারতে হিন্দু এবং মুসলিম—উভয়ই [[হিন্দি ভাষা]] ও [[উর্দু]] বোঝেন। মাদ্রাজ-এ হিন্দু এবং মুসলিমরা তামিল ভাষায় কথা বলেন এবং [[বঙ্গ]]তে তারা দুজনেই [[বাংলা ভাষা|বাংলা]] ভাষায় কথা বলেন, হিন্দি বা উর্দুতে নয়। যখন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঘটে, সেগুলো সব সময় গরু সংক্রান্ত ঘটনা এবং ধর্মীয় শোভাযাত্রার কারণে উস্কানি পায়। এর অর্থ হলো আমাদের [[কুসংস্কার]]ই সমস্যার সৃষ্টি করে, আমাদের আলাদা জাতীয়তা নয়। ** [[মহাত্মা গান্ধী]], কনভারসেশনস উইথ লুই ফিশার, ৬ জুন ১৯৪২, লুই ফিশারের ''আ উইক উইথ গান্ধী''তে, পৃষ্ঠা ৪৫–৪৬। * অল্প সময়ের মধ্যেই আমি [[হিন্দু]] দর্শনের ওপর আমার প্রথম বইটি পড়লাম। এটি আমাকে প্রচণ্ড ধাক্কা দিল এবং যেন জাগিয়ে তুলল। এখানে অবশেষে আমি যা খুঁজছিলাম তা পেলাম। একে কেবল বিতর্ক বা প্রায়ই উপহাসের বিষয় হিসেবে দেখার বদলে এখানে পুনর্জন্মকে একটি স্বীকৃত সত্য হিসেবে ধরা হয়েছে। এই শিক্ষাগুলো ছিল যুক্তিপূর্ণ ও আবেগবর্জিত, কিন্তু তবুও অহিংসা, করুণা, সহানুভূতি ও ভালোবাসার চেতনায় পরিপূর্ণ। ** নিনা গ্রাবোই, ''ওয়ান ফুট ইন দ্য ফিউচার: আ ওম্যান'স স্পিরিচুয়াল জার্নি'' (২০০০), অধ্যায় উনিশ। * একটি অভিন্ন হিন্দু সংস্কৃতির ধারণা, যা [[ইসলাম]] বা পশ্চিমা জ্ঞানতত্ত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সাথে তুলনীয় নয়, তা আসলে একটি কাল্পনিক বিষয়। এটি ওরিয়েন্টালিজম বা প্রাচ্যতত্ত্বের মাধ্যমে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে হিন্দু জাতীয়তাবাদী এবং অন্যান্য ভারতীয় জাতীয়তাবাদীরা অত্যন্ত যত্নের সাথে এটি প্রচার, সংগঠিত ও সংস্কার করেছে। [...] হিন্দু জাতীয়তাবাদ বুঝতে হলে আমাদের সেই [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা|সরকারি ধর্মনিরপেক্ষতাকে]] সতর্কতার সাথে বিশ্লেষণ করতে হবে যার তারা বিরোধিতা করেছিল। জনপরিসরে [[ধর্ম]]ের অনুপস্থিতি হিসেবে [[ধর্মনিরপেক্ষতা]]র পাঠ্যবইীয় সংস্করণ, অথবা বৈজ্ঞানিক যুক্তিবাদ হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতার ধারণা এখানে যথেষ্ট হবে না। আমাদের স্বাধীন ভারতের গণসংস্কৃতিতে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রয়োগ ও অর্থ সম্পর্কে আরও নিবিড়ভাবে জানতে হবে। ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রধান ব্যাখ্যাটি রাজনৈতিক ক্ষেত্র থেকে ধর্মকে সরিয়ে দেওয়া ছিল না। বরং বিশ্বাসটি ছিল এমন যে, ধর্ম ও সংস্কৃতিকে দৃশ্যত একটি অরাজনৈতিক স্তরে তুলে ধরা হয়েছে, যা রাজনীতির জগতের ঊর্ধ্বে। সংস্কৃতি ও ধর্মকে অরাজনৈতিক হিসেবে দেখার এই প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা এবং এর থেকে আসা নিঃস্বার্থ "সমাজসেবা" রাজনীতি ও অর্থের ঊর্ধ্বে হওয়ার কারণে একটি সম্মানজনক ও পবিত্র রূপ পেয়েছে। এটি এক ধরনের "অরাজনৈতিক সক্রিয়তা"-কে একটি নৈতিক ভিত্তি দিয়েছিল, যা ভারতের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে তো ছিলই, এমনকি অনেক সময় আন্দোলন ও নির্বাচনী রাজনীতিতেও এর ব্যবহার দেখা গেছে। আমি বলতে চাই যে, "অরাজনীতি" এবং "ধর্মীয় সক্রিয়তা"-র এই ক্ষেত্র থেকেই হিন্দু জাতীয়তাবাদী আন্দোলন অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে কয়েক দশক ধরে তাদের প্রচার এবং সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। অন্যান্য সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের মতো হিন্দু জাতীয়তাবাদী আন্দোলনও গণতন্ত্রের প্রতি সব সময় একটি জটিল দ্বিমুখী মনোভাব এবং "রাজনৈতিক পেশা"-র প্রতি এক ধরনের ভীতি পোষণ করত। এই আন্দোলনের বিবর্তন, এর সংগঠন এবং এর রাজনৈতিক কৌশলগুলোকে বুঝতে হবে আধুনিক ভারতীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতির গভীর বিভাজনের প্রেক্ষিতে—যেখানে একপাশে রয়েছে "পবিত্র" সংস্কৃতির জগৎ এবং অন্যপাশে রয়েছে প্রতিযোগিতামূলক "পার্থিব" রাজনীতির জগৎ। ** থমাস ব্লম হ্যানসেন, {{বই উদ্ধৃতি |title=দ্য স্যাফরন ওয়েভ: ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন মডার্ন ইন্ডিয়া |date=১৯৯৯ |publisher=প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি প্রেস |isbn=978-1-4008-2305-5 |page=পৃষ্ঠা ১১ |url=https://books.google.com/books?id=SAqn3OIGE54C&pg=PA11}} * ভারতের প্রদীপ্ত শক্তি হিন্দুধর্মের মধ্যেই নিহিত। হিন্দু বিশ্বাসের কাঠামো ছাড়া ভারত ভেঙে পড়বে। হিন্দুধর্ম ছাড়া ভারত নিজেকে চেনা যায় না... কারণ চীনাদের মতো ভারতীয় সমাজও একটি ঐক্যবদ্ধ সমাজ ছিল যেখানে বিজ্ঞান এবং ধর্মের মধ্যে কখনোই কোনো বিরোধ ছিল না। ফলে আমাদের নিজস্ব খ্রিস্টীয় প্রেক্ষাপটের মতো এখানে কোনো মৌলিক বিভাজন তৈরি হয়নি। বিগত দুই শতাব্দী ধরে ধর্মতত্ত্ব এবং [[বিজ্ঞান]]ের মধ্যে আমাদের বিরোধ আমাদের চিন্তাধারায় বিশৃঙ্খলা এবং একটি অদ্ভুত দ্বৈততা তৈরি করেছে। ভারতে আমি ঈশ্বরের সৃষ্টি সম্পর্কে আমাদের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এক পরম মুক্তি খুঁজে পেয়েছি... হিন্দুধর্ম এই দীর্ঘ সময় ধরে বাহ্যিক প্রভাবমুক্ত থেকে নিরন্তর চলে আসছে, যেমন শান্ত গঙ্গা নদী বয়ে চলে। এমনকি মুঘল আক্রমণ এবং ৭০০ বছরের [[ভারতে ইসলাম|মুসলিম]] আধিপত্য, কিংবা ব্রিটিশ, ডাচ, ফরাসি এবং [[পর্তুগিজ সাম্রাজ্য|পর্তুগিজদের]] নিজস্ব সভ্যতা ও মানদণ্ড নিয়ে আগমনও এই অবিচল বিশ্বাসের মূল ভিত্তি স্পর্শ করতে পারেনি। ভারতীয় চিন্তা নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী গ্রহণ ও আত্মস্থ করেছে। কোনো আসন্ন বিপদের আঁচ পেলে সে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে, ঠিক যেমন কোনো বিশাল সামুদ্রিক প্রাণী তার শুঁড়গুলো গুটিয়ে নেয়। আবার বিপদ কেটে গেলে তা বিকশিত ও প্রস্ফুটিত হয়েছে। কেউ কেউ আশা করে থাকেন যে এটি তেমনই থাকবে। আধুনিক ভারতীয়রা বুঝতে পারবেন যে এটি তাদের ঈর্ষণীয় শক্তি। যদিও প্রযুক্তির বস্তুগত সুবিধার জন্য তাদের আকাঙ্ক্ষা বোধগম্য, যা পশ্চিমা বিশ্বকে ক্ষমতা ও একচেটিয়া অধিকার দিয়েছে। কিন্তু তাদের সমন্বয় এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে গ্রহণ করার ক্ষমতা তাদের হয়তো নগরজীবনের বন্ধ্যাত্ব এবং গুণমান ও জীবনের দৃষ্টিভঙ্গির চেয়ে পরিমাণ ও বস্তুর প্রতি একঘেয়ে মোহ থেকে রক্ষা করতে পারে। ** (উৎস: দ্য মিউজিক অফ ইন্ডিয়া - পেগি হলরয়েড পৃষ্ঠা ৪৪–৫২)। * অনুরূপ মানদণ্ডে বিচার করলে, মুসলিমদের দ্বারা হিন্দু শিক্ষার পৃষ্ঠপোষকতা ও চর্চা, অথবা তাদের শাসনামলে হিন্দু সংস্কৃতির বিকাশে তাদের অবদান... ব্রিটিশ শাসনের অর্জনের তুলনায় তুচ্ছ হয়ে পড়ে। কেবল এই ধরণের তুলনার মাধ্যমেই আমরা মুসলিম শাসনের অধীনে হিন্দুদের অবস্থার একটি নিরপেক্ষ অধ্যয়ন করতে পারি এবং একে সঠিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে পারি। ** আর. সি. মজুমদার, সম্পাদিত, দ্য হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার অফ দ্য ইন্ডিয়ান পিপল, খণ্ড ৬, দ্য দিল্লি সুলতানেট (লন্ডন: জি. অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন, ১৯৫২), পৃষ্ঠা ৬২৩। ইবনে ওয়ারাক-এর হোয়াই দ্য ওয়েস্ট ইজ দ্য বেস্ট, "ইন্ডিয়া আন্ডার দ্য আরব্স অ্যান্ড দ্য ব্রিটিশ"। এছাড়াও বোস্টম, এ. জি. এম. ডি. এবং বোস্টম, এ. জি. (২০১০)-এর দ্য লেগাসি অফ জিহাদ: ইসলামিক হোলি ওয়ার অ্যান্ড দ্য ফেট অফ নন-মুসলিমস। আমহার্স্ট: প্রমিথিউস। * কমপক্ষে খ্রিস্টীয় যুগের শুরু থেকে প্রায় ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত, গান্ধারের (আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের কিছু অংশ) পুরুষপুর (পেশোয়ার) থেকে শুরু করে আনাম (দক্ষিণ ভিয়েতনাম)-এর পান্ডুরং এবং মধ্য জাভার প্রম্বানম পর্যন্ত শাসক ও প্রশাসনিক মহলে সংস্কৃত ছিল প্রধান ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক মাধ্যম। এটি এক হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে এশিয়ার বিশাল অংশকে প্রভাবিত করেছিল। এই সংস্কৃতি কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দ্বারা চাপিয়ে দেওয়া হয়নি বা কোনো কেন্দ্রীয়ভাবে সংগঠিত চার্চ ব্যবস্থার মাধ্যমে টিকে ছিল না। এইভাবে এটি ধর্ম, শ্রেণি বা লিঙ্গ নির্বিশেষে বেশিরভাগ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয়দের মধ্যে বিদ্যমান একটি সাংস্কৃতিক চেতনার ফল এবং কারণ উভয়ই ছিল। বিশ্ব ইউরোপীয়করণের বহু শতাব্দী আগে, [[এশিয়া]] থেকে [[আফগানিস্তান]], ভারত, [[শ্রীলঙ্কা]], থাইল্যান্ড, [[কম্বোডিয়া]], ভিয়েতনাম হয়ে [[ইন্দোনেশিয়া]] পর্যন্ত পুরো অঞ্চলটি একটি উন্নত প্যান-এশীয় সভ্যতার কেন্দ্র ছিল... তবে রোমান সভ্যতার সহিংস বিস্তারের মতো নয় (যা ল্যাটিনকে কয়েক শতাব্দী ধরে ইউরোপীয় ভাষা হিসেবে টিকিয়ে রেখেছিল), এশিয়ার সংস্কৃতায়ন ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। এতে কোনো বিজয়, আধিপত্য বা স্থানীয় পরিচয়ের বিলুপ্তি ঘটেনি। এর মানে এই নয় যে রাজনৈতিক বিবাদ বা যুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় কখনো ঘটেনি, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এর উদ্দেশ্য সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়া ছিল না। ** মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। ==Q== *India made, more loudly than anyone, what we might call the “declaration of the rights of the Being.” There, in this divine self, in this society of the infinite with itself, lies clearly the foundation, the root of all life and all history. **Edgar Quinet in Jean Biès, Littérature française et pensée hindoue des origines à 1950 in India’s Impact on French Thought and Literature: Eighteenth to Twentieth Century by Michel Danino (Published in Critical Practice, X:2, June 2003, pp. 46-56) ==T== * '''Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speech, grandmother of [[পুরাণবিদ্যা|legend]], great grandmother of [[tradition]]. The land that all men desire to see and having seen once even by a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined.''' **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'', p. 113 * It is a good and gentle religion, but inconvenient. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * India had the start of the whole world in the beginning of things. She had the first civilization; she had the first accumulation of material wealth; she was populous with deep thinkers and subtle intellects; she had mines, and woods, and a fruitful soul. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * Our most valuable and most instructive materials in the history of man are treasured up in India. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * "Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speak, grandmother of legacy, great grandmother of tradition. The land that all men desire to see and having seen once even a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined." **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' *Years earlier, the British historian [[Arnold Toynbee|A.J. Toynbee]] remarked: 'India is the central link in a chain of regional civilizations that extends from [[জাপান]] in the far north-east to [[আয়ারল্যান্ড]] in the far northwest. Between these two extremities the chain sags down southwards in a festoon that dips below the Equator in Indonesia.' **quoted from Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. *[[পুঁজিবাদ]], or the ideology of the unbridled pursuit of [[wealth]], is destroying culture on an unbridled scale... countless cultural activities, seen to be non-lucrative or less lucrative, are being abandoned all over the country. Others are being severely compromised in order to keep or make them lucrative: compromise in materials or techniques used, shoddiness in workmanship or performance, short-cut methods, etc. These are resulting in loss of natural spontaneity, cultural authenticity, technological expertise and performance satisfaction, which, in turn, gradually leads to the degeneration and further abandonment of cultural activities. All this is affecting various fields of culture: musical forms and styles, musical instruments, dance forms, architectural styles, art forms, handicrafts, traditional crops, culinary items, etc... owever, the concept of Money as God has now changed all this. For perhaps the first time in [[History of India|India’s long history]], there is now no real official support for Indian culture. In the last decade or so, apparently coinciding with the advocacy and adoption of new policies of economic ‘reforms’, it is now passé for [[ভারত সরকার|governments]] to do anything concrete to protect, preserve, record or perpetuate India’s traditional culture, or even to aid and encourage individuals or organizations doing so. Institutions established in the post-Independence era are being literally starved for funds, or funds are being used for any purpose but to achieve the original aims and objectives, or, simply, the very aims and objectives of these institutions are being changed. In any case no new activities, except occasional pedestrian ‘cultural’ projects of a political nature, are being undertaken: the institutions are being slowly transformed from cultural to commercial institutions, in line with the ‘changing times’.<br>“Infinitely worse is what is happening to the detailed records of the research, documentation and collection undertaken by these institutions, in the not so distant past, to preserve, popularize and perpetuate different aspects of Indian culture. These archival records ¾ print, tape, film or actual physical objects ¾ are suddenly becoming an eyesore or an embarrassment, or simply a financial burden, to a cash-conscious leadership with a ‘reformist’ eye on the ‘globe’. A standard sequence now is as follows: state-funded [[জাদুঘর|museums]], [[গ্রন্থাগার]] and archives ¾ or at least the records in them ¾ slowly become rare or inaccessible, in different ways, to the (lay or scholarly) public eye. Often ‘constraints of space’ force the authorities to remove these records from their protected environments and dump them in ill-maintained godowns, to rot and decay, unseen and forgotten. And, occasionally, mysterious fires break out in the places which house these archives, destroying invaluable and irreplaceable records (including those pertaining to the golden age of Indian movies), then to be forgotten forever. All these events, coincidentally, make available valuable land and funds for more lucrative commercial purposes. The persons in authority are too busy saving or making money - for themselves, or, if they are to be believed, for the public coffers - to care. **S. Talageri, in (“Sita Ram Goel, memories and ideas”, in Koenraad Elst, ed.: India’s Only Communalist: In Commemoration of Sita Ram Goel, Voice of India, Delhi 2005, p.239-346) quoted from [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2016/07/cultural-policy-and-folk-art.html Review of "From the Personal Collection of KC Aryan. Unknown Masterpieces of Indian Folk & Tribal Art (KC Aryan’s Home of Folk Art, Gurgaon 2016, 301 pp., 635 illustrations). " presenting KC Aryan’s art collection, in (Law Animated World, Hyderabad, 16 July 2016)] ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[Category:Culture of India| ]] p0c5tibz54181pjwjfg0tfck3l6xfgn 81931 81930 2026-04-28T11:37:35Z ARI 356 /* Q */ ; অনুবাদ 81931 wikitext text/x-wiki '''[[ভারতের সংস্কৃতি]]''' অথবা '''ভারতীয় সংস্কৃতি''' অনেক সময় '''ভারতীয় সভ্যতা'''র সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি সামাজিক নিয়ম, নৈতিক মূল্যবোধ, প্রথাগত রীতিনীতি, বিশ্বাস ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, নিদর্শন এবং প্রযুক্তির এক ঐতিহ্য। এই বিষয়গুলো [[দক্ষিণ এশিয়া]]য় উদ্ভূত হয়েছে অথবা এই অঞ্চলের সাথে যুক্ত। == উক্তি == * "ভারত যে আধ্যাত্মিক লক্ষ্যকে তুলে ধরে, তা কি ইউরোপের ওপর প্রভাব ফেলবে এবং সেখানে পশ্চিমা সমাজের উপযোগী নতুন রূপ তৈরি করবে? নাকি ইউরোপীয় যুক্তিবাদ ও ভোগবাদ ভারতীয় সংস্কৃতির চিরতরে অবসান ঘটাবে? এটিই বর্তমানে একটি অত্যন্ত মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।" ** অরবিন্দ, দনিনো, এম., এবং নাহার, এস. (১৯৯৬) এর মধ্যে। দ্য ইনভেশন দ্যাট নেভার ওয়াজ (প্রথম সংস্করণ)। মাদার্স ইনস্টিটিউট অফ রিসার্চ অ্যান্ড মিরা অদিতি, মহীশূর, ভারত। * গ্রিকদের চেয়েও উচ্চাভিলাষী, সূক্ষ্ম, বহুমুখী, কৌতূহলী ও গভীর; রোমানদের চেয়েও মহান ও মানবিক; প্রাচীন মিশরীয়দের চেয়েও বিশাল ও আধ্যাত্মিক; অন্য যেকোনো এশীয় সভ্যতার চেয়েও ব্যাপক ও মৌলিক; এবং ১৮শ শতাব্দীর আগের ইউরোপীয়দের চেয়েও বেশি বুদ্ধিদীপ্ত ছিল এই সংস্কৃতি। এদের কাছে যা কিছু ছিল, তার সবকিছু এবং আরও অনেক বেশি সমৃদ্ধ এই সংস্কৃতি ছিল অতীত মানব সভ্যতার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী, আত্মনিয়ন্ত্রিত, উদ্দীপনামূলক এবং সুদূরপ্রসারী। ** [[অরবিন্দ ঘোষ]], {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=দ্য মেসেজ অ্যান্ড মিশন অব ইন্ডিয়া |তারিখ=১৯৬৪ |প্রকাশক=ভারতী বিদ্যা ভবন |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=AcRKAAAAMAAJ}} ** শ্রী অরবিন্দ, দ্য ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিয়ান কালচার (১৯৫৩), পৃষ্ঠা ৩১। * "আধ্যাত্মিকতাই হলো ভারতীয় মনের মূল চাবিকাঠি। ভারতের এই প্রবল আগ্রহই তার সংস্কৃতির সব বহিঃপ্রকাশের চরিত্র নির্ধারণ করে। প্রকৃতপক্ষে, তার জন্মগত আধ্যাত্মিক প্রবণতা থেকেই এই সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছে, যার এক স্বাভাবিক প্রকাশ হলো তার ধর্ম। ভারতীয় মন সব সময় উপলব্ধি করেছে যে পরম সত্তা অসীম। তারা দেখেছে যে প্রকৃতির মধ্যে থাকা আত্মার কাছে সেই অসীম সত্তা সব সময়ই অসীম বৈচিত্র্যের সাথে হাজির হতে পারে। পুরো মানবজাতির জন্য একটিমাত্র ধর্মের উগ্র এবং যুক্তিহীন ধারণা, অর্থাৎ একটিমাত্র গোঁড়ামি, উপাসনা পদ্ধতি, আচার-অনুষ্ঠান বা অনুশাসন সবাইকে মেনে নিতে বাধ্য করার যে উদ্ভট চেষ্টা যা আসলে অসহিষ্ণুতা, নিষ্ঠুরতা এবং অন্ধকারের জন্ম দেয় তা ভারতের মানসিকতায় কখনও শক্তভাবে জায়গা করে নিতে পারেনি।" ... "ভারত হলো ধর্মের মিলনস্থল এবং এর মধ্যে হিন্দুধর্ম নিজেই এক বিশাল ও জটিল বিষয়। এটি কেবল একটি ধর্ম নয়, বরং আধ্যাত্মিক চিন্তা, উপলব্ধি এবং আকাঙ্ক্ষার এক বৈচিত্র্যময় অথচ সূক্ষ্মভাবে ঐক্যবদ্ধ রূপ।" ** [[অরবিন্দ ঘোষ]]ের প্রতি আরোপিত, {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ইন্ডিয়া: ভিশন অ্যান্ড ফুলফিলমেন্ট |তারিখ=১৯৭২ |প্রকাশক=ডি. বি. তারাপোরেভালা সন্স |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=MKE5AQAAIAAJ |শেষ১=মিত্র |প্রথম১=শিশির কুমার |লেখকসংযোগ১=w:Sisir Kumar Mitra}} ** শ্রী অরবিন্দ, শ্রী অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া 'আর্য', আগস্ট ১৯১৮-নভেম্বর ১৯১৮ (১৯২০ সালে পর্যালোচিত ও সংশোধিত) এছাড়াও মিত্র, শিশিরকুমার দ্য ভিশন অফ ইন্ডিয়া নয়াদিল্লি: ক্রেস্ট পাবলিশিং হাউস, ১৯৯৪ পৃষ্ঠা ৫৩ - ৫৪, ঘোষ, অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া। আর্য পাবলিশিং হাউস কলকাতা। এ ডিফেন্স অফ ইন্ডিয়ান কালচার। * বিশ্বের অন্যান্য দেশ ও জাতির সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ ও সম্পর্কের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো এই যে, এখানে সাংস্কৃতিক বিস্তারকে কখনোই ঔপনিবেশিক আধিপত্য এবং বাণিজ্যিক সক্রিয়তার সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়নি, আর অর্থনৈতিক শোষণ তো অনেক পরের কথা। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছাড়াও যে সংস্কৃতির বিকাশ হতে পারে, সাম্রাজ্যবাদী পরিকল্পনা ছাড়াই বাণিজ্য চলতে পারে, ঔপনিবেশিক বাড়াবাড়ি ছাড়াই জনবসতি গড়ে উঠতে পারে এবং সাহিত্য, [[ধর্ম]] ও [[ভাষা]] যে বিদেশি-বিদ্বেষ, উগ্র জাতীয়তাবাদ বা বর্ণবিদ্বেষ ছাড়াই ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব, তার যথেষ্ট প্রমাণ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ইতিহাসে পাওয়া যায়... এইভাবে যদিও মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি বড় অংশ ভারতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধ কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল, তবুও তারা খুব কমই কোনো ভারতীয় রাজা বা বিজয়ীর শাসনাধীন ছিল। তারা ভারতীয় সামরিক অভিযানের ভয়াবহতা ও ধ্বংসলীলা খুব একটা দেখেনি। তারা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ স্বাধীন ছিল এবং তাদের জনগণ ছিল ভারতীয় ও স্থানীয় উপাদানের এক সংমিশ্রণ। ভারতীয় কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো যোগসূত্র ছিল না এবং তারা ভারতকে জন্মভূমির চেয়ে বরং একটি পবিত্র ভূমি হিসেবে দেখত। এটি ছিল তাদের কাছে একটি তীর্থস্থান, কোনো শাসনভুক্ত এলাকা নয়। ** অরুণ ভট্টাচার্যের গ্রেটার ইন্ডিয়া, মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এ কালচারাল হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে এ. এল. ব্যাশাম উল্লেখ করেছেন যে, 'খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীর মধ্যে ভারতীয়করণ হওয়া রাষ্ট্রগুলো, অর্থাৎ ভারতীয় রাজনৈতিক তত্ত্বের প্রথাগত ধারা অনুযায়ী গঠিত এবং বৌদ্ধ বা হিন্দু ধর্ম অনুসরণকারী রাষ্ট্রগুলো [[মিয়ানমার]], থাইল্যান্ড, ইন্দো-চায়না, [[মালয়েশিয়া]] এবং [[ইন্দোনেশিয়া]]র অনেক অঞ্চলে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল'। ** মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এটা সত্য যে হিমালয় পেরিয়েও ভারত আমাদের কাছে ব্যাকরণ ও যুক্তিবিদ্যা, দর্শন ও পঞ্চতন্ত্রের গল্প, সম্মোহন বিদ্যা এবং [[দাবা]]র মতো কিছু বিচিত্র উপহার পাঠিয়েছে। আর সবার উপরে রয়েছে আমাদের সংখ্যা এবং দশমিক পদ্ধতি। কিন্তু এগুলো তার আত্মার আসল নির্যাস নয়; ভবিষ্যতে আমরা তার কাছ থেকে যা শিখতে পারি, তার তুলনায় এগুলো অতি তুচ্ছ। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * হয়তো বিজয়, অহংকার এবং লুণ্ঠনের বিনিময়ে ভারত আমাদের একটি পরিপক্ক মনের সহনশীলতা ও নম্রতা, নির্লোভ আত্মার প্রশান্তি, বোধশক্তিসম্পন্ন হৃদয়ের স্থিরতা এবং সমস্ত জীবজগতের প্রতি একটি ঐক্যবদ্ধ ও শান্তিময় ভালোবাসা শেখাবে। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * ভারত ছিল আমাদের জাতির মাতৃভূমি এবং সংস্কৃত ছিল ইউরোপের ভাষাগুলোর জননী। ভারত ছিল আমাদের দর্শনের জননী; আরবদের মাধ্যমে আমাদের অনেক [[গণিত]]ের জননী; বুদ্ধের মাধ্যমে [[খ্রিস্টধর্ম]]ে মিশে থাকা আদর্শের জননী এবং গ্রাম্য সমাজের মাধ্যমে স্বায়ত্তশাসন ও গণতন্ত্রের জননী। মা ভারত অনেক দিক থেকেই আমাদের সবার মা। ভারতের সাথে আধুনিক ছাত্রছাত্রীদের পরিচয়ের অভাব এবং এই পরিচয়ের স্বল্পতা তাদের গভীরভাবে লজ্জিত করা উচিত... এই সেই ভারত যাকে ধৈর্যশীল জ্ঞানচর্চা এখন একটি নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক মহাদেশের মতো সেই পশ্চিমা মনের কাছে উন্মোচন করছে, যারা কেবল গতকাল পর্যন্তও মনে করত যে সভ্যতা কেবল পশ্চিমাদের একচেটিয়া অধিকার। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * "প্রবহমান নদী যেমন সমুদ্রে গিয়ে নিজের নাম ও রূপ হারিয়ে ফেলে, তেমনি একজন জ্ঞানী ব্যক্তি নাম ও রূপের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে সেই পরম সত্তার কাছে যান যিনি সবকিছুর ঊর্ধ্বে।" জীবন ও মৃত্যুর এমন তত্ত্ব পশ্চিমা মানুষের ভালো লাগবে না, যাদের ধর্ম তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মতোই ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদে পূর্ণ। কিন্তু এটি বিস্ময়কর ধারাবাহিকতার সাথে হিন্দু দার্শনিক মনকে সন্তুষ্ট করেছে। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * এমনকি ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও এই গভীর থিওসফি লক্ষ লক্ষ অনুসারী পেয়েছে। এদের মধ্যে একাকী নারী ও ক্লান্ত পুরুষ থেকে শুরু করে আর্থার শোপেনহাওয়ার এবং [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]] পর্যন্ত সবাই রয়েছেন। কে ভেবেছিল যে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের মহান আমেরিকান দার্শনিক তার 'ব্রহ্মা' কবিতায় হিন্দু বিশ্বাসের এক নিখুঁত প্রকাশ ঘটাবেন যে ব্যক্তিত্ব একটি বিভ্রম? ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * এগুলো হলো আমাদের জাতির টিকে থাকা প্রাচীনতম দর্শন এবং মনোবিজ্ঞান। মন ও বিশ্ব এবং তাদের মধ্যকার সম্পর্ক বোঝার জন্য মানুষের এক আশ্চর্যজনক সূক্ষ্ম ও ধৈর্যশীল প্রচেষ্টা। [[উপনিষদ]] [[হোমার]]ের মতো প্রাচীন এবং ইমানুয়েল কান্টের মতো আধুনিক। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] [[চিত্র:Sri Krishna (Miniature Painting, Kashmir School, 19th century).jpg|থাম্ব|ভারতীয় শিক্ষা, তার অসংখ্য কিংবদন্তির আড়ালে থাকলেও, এতে একটি সরল ও মহৎ ধর্ম রয়েছে, যা যেন এক মখমল পর্দার আড়ালে থাকা কোনো রানীর রাজকীয় মুখাবয়ব। এটি সত্য কথা বলতে, অন্যকে ভালোবাসতে এবং তুচ্ছ বিষয়গুলোকে বর্জন করতে শেখায়। প্রাচ্য মহান এবং এটি ইউরোপকে তুচ্ছ জিনিসের দেশ বলে মনে করায়... সবকিছুই আত্মা এবং সেই আত্মাই হলো সর্বশক্তিমান। ~ [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]]]] * আমি স্বীকার করি যে পশ্চিমে ইউরোপীয়দের এবং তাদের রীতিনীতির শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে যে আত্মবিশ্বাস প্রচলিত, আমি তার অংশীদার হতে পারছি না। ইউরোপীয় সভ্যতা সন্তোষজনক নয় এবং যারা আত্মিকভাবে এশীয়দের থেকে অনেক দূরে, [[এশিয়া]] তাদের জন্য এখনও আকর্ষণীয় কিছু দিতে পারে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'', পৃষ্ঠা ৪১ * আমি মনে করি না যে [[খ্রিস্টধর্ম]] কখনো এশিয়ায় খুব বেশি উন্নতি করতে পারবে, কারণ সাধারণভাবে এই নামে যা পরিচিত তা খ্রিস্টের শিক্ষা নয় বরং ইউরোপে তৈরি করা এর একটি নতুন রূপ এবং বেশিরভাগ ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানের মতো এটি চিন্তাশীল হওয়ার চেয়ে বেশি বাস্তববাদী। আর স্বয়ং খ্রিস্টের শিক্ষার কথা বললে, ভারতীয়রা একে চমৎকার মনে করলেও এটি তাদের কাছে যথেষ্ট বা সন্তোষজনক নয়। এতে এমন খুব কমই আছে যা হিন্দুধর্মের অনেক শাস্ত্রের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে না..." ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * বিশ্বের মনোযোগের ক্ষেত্রে ভারতের দাবি হলো এই যে, ইতিহাস শুরু হওয়ার পর থেকে অন্য যেকোনো জাতির তুলনায় তারা অস্তিত্বের পরম রহস্য নিয়ে চিন্তাভাবনা করার জন্য নিজেকে বেশি নিয়োজিত করেছে। আমার চোখে ভারতীয় চিন্তা আমাদের সাধারণ চিন্তাধারা থেকে যে ব্যাপকভাবে আলাদা, তা একটি ইতিবাচক গুণ। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * হিন্দুধর্ম তৈরি করা হয়নি বরং এটি গড়ে উঠেছে। এটি একটি জঙ্গল, কোনো ভবন নয়। এটি একটি মহান জাতীয় [[পৌত্তলিকতাবাদ]]ের জীবন্ত উদাহরণ যা হয়তো ইউরোপেও থাকত যদি খ্রিস্টধর্ম রোমান সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রীয় ধর্ম না হতো। সেখানে যদি পুরনো স্থানীয় [[কুসংস্কার]]ের এক অদ্ভুত জটলা, গ্রিক দর্শন এবং সারাপিস বা মিত্রাসের উপাসনার মতো প্রাচ্যের ধর্মীয় আচারগুলো থেকে যেত। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * ইসলাম এবং খ্রিস্টধর্মের তুলনায় হিন্দুধর্মের মতবাদগুলো অত্যন্ত পরিবর্তনশীল এবং বহুমুখী। ভারত রূপক এবং উপমার মাধ্যমে কাজ করে। হিন্দু চিন্তা যেমন অস্থির, সূক্ষ্ম এবং তর্কমূলক, এটি ইউরোপীয় ধর্মতত্ত্বের মতো অতি কঠোর সংজ্ঞার মাধ্যমে অতিপ্রাকৃত ধারণাগুলোকে বিকৃত করার দোষে কম দুষ্ট। এটি উপমা এবং প্রতীকের মাধ্যমে অবর্ণনীয় বিষয়কে তুলে ধরে। এটি অসঙ্গতিকে ভয় পায় না যা অসীমের বিভিন্ন দিক ফুটিয়ে তুলতে পারে, কিন্তু এটি ঈশ্বরকে একটি যৌক্তিক বাক্যাংশের সীমানায় বন্দি করার চেষ্টা খুব কমই করে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * হিন্দুদের মধ্যে অন্ধবিশ্বাস এবং মুক্ত চিন্তার সমন্বয় ঘটানোর এক অসাধারণ ক্ষমতা আছে। এতে ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বাধীনতা দেওয়া হয়। সব যুগেই হিন্দুরা গভীরভাবে দার্শনিক চিন্তায় মগ্ন ছিল। এটিও লক্ষণীয় যে উপনিষদ থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]ের লেখা পর্যন্ত ভারতীয় সাহিত্যে সময়ে সময়ে এই ধারণা ব্যক্ত হয়েছে যে, পুরো [[মহাবিশ্ব]] কোনো এক উচ্ছ্বসিত শক্তির বহিঃপ্রকাশ যা আনন্দময় গতির মাধ্যমে নিজেকে প্রকাশ করে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * ভারতীয় শিক্ষা, তার অসংখ্য কিংবদন্তির আড়ালে থাকলেও, এতে একটি সরল ও মহৎ ধর্ম রয়েছে, যা যেন এক মখমল পর্দার আড়ালে থাকা কোনো রানীর রাজকীয় মুখাবয়ব। এটি সত্য কথা বলতে, অন্যকে ভালোবাসতে এবং তুচ্ছ বিষয়গুলোকে বর্জন করতে শেখায়। প্রাচ্য মহান এবং এটি ইউরোপকে তুচ্ছ জিনিসের দেশ বলে মনে করায়... সবকিছুই আত্মা এবং সেই আত্মাই হলো সর্বশক্তিমান। ** রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন। উৎস: দ্য ওয়েস্ট লুকস অ্যাট ইন্ডিয়া, কৃষ্ণানন্দ জোশী। উদ্ধৃত: গেওয়ালি, সলিল (২০১৩)। গ্রেট মাইন্ডস অন ইন্ডিয়া। নিউ দিল্লি: পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস। * বাস্তব জীবনে আমাদের দুটি জাতিতে বিভক্ত করা অসম্ভব। আমরা দুটি জাতি নই। প্রতিটি মুসলিমের একটি [[হিন্দু]] নাম থাকবে যদি সে তার পারিবারিক ইতিহাসে যথেষ্ট পেছনে যায়। প্রতিটি মুসলমান আসলে একজন হিন্দু যিনি [[ইসলাম]] গ্রহণ করেছেন। এটি কোনো জাতীয়তা তৈরি করে না। ... ভারতে আমাদের সংস্কৃতি একই। উত্তর ভারতে হিন্দু এবং মুসলিম—উভয়ই [[হিন্দি ভাষা]] ও [[উর্দু]] বোঝেন। মাদ্রাজ-এ হিন্দু এবং মুসলিমরা তামিল ভাষায় কথা বলেন এবং [[বঙ্গ]]তে তারা দুজনেই [[বাংলা ভাষা|বাংলা]] ভাষায় কথা বলেন, হিন্দি বা উর্দুতে নয়। যখন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঘটে, সেগুলো সব সময় গরু সংক্রান্ত ঘটনা এবং ধর্মীয় শোভাযাত্রার কারণে উস্কানি পায়। এর অর্থ হলো আমাদের [[কুসংস্কার]]ই সমস্যার সৃষ্টি করে, আমাদের আলাদা জাতীয়তা নয়। ** [[মহাত্মা গান্ধী]], কনভারসেশনস উইথ লুই ফিশার, ৬ জুন ১৯৪২, লুই ফিশারের ''আ উইক উইথ গান্ধী''তে, পৃষ্ঠা ৪৫–৪৬। * অল্প সময়ের মধ্যেই আমি [[হিন্দু]] দর্শনের ওপর আমার প্রথম বইটি পড়লাম। এটি আমাকে প্রচণ্ড ধাক্কা দিল এবং যেন জাগিয়ে তুলল। এখানে অবশেষে আমি যা খুঁজছিলাম তা পেলাম। একে কেবল বিতর্ক বা প্রায়ই উপহাসের বিষয় হিসেবে দেখার বদলে এখানে পুনর্জন্মকে একটি স্বীকৃত সত্য হিসেবে ধরা হয়েছে। এই শিক্ষাগুলো ছিল যুক্তিপূর্ণ ও আবেগবর্জিত, কিন্তু তবুও অহিংসা, করুণা, সহানুভূতি ও ভালোবাসার চেতনায় পরিপূর্ণ। ** নিনা গ্রাবোই, ''ওয়ান ফুট ইন দ্য ফিউচার: আ ওম্যান'স স্পিরিচুয়াল জার্নি'' (২০০০), অধ্যায় উনিশ। * একটি অভিন্ন হিন্দু সংস্কৃতির ধারণা, যা [[ইসলাম]] বা পশ্চিমা জ্ঞানতত্ত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সাথে তুলনীয় নয়, তা আসলে একটি কাল্পনিক বিষয়। এটি ওরিয়েন্টালিজম বা প্রাচ্যতত্ত্বের মাধ্যমে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে হিন্দু জাতীয়তাবাদী এবং অন্যান্য ভারতীয় জাতীয়তাবাদীরা অত্যন্ত যত্নের সাথে এটি প্রচার, সংগঠিত ও সংস্কার করেছে। [...] হিন্দু জাতীয়তাবাদ বুঝতে হলে আমাদের সেই [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা|সরকারি ধর্মনিরপেক্ষতাকে]] সতর্কতার সাথে বিশ্লেষণ করতে হবে যার তারা বিরোধিতা করেছিল। জনপরিসরে [[ধর্ম]]ের অনুপস্থিতি হিসেবে [[ধর্মনিরপেক্ষতা]]র পাঠ্যবইীয় সংস্করণ, অথবা বৈজ্ঞানিক যুক্তিবাদ হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতার ধারণা এখানে যথেষ্ট হবে না। আমাদের স্বাধীন ভারতের গণসংস্কৃতিতে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রয়োগ ও অর্থ সম্পর্কে আরও নিবিড়ভাবে জানতে হবে। ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রধান ব্যাখ্যাটি রাজনৈতিক ক্ষেত্র থেকে ধর্মকে সরিয়ে দেওয়া ছিল না। বরং বিশ্বাসটি ছিল এমন যে, ধর্ম ও সংস্কৃতিকে দৃশ্যত একটি অরাজনৈতিক স্তরে তুলে ধরা হয়েছে, যা রাজনীতির জগতের ঊর্ধ্বে। সংস্কৃতি ও ধর্মকে অরাজনৈতিক হিসেবে দেখার এই প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা এবং এর থেকে আসা নিঃস্বার্থ "সমাজসেবা" রাজনীতি ও অর্থের ঊর্ধ্বে হওয়ার কারণে একটি সম্মানজনক ও পবিত্র রূপ পেয়েছে। এটি এক ধরনের "অরাজনৈতিক সক্রিয়তা"-কে একটি নৈতিক ভিত্তি দিয়েছিল, যা ভারতের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে তো ছিলই, এমনকি অনেক সময় আন্দোলন ও নির্বাচনী রাজনীতিতেও এর ব্যবহার দেখা গেছে। আমি বলতে চাই যে, "অরাজনীতি" এবং "ধর্মীয় সক্রিয়তা"-র এই ক্ষেত্র থেকেই হিন্দু জাতীয়তাবাদী আন্দোলন অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে কয়েক দশক ধরে তাদের প্রচার এবং সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। অন্যান্য সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের মতো হিন্দু জাতীয়তাবাদী আন্দোলনও গণতন্ত্রের প্রতি সব সময় একটি জটিল দ্বিমুখী মনোভাব এবং "রাজনৈতিক পেশা"-র প্রতি এক ধরনের ভীতি পোষণ করত। এই আন্দোলনের বিবর্তন, এর সংগঠন এবং এর রাজনৈতিক কৌশলগুলোকে বুঝতে হবে আধুনিক ভারতীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতির গভীর বিভাজনের প্রেক্ষিতে—যেখানে একপাশে রয়েছে "পবিত্র" সংস্কৃতির জগৎ এবং অন্যপাশে রয়েছে প্রতিযোগিতামূলক "পার্থিব" রাজনীতির জগৎ। ** থমাস ব্লম হ্যানসেন, {{বই উদ্ধৃতি |title=দ্য স্যাফরন ওয়েভ: ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন মডার্ন ইন্ডিয়া |date=১৯৯৯ |publisher=প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি প্রেস |isbn=978-1-4008-2305-5 |page=পৃষ্ঠা ১১ |url=https://books.google.com/books?id=SAqn3OIGE54C&pg=PA11}} * ভারতের প্রদীপ্ত শক্তি হিন্দুধর্মের মধ্যেই নিহিত। হিন্দু বিশ্বাসের কাঠামো ছাড়া ভারত ভেঙে পড়বে। হিন্দুধর্ম ছাড়া ভারত নিজেকে চেনা যায় না... কারণ চীনাদের মতো ভারতীয় সমাজও একটি ঐক্যবদ্ধ সমাজ ছিল যেখানে বিজ্ঞান এবং ধর্মের মধ্যে কখনোই কোনো বিরোধ ছিল না। ফলে আমাদের নিজস্ব খ্রিস্টীয় প্রেক্ষাপটের মতো এখানে কোনো মৌলিক বিভাজন তৈরি হয়নি। বিগত দুই শতাব্দী ধরে ধর্মতত্ত্ব এবং [[বিজ্ঞান]]ের মধ্যে আমাদের বিরোধ আমাদের চিন্তাধারায় বিশৃঙ্খলা এবং একটি অদ্ভুত দ্বৈততা তৈরি করেছে। ভারতে আমি ঈশ্বরের সৃষ্টি সম্পর্কে আমাদের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এক পরম মুক্তি খুঁজে পেয়েছি... হিন্দুধর্ম এই দীর্ঘ সময় ধরে বাহ্যিক প্রভাবমুক্ত থেকে নিরন্তর চলে আসছে, যেমন শান্ত গঙ্গা নদী বয়ে চলে। এমনকি মুঘল আক্রমণ এবং ৭০০ বছরের [[ভারতে ইসলাম|মুসলিম]] আধিপত্য, কিংবা ব্রিটিশ, ডাচ, ফরাসি এবং [[পর্তুগিজ সাম্রাজ্য|পর্তুগিজদের]] নিজস্ব সভ্যতা ও মানদণ্ড নিয়ে আগমনও এই অবিচল বিশ্বাসের মূল ভিত্তি স্পর্শ করতে পারেনি। ভারতীয় চিন্তা নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী গ্রহণ ও আত্মস্থ করেছে। কোনো আসন্ন বিপদের আঁচ পেলে সে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে, ঠিক যেমন কোনো বিশাল সামুদ্রিক প্রাণী তার শুঁড়গুলো গুটিয়ে নেয়। আবার বিপদ কেটে গেলে তা বিকশিত ও প্রস্ফুটিত হয়েছে। কেউ কেউ আশা করে থাকেন যে এটি তেমনই থাকবে। আধুনিক ভারতীয়রা বুঝতে পারবেন যে এটি তাদের ঈর্ষণীয় শক্তি। যদিও প্রযুক্তির বস্তুগত সুবিধার জন্য তাদের আকাঙ্ক্ষা বোধগম্য, যা পশ্চিমা বিশ্বকে ক্ষমতা ও একচেটিয়া অধিকার দিয়েছে। কিন্তু তাদের সমন্বয় এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে গ্রহণ করার ক্ষমতা তাদের হয়তো নগরজীবনের বন্ধ্যাত্ব এবং গুণমান ও জীবনের দৃষ্টিভঙ্গির চেয়ে পরিমাণ ও বস্তুর প্রতি একঘেয়ে মোহ থেকে রক্ষা করতে পারে। ** (উৎস: দ্য মিউজিক অফ ইন্ডিয়া - পেগি হলরয়েড পৃষ্ঠা ৪৪–৫২)। * অনুরূপ মানদণ্ডে বিচার করলে, মুসলিমদের দ্বারা হিন্দু শিক্ষার পৃষ্ঠপোষকতা ও চর্চা, অথবা তাদের শাসনামলে হিন্দু সংস্কৃতির বিকাশে তাদের অবদান... ব্রিটিশ শাসনের অর্জনের তুলনায় তুচ্ছ হয়ে পড়ে। কেবল এই ধরণের তুলনার মাধ্যমেই আমরা মুসলিম শাসনের অধীনে হিন্দুদের অবস্থার একটি নিরপেক্ষ অধ্যয়ন করতে পারি এবং একে সঠিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে পারি। ** আর. সি. মজুমদার, সম্পাদিত, দ্য হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার অফ দ্য ইন্ডিয়ান পিপল, খণ্ড ৬, দ্য দিল্লি সুলতানেট (লন্ডন: জি. অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন, ১৯৫২), পৃষ্ঠা ৬২৩। ইবনে ওয়ারাক-এর হোয়াই দ্য ওয়েস্ট ইজ দ্য বেস্ট, "ইন্ডিয়া আন্ডার দ্য আরব্স অ্যান্ড দ্য ব্রিটিশ"। এছাড়াও বোস্টম, এ. জি. এম. ডি. এবং বোস্টম, এ. জি. (২০১০)-এর দ্য লেগাসি অফ জিহাদ: ইসলামিক হোলি ওয়ার অ্যান্ড দ্য ফেট অফ নন-মুসলিমস। আমহার্স্ট: প্রমিথিউস। * কমপক্ষে খ্রিস্টীয় যুগের শুরু থেকে প্রায় ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত, গান্ধারের (আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের কিছু অংশ) পুরুষপুর (পেশোয়ার) থেকে শুরু করে আনাম (দক্ষিণ ভিয়েতনাম)-এর পান্ডুরং এবং মধ্য জাভার প্রম্বানম পর্যন্ত শাসক ও প্রশাসনিক মহলে সংস্কৃত ছিল প্রধান ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক মাধ্যম। এটি এক হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে এশিয়ার বিশাল অংশকে প্রভাবিত করেছিল। এই সংস্কৃতি কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দ্বারা চাপিয়ে দেওয়া হয়নি বা কোনো কেন্দ্রীয়ভাবে সংগঠিত চার্চ ব্যবস্থার মাধ্যমে টিকে ছিল না। এইভাবে এটি ধর্ম, শ্রেণি বা লিঙ্গ নির্বিশেষে বেশিরভাগ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয়দের মধ্যে বিদ্যমান একটি সাংস্কৃতিক চেতনার ফল এবং কারণ উভয়ই ছিল। বিশ্ব ইউরোপীয়করণের বহু শতাব্দী আগে, [[এশিয়া]] থেকে [[আফগানিস্তান]], ভারত, [[শ্রীলঙ্কা]], থাইল্যান্ড, [[কম্বোডিয়া]], ভিয়েতনাম হয়ে [[ইন্দোনেশিয়া]] পর্যন্ত পুরো অঞ্চলটি একটি উন্নত প্যান-এশীয় সভ্যতার কেন্দ্র ছিল... তবে রোমান সভ্যতার সহিংস বিস্তারের মতো নয় (যা ল্যাটিনকে কয়েক শতাব্দী ধরে ইউরোপীয় ভাষা হিসেবে টিকিয়ে রেখেছিল), এশিয়ার সংস্কৃতায়ন ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। এতে কোনো বিজয়, আধিপত্য বা স্থানীয় পরিচয়ের বিলুপ্তি ঘটেনি। এর মানে এই নয় যে রাজনৈতিক বিবাদ বা যুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় কখনো ঘটেনি, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এর উদ্দেশ্য সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়া ছিল না। ** মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * ভারত অন্য সবার চেয়ে জোরালোভাবে সেই ঘোষণাটি করেছিল যাকে আমরা "সত্তার অধিকারের ঘোষণা" বলতে পারি। সেখানে, এই দিব্য সত্তার মধ্যে, নিজের সাথে অসীমের এই মিলনের মধ্যেই জীবনের এবং সমস্ত ইতিহাসের ভিত্তি ও মূল শিকড় স্পষ্টভাবে নিহিত রয়েছে। ** এডগার কিনে, জঁ বিয়ের লিটারেচার ফ্রঁসেজ এ পঁসে হিন্দু দেজ অরিজিন আ ১৯৫০, মিশেল দানিনোর ইন্ডিয়াজ ইমপ্যাক্ট অন ফ্রেঞ্চ থট অ্যান্ড লিটারেচার: এইটিনথ টু টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরিতে (ক্রিটিক্যাল প্র্যাকটিসে প্রকাশিত, ১০:২, জুন ২০০৩, পৃষ্ঠা ৪৬–৫৬)। ==T== * '''Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speech, grandmother of [[পুরাণবিদ্যা|legend]], great grandmother of [[tradition]]. The land that all men desire to see and having seen once even by a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined.''' **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'', p. 113 * It is a good and gentle religion, but inconvenient. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * India had the start of the whole world in the beginning of things. She had the first civilization; she had the first accumulation of material wealth; she was populous with deep thinkers and subtle intellects; she had mines, and woods, and a fruitful soul. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * Our most valuable and most instructive materials in the history of man are treasured up in India. **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' * "Land of religions, cradle of human race, birthplace of human speak, grandmother of legacy, great grandmother of tradition. The land that all men desire to see and having seen once even a glimpse, would not give that glimpse for the shows of the rest of the globe combined." **[[মার্ক টোয়েইন]], ''Through Indian Eyes'' *Years earlier, the British historian [[Arnold Toynbee|A.J. Toynbee]] remarked: 'India is the central link in a chain of regional civilizations that extends from [[জাপান]] in the far north-east to [[আয়ারল্যান্ড]] in the far northwest. Between these two extremities the chain sags down southwards in a festoon that dips below the Equator in Indonesia.' **quoted from Malhotra, R., & Infinity Foundation (Princeton, N.J.). (2018). Being different: An Indian challenge to western universalism. *[[পুঁজিবাদ]], or the ideology of the unbridled pursuit of [[wealth]], is destroying culture on an unbridled scale... countless cultural activities, seen to be non-lucrative or less lucrative, are being abandoned all over the country. Others are being severely compromised in order to keep or make them lucrative: compromise in materials or techniques used, shoddiness in workmanship or performance, short-cut methods, etc. These are resulting in loss of natural spontaneity, cultural authenticity, technological expertise and performance satisfaction, which, in turn, gradually leads to the degeneration and further abandonment of cultural activities. All this is affecting various fields of culture: musical forms and styles, musical instruments, dance forms, architectural styles, art forms, handicrafts, traditional crops, culinary items, etc... owever, the concept of Money as God has now changed all this. For perhaps the first time in [[History of India|India’s long history]], there is now no real official support for Indian culture. In the last decade or so, apparently coinciding with the advocacy and adoption of new policies of economic ‘reforms’, it is now passé for [[ভারত সরকার|governments]] to do anything concrete to protect, preserve, record or perpetuate India’s traditional culture, or even to aid and encourage individuals or organizations doing so. Institutions established in the post-Independence era are being literally starved for funds, or funds are being used for any purpose but to achieve the original aims and objectives, or, simply, the very aims and objectives of these institutions are being changed. In any case no new activities, except occasional pedestrian ‘cultural’ projects of a political nature, are being undertaken: the institutions are being slowly transformed from cultural to commercial institutions, in line with the ‘changing times’.<br>“Infinitely worse is what is happening to the detailed records of the research, documentation and collection undertaken by these institutions, in the not so distant past, to preserve, popularize and perpetuate different aspects of Indian culture. These archival records ¾ print, tape, film or actual physical objects ¾ are suddenly becoming an eyesore or an embarrassment, or simply a financial burden, to a cash-conscious leadership with a ‘reformist’ eye on the ‘globe’. A standard sequence now is as follows: state-funded [[জাদুঘর|museums]], [[গ্রন্থাগার]] and archives ¾ or at least the records in them ¾ slowly become rare or inaccessible, in different ways, to the (lay or scholarly) public eye. Often ‘constraints of space’ force the authorities to remove these records from their protected environments and dump them in ill-maintained godowns, to rot and decay, unseen and forgotten. And, occasionally, mysterious fires break out in the places which house these archives, destroying invaluable and irreplaceable records (including those pertaining to the golden age of Indian movies), then to be forgotten forever. All these events, coincidentally, make available valuable land and funds for more lucrative commercial purposes. The persons in authority are too busy saving or making money - for themselves, or, if they are to be believed, for the public coffers - to care. **S. Talageri, in (“Sita Ram Goel, memories and ideas”, in Koenraad Elst, ed.: India’s Only Communalist: In Commemoration of Sita Ram Goel, Voice of India, Delhi 2005, p.239-346) quoted from [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2016/07/cultural-policy-and-folk-art.html Review of "From the Personal Collection of KC Aryan. Unknown Masterpieces of Indian Folk & Tribal Art (KC Aryan’s Home of Folk Art, Gurgaon 2016, 301 pp., 635 illustrations). " presenting KC Aryan’s art collection, in (Law Animated World, Hyderabad, 16 July 2016)] ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[Category:Culture of India| ]] 81xef2s1cxfwds1mqsb6uihx3q7d420 81936 81931 2026-04-28T11:54:48Z ARI 356 /* T */ ; অনুবাদ 81936 wikitext text/x-wiki '''[[ভারতের সংস্কৃতি]]''' অথবা '''ভারতীয় সংস্কৃতি''' অনেক সময় '''ভারতীয় সভ্যতা'''র সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি সামাজিক নিয়ম, নৈতিক মূল্যবোধ, প্রথাগত রীতিনীতি, বিশ্বাস ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, নিদর্শন এবং প্রযুক্তির এক ঐতিহ্য। এই বিষয়গুলো [[দক্ষিণ এশিয়া]]য় উদ্ভূত হয়েছে অথবা এই অঞ্চলের সাথে যুক্ত। == উক্তি == * "ভারত যে আধ্যাত্মিক লক্ষ্যকে তুলে ধরে, তা কি ইউরোপের ওপর প্রভাব ফেলবে এবং সেখানে পশ্চিমা সমাজের উপযোগী নতুন রূপ তৈরি করবে? নাকি ইউরোপীয় যুক্তিবাদ ও ভোগবাদ ভারতীয় সংস্কৃতির চিরতরে অবসান ঘটাবে? এটিই বর্তমানে একটি অত্যন্ত মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।" ** অরবিন্দ, দনিনো, এম., এবং নাহার, এস. (১৯৯৬) এর মধ্যে। দ্য ইনভেশন দ্যাট নেভার ওয়াজ (প্রথম সংস্করণ)। মাদার্স ইনস্টিটিউট অফ রিসার্চ অ্যান্ড মিরা অদিতি, মহীশূর, ভারত। * গ্রিকদের চেয়েও উচ্চাভিলাষী, সূক্ষ্ম, বহুমুখী, কৌতূহলী ও গভীর; রোমানদের চেয়েও মহান ও মানবিক; প্রাচীন মিশরীয়দের চেয়েও বিশাল ও আধ্যাত্মিক; অন্য যেকোনো এশীয় সভ্যতার চেয়েও ব্যাপক ও মৌলিক; এবং ১৮শ শতাব্দীর আগের ইউরোপীয়দের চেয়েও বেশি বুদ্ধিদীপ্ত ছিল এই সংস্কৃতি। এদের কাছে যা কিছু ছিল, তার সবকিছু এবং আরও অনেক বেশি সমৃদ্ধ এই সংস্কৃতি ছিল অতীত মানব সভ্যতার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী, আত্মনিয়ন্ত্রিত, উদ্দীপনামূলক এবং সুদূরপ্রসারী। ** [[অরবিন্দ ঘোষ]], {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=দ্য মেসেজ অ্যান্ড মিশন অব ইন্ডিয়া |তারিখ=১৯৬৪ |প্রকাশক=ভারতী বিদ্যা ভবন |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=AcRKAAAAMAAJ}} ** শ্রী অরবিন্দ, দ্য ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিয়ান কালচার (১৯৫৩), পৃষ্ঠা ৩১। * "আধ্যাত্মিকতাই হলো ভারতীয় মনের মূল চাবিকাঠি। ভারতের এই প্রবল আগ্রহই তার সংস্কৃতির সব বহিঃপ্রকাশের চরিত্র নির্ধারণ করে। প্রকৃতপক্ষে, তার জন্মগত আধ্যাত্মিক প্রবণতা থেকেই এই সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছে, যার এক স্বাভাবিক প্রকাশ হলো তার ধর্ম। ভারতীয় মন সব সময় উপলব্ধি করেছে যে পরম সত্তা অসীম। তারা দেখেছে যে প্রকৃতির মধ্যে থাকা আত্মার কাছে সেই অসীম সত্তা সব সময়ই অসীম বৈচিত্র্যের সাথে হাজির হতে পারে। পুরো মানবজাতির জন্য একটিমাত্র ধর্মের উগ্র এবং যুক্তিহীন ধারণা, অর্থাৎ একটিমাত্র গোঁড়ামি, উপাসনা পদ্ধতি, আচার-অনুষ্ঠান বা অনুশাসন সবাইকে মেনে নিতে বাধ্য করার যে উদ্ভট চেষ্টা যা আসলে অসহিষ্ণুতা, নিষ্ঠুরতা এবং অন্ধকারের জন্ম দেয় তা ভারতের মানসিকতায় কখনও শক্তভাবে জায়গা করে নিতে পারেনি।" ... "ভারত হলো ধর্মের মিলনস্থল এবং এর মধ্যে হিন্দুধর্ম নিজেই এক বিশাল ও জটিল বিষয়। এটি কেবল একটি ধর্ম নয়, বরং আধ্যাত্মিক চিন্তা, উপলব্ধি এবং আকাঙ্ক্ষার এক বৈচিত্র্যময় অথচ সূক্ষ্মভাবে ঐক্যবদ্ধ রূপ।" ** [[অরবিন্দ ঘোষ]]ের প্রতি আরোপিত, {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ইন্ডিয়া: ভিশন অ্যান্ড ফুলফিলমেন্ট |তারিখ=১৯৭২ |প্রকাশক=ডি. বি. তারাপোরেভালা সন্স |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=MKE5AQAAIAAJ |শেষ১=মিত্র |প্রথম১=শিশির কুমার |লেখকসংযোগ১=w:Sisir Kumar Mitra}} ** শ্রী অরবিন্দ, শ্রী অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া 'আর্য', আগস্ট ১৯১৮-নভেম্বর ১৯১৮ (১৯২০ সালে পর্যালোচিত ও সংশোধিত) এছাড়াও মিত্র, শিশিরকুমার দ্য ভিশন অফ ইন্ডিয়া নয়াদিল্লি: ক্রেস্ট পাবলিশিং হাউস, ১৯৯৪ পৃষ্ঠা ৫৩ - ৫৪, ঘোষ, অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া। আর্য পাবলিশিং হাউস কলকাতা। এ ডিফেন্স অফ ইন্ডিয়ান কালচার। * বিশ্বের অন্যান্য দেশ ও জাতির সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ ও সম্পর্কের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো এই যে, এখানে সাংস্কৃতিক বিস্তারকে কখনোই ঔপনিবেশিক আধিপত্য এবং বাণিজ্যিক সক্রিয়তার সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়নি, আর অর্থনৈতিক শোষণ তো অনেক পরের কথা। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছাড়াও যে সংস্কৃতির বিকাশ হতে পারে, সাম্রাজ্যবাদী পরিকল্পনা ছাড়াই বাণিজ্য চলতে পারে, ঔপনিবেশিক বাড়াবাড়ি ছাড়াই জনবসতি গড়ে উঠতে পারে এবং সাহিত্য, [[ধর্ম]] ও [[ভাষা]] যে বিদেশি-বিদ্বেষ, উগ্র জাতীয়তাবাদ বা বর্ণবিদ্বেষ ছাড়াই ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব, তার যথেষ্ট প্রমাণ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ইতিহাসে পাওয়া যায়... এইভাবে যদিও মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি বড় অংশ ভারতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধ কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল, তবুও তারা খুব কমই কোনো ভারতীয় রাজা বা বিজয়ীর শাসনাধীন ছিল। তারা ভারতীয় সামরিক অভিযানের ভয়াবহতা ও ধ্বংসলীলা খুব একটা দেখেনি। তারা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ স্বাধীন ছিল এবং তাদের জনগণ ছিল ভারতীয় ও স্থানীয় উপাদানের এক সংমিশ্রণ। ভারতীয় কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো যোগসূত্র ছিল না এবং তারা ভারতকে জন্মভূমির চেয়ে বরং একটি পবিত্র ভূমি হিসেবে দেখত। এটি ছিল তাদের কাছে একটি তীর্থস্থান, কোনো শাসনভুক্ত এলাকা নয়। ** অরুণ ভট্টাচার্যের গ্রেটার ইন্ডিয়া, মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এ কালচারাল হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে এ. এল. ব্যাশাম উল্লেখ করেছেন যে, 'খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীর মধ্যে ভারতীয়করণ হওয়া রাষ্ট্রগুলো, অর্থাৎ ভারতীয় রাজনৈতিক তত্ত্বের প্রথাগত ধারা অনুযায়ী গঠিত এবং বৌদ্ধ বা হিন্দু ধর্ম অনুসরণকারী রাষ্ট্রগুলো [[মিয়ানমার]], থাইল্যান্ড, ইন্দো-চায়না, [[মালয়েশিয়া]] এবং [[ইন্দোনেশিয়া]]র অনেক অঞ্চলে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল'। ** মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এটা সত্য যে হিমালয় পেরিয়েও ভারত আমাদের কাছে ব্যাকরণ ও যুক্তিবিদ্যা, দর্শন ও পঞ্চতন্ত্রের গল্প, সম্মোহন বিদ্যা এবং [[দাবা]]র মতো কিছু বিচিত্র উপহার পাঠিয়েছে। আর সবার উপরে রয়েছে আমাদের সংখ্যা এবং দশমিক পদ্ধতি। কিন্তু এগুলো তার আত্মার আসল নির্যাস নয়; ভবিষ্যতে আমরা তার কাছ থেকে যা শিখতে পারি, তার তুলনায় এগুলো অতি তুচ্ছ। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * হয়তো বিজয়, অহংকার এবং লুণ্ঠনের বিনিময়ে ভারত আমাদের একটি পরিপক্ক মনের সহনশীলতা ও নম্রতা, নির্লোভ আত্মার প্রশান্তি, বোধশক্তিসম্পন্ন হৃদয়ের স্থিরতা এবং সমস্ত জীবজগতের প্রতি একটি ঐক্যবদ্ধ ও শান্তিময় ভালোবাসা শেখাবে। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * ভারত ছিল আমাদের জাতির মাতৃভূমি এবং সংস্কৃত ছিল ইউরোপের ভাষাগুলোর জননী। ভারত ছিল আমাদের দর্শনের জননী; আরবদের মাধ্যমে আমাদের অনেক [[গণিত]]ের জননী; বুদ্ধের মাধ্যমে [[খ্রিস্টধর্ম]]ে মিশে থাকা আদর্শের জননী এবং গ্রাম্য সমাজের মাধ্যমে স্বায়ত্তশাসন ও গণতন্ত্রের জননী। মা ভারত অনেক দিক থেকেই আমাদের সবার মা। ভারতের সাথে আধুনিক ছাত্রছাত্রীদের পরিচয়ের অভাব এবং এই পরিচয়ের স্বল্পতা তাদের গভীরভাবে লজ্জিত করা উচিত... এই সেই ভারত যাকে ধৈর্যশীল জ্ঞানচর্চা এখন একটি নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক মহাদেশের মতো সেই পশ্চিমা মনের কাছে উন্মোচন করছে, যারা কেবল গতকাল পর্যন্তও মনে করত যে সভ্যতা কেবল পশ্চিমাদের একচেটিয়া অধিকার। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * "প্রবহমান নদী যেমন সমুদ্রে গিয়ে নিজের নাম ও রূপ হারিয়ে ফেলে, তেমনি একজন জ্ঞানী ব্যক্তি নাম ও রূপের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে সেই পরম সত্তার কাছে যান যিনি সবকিছুর ঊর্ধ্বে।" জীবন ও মৃত্যুর এমন তত্ত্ব পশ্চিমা মানুষের ভালো লাগবে না, যাদের ধর্ম তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মতোই ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদে পূর্ণ। কিন্তু এটি বিস্ময়কর ধারাবাহিকতার সাথে হিন্দু দার্শনিক মনকে সন্তুষ্ট করেছে। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * এমনকি ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও এই গভীর থিওসফি লক্ষ লক্ষ অনুসারী পেয়েছে। এদের মধ্যে একাকী নারী ও ক্লান্ত পুরুষ থেকে শুরু করে আর্থার শোপেনহাওয়ার এবং [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]] পর্যন্ত সবাই রয়েছেন। কে ভেবেছিল যে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের মহান আমেরিকান দার্শনিক তার 'ব্রহ্মা' কবিতায় হিন্দু বিশ্বাসের এক নিখুঁত প্রকাশ ঘটাবেন যে ব্যক্তিত্ব একটি বিভ্রম? ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * এগুলো হলো আমাদের জাতির টিকে থাকা প্রাচীনতম দর্শন এবং মনোবিজ্ঞান। মন ও বিশ্ব এবং তাদের মধ্যকার সম্পর্ক বোঝার জন্য মানুষের এক আশ্চর্যজনক সূক্ষ্ম ও ধৈর্যশীল প্রচেষ্টা। [[উপনিষদ]] [[হোমার]]ের মতো প্রাচীন এবং ইমানুয়েল কান্টের মতো আধুনিক। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] [[চিত্র:Sri Krishna (Miniature Painting, Kashmir School, 19th century).jpg|থাম্ব|ভারতীয় শিক্ষা, তার অসংখ্য কিংবদন্তির আড়ালে থাকলেও, এতে একটি সরল ও মহৎ ধর্ম রয়েছে, যা যেন এক মখমল পর্দার আড়ালে থাকা কোনো রানীর রাজকীয় মুখাবয়ব। এটি সত্য কথা বলতে, অন্যকে ভালোবাসতে এবং তুচ্ছ বিষয়গুলোকে বর্জন করতে শেখায়। প্রাচ্য মহান এবং এটি ইউরোপকে তুচ্ছ জিনিসের দেশ বলে মনে করায়... সবকিছুই আত্মা এবং সেই আত্মাই হলো সর্বশক্তিমান। ~ [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]]]] * আমি স্বীকার করি যে পশ্চিমে ইউরোপীয়দের এবং তাদের রীতিনীতির শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে যে আত্মবিশ্বাস প্রচলিত, আমি তার অংশীদার হতে পারছি না। ইউরোপীয় সভ্যতা সন্তোষজনক নয় এবং যারা আত্মিকভাবে এশীয়দের থেকে অনেক দূরে, [[এশিয়া]] তাদের জন্য এখনও আকর্ষণীয় কিছু দিতে পারে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'', পৃষ্ঠা ৪১ * আমি মনে করি না যে [[খ্রিস্টধর্ম]] কখনো এশিয়ায় খুব বেশি উন্নতি করতে পারবে, কারণ সাধারণভাবে এই নামে যা পরিচিত তা খ্রিস্টের শিক্ষা নয় বরং ইউরোপে তৈরি করা এর একটি নতুন রূপ এবং বেশিরভাগ ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানের মতো এটি চিন্তাশীল হওয়ার চেয়ে বেশি বাস্তববাদী। আর স্বয়ং খ্রিস্টের শিক্ষার কথা বললে, ভারতীয়রা একে চমৎকার মনে করলেও এটি তাদের কাছে যথেষ্ট বা সন্তোষজনক নয়। এতে এমন খুব কমই আছে যা হিন্দুধর্মের অনেক শাস্ত্রের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে না..." ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * বিশ্বের মনোযোগের ক্ষেত্রে ভারতের দাবি হলো এই যে, ইতিহাস শুরু হওয়ার পর থেকে অন্য যেকোনো জাতির তুলনায় তারা অস্তিত্বের পরম রহস্য নিয়ে চিন্তাভাবনা করার জন্য নিজেকে বেশি নিয়োজিত করেছে। আমার চোখে ভারতীয় চিন্তা আমাদের সাধারণ চিন্তাধারা থেকে যে ব্যাপকভাবে আলাদা, তা একটি ইতিবাচক গুণ। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * হিন্দুধর্ম তৈরি করা হয়নি বরং এটি গড়ে উঠেছে। এটি একটি জঙ্গল, কোনো ভবন নয়। এটি একটি মহান জাতীয় [[পৌত্তলিকতাবাদ]]ের জীবন্ত উদাহরণ যা হয়তো ইউরোপেও থাকত যদি খ্রিস্টধর্ম রোমান সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রীয় ধর্ম না হতো। সেখানে যদি পুরনো স্থানীয় [[কুসংস্কার]]ের এক অদ্ভুত জটলা, গ্রিক দর্শন এবং সারাপিস বা মিত্রাসের উপাসনার মতো প্রাচ্যের ধর্মীয় আচারগুলো থেকে যেত। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * ইসলাম এবং খ্রিস্টধর্মের তুলনায় হিন্দুধর্মের মতবাদগুলো অত্যন্ত পরিবর্তনশীল এবং বহুমুখী। ভারত রূপক এবং উপমার মাধ্যমে কাজ করে। হিন্দু চিন্তা যেমন অস্থির, সূক্ষ্ম এবং তর্কমূলক, এটি ইউরোপীয় ধর্মতত্ত্বের মতো অতি কঠোর সংজ্ঞার মাধ্যমে অতিপ্রাকৃত ধারণাগুলোকে বিকৃত করার দোষে কম দুষ্ট। এটি উপমা এবং প্রতীকের মাধ্যমে অবর্ণনীয় বিষয়কে তুলে ধরে। এটি অসঙ্গতিকে ভয় পায় না যা অসীমের বিভিন্ন দিক ফুটিয়ে তুলতে পারে, কিন্তু এটি ঈশ্বরকে একটি যৌক্তিক বাক্যাংশের সীমানায় বন্দি করার চেষ্টা খুব কমই করে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * হিন্দুদের মধ্যে অন্ধবিশ্বাস এবং মুক্ত চিন্তার সমন্বয় ঘটানোর এক অসাধারণ ক্ষমতা আছে। এতে ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বাধীনতা দেওয়া হয়। সব যুগেই হিন্দুরা গভীরভাবে দার্শনিক চিন্তায় মগ্ন ছিল। এটিও লক্ষণীয় যে উপনিষদ থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]ের লেখা পর্যন্ত ভারতীয় সাহিত্যে সময়ে সময়ে এই ধারণা ব্যক্ত হয়েছে যে, পুরো [[মহাবিশ্ব]] কোনো এক উচ্ছ্বসিত শক্তির বহিঃপ্রকাশ যা আনন্দময় গতির মাধ্যমে নিজেকে প্রকাশ করে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * ভারতীয় শিক্ষা, তার অসংখ্য কিংবদন্তির আড়ালে থাকলেও, এতে একটি সরল ও মহৎ ধর্ম রয়েছে, যা যেন এক মখমল পর্দার আড়ালে থাকা কোনো রানীর রাজকীয় মুখাবয়ব। এটি সত্য কথা বলতে, অন্যকে ভালোবাসতে এবং তুচ্ছ বিষয়গুলোকে বর্জন করতে শেখায়। প্রাচ্য মহান এবং এটি ইউরোপকে তুচ্ছ জিনিসের দেশ বলে মনে করায়... সবকিছুই আত্মা এবং সেই আত্মাই হলো সর্বশক্তিমান। ** রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন। উৎস: দ্য ওয়েস্ট লুকস অ্যাট ইন্ডিয়া, কৃষ্ণানন্দ জোশী। উদ্ধৃত: গেওয়ালি, সলিল (২০১৩)। গ্রেট মাইন্ডস অন ইন্ডিয়া। নিউ দিল্লি: পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস। * বাস্তব জীবনে আমাদের দুটি জাতিতে বিভক্ত করা অসম্ভব। আমরা দুটি জাতি নই। প্রতিটি মুসলিমের একটি [[হিন্দু]] নাম থাকবে যদি সে তার পারিবারিক ইতিহাসে যথেষ্ট পেছনে যায়। প্রতিটি মুসলমান আসলে একজন হিন্দু যিনি [[ইসলাম]] গ্রহণ করেছেন। এটি কোনো জাতীয়তা তৈরি করে না। ... ভারতে আমাদের সংস্কৃতি একই। উত্তর ভারতে হিন্দু এবং মুসলিম—উভয়ই [[হিন্দি ভাষা]] ও [[উর্দু]] বোঝেন। মাদ্রাজ-এ হিন্দু এবং মুসলিমরা তামিল ভাষায় কথা বলেন এবং [[বঙ্গ]]তে তারা দুজনেই [[বাংলা ভাষা|বাংলা]] ভাষায় কথা বলেন, হিন্দি বা উর্দুতে নয়। যখন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঘটে, সেগুলো সব সময় গরু সংক্রান্ত ঘটনা এবং ধর্মীয় শোভাযাত্রার কারণে উস্কানি পায়। এর অর্থ হলো আমাদের [[কুসংস্কার]]ই সমস্যার সৃষ্টি করে, আমাদের আলাদা জাতীয়তা নয়। ** [[মহাত্মা গান্ধী]], কনভারসেশনস উইথ লুই ফিশার, ৬ জুন ১৯৪২, লুই ফিশারের ''আ উইক উইথ গান্ধী''তে, পৃষ্ঠা ৪৫–৪৬। * অল্প সময়ের মধ্যেই আমি [[হিন্দু]] দর্শনের ওপর আমার প্রথম বইটি পড়লাম। এটি আমাকে প্রচণ্ড ধাক্কা দিল এবং যেন জাগিয়ে তুলল। এখানে অবশেষে আমি যা খুঁজছিলাম তা পেলাম। একে কেবল বিতর্ক বা প্রায়ই উপহাসের বিষয় হিসেবে দেখার বদলে এখানে পুনর্জন্মকে একটি স্বীকৃত সত্য হিসেবে ধরা হয়েছে। এই শিক্ষাগুলো ছিল যুক্তিপূর্ণ ও আবেগবর্জিত, কিন্তু তবুও অহিংসা, করুণা, সহানুভূতি ও ভালোবাসার চেতনায় পরিপূর্ণ। ** নিনা গ্রাবোই, ''ওয়ান ফুট ইন দ্য ফিউচার: আ ওম্যান'স স্পিরিচুয়াল জার্নি'' (২০০০), অধ্যায় উনিশ। * একটি অভিন্ন হিন্দু সংস্কৃতির ধারণা, যা [[ইসলাম]] বা পশ্চিমা জ্ঞানতত্ত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সাথে তুলনীয় নয়, তা আসলে একটি কাল্পনিক বিষয়। এটি ওরিয়েন্টালিজম বা প্রাচ্যতত্ত্বের মাধ্যমে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে হিন্দু জাতীয়তাবাদী এবং অন্যান্য ভারতীয় জাতীয়তাবাদীরা অত্যন্ত যত্নের সাথে এটি প্রচার, সংগঠিত ও সংস্কার করেছে। [...] হিন্দু জাতীয়তাবাদ বুঝতে হলে আমাদের সেই [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা|সরকারি ধর্মনিরপেক্ষতাকে]] সতর্কতার সাথে বিশ্লেষণ করতে হবে যার তারা বিরোধিতা করেছিল। জনপরিসরে [[ধর্ম]]ের অনুপস্থিতি হিসেবে [[ধর্মনিরপেক্ষতা]]র পাঠ্যবইীয় সংস্করণ, অথবা বৈজ্ঞানিক যুক্তিবাদ হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতার ধারণা এখানে যথেষ্ট হবে না। আমাদের স্বাধীন ভারতের গণসংস্কৃতিতে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রয়োগ ও অর্থ সম্পর্কে আরও নিবিড়ভাবে জানতে হবে। ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রধান ব্যাখ্যাটি রাজনৈতিক ক্ষেত্র থেকে ধর্মকে সরিয়ে দেওয়া ছিল না। বরং বিশ্বাসটি ছিল এমন যে, ধর্ম ও সংস্কৃতিকে দৃশ্যত একটি অরাজনৈতিক স্তরে তুলে ধরা হয়েছে, যা রাজনীতির জগতের ঊর্ধ্বে। সংস্কৃতি ও ধর্মকে অরাজনৈতিক হিসেবে দেখার এই প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা এবং এর থেকে আসা নিঃস্বার্থ "সমাজসেবা" রাজনীতি ও অর্থের ঊর্ধ্বে হওয়ার কারণে একটি সম্মানজনক ও পবিত্র রূপ পেয়েছে। এটি এক ধরনের "অরাজনৈতিক সক্রিয়তা"-কে একটি নৈতিক ভিত্তি দিয়েছিল, যা ভারতের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে তো ছিলই, এমনকি অনেক সময় আন্দোলন ও নির্বাচনী রাজনীতিতেও এর ব্যবহার দেখা গেছে। আমি বলতে চাই যে, "অরাজনীতি" এবং "ধর্মীয় সক্রিয়তা"-র এই ক্ষেত্র থেকেই হিন্দু জাতীয়তাবাদী আন্দোলন অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে কয়েক দশক ধরে তাদের প্রচার এবং সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। অন্যান্য সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের মতো হিন্দু জাতীয়তাবাদী আন্দোলনও গণতন্ত্রের প্রতি সব সময় একটি জটিল দ্বিমুখী মনোভাব এবং "রাজনৈতিক পেশা"-র প্রতি এক ধরনের ভীতি পোষণ করত। এই আন্দোলনের বিবর্তন, এর সংগঠন এবং এর রাজনৈতিক কৌশলগুলোকে বুঝতে হবে আধুনিক ভারতীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতির গভীর বিভাজনের প্রেক্ষিতে—যেখানে একপাশে রয়েছে "পবিত্র" সংস্কৃতির জগৎ এবং অন্যপাশে রয়েছে প্রতিযোগিতামূলক "পার্থিব" রাজনীতির জগৎ। ** থমাস ব্লম হ্যানসেন, {{বই উদ্ধৃতি |title=দ্য স্যাফরন ওয়েভ: ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন মডার্ন ইন্ডিয়া |date=১৯৯৯ |publisher=প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি প্রেস |isbn=978-1-4008-2305-5 |page=পৃষ্ঠা ১১ |url=https://books.google.com/books?id=SAqn3OIGE54C&pg=PA11}} * ভারতের প্রদীপ্ত শক্তি হিন্দুধর্মের মধ্যেই নিহিত। হিন্দু বিশ্বাসের কাঠামো ছাড়া ভারত ভেঙে পড়বে। হিন্দুধর্ম ছাড়া ভারত নিজেকে চেনা যায় না... কারণ চীনাদের মতো ভারতীয় সমাজও একটি ঐক্যবদ্ধ সমাজ ছিল যেখানে বিজ্ঞান এবং ধর্মের মধ্যে কখনোই কোনো বিরোধ ছিল না। ফলে আমাদের নিজস্ব খ্রিস্টীয় প্রেক্ষাপটের মতো এখানে কোনো মৌলিক বিভাজন তৈরি হয়নি। বিগত দুই শতাব্দী ধরে ধর্মতত্ত্ব এবং [[বিজ্ঞান]]ের মধ্যে আমাদের বিরোধ আমাদের চিন্তাধারায় বিশৃঙ্খলা এবং একটি অদ্ভুত দ্বৈততা তৈরি করেছে। ভারতে আমি ঈশ্বরের সৃষ্টি সম্পর্কে আমাদের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এক পরম মুক্তি খুঁজে পেয়েছি... হিন্দুধর্ম এই দীর্ঘ সময় ধরে বাহ্যিক প্রভাবমুক্ত থেকে নিরন্তর চলে আসছে, যেমন শান্ত গঙ্গা নদী বয়ে চলে। এমনকি মুঘল আক্রমণ এবং ৭০০ বছরের [[ভারতে ইসলাম|মুসলিম]] আধিপত্য, কিংবা ব্রিটিশ, ডাচ, ফরাসি এবং [[পর্তুগিজ সাম্রাজ্য|পর্তুগিজদের]] নিজস্ব সভ্যতা ও মানদণ্ড নিয়ে আগমনও এই অবিচল বিশ্বাসের মূল ভিত্তি স্পর্শ করতে পারেনি। ভারতীয় চিন্তা নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী গ্রহণ ও আত্মস্থ করেছে। কোনো আসন্ন বিপদের আঁচ পেলে সে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে, ঠিক যেমন কোনো বিশাল সামুদ্রিক প্রাণী তার শুঁড়গুলো গুটিয়ে নেয়। আবার বিপদ কেটে গেলে তা বিকশিত ও প্রস্ফুটিত হয়েছে। কেউ কেউ আশা করে থাকেন যে এটি তেমনই থাকবে। আধুনিক ভারতীয়রা বুঝতে পারবেন যে এটি তাদের ঈর্ষণীয় শক্তি। যদিও প্রযুক্তির বস্তুগত সুবিধার জন্য তাদের আকাঙ্ক্ষা বোধগম্য, যা পশ্চিমা বিশ্বকে ক্ষমতা ও একচেটিয়া অধিকার দিয়েছে। কিন্তু তাদের সমন্বয় এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে গ্রহণ করার ক্ষমতা তাদের হয়তো নগরজীবনের বন্ধ্যাত্ব এবং গুণমান ও জীবনের দৃষ্টিভঙ্গির চেয়ে পরিমাণ ও বস্তুর প্রতি একঘেয়ে মোহ থেকে রক্ষা করতে পারে। ** (উৎস: দ্য মিউজিক অফ ইন্ডিয়া - পেগি হলরয়েড পৃষ্ঠা ৪৪–৫২)। * অনুরূপ মানদণ্ডে বিচার করলে, মুসলিমদের দ্বারা হিন্দু শিক্ষার পৃষ্ঠপোষকতা ও চর্চা, অথবা তাদের শাসনামলে হিন্দু সংস্কৃতির বিকাশে তাদের অবদান... ব্রিটিশ শাসনের অর্জনের তুলনায় তুচ্ছ হয়ে পড়ে। কেবল এই ধরণের তুলনার মাধ্যমেই আমরা মুসলিম শাসনের অধীনে হিন্দুদের অবস্থার একটি নিরপেক্ষ অধ্যয়ন করতে পারি এবং একে সঠিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে পারি। ** আর. সি. মজুমদার, সম্পাদিত, দ্য হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার অফ দ্য ইন্ডিয়ান পিপল, খণ্ড ৬, দ্য দিল্লি সুলতানেট (লন্ডন: জি. অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন, ১৯৫২), পৃষ্ঠা ৬২৩। ইবনে ওয়ারাক-এর হোয়াই দ্য ওয়েস্ট ইজ দ্য বেস্ট, "ইন্ডিয়া আন্ডার দ্য আরব্স অ্যান্ড দ্য ব্রিটিশ"। এছাড়াও বোস্টম, এ. জি. এম. ডি. এবং বোস্টম, এ. জি. (২০১০)-এর দ্য লেগাসি অফ জিহাদ: ইসলামিক হোলি ওয়ার অ্যান্ড দ্য ফেট অফ নন-মুসলিমস। আমহার্স্ট: প্রমিথিউস। * কমপক্ষে খ্রিস্টীয় যুগের শুরু থেকে প্রায় ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত, গান্ধারের (আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের কিছু অংশ) পুরুষপুর (পেশোয়ার) থেকে শুরু করে আনাম (দক্ষিণ ভিয়েতনাম)-এর পান্ডুরং এবং মধ্য জাভার প্রম্বানম পর্যন্ত শাসক ও প্রশাসনিক মহলে সংস্কৃত ছিল প্রধান ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক মাধ্যম। এটি এক হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে এশিয়ার বিশাল অংশকে প্রভাবিত করেছিল। এই সংস্কৃতি কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দ্বারা চাপিয়ে দেওয়া হয়নি বা কোনো কেন্দ্রীয়ভাবে সংগঠিত চার্চ ব্যবস্থার মাধ্যমে টিকে ছিল না। এইভাবে এটি ধর্ম, শ্রেণি বা লিঙ্গ নির্বিশেষে বেশিরভাগ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয়দের মধ্যে বিদ্যমান একটি সাংস্কৃতিক চেতনার ফল এবং কারণ উভয়ই ছিল। বিশ্ব ইউরোপীয়করণের বহু শতাব্দী আগে, [[এশিয়া]] থেকে [[আফগানিস্তান]], ভারত, [[শ্রীলঙ্কা]], থাইল্যান্ড, [[কম্বোডিয়া]], ভিয়েতনাম হয়ে [[ইন্দোনেশিয়া]] পর্যন্ত পুরো অঞ্চলটি একটি উন্নত প্যান-এশীয় সভ্যতার কেন্দ্র ছিল... তবে রোমান সভ্যতার সহিংস বিস্তারের মতো নয় (যা ল্যাটিনকে কয়েক শতাব্দী ধরে ইউরোপীয় ভাষা হিসেবে টিকিয়ে রেখেছিল), এশিয়ার সংস্কৃতায়ন ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। এতে কোনো বিজয়, আধিপত্য বা স্থানীয় পরিচয়ের বিলুপ্তি ঘটেনি। এর মানে এই নয় যে রাজনৈতিক বিবাদ বা যুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় কখনো ঘটেনি, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এর উদ্দেশ্য সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়া ছিল না। ** মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * ভারত অন্য সবার চেয়ে জোরালোভাবে সেই ঘোষণাটি করেছিল যাকে আমরা "সত্তার অধিকারের ঘোষণা" বলতে পারি। সেখানে, এই দিব্য সত্তার মধ্যে, নিজের সাথে অসীমের এই মিলনের মধ্যেই জীবনের এবং সমস্ত ইতিহাসের ভিত্তি ও মূল শিকড় স্পষ্টভাবে নিহিত রয়েছে। ** এডগার কিনে, জঁ বিয়ের লিটারেচার ফ্রঁসেজ এ পঁসে হিন্দু দেজ অরিজিন আ ১৯৫০, মিশেল দানিনোর ইন্ডিয়াজ ইমপ্যাক্ট অন ফ্রেঞ্চ থট অ্যান্ড লিটারেচার: এইটিনথ টু টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরিতে (ক্রিটিক্যাল প্র্যাকটিসে প্রকাশিত, ১০:২, জুন ২০০৩, পৃষ্ঠা ৪৬–৫৬)। * '''ধর্মের দেশ, মানবজাতির দোলনা, মানুষের ভাষার জন্মস্থান, [[পুরাণবিদ্যা|কিংবদন্তি]]র ঠাকুমা, ঐতিহ্যের দিদিমা। সেই দেশ যা সব মানুষ দেখতে চায় এবং একবার দেখার সুযোগ পেলে, সেই এক পলকের দেখার বিনিময়ে তারা বিশ্বের বাকি সব প্রদর্শনীও ত্যাগ করতে রাজি হবে।''' ** [[মার্ক টোয়েইন]], ''থ্রু ইন্ডিয়ান আইজ'', পৃষ্ঠা ১১৩ * এটি একটি ভালো এবং বিনম্র ধর্ম, তবে অসুবিধাজনক। ** [[মার্ক টোয়েইন]], ''থ্রু ইন্ডিয়ান আইজ'' * সৃষ্টির শুরুতে ভারত পুরো বিশ্বের চেয়ে এগিয়ে ছিল। তার ছিল প্রথম সভ্যতা; তার ছিল প্রথম বৈষয়িক সম্পদের ভাণ্ডার; সে গভীর চিন্তাবিদ এবং তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তিতে পরিপূর্ণ ছিল; তার ছিল খনি, বন এবং একটি উর্বর আত্মা। ** [[মার্ক টোয়েইন]], ''থ্রু ইন্ডিয়ান আইজ'' * মানুষের ইতিহাসের আমাদের সবচেয়ে মূল্যবান এবং শিক্ষণীয় বিষয়গুলো ভারতেই সঞ্চিত আছে। ** [[মার্ক টোয়েইন]], ''থ্রু ইন্ডিয়ান আইজ'' * "ধর্মের দেশ, মানবজাতির দোলনা, মানুষের ভাষার জন্মস্থান, কিংবদন্তির ঠাকুমা, ঐতিহ্যের দিদিমা। সেই দেশ যা সব মানুষ দেখতে চায় এবং একবার দেখার সুযোগ পেলে, সেই এক পলকের দেখার বিনিময়ে তারা বিশ্বের বাকি সব প্রদর্শনীও ত্যাগ করতে রাজি হবে।" ** [[মার্ক টোয়েইন]], ''থ্রু ইন্ডিয়ান আইজ'' * কয়েক বছর আগে ব্রিটিশ ঐতিহাসিক এ. জে. টয়নবি মন্তব্য করেছিলেন: 'ভারত হলো আঞ্চলিক সভ্যতার একটি শৃঙ্খলের কেন্দ্রীয় যোগসূত্র যা সুদূর উত্তর-পূর্বে জাপান থেকে সুদূর উত্তর-পশ্চিমে আয়ারল্যান্ড পর্যন্ত বিস্তৃত। এই দুই প্রান্তের মাঝখানে শৃঙ্খলটি দক্ষিণ দিকে ঝুলে পড়েছে একটি ঝালরের মতো যা ইন্দোনেশিয়ার বিষুবরেখার নিচে গিয়ে থেমেছে।' ** মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * [[পুঁজিবাদ]], অথবা লাগামহীনভাবে সম্পদ অন্বেষণের আদর্শ, লাগামহীন মাত্রায় সংস্কৃতিকে ধ্বংস করছে... অগণিত সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, যেগুলোকে অলাভজনক বা কম লাভজনক বলে মনে করা হয়, সারা দেশে তা পরিত্যাগ করা হচ্ছে। অন্যগুলোর ক্ষেত্রে লাভজনক রাখতে বা করার জন্য সেগুলোর মানের সাথে মারাত্মক আপস করা হচ্ছে: ব্যবহৃত উপকরণ বা কৌশলে আপস, কাজ বা পরিবেশনার নিম্নমান, শর্ট-কাট পদ্ধতি ইত্যাদি। এর ফলে স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ততা, সাংস্কৃতিক প্রামাণিকতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং পরিবেশনার সন্তুষ্টি হারিয়ে যাচ্ছে, যা পর্যায়ক্রমে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের অবক্ষয় এবং আরও পরিত্যাগের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এই সবকিছু সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করছে: সঙ্গীতের রূপ ও শৈলী, বাদ্যযন্ত্র, নৃত্যের ধরন, স্থাপত্যশৈলী, শিল্পকলা, হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী ফসল, রন্ধনশৈলী ইত্যাদি... তবে, টাকাই ঈশ্বর এই ধারণা এখন সবকিছু বদলে দিয়েছে। ভারতের দীর্ঘ ইতিহাসে সম্ভবত এই প্রথমবার ভারতীয় সংস্কৃতির জন্য কোনো প্রকৃত সরকারি সমর্থন নেই। গত এক দশকে অর্থনৈতিক সংস্কারের নতুন নীতি গ্রহণের সাথে তাল মিলিয়ে, ভারতের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি রক্ষা, সংরক্ষণ, নথিবদ্ধ করা বা টিকিয়ে রাখার জন্য ভারত সরকের এর বাস্তব কিছু করা এখন পুরনো ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে; এমনকি যারা এটি করছে সেই ব্যক্তি বা সংস্থাকে সাহায্য বা উৎসাহিত করাও বন্ধ হয়ে গেছে। স্বাধীনতা-পরবর্তী যুগে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো আক্ষরিক অর্থেই তহবিলের অভাবে ধুঁকছে, অথবা তহবিলগুলো মূল উদ্দেশ্য পূরণ ছাড়া অন্য কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, কিংবা সহজভাবে বললে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলোই বদলে দেওয়া হচ্ছে। যাই হোক না কেন, রাজনৈতিক প্রকৃতির সাধারণ কিছু ‘সাংস্কৃতিক’ প্রকল্প ছাড়া কোনো নতুন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হচ্ছে না: ‘পরিবর্তনশীল সময়ের’ সাথে তাল মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো ধীরে ধীরে সাংস্কৃতিক থেকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হচ্ছে।<br>“আরও ভয়াবহ হলো এই প্রতিষ্ঠানগুলো ভারতীয় সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক সংরক্ষণ, জনপ্রিয় করা এবং টিকিয়ে রাখার জন্য অদূর অতীতে গবেষণা, নথিকরণ এবং সংগ্রহের যে বিস্তারিত রেকর্ড তৈরি করেছিল, সেগুলোর অবস্থা। এই আর্কাইভের রেকর্ডগুলো ছাপা কাগজ, টেপ, ফিল্ম বা প্রকৃত বস্তু হঠাৎ করেই ‘বিশ্বের’ দিকে ‘সংস্কারবাদী’ দৃষ্টি রাখা এবং অর্থ-সচেতন নেতৃত্বের কাছে চোখের বালি বা বিব্রতকর বিষয় অথবা কেবল একটি আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এখন একটি সাধারণ ধারা হলো: রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে পরিচালিত [[জাদুঘর]], গ্রন্থাগার এবং আর্কাইভ অথবা অন্তত এগুলোর রেকর্ডগুলো সাধারণ মানুষ বা গবেষকদের চোখের আড়ালে চলে যাচ্ছে বা দুর্লভ হয়ে পড়ছে। প্রায়ই ‘জায়গার অভাবের’ অজুহাতে কর্তৃপক্ষ এই রেকর্ডগুলোকে সংরক্ষিত পরিবেশ থেকে সরিয়ে দেয় এবং অযত্নে পড়ে থাকা গুদামে ফেলে দেয়, যাতে সেগুলো অগোচরে এবং অবহেলায় পচে নষ্ট হয়ে যায়। আর মাঝে মাঝে এই আর্কাইভগুলো যেখানে রাখা হয় সেখানে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ড ঘটে, যা অমূল্য এবং অপূরণীয় রেকর্ডগুলো (যার মধ্যে ভারতীয় চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগের রেকর্ডও রয়েছে) ধ্বংস করে দেয় এবং চিরতরে হারিয়ে যায়। কাকতালীয়ভাবে, এই সব ঘটনার ফলে লাভজনক বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য মূল্যবান জমি এবং তহবিল পাওয়া যায়। দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা টাকা জমাতে বা কামাতে এতটাই ব্যস্ত নিজেদের জন্য হোক বা জনস্বার্থের কথা বলে হোক যে তারা এসবের তোয়াক্কা করেন না।" ** এস. তালাগেরি, (“সীতা রাম গোয়েল, মেমোরিজ অ্যান্ড আইডিয়াস”, কোয়েনরাড এলস্ট সম্পাদিত: ইন্ডিয়াজ অনলি কমিউনালিস্ট: ইন কমেমোরেশন অফ সীতা রাম গোয়েল, ভয়েস অফ ইন্ডিয়া, দিল্লি ২০০৫, পৃষ্ঠা ২৩৯–৩৪৬, [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2016/07/cultural-policy-and-folk-art.html "ফ্রম দ্য পার্সোনাল কালেকশন অফ কেসি আরিয়ান। আননোন মাস্টারপিসেস অফ ইন্ডিয়ান ফোক অ্যান্ড ট্রাইবাল আর্ট (কেসি আরিয়ান'স হোম অফ ফোক আর্ট, গুরগাঁও ২০১৬, ৩০১ পৃষ্ঠা, ৬৩৫টি ইলাস্ট্রেশন)" পর্যালোচনা, যাতে কেসি আরিয়ানের শিল্প সংগ্রহ উপস্থাপন করা হয়েছে, (ল অ্যানিমেটেড ওয়ার্ল্ড, হায়দ্রাবাদ, ১৬ জুলাই ২০১৬)]। ==External links== {{উইকিপিডিয়া}} [[Category:Culture of India| ]] c0thy1zw6tpg9pcxczfy238wwrezicm 81938 81936 2026-04-28T11:56:58Z ARI 356 /* External links */ 81938 wikitext text/x-wiki '''[[ভারতের সংস্কৃতি]]''' অথবা '''ভারতীয় সংস্কৃতি''' অনেক সময় '''ভারতীয় সভ্যতা'''র সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি সামাজিক নিয়ম, নৈতিক মূল্যবোধ, প্রথাগত রীতিনীতি, বিশ্বাস ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, নিদর্শন এবং প্রযুক্তির এক ঐতিহ্য। এই বিষয়গুলো [[দক্ষিণ এশিয়া]]য় উদ্ভূত হয়েছে অথবা এই অঞ্চলের সাথে যুক্ত। == উক্তি == * "ভারত যে আধ্যাত্মিক লক্ষ্যকে তুলে ধরে, তা কি ইউরোপের ওপর প্রভাব ফেলবে এবং সেখানে পশ্চিমা সমাজের উপযোগী নতুন রূপ তৈরি করবে? নাকি ইউরোপীয় যুক্তিবাদ ও ভোগবাদ ভারতীয় সংস্কৃতির চিরতরে অবসান ঘটাবে? এটিই বর্তমানে একটি অত্যন্ত মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।" ** অরবিন্দ, দনিনো, এম., এবং নাহার, এস. (১৯৯৬) এর মধ্যে। দ্য ইনভেশন দ্যাট নেভার ওয়াজ (প্রথম সংস্করণ)। মাদার্স ইনস্টিটিউট অফ রিসার্চ অ্যান্ড মিরা অদিতি, মহীশূর, ভারত। * গ্রিকদের চেয়েও উচ্চাভিলাষী, সূক্ষ্ম, বহুমুখী, কৌতূহলী ও গভীর; রোমানদের চেয়েও মহান ও মানবিক; প্রাচীন মিশরীয়দের চেয়েও বিশাল ও আধ্যাত্মিক; অন্য যেকোনো এশীয় সভ্যতার চেয়েও ব্যাপক ও মৌলিক; এবং ১৮শ শতাব্দীর আগের ইউরোপীয়দের চেয়েও বেশি বুদ্ধিদীপ্ত ছিল এই সংস্কৃতি। এদের কাছে যা কিছু ছিল, তার সবকিছু এবং আরও অনেক বেশি সমৃদ্ধ এই সংস্কৃতি ছিল অতীত মানব সভ্যতার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী, আত্মনিয়ন্ত্রিত, উদ্দীপনামূলক এবং সুদূরপ্রসারী। ** [[অরবিন্দ ঘোষ]], {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=দ্য মেসেজ অ্যান্ড মিশন অব ইন্ডিয়া |তারিখ=১৯৬৪ |প্রকাশক=ভারতী বিদ্যা ভবন |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=AcRKAAAAMAAJ}} ** শ্রী অরবিন্দ, দ্য ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিয়ান কালচার (১৯৫৩), পৃষ্ঠা ৩১। * "আধ্যাত্মিকতাই হলো ভারতীয় মনের মূল চাবিকাঠি। ভারতের এই প্রবল আগ্রহই তার সংস্কৃতির সব বহিঃপ্রকাশের চরিত্র নির্ধারণ করে। প্রকৃতপক্ষে, তার জন্মগত আধ্যাত্মিক প্রবণতা থেকেই এই সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছে, যার এক স্বাভাবিক প্রকাশ হলো তার ধর্ম। ভারতীয় মন সব সময় উপলব্ধি করেছে যে পরম সত্তা অসীম। তারা দেখেছে যে প্রকৃতির মধ্যে থাকা আত্মার কাছে সেই অসীম সত্তা সব সময়ই অসীম বৈচিত্র্যের সাথে হাজির হতে পারে। পুরো মানবজাতির জন্য একটিমাত্র ধর্মের উগ্র এবং যুক্তিহীন ধারণা, অর্থাৎ একটিমাত্র গোঁড়ামি, উপাসনা পদ্ধতি, আচার-অনুষ্ঠান বা অনুশাসন সবাইকে মেনে নিতে বাধ্য করার যে উদ্ভট চেষ্টা যা আসলে অসহিষ্ণুতা, নিষ্ঠুরতা এবং অন্ধকারের জন্ম দেয় তা ভারতের মানসিকতায় কখনও শক্তভাবে জায়গা করে নিতে পারেনি।" ... "ভারত হলো ধর্মের মিলনস্থল এবং এর মধ্যে হিন্দুধর্ম নিজেই এক বিশাল ও জটিল বিষয়। এটি কেবল একটি ধর্ম নয়, বরং আধ্যাত্মিক চিন্তা, উপলব্ধি এবং আকাঙ্ক্ষার এক বৈচিত্র্যময় অথচ সূক্ষ্মভাবে ঐক্যবদ্ধ রূপ।" ** [[অরবিন্দ ঘোষ]]ের প্রতি আরোপিত, {{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ইন্ডিয়া: ভিশন অ্যান্ড ফুলফিলমেন্ট |তারিখ=১৯৭২ |প্রকাশক=ডি. বি. তারাপোরেভালা সন্স |ইউআরএল=https://books.google.com/books?id=MKE5AQAAIAAJ |শেষ১=মিত্র |প্রথম১=শিশির কুমার |লেখকসংযোগ১=w:Sisir Kumar Mitra}} ** শ্রী অরবিন্দ, শ্রী অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া 'আর্য', আগস্ট ১৯১৮-নভেম্বর ১৯১৮ (১৯২০ সালে পর্যালোচিত ও সংশোধিত) এছাড়াও মিত্র, শিশিরকুমার দ্য ভিশন অফ ইন্ডিয়া নয়াদিল্লি: ক্রেস্ট পাবলিশিং হাউস, ১৯৯৪ পৃষ্ঠা ৫৩ - ৫৪, ঘোষ, অরবিন্দ দ্য রেনেসাঁ ইন ইন্ডিয়া। আর্য পাবলিশিং হাউস কলকাতা। এ ডিফেন্স অফ ইন্ডিয়ান কালচার। * বিশ্বের অন্যান্য দেশ ও জাতির সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ ও সম্পর্কের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো এই যে, এখানে সাংস্কৃতিক বিস্তারকে কখনোই ঔপনিবেশিক আধিপত্য এবং বাণিজ্যিক সক্রিয়তার সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়নি, আর অর্থনৈতিক শোষণ তো অনেক পরের কথা। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছাড়াও যে সংস্কৃতির বিকাশ হতে পারে, সাম্রাজ্যবাদী পরিকল্পনা ছাড়াই বাণিজ্য চলতে পারে, ঔপনিবেশিক বাড়াবাড়ি ছাড়াই জনবসতি গড়ে উঠতে পারে এবং সাহিত্য, [[ধর্ম]] ও [[ভাষা]] যে বিদেশি-বিদ্বেষ, উগ্র জাতীয়তাবাদ বা বর্ণবিদ্বেষ ছাড়াই ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব, তার যথেষ্ট প্রমাণ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ইতিহাসে পাওয়া যায়... এইভাবে যদিও মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি বড় অংশ ভারতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধ কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল, তবুও তারা খুব কমই কোনো ভারতীয় রাজা বা বিজয়ীর শাসনাধীন ছিল। তারা ভারতীয় সামরিক অভিযানের ভয়াবহতা ও ধ্বংসলীলা খুব একটা দেখেনি। তারা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ স্বাধীন ছিল এবং তাদের জনগণ ছিল ভারতীয় ও স্থানীয় উপাদানের এক সংমিশ্রণ। ভারতীয় কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো যোগসূত্র ছিল না এবং তারা ভারতকে জন্মভূমির চেয়ে বরং একটি পবিত্র ভূমি হিসেবে দেখত। এটি ছিল তাদের কাছে একটি তীর্থস্থান, কোনো শাসনভুক্ত এলাকা নয়। ** অরুণ ভট্টাচার্যের গ্রেটার ইন্ডিয়া, মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এ কালচারাল হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে এ. এল. ব্যাশাম উল্লেখ করেছেন যে, 'খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীর মধ্যে ভারতীয়করণ হওয়া রাষ্ট্রগুলো, অর্থাৎ ভারতীয় রাজনৈতিক তত্ত্বের প্রথাগত ধারা অনুযায়ী গঠিত এবং বৌদ্ধ বা হিন্দু ধর্ম অনুসরণকারী রাষ্ট্রগুলো [[মিয়ানমার]], থাইল্যান্ড, ইন্দো-চায়না, [[মালয়েশিয়া]] এবং [[ইন্দোনেশিয়া]]র অনেক অঞ্চলে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল'। ** মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * এটা সত্য যে হিমালয় পেরিয়েও ভারত আমাদের কাছে ব্যাকরণ ও যুক্তিবিদ্যা, দর্শন ও পঞ্চতন্ত্রের গল্প, সম্মোহন বিদ্যা এবং [[দাবা]]র মতো কিছু বিচিত্র উপহার পাঠিয়েছে। আর সবার উপরে রয়েছে আমাদের সংখ্যা এবং দশমিক পদ্ধতি। কিন্তু এগুলো তার আত্মার আসল নির্যাস নয়; ভবিষ্যতে আমরা তার কাছ থেকে যা শিখতে পারি, তার তুলনায় এগুলো অতি তুচ্ছ। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * হয়তো বিজয়, অহংকার এবং লুণ্ঠনের বিনিময়ে ভারত আমাদের একটি পরিপক্ক মনের সহনশীলতা ও নম্রতা, নির্লোভ আত্মার প্রশান্তি, বোধশক্তিসম্পন্ন হৃদয়ের স্থিরতা এবং সমস্ত জীবজগতের প্রতি একটি ঐক্যবদ্ধ ও শান্তিময় ভালোবাসা শেখাবে। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * ভারত ছিল আমাদের জাতির মাতৃভূমি এবং সংস্কৃত ছিল ইউরোপের ভাষাগুলোর জননী। ভারত ছিল আমাদের দর্শনের জননী; আরবদের মাধ্যমে আমাদের অনেক [[গণিত]]ের জননী; বুদ্ধের মাধ্যমে [[খ্রিস্টধর্ম]]ে মিশে থাকা আদর্শের জননী এবং গ্রাম্য সমাজের মাধ্যমে স্বায়ত্তশাসন ও গণতন্ত্রের জননী। মা ভারত অনেক দিক থেকেই আমাদের সবার মা। ভারতের সাথে আধুনিক ছাত্রছাত্রীদের পরিচয়ের অভাব এবং এই পরিচয়ের স্বল্পতা তাদের গভীরভাবে লজ্জিত করা উচিত... এই সেই ভারত যাকে ধৈর্যশীল জ্ঞানচর্চা এখন একটি নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক মহাদেশের মতো সেই পশ্চিমা মনের কাছে উন্মোচন করছে, যারা কেবল গতকাল পর্যন্তও মনে করত যে সভ্যতা কেবল পশ্চিমাদের একচেটিয়া অধিকার। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * "প্রবহমান নদী যেমন সমুদ্রে গিয়ে নিজের নাম ও রূপ হারিয়ে ফেলে, তেমনি একজন জ্ঞানী ব্যক্তি নাম ও রূপের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে সেই পরম সত্তার কাছে যান যিনি সবকিছুর ঊর্ধ্বে।" জীবন ও মৃত্যুর এমন তত্ত্ব পশ্চিমা মানুষের ভালো লাগবে না, যাদের ধর্ম তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মতোই ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদে পূর্ণ। কিন্তু এটি বিস্ময়কর ধারাবাহিকতার সাথে হিন্দু দার্শনিক মনকে সন্তুষ্ট করেছে। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * এমনকি ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও এই গভীর থিওসফি লক্ষ লক্ষ অনুসারী পেয়েছে। এদের মধ্যে একাকী নারী ও ক্লান্ত পুরুষ থেকে শুরু করে আর্থার শোপেনহাওয়ার এবং [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]] পর্যন্ত সবাই রয়েছেন। কে ভেবেছিল যে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের মহান আমেরিকান দার্শনিক তার 'ব্রহ্মা' কবিতায় হিন্দু বিশ্বাসের এক নিখুঁত প্রকাশ ঘটাবেন যে ব্যক্তিত্ব একটি বিভ্রম? ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] * এগুলো হলো আমাদের জাতির টিকে থাকা প্রাচীনতম দর্শন এবং মনোবিজ্ঞান। মন ও বিশ্ব এবং তাদের মধ্যকার সম্পর্ক বোঝার জন্য মানুষের এক আশ্চর্যজনক সূক্ষ্ম ও ধৈর্যশীল প্রচেষ্টা। [[উপনিষদ]] [[হোমার]]ের মতো প্রাচীন এবং ইমানুয়েল কান্টের মতো আধুনিক। ** [[উইল ডুরান্ট]], লনধে, এস. (২০০৮)-এ উদ্ধৃত এবং আরোপিত। [https://books.google.com/books/about/A_Tribute_to_Hinduism.html?id=G3AMAQAAMAAJ এ ট্রিবিউট টু হিন্দুইজম: থটস অ্যান্ড উইজডম স্প্যানিং কন্টিনেন্টস অ্যান্ড টাইম অ্যাবাউট ইন্ডিয়া অ্যান্ড হার কালচার] [[চিত্র:Sri Krishna (Miniature Painting, Kashmir School, 19th century).jpg|থাম্ব|ভারতীয় শিক্ষা, তার অসংখ্য কিংবদন্তির আড়ালে থাকলেও, এতে একটি সরল ও মহৎ ধর্ম রয়েছে, যা যেন এক মখমল পর্দার আড়ালে থাকা কোনো রানীর রাজকীয় মুখাবয়ব। এটি সত্য কথা বলতে, অন্যকে ভালোবাসতে এবং তুচ্ছ বিষয়গুলোকে বর্জন করতে শেখায়। প্রাচ্য মহান এবং এটি ইউরোপকে তুচ্ছ জিনিসের দেশ বলে মনে করায়... সবকিছুই আত্মা এবং সেই আত্মাই হলো সর্বশক্তিমান। ~ [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]]]] * আমি স্বীকার করি যে পশ্চিমে ইউরোপীয়দের এবং তাদের রীতিনীতির শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে যে আত্মবিশ্বাস প্রচলিত, আমি তার অংশীদার হতে পারছি না। ইউরোপীয় সভ্যতা সন্তোষজনক নয় এবং যারা আত্মিকভাবে এশীয়দের থেকে অনেক দূরে, [[এশিয়া]] তাদের জন্য এখনও আকর্ষণীয় কিছু দিতে পারে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'', পৃষ্ঠা ৪১ * আমি মনে করি না যে [[খ্রিস্টধর্ম]] কখনো এশিয়ায় খুব বেশি উন্নতি করতে পারবে, কারণ সাধারণভাবে এই নামে যা পরিচিত তা খ্রিস্টের শিক্ষা নয় বরং ইউরোপে তৈরি করা এর একটি নতুন রূপ এবং বেশিরভাগ ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানের মতো এটি চিন্তাশীল হওয়ার চেয়ে বেশি বাস্তববাদী। আর স্বয়ং খ্রিস্টের শিক্ষার কথা বললে, ভারতীয়রা একে চমৎকার মনে করলেও এটি তাদের কাছে যথেষ্ট বা সন্তোষজনক নয়। এতে এমন খুব কমই আছে যা হিন্দুধর্মের অনেক শাস্ত্রের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে না..." ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * বিশ্বের মনোযোগের ক্ষেত্রে ভারতের দাবি হলো এই যে, ইতিহাস শুরু হওয়ার পর থেকে অন্য যেকোনো জাতির তুলনায় তারা অস্তিত্বের পরম রহস্য নিয়ে চিন্তাভাবনা করার জন্য নিজেকে বেশি নিয়োজিত করেছে। আমার চোখে ভারতীয় চিন্তা আমাদের সাধারণ চিন্তাধারা থেকে যে ব্যাপকভাবে আলাদা, তা একটি ইতিবাচক গুণ। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * হিন্দুধর্ম তৈরি করা হয়নি বরং এটি গড়ে উঠেছে। এটি একটি জঙ্গল, কোনো ভবন নয়। এটি একটি মহান জাতীয় [[পৌত্তলিকতাবাদ]]ের জীবন্ত উদাহরণ যা হয়তো ইউরোপেও থাকত যদি খ্রিস্টধর্ম রোমান সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রীয় ধর্ম না হতো। সেখানে যদি পুরনো স্থানীয় [[কুসংস্কার]]ের এক অদ্ভুত জটলা, গ্রিক দর্শন এবং সারাপিস বা মিত্রাসের উপাসনার মতো প্রাচ্যের ধর্মীয় আচারগুলো থেকে যেত। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * ইসলাম এবং খ্রিস্টধর্মের তুলনায় হিন্দুধর্মের মতবাদগুলো অত্যন্ত পরিবর্তনশীল এবং বহুমুখী। ভারত রূপক এবং উপমার মাধ্যমে কাজ করে। হিন্দু চিন্তা যেমন অস্থির, সূক্ষ্ম এবং তর্কমূলক, এটি ইউরোপীয় ধর্মতত্ত্বের মতো অতি কঠোর সংজ্ঞার মাধ্যমে অতিপ্রাকৃত ধারণাগুলোকে বিকৃত করার দোষে কম দুষ্ট। এটি উপমা এবং প্রতীকের মাধ্যমে অবর্ণনীয় বিষয়কে তুলে ধরে। এটি অসঙ্গতিকে ভয় পায় না যা অসীমের বিভিন্ন দিক ফুটিয়ে তুলতে পারে, কিন্তু এটি ঈশ্বরকে একটি যৌক্তিক বাক্যাংশের সীমানায় বন্দি করার চেষ্টা খুব কমই করে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * হিন্দুদের মধ্যে অন্ধবিশ্বাস এবং মুক্ত চিন্তার সমন্বয় ঘটানোর এক অসাধারণ ক্ষমতা আছে। এতে ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বাধীনতা দেওয়া হয়। সব যুগেই হিন্দুরা গভীরভাবে দার্শনিক চিন্তায় মগ্ন ছিল। এটিও লক্ষণীয় যে উপনিষদ থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]ের লেখা পর্যন্ত ভারতীয় সাহিত্যে সময়ে সময়ে এই ধারণা ব্যক্ত হয়েছে যে, পুরো [[মহাবিশ্ব]] কোনো এক উচ্ছ্বসিত শক্তির বহিঃপ্রকাশ যা আনন্দময় গতির মাধ্যমে নিজেকে প্রকাশ করে। ** স্যার চার্লস এলিয়ট, ''ফিলোসফি অ্যান্ড দ্য সেলফ: ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট'' * ভারতীয় শিক্ষা, তার অসংখ্য কিংবদন্তির আড়ালে থাকলেও, এতে একটি সরল ও মহৎ ধর্ম রয়েছে, যা যেন এক মখমল পর্দার আড়ালে থাকা কোনো রানীর রাজকীয় মুখাবয়ব। এটি সত্য কথা বলতে, অন্যকে ভালোবাসতে এবং তুচ্ছ বিষয়গুলোকে বর্জন করতে শেখায়। প্রাচ্য মহান এবং এটি ইউরোপকে তুচ্ছ জিনিসের দেশ বলে মনে করায়... সবকিছুই আত্মা এবং সেই আত্মাই হলো সর্বশক্তিমান। ** রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন। উৎস: দ্য ওয়েস্ট লুকস অ্যাট ইন্ডিয়া, কৃষ্ণানন্দ জোশী। উদ্ধৃত: গেওয়ালি, সলিল (২০১৩)। গ্রেট মাইন্ডস অন ইন্ডিয়া। নিউ দিল্লি: পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস। * বাস্তব জীবনে আমাদের দুটি জাতিতে বিভক্ত করা অসম্ভব। আমরা দুটি জাতি নই। প্রতিটি মুসলিমের একটি [[হিন্দু]] নাম থাকবে যদি সে তার পারিবারিক ইতিহাসে যথেষ্ট পেছনে যায়। প্রতিটি মুসলমান আসলে একজন হিন্দু যিনি [[ইসলাম]] গ্রহণ করেছেন। এটি কোনো জাতীয়তা তৈরি করে না। ... ভারতে আমাদের সংস্কৃতি একই। উত্তর ভারতে হিন্দু এবং মুসলিম—উভয়ই [[হিন্দি ভাষা]] ও [[উর্দু]] বোঝেন। মাদ্রাজ-এ হিন্দু এবং মুসলিমরা তামিল ভাষায় কথা বলেন এবং [[বঙ্গ]]তে তারা দুজনেই [[বাংলা ভাষা|বাংলা]] ভাষায় কথা বলেন, হিন্দি বা উর্দুতে নয়। যখন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঘটে, সেগুলো সব সময় গরু সংক্রান্ত ঘটনা এবং ধর্মীয় শোভাযাত্রার কারণে উস্কানি পায়। এর অর্থ হলো আমাদের [[কুসংস্কার]]ই সমস্যার সৃষ্টি করে, আমাদের আলাদা জাতীয়তা নয়। ** [[মহাত্মা গান্ধী]], কনভারসেশনস উইথ লুই ফিশার, ৬ জুন ১৯৪২, লুই ফিশারের ''আ উইক উইথ গান্ধী''তে, পৃষ্ঠা ৪৫–৪৬। * অল্প সময়ের মধ্যেই আমি [[হিন্দু]] দর্শনের ওপর আমার প্রথম বইটি পড়লাম। এটি আমাকে প্রচণ্ড ধাক্কা দিল এবং যেন জাগিয়ে তুলল। এখানে অবশেষে আমি যা খুঁজছিলাম তা পেলাম। একে কেবল বিতর্ক বা প্রায়ই উপহাসের বিষয় হিসেবে দেখার বদলে এখানে পুনর্জন্মকে একটি স্বীকৃত সত্য হিসেবে ধরা হয়েছে। এই শিক্ষাগুলো ছিল যুক্তিপূর্ণ ও আবেগবর্জিত, কিন্তু তবুও অহিংসা, করুণা, সহানুভূতি ও ভালোবাসার চেতনায় পরিপূর্ণ। ** নিনা গ্রাবোই, ''ওয়ান ফুট ইন দ্য ফিউচার: আ ওম্যান'স স্পিরিচুয়াল জার্নি'' (২০০০), অধ্যায় উনিশ। * একটি অভিন্ন হিন্দু সংস্কৃতির ধারণা, যা [[ইসলাম]] বা পশ্চিমা জ্ঞানতত্ত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সাথে তুলনীয় নয়, তা আসলে একটি কাল্পনিক বিষয়। এটি ওরিয়েন্টালিজম বা প্রাচ্যতত্ত্বের মাধ্যমে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে হিন্দু জাতীয়তাবাদী এবং অন্যান্য ভারতীয় জাতীয়তাবাদীরা অত্যন্ত যত্নের সাথে এটি প্রচার, সংগঠিত ও সংস্কার করেছে। [...] হিন্দু জাতীয়তাবাদ বুঝতে হলে আমাদের সেই [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা|সরকারি ধর্মনিরপেক্ষতাকে]] সতর্কতার সাথে বিশ্লেষণ করতে হবে যার তারা বিরোধিতা করেছিল। জনপরিসরে [[ধর্ম]]ের অনুপস্থিতি হিসেবে [[ধর্মনিরপেক্ষতা]]র পাঠ্যবইীয় সংস্করণ, অথবা বৈজ্ঞানিক যুক্তিবাদ হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতার ধারণা এখানে যথেষ্ট হবে না। আমাদের স্বাধীন ভারতের গণসংস্কৃতিতে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রয়োগ ও অর্থ সম্পর্কে আরও নিবিড়ভাবে জানতে হবে। ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রধান ব্যাখ্যাটি রাজনৈতিক ক্ষেত্র থেকে ধর্মকে সরিয়ে দেওয়া ছিল না। বরং বিশ্বাসটি ছিল এমন যে, ধর্ম ও সংস্কৃতিকে দৃশ্যত একটি অরাজনৈতিক স্তরে তুলে ধরা হয়েছে, যা রাজনীতির জগতের ঊর্ধ্বে। সংস্কৃতি ও ধর্মকে অরাজনৈতিক হিসেবে দেখার এই প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা এবং এর থেকে আসা নিঃস্বার্থ "সমাজসেবা" রাজনীতি ও অর্থের ঊর্ধ্বে হওয়ার কারণে একটি সম্মানজনক ও পবিত্র রূপ পেয়েছে। এটি এক ধরনের "অরাজনৈতিক সক্রিয়তা"-কে একটি নৈতিক ভিত্তি দিয়েছিল, যা ভারতের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে তো ছিলই, এমনকি অনেক সময় আন্দোলন ও নির্বাচনী রাজনীতিতেও এর ব্যবহার দেখা গেছে। আমি বলতে চাই যে, "অরাজনীতি" এবং "ধর্মীয় সক্রিয়তা"-র এই ক্ষেত্র থেকেই হিন্দু জাতীয়তাবাদী আন্দোলন অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে কয়েক দশক ধরে তাদের প্রচার এবং সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। অন্যান্য সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের মতো হিন্দু জাতীয়তাবাদী আন্দোলনও গণতন্ত্রের প্রতি সব সময় একটি জটিল দ্বিমুখী মনোভাব এবং "রাজনৈতিক পেশা"-র প্রতি এক ধরনের ভীতি পোষণ করত। এই আন্দোলনের বিবর্তন, এর সংগঠন এবং এর রাজনৈতিক কৌশলগুলোকে বুঝতে হবে আধুনিক ভারতীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতির গভীর বিভাজনের প্রেক্ষিতে—যেখানে একপাশে রয়েছে "পবিত্র" সংস্কৃতির জগৎ এবং অন্যপাশে রয়েছে প্রতিযোগিতামূলক "পার্থিব" রাজনীতির জগৎ। ** থমাস ব্লম হ্যানসেন, {{বই উদ্ধৃতি |title=দ্য স্যাফরন ওয়েভ: ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন মডার্ন ইন্ডিয়া |date=১৯৯৯ |publisher=প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি প্রেস |isbn=978-1-4008-2305-5 |page=পৃষ্ঠা ১১ |url=https://books.google.com/books?id=SAqn3OIGE54C&pg=PA11}} * ভারতের প্রদীপ্ত শক্তি হিন্দুধর্মের মধ্যেই নিহিত। হিন্দু বিশ্বাসের কাঠামো ছাড়া ভারত ভেঙে পড়বে। হিন্দুধর্ম ছাড়া ভারত নিজেকে চেনা যায় না... কারণ চীনাদের মতো ভারতীয় সমাজও একটি ঐক্যবদ্ধ সমাজ ছিল যেখানে বিজ্ঞান এবং ধর্মের মধ্যে কখনোই কোনো বিরোধ ছিল না। ফলে আমাদের নিজস্ব খ্রিস্টীয় প্রেক্ষাপটের মতো এখানে কোনো মৌলিক বিভাজন তৈরি হয়নি। বিগত দুই শতাব্দী ধরে ধর্মতত্ত্ব এবং [[বিজ্ঞান]]ের মধ্যে আমাদের বিরোধ আমাদের চিন্তাধারায় বিশৃঙ্খলা এবং একটি অদ্ভুত দ্বৈততা তৈরি করেছে। ভারতে আমি ঈশ্বরের সৃষ্টি সম্পর্কে আমাদের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এক পরম মুক্তি খুঁজে পেয়েছি... হিন্দুধর্ম এই দীর্ঘ সময় ধরে বাহ্যিক প্রভাবমুক্ত থেকে নিরন্তর চলে আসছে, যেমন শান্ত গঙ্গা নদী বয়ে চলে। এমনকি মুঘল আক্রমণ এবং ৭০০ বছরের [[ভারতে ইসলাম|মুসলিম]] আধিপত্য, কিংবা ব্রিটিশ, ডাচ, ফরাসি এবং [[পর্তুগিজ সাম্রাজ্য|পর্তুগিজদের]] নিজস্ব সভ্যতা ও মানদণ্ড নিয়ে আগমনও এই অবিচল বিশ্বাসের মূল ভিত্তি স্পর্শ করতে পারেনি। ভারতীয় চিন্তা নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী গ্রহণ ও আত্মস্থ করেছে। কোনো আসন্ন বিপদের আঁচ পেলে সে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে, ঠিক যেমন কোনো বিশাল সামুদ্রিক প্রাণী তার শুঁড়গুলো গুটিয়ে নেয়। আবার বিপদ কেটে গেলে তা বিকশিত ও প্রস্ফুটিত হয়েছে। কেউ কেউ আশা করে থাকেন যে এটি তেমনই থাকবে। আধুনিক ভারতীয়রা বুঝতে পারবেন যে এটি তাদের ঈর্ষণীয় শক্তি। যদিও প্রযুক্তির বস্তুগত সুবিধার জন্য তাদের আকাঙ্ক্ষা বোধগম্য, যা পশ্চিমা বিশ্বকে ক্ষমতা ও একচেটিয়া অধিকার দিয়েছে। কিন্তু তাদের সমন্বয় এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে গ্রহণ করার ক্ষমতা তাদের হয়তো নগরজীবনের বন্ধ্যাত্ব এবং গুণমান ও জীবনের দৃষ্টিভঙ্গির চেয়ে পরিমাণ ও বস্তুর প্রতি একঘেয়ে মোহ থেকে রক্ষা করতে পারে। ** (উৎস: দ্য মিউজিক অফ ইন্ডিয়া - পেগি হলরয়েড পৃষ্ঠা ৪৪–৫২)। * অনুরূপ মানদণ্ডে বিচার করলে, মুসলিমদের দ্বারা হিন্দু শিক্ষার পৃষ্ঠপোষকতা ও চর্চা, অথবা তাদের শাসনামলে হিন্দু সংস্কৃতির বিকাশে তাদের অবদান... ব্রিটিশ শাসনের অর্জনের তুলনায় তুচ্ছ হয়ে পড়ে। কেবল এই ধরণের তুলনার মাধ্যমেই আমরা মুসলিম শাসনের অধীনে হিন্দুদের অবস্থার একটি নিরপেক্ষ অধ্যয়ন করতে পারি এবং একে সঠিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে পারি। ** আর. সি. মজুমদার, সম্পাদিত, দ্য হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার অফ দ্য ইন্ডিয়ান পিপল, খণ্ড ৬, দ্য দিল্লি সুলতানেট (লন্ডন: জি. অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন, ১৯৫২), পৃষ্ঠা ৬২৩। ইবনে ওয়ারাক-এর হোয়াই দ্য ওয়েস্ট ইজ দ্য বেস্ট, "ইন্ডিয়া আন্ডার দ্য আরব্স অ্যান্ড দ্য ব্রিটিশ"। এছাড়াও বোস্টম, এ. জি. এম. ডি. এবং বোস্টম, এ. জি. (২০১০)-এর দ্য লেগাসি অফ জিহাদ: ইসলামিক হোলি ওয়ার অ্যান্ড দ্য ফেট অফ নন-মুসলিমস। আমহার্স্ট: প্রমিথিউস। * কমপক্ষে খ্রিস্টীয় যুগের শুরু থেকে প্রায় ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত, গান্ধারের (আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের কিছু অংশ) পুরুষপুর (পেশোয়ার) থেকে শুরু করে আনাম (দক্ষিণ ভিয়েতনাম)-এর পান্ডুরং এবং মধ্য জাভার প্রম্বানম পর্যন্ত শাসক ও প্রশাসনিক মহলে সংস্কৃত ছিল প্রধান ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক মাধ্যম। এটি এক হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে এশিয়ার বিশাল অংশকে প্রভাবিত করেছিল। এই সংস্কৃতি কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দ্বারা চাপিয়ে দেওয়া হয়নি বা কোনো কেন্দ্রীয়ভাবে সংগঠিত চার্চ ব্যবস্থার মাধ্যমে টিকে ছিল না। এইভাবে এটি ধর্ম, শ্রেণি বা লিঙ্গ নির্বিশেষে বেশিরভাগ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয়দের মধ্যে বিদ্যমান একটি সাংস্কৃতিক চেতনার ফল এবং কারণ উভয়ই ছিল। বিশ্ব ইউরোপীয়করণের বহু শতাব্দী আগে, [[এশিয়া]] থেকে [[আফগানিস্তান]], ভারত, [[শ্রীলঙ্কা]], থাইল্যান্ড, [[কম্বোডিয়া]], ভিয়েতনাম হয়ে [[ইন্দোনেশিয়া]] পর্যন্ত পুরো অঞ্চলটি একটি উন্নত প্যান-এশীয় সভ্যতার কেন্দ্র ছিল... তবে রোমান সভ্যতার সহিংস বিস্তারের মতো নয় (যা ল্যাটিনকে কয়েক শতাব্দী ধরে ইউরোপীয় ভাষা হিসেবে টিকিয়ে রেখেছিল), এশিয়ার সংস্কৃতায়ন ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। এতে কোনো বিজয়, আধিপত্য বা স্থানীয় পরিচয়ের বিলুপ্তি ঘটেনি। এর মানে এই নয় যে রাজনৈতিক বিবাদ বা যুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় কখনো ঘটেনি, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এর উদ্দেশ্য সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়া ছিল না। ** মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * ভারত অন্য সবার চেয়ে জোরালোভাবে সেই ঘোষণাটি করেছিল যাকে আমরা "সত্তার অধিকারের ঘোষণা" বলতে পারি। সেখানে, এই দিব্য সত্তার মধ্যে, নিজের সাথে অসীমের এই মিলনের মধ্যেই জীবনের এবং সমস্ত ইতিহাসের ভিত্তি ও মূল শিকড় স্পষ্টভাবে নিহিত রয়েছে। ** এডগার কিনে, জঁ বিয়ের লিটারেচার ফ্রঁসেজ এ পঁসে হিন্দু দেজ অরিজিন আ ১৯৫০, মিশেল দানিনোর ইন্ডিয়াজ ইমপ্যাক্ট অন ফ্রেঞ্চ থট অ্যান্ড লিটারেচার: এইটিনথ টু টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরিতে (ক্রিটিক্যাল প্র্যাকটিসে প্রকাশিত, ১০:২, জুন ২০০৩, পৃষ্ঠা ৪৬–৫৬)। * '''ধর্মের দেশ, মানবজাতির দোলনা, মানুষের ভাষার জন্মস্থান, [[পুরাণবিদ্যা|কিংবদন্তি]]র ঠাকুমা, ঐতিহ্যের দিদিমা। সেই দেশ যা সব মানুষ দেখতে চায় এবং একবার দেখার সুযোগ পেলে, সেই এক পলকের দেখার বিনিময়ে তারা বিশ্বের বাকি সব প্রদর্শনীও ত্যাগ করতে রাজি হবে।''' ** [[মার্ক টোয়েইন]], ''থ্রু ইন্ডিয়ান আইজ'', পৃষ্ঠা ১১৩ * এটি একটি ভালো এবং বিনম্র ধর্ম, তবে অসুবিধাজনক। ** [[মার্ক টোয়েইন]], ''থ্রু ইন্ডিয়ান আইজ'' * সৃষ্টির শুরুতে ভারত পুরো বিশ্বের চেয়ে এগিয়ে ছিল। তার ছিল প্রথম সভ্যতা; তার ছিল প্রথম বৈষয়িক সম্পদের ভাণ্ডার; সে গভীর চিন্তাবিদ এবং তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তিতে পরিপূর্ণ ছিল; তার ছিল খনি, বন এবং একটি উর্বর আত্মা। ** [[মার্ক টোয়েইন]], ''থ্রু ইন্ডিয়ান আইজ'' * মানুষের ইতিহাসের আমাদের সবচেয়ে মূল্যবান এবং শিক্ষণীয় বিষয়গুলো ভারতেই সঞ্চিত আছে। ** [[মার্ক টোয়েইন]], ''থ্রু ইন্ডিয়ান আইজ'' * "ধর্মের দেশ, মানবজাতির দোলনা, মানুষের ভাষার জন্মস্থান, কিংবদন্তির ঠাকুমা, ঐতিহ্যের দিদিমা। সেই দেশ যা সব মানুষ দেখতে চায় এবং একবার দেখার সুযোগ পেলে, সেই এক পলকের দেখার বিনিময়ে তারা বিশ্বের বাকি সব প্রদর্শনীও ত্যাগ করতে রাজি হবে।" ** [[মার্ক টোয়েইন]], ''থ্রু ইন্ডিয়ান আইজ'' * কয়েক বছর আগে ব্রিটিশ ঐতিহাসিক এ. জে. টয়নবি মন্তব্য করেছিলেন: 'ভারত হলো আঞ্চলিক সভ্যতার একটি শৃঙ্খলের কেন্দ্রীয় যোগসূত্র যা সুদূর উত্তর-পূর্বে জাপান থেকে সুদূর উত্তর-পশ্চিমে আয়ারল্যান্ড পর্যন্ত বিস্তৃত। এই দুই প্রান্তের মাঝখানে শৃঙ্খলটি দক্ষিণ দিকে ঝুলে পড়েছে একটি ঝালরের মতো যা ইন্দোনেশিয়ার বিষুবরেখার নিচে গিয়ে থেমেছে।' ** মালহোত্রা, আর. ও ইনফিনিটি ফাউন্ডেশন (প্রিন্সটন, এন.জে.)। (২০১৮)। বিয়িং ডিফারেন্ট: অ্যান ইন্ডিয়ান চ্যালেঞ্জ টু ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সালিজম। * [[পুঁজিবাদ]], অথবা লাগামহীনভাবে সম্পদ অন্বেষণের আদর্শ, লাগামহীন মাত্রায় সংস্কৃতিকে ধ্বংস করছে... অগণিত সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, যেগুলোকে অলাভজনক বা কম লাভজনক বলে মনে করা হয়, সারা দেশে তা পরিত্যাগ করা হচ্ছে। অন্যগুলোর ক্ষেত্রে লাভজনক রাখতে বা করার জন্য সেগুলোর মানের সাথে মারাত্মক আপস করা হচ্ছে: ব্যবহৃত উপকরণ বা কৌশলে আপস, কাজ বা পরিবেশনার নিম্নমান, শর্ট-কাট পদ্ধতি ইত্যাদি। এর ফলে স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ততা, সাংস্কৃতিক প্রামাণিকতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং পরিবেশনার সন্তুষ্টি হারিয়ে যাচ্ছে, যা পর্যায়ক্রমে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের অবক্ষয় এবং আরও পরিত্যাগের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এই সবকিছু সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করছে: সঙ্গীতের রূপ ও শৈলী, বাদ্যযন্ত্র, নৃত্যের ধরন, স্থাপত্যশৈলী, শিল্পকলা, হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী ফসল, রন্ধনশৈলী ইত্যাদি... তবে, টাকাই ঈশ্বর এই ধারণা এখন সবকিছু বদলে দিয়েছে। ভারতের দীর্ঘ ইতিহাসে সম্ভবত এই প্রথমবার ভারতীয় সংস্কৃতির জন্য কোনো প্রকৃত সরকারি সমর্থন নেই। গত এক দশকে অর্থনৈতিক সংস্কারের নতুন নীতি গ্রহণের সাথে তাল মিলিয়ে, ভারতের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি রক্ষা, সংরক্ষণ, নথিবদ্ধ করা বা টিকিয়ে রাখার জন্য ভারত সরকের এর বাস্তব কিছু করা এখন পুরনো ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে; এমনকি যারা এটি করছে সেই ব্যক্তি বা সংস্থাকে সাহায্য বা উৎসাহিত করাও বন্ধ হয়ে গেছে। স্বাধীনতা-পরবর্তী যুগে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো আক্ষরিক অর্থেই তহবিলের অভাবে ধুঁকছে, অথবা তহবিলগুলো মূল উদ্দেশ্য পূরণ ছাড়া অন্য কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, কিংবা সহজভাবে বললে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলোই বদলে দেওয়া হচ্ছে। যাই হোক না কেন, রাজনৈতিক প্রকৃতির সাধারণ কিছু ‘সাংস্কৃতিক’ প্রকল্প ছাড়া কোনো নতুন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হচ্ছে না: ‘পরিবর্তনশীল সময়ের’ সাথে তাল মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো ধীরে ধীরে সাংস্কৃতিক থেকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হচ্ছে।<br>“আরও ভয়াবহ হলো এই প্রতিষ্ঠানগুলো ভারতীয় সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক সংরক্ষণ, জনপ্রিয় করা এবং টিকিয়ে রাখার জন্য অদূর অতীতে গবেষণা, নথিকরণ এবং সংগ্রহের যে বিস্তারিত রেকর্ড তৈরি করেছিল, সেগুলোর অবস্থা। এই আর্কাইভের রেকর্ডগুলো ছাপা কাগজ, টেপ, ফিল্ম বা প্রকৃত বস্তু হঠাৎ করেই ‘বিশ্বের’ দিকে ‘সংস্কারবাদী’ দৃষ্টি রাখা এবং অর্থ-সচেতন নেতৃত্বের কাছে চোখের বালি বা বিব্রতকর বিষয় অথবা কেবল একটি আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এখন একটি সাধারণ ধারা হলো: রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে পরিচালিত [[জাদুঘর]], গ্রন্থাগার এবং আর্কাইভ অথবা অন্তত এগুলোর রেকর্ডগুলো সাধারণ মানুষ বা গবেষকদের চোখের আড়ালে চলে যাচ্ছে বা দুর্লভ হয়ে পড়ছে। প্রায়ই ‘জায়গার অভাবের’ অজুহাতে কর্তৃপক্ষ এই রেকর্ডগুলোকে সংরক্ষিত পরিবেশ থেকে সরিয়ে দেয় এবং অযত্নে পড়ে থাকা গুদামে ফেলে দেয়, যাতে সেগুলো অগোচরে এবং অবহেলায় পচে নষ্ট হয়ে যায়। আর মাঝে মাঝে এই আর্কাইভগুলো যেখানে রাখা হয় সেখানে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ড ঘটে, যা অমূল্য এবং অপূরণীয় রেকর্ডগুলো (যার মধ্যে ভারতীয় চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগের রেকর্ডও রয়েছে) ধ্বংস করে দেয় এবং চিরতরে হারিয়ে যায়। কাকতালীয়ভাবে, এই সব ঘটনার ফলে লাভজনক বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য মূল্যবান জমি এবং তহবিল পাওয়া যায়। দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা টাকা জমাতে বা কামাতে এতটাই ব্যস্ত নিজেদের জন্য হোক বা জনস্বার্থের কথা বলে হোক যে তারা এসবের তোয়াক্কা করেন না।" ** এস. তালাগেরি, (“সীতা রাম গোয়েল, মেমোরিজ অ্যান্ড আইডিয়াস”, কোয়েনরাড এলস্ট সম্পাদিত: ইন্ডিয়াজ অনলি কমিউনালিস্ট: ইন কমেমোরেশন অফ সীতা রাম গোয়েল, ভয়েস অফ ইন্ডিয়া, দিল্লি ২০০৫, পৃষ্ঠা ২৩৯–৩৪৬, [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2016/07/cultural-policy-and-folk-art.html "ফ্রম দ্য পার্সোনাল কালেকশন অফ কেসি আরিয়ান। আননোন মাস্টারপিসেস অফ ইন্ডিয়ান ফোক অ্যান্ড ট্রাইবাল আর্ট (কেসি আরিয়ান'স হোম অফ ফোক আর্ট, গুরগাঁও ২০১৬, ৩০১ পৃষ্ঠা, ৬৩৫টি ইলাস্ট্রেশন)" পর্যালোচনা, যাতে কেসি আরিয়ানের শিল্প সংগ্রহ উপস্থাপন করা হয়েছে, (ল অ্যানিমেটেড ওয়ার্ল্ড, হায়দ্রাবাদ, ১৬ জুলাই ২০১৬)]। ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সংস্কৃতি| ]] tka3fonyibk8t48lnl8tk9nrxbe2h1a ব্যবহারকারী আলাপ:Nihabd1 3 13801 81856 2026-04-28T06:13:03Z অভ্যর্থনা কমিটি বট 1112 উইকিউক্তিতে স্বাগত! 81856 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Nihabd1,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ০৬:১৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) hnw21g56ttjsxmk7r95dtnksx59o25i ব্যবহারকারী আলাপ:Subha Sen Debjit 3 13802 81857 2026-04-28T06:13:12Z অভ্যর্থনা কমিটি বট 1112 উইকিউক্তিতে স্বাগত! 81857 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Subha Sen Debjit,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ০৬:১৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) oydqk9zs3ghiym9z5sqstzgkfxqdmne ইয়োইচিরো নাম্বু 0 13803 81862 2026-04-28T06:52:01Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন নিবন্ধ 81862 wikitext text/x-wiki [[File:YoichiroNambu.jpg|thumb|কোনো সংগঠিত নীতি ব্যতিরেকে কণিকাসমূহের এমন বিশাল সংগ্রহ অবিন্যস্ত বলে মনে হয়, এবং এগুলো সবকটিই মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা তাদের ক্ষুব্ধ করে যারা এই বিশ্বাস—অথবা অন্তত এই প্রবল ইচ্ছা—পোষণ করেন যে [[প্রকৃতি]] হবে সরল।]] '''[[w:ইয়োইচিরো নাম্বু|ইয়োশিরো নাম্বু]]''' (南部 陽一郎 Nambu Yōichirō, ১৮ জানুয়ারি ১৯২১ – ৫ জুলাই ২০১৫) ছিলেন একজন জাপানি-আমেরিকান [[পদার্থবিদ]] এবং [[w:শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়|শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অধ্যাপক। তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য তিনি পরিচিত। উপপারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানে [[স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন|স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন]] (spontaneous broken symmetry)-এর প্রক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য ২০০৮ সালে তাঁকে [[w:Nobel Prize in Physics|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের]] অর্ধেক প্রদান করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি প্রথমে [[সবল মিথস্ক্রিয়া|সবল মিথস্ক্রিয়ার]] [[w:chiral symmetry|কাইরাল প্রতিসাম্যের]] সাথে এবং পরবর্তীতে [[w:electroweak interaction|তড়িৎ-দুর্বল মিথস্ক্রিয়া]] ও [[w:হিগস মেকানিজমের|হিগস মেকানিজমের]] সাথে সম্পর্কিত বলে প্রমাণিত হয়। == উক্তি == * [[কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্স|কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্সে]] পরিচিত ধারণা এবং কৌশলগুলো [[w:Superconductivity|বারডিন-কুপার-শ্রিফার অতিপরিবাহিতা তত্ত্বে]] প্রয়োগ করা হয়েছে। হার্ট্রি-ফক ক্ষেত্রের সাধারণীকরণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি অনুমানে, একটি [[w:Integral equation|অখণ্ড সমীকরণ]] (integral equation) লেখা সম্ভব যা ফোনন এবং কুলম্ব মিথস্ক্রিয়া সহ একটি [[w:Fermi gas|ইলেকট্রন গ্যাসে]] ইলেকট্রনের [[w:Self-energy|নিজ-শক্তি]] (self-energy) সংজ্ঞায়িত করে। এই সমীকরণের রূপটি একটি বিশেষ সমাধানের অস্তিত্বের ইঙ্গিত দেয় যা [[w:Perturbation theory|পার্টারবেশন তত্ত্ব]] থেকে আসে না, এবং যা [[w:Energy gap|শক্তি পার্থক্য]] (energy gap) সমীকরণ এবং [[w:Nikolay Bogolyubov|বোগোলিউবভ]]-এর অনুরূপ [[w:Quasiparticle|কোয়াসি-পার্টিকেল]] চিত্রের দিকে পরিচালিত করে। ** {{cite journal|title=Quasi-particles and gauge invariance in the theory of superconductivity|journal=Physical Review|volume=117|issue=3|date=February 1960|pages=648–663|doi=10.1103/PhysRev.117.648}} * [[w:Hadron|হ্যাড্রন]]-এর বিশাল সংখ্যাধিক্যের কারণেই [[w:Quark model|কোয়ার্ক মডেলের]] সূত্রপাত ঘটেছিল। কোনো সংগঠিত নীতি ব্যতিরেকে কণিকাসমূহের এমন বিশাল সংগ্রহ অবিন্যস্ত বলে মনে হয়, এবং এগুলো সবকটিই মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা তাদের ক্ষুব্ধ করে যারা এই বিশ্বাস—অথবা অন্তত এই প্রবল ইচ্ছা—পোষণ করেন যে [[প্রকৃতি]] হবে সরল। ** [https://www.jstor.org/stable/24950482?seq=1#page_scan_tab_contents "The confinement of quarks."] Scientific American 235, no. 5 (1976): 48–63. == নাম্বু সম্পর্কে উক্তি == * পদার্থবিজ্ঞানে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙনের ধারণাটি ১৯৬০ সালে নাম্বু প্রবর্তন করেন। তিনি প্রস্তাব করেছিলেন যে, {{w|পায়ন|পায়ন}}-এর নিম্ন ভর এবং নিম্ন-শক্তির মিথস্ক্রিয়াগুলোকে একটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙে যাওয়া কাইরাল প্রতিসাম্যের প্রতিফলন হিসেবে বোঝা যেতে পারে, যা আপ (up) এবং ডাউন (down) কোয়ার্কগুলো ভরহীন হলে নিখুঁত হতো। তাঁর প্রস্তাব ছিল যে, {{w|কুপার জোড়া|কুপার জোড়ার}} মতোই শূন্যস্থানে (vacuum) হালকা কোয়ার্কগুলো ঘনীভূত হয়। যখন এটি ঘটে, তখন এই 'লুকানো' কাইরাল প্রতিসাম্য পায়নের ভরকে শূন্য করে দেয় এবং প্রোটন, নিউট্রন ও একে অপরের সাথে তাদের নিম্ন-শক্তির [[সবল মিথস্ক্রিয়া|সংযুক্তি]] (coupling) নির্ধারণ করে দেয়। ** {{w|John Ellis}}, {{w|Mary K. Gaillard}}, এবং {{w|Dimitri V. Nanopoulos}}, {{cite journal|journal=arXiv|url=https://arxiv.org/abs/1201.6045|journal=arXiv:1201.6045v1|pages=1–22|year=2012|title=A Historical Profile of the Higgs Boson}} (পৃষ্ঠা ৩ থেকে উদ্ধৃত) * ইয়োশিরো নাম্বু ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী তাত্ত্বিক পদার্থবিদ। তাঁর গভীর এবং অপ্রত্যাশিত অন্তর্দৃষ্টিগুলো বুঝতে এবং পুরোপুরি উপলব্ধি করতে অন্যদের প্রায়ই বহু বছর সময় লেগে যেত। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: [[স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন|স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন]], যার জন্য তাঁকে ২০০৮ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের অর্ধেক দেওয়া হয়েছিল; [[w:Quark|কোয়ার্ক]] ও [[w:Gluon|গ্লুয়ন]] তত্ত্ব; এবং [[স্ট্রিং থিওরি]]। ** [[w:Michael Turner (cosmologist)|Michael S. Turner]] in: {{cite journal|title=Yoichiro Nambu (1921–2015)|journal=Nature|volume=524|pages=416|date=27 August 2015|doi=10.1038/524416a|url=https://www.nature.com/articles/524416a}} == বহিঃসংযোগ == * {{wikipedia-inline}} * {{commons category-inline}} {{DEFAULTSORT:নাম্বু, ইয়োশিরো}} [[Category:১৯২১-এ জন্ম]] [[Category:২০১৫-এ মৃত্যু]] [[Category:জাপানি পদার্থবিদ]] [[Category:মার্কিন পদার্থবিদ]] [[Category:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[Category:টোকিওর ব্যক্তি]] [[Category:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[Category:জাপানের নোবেল বিজয়ী]] [[Category:উলফ প্রাইজ বিজয়ী পদার্থবিদ]] [[Category:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[Category:শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] j28eq2qgsylq6hk0r28ky88hxrbsbvy 81864 81862 2026-04-28T06:53:48Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 81864 wikitext text/x-wiki [[File:YoichiroNambu.jpg|thumb|কোনো সংগঠিত নীতি ব্যতিরেকে কণিকাসমূহের এমন বিশাল সংগ্রহ অবিন্যস্ত বলে মনে হয়, এবং এগুলো সবকটিই মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা তাদের ক্ষুব্ধ করে যারা এই বিশ্বাস—অথবা অন্তত এই প্রবল ইচ্ছা—পোষণ করেন যে [[প্রকৃতি]] হবে সরল।]] '''[[w:ইয়োইচিরো নাম্বু|ইয়োশিরো নাম্বু]]''' (南部 陽一郎 Nambu Yōichirō, ১৮ জানুয়ারি ১৯২১ – ৫ জুলাই ২০১৫) ছিলেন একজন জাপানি-আমেরিকান [[পদার্থবিদ]] এবং [[w:শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়|শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অধ্যাপক। তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য তিনি পরিচিত। উপপারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানে [[স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন|স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন]] (spontaneous broken symmetry)-এর প্রক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য ২০০৮ সালে তাঁকে [[w:Nobel Prize in Physics|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের]] অর্ধেক প্রদান করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি প্রথমে [[সবল মিথস্ক্রিয়া|সবল মিথস্ক্রিয়ার]] [[w:chiral symmetry|কাইরাল প্রতিসাম্যের]] সাথে এবং পরবর্তীতে [[w:electroweak interaction|তড়িৎ-দুর্বল মিথস্ক্রিয়া]] ও [[w:হিগস মেকানিজমের|হিগস মেকানিজমের]] সাথে সম্পর্কিত বলে প্রমাণিত হয়। == উক্তি == * [[কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্স|কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্সে]] পরিচিত ধারণা এবং কৌশলগুলো [[w:Superconductivity|বারডিন-কুপার-শ্রিফার অতিপরিবাহিতা তত্ত্বে]] প্রয়োগ করা হয়েছে। হার্ট্রি-ফক ক্ষেত্রের সাধারণীকরণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি অনুমানে, একটি [[w:Integral equation|অখণ্ড সমীকরণ]] (integral equation) লেখা সম্ভব যা ফোনন এবং কুলম্ব মিথস্ক্রিয়া সহ একটি [[w:Fermi gas|ইলেকট্রন গ্যাসে]] ইলেকট্রনের [[w:Self-energy|নিজ-শক্তি]] (self-energy) সংজ্ঞায়িত করে। এই সমীকরণের রূপটি একটি বিশেষ সমাধানের অস্তিত্বের ইঙ্গিত দেয় যা [[w:Perturbation theory|পার্টারবেশন তত্ত্ব]] থেকে আসে না, এবং যা [[w:Energy gap|শক্তি পার্থক্য]] (energy gap) সমীকরণ এবং [[w:Nikolay Bogolyubov|বোগোলিউবভ]]-এর অনুরূপ [[w:Quasiparticle|কোয়াসি-পার্টিকেল]] চিত্রের দিকে পরিচালিত করে। ** {{cite journal|title=Quasi-particles and gauge invariance in the theory of superconductivity|journal=Physical Review|volume=117|issue=3|date=February 1960|pages=648–663|doi=10.1103/PhysRev.117.648}} * [[w:Hadron|হ্যাড্রন]]-এর বিশাল সংখ্যাধিক্যের কারণেই [[w:Quark model|কোয়ার্ক মডেলের]] সূত্রপাত ঘটেছিল। কোনো সংগঠিত নীতি ব্যতিরেকে কণিকাসমূহের এমন বিশাল সংগ্রহ অবিন্যস্ত বলে মনে হয়, এবং এগুলো সবকটিই মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা তাদের ক্ষুব্ধ করে যারা এই বিশ্বাস—অথবা অন্তত এই প্রবল ইচ্ছা—পোষণ করেন যে [[প্রকৃতি]] হবে সরল। ** [https://www.jstor.org/stable/24950482?seq=1#page_scan_tab_contents "The confinement of quarks."] Scientific American 235, no. 5 (1976): 48–63. == নাম্বু সম্পর্কে উক্তি == * পদার্থবিজ্ঞানে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙনের ধারণাটি ১৯৬০ সালে নাম্বু প্রবর্তন করেন। তিনি প্রস্তাব করেছিলেন যে, {{w|পায়ন|পায়ন}}-এর নিম্ন ভর এবং নিম্ন-শক্তির মিথস্ক্রিয়াগুলোকে একটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙে যাওয়া কাইরাল প্রতিসাম্যের প্রতিফলন হিসেবে বোঝা যেতে পারে, যা আপ (up) এবং ডাউন (down) কোয়ার্কগুলো ভরহীন হলে নিখুঁত হতো। তাঁর প্রস্তাব ছিল যে, {{w|কুপার জোড়া|কুপার জোড়ার}} মতোই শূন্যস্থানে (vacuum) হালকা কোয়ার্কগুলো ঘনীভূত হয়। যখন এটি ঘটে, তখন এই 'লুকানো' কাইরাল প্রতিসাম্য পায়নের ভরকে শূন্য করে দেয় এবং প্রোটন, নিউট্রন ও একে অপরের সাথে তাদের নিম্ন-শক্তির [[সবল মিথস্ক্রিয়া|সংযুক্তি]] (coupling) নির্ধারণ করে দেয়। ** {{w|John Ellis}}, {{w|Mary K. Gaillard}}, এবং {{w|Dimitri V. Nanopoulos}}, {{cite journal|journal=arXiv|url=https://arxiv.org/abs/1201.6045|journal=arXiv:1201.6045v1|pages=1–22|year=2012|title=A Historical Profile of the Higgs Boson}} (পৃষ্ঠা ৩ থেকে উদ্ধৃত) * ইয়োশিরো নাম্বু ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী তাত্ত্বিক পদার্থবিদ। তাঁর গভীর এবং অপ্রত্যাশিত অন্তর্দৃষ্টিগুলো বুঝতে এবং পুরোপুরি উপলব্ধি করতে অন্যদের প্রায়ই বহু বছর সময় লেগে যেত। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: [[স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন|স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন]], যার জন্য তাঁকে ২০০৮ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের অর্ধেক দেওয়া হয়েছিল; [[w:Quark|কোয়ার্ক]] ও [[w:Gluon|গ্লুয়ন]] তত্ত্ব; এবং [[স্ট্রিং থিওরি]]। ** [[w:Michael Turner (cosmologist)|Michael S. Turner]] in: {{cite journal|title=Yoichiro Nambu (1921–2015)|journal=Nature|volume=524|pages=416|date=27 August 2015|doi=10.1038/524416a|url=https://www.nature.com/articles/524416a}} == বহিঃসংযোগ == * {{উইকিপিডিয়া}} * {{উইকিকমন্স}} {{DEFAULTSORT:নাম্বু, ইয়োশিরো}} [[Category:১৯২১-এ জন্ম]] [[Category:২০১৫-এ মৃত্যু]] [[Category:জাপানি পদার্থবিদ]] [[Category:মার্কিন পদার্থবিদ]] [[Category:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[Category:টোকিওর ব্যক্তি]] [[Category:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[Category:জাপানের নোবেল বিজয়ী]] [[Category:উলফ প্রাইজ বিজয়ী পদার্থবিদ]] [[Category:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[Category:শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] 1cioigxr5g4run3m11zge27qwcko7uq 81865 81864 2026-04-28T06:54:47Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 81865 wikitext text/x-wiki [[File:YoichiroNambu.jpg|thumb|কোনো সংগঠিত নীতি ব্যতিরেকে কণিকাসমূহের এমন বিশাল সংগ্রহ অবিন্যস্ত বলে মনে হয়, এবং এগুলো সবকটিই মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা তাদের ক্ষুব্ধ করে যারা এই বিশ্বাস—অথবা অন্তত এই প্রবল ইচ্ছা—পোষণ করেন যে [[প্রকৃতি]] হবে সরল।]] '''[[w:ইয়োইচিরো নাম্বু|ইয়োশিরো নাম্বু]]''' (南部 陽一郎 Nambu Yōichirō, ১৮ জানুয়ারি ১৯২১ – ৫ জুলাই ২০১৫) ছিলেন একজন জাপানি-আমেরিকান [[পদার্থবিদ]] এবং [[w:শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়|শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অধ্যাপক। তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য তিনি পরিচিত। উপপারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানে [[স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন|স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন]] (spontaneous broken symmetry)-এর প্রক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য ২০০৮ সালে তাঁকে [[w:Nobel Prize in Physics|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের]] অর্ধেক প্রদান করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি প্রথমে [[সবল মিথস্ক্রিয়া|সবল মিথস্ক্রিয়ার]] [[w:chiral symmetry|কাইরাল প্রতিসাম্যের]] সাথে এবং পরবর্তীতে [[w:electroweak interaction|তড়িৎ-দুর্বল মিথস্ক্রিয়া]] ও [[w:হিগস মেকানিজমের|হিগস মেকানিজমের]] সাথে সম্পর্কিত বলে প্রমাণিত হয়। == উক্তি == * [[কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্স|কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্সে]] পরিচিত ধারণা এবং কৌশলগুলো [[w:Superconductivity|বারডিন-কুপার-শ্রিফার অতিপরিবাহিতা তত্ত্বে]] প্রয়োগ করা হয়েছে। হার্ট্রি-ফক ক্ষেত্রের সাধারণীকরণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি অনুমানে, একটি [[w:Integral equation|অখণ্ড সমীকরণ]] (integral equation) লেখা সম্ভব যা ফোনন এবং কুলম্ব মিথস্ক্রিয়া সহ একটি [[w:Fermi gas|ইলেকট্রন গ্যাসে]] ইলেকট্রনের [[w:Self-energy|নিজ-শক্তি]] (self-energy) সংজ্ঞায়িত করে। এই সমীকরণের রূপটি একটি বিশেষ সমাধানের অস্তিত্বের ইঙ্গিত দেয় যা [[w:Perturbation theory|পার্টারবেশন তত্ত্ব]] থেকে আসে না, এবং যা [[w:Energy gap|শক্তি পার্থক্য]] (energy gap) সমীকরণ এবং [[w:Nikolay Bogolyubov|বোগোলিউবভ]]-এর অনুরূপ [[w:Quasiparticle|কোয়াসি-পার্টিকেল]] চিত্রের দিকে পরিচালিত করে। ** {{cite journal|title=Quasi-particles and gauge invariance in the theory of superconductivity|journal=Physical Review|volume=117|issue=3|date=February 1960|pages=648–663|doi=10.1103/PhysRev.117.648}} * [[w:Hadron|হ্যাড্রন]]-এর বিশাল সংখ্যাধিক্যের কারণেই [[w:Quark model|কোয়ার্ক মডেলের]] সূত্রপাত ঘটেছিল। কোনো সংগঠিত নীতি ব্যতিরেকে কণিকাসমূহের এমন বিশাল সংগ্রহ অবিন্যস্ত বলে মনে হয়, এবং এগুলো সবকটিই মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা তাদের ক্ষুব্ধ করে যারা এই বিশ্বাস—অথবা অন্তত এই প্রবল ইচ্ছা—পোষণ করেন যে [[প্রকৃতি]] হবে সরল। ** [https://www.jstor.org/stable/24950482?seq=1#page_scan_tab_contents "The confinement of quarks."] Scientific American 235, no. 5 (1976): 48–63. == নাম্বু সম্পর্কে উক্তি == * পদার্থবিজ্ঞানে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙনের ধারণাটি ১৯৬০ সালে নাম্বু প্রবর্তন করেন। তিনি প্রস্তাব করেছিলেন যে, {{w|পায়ন|পায়ন}}-এর নিম্ন ভর এবং নিম্ন-শক্তির মিথস্ক্রিয়াগুলোকে একটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙে যাওয়া কাইরাল প্রতিসাম্যের প্রতিফলন হিসেবে বোঝা যেতে পারে, যা আপ (up) এবং ডাউন (down) কোয়ার্কগুলো ভরহীন হলে নিখুঁত হতো। তাঁর প্রস্তাব ছিল যে, {{w|কুপার জোড়া|কুপার জোড়ার}} মতোই শূন্যস্থানে (vacuum) হালকা কোয়ার্কগুলো ঘনীভূত হয়। যখন এটি ঘটে, তখন এই 'লুকানো' কাইরাল প্রতিসাম্য পায়নের ভরকে শূন্য করে দেয় এবং প্রোটন, নিউট্রন ও একে অপরের সাথে তাদের নিম্ন-শক্তির [[সবল মিথস্ক্রিয়া|সংযুক্তি]] (coupling) নির্ধারণ করে দেয়। ** {{w|John Ellis}}, {{w|Mary K. Gaillard}}, এবং {{w|Dimitri V. Nanopoulos}}, {{cite journal|journal=arXiv|url=https://arxiv.org/abs/1201.6045|journal=arXiv:1201.6045v1|pages=1–22|year=2012|title=A Historical Profile of the Higgs Boson}} (পৃষ্ঠা ৩ থেকে উদ্ধৃত) * ইয়োশিরো নাম্বু ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী তাত্ত্বিক পদার্থবিদ। তাঁর গভীর এবং অপ্রত্যাশিত অন্তর্দৃষ্টিগুলো বুঝতে এবং পুরোপুরি উপলব্ধি করতে অন্যদের প্রায়ই বহু বছর সময় লেগে যেত। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: [[স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন|স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন]], যার জন্য তাঁকে ২০০৮ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের অর্ধেক দেওয়া হয়েছিল; [[w:Quark|কোয়ার্ক]] ও [[w:Gluon|গ্লুয়ন]] তত্ত্ব; এবং [[স্ট্রিং থিওরি]]। ** [[w:Michael Turner (cosmologist)|Michael S. Turner]] in: {{cite journal|title=Yoichiro Nambu (1921–2015)|journal=Nature|volume=524|pages=416|date=27 August 2015|doi=10.1038/524416a|url=https://www.nature.com/articles/524416a}} == বহিঃসংযোগ == * {{উইকিপিডিয়া}} * {[কমন্স}} {{DEFAULTSORT:নাম্বু, ইয়োশিরো}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯২১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:জাপানি পদার্থবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন পদার্থবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:টোকিওর ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:জাপানের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:উলফ প্রাইজ বিজয়ী পদার্থবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] pwl4teu4bdmyw4ymyewne9ac5x3ry73 81866 81865 2026-04-28T06:56:39Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 81866 wikitext text/x-wiki [[File:YoichiroNambu.jpg|thumb|কোনো সংগঠিত নীতি ব্যতিরেকে কণিকাসমূহের এমন বিশাল সংগ্রহ অবিন্যস্ত বলে মনে হয়, এবং এগুলো সবকটিই মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা তাদের ক্ষুব্ধ করে যারা এই বিশ্বাস অথবা অন্তত এই প্রবল ইচ্ছা পোষণ করেন যে [[প্রকৃতি]] হবে সরল।]] '''[[w:ইয়োইচিরো নাম্বু|ইয়োশিরো নাম্বু]]''' (南部 陽一郎 Nambu Yōichirō, ১৮ জানুয়ারি ১৯২১ – ৫ জুলাই ২০১৫) ছিলেন একজন জাপানি-আমেরিকান [[পদার্থবিদ]] এবং [[w:শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়|শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অধ্যাপক। তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য তিনি পরিচিত। উপপারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানে [[স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন|স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন]] (spontaneous broken symmetry) এ প্রক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য ২০০৮ সালে তাঁকে [[w:Nobel Prize in Physics|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের]] অর্ধেক প্রদান করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি প্রথমে [[সবল মিথস্ক্রিয়া|সবল মিথস্ক্রিয়ার]] [[w:কাইরাল প্রতিসাম্যের|কাইরাল প্রতিসাম্যের]] সাথে এবং পরবর্তীতে [[w:তড়িৎ-দুর্বল মিথস্ক্রিয়া|তড়িৎ-দুর্বল মিথস্ক্রিয়া]] ও [[w:হিগস মেকানিজমের|হিগস মেকানিজমের]] সাথে সম্পর্কিত বলে প্রমাণিত হয়। == উক্তি == * [[কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্স|কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্সে]] পরিচিত ধারণা এবং কৌশলগুলো [[w:বারডিন-কুপার-শ্রিফার অতিপরিবাহিতা তত্ত্বে|বারডিন-কুপার-শ্রিফার অতিপরিবাহিতা তত্ত্বে]] প্রয়োগ করা হয়েছে। হার্ট্রি-ফক ক্ষেত্রের সাধারণীকরণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি অনুমানে, একটি [[w:অখণ্ড সমীকরণ|অখণ্ড সমীকরণ]] (integral equation) লেখা সম্ভব যা ফোনন এবং কুলম্ব মিথস্ক্রিয়া সহ একটি [[w:ইলেকট্রন গ্যাসে|ইলেকট্রন গ্যাসে]] ইলেকট্রনের [[w:Self-energy|নিজ-শক্তি]] (self-energy) সংজ্ঞায়িত করে। এই সমীকরণের রূপটি একটি বিশেষ সমাধানের অস্তিত্বের ইঙ্গিত দেয় যা [[w:Perturbation theory|পার্টারবেশন তত্ত্ব]] থেকে আসে না, এবং যা [[w:Energy gap|শক্তি পার্থক্য]] (energy gap) সমীকরণ এবং [[w:Nikolay Bogolyubov|বোগোলিউবভ]]-এর অনুরূপ [[w:Quasiparticle|কোয়াসি-পার্টিকেল]] চিত্রের দিকে পরিচালিত করে। ** {{cite journal|title=Quasi-particles and gauge invariance in the theory of superconductivity|journal=Physical Review|volume=117|issue=3|date=February 1960|pages=648–663|doi=10.1103/PhysRev.117.648}} * [[w:Hadron|হ্যাড্রন]]-এর বিশাল সংখ্যাধিক্যের কারণেই [[w:Quark model|কোয়ার্ক মডেলের]] সূত্রপাত ঘটেছিল। কোনো সংগঠিত নীতি ব্যতিরেকে কণিকাসমূহের এমন বিশাল সংগ্রহ অবিন্যস্ত বলে মনে হয়, এবং এগুলো সবকটিই মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা তাদের ক্ষুব্ধ করে যারা এই বিশ্বাস—অথবা অন্তত এই প্রবল ইচ্ছা—পোষণ করেন যে [[প্রকৃতি]] হবে সরল। ** [https://www.jstor.org/stable/24950482?seq=1#page_scan_tab_contents "The confinement of quarks."] Scientific American 235, no. 5 (1976): 48–63. == নাম্বু সম্পর্কে উক্তি == * পদার্থবিজ্ঞানে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙনের ধারণাটি ১৯৬০ সালে নাম্বু প্রবর্তন করেন। তিনি প্রস্তাব করেছিলেন যে, {{w|পায়ন|পায়ন}}-এর নিম্ন ভর এবং নিম্ন-শক্তির মিথস্ক্রিয়াগুলোকে একটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙে যাওয়া কাইরাল প্রতিসাম্যের প্রতিফলন হিসেবে বোঝা যেতে পারে, যা আপ (up) এবং ডাউন (down) কোয়ার্কগুলো ভরহীন হলে নিখুঁত হতো। তাঁর প্রস্তাব ছিল যে, {{w|কুপার জোড়া|কুপার জোড়ার}} মতোই শূন্যস্থানে (vacuum) হালকা কোয়ার্কগুলো ঘনীভূত হয়। যখন এটি ঘটে, তখন এই 'লুকানো' কাইরাল প্রতিসাম্য পায়নের ভরকে শূন্য করে দেয় এবং প্রোটন, নিউট্রন ও একে অপরের সাথে তাদের নিম্ন-শক্তির [[সবল মিথস্ক্রিয়া|সংযুক্তি]] (coupling) নির্ধারণ করে দেয়। ** {{w|John Ellis}}, {{w|Mary K. Gaillard}}, এবং {{w|Dimitri V. Nanopoulos}}, {{cite journal|journal=arXiv|url=https://arxiv.org/abs/1201.6045|journal=arXiv:1201.6045v1|pages=1–22|year=2012|title=A Historical Profile of the Higgs Boson}} (পৃষ্ঠা ৩ থেকে উদ্ধৃত) * ইয়োশিরো নাম্বু ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী তাত্ত্বিক পদার্থবিদ। তাঁর গভীর এবং অপ্রত্যাশিত অন্তর্দৃষ্টিগুলো বুঝতে এবং পুরোপুরি উপলব্ধি করতে অন্যদের প্রায়ই বহু বছর সময় লেগে যেত। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: [[স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন|স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন]], যার জন্য তাঁকে ২০০৮ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের অর্ধেক দেওয়া হয়েছিল; [[w:Quark|কোয়ার্ক]] ও [[w:Gluon|গ্লুয়ন]] তত্ত্ব; এবং [[স্ট্রিং থিওরি]]। ** [[w:Michael Turner (cosmologist)|Michael S. Turner]] in: {{cite journal|title=Yoichiro Nambu (1921–2015)|journal=Nature|volume=524|pages=416|date=27 August 2015|doi=10.1038/524416a|url=https://www.nature.com/articles/524416a}} == বহিঃসংযোগ == * {{উইকিপিডিয়া}} * {{কমন্স}} {{DEFAULTSORT:নাম্বু, ইয়োশিরো}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯২১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:জাপানি পদার্থবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন পদার্থবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:টোকিওর ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:জাপানের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:উলফ প্রাইজ বিজয়ী পদার্থবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] o4f6dhn23q3d904uynod8xa26xwjov4 81867 81866 2026-04-28T06:56:57Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 81867 wikitext text/x-wiki [[File:YoichiroNambu.jpg|thumb|কোনো সংগঠিত নীতি ব্যতিরেকে কণিকাসমূহের এমন বিশাল সংগ্রহ অবিন্যস্ত বলে মনে হয়, এবং এগুলো সবকটিই মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা তাদের ক্ষুব্ধ করে যারা এই বিশ্বাস অথবা অন্তত এই প্রবল ইচ্ছা পোষণ করেন যে [[প্রকৃতি]] হবে সরল।]] '''[[w:ইয়োইচিরো নাম্বু|ইয়োশিরো নাম্বু]]''' (南部 陽一郎 Nambu Yōichirō, ১৮ জানুয়ারি ১৯২১ – ৫ জুলাই ২০১৫) ছিলেন একজন জাপানি-আমেরিকান [[পদার্থবিদ]] এবং [[w:শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়|শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অধ্যাপক। তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য তিনি পরিচিত। উপপারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানে [[স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন|স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন]] (spontaneous broken symmetry) এ প্রক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য ২০০৮ সালে তাঁকে [[w:Nobel Prize in Physics|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের]] অর্ধেক প্রদান করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি প্রথমে [[সবল মিথস্ক্রিয়া|সবল মিথস্ক্রিয়ার]] [[w:কাইরাল প্রতিসাম্যের|কাইরাল প্রতিসাম্যের]] সাথে এবং পরবর্তীতে [[w:তড়িৎ-দুর্বল মিথস্ক্রিয়া|তড়িৎ-দুর্বল মিথস্ক্রিয়া]] ও [[w:হিগস মেকানিজমের|হিগস মেকানিজমের]] সাথে সম্পর্কিত বলে প্রমাণিত হয়। == উক্তি == * [[কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্স|কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্সে]] পরিচিত ধারণা এবং কৌশলগুলো [[w:বারডিন-কুপার-শ্রিফার অতিপরিবাহিতা তত্ত্বে|বারডিন-কুপার-শ্রিফার অতিপরিবাহিতা তত্ত্বে]] প্রয়োগ করা হয়েছে। হার্ট্রি-ফক ক্ষেত্রের সাধারণীকরণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি অনুমানে, একটি [[w:অখণ্ড সমীকরণ|অখণ্ড সমীকরণ]] (integral equation) লেখা সম্ভব যা ফোনন এবং কুলম্ব মিথস্ক্রিয়া সহ একটি [[w:ইলেকট্রন গ্যাসে|ইলেকট্রন গ্যাসে]] ইলেকট্রনের [[w:Self-energy|নিজ-শক্তি]] (self-energy) সংজ্ঞায়িত করে। এই সমীকরণের রূপটি একটি বিশেষ সমাধানের অস্তিত্বের ইঙ্গিত দেয় যা [[w:Perturbation theory|পার্টারবেশন তত্ত্ব]] থেকে আসে না, এবং যা [[w:Energy gap|শক্তি পার্থক্য]] (energy gap) সমীকরণ এবং [[w:Nikolay Bogolyubov|বোগোলিউবভ]]-এর অনুরূপ [[w:Quasiparticle|কোয়াসি-পার্টিকেল]] চিত্রের দিকে পরিচালিত করে। ** {{cite journal|title=Quasi-particles and gauge invariance in the theory of superconductivity|journal=Physical Review|volume=117|issue=3|date=February 1960|pages=648–663|doi=10.1103/PhysRev.117.648}} * [[w:Hadron|হ্যাড্রন]]-এর বিশাল সংখ্যাধিক্যের কারণেই [[w:Quark model|কোয়ার্ক মডেলের]] সূত্রপাত ঘটেছিল। কোনো সংগঠিত নীতি ব্যতিরেকে কণিকাসমূহের এমন বিশাল সংগ্রহ অবিন্যস্ত বলে মনে হয়, এবং এগুলো সবকটিই মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা তাদের ক্ষুব্ধ করে যারা এই বিশ্বাস—অথবা অন্তত এই প্রবল ইচ্ছা—পোষণ করেন যে [[প্রকৃতি]] হবে সরল। ** [https://www.jstor.org/stable/24950482?seq=1#page_scan_tab_contents "The confinement of quarks."] Scientific American 235, no. 5 (1976): 48–63. == নাম্বু সম্পর্কে উক্তি == * পদার্থবিজ্ঞানে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙনের ধারণাটি ১৯৬০ সালে নাম্বু প্রবর্তন করেন। তিনি প্রস্তাব করেছিলেন যে, {{w|পায়ন|পায়ন}}-এর নিম্ন ভর এবং নিম্ন-শক্তির মিথস্ক্রিয়াগুলোকে একটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙে যাওয়া কাইরাল প্রতিসাম্যের প্রতিফলন হিসেবে বোঝা যেতে পারে, যা আপ (up) এবং ডাউন (down) কোয়ার্কগুলো ভরহীন হলে নিখুঁত হতো। তাঁর প্রস্তাব ছিল যে, {{w|কুপার জোড়া|কুপার জোড়ার}} মতোই শূন্যস্থানে (vacuum) হালকা কোয়ার্কগুলো ঘনীভূত হয়। যখন এটি ঘটে, তখন এই 'লুকানো' কাইরাল প্রতিসাম্য পায়নের ভরকে শূন্য করে দেয় এবং প্রোটন, নিউট্রন ও একে অপরের সাথে তাদের নিম্ন-শক্তির [[সবল মিথস্ক্রিয়া|সংযুক্তি]] (coupling) নির্ধারণ করে দেয়। ** {{w|John Ellis}}, {{w|Mary K. Gaillard}}, এবং {{w|Dimitri V. Nanopoulos}}, {{cite journal|journal=arXiv|url=https://arxiv.org/abs/1201.6045|journal=arXiv:1201.6045v1|pages=1–22|year=2012|title=A Historical Profile of the Higgs Boson}} (পৃষ্ঠা ৩ থেকে উদ্ধৃত) * ইয়োশিরো নাম্বু ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী তাত্ত্বিক পদার্থবিদ। তাঁর গভীর এবং অপ্রত্যাশিত অন্তর্দৃষ্টিগুলো বুঝতে এবং পুরোপুরি উপলব্ধি করতে অন্যদের প্রায়ই বহু বছর সময় লেগে যেত। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: [[স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন|স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন]], যার জন্য তাঁকে ২০০৮ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের অর্ধেক দেওয়া হয়েছিল; [[w:Quark|কোয়ার্ক]] ও [[w:Gluon|গ্লুয়ন]] তত্ত্ব; এবং [[স্ট্রিং থিওরি]]। ** [[w:Michael Turner (cosmologist)|Michael S. Turner]] in: {{cite journal|title=Yoichiro Nambu (1921–2015)|journal=Nature|volume=524|pages=416|date=27 August 2015|doi=10.1038/524416a|url=https://www.nature.com/articles/524416a}} == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স}} {{DEFAULTSORT:নাম্বু, ইয়োশিরো}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯২১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:জাপানি পদার্থবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন পদার্থবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:টোকিওর ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:জাপানের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:উলফ প্রাইজ বিজয়ী পদার্থবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] 6169lvqqf7hrpxyyb8w0q33oew9l48w 81876 81867 2026-04-28T07:16:17Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 81876 wikitext text/x-wiki [[File:YoichiroNambu.jpg|thumb|কোনো সংগঠিত নীতি ব্যতিরেকে কণিকাসমূহের এমন বিশাল সংগ্রহ অবিন্যস্ত বলে মনে হয়, এবং এগুলো সবকটিই মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা তাদের ক্ষুব্ধ করে যারা এই বিশ্বাস অথবা অন্তত এই প্রবল ইচ্ছা পোষণ করেন যে [[প্রকৃতি]] হবে সরল।]] '''[[w:ইয়োইচিরো নাম্বু|ইয়োশিরো নাম্বু]]''' (南部 陽一郎 Nambu Yōichirō, ১৮ জানুয়ারি ১৯২১ – ৫ জুলাই ২০১৫) ছিলেন একজন জাপানি-আমেরিকান [[পদার্থবিদ]] এবং [[w:শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়|শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অধ্যাপক। তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য তিনি পরিচিত। উপপারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানে [[স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন|স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন]] এ প্রক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য ২০০৮ সালে তাঁকে [[w:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের]] অর্ধেক প্রদান করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি প্রথমে [[সবল মিথস্ক্রিয়া|সবল মিথস্ক্রিয়ার]] [[w:কাইরাল প্রতিসাম্যের|কাইরাল প্রতিসাম্যের]] সাথে এবং পরবর্তীতে [[w:তড়িৎ-দুর্বল মিথস্ক্রিয়া|তড়িৎ-দুর্বল মিথস্ক্রিয়া]] ও [[w:হিগস মেকানিজমের|হিগস মেকানিজমের]] সাথে সম্পর্কিত বলে প্রমাণিত হয়। == উক্তি == * [[কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্স|কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্সে]] পরিচিত ধারণা এবং কৌশলগুলো [[w:বারডিন-কুপার-শ্রিফার অতিপরিবাহিতা তত্ত্বে|বারডিন-কুপার-শ্রিফার অতিপরিবাহিতা তত্ত্বে]] প্রয়োগ করা হয়েছে। হার্ট্রি-ফক ক্ষেত্রের সাধারণীকরণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি অনুমানে, একটি [[w:অখণ্ড সমীকরণ|অখণ্ড সমীকরণ]] লেখা সম্ভব যা ফোনন এবং কুলম্ব মিথস্ক্রিয়া সহ একটি [[w:ইলেকট্রন গ্যাসে|ইলেকট্রন গ্যাসে]] ইলেকট্রনের [[w:নিজ-শক্তি|নিজ-শক্তি]] সংজ্ঞায়িত করে। এই সমীকরণের রূপটি একটি বিশেষ সমাধানের অস্তিত্বের ইঙ্গিত দেয় যা [[w:পার্টারবেশন তত্ত্ব|পার্টারবেশন তত্ত্ব]] থেকে আসে না, এবং যা [[w:শক্তি পার্থক্য|শক্তি পার্থক্য]] সমীকরণ এবং [[w:বোগোলিউবভ|বোগোলিউবভ]] এ অনুরূপ [[w:কোয়াসি-পার্টিকেল|কোয়াসি-পার্টিকেল]] চিত্রের দিকে পরিচালিত করে। ** {{cite journal|title=Quasi-particles and gauge invariance in the theory of superconductivity|journal=Physical Review|volume=117|issue=3|date=February 1960|pages=648–663|doi=10.1103/PhysRev.117.648}} * [[w:হ্যাড্রন|হ্যাড্রন]] এ বিশাল সংখ্যাধিক্যের কারণেই [[w:Quark model|কোয়ার্ক মডেলের]] সূত্রপাত ঘটেছিল। কোনো সংগঠিত নীতি ব্যতিরেকে কণিকাসমূহের এমন বিশাল সংগ্রহ অবিন্যস্ত বলে মনে হয়, এবং এগুলো সবকটিই মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা তাদের ক্ষুব্ধ করে যারা এই বিশ্বাস-অথবা অন্তত এই প্রবল ইচ্ছা-পোষণ করেন যে [[প্রকৃতি]] হবে সরল। ** [https://www.jstor.org/stable/24950482?seq=1#page_scan_tab_contents "The confinement of quarks."] Scientific American 235, no. 5 (1976): 48–63. == নাম্বু সম্পর্কে উক্তি == * পদার্থবিজ্ঞানে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙনের ধারণাটি ১৯৬০ সালে নাম্বু প্রবর্তন করেন। তিনি প্রস্তাব করেছিলেন যে, {{w|পায়ন|পায়ন}} এ নিম্ন ভর এবং নিম্ন-শক্তির মিথস্ক্রিয়াগুলোকে একটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙে যাওয়া কাইরাল প্রতিসাম্যের প্রতিফলন হিসেবে বোঝা যেতে পারে, যা আপ এবং ডাউন কোয়ার্কগুলো ভরহীন হলে নিখুঁত হতো। তাঁর প্রস্তাব ছিল যে, {{w|কুপার জোড়া|কুপার জোড়ার}} মতোই শূন্যস্থানে হালকা কোয়ার্কগুলো ঘনীভূত হয়। যখন এটি ঘটে, তখন এই 'লুকানো' কাইরাল প্রতিসাম্য পায়নের ভরকে শূন্য করে দেয় এবং প্রোটন, নিউট্রন ও একে অপরের সাথে তাদের নিম্ন-শক্তির [[সবল মিথস্ক্রিয়া|সংযুক্তি]] (coupling) নির্ধারণ করে দেয়। ** {{w|John Ellis}}, {{w|Mary K. Gaillard}}, এবং {{w|Dimitri V. Nanopoulos}}, {{cite journal|journal=arXiv|url=https://arxiv.org/abs/1201.6045|journal=arXiv:1201.6045v1|pages=1–22|year=2012|title=A Historical Profile of the Higgs Boson}} (পৃষ্ঠা ৩ থেকে উদ্ধৃত) * ইয়োশিরো নাম্বু ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী তাত্ত্বিক পদার্থবিদ। তাঁর গভীর এবং অপ্রত্যাশিত অন্তর্দৃষ্টিগুলো বুঝতে এবং পুরোপুরি উপলব্ধি করতে অন্যদের প্রায়ই বহু বছর সময় লেগে যেত। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: [[স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন|স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাঙন]], যার জন্য তাঁকে ২০০৮ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের অর্ধেক দেওয়া হয়েছিল; [[w:Quark|কোয়ার্ক]] ও [[w:Gluon|গ্লুয়ন]] তত্ত্ব; এবং [[স্ট্রিং থিওরি]]। ** [[w:Michael Turner (cosmologist)|Michael S. Turner]] in: {{cite journal|title=Yoichiro Nambu (1921–2015)|journal=Nature|volume=524|pages=416|date=27 August 2015|doi=10.1038/524416a|url=https://www.nature.com/articles/524416a}} == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স}} {{DEFAULTSORT:নাম্বু, ইয়োশিরো}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯২১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:জাপানি পদার্থবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন পদার্থবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:টোকিওর ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:জাপানের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:উলফ প্রাইজ বিজয়ী পদার্থবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] ds62otdtzqusshze9cqfs2fc40ti8xr ব্যবহারকারী:Rabbi1677/খেলাঘর 2 13804 81868 2026-04-28T07:00:19Z Rabbi1677 5749 Rip Advance Gaming 81868 wikitext text/x-wiki মাত্র কিছুদিন আগে আমাদের সবার প্রিয় মুজাহিদ মিল্লাদ ( Advance Gaming) মালেশিয়ায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় | মিল্লাদের চলে যাওয়ায় তার মা-বাবা এবং আত্মীয়-স্বজন যে শূন্যতার সম্মুখীন হয়েছেন, তা কখনোই পূরণ হওয়ার নয়। প্রবাসে থাকাকালীন সন্তানদের জন্য বাবা-মায়ের যে উৎকণ্ঠা থাকে, সেই আশঙ্কাই আজ তাদের সামনে এক নিষ্ঠুর সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। q5hn2f3tyd1swivybzvzkoccd5yn75a 81870 81868 2026-04-28T07:06:25Z Rabbi1677 5749 Rip Advance Gaming 81870 wikitext text/x-wiki [https://m.youtube.com/@Advance_Gaming_0/posts Rip Advance Gaming] 9u3q6z8qbh6otcyxef93i35mpblwsdj 81874 81870 2026-04-28T07:12:42Z Rabbi1677 5749 পাতা খালি করা হয়েছে 81874 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 মেওয়াত 0 13805 81871 2026-04-28T07:06:25Z Tuhin 172 + 81871 wikitext text/x-wiki '''[[w:মেওয়াত|মেওয়াত]]''' হলো উত্তর-পশ্চিম ভারতের হরিয়ানা এবং রাজস্থান রাজ্যের একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল। মেওয়াতের সুনির্দিষ্ট সীমানা নির্ধারিত নেই, তবে সাধারণত এর মধ্যে হরিয়ানার হাথিন তহশিল ও নুহ জেলা, রাজস্থানের আলওয়ার (তিজারা, কিষাণগড়, বাস, রামগড়, লক্ষ্মণগড় তহশিল এবং আরাবল্লী পর্বত এলাকা) ও ভরতপুর জেলা (পাহাড়ী, নগর ও কামান তহশিল) এবং উত্তর প্রদেশের মথুরা জেলার ছাতা তহশিল অন্তর্ভুক্ত। এই অঞ্চলটি মোটামুটিভাবে খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত প্রাচীন মৎস্য রাজ্যের সাথে মিলে যায়। এই অঞ্চলের গ্রামীণ এলাকায় হিন্দির একটি রূপ মেওয়াতি উপভাষা প্রচলিত, যা হরিয়ানভি ও রাজস্থানি উপভাষার সাথে অনেকটা সাদৃশ্যপূর্ণ। মেওয়াতি ঘরানা ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের একটি স্বতন্ত্র শৈলী। == উক্তি == * বিশেষ করে দিল্লি সালতানাত খুব কমই একটি কার্যকরী সাম্রাজ্য ছিল... দিল্লির দক্ষিণে মেওয়াত অঞ্চলে শূদ্ররা সুলতানদের বিরুদ্ধে অবিরাম প্রতিরোধের নেতৃত্ব দিয়েছিল এবং বনের ভেতর লুকিয়ে থেকে গেরিলা অভিযান পরিচালনা করত। সুলতান নাসিরুদ্দিন এবং বলবনকে এই জনসংখ্যার একটি বড় অংশকে খুঁজে বের করে বলপূর্বক ধর্মান্তরিত করার আগে বন জঙ্গল পরিষ্কার করতে হয়েছিল... ** কে. এস. লাল; এলস্ট, কোয়েনরাড (২০০১)। ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড: আইডিওলজিক্যাল ডেভেলপমেন্ট অফ হিন্দু রিভাইভালিজম। নিউ দিল্লি: রূপা। পৃ. ৪০২-৪০৪-এ উদ্ধৃত। * ১২৫৬ সালে উলুগ খান বলবন সিরমুরে ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ চালিয়েছিলেন এবং ‘এত বিপুল সংখ্যক বিদ্রোহী হিন্দু নিহত হয়েছিল যে সেই সংখ্যা গণনা বা বর্ণনা করা সম্ভব নয়।’ ১২৫৯ সালে রণথম্ভোর আক্রমণ করা হয় এবং ‘সেখানকার অনেক সাহসী যোদ্ধাকে নরকে পাঠানো হয়।’ ১২৬০ সালে মেওয়াতের শাস্তিমূলক অভিযানে ‘ইসলামের সৈন্যদের নির্দয় তলোয়ারের নিচে অসংখ্য হিন্দু প্রাণ হারায়।’ একই বছর হরিয়ানায় ১২,০০০ পুরুষ, নারী ও শিশুকে তলোয়ারের আঘাতে হত্যা করা হয়। ** কে. এস. লাল। ইন্ডিয়ান মুসলিমস: হু আর দে (১৯৯০) * এই জায়গাতেই তিনি [ইলিয়াস] প্রথম মেওয়াতিদের সংস্পর্শে আসেন... এই অশিক্ষিত মানুষগুলো সুপরিচিত সুফি হযরত নিজামুদ্দিন আউলিয়া এবং তার বংশধরদের প্রচেষ্টায় ব্যাপক হারে ইসলাম গ্রহণ করেছিল। কিন্তু ব্যবহারিক জীবনে তারা ইসলাম থেকে অনেক দূরে ছিল... তারা তাদের হিন্দু নাম বজায় রেখেছিল,... তারা সমস্ত হিন্দু উৎসব পালন করত এবং ইসলাম-পূর্ব দেব-দেবীদের উদ্দেশ্যে বলিদান করত... ১৯২১ সালে নতুন সমস্যার সৃষ্টি হয় যখন আর্য সমাজ [[ধর্মপ্রচার|প্রচারকরা]] ভারতীয় মুসলমানদের তাদের পূর্বপুরুষের ধর্মে পুনরায় ফিরিয়ে নেওয়ার সংকল্প করেন। মেওদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক দৈন্যদশার কারণে আর্য প্রচারকদের ব্যাপক কার্যক্রম দারুণ সাফল্য পায়। এই সমস্যার সমাধান ছিল তাদের ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া যাতে তারা কোনো ক্ষতিকর প্রভাবে নতি স্বীকার না করে... মাওলানা যেভাবে দেখেছিলেন, এই সমস্যার একমাত্র সমাধান ছিল তাদের পরিবেশ থেকে আলাদা করা... তারা তাদের [[পোশাক|পোশাকের ধরন]] পরিবর্তন করে এবং [[দাড়ি]] রাখতে শুরু করে, তাদের ইসলাম-পূর্ব প্রায় সব [[রীতিনীতি|রীতিনীতি]] একে একে ঝেড়ে ফেলে যা তারা ধর্মান্তরিত হওয়ার পরও ধরে রেখেছিল... ** [[w:ওয়াহিদুদ্দিন খান|মাওলানা ওয়াহিদুদ্দিন খান]], তবলিগ মুভমেন্ট, আল রিসালা বুকস, ইসলামিক সেন্টার, নিজামুদ্দিন, নিউ দিল্লি, ১৯৯৪ পৃ. ৫-১২ * হিন্দুয়ানি পোশাকের প্রতি একটি অপছন্দ তৈরি করা হয়েছিল এবং মানুষ [[শরীয়ত|শরীয়তের]] নির্দেশনা অনুযায়ী পোশাক পরতে শুরু করে। পুরুষদের হাত থেকে ব্রেসলেট এবং কান থেকে আংটি খুলে ফেলা হয়... ** মাওলানা ইলিয়াস এবং তবলিগ কর্মীদের প্রচেষ্টায় মেওয়াত অঞ্চলে আসা পরিবর্তনগুলোর বর্ণনা। ** আবুল হাসান আলী নদভী, লাইফ অ্যান্ড মিশন অফ মাওলানা মোহাম্মদ ইলিয়াস, লক্ষ্ণৌ, ১৯৮৩, পৃ. ৪০। শাইল মায়ারাম, রেজিস্টিং রেজিমস: মিথ, মেমোরি অ্যান্ড দ্য শেপিং অফ এ মুসলিম আইডেন্টিটি-তে উদ্ধৃত। * আরেকজন তবলিগি, মুহাম্মদ আব্দুল শাকুর, মুসলমানদের মধ্যে হিন্দু রীতিনীতির প্রচলনের বিরুদ্ধে আরও বেশি কঠোর ছিলেন। তিনি হিন্দুদের ধুতি, ঘাগরা এবং আঙ্গিয়ার মতো বর্বর পোশাকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং “কুর্তা, আমামা, কুর্টি, পাজামা এবং ওড়না” পরার পক্ষে মত দেন। তিনি মুসলমানদের পালিত হিন্দু বিবাহ রীতিনীতিকে আক্রমণ করেন এবং নারীদের মুখ না ঢেকে বিয়েতে অংশ নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেন। তিনি নারীদের পর্দা পালনের ওপর জোর দেন এবং এটি দেখে স্তম্ভিত হন যে মাহমুদ গজনভির অভিযানের সময় ধর্মান্তরিত হওয়ার এক হাজার বছর পরেও ভারতীয় মুসলমানরা হিন্দুদের মতো জীবনযাপন করছে। পরিশেষে তিনি প্রবীণ মেওয়াতি মুসলমানদের এই বলে আহ্বান জানান: “ওহে মুসলমানরা, মেওয়াতের বয়োজ্যেষ্ঠরা, আমি বন্ধু হিসেবে আপনাদের কাছে তবলিগি দায়িত্ব পালন করতে আবেদন করছি যে হিন্দুদের সমস্ত পৌত্তলিক এবং অবৈধ রীতিনীতি ত্যাগ করুন... ইসলাম সমস্ত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আচরণের নিয়ম ঠিক করে দিয়েছে... সেগুলো অনুসরণ করুন।” ** লাল, কে. এস. (১৯৯২)। দ্য লেগাসি অফ মুসলিম রুল ইন ইন্ডিয়া। নিউ দিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৮। * উলুগ খান বলবন একটি বিশাল বাহিনী নিয়ে রণথম্ভোর, মেওয়াত এবং শিবালিক অঞ্চলে অভিযানে বের হন। তিনি ঘোষণা করেন যে, কোনো সৈনিক যদি একজন জীবিত বন্দীকে আনতে পারে তবে তাকে দুটি রূপার তঙ্কা পুরস্কার দেওয়া হবে এবং যে কোনো মৃত বন্দীর মাথা আনবে তাকে একটি রূপার তঙ্কা দেওয়া হবে। শীঘ্রই তিন থেকে চারশ জীবিত এবং মৃত বন্দীকে তার সামনে আনা হয়। ** মিনহাজ; [[এলিয়ট অ্যান্ড ডাউসন]], ২, ৩৪৮, ৩৬৭, ৩৭১, ৩৮০-৮১। লাল, কে. এস. (১৯৯৪)। মুসলিম স্লেভ সিস্টেম ইন মিডিয়াভ্যাল ইন্ডিয়া, অধ্যায় ৫ এ উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারত]] f9jo3rewikxny7z5t6vs5u2l9ik8kla শরীয়ত 0 13806 81872 2026-04-28T07:07:06Z Tuhin 172 [[শরিয়ত]]-এ পুনর্নির্দেশ করা হল 81872 wikitext text/x-wiki #পুননির্দেশ [[শরিয়ত]] lmt459tr5ekxhmidyz6g04wdc2wu16t আলাপ:মেওয়াত 1 13807 81873 2026-04-28T07:08:55Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81873 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ব্যবহারকারী আলাপ:Rabbi1677 3 13808 81875 2026-04-28T07:13:02Z অভ্যর্থনা কমিটি বট 1112 উইকিউক্তিতে স্বাগত! 81875 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Rabbi1677,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ০৭:১৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) eb9isxn6wx2ae8ki951rh07vfnpj3zr দাড়ি 0 13809 81877 2026-04-28T07:24:13Z Tuhin 172 + 81877 wikitext text/x-wiki [[File:Baba in Nepal.jpg|thumb|গোটি এবং গোঁফবিশিষ্ট একজন হিন্দু সাধু]] '''[[w:দাড়ি|দাড়ি]]''' হলো সেই চুল যা মানুষের চিবুক, গাল, ঘাড় এবং ওপরের ঠোঁটের উপরের অংশে গজায়। {{থিম-অসম্পূর্ণ}} == উৎসসহ == * দাড়ি, বিশেষ্য। সেই চুল যা সাধারণত তারা কেটে ফেলে যারা চীনাদের মাথা কামানোর কিম্ভুতকিমাকার প্রথাকে তীব্রভাবে ঘৃণা করে। ** [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]], ‘দ্য সিনিকস ডিকশনারি’ (১৯০৬); যা পরে ‘দ্য ডেভিলস ডিকশনারি’ (১৯১১) নামে পুনরায় প্রকাশিত হয়। * তিনি হরেক রকম ছদ্মবেশ নিয়েছিলেন। এক সময় তিনি এমনকি তার গোঁফ কেটে ফেলার চিন্তাও করেছিলেন; যা হতো “সবচেয়ে নিষ্ঠুর বিচ্ছেদ”। ** [[লেটিটিয়া এলিজাবেথ ল্যান্ডন]], ‘[[রোমান্স অ্যান্ড রিয়েলিটি]]’ (১৮৩১), ৩য় খণ্ড, ১৪ অধ্যায়। * তোমরা তোমাদের মাথার ধারের চুল গোল করে কাটবে না এবং তোমরা তোমাদের দাড়ির ধারের চুল নষ্ট করবে না। ** [[লেভিটিকাস]], ১৯:২৭ * এটি সবসময় একই রকম: কেউ যদি প্রথার বিরোধী হয় তবে সেটি ভাঙার একমাত্র উপায় হিসেবে সে নতুন আরেকটি প্রথা বেছে নেয়; ফলে যখন সবাই দাড়ি কামিয়ে ফেলে তখন সে দাড়ি রাখে, আবার যখন দাড়ি রাখার চল হয় তখন সে দাড়ি কামিয়ে ফেলে। সে আসলে এক প্রথা থেকে অন্য প্রথায় বদলায় মাত্র। ** [[হোর্হে লুইস বোর্হেস]], [[w:রিতা গুইবার্ট|রিতা গুইবার্টের]] সাথে আলাপকালে, ১৯৬৮। * যার দাড়ি আছে সে যুবকের চেয়ে বেশি কিছু; আর যার দাড়ি নেই সে পুরুষের চেয়ে কম কিছু। ** '''বিয়াট্রিস''', [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের]] ‘মাচ অ্যাডো অ্যাবাউট নাথিং’ নাটক থেকে, ২য় অঙ্ক, ১ম দৃশ্য। == ব্ল্যাকঅ্যাডার == * '''এডমন্ড:''' [দাড়িওয়ালা মহিলাকে উদ্দেশ্য করে] চমৎকার। আমাদের হাতে মাত্র একটিই প্রদর্শনী আছে, আর সেও কি না তার দাড়ি কামিয়ে ফেলেছে! ** ব্ল্যাকঅ্যাডার * [লর্ড ফ্ল্যাশহার্ট বালড্রিককে দেখে মাথা নাড়ছেন, যে কনের সহচরী সেজেছে] '''ফ্ল্যাশহার্ট:''' ধন্যবাদ, ব্রাইডসমেড! দাড়িটা খাসা! আমার অন্তত কিছু একটা ধরে ঝুলে থাকার জায়গা হলো! ** ব্ল্যাকঅ্যাডার ২ * '''বালড্রিক:''' হ্যাঁ, আর আমার চরিত্রে দাড়িওয়ালা কোনো ক্ষুদ্র স্তনবিশিষ্ট মানুষ অভিনয় করতে পারে। ** ব্ল্যাকঅ্যাডার ৩ * '''বর্ণনাকারী:''' [বালড্রিকের পরিচয় দিচ্ছে] অন্যজন ছিল এক শূকর খামারি এবং এক দাড়িওয়ালা মহিলার দুর্ভাগ্যজনক মিলনের একমাত্র বংশধর। ইতিহাস, বেশ সঙ্গত কারণেই, তার নাম ভুলে গেছে। ** ব্ল্যাকঅ্যাডার == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিশনারি|দাড়ি}} [[বিষয়শ্রেণী:শারীরস্থান]] pgpm1tn04w0it9mrlmhw93vvjq2029v 81884 81877 2026-04-28T07:44:05Z Tuhin 172 81884 wikitext text/x-wiki [[File:Baba in Nepal.jpg|thumb|গোটি এবং গোঁফবিশিষ্ট একজন হিন্দু সাধু]] '''[[w:দাড়ি|দাড়ি]]''' হলো সেই চুল যা মানুষের চিবুক, গাল, ঘাড় এবং ওপরের ঠোঁটের উপরের অংশে গজায়। {{অসম্পূর্ণ}} == উৎসসহ == * দাড়ি, বিশেষ্য। সেই চুল যা সাধারণত তারা কেটে ফেলে যারা চীনাদের মাথা কামানোর কিম্ভুতকিমাকার প্রথাকে তীব্রভাবে ঘৃণা করে। ** [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]], ‘দ্য সিনিকস ডিকশনারি’ (১৯০৬); যা পরে ‘দ্য ডেভিলস ডিকশনারি’ (১৯১১) নামে পুনরায় প্রকাশিত হয়। * তিনি হরেক রকম ছদ্মবেশ নিয়েছিলেন। এক সময় তিনি এমনকি তার গোঁফ কেটে ফেলার চিন্তাও করেছিলেন; যা হতো “সবচেয়ে নিষ্ঠুর বিচ্ছেদ”। ** [[লেটিটিয়া এলিজাবেথ ল্যান্ডন]], ‘[[রোমান্স অ্যান্ড রিয়েলিটি]]’ (১৮৩১), ৩য় খণ্ড, ১৪ অধ্যায়। * তোমরা তোমাদের মাথার ধারের চুল গোল করে কাটবে না এবং তোমরা তোমাদের দাড়ির ধারের চুল নষ্ট করবে না। ** [[লেভিটিকাস]], ১৯:২৭ * এটি সবসময় একই রকম: কেউ যদি প্রথার বিরোধী হয় তবে সেটি ভাঙার একমাত্র উপায় হিসেবে সে নতুন আরেকটি প্রথা বেছে নেয়; ফলে যখন সবাই দাড়ি কামিয়ে ফেলে তখন সে দাড়ি রাখে, আবার যখন দাড়ি রাখার চল হয় তখন সে দাড়ি কামিয়ে ফেলে। সে আসলে এক প্রথা থেকে অন্য প্রথায় বদলায় মাত্র। ** [[হোর্হে লুইস বোর্হেস]], [[w:রিতা গুইবার্ট|রিতা গুইবার্টের]] সাথে আলাপকালে, ১৯৬৮। * যার দাড়ি আছে সে যুবকের চেয়ে বেশি কিছু; আর যার দাড়ি নেই সে পুরুষের চেয়ে কম কিছু। ** '''বিয়াট্রিস''', [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের]] ‘মাচ অ্যাডো অ্যাবাউট নাথিং’ নাটক থেকে, ২য় অঙ্ক, ১ম দৃশ্য। == ব্ল্যাকঅ্যাডার == * '''এডমন্ড:''' [দাড়িওয়ালা মহিলাকে উদ্দেশ্য করে] চমৎকার। আমাদের হাতে মাত্র একটিই প্রদর্শনী আছে, আর সেও কি না তার দাড়ি কামিয়ে ফেলেছে! ** ব্ল্যাকঅ্যাডার * [লর্ড ফ্ল্যাশহার্ট বালড্রিককে দেখে মাথা নাড়ছেন, যে কনের সহচরী সেজেছে] '''ফ্ল্যাশহার্ট:''' ধন্যবাদ, ব্রাইডসমেড! দাড়িটা খাসা! আমার অন্তত কিছু একটা ধরে ঝুলে থাকার জায়গা হলো! ** ব্ল্যাকঅ্যাডার ২ * '''বালড্রিক:''' হ্যাঁ, আর আমার চরিত্রে দাড়িওয়ালা কোনো ক্ষুদ্র স্তনবিশিষ্ট মানুষ অভিনয় করতে পারে। ** ব্ল্যাকঅ্যাডার ৩ * '''বর্ণনাকারী:''' [বালড্রিকের পরিচয় দিচ্ছে] অন্যজন ছিল এক শূকর খামারি এবং এক দাড়িওয়ালা মহিলার দুর্ভাগ্যজনক মিলনের একমাত্র বংশধর। ইতিহাস, বেশ সঙ্গত কারণেই, তার নাম ভুলে গেছে। ** ব্ল্যাকঅ্যাডার == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিশনারি|দাড়ি}} [[বিষয়শ্রেণী:শারীরস্থান]] jmsridllevvncoia9vtk8fbpjux8fjl 81885 81884 2026-04-28T07:44:27Z Tuhin 172 81885 wikitext text/x-wiki [[File:Baba in Nepal.jpg|thumb|গোটি এবং গোঁফবিশিষ্ট একজন হিন্দু সাধু]] '''[[w:দাড়ি|দাড়ি]]''' হলো সেই চুল যা মানুষের চিবুক, গাল, ঘাড় এবং ওপরের ঠোঁটের উপরের অংশে গজায়। {{থিম-অসম্পূর্ণ}} == উৎসসহ == * দাড়ি, বিশেষ্য। সেই চুল যা সাধারণত তারা কেটে ফেলে যারা চীনাদের মাথা কামানোর কিম্ভুতকিমাকার প্রথাকে তীব্রভাবে ঘৃণা করে। ** [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]], ‘দ্য সিনিকস ডিকশনারি’ (১৯০৬); যা পরে ‘দ্য ডেভিলস ডিকশনারি’ (১৯১১) নামে পুনরায় প্রকাশিত হয়। * তিনি হরেক রকম ছদ্মবেশ নিয়েছিলেন। এক সময় তিনি এমনকি তার গোঁফ কেটে ফেলার চিন্তাও করেছিলেন; যা হতো “সবচেয়ে নিষ্ঠুর বিচ্ছেদ”। ** [[লেটিটিয়া এলিজাবেথ ল্যান্ডন]], ‘[[রোমান্স অ্যান্ড রিয়েলিটি]]’ (১৮৩১), ৩য় খণ্ড, ১৪ অধ্যায়। * তোমরা তোমাদের মাথার ধারের চুল গোল করে কাটবে না এবং তোমরা তোমাদের দাড়ির ধারের চুল নষ্ট করবে না। ** [[লেভিটিকাস]], ১৯:২৭ * এটি সবসময় একই রকম: কেউ যদি প্রথার বিরোধী হয় তবে সেটি ভাঙার একমাত্র উপায় হিসেবে সে নতুন আরেকটি প্রথা বেছে নেয়; ফলে যখন সবাই দাড়ি কামিয়ে ফেলে তখন সে দাড়ি রাখে, আবার যখন দাড়ি রাখার চল হয় তখন সে দাড়ি কামিয়ে ফেলে। সে আসলে এক প্রথা থেকে অন্য প্রথায় বদলায় মাত্র। ** [[হোর্হে লুইস বোর্হেস]], [[w:রিতা গুইবার্ট|রিতা গুইবার্টের]] সাথে আলাপকালে, ১৯৬৮। * যার দাড়ি আছে সে যুবকের চেয়ে বেশি কিছু; আর যার দাড়ি নেই সে পুরুষের চেয়ে কম কিছু। ** '''বিয়াট্রিস''', [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের]] ‘মাচ অ্যাডো অ্যাবাউট নাথিং’ নাটক থেকে, ২য় অঙ্ক, ১ম দৃশ্য। == ব্ল্যাকঅ্যাডার == * '''এডমন্ড:''' [দাড়িওয়ালা মহিলাকে উদ্দেশ্য করে] চমৎকার। আমাদের হাতে মাত্র একটিই প্রদর্শনী আছে, আর সেও কি না তার দাড়ি কামিয়ে ফেলেছে! ** ব্ল্যাকঅ্যাডার * [লর্ড ফ্ল্যাশহার্ট বালড্রিককে দেখে মাথা নাড়ছেন, যে কনের সহচরী সেজেছে] '''ফ্ল্যাশহার্ট:''' ধন্যবাদ, ব্রাইডসমেড! দাড়িটা খাসা! আমার অন্তত কিছু একটা ধরে ঝুলে থাকার জায়গা হলো! ** ব্ল্যাকঅ্যাডার ২ * '''বালড্রিক:''' হ্যাঁ, আর আমার চরিত্রে দাড়িওয়ালা কোনো ক্ষুদ্র স্তনবিশিষ্ট মানুষ অভিনয় করতে পারে। ** ব্ল্যাকঅ্যাডার ৩ * '''বর্ণনাকারী:''' [বালড্রিকের পরিচয় দিচ্ছে] অন্যজন ছিল এক শূকর খামারি এবং এক দাড়িওয়ালা মহিলার দুর্ভাগ্যজনক মিলনের একমাত্র বংশধর। ইতিহাস, বেশ সঙ্গত কারণেই, তার নাম ভুলে গেছে। ** ব্ল্যাকঅ্যাডার == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিশনারি|দাড়ি}} [[বিষয়শ্রেণী:শারীরস্থান]] pgpm1tn04w0it9mrlmhw93vvjq2029v 81886 81885 2026-04-28T07:46:22Z Tuhin 172 81886 wikitext text/x-wiki [[File:Baba in Nepal.jpg|thumb|গোটি এবং গোঁফবিশিষ্ট একজন হিন্দু সাধু]] '''[[w:দাড়ি|দাড়ি]]''' হলো সেই চুল যা মানুষের চিবুক, গাল, ঘাড় এবং ওপরের ঠোঁটের উপরের অংশে গজায়। {{অসম্পূর্ণ}} == উৎসসহ == * দাড়ি, বিশেষ্য। সেই চুল যা সাধারণত তারা কেটে ফেলে যারা চীনাদের মাথা কামানোর কিম্ভুতকিমাকার প্রথাকে তীব্রভাবে ঘৃণা করে। ** [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]], ‘দ্য সিনিকস ডিকশনারি’ (১৯০৬); যা পরে ‘দ্য ডেভিলস ডিকশনারি’ (১৯১১) নামে পুনরায় প্রকাশিত হয়। * তিনি হরেক রকম ছদ্মবেশ নিয়েছিলেন। এক সময় তিনি এমনকি তার গোঁফ কেটে ফেলার চিন্তাও করেছিলেন; যা হতো “সবচেয়ে নিষ্ঠুর বিচ্ছেদ”। ** [[লেটিটিয়া এলিজাবেথ ল্যান্ডন]], ‘[[রোমান্স অ্যান্ড রিয়েলিটি]]’ (১৮৩১), ৩য় খণ্ড, ১৪ অধ্যায়। * তোমরা তোমাদের মাথার ধারের চুল গোল করে কাটবে না এবং তোমরা তোমাদের দাড়ির ধারের চুল নষ্ট করবে না। ** [[লেভিটিকাস]], ১৯:২৭ * এটি সবসময় একই রকম: কেউ যদি প্রথার বিরোধী হয় তবে সেটি ভাঙার একমাত্র উপায় হিসেবে সে নতুন আরেকটি প্রথা বেছে নেয়; ফলে যখন সবাই দাড়ি কামিয়ে ফেলে তখন সে দাড়ি রাখে, আবার যখন দাড়ি রাখার চল হয় তখন সে দাড়ি কামিয়ে ফেলে। সে আসলে এক প্রথা থেকে অন্য প্রথায় বদলায় মাত্র। ** [[হোর্হে লুইস বোর্হেস]], [[w:রিতা গুইবার্ট|রিতা গুইবার্টের]] সাথে আলাপকালে, ১৯৬৮। * যার দাড়ি আছে সে যুবকের চেয়ে বেশি কিছু; আর যার দাড়ি নেই সে পুরুষের চেয়ে কম কিছু। ** '''বিয়াট্রিস''', [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের]] ‘মাচ অ্যাডো অ্যাবাউট নাথিং’ নাটক থেকে, ২য় অঙ্ক, ১ম দৃশ্য। == ব্ল্যাকঅ্যাডার == * '''এডমন্ড:''' [দাড়িওয়ালা মহিলাকে উদ্দেশ্য করে] চমৎকার। আমাদের হাতে মাত্র একটিই প্রদর্শনী আছে, আর সেও কি না তার দাড়ি কামিয়ে ফেলেছে! ** ব্ল্যাকঅ্যাডার * [লর্ড ফ্ল্যাশহার্ট বালড্রিককে দেখে মাথা নাড়ছেন, যে কনের সহচরী সেজেছে] '''ফ্ল্যাশহার্ট:''' ধন্যবাদ, ব্রাইডসমেড! দাড়িটা খাসা! আমার অন্তত কিছু একটা ধরে ঝুলে থাকার জায়গা হলো! ** ব্ল্যাকঅ্যাডার ২ * '''বালড্রিক:''' হ্যাঁ, আর আমার চরিত্রে দাড়িওয়ালা কোনো ক্ষুদ্র স্তনবিশিষ্ট মানুষ অভিনয় করতে পারে। ** ব্ল্যাকঅ্যাডার ৩ * '''বর্ণনাকারী:''' [বালড্রিকের পরিচয় দিচ্ছে] অন্যজন ছিল এক শূকর খামারি এবং এক দাড়িওয়ালা মহিলার দুর্ভাগ্যজনক মিলনের একমাত্র বংশধর। ইতিহাস, বেশ সঙ্গত কারণেই, তার নাম ভুলে গেছে। ** ব্ল্যাকঅ্যাডার == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিশনারি|দাড়ি}} [[বিষয়শ্রেণী:শারীরস্থান]] jmsridllevvncoia9vtk8fbpjux8fjl আলাপ:ইয়োইচিরো নাম্বু 1 13810 81878 2026-04-28T07:24:52Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81878 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ইয়ান মার্টেল 0 13811 81883 2026-04-28T07:43:48Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন নিবন্ধ 81883 wikitext text/x-wiki [[File:Yann martel 2007-10-25 Seattle WA USA.jpg|thumb|[[যুক্তি]] খাদ্য, বস্ত্র এবং আশ্রয় পাওয়ার জন্য চমৎকার। যুক্তি হলো সবচেয়ে সেরা সরঞ্জাম। বাঘকে দূরে রাখার জন্য যুক্তির চেয়ে ভালো কিছু নেই। কিন্তু অতিরিক্ত যুক্তিবাদী হতে গেলে আপনি হয়তো স্নানের জলের সাথে [[মহাবিশ্ব]]টাকেও বাইরে ফেলে দেওয়ার ঝুঁকি নেবেন।]] '''[[w:Yann Martel|ইয়ান মার্টেল]]''' (জন্ম: [[২৫ জুন]], [[১৯৬৩]]) একজন [[কানাডা|কানাডীয়]] [[w:author|লেখক]], যিনি তাঁর [[w:Man Booker Prize|ম্যান বুকার পুরস্কার]] বিজয়ী উপন্যাস ''[[w:Life of Pi|লাইফ অব পাই]]''-এর জন্য সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত। : আরও দেখুন: :: [[Life of Pi (film)|'''''লাইফ অব পাই''''' (চলচ্চিত্র)]] == উক্তি == === ''[[w:Life of Pi|লাইফ অব পাই]]'' (২০০১) === [[File:Tgeris,2009-1-10.jpg|thumb|right|আমাকে [[ভয়]] সম্পর্কে একটি কথা বলতেই হবে। এটি [[জীবন|জীবনের]] একমাত্র সত্যিকারের প্রতিপক্ষ। কেবল ভয়ই জীবনকে পরাজিত করতে পারে।]] :<small>অন্যথা উল্লেখ না থাকলে, পৃষ্ঠাসংখ্যাগুলো ২০০২ সালে টরন্টো থেকে প্রকাশিত ভিন্টেজ কানাডা সংস্করণকে নির্দেশ করে। {{ISBN|0-676-97377-9}}</small> * '''আমরা নাগরিকরা যদি আমাদের [[শিল্পী|শিল্পীদের]] সমর্থন না করি, তবে আমরা স্থূল [[বাস্তবতা|বাস্তবতার]] বেদীতে আমাদের [[কল্পনা|কল্পনাশক্তিকে]] বিসর্জন দিই এবং শেষ পর্যন্ত আমরা কোনো কিছুতেই [[বিশ্বাস]] করি না এবং মূল্যহীন [[স্বপ্ন]] নিয়ে বেঁচে থাকি।''' ** লেখকের নোট, পৃষ্ঠা xi * আমার কষ্ট আমাকে বিষণ্ণ ও ম্লান করে দিয়েছে। ** অধ্যায় ১, পৃষ্ঠা ৩ * বিজ্ঞানীরা একদল বন্ধুত্বপূর্ণ, [[নাস্তিকতা|নাস্তিক]], পরিশ্রমী এবং বিয়ার-প্রেমী মানুষ, যাদের মন যখন [[বিজ্ঞান]] নিয়ে ব্যস্ত থাকে না, তখন [[যৌনতা]], [[দাবা]] এবং বেসবল নিয়ে মগ্ন থাকে। ** অধ্যায় ১, পৃষ্ঠা ৫ * [[মৃত্যু]] কেন [[জীবন|জীবনের]] এত কাছাকাছি লেগে থাকে তার কারণ কোনো জৈবিক [[প্রয়োজনীয়তা]] নয়—বরং এটি ঈর্ষা। জীবন এতই সুন্দর যে মৃত্যু এর প্রেমে পড়ে গেছে; এক ধরনের ঈর্ষান্বিত, অধিকারপ্রবণ প্রেম যা যা পায় তাই আঁকড়ে ধরে। কিন্তু জীবন খুব সহজেই বিস্মৃতির অতলে ঝাঁপিয়ে পড়ে, কেবল নিরর্থক এক বা দুটি জিনিস হারিয়ে ফেলে, আর বিষণ্ণতা হলো মেঘের ছায়ার মতো যা দ্রুত চলে যায়। ** অধ্যায় ১, পৃষ্ঠা ৬ * বন্য প্রাণীরা এক ক্ষমাহীন সামাজিক স্তরবিন্যাসের মধ্যে বাধ্যবাধকতা এবং প্রয়োজনীয়তার জীবন কাটায়; এমন এক পরিবেশে যেখানে [[ভয়]] প্রচুর কিন্তু খাবারের সরবরাহ কম, এবং যেখানে প্রতিনিয়ত নিজেদের এলাকা রক্ষা করতে হয় এবং পরজীবীদের সহ্য করতে হয়। ** অধ্যায় ৪, পৃষ্ঠা ১৭ * জীবনের [[দর্শন]] হিসেবে [[সন্দেহ]]-কে বেছে নেওয়া অনেকটা যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে স্থবিরতাকে বেছে নেওয়ার মতো। ** অধ্যায় ৭, পৃষ্ঠা ৩১ * '''হিন্দুরা তাদের ভালোবাসার ক্ষমতার গুণে আসলে লোমহীন খ্রিস্টান, ঠিক যেমন মুসলমানরা সবকিছুর মধ্যে [[ঈশ্বর|ঈশ্বরকে]] দেখার ভঙ্গিতে আসলে দাড়িওয়ালা হিন্দু, আর খ্রিস্টানরা ঈশ্বরের প্রতি তাদের ভক্তির কারণে আসলে টুপি পরা মুসলমান।''' ** অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ৫৪-৫৫ * "[[মহাত্মা গান্ধী|বাপু গান্ধী]] বলেছিলেন, 'সব [[ধর্ম]] সত্য।' আমি শুধু ঈশ্বরকে ভালোবাসতে চাই," আমি এক নিশ্বাসে বলে ফেললাম এবং লজ্জায় মুখ লাল করে নিচের দিকে তাকালাম। ** অধ্যায় ২৩, পৃষ্ঠা ৭৬ * '''কারণ প্রকাশ্যে যা [[মন্দ]], তা আসলে ভেতর থেকেই বেরিয়ে আসা মন্দ। [[ভালো|ভালোর]] প্রধান যুদ্ধক্ষেত্র কোনো জনসমক্ষে উন্মুক্ত ময়দান নয়, বরং প্রতিটি [[হৃদয়|হৃদয়ের]] ছোট ছোট আঙিনা।''' ** অধ্যায় ২৫, পৃষ্ঠা ৭৮ * '''আমাকে [[ভয়]] সম্পর্কে একটি কথা বলতেই হবে। এটি জীবনের একমাত্র সত্যিকারের প্রতিপক্ষ। কেবল ভয়ই জীবনকে পরাজিত করতে পারে।''' ** অধ্যায় ৫৬, পৃষ্ঠা ১৭৮ * রিচার্ড পার্কারই আমাকে শান্ত করেছিল। এই গল্পের [[বিদ্রূপ|পরিহাস]] এই যে, যে প্রাণীটি শুরুতে আমাকে ভয় পাইয়ে মৃতপ্রায় করে ফেলেছিল, সেই প্রাণীটিই শেষ পর্যন্ত আমার জীবনে [[শান্তি]], [[উদ্দেশ্য]], এমনকি পূর্ণতা এনে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ৫৭, পৃষ্ঠা ১৭৯ * আমি দিন, সপ্তাহ বা মাসের হিসাব রাখিনি। [[সময়]] একটি বিভ্রম যা কেবল আমাদের হাঁপিয়ে তোলে। '''আমি বেঁচে ছিলাম কারণ আমি সময়ের ধারণাটুকুও ভুলে গিয়েছিলাম।''' ** অধ্যায় ৬৩, পৃষ্ঠা ২১২ * মুক্তি পাওয়া ছাড়া আমার সবচেয়ে বড় ইচ্ছা ছিল—একটি বই থাকা। ** অধ্যায় ৭৩, পৃষ্ঠা ২৩০ * ধর্মীয় বিশ্বাস প্রচারের এর চেয়ে ভালো কোনো উপায় আমি ভাবতে পারি না। কোনো গির্জার বেদী থেকে গর্জন নয়, মন্দ গির্জা থেকে কোনো নিন্দা নয়, কোনো সামাজিক চাপ নয়, কেবল একটি ধর্মগ্রন্থ নিঃশব্দে হ্যালো বলার জন্য অপেক্ষা করছে; যা একটি ছোট মেয়ের গালে চুমুর মতোই কোমল এবং শক্তিশালী। ** অধ্যায় ৭৩, পৃষ্ঠা ২৩০ * হতাশ ছিল এক গভীর অন্ধকার যা কোনো আলো ঢুকতে বা বের হতে দিত না। এটি ছিল বর্ণনাতীত এক নরক। আমি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই যে এটি সব সময় কেটে যেত। জালে একঝাঁক মাছ দেখা দিত অথবা কোনো একটি গিঁট নতুন করে বাঁধার প্রয়োজন হতো। অথবা আমি আমার পরিবারের কথা ভাবতাম, ভাবতাম কীভাবে তারা এই ভয়াবহ যন্ত্রণা থেকে বেঁচে গেছে। '''অন্ধকারটা একসময় নড়ে উঠত এবং চলে যেত, আর ঈশ্বর আমার হৃদয়ে আলোর এক উজ্জ্বল বিন্দু হিসেবে থেকে যেতেন। আমি ভালোবাসতে থাকতাম।''' ** অধ্যায় ৭৪, পৃষ্ঠা ২৩২ * সমুদ্রের অনেক রূপ ছিল। সমুদ্র বাঘের মতো গর্জন করত। সমুদ্র বন্ধুর মতো কানে কানে গোপন কথা বলত। সমুদ্র পকেটে রাখা খুচরো পয়সার মতো শব্দ করত। সমুদ্র তুষারধসের মতো গর্জন করত। সমুদ্র কাঠের ওপর শিরীষ কাগজের ঘর্ষণের মতো হিসহিস শব্দ করত। সমুদ্রের শব্দ ছিল কারো বমি করার মতো। আবার সমুদ্র কখনো মৃত মানুষের মতো নিস্তব্ধ থাকত। ** অধ্যায় ৭৮, পৃষ্ঠা ২৩৯ * এরপর রিচার্ড পার্কার—আমার যন্ত্রণার সঙ্গী, সেই ভয়ানক ও হিংস্র সত্তা যা আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল—সামনের দিকে এগিয়ে গেল এবং চিরতরে আমার জীবন থেকে হারিয়ে গেল। ** অধ্যায় ৯৪, পৃষ্ঠা ৩১৬ * '''আমি কাঁদছিলাম কারণ রিচার্ড পার্কার কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিল।''' বিদায় জানানোটা সঠিকভাবে না করা কতই না ভয়ানক এক বিষয়। আমি এমন একজন মানুষ যে নিয়মে এবং শৃঙ্খলার ছন্দে বিশ্বাস করি। যেখানে সম্ভব, আমাদের জিনিসগুলোকে একটি অর্থবহ রূপ দেওয়া উচিত। ** অধ্যায় ৯৪, পৃষ্ঠা ৩১৬ * '''আপনি যদি কেবল বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্নেই হোঁচট খান, তবে আপনি কিসের জন্য বেঁচে আছেন? ভালোবাসা কি বিশ্বাস করা কঠিন নয়?''' ** অধ্যায় ৯৯, পৃষ্ঠা ৩৩০ * '''আপনার ভদ্রতা দিয়ে আমাকে ভয় দেখাবেন না! ভালোবাসা বিশ্বাস করা কঠিন, যেকোনো প্রেমিককে জিজ্ঞাসা করুন।''' জীবন বিশ্বাস করা কঠিন, যেকোনো বিজ্ঞানীকে জিজ্ঞাসা করুন। ঈশ্বর বিশ্বাস করা কঠিন, যেকোনো বিশ্বাসীকে জিজ্ঞাসা করুন। বিশ্বাস করা কঠিন—এমন বিষয় নিয়ে আপনার সমস্যা কী? ** অধ্যায় ৯৯, পৃষ্ঠা ৩৩০ * আমি প্রতি মুহূর্তে আমার যুক্তি প্রয়োগ করেছি। [[যুক্তি]] খাদ্য, বস্ত্র এবং আশ্রয় পাওয়ার জন্য চমৎকার। যুক্তি হলো সবচেয়ে সেরা সরঞ্জাম। '''বাঘকে দূরে রাখার জন্য যুক্তির চেয়ে ভালো কিছু নেই। কিন্তু অতিরিক্ত যুক্তিবাদী হতে গেলে আপনি হয়তো স্নানের জলের সাথে [[মহাবিশ্ব]]টাকেও বাইরে ফেলে দেওয়ার ঝুঁকি নেবেন।''' ** অধ্যায় ৯৯, পৃষ্ঠা ৩৩০-৩৩১ * '''আমি জানি আপনি কী চান। আপনি এমন একটি গল্প চান যা আপনাকে অবাক করবে না। যা আপনি ইতিমধ্যে যা জানেন তা নিশ্চিত করবে।''' যা আপনাকে আরও উঁচুতে বা দূরে বা ভিন্নভাবে দেখতে সাহায্য করবে না। আপনি একটি সমতল গল্প চান। একটি গতিহীন গল্প। '''আপনি শুকনো এবং স্বাদহীন তথ্যের বাস্তবতা চান।''' ** অধ্যায় ৯৯, পৃষ্ঠা ৩৩৬ === ''[[w:Beatrice and Virgil|বিয়াত্রিচ ও ভার্জিল]]'' (২০১০) === :<small>অন্যথা উল্লেখ না থাকলে, পৃষ্ঠাসংখ্যাগুলো ২০১০ সালে টরন্টো থেকে প্রকাশিত আলফ্রেড এ. নফ কানাডা সংস্করণকে নির্দেশ করে। {{ISBN|978-0-307-39877-2}}</small> * '''উপনিবেশবাদ এমন একটি মানুষের জন্য ভয়ানক অভিশাপ যাদের ওপর এটি চাপিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু এটি একটি ভাষার জন্য আশীর্বাদ।''' নতুনকে এবং অজানাকে শোষণ করার জন্য ইংরেজির যে তাড়না, অন্য ভাষা থেকে শব্দ চুরি করার যে উদ্দীপনা, এই বিষয়ে কোনো সংকোচ বোধ না করার যে ক্ষমতা, এর অভিধানের বিশাল প্রাচুর্য, বানান নিয়ে এর উদাসীনতা, ব্যাকরণ নিয়ে এর বিশেষ চিন্তা না করা—এর ফলে এমন একটি ভাষা তৈরি হয়েছে যার রং এবং সমৃদ্ধি হেনরি ভালোবাসত। ** পৃষ্ঠা ২৩ * একটি আপেল খাওয়া প্রতিরোধ করে। একটি আপেল কেবল খাওয়া হয় না, বরং একে জয় করা হয়। একটি নাশপাতির মুচমুচে ভাব অনেক বেশি আকর্ষণীয়। এটি নমনীয় এবং ভঙ্গুর। নাশপাতি খাওয়া অনেকটা... চুমু খাওয়ার মতো। ** পৃষ্ঠা ৫০ * [ট্যাক্সিডার্মিস্ট বা মৃত পশুর চামড়া রক্ষক হলেন] একজন ঐতিহাসিক, যিনি প্রাণীর অতীত নিয়ে কাজ করেন; চিড়িয়াখানার রক্ষক হলেন একজন রাজনীতিবিদ, যিনি প্রাণীর বর্তমান নিয়ে কাজ করেন; এবং বাকি সবাই হলো সাধারণ নাগরিক যাদের সেই প্রাণীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে হয় (...) বহু মানুষের উদাসীনতা এবং অল্প কিছু মানুষের সক্রিয় ঘৃণা মিলে প্রাণীদের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * '''আমার মতে, বিশ্বাস হলো রোদে থাকার মতো। আপনি যখন রোদে থাকেন, তখন আপনি কি ছায়া তৈরি হওয়া এড়াতে পারেন?''' আপনার গায়ে লেগে থাকা সেই অন্ধকার অংশটি কি আপনি ঝেড়ে ফেলতে পারেন, যা সব সময় আপনার মতো আকৃতির এবং আপনাকে প্রতিনিয়ত আপনার নিজের কথা মনে করিয়ে দেয়? আপনি পারেন না। এই ছায়াটাই হলো সন্দেহ এবং আপনি যতক্ষণ রোদে থাকবেন, এটি আপনার সাথে সাথে যাবে। আর রোদে থাকতে কে না চায়? ** পৃষ্ঠা ১০৩ * '''শব্দগুলো হলো শীতল, কর্দমাক্ত ব্যাঙের মতো যারা একটি মাঠে নাচতে থাকা পরীদের বোঝার চেষ্টা করছে।''' ** পৃষ্ঠা ১১৪ * এটি ছিল অকাট্য প্রমাণ যে সে হলোকাস্টকে (ইহুদি নিধন) ব্যবহার করছে প্রাণীকুল ধ্বংসের কথা বলার জন্য। অসহায় প্রাণীরা যারা নিজেদের হয়ে কথা বলতে পারে না, তাদের জন্য কথা বলছে এক বাগ্মী জাতি যারা একইভাবে ধ্বংসের মুখে পড়েছিল। সে প্রাণীদের করুণ পরিণতি ইহুদিদের করুণ পরিণতির মাধ্যমে দেখছিল। রূপক হিসেবে হলোকাস্ট। ** পৃষ্ঠা ১৭৩ * আমাকে যখন ভেতরে আনা হচ্ছিল, তখনই প্রথম চড়টির কথা আমার মনে আছে। '''ঠিক তখনই চিরতরে কিছু একটা হারিয়ে গেল একটি মৌলিক বিশ্বাস।''' যদি মাইসেন পোরসেলিনের (এক প্রকার সূক্ষ্ম চীনা মাটির পাত্র) একটি চমৎকার সংগ্রহ থাকে এবং একজন মানুষ একটি কাপ নিয়ে ইচ্ছে করে মেঝেতে ফেলে গুঁড়িয়ে দেয়, তবে কেন সে বাকি সব কিছু ভাঙতে শুরু করবে না? পোরসেলিনের প্রতি যখন সেই মানুষের অবজ্ঞা স্পষ্ট হয়ে যায়, তখন কাপ বা তুড়িন (এক প্রকার পাত্র) এতে কী বা এসে যায়? সেই প্রথম আঘাতের সাথে সাথে আমার ভেতরে পোরসেলিনের মতো কিছু একটা ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেল। '''সেটি ছিল একটি জোরালো চড়, শক্তিশালী কিন্তু আকস্মিক, কোনো কারণ ছাড়াই দেওয়া হয়েছিল, এমনকি আমি নিজের পরিচয় দেওয়ার আগেই। যদি তারা আমার সাথে এমনটা করতে পারে, তবে তারা কেন আরও খারাপ কিছু করবে না? সত্যি বলতে, তারা নিজেদের থামাবেই বা কীভাবে?''' একটি একক আঘাত কেবল একটি বিন্দুর মতো, অর্থহীন। মানুষ আসলে একটি রেখা চায়, বিন্দুগুলোর মধ্যে এমন একটি সংযোগ যা উদ্দেশ্য এবং দিক নির্দেশ করবে। একটি আঘাত দ্বিতীয় এবং তৃতীয়টির দাবি রাখে এবং চলতেই থাকে। ** পৃষ্ঠা ১৭৫ == বহিঃসংযোগ == * [http://www.shmoop.com/life-of-pi/quotes.html লাইফ অব পাই-এর উক্তি বিশ্লেষণ] (ইংরেজি) {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:মার্টেল, ইয়ান}} [[বিষয়শ্রেণী:কানাডীয় ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:বুকার পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচারের ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৩-এ জন্ম]] nyvuw5nyc9aqxs7s0zep7qao1s89oxp 81898 81883 2026-04-28T08:20:39Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 81898 wikitext text/x-wiki [[File:Yann martel 2007-10-25 Seattle WA USA.jpg|thumb|[[যুক্তি]] খাদ্য, বস্ত্র এবং আশ্রয় পাওয়ার জন্য চমৎকার। যুক্তি হলো সবচেয়ে সেরা সরঞ্জাম। বাঘকে দূরে রাখার জন্য যুক্তির চেয়ে ভালো কিছু নেই। কিন্তু অতিরিক্ত যুক্তিবাদী হতে গেলে আপনি হয়তো স্নানের জলের সাথে [[মহাবিশ্ব]]টাকেও বাইরে ফেলে দেওয়ার ঝুঁকি নেবেন।]] '''[[w:ইয়ান মার্টেল|ইয়ান মার্টেল]]''' (জন্ম: [[২৫ জুন]], [[১৯৬৩]]) একজন [[কানাডা|কানাডীয়]] [[w:লেখক|লেখক]], যিনি তাঁর [[w: বুকার পুরস্কার|ম্যান বুকার পুরস্কার]] বিজয়ী উপন্যাসের ''[[w:লাইফ অব পাই|লাইফ অব পাই]]'' এ জন্য সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত। : আরও দেখুন: :: [[লাইফ অব পাই (চলচ্চিত্র)|'''''লাইফ অব পাই''''' (চলচ্চিত্র)]] == উক্তি == === ''[[w:Life of Pi|লাইফ অব পাই]]'' (২০০১) === [[File:Tgeris,2009-1-10.jpg|thumb|right|আমাকে [[ভয়]] সম্পর্কে একটি কথা বলতেই হবে। এটি [[জীবন|জীবনের]] একমাত্র সত্যিকারের প্রতিপক্ষ। কেবল ভয়ই জীবনকে পরাজিত করতে পারে।]] :<small>অন্যথা উল্লেখ না থাকলে, পৃষ্ঠাসংখ্যাগুলো ২০০২ সালে টরন্টো থেকে প্রকাশিত ভিন্টেজ কানাডা সংস্করণকে নির্দেশ করে। {{ISBN|0-676-97377-9}}</small> * '''আমরা নাগরিকরা যদি আমাদের [[শিল্পী|শিল্পীদের]] সমর্থন না করি, তবে আমরা স্থূল [[বাস্তবতা|বাস্তবতার]] বেদীতে আমাদের [[কল্পনা|কল্পনাশক্তিকে]] বিসর্জন দিই এবং শেষ পর্যন্ত আমরা কোনো কিছুতেই [[বিশ্বাস]] করি না এবং মূল্যহীন [[স্বপ্ন]] নিয়ে বেঁচে থাকি।''' ** লেখকের নোট, পৃষ্ঠা xi * আমার কষ্ট আমাকে বিষণ্ণ ও ম্লান করে দিয়েছে। ** অধ্যায় ১, পৃষ্ঠা ৩ * বিজ্ঞানীরা একদল বন্ধুত্বপূর্ণ, [[নাস্তিকতা|নাস্তিক]], পরিশ্রমী এবং বিয়ার-প্রেমী মানুষ, যাদের মন যখন [[বিজ্ঞান]] নিয়ে ব্যস্ত থাকে না, তখন [[যৌনতা]], [[দাবা]] এবং বেসবল নিয়ে মগ্ন থাকে। ** অধ্যায় ১, পৃষ্ঠা ৫ * [[মৃত্যু]] কেন [[জীবন|জীবনের]] এত কাছাকাছি লেগে থাকে তার কারণ কোনো জৈবিক [[প্রয়োজনীয়তা]] নয়—বরং এটি ঈর্ষা। জীবন এতই সুন্দর যে মৃত্যু এর প্রেমে পড়ে গেছে; এক ধরনের ঈর্ষান্বিত, অধিকারপ্রবণ প্রেম যা যা পায় তাই আঁকড়ে ধরে। কিন্তু জীবন খুব সহজেই বিস্মৃতির অতলে ঝাঁপিয়ে পড়ে, কেবল নিরর্থক এক বা দুটি জিনিস হারিয়ে ফেলে, আর বিষণ্ণতা হলো মেঘের ছায়ার মতো যা দ্রুত চলে যায়। ** অধ্যায় ১, পৃষ্ঠা ৬ * বন্য প্রাণীরা এক ক্ষমাহীন সামাজিক স্তরবিন্যাসের মধ্যে বাধ্যবাধকতা এবং প্রয়োজনীয়তার জীবন কাটায়; এমন এক পরিবেশে যেখানে [[ভয়]] প্রচুর কিন্তু খাবারের সরবরাহ কম, এবং যেখানে প্রতিনিয়ত নিজেদের এলাকা রক্ষা করতে হয় এবং পরজীবীদের সহ্য করতে হয়। ** অধ্যায় ৪, পৃষ্ঠা ১৭ * জীবনের [[দর্শন]] হিসেবে [[সন্দেহ]]-কে বেছে নেওয়া অনেকটা যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে স্থবিরতাকে বেছে নেওয়ার মতো। ** অধ্যায় ৭, পৃষ্ঠা ৩১ * '''হিন্দুরা তাদের ভালোবাসার ক্ষমতার গুণে আসলে লোমহীন খ্রিস্টান, ঠিক যেমন মুসলমানরা সবকিছুর মধ্যে [[ঈশ্বর|ঈশ্বরকে]] দেখার ভঙ্গিতে আসলে দাড়িওয়ালা হিন্দু, আর খ্রিস্টানরা ঈশ্বরের প্রতি তাদের ভক্তির কারণে আসলে টুপি পরা মুসলমান।''' ** অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ৫৪-৫৫ * "[[মহাত্মা গান্ধী|বাপু গান্ধী]] বলেছিলেন, 'সব [[ধর্ম]] সত্য।' আমি শুধু ঈশ্বরকে ভালোবাসতে চাই," আমি এক নিশ্বাসে বলে ফেললাম এবং লজ্জায় মুখ লাল করে নিচের দিকে তাকালাম। ** অধ্যায় ২৩, পৃষ্ঠা ৭৬ * '''কারণ প্রকাশ্যে যা [[মন্দ]], তা আসলে ভেতর থেকেই বেরিয়ে আসা মন্দ। [[ভালো|ভালোর]] প্রধান যুদ্ধক্ষেত্র কোনো জনসমক্ষে উন্মুক্ত ময়দান নয়, বরং প্রতিটি [[হৃদয়|হৃদয়ের]] ছোট ছোট আঙিনা।''' ** অধ্যায় ২৫, পৃষ্ঠা ৭৮ * '''আমাকে [[ভয়]] সম্পর্কে একটি কথা বলতেই হবে। এটি জীবনের একমাত্র সত্যিকারের প্রতিপক্ষ। কেবল ভয়ই জীবনকে পরাজিত করতে পারে।''' ** অধ্যায় ৫৬, পৃষ্ঠা ১৭৮ * রিচার্ড পার্কারই আমাকে শান্ত করেছিল। এই গল্পের [[বিদ্রূপ|পরিহাস]] এই যে, যে প্রাণীটি শুরুতে আমাকে ভয় পাইয়ে মৃতপ্রায় করে ফেলেছিল, সেই প্রাণীটিই শেষ পর্যন্ত আমার জীবনে [[শান্তি]], [[উদ্দেশ্য]], এমনকি পূর্ণতা এনে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ৫৭, পৃষ্ঠা ১৭৯ * আমি দিন, সপ্তাহ বা মাসের হিসাব রাখিনি। [[সময়]] একটি বিভ্রম যা কেবল আমাদের হাঁপিয়ে তোলে। '''আমি বেঁচে ছিলাম কারণ আমি সময়ের ধারণাটুকুও ভুলে গিয়েছিলাম।''' ** অধ্যায় ৬৩, পৃষ্ঠা ২১২ * মুক্তি পাওয়া ছাড়া আমার সবচেয়ে বড় ইচ্ছা ছিল—একটি বই থাকা। ** অধ্যায় ৭৩, পৃষ্ঠা ২৩০ * ধর্মীয় বিশ্বাস প্রচারের এর চেয়ে ভালো কোনো উপায় আমি ভাবতে পারি না। কোনো গির্জার বেদী থেকে গর্জন নয়, মন্দ গির্জা থেকে কোনো নিন্দা নয়, কোনো সামাজিক চাপ নয়, কেবল একটি ধর্মগ্রন্থ নিঃশব্দে হ্যালো বলার জন্য অপেক্ষা করছে; যা একটি ছোট মেয়ের গালে চুমুর মতোই কোমল এবং শক্তিশালী। ** অধ্যায় ৭৩, পৃষ্ঠা ২৩০ * হতাশ ছিল এক গভীর অন্ধকার যা কোনো আলো ঢুকতে বা বের হতে দিত না। এটি ছিল বর্ণনাতীত এক নরক। আমি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই যে এটি সব সময় কেটে যেত। জালে একঝাঁক মাছ দেখা দিত অথবা কোনো একটি গিঁট নতুন করে বাঁধার প্রয়োজন হতো। অথবা আমি আমার পরিবারের কথা ভাবতাম, ভাবতাম কীভাবে তারা এই ভয়াবহ যন্ত্রণা থেকে বেঁচে গেছে। '''অন্ধকারটা একসময় নড়ে উঠত এবং চলে যেত, আর ঈশ্বর আমার হৃদয়ে আলোর এক উজ্জ্বল বিন্দু হিসেবে থেকে যেতেন। আমি ভালোবাসতে থাকতাম।''' ** অধ্যায় ৭৪, পৃষ্ঠা ২৩২ * সমুদ্রের অনেক রূপ ছিল। সমুদ্র বাঘের মতো গর্জন করত। সমুদ্র বন্ধুর মতো কানে কানে গোপন কথা বলত। সমুদ্র পকেটে রাখা খুচরো পয়সার মতো শব্দ করত। সমুদ্র তুষারধসের মতো গর্জন করত। সমুদ্র কাঠের ওপর শিরীষ কাগজের ঘর্ষণের মতো হিসহিস শব্দ করত। সমুদ্রের শব্দ ছিল কারো বমি করার মতো। আবার সমুদ্র কখনো মৃত মানুষের মতো নিস্তব্ধ থাকত। ** অধ্যায় ৭৮, পৃষ্ঠা ২৩৯ * এরপর রিচার্ড পার্কার—আমার যন্ত্রণার সঙ্গী, সেই ভয়ানক ও হিংস্র সত্তা যা আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল—সামনের দিকে এগিয়ে গেল এবং চিরতরে আমার জীবন থেকে হারিয়ে গেল। ** অধ্যায় ৯৪, পৃষ্ঠা ৩১৬ * '''আমি কাঁদছিলাম কারণ রিচার্ড পার্কার কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিল।''' বিদায় জানানোটা সঠিকভাবে না করা কতই না ভয়ানক এক বিষয়। আমি এমন একজন মানুষ যে নিয়মে এবং শৃঙ্খলার ছন্দে বিশ্বাস করি। যেখানে সম্ভব, আমাদের জিনিসগুলোকে একটি অর্থবহ রূপ দেওয়া উচিত। ** অধ্যায় ৯৪, পৃষ্ঠা ৩১৬ * '''আপনি যদি কেবল বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্নেই হোঁচট খান, তবে আপনি কিসের জন্য বেঁচে আছেন? ভালোবাসা কি বিশ্বাস করা কঠিন নয়?''' ** অধ্যায় ৯৯, পৃষ্ঠা ৩৩০ * '''আপনার ভদ্রতা দিয়ে আমাকে ভয় দেখাবেন না! ভালোবাসা বিশ্বাস করা কঠিন, যেকোনো প্রেমিককে জিজ্ঞাসা করুন।''' জীবন বিশ্বাস করা কঠিন, যেকোনো বিজ্ঞানীকে জিজ্ঞাসা করুন। ঈশ্বর বিশ্বাস করা কঠিন, যেকোনো বিশ্বাসীকে জিজ্ঞাসা করুন। বিশ্বাস করা কঠিন—এমন বিষয় নিয়ে আপনার সমস্যা কী? ** অধ্যায় ৯৯, পৃষ্ঠা ৩৩০ * আমি প্রতি মুহূর্তে আমার যুক্তি প্রয়োগ করেছি। [[যুক্তি]] খাদ্য, বস্ত্র এবং আশ্রয় পাওয়ার জন্য চমৎকার। যুক্তি হলো সবচেয়ে সেরা সরঞ্জাম। '''বাঘকে দূরে রাখার জন্য যুক্তির চেয়ে ভালো কিছু নেই। কিন্তু অতিরিক্ত যুক্তিবাদী হতে গেলে আপনি হয়তো স্নানের জলের সাথে [[মহাবিশ্ব]]টাকেও বাইরে ফেলে দেওয়ার ঝুঁকি নেবেন।''' ** অধ্যায় ৯৯, পৃষ্ঠা ৩৩০-৩৩১ * '''আমি জানি আপনি কী চান। আপনি এমন একটি গল্প চান যা আপনাকে অবাক করবে না। যা আপনি ইতিমধ্যে যা জানেন তা নিশ্চিত করবে।''' যা আপনাকে আরও উঁচুতে বা দূরে বা ভিন্নভাবে দেখতে সাহায্য করবে না। আপনি একটি সমতল গল্প চান। একটি গতিহীন গল্প। '''আপনি শুকনো এবং স্বাদহীন তথ্যের বাস্তবতা চান।''' ** অধ্যায় ৯৯, পৃষ্ঠা ৩৩৬ === ''[[w:Beatrice and Virgil|বিয়াত্রিচ ও ভার্জিল]]'' (২০১০) === :<small>অন্যথা উল্লেখ না থাকলে, পৃষ্ঠাসংখ্যাগুলো ২০১০ সালে টরন্টো থেকে প্রকাশিত আলফ্রেড এ. নফ কানাডা সংস্করণকে নির্দেশ করে। {{ISBN|978-0-307-39877-2}}</small> * '''উপনিবেশবাদ এমন একটি মানুষের জন্য ভয়ানক অভিশাপ যাদের ওপর এটি চাপিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু এটি একটি ভাষার জন্য আশীর্বাদ।''' নতুনকে এবং অজানাকে শোষণ করার জন্য ইংরেজির যে তাড়না, অন্য ভাষা থেকে শব্দ চুরি করার যে উদ্দীপনা, এই বিষয়ে কোনো সংকোচ বোধ না করার যে ক্ষমতা, এর অভিধানের বিশাল প্রাচুর্য, বানান নিয়ে এর উদাসীনতা, ব্যাকরণ নিয়ে এর বিশেষ চিন্তা না করা—এর ফলে এমন একটি ভাষা তৈরি হয়েছে যার রং এবং সমৃদ্ধি হেনরি ভালোবাসত। ** পৃষ্ঠা ২৩ * একটি আপেল খাওয়া প্রতিরোধ করে। একটি আপেল কেবল খাওয়া হয় না, বরং একে জয় করা হয়। একটি নাশপাতির মুচমুচে ভাব অনেক বেশি আকর্ষণীয়। এটি নমনীয় এবং ভঙ্গুর। নাশপাতি খাওয়া অনেকটা... চুমু খাওয়ার মতো। ** পৃষ্ঠা ৫০ * [ট্যাক্সিডার্মিস্ট বা মৃত পশুর চামড়া রক্ষক হলেন] একজন ঐতিহাসিক, যিনি প্রাণীর অতীত নিয়ে কাজ করেন; চিড়িয়াখানার রক্ষক হলেন একজন রাজনীতিবিদ, যিনি প্রাণীর বর্তমান নিয়ে কাজ করেন; এবং বাকি সবাই হলো সাধারণ নাগরিক যাদের সেই প্রাণীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে হয় (...) বহু মানুষের উদাসীনতা এবং অল্প কিছু মানুষের সক্রিয় ঘৃণা মিলে প্রাণীদের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। ** পৃষ্ঠা ৯৭ * '''আমার মতে, বিশ্বাস হলো রোদে থাকার মতো। আপনি যখন রোদে থাকেন, তখন আপনি কি ছায়া তৈরি হওয়া এড়াতে পারেন?''' আপনার গায়ে লেগে থাকা সেই অন্ধকার অংশটি কি আপনি ঝেড়ে ফেলতে পারেন, যা সব সময় আপনার মতো আকৃতির এবং আপনাকে প্রতিনিয়ত আপনার নিজের কথা মনে করিয়ে দেয়? আপনি পারেন না। এই ছায়াটাই হলো সন্দেহ এবং আপনি যতক্ষণ রোদে থাকবেন, এটি আপনার সাথে সাথে যাবে। আর রোদে থাকতে কে না চায়? ** পৃষ্ঠা ১০৩ * '''শব্দগুলো হলো শীতল, কর্দমাক্ত ব্যাঙের মতো যারা একটি মাঠে নাচতে থাকা পরীদের বোঝার চেষ্টা করছে।''' ** পৃষ্ঠা ১১৪ * এটি ছিল অকাট্য প্রমাণ যে সে হলোকাস্টকে (ইহুদি নিধন) ব্যবহার করছে প্রাণীকুল ধ্বংসের কথা বলার জন্য। অসহায় প্রাণীরা যারা নিজেদের হয়ে কথা বলতে পারে না, তাদের জন্য কথা বলছে এক বাগ্মী জাতি যারা একইভাবে ধ্বংসের মুখে পড়েছিল। সে প্রাণীদের করুণ পরিণতি ইহুদিদের করুণ পরিণতির মাধ্যমে দেখছিল। রূপক হিসেবে হলোকাস্ট। ** পৃষ্ঠা ১৭৩ * আমাকে যখন ভেতরে আনা হচ্ছিল, তখনই প্রথম চড়টির কথা আমার মনে আছে। '''ঠিক তখনই চিরতরে কিছু একটা হারিয়ে গেল একটি মৌলিক বিশ্বাস।''' যদি মাইসেন পোরসেলিনের (এক প্রকার সূক্ষ্ম চীনা মাটির পাত্র) একটি চমৎকার সংগ্রহ থাকে এবং একজন মানুষ একটি কাপ নিয়ে ইচ্ছে করে মেঝেতে ফেলে গুঁড়িয়ে দেয়, তবে কেন সে বাকি সব কিছু ভাঙতে শুরু করবে না? পোরসেলিনের প্রতি যখন সেই মানুষের অবজ্ঞা স্পষ্ট হয়ে যায়, তখন কাপ বা তুড়িন (এক প্রকার পাত্র) এতে কী বা এসে যায়? সেই প্রথম আঘাতের সাথে সাথে আমার ভেতরে পোরসেলিনের মতো কিছু একটা ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেল। '''সেটি ছিল একটি জোরালো চড়, শক্তিশালী কিন্তু আকস্মিক, কোনো কারণ ছাড়াই দেওয়া হয়েছিল, এমনকি আমি নিজের পরিচয় দেওয়ার আগেই। যদি তারা আমার সাথে এমনটা করতে পারে, তবে তারা কেন আরও খারাপ কিছু করবে না? সত্যি বলতে, তারা নিজেদের থামাবেই বা কীভাবে?''' একটি একক আঘাত কেবল একটি বিন্দুর মতো, অর্থহীন। মানুষ আসলে একটি রেখা চায়, বিন্দুগুলোর মধ্যে এমন একটি সংযোগ যা উদ্দেশ্য এবং দিক নির্দেশ করবে। একটি আঘাত দ্বিতীয় এবং তৃতীয়টির দাবি রাখে এবং চলতেই থাকে। ** পৃষ্ঠা ১৭৫ == বহিঃসংযোগ == * [http://www.shmoop.com/life-of-pi/quotes.html লাইফ অব পাই-এর উক্তি বিশ্লেষণ] (ইংরেজি) {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:মার্টেল, ইয়ান}} [[বিষয়শ্রেণী:কানাডীয় ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:বুকার পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচারের ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৩-এ জন্ম]] bz99jo2ydkcvxlauunqy6ou8sggtzsm আলাপ:শহর 1 13812 81892 2026-04-28T07:58:23Z Salil Kumar Mukherjee 39 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81892 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm বিষয়শ্রেণী:বুকার পুরস্কার বিজয়ী 14 13813 81895 2026-04-28T08:03:24Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন পাতা 81895 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 81897 81895 2026-04-28T08:05:31Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:পুরস্কার অনুযায়ী ব্যক্তি]] যোগ 81897 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:পুরস্কার অনুযায়ী ব্যক্তি]] o6y4hqzlcuaum50ewt2mje8i4tybfoy চিত্ত যেথা ভয়শূন্য 0 13814 81899 2026-04-28T08:30:40Z Nihabd1 5745 "{{উক্তি|চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|নৈবেদ্য}} == উৎস == * রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ''নৈবেদ্য'', কবিতা: প্রার্থনা [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি]] বিষয..." দিয়ে পাতা তৈরি 81899 wikitext text/x-wiki {{উক্তি|চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|নৈবেদ্য}} == উৎস == * রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ''নৈবেদ্য'', কবিতা: প্রার্থনা [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা কবিতার উক্তি]] 2h1t6jutfybij07dm5q2xs0wd7z1cbq 81915 81899 2026-04-28T10:02:25Z Nihabd1 5745 81915 wikitext text/x-wiki {{উক্তি|চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|নৈবেদ্য}}* চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির * জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর * আপন প্রাঙ্গণতলে দিবসশর্বরী, বসুধারে রাখে নাই খণ্ড ক্ষুদ্র করি == উৎস == * [[গীতাঞ্জলি]] - [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] == উৎস == * রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ''নৈবেদ্য'', কবিতা: প্রার্থনা [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা কবিতার উক্তি]] 920pwqzplpmbr0r2yxu59bsn5jdeocw সকলের তরে সকলে আমরা 0 13815 81902 2026-04-28T08:36:46Z Nihabd1 5745 "{{উক্তি|সকলের তরে সকলে আমরা<br>প্রত্যেকে আমরা পরের তরে|কামিনী রায়|সকলের তরে সকলে আমরা}} == উৎস == * কামিনী রায়, কবিতা: সকলের তরে সকলে আমরা [[বিষয়শ্রেণী:কামিনী রায়ের উক্তি]] বিষয..." দিয়ে পাতা তৈরি 81902 wikitext text/x-wiki {{উক্তি|সকলের তরে সকলে আমরা<br>প্রত্যেকে আমরা পরের তরে|কামিনী রায়|সকলের তরে সকলে আমরা}} == উৎস == * কামিনী রায়, কবিতা: সকলের তরে সকলে আমরা [[বিষয়শ্রেণী:কামিনী রায়ের উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা কবিতার উক্তি]] d2u607tl693qc07a4wcegcp93dwsc3k 81914 81902 2026-04-28T09:59:59Z Nihabd1 5745 81914 wikitext text/x-wiki {{উক্তি|সকলের তরে সকলে আমরা<br>প্রত্যেকে * সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে * আত্মপর ভেদ নাহি জানে, সকলেই আত্মার আত্মীয় * বিশ্বজনের কল্যাণে মোর, এ জীবন করি উৎসর্গ == উৎস == * [[কামিনী রায়]]আমরা পরের তরে|কামিনী রায়|সকলের তরে সকলে আমরা}} == উৎস == * কামিনী রায়, কবিতা: সকলের তরে সকলে আমরা [[বিষয়শ্রেণী:কামিনী রায়ের উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা কবিতার উক্তি]] eqp6iutcreexl5mzk24krzgqy9c7fi5 একুশে ফেব্রুয়ারি 0 13816 81903 2026-04-28T08:54:03Z Nihabd1 5745 "{{উক্তি|আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি<br>আমি কি ভুলিতে পারি|আবদুল গাফফার চৌধুরী|একুশের গান}} {{উক্তি|ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির জীব..." দিয়ে পাতা তৈরি 81903 wikitext text/x-wiki {{উক্তি|আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি<br>আমি কি ভুলিতে পারি|আবদুল গাফফার চৌধুরী|একুশের গান}} {{উক্তি|ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির জীবনে একটি অবিস্মরণীয় দিন|শেখ মুজিবুর রহমান|অসমাপ্ত আত্মজীবনী}} {{উক্তি|একুশ মানে মাথা নত না করা|মাহবুব উল আলম চৌধুরী|একুশের কবিতা}} == উৎস == * আবদুল গাফফার চৌধুরী, একুশের গান * শেখ মুজিবুর রহমান, অসমাপ্ত আত্মজীবনী [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভাষা আন্দোলনের উক্তি]] jbryn6deas6jn6847nhdcvvvgmz62c8 81918 81903 2026-04-28T10:14:13Z Nihabd1 5745 /* উৎস */ 81918 wikitext text/x-wiki {{উক্তি|আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি<br>আমি কি ভুলিতে পারি|আবদুল গাফফার চৌধুরী|একুশের গান}} {{উক্তি|ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির জীবনে একটি অবিস্মরণীয় দিন|শেখ মুজিবুর রহমান|অসমাপ্ত আত্মজীবনী}} {{উক্তি|একুশ মানে মাথা নত না করা|মাহবুব উল আলম চৌধুরী|একুশের কবিতা}} == উৎস == * আবদুল গাফফার চৌধুরী, একুশের গান * শেখ মুজিবুর রহমান, অসমাপ্ত আত্মজীবনী [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের উক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভাষা আন্দোলনের উক্তি]][[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইতিহাস]] 2o1hw7x5k4fms5yyeya2508v3ng1x8r অ্যামব্রোজ বিয়ার্স 0 13817 81906 2026-04-28T09:16:51Z Tuhin 172 + 81906 wikitext text/x-wiki [[File:Abierce.jpg|thumb| '''[[অযৌক্তিকতা]]''', ''বি.'' এমন একটি বিবৃতি বা [[বিশ্বাস]], যা নিজের [[মতামত|মতামতের]] সাথে স্পষ্টভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ।]] '''[[w:অ্যামব্রোজ বিয়ার্স|অ্যামব্রোজ গুইনেট বিয়ার্স]]''' ([[২৪ জুন]], [[১৮৪২]] – মৃত্যুর তারিখ অনিশ্চিত; সম্ভবত [[১৯১২]] সালের শেষ দিকে বা [[১৯১৪]] সালের শুরুতে) ছিলেন একজন আমেরিকান বিদ্রূপকারী, সমালোচক, ছোটগল্পকার, সম্পাদক এবং সাংবাদিক। তিনি সম্ভবত তার ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত ব্যঙ্গাত্মক অভিধান, '''[[w:দ্য ডেভিলস ডিকশনারি|দ্য ডেভিলস ডিকশনারি]]'''-এর জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত, যেখানে তিনি সাধারণ শব্দের বিকল্প ও আরও বাস্তবসম্মত সংজ্ঞা প্রদানের মাধ্যমে বছরের পর বছর ধরে আমেরিকান সংস্কৃতি এবং প্রচলিত জ্ঞানকে বিদ্ধ করেছেন। == উক্তি == [[File:Hansel-and-gretel-rackham (cropped).jpg|thumb|যদি এটি একটি দুর্বল মানবতাবাদ এবং অপূর্ণ হজমশক্তির সংমিশ্রণ না হতো, তবে প্রকৃতির ইচ্ছা অনুযায়ী আমাদের নিজেদের সন্তানদেরই ভক্ষণ করা উচিত ছিল।]] * বালকদের অস্তিত্ব যে এখনো টিকে আছে, তা পুরুষদের অসাধারণ খ্রিস্টীয় ধৈর্যেরই প্রমাণ। যদি এটি একটি দুর্বল মানবতাবাদ এবং অপূর্ণ হজমশক্তির সংমিশ্রণ না হতো, তবে প্রকৃতির ইচ্ছা অনুযায়ী আমাদের নিজেদের সন্তানদেরই ভক্ষণ করা উচিত ছিল। ** "টাউন ক্রায়ার" কলাম, 'সান ফ্রান্সিসকো নিউজ-লেটার' (আনু. ১৮৭০) * কারণ মৃত্যু বিভিন্ন প্রকারের হয়। কোনোটিতে দেহ রয়ে যায়, আবার কোনোটিতে এটি আত্মার সাথে পুরোপুরি বিলীন হয়ে যায়। এটি সাধারণত কেবল নির্জনতাতেই ঘটে, কারণ সেটিই ঈশ্বরের ইচ্ছা। কেউ শেষ পরিণতি না দেখায় আমরা বলি মানুষটি হারিয়ে গেছে বা দীর্ঘ সফরে গিয়েছে, যা সে প্রকৃতপক্ষে গিয়েছেও। তবে কখনও কখনও এটি অনেকের সামনেও ঘটেছে, যার প্রচুর প্রমাণ রয়েছে। এক ধরনের মৃত্যুতে আত্মাও মারা যায় এবং শরীর বহু বছর সজীব থাকা অবস্থাতেও এমনটি হতে দেখা গিয়েছে। কখনও কখনও শরীর মারা যাওয়ার সাথে সাথেই আত্মা মারা যায়, আবার কখনও একটি নির্দিষ্ট সময় পর সেই স্থানে পুনরায় জেগে ওঠে যেখানে শরীরটি পচে গিয়েছিল। * আমার চারদিকে শুকনো ঘাসে ঢাকা, একটি ধূসর এবং জনশূন্য প্রান্তর বিস্তৃত ছিল। সেই ঘাসগুলো শরতের বাতাসে, কোনো এক রহস্যময় এবং অস্বস্তিকর ইঙ্গিত নিয়ে শব্দ করছিল। মাঝে মাঝে সেখান থেকে অদ্ভুত আকৃতির, কালচে রঙের পাথর বেরিয়ে ছিল। সেগুলোকে দেখে মনে হচ্ছিল, তাদের মধ্যে পারস্পরিক কোনো বোঝাপড়া আছে এবং তারা অর্থবহ দৃষ্টি বিনিময় করছে, যেন তারা কোনো পূর্বনির্ধারিত ঘটনার ফলাফল দেখার জন্য মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। এখানে সেখানে কয়েকটি বিধ্বস্ত গাছ, এই নীরব প্রতীক্ষার অশুভ ষড়যন্ত্রের নেতা হিসেবে উপস্থিত ছিল। * এই পাথরটি সম্ভবত সেই কবরের চিহ্ন ছিল, যেখান থেকে যুগ যুগ আগে গাছটি জন্মেছিল। গাছটির জেদি শিকড়গুলো কবরটি লুণ্ঠন করে, পাথরটিকে বন্দী করে ফেলেছিল। <br> হঠাৎ এক দমকা হাওয়ায়, পাথরের উপরের অংশ থেকে কিছু শুকনো পাতা এবং ডালপালা সরে গেলে, আমি একটি খোদাই করা লিপি দেখতে পেলাম এবং তা পড়ার জন্য ঝুঁকলাম। হে ঈশ্বর! সেখানে আমার পুরো নাম, আমার জন্মের তারিখ এবং আমার মৃত্যুর তারিখ লেখা ছিল! <br> আমি আতঙ্কে লাফিয়ে ওঠার সাথে সাথে, আলোর একটি সমান্তরাল রেখা পুরো গাছটিকে আলোকিত করে তুলল। গোলাপী পূর্ব আকাশে সূর্য উঠছিল। আমি সূর্য এবং তার বিশাল লাল থালার মাঝে দাঁড়ালাম, কিন্তু গাছের কাণ্ডে কোনো ছায়া পড়ল না! <br> নেকড়েদের একদল চিৎকার করে ভোরকে অভিবাদন জানাল। আমি তাদের মরুভূমির অর্ধেকটা জুড়ে দিগন্ত পর্যন্ত বিস্তৃত অনিয়মিত ঢিবি এবং সমাধিস্তূপের ওপর, একা বা দলবেঁধে বসে থাকতে দেখলাম। তখনই আমি বুঝতে পারলাম যে, এগুলোই সেই প্রাচীন এবং বিখ্যাত শহর কারকোসার [[ধ্বংসাবশেষ]]। ** "[[S:অ্যান ইনহ্যাবিটেন্ট অফ কারকোসা|অ্যান ইনহ্যাবিটেন্ট অফ কারকোসা]]", প্রথম প্রকাশিত: 'সান ফ্রান্সিসকো নিউজ লেটার অ্যান্ড ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাডভার্টাইজার' (২৫ ডিসেম্বর, ১৮৮৬) * পেটন ফারকুয়ার মারা গিয়েছিলেন। তার ভাঙা ঘাড়সহ দেহটি আউল ক্রিক ব্রিজের কাঠের কাঠামোর নিচে, ধীরে ধীরে এপাশ-ওপাশ দুলছিল। ** "[[s:অ্যান অকারেন্স অ্যাট আউল ক্রিক ব্রিজ|অ্যান অকারেন্স অ্যাট আউল ক্রিক ব্রিজ]]", প্রথম প্রকাশিত: 'সান ফ্রান্সিসকো এক্সামিনার' (১৩ জুলাই, ১৮৯০) [[File:Lenoir, Charles-Amable - A Nymph In The Forest.jpg|thumb|[[সুখ]]... কেবল তখনই আসে যখন একে খোঁজা হয় না এবং একে নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না।]] * হাইতা তাকে সব খুলে বলল যে, কীভাবে তিনবার সে সেই উজ্জ্বল কুমারীর দেখা পেয়েছে এবং তিনবারই সে তাকে নিঃসঙ্গ অবস্থায় ছেড়ে চলে গিয়েছে। তাদের মধ্যে যা যা কথা হয়েছিল, তার একটি শব্দও বাদ না দিয়ে সে বিস্তারিত বর্ণনা করল। <br> তার কথা শেষ হলে পবিত্র সন্ন্যাসী কিছুক্ষণ নীরব থেকে বললেন, "বৎস, আমি তোমার গল্প শুনেছি এবং আমি সেই কুমারীকে চিনি। অনেকের মতো আমিও তাকে দেখেছি। জেনে রাখো যে তার নাম হলো [[সুখ]], যা সে তোমাকে জিজ্ঞাসা করার অনুমতিও দেয়নি। তুমি তাকে ঠিকই বলেছিলে যে সে খামখেয়ালি, কারণ সে এমন শর্ত দেয় যা মানুষ পূরণ করতে পারে না এবং সামান্য ত্রুটি হলেই সে চলে গিয়ে শাস্তি দেয়। সে কেবল তখনই আসে যখন তাকে খোঁজা হয় না এবং তাকে নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। সামান্য কৌতূহল, সন্দেহের একটি চিহ্ন বা আশঙ্কার একটি প্রকাশ ঘটলেই সে উধাও হয়ে যায়! চলে যাওয়ার আগে তুমি তাকে কতক্ষণ নিজের কাছে পেয়েছিলে?" <br> লজ্জিত মুখে হাইতা স্বীকার করল যে, সে প্রতিবারই তাকে মাত্র এক মুহূর্তের জন্য পেয়েছিল। <br> তখন পবিত্র সন্ন্যাসী বললেন, "দুর্ভাগা যুবক! তোমার এই অবিবেচনার জন্য না হলে, তুমি হয়তো তাকে অন্তত দুই মুহূর্তের জন্য পেতে পারতে।" ** "[[S:হাইতা দ্য শেফার্ড|হাইতা দ্য শেফার্ড]]" (১৮৯১) * সত্যি বলতে, গ্রাফটন কবরস্থানের অর্ধেকের বেশি কবরেই "অজ্ঞাত" লেখা আছে। মাঝে মাঝে কেউ সেই विरोধাভাস নিয়ে ভাবে, যা এমন একজনের স্মৃতিকে সম্মান জানানোর সাথে জড়িত, যার স্মরণে রাখার মতো কোনো স্মৃতিই অবশিষ্ট নেই। তবে এই প্রচেষ্টা জীবিতদের বা যুক্তিবাদীদের বড় কোনো ক্ষতি করে না। ** "অ্যা বিভুয়াক অফ দ্য ডেড", 'দ্য নিউ ইয়র্ক আমেরিকান' (২২ নভেম্বর, ১৯০৩) **:<small>তুলনা করুন: [[থিওডোর ও'হারা|থিওডোর ও'হারার]], "[[w:বিভুয়াক অফ দ্য ডেড|বিভুয়াক অফ দ্য ডেড]]"</small> * [[ব্যবসা]] নামে পরিচিত [[জুয়া|জুয়াটি]], সবসময়ই জুয়া নামে পরিচিত ব্যবসাটিকে কঠোর অপছন্দের চোখে দেখে। ** "ডাইভারশনস অফ অ্যান আইডলার: সাম নেগ্লিজিবল এপিগ্রামস", 'কসমোপলিটান', ৩৯তম খণ্ড, ৪ নম্বর সংখ্যা (আগস্ট ১৯০৫), পৃ. ৪৪৪। * এমন কিছু [[শব্দ]] আছে, যা আমরা [[শ্রবণ|শুনতে]] পাই না। স্কেলের দুই প্রান্তেই এমন সুর আছে, যা মানুষের কানের মতো অপূর্ণ যন্ত্রে কোনো ঝঙ্কার তোলে না, কারণ সেগুলো হয় [[W:আল্ট্রাসাউন্ড|অতি উচ্চ]] অথবা [[W:ইনফ্রাসাউন্ড|অতি গভীর]]। আমি দেখেছি একঝাঁক কালো পাখি একটি গাছের মগডাল দখল করে গান গাইছে। হঠাৎ এক নিমেষে, সবাই একদম একই সময়ে উড়ে গেল। তারা সবাই সবাইকে দেখতে পাচ্ছিল না কারণ মাঝখানে অনেক ডালপালা ছিল, তাই কোনো নেতার সংকেত সবার দেখার কথা নয়। নিশ্চয়ই সেখানে উচ্চ এবং তীক্ষ্ণ কোনো সতর্কবার্তা ছিল, যা আমি শুনতে পাইনি। আমি এমনও দেখেছি যে, সবাই নীরব থাকা অবস্থায় একই সাথে উড়াল দিচ্ছে। কেবল কালো পাখিই নয়, বরং কোয়েলদের ক্ষেত্রেও এমনটি ঘটে, যারা পাহাড়ের বিপরীত দিকে থাকা সত্ত্বেও একই সাথে ডুব দেয়। <br> নাবিকদের কাছে এটি পরিচিত যে, মহাসাগরে মাইল জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একদল [[তিমি]], পৃথিবীর গোলকীয় বক্রতা থাকা সত্ত্বেও মাঝে মাঝে একদম একই সময়ে ডুব দেয়। তখন এমন সংকেত বেজে ওঠে যা নাবিকদের কানে পৌঁছায় না, কিন্তু তারা জাহাজে এর কম্পন অনুভব করে। <br> শব্দের মতো [[রঙ|রঙের]] ক্ষেত্রেও একই নিয়ম খাটে। [[W:তড়িৎচৌম্বকীয় বর্ণালী|সৌর বর্ণালীর]] প্রতিটি প্রান্তে এমন রশ্মি আছে, যা আমরা দেখতে পাই না। মানুষের [[চোখ]] একটি অপূর্ণ যন্ত্র, যার পরিসীমা খুবই সীমিত। আমি পাগল নই, কারণ এমন অনেক রং আছে যা আমাদের দেখার ক্ষমতার বাইরে। <br> আর ঈশ্বর আমাকে রক্ষা করুন, কারণ সেই অভিশপ্ত জিনিসটি ঠিক তেমনই এক রঙের! ** "[[S:দ্য ড্যামড থিং|দ্য ড্যামড থিং]]", 'কালেক্টেড ওয়ার্কস', ৩য় খণ্ড (১৯০৯) * '''লক্ষ্য করো, কীভাবে আমার খ্যাতি এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে: হাজার হাজার সমালোচক চিৎকার করে বলছে, "সে অজ্ঞাত!"''' ** দ্বিপদী উক্তি, চার্লস পুয়োরের "বুকস অফ দ্য টাইমস"-এ উদ্ধৃত, 'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস' (১৫ নভেম্বর, ১৯৪৫), পৃ. ১৭। * [[w:হেরোদ|হেরোদকে]] নিয়ে পড়াশোনা করুন ম্যাডাম, হেরোদকে নিয়ে পড়াশোনা করুন। ** বিরক্তিকর কোনো সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন অবাধ্য সন্তানদের মানুষ করার উপায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, তখন এই উক্তিটি করা হয়। ফ্লোরেন্স কিং-এর 'রিফ্লেকশনস ইন আ জন্ডিসড আই' (সেন্ট মার্টিনস পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৯০) বইয়ে এটি উল্লেখ আছে। * [[w:হেরোদ|হেরোদকে]] নিয়ে পড়াশোনা করুন ম্যাডাম, হেরোদকে নিয়ে পড়াশোনা করুন। ** বিরক্তিকর কোনো সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন অবাধ্য সন্তানদের মানুষ করার উপায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, তখন এই উক্তিটি করা হয়। ফ্লোরেন্স কিং-এর 'রিফ্লেকশনস ইন আ জন্ডিসড আই' (সেন্ট মার্টিনস পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৯০) বইয়ে এটি উল্লেখ আছে। === 'হোয়াট আই স অ্যাট শিলো' (১৮৮১) === :<small>আমেরিকান গৃহযুদ্ধ নিয়ে বিয়ার্সের প্রথম প্রকাশিত স্মৃতিকথা। এই কর্মটি কয়েকটি অংশে বিভক্ত, যা [[w:রোমান সংখ্যা|রোমান সংখ্যা]] দ্বারা চিহ্নিত।</small> [[File:Thure de Thulstrup - Battle of Shiloh.jpg|thumb|একটি সেনাবাহিনীর সবচেয়ে সাহসী মানুষ হলো তাদের ভীরুরা। শত্রু সৈন্যের হাতে যে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে তারা চায় না, সেই মৃত্যুর মুখে তারা বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছাড়াই নিজেদের কর্মকর্তাদের হাতে পড়বে।]] * এটি একটি যুদ্ধের সাধারণ কাহিনী। এমন এক গল্প যা একজন সৈনিক, যে কি না কোনো লেখক নয়, শোনাচ্ছে এমন একজন পাঠককে, যে কি না কোনো সৈনিক নয়। ** ১ * একটি সেনাবাহিনীর সবচেয়ে সাহসী মানুষ হলো তাদের ভীরুরা। শত্রু সৈন্যের হাতে যে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে তারা চায় না, সেই মৃত্যুর মুখে তারা বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছাড়াই নিজেদের কর্মকর্তাদের হাতে পড়বে। ** ৫ * ঝোপঝাড়ের পেছনে গর্তের মধ্যে লুকানো ছিল বড় বড় তাবু, যা মোমবাতির আলোয় আবছা আলোকিত হলেও দেখতে বেশ আরামদায়ক ছিল। সেই তাবুগুলো কী ধরনের আরাম প্রদান করছিল তা বোঝা হচ্ছিল, যখন এক জোড়া মানুষ পালকি নিয়ে ভেতরে ঢুকছিল এবং পুনরায় বেরিয়ে আসছিল। ভেতরে চাপা আর্তনাদ শোনা যাচ্ছিল এবং বাইরে মুখ ঢাকা মৃতদেহের লম্বা সারি পড়ে ছিল। এই তাবুগুলো অনবরত আহতদের গ্রহণ করছিল, তবুও কখনও পূর্ণ হচ্ছিল না। আবার অবিরাম মৃতদেহ বের করে দিচ্ছিল, তবুও কখনও খালি হচ্ছিল না। এটি এমন ছিল যেন অসহায়দের ভেতরে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে, যাতে তারা আগামীকাল যাদের লড়াই করার কথা তাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে। ** ৫ * আমি ধারণা করি যে, করিন্থ এবং পিটসবার্গ ল্যান্ডিং-এর মধ্যবর্তী অঞ্চলে কুমির ছাড়া হয়তো আরও কিছু অধিবাসী ছিল। তারা কেমন মানুষ ছিল তা বলা অসম্ভব, কারণ যুদ্ধ তাদের তাড়িয়ে দিয়েছিল অথবা সম্ভবত নির্মূল করে দিয়েছিল; হয়তো তাদের কেবল "অ-সরীসৃপ" হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেই আমি যথেষ্ট বর্ণনা দিতে পারব এবং একই সাথে সেই স্বাভাবিক সন্দেহ থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারব যা এমন একজন লেখকের ওপর বর্তায়, যে কি না অপরিচিত মানুষের কাছে এমন ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে যাদের সে নিজেও চেনে না। '''তবে একটি বিষয় আমি কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে, এই জলাভূমির বাসিন্দারা ধার্মিক ছিল। তারা কোন দেবতার পূজা করত—মিসরীয়দের মতো কুমিরের নাকি অন্যান্য আমেরিকানদের মতো নিজেদের—তা আমি আন্দাজ করতে পারছি না।''' কিন্তু তারা যে দেবতারই আরাধনা করুক না কেন, তার বা সেই সত্তার জন্য তারা একটি উপাসনালয় তৈরি করেছিল। জনশূন্য প্রান্তরের ঠিক মাঝখানে অবস্থিত এই সাধারণ ভবনটি শিলোহ চ্যাপেল নামে পরিচিত ছিল, যেখান থেকে এই যুদ্ধের নাম হয়েছে। ** ৬ * কামানের গোলায় ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়া গাছের কাণ্ডগুলো থেকে চেরা কাঠ এমনভাবে বেরিয়ে ছিল যেন অনেকগুলো হাত এবং ক্ষতের ওপরের অংশ ও নিচের অংশের আঙুলগুলো একে অপরের সাথে জড়িয়ে আছে। ** ৭ === 'দ্য সিনিকস ওয়ার্ড বুক' (১৯০৬) === * একটি চুমু আসলে কামড়েরই এক মার্জিত রূপ; একজন স্নেহময়ী মা যখন আবেগাপ্লুত হয়ে দাবি করেন যে তার সন্তান 'এতটাই ভালো যে প্রায় খেয়ে ফেলা যায়', তখন তিনি আসলে এটাই দেখান যে তিনি নিজেও তাকে খেয়ে ফেলার জন্য সামান্য একটু বেশিই ভালো মানুষ। ** পৃ. ৪৩ (নরখাদক) * [[অসহিষ্ণুতা]] স্বাভাবিক এবং যুক্তিযুক্ত, কারণ প্রতিটি ভিন্নমতের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে নিজের শ্রেষ্ঠতর প্রজ্ঞার এক অহংকার। ** পৃ. ৯৪ (উক্তি) * কোনো অস্ত্রোপচারের আগে আপনার বৈষয়িক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিন। আপনি বেঁচেও যেতে পারেন। ** পৃ. ৯৪ (উক্তি) === '''[[w:দ্য ডেভিলস ডিকশনারি|দ্য ডেভিলস ডিকশনারি]]''' (১৯১১) === :<small>প্রথম 'এ' থেকে 'এল' বর্ণ পর্যন্ত 'দ্য সিনিকস ওয়ার্ড বুক' (১৯০৬) নামে প্রকাশিত হয়েছিল।</small> [[File:As08-16-2593.jpg|thumb|'''[[সমুদ্র]]''', ''বি.'' একটি বিশাল জলরাশি যা মানুষের জন্য তৈরি করা এই পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে আছে—অথচ মানুষের কোনো ফুলকা নেই।]] * '''অস্বাভাবিক,''' ''বিণ.'' চিন্তা ও আচরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত মানদণ্ড অনুসরণ না করা। স্বাধীন হওয়া মানেই অস্বাভাবিক হওয়া, আর অস্বাভাবিক হওয়া মানেই ঘৃণিত হওয়া। অতএব অভিধানপ্রণেতা পরামর্শ দিচ্ছেন যে, নিজের চেয়ে বরং "গড়পড়তা মানুষের" সাথে সাদৃশ্য বজায় রাখার জন্য কঠোর প্রচেষ্টা করা উচিত। যে এই কাজে সফল হবে সে শান্তি পাবে, মৃত্যুর সম্ভাবনা খুঁজে পাবে এবং নরকের আশা পাবে। * '''অনুপস্থিত,''' ''বিণ.'' পরনিন্দার কবলে পড়ার জন্য বিশেষভাবে উন্মুক্ত; কলঙ্কিত; হতাশাজনকভাবে ভুল পথে থাকা; অন্যের বিবেচনা এবং স্নেহ থেকে অপসারিত। * পুরুষের কাছে পুরুষ কেবলই একটি মন। কে তোয়াক্কা করে <br> সে কোন মুখ নিয়ে চলে বা তার আকার কেমন? <br> কিন্তু নারীর শরীরই হলো নারী। ওহে, <br> আমার প্রিয়তমা, তুমি থাকো, কক্ষনো যেয়ো না, <br> বরং জ্ঞানীর সতর্কবার্তা শোনো: <br> একজন অনুপস্থিত নারী মানেই একজন মৃত নারী। * '''সংযমী''', ''বি.'' একজন দুর্বল ব্যক্তি যে নিজেকে আনন্দ থেকে বঞ্চিত করার প্রলোভনের কাছে হার মানে। একজন পূর্ণ সংযমী হলো সে, যে সংযম ছাড়া আর সবকিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখে, বিশেষ করে অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক গলানো থেকে বিরত থাকতে পারে না। * '''অযৌক্তিকতা''', ''বি.'' এমন একটি বিবৃতি বা বিশ্বাস যা নিজের মতামতের সাথে স্পষ্টভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ। * '''ঐক্য''', ''বি.'' সুসমন্বয়। * '''অ্যাকর্ডিয়ন''', ''বি.'' একজন ঘাতকের অনুভূতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বাদ্যযন্ত্র। * '''পরিচিত''', ''বি.'' এমন একজন ব্যক্তি যার কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার মতো যথেষ্ট চেনা-জানা আছে, কিন্তু তাকে ঋণ দেওয়ার মতো যথেষ্ট ঘনিষ্ঠতা নেই। বন্ধুত্বের একটি ধাপ, যা লক্ষ্যবস্তু গরিব বা অখ্যাত হলে "সামান্য" বলা হয় এবং সে ধনী বা বিখ্যাত হলে "ঘনিষ্ঠ" বলা হয়। * '''প্রশংসা''', ''বি.'' অন্যের মাঝে আমাদের নিজেদের সাদৃশ্যের বিনয়ী স্বীকৃতি। * '''উপদেশ''', ''বি.'' বর্তমানের সবচেয়ে ছোট মানের মুদ্রা। * '''একাকী''', ''বিণ.'' কুসঙ্গে থাকা। * '''উচ্চাকাঙ্ক্ষা''', ''বি.'' বেঁচে থাকতে শত্রুদের দ্বারা কলঙ্কিত হওয়ার এবং মারা যাওয়ার পর বন্ধুদের দ্বারা উপহাসের পাত্র হওয়ার এক অদম্য ইচ্ছা। * '''সাধারণ ক্ষমা''', ''বি.'' সেই সব অপরাধীদের প্রতি রাষ্ট্রের মহানুভবতা যাদের শাস্তি দেওয়াটা অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়বে। * '''ক্ষমা চাওয়া''', ''ক্রি.'' ভবিষ্যতে কোনো অপরাধ করার ভিত্তি তৈরি করা। * '''ব্যাকাস''', ''বি.'' প্রাচীনদের দ্বারা আবিষ্কৃত একটি সুবিধাজনক দেবতা, যা মাতাল হওয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহৃত হতো। * '''পিঠ''', ''বি.'' আপনার বন্ধুর সেই অংশ যা আপনার বিপদের সময় দেখার অধিকার আপনি রাখেন। * '''পরনিন্দা''', ''স. ক্রি.'' কোনো মানুষের সম্পর্কে এমন কথা বলা যা সে আপনার অনুপস্থিতিতে শুনতে পায় না। * '''ব্যারোমিটার''', ''বি.'' একটি উদ্ভাবনী যন্ত্র যা নির্দেশ করে যে আমরা বর্তমানে কেমন আবহাওয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। * '''জন্ম''', ''বি.'' সব দুর্যোগের মধ্যে প্রথম এবং সবচেয়ে ভয়াবহ। * '''বিরক্তিকর ব্যক্তি''', ''বি.'' এমন একজন ব্যক্তি যে তখন কথা বলে যখন আপনি চান সে আপনার কথা শুনুক। * '''সীমানা''', ''বি.'' রাজনৈতিক ভূগোলে দুটি জাতির মধ্যে একটি কাল্পনিক রেখা, যা একজনের কাল্পনিক অধিকারকে অন্যজনের কাল্পনিক অধিকার থেকে পৃথক করে। * '''মস্তিষ্ক''', ''বি.'' এমন একটি যন্ত্র যা দিয়ে আমরা ভাবি যে আমরা ভাবছি... আমাদের সভ্যতায় এবং প্রজাতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় বুদ্ধিমত্তাকে এত উচ্চ মর্যাদায় দেখা হয় যে, এর পুরস্কার হিসেবে দাপ্তরিক কাজের ঝামেলা থেকে একে অব্যাহতি দেওয়া হয়। [[File:Marriage A-la-Mode 2, The Tête à Tête - William Hogarth.jpg|thumb|'''বধূ''', ''বি.'' এমন একজন নারী যার পেছনে সুখের এক চমৎকার সম্ভাবনা ফেলে আসা হয়েছে।]] * '''বধূ''', ''বি.'' এমন একজন নারী যার পেছনে সুখের এক চমৎকার সম্ভাবনা ফেলে আসা হয়েছে। * '''বাঁধাকপি''', ''বি.'' রান্নাঘরের বাগানের পরিচিত একটি সবজি যা একজন মানুষের মাথার সমান বড় এবং তার মতোই বুদ্ধিমান। * '''কালোস''', ''বিণ.'' অন্যের দুর্দশা সহ্য করার মতো মহান ধৈর্যের অধিকারী। * '''কামান''', ''বি.'' জাতীয় সীমানা সংশোধনের কাজে ব্যবহৃত একটি যন্ত্র। * '''রাজধানী''', ''বি.'' কুশাসনের মূল কেন্দ্র। * '''কার্তেসীয়''', ''বিণ.'' বিখ্যাত দার্শনিক দেকার্ত সংক্রান্ত, যিনি প্রখ্যাত উক্তি "আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি"-এর লেখক; যার মাধ্যমে তিনি মানুষের অস্তিত্বের বাস্তবতা প্রমাণ করেছেন বলে আনন্দিত ছিলেন। তবে উক্তিটিকে এভাবে উন্নত করা যেতে পারে: "আমি চিন্তা করি যে আমি চিন্তা করি, তাই আমি চিন্তা করি যে আমি আছি"—যা এখন পর্যন্ত কোনো দার্শনিকের নিশ্চিত ধারণার সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছানো। * '''বিড়াল''', ''বি.'' প্রকৃতি প্রদত্ত একটি নরম ও অবিনাশী স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র, যা সাংসারিক জীবনে কোনো কিছু ভুল হয়ে গেলে লাথি খাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। * '''খ্রিস্টান''', ''বি.'' এমন একজন যে বিশ্বাস করে যে নিউ টেস্টামেন্ট হলো ঈশ্বরপ্রদত্ত একটি কিতাব যা তার প্রতিবেশীর আধ্যাত্মিক প্রয়োজনে অত্যন্ত উপযোগী। এমন একজন যে খ্রিস্টের শিক্ষা ততক্ষণই মেনে চলে যতক্ষণ তা পাপপূর্ণ জীবনের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ না হয়। * '''সার্কাস''', ''বি.'' এমন একটি জায়গা যেখানে ঘোড়া, টাট্টু ঘোড়া এবং হাতিদের অনুমতি দেওয়া হয় পুরুষ, নারী ও শিশুদের বোকামি করার দৃশ্য দেখার জন্য। * '''অতীন্দ্রিয়দর্শী''', ''বি.'' একজন ব্যক্তি, সাধারণত একজন নারী, যার সেই ক্ষমতা আছে যা তার গ্রাহকের কাছে অদৃশ্য তা দেখার, অর্থাৎ—সে যে একটি আস্ত গাধা। * '''ক্ল্যারিনেট''', ''বি.'' কানে তুলো দিয়ে রাখা একজন ব্যক্তির দ্বারা পরিচালিত একটি যন্ত্রণাদায়ক যন্ত্র। ক্ল্যারিনেটের চেয়েও খারাপ দুটি যন্ত্র আছে—দুটি ক্ল্যারিনেট। * '''ঘড়ি''', ''বি.'' মানুষের কাছে অত্যন্ত নৈতিক মূল্যের একটি যন্ত্র, যা তাকে মনে করিয়ে দেয় যে তার হাতে এখনো কতটা সময় অবশিষ্ট আছে এবং এভাবে ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা লাঘব করে। * '''বিশ্বাসভাজন''', ''বি.'' এমন একজন যাকে 'ক' ব্যক্তি 'খ' ব্যক্তির গোপন কথা আমানত রাখে, যা পরে সে 'গ' ব্যক্তির কাছে ফাঁস করে দেয়। * '''অভিনন্দন''', ''বি.'' ঈর্ষার ভদ্র রূপ। * '''রক্ষণশীল''', ''বি.'' এমন একজন রাষ্ট্রনায়ক যে বিদ্যমান মন্দগুলোর প্রেমে মজে আছে; উদারপন্থীদের বিপরীত, যারা সেই মন্দগুলোকে সরিয়ে নতুন ধরনের মন্দ নিয়ে আসতে চায়। * '''কর্পোরেশন''', ''বি.'' ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা ছাড়াই ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জনের এক উদ্ভাবনী কৌশল। [[File:Cynicism graffiti.jpg|thumb|'''সংশয়বাদী''', ''বি.'' এমন এক দুশ্চরিত্র ব্যক্তি যার ত্রুটিপূর্ণ দৃষ্টিতে সবকিছু যেভাবে থাকা উচিত সেভাবে না দেখে বরং যেমন আছে সেভাবেই দেখে।]] * '''সংশয়বাদী''', ''বি.'' এমন এক দুশ্চরিত্র ব্যক্তি যার ত্রুটিপূর্ণ দৃষ্টিতে সবকিছু যেভাবে থাকা উচিত সেভাবে না দেখে বরং যেমন আছে সেভাবেই দেখে। এজন্যই সিথিয়ানদের মধ্যে সংশয়বাদীদের চোখ উপড়ে ফেলার রীতি ছিল যাতে তার দৃষ্টিশক্তির উন্নতি হয়। * '''ভোর''', ''বি.'' সেই সময় যখন বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ ঘুমানোর জন্য বিছানায় যায়। কিছু বৃদ্ধ মানুষ সেই সময় ঘুম থেকে ওঠা পছন্দ করেন এবং খালি পেটে ঠান্ডা পানিতে গোসল ও দীর্ঘ ভ্রমণে বের হয়ে শরীরকে কষ্ট দেন। * '''সিদ্ধান্ত নেওয়া''', ''অ. ক্রি.'' একগুচ্ছ প্রভাবের কাছে অন্য গুচ্ছের তুলনায় নতি স্বীকার করা। * '''অরক্ষিত''', ''বিণ.'' আক্রমণ করতে অক্ষম। * '''অভিধান''', ''বি.'' ভাষার বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করার এবং একে অনমনীয় ও কঠিন করে তোলার এক ক্ষতিকারক সাহিত্যিক কৌশল। তবে এই অভিধানটি অত্যন্ত দরকারি একটি কাজ। * '''কূটনীতি''', ''বি.'' নিজের দেশের জন্য মিথ্যা বলার দেশপ্রেমিক শিল্প। * '''শিক্ষা''', ''বি.'' যা জ্ঞানীদের কাছে তাদের বোধগম্যতার অভাব প্রকাশ করে এবং মূর্খদের কাছে তা আড়াল করে। * '''ভক্ষ্য''', ''বিণ.'' খাওয়ার উপযোগী এবং হজমের জন্য স্বাস্থ্যকর; যেমন ব্যাঙের জন্য পোকা, সাপের জন্য ব্যাঙ, শূকরের জন্য সাপ, মানুষের জন্য শূকর এবং পোকার জন্য মানুষ। [[File:Ambrose Bierce portrait by John Herbert Evelyn Partington (retouched).jpg|thumb|'''[[অহংবাদী]]''', ''বি.'' নিচু রুচির এক [[ব্যক্তি]], যে আমার চেয়ে নিজের প্রতি বেশি আগ্রহী।]] * '''অহংবাদী''', ''বি.'' নিচু রুচির এক ব্যক্তি, যে আমার চেয়ে নিজের প্রতি বেশি আগ্রহী। * '''বিদ্যুৎ''', ''বি.'' অন্য কোনো কারণে ঘটে না বলে পরিচিত এমন সব প্রাকৃতিক ঘটনার মূল কারণ। এটি বজ্রপাতেরই অনুরূপ এবং ডক্টর ফ্র্যাঙ্কলিনকে আঘাত করার বিখ্যাত প্রচেষ্টাটি সেই মহান ও ভালো মানুষের ক্যারিয়ারের অন্যতম এক নাটকীয় ঘটনা। * '''পাণ্ডিত্য''', ''বি.'' বই থেকে ঝেড়ে একটি খালি মাথার ভেতরে ঢুকানো ধুলোবালি। * '''বিলুপ্তি''', ''বি.'' সেই কাঁচামাল যা দিয়ে ধর্মতত্ত্ব পরকাল তৈরি করেছে। * '''বিশ্বাস''', ''বি.'' কোনো প্রমাণ ছাড়াই এমন কিছুতে আস্থা রাখা যা এমন একজন বলেছে যার কোনো জ্ঞান নেই এবং যার কোনো তুলনা নেই। * '''ফ্যাশন''', ''বি.'' এমন এক স্বৈরশাসক যাকে জ্ঞানীরা উপহাস করে কিন্তু মেনে চলে। * '''ভোজ''', ''বি.'' একটি উৎসব। একটি ধর্মীয় উদযাপন যা সাধারণত পেটুকপনা এবং মাতলামি দ্বারা চিহ্নিত হয়; প্রায়শই এমন কোনো পবিত্র ব্যক্তির সম্মানে এটি করা হয় যিনি মিতাহারের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। * '''মাংস''', ''বি.'' পার্থিব ত্রয়ীর দ্বিতীয় ব্যক্তি। * '''বিস্মৃতি''', ঈশ্বরের পক্ষ থেকে [[ঋণদাতা|ঋণগ্রহীতাদের]] দেওয়া একটি উপহার, যা তাদের বিবেকের অভাবের ক্ষতিপূরণ হিসেবে কাজ করে। * '''জলদস্যু''', ''বি.'' ক্ষুদ্র ব্যবসার একজন বিজয়ী, যার দখলের মধ্যে বিশালত্বের পবিত্র গুণের অভাব রয়েছে। * '''ফ্রিম্যাসন''', ''বি.'' গোপন আচার, কিম্ভুতকিমাকার অনুষ্ঠান এবং অদ্ভুত পোশাকের একটি গোষ্ঠী; যা ইংল্যান্ডের [[দ্বিতীয় চার্লস]]-এর শাসনামলে লন্ডনের কারিগরদের মধ্যে উদ্ভূত হয়েছিল। গত কয়েক শতাব্দী ধরে মৃত ব্যক্তিরা ক্রমাগত এতে যোগ দিয়েছে এবং এখন এটি [[আদম]]-এর এই পাশের সব প্রজন্মকে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছে। এমনকি সৃষ্টির আগের বিশৃঙ্খলা ও রূপহীন শূন্যতার অধিবাসীদের মধ্য থেকেও এটি বিশিষ্ট সদস্যদের সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে। এই গোষ্ঠীটি বিভিন্ন সময়ে [[শার্লিম্যান]], [[জুলিয়াস সিজার]], [[মহান সাইরাস]], [[সোলোমন]], [[জরথুস্ট্র]], [[কনফুসিয়াস]], [[w:প্রথম থুটমোস|থোথমিস]] এবং [[বুদ্ধ]] দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর প্রতীক ও চিহ্নগুলো প্যারিস এবং রোমের ভূগর্ভস্থ সমাধিস্থল, পার্থেননের পাথর, চীনের মহাপ্রাচীর, কার্নাক ও পালমিরার মন্দির এবং মিশরের পিরামিডগুলোতে পাওয়া গিয়েছে—সব সময়ই একজন ফ্রিম্যাসনের দ্বারা। * '''বন্ধুহীন''', ''বিণ.'' দেওয়ার মতো কোনো অনুগ্রহ নেই এমন। সৌভাগ্যহীন। সত্য এবং সাধারণ জ্ঞান বলার নেশায় আসক্ত। [[File:Tombstone courthouse gallows.jpg|thumb|'''ফাঁসির মঞ্চ''', ''বি.'' অলৌকিক নাটক প্রদর্শনের একটি মঞ্চ, যার প্রধান অভিনেতা সরাসরি স্বর্গে স্থানান্তরিত হন।]] * '''ফাঁসির মঞ্চ''', ''বি.'' অলৌকিক নাটক প্রদর্শনের একটি মঞ্চ, যার প্রধান অভিনেতা সরাসরি স্বর্গে স্থানান্তরিত হন। * '''বংশলতিকা''', ''বি.'' এমন এক পূর্বপুরুষ থেকে নিজের বংশধরের বিবরণ, যিনি নিজে নিজের বংশ খুঁজে বের করার বিষয়ে খুব একটা আগ্রহী ছিলেন না। * '''উদার''', ''বিণ.'' মূলত এই শব্দটি দিয়ে আভিজাত্যে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিকে বোঝানো হতো এবং এটি বহু মানুষের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হতো। এখন এটি স্বভাবগত আভিজাত্য বোঝায় এবং বর্তমানে এটি কিছুটা বিশ্রামে আছে। * '''সুখ''', ''বি.'' অন্যের দুর্দশা দেখে নিজের মনে জেগে ওঠা এক চমৎকার অনুভূতি। * '''পৌত্তলিক''', ''বি.'' এমন এক অন্ধকারাচ্ছন্ন জীব যে এমন কিছুকে পূজা করার বোকামি করে যা সে দেখতে পায় এবং স্পর্শ করতে পারে। * '''স্বর্গ''', ''বি.'' এমন এক জায়গা যেখানে দুষ্টরা তাদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলে আপনাকে বিরক্ত করা বন্ধ করে এবং ভালো মানুষরা মনোযোগ দিয়ে আপনার কথা শোনে যখন আপনি নিজের গুণগান করেন। * '''সহধর্মিনী''', ''বি.'' একজন স্ত্রী, অথবা তিতা অর্ধেক। * '''তার (স্ত্রীলিঙ্গ)''', ''সর্ব.'' তার (পুংলিঙ্গ)। [[File:George Caleb Bingham - The County Election - 44-2001 - Saint Louis Art Museum.jpg|thumb| '''[[নির্বোধ]]''', ''বি.'' একটি বিশাল এবং শক্তিশালী [[গোষ্ঠী|গোষ্ঠীর]] সদস্য যাদের প্রভাব মানবিক বিষয়ে সবসময়ই প্রধান এবং নিয়ন্ত্রণকারী।]] * '''নির্বোধ''', ''বি.'' একটি বিশাল এবং শক্তিশালী গোষ্ঠীর সদস্য যাদের প্রভাব মানবিক বিষয়ে সবসময়ই প্রধান এবং নিয়ন্ত্রণকারী। নির্বোধের কার্যক্রম কোনো বিশেষ চিন্তা বা কর্মক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি "সবকিছুর মধ্যে ছড়িয়ে থাকে এবং নিয়ন্ত্রণ করে।" সব বিষয়ে তার কথাই শেষ কথা; তার সিদ্ধান্ত আপিলযোগ্য নয়। সে ফ্যাশন এবং রুচি নির্ধারণ করে, কথার সীমা ঠিক করে দেয় এবং মৃত-রেখা দিয়ে আচরণকে সীমাবদ্ধ করে। * '''অসহাবস্থানযোগ্য''', ''বিণ.'' অন্য কিছু অস্তিত্বশীল থাকলে যার অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব। দুটি জিনিস অসহাবস্থানযোগ্য হয় যখন অস্তিত্বের জগতে একজনের জায়গা থাকলেও দুজনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না—যেমন [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]]-এর কবিতা এবং মানুষের প্রতি ঈশ্বরের দয়া। * '''শৈশব''', ''বি.'' আমাদের জীবনের সেই সময় যখন [[উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ]]-এর মতে, 'স্বর্গ আমাদের ঘিরে থাকে।' এর ঠিক পরেই পৃথিবী আমাদের নিয়ে মিথ্যা বলতে শুরু করে। * '''ভিতরকার''', ''বি. বহুবচন।'' পাকস্থলী, হৃৎপিণ্ড, আত্মা এবং অন্যান্য নাড়িভুঁড়ি। * '''বিদ্রোহ''', ''বি.'' একটি ব্যর্থ বিপ্লব। খারাপ শাসনের বদলে কুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে অসন্তোষের ব্যর্থতা। * '''বিচার''', ''বি.'' এমন এক পণ্য যা কম-বেশি ভেজাল মিশ্রিত অবস্থায় রাষ্ট্র তার নাগরিকদের কাছে বিক্রি করে; তাদের আনুগত্য, ট্যাক্স এবং ব্যক্তিগত সেবার পুরস্কার হিসেবে। * '''কিল্ট''', ''বি.'' এমন এক পোশাক যা মাঝেমধ্যে আমেরিকায় থাকা স্কটিশরা এবং স্কটল্যান্ডে থাকা আমেরিকানরা পরিধান করে। * '''চুরির বাতিকগ্রস্ত''', ''বি.'' একজন ধনী চোর। * '''শ্রম''', ''বি.'' এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে 'ক' ব্যক্তি 'খ' ব্যক্তির সম্পত্তি অর্জন করে। * '''ভূমি''', ''বি.'' পৃথিবীর উপরিভাগের একটি অংশ যা সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। ভূমি যে ব্যক্তিগত মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণের অধীন একটি সম্পদ—এই তত্ত্বটি আধুনিক সমাজের ভিত্তি এবং এটি উপরিকাঠামোর জন্য অত্যন্ত যোগ্য। যৌক্তিকভাবে এর অর্থ দাঁড়ায় যে, কারও কারও অধিকার আছে অন্যদের বেঁচে থাকা প্রতিরোধ করার; কারণ মালিকানার অধিকার মানেই এককভাবে দখলের অধিকার; আর যেখানেই ভূমিতে সম্পত্তির স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে সেখানেই অনধিকার প্রবেশের আইন প্রণীত হয়েছে। এর ফলে যদি সমগ্র স্থলভাগের মালিকানা 'ক', 'খ' এবং 'গ'-এর হয়, তবে 'ঘ', 'ঙ', 'চ' এবং 'ছ'-এর জন্মানোর কোনো জায়গা থাকবে না, অথবা অনুপ্রবেশকারী হিসেবে জন্মালেও টিকে থাকার সুযোগ থাকবে না। * '''হাসি''', ''বি.'' শরীরের ভেতরের এক সংকোচন, যা চেহারার বিকৃতি ঘটায় এবং অস্পষ্ট শব্দের সৃষ্টি করে। এটি সংক্রামক এবং যদিও এটি মাঝেমধ্যে হয়, তবুও এটি নিরাময়যোগ্য নয়। * '''বিদ্যা''', ''বি.'' এক ধরনের অজ্ঞতা যা পড়ুয়াদের আলাদা করে চিনিয়ে দেয়। * '''স্বাধীনতা''', ''বি.'' কল্পনার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদগুলোর একটি। * '''স্বাধীনতা''', ''বি.'' মুক্তাবস্থা এবং স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য সঠিকভাবে জানা নেই; প্রকৃতিবিদরা কোনোটিরই জীবিত নমুনা কখনও খুঁজে পাননি। * '''যুক্তিবিদ্যা''', ''বি.'' মানুষের ভুল বোঝার সীমাবদ্ধতা এবং অক্ষমতার সাথে কঠোরভাবে সংগতি রেখে চিন্তা ও বিচার করার শিল্প। [[File:Frank Bernard Dicksee - Romeo and Juliet, 1884.jpg|thumb|'''ভালোবাসা''', ''বি.'' একটি সাময়িক উন্মাদনা যা বিয়ের মাধ্যমে অথবা রোগীকে সেই প্রভাব থেকে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য যার অধীনে সে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। এই রোগটি কেবল কৃত্রিম পরিবেশে বসবাসকারী সভ্য জাতিগুলোর মধ্যেই প্রচলিত; বিশুদ্ধ বাতাস গ্রহণকারী এবং সাধারণ খাবার খাওয়া অসভ্য জাতিগুলো এর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে মুক্ত থাকে। এটি কখনও কখনও প্রাণঘাতী হয়, তবে রোগীর চেয়ে চিকিৎসকের জন্য এটি বেশি ঘটে।]] * '''ভালোবাসা''', ''বি.'' একটি সাময়িক উন্মাদনা যা বিয়ের মাধ্যমে অথবা রোগীকে সেই প্রভাব থেকে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য যার অধীনে সে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। এই রোগটি কেবল কৃত্রিম পরিবেশে বসবাসকারী সভ্য জাতিগুলোর মধ্যেই প্রচলিত; বিশুদ্ধ বাতাস গ্রহণকারী এবং সাধারণ খাবার খাওয়া অসভ্য জাতিগুলো এর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে মুক্ত থাকে। এটি কখনও কখনও প্রাণঘাতী হয়, তবে রোগীর চেয়ে চিকিৎসকের জন্য এটি বেশি ঘটে। * '''পাগল''', ''বিণ.'' উচ্চমাত্রার বৌদ্ধিক স্বাধীনতা দ্বারা আক্রান্ত; চিন্তা, কথা এবং কাজের সেই সব মানদণ্ড অনুসরণ না করা যা অনুসারীরা নিজেদের অধ্যয়ন থেকে তৈরি করেছে; সংখ্যাগরিষ্ঠের সাথে অমিল থাকা; সংক্ষেপে—অস্বাভাবিক। এটি লক্ষণীয় যে, কর্মকর্তারা কোনো প্রমাণ ছাড়াই ব্যক্তিদের পাগল ঘোষণা করেন, যেখানে তারা নিজেরাও যে সুস্থ তার কোনো প্রমাণ নেই। * '''বিয়ে''', ''বি.'' একটি সম্প্রদায়ের অবস্থা বা দশা যা একজন প্রভু, একজন কর্ত্রী এবং দুজন দাসের সমন্বয়ে গঠিত—সব মিলিয়ে সংখ্যাটি হয় দুই। * '''মেয়োনিজ''', ''বি.'' সসগুলোর মধ্যে একটি যা ফরাসিদের কাছে রাষ্ট্রীয় ধর্মের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। * '''সোমবার''', ''বি.'' খ্রিস্টান দেশগুলোতে, বেসবল খেলার পরের দিন। * '''প্রতিবেশী''', ''বি.'' এমন একজন যাকে আমাদের নিজেদের মতো ভালোবাসার আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং যে আমাদের অবাধ্য করার জন্য যা যা করা সম্ভব তার সবই করে। * '''অ-যোদ্ধা''', ''বি.'' একজন মৃত কুয়াকার। * '''সমুদ্র''', ''বি.'' একটি বিশাল জলরাশি যা মানুষের জন্য তৈরি করা এই পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে আছে—অথচ মানুষের কোনো ফুলকা নেই। * '''একবার''', ''বিণ.'' যথেষ্ট। * '''আফিম''', ''বি.'' ব্যক্তিত্বের কারাগারের একটি খোলা দরজা। এটি জেলের আঙিনার দিকে নিয়ে যায়। * '''সুযোগ''', ''বি.'' একটি হতাশাকে আঁকড়ে ধরার অনুকূল মুহূর্ত। * '''বিরোধী দল''', ''বি.'' রাজনীতিতে এমন এক দল যারা সরকারকে পঙ্গু করে দিয়ে তাকে বেপরোয়া হওয়া থেকে বিরত রাখে। * '''আশাবাদী''', ''বি.'' এই মতবাদের প্রবক্তা যে কালো মানেই সাদা। * '''অতীত''', ''বি.'' অনন্তকালের সেই অংশ যার ক্ষুদ্র একটি ভগ্নাংশের সাথে আমাদের সামান্য এবং অনুশোচনামূলক পরিচয় আছে। বর্তমান নামক একটি চলমান রেখা একে ভবিষ্যৎ নামক এক কাল্পনিক সময় থেকে পৃথক করে। অনন্তকালের এই দুটি বিশাল বিভাজন, যার একটি ক্রমাগত অন্যটিকে মুছে দিচ্ছে, একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। একটি দুঃখ এবং হতাশায় অন্ধকার, অন্যটি সমৃদ্ধি এবং আনন্দে উজ্জ্বল। অতীত হলো কান্নার অঞ্চল, ভবিষ্যৎ হলো গানের রাজ্য। একটিতে চট ও ছাই পরে স্মৃতি কুঁকড়ে বসে থাকে এবং অনুতাপের প্রার্থনা বিড়বিড় করে; অন্যটির রোদে আশা মুক্ত ডানায় ওড়ে, সাফল্যের মন্দির এবং আরামের কুঞ্জবনের দিকে ইশারা করে। তবুও অতীত হলো গতকালের ভবিষ্যৎ, ভবিষ্যৎ হলো আগামীকালের অতীত। তারা আসলে এক—জ্ঞান এবং স্বপ্ন। * '''অতিরিক্ত পরিশ্রম''', ''বি.'' মাছ ধরতে যেতে চায় এমন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের আক্রান্তকারী একটি বিপজ্জনক ব্যাধি। * '''ধৈর্য''', ''বি.'' হতাশার একটি গৌণ রূপ, যা গুণের ছদ্মবেশে থাকে। * '''দেশপ্রেম''', ''বি.'' দাহ্য আবর্জনা যা নিজের নাম উজ্জ্বল করতে উচ্চাকাঙ্ক্ষী যে কারও মশাল ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত। ডক্টর জনসনের বিখ্যাত অভিধানে দেশপ্রেমকে একজন বদমাইশের শেষ আশ্রয় হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। একজন আলোকিত কিন্তু নিম্নমানের অভিধানপ্রণেতার প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই আমি বিনম্রভাবে বলতে চাই যে, এটি আসলে প্রথম আশ্রয়। * '''দর্শন''', ''বি.'' অনেকগুলো পথের একটি রুট যা কোথাও না থেকে শুরু হয়ে শূন্যের দিকে নিয়ে যায়। * '''শূকর''', ''বি.'' একটি প্রাণী (''Porcus omnivorus'') যা তার ক্ষুধার জাঁকজমক এবং প্রাণবন্ততার কারণে মানবজাতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত; তবে এই ক্ষুধা পরিধির দিক থেকে নিম্নতর, কারণ এটি শূকর পর্যন্তই আটকে থাকে। * '''ভদ্রতা''', ''বি.'' সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ভণ্ডামি। * '''রাজনীতি''', ''বি.'' আদর্শের লড়াইয়ের ছদ্মবেশে স্বার্থের সংঘাত। ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য জনহিতকর কাজের পরিচালনা। * '''ইতিবাচক''', ''বিণ.'' গলার সর্বোচ্চ স্বর ব্যবহার করে ভুল করা। * '''প্রার্থনা করা''', ''ক্রি.'' মহাবিশ্বের নিয়মগুলো বাতিলের অনুরোধ করা এমন একজন আবেদনকারীর পক্ষে যে নিজেই স্বীকার করে সে অযোগ্য। * '''কুসংস্কার''', ''বি.'' দৃশ্যমান কোনো অবলম্বন ছাড়াই ঘুরে বেড়ানো এক ভবঘুরে মতামত। * '''উদ্ধৃতি''', ''বি.'' অন্যের কথা ভুলভাবে পুনরাবৃত্তি করার কাজ। ভুলভাবে পুনরাবৃত্তি করা শব্দগুলো। * '''যৌক্তিক''', ''বিণ.'' পর্যবেক্ষণ, অভিজ্ঞতা এবং প্রতিফলন জনিত বিভ্রান্তি ছাড়া আর সব বিভ্রান্তি মুক্ত। * '''ধর্ম''', ''বি.'' আশা এবং ভয়ের কন্যা, যা অজ্ঞদের কাছে অজ্ঞাত বিষয়ের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করে। * '''পদত্যাগ করা''', ''ক্রি.'' একটি সুবিধার জন্য একটি সম্মান ত্যাগ করা। বৃহত্তর সুবিধার জন্য একটি সুবিধা ত্যাগ করা। * '''অপ্রকাশিত বাক্য''', ''বি.'' একটি বিখ্যাত বই যেখানে সেন্ট জন দ্য ডিভাইন তার জানা সবকিছু লুকিয়ে রেখেছেন। প্রকাশের কাজটি করেন টিকাকাররা, যারা আসলে কিছুই জানেন না। * '''রাস্তা''', ''বি.'' জমির একটি ফালি যা দিয়ে কেউ এক ক্লান্তিকর জায়গা থেকে এমন এক জায়গায় যেতে পারে যেখানে যাওয়াটা নিরর্থক। * '''সাবাত''', ''বি.'' একটি সাপ্তাহিক উৎসব যার উৎপত্তি এই সত্য থেকে যে ঈশ্বর ছয় দিনে পৃথিবী তৈরি করেছিলেন এবং সপ্তম দিনে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। * '''সন্ত''', ''বি.'' একজন মৃত পাপী, যাকে পরিমার্জন এবং সম্পাদনা করা হয়েছে। [[File:Júpiter y Tetis, por Dominique Ingres.jpg|thumb| '''[[জিউস]]''', ''বি.'' গ্রীক দেবতাদের প্রধান, যাকে রোমানরা জুপিটার হিসেবে এবং আধুনিক আমেরিকানরা ঈশ্বর, স্বর্ণ, জনতা এবং কুকুর হিসেবে পূজা করে। কিছু অন্বেষণকারী যারা আমেরিকার উপকূলে পৌঁছেছেন এবং একজন যিনি অনেক দূর অভ্যন্তরে প্রবেশ করার দাবি করেন, তারা ভেবেছিলেন যে এই চারটি নাম চারটি আলাদা দেবতার। কিন্তু ফ্রাম্প তার 'সারভাইভিং ফেইথস' নামক বিশাল গ্রন্থে জোর দিয়ে বলেছেন যে আদিবাসীরা একেশ্বরবাদী, প্রত্যেকের নিজের ছাড়া আর কোনো ঈশ্বর নেই, যাকে তারা অনেক পবিত্র নামে পূজা করে।]] * '''ধর্মগ্রন্থ''', ''বি.'' আমাদের পবিত্র ধর্মের পবিত্র গ্রন্থসমূহ, যা সেই সব মিথ্যা এবং অপবিত্র লেখা থেকে আলাদা যার ওপর ভিত্তি করে অন্য সব বিশ্বাস দাঁড়িয়ে আছে। * '''স্বার্থপর''', ''বিণ.'' অন্যের স্বার্থপরতার প্রতি বিবেচনা বর্জিত। * '''সাফল্য''', ''বি.'' নিজের সঙ্গীদের বিরুদ্ধে করা একমাত্র অমার্জনীয় পাপ। * '''দুবার''', ''ক্রি. বিণ.'' একবার বেশি। * '''আন-আমেরিকান''', ''বিণ.'' দুষ্ট, অসহনীয়, পৌত্তলিক। * '''গুণাবলি''', ''বি. বহুবচন।'' নির্দিষ্ট কিছু সংযম। * '''ভোট দেওয়া''', ''ক্রি.'' একজন স্বাধীন মানুষের নিজেকে বোকা বানানোর এবং নিজের দেশকে ধ্বংস করার ক্ষমতার হাতিয়ার ও প্রতীক। * '''সাদা''', ''বিণ.'' এবং ''বি.'' কালো। * '''ডাইনি''', ''বি.'' (১) একজন কুৎসিত এবং বিকর্ষণীয় বৃদ্ধা নারী, যে শয়তানের সাথে এক অশুভ জোটে আছে। (২) একজন সুন্দরী এবং আকর্ষণীয় তরুণী, যে দুষ্টুমির দিক থেকে শয়তানের চেয়েও এক ধাপ এগিয়ে। * '''বছর''', ''বি.'' তিনশ পঁষট্টিটি হতাশার একটি সময়কাল। * '''যৌবন''', ''বি.'' সম্ভাবনার সময়, যখন আর্কিমিডিস একটি আলম্ব খুঁজে পায়, ক্যাসান্দ্রার অনুসারী জোটে এবং সাতটি শহর একজন জীবন্ত হোমারকে সম্মান জানানোর জন্য প্রতিযোগিতা করে। * '''উদ্যম''', ''বি.'' তরুণ এবং অনভিজ্ঞদের আক্রান্তকারী একটি বিশেষ স্নায়বিক ব্যাধি। একটি আবেগ যা আছাড় খাওয়ার আগে আসে। * '''[[w:জিউস|জিউস]]''', ''বি.'' গ্রীক দেবতাদের প্রধান, যাকে রোমানরা [[w:জুপিটার|জুপিটার]] হিসেবে এবং আধুনিক আমেরিকানরা ঈশ্বর (God), স্বর্ণ (Gold), জনতা (Mob) এবং কুকুর (Dog) হিসেবে পূজা করে। কিছু অন্বেষণকারী যারা আমেরিকার উপকূলে পৌঁছেছেন এবং একজন যিনি অনেক দূর অভ্যন্তরে প্রবেশ করার দাবি করেন, তারা ভেবেছিলেন যে এই চারটি নাম চারটি আলাদা দেবতার। কিন্তু ফ্রাম্প তার 'সারভাইভিং ফেইথস' নামক বিশাল গ্রন্থে জোর দিয়ে বলেছেন যে আদিবাসীরা একেশ্বরবাদী, প্রত্যেকের নিজের ছাড়া আর কোনো ঈশ্বর নেই, যাকে তারা অনেক পবিত্র নামে পূজা করে। === উক্তি === [[File:Bierce from The Letters 1922 (1).jpg|thumb|কৌতুক করা মানে কেবল চঞ্চল হওয়া, কিন্তু রসবোধ (wit) একটি গুরুতর বিষয়।]] [[File:Ambrose Bierce (signature).jpg|thumb|বনে হারিয়ে গেলে সবসময় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নামো। কোনো দর্শন বা মতবাদে হারিয়ে গেলে উপরের দিকে যাও।]] :<small>পৃষ্ঠা নম্বরগুলো 'দ্য কালেক্টেড ওয়ার্কস অফ অ্যামব্রোজ বিয়ার্স', ৮ম খণ্ড (১৯১১), § "এপিগ্রামস" (পৃ. ৩৪৩ এবং পরবর্তী) থেকে নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত উক্তিগুলো এর আগে অন্য কোথাও প্রকাশিত হয়েছিল।</small> * নারী আরও বেশি আকর্ষণীয় হতো যদি তার হাতে না পড়ে কেবল তার বাহুবন্দী হওয়া যেত। * যে নারী আপনার সাথে অন্যায় করেছে তাকে হত্যা করার অনুমতি আপনার নেই, তবে সে প্রতি মিনিটে বুড়ো হচ্ছে—এই চিন্তা করতে আপনাকে কেউ বাধা দেয়নি। এভাবে আপনি দিনে ১৪৪০ বার প্রতিশোধ নিতে পারেন। * আত্মত্যাগ হলো কোনো কিছু ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতাকে প্রশ্রয় দেওয়া। ** কখনও কখনও এটি "forgo" বানানে উদ্ধৃত করা হয়, তবে বিয়ার্স তার ১৯১১ সালের 'কালেক্টেড ওয়ার্কস'-এ "forego" ব্যবহার করেছিলেন। * প্রতিটি মানুষের জন্য শব্দভাণ্ডারে এমন কিছু থাকে যা তার সাথে দ্বিতীয় চামড়ার মতো লেগে থাকবে। তার শত্রুদের কাজ শুধু সেটা খুঁজে বের করা। ** পৃ. ২৩৬ * গোঁড়ামির কাছে অনুসন্ধিৎসা আর শয়তানি একই বিষয়। ** পৃ. ৩৪৩ * এমন কোনো প্রতিভা নেই যাকে নিজেকে প্রকাশ করার আগ পর্যন্ত সবাই বোকা ভাবেনি; অথচ সে কেবল তখনই বোকা। ** পৃ. ৩৪৫ * পোশাকে খুব বেশি অনন্য হওয়ার চেষ্টা করো না; কারণ নির্বোধদের তা বেশি থাকে আর বুদ্ধিমানদের কম। নিজেকে মৌলিক দেখানো খুব একটা কাজের বিষয় নয়, বরং মনে মনে যুগের চেয়ে কিছুটা আলাদা হও। ** পৃ. ৩৪৫ * কৌতুক করা মানে কেবল চঞ্চল হওয়া, কিন্তু রসবোধ (wit) একটি গুরুতর বিষয়। এটা দেখে হাসার অর্থ হলো তুমি এটা বুঝতে পারোনি। ** পৃ. ৩৪৬ * তুমি যদি তোমার সমসাময়িকদের কাছে মহান হতে চাও, তবে তাদের চেয়ে খুব বেশি মহান হয়ো না। ** পৃ. ৩৪৬ * ওহে গর্বিত পরোপকারী, তোমার আশা বৃথা— <br> লাভের মাধ্যমে যা হারিয়েছ, তা দানের মাধ্যমে ফিরে পাওয়া। ** পৃ. ৩৪৯। আগে 'কসমোপলিটান', ৪২তম খণ্ড, ৬ষ্ঠ সংখ্যায় (এপ্রিল ১৯০৭, পৃ. ৬৯৫) "স্মল কন্ট্রিবিউশনস"-এ প্রকাশিত হয়েছিল। * দার্শনিক বলেন, "ইচ্ছার কোনো স্বাধীনতা নেই; কাউকে ফাঁসি দেওয়া অত্যন্ত অন্যায়।" <br> অফিসার সায় দেন, "ইচ্ছার কোনো স্বাধীনতা নেই; আমরা ফাঁসি দেই কারণ আমরা বাধ্য।" ** পৃ. ৩৫০ * অসন্তোষের খেলার নিজস্ব নিয়ম আছে, আর যে তা মানে না সে প্রতারণা করে। অন্যের সুবিধা বা সম্পদ নিজের করে নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করার অনুমতি তোমার নেই; তোমার অনুমতি আছে কেবল অন্য কেউ হওয়ার ইচ্ছা করার। ** পৃ. ৩৫২ * তুমি যদি একটি নিখুঁত বই পড়তে চাও তবে তার একটিই উপায় আছে: সেটি নিজেই লেখো। ** পৃ. ৩৫৩ * বনে হারিয়ে গেলে সবসময় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নামো। কোনো দর্শন বা মতবাদে হারিয়ে গেলে উপরের দিকে যাও। ** পৃ. ৩৫৪ * আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে নতি স্বীকার করি কারণ আমরা বাধ্য। কিন্তু আমাদের এই বশ্যতার ভঙ্গিটিকে সম্মানের ভঙ্গি বলতে আমরা বাধ্য নই। ** পৃ. ৩৫৪ * একজন জনপ্রিয় লেখক তিনি যিনি তা-ই লেখেন যা মানুষ ভাবে। প্রতিভা মানুষকে অন্য কিছু ভাবার আমন্ত্রণ জানায়। ** পৃ. ৩৫৬ * গুণাবলিরা তাদের রানি হিসেবে বিনয়কে বেছে নিল। <br> বিনয় বলল, "আমি জানতাম না যে আমি একটি গুণ। তোমরা কেন সারল্যকে বেছে নিলে না?" <br> তারা উত্তর দিল, "তার অজ্ঞতার কারণে। সে শুধু এটুকুই জানে যে সে একটি গুণ।" ** পৃ. ৩৫৮ * গণতন্ত্র একমাত্র যে যোগ্যতার পুরষ্কার দেয় তা হলো উচ্চমাত্রার অনুবর্তিতা। ** পৃ. ৩৫৮ * অপভাষা (slang) হলো সেই ব্যক্তির কথা যে ডাস্টবিনে ফেলার জন্য নিয়ে যাওয়া সাহিত্যের আবর্জনার গাড়ি থেকে চুরি করে। ** পৃ. ৩৫৮ * গণক হাতের মুঠোর ভাঁজ দেখে বলে সেগুলো চরিত্রের চিহ্ন। দার্শনিক চরিত্র বিচার করেন সেই জিনিসটি দেখে যা হাত সবচেয়ে বেশি আঁকড়ে ধরতে পছন্দ করে। ** পৃ. ৩৬০ * যে অর্থলোভী নিজের কাজ পাগল হওয়ার দোহাই দেয় তার প্রতিরক্ষা দুর্বল, কারণ টাকা উপার্জনের কাজকে ভালোবাসা টাকা ভালোবাসার চেয়েও নিচু স্তরের রুচি। ** পৃ. ৩৬১ * একজন মানুষ তার পূর্বপুরুষদের সমষ্টি; তাকে সংশোধন করতে হলে তোমাকে একটি মৃত বানর থেকে শুরু করতে হবে এবং দশ লক্ষ কবরের মধ্য দিয়ে নিচে নামতে হবে। সে হলো ঝোলানো শিকলের নিচের প্রান্তের মতো; তুমি তাকে সামান্য ডানে বা বামে দোলাতে পারো, কিন্তু হাত সরিয়ে নাও এবং সে আবার অন্য কড়িগুলোর সাথে লাইনে ফিরে আসবে। ** পৃ. ৩৬৩ * যে কষ্টে চিন্তা করে সে খুব জলদি বিশ্বাস করে। ** পৃ. ৩৬৩ * জীবনের পথে অনেক আনন্দকেন্দ্র আছে, কিন্তু ভেবো না যে সেগুলোতে দেরি করলে যাত্রার দিন বেড়ে যাবে। তোমার পৌঁছানোর দিনটি আগেই লেখা হয়ে গেছে। ** পৃ. ৩৬৪ * সবচেয়ে বিরক্তিকর অহংকারী হলো সে যে "আমি" এবং "আমাকে" বলতে ভয় পায়। "সম্ভবত বৃষ্টি হবে"—এটি স্বৈরাচারী কথা। "আমি মনে করি বৃষ্টি হবে"—এটি স্বাভাবিক এবং বিনয়ী। মঁতেন ছিলেন সবচেয়ে চমৎকার প্রবন্ধকার কারণ তার বিনয় এতই বেশি ছিল যে তিনি আমাদের মঁতেনকে না দেখানোটাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেননি। তিনি নিজেকে এতটাই ভুলে যেতেন যে আমাদের তাকে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি কোনো কৃত্রিমতার আশ্রয় নিতেন না। ** পৃ. ৩৬৪ * বিশ্বাস পরিবর্তনশীল; সবসময় সংগতিপূর্ণ থাকা মানে মাঝেমধ্যে অসৎ হওয়া। ** পৃ. ৩৬৭ * সবচেয়ে অসহিষ্ণু সমর্থক তিনি যিনি নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন। ** পৃ. ৩৬৭ * ধনীদের অনুগ্রহ পাওয়ার জন্য গরিব মানুষের দেওয়া প্রবেশমূল্য হলো তার আত্মসম্মান। ** পৃ. ৩৬৮ * সবাই পাগল, কিন্তু যে নিজের বিভ্রান্তি বিশ্লেষণ করতে পারে তাকে দার্শনিক বলা হয়। ** পৃ. ৩৬৯ * অপভাষা হলো একটি নোংরা ডোবা যেখানে প্রতিটি গাধা তার বালতি ভরে এবং তারপর নিজেকে একটি ঝরনা হিসেবে জাহির করে। ** পৃ. ৩৬৯ * সুখ হারিয়ে যায় একে সমালোচনা করলে; দুঃখ হারিয়ে যায় একে গ্রহণ করলে। ** পৃ. ৩৭১ * সমৃদ্ধির সময় মূর্খ আসন্ন বিপদের আশঙ্কায় কাঁপে; বিপদের সময় দার্শনিক তার পাওয়া ভালো সময়ের কথা ভেবে হাসে। ** পৃ. ৩৭১ * বৃদ্ধ বয়স, যার চোখ মাথার পেছনে থাকে, সে মনে করে যে কাদার মধ্য দিয়ে সে হাবুডুবু খেয়ে এসেছে তা দেখাই হলো প্রজ্ঞা। ** পৃ. ৩৭২-৩৭৩ * প্রজ্ঞা কেবল বোকামির সাথে তুলনা করলেই বোঝা যায়; ছায়া থাকলেই আমরা বুঝতে পারি যে সব দৃশ্যমান বস্তু সমতল নয়। তবুও পরোপকারীরা মন্দকে নির্মূল করতে চায়! ** পৃ. ৩৭৩ * ব্যর্থতার চোখে সাফল্য একটি দুর্ঘটনা। ** পৃ. ৩৭৩ * যতক্ষণ তোমার ভবিষ্যৎ আছে ততক্ষণ নিজের অতীত নিয়ে খুব বেশি পড়ে থেকো না: যদি না তুমি পেছন দিকে হাঁটতে পছন্দ করো, আয়না একজন খারাপ পথপ্রদর্শক। ** পৃ. ৩৭৪ == ভুল তথ্যসম্বলিত উক্তি == * যুদ্ধ হলো আমেরিকানদের ভূগোল শেখানোর ঈশ্বরের এক পদ্ধতি। ** কোট ইনভেস্টিগেটর-এ ["War Is God's Way of Teaching Us Geography"] ** "যুদ্ধ হলো আমেরিকানদের ভূগোল শেখানোর ঈশ্বরের এক পদ্ধতি"—এই মন্তব্যটি অনবরত অ্যামব্রোজ বিয়ার্সের নামে চালানো হয়। জীবনীকার ডেভিড ই. শুল্টজ, যার কম্পিউটারে বিয়ার্সের প্রায় সব লেখা জমা আছে, তার ডাটাবেসে এই তিক্ত মন্তব্যটি খুঁজে পাননি। রালফ কেইস, 'দ্য কোট ভেরিফায়ার' (২০০৭), পৃ. ২৪০। == বহিঃসংযোগ == * [http://donswaim.com/ অ্যামব্রোজ বিয়ার্স সাইট] * [http://www.gutenberg.org/browse/authors/b#a206 বিয়ার্স] — [[w:প্রজেক্ট গুটেনবার্গ|প্রজেক্ট গুটেনবার্গে]] * [http://www.biercephile.com অ্যামব্রোজ বিয়ার্স অ্যাপ্রিসিয়েশন সোসাইটি] * [http://www.ambrosebierce.org অ্যামব্রোজ বিয়ার্স প্রজেক্ট] * [http://ojinaga.com/bierce/ "অ্যামব্রোজ বিয়ার্স, 'দ্য ওল্ড গ্রিঙ্গো': তথ্য, ফিকশন এবং ফ্যান্টাসি"] * [http://www.rjgeib.com/thoughts/bierce/ambrose-bierce.html বিয়ার্সের শেষ চিঠিগুলোর একটি] * [http://atheisme.free.fr/Biographies/Bierce_e.htm অ্যামব্রোজ বিয়ার্সের জীবনী এবং উক্তি] * [http://bitterbierce.blogspot.com ওয়েকিন অ্যামব্রোজ: ডেভিলস ডিকশনারির সমসাময়িক রূপান্তর] 33tc59wrqfigfxfhmoqlcojnaupq83c 81907 81906 2026-04-28T09:20:37Z Tuhin 172 81907 wikitext text/x-wiki [[File:Abierce.jpg|thumb| '''[[অযৌক্তিকতা]]''', ''বি.'' এমন একটি বিবৃতি বা [[বিশ্বাস]], যা নিজের [[মতামত|মতামতের]] সাথে স্পষ্টভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ।]] '''[[w:অ্যামব্রোজ বিয়ার্স|অ্যামব্রোজ গুইনেট বিয়ার্স]]''' ([[২৪ জুন]], [[১৮৪২]] – মৃত্যুর তারিখ অনিশ্চিত; সম্ভবত [[১৯১২]] সালের শেষ দিকে বা [[১৯১৪]] সালের শুরুতে) ছিলেন একজন আমেরিকান বিদ্রূপকারী, সমালোচক, ছোটগল্পকার, সম্পাদক এবং সাংবাদিক। তিনি সম্ভবত তার ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত ব্যঙ্গাত্মক অভিধান, '''[[w:দ্য ডেভিলস ডিকশনারি|দ্য ডেভিলস ডিকশনারি]]'''-এর জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত, যেখানে তিনি সাধারণ শব্দের বিকল্প ও আরও বাস্তবসম্মত সংজ্ঞা প্রদানের মাধ্যমে বছরের পর বছর ধরে আমেরিকান সংস্কৃতি এবং প্রচলিত জ্ঞানকে বিদ্ধ করেছেন। == উক্তি == [[File:Hansel-and-gretel-rackham (cropped).jpg|thumb|যদি এটি একটি দুর্বল মানবতাবাদ এবং অপূর্ণ হজমশক্তির সংমিশ্রণ না হতো, তবে প্রকৃতির ইচ্ছা অনুযায়ী আমাদের নিজেদের সন্তানদেরই ভক্ষণ করা উচিত ছিল।]] * বালকদের অস্তিত্ব যে এখনো টিকে আছে, তা পুরুষদের অসাধারণ খ্রিস্টীয় ধৈর্যেরই প্রমাণ। যদি এটি একটি দুর্বল মানবতাবাদ এবং অপূর্ণ হজমশক্তির সংমিশ্রণ না হতো, তবে প্রকৃতির ইচ্ছা অনুযায়ী আমাদের নিজেদের সন্তানদেরই ভক্ষণ করা উচিত ছিল। ** "টাউন ক্রায়ার" কলাম, 'সান ফ্রান্সিসকো নিউজ-লেটার' (আনু. ১৮৭০) [http://books.google.com/books?ei=65MyT4yGB6bJ0QGg9p3mBw&id=GqUOAQAAMAAJ&q=&quot;The+fact+that+boys+are+allowed+to+exist+at+all+is+evidence+of+a+remarkable+Christian+forbearance+among+men+were+it+not+for+a+mawkish+humani-tarianism+coupled+with+imperfect+digestive+powers+we+should+devour+our+young+as+Nature+intended&quot;&pg=PA74#v=onepage] * কারণ মৃত্যু বিভিন্ন প্রকারের হয়। কোনোটিতে দেহ রয়ে যায়, আবার কোনোটিতে এটি আত্মার সাথে পুরোপুরি বিলীন হয়ে যায়। এটি সাধারণত কেবল নির্জনতাতেই ঘটে, কারণ সেটিই ঈশ্বরের ইচ্ছা। কেউ শেষ পরিণতি না দেখায় আমরা বলি মানুষটি হারিয়ে গেছে বা দীর্ঘ সফরে গিয়েছে, যা সে প্রকৃতপক্ষে গিয়েছেও। তবে কখনও কখনও এটি অনেকের সামনেও ঘটেছে, যার প্রচুর প্রমাণ রয়েছে। এক ধরনের মৃত্যুতে আত্মাও মারা যায় এবং শরীর বহু বছর সজীব থাকা অবস্থাতেও এমনটি হতে দেখা গিয়েছে। কখনও কখনও শরীর মারা যাওয়ার সাথে সাথেই আত্মা মারা যায়, আবার কখনও একটি নির্দিষ্ট সময় পর সেই স্থানে পুনরায় জেগে ওঠে যেখানে শরীরটি পচে গিয়েছিল। * আমার চারদিকে শুকনো ঘাসে ঢাকা, একটি ধূসর এবং জনশূন্য প্রান্তর বিস্তৃত ছিল। সেই ঘাসগুলো শরতের বাতাসে, কোনো এক রহস্যময় এবং অস্বস্তিকর ইঙ্গিত নিয়ে শব্দ করছিল। মাঝে মাঝে সেখান থেকে অদ্ভুত আকৃতির, কালচে রঙের পাথর বেরিয়ে ছিল। সেগুলোকে দেখে মনে হচ্ছিল, তাদের মধ্যে পারস্পরিক কোনো বোঝাপড়া আছে এবং তারা অর্থবহ দৃষ্টি বিনিময় করছে, যেন তারা কোনো পূর্বনির্ধারিত ঘটনার ফলাফল দেখার জন্য মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। এখানে সেখানে কয়েকটি বিধ্বস্ত গাছ, এই নীরব প্রতীক্ষার অশুভ ষড়যন্ত্রের নেতা হিসেবে উপস্থিত ছিল। * এই পাথরটি সম্ভবত সেই কবরের চিহ্ন ছিল, যেখান থেকে যুগ যুগ আগে গাছটি জন্মেছিল। গাছটির জেদি শিকড়গুলো কবরটি লুণ্ঠন করে, পাথরটিকে বন্দী করে ফেলেছিল। <br> হঠাৎ এক দমকা হাওয়ায়, পাথরের উপরের অংশ থেকে কিছু শুকনো পাতা এবং ডালপালা সরে গেলে, আমি একটি খোদাই করা লিপি দেখতে পেলাম এবং তা পড়ার জন্য ঝুঁকলাম। হে ঈশ্বর! সেখানে আমার পুরো নাম, আমার জন্মের তারিখ এবং আমার মৃত্যুর তারিখ লেখা ছিল! <br> আমি আতঙ্কে লাফিয়ে ওঠার সাথে সাথে, আলোর একটি সমান্তরাল রেখা পুরো গাছটিকে আলোকিত করে তুলল। গোলাপী পূর্ব আকাশে সূর্য উঠছিল। আমি সূর্য এবং তার বিশাল লাল থালার মাঝে দাঁড়ালাম, কিন্তু গাছের কাণ্ডে কোনো ছায়া পড়ল না! <br> নেকড়েদের একদল চিৎকার করে ভোরকে অভিবাদন জানাল। আমি তাদের মরুভূমির অর্ধেকটা জুড়ে দিগন্ত পর্যন্ত বিস্তৃত অনিয়মিত ঢিবি এবং সমাধিস্তূপের ওপর, একা বা দলবেঁধে বসে থাকতে দেখলাম। তখনই আমি বুঝতে পারলাম যে, এগুলোই সেই প্রাচীন এবং বিখ্যাত শহর কারকোসার [[ধ্বংসাবশেষ]]। ** "[[S:অ্যান ইনহ্যাবিটেন্ট অফ কারকোসা|অ্যান ইনহ্যাবিটেন্ট অফ কারকোসা]]", প্রথম প্রকাশিত: 'সান ফ্রান্সিসকো নিউজ লেটার অ্যান্ড ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাডভার্টাইজার' (২৫ ডিসেম্বর, ১৮৮৬) * পেটন ফারকুয়ার মারা গিয়েছিলেন। তার ভাঙা ঘাড়সহ দেহটি আউল ক্রিক ব্রিজের কাঠের কাঠামোর নিচে, ধীরে ধীরে এপাশ-ওপাশ দুলছিল। ** "[[s:অ্যান অকারেন্স অ্যাট আউল ক্রিক ব্রিজ|অ্যান অকারেন্স অ্যাট আউল ক্রিক ব্রিজ]]", প্রথম প্রকাশিত: 'সান ফ্রান্সিসকো এক্সামিনার' (১৩ জুলাই, ১৮৯০) [[File:Lenoir, Charles-Amable - A Nymph In The Forest.jpg|thumb|[[সুখ]]... কেবল তখনই আসে যখন একে খোঁজা হয় না এবং একে নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না।]] * হাইতা তাকে সব খুলে বলল যে, কীভাবে তিনবার সে সেই উজ্জ্বল কুমারীর দেখা পেয়েছে এবং তিনবারই সে তাকে নিঃসঙ্গ অবস্থায় ছেড়ে চলে গিয়েছে। তাদের মধ্যে যা যা কথা হয়েছিল, তার একটি শব্দও বাদ না দিয়ে সে বিস্তারিত বর্ণনা করল। <br> তার কথা শেষ হলে পবিত্র সন্ন্যাসী কিছুক্ষণ নীরব থেকে বললেন, "বৎস, আমি তোমার গল্প শুনেছি এবং আমি সেই কুমারীকে চিনি। অনেকের মতো আমিও তাকে দেখেছি। জেনে রাখো যে তার নাম হলো [[সুখ]], যা সে তোমাকে জিজ্ঞাসা করার অনুমতিও দেয়নি। তুমি তাকে ঠিকই বলেছিলে যে সে খামখেয়ালি, কারণ সে এমন শর্ত দেয় যা মানুষ পূরণ করতে পারে না এবং সামান্য ত্রুটি হলেই সে চলে গিয়ে শাস্তি দেয়। সে কেবল তখনই আসে যখন তাকে খোঁজা হয় না এবং তাকে নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। সামান্য কৌতূহল, সন্দেহের একটি চিহ্ন বা আশঙ্কার একটি প্রকাশ ঘটলেই সে উধাও হয়ে যায়! চলে যাওয়ার আগে তুমি তাকে কতক্ষণ নিজের কাছে পেয়েছিলে?" <br> লজ্জিত মুখে হাইতা স্বীকার করল যে, সে প্রতিবারই তাকে মাত্র এক মুহূর্তের জন্য পেয়েছিল। <br> তখন পবিত্র সন্ন্যাসী বললেন, "দুর্ভাগা যুবক! তোমার এই অবিবেচনার জন্য না হলে, তুমি হয়তো তাকে অন্তত দুই মুহূর্তের জন্য পেতে পারতে।" ** "[[S:হাইতা দ্য শেফার্ড|হাইতা দ্য শেফার্ড]]" (১৮৯১) * সত্যি বলতে, গ্রাফটন কবরস্থানের অর্ধেকের বেশি কবরেই "অজ্ঞাত" লেখা আছে। মাঝে মাঝে কেউ সেই विरोধাভাস নিয়ে ভাবে, যা এমন একজনের স্মৃতিকে সম্মান জানানোর সাথে জড়িত, যার স্মরণে রাখার মতো কোনো স্মৃতিই অবশিষ্ট নেই। তবে এই প্রচেষ্টা জীবিতদের বা যুক্তিবাদীদের বড় কোনো ক্ষতি করে না। ** "অ্যা বিভুয়াক অফ দ্য ডেড", 'দ্য নিউ ইয়র্ক আমেরিকান' (২২ নভেম্বর, ১৯০৩) **:<small>তুলনা করুন: [[থিওডোর ও'হারা|থিওডোর ও'হারার]], "[[w:বিভুয়াক অফ দ্য ডেড|বিভুয়াক অফ দ্য ডেড]]"</small> * [[ব্যবসা]] নামে পরিচিত [[জুয়া|জুয়াটি]], সবসময়ই জুয়া নামে পরিচিত ব্যবসাটিকে কঠোর অপছন্দের চোখে দেখে। ** "ডাইভারশনস অফ অ্যান আইডলার: সাম নেগ্লিজিবল এপিগ্রামস", 'কসমোপলিটান', ৩৯তম খণ্ড, ৪ নম্বর সংখ্যা (আগস্ট ১৯০৫), পৃ. ৪৪৪। * এমন কিছু [[শব্দ]] আছে, যা আমরা [[শ্রবণ|শুনতে]] পাই না। স্কেলের দুই প্রান্তেই এমন সুর আছে, যা মানুষের কানের মতো অপূর্ণ যন্ত্রে কোনো ঝঙ্কার তোলে না, কারণ সেগুলো হয় [[W:আল্ট্রাসাউন্ড|অতি উচ্চ]] অথবা [[W:ইনফ্রাসাউন্ড|অতি গভীর]]। আমি দেখেছি একঝাঁক কালো পাখি একটি গাছের মগডাল দখল করে গান গাইছে। হঠাৎ এক নিমেষে, সবাই একদম একই সময়ে উড়ে গেল। তারা সবাই সবাইকে দেখতে পাচ্ছিল না কারণ মাঝখানে অনেক ডালপালা ছিল, তাই কোনো নেতার সংকেত সবার দেখার কথা নয়। নিশ্চয়ই সেখানে উচ্চ এবং তীক্ষ্ণ কোনো সতর্কবার্তা ছিল, যা আমি শুনতে পাইনি। আমি এমনও দেখেছি যে, সবাই নীরব থাকা অবস্থায় একই সাথে উড়াল দিচ্ছে। কেবল কালো পাখিই নয়, বরং কোয়েলদের ক্ষেত্রেও এমনটি ঘটে, যারা পাহাড়ের বিপরীত দিকে থাকা সত্ত্বেও একই সাথে ডুব দেয়। <br> নাবিকদের কাছে এটি পরিচিত যে, মহাসাগরে মাইল জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একদল [[তিমি]], পৃথিবীর গোলকীয় বক্রতা থাকা সত্ত্বেও মাঝে মাঝে একদম একই সময়ে ডুব দেয়। তখন এমন সংকেত বেজে ওঠে যা নাবিকদের কানে পৌঁছায় না, কিন্তু তারা জাহাজে এর কম্পন অনুভব করে। <br> শব্দের মতো [[রঙ|রঙের]] ক্ষেত্রেও একই নিয়ম খাটে। [[W:তড়িৎচৌম্বকীয় বর্ণালী|সৌর বর্ণালীর]] প্রতিটি প্রান্তে এমন রশ্মি আছে, যা আমরা দেখতে পাই না। মানুষের [[চোখ]] একটি অপূর্ণ যন্ত্র, যার পরিসীমা খুবই সীমিত। আমি পাগল নই, কারণ এমন অনেক রং আছে যা আমাদের দেখার ক্ষমতার বাইরে। <br> আর ঈশ্বর আমাকে রক্ষা করুন, কারণ সেই অভিশপ্ত জিনিসটি ঠিক তেমনই এক রঙের! ** "[[S:দ্য ড্যামড থিং|দ্য ড্যামড থিং]]", 'কালেক্টেড ওয়ার্কস', ৩য় খণ্ড (১৯০৯) * '''লক্ষ্য করো, কীভাবে আমার খ্যাতি এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে: হাজার হাজার সমালোচক চিৎকার করে বলছে, "সে অজ্ঞাত!"''' ** দ্বিপদী উক্তি, চার্লস পুয়োরের "বুকস অফ দ্য টাইমস"-এ উদ্ধৃত, 'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস' (১৫ নভেম্বর, ১৯৪৫), পৃ. ১৭। * [[w:হেরোদ|হেরোদকে]] নিয়ে পড়াশোনা করুন ম্যাডাম, হেরোদকে নিয়ে পড়াশোনা করুন। ** বিরক্তিকর কোনো সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন অবাধ্য সন্তানদের মানুষ করার উপায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, তখন এই উক্তিটি করা হয়। ফ্লোরেন্স কিং-এর 'রিফ্লেকশনস ইন আ জন্ডিসড আই' (সেন্ট মার্টিনস পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৯০) বইয়ে এটি উল্লেখ আছে। * [[w:হেরোদ|হেরোদকে]] নিয়ে পড়াশোনা করুন ম্যাডাম, হেরোদকে নিয়ে পড়াশোনা করুন। ** বিরক্তিকর কোনো সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন অবাধ্য সন্তানদের মানুষ করার উপায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, তখন এই উক্তিটি করা হয়। ফ্লোরেন্স কিং-এর 'রিফ্লেকশনস ইন আ জন্ডিসড আই' (সেন্ট মার্টিনস পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৯০) বইয়ে এটি উল্লেখ আছে। === 'হোয়াট আই স অ্যাট শিলো' (১৮৮১) === :<small>আমেরিকান গৃহযুদ্ধ নিয়ে বিয়ার্সের প্রথম প্রকাশিত স্মৃতিকথা। এই কর্মটি কয়েকটি অংশে বিভক্ত, যা [[w:রোমান সংখ্যা|রোমান সংখ্যা]] দ্বারা চিহ্নিত।</small> [[File:Thure de Thulstrup - Battle of Shiloh.jpg|thumb|একটি সেনাবাহিনীর সবচেয়ে সাহসী মানুষ হলো তাদের ভীরুরা। শত্রু সৈন্যের হাতে যে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে তারা চায় না, সেই মৃত্যুর মুখে তারা বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছাড়াই নিজেদের কর্মকর্তাদের হাতে পড়বে।]] * এটি একটি যুদ্ধের সাধারণ কাহিনী। এমন এক গল্প যা একজন সৈনিক, যে কি না কোনো লেখক নয়, শোনাচ্ছে এমন একজন পাঠককে, যে কি না কোনো সৈনিক নয়। ** ১ * একটি সেনাবাহিনীর সবচেয়ে সাহসী মানুষ হলো তাদের ভীরুরা। শত্রু সৈন্যের হাতে যে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে তারা চায় না, সেই মৃত্যুর মুখে তারা বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছাড়াই নিজেদের কর্মকর্তাদের হাতে পড়বে। ** ৫ * ঝোপঝাড়ের পেছনে গর্তের মধ্যে লুকানো ছিল বড় বড় তাবু, যা মোমবাতির আলোয় আবছা আলোকিত হলেও দেখতে বেশ আরামদায়ক ছিল। সেই তাবুগুলো কী ধরনের আরাম প্রদান করছিল তা বোঝা হচ্ছিল, যখন এক জোড়া মানুষ পালকি নিয়ে ভেতরে ঢুকছিল এবং পুনরায় বেরিয়ে আসছিল। ভেতরে চাপা আর্তনাদ শোনা যাচ্ছিল এবং বাইরে মুখ ঢাকা মৃতদেহের লম্বা সারি পড়ে ছিল। এই তাবুগুলো অনবরত আহতদের গ্রহণ করছিল, তবুও কখনও পূর্ণ হচ্ছিল না। আবার অবিরাম মৃতদেহ বের করে দিচ্ছিল, তবুও কখনও খালি হচ্ছিল না। এটি এমন ছিল যেন অসহায়দের ভেতরে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে, যাতে তারা আগামীকাল যাদের লড়াই করার কথা তাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে। ** ৫ * আমি ধারণা করি যে, করিন্থ এবং পিটসবার্গ ল্যান্ডিং-এর মধ্যবর্তী অঞ্চলে কুমির ছাড়া হয়তো আরও কিছু অধিবাসী ছিল। তারা কেমন মানুষ ছিল তা বলা অসম্ভব, কারণ যুদ্ধ তাদের তাড়িয়ে দিয়েছিল অথবা সম্ভবত নির্মূল করে দিয়েছিল; হয়তো তাদের কেবল "অ-সরীসৃপ" হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেই আমি যথেষ্ট বর্ণনা দিতে পারব এবং একই সাথে সেই স্বাভাবিক সন্দেহ থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারব যা এমন একজন লেখকের ওপর বর্তায়, যে কি না অপরিচিত মানুষের কাছে এমন ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে যাদের সে নিজেও চেনে না। '''তবে একটি বিষয় আমি কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে, এই জলাভূমির বাসিন্দারা ধার্মিক ছিল। তারা কোন দেবতার পূজা করত—মিসরীয়দের মতো কুমিরের নাকি অন্যান্য আমেরিকানদের মতো নিজেদের—তা আমি আন্দাজ করতে পারছি না।''' কিন্তু তারা যে দেবতারই আরাধনা করুক না কেন, তার বা সেই সত্তার জন্য তারা একটি উপাসনালয় তৈরি করেছিল। জনশূন্য প্রান্তরের ঠিক মাঝখানে অবস্থিত এই সাধারণ ভবনটি শিলোহ চ্যাপেল নামে পরিচিত ছিল, যেখান থেকে এই যুদ্ধের নাম হয়েছে। ** ৬ * কামানের গোলায় ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়া গাছের কাণ্ডগুলো থেকে চেরা কাঠ এমনভাবে বেরিয়ে ছিল যেন অনেকগুলো হাত এবং ক্ষতের ওপরের অংশ ও নিচের অংশের আঙুলগুলো একে অপরের সাথে জড়িয়ে আছে। ** ৭ === 'দ্য সিনিকস ওয়ার্ড বুক' (১৯০৬) === * একটি চুমু আসলে কামড়েরই এক মার্জিত রূপ; একজন স্নেহময়ী মা যখন আবেগাপ্লুত হয়ে দাবি করেন যে তার সন্তান 'এতটাই ভালো যে প্রায় খেয়ে ফেলা যায়', তখন তিনি আসলে এটাই দেখান যে তিনি নিজেও তাকে খেয়ে ফেলার জন্য সামান্য একটু বেশিই ভালো মানুষ। ** পৃ. ৪৩ (নরখাদক) * [[অসহিষ্ণুতা]] স্বাভাবিক এবং যুক্তিযুক্ত, কারণ প্রতিটি ভিন্নমতের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে নিজের শ্রেষ্ঠতর প্রজ্ঞার এক অহংকার। ** পৃ. ৯৪ (উক্তি) * কোনো অস্ত্রোপচারের আগে আপনার বৈষয়িক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিন। আপনি বেঁচেও যেতে পারেন। ** পৃ. ৯৪ (উক্তি) === '''[[w:দ্য ডেভিলস ডিকশনারি|দ্য ডেভিলস ডিকশনারি]]''' (১৯১১) === :<small>প্রথম 'এ' থেকে 'এল' বর্ণ পর্যন্ত 'দ্য সিনিকস ওয়ার্ড বুক' (১৯০৬) নামে প্রকাশিত হয়েছিল।</small> [[File:As08-16-2593.jpg|thumb|'''[[সমুদ্র]]''', ''বি.'' একটি বিশাল জলরাশি যা মানুষের জন্য তৈরি করা এই পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে আছে—অথচ মানুষের কোনো ফুলকা নেই।]] * '''অস্বাভাবিক,''' ''বিণ.'' চিন্তা ও আচরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত মানদণ্ড অনুসরণ না করা। স্বাধীন হওয়া মানেই অস্বাভাবিক হওয়া, আর অস্বাভাবিক হওয়া মানেই ঘৃণিত হওয়া। অতএব অভিধানপ্রণেতা পরামর্শ দিচ্ছেন যে, নিজের চেয়ে বরং "গড়পড়তা মানুষের" সাথে সাদৃশ্য বজায় রাখার জন্য কঠোর প্রচেষ্টা করা উচিত। যে এই কাজে সফল হবে সে শান্তি পাবে, মৃত্যুর সম্ভাবনা খুঁজে পাবে এবং নরকের আশা পাবে। * '''অনুপস্থিত,''' ''বিণ.'' পরনিন্দার কবলে পড়ার জন্য বিশেষভাবে উন্মুক্ত; কলঙ্কিত; হতাশাজনকভাবে ভুল পথে থাকা; অন্যের বিবেচনা এবং স্নেহ থেকে অপসারিত। * পুরুষের কাছে পুরুষ কেবলই একটি মন। কে তোয়াক্কা করে <br> সে কোন মুখ নিয়ে চলে বা তার আকার কেমন? <br> কিন্তু নারীর শরীরই হলো নারী। ওহে, <br> আমার প্রিয়তমা, তুমি থাকো, কক্ষনো যেয়ো না, <br> বরং জ্ঞানীর সতর্কবার্তা শোনো: <br> একজন অনুপস্থিত নারী মানেই একজন মৃত নারী। * '''সংযমী''', ''বি.'' একজন দুর্বল ব্যক্তি যে নিজেকে আনন্দ থেকে বঞ্চিত করার প্রলোভনের কাছে হার মানে। একজন পূর্ণ সংযমী হলো সে, যে সংযম ছাড়া আর সবকিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখে, বিশেষ করে অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক গলানো থেকে বিরত থাকতে পারে না। * '''অযৌক্তিকতা''', ''বি.'' এমন একটি বিবৃতি বা বিশ্বাস যা নিজের মতামতের সাথে স্পষ্টভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ। * '''ঐক্য''', ''বি.'' সুসমন্বয়। * '''অ্যাকর্ডিয়ন''', ''বি.'' একজন ঘাতকের অনুভূতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বাদ্যযন্ত্র। * '''পরিচিত''', ''বি.'' এমন একজন ব্যক্তি যার কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার মতো যথেষ্ট চেনা-জানা আছে, কিন্তু তাকে ঋণ দেওয়ার মতো যথেষ্ট ঘনিষ্ঠতা নেই। বন্ধুত্বের একটি ধাপ, যা লক্ষ্যবস্তু গরিব বা অখ্যাত হলে "সামান্য" বলা হয় এবং সে ধনী বা বিখ্যাত হলে "ঘনিষ্ঠ" বলা হয়। * '''প্রশংসা''', ''বি.'' অন্যের মাঝে আমাদের নিজেদের সাদৃশ্যের বিনয়ী স্বীকৃতি। * '''উপদেশ''', ''বি.'' বর্তমানের সবচেয়ে ছোট মানের মুদ্রা। * '''একাকী''', ''বিণ.'' কুসঙ্গে থাকা। * '''উচ্চাকাঙ্ক্ষা''', ''বি.'' বেঁচে থাকতে শত্রুদের দ্বারা কলঙ্কিত হওয়ার এবং মারা যাওয়ার পর বন্ধুদের দ্বারা উপহাসের পাত্র হওয়ার এক অদম্য ইচ্ছা। * '''সাধারণ ক্ষমা''', ''বি.'' সেই সব অপরাধীদের প্রতি রাষ্ট্রের মহানুভবতা যাদের শাস্তি দেওয়াটা অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়বে। * '''ক্ষমা চাওয়া''', ''ক্রি.'' ভবিষ্যতে কোনো অপরাধ করার ভিত্তি তৈরি করা। * '''ব্যাকাস''', ''বি.'' প্রাচীনদের দ্বারা আবিষ্কৃত একটি সুবিধাজনক দেবতা, যা মাতাল হওয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহৃত হতো। * '''পিঠ''', ''বি.'' আপনার বন্ধুর সেই অংশ যা আপনার বিপদের সময় দেখার অধিকার আপনি রাখেন। * '''পরনিন্দা''', ''স. ক্রি.'' কোনো মানুষের সম্পর্কে এমন কথা বলা যা সে আপনার অনুপস্থিতিতে শুনতে পায় না। * '''ব্যারোমিটার''', ''বি.'' একটি উদ্ভাবনী যন্ত্র যা নির্দেশ করে যে আমরা বর্তমানে কেমন আবহাওয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। * '''জন্ম''', ''বি.'' সব দুর্যোগের মধ্যে প্রথম এবং সবচেয়ে ভয়াবহ। * '''বিরক্তিকর ব্যক্তি''', ''বি.'' এমন একজন ব্যক্তি যে তখন কথা বলে যখন আপনি চান সে আপনার কথা শুনুক। * '''সীমানা''', ''বি.'' রাজনৈতিক ভূগোলে দুটি জাতির মধ্যে একটি কাল্পনিক রেখা, যা একজনের কাল্পনিক অধিকারকে অন্যজনের কাল্পনিক অধিকার থেকে পৃথক করে। * '''মস্তিষ্ক''', ''বি.'' এমন একটি যন্ত্র যা দিয়ে আমরা ভাবি যে আমরা ভাবছি... আমাদের সভ্যতায় এবং প্রজাতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় বুদ্ধিমত্তাকে এত উচ্চ মর্যাদায় দেখা হয় যে, এর পুরস্কার হিসেবে দাপ্তরিক কাজের ঝামেলা থেকে একে অব্যাহতি দেওয়া হয়। [[File:Marriage A-la-Mode 2, The Tête à Tête - William Hogarth.jpg|thumb|'''বধূ''', ''বি.'' এমন একজন নারী যার পেছনে সুখের এক চমৎকার সম্ভাবনা ফেলে আসা হয়েছে।]] * '''বধূ''', ''বি.'' এমন একজন নারী যার পেছনে সুখের এক চমৎকার সম্ভাবনা ফেলে আসা হয়েছে। * '''বাঁধাকপি''', ''বি.'' রান্নাঘরের বাগানের পরিচিত একটি সবজি যা একজন মানুষের মাথার সমান বড় এবং তার মতোই বুদ্ধিমান। * '''কালোস''', ''বিণ.'' অন্যের দুর্দশা সহ্য করার মতো মহান ধৈর্যের অধিকারী। * '''কামান''', ''বি.'' জাতীয় সীমানা সংশোধনের কাজে ব্যবহৃত একটি যন্ত্র। * '''রাজধানী''', ''বি.'' কুশাসনের মূল কেন্দ্র। * '''কার্তেসীয়''', ''বিণ.'' বিখ্যাত দার্শনিক দেকার্ত সংক্রান্ত, যিনি প্রখ্যাত উক্তি "আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি"-এর লেখক; যার মাধ্যমে তিনি মানুষের অস্তিত্বের বাস্তবতা প্রমাণ করেছেন বলে আনন্দিত ছিলেন। তবে উক্তিটিকে এভাবে উন্নত করা যেতে পারে: "আমি চিন্তা করি যে আমি চিন্তা করি, তাই আমি চিন্তা করি যে আমি আছি"—যা এখন পর্যন্ত কোনো দার্শনিকের নিশ্চিত ধারণার সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছানো। * '''বিড়াল''', ''বি.'' প্রকৃতি প্রদত্ত একটি নরম ও অবিনাশী স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র, যা সাংসারিক জীবনে কোনো কিছু ভুল হয়ে গেলে লাথি খাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। * '''খ্রিস্টান''', ''বি.'' এমন একজন যে বিশ্বাস করে যে নিউ টেস্টামেন্ট হলো ঈশ্বরপ্রদত্ত একটি কিতাব যা তার প্রতিবেশীর আধ্যাত্মিক প্রয়োজনে অত্যন্ত উপযোগী। এমন একজন যে খ্রিস্টের শিক্ষা ততক্ষণই মেনে চলে যতক্ষণ তা পাপপূর্ণ জীবনের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ না হয়। * '''সার্কাস''', ''বি.'' এমন একটি জায়গা যেখানে ঘোড়া, টাট্টু ঘোড়া এবং হাতিদের অনুমতি দেওয়া হয় পুরুষ, নারী ও শিশুদের বোকামি করার দৃশ্য দেখার জন্য। * '''অতীন্দ্রিয়দর্শী''', ''বি.'' একজন ব্যক্তি, সাধারণত একজন নারী, যার সেই ক্ষমতা আছে যা তার গ্রাহকের কাছে অদৃশ্য তা দেখার, অর্থাৎ—সে যে একটি আস্ত গাধা। * '''ক্ল্যারিনেট''', ''বি.'' কানে তুলো দিয়ে রাখা একজন ব্যক্তির দ্বারা পরিচালিত একটি যন্ত্রণাদায়ক যন্ত্র। ক্ল্যারিনেটের চেয়েও খারাপ দুটি যন্ত্র আছে—দুটি ক্ল্যারিনেট। * '''ঘড়ি''', ''বি.'' মানুষের কাছে অত্যন্ত নৈতিক মূল্যের একটি যন্ত্র, যা তাকে মনে করিয়ে দেয় যে তার হাতে এখনো কতটা সময় অবশিষ্ট আছে এবং এভাবে ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা লাঘব করে। * '''বিশ্বাসভাজন''', ''বি.'' এমন একজন যাকে 'ক' ব্যক্তি 'খ' ব্যক্তির গোপন কথা আমানত রাখে, যা পরে সে 'গ' ব্যক্তির কাছে ফাঁস করে দেয়। * '''অভিনন্দন''', ''বি.'' ঈর্ষার ভদ্র রূপ। * '''রক্ষণশীল''', ''বি.'' এমন একজন রাষ্ট্রনায়ক যে বিদ্যমান মন্দগুলোর প্রেমে মজে আছে; উদারপন্থীদের বিপরীত, যারা সেই মন্দগুলোকে সরিয়ে নতুন ধরনের মন্দ নিয়ে আসতে চায়। * '''কর্পোরেশন''', ''বি.'' ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা ছাড়াই ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জনের এক উদ্ভাবনী কৌশল। [[File:Cynicism graffiti.jpg|thumb|'''সংশয়বাদী''', ''বি.'' এমন এক দুশ্চরিত্র ব্যক্তি যার ত্রুটিপূর্ণ দৃষ্টিতে সবকিছু যেভাবে থাকা উচিত সেভাবে না দেখে বরং যেমন আছে সেভাবেই দেখে।]] * '''সংশয়বাদী''', ''বি.'' এমন এক দুশ্চরিত্র ব্যক্তি যার ত্রুটিপূর্ণ দৃষ্টিতে সবকিছু যেভাবে থাকা উচিত সেভাবে না দেখে বরং যেমন আছে সেভাবেই দেখে। এজন্যই সিথিয়ানদের মধ্যে সংশয়বাদীদের চোখ উপড়ে ফেলার রীতি ছিল যাতে তার দৃষ্টিশক্তির উন্নতি হয়। * '''ভোর''', ''বি.'' সেই সময় যখন বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ ঘুমানোর জন্য বিছানায় যায়। কিছু বৃদ্ধ মানুষ সেই সময় ঘুম থেকে ওঠা পছন্দ করেন এবং খালি পেটে ঠান্ডা পানিতে গোসল ও দীর্ঘ ভ্রমণে বের হয়ে শরীরকে কষ্ট দেন। * '''সিদ্ধান্ত নেওয়া''', ''অ. ক্রি.'' একগুচ্ছ প্রভাবের কাছে অন্য গুচ্ছের তুলনায় নতি স্বীকার করা। * '''অরক্ষিত''', ''বিণ.'' আক্রমণ করতে অক্ষম। * '''অভিধান''', ''বি.'' ভাষার বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করার এবং একে অনমনীয় ও কঠিন করে তোলার এক ক্ষতিকারক সাহিত্যিক কৌশল। তবে এই অভিধানটি অত্যন্ত দরকারি একটি কাজ। * '''কূটনীতি''', ''বি.'' নিজের দেশের জন্য মিথ্যা বলার দেশপ্রেমিক শিল্প। * '''শিক্ষা''', ''বি.'' যা জ্ঞানীদের কাছে তাদের বোধগম্যতার অভাব প্রকাশ করে এবং মূর্খদের কাছে তা আড়াল করে। * '''ভক্ষ্য''', ''বিণ.'' খাওয়ার উপযোগী এবং হজমের জন্য স্বাস্থ্যকর; যেমন ব্যাঙের জন্য পোকা, সাপের জন্য ব্যাঙ, শূকরের জন্য সাপ, মানুষের জন্য শূকর এবং পোকার জন্য মানুষ। [[File:Ambrose Bierce portrait by John Herbert Evelyn Partington (retouched).jpg|thumb|'''[[অহংবাদী]]''', ''বি.'' নিচু রুচির এক [[ব্যক্তি]], যে আমার চেয়ে নিজের প্রতি বেশি আগ্রহী।]] * '''অহংবাদী''', ''বি.'' নিচু রুচির এক ব্যক্তি, যে আমার চেয়ে নিজের প্রতি বেশি আগ্রহী। * '''বিদ্যুৎ''', ''বি.'' অন্য কোনো কারণে ঘটে না বলে পরিচিত এমন সব প্রাকৃতিক ঘটনার মূল কারণ। এটি বজ্রপাতেরই অনুরূপ এবং ডক্টর ফ্র্যাঙ্কলিনকে আঘাত করার বিখ্যাত প্রচেষ্টাটি সেই মহান ও ভালো মানুষের ক্যারিয়ারের অন্যতম এক নাটকীয় ঘটনা। * '''পাণ্ডিত্য''', ''বি.'' বই থেকে ঝেড়ে একটি খালি মাথার ভেতরে ঢুকানো ধুলোবালি। * '''বিলুপ্তি''', ''বি.'' সেই কাঁচামাল যা দিয়ে ধর্মতত্ত্ব পরকাল তৈরি করেছে। * '''বিশ্বাস''', ''বি.'' কোনো প্রমাণ ছাড়াই এমন কিছুতে আস্থা রাখা যা এমন একজন বলেছে যার কোনো জ্ঞান নেই এবং যার কোনো তুলনা নেই। * '''ফ্যাশন''', ''বি.'' এমন এক স্বৈরশাসক যাকে জ্ঞানীরা উপহাস করে কিন্তু মেনে চলে। * '''ভোজ''', ''বি.'' একটি উৎসব। একটি ধর্মীয় উদযাপন যা সাধারণত পেটুকপনা এবং মাতলামি দ্বারা চিহ্নিত হয়; প্রায়শই এমন কোনো পবিত্র ব্যক্তির সম্মানে এটি করা হয় যিনি মিতাহারের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। * '''মাংস''', ''বি.'' পার্থিব ত্রয়ীর দ্বিতীয় ব্যক্তি। * '''বিস্মৃতি''', ঈশ্বরের পক্ষ থেকে [[ঋণদাতা|ঋণগ্রহীতাদের]] দেওয়া একটি উপহার, যা তাদের বিবেকের অভাবের ক্ষতিপূরণ হিসেবে কাজ করে। * '''জলদস্যু''', ''বি.'' ক্ষুদ্র ব্যবসার একজন বিজয়ী, যার দখলের মধ্যে বিশালত্বের পবিত্র গুণের অভাব রয়েছে। * '''ফ্রিম্যাসন''', ''বি.'' গোপন আচার, কিম্ভুতকিমাকার অনুষ্ঠান এবং অদ্ভুত পোশাকের একটি গোষ্ঠী; যা ইংল্যান্ডের [[দ্বিতীয় চার্লস]]-এর শাসনামলে লন্ডনের কারিগরদের মধ্যে উদ্ভূত হয়েছিল। গত কয়েক শতাব্দী ধরে মৃত ব্যক্তিরা ক্রমাগত এতে যোগ দিয়েছে এবং এখন এটি [[আদম]]-এর এই পাশের সব প্রজন্মকে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছে। এমনকি সৃষ্টির আগের বিশৃঙ্খলা ও রূপহীন শূন্যতার অধিবাসীদের মধ্য থেকেও এটি বিশিষ্ট সদস্যদের সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে। এই গোষ্ঠীটি বিভিন্ন সময়ে [[শার্লিম্যান]], [[জুলিয়াস সিজার]], [[মহান সাইরাস]], [[সোলোমন]], [[জরথুস্ট্র]], [[কনফুসিয়াস]], [[w:প্রথম থুটমোস|থোথমিস]] এবং [[বুদ্ধ]] দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর প্রতীক ও চিহ্নগুলো প্যারিস এবং রোমের ভূগর্ভস্থ সমাধিস্থল, পার্থেননের পাথর, চীনের মহাপ্রাচীর, কার্নাক ও পালমিরার মন্দির এবং মিশরের পিরামিডগুলোতে পাওয়া গিয়েছে—সব সময়ই একজন ফ্রিম্যাসনের দ্বারা। * '''বন্ধুহীন''', ''বিণ.'' দেওয়ার মতো কোনো অনুগ্রহ নেই এমন। সৌভাগ্যহীন। সত্য এবং সাধারণ জ্ঞান বলার নেশায় আসক্ত। [[File:Tombstone courthouse gallows.jpg|thumb|'''ফাঁসির মঞ্চ''', ''বি.'' অলৌকিক নাটক প্রদর্শনের একটি মঞ্চ, যার প্রধান অভিনেতা সরাসরি স্বর্গে স্থানান্তরিত হন।]] * '''ফাঁসির মঞ্চ''', ''বি.'' অলৌকিক নাটক প্রদর্শনের একটি মঞ্চ, যার প্রধান অভিনেতা সরাসরি স্বর্গে স্থানান্তরিত হন। * '''বংশলতিকা''', ''বি.'' এমন এক পূর্বপুরুষ থেকে নিজের বংশধরের বিবরণ, যিনি নিজে নিজের বংশ খুঁজে বের করার বিষয়ে খুব একটা আগ্রহী ছিলেন না। * '''উদার''', ''বিণ.'' মূলত এই শব্দটি দিয়ে আভিজাত্যে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিকে বোঝানো হতো এবং এটি বহু মানুষের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হতো। এখন এটি স্বভাবগত আভিজাত্য বোঝায় এবং বর্তমানে এটি কিছুটা বিশ্রামে আছে। * '''সুখ''', ''বি.'' অন্যের দুর্দশা দেখে নিজের মনে জেগে ওঠা এক চমৎকার অনুভূতি। * '''পৌত্তলিক''', ''বি.'' এমন এক অন্ধকারাচ্ছন্ন জীব যে এমন কিছুকে পূজা করার বোকামি করে যা সে দেখতে পায় এবং স্পর্শ করতে পারে। * '''স্বর্গ''', ''বি.'' এমন এক জায়গা যেখানে দুষ্টরা তাদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলে আপনাকে বিরক্ত করা বন্ধ করে এবং ভালো মানুষরা মনোযোগ দিয়ে আপনার কথা শোনে যখন আপনি নিজের গুণগান করেন। * '''সহধর্মিনী''', ''বি.'' একজন স্ত্রী, অথবা তিতা অর্ধেক। * '''তার (স্ত্রীলিঙ্গ)''', ''সর্ব.'' তার (পুংলিঙ্গ)। [[File:George Caleb Bingham - The County Election - 44-2001 - Saint Louis Art Museum.jpg|thumb| '''[[নির্বোধ]]''', ''বি.'' একটি বিশাল এবং শক্তিশালী [[গোষ্ঠী|গোষ্ঠীর]] সদস্য যাদের প্রভাব মানবিক বিষয়ে সবসময়ই প্রধান এবং নিয়ন্ত্রণকারী।]] * '''নির্বোধ''', ''বি.'' একটি বিশাল এবং শক্তিশালী গোষ্ঠীর সদস্য যাদের প্রভাব মানবিক বিষয়ে সবসময়ই প্রধান এবং নিয়ন্ত্রণকারী। নির্বোধের কার্যক্রম কোনো বিশেষ চিন্তা বা কর্মক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি "সবকিছুর মধ্যে ছড়িয়ে থাকে এবং নিয়ন্ত্রণ করে।" সব বিষয়ে তার কথাই শেষ কথা; তার সিদ্ধান্ত আপিলযোগ্য নয়। সে ফ্যাশন এবং রুচি নির্ধারণ করে, কথার সীমা ঠিক করে দেয় এবং মৃত-রেখা দিয়ে আচরণকে সীমাবদ্ধ করে। * '''অসহাবস্থানযোগ্য''', ''বিণ.'' অন্য কিছু অস্তিত্বশীল থাকলে যার অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব। দুটি জিনিস অসহাবস্থানযোগ্য হয় যখন অস্তিত্বের জগতে একজনের জায়গা থাকলেও দুজনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না—যেমন [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]]-এর কবিতা এবং মানুষের প্রতি ঈশ্বরের দয়া। * '''শৈশব''', ''বি.'' আমাদের জীবনের সেই সময় যখন [[উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ]]-এর মতে, 'স্বর্গ আমাদের ঘিরে থাকে।' এর ঠিক পরেই পৃথিবী আমাদের নিয়ে মিথ্যা বলতে শুরু করে। * '''ভিতরকার''', ''বি. বহুবচন।'' পাকস্থলী, হৃৎপিণ্ড, আত্মা এবং অন্যান্য নাড়িভুঁড়ি। * '''বিদ্রোহ''', ''বি.'' একটি ব্যর্থ বিপ্লব। খারাপ শাসনের বদলে কুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে অসন্তোষের ব্যর্থতা। * '''বিচার''', ''বি.'' এমন এক পণ্য যা কম-বেশি ভেজাল মিশ্রিত অবস্থায় রাষ্ট্র তার নাগরিকদের কাছে বিক্রি করে; তাদের আনুগত্য, ট্যাক্স এবং ব্যক্তিগত সেবার পুরস্কার হিসেবে। * '''কিল্ট''', ''বি.'' এমন এক পোশাক যা মাঝেমধ্যে আমেরিকায় থাকা স্কটিশরা এবং স্কটল্যান্ডে থাকা আমেরিকানরা পরিধান করে। * '''চুরির বাতিকগ্রস্ত''', ''বি.'' একজন ধনী চোর। * '''শ্রম''', ''বি.'' এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে 'ক' ব্যক্তি 'খ' ব্যক্তির সম্পত্তি অর্জন করে। * '''ভূমি''', ''বি.'' পৃথিবীর উপরিভাগের একটি অংশ যা সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। ভূমি যে ব্যক্তিগত মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণের অধীন একটি সম্পদ—এই তত্ত্বটি আধুনিক সমাজের ভিত্তি এবং এটি উপরিকাঠামোর জন্য অত্যন্ত যোগ্য। যৌক্তিকভাবে এর অর্থ দাঁড়ায় যে, কারও কারও অধিকার আছে অন্যদের বেঁচে থাকা প্রতিরোধ করার; কারণ মালিকানার অধিকার মানেই এককভাবে দখলের অধিকার; আর যেখানেই ভূমিতে সম্পত্তির স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে সেখানেই অনধিকার প্রবেশের আইন প্রণীত হয়েছে। এর ফলে যদি সমগ্র স্থলভাগের মালিকানা 'ক', 'খ' এবং 'গ'-এর হয়, তবে 'ঘ', 'ঙ', 'চ' এবং 'ছ'-এর জন্মানোর কোনো জায়গা থাকবে না, অথবা অনুপ্রবেশকারী হিসেবে জন্মালেও টিকে থাকার সুযোগ থাকবে না। * '''হাসি''', ''বি.'' শরীরের ভেতরের এক সংকোচন, যা চেহারার বিকৃতি ঘটায় এবং অস্পষ্ট শব্দের সৃষ্টি করে। এটি সংক্রামক এবং যদিও এটি মাঝেমধ্যে হয়, তবুও এটি নিরাময়যোগ্য নয়। * '''বিদ্যা''', ''বি.'' এক ধরনের অজ্ঞতা যা পড়ুয়াদের আলাদা করে চিনিয়ে দেয়। * '''স্বাধীনতা''', ''বি.'' কল্পনার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদগুলোর একটি। * '''স্বাধীনতা''', ''বি.'' মুক্তাবস্থা এবং স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য সঠিকভাবে জানা নেই; প্রকৃতিবিদরা কোনোটিরই জীবিত নমুনা কখনও খুঁজে পাননি। * '''যুক্তিবিদ্যা''', ''বি.'' মানুষের ভুল বোঝার সীমাবদ্ধতা এবং অক্ষমতার সাথে কঠোরভাবে সংগতি রেখে চিন্তা ও বিচার করার শিল্প। [[File:Frank Bernard Dicksee - Romeo and Juliet, 1884.jpg|thumb|'''ভালোবাসা''', ''বি.'' একটি সাময়িক উন্মাদনা যা বিয়ের মাধ্যমে অথবা রোগীকে সেই প্রভাব থেকে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য যার অধীনে সে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। এই রোগটি কেবল কৃত্রিম পরিবেশে বসবাসকারী সভ্য জাতিগুলোর মধ্যেই প্রচলিত; বিশুদ্ধ বাতাস গ্রহণকারী এবং সাধারণ খাবার খাওয়া অসভ্য জাতিগুলো এর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে মুক্ত থাকে। এটি কখনও কখনও প্রাণঘাতী হয়, তবে রোগীর চেয়ে চিকিৎসকের জন্য এটি বেশি ঘটে।]] * '''ভালোবাসা''', ''বি.'' একটি সাময়িক উন্মাদনা যা বিয়ের মাধ্যমে অথবা রোগীকে সেই প্রভাব থেকে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য যার অধীনে সে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। এই রোগটি কেবল কৃত্রিম পরিবেশে বসবাসকারী সভ্য জাতিগুলোর মধ্যেই প্রচলিত; বিশুদ্ধ বাতাস গ্রহণকারী এবং সাধারণ খাবার খাওয়া অসভ্য জাতিগুলো এর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে মুক্ত থাকে। এটি কখনও কখনও প্রাণঘাতী হয়, তবে রোগীর চেয়ে চিকিৎসকের জন্য এটি বেশি ঘটে। * '''পাগল''', ''বিণ.'' উচ্চমাত্রার বৌদ্ধিক স্বাধীনতা দ্বারা আক্রান্ত; চিন্তা, কথা এবং কাজের সেই সব মানদণ্ড অনুসরণ না করা যা অনুসারীরা নিজেদের অধ্যয়ন থেকে তৈরি করেছে; সংখ্যাগরিষ্ঠের সাথে অমিল থাকা; সংক্ষেপে—অস্বাভাবিক। এটি লক্ষণীয় যে, কর্মকর্তারা কোনো প্রমাণ ছাড়াই ব্যক্তিদের পাগল ঘোষণা করেন, যেখানে তারা নিজেরাও যে সুস্থ তার কোনো প্রমাণ নেই। * '''বিয়ে''', ''বি.'' একটি সম্প্রদায়ের অবস্থা বা দশা যা একজন প্রভু, একজন কর্ত্রী এবং দুজন দাসের সমন্বয়ে গঠিত—সব মিলিয়ে সংখ্যাটি হয় দুই। * '''মেয়োনিজ''', ''বি.'' সসগুলোর মধ্যে একটি যা ফরাসিদের কাছে রাষ্ট্রীয় ধর্মের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। * '''সোমবার''', ''বি.'' খ্রিস্টান দেশগুলোতে, বেসবল খেলার পরের দিন। * '''প্রতিবেশী''', ''বি.'' এমন একজন যাকে আমাদের নিজেদের মতো ভালোবাসার আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং যে আমাদের অবাধ্য করার জন্য যা যা করা সম্ভব তার সবই করে। * '''অ-যোদ্ধা''', ''বি.'' একজন মৃত কুয়াকার। * '''সমুদ্র''', ''বি.'' একটি বিশাল জলরাশি যা মানুষের জন্য তৈরি করা এই পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে আছে—অথচ মানুষের কোনো ফুলকা নেই। * '''একবার''', ''বিণ.'' যথেষ্ট। * '''আফিম''', ''বি.'' ব্যক্তিত্বের কারাগারের একটি খোলা দরজা। এটি জেলের আঙিনার দিকে নিয়ে যায়। * '''সুযোগ''', ''বি.'' একটি হতাশাকে আঁকড়ে ধরার অনুকূল মুহূর্ত। * '''বিরোধী দল''', ''বি.'' রাজনীতিতে এমন এক দল যারা সরকারকে পঙ্গু করে দিয়ে তাকে বেপরোয়া হওয়া থেকে বিরত রাখে। * '''আশাবাদী''', ''বি.'' এই মতবাদের প্রবক্তা যে কালো মানেই সাদা। * '''অতীত''', ''বি.'' অনন্তকালের সেই অংশ যার ক্ষুদ্র একটি ভগ্নাংশের সাথে আমাদের সামান্য এবং অনুশোচনামূলক পরিচয় আছে। বর্তমান নামক একটি চলমান রেখা একে ভবিষ্যৎ নামক এক কাল্পনিক সময় থেকে পৃথক করে। অনন্তকালের এই দুটি বিশাল বিভাজন, যার একটি ক্রমাগত অন্যটিকে মুছে দিচ্ছে, একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। একটি দুঃখ এবং হতাশায় অন্ধকার, অন্যটি সমৃদ্ধি এবং আনন্দে উজ্জ্বল। অতীত হলো কান্নার অঞ্চল, ভবিষ্যৎ হলো গানের রাজ্য। একটিতে চট ও ছাই পরে স্মৃতি কুঁকড়ে বসে থাকে এবং অনুতাপের প্রার্থনা বিড়বিড় করে; অন্যটির রোদে আশা মুক্ত ডানায় ওড়ে, সাফল্যের মন্দির এবং আরামের কুঞ্জবনের দিকে ইশারা করে। তবুও অতীত হলো গতকালের ভবিষ্যৎ, ভবিষ্যৎ হলো আগামীকালের অতীত। তারা আসলে এক—জ্ঞান এবং স্বপ্ন। * '''অতিরিক্ত পরিশ্রম''', ''বি.'' মাছ ধরতে যেতে চায় এমন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের আক্রান্তকারী একটি বিপজ্জনক ব্যাধি। * '''ধৈর্য''', ''বি.'' হতাশার একটি গৌণ রূপ, যা গুণের ছদ্মবেশে থাকে। * '''দেশপ্রেম''', ''বি.'' দাহ্য আবর্জনা যা নিজের নাম উজ্জ্বল করতে উচ্চাকাঙ্ক্ষী যে কারও মশাল ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত। ডক্টর জনসনের বিখ্যাত অভিধানে দেশপ্রেমকে একজন বদমাইশের শেষ আশ্রয় হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। একজন আলোকিত কিন্তু নিম্নমানের অভিধানপ্রণেতার প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই আমি বিনম্রভাবে বলতে চাই যে, এটি আসলে প্রথম আশ্রয়। * '''দর্শন''', ''বি.'' অনেকগুলো পথের একটি রুট যা কোথাও না থেকে শুরু হয়ে শূন্যের দিকে নিয়ে যায়। * '''শূকর''', ''বি.'' একটি প্রাণী (''Porcus omnivorus'') যা তার ক্ষুধার জাঁকজমক এবং প্রাণবন্ততার কারণে মানবজাতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত; তবে এই ক্ষুধা পরিধির দিক থেকে নিম্নতর, কারণ এটি শূকর পর্যন্তই আটকে থাকে। * '''ভদ্রতা''', ''বি.'' সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ভণ্ডামি। * '''রাজনীতি''', ''বি.'' আদর্শের লড়াইয়ের ছদ্মবেশে স্বার্থের সংঘাত। ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য জনহিতকর কাজের পরিচালনা। * '''ইতিবাচক''', ''বিণ.'' গলার সর্বোচ্চ স্বর ব্যবহার করে ভুল করা। * '''প্রার্থনা করা''', ''ক্রি.'' মহাবিশ্বের নিয়মগুলো বাতিলের অনুরোধ করা এমন একজন আবেদনকারীর পক্ষে যে নিজেই স্বীকার করে সে অযোগ্য। * '''কুসংস্কার''', ''বি.'' দৃশ্যমান কোনো অবলম্বন ছাড়াই ঘুরে বেড়ানো এক ভবঘুরে মতামত। * '''উদ্ধৃতি''', ''বি.'' অন্যের কথা ভুলভাবে পুনরাবৃত্তি করার কাজ। ভুলভাবে পুনরাবৃত্তি করা শব্দগুলো। * '''যৌক্তিক''', ''বিণ.'' পর্যবেক্ষণ, অভিজ্ঞতা এবং প্রতিফলন জনিত বিভ্রান্তি ছাড়া আর সব বিভ্রান্তি মুক্ত। * '''ধর্ম''', ''বি.'' আশা এবং ভয়ের কন্যা, যা অজ্ঞদের কাছে অজ্ঞাত বিষয়ের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করে। * '''পদত্যাগ করা''', ''ক্রি.'' একটি সুবিধার জন্য একটি সম্মান ত্যাগ করা। বৃহত্তর সুবিধার জন্য একটি সুবিধা ত্যাগ করা। * '''অপ্রকাশিত বাক্য''', ''বি.'' একটি বিখ্যাত বই যেখানে সেন্ট জন দ্য ডিভাইন তার জানা সবকিছু লুকিয়ে রেখেছেন। প্রকাশের কাজটি করেন টিকাকাররা, যারা আসলে কিছুই জানেন না। * '''রাস্তা''', ''বি.'' জমির একটি ফালি যা দিয়ে কেউ এক ক্লান্তিকর জায়গা থেকে এমন এক জায়গায় যেতে পারে যেখানে যাওয়াটা নিরর্থক। * '''সাবাত''', ''বি.'' একটি সাপ্তাহিক উৎসব যার উৎপত্তি এই সত্য থেকে যে ঈশ্বর ছয় দিনে পৃথিবী তৈরি করেছিলেন এবং সপ্তম দিনে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। * '''সন্ত''', ''বি.'' একজন মৃত পাপী, যাকে পরিমার্জন এবং সম্পাদনা করা হয়েছে। [[File:Júpiter y Tetis, por Dominique Ingres.jpg|thumb| '''[[জিউস]]''', ''বি.'' গ্রীক দেবতাদের প্রধান, যাকে রোমানরা জুপিটার হিসেবে এবং আধুনিক আমেরিকানরা ঈশ্বর, স্বর্ণ, জনতা এবং কুকুর হিসেবে পূজা করে। কিছু অন্বেষণকারী যারা আমেরিকার উপকূলে পৌঁছেছেন এবং একজন যিনি অনেক দূর অভ্যন্তরে প্রবেশ করার দাবি করেন, তারা ভেবেছিলেন যে এই চারটি নাম চারটি আলাদা দেবতার। কিন্তু ফ্রাম্প তার 'সারভাইভিং ফেইথস' নামক বিশাল গ্রন্থে জোর দিয়ে বলেছেন যে আদিবাসীরা একেশ্বরবাদী, প্রত্যেকের নিজের ছাড়া আর কোনো ঈশ্বর নেই, যাকে তারা অনেক পবিত্র নামে পূজা করে।]] * '''ধর্মগ্রন্থ''', ''বি.'' আমাদের পবিত্র ধর্মের পবিত্র গ্রন্থসমূহ, যা সেই সব মিথ্যা এবং অপবিত্র লেখা থেকে আলাদা যার ওপর ভিত্তি করে অন্য সব বিশ্বাস দাঁড়িয়ে আছে। * '''স্বার্থপর''', ''বিণ.'' অন্যের স্বার্থপরতার প্রতি বিবেচনা বর্জিত। * '''সাফল্য''', ''বি.'' নিজের সঙ্গীদের বিরুদ্ধে করা একমাত্র অমার্জনীয় পাপ। * '''দুবার''', ''ক্রি. বিণ.'' একবার বেশি। * '''আন-আমেরিকান''', ''বিণ.'' দুষ্ট, অসহনীয়, পৌত্তলিক। * '''গুণাবলি''', ''বি. বহুবচন।'' নির্দিষ্ট কিছু সংযম। * '''ভোট দেওয়া''', ''ক্রি.'' একজন স্বাধীন মানুষের নিজেকে বোকা বানানোর এবং নিজের দেশকে ধ্বংস করার ক্ষমতার হাতিয়ার ও প্রতীক। * '''সাদা''', ''বিণ.'' এবং ''বি.'' কালো। * '''ডাইনি''', ''বি.'' (১) একজন কুৎসিত এবং বিকর্ষণীয় বৃদ্ধা নারী, যে শয়তানের সাথে এক অশুভ জোটে আছে। (২) একজন সুন্দরী এবং আকর্ষণীয় তরুণী, যে দুষ্টুমির দিক থেকে শয়তানের চেয়েও এক ধাপ এগিয়ে। * '''বছর''', ''বি.'' তিনশ পঁষট্টিটি হতাশার একটি সময়কাল। * '''যৌবন''', ''বি.'' সম্ভাবনার সময়, যখন আর্কিমিডিস একটি আলম্ব খুঁজে পায়, ক্যাসান্দ্রার অনুসারী জোটে এবং সাতটি শহর একজন জীবন্ত হোমারকে সম্মান জানানোর জন্য প্রতিযোগিতা করে। * '''উদ্যম''', ''বি.'' তরুণ এবং অনভিজ্ঞদের আক্রান্তকারী একটি বিশেষ স্নায়বিক ব্যাধি। একটি আবেগ যা আছাড় খাওয়ার আগে আসে। * '''[[w:জিউস|জিউস]]''', ''বি.'' গ্রীক দেবতাদের প্রধান, যাকে রোমানরা [[w:জুপিটার|জুপিটার]] হিসেবে এবং আধুনিক আমেরিকানরা ঈশ্বর (God), স্বর্ণ (Gold), জনতা (Mob) এবং কুকুর (Dog) হিসেবে পূজা করে। কিছু অন্বেষণকারী যারা আমেরিকার উপকূলে পৌঁছেছেন এবং একজন যিনি অনেক দূর অভ্যন্তরে প্রবেশ করার দাবি করেন, তারা ভেবেছিলেন যে এই চারটি নাম চারটি আলাদা দেবতার। কিন্তু ফ্রাম্প তার 'সারভাইভিং ফেইথস' নামক বিশাল গ্রন্থে জোর দিয়ে বলেছেন যে আদিবাসীরা একেশ্বরবাদী, প্রত্যেকের নিজের ছাড়া আর কোনো ঈশ্বর নেই, যাকে তারা অনেক পবিত্র নামে পূজা করে। === উক্তি === [[File:Bierce from The Letters 1922 (1).jpg|thumb|কৌতুক করা মানে কেবল চঞ্চল হওয়া, কিন্তু রসবোধ (wit) একটি গুরুতর বিষয়।]] [[File:Ambrose Bierce (signature).jpg|thumb|বনে হারিয়ে গেলে সবসময় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নামো। কোনো দর্শন বা মতবাদে হারিয়ে গেলে উপরের দিকে যাও।]] :<small>পৃষ্ঠা নম্বরগুলো 'দ্য কালেক্টেড ওয়ার্কস অফ অ্যামব্রোজ বিয়ার্স', ৮ম খণ্ড (১৯১১), § "এপিগ্রামস" (পৃ. ৩৪৩ এবং পরবর্তী) থেকে নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত উক্তিগুলো এর আগে অন্য কোথাও প্রকাশিত হয়েছিল।</small> * নারী আরও বেশি আকর্ষণীয় হতো যদি তার হাতে না পড়ে কেবল তার বাহুবন্দী হওয়া যেত। * যে নারী আপনার সাথে অন্যায় করেছে তাকে হত্যা করার অনুমতি আপনার নেই, তবে সে প্রতি মিনিটে বুড়ো হচ্ছে—এই চিন্তা করতে আপনাকে কেউ বাধা দেয়নি। এভাবে আপনি দিনে ১৪৪০ বার প্রতিশোধ নিতে পারেন। * আত্মত্যাগ হলো কোনো কিছু ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতাকে প্রশ্রয় দেওয়া। ** কখনও কখনও এটি "forgo" বানানে উদ্ধৃত করা হয়, তবে বিয়ার্স তার ১৯১১ সালের 'কালেক্টেড ওয়ার্কস'-এ "forego" ব্যবহার করেছিলেন। * প্রতিটি মানুষের জন্য শব্দভাণ্ডারে এমন কিছু থাকে যা তার সাথে দ্বিতীয় চামড়ার মতো লেগে থাকবে। তার শত্রুদের কাজ শুধু সেটা খুঁজে বের করা। ** পৃ. ২৩৬ * গোঁড়ামির কাছে অনুসন্ধিৎসা আর শয়তানি একই বিষয়। ** পৃ. ৩৪৩ * এমন কোনো প্রতিভা নেই যাকে নিজেকে প্রকাশ করার আগ পর্যন্ত সবাই বোকা ভাবেনি; অথচ সে কেবল তখনই বোকা। ** পৃ. ৩৪৫ * পোশাকে খুব বেশি অনন্য হওয়ার চেষ্টা করো না; কারণ নির্বোধদের তা বেশি থাকে আর বুদ্ধিমানদের কম। নিজেকে মৌলিক দেখানো খুব একটা কাজের বিষয় নয়, বরং মনে মনে যুগের চেয়ে কিছুটা আলাদা হও। ** পৃ. ৩৪৫ * কৌতুক করা মানে কেবল চঞ্চল হওয়া, কিন্তু রসবোধ (wit) একটি গুরুতর বিষয়। এটা দেখে হাসার অর্থ হলো তুমি এটা বুঝতে পারোনি। ** পৃ. ৩৪৬ * তুমি যদি তোমার সমসাময়িকদের কাছে মহান হতে চাও, তবে তাদের চেয়ে খুব বেশি মহান হয়ো না। ** পৃ. ৩৪৬ * ওহে গর্বিত পরোপকারী, তোমার আশা বৃথা— <br> লাভের মাধ্যমে যা হারিয়েছ, তা দানের মাধ্যমে ফিরে পাওয়া। ** পৃ. ৩৪৯। আগে 'কসমোপলিটান', ৪২তম খণ্ড, ৬ষ্ঠ সংখ্যায় (এপ্রিল ১৯০৭, পৃ. ৬৯৫) "স্মল কন্ট্রিবিউশনস"-এ প্রকাশিত হয়েছিল। * দার্শনিক বলেন, "ইচ্ছার কোনো স্বাধীনতা নেই; কাউকে ফাঁসি দেওয়া অত্যন্ত অন্যায়।" <br> অফিসার সায় দেন, "ইচ্ছার কোনো স্বাধীনতা নেই; আমরা ফাঁসি দেই কারণ আমরা বাধ্য।" ** পৃ. ৩৫০ * অসন্তোষের খেলার নিজস্ব নিয়ম আছে, আর যে তা মানে না সে প্রতারণা করে। অন্যের সুবিধা বা সম্পদ নিজের করে নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করার অনুমতি তোমার নেই; তোমার অনুমতি আছে কেবল অন্য কেউ হওয়ার ইচ্ছা করার। ** পৃ. ৩৫২ * তুমি যদি একটি নিখুঁত বই পড়তে চাও তবে তার একটিই উপায় আছে: সেটি নিজেই লেখো। ** পৃ. ৩৫৩ * বনে হারিয়ে গেলে সবসময় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নামো। কোনো দর্শন বা মতবাদে হারিয়ে গেলে উপরের দিকে যাও। ** পৃ. ৩৫৪ * আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে নতি স্বীকার করি কারণ আমরা বাধ্য। কিন্তু আমাদের এই বশ্যতার ভঙ্গিটিকে সম্মানের ভঙ্গি বলতে আমরা বাধ্য নই। ** পৃ. ৩৫৪ * একজন জনপ্রিয় লেখক তিনি যিনি তা-ই লেখেন যা মানুষ ভাবে। প্রতিভা মানুষকে অন্য কিছু ভাবার আমন্ত্রণ জানায়। ** পৃ. ৩৫৬ * গুণাবলিরা তাদের রানি হিসেবে বিনয়কে বেছে নিল। <br> বিনয় বলল, "আমি জানতাম না যে আমি একটি গুণ। তোমরা কেন সারল্যকে বেছে নিলে না?" <br> তারা উত্তর দিল, "তার অজ্ঞতার কারণে। সে শুধু এটুকুই জানে যে সে একটি গুণ।" ** পৃ. ৩৫৮ * গণতন্ত্র একমাত্র যে যোগ্যতার পুরষ্কার দেয় তা হলো উচ্চমাত্রার অনুবর্তিতা। ** পৃ. ৩৫৮ * অপভাষা (slang) হলো সেই ব্যক্তির কথা যে ডাস্টবিনে ফেলার জন্য নিয়ে যাওয়া সাহিত্যের আবর্জনার গাড়ি থেকে চুরি করে। ** পৃ. ৩৫৮ * গণক হাতের মুঠোর ভাঁজ দেখে বলে সেগুলো চরিত্রের চিহ্ন। দার্শনিক চরিত্র বিচার করেন সেই জিনিসটি দেখে যা হাত সবচেয়ে বেশি আঁকড়ে ধরতে পছন্দ করে। ** পৃ. ৩৬০ * যে অর্থলোভী নিজের কাজ পাগল হওয়ার দোহাই দেয় তার প্রতিরক্ষা দুর্বল, কারণ টাকা উপার্জনের কাজকে ভালোবাসা টাকা ভালোবাসার চেয়েও নিচু স্তরের রুচি। ** পৃ. ৩৬১ * একজন মানুষ তার পূর্বপুরুষদের সমষ্টি; তাকে সংশোধন করতে হলে তোমাকে একটি মৃত বানর থেকে শুরু করতে হবে এবং দশ লক্ষ কবরের মধ্য দিয়ে নিচে নামতে হবে। সে হলো ঝোলানো শিকলের নিচের প্রান্তের মতো; তুমি তাকে সামান্য ডানে বা বামে দোলাতে পারো, কিন্তু হাত সরিয়ে নাও এবং সে আবার অন্য কড়িগুলোর সাথে লাইনে ফিরে আসবে। ** পৃ. ৩৬৩ * যে কষ্টে চিন্তা করে সে খুব জলদি বিশ্বাস করে। ** পৃ. ৩৬৩ * জীবনের পথে অনেক আনন্দকেন্দ্র আছে, কিন্তু ভেবো না যে সেগুলোতে দেরি করলে যাত্রার দিন বেড়ে যাবে। তোমার পৌঁছানোর দিনটি আগেই লেখা হয়ে গেছে। ** পৃ. ৩৬৪ * সবচেয়ে বিরক্তিকর অহংকারী হলো সে যে "আমি" এবং "আমাকে" বলতে ভয় পায়। "সম্ভবত বৃষ্টি হবে"—এটি স্বৈরাচারী কথা। "আমি মনে করি বৃষ্টি হবে"—এটি স্বাভাবিক এবং বিনয়ী। মঁতেন ছিলেন সবচেয়ে চমৎকার প্রবন্ধকার কারণ তার বিনয় এতই বেশি ছিল যে তিনি আমাদের মঁতেনকে না দেখানোটাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেননি। তিনি নিজেকে এতটাই ভুলে যেতেন যে আমাদের তাকে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি কোনো কৃত্রিমতার আশ্রয় নিতেন না। ** পৃ. ৩৬৪ * বিশ্বাস পরিবর্তনশীল; সবসময় সংগতিপূর্ণ থাকা মানে মাঝেমধ্যে অসৎ হওয়া। ** পৃ. ৩৬৭ * সবচেয়ে অসহিষ্ণু সমর্থক তিনি যিনি নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন। ** পৃ. ৩৬৭ * ধনীদের অনুগ্রহ পাওয়ার জন্য গরিব মানুষের দেওয়া প্রবেশমূল্য হলো তার আত্মসম্মান। ** পৃ. ৩৬৮ * সবাই পাগল, কিন্তু যে নিজের বিভ্রান্তি বিশ্লেষণ করতে পারে তাকে দার্শনিক বলা হয়। ** পৃ. ৩৬৯ * অপভাষা হলো একটি নোংরা ডোবা যেখানে প্রতিটি গাধা তার বালতি ভরে এবং তারপর নিজেকে একটি ঝরনা হিসেবে জাহির করে। ** পৃ. ৩৬৯ * সুখ হারিয়ে যায় একে সমালোচনা করলে; দুঃখ হারিয়ে যায় একে গ্রহণ করলে। ** পৃ. ৩৭১ * সমৃদ্ধির সময় মূর্খ আসন্ন বিপদের আশঙ্কায় কাঁপে; বিপদের সময় দার্শনিক তার পাওয়া ভালো সময়ের কথা ভেবে হাসে। ** পৃ. ৩৭১ * বৃদ্ধ বয়স, যার চোখ মাথার পেছনে থাকে, সে মনে করে যে কাদার মধ্য দিয়ে সে হাবুডুবু খেয়ে এসেছে তা দেখাই হলো প্রজ্ঞা। ** পৃ. ৩৭২-৩৭৩ * প্রজ্ঞা কেবল বোকামির সাথে তুলনা করলেই বোঝা যায়; ছায়া থাকলেই আমরা বুঝতে পারি যে সব দৃশ্যমান বস্তু সমতল নয়। তবুও পরোপকারীরা মন্দকে নির্মূল করতে চায়! ** পৃ. ৩৭৩ * ব্যর্থতার চোখে সাফল্য একটি দুর্ঘটনা। ** পৃ. ৩৭৩ * যতক্ষণ তোমার ভবিষ্যৎ আছে ততক্ষণ নিজের অতীত নিয়ে খুব বেশি পড়ে থেকো না: যদি না তুমি পেছন দিকে হাঁটতে পছন্দ করো, আয়না একজন খারাপ পথপ্রদর্শক। ** পৃ. ৩৭৪ == ভুল তথ্যসম্বলিত উক্তি == * যুদ্ধ হলো আমেরিকানদের ভূগোল শেখানোর ঈশ্বরের এক পদ্ধতি। ** কোট ইনভেস্টিগেটর-এ ["War Is God's Way of Teaching Us Geography"] ** "যুদ্ধ হলো আমেরিকানদের ভূগোল শেখানোর ঈশ্বরের এক পদ্ধতি"—এই মন্তব্যটি অনবরত অ্যামব্রোজ বিয়ার্সের নামে চালানো হয়। জীবনীকার ডেভিড ই. শুল্টজ, যার কম্পিউটারে বিয়ার্সের প্রায় সব লেখা জমা আছে, তার ডাটাবেসে এই তিক্ত মন্তব্যটি খুঁজে পাননি। রালফ কেইস, 'দ্য কোট ভেরিফায়ার' (২০০৭), পৃ. ২৪০। == বহিঃসংযোগ == * [http://donswaim.com/ অ্যামব্রোজ বিয়ার্স সাইট] * [http://www.gutenberg.org/browse/authors/b#a206 বিয়ার্স] — [[w:প্রজেক্ট গুটেনবার্গ|প্রজেক্ট গুটেনবার্গে]] * [http://www.biercephile.com অ্যামব্রোজ বিয়ার্স অ্যাপ্রিসিয়েশন সোসাইটি] * [http://www.ambrosebierce.org অ্যামব্রোজ বিয়ার্স প্রজেক্ট] * [http://ojinaga.com/bierce/ "অ্যামব্রোজ বিয়ার্স, 'দ্য ওল্ড গ্রিঙ্গো': তথ্য, ফিকশন এবং ফ্যান্টাসি"] * [http://www.rjgeib.com/thoughts/bierce/ambrose-bierce.html বিয়ার্সের শেষ চিঠিগুলোর একটি] * [http://atheisme.free.fr/Biographies/Bierce_e.htm অ্যামব্রোজ বিয়ার্সের জীবনী এবং উক্তি] * [http://bitterbierce.blogspot.com ওয়েকিন অ্যামব্রোজ: ডেভিলস ডিকশনারির সমসাময়িক রূপান্তর] raw7hr660yv48tfwx0kzi8ynfs46mp0 81908 81907 2026-04-28T09:27:08Z Tuhin 172 /* উক্তি */ 81908 wikitext text/x-wiki [[File:Abierce.jpg|thumb| '''[[অযৌক্তিকতা]]''', ''বি.'' এমন একটি বিবৃতি বা [[বিশ্বাস]], যা নিজের [[মতামত|মতামতের]] সাথে স্পষ্টভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ।]] '''[[w:অ্যামব্রোজ বিয়ার্স|অ্যামব্রোজ গুইনেট বিয়ার্স]]''' ([[২৪ জুন]], [[১৮৪২]] – মৃত্যুর তারিখ অনিশ্চিত; সম্ভবত [[১৯১২]] সালের শেষ দিকে বা [[১৯১৪]] সালের শুরুতে) ছিলেন একজন আমেরিকান বিদ্রূপকারী, সমালোচক, ছোটগল্পকার, সম্পাদক এবং সাংবাদিক। তিনি সম্ভবত তার ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত ব্যঙ্গাত্মক অভিধান, '''[[w:দ্য ডেভিলস ডিকশনারি|দ্য ডেভিলস ডিকশনারি]]'''-এর জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত, যেখানে তিনি সাধারণ শব্দের বিকল্প ও আরও বাস্তবসম্মত সংজ্ঞা প্রদানের মাধ্যমে বছরের পর বছর ধরে আমেরিকান সংস্কৃতি এবং প্রচলিত জ্ঞানকে বিদ্ধ করেছেন। == উক্তি == [[File:Hansel-and-gretel-rackham (cropped).jpg|thumb|যদি এটি একটি দুর্বল মানবতাবাদ এবং অপূর্ণ হজমশক্তির সংমিশ্রণ না হতো, তবে প্রকৃতির ইচ্ছা অনুযায়ী আমাদের নিজেদের সন্তানদেরই ভক্ষণ করা উচিত ছিল।]] * বালকদের অস্তিত্ব যে এখনো টিকে আছে, তা পুরুষদের অসাধারণ খ্রিস্টীয় ধৈর্যেরই প্রমাণ। যদি এটি একটি দুর্বল মানবতাবাদ এবং অপূর্ণ হজমশক্তির সংমিশ্রণ না হতো, তবে প্রকৃতির ইচ্ছা অনুযায়ী আমাদের নিজেদের সন্তানদেরই ভক্ষণ করা উচিত ছিল। ** "টাউন ক্রায়ার" কলাম, ''সান ফ্রান্সিসকো নিউজ-লেটার'' (আনু. ১৮৭০) [http://books.google.com/books?ei=65MyT4yGB6bJ0QGg9p3mBw&id=GqUOAQAAMAAJ&q=&quot;The+fact+that+boys+are+allowed+to+exist+at+all+is+evidence+of+a+remarkable+Christian+forbearance+among+men+were+it+not+for+a+mawkish+humani-tarianism+coupled+with+imperfect+digestive+powers+we+should+devour+our+young+as+Nature+intended&quot;&pg=PA74#v=onepage] * কারণ মৃত্যু বিভিন্ন প্রকারের হয়। কোনোটিতে দেহ রয়ে যায়, আবার কোনোটিতে এটি আত্মার সাথে পুরোপুরি বিলীন হয়ে যায়। এটি সাধারণত কেবল নির্জনতাতেই ঘটে, কারণ সেটিই ঈশ্বরের ইচ্ছা। কেউ শেষ পরিণতি না দেখায় আমরা বলি মানুষটি হারিয়ে গেছে বা দীর্ঘ সফরে গিয়েছে, যা সে প্রকৃতপক্ষে গিয়েছেও। তবে কখনও কখনও এটি অনেকের সামনেও ঘটেছে, যার প্রচুর প্রমাণ রয়েছে। এক ধরনের মৃত্যুতে আত্মাও মারা যায় এবং শরীর বহু বছর সজীব থাকা অবস্থাতেও এমনটি হতে দেখা গিয়েছে। কখনও কখনও শরীর মারা যাওয়ার সাথে সাথেই আত্মা মারা যায়, আবার কখনও একটি নির্দিষ্ট সময় পর সেই স্থানে পুনরায় জেগে ওঠে যেখানে শরীরটি পচে গিয়েছিল। * আমার চারদিকে শুকনো ঘাসে ঢাকা, একটি ধূসর এবং জনশূন্য প্রান্তর বিস্তৃত ছিল। সেই ঘাসগুলো শরতের বাতাসে, কোনো এক রহস্যময় এবং অস্বস্তিকর ইঙ্গিত নিয়ে শব্দ করছিল। মাঝে মাঝে সেখান থেকে অদ্ভুত আকৃতির, কালচে রঙের পাথর বেরিয়ে ছিল। সেগুলোকে দেখে মনে হচ্ছিল, তাদের মধ্যে পারস্পরিক কোনো বোঝাপড়া আছে এবং তারা অর্থবহ দৃষ্টি বিনিময় করছে, যেন তারা কোনো পূর্বনির্ধারিত ঘটনার ফলাফল দেখার জন্য মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। এখানে সেখানে কয়েকটি বিধ্বস্ত গাছ, এই নীরব প্রতীক্ষার অশুভ ষড়যন্ত্রের নেতা হিসেবে উপস্থিত ছিল। * এই পাথরটি সম্ভবত সেই কবরের চিহ্ন ছিল, যেখান থেকে যুগ যুগ আগে গাছটি জন্মেছিল। গাছটির জেদি শিকড়গুলো কবরটি লুণ্ঠন করে, পাথরটিকে বন্দী করে ফেলেছিল। <br> হঠাৎ এক দমকা হাওয়ায়, পাথরের উপরের অংশ থেকে কিছু শুকনো পাতা এবং ডালপালা সরে গেলে, আমি একটি খোদাই করা লিপি দেখতে পেলাম এবং তা পড়ার জন্য ঝুঁকলাম। হে ঈশ্বর! সেখানে আমার পুরো নাম, আমার জন্মের তারিখ এবং আমার মৃত্যুর তারিখ লেখা ছিল! <br> আমি আতঙ্কে লাফিয়ে ওঠার সাথে সাথে, আলোর একটি সমান্তরাল রেখা পুরো গাছটিকে আলোকিত করে তুলল। গোলাপী পূর্ব আকাশে সূর্য উঠছিল। আমি সূর্য এবং তার বিশাল লাল থালার মাঝে দাঁড়ালাম, কিন্তু গাছের কাণ্ডে কোনো ছায়া পড়ল না! <br> নেকড়েদের একদল চিৎকার করে ভোরকে অভিবাদন জানাল। আমি তাদের মরুভূমির অর্ধেকটা জুড়ে দিগন্ত পর্যন্ত বিস্তৃত অনিয়মিত ঢিবি এবং সমাধিস্তূপের ওপর, একা বা দলবেঁধে বসে থাকতে দেখলাম। তখনই আমি বুঝতে পারলাম যে, এগুলোই সেই প্রাচীন এবং বিখ্যাত শহর কারকোসার [[ধ্বংসাবশেষ]]। ** "[[S:অ্যান ইনহ্যাবিটেন্ট অফ কারকোসা|অ্যান ইনহ্যাবিটেন্ট অফ কারকোসা]]", প্রথম প্রকাশিত: ''সান ফ্রান্সিসকো নিউজ লেটার অ্যান্ড ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাডভার্টাইজার'' (২৫ ডিসেম্বর, ১৮৮৬) * পেটন ফারকুয়ার মারা গিয়েছিলেন। তার ভাঙা ঘাড়সহ দেহটি আউল ক্রিক ব্রিজের কাঠের কাঠামোর নিচে, ধীরে ধীরে এপাশ-ওপাশ দুলছিল। ** "[[s:অ্যান অকারেন্স অ্যাট আউল ক্রিক ব্রিজ|অ্যান অকারেন্স অ্যাট আউল ক্রিক ব্রিজ]]", প্রথম প্রকাশিত: 'সান ফ্রান্সিসকো এক্সামিনার' (১৩ জুলাই, ১৮৯০) [[File:Lenoir, Charles-Amable - A Nymph In The Forest.jpg|thumb|[[সুখ]]... কেবল তখনই আসে যখন একে খোঁজা হয় না এবং একে নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না।]] * হাইতা তাকে সব খুলে বলল যে, কীভাবে তিনবার সে সেই উজ্জ্বল কুমারীর দেখা পেয়েছে এবং তিনবারই সে তাকে নিঃসঙ্গ অবস্থায় ছেড়ে চলে গিয়েছে। তাদের মধ্যে যা যা কথা হয়েছিল, তার একটি শব্দও বাদ না দিয়ে সে বিস্তারিত বর্ণনা করল। <br> তার কথা শেষ হলে পবিত্র সন্ন্যাসী কিছুক্ষণ নীরব থেকে বললেন, "বৎস, আমি তোমার গল্প শুনেছি এবং আমি সেই কুমারীকে চিনি। অনেকের মতো আমিও তাকে দেখেছি। জেনে রাখো যে তার নাম হলো [[সুখ]], যা সে তোমাকে জিজ্ঞাসা করার অনুমতিও দেয়নি। তুমি তাকে ঠিকই বলেছিলে যে সে খামখেয়ালি, কারণ সে এমন শর্ত দেয় যা মানুষ পূরণ করতে পারে না এবং সামান্য ত্রুটি হলেই সে চলে গিয়ে শাস্তি দেয়। সে কেবল তখনই আসে যখন তাকে খোঁজা হয় না এবং তাকে নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। সামান্য কৌতূহল, সন্দেহের একটি চিহ্ন বা আশঙ্কার একটি প্রকাশ ঘটলেই সে উধাও হয়ে যায়! চলে যাওয়ার আগে তুমি তাকে কতক্ষণ নিজের কাছে পেয়েছিলে?" <br> লজ্জিত মুখে হাইতা স্বীকার করল যে, সে প্রতিবারই তাকে মাত্র এক মুহূর্তের জন্য পেয়েছিল। <br> তখন পবিত্র সন্ন্যাসী বললেন, "দুর্ভাগা যুবক! তোমার এই অবিবেচনার জন্য না হলে, তুমি হয়তো তাকে অন্তত দুই মুহূর্তের জন্য পেতে পারতে।" ** "[[S:হাইতা দ্য শেফার্ড|হাইতা দ্য শেফার্ড]]" (১৮৯১) * সত্যি বলতে, গ্রাফটন কবরস্থানের অর্ধেকের বেশি কবরেই "অজ্ঞাত" লেখা আছে। মাঝে মাঝে কেউ সেই विरोধাভাস নিয়ে ভাবে, যা এমন একজনের স্মৃতিকে সম্মান জানানোর সাথে জড়িত, যার স্মরণে রাখার মতো কোনো স্মৃতিই অবশিষ্ট নেই। তবে এই প্রচেষ্টা জীবিতদের বা যুক্তিবাদীদের বড় কোনো ক্ষতি করে না। ** "অ্যা বিভুয়াক অফ দ্য ডেড", 'দ্য নিউ ইয়র্ক আমেরিকান' (২২ নভেম্বর, ১৯০৩) **:<small>তুলনা করুন: [[থিওডোর ও'হারা|থিওডোর ও'হারার]], "[[w:বিভুয়াক অফ দ্য ডেড|বিভুয়াক অফ দ্য ডেড]]"</small> * [[ব্যবসা]] নামে পরিচিত [[জুয়া|জুয়াটি]], সবসময়ই জুয়া নামে পরিচিত ব্যবসাটিকে কঠোর অপছন্দের চোখে দেখে। ** "ডাইভারশনস অফ অ্যান আইডলার: সাম নেগ্লিজিবল এপিগ্রামস", 'কসমোপলিটান', ৩৯তম খণ্ড, ৪ নম্বর সংখ্যা (আগস্ট ১৯০৫), পৃ. ৪৪৪। * এমন কিছু [[শব্দ]] আছে, যা আমরা [[শ্রবণ|শুনতে]] পাই না। স্কেলের দুই প্রান্তেই এমন সুর আছে, যা মানুষের কানের মতো অপূর্ণ যন্ত্রে কোনো ঝঙ্কার তোলে না, কারণ সেগুলো হয় [[W:আল্ট্রাসাউন্ড|অতি উচ্চ]] অথবা [[W:ইনফ্রাসাউন্ড|অতি গভীর]]। আমি দেখেছি একঝাঁক কালো পাখি একটি গাছের মগডাল দখল করে গান গাইছে। হঠাৎ এক নিমেষে, সবাই একদম একই সময়ে উড়ে গেল। তারা সবাই সবাইকে দেখতে পাচ্ছিল না কারণ মাঝখানে অনেক ডালপালা ছিল, তাই কোনো নেতার সংকেত সবার দেখার কথা নয়। নিশ্চয়ই সেখানে উচ্চ এবং তীক্ষ্ণ কোনো সতর্কবার্তা ছিল, যা আমি শুনতে পাইনি। আমি এমনও দেখেছি যে, সবাই নীরব থাকা অবস্থায় একই সাথে উড়াল দিচ্ছে। কেবল কালো পাখিই নয়, বরং কোয়েলদের ক্ষেত্রেও এমনটি ঘটে, যারা পাহাড়ের বিপরীত দিকে থাকা সত্ত্বেও একই সাথে ডুব দেয়। <br> নাবিকদের কাছে এটি পরিচিত যে, মহাসাগরে মাইল জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একদল [[তিমি]], পৃথিবীর গোলকীয় বক্রতা থাকা সত্ত্বেও মাঝে মাঝে একদম একই সময়ে ডুব দেয়। তখন এমন সংকেত বেজে ওঠে যা নাবিকদের কানে পৌঁছায় না, কিন্তু তারা জাহাজে এর কম্পন অনুভব করে। <br> শব্দের মতো [[রঙ|রঙের]] ক্ষেত্রেও একই নিয়ম খাটে। [[W:তড়িৎচৌম্বকীয় বর্ণালী|সৌর বর্ণালীর]] প্রতিটি প্রান্তে এমন রশ্মি আছে, যা আমরা দেখতে পাই না। মানুষের [[চোখ]] একটি অপূর্ণ যন্ত্র, যার পরিসীমা খুবই সীমিত। আমি পাগল নই, কারণ এমন অনেক রং আছে যা আমাদের দেখার ক্ষমতার বাইরে। <br> আর ঈশ্বর আমাকে রক্ষা করুন, কারণ সেই অভিশপ্ত জিনিসটি ঠিক তেমনই এক রঙের! ** "[[S:দ্য ড্যামড থিং|দ্য ড্যামড থিং]]", 'কালেক্টেড ওয়ার্কস', ৩য় খণ্ড (১৯০৯) * '''লক্ষ্য করো, কীভাবে আমার খ্যাতি এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে: হাজার হাজার সমালোচক চিৎকার করে বলছে, "সে অজ্ঞাত!"''' ** দ্বিপদী উক্তি, চার্লস পুয়োরের "বুকস অফ দ্য টাইমস"-এ উদ্ধৃত, 'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস' (১৫ নভেম্বর, ১৯৪৫), পৃ. ১৭। * [[w:হেরোদ|হেরোদকে]] নিয়ে পড়াশোনা করুন ম্যাডাম, হেরোদকে নিয়ে পড়াশোনা করুন। ** বিরক্তিকর কোনো সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন অবাধ্য সন্তানদের মানুষ করার উপায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, তখন এই উক্তিটি করা হয়। ফ্লোরেন্স কিং-এর 'রিফ্লেকশনস ইন আ জন্ডিসড আই' (সেন্ট মার্টিনস পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৯০) বইয়ে এটি উল্লেখ আছে। * [[w:হেরোদ|হেরোদকে]] নিয়ে পড়াশোনা করুন ম্যাডাম, হেরোদকে নিয়ে পড়াশোনা করুন। ** বিরক্তিকর কোনো সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন অবাধ্য সন্তানদের মানুষ করার উপায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, তখন এই উক্তিটি করা হয়। ফ্লোরেন্স কিং-এর 'রিফ্লেকশনস ইন আ জন্ডিসড আই' (সেন্ট মার্টিনস পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৯০) বইয়ে এটি উল্লেখ আছে। === ''হোয়াট আই স অ্যাট শিলো'' (১৮৮১) === :<small>আমেরিকান গৃহযুদ্ধ নিয়ে বিয়ার্সের প্রথম প্রকাশিত স্মৃতিকথা। এই কর্মটি কয়েকটি অংশে বিভক্ত, যা [[সংখ্যা]] দ্বারা চিহ্নিত।</small> [[File:Thure de Thulstrup - Battle of Shiloh.jpg|thumb|একটি সেনাবাহিনীর সবচেয়ে সাহসী মানুষ হলো তাদের ভীরুরা। শত্রু সৈন্যের হাতে যে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে তারা চায় না, সেই মৃত্যুর মুখে তারা বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছাড়াই নিজেদের কর্মকর্তাদের হাতে পড়বে।]] * এটি একটি যুদ্ধের সাধারণ কাহিনী। এমন এক গল্প যা একজন সৈনিক, যে কি না কোনো লেখক নয়, শোনাচ্ছে এমন একজন পাঠককে, যে কি না কোনো সৈনিক নয়। ** ১ * একটি সেনাবাহিনীর সবচেয়ে সাহসী মানুষ হলো তাদের ভীরুরা। শত্রু সৈন্যের হাতে যে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে তারা চায় না, সেই মৃত্যুর মুখে তারা বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছাড়াই নিজেদের কর্মকর্তাদের হাতে পড়বে। ** ৫ * ঝোপঝাড়ের পেছনে গর্তের মধ্যে লুকানো ছিল বড় বড় তাবু, যা মোমবাতির আলোয় আবছা আলোকিত হলেও দেখতে বেশ আরামদায়ক ছিল। সেই তাবুগুলো কী ধরনের আরাম প্রদান করছিল তা বোঝা হচ্ছিল, যখন এক জোড়া মানুষ পালকি নিয়ে ভেতরে ঢুকছিল এবং পুনরায় বেরিয়ে আসছিল। ভেতরে চাপা আর্তনাদ শোনা যাচ্ছিল এবং বাইরে মুখ ঢাকা মৃতদেহের লম্বা সারি পড়ে ছিল। এই তাবুগুলো অনবরত আহতদের গ্রহণ করছিল, তবুও কখনও পূর্ণ হচ্ছিল না। আবার অবিরাম মৃতদেহ বের করে দিচ্ছিল, তবুও কখনও খালি হচ্ছিল না। এটি এমন ছিল যেন অসহায়দের ভেতরে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে, যাতে তারা আগামীকাল যাদের লড়াই করার কথা তাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে। ** ৫ * আমি ধারণা করি যে, করিন্থ এবং পিটসবার্গ ল্যান্ডিং-এর মধ্যবর্তী অঞ্চলে কুমির ছাড়া হয়তো আরও কিছু অধিবাসী ছিল। তারা কেমন মানুষ ছিল তা বলা অসম্ভব, কারণ যুদ্ধ তাদের তাড়িয়ে দিয়েছিল অথবা সম্ভবত নির্মূল করে দিয়েছিল; হয়তো তাদের কেবল "অ-সরীসৃপ" হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেই আমি যথেষ্ট বর্ণনা দিতে পারব এবং একই সাথে সেই স্বাভাবিক সন্দেহ থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারব যা এমন একজন লেখকের ওপর বর্তায়, যে কি না অপরিচিত মানুষের কাছে এমন ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে যাদের সে নিজেও চেনে না। '''তবে একটি বিষয় আমি কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে, এই জলাভূমির বাসিন্দারা ধার্মিক ছিল। তারা কোন দেবতার পূজা করত—মিসরীয়দের মতো কুমিরের নাকি অন্যান্য আমেরিকানদের মতো নিজেদের—তা আমি আন্দাজ করতে পারছি না।''' কিন্তু তারা যে দেবতারই আরাধনা করুক না কেন, তার বা সেই সত্তার জন্য তারা একটি উপাসনালয় তৈরি করেছিল। জনশূন্য প্রান্তরের ঠিক মাঝখানে অবস্থিত এই সাধারণ ভবনটি শিলোহ চ্যাপেল নামে পরিচিত ছিল, যেখান থেকে এই যুদ্ধের নাম হয়েছে। ** ৬ * কামানের গোলায় ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়া গাছের কাণ্ডগুলো থেকে চেরা কাঠ এমনভাবে বেরিয়ে ছিল যেন অনেকগুলো হাত এবং ক্ষতের ওপরের অংশ ও নিচের অংশের আঙুলগুলো একে অপরের সাথে জড়িয়ে আছে। ** ৭ === 'দ্য সিনিকস ওয়ার্ড বুক' (১৯০৬) === * একটি চুমু আসলে কামড়েরই এক মার্জিত রূপ; একজন স্নেহময়ী মা যখন আবেগাপ্লুত হয়ে দাবি করেন যে তার সন্তান 'এতটাই ভালো যে প্রায় খেয়ে ফেলা যায়', তখন তিনি আসলে এটাই দেখান যে তিনি নিজেও তাকে খেয়ে ফেলার জন্য সামান্য একটু বেশিই ভালো মানুষ। ** পৃ. ৪৩ (নরখাদক) * [[অসহিষ্ণুতা]] স্বাভাবিক এবং যুক্তিযুক্ত, কারণ প্রতিটি ভিন্নমতের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে নিজের শ্রেষ্ঠতর প্রজ্ঞার এক অহংকার। ** পৃ. ৯৪ (উক্তি) * কোনো অস্ত্রোপচারের আগে আপনার বৈষয়িক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিন। আপনি বেঁচেও যেতে পারেন। ** পৃ. ৯৪ (উক্তি) === '''[[w:দ্য ডেভিলস ডিকশনারি|দ্য ডেভিলস ডিকশনারি]]''' (১৯১১) === :<small>প্রথম 'এ' থেকে 'এল' বর্ণ পর্যন্ত 'দ্য সিনিকস ওয়ার্ড বুক' (১৯০৬) নামে প্রকাশিত হয়েছিল।</small> [[File:As08-16-2593.jpg|thumb|'''[[সমুদ্র]]''', ''বি.'' একটি বিশাল জলরাশি যা মানুষের জন্য তৈরি করা এই পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে আছে, অথচ মানুষের কোনো ফুলকা নেই।]] * '''অস্বাভাবিক,''' ''বিণ.'' চিন্তা ও আচরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত মানদণ্ড অনুসরণ না করা। স্বাধীন হওয়া মানেই অস্বাভাবিক হওয়া, আর অস্বাভাবিক হওয়া মানেই ঘৃণিত হওয়া। অতএব অভিধানপ্রণেতা পরামর্শ দিচ্ছেন যে, নিজের চেয়ে বরং "গড়পড়তা মানুষের" সাথে সাদৃশ্য বজায় রাখার জন্য কঠোর প্রচেষ্টা করা উচিত। যে এই কাজে সফল হবে সে শান্তি পাবে, মৃত্যুর সম্ভাবনা খুঁজে পাবে এবং নরকের আশা পাবে। * '''অনুপস্থিত,''' ''বিণ.'' পরনিন্দার কবলে পড়ার জন্য বিশেষভাবে উন্মুক্ত; কলঙ্কিত; হতাশাজনকভাবে ভুল পথে থাকা; অন্যের বিবেচনা এবং স্নেহ থেকে অপসারিত। * পুরুষের কাছে পুরুষ কেবলই একটি মন। কে তোয়াক্কা করে <br> সে কোন মুখ নিয়ে চলে বা তার আকার কেমন? <br> কিন্তু নারীর শরীরই হলো নারী। ওহে, <br> আমার প্রিয়তমা, তুমি থাকো, কক্ষনো যেয়ো না, <br> বরং জ্ঞানীর সতর্কবার্তা শোনো: <br> একজন অনুপস্থিত নারী মানেই একজন মৃত নারী। * '''সংযমী''', ''বি.'' একজন দুর্বল ব্যক্তি যে নিজেকে আনন্দ থেকে বঞ্চিত করার প্রলোভনের কাছে হার মানে। একজন পূর্ণ সংযমী হলো সে, যে সংযম ছাড়া আর সবকিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখে, বিশেষ করে অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক গলানো থেকে বিরত থাকতে পারে না। * '''অযৌক্তিকতা''', ''বি.'' এমন একটি বিবৃতি বা বিশ্বাস যা নিজের মতামতের সাথে স্পষ্টভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ। * '''ঐক্য''', ''বি.'' সুসমন্বয়। * '''অ্যাকর্ডিয়ন''', ''বি.'' একজন ঘাতকের অনুভূতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বাদ্যযন্ত্র। * '''পরিচিত''', ''বি.'' এমন একজন ব্যক্তি যার কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার মতো যথেষ্ট চেনা-জানা আছে, কিন্তু তাকে ঋণ দেওয়ার মতো যথেষ্ট ঘনিষ্ঠতা নেই। বন্ধুত্বের একটি ধাপ, যা লক্ষ্যবস্তু গরিব বা অখ্যাত হলে "সামান্য" বলা হয় এবং সে ধনী বা বিখ্যাত হলে "ঘনিষ্ঠ" বলা হয়। * '''প্রশংসা''', ''বি.'' অন্যের মাঝে আমাদের নিজেদের সাদৃশ্যের বিনয়ী স্বীকৃতি। * '''উপদেশ''', ''বি.'' বর্তমানের সবচেয়ে ছোট মানের মুদ্রা। * '''একাকী''', ''বিণ.'' কুসঙ্গে থাকা। * '''উচ্চাকাঙ্ক্ষা''', ''বি.'' বেঁচে থাকতে শত্রুদের দ্বারা কলঙ্কিত হওয়ার এবং মারা যাওয়ার পর বন্ধুদের দ্বারা উপহাসের পাত্র হওয়ার এক অদম্য ইচ্ছা। * '''সাধারণ ক্ষমা''', ''বি.'' সেই সব অপরাধীদের প্রতি রাষ্ট্রের মহানুভবতা যাদের শাস্তি দেওয়াটা অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়বে। * '''ক্ষমা চাওয়া''', ''ক্রি.'' ভবিষ্যতে কোনো অপরাধ করার ভিত্তি তৈরি করা। * '''ব্যাকাস''', ''বি.'' প্রাচীনদের দ্বারা আবিষ্কৃত একটি সুবিধাজনক দেবতা, যা মাতাল হওয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহৃত হতো। * '''পিঠ''', ''বি.'' আপনার বন্ধুর সেই অংশ যা আপনার বিপদের সময় দেখার অধিকার আপনি রাখেন। * '''পরনিন্দা''', ''স. ক্রি.'' কোনো মানুষের সম্পর্কে এমন কথা বলা যা সে আপনার অনুপস্থিতিতে শুনতে পায় না। * '''ব্যারোমিটার''', ''বি.'' একটি উদ্ভাবনী যন্ত্র যা নির্দেশ করে যে আমরা বর্তমানে কেমন আবহাওয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। * '''জন্ম''', ''বি.'' সব দুর্যোগের মধ্যে প্রথম এবং সবচেয়ে ভয়াবহ। * '''বিরক্তিকর ব্যক্তি''', ''বি.'' এমন একজন ব্যক্তি যে তখন কথা বলে যখন আপনি চান সে আপনার কথা শুনুক। * '''সীমানা''', ''বি.'' রাজনৈতিক ভূগোলে দুটি জাতির মধ্যে একটি কাল্পনিক রেখা, যা একজনের কাল্পনিক অধিকারকে অন্যজনের কাল্পনিক অধিকার থেকে পৃথক করে। * '''মস্তিষ্ক''', ''বি.'' এমন একটি যন্ত্র যা দিয়ে আমরা ভাবি যে আমরা ভাবছি... আমাদের সভ্যতায় এবং প্রজাতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় বুদ্ধিমত্তাকে এত উচ্চ মর্যাদায় দেখা হয় যে, এর পুরস্কার হিসেবে দাপ্তরিক কাজের ঝামেলা থেকে একে অব্যাহতি দেওয়া হয়। [[File:Marriage A-la-Mode 2, The Tête à Tête - William Hogarth.jpg|thumb|'''বধূ''', ''বি.'' এমন একজন নারী যার পেছনে সুখের এক চমৎকার সম্ভাবনা ফেলে আসা হয়েছে।]] * '''বধূ''', ''বি.'' এমন একজন নারী যার পেছনে সুখের এক চমৎকার সম্ভাবনা ফেলে আসা হয়েছে। * '''বাঁধাকপি''', ''বি.'' রান্নাঘরের বাগানের পরিচিত একটি সবজি যা একজন মানুষের মাথার সমান বড় এবং তার মতোই বুদ্ধিমান। * '''কালোস''', ''বিণ.'' অন্যের দুর্দশা সহ্য করার মতো মহান ধৈর্যের অধিকারী। * '''কামান''', ''বি.'' জাতীয় সীমানা সংশোধনের কাজে ব্যবহৃত একটি যন্ত্র। * '''রাজধানী''', ''বি.'' কুশাসনের মূল কেন্দ্র। * '''কার্তেসীয়''', ''বিণ.'' বিখ্যাত দার্শনিক দেকার্ত সংক্রান্ত, যিনি প্রখ্যাত উক্তি "আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি"-এর লেখক; যার মাধ্যমে তিনি মানুষের অস্তিত্বের বাস্তবতা প্রমাণ করেছেন বলে আনন্দিত ছিলেন। তবে উক্তিটিকে এভাবে উন্নত করা যেতে পারে: "আমি চিন্তা করি যে আমি চিন্তা করি, তাই আমি চিন্তা করি যে আমি আছি"—যা এখন পর্যন্ত কোনো দার্শনিকের নিশ্চিত ধারণার সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছানো। * '''বিড়াল''', ''বি.'' প্রকৃতি প্রদত্ত একটি নরম ও অবিনাশী স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র, যা সাংসারিক জীবনে কোনো কিছু ভুল হয়ে গেলে লাথি খাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। * '''খ্রিস্টান''', ''বি.'' এমন একজন যে বিশ্বাস করে যে নিউ টেস্টামেন্ট হলো ঈশ্বরপ্রদত্ত একটি কিতাব যা তার প্রতিবেশীর আধ্যাত্মিক প্রয়োজনে অত্যন্ত উপযোগী। এমন একজন যে খ্রিস্টের শিক্ষা ততক্ষণই মেনে চলে যতক্ষণ তা পাপপূর্ণ জীবনের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ না হয়। * '''সার্কাস''', ''বি.'' এমন একটি জায়গা যেখানে ঘোড়া, টাট্টু ঘোড়া এবং হাতিদের অনুমতি দেওয়া হয় পুরুষ, নারী ও শিশুদের বোকামি করার দৃশ্য দেখার জন্য। * '''অতীন্দ্রিয়দর্শী''', ''বি.'' একজন ব্যক্তি, সাধারণত একজন নারী, যার সেই ক্ষমতা আছে যা তার গ্রাহকের কাছে অদৃশ্য তা দেখার, অর্থাৎ—সে যে একটি আস্ত গাধা। * '''ক্ল্যারিনেট''', ''বি.'' কানে তুলো দিয়ে রাখা একজন ব্যক্তির দ্বারা পরিচালিত একটি যন্ত্রণাদায়ক যন্ত্র। ক্ল্যারিনেটের চেয়েও খারাপ দুটি যন্ত্র আছে—দুটি ক্ল্যারিনেট। * '''ঘড়ি''', ''বি.'' মানুষের কাছে অত্যন্ত নৈতিক মূল্যের একটি যন্ত্র, যা তাকে মনে করিয়ে দেয় যে তার হাতে এখনো কতটা সময় অবশিষ্ট আছে এবং এভাবে ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা লাঘব করে। * '''বিশ্বাসভাজন''', ''বি.'' এমন একজন যাকে 'ক' ব্যক্তি 'খ' ব্যক্তির গোপন কথা আমানত রাখে, যা পরে সে 'গ' ব্যক্তির কাছে ফাঁস করে দেয়। * '''অভিনন্দন''', ''বি.'' ঈর্ষার ভদ্র রূপ। * '''রক্ষণশীল''', ''বি.'' এমন একজন রাষ্ট্রনায়ক যে বিদ্যমান মন্দগুলোর প্রেমে মজে আছে; উদারপন্থীদের বিপরীত, যারা সেই মন্দগুলোকে সরিয়ে নতুন ধরনের মন্দ নিয়ে আসতে চায়। * '''কর্পোরেশন''', ''বি.'' ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা ছাড়াই ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জনের এক উদ্ভাবনী কৌশল। [[File:Cynicism graffiti.jpg|thumb|'''সংশয়বাদী''', ''বি.'' এমন এক দুশ্চরিত্র ব্যক্তি যার ত্রুটিপূর্ণ দৃষ্টিতে সবকিছু যেভাবে থাকা উচিত সেভাবে না দেখে বরং যেমন আছে সেভাবেই দেখে।]] * '''সংশয়বাদী''', ''বি.'' এমন এক দুশ্চরিত্র ব্যক্তি যার ত্রুটিপূর্ণ দৃষ্টিতে সবকিছু যেভাবে থাকা উচিত সেভাবে না দেখে বরং যেমন আছে সেভাবেই দেখে। এজন্যই সিথিয়ানদের মধ্যে সংশয়বাদীদের চোখ উপড়ে ফেলার রীতি ছিল যাতে তার দৃষ্টিশক্তির উন্নতি হয়। * '''ভোর''', ''বি.'' সেই সময় যখন বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ ঘুমানোর জন্য বিছানায় যায়। কিছু বৃদ্ধ মানুষ সেই সময় ঘুম থেকে ওঠা পছন্দ করেন এবং খালি পেটে ঠান্ডা পানিতে গোসল ও দীর্ঘ ভ্রমণে বের হয়ে শরীরকে কষ্ট দেন। * '''সিদ্ধান্ত নেওয়া''', ''অ. ক্রি.'' একগুচ্ছ প্রভাবের কাছে অন্য গুচ্ছের তুলনায় নতি স্বীকার করা। * '''অরক্ষিত''', ''বিণ.'' আক্রমণ করতে অক্ষম। * '''অভিধান''', ''বি.'' ভাষার বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করার এবং একে অনমনীয় ও কঠিন করে তোলার এক ক্ষতিকারক সাহিত্যিক কৌশল। তবে এই অভিধানটি অত্যন্ত দরকারি একটি কাজ। * '''কূটনীতি''', ''বি.'' নিজের দেশের জন্য মিথ্যা বলার দেশপ্রেমিক শিল্প। * '''শিক্ষা''', ''বি.'' যা জ্ঞানীদের কাছে তাদের বোধগম্যতার অভাব প্রকাশ করে এবং মূর্খদের কাছে তা আড়াল করে। * '''ভক্ষ্য''', ''বিণ.'' খাওয়ার উপযোগী এবং হজমের জন্য স্বাস্থ্যকর; যেমন ব্যাঙের জন্য পোকা, সাপের জন্য ব্যাঙ, শূকরের জন্য সাপ, মানুষের জন্য শূকর এবং পোকার জন্য মানুষ। [[File:Ambrose Bierce portrait by John Herbert Evelyn Partington (retouched).jpg|thumb|'''[[অহংবাদী]]''', ''বি.'' নিচু রুচির এক [[ব্যক্তি]], যে আমার চেয়ে নিজের প্রতি বেশি আগ্রহী।]] * '''অহংবাদী''', ''বি.'' নিচু রুচির এক ব্যক্তি, যে আমার চেয়ে নিজের প্রতি বেশি আগ্রহী। * '''বিদ্যুৎ''', ''বি.'' অন্য কোনো কারণে ঘটে না বলে পরিচিত এমন সব প্রাকৃতিক ঘটনার মূল কারণ। এটি বজ্রপাতেরই অনুরূপ এবং ডক্টর ফ্র্যাঙ্কলিনকে আঘাত করার বিখ্যাত প্রচেষ্টাটি সেই মহান ও ভালো মানুষের ক্যারিয়ারের অন্যতম এক নাটকীয় ঘটনা। * '''পাণ্ডিত্য''', ''বি.'' বই থেকে ঝেড়ে একটি খালি মাথার ভেতরে ঢুকানো ধুলোবালি। * '''বিলুপ্তি''', ''বি.'' সেই কাঁচামাল যা দিয়ে ধর্মতত্ত্ব পরকাল তৈরি করেছে। * '''বিশ্বাস''', ''বি.'' কোনো প্রমাণ ছাড়াই এমন কিছুতে আস্থা রাখা যা এমন একজন বলেছে যার কোনো জ্ঞান নেই এবং যার কোনো তুলনা নেই। * '''ফ্যাশন''', ''বি.'' এমন এক স্বৈরশাসক যাকে জ্ঞানীরা উপহাস করে কিন্তু মেনে চলে। * '''ভোজ''', ''বি.'' একটি উৎসব। একটি ধর্মীয় উদযাপন যা সাধারণত পেটুকপনা এবং মাতলামি দ্বারা চিহ্নিত হয়; প্রায়শই এমন কোনো পবিত্র ব্যক্তির সম্মানে এটি করা হয় যিনি মিতাহারের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। * '''মাংস''', ''বি.'' পার্থিব ত্রয়ীর দ্বিতীয় ব্যক্তি। * '''বিস্মৃতি''', ঈশ্বরের পক্ষ থেকে [[ঋণদাতা|ঋণগ্রহীতাদের]] দেওয়া একটি উপহার, যা তাদের বিবেকের অভাবের ক্ষতিপূরণ হিসেবে কাজ করে। * '''জলদস্যু''', ''বি.'' ক্ষুদ্র ব্যবসার একজন বিজয়ী, যার দখলের মধ্যে বিশালত্বের পবিত্র গুণের অভাব রয়েছে। * '''ফ্রিম্যাসন''', ''বি.'' গোপন আচার, কিম্ভুতকিমাকার অনুষ্ঠান এবং অদ্ভুত পোশাকের একটি গোষ্ঠী; যা ইংল্যান্ডের [[দ্বিতীয় চার্লস]]-এর শাসনামলে লন্ডনের কারিগরদের মধ্যে উদ্ভূত হয়েছিল। গত কয়েক শতাব্দী ধরে মৃত ব্যক্তিরা ক্রমাগত এতে যোগ দিয়েছে এবং এখন এটি [[আদম]]-এর এই পাশের সব প্রজন্মকে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছে। এমনকি সৃষ্টির আগের বিশৃঙ্খলা ও রূপহীন শূন্যতার অধিবাসীদের মধ্য থেকেও এটি বিশিষ্ট সদস্যদের সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে। এই গোষ্ঠীটি বিভিন্ন সময়ে [[শার্লিম্যান]], [[জুলিয়াস সিজার]], [[মহান সাইরাস]], [[সোলোমন]], [[জরথুস্ট্র]], [[কনফুসিয়াস]], [[w:প্রথম থুটমোস|থোথমিস]] এবং [[বুদ্ধ]] দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর প্রতীক ও চিহ্নগুলো প্যারিস এবং রোমের ভূগর্ভস্থ সমাধিস্থল, পার্থেননের পাথর, চীনের মহাপ্রাচীর, কার্নাক ও পালমিরার মন্দির এবং মিশরের পিরামিডগুলোতে পাওয়া গিয়েছে—সব সময়ই একজন ফ্রিম্যাসনের দ্বারা। * '''বন্ধুহীন''', ''বিণ.'' দেওয়ার মতো কোনো অনুগ্রহ নেই এমন। সৌভাগ্যহীন। সত্য এবং সাধারণ জ্ঞান বলার নেশায় আসক্ত। [[File:Tombstone courthouse gallows.jpg|thumb|'''ফাঁসির মঞ্চ''', ''বি.'' অলৌকিক নাটক প্রদর্শনের একটি মঞ্চ, যার প্রধান অভিনেতা সরাসরি স্বর্গে স্থানান্তরিত হন।]] * '''ফাঁসির মঞ্চ''', ''বি.'' অলৌকিক নাটক প্রদর্শনের একটি মঞ্চ, যার প্রধান অভিনেতা সরাসরি স্বর্গে স্থানান্তরিত হন। * '''বংশলতিকা''', ''বি.'' এমন এক পূর্বপুরুষ থেকে নিজের বংশধরের বিবরণ, যিনি নিজে নিজের বংশ খুঁজে বের করার বিষয়ে খুব একটা আগ্রহী ছিলেন না। * '''উদার''', ''বিণ.'' মূলত এই শব্দটি দিয়ে আভিজাত্যে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিকে বোঝানো হতো এবং এটি বহু মানুষের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হতো। এখন এটি স্বভাবগত আভিজাত্য বোঝায় এবং বর্তমানে এটি কিছুটা বিশ্রামে আছে। * '''সুখ''', ''বি.'' অন্যের দুর্দশা দেখে নিজের মনে জেগে ওঠা এক চমৎকার অনুভূতি। * '''পৌত্তলিক''', ''বি.'' এমন এক অন্ধকারাচ্ছন্ন জীব যে এমন কিছুকে পূজা করার বোকামি করে যা সে দেখতে পায় এবং স্পর্শ করতে পারে। * '''স্বর্গ''', ''বি.'' এমন এক জায়গা যেখানে দুষ্টরা তাদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলে আপনাকে বিরক্ত করা বন্ধ করে এবং ভালো মানুষরা মনোযোগ দিয়ে আপনার কথা শোনে যখন আপনি নিজের গুণগান করেন। * '''সহধর্মিনী''', ''বি.'' একজন স্ত্রী, অথবা তিতা অর্ধেক। * '''তার (স্ত্রীলিঙ্গ)''', ''সর্ব.'' তার (পুংলিঙ্গ)। [[File:George Caleb Bingham - The County Election - 44-2001 - Saint Louis Art Museum.jpg|thumb| '''[[নির্বোধ]]''', ''বি.'' একটি বিশাল এবং শক্তিশালী [[গোষ্ঠী|গোষ্ঠীর]] সদস্য যাদের প্রভাব মানবিক বিষয়ে সবসময়ই প্রধান এবং নিয়ন্ত্রণকারী।]] * '''নির্বোধ''', ''বি.'' একটি বিশাল এবং শক্তিশালী গোষ্ঠীর সদস্য যাদের প্রভাব মানবিক বিষয়ে সবসময়ই প্রধান এবং নিয়ন্ত্রণকারী। নির্বোধের কার্যক্রম কোনো বিশেষ চিন্তা বা কর্মক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি "সবকিছুর মধ্যে ছড়িয়ে থাকে এবং নিয়ন্ত্রণ করে।" সব বিষয়ে তার কথাই শেষ কথা; তার সিদ্ধান্ত আপিলযোগ্য নয়। সে ফ্যাশন এবং রুচি নির্ধারণ করে, কথার সীমা ঠিক করে দেয় এবং মৃত-রেখা দিয়ে আচরণকে সীমাবদ্ধ করে। * '''অসহাবস্থানযোগ্য''', ''বিণ.'' অন্য কিছু অস্তিত্বশীল থাকলে যার অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব। দুটি জিনিস অসহাবস্থানযোগ্য হয় যখন অস্তিত্বের জগতে একজনের জায়গা থাকলেও দুজনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না—যেমন [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]]-এর কবিতা এবং মানুষের প্রতি ঈশ্বরের দয়া। * '''শৈশব''', ''বি.'' আমাদের জীবনের সেই সময় যখন [[উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ]]-এর মতে, 'স্বর্গ আমাদের ঘিরে থাকে।' এর ঠিক পরেই পৃথিবী আমাদের নিয়ে মিথ্যা বলতে শুরু করে। * '''ভিতরকার''', ''বি. বহুবচন।'' পাকস্থলী, হৃৎপিণ্ড, আত্মা এবং অন্যান্য নাড়িভুঁড়ি। * '''বিদ্রোহ''', ''বি.'' একটি ব্যর্থ বিপ্লব। খারাপ শাসনের বদলে কুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে অসন্তোষের ব্যর্থতা। * '''বিচার''', ''বি.'' এমন এক পণ্য যা কম-বেশি ভেজাল মিশ্রিত অবস্থায় রাষ্ট্র তার নাগরিকদের কাছে বিক্রি করে; তাদের আনুগত্য, ট্যাক্স এবং ব্যক্তিগত সেবার পুরস্কার হিসেবে। * '''কিল্ট''', ''বি.'' এমন এক পোশাক যা মাঝেমধ্যে আমেরিকায় থাকা স্কটিশরা এবং স্কটল্যান্ডে থাকা আমেরিকানরা পরিধান করে। * '''চুরির বাতিকগ্রস্ত''', ''বি.'' একজন ধনী চোর। * '''শ্রম''', ''বি.'' এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে 'ক' ব্যক্তি 'খ' ব্যক্তির সম্পত্তি অর্জন করে। * '''ভূমি''', ''বি.'' পৃথিবীর উপরিভাগের একটি অংশ যা সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। ভূমি যে ব্যক্তিগত মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণের অধীন একটি সম্পদ – এই তত্ত্বটি আধুনিক সমাজের ভিত্তি এবং এটি উপরিকাঠামোর জন্য অত্যন্ত যোগ্য। যৌক্তিকভাবে এর অর্থ দাঁড়ায় যে, কারও কারও অধিকার আছে অন্যদের বেঁচে থাকা প্রতিরোধ করার; কারণ মালিকানার অধিকার মানেই এককভাবে দখলের অধিকার; আর যেখানেই ভূমিতে সম্পত্তির স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে সেখানেই অনধিকার প্রবেশের আইন প্রণীত হয়েছে। এর ফলে যদি সমগ্র স্থলভাগের মালিকানা 'ক', 'খ' এবং 'গ'-এর হয়, তবে 'ঘ', 'ঙ', 'চ' এবং 'ছ'-এর জন্মানোর কোনো জায়গা থাকবে না, অথবা অনুপ্রবেশকারী হিসেবে জন্মালেও টিকে থাকার সুযোগ থাকবে না। * '''হাসি''', ''বি.'' শরীরের ভেতরের এক সংকোচন, যা চেহারার বিকৃতি ঘটায় এবং অস্পষ্ট শব্দের সৃষ্টি করে। এটি সংক্রামক এবং যদিও এটি মাঝেমধ্যে হয়, তবুও এটি নিরাময়যোগ্য নয়। * '''বিদ্যা''', ''বি.'' এক ধরনের অজ্ঞতা যা পড়ুয়াদের আলাদা করে চিনিয়ে দেয়। * '''স্বাধীনতা''', ''বি.'' কল্পনার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদগুলোর একটি। * '''স্বাধীনতা''', ''বি.'' মুক্তাবস্থা এবং স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য সঠিকভাবে জানা নেই; প্রকৃতিবিদরা কোনোটিরই জীবিত নমুনা কখনও খুঁজে পাননি। * '''যুক্তিবিদ্যা''', ''বি.'' মানুষের ভুল বোঝার সীমাবদ্ধতা এবং অক্ষমতার সাথে কঠোরভাবে সংগতি রেখে চিন্তা ও বিচার করার শিল্প। [[File:Frank Bernard Dicksee - Romeo and Juliet, 1884.jpg|thumb|'''ভালোবাসা''', ''বি.'' একটি সাময়িক উন্মাদনা যা বিয়ের মাধ্যমে অথবা রোগীকে সেই প্রভাব থেকে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য যার অধীনে সে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। এই রোগটি কেবল কৃত্রিম পরিবেশে বসবাসকারী সভ্য জাতিগুলোর মধ্যেই প্রচলিত; বিশুদ্ধ বাতাস গ্রহণকারী এবং সাধারণ খাবার খাওয়া অসভ্য জাতিগুলো এর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে মুক্ত থাকে। এটি কখনও কখনও প্রাণঘাতী হয়, তবে রোগীর চেয়ে চিকিৎসকের জন্য এটি বেশি ঘটে।]] * '''ভালোবাসা''', ''বি.'' একটি সাময়িক উন্মাদনা যা বিয়ের মাধ্যমে অথবা রোগীকে সেই প্রভাব থেকে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য যার অধীনে সে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। এই রোগটি কেবল কৃত্রিম পরিবেশে বসবাসকারী সভ্য জাতিগুলোর মধ্যেই প্রচলিত; বিশুদ্ধ বাতাস গ্রহণকারী এবং সাধারণ খাবার খাওয়া অসভ্য জাতিগুলো এর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে মুক্ত থাকে। এটি কখনও কখনও প্রাণঘাতী হয়, তবে রোগীর চেয়ে চিকিৎসকের জন্য এটি বেশি ঘটে। * '''পাগল''', ''বিণ.'' উচ্চমাত্রার বৌদ্ধিক স্বাধীনতা দ্বারা আক্রান্ত; চিন্তা, কথা এবং কাজের সেই সব মানদণ্ড অনুসরণ না করা যা অনুসারীরা নিজেদের অধ্যয়ন থেকে তৈরি করেছে; সংখ্যাগরিষ্ঠের সাথে অমিল থাকা; সংক্ষেপে—অস্বাভাবিক। এটি লক্ষণীয় যে, কর্মকর্তারা কোনো প্রমাণ ছাড়াই ব্যক্তিদের পাগল ঘোষণা করেন, যেখানে তারা নিজেরাও যে সুস্থ তার কোনো প্রমাণ নেই। * '''বিয়ে''', ''বি.'' একটি সম্প্রদায়ের অবস্থা বা দশা যা একজন প্রভু, একজন কর্ত্রী এবং দুজন দাসের সমন্বয়ে গঠিত—সব মিলিয়ে সংখ্যাটি হয় দুই। * '''মেয়োনিজ''', ''বি.'' সসগুলোর মধ্যে একটি যা ফরাসিদের কাছে রাষ্ট্রীয় ধর্মের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। * '''সোমবার''', ''বি.'' খ্রিস্টান দেশগুলোতে, বেসবল খেলার পরের দিন। * '''প্রতিবেশী''', ''বি.'' এমন একজন যাকে আমাদের নিজেদের মতো ভালোবাসার আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং যে আমাদের অবাধ্য করার জন্য যা যা করা সম্ভব তার সবই করে। * '''অ-যোদ্ধা''', ''বি.'' একজন মৃত কুয়াকার। * '''সমুদ্র''', ''বি.'' একটি বিশাল জলরাশি যা মানুষের জন্য তৈরি করা এই পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে আছে—অথচ মানুষের কোনো ফুলকা নেই। * '''একবার''', ''বিণ.'' যথেষ্ট। * '''আফিম''', ''বি.'' ব্যক্তিত্বের কারাগারের একটি খোলা দরজা। এটি জেলের আঙিনার দিকে নিয়ে যায়। * '''সুযোগ''', ''বি.'' একটি হতাশাকে আঁকড়ে ধরার অনুকূল মুহূর্ত। * '''বিরোধী দল''', ''বি.'' রাজনীতিতে এমন এক দল যারা সরকারকে পঙ্গু করে দিয়ে তাকে বেপরোয়া হওয়া থেকে বিরত রাখে। * '''আশাবাদী''', ''বি.'' এই মতবাদের প্রবক্তা যে কালো মানেই সাদা। * '''অতীত''', ''বি.'' অনন্তকালের সেই অংশ যার ক্ষুদ্র একটি ভগ্নাংশের সাথে আমাদের সামান্য এবং অনুশোচনামূলক পরিচয় আছে। বর্তমান নামক একটি চলমান রেখা একে ভবিষ্যৎ নামক এক কাল্পনিক সময় থেকে পৃথক করে। অনন্তকালের এই দুটি বিশাল বিভাজন, যার একটি ক্রমাগত অন্যটিকে মুছে দিচ্ছে, একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। একটি দুঃখ এবং হতাশায় অন্ধকার, অন্যটি সমৃদ্ধি এবং আনন্দে উজ্জ্বল। অতীত হলো কান্নার অঞ্চল, ভবিষ্যৎ হলো গানের রাজ্য। একটিতে চট ও ছাই পরে স্মৃতি কুঁকড়ে বসে থাকে এবং অনুতাপের প্রার্থনা বিড়বিড় করে; অন্যটির রোদে আশা মুক্ত ডানায় ওড়ে, সাফল্যের মন্দির এবং আরামের কুঞ্জবনের দিকে ইশারা করে। তবুও অতীত হলো গতকালের ভবিষ্যৎ, ভবিষ্যৎ হলো আগামীকালের অতীত। তারা আসলে এক: জ্ঞান এবং স্বপ্ন। * '''অতিরিক্ত পরিশ্রম''', ''বি.'' মাছ ধরতে যেতে চায় এমন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের আক্রান্তকারী একটি বিপজ্জনক ব্যাধি। * '''ধৈর্য''', ''বি.'' হতাশার একটি গৌণ রূপ, যা গুণের ছদ্মবেশে থাকে। * '''দেশপ্রেম''', ''বি.'' দাহ্য আবর্জনা যা নিজের নাম উজ্জ্বল করতে উচ্চাকাঙ্ক্ষী যে কারও মশাল ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত। ডক্টর জনসনের বিখ্যাত অভিধানে দেশপ্রেমকে একজন বদমাইশের শেষ আশ্রয় হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। একজন আলোকিত কিন্তু নিম্নমানের অভিধানপ্রণেতার প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই আমি বিনম্রভাবে বলতে চাই যে, এটি আসলে প্রথম আশ্রয়। * '''দর্শন''', ''বি.'' অনেকগুলো পথের একটি রুট যা কোথাও না থেকে শুরু হয়ে শূন্যের দিকে নিয়ে যায়। * '''শূকর''', ''বি.'' একটি প্রাণী যা তার ক্ষুধার জাঁকজমক এবং প্রাণবন্ততার কারণে মানবজাতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত; তবে এই ক্ষুধা পরিধির দিক থেকে নিম্নতর, কারণ এটি শূকর পর্যন্তই আটকে থাকে। * '''ভদ্রতা''', ''বি.'' সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ভণ্ডামি। * '''রাজনীতি''', ''বি.'' আদর্শের লড়াইয়ের ছদ্মবেশে স্বার্থের সংঘাত। ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য জনহিতকর কাজের পরিচালনা। * '''ইতিবাচক''', ''বিণ.'' গলার সর্বোচ্চ স্বর ব্যবহার করে ভুল করা। * '''প্রার্থনা করা''', ''ক্রি.'' মহাবিশ্বের নিয়মগুলো বাতিলের অনুরোধ করা এমন একজন আবেদনকারীর পক্ষে যে নিজেই স্বীকার করে সে অযোগ্য। * '''কুসংস্কার''', ''বি.'' দৃশ্যমান কোনো অবলম্বন ছাড়াই ঘুরে বেড়ানো এক ভবঘুরে মতামত। * '''উদ্ধৃতি''', ''বি.'' অন্যের কথা ভুলভাবে পুনরাবৃত্তি করার কাজ। ভুলভাবে পুনরাবৃত্তি করা শব্দগুলো। * '''যৌক্তিক''', ''বিণ.'' পর্যবেক্ষণ, অভিজ্ঞতা এবং প্রতিফলন জনিত বিভ্রান্তি ছাড়া আর সব বিভ্রান্তি মুক্ত। * '''ধর্ম''', ''বি.'' আশা এবং ভয়ের কন্যা, যা অজ্ঞদের কাছে অজ্ঞাত বিষয়ের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করে। * '''পদত্যাগ করা''', ''ক্রি.'' একটি সুবিধার জন্য একটি সম্মান ত্যাগ করা। বৃহত্তর সুবিধার জন্য একটি সুবিধা ত্যাগ করা। * '''অপ্রকাশিত বাক্য''', ''বি.'' একটি বিখ্যাত বই যেখানে সেন্ট জন দ্য ডিভাইন তার জানা সবকিছু লুকিয়ে রেখেছেন। প্রকাশের কাজটি করেন টিকাকাররা, যারা আসলে কিছুই জানেন না। * '''রাস্তা''', ''বি.'' জমির একটি ফালি যা দিয়ে কেউ এক ক্লান্তিকর জায়গা থেকে এমন এক জায়গায় যেতে পারে যেখানে যাওয়াটা নিরর্থক। * '''সাবাত''', ''বি.'' একটি সাপ্তাহিক উৎসব যার উৎপত্তি এই সত্য থেকে যে ঈশ্বর ছয় দিনে পৃথিবী তৈরি করেছিলেন এবং সপ্তম দিনে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। * '''সন্ত''', ''বি.'' একজন মৃত পাপী, যাকে পরিমার্জন এবং সম্পাদনা করা হয়েছে। [[File:Júpiter y Tetis, por Dominique Ingres.jpg|thumb| '''[[জিউস]]''', ''বি.'' গ্রীক দেবতাদের প্রধান, যাকে রোমানরা জুপিটার হিসেবে এবং আধুনিক আমেরিকানরা ঈশ্বর, স্বর্ণ, জনতা এবং কুকুর হিসেবে পূজা করে। কিছু অন্বেষণকারী যারা আমেরিকার উপকূলে পৌঁছেছেন এবং একজন যিনি অনেক দূর অভ্যন্তরে প্রবেশ করার দাবি করেন, তারা ভেবেছিলেন যে এই চারটি নাম চারটি আলাদা দেবতার। কিন্তু ফ্রাম্প তার 'সারভাইভিং ফেইথস' নামক বিশাল গ্রন্থে জোর দিয়ে বলেছেন যে আদিবাসীরা একেশ্বরবাদী, প্রত্যেকের নিজের ছাড়া আর কোনো ঈশ্বর নেই, যাকে তারা অনেক পবিত্র নামে পূজা করে।]] * '''ধর্মগ্রন্থ''', ''বি.'' আমাদের পবিত্র ধর্মের পবিত্র গ্রন্থসমূহ, যা সেই সব মিথ্যা এবং অপবিত্র লেখা থেকে আলাদা যার ওপর ভিত্তি করে অন্য সব বিশ্বাস দাঁড়িয়ে আছে। * '''স্বার্থপর''', ''বিণ.'' অন্যের স্বার্থপরতার প্রতি বিবেচনা বর্জিত। * '''সাফল্য''', ''বি.'' নিজের সঙ্গীদের বিরুদ্ধে করা একমাত্র অমার্জনীয় পাপ। * '''দুবার''', ''ক্রি. বিণ.'' একবার বেশি। * '''আন-আমেরিকান''', ''বিণ.'' দুষ্ট, অসহনীয়, পৌত্তলিক। * '''গুণাবলি''', ''বি. বহুবচন।'' নির্দিষ্ট কিছু সংযম। * '''ভোট দেওয়া''', ''ক্রি.'' একজন স্বাধীন মানুষের নিজেকে বোকা বানানোর এবং নিজের দেশকে ধ্বংস করার ক্ষমতার হাতিয়ার ও প্রতীক। * '''সাদা''', ''বিণ.'' এবং ''বি.'' কালো। * '''ডাইনি''', ''বি.'' (১) একজন কুৎসিত এবং বিকর্ষণীয় বৃদ্ধা নারী, যে শয়তানের সাথে এক অশুভ জোটে আছে। (২) একজন সুন্দরী এবং আকর্ষণীয় তরুণী, যে দুষ্টুমির দিক থেকে শয়তানের চেয়েও এক ধাপ এগিয়ে। * '''বছর''', ''বি.'' তিনশ পঁষট্টিটি হতাশার একটি সময়কাল। * '''যৌবন''', ''বি.'' সম্ভাবনার সময়, যখন আর্কিমিডিস একটি আলম্ব খুঁজে পায়, ক্যাসান্দ্রার অনুসারী জোটে এবং সাতটি শহর একজন জীবন্ত হোমারকে সম্মান জানানোর জন্য প্রতিযোগিতা করে। * '''উদ্যম''', ''বি.'' তরুণ এবং অনভিজ্ঞদের আক্রান্তকারী একটি বিশেষ স্নায়বিক ব্যাধি। একটি আবেগ যা আছাড় খাওয়ার আগে আসে। * '''[[w:জিউস|জিউস]]''', ''বি.'' গ্রীক দেবতাদের প্রধান, যাকে রোমানরা [[w:জুপিটার|জুপিটার]] হিসেবে এবং আধুনিক আমেরিকানরা ঈশ্বর, স্বর্ণ, মব এবং কুকুর হিসেবে পূজা করে। কিছু অন্বেষণকারী যারা আমেরিকার উপকূলে পৌঁছেছেন এবং একজন যিনি অনেক দূর অভ্যন্তরে প্রবেশ করার দাবি করেন, তারা ভেবেছিলেন যে এই চারটি নাম চারটি আলাদা দেবতার। কিন্তু ফ্রাম্প তার 'সারভাইভিং ফেইথস' নামক বিশাল গ্রন্থে জোর দিয়ে বলেছেন যে আদিবাসীরা একেশ্বরবাদী, প্রত্যেকের নিজের ছাড়া আর কোনো ঈশ্বর নেই, যাকে তারা অনেক পবিত্র নামে পূজা করে। === উক্তি === [[File:Bierce from The Letters 1922 (1).jpg|thumb|কৌতুক করা মানে কেবল চঞ্চল হওয়া, কিন্তু রসবোধ (wit) একটি গুরুতর বিষয়।]] [[File:Ambrose Bierce (signature).jpg|thumb|বনে হারিয়ে গেলে সবসময় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নামো। কোনো দর্শন বা মতবাদে হারিয়ে গেলে উপরের দিকে যাও।]] :<small>পৃষ্ঠা নম্বরগুলো 'দ্য কালেক্টেড ওয়ার্কস অফ অ্যামব্রোজ বিয়ার্স', ৮ম খণ্ড (১৯১১), § "এপিগ্রামস" (পৃ. ৩৪৩ এবং পরবর্তী) থেকে নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত উক্তিগুলো এর আগে অন্য কোথাও প্রকাশিত হয়েছিল।</small> * নারী আরও বেশি আকর্ষণীয় হতো যদি তার হাতে না পড়ে কেবল তার বাহুবন্দী হওয়া যেত। * যে নারী আপনার সাথে অন্যায় করেছে তাকে হত্যা করার অনুমতি আপনার নেই, তবে সে প্রতি মিনিটে বুড়ো হচ্ছে—এই চিন্তা করতে আপনাকে কেউ বাধা দেয়নি। এভাবে আপনি দিনে ১৪৪০ বার প্রতিশোধ নিতে পারেন। * আত্মত্যাগ হলো কোনো কিছু ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতাকে প্রশ্রয় দেওয়া। ** কখনও কখনও এটি "forgo" বানানে উদ্ধৃত করা হয়, তবে বিয়ার্স তার ১৯১১ সালের 'কালেক্টেড ওয়ার্কস'-এ "forego" ব্যবহার করেছিলেন। * প্রতিটি মানুষের জন্য শব্দভাণ্ডারে এমন কিছু থাকে যা তার সাথে দ্বিতীয় চামড়ার মতো লেগে থাকবে। তার শত্রুদের কাজ শুধু সেটা খুঁজে বের করা। ** পৃ. ২৩৬ * গোঁড়ামির কাছে অনুসন্ধিৎসা আর শয়তানি একই বিষয়। ** পৃ. ৩৪৩ * এমন কোনো প্রতিভা নেই যাকে নিজেকে প্রকাশ করার আগ পর্যন্ত সবাই বোকা ভাবেনি; অথচ সে কেবল তখনই বোকা। ** পৃ. ৩৪৫ * পোশাকে খুব বেশি অনন্য হওয়ার চেষ্টা করো না; কারণ নির্বোধদের তা বেশি থাকে আর বুদ্ধিমানদের কম। নিজেকে মৌলিক দেখানো খুব একটা কাজের বিষয় নয়, বরং মনে মনে যুগের চেয়ে কিছুটা আলাদা হও। ** পৃ. ৩৪৫ * কৌতুক করা মানে কেবল চঞ্চল হওয়া, কিন্তু রসবোধ (wit) একটি গুরুতর বিষয়। এটা দেখে হাসার অর্থ হলো তুমি এটা বুঝতে পারোনি। ** পৃ. ৩৪৬ * তুমি যদি তোমার সমসাময়িকদের কাছে মহান হতে চাও, তবে তাদের চেয়ে খুব বেশি মহান হয়ো না। ** পৃ. ৩৪৬ * ওহে গর্বিত পরোপকারী, তোমার আশা বৃথা— <br> লাভের মাধ্যমে যা হারিয়েছ, তা দানের মাধ্যমে ফিরে পাওয়া। ** পৃ. ৩৪৯। আগে 'কসমোপলিটান', ৪২তম খণ্ড, ৬ষ্ঠ সংখ্যায় (এপ্রিল ১৯০৭, পৃ. ৬৯৫) "স্মল কন্ট্রিবিউশনস"-এ প্রকাশিত হয়েছিল। * দার্শনিক বলেন, "ইচ্ছার কোনো স্বাধীনতা নেই; কাউকে ফাঁসি দেওয়া অত্যন্ত অন্যায়।" <br> অফিসার সায় দেন, "ইচ্ছার কোনো স্বাধীনতা নেই; আমরা ফাঁসি দেই কারণ আমরা বাধ্য।" ** পৃ. ৩৫০ * অসন্তোষের খেলার নিজস্ব নিয়ম আছে, আর যে তা মানে না সে প্রতারণা করে। অন্যের সুবিধা বা সম্পদ নিজের করে নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করার অনুমতি তোমার নেই; তোমার অনুমতি আছে কেবল অন্য কেউ হওয়ার ইচ্ছা করার। ** পৃ. ৩৫২ * তুমি যদি একটি নিখুঁত বই পড়তে চাও তবে তার একটিই উপায় আছে: সেটি নিজেই লেখো। ** পৃ. ৩৫৩ * বনে হারিয়ে গেলে সবসময় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নামো। কোনো দর্শন বা মতবাদে হারিয়ে গেলে উপরের দিকে যাও। ** পৃ. ৩৫৪ * আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে নতি স্বীকার করি কারণ আমরা বাধ্য। কিন্তু আমাদের এই বশ্যতার ভঙ্গিটিকে সম্মানের ভঙ্গি বলতে আমরা বাধ্য নই। ** পৃ. ৩৫৪ * একজন জনপ্রিয় লেখক তিনি যিনি তা-ই লেখেন যা মানুষ ভাবে। প্রতিভা মানুষকে অন্য কিছু ভাবার আমন্ত্রণ জানায়। ** পৃ. ৩৫৬ * গুণাবলিরা তাদের রানি হিসেবে বিনয়কে বেছে নিল। <br> বিনয় বলল, "আমি জানতাম না যে আমি একটি গুণ। তোমরা কেন সারল্যকে বেছে নিলে না?" <br> তারা উত্তর দিল, "তার অজ্ঞতার কারণে। সে শুধু এটুকুই জানে যে সে একটি গুণ।" ** পৃ. ৩৫৮ * গণতন্ত্র একমাত্র যে যোগ্যতার পুরষ্কার দেয় তা হলো উচ্চমাত্রার অনুবর্তিতা। ** পৃ. ৩৫৮ * অপভাষা (slang) হলো সেই ব্যক্তির কথা যে ডাস্টবিনে ফেলার জন্য নিয়ে যাওয়া সাহিত্যের আবর্জনার গাড়ি থেকে চুরি করে। ** পৃ. ৩৫৮ * গণক হাতের মুঠোর ভাঁজ দেখে বলে সেগুলো চরিত্রের চিহ্ন। দার্শনিক চরিত্র বিচার করেন সেই জিনিসটি দেখে যা হাত সবচেয়ে বেশি আঁকড়ে ধরতে পছন্দ করে। ** পৃ. ৩৬০ * যে অর্থলোভী নিজের কাজ পাগল হওয়ার দোহাই দেয় তার প্রতিরক্ষা দুর্বল, কারণ টাকা উপার্জনের কাজকে ভালোবাসা টাকা ভালোবাসার চেয়েও নিচু স্তরের রুচি। ** পৃ. ৩৬১ * একজন মানুষ তার পূর্বপুরুষদের সমষ্টি; তাকে সংশোধন করতে হলে তোমাকে একটি মৃত বানর থেকে শুরু করতে হবে এবং দশ লক্ষ কবরের মধ্য দিয়ে নিচে নামতে হবে। সে হলো ঝোলানো শিকলের নিচের প্রান্তের মতো; তুমি তাকে সামান্য ডানে বা বামে দোলাতে পারো, কিন্তু হাত সরিয়ে নাও এবং সে আবার অন্য কড়িগুলোর সাথে লাইনে ফিরে আসবে। ** পৃ. ৩৬৩ * যে কষ্টে চিন্তা করে সে খুব জলদি বিশ্বাস করে। ** পৃ. ৩৬৩ * জীবনের পথে অনেক আনন্দকেন্দ্র আছে, কিন্তু ভেবো না যে সেগুলোতে দেরি করলে যাত্রার দিন বেড়ে যাবে। তোমার পৌঁছানোর দিনটি আগেই লেখা হয়ে গেছে। ** পৃ. ৩৬৪ * সবচেয়ে বিরক্তিকর অহংকারী হলো সে যে "আমি" এবং "আমাকে" বলতে ভয় পায়। "সম্ভবত বৃষ্টি হবে"—এটি স্বৈরাচারী কথা। "আমি মনে করি বৃষ্টি হবে"—এটি স্বাভাবিক এবং বিনয়ী। মঁতেন ছিলেন সবচেয়ে চমৎকার প্রবন্ধকার কারণ তার বিনয় এতই বেশি ছিল যে তিনি আমাদের মঁতেনকে না দেখানোটাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেননি। তিনি নিজেকে এতটাই ভুলে যেতেন যে আমাদের তাকে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি কোনো কৃত্রিমতার আশ্রয় নিতেন না। ** পৃ. ৩৬৪ * বিশ্বাস পরিবর্তনশীল; সবসময় সংগতিপূর্ণ থাকা মানে মাঝেমধ্যে অসৎ হওয়া। ** পৃ. ৩৬৭ * সবচেয়ে অসহিষ্ণু সমর্থক তিনি যিনি নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন। ** পৃ. ৩৬৭ * ধনীদের অনুগ্রহ পাওয়ার জন্য গরিব মানুষের দেওয়া প্রবেশমূল্য হলো তার আত্মসম্মান। ** পৃ. ৩৬৮ * সবাই পাগল, কিন্তু যে নিজের বিভ্রান্তি বিশ্লেষণ করতে পারে তাকে দার্শনিক বলা হয়। ** পৃ. ৩৬৯ * অপভাষা হলো একটি নোংরা ডোবা যেখানে প্রতিটি গাধা তার বালতি ভরে এবং তারপর নিজেকে একটি ঝরনা হিসেবে জাহির করে। ** পৃ. ৩৬৯ * সুখ হারিয়ে যায় একে সমালোচনা করলে; দুঃখ হারিয়ে যায় একে গ্রহণ করলে। ** পৃ. ৩৭১ * সমৃদ্ধির সময় মূর্খ আসন্ন বিপদের আশঙ্কায় কাঁপে; বিপদের সময় দার্শনিক তার পাওয়া ভালো সময়ের কথা ভেবে হাসে। ** পৃ. ৩৭১ * বৃদ্ধ বয়স, যার চোখ মাথার পেছনে থাকে, সে মনে করে যে কাদার মধ্য দিয়ে সে হাবুডুবু খেয়ে এসেছে তা দেখাই হলো প্রজ্ঞা। ** পৃ. ৩৭২-৩৭৩ * প্রজ্ঞা কেবল বোকামির সাথে তুলনা করলেই বোঝা যায়; ছায়া থাকলেই আমরা বুঝতে পারি যে সব দৃশ্যমান বস্তু সমতল নয়। তবুও পরোপকারীরা মন্দকে নির্মূল করতে চায়! ** পৃ. ৩৭৩ * ব্যর্থতার চোখে সাফল্য একটি দুর্ঘটনা। ** পৃ. ৩৭৩ * যতক্ষণ তোমার ভবিষ্যৎ আছে ততক্ষণ নিজের অতীত নিয়ে খুব বেশি পড়ে থেকো না: যদি না তুমি পেছন দিকে হাঁটতে পছন্দ করো, আয়না একজন খারাপ পথপ্রদর্শক। ** পৃ. ৩৭৪ == ভুল তথ্যসম্বলিত উক্তি == * যুদ্ধ হলো আমেরিকানদের ভূগোল শেখানোর ঈশ্বরের এক পদ্ধতি। ** কোট ইনভেস্টিগেটর-এ ["War Is God's Way of Teaching Us Geography"] ** "যুদ্ধ হলো আমেরিকানদের ভূগোল শেখানোর ঈশ্বরের এক পদ্ধতি"—এই মন্তব্যটি অনবরত অ্যামব্রোজ বিয়ার্সের নামে চালানো হয়। জীবনীকার ডেভিড ই. শুল্টজ, যার কম্পিউটারে বিয়ার্সের প্রায় সব লেখা জমা আছে, তার ডাটাবেসে এই তিক্ত মন্তব্যটি খুঁজে পাননি। রালফ কেইস, 'দ্য কোট ভেরিফায়ার' (২০০৭), পৃ. ২৪০। == বহিঃসংযোগ == * [http://donswaim.com/ অ্যামব্রোজ বিয়ার্স সাইট] * [http://www.gutenberg.org/browse/authors/b#a206 বিয়ার্স] — [[w:প্রজেক্ট গুটেনবার্গ|প্রজেক্ট গুটেনবার্গে]] * [http://www.biercephile.com অ্যামব্রোজ বিয়ার্স অ্যাপ্রিসিয়েশন সোসাইটি] * [http://www.ambrosebierce.org অ্যামব্রোজ বিয়ার্স প্রজেক্ট] * [http://ojinaga.com/bierce/ "অ্যামব্রোজ বিয়ার্স, 'দ্য ওল্ড গ্রিঙ্গো': তথ্য, ফিকশন এবং ফ্যান্টাসি"] * [http://www.rjgeib.com/thoughts/bierce/ambrose-bierce.html বিয়ার্সের শেষ চিঠিগুলোর একটি] * [http://atheisme.free.fr/Biographies/Bierce_e.htm অ্যামব্রোজ বিয়ার্সের জীবনী এবং উক্তি] * [http://bitterbierce.blogspot.com ওয়েকিন অ্যামব্রোজ: ডেভিলস ডিকশনারির সমসাময়িক রূপান্তর] 7lb2aef76ahtkjgdm01vogxie7ohxjc 81909 81908 2026-04-28T09:29:36Z Tuhin 172 81909 wikitext text/x-wiki [[File:Abierce.jpg|thumb| '''[[অযৌক্তিকতা]]''', ''বি.'' এমন একটি বিবৃতি বা [[বিশ্বাস]], যা নিজের [[মতামত|মতামতের]] সাথে স্পষ্টভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ।]] '''[[w:অ্যামব্রোজ বিয়ার্স|অ্যামব্রোজ গুইনেট বিয়ার্স]]''' ([[২৪ জুন]], [[১৮৪২]] – মৃত্যুর তারিখ অনিশ্চিত; সম্ভবত [[১৯১২]] সালের শেষ দিকে বা [[১৯১৪]] সালের শুরুতে) ছিলেন একজন আমেরিকান বিদ্রূপকারী, সমালোচক, ছোটগল্পকার, সম্পাদক এবং সাংবাদিক। তিনি সম্ভবত তার ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত ব্যঙ্গাত্মক অভিধান, '''[[w:দ্য ডেভিলস ডিকশনারি|দ্য ডেভিলস ডিকশনারি]]'''-এর জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত, যেখানে তিনি সাধারণ শব্দের বিকল্প ও আরও বাস্তবসম্মত সংজ্ঞা প্রদানের মাধ্যমে বছরের পর বছর ধরে আমেরিকান সংস্কৃতি এবং প্রচলিত জ্ঞানকে বিদ্ধ করেছেন। == উক্তি == [[File:Hansel-and-gretel-rackham (cropped).jpg|thumb|যদি এটি একটি দুর্বল মানবতাবাদ এবং অপূর্ণ হজমশক্তির সংমিশ্রণ না হতো, তবে প্রকৃতির ইচ্ছা অনুযায়ী আমাদের নিজেদের সন্তানদেরই ভক্ষণ করা উচিত ছিল।]] * বালকদের অস্তিত্ব যে এখনো টিকে আছে, তা পুরুষদের অসাধারণ খ্রিস্টীয় ধৈর্যেরই প্রমাণ। যদি এটি একটি দুর্বল মানবতাবাদ এবং অপূর্ণ হজমশক্তির সংমিশ্রণ না হতো, তবে প্রকৃতির ইচ্ছা অনুযায়ী আমাদের নিজেদের সন্তানদেরই ভক্ষণ করা উচিত ছিল। ** "টাউন ক্রায়ার" কলাম, ''সান ফ্রান্সিসকো নিউজ-লেটার'' (আনু. ১৮৭০) [http://books.google.com/books?ei=65MyT4yGB6bJ0QGg9p3mBw&id=GqUOAQAAMAAJ&q=&quot;The+fact+that+boys+are+allowed+to+exist+at+all+is+evidence+of+a+remarkable+Christian+forbearance+among+men+were+it+not+for+a+mawkish+humani-tarianism+coupled+with+imperfect+digestive+powers+we+should+devour+our+young+as+Nature+intended&quot;&pg=PA74#v=onepage] * কারণ মৃত্যু বিভিন্ন প্রকারের হয়। কোনোটিতে দেহ রয়ে যায়, আবার কোনোটিতে এটি আত্মার সাথে পুরোপুরি বিলীন হয়ে যায়। এটি সাধারণত কেবল নির্জনতাতেই ঘটে, কারণ সেটিই ঈশ্বরের ইচ্ছা। কেউ শেষ পরিণতি না দেখায় আমরা বলি মানুষটি হারিয়ে গেছে বা দীর্ঘ সফরে গিয়েছে, যা সে প্রকৃতপক্ষে গিয়েছেও। তবে কখনও কখনও এটি অনেকের সামনেও ঘটেছে, যার প্রচুর প্রমাণ রয়েছে। এক ধরনের মৃত্যুতে আত্মাও মারা যায় এবং শরীর বহু বছর সজীব থাকা অবস্থাতেও এমনটি হতে দেখা গিয়েছে। কখনও কখনও শরীর মারা যাওয়ার সাথে সাথেই আত্মা মারা যায়, আবার কখনও একটি নির্দিষ্ট সময় পর সেই স্থানে পুনরায় জেগে ওঠে যেখানে শরীরটি পচে গিয়েছিল। * আমার চারদিকে শুকনো ঘাসে ঢাকা, একটি ধূসর এবং জনশূন্য প্রান্তর বিস্তৃত ছিল। সেই ঘাসগুলো শরতের বাতাসে, কোনো এক রহস্যময় এবং অস্বস্তিকর ইঙ্গিত নিয়ে শব্দ করছিল। মাঝে মাঝে সেখান থেকে অদ্ভুত আকৃতির, কালচে রঙের পাথর বেরিয়ে ছিল। সেগুলোকে দেখে মনে হচ্ছিল, তাদের মধ্যে পারস্পরিক কোনো বোঝাপড়া আছে এবং তারা অর্থবহ দৃষ্টি বিনিময় করছে, যেন তারা কোনো পূর্বনির্ধারিত ঘটনার ফলাফল দেখার জন্য মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। এখানে সেখানে কয়েকটি বিধ্বস্ত গাছ, এই নীরব প্রতীক্ষার অশুভ ষড়যন্ত্রের নেতা হিসেবে উপস্থিত ছিল। * এই পাথরটি সম্ভবত সেই কবরের চিহ্ন ছিল, যেখান থেকে যুগ যুগ আগে গাছটি জন্মেছিল। গাছটির জেদি শিকড়গুলো কবরটি লুণ্ঠন করে, পাথরটিকে বন্দী করে ফেলেছিল। <br> হঠাৎ এক দমকা হাওয়ায়, পাথরের উপরের অংশ থেকে কিছু শুকনো পাতা এবং ডালপালা সরে গেলে, আমি একটি খোদাই করা লিপি দেখতে পেলাম এবং তা পড়ার জন্য ঝুঁকলাম। হে ঈশ্বর! সেখানে আমার পুরো নাম, আমার জন্মের তারিখ এবং আমার মৃত্যুর তারিখ লেখা ছিল! <br> আমি আতঙ্কে লাফিয়ে ওঠার সাথে সাথে, আলোর একটি সমান্তরাল রেখা পুরো গাছটিকে আলোকিত করে তুলল। গোলাপী পূর্ব আকাশে সূর্য উঠছিল। আমি সূর্য এবং তার বিশাল লাল থালার মাঝে দাঁড়ালাম, কিন্তু গাছের কাণ্ডে কোনো ছায়া পড়ল না! <br> নেকড়েদের একদল চিৎকার করে ভোরকে অভিবাদন জানাল। আমি তাদের মরুভূমির অর্ধেকটা জুড়ে দিগন্ত পর্যন্ত বিস্তৃত অনিয়মিত ঢিবি এবং সমাধিস্তূপের ওপর, একা বা দলবেঁধে বসে থাকতে দেখলাম। তখনই আমি বুঝতে পারলাম যে, এগুলোই সেই প্রাচীন এবং বিখ্যাত শহর কারকোসার [[ধ্বংসাবশেষ]]। ** "[[S:অ্যান ইনহ্যাবিটেন্ট অফ কারকোসা|অ্যান ইনহ্যাবিটেন্ট অফ কারকোসা]]", প্রথম প্রকাশিত: ''সান ফ্রান্সিসকো নিউজ লেটার অ্যান্ড ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাডভার্টাইজার'' (২৫ ডিসেম্বর, ১৮৮৬) * পেটন ফারকুয়ার মারা গিয়েছিলেন। তার ভাঙা ঘাড়সহ দেহটি আউল ক্রিক ব্রিজের কাঠের কাঠামোর নিচে, ধীরে ধীরে এপাশ-ওপাশ দুলছিল। ** "[[s:অ্যান অকারেন্স অ্যাট আউল ক্রিক ব্রিজ|অ্যান অকারেন্স অ্যাট আউল ক্রিক ব্রিজ]]", প্রথম প্রকাশিত: 'সান ফ্রান্সিসকো এক্সামিনার' (১৩ জুলাই, ১৮৯০) [[File:Lenoir, Charles-Amable - A Nymph In The Forest.jpg|thumb|[[সুখ]]... কেবল তখনই আসে যখন একে খোঁজা হয় না এবং একে নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না।]] * হাইতা তাকে সব খুলে বলল যে, কীভাবে তিনবার সে সেই উজ্জ্বল কুমারীর দেখা পেয়েছে এবং তিনবারই সে তাকে নিঃসঙ্গ অবস্থায় ছেড়ে চলে গিয়েছে। তাদের মধ্যে যা যা কথা হয়েছিল, তার একটি শব্দও বাদ না দিয়ে সে বিস্তারিত বর্ণনা করল। <br> তার কথা শেষ হলে পবিত্র সন্ন্যাসী কিছুক্ষণ নীরব থেকে বললেন, "বৎস, আমি তোমার গল্প শুনেছি এবং আমি সেই কুমারীকে চিনি। অনেকের মতো আমিও তাকে দেখেছি। জেনে রাখো যে তার নাম হলো [[সুখ]], যা সে তোমাকে জিজ্ঞাসা করার অনুমতিও দেয়নি। তুমি তাকে ঠিকই বলেছিলে যে সে খামখেয়ালি, কারণ সে এমন শর্ত দেয় যা মানুষ পূরণ করতে পারে না এবং সামান্য ত্রুটি হলেই সে চলে গিয়ে শাস্তি দেয়। সে কেবল তখনই আসে যখন তাকে খোঁজা হয় না এবং তাকে নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। সামান্য কৌতূহল, সন্দেহের একটি চিহ্ন বা আশঙ্কার একটি প্রকাশ ঘটলেই সে উধাও হয়ে যায়! চলে যাওয়ার আগে তুমি তাকে কতক্ষণ নিজের কাছে পেয়েছিলে?" <br> লজ্জিত মুখে হাইতা স্বীকার করল যে, সে প্রতিবারই তাকে মাত্র এক মুহূর্তের জন্য পেয়েছিল। <br> তখন পবিত্র সন্ন্যাসী বললেন, "দুর্ভাগা যুবক! তোমার এই অবিবেচনার জন্য না হলে, তুমি হয়তো তাকে অন্তত দুই মুহূর্তের জন্য পেতে পারতে।" ** "[[S:হাইতা দ্য শেফার্ড|হাইতা দ্য শেফার্ড]]" (১৮৯১) * সত্যি বলতে, গ্রাফটন কবরস্থানের অর্ধেকের বেশি কবরেই "অজ্ঞাত" লেখা আছে। মাঝে মাঝে কেউ সেই विरोধাভাস নিয়ে ভাবে, যা এমন একজনের স্মৃতিকে সম্মান জানানোর সাথে জড়িত, যার স্মরণে রাখার মতো কোনো স্মৃতিই অবশিষ্ট নেই। তবে এই প্রচেষ্টা জীবিতদের বা যুক্তিবাদীদের বড় কোনো ক্ষতি করে না। ** "অ্যা বিভুয়াক অফ দ্য ডেড", 'দ্য নিউ ইয়র্ক আমেরিকান' (২২ নভেম্বর, ১৯০৩) **:<small>তুলনা করুন: [[থিওডোর ও'হারা|থিওডোর ও'হারার]], "[[w:বিভুয়াক অফ দ্য ডেড|বিভুয়াক অফ দ্য ডেড]]"</small> * [[ব্যবসা]] নামে পরিচিত [[জুয়া|জুয়াটি]], সবসময়ই জুয়া নামে পরিচিত ব্যবসাটিকে কঠোর অপছন্দের চোখে দেখে। ** "ডাইভারশনস অফ অ্যান আইডলার: সাম নেগ্লিজিবল এপিগ্রামস", 'কসমোপলিটান', ৩৯তম খণ্ড, ৪ নম্বর সংখ্যা (আগস্ট ১৯০৫), পৃ. ৪৪৪। * এমন কিছু [[শব্দ]] আছে, যা আমরা [[শ্রবণ|শুনতে]] পাই না। স্কেলের দুই প্রান্তেই এমন সুর আছে, যা মানুষের কানের মতো অপূর্ণ যন্ত্রে কোনো ঝঙ্কার তোলে না, কারণ সেগুলো হয় [[W:আল্ট্রাসাউন্ড|অতি উচ্চ]] অথবা [[W:ইনফ্রাসাউন্ড|অতি গভীর]]। আমি দেখেছি একঝাঁক কালো পাখি একটি গাছের মগডাল দখল করে গান গাইছে। হঠাৎ এক নিমেষে, সবাই একদম একই সময়ে উড়ে গেল। তারা সবাই সবাইকে দেখতে পাচ্ছিল না কারণ মাঝখানে অনেক ডালপালা ছিল, তাই কোনো নেতার সংকেত সবার দেখার কথা নয়। নিশ্চয়ই সেখানে উচ্চ এবং তীক্ষ্ণ কোনো সতর্কবার্তা ছিল, যা আমি শুনতে পাইনি। আমি এমনও দেখেছি যে, সবাই নীরব থাকা অবস্থায় একই সাথে উড়াল দিচ্ছে। কেবল কালো পাখিই নয়, বরং কোয়েলদের ক্ষেত্রেও এমনটি ঘটে, যারা পাহাড়ের বিপরীত দিকে থাকা সত্ত্বেও একই সাথে ডুব দেয়। <br> নাবিকদের কাছে এটি পরিচিত যে, মহাসাগরে মাইল জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একদল [[তিমি]], পৃথিবীর গোলকীয় বক্রতা থাকা সত্ত্বেও মাঝে মাঝে একদম একই সময়ে ডুব দেয়। তখন এমন সংকেত বেজে ওঠে যা নাবিকদের কানে পৌঁছায় না, কিন্তু তারা জাহাজে এর কম্পন অনুভব করে। <br> শব্দের মতো [[রঙ|রঙের]] ক্ষেত্রেও একই নিয়ম খাটে। [[W:তড়িৎচৌম্বকীয় বর্ণালী|সৌর বর্ণালীর]] প্রতিটি প্রান্তে এমন রশ্মি আছে, যা আমরা দেখতে পাই না। মানুষের [[চোখ]] একটি অপূর্ণ যন্ত্র, যার পরিসীমা খুবই সীমিত। আমি পাগল নই, কারণ এমন অনেক রং আছে যা আমাদের দেখার ক্ষমতার বাইরে। <br> আর ঈশ্বর আমাকে রক্ষা করুন, কারণ সেই অভিশপ্ত জিনিসটি ঠিক তেমনই এক রঙের! ** "[[S:দ্য ড্যামড থিং|দ্য ড্যামড থিং]]", 'কালেক্টেড ওয়ার্কস', ৩য় খণ্ড (১৯০৯) * '''লক্ষ্য করো, কীভাবে আমার খ্যাতি এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে: হাজার হাজার সমালোচক চিৎকার করে বলছে, "সে অজ্ঞাত!"''' ** দ্বিপদী উক্তি, চার্লস পুয়োরের "বুকস অফ দ্য টাইমস"-এ উদ্ধৃত, 'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস' (১৫ নভেম্বর, ১৯৪৫), পৃ. ১৭। * [[w:হেরোদ|হেরোদকে]] নিয়ে পড়াশোনা করুন ম্যাডাম, হেরোদকে নিয়ে পড়াশোনা করুন। ** বিরক্তিকর কোনো সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন অবাধ্য সন্তানদের মানুষ করার উপায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, তখন এই উক্তিটি করা হয়। ফ্লোরেন্স কিং-এর 'রিফ্লেকশনস ইন আ জন্ডিসড আই' (সেন্ট মার্টিনস পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৯০) বইয়ে এটি উল্লেখ আছে। * [[w:হেরোদ|হেরোদকে]] নিয়ে পড়াশোনা করুন ম্যাডাম, হেরোদকে নিয়ে পড়াশোনা করুন। ** বিরক্তিকর কোনো সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন অবাধ্য সন্তানদের মানুষ করার উপায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, তখন এই উক্তিটি করা হয়। ফ্লোরেন্স কিং-এর 'রিফ্লেকশনস ইন আ জন্ডিসড আই' (সেন্ট মার্টিনস পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৯০) বইয়ে এটি উল্লেখ আছে। === ''হোয়াট আই স অ্যাট শিলো'' (১৮৮১) === :<small>আমেরিকান গৃহযুদ্ধ নিয়ে বিয়ার্সের প্রথম প্রকাশিত স্মৃতিকথা। এই কর্মটি কয়েকটি অংশে বিভক্ত, যা [[সংখ্যা]] দ্বারা চিহ্নিত।</small> [[File:Thure de Thulstrup - Battle of Shiloh.jpg|thumb|একটি সেনাবাহিনীর সবচেয়ে সাহসী মানুষ হলো তাদের ভীরুরা। শত্রু সৈন্যের হাতে যে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে তারা চায় না, সেই মৃত্যুর মুখে তারা বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছাড়াই নিজেদের কর্মকর্তাদের হাতে পড়বে।]] * এটি একটি যুদ্ধের সাধারণ কাহিনী। এমন এক গল্প যা একজন সৈনিক, যে কি না কোনো লেখক নয়, শোনাচ্ছে এমন একজন পাঠককে, যে কি না কোনো সৈনিক নয়। ** ১ * একটি সেনাবাহিনীর সবচেয়ে সাহসী মানুষ হলো তাদের ভীরুরা। শত্রু সৈন্যের হাতে যে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে তারা চায় না, সেই মৃত্যুর মুখে তারা বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছাড়াই নিজেদের কর্মকর্তাদের হাতে পড়বে। ** ৫ * ঝোপঝাড়ের পেছনে গর্তের মধ্যে লুকানো ছিল বড় বড় তাবু, যা মোমবাতির আলোয় আবছা আলোকিত হলেও দেখতে বেশ আরামদায়ক ছিল। সেই তাবুগুলো কী ধরনের আরাম প্রদান করছিল তা বোঝা হচ্ছিল, যখন এক জোড়া মানুষ পালকি নিয়ে ভেতরে ঢুকছিল এবং পুনরায় বেরিয়ে আসছিল। ভেতরে চাপা আর্তনাদ শোনা যাচ্ছিল এবং বাইরে মুখ ঢাকা মৃতদেহের লম্বা সারি পড়ে ছিল। এই তাবুগুলো অনবরত আহতদের গ্রহণ করছিল, তবুও কখনও পূর্ণ হচ্ছিল না। আবার অবিরাম মৃতদেহ বের করে দিচ্ছিল, তবুও কখনও খালি হচ্ছিল না। এটি এমন ছিল যেন অসহায়দের ভেতরে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে, যাতে তারা আগামীকাল যাদের লড়াই করার কথা তাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে। ** ৫ * আমি ধারণা করি যে, করিন্থ এবং পিটসবার্গ ল্যান্ডিং-এর মধ্যবর্তী অঞ্চলে কুমির ছাড়া হয়তো আরও কিছু অধিবাসী ছিল। তারা কেমন মানুষ ছিল তা বলা অসম্ভব, কারণ যুদ্ধ তাদের তাড়িয়ে দিয়েছিল অথবা সম্ভবত নির্মূল করে দিয়েছিল; হয়তো তাদের কেবল "অ-সরীসৃপ" হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেই আমি যথেষ্ট বর্ণনা দিতে পারব এবং একই সাথে সেই স্বাভাবিক সন্দেহ থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারব যা এমন একজন লেখকের ওপর বর্তায়, যে কি না অপরিচিত মানুষের কাছে এমন ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে যাদের সে নিজেও চেনে না। '''তবে একটি বিষয় আমি কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে, এই জলাভূমির বাসিন্দারা ধার্মিক ছিল। তারা কোন দেবতার পূজা করত—মিসরীয়দের মতো কুমিরের নাকি অন্যান্য আমেরিকানদের মতো নিজেদের—তা আমি আন্দাজ করতে পারছি না।''' কিন্তু তারা যে দেবতারই আরাধনা করুক না কেন, তার বা সেই সত্তার জন্য তারা একটি উপাসনালয় তৈরি করেছিল। জনশূন্য প্রান্তরের ঠিক মাঝখানে অবস্থিত এই সাধারণ ভবনটি শিলোহ চ্যাপেল নামে পরিচিত ছিল, যেখান থেকে এই যুদ্ধের নাম হয়েছে। ** ৬ * কামানের গোলায় ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়া গাছের কাণ্ডগুলো থেকে চেরা কাঠ এমনভাবে বেরিয়ে ছিল যেন অনেকগুলো হাত এবং ক্ষতের ওপরের অংশ ও নিচের অংশের আঙুলগুলো একে অপরের সাথে জড়িয়ে আছে। ** ৭ === 'দ্য সিনিকস ওয়ার্ড বুক' (১৯০৬) === * একটি চুমু আসলে কামড়েরই এক মার্জিত রূপ; একজন স্নেহময়ী মা যখন আবেগাপ্লুত হয়ে দাবি করেন যে তার সন্তান 'এতটাই ভালো যে প্রায় খেয়ে ফেলা যায়', তখন তিনি আসলে এটাই দেখান যে তিনি নিজেও তাকে খেয়ে ফেলার জন্য সামান্য একটু বেশিই ভালো মানুষ। ** পৃ. ৪৩ (নরখাদক) * [[অসহিষ্ণুতা]] স্বাভাবিক এবং যুক্তিযুক্ত, কারণ প্রতিটি ভিন্নমতের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে নিজের শ্রেষ্ঠতর প্রজ্ঞার এক অহংকার। ** পৃ. ৯৪ (উক্তি) * কোনো অস্ত্রোপচারের আগে আপনার বৈষয়িক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিন। আপনি বেঁচেও যেতে পারেন। ** পৃ. ৯৪ (উক্তি) === '''[[w:দ্য ডেভিলস ডিকশনারি|দ্য ডেভিলস ডিকশনারি]]''' (১৯১১) === :<small>প্রথম 'এ' থেকে 'এল' বর্ণ পর্যন্ত 'দ্য সিনিকস ওয়ার্ড বুক' (১৯০৬) নামে প্রকাশিত হয়েছিল।</small> [[File:As08-16-2593.jpg|thumb|'''[[সমুদ্র]]''', ''বি.'' একটি বিশাল জলরাশি যা মানুষের জন্য তৈরি করা এই পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে আছে, অথচ মানুষের কোনো ফুলকা নেই।]] * '''অস্বাভাবিক,''' ''বিণ.'' চিন্তা ও আচরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত মানদণ্ড অনুসরণ না করা। স্বাধীন হওয়া মানেই অস্বাভাবিক হওয়া, আর অস্বাভাবিক হওয়া মানেই ঘৃণিত হওয়া। অতএব অভিধানপ্রণেতা পরামর্শ দিচ্ছেন যে, নিজের চেয়ে বরং "গড়পড়তা মানুষের" সাথে সাদৃশ্য বজায় রাখার জন্য কঠোর প্রচেষ্টা করা উচিত। যে এই কাজে সফল হবে সে শান্তি পাবে, মৃত্যুর সম্ভাবনা খুঁজে পাবে এবং নরকের আশা পাবে। * '''অনুপস্থিত,''' ''বিণ.'' পরনিন্দার কবলে পড়ার জন্য বিশেষভাবে উন্মুক্ত; কলঙ্কিত; হতাশাজনকভাবে ভুল পথে থাকা; অন্যের বিবেচনা এবং স্নেহ থেকে অপসারিত। * পুরুষের কাছে পুরুষ কেবলই একটি মন। কে তোয়াক্কা করে <br> সে কোন মুখ নিয়ে চলে বা তার আকার কেমন? <br> কিন্তু নারীর শরীরই হলো নারী। ওহে, <br> আমার প্রিয়তমা, তুমি থাকো, কক্ষনো যেয়ো না, <br> বরং জ্ঞানীর সতর্কবার্তা শোনো: <br> একজন অনুপস্থিত নারী মানেই একজন মৃত নারী। * '''সংযমী''', ''বি.'' একজন দুর্বল ব্যক্তি যে নিজেকে আনন্দ থেকে বঞ্চিত করার প্রলোভনের কাছে হার মানে। একজন পূর্ণ সংযমী হলো সে, যে সংযম ছাড়া আর সবকিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখে, বিশেষ করে অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক গলানো থেকে বিরত থাকতে পারে না। * '''অযৌক্তিকতা''', ''বি.'' এমন একটি বিবৃতি বা বিশ্বাস যা নিজের মতামতের সাথে স্পষ্টভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ। * '''ঐক্য''', ''বি.'' সুসমন্বয়। * '''অ্যাকর্ডিয়ন''', ''বি.'' একজন ঘাতকের অনুভূতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বাদ্যযন্ত্র। * '''পরিচিত''', ''বি.'' এমন একজন ব্যক্তি যার কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার মতো যথেষ্ট চেনা-জানা আছে, কিন্তু তাকে ঋণ দেওয়ার মতো যথেষ্ট ঘনিষ্ঠতা নেই। বন্ধুত্বের একটি ধাপ, যা লক্ষ্যবস্তু গরিব বা অখ্যাত হলে "সামান্য" বলা হয় এবং সে ধনী বা বিখ্যাত হলে "ঘনিষ্ঠ" বলা হয়। * '''প্রশংসা''', ''বি.'' অন্যের মাঝে আমাদের নিজেদের সাদৃশ্যের বিনয়ী স্বীকৃতি। * '''উপদেশ''', ''বি.'' বর্তমানের সবচেয়ে ছোট মানের মুদ্রা। * '''একাকী''', ''বিণ.'' কুসঙ্গে থাকা। * '''উচ্চাকাঙ্ক্ষা''', ''বি.'' বেঁচে থাকতে শত্রুদের দ্বারা কলঙ্কিত হওয়ার এবং মারা যাওয়ার পর বন্ধুদের দ্বারা উপহাসের পাত্র হওয়ার এক অদম্য ইচ্ছা। * '''সাধারণ ক্ষমা''', ''বি.'' সেই সব অপরাধীদের প্রতি রাষ্ট্রের মহানুভবতা যাদের শাস্তি দেওয়াটা অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়বে। * '''ক্ষমা চাওয়া''', ''ক্রি.'' ভবিষ্যতে কোনো অপরাধ করার ভিত্তি তৈরি করা। * '''ব্যাকাস''', ''বি.'' প্রাচীনদের দ্বারা আবিষ্কৃত একটি সুবিধাজনক দেবতা, যা মাতাল হওয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহৃত হতো। * '''পিঠ''', ''বি.'' আপনার বন্ধুর সেই অংশ যা আপনার বিপদের সময় দেখার অধিকার আপনি রাখেন। * '''পরনিন্দা''', ''স. ক্রি.'' কোনো মানুষের সম্পর্কে এমন কথা বলা যা সে আপনার অনুপস্থিতিতে শুনতে পায় না। * '''ব্যারোমিটার''', ''বি.'' একটি উদ্ভাবনী যন্ত্র যা নির্দেশ করে যে আমরা বর্তমানে কেমন আবহাওয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। * '''জন্ম''', ''বি.'' সব দুর্যোগের মধ্যে প্রথম এবং সবচেয়ে ভয়াবহ। * '''বিরক্তিকর ব্যক্তি''', ''বি.'' এমন একজন ব্যক্তি যে তখন কথা বলে যখন আপনি চান সে আপনার কথা শুনুক। * '''সীমানা''', ''বি.'' রাজনৈতিক ভূগোলে দুটি জাতির মধ্যে একটি কাল্পনিক রেখা, যা একজনের কাল্পনিক অধিকারকে অন্যজনের কাল্পনিক অধিকার থেকে পৃথক করে। * '''মস্তিষ্ক''', ''বি.'' এমন একটি যন্ত্র যা দিয়ে আমরা ভাবি যে আমরা ভাবছি... আমাদের সভ্যতায় এবং প্রজাতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় বুদ্ধিমত্তাকে এত উচ্চ মর্যাদায় দেখা হয় যে, এর পুরস্কার হিসেবে দাপ্তরিক কাজের ঝামেলা থেকে একে অব্যাহতি দেওয়া হয়। [[File:Marriage A-la-Mode 2, The Tête à Tête - William Hogarth.jpg|thumb|'''বধূ''', ''বি.'' এমন একজন নারী যার পেছনে সুখের এক চমৎকার সম্ভাবনা ফেলে আসা হয়েছে।]] * '''বধূ''', ''বি.'' এমন একজন নারী যার পেছনে সুখের এক চমৎকার সম্ভাবনা ফেলে আসা হয়েছে। * '''বাঁধাকপি''', ''বি.'' রান্নাঘরের বাগানের পরিচিত একটি সবজি যা একজন মানুষের মাথার সমান বড় এবং তার মতোই বুদ্ধিমান। * '''কালোস''', ''বিণ.'' অন্যের দুর্দশা সহ্য করার মতো মহান ধৈর্যের অধিকারী। * '''কামান''', ''বি.'' জাতীয় সীমানা সংশোধনের কাজে ব্যবহৃত একটি যন্ত্র। * '''রাজধানী''', ''বি.'' কুশাসনের মূল কেন্দ্র। * '''কার্তেসীয়''', ''বিণ.'' বিখ্যাত দার্শনিক দেকার্ত সংক্রান্ত, যিনি প্রখ্যাত উক্তি "আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি"-এর লেখক; যার মাধ্যমে তিনি মানুষের অস্তিত্বের বাস্তবতা প্রমাণ করেছেন বলে আনন্দিত ছিলেন। তবে উক্তিটিকে এভাবে উন্নত করা যেতে পারে: "আমি চিন্তা করি যে আমি চিন্তা করি, তাই আমি চিন্তা করি যে আমি আছি"—যা এখন পর্যন্ত কোনো দার্শনিকের নিশ্চিত ধারণার সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছানো। * '''বিড়াল''', ''বি.'' প্রকৃতি প্রদত্ত একটি নরম ও অবিনাশী স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র, যা সাংসারিক জীবনে কোনো কিছু ভুল হয়ে গেলে লাথি খাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। * '''খ্রিস্টান''', ''বি.'' এমন একজন যে বিশ্বাস করে যে নিউ টেস্টামেন্ট হলো ঈশ্বরপ্রদত্ত একটি কিতাব যা তার প্রতিবেশীর আধ্যাত্মিক প্রয়োজনে অত্যন্ত উপযোগী। এমন একজন যে খ্রিস্টের শিক্ষা ততক্ষণই মেনে চলে যতক্ষণ তা পাপপূর্ণ জীবনের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ না হয়। * '''সার্কাস''', ''বি.'' এমন একটি জায়গা যেখানে ঘোড়া, টাট্টু ঘোড়া এবং হাতিদের অনুমতি দেওয়া হয় পুরুষ, নারী ও শিশুদের বোকামি করার দৃশ্য দেখার জন্য। * '''অতীন্দ্রিয়দর্শী''', ''বি.'' একজন ব্যক্তি, সাধারণত একজন নারী, যার সেই ক্ষমতা আছে যা তার গ্রাহকের কাছে অদৃশ্য তা দেখার, অর্থাৎ—সে যে একটি আস্ত গাধা। * '''ক্ল্যারিনেট''', ''বি.'' কানে তুলো দিয়ে রাখা একজন ব্যক্তির দ্বারা পরিচালিত একটি যন্ত্রণাদায়ক যন্ত্র। ক্ল্যারিনেটের চেয়েও খারাপ দুটি যন্ত্র আছে—দুটি ক্ল্যারিনেট। * '''ঘড়ি''', ''বি.'' মানুষের কাছে অত্যন্ত নৈতিক মূল্যের একটি যন্ত্র, যা তাকে মনে করিয়ে দেয় যে তার হাতে এখনো কতটা সময় অবশিষ্ট আছে এবং এভাবে ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা লাঘব করে। * '''বিশ্বাসভাজন''', ''বি.'' এমন একজন যাকে 'ক' ব্যক্তি 'খ' ব্যক্তির গোপন কথা আমানত রাখে, যা পরে সে 'গ' ব্যক্তির কাছে ফাঁস করে দেয়। * '''অভিনন্দন''', ''বি.'' ঈর্ষার ভদ্র রূপ। * '''রক্ষণশীল''', ''বি.'' এমন একজন রাষ্ট্রনায়ক যে বিদ্যমান মন্দগুলোর প্রেমে মজে আছে; উদারপন্থীদের বিপরীত, যারা সেই মন্দগুলোকে সরিয়ে নতুন ধরনের মন্দ নিয়ে আসতে চায়। * '''কর্পোরেশন''', ''বি.'' ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা ছাড়াই ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জনের এক উদ্ভাবনী কৌশল। [[File:Cynicism graffiti.jpg|thumb|'''সংশয়বাদী''', ''বি.'' এমন এক দুশ্চরিত্র ব্যক্তি যার ত্রুটিপূর্ণ দৃষ্টিতে সবকিছু যেভাবে থাকা উচিত সেভাবে না দেখে বরং যেমন আছে সেভাবেই দেখে।]] * '''সংশয়বাদী''', ''বি.'' এমন এক দুশ্চরিত্র ব্যক্তি যার ত্রুটিপূর্ণ দৃষ্টিতে সবকিছু যেভাবে থাকা উচিত সেভাবে না দেখে বরং যেমন আছে সেভাবেই দেখে। এজন্যই সিথিয়ানদের মধ্যে সংশয়বাদীদের চোখ উপড়ে ফেলার রীতি ছিল যাতে তার দৃষ্টিশক্তির উন্নতি হয়। * '''ভোর''', ''বি.'' সেই সময় যখন বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ ঘুমানোর জন্য বিছানায় যায়। কিছু বৃদ্ধ মানুষ সেই সময় ঘুম থেকে ওঠা পছন্দ করেন এবং খালি পেটে ঠান্ডা পানিতে গোসল ও দীর্ঘ ভ্রমণে বের হয়ে শরীরকে কষ্ট দেন। * '''সিদ্ধান্ত নেওয়া''', ''অ. ক্রি.'' একগুচ্ছ প্রভাবের কাছে অন্য গুচ্ছের তুলনায় নতি স্বীকার করা। * '''অরক্ষিত''', ''বিণ.'' আক্রমণ করতে অক্ষম। * '''অভিধান''', ''বি.'' ভাষার বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করার এবং একে অনমনীয় ও কঠিন করে তোলার এক ক্ষতিকারক সাহিত্যিক কৌশল। তবে এই অভিধানটি অত্যন্ত দরকারি একটি কাজ। * '''কূটনীতি''', ''বি.'' নিজের দেশের জন্য মিথ্যা বলার দেশপ্রেমিক শিল্প। * '''শিক্ষা''', ''বি.'' যা জ্ঞানীদের কাছে তাদের বোধগম্যতার অভাব প্রকাশ করে এবং মূর্খদের কাছে তা আড়াল করে। * '''ভক্ষ্য''', ''বিণ.'' খাওয়ার উপযোগী এবং হজমের জন্য স্বাস্থ্যকর; যেমন ব্যাঙের জন্য পোকা, সাপের জন্য ব্যাঙ, শূকরের জন্য সাপ, মানুষের জন্য শূকর এবং পোকার জন্য মানুষ। [[File:Ambrose Bierce portrait by John Herbert Evelyn Partington (retouched).jpg|thumb|'''[[অহংবাদী]]''', ''বি.'' নিচু রুচির এক [[ব্যক্তি]], যে আমার চেয়ে নিজের প্রতি বেশি আগ্রহী।]] * '''অহংবাদী''', ''বি.'' নিচু রুচির এক ব্যক্তি, যে আমার চেয়ে নিজের প্রতি বেশি আগ্রহী। * '''বিদ্যুৎ''', ''বি.'' অন্য কোনো কারণে ঘটে না বলে পরিচিত এমন সব প্রাকৃতিক ঘটনার মূল কারণ। এটি বজ্রপাতেরই অনুরূপ এবং ডক্টর ফ্র্যাঙ্কলিনকে আঘাত করার বিখ্যাত প্রচেষ্টাটি সেই মহান ও ভালো মানুষের ক্যারিয়ারের অন্যতম এক নাটকীয় ঘটনা। * '''পাণ্ডিত্য''', ''বি.'' বই থেকে ঝেড়ে একটি খালি মাথার ভেতরে ঢুকানো ধুলোবালি। * '''বিলুপ্তি''', ''বি.'' সেই কাঁচামাল যা দিয়ে ধর্মতত্ত্ব পরকাল তৈরি করেছে। * '''বিশ্বাস''', ''বি.'' কোনো প্রমাণ ছাড়াই এমন কিছুতে আস্থা রাখা যা এমন একজন বলেছে যার কোনো জ্ঞান নেই এবং যার কোনো তুলনা নেই। * '''ফ্যাশন''', ''বি.'' এমন এক স্বৈরশাসক যাকে জ্ঞানীরা উপহাস করে কিন্তু মেনে চলে। * '''ভোজ''', ''বি.'' একটি উৎসব। একটি ধর্মীয় উদযাপন যা সাধারণত পেটুকপনা এবং মাতলামি দ্বারা চিহ্নিত হয়; প্রায়শই এমন কোনো পবিত্র ব্যক্তির সম্মানে এটি করা হয় যিনি মিতাহারের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। * '''মাংস''', ''বি.'' পার্থিব ত্রয়ীর দ্বিতীয় ব্যক্তি। * '''বিস্মৃতি''', ঈশ্বরের পক্ষ থেকে [[ঋণদাতা|ঋণগ্রহীতাদের]] দেওয়া একটি উপহার, যা তাদের বিবেকের অভাবের ক্ষতিপূরণ হিসেবে কাজ করে। * '''জলদস্যু''', ''বি.'' ক্ষুদ্র ব্যবসার একজন বিজয়ী, যার দখলের মধ্যে বিশালত্বের পবিত্র গুণের অভাব রয়েছে। * '''ফ্রিম্যাসন''', ''বি.'' গোপন আচার, কিম্ভুতকিমাকার অনুষ্ঠান এবং অদ্ভুত পোশাকের একটি গোষ্ঠী; যা ইংল্যান্ডের [[দ্বিতীয় চার্লস]]-এর শাসনামলে লন্ডনের কারিগরদের মধ্যে উদ্ভূত হয়েছিল। গত কয়েক শতাব্দী ধরে মৃত ব্যক্তিরা ক্রমাগত এতে যোগ দিয়েছে এবং এখন এটি [[আদম]]-এর এই পাশের সব প্রজন্মকে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছে। এমনকি সৃষ্টির আগের বিশৃঙ্খলা ও রূপহীন শূন্যতার অধিবাসীদের মধ্য থেকেও এটি বিশিষ্ট সদস্যদের সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে। এই গোষ্ঠীটি বিভিন্ন সময়ে [[শার্লিম্যান]], [[জুলিয়াস সিজার]], [[মহান সাইরাস]], [[সোলোমন]], [[জরথুস্ট্র]], [[কনফুসিয়াস]], [[w:প্রথম থুটমোস|থোথমিস]] এবং [[বুদ্ধ]] দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর প্রতীক ও চিহ্নগুলো প্যারিস এবং রোমের ভূগর্ভস্থ সমাধিস্থল, পার্থেননের পাথর, চীনের মহাপ্রাচীর, কার্নাক ও পালমিরার মন্দির এবং মিশরের পিরামিডগুলোতে পাওয়া গিয়েছে—সব সময়ই একজন ফ্রিম্যাসনের দ্বারা। * '''বন্ধুহীন''', ''বিণ.'' দেওয়ার মতো কোনো অনুগ্রহ নেই এমন। সৌভাগ্যহীন। সত্য এবং সাধারণ জ্ঞান বলার নেশায় আসক্ত। [[File:Tombstone courthouse gallows.jpg|thumb|'''ফাঁসির মঞ্চ''', ''বি.'' অলৌকিক নাটক প্রদর্শনের একটি মঞ্চ, যার প্রধান অভিনেতা সরাসরি স্বর্গে স্থানান্তরিত হন।]] * '''ফাঁসির মঞ্চ''', ''বি.'' অলৌকিক নাটক প্রদর্শনের একটি মঞ্চ, যার প্রধান অভিনেতা সরাসরি স্বর্গে স্থানান্তরিত হন। * '''বংশলতিকা''', ''বি.'' এমন এক পূর্বপুরুষ থেকে নিজের বংশধরের বিবরণ, যিনি নিজে নিজের বংশ খুঁজে বের করার বিষয়ে খুব একটা আগ্রহী ছিলেন না। * '''উদার''', ''বিণ.'' মূলত এই শব্দটি দিয়ে আভিজাত্যে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিকে বোঝানো হতো এবং এটি বহু মানুষের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হতো। এখন এটি স্বভাবগত আভিজাত্য বোঝায় এবং বর্তমানে এটি কিছুটা বিশ্রামে আছে। * '''সুখ''', ''বি.'' অন্যের দুর্দশা দেখে নিজের মনে জেগে ওঠা এক চমৎকার অনুভূতি। * '''পৌত্তলিক''', ''বি.'' এমন এক অন্ধকারাচ্ছন্ন জীব যে এমন কিছুকে পূজা করার বোকামি করে যা সে দেখতে পায় এবং স্পর্শ করতে পারে। * '''স্বর্গ''', ''বি.'' এমন এক জায়গা যেখানে দুষ্টরা তাদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলে আপনাকে বিরক্ত করা বন্ধ করে এবং ভালো মানুষরা মনোযোগ দিয়ে আপনার কথা শোনে যখন আপনি নিজের গুণগান করেন। * '''সহধর্মিনী''', ''বি.'' একজন স্ত্রী, অথবা তিতা অর্ধেক। * '''তার (স্ত্রীলিঙ্গ)''', ''সর্ব.'' তার (পুংলিঙ্গ)। [[File:George Caleb Bingham - The County Election - 44-2001 - Saint Louis Art Museum.jpg|thumb| '''[[নির্বোধ]]''', ''বি.'' একটি বিশাল এবং শক্তিশালী [[গোষ্ঠী|গোষ্ঠীর]] সদস্য যাদের প্রভাব মানবিক বিষয়ে সবসময়ই প্রধান এবং নিয়ন্ত্রণকারী।]] * '''নির্বোধ''', ''বি.'' একটি বিশাল এবং শক্তিশালী গোষ্ঠীর সদস্য যাদের প্রভাব মানবিক বিষয়ে সবসময়ই প্রধান এবং নিয়ন্ত্রণকারী। নির্বোধের কার্যক্রম কোনো বিশেষ চিন্তা বা কর্মক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি "সবকিছুর মধ্যে ছড়িয়ে থাকে এবং নিয়ন্ত্রণ করে।" সব বিষয়ে তার কথাই শেষ কথা; তার সিদ্ধান্ত আপিলযোগ্য নয়। সে ফ্যাশন এবং রুচি নির্ধারণ করে, কথার সীমা ঠিক করে দেয় এবং মৃত-রেখা দিয়ে আচরণকে সীমাবদ্ধ করে। * '''অসহাবস্থানযোগ্য''', ''বিণ.'' অন্য কিছু অস্তিত্বশীল থাকলে যার অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব। দুটি জিনিস অসহাবস্থানযোগ্য হয় যখন অস্তিত্বের জগতে একজনের জায়গা থাকলেও দুজনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না—যেমন [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]]-এর কবিতা এবং মানুষের প্রতি ঈশ্বরের দয়া। * '''শৈশব''', ''বি.'' আমাদের জীবনের সেই সময় যখন [[উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ]]-এর মতে, 'স্বর্গ আমাদের ঘিরে থাকে।' এর ঠিক পরেই পৃথিবী আমাদের নিয়ে মিথ্যা বলতে শুরু করে। * '''ভিতরকার''', ''বি. বহুবচন।'' পাকস্থলী, হৃৎপিণ্ড, আত্মা এবং অন্যান্য নাড়িভুঁড়ি। * '''বিদ্রোহ''', ''বি.'' একটি ব্যর্থ বিপ্লব। খারাপ শাসনের বদলে কুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে অসন্তোষের ব্যর্থতা। * '''বিচার''', ''বি.'' এমন এক পণ্য যা কম-বেশি ভেজাল মিশ্রিত অবস্থায় রাষ্ট্র তার নাগরিকদের কাছে বিক্রি করে; তাদের আনুগত্য, ট্যাক্স এবং ব্যক্তিগত সেবার পুরস্কার হিসেবে। * '''কিল্ট''', ''বি.'' এমন এক পোশাক যা মাঝেমধ্যে আমেরিকায় থাকা স্কটিশরা এবং স্কটল্যান্ডে থাকা আমেরিকানরা পরিধান করে। * '''চুরির বাতিকগ্রস্ত''', ''বি.'' একজন ধনী চোর। * '''শ্রম''', ''বি.'' এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে 'ক' ব্যক্তি 'খ' ব্যক্তির সম্পত্তি অর্জন করে। * '''ভূমি''', ''বি.'' পৃথিবীর উপরিভাগের একটি অংশ যা সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। ভূমি যে ব্যক্তিগত মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণের অধীন একটি সম্পদ – এই তত্ত্বটি আধুনিক সমাজের ভিত্তি এবং এটি উপরিকাঠামোর জন্য অত্যন্ত যোগ্য। যৌক্তিকভাবে এর অর্থ দাঁড়ায় যে, কারও কারও অধিকার আছে অন্যদের বেঁচে থাকা প্রতিরোধ করার; কারণ মালিকানার অধিকার মানেই এককভাবে দখলের অধিকার; আর যেখানেই ভূমিতে সম্পত্তির স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে সেখানেই অনধিকার প্রবেশের আইন প্রণীত হয়েছে। এর ফলে যদি সমগ্র স্থলভাগের মালিকানা 'ক', 'খ' এবং 'গ'-এর হয়, তবে 'ঘ', 'ঙ', 'চ' এবং 'ছ'-এর জন্মানোর কোনো জায়গা থাকবে না, অথবা অনুপ্রবেশকারী হিসেবে জন্মালেও টিকে থাকার সুযোগ থাকবে না। * '''হাসি''', ''বি.'' শরীরের ভেতরের এক সংকোচন, যা চেহারার বিকৃতি ঘটায় এবং অস্পষ্ট শব্দের সৃষ্টি করে। এটি সংক্রামক এবং যদিও এটি মাঝেমধ্যে হয়, তবুও এটি নিরাময়যোগ্য নয়। * '''বিদ্যা''', ''বি.'' এক ধরনের অজ্ঞতা যা পড়ুয়াদের আলাদা করে চিনিয়ে দেয়। * '''স্বাধীনতা''', ''বি.'' কল্পনার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদগুলোর একটি। * '''স্বাধীনতা''', ''বি.'' মুক্তাবস্থা এবং স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য সঠিকভাবে জানা নেই; প্রকৃতিবিদরা কোনোটিরই জীবিত নমুনা কখনও খুঁজে পাননি। * '''যুক্তিবিদ্যা''', ''বি.'' মানুষের ভুল বোঝার সীমাবদ্ধতা এবং অক্ষমতার সাথে কঠোরভাবে সংগতি রেখে চিন্তা ও বিচার করার শিল্প। [[File:Frank Bernard Dicksee - Romeo and Juliet, 1884.jpg|thumb|'''ভালোবাসা''', ''বি.'' একটি সাময়িক উন্মাদনা যা বিয়ের মাধ্যমে অথবা রোগীকে সেই প্রভাব থেকে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য যার অধীনে সে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। এই রোগটি কেবল কৃত্রিম পরিবেশে বসবাসকারী সভ্য জাতিগুলোর মধ্যেই প্রচলিত; বিশুদ্ধ বাতাস গ্রহণকারী এবং সাধারণ খাবার খাওয়া অসভ্য জাতিগুলো এর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে মুক্ত থাকে। এটি কখনও কখনও প্রাণঘাতী হয়, তবে রোগীর চেয়ে চিকিৎসকের জন্য এটি বেশি ঘটে।]] * '''ভালোবাসা''', ''বি.'' একটি সাময়িক উন্মাদনা যা বিয়ের মাধ্যমে অথবা রোগীকে সেই প্রভাব থেকে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য যার অধীনে সে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। এই রোগটি কেবল কৃত্রিম পরিবেশে বসবাসকারী সভ্য জাতিগুলোর মধ্যেই প্রচলিত; বিশুদ্ধ বাতাস গ্রহণকারী এবং সাধারণ খাবার খাওয়া অসভ্য জাতিগুলো এর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে মুক্ত থাকে। এটি কখনও কখনও প্রাণঘাতী হয়, তবে রোগীর চেয়ে চিকিৎসকের জন্য এটি বেশি ঘটে। * '''পাগল''', ''বিণ.'' উচ্চমাত্রার বৌদ্ধিক স্বাধীনতা দ্বারা আক্রান্ত; চিন্তা, কথা এবং কাজের সেই সব মানদণ্ড অনুসরণ না করা যা অনুসারীরা নিজেদের অধ্যয়ন থেকে তৈরি করেছে; সংখ্যাগরিষ্ঠের সাথে অমিল থাকা; সংক্ষেপে—অস্বাভাবিক। এটি লক্ষণীয় যে, কর্মকর্তারা কোনো প্রমাণ ছাড়াই ব্যক্তিদের পাগল ঘোষণা করেন, যেখানে তারা নিজেরাও যে সুস্থ তার কোনো প্রমাণ নেই। * '''বিয়ে''', ''বি.'' একটি সম্প্রদায়ের অবস্থা বা দশা যা একজন প্রভু, একজন কর্ত্রী এবং দুজন দাসের সমন্বয়ে গঠিত—সব মিলিয়ে সংখ্যাটি হয় দুই। * '''মেয়োনিজ''', ''বি.'' সসগুলোর মধ্যে একটি যা ফরাসিদের কাছে রাষ্ট্রীয় ধর্মের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। * '''সোমবার''', ''বি.'' খ্রিস্টান দেশগুলোতে, বেসবল খেলার পরের দিন। * '''প্রতিবেশী''', ''বি.'' এমন একজন যাকে আমাদের নিজেদের মতো ভালোবাসার আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং যে আমাদের অবাধ্য করার জন্য যা যা করা সম্ভব তার সবই করে। * '''অ-যোদ্ধা''', ''বি.'' একজন মৃত কুয়াকার। * '''সমুদ্র''', ''বি.'' একটি বিশাল জলরাশি যা মানুষের জন্য তৈরি করা এই পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে আছে—অথচ মানুষের কোনো ফুলকা নেই। * '''একবার''', ''বিণ.'' যথেষ্ট। * '''আফিম''', ''বি.'' ব্যক্তিত্বের কারাগারের একটি খোলা দরজা। এটি জেলের আঙিনার দিকে নিয়ে যায়। * '''সুযোগ''', ''বি.'' একটি হতাশাকে আঁকড়ে ধরার অনুকূল মুহূর্ত। * '''বিরোধী দল''', ''বি.'' রাজনীতিতে এমন এক দল যারা সরকারকে পঙ্গু করে দিয়ে তাকে বেপরোয়া হওয়া থেকে বিরত রাখে। * '''আশাবাদী''', ''বি.'' এই মতবাদের প্রবক্তা যে কালো মানেই সাদা। * '''অতীত''', ''বি.'' অনন্তকালের সেই অংশ যার ক্ষুদ্র একটি ভগ্নাংশের সাথে আমাদের সামান্য এবং অনুশোচনামূলক পরিচয় আছে। বর্তমান নামক একটি চলমান রেখা একে ভবিষ্যৎ নামক এক কাল্পনিক সময় থেকে পৃথক করে। অনন্তকালের এই দুটি বিশাল বিভাজন, যার একটি ক্রমাগত অন্যটিকে মুছে দিচ্ছে, একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। একটি দুঃখ এবং হতাশায় অন্ধকার, অন্যটি সমৃদ্ধি এবং আনন্দে উজ্জ্বল। অতীত হলো কান্নার অঞ্চল, ভবিষ্যৎ হলো গানের রাজ্য। একটিতে চট ও ছাই পরে স্মৃতি কুঁকড়ে বসে থাকে এবং অনুতাপের প্রার্থনা বিড়বিড় করে; অন্যটির রোদে আশা মুক্ত ডানায় ওড়ে, সাফল্যের মন্দির এবং আরামের কুঞ্জবনের দিকে ইশারা করে। তবুও অতীত হলো গতকালের ভবিষ্যৎ, ভবিষ্যৎ হলো আগামীকালের অতীত। তারা আসলে এক: জ্ঞান এবং স্বপ্ন। * '''অতিরিক্ত পরিশ্রম''', ''বি.'' মাছ ধরতে যেতে চায় এমন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের আক্রান্তকারী একটি বিপজ্জনক ব্যাধি। * '''ধৈর্য''', ''বি.'' হতাশার একটি গৌণ রূপ, যা গুণের ছদ্মবেশে থাকে। * '''দেশপ্রেম''', ''বি.'' দাহ্য আবর্জনা যা নিজের নাম উজ্জ্বল করতে উচ্চাকাঙ্ক্ষী যে কারও মশাল ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত। ডক্টর জনসনের বিখ্যাত অভিধানে দেশপ্রেমকে একজন বদমাইশের শেষ আশ্রয় হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। একজন আলোকিত কিন্তু নিম্নমানের অভিধানপ্রণেতার প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই আমি বিনম্রভাবে বলতে চাই যে, এটি আসলে প্রথম আশ্রয়। * '''দর্শন''', ''বি.'' অনেকগুলো পথের একটি রুট যা কোথাও না থেকে শুরু হয়ে শূন্যের দিকে নিয়ে যায়। * '''শূকর''', ''বি.'' একটি প্রাণী যা তার ক্ষুধার জাঁকজমক এবং প্রাণবন্ততার কারণে মানবজাতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত; তবে এই ক্ষুধা পরিধির দিক থেকে নিম্নতর, কারণ এটি শূকর পর্যন্তই আটকে থাকে। * '''ভদ্রতা''', ''বি.'' সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ভণ্ডামি। * '''রাজনীতি''', ''বি.'' আদর্শের লড়াইয়ের ছদ্মবেশে স্বার্থের সংঘাত। ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য জনহিতকর কাজের পরিচালনা। * '''ইতিবাচক''', ''বিণ.'' গলার সর্বোচ্চ স্বর ব্যবহার করে ভুল করা। * '''প্রার্থনা করা''', ''ক্রি.'' মহাবিশ্বের নিয়মগুলো বাতিলের অনুরোধ করা এমন একজন আবেদনকারীর পক্ষে যে নিজেই স্বীকার করে সে অযোগ্য। * '''কুসংস্কার''', ''বি.'' দৃশ্যমান কোনো অবলম্বন ছাড়াই ঘুরে বেড়ানো এক ভবঘুরে মতামত। * '''উদ্ধৃতি''', ''বি.'' অন্যের কথা ভুলভাবে পুনরাবৃত্তি করার কাজ। ভুলভাবে পুনরাবৃত্তি করা শব্দগুলো। * '''যৌক্তিক''', ''বিণ.'' পর্যবেক্ষণ, অভিজ্ঞতা এবং প্রতিফলন জনিত বিভ্রান্তি ছাড়া আর সব বিভ্রান্তি মুক্ত। * '''ধর্ম''', ''বি.'' আশা এবং ভয়ের কন্যা, যা অজ্ঞদের কাছে অজ্ঞাত বিষয়ের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করে। * '''পদত্যাগ করা''', ''ক্রি.'' একটি সুবিধার জন্য একটি সম্মান ত্যাগ করা। বৃহত্তর সুবিধার জন্য একটি সুবিধা ত্যাগ করা। * '''অপ্রকাশিত বাক্য''', ''বি.'' একটি বিখ্যাত বই যেখানে সেন্ট জন দ্য ডিভাইন তার জানা সবকিছু লুকিয়ে রেখেছেন। প্রকাশের কাজটি করেন টিকাকাররা, যারা আসলে কিছুই জানেন না। * '''রাস্তা''', ''বি.'' জমির একটি ফালি যা দিয়ে কেউ এক ক্লান্তিকর জায়গা থেকে এমন এক জায়গায় যেতে পারে যেখানে যাওয়াটা নিরর্থক। * '''সাবাত''', ''বি.'' একটি সাপ্তাহিক উৎসব যার উৎপত্তি এই সত্য থেকে যে ঈশ্বর ছয় দিনে পৃথিবী তৈরি করেছিলেন এবং সপ্তম দিনে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। * '''সন্ত''', ''বি.'' একজন মৃত পাপী, যাকে পরিমার্জন এবং সম্পাদনা করা হয়েছে। [[File:Júpiter y Tetis, por Dominique Ingres.jpg|thumb| '''[[জিউস]]''', ''বি.'' গ্রীক দেবতাদের প্রধান, যাকে রোমানরা জুপিটার হিসেবে এবং আধুনিক আমেরিকানরা ঈশ্বর, স্বর্ণ, জনতা এবং কুকুর হিসেবে পূজা করে। কিছু অন্বেষণকারী যারা আমেরিকার উপকূলে পৌঁছেছেন এবং একজন যিনি অনেক দূর অভ্যন্তরে প্রবেশ করার দাবি করেন, তারা ভেবেছিলেন যে এই চারটি নাম চারটি আলাদা দেবতার। কিন্তু ফ্রাম্প তার 'সারভাইভিং ফেইথস' নামক বিশাল গ্রন্থে জোর দিয়ে বলেছেন যে আদিবাসীরা একেশ্বরবাদী, প্রত্যেকের নিজের ছাড়া আর কোনো ঈশ্বর নেই, যাকে তারা অনেক পবিত্র নামে পূজা করে।]] * '''ধর্মগ্রন্থ''', ''বি.'' আমাদের পবিত্র ধর্মের পবিত্র গ্রন্থসমূহ, যা সেই সব মিথ্যা এবং অপবিত্র লেখা থেকে আলাদা যার ওপর ভিত্তি করে অন্য সব বিশ্বাস দাঁড়িয়ে আছে। * '''স্বার্থপর''', ''বিণ.'' অন্যের স্বার্থপরতার প্রতি বিবেচনা বর্জিত। * '''সাফল্য''', ''বি.'' নিজের সঙ্গীদের বিরুদ্ধে করা একমাত্র অমার্জনীয় পাপ। * '''দুবার''', ''ক্রি. বিণ.'' একবার বেশি। * '''আন-আমেরিকান''', ''বিণ.'' দুষ্ট, অসহনীয়, পৌত্তলিক। * '''গুণাবলি''', ''বি. বহুবচন।'' নির্দিষ্ট কিছু সংযম। * '''ভোট দেওয়া''', ''ক্রি.'' একজন স্বাধীন মানুষের নিজেকে বোকা বানানোর এবং নিজের দেশকে ধ্বংস করার ক্ষমতার হাতিয়ার ও প্রতীক। * '''সাদা''', ''বিণ.'' এবং ''বি.'' কালো। * '''ডাইনি''', ''বি.'' (১) একজন কুৎসিত এবং বিকর্ষণীয় বৃদ্ধা নারী, যে শয়তানের সাথে এক অশুভ জোটে আছে। (২) একজন সুন্দরী এবং আকর্ষণীয় তরুণী, যে দুষ্টুমির দিক থেকে শয়তানের চেয়েও এক ধাপ এগিয়ে। * '''বছর''', ''বি.'' তিনশ পঁষট্টিটি হতাশার একটি সময়কাল। * '''যৌবন''', ''বি.'' সম্ভাবনার সময়, যখন আর্কিমিডিস একটি আলম্ব খুঁজে পায়, ক্যাসান্দ্রার অনুসারী জোটে এবং সাতটি শহর একজন জীবন্ত হোমারকে সম্মান জানানোর জন্য প্রতিযোগিতা করে। * '''উদ্যম''', ''বি.'' তরুণ এবং অনভিজ্ঞদের আক্রান্তকারী একটি বিশেষ স্নায়বিক ব্যাধি। একটি আবেগ যা আছাড় খাওয়ার আগে আসে। * '''[[w:জিউস|জিউস]]''', ''বি.'' গ্রীক দেবতাদের প্রধান, যাকে রোমানরা [[w:জুপিটার|জুপিটার]] হিসেবে এবং আধুনিক আমেরিকানরা ঈশ্বর, স্বর্ণ, মব এবং কুকুর হিসেবে পূজা করে। কিছু অন্বেষণকারী যারা আমেরিকার উপকূলে পৌঁছেছেন এবং একজন যিনি অনেক দূর অভ্যন্তরে প্রবেশ করার দাবি করেন, তারা ভেবেছিলেন যে এই চারটি নাম চারটি আলাদা দেবতার। কিন্তু ফ্রাম্প তার 'সারভাইভিং ফেইথস' নামক বিশাল গ্রন্থে জোর দিয়ে বলেছেন যে আদিবাসীরা একেশ্বরবাদী, প্রত্যেকের নিজের ছাড়া আর কোনো ঈশ্বর নেই, যাকে তারা অনেক পবিত্র নামে পূজা করে। === উক্তি === [[File:Bierce from The Letters 1922 (1).jpg|thumb|কৌতুক করা মানে কেবল চঞ্চল হওয়া, কিন্তু রসবোধ (wit) একটি গুরুতর বিষয়।]] [[File:Ambrose Bierce (signature).jpg|thumb|বনে হারিয়ে গেলে সবসময় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নামো। কোনো দর্শন বা মতবাদে হারিয়ে গেলে উপরের দিকে যাও।]] :<small>পৃষ্ঠা নম্বরগুলো 'দ্য কালেক্টেড ওয়ার্কস অফ অ্যামব্রোজ বিয়ার্স', ৮ম খণ্ড (১৯১১), § "এপিগ্রামস" (পৃ. ৩৪৩ এবং পরবর্তী) থেকে নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত উক্তিগুলো এর আগে অন্য কোথাও প্রকাশিত হয়েছিল।</small> * নারী আরও বেশি আকর্ষণীয় হতো যদি তার হাতে না পড়ে কেবল তার বাহুবন্দী হওয়া যেত। * যে নারী আপনার সাথে অন্যায় করেছে তাকে হত্যা করার অনুমতি আপনার নেই, তবে সে প্রতি মিনিটে বুড়ো হচ্ছে—এই চিন্তা করতে আপনাকে কেউ বাধা দেয়নি। এভাবে আপনি দিনে ১৪৪০ বার প্রতিশোধ নিতে পারেন। * আত্মত্যাগ হলো কোনো কিছু ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতাকে প্রশ্রয় দেওয়া। ** কখনও কখনও এটি "forgo" বানানে উদ্ধৃত করা হয়, তবে বিয়ার্স তার ১৯১১ সালের 'কালেক্টেড ওয়ার্কস'-এ "forego" ব্যবহার করেছিলেন। * প্রতিটি মানুষের জন্য শব্দভাণ্ডারে এমন কিছু থাকে যা তার সাথে দ্বিতীয় চামড়ার মতো লেগে থাকবে। তার শত্রুদের কাজ শুধু সেটা খুঁজে বের করা। ** পৃ. ২৩৬ * গোঁড়ামির কাছে অনুসন্ধিৎসা আর শয়তানি একই বিষয়। ** পৃ. ৩৪৩ * এমন কোনো প্রতিভা নেই যাকে নিজেকে প্রকাশ করার আগ পর্যন্ত সবাই বোকা ভাবেনি; অথচ সে কেবল তখনই বোকা। ** পৃ. ৩৪৫ * পোশাকে খুব বেশি অনন্য হওয়ার চেষ্টা করো না; কারণ নির্বোধদের তা বেশি থাকে আর বুদ্ধিমানদের কম। নিজেকে মৌলিক দেখানো খুব একটা কাজের বিষয় নয়, বরং মনে মনে যুগের চেয়ে কিছুটা আলাদা হও। ** পৃ. ৩৪৫ * কৌতুক করা মানে কেবল চঞ্চল হওয়া, কিন্তু রসবোধ (wit) একটি গুরুতর বিষয়। এটা দেখে হাসার অর্থ হলো তুমি এটা বুঝতে পারোনি। ** পৃ. ৩৪৬ * তুমি যদি তোমার সমসাময়িকদের কাছে মহান হতে চাও, তবে তাদের চেয়ে খুব বেশি মহান হয়ো না। ** পৃ. ৩৪৬ * ওহে গর্বিত পরোপকারী, তোমার আশা বৃথা— <br> লাভের মাধ্যমে যা হারিয়েছ, তা দানের মাধ্যমে ফিরে পাওয়া। ** পৃ. ৩৪৯। আগে 'কসমোপলিটান', ৪২তম খণ্ড, ৬ষ্ঠ সংখ্যায় (এপ্রিল ১৯০৭, পৃ. ৬৯৫) "স্মল কন্ট্রিবিউশনস"-এ প্রকাশিত হয়েছিল। * দার্শনিক বলেন, "ইচ্ছার কোনো স্বাধীনতা নেই; কাউকে ফাঁসি দেওয়া অত্যন্ত অন্যায়।" <br> অফিসার সায় দেন, "ইচ্ছার কোনো স্বাধীনতা নেই; আমরা ফাঁসি দেই কারণ আমরা বাধ্য।" ** পৃ. ৩৫০ * অসন্তোষের খেলার নিজস্ব নিয়ম আছে, আর যে তা মানে না সে প্রতারণা করে। অন্যের সুবিধা বা সম্পদ নিজের করে নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করার অনুমতি তোমার নেই; তোমার অনুমতি আছে কেবল অন্য কেউ হওয়ার ইচ্ছা করার। ** পৃ. ৩৫২ * তুমি যদি একটি নিখুঁত বই পড়তে চাও তবে তার একটিই উপায় আছে: সেটি নিজেই লেখো। ** পৃ. ৩৫৩ * বনে হারিয়ে গেলে সবসময় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নামো। কোনো দর্শন বা মতবাদে হারিয়ে গেলে উপরের দিকে যাও। ** পৃ. ৩৫৪ * আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে নতি স্বীকার করি কারণ আমরা বাধ্য। কিন্তু আমাদের এই বশ্যতার ভঙ্গিটিকে সম্মানের ভঙ্গি বলতে আমরা বাধ্য নই। ** পৃ. ৩৫৪ * একজন জনপ্রিয় লেখক তিনি যিনি তা-ই লেখেন যা মানুষ ভাবে। প্রতিভা মানুষকে অন্য কিছু ভাবার আমন্ত্রণ জানায়। ** পৃ. ৩৫৬ * গুণাবলিরা তাদের রানি হিসেবে বিনয়কে বেছে নিল। <br> বিনয় বলল, "আমি জানতাম না যে আমি একটি গুণ। তোমরা কেন সারল্যকে বেছে নিলে না?" <br> তারা উত্তর দিল, "তার অজ্ঞতার কারণে। সে শুধু এটুকুই জানে যে সে একটি গুণ।" ** পৃ. ৩৫৮ * গণতন্ত্র একমাত্র যে যোগ্যতার পুরষ্কার দেয় তা হলো উচ্চমাত্রার অনুবর্তিতা। ** পৃ. ৩৫৮ * অপভাষা (slang) হলো সেই ব্যক্তির কথা যে ডাস্টবিনে ফেলার জন্য নিয়ে যাওয়া সাহিত্যের আবর্জনার গাড়ি থেকে চুরি করে। ** পৃ. ৩৫৮ * গণক হাতের মুঠোর ভাঁজ দেখে বলে সেগুলো চরিত্রের চিহ্ন। দার্শনিক চরিত্র বিচার করেন সেই জিনিসটি দেখে যা হাত সবচেয়ে বেশি আঁকড়ে ধরতে পছন্দ করে। ** পৃ. ৩৬০ * যে অর্থলোভী নিজের কাজ পাগল হওয়ার দোহাই দেয় তার প্রতিরক্ষা দুর্বল, কারণ টাকা উপার্জনের কাজকে ভালোবাসা টাকা ভালোবাসার চেয়েও নিচু স্তরের রুচি। ** পৃ. ৩৬১ * একজন মানুষ তার পূর্বপুরুষদের সমষ্টি; তাকে সংশোধন করতে হলে তোমাকে একটি মৃত বানর থেকে শুরু করতে হবে এবং দশ লক্ষ কবরের মধ্য দিয়ে নিচে নামতে হবে। সে হলো ঝোলানো শিকলের নিচের প্রান্তের মতো; তুমি তাকে সামান্য ডানে বা বামে দোলাতে পারো, কিন্তু হাত সরিয়ে নাও এবং সে আবার অন্য কড়িগুলোর সাথে লাইনে ফিরে আসবে। ** পৃ. ৩৬৩ * যে কষ্টে চিন্তা করে সে খুব জলদি বিশ্বাস করে। ** পৃ. ৩৬৩ * জীবনের পথে অনেক আনন্দকেন্দ্র আছে, কিন্তু ভেবো না যে সেগুলোতে দেরি করলে যাত্রার দিন বেড়ে যাবে। তোমার পৌঁছানোর দিনটি আগেই লেখা হয়ে গেছে। ** পৃ. ৩৬৪ * সবচেয়ে বিরক্তিকর অহংকারী হলো সে যে "আমি" এবং "আমাকে" বলতে ভয় পায়। "সম্ভবত বৃষ্টি হবে"—এটি স্বৈরাচারী কথা। "আমি মনে করি বৃষ্টি হবে"—এটি স্বাভাবিক এবং বিনয়ী। মঁতেন ছিলেন সবচেয়ে চমৎকার প্রবন্ধকার কারণ তার বিনয় এতই বেশি ছিল যে তিনি আমাদের মঁতেনকে না দেখানোটাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেননি। তিনি নিজেকে এতটাই ভুলে যেতেন যে আমাদের তাকে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি কোনো কৃত্রিমতার আশ্রয় নিতেন না। ** পৃ. ৩৬৪ * বিশ্বাস পরিবর্তনশীল; সবসময় সংগতিপূর্ণ থাকা মানে মাঝেমধ্যে অসৎ হওয়া। ** পৃ. ৩৬৭ * সবচেয়ে অসহিষ্ণু সমর্থক তিনি যিনি নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন। ** পৃ. ৩৬৭ * ধনীদের অনুগ্রহ পাওয়ার জন্য গরিব মানুষের দেওয়া প্রবেশমূল্য হলো তার আত্মসম্মান। ** পৃ. ৩৬৮ * সবাই পাগল, কিন্তু যে নিজের বিভ্রান্তি বিশ্লেষণ করতে পারে তাকে দার্শনিক বলা হয়। ** পৃ. ৩৬৯ * অপভাষা হলো একটি নোংরা ডোবা যেখানে প্রতিটি গাধা তার বালতি ভরে এবং তারপর নিজেকে একটি ঝরনা হিসেবে জাহির করে। ** পৃ. ৩৬৯ * সুখ হারিয়ে যায় একে সমালোচনা করলে; দুঃখ হারিয়ে যায় একে গ্রহণ করলে। ** পৃ. ৩৭১ * সমৃদ্ধির সময় মূর্খ আসন্ন বিপদের আশঙ্কায় কাঁপে; বিপদের সময় দার্শনিক তার পাওয়া ভালো সময়ের কথা ভেবে হাসে। ** পৃ. ৩৭১ * বৃদ্ধ বয়স, যার চোখ মাথার পেছনে থাকে, সে মনে করে যে কাদার মধ্য দিয়ে সে হাবুডুবু খেয়ে এসেছে তা দেখাই হলো প্রজ্ঞা। ** পৃ. ৩৭২-৩৭৩ * প্রজ্ঞা কেবল বোকামির সাথে তুলনা করলেই বোঝা যায়; ছায়া থাকলেই আমরা বুঝতে পারি যে সব দৃশ্যমান বস্তু সমতল নয়। তবুও পরোপকারীরা মন্দকে নির্মূল করতে চায়! ** পৃ. ৩৭৩ * ব্যর্থতার চোখে সাফল্য একটি দুর্ঘটনা। ** পৃ. ৩৭৩ * যতক্ষণ তোমার ভবিষ্যৎ আছে ততক্ষণ নিজের অতীত নিয়ে খুব বেশি পড়ে থেকো না: যদি না তুমি পেছন দিকে হাঁটতে পছন্দ করো, আয়না একজন খারাপ পথপ্রদর্শক। ** পৃ. ৩৭৪ == ভুল তথ্যসম্বলিত উক্তি == * যুদ্ধ হলো আমেরিকানদের ভূগোল শেখানোর ঈশ্বরের এক পদ্ধতি। ** কোট ইনভেস্টিগেটর-এ ["War Is God's Way of Teaching Us Geography"] ** "যুদ্ধ হলো আমেরিকানদের ভূগোল শেখানোর ঈশ্বরের এক পদ্ধতি"—এই মন্তব্যটি অনবরত অ্যামব্রোজ বিয়ার্সের নামে চালানো হয়। জীবনীকার ডেভিড ই. শুল্টজ, যার কম্পিউটারে বিয়ার্সের প্রায় সব লেখা জমা আছে, তার ডাটাবেসে এই তিক্ত মন্তব্যটি খুঁজে পাননি। রালফ কেইস, 'দ্য কোট ভেরিফায়ার' (২০০৭), পৃ. ২৪০। == বহিঃসংযোগ == * [http://donswaim.com/ অ্যামব্রোজ বিয়ার্স সাইট] * [http://www.gutenberg.org/browse/authors/b#a206 বিয়ার্স] — [[w:প্রজেক্ট গুটেনবার্গ|প্রজেক্ট গুটেনবার্গে]] * [http://www.biercephile.com অ্যামব্রোজ বিয়ার্স অ্যাপ্রিসিয়েশন সোসাইটি] * [http://www.ambrosebierce.org অ্যামব্রোজ বিয়ার্স প্রজেক্ট] * [http://ojinaga.com/bierce/ "অ্যামব্রোজ বিয়ার্স, 'দ্য ওল্ড গ্রিঙ্গো': তথ্য, ফিকশন এবং ফ্যান্টাসি"] * [http://www.rjgeib.com/thoughts/bierce/ambrose-bierce.html বিয়ার্সের শেষ চিঠিগুলোর একটি] * [http://atheisme.free.fr/Biographies/Bierce_e.htm অ্যামব্রোজ বিয়ার্সের জীবনী এবং উক্তি] * [http://bitterbierce.blogspot.com ওয়েকিন অ্যামব্রোজ: ডেভিলস ডিকশনারির সমসাময়িক রূপান্তর] [[বিষয়শ্রেণী:অ্যফোরিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যান্টাসি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:হরর লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌতুকাভিনেতা]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাস্যরসাত্মক লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ওহাইওর সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কলাম লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পাদক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচক]] [[বিষয়শ্রেণী:সাহিত্য সমালোচক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ছোটগল্পকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কবি]] [[विषয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্মৃতিকথাকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যঙ্গাত্মক লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৪২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১০-এর দশকে মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অজ্ঞেয়বাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:দাসপ্রথা বিলোপবাদী]] h8y3d5frse464j33njhlzqz8ex9yp7o 81911 81909 2026-04-28T09:30:15Z Tuhin 172 81911 wikitext text/x-wiki [[File:Abierce.jpg|thumb| '''[[অযৌক্তিকতা]]''', ''বি.'' এমন একটি বিবৃতি বা [[বিশ্বাস]], যা নিজের [[মতামত|মতামতের]] সাথে স্পষ্টভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ।]] '''[[w:অ্যামব্রোজ বিয়ার্স|অ্যামব্রোজ গুইনেট বিয়ার্স]]''' ([[২৪ জুন]], [[১৮৪২]] – মৃত্যুর তারিখ অনিশ্চিত; সম্ভবত [[১৯১২]] সালের শেষ দিকে বা [[১৯১৪]] সালের শুরুতে) ছিলেন একজন আমেরিকান বিদ্রূপকারী, সমালোচক, ছোটগল্পকার, সম্পাদক এবং সাংবাদিক। তিনি সম্ভবত তার ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত ব্যঙ্গাত্মক অভিধান, '''[[w:দ্য ডেভিলস ডিকশনারি|দ্য ডেভিলস ডিকশনারি]]'''-এর জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত, যেখানে তিনি সাধারণ শব্দের বিকল্প ও আরও বাস্তবসম্মত সংজ্ঞা প্রদানের মাধ্যমে বছরের পর বছর ধরে আমেরিকান সংস্কৃতি এবং প্রচলিত জ্ঞানকে বিদ্ধ করেছেন। == উক্তি == [[File:Hansel-and-gretel-rackham (cropped).jpg|thumb|যদি এটি একটি দুর্বল মানবতাবাদ এবং অপূর্ণ হজমশক্তির সংমিশ্রণ না হতো, তবে প্রকৃতির ইচ্ছা অনুযায়ী আমাদের নিজেদের সন্তানদেরই ভক্ষণ করা উচিত ছিল।]] * বালকদের অস্তিত্ব যে এখনো টিকে আছে, তা পুরুষদের অসাধারণ খ্রিস্টীয় ধৈর্যেরই প্রমাণ। যদি এটি একটি দুর্বল মানবতাবাদ এবং অপূর্ণ হজমশক্তির সংমিশ্রণ না হতো, তবে প্রকৃতির ইচ্ছা অনুযায়ী আমাদের নিজেদের সন্তানদেরই ভক্ষণ করা উচিত ছিল। ** "টাউন ক্রায়ার" কলাম, ''সান ফ্রান্সিসকো নিউজ-লেটার'' (আনু. ১৮৭০) [http://books.google.com/books?ei=65MyT4yGB6bJ0QGg9p3mBw&id=GqUOAQAAMAAJ&q=&quot;The+fact+that+boys+are+allowed+to+exist+at+all+is+evidence+of+a+remarkable+Christian+forbearance+among+men+were+it+not+for+a+mawkish+humani-tarianism+coupled+with+imperfect+digestive+powers+we+should+devour+our+young+as+Nature+intended&quot;&pg=PA74#v=onepage] * কারণ মৃত্যু বিভিন্ন প্রকারের হয়। কোনোটিতে দেহ রয়ে যায়, আবার কোনোটিতে এটি আত্মার সাথে পুরোপুরি বিলীন হয়ে যায়। এটি সাধারণত কেবল নির্জনতাতেই ঘটে, কারণ সেটিই ঈশ্বরের ইচ্ছা। কেউ শেষ পরিণতি না দেখায় আমরা বলি মানুষটি হারিয়ে গেছে বা দীর্ঘ সফরে গিয়েছে, যা সে প্রকৃতপক্ষে গিয়েছেও। তবে কখনও কখনও এটি অনেকের সামনেও ঘটেছে, যার প্রচুর প্রমাণ রয়েছে। এক ধরনের মৃত্যুতে আত্মাও মারা যায় এবং শরীর বহু বছর সজীব থাকা অবস্থাতেও এমনটি হতে দেখা গিয়েছে। কখনও কখনও শরীর মারা যাওয়ার সাথে সাথেই আত্মা মারা যায়, আবার কখনও একটি নির্দিষ্ট সময় পর সেই স্থানে পুনরায় জেগে ওঠে যেখানে শরীরটি পচে গিয়েছিল। * আমার চারদিকে শুকনো ঘাসে ঢাকা, একটি ধূসর এবং জনশূন্য প্রান্তর বিস্তৃত ছিল। সেই ঘাসগুলো শরতের বাতাসে, কোনো এক রহস্যময় এবং অস্বস্তিকর ইঙ্গিত নিয়ে শব্দ করছিল। মাঝে মাঝে সেখান থেকে অদ্ভুত আকৃতির, কালচে রঙের পাথর বেরিয়ে ছিল। সেগুলোকে দেখে মনে হচ্ছিল, তাদের মধ্যে পারস্পরিক কোনো বোঝাপড়া আছে এবং তারা অর্থবহ দৃষ্টি বিনিময় করছে, যেন তারা কোনো পূর্বনির্ধারিত ঘটনার ফলাফল দেখার জন্য মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। এখানে সেখানে কয়েকটি বিধ্বস্ত গাছ, এই নীরব প্রতীক্ষার অশুভ ষড়যন্ত্রের নেতা হিসেবে উপস্থিত ছিল। * এই পাথরটি সম্ভবত সেই কবরের চিহ্ন ছিল, যেখান থেকে যুগ যুগ আগে গাছটি জন্মেছিল। গাছটির জেদি শিকড়গুলো কবরটি লুণ্ঠন করে, পাথরটিকে বন্দী করে ফেলেছিল। <br> হঠাৎ এক দমকা হাওয়ায়, পাথরের উপরের অংশ থেকে কিছু শুকনো পাতা এবং ডালপালা সরে গেলে, আমি একটি খোদাই করা লিপি দেখতে পেলাম এবং তা পড়ার জন্য ঝুঁকলাম। হে ঈশ্বর! সেখানে আমার পুরো নাম, আমার জন্মের তারিখ এবং আমার মৃত্যুর তারিখ লেখা ছিল! <br> আমি আতঙ্কে লাফিয়ে ওঠার সাথে সাথে, আলোর একটি সমান্তরাল রেখা পুরো গাছটিকে আলোকিত করে তুলল। গোলাপী পূর্ব আকাশে সূর্য উঠছিল। আমি সূর্য এবং তার বিশাল লাল থালার মাঝে দাঁড়ালাম, কিন্তু গাছের কাণ্ডে কোনো ছায়া পড়ল না! <br> নেকড়েদের একদল চিৎকার করে ভোরকে অভিবাদন জানাল। আমি তাদের মরুভূমির অর্ধেকটা জুড়ে দিগন্ত পর্যন্ত বিস্তৃত অনিয়মিত ঢিবি এবং সমাধিস্তূপের ওপর, একা বা দলবেঁধে বসে থাকতে দেখলাম। তখনই আমি বুঝতে পারলাম যে, এগুলোই সেই প্রাচীন এবং বিখ্যাত শহর কারকোসার [[ধ্বংসাবশেষ]]। ** "[[S:অ্যান ইনহ্যাবিটেন্ট অফ কারকোসা|অ্যান ইনহ্যাবিটেন্ট অফ কারকোসা]]", প্রথম প্রকাশিত: ''সান ফ্রান্সিসকো নিউজ লেটার অ্যান্ড ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাডভার্টাইজার'' (২৫ ডিসেম্বর, ১৮৮৬) * পেটন ফারকুয়ার মারা গিয়েছিলেন। তার ভাঙা ঘাড়সহ দেহটি আউল ক্রিক ব্রিজের কাঠের কাঠামোর নিচে, ধীরে ধীরে এপাশ-ওপাশ দুলছিল। ** "[[s:অ্যান অকারেন্স অ্যাট আউল ক্রিক ব্রিজ|অ্যান অকারেন্স অ্যাট আউল ক্রিক ব্রিজ]]", প্রথম প্রকাশিত: 'সান ফ্রান্সিসকো এক্সামিনার' (১৩ জুলাই, ১৮৯০) [[File:Lenoir, Charles-Amable - A Nymph In The Forest.jpg|thumb|[[সুখ]]... কেবল তখনই আসে যখন একে খোঁজা হয় না এবং একে নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না।]] * হাইতা তাকে সব খুলে বলল যে, কীভাবে তিনবার সে সেই উজ্জ্বল কুমারীর দেখা পেয়েছে এবং তিনবারই সে তাকে নিঃসঙ্গ অবস্থায় ছেড়ে চলে গিয়েছে। তাদের মধ্যে যা যা কথা হয়েছিল, তার একটি শব্দও বাদ না দিয়ে সে বিস্তারিত বর্ণনা করল। <br> তার কথা শেষ হলে পবিত্র সন্ন্যাসী কিছুক্ষণ নীরব থেকে বললেন, "বৎস, আমি তোমার গল্প শুনেছি এবং আমি সেই কুমারীকে চিনি। অনেকের মতো আমিও তাকে দেখেছি। জেনে রাখো যে তার নাম হলো [[সুখ]], যা সে তোমাকে জিজ্ঞাসা করার অনুমতিও দেয়নি। তুমি তাকে ঠিকই বলেছিলে যে সে খামখেয়ালি, কারণ সে এমন শর্ত দেয় যা মানুষ পূরণ করতে পারে না এবং সামান্য ত্রুটি হলেই সে চলে গিয়ে শাস্তি দেয়। সে কেবল তখনই আসে যখন তাকে খোঁজা হয় না এবং তাকে নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। সামান্য কৌতূহল, সন্দেহের একটি চিহ্ন বা আশঙ্কার একটি প্রকাশ ঘটলেই সে উধাও হয়ে যায়! চলে যাওয়ার আগে তুমি তাকে কতক্ষণ নিজের কাছে পেয়েছিলে?" <br> লজ্জিত মুখে হাইতা স্বীকার করল যে, সে প্রতিবারই তাকে মাত্র এক মুহূর্তের জন্য পেয়েছিল। <br> তখন পবিত্র সন্ন্যাসী বললেন, "দুর্ভাগা যুবক! তোমার এই অবিবেচনার জন্য না হলে, তুমি হয়তো তাকে অন্তত দুই মুহূর্তের জন্য পেতে পারতে।" ** "[[S:হাইতা দ্য শেফার্ড|হাইতা দ্য শেফার্ড]]" (১৮৯১) * সত্যি বলতে, গ্রাফটন কবরস্থানের অর্ধেকের বেশি কবরেই "অজ্ঞাত" লেখা আছে। মাঝে মাঝে কেউ সেই विरोধাভাস নিয়ে ভাবে, যা এমন একজনের স্মৃতিকে সম্মান জানানোর সাথে জড়িত, যার স্মরণে রাখার মতো কোনো স্মৃতিই অবশিষ্ট নেই। তবে এই প্রচেষ্টা জীবিতদের বা যুক্তিবাদীদের বড় কোনো ক্ষতি করে না। ** "অ্যা বিভুয়াক অফ দ্য ডেড", 'দ্য নিউ ইয়র্ক আমেরিকান' (২২ নভেম্বর, ১৯০৩) **:<small>তুলনা করুন: [[থিওডোর ও'হারা|থিওডোর ও'হারার]], "[[w:বিভুয়াক অফ দ্য ডেড|বিভুয়াক অফ দ্য ডেড]]"</small> * [[ব্যবসা]] নামে পরিচিত [[জুয়া|জুয়াটি]], সবসময়ই জুয়া নামে পরিচিত ব্যবসাটিকে কঠোর অপছন্দের চোখে দেখে। ** "ডাইভারশনস অফ অ্যান আইডলার: সাম নেগ্লিজিবল এপিগ্রামস", 'কসমোপলিটান', ৩৯তম খণ্ড, ৪ নম্বর সংখ্যা (আগস্ট ১৯০৫), পৃ. ৪৪৪। * এমন কিছু [[শব্দ]] আছে, যা আমরা [[শ্রবণ|শুনতে]] পাই না। স্কেলের দুই প্রান্তেই এমন সুর আছে, যা মানুষের কানের মতো অপূর্ণ যন্ত্রে কোনো ঝঙ্কার তোলে না, কারণ সেগুলো হয় [[W:আল্ট্রাসাউন্ড|অতি উচ্চ]] অথবা [[W:ইনফ্রাসাউন্ড|অতি গভীর]]। আমি দেখেছি একঝাঁক কালো পাখি একটি গাছের মগডাল দখল করে গান গাইছে। হঠাৎ এক নিমেষে, সবাই একদম একই সময়ে উড়ে গেল। তারা সবাই সবাইকে দেখতে পাচ্ছিল না কারণ মাঝখানে অনেক ডালপালা ছিল, তাই কোনো নেতার সংকেত সবার দেখার কথা নয়। নিশ্চয়ই সেখানে উচ্চ এবং তীক্ষ্ণ কোনো সতর্কবার্তা ছিল, যা আমি শুনতে পাইনি। আমি এমনও দেখেছি যে, সবাই নীরব থাকা অবস্থায় একই সাথে উড়াল দিচ্ছে। কেবল কালো পাখিই নয়, বরং কোয়েলদের ক্ষেত্রেও এমনটি ঘটে, যারা পাহাড়ের বিপরীত দিকে থাকা সত্ত্বেও একই সাথে ডুব দেয়। <br> নাবিকদের কাছে এটি পরিচিত যে, মহাসাগরে মাইল জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একদল [[তিমি]], পৃথিবীর গোলকীয় বক্রতা থাকা সত্ত্বেও মাঝে মাঝে একদম একই সময়ে ডুব দেয়। তখন এমন সংকেত বেজে ওঠে যা নাবিকদের কানে পৌঁছায় না, কিন্তু তারা জাহাজে এর কম্পন অনুভব করে। <br> শব্দের মতো [[রঙ|রঙের]] ক্ষেত্রেও একই নিয়ম খাটে। [[W:তড়িৎচৌম্বকীয় বর্ণালী|সৌর বর্ণালীর]] প্রতিটি প্রান্তে এমন রশ্মি আছে, যা আমরা দেখতে পাই না। মানুষের [[চোখ]] একটি অপূর্ণ যন্ত্র, যার পরিসীমা খুবই সীমিত। আমি পাগল নই, কারণ এমন অনেক রং আছে যা আমাদের দেখার ক্ষমতার বাইরে। <br> আর ঈশ্বর আমাকে রক্ষা করুন, কারণ সেই অভিশপ্ত জিনিসটি ঠিক তেমনই এক রঙের! ** "[[S:দ্য ড্যামড থিং|দ্য ড্যামড থিং]]", 'কালেক্টেড ওয়ার্কস', ৩য় খণ্ড (১৯০৯) * '''লক্ষ্য করো, কীভাবে আমার খ্যাতি এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে: হাজার হাজার সমালোচক চিৎকার করে বলছে, "সে অজ্ঞাত!"''' ** দ্বিপদী উক্তি, চার্লস পুয়োরের "বুকস অফ দ্য টাইমস"-এ উদ্ধৃত, 'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস' (১৫ নভেম্বর, ১৯৪৫), পৃ. ১৭। * [[w:হেরোদ|হেরোদকে]] নিয়ে পড়াশোনা করুন ম্যাডাম, হেরোদকে নিয়ে পড়াশোনা করুন। ** বিরক্তিকর কোনো সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন অবাধ্য সন্তানদের মানুষ করার উপায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, তখন এই উক্তিটি করা হয়। ফ্লোরেন্স কিং-এর 'রিফ্লেকশনস ইন আ জন্ডিসড আই' (সেন্ট মার্টিনস পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৯০) বইয়ে এটি উল্লেখ আছে। * [[w:হেরোদ|হেরোদকে]] নিয়ে পড়াশোনা করুন ম্যাডাম, হেরোদকে নিয়ে পড়াশোনা করুন। ** বিরক্তিকর কোনো সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন অবাধ্য সন্তানদের মানুষ করার উপায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, তখন এই উক্তিটি করা হয়। ফ্লোরেন্স কিং-এর 'রিফ্লেকশনস ইন আ জন্ডিসড আই' (সেন্ট মার্টিনস পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৯০) বইয়ে এটি উল্লেখ আছে। === ''হোয়াট আই স অ্যাট শিলো'' (১৮৮১) === :<small>আমেরিকান গৃহযুদ্ধ নিয়ে বিয়ার্সের প্রথম প্রকাশিত স্মৃতিকথা। এই কর্মটি কয়েকটি অংশে বিভক্ত, যা [[সংখ্যা]] দ্বারা চিহ্নিত।</small> [[File:Thure de Thulstrup - Battle of Shiloh.jpg|thumb|একটি সেনাবাহিনীর সবচেয়ে সাহসী মানুষ হলো তাদের ভীরুরা। শত্রু সৈন্যের হাতে যে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে তারা চায় না, সেই মৃত্যুর মুখে তারা বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছাড়াই নিজেদের কর্মকর্তাদের হাতে পড়বে।]] * এটি একটি যুদ্ধের সাধারণ কাহিনী। এমন এক গল্প যা একজন সৈনিক, যে কি না কোনো লেখক নয়, শোনাচ্ছে এমন একজন পাঠককে, যে কি না কোনো সৈনিক নয়। ** ১ * একটি সেনাবাহিনীর সবচেয়ে সাহসী মানুষ হলো তাদের ভীরুরা। শত্রু সৈন্যের হাতে যে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে তারা চায় না, সেই মৃত্যুর মুখে তারা বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছাড়াই নিজেদের কর্মকর্তাদের হাতে পড়বে। ** ৫ * ঝোপঝাড়ের পেছনে গর্তের মধ্যে লুকানো ছিল বড় বড় তাবু, যা মোমবাতির আলোয় আবছা আলোকিত হলেও দেখতে বেশ আরামদায়ক ছিল। সেই তাবুগুলো কী ধরনের আরাম প্রদান করছিল তা বোঝা হচ্ছিল, যখন এক জোড়া মানুষ পালকি নিয়ে ভেতরে ঢুকছিল এবং পুনরায় বেরিয়ে আসছিল। ভেতরে চাপা আর্তনাদ শোনা যাচ্ছিল এবং বাইরে মুখ ঢাকা মৃতদেহের লম্বা সারি পড়ে ছিল। এই তাবুগুলো অনবরত আহতদের গ্রহণ করছিল, তবুও কখনও পূর্ণ হচ্ছিল না। আবার অবিরাম মৃতদেহ বের করে দিচ্ছিল, তবুও কখনও খালি হচ্ছিল না। এটি এমন ছিল যেন অসহায়দের ভেতরে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে, যাতে তারা আগামীকাল যাদের লড়াই করার কথা তাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে। ** ৫ * আমি ধারণা করি যে, করিন্থ এবং পিটসবার্গ ল্যান্ডিং-এর মধ্যবর্তী অঞ্চলে কুমির ছাড়া হয়তো আরও কিছু অধিবাসী ছিল। তারা কেমন মানুষ ছিল তা বলা অসম্ভব, কারণ যুদ্ধ তাদের তাড়িয়ে দিয়েছিল অথবা সম্ভবত নির্মূল করে দিয়েছিল; হয়তো তাদের কেবল "অ-সরীসৃপ" হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেই আমি যথেষ্ট বর্ণনা দিতে পারব এবং একই সাথে সেই স্বাভাবিক সন্দেহ থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারব যা এমন একজন লেখকের ওপর বর্তায়, যে কি না অপরিচিত মানুষের কাছে এমন ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে যাদের সে নিজেও চেনে না। '''তবে একটি বিষয় আমি কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে, এই জলাভূমির বাসিন্দারা ধার্মিক ছিল। তারা কোন দেবতার পূজা করত—মিসরীয়দের মতো কুমিরের নাকি অন্যান্য আমেরিকানদের মতো নিজেদের—তা আমি আন্দাজ করতে পারছি না।''' কিন্তু তারা যে দেবতারই আরাধনা করুক না কেন, তার বা সেই সত্তার জন্য তারা একটি উপাসনালয় তৈরি করেছিল। জনশূন্য প্রান্তরের ঠিক মাঝখানে অবস্থিত এই সাধারণ ভবনটি শিলোহ চ্যাপেল নামে পরিচিত ছিল, যেখান থেকে এই যুদ্ধের নাম হয়েছে। ** ৬ * কামানের গোলায় ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়া গাছের কাণ্ডগুলো থেকে চেরা কাঠ এমনভাবে বেরিয়ে ছিল যেন অনেকগুলো হাত এবং ক্ষতের ওপরের অংশ ও নিচের অংশের আঙুলগুলো একে অপরের সাথে জড়িয়ে আছে। ** ৭ === 'দ্য সিনিকস ওয়ার্ড বুক' (১৯০৬) === * একটি চুমু আসলে কামড়েরই এক মার্জিত রূপ; একজন স্নেহময়ী মা যখন আবেগাপ্লুত হয়ে দাবি করেন যে তার সন্তান 'এতটাই ভালো যে প্রায় খেয়ে ফেলা যায়', তখন তিনি আসলে এটাই দেখান যে তিনি নিজেও তাকে খেয়ে ফেলার জন্য সামান্য একটু বেশিই ভালো মানুষ। ** পৃ. ৪৩ (নরখাদক) * [[অসহিষ্ণুতা]] স্বাভাবিক এবং যুক্তিযুক্ত, কারণ প্রতিটি ভিন্নমতের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে নিজের শ্রেষ্ঠতর প্রজ্ঞার এক অহংকার। ** পৃ. ৯৪ (উক্তি) * কোনো অস্ত্রোপচারের আগে আপনার বৈষয়িক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিন। আপনি বেঁচেও যেতে পারেন। ** পৃ. ৯৪ (উক্তি) === '''[[w:দ্য ডেভিলস ডিকশনারি|দ্য ডেভিলস ডিকশনারি]]''' (১৯১১) === :<small>প্রথম 'এ' থেকে 'এল' বর্ণ পর্যন্ত 'দ্য সিনিকস ওয়ার্ড বুক' (১৯০৬) নামে প্রকাশিত হয়েছিল।</small> [[File:As08-16-2593.jpg|thumb|'''[[সমুদ্র]]''', ''বি.'' একটি বিশাল জলরাশি যা মানুষের জন্য তৈরি করা এই পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে আছে, অথচ মানুষের কোনো ফুলকা নেই।]] * '''অস্বাভাবিক,''' ''বিণ.'' চিন্তা ও আচরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত মানদণ্ড অনুসরণ না করা। স্বাধীন হওয়া মানেই অস্বাভাবিক হওয়া, আর অস্বাভাবিক হওয়া মানেই ঘৃণিত হওয়া। অতএব অভিধানপ্রণেতা পরামর্শ দিচ্ছেন যে, নিজের চেয়ে বরং "গড়পড়তা মানুষের" সাথে সাদৃশ্য বজায় রাখার জন্য কঠোর প্রচেষ্টা করা উচিত। যে এই কাজে সফল হবে সে শান্তি পাবে, মৃত্যুর সম্ভাবনা খুঁজে পাবে এবং নরকের আশা পাবে। * '''অনুপস্থিত,''' ''বিণ.'' পরনিন্দার কবলে পড়ার জন্য বিশেষভাবে উন্মুক্ত; কলঙ্কিত; হতাশাজনকভাবে ভুল পথে থাকা; অন্যের বিবেচনা এবং স্নেহ থেকে অপসারিত। * পুরুষের কাছে পুরুষ কেবলই একটি মন। কে তোয়াক্কা করে <br> সে কোন মুখ নিয়ে চলে বা তার আকার কেমন? <br> কিন্তু নারীর শরীরই হলো নারী। ওহে, <br> আমার প্রিয়তমা, তুমি থাকো, কক্ষনো যেয়ো না, <br> বরং জ্ঞানীর সতর্কবার্তা শোনো: <br> একজন অনুপস্থিত নারী মানেই একজন মৃত নারী। * '''সংযমী''', ''বি.'' একজন দুর্বল ব্যক্তি যে নিজেকে আনন্দ থেকে বঞ্চিত করার প্রলোভনের কাছে হার মানে। একজন পূর্ণ সংযমী হলো সে, যে সংযম ছাড়া আর সবকিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখে, বিশেষ করে অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক গলানো থেকে বিরত থাকতে পারে না। * '''অযৌক্তিকতা''', ''বি.'' এমন একটি বিবৃতি বা বিশ্বাস যা নিজের মতামতের সাথে স্পষ্টভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ। * '''ঐক্য''', ''বি.'' সুসমন্বয়। * '''অ্যাকর্ডিয়ন''', ''বি.'' একজন ঘাতকের অনুভূতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বাদ্যযন্ত্র। * '''পরিচিত''', ''বি.'' এমন একজন ব্যক্তি যার কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার মতো যথেষ্ট চেনা-জানা আছে, কিন্তু তাকে ঋণ দেওয়ার মতো যথেষ্ট ঘনিষ্ঠতা নেই। বন্ধুত্বের একটি ধাপ, যা লক্ষ্যবস্তু গরিব বা অখ্যাত হলে "সামান্য" বলা হয় এবং সে ধনী বা বিখ্যাত হলে "ঘনিষ্ঠ" বলা হয়। * '''প্রশংসা''', ''বি.'' অন্যের মাঝে আমাদের নিজেদের সাদৃশ্যের বিনয়ী স্বীকৃতি। * '''উপদেশ''', ''বি.'' বর্তমানের সবচেয়ে ছোট মানের মুদ্রা। * '''একাকী''', ''বিণ.'' কুসঙ্গে থাকা। * '''উচ্চাকাঙ্ক্ষা''', ''বি.'' বেঁচে থাকতে শত্রুদের দ্বারা কলঙ্কিত হওয়ার এবং মারা যাওয়ার পর বন্ধুদের দ্বারা উপহাসের পাত্র হওয়ার এক অদম্য ইচ্ছা। * '''সাধারণ ক্ষমা''', ''বি.'' সেই সব অপরাধীদের প্রতি রাষ্ট্রের মহানুভবতা যাদের শাস্তি দেওয়াটা অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়বে। * '''ক্ষমা চাওয়া''', ''ক্রি.'' ভবিষ্যতে কোনো অপরাধ করার ভিত্তি তৈরি করা। * '''ব্যাকাস''', ''বি.'' প্রাচীনদের দ্বারা আবিষ্কৃত একটি সুবিধাজনক দেবতা, যা মাতাল হওয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহৃত হতো। * '''পিঠ''', ''বি.'' আপনার বন্ধুর সেই অংশ যা আপনার বিপদের সময় দেখার অধিকার আপনি রাখেন। * '''পরনিন্দা''', ''স. ক্রি.'' কোনো মানুষের সম্পর্কে এমন কথা বলা যা সে আপনার অনুপস্থিতিতে শুনতে পায় না। * '''ব্যারোমিটার''', ''বি.'' একটি উদ্ভাবনী যন্ত্র যা নির্দেশ করে যে আমরা বর্তমানে কেমন আবহাওয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। * '''জন্ম''', ''বি.'' সব দুর্যোগের মধ্যে প্রথম এবং সবচেয়ে ভয়াবহ। * '''বিরক্তিকর ব্যক্তি''', ''বি.'' এমন একজন ব্যক্তি যে তখন কথা বলে যখন আপনি চান সে আপনার কথা শুনুক। * '''সীমানা''', ''বি.'' রাজনৈতিক ভূগোলে দুটি জাতির মধ্যে একটি কাল্পনিক রেখা, যা একজনের কাল্পনিক অধিকারকে অন্যজনের কাল্পনিক অধিকার থেকে পৃথক করে। * '''মস্তিষ্ক''', ''বি.'' এমন একটি যন্ত্র যা দিয়ে আমরা ভাবি যে আমরা ভাবছি... আমাদের সভ্যতায় এবং প্রজাতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় বুদ্ধিমত্তাকে এত উচ্চ মর্যাদায় দেখা হয় যে, এর পুরস্কার হিসেবে দাপ্তরিক কাজের ঝামেলা থেকে একে অব্যাহতি দেওয়া হয়। [[File:Marriage A-la-Mode 2, The Tête à Tête - William Hogarth.jpg|thumb|'''বধূ''', ''বি.'' এমন একজন নারী যার পেছনে সুখের এক চমৎকার সম্ভাবনা ফেলে আসা হয়েছে।]] * '''বধূ''', ''বি.'' এমন একজন নারী যার পেছনে সুখের এক চমৎকার সম্ভাবনা ফেলে আসা হয়েছে। * '''বাঁধাকপি''', ''বি.'' রান্নাঘরের বাগানের পরিচিত একটি সবজি যা একজন মানুষের মাথার সমান বড় এবং তার মতোই বুদ্ধিমান। * '''কালোস''', ''বিণ.'' অন্যের দুর্দশা সহ্য করার মতো মহান ধৈর্যের অধিকারী। * '''কামান''', ''বি.'' জাতীয় সীমানা সংশোধনের কাজে ব্যবহৃত একটি যন্ত্র। * '''রাজধানী''', ''বি.'' কুশাসনের মূল কেন্দ্র। * '''কার্তেসীয়''', ''বিণ.'' বিখ্যাত দার্শনিক দেকার্ত সংক্রান্ত, যিনি প্রখ্যাত উক্তি "আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি"-এর লেখক; যার মাধ্যমে তিনি মানুষের অস্তিত্বের বাস্তবতা প্রমাণ করেছেন বলে আনন্দিত ছিলেন। তবে উক্তিটিকে এভাবে উন্নত করা যেতে পারে: "আমি চিন্তা করি যে আমি চিন্তা করি, তাই আমি চিন্তা করি যে আমি আছি"—যা এখন পর্যন্ত কোনো দার্শনিকের নিশ্চিত ধারণার সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছানো। * '''বিড়াল''', ''বি.'' প্রকৃতি প্রদত্ত একটি নরম ও অবিনাশী স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র, যা সাংসারিক জীবনে কোনো কিছু ভুল হয়ে গেলে লাথি খাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। * '''খ্রিস্টান''', ''বি.'' এমন একজন যে বিশ্বাস করে যে নিউ টেস্টামেন্ট হলো ঈশ্বরপ্রদত্ত একটি কিতাব যা তার প্রতিবেশীর আধ্যাত্মিক প্রয়োজনে অত্যন্ত উপযোগী। এমন একজন যে খ্রিস্টের শিক্ষা ততক্ষণই মেনে চলে যতক্ষণ তা পাপপূর্ণ জীবনের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ না হয়। * '''সার্কাস''', ''বি.'' এমন একটি জায়গা যেখানে ঘোড়া, টাট্টু ঘোড়া এবং হাতিদের অনুমতি দেওয়া হয় পুরুষ, নারী ও শিশুদের বোকামি করার দৃশ্য দেখার জন্য। * '''অতীন্দ্রিয়দর্শী''', ''বি.'' একজন ব্যক্তি, সাধারণত একজন নারী, যার সেই ক্ষমতা আছে যা তার গ্রাহকের কাছে অদৃশ্য তা দেখার, অর্থাৎ—সে যে একটি আস্ত গাধা। * '''ক্ল্যারিনেট''', ''বি.'' কানে তুলো দিয়ে রাখা একজন ব্যক্তির দ্বারা পরিচালিত একটি যন্ত্রণাদায়ক যন্ত্র। ক্ল্যারিনেটের চেয়েও খারাপ দুটি যন্ত্র আছে—দুটি ক্ল্যারিনেট। * '''ঘড়ি''', ''বি.'' মানুষের কাছে অত্যন্ত নৈতিক মূল্যের একটি যন্ত্র, যা তাকে মনে করিয়ে দেয় যে তার হাতে এখনো কতটা সময় অবশিষ্ট আছে এবং এভাবে ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা লাঘব করে। * '''বিশ্বাসভাজন''', ''বি.'' এমন একজন যাকে 'ক' ব্যক্তি 'খ' ব্যক্তির গোপন কথা আমানত রাখে, যা পরে সে 'গ' ব্যক্তির কাছে ফাঁস করে দেয়। * '''অভিনন্দন''', ''বি.'' ঈর্ষার ভদ্র রূপ। * '''রক্ষণশীল''', ''বি.'' এমন একজন রাষ্ট্রনায়ক যে বিদ্যমান মন্দগুলোর প্রেমে মজে আছে; উদারপন্থীদের বিপরীত, যারা সেই মন্দগুলোকে সরিয়ে নতুন ধরনের মন্দ নিয়ে আসতে চায়। * '''কর্পোরেশন''', ''বি.'' ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা ছাড়াই ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জনের এক উদ্ভাবনী কৌশল। [[File:Cynicism graffiti.jpg|thumb|'''সংশয়বাদী''', ''বি.'' এমন এক দুশ্চরিত্র ব্যক্তি যার ত্রুটিপূর্ণ দৃষ্টিতে সবকিছু যেভাবে থাকা উচিত সেভাবে না দেখে বরং যেমন আছে সেভাবেই দেখে।]] * '''সংশয়বাদী''', ''বি.'' এমন এক দুশ্চরিত্র ব্যক্তি যার ত্রুটিপূর্ণ দৃষ্টিতে সবকিছু যেভাবে থাকা উচিত সেভাবে না দেখে বরং যেমন আছে সেভাবেই দেখে। এজন্যই সিথিয়ানদের মধ্যে সংশয়বাদীদের চোখ উপড়ে ফেলার রীতি ছিল যাতে তার দৃষ্টিশক্তির উন্নতি হয়। * '''ভোর''', ''বি.'' সেই সময় যখন বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ ঘুমানোর জন্য বিছানায় যায়। কিছু বৃদ্ধ মানুষ সেই সময় ঘুম থেকে ওঠা পছন্দ করেন এবং খালি পেটে ঠান্ডা পানিতে গোসল ও দীর্ঘ ভ্রমণে বের হয়ে শরীরকে কষ্ট দেন। * '''সিদ্ধান্ত নেওয়া''', ''অ. ক্রি.'' একগুচ্ছ প্রভাবের কাছে অন্য গুচ্ছের তুলনায় নতি স্বীকার করা। * '''অরক্ষিত''', ''বিণ.'' আক্রমণ করতে অক্ষম। * '''অভিধান''', ''বি.'' ভাষার বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করার এবং একে অনমনীয় ও কঠিন করে তোলার এক ক্ষতিকারক সাহিত্যিক কৌশল। তবে এই অভিধানটি অত্যন্ত দরকারি একটি কাজ। * '''কূটনীতি''', ''বি.'' নিজের দেশের জন্য মিথ্যা বলার দেশপ্রেমিক শিল্প। * '''শিক্ষা''', ''বি.'' যা জ্ঞানীদের কাছে তাদের বোধগম্যতার অভাব প্রকাশ করে এবং মূর্খদের কাছে তা আড়াল করে। * '''ভক্ষ্য''', ''বিণ.'' খাওয়ার উপযোগী এবং হজমের জন্য স্বাস্থ্যকর; যেমন ব্যাঙের জন্য পোকা, সাপের জন্য ব্যাঙ, শূকরের জন্য সাপ, মানুষের জন্য শূকর এবং পোকার জন্য মানুষ। [[File:Ambrose Bierce portrait by John Herbert Evelyn Partington (retouched).jpg|thumb|'''[[অহংবাদী]]''', ''বি.'' নিচু রুচির এক [[ব্যক্তি]], যে আমার চেয়ে নিজের প্রতি বেশি আগ্রহী।]] * '''অহংবাদী''', ''বি.'' নিচু রুচির এক ব্যক্তি, যে আমার চেয়ে নিজের প্রতি বেশি আগ্রহী। * '''বিদ্যুৎ''', ''বি.'' অন্য কোনো কারণে ঘটে না বলে পরিচিত এমন সব প্রাকৃতিক ঘটনার মূল কারণ। এটি বজ্রপাতেরই অনুরূপ এবং ডক্টর ফ্র্যাঙ্কলিনকে আঘাত করার বিখ্যাত প্রচেষ্টাটি সেই মহান ও ভালো মানুষের ক্যারিয়ারের অন্যতম এক নাটকীয় ঘটনা। * '''পাণ্ডিত্য''', ''বি.'' বই থেকে ঝেড়ে একটি খালি মাথার ভেতরে ঢুকানো ধুলোবালি। * '''বিলুপ্তি''', ''বি.'' সেই কাঁচামাল যা দিয়ে ধর্মতত্ত্ব পরকাল তৈরি করেছে। * '''বিশ্বাস''', ''বি.'' কোনো প্রমাণ ছাড়াই এমন কিছুতে আস্থা রাখা যা এমন একজন বলেছে যার কোনো জ্ঞান নেই এবং যার কোনো তুলনা নেই। * '''ফ্যাশন''', ''বি.'' এমন এক স্বৈরশাসক যাকে জ্ঞানীরা উপহাস করে কিন্তু মেনে চলে। * '''ভোজ''', ''বি.'' একটি উৎসব। একটি ধর্মীয় উদযাপন যা সাধারণত পেটুকপনা এবং মাতলামি দ্বারা চিহ্নিত হয়; প্রায়শই এমন কোনো পবিত্র ব্যক্তির সম্মানে এটি করা হয় যিনি মিতাহারের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। * '''মাংস''', ''বি.'' পার্থিব ত্রয়ীর দ্বিতীয় ব্যক্তি। * '''বিস্মৃতি''', ঈশ্বরের পক্ষ থেকে [[ঋণদাতা|ঋণগ্রহীতাদের]] দেওয়া একটি উপহার, যা তাদের বিবেকের অভাবের ক্ষতিপূরণ হিসেবে কাজ করে। * '''জলদস্যু''', ''বি.'' ক্ষুদ্র ব্যবসার একজন বিজয়ী, যার দখলের মধ্যে বিশালত্বের পবিত্র গুণের অভাব রয়েছে। * '''ফ্রিম্যাসন''', ''বি.'' গোপন আচার, কিম্ভুতকিমাকার অনুষ্ঠান এবং অদ্ভুত পোশাকের একটি গোষ্ঠী; যা ইংল্যান্ডের [[দ্বিতীয় চার্লস]]-এর শাসনামলে লন্ডনের কারিগরদের মধ্যে উদ্ভূত হয়েছিল। গত কয়েক শতাব্দী ধরে মৃত ব্যক্তিরা ক্রমাগত এতে যোগ দিয়েছে এবং এখন এটি [[আদম]]-এর এই পাশের সব প্রজন্মকে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছে। এমনকি সৃষ্টির আগের বিশৃঙ্খলা ও রূপহীন শূন্যতার অধিবাসীদের মধ্য থেকেও এটি বিশিষ্ট সদস্যদের সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে। এই গোষ্ঠীটি বিভিন্ন সময়ে [[শার্লিম্যান]], [[জুলিয়াস সিজার]], [[মহান সাইরাস]], [[সোলোমন]], [[জরথুস্ট্র]], [[কনফুসিয়াস]], [[w:প্রথম থুটমোস|থোথমিস]] এবং [[বুদ্ধ]] দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর প্রতীক ও চিহ্নগুলো প্যারিস এবং রোমের ভূগর্ভস্থ সমাধিস্থল, পার্থেননের পাথর, চীনের মহাপ্রাচীর, কার্নাক ও পালমিরার মন্দির এবং মিশরের পিরামিডগুলোতে পাওয়া গিয়েছে—সব সময়ই একজন ফ্রিম্যাসনের দ্বারা। * '''বন্ধুহীন''', ''বিণ.'' দেওয়ার মতো কোনো অনুগ্রহ নেই এমন। সৌভাগ্যহীন। সত্য এবং সাধারণ জ্ঞান বলার নেশায় আসক্ত। [[File:Tombstone courthouse gallows.jpg|thumb|'''ফাঁসির মঞ্চ''', ''বি.'' অলৌকিক নাটক প্রদর্শনের একটি মঞ্চ, যার প্রধান অভিনেতা সরাসরি স্বর্গে স্থানান্তরিত হন।]] * '''ফাঁসির মঞ্চ''', ''বি.'' অলৌকিক নাটক প্রদর্শনের একটি মঞ্চ, যার প্রধান অভিনেতা সরাসরি স্বর্গে স্থানান্তরিত হন। * '''বংশলতিকা''', ''বি.'' এমন এক পূর্বপুরুষ থেকে নিজের বংশধরের বিবরণ, যিনি নিজে নিজের বংশ খুঁজে বের করার বিষয়ে খুব একটা আগ্রহী ছিলেন না। * '''উদার''', ''বিণ.'' মূলত এই শব্দটি দিয়ে আভিজাত্যে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিকে বোঝানো হতো এবং এটি বহু মানুষের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হতো। এখন এটি স্বভাবগত আভিজাত্য বোঝায় এবং বর্তমানে এটি কিছুটা বিশ্রামে আছে। * '''সুখ''', ''বি.'' অন্যের দুর্দশা দেখে নিজের মনে জেগে ওঠা এক চমৎকার অনুভূতি। * '''পৌত্তলিক''', ''বি.'' এমন এক অন্ধকারাচ্ছন্ন জীব যে এমন কিছুকে পূজা করার বোকামি করে যা সে দেখতে পায় এবং স্পর্শ করতে পারে। * '''স্বর্গ''', ''বি.'' এমন এক জায়গা যেখানে দুষ্টরা তাদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলে আপনাকে বিরক্ত করা বন্ধ করে এবং ভালো মানুষরা মনোযোগ দিয়ে আপনার কথা শোনে যখন আপনি নিজের গুণগান করেন। * '''সহধর্মিনী''', ''বি.'' একজন স্ত্রী, অথবা তিতা অর্ধেক। * '''তার (স্ত্রীলিঙ্গ)''', ''সর্ব.'' তার (পুংলিঙ্গ)। [[File:George Caleb Bingham - The County Election - 44-2001 - Saint Louis Art Museum.jpg|thumb| '''[[নির্বোধ]]''', ''বি.'' একটি বিশাল এবং শক্তিশালী [[গোষ্ঠী|গোষ্ঠীর]] সদস্য যাদের প্রভাব মানবিক বিষয়ে সবসময়ই প্রধান এবং নিয়ন্ত্রণকারী।]] * '''নির্বোধ''', ''বি.'' একটি বিশাল এবং শক্তিশালী গোষ্ঠীর সদস্য যাদের প্রভাব মানবিক বিষয়ে সবসময়ই প্রধান এবং নিয়ন্ত্রণকারী। নির্বোধের কার্যক্রম কোনো বিশেষ চিন্তা বা কর্মক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি "সবকিছুর মধ্যে ছড়িয়ে থাকে এবং নিয়ন্ত্রণ করে।" সব বিষয়ে তার কথাই শেষ কথা; তার সিদ্ধান্ত আপিলযোগ্য নয়। সে ফ্যাশন এবং রুচি নির্ধারণ করে, কথার সীমা ঠিক করে দেয় এবং মৃত-রেখা দিয়ে আচরণকে সীমাবদ্ধ করে। * '''অসহাবস্থানযোগ্য''', ''বিণ.'' অন্য কিছু অস্তিত্বশীল থাকলে যার অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব। দুটি জিনিস অসহাবস্থানযোগ্য হয় যখন অস্তিত্বের জগতে একজনের জায়গা থাকলেও দুজনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না—যেমন [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]]-এর কবিতা এবং মানুষের প্রতি ঈশ্বরের দয়া। * '''শৈশব''', ''বি.'' আমাদের জীবনের সেই সময় যখন [[উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ]]-এর মতে, 'স্বর্গ আমাদের ঘিরে থাকে।' এর ঠিক পরেই পৃথিবী আমাদের নিয়ে মিথ্যা বলতে শুরু করে। * '''ভিতরকার''', ''বি. বহুবচন।'' পাকস্থলী, হৃৎপিণ্ড, আত্মা এবং অন্যান্য নাড়িভুঁড়ি। * '''বিদ্রোহ''', ''বি.'' একটি ব্যর্থ বিপ্লব। খারাপ শাসনের বদলে কুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে অসন্তোষের ব্যর্থতা। * '''বিচার''', ''বি.'' এমন এক পণ্য যা কম-বেশি ভেজাল মিশ্রিত অবস্থায় রাষ্ট্র তার নাগরিকদের কাছে বিক্রি করে; তাদের আনুগত্য, ট্যাক্স এবং ব্যক্তিগত সেবার পুরস্কার হিসেবে। * '''কিল্ট''', ''বি.'' এমন এক পোশাক যা মাঝেমধ্যে আমেরিকায় থাকা স্কটিশরা এবং স্কটল্যান্ডে থাকা আমেরিকানরা পরিধান করে। * '''চুরির বাতিকগ্রস্ত''', ''বি.'' একজন ধনী চোর। * '''শ্রম''', ''বি.'' এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে 'ক' ব্যক্তি 'খ' ব্যক্তির সম্পত্তি অর্জন করে। * '''ভূমি''', ''বি.'' পৃথিবীর উপরিভাগের একটি অংশ যা সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। ভূমি যে ব্যক্তিগত মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণের অধীন একটি সম্পদ – এই তত্ত্বটি আধুনিক সমাজের ভিত্তি এবং এটি উপরিকাঠামোর জন্য অত্যন্ত যোগ্য। যৌক্তিকভাবে এর অর্থ দাঁড়ায় যে, কারও কারও অধিকার আছে অন্যদের বেঁচে থাকা প্রতিরোধ করার; কারণ মালিকানার অধিকার মানেই এককভাবে দখলের অধিকার; আর যেখানেই ভূমিতে সম্পত্তির স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে সেখানেই অনধিকার প্রবেশের আইন প্রণীত হয়েছে। এর ফলে যদি সমগ্র স্থলভাগের মালিকানা 'ক', 'খ' এবং 'গ'-এর হয়, তবে 'ঘ', 'ঙ', 'চ' এবং 'ছ'-এর জন্মানোর কোনো জায়গা থাকবে না, অথবা অনুপ্রবেশকারী হিসেবে জন্মালেও টিকে থাকার সুযোগ থাকবে না। * '''হাসি''', ''বি.'' শরীরের ভেতরের এক সংকোচন, যা চেহারার বিকৃতি ঘটায় এবং অস্পষ্ট শব্দের সৃষ্টি করে। এটি সংক্রামক এবং যদিও এটি মাঝেমধ্যে হয়, তবুও এটি নিরাময়যোগ্য নয়। * '''বিদ্যা''', ''বি.'' এক ধরনের অজ্ঞতা যা পড়ুয়াদের আলাদা করে চিনিয়ে দেয়। * '''স্বাধীনতা''', ''বি.'' কল্পনার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদগুলোর একটি। * '''স্বাধীনতা''', ''বি.'' মুক্তাবস্থা এবং স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য সঠিকভাবে জানা নেই; প্রকৃতিবিদরা কোনোটিরই জীবিত নমুনা কখনও খুঁজে পাননি। * '''যুক্তিবিদ্যা''', ''বি.'' মানুষের ভুল বোঝার সীমাবদ্ধতা এবং অক্ষমতার সাথে কঠোরভাবে সংগতি রেখে চিন্তা ও বিচার করার শিল্প। [[File:Frank Bernard Dicksee - Romeo and Juliet, 1884.jpg|thumb|'''ভালোবাসা''', ''বি.'' একটি সাময়িক উন্মাদনা যা বিয়ের মাধ্যমে অথবা রোগীকে সেই প্রভাব থেকে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য যার অধীনে সে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। এই রোগটি কেবল কৃত্রিম পরিবেশে বসবাসকারী সভ্য জাতিগুলোর মধ্যেই প্রচলিত; বিশুদ্ধ বাতাস গ্রহণকারী এবং সাধারণ খাবার খাওয়া অসভ্য জাতিগুলো এর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে মুক্ত থাকে। এটি কখনও কখনও প্রাণঘাতী হয়, তবে রোগীর চেয়ে চিকিৎসকের জন্য এটি বেশি ঘটে।]] * '''ভালোবাসা''', ''বি.'' একটি সাময়িক উন্মাদনা যা বিয়ের মাধ্যমে অথবা রোগীকে সেই প্রভাব থেকে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য যার অধীনে সে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। এই রোগটি কেবল কৃত্রিম পরিবেশে বসবাসকারী সভ্য জাতিগুলোর মধ্যেই প্রচলিত; বিশুদ্ধ বাতাস গ্রহণকারী এবং সাধারণ খাবার খাওয়া অসভ্য জাতিগুলো এর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে মুক্ত থাকে। এটি কখনও কখনও প্রাণঘাতী হয়, তবে রোগীর চেয়ে চিকিৎসকের জন্য এটি বেশি ঘটে। * '''পাগল''', ''বিণ.'' উচ্চমাত্রার বৌদ্ধিক স্বাধীনতা দ্বারা আক্রান্ত; চিন্তা, কথা এবং কাজের সেই সব মানদণ্ড অনুসরণ না করা যা অনুসারীরা নিজেদের অধ্যয়ন থেকে তৈরি করেছে; সংখ্যাগরিষ্ঠের সাথে অমিল থাকা; সংক্ষেপে—অস্বাভাবিক। এটি লক্ষণীয় যে, কর্মকর্তারা কোনো প্রমাণ ছাড়াই ব্যক্তিদের পাগল ঘোষণা করেন, যেখানে তারা নিজেরাও যে সুস্থ তার কোনো প্রমাণ নেই। * '''বিয়ে''', ''বি.'' একটি সম্প্রদায়ের অবস্থা বা দশা যা একজন প্রভু, একজন কর্ত্রী এবং দুজন দাসের সমন্বয়ে গঠিত—সব মিলিয়ে সংখ্যাটি হয় দুই। * '''মেয়োনিজ''', ''বি.'' সসগুলোর মধ্যে একটি যা ফরাসিদের কাছে রাষ্ট্রীয় ধর্মের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। * '''সোমবার''', ''বি.'' খ্রিস্টান দেশগুলোতে, বেসবল খেলার পরের দিন। * '''প্রতিবেশী''', ''বি.'' এমন একজন যাকে আমাদের নিজেদের মতো ভালোবাসার আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং যে আমাদের অবাধ্য করার জন্য যা যা করা সম্ভব তার সবই করে। * '''অ-যোদ্ধা''', ''বি.'' একজন মৃত কুয়াকার। * '''সমুদ্র''', ''বি.'' একটি বিশাল জলরাশি যা মানুষের জন্য তৈরি করা এই পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে আছে—অথচ মানুষের কোনো ফুলকা নেই। * '''একবার''', ''বিণ.'' যথেষ্ট। * '''আফিম''', ''বি.'' ব্যক্তিত্বের কারাগারের একটি খোলা দরজা। এটি জেলের আঙিনার দিকে নিয়ে যায়। * '''সুযোগ''', ''বি.'' একটি হতাশাকে আঁকড়ে ধরার অনুকূল মুহূর্ত। * '''বিরোধী দল''', ''বি.'' রাজনীতিতে এমন এক দল যারা সরকারকে পঙ্গু করে দিয়ে তাকে বেপরোয়া হওয়া থেকে বিরত রাখে। * '''আশাবাদী''', ''বি.'' এই মতবাদের প্রবক্তা যে কালো মানেই সাদা। * '''অতীত''', ''বি.'' অনন্তকালের সেই অংশ যার ক্ষুদ্র একটি ভগ্নাংশের সাথে আমাদের সামান্য এবং অনুশোচনামূলক পরিচয় আছে। বর্তমান নামক একটি চলমান রেখা একে ভবিষ্যৎ নামক এক কাল্পনিক সময় থেকে পৃথক করে। অনন্তকালের এই দুটি বিশাল বিভাজন, যার একটি ক্রমাগত অন্যটিকে মুছে দিচ্ছে, একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। একটি দুঃখ এবং হতাশায় অন্ধকার, অন্যটি সমৃদ্ধি এবং আনন্দে উজ্জ্বল। অতীত হলো কান্নার অঞ্চল, ভবিষ্যৎ হলো গানের রাজ্য। একটিতে চট ও ছাই পরে স্মৃতি কুঁকড়ে বসে থাকে এবং অনুতাপের প্রার্থনা বিড়বিড় করে; অন্যটির রোদে আশা মুক্ত ডানায় ওড়ে, সাফল্যের মন্দির এবং আরামের কুঞ্জবনের দিকে ইশারা করে। তবুও অতীত হলো গতকালের ভবিষ্যৎ, ভবিষ্যৎ হলো আগামীকালের অতীত। তারা আসলে এক: জ্ঞান এবং স্বপ্ন। * '''অতিরিক্ত পরিশ্রম''', ''বি.'' মাছ ধরতে যেতে চায় এমন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের আক্রান্তকারী একটি বিপজ্জনক ব্যাধি। * '''ধৈর্য''', ''বি.'' হতাশার একটি গৌণ রূপ, যা গুণের ছদ্মবেশে থাকে। * '''দেশপ্রেম''', ''বি.'' দাহ্য আবর্জনা যা নিজের নাম উজ্জ্বল করতে উচ্চাকাঙ্ক্ষী যে কারও মশাল ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত। ডক্টর জনসনের বিখ্যাত অভিধানে দেশপ্রেমকে একজন বদমাইশের শেষ আশ্রয় হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। একজন আলোকিত কিন্তু নিম্নমানের অভিধানপ্রণেতার প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই আমি বিনম্রভাবে বলতে চাই যে, এটি আসলে প্রথম আশ্রয়। * '''দর্শন''', ''বি.'' অনেকগুলো পথের একটি রুট যা কোথাও না থেকে শুরু হয়ে শূন্যের দিকে নিয়ে যায়। * '''শূকর''', ''বি.'' একটি প্রাণী যা তার ক্ষুধার জাঁকজমক এবং প্রাণবন্ততার কারণে মানবজাতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত; তবে এই ক্ষুধা পরিধির দিক থেকে নিম্নতর, কারণ এটি শূকর পর্যন্তই আটকে থাকে। * '''ভদ্রতা''', ''বি.'' সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ভণ্ডামি। * '''রাজনীতি''', ''বি.'' আদর্শের লড়াইয়ের ছদ্মবেশে স্বার্থের সংঘাত। ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য জনহিতকর কাজের পরিচালনা। * '''ইতিবাচক''', ''বিণ.'' গলার সর্বোচ্চ স্বর ব্যবহার করে ভুল করা। * '''প্রার্থনা করা''', ''ক্রি.'' মহাবিশ্বের নিয়মগুলো বাতিলের অনুরোধ করা এমন একজন আবেদনকারীর পক্ষে যে নিজেই স্বীকার করে সে অযোগ্য। * '''কুসংস্কার''', ''বি.'' দৃশ্যমান কোনো অবলম্বন ছাড়াই ঘুরে বেড়ানো এক ভবঘুরে মতামত। * '''উদ্ধৃতি''', ''বি.'' অন্যের কথা ভুলভাবে পুনরাবৃত্তি করার কাজ। ভুলভাবে পুনরাবৃত্তি করা শব্দগুলো। * '''যৌক্তিক''', ''বিণ.'' পর্যবেক্ষণ, অভিজ্ঞতা এবং প্রতিফলন জনিত বিভ্রান্তি ছাড়া আর সব বিভ্রান্তি মুক্ত। * '''ধর্ম''', ''বি.'' আশা এবং ভয়ের কন্যা, যা অজ্ঞদের কাছে অজ্ঞাত বিষয়ের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করে। * '''পদত্যাগ করা''', ''ক্রি.'' একটি সুবিধার জন্য একটি সম্মান ত্যাগ করা। বৃহত্তর সুবিধার জন্য একটি সুবিধা ত্যাগ করা। * '''অপ্রকাশিত বাক্য''', ''বি.'' একটি বিখ্যাত বই যেখানে সেন্ট জন দ্য ডিভাইন তার জানা সবকিছু লুকিয়ে রেখেছেন। প্রকাশের কাজটি করেন টিকাকাররা, যারা আসলে কিছুই জানেন না। * '''রাস্তা''', ''বি.'' জমির একটি ফালি যা দিয়ে কেউ এক ক্লান্তিকর জায়গা থেকে এমন এক জায়গায় যেতে পারে যেখানে যাওয়াটা নিরর্থক। * '''সাবাত''', ''বি.'' একটি সাপ্তাহিক উৎসব যার উৎপত্তি এই সত্য থেকে যে ঈশ্বর ছয় দিনে পৃথিবী তৈরি করেছিলেন এবং সপ্তম দিনে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। * '''সন্ত''', ''বি.'' একজন মৃত পাপী, যাকে পরিমার্জন এবং সম্পাদনা করা হয়েছে। [[File:Júpiter y Tetis, por Dominique Ingres.jpg|thumb| '''[[জিউস]]''', ''বি.'' গ্রীক দেবতাদের প্রধান, যাকে রোমানরা জুপিটার হিসেবে এবং আধুনিক আমেরিকানরা ঈশ্বর, স্বর্ণ, জনতা এবং কুকুর হিসেবে পূজা করে। কিছু অন্বেষণকারী যারা আমেরিকার উপকূলে পৌঁছেছেন এবং একজন যিনি অনেক দূর অভ্যন্তরে প্রবেশ করার দাবি করেন, তারা ভেবেছিলেন যে এই চারটি নাম চারটি আলাদা দেবতার। কিন্তু ফ্রাম্প তার 'সারভাইভিং ফেইথস' নামক বিশাল গ্রন্থে জোর দিয়ে বলেছেন যে আদিবাসীরা একেশ্বরবাদী, প্রত্যেকের নিজের ছাড়া আর কোনো ঈশ্বর নেই, যাকে তারা অনেক পবিত্র নামে পূজা করে।]] * '''ধর্মগ্রন্থ''', ''বি.'' আমাদের পবিত্র ধর্মের পবিত্র গ্রন্থসমূহ, যা সেই সব মিথ্যা এবং অপবিত্র লেখা থেকে আলাদা যার ওপর ভিত্তি করে অন্য সব বিশ্বাস দাঁড়িয়ে আছে। * '''স্বার্থপর''', ''বিণ.'' অন্যের স্বার্থপরতার প্রতি বিবেচনা বর্জিত। * '''সাফল্য''', ''বি.'' নিজের সঙ্গীদের বিরুদ্ধে করা একমাত্র অমার্জনীয় পাপ। * '''দুবার''', ''ক্রি. বিণ.'' একবার বেশি। * '''আন-আমেরিকান''', ''বিণ.'' দুষ্ট, অসহনীয়, পৌত্তলিক। * '''গুণাবলি''', ''বি. বহুবচন।'' নির্দিষ্ট কিছু সংযম। * '''ভোট দেওয়া''', ''ক্রি.'' একজন স্বাধীন মানুষের নিজেকে বোকা বানানোর এবং নিজের দেশকে ধ্বংস করার ক্ষমতার হাতিয়ার ও প্রতীক। * '''সাদা''', ''বিণ.'' এবং ''বি.'' কালো। * '''ডাইনি''', ''বি.'' (১) একজন কুৎসিত এবং বিকর্ষণীয় বৃদ্ধা নারী, যে শয়তানের সাথে এক অশুভ জোটে আছে। (২) একজন সুন্দরী এবং আকর্ষণীয় তরুণী, যে দুষ্টুমির দিক থেকে শয়তানের চেয়েও এক ধাপ এগিয়ে। * '''বছর''', ''বি.'' তিনশ পঁষট্টিটি হতাশার একটি সময়কাল। * '''যৌবন''', ''বি.'' সম্ভাবনার সময়, যখন আর্কিমিডিস একটি আলম্ব খুঁজে পায়, ক্যাসান্দ্রার অনুসারী জোটে এবং সাতটি শহর একজন জীবন্ত হোমারকে সম্মান জানানোর জন্য প্রতিযোগিতা করে। * '''উদ্যম''', ''বি.'' তরুণ এবং অনভিজ্ঞদের আক্রান্তকারী একটি বিশেষ স্নায়বিক ব্যাধি। একটি আবেগ যা আছাড় খাওয়ার আগে আসে। * '''[[w:জিউস|জিউস]]''', ''বি.'' গ্রীক দেবতাদের প্রধান, যাকে রোমানরা [[w:জুপিটার|জুপিটার]] হিসেবে এবং আধুনিক আমেরিকানরা ঈশ্বর, স্বর্ণ, মব এবং কুকুর হিসেবে পূজা করে। কিছু অন্বেষণকারী যারা আমেরিকার উপকূলে পৌঁছেছেন এবং একজন যিনি অনেক দূর অভ্যন্তরে প্রবেশ করার দাবি করেন, তারা ভেবেছিলেন যে এই চারটি নাম চারটি আলাদা দেবতার। কিন্তু ফ্রাম্প তার 'সারভাইভিং ফেইথস' নামক বিশাল গ্রন্থে জোর দিয়ে বলেছেন যে আদিবাসীরা একেশ্বরবাদী, প্রত্যেকের নিজের ছাড়া আর কোনো ঈশ্বর নেই, যাকে তারা অনেক পবিত্র নামে পূজা করে। === উক্তি === [[File:Bierce from The Letters 1922 (1).jpg|thumb|কৌতুক করা মানে কেবল চঞ্চল হওয়া, কিন্তু রসবোধ (wit) একটি গুরুতর বিষয়।]] [[File:Ambrose Bierce (signature).jpg|thumb|বনে হারিয়ে গেলে সবসময় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নামো। কোনো দর্শন বা মতবাদে হারিয়ে গেলে উপরের দিকে যাও।]] :<small>পৃষ্ঠা নম্বরগুলো 'দ্য কালেক্টেড ওয়ার্কস অফ অ্যামব্রোজ বিয়ার্স', ৮ম খণ্ড (১৯১১), § "এপিগ্রামস" (পৃ. ৩৪৩ এবং পরবর্তী) থেকে নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত উক্তিগুলো এর আগে অন্য কোথাও প্রকাশিত হয়েছিল।</small> * নারী আরও বেশি আকর্ষণীয় হতো যদি তার হাতে না পড়ে কেবল তার বাহুবন্দী হওয়া যেত। * যে নারী আপনার সাথে অন্যায় করেছে তাকে হত্যা করার অনুমতি আপনার নেই, তবে সে প্রতি মিনিটে বুড়ো হচ্ছে—এই চিন্তা করতে আপনাকে কেউ বাধা দেয়নি। এভাবে আপনি দিনে ১৪৪০ বার প্রতিশোধ নিতে পারেন। * আত্মত্যাগ হলো কোনো কিছু ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতাকে প্রশ্রয় দেওয়া। ** কখনও কখনও এটি "forgo" বানানে উদ্ধৃত করা হয়, তবে বিয়ার্স তার ১৯১১ সালের 'কালেক্টেড ওয়ার্কস'-এ "forego" ব্যবহার করেছিলেন। * প্রতিটি মানুষের জন্য শব্দভাণ্ডারে এমন কিছু থাকে যা তার সাথে দ্বিতীয় চামড়ার মতো লেগে থাকবে। তার শত্রুদের কাজ শুধু সেটা খুঁজে বের করা। ** পৃ. ২৩৬ * গোঁড়ামির কাছে অনুসন্ধিৎসা আর শয়তানি একই বিষয়। ** পৃ. ৩৪৩ * এমন কোনো প্রতিভা নেই যাকে নিজেকে প্রকাশ করার আগ পর্যন্ত সবাই বোকা ভাবেনি; অথচ সে কেবল তখনই বোকা। ** পৃ. ৩৪৫ * পোশাকে খুব বেশি অনন্য হওয়ার চেষ্টা করো না; কারণ নির্বোধদের তা বেশি থাকে আর বুদ্ধিমানদের কম। নিজেকে মৌলিক দেখানো খুব একটা কাজের বিষয় নয়, বরং মনে মনে যুগের চেয়ে কিছুটা আলাদা হও। ** পৃ. ৩৪৫ * কৌতুক করা মানে কেবল চঞ্চল হওয়া, কিন্তু রসবোধ (wit) একটি গুরুতর বিষয়। এটা দেখে হাসার অর্থ হলো তুমি এটা বুঝতে পারোনি। ** পৃ. ৩৪৬ * তুমি যদি তোমার সমসাময়িকদের কাছে মহান হতে চাও, তবে তাদের চেয়ে খুব বেশি মহান হয়ো না। ** পৃ. ৩৪৬ * ওহে গর্বিত পরোপকারী, তোমার আশা বৃথা— <br> লাভের মাধ্যমে যা হারিয়েছ, তা দানের মাধ্যমে ফিরে পাওয়া। ** পৃ. ৩৪৯। আগে 'কসমোপলিটান', ৪২তম খণ্ড, ৬ষ্ঠ সংখ্যায় (এপ্রিল ১৯০৭, পৃ. ৬৯৫) "স্মল কন্ট্রিবিউশনস"-এ প্রকাশিত হয়েছিল। * দার্শনিক বলেন, "ইচ্ছার কোনো স্বাধীনতা নেই; কাউকে ফাঁসি দেওয়া অত্যন্ত অন্যায়।" <br> অফিসার সায় দেন, "ইচ্ছার কোনো স্বাধীনতা নেই; আমরা ফাঁসি দেই কারণ আমরা বাধ্য।" ** পৃ. ৩৫০ * অসন্তোষের খেলার নিজস্ব নিয়ম আছে, আর যে তা মানে না সে প্রতারণা করে। অন্যের সুবিধা বা সম্পদ নিজের করে নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করার অনুমতি তোমার নেই; তোমার অনুমতি আছে কেবল অন্য কেউ হওয়ার ইচ্ছা করার। ** পৃ. ৩৫২ * তুমি যদি একটি নিখুঁত বই পড়তে চাও তবে তার একটিই উপায় আছে: সেটি নিজেই লেখো। ** পৃ. ৩৫৩ * বনে হারিয়ে গেলে সবসময় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নামো। কোনো দর্শন বা মতবাদে হারিয়ে গেলে উপরের দিকে যাও। ** পৃ. ৩৫৪ * আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে নতি স্বীকার করি কারণ আমরা বাধ্য। কিন্তু আমাদের এই বশ্যতার ভঙ্গিটিকে সম্মানের ভঙ্গি বলতে আমরা বাধ্য নই। ** পৃ. ৩৫৪ * একজন জনপ্রিয় লেখক তিনি যিনি তা-ই লেখেন যা মানুষ ভাবে। প্রতিভা মানুষকে অন্য কিছু ভাবার আমন্ত্রণ জানায়। ** পৃ. ৩৫৬ * গুণাবলিরা তাদের রানি হিসেবে বিনয়কে বেছে নিল। <br> বিনয় বলল, "আমি জানতাম না যে আমি একটি গুণ। তোমরা কেন সারল্যকে বেছে নিলে না?" <br> তারা উত্তর দিল, "তার অজ্ঞতার কারণে। সে শুধু এটুকুই জানে যে সে একটি গুণ।" ** পৃ. ৩৫৮ * গণতন্ত্র একমাত্র যে যোগ্যতার পুরষ্কার দেয় তা হলো উচ্চমাত্রার অনুবর্তিতা। ** পৃ. ৩৫৮ * অপভাষা (slang) হলো সেই ব্যক্তির কথা যে ডাস্টবিনে ফেলার জন্য নিয়ে যাওয়া সাহিত্যের আবর্জনার গাড়ি থেকে চুরি করে। ** পৃ. ৩৫৮ * গণক হাতের মুঠোর ভাঁজ দেখে বলে সেগুলো চরিত্রের চিহ্ন। দার্শনিক চরিত্র বিচার করেন সেই জিনিসটি দেখে যা হাত সবচেয়ে বেশি আঁকড়ে ধরতে পছন্দ করে। ** পৃ. ৩৬০ * যে অর্থলোভী নিজের কাজ পাগল হওয়ার দোহাই দেয় তার প্রতিরক্ষা দুর্বল, কারণ টাকা উপার্জনের কাজকে ভালোবাসা টাকা ভালোবাসার চেয়েও নিচু স্তরের রুচি। ** পৃ. ৩৬১ * একজন মানুষ তার পূর্বপুরুষদের সমষ্টি; তাকে সংশোধন করতে হলে তোমাকে একটি মৃত বানর থেকে শুরু করতে হবে এবং দশ লক্ষ কবরের মধ্য দিয়ে নিচে নামতে হবে। সে হলো ঝোলানো শিকলের নিচের প্রান্তের মতো; তুমি তাকে সামান্য ডানে বা বামে দোলাতে পারো, কিন্তু হাত সরিয়ে নাও এবং সে আবার অন্য কড়িগুলোর সাথে লাইনে ফিরে আসবে। ** পৃ. ৩৬৩ * যে কষ্টে চিন্তা করে সে খুব জলদি বিশ্বাস করে। ** পৃ. ৩৬৩ * জীবনের পথে অনেক আনন্দকেন্দ্র আছে, কিন্তু ভেবো না যে সেগুলোতে দেরি করলে যাত্রার দিন বেড়ে যাবে। তোমার পৌঁছানোর দিনটি আগেই লেখা হয়ে গেছে। ** পৃ. ৩৬৪ * সবচেয়ে বিরক্তিকর অহংকারী হলো সে যে "আমি" এবং "আমাকে" বলতে ভয় পায়। "সম্ভবত বৃষ্টি হবে"—এটি স্বৈরাচারী কথা। "আমি মনে করি বৃষ্টি হবে"—এটি স্বাভাবিক এবং বিনয়ী। মঁতেন ছিলেন সবচেয়ে চমৎকার প্রবন্ধকার কারণ তার বিনয় এতই বেশি ছিল যে তিনি আমাদের মঁতেনকে না দেখানোটাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেননি। তিনি নিজেকে এতটাই ভুলে যেতেন যে আমাদের তাকে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি কোনো কৃত্রিমতার আশ্রয় নিতেন না। ** পৃ. ৩৬৪ * বিশ্বাস পরিবর্তনশীল; সবসময় সংগতিপূর্ণ থাকা মানে মাঝেমধ্যে অসৎ হওয়া। ** পৃ. ৩৬৭ * সবচেয়ে অসহিষ্ণু সমর্থক তিনি যিনি নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন। ** পৃ. ৩৬৭ * ধনীদের অনুগ্রহ পাওয়ার জন্য গরিব মানুষের দেওয়া প্রবেশমূল্য হলো তার আত্মসম্মান। ** পৃ. ৩৬৮ * সবাই পাগল, কিন্তু যে নিজের বিভ্রান্তি বিশ্লেষণ করতে পারে তাকে দার্শনিক বলা হয়। ** পৃ. ৩৬৯ * অপভাষা হলো একটি নোংরা ডোবা যেখানে প্রতিটি গাধা তার বালতি ভরে এবং তারপর নিজেকে একটি ঝরনা হিসেবে জাহির করে। ** পৃ. ৩৬৯ * সুখ হারিয়ে যায় একে সমালোচনা করলে; দুঃখ হারিয়ে যায় একে গ্রহণ করলে। ** পৃ. ৩৭১ * সমৃদ্ধির সময় মূর্খ আসন্ন বিপদের আশঙ্কায় কাঁপে; বিপদের সময় দার্শনিক তার পাওয়া ভালো সময়ের কথা ভেবে হাসে। ** পৃ. ৩৭১ * বৃদ্ধ বয়স, যার চোখ মাথার পেছনে থাকে, সে মনে করে যে কাদার মধ্য দিয়ে সে হাবুডুবু খেয়ে এসেছে তা দেখাই হলো প্রজ্ঞা। ** পৃ. ৩৭২-৩৭৩ * প্রজ্ঞা কেবল বোকামির সাথে তুলনা করলেই বোঝা যায়; ছায়া থাকলেই আমরা বুঝতে পারি যে সব দৃশ্যমান বস্তু সমতল নয়। তবুও পরোপকারীরা মন্দকে নির্মূল করতে চায়! ** পৃ. ৩৭৩ * ব্যর্থতার চোখে সাফল্য একটি দুর্ঘটনা। ** পৃ. ৩৭৩ * যতক্ষণ তোমার ভবিষ্যৎ আছে ততক্ষণ নিজের অতীত নিয়ে খুব বেশি পড়ে থেকো না: যদি না তুমি পেছন দিকে হাঁটতে পছন্দ করো, আয়না একজন খারাপ পথপ্রদর্শক। ** পৃ. ৩৭৪ == ভুল তথ্যসম্বলিত উক্তি == * যুদ্ধ হলো আমেরিকানদের ভূগোল শেখানোর ঈশ্বরের এক পদ্ধতি। ** কোট ইনভেস্টিগেটর-এ ["War Is God's Way of Teaching Us Geography"] ** "যুদ্ধ হলো আমেরিকানদের ভূগোল শেখানোর ঈশ্বরের এক পদ্ধতি"—এই মন্তব্যটি অনবরত অ্যামব্রোজ বিয়ার্সের নামে চালানো হয়। জীবনীকার ডেভিড ই. শুল্টজ, যার কম্পিউটারে বিয়ার্সের প্রায় সব লেখা জমা আছে, তার ডাটাবেসে এই তিক্ত মন্তব্যটি খুঁজে পাননি। রালফ কেইস, 'দ্য কোট ভেরিফায়ার' (২০০৭), পৃ. ২৪০। == বহিঃসংযোগ == * [http://donswaim.com/ অ্যামব্রোজ বিয়ার্স সাইট] * [http://www.gutenberg.org/browse/authors/b#a206 বিয়ার্স] — [[w:প্রজেক্ট গুটেনবার্গ|প্রজেক্ট গুটেনবার্গে]] * [http://www.biercephile.com অ্যামব্রোজ বিয়ার্স অ্যাপ্রিসিয়েশন সোসাইটি] * [http://www.ambrosebierce.org অ্যামব্রোজ বিয়ার্স প্রজেক্ট] * [http://ojinaga.com/bierce/ "অ্যামব্রোজ বিয়ার্স, 'দ্য ওল্ড গ্রিঙ্গো': তথ্য, ফিকশন এবং ফ্যান্টাসি"] * [http://www.rjgeib.com/thoughts/bierce/ambrose-bierce.html বিয়ার্সের শেষ চিঠিগুলোর একটি] * [http://atheisme.free.fr/Biographies/Bierce_e.htm অ্যামব্রোজ বিয়ার্সের জীবনী এবং উক্তি] * [http://bitterbierce.blogspot.com ওয়েকিন অ্যামব্রোজ: ডেভিলস ডিকশনারির সমসাময়িক রূপান্তর] [[বিষয়শ্রেণী:অ্যফোরিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যান্টাসি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:হরর লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌতুকাভিনেতা]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাস্যরসাত্মক লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ওহাইওর সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কলাম লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পাদক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচক]] [[বিষয়শ্রেণী:সাহিত্য সমালোচক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ছোটগল্পকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্মৃতিকথাকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যঙ্গাত্মক লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৪২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১০-এর দশকে মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অজ্ঞেয়বাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:দাসপ্রথা বিলোপবাদী]] iq6po3o2168n69z9xwbh9vg5w4xrq3h 81912 81911 2026-04-28T09:35:05Z Tuhin 172 /* ভুল তথ্যসম্বলিত উক্তি */ 81912 wikitext text/x-wiki [[File:Abierce.jpg|thumb| '''[[অযৌক্তিকতা]]''', ''বি.'' এমন একটি বিবৃতি বা [[বিশ্বাস]], যা নিজের [[মতামত|মতামতের]] সাথে স্পষ্টভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ।]] '''[[w:অ্যামব্রোজ বিয়ার্স|অ্যামব্রোজ গুইনেট বিয়ার্স]]''' ([[২৪ জুন]], [[১৮৪২]] – মৃত্যুর তারিখ অনিশ্চিত; সম্ভবত [[১৯১২]] সালের শেষ দিকে বা [[১৯১৪]] সালের শুরুতে) ছিলেন একজন আমেরিকান বিদ্রূপকারী, সমালোচক, ছোটগল্পকার, সম্পাদক এবং সাংবাদিক। তিনি সম্ভবত তার ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত ব্যঙ্গাত্মক অভিধান, '''[[w:দ্য ডেভিলস ডিকশনারি|দ্য ডেভিলস ডিকশনারি]]'''-এর জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত, যেখানে তিনি সাধারণ শব্দের বিকল্প ও আরও বাস্তবসম্মত সংজ্ঞা প্রদানের মাধ্যমে বছরের পর বছর ধরে আমেরিকান সংস্কৃতি এবং প্রচলিত জ্ঞানকে বিদ্ধ করেছেন। == উক্তি == [[File:Hansel-and-gretel-rackham (cropped).jpg|thumb|যদি এটি একটি দুর্বল মানবতাবাদ এবং অপূর্ণ হজমশক্তির সংমিশ্রণ না হতো, তবে প্রকৃতির ইচ্ছা অনুযায়ী আমাদের নিজেদের সন্তানদেরই ভক্ষণ করা উচিত ছিল।]] * বালকদের অস্তিত্ব যে এখনো টিকে আছে, তা পুরুষদের অসাধারণ খ্রিস্টীয় ধৈর্যেরই প্রমাণ। যদি এটি একটি দুর্বল মানবতাবাদ এবং অপূর্ণ হজমশক্তির সংমিশ্রণ না হতো, তবে প্রকৃতির ইচ্ছা অনুযায়ী আমাদের নিজেদের সন্তানদেরই ভক্ষণ করা উচিত ছিল। ** "টাউন ক্রায়ার" কলাম, ''সান ফ্রান্সিসকো নিউজ-লেটার'' (আনু. ১৮৭০) [http://books.google.com/books?ei=65MyT4yGB6bJ0QGg9p3mBw&id=GqUOAQAAMAAJ&q=&quot;The+fact+that+boys+are+allowed+to+exist+at+all+is+evidence+of+a+remarkable+Christian+forbearance+among+men+were+it+not+for+a+mawkish+humani-tarianism+coupled+with+imperfect+digestive+powers+we+should+devour+our+young+as+Nature+intended&quot;&pg=PA74#v=onepage] * কারণ মৃত্যু বিভিন্ন প্রকারের হয়। কোনোটিতে দেহ রয়ে যায়, আবার কোনোটিতে এটি আত্মার সাথে পুরোপুরি বিলীন হয়ে যায়। এটি সাধারণত কেবল নির্জনতাতেই ঘটে, কারণ সেটিই ঈশ্বরের ইচ্ছা। কেউ শেষ পরিণতি না দেখায় আমরা বলি মানুষটি হারিয়ে গেছে বা দীর্ঘ সফরে গিয়েছে, যা সে প্রকৃতপক্ষে গিয়েছেও। তবে কখনও কখনও এটি অনেকের সামনেও ঘটেছে, যার প্রচুর প্রমাণ রয়েছে। এক ধরনের মৃত্যুতে আত্মাও মারা যায় এবং শরীর বহু বছর সজীব থাকা অবস্থাতেও এমনটি হতে দেখা গিয়েছে। কখনও কখনও শরীর মারা যাওয়ার সাথে সাথেই আত্মা মারা যায়, আবার কখনও একটি নির্দিষ্ট সময় পর সেই স্থানে পুনরায় জেগে ওঠে যেখানে শরীরটি পচে গিয়েছিল। * আমার চারদিকে শুকনো ঘাসে ঢাকা, একটি ধূসর এবং জনশূন্য প্রান্তর বিস্তৃত ছিল। সেই ঘাসগুলো শরতের বাতাসে, কোনো এক রহস্যময় এবং অস্বস্তিকর ইঙ্গিত নিয়ে শব্দ করছিল। মাঝে মাঝে সেখান থেকে অদ্ভুত আকৃতির, কালচে রঙের পাথর বেরিয়ে ছিল। সেগুলোকে দেখে মনে হচ্ছিল, তাদের মধ্যে পারস্পরিক কোনো বোঝাপড়া আছে এবং তারা অর্থবহ দৃষ্টি বিনিময় করছে, যেন তারা কোনো পূর্বনির্ধারিত ঘটনার ফলাফল দেখার জন্য মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। এখানে সেখানে কয়েকটি বিধ্বস্ত গাছ, এই নীরব প্রতীক্ষার অশুভ ষড়যন্ত্রের নেতা হিসেবে উপস্থিত ছিল। * এই পাথরটি সম্ভবত সেই কবরের চিহ্ন ছিল, যেখান থেকে যুগ যুগ আগে গাছটি জন্মেছিল। গাছটির জেদি শিকড়গুলো কবরটি লুণ্ঠন করে, পাথরটিকে বন্দী করে ফেলেছিল। <br> হঠাৎ এক দমকা হাওয়ায়, পাথরের উপরের অংশ থেকে কিছু শুকনো পাতা এবং ডালপালা সরে গেলে, আমি একটি খোদাই করা লিপি দেখতে পেলাম এবং তা পড়ার জন্য ঝুঁকলাম। হে ঈশ্বর! সেখানে আমার পুরো নাম, আমার জন্মের তারিখ এবং আমার মৃত্যুর তারিখ লেখা ছিল! <br> আমি আতঙ্কে লাফিয়ে ওঠার সাথে সাথে, আলোর একটি সমান্তরাল রেখা পুরো গাছটিকে আলোকিত করে তুলল। গোলাপী পূর্ব আকাশে সূর্য উঠছিল। আমি সূর্য এবং তার বিশাল লাল থালার মাঝে দাঁড়ালাম, কিন্তু গাছের কাণ্ডে কোনো ছায়া পড়ল না! <br> নেকড়েদের একদল চিৎকার করে ভোরকে অভিবাদন জানাল। আমি তাদের মরুভূমির অর্ধেকটা জুড়ে দিগন্ত পর্যন্ত বিস্তৃত অনিয়মিত ঢিবি এবং সমাধিস্তূপের ওপর, একা বা দলবেঁধে বসে থাকতে দেখলাম। তখনই আমি বুঝতে পারলাম যে, এগুলোই সেই প্রাচীন এবং বিখ্যাত শহর কারকোসার [[ধ্বংসাবশেষ]]। ** "[[S:অ্যান ইনহ্যাবিটেন্ট অফ কারকোসা|অ্যান ইনহ্যাবিটেন্ট অফ কারকোসা]]", প্রথম প্রকাশিত: ''সান ফ্রান্সিসকো নিউজ লেটার অ্যান্ড ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাডভার্টাইজার'' (২৫ ডিসেম্বর, ১৮৮৬) * পেটন ফারকুয়ার মারা গিয়েছিলেন। তার ভাঙা ঘাড়সহ দেহটি আউল ক্রিক ব্রিজের কাঠের কাঠামোর নিচে, ধীরে ধীরে এপাশ-ওপাশ দুলছিল। ** "[[s:অ্যান অকারেন্স অ্যাট আউল ক্রিক ব্রিজ|অ্যান অকারেন্স অ্যাট আউল ক্রিক ব্রিজ]]", প্রথম প্রকাশিত: 'সান ফ্রান্সিসকো এক্সামিনার' (১৩ জুলাই, ১৮৯০) [[File:Lenoir, Charles-Amable - A Nymph In The Forest.jpg|thumb|[[সুখ]]... কেবল তখনই আসে যখন একে খোঁজা হয় না এবং একে নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না।]] * হাইতা তাকে সব খুলে বলল যে, কীভাবে তিনবার সে সেই উজ্জ্বল কুমারীর দেখা পেয়েছে এবং তিনবারই সে তাকে নিঃসঙ্গ অবস্থায় ছেড়ে চলে গিয়েছে। তাদের মধ্যে যা যা কথা হয়েছিল, তার একটি শব্দও বাদ না দিয়ে সে বিস্তারিত বর্ণনা করল। <br> তার কথা শেষ হলে পবিত্র সন্ন্যাসী কিছুক্ষণ নীরব থেকে বললেন, "বৎস, আমি তোমার গল্প শুনেছি এবং আমি সেই কুমারীকে চিনি। অনেকের মতো আমিও তাকে দেখেছি। জেনে রাখো যে তার নাম হলো [[সুখ]], যা সে তোমাকে জিজ্ঞাসা করার অনুমতিও দেয়নি। তুমি তাকে ঠিকই বলেছিলে যে সে খামখেয়ালি, কারণ সে এমন শর্ত দেয় যা মানুষ পূরণ করতে পারে না এবং সামান্য ত্রুটি হলেই সে চলে গিয়ে শাস্তি দেয়। সে কেবল তখনই আসে যখন তাকে খোঁজা হয় না এবং তাকে নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। সামান্য কৌতূহল, সন্দেহের একটি চিহ্ন বা আশঙ্কার একটি প্রকাশ ঘটলেই সে উধাও হয়ে যায়! চলে যাওয়ার আগে তুমি তাকে কতক্ষণ নিজের কাছে পেয়েছিলে?" <br> লজ্জিত মুখে হাইতা স্বীকার করল যে, সে প্রতিবারই তাকে মাত্র এক মুহূর্তের জন্য পেয়েছিল। <br> তখন পবিত্র সন্ন্যাসী বললেন, "দুর্ভাগা যুবক! তোমার এই অবিবেচনার জন্য না হলে, তুমি হয়তো তাকে অন্তত দুই মুহূর্তের জন্য পেতে পারতে।" ** "[[S:হাইতা দ্য শেফার্ড|হাইতা দ্য শেফার্ড]]" (১৮৯১) * সত্যি বলতে, গ্রাফটন কবরস্থানের অর্ধেকের বেশি কবরেই "অজ্ঞাত" লেখা আছে। মাঝে মাঝে কেউ সেই विरोধাভাস নিয়ে ভাবে, যা এমন একজনের স্মৃতিকে সম্মান জানানোর সাথে জড়িত, যার স্মরণে রাখার মতো কোনো স্মৃতিই অবশিষ্ট নেই। তবে এই প্রচেষ্টা জীবিতদের বা যুক্তিবাদীদের বড় কোনো ক্ষতি করে না। ** "অ্যা বিভুয়াক অফ দ্য ডেড", 'দ্য নিউ ইয়র্ক আমেরিকান' (২২ নভেম্বর, ১৯০৩) **:<small>তুলনা করুন: [[থিওডোর ও'হারা|থিওডোর ও'হারার]], "[[w:বিভুয়াক অফ দ্য ডেড|বিভুয়াক অফ দ্য ডেড]]"</small> * [[ব্যবসা]] নামে পরিচিত [[জুয়া|জুয়াটি]], সবসময়ই জুয়া নামে পরিচিত ব্যবসাটিকে কঠোর অপছন্দের চোখে দেখে। ** "ডাইভারশনস অফ অ্যান আইডলার: সাম নেগ্লিজিবল এপিগ্রামস", 'কসমোপলিটান', ৩৯তম খণ্ড, ৪ নম্বর সংখ্যা (আগস্ট ১৯০৫), পৃ. ৪৪৪। * এমন কিছু [[শব্দ]] আছে, যা আমরা [[শ্রবণ|শুনতে]] পাই না। স্কেলের দুই প্রান্তেই এমন সুর আছে, যা মানুষের কানের মতো অপূর্ণ যন্ত্রে কোনো ঝঙ্কার তোলে না, কারণ সেগুলো হয় [[W:আল্ট্রাসাউন্ড|অতি উচ্চ]] অথবা [[W:ইনফ্রাসাউন্ড|অতি গভীর]]। আমি দেখেছি একঝাঁক কালো পাখি একটি গাছের মগডাল দখল করে গান গাইছে। হঠাৎ এক নিমেষে, সবাই একদম একই সময়ে উড়ে গেল। তারা সবাই সবাইকে দেখতে পাচ্ছিল না কারণ মাঝখানে অনেক ডালপালা ছিল, তাই কোনো নেতার সংকেত সবার দেখার কথা নয়। নিশ্চয়ই সেখানে উচ্চ এবং তীক্ষ্ণ কোনো সতর্কবার্তা ছিল, যা আমি শুনতে পাইনি। আমি এমনও দেখেছি যে, সবাই নীরব থাকা অবস্থায় একই সাথে উড়াল দিচ্ছে। কেবল কালো পাখিই নয়, বরং কোয়েলদের ক্ষেত্রেও এমনটি ঘটে, যারা পাহাড়ের বিপরীত দিকে থাকা সত্ত্বেও একই সাথে ডুব দেয়। <br> নাবিকদের কাছে এটি পরিচিত যে, মহাসাগরে মাইল জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একদল [[তিমি]], পৃথিবীর গোলকীয় বক্রতা থাকা সত্ত্বেও মাঝে মাঝে একদম একই সময়ে ডুব দেয়। তখন এমন সংকেত বেজে ওঠে যা নাবিকদের কানে পৌঁছায় না, কিন্তু তারা জাহাজে এর কম্পন অনুভব করে। <br> শব্দের মতো [[রঙ|রঙের]] ক্ষেত্রেও একই নিয়ম খাটে। [[W:তড়িৎচৌম্বকীয় বর্ণালী|সৌর বর্ণালীর]] প্রতিটি প্রান্তে এমন রশ্মি আছে, যা আমরা দেখতে পাই না। মানুষের [[চোখ]] একটি অপূর্ণ যন্ত্র, যার পরিসীমা খুবই সীমিত। আমি পাগল নই, কারণ এমন অনেক রং আছে যা আমাদের দেখার ক্ষমতার বাইরে। <br> আর ঈশ্বর আমাকে রক্ষা করুন, কারণ সেই অভিশপ্ত জিনিসটি ঠিক তেমনই এক রঙের! ** "[[S:দ্য ড্যামড থিং|দ্য ড্যামড থিং]]", 'কালেক্টেড ওয়ার্কস', ৩য় খণ্ড (১৯০৯) * '''লক্ষ্য করো, কীভাবে আমার খ্যাতি এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে: হাজার হাজার সমালোচক চিৎকার করে বলছে, "সে অজ্ঞাত!"''' ** দ্বিপদী উক্তি, চার্লস পুয়োরের "বুকস অফ দ্য টাইমস"-এ উদ্ধৃত, 'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস' (১৫ নভেম্বর, ১৯৪৫), পৃ. ১৭। * [[w:হেরোদ|হেরোদকে]] নিয়ে পড়াশোনা করুন ম্যাডাম, হেরোদকে নিয়ে পড়াশোনা করুন। ** বিরক্তিকর কোনো সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন অবাধ্য সন্তানদের মানুষ করার উপায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, তখন এই উক্তিটি করা হয়। ফ্লোরেন্স কিং-এর 'রিফ্লেকশনস ইন আ জন্ডিসড আই' (সেন্ট মার্টিনস পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৯০) বইয়ে এটি উল্লেখ আছে। * [[w:হেরোদ|হেরোদকে]] নিয়ে পড়াশোনা করুন ম্যাডাম, হেরোদকে নিয়ে পড়াশোনা করুন। ** বিরক্তিকর কোনো সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন অবাধ্য সন্তানদের মানুষ করার উপায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, তখন এই উক্তিটি করা হয়। ফ্লোরেন্স কিং-এর 'রিফ্লেকশনস ইন আ জন্ডিসড আই' (সেন্ট মার্টিনস পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৯০) বইয়ে এটি উল্লেখ আছে। === ''হোয়াট আই স অ্যাট শিলো'' (১৮৮১) === :<small>আমেরিকান গৃহযুদ্ধ নিয়ে বিয়ার্সের প্রথম প্রকাশিত স্মৃতিকথা। এই কর্মটি কয়েকটি অংশে বিভক্ত, যা [[সংখ্যা]] দ্বারা চিহ্নিত।</small> [[File:Thure de Thulstrup - Battle of Shiloh.jpg|thumb|একটি সেনাবাহিনীর সবচেয়ে সাহসী মানুষ হলো তাদের ভীরুরা। শত্রু সৈন্যের হাতে যে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে তারা চায় না, সেই মৃত্যুর মুখে তারা বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছাড়াই নিজেদের কর্মকর্তাদের হাতে পড়বে।]] * এটি একটি যুদ্ধের সাধারণ কাহিনী। এমন এক গল্প যা একজন সৈনিক, যে কি না কোনো লেখক নয়, শোনাচ্ছে এমন একজন পাঠককে, যে কি না কোনো সৈনিক নয়। ** ১ * একটি সেনাবাহিনীর সবচেয়ে সাহসী মানুষ হলো তাদের ভীরুরা। শত্রু সৈন্যের হাতে যে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে তারা চায় না, সেই মৃত্যুর মুখে তারা বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছাড়াই নিজেদের কর্মকর্তাদের হাতে পড়বে। ** ৫ * ঝোপঝাড়ের পেছনে গর্তের মধ্যে লুকানো ছিল বড় বড় তাবু, যা মোমবাতির আলোয় আবছা আলোকিত হলেও দেখতে বেশ আরামদায়ক ছিল। সেই তাবুগুলো কী ধরনের আরাম প্রদান করছিল তা বোঝা হচ্ছিল, যখন এক জোড়া মানুষ পালকি নিয়ে ভেতরে ঢুকছিল এবং পুনরায় বেরিয়ে আসছিল। ভেতরে চাপা আর্তনাদ শোনা যাচ্ছিল এবং বাইরে মুখ ঢাকা মৃতদেহের লম্বা সারি পড়ে ছিল। এই তাবুগুলো অনবরত আহতদের গ্রহণ করছিল, তবুও কখনও পূর্ণ হচ্ছিল না। আবার অবিরাম মৃতদেহ বের করে দিচ্ছিল, তবুও কখনও খালি হচ্ছিল না। এটি এমন ছিল যেন অসহায়দের ভেতরে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে, যাতে তারা আগামীকাল যাদের লড়াই করার কথা তাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে। ** ৫ * আমি ধারণা করি যে, করিন্থ এবং পিটসবার্গ ল্যান্ডিং-এর মধ্যবর্তী অঞ্চলে কুমির ছাড়া হয়তো আরও কিছু অধিবাসী ছিল। তারা কেমন মানুষ ছিল তা বলা অসম্ভব, কারণ যুদ্ধ তাদের তাড়িয়ে দিয়েছিল অথবা সম্ভবত নির্মূল করে দিয়েছিল; হয়তো তাদের কেবল "অ-সরীসৃপ" হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেই আমি যথেষ্ট বর্ণনা দিতে পারব এবং একই সাথে সেই স্বাভাবিক সন্দেহ থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারব যা এমন একজন লেখকের ওপর বর্তায়, যে কি না অপরিচিত মানুষের কাছে এমন ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে যাদের সে নিজেও চেনে না। '''তবে একটি বিষয় আমি কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে, এই জলাভূমির বাসিন্দারা ধার্মিক ছিল। তারা কোন দেবতার পূজা করত—মিসরীয়দের মতো কুমিরের নাকি অন্যান্য আমেরিকানদের মতো নিজেদের—তা আমি আন্দাজ করতে পারছি না।''' কিন্তু তারা যে দেবতারই আরাধনা করুক না কেন, তার বা সেই সত্তার জন্য তারা একটি উপাসনালয় তৈরি করেছিল। জনশূন্য প্রান্তরের ঠিক মাঝখানে অবস্থিত এই সাধারণ ভবনটি শিলোহ চ্যাপেল নামে পরিচিত ছিল, যেখান থেকে এই যুদ্ধের নাম হয়েছে। ** ৬ * কামানের গোলায় ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়া গাছের কাণ্ডগুলো থেকে চেরা কাঠ এমনভাবে বেরিয়ে ছিল যেন অনেকগুলো হাত এবং ক্ষতের ওপরের অংশ ও নিচের অংশের আঙুলগুলো একে অপরের সাথে জড়িয়ে আছে। ** ৭ === 'দ্য সিনিকস ওয়ার্ড বুক' (১৯০৬) === * একটি চুমু আসলে কামড়েরই এক মার্জিত রূপ; একজন স্নেহময়ী মা যখন আবেগাপ্লুত হয়ে দাবি করেন যে তার সন্তান 'এতটাই ভালো যে প্রায় খেয়ে ফেলা যায়', তখন তিনি আসলে এটাই দেখান যে তিনি নিজেও তাকে খেয়ে ফেলার জন্য সামান্য একটু বেশিই ভালো মানুষ। ** পৃ. ৪৩ (নরখাদক) * [[অসহিষ্ণুতা]] স্বাভাবিক এবং যুক্তিযুক্ত, কারণ প্রতিটি ভিন্নমতের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে নিজের শ্রেষ্ঠতর প্রজ্ঞার এক অহংকার। ** পৃ. ৯৪ (উক্তি) * কোনো অস্ত্রোপচারের আগে আপনার বৈষয়িক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিন। আপনি বেঁচেও যেতে পারেন। ** পৃ. ৯৪ (উক্তি) === '''[[w:দ্য ডেভিলস ডিকশনারি|দ্য ডেভিলস ডিকশনারি]]''' (১৯১১) === :<small>প্রথম 'এ' থেকে 'এল' বর্ণ পর্যন্ত 'দ্য সিনিকস ওয়ার্ড বুক' (১৯০৬) নামে প্রকাশিত হয়েছিল।</small> [[File:As08-16-2593.jpg|thumb|'''[[সমুদ্র]]''', ''বি.'' একটি বিশাল জলরাশি যা মানুষের জন্য তৈরি করা এই পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে আছে, অথচ মানুষের কোনো ফুলকা নেই।]] * '''অস্বাভাবিক,''' ''বিণ.'' চিন্তা ও আচরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত মানদণ্ড অনুসরণ না করা। স্বাধীন হওয়া মানেই অস্বাভাবিক হওয়া, আর অস্বাভাবিক হওয়া মানেই ঘৃণিত হওয়া। অতএব অভিধানপ্রণেতা পরামর্শ দিচ্ছেন যে, নিজের চেয়ে বরং "গড়পড়তা মানুষের" সাথে সাদৃশ্য বজায় রাখার জন্য কঠোর প্রচেষ্টা করা উচিত। যে এই কাজে সফল হবে সে শান্তি পাবে, মৃত্যুর সম্ভাবনা খুঁজে পাবে এবং নরকের আশা পাবে। * '''অনুপস্থিত,''' ''বিণ.'' পরনিন্দার কবলে পড়ার জন্য বিশেষভাবে উন্মুক্ত; কলঙ্কিত; হতাশাজনকভাবে ভুল পথে থাকা; অন্যের বিবেচনা এবং স্নেহ থেকে অপসারিত। * পুরুষের কাছে পুরুষ কেবলই একটি মন। কে তোয়াক্কা করে <br> সে কোন মুখ নিয়ে চলে বা তার আকার কেমন? <br> কিন্তু নারীর শরীরই হলো নারী। ওহে, <br> আমার প্রিয়তমা, তুমি থাকো, কক্ষনো যেয়ো না, <br> বরং জ্ঞানীর সতর্কবার্তা শোনো: <br> একজন অনুপস্থিত নারী মানেই একজন মৃত নারী। * '''সংযমী''', ''বি.'' একজন দুর্বল ব্যক্তি যে নিজেকে আনন্দ থেকে বঞ্চিত করার প্রলোভনের কাছে হার মানে। একজন পূর্ণ সংযমী হলো সে, যে সংযম ছাড়া আর সবকিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখে, বিশেষ করে অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক গলানো থেকে বিরত থাকতে পারে না। * '''অযৌক্তিকতা''', ''বি.'' এমন একটি বিবৃতি বা বিশ্বাস যা নিজের মতামতের সাথে স্পষ্টভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ। * '''ঐক্য''', ''বি.'' সুসমন্বয়। * '''অ্যাকর্ডিয়ন''', ''বি.'' একজন ঘাতকের অনুভূতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বাদ্যযন্ত্র। * '''পরিচিত''', ''বি.'' এমন একজন ব্যক্তি যার কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার মতো যথেষ্ট চেনা-জানা আছে, কিন্তু তাকে ঋণ দেওয়ার মতো যথেষ্ট ঘনিষ্ঠতা নেই। বন্ধুত্বের একটি ধাপ, যা লক্ষ্যবস্তু গরিব বা অখ্যাত হলে "সামান্য" বলা হয় এবং সে ধনী বা বিখ্যাত হলে "ঘনিষ্ঠ" বলা হয়। * '''প্রশংসা''', ''বি.'' অন্যের মাঝে আমাদের নিজেদের সাদৃশ্যের বিনয়ী স্বীকৃতি। * '''উপদেশ''', ''বি.'' বর্তমানের সবচেয়ে ছোট মানের মুদ্রা। * '''একাকী''', ''বিণ.'' কুসঙ্গে থাকা। * '''উচ্চাকাঙ্ক্ষা''', ''বি.'' বেঁচে থাকতে শত্রুদের দ্বারা কলঙ্কিত হওয়ার এবং মারা যাওয়ার পর বন্ধুদের দ্বারা উপহাসের পাত্র হওয়ার এক অদম্য ইচ্ছা। * '''সাধারণ ক্ষমা''', ''বি.'' সেই সব অপরাধীদের প্রতি রাষ্ট্রের মহানুভবতা যাদের শাস্তি দেওয়াটা অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়বে। * '''ক্ষমা চাওয়া''', ''ক্রি.'' ভবিষ্যতে কোনো অপরাধ করার ভিত্তি তৈরি করা। * '''ব্যাকাস''', ''বি.'' প্রাচীনদের দ্বারা আবিষ্কৃত একটি সুবিধাজনক দেবতা, যা মাতাল হওয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহৃত হতো। * '''পিঠ''', ''বি.'' আপনার বন্ধুর সেই অংশ যা আপনার বিপদের সময় দেখার অধিকার আপনি রাখেন। * '''পরনিন্দা''', ''স. ক্রি.'' কোনো মানুষের সম্পর্কে এমন কথা বলা যা সে আপনার অনুপস্থিতিতে শুনতে পায় না। * '''ব্যারোমিটার''', ''বি.'' একটি উদ্ভাবনী যন্ত্র যা নির্দেশ করে যে আমরা বর্তমানে কেমন আবহাওয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। * '''জন্ম''', ''বি.'' সব দুর্যোগের মধ্যে প্রথম এবং সবচেয়ে ভয়াবহ। * '''বিরক্তিকর ব্যক্তি''', ''বি.'' এমন একজন ব্যক্তি যে তখন কথা বলে যখন আপনি চান সে আপনার কথা শুনুক। * '''সীমানা''', ''বি.'' রাজনৈতিক ভূগোলে দুটি জাতির মধ্যে একটি কাল্পনিক রেখা, যা একজনের কাল্পনিক অধিকারকে অন্যজনের কাল্পনিক অধিকার থেকে পৃথক করে। * '''মস্তিষ্ক''', ''বি.'' এমন একটি যন্ত্র যা দিয়ে আমরা ভাবি যে আমরা ভাবছি... আমাদের সভ্যতায় এবং প্রজাতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় বুদ্ধিমত্তাকে এত উচ্চ মর্যাদায় দেখা হয় যে, এর পুরস্কার হিসেবে দাপ্তরিক কাজের ঝামেলা থেকে একে অব্যাহতি দেওয়া হয়। [[File:Marriage A-la-Mode 2, The Tête à Tête - William Hogarth.jpg|thumb|'''বধূ''', ''বি.'' এমন একজন নারী যার পেছনে সুখের এক চমৎকার সম্ভাবনা ফেলে আসা হয়েছে।]] * '''বধূ''', ''বি.'' এমন একজন নারী যার পেছনে সুখের এক চমৎকার সম্ভাবনা ফেলে আসা হয়েছে। * '''বাঁধাকপি''', ''বি.'' রান্নাঘরের বাগানের পরিচিত একটি সবজি যা একজন মানুষের মাথার সমান বড় এবং তার মতোই বুদ্ধিমান। * '''কালোস''', ''বিণ.'' অন্যের দুর্দশা সহ্য করার মতো মহান ধৈর্যের অধিকারী। * '''কামান''', ''বি.'' জাতীয় সীমানা সংশোধনের কাজে ব্যবহৃত একটি যন্ত্র। * '''রাজধানী''', ''বি.'' কুশাসনের মূল কেন্দ্র। * '''কার্তেসীয়''', ''বিণ.'' বিখ্যাত দার্শনিক দেকার্ত সংক্রান্ত, যিনি প্রখ্যাত উক্তি "আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি"-এর লেখক; যার মাধ্যমে তিনি মানুষের অস্তিত্বের বাস্তবতা প্রমাণ করেছেন বলে আনন্দিত ছিলেন। তবে উক্তিটিকে এভাবে উন্নত করা যেতে পারে: "আমি চিন্তা করি যে আমি চিন্তা করি, তাই আমি চিন্তা করি যে আমি আছি"—যা এখন পর্যন্ত কোনো দার্শনিকের নিশ্চিত ধারণার সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছানো। * '''বিড়াল''', ''বি.'' প্রকৃতি প্রদত্ত একটি নরম ও অবিনাশী স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র, যা সাংসারিক জীবনে কোনো কিছু ভুল হয়ে গেলে লাথি খাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। * '''খ্রিস্টান''', ''বি.'' এমন একজন যে বিশ্বাস করে যে নিউ টেস্টামেন্ট হলো ঈশ্বরপ্রদত্ত একটি কিতাব যা তার প্রতিবেশীর আধ্যাত্মিক প্রয়োজনে অত্যন্ত উপযোগী। এমন একজন যে খ্রিস্টের শিক্ষা ততক্ষণই মেনে চলে যতক্ষণ তা পাপপূর্ণ জীবনের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ না হয়। * '''সার্কাস''', ''বি.'' এমন একটি জায়গা যেখানে ঘোড়া, টাট্টু ঘোড়া এবং হাতিদের অনুমতি দেওয়া হয় পুরুষ, নারী ও শিশুদের বোকামি করার দৃশ্য দেখার জন্য। * '''অতীন্দ্রিয়দর্শী''', ''বি.'' একজন ব্যক্তি, সাধারণত একজন নারী, যার সেই ক্ষমতা আছে যা তার গ্রাহকের কাছে অদৃশ্য তা দেখার, অর্থাৎ—সে যে একটি আস্ত গাধা। * '''ক্ল্যারিনেট''', ''বি.'' কানে তুলো দিয়ে রাখা একজন ব্যক্তির দ্বারা পরিচালিত একটি যন্ত্রণাদায়ক যন্ত্র। ক্ল্যারিনেটের চেয়েও খারাপ দুটি যন্ত্র আছে—দুটি ক্ল্যারিনেট। * '''ঘড়ি''', ''বি.'' মানুষের কাছে অত্যন্ত নৈতিক মূল্যের একটি যন্ত্র, যা তাকে মনে করিয়ে দেয় যে তার হাতে এখনো কতটা সময় অবশিষ্ট আছে এবং এভাবে ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা লাঘব করে। * '''বিশ্বাসভাজন''', ''বি.'' এমন একজন যাকে 'ক' ব্যক্তি 'খ' ব্যক্তির গোপন কথা আমানত রাখে, যা পরে সে 'গ' ব্যক্তির কাছে ফাঁস করে দেয়। * '''অভিনন্দন''', ''বি.'' ঈর্ষার ভদ্র রূপ। * '''রক্ষণশীল''', ''বি.'' এমন একজন রাষ্ট্রনায়ক যে বিদ্যমান মন্দগুলোর প্রেমে মজে আছে; উদারপন্থীদের বিপরীত, যারা সেই মন্দগুলোকে সরিয়ে নতুন ধরনের মন্দ নিয়ে আসতে চায়। * '''কর্পোরেশন''', ''বি.'' ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা ছাড়াই ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জনের এক উদ্ভাবনী কৌশল। [[File:Cynicism graffiti.jpg|thumb|'''সংশয়বাদী''', ''বি.'' এমন এক দুশ্চরিত্র ব্যক্তি যার ত্রুটিপূর্ণ দৃষ্টিতে সবকিছু যেভাবে থাকা উচিত সেভাবে না দেখে বরং যেমন আছে সেভাবেই দেখে।]] * '''সংশয়বাদী''', ''বি.'' এমন এক দুশ্চরিত্র ব্যক্তি যার ত্রুটিপূর্ণ দৃষ্টিতে সবকিছু যেভাবে থাকা উচিত সেভাবে না দেখে বরং যেমন আছে সেভাবেই দেখে। এজন্যই সিথিয়ানদের মধ্যে সংশয়বাদীদের চোখ উপড়ে ফেলার রীতি ছিল যাতে তার দৃষ্টিশক্তির উন্নতি হয়। * '''ভোর''', ''বি.'' সেই সময় যখন বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ ঘুমানোর জন্য বিছানায় যায়। কিছু বৃদ্ধ মানুষ সেই সময় ঘুম থেকে ওঠা পছন্দ করেন এবং খালি পেটে ঠান্ডা পানিতে গোসল ও দীর্ঘ ভ্রমণে বের হয়ে শরীরকে কষ্ট দেন। * '''সিদ্ধান্ত নেওয়া''', ''অ. ক্রি.'' একগুচ্ছ প্রভাবের কাছে অন্য গুচ্ছের তুলনায় নতি স্বীকার করা। * '''অরক্ষিত''', ''বিণ.'' আক্রমণ করতে অক্ষম। * '''অভিধান''', ''বি.'' ভাষার বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করার এবং একে অনমনীয় ও কঠিন করে তোলার এক ক্ষতিকারক সাহিত্যিক কৌশল। তবে এই অভিধানটি অত্যন্ত দরকারি একটি কাজ। * '''কূটনীতি''', ''বি.'' নিজের দেশের জন্য মিথ্যা বলার দেশপ্রেমিক শিল্প। * '''শিক্ষা''', ''বি.'' যা জ্ঞানীদের কাছে তাদের বোধগম্যতার অভাব প্রকাশ করে এবং মূর্খদের কাছে তা আড়াল করে। * '''ভক্ষ্য''', ''বিণ.'' খাওয়ার উপযোগী এবং হজমের জন্য স্বাস্থ্যকর; যেমন ব্যাঙের জন্য পোকা, সাপের জন্য ব্যাঙ, শূকরের জন্য সাপ, মানুষের জন্য শূকর এবং পোকার জন্য মানুষ। [[File:Ambrose Bierce portrait by John Herbert Evelyn Partington (retouched).jpg|thumb|'''[[অহংবাদী]]''', ''বি.'' নিচু রুচির এক [[ব্যক্তি]], যে আমার চেয়ে নিজের প্রতি বেশি আগ্রহী।]] * '''অহংবাদী''', ''বি.'' নিচু রুচির এক ব্যক্তি, যে আমার চেয়ে নিজের প্রতি বেশি আগ্রহী। * '''বিদ্যুৎ''', ''বি.'' অন্য কোনো কারণে ঘটে না বলে পরিচিত এমন সব প্রাকৃতিক ঘটনার মূল কারণ। এটি বজ্রপাতেরই অনুরূপ এবং ডক্টর ফ্র্যাঙ্কলিনকে আঘাত করার বিখ্যাত প্রচেষ্টাটি সেই মহান ও ভালো মানুষের ক্যারিয়ারের অন্যতম এক নাটকীয় ঘটনা। * '''পাণ্ডিত্য''', ''বি.'' বই থেকে ঝেড়ে একটি খালি মাথার ভেতরে ঢুকানো ধুলোবালি। * '''বিলুপ্তি''', ''বি.'' সেই কাঁচামাল যা দিয়ে ধর্মতত্ত্ব পরকাল তৈরি করেছে। * '''বিশ্বাস''', ''বি.'' কোনো প্রমাণ ছাড়াই এমন কিছুতে আস্থা রাখা যা এমন একজন বলেছে যার কোনো জ্ঞান নেই এবং যার কোনো তুলনা নেই। * '''ফ্যাশন''', ''বি.'' এমন এক স্বৈরশাসক যাকে জ্ঞানীরা উপহাস করে কিন্তু মেনে চলে। * '''ভোজ''', ''বি.'' একটি উৎসব। একটি ধর্মীয় উদযাপন যা সাধারণত পেটুকপনা এবং মাতলামি দ্বারা চিহ্নিত হয়; প্রায়শই এমন কোনো পবিত্র ব্যক্তির সম্মানে এটি করা হয় যিনি মিতাহারের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। * '''মাংস''', ''বি.'' পার্থিব ত্রয়ীর দ্বিতীয় ব্যক্তি। * '''বিস্মৃতি''', ঈশ্বরের পক্ষ থেকে [[ঋণদাতা|ঋণগ্রহীতাদের]] দেওয়া একটি উপহার, যা তাদের বিবেকের অভাবের ক্ষতিপূরণ হিসেবে কাজ করে। * '''জলদস্যু''', ''বি.'' ক্ষুদ্র ব্যবসার একজন বিজয়ী, যার দখলের মধ্যে বিশালত্বের পবিত্র গুণের অভাব রয়েছে। * '''ফ্রিম্যাসন''', ''বি.'' গোপন আচার, কিম্ভুতকিমাকার অনুষ্ঠান এবং অদ্ভুত পোশাকের একটি গোষ্ঠী; যা ইংল্যান্ডের [[দ্বিতীয় চার্লস]]-এর শাসনামলে লন্ডনের কারিগরদের মধ্যে উদ্ভূত হয়েছিল। গত কয়েক শতাব্দী ধরে মৃত ব্যক্তিরা ক্রমাগত এতে যোগ দিয়েছে এবং এখন এটি [[আদম]]-এর এই পাশের সব প্রজন্মকে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছে। এমনকি সৃষ্টির আগের বিশৃঙ্খলা ও রূপহীন শূন্যতার অধিবাসীদের মধ্য থেকেও এটি বিশিষ্ট সদস্যদের সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে। এই গোষ্ঠীটি বিভিন্ন সময়ে [[শার্লিম্যান]], [[জুলিয়াস সিজার]], [[মহান সাইরাস]], [[সোলোমন]], [[জরথুস্ট্র]], [[কনফুসিয়াস]], [[w:প্রথম থুটমোস|থোথমিস]] এবং [[বুদ্ধ]] দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর প্রতীক ও চিহ্নগুলো প্যারিস এবং রোমের ভূগর্ভস্থ সমাধিস্থল, পার্থেননের পাথর, চীনের মহাপ্রাচীর, কার্নাক ও পালমিরার মন্দির এবং মিশরের পিরামিডগুলোতে পাওয়া গিয়েছে—সব সময়ই একজন ফ্রিম্যাসনের দ্বারা। * '''বন্ধুহীন''', ''বিণ.'' দেওয়ার মতো কোনো অনুগ্রহ নেই এমন। সৌভাগ্যহীন। সত্য এবং সাধারণ জ্ঞান বলার নেশায় আসক্ত। [[File:Tombstone courthouse gallows.jpg|thumb|'''ফাঁসির মঞ্চ''', ''বি.'' অলৌকিক নাটক প্রদর্শনের একটি মঞ্চ, যার প্রধান অভিনেতা সরাসরি স্বর্গে স্থানান্তরিত হন।]] * '''ফাঁসির মঞ্চ''', ''বি.'' অলৌকিক নাটক প্রদর্শনের একটি মঞ্চ, যার প্রধান অভিনেতা সরাসরি স্বর্গে স্থানান্তরিত হন। * '''বংশলতিকা''', ''বি.'' এমন এক পূর্বপুরুষ থেকে নিজের বংশধরের বিবরণ, যিনি নিজে নিজের বংশ খুঁজে বের করার বিষয়ে খুব একটা আগ্রহী ছিলেন না। * '''উদার''', ''বিণ.'' মূলত এই শব্দটি দিয়ে আভিজাত্যে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিকে বোঝানো হতো এবং এটি বহু মানুষের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হতো। এখন এটি স্বভাবগত আভিজাত্য বোঝায় এবং বর্তমানে এটি কিছুটা বিশ্রামে আছে। * '''সুখ''', ''বি.'' অন্যের দুর্দশা দেখে নিজের মনে জেগে ওঠা এক চমৎকার অনুভূতি। * '''পৌত্তলিক''', ''বি.'' এমন এক অন্ধকারাচ্ছন্ন জীব যে এমন কিছুকে পূজা করার বোকামি করে যা সে দেখতে পায় এবং স্পর্শ করতে পারে। * '''স্বর্গ''', ''বি.'' এমন এক জায়গা যেখানে দুষ্টরা তাদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলে আপনাকে বিরক্ত করা বন্ধ করে এবং ভালো মানুষরা মনোযোগ দিয়ে আপনার কথা শোনে যখন আপনি নিজের গুণগান করেন। * '''সহধর্মিনী''', ''বি.'' একজন স্ত্রী, অথবা তিতা অর্ধেক। * '''তার (স্ত্রীলিঙ্গ)''', ''সর্ব.'' তার (পুংলিঙ্গ)। [[File:George Caleb Bingham - The County Election - 44-2001 - Saint Louis Art Museum.jpg|thumb| '''[[নির্বোধ]]''', ''বি.'' একটি বিশাল এবং শক্তিশালী [[গোষ্ঠী|গোষ্ঠীর]] সদস্য যাদের প্রভাব মানবিক বিষয়ে সবসময়ই প্রধান এবং নিয়ন্ত্রণকারী।]] * '''নির্বোধ''', ''বি.'' একটি বিশাল এবং শক্তিশালী গোষ্ঠীর সদস্য যাদের প্রভাব মানবিক বিষয়ে সবসময়ই প্রধান এবং নিয়ন্ত্রণকারী। নির্বোধের কার্যক্রম কোনো বিশেষ চিন্তা বা কর্মক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি "সবকিছুর মধ্যে ছড়িয়ে থাকে এবং নিয়ন্ত্রণ করে।" সব বিষয়ে তার কথাই শেষ কথা; তার সিদ্ধান্ত আপিলযোগ্য নয়। সে ফ্যাশন এবং রুচি নির্ধারণ করে, কথার সীমা ঠিক করে দেয় এবং মৃত-রেখা দিয়ে আচরণকে সীমাবদ্ধ করে। * '''অসহাবস্থানযোগ্য''', ''বিণ.'' অন্য কিছু অস্তিত্বশীল থাকলে যার অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব। দুটি জিনিস অসহাবস্থানযোগ্য হয় যখন অস্তিত্বের জগতে একজনের জায়গা থাকলেও দুজনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না—যেমন [[ওয়াল্ট হুইটম্যান]]-এর কবিতা এবং মানুষের প্রতি ঈশ্বরের দয়া। * '''শৈশব''', ''বি.'' আমাদের জীবনের সেই সময় যখন [[উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ]]-এর মতে, 'স্বর্গ আমাদের ঘিরে থাকে।' এর ঠিক পরেই পৃথিবী আমাদের নিয়ে মিথ্যা বলতে শুরু করে। * '''ভিতরকার''', ''বি. বহুবচন।'' পাকস্থলী, হৃৎপিণ্ড, আত্মা এবং অন্যান্য নাড়িভুঁড়ি। * '''বিদ্রোহ''', ''বি.'' একটি ব্যর্থ বিপ্লব। খারাপ শাসনের বদলে কুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে অসন্তোষের ব্যর্থতা। * '''বিচার''', ''বি.'' এমন এক পণ্য যা কম-বেশি ভেজাল মিশ্রিত অবস্থায় রাষ্ট্র তার নাগরিকদের কাছে বিক্রি করে; তাদের আনুগত্য, ট্যাক্স এবং ব্যক্তিগত সেবার পুরস্কার হিসেবে। * '''কিল্ট''', ''বি.'' এমন এক পোশাক যা মাঝেমধ্যে আমেরিকায় থাকা স্কটিশরা এবং স্কটল্যান্ডে থাকা আমেরিকানরা পরিধান করে। * '''চুরির বাতিকগ্রস্ত''', ''বি.'' একজন ধনী চোর। * '''শ্রম''', ''বি.'' এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে 'ক' ব্যক্তি 'খ' ব্যক্তির সম্পত্তি অর্জন করে। * '''ভূমি''', ''বি.'' পৃথিবীর উপরিভাগের একটি অংশ যা সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। ভূমি যে ব্যক্তিগত মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণের অধীন একটি সম্পদ – এই তত্ত্বটি আধুনিক সমাজের ভিত্তি এবং এটি উপরিকাঠামোর জন্য অত্যন্ত যোগ্য। যৌক্তিকভাবে এর অর্থ দাঁড়ায় যে, কারও কারও অধিকার আছে অন্যদের বেঁচে থাকা প্রতিরোধ করার; কারণ মালিকানার অধিকার মানেই এককভাবে দখলের অধিকার; আর যেখানেই ভূমিতে সম্পত্তির স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে সেখানেই অনধিকার প্রবেশের আইন প্রণীত হয়েছে। এর ফলে যদি সমগ্র স্থলভাগের মালিকানা 'ক', 'খ' এবং 'গ'-এর হয়, তবে 'ঘ', 'ঙ', 'চ' এবং 'ছ'-এর জন্মানোর কোনো জায়গা থাকবে না, অথবা অনুপ্রবেশকারী হিসেবে জন্মালেও টিকে থাকার সুযোগ থাকবে না। * '''হাসি''', ''বি.'' শরীরের ভেতরের এক সংকোচন, যা চেহারার বিকৃতি ঘটায় এবং অস্পষ্ট শব্দের সৃষ্টি করে। এটি সংক্রামক এবং যদিও এটি মাঝেমধ্যে হয়, তবুও এটি নিরাময়যোগ্য নয়। * '''বিদ্যা''', ''বি.'' এক ধরনের অজ্ঞতা যা পড়ুয়াদের আলাদা করে চিনিয়ে দেয়। * '''স্বাধীনতা''', ''বি.'' কল্পনার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদগুলোর একটি। * '''স্বাধীনতা''', ''বি.'' মুক্তাবস্থা এবং স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য সঠিকভাবে জানা নেই; প্রকৃতিবিদরা কোনোটিরই জীবিত নমুনা কখনও খুঁজে পাননি। * '''যুক্তিবিদ্যা''', ''বি.'' মানুষের ভুল বোঝার সীমাবদ্ধতা এবং অক্ষমতার সাথে কঠোরভাবে সংগতি রেখে চিন্তা ও বিচার করার শিল্প। [[File:Frank Bernard Dicksee - Romeo and Juliet, 1884.jpg|thumb|'''ভালোবাসা''', ''বি.'' একটি সাময়িক উন্মাদনা যা বিয়ের মাধ্যমে অথবা রোগীকে সেই প্রভাব থেকে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য যার অধীনে সে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। এই রোগটি কেবল কৃত্রিম পরিবেশে বসবাসকারী সভ্য জাতিগুলোর মধ্যেই প্রচলিত; বিশুদ্ধ বাতাস গ্রহণকারী এবং সাধারণ খাবার খাওয়া অসভ্য জাতিগুলো এর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে মুক্ত থাকে। এটি কখনও কখনও প্রাণঘাতী হয়, তবে রোগীর চেয়ে চিকিৎসকের জন্য এটি বেশি ঘটে।]] * '''ভালোবাসা''', ''বি.'' একটি সাময়িক উন্মাদনা যা বিয়ের মাধ্যমে অথবা রোগীকে সেই প্রভাব থেকে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য যার অধীনে সে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। এই রোগটি কেবল কৃত্রিম পরিবেশে বসবাসকারী সভ্য জাতিগুলোর মধ্যেই প্রচলিত; বিশুদ্ধ বাতাস গ্রহণকারী এবং সাধারণ খাবার খাওয়া অসভ্য জাতিগুলো এর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে মুক্ত থাকে। এটি কখনও কখনও প্রাণঘাতী হয়, তবে রোগীর চেয়ে চিকিৎসকের জন্য এটি বেশি ঘটে। * '''পাগল''', ''বিণ.'' উচ্চমাত্রার বৌদ্ধিক স্বাধীনতা দ্বারা আক্রান্ত; চিন্তা, কথা এবং কাজের সেই সব মানদণ্ড অনুসরণ না করা যা অনুসারীরা নিজেদের অধ্যয়ন থেকে তৈরি করেছে; সংখ্যাগরিষ্ঠের সাথে অমিল থাকা; সংক্ষেপে—অস্বাভাবিক। এটি লক্ষণীয় যে, কর্মকর্তারা কোনো প্রমাণ ছাড়াই ব্যক্তিদের পাগল ঘোষণা করেন, যেখানে তারা নিজেরাও যে সুস্থ তার কোনো প্রমাণ নেই। * '''বিয়ে''', ''বি.'' একটি সম্প্রদায়ের অবস্থা বা দশা যা একজন প্রভু, একজন কর্ত্রী এবং দুজন দাসের সমন্বয়ে গঠিত—সব মিলিয়ে সংখ্যাটি হয় দুই। * '''মেয়োনিজ''', ''বি.'' সসগুলোর মধ্যে একটি যা ফরাসিদের কাছে রাষ্ট্রীয় ধর্মের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। * '''সোমবার''', ''বি.'' খ্রিস্টান দেশগুলোতে, বেসবল খেলার পরের দিন। * '''প্রতিবেশী''', ''বি.'' এমন একজন যাকে আমাদের নিজেদের মতো ভালোবাসার আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং যে আমাদের অবাধ্য করার জন্য যা যা করা সম্ভব তার সবই করে। * '''অ-যোদ্ধা''', ''বি.'' একজন মৃত কুয়াকার। * '''সমুদ্র''', ''বি.'' একটি বিশাল জলরাশি যা মানুষের জন্য তৈরি করা এই পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে আছে—অথচ মানুষের কোনো ফুলকা নেই। * '''একবার''', ''বিণ.'' যথেষ্ট। * '''আফিম''', ''বি.'' ব্যক্তিত্বের কারাগারের একটি খোলা দরজা। এটি জেলের আঙিনার দিকে নিয়ে যায়। * '''সুযোগ''', ''বি.'' একটি হতাশাকে আঁকড়ে ধরার অনুকূল মুহূর্ত। * '''বিরোধী দল''', ''বি.'' রাজনীতিতে এমন এক দল যারা সরকারকে পঙ্গু করে দিয়ে তাকে বেপরোয়া হওয়া থেকে বিরত রাখে। * '''আশাবাদী''', ''বি.'' এই মতবাদের প্রবক্তা যে কালো মানেই সাদা। * '''অতীত''', ''বি.'' অনন্তকালের সেই অংশ যার ক্ষুদ্র একটি ভগ্নাংশের সাথে আমাদের সামান্য এবং অনুশোচনামূলক পরিচয় আছে। বর্তমান নামক একটি চলমান রেখা একে ভবিষ্যৎ নামক এক কাল্পনিক সময় থেকে পৃথক করে। অনন্তকালের এই দুটি বিশাল বিভাজন, যার একটি ক্রমাগত অন্যটিকে মুছে দিচ্ছে, একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। একটি দুঃখ এবং হতাশায় অন্ধকার, অন্যটি সমৃদ্ধি এবং আনন্দে উজ্জ্বল। অতীত হলো কান্নার অঞ্চল, ভবিষ্যৎ হলো গানের রাজ্য। একটিতে চট ও ছাই পরে স্মৃতি কুঁকড়ে বসে থাকে এবং অনুতাপের প্রার্থনা বিড়বিড় করে; অন্যটির রোদে আশা মুক্ত ডানায় ওড়ে, সাফল্যের মন্দির এবং আরামের কুঞ্জবনের দিকে ইশারা করে। তবুও অতীত হলো গতকালের ভবিষ্যৎ, ভবিষ্যৎ হলো আগামীকালের অতীত। তারা আসলে এক: জ্ঞান এবং স্বপ্ন। * '''অতিরিক্ত পরিশ্রম''', ''বি.'' মাছ ধরতে যেতে চায় এমন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের আক্রান্তকারী একটি বিপজ্জনক ব্যাধি। * '''ধৈর্য''', ''বি.'' হতাশার একটি গৌণ রূপ, যা গুণের ছদ্মবেশে থাকে। * '''দেশপ্রেম''', ''বি.'' দাহ্য আবর্জনা যা নিজের নাম উজ্জ্বল করতে উচ্চাকাঙ্ক্ষী যে কারও মশাল ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত। ডক্টর জনসনের বিখ্যাত অভিধানে দেশপ্রেমকে একজন বদমাইশের শেষ আশ্রয় হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। একজন আলোকিত কিন্তু নিম্নমানের অভিধানপ্রণেতার প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই আমি বিনম্রভাবে বলতে চাই যে, এটি আসলে প্রথম আশ্রয়। * '''দর্শন''', ''বি.'' অনেকগুলো পথের একটি রুট যা কোথাও না থেকে শুরু হয়ে শূন্যের দিকে নিয়ে যায়। * '''শূকর''', ''বি.'' একটি প্রাণী যা তার ক্ষুধার জাঁকজমক এবং প্রাণবন্ততার কারণে মানবজাতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত; তবে এই ক্ষুধা পরিধির দিক থেকে নিম্নতর, কারণ এটি শূকর পর্যন্তই আটকে থাকে। * '''ভদ্রতা''', ''বি.'' সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ভণ্ডামি। * '''রাজনীতি''', ''বি.'' আদর্শের লড়াইয়ের ছদ্মবেশে স্বার্থের সংঘাত। ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য জনহিতকর কাজের পরিচালনা। * '''ইতিবাচক''', ''বিণ.'' গলার সর্বোচ্চ স্বর ব্যবহার করে ভুল করা। * '''প্রার্থনা করা''', ''ক্রি.'' মহাবিশ্বের নিয়মগুলো বাতিলের অনুরোধ করা এমন একজন আবেদনকারীর পক্ষে যে নিজেই স্বীকার করে সে অযোগ্য। * '''কুসংস্কার''', ''বি.'' দৃশ্যমান কোনো অবলম্বন ছাড়াই ঘুরে বেড়ানো এক ভবঘুরে মতামত। * '''উদ্ধৃতি''', ''বি.'' অন্যের কথা ভুলভাবে পুনরাবৃত্তি করার কাজ। ভুলভাবে পুনরাবৃত্তি করা শব্দগুলো। * '''যৌক্তিক''', ''বিণ.'' পর্যবেক্ষণ, অভিজ্ঞতা এবং প্রতিফলন জনিত বিভ্রান্তি ছাড়া আর সব বিভ্রান্তি মুক্ত। * '''ধর্ম''', ''বি.'' আশা এবং ভয়ের কন্যা, যা অজ্ঞদের কাছে অজ্ঞাত বিষয়ের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করে। * '''পদত্যাগ করা''', ''ক্রি.'' একটি সুবিধার জন্য একটি সম্মান ত্যাগ করা। বৃহত্তর সুবিধার জন্য একটি সুবিধা ত্যাগ করা। * '''অপ্রকাশিত বাক্য''', ''বি.'' একটি বিখ্যাত বই যেখানে সেন্ট জন দ্য ডিভাইন তার জানা সবকিছু লুকিয়ে রেখেছেন। প্রকাশের কাজটি করেন টিকাকাররা, যারা আসলে কিছুই জানেন না। * '''রাস্তা''', ''বি.'' জমির একটি ফালি যা দিয়ে কেউ এক ক্লান্তিকর জায়গা থেকে এমন এক জায়গায় যেতে পারে যেখানে যাওয়াটা নিরর্থক। * '''সাবাত''', ''বি.'' একটি সাপ্তাহিক উৎসব যার উৎপত্তি এই সত্য থেকে যে ঈশ্বর ছয় দিনে পৃথিবী তৈরি করেছিলেন এবং সপ্তম দিনে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। * '''সন্ত''', ''বি.'' একজন মৃত পাপী, যাকে পরিমার্জন এবং সম্পাদনা করা হয়েছে। [[File:Júpiter y Tetis, por Dominique Ingres.jpg|thumb| '''[[জিউস]]''', ''বি.'' গ্রীক দেবতাদের প্রধান, যাকে রোমানরা জুপিটার হিসেবে এবং আধুনিক আমেরিকানরা ঈশ্বর, স্বর্ণ, জনতা এবং কুকুর হিসেবে পূজা করে। কিছু অন্বেষণকারী যারা আমেরিকার উপকূলে পৌঁছেছেন এবং একজন যিনি অনেক দূর অভ্যন্তরে প্রবেশ করার দাবি করেন, তারা ভেবেছিলেন যে এই চারটি নাম চারটি আলাদা দেবতার। কিন্তু ফ্রাম্প তার 'সারভাইভিং ফেইথস' নামক বিশাল গ্রন্থে জোর দিয়ে বলেছেন যে আদিবাসীরা একেশ্বরবাদী, প্রত্যেকের নিজের ছাড়া আর কোনো ঈশ্বর নেই, যাকে তারা অনেক পবিত্র নামে পূজা করে।]] * '''ধর্মগ্রন্থ''', ''বি.'' আমাদের পবিত্র ধর্মের পবিত্র গ্রন্থসমূহ, যা সেই সব মিথ্যা এবং অপবিত্র লেখা থেকে আলাদা যার ওপর ভিত্তি করে অন্য সব বিশ্বাস দাঁড়িয়ে আছে। * '''স্বার্থপর''', ''বিণ.'' অন্যের স্বার্থপরতার প্রতি বিবেচনা বর্জিত। * '''সাফল্য''', ''বি.'' নিজের সঙ্গীদের বিরুদ্ধে করা একমাত্র অমার্জনীয় পাপ। * '''দুবার''', ''ক্রি. বিণ.'' একবার বেশি। * '''আন-আমেরিকান''', ''বিণ.'' দুষ্ট, অসহনীয়, পৌত্তলিক। * '''গুণাবলি''', ''বি. বহুবচন।'' নির্দিষ্ট কিছু সংযম। * '''ভোট দেওয়া''', ''ক্রি.'' একজন স্বাধীন মানুষের নিজেকে বোকা বানানোর এবং নিজের দেশকে ধ্বংস করার ক্ষমতার হাতিয়ার ও প্রতীক। * '''সাদা''', ''বিণ.'' এবং ''বি.'' কালো। * '''ডাইনি''', ''বি.'' (১) একজন কুৎসিত এবং বিকর্ষণীয় বৃদ্ধা নারী, যে শয়তানের সাথে এক অশুভ জোটে আছে। (২) একজন সুন্দরী এবং আকর্ষণীয় তরুণী, যে দুষ্টুমির দিক থেকে শয়তানের চেয়েও এক ধাপ এগিয়ে। * '''বছর''', ''বি.'' তিনশ পঁষট্টিটি হতাশার একটি সময়কাল। * '''যৌবন''', ''বি.'' সম্ভাবনার সময়, যখন আর্কিমিডিস একটি আলম্ব খুঁজে পায়, ক্যাসান্দ্রার অনুসারী জোটে এবং সাতটি শহর একজন জীবন্ত হোমারকে সম্মান জানানোর জন্য প্রতিযোগিতা করে। * '''উদ্যম''', ''বি.'' তরুণ এবং অনভিজ্ঞদের আক্রান্তকারী একটি বিশেষ স্নায়বিক ব্যাধি। একটি আবেগ যা আছাড় খাওয়ার আগে আসে। * '''[[w:জিউস|জিউস]]''', ''বি.'' গ্রীক দেবতাদের প্রধান, যাকে রোমানরা [[w:জুপিটার|জুপিটার]] হিসেবে এবং আধুনিক আমেরিকানরা ঈশ্বর, স্বর্ণ, মব এবং কুকুর হিসেবে পূজা করে। কিছু অন্বেষণকারী যারা আমেরিকার উপকূলে পৌঁছেছেন এবং একজন যিনি অনেক দূর অভ্যন্তরে প্রবেশ করার দাবি করেন, তারা ভেবেছিলেন যে এই চারটি নাম চারটি আলাদা দেবতার। কিন্তু ফ্রাম্প তার 'সারভাইভিং ফেইথস' নামক বিশাল গ্রন্থে জোর দিয়ে বলেছেন যে আদিবাসীরা একেশ্বরবাদী, প্রত্যেকের নিজের ছাড়া আর কোনো ঈশ্বর নেই, যাকে তারা অনেক পবিত্র নামে পূজা করে। === উক্তি === [[File:Bierce from The Letters 1922 (1).jpg|thumb|কৌতুক করা মানে কেবল চঞ্চল হওয়া, কিন্তু রসবোধ (wit) একটি গুরুতর বিষয়।]] [[File:Ambrose Bierce (signature).jpg|thumb|বনে হারিয়ে গেলে সবসময় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নামো। কোনো দর্শন বা মতবাদে হারিয়ে গেলে উপরের দিকে যাও।]] :<small>পৃষ্ঠা নম্বরগুলো 'দ্য কালেক্টেড ওয়ার্কস অফ অ্যামব্রোজ বিয়ার্স', ৮ম খণ্ড (১৯১১), § "এপিগ্রামস" (পৃ. ৩৪৩ এবং পরবর্তী) থেকে নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত উক্তিগুলো এর আগে অন্য কোথাও প্রকাশিত হয়েছিল।</small> * নারী আরও বেশি আকর্ষণীয় হতো যদি তার হাতে না পড়ে কেবল তার বাহুবন্দী হওয়া যেত। * যে নারী আপনার সাথে অন্যায় করেছে তাকে হত্যা করার অনুমতি আপনার নেই, তবে সে প্রতি মিনিটে বুড়ো হচ্ছে—এই চিন্তা করতে আপনাকে কেউ বাধা দেয়নি। এভাবে আপনি দিনে ১৪৪০ বার প্রতিশোধ নিতে পারেন। * আত্মত্যাগ হলো কোনো কিছু ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতাকে প্রশ্রয় দেওয়া। ** কখনও কখনও এটি "forgo" বানানে উদ্ধৃত করা হয়, তবে বিয়ার্স তার ১৯১১ সালের 'কালেক্টেড ওয়ার্কস'-এ "forego" ব্যবহার করেছিলেন। * প্রতিটি মানুষের জন্য শব্দভাণ্ডারে এমন কিছু থাকে যা তার সাথে দ্বিতীয় চামড়ার মতো লেগে থাকবে। তার শত্রুদের কাজ শুধু সেটা খুঁজে বের করা। ** পৃ. ২৩৬ * গোঁড়ামির কাছে অনুসন্ধিৎসা আর শয়তানি একই বিষয়। ** পৃ. ৩৪৩ * এমন কোনো প্রতিভা নেই যাকে নিজেকে প্রকাশ করার আগ পর্যন্ত সবাই বোকা ভাবেনি; অথচ সে কেবল তখনই বোকা। ** পৃ. ৩৪৫ * পোশাকে খুব বেশি অনন্য হওয়ার চেষ্টা করো না; কারণ নির্বোধদের তা বেশি থাকে আর বুদ্ধিমানদের কম। নিজেকে মৌলিক দেখানো খুব একটা কাজের বিষয় নয়, বরং মনে মনে যুগের চেয়ে কিছুটা আলাদা হও। ** পৃ. ৩৪৫ * কৌতুক করা মানে কেবল চঞ্চল হওয়া, কিন্তু রসবোধ (wit) একটি গুরুতর বিষয়। এটা দেখে হাসার অর্থ হলো তুমি এটা বুঝতে পারোনি। ** পৃ. ৩৪৬ * তুমি যদি তোমার সমসাময়িকদের কাছে মহান হতে চাও, তবে তাদের চেয়ে খুব বেশি মহান হয়ো না। ** পৃ. ৩৪৬ * ওহে গর্বিত পরোপকারী, তোমার আশা বৃথা— <br> লাভের মাধ্যমে যা হারিয়েছ, তা দানের মাধ্যমে ফিরে পাওয়া। ** পৃ. ৩৪৯। আগে 'কসমোপলিটান', ৪২তম খণ্ড, ৬ষ্ঠ সংখ্যায় (এপ্রিল ১৯০৭, পৃ. ৬৯৫) "স্মল কন্ট্রিবিউশনস"-এ প্রকাশিত হয়েছিল। * দার্শনিক বলেন, "ইচ্ছার কোনো স্বাধীনতা নেই; কাউকে ফাঁসি দেওয়া অত্যন্ত অন্যায়।" <br> অফিসার সায় দেন, "ইচ্ছার কোনো স্বাধীনতা নেই; আমরা ফাঁসি দেই কারণ আমরা বাধ্য।" ** পৃ. ৩৫০ * অসন্তোষের খেলার নিজস্ব নিয়ম আছে, আর যে তা মানে না সে প্রতারণা করে। অন্যের সুবিধা বা সম্পদ নিজের করে নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করার অনুমতি তোমার নেই; তোমার অনুমতি আছে কেবল অন্য কেউ হওয়ার ইচ্ছা করার। ** পৃ. ৩৫২ * তুমি যদি একটি নিখুঁত বই পড়তে চাও তবে তার একটিই উপায় আছে: সেটি নিজেই লেখো। ** পৃ. ৩৫৩ * বনে হারিয়ে গেলে সবসময় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নামো। কোনো দর্শন বা মতবাদে হারিয়ে গেলে উপরের দিকে যাও। ** পৃ. ৩৫৪ * আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে নতি স্বীকার করি কারণ আমরা বাধ্য। কিন্তু আমাদের এই বশ্যতার ভঙ্গিটিকে সম্মানের ভঙ্গি বলতে আমরা বাধ্য নই। ** পৃ. ৩৫৪ * একজন জনপ্রিয় লেখক তিনি যিনি তা-ই লেখেন যা মানুষ ভাবে। প্রতিভা মানুষকে অন্য কিছু ভাবার আমন্ত্রণ জানায়। ** পৃ. ৩৫৬ * গুণাবলিরা তাদের রানি হিসেবে বিনয়কে বেছে নিল। <br> বিনয় বলল, "আমি জানতাম না যে আমি একটি গুণ। তোমরা কেন সারল্যকে বেছে নিলে না?" <br> তারা উত্তর দিল, "তার অজ্ঞতার কারণে। সে শুধু এটুকুই জানে যে সে একটি গুণ।" ** পৃ. ৩৫৮ * গণতন্ত্র একমাত্র যে যোগ্যতার পুরষ্কার দেয় তা হলো উচ্চমাত্রার অনুবর্তিতা। ** পৃ. ৩৫৮ * অপভাষা (slang) হলো সেই ব্যক্তির কথা যে ডাস্টবিনে ফেলার জন্য নিয়ে যাওয়া সাহিত্যের আবর্জনার গাড়ি থেকে চুরি করে। ** পৃ. ৩৫৮ * গণক হাতের মুঠোর ভাঁজ দেখে বলে সেগুলো চরিত্রের চিহ্ন। দার্শনিক চরিত্র বিচার করেন সেই জিনিসটি দেখে যা হাত সবচেয়ে বেশি আঁকড়ে ধরতে পছন্দ করে। ** পৃ. ৩৬০ * যে অর্থলোভী নিজের কাজ পাগল হওয়ার দোহাই দেয় তার প্রতিরক্ষা দুর্বল, কারণ টাকা উপার্জনের কাজকে ভালোবাসা টাকা ভালোবাসার চেয়েও নিচু স্তরের রুচি। ** পৃ. ৩৬১ * একজন মানুষ তার পূর্বপুরুষদের সমষ্টি; তাকে সংশোধন করতে হলে তোমাকে একটি মৃত বানর থেকে শুরু করতে হবে এবং দশ লক্ষ কবরের মধ্য দিয়ে নিচে নামতে হবে। সে হলো ঝোলানো শিকলের নিচের প্রান্তের মতো; তুমি তাকে সামান্য ডানে বা বামে দোলাতে পারো, কিন্তু হাত সরিয়ে নাও এবং সে আবার অন্য কড়িগুলোর সাথে লাইনে ফিরে আসবে। ** পৃ. ৩৬৩ * যে কষ্টে চিন্তা করে সে খুব জলদি বিশ্বাস করে। ** পৃ. ৩৬৩ * জীবনের পথে অনেক আনন্দকেন্দ্র আছে, কিন্তু ভেবো না যে সেগুলোতে দেরি করলে যাত্রার দিন বেড়ে যাবে। তোমার পৌঁছানোর দিনটি আগেই লেখা হয়ে গেছে। ** পৃ. ৩৬৪ * সবচেয়ে বিরক্তিকর অহংকারী হলো সে যে "আমি" এবং "আমাকে" বলতে ভয় পায়। "সম্ভবত বৃষ্টি হবে"—এটি স্বৈরাচারী কথা। "আমি মনে করি বৃষ্টি হবে"—এটি স্বাভাবিক এবং বিনয়ী। মঁতেন ছিলেন সবচেয়ে চমৎকার প্রবন্ধকার কারণ তার বিনয় এতই বেশি ছিল যে তিনি আমাদের মঁতেনকে না দেখানোটাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেননি। তিনি নিজেকে এতটাই ভুলে যেতেন যে আমাদের তাকে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি কোনো কৃত্রিমতার আশ্রয় নিতেন না। ** পৃ. ৩৬৪ * বিশ্বাস পরিবর্তনশীল; সবসময় সংগতিপূর্ণ থাকা মানে মাঝেমধ্যে অসৎ হওয়া। ** পৃ. ৩৬৭ * সবচেয়ে অসহিষ্ণু সমর্থক তিনি যিনি নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন। ** পৃ. ৩৬৭ * ধনীদের অনুগ্রহ পাওয়ার জন্য গরিব মানুষের দেওয়া প্রবেশমূল্য হলো তার আত্মসম্মান। ** পৃ. ৩৬৮ * সবাই পাগল, কিন্তু যে নিজের বিভ্রান্তি বিশ্লেষণ করতে পারে তাকে দার্শনিক বলা হয়। ** পৃ. ৩৬৯ * অপভাষা হলো একটি নোংরা ডোবা যেখানে প্রতিটি গাধা তার বালতি ভরে এবং তারপর নিজেকে একটি ঝরনা হিসেবে জাহির করে। ** পৃ. ৩৬৯ * সুখ হারিয়ে যায় একে সমালোচনা করলে; দুঃখ হারিয়ে যায় একে গ্রহণ করলে। ** পৃ. ৩৭১ * সমৃদ্ধির সময় মূর্খ আসন্ন বিপদের আশঙ্কায় কাঁপে; বিপদের সময় দার্শনিক তার পাওয়া ভালো সময়ের কথা ভেবে হাসে। ** পৃ. ৩৭১ * বৃদ্ধ বয়স, যার চোখ মাথার পেছনে থাকে, সে মনে করে যে কাদার মধ্য দিয়ে সে হাবুডুবু খেয়ে এসেছে তা দেখাই হলো প্রজ্ঞা। ** পৃ. ৩৭২-৩৭৩ * প্রজ্ঞা কেবল বোকামির সাথে তুলনা করলেই বোঝা যায়; ছায়া থাকলেই আমরা বুঝতে পারি যে সব দৃশ্যমান বস্তু সমতল নয়। তবুও পরোপকারীরা মন্দকে নির্মূল করতে চায়! ** পৃ. ৩৭৩ * ব্যর্থতার চোখে সাফল্য একটি দুর্ঘটনা। ** পৃ. ৩৭৩ * যতক্ষণ তোমার ভবিষ্যৎ আছে ততক্ষণ নিজের অতীত নিয়ে খুব বেশি পড়ে থেকো না: যদি না তুমি পেছন দিকে হাঁটতে পছন্দ করো, আয়না একজন খারাপ পথপ্রদর্শক। ** পৃ. ৩৭৪ == ভুল তথ্যসম্বলিত উক্তি == * যুদ্ধ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ভূগোল শেখানোর ঈশ্বরের এক পদ্ধতি। ** [https://quoteinvestigator.com/2014/05/19/geography/ "ওয়ার ইজ গড'স ওয়ে অফ টিচিং আস জিওগ্রাফি"] কোট ইনভেস্টিগেটর-এ ** "'যুদ্ধ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ভূগোল শেখানোর ঈশ্বরের এক পদ্ধতি' এই মন্তব্যটি অনবরত অ্যামব্রোজ বিয়ার্সের নামে চালানো হয়। জীবনীকার ডেভিড ই. শুল্টজ, যার কম্পিউটারে বিয়ার্সের প্রায় সব লেখা জমা আছে, তিনি তার ডাটাবেসে এই তিক্ত মন্তব্যটি খুঁজে পাননি।" রালফ কেইস, ''দ্য কোট ভেরিফায়ার'' (২০০৭), পৃ. ২৪০ {{misattributed end}} == বহিঃসংযোগ == * [http://donswaim.com/ অ্যামব্রোজ বিয়ার্স সাইট] * [http://www.gutenberg.org/browse/authors/b#a206 বিয়ার্স] — [[w:প্রজেক্ট গুটেনবার্গ|প্রজেক্ট গুটেনবার্গে]] * [http://www.biercephile.com অ্যামব্রোজ বিয়ার্স অ্যাপ্রিসিয়েশন সোসাইটি] * [http://www.ambrosebierce.org অ্যামব্রোজ বিয়ার্স প্রজেক্ট] * [http://ojinaga.com/bierce/ "অ্যামব্রোজ বিয়ার্স, 'দ্য ওল্ড গ্রিঙ্গো': তথ্য, ফিকশন এবং ফ্যান্টাসি"] * [http://www.rjgeib.com/thoughts/bierce/ambrose-bierce.html বিয়ার্সের শেষ চিঠিগুলোর একটি] * [http://atheisme.free.fr/Biographies/Bierce_e.htm অ্যামব্রোজ বিয়ার্সের জীবনী এবং উক্তি] * [http://bitterbierce.blogspot.com ওয়েকিন অ্যামব্রোজ: ডেভিলস ডিকশনারির সমসাময়িক রূপান্তর] [[বিষয়শ্রেণী:অ্যফোরিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যান্টাসি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:হরর লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌতুকাভিনেতা]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাস্যরসাত্মক লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ওহাইওর সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কলাম লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পাদক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচক]] [[বিষয়শ্রেণী:সাহিত্য সমালোচক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ছোটগল্পকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্মৃতিকথাকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যঙ্গাত্মক লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৪২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১০-এর দশকে মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অজ্ঞেয়বাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:দাসপ্রথা বিলোপবাদী]] rr8cb4ephnwfqhudkynrfvo2zfv08ed আলাপ:অ্যামব্রোজ বিয়ার্স 1 13818 81913 2026-04-28T09:44:06Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 81913 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm বিষয়শ্রেণী:ভারতের সংস্কৃতি 14 13819 81940 2026-04-28T11:58:56Z ARI 356 [[:en:Category:Culture of India|]] থেকে অনুবাদ/আমদানি 81940 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:ভারত]] [[বিষয়শ্রেণী:দেশ অনুযায়ী সংস্কৃতি|ভারত]] 0ayxisc5eqrtyo98d6nz1e1hxt2vc99