উইকিউক্তি bnwikiquote https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.46.0-wmf.26 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিউক্তি উইকিউক্তি আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা কাজী নজরুল ইসলাম 0 276 83413 79770 2026-05-05T09:06:48Z ~2026-27089-30 5871 /* উক্তি */ 83413 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Nazrul Colorize.jpg|thumb|মহা - বিদ্রোহী রণক্লান্ত<br />আমি সেই [[দিন]] হব শান্ত।<br />যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে-বাতাসে ধ্বনিবে না,<br /> অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ, রণ-ভূমে রণিবে না ~ নজরুল]] '''[[:w:কাজী নজরুল ইসলাম|কাজী নজরুল ইসলাম]]''' (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ [[জ্যৈষ্ঠ]] ১৩০৬ – ১২ [[ভাদ্র]] ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) রাঢ় বাংলায় [[জন্ম]] নেওয়া একজন [[বাঙালি]] কবি এবং পরবর্তী কালে বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ ও দার্শনিক যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকা রাখার পাশাপাশি প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত।তিনি বৃটিশ বিরোধীও ছিলেন।আজও তার ঐতিহ্য মানুষ ধরে রাখে। ==উক্তি== * জব্বুর তওরাত ইঞ্জিল যাহার আসার বাণী, ঘোষিল যুগ-যুগান্ত পূর্বে, বেহেশত হইতে টানি', আনিল পীড়িতা মুক ধরণীর তপস্যা আজি তারে, ব্যথিত হৃদয়ে ফেলিয়া চরণ, অবতার এল দ্বারে। সকল কালের সকল গ্রন্থ, কেতাব, যোগী ও ধ্যানী,; মুনি, ঋষি, আউলিয়া, আম্বিয়া, দরবেশ মহাজ্ঞানী; প্রচারিল যার আসার খবর-আজি মন্থন-শেষ, বেদনা-সিন্ধু ভেদিয়া আসিল সেই নবী অমৃতেশ! হেরিল প্রাচীনা ধরণী আবার উদয় অভ্যুদয়, সব-শেষ ত্রাণকর্তা আসিল, ভয় নাই, গাহ জয়! যে সিদ্দিক ও আমিনে খুঁজেছে বাইবেল আর ঈসা, তওরাত দিল বারে বারে যেই মোহাম্মদের দিশা, পাপিয়া-কণ্ঠ দাউদ গাহিল যার অনাগত গীতি, যে 'মহামদে' অথর্ব-বেদ-গান খুঁজিয়াছে নিতি, সে অতিথি এল, কতকাল ওরে-আজি কতকাল পরে, ধেয়ানের মণি নয়নে আসিল। বিশ্ব উঠিল ভরে;-আলোকে, পুলকে, ফুলে ফলে, রূপে রসে, বর্ণ ও গন্ধে,; গ্রহতারা লোক পতিতা ধরায় আজি পূজা করে, বন্দে! আদি উপাসনালয়,; উঠিল আবার নূতন করিয়া ভূত প্রেত সমুদয়, তিন শত ষাট বিগ্রহ আর মূর্তি নূতন করি'; বসিল সোনার বেদীতে রে হায় আল্লার ঘর ভরি। সহিতে না পারি এ দৃশ্য, এই স্রষ্টার অপমান,; ধেয়ানে মুক্তি-পথ খোঁজে নবী, কাঁদিয়া ওঠে পরান। খদিজারে কন-'আল্লাতালার কসম, কা'বার ঐ; 'লোৎ' 'ওজ্জা'র করিব না পূজা, জানি না আল্লা বই। নিজ হাতে যারে করিল সৃষ্টি খড় আর মাটি দিয়া; কোন্ নির্বোধ পূজিবে তাহারে হায় স্রষ্টা বলিয়া!' সাধ্বী প্রতিব্রতা খদিজাও কহেন স্বামীর সনে-; 'দূর কর এ লাত্ মানাতেরে, পূজে যাহা সব-জনে। তব শুভ-বরে একেশ্বর সে জ্যোতির্ময়ের দিশা; পাইয়াছি প্রভু, কাটিয়া গিয়াছে আমার আঁধার নিশা।' ক্রমে ক্রমে সব কোরেশ জানিল মোহাম্মদ আমিন; করে না কো পূজা কাবার ভূতেরে ভাবিয়া তাদেরে হীন। ** মরু ভাস্কর * মস‍্জিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই,<br />যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শ‍ুন‍্তে পাই॥<br /> আমার গোরের পাশ দিয়ে ভাই নামাজীরা যাবে,<br /> পবিত্র সেই পায়ের ধ্বনি এ বান্দা শুনতে পাবে।<br /> গোর আজাব থেকে এ গুনাহ্‌গার পাইবে রেহাই॥ ** নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দশম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ২১৫ * 'বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে ,মৃত্যুকে আকড়াইয়া পড়িয়া থাকে' ** 'যৌবনের গান ' * মিথ্যা শুনিনি ভাই,<br>এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনো মন্দির-কাবা নাই। ** ‘সাম্যবাদী’ কবিতা, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮০ * পূজিছে গ্রন্থ ভণ্ডের দল!– মূর্খরা সব শোনো,<br>মানুষ এনেছে গ্রন্থ;– গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো! ** ‘মানুষ’ কবিতা, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮২ * বল বীর—<br>বল উন্নত মম শির!<br>শির নেহারি আমারি, নত-শির ওই শিখর হিমাদ্রির! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫ *[[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] যেদিন ঐক্যবদ্ধ হয়ে বলতে পারবে ‘'''বাঙালির বাংলা'''’ সেদিন তারা অসাধ্য সাধন করবে। ** ‘বাঙালির বাংলা’ প্রবন্ধ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, সপ্তম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৫৬ ***{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=বাঙালির ঐক্যের প্রতীক নজরুল|ইউআরএল=https://www.bhorerkagoj.com/print-edition/2022/05/27/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%90%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%9c/|সংগ্রহের-তারিখ=2022-10-10|ওয়েবসাইট=[[w:bn:ভোরের কাগজ|ভোরের কাগজ]]}} * কারার ঐ লৌহ-কবাট<br> ভেঙে ফেল, কর রে লোপাট<br>রক্ত-জমাট<br>শিকল পূজোর পাষাণ-বেদী! **''ভাঙ্গার গান'' কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, প্রথম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১৫৯ * ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান,<br>আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান? ** ‘সর্বহারা’ কাব্যের ‘কান্ডারী হুঁশিয়ার’, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১২৩ * আমি বন্ধন-হারা কুমারীর বেণী, তন্বি-নয়নে বহ্নি,<br> আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম-উদ্দাম, আমি ধন্যি! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮ *নিজে নিষ্ক্রিয় থেকে অন্য একজন মহাপুরুষকে প্রাণপণে ভক্তি করলেই যদি দেশ উদ্ধার হয়ে যেত,তাহলে এই দেশ এতদিন পরাধীন থাকত না। **''আমার পথ'' প্রবন্ধ, ''রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২১ * ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়। ** ''আমার পথ'' প্রবন্ধ, ''রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২২ * আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে। ** ''আমার পথ'' প্রবন্ধ, ''রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২১ * যার নিজের [[ধর্ম|ধর্মে]] [[বিশ্বাস]] আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না। ** ''আমার পথ'' প্রবন্ধ'', রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২২ * আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান-বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১ * আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস্,<br>আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭ * মহা– বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত<br>আমি সেই দিন হব শান্ত,<br>যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না,<br>অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না,<br>বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত<br>আমি সেই দিন হব শান্ত! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০–১১ * কত মোহররম এলো, গেল চলে বহু কাল—<br>ভুলি নি গো আজো সেই শহীদের লোহু লাল!<br>মুস্‌লিম! তোরা আজ ‘জয়নাল আবেদীন,’<br>‘ওয়া হোসেনা—ওয়া হোসেন।’ কেঁদে তাই যাবে দিন।<br>ফিরে এল আজ সেই মহরম মাহিনা<br>ত্যাগ চাই মর্সিয়া-ক্রন্দন চাহি না! ** ‘মোহররম’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৭–৫৮ * আমার যাবার সময় হল<br>দাও বিদায়।<br>মোছ আঁখি দুয়ার খোলো<br>দাও বিদায়। ** নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, সপ্তম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১৫৬ * যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে!<br>অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে—<br>বুঝবে সেদিন বুঝবে। ** ‘অভিশাপ’ কবিতা, দোলন-চাঁপা কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, প্রথম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮৫ * তুমি সুন্দর, তাই চেয়ে থাকি প্রিয়, সে কি মোর অপরাধ?<br>চাঁদেরে হেরিয়া কাঁদে চকোরিণী, বলে না তো কিছু চাঁদ।৷ ** বুলবুল কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, ষষ্ঠ খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ২৭৩ * হয়তো তোমার পাব দেখা,<br>যেখানে ঐ নত [[আকাশ]] চুমছে বনের সবুজ রেখা।৷ ** ‘আশা’ কবিতা, ‘ছায়ানট’ কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৩৪ * হেথা সবে সম পাপী<br> আপন পাপের বাটখারা দিয়ে অন্যের পাপ মাপি! ** ‘পাপ’ কবিতা, ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮৪ * [[ভালোবাসা]] দিয়ে [[ভালোবাসা]] না পেলে তার [[জীবন]] দুঃখের ও জড়তার। * ভালোবাসাকে যে জীবনে অপমান করে সে জীবনে আর ভালোবাসা পায় না। * তোমারে যে চাহিয়াছে ভুলে একদিন, সে জানে তোমারে ভোলা কি কঠিন। * মৃত্যুর যন্ত্রণার চেয়ে বিরহের যন্ত্রণা যে কতো কঠিন,<br>কতো ভয়ানক তা একমাত্র ভুক্তভোগীই অনুভব করতে পারে। *একটা ধর্ম কখনো সঙ্কীর্ণ, অনুদার হইতে পারে না। ধর্ম সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত এবং সত্য চিরদিনই বিশ্বের সকলের কাছে সমান সত্য। কোন ধর্ম শুধু কোন এক বিশিষ্ট সম্প্রদায়ের জন্য নয়। তাহা বিশ্বের। **‘ছুঁৎমার্গ’ প্রবন্ধ ==কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে উক্তি== * কবি নজরুল যে-স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেটা শুধু তার নিজের স্বপ্ন নয় —সমগ্র বাঙালী জাতির স্বপ্ন। **[[সুভাষচন্দ্র বসু]], নজরুল স্মৃতি- বিশ্বনাথ দে সম্পাদিত, প্রকাশক- সাহিত্যম্, কলিকাতা, পৃষ্ঠা ২ * কবিরা সাধারণত কোমল ও ভীরু, কিন্তু নজরুল তা নন। কারাগারে শৃঙ্খল পরে বুকের রক্ত দিয়ে তিনি যা লিখেছেন, তা বাঙালীর প্রাণে এক নৃতন স্পন্দন জাগিয়ে তুলেছে। **[[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়]], নজরুল স্মৃতি- বিশ্বনাথ দে সম্পাদিত, প্রকাশক- সাহিত্যম্, কলিকাতা, পৃষ্ঠা ৪ * ভুল হয়ে গেছে বিলকুল<br> আর সব কিছু ভাগ হয়ে গেছে<br>ভাগ হয়নিকো নজরুল। **অন্নদাশঙ্কর রায় * [[জীবনানন্দ দাশ]] বলতেন নজরুল ইসলামের আত্মপ্রত্যয় ছিল। পরিকীর্তিত সৎ প্রেরণাই মানুষের ও শেষ বিশ্লেষণে মানুষ সমাজের মর্মকথা এই ঘোষণায় তার অপূর্ব বিশ্বাস ছিল। মনুষ্যজীবনের পরিবর্তিত অমূল্য জিনিসগুলোর উত্তরোত্তর মূল্যনাশের [[ব্যথা]] তাঁকে সন্তপ্ত করেছিল। .. তাঁর জনপ্রেম, দেশপ্রেম পূর্বোক্ত শতাব্দীর বৃহৎ ধারার সঙ্গে সত্যিই একাত্ম। পরবর্তী কবিরা এ সৌভাগ্য থেকে অনেকটা বঞ্চিত বলে আজ পর্যন্ত নজরুলকেই সত্যিকারের দেশ ও দেশীয়দের বন্ধু কবি বলে জনসাধারণ চিনে নিবে। ” “জন ও জনতার বন্ধু ও দেশপ্রেমিক কবি নজরুল। ” == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী| Kazi Nazrul Islam}} * [https://archive.org/search.php?query=%28%28subject%3A%22Islam%2C%20Kazi%20Nazrul%22%20OR%20subject%3A%22Islam%2C%20Kazi%20N%2E%22%20OR%20subject%3A%22Islam%2C%20K%2E%20N%2E%22%20OR%20subject%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20subject%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20subject%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20subject%3A%22Islam%2C%20Kazi%22%20OR%20subject%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22K%2E%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20Kazi%20Nazrul%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20Kazi%20N%2E%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20K%2E%20N%2E%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20K%2E%20Nazrul%22%20OR%20creator%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20Kazi%22%20OR%20title%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20title%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20title%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20title%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20description%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Islam%2C%20Kazi%20Nazrul%22%20OR%20description%3A%22Islam%2C%20Kazi%20N%2E%22%20OR%20description%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Islam%2C%20Kazi%22%29%20OR%20%28%221899-1976%22%20AND%20Islam%29%29%20AND%20%28-mediatype:software%29 ইন্টারনেট আর্কাইভে নজরুল ইসলাম] * [https://books.google.com/books?&as_auth=%22Nazrul+Islam+%28Kazi%29%22 নজরুল ইসলাম, গুগল বুকসে] * [http://www.kazinazrulislam.org/ কাজী নজরুল [[ইসলাম]] প্রোফাইল (বাংলায়)] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের গায়ক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সঙ্গীতজ্ঞ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বিপ্লবী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক সক্রিয়কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:অনুবাদক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় প্রাবন্ধিক]] t0guwq6gscyxojtqtsy2nxiaqvqtojm ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin 3 4386 83401 83362 2026-05-04T19:40:36Z Tuhin 172 /* আদালত */ উত্তর 83401 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arabi Abrar,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:০০, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> == যশবন্ত সিং == সূত্রের শিরোনাম সরাসরি অনুবাদ হবেনা। প্রয়োজন মূল ভাষার শিরোনামকে বাংলা হরফে লেখা যেতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:১১, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], সূত্রের শিরোনাম ইংরেজিতে প্রতিস্থাপন করে দিয়েছি। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১৫:২২, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == মুম্বই == ফিনিশিং দেওয়া প্রয়োজন [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:২৪, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == আদালত == [[আদালত]] নিবন্ধে অনেক শব্দের ক্ষেত্রে অধিকতর উপযুক্ত বাংলা প্রতিশব্দ ব্যবহার করা প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি উইকিপিডিয়ায় যে কয়টি পেয়েছি সেই অনুযায়ী মিলিয়ে লেখার চেষ্টা করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১৯:৪০, ৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি) == জমিদার == [[জমিদার]] অনুবাদ আরো প্রাঞ্জল করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০৩, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], এটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১০:০৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২০:৩০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি) == নিখিল ভারত মুসলিম লীগ == [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] পাতায় আরো সংশোধন প্রয়োজন [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:১১, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], এটি সম্প্রসারণ এবং সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১০:০৪, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২০:২৮, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি) == মানব গুপ্ত == [[মানব গুপ্ত]] নিয়ে আরো কাজ করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৫, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == অ্যামব্রোজ বিয়ার্স == [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] পাতাটিতে এআইয়ের স্পষ্ট ছাপ দেখা যাচ্ছে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে আবার সংশোধন করে নিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২২:১৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ডরোথি রে হিলি == [[ডরোথি রে হিলি]] পাতাটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৩২, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা == [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] পাতায় সংশোধন প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == হেনরি হোম, লর্ড কেইমস == [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] পাতায় দেখা যাচ্ছে অকারণে শুধু অনুবাদের বদলে ইংরেজি শব্দের সাথে বা যুক্ত করে অর্থ দেখানো হয়েছে। আশাকরি এগুলো ঠিক করবেন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৫১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] পাতাটি সংশোধন করেছি। এখন দেখুন।– [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১৮:০৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২১:৫৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি) nvo42cvpzdeckwa2wcdi0zssjbxj96d 83402 83401 2026-05-05T02:23:28Z Mehedi Abedin 50 /* আদালত */ উত্তর 83402 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arabi Abrar,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:০০, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> == যশবন্ত সিং == সূত্রের শিরোনাম সরাসরি অনুবাদ হবেনা। প্রয়োজন মূল ভাষার শিরোনামকে বাংলা হরফে লেখা যেতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:১১, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], সূত্রের শিরোনাম ইংরেজিতে প্রতিস্থাপন করে দিয়েছি। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১৫:২২, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == মুম্বই == ফিনিশিং দেওয়া প্রয়োজন [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:২৪, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == আদালত == [[আদালত]] নিবন্ধে অনেক শব্দের ক্ষেত্রে অধিকতর উপযুক্ত বাংলা প্রতিশব্দ ব্যবহার করা প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি উইকিপিডিয়ায় যে কয়টি পেয়েছি সেই অনুযায়ী মিলিয়ে লেখার চেষ্টা করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১৯:৪০, ৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০২:২৩, ৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি) == জমিদার == [[জমিদার]] অনুবাদ আরো প্রাঞ্জল করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০৩, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], এটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১০:০৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২০:৩০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি) == নিখিল ভারত মুসলিম লীগ == [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] পাতায় আরো সংশোধন প্রয়োজন [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:১১, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], এটি সম্প্রসারণ এবং সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১০:০৪, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২০:২৮, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি) == মানব গুপ্ত == [[মানব গুপ্ত]] নিয়ে আরো কাজ করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৫, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == অ্যামব্রোজ বিয়ার্স == [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] পাতাটিতে এআইয়ের স্পষ্ট ছাপ দেখা যাচ্ছে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে আবার সংশোধন করে নিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২২:১৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ডরোথি রে হিলি == [[ডরোথি রে হিলি]] পাতাটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৩২, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা == [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] পাতায় সংশোধন প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == হেনরি হোম, লর্ড কেইমস == [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] পাতায় দেখা যাচ্ছে অকারণে শুধু অনুবাদের বদলে ইংরেজি শব্দের সাথে বা যুক্ত করে অর্থ দেখানো হয়েছে। আশাকরি এগুলো ঠিক করবেন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৫১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] পাতাটি সংশোধন করেছি। এখন দেখুন।– [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১৮:০৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২১:৫৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ab8ja7rdyvjk9tse44n4jua05dxknus ব্যবহারকারী আলাপ:ARI 3 4407 83399 83364 2026-05-04T18:20:59Z Tuhin 172 /* পর্যালোচনা */ উত্তর 83399 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' == [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:০১, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত বার বার মেনশন করবেন না, একবার মেনশন হবে, অধৈর্য হবেন না, আমি ঠিক দেখব।<br><br> সম্পূর্ণ পাতা না দেখেও বলা যায় এটি অপরিশোধিত যান্ত্রিক অনুবাদ। :*<code>'''গণহত্যা '''(যার মধ্যে '''হলোকাস্ট '''অন্তর্ভুক্ত),</code> লাইনে দুটি শব্দেই উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন/করা আছে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় ''হলোকাস্ট '' কোনোও শব্দ নেই, আর এখানে যে ''গণহত্যা'' শব্দে উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন তার অর্থ ভিন্ন। :* <code>More and more we felt that only a resolution of the European situation could save Spain, if Spain was to be saved</code> → <code>আমরা আমাদের অস্তিত্বের প্রতিটি স্পন্দনে... মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছিলাম</code> এতটা নাটকীয় অনুবাদ? :* <code>they had given thousands of their best sons</code> → <code>হাজার হাজার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মুক্তির লড়াইয়ে যুদ্ধের অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ করেছিল"।</code> মূল লেখায় '''মুক্তির লড়াই''' বা '''অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ''' এরকম কোনো কথা নেই। :* সূত্রগুলো তে লিংক নেই, সূত্রের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় — (em dash) চিহ্ন। :* বিভিন্ন জায়গায় টেক্সট ফর্ম্যাটিংয়ের সমস্যা, যেখানে বোল্ড/ইটালিক প্রয়োজন সেখানে বোল্ড/ইটালিক নেই, যেখানে প্রয়োজন নয়, সেখানে আছে। :এগুলো দেখলেই বোঝা যায়। আমি শুধুমাত্র প্রথমের কিছু উক্তির ভুলগুলো তুলে ধরলাম। আপনার সম্পূর্ণ পাতাতেই এই ভুলগুলো রয়েছে। :এই সমস্যাগুলো ঠিক করে জানান, বিশেষ করে শব্দসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরঞ্জন করবেন না। খেয়াল রাখবেন [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে '''প্রতিটি নিবন্ধ সর্বোচ্চ দুই (২) বার পর্যালোচনা করা যাবে।''' [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], প্রথমত বারবার মেনশন করলাম না। তবে অতিরিক্ত দেরি না করার পরামর্শ দিচ্ছি। ::দ্বিতীয়ত, কিছু জায়গায় ভাবানুবাদ না করলে একদমই '''আক্ষরিক''' হয়ে যায় যা পরিহারযোগ্য। তবুও, উপরোক্ত উদাহরণের মতো অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণের চেষ্টা করা হবে। এবং সূত্র থেকে লিঙ্ক তেমন বাদ না পড়লেও লিঙ্কগুলো খুঁজে দেখা হবে। এছাড়া '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' পরিমার্জন করা হবে, '''কিন্তু''' ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল। পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ ব্যাপারে মন্তব্য রাখবেন। ~'''আল-মাহমুদ''' ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এও মন্তব্যটাও পড়ে মনে হচ্ছে এআই জেনারেটেড। :::যাই হোক, ভাবানুবাদ আর অতিরঞ্জন দুটো আলাদা জিনিস। আরও একটি কথা, যখন একই প্যাটর্নে কিছু জিনিস পাল্টাতে থাকে তখন সেটা স্পষ্ট যান্ত্রিক অনুবাদ। :::"বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল"- এই কথার অর্থ কি ? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:০২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], খুবই অনুমানযোগ্য উত্তর। এআই জেনেরাটেড উত্তর আপনাকে কেন দিতে যাব? নিজের Key-Board চেপে দিচ্ছি। ভাষা একটু গোছানো হলেই তাকে 'এ-আই জেনেরেটেড' ভাববেন না। যেহেতু আমিই সম্পাদনাটি করছি তাই অতিরিক্ত সন্দিহান হবেন না।। উইকিপিডিয়াতে আমি একদম নবাগত ('''৪৩ দিন''', উইকিউক্তিতে '''২৫ দিন''') হলেও আমার দীর্ঘদিন সাহিত্যিক-কাব্যিক ঘরানার লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে। ::::যাইহোক সেসব বাদ (''ব্যক্তিগত হিসেবে নেওয়ার দরকার নেই। \ আলোচনায় কেউ এসব বললে সেটা পছন্দ করিনা''), এটা আগেই বলা হয়েছে যে অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণ করা হবে। :::: ::::"বুঝাতে চেয়েছি যে ''''ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে''''। যেমনঃ এক জায়গায় ''ফরাসি অথবা জার্মান ভাষা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ওই ভাষাটিকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বোল্ড করা হবে। এই বিষয়েই মন্তব্য করবেন।" ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:৪৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ৭ লাইনের ইংরেজি থেকে বাংলা ভাবানুবাদ করলেও তা কখনোই ১৮ লাইন হতে পারে না। :::::[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|প্রতিযোগিতার নিয়মে]] স্পষ্ট উল্লেখ আছে '''অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি, অপ্রয়োজনীয় বোল্ড, অপ্রয়োজনীয় বুলেট পয়েন্ট, বাংলার পাশে বারবার ব্র্যাকেটে ইংরেজি টার্ম, তথ্যসূত্র অনুপস্থিত ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে।''' :::::আপনার যদি আমার পর্যালোচনা নিয়ে অন্য কোনও রকম আপত্তি থেকে থাকে তা আপনি প্রতিযোগিতার আলাপ পাতায় তুলে ধরতে পারেন। আর যদি না তা না থাকে তাহলে উল্লিখিত বিয়ষয়গুলো সংশোধন করে আমাকে এখানে মেনশন করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:১৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শার্প: পুনঃপর্যালোচনা == [[উইলিয়াম শার্প]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ~ [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Muqtadir Fuad|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[বমি]] নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ == @[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] আমি [[বমি]] নিবন্ধটি সংশোধন করে [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]]কে জানিয়েছিলাম। সে গ্রহণ করে নিলেও আপনি দেখলাম গ্রহণ করেননি। তাই ফাউন্টেইন টুলফোর্জে না দেখাচ্ছে 0 না দেখাচ্ছে 1। তাই অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:০২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]],আদাব<br>[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি সংশোধন করেছি।<br>(পাতা থেকে যথাসাধ্য অতিরঞ্জিত ভাবানুবাদ ছেটে, সূত্র-ও যুক্ত করেছি। তবে দীর্ঘ পাতা হওয়া, কিছু ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে, তাই কোনো প্র য়োজন হলে অনুগ্রহপূর্বক মেন্শন করবেন) ধন্যবাদ,, [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] গতকাল ইতিমধ্যেই একবার মেনশন করেছেন, বারবার মেনশন করবেন না। পর্যালোচকদেরও বাস্তব জীবনে ব্যস্ততা থাকতে পারে। আমি দেখে পর জানাব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ভাবলাম বোধহয় টেকনিক্যাল সমস্যা হয়েছে। তাই দ্বিতীয়বার করেছি। আপনার ব্যক্তিগত ইমেইল এড্রেস হলে এক্ষেত্রে ভালো হত। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] অপাতত গ্রহণ করেছি। ইটালিক/বোল্ড ঠিক করেননি। আর এখনও অতিরঞ্জনে পরিপূর্ণ। আমি আপনাকে এখানে আবার মেনশন করে কি ঠিক করতে হবে বলে দেব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:১০, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ততক্ষণে আপনি ইংরেজির সাথে ইটালিক/বোল্ড সামঞ্জস্য করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:১১, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ দা। আমি উক্তির মাঝে বোল্ড/ইটালিক সামঞ্জস্য করেছি, তবু চেক করছি। তবে আপনি কি উক্তিকারীর নামের মধ্যে দেওয়া এক্স্ট্রা বোল্ড+ইটালিক বাদ দেওয়ার কথা বলছেন?> যেমনঃ '''''মুসা গালিব''''' থেকে মুসা গালিব? যদিও এটার জন্য এর আগে কখনো নিবন্ধ ক্যান্সাল হয়নি।।[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ইংরেজিতে যেগুলো বোল্ড/ইটালিক আছে সেগুলো অন্তত বাংলায় করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৩১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[অ্যানোনিমাস]] == সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৪:৪৯, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:৪১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == স্বাধীনতা দিবস (ভারত) == [[স্বাধীনতা দিবস (ভারত)]] পাতাটির ২টি উক্তি অপ্রাসঙ্গিক। প্রাসঙ্গিক উক্তি ব্যবহার করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০১:৩৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০২:৩১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == অনিল ভৌমিক == আপনি [[অনিল ভৌমিক]] এ লিখেছেন "যান্ত্রিক; উৎস ঠিক করুন"। কিন্তু উক্তি গুলোর একটাও অনুবাদ নয়, তাই যান্ত্রিকতার বিষয়টা বুঝলাম না। উৎস হিসেবে যে ওয়েবপেজে উক্তি রয়েছে তার লিংক যোগ করাই আছে, আর কী যোগ করব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১৬:০৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] অনুবাদের জন্য "যান্ত্রিক" শব্দটা ব্যবহার করিনি। আপনি যে সুত্র যোগ করেছেন তা খুললে "Not found, error 404" দেখাচ্ছে। :এআই সাধারণত এমন ভুল করে, যেমন random ইউআরএল যোগ করে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:০৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::শায়িত দেবতাদের মন্দির পাতাটার লিংক বদলে দিয়েছি। পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ০২:৫৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::{{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:০২, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি) == পর্যালোচনা == [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] এবং [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সূত্র সংশোধন করা হয়েছে। [[বৃন্দাবন]] পাতায় কী সমস্যা আছে বুঝতে পারছি না। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ২০:০১, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি) :[[মণিপুর]], [[মৈতৈ জাতি]] এবং [[মাইকেল বিশপ]] এই পাতাগুলো সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ২০:১১, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] অন্যান্য নিবন্ধগুলো {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৪৯, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[বৃন্দাবন]] পাতায় ৫নং উক্তিতে :*মূল ইংরেজি অংশে “neither by their master's orders nor from the severe handling they received in yesterday's fight” বাক্যটি আছে, কিন্তু অনুবাদে এটি সম্পূর্ণ বাদ পড়েছে। :*“all of them non-combatants and many of them priests” অংশটিও অনুবাদে নেই। :*“plundering everywhere as directed”–এর ক্ষেত্রে “as directed” (নির্দেশ অনুযায়ী) অংশটি অনুবাদে অনুপস্থিত :*“general massacre”–এর অনুবাদ “সাধারণ গণহত্যা” হয়েছে। এর বদলে “ব্যাপক গণহত্যা” বা “সর্বত্র গণহত্যা” ব্যবহার করা আরও উপযুক্ত হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৪৯, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[আব্রাহাম কাহান]] নিবন্ধে যাঁর, তাঁর থেকে চন্দ্রবিন্দু সরান। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৫৯, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[বৃন্দাবন]] এবং [[আব্রাহাম কাহান]] উভয় পাতা সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৩৪, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৬, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] পাতাটি অনুবাদ করার মাধ্যমে সম্পূর্ণ লেখা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৮:২০, ৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি) plwype18ehmmby6m24chwnwa9jridim ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker 3 9527 83393 83390 2026-05-04T13:32:49Z MS Sakib 35 /* পাতা সংশোধন */ উত্তর 83393 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Dr. Mosaddek Khondoker,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১৯:১৩, ৯ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[জাইর বলসোনারু]] == বেশ কিছু উক্তিতে লিংক করা বাকি। এগুলো সংশোধন এবং বহিঃসংযোগ যোগ করে আমাকে মেনশন করে জানালে গ্রহণ করে নিব।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০০:৩৪, ৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == অনুবাদ == আপনি অনুবাদগুলো কিভাবে করেন । আমি নতুন তাই কিছু পরামর্শ চাচ্ছি।[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৩:০৫, ৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] == বেশিরভাগ তথ্যসূত্রে লিংক যোগ করা হয়নি। এছাড়া উক্তিতে যান্ত্রিকতা আছে। দ্রুত লিংক যোগ না করলে গ্রহণ করা হবে না।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৩:২০, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] == এই পাতাতেও কোনো উক্তির উৎসে লিংক যোগ করা হয়নি। একই কথা প্রযোজ্য।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৩:২৩, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই দুঃখিত। আমি অপ্রত্যাশিত ভাবে হঠাৎ একটি সমস্যায় পড়ে যাওয়ায় কাজ করার সময় পাচ্ছি না। আমি এই ২ টা উক্তির লেখা ভালো করে ঠিক করতে পারি নাই। <nowiki>[[ফ্রেডরিক ডগলাস]]</nowiki> এ কিছু করতে পারি নাই। গ্রহণ করা না হলে এই দুইটা উক্তি ডিলেট করে দিতে পারেন। আমি সময় পেলে করতাম। কিন্তু এখন প্রতিযোগিতা শেষ। আমি এখন ফ্রি সময় এবং মেন্টাল এবিলিটি কিছুই পাচ্ছি না। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ২২:৪১, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == জন হার্ভে কেলোগ == পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫৩, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই আমি করেছি। এখন ঠিক আছে? আর সংশোধন করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১০:৩৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই আমি ঠিক করেছিলাম। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ০৮:৫২, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] দুঃখিত, গ্রহণ করা গেলো না। অনুবাদ এখনো যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] তাহলে এটা ডিলেট করে দিয়েন। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১২:১৪, ১৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমি নিবন্ধটি সংশোধন করেছি। [[মারে গেল-মান]] [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৪:৫৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২২:৪৮, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] সংশোধন করেছি আমি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ২৩:২৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৮:৪৯, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ধন্যবাদ। এবার [[স্টিফেন জে গুল্ড]] সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৭:৫১, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি) == নার্গিস মোহাম্মাদি == [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] পাতাটি পর্যাপ্ত সম্পাদনা না করে জমা দেওয়া হয়েছে। ভালোভাবে সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ধন্যবাদ। আমি আবার পড়ে সংশোধন করেছি। কোনও ভুল পেলে জানাবেন। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৪:৫৫, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] আরো করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:১৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি আবার পুরোটা পড়েছি। আমি আসলে বুঝতে পারছি না আর কী করা যাবে এখানে। অনুগ্রহ করে আমাকে পয়েন্ট আউট করে দিলে সুবিধাজনক হতো। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৯:৪২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] আমি ঠিক করে পাতাটি গ্রহণ করে নিয়েছি। অনুবাদের সময় খেয়াল করবেন যেন কে কাকে কি করছে সেটা স্পষ্ট বোঝা যায়। আর সংশোধনের জন্য লেখার লিংক সরিয়ে ফেলার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২২:০৭, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] স্বাধীনতার বদলে মুক্তি লেখতে হবে বুঝতে পারিনি। আপনি সংশোধন করে দিয়ে গ্রহণ করার জন্য ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ২৩:২২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা সংশোধন == আপনার অনুবাদ করা সব পাতা গৃহীত হলেও আমি বেশ কিছু পাতায় কিছু ত্রুটি দেখতে পাচ্ছি। অনুগ্রহ করে সেগুলো সংশোধন করুন। সংশোধন করা না হলে পাতা "অ-গৃহীত" হতে পারে। * [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] - পৃষ্ঠা নাম্বার বাংলা করুন। শেষ দিকে সূত্রে অনেক ব্যক্তি-প্রকাশকের নাম ইংরেজিতে রয়ে গেছে, সেগুলোকে লিপ্যন্তর করুন। অনুচ্ছেদগুলোর শিরোনামের বর্ণক্রম ঠিক হয়নি। ইংরেজি বর্ণের নাম বাংলা লিপিতে লিখে করতে পারেন। আপনারই [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] পাতার মতো * [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] - মেজর সমস্যা না পাওয়া গেলেও ৩টা ক্ষেত্রে '''এর'''-এর ভুল ব্যবহার হয়েছে। সম্ভবত আধা-স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় হাইফেন সরাতে গিয়ে এই মিস্টেক করেছেন। যেমন: {{লাল|<nowiki>[[ফ্রঁসোয়া দ্য লা রোশফুকো|লা রোশফুকো]]এর</nowiki>}} * [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] - গুরুতর AI ত্রুটি। একটা অযৌক্তিক লিপির লেখা পেলাম। এটা সরাসরি বাতিলযোগ্য। * [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] - উদ্ধৃতি? AI এর ফল? * [[রন পল]] - উদ্ধৃতি। * [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] - আরও একটা অযৌক্তিক লিপির শব্দ পেলাম। * সার্বিক: বাংলায় {{tl|DEFAULTSORT}} ব্যবহার করবেন না। এটা সরিয়ে দিবেন। "বহিঃসংযোগ" অংশে বাংলায় নেই এমন টেমপ্লেট থাকলে সেটা বাংলা নামে তৈরির চেষ্টা করবেন, নয়তো সরিয়ে দিবেন। আজকের মধ্যে সংশোধন করে আমাকে অবগত করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২৩:৩২, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] অনেক ধন্যবাদ। আমি এগুলি ঠিক করে দিয়েছি আজই। কাইন্ডলি আবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১০:০৩, ৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]]তে এখনও ত্রুটি বিদ্যমান। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৩:৩২, ৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি) d243lxyu6tkudgbt5obgeqaf562al1b মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি 0 13022 83394 79037 2026-05-04T17:35:27Z Tuhin 172 /* */ 83394 wikitext text/x-wiki '''[[w:মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি|ইখতিয়ার আল-দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি]]''' যিনি '''মালিক গাজী ইখতিয়ার আল-দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি''' বা '''মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি''' অথবা সংক্ষেপে '''বখতিয়ার খলজি''' (মৃত্যু ১২০৬) হিসেবেও পরিচিত, তিনি ছিলেন [[কুতুবুদ্দিন আইবেক|কুতুব আল-দীন আইবেকের]] একজন সামরিক সেনাপতি যিনি বাংলা জয় করেছিলেন। মনে করা হয় যে তার আক্রমণগুলো [[নালন্দা]], [[ওদন্তপুরী]] এবং [[বিক্রমশিলা]]র বৌদ্ধ স্থাপনাগুলোর মারাত্মক ক্ষতি করেছিল। [[File:The end of Buddhist Monks, A.D. 1193.jpg|thumb|right|200px|[[জেমস মেস্টন, প্রথম ব্যারন মেস্টন|জেমস মেস্টন]] সম্পাদিত ''হাচিনসন'স স্টোরি অফ দ্য নেশনস''-এর ভারত অধ্যায়ের এই ছবিটি ভারতের [[বিহার (ভারত)|বিহারের]] বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের ওপর বখতিয়ার খলজির চালানো হত্যাকাণ্ডকে চিত্রিত করে। খলজি উত্তর ভারতের সমতল ভূমিতে তার অভিযানের সময় [[নালন্দা]] এবং [[বিক্রমশিলা]] বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস করেছিলেন এবং অনেক [[বৌদ্ধ]] ও [[ব্রাহ্মণ]] পণ্ডিতকে হত্যা করেছিলেন।]] [[File:Nalanda University India ruins.jpg|thumb|প্রাচীন নালন্দার ধ্বংসাবশেষ]] == মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি সম্পর্কে উক্তি == * ...এই ব্যবস্থার দ্বিতীয় বছরে মুহাম্মদ বখতিয়ার বিহার থেকে লক্ষণাবতীর দিকে এক বাহিনী নিয়ে আসেন এবং একটি ছোট দলসহ নদীয়া শহরে পৌঁছান। নদীয়া এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সেই শহরের শাসনকর্তা রায় লক্ষ্মণিয়া (লক্ষ্মণ সেন) সেখান থেকে কামরূপের দিকে পালিয়ে যান। অগণিত সম্পদ ও লুণ্ঠিত মালামাল মুসলিমদের হস্তগত হয়। মুহাম্মদ বখতিয়ার অমুসলিমদের উপাসনালয় ও দেবমন্দিরগুলো ধ্বংস করে সেখানে মসজিদ, খানকাহ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি নিজের নামে একটি মহানগরী গড়ে তোলেন যা এখন গৌড় নামে পরিচিত। সেখানে যেখানে আগে শোনা যেত পৌত্তলিকদের কোলাহল ও হট্টগোল, এখন সেখানে প্রতিধ্বনিত হয় ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি। ** ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি (১২০২ ১২০৬ খ্রিস্টাব্দ) এবং নবদ্বীপ (বঙ্গ) প্রসঙ্গে। ** আব্দুল কাদির বদায়ুনি; মুন্তাখাব উত তাওয়ারিখ, জর্জ এস. এ. র‍্যাঙ্কিং কর্তৃক ইংরেজিতে অনূদিত, পাটনা পুনর্মুদ্রণ ১৯৭৩, ভলিউম ১, পৃষ্ঠা ৮২ ৮৩। * [বখতিয়ার খলজি] গঙ্গার তীরে লক্ষণাবতীতে (গৌড়) একটি মুসলিম রাজধানী স্থাপন করেন এবং ১১৯৭ সালে এর ব্যাসল্ট পাথরের মন্দিরগুলো ধ্বংস করেন। ১২০২ সালে তিনি ওদন্তপুরীতে দুই হাজার বৌদ্ধ ভিক্ষুকে হত্যা করেন...। ** লুই ফ্রেডেরিক; ''ল্য এন্দে দ্য এল ইসলাম'', পৃষ্ঠা ৪২ ৪৯। কোয়েনরাড এলস্ট এর ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড, পৃষ্ঠা ৩২৮ এ উদ্ধৃত। * পরের বছর মালিক মুহাম্মদ বখতিয়ার বিহার থেকে যাত্রা করেন এবং একটি ছোট বাহিনী নিয়ে দ্রুত নদীয়া শহরে পৌঁছান। লক্ষণ সেন অত্যন্ত বিভ্রান্ত হয়ে নৌকায় চড়ে পালিয়ে যান। তার সমস্ত ধনসম্পদ ও রাজকীয় সরঞ্জাম যা হিসাবের বাইরে ছিল তা মুহাম্মদ বখতিয়ারের হস্তগত হয়। বখতিয়ার নদীয়া শহরটি ধ্বংস করেন এবং তার বদলে অন্য একটি শহর প্রতিষ্ঠা করেন যা লক্ষণাবতী নামে পরিচিতি পায়। তিনি এটিকে নিজের রাজধানী করেন এবং আজ সেই শহরটি ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়েছে যা গৌড় নামে পরিচিত। সংক্ষেপে মুহাম্মদ বখতিয়ার রাজছত্র ধারণ করেন এবং নিজের নামে খুতবা পাঠ ও মুদ্রা জারি করেন। তিনি পৌত্তলিকদের মন্দিরের স্থানে মসজিদ, খানকাহ ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি অর্জিত লুণ্ঠিত সম্পদের একটি বড় অংশ সুলতান কুতুবুদ্দিন আইবেকের কাছে উপহার হিসেবে পাঠান। ** তবাকত ই আকবরী; খাজা নিজামুদ্দিন আহমেদ [https://archive.org/stream/in.ernet.dli.2015.2531/2015.2531.The-Tabaqat-i-akbari-Vol-i_djvu.txt]। * মুহাম্মদ বখতিয়ার শহরটিকে ধ্বংসের ঝাড়ু দিয়ে মুছে ফেলেন এবং একে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে লক্ষণাবতী শহরটিকে নতুনভাবে গড়ে তোলেন... তিনি এটিকে তার রাজধানী করেন এবং বাংলায় শাসন পরিচালনা করেন... তিনি মুহাম্মাদান ধর্মের বিধানগুলো চর্চার চেষ্টা করেন এবং বাংলায় শাসনকালে মন্দির ধ্বংস ও মসজিদ নির্মাণে লিপ্ত ছিলেন। ** ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি (১২০২ ১২০৬ খ্রিস্টাব্দ) এবং লক্ষণাবতী (বঙ্গ) প্রসঙ্গে। ** রিয়াজ উস সালাতীন; আব্দুস সালাম কর্তৃক ইংরেজিতে অনূদিত, দিল্লি পুনর্মুদ্রণ ১৯৭৬, পৃষ্ঠা ৬৩-৬৪। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]] cnq7xkw80bkxuhpuh8wgyexe0nh9h36 83395 83394 2026-05-04T18:17:22Z Tuhin 172 /* বখতিয়ার খলজি সম্পর্কে উক্তি */ 83395 wikitext text/x-wiki '''[[w:মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি|ইখতিয়ার আল-দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি]]''' যিনি '''মালিক গাজী ইখতিয়ার আল-দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি''' বা '''মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি''' অথবা সংক্ষেপে '''বখতিয়ার খলজি''' (মৃত্যু ১২০৬) হিসেবেও পরিচিত, তিনি ছিলেন [[কুতুবুদ্দিন আইবেক|কুতুব আল-দীন আইবেকের]] একজন সামরিক সেনাপতি যিনি বাংলা জয় করেছিলেন। মনে করা হয় যে তার আক্রমণগুলো [[নালন্দা]], [[ওদন্তপুরী]] এবং [[বিক্রমশিলা]]র বৌদ্ধ স্থাপনাগুলোর মারাত্মক ক্ষতি করেছিল। [[File:The end of Buddhist Monks, A.D. 1193.jpg|thumb|right|200px|[[জেমস মেস্টন, প্রথম ব্যারন মেস্টন|জেমস মেস্টন]] সম্পাদিত ''হাচিনসন'স স্টোরি অফ দ্য নেশনস''-এর ভারত অধ্যায়ের এই ছবিটি ভারতের [[বিহার (ভারত)|বিহারের]] বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের ওপর বখতিয়ার খলজির চালানো হত্যাকাণ্ডকে চিত্রিত করে। খলজি উত্তর ভারতের সমতল ভূমিতে তার অভিযানের সময় [[নালন্দা]] এবং [[বিক্রমশিলা]] বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস করেছিলেন এবং অনেক [[বৌদ্ধ]] ও [[ব্রাহ্মণ]] পণ্ডিতকে হত্যা করেছিলেন।]] [[File:Nalanda University India ruins.jpg|thumb|প্রাচীন নালন্দার ধ্বংসাবশেষ]] ==বখতিয়ার খলজি সম্পর্কে উক্তি== * [[মুসলমান]] আক্রমণকারীরা [[নালন্দা]], বিক্রমশিলা, জগদ্দল, ওদন্তপুরীর মতো আরও অনেক বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় লুণ্ঠন করেছিল। তারা বৌদ্ধ মঠগুলোকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিল যা দিয়ে দেশজুড়ে ছেয়ে ছিল। হাজার হাজার সন্ন্যাসী নেপাল, তিব্বত এবং ভারতের বাইরের অন্যান্য জায়গায় পালিয়ে যান। মুসলিম সেনাপতিদের হাতে সরাসরি বিশাল সংখ্যক মানুষ নিহত হন। মুসলিম আক্রমণকারীদের তলোয়ারের আঘাতে বৌদ্ধ পুরোহিত সমাজ কীভাবে ধ্বংস হয়েছিল তা খোদাই করেছেন খোদ মুসলিম ইতিহাসবিদরাই। ১১৯৭ খ্রিস্টাব্দে বিহার অভিযানের সময় মুসলিম জেনারেলের দ্বারা বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের যে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল সেই সংক্রান্ত প্রমাণগুলি সংক্ষেপে তুলে ধরে মিস্টার ভিনসেন্ট স্মিথ বলেন, "মুসলিম সেনাপতি, যিনি ইতিপূর্বে বিহারে বারবার লুণ্ঠন অভিযানের মাধ্যমে নিজের নামকে এক আতঙ্কে পরিণত করেছিলেন, তিনি এক দুঃসাহসিক আঘাতে রাজধানী দখল করেন... প্রচুর পরিমাণে লুণ্ঠিত মালামাল পাওয়া যায় এবং 'মুণ্ডিত মস্তকধারী ব্রাহ্মণ' অর্থাৎ বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের হত্যাযজ্ঞ এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সম্পন্ন করা হয়েছিল যে যখন বিজয়ী মঠের গ্রন্থাগারের বইগুলোর বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করতে সক্ষম এমন কাউকে খুঁজছিলেন, তখন সেগুলি পড়তে সক্ষম একজন জীবিত মানুষও পাওয়া যায়নি। আমাদের বলা হয়েছে যে, 'এটি আবিষ্কৃত হয়েছিল যে সেই সম্পূর্ণ দুর্গ এবং শহরটি ছিল একটি মহাবিদ্যালয় এবং হিন্দি ভাষায় তারা মহাবিদ্যালয়কে বিহার বলে।' "ইসলামি আক্রমণকারীদের দ্বারা বৌদ্ধ পুরোহিতদের ওপর এই ধরণের হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। কুঠারটি একদম মূলে আঘাত করেছিল। কারণ বৌদ্ধ পুরোহিত সমাজকে হত্যার মাধ্যমে ইসলাম বৌদ্ধধর্মকে হত্যা করেছিল। ভারতে বুদ্ধের ধর্মের ওপর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় বিপর্যয়.... **[[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর|বি. আর. আম্বেদকর]], "দ্য ডিক্লাইন অ্যান্ড ফল অফ বুদ্ধিজম," ''ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর: রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস'', খণ্ড ৩, মহারাষ্ট্র সরকার। ১৯৮৭, পৃষ্ঠা ২৩২-২৩৩ * ভারতীয় বৌদ্ধধর্ম ধ্বংসের ক্ষেত্রে খিলজির প্রধান ভূমিকা সমসাময়িক মুসলিম উৎসগুলোতে সুপ্রতিষ্ঠিত এবং একে এত অনায়াসে নামহীন কোনো হিন্দু জুজুর ওপর চাপিয়ে দেওয়া যায় না। **এ্যালস্ট, কে. দ্য আর্গুমেন্টেটিভ হিন্দু (২০১২) * তার বীরত্বের খ্যাতি এবং তার লুণ্ঠনমূলক অভিযানের খবর বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে যা তার পতাকাতলে একদল খলজি যোদ্ধাকে আকর্ষণ করেছিল যারা তখন সমগ্র হিন্দুস্তানে ঘুরে বেড়াত। তার বীরত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের কথা কুতুবুদ্দিন আইবকের কাছে জানানো হয়েছিল। তিনি তাকে একটি সম্মানের পোশাক পাঠিয়েছিলেন এবং ১২০২ খ্রিস্টাব্দে সুলতানের সেনাপতি হিসেবে বিহারে অভিযান চালানোর জন্য তাকে নিযুক্ত করেছিলেন। ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি বিহার ও বাংলায় ব্যাপকভাবে বিজয় লাভ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো সম্মান ও স্বীকৃতি ছাড়াই তিনি মারা যান। **লাল, কে. এস. (১৯৯৪)। মুসলিম স্লেভ সিস্টেম ইন মেডিয়েভাল ইন্ডিয়া। নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন। অধ্যায় ৪ * পূর্বে খলজির সামরিক কর্মকাণ্ডের ফলে ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল। দ্বাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে বা ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুতে তিনি বিহারে অগ্রসর হন এবং নালন্দা, বিক্রমশিলা ও উদ্ধণ্ডপুরের বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রগুলোতে আক্রমণ করেন এবং উদ্ধণ্ডপুর বা ওদন্তপুরীর স্থানে একটি দুর্গ নির্মাণ করেন। এই স্থানগুলোর বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের গণহত্যা করা হয়েছিল এবং সাধারণ মানুষ তাদের পুরোহিত ও শিক্ষকদের হারিয়ে কেউ ব্রাহ্মণ্যবাদের দিকে এবং কেউ ইসলামের দিকে ঝুঁকেছিল। বৌদ্ধধর্ম বিহার থেকে সাথে সাথেই বা পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যায়নি। তবে বিহারে বখতিয়ারের আক্রমণ বৌদ্ধধর্মের ওপর একটি বিধ্বংসী আঘাত হেনেছিল এবং এর হারিয়ে যাওয়া অনুসারীরা মূলত ইসলাম কর্তৃক প্রাপ্ত হয়েছিল। **লাল, কে. এস. (২০১২)। ইন্ডিয়ান মুসলিমস: হু আর দে। * একজন স্বাধীন অভিযাত্রী, মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি, আরও পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছিলেন। ১২০০ খ্রিস্টাব্দে তিনি বিহারের অরক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয় শহর ওদন্তপুরী লুণ্ঠন করেন এবং মঠের [[বৌদ্ধ]] সন্ন্যাসীদের গণহত্যা করেন। ১২০২ খ্রিস্টাব্দে তিনি আকস্মিকভাবে নদীয়া দখল করেন। বদায়ুনী তার মুনতাখাব-উত-তাওয়ারিখে লিপিবদ্ধ করেছেন যে “গণনার অতীত সম্পত্তি ও লুণ্ঠিত মালামাল মুসলমানদের হস্তগত হয়েছিল এবং মুহাম্মদ বখতিয়ার [[কাফের]]দের উপাসনালয় ও [[মূর্তি]] [[মন্দির]] ধ্বংস করে মসজিদ ও খানকাহ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন”। ** মুনতাখাব-উত-তাওয়ারিখ, গোয়েল, সীতা রাম (২০০১)। দ্য স্টোরি অফ ইসলামিক ইম্পেরিয়ালিজম ইন ইন্ডিয়া। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৮৫৯৯০২৩১ অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। * “সংক্ষেপে, মুহাম্মদ বখতিয়ার রাজকীয় ছত্র ধারণ করেছিলেন এবং তার নিজের নামে খুতবা পাঠ ও মুদ্রা জারি করেছিলেন এবং বিধর্মীদের মন্দিরের পরিবর্তে মসজিদ, খানকাহ ও মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।” ** ইখতিয়ারুদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি (১২০২-১২০৬ খ্রিস্টাব্দ) বাংলা সম্পর্কে: তাবকাত-ই-আকবরি, বি. দে কর্তৃক অনূদিত, কলকাতা, ১৯৭৩, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৫১। নিজামুদ্দিন আহমদ রচিত তাবকাত-ই-আকবরি। * “মুহাম্মদ বখতিয়ার শহরটিকে ধ্বংসের ঝাড়ু দিয়ে মুছে ফেলে সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত করেছিলেন এবং লখনৌতি শহরটিকে নতুন করে গড়ে তুলে… তার রাজধানী হিসেবে বাংলা শাসন করেছিলেন… এবং মুহাম্মদীয় ধর্মের বিধানগুলো কার্যকর করার চেষ্টা করেছিলেন… এবং এক সময় বাংলা শাসন করার সময় তিনি মন্দির ধ্বংস ও মসজিদ নির্মাণে লিপ্ত ছিলেন।” ** ইখতিয়ারুদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি (১২০২-১২০৬ খ্রিস্টাব্দ) লখনৌতি (বাংলা): রিয়াজুস-সালাতিন, আবদুস সালাম কর্তৃক ইংরেজিতে অনূদিত, দিল্লি পুনর্মুদ্রণ, ১৯৭৬, পৃষ্ঠা ৬৩-৬৪। * মুহাম্মদ ঘুরি আজমেরের হিন্দু মন্দিরগুলো ধ্বংস করেছিলেন এবং সেগুলোর ধ্বংসাবশেষের ওপর মসজিদ ও কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন… তিনি কনৌজ ও কাশি লুণ্ঠন করেছিলেন এবং তাদের মন্দিরগুলো ধ্বংস করেছিলেন... [যখন তার সেনাপতিরা] যাওয়ার পথে বিহারের অবশিষ্ট বৌদ্ধ সম্প্রদায়গুলোকে ধ্বংস করেছিলেন এবং নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ধ্বংস করেছিলেন.... বখতিয়ার খলজি “গঙ্গার তীরে লখনৌতিতে (গৌড়) একটি মুসলিম রাজধানী স্থাপন করেছিলেন এবং ১১৯৭ সালে এর ব্যাসাল্ট পাথর দিয়ে নির্মিত মন্দিরগুলো ধ্বংস করেছিলেন। ১২০২ সালে ওদন্তপুরীতে তিনি দুই হাজার বৌদ্ধ সন্ন্যাসীকে হত্যা করেছিলেন.... ** লুই ফ্রেডেরিক, এল’ইন্দে ডি এল’ইসলাম, পৃষ্ঠা ৪২-৪৯, (উদ্ধৃত: ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড - কোয়েনরাড এ্যালস্ট কর্তৃক, পৃষ্ঠা ৩২৮)। * সাধারণভাবে হিন্দু শিক্ষা ব্যবস্থা দমিত হয়েছিল কারণ হিন্দু ও বৌদ্ধ বিদ্যালয়গুলো মন্দির এবং মঠের সাথে যুক্ত ছিল। এগুলো একদম শুরু থেকেই নিয়মিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল এবং সেগুলোর সাথে সাথে শিক্ষাকেন্দ্রগুলোও ধ্বংস হয়েছিল। [[কুতুবুদ্দিন আইবেক|কুতুবউদ্দিন আইবেক]] আজমীরে বিশালদেবের সংস্কৃত মহাবিদ্যালয়টি মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিলেন এবং সেই স্থানে আড়াই দিন কা ঝোপড়া নামক একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। পূর্ব দিকে [[ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি|ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি]] ১১৯৭-১২০২ সালের মধ্যে বিহারের বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রগুলো যেমন ওদন্তপুরী, [[নালন্দা]] এবং বিক্রমশিলা লুণ্ঠন করেছিলেন। ... বিদ্যালয় এবং মন্দির ধ্বংস করার প্রক্রিয়া কেন্দ্র এবং প্রদেশ উভয় স্থানেই আওরঙ্গজেবের সময় পর্যন্ত বেশিরভাগ মুসলিম শাসক দ্বারা অব্যাহত ছিল। এই ক্ষেত্রে আওরঙ্গজেব ছিলেন অন্যতম উৎসাহী ব্যক্তি, যদিও তিনি এর ব্যতিক্রম ছিলেন না.... আমি বহু বছর ধরে দিল্লি, ভোপাল এবং হায়দ্রাবাদে (দাক্ষিণাত্য) বসবাস করেছি। এই সমস্ত জায়গায় আমি মধ্যযুগীয় সময়ের টিকে থাকা কোনো মন্দির খুঁজে পাইনি বললেই চলে। হিন্দু শিক্ষা ব্যবস্থা বিদ্যালয় এবং ব্রাহ্মণ শিক্ষকদের ওপর নির্ভরশীল ছিল এবং উভয়ই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শহরাঞ্চলের মন্দিরের সাথে যুক্ত ছিল। আর এই তিনটি বিষয় অর্থাৎ বিদ্যালয়, শিক্ষক এবং মন্দির পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল। ** লাল, কে. এস. (১৯৯৯)। থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া। নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন। অধ্যায় ৭। * তবে এ বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ খুব কম যে ওদন্তপুরী ও বিক্রমশিলা মঠ ধ্বংসের জন্য সরাসরি দায়ী ব্যক্তি ছিলেন ইখতিয়ার-উদ-দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি... ** [https://archive.org/stream/TaranathasHistoryOfBuddhismInIndia/Taranatha%E2%80%99s%20History%20of%20Buddhism%20in%20India_djvu.txt] [https://archive.org/details/TaranathasHistoryOfBuddhismInIndia/page/n471/mode/2up] থেকে উদ্ধৃত, এইচ. মুখিয়া, তারানাথ’স হিস্ট্রি অফ বুদ্ধিজম ইন ইন্ডিয়া, ইংরেজি অনুবাদ। * “…এই ব্যবস্থার দ্বিতীয় বছরে মুহাম্মদ বখতিয়ার বিহার থেকে লখনৌতির দিকে একটি সেনাবাহিনী নিয়ে আসেন এবং একটি ক্ষুদ্র বাহিনীসহ নদীয়া শহরে পৌঁছান; নদীয়া এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত। সেই শহরের শাসক রায় লক্ষ্মণিয়া (লক্ষ্মণ সেন)... সেখান থেকে কামরানের দিকে পালিয়ে যান এবং গণনার অতীত সম্পত্তি ও লুণ্ঠিত মালামাল মুসলমানদের হস্তগত হয় এবং মুহাম্মদ বখতিয়ার [[কাফের]]দের উপাসনালয় ও [[মূর্তি]] [[মন্দির]] ধ্বংস করে মসজিদ, মঠ ও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার নিজের নামে একটি রাজধানী নির্মাণ করেন যা এখন গৌড় নামে পরিচিত।<br/> সেখানে যেখানে আগে শোনা যেত<br/> বিধর্মীদের কোলাহল ও শোরগোল,<br/> এখন সেখানে প্রতিধ্বনিত হতে শোনা যায়<br/> ‘আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি।” ** ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি (১২০২-১২০৬ খ্রিস্টাব্দ) নবদ্বীপ (বাংলা) সম্পর্কে: মুনতাখাবু’ত-তাওয়ারিখ, জর্জ এস.এ. র‍্যাঙ্কিং কর্তৃক [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি ভাষায়]] অনূদিত, পাটনা পুনর্মুদ্রণ ১৯৭৩, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৮২-৮৩। * বুদ্ধ গয়ার সুউচ্চ নয় তলা বিশিষ্ট মন্দিরে, যাকে আগে মহাগন্ধোলা (গন্ধালয়) বলা হতো, সেখানে অতীত বুদ্ধদের মূর্তিসমূহ সংরক্ষিত ছিল। নালন্দার ধর্মগঞ্জের (বিশ্ববিদ্যালয়) রত্নদধি নামক নয় তলা বিশিষ্ট মন্দিরটি মহাযান এবং হীনযান বৌদ্ধ মতাদর্শের পবিত্র গ্রন্থসমূহের ভাণ্ডার ছিল। ওদন্তপুরী বিহারের মন্দিরটি, যা বলা হয়ে থাকে যে ওপরের দুটি (বুদ্ধ গয়া এবং নালন্দা) মন্দিরের চেয়েও উচ্চতর ছিল, সেখানে বৌদ্ধ এবং ব্রাহ্মণ্য সাহিত্যের এক বিশাল সংগ্রহ ছিল। এটি আলেকজান্দ্রিয়ার মহান গ্রন্থাগারের অনুরূপ ১২১২ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজির সেনাপতি মুহাম্মদ বিন সামের আদেশে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। ** রায় বাহাদুর শরৎচন্দ্র দাস, দ্য হিন্দুস্তান রিভিউ মার্চ ১৯০৬, পৃষ্ঠা ১৮৭ (ইউনিভার্সিটিস ইন অ্যানশিয়েন্ট ইন্ডিয়া)। হার বিলাস সারদা রচিত হিন্দু সুপিরিওরিটি (১৯২২), পৃষ্ঠা ১৩৮ এ উদ্ধৃত। ===মিনহাজ-ই সিরাজ জুজজানি রচিত তাবকাত-ই-নাসিরি=== : বিশেষ দ্রষ্টব্য না থাকলে, অনুবাদটি [[এলিয়ট এবং ডসন]]-এর দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস-এর ২৫৯ থেকে ৩৮৪ পৃষ্ঠায় থাকা তাবকাত-ই-নাসিরি-এর সারাংশ থেকে নেওয়া। [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/258/mode/2up অনলাইন]। (তাবকাত-ই-নাসিরি-এর যে অংশগুলো ভারতের সাথে সম্পর্কিত সেগুলো মেজর লিসের তত্ত্বাবধানে বিবলিওথেকা ইন্ডিকাতে ৪৫০ পৃষ্ঠার একটি খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে। এতে ১১তম এবং ১৭তম থেকে ২২তম তাবকাত বা বইগুলো রয়েছে।) তাবকাত-ই-নাসিরি-এর অন্য একটি অনুবাদ করেছেন এইচ জি র‍্যাভার্টি, কলকাতা, ১৮৮১। *এটি বর্ণিত আছে যে এই মুহাম্মদ বখতিয়ার ছিলেন গরমশির প্রদেশের ঘোরের একজন খলজি। তিনি ছিলেন একজন অত্যন্ত চতুর, উদ্যোগী, সাহসী, নির্ভীক, জ্ঞানী এবং অভিজ্ঞ ব্যক্তি… সাহসী এবং উদ্যোগী মানুষ হওয়ার কারণে তিনি মুনির (মুঙ্গের) এবং বিহার জেলাগুলোতে আক্রমণ চালাতেন এবং প্রচুর লুণ্ঠিত মালামাল নিয়ে আসতেন, যতক্ষণ না এইভাবে তিনি প্রচুর ঘোড়া, অস্ত্র এবং সৈন্য সংগ্রহ করতে সমর্থ হন। তার বীরত্ব এবং লুণ্ঠনমূলক অভিযানের খ্যাতি বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং হিন্দুস্তান থেকে একদল লোক খলজির সাথে যোগ দেয়। তার বীরত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের কথা সুলতান কুতুবুদ্দিনের কাছে জানানো হয়েছিল এবং তিনি তাকে একটি পোশাক পাঠিয়েছিলেন এবং তাকে অনেক সম্মান প্রদর্শন করেছিলেন। এইভাবে উৎসাহিত হয়ে তিনি বিহারে তার সেনাবাহিনী পরিচালনা করেন এবং তা বিধ্বস্ত করেন। এইভাবে তিনি এক বা দুই বছর ধরে আশেপাশের এলাকায় লুণ্ঠন চালিয়ে যান এবং অবশেষে দেশটি আক্রমণের প্রস্তুতি নেন। **তাবকাত ২০। [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/304/mode/2up] * নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিগণ বলেন যে তিনি মাত্র দুইশত অশ্বারোহী নিয়ে বিহার দুর্গের দ্বারে উপস্থিত হন এবং শত্রুকে অপ্রস্তুত অবস্থায় পেয়ে যুদ্ধ শুরু করেন। বখতিয়ারের অধীনে অত্যন্ত বুদ্ধিমান দুই ভাই কর্মরত ছিলেন। তাদের একজনের নাম ছিল নিজামুদ্দিন এবং অন্যজন শামসুদ্দিন। এই বইয়ের সংকলক ৬৪১ হিজরিতে (১২৪৩ খ্রিস্টাব্দ) লখনৌতিতে শামসুদ্দিনের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং তার কাছ থেকে নিচের কাহিনীটি শোনেন। বখতিয়ার যখন দুর্গের দ্বারে পৌঁছান এবং যুদ্ধ শুরু হয়, তখন এই দুই বিজ্ঞ ভাই সেই বীর সেনাবাহিনীতে সক্রিয় ছিলেন। মুহাম্মদ বখতিয়ার অত্যন্ত তেজ এবং সাহসিকতার সাথে দুর্গের দ্বারে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং স্থানটি দখল করে নেন। বিজয়ীদের হাতে প্রচুর লুণ্ঠিত মালামাল আসে। সেই স্থানের অধিকাংশ অধিবাসী ছিলেন মুণ্ডিত মস্তকধারী ব্রাহ্মণ। তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। সেখানে বিপুল সংখ্যক বই পাওয়া গিয়েছিল এবং যখন মুসলমানরা সেগুলো দেখল, তারা সেগুলোর বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করার জন্য কিছু লোককে ডাকল, কিন্তু ততক্ষণে সব মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। এটি আবিষ্কৃত হয়েছিল যে সম্পূর্ণ দুর্গ এবং শহরটি ছিল একটি অধ্যয়ন কেন্দ্র (মাদ্রাসা)। হিন্দি ভাষায় বেহার (বিহার) শব্দের অর্থ হলো একটি মহাবিদ্যালয়…. ** [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/306/mode/2up] ** ভিন্ন অনুবাদ : <br> তিনি [বখতিয়ার খলজি] সেইসব অঞ্চলে এবং দেশে তার লুণ্ঠন অভিযান চালিয়ে যেতেন যতক্ষণ না তিনি বিহারের সুরক্ষিত শহরের ওপর একটি আক্রমণের আয়োজন করেন। বিশ্বস্ত ব্যক্তিরা এই প্রকারে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রক্ষাকারী বর্ম পরিহিত দুইশত অশ্বারোহী নিয়ে বিহার দুর্গের প্রবেশদ্বারে অগ্রসর হন এবং হঠাৎ আক্রমণ করেন। মুহাম্মদ-ই-বখতিয়ারের অধীনে ফারগানার দুই ভাই ছিলেন যারা অত্যন্ত জ্ঞানী ব্যক্তি ছিলেন [নিজামুদ্দিন এবং শামসুদ্দিন], এবং এই বইয়ের লেখক [মিনহাজুদ্দিন] ৬৪১ হিজরিতে লখনৌতিতে তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং এই বিবরণটি তার কাছ থেকে পাওয়া। এই দুই বিজ্ঞ ভাই সেই পবিত্র যোদ্ধাদের দলের মধ্যে সৈনিক হিসেবে ছিলেন যখন তারা দুর্গের প্রবেশদ্বারে পৌঁছান এবং আক্রমণ শুরু করেন, সেই সময় মুহাম্মদ-ই-বখতিয়ার তার অসীম সাহসিকতার জোরে সেই স্থানের প্রবেশদ্বারের পেছনের চোর দরজায় নিজেকে ছুড়ে দেন এবং তারা দুর্গটি দখল করেন ও প্রচুর লুণ্ঠিত মালামাল অর্জন করেন। সেই স্থানের অধিকাংশ অধিবাসী ছিলেন ব্রাহ্মণ এবং সেই সমস্ত ব্রাহ্মণদের মাথা মুণ্ডিত ছিল; এবং তাদের সবাইকে হত্যা করা হয়েছিল। সেখানে প্রচুর সংখ্যায় বই ছিল; এবং যখন এই সমস্ত বই মুসলমানদের নজরে এল, তারা কয়েকজন হিন্দুকে তলব করল যাতে তারা ওই বইগুলোর গুরুত্ব সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে; কিন্তু সমস্ত হিন্দুরাই নিহত হয়েছিল। (বইয়ের বিষয়বস্তু সম্পর্কে) অবগত হওয়ার পর জানা গেল যে সেই সম্পূর্ণ দুর্গ এবং শহরটি ছিল একটি মহাবিদ্যালয় এবং হিন্দুস্তানি ভাষায় তারা মহাবিদ্যালয়কে বিহার বলে। ** তাবকাত-ই-নাসিরি, এইচ জি র‍্যাভার্টি কর্তৃক অনূদিত, কলকাতা, খণ্ড ১, ১৮৮১, পৃষ্ঠা ৫৫১ থেকে ৫৫২। এছাড়াও [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2014/08/an-eminent-historian-attacks-arun.html] * সুলতানের কাছ থেকে সম্মানের পোশাক পাওয়ার পর তিনি বিহারে ফিরে আসেন। লখনৌতি, বিহার, বঙ্গ এবং কামরূপ অঞ্চলের কাফেরদের মনে তার সম্পর্কে প্রচণ্ড ভীতি বিরাজ করছিল... নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায় যে, মালিক মুহাম্মদ বখতিয়ারের বীরত্বপূর্ণ কাজ এবং বিজয়ের কথা রায় লক্ষ্মণিয়ার সামনে উল্লেখ করা হয়েছিল, যার রাজধানী ছিল নদীয়া শহর…<br>পরের বছর মুহাম্মদ বখতিয়ার একটি সেনাবাহিনী প্রস্তুত করেন এবং বিহার থেকে যাত্রা করেন। তিনি মাত্র আঠারো জন অশ্বারোহী নিয়ে হঠাৎ নদীয়া শহরের সামনে উপস্থিত হন, তার সেনাবাহিনীর বাকি অংশ পেছনে রয়ে গিয়েছিল। মুহাম্মদ বখতিয়ার কাউকে বিরক্ত করেননি, বরং শান্তভাবে এবং কোনো আড়ম্বর ছাড়াই এগিয়ে গিয়েছিলেন, যাতে কেউ সন্দেহ করতে না পারে যে তিনি কে। মানুষ বরং ভেবেছিল যে তিনি একজন বণিক, যিনি বিক্রির জন্য ঘোড়া নিয়ে এসেছেন। এইভাবে তিনি রায় লক্ষ্মণিয়ার প্রাসাদের দ্বারে পৌঁছান, যখন তিনি তার তলোয়ার বের করেন এবং আক্রমণ শুরু করেন। এই সময় রায় মধ্যাহ্নভোজে ব্যস্ত ছিলেন এবং প্রচলিত রীতি অনুযায়ী তার সামনে খাবারে ভর্তি সোনা ও রূপার পাত্র রাখা ছিল। হঠাৎ প্রাসাদের দ্বারে এবং শহরে চিৎকার শুরু হয়। কী ঘটেছে তা নিশ্চিত হওয়ার আগেই মুহাম্মদ বখতিয়ার প্রাসাদে ঢুকে পড়েন এবং বেশ কিছু মানুষকে তলোয়ারের আঘাতে হত্যা করেন। রায় প্রাসাদের পেছনের দরজা দিয়ে খালি পায়ে পালিয়ে যান এবং তার সমস্ত ধন-সম্পদ, সমস্ত স্ত্রী, দাসী, পরিচারক এবং মহিলারা আক্রমণকারীর হস্তগত হয়। অসংখ্য হাতি ধরা পড়ে এবং মুসলমানদের হাতে এমন লুণ্ঠিত মালামাল আসে যা সমস্ত গণনার বাইরে। যখন তার সেনাবাহিনী পৌঁছাল, তখন পুরো শহরটি বশ্যতার অধীনে আনা হলো এবং তিনি সেখানে তার সদর দপ্তর স্থাপন করলেন।<br>রায় লক্ষ্মণিয়া সংনত এবং বঙ্গের দিকে চলে যান, যেখানে তিনি মারা যান। তার পুত্ররা আজও বঙ্গ অঞ্চলে শাসক হিসেবে রয়েছেন। যখন মুহাম্মদ বখতিয়ার রায়ের অঞ্চল দখল করে নেন, তখন তিনি নদীয়া শহরটি ধ্বংস করেন এবং লখনৌতিতে তার সরকারের আসন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আশেপাশের জায়গাগুলো নিজের দখলে আনেন এবং খুতবায় তার নাম পাঠ করান ও মুদ্রায় তা খোদাই করান। তার এবং তার কর্মকর্তাদের উদার প্রচেষ্টায় সর্বত্র মসজিদ, মহাবিদ্যালয় এবং মঠ গড়ে তোলা হয়েছিল এবং তিনি লুণ্ঠিত মালের একটি বড় অংশ সুলতান কুতুবুদ্দিনের কাছে পাঠিয়েছিলেন। ** [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/306/mode/2up] [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/308/mode/2up] ** বিহার ও বঙ্গ আক্রমণ, মিনহাজু-স সিরাজ; এলিয়ট এবং ডসন, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৩০৫ এবং পরবর্তী। দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস; এছাড়াও জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১)। দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ২ অধ্যায় ১১-এ উদ্ধৃত। * যখন বেশ কয়েক বছর অতিবাহিত হলো, তিনি লখনৌতির পূর্ব দিকে তুর্কিস্তান এবং তিব্বত অঞ্চল সম্পর্কে তথ্য পেলেন এবং তিব্বত ও তুর্কিস্তান দখলের ইচ্ছা পোষণ করতে শুরু করলেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি প্রায় দশ হাজার অশ্বারোহীর একটি সেনাবাহিনী প্রস্তুত করেন। তিব্বত এবং লখনৌতি অঞ্চলের মধ্যবর্তী পাহাড়ে তিন জাতির লোক বসবাস করে।<br>একদলকে বলা হয় কুচ (কুচবিহার), দ্বিতীয় দল মিচ এবং তৃতীয় দল তিয়ারু। তাদের সবার চেহারায় তুর্কি বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং তারা ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় কথা বলে, যা হিন্দুস্তানি ও তিব্বতি ভাষার মাঝামাঝি কিছু। কুচ ও মিচ উপজাতির অন্যতম প্রধান, যাকে আলি মিচ বলা হতো, তিনি মুহাম্মদ বখতিয়ারের মাধ্যমে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন এবং এই ব্যক্তি তাকে পাহাড়ে পথ দেখিয়ে নিয়ে যেতে রাজি হন। তিনি তাকে এমন একটি স্থানে নিয়ে যান যেখানে মর্দন-কোট নামে একটি শহর ছিল। বলা হয়ে থাকে যে প্রাচীনকালে যখন গুর্শাস্প শাহ চীন থেকে ফিরে আসছিলেন, তখন তিনি কামরূদ (কামরূপ) আসেন এবং এই শহরটি নির্মাণ করেন। শহরের সামনে দিয়ে একটি নদী বয়ে গেছে যা অত্যন্ত বিশাল। একে বঙ্গমতি [ব্রহ্মপুত্র] বলা হয়। যখন এটি হিন্দুস্তান দেশে প্রবেশ করে তখন হিন্দি ভাষায় এটি সমুদ্র নাম পায়। দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং গভীরতায় এটি গঙ্গার চেয়ে তিনগুণ বড়। মুহাম্মদ বখতিয়ার এই নদীর তীরে আসেন এবং আলি মিচ মুসলিম সেনাবাহিনীর সামনে আগে আগে চলেন। দশ দিন ধরে তারা পদযাত্রা করেন যতক্ষণ না তিনি তাদের নদীর উজানে পাহাড়ের মধ্যে এমন একটি স্থানে নিয়ে যান যেখানে প্রাচীনকাল থেকে পাথরের প্রায় বিশটি (বিস্ত ও অন্দ) খিলান বিশিষ্ট একটি সেতু ছিল। যখন সেনাবাহিনী সেতুর কাছে পৌঁছাল, বখতিয়ার সেখানে দুজন কর্মকর্তা, একজন তুর্কি এবং অন্যজন খলজিকে একটি বিশাল বাহিনীসহ মোতায়েন করেন যাতে তার ফিরে আসা পর্যন্ত স্থানটি নিরাপদ থাকে। সেনাবাহিনীর বাকি অংশ নিয়ে তিনি সেতুর ওপর দিয়ে ওপাড়ে যান। মুসলমানদের পার হওয়ার সংবাদ পেয়ে কামরূপের রায় বখতিয়ারের কাছে কিছু বিশ্বস্ত কর্মকর্তা পাঠান যাতে তাকে তিব্বত দেশ আক্রমণ না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয় এবং তাকে আশ্বস্ত করা হয় যে তার ফিরে যাওয়া এবং আরও উপযুক্ত প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। তিনি আরও যোগ করেন যে তিনি, কামরূপের রায়, সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে পরের বছর তিনিও তার বাহিনী একত্রিত করবেন এবং দেশটিকে সুরক্ষিত করতে মুসলিম সেনাবাহিনীর আগে আগে চলবেন। মুহাম্মদ বখতিয়ার এই কথায় কান না দিয়ে তিব্বতের পাহাড়ের দিকে অগ্রসর হন। ** পৃষ্ঠা ৩০৯ এবং পরবর্তী [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/308/mode/2up] ** তুর্কিস্তান ও তিব্বত দখলের ইচ্ছা, কামরূপে পরাজয়, মিনহাজুস সিরাজ। এলিয়ট এবং ডসন, খণ্ড ২, দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস, এছাড়াও জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১)। দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ২ অধ্যায় ১১-এ উদ্ধৃত। * ৬৪১ হিজরির (১২৪৩ খ্রিস্টাব্দ) এক রাতে তিনি দেও-কোট এবং বনগাঁওয়ের মধ্যবর্তী একটি স্থানে যাত্রাবিরতি করেন এবং মুতামাদু-দ দৌলার বাড়িতে অতিথি হিসেবে অবস্থান করেন, যিনি আগে মুহাম্মদ বখতিয়ারের অধীনে অশ্বশালার রক্ষক ছিলেন এবং লখনৌতি শহরে বসবাস করতেন। এই ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন যে সেতুটি পার হওয়ার পর পাহাড়ের গিরিপথ ও সংকীর্ণ পথের মধ্য দিয়ে পনেরটি পর্যায় পর্যন্ত রাস্তা ছিল এবং ষোড়শ পর্যায়ে সমতল ভূমি পাওয়া যায়। সেই পুরো অঞ্চলটি জনবহুল ছিল এবং গ্রামগুলো সমৃদ্ধ ছিল। প্রথমে যে গ্রামে পৌঁছানো হয়েছিল সেখানে একটি দুর্গ ছিল এবং যখন মুসলিম সেনাবাহিনী সেখানে আক্রমণ করে, তখন দুর্গের এবং আশেপাশের জায়গার মানুষ তাদের বাধা দিতে আসে এবং একটি যুদ্ধ শুরু হয়। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত যুদ্ধ চলে এবং বিপুল সংখ্যক মুসলমান নিহত ও আহত হন। শত্রুদের একমাত্র অস্ত্র ছিল বাঁশের বর্শা; এবং তাদের বর্ম, ঢাল ও শিরস্ত্রাণ ছিল কেবল কাঁচা রেশমের যা শক্তভাবে আটকানো ও সেলাই করা ছিল। তারা সবাই দীর্ঘ ধনুক ও তীর বহন করত। যখন রাত হলো, আটককৃত বন্দীদের সামনে আনা হলো এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো, তখন জানা গেল যে সেই স্থান থেকে পাঁচ পারাসং দূরে করম-বতন নামে একটি শহর আছে এবং সেখানে তীর-ধনুকধারী প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ সাহসী তুর্কি রয়েছে। যেই মুহূর্তে মুসলিম অশ্বারোহীরা পৌঁছাল, দূতরা তাদের আসার খবর জানাতে রওনা হলো এবং এই দূতরা পরের দিন সকালে গন্তব্যে পৌঁছাবে। লেখক যখন লখনৌতিতে ছিলেন, তিনি সেই জায়গাটি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং জানতে পারেন যে এটি বেশ বড় একটি শহর। এর প্রাচীরগুলো পাথর দিয়ে নির্মিত। এর অধিবাসীরা হলো ব্রাহ্মণ ও নুনি এবং শহরটি এই লোকেদের প্রধানের অধীনে শাসিত হয়। তারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। প্রতিদিন সকালে সেই শহরের বাজারে প্রায় পনেরশ ঘোড়া বিক্রি হয়। লখনৌতি অঞ্চলে যে সমস্ত সওয়ারি ঘোড়া আসে তার সবই ওই দেশ থেকে আনা হয়। তাদের রাস্তাগুলো পাহাড়ের গিরিখাত দিয়ে যায়, যা ওই অঞ্চলের সাধারণ চিত্র। কামরূপ এবং তিব্বতের মধ্যে পঁয়ত্রিশটি গিরিপথ রয়েছে যার মধ্য দিয়ে লখনৌতিতে ঘোড়া আনা হয়। ** পৃষ্ঠা ৩১০ এবং পরবর্তী [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/310/mode/2up] ** তুর্কিস্তান ও তিব্বত দখলের ইচ্ছা, কামরূপে পরাজয়, মিনহাজুস সিরাজ। এলিয়ট এবং ডসন, খণ্ড ২, দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস, এছাড়াও জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১)। দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ২ অধ্যায় ১১-এ উদ্ধৃত। * সংক্ষেপে, যখন মুহাম্মদ বখতিয়ার দেশটির প্রকৃতি সম্পর্কে অবগত হলেন এবং দেখলেন যে তার সৈন্যরা ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছে এবং প্রথম দিনের যাত্রাতেই অনেকে নিহত ও পঙ্গু হয়েছে, তখন তিনি তার অভিজাতদের সাথে পরামর্শ করেন এবং তারা সিদ্ধান্ত নেন যে পিছু হটাই বাঞ্ছনীয় হবে, যাতে পরবর্তী বছর তারা আরও উন্নত প্রস্তুতি নিয়ে এই দেশে ফিরে আসতে পারেন। ফেরার পথে পুরো রাস্তায় এক টুকরো ঘাস বা এক টুকরো কাঠও অবশিষ্ট ছিল না। সব কিছুতে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। উপত্যকা এবং গিরিপথের অধিবাসীরা সবাই রাস্তা থেকে অনেক দূরে সরে গিয়েছিল এবং পনের দিন পর্যন্ত কোথাও এক সের খাবার কিংবা এক টুকরো ঘাস বা পশুখাদ্য পাওয়া যায়নি, ফলে তারা তাদের ঘোড়াগুলোকে মেরে খেতে বাধ্য হয়েছিল। ** [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/312/mode/2up] * কামরূপ রাজ্যের পাহাড় থেকে নামার পর যখন তারা সেতুর কাছে পৌঁছালেন, তখন তারা দেখলেন যে সেতুর খিলানগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। যে দুজন কর্মকর্তাকে এটি পাহারা দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছিল তারা নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করেছিলেন এবং একে অপরের প্রতি বিদ্বেষের কারণে সেতু ও রাস্তার যত্ন নিতে অবহেলা করেছিলেন, ফলে কামরূপের হিন্দুরা সেখানে এসে সেতুটি ধ্বংস করে দিয়েছিল। মুহাম্মদ বখতিয়ার যখন তার সেনাবাহিনী নিয়ে সেই স্থানে পৌঁছালেন, তখন তিনি পার হওয়ার কোনো উপায় খুঁজে পেলেন না। সেখানে কোনো নৌকাও পাওয়া গেল না, ফলে তিনি অত্যন্ত বিচলিত ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়লেন। তারা নদী পার হওয়ার জন্য কোনো এক স্থানে শিবির স্থাপন করে ভেলা ও নৌকা তৈরির সিদ্ধান্ত নিলেন। ** [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/312/mode/2up] * এই স্থানের সন্নিকটে একটি মন্দির দেখা গেল, যা ছিল অত্যন্ত সুউচ্চ, মজবুত এবং সুন্দর স্থাপত্যশৈলীর। এতে সোনা ও রূপার অসংখ্য মূর্তি ছিল এবং একটি বিশাল স্বর্ণমূর্তি ছিল যার ওজন দুই বা তিন হাজার মিসকাল ছাড়িয়ে গিয়েছিল। মুহাম্মদ বখতিয়ার এবং তার অবশিষ্ট সেনাবাহিনী সেই মন্দিরে আশ্রয় নেন এবং নদী পার হওয়ার জন্য ভেলা তৈরির উদ্দেশ্যে কাঠ ও দড়ি সংগ্রহের কাজে লিপ্ত হন। কামরূপের রায় মুসলমানদের এই দুর্দশা ও দুর্বলতার খবর পান এবং তিনি তার অঞ্চলের সমস্ত হিন্দুদের সমবেত হওয়ার নির্দেশ দেন। একের পর এক দল এসে মন্দিরের চারপাশে তাদের বাঁশের বর্শা মাটিতে পুঁতে এবং সেগুলো একসাথে বুনে এক ধরণের দেয়াল তৈরি করে ফেলে। যখন ইসলামের সৈন্যরা এটি দেখল, তারা মুহাম্মদ বখতিয়ারকে বলল যে যদি তারা নিষ্ক্রিয় থাকে তবে তারা সবাই কাফেরদের ফাঁদে পড়ে বন্দী হবে। পালানোর কোনো পথ খুঁজে বের করতেই হবে। সবার সম্মতিতে তারা একযোগে আক্রমণ চালাল এবং একটি নির্দিষ্ট দিকে লক্ষ্য করে প্রচেষ্টা চালিয়ে সেই বিপজ্জনক বাধা পেরিয়ে খোলা জায়গায় যাওয়ার পথ তৈরি করে নিল। হিন্দুরা নদীর তীর পর্যন্ত তাদের ধাওয়া করল এবং সেখানে গিয়ে থামল। নদী পার হওয়ার উপায় বের করার জন্য প্রত্যেকে নিজ নিজ বুদ্ধি খাটাল। এক সৈন্য তার ঘোড়াকে পানির ভেতর নামিয়ে দিল এবং দেখা গেল যে এক তীর দূরত্ব পর্যন্ত পানি কম ছিল। সেনাবাহিনীতে চিৎকার উঠল যে পার হওয়ার পথ পাওয়া গেছে এবং সবাই স্রোতের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ল। তাদের পেছনে থাকা হিন্দুরা নদীর তীর দখল করে নিল। যখন মুসলমানরা নদীর মাঝখানে পৌঁছাল, দেখা গেল পানি অনেক গভীর এবং তারা প্রায় সবাই মারা গেল। মুহাম্মদ বখতিয়ার কম-বেশি প্রায় একশ জন অশ্বারোহী নিয়ে অত্যন্ত কষ্টে নদী পার হলেন, তবে বাকি সবাই ডুবে মারা গেল…. ** পৃষ্ঠা ৩১২ এবং পরবর্তী [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/312/mode/2up] ** তুর্কিস্তান ও তিব্বত দখলের ইচ্ছা, কামরূপে পরাজয়, মিনহাজুস সিরাজ। এলিয়ট এবং ডসন, খণ্ড ২, দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস, এছাড়াও জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১)। দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ২ অধ্যায় ১১-এ উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]] hnxl4x721tdb2fllq2bs541ia5sflvo 83396 83395 2026-05-04T18:18:08Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজশাসক]] যোগ 83396 wikitext text/x-wiki '''[[w:মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি|ইখতিয়ার আল-দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি]]''' যিনি '''মালিক গাজী ইখতিয়ার আল-দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি''' বা '''মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি''' অথবা সংক্ষেপে '''বখতিয়ার খলজি''' (মৃত্যু ১২০৬) হিসেবেও পরিচিত, তিনি ছিলেন [[কুতুবুদ্দিন আইবেক|কুতুব আল-দীন আইবেকের]] একজন সামরিক সেনাপতি যিনি বাংলা জয় করেছিলেন। মনে করা হয় যে তার আক্রমণগুলো [[নালন্দা]], [[ওদন্তপুরী]] এবং [[বিক্রমশিলা]]র বৌদ্ধ স্থাপনাগুলোর মারাত্মক ক্ষতি করেছিল। [[File:The end of Buddhist Monks, A.D. 1193.jpg|thumb|right|200px|[[জেমস মেস্টন, প্রথম ব্যারন মেস্টন|জেমস মেস্টন]] সম্পাদিত ''হাচিনসন'স স্টোরি অফ দ্য নেশনস''-এর ভারত অধ্যায়ের এই ছবিটি ভারতের [[বিহার (ভারত)|বিহারের]] বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের ওপর বখতিয়ার খলজির চালানো হত্যাকাণ্ডকে চিত্রিত করে। খলজি উত্তর ভারতের সমতল ভূমিতে তার অভিযানের সময় [[নালন্দা]] এবং [[বিক্রমশিলা]] বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস করেছিলেন এবং অনেক [[বৌদ্ধ]] ও [[ব্রাহ্মণ]] পণ্ডিতকে হত্যা করেছিলেন।]] [[File:Nalanda University India ruins.jpg|thumb|প্রাচীন নালন্দার ধ্বংসাবশেষ]] ==বখতিয়ার খলজি সম্পর্কে উক্তি== * [[মুসলমান]] আক্রমণকারীরা [[নালন্দা]], বিক্রমশিলা, জগদ্দল, ওদন্তপুরীর মতো আরও অনেক বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় লুণ্ঠন করেছিল। তারা বৌদ্ধ মঠগুলোকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিল যা দিয়ে দেশজুড়ে ছেয়ে ছিল। হাজার হাজার সন্ন্যাসী নেপাল, তিব্বত এবং ভারতের বাইরের অন্যান্য জায়গায় পালিয়ে যান। মুসলিম সেনাপতিদের হাতে সরাসরি বিশাল সংখ্যক মানুষ নিহত হন। মুসলিম আক্রমণকারীদের তলোয়ারের আঘাতে বৌদ্ধ পুরোহিত সমাজ কীভাবে ধ্বংস হয়েছিল তা খোদাই করেছেন খোদ মুসলিম ইতিহাসবিদরাই। ১১৯৭ খ্রিস্টাব্দে বিহার অভিযানের সময় মুসলিম জেনারেলের দ্বারা বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের যে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল সেই সংক্রান্ত প্রমাণগুলি সংক্ষেপে তুলে ধরে মিস্টার ভিনসেন্ট স্মিথ বলেন, "মুসলিম সেনাপতি, যিনি ইতিপূর্বে বিহারে বারবার লুণ্ঠন অভিযানের মাধ্যমে নিজের নামকে এক আতঙ্কে পরিণত করেছিলেন, তিনি এক দুঃসাহসিক আঘাতে রাজধানী দখল করেন... প্রচুর পরিমাণে লুণ্ঠিত মালামাল পাওয়া যায় এবং 'মুণ্ডিত মস্তকধারী ব্রাহ্মণ' অর্থাৎ বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের হত্যাযজ্ঞ এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সম্পন্ন করা হয়েছিল যে যখন বিজয়ী মঠের গ্রন্থাগারের বইগুলোর বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করতে সক্ষম এমন কাউকে খুঁজছিলেন, তখন সেগুলি পড়তে সক্ষম একজন জীবিত মানুষও পাওয়া যায়নি। আমাদের বলা হয়েছে যে, 'এটি আবিষ্কৃত হয়েছিল যে সেই সম্পূর্ণ দুর্গ এবং শহরটি ছিল একটি মহাবিদ্যালয় এবং হিন্দি ভাষায় তারা মহাবিদ্যালয়কে বিহার বলে।' "ইসলামি আক্রমণকারীদের দ্বারা বৌদ্ধ পুরোহিতদের ওপর এই ধরণের হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। কুঠারটি একদম মূলে আঘাত করেছিল। কারণ বৌদ্ধ পুরোহিত সমাজকে হত্যার মাধ্যমে ইসলাম বৌদ্ধধর্মকে হত্যা করেছিল। ভারতে বুদ্ধের ধর্মের ওপর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় বিপর্যয়.... **[[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর|বি. আর. আম্বেদকর]], "দ্য ডিক্লাইন অ্যান্ড ফল অফ বুদ্ধিজম," ''ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর: রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস'', খণ্ড ৩, মহারাষ্ট্র সরকার। ১৯৮৭, পৃষ্ঠা ২৩২-২৩৩ * ভারতীয় বৌদ্ধধর্ম ধ্বংসের ক্ষেত্রে খিলজির প্রধান ভূমিকা সমসাময়িক মুসলিম উৎসগুলোতে সুপ্রতিষ্ঠিত এবং একে এত অনায়াসে নামহীন কোনো হিন্দু জুজুর ওপর চাপিয়ে দেওয়া যায় না। **এ্যালস্ট, কে. দ্য আর্গুমেন্টেটিভ হিন্দু (২০১২) * তার বীরত্বের খ্যাতি এবং তার লুণ্ঠনমূলক অভিযানের খবর বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে যা তার পতাকাতলে একদল খলজি যোদ্ধাকে আকর্ষণ করেছিল যারা তখন সমগ্র হিন্দুস্তানে ঘুরে বেড়াত। তার বীরত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের কথা কুতুবুদ্দিন আইবকের কাছে জানানো হয়েছিল। তিনি তাকে একটি সম্মানের পোশাক পাঠিয়েছিলেন এবং ১২০২ খ্রিস্টাব্দে সুলতানের সেনাপতি হিসেবে বিহারে অভিযান চালানোর জন্য তাকে নিযুক্ত করেছিলেন। ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি বিহার ও বাংলায় ব্যাপকভাবে বিজয় লাভ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো সম্মান ও স্বীকৃতি ছাড়াই তিনি মারা যান। **লাল, কে. এস. (১৯৯৪)। মুসলিম স্লেভ সিস্টেম ইন মেডিয়েভাল ইন্ডিয়া। নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন। অধ্যায় ৪ * পূর্বে খলজির সামরিক কর্মকাণ্ডের ফলে ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল। দ্বাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে বা ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুতে তিনি বিহারে অগ্রসর হন এবং নালন্দা, বিক্রমশিলা ও উদ্ধণ্ডপুরের বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রগুলোতে আক্রমণ করেন এবং উদ্ধণ্ডপুর বা ওদন্তপুরীর স্থানে একটি দুর্গ নির্মাণ করেন। এই স্থানগুলোর বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের গণহত্যা করা হয়েছিল এবং সাধারণ মানুষ তাদের পুরোহিত ও শিক্ষকদের হারিয়ে কেউ ব্রাহ্মণ্যবাদের দিকে এবং কেউ ইসলামের দিকে ঝুঁকেছিল। বৌদ্ধধর্ম বিহার থেকে সাথে সাথেই বা পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যায়নি। তবে বিহারে বখতিয়ারের আক্রমণ বৌদ্ধধর্মের ওপর একটি বিধ্বংসী আঘাত হেনেছিল এবং এর হারিয়ে যাওয়া অনুসারীরা মূলত ইসলাম কর্তৃক প্রাপ্ত হয়েছিল। **লাল, কে. এস. (২০১২)। ইন্ডিয়ান মুসলিমস: হু আর দে। * একজন স্বাধীন অভিযাত্রী, মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি, আরও পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছিলেন। ১২০০ খ্রিস্টাব্দে তিনি বিহারের অরক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয় শহর ওদন্তপুরী লুণ্ঠন করেন এবং মঠের [[বৌদ্ধ]] সন্ন্যাসীদের গণহত্যা করেন। ১২০২ খ্রিস্টাব্দে তিনি আকস্মিকভাবে নদীয়া দখল করেন। বদায়ুনী তার মুনতাখাব-উত-তাওয়ারিখে লিপিবদ্ধ করেছেন যে “গণনার অতীত সম্পত্তি ও লুণ্ঠিত মালামাল মুসলমানদের হস্তগত হয়েছিল এবং মুহাম্মদ বখতিয়ার [[কাফের]]দের উপাসনালয় ও [[মূর্তি]] [[মন্দির]] ধ্বংস করে মসজিদ ও খানকাহ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন”। ** মুনতাখাব-উত-তাওয়ারিখ, গোয়েল, সীতা রাম (২০০১)। দ্য স্টোরি অফ ইসলামিক ইম্পেরিয়ালিজম ইন ইন্ডিয়া। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৮৫৯৯০২৩১ অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। * “সংক্ষেপে, মুহাম্মদ বখতিয়ার রাজকীয় ছত্র ধারণ করেছিলেন এবং তার নিজের নামে খুতবা পাঠ ও মুদ্রা জারি করেছিলেন এবং বিধর্মীদের মন্দিরের পরিবর্তে মসজিদ, খানকাহ ও মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।” ** ইখতিয়ারুদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি (১২০২-১২০৬ খ্রিস্টাব্দ) বাংলা সম্পর্কে: তাবকাত-ই-আকবরি, বি. দে কর্তৃক অনূদিত, কলকাতা, ১৯৭৩, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৫১। নিজামুদ্দিন আহমদ রচিত তাবকাত-ই-আকবরি। * “মুহাম্মদ বখতিয়ার শহরটিকে ধ্বংসের ঝাড়ু দিয়ে মুছে ফেলে সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত করেছিলেন এবং লখনৌতি শহরটিকে নতুন করে গড়ে তুলে… তার রাজধানী হিসেবে বাংলা শাসন করেছিলেন… এবং মুহাম্মদীয় ধর্মের বিধানগুলো কার্যকর করার চেষ্টা করেছিলেন… এবং এক সময় বাংলা শাসন করার সময় তিনি মন্দির ধ্বংস ও মসজিদ নির্মাণে লিপ্ত ছিলেন।” ** ইখতিয়ারুদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি (১২০২-১২০৬ খ্রিস্টাব্দ) লখনৌতি (বাংলা): রিয়াজুস-সালাতিন, আবদুস সালাম কর্তৃক ইংরেজিতে অনূদিত, দিল্লি পুনর্মুদ্রণ, ১৯৭৬, পৃষ্ঠা ৬৩-৬৪। * মুহাম্মদ ঘুরি আজমেরের হিন্দু মন্দিরগুলো ধ্বংস করেছিলেন এবং সেগুলোর ধ্বংসাবশেষের ওপর মসজিদ ও কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন… তিনি কনৌজ ও কাশি লুণ্ঠন করেছিলেন এবং তাদের মন্দিরগুলো ধ্বংস করেছিলেন... [যখন তার সেনাপতিরা] যাওয়ার পথে বিহারের অবশিষ্ট বৌদ্ধ সম্প্রদায়গুলোকে ধ্বংস করেছিলেন এবং নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ধ্বংস করেছিলেন.... বখতিয়ার খলজি “গঙ্গার তীরে লখনৌতিতে (গৌড়) একটি মুসলিম রাজধানী স্থাপন করেছিলেন এবং ১১৯৭ সালে এর ব্যাসাল্ট পাথর দিয়ে নির্মিত মন্দিরগুলো ধ্বংস করেছিলেন। ১২০২ সালে ওদন্তপুরীতে তিনি দুই হাজার বৌদ্ধ সন্ন্যাসীকে হত্যা করেছিলেন.... ** লুই ফ্রেডেরিক, এল’ইন্দে ডি এল’ইসলাম, পৃষ্ঠা ৪২-৪৯, (উদ্ধৃত: ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড - কোয়েনরাড এ্যালস্ট কর্তৃক, পৃষ্ঠা ৩২৮)। * সাধারণভাবে হিন্দু শিক্ষা ব্যবস্থা দমিত হয়েছিল কারণ হিন্দু ও বৌদ্ধ বিদ্যালয়গুলো মন্দির এবং মঠের সাথে যুক্ত ছিল। এগুলো একদম শুরু থেকেই নিয়মিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল এবং সেগুলোর সাথে সাথে শিক্ষাকেন্দ্রগুলোও ধ্বংস হয়েছিল। [[কুতুবুদ্দিন আইবেক|কুতুবউদ্দিন আইবেক]] আজমীরে বিশালদেবের সংস্কৃত মহাবিদ্যালয়টি মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিলেন এবং সেই স্থানে আড়াই দিন কা ঝোপড়া নামক একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। পূর্ব দিকে [[ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি|ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি]] ১১৯৭-১২০২ সালের মধ্যে বিহারের বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রগুলো যেমন ওদন্তপুরী, [[নালন্দা]] এবং বিক্রমশিলা লুণ্ঠন করেছিলেন। ... বিদ্যালয় এবং মন্দির ধ্বংস করার প্রক্রিয়া কেন্দ্র এবং প্রদেশ উভয় স্থানেই আওরঙ্গজেবের সময় পর্যন্ত বেশিরভাগ মুসলিম শাসক দ্বারা অব্যাহত ছিল। এই ক্ষেত্রে আওরঙ্গজেব ছিলেন অন্যতম উৎসাহী ব্যক্তি, যদিও তিনি এর ব্যতিক্রম ছিলেন না.... আমি বহু বছর ধরে দিল্লি, ভোপাল এবং হায়দ্রাবাদে (দাক্ষিণাত্য) বসবাস করেছি। এই সমস্ত জায়গায় আমি মধ্যযুগীয় সময়ের টিকে থাকা কোনো মন্দির খুঁজে পাইনি বললেই চলে। হিন্দু শিক্ষা ব্যবস্থা বিদ্যালয় এবং ব্রাহ্মণ শিক্ষকদের ওপর নির্ভরশীল ছিল এবং উভয়ই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শহরাঞ্চলের মন্দিরের সাথে যুক্ত ছিল। আর এই তিনটি বিষয় অর্থাৎ বিদ্যালয়, শিক্ষক এবং মন্দির পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল। ** লাল, কে. এস. (১৯৯৯)। থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া। নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন। অধ্যায় ৭। * তবে এ বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ খুব কম যে ওদন্তপুরী ও বিক্রমশিলা মঠ ধ্বংসের জন্য সরাসরি দায়ী ব্যক্তি ছিলেন ইখতিয়ার-উদ-দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি... ** [https://archive.org/stream/TaranathasHistoryOfBuddhismInIndia/Taranatha%E2%80%99s%20History%20of%20Buddhism%20in%20India_djvu.txt] [https://archive.org/details/TaranathasHistoryOfBuddhismInIndia/page/n471/mode/2up] থেকে উদ্ধৃত, এইচ. মুখিয়া, তারানাথ’স হিস্ট্রি অফ বুদ্ধিজম ইন ইন্ডিয়া, ইংরেজি অনুবাদ। * “…এই ব্যবস্থার দ্বিতীয় বছরে মুহাম্মদ বখতিয়ার বিহার থেকে লখনৌতির দিকে একটি সেনাবাহিনী নিয়ে আসেন এবং একটি ক্ষুদ্র বাহিনীসহ নদীয়া শহরে পৌঁছান; নদীয়া এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত। সেই শহরের শাসক রায় লক্ষ্মণিয়া (লক্ষ্মণ সেন)... সেখান থেকে কামরানের দিকে পালিয়ে যান এবং গণনার অতীত সম্পত্তি ও লুণ্ঠিত মালামাল মুসলমানদের হস্তগত হয় এবং মুহাম্মদ বখতিয়ার [[কাফের]]দের উপাসনালয় ও [[মূর্তি]] [[মন্দির]] ধ্বংস করে মসজিদ, মঠ ও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার নিজের নামে একটি রাজধানী নির্মাণ করেন যা এখন গৌড় নামে পরিচিত।<br/> সেখানে যেখানে আগে শোনা যেত<br/> বিধর্মীদের কোলাহল ও শোরগোল,<br/> এখন সেখানে প্রতিধ্বনিত হতে শোনা যায়<br/> ‘আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি।” ** ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি (১২০২-১২০৬ খ্রিস্টাব্দ) নবদ্বীপ (বাংলা) সম্পর্কে: মুনতাখাবু’ত-তাওয়ারিখ, জর্জ এস.এ. র‍্যাঙ্কিং কর্তৃক [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি ভাষায়]] অনূদিত, পাটনা পুনর্মুদ্রণ ১৯৭৩, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৮২-৮৩। * বুদ্ধ গয়ার সুউচ্চ নয় তলা বিশিষ্ট মন্দিরে, যাকে আগে মহাগন্ধোলা (গন্ধালয়) বলা হতো, সেখানে অতীত বুদ্ধদের মূর্তিসমূহ সংরক্ষিত ছিল। নালন্দার ধর্মগঞ্জের (বিশ্ববিদ্যালয়) রত্নদধি নামক নয় তলা বিশিষ্ট মন্দিরটি মহাযান এবং হীনযান বৌদ্ধ মতাদর্শের পবিত্র গ্রন্থসমূহের ভাণ্ডার ছিল। ওদন্তপুরী বিহারের মন্দিরটি, যা বলা হয়ে থাকে যে ওপরের দুটি (বুদ্ধ গয়া এবং নালন্দা) মন্দিরের চেয়েও উচ্চতর ছিল, সেখানে বৌদ্ধ এবং ব্রাহ্মণ্য সাহিত্যের এক বিশাল সংগ্রহ ছিল। এটি আলেকজান্দ্রিয়ার মহান গ্রন্থাগারের অনুরূপ ১২১২ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজির সেনাপতি মুহাম্মদ বিন সামের আদেশে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। ** রায় বাহাদুর শরৎচন্দ্র দাস, দ্য হিন্দুস্তান রিভিউ মার্চ ১৯০৬, পৃষ্ঠা ১৮৭ (ইউনিভার্সিটিস ইন অ্যানশিয়েন্ট ইন্ডিয়া)। হার বিলাস সারদা রচিত হিন্দু সুপিরিওরিটি (১৯২২), পৃষ্ঠা ১৩৮ এ উদ্ধৃত। ===মিনহাজ-ই সিরাজ জুজজানি রচিত তাবকাত-ই-নাসিরি=== : বিশেষ দ্রষ্টব্য না থাকলে, অনুবাদটি [[এলিয়ট এবং ডসন]]-এর দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস-এর ২৫৯ থেকে ৩৮৪ পৃষ্ঠায় থাকা তাবকাত-ই-নাসিরি-এর সারাংশ থেকে নেওয়া। [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/258/mode/2up অনলাইন]। (তাবকাত-ই-নাসিরি-এর যে অংশগুলো ভারতের সাথে সম্পর্কিত সেগুলো মেজর লিসের তত্ত্বাবধানে বিবলিওথেকা ইন্ডিকাতে ৪৫০ পৃষ্ঠার একটি খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে। এতে ১১তম এবং ১৭তম থেকে ২২তম তাবকাত বা বইগুলো রয়েছে।) তাবকাত-ই-নাসিরি-এর অন্য একটি অনুবাদ করেছেন এইচ জি র‍্যাভার্টি, কলকাতা, ১৮৮১। *এটি বর্ণিত আছে যে এই মুহাম্মদ বখতিয়ার ছিলেন গরমশির প্রদেশের ঘোরের একজন খলজি। তিনি ছিলেন একজন অত্যন্ত চতুর, উদ্যোগী, সাহসী, নির্ভীক, জ্ঞানী এবং অভিজ্ঞ ব্যক্তি… সাহসী এবং উদ্যোগী মানুষ হওয়ার কারণে তিনি মুনির (মুঙ্গের) এবং বিহার জেলাগুলোতে আক্রমণ চালাতেন এবং প্রচুর লুণ্ঠিত মালামাল নিয়ে আসতেন, যতক্ষণ না এইভাবে তিনি প্রচুর ঘোড়া, অস্ত্র এবং সৈন্য সংগ্রহ করতে সমর্থ হন। তার বীরত্ব এবং লুণ্ঠনমূলক অভিযানের খ্যাতি বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং হিন্দুস্তান থেকে একদল লোক খলজির সাথে যোগ দেয়। তার বীরত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের কথা সুলতান কুতুবুদ্দিনের কাছে জানানো হয়েছিল এবং তিনি তাকে একটি পোশাক পাঠিয়েছিলেন এবং তাকে অনেক সম্মান প্রদর্শন করেছিলেন। এইভাবে উৎসাহিত হয়ে তিনি বিহারে তার সেনাবাহিনী পরিচালনা করেন এবং তা বিধ্বস্ত করেন। এইভাবে তিনি এক বা দুই বছর ধরে আশেপাশের এলাকায় লুণ্ঠন চালিয়ে যান এবং অবশেষে দেশটি আক্রমণের প্রস্তুতি নেন। **তাবকাত ২০। [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/304/mode/2up] * নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিগণ বলেন যে তিনি মাত্র দুইশত অশ্বারোহী নিয়ে বিহার দুর্গের দ্বারে উপস্থিত হন এবং শত্রুকে অপ্রস্তুত অবস্থায় পেয়ে যুদ্ধ শুরু করেন। বখতিয়ারের অধীনে অত্যন্ত বুদ্ধিমান দুই ভাই কর্মরত ছিলেন। তাদের একজনের নাম ছিল নিজামুদ্দিন এবং অন্যজন শামসুদ্দিন। এই বইয়ের সংকলক ৬৪১ হিজরিতে (১২৪৩ খ্রিস্টাব্দ) লখনৌতিতে শামসুদ্দিনের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং তার কাছ থেকে নিচের কাহিনীটি শোনেন। বখতিয়ার যখন দুর্গের দ্বারে পৌঁছান এবং যুদ্ধ শুরু হয়, তখন এই দুই বিজ্ঞ ভাই সেই বীর সেনাবাহিনীতে সক্রিয় ছিলেন। মুহাম্মদ বখতিয়ার অত্যন্ত তেজ এবং সাহসিকতার সাথে দুর্গের দ্বারে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং স্থানটি দখল করে নেন। বিজয়ীদের হাতে প্রচুর লুণ্ঠিত মালামাল আসে। সেই স্থানের অধিকাংশ অধিবাসী ছিলেন মুণ্ডিত মস্তকধারী ব্রাহ্মণ। তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। সেখানে বিপুল সংখ্যক বই পাওয়া গিয়েছিল এবং যখন মুসলমানরা সেগুলো দেখল, তারা সেগুলোর বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করার জন্য কিছু লোককে ডাকল, কিন্তু ততক্ষণে সব মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। এটি আবিষ্কৃত হয়েছিল যে সম্পূর্ণ দুর্গ এবং শহরটি ছিল একটি অধ্যয়ন কেন্দ্র (মাদ্রাসা)। হিন্দি ভাষায় বেহার (বিহার) শব্দের অর্থ হলো একটি মহাবিদ্যালয়…. ** [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/306/mode/2up] ** ভিন্ন অনুবাদ : <br> তিনি [বখতিয়ার খলজি] সেইসব অঞ্চলে এবং দেশে তার লুণ্ঠন অভিযান চালিয়ে যেতেন যতক্ষণ না তিনি বিহারের সুরক্ষিত শহরের ওপর একটি আক্রমণের আয়োজন করেন। বিশ্বস্ত ব্যক্তিরা এই প্রকারে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রক্ষাকারী বর্ম পরিহিত দুইশত অশ্বারোহী নিয়ে বিহার দুর্গের প্রবেশদ্বারে অগ্রসর হন এবং হঠাৎ আক্রমণ করেন। মুহাম্মদ-ই-বখতিয়ারের অধীনে ফারগানার দুই ভাই ছিলেন যারা অত্যন্ত জ্ঞানী ব্যক্তি ছিলেন [নিজামুদ্দিন এবং শামসুদ্দিন], এবং এই বইয়ের লেখক [মিনহাজুদ্দিন] ৬৪১ হিজরিতে লখনৌতিতে তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং এই বিবরণটি তার কাছ থেকে পাওয়া। এই দুই বিজ্ঞ ভাই সেই পবিত্র যোদ্ধাদের দলের মধ্যে সৈনিক হিসেবে ছিলেন যখন তারা দুর্গের প্রবেশদ্বারে পৌঁছান এবং আক্রমণ শুরু করেন, সেই সময় মুহাম্মদ-ই-বখতিয়ার তার অসীম সাহসিকতার জোরে সেই স্থানের প্রবেশদ্বারের পেছনের চোর দরজায় নিজেকে ছুড়ে দেন এবং তারা দুর্গটি দখল করেন ও প্রচুর লুণ্ঠিত মালামাল অর্জন করেন। সেই স্থানের অধিকাংশ অধিবাসী ছিলেন ব্রাহ্মণ এবং সেই সমস্ত ব্রাহ্মণদের মাথা মুণ্ডিত ছিল; এবং তাদের সবাইকে হত্যা করা হয়েছিল। সেখানে প্রচুর সংখ্যায় বই ছিল; এবং যখন এই সমস্ত বই মুসলমানদের নজরে এল, তারা কয়েকজন হিন্দুকে তলব করল যাতে তারা ওই বইগুলোর গুরুত্ব সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে; কিন্তু সমস্ত হিন্দুরাই নিহত হয়েছিল। (বইয়ের বিষয়বস্তু সম্পর্কে) অবগত হওয়ার পর জানা গেল যে সেই সম্পূর্ণ দুর্গ এবং শহরটি ছিল একটি মহাবিদ্যালয় এবং হিন্দুস্তানি ভাষায় তারা মহাবিদ্যালয়কে বিহার বলে। ** তাবকাত-ই-নাসিরি, এইচ জি র‍্যাভার্টি কর্তৃক অনূদিত, কলকাতা, খণ্ড ১, ১৮৮১, পৃষ্ঠা ৫৫১ থেকে ৫৫২। এছাড়াও [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2014/08/an-eminent-historian-attacks-arun.html] * সুলতানের কাছ থেকে সম্মানের পোশাক পাওয়ার পর তিনি বিহারে ফিরে আসেন। লখনৌতি, বিহার, বঙ্গ এবং কামরূপ অঞ্চলের কাফেরদের মনে তার সম্পর্কে প্রচণ্ড ভীতি বিরাজ করছিল... নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায় যে, মালিক মুহাম্মদ বখতিয়ারের বীরত্বপূর্ণ কাজ এবং বিজয়ের কথা রায় লক্ষ্মণিয়ার সামনে উল্লেখ করা হয়েছিল, যার রাজধানী ছিল নদীয়া শহর…<br>পরের বছর মুহাম্মদ বখতিয়ার একটি সেনাবাহিনী প্রস্তুত করেন এবং বিহার থেকে যাত্রা করেন। তিনি মাত্র আঠারো জন অশ্বারোহী নিয়ে হঠাৎ নদীয়া শহরের সামনে উপস্থিত হন, তার সেনাবাহিনীর বাকি অংশ পেছনে রয়ে গিয়েছিল। মুহাম্মদ বখতিয়ার কাউকে বিরক্ত করেননি, বরং শান্তভাবে এবং কোনো আড়ম্বর ছাড়াই এগিয়ে গিয়েছিলেন, যাতে কেউ সন্দেহ করতে না পারে যে তিনি কে। মানুষ বরং ভেবেছিল যে তিনি একজন বণিক, যিনি বিক্রির জন্য ঘোড়া নিয়ে এসেছেন। এইভাবে তিনি রায় লক্ষ্মণিয়ার প্রাসাদের দ্বারে পৌঁছান, যখন তিনি তার তলোয়ার বের করেন এবং আক্রমণ শুরু করেন। এই সময় রায় মধ্যাহ্নভোজে ব্যস্ত ছিলেন এবং প্রচলিত রীতি অনুযায়ী তার সামনে খাবারে ভর্তি সোনা ও রূপার পাত্র রাখা ছিল। হঠাৎ প্রাসাদের দ্বারে এবং শহরে চিৎকার শুরু হয়। কী ঘটেছে তা নিশ্চিত হওয়ার আগেই মুহাম্মদ বখতিয়ার প্রাসাদে ঢুকে পড়েন এবং বেশ কিছু মানুষকে তলোয়ারের আঘাতে হত্যা করেন। রায় প্রাসাদের পেছনের দরজা দিয়ে খালি পায়ে পালিয়ে যান এবং তার সমস্ত ধন-সম্পদ, সমস্ত স্ত্রী, দাসী, পরিচারক এবং মহিলারা আক্রমণকারীর হস্তগত হয়। অসংখ্য হাতি ধরা পড়ে এবং মুসলমানদের হাতে এমন লুণ্ঠিত মালামাল আসে যা সমস্ত গণনার বাইরে। যখন তার সেনাবাহিনী পৌঁছাল, তখন পুরো শহরটি বশ্যতার অধীনে আনা হলো এবং তিনি সেখানে তার সদর দপ্তর স্থাপন করলেন।<br>রায় লক্ষ্মণিয়া সংনত এবং বঙ্গের দিকে চলে যান, যেখানে তিনি মারা যান। তার পুত্ররা আজও বঙ্গ অঞ্চলে শাসক হিসেবে রয়েছেন। যখন মুহাম্মদ বখতিয়ার রায়ের অঞ্চল দখল করে নেন, তখন তিনি নদীয়া শহরটি ধ্বংস করেন এবং লখনৌতিতে তার সরকারের আসন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আশেপাশের জায়গাগুলো নিজের দখলে আনেন এবং খুতবায় তার নাম পাঠ করান ও মুদ্রায় তা খোদাই করান। তার এবং তার কর্মকর্তাদের উদার প্রচেষ্টায় সর্বত্র মসজিদ, মহাবিদ্যালয় এবং মঠ গড়ে তোলা হয়েছিল এবং তিনি লুণ্ঠিত মালের একটি বড় অংশ সুলতান কুতুবুদ্দিনের কাছে পাঠিয়েছিলেন। ** [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/306/mode/2up] [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/308/mode/2up] ** বিহার ও বঙ্গ আক্রমণ, মিনহাজু-স সিরাজ; এলিয়ট এবং ডসন, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৩০৫ এবং পরবর্তী। দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস; এছাড়াও জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১)। দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ২ অধ্যায় ১১-এ উদ্ধৃত। * যখন বেশ কয়েক বছর অতিবাহিত হলো, তিনি লখনৌতির পূর্ব দিকে তুর্কিস্তান এবং তিব্বত অঞ্চল সম্পর্কে তথ্য পেলেন এবং তিব্বত ও তুর্কিস্তান দখলের ইচ্ছা পোষণ করতে শুরু করলেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি প্রায় দশ হাজার অশ্বারোহীর একটি সেনাবাহিনী প্রস্তুত করেন। তিব্বত এবং লখনৌতি অঞ্চলের মধ্যবর্তী পাহাড়ে তিন জাতির লোক বসবাস করে।<br>একদলকে বলা হয় কুচ (কুচবিহার), দ্বিতীয় দল মিচ এবং তৃতীয় দল তিয়ারু। তাদের সবার চেহারায় তুর্কি বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং তারা ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় কথা বলে, যা হিন্দুস্তানি ও তিব্বতি ভাষার মাঝামাঝি কিছু। কুচ ও মিচ উপজাতির অন্যতম প্রধান, যাকে আলি মিচ বলা হতো, তিনি মুহাম্মদ বখতিয়ারের মাধ্যমে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন এবং এই ব্যক্তি তাকে পাহাড়ে পথ দেখিয়ে নিয়ে যেতে রাজি হন। তিনি তাকে এমন একটি স্থানে নিয়ে যান যেখানে মর্দন-কোট নামে একটি শহর ছিল। বলা হয়ে থাকে যে প্রাচীনকালে যখন গুর্শাস্প শাহ চীন থেকে ফিরে আসছিলেন, তখন তিনি কামরূদ (কামরূপ) আসেন এবং এই শহরটি নির্মাণ করেন। শহরের সামনে দিয়ে একটি নদী বয়ে গেছে যা অত্যন্ত বিশাল। একে বঙ্গমতি [ব্রহ্মপুত্র] বলা হয়। যখন এটি হিন্দুস্তান দেশে প্রবেশ করে তখন হিন্দি ভাষায় এটি সমুদ্র নাম পায়। দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং গভীরতায় এটি গঙ্গার চেয়ে তিনগুণ বড়। মুহাম্মদ বখতিয়ার এই নদীর তীরে আসেন এবং আলি মিচ মুসলিম সেনাবাহিনীর সামনে আগে আগে চলেন। দশ দিন ধরে তারা পদযাত্রা করেন যতক্ষণ না তিনি তাদের নদীর উজানে পাহাড়ের মধ্যে এমন একটি স্থানে নিয়ে যান যেখানে প্রাচীনকাল থেকে পাথরের প্রায় বিশটি (বিস্ত ও অন্দ) খিলান বিশিষ্ট একটি সেতু ছিল। যখন সেনাবাহিনী সেতুর কাছে পৌঁছাল, বখতিয়ার সেখানে দুজন কর্মকর্তা, একজন তুর্কি এবং অন্যজন খলজিকে একটি বিশাল বাহিনীসহ মোতায়েন করেন যাতে তার ফিরে আসা পর্যন্ত স্থানটি নিরাপদ থাকে। সেনাবাহিনীর বাকি অংশ নিয়ে তিনি সেতুর ওপর দিয়ে ওপাড়ে যান। মুসলমানদের পার হওয়ার সংবাদ পেয়ে কামরূপের রায় বখতিয়ারের কাছে কিছু বিশ্বস্ত কর্মকর্তা পাঠান যাতে তাকে তিব্বত দেশ আক্রমণ না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয় এবং তাকে আশ্বস্ত করা হয় যে তার ফিরে যাওয়া এবং আরও উপযুক্ত প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। তিনি আরও যোগ করেন যে তিনি, কামরূপের রায়, সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে পরের বছর তিনিও তার বাহিনী একত্রিত করবেন এবং দেশটিকে সুরক্ষিত করতে মুসলিম সেনাবাহিনীর আগে আগে চলবেন। মুহাম্মদ বখতিয়ার এই কথায় কান না দিয়ে তিব্বতের পাহাড়ের দিকে অগ্রসর হন। ** পৃষ্ঠা ৩০৯ এবং পরবর্তী [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/308/mode/2up] ** তুর্কিস্তান ও তিব্বত দখলের ইচ্ছা, কামরূপে পরাজয়, মিনহাজুস সিরাজ। এলিয়ট এবং ডসন, খণ্ড ২, দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস, এছাড়াও জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১)। দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ২ অধ্যায় ১১-এ উদ্ধৃত। * ৬৪১ হিজরির (১২৪৩ খ্রিস্টাব্দ) এক রাতে তিনি দেও-কোট এবং বনগাঁওয়ের মধ্যবর্তী একটি স্থানে যাত্রাবিরতি করেন এবং মুতামাদু-দ দৌলার বাড়িতে অতিথি হিসেবে অবস্থান করেন, যিনি আগে মুহাম্মদ বখতিয়ারের অধীনে অশ্বশালার রক্ষক ছিলেন এবং লখনৌতি শহরে বসবাস করতেন। এই ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন যে সেতুটি পার হওয়ার পর পাহাড়ের গিরিপথ ও সংকীর্ণ পথের মধ্য দিয়ে পনেরটি পর্যায় পর্যন্ত রাস্তা ছিল এবং ষোড়শ পর্যায়ে সমতল ভূমি পাওয়া যায়। সেই পুরো অঞ্চলটি জনবহুল ছিল এবং গ্রামগুলো সমৃদ্ধ ছিল। প্রথমে যে গ্রামে পৌঁছানো হয়েছিল সেখানে একটি দুর্গ ছিল এবং যখন মুসলিম সেনাবাহিনী সেখানে আক্রমণ করে, তখন দুর্গের এবং আশেপাশের জায়গার মানুষ তাদের বাধা দিতে আসে এবং একটি যুদ্ধ শুরু হয়। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত যুদ্ধ চলে এবং বিপুল সংখ্যক মুসলমান নিহত ও আহত হন। শত্রুদের একমাত্র অস্ত্র ছিল বাঁশের বর্শা; এবং তাদের বর্ম, ঢাল ও শিরস্ত্রাণ ছিল কেবল কাঁচা রেশমের যা শক্তভাবে আটকানো ও সেলাই করা ছিল। তারা সবাই দীর্ঘ ধনুক ও তীর বহন করত। যখন রাত হলো, আটককৃত বন্দীদের সামনে আনা হলো এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো, তখন জানা গেল যে সেই স্থান থেকে পাঁচ পারাসং দূরে করম-বতন নামে একটি শহর আছে এবং সেখানে তীর-ধনুকধারী প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ সাহসী তুর্কি রয়েছে। যেই মুহূর্তে মুসলিম অশ্বারোহীরা পৌঁছাল, দূতরা তাদের আসার খবর জানাতে রওনা হলো এবং এই দূতরা পরের দিন সকালে গন্তব্যে পৌঁছাবে। লেখক যখন লখনৌতিতে ছিলেন, তিনি সেই জায়গাটি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং জানতে পারেন যে এটি বেশ বড় একটি শহর। এর প্রাচীরগুলো পাথর দিয়ে নির্মিত। এর অধিবাসীরা হলো ব্রাহ্মণ ও নুনি এবং শহরটি এই লোকেদের প্রধানের অধীনে শাসিত হয়। তারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। প্রতিদিন সকালে সেই শহরের বাজারে প্রায় পনেরশ ঘোড়া বিক্রি হয়। লখনৌতি অঞ্চলে যে সমস্ত সওয়ারি ঘোড়া আসে তার সবই ওই দেশ থেকে আনা হয়। তাদের রাস্তাগুলো পাহাড়ের গিরিখাত দিয়ে যায়, যা ওই অঞ্চলের সাধারণ চিত্র। কামরূপ এবং তিব্বতের মধ্যে পঁয়ত্রিশটি গিরিপথ রয়েছে যার মধ্য দিয়ে লখনৌতিতে ঘোড়া আনা হয়। ** পৃষ্ঠা ৩১০ এবং পরবর্তী [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/310/mode/2up] ** তুর্কিস্তান ও তিব্বত দখলের ইচ্ছা, কামরূপে পরাজয়, মিনহাজুস সিরাজ। এলিয়ট এবং ডসন, খণ্ড ২, দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস, এছাড়াও জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১)। দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ২ অধ্যায় ১১-এ উদ্ধৃত। * সংক্ষেপে, যখন মুহাম্মদ বখতিয়ার দেশটির প্রকৃতি সম্পর্কে অবগত হলেন এবং দেখলেন যে তার সৈন্যরা ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছে এবং প্রথম দিনের যাত্রাতেই অনেকে নিহত ও পঙ্গু হয়েছে, তখন তিনি তার অভিজাতদের সাথে পরামর্শ করেন এবং তারা সিদ্ধান্ত নেন যে পিছু হটাই বাঞ্ছনীয় হবে, যাতে পরবর্তী বছর তারা আরও উন্নত প্রস্তুতি নিয়ে এই দেশে ফিরে আসতে পারেন। ফেরার পথে পুরো রাস্তায় এক টুকরো ঘাস বা এক টুকরো কাঠও অবশিষ্ট ছিল না। সব কিছুতে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। উপত্যকা এবং গিরিপথের অধিবাসীরা সবাই রাস্তা থেকে অনেক দূরে সরে গিয়েছিল এবং পনের দিন পর্যন্ত কোথাও এক সের খাবার কিংবা এক টুকরো ঘাস বা পশুখাদ্য পাওয়া যায়নি, ফলে তারা তাদের ঘোড়াগুলোকে মেরে খেতে বাধ্য হয়েছিল। ** [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/312/mode/2up] * কামরূপ রাজ্যের পাহাড় থেকে নামার পর যখন তারা সেতুর কাছে পৌঁছালেন, তখন তারা দেখলেন যে সেতুর খিলানগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। যে দুজন কর্মকর্তাকে এটি পাহারা দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছিল তারা নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করেছিলেন এবং একে অপরের প্রতি বিদ্বেষের কারণে সেতু ও রাস্তার যত্ন নিতে অবহেলা করেছিলেন, ফলে কামরূপের হিন্দুরা সেখানে এসে সেতুটি ধ্বংস করে দিয়েছিল। মুহাম্মদ বখতিয়ার যখন তার সেনাবাহিনী নিয়ে সেই স্থানে পৌঁছালেন, তখন তিনি পার হওয়ার কোনো উপায় খুঁজে পেলেন না। সেখানে কোনো নৌকাও পাওয়া গেল না, ফলে তিনি অত্যন্ত বিচলিত ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়লেন। তারা নদী পার হওয়ার জন্য কোনো এক স্থানে শিবির স্থাপন করে ভেলা ও নৌকা তৈরির সিদ্ধান্ত নিলেন। ** [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/312/mode/2up] * এই স্থানের সন্নিকটে একটি মন্দির দেখা গেল, যা ছিল অত্যন্ত সুউচ্চ, মজবুত এবং সুন্দর স্থাপত্যশৈলীর। এতে সোনা ও রূপার অসংখ্য মূর্তি ছিল এবং একটি বিশাল স্বর্ণমূর্তি ছিল যার ওজন দুই বা তিন হাজার মিসকাল ছাড়িয়ে গিয়েছিল। মুহাম্মদ বখতিয়ার এবং তার অবশিষ্ট সেনাবাহিনী সেই মন্দিরে আশ্রয় নেন এবং নদী পার হওয়ার জন্য ভেলা তৈরির উদ্দেশ্যে কাঠ ও দড়ি সংগ্রহের কাজে লিপ্ত হন। কামরূপের রায় মুসলমানদের এই দুর্দশা ও দুর্বলতার খবর পান এবং তিনি তার অঞ্চলের সমস্ত হিন্দুদের সমবেত হওয়ার নির্দেশ দেন। একের পর এক দল এসে মন্দিরের চারপাশে তাদের বাঁশের বর্শা মাটিতে পুঁতে এবং সেগুলো একসাথে বুনে এক ধরণের দেয়াল তৈরি করে ফেলে। যখন ইসলামের সৈন্যরা এটি দেখল, তারা মুহাম্মদ বখতিয়ারকে বলল যে যদি তারা নিষ্ক্রিয় থাকে তবে তারা সবাই কাফেরদের ফাঁদে পড়ে বন্দী হবে। পালানোর কোনো পথ খুঁজে বের করতেই হবে। সবার সম্মতিতে তারা একযোগে আক্রমণ চালাল এবং একটি নির্দিষ্ট দিকে লক্ষ্য করে প্রচেষ্টা চালিয়ে সেই বিপজ্জনক বাধা পেরিয়ে খোলা জায়গায় যাওয়ার পথ তৈরি করে নিল। হিন্দুরা নদীর তীর পর্যন্ত তাদের ধাওয়া করল এবং সেখানে গিয়ে থামল। নদী পার হওয়ার উপায় বের করার জন্য প্রত্যেকে নিজ নিজ বুদ্ধি খাটাল। এক সৈন্য তার ঘোড়াকে পানির ভেতর নামিয়ে দিল এবং দেখা গেল যে এক তীর দূরত্ব পর্যন্ত পানি কম ছিল। সেনাবাহিনীতে চিৎকার উঠল যে পার হওয়ার পথ পাওয়া গেছে এবং সবাই স্রোতের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ল। তাদের পেছনে থাকা হিন্দুরা নদীর তীর দখল করে নিল। যখন মুসলমানরা নদীর মাঝখানে পৌঁছাল, দেখা গেল পানি অনেক গভীর এবং তারা প্রায় সবাই মারা গেল। মুহাম্মদ বখতিয়ার কম-বেশি প্রায় একশ জন অশ্বারোহী নিয়ে অত্যন্ত কষ্টে নদী পার হলেন, তবে বাকি সবাই ডুবে মারা গেল…. ** পৃষ্ঠা ৩১২ এবং পরবর্তী [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/312/mode/2up] ** তুর্কিস্তান ও তিব্বত দখলের ইচ্ছা, কামরূপে পরাজয়, মিনহাজুস সিরাজ। এলিয়ট এবং ডসন, খণ্ড ২, দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস, এছাড়াও জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১)। দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ২ অধ্যায় ১১-এ উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজশাসক]] davuwbtd6fjmrkj6oq3lrd9w66vgg5p 83397 83396 2026-05-04T18:18:31Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:১২শ শতাব্দীতে জন্ম]] যোগ 83397 wikitext text/x-wiki '''[[w:মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি|ইখতিয়ার আল-দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি]]''' যিনি '''মালিক গাজী ইখতিয়ার আল-দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি''' বা '''মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি''' অথবা সংক্ষেপে '''বখতিয়ার খলজি''' (মৃত্যু ১২০৬) হিসেবেও পরিচিত, তিনি ছিলেন [[কুতুবুদ্দিন আইবেক|কুতুব আল-দীন আইবেকের]] একজন সামরিক সেনাপতি যিনি বাংলা জয় করেছিলেন। মনে করা হয় যে তার আক্রমণগুলো [[নালন্দা]], [[ওদন্তপুরী]] এবং [[বিক্রমশিলা]]র বৌদ্ধ স্থাপনাগুলোর মারাত্মক ক্ষতি করেছিল। [[File:The end of Buddhist Monks, A.D. 1193.jpg|thumb|right|200px|[[জেমস মেস্টন, প্রথম ব্যারন মেস্টন|জেমস মেস্টন]] সম্পাদিত ''হাচিনসন'স স্টোরি অফ দ্য নেশনস''-এর ভারত অধ্যায়ের এই ছবিটি ভারতের [[বিহার (ভারত)|বিহারের]] বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের ওপর বখতিয়ার খলজির চালানো হত্যাকাণ্ডকে চিত্রিত করে। খলজি উত্তর ভারতের সমতল ভূমিতে তার অভিযানের সময় [[নালন্দা]] এবং [[বিক্রমশিলা]] বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস করেছিলেন এবং অনেক [[বৌদ্ধ]] ও [[ব্রাহ্মণ]] পণ্ডিতকে হত্যা করেছিলেন।]] [[File:Nalanda University India ruins.jpg|thumb|প্রাচীন নালন্দার ধ্বংসাবশেষ]] ==বখতিয়ার খলজি সম্পর্কে উক্তি== * [[মুসলমান]] আক্রমণকারীরা [[নালন্দা]], বিক্রমশিলা, জগদ্দল, ওদন্তপুরীর মতো আরও অনেক বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় লুণ্ঠন করেছিল। তারা বৌদ্ধ মঠগুলোকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিল যা দিয়ে দেশজুড়ে ছেয়ে ছিল। হাজার হাজার সন্ন্যাসী নেপাল, তিব্বত এবং ভারতের বাইরের অন্যান্য জায়গায় পালিয়ে যান। মুসলিম সেনাপতিদের হাতে সরাসরি বিশাল সংখ্যক মানুষ নিহত হন। মুসলিম আক্রমণকারীদের তলোয়ারের আঘাতে বৌদ্ধ পুরোহিত সমাজ কীভাবে ধ্বংস হয়েছিল তা খোদাই করেছেন খোদ মুসলিম ইতিহাসবিদরাই। ১১৯৭ খ্রিস্টাব্দে বিহার অভিযানের সময় মুসলিম জেনারেলের দ্বারা বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের যে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল সেই সংক্রান্ত প্রমাণগুলি সংক্ষেপে তুলে ধরে মিস্টার ভিনসেন্ট স্মিথ বলেন, "মুসলিম সেনাপতি, যিনি ইতিপূর্বে বিহারে বারবার লুণ্ঠন অভিযানের মাধ্যমে নিজের নামকে এক আতঙ্কে পরিণত করেছিলেন, তিনি এক দুঃসাহসিক আঘাতে রাজধানী দখল করেন... প্রচুর পরিমাণে লুণ্ঠিত মালামাল পাওয়া যায় এবং 'মুণ্ডিত মস্তকধারী ব্রাহ্মণ' অর্থাৎ বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের হত্যাযজ্ঞ এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সম্পন্ন করা হয়েছিল যে যখন বিজয়ী মঠের গ্রন্থাগারের বইগুলোর বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করতে সক্ষম এমন কাউকে খুঁজছিলেন, তখন সেগুলি পড়তে সক্ষম একজন জীবিত মানুষও পাওয়া যায়নি। আমাদের বলা হয়েছে যে, 'এটি আবিষ্কৃত হয়েছিল যে সেই সম্পূর্ণ দুর্গ এবং শহরটি ছিল একটি মহাবিদ্যালয় এবং হিন্দি ভাষায় তারা মহাবিদ্যালয়কে বিহার বলে।' "ইসলামি আক্রমণকারীদের দ্বারা বৌদ্ধ পুরোহিতদের ওপর এই ধরণের হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। কুঠারটি একদম মূলে আঘাত করেছিল। কারণ বৌদ্ধ পুরোহিত সমাজকে হত্যার মাধ্যমে ইসলাম বৌদ্ধধর্মকে হত্যা করেছিল। ভারতে বুদ্ধের ধর্মের ওপর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় বিপর্যয়.... **[[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর|বি. আর. আম্বেদকর]], "দ্য ডিক্লাইন অ্যান্ড ফল অফ বুদ্ধিজম," ''ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর: রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস'', খণ্ড ৩, মহারাষ্ট্র সরকার। ১৯৮৭, পৃষ্ঠা ২৩২-২৩৩ * ভারতীয় বৌদ্ধধর্ম ধ্বংসের ক্ষেত্রে খিলজির প্রধান ভূমিকা সমসাময়িক মুসলিম উৎসগুলোতে সুপ্রতিষ্ঠিত এবং একে এত অনায়াসে নামহীন কোনো হিন্দু জুজুর ওপর চাপিয়ে দেওয়া যায় না। **এ্যালস্ট, কে. দ্য আর্গুমেন্টেটিভ হিন্দু (২০১২) * তার বীরত্বের খ্যাতি এবং তার লুণ্ঠনমূলক অভিযানের খবর বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে যা তার পতাকাতলে একদল খলজি যোদ্ধাকে আকর্ষণ করেছিল যারা তখন সমগ্র হিন্দুস্তানে ঘুরে বেড়াত। তার বীরত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের কথা কুতুবুদ্দিন আইবকের কাছে জানানো হয়েছিল। তিনি তাকে একটি সম্মানের পোশাক পাঠিয়েছিলেন এবং ১২০২ খ্রিস্টাব্দে সুলতানের সেনাপতি হিসেবে বিহারে অভিযান চালানোর জন্য তাকে নিযুক্ত করেছিলেন। ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি বিহার ও বাংলায় ব্যাপকভাবে বিজয় লাভ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো সম্মান ও স্বীকৃতি ছাড়াই তিনি মারা যান। **লাল, কে. এস. (১৯৯৪)। মুসলিম স্লেভ সিস্টেম ইন মেডিয়েভাল ইন্ডিয়া। নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন। অধ্যায় ৪ * পূর্বে খলজির সামরিক কর্মকাণ্ডের ফলে ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল। দ্বাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে বা ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুতে তিনি বিহারে অগ্রসর হন এবং নালন্দা, বিক্রমশিলা ও উদ্ধণ্ডপুরের বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রগুলোতে আক্রমণ করেন এবং উদ্ধণ্ডপুর বা ওদন্তপুরীর স্থানে একটি দুর্গ নির্মাণ করেন। এই স্থানগুলোর বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের গণহত্যা করা হয়েছিল এবং সাধারণ মানুষ তাদের পুরোহিত ও শিক্ষকদের হারিয়ে কেউ ব্রাহ্মণ্যবাদের দিকে এবং কেউ ইসলামের দিকে ঝুঁকেছিল। বৌদ্ধধর্ম বিহার থেকে সাথে সাথেই বা পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যায়নি। তবে বিহারে বখতিয়ারের আক্রমণ বৌদ্ধধর্মের ওপর একটি বিধ্বংসী আঘাত হেনেছিল এবং এর হারিয়ে যাওয়া অনুসারীরা মূলত ইসলাম কর্তৃক প্রাপ্ত হয়েছিল। **লাল, কে. এস. (২০১২)। ইন্ডিয়ান মুসলিমস: হু আর দে। * একজন স্বাধীন অভিযাত্রী, মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি, আরও পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছিলেন। ১২০০ খ্রিস্টাব্দে তিনি বিহারের অরক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয় শহর ওদন্তপুরী লুণ্ঠন করেন এবং মঠের [[বৌদ্ধ]] সন্ন্যাসীদের গণহত্যা করেন। ১২০২ খ্রিস্টাব্দে তিনি আকস্মিকভাবে নদীয়া দখল করেন। বদায়ুনী তার মুনতাখাব-উত-তাওয়ারিখে লিপিবদ্ধ করেছেন যে “গণনার অতীত সম্পত্তি ও লুণ্ঠিত মালামাল মুসলমানদের হস্তগত হয়েছিল এবং মুহাম্মদ বখতিয়ার [[কাফের]]দের উপাসনালয় ও [[মূর্তি]] [[মন্দির]] ধ্বংস করে মসজিদ ও খানকাহ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন”। ** মুনতাখাব-উত-তাওয়ারিখ, গোয়েল, সীতা রাম (২০০১)। দ্য স্টোরি অফ ইসলামিক ইম্পেরিয়ালিজম ইন ইন্ডিয়া। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৮৫৯৯০২৩১ অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। * “সংক্ষেপে, মুহাম্মদ বখতিয়ার রাজকীয় ছত্র ধারণ করেছিলেন এবং তার নিজের নামে খুতবা পাঠ ও মুদ্রা জারি করেছিলেন এবং বিধর্মীদের মন্দিরের পরিবর্তে মসজিদ, খানকাহ ও মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।” ** ইখতিয়ারুদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি (১২০২-১২০৬ খ্রিস্টাব্দ) বাংলা সম্পর্কে: তাবকাত-ই-আকবরি, বি. দে কর্তৃক অনূদিত, কলকাতা, ১৯৭৩, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৫১। নিজামুদ্দিন আহমদ রচিত তাবকাত-ই-আকবরি। * “মুহাম্মদ বখতিয়ার শহরটিকে ধ্বংসের ঝাড়ু দিয়ে মুছে ফেলে সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত করেছিলেন এবং লখনৌতি শহরটিকে নতুন করে গড়ে তুলে… তার রাজধানী হিসেবে বাংলা শাসন করেছিলেন… এবং মুহাম্মদীয় ধর্মের বিধানগুলো কার্যকর করার চেষ্টা করেছিলেন… এবং এক সময় বাংলা শাসন করার সময় তিনি মন্দির ধ্বংস ও মসজিদ নির্মাণে লিপ্ত ছিলেন।” ** ইখতিয়ারুদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি (১২০২-১২০৬ খ্রিস্টাব্দ) লখনৌতি (বাংলা): রিয়াজুস-সালাতিন, আবদুস সালাম কর্তৃক ইংরেজিতে অনূদিত, দিল্লি পুনর্মুদ্রণ, ১৯৭৬, পৃষ্ঠা ৬৩-৬৪। * মুহাম্মদ ঘুরি আজমেরের হিন্দু মন্দিরগুলো ধ্বংস করেছিলেন এবং সেগুলোর ধ্বংসাবশেষের ওপর মসজিদ ও কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন… তিনি কনৌজ ও কাশি লুণ্ঠন করেছিলেন এবং তাদের মন্দিরগুলো ধ্বংস করেছিলেন... [যখন তার সেনাপতিরা] যাওয়ার পথে বিহারের অবশিষ্ট বৌদ্ধ সম্প্রদায়গুলোকে ধ্বংস করেছিলেন এবং নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ধ্বংস করেছিলেন.... বখতিয়ার খলজি “গঙ্গার তীরে লখনৌতিতে (গৌড়) একটি মুসলিম রাজধানী স্থাপন করেছিলেন এবং ১১৯৭ সালে এর ব্যাসাল্ট পাথর দিয়ে নির্মিত মন্দিরগুলো ধ্বংস করেছিলেন। ১২০২ সালে ওদন্তপুরীতে তিনি দুই হাজার বৌদ্ধ সন্ন্যাসীকে হত্যা করেছিলেন.... ** লুই ফ্রেডেরিক, এল’ইন্দে ডি এল’ইসলাম, পৃষ্ঠা ৪২-৪৯, (উদ্ধৃত: ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড - কোয়েনরাড এ্যালস্ট কর্তৃক, পৃষ্ঠা ৩২৮)। * সাধারণভাবে হিন্দু শিক্ষা ব্যবস্থা দমিত হয়েছিল কারণ হিন্দু ও বৌদ্ধ বিদ্যালয়গুলো মন্দির এবং মঠের সাথে যুক্ত ছিল। এগুলো একদম শুরু থেকেই নিয়মিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল এবং সেগুলোর সাথে সাথে শিক্ষাকেন্দ্রগুলোও ধ্বংস হয়েছিল। [[কুতুবুদ্দিন আইবেক|কুতুবউদ্দিন আইবেক]] আজমীরে বিশালদেবের সংস্কৃত মহাবিদ্যালয়টি মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিলেন এবং সেই স্থানে আড়াই দিন কা ঝোপড়া নামক একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। পূর্ব দিকে [[ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি|ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি]] ১১৯৭-১২০২ সালের মধ্যে বিহারের বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রগুলো যেমন ওদন্তপুরী, [[নালন্দা]] এবং বিক্রমশিলা লুণ্ঠন করেছিলেন। ... বিদ্যালয় এবং মন্দির ধ্বংস করার প্রক্রিয়া কেন্দ্র এবং প্রদেশ উভয় স্থানেই আওরঙ্গজেবের সময় পর্যন্ত বেশিরভাগ মুসলিম শাসক দ্বারা অব্যাহত ছিল। এই ক্ষেত্রে আওরঙ্গজেব ছিলেন অন্যতম উৎসাহী ব্যক্তি, যদিও তিনি এর ব্যতিক্রম ছিলেন না.... আমি বহু বছর ধরে দিল্লি, ভোপাল এবং হায়দ্রাবাদে (দাক্ষিণাত্য) বসবাস করেছি। এই সমস্ত জায়গায় আমি মধ্যযুগীয় সময়ের টিকে থাকা কোনো মন্দির খুঁজে পাইনি বললেই চলে। হিন্দু শিক্ষা ব্যবস্থা বিদ্যালয় এবং ব্রাহ্মণ শিক্ষকদের ওপর নির্ভরশীল ছিল এবং উভয়ই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শহরাঞ্চলের মন্দিরের সাথে যুক্ত ছিল। আর এই তিনটি বিষয় অর্থাৎ বিদ্যালয়, শিক্ষক এবং মন্দির পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল। ** লাল, কে. এস. (১৯৯৯)। থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া। নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন। অধ্যায় ৭। * তবে এ বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ খুব কম যে ওদন্তপুরী ও বিক্রমশিলা মঠ ধ্বংসের জন্য সরাসরি দায়ী ব্যক্তি ছিলেন ইখতিয়ার-উদ-দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি... ** [https://archive.org/stream/TaranathasHistoryOfBuddhismInIndia/Taranatha%E2%80%99s%20History%20of%20Buddhism%20in%20India_djvu.txt] [https://archive.org/details/TaranathasHistoryOfBuddhismInIndia/page/n471/mode/2up] থেকে উদ্ধৃত, এইচ. মুখিয়া, তারানাথ’স হিস্ট্রি অফ বুদ্ধিজম ইন ইন্ডিয়া, ইংরেজি অনুবাদ। * “…এই ব্যবস্থার দ্বিতীয় বছরে মুহাম্মদ বখতিয়ার বিহার থেকে লখনৌতির দিকে একটি সেনাবাহিনী নিয়ে আসেন এবং একটি ক্ষুদ্র বাহিনীসহ নদীয়া শহরে পৌঁছান; নদীয়া এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত। সেই শহরের শাসক রায় লক্ষ্মণিয়া (লক্ষ্মণ সেন)... সেখান থেকে কামরানের দিকে পালিয়ে যান এবং গণনার অতীত সম্পত্তি ও লুণ্ঠিত মালামাল মুসলমানদের হস্তগত হয় এবং মুহাম্মদ বখতিয়ার [[কাফের]]দের উপাসনালয় ও [[মূর্তি]] [[মন্দির]] ধ্বংস করে মসজিদ, মঠ ও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার নিজের নামে একটি রাজধানী নির্মাণ করেন যা এখন গৌড় নামে পরিচিত।<br/> সেখানে যেখানে আগে শোনা যেত<br/> বিধর্মীদের কোলাহল ও শোরগোল,<br/> এখন সেখানে প্রতিধ্বনিত হতে শোনা যায়<br/> ‘আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি।” ** ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি (১২০২-১২০৬ খ্রিস্টাব্দ) নবদ্বীপ (বাংলা) সম্পর্কে: মুনতাখাবু’ত-তাওয়ারিখ, জর্জ এস.এ. র‍্যাঙ্কিং কর্তৃক [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি ভাষায়]] অনূদিত, পাটনা পুনর্মুদ্রণ ১৯৭৩, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৮২-৮৩। * বুদ্ধ গয়ার সুউচ্চ নয় তলা বিশিষ্ট মন্দিরে, যাকে আগে মহাগন্ধোলা (গন্ধালয়) বলা হতো, সেখানে অতীত বুদ্ধদের মূর্তিসমূহ সংরক্ষিত ছিল। নালন্দার ধর্মগঞ্জের (বিশ্ববিদ্যালয়) রত্নদধি নামক নয় তলা বিশিষ্ট মন্দিরটি মহাযান এবং হীনযান বৌদ্ধ মতাদর্শের পবিত্র গ্রন্থসমূহের ভাণ্ডার ছিল। ওদন্তপুরী বিহারের মন্দিরটি, যা বলা হয়ে থাকে যে ওপরের দুটি (বুদ্ধ গয়া এবং নালন্দা) মন্দিরের চেয়েও উচ্চতর ছিল, সেখানে বৌদ্ধ এবং ব্রাহ্মণ্য সাহিত্যের এক বিশাল সংগ্রহ ছিল। এটি আলেকজান্দ্রিয়ার মহান গ্রন্থাগারের অনুরূপ ১২১২ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজির সেনাপতি মুহাম্মদ বিন সামের আদেশে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। ** রায় বাহাদুর শরৎচন্দ্র দাস, দ্য হিন্দুস্তান রিভিউ মার্চ ১৯০৬, পৃষ্ঠা ১৮৭ (ইউনিভার্সিটিস ইন অ্যানশিয়েন্ট ইন্ডিয়া)। হার বিলাস সারদা রচিত হিন্দু সুপিরিওরিটি (১৯২২), পৃষ্ঠা ১৩৮ এ উদ্ধৃত। ===মিনহাজ-ই সিরাজ জুজজানি রচিত তাবকাত-ই-নাসিরি=== : বিশেষ দ্রষ্টব্য না থাকলে, অনুবাদটি [[এলিয়ট এবং ডসন]]-এর দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস-এর ২৫৯ থেকে ৩৮৪ পৃষ্ঠায় থাকা তাবকাত-ই-নাসিরি-এর সারাংশ থেকে নেওয়া। [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/258/mode/2up অনলাইন]। (তাবকাত-ই-নাসিরি-এর যে অংশগুলো ভারতের সাথে সম্পর্কিত সেগুলো মেজর লিসের তত্ত্বাবধানে বিবলিওথেকা ইন্ডিকাতে ৪৫০ পৃষ্ঠার একটি খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে। এতে ১১তম এবং ১৭তম থেকে ২২তম তাবকাত বা বইগুলো রয়েছে।) তাবকাত-ই-নাসিরি-এর অন্য একটি অনুবাদ করেছেন এইচ জি র‍্যাভার্টি, কলকাতা, ১৮৮১। *এটি বর্ণিত আছে যে এই মুহাম্মদ বখতিয়ার ছিলেন গরমশির প্রদেশের ঘোরের একজন খলজি। তিনি ছিলেন একজন অত্যন্ত চতুর, উদ্যোগী, সাহসী, নির্ভীক, জ্ঞানী এবং অভিজ্ঞ ব্যক্তি… সাহসী এবং উদ্যোগী মানুষ হওয়ার কারণে তিনি মুনির (মুঙ্গের) এবং বিহার জেলাগুলোতে আক্রমণ চালাতেন এবং প্রচুর লুণ্ঠিত মালামাল নিয়ে আসতেন, যতক্ষণ না এইভাবে তিনি প্রচুর ঘোড়া, অস্ত্র এবং সৈন্য সংগ্রহ করতে সমর্থ হন। তার বীরত্ব এবং লুণ্ঠনমূলক অভিযানের খ্যাতি বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং হিন্দুস্তান থেকে একদল লোক খলজির সাথে যোগ দেয়। তার বীরত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের কথা সুলতান কুতুবুদ্দিনের কাছে জানানো হয়েছিল এবং তিনি তাকে একটি পোশাক পাঠিয়েছিলেন এবং তাকে অনেক সম্মান প্রদর্শন করেছিলেন। এইভাবে উৎসাহিত হয়ে তিনি বিহারে তার সেনাবাহিনী পরিচালনা করেন এবং তা বিধ্বস্ত করেন। এইভাবে তিনি এক বা দুই বছর ধরে আশেপাশের এলাকায় লুণ্ঠন চালিয়ে যান এবং অবশেষে দেশটি আক্রমণের প্রস্তুতি নেন। **তাবকাত ২০। [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/304/mode/2up] * নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিগণ বলেন যে তিনি মাত্র দুইশত অশ্বারোহী নিয়ে বিহার দুর্গের দ্বারে উপস্থিত হন এবং শত্রুকে অপ্রস্তুত অবস্থায় পেয়ে যুদ্ধ শুরু করেন। বখতিয়ারের অধীনে অত্যন্ত বুদ্ধিমান দুই ভাই কর্মরত ছিলেন। তাদের একজনের নাম ছিল নিজামুদ্দিন এবং অন্যজন শামসুদ্দিন। এই বইয়ের সংকলক ৬৪১ হিজরিতে (১২৪৩ খ্রিস্টাব্দ) লখনৌতিতে শামসুদ্দিনের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং তার কাছ থেকে নিচের কাহিনীটি শোনেন। বখতিয়ার যখন দুর্গের দ্বারে পৌঁছান এবং যুদ্ধ শুরু হয়, তখন এই দুই বিজ্ঞ ভাই সেই বীর সেনাবাহিনীতে সক্রিয় ছিলেন। মুহাম্মদ বখতিয়ার অত্যন্ত তেজ এবং সাহসিকতার সাথে দুর্গের দ্বারে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং স্থানটি দখল করে নেন। বিজয়ীদের হাতে প্রচুর লুণ্ঠিত মালামাল আসে। সেই স্থানের অধিকাংশ অধিবাসী ছিলেন মুণ্ডিত মস্তকধারী ব্রাহ্মণ। তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। সেখানে বিপুল সংখ্যক বই পাওয়া গিয়েছিল এবং যখন মুসলমানরা সেগুলো দেখল, তারা সেগুলোর বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করার জন্য কিছু লোককে ডাকল, কিন্তু ততক্ষণে সব মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। এটি আবিষ্কৃত হয়েছিল যে সম্পূর্ণ দুর্গ এবং শহরটি ছিল একটি অধ্যয়ন কেন্দ্র (মাদ্রাসা)। হিন্দি ভাষায় বেহার (বিহার) শব্দের অর্থ হলো একটি মহাবিদ্যালয়…. ** [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/306/mode/2up] ** ভিন্ন অনুবাদ : <br> তিনি [বখতিয়ার খলজি] সেইসব অঞ্চলে এবং দেশে তার লুণ্ঠন অভিযান চালিয়ে যেতেন যতক্ষণ না তিনি বিহারের সুরক্ষিত শহরের ওপর একটি আক্রমণের আয়োজন করেন। বিশ্বস্ত ব্যক্তিরা এই প্রকারে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রক্ষাকারী বর্ম পরিহিত দুইশত অশ্বারোহী নিয়ে বিহার দুর্গের প্রবেশদ্বারে অগ্রসর হন এবং হঠাৎ আক্রমণ করেন। মুহাম্মদ-ই-বখতিয়ারের অধীনে ফারগানার দুই ভাই ছিলেন যারা অত্যন্ত জ্ঞানী ব্যক্তি ছিলেন [নিজামুদ্দিন এবং শামসুদ্দিন], এবং এই বইয়ের লেখক [মিনহাজুদ্দিন] ৬৪১ হিজরিতে লখনৌতিতে তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং এই বিবরণটি তার কাছ থেকে পাওয়া। এই দুই বিজ্ঞ ভাই সেই পবিত্র যোদ্ধাদের দলের মধ্যে সৈনিক হিসেবে ছিলেন যখন তারা দুর্গের প্রবেশদ্বারে পৌঁছান এবং আক্রমণ শুরু করেন, সেই সময় মুহাম্মদ-ই-বখতিয়ার তার অসীম সাহসিকতার জোরে সেই স্থানের প্রবেশদ্বারের পেছনের চোর দরজায় নিজেকে ছুড়ে দেন এবং তারা দুর্গটি দখল করেন ও প্রচুর লুণ্ঠিত মালামাল অর্জন করেন। সেই স্থানের অধিকাংশ অধিবাসী ছিলেন ব্রাহ্মণ এবং সেই সমস্ত ব্রাহ্মণদের মাথা মুণ্ডিত ছিল; এবং তাদের সবাইকে হত্যা করা হয়েছিল। সেখানে প্রচুর সংখ্যায় বই ছিল; এবং যখন এই সমস্ত বই মুসলমানদের নজরে এল, তারা কয়েকজন হিন্দুকে তলব করল যাতে তারা ওই বইগুলোর গুরুত্ব সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে; কিন্তু সমস্ত হিন্দুরাই নিহত হয়েছিল। (বইয়ের বিষয়বস্তু সম্পর্কে) অবগত হওয়ার পর জানা গেল যে সেই সম্পূর্ণ দুর্গ এবং শহরটি ছিল একটি মহাবিদ্যালয় এবং হিন্দুস্তানি ভাষায় তারা মহাবিদ্যালয়কে বিহার বলে। ** তাবকাত-ই-নাসিরি, এইচ জি র‍্যাভার্টি কর্তৃক অনূদিত, কলকাতা, খণ্ড ১, ১৮৮১, পৃষ্ঠা ৫৫১ থেকে ৫৫২। এছাড়াও [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2014/08/an-eminent-historian-attacks-arun.html] * সুলতানের কাছ থেকে সম্মানের পোশাক পাওয়ার পর তিনি বিহারে ফিরে আসেন। লখনৌতি, বিহার, বঙ্গ এবং কামরূপ অঞ্চলের কাফেরদের মনে তার সম্পর্কে প্রচণ্ড ভীতি বিরাজ করছিল... নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায় যে, মালিক মুহাম্মদ বখতিয়ারের বীরত্বপূর্ণ কাজ এবং বিজয়ের কথা রায় লক্ষ্মণিয়ার সামনে উল্লেখ করা হয়েছিল, যার রাজধানী ছিল নদীয়া শহর…<br>পরের বছর মুহাম্মদ বখতিয়ার একটি সেনাবাহিনী প্রস্তুত করেন এবং বিহার থেকে যাত্রা করেন। তিনি মাত্র আঠারো জন অশ্বারোহী নিয়ে হঠাৎ নদীয়া শহরের সামনে উপস্থিত হন, তার সেনাবাহিনীর বাকি অংশ পেছনে রয়ে গিয়েছিল। মুহাম্মদ বখতিয়ার কাউকে বিরক্ত করেননি, বরং শান্তভাবে এবং কোনো আড়ম্বর ছাড়াই এগিয়ে গিয়েছিলেন, যাতে কেউ সন্দেহ করতে না পারে যে তিনি কে। মানুষ বরং ভেবেছিল যে তিনি একজন বণিক, যিনি বিক্রির জন্য ঘোড়া নিয়ে এসেছেন। এইভাবে তিনি রায় লক্ষ্মণিয়ার প্রাসাদের দ্বারে পৌঁছান, যখন তিনি তার তলোয়ার বের করেন এবং আক্রমণ শুরু করেন। এই সময় রায় মধ্যাহ্নভোজে ব্যস্ত ছিলেন এবং প্রচলিত রীতি অনুযায়ী তার সামনে খাবারে ভর্তি সোনা ও রূপার পাত্র রাখা ছিল। হঠাৎ প্রাসাদের দ্বারে এবং শহরে চিৎকার শুরু হয়। কী ঘটেছে তা নিশ্চিত হওয়ার আগেই মুহাম্মদ বখতিয়ার প্রাসাদে ঢুকে পড়েন এবং বেশ কিছু মানুষকে তলোয়ারের আঘাতে হত্যা করেন। রায় প্রাসাদের পেছনের দরজা দিয়ে খালি পায়ে পালিয়ে যান এবং তার সমস্ত ধন-সম্পদ, সমস্ত স্ত্রী, দাসী, পরিচারক এবং মহিলারা আক্রমণকারীর হস্তগত হয়। অসংখ্য হাতি ধরা পড়ে এবং মুসলমানদের হাতে এমন লুণ্ঠিত মালামাল আসে যা সমস্ত গণনার বাইরে। যখন তার সেনাবাহিনী পৌঁছাল, তখন পুরো শহরটি বশ্যতার অধীনে আনা হলো এবং তিনি সেখানে তার সদর দপ্তর স্থাপন করলেন।<br>রায় লক্ষ্মণিয়া সংনত এবং বঙ্গের দিকে চলে যান, যেখানে তিনি মারা যান। তার পুত্ররা আজও বঙ্গ অঞ্চলে শাসক হিসেবে রয়েছেন। যখন মুহাম্মদ বখতিয়ার রায়ের অঞ্চল দখল করে নেন, তখন তিনি নদীয়া শহরটি ধ্বংস করেন এবং লখনৌতিতে তার সরকারের আসন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আশেপাশের জায়গাগুলো নিজের দখলে আনেন এবং খুতবায় তার নাম পাঠ করান ও মুদ্রায় তা খোদাই করান। তার এবং তার কর্মকর্তাদের উদার প্রচেষ্টায় সর্বত্র মসজিদ, মহাবিদ্যালয় এবং মঠ গড়ে তোলা হয়েছিল এবং তিনি লুণ্ঠিত মালের একটি বড় অংশ সুলতান কুতুবুদ্দিনের কাছে পাঠিয়েছিলেন। ** [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/306/mode/2up] [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/308/mode/2up] ** বিহার ও বঙ্গ আক্রমণ, মিনহাজু-স সিরাজ; এলিয়ট এবং ডসন, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৩০৫ এবং পরবর্তী। দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস; এছাড়াও জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১)। দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ২ অধ্যায় ১১-এ উদ্ধৃত। * যখন বেশ কয়েক বছর অতিবাহিত হলো, তিনি লখনৌতির পূর্ব দিকে তুর্কিস্তান এবং তিব্বত অঞ্চল সম্পর্কে তথ্য পেলেন এবং তিব্বত ও তুর্কিস্তান দখলের ইচ্ছা পোষণ করতে শুরু করলেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি প্রায় দশ হাজার অশ্বারোহীর একটি সেনাবাহিনী প্রস্তুত করেন। তিব্বত এবং লখনৌতি অঞ্চলের মধ্যবর্তী পাহাড়ে তিন জাতির লোক বসবাস করে।<br>একদলকে বলা হয় কুচ (কুচবিহার), দ্বিতীয় দল মিচ এবং তৃতীয় দল তিয়ারু। তাদের সবার চেহারায় তুর্কি বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং তারা ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় কথা বলে, যা হিন্দুস্তানি ও তিব্বতি ভাষার মাঝামাঝি কিছু। কুচ ও মিচ উপজাতির অন্যতম প্রধান, যাকে আলি মিচ বলা হতো, তিনি মুহাম্মদ বখতিয়ারের মাধ্যমে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন এবং এই ব্যক্তি তাকে পাহাড়ে পথ দেখিয়ে নিয়ে যেতে রাজি হন। তিনি তাকে এমন একটি স্থানে নিয়ে যান যেখানে মর্দন-কোট নামে একটি শহর ছিল। বলা হয়ে থাকে যে প্রাচীনকালে যখন গুর্শাস্প শাহ চীন থেকে ফিরে আসছিলেন, তখন তিনি কামরূদ (কামরূপ) আসেন এবং এই শহরটি নির্মাণ করেন। শহরের সামনে দিয়ে একটি নদী বয়ে গেছে যা অত্যন্ত বিশাল। একে বঙ্গমতি [ব্রহ্মপুত্র] বলা হয়। যখন এটি হিন্দুস্তান দেশে প্রবেশ করে তখন হিন্দি ভাষায় এটি সমুদ্র নাম পায়। দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং গভীরতায় এটি গঙ্গার চেয়ে তিনগুণ বড়। মুহাম্মদ বখতিয়ার এই নদীর তীরে আসেন এবং আলি মিচ মুসলিম সেনাবাহিনীর সামনে আগে আগে চলেন। দশ দিন ধরে তারা পদযাত্রা করেন যতক্ষণ না তিনি তাদের নদীর উজানে পাহাড়ের মধ্যে এমন একটি স্থানে নিয়ে যান যেখানে প্রাচীনকাল থেকে পাথরের প্রায় বিশটি (বিস্ত ও অন্দ) খিলান বিশিষ্ট একটি সেতু ছিল। যখন সেনাবাহিনী সেতুর কাছে পৌঁছাল, বখতিয়ার সেখানে দুজন কর্মকর্তা, একজন তুর্কি এবং অন্যজন খলজিকে একটি বিশাল বাহিনীসহ মোতায়েন করেন যাতে তার ফিরে আসা পর্যন্ত স্থানটি নিরাপদ থাকে। সেনাবাহিনীর বাকি অংশ নিয়ে তিনি সেতুর ওপর দিয়ে ওপাড়ে যান। মুসলমানদের পার হওয়ার সংবাদ পেয়ে কামরূপের রায় বখতিয়ারের কাছে কিছু বিশ্বস্ত কর্মকর্তা পাঠান যাতে তাকে তিব্বত দেশ আক্রমণ না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয় এবং তাকে আশ্বস্ত করা হয় যে তার ফিরে যাওয়া এবং আরও উপযুক্ত প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। তিনি আরও যোগ করেন যে তিনি, কামরূপের রায়, সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে পরের বছর তিনিও তার বাহিনী একত্রিত করবেন এবং দেশটিকে সুরক্ষিত করতে মুসলিম সেনাবাহিনীর আগে আগে চলবেন। মুহাম্মদ বখতিয়ার এই কথায় কান না দিয়ে তিব্বতের পাহাড়ের দিকে অগ্রসর হন। ** পৃষ্ঠা ৩০৯ এবং পরবর্তী [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/308/mode/2up] ** তুর্কিস্তান ও তিব্বত দখলের ইচ্ছা, কামরূপে পরাজয়, মিনহাজুস সিরাজ। এলিয়ট এবং ডসন, খণ্ড ২, দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস, এছাড়াও জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১)। দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ২ অধ্যায় ১১-এ উদ্ধৃত। * ৬৪১ হিজরির (১২৪৩ খ্রিস্টাব্দ) এক রাতে তিনি দেও-কোট এবং বনগাঁওয়ের মধ্যবর্তী একটি স্থানে যাত্রাবিরতি করেন এবং মুতামাদু-দ দৌলার বাড়িতে অতিথি হিসেবে অবস্থান করেন, যিনি আগে মুহাম্মদ বখতিয়ারের অধীনে অশ্বশালার রক্ষক ছিলেন এবং লখনৌতি শহরে বসবাস করতেন। এই ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন যে সেতুটি পার হওয়ার পর পাহাড়ের গিরিপথ ও সংকীর্ণ পথের মধ্য দিয়ে পনেরটি পর্যায় পর্যন্ত রাস্তা ছিল এবং ষোড়শ পর্যায়ে সমতল ভূমি পাওয়া যায়। সেই পুরো অঞ্চলটি জনবহুল ছিল এবং গ্রামগুলো সমৃদ্ধ ছিল। প্রথমে যে গ্রামে পৌঁছানো হয়েছিল সেখানে একটি দুর্গ ছিল এবং যখন মুসলিম সেনাবাহিনী সেখানে আক্রমণ করে, তখন দুর্গের এবং আশেপাশের জায়গার মানুষ তাদের বাধা দিতে আসে এবং একটি যুদ্ধ শুরু হয়। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত যুদ্ধ চলে এবং বিপুল সংখ্যক মুসলমান নিহত ও আহত হন। শত্রুদের একমাত্র অস্ত্র ছিল বাঁশের বর্শা; এবং তাদের বর্ম, ঢাল ও শিরস্ত্রাণ ছিল কেবল কাঁচা রেশমের যা শক্তভাবে আটকানো ও সেলাই করা ছিল। তারা সবাই দীর্ঘ ধনুক ও তীর বহন করত। যখন রাত হলো, আটককৃত বন্দীদের সামনে আনা হলো এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো, তখন জানা গেল যে সেই স্থান থেকে পাঁচ পারাসং দূরে করম-বতন নামে একটি শহর আছে এবং সেখানে তীর-ধনুকধারী প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ সাহসী তুর্কি রয়েছে। যেই মুহূর্তে মুসলিম অশ্বারোহীরা পৌঁছাল, দূতরা তাদের আসার খবর জানাতে রওনা হলো এবং এই দূতরা পরের দিন সকালে গন্তব্যে পৌঁছাবে। লেখক যখন লখনৌতিতে ছিলেন, তিনি সেই জায়গাটি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং জানতে পারেন যে এটি বেশ বড় একটি শহর। এর প্রাচীরগুলো পাথর দিয়ে নির্মিত। এর অধিবাসীরা হলো ব্রাহ্মণ ও নুনি এবং শহরটি এই লোকেদের প্রধানের অধীনে শাসিত হয়। তারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। প্রতিদিন সকালে সেই শহরের বাজারে প্রায় পনেরশ ঘোড়া বিক্রি হয়। লখনৌতি অঞ্চলে যে সমস্ত সওয়ারি ঘোড়া আসে তার সবই ওই দেশ থেকে আনা হয়। তাদের রাস্তাগুলো পাহাড়ের গিরিখাত দিয়ে যায়, যা ওই অঞ্চলের সাধারণ চিত্র। কামরূপ এবং তিব্বতের মধ্যে পঁয়ত্রিশটি গিরিপথ রয়েছে যার মধ্য দিয়ে লখনৌতিতে ঘোড়া আনা হয়। ** পৃষ্ঠা ৩১০ এবং পরবর্তী [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/310/mode/2up] ** তুর্কিস্তান ও তিব্বত দখলের ইচ্ছা, কামরূপে পরাজয়, মিনহাজুস সিরাজ। এলিয়ট এবং ডসন, খণ্ড ২, দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস, এছাড়াও জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১)। দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ২ অধ্যায় ১১-এ উদ্ধৃত। * সংক্ষেপে, যখন মুহাম্মদ বখতিয়ার দেশটির প্রকৃতি সম্পর্কে অবগত হলেন এবং দেখলেন যে তার সৈন্যরা ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছে এবং প্রথম দিনের যাত্রাতেই অনেকে নিহত ও পঙ্গু হয়েছে, তখন তিনি তার অভিজাতদের সাথে পরামর্শ করেন এবং তারা সিদ্ধান্ত নেন যে পিছু হটাই বাঞ্ছনীয় হবে, যাতে পরবর্তী বছর তারা আরও উন্নত প্রস্তুতি নিয়ে এই দেশে ফিরে আসতে পারেন। ফেরার পথে পুরো রাস্তায় এক টুকরো ঘাস বা এক টুকরো কাঠও অবশিষ্ট ছিল না। সব কিছুতে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। উপত্যকা এবং গিরিপথের অধিবাসীরা সবাই রাস্তা থেকে অনেক দূরে সরে গিয়েছিল এবং পনের দিন পর্যন্ত কোথাও এক সের খাবার কিংবা এক টুকরো ঘাস বা পশুখাদ্য পাওয়া যায়নি, ফলে তারা তাদের ঘোড়াগুলোকে মেরে খেতে বাধ্য হয়েছিল। ** [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/312/mode/2up] * কামরূপ রাজ্যের পাহাড় থেকে নামার পর যখন তারা সেতুর কাছে পৌঁছালেন, তখন তারা দেখলেন যে সেতুর খিলানগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। যে দুজন কর্মকর্তাকে এটি পাহারা দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছিল তারা নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করেছিলেন এবং একে অপরের প্রতি বিদ্বেষের কারণে সেতু ও রাস্তার যত্ন নিতে অবহেলা করেছিলেন, ফলে কামরূপের হিন্দুরা সেখানে এসে সেতুটি ধ্বংস করে দিয়েছিল। মুহাম্মদ বখতিয়ার যখন তার সেনাবাহিনী নিয়ে সেই স্থানে পৌঁছালেন, তখন তিনি পার হওয়ার কোনো উপায় খুঁজে পেলেন না। সেখানে কোনো নৌকাও পাওয়া গেল না, ফলে তিনি অত্যন্ত বিচলিত ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়লেন। তারা নদী পার হওয়ার জন্য কোনো এক স্থানে শিবির স্থাপন করে ভেলা ও নৌকা তৈরির সিদ্ধান্ত নিলেন। ** [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/312/mode/2up] * এই স্থানের সন্নিকটে একটি মন্দির দেখা গেল, যা ছিল অত্যন্ত সুউচ্চ, মজবুত এবং সুন্দর স্থাপত্যশৈলীর। এতে সোনা ও রূপার অসংখ্য মূর্তি ছিল এবং একটি বিশাল স্বর্ণমূর্তি ছিল যার ওজন দুই বা তিন হাজার মিসকাল ছাড়িয়ে গিয়েছিল। মুহাম্মদ বখতিয়ার এবং তার অবশিষ্ট সেনাবাহিনী সেই মন্দিরে আশ্রয় নেন এবং নদী পার হওয়ার জন্য ভেলা তৈরির উদ্দেশ্যে কাঠ ও দড়ি সংগ্রহের কাজে লিপ্ত হন। কামরূপের রায় মুসলমানদের এই দুর্দশা ও দুর্বলতার খবর পান এবং তিনি তার অঞ্চলের সমস্ত হিন্দুদের সমবেত হওয়ার নির্দেশ দেন। একের পর এক দল এসে মন্দিরের চারপাশে তাদের বাঁশের বর্শা মাটিতে পুঁতে এবং সেগুলো একসাথে বুনে এক ধরণের দেয়াল তৈরি করে ফেলে। যখন ইসলামের সৈন্যরা এটি দেখল, তারা মুহাম্মদ বখতিয়ারকে বলল যে যদি তারা নিষ্ক্রিয় থাকে তবে তারা সবাই কাফেরদের ফাঁদে পড়ে বন্দী হবে। পালানোর কোনো পথ খুঁজে বের করতেই হবে। সবার সম্মতিতে তারা একযোগে আক্রমণ চালাল এবং একটি নির্দিষ্ট দিকে লক্ষ্য করে প্রচেষ্টা চালিয়ে সেই বিপজ্জনক বাধা পেরিয়ে খোলা জায়গায় যাওয়ার পথ তৈরি করে নিল। হিন্দুরা নদীর তীর পর্যন্ত তাদের ধাওয়া করল এবং সেখানে গিয়ে থামল। নদী পার হওয়ার উপায় বের করার জন্য প্রত্যেকে নিজ নিজ বুদ্ধি খাটাল। এক সৈন্য তার ঘোড়াকে পানির ভেতর নামিয়ে দিল এবং দেখা গেল যে এক তীর দূরত্ব পর্যন্ত পানি কম ছিল। সেনাবাহিনীতে চিৎকার উঠল যে পার হওয়ার পথ পাওয়া গেছে এবং সবাই স্রোতের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ল। তাদের পেছনে থাকা হিন্দুরা নদীর তীর দখল করে নিল। যখন মুসলমানরা নদীর মাঝখানে পৌঁছাল, দেখা গেল পানি অনেক গভীর এবং তারা প্রায় সবাই মারা গেল। মুহাম্মদ বখতিয়ার কম-বেশি প্রায় একশ জন অশ্বারোহী নিয়ে অত্যন্ত কষ্টে নদী পার হলেন, তবে বাকি সবাই ডুবে মারা গেল…. ** পৃষ্ঠা ৩১২ এবং পরবর্তী [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/312/mode/2up] ** তুর্কিস্তান ও তিব্বত দখলের ইচ্ছা, কামরূপে পরাজয়, মিনহাজুস সিরাজ। এলিয়ট এবং ডসন, খণ্ড ২, দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস, এছাড়াও জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১)। দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ২ অধ্যায় ১১-এ উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজশাসক]] [[বিষয়শ্রেণী:১২শ শতাব্দীতে জন্ম]] eg3vc0ronpjo0st6prw7vbz3jfligpu 83398 83397 2026-05-04T18:18:48Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:১২০৬-এ মৃত্যু]] যোগ 83398 wikitext text/x-wiki '''[[w:মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি|ইখতিয়ার আল-দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি]]''' যিনি '''মালিক গাজী ইখতিয়ার আল-দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি''' বা '''মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি''' অথবা সংক্ষেপে '''বখতিয়ার খলজি''' (মৃত্যু ১২০৬) হিসেবেও পরিচিত, তিনি ছিলেন [[কুতুবুদ্দিন আইবেক|কুতুব আল-দীন আইবেকের]] একজন সামরিক সেনাপতি যিনি বাংলা জয় করেছিলেন। মনে করা হয় যে তার আক্রমণগুলো [[নালন্দা]], [[ওদন্তপুরী]] এবং [[বিক্রমশিলা]]র বৌদ্ধ স্থাপনাগুলোর মারাত্মক ক্ষতি করেছিল। [[File:The end of Buddhist Monks, A.D. 1193.jpg|thumb|right|200px|[[জেমস মেস্টন, প্রথম ব্যারন মেস্টন|জেমস মেস্টন]] সম্পাদিত ''হাচিনসন'স স্টোরি অফ দ্য নেশনস''-এর ভারত অধ্যায়ের এই ছবিটি ভারতের [[বিহার (ভারত)|বিহারের]] বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের ওপর বখতিয়ার খলজির চালানো হত্যাকাণ্ডকে চিত্রিত করে। খলজি উত্তর ভারতের সমতল ভূমিতে তার অভিযানের সময় [[নালন্দা]] এবং [[বিক্রমশিলা]] বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস করেছিলেন এবং অনেক [[বৌদ্ধ]] ও [[ব্রাহ্মণ]] পণ্ডিতকে হত্যা করেছিলেন।]] [[File:Nalanda University India ruins.jpg|thumb|প্রাচীন নালন্দার ধ্বংসাবশেষ]] ==বখতিয়ার খলজি সম্পর্কে উক্তি== * [[মুসলমান]] আক্রমণকারীরা [[নালন্দা]], বিক্রমশিলা, জগদ্দল, ওদন্তপুরীর মতো আরও অনেক বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় লুণ্ঠন করেছিল। তারা বৌদ্ধ মঠগুলোকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিল যা দিয়ে দেশজুড়ে ছেয়ে ছিল। হাজার হাজার সন্ন্যাসী নেপাল, তিব্বত এবং ভারতের বাইরের অন্যান্য জায়গায় পালিয়ে যান। মুসলিম সেনাপতিদের হাতে সরাসরি বিশাল সংখ্যক মানুষ নিহত হন। মুসলিম আক্রমণকারীদের তলোয়ারের আঘাতে বৌদ্ধ পুরোহিত সমাজ কীভাবে ধ্বংস হয়েছিল তা খোদাই করেছেন খোদ মুসলিম ইতিহাসবিদরাই। ১১৯৭ খ্রিস্টাব্দে বিহার অভিযানের সময় মুসলিম জেনারেলের দ্বারা বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের যে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল সেই সংক্রান্ত প্রমাণগুলি সংক্ষেপে তুলে ধরে মিস্টার ভিনসেন্ট স্মিথ বলেন, "মুসলিম সেনাপতি, যিনি ইতিপূর্বে বিহারে বারবার লুণ্ঠন অভিযানের মাধ্যমে নিজের নামকে এক আতঙ্কে পরিণত করেছিলেন, তিনি এক দুঃসাহসিক আঘাতে রাজধানী দখল করেন... প্রচুর পরিমাণে লুণ্ঠিত মালামাল পাওয়া যায় এবং 'মুণ্ডিত মস্তকধারী ব্রাহ্মণ' অর্থাৎ বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের হত্যাযজ্ঞ এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সম্পন্ন করা হয়েছিল যে যখন বিজয়ী মঠের গ্রন্থাগারের বইগুলোর বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করতে সক্ষম এমন কাউকে খুঁজছিলেন, তখন সেগুলি পড়তে সক্ষম একজন জীবিত মানুষও পাওয়া যায়নি। আমাদের বলা হয়েছে যে, 'এটি আবিষ্কৃত হয়েছিল যে সেই সম্পূর্ণ দুর্গ এবং শহরটি ছিল একটি মহাবিদ্যালয় এবং হিন্দি ভাষায় তারা মহাবিদ্যালয়কে বিহার বলে।' "ইসলামি আক্রমণকারীদের দ্বারা বৌদ্ধ পুরোহিতদের ওপর এই ধরণের হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। কুঠারটি একদম মূলে আঘাত করেছিল। কারণ বৌদ্ধ পুরোহিত সমাজকে হত্যার মাধ্যমে ইসলাম বৌদ্ধধর্মকে হত্যা করেছিল। ভারতে বুদ্ধের ধর্মের ওপর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় বিপর্যয়.... **[[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর|বি. আর. আম্বেদকর]], "দ্য ডিক্লাইন অ্যান্ড ফল অফ বুদ্ধিজম," ''ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর: রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস'', খণ্ড ৩, মহারাষ্ট্র সরকার। ১৯৮৭, পৃষ্ঠা ২৩২-২৩৩ * ভারতীয় বৌদ্ধধর্ম ধ্বংসের ক্ষেত্রে খিলজির প্রধান ভূমিকা সমসাময়িক মুসলিম উৎসগুলোতে সুপ্রতিষ্ঠিত এবং একে এত অনায়াসে নামহীন কোনো হিন্দু জুজুর ওপর চাপিয়ে দেওয়া যায় না। **এ্যালস্ট, কে. দ্য আর্গুমেন্টেটিভ হিন্দু (২০১২) * তার বীরত্বের খ্যাতি এবং তার লুণ্ঠনমূলক অভিযানের খবর বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে যা তার পতাকাতলে একদল খলজি যোদ্ধাকে আকর্ষণ করেছিল যারা তখন সমগ্র হিন্দুস্তানে ঘুরে বেড়াত। তার বীরত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের কথা কুতুবুদ্দিন আইবকের কাছে জানানো হয়েছিল। তিনি তাকে একটি সম্মানের পোশাক পাঠিয়েছিলেন এবং ১২০২ খ্রিস্টাব্দে সুলতানের সেনাপতি হিসেবে বিহারে অভিযান চালানোর জন্য তাকে নিযুক্ত করেছিলেন। ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি বিহার ও বাংলায় ব্যাপকভাবে বিজয় লাভ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো সম্মান ও স্বীকৃতি ছাড়াই তিনি মারা যান। **লাল, কে. এস. (১৯৯৪)। মুসলিম স্লেভ সিস্টেম ইন মেডিয়েভাল ইন্ডিয়া। নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন। অধ্যায় ৪ * পূর্বে খলজির সামরিক কর্মকাণ্ডের ফলে ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল। দ্বাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে বা ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুতে তিনি বিহারে অগ্রসর হন এবং নালন্দা, বিক্রমশিলা ও উদ্ধণ্ডপুরের বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রগুলোতে আক্রমণ করেন এবং উদ্ধণ্ডপুর বা ওদন্তপুরীর স্থানে একটি দুর্গ নির্মাণ করেন। এই স্থানগুলোর বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের গণহত্যা করা হয়েছিল এবং সাধারণ মানুষ তাদের পুরোহিত ও শিক্ষকদের হারিয়ে কেউ ব্রাহ্মণ্যবাদের দিকে এবং কেউ ইসলামের দিকে ঝুঁকেছিল। বৌদ্ধধর্ম বিহার থেকে সাথে সাথেই বা পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যায়নি। তবে বিহারে বখতিয়ারের আক্রমণ বৌদ্ধধর্মের ওপর একটি বিধ্বংসী আঘাত হেনেছিল এবং এর হারিয়ে যাওয়া অনুসারীরা মূলত ইসলাম কর্তৃক প্রাপ্ত হয়েছিল। **লাল, কে. এস. (২০১২)। ইন্ডিয়ান মুসলিমস: হু আর দে। * একজন স্বাধীন অভিযাত্রী, মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি, আরও পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছিলেন। ১২০০ খ্রিস্টাব্দে তিনি বিহারের অরক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয় শহর ওদন্তপুরী লুণ্ঠন করেন এবং মঠের [[বৌদ্ধ]] সন্ন্যাসীদের গণহত্যা করেন। ১২০২ খ্রিস্টাব্দে তিনি আকস্মিকভাবে নদীয়া দখল করেন। বদায়ুনী তার মুনতাখাব-উত-তাওয়ারিখে লিপিবদ্ধ করেছেন যে “গণনার অতীত সম্পত্তি ও লুণ্ঠিত মালামাল মুসলমানদের হস্তগত হয়েছিল এবং মুহাম্মদ বখতিয়ার [[কাফের]]দের উপাসনালয় ও [[মূর্তি]] [[মন্দির]] ধ্বংস করে মসজিদ ও খানকাহ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন”। ** মুনতাখাব-উত-তাওয়ারিখ, গোয়েল, সীতা রাম (২০০১)। দ্য স্টোরি অফ ইসলামিক ইম্পেরিয়ালিজম ইন ইন্ডিয়া। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৮৫৯৯০২৩১ অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। * “সংক্ষেপে, মুহাম্মদ বখতিয়ার রাজকীয় ছত্র ধারণ করেছিলেন এবং তার নিজের নামে খুতবা পাঠ ও মুদ্রা জারি করেছিলেন এবং বিধর্মীদের মন্দিরের পরিবর্তে মসজিদ, খানকাহ ও মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।” ** ইখতিয়ারুদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি (১২০২-১২০৬ খ্রিস্টাব্দ) বাংলা সম্পর্কে: তাবকাত-ই-আকবরি, বি. দে কর্তৃক অনূদিত, কলকাতা, ১৯৭৩, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৫১। নিজামুদ্দিন আহমদ রচিত তাবকাত-ই-আকবরি। * “মুহাম্মদ বখতিয়ার শহরটিকে ধ্বংসের ঝাড়ু দিয়ে মুছে ফেলে সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত করেছিলেন এবং লখনৌতি শহরটিকে নতুন করে গড়ে তুলে… তার রাজধানী হিসেবে বাংলা শাসন করেছিলেন… এবং মুহাম্মদীয় ধর্মের বিধানগুলো কার্যকর করার চেষ্টা করেছিলেন… এবং এক সময় বাংলা শাসন করার সময় তিনি মন্দির ধ্বংস ও মসজিদ নির্মাণে লিপ্ত ছিলেন।” ** ইখতিয়ারুদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি (১২০২-১২০৬ খ্রিস্টাব্দ) লখনৌতি (বাংলা): রিয়াজুস-সালাতিন, আবদুস সালাম কর্তৃক ইংরেজিতে অনূদিত, দিল্লি পুনর্মুদ্রণ, ১৯৭৬, পৃষ্ঠা ৬৩-৬৪। * মুহাম্মদ ঘুরি আজমেরের হিন্দু মন্দিরগুলো ধ্বংস করেছিলেন এবং সেগুলোর ধ্বংসাবশেষের ওপর মসজিদ ও কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন… তিনি কনৌজ ও কাশি লুণ্ঠন করেছিলেন এবং তাদের মন্দিরগুলো ধ্বংস করেছিলেন... [যখন তার সেনাপতিরা] যাওয়ার পথে বিহারের অবশিষ্ট বৌদ্ধ সম্প্রদায়গুলোকে ধ্বংস করেছিলেন এবং নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ধ্বংস করেছিলেন.... বখতিয়ার খলজি “গঙ্গার তীরে লখনৌতিতে (গৌড়) একটি মুসলিম রাজধানী স্থাপন করেছিলেন এবং ১১৯৭ সালে এর ব্যাসাল্ট পাথর দিয়ে নির্মিত মন্দিরগুলো ধ্বংস করেছিলেন। ১২০২ সালে ওদন্তপুরীতে তিনি দুই হাজার বৌদ্ধ সন্ন্যাসীকে হত্যা করেছিলেন.... ** লুই ফ্রেডেরিক, এল’ইন্দে ডি এল’ইসলাম, পৃষ্ঠা ৪২-৪৯, (উদ্ধৃত: ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড - কোয়েনরাড এ্যালস্ট কর্তৃক, পৃষ্ঠা ৩২৮)। * সাধারণভাবে হিন্দু শিক্ষা ব্যবস্থা দমিত হয়েছিল কারণ হিন্দু ও বৌদ্ধ বিদ্যালয়গুলো মন্দির এবং মঠের সাথে যুক্ত ছিল। এগুলো একদম শুরু থেকেই নিয়মিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল এবং সেগুলোর সাথে সাথে শিক্ষাকেন্দ্রগুলোও ধ্বংস হয়েছিল। [[কুতুবুদ্দিন আইবেক|কুতুবউদ্দিন আইবেক]] আজমীরে বিশালদেবের সংস্কৃত মহাবিদ্যালয়টি মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিলেন এবং সেই স্থানে আড়াই দিন কা ঝোপড়া নামক একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। পূর্ব দিকে [[ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি|ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি]] ১১৯৭-১২০২ সালের মধ্যে বিহারের বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রগুলো যেমন ওদন্তপুরী, [[নালন্দা]] এবং বিক্রমশিলা লুণ্ঠন করেছিলেন। ... বিদ্যালয় এবং মন্দির ধ্বংস করার প্রক্রিয়া কেন্দ্র এবং প্রদেশ উভয় স্থানেই আওরঙ্গজেবের সময় পর্যন্ত বেশিরভাগ মুসলিম শাসক দ্বারা অব্যাহত ছিল। এই ক্ষেত্রে আওরঙ্গজেব ছিলেন অন্যতম উৎসাহী ব্যক্তি, যদিও তিনি এর ব্যতিক্রম ছিলেন না.... আমি বহু বছর ধরে দিল্লি, ভোপাল এবং হায়দ্রাবাদে (দাক্ষিণাত্য) বসবাস করেছি। এই সমস্ত জায়গায় আমি মধ্যযুগীয় সময়ের টিকে থাকা কোনো মন্দির খুঁজে পাইনি বললেই চলে। হিন্দু শিক্ষা ব্যবস্থা বিদ্যালয় এবং ব্রাহ্মণ শিক্ষকদের ওপর নির্ভরশীল ছিল এবং উভয়ই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শহরাঞ্চলের মন্দিরের সাথে যুক্ত ছিল। আর এই তিনটি বিষয় অর্থাৎ বিদ্যালয়, শিক্ষক এবং মন্দির পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল। ** লাল, কে. এস. (১৯৯৯)। থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া। নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন। অধ্যায় ৭। * তবে এ বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ খুব কম যে ওদন্তপুরী ও বিক্রমশিলা মঠ ধ্বংসের জন্য সরাসরি দায়ী ব্যক্তি ছিলেন ইখতিয়ার-উদ-দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি... ** [https://archive.org/stream/TaranathasHistoryOfBuddhismInIndia/Taranatha%E2%80%99s%20History%20of%20Buddhism%20in%20India_djvu.txt] [https://archive.org/details/TaranathasHistoryOfBuddhismInIndia/page/n471/mode/2up] থেকে উদ্ধৃত, এইচ. মুখিয়া, তারানাথ’স হিস্ট্রি অফ বুদ্ধিজম ইন ইন্ডিয়া, ইংরেজি অনুবাদ। * “…এই ব্যবস্থার দ্বিতীয় বছরে মুহাম্মদ বখতিয়ার বিহার থেকে লখনৌতির দিকে একটি সেনাবাহিনী নিয়ে আসেন এবং একটি ক্ষুদ্র বাহিনীসহ নদীয়া শহরে পৌঁছান; নদীয়া এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত। সেই শহরের শাসক রায় লক্ষ্মণিয়া (লক্ষ্মণ সেন)... সেখান থেকে কামরানের দিকে পালিয়ে যান এবং গণনার অতীত সম্পত্তি ও লুণ্ঠিত মালামাল মুসলমানদের হস্তগত হয় এবং মুহাম্মদ বখতিয়ার [[কাফের]]দের উপাসনালয় ও [[মূর্তি]] [[মন্দির]] ধ্বংস করে মসজিদ, মঠ ও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার নিজের নামে একটি রাজধানী নির্মাণ করেন যা এখন গৌড় নামে পরিচিত।<br/> সেখানে যেখানে আগে শোনা যেত<br/> বিধর্মীদের কোলাহল ও শোরগোল,<br/> এখন সেখানে প্রতিধ্বনিত হতে শোনা যায়<br/> ‘আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি।” ** ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি (১২০২-১২০৬ খ্রিস্টাব্দ) নবদ্বীপ (বাংলা) সম্পর্কে: মুনতাখাবু’ত-তাওয়ারিখ, জর্জ এস.এ. র‍্যাঙ্কিং কর্তৃক [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি ভাষায়]] অনূদিত, পাটনা পুনর্মুদ্রণ ১৯৭৩, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৮২-৮৩। * বুদ্ধ গয়ার সুউচ্চ নয় তলা বিশিষ্ট মন্দিরে, যাকে আগে মহাগন্ধোলা (গন্ধালয়) বলা হতো, সেখানে অতীত বুদ্ধদের মূর্তিসমূহ সংরক্ষিত ছিল। নালন্দার ধর্মগঞ্জের (বিশ্ববিদ্যালয়) রত্নদধি নামক নয় তলা বিশিষ্ট মন্দিরটি মহাযান এবং হীনযান বৌদ্ধ মতাদর্শের পবিত্র গ্রন্থসমূহের ভাণ্ডার ছিল। ওদন্তপুরী বিহারের মন্দিরটি, যা বলা হয়ে থাকে যে ওপরের দুটি (বুদ্ধ গয়া এবং নালন্দা) মন্দিরের চেয়েও উচ্চতর ছিল, সেখানে বৌদ্ধ এবং ব্রাহ্মণ্য সাহিত্যের এক বিশাল সংগ্রহ ছিল। এটি আলেকজান্দ্রিয়ার মহান গ্রন্থাগারের অনুরূপ ১২১২ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজির সেনাপতি মুহাম্মদ বিন সামের আদেশে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। ** রায় বাহাদুর শরৎচন্দ্র দাস, দ্য হিন্দুস্তান রিভিউ মার্চ ১৯০৬, পৃষ্ঠা ১৮৭ (ইউনিভার্সিটিস ইন অ্যানশিয়েন্ট ইন্ডিয়া)। হার বিলাস সারদা রচিত হিন্দু সুপিরিওরিটি (১৯২২), পৃষ্ঠা ১৩৮ এ উদ্ধৃত। ===মিনহাজ-ই সিরাজ জুজজানি রচিত তাবকাত-ই-নাসিরি=== : বিশেষ দ্রষ্টব্য না থাকলে, অনুবাদটি [[এলিয়ট এবং ডসন]]-এর দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস-এর ২৫৯ থেকে ৩৮৪ পৃষ্ঠায় থাকা তাবকাত-ই-নাসিরি-এর সারাংশ থেকে নেওয়া। [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/258/mode/2up অনলাইন]। (তাবকাত-ই-নাসিরি-এর যে অংশগুলো ভারতের সাথে সম্পর্কিত সেগুলো মেজর লিসের তত্ত্বাবধানে বিবলিওথেকা ইন্ডিকাতে ৪৫০ পৃষ্ঠার একটি খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে। এতে ১১তম এবং ১৭তম থেকে ২২তম তাবকাত বা বইগুলো রয়েছে।) তাবকাত-ই-নাসিরি-এর অন্য একটি অনুবাদ করেছেন এইচ জি র‍্যাভার্টি, কলকাতা, ১৮৮১। *এটি বর্ণিত আছে যে এই মুহাম্মদ বখতিয়ার ছিলেন গরমশির প্রদেশের ঘোরের একজন খলজি। তিনি ছিলেন একজন অত্যন্ত চতুর, উদ্যোগী, সাহসী, নির্ভীক, জ্ঞানী এবং অভিজ্ঞ ব্যক্তি… সাহসী এবং উদ্যোগী মানুষ হওয়ার কারণে তিনি মুনির (মুঙ্গের) এবং বিহার জেলাগুলোতে আক্রমণ চালাতেন এবং প্রচুর লুণ্ঠিত মালামাল নিয়ে আসতেন, যতক্ষণ না এইভাবে তিনি প্রচুর ঘোড়া, অস্ত্র এবং সৈন্য সংগ্রহ করতে সমর্থ হন। তার বীরত্ব এবং লুণ্ঠনমূলক অভিযানের খ্যাতি বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং হিন্দুস্তান থেকে একদল লোক খলজির সাথে যোগ দেয়। তার বীরত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের কথা সুলতান কুতুবুদ্দিনের কাছে জানানো হয়েছিল এবং তিনি তাকে একটি পোশাক পাঠিয়েছিলেন এবং তাকে অনেক সম্মান প্রদর্শন করেছিলেন। এইভাবে উৎসাহিত হয়ে তিনি বিহারে তার সেনাবাহিনী পরিচালনা করেন এবং তা বিধ্বস্ত করেন। এইভাবে তিনি এক বা দুই বছর ধরে আশেপাশের এলাকায় লুণ্ঠন চালিয়ে যান এবং অবশেষে দেশটি আক্রমণের প্রস্তুতি নেন। **তাবকাত ২০। [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/304/mode/2up] * নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিগণ বলেন যে তিনি মাত্র দুইশত অশ্বারোহী নিয়ে বিহার দুর্গের দ্বারে উপস্থিত হন এবং শত্রুকে অপ্রস্তুত অবস্থায় পেয়ে যুদ্ধ শুরু করেন। বখতিয়ারের অধীনে অত্যন্ত বুদ্ধিমান দুই ভাই কর্মরত ছিলেন। তাদের একজনের নাম ছিল নিজামুদ্দিন এবং অন্যজন শামসুদ্দিন। এই বইয়ের সংকলক ৬৪১ হিজরিতে (১২৪৩ খ্রিস্টাব্দ) লখনৌতিতে শামসুদ্দিনের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং তার কাছ থেকে নিচের কাহিনীটি শোনেন। বখতিয়ার যখন দুর্গের দ্বারে পৌঁছান এবং যুদ্ধ শুরু হয়, তখন এই দুই বিজ্ঞ ভাই সেই বীর সেনাবাহিনীতে সক্রিয় ছিলেন। মুহাম্মদ বখতিয়ার অত্যন্ত তেজ এবং সাহসিকতার সাথে দুর্গের দ্বারে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং স্থানটি দখল করে নেন। বিজয়ীদের হাতে প্রচুর লুণ্ঠিত মালামাল আসে। সেই স্থানের অধিকাংশ অধিবাসী ছিলেন মুণ্ডিত মস্তকধারী ব্রাহ্মণ। তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। সেখানে বিপুল সংখ্যক বই পাওয়া গিয়েছিল এবং যখন মুসলমানরা সেগুলো দেখল, তারা সেগুলোর বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করার জন্য কিছু লোককে ডাকল, কিন্তু ততক্ষণে সব মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। এটি আবিষ্কৃত হয়েছিল যে সম্পূর্ণ দুর্গ এবং শহরটি ছিল একটি অধ্যয়ন কেন্দ্র (মাদ্রাসা)। হিন্দি ভাষায় বেহার (বিহার) শব্দের অর্থ হলো একটি মহাবিদ্যালয়…. ** [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/306/mode/2up] ** ভিন্ন অনুবাদ : <br> তিনি [বখতিয়ার খলজি] সেইসব অঞ্চলে এবং দেশে তার লুণ্ঠন অভিযান চালিয়ে যেতেন যতক্ষণ না তিনি বিহারের সুরক্ষিত শহরের ওপর একটি আক্রমণের আয়োজন করেন। বিশ্বস্ত ব্যক্তিরা এই প্রকারে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রক্ষাকারী বর্ম পরিহিত দুইশত অশ্বারোহী নিয়ে বিহার দুর্গের প্রবেশদ্বারে অগ্রসর হন এবং হঠাৎ আক্রমণ করেন। মুহাম্মদ-ই-বখতিয়ারের অধীনে ফারগানার দুই ভাই ছিলেন যারা অত্যন্ত জ্ঞানী ব্যক্তি ছিলেন [নিজামুদ্দিন এবং শামসুদ্দিন], এবং এই বইয়ের লেখক [মিনহাজুদ্দিন] ৬৪১ হিজরিতে লখনৌতিতে তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং এই বিবরণটি তার কাছ থেকে পাওয়া। এই দুই বিজ্ঞ ভাই সেই পবিত্র যোদ্ধাদের দলের মধ্যে সৈনিক হিসেবে ছিলেন যখন তারা দুর্গের প্রবেশদ্বারে পৌঁছান এবং আক্রমণ শুরু করেন, সেই সময় মুহাম্মদ-ই-বখতিয়ার তার অসীম সাহসিকতার জোরে সেই স্থানের প্রবেশদ্বারের পেছনের চোর দরজায় নিজেকে ছুড়ে দেন এবং তারা দুর্গটি দখল করেন ও প্রচুর লুণ্ঠিত মালামাল অর্জন করেন। সেই স্থানের অধিকাংশ অধিবাসী ছিলেন ব্রাহ্মণ এবং সেই সমস্ত ব্রাহ্মণদের মাথা মুণ্ডিত ছিল; এবং তাদের সবাইকে হত্যা করা হয়েছিল। সেখানে প্রচুর সংখ্যায় বই ছিল; এবং যখন এই সমস্ত বই মুসলমানদের নজরে এল, তারা কয়েকজন হিন্দুকে তলব করল যাতে তারা ওই বইগুলোর গুরুত্ব সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে; কিন্তু সমস্ত হিন্দুরাই নিহত হয়েছিল। (বইয়ের বিষয়বস্তু সম্পর্কে) অবগত হওয়ার পর জানা গেল যে সেই সম্পূর্ণ দুর্গ এবং শহরটি ছিল একটি মহাবিদ্যালয় এবং হিন্দুস্তানি ভাষায় তারা মহাবিদ্যালয়কে বিহার বলে। ** তাবকাত-ই-নাসিরি, এইচ জি র‍্যাভার্টি কর্তৃক অনূদিত, কলকাতা, খণ্ড ১, ১৮৮১, পৃষ্ঠা ৫৫১ থেকে ৫৫২। এছাড়াও [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2014/08/an-eminent-historian-attacks-arun.html] * সুলতানের কাছ থেকে সম্মানের পোশাক পাওয়ার পর তিনি বিহারে ফিরে আসেন। লখনৌতি, বিহার, বঙ্গ এবং কামরূপ অঞ্চলের কাফেরদের মনে তার সম্পর্কে প্রচণ্ড ভীতি বিরাজ করছিল... নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায় যে, মালিক মুহাম্মদ বখতিয়ারের বীরত্বপূর্ণ কাজ এবং বিজয়ের কথা রায় লক্ষ্মণিয়ার সামনে উল্লেখ করা হয়েছিল, যার রাজধানী ছিল নদীয়া শহর…<br>পরের বছর মুহাম্মদ বখতিয়ার একটি সেনাবাহিনী প্রস্তুত করেন এবং বিহার থেকে যাত্রা করেন। তিনি মাত্র আঠারো জন অশ্বারোহী নিয়ে হঠাৎ নদীয়া শহরের সামনে উপস্থিত হন, তার সেনাবাহিনীর বাকি অংশ পেছনে রয়ে গিয়েছিল। মুহাম্মদ বখতিয়ার কাউকে বিরক্ত করেননি, বরং শান্তভাবে এবং কোনো আড়ম্বর ছাড়াই এগিয়ে গিয়েছিলেন, যাতে কেউ সন্দেহ করতে না পারে যে তিনি কে। মানুষ বরং ভেবেছিল যে তিনি একজন বণিক, যিনি বিক্রির জন্য ঘোড়া নিয়ে এসেছেন। এইভাবে তিনি রায় লক্ষ্মণিয়ার প্রাসাদের দ্বারে পৌঁছান, যখন তিনি তার তলোয়ার বের করেন এবং আক্রমণ শুরু করেন। এই সময় রায় মধ্যাহ্নভোজে ব্যস্ত ছিলেন এবং প্রচলিত রীতি অনুযায়ী তার সামনে খাবারে ভর্তি সোনা ও রূপার পাত্র রাখা ছিল। হঠাৎ প্রাসাদের দ্বারে এবং শহরে চিৎকার শুরু হয়। কী ঘটেছে তা নিশ্চিত হওয়ার আগেই মুহাম্মদ বখতিয়ার প্রাসাদে ঢুকে পড়েন এবং বেশ কিছু মানুষকে তলোয়ারের আঘাতে হত্যা করেন। রায় প্রাসাদের পেছনের দরজা দিয়ে খালি পায়ে পালিয়ে যান এবং তার সমস্ত ধন-সম্পদ, সমস্ত স্ত্রী, দাসী, পরিচারক এবং মহিলারা আক্রমণকারীর হস্তগত হয়। অসংখ্য হাতি ধরা পড়ে এবং মুসলমানদের হাতে এমন লুণ্ঠিত মালামাল আসে যা সমস্ত গণনার বাইরে। যখন তার সেনাবাহিনী পৌঁছাল, তখন পুরো শহরটি বশ্যতার অধীনে আনা হলো এবং তিনি সেখানে তার সদর দপ্তর স্থাপন করলেন।<br>রায় লক্ষ্মণিয়া সংনত এবং বঙ্গের দিকে চলে যান, যেখানে তিনি মারা যান। তার পুত্ররা আজও বঙ্গ অঞ্চলে শাসক হিসেবে রয়েছেন। যখন মুহাম্মদ বখতিয়ার রায়ের অঞ্চল দখল করে নেন, তখন তিনি নদীয়া শহরটি ধ্বংস করেন এবং লখনৌতিতে তার সরকারের আসন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আশেপাশের জায়গাগুলো নিজের দখলে আনেন এবং খুতবায় তার নাম পাঠ করান ও মুদ্রায় তা খোদাই করান। তার এবং তার কর্মকর্তাদের উদার প্রচেষ্টায় সর্বত্র মসজিদ, মহাবিদ্যালয় এবং মঠ গড়ে তোলা হয়েছিল এবং তিনি লুণ্ঠিত মালের একটি বড় অংশ সুলতান কুতুবুদ্দিনের কাছে পাঠিয়েছিলেন। ** [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/306/mode/2up] [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/308/mode/2up] ** বিহার ও বঙ্গ আক্রমণ, মিনহাজু-স সিরাজ; এলিয়ট এবং ডসন, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৩০৫ এবং পরবর্তী। দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস; এছাড়াও জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১)। দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ২ অধ্যায় ১১-এ উদ্ধৃত। * যখন বেশ কয়েক বছর অতিবাহিত হলো, তিনি লখনৌতির পূর্ব দিকে তুর্কিস্তান এবং তিব্বত অঞ্চল সম্পর্কে তথ্য পেলেন এবং তিব্বত ও তুর্কিস্তান দখলের ইচ্ছা পোষণ করতে শুরু করলেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি প্রায় দশ হাজার অশ্বারোহীর একটি সেনাবাহিনী প্রস্তুত করেন। তিব্বত এবং লখনৌতি অঞ্চলের মধ্যবর্তী পাহাড়ে তিন জাতির লোক বসবাস করে।<br>একদলকে বলা হয় কুচ (কুচবিহার), দ্বিতীয় দল মিচ এবং তৃতীয় দল তিয়ারু। তাদের সবার চেহারায় তুর্কি বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং তারা ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় কথা বলে, যা হিন্দুস্তানি ও তিব্বতি ভাষার মাঝামাঝি কিছু। কুচ ও মিচ উপজাতির অন্যতম প্রধান, যাকে আলি মিচ বলা হতো, তিনি মুহাম্মদ বখতিয়ারের মাধ্যমে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন এবং এই ব্যক্তি তাকে পাহাড়ে পথ দেখিয়ে নিয়ে যেতে রাজি হন। তিনি তাকে এমন একটি স্থানে নিয়ে যান যেখানে মর্দন-কোট নামে একটি শহর ছিল। বলা হয়ে থাকে যে প্রাচীনকালে যখন গুর্শাস্প শাহ চীন থেকে ফিরে আসছিলেন, তখন তিনি কামরূদ (কামরূপ) আসেন এবং এই শহরটি নির্মাণ করেন। শহরের সামনে দিয়ে একটি নদী বয়ে গেছে যা অত্যন্ত বিশাল। একে বঙ্গমতি [ব্রহ্মপুত্র] বলা হয়। যখন এটি হিন্দুস্তান দেশে প্রবেশ করে তখন হিন্দি ভাষায় এটি সমুদ্র নাম পায়। দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং গভীরতায় এটি গঙ্গার চেয়ে তিনগুণ বড়। মুহাম্মদ বখতিয়ার এই নদীর তীরে আসেন এবং আলি মিচ মুসলিম সেনাবাহিনীর সামনে আগে আগে চলেন। দশ দিন ধরে তারা পদযাত্রা করেন যতক্ষণ না তিনি তাদের নদীর উজানে পাহাড়ের মধ্যে এমন একটি স্থানে নিয়ে যান যেখানে প্রাচীনকাল থেকে পাথরের প্রায় বিশটি (বিস্ত ও অন্দ) খিলান বিশিষ্ট একটি সেতু ছিল। যখন সেনাবাহিনী সেতুর কাছে পৌঁছাল, বখতিয়ার সেখানে দুজন কর্মকর্তা, একজন তুর্কি এবং অন্যজন খলজিকে একটি বিশাল বাহিনীসহ মোতায়েন করেন যাতে তার ফিরে আসা পর্যন্ত স্থানটি নিরাপদ থাকে। সেনাবাহিনীর বাকি অংশ নিয়ে তিনি সেতুর ওপর দিয়ে ওপাড়ে যান। মুসলমানদের পার হওয়ার সংবাদ পেয়ে কামরূপের রায় বখতিয়ারের কাছে কিছু বিশ্বস্ত কর্মকর্তা পাঠান যাতে তাকে তিব্বত দেশ আক্রমণ না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয় এবং তাকে আশ্বস্ত করা হয় যে তার ফিরে যাওয়া এবং আরও উপযুক্ত প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। তিনি আরও যোগ করেন যে তিনি, কামরূপের রায়, সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে পরের বছর তিনিও তার বাহিনী একত্রিত করবেন এবং দেশটিকে সুরক্ষিত করতে মুসলিম সেনাবাহিনীর আগে আগে চলবেন। মুহাম্মদ বখতিয়ার এই কথায় কান না দিয়ে তিব্বতের পাহাড়ের দিকে অগ্রসর হন। ** পৃষ্ঠা ৩০৯ এবং পরবর্তী [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/308/mode/2up] ** তুর্কিস্তান ও তিব্বত দখলের ইচ্ছা, কামরূপে পরাজয়, মিনহাজুস সিরাজ। এলিয়ট এবং ডসন, খণ্ড ২, দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস, এছাড়াও জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১)। দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ২ অধ্যায় ১১-এ উদ্ধৃত। * ৬৪১ হিজরির (১২৪৩ খ্রিস্টাব্দ) এক রাতে তিনি দেও-কোট এবং বনগাঁওয়ের মধ্যবর্তী একটি স্থানে যাত্রাবিরতি করেন এবং মুতামাদু-দ দৌলার বাড়িতে অতিথি হিসেবে অবস্থান করেন, যিনি আগে মুহাম্মদ বখতিয়ারের অধীনে অশ্বশালার রক্ষক ছিলেন এবং লখনৌতি শহরে বসবাস করতেন। এই ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন যে সেতুটি পার হওয়ার পর পাহাড়ের গিরিপথ ও সংকীর্ণ পথের মধ্য দিয়ে পনেরটি পর্যায় পর্যন্ত রাস্তা ছিল এবং ষোড়শ পর্যায়ে সমতল ভূমি পাওয়া যায়। সেই পুরো অঞ্চলটি জনবহুল ছিল এবং গ্রামগুলো সমৃদ্ধ ছিল। প্রথমে যে গ্রামে পৌঁছানো হয়েছিল সেখানে একটি দুর্গ ছিল এবং যখন মুসলিম সেনাবাহিনী সেখানে আক্রমণ করে, তখন দুর্গের এবং আশেপাশের জায়গার মানুষ তাদের বাধা দিতে আসে এবং একটি যুদ্ধ শুরু হয়। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত যুদ্ধ চলে এবং বিপুল সংখ্যক মুসলমান নিহত ও আহত হন। শত্রুদের একমাত্র অস্ত্র ছিল বাঁশের বর্শা; এবং তাদের বর্ম, ঢাল ও শিরস্ত্রাণ ছিল কেবল কাঁচা রেশমের যা শক্তভাবে আটকানো ও সেলাই করা ছিল। তারা সবাই দীর্ঘ ধনুক ও তীর বহন করত। যখন রাত হলো, আটককৃত বন্দীদের সামনে আনা হলো এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো, তখন জানা গেল যে সেই স্থান থেকে পাঁচ পারাসং দূরে করম-বতন নামে একটি শহর আছে এবং সেখানে তীর-ধনুকধারী প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ সাহসী তুর্কি রয়েছে। যেই মুহূর্তে মুসলিম অশ্বারোহীরা পৌঁছাল, দূতরা তাদের আসার খবর জানাতে রওনা হলো এবং এই দূতরা পরের দিন সকালে গন্তব্যে পৌঁছাবে। লেখক যখন লখনৌতিতে ছিলেন, তিনি সেই জায়গাটি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং জানতে পারেন যে এটি বেশ বড় একটি শহর। এর প্রাচীরগুলো পাথর দিয়ে নির্মিত। এর অধিবাসীরা হলো ব্রাহ্মণ ও নুনি এবং শহরটি এই লোকেদের প্রধানের অধীনে শাসিত হয়। তারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। প্রতিদিন সকালে সেই শহরের বাজারে প্রায় পনেরশ ঘোড়া বিক্রি হয়। লখনৌতি অঞ্চলে যে সমস্ত সওয়ারি ঘোড়া আসে তার সবই ওই দেশ থেকে আনা হয়। তাদের রাস্তাগুলো পাহাড়ের গিরিখাত দিয়ে যায়, যা ওই অঞ্চলের সাধারণ চিত্র। কামরূপ এবং তিব্বতের মধ্যে পঁয়ত্রিশটি গিরিপথ রয়েছে যার মধ্য দিয়ে লখনৌতিতে ঘোড়া আনা হয়। ** পৃষ্ঠা ৩১০ এবং পরবর্তী [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/310/mode/2up] ** তুর্কিস্তান ও তিব্বত দখলের ইচ্ছা, কামরূপে পরাজয়, মিনহাজুস সিরাজ। এলিয়ট এবং ডসন, খণ্ড ২, দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস, এছাড়াও জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১)। দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ২ অধ্যায় ১১-এ উদ্ধৃত। * সংক্ষেপে, যখন মুহাম্মদ বখতিয়ার দেশটির প্রকৃতি সম্পর্কে অবগত হলেন এবং দেখলেন যে তার সৈন্যরা ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছে এবং প্রথম দিনের যাত্রাতেই অনেকে নিহত ও পঙ্গু হয়েছে, তখন তিনি তার অভিজাতদের সাথে পরামর্শ করেন এবং তারা সিদ্ধান্ত নেন যে পিছু হটাই বাঞ্ছনীয় হবে, যাতে পরবর্তী বছর তারা আরও উন্নত প্রস্তুতি নিয়ে এই দেশে ফিরে আসতে পারেন। ফেরার পথে পুরো রাস্তায় এক টুকরো ঘাস বা এক টুকরো কাঠও অবশিষ্ট ছিল না। সব কিছুতে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। উপত্যকা এবং গিরিপথের অধিবাসীরা সবাই রাস্তা থেকে অনেক দূরে সরে গিয়েছিল এবং পনের দিন পর্যন্ত কোথাও এক সের খাবার কিংবা এক টুকরো ঘাস বা পশুখাদ্য পাওয়া যায়নি, ফলে তারা তাদের ঘোড়াগুলোকে মেরে খেতে বাধ্য হয়েছিল। ** [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/312/mode/2up] * কামরূপ রাজ্যের পাহাড় থেকে নামার পর যখন তারা সেতুর কাছে পৌঁছালেন, তখন তারা দেখলেন যে সেতুর খিলানগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। যে দুজন কর্মকর্তাকে এটি পাহারা দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছিল তারা নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করেছিলেন এবং একে অপরের প্রতি বিদ্বেষের কারণে সেতু ও রাস্তার যত্ন নিতে অবহেলা করেছিলেন, ফলে কামরূপের হিন্দুরা সেখানে এসে সেতুটি ধ্বংস করে দিয়েছিল। মুহাম্মদ বখতিয়ার যখন তার সেনাবাহিনী নিয়ে সেই স্থানে পৌঁছালেন, তখন তিনি পার হওয়ার কোনো উপায় খুঁজে পেলেন না। সেখানে কোনো নৌকাও পাওয়া গেল না, ফলে তিনি অত্যন্ত বিচলিত ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়লেন। তারা নদী পার হওয়ার জন্য কোনো এক স্থানে শিবির স্থাপন করে ভেলা ও নৌকা তৈরির সিদ্ধান্ত নিলেন। ** [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/312/mode/2up] * এই স্থানের সন্নিকটে একটি মন্দির দেখা গেল, যা ছিল অত্যন্ত সুউচ্চ, মজবুত এবং সুন্দর স্থাপত্যশৈলীর। এতে সোনা ও রূপার অসংখ্য মূর্তি ছিল এবং একটি বিশাল স্বর্ণমূর্তি ছিল যার ওজন দুই বা তিন হাজার মিসকাল ছাড়িয়ে গিয়েছিল। মুহাম্মদ বখতিয়ার এবং তার অবশিষ্ট সেনাবাহিনী সেই মন্দিরে আশ্রয় নেন এবং নদী পার হওয়ার জন্য ভেলা তৈরির উদ্দেশ্যে কাঠ ও দড়ি সংগ্রহের কাজে লিপ্ত হন। কামরূপের রায় মুসলমানদের এই দুর্দশা ও দুর্বলতার খবর পান এবং তিনি তার অঞ্চলের সমস্ত হিন্দুদের সমবেত হওয়ার নির্দেশ দেন। একের পর এক দল এসে মন্দিরের চারপাশে তাদের বাঁশের বর্শা মাটিতে পুঁতে এবং সেগুলো একসাথে বুনে এক ধরণের দেয়াল তৈরি করে ফেলে। যখন ইসলামের সৈন্যরা এটি দেখল, তারা মুহাম্মদ বখতিয়ারকে বলল যে যদি তারা নিষ্ক্রিয় থাকে তবে তারা সবাই কাফেরদের ফাঁদে পড়ে বন্দী হবে। পালানোর কোনো পথ খুঁজে বের করতেই হবে। সবার সম্মতিতে তারা একযোগে আক্রমণ চালাল এবং একটি নির্দিষ্ট দিকে লক্ষ্য করে প্রচেষ্টা চালিয়ে সেই বিপজ্জনক বাধা পেরিয়ে খোলা জায়গায় যাওয়ার পথ তৈরি করে নিল। হিন্দুরা নদীর তীর পর্যন্ত তাদের ধাওয়া করল এবং সেখানে গিয়ে থামল। নদী পার হওয়ার উপায় বের করার জন্য প্রত্যেকে নিজ নিজ বুদ্ধি খাটাল। এক সৈন্য তার ঘোড়াকে পানির ভেতর নামিয়ে দিল এবং দেখা গেল যে এক তীর দূরত্ব পর্যন্ত পানি কম ছিল। সেনাবাহিনীতে চিৎকার উঠল যে পার হওয়ার পথ পাওয়া গেছে এবং সবাই স্রোতের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ল। তাদের পেছনে থাকা হিন্দুরা নদীর তীর দখল করে নিল। যখন মুসলমানরা নদীর মাঝখানে পৌঁছাল, দেখা গেল পানি অনেক গভীর এবং তারা প্রায় সবাই মারা গেল। মুহাম্মদ বখতিয়ার কম-বেশি প্রায় একশ জন অশ্বারোহী নিয়ে অত্যন্ত কষ্টে নদী পার হলেন, তবে বাকি সবাই ডুবে মারা গেল…. ** পৃষ্ঠা ৩১২ এবং পরবর্তী [https://archive.org/details/cu31924073036729/page/312/mode/2up] ** তুর্কিস্তান ও তিব্বত দখলের ইচ্ছা, কামরূপে পরাজয়, মিনহাজুস সিরাজ। এলিয়ট এবং ডসন, খণ্ড ২, দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস, এছাড়াও জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১)। দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস। নয়াদিল্লি: ওশান বুকস। খণ্ড ২ অধ্যায় ১১-এ উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজশাসক]] [[বিষয়শ্রেণী:১২শ শতাব্দীতে জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১২০৬-এ মৃত্যু]] k4kgtvpmsx9r3xvi74k0k4b236ryi19 আদালত 0 13526 83400 80918 2026-05-04T19:38:51Z Tuhin 172 83400 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Johor Bahru High Court.jpg|thumb|আদালত]] একটি '''[[w:আদালত|আদালত]]''' হলো বিচারিক ট্রাইব্যুনালের একটি রূপ, যা প্রায়শই একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। এটি আইনের শাসন অনুযায়ী দেওয়ানি, ফৌজদারি এবং প্রশাসনিক বিষয়ে পক্ষগুলোর মধ্যে আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি করার এবং বিচার প্রশাসন পরিচালনা করার ক্ষমতা রাখে। [[কমন ল]] এবং সিভিল ল উভয় আইনি ব্যবস্থায় আদালত হলো বিরোধ নিষ্পত্তির কেন্দ্রীয় মাধ্যম এবং এটি সাধারণত স্বীকৃত যে সকল ব্যক্তির তাদের দাবি আদালতের সামনে পেশ করার ক্ষমতা রয়েছে। একইভাবে, অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের অধিকারের মধ্যে আদালতের সামনে আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার অন্তর্ভুক্ত। আইন ব্যাখ্যা ও প্রয়োগকারী আদালত ব্যবস্থাকে সম্মিলিতভাবে বিচার বিভাগ বলা হয়। যেখানে একটি আদালত বসে সেই স্থানকে বিচারস্থল বলা হয়। যে ঘরে আদালতের কার্যক্রম সংঘটিত হয় তাকে বিচারকক্ষ এবং ভবনটিকে আদালত ভবন বলা হয়। আদালতের সুযোগ-সুবিধা গ্রামীণ সম্প্রদায়ের সাধারণ এবং খুব ছোট স্থাপনা থেকে শুরু করে বড় শহরের বিশাল ভবন পর্যন্ত হতে পারে। == উক্তি == * আদালত মানুষের কল্যাণের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মনে করা ভুল। যারা তাদের ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে চায় তারা আদালতের মাধ্যমে তা করে। মানুষ যদি নিজেদের বিবাদ নিজে নিষ্পত্তি করত, তবে তৃতীয় কোনো পক্ষ তাদের ওপর কোনো কর্তৃত্ব খাটাতে পারত না। প্রকৃতপক্ষে, মানুষ যখন যুদ্ধ করে বা তাদের আত্মীয়স্বজনদের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করত, তখন তারা বর্তমানের তুলনায় কম কাপুরুষ ছিল। তারা যখন আইনের আদালতের আশ্রয় নিতে শুরু করল, তখন তারা আরও বেশি কাপুরুষ ও পৌরুষহীন হয়ে পড়ল। মারামারি করে বিবাদ মিটমাট করাটা অবশ্যই বর্বরতার লক্ষণ ছিল। এটি কি কোনো অংশে কম, যদি আমি আপনার আর আমার মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তৃতীয় কোনো পক্ষকে বলি? নিশ্চিতভাবেই, তৃতীয় পক্ষের সিদ্ধান্ত সবসময় সঠিক হয় না। কেবল বিবাদে লিপ্ত পক্ষগুলোই জানে কে সঠিক। আমরা আমাদের সরলতা ও অজ্ঞতায় কল্পনা করি যে, একজন অপরিচিত ব্যক্তি আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমাদের ন্যায়বিচার দেয়। ** [[মহাত্মা গান্ধী|মোহনদাস কে. গান্ধী]], [https://archive.org/details/hindswaraj00moha ''হিন্দ স্বরাজ'' (বা ''ইন্ডিয়ান হোম রুল'')], (১৯০৯) * '''যদিও আমি একজন সৈনিক হিসেবে প্রশিক্ষণ পেয়েছি এবং অনেক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি, এমন কোনো সময় আসেনি যখন আমার মতে তলোয়ার না চালিয়ে কোনো পথ খুঁজে বের করা সম্ভব ছিল না।''' আমি এমন একটি যুগের অপেক্ষায় আছি যখন সকল জাতির দ্বারা স্বীকৃত একটি আদালত আন্তর্জাতিক বিরোধগুলো নিষ্পত্তি করবে, ইউরোপের দেশগুলোর মতো বিশাল সেনাবাহিনী রাখার পরিবর্তে। ** [[w:ইউলেসিস এস. গ্রান্ট|ইউলেসিস এস. গ্রান্ট]] যেমনটি ডব্লিউ. এইচ. ডেলেনব্যাক রচিত "ইন্টারন্যাশনাল অ্যারবিট্রেশন" যা ''দ্য কমেন্সমেন্ট অ্যানুয়াল, ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান'' (৩০ জুন ১৮৯২) এবং [[w:ফ্রেডেরিক রেনে কুডার্ট|ফ্রেডেরিক রেনে কুডার্ট]] রচিত ''এ হাফ সেঞ্চুরি অফ ইন্টারন্যাশনাল প্রবলেমস: এ লয়ার'স ভিউস'' (১৯৫৪), পৃষ্ঠা ১৮০-তে উদ্ধৃত। * যখনই আমার কোনো দুর্ভাগ্য হয়েছে এমন কোনো মামলার শুনানির সময় আদালতে উপস্থিত থাকার যে বিষয়ে আমার কিছুটা প্রত্যক্ষ জ্ঞান ছিল, তখনই আমি এই সত্যটি দেখে অবাক হয়েছি যে কোনো রূঢ় সত্যকে সেই পবিত্র প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। আদালতে যে সত্যটি পৌঁছায় তা নগ্ন সত্য নয়, বরং আদালতের পোশাক পরা সত্য, যার সমস্ত অশালীন অংশগুলো ঢাকা থাকে। আমি বলছি না যে এটি খুন বা চুরির মতো সরাসরি অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি সেই সমস্ত বিচারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে পক্ষপাতিত্বের উপাদান থাকে, যেমন রাজনৈতিক বিচার বা অশ্লীলতার বিচার। আমি বিশ্বাস করি যে এই ক্ষেত্রে ইংল্যান্ড আমেরিকার চেয়েও খারাপ, কারণ ইংল্যান্ড শালীনতার বোধ ব্যবহার করে অপ্রীতিকর সবকিছুকে প্রায় অদৃশ্য এবং অর্ধ-সচেতনভাবে নিয়ন্ত্রণ করার পদ্ধতিকে নিখুঁত করে তুলেছে। আপনি যদি আদালতে কোনো অগ্রহণযোগ্য সত্য উল্লেখ করতে চান, তবে আপনি দেখবেন যে এটি প্রমাণের আইনের পরিপন্থী হবে হবে। কেবল বিচারক বা বিরোধী পক্ষই নয়, এমনকি আপনার নিজের পক্ষের উকিলও সেই সত্যটি প্রকাশ পেতে বাধা দেবেন। ** [[বারট্রান্ড রাসেল]], ''নাইস পিপল'' (১৯৩১)। * [[যিশু]] বলেন, "মন্দের মোকাবিলা করো না।" আইনের আদালতের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো-মন্দের মোকাবিলা করা। যিশু আমাদের মন্দের বদলে ভালো করার নির্দেশ দেন। আইনের আদালত মন্দের বদলে মন্দ ফিরিয়ে দেয়। যিশু বলেন, "ন্যায়পরায়ণ এবং অন্যায্য ব্যক্তির মধ্যে কোনো পার্থক্য করো না।" আইনের আদালত এছাড়া আর কিছুই করে না। যিশু বলেন, "সবাইকে ক্ষমা করো। একবার নয়, সাতবার নয়, বরং সীমাহীনভাবে ক্ষমা করো।" "তোমার শত্রুদের ভালোবাসো।" "যারা তোমাকে ঘৃণা করে তাদের মঙ্গল করো।" আইনের আদালত ক্ষমা করে না, বরং তারা শাস্তি দেয়; তারা সমাজের শত্রু বলে পরিচিত ব্যক্তিদের মঙ্গল করে না বরং অমঙ্গল করে। সুতরাং, এই মতবাদের প্রকৃত অর্থ হলো যিশু সকল প্রকার আইনের আদালত নিষিদ্ধ করেছেন। ** [[লিও তলস্তয়]], ''হোয়াট আই বিলিভ'' (১৮৮৫), অধ্যায় ৩। * ঈশ্বরকে অস্বীকার করো না। : ঈশ্বরের নিন্দা করো না। : হত্যা করো না। : ব্যভিচার, অবৈধ যৌনাচার বা পশুকামিতায় লিপ্ত হয়ো না। : চুরি করো না। : জীবন্ত প্রাণীর মাংস ভক্ষণ করো না। : আইনের প্রতি আনুগত্য নিশ্চিত করতে আদালত বা আইনি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করো। :* [https://www.jewishvirtuallibrary.org/jsource/Judaism/The_Seven_Noahide_Laws.html নোহাইড লজ] ===''দ্য ডিকশনারি অফ লিগ্যাল কোটেশনস'' (১৯০৪)=== :<small>জেমস উইলিয়াম নর্টন-কাইশ রচিত ''দ্য ডিকশনারি অফ লিগ্যাল কোটেশনস'' (১৯০৪), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৮ থেকে সংগৃহীত উক্তি।</small> * একজন অত্যন্ত বিজ্ঞ বিচারক, লর্ড ম্যাকলসফিল্ড, এই শতাব্দীর শুরুর দিকে বলেছিলেন যে ভূমির সীমানা মুছে ফেলার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সাক্ষ্যদানের নিয়মের ওপর নতুনত্ব আরোপ করা। এবং আমিও তাই বলি। আমি এই পেশায় চল্লিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে আছি এবং আইনের আদালত ও সমতার আদালত উভয় ক্ষেত্রেই প্র্যাকটিস করেছি। এবং যদি আমার ভাগ্যে একটি বিচার ব্যবস্থা গঠন করার সুযোগ আসত, তবে আমি দুটি ভিন্ন বিচারব্যবস্থা ও ভিন্ন নিয়মের আদালত প্রতিষ্ঠা করাকে সমীচীন মনে করতাম কি না, তা বলার প্রয়োজন নেই। তবে, যারা প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থা মেনে চলে তাদের মধ্যে যে কুসংস্কারগুলো বদ্ধমূল হয়ে যায়, তার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আমি দেখতে পাচ্ছি যে, ভিন্ন নিয়মে চলা এই আদালতগুলোতে একটি সমন্বিত বিচার ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে যা এই দেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং আমি আশা করি আমাকে এই কথাটি বলার অনুমতি দেওয়া হবে যে পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে এর সমতুল্য কিছু কখনও তৈরি হয়নি। আমাদের আইনের আদালতগুলো কেবল আইনি অধিকার বিবেচনা করে: আমাদের সাম্যেথ আদালতের অন্যান্য নিয়ম রয়েছে, যার মাধ্যমে তারা মাঝেমধ্যে সেই আইনি নিয়মগুলোকে সরিয়ে দেয় এবং তা করার মাধ্যমে তারা প্রজাদের জন্য সবচেয়ে উপকারী কাজ করে। আমরা সবাই জানি যে, আইনের আদালতগুলো যদি সাম্যের আদালতের সমস্ত এখতিয়ার নিজেদের আওতায় নিয়ে নেয়, তবে অনেক খারাপ পরিণতি ঘটবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো মহিলা অসাবধানতাবশত বিয়ে করে ফেলেন এবং তার জন্য কোনো উইল বা লেগাসি রেখে যাওয়া হয়: যদি একটি আইনের আদালত সেই লেগাসির জন্য মামলা গ্রহণ করতে পারত, তবে স্বামী তা উদ্ধার করে নিত এবং স্ত্রী নিঃস্ব হয়ে যেতেন: কিন্তু যদি এমন ক্ষেত্রে সমতায় যাওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে সেই আদালত স্বামীকে একা স্ত্রীর পাওয়া লেগাসির ফল ভোগ করতে দেবে না। কারণ এর অন্যতম নিয়ম হলো যে সমতা চায় তাকে অবশ্যই সাম্য বা ন্যায়বিচার করতে হবে এবং এমন ক্ষেত্রে তারা স্বামীকে টাকা নেওয়ার আগে স্ত্রীর জন্য সংস্থানের ব্যবস্থা করতে বাধ্য করবে। আমি অনেক মামলার মধ্যে একটির মাধ্যমে বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ার এবং নিয়মগুলোকে আলাদা রাখার যথার্থতা প্রমাণ করলাম। . . . সাম্যের আদালতের অন্যতম নিয়ম হলো যে তারা অন্য কোনো পরিস্থিতি ছাড়া কেবল একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে কোনো পক্ষের নিজের শপথের বিরুদ্ধে রায় দিতে পারে না: তবে যখন বিষয়টি সন্দেহজনক হয়, তখন তারা এটি আইনের আদালতে বিচারের জন্য পাঠায় এবং নির্দেশ দেয় যে বিচারের সময় ওই পক্ষের দেওয়া উত্তরটি পাঠ করা হবে। তেমনি তারা নির্দেশ দিতে পারে যে কোনো পক্ষ বিচারের সময় কোনো আইনি শর্ত আরোপ করবে না অথবা বাদীর নিজের পরীক্ষা করা হবে। এবং যখন ইস্যু একটি সাম্যের আদালত থেকে এই ধরণের কোনো নির্দেশনা আসে, তখন আইনের আদালতগুলো সেই শর্তগুলো মেনেই বিচারের কাজ করে। এই উপায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য সফল হয়। আইনের কঠোর নিয়মগুলোকে প্রতিটি বিশেষ মামলার তথাকথিত ন্যায়বিচারের কাছে নতি স্বীকার না করিয়েই এবং বিচারকদের শপথ করা সুপ্রতিষ্ঠিত নিয়মগুলো শিথিল করতে দেওয়ার চেয়ে এভাবে কাজ করা অনেক বেশি বুদ্ধিমানের কাজ। ** [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন|লর্ড কেনিয়ন]], সি.জে., ''বাউয়ারম্যান বনাম ইডেনিয়াস'' (১৭৯৮), ৭ টি. আর. ৬৬৭। * ইংল্যান্ডে কী ঘটে তা দেখানোর প্রয়োজন নেই, এটি এমন একটি দেশ যা ন্যায়বিচার এবং অন্যান্য মহান যোগ্যতার জন্য অন্য যেকোনো দেশের মতোই খ্যাত: সেখানে ন্যায়বিচার এমনভাবে পরিচালিত হয় যা একে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের উপরে স্থান দেয়। সকল পক্ষকে সন্তুষ্ট করার মতো করে ন্যায়বিচার পরিচালনা করা আমাদের কর্তব্য। ** আর্ল অফ ক্লানওয়েল, সি.জে., ''জ্যাকসন'স কেস'' (১৭৯৫), ২৫ হাউ. স্টি. টিআর. ৭৯৮। * এই রিট মঞ্জুর না করলে শহরে যতটা উত্তেজনা সৃষ্টি হবে, মঞ্জুর করলে তা হবে না। ** পাউইস, জে., ''আর. বনাম স্যার গিলবার্ট হিথকোট'' (১৭১১), ফোর্টেস্কু. ২৯৩। * যতক্ষণ বিচারের আদালতগুলো আদালতের মর্যাদা বজায় রাখবে, ততক্ষণ সেখানে শিষ্টাচার বজায় রাখতে হবে। ** [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট|স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]], ''ট্রায়াল অফ হান্ট অ্যান্ড আদার্স'' (১৮২০), ১ স্টি. টিআর. (এন. এস.) ৩৮২। * আদালতে শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করবেন না। ** পেম্বারটন, এল.সি.জে., ''ট্রায়াল অফ লর্ড গ্রে অ্যান্ড আদার্স'' (১৬৮২), ৯ হাউ. স্টি. টিআর. ১৮৬। * একটি ইংরেজ আদালত কেবল প্রকৃতির আলো বা সহজাত প্রবৃত্তি দিয়ে বিচার করতে পারে না। ** [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন|বোয়েন]], এল.জে., ''হাইম্যান বনাম হেলম'' (১৮৮৩), এল. আর. ২৪ সি. ডি. ৫৪৪। * আদালত শৃঙ্খলার জন্য নয়, বরং বিবাদমান বিষয়গুলো নিষ্পত্তির জন্য বিদ্যমান। ** [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন|বোয়েন]], এল.জে., ''ক্রপার বনাম স্মিথ'' (১৮৮৪), এল. আর. ২৬ সি. ডি. ৭১০। * আমি আশা করি আমরা সেই সময় পার করে এসেছি যখন বিচারে বাধা দেওয়া বা শিস দেওয়া আদালতে ব্যবহার করা হতো। তবে আমি সেই লোকটিকে চিনতে চাই যে আমি এখানে বসে থাকা অবস্থায় শিস দেওয়ার সাহস করে। সে যেই হোক না কেন, আমি তাকে কড়া শাস্তি দেব এবং একটি উদাহরণ তৈরি করব। প্রকৃতপক্ষে, আমি এমন সময় জানতাম যখন মানুষের শিস বা আওয়াজ অনুযায়ী মামলার রায় দেওয়া হতো এবং আমার সন্দেহ নেই যে তাদের এখনও সেই ইচ্ছা আছে। আসুন মিস্টার ওয়ার্ড, দয়া করে আপনার বাগ্মিতা এবং অলঙ্কারিক কথা দিয়ে মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করবেন না। ** জেফরিস, এল.সি.জে., ''প্রিচার্ড বনাম প্যাপিলন'' (১৬৮৪), ১০ হাউ. স্টি. টিআর. ৩৩৭। *দয়া করে কেউ হাসবেন না, এটি এটি এটি শোভন নয়। ** রাইট, এল.সি.জে., ''ট্রায়াল অফ দ্য সেভেন বিশপস'' (১৬৮৮), ১২ হাউ. স্টি. টিআর. ৩৪৪। * ফৌজদারি মামলা সবার জন্য উন্মুক্ত, আর দেওয়ানি মামলা তাদের জন্য যারা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বার্থ দেখাতে পারে। ** স্যার উইলিয়াম স্কট, ''টার্নার বনাম মেয়ার্স'' (১৮০৪), ১ হ্যাগ. কন. ৪১৫, এন. * আদালত সাম্য, বিবেক এবং সর্বোত্তম সাক্ষ্য দ্বারা পরিচালিত হবে। ** লর্ড হবহাউস, ''মোজেস বনাম পার্কার'' (১৮৯৬), এল. আর. এপি. সিএ. [১৮৯৬], পৃষ্ঠা ২৪৮। * সমতার আদালতগুলো যেভাবে পরিচালিত হয়, আইনের আদালতে তা নিয়ে অনুসন্ধান করার প্রয়োজন নেই। ** লর্ড লাফবরো, ''রন্ডো বনাম ওয়ায়াট'' (১৭৯২), ২ হেন. ব্ল্যাক. ৬৮। * বিচার বিভাগীয়ভাবে তাদের সামনে যা আসে তা ছাড়া আদালত অন্য কিছুর নোটিশ নিতে পারে না। ** [[জোসেফ ইয়েটস (বিচারক)|জোসেফ ইয়েটস]], জে., ''রেক্স বনাম উইলকস'' (১৭৬৯), ৪ বার. পার্ট ৪., ২৫৩৩। * আইনের আদালতগুলো জনসাধারণের খরচে তৈরি করা হয়নি এবং যারা এগুলো তৈরি করেছেন তাদের উদ্দেশ্য এটি ছিল না যে সাধারণ ব্যবসায়িক লেনদেনের বাইরে অন্য কোনো বিরোধ নিষ্পত্তি করা হবে। ** [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন|এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]], বি., ''ব্রাউনলো বনাম এগারটন'' (১৮৫৪) (হাউস অফ লর্ডস), ২৩ এল. জে. রিপাবলিক পার্ট ৫ (এন. এস.), চ্যান. ৩৬৫। * আমি মনে করি বিচারের আদালতগুলোকে সবসময় এমন তত্ত্বে কাজ করতে হবে যেখানে খুব উচ্চমাত্রার সম্ভাবনাই যথেষ্ট। ** স্যার জি. জেসেল, এম.আর., ''প্যাটিসন বনাম গিলফোর্ড'' (১৮৭৪), এল. আর. ১৮ ইকিউ. সিএ. ২৬৪। * প্রতিটি আদালত তার নিজস্ব নথিপত্রের অভিভাবক এবং নিজস্ব কর্মপদ্ধতির নিয়ন্ত্রক। ** [[নিকোলাস কনিংহাম টিন্ডাল|নিকোলাস কনিংহাম টিন্ডাল]], সি.জে., ''স্কেলস বনাম চিজ'' (১৮৪৪) ১২ এম. অ্যান্ড ডব্লিউ. ৬৮৭। * সাধারণ সৌজন্যবশত সেই আদালতগুলোকে কৃতিত্ব দেওয়া হয় যারা আইন ঘোষণা করেছে যে তারা আইনসম্মতভাবে অগ্রসর হয়েছে। ** উইলিয়ামস, জে., [[ইন রে কারাস উইলসন|ইন রে কারাস উইলসন]] (১৮৪৫), ৬ স্টি. টিআর. (এন. এস.) ১৯২। * এই আদালতগুলো বসতি স্থাপনের পর একটি জনগোষ্ঠীর প্রথা, আচার-আচরণ, মেধা এবং নীতির সাথে খুব সুন্দরভাবে মানিয়ে গিয়েছিল: কিন্তু অন্যান্য সমস্ত মানব এখতিয়ারের মতো সময়ের সাথে সাথে এগুলোর পরিবর্তন ঘটে, যেমন সরকার এবং মানুষের আচরণের পরিবর্তন ঘটে এবং ভিন্ন পরিস্থিতির অধীনে পড়ে। ** [[w:কোর্ট লিট|কোর্ট লিট]] প্রসঙ্গে; [[উইলিয়াম মারে, ১ম আর্ল অফ ম্যানসফিল্ড|লর্ড ম্যানসফিল্ড]], [[কোলব্রুক বনাম এলিয়ট|কোলব্রুক বনাম এলিয়ট]] (১৭৬৫) ৩ বার. পার্ট ৪., পৃষ্ঠা ১৮৬৩। == আরও দেখুন == {{col-begin}} {{col-2}} * [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] * [[সমতা]] * [[নীতিশাস্ত্র]] * [[অবিচার]] * [[করুণা]] * [[আদালত অবমাননা]] * [[দুর্নীতি]] * [[কোর্ট অফ চ্যান্সেরি]] * [[ধর্ম]] * [[সুবর্ণ নিয়ম]] * [[সরকার]] * [[হালাখা]] * [[অবিচার]] * [[আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত]] * [[আন্তর্জাতিক আইন]] * [[বিচারক]] * [[ন্যায়বিচার]] {{col-2}} * [[কর্ম|কর্ম (কার্যকারণ নিয়ম)]] * [[আইন]] * [[আইনজীবী]] * [[আইনপ্রণেতা]] * [[আইনসভা]] * [[দয়া]] * [[অলিগার্কি]] * [[বর্ণবাদ]] * [[আইনের শাসন]] * [[সামাজিক ন্যায়বিচার]] * [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট]] * [[স্বৈরাচার]] * [[অধর্ম]] * [[গুণাবলী]] {{col-end}} == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান|আদালত}} [[বিষয়শ্রেণী:আদালত| ]] [[lt:Teimas]] [[ru:Суд]] r13jxtnp6kcbmcg7ypid2fcc9ruwiyo জুলিয়ান শুইঙার 0 13842 83414 82176 2026-05-05T10:28:21Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী]] যোগ 83414 wikitext text/x-wiki [[File:Schwinger.jpg|thumb|right]] '''[[w:জুলিয়ান শুইঙার|জুলিয়ান সেমুর শুইঙার]]''' (১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৮ – ১৬ জুলাই, ১৯৯৪) একজন আমেরিকান [[w:তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী|তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী]] ছিলেন। তিনি [[w:কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডায়নামিক্স|কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডায়নামিক্স]] (কিউইডি) সংক্রান্ত কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, বিশেষ করে একটি আপেক্ষিকতাগতভাবে ইনভ্যারিয়েন্ট [[w:পার্টারবেশন তত্ত্ব (কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান)|পার্টারবেশন তত্ত্ব]] তৈরি এবং কিউইডিকে ওয়ান লুপ অর্ডার পর্যন্ত রিনরমালাইজ করার জন্য। শুইঙার একজন গুরুত্বপূর্ণ পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃত, যিনি একটি [[w:সুইঙ্গারের কোয়ান্টাম অ্যাকশন প্রিন্সিপল|ভেরিয়েশনাল অ্যাপ্রোচ]] এবং কোয়ান্টাম ফিল্ডের গতির সমীকরণসহ আধুনিক কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরির অনেক কিছুর জন্য দায়ী। তিনি প্রথম [[w:ইলেক্ট্রোউইক|ইলেক্ট্রোউইক]] মডেল এবং ১+১ ডাইমেনশনে কনফাইনমেন্টের প্রথম উদাহরণ তৈরি করেন। তিনি মাল্টিপল নিউট্রিনো তত্ত্ব, সুইঙ্গার টার্মস এবং স্পিন-৩/২ ফিল্ডের তত্ত্বের উদ্ভাবক। শুইঙার কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডায়নামিক্স (কিউইডি) সংক্রান্ত কাজের জন্য ১৯৬৫ সালে রিচার্ড ফেইনম্যান এবং শিন-ইচিরো তোমোনাগার সাথে যৌথভাবে [[w:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। {{physicist-stub}} == উক্তি == * [[সময়|সময়]] কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানে একটি অবিচ্ছিন্ন পরামিতি হিসেবে আবির্ভূত হয় যা পরিমাপ যন্ত্রের গতিশীল ভূমিকার একটি বিমূর্ত রূপকে উপস্থাপন করে। {{w|আপেক্ষিকতাগত ইনভ্যারিয়েন্স|আপেক্ষিকতাগত ইনভ্যারিয়েন্সের}} প্রয়োজনীয়তা এই বিমূর্তায়নকে স্থান এবং সময়ের স্থানাঙ্ক পর্যন্ত বিস্তৃত করতে উৎসাহিত করে। স্থানকাল স্থানীয় পরিমাপগুলো একটি দরকারী আদর্শিক রূপ যদিও বাস্তবে তা অর্জন করা অসম্ভব হতে পারে এমন ইঙ্গিত হয়তো ভুল হতে পারে, তবে পরিমাপযোগ্যতার ''আ প্রাইয়োরি'' বা পূর্বনির্ধারিত ধারণার ভিত্তিতে এই ধারণাটিকে খারিজ করে দেওয়া একটি গুরুতর ভুল। ** {{cite book|chapter=''রিলেটিভিস্টিক কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরি'', নোবেল বক্তৃতা, ১১ ডিসেম্বর, ১৯৬৫|title=নোবেল লেকচারস, ফিজিক্স ১৯৬৩-১৯৭০|publisher=এলসেভিয়ার পাবলিশিং কোম্পানি|location=অ্যামস্টারডাম|year=১৯৭২|chapter-url=https://www.nobelprize.org/prizes/physics/1965/schwinger/lecture/|pages=১৪০–১৫২}} (১৪২ পৃষ্ঠা থেকে উদ্ধৃত) * আমার এই ইতিহাস পাঠ যদি অন্য কিছু নাও করে থাকে, তবে এটি আপনাকে অন্তত মনে করিয়ে দেওয়া উচিত যে, পদার্থবিজ্ঞানের বিবর্তিত ইতিহাসের যেকোনো নির্দিষ্ট সময়কালে প্রচলিত প্রধান ধারার জনমত পরবর্তী উন্নয়নের আলোকে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি ছিল। তবুও সেই আগের দিনগুলোতে, তুলনামূলকভাবে অল্প সংখ্যক মানুষ জড়িত থাকায় পরিবর্তন আসত, কিন্তু তা আসত ধীরগতিতে... উচ্চ শক্তি পদার্থবিজ্ঞানের বর্তমান পরিস্থিতির মৌলিক পার্থক্য হলো যে এখন বিপুল সংখ্যক কর্মী এতে জড়িত, যার ফলে মূল ধারার অভিমুখ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এক ধরণের সমরূপতা বজায় রাখার চাপ এবং প্রতিরোধ কাজ করে, এবং একটি বৈজ্ঞানিক প্রজন্মের সময়কাল পরীক্ষামূলক আবিষ্কারের দ্রুত গতির তুলনায় অনেক বেশি দীর্ঘ। আমার মনে একটি গোপন ভয়ও আছে যে নতুন প্রজন্ম হয়তো ভিন্নমতাবলম্বী ধারণাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ নাও পেতে পারে। ** সমীর শাহ কর্তৃক [https://escholarship.org/uc/item/70m7r3r8 ''"ইফ ইউ কান্ট জয়েন এম, বিট এম": জুলিয়ান শুইঙারস কনফ্লিক্টস ইন ফিজিক্স'']-এ উদ্ধৃত। ''ডাইরেকশনস ইন কালচারাল হিস্ট্রি'', দ্য ইউসিএলএ হিস্টোরিক্যাল জার্নাল, ভলিউম ২১, ২০০৫-২০০৬, পৃষ্ঠা ৫০ * রয়্যাল সোসাইটি তার তিন শতাব্দীর অস্তিত্বে বিজ্ঞানে সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে অবদানটি রেখেছে, তা হলো [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] আবিষ্কারের মহৎ বিবরণ: ''ম্যাথমেটিক্যাল প্রিন্সিপলস অফ ন্যাচারাল ফিলোসফি দ্য প্রিন্সিপিয়া'' প্রকাশের ক্ষেত্রে এর প্রাথমিক ভূমিকা। ** [https://books.google.com/books?id=PbJCIcvMu1AC&pg=PA2 ''আইনস্টাইনস লেগাসি: দ্য ইউনিটি অফ স্পেস অ্যান্ড টাইম''] (২০০২) পৃষ্ঠা ২ * তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য কি কেবল কণাগুলো একে অপরের সাথে মিথস্ক্রিয়া করার এবং আলাদা হওয়ার সময় যা কিছু ঘটতে পারে তার একটি ক্যাটালগ তৈরি করা? নাকি এটি আরও গভীর স্তরের একটি উপলব্ধি হওয়া উচিত যেখানে এমন কিছু বিষয় থাকবে যা সরাসরি পর্যবেক্ষণযোগ্য নয় (যেমন অন্তর্নিহিত কোয়ান্টাইজড ফিল্ডগুলো), কিন্তু যার মাধ্যমে আমরা আরও মৌলিক জ্ঞান লাভ করব? ** ''কোয়ান্টাম মেকানিক্স - সিম্বলিজম অফ অ্যাটমিক মেজারমেন্টস'' (২০০১) পৃষ্ঠা ২৪ পরবর্তী। == শুইঙার সম্পর্কে উক্তি == * ১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকে দুই বছর আমি হার্ভার্ডে পোস্টডক ছিলাম। জুলিয়ান শুইঙার তখন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের প্রধান পথপ্রদর্শক ছিলেন। আমরা যারা পোস্টডক এবং জুনিয়র শিক্ষক ছিলাম, তিনি যে কোর্সই পড়াতেন তাতে শ্রোতা হিসেবে উপস্থিত থাকতাম। তাঁর পড়ানোর বিষয়বস্তু সবসময়ই মৌলিক ছিল। বক্তৃতাগুলো বুধবার হতো এবং এরপর আমাদের একটি ছোট দল কেমব্রিজের ''শে ড্রেফাস''-এ শুইঙারের সাথে দুপুরের খাবার খেত। আমাদের সাথে এমআইটি থেকে আসা আরেকটি ছোট দল যোগ দিত যাতে ভিকি উইসকপ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। শুইঙারের কোনো নতুন ধারণা থাকলে তিনি তা উইসকপের ওপর প্রয়োগ করে দেখতেন। এই উপলক্ষে যেমনটি হয়েছিল, তিনি একটি “থিওরি অফ এভরিথিং” বা “সবকিছুর তত্ত্ব” তৈরি করেছিলেন। এই তত্ত্বের কিছু অংশ অন্যান্যদের কাজে বেঁচে আছে। ১৯৬২ সালে তিনি “গেজ ইনভ্যারিয়েন্স অ্যান্ড মাস”<sup>৯</sup> শিরোনামে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। … এতে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন যে, একটি অন্তর্নিহিত গেজ ইনভ্যারিয়েন্স থাকা তত্ত্বে একটি ম্যাসিভ ভেক্টর মেসন থাকা সম্ভব কি না। এই সম্ভাবনা … [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন|পি. ডব্লিউ. অ্যান্ডারসন]]কে ঘনীভূত পদার্থবিজ্ঞানে এই ধারণাগুলো ব্যবহার করতে অনুপ্রাণিত করেছিল।<sup>১০</sup>... <br>৯ জে. শুইঙার, [https://journals.aps.org/pr/abstract/10.1103/PhysRev.125.397 “গেজ ইনভ্যারিয়েন্স অ্যান্ড মাস,”] ফিজিক্স রিভিউ ১২৫, ৩৯৭–৩৯৮ ১৯৬২। <br>১০ পি. ডব্লিউ. অ্যান্ডারসন, [https://journals.aps.org/pr/abstract/10.1103/PhysRev.130.439 “প্লাজমনস, গেজ ইনভ্যারিয়েন্স অ্যান্ড মাস,”] ফিজিক্স রিভিউ ১৩০, ৪৩৯–৪৪২ ১৯৬৩। ** [[জেরেমি বার্নস্টাইন]], {{cite journal|url=http://profs.if.uff.br/tro/lib/exe/fetch.php?media=ajp000025.pdf|title=এ কোয়েশ্চেন অফ মাস|journal=আমেরিকান জার্নাল অফ ফিজিক্স|date=জানুয়ারি ২০১১|volume=৭৯|issue=১|pages=২৫–৩১|doi=10.1119/1.3487939}} (৩০ পৃষ্ঠা থেকে উদ্ধৃত) * এই সময়ে আমি মিশিগান গ্রীষ্মকালীন স্কুলের দুটি অধিবেশনে যোগ দিয়েছিলাম যেখানে শুইঙার (১৯৪৮) এবং ফেইনম্যান (১৯৪৯) কিউইডি সম্পর্কে তাঁদের নিজ নিজ নতুন তত্ত্ব বর্ণনা করেছিলেন। শুইঙারের তত্ত্ব ছিল অধিকতর গভীর এবং পূর্ণাঙ্গ, যেখানে ফেইনম্যানের তত্ত্বটি ব্যবহার করা সহজ ছিল কিন্তু তখন পর্যন্ত অসম্পূর্ণ ছিল। শুইঙারের প্রভাব সম্পর্কে ধারণা পেতে [[ফ্রিম্যান ডাইসন|ডাইসনের]] কথা উদ্ধৃত করা যেতে পারে, যিনি বাড়িতে চিঠিতে লিখেছিলেন যে "কয়েক মাসের মধ্যে আমরা ভুলে যাব যে প্রাক-শুইঙার পদার্থবিজ্ঞান কেমন ছিল।" বেথে সেই সময়টিকে ১৯২৫-৩০ সালের সেই মহান দিনগুলোর পরে পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ সময় হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন, যখন কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান আবিষ্কৃত হচ্ছিল। ** [[w:রবার্ট ফিঙ্কেলস্টাইন|রবার্ট ফিঙ্কেলস্টাইন]]: {{cite journal|title=মাই সেঞ্চুরি অফ ফিজিক্স|journal=arXiv preprint arXiv:1612.00079|year=২০১৬|url=https://arxiv.org/pdf/1612.00079.pdf}} === শেলডন গ্ল্যাশো - দ্য অরিজিনস পডকাস্ট (১৪ মার্চ, ২০২০) === :<small>লরেন্স ক্রাউসের সাথে - [https://www.youtube.com/watch?v=XkYefDscNfM সম্পূর্ণ ভিডিও] উদ্ধৃতিগুলো [[শেলডন লি গ্ল্যাশো|শেলডন গ্ল্যাশো]]র দেওয়া।</small> * এটি সত্য যে তাঁর স্টাইল বা শৈলী ছিল অদ্ভুত। তাঁর বক্তৃতা ছিল সুনির্দিষ্ট। তাঁর কণ্ঠস্বর ছিল রেডিও ঘোষকের মতো। প্রতিটি বাক্য ছিল নিখুঁত, ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বোর্ডের সূত্রগুলো সব স্পষ্টভাবে লেখা থাকত। আলোচনাটি এমনভাবে সাজানো থাকত যে বক্তৃতার শেষে তিনি প্রস্থান দরজার সবচেয়ে কাছের ব্ল্যাকবোর্ডে থাকতেন। তিনি বক্তৃতা শেষ করতেন এবং... সঙ্গে সঙ্গে দরজা দিয়ে বেরিয়ে অদৃশ্য হয়ে যেতেন যাতে তাঁর স্নাতক ছাত্ররা তাঁকে খুব সহজে খুঁজে না পায়। * তিনি আমার কাছে যুক্তি দিয়েছিলেন যে ইলেকট্রন এবং {{w|মিউয়ন|মিউয়ন}}, যা কণা এবং আমরা যেগুলোকে চার্জড {{w|লেপটন|লেপটন}} বলি, সেগুলো পরিচিত ছিল... তিনি বলেছিলেন যে আমাদের যদি এমন একটি {{w|কোয়ান্টাম সংখ্যা|কোয়ান্টাম সংখ্যা}} থাকে যা ইলেকট্রনকে মিউয়ন থেকে আলাদা করে, তবে অবশ্যই... এটি e<sup>-</sup> এবং μ<sup>-</sup> হওয়া উচিত নয় যাদের... {{w|লেপটন সংখ্যা|লেপটন সংখ্যা}} আছে, বরং এটি হওয়া উচিত e<sup>-</sup> এবং μ<sup>+</sup> তাই... সেভাবে... আধান এবং নতুন কোয়ান্টাম সংখ্যা ইলেকট্রনকে মিউয়ন থেকে আলাদা করতে পারে... এবং এর থেকে বোঝা যায় যে প্রকৃতিতে দুই ধরণের {{w|নিউট্রিনো|নিউট্রিনো}} থাকতে হবে। তাই তাঁর কণা পদার্থবিজ্ঞান পড়ানোর পদ্ধতির মধ্যেই এই বিষয়টি গেঁথে ছিল যে দুই ধরণের নিউট্রিনো আছে। ...এটি কিছু লোকের কাছে প্রযুক্তিগত সম্ভাবনা হিসেবে স্বীকৃত ছিল, কিন্তু ১৯৬৩ সালের আগে এটি জানা সম্ভব হয়নি। এটি ছিল ১৯৫০-এর দশকের কথা। * তাই ১৯৫৮ সালে যখন আমি আমার থিসিস পরীক্ষার জন্য গেলাম... এবং ইয়াং চেন-নিং... আমার কমিটিতে ছিলেন, তিনি এবং পল সি. মার্টিন ও জুলিয়ান শুইঙার... আমি ব্যাখ্যা করতে শুরু করলাম যে কীভাবে {{w|ইলেকট্রন নিউট্রিনো|ইলেকট্রন নিউট্রিনো}} {{w|মিউয়ন নিউট্রিনো|মিউয়ন নিউট্রিনো}} থেকে আলাদা এবং ইয়াং বললেন, "এক মিনিট দাঁড়াও... ইলেকট্রন নিউট্রিনোকে মিউয়ন নিউট্রিনো থেকে আলাদা করার কোনো উপায় নেই। এগুলো একে অপরের থেকে আলাদা বলা অর্থহীন। এটি একটি নিরর্থক ধারণা।" ...আমি ব্যাখ্যা করতে শুরু করলাম এবং শুইঙার আমার কষ্ট দেখে এবং বুঝতে পেরে যে তিনিই এর কারণ... বললেন, "আমাকে মিস্টার ইয়াং-এর কাছে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে দিন" এবং তিনি ধৈর্য ধরে বুঝিয়ে দিলেন কীভাবে একটি পরীক্ষা করা যেতে পারে, যা মূলত কয়েক বছর পর করা হয়েছিল... ইলেকট্রন নিউট্রিনোকে মিউয়ন নিউট্রিনো থেকে আলাদা করার জন্য, যদি... তারা আলাদা হয়... এবং ইয়াং মাথা নাড়লেন এবং পরীক্ষা চলতে থাকল এবং আমি পরীক্ষায় পাস করলাম। ...ছয় মাস পরে [[w:সুং-দাও লি|লি]] এবং ইয়াং একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন যেখানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কীভাবে ইলেকট্রন নিউট্রিনো এবং মিউয়ন নিউট্রিনো একে অপরের থেকে আলাদা হতে পারে। তারা স্রেফ জুলিয়ানের কাছ থেকে ধারণাটি চুরি করেছিল। তিনি এমন অনেক চুরির শিকার হয়েছেন। কয়েক বছর পর চীনে ইয়াং-এর সাথে আমার দেখা হয়... এবং আমি তাঁকে ঘটনাটি বর্ণনা করি... তিনি বললেন, "শেলি, তুমি ঠিক যেমনটি বললে বিষয়টি ঠিক তেমনই ছিল।" ** <small>'''দ্রষ্টব্য''': ইয়াং চেন-নিং এবং সুং-দাও লি, "কোয়েশ্চেন অফ প্যারিটি কনজারভেশন ইন উইক ইন্টারঅ্যাকশনস" (১৯৫৬) দুর্বল বলের ক্ষেত্রে প্যারিটি লঙ্ঘনের ধারণার ভিত্তি স্থাপন করেছিল, যা পরোক্ষভাবে অন্যান্য কণার সাথে মিথস্ক্রিয়ার ভিত্তিতে ভিন্ন ধরণের নিউট্রিনোর সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়। {{w|ব্রুনো পন্তেকরভো}} "ইলেকট্রন অ্যান্ড মিউয়ন নিউট্রিনোস" (১৯৫৯)-এ যুক্তি দিয়েছিলেন যে ইলেকট্রন নিউট্রিনো ((ν<sub>e</sub>)) এবং মিউয়ন নিউট্রিনো ((ν<sub>μ</sub>)) আলাদা কণা। '''সূত্র''': [https://cds.cern.ch/record/1734992/files/vol53-issue7-p078-e.pdf পন্তেকরভো অ্যান্ড নিউট্রিনো ফিজিক্স] (২০১৩)</small> * শুইঙার... {{w|রাডার|রাডার}} নিয়ে কাজ করেছিলেন এবং রাডার সম্পর্কিত কিছু... তড়িৎগতিবিদ্যা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করেছিলেন, [[w:চিরায়ত তড়িৎগতিবিদ্যা|চিরায়ত তড়িৎগতিবিদ্যা তত্ত্বের]] এমন সব সমস্যা যা অন্য কেউ সমাধান করতে পারছিল না... গণনাকারী হিসেবে তিনি ছিলেন আশ্চর্যজনক... অসাধারণ। ...আপনি ভালোভাবেই যুক্তি দিতে পারেন যে রাডার... সেই সাথে বোমা প্রযুক্তির নতুন উন্নয়ন, ফিউজের ক্ষেত্রে [দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে] [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্রের]] চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:শুইঙার, জুলিয়ান}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] 3dnnorvzi7e3wrbkt59mf0nlrkmcrfr 83415 83414 2026-05-05T10:30:20Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]] যোগ 83415 wikitext text/x-wiki [[File:Schwinger.jpg|thumb|right]] '''[[w:জুলিয়ান শুইঙার|জুলিয়ান সেমুর শুইঙার]]''' (১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৮ – ১৬ জুলাই, ১৯৯৪) একজন আমেরিকান [[w:তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী|তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী]] ছিলেন। তিনি [[w:কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডায়নামিক্স|কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডায়নামিক্স]] (কিউইডি) সংক্রান্ত কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, বিশেষ করে একটি আপেক্ষিকতাগতভাবে ইনভ্যারিয়েন্ট [[w:পার্টারবেশন তত্ত্ব (কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান)|পার্টারবেশন তত্ত্ব]] তৈরি এবং কিউইডিকে ওয়ান লুপ অর্ডার পর্যন্ত রিনরমালাইজ করার জন্য। শুইঙার একজন গুরুত্বপূর্ণ পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃত, যিনি একটি [[w:সুইঙ্গারের কোয়ান্টাম অ্যাকশন প্রিন্সিপল|ভেরিয়েশনাল অ্যাপ্রোচ]] এবং কোয়ান্টাম ফিল্ডের গতির সমীকরণসহ আধুনিক কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরির অনেক কিছুর জন্য দায়ী। তিনি প্রথম [[w:ইলেক্ট্রোউইক|ইলেক্ট্রোউইক]] মডেল এবং ১+১ ডাইমেনশনে কনফাইনমেন্টের প্রথম উদাহরণ তৈরি করেন। তিনি মাল্টিপল নিউট্রিনো তত্ত্ব, সুইঙ্গার টার্মস এবং স্পিন-৩/২ ফিল্ডের তত্ত্বের উদ্ভাবক। শুইঙার কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডায়নামিক্স (কিউইডি) সংক্রান্ত কাজের জন্য ১৯৬৫ সালে রিচার্ড ফেইনম্যান এবং শিন-ইচিরো তোমোনাগার সাথে যৌথভাবে [[w:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। {{physicist-stub}} == উক্তি == * [[সময়|সময়]] কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানে একটি অবিচ্ছিন্ন পরামিতি হিসেবে আবির্ভূত হয় যা পরিমাপ যন্ত্রের গতিশীল ভূমিকার একটি বিমূর্ত রূপকে উপস্থাপন করে। {{w|আপেক্ষিকতাগত ইনভ্যারিয়েন্স|আপেক্ষিকতাগত ইনভ্যারিয়েন্সের}} প্রয়োজনীয়তা এই বিমূর্তায়নকে স্থান এবং সময়ের স্থানাঙ্ক পর্যন্ত বিস্তৃত করতে উৎসাহিত করে। স্থানকাল স্থানীয় পরিমাপগুলো একটি দরকারী আদর্শিক রূপ যদিও বাস্তবে তা অর্জন করা অসম্ভব হতে পারে এমন ইঙ্গিত হয়তো ভুল হতে পারে, তবে পরিমাপযোগ্যতার ''আ প্রাইয়োরি'' বা পূর্বনির্ধারিত ধারণার ভিত্তিতে এই ধারণাটিকে খারিজ করে দেওয়া একটি গুরুতর ভুল। ** {{cite book|chapter=''রিলেটিভিস্টিক কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরি'', নোবেল বক্তৃতা, ১১ ডিসেম্বর, ১৯৬৫|title=নোবেল লেকচারস, ফিজিক্স ১৯৬৩-১৯৭০|publisher=এলসেভিয়ার পাবলিশিং কোম্পানি|location=অ্যামস্টারডাম|year=১৯৭২|chapter-url=https://www.nobelprize.org/prizes/physics/1965/schwinger/lecture/|pages=১৪০–১৫২}} (১৪২ পৃষ্ঠা থেকে উদ্ধৃত) * আমার এই ইতিহাস পাঠ যদি অন্য কিছু নাও করে থাকে, তবে এটি আপনাকে অন্তত মনে করিয়ে দেওয়া উচিত যে, পদার্থবিজ্ঞানের বিবর্তিত ইতিহাসের যেকোনো নির্দিষ্ট সময়কালে প্রচলিত প্রধান ধারার জনমত পরবর্তী উন্নয়নের আলোকে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি ছিল। তবুও সেই আগের দিনগুলোতে, তুলনামূলকভাবে অল্প সংখ্যক মানুষ জড়িত থাকায় পরিবর্তন আসত, কিন্তু তা আসত ধীরগতিতে... উচ্চ শক্তি পদার্থবিজ্ঞানের বর্তমান পরিস্থিতির মৌলিক পার্থক্য হলো যে এখন বিপুল সংখ্যক কর্মী এতে জড়িত, যার ফলে মূল ধারার অভিমুখ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এক ধরণের সমরূপতা বজায় রাখার চাপ এবং প্রতিরোধ কাজ করে, এবং একটি বৈজ্ঞানিক প্রজন্মের সময়কাল পরীক্ষামূলক আবিষ্কারের দ্রুত গতির তুলনায় অনেক বেশি দীর্ঘ। আমার মনে একটি গোপন ভয়ও আছে যে নতুন প্রজন্ম হয়তো ভিন্নমতাবলম্বী ধারণাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ নাও পেতে পারে। ** সমীর শাহ কর্তৃক [https://escholarship.org/uc/item/70m7r3r8 ''"ইফ ইউ কান্ট জয়েন এম, বিট এম": জুলিয়ান শুইঙারস কনফ্লিক্টস ইন ফিজিক্স'']-এ উদ্ধৃত। ''ডাইরেকশনস ইন কালচারাল হিস্ট্রি'', দ্য ইউসিএলএ হিস্টোরিক্যাল জার্নাল, ভলিউম ২১, ২০০৫-২০০৬, পৃষ্ঠা ৫০ * রয়্যাল সোসাইটি তার তিন শতাব্দীর অস্তিত্বে বিজ্ঞানে সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে অবদানটি রেখেছে, তা হলো [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] আবিষ্কারের মহৎ বিবরণ: ''ম্যাথমেটিক্যাল প্রিন্সিপলস অফ ন্যাচারাল ফিলোসফি দ্য প্রিন্সিপিয়া'' প্রকাশের ক্ষেত্রে এর প্রাথমিক ভূমিকা। ** [https://books.google.com/books?id=PbJCIcvMu1AC&pg=PA2 ''আইনস্টাইনস লেগাসি: দ্য ইউনিটি অফ স্পেস অ্যান্ড টাইম''] (২০০২) পৃষ্ঠা ২ * তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য কি কেবল কণাগুলো একে অপরের সাথে মিথস্ক্রিয়া করার এবং আলাদা হওয়ার সময় যা কিছু ঘটতে পারে তার একটি ক্যাটালগ তৈরি করা? নাকি এটি আরও গভীর স্তরের একটি উপলব্ধি হওয়া উচিত যেখানে এমন কিছু বিষয় থাকবে যা সরাসরি পর্যবেক্ষণযোগ্য নয় (যেমন অন্তর্নিহিত কোয়ান্টাইজড ফিল্ডগুলো), কিন্তু যার মাধ্যমে আমরা আরও মৌলিক জ্ঞান লাভ করব? ** ''কোয়ান্টাম মেকানিক্স - সিম্বলিজম অফ অ্যাটমিক মেজারমেন্টস'' (২০০১) পৃষ্ঠা ২৪ পরবর্তী। == শুইঙার সম্পর্কে উক্তি == * ১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকে দুই বছর আমি হার্ভার্ডে পোস্টডক ছিলাম। জুলিয়ান শুইঙার তখন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের প্রধান পথপ্রদর্শক ছিলেন। আমরা যারা পোস্টডক এবং জুনিয়র শিক্ষক ছিলাম, তিনি যে কোর্সই পড়াতেন তাতে শ্রোতা হিসেবে উপস্থিত থাকতাম। তাঁর পড়ানোর বিষয়বস্তু সবসময়ই মৌলিক ছিল। বক্তৃতাগুলো বুধবার হতো এবং এরপর আমাদের একটি ছোট দল কেমব্রিজের ''শে ড্রেফাস''-এ শুইঙারের সাথে দুপুরের খাবার খেত। আমাদের সাথে এমআইটি থেকে আসা আরেকটি ছোট দল যোগ দিত যাতে ভিকি উইসকপ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। শুইঙারের কোনো নতুন ধারণা থাকলে তিনি তা উইসকপের ওপর প্রয়োগ করে দেখতেন। এই উপলক্ষে যেমনটি হয়েছিল, তিনি একটি “থিওরি অফ এভরিথিং” বা “সবকিছুর তত্ত্ব” তৈরি করেছিলেন। এই তত্ত্বের কিছু অংশ অন্যান্যদের কাজে বেঁচে আছে। ১৯৬২ সালে তিনি “গেজ ইনভ্যারিয়েন্স অ্যান্ড মাস”<sup>৯</sup> শিরোনামে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। … এতে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন যে, একটি অন্তর্নিহিত গেজ ইনভ্যারিয়েন্স থাকা তত্ত্বে একটি ম্যাসিভ ভেক্টর মেসন থাকা সম্ভব কি না। এই সম্ভাবনা … [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন|পি. ডব্লিউ. অ্যান্ডারসন]]কে ঘনীভূত পদার্থবিজ্ঞানে এই ধারণাগুলো ব্যবহার করতে অনুপ্রাণিত করেছিল।<sup>১০</sup>... <br>৯ জে. শুইঙার, [https://journals.aps.org/pr/abstract/10.1103/PhysRev.125.397 “গেজ ইনভ্যারিয়েন্স অ্যান্ড মাস,”] ফিজিক্স রিভিউ ১২৫, ৩৯৭–৩৯৮ ১৯৬২। <br>১০ পি. ডব্লিউ. অ্যান্ডারসন, [https://journals.aps.org/pr/abstract/10.1103/PhysRev.130.439 “প্লাজমনস, গেজ ইনভ্যারিয়েন্স অ্যান্ড মাস,”] ফিজিক্স রিভিউ ১৩০, ৪৩৯–৪৪২ ১৯৬৩। ** [[জেরেমি বার্নস্টাইন]], {{cite journal|url=http://profs.if.uff.br/tro/lib/exe/fetch.php?media=ajp000025.pdf|title=এ কোয়েশ্চেন অফ মাস|journal=আমেরিকান জার্নাল অফ ফিজিক্স|date=জানুয়ারি ২০১১|volume=৭৯|issue=১|pages=২৫–৩১|doi=10.1119/1.3487939}} (৩০ পৃষ্ঠা থেকে উদ্ধৃত) * এই সময়ে আমি মিশিগান গ্রীষ্মকালীন স্কুলের দুটি অধিবেশনে যোগ দিয়েছিলাম যেখানে শুইঙার (১৯৪৮) এবং ফেইনম্যান (১৯৪৯) কিউইডি সম্পর্কে তাঁদের নিজ নিজ নতুন তত্ত্ব বর্ণনা করেছিলেন। শুইঙারের তত্ত্ব ছিল অধিকতর গভীর এবং পূর্ণাঙ্গ, যেখানে ফেইনম্যানের তত্ত্বটি ব্যবহার করা সহজ ছিল কিন্তু তখন পর্যন্ত অসম্পূর্ণ ছিল। শুইঙারের প্রভাব সম্পর্কে ধারণা পেতে [[ফ্রিম্যান ডাইসন|ডাইসনের]] কথা উদ্ধৃত করা যেতে পারে, যিনি বাড়িতে চিঠিতে লিখেছিলেন যে "কয়েক মাসের মধ্যে আমরা ভুলে যাব যে প্রাক-শুইঙার পদার্থবিজ্ঞান কেমন ছিল।" বেথে সেই সময়টিকে ১৯২৫-৩০ সালের সেই মহান দিনগুলোর পরে পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ সময় হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন, যখন কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান আবিষ্কৃত হচ্ছিল। ** [[w:রবার্ট ফিঙ্কেলস্টাইন|রবার্ট ফিঙ্কেলস্টাইন]]: {{cite journal|title=মাই সেঞ্চুরি অফ ফিজিক্স|journal=arXiv preprint arXiv:1612.00079|year=২০১৬|url=https://arxiv.org/pdf/1612.00079.pdf}} === শেলডন গ্ল্যাশো - দ্য অরিজিনস পডকাস্ট (১৪ মার্চ, ২০২০) === :<small>লরেন্স ক্রাউসের সাথে - [https://www.youtube.com/watch?v=XkYefDscNfM সম্পূর্ণ ভিডিও] উদ্ধৃতিগুলো [[শেলডন লি গ্ল্যাশো|শেলডন গ্ল্যাশো]]র দেওয়া।</small> * এটি সত্য যে তাঁর স্টাইল বা শৈলী ছিল অদ্ভুত। তাঁর বক্তৃতা ছিল সুনির্দিষ্ট। তাঁর কণ্ঠস্বর ছিল রেডিও ঘোষকের মতো। প্রতিটি বাক্য ছিল নিখুঁত, ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বোর্ডের সূত্রগুলো সব স্পষ্টভাবে লেখা থাকত। আলোচনাটি এমনভাবে সাজানো থাকত যে বক্তৃতার শেষে তিনি প্রস্থান দরজার সবচেয়ে কাছের ব্ল্যাকবোর্ডে থাকতেন। তিনি বক্তৃতা শেষ করতেন এবং... সঙ্গে সঙ্গে দরজা দিয়ে বেরিয়ে অদৃশ্য হয়ে যেতেন যাতে তাঁর স্নাতক ছাত্ররা তাঁকে খুব সহজে খুঁজে না পায়। * তিনি আমার কাছে যুক্তি দিয়েছিলেন যে ইলেকট্রন এবং {{w|মিউয়ন|মিউয়ন}}, যা কণা এবং আমরা যেগুলোকে চার্জড {{w|লেপটন|লেপটন}} বলি, সেগুলো পরিচিত ছিল... তিনি বলেছিলেন যে আমাদের যদি এমন একটি {{w|কোয়ান্টাম সংখ্যা|কোয়ান্টাম সংখ্যা}} থাকে যা ইলেকট্রনকে মিউয়ন থেকে আলাদা করে, তবে অবশ্যই... এটি e<sup>-</sup> এবং μ<sup>-</sup> হওয়া উচিত নয় যাদের... {{w|লেপটন সংখ্যা|লেপটন সংখ্যা}} আছে, বরং এটি হওয়া উচিত e<sup>-</sup> এবং μ<sup>+</sup> তাই... সেভাবে... আধান এবং নতুন কোয়ান্টাম সংখ্যা ইলেকট্রনকে মিউয়ন থেকে আলাদা করতে পারে... এবং এর থেকে বোঝা যায় যে প্রকৃতিতে দুই ধরণের {{w|নিউট্রিনো|নিউট্রিনো}} থাকতে হবে। তাই তাঁর কণা পদার্থবিজ্ঞান পড়ানোর পদ্ধতির মধ্যেই এই বিষয়টি গেঁথে ছিল যে দুই ধরণের নিউট্রিনো আছে। ...এটি কিছু লোকের কাছে প্রযুক্তিগত সম্ভাবনা হিসেবে স্বীকৃত ছিল, কিন্তু ১৯৬৩ সালের আগে এটি জানা সম্ভব হয়নি। এটি ছিল ১৯৫০-এর দশকের কথা। * তাই ১৯৫৮ সালে যখন আমি আমার থিসিস পরীক্ষার জন্য গেলাম... এবং ইয়াং চেন-নিং... আমার কমিটিতে ছিলেন, তিনি এবং পল সি. মার্টিন ও জুলিয়ান শুইঙার... আমি ব্যাখ্যা করতে শুরু করলাম যে কীভাবে {{w|ইলেকট্রন নিউট্রিনো|ইলেকট্রন নিউট্রিনো}} {{w|মিউয়ন নিউট্রিনো|মিউয়ন নিউট্রিনো}} থেকে আলাদা এবং ইয়াং বললেন, "এক মিনিট দাঁড়াও... ইলেকট্রন নিউট্রিনোকে মিউয়ন নিউট্রিনো থেকে আলাদা করার কোনো উপায় নেই। এগুলো একে অপরের থেকে আলাদা বলা অর্থহীন। এটি একটি নিরর্থক ধারণা।" ...আমি ব্যাখ্যা করতে শুরু করলাম এবং শুইঙার আমার কষ্ট দেখে এবং বুঝতে পেরে যে তিনিই এর কারণ... বললেন, "আমাকে মিস্টার ইয়াং-এর কাছে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে দিন" এবং তিনি ধৈর্য ধরে বুঝিয়ে দিলেন কীভাবে একটি পরীক্ষা করা যেতে পারে, যা মূলত কয়েক বছর পর করা হয়েছিল... ইলেকট্রন নিউট্রিনোকে মিউয়ন নিউট্রিনো থেকে আলাদা করার জন্য, যদি... তারা আলাদা হয়... এবং ইয়াং মাথা নাড়লেন এবং পরীক্ষা চলতে থাকল এবং আমি পরীক্ষায় পাস করলাম। ...ছয় মাস পরে [[w:সুং-দাও লি|লি]] এবং ইয়াং একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন যেখানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কীভাবে ইলেকট্রন নিউট্রিনো এবং মিউয়ন নিউট্রিনো একে অপরের থেকে আলাদা হতে পারে। তারা স্রেফ জুলিয়ানের কাছ থেকে ধারণাটি চুরি করেছিল। তিনি এমন অনেক চুরির শিকার হয়েছেন। কয়েক বছর পর চীনে ইয়াং-এর সাথে আমার দেখা হয়... এবং আমি তাঁকে ঘটনাটি বর্ণনা করি... তিনি বললেন, "শেলি, তুমি ঠিক যেমনটি বললে বিষয়টি ঠিক তেমনই ছিল।" ** <small>'''দ্রষ্টব্য''': ইয়াং চেন-নিং এবং সুং-দাও লি, "কোয়েশ্চেন অফ প্যারিটি কনজারভেশন ইন উইক ইন্টারঅ্যাকশনস" (১৯৫৬) দুর্বল বলের ক্ষেত্রে প্যারিটি লঙ্ঘনের ধারণার ভিত্তি স্থাপন করেছিল, যা পরোক্ষভাবে অন্যান্য কণার সাথে মিথস্ক্রিয়ার ভিত্তিতে ভিন্ন ধরণের নিউট্রিনোর সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়। {{w|ব্রুনো পন্তেকরভো}} "ইলেকট্রন অ্যান্ড মিউয়ন নিউট্রিনোস" (১৯৫৯)-এ যুক্তি দিয়েছিলেন যে ইলেকট্রন নিউট্রিনো ((ν<sub>e</sub>)) এবং মিউয়ন নিউট্রিনো ((ν<sub>μ</sub>)) আলাদা কণা। '''সূত্র''': [https://cds.cern.ch/record/1734992/files/vol53-issue7-p078-e.pdf পন্তেকরভো অ্যান্ড নিউট্রিনো ফিজিক্স] (২০১৩)</small> * শুইঙার... {{w|রাডার|রাডার}} নিয়ে কাজ করেছিলেন এবং রাডার সম্পর্কিত কিছু... তড়িৎগতিবিদ্যা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করেছিলেন, [[w:চিরায়ত তড়িৎগতিবিদ্যা|চিরায়ত তড়িৎগতিবিদ্যা তত্ত্বের]] এমন সব সমস্যা যা অন্য কেউ সমাধান করতে পারছিল না... গণনাকারী হিসেবে তিনি ছিলেন আশ্চর্যজনক... অসাধারণ। ...আপনি ভালোভাবেই যুক্তি দিতে পারেন যে রাডার... সেই সাথে বোমা প্রযুক্তির নতুন উন্নয়ন, ফিউজের ক্ষেত্রে [দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে] [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্রের]] চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:শুইঙার, জুলিয়ান}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] 0tsv2q66f2rdmbgbp9bx8hyyao4n15z 83418 83415 2026-05-05T10:34:04Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের অনুষদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলসের শিক্ষক]] যোগ 83418 wikitext text/x-wiki [[File:Schwinger.jpg|thumb|right]] '''[[w:জুলিয়ান শুইঙার|জুলিয়ান সেমুর শুইঙার]]''' (১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৮ – ১৬ জুলাই, ১৯৯৪) একজন আমেরিকান [[w:তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী|তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী]] ছিলেন। তিনি [[w:কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডায়নামিক্স|কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডায়নামিক্স]] (কিউইডি) সংক্রান্ত কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, বিশেষ করে একটি আপেক্ষিকতাগতভাবে ইনভ্যারিয়েন্ট [[w:পার্টারবেশন তত্ত্ব (কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান)|পার্টারবেশন তত্ত্ব]] তৈরি এবং কিউইডিকে ওয়ান লুপ অর্ডার পর্যন্ত রিনরমালাইজ করার জন্য। শুইঙার একজন গুরুত্বপূর্ণ পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃত, যিনি একটি [[w:সুইঙ্গারের কোয়ান্টাম অ্যাকশন প্রিন্সিপল|ভেরিয়েশনাল অ্যাপ্রোচ]] এবং কোয়ান্টাম ফিল্ডের গতির সমীকরণসহ আধুনিক কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরির অনেক কিছুর জন্য দায়ী। তিনি প্রথম [[w:ইলেক্ট্রোউইক|ইলেক্ট্রোউইক]] মডেল এবং ১+১ ডাইমেনশনে কনফাইনমেন্টের প্রথম উদাহরণ তৈরি করেন। তিনি মাল্টিপল নিউট্রিনো তত্ত্ব, সুইঙ্গার টার্মস এবং স্পিন-৩/২ ফিল্ডের তত্ত্বের উদ্ভাবক। শুইঙার কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডায়নামিক্স (কিউইডি) সংক্রান্ত কাজের জন্য ১৯৬৫ সালে রিচার্ড ফেইনম্যান এবং শিন-ইচিরো তোমোনাগার সাথে যৌথভাবে [[w:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। {{physicist-stub}} == উক্তি == * [[সময়|সময়]] কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানে একটি অবিচ্ছিন্ন পরামিতি হিসেবে আবির্ভূত হয় যা পরিমাপ যন্ত্রের গতিশীল ভূমিকার একটি বিমূর্ত রূপকে উপস্থাপন করে। {{w|আপেক্ষিকতাগত ইনভ্যারিয়েন্স|আপেক্ষিকতাগত ইনভ্যারিয়েন্সের}} প্রয়োজনীয়তা এই বিমূর্তায়নকে স্থান এবং সময়ের স্থানাঙ্ক পর্যন্ত বিস্তৃত করতে উৎসাহিত করে। স্থানকাল স্থানীয় পরিমাপগুলো একটি দরকারী আদর্শিক রূপ যদিও বাস্তবে তা অর্জন করা অসম্ভব হতে পারে এমন ইঙ্গিত হয়তো ভুল হতে পারে, তবে পরিমাপযোগ্যতার ''আ প্রাইয়োরি'' বা পূর্বনির্ধারিত ধারণার ভিত্তিতে এই ধারণাটিকে খারিজ করে দেওয়া একটি গুরুতর ভুল। ** {{cite book|chapter=''রিলেটিভিস্টিক কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরি'', নোবেল বক্তৃতা, ১১ ডিসেম্বর, ১৯৬৫|title=নোবেল লেকচারস, ফিজিক্স ১৯৬৩-১৯৭০|publisher=এলসেভিয়ার পাবলিশিং কোম্পানি|location=অ্যামস্টারডাম|year=১৯৭২|chapter-url=https://www.nobelprize.org/prizes/physics/1965/schwinger/lecture/|pages=১৪০–১৫২}} (১৪২ পৃষ্ঠা থেকে উদ্ধৃত) * আমার এই ইতিহাস পাঠ যদি অন্য কিছু নাও করে থাকে, তবে এটি আপনাকে অন্তত মনে করিয়ে দেওয়া উচিত যে, পদার্থবিজ্ঞানের বিবর্তিত ইতিহাসের যেকোনো নির্দিষ্ট সময়কালে প্রচলিত প্রধান ধারার জনমত পরবর্তী উন্নয়নের আলোকে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি ছিল। তবুও সেই আগের দিনগুলোতে, তুলনামূলকভাবে অল্প সংখ্যক মানুষ জড়িত থাকায় পরিবর্তন আসত, কিন্তু তা আসত ধীরগতিতে... উচ্চ শক্তি পদার্থবিজ্ঞানের বর্তমান পরিস্থিতির মৌলিক পার্থক্য হলো যে এখন বিপুল সংখ্যক কর্মী এতে জড়িত, যার ফলে মূল ধারার অভিমুখ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এক ধরণের সমরূপতা বজায় রাখার চাপ এবং প্রতিরোধ কাজ করে, এবং একটি বৈজ্ঞানিক প্রজন্মের সময়কাল পরীক্ষামূলক আবিষ্কারের দ্রুত গতির তুলনায় অনেক বেশি দীর্ঘ। আমার মনে একটি গোপন ভয়ও আছে যে নতুন প্রজন্ম হয়তো ভিন্নমতাবলম্বী ধারণাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ নাও পেতে পারে। ** সমীর শাহ কর্তৃক [https://escholarship.org/uc/item/70m7r3r8 ''"ইফ ইউ কান্ট জয়েন এম, বিট এম": জুলিয়ান শুইঙারস কনফ্লিক্টস ইন ফিজিক্স'']-এ উদ্ধৃত। ''ডাইরেকশনস ইন কালচারাল হিস্ট্রি'', দ্য ইউসিএলএ হিস্টোরিক্যাল জার্নাল, ভলিউম ২১, ২০০৫-২০০৬, পৃষ্ঠা ৫০ * রয়্যাল সোসাইটি তার তিন শতাব্দীর অস্তিত্বে বিজ্ঞানে সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে অবদানটি রেখেছে, তা হলো [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] আবিষ্কারের মহৎ বিবরণ: ''ম্যাথমেটিক্যাল প্রিন্সিপলস অফ ন্যাচারাল ফিলোসফি দ্য প্রিন্সিপিয়া'' প্রকাশের ক্ষেত্রে এর প্রাথমিক ভূমিকা। ** [https://books.google.com/books?id=PbJCIcvMu1AC&pg=PA2 ''আইনস্টাইনস লেগাসি: দ্য ইউনিটি অফ স্পেস অ্যান্ড টাইম''] (২০০২) পৃষ্ঠা ২ * তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য কি কেবল কণাগুলো একে অপরের সাথে মিথস্ক্রিয়া করার এবং আলাদা হওয়ার সময় যা কিছু ঘটতে পারে তার একটি ক্যাটালগ তৈরি করা? নাকি এটি আরও গভীর স্তরের একটি উপলব্ধি হওয়া উচিত যেখানে এমন কিছু বিষয় থাকবে যা সরাসরি পর্যবেক্ষণযোগ্য নয় (যেমন অন্তর্নিহিত কোয়ান্টাইজড ফিল্ডগুলো), কিন্তু যার মাধ্যমে আমরা আরও মৌলিক জ্ঞান লাভ করব? ** ''কোয়ান্টাম মেকানিক্স - সিম্বলিজম অফ অ্যাটমিক মেজারমেন্টস'' (২০০১) পৃষ্ঠা ২৪ পরবর্তী। == শুইঙার সম্পর্কে উক্তি == * ১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকে দুই বছর আমি হার্ভার্ডে পোস্টডক ছিলাম। জুলিয়ান শুইঙার তখন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের প্রধান পথপ্রদর্শক ছিলেন। আমরা যারা পোস্টডক এবং জুনিয়র শিক্ষক ছিলাম, তিনি যে কোর্সই পড়াতেন তাতে শ্রোতা হিসেবে উপস্থিত থাকতাম। তাঁর পড়ানোর বিষয়বস্তু সবসময়ই মৌলিক ছিল। বক্তৃতাগুলো বুধবার হতো এবং এরপর আমাদের একটি ছোট দল কেমব্রিজের ''শে ড্রেফাস''-এ শুইঙারের সাথে দুপুরের খাবার খেত। আমাদের সাথে এমআইটি থেকে আসা আরেকটি ছোট দল যোগ দিত যাতে ভিকি উইসকপ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। শুইঙারের কোনো নতুন ধারণা থাকলে তিনি তা উইসকপের ওপর প্রয়োগ করে দেখতেন। এই উপলক্ষে যেমনটি হয়েছিল, তিনি একটি “থিওরি অফ এভরিথিং” বা “সবকিছুর তত্ত্ব” তৈরি করেছিলেন। এই তত্ত্বের কিছু অংশ অন্যান্যদের কাজে বেঁচে আছে। ১৯৬২ সালে তিনি “গেজ ইনভ্যারিয়েন্স অ্যান্ড মাস”<sup>৯</sup> শিরোনামে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। … এতে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন যে, একটি অন্তর্নিহিত গেজ ইনভ্যারিয়েন্স থাকা তত্ত্বে একটি ম্যাসিভ ভেক্টর মেসন থাকা সম্ভব কি না। এই সম্ভাবনা … [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন|পি. ডব্লিউ. অ্যান্ডারসন]]কে ঘনীভূত পদার্থবিজ্ঞানে এই ধারণাগুলো ব্যবহার করতে অনুপ্রাণিত করেছিল।<sup>১০</sup>... <br>৯ জে. শুইঙার, [https://journals.aps.org/pr/abstract/10.1103/PhysRev.125.397 “গেজ ইনভ্যারিয়েন্স অ্যান্ড মাস,”] ফিজিক্স রিভিউ ১২৫, ৩৯৭–৩৯৮ ১৯৬২। <br>১০ পি. ডব্লিউ. অ্যান্ডারসন, [https://journals.aps.org/pr/abstract/10.1103/PhysRev.130.439 “প্লাজমনস, গেজ ইনভ্যারিয়েন্স অ্যান্ড মাস,”] ফিজিক্স রিভিউ ১৩০, ৪৩৯–৪৪২ ১৯৬৩। ** [[জেরেমি বার্নস্টাইন]], {{cite journal|url=http://profs.if.uff.br/tro/lib/exe/fetch.php?media=ajp000025.pdf|title=এ কোয়েশ্চেন অফ মাস|journal=আমেরিকান জার্নাল অফ ফিজিক্স|date=জানুয়ারি ২০১১|volume=৭৯|issue=১|pages=২৫–৩১|doi=10.1119/1.3487939}} (৩০ পৃষ্ঠা থেকে উদ্ধৃত) * এই সময়ে আমি মিশিগান গ্রীষ্মকালীন স্কুলের দুটি অধিবেশনে যোগ দিয়েছিলাম যেখানে শুইঙার (১৯৪৮) এবং ফেইনম্যান (১৯৪৯) কিউইডি সম্পর্কে তাঁদের নিজ নিজ নতুন তত্ত্ব বর্ণনা করেছিলেন। শুইঙারের তত্ত্ব ছিল অধিকতর গভীর এবং পূর্ণাঙ্গ, যেখানে ফেইনম্যানের তত্ত্বটি ব্যবহার করা সহজ ছিল কিন্তু তখন পর্যন্ত অসম্পূর্ণ ছিল। শুইঙারের প্রভাব সম্পর্কে ধারণা পেতে [[ফ্রিম্যান ডাইসন|ডাইসনের]] কথা উদ্ধৃত করা যেতে পারে, যিনি বাড়িতে চিঠিতে লিখেছিলেন যে "কয়েক মাসের মধ্যে আমরা ভুলে যাব যে প্রাক-শুইঙার পদার্থবিজ্ঞান কেমন ছিল।" বেথে সেই সময়টিকে ১৯২৫-৩০ সালের সেই মহান দিনগুলোর পরে পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ সময় হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন, যখন কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান আবিষ্কৃত হচ্ছিল। ** [[w:রবার্ট ফিঙ্কেলস্টাইন|রবার্ট ফিঙ্কেলস্টাইন]]: {{cite journal|title=মাই সেঞ্চুরি অফ ফিজিক্স|journal=arXiv preprint arXiv:1612.00079|year=২০১৬|url=https://arxiv.org/pdf/1612.00079.pdf}} === শেলডন গ্ল্যাশো - দ্য অরিজিনস পডকাস্ট (১৪ মার্চ, ২০২০) === :<small>লরেন্স ক্রাউসের সাথে - [https://www.youtube.com/watch?v=XkYefDscNfM সম্পূর্ণ ভিডিও] উদ্ধৃতিগুলো [[শেলডন লি গ্ল্যাশো|শেলডন গ্ল্যাশো]]র দেওয়া।</small> * এটি সত্য যে তাঁর স্টাইল বা শৈলী ছিল অদ্ভুত। তাঁর বক্তৃতা ছিল সুনির্দিষ্ট। তাঁর কণ্ঠস্বর ছিল রেডিও ঘোষকের মতো। প্রতিটি বাক্য ছিল নিখুঁত, ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বোর্ডের সূত্রগুলো সব স্পষ্টভাবে লেখা থাকত। আলোচনাটি এমনভাবে সাজানো থাকত যে বক্তৃতার শেষে তিনি প্রস্থান দরজার সবচেয়ে কাছের ব্ল্যাকবোর্ডে থাকতেন। তিনি বক্তৃতা শেষ করতেন এবং... সঙ্গে সঙ্গে দরজা দিয়ে বেরিয়ে অদৃশ্য হয়ে যেতেন যাতে তাঁর স্নাতক ছাত্ররা তাঁকে খুব সহজে খুঁজে না পায়। * তিনি আমার কাছে যুক্তি দিয়েছিলেন যে ইলেকট্রন এবং {{w|মিউয়ন|মিউয়ন}}, যা কণা এবং আমরা যেগুলোকে চার্জড {{w|লেপটন|লেপটন}} বলি, সেগুলো পরিচিত ছিল... তিনি বলেছিলেন যে আমাদের যদি এমন একটি {{w|কোয়ান্টাম সংখ্যা|কোয়ান্টাম সংখ্যা}} থাকে যা ইলেকট্রনকে মিউয়ন থেকে আলাদা করে, তবে অবশ্যই... এটি e<sup>-</sup> এবং μ<sup>-</sup> হওয়া উচিত নয় যাদের... {{w|লেপটন সংখ্যা|লেপটন সংখ্যা}} আছে, বরং এটি হওয়া উচিত e<sup>-</sup> এবং μ<sup>+</sup> তাই... সেভাবে... আধান এবং নতুন কোয়ান্টাম সংখ্যা ইলেকট্রনকে মিউয়ন থেকে আলাদা করতে পারে... এবং এর থেকে বোঝা যায় যে প্রকৃতিতে দুই ধরণের {{w|নিউট্রিনো|নিউট্রিনো}} থাকতে হবে। তাই তাঁর কণা পদার্থবিজ্ঞান পড়ানোর পদ্ধতির মধ্যেই এই বিষয়টি গেঁথে ছিল যে দুই ধরণের নিউট্রিনো আছে। ...এটি কিছু লোকের কাছে প্রযুক্তিগত সম্ভাবনা হিসেবে স্বীকৃত ছিল, কিন্তু ১৯৬৩ সালের আগে এটি জানা সম্ভব হয়নি। এটি ছিল ১৯৫০-এর দশকের কথা। * তাই ১৯৫৮ সালে যখন আমি আমার থিসিস পরীক্ষার জন্য গেলাম... এবং ইয়াং চেন-নিং... আমার কমিটিতে ছিলেন, তিনি এবং পল সি. মার্টিন ও জুলিয়ান শুইঙার... আমি ব্যাখ্যা করতে শুরু করলাম যে কীভাবে {{w|ইলেকট্রন নিউট্রিনো|ইলেকট্রন নিউট্রিনো}} {{w|মিউয়ন নিউট্রিনো|মিউয়ন নিউট্রিনো}} থেকে আলাদা এবং ইয়াং বললেন, "এক মিনিট দাঁড়াও... ইলেকট্রন নিউট্রিনোকে মিউয়ন নিউট্রিনো থেকে আলাদা করার কোনো উপায় নেই। এগুলো একে অপরের থেকে আলাদা বলা অর্থহীন। এটি একটি নিরর্থক ধারণা।" ...আমি ব্যাখ্যা করতে শুরু করলাম এবং শুইঙার আমার কষ্ট দেখে এবং বুঝতে পেরে যে তিনিই এর কারণ... বললেন, "আমাকে মিস্টার ইয়াং-এর কাছে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে দিন" এবং তিনি ধৈর্য ধরে বুঝিয়ে দিলেন কীভাবে একটি পরীক্ষা করা যেতে পারে, যা মূলত কয়েক বছর পর করা হয়েছিল... ইলেকট্রন নিউট্রিনোকে মিউয়ন নিউট্রিনো থেকে আলাদা করার জন্য, যদি... তারা আলাদা হয়... এবং ইয়াং মাথা নাড়লেন এবং পরীক্ষা চলতে থাকল এবং আমি পরীক্ষায় পাস করলাম। ...ছয় মাস পরে [[w:সুং-দাও লি|লি]] এবং ইয়াং একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন যেখানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কীভাবে ইলেকট্রন নিউট্রিনো এবং মিউয়ন নিউট্রিনো একে অপরের থেকে আলাদা হতে পারে। তারা স্রেফ জুলিয়ানের কাছ থেকে ধারণাটি চুরি করেছিল। তিনি এমন অনেক চুরির শিকার হয়েছেন। কয়েক বছর পর চীনে ইয়াং-এর সাথে আমার দেখা হয়... এবং আমি তাঁকে ঘটনাটি বর্ণনা করি... তিনি বললেন, "শেলি, তুমি ঠিক যেমনটি বললে বিষয়টি ঠিক তেমনই ছিল।" ** <small>'''দ্রষ্টব্য''': ইয়াং চেন-নিং এবং সুং-দাও লি, "কোয়েশ্চেন অফ প্যারিটি কনজারভেশন ইন উইক ইন্টারঅ্যাকশনস" (১৯৫৬) দুর্বল বলের ক্ষেত্রে প্যারিটি লঙ্ঘনের ধারণার ভিত্তি স্থাপন করেছিল, যা পরোক্ষভাবে অন্যান্য কণার সাথে মিথস্ক্রিয়ার ভিত্তিতে ভিন্ন ধরণের নিউট্রিনোর সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়। {{w|ব্রুনো পন্তেকরভো}} "ইলেকট্রন অ্যান্ড মিউয়ন নিউট্রিনোস" (১৯৫৯)-এ যুক্তি দিয়েছিলেন যে ইলেকট্রন নিউট্রিনো ((ν<sub>e</sub>)) এবং মিউয়ন নিউট্রিনো ((ν<sub>μ</sub>)) আলাদা কণা। '''সূত্র''': [https://cds.cern.ch/record/1734992/files/vol53-issue7-p078-e.pdf পন্তেকরভো অ্যান্ড নিউট্রিনো ফিজিক্স] (২০১৩)</small> * শুইঙার... {{w|রাডার|রাডার}} নিয়ে কাজ করেছিলেন এবং রাডার সম্পর্কিত কিছু... তড়িৎগতিবিদ্যা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করেছিলেন, [[w:চিরায়ত তড়িৎগতিবিদ্যা|চিরায়ত তড়িৎগতিবিদ্যা তত্ত্বের]] এমন সব সমস্যা যা অন্য কেউ সমাধান করতে পারছিল না... গণনাকারী হিসেবে তিনি ছিলেন আশ্চর্যজনক... অসাধারণ। ...আপনি ভালোভাবেই যুক্তি দিতে পারেন যে রাডার... সেই সাথে বোমা প্রযুক্তির নতুন উন্নয়ন, ফিউজের ক্ষেত্রে [দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে] [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্রের]] চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:শুইঙার, জুলিয়ান}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলসের শিক্ষক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] 1ek3cxqaqk4befyxf7cmvgohljsdbcn আবদুল হাই শিকদার 0 14096 83410 83159 2026-05-05T06:04:30Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 83410 wikitext text/x-wiki '''আবদুল হাই শিকদার''' বাংলা একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক,রাজনীতিবিদ এবং সাংবাদিক। বাংলাদেশের জাতিসত্তা ও বিশ্বমানবতার কথা প্রকাশ পাওয়ায় কবি আবদুল হাই শিকদারকে 'জাতিসত্ত্বার কবি'ও বলা হয়ে থাকে।তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ==উক্তি== *প্রগতিশীল বলতে কাদের মিন করা হয়? বাংলাদেশের এই যে সো কল্ড.. আপনার.. প্রো-ইন্ডিয়ান বামরা.. বাংলাদেশের, এঁরা প্রগতিশীল বলতে রবীন্দ্রনাথকে বোঝে। ইজ রবীন্দ্রনাথ এ সিম্বল অফ প্রগতিশীলতা। রবীন্দ্রনাথ আপনার ভাষা শ্রেষ্ঠ কবি সন্দেহ নেই। রবীন্দ্রনাথ ইজ রবীন্দ্রনাথ এখানে আমার সন্দেহ নেই। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ কিভাবে প্রগতিশীলতার সিম্বল ভায়া? রবীন্দ্রনাথ একজন জমিদার, তার জমিদারি ছিলো। *আমরা তো দাস। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর মতো শক্তি , সৎসাহস সবই আমরা হারিয়ে ফেলেছি। কলকাতার চামচ দিয়ে চিনি খাই। *অনুরোধ থাকবে বাবারা আমাদের দেশের মেরুদণ্ডহীন সরীসৃপ কবি হইয়ো না। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} gwi24rc9l24cblkszxkccw8zwz11nog 83411 83410 2026-05-05T06:10:39Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 /* বহিঃসংযোগ */ 83411 wikitext text/x-wiki '''আবদুল হাই শিকদার''' বাংলা একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক,রাজনীতিবিদ এবং সাংবাদিক। বাংলাদেশের জাতিসত্তা ও বিশ্বমানবতার কথা প্রকাশ পাওয়ায় কবি আবদুল হাই শিকদারকে 'জাতিসত্ত্বার কবি'ও বলা হয়ে থাকে।তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ==উক্তি== *প্রগতিশীল বলতে কাদের মিন করা হয়? বাংলাদেশের এই যে সো কল্ড.. আপনার.. প্রো-ইন্ডিয়ান বামরা.. বাংলাদেশের, এঁরা প্রগতিশীল বলতে রবীন্দ্রনাথকে বোঝে। ইজ রবীন্দ্রনাথ এ সিম্বল অফ প্রগতিশীলতা। রবীন্দ্রনাথ আপনার ভাষা শ্রেষ্ঠ কবি সন্দেহ নেই। রবীন্দ্রনাথ ইজ রবীন্দ্রনাথ এখানে আমার সন্দেহ নেই। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ কিভাবে প্রগতিশীলতার সিম্বল ভায়া? রবীন্দ্রনাথ একজন জমিদার, তার জমিদারি ছিলো। *আমরা তো দাস। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর মতো শক্তি , সৎসাহস সবই আমরা হারিয়ে ফেলেছি। কলকাতার চামচ দিয়ে চিনি খাই। *অনুরোধ থাকবে বাবারা আমাদের দেশের মেরুদণ্ডহীন সরীসৃপ কবি হইয়ো না। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] aafvu2fb8adx0g7q5qtx5c19s6bqjn3 83412 83411 2026-05-05T06:11:59Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 /* */ 83412 wikitext text/x-wiki [[w::আবদুল হাই শিকদার|আবদুল হাই শিকদার]] বাংলা একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক,রাজনীতিবিদ এবং সাংবাদিক। বাংলাদেশের জাতিসত্তা ও বিশ্বমানবতার কথা প্রকাশ পাওয়ায় কবি আবদুল হাই শিকদারকে 'জাতিসত্ত্বার কবি'ও বলা হয়ে থাকে।তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ==উক্তি== *প্রগতিশীল বলতে কাদের মিন করা হয়? বাংলাদেশের এই যে সো কল্ড.. আপনার.. প্রো-ইন্ডিয়ান বামরা.. বাংলাদেশের, এঁরা প্রগতিশীল বলতে রবীন্দ্রনাথকে বোঝে। ইজ রবীন্দ্রনাথ এ সিম্বল অফ প্রগতিশীলতা। রবীন্দ্রনাথ আপনার ভাষা শ্রেষ্ঠ কবি সন্দেহ নেই। রবীন্দ্রনাথ ইজ রবীন্দ্রনাথ এখানে আমার সন্দেহ নেই। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ কিভাবে প্রগতিশীলতার সিম্বল ভায়া? রবীন্দ্রনাথ একজন জমিদার, তার জমিদারি ছিলো। *আমরা তো দাস। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর মতো শক্তি , সৎসাহস সবই আমরা হারিয়ে ফেলেছি। কলকাতার চামচ দিয়ে চিনি খাই। *অনুরোধ থাকবে বাবারা আমাদের দেশের মেরুদণ্ডহীন সরীসৃপ কবি হইয়ো না। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] 3e8io7cdn6eyq9eqy3drkocfywzxl3f বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী 14 14100 83403 2026-05-05T05:34:16Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 বিষয়শ্রেণী 83403 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 83404 83403 2026-05-05T05:36:21Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার]] যোগ 83404 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার]] toqg1flehyto2f4o59kecr2b1kl6ngv বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার 14 14101 83405 2026-05-05T05:36:39Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 বিষয়শ্রেণী 83405 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 83406 83405 2026-05-05T05:38:11Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদ]] যোগ 83406 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদ]] p5zmkubaflyb7c181fo4xdpht4wjfrr 83407 83406 2026-05-05T05:38:41Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি]] যোগ 83407 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি]] rwe0oq0v8gwdbdsppycj3n6zv52tqkl বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি 14 14102 83408 2026-05-05T05:38:57Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 বিষয়শ্রেণী 83408 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 83409 83408 2026-05-05T05:41:30Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:দেশ অনুযায়ী রাজনীতি]] যোগ 83409 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:দেশ অনুযায়ী রাজনীতি]] pf0aq91cyyd4vs4xjtvprj4z15hf7g1 বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক 14 14103 83416 2026-05-05T10:31:04Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন পাতা 83416 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 83417 83416 2026-05-05T10:32:12Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ অনুযায়ী শিক্ষক]] যোগ 83417 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ অনুযায়ী শিক্ষক]] r4fhotoyfcmnlm7dp2v7l3csce5oged বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলসের শিক্ষক 14 14104 83419 2026-05-05T10:34:41Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন পাতা 83419 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 83420 83419 2026-05-05T10:35:00Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ অনুযায়ী শিক্ষক]] যোগ 83420 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ অনুযায়ী শিক্ষক]] r4fhotoyfcmnlm7dp2v7l3csce5oged