উইকিউক্তি bnwikiquote https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.1 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিউক্তি উইকিউক্তি আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 0 448 83499 76280 2026-05-07T17:58:02Z ফারদিন 52 83499 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Rabindranath Tagore in 1909.jpg|thumb|১৯১৫ সালে কলকাতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] '''[[w:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]''' (৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১; ২৫ [[বৈশাখ]] ১২৬৮ – ২২ [[শ্রাবণ]] ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী [[বাঙালি]] কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে '''গুরুদেব''', '''কবিগুরু''' ও '''বিশ্বকবি''' অভিধায় ভূষিত করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তাঁর জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত। এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। == উক্তি == *সত্য যে কঠিন, কঠিনেরে ভালবাসিলাম। ** রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সোনার তরী কাব্যগ্রন্থ, ১৮৯৪, বিশ্বভারতী *"আপনার জীবন পাতার ডগায় শিশিরের মতো সময়ের প্রান্তে হালকাভাবে নাচতে দিন।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "স্ট্রে বার্ডস" (১৯১৬)। *"প্রজাপতি মাস নয়, মুহূর্ত গণনা করে, এবং যথেষ্ট সময় আছে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "স্ট্রে বার্ডস" (১৯১৬)। *"বিশ্বাস হল সেই পাখি যে ভোরের অন্ধকারে আলো অনুভব করে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "স্ট্রে বার্ডস" (১৯১৬)। *"আমাকে বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করি না, বরং তাদের মোকাবেলায় নির্ভীক হতে চাই। আমার বেদনাকে স্তব্ধ করার জন্য আমি ভিক্ষা করি না, কিন্তু হৃদয়কে জয় করতে চাই।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "গীতাঞ্জলি" (১৯১০)। *"আমরা পৃথিবীতে বাস করি যখন আমরা এটি ভালবাসি।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "স্ট্রে বার্ডস" (১৯১৬)। *"একটি শিশুকে আপনার নিজের শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ করবেন না, কারণ সে অন্য সময়ে জন্মগ্রহণ করেছে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "স্ট্রে বার্ডস" (১৯১৬)। *"বন্ধুত্বের গভীরতা পরিচয়ের দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে না।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "স্ট্রে বার্ডস" (১৯১৬)। *"প্রত্যেক শিশু এই বার্তা নিয়ে আসে যে ঈশ্বর এখনও মানুষের প্রতি নিরুৎসাহিত হননি।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "স্ট্রে বার্ডস" (১৯১৬)। *"আমি ঘুমিয়েছিলাম এবং স্বপ্ন দেখেছিলাম যে জীবন আনন্দ। আমি জেগে উঠে দেখলাম যে জীবনই সেবা। আমি অভিনয় করেছি এবং দেখছি, সেবাই আনন্দ।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "স্ট্রে বার্ডস" (১৯১৬)। *"ভালোবাসা একটি নিছক প্ররোচনা নয়, এতে অবশ্যই সত্য থাকতে হবে, যা আইন।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "সাধনা: জীবনের উপলব্ধি" (১৯১৩)। *"সর্বোচ্চ শিক্ষা হল সেই শিক্ষা যা আমাদের কেবল তথ্যই দেয় না বরং আমাদের জীবনকে সমস্ত অস্তিত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "সাধনা: জীবনের উপলব্ধি" (১৯১৩)। *"আমি একজন আশাবাদীর নিজস্ব সংস্করণে পরিণত হয়েছি। যদি আমি এটি একটি দরজা দিয়ে না করতে পারি, আমি অন্য দরজা দিয়ে যাবো - অথবা আমি একটি দরজা তৈরি করব। বর্তমান যতই অন্ধকার হোক না কেন ভয়ঙ্কর কিছু আসবে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"আসুন আমরা বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করি না বরং তাদের মুখোমুখি হওয়ার সময় নির্ভীক হতে চাই।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"সত্য বিজয়ী হয়ে আসে কারণ আমরা তাকে অতিথি হিসাবে গ্রহণ করার শিল্প হারিয়ে ফেলেছি।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"যে ফুল একক, তার অসংখ্য কাঁটাকে হিংসা করার দরকার নেই।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"আপনি কেবল দাঁড়িয়ে এবং জলের দিকে তাকিয়ে সমুদ্র অতিক্রম করতে পারবেন না।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"উচ্চে পৌঁছান, কারণ তারা আপনার মধ্যে লুকিয়ে আছে। গভীর স্বপ্ন দেখ, প্রতিটি স্বপ্ন লক্ষ্যের আগে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"আপনি যদি সমস্ত ত্রুটির দরজা বন্ধ করে দেন তবে সত্য বন্ধ হয়ে যাবে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. * মানুষের একটা বয়স আছে যখন সে চিন্তা না করিয়াও [[বিবাহ]] করিতে পারে। সে বয়স পেরোলে বিবাহ করিতে দুঃসাহসিকতার দরকার হয়। ** * [[নদী|নদীর]] এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস,<br>‘ওপারেতে সর্বসুখ আমার [[বিশ্বাস]]।’<br>নদীর ওপার বসি দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে,<br>কহে, ‘যাহা কিছু [[সুখ]] সকলি ওপারে।’ ** [https://bn.wikisource.org/wiki/কণিকা/মোহ কণিকা/মোহ] * প্রেমের দ্বারা চেতনা যে পূর্ণশক্তি লাভ করে সেই পূর্ণতার দ্বারাই সে সীমার মধ্যে অসীমকে, রূপের মধ্যে অপরূপকে দেখতে পায়— তাকে নূতন কোথাও যেতে হয় না। ** শান্তিনিকেতন ৮, ২৯ * ভক্তের দাসত্বে [[স্বাধীনতা]] আছে, ভক্তের স্বাধীন দাসত্ব তেমনি প্রকৃত — প্রণয় স্বাধীন প্রণয়। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/বিবিধ_প্রসঙ্গ/আদর্শ_প্রেম বিবিধ প্রসঙ্গ - আদর্শ প্রেম] * [[ফুল]] যে কেবল বনের মধ্যেই কাজ করছে তা নয়—মানুষের মনের মধ্যেও তার যেটুকু কাজ তা সে বরাবর করে আসছে। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/শান্তিনিকেতন_(দ্বিতীয়_খণ্ড)/শ্রাবণসন্ধ্যা শান্তিনিকেতন (দ্বিতীয় খণ্ড) - শ্রাবণসন্ধ্যা] * আমি রূপে তোমায় ভোলাব না, ভালোবাসায় ভোলাব।<br/>আমি হাত দিয়ে দ্বার খুলব না গো, গান দিয়ে দ্বার খোলাব<br/>ভরাব না ভূষণভারে, সাজাব না ফুলের হারে-<br/>প্রেমকে আমার মালা করে গলায় তোমার দোলাব। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/গীতবিতান/প্রেম/৯০ গীতবিতান - প্রেম -৯০] * মনুষ্যত্বের মূলে আর একটি প্রকাণ্ড দ্বন্দ্ব আছে ; তাকে বলা যেতে পারে প্রকৃতি এবং আত্মার দ্বন্দ্ব। স্বার্থের দিক এবং পরমার্থের দিক, বন্ধনের দিক এবং মুক্তির দিক, সীমার দিক এবং অনন্তের দিক– এই দুইকে মিলিয়ে চলতে হবে মানুষকে। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/শান্তিনিকেতন_(দ্বিতীয়_খণ্ড)/দ্বিধা শান্তিনিকেতন (দ্বিতীয় খণ্ড) - দ্বিধা] * মানুষের বিশ্বজয়ের এই একটা পালা বস্তুজগতে; ভাবের জগতে তার আছে আর-একটা পালা। ব্যাবহারিক বিজ্ঞানে একদিকে তার জয়স্তম্ভ, আর-একদিকে শিল্পে সাহিত্যে। ** সাহিত্যের তাৎপর্য * প্রেম যাহা দান করে, সেই দান যতই কঠিন হয়, ততই তাহার সার্থকতার আনন্দ নিবিড় হয়। ** মনুষ্যত্ব * স্বার্থ আমাদের যে-সব প্রয়াসের দিকে ঠেলে নিয়ে যায় তার মূল প্রেরণা দেখি জীবপ্রকৃতিতে; যা আমাদের ত্যাগের দিকে, তপস্যার দিকে নিয়ে যায় তাকেই বলি মনুষ্যত্ব, মানুষের ধর্ম। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/মানুষের_ধর্ম্ম মানুষের ধর্ম] * আপনাকে বৃহতে উপলব্ধি করাই সত্য, অহংসীমায় অবরূদ্ধ জানাই অসত্য। ব্যক্তিগত [[দুঃখ]] এই অসত্যে-। ** মানুষের ধর্ম-২ * মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে,<br/>মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।<br/>এই সূর্য্য করে এই পুষ্পিত কাননে<br/>জীবন্ত হৃদয় মাঝে যদি স্থান পাই! ** [https://bn.wikisource.org/wiki/কড়ি_ও_কোমল/প্রাণ প্রাণ - কড়ি ও কোমল] * যাহাকে তুমি ভালোবাস তাহাকে ফুল দাও, কাঁটা দিও না ; তোমার হৃদয়-সরোবরের পদ্ম দাও, পঙ্ক দিও না। হাসির হীরা দাও, অশ্রুর মুক্তা দাও; হাসির বিদ্যুৎ দিও না, অশ্রুর বাদল দিও না। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/বিবিধ_প্রসঙ্গ/মনের_বাগান-বাড়ি বিবিধ প্রসঙ্গ - মনের বাগান-বাড়ি] *"মেঘ আমার জীবনে ভেসে আসে, আর বৃষ্টি বা ঝড় বয়ে আনতে নয়, আমার সূর্যাস্তের আকাশে রঙ *যোগ করতে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. "ভালোবাসা একটি অন্তহীন রহস্য, কারণ এর ব্যাখ্যা করার আর কিছুই নেই।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"যারা অনেক কিছুর মালিক তাদের ভয় পাওয়ার অনেক কিছু আছে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"জলের মাছ নীরব, পৃথিবীর প্রাণীরা কোলাহল করছে, বাতাসে পাখি গান করছে। কিন্তু মানুষ তার মধ্যে আছে সমুদ্রের নীরবতা, পৃথিবীর কোলাহল এবং বাতাসের সঙ্গীত।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"সবকিছুই আমাদের কাছে আসে যা আমাদেরই যদি আমরা তা গ্রহণ করার ক্ষমতা তৈরি করি।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"তার পাপড়ি ছিঁড়ে, আপনি ফুলের সৌন্দর্য সংগ্রহ করবেন না।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"আমাকে বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করি না, বরং তাদের মোকাবেলায় নির্ভীক হতে চাই। আমার বেদনাকে স্তব্ধ করার জন্য আমি ভিক্ষা করি না, কিন্তু হৃদয়কে জয় করতে চাই।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"বন্ধুত্বের গভীরতা পরিচয়ের দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে না।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"সর্বোচ্চ শিক্ষা হল সেই শিক্ষা যা আমাদের কেবল তথ্যই দেয় না বরং আমাদের জীবনকে সমস্ত অস্তিত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"ছোট জ্ঞান হল একটি গ্লাসের জলের মতো: স্বচ্ছ, স্বচ্ছ, বিশুদ্ধ। মহান জ্ঞান হল সমুদ্রের জলের মতো: অন্ধকার, রহস্যময়, দুর্ভেদ্য।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"মন, তীক্ষ্ণ কিন্তু প্রশস্ত নয়, প্রতিটি বিন্দুতে লেগে থাকে কিন্তু সরে না।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"বয়স বিবেচনা করে; যুব উদ্যোগ।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. * প্রেমের [[ধর্ম]] এই, সে ছোটোকেও বড়ো করিয়া লয়। আর, আড়ম্বর-প্রিয়তা বড়োকেও ছোটো করিয়া দেখে। এই নিমিত্ত প্রেমের হাতে কাজের আর অন্ত নাই, কিন্তু আড়ম্বরের হাতে কাজ থাকে না। প্রেম শিশুকেও অগ্রাহ্য করে না, বার্ধক্যকে উপেক্ষা করে না, আয়তন মাপিয়া সমাদরের মাত্রা স্থির করে না। ** হাতে কলমে -১ * রমণীর প্রেমের মধ্যে পরিতৃপ্তি আছে, [[বিশ্বাস]] আছে, নিষ্ঠা আছে, কিন্তু পুরুষের প্রেমের মধ্যে যে একটি চির অতৃপ্তিপূর্ণ অনির্বচনীয় সুখ আছে তাহা বোধ করি খুব অল্প রমণী উপভোগ করিয়াছে। ** [[স্ত্রী]] ও পুরুষের প্রেমে বিশেষত্ব * স্ত্রী-পুরুষগত প্রেমের ন্যায় প্রবল শক্তি আর কিছু আছে কি না সন্দেহ। এই শক্তি ষোলো আনা মাত্রায় সমাজের কাজে লাগাইলে মানবসভ্যতা অনেকটা বল পায়। এই শক্তি হইতে বঞ্চিত করিলে সমাজের একটি প্রধান বল অপহরণ করা হয়। ** সমাজে স্ত্রী-পুরুষের প্রেমের প্রভাব। * [[ভালোবাসা]] অর্থে আত্মসমর্পণ নহে। ভালোবাসা অর্থে, নিজের যাহা কিছু ভালো তাহাই সমর্পণ করা। হৃদয়ে প্রতিমা প্রতিষ্ঠা করা নহে; হৃদয়ের যেখানে দেবত্রভূমি, যেখানে মন্দির, সেইখানে প্রতিমা প্রতিষ্ঠা করা। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/বিবিধ_প্রসঙ্গ/মনের_বাগান-বাড়ি বিবিধ প্রসঙ্গ - মনের বাগান-বাড়ি] * মানুষের দেবতা মানুষের মনের মানুষ, জ্ঞানে কর্মে ভাবে যে পরিমাণে সত্য হই সেই পরিমাণেই সেই মনের মানুষকে পাই –অন্তরে বিকার ঘটলে সেই আমার আপন মনের মানুষকে মনের মধ্যে দেখতে পাই নে। মানুষের যত-কিছু দুর্গতি আছে সেই আপন মনের মানুষকে হারিয়ে, তাকে বাইরের উপকরণে খুঁজতে গিয়ে, অর্থাৎ আপনাকেই পর করে দিয়েছে। ** মানুষের ধর্ম ১/১১ * মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ, সে বিশ্বাস শেষ পর্যন্ত রক্ষা করব। [[আশা]] করব, মহাপ্রলয়ের পরে বৈরাগ্যের মেঘমুক্ত আকাশে ইতিহাসের একটি নির্মল আত্মপ্রকাশ হয়তো আরম্ভ হবে এই পূর্বাচলের সূর্যোদয়ের দিগন্ত থেকে। আর-একদিন অপরাজিত মানুষ নিজের জয়যাত্রার অভিযানে সকল বাধা অতিক্রম করে অগ্রসর হবে তার মহৎ [[মর্যাদা]] ফিরে পাবার পথে। মনুষ্যত্বের অন্তহীন প্রতিকারহীন পরাভবকে চরম বলে বিশ্বাস করাকে আমি অপমান মনে করি। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/সভ্যতার_সংকট সভ্যতার সংকট] * যে পাখির ডানা সুন্দর ও কণ্ঠস্বর মধুর তাকে খাঁচায় বন্দী করে মানুষ গর্ব অনুভব করে; তার [[সৌন্দর্য]] সমস্ত অরণ্যভূমির, এ কথা সম্পত্তিলোলুপরা ভুলে যায়। মেয়েদের হৃদয়মাধুর্য ও সেবানৈপুণ্যকে পুরুষ সুদীর্ঘকাল আপন ব্যক্তিগত অধিকারের মধ্যে কড়া পাহারায় বেড়া দিয়ে রেখেছে। মেয়েদের নিজের স্বভাবেই বাঁধনমানা প্রবণতা আছে, সেইজন্যে এটা সর্বত্রই এত সহজ হয়েছে। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/কালান্তর_(২০১৮)/নারী কালান্তর (২০১৮) - নারী] * শুধু বিধাতার সৃষ্টি নহ তুমি নারী,<br>পুরুষ গড়েছে তোরে সৌন্দর্য সঞ্চারি<br>আপন অন্তর হতে। বসি কবিগণ<br>সোনার উপমাসূত্রে বুনিছে বসন।<br>সঁপিয়া তোমার ’পরে নূতন মহিমা<br>অমর করিছে শিল্পী তোমার প্রতিমা। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/চৈতালি/মানসী চৈতালি - মানসী] * প্রেম শান্তিরূপেও আসবে অশান্তিরূপেও আসবে, সুখ হয়েও আসবে দুঃখ হয়েও আসবে–সে যে-কোনো বেশেই আসুক তার মুখের দিকে চেয়ে যেন বলতে পারি তোমাকে চিনেছি, বন্ধু তোমাকে চিনেছি। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/শান্তিনিকেতন_(প্রথম_খণ্ড)/কী_চাই%৩F শান্তিনিকেতন (প্রথম খণ্ড) - কী চাই?] * সোনার চেয়ে আনন্দের দাম বেশি; ভুলেছে, প্রতাপের মধ্যে পূর্ণতা নেই, প্রেমের মধ্যেই পূর্ণতা। সেখানে মানুষকে দাস করে রাখবার প্রকাণ্ড আয়োজনে মানুষ নিজেকেই নিজে বন্দী করেছে। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/পশ্চিম-যাত্রীর_ডায়ারি/২৮শে_সেপ্টেম্বর_১৯২৪ পশ্চিম-যাত্রীর ডায়ারি - ২৮শে সেপ্টেম্বর ১৯২৪] * সহজ মানুষের সত্যটি সামাজিক মানুষের কুয়াশায় ঢেকে রেখে দেয়। অর্থাৎ আমরা নানা অবান্তর তথ্যের অস্বচ্ছতার মধ্যে বাস করি। শিশুর জীবনের যে সত্য তার সঙ্গে অবান্তরের মিশেল নেই। তাই, তার দিকে যখন চেয়ে দেখবার অবকাশ পাই তখন প্রাণলীলার প্রত্যক্ষ স্বরূপটি দেখি; তাতে সংস্কারভারে পীড়িত চিন্তাক্লিষ্ট মন গভীর তৃপ্তি পায়। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/পশ্চিম-যাত্রীর_ডায়ারি/১৪ই_ফেব্রুয়ারি_১৯২৫ পশ্চিম-যাত্রীর ডায়ারি - ১৪ই ফেব্রুয়ারি ১৯২৫] * সুন্দর আপনি সুন্দর এবং অন্যকে সুন্দর করে। কারণ, সৌন্দর্য্য হৃদয়ে প্রেম জাগ্রত করিয়া দেয় এবং প্রেমই মানুষকে সুন্দর করিয়া তোলে। ** সৌন্দর্য্য ও প্রেম * কবিদিগকে আর কিছুই করিতে হইবে না, তাঁহারা কেবল সৌন্দর্য্য ফুটাইতে থাকুন —জগতের সর্ব্ত্র যে সৌন্দর্য্য আছে তাহা তাঁহাদের হৃদয়ের আলোকে পরিস্ফুট ও উজ্জ্বল হইয়া আমাদের চোখে পড়িতে থাকুক, তবেই আমাদের প্রেম জাগিয়া উঠিবে, প্রেম বিশ্বব্যাপী হইয়া পড়িবে। ** কবিতা ও তত্ত্ব * জ্ঞানে প্রেমে অনেক প্রভেদ। জ্ঞানে আমাদের ক্ষমতা বাড়ে, প্রেমে আমাদের অধিকার বাড়ে। [[জ্ঞান]] শরীরের মত, প্রেম মনের মত। জ্ঞান কুস্তি করিয়া জয়ী হয়, প্রেম সৌন্দর্য্যের দ্বারা জয়ী হয়। জ্ঞানের দ্বারা জানা যায় মাত্র, প্রেমের দ্বারা পাওয়া যায়। জ্ঞানেতেই বৃদ্ধ করিয়া দেয়, প্রেমেতেই যৌবন জিয়াইয়া রাখে। জ্ঞানের অধিকার যাহার উপরে তাহা চঞ্চল, প্রেমের অধিকার যাহার উপরে তাহা ধ্রুব। জ্ঞানীর সুখ আত্মগৌরব-নামক ক্ষমতার সুখ, প্রেমিকের সুখ আত্মবিসর্জ্জন-নামক স্বাধীনতার সুখ। ** জ্ঞান ও প্রেম * পৃথিবীর চারি দিকে দেয়াল, সৌন্দর্য্য তাহার বাতায়ন। পৃথিবীর আর সকলই তাহাদের নিজ নিজ দেহ লইয়া আমাদের চোখের সম্মুখে আড়াল করিয়া দাঁড়ায়, সৌন্দর্য্য তাহা করে না —সৌন্দর্য্যের ভিতর দিয়া আমরা অনন্ত রঙ্গভূমি দেখিতে পাই। ** মর্ত্যের বাতায়ন * ছেলে যদি মানুষ করিতে চাই, তবে ছেলেবেলা হইতেই তাহাকে মানুষ করিতে আরম্ভ করিতে হইবে, নতুবা সে ছেলেই থাকিবে, মানুষ হইবে না। শিশুকাল হইতেই কেবল স্মরণশক্তির উপর সমস্ত ভর না দিয়া সঙ্গে সঙ্গে যথা পরিমাণে চিন্তাশক্তি ও কল্পনাশক্তির স্বাধীন পরিচালনার অবসর দিতে হইবে। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/সংকলন/শিক্ষার_হেরফের শিক্ষার হেরফের] * তোর আপন জনে ছাড়বে তোরে,<br>তা ব’লে ভাবনা করা চলবে না।<br>ও তোর আশালতা পড়বে ছিঁড়ে,<br>হয়তো রে ফল ফলবে না॥<br>আসবে পথে আঁধার নেমে, তাই ব’লেই কি রইবি থেমে—<br>ও তুই বারে বারে জ্বালবি বাতি,<br>হয়তো বাতি জ্বলবে না॥ ** [https://bn.wikisource.org/wiki/গীতবিতান/স্বদেশ/৪ গীতবিতান/স্বদেশ] * আগুনকে যে [[ভয়]] করে সে আগুনকে ব্যবহার করতে পারে না। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/চার_অধ্যায়/প্রথম_অধ্যায় চার অধ্যায়] * পৃথিবীতে সকলের চেয়ে বড়ো জিনিস আমরা যাহা কিছু পাই তাহা বিনামূল্যেই পাইয়া থাকি, তাহার জন্য দরদস্তুর করিতে হয় না। মূল্য চুকাইতে হয় না বলিয়াই জিনিসটা যে কত বড়ো তাহা আমরা সম্পূর্ণ বুঝিতেই পারি না। ** পরিচয়/ ভগিনী নিবেদিতা * "যে করে ধর্মের নামে বিদ্বেষ সঞ্চিত, ঈশ্বরকে অর্ঘ্য হতে সে করে বঞ্চিত।" ** স্ফুলিঙ্গ -২০৭ * সাত কোটি সন্তানেরে, হে মুগ্ধ জননী,<br>রেখেছ বাঙালি ক’রে, মানুষ কর নি। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/সঞ্চয়িতা/বঙ্গমাতা বঙ্গমাতা কবিতা] * যাহাদের স্বাভাবিক ভদ্রতা নাই তাহারা ভদ্র হইতে ইচ্ছা করিলে আনুষ্ঠানিক ভদ্রতার কিছু বাড়াবাড়ি করিয়া থাকে। ** সংগীত-চিন্তা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩ * অধিকার ছাড়িয়া দিয়া অধিকার রাখিতে যাইবার মতো এমন বিড়ম্বনা আর নাই। ** হৈমন্তী, গল্পগুচ্ছ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৫০ *এক দলকে বিশেষ পরিচয়কালে বলি বটে হিন্দুস্থানি, কিন্তু তাদের হিন্দুস্থান বাংলার বাইরে। **[https://bn.m.wikisource.org/wiki/%E০%A৬%AA%E০%A৬%BE%E০%A৬%A৪%E০%A৬%BE:%E০%A৬%B০%E০%A৬%AC%E০%A৭%৮০%E০%A৬%A৮%E০%A৭%৮D%E০%A৬%A৬%E০%A৭%৮D%E০%A৬%B০-%E০%A৬%B০%E০%A৬%৯A%E০%A৬%A৮%E০%A৬%BE%E০%A৬%AC%E০%A৬%B২%E০%A৭%৮০_(%E০%A৬%৯A%E০%A৬%A৪%E০%A৭%৮১%E০%A৬%B০%E০%A৭%৮D%E০%A৬%AC%E০%A৬%BF%E০%A৬%৮২%E০%A৬%B৬_%E০%A৬%৯৬%E০%A৬%A৩%E০%A৭%৮D%E০%A৬%A১)_-_%E০%A৬%AC%E০%A৬%BF%E০%A৬%B৬%E০%A৭%৮D%E০%A৬%AC%E০%A৬%AD%E০%A৬%BE%E০%A৬%B০%E০%A৬%A৪%E০%A৭%৮০.pdf/%E০%A৭%AA%E০%A৭%AB%E০%A৭%AB রবীন্দ্র-রচনাবলী (চতুর্বিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী, পৃষ্ঠা-৪৪৬] *ধর্ম আমাদের মেলাতে পারে নি, বরঞ্চ হাজারখানা বেড়া গড়ে তুলে সেই বাধাগুলোকে ইতিহাসের অতীত শাশ্বত বলে পাকা করে দিয়েছে। ইংরেজ নিজের জাতকে ইংরেজ বলেই পরিচয় দেয়। যদি বলত খৃস্টান তা হলে যে ইংরেজ বৌদ্ধ বা মুসলমান বা নাস্তিক তাকে নিয়ে রাষ্ট্রগঠনে মাথা ঠোকাঠুকি বেধে যেত। **[https://bn.m.wikisource.org/wiki/%E০%A৬%AA%E০%A৬%BE%E০%A৬%A৪%E০%A৬%BE:%E০%A৬%B০%E০%A৬%AC%E০%A৭%৮০%E০%A৬%A৮%E০%A৭%৮D%E০%A৬%A৬%E০%A৭%৮D%E০%A৬%B০-%E০%A৬%B০%E০%A৬%৯A%E০%A৬%A৮%E০%A৬%BE%E০%A৬%AC%E০%A৬%B২%E০%A৭%৮০_(%E০%A৬%৯A%E০%A৬%A৪%E০%A৭%৮১%E০%A৬%B০%E০%A৭%৮D%E০%A৬%AC%E০%A৬%BF%E০%A৬%৮২%E০%A৬%B৬_%E০%A৬%৯৬%E০%A৬%A৩%E০%A৭%৮D%E০%A৬%A১)_-_%E০%A৬%AC%E০%A৬%BF%E০%A৬%B৬%E০%A৭%৮D%E০%A৬%AC%E০%A৬%AD%E০%A৬%BE%E০%A৬%B০%E০%A৬%A৪%E০%A৭%৮০.pdf/%E০%A৭%AA%E০%A৭%AB%E০%A৭%AB রবীন্দ্র-রচনাবলী (চতুর্বিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী, পৃষ্ঠা-৪৪৬] * এ-পর্যন্ত দেখা গেছে, যে-রাজা প্রজাকে দাস করে রাখতে চেয়েছে সে-রাজার সর্বপ্রধান সহায় সেই ধর্ম যা মানুষকে অন্ধ করে রাখে। সে-ধর্ম বিষকন্যার মতো; আলিঙ্গন করে সে মুগ্ধ করে, মুগ্ধ করে সে মারে। শক্তিশেলের চেয়ে ভক্তিশেল গভীরতর মর্মে গিয়ে প্রবেশ করে, কেননা তার মার আরামের মার।... ধর্মমােহের চেয়ে [[নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিকতা]] অনেক ভালাে। ** "রাশিয়ার চিঠি"- [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], প্রকাশক:বিশ্বভারতী গ্রন্থালয়, প্রথম প্রকাশ: বৈশাখ ১৩৩৮, পৃষ্ঠা: [https://bn.m.wikisource.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE:%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A0%E0%A6%BF-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5_%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B0.pdf/%E0%A7%AC%E0%A7%AB ৫৩] - ৫৪ * ইহাতে কোনো সন্দেহমাত্র নাই যে, ধর্মের বিকারেই গ্রীস মরিয়াছে, ধর্মের বিকারেই রোম বিলুপ্ত হইয়াছে এবং আমাদের দুৰ্গতির কারণ আমাদের ধর্মের মধ্যে ছাড়া আর কোথাও নাই। ** "রবীন্দ্র-রচনাবলী (অষ্টাদশ খণ্ড)"-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক: বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল: ১৯৪৪, পৃষ্ঠা: [https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE:%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%80_(%E0%A6%85%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%B6_%E0%A6%96%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1)_-_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%80.pdf/%E0%A7%AA%E0%A7%A8%E0%A7%AB ৪১১] *ক্ষণিকের অতিথি স্বর্গ হইতে মর্ত্যে আসেন। কাঁদিয়ে দিয়ে চলে যান। এই যাওয়া-আসায় স্বর্গ-মর্ত্যের মিলন-পথ বিরহের ভিতর দিয়ে খুলে যায়। **শেষ বর্ষণ *অধিকার লাভের যে মর্যাদা আছে, সেই মর্যাদা রক্ষা করিতে হইলে অধিকার প্রয়োগকে সংযত করিতে হয় । **চোখের বালি—৫২ পরিচ্ছেদ *অন্যান্য অধিকার হইতে স্ত্রী-অধিকারের প্রভেদ এই যে স্ত্রীকে পাঁচজনের কাছ হইতে বিচ্ছিন্ন করিয়া একলা নিজের কাছে রাখিলেই যে সব সময় বেশী করিয়া পাওয়া যায় তাহা নহে। **মণিহারা (গল্পগুচ্ছ) *জীবের মধ্যে অনন্তকে অনুভব করারই অন্য নাম ভালোবাসা। প্রকৃতির মধ্যে অনুভব করার নাম সৌন্দর্য-সম্ভোগ। **মনুষ্য (পঞ্চভূত ) *বাইরের আলোর উপর ভরসা রাখাই অভ্যাস, তাই অন্ধকার হলেই একেবারে অন্ধকার দেখি। **মুক্তধারা *মনকে নিজের কাছে রাখিস নে। ভিতরে যে ঠাকুরটি আছেন তাঁরই পায়ের কাছে রেখে আয়, সেখানে অপমান পৌঁছোবে না। **মুক্তধারা *‘বোবার শত্রু নেই’ যে পুরুষ বলেছিল সে নিশ্চয় ছিল অবিবাহিত। **সংস্কার (গল্পগুচ্ছ) ===শিক্ষার বাহন=== * [[শিক্ষা|শিক্ষার]] জন্য আমরা আব্দার করিয়াছি, গরজ করি নাই। শিক্ষাবিস্তারে আমাদের গা নাই। তার মানে, শিক্ষার ভোজে নিজেরা বসিয়া যাইব, পাতের প্রসাদটুকু পর্যন্ত আর-কোনো ক্ষুধিত পায় বা না পায় সে দিকে খেয়ালই নাই। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/শিক্ষা/শিক্ষার_বাহন শিক্ষার বাহন] * বিদ্যাবিস্তারের কথাটাকে যখন ঠিকমত মন দিয়া দেখি তখন তার সর্বপ্রধান বাধাটা এই দেখিতে পাই যে তার বাহনটা ইংরেজি। বিদেশী মাল জাহাজে করিয়া শহরের ঘাট পর্যন্ত আসিয়া পৌঁছিতে পারে, কিন্তু সেই জাহাজটাতে করিয়াই দেশের হাটে হাটে আমদানি রফ্‌তানি করাইবার দুরাশা মিথ্যা। যদি বিলিতি জাহাজটাকেই কায়মনে আঁকড়াইয়া ধরিতে চাই তবে ব্যাবসা শহরেই আটকা পড়িয়া থাকিবে। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/শিক্ষা/শিক্ষার_বাহন শিক্ষার বাহন] * বাংলায় উচ্চ অঙ্গের শিক্ষাগ্রন্থ বাহির হইতেছে না এটা যদি আক্ষেপের বিষয় হয় তবে তার প্রতিকারের একমাত্র উপায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলায় উচ্চঅঙ্গের শিক্ষা প্রচলন করা। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/শিক্ষা/শিক্ষার_বাহন শিক্ষার বাহন] ==রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে উক্তি== * সারা পৃথিবীর গানের সুরকে আয়ত্ত করে নতুন সুর সৃষ্টি করলেন রবীন্দ্রনাথ। সেই সুরের আলপনাকে বাংলা গানে ছিটিয়ে দিলেন। হয়ে গেল এক অপূর্ব সৃষ্টি। সর্বযুগের, সর্বকালের সৃষ্টি। এতবড়ো সুরকার আজও জন্মায়নি কোন দেশে। এই বুড়ো পৃথিবীকে ইচ্ছে হয় জিজ্ঞাসা করি, বয়েস তো অনেক হল। রবীন্দ্রনাথের মতো এমন সর্বতোমুখী প্রতিভা আর দেখেছে একটা। **হেমন্ত মুখোপাধ্যায় - ''আনন্দধারা'', সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা; পৃষ্ঠা:৩৪ (২০১৯) * ব্রিটিশরা তাঁকে (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে) উগ্র জাতীয়তাবাদী হিসেবে বিবেচনা করে, যদিও তাঁর জাতীয়তাবাদ ছিল পুরোটাই সাংস্কৃতিক। তাছাড়া উচ্চ প্রশাসনিক পদে অধিক সংখ্যক ভারতীয়কে সুযোগ দেয়ার ব্যাপারে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের দাবী বিষয়ক কোনো ভূমিকাই তিনি রাখেননি। রবীন্দ্রের কাছে এসবই ছিল ব্রিটিশ শাসনের মতোই অচেনা, অজানা। তাঁর রাজনীতির ধারণা ছিল বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতির প্রসার। স্বভাববশতই, তিনি যখন একজন খ্যাতিমান অতিথি হিসেবে নিউ ইয়র্কের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যান, সেখানকার 'অতিথি বই'তে তিনি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) নিজের জাতীয়তা হিসেবে “ভারতীয়” পরিচয় না লিখে, লেখেন “'''[[বাঙালি জাতি|বাঙালী]]'''”। ** অধ্যাপক হিউ টিঙ্কার, ''Death of Rabindranath Tagore'' (১৯৮২), [https://www.historytoday.com/archive/rabindranath-tagore-and-indian-renaissance হিস্টরি টুডে, খণ্ড ৩২, ইস্যু: ৪ এপ্রিল ১৯৮২], পৃষ্ঠা: ৩৬ [http://media.bengalinessresearch.org/2021/07/death-of-rabindranath-tagore.html?m=1&fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTEAAR7UAhXR4fAyv21NfxcFHznqaSwk1SmPNZ2eeE1lq6CCnwnGam44nQ2e31U8SQ_aem_NYenInWDPTEk0LloHMC-CA] *রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কবিতা নিজে ইংরেজিতে অনুবাদ করে “গীতাঞ্জলি” বই বের করেছিলেন। বইটি জমা দিয়ে তিনি ১৯১৩ সালে পান নোবেল পুরস্কার। তাঁর পরে বাংলা সাহিত্যের আর কেউ এ ধরনের বড় কাজ করতে পারেননি। ** [[সেলিনা হোসেন]]- [https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/vpv৩২৫c৯ld প্রথম আলো-এ উদ্ধৃত] * সাধারণত বয়সের সঙ্গে-সঙ্গে লোকের রক্ষণশীলতাও বাড়ে, কিন্তু রবীন্দ্রনাথের বেলায় হয়েছে ঠিক উল্টো; যত বয়স বেড়েছে ততই তিনি মুক্ত হয়েছেন। যা সাময়িক, যা প্রথাগত, যা দেশ-কালে আপেক্ষিক, যা লোকাচারের সংস্কার কিংবা ব্যবহারিক বিধি মাত্র, সে সমস্তের উর্ধ্বে গেছে তাঁর দৃষ্টি। নীতির চেয়ে সত্যকে বড়ো করে দেখেছেন, রীতির চেয়ে জীবনকে। ** [[বুদ্ধদেব বসু]]। "সব পেয়েছির দেশে", প্রকাশক: সপ্তর্ষি, প্রথম প্রকাশ: আগস্ট ১৯৪১, [https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.267258/page/n103/mode/1up?view=theater&q=%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%95 পৃষ্ঠা: ১০৩] * কবির ভুল ধারণার প্রতিবাদ করিয়া উপযুক্ত কারণ দেখাইলেই কবি তাঁহার ভুল সংশোধন করিয়া লইতেন। কবির মনে একদেশদর্শী হিন্দুত্বের স্থান ছিল না। মুসলমানদের মধ্যে যাঁহারা স্বাধীন মতবাদ লইয়া ধর্ম ও সমাজ-ব্যবস্থার সমালোচনা করিতেন, তাঁহাদের প্রতি কবির মনে প্রগাঢ় অনুরাগ ছিল। ** [[জসীম উদ্‌দীন]]। "ঠাকুর-বাড়ির আঙিনায়", প্রকাশক: গ্রন্থপ্রকাশ, কলকাতা, [https://share.google/QzodDAT07Rk23JRrC পৃষ্ঠা: ২৮] *সমস্ত রাত্রি বৃষ্টি পড়তে লাগিল; তাহার পরদিন সকালেও বৃষ্টি পড়িতেছে, মধ্যাহ্নেও বৃষ্টির বিরাম নাই। কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল, সে মরে নাই। **-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,জীবিত ও মৃত (পঞ্চম পরিচ্ছেদ), গল্পগুচ্ছ,পৃষ্ঠা ৬৫ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Rabindranath Tagore}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৬১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:কলকাতার ব্যক্তি ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের প্রাবন্ধিক]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের চিত্রশিল্পী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সঙ্গীতজ্ঞ]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] 6oeea8y2cx5fiszaqf4kg8ftt3pobkz সাদ্দাম হুসাইন 0 3877 83507 83471 2026-05-08T05:07:32Z Oindrojalik Watch 4169 পরিষ্কারকরণ 83507 wikitext text/x-wiki [[File:Iraq, Saddam Hussein (222).jpg|thumb|আল্লাহর ইচ্ছা যাই হোক না কেন, আল্লাহর ইচ্ছাই থাকবে। কিছুই আল্লাহর ইচ্ছা পরিবর্তন করতে যাচ্ছে না, মুমিনরা এখনও বিশ্বাস করেন যে আল্লাহ যা সিদ্ধান্ত নেন তা গ্রহণযোগ্য।]] '''[[w:সাদ্দাম হুসাইন|সাদ্দাম হোসেন আবদুল মাজিদ আল তিকরিতি]]''' (২৮ এপ্রিল ১৯৩৭- ৩০ ডিসেম্বর ২০০৬) ছিলেন [[ইরাক|ইরাকের]] সাবেক রাষ্ট্রপতি। তিনি ১৬ জুলাই ১৯৭৯ থেকে ৯ এপ্রিল ২০০৩ সাল পর্যন্ত ইরাকের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। প্রথমে সাদ্দাম হোসেন জেনারেল আহমেদ হাসান আল বকরের উপ-রাষ্ট্রপতি ছিলেন। সেই সময় সাদ্দাম দৃঢ় ভাবে সরকার ও সামরিক বাহিনীর মধ্যকার বিরোধের অবসান ঘটান। এই উদ্দেশ্যে তিনি নিরাপত্তা বাহিনী গঠন করেন। ইরাকের রাষ্ট্রপতি ও বাথ পার্টির প্রধান হিসেবে সাদ্দাম হোসেন আরব জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে ধর্ম নিরপেক্ষ ও আধুনিক [[ইরাক]] গড়ে তুলতে প্রয়াস নেন। সাদ্দাম এক দলীয় শাসন কায়েম করেন। এসময়ই সাদ্দাম ইরানের সাথে ৯ বছরের যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন (১৯৮০-১৯৮৮)। ==উক্তি== * ঐতিহ্যগতভাবে [[মার্কসবাদ]] নিপীড়িতদের আকর্ষণ করে। যাইহোক, আরব জাতির ক্ষেত্রে এটি সত্যি নয়... আরব ইতিহাসে [[সমাজতন্ত্র|সমাজতান্ত্রিক]] কার্যক্রম সর্বদা গরীবদের কাছ থেকে আসেনি, বরং এমন মানুষদেএ কাছ থেকে এসেছে যারা কোন নিপীড়ন কি তা জানত না এবং তারা দরিদ্রদের নেতা হয়েছিলেন। আরব জাতি কখনোই অন্যান্য জাতির মত শ্রেণী-সচেতন ছিল না। ** ইফ্রাইম কার্শ ও ইনারি রাতুসি, ''সাদ্দাম হুসেইন: অ্যা পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি'' (২০০২) * আমাদের [[শিশু|সন্তানদের]] বিদেশী সমস্ত কিছু থেকে সতর্ক থাকতে ও বিদেশীদের কাছে কোনও রাষ্ট্র বা দলীয় গোপনীয়তা প্রকাশ না করতে শেখানো উচিত... কারণ বিদেশীরা তাদের দেশের কাছে চোখের মণি, এবং তাদের কেউ কেউ [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদের]] হাতের প্রতিবিপ্লবীয় যন্ত্র। ** ''আল-দিমুকরতিয়্যা মাসদার কুউওয়া লি আল-ফরদ ওয়া আল-মুজতামা'', ১৯৭৭, ইফ্রাইম কার্শ ও ইনারি রাতুসি, ''সাদ্দাম হুসেইন: অ্যা পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি'' (২০০২) * [[বিবাহ]] সম্পর্কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল যে একজন [[পুরুষ]] যেন যেন এই কারণে [[নারী]]কে হতাশ বোধ না করায় যে সে একজন নারী ও তিনি একজন পুরুষ। **১৯৭৮-এর আল-মার'আ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত যা জেন গুডউইন প্রকাশিত ''প্রাইস অফ অনার'' (২০০২)-এ উদ্ধৃত * আমি জানি যে অনেক লোক আমাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করছে এবং এটি অনুধাবন করাটা কঠিন নয়। সর্বোপরি, আমরা কি আমাদের পূর্বসূরিদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতা দখল করিনি? যাইহোক, আমি তাদের চেয়ে অনেক বেশি চালাক। তারা আসলে এটা করার পরিকল্পনা শুরু করার অনেক আগেই আমি জানি যে তারা আমাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করছে। তারা আমাকে আঘাত করার সবচেয়ে কম সুযোগ পাওয়ার আগেই এটি আমাকে তাদেরকে ধরতে সক্ষম করে। ** [[গ্রীষ্ম]] ১৯৭৯, ইফ্রাইম কার্শ ও ইনারি রাতুসি, ''সাদ্দাম হুসেইন: অ্যা পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি'' (২০০২) * অতীতে, স্বৈরাচার ও অজ্ঞতার যুগে যে শৃঙ্খল তাদের আটকে রেখেছিল তা থেকে মহিলাদের সম্পূর্ণ [[মুক্তি]] দেওয়া [[w:আরব সমাজবাদী বা'আথ পার্টি|পার্টি]] ও বিপ্লবের মূল লক্ষ্য। নারীরা সমাজের অর্ধাঙ্গিনী। আমাদের সমাজ পশ্চাৎপদ ও শিকলবন্দী হয়ে থাকবে যতক্ষণ না এর নারীরা মুক্ত, আলোকিত ও শিক্ষিত হবে। **"[http://en.wikisource.org/wiki/Women_-_One_half_of_our_society উইমেন: ওয়ান হাফ অফ আওয়ার সোসাইটি]" (১৯৮১) * তোমরা আমেরিকানরা, একজন ইরাকি [[কৃষক]] তার নববধূর সাথে যেভাবে আচরণ করে সেভাবে তৃতীয় বিশ্বের সাথে এমন আচরণ করো। তিনদিনের মধুচন্দ্রিমা, তারপর ক্ষেতে যাওয়া। ** মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে (১৯৮৫), যা চার্লস জ্যাকো রচিত ''দ্য কমপ্লিট ইডিয়ট'স গাইড টু দ্য গালফ ওয়্যার'' (২০০২), পৃ. ২৩-এ উদ্ধৃত *[[ফিলিস্তিন]] হল আরব ও এটি নদী থেকে সমুদ্র পর্যন্ত মুক্ত হতে হবে এবং ফিলিস্তিনের ভূমিতে অভিবাসিত সমস্ত [[জায়নবাদ|জায়নবাদী]]দের অবশ্যই চলে যেতে হবে। **ইরাকি টেলিভিশনে, ৩০ মে, ২০০১; উদ্ধৃত: রবার্ট উইস্ট্রিচ, ''মুসলিম অ্যান্টি-সেমিটিজম: অ্যা ক্লিয়ার অ্যান্ড প্রেজেন্ট ডেঞ্জার'' (২০০২), পৃ. ৪৩ * '''ইরাক এখন একটি মহান জাতি, যেমনটি কখনও কখনও [[ইতিহাস]] জুড়ে হয়েছে। একটি [[জাতি]] সাধারণত "শীর্ষে যায়" শুধুমাত্র একবার। ইরাক অবশ্য ইসলামের আগে ও পরে বহুবার গিয়েছে। ইরাক বিশ্বের একমাত্র এই জাতীয় জাতি। এই "উপহার" ইরাকি জনগণকে আল্লাহ দিয়েছেন। ইরাকি জনগণের পতন হলে তারা আবার জেগে ওঠে।''' **এফবিআই উর্ধ্বতন বিশেষ এজেন্ট জর্জ এল. পিরোর সাথে সাক্ষাৎকারে (৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৪); ন্যাশনাল সিকিউরিটি আর্কাইভ ইলেকট্রনিক ব্রিফিং বুক নং. ২৭৯ *ইরাক দীর্ঘজীবী হোক! ইরাকি জনগণ দীর্ঘজীবী হোক! বিশ্বাসঘাতকদের পতন হোক! **[http://news.bbc.co.uk/1/hi/world/middle_east/6117910.stm ডেথ পেনাল্টি ফর সাদ্দাম হুসেইন] (বিবিসি সংবাদ অনলাইন) **মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায়, ৫ নভেম্বর, ২০০৬ *আমি আপনাদের ঘৃণা না করার আহ্বান জানাই, কারণ ঘৃণা একজন ব্যক্তির ন্যায্য হওয়ার জন্য স্থান ছেড়ে দেয় না এবং এটি আপনাকে অন্ধ করে তোলে ও চিন্তা করার জন্য সমস্ত দরজা বন্ধ করে দেয়। **[http://www.msnbc.msn.com/id/16368242/ সাদ্দাম হুসেইন ফেয়ারওয়েল লেটার] (এমএসএনবিসি অনলাইন) **ইরাকি জনগণকে লেখা একটি বিদায়ী চিঠিতে বিবৃতি, ৫ নভেম্বর, ২০০৬-এ লিখিত, যা ২৭ ডিসেম্বর, ২০০৬-এ প্রকাশিত হয় ==আরোপিত== * হুসেন বলেছিলেন যে লোকজন এখন তার সম্পর্কে কী বলে বা ভাবছে তা কেবল গুরুত্বপূর্ণ নয় বরং তারা এখন থেকে ভবিষ্যতে ৫০০ বা ১০০০ বছর পরে কী ভাবছে। যাইহোক, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আল্লাহ কি মনে করেন। আল্লাহ যদি কিছু বিশ্বাস করেন, তিনি মানুষকে রাজি করাবেন। আল্লাহ রাজি না হলে মানুষ কি ভাবছে তাতে কিছু যায় আসে না। **এফবিআই উর্ধ্বতন বিশেষ এজেন্ট জর্জ এল. পিরোর সাথে সাক্ষাৎকারে (৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৪); ন্যাশনাল সিকিউরিটি আর্কাইভ ইলেকট্রনিক ব্রিফিং বুক নং. ২৭৯ [http://www.gwu.edu/~nsarchiv/NSAEBB/NSAEBB279/index.htm] * এসএসএ পিরো হুসেনকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন কেন ইরাকই একমাত্র দেশ হিসেবে ৯/১১ হামলার প্রশংসা করেছিল, যা হুসেন অবিলম্বে অস্বীকার করেছিলেন.... হুসেন বলেছিলেন যে তিনি আক্রমণের বিরুদ্ধে সম্পাদকীয় লিখেছেন, কিন্তু সেসব কারণের কথাও বলেছেন যেগুলো মানুষদের এই কাজগুলো করতে পরিচালিত করেছিল। নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করার জন্য এমন ঘৃণা সৃষ্টি করতে পারে এমন কারণটি কখনই পর্যালোচনা করা হয়নি। **এফবিআই উর্ধ্বতন বিশেষ এজেন্ট জর্জ এল. পিরোর সাথে আলাপচারিতায় (২৮ জুন ২০০৪); ন্যাশনাল সিকিউরিটি আর্কাইভ ইলেকট্রনিক ব্রিফিং বুক নং. ২৭৯ [http://www.gwu.edu/~nsarchiv/NSAEBB/NSAEBB279/index.htm] *"তবুও, আমি বিশ্বাস করি যে আরব জাতির প্রশ্ন করার অধিকার আছে: উনত্রিশ ক্ষেপণাস্ত্র? কে চল্লিশতম ক্ষেপনাস্ত্রটি ছুঁড়বে?" **''ডেলিভারি সিস্টেমস'' (২২ এপ্রিল ২০০৭) সিআইএ [https://www.cia.gov/library/reports/general-reports-1/iraq_wmd_2004/chap3.html] * রাষ্ট্রপতি সাদ্দাম, তিনি সর্বদা আমেরিকা সম্পর্কে ভাবেন, "তারা বোকা। তারা এই পৃথিবীতে কিছুই বোঝে না। তারা কখনও ভ্রমণ করে না। তারা এলাকার বাইরে কিছু জানে না। শুধু তাদের রাষ্ট্রপতি যা বলে তারা তাই বিশ্বাস করে। তারাই একনায়কতান্ত্রিক, আমরা নই।" এবং [[জর্জ হারবার্ট ওয়াকার বুশ|বাবা জর্জ বুশ]] সম্পর্কে, তিনি সবসময় তাকে বোকা বলতেন। **লতিফ ইয়াহিয়া, ডাবল ফর উদয় সাদ্দাম হুসেইন, ''আই নিউ... সাদ্দাম'' (৩১ জুলাই ২০০৭) আল জাজিরা ইংরেজি ==তার সম্পর্কে== *সাদ্দামের দোষ হলো, ইরাকি সম্পদের তার অপব্যবহার, অথবা আমরা যে ওষুধ বা খাদ্য সরবরাহ নিষেধ করছি না তা ব্যাখ্যা করার জন্য সামান্য প্রচেষ্টা করা হয়েছিল। আমি উত্তেজিত ছিলাম যে আমাদের [[টেলিভিশন|টিভি]] ইরাকি অপপ্রচারের পরিমাণ দেখাচ্ছে...আমি অবশ্যই পাগল ছিলাম; এটিকে পুনর্বিন্যাস করে ও এর পিছনের ভিত্তির অন্তর্নিহিত ত্রুটিগুলো নির্দেশ করে আমার প্রশ্নটির উত্তর দেওয়া উচিত ছিল। সাদ্দাম হোসেন তার বাধ্যবাধকতা পূরণের মাধ্যমে যে কোনো [[শিশু]]কে কষ্ট থেকে বিরত রাখতে পারতেন। পরিবর্তে, আমি নিম্নলিখিত কথাগুলো বলেছিলাম: 'আমি মনে করি এটি একটি খুব কঠিন বাছাই, কিন্তু এর মূল্য, আমরা মনে করি, মূল্য হিসেবে এটি উপযুক্ত।' আমি কথা বলার সাথে সাথে, আমি সময়কে স্থির করার এবং সেই শব্দগুলো ফিরিয়ে নেওয়ার শক্তি কামনা করছিলাম। আমার উত্তর ছিল একটি ভয়ানক ভুল, তাড়াহুড়ো, আনাড়ি ও ভুল। নিরপরাধ মানুষের জীবনের চেয়ে আর কিছুই গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমি একটি ফাঁদে পড়েছিলাম এবং এমন কিছু বলেছিলাম যা আমি বলতে চাইনি। এটা আমার নিজের দোষ কারোর নয়। **ম্যাডেলিন অলব্রাইট, ম্যাডাম সচিব স্টাহলের সাক্ষাৎকার মন্তব্য (২০০৩), পৃ. ২৭৪-২৭৫ *আমি আমাদের নতুন নাগরিকদের, আমরা ভিতরে আসার আগে অন্য কক্ষে বলছিলাম, যা আমার সবচেয়ে একটি... আমি জানি না কিভাবে এটা বলব... পরিপূর্ণ মুহূর্ত ছিল, [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপরাষ্ট্রপতি|উপরাষ্ট্রপতি]] হিসেবে, যখন আমি সাদ্দাম হোসেনের ভয়ঙ্কর, ভৈতিক প্রাসাদে গিয়েছিলাম। এবং, আমার মনে হয়, সেই প্রাসাদে ১৬৭ জন পুরুষ ও নারী ইউনিফর্মে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আমার স্ত্রী হিসেবে যিনি... আমি মনে করি, আমি এই বিষয়ে নিশ্চিত নই... হতে পারে একমাত্র [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি|ফার্স্ট লেডি]] বা [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেকেন্ড লেডি|সেকেন্ড লেডি]] যিনি যুদ্ধক্ষেত্রে যেতে পারেন... একটি সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্র। তিনি আমার সাথে ছিলেন, এবং আমরা উভয়েই সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম যেন আমি সেই সামরিক কর্মকর্তাদের প্রত্যেককে [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব|মার্কিন নাগরিক]] হিসেবে শপথ পাঠ করাতে পারি। এবং আমি মনে মনে ভাবলাম... আমি মনে মনে ভাবলাম, "সাদ্দাম যে সব জিনিসে বিশ্বাস করেননি তার জন্য কী অবিশ্বাস্য ন্যায্যতা।" এবং তারা দাঁড়িয়েছিল... এবং সেখানে অনেক সংখ্যক ছিল যারা সিলভার স্টার জিতেছিল... না... আপনাদের মত, নাগরিক নয়... যখন আপনারা যোগদান করেন... তারা জিতেছিলেন [[w:সিলভার স্টার|সিলভার স্টার]], [[w:ব্রোঞ্জ স্টার|ব্রোঞ্জ স্টার]], [[w:স্পষ্ট পরিষেবা পদক|স্পষ্ট পরিষেবা পদক]], [[w:পার্পল হার্টস|পার্পল হার্টস]]। এবং আমি তাদের একটি স্বৈরশাসকের প্রাসাদে শপথ নিতে পেরেছিলাম। **[[জো বাইডেন]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/remarks-naturalization-ceremony-with-essential-workers-and-military-service-members অপরিহার্য কর্মী ও সামরিক পরিষেবা সদস্যদের সাথে একটি প্রাকৃতিকীকরণ অনুষ্ঠানে মন্তব্য], (২ জুলাই ২০২১) * যা আমাকে অবাক করে তা হল সাদ্দামকে রাখার জন্য কতজন ইচ্ছুক। তারা জিজ্ঞাসা করে কেন আমরা [[রবার্ট মুগাবে|মুগাবেকে]] থেকে সরিয়ে দিচ্ছি না, কেন [[মিয়ানমার|বর্মীদেরও]] নয়। হ্যাঁ, আসুন তাদের সবাইকে সরিয়ে দেই। আমি অপারগ বলে করছিনা, কিন্তু আপনি যখন পারবেন তখন করা উচিত। **[[টনি ব্লেয়ার]], মাইকেল ইগনাটিফ দ্বারা উদ্ধৃত, "হোয়াই আর উই ইন ইরাক? (ইন লাইবেরিয়া? অ্যান্ড আফগানিস্তান?)", নিউ ইয়র্ক টাইমস, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ * আমরা পুনরায় আসা একজন [[হিটলার]], একটি সর্বগ্রাসীবাদ এবং একটি নৃশংসতার সাথে মোকাবিলা করছি যা আধুনিক সময়ে নগ্ন ও নজিরবিহীন, এবং এটি সহ্য করা উচিত নয়! **জর্জ হারবার্ট ওয়াকার বুশ (২৩ অক্টোবর ১৯৯০), মার্ক ক্রিস্পিন মিলার রচিত ''দ্য বুশ দিসলেক্সিকন'' (২০০২) *আমি সাদ্দাম হোসেনকে ঘৃণা করতাম, কারণ তিনি ইরানে হামলা করেছিলেন যখন আমার জিম্মি করা হয়েছিল। আমি পদত্যাগ করার পর রাষ্ট্রপতি রেগন ছিলেন সেই ব্যক্তি যিনি [[w:ইরাক–মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক#ইরান-ইরাক যুদ্ধ এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রবর্তন|সাদ্দাম হোসেনের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক]] স্থাপন করেছিলেন। ** [[জিমি কার্টার]] (১০ সেপ্টেম্বর ২০০৭), ''[[w:ডেমোক্রেসি নাউ!|ডেমোক্রেসি নাউ!]]''-এর সাথে সাক্ষাৎকারে, [http://www.cartercenter.org/peace/human_rights/defenders/news/democ_now0910.html] *''Vous êtes mon ami personnel. Vous êtes assuré de mon estime, de ma considération et de mon affection.'' **অনুবাদ: আপনি আমার ব্যক্তিগত বন্ধু। আমাকে আমার সম্মান, বিবেচনা ও বন্ধন আপনাকে আশ্বস্ত করা যাক। **ফরাসি রাষ্ট্রপতি [[জাক শিরাক]], ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪-এর একটি ঘোষণায়। **সূত্র: Aeschimann, Éric & Boltanski, Christophe (2006). ''Chirac d'Arabie : Les mirages d'une politique française'' (in French), Grasset & Fasquelle, pp.&nbsp;64, {{আইএসবিএন|2246691214}} * এটা এমন নয় যে কেউ চিন্তিত যে কিছু ভয়ানক ভুল গণনার মাধ্যমে আমরা ভুল করে ইরাকি [[আব্রাহাম লিংকন]]কে সরিয়ে দিতে পারি। **অ্যান কুল্টার, ''[[w:হাউ টু টক টু অ্যা লিবারেল ইফ ইউ মাস্ট|হাউ টু টক টু অ্যা লিবারেল ইফ ইউ মাস্ট]]'', ২০০৪ *এই লোকজন, আমাকে মনে করিয়ে দেয় যখন সাদ্দাম [[কুয়েত]] আক্রমণ করেছিলেন এবং রাষ্ট্রপতি বুশ বলেছিলেন 'আমি আপনাকে সতর্ক করছি, আমি আপনাকে সতর্ক করছি, আমি আপনাকে সতর্ক করছি, আমি আপনাকে এটা না করতে সতর্ক করছি। বেশ জনতা, যদি আপনারা ভাবেন মার্কিন রাজনীতি নোংরা, তোমরা তো এইমাত্র কুয়েতে আক্রমণ করেছ। **রব ফোর্ড, [https://www.ctvnews.ca/canada/he-said-what-quotes-from-toronto-mayor-rob-ford-this-week-1.1549474#ixzz2l7Nq3YQ9 কুয়েত আক্রমণকারী সাদ্দাম হোসেনের সাথে শহর পরিষদের ভোটের তুলনা করা যা তাকে আরও ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছিল] (১৮ নভেম্বর ২০১৩) * আমি তার কাছে এই বার্তা পেতে সক্ষম হয়েছিলাম যে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে, অবশেষে তাকে বলেছিলাম যে, "আপনিই [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ|বুশ]] ও [[টনি ব্লেয়ার|ব্লেয়ারের]] খেলার তুরুপের তাস।" তিনি বললেন, আমি তুরুপের তাস? আমি বললাম, "হ্যাঁ, আপনিই তুরুপের তাস, কারণ বুশ ও ব্লেয়ারের ইরাক আক্রমণ করার কোনো কারণ নেই৷ সমস্ত দাবি ছিল ইরাকের বিরুদ্ধে - পারমাণবিক, আল-কায়েদার সাথে যোগসূত্র - এই সমস্ত জিনিস আসলে অদৃশ্য হয়ে গেছে, প্রমাণিত হয়েছে যে তাদের অস্তিত্ব নেই। কিন্তু তাদের কাছে আপনি আছেন। আপনিই সে যাকে নিয়ে তারা দাবি করবে, 'আমরা স্বৈরশাসককে সরিয়ে দিয়েছি।' আপনি কি মনে করেন অপসারিত স্বৈরশাসকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হবে নাকি মুক্তি হবে? তিনি বললেন, বুঝলাম। **নাজিব আল-নুয়াইমি, ইরাকি বিশেষ ট্রাইব্যুনালের সামনে সাদ্দামের অ্যাটর্নি, ''আই নিউ... সাদ্দাম'' (৩১ জুলাই ২০০৭) আল জাজিরা ইংরেজি *দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সেগুলোর খোঁজ মেলেনি। প্রশ্ন হলো, সাদ্দাম হোসেন কোথায়? কোথায় ছিল সেই গণবিধ্বংসী অস্ত্র, যদি সেগুলো থাকত? সাদ্দাম হোসেন কি একটি বাঙ্কারে গণবিধ্বংসী অস্ত্রের কেস নিয়ে বসে পুরো জায়গাটি উড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন? **[[ভ্লাদিমির পুতিন]], ইরাকের গণবিধ্বংসী অস্ত্র নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে (১ মে, ২০০৩) *[[ওসামা বিন লাদেন]] ও [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ|জর্জ বুশ]] উভয়েই সন্ত্রাসী ছিলেন। তারা উভয়েই আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক তৈরি করছিল যা ভীতি চালায় ও মানুষের জীবন ধ্বংস করে। পেন্টাগন, ডব্লিউটিও, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সাথে বুশ। আল-কায়েদার সঙ্গে বিন লাদেন। পার্থক্য হল যে কেউ বিন লাদেনকে নির্বাচিত করেনি... মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাদ্দাম হোসেনকে সমর্থন করেছিল ও নিশ্চিত করেছিল যে তিনি সেই সমস্ত বছর যেন লোহার মুষ্টি দিয়ে শাসন করেন। তারপর তারা সুশীল সমাজের পিঠ ভাঙতে নিষেধাজ্ঞা ব্যবহার করে। তারপর তারা ইরাককে নিরস্ত্র করে। তারপর তারা [[ইরাক যুদ্ধ|ইরাক আক্রমণ]] করে। এবং এখন তারা এর সমস্ত সম্পদ দখল করেছে। **[[অরুন্ধতী রায়]], ''দ্য শেপ অফ দ্য বিস্ট: কনভার্সেশনস উইথ অরুন্ধতী রায়'' (২০০৮) * সাদ্দাম আমাদের অনেক কিছু দিয়েছেন। [[ইরাক|দেশের]] উন্নয়ন... কিন্তু আমি মনে করি এর মধ্যে তিনি আমাদের কাছ থেকে যা কেড়ে নিয়েছিলেন, তা ছিল আমাদের আত্মা। আমরা এমন এক পর্যায়ে চলে গিয়েছিলাম যেখানে আমরা একে অপরকে [[ভয়]] পেতাম, যেখানে [[স্বামী]] ও [[স্ত্রী]] একে অপরের সাথে কথা বলতেন না, যেখানে পিতামাতা তাদের বাচ্চাদের সামনে কিছু প্রকাশ করতে ভয় পেতেন কারণ শিক্ষকরা প্রায়ই বাচ্চাদের জিজ্ঞাসা করতেন, 'তোমার বাবা চাচা সাদ্দামের সম্পর্কে কি ভাবেন? চাচা সাদ্দাম সম্পর্কে তোমার মা কি মনে করেন? এবং সন্তানের কারণে পিতামাতার মৃত্যুদণ্ড হওয়ার ভয়ঙ্কর গল্প রয়েছে। ** জয়নব সালবি, '''[[:w:সাদ্দাম হোসেনের ইরাকে মানবাধিকার|সাদ্দাম হোসেনের ইরাকে মানবাধিকার]]''' সম্পর্কে, ''[https://www.aljazeera.com/programmes/general/2008/02/2008525183923377591.html আই নিউ সাদ্দাম]'' (২০০৭), '''''[[:w:আল জাজিরা ইংরেজি|আল জাজিরা ইংরেজি]]''''' *সাদ্দাম ছিলেন বহিরাগতদের সৃষ্টি। তিনি আন্তর্জাতিক শক্তি দ্বারা তৈরি হয়েছিলেন, যাকে শক্তিশালী করে রাখা হয়েছিল। সে গাছের উপরে চড়া মানুষের মত ও গাছ কাটা হবে: সে নিচে পড়ে যাবে। যারা আগে সাদ্দামকে সমর্থন করে সারা বিশ্বের মুখোমুখি হয়েছিল তাদের ভালোবাসা দিতে একটি নতুন ফ্রন্ট গঠন ইরাকি জনগণকে সংগ্রামকে তীব্রতর করতে অনুপ্রাণিত করবে। ** জালাল তালাবানি, [[w:ইরাকি বিরোধিতা (প্রাক ২০০৩)|ইরাকি বিরোধী]] নেতাদের উপর [[w:প্যাট্রিয়টিক ইউনিয়ন অফ কুর্দিস্তান|প্যাট্রিয়টিক ইউনিয়ন অফ কুর্দিস্তান]] (পিকেইউ)-এর তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেওয়া উদ্ধৃতি — তৃতীয় জর্জ ডি. মফেট দ্বারা প্রকাশিত (২০ সেপ্টেম্বর ১৯৯০) "Iraqi Exiles Make a Try at Unity - Saddam's isolation spurs varied opponents to shelve differences and plot his overthrow", ''ক্রিশ্চিয়ান সাইন্স মনিটর'', পৃ. ৪ *সাদ্দাম হোসেন একজন খারাপ লোক ছিলেন। তাই না? সে একজন খারাপ লোক ছিল, সত্যিই খারাপ লোক। কিন্তু তিনি কি ভালো কাজ করেছেন জানেন? তিনি সন্ত্রাসীদের হত্যা করেছেন। তিনি এটা খুব ভালো করেছেন। তারা তাদের অধিকার পড়ে শোনায়নি... তারা কথা বলেনি, তারা সন্ত্রাসী ছিল, শেষ হয়ে গেছে। **[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.washingtonpost.com/news/post-politics/wp/2016/07/05/donald-trump-praises-saddam-hussein-for-killing-terrorists-so-good/ "Donald Trump praises Saddam Hussein for killing terrorists 'so good'"], ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (৫ জুলাই ২০১৬) ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংবাদ|সাদ্দাম হুসাইন}} {{কমন্স|Saddam Hussein}} [[বিষয়শ্রেণী:রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০০৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্যক্তি যার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে]] [[বিষয়শ্রেণী:রাষ্ট্রপ্রধান]] [[বিষয়শ্রেণী:ইরাকের মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:ইরাকের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইরাকি অপরাধী]] [[বিষয়শ্রেণী:আরব জাতীয়তাবাদী]] ksx1cloo9rsr9c5tnkq2bqpdlvg7vie রবীন্দ্রনাথ ও ইসলাম 0 11483 83497 72116 2026-05-07T16:34:41Z ফারদিন 52 উক্তি যোগ 83497 wikitext text/x-wiki '''[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]''' (৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১) ছিলেন একজন বাঙালি কবি, লেখক, নাট্যকার, সুরকার ও দার্শনিক, যিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তার সাহিত্যকর্মে ধর্ম, সমাজ ও মানুষের বহুমাত্রিক পরিচয় নানা প্রেক্ষাপটে উঠে এসেছে। ইসলাম ও মুসলমানদের সম্পর্কেও তিনি বিভিন্ন সময়ে মত প্রকাশ করেছেন, যা তার গল্প, প্রবন্ধ, চিঠিপত্র ও আলাপচারিতায় প্রতিফলিত হয়েছে। ‘‘কালান্তর’’ প্রবন্ধ গ্রন্থে হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক নিয়ে তার ভাবনা, ‘‘মুসলমান ছাত্রের বাংলা শিক্ষা’’ প্রবন্ধে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তার মন্তব্য, কিংবা ‘‘আবদুল মাঝির গল্প’’, ‘‘কাবুলিওয়ালা’’ এবং তার জীবনের শেষ গল্প ‘‘মুসলমানীর গল্প’’— এসব লেখায় ইসলাম ও মুসলমানদের প্রসঙ্গ বিভিন্নভাবে উঠে এসেছে। == রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি == * ইসলাম পৃথিবীর মহত্তম ধর্মের মধ্যে একটি। এই কারণে তার অনুবর্তিগণের দায়িত্ব অসীম, যেহেতু আপন জীবনে এই ধর্মের মহত্ত্ব সম্বন্ধে তাঁদের সাক্ষ্য দিতে হবে। ভারতে যে-সকল বিভিন্ন ধর্মসমাজ আছে, তাদের পরস্পরের প্রতি সভ্যজাতিযোগ্য মনোভাব যদি উদ্ভাবিত করতে হয়, তাহলে কেবলমাত্র রাষ্ট্রিক স্বার্থবুদ্ধি দ্বারা তা সম্ভব হবে না, আমাদের নির্ভর করতে হবে সেই অনুপ্রেরণার প্রতি, যা ঈশ্বরের প্রিয়পাত্র ও মানবের বন্ধু সত্যদূতদের অমর জীবন থেকে চির-উৎসারিত। আজকের এই পুণ্য অনুষ্ঠান উপলক্ষে মুসলিম ভাইদের সঙ্গে একযোগে ইসলামের মহাঋষির উদ্দেশ্যে আমার ভক্তি উপহার অর্পণ করে উৎপীড়িত ভারতবর্ষের জন্য তাঁর আশীর্বাদ ও সান্ত্বনা কামনা করি। ** হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর জন্মদিন উপলক্ষে ১৯৩৪ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বাণী। বাণীটি ১৯৩৪ সালের ২৫ জুন বেতারে সম্প্রচারিত হয়। *** "ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ/ অন্যান্য প্রসঙ্গ"-অমিতাভ চৌধুরী, প্রকাশক: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ, প্রথম প্রকাশ: মাঘ ১৪০০, পৃষ্ঠা: ৩ * জগতে যে সামান্য কয়েকটি মহান ধর্ম আছে, [[ইসলাম]] ধর্ম তাদেরই অন্যতম। মহান এই ধর্মমতের অনুগামীদের দায়িত্বও তাই বিপুল। ইসলামপন্থীদের মনে রাখা দরকার, ধর্মবিশ্বাসের মহত্ত্ব আর গভীরতা যেন তাঁদের প্রতিদিনের জীবনযাত্রার ওপরও ছাপ রেখে যায়। আসলে, এই দুর্ভাগা দেশের অধিবাসী দুটি সম্প্রদায়ের বোঝাপড়া শুধু তো জাতীয় স্বার্থের সপ্রতিভ উপলব্ধির ওপর নির্ভর করে না; সত্যদ্রষ্টাদের বাণীনিঃসৃত শাশ্বত প্রেরণার ওপরও তার নির্ভরতা। সত্য ও শাশ্বতকে যাঁরা জেনেছেন ও জানিয়েছেন, তাঁরা ঈশ্বরের ভালবাসার পাত্র। এবং মানুষকেও তাঁরা চিরকাল ভালবেসে এসেছেন। ** পয়গম্বর দিবস উদযাপন উপলক্ষে ১৯৩৩ সালের ২৬ নভেম্বর বোম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পাঠানো বাণী। *** "ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ/ অন্যান্য প্রসঙ্গ"-অমিতাভ চৌধুরী, প্রকাশক: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ, প্রথম প্রকাশ: মাঘ ১৪০০, পৃষ্ঠা: ২-৩ * যিনি বিশ্বের মহত্তমদের অন্যতম, সেই পবিত্র পয়গম্বর [[মুহাম্মাদ|হজরত মহম্মদের]] উদ্দেশ্যে আমি আমার অন্তরের গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করি। মানুষের ইতিহাসে এক নতুন, সম্ভাবনাময় জীবনীশক্তির সঞ্চার করেছিলেন পয়গম্বর হজরত, এনেছিলেন নিখাদ, শুদ্ধ ধর্মাচরণের আদর্শ। সর্বান্তঃকরণে প্রার্থনা করি, পবিত্র পয়গম্বরের প্রদর্শিত পথ যাঁরা অনুসরণ করছেন, আধুনিক ভারতবর্ষের সুসভ্য ইতিহাস রচনা করে তাঁরা যেন জীবন সম্পর্কে তাঁদের গভীর আস্থা এবং পয়গম্বরের প্রদত্ত শিক্ষাকে যথাযথ মর্যাদা দেন। তাঁরা যেন এমনভাবে ইতিহাসকে গড়ে তোলেন যাতে আমাদের জাতীয় জীবনে শান্তি ও পারস্পরিক শুভেচ্ছার বাতাবরণটি অটুট থেকে যায়। ** নয়াদিল্লীর জামা মসজিদ প্রকাশিত পয়গম্বর সংখ্যার জন্য ১৯৩৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি শান্তিনিকেতন থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তা। *** "ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ/ অন্যান্য প্রসঙ্গ"-অমিতাভ চৌধুরী, প্রকাশক: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ, প্রথম প্রকাশ: মাঘ ১৪০০, পৃষ্ঠা: ৩ * আমার অধিকাংশ প্রজাই মুসলমান। কোরবানি নিয়ে দেশে যখন একটা উত্তেজনা প্রবল তখন হিন্দু প্রজারা আমাদের এলাকায় সেটা সম্পূর্ণ রহিত করার জন্য আমার কাছে নালিশ করেছিল। সে নালিশ আমি সংগত বলে মনে করি নি, কিন্তু মুসলমান প্রজাদের ডেকে যখন বলে দিলুম কাজটা যেন এমনভাবে সম্পন্ন করা হয় যাতে হিন্দুদের মনে অকারণে আঘাত না লাগে, তারা তখনি তা মেনে নিলে। আমাদের সেখানে এ পর্যন্ত কোনাে উপদ্রব ঘটে নি। আমার বিশ্বাস তার প্রধান কারণ, আমার সঙ্গে আমার মুসলমান প্রজার সম্বন্ধ সহজ ও বাধাহীন। ** "কালান্তর"- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক: বিশ্বভারতী গ্রন্থালয়, প্রকাশসাল: বৈশাখ ১৩৪৪, [https://share.google/6W0QwgEUA1mkeQnG8 পৃষ্ঠা:৩৩৬-৩৩৭] * না, এই শুভ অনুষ্ঠানে এ জিনিস চলবে না। সব আসন তুলে দিয়ে হিন্দু-মুসলমান ব্রাহ্মণ-চণ্ডাল—সবাইকে একই ধরনের আসনে বসার ব্যবস্থা করতে হবে।...প্রাচীন প্রথা আমি বুঝি না। সবার জন্যে একাসন করতে হবে। জমিদার হিসাবে এই আমার প্রথম হুকুম।...এই মিলন উৎসবে পরস্পরে ভেদ সৃষ্টি করে, মধুর সম্পর্ক নষ্ট করে দেওয়া চলবে না। আমার প্রিয় প্রজারা, তোমরা সব আলাদা আসন আলাদা ব্যবস্থা-সব সরিয়ে দিয়ে একসঙ্গে বস। আমিও তোমাদের সঙ্গেই বসব। আমি তোমাদেরি লোক। ** প্রথম জমিদার হয়ে শিলাইদহে পুণ্যাহ উৎসবে যোগ দিতে এসে হিন্দু ও মুসলিম প্রজাদের জন্য আলাদা আসনের ব্যবস্থা দেখে এর প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন। *** "ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ/ অন্যান্য প্রসঙ্গ"-অমিতাভ চৌধুরী, প্রকাশক: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ, প্রথম প্রকাশ: মাঘ ১৪০০, পৃষ্ঠা: ৫ * সাহাদের হাত থেকে শেখদের বাঁচাতে হবে। এটাই আমার সর্বপ্রধান কাজ। ** প্রথম জমিদার হয়ে শিলাইদহে পুণ্যাহ উৎসবে যোগ দিতে এসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন। *** "ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ/ অন্যান্য প্রসঙ্গ"-অমিতাভ চৌধুরী, প্রকাশক: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ, প্রথম প্রকাশ: মাঘ ১৪০০, পৃষ্ঠা: ৫ * ইংরাজি শিক্ষার যেরূপ প্রচলন হইয়াছে, তাহাতে ইংরাজের ইতিহাস, সমাজতত্ত্ব, আচার-বিচার আমাদের কাছে লেশমাত্র অগোচর থাকে না; অথচ তাহারা বহুদূরদেশী এবং মুসলমানরা আমাদের স্বদেশীয়, এবং মুসলমানদের সহিত বহুদিন হইতে আমাদের রীতিনীতি পরিচ্ছদ ভাষা ও শিল্পের আদান-প্রদান চলিয়া আসিয়াছে। অদ্য নূতন ইংরাজি শিক্ষার প্রভাবে আত্মীয়ের মধ্যে প্রতিবেশীর মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াইয়া গেলে পরম দুঃখের কারণ হইবে। বাঙালি মুসলমানের সহিত বাঙালি হিন্দুর রক্তের সম্বন্ধ আছে, এ কথা আমরা যেন কখনো না ভুলি।...[[অস্ত্র]] হস্তে ধর্মপ্রচার মুসলমানশাস্ত্রের অনুশাসন, এ কথা যদি [[সত্য]] না হয় তবে সে অসত্য আমরা শিশুকাল হইতে শিখিলাম কাহার কাছে? হিন্দু ও মুসলমানের ধর্মনীতি ও ইতিবৃত্ত সম্বন্ধে ইংরাজ লেখক যাহাই লিখিতেছে হিন্দু-মুসলমান ছাত্রগণ কি তাহাই নির্বিচারে কণ্ঠস্থ করিতেছে না? এবং বাংলা পাঠ্যপুস্তক কি তাহারই প্রতিধ্বনি মাত্র নহে?...কিন্তু ইংরাজ লেখকের সকল প্রকার ব্যক্তিগত ও জাতিগত সংস্কার আমরা শিরোধার্য করিয়া লইতে বাধ্য, এবং সেই-সকল সংস্কারের বিরুদ্ধে কোনো বাংলা বই রচিত হইলে তাহা কোনো বিদ্যালয়ে প্রচলিত হইবার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। ইংরাজ লেখকেরই মত বংলা বিদ্যালয়ের আদর্শ মত — সেই মত অনুসারে পরীক্ষা দিতে হইবে, নতুবা পরীক্ষার নম্বরেই দেখা যাইবে সমস্ত শিক্ষা ব্যর্থ হইয়াছে।...অনেক আধুনিক বাঙালি ঐতিহাসিক মুসলমান রাজত্বের ইতিহাসকে ইংরাজ-তুলিকার কালিমা হইতে মুক্ত করিবার জন্য চেষ্টা করিতেছেন। অক্ষয়বাবু তাঁহার সিরাজচরিতে অন্ধকূপহত্যাকে প্রায় অপ্রমাণ করিতে কৃতকার্য হইয়াছেন কিন্তু প্রমাণ যতই অমূলক বা তুচ্ছ হউক পরীক্ষাতিতীর্ষু বালক মাত্রই অন্ধকূপহত্যা ব্যাপারকে অসন্দিগ্ধ সত্য বলিয়া স্বীকার করিতে বাধ্য। ** "রবীন্দ্র রচনাবলী (সপ্তদশ খণ্ড)" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক: বিশ্বভারতী গ্রন্থনবিভাগ, প্রথম প্রকাশ: মাঘ ১৪০৭, পৃষ্ঠা: ৩৫০-৩৫১ * হিন্দুর কুয়ো থেকে মুসলমানে জল তুললে তাতে অপবিত্র করে। এটা বিষম মুশকিলের কথা। কেননা, পবিত্রতা হল আধ্যাত্মিক রাজ্যের আর কুয়োর জলটা হল বস্তুরাজ্যের। যদি বলা যেত, মুলমানকে ঘৃণা করলে মন অপবিত্র হয় তা হলে সে কথা বোঝা যেত; কেননা, সেটা আধ্যাত্মিক মহলের কথা। কিন্তু মুসলমানের ঘড়ার মধ্যে অপবিত্রতা আছে বললে তর্কের সীমানাগত জিনিসকে তর্কের সীমানার বাইরে নিয়ে গিয়ে বুদ্ধিকে ফাঁকি দেওয়া হয়।..."মুসলমানের ঘড়া হিন্দুর কুয়োর জল অপরিষ্কার করে" না ব'লে যেই বলা হয় '''অপবিত্র করে''', তখনই সত্যনির্ণয়ের সমস্ত পথ বন্ধ করা হয়। কেননা কোনো জিনিস কিছুকে অপরিষ্কার করে কি না-করে সেটা প্রমাণসাপেক্ষ। সে স্থলে হিন্দুর ঘড়া, মুসলমানের ঘড়া--হিন্দুর কুয়োর জল, মুসলমানের কুয়োর জল--হিন্দুপাড়ার স্বাস্থ্য, মুসলমানপাড়ার স্বাস্থ্য--যথানিয়মে ও যথেষ্ট পরিমাণে তুলনা করে পরীক্ষা করে দেখা চাই। পবিত্রতাঘটিত দোষ অন্তরের; কিন্তু স্বাস্থ্যঘটিত দোষ বাইরের, অতএব বাইরে থেকে তার প্রতিকার চলে। স্বাস্থ্য-তত্ত্ব হিসাবে ঘড়া পরিষ্কার রাখার নিয়ম বৈজ্ঞানিক নিয়ম; তা মুসলমানের পক্ষেও যেমন হিন্দুর পক্ষেও তেমনি; সেটা যাতে উভয় পক্ষে সমান গ্রহণ ক'রে উভয়ের কুয়ো উভয়েই ব্যবহার করতে পারে সেইটেই চেষ্টার বিষয়। কিন্তু বাহ্য বস্তুকে অপরিষ্কার না বলে অপবিত্র বলার দ্বারা চিরকালের জন্যেই এ সমস্যাকে সাধারণের বুদ্ধি ও চেষ্টার বাইরে নির্বাসিত করে রাখা হয়। এটা কি কাজ সারার পক্ষেও ভালো রাস্তা? ** রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, [https://www.tagoreweb.in/Essays/shikkha-73/shikkhar-milon-6279 শিক্ষার মিলন] == অন্যান্যদের উক্তি == * যারা ইসলামের নামে, [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথের]] উপর আক্রমণ চালাচ্ছেন, তারা আসলে ইসলামের সত্য ও সুন্দরের নীতিতে বিশ্বাসী নন। ** ১৯৬৭ সালের জুন মাসের দৈনিক পাকিস্তানে প্রকাশিত [[আবদুল হামিদ খান ভাসানী|মাওলানা ভাসানীর]] বিবৃতি।[https://bangla.bdnews24.com/arts/24689] * আমাকে দেখিলেই কবি সাম্প্রদায়িক ব্যাপার লইয়া আলোচনা করিতেন। বলিতেন কেন যে মানুষ একের অপরাধের জন্যে অপরকে মারে ! ও-দেশের মুসলমানেরা হিন্দুদের মারল, তাই এদেশের হিন্দুরা এখানকার নিরীহ মুসলমানদের মেরে প্রতিবাদ জানাবে এই বর্বর মনোবৃত্তির হাত থেকে দেশ কিভাবে উদ্ধার পাবে বলতে পার? কী সামান্য ব্যাপার নিয়ে মারামারি হয় — গরু-কোরবানী নিয়ে, মসজিদের সামনে বাজনা নিয়ে। একটা পশুকে রক্ষা করতে মানুষ মানুষকে হত্যা করেছে।”<br>এই সব আলোচনা করিতে কবি মাঝে মাঝে বড়ই উত্তেজিত হইয়া উঠিতেন। একদিন আমি কবির সঙ্গে দেখা করিতে যাইতেছি, কবির পুত্র রথীন্দ্রনাথ আমাকে একান্তে ডাকিয়া বলিলেন, এখন বাবার শরীর অসুস্থ। আপনাকে দেখলেই তিনি হিন্দু-মুসলমান সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন। মাঝে মাঝে তাতে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। অসুস্থ শরীরে এই উত্তেজনা খুবই ক্ষতিকর । আপনি কিছুদিন বাবার সঙ্গে দেখা করবেন না। ** [[জসীম উদ্‌দীন]]। "ঠাকুর-বাড়ির আঙিনায়", প্রকাশক: গ্রন্থপ্রকাশ, কলকাতা, [https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.266107/page/n31/mode/1up?q=%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0 পৃষ্ঠা: ২৮] * মুসলমানদের প্রতি কবির মনে কিছু ভুল ধারণা ছিল। তিনি সাধারণত হিন্দু পত্রিকাগুলিই পড়িতেন। মুসলমানি পত্রিকার এক-আধ টুকরা মাঝে মাঝে কবির হাতে পড়িত।<br>কবির ভুল ধারণার প্রতিবাদ করিয়া উপযুক্ত কারণ দেখাইলেই কবি তাঁহার ভুল সংশোধন করিয়া লইতেন। কবির মনে একদেশদর্শী হিন্দুত্বের স্থান ছিল না। মুসলমানদের মধ্যে যাঁহারা স্বাধীন মতবাদ লইয়া ধর্ম ও সমাজ-ব্যবস্থার সমালোচনা করিতেন, তাঁহাদের প্রতি কবির মনে প্রগাঢ় অনুরাগ ছিল। কিন্তু কবির নিকটে যাঁহারা আসিতেন, কবি শুধু তাঁহাদিগকেই জানিতেন। এই বয়সে ইহার বেশি খবরাখবর লওয়া কবির পক্ষে সম্ভবও ছিল না। ** [[জসীম উদ্‌দীন]]। "ঠাকুর-বাড়ির আঙিনায়", প্রকাশক: গ্রন্থপ্রকাশ, কলকাতা, [https://share.google/QzodDAT07Rk23JRrC পৃষ্ঠা: ২৮] * কলিকাতায় হঠাৎ হিন্দু-মুসলমানে দাঙ্গা বাধল চৈত্র মাসের দারুণ গরমে (১৩৩২)।...'''কবি জোড়াসাঁকোর বাড়িতে আছেন; স্বচক্ষে দেখছেন ভীতত্রস্ত দীন-দরিদ্র [[মুসলমান|মুসলমানেরা]] প্রাণভয়ে তাঁদের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছে।''' কবি এই সব দেখে শুনে বিরক্ত হয়ে এক পত্রে লিখেছেন, ‘''এই মোহমুগ্ধ ধর্মবিভীষিকার চেয়ে সোজাসুজি নাস্তিকতা অনেক ভালো।...আজ মিছে ধর্মকে পুড়িয়ে ফেলে ভারত যদি খাঁটি ধর্ম, খাঁটি নাস্তিকতা পায়, তবে ভারত সত্যই নবজীবন লাভ করবে।''’ ** [[প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়]]। "রবীন্দ্রজীবনকথা", প্রকাশক: বিশ্বভারতী, প্রকাশকাল: ভাদ্র ১৩৬৬, পৃষ্ঠা: [https://archive.org/details/20210604_20210604_1445/page/%E0%A7%A7%E0%A7%AD%E0%A7%AE/mode/1up?q=%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE ১৭৮] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসলাম]] 244jlvn01q2qwaqslybur1asqsjankb ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক 0 11631 83516 69840 2026-05-08T11:39:02Z ফারদিন 52 /* রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর */ 83516 wikitext text/x-wiki '''[[w:ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]''' ('''ঢাবি''') ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারতে অক্সব্রিজ শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণে এটি স্থাপিত হয়। এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। সূচনালগ্নে বিভিন্ন প্রথিতযশা বৃত্তিধারী ও বিজ্ঞানীদের দ্বারা কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হবার প্রেক্ষাপটে এটি '''প্রাচ্যের অক্সফোর্ড''' নামে স্বীকৃতি পায়। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে]] কেন্দ্র করে নানা সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ভূমিদান এবং এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও বিতর্ক প্রচলিত আছে। == ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা == * বিভিন্নজন ভিন্ন ভিন্ন কারণে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। পশ্চিম বাংলা ও বিহার অঞ্চলের কিছু মুসলমানও বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল ভিন্নতর। তাঁদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়টি তাঁদের বা তাঁদের সন্তানসন্ততিদের কোনো কাজে আসবে না। যদি কোনো উপকার হয়, সেটা হবে পূর্ব বাংলার মানুষেরই। যে মুসলিম জনগোষ্ঠী এ রকম চিন্তা করত, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন [[w:bn:মোহাম্মদ_আকরম_খাঁ|মাওলানা আকরম খাঁ]], [[w:ব্যারিস্টার_আবদুর_রসুল|ব্যারিস্টার আবদুর রসুল]], মৌলভি আবুল কাশেম, মৌলভি লিয়াকত হোসেন প্রমুখ। তদানীন্তন পূর্ব বাংলারও বেশ কিছু মুসলমানের মধ্যে এমন ধারণা ছিল যে পূর্ব বাংলায় যথেষ্ট পরিমাণ ম্যাট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েট পাস ছাত্র নেই, যাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন না করে ওই টাকা দিয়ে পূর্ব বাংলায় আরও কিছু স্কুল ও কলেজ স্থাপন করলে এই অঞ্চলের মুসলিম ছেলেমেয়েদের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের লেখাপড়ার সুযোগের পরিধিটা বাড়বে। তাঁরা আরও ভাবতেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কারণে মুসলিম ছাত্রদের শিক্ষার জন্য যে বাজেট সরকার থেকে আসে, তা অনেকাংশেই কমে যাবে। ** প্রাবন্ধিক কুলদা রায় তাঁর ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং রবীন্দ্রনাথ’ প্রবন্ধে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5] === রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর === [[চিত্র:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্রদের একাংশ.webp|থাম্ব|১৯৩৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।]] * কেউ কেউ কোনো প্রমাণ উপস্থিত না করেই লিখিতভাবে জানাচ্ছেন যে, ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ মার্চ কলকাতায় গড়ের মাঠে রবীন্দ্রনাথের সভাপতিত্বে এক বিরাট জনসভা হয়। ও রকম একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল বটে, কিন্তু তাতে রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতি ছিল অসম্ভব, কেননা সেদিন তিনি কলকাতাতেই ছিলেন না। ১৯১২ সালের ১৯ মার্চ সিটি অব প্যারিস জাহাজযোগে রবীন্দ্রনাথের বিলাতযাত্রার কথা ছিল। তাঁর সফরসঙ্গী ডাক্তার দ্বিজেন্দ্রনাথ মিত্র জাহাজে উঠে পড়েছিলেন, কবির মালপত্রও তাতে তোলা হয়ে গিয়েছিল; কিন্তু আকস্মিকভাবে ওইদিন সকালে রবীন্দ্রনাথ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মাদ্রাজ থেকে তাঁর মালপত্র ফিরিয়ে আনা হয়। কলকাতায় কয়েক দিন বিশ্রাম করে ২৪ মার্চ রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহে চলে আসেন এবং ২৮ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিলের মধ্যে সেখানে বসে ১৮টি গান ও কবিতা রচনা করেন। ** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ। [https://www.bbc.com/bengali/news-44609891] * ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর—এ ধরনের একটি অভিযোগ প্রায়ই অনেকে করে থাকেন। তারা উল্লেখ করেন, ‘১৯১২ সালের ২৮ মার্চ কলকাতা গড়ের মাঠে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিবাদে এক বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়।’ অনেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই জনসভার রেফারেন্স হিসেবে দিয়েছেন নীরদচন্দ্র চৌধুরীর লেখা বই, আবার অনেকেই আবুল আসাদের ‘একশো বছরের রাজনীতি’ বইয়ের রেফারেন্সও দিয়েছেন। যদিও নীরদচন্দ্র চৌধুরীর বইয়ে এমন কিছু উল্লেখ নেই, আবার আবুল আসাদ কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই এ অভিযোগটি করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০০০ সালে আহমদ পাবলিশিং হাউস থেকে ‘আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিকতা এবং প্রাসঙ্গিক কিছু কথা’ নামে একটি বইয়ে মেজর জেনারেল (অব.) এম এ মতিন, কপি পেস্টের মাধ্যমে একই কথা উল্লেখ করেন কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কালি ও কলম পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য এ জেড এম আবদুল আলী একটি পত্রিকায় অভিযোগটির বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, যারা রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে এ অভিযোগটি করছেন, তারা তাদের রচনায় কোনো সূত্রের উল্লেখ করেননি। ** [[w:bn:মোহাম্মদ এ আরাফাত|মোহাম্মদ এ আরাফাত]] [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225] * রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে এক কোটি আলাপের বিকল্প বাদ দিয়ে যারা শুধু তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছেন কিনা– এ বিষয়ে আলাপ তোলে, তারা এক অর্থে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। তাদের জন্য আমার আফসোস হয় এই ভেবে, তারা রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার রস আস্বাদনে চিরবঞ্চিত। দুনিয়ায় এত এত রস থাকতে এখানে কেবল রবীন্দ্রনাথের কথাই বলতে হলো। কারণ, এরা রবীন্দ্রনাথ নিয়ে লিপ্ত অথচ মজাটা লুটতে পারছে না। আমি মনে করি, যদি আবিষ্কৃত হয়– রবীন্দ্রনাথ কখনও সরাসরি ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে বলেছেন, তাতে রবীন্দ্রনাথের প্রতিষ্ঠা বা সততা বা সম্মান একবিন্দুও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এমনকি সে রকম কিছু হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রনাথের আদর-আপ্যায়ন ও মর্যাদা প্রদান সম্পূর্ণ বৈধ থাকত। আজকের দিনের সংকীর্ণ রাজনীতির উত্তেজনায় কিংবা সংকীর্ণ রাজনীতির বিরোধিতার প্রয়োজনে যারা ঠাকুরকে সহজ শিকার হিসেবে নাকাল করতে চায়, তারা ঠিক আলাপযোগ্য নয়। পুরো ব্যাপারকে একশ বছর আগের বাস্তবতার এক বড় পটভূমিতে স্থাপন করে দেখা নিশ্চয় তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু সে ক্ষমতা এ জাতীয় ব্যক্তিদের থাকার কথা নয়। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আজম|মোহাম্মদ আজম]]। সমকাল পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://samakal.com/opinion/article/236093/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87] == জমিদান == * কোনও মুসলমান ধনীর কাছ থেকেই ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডাইরেক্টলি কোনও ফাইন্যান্সিয়াল কন্ট্রিবিউশন পায় নাই। সলিমুল্লাহ হল যে তৈরি হল তা পুরোই সরকারের টাকায়। নওয়াব পরিবারের টাকায় নয়; জায়গাতেও নয়। রমনায় যে জায়গায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি, তা পুরোটাই খাসমহল এবং সরকারের জমি, সেটেলমেন্ট রিপোর্টে তাই আছে। ** [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আব্দুর রাজ্জাক]]। ''ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজ : ‘অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের আলাপচারিতা ও অন্যান্য'' বইয়ে। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go] * শতবর্ষের বইয়ের জন্য বিভিন্ন নথি ঘাঁটাঘাটি করেছি আমরা। ঢাকার নবাব ৬০০ একর জমি দিয়েছেন এমন কোনও তথ্য সরাসরি কোথাও উল্লেখ নেই।... তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় জমি পেল কোথা থেকে? তখন দেখতে পাই তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন সময় জমি লিজ নিয়েছে। এই লিজের বিনিময়ে যে পয়সা-কড়ি দেবার কথা সেটাও দিয়েছে।...এটি কি মিথ নাকি রিয়েলিটি? এটা আমাদের তালাশ করতে হবে। তাই কোনও উৎস থেকে শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে বলাটা ঠিক হবে না। যদি কোথাও না পাই তবে কীভাবে বলি নবাব সলিমুল্লাহ এই ৬০০ একর জমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়েছে?...বিষয়টি এমন হতে পারে ব্রিটিশ সরকার যখন ১৯০৫ সালে পূর্ববঙ্গে রাজধানী করে তখন নবাবরা হয়তো সরকারকে কোনও অনুদান দিয়ে থাকতে পারেন। ** “শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্য” নামক বইয়ের সহযোগী সম্পাদক মি. বাছির বিবিসি বাংলাকে এই কথা বলেন। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go] == আরও দেখুন == * [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] * [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আবদুর রাজ্জাক]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] csirqw3k1q3i9zh2nictqa3met5jbpx ওসমান হাদি 0 11743 83508 83446 2026-05-08T05:16:31Z Oindrojalik Watch 4169 সংশোধন, উক্তি যোগ 83508 wikitext text/x-wiki [[File:Osman Hadi 2.jpg|থাম্ব|২০২৫ সালে [[:w:ঢাকা-৮|ঢাকা-৮ আসনে]] ওসমান হাদী তার নির্বাচনী প্রচারণায়।]] '''শরিফ ওসমান হাদি''' (যিনি সাধারণত [[:w:ওসমান হাদি|ওসমান হাদি]] নামে পরিচিত) হলেন একজন বাংলাদেশি রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক কর্মী, বক্তা এবং লেখক যিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গঠিত রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন [[w:ইনকিলাব_মঞ্চ|ইনকিলাব মঞ্চের]] মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন। হাদি জুলাই শহিদদের অধিকার রক্ষা ও আওয়ামী লীগ নিষেধাজ্ঞা আন্দোলন এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী সক্রিয় রাজনীতির জন্য আলোচনায় আসেন। ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর ঢাকার বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। এবং ১৮ ডিসেম্বর [[w:সিঙ্গাপুর_জেনারেল_হাসপাতাল|সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে]] চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। তাঁর মৃত্যু বাংলাদেশে ব্যাপক সারা ফেলে। == উক্তি == * আওয়ামী লীগের স্বভাব হলো যেই তারে ভালোবাসে, তারেই সে মেরে ফেলে, [[জিয়াউর রহমান]] শেখ হাসিনাকে ফিরে আসতে দিয়েছিলেন, যে আচ্ছা আসুক, রাজনীতি করুক, তার ১৩ দিনের মাথায় তিনি শহীদ হলেন, আমাদেরও একই অবস্থা, সুতরাং এটা একটা বিষ, এই বিষের সাথে আমরা কীভাবে লড়াই করবো তা জাতীয় ঐক্যমত্য তৈরি করতে হবে, সুতরাং আপনাদের বলছি, আপনারা বিএনপিকে শতভাগ কর্নার করে দিয়েন না, বিএনপি এই আধিপত্যবাদ বিরোধী লড়াইয়ের জন্য আমাদের একটা বড় শক্তি। এই শক্তিকে এত বেশি কর্নার্ড করা যাবে না, যাতে তারা আওয়ামী লীগের হাত ধইরা ফেলে। তারা যদি আওয়ামী লীগের হাত ধরে ফেলে, তাহলে লড়াইটা আমাদের জন্য আরো কঠিন হয়ে যাবে। বরং বিএনপি'র প্রতি আমাদের চ্যালেঞ্জ হল, যেই বিএনপি বাকশালী সংবিধানের প্রতি প্রেম দেখাবে, তারে শহীদ জিয়ার ছবিটা সামনে আইনা বলতে হবে, যে এই বাকশালী সংবিধান তো জিয়াউর রহমানই ছুইড়া মারছিল! বেগম জিয়া বলেছেন এই সংবিধানকে ছুঁড়ে ফেলা হবে, ওমা! এখন বেগম জিয়ার চেয়েও নতুন বিএনপি আসছে! বেশি প্রেমের বিএনপি। * [https://youtube.com/shorts/bbt1d78UcTk?si=eYeRJZnZI2h16LiE&fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTEAc3J0YwZhcHBfaWQMMzUwNjg1NTMxNzI4AAEevSO0FgB9qRcuxFXAcMVFMecPDPKhQh3NRN-jGPvO7nJgKRzsIOKwBNIAD4w_aem_LrVgclUNaVIEOHAm2O6J4g] * আমি যদি বলি আপনি সেইটা নিতে পারবেন না। ** একুশে টেলিভিশনে আব্দুন নূর তুষারকে, ১৫ অক্টোবর ২০২৫ [https://m.youtube.com/watch?si=9o2GbusS-dLAN7hD&v=-60wPScLqOo] * শাউয়া মাউয়া ছিড়্ড়া ফালাইতে হোইবো খান-কির পোলাগো! ** ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (NCP) এর কর্মসূচিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের হামলার পর শরীফ ওসমান হাদি এই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন।[https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/news/ncp-leaders-activists-attacked-gopalganj-following-rally-3940976][https://www.facebook.com/thenews24digital/videos/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%97-the-news/1923755504904339/] * গালাগালি অনেকবার করি করবো না, তওবা করি, ছাইড়া দিতে চাই, নিজেরও ছেলে হইছে, এখন একটা বয়স আসছে, গালাগালির একটা পর্যায় আছে, কিন্তু গাইল তো না দিলেও এখন গুনাহ হয় এমন পর্যায় আসছে... ** ২৫ জুলাই ২০২৫ [https://youtube.com/shorts/f41wqLG5kQE?si=t6l_CjjBrh-drKY_] * শাহবাগ যারে কোলে তুলে, কয়দিন পর তার পাইলস (অর্শ্বরোগ) হয়। ** ৬ আগস্ট ২০২৫, ফেসবুক পোস্টে [https://www.fb.com/share/p/18bGCT2DWN/][https://www.channel24bd.tv/education/article/304737/%E0%A6%9A%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%93%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BF] * বিএনপির প্রতি আমাদের একটা দাবি ছাত্র জনতার পক্ষ থেকে। ভারতের উপর আপনারা ভরসা কইরেন না; আপনারা ডুববেন, ডুববেন, ডুববেন!!! * [https://www.facebook.com/share/v/1EQKH9WZkv/] * মৃত্যুর ফয়সালা জমীনে না, আসমানে হয়ে থাকে! * জান দিবো, তবু জুলাই দিবো না। * এইসব শুশীলদের শাউয়া ছিড়ে কাউয়াকে খাওয়ায় দিতে হবে!!! * আমি জিতলে আপনাদের লাভ। সুতরাং আমার নির্বাচনী সকল খরচ আপনাদেরকেই বহন করতে হবে। আমি এখানে নিজের পকেট থেকে এক টাকাও খরচ করব না এবং আপনাদের টাকা থেকে এক টাকা নিজের ব্যক্তিগত খরচেও ব্যবহার করব না। নির্বাচনী কাজবাজ চালানোর জন্য ঠিক ২৫ লক্ষ টাকা দরকার। ব্যাংক একাউন্ট, বিকাশ, নগদ, রকেট নাম্বারও উন্মুক্ত করে দিয়েছি। এই ২৫ লক্ষের পুরোটাই আপনারা দিতে হবে। চলতি ডিসেম্বর মাসের প্রথম ১০ দিনে মানুষ আমাকে বিভিন্নভাবে ও উপায়ে টাকা-পয়সা পাঠিয়েছেন। যার পরিমাণ ৬ লাখ ২৪ হাজার ৮৮০ টাকা। এ নিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করার পর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত গণমানুষের কাছ থেকে মোট পেয়েছি ২১ লাখ ৬৫ হাজার ২৯২ টাকা। ** ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ফেসবুক ভিডিও বার্তায়, ''এরপরদিন ১২ ডিসেম্বর তাকে গুলি করা হয়'' [https://www.jugantor.com/politics/1040346][https://www.facebook.com/share/v/17zAAiXWaZ/] * আমরা গালি দেই না তা না, আমরা তো গালি দেই। এখন আমরা কারে গালি দেই, সেটা হচ্ছে ফ্যাক্ট। এখন ধরেন, আপনি এখান থেকে বাসায় চলে যাচ্ছেন তো আপনার সামনে বসে দেখলেন কি, আপনার সামনে বসে এক ভদ্রমহিলাকে ছুরি ঠেকিয়ে কোন ছিনতাইকারী তার সব জিনিসপত্র নিয়ে যাচ্ছে, অথবা সেটা রক্ষা করতে গিয়ে তার কোলের শিশু পড়ে মরে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে, তখন আপনার ন্যূনতম যদি সাহস ও শক্তি থাকে, আপনি ঝুকি নিয়েও তো তাকে তাড়া করবেন। এখন তাড়া করবার সময় আপনি কি তাকে তৎসম শব্দবহুল ভাষায় ওহে বৎস, দাড়াও, এরকম বলবেন, নাকি আপনি তাকে গালিই দিবেন? ফ্যাক্ট হলো গালি সোসাইটিতে ছিলো আছে থাকবে। কিন্তু যে গালিটা একজন গণহত্যাকারীকে দেওয়া যায়, যে হেলিকপ্টার থেকে গুলি করে ৬ বছরের শিশুর কলিজা ফেড়ে ফেলে, তখন যে গালি, এই গালিটাতো নট নেসেসারিলি নিশ্চয়ই আপনি অন্য কাওকে দিবেন না। ** ২৩ অক্টোবর ২০২৫ [https://youtube.com/shorts/7P20YbjtBf8?si=aI5Cd-niqBHik7tM] * সমর্থকদের পাঠানো অনুদানের ২১ দিনের হিসাব : গত ৭ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তার নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে— ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১৩ লাখ ৩১ হাজার ৫৫৭ টাকা; বিকাশে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৯৮৯ টাকা; নগদে ৬ হাজার ২৮ টাকা; রকেটে ৩ হাজার ৮৩৮ টাকা। সব মিলিয়ে মোট ১৫ লাখ ৪০ হাজার ৪১২ টাকা জমা পড়েছে। নির্বাচন শেষে ডোনারদের গোপনীয়তা বজায় রেখে ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ পূর্ণ হিসাব প্রকাশ করা হবে। ** ৩০ নভেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/share/v/19xzmYRkrT/][https://www.jugantor.com/politics/1040346] * ...এই ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ** ২৬ আগস্ট ২০২৫, আরজে কিবরিয়া শোতে [https://m.youtube.com/watch?si=cHxOvRfLdBxnDzPj&v=ouQyEodVYZE] * আওয়ামী লীগের, খুনী লীগের, জঙ্গী লীগের, জন্মও ভারতে তাদের মৃত্যুও ভারতে হবে। এইযে আমাদের মুখের ভাষা খারাপ হইছে, জুলাইয়ের রক্ত দেইখা, এমন কোন জঘন্য ভাষা নাই, সে শেখ হাসিনার ব্যাপারে প্রয়োগ করে নাই। কারণ গণহত্যাকারীর বিপরীতে মাজলুমের গালি হইলো তার মহাকাব্য। এখন আবার কিছু বুদ্ধিজীবী দাড়াইছে তোমরা গালি দাও, দিবি কি তাইলে চুমা? হাসিনারে আইনা দে তাইলে, চুমা দেই।..বদমাইশ কোথাকার.. এখন তারে পোলাপান যেসব চুদলিং পং ফং বলে, নারায়ে তাকবীর বলে গালি দেওয়ার কথা, কিন্তু সে দিতেছে না, এত ভালো তো সে এই বয়সে হওয়ার কথা না.. ** ১৮ নভেম্বর ২০২৫ [https://youtube.com/shorts/UAlA83jKrSE?si=LgUv8SyqljEDzmXw][https://youtube.com/shorts/f41wqLG5kQE?si=Bo3gpmdst9sHvLru][https://youtube.com/shorts/f41wqLG5kQE?si=t6l_CjjBrh-drKY_] * আমি যদি বলি আপনি সেইটা নিতে পারবেন না। ** একুশে টেলিভিশনে আব্দুন নূর তুষারকে, ১৫ অক্টোবর ২০২৫ [https://m.youtube.com/watch?si=9o2GbusS-dLAN7hD&v=-60wPScLqOo] * আপনি আপনার শত্রুই চিনলেন না, তাহলে যুদ্ধের ময়দানে ক্যামনে আপনি শত্রুর সাথে লড়াই করবেন? একলক্ষ এরকম মানুষের চেয়ে, ১০০টা লোক, স্কিলড, অনেক ভালো। আছে এরকম লোক আমাদের এখানে? যে আলজাজিরা বা সিএনএন এর জন্য আরবি বা ইংরেজিতে ৩ মিনিটের একটা স্পিচ দিতে পারবে? ** দ্য মুসলিম মাইন্ডের আলোচনা অনুষ্ঠানে [https://www.facebook.com/share/v/1MB9F1fFkL/] * এখানকার মানুষ ধর্মকে ভালোবাসে, ধর্মীয় ভ্যালুজকে মুল্যায়ন করে। ** গ্লোবাল টিভির সাক্ষাৎকারে [https://m.youtube.com/watch?si=P7KwnUmuKY1FKFAp&v=Ii2oIemy4Ow&feature=youtu.be] * আপনি দেশে আসেন, আপিল করেন, আমরা শত্রুর সাথেও ইনসাফ করতে চাই। বাংলাদেশে এর আগেও বহু রাজনৈতিক দলের উপর নির্যাতন হয়েছে, কেউ আপনার ([[শেখ হাসিনা]]) মত দেশ ছেড়ে ভারতে পালায় নাই। [https://youtube.com/shorts/BOSwsMTq5EE?si=3GfYAi-KS_9BCSgB] * [[জাকির নায়েক]]কে এদেশের মানুষ চায়, দাওয়াত দেয়, তাকে নাকি ভারতের হাতে তুলে দিতে হবে; ([[শেখ হাসিনা]]) ১৫ বছর গুম খুন করে ভারতে গিয়া ঘুমায়, তাকে ফেরত দেয় না, অথচ জাকির নায়েককে আসলে তাদের হাতে তুলে দিতে বলে, কত লজ্জা, কত থার্ড ক্লাস একটা রাষ্ট্র! * ১৮ নভেম্বর ২০২৫ [https://youtube.com/shorts/Ui8AWHAUGqw?si=FhfSwiqUskRzZ-iV][https://youtube.com/shorts/bXecvq9KkiE?si=BvRWq0pl0tnumfBP] * নিজে দিল্লী, ছেলে আমেরিকা, মেয়ে লন্ডন, এদিকে মার খাওয়াইতেসে গরীব মানুষগুলারে, সাহস থাকলে প্রতিরোধ গড়ে তুলুক। গত পনেরো বছর বিএনপি জামাত তো প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, তারা তো দেশ ছাইড়া পালায় নাই। ** ২৮ নভেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/watch/?v=4780716282158176] * বেগম জিয়ার মৃত্যুর সাথে সাথে বাংলাদেশ থেকে বিএনপির বিদায় ঘটে যাবে। এখন পর্যন্ত বিএনপি যতটুকু টিকে আছে তা বেগম জিয়ার নামে। কিন্তু বেগম জিয়ার মৃত্যুর সাথে সাথে তা নাই হয়ে যাবে। কিন্তু সেইটা আমাদের জন্য খুব আনন্দের সংবাদ না। ** ৩০ নভেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/share/r/1C4wribu19/] * আপনাদের স্টেজে উঠায় দিয়া পেছন দিয়া পালায় যাবো এমন ছেলে হাদি না, মিছিল হইলে সবার আগে থাকবো, গুলি হইলে প্রথম বুলেটটা যাতে আমার বুকে লাগে। * আমি শাপলার সন্তান, কেননা সেখানে আমি ছিলাম। * [[সজীব ওয়াজেদ|সজীব ওয়াজেদ জয়]]কে ফায়ার করে চক্ষুটা খুলে হাতে পড়ুক, সে দেখুক, সন্তানের চক্ষু উপড়ে ফেললে মায়ের অন্তরে কী রক্তক্ষরণ হয়। এই যে এ মিছিল কারওয়ান বাজারে গিয়ে বলে জয় যাত্রাবাড়ীতে গিয়ে বলে বাংলা। সজীব ওয়াজেদ জয়, এটার, এটার নাম বলাও ঠিক না, এটার নাম হল অটিস্টিক জয়। ** ২৭ নভেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/share/r/184SiTCfui/] * প্রথম আলো নিজেই একটা প্যারালাল রাষ্ট্র। পারলে প্রথম আলোর মত আরও ১০টা বিকল্প পত্রিকা তৈরি করেন। ** [https://www.facebook.com/share/r/17cQrGPNoX/] * [[দৈনিক প্রথম আলো|পোঁদেরালো]] জুলাইরে 'আন্দোলন' বলে। 'গণঅভ্যুত্থান' কইলে দিল্লি সব ধোনেশন বন্ধ কইরা দিবে। ** ১৫ জুলাই ২০২৫, ফেসবুক পোস্টে * [[চঞ্চল চৌধুরী]]র অভিনয় প্রতিভা নিয়ে আমার কোন সে নেই, তিনি ও তার মত শিল্পীরা সবসময় বলেন, আমরা রাজনীতি বুঝি না; কিন্তু তার মত শিল্পীরা এ্যাপোলিটিকাল ব্যানারে এসে ফ্যাসিস্ট শক্তিকে দিনের পর দিন পলিটিকালি ডিফেন্ড ও সাপোর্ট করে গিয়েছেন, খালেদা জিয়ার বালুর ট্রাকের সামনে তিনি দ্রোহের মিছিল করেন, কিন্তু হাসিনার তিন তিনটা বিরোধী দল ছাড়া প্রহসনের নির্বাচন তিনি চোখে দেখতে পান না। * একজন ফ্যাসিস্টকে আপনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলতে বলতে ফেনা তুলে ফেলেন। ** খালেদ মহিউদ্দিনের উদ্দেশ্যে ভিডিও বার্তায়, ২৬ অক্টোবর ২০২৫ [https://m.youtube.com/watch?si=-6lfeYSYbEr3VKPr&v=G19aj88jSIQ] *... আমরা আমার বাবাদের কাছ থেকে যে বর্ননা শুনেছি, তা হলো, মুসলিমরা বলেছিলো, (আমাদের) কল্লা (গর্দান) থাকতে ওদের এদিক দিয়া নামাজের সময় ঢাক বাজাইয়া যাইতে দিমু না। হিন্দুরা ই এইচ ব্র্যান্ডিকে ইংরেজিতে বললো, ওরা বলেছে, আমাদের কল্লা ফেলে দিবে। ব্র্যান্ডি তখন গোরখা সেনাদের গুলি করার নির্দেশ দিলেন। সাথে সাথে ১৯ জন মুসলমান শহীদ হলেন। শেরে বাংলা এরপর এখানে এসে ব্রাণ্ডিকে চাকরিচ্যুত করেছিলেন, শহীদ পরিবারদের জমি দিতে চেয়েছিলেন, কুলকাঠি এলাকার নামকরণ শহীদিয়া করে শহীদিয়া নামে একটি স্কুল ও একটি মাদ্রাসা করেছিলেন, যা এখনো আছে...আমার বাবা বলেছিলেন, যেই ইংরেজি না জানার কারণে কুলকাঠিতে ১৯ জন মুসলমান ইংরেজদের কাছে নিজেদের দেয়া বক্তব্যকে হিন্দুদের করা ভুল ব্যাখ্যার কারণে শহীদ হলো, সেই মুসলিমদের জন্য শিক্ষিত হয়ে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করতে যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চাও, তাহলে সেজন্য আমি তোমাকে এডমিশন পরীক্ষায় অংশ নিতে অনুমতি দিতে রাজি আছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর লাইব্রেরীতে আবুল মনসুর আহমেদের আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর বইটি পড়তে গিয়ে দেখলাম, সেখানেও এ ঘটনাটি শুরুতে সংক্ষেপে উল্লেখ আছে। ** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববিজ্ঞান বিভাগের আয়োজিত অনুষ্ঠানে, ২০২৫ [https://www.facebook.com/reel/3671059556358126/?app=fbl][https://m.youtube.com/watch?v=3XATmtMWwqk&pp=0gcJCR4Bo7VqN5tD] *''হে সীমান্তের শকুন, এক্ষুনি ছিঁড়ে খাও আমাকে, :''হে আটলান্টিকের ঈগল, শিগগির খুবলে খাও আমাকে,'' :''হে বৈকাল হ্রদের বাজ, আঁচড়ে কামড়ে ছিন্নভিন্ন করো আমাকে।'' :''আমার রক্তরসে শুধু অসহায়ত্ব আর অভাব;'' :''কাগজের কামলারা তারে আদর করে মুদ্রাস্ফীতি ডাকে।'' :''ঋণের চাপে নীল হয়ে যাচ্ছে আমার অণুচক্রিকা,'' :''সংসার চালাতে অন্তরে হয় ইন্টারনাল ব্লিডিং,'' :''কী আশ্চর্য, তবুও আমি মরছি না!'' :''ওদিকে দোজখের ভয়ে আত্মহত্যা করবারও সাহস পাই না আমি!'' : ''খোদাকে বললাম, আমি মরতে চাই তিনি বললেন, বেঁচে আছ কে বলল?'' :''সহস্রাব্দ উন্নয়নের সাক্ষী হিসেবে রাজা তোমাকে মমি করে রেখেছেন।'' :''বাজারে দীর্ঘশ্বাস ফেললে নাকি রাজ্যের ভীষণ বদনাম হয়।'' : ''রাজারও মন খারাপ হয় খুব।'' :''কোতোয়ালরা ফরমান জারি করেছে, আমাকে সারাক্ষণই হাসতে হবে!'' :''নইলে দেশি কুকুর ও বিদেশি মাগুরকে একবেলা ভালোমন্দ খাওয়ানো হবে আমার মাংস দিয়ে।'' : ''নিত্যদিন ব্রয়লারের ভুঁড়ি নাকি ওদের ভাল্লাগে না!'' :''অথবা আমাকে ভাগ দিয়ে বেচা হবে, মানুষেরও তো মানুষ খাওয়ার সাধ হতে পারে, তাই না?'' :''ভাগ্যিস তা বিদেশি সুপারশপে বিকি হবে না, দেশি মানুষেরই তো হক বেশি আমাকে খাওয়ার!'' :''এ দোজখই যখন নিয়তি, তখন আমি উদাম হয়ে ডাকছি দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মাংসাশী বিহগদের।'' :''হে ঈগল, চিল ও ভয়ংকর বাজেরা, হে সাম্রাজ্যবাদী সাহসী শকুনিরা,'' :''তোমরা এফ-থার্টি ফাইভের মতো মিগ টুয়েন্টি নাইনের মতো- দল বেঁধে হামলে পড়ো আমার বুকে;'' :''আমার রান, থান, চক্ষু, কলিজা- আজ সব তোমাদের গনিমতের মাল;'' :''দেশি শুয়োর খুবলে খাওয়ার আগেই আমায় ইচ্ছেমতো ছিঁড়ে খাও তোমরা!'' :''দোহাই, শুধু মস্তিষ্কটা খেয়ো না আমার। তা হলে শীঘ্রই দাস হয়ে যাবে তোমরাও।'' :* আমায় ছিঁড়ে খাও হে শকুন, লাভায় লালশাক পুবের আকাশ, ফেব্রুয়ারি ২০২৪, দুয়ার প্রকাশনী, পৃষ্ঠা ১০, ১১[https://www.dailyamardesh.com/literature/poetry/amd5cgvblxxcl?fbclid=IwY2xjawOxqd5leHRuA2FlbQIxMQBzcnRjBmFwcF9pZA80MDk5NjI2MjMwODU2MDkAAR4Kgp0Ul2IBzrHCGor3jTCVXKxpYjISxnz3IqGMITLmPaRd94bVCrB0yje_Yg_aem_6xl7QmxGE8ZG-GfgyrA7gg] * আপনি লীগের বিরুদ্ধে বইলাও হয়তো পার পাইবেন। কিন্তু শাহবাগের বিরুদ্ধে বইলা বাঁচতে পারবেন না! পুরো বাংলাদেশের চেয়েও শক্তিধর শাহবাগ রাষ্ট্র! ** ফেসবুক স্ট্যাটাস * আমি মনে করি হিন্দুদেরও একটা রাজনৈতিক দল থাকা দরকার। আমি আপনারর মতকে পছন্দ নাও করতে পারি, কিন্তু আমি আপনার মত প্রকাশ করার পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদান করি, এটাকে আমি মনে করি ইনক্লুসিভ পলিটিক্স। ** তানভির তারেক পডকাস্টে [https://m.youtube.com/watch?si=Xsr-pNdFnZnr6xl2&v=fvK5NbHKgtE&feature=youtu.be] * সীমান্ত বাচাতে হলে ঘাস খেয়ে হলেও অস্ত্র বানাও, বাংলাদেশ! ** ২২ জুন ২০২৫, ফেসবুক স্ট্যাটাসে * সংসদে দশবার যাওয়ার দরকার নাই, জীবনে ইমপ্যাক্টফুল কাজ ১ বার ২ বার করতে পারলেই হয়। [https://www.facebook.com/share/r/1J1zorhNr9/] == তাঁর সম্পর্কে উক্তি== * এই আক্রমণ কেবল হাদির উপর নয়, এই আক্রমণ সমগ্র বাংলাদেশের অস্তিত্বের উপর। হাদির মত এসকল স্পষ্টভাষী, সৎ, আপোষহীন ও ব্যক্তিগত স্বার্থের প্রতি সম্পূর্ণ উদাসীন তরুনরা পরাজিত ফ্যাসিস্ট শক্তির আবার ফিরে আসার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। ** [[মুহাম্মদ ইউনূস]], ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ * ...এই সকল শর্ত বিবেচনায় শরীফ উসমান ভাইয়ের ব্যাপারে আশা করবো, আল্লাহ যেন তাকে শহীদ হিসেবে কবুল করেন। ** [[শায়খ আহমাদুল্লাহ]], ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫[https://m.youtube.com/watch?si=Te82KUEjciLs3XCp&v=sMihUVOMIOQ&feature=youtu.be] * আজকে শুধু ব্যক্তি হাদি আক্রান্ত হয় নি, জুলাইয়ের যে ঐক্যবদ্ধ শক্তি, তারা আক্রামণের শিকার হয়েছি। ** আবিদুল ইসলাম খান, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/share/r/1DXsQYKQz2/] * আমাদের প্রাণের কবি বাংলাদেশে শেষ জীবন কাটিয়েছেন। এত দিন বাংলাদেশে আমরাও (পরিবারের অন্যেরা) ভাল ছিলাম। কিন্তু এখন যা হচ্ছে...। ওই কবরস্থানে সকলকে সমাধিস্থ করা হয় না। কিন্তু ছায়ানট ভাঙচুর করা, [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথের]] বই পুড়িয়ে দেওয়া বাংলাদেশিদের উগ্রবাদীরা হাদিকে সমাধিস্থ করলেন কবির সমাধির পাশে! এটা হল কেন? [[কাজী নজরুল ইসলাম|নজরুল]] যেখানে সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে গিয়েছেন, জাতের নামে বজ্জাতির কথা বলেছেন, তখন তাঁর সমাধির পাশে এমন এক জনকে সমাধিস্থ করা হল সরকারেরই নির্দেশে! পৃথিবীতে ভাল মানুষের জায়গা কি হারিয়ে যাচ্ছে? রবীন্দ্রনাথ-নজরুলকে কি পরবর্তী প্রজন্ম অস্বীকার করবে? আমাদের আর্জি, নজরুলকে যেন অসম্মান করা না-হয়। তবে এই সরকারের (বাংলাদেশের অন্তর্বতী সরকার) দায়বদ্ধতা নেই। আমরা ভীষণ মনোকষ্টে রয়েছি। আমরা মর্মাহত। ** সোনালি কাজী, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫, আনন্দবাজার [https://www.anandabazar.com/west-bengal/will-kazi-nazrul-islams-tomb-remain-family-worried-after-osman-hadis-burial-next-to-it-dgtld/cid/1655685] * আপনারা লোভে পড়বেন না। টাকা আজকে আছে, কালকে নাই। আমার ওসমানকে হত্যা করার জন্য ১০ লক্ষ টাকা দিসে। এ দশ লক্ষ টাকা কি অনেক কিছু?? এ দশলক্ষ টাকা শেষ হতে কতক্ষণ লাগে?! আমি তো ভাবছি, একটা বাংলাদেশও যদি লিখে দেওয়া হয়, তাহলেও তো আমার ওসমান আসবে না। এ ওসমান তৈরি হবে না! এই ওসমানকে যদি আপনারা ধারণ করেন, আপনাদের মেধা ও রাজপথ দুটোই দখলে রাখতে হবে। আপনারা পারবেন না?.. আমার ওসমান বলতো, আমি কিছু ছেলে মেয়ে তৈরি করে রেখে যেতে চাই।...যখন আওয়ামী লীগকে ধরবে, আপনাদের প্রতি অনুরোধ, কেউ ছাড়াতে যাবেন না থানায়। ওসমান কবিতায় বলেছিলো, আমার মাথা খেয়ো না। একজনের হাত না থাকলেও মাথা খাটিয়ে আরেকজনকে দিয়ে কাজ করানো যায়। তারা ওসমানের মাথাই খেয়ে দিয়েছে। আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, আপনারা ওসমানের আদর্শ লালন করেন, এসব চাদাবাজি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দাড়ান। ** ওসমান হাদির বোন, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.youtube.com/watch?si=aueChdiwTfGKtqj-&v=08QJLybTOhY][https://youtube.com/shorts/pJUduGKqC3A?si=DdTUnehsjH6Jz9GH] * হাদির মত ৫০০ ছেলেমেয়ে তৈরি হলে, ১০০০ ছেলেমেয়ে তৈরি হলে গোটা বাংলাদেশ কেন, পূরো পৃথিবী জয় করা সম্ভব। ** আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/share/v/1BCX16Q4Rc/] * হাদিকে হত্যার জন্য শুটার ফয়সালকে মোট ২১৪ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। ** একাত্তর টিভি, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.youtube.com/watch?si=fEdngb4EU1GXjl8y&v=JB2vq681pdM&feature=youtu.be] * আমরা আশা করি এবং দোয়াও করি তিনি যেন শাহাদাতের মর্যাদা পান। ** মনজুরে ইলাহী, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/share/v/17ve4DqPmo/] * শরীফ হাদি একজন হাফেজে কুরআন। [https://www.facebook.com/share/v/1AMxKYYKy5/?mibextid=adiEgM] * হাদির মৃত্যু নিয়ে একদল ফেসবুকে এসে বলতেসে নাশকতা করতেসে, বালের তোরা কি করসোস, এই দেশে হাদির ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের মত ভাসানী কালচারাল সেন্টার নাই কেন, জিয়াউর রহমান কালচারাল সেন্টার নাই কেন? তোরা বালের [[:w:en:Indira Gandhi Cultural Center|ইন্দিরা গান্দী কালচারাল সেন্টার]] খুইলা বসছস? **মুন্নি চৌধুরী, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ফেসবুক পোস্টে [https://www.facebook.com/reel/1932093524043052/?app=fbl] * শরীফ ওসমান হাদির উপর যে গুলিবর্ষণ করা হয়েছিলো, সেটাও কিন্তু তারেক রহমানের যে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সেটাকে সামনে রেখে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার একটা পায়তারা ছিল। ** আবিদুল ইসলাম খান, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.facebook.com/stories/122101010798642512/UzpfSVNDOjcxNDMwMzcxMTc1NDc4MA==/][https://rtvonline.com/politics/360735] * হাদির হত্যাকারী শুটার ফয়সালের মোবাইলের আইপি এ্যাড্রেস সময় টিভির হাতে এসেছে। সেটি ট্র্যাক করে দেখা যাচ্ছে, ফয়সালের বর্তমান অবস্থান মহারাষ্ট্রে। ব্যবহার করছে ভারতের রিলায়েন্স সিম। ** সময় টিভি, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.youtube.com/watch?si=14Zd6k0oDsO6ybCu&v=-6naAP2WaDA&feature=youtu.be] * হাদি হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উঠে এসেছে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদের নাম, যিনি এলাকায় শাহিন চেয়ারম্যান নামে পরিচিত। ** এটিএন সংবাদ, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.youtube.com/watch?si=_Xj6FnWoI8HagUgl&v=Xgq0Si2I-wo&feature=youtu.be][https://www.jugantor.com/national/1042999] * হাদি এমন একটি সমাজ চেয়েছিলেন, যেখানে জনগণ নিজের টাকা দিয়ে সংসদের নেতা বানাবে, নেতা নিজের টাকা দিয়ে সংসদের নেতা হবে না। ** সুনো নিউজ, পাকিস্তান, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.youtube.com/watch?si=QLR5LGm03zEltjzS&v=hiNMckFagJM&feature=youtu.be] * হাদিকে আমার কাছে এই মুহূর্তে বেশ গুরুত্বপূর্ণ 'গিনিপিগ' ছাড়া আর কিছুই মনে হয় নাই। আপনারা ডাক্তাররা তেলাপোকার পেট কাটতেন, আবার সেলাই করে দিতেন-চলত। বাট হাদি হয়তো চলতে পারে নাই। ** নিলোফার চৌধুরী মনি, চ্যানেল নাইন, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://www.youtube.com/live/WU4EoJDGH0w?si=opMcO58q9r9_L23- ৯:৩৭-৯:৫৬ মিনিট] * ব্রেইনসাফ (ইনসাফের ব্যঙ্গরূপ)! বুঝলে বুঝপাতা, না বুঝলে নাই। ** [[:w:মেহের আফরোজ শাওন|মেহের আফরোজ শাওন]], ফেসবুক স্ট্যাটাসে।[https://www.facebook.com/share/1AMuJZwpaJ/][https://www.facebook.com/share/1AMGxsLU5q/] * ‎“আমরা এখানে কাঁদতে আসিনি, বিচারের দাবি নিয়ে এসেছি। শুধু দাবি নয়, বিচার নিয়েই ঘরে ফিরবো” ** শরীফ মাসুমা হাদি, ৭ মে ২০২৬, ''[https://www.dhakatoday.com/news/77412/%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A7%81-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A7%9F,%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%8B:-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A6-%E0%A6%93%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A8 বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারহীনতার প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে।]'' == আরও দেখুন == * [[আবু সাঈদ]] * [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]] * [[আবরার ফাহাদ]] * [[হাসনাত আবদুল্লাহ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৫-এ মৃত্যু]] 219w7u8tudo19uae6odv5nzrjhn7f0f উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/ফলাফল 4 11865 83515 83487 2026-05-08T11:26:19Z MS Sakib 35 83515 wikitext text/x-wiki {| class="wikitable sortable" ! # !! ব্যবহারকারী !! গৃহীত !! বাতিল !! মোট শব্দ !! নিবন্ধ |- ! colspan="6" | শীর্ষ ১০ |- | '''1''' || [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] || '''404734''' || '''0''' || '''404734''' || '''19''' |- | '''2''' || [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] || '''312212''' || '''2685''' || '''314897''' || '''28''' |- | '''3''' || [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] || '''263137''' || '''41898''' || '''305035''' || '''280''' |- | 4 || [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] || 254528 || 5414 || 259942 || 10 |- | 5 || [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] || 218992 || 20564 || 239556 || 37 |- | 6 || [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] || 199942 || 0 || 199942 || 29 |- | 7 || [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] || 97421 || 25079 || 122500 || 110 |- | 8 || [[ব্যবহারকারী:Anik Kanti Dey|Anik Kanti Dey]] || 93864 || 10777 || 104641 || 34 |- | 9 || [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] || 80724 || 0 || 80724 || 21 |- | 10 || [[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] || 74267 || 0 || 74267 || 27 |- ! colspan="6" | অনলাইন সনদ |- | 11 || [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] || 63951 || 221324 || 285275 || 22 |- | 12 || [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee|Salil Kumar Mukherjee]] || 30915 || 11291 || 42206 || 27 |- | 13 || [[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] || 19346 || 37235 || 56581 || 47 |- | 14 || [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] || 5472 || 2651 || 8123 || 25 |- | 15 || [[ব্যবহারকারী:JIBON|JIBON]] || 4732 || 822 || 5554 || 5 |- | 16 || [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] || 4029 || 0 || 4029 || 11 |- | 17 || [[ব্যবহারকারী:Humaira.thithi|Humaira.thithi]] || 2787 || 923 || 3710 || 8 |- | 18 || [[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed|Amirhusenjihed]] || 2569 || 495 || 3064 || 3 |- | 19 || [[ব্যবহারকারী:Asikur Rahman|Asikur Rahman]] || 2229 || 0 || 2229 || 6 |- | 20 || [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] || 2222 || 246 || 2468 || 10 |- | 21 || [[ব্যবহারকারী:Mahiya50|Mahiya50]] || 2190 || 0 || 2190 || 6 |- | 22 || [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] || 1662 || 0 || 1662 || 6 |- | 23 || [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] || 1542 || 4132 || 5674 || 4 |- | 24 || [[ব্যবহারকারী:Muhammad Fahim Faisal|Muhammad Fahim Faisal]] || 1498 || 0 || 1498 || 6 |- | 25 || [[ব্যবহারকারী:Firuz Ahmmed|Firuz Ahmmed]] || 1117 || 1080 || 2197 || 4 |- | 26 || [[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম|নিয়াজ ইসলাম]] || 756 || 0 || 756 || 2 |- | 27 || [[ব্যবহারকারী:Asad.fr|Asad.fr]] || 364 || 2935 || 3299 || 3 |- | 28 || [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] || 352 || 0 || 352 || 1 |- | 29 || [[ব্যবহারকারী:Kh. Fahim|Kh. Fahim]] || 308 || 0 || 308 || 1 |- | 30 || [[ব্যবহারকারী:Md. Rayan Alam Rifat|Md. Rayan Alam Rifat]] || 180 || 0 || 180 || 1 |- | 31 || [[ব্যবহারকারী:Siyan BD|Siyan BD]] || 161 || 1375 || 1536 || 12 |- ! colspan="6" | অন্যান্য অংশগ্রহণকারী |- | 32 || [[ব্যবহারকারী:Dewan mahbubr Rahman|Dewan mahbubr Rahman]] || 0 || 350 || 350 || 1 |- | 33 || [[ব্যবহারকারী:ExceptionistSagar|ExceptionistSagar]] || 0 || 179 || 179 || 1 |- | 34 || [[ব্যবহারকারী:Trisha Mazumder|Trisha Mazumder]] || 0 || 0 || 0 || 1 |- | 35 || [[ব্যবহারকারী:MdMarufHossen71|MdMarufHossen71]] || 0 || 498 || 498 || 2 |- | 36 || [[ব্যবহারকারী:Usarker|Usarker]] || 0 || 1438 || 1438 || 3 |- | 37 || [[ব্যবহারকারী:রাকিবুল হাসান রাসেল|রাকিবুল হাসান রাসেল]] || 0 || 0 || 0 || 1 |- | 38 || [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM|MD RADWAN ISLAM]] || 0 || 274 || 274 || 6 |- | 39 || [[ব্যবহারকারী:AKM Mahinur Rahman|AKM Mahinur Rahman]] || 0 || 419 || 419 || 2 |- | 40 || [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM ROHAN|MD RADWAN ISLAM ROHAN]] || 0 || 615 || 615 || 5 |- | 41 || [[ব্যবহারকারী:ShahinurWrites|ShahinurWrites]] || 0 || 0 || 0 || 1 |- | 42 || [[ব্যবহারকারী:Abdullah Al Shishir|Abdullah Al Shishir]] || 0 || 0 || 0 || 1 |- | 43 || [[ব্যবহারকারী:চ্যাম্পিয়ন স্টার ১|চ্যাম্পিয়ন স্টার ১]] || 0 || 312 || 312 || 1 |} <div style="text-align: center;">{{সবুজ|''ব্যবহারকারী ভিত্তিক বিস্তারিত ফলাফল দেখুন '''[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/ফলাফল/বিস্তারিত|এখানে]]'''।''}}</div> ; পর্যালোচক {| class="wikitable" |- ! ক্রম !! নাম !! মোট !! গৃহীত !! বাতিল |- | '''১''' || '''Mehedi Abedin''' || '''২৭৫''' || ২৪২ || ৩৩ |- | '''২''' || '''NusJaS''' || '''১৯৪''' || ১৬৪ || ৩০ |- | '''৩''' || '''MS Sakib''' || '''১৮১''' || ১৪৯ || ৩২ |- | '''৪''' || '''ARI''' || '''১৬২''' || ১৩৭ || ২৫ |- | '''৫''' || '''MdsShakil''' || '''৪০''' || ৩৮ || ২ |- | '''৬''' || '''Tahmid''' || '''১৪''' || ১০ || ৪ |- | '''৭''' || '''Yahya''' || '''৫''' || ৪ || ১ |- ! মোট || || ৮৭১ || ৭৪৪ || ১২৭ |} h0hd1jfktnegip7zb1pk0re370i4gk1 ব্যবহারকারী আলাপ:Anaf Ibn Shahibul 3 11922 83496 81762 2026-05-07T16:26:12Z Oindrojalik Watch 4169 83496 wikitext text/x-wiki == অম্লান দত্ত == পাতাটির বিন্যাস ঠিক নেই। উইকিউক্তির নিবন্ধের বিন্যাস উইকিপিডিয়ার থেকে আলাদা। এখানে আমরা প্রতিটি উক্তির নিচে দুটি বুলেট পয়েন্ট দিয়ে সেটির সূত্র সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করি। বিন্যাস ঠিক করে আমাকে জানালে আমি দেখে গ্রহণ বা বর্জন করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:০৪, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত আমি এই সম্পর্কে জানতাম না। আমি এটা সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১০, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাটি আবার পড়েছি। তবে উক্তির সূত্রগুলোর পৃষ্ঠা সংখ্যা দেওয়া নেই কিংবা লিংক দেওয়া নেই। যেহেতু যাচাই করা সম্ভব হচ্ছেনা, তাই নিবন্ধটি গ্রহণ করার জন্য সূত্রগুলো সুস্পষ্ট করতে সেগুলোর সাথে পৃষ্ঠা বা লিংক দেওয়া প্রয়োজন। একটা প্রশ্ন, আপনি সূত্রগুলো কিভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] প্রথমে আমি গুগল সার্চের এআই মোড ব্যবহার করেছিলাম। তবে বর্তমানে একদম সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৪৩, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[অম্লান দত্ত]] নিবন্ধটিতে commonscat|Amlan Datta নাই তো এটা দেওয়া প্রয়োজন নাই। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৩:০৫, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] কমন্স বিষয়শ্রেণীটি আছে তবে সেখানে কোনো মিডিয়া নেই। তবে অপসারণ করেছেন, ঠিক আছে। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৮:০৫, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ধন্যবাদ। এআই অধিকাংশ ক্ষেত্রে উক্তি বানিয়ে দেয়। তাই উক্তির জন্য সরাসরি এআই ব্যবহার অনুচিত। তবে একটা প্রশ্ন, পাতায় দুটি উক্তির জন্য আপনি "For Democracy (৩য় সংস্করণ)। কলকাতা: The Minerva Associates" সূত্রটি উদ্ধৃত করেছেন। যেহেতু আপনি আগে এআই ব্যবহার করেছিলেন তাই আমাকে জানতে হবে এই বই আপনি কিভাবে পেয়েছেন। আপনি কি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করেছেন বা পড়েছেন নাকি অন্য কোনো ভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৪৫, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বইটি অনলাইন করে পিডিএফ ডাউনলোড করে পেয়েছি। সম্পূর্ণ পড়ে যুক্ত করেছি। [https://ia801402.us.archive.org/18/items/in.ernet.dli.2015.90063/2015.90063.For-Democracy.pdf লিংক]। আর এআই এর ভুল তথ্যের কারণে এবার আমি নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র যোগ করেছি — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৮:০৪, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] যেহেতু আপনি নতুন তাই এই বিবেচনায় পাতাটি গ্রহণ করলাম৷ এরপর থেকে প্রতিযোগিতায় এআই ব্যবহার করে পাতা তৈরি করবেন না। তবে অনুবাদ করতে পারবেন, কিন্তু পর্যাপ্ত সংশোধন করে নিতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:০৮, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আপনি বর্ণনায় গ্রহণ করেছেন লিখেছেন তবে গ্রহণ করেননি। [https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 এখানে দেখুন]। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:২১, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ভুলবশত বাদ পড়ে গিয়েছিল। এখন গ্রহণ করেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:২৫, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::::ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:০৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দিমিত্রি মুরাতভ == [[দিমিত্রি মুরাতভ]] নিবন্ধটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ, জমদানের পূর্বে নিবন্ধটি ভালোভাবে দেখুন। ওপর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে বিভিন্ন চিহ্ন পাল্টে গেছে। "→' হয়ে গেছে ইত্যাদি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:২২, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এটি সংক্ষিপ্ত ছিল এবং আমি "→"-এমন কোনো চিহ্নই দেখছি না। আপনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। নিবন্ধটি পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৬:২৩, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::"→"- বলতে বুঝিয়েছ, যেমন '''“enemies of the people.”''' হয়ে গেছে ''''জনগণের শত্রু।''''। ::অর্থাৎ double quote হয়ে গেছে single quote। এগুলো সাধারনত '''যান্ত্রিক অনুবাদের''' ক্ষেত্রে হয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সংশোধন করা হয়েছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৫৫, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] সংশোধনের পরও অনেক ভুল রয়ে গিয়েছিল। যেমন- সূত্রর ফরম্যাট, অনেক উক্তি অসলের চেয়ে সংক্ষিপ্ত। ::::যাই হোক, আমি সংশোধন করে গ্রহণ করে নিয়েছি। আপনি খেয়াল করুন আমি কিভাবে সুত্রগুলো সংশোধন করেছি, পরবর্তীতে ওই ফরম্যাট অনুসরণ করবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৬:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি উইকিউক্তি সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না। তাই ভুল হয়েছে। দুঃখিত। এরপরের নিবন্ধগুলো আরো মানসম্মত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৩০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == অখিলচন্দ্র দত্ত == সুধী, [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] নিবন্ধের অধিকাংশ উক্তির সূত্র নেই, যেগুলোর আছে সেগুলোর সূত্র সুস্পষ্ট নয়। আপনি উক্তিগুলো কিভাবে পেয়েছেন আর কোথায় পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫১, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে! — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ == @[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনার অনুবাদকৃত নিবন্ধগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় যান্ত্রিক অনুবাদের সাধরনতম বৈশিষ্টগুলো বিদ্যমান। নতুন নিবন্ধ আপাতত তৈরি না করে অনুগ্রহ করে সেগুলো প্রথমে সংশোধন করুন।<br>অন্যথায় [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#১. এআই ও মেশিন ট্রান্সলেশন নীতি|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে আপনাকে প্রতিযোগিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :[[রবার্ট জে. শিলার]] সংশোধন করেছি। বাকিগুলোও শিঘই সংশোধন করে জানাব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] - [[জন চার্লস পোলানি]], [[লেয়োঁ ফুকো]] ও [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধিত হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[লেয়োঁ ফুকো]] নিবন্ধের প্রথম উক্তি <code>''সবকিছুর ঊর্ধ্বে, আমাদের অবশ্যই নির্ভুল হতে হবে, এবং এটি এমন একটি বাধ্যবাধকতা যা আমরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পূরণ করতে চাই।''</code> কিভাবে অর্থপূর্ণ হয়? '''তাড়াহুড়ো করবেন না''', খুঁটিয়ে দেখবেন। প্রতিযোগিতার [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#২. পর্যালোচনার সীমাবদ্ধতা|নিয়ম অনুযায়ী একটি নিবন্ধ ২বারের বেশি পর্যালোচনা করা যাবে না]]।</br>যাই হোক, আমি ঠিক করে দিয়েছি, এবং অন্যান্য সমস্যাগুলোও ঠিক করে দিয়েছি। আমার পরিবর্তনগুলো দেখুন এবং পরবর্তী অনুবাদে সেগুলো খেয়াল রাখবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৪:৩০, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == 01762168902 == 111000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-21999-52|&#126;2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:০৮, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-21999-52|&#126;2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:১০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:~2026-21999-52|~2026-21999-52]] কি বলতে চাচ্ছেন? বলুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:১৭, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ফ্রান্সিস কলিন্স == [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] পাতায় ফিনিশিং দেওয়া নেই৷ অনেক উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের লিংক করা হয়নি। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:০১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এটিকে সংশোধন করেছি। তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতেও ফিনিশিং ঠিকভাবে ছিল না। তবে সূত্রগুলো যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:২১, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা বিষয়ে == [[ইভো আন্দ্রিচ]] [[ইভো আন্দ্রিক]] নামে ২টি পাতা!<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনার কথা বুঝলাম না। তবে [[ইভো আন্দ্রিক]] পাতাটি এখন [[ইভো আন্দ্রিচ]] পাতায় পুনঃনির্দেশিত করা হয়েছে। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১১, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ডরোথি হজকিন == উক্তি প্রতিযোগিতায় আপনার তৈরি করা [[ডরোথি হজকিন]] পাতাটিতে (এআই দিয়ে করা) ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ পরিলক্ষিত হওয়ায় তা গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১০:৪৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। আমি সংশোধন করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:১৯, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বমি == [[বমি]] পাতাটির উক্তিগুলো আরো প্রাঞ্জল হতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]], আমি [[বমি]] নিবন্ধটিকে আরও প্রাঞ্জল ও সাবলীল করেছি। গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫১, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == রুবি (প্রোগ্রামিং ভাষা) == [[রুবি (প্রোগ্রামিং ভাষা)]] পাতায় সূত্রগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৫৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] নিবন্ধটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৪৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:১৬, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == MD BISAL == MD Bisalhd76@gmail.com [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-25724-27|&#126;2026-25724-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-25724-27|আলাপ]]) ২১:১৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ওয়েন্ডি বোম্যান (কর্মী) == [[ওয়েন্ডি বোম্যান (কর্মী)]] পাতাটি অসম্পূর্ণ। ইংরেজি পাতাটি অনুসরণ করে পাতাটি ঠিক করে নিন। পাশাপাশি উক্তির অনুবাদে প্রাঞ্জলতা আনতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০০:৫০, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 4jdgxfi5knifhg11ie1g0kjvc7xitqf সাংবাদিকতা 0 12652 83512 83312 2026-05-08T05:49:02Z Oindrojalik Watch 4169 হটক্যাটের মাধ্যমে +[[বিষয়শ্রেণী:পেশা অনুযায়ী ব্যক্তি]]; +[[বিষয়শ্রেণী:পেশা]] 83512 wikitext text/x-wiki [[File:2 Fillettes vendant des journaux, Wilmington (Delaware), mai 1910.jpg|thumb|আমেরিকায় রাষ্ট্রপতি চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, আর সাংবাদিকতা শাসন করে অনন্তকাল ধরে!<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''']] '''[[w:সাংবাদিকতা|সাংবাদিকতা]]''' হলো সংবাদ সংগ্রহ, লিখন এবং সংবাদ পরিবেশনের একটি বিশেষ শাখা। বিস্তৃত অর্থে এটি সংবাদ নিবন্ধ সম্পাদনা ও উপস্থাপনার প্রক্রিয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করে। সাংবাদিকতা বিভিন্ন মাধ্যমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি কেবল [[w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]], [[w:সাময়িকী_(পত্রিকা)|সাময়িকী]], [[w:বেতার|রেডিও]] এবং [[w:টেলিভিশন|টেলিভিশনের]] মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদ প্রচারের দৌড়ে সবার আগে থাকার প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও, প্রতিটি সংবাদ সংস্থা নিজস্ব নির্ভুলতা, গুণমান এবং শৈলীর মানদণ্ড মেনে চলে। যেখানে সাধারণত প্রকাশের পূর্বে প্রতিবেদনগুলো [[:w:সম্পাদনা|সম্পাদনা]] ও প্রুফরিডিং করা হয়। অনেক সংবাদ সংস্থা সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার গৌরবময় ঐতিহ্য দাবি করে, যদিও সংবাদ মাধ্যম সমালোচকরা খোদ সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ''জার্নালিজম'' বা সাংবাদিকতা শব্দটি [[w:ফরাসি_ভাষা|ফরাসি ভাষার]] '''''journal''''' '''''বা''''' '''''জার্নাল''''' থেকে নেওয়া হয়েছে, যা কালক্রমে ল্যাটিন ''ডিউর্নাল'' বা দৈনিক শব্দ থেকে উদ্ভূত। [[w:প্রাচীন_রোম|প্রাচীন রোমের]] প্রধান জনচত্বর ফোরামে প্রতিদিন 'অ্যাক্টা ডিউর্না' নামক একটি হস্তলিখিত বুলেটিন টাঙিয়ে দেওয়া হতো, যা ছিল বিশ্বের প্রথম সংবাদপত্র। [[File:Amy Goodman — Keynote, National Conference for Media Reform 2013 (8626124929).jpg|thumb|যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।<br>~'''''অ্যামি গুডম্যান''''']] __NOTOC__ {{TOCalpha|''[[#হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস|হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · [[#আরোপিত|আরোপিত]]}} == A == [[File:Julian Assange in Ecuadorian Embassy cropped.jpg|thumb|আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও আক্রমণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি।<br>~'''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' ]] [[File:Great men and famous women - a series of pen and pencil sketches of the lives of more than 200 of the most prominent personages in history Volume 7 (1894) (14760162546).jpg|thumb|সাংবাদিকতা সত্যিই মহৎ। প্রতিটি দক্ষ ও সামর্থ্যবান সম্পাদক কি বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন, যেহেতু তিনি বিশ্ববাসীকে নিজের যুক্তি ও চিন্তায় প্ররোচিত ও প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখেন?<br>~'''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''' ]] *একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংবাদপত্রের অবাধ স্বাধীনতা অপরিহার্য ও মৌলিক একটি শর্ত। অতএব, এই কমনওয়েলথ বা জনসমষ্টির মধ্যে কোনোভাবেই সংবাদপত্রের সেই স্বাধীনতাকে খর্ব বা সংকুচিত করা উচিত নয়। **'''''ম্যাসাচুসেটস সংবিধান''''' (২৫ অক্টোবর, ১৭৮০ তারিখে গৃহীত; যা বিশ্বের প্রাচীনতম কার্যকর লিখিত সংবিধান) {{cite book|author='''''[[:w:জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:স্যামুয়েল অ্যাডামস|স্যামুয়েল অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:জেমস বাউডোইন|জেমস বাউডোইন]]'''''|title=[[:w:ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান]]|publisher=[[:w:ম্যাসাচুসেটস|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ]]|year=1780|pages= অনুচ্ছেদ XVI}}[http://en.wikisource.org/wiki/Constitution_of_the_Commonwealth_of_Massachusetts_%281780%29 মূল পাঠ্য] * বেনামে তথ্য ফাঁস করা একটি প্রাচীন শিল্পকলা এবং অনেক ওয়েবসাইটই এমন সব উৎস থেকে প্রাপ্ত নথিপত্র প্রকাশ করে থাকে যাদের তারা শনাক্ত করতে পারে না। উইকিলিকস যা করেছে তা হলো এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে পেশাদার রূপ দেওয়া। তারা তথ্য ফাঁস গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও মানসম্মত কার্যপ্রণালী তৈরি করেছে। ** '''''স্টিফেন আফটারগুড''''', '''FAS''' বা ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস প্রজেক্ট অন গভর্নমেন্ট সিক্রেসি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|first=পল |last=মার্কস |author= |url= |title=উচ্চপদে আসীন ব্যক্তিদের অপ্রস্তুত করার একটি অব্যর্থ উপায়: হুইসেল-ব্লোয়ার বা তথ্য ফাঁসকারীরা কোনো চিহ্ন না রেখেই সব বলে দিতে পারেন, সেইসব ওয়েবসাইটকে ধন্যবাদ যা তাদের পরিচয় গোপন রাখে |work= নিউ সায়েন্টিস্ট|publisher=রিড বিজনেস ইনফরমেশন |pages= |page=২৮, খণ্ড ১৯৮; ইস্যু ২৬৫৫ |date=মে ১০, ২০০৮ |accessdate= }} * একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার কর্মজীবন আমার সাহিত্যিক সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে এক মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। সাংবাদিকতাই আমাকে শব্দকে চিনতে এবং ভালোবাসতে শিখিয়েছে—যা আমার পেশার প্রধান হাতিয়ার এবং আমার শিল্পের মূল উপাদান। সাংবাদিকতা আমাকে সত্যের সন্ধান করতে এবং নৈর্ব্যক্তিক বা বস্তুনিষ্ঠ হতে শিখিয়েছে। শিখিয়েছে কীভাবে পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নিতে হয় এবং তাকে এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে রাখতে হয় যেন সে কোনোভাবেই ফস্কে না যায়। এটি আমাকে বিভিন্ন ধারণাকে সংশ্লেষণ করতে এবং ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনায় সুনির্দিষ্ট হতে শিখিয়েছে। আর সর্বোপরি, এটি আমার ভেতর থেকে সাদা পাতার প্রতি যাবতীয় ভয়কে চিরতরে দূর করে দিয়েছে। ** ১৯৯৪ সালের একটি সাক্ষাৎকার যা ''কনভারসেশনস উইথ '''''ইসাবেল আলেন্দে''''' '' (১৯৯৯) এ অন্তর্ভুক্ত, স্পেনীয় ভাষা থেকে কোলা ফ্রাঞ্জেন কর্তৃক অনূদিত। * প্রথম সংশোধনীর প্রতিষ্ঠিত আইন অনুযায়ী, সংবাদ প্রকাশে পূর্ব-নিষেধাজ্ঞা বা সেন্সরশিপ যদি আদৌ সাংবিধানিক হয়ও, তবে তা কেবল চরম ও অতি-অস্বাভাবিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই অনুমোদিত হতে পারে। বর্তমান মামলার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, আদালতের এমন সব নির্দেশ রয়েছে যা কার্যকরভাবে একটি ওয়েবসাইটকে বন্ধ করে দিয়েছে। যে সাইটটি বিশ্বজুড়ে সরকার ও কর্পোরেশনগুলোর দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছিল এবং এই নির্দেশটি যে কেউ পাঠ করলে তাকে সেই নথিগুলো প্রকাশ করা, এমনকি সেগুলোর লিঙ্ক দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বাধ্য করছে। ** '''''ডেভিড আরডিয়া''''', হার্ভার্ড ল স্কুলের বার্কম্যান সেন্টার ফর ইন্টারনেট অ্যান্ড সোসাইটি-র সিটিজেন মিডিয়া ল' প্রজেক্ট বা CMLP এর পরিচালক, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' প্রসঙ্গে মন্তব্যকালে — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|title=ইন্টারনেটে বাকস্বাধীনতা রক্ষা: একটি সাইবার-ল ক্লিনিকে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক আইনি বিষয়গুলো মোকাবিলায় সহায়তা করছে |work=হার্ভার্ড ল বুলেটিন |publisher= [[:w:হার্ভার্ড ল স্কুল|হার্ভার্ড ল স্কুল]]|page= |date=Fall 2008 |url=http://www.law.harvard.edu/news/bulletin/2008/fall/feature_2-side1.php|accessdate=2009-03-04}} * আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর শক্তিমত্তা ও দুর্নীতির মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে ধেয়ে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও প্রবল বিরুদ্ধাচরণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি। ** '''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' এর উদ্ধৃতি: [https://www.theguardian.com/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সেই সন্ন্যাসী যিনি বৌদ্ধিক লড়াইয়ের মাধ্যমেই বিকশিত হন, ক্যারল ক্যাডওয়ালাডার, ''দ্য গার্ডিয়ান''], (১ আগস্ট ২০১০) == B == * অভিজ্ঞতা এটিই প্রমাণ করেছে যে, সাধারণ প্রত্যাশার সম্পূর্ণ বিপরীতে গিয়ে সংবাদপত্র হলো জনমতকে সঠিক পথে পরিচালিত করার, উত্তেজনাপূর্ণ আন্দোলনকে শান্ত করার এবং সেইসব মিথ্যা ও কৃত্রিম গুজবকে বিলীন করে দেওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম, যার দ্বারা রাষ্ট্রের শত্রুরা তাদের অশুভ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এই জনসমক্ষে প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোর মাধ্যমে যেমন নির্দেশনা সরকার থেকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, তেমনি তা মানুষের কাছ থেকে সরকারের কাছেও উন্নীত হতে পারে। সংবাদপত্রকে যত বেশি স্বাধীনতা প্রদান করা হবে, জনমতের গতিপথ সম্পর্কে তত বেশি নির্ভুলভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে এবং তা তত বেশি সুনিশ্চিতভাবে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। **'''''[[:w:জেরেমি বেন্থাম|জেরেমি বেন্থাম]]''''', ''প্রিন্সিপালস অফ পেনাল ল''; তৃতীয় অংশ, "অপরাধ প্রতিরোধের পরোক্ষ পদ্ধতিসমূহ"; অধ্যায় XIX, "নির্দেশনা প্রদানের ক্ষমতা থেকে আহরিত ব্যবহার"। [https://books.google.com/books?id=GGpVAAAAcAAJ&newbks=1&newbks_redir=0&dq=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&pg=RA1-PA568#v=onepage&q=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&f=false গুগল বুকস] * আপনি যদি সমগ্র আমেরিকা ঘুরে দেখেন, তবে দেখবেন ছোট ছোট সংবাদপত্রগুলো তাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সত্যিই চমৎকার কাজ করছে। আধুনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস, আধুনিক ওয়াশিংটন পোস্ট কিংবা আধুনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অধিকাংশ বিচারেই ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সময়ের চেয়ে এখন অনেক উন্নত মানের সংবাদপত্র। কিন্তু আপনি যদি এই ক্ষেত্রের বাকি অংশগুলোর দিকে তাকান... তবে দেখবেন যে সত্যের সর্বোত্তম লভ্য সংস্করণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা প্রকৃত সংবাদ ক্রমশ একটি দুষ্প্রাপ্য পণ্যে পরিণত হচ্ছে এবং আমাদের সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত অংশ হিসেবে এর উপস্থিতি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। **'''''কার্ল বার্নস্টাইন''''', সাক্ষাৎকারে {{cite news | last =স্টাফ | title =সাক্ষাৎকার: কার্ল বার্নস্টাইন | work =[[:w:ফ্রন্টলাইন (মার্কিন টিভি সিরিজ)|ফ্রন্টলাইন]] | publisher =[[:w:ডব্লিউজিবিএইচ|ডব্লিউজিবিএইচ]] এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন | date =১০ জুলাই ২০০৬ | url =http://www-c.pbs.org/wgbh/pages/frontline/newswar/interviews/bernstein.html | accessdate =২০০৯-০২-২০ }} * প্রতিবেদক, বিশেষ্য: একজন লেখক যিনি সত্যের পথে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে অগ্রসর হন এবং শব্দের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে সেই সত্যকেই বিলীন করে দেন। ** '''''অ্যামব্রোস বিয়ার্স''''', ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১)। * প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা পূর্বপুরুষগণ মুক্ত সংবাদমাধ্যমকে সেই সুরক্ষা প্রদান করেছিলেন যা আমাদের গণতন্ত্রে এর অপরিহার্য ভূমিকা পালনের জন্য একান্ত প্রয়োজন। সংবাদপত্রের কাজ ছিল শাসিতদের সেবা করা, শাসকদের নয়। সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ বা বিধি-নিষেধ আরোপের সরকারি ক্ষমতা বিলুপ্ত করা হয়েছিল যাতে সংবাদপত্র চিরকাল সরকারকে কঠোর সমালোচনা করার স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। সংবাদমাধ্যমকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল যাতে এটি সরকারের গোপন রহস্যগুলো উন্মোচন করতে পারে এবং জনগণকে তথ্য দিয়ে সচেতন করতে পারে। কেবল একটি স্বাধীন এবং নিয়ন্ত্রণহীন সংবাদমাধ্যমই কার্যকরভাবে সরকারের প্রতারণা ও জালিয়াতির মুখোশ খুলে দিতে পারে। ** '''''হিউগো এল. ব্ল্যাক''''', নিউ ইয়র্ক টাইমস বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মামলা, পৃ. ৭১৭ * দীর্ঘকাল ধরে এটি ধরে নেওয়া হয়েছিল যে, সাংবাদিকরা যেসব ঘটনা কভার করেন বা প্রতিবেদন তৈরি করেন, তা তাদের ওপর কোনো স্থায়ী প্রভাব ফেলে না। ট্রমাটিক বা মানসিকভাবে আঘাতমূলক ঘটনাগুলোর মুখোমুখি হওয়াকে তাদের চাকরির বিবরণের অংশ এবং এই পেশার একটি সাধারণ ঝুঁকি হিসেবে দেখা হতো। ঠিক যেমন একজন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বা অগ্নিনির্বাপক কর্মীর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। অনেকে মনে করতেন যে, যারা মৃত্যু এবং ধ্বংসের খবর সংগ্রহ করেন তারা অস্বাভাবিকভাবে কঠোর মনের মানুষ এবং তারা যে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা প্রত্যক্ষ করেন, তার প্রতিধ্বনিমূলক প্রভাব থেকে তারা কোনোভাবে মুক্ত। কিছুদিন আগ পর্যন্তও সাংবাদিকরা মনে করতেন যে, যদি তারা জনসমক্ষে স্বীকার করেন যে সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা দীর্ঘমেয়াদে তাদের প্রভাবিত করতে পারে, তবে তাদের দুর্বল ভাবা হবে এবং সহকর্মীদের তুলনায় কম যোগ্য বলে মনে করা হবে। ** '''''এলিসা ই. বোল্টন''''', [https://www.ptsd.va.gov/public/community/journalists-ptsd.asp “সাংবাদিকদের দ্বারা সম্মুখীন হওয়া বেদনাদায়ক ঘটনাসমূহ“], '''''ন্যাশনাল সেন্টার ফর পিটিএসডি''''', '''''ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ ভেটেরান্স অ্যাফেয়ার্স'''''। * সেখানে পোস্ট করা মাত্র কয়েকটি নথির প্রতিক্রিয়ায় পুরো সাইটটিতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া জনগণের জানার অধিকারকে সম্পূর্ণভাবে অবজ্ঞা করার শামিল। ** '''''অ্যান ব্রিক''''', [[:w:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের]] অ্যাটর্নি, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' মামলায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আগে দেওয়া বিবৃতি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত: [http://en.wikinews.org/wiki/Rights_groups:_Forcing_Wikileaks.org_offline_raises_%27serious_First_Amendment_concerns%27 "অধিকার গোষ্ঠীসমূহ: উইকিলিকস ডট অর্গকে অফলাইনে যেতে বাধ্য করা 'প্রথম সংশোধনীর গুরুতর উদ্বেগ' তৈরি করে"], '''''[[:n:প্রধান পাতা|উইকিসংবাদ]]''''', (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। * কখনোই ভুলে যাবেন না যে, আপনি যদি আপনার প্রথম বাক্যটি দিয়েই সংবাদপত্রের পাঠকের চোখের মণি বরাবর আঘাত করতে না পারেন (অর্থাৎ তার তীক্ষ্ণ মনোযোগ আকর্ষণ করতে না পারেন), তবে দ্বিতীয় বাক্যটি আর লেখার কোনো প্রয়োজনই নেই। ** '''''আর্থার ব্রিসবেন''''' (আনু. ১৯০০), উদ্ধৃত হয়েছে: অলিভার কার্লসন রচিত '''''ব্রিসবেন: এ ক্যান্ডিড বায়োগ্রাফি''''' (১৯৩৭), অধ্যায় ৫। * এমন এক সময় ছিল যখন হর্স ওয়াটসনদের মতো পেশার মানুষরা সাধারণত নেশামুক্ত অবস্থায় কখনও ঘুমাতে যেতেন না এবং তাদের লিভার বা যকৃৎ ক্ষয় হয়েই তারা মৃত্যুবরণ করতেন। সেই অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন দুঃসাহসী যোদ্ধাদের সীমান্ত অঞ্চলের স্যালুনগুলোতে নিজেদের বোকা বানাতে দেখাটা নিশ্চয়ই মজার ছিল। যেখানে তারা প্রতিদ্বন্দ্বী সাংবাদিক ও তাদের সমর্থকদের সাথে চাবুকপেটা এবং গোলাগুলিতে মেতে উঠতেন। কিন্তু কে থামত এটা ভাবতে যে, শব্দ এবং প্রকাশনার ক্ষমতা হাতে থাকা বলতে আসলে কী বোঝায়? এটা বুঝতে পারা যে, একটি পুরো শহর বা অঞ্চল বিচার করবে, নিন্দা জানাবে, কাজ করবে, দণ্ড মওকুফ করবে কিংবা গুণগান গাইবে শুধুমাত্র আপনার গতরাতের তড়িঘড়ি করে লেখা কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে? কারণ আপনি টাইপসেটে কিছু একটা সাজিয়েছিলেন, আর তা করতে গিয়ে আপনার আঙুলের ডগায় লেগে যাওয়া ধাতব বিষগুলো অদম্যভাবে আপনার রক্তপ্রবাহে যাত্রা শুরু করেছিল? ক্ষমতার মোহে আপনি আপনার যকৃৎ আর বৃক্ককে এক স্পঞ্জি ও খিটখিটে পিন্ডে পরিণত করেছিলেন। আপনি আপনার মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ভারী ধাতব আয়নের বিষে কলুষিত করেছিলেন যতক্ষণ না তা দিকভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গির এক ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়। [[w:অ্যালকোহল|অ্যালকোহল]] সাময়িকভাবে সেই প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করত। তাই আপনি একজন মদ্যপ হয়ে উঠেছিলেন, এবং দিনপ্রতি কিস্তিতে নিজের মানসিক সুস্থতা কিনে নিতেন, আর নিজেকে সবার হাসির পাত্রে পরিণত করতেন। শেষ পর্যন্ত এটি মজার কিংবা বিয়োগান্তক কোনোটিই ছিল না। এটি ছিল জীবনের এক রূঢ় বাস্তবতা যা মাঝারি মানের মানুষের ওপর ধীরগতিতে কাজ করত; কারণ সেই মাঝারিরা নিজেদের সত্ত্বাকে থামিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যেতে পারত, রাতের কাজটি তাদের নিজের সন্তুষ্টি অনুযায়ী হোক বা না হোক। ** '''''অ্যালজিস বাড্রিস''''', '''''মাইকেলমাস''''' (১৯৭৭), ISBN 0-425-03812-2, অধ্যায় ৩ (পৃ. ৩৬-৩৭)। * সাংবাদিকতা হয়তো খুব বেশি দুঃসাহস দেখানোর সাহস পায় না। এটি মৃদু হাস্যরসাত্মক এবং বিদ্রূপাত্মক হতে পারে, খুব হালকাভাবে এতে ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের ছোঁয়া থাকতে পারে, কিন্তু খুব গভীরে খনন করে এটি পাঠকদের বিমুখ করতে পারে না। ভাষার প্রতি এর দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সত্য: প্রচলিত রীতিগুলো নিয়ে এখানে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। ** '''''[[:w:অ্যান্থনি বার্জেস|অ্যান্থনি বার্জেস]]''''', '''''এ মাউথফুল অফ এয়ার: ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস, এস্পেশালি ইংলিশ''''' (১৯৯২)। * ''স্বঘোষিত এক তামাশাকার আর রসালো ভাড়াটে ভাঁড়,<br>নিম্নমানের মাসিক-লেখক ও উপহাসের উপহার!<br>শৈল্পিক চাটুকারিতে সে বেজায় রপ্ত,''<br>''তার হস্তকৃত ম্যাগাজিন মিথ্যায় অভিশপ্ত!'' ** '''''[[:w:লর্ড বায়রন|লর্ড বায়রন]]''''', '''''ইংলিশ বার্ডস অ্যান্ড স্কচ রিভিউয়ার্সের''''' খন্ডাংশ (১৮০৯), লাইন ৯৭৫, বাংলায় রূপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। == C == * মূলধারার সংবাদ মাধ্যমগুলো যখন ক্রমশ আত্মতুষ্ট হয়ে পড়ছে, এমনকি যুদ্ধপন্থী নীতিগুলোর সমর্থক হয়ে উঠছে, তখন এটি আরও বেশি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, যুদ্ধবিরোধী কণ্ঠস্বর এবং বিশেষ করে যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকরা যেন [[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সেই নজির স্থাপনের প্রচেষ্টাকে প্রতিরোধ করেন, যা যুদ্ধাপরাধ প্রকাশের কাজটিকে একটি দণ্ডণীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে চায়। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির অপূরণীয় ক্ষতির বিষয়ে যারা উদাসীন বা সরাসরি সমর্থনমূলক অবস্থান গ্রহণ করে, সেইসব প্রকাশনার সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান করছে উইকিলিকস এবং এর প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। "যদি মিথ্যা দিয়ে যুদ্ধ শুরু করা যায়, তবে সত্য দিয়ে তা থামানোও সম্ভব"—তার এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে, অ্যাসাঞ্জ একবিংশ শতাব্দীর মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিখুঁত নির্ভুলতার সাথে প্রকাশ করেছেন। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * মূলধারার সংবাদমাধ্যমের হাজারো সমস্যা থাকা সত্ত্বেও, একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাংবাদিকতা আজও যুদ্ধ প্রতিরোধ করার এবং ক্ষেত্রবিশেষে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করার অন্যতম প্রধান ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে টিকে রয়েছে। এমনকি যারা সংবাদমাধ্যমের ওপর চরম আস্থাহীন, তাদেরও উচিত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আসা যাবতীয় আক্রমণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। কারণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার এই সুনিশ্চিত গ্যারান্টিই যুদ্ধবিরোধী প্রতিবেদনগুলোকে মূলধারার আলোচনায় নিয়ে আসে এবং সাধারণ মানুষের প্রথাগত চিন্তাধারাকে পরিবর্তন করে তাদের সরকারকে আরও গভীরভাবে বুঝতে শেখায়। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * দক্ষ ও দূরদর্শী সম্পাদকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেটের অভ্যুদয় ঘটছে। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), প্রথম অংশ, ষষ্ঠ বই, অধ্যায় ৫। * সাংবাদিকতা সত্যিই এক মহৎ ও বিশাল শক্তি। প্রতিটি দক্ষ ও কুশলী সম্পাদক কি এই বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন? কারণ তিনি তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ও অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে সমগ্র বিশ্ববাসীকে নিজ মতে প্ররোচিত করার ক্ষমতা রাখেন। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), দ্বিতীয় অংশ, প্রথম বই, অধ্যায় ৪। * বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি প্রধান স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে। কিন্তু তিনি ঐ যে সংবাদদাতাদের গ্যালারির দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, সেখানে একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা আগের তিনটি স্তম্ভের তুলনায় অনেক বেশি প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোনো আলঙ্কারিক শব্দ বা নিছক চাতুর্যপূর্ণ উক্তি নয়, বরং এটি একটি আক্ষরিক সত্য। যা বর্তমান এই অস্থির সময়ে আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অমোঘ। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''অন হিরোস, হিরো-ওয়ারশিপ, অ্যান্ড দ্য হিরোইক ইন হিস্ট্রি: সিক্স লেকচারস: রিপোর্টেড''''', উইলি অ্যান্ড হ্যালস্টেড, (১৮৫৯), পৃ. ১৪৭, বক্তৃতা ৫: "দ্য হিরো অ্যাজ ম্যান অফ লেটারস"। * সাংবাদিকদের দেখলে মনে হতে পারে যে তারা প্রায় আক্ষরিক অর্থেই আধুনিক বিশ্বের এক একজন পুরোহিত... তবে পুরোহিততন্ত্রের নৈতিক অবক্ষয় ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটেছিল যখন এটি জ্ঞান বিতরণের জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী থেকে জ্ঞান গোপন রাখার জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীতে রূপান্তরিত হয়েছিল। সাংবাদিকতার অধঃপতনের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ধরনের এক বিশাল বিপদ ও আশঙ্কা লুকিয়ে রয়েছে। সাংবাদিকতা নিজেই নিজের মধ্যে এমন এক ভয়াবহ দানবীয় রূপ এবং বিভ্রম সৃষ্টি করার সম্ভাবনা ধারণ করে, যা মানবজাতির জন্য অতীতে কখনও আসা যেকোনো অভিশাপের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। এই ভয়ংকর রূপান্তরটি ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটবে যখন সাংবাদিকরা অনুধাবন করতে শুরু করবে যে তারা সমাজের এক বিশেষ অভিজাত শ্রেণীতে পরিণত হতে সক্ষম। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য নিউ প্রিস্টস" (১৯০১)। [https://books.google.com/books?id=v6-RGg0qKpsC&pg=PA551&dq=%22Journalism+possesses+in+itself+the+potentiality+of+becoming+one+of+the+most+frightful+monstrosities%22&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&sa=X&ved=2ahUKEwikocyvmKf7AhWbj4kEHWQlDCAQuwV6BAgOEAY#v=onepage&q=%22Journalism%20possesses%20in%20itself%20the%20potentiality%20of%20becoming%20one%20of%20the%20most%20frightful%20monstrosities%22&f=false] * সাংবাদিকতা বর্তমানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে ঠিকই, তবে এই জনপ্রিয়তার মূল ভিত্তিটি আসলে এক ধরনের কাল্পনিক আখ্যান বা ফিকশন। আমাদের যাপিত জীবন হলো এক স্বতন্ত্র জগত, আর সংবাদপত্রের পাতায় প্রতিফলিত জীবন হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন ও কৃত্রিম এক জগত। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "অন দ্য ক্রিপ্টিক অ্যান্ড দ্য এলিপ্টিক", '''''অল থিংস কনসিডারড''''' (১৯০৮)। * আমি জানি যে সাংবাদিকতা মূলত এমন সব মানুষকে 'লর্ড জোন্স মৃত' বলে সংবাদ দেওয়ার নামান্তর, যারা লর্ড জোন্স যে আদৌ জীবিত ছিলেন সেই খবরটিই কখনও জানতেন না। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য পার্পল উইগ", '''''দ্য উইজডম অফ ফাদার ব্রাউন''''' (১৯১৪)। * আমাদের আধুনিক অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি হিসেবে সাংবাদিকতার একটি বড় ও প্রধান দুর্বলতা হলো এই যে, একে এমন এক চিত্রকল্প হতে হয় যা পুরোপুরি কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনার সমষ্টি। আমরা চটকদার পোস্টারে ঘোষণা করি যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছেন। কিন্তু আমরা কখনও রঙিন পোস্টারে এই ঘোষণা দিই না যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে যাননি। অথচ বাস্তবিকভাবে পরবর্তী তথ্যটিই অনেক বেশি রোমাঞ্চকর ও উদ্দীপক। কারণ এটি নির্দেশ করে যে মানুষ নামক রহস্য আর আতঙ্কের সেই সচল মিনারটি এখনও এই পৃথিবীতে সদর্পে বিচরণ করছে। মানুষটি যে ভারা থেকে পড়ে যায়নি, সেটিই আসলে প্রকৃত অর্থে বেশি চাঞ্চল্যকর এবং এটি নিয়মিত ঘটে যাওয়া হাজারো সাধারণ ঘটনার চেয়েও অনেক বেশি বাস্তব। কিন্তু সাংবাদিকতার কাছে এমন প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক যে তারা এই চিরন্তন ও ধ্রুব অলৌকিক ঘটনাগুলোর ওপর জোর দেবে। ব্যস্ত সম্পাদকদের কাছ থেকে এমনটা আশা করা যায় না যে তারা তাদের পোস্টারে লিখবেন, "মিস্টার উইলকিনসন এখনও নিরাপদ আছেন" কিংবা "ওয়ার্দিং এর মিস্টার জোন্স এখনও মারা যাননি।" তারা মানবজাতির সামগ্রিক সুখ বা সাধারণ স্বাভাবিকতাকে সংবাদ হিসেবে প্রচার করতে পারেন না। তারা এমন সব কাঁটাচামচের বর্ণনা দিতে পারেন না যা চুরি হয়নি, কিংবা এমন সব দাম্পত্যের কথা লিখতে পারেন না যা বিচারবুদ্ধি খাটিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়নি। ফলস্বরূপ, জীবনের যে পূর্ণাঙ্গ চিত্র তারা তুলে ধরেন তা অপরিহার্যভাবেই বিভ্রান্তিকর ও ত্রুটিপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ তারা কেবল যা অস্বাভাবিক ও ব্যতিক্রমী, তা-ই উপস্থাপন করতে সক্ষম। তারা যত বড় গণতান্ত্রিকই হোন না কেন, দিনশেষে তারা কেবলমাত্র সংখ্যালঘু এবং বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', '''''দ্য বল অ্যান্ড দ্য ক্রস''''' (১৯০৯), [http://www.classicreader.com/book/2241/4/ চতুর্থ অধ্যায়: ভোরের আলোচনা] (দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ)। * উইকিলিকস যদি কোনো ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত সাধারণ সাময়িকী হতো, তবে এর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা চিন্তাও করা যেত না। ... এই মামলাটিকে যা আলাদা করে তুলেছে তা হলো, অভিযোগ অনুযায়ী তথাকথিত অগ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তুগুলো কাগজের পরিবর্তে ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু যারা কোনো কিছু প্রকাশ করতে চায় এবং যারা তা পড়তে চায়। তাদের সুরক্ষা প্রদানকারী মূলনীতিগুলো বিসর্জন দেওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত দুর্বল ও ভিত্তিহীন একটি অজুহাত। মাধ্যম যা-ই হোক না কেন, সেন্সরশিপ বা কণ্ঠরোধ সবসময়ই সেন্সরশিপ হিসেবেই গণ্য হয়। ** '''''সম্পাদকীয়''''', "ইলেকট্রনিক সেন্সরশিপ", '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]''''', শিকাগো ট্রিবিউন কোম্পানি, (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮), পৃ. ১৪। * '''সাংবাদিকদের পরম পবিত্র দায়িত্ব হলো সত্য প্রকাশ করা। সাংবাদিকতা মানে হলো আপনাকে প্রকৃত ঘটনার মূলে ফিরে যেতে হবে, নথিপত্রগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে, নথিবদ্ধ তথ্যের আসল রূপটি উন্মোচন করতে হবে এবং ঠিক সেভাবেই তা সবার সামনে তুলে ধরতে হবে।''' ** '''''[[:w:নোম চমস্কি|নোম চমস্কি]]''''', সাক্ষাৎকারে: জয় ওয়াং, "বক্তৃতা: নোম চমস্কি", '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', [[:w:নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি|নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়]], (ডিসেম্বর ২০০৪)। * রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো সরকারকে তার নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধি এবং প্রায়শই ভিত্তিহীন ও মিথ্যায় ঘেরা সত্যের একটি সংস্করণ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করা। আর এটি করা হয় জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া 'তথ্য' বা 'উপাত্ত'গুলোকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বাছাই করার মাধ্যমে। তারা তাদের প্রকৃত জানা তথ্যের যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রকাশ কিংবা বিকল্প কোনো তথ্যসূত্রের উপস্থিতিতে চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। সংবাদসূচির ওপর তাদের এই একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের হুমকিকে সম্ভব হলে দমন করা হয়। আর যেখানে দমন করা সম্ভব হয় না, সেখানে দায়ীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।<br>[[w:ইয়েমেনী_সংকট_(২০১১-বর্তমান)|ইয়েমেন যুদ্ধ]]—যেখানে অন্তত ৭০,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে! সেই যুদ্ধ সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে দেওয়াই হলো প্রধান কারণ যার জন্য মার্কিন সরকার জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এবং জিক্রি—উভয়কেই চরমভাবে হেনস্তা ও নিপীড়ন করছে। ** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)। * এক দশক আগে আমি যখন কাবুলে অবস্থান করছিলাম, ঠিক তখনই উইকিলিকস আফগানিস্তান, ইরাক এবং ইয়েমেনের সংঘাত সংক্রান্ত মার্কিন সরকারের নথিপত্রের এক বিশাল ভাণ্ডার উন্মোচন করেছিল। সেই প্রকাশের দিনটিতে আমি একজন মার্কিন কর্মকর্তার সাথে দেখা করার জন্য ফোনে কথা বলছিলাম... তিনি এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উৎসুক ছিলেন এবং আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে ফাইলগুলোর গোপনীয়তার মাত্রা বা ক্লাসিফিকেশন সম্পর্কে আসলে কী জানা গেছে। আমি যখন তাঁকে বিস্তারিত জানালাম, তিনি বেশ স্বস্তির সুরে বললেন: “তাহলে তো দেখছি এর মধ্যে প্রকৃত অর্থে গোপন রাখার মতো তেমন কিছুই নেই।” ** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)। * আমরা এই শুনানিতে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। ১৯৮৯ সালের 'টেক্সাস বনাম জনসন' মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আমাদের গণতন্ত্রের অন্যতম মৌলিক একটি আদর্শ তুলে ধরেছিল। সেটি হলোঃ প্রথম সংশোধনীর পেছনে যদি কোনো সুদৃঢ় ও অপরিবর্তনীয় ভিত্তি থেকে থাকে, তবে তা হলো এই যে: সরকার কোনো নির্দিষ্ট ধারণার বহিঃপ্রকাশকে কেবল এই অজুহাতে নিষিদ্ধ করতে পারে না যে সমাজ সেই ধারণাটিকে আপত্তিকর বা অপ্রীতিকর বলে মনে করছে। এই অমোঘ কথাগুলো ছিল বিচারপতি উইলিয়াম ব্রেনান জুনিয়রের। ** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং] * ...এই বিতর্ক সম্পর্কে যার যা-ই মত থাকুক না কেন, এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে উইকিলিকসের বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তা বাকস্বাধীনতা, সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয় এবং নাগরিকরা তাদের নিজস্ব সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আসলে কতটুকু জানার অধিকার রাখে। তা নিয়ে অত্যন্ত মৌলিক ও সুদূরপ্রসারী প্রশ্নের জন্ম দেবে। প্রকৃতপক্ষে, যদিও এ বিষয়ে একটি সাধারণ ঐকমত্য রয়েছে যে মাঝে মাঝে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা বজায় রাখা অপরিহার্য, তবুও বর্তমান সময়ের আসল সমস্যাটি গোপনীয়তার অভাব নয়, বরং অতিমাত্রায় গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রবণতা। ** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং] * গণমাধ্যম এমন এক ধরনের বিশ্বাসযোগ্যতা বহন করে যা তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাওয়ার যোগ্য নয়। আপনারা সবাই কোনো না কোনোভাবে জীবনের এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। [...]<br>সংক্ষেপে বলতে গেলে, '''গেল-ম্যান অ্যামনেসিয়া এফেক্ট''' বা বিস্মৃতি প্রভাবটি হলো এইরকম: আপনি সংবাদপত্রের এমন একটি নিবন্ধ পড়তে শুরু করলেন যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার আগে থেকেই খুব ভালো জানাশোনা আছে। [...] আপনি নিবন্ধটি পড়লেন এবং বুঝতে পারলেন যে ওই সাংবাদিকের সংশ্লিষ্ট তথ্য বা বিষয়টি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র কোনো ধারণা নেই। [...] আপনি অত্যন্ত বিরক্তি বা কৌতুকের সাথে সেই প্রতিবেদনের অসংখ্য ভুলগুলো লক্ষ্য করলেন, কিন্তু এরপরই পাতার উল্টো পাশে গিয়ে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয়ক সংবাদগুলো এমনভাবে পড়তে শুরু করলেন যেন সংবাদপত্রের বাকি অংশগুলো [[w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] বা অন্য কোনো জটিল বিষয়ে অনেক বেশি নির্ভুল। যদিও মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগেই আপনি একগাদা আজেবাজে ও ভুল তথ্য পড়েছেন। '''আপনি যদি পাতা উল্টাতে থাকেন, আর যা আপনি জানেন তা মুহূর্তেই ভুলে যান।''' ** '''''মাইকেল ক্রিকটন''''', [https://web.archive.org/web/20190808123852/http://larvatus.com/michael-crichton-why-speculate/ "কেন অনুমান করবেন?"], (লা জোলা, ক্যালিফোর্নিয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিডারশিপ ফোরামে দেওয়া ভাষণ, ২৬ এপ্রিল ২০০২)। মূল উৎস থেকে ৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখে আর্কাইভ করা। সংগৃহীত: ৩ মে ২০২২। == D == [[File:Betty Friedan 1960.jpg|thumb|আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের সাংবাদিকতা দক্ষতার সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের উদীয়মান সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান করেন।<br>~'''''বেটি ফ্রিডান''''' ]] * আমি সত্যি বুঝতে অক্ষম যে সাংবাদিকতাকে কেন এত জঘন্য, এত বেশি বিদ্রূপাত্মক এবং অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপকারী হতে হয়। ** '''''পাল ড্যানিয়েলস''''', উদ্ধৃত হয়েছে: '''''[[:w:দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট|দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট]]''''', (১৭ মার্চ ২০১৬)। * এই সংবাদপত্র আমাদের জন্য সব কিছুই করে থাকে। এটি পুলিশ বাহিনীকে পরিচালনা করে এবং ব্যাংকগুলো চালায়, সামরিক বাহিনীকে আদেশ দেয়, আইনসভা নিয়ন্ত্রণ করে, নবজাতকদের দীক্ষা দেয়, নির্বোধদের বিবাহ সম্পন্ন করে, '''বেদনার্তদের সান্ত্বনা দেয় ও শান্তিতে থাকাদের অস্বস্তিতে ফেলে''', মৃতদের সমাহিত করে এবং পরবর্তীতে তাদের কঠোর সমালোচনা করে দহন করে। এমন কোনো বিষয় নেই যা তারা স্পর্শ করে না, তা পবিত্র রুটির আধ্যাত্মিক রূপান্তর ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে সাধারণ বিস্কুট তৈরির প্রণালী পর্যন্ত যা-ই হোক না কেন। ** '''''ফিনলে পিটার ডান''''', "নিউজপেপার পাবলিসিটি", '''''অবজারভেশনস বাই মিস্টার ডুলি''''' (১৯০২)। == E == * সাংবাদিকতা হলো একটি সুসংগঠিত পরচর্চা। ** '''''এডওয়ার্ড এগলেস্টন''''' == F == * “সে কি তোমাকে বিশ্বাস করেছিল?”<br>“সে একজন অত্যন্ত দক্ষ ও ঝানু সাংবাদিক। কাজেই অবশ্যই বিশ্বাস করেনি।” ** '''''জ্যাসপার ফোর্ড''''', '''''ওয়ান অফ আওয়ার থার্সডেস ইজ মিসিং''''' (২০১১), ISBN 978-0-670-02252-6, পৃ. ২০৫। * আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত আমরা সাংবাদিকরা অন্তত সেই চেষ্টাটুকু করি বা করা উচিত। যেন আমরা ইতিহাসের প্রথম নিরপেক্ষ সাক্ষী হতে পারি। যদি আমাদের অস্তিত্বের পেছনে কোনো সার্থকতা থেকে থাকে, তবে তা অবশ্যই ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে ঘটে ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করার ক্ষমতার মধ্যে নিহিত; যেন ভবিষ্যতে কেউ কখনও এমনটা বলতে না পারে: 'আমরা জানতাম না! আমাদের কেউ বলেনি।' ** '''''রবার্ট ফিস্ক''''', '''''দ্য গ্রেট ওয়ার ফর সিভিলাইজেশন: দ্য কনকুয়েস্ট অফ দ্য মিডল ইস্ট''''', ফোর্থ এস্টেট, (২০০৫), পৃ. ২৫, ISBN 0007203837। * আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অপরিহার্য। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় তাত্ত্বিক ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের তীক্ষ্ণ সাংবাদিকতা দক্ষতার অনবদ্য সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সাধারণ সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি অতিক্রম করেন এবং আমাদের উদীয়মান ও পরিবর্তনশীল সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান নেন। ** '''''বেটি ফ্রিডান''''' (মে ১৯৭৮), ''৩০তম বার্ষিকী জার্নাল'', '''''আমেরিকান সোসাইটি অফ জার্নালিস্ট অ্যান্ড অথরস'''''; উদ্ধৃত হয়েছে: '''''দ্য কমপ্লিট গাইড টু রাইটিং নন-ফিকশন''''' (১৯৮৩), গ্লেন ইভান্স সম্পাদিত, রাইটার্স ডাইজেস্ট বুকস, সিনসিনাটি, ওহাইও, পৃ. ৫, ISBN 0-89879-117-0। == G == * যখন সাংবাদিকতার বিকৃত ভাষা বা 'জার্নালিজ' তার চরম শিখরে পৌঁছেছিল, ঠিক তখনই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, হয়তো এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা মাত্র। ** '''''জন গলসওয়ার্দি''''' (জুলাই ১৯২৪), ''অন এক্সপ্রেশন'', ইংলিশ অ্যাসোসিয়েশনের রাষ্ট্রপতির ভাষণ, পৃ. ১২; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018। * সাংবাদিকতা কোনো প্রথাগত পেশা নয়... এর অন্তরে এটি কেবল একটি সৃজনশীল শিল্প বা কারুশিল্প। আর এর অর্থ হলো, যে কেউ যার বিচারবুদ্ধি আছে, যে বুদ্ধিমান, চিন্তাশীল এবং কৌতূহলী—তিনিই এই শিল্পের চর্চা করতে পারেন। ** '''''সু গার্ডনার''''', [https://en.wikinews.org/wiki/Interview_with_Sue_Gardner_of_the_Wikimedia_Foundation "উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের সু গার্ডনারের সাথে সাক্ষাৎকার"], '''''উইকিসংবাদ''''', ২৪ অক্টোবর ২০০৭। * তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকতা হলো নাগরিক-সৃষ্ট সংবাদমাধ্যমের সেই বিস্তৃত পরিস্থিতির একটি অংশ, যা আসলে একটি বিশ্বব্যাপী আলাপচারিতা এবং এটি প্রতিনিয়ত শক্তিতে, জটিলতায় ও প্রভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছে। মানুষ যখন নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ পায়, তারা অবশ্যই তা করে। যখন তারা শক্তিশালী অথচ সুলভ সরঞ্জাম হাতে পায়, তখন তারা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই নতুন সংবাদমাধ্যমের জগতের সাথে নিজেদের মানিয়ে নেয়। আর যখন তারা সম্ভাব্য এক বিশ্বব্যাপী শ্রোতামণ্ডলীর কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়, তখন তারা আক্ষরিক অর্থেই পুরো পৃথিবীটাকে বদলে দিতে পারে। ** '''''ড্যান গিলমোর''''', '''''উই দ্য মিডিয়া: গ্রাসরুটস জার্নালিজম বাই দ্য পিপল ফর দ্য পিপল''''' (২০০৬), ও'রেলি মিডিয়া, পৃ. xv, ISBN 0596102275। * যদিও সাংবাদিকদের উচিত '''[[w:উইকিলিকস|উইকিলিকসকে]]''' (একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা; যা বিভিন্ন অপ্রকাশিত ও গোপন নথিসমূহ প্রকাশ করে) কিছুটা সংশয়ের দৃষ্টিতে দেখা, কিন্তু একে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার উপায় নেই। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার এই সাহসী নতুন বিশ্বে আপনাদের স্বাগতম। ** '''''শন গনসালভস''''', [http://www.alternet.org/mediaculture/90641/will_wikileaks_revolutionize_journalism/?page=2 "উইকিলিকস কি সাংবাদিকতায় বিপ্লব ঘটাবে?"], '''''অল্টারনেট''''', (৭ জুলাই ২০০৮)। * যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের পরম দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত হয়েছে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। আমাদের এমন এক 'ট্রিকল-আপ' বা তৃণমূল থেকে উঠে আসা গণমাধ্যম গড়ে তুলতে হবে যা এই দেশ এবং এর মানুষের প্রকৃত চরিত্রকে প্রতিফলিত করবে। ** '''''অ্যামি গুডম্যান''''', ডেভিড গুডম্যানের সাথে যৌথভাবে রচিত '''''দ্য এক্সেপশন টু দ্য রুলার্স''''' (২০০৪)। * সাংবাদিকদের কাজ হলো ক্ষমতার ওপর নজরদারি করা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা, জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়া নয়। ** '''''[[:w:অ্যামি গুডম্যান|অ্যামি গুডম্যান]]''''', ভূমিকা, '''''ডেমোক্রেসি নাও!: টুয়েন্টি ইয়ার্স কভারিং দ্য মুভমেন্টস চেঞ্জিং আমেরিকা''''' (২০১৬)। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ধর্ম হলো সামরিক সব কিছুর উপাসনা করা। আর সাংবাদিকরা হলেন সেই ধর্মের প্রধান পুরোহিত। ** '''''গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড''''' (১৯৬৭), ডেমোক্রেসি নাও! এর সাথে সাক্ষাৎকার (১৪ নভেম্বর ২০১২): [http://www.democracynow.org/2012/11/14/glenn_greenwald_while_petraeus_had_affair "গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: যখন পেট্রাউস জীবনীকারের সাথে প্রণয়ে লিপ্ত ছিলেন, কর্পোরেট মিডিয়া তখন পেট্রাউসের প্রেমে মগ্ন ছিল।"] সংগৃহীত: ১৫ নভেম্বর ২০১২। * গাজায় সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়গুলো ধ্বংস করা এবং সাংবাদিকদের হত্যা করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতেও সাংবাদিকদের আক্রমণ বা হেনস্তার ভয় ছাড়াই তাদের অপরিহার্য কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হতে হবে। তাঁদের অবশ্যই সুরক্ষা দিতে হবে এবং সম্মান করতে হবে... এমনকি যুদ্ধেরও সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে। সর্বোপরি, সাধারণ নাগরিকদের অবশ্যই রক্ষা করতে হবে... বাছবিচারহীন হামলা এবং বেসামরিক ব্যক্তি ও তাদের সম্পদের ওপর আক্রমণ করা যুদ্ধ আইনের চরম লঙ্ঘন। ** '''''[[:w:আন্তোনিও গুতেরেস|আন্তোনিও গুতেরেস]]''''', [https://www.un.org/sg/en/content/sg/statement/2021-05-20/secretary-general%E2%80%99s-remarks-the-general-assembly-meeting-the-situation-the-middle-east-and-palestine-delivered "মধ্যপ্রাচ্য ও ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ পরিষদের সভায় মহাসচিবের বক্তব্য"], জাতিসংঘ মহাসচিব, বিবৃতি (২০ মে ২০২১)। == H == [[File:Thomas Jefferson 1904 Issue, 2c.jpg|thumb|যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত। তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না।<br>~'''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''' ]] * সম্পাদক: সংবাদপত্রের দ্বারা নিযুক্ত এমন একজন ব্যক্তি, যাঁর কাজ হলো সারবস্তু থেকে অসার অংশকে আলাদা করা এবং এটি নিশ্চিত করা যে সেই অসার অংশগুলোই যেন সংবাদপত্রে ছাপা হয়। ** '''''এলবার্ট হাববার্ড''''' (১৯১৪), ''দ্য রয়ক্রফট ডিকশনারি অফ এপিগ্রামস''; উদ্ধৃত হয়েছে: ফ্রেড আর. শাপিরো সম্পাদিত '''''দ্য ইয়েল বুক অফ কোটেশনস''''', ইয়েল ইউনিভার্সিটি প্রেস, নিউ হ্যাভেন, কানেকটিকাট, পৃ. ৩৭৪, ISBN 0300107986। == I == * ...মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী জর্জ ইয়ান্সি তাঁর ২০১৫ সালের গ্রন্থ "হোস্টাইল এনভায়রনমেন্টে" খ্রিস্টধর্ম এবং সাধারণভাবে রক্ষণশীল ধর্মের বিরুদ্ধে মার্কিন গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন এবং এর মূল কারণ হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন যে, '''মূলধারার মার্কিন সাংবাদিকতা হলো একটি স্ব-স্থায়ীকৃত আভিজাত্য বা বর্ণপ্রথা।''' আপনি যদি একজন ইভানজেলিকাল খ্রিস্টান হন কিংবা প্রচলিত উদারপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের সাথে, বিশেষ করে নৈতিক বিষয়গুলোতে একমত না হন, তবে কোনো মূলধারার সংবাদমাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রথম সাক্ষাৎকারেই আপনাকে প্রত্যাখ্যান করে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে। ** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/the-anti-religious-anti-cult-and-anti-tai-ji-men-bias-in-the-media/ "গণমাধ্যমে ধর্ম-বিরোধী, গোষ্ঠী-বিরোধী এবং তাই জি মেন-বিরোধী পক্ষপাতিত্ব"], '''''বিটার উইন্টার''''', (মে ২০২৪)। * সাংবাদিকতা মানে দর্শক বা পাঠকদের জটিলতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা নয়। বরং এটি হলো জটিল বিষয়গুলোকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করা এবং সেই জটিলতার মধ্য দিয়ে পথ চলার জন্য দর্শকদের বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থা রাখা। একটি তথ্যচিত্র যা সমস্ত ভিন্নমত পোষণকারী কণ্ঠস্বরকে বর্জন করে, তাকে কোনোভাবেই প্রকৃত অনুসন্ধান বলা চলে না। ** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/france-hate-speech-against-scientology-now-funded-by-taxpayers/ "ফ্রান্স: সায়েন্টোলজির বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এখন করদাতাদের অর্থে অর্থায়িত হচ্ছে"], '''''বিটার উইন্টার''''', (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। == J == * একজন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা এবং সম্পত্তির অধিকার, সেইসাথে বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, উপাসনা ও সমাবেশের অধিকার এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকারগুলো ভোটের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। এগুলো কোনো নির্বাচনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না। ** '''''[[:w:রবার্ট এইচ. জ্যাকসন|রবার্ট এইচ. জ্যাকসন]]''''', '''''[[:w:ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট মামলা|ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪৩), ৩১৯ ইউ.এস. ৬২৪, ৬৩৮। * আমাদের সরকারের ভিত্তি যেহেতু জনমত, তাই আমাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত সেই অধিকারকে সমুন্নত রাখা। আর যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত—তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না। তবে আমার এই বক্তব্যের অর্থ এই যে, প্রতিটি মানুষের কাছে সেই সংবাদপত্র পৌঁছাতে হবে এবং তাদের তা পাঠ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', কর্নেল এডওয়ার্ড ক্যারিংটনকে লেখা চিঠি (১৬ জানুয়ারি ১৭৮৭), লিপসকম্ব ও বার্গ সংস্করণ ৬:৫৭। * সংবাদপত্রকে কীভাবে পরিচালনা করলে তা সবচেয়ে বেশি জনকল্যাণকর হবে, এ বিষয়ে আমার মত জানতে চাইলে আমি বলব, "একে কেবল ধ্রুব সত্য ঘটনা এবং নির্ভুল নীতিমালার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার মাধ্যমে।" তবুও আমার ভয় হয় যে এমন সংবাদপত্রের গ্রাহক সংখ্যা হবে খুবই নগণ্য। এটি একটি বিষাদময় সত্য যে, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করা হলে দেশ যতটা না এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়, তার চেয়েও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় যখন সংবাদপত্র নির্লজ্জভাবে মিথ্যার কাছে নিজেকে সঁপে দেয়। সংবাদপত্রে যা দেখা যায় তার কোনো কিছুই এখন আর বিশ্বাস করা যায় না। এমনকি পরম সত্যও যখন এই কলুষিত মাধ্যমের ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়, তখন তাও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। ভুল তথ্যের এই রাজত্ব আসলে কতটা বিস্তৃত তা কেবল তারাই জানেন যারা তাদের ব্যক্তিগত জ্ঞান দিয়ে দিনের পর দিন এই মিথ্যাগুলোর মুখোশ উন্মোচন করতে পারেন। ... আমি আরও যোগ করব যে, যে ব্যক্তি কখনোই সংবাদপত্র দেখেন না তিনি সেই ব্যক্তির চেয়ে বেশি অবগত ও শিক্ষিত যিনি নিয়মিত সংবাদপত্র পড়েন। কারণ যিনি কিছুই জানেন না তিনি সেই ব্যক্তির তুলনায় সত্যের অনেক বেশি কাছাকাছি থাকেন যার মন মিথ্যা আর ভ্রান্তিতে পরিপূর্ণ। যে ব্যক্তি কিছুই পড়ে না সে অন্তত মহান সত্যগুলো শিখতে পারবে, যেখানে সংবাদপত্রের বিস্তারিত তথ্যগুলোর সবই মিথ্যে। ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [[:w:জন নরভেল|জন নরভেল]]-কে লেখা চিঠি (১১ জুন ১৮০৭)। [https://www.loc.gov/resource/mtj1.038_0592_0594/?sp=2&st=text মূল উৎস এবং প্রতিলিপি] * আমাদের সংবাদপত্রগুলো বর্তমানে যে পঙ্কিল ও জঘন্য অবস্থায় পতিত হয়েছে, এবং যারা এই সংবাদপত্রের জন্য লেখেন, তাদের সেই বিদ্বেষপরায়ণতা, অসভ্যতা ও মিথ্যাচারের মানসিকতার জন্য আমি আপনার মতোই গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমরা ঠিক কতটা অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছি তার প্রমাণ হিসেবে আমি আপনাকে নিউ ইংল্যান্ডের একজন বিচারকের সাম্প্রতিক একটি লেখা পাঠাচ্ছি। এই সব আবর্জনা জনরুচিকে দ্রুত কলুষিত করছে এবং সুস্থ চিন্তার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে। তথ্যের বাহন হিসেবে এবং আমাদের কর্মকর্তাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখার যন্ত্র হিসেবে সংবাদপত্রগুলো এখন সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে; কারণ তারা বিশ্বাসযোগ্যতার সমস্ত দাবি হারিয়ে ফেলেছে। আমি আপনার সাথে একমত যে, দলীয় মানসিকতার চরম সহিংসতা এবং বিদ্বেষই এই পরিস্থিতির জন্য বহুলাংশে দায়ী... ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [https://founders.archives.gov/documents/Jefferson/03-07-02-0052 ওয়াল্টার জোন্সকে লেখা চিঠি] (২ জানুয়ারি ১৮১৪)। * তারা এ নিয়ে মিথ্যে কথা বলেছিল! শত্রু যখন সমুদ্রের পানি ফুটিয়ে ফেলল, আমাদের ষষ্ঠ নৌবহরকে জ্বালিয়ে ছারখার করে দিল এবং উপকূলরেখার পঞ্চাশ মাইলের মধ্যে থাকা প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুড়িয়ে মারল! তখন কিন্তু আপনি অন্তত কিছু সংবাদ প্রতিবেদন আশা করতেই পারতেন। কিন্তু তারা কী রিপোর্ট করল? ফ্লোরিডাতে কিসের সামান্য ভূমিক্ষয়! ওহে নারী, তারা তো পুরো সমুদ্রটাই লাভা-প্লাবিত করে ফেলেছিল! ** '''''আর্থার এম. জলি''''', ''আফটার ইটস অল ওভার'' নাটকে, অরিজিনাল ওয়ার্কস প্রেস, (২০০৯)। * বাইরের মানুষ যা বুঝতে পারেন না তা হলোঃ কটি সংবাদপত্র আসলে একটি 'সুফলে'র / '''Soufflé''' মতো, যা দ্রুত খাওয়ার জন্য খুব তড়িঘড়ি করে প্রস্তুত করা হয়। আর ঠিক এই কারণেই যখনই আপনি এমন কোনো ঘটনার সংবাদপত্র প্রতিবেদন পড়েন যা সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত জ্ঞান রয়েছে, তখনই সেটি আপনার কাছে প্রায় সবসময়ই অপর্যাপ্ত বা ভুল বলে মনে হয়। সাংবাদিকরাও অন্য সবার মতো এই ত্রুটির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বিষয়টি স্রেফ এই যে, যদি তথ্যকে যত বেশি সম্ভব পাঠকের কাছে পৌঁছাতে হয়, তবে নিখুঁত হওয়ার চেয়ে বরং কিছুটা কম গুণমানকেই প্রায়শ মেনে নিতে হয়। ** '''''ডেভিড ই. এইচ. জোন্স''''', '''''নিউ সায়েন্টিস্ট''''', খণ্ড ২৬, (১৯৬৫)। == K == * তারা ছিল পেশাদার ক্ষোভ-বিশারদ যারা কেবল একটি জিনিসই জানত। কীভাবে পরিচয়বাদী রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্স দিয়ে গোটা পশ্চিমা বিশ্বকে পিটিয়ে হত্যা করতে হয়। আর এখন, গত কয়েক বছরের মধ্যে দেখা সবচেয়ে উদ্দীপক বিদ্রূপের সাথে আমরা অন্তত নিরাপদে এটা বলতে পারি যে, তাদের সময় ফুরিয়ে এসেছে, "'''#টাইমসআপ'''"। ** '''''রহিম কাসাম''''', "না, আমি সেই সাংবাদিকদের জন্য দুঃখিত নই যারা চাকরি হারিয়েছে — আমি বরং দারুণ রোমাঞ্চিত", '''''ডেইলি কলার''''', (২৮ জানুয়ারি ২০১৯)। * আমার এবং আমাদের সবার সমস্যা হলো যে আমি মনে করি সংবাদ ব্যবসার সাথে জড়িত অধিকাংশ মানুষই আমার এই মতের সাথে একমত হবেন, যে আমরা (এবং এখানে আমি কেবল '[[w:দ্য_টাইমস|দ্য টাইমস]]' এর কথা বলছি না) নাম প্রকাশ না করার আড়ালে অত্যন্ত নীরস উদ্ধৃতি অথবা মাঝে মাঝে অলস পরচর্চা ও কটাক্ষ প্রকাশ করতে বড্ড বেশি উন্মুখ থাকি। আমার কাছে মনে হয়, এটি তথ্যসূত্রের সুরক্ষা বা সোর্স প্রোটেকশনের মূল্যকে সস্তা করে দেয়। ** '''''বিল কেলার''''', '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের]]''''' নির্বাহী সম্পাদক, বেনামী তথ্যসূত্র প্রসঙ্গে (১৩ মে ২০০৫), '''''অন দ্য মিডিয়া'''''তে। == L == * সংবাদপত্র সবসময়ই মানুষের মনে প্রবল কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, কেউ কোনোদিন সংবাদপত্র পাঠ শেষ করার পর একরাশ হতাশা বা অতৃপ্তি ছাড়া তা হাত থেকে নামিয়ে রাখতে পারে না। ** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''' (১৮৩৩), "অন বুকস অ্যান্ড রিডিং", ''দ্য লাস্ট এসেস অফ এলিয়া''; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018। * চাঞ্চল্যকর বা হলুদ সাংবাদিকতার চিরন্তন সাতটি প্রধান অনুষঙ্গ হলো: লোমহর্ষক অপরাধের বিবরণ, ব্যক্তিগত জীবনের কেলেঙ্কারি, ভিত্তিহীন কাল্পনিক বিজ্ঞান, মানসিক উন্মাদনা, সংখ্যাতত্ত্বের মতো নানাবিধ অন্ধবিশ্বাসের চর্চা, অলৌকিক দানব বা দানবীয় কর্মকাণ্ড এবং প্রভাবশালী ধনকুবেরদের জীবনকথা। ** '''''ফ্রিটজ লেইবার''''', ''এ রাইট অফ স্প্রিং'' (১৯৭৭); টেরি কার সম্পাদিত '''''ইউনিভার্স ৭''''', পৃ. ২৬। * জেনারেল ডগলাস ম্যাকার্থারের প্রসঙ্গে বলতে গেলে, আমি আসলে এমন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বা স্পষ্ট কোনো মতামত দেওয়ার মতো অবস্থানে নিজেকে খুঁজে পাই না, যাঁকে আমি কেবল সংবাদপত্রের মাধ্যমেই চিনি। আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন, সংবাদমাধ্যমগুলো যখনই এমন কোনো ব্যক্তি বা বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যা সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত ধারণা বা জ্ঞান রয়েছে, তখনই আমি দেখি যে তাদের পরিবেশিত তথ্যগুলো সবসময়ই মিথ্যাচার আর ভুল বোঝাবুঝির এক বিশাল স্তূপ ছাড়া আর কিছুই নয়; আর এই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, যেসব ক্ষেত্র সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র কোনো জ্ঞান নেই, সেখানেও তারা এর চেয়ে ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা রাখে না। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', মিসেস মেরি ভ্যান ডিউসেনকে লেখা চিঠি (৩০ এপ্রিল ১৯৫১), ''সংগৃহীত সি. এস. লিউইস পত্রাবলি, খণ্ড ৩: "নার্নিয়া, কেমব্রিজ, অ্যান্ড জয়", ১৯৫০-১৯৬৩'', পৃ. ১১৪। == M == [[File:Janet Malcolm 3.18.13a (headshot).jpg|thumb|আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন।<br>~'''''জ্যানেট ম্যালকম''''' ]] * বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ওয়েবসাইটগুলো সাধারণত সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে এক ধরনের অপপ্রচার বা 'জার্নালগান্ডা'র [হলুদ সাংবাদিকতা] জয়গান গায়। কারণ সেখানে সবকিছুই পরিবেশন করা হয় সেই নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিজস্ব স্বার্থের ফিল্টার বা ছাঁকনির ভেতর দিয়ে। এটি এক অদ্ভুত ও অবাস্তব জগত, তবে এর গুরুত্বও অপরিসীম। কারণ কট্টরপন্থীরা তাদের পূর্বনির্ধারিত চিন্তাধারাকে আরও শক্তিশালী করতে এখানেই ভিড় জমায়। আপনার অবস্থান যা-ই হোক না কেন, নিজেকে চূড়ান্তভাবে সঠিক মনে করার ক্ষেত্রে এই জার্নালগান্ডার চেয়ে কার্যকর আর কিছুই হতে পারে না। প্রকৃত সাংবাদিকতাকে সবসময় চিনে নেওয়া যায় তার কাজের ধরন দেখে। এটি প্রায়শই সাধারণ মানুষকে এই সাংবাদিকতার জগত সম্পর্কে চরম অস্বস্তি ও ভ্রান্ত বিচলিত অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয়। ** '''''চার্লস এম. ম্যাডিগান''''' (২৫ অক্টোবর ২০০৫), [http://web.archive.org/web/20130625005510/http://www.chicagotribune.com/news/opinion/chi-0510250027oct25,0,3811209.column?page=2&coll=chi-ed_opinion_columnists-utl "আজকের 'সাংবাদিকতা'র সমস্যা"], '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]'''''। * এমন প্রতিটি সাংবাদিক—যিনি পরিস্থিতির গভীরতা বোঝার মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং নিজের অহংবোধে অন্ধ হয়ে যাননি। তিনি খুব ভালো করেই জানেন যে, তিনি যা করছেন তা নৈতিকভাবে সম্পূর্ণ অমার্জনীয়। তিনি মূলত এক প্রকারের প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ম্যান', যিনি মানুষের অহংকার, অজ্ঞতা কিংবা একাকীত্বকে পুঁজি করে তাদের ওপর শিকারি পাখির মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি প্রথমে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেন এবং এরপর বিন্দুমাত্র অনুশোচনা ছাড়াই সেই বিশ্বাসের চরম অমর্যাদা করেন। ঠিক যেমন একজন অতি-বিশ্বাসী বিধবা একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করেন যে সেই মনোমুগ্ধকর যুবকটি তাঁর সারা জীবনের সমস্ত সঞ্চয় নিয়ে চম্পট দিয়েছে। তেমনি কোনো একটি অ-কাল্পনিক রচনার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটিও। যখন সেই নিবন্ধ বা বইটি প্রকাশিত হয়, তখনই তাঁর জীবনের সেই রূঢ় ও কঠিন শিক্ষাটি লাভ করেন। সাংবাদিকরা তাঁদের এই বিশ্বাসঘাতকতাকে নিজ নিজ স্বভাব অনুযায়ী বিভিন্নভাবে যুক্তিযুক্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যে যারা অধিকতর আড়ম্বরপূর্ণ, তারা বাকস্বাধীনতা এবং "জনগণের জানার অধিকার" নিয়ে লম্বা চওড়া কথা বলেন। যারা অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী হয়, তারা একে এক ধরণের 'শিল্প' বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন। আর যারা খুব বিনয়ী হওয়ার ভান করেন, তারা স্রেফ জীবনধারণের তাগিদে এই পেশা বেছে নেওয়ার কথা বলে মৃদু গুঞ্জন তোলে থাকেন। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৩ (বইটির উদ্বোধনী অনুচ্ছেদ)। * আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন। এই দেশে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য যারা নিজেদের সম্পর্কে কোথাও লেখা হচ্ছে কিংবা কোনো রেডিও বা টেলিভিশন প্রোগ্রামে তাঁদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, এমন সম্ভাবনা দেখে প্রবলভাবে উচ্ছ্বসিত হন না। ** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৫৮। * আমি এখন এমনটা ভাবতে শুরু করেছি যে... সাংবাদিকতামূলক রচনায় "আমি" নামক চরিত্রটি সাংবাদিকের সৃষ্ট অন্যান্য সমস্ত চরিত্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ এটি সেই নিয়মের একটি ব্যতিক্রম যেখানে বলা হয় যে কোনো কিছুই আবিষ্কার বা উদ্ভাবন করা যাবে না। সাংবাদিকতার এই "আমি" চরিত্রটি প্রায় পুরোপুরি একটি মনগড়া উদ্ভাবন। আত্মজীবনীতে ব্যবহৃত "আমি" যেখানে লেখকের সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করার কথা, সেখানে সাংবাদিকতার এই "আমি" লেখকের সাথে খুব সামান্য বা ক্ষীণভাবেই যুক্ত। ঠিক যেভাবে সুপারম্যানের সাথে ক্লার্ক কেন্টের সংযোগ থাকে। সাংবাদিকতার এই "আমি" হলো এক অতি-নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, যার ওপর আখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যুক্তি উপস্থাপন এবং সুর নির্ধারণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এটি গ্রিক ট্র্যাজেডির কোরাসের মতো একটি বিশেষ প্রয়োজনে সৃষ্ট সৃষ্টি। সে হলো একটি প্রতীকি চরিত্র, যে জীবনের এক নিরাসক্ত ও আবেগহীন পর্যবেক্ষক হিসেবে নিজেকে মূর্ত করে তোলে। তা সত্ত্বেও, পাঠকরা যারা সহজেই এই ধারণাটি মেনে নেন যে ফিকশন বা কল্পকাহিনীর বর্ণনাকারী এবং সেই বইয়ের লেখক এক ব্যক্তি নন, তারাই আবার সাংবাদিকতার এই উদ্ভাবিত "আমিত্বের" ধারণাটিকে জেদের সাথে প্রতিরোধ করেন। এমনকি সাংবাদিকদের মধ্যেও এমন অনেকে আছেন যারা নিজেদের টেক্সটের সেই 'সুপারম্যান' রূপ থেকে নিজেদের বাস্তব সত্ত্বাকে আলাদা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হিমশিম খান। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৫৯–১৬০। * সাংবাদিকতার নৈতিক অস্পষ্টতা বা দ্বিধার লিখিত বয়ানের মধ্যে নয়, বরং সেই সম্পর্কের গভীরে নিহিত থাকে যেখান থেকে এই বয়ানগুলো জন্ম নেয়। আর এই সম্পর্কগুলো অনিবার্যভাবেই এবং কোনোভাবেই এড়ানো যায় না এমনভাবে একপেশে বা অসম প্রকৃতির হয়ে থাকে। সাংবাদিকতামূলক রচনার 'ভালো' চরিত্রগুলো ঠিক তেমনিভাবেই অন্য একজন মানুষের ওপর লেখকের সেই অশুভ ও প্রচণ্ড ক্ষমতার ফসল, যেভাবে 'মন্দ' চরিত্রগুলো সৃষ্টি হয়। [...] সাংবাদিকতার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটি হয়তো সাংবাদিককে নিজের স্বার্থে ব্যবহার বা ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করতে পারেন এবং জাগতিক জ্ঞানসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিই কমবেশি এই প্রবণতার ঊর্ধ্বে নন। কিন্তু এই বিষয়টি কোনোভাবেই ব্যক্তিস্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধে সাংবাদিকের নিজের করা পাপগুলোকে মোচন কিংবা খণ্ডন করতে পারে না। [...] সাংবাদিকরা এই নৈতিক অচলাবস্থার সাথে লড়াই করার জন্য অগণিত বৈচিত্র্যময় পথ অবলম্বন করে থাকেন [...]। তাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে প্রজ্ঞাবান, তারাই ভালো করে জানেন যে তারা সর্বোচ্চ যা করতে পারেন তা-ও আসলে যথেষ্ট নয়। আর যারা খুব একটা বুদ্ধিমান নন, তারা তাদের চিরচেনা অভ্যাসবশত এটা বিশ্বাস করতেই পছন্দ করেন যে আসলে কোনো সমস্যাই নেই এবং তারা হয়তো এর একটি সমাধানও করে ফেলেছেন। ** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৬২-১৬৩। (শেষ বাক্যটি বইটির অন্তিম বাক্য)। * উন্নত ও মানসম্মত সাংবাদিকতার জন্য তথ্যফাঁসকারী বা 'হুইসেলব্লোয়ার'রা অপরিহার্য। তাঁরা সাংবাদিকদের সেই সব গোপনীয়তার দেয়াল ভেদ করতে সাহায্য করেন যা সরকারি কর্মকর্তা এবং জনসংযোগ কর্মকর্তারা অত্যন্ত সযত্নে গড়ে তোলেন। এই হুইসেলব্লোয়াররাই সরকার, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভেতরে লুকিয়ে থাকা নানা অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডগুলো সবার সামনে এনে উন্মোচন করে থাকেন। এই সাহসী মানুষদের তাঁদের এই বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য পুরস্কৃত করা উচিত ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো যে তাঁদের প্রায়ই বিচারিক হয়রানি কিংবা কারাবাসের মুখোমুখি হতে হয়। ** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)। * যদি জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে অভিযুক্ত করে বিচার করা হয়, তবে '[[w:দ্য_গার্ডিয়ান|দ্য গার্ডিয়ান]]', [[w:দ্য_নিউ_ইয়র্ক_টাইমস|'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]', 'ডার স্পিগেল', 'এল পাইস', 'লা রিপাবলিকা' এবং এই তথ্যগুলো প্রচারের সাথে জড়িত অন্যান্য সমস্ত সংবাদ সংস্থার সম্পাদক ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও মামলা করার সমান ও যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে। ** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)। * মাইকেল শুডসন তাঁর “ডিসকভারিং দ্য নিউজ” (১৯৭৮) গ্রন্থে যেমনটি উল্লেখ করেছেন—ভালো সাংবাদিকতা মানেই যে তা “বস্তুনিষ্ঠ” (অর্থাৎ দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং ব্যক্তিগত মতামতের ঊর্ধ্বে) হতে হবে, এই ধারণাটি মূলত বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রথম আবির্ভূত হয়েছিল। শুডসন মনে করতেন যে, ধ্রুব এবং নির্ভরযোগ্য সত্যের ধারণাটির প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান সংশয়বাদ থেকেই এই বস্তুনিষ্ঠতার ধারণার জন্ম হয়েছে। তাঁর ভাষায়, বস্তুনিষ্ঠতার এই মানদণ্ডটি “তথ্যের ওপর বিশ্বাসের কোনো চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল না; বরং এটি ছিল এমন এক জগতের জন্য পরিকল্পিত পদ্ধতির সুদৃঢ় দাবি, যেখানে এমনকি তথ্যকেও আর বিশ্বাস করা যাচ্ছিল না। ... সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন ঠিক ততটুকুই যতটুকু তাঁদের প্রয়োজন ছিল। কারণ তাঁরা চেয়েছিলেন, তাঁদের দরকার ছিল এবং সাধারণ মানবিক আকাঙ্ক্ষা থেকেই তাঁরা তাঁদের নিজেদের গভীর সন্দেহ ও অস্থিরচিত্ততা থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ খুঁজছিলেন।” অন্যভাবে বলতে গেলে, বস্তুনিষ্ঠতা বিষয়টি শুরু থেকেই একটি সমস্যাসঙ্কুল ধারণা ছিল... লিপম্যানের যুক্তি ছিল এই যে, সাংবাদিকতা আসলে কোনো সুনির্দিষ্ট পেশা নয়। এই পেশায় যুক্ত হওয়ার জন্য আপনার কোনো লাইসেন্স বা প্রাতিষ্ঠানিক একাডেমিক সনদের প্রয়োজন হয় না। সব ধরণের মানুষই নিজেদের সাংবাদিক বলে দাবি করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাঁরা সবাই কি জনগণকে নির্ভরযোগ্য এবং স্বার্থহীন সংবাদ পণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম? ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * ১৯৪৫ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যবর্তী সময়ে মার্কিন ক্যাবিনেটে মাত্র একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি ছিলেন। যাঁদের প্রত্যেকেই মাত্র দুই বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সংবাদমাধ্যমের দিকে তাকালে দেখা যায় যে পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ। নারী ও কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের পরিকল্পিতভাবে মূলধারা থেকে বাদ দেওয়া হতো। নির্দিষ্ট কিছু সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের প্রবেশাধিকার ছিল না এবং সম্পাদকরা নারীদের কখনোই সরকারি বিষয়গুলো কভার করার দায়িত্ব দিতেন না। ঘোর বর্ণবাদ এবং লিঙ্গবৈষম্য এত দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে টিকে ছিল যে আজ তা প্রায় অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়। <br> ওয়াশিংটনের সাংবাদিকদের জন্য প্রধান দুটি সামাজিক সংগঠন ছিল গ্রিডাইরন ক্লাব (১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত) এবং ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব (১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত)। ১৮৯৬ সালে গ্রিডাইরন ক্লাব সদস্যদের স্ত্রীদের একটি নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু নারী ভোটাধিকার আন্দোলনকে উপহাস করে পরিবেশিত একটি নাটক সেখানে মোটেও ভালো সাড়া ফেলেনি; যার ফলে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত নারীদের সেখানে আর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক পর্যন্তও গ্রিডাইরন ক্লাবের নৈশভোজগুলোতে বিনোদনের জন্য সদস্যরা মুখে কালো রঙ মেখে 'ব্ল্যাকফেস' সেজে অভিনয় করতেন। ম্যাকগারের বর্ণনা অনুযায়ী, ক্লাবটির সিগনেচার টিউন ছিল “দ্য ওয়াটারমেলন সং”, যা একটি বিশেষ আঞ্চলিক [[w:উপভাষা|উপভাষায়]] গাওয়া হতো। <br> ১৯৫৫ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে কোনো কৃষ্ণকায় সদস্য ছিলেন না; এবং সেই একই বছরেই প্রথমবারের মতো নারীদের এমন মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল যেখানে কর্মকর্তারা সদস্যদের ব্রিফিং দিতেন। তবে নারীদের বসতে হতো ব্যালকনিতে এবং তাঁদের কোনো প্রশ্ন করার অনুমতি ছিল না। ১৯৭১ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব কোনো নারী সদস্য গ্রহণ করেনি। <br> 'দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট' ১৯৫১ সালে তাদের প্রথম কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়। তাঁর জন্য আলাদা শৌচাগার বরাদ্দ করা হয়েছিল এবং মাত্র দুই বছর পরেই তিনি সেই পত্রিকা ত্যাগ করেন। (ম্যাকগার বলেন যে ওয়াশিংটন পোস্ট ১৯৭২ সালের আগে আর কোনো কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়নি, তবে তথ্যটি ভুল: পত্রিকাটি ১৯৬১ সালে ডরোথি বাটলার গিলিয়াম এবং ১৯৬৮ সালে জ্যাক হোয়াইটকে নিয়োগ দিয়েছিল।) নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অনেক গভীর সময় পর্যন্তও নিউ ইয়র্ক টাইমসে কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের সংখ্যা ছিল অতি সামান্য। এই পত্রিকার মতো অন্যান্য সাধারণ-আগ্রহের ম্যাগাজিনগুলোর রেকর্ডও এর চেয়ে ভালো কিছু ছিল না। ** '''''লুই মেনান্দ''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * সংবাদপত্রের শক্তি—তা যতটুকু বা যে পর্যায়েরই হোক না কেন—তা মূলত অনেকটা প্রাতিষ্ঠানিক পণ্ডিত, বৈজ্ঞানিক গবেষক এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের শক্তির মতো। এটি কোনো পেশিবল বা শারীরিক শক্তির ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে নেই; বরং এটি টিকে আছে মানুষের অগাধ বিশ্বাসের ওপর—এই বিশ্বাস যে, এরা হলো এমন একদল মানুষ যারা ভয় কিংবা পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে থেকে কেবল সত্য অন্বেষণের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। যখনই তাঁরা এই মহান দায়িত্ব পালন থেকে বিচ্যুত হবেন, তখন সমাজ তাঁদের সেই একইভাবে দেখতে শুরু করবে যেভাবে বর্তমানে অন্যদের দেখা হয়—অর্থাৎ এমন একদল লোক যারা কেবল ব্যক্তিগত লাভ বা সামাজিক মর্যাদার লোভে তথ্যকে নিজ স্বার্থে ঘুরিয়ে পরিবেশন করে। ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * যেহেতু আদর্শগত সত্য বলে পৃথিবীতে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই, তাই স্বাভাবিকভাবেই এটা প্রতীয়মান হয় যে, একজন প্রতিবেদক যখনই নিজেকে [[w:রক্ষণশীলতাবাদ|উদারপন্থী বা রক্ষণশীল]], কিংবা ডেমোক্রেটিক, [[w:সাম্যবাদ|কমিউনিস্ট]] বা রিপাবলিকান প্রতিবেদক হিসেবে উপস্থাপন করেন, তখন তিনি আসলে আর মোটেও কোনো প্রতিবেদক থাকেন না। ** '''''এইচ. এল. মেনকেন''''' (১৯৩৭), উদ্ধৃত হয়েছে: অ্যালেস্টার কুক রচিত '''''মেমোরিস অফ দ্য গ্রেট অ্যান্ড গুড''''' (১৯৯৯), পৃ. ২২৪। * সংবাদপত্রগুলো এখন জেসি-র পিছু নিতে শুরু করেছে। শুরুতে তারা তাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিল এবং সব ঘটনার দায়ভার অন্য যে কারো বা অন্য কিছুর ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, একজন অত্যন্ত রূপসী অথচ দৃশ্যত কোনো যৌনজীবন নেই এমন একজন নারীকে নিয়ে কাজ করা তাদের জন্য বেশ বিব্রতকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কারণ তাকে কলঙ্কিত করার জন্য আসলে ঠিক কী ধরনের অপবাদ ব্যবহার করা উচিত, তা তারা খুঁজে পাচ্ছিল না। ** '''''নাওমি মিচিসন''''', “মেরি অ্যান্ড জো”; হ্যারি হ্যারিসন সম্পাদিত '''''নোভা ১''''', পৃ. ১৬৩। * সাংবাদিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁদের মানহানির মামলার মুখে পড়তে হয়; কিন্তু ঐতিহাসিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁরা সেই ভুল শুধরে নিয়ে বইটির একটি পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশের সুযোগ পান। ** '''''বিল ময়ার্স''''', "দ্য বিগ স্টোরি", টেক্সাস স্টেট হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে প্রদত্ত ভাষণ, (৭ মার্চ ১৯৯৭), '''''ময়ার্স অন ডেমোক্রেসি''''' (২০০৮), পৃ. ১৩১। * বাকস্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, যা প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত করা হয়েছে। তা মূলত সেইসব মৌলিক ব্যক্তিগত অধিকার ও স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত যা চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে যেকোনো অঙ্গরাজ্যের হস্তক্ষেপ থেকে সকল নাগরিকের জন্য সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই অধিকারগুলোকে সুরক্ষিত রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো যেন মানুষ তাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলো নিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা ও কথা বলতে পারে এবং শিক্ষা ও আলোচনার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেন মিথ্যার মুখোশ উন্মোচিত হয়। যা একটি মুক্ত ও স্বাধীন সরকারের জন্য একান্ত অপরিহার্য। যারা আমাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন, তাঁদের এই অটল বিশ্বাস ছিল যে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সত্য আবিষ্কার এবং তা প্রচার করার জন্য স্বাধীন ও নির্ভীক যুক্তিপ্রদান এবং ধারণার আদান-প্রদান এক অজেয় শক্তি হিসেবে কাজ করবে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্ক মারফি|ফ্রাঙ্ক মারফি]]''''', '''''[[:w:থর্নহিল বনাম আলাবামা মামলা|থর্নহিল বনাম আলাবামা]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪০), ৩১০ ইউ.এস. ৮৮, ৯৫। == O == * সেই স্থূলকায় [[w:রুশ_জাতি|রুশ]] গোয়েন্দাটি একে একে সমস্ত বিদেশী উদ্বাস্তুদের এক কোণায় নিয়ে যাচ্ছিলেন এবং অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করছিলেন যে, এই পুরো ঘটনাটি আসলে ছিল একটি নৈরাজ্যবাদী চক্রান্ত। আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে তাঁকে পর্যবেক্ষণ করছিলাম, কারণ সেটিই ছিল আমার জীবনে প্রথম দেখা এমন কোনো ব্যক্তি যাঁর পেশা হলো অনর্গল মিথ্যা বলা, অবশ্য যদি কেউ এই তালিকায় সাংবাদিকদের গণনা না করেন। ** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''হোমেজ টু ক্যাটালোনিয়া''''' (১৯৩৮)। * জীবনের শুরুর দিকেই আমি লক্ষ্য করেছিলাম যে সংবাদপত্রে কোনো ঘটনাই আসলে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয় না; কিন্তু স্পেনে আমি প্রথমবারের মতো এমন কিছু সংবাদ প্রতিবেদন দেখলাম যার সাথে বাস্তব তথ্যের বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই, এমনকি একটি সাধারণ মিথ্যার মধ্যে যেটুকু সত্যের রেশ থাকে সেটুকুও সেখানে অনুপস্থিত ছিল। আমি দেখেছি এমন সব বিশাল যুদ্ধের খবর ছাপা হয়েছে যেখানে আসলে কোনো লড়াই-ই হয়নি, আবার যেখানে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে সেখানে বজায় রাখা হয়েছে কবরের নিস্তব্ধতা। আমি দেখেছি যেসব সৈন্য সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছে তাদেরকে উল্টো কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে নিন্দা জানানো হচ্ছে, আর যারা কোনোদিন যুদ্ধের ময়দানে একটি গুলিও ছোঁড়েনি তাদের কাল্পনিক বিজয়ের নায়ক হিসেবে জয়ধ্বনি দেওয়া হচ্ছে! শুধু তা-ই নয়, আমি দেখলাম '''[[w:লন্ডন|লন্ডনের]]''' সংবাদপত্রগুলো এই মিথ্যাগুলোই প্রচার করেছিল এবং উৎসাহী বুদ্ধিজীবীরা এমন সব ঘটনার ওপর আবেগপ্রবণ ইমারত গড়ে তুলছেন যা আদতে কখনও ঘটেইনি। আমি আসলে ইতিহাসকে এমনভাবে রচিত হতে দেখলাম যা কী ঘটেছে তার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং বিভিন্ন 'দলীয় আদর্শ' অনুযায়ী কী ঘটা উচিত ছিল, তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''লুকিং ব্যাক অন দ্য স্প্যানিশ ওয়ার''''' (১৯৪৩)। * অনেক সাংবাদিকই আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে এতটাই আচ্ছন্ন থাকেন যে, তাঁদের মধ্যে ইতিহাসের গভীর উপলব্ধি বা ঐতিহাসিক চেতনার এক ধরনের চরম ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়। ** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)। * অন্ধ স্তুতি বা ফ্যানডম এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কখনোই একে অপরের পরিপূরক হতে পারে না; বরং এই দুটি বিষয় একত্রে থাকলে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও অসম এক সহাবস্থানের জন্ম দেয়। ** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)। == P == * বর্তমানের এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যেখানে প্রতিটি মানুষই একেকজন প্রকাশক হয়ে উঠেছেন, সেখানে আশ্চর্যের বিষয় হলো কেউ আসলে প্রকৃত সম্পাদকের ভূমিকা পালন করছেন না। আর ঠিক এই জায়গাতেই আজকের দিনে আমরা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হচ্ছি। ** '''''স্কট পেলি''''', কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটিতে প্রদত্ত ভাষণ (১০ মে ২০১৩)। [http://www.youtube.com/watch?v=1AyCD_lcl1Q ইউটিউব ভিডিও: সিবিএস নিউজ অ্যাঙ্কর স্কট পেলি: 'আমরা বারবার বড় বড় খবরগুলো ভুলভাবে পরিবেশন করছি']। * সাংবাদিকদের জন্য নিজেদের কেবল সাধারণ বার্তাবাহক হিসেবে গণ্য করাই যথেষ্ট নয়। বরং তাঁদের পরিবেশিত বার্তার আড়ালে লুকিয়ে থাকা গোপন উদ্দেশ্য বা 'হিডেন এজেন্ডা' পুরিকল্পনা এবং সেই বার্তাকে ঘিরে থাকা প্রচলিত মিথ বা ভ্রান্ত ধারণাগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করা একান্ত প্রয়োজন। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', 'হিডেন এজেন্ডাস', ১৯৯৮। * গোপন ক্ষমতা সেই সাংবাদিকদের মনেপ্রাণে ঘৃণা করে যারা নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন। যারা গোপনীয়তার পর্দা সরিয়ে দেন, বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে উঁকি দেন এবং অশুভ সত্যের ওপর রাখা পাথর তুলে ধরেন। উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের কাছ থেকে আসা নিন্দা বা তিরস্কারই হলো এই নির্ভীক সাংবাদিকদের জন্য সম্মানের শ্রেষ্ঠ স্মারক। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''টেল মি নো লাইজ: ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড''''', থান্ডার্স মাউথ প্রেস, (২০০৫), পৃ. xv, ISBN 1560257865। * আমরা যারা সাংবাদিক... আমাদের সেইসব ব্যক্তিদের অবজ্ঞা ও প্রতিরোধ করার মতো যথেষ্ট সাহসী হতে হবে, যারা অন্যের দেশে তাদের সাম্প্রতিকতম রক্তক্ষয়ী দুঃসাহসিক অভিযানগুলো বৈধ করার জন্য আমাদের সহযোগিতা কামনা করে। এর অর্থ হলো সরকারি ভাষ্যকে সবসময় চ্যালেঞ্জ করা, সেই ভাষ্যটি আপাতদৃষ্টিতে যতই দেশপ্রেমমূলক মনে হোক না কেন, অথবা সেটি যতই মোহনীয় ও বিভ্রান্তিকর হোক না কেন। কারণ প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার পুরোপুরি আমাদের গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করে যেন তাদের প্রতারণার লক্ষ্যবস্তু কোনো দূরদেশের মানুষ নয়, বরং আপনার নিজের ঘরের মানুষ হয়। অন্তহীন সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের এই যুগে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুর জীবন আজ পরম সত্যের ওপর নির্ভর করছে। যদি সেই সত্য প্রকাশ না পায়, তবে তাদের ঝরানো রক্তের দায়ভার আমাদের ওপরই বর্তাবে। যাদের কাজ হলো ইতিহাসের নথিপত্রকে নির্ভুল রাখা, তাদের উচিত ক্ষমতার কণ্ঠস্বর না হয়ে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''দ্য ওয়ার ইউ ডোন্ট সি''''', আইটিভি১ (যুক্তরাজ্য), (১৪ ডিসেম্বর ২০১০)। * উইকিলিকস কেন সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত? কারণ এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যগুলো আমাদের কাছে একশ শতাংশ নিখুঁতভাবে এই সত্যটি তুলে ধরেছে যে এই বিশ্বের একটি বড় অংশ আসলে কীভাবে এবং কেন বিভক্ত এবং ঠিক কীভাবে তা পরিচালিত হচ্ছে। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://frontline.thehindu.com/cover-story/article25661115.ece "নতুন শীতল যুদ্ধ এবং আসন্ন হুমকি"], '''''ফ্রন্টলাইন, ভারত''''', (২১ ডিসেম্বর ২০১৮)। * একজন সাংবাদিক সত্য প্রচারের মাধ্যমে অথবা তিনি যতটুকু সত্যের সন্ধান পান তা প্রকাশের মাধ্যমে মানুষের প্রভূত কল্যাণ সাধন করতে পারেন। তবে শর্ত হলো তাঁকে কোনো সরকার বা কোনো বিশেষ ক্ষমতার প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। এর বাইরে যা কিছু আছে তার সবই আপাতদৃষ্টিতে সত্য মনে হলেও আসলে তা প্রতারণামূলক এবং মিথ্যা। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', উদ্ধৃত হয়েছে: [https://www.thedailystar.net/opinion/interviews/news/real-journalists-act-agents-people-not-power-1687921 "প্রকৃত সাংবাদিকরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন, ক্ষমতার নয়"], '''''ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)''''', (১৬ জানুয়ারি ২০১৯)। * কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া সরাসরি "পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার" দোহাই দিয়ে উদ্ধৃতি প্রদান করা কখনোই সাংবাদিকতা হতে পারে না; এটি প্রায় সবসময়ই একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার বা প্রোপাগান্ডা। একজন প্রতিবেদক হিসেবে আমি এই শিক্ষাটি লাভ করেছি। বিবিসি এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের এই নিরন্তর 'কোল্ড ওয়ার' বা স্নায়ুযুদ্ধের দামামা আমাদের ধীরে ধীরে একটি বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://twitter.com/johnpilger/status/1285869017412956160 টুইটার], (২২ জুলাই ২০২০)। == R == [[File:Helen Thomas - USNWR.jpg|thumb|আমি আশা করি যে ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত নীতিমালাগুলো কঠোরভাবে মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্র এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সজীব রাখার ক্ষেত্রে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছেন।<br>~'''''[[:w:হেলেন থমাস|হেলেন থমাস]]''''' ]] * সংবাদ বোধ বা 'নিউজ সেন্স' হলো মূলত কোনটি গুরুত্বপূর্ণ, কোনটি অত্যাবশ্যক এবং কোনটির মাঝে প্রাণ ও রঙের স্পন্দন রয়েছে। অর্থাৎ মানুষ কোন বিষয়ে আগ্রহী, তা বোঝার এক অনন্য ক্ষমতা। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। ** '''''বার্টন রাস্কো''''', উদ্ধৃত হয়েছে: ট্রায়ন এডওয়ার্ডস, সি. এন. ক্যাট্রেভাস এবং জনাথন এডওয়ার্ডস সম্পাদিত '''''ইউজফুল কোটেশনস: আ সাইক্লোপিডিয়া অফ কোটেশনস''''' (১৯৩৩)। * বিতর্ক? আপনি যদি এই নামের যোগ্য কোনো প্রতিবেদক হতে চান, তবে আপনি কখনোই বিতর্ককে পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে পারবেন না। আপনি একজন দক্ষ প্রতিবেদক হতে পারবেন না যদি না আপনি নিয়মিতভাবে কোনো না কোনো তর্কের সাথে জড়িয়ে পড়েন। আর আমি মনে করি না যে বিতর্ককে বারবার এড়িয়ে চলে আপনি একজন মহান প্রতিবেদক হতে পারবেন। কারণ একজন ভালো সাংবাদিকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সহজ সত্যগুলোর পাশাপাশি কঠিন ও রূঢ় সত্যগুলোকেও সাহসের সাথে তুলে ধরা। আর এই কঠিন সত্যগুলোই আপনাকে বিতর্কের দিকে ঠেলে দেবে, এমনকি এই কঠিন সত্যের অনুসন্ধান করতে গিয়ে আপনাকে হয়তো চড়া মূল্যও দিতে হতে পারে। দয়া করে আমার এই কথাগুলোকে কোনো অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করবেন না। আমি কেবল এটিই বোঝাতে চাইছি যে আপনি যদি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক হন, তবে এই ঝুঁকিগুলো আপনার কাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। আপনি যদি এমনভাবে সাংবাদিকতা শুরু করেন অথবা জীবনের এমন এক পর্যায়ে পৌঁছান যেখানে আপনি নিজেই নিজেকে বলেন, "শুনুন, আমি এমন কোনো কিছু স্পর্শ করব না যা থেকে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে," তবে আপনার উচিত হবে অনতিবিলম্বে এই পেশা ছেড়ে দেওয়া। ** '''''ড্যান রাদার''''', সাক্ষাৎকার: [http://www.achievement.org/autodoc/page/rat0int-1 "ড্যান রাদার ইন্টারভিউ: ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট, অন দ্য ফ্রন্টলাইনস অফ ব্রেকিং নিউজ"], '''''একাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৫ মে ২০০১)। * উন্নতমানের সাংবাদিকতা সেই হাজারো 'নিষিদ্ধ বিষয়ের' রাজ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করে, এমনকি যদি তার ফলাফল অত্যন্ত অদ্ভুত এবং বিচলিত করার মতো হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। ... বর্তমান সময়ে সাংবাদিকরা কোনো গোয়েন্দা নন, আবার আধ্যাত্মিক ধর্মপ্রচারকও নন। তাঁরা কেবল তাঁদের অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলেই তা যথেষ্ট। তবে সাংবাদিকতা পেশার সবসময়ই একটি অনুসন্ধানী দিকের পাশাপাশি একটি নৈতিক দিকও বিদ্যমান থাকে। সাংবাদিকরা গোয়েন্দা নন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের কাজের মধ্য দিয়ে তাঁরা অনুসন্ধানের একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড বজায় রাখতে পারেন। তাঁরা গোয়েন্দা বাহিনীর কেউ নন, কিন্তু তাঁরা এমন সব তথ্য সরবরাহ করতে পারেন যা গোয়েন্দারাও কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হন। সাংবাদিকরা আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শকও নন, কিন্তু পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে তাঁরা এমন কিছু উপলক্ষ এবং সূত্র উপহার দিতে পারেন যা পাঠকদের আত্মিক খোরাক জোগাতেও কিছুটা সাহায্য করে। আসুন আমরা সবাই অত্যন্ত বিজ্ঞতার সাথে উপদেশমূলক সাংবাদিকতা থেকে দূরে থাকি; তবে ভালো সাংবাদিকরা অন্তত নিজের এবং তাঁদের পাঠকদের আত্মাকে বিষাক্ত করা থেকে বিরত থাকতে পারেন। ** '''''মার্কো রেসপিন্তি''''', [https://bitterwinter.org/a-universal-declaration-on-combating-and-preventing-forced-organ-harvesting/ "চীনের মানব ফসল এবং অবৈধ অঙ্গ বাণিজ্য: প্রকাশ করো নতুবা ধ্বংস হও?"], '''''বিটার উইন্টার'''''। * একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সাংবাদিকতা শেখানো কতটা ভয়ানক ও অদ্ভুত বিষয়! আমি ভেবেছিলাম এটি কেবল অক্সফোর্ডেই করা হয়। নিচ ও নোংরা জনমানুষের প্রতি এই অতি-সম্মান প্রদর্শন আসলে আমাদের সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', লুসি মার্টিন ডনেলিকে লেখা একটি চিঠিতে (৬ জুলাই ১৯০২)। == S == * তবে আমি এমনভাবে এর প্রতিবেদন পেশ করব—<br>যেখানে সিনেটররা তাঁদের হাসির সাথে চোখের জলের মিশ্রণ ঘটাবেন। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:কোরিওলেনাস|কোরিওলেনাস]]''''' (আনু. ১৬০৭-০৮), প্রথম অংক, নবম দৃশ্য, লাইন ২। * যারা অতৃপ্ত বা সত্য সম্পর্কে অবগত নয়,<br>তাদের কাছে আমাকে এবং আমার উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করো। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]''''' (১৬০০-০২), পঞ্চম অংক, দ্বিতীয় দৃশ্য, লাইন ৩৫০। * আমার কাছে আর কোনো প্রতিবেদন নিয়ে এসো না। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]''''' (১৬০৫), পঞ্চম অংক, তৃতীয় দৃশ্য, লাইন ১। * আমার মনে হয় না যে পরিস্থিতি এর আগে কখনো বর্তমানের মতো এত বেশি ভয়াবহ ছিল। কারণ এখন দেখে মনে হচ্ছে যে প্রতিটি সাংবাদিকই আসলে কোনো না কোনো হুমকির মুখে রয়েছেন। ** '''''নাজিব শরিফি''''', আফগান সাংবাদিক নিরাপত্তা কমিটির প্রধান, '''''ডিডব্লিউ''''' (DW) এর সাথে একটি সাক্ষাৎকারে; [https://www.dw.com/en/2020-dozens-of-journalists-killed-in-targeted-attacks/a-56078207 "২০২০: লক্ষ্যবস্তু করে চালানো হামলায় কয়েক ডজন সাংবাদিক নিহত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে প্রকাশিত। * আমি আজও বিশ্বাস করি যে, আপনার লক্ষ্য যদি হয় এই পৃথিবীকে বদলে দেওয়া, তবে সাংবাদিকতা হলো তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি তাৎক্ষণিক এবং কার্যকর একটি স্বল্পমেয়াদী অস্ত্র। ** '''''[[:w:টম স্টপার্ড|টম স্টপার্ড]]''''', '''''টম স্টপার্ড ইন কনভারসেশন''''' (১৯৯৪), পল ডেলানি সম্পাদিত, ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান প্রেস, পৃ. ১৯৬। * আমি কোনো সংবাদের বা গল্পের অংশ হয়ে উঠতে চাই না। আমি বরং একজন নামহীন, শান্ত ও নিভৃতচারী দর্শক হয়ে থাকতে চাই। যে আসলে পৃথিবীতে কী ঘটছে তা বোঝার চেষ্টা করে (যা মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়) এবং পরবর্তীতে অন্য মানুষের কাছে সেই সত্যটি বর্ণনা করে। ঘটনার কেন্দ্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে থাকাটা আমার একদমই পছন্দ নয়। ** '''''[[:w:জন সিম্পসন|জন সিম্পসন]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''বিবিসি নরফোক''''', (১২ অক্টোবর ২০০৭)। [[File:William Thomas Stead.jpg|thumb|সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ। এটি যদি গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বর নাও হয়, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক দৃশ্যমান ভাষা। এটি আসলে পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ।<br>~'''''[[:w:উইলিয়াম থমাস স্টিড|উইলিয়াম থমাস স্টিড]]''''' ]] * সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ তথা একটি দেহের মতো। এটি যদি গণতন্ত্রের প্রকৃত কণ্ঠস্বর নাও হয়ে থাকে, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক অনন্য ও দৃশ্যমান ভাষা। সহজ কথায়, এটি পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ। ** '''''উইলিয়াম থমাস স্টিড''''' (মে ১৮৮৬), "গভর্নমেন্ট বাই জার্নালিজম", ''কন্টেম্পোরারি রিভিউ''। * সাংবাদিকতা (একটি সংজ্ঞা দেওয়া যাক): জীবনকে একগুচ্ছ গতানুগতিক ক্লিশে বা ধরাবাঁধা চেনা ছাঁচের ধারাবাহিকতা হিসেবে উপস্থাপন করার একটি শিল্প কিংবা বিজ্ঞান। ** '''''রিচার্ড সামারবেল''''', '''''অ্যাবনরমালি হ্যাপি''''' (১৯৮৫), নিউ স্টার বুকস, পৃ. ৩০, ISBN 091957341X। == T == * সংবাদপত্র পড়ার নেশা থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেতে চাইলে, একটি বছর ব্যয় করুন গত সপ্তাহের পুরোনো সংবাদপত্রগুলো পড়ার পেছনে! (যেন সত্য এবং মিথ্যার মাঝে তৌফাতটা ধরতে পারা যায়!) ** '''''নাসিম এন. তালেব''''', '''''দ্য বেড অফ প্রোক্রাস্টাস: ফিলোসফিক্যাল অ্যান্ড প্র্যাকটিক্যাল অ্যাফোরিজমস''''' (২০১০), পৃ. ২১। * আমি সবসময়ই উন্নতমানের ও শৈল্পিক লিখনশৈলীর মানদণ্ড বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। এই সাংবাদিকতা পেশার ভেতরেও শিল্প লুকিয়ে আছে। এমনকি এখানে অত্যন্ত মহান শিল্প সৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনাও বিদ্যমান। ** '''''[[:w:গে টালিস|গে টালিস]]''''' (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬); রিপোর্ট করেছেন রেবেকা ক্যাথকার্ট: '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি। * একজন সংবাদ প্রতিবেদকের প্রকৃত শিল্প চাতুর্য হলো কোনো শিকারকে কীভাবে আশ্বস্ত করে শান্ত করতে হয় তা আয়ত্ত করা। কারণ সমস্ত দক্ষ প্রতিবেদকই আসলে তাঁদের প্রাথমিক সত্তায় একেকজন অত্যন্ত ধুরন্ধর প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ট্রিকস্টার'। ** '''''ডেরেক টাঙ্গি''''', ব্রিটিশ লেখক, '''''দ্য ওয়ে টু মাইনাক''''' (১৯৬৮), সপ্তম অধ্যায়। * আমি মোটেও বিশ্বাস করি না যে সাংবাদিকতা একটি মৃতপ্রায় শিল্প। বরং আমি মনে করি, এটি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ; এবং বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকরা আমাদের কর্মপদ্ধতির সাথে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছেন, যার মূল লক্ষ্য হলো সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ করা। সাংবাদিকের ভূমিকা অপরিহার্য, এবং সংবাদকর্মীরা মাঝে মাঝে জনরোষের শিকার বা নিন্দিত হলেও, তাঁরা যখন নিষ্ঠার সাথে সত্য অন্বেষণ করেন এবং ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনেন, তখন তাঁরা আজও অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদায় ভূষিত হন। আমার প্রত্যাশা এই যে, ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত মূলনীতিগুলো মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে, দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সচল রাখতে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনবদ্য ভূমিকা পালন করছেন। ** '''''হেলেন থমাস''''', '''''ওয়াচডগস অফ ডেমোক্রেসি?''''' (২০০৬), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ভূমিকা অংশ, ISBN 0743267818। * বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিয়ে এই হলো আমার বক্তব্য। আমার কোনো নামলিপির নিচে বা আমার চেনা অন্য কারোর লেখার মাঝেও এটি খুঁজে পাওয়ার বৃথা চেষ্টা করে লাভ নেই। খেলার স্কোরকার্ড, ঘোড়দৌড়ের ফলাফল কিংবা শেয়ার বাজারের তালিকার মতো গুটিকতক ব্যতিক্রম ছাড়া এই পৃথিবীতে 'বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা' বলে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই। এই শব্দগুচ্ছটি নিজেই নিজের অর্থের মধ্যে এক উদ্ধত ও হাস্যকর বৈপরীত্য ছাড়া আর কিছুই নয়। ** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং: অন দ্য ক্যাম্পেইন ট্রেইল '৭২''''' (২২ এপ্রিল ১৯৮৫), পৃ. ৪৮, ISBN 0446313645। * "সংবাদপত্র যদি কেবল এইটুকুই দেওয়ার ক্ষমতা রাখে, তবে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার কী? অ্যাগনিউ ঠিকই বলেছিলেন। সংবাদমাধ্যম হলো একদল নিষ্ঠুর ও বিকৃত মানুষের আস্তানা। সাংবাদিকতা কোনো পেশা বা সাধারণ ব্যবসা নয়। এটি হলো ব্যর্থ আর অযোগ্যদের ভিড় জমানোর এক সস্তা আশ্রয়স্থল। জীবনের পেছনের দরজার দিকে যাওয়ার জন্য এটি একটি মিথ্যে প্রবেশপথ। এটি বিল্ডিং পুলিশ ইন্সপেক্টর কর্তৃক পরিত্যক্ত এক নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত গর্ত, যা কেবল কোনো মদ্যপ-ভবঘুরে ব্যক্তির ফুটপাত থেকে গুটিয়ে শুয়ে থাকার জন্য কিংবা চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দি কোনো শিম্পাঞ্জির মতো কুরুচিপূর্ণ আচরণের উপযুক্ত স্থান হিসেবে যথেষ্ট গভীর।" ** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং ইন লাস ভেগাস''''' (১৯৭১), পৃ. ২০০। == U == * প্রত্যেকে ব্যক্তিরই স্বাধীনভাবে নিজস্ব মত পোষণ এবং তা প্রকাশের অধিকার রয়েছে। এই অধিকারের মধ্যে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বীয় মতামতে অটল থাকা এবং যেকোনো সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে এবং ভৌগোলিক সীমানা নির্বিশেষে তথ্য ও ধারণা অনুসন্ধান করা, গ্রহণ করা এবং তা প্রচার করার স্বাধীনতা অন্তর্ভুক্ত। ** '''''[[:w:জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]''''', '''''মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা''''', [[w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘ]], প্যালে ডি শাইলট, প্যারিস (১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮), ধারা ১৯। [http://www.un.org/Overview/rights.html মূল পাঠ্য] == V == [[File:Superman-facebook.svg|thumb|সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র সত্তা যা আমাদেরকে সুরক্ষা প্রদান করতে পারে। ঐতিহাসিকভাবেই এমন কিছু আপসহীন ও প্রতিবাদী সাংবাদিক ছিলেন যারা পরিণতির পরোয়া না করে সত্যের পথে লড়াই করতেন। কিন্তু সেই ধারা এখন 'অ্যাডভোকেসি জার্নালিস্ট' বা ওকালতি সাংবাদিকতায় রূপ নিয়েছে, যাদের নির্দিষ্ট বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। এর কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই। একজন সাংবাদিকের একমাত্র উপাসনার বিষয় হওয়া উচিত ধ্রুব সত্য।<br>~'''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''' ]] * সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র মাধ্যম যা আমাদের ঢাল হয়ে রক্ষা করে। অতীতে এমন অনেক আপসহীন ও লড়াকু সাংবাদিকের ইতিহাস ছিল যারা পরিণতির পরোয়া না করেই সত্য প্রকাশে অবিচল থাকতেন। কিন্তু সেই জায়গাটি এখন দখল করে নিয়েছে এক ধরনের 'ওকালতি সাংবাদিকতা'! যেখানে সংবাদকর্মীরা বাম কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট। এটি মোটেও যুক্তিযুক্ত নয়। একজন সাংবাদিকের উপাসনার যোগ্য একমাত্র ঈশ্বর হওয়া উচিত পরম সত্য। ** '''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''', ডুয়েন সোয়ারসিনস্কির নেওয়া সাক্ষাৎকার, ''ফিলডেলফিয়া সিটি পেপার'', (৭ জুলাই ২০০৫)। == W == [[File:Oscar Wilde by Napoleon Sarony. Three-quarter-length photograph, seated.jpg|thumb|সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার যোগ্য। সাংবাদিকতা এই দুর্বলতা সম্পর্কে অনেক সচেতন এবং ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে তারা ঠিক সেই চাহিদাগুলোই মিটিয়ে থাকে।<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''' ]] * আমার একটি লক্ষ্য ছিল 'দ্য ''৬০ মিনিটস''' এর জন্য কাজ করা এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা, যেকোনো বিষয়ের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করা এবং প্রচারের জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া। সহজ কথায়, সাংবাদিকতায় এর সমতুল্য কোনো দ্বিতীয় কাজ আর নেই। শুরুতে এটি ছিল কেবল একটি স্বপ্ন। এখন ৮৪ বছর বয়সে এসেও আমি এমন সব মানুষের সাথে কাজ করছি যারা আমার অর্ধেক বয়সের বা তারও কম। আর এর মূল কারণ হলো সংবাদের প্রতি এক অমোঘ আকর্ষণ। যদি কোথাও কোনো ভালো সংবাদ বা গল্পের সুযোগ থাকে, তবে সেখানে উপস্থিত না হওয়ার কোনো কারণ আমি দেখি না। ** '''''মাইক ওয়ালেস''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৮ জুন ২০০২)। * [[w:সংবাদ|সংবাদ]] হলো এমন কিছু যা সেই ব্যক্তিটি পড়তে চায় যে আসলে কোনো কিছু নিয়েই খুব একটা মাথা ঘামায় না। আর এটি ততক্ষণই সংবাদ হিসেবে টিকে থাকে যতক্ষণ না সে এটি পড়ছে। একবার পড়া হয়ে গেলে এটি স্রেফ একটি মৃত বিষয়ে পরিণত হয়। ** '''''ইভলিন ওয়াহ''''' (১৯৩৮), ''স্কুপ'', প্রথম খণ্ড, ৫ম অধ্যায়; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৭, ISBN 0226122018। * এটি একটি ধ্রুব সত্য যে, কোনো অভিযোগের বিপরীতে দেওয়া খণ্ডন বা প্রতিবাদ কখনোই মূল অভিযোগের গতির সাথে পাল্লা দিয়ে উঠতে পারে না। যেসব সৎ সাংবাদিক ব্যক্তি হয়তো ভুলবশত কোনো মিথ্যা তথ্য ছাপিয়ে ফেলতে পারেন, তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন যে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত কোনো প্রতিবাদলিপি বা সংশোধনীও মূল প্রতিবেদনের মাধ্যমে হওয়া ক্ষতির ক্ষত কখনোই পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে না। ** '''''টম উইকার''''', [http://www.nytimes.com/1989/06/09/opinion/in-the-nation-lesson-of-lattimore.html "ইন দ্য নেশন; লেসন অফ ল্যাটিমোর"], '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]''''', (৯ জুন ১৯৮৯)। * সেটি ছিল এক মারাত্মক ও অভিশপ্ত দিন যখন সাধারণ মানুষ প্রথম আবিষ্কার করল যে, কলম আসলে ফুটপাতের ইটের চেয়েও ভয়ংকর রকম্ন শক্তিশালী এবং একে অনায়াসেই ইটের টুকরোর মতো আক্রমণাত্মক করে তোলা সম্ভব! | এই সত্য জানার পরপরই তারা একজন সাংবাদিকের খোঁজ করল, তাকে খুঁজে বের করল, তাকে নিজেদের প্রয়োজনের তাগিদে তথা 'আপনা-সুবিধা' বাস্তবায়নের জন্য গড়ে তুলল এবং শেষ পর্যন্ত তাকে নিজেদের এক পরিশ্রমী ও উচ্চ বেতনের ভৃত্যে পরিণত করল। এটি উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। যুদ্ধের ব্যারিকেডের পেছনে হয়তো মহত্ত্ব আর বীরত্বের অনেক কিছু থাকতে পারে। কিন্তু সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বা প্রধান নিবন্ধগুলোর পেছনে কুসংস্কার, মূর্খতা, ভণ্ডামি আর নিরর্থক প্রলাপ ছাড়া আর কী-ই বা আছে? আর যখন এই চারটি বিষয় একত্রিত হয়, তখন তারা এক ভয়াবহ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং এক নতুন ও একনায়কতান্ত্রিক কর্তৃত্বের সৃষ্টি করে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * প্রাচীনকালে মানুষের ওপর নির্যাতন করার জন্য 'র‍্যাক' (The Rack) নামক যন্ত্র ছিল, আর এখন তাদের হাতে আছে সংবাদমাধ্যম বা প্রেস। এটি নিশ্চিতভাবেই একটি উন্নতি বলা যায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি অত্যন্ত মন্দ, ভুল এবং নৈতিকভাবে অবক্ষয় সৃষ্টিকারী। কেউ একজন—তিনি কি বার্ক ছিলেন? সাংবাদিকতাকে 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেট বলে অভিহিত করেছিলেন। সেই সময়ে সেটি নিঃসন্দেহে সত্য ছিল। কিন্তু বর্তমান মুহূর্তে এটিই আসলে একমাত্র স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। কারণ এটি অন্য বাকি তিনটি স্তম্ভকেই গ্রাস করে ফেলেছে। লর্ডস টেম্পোরাল বা উচ্চকক্ষ এখন নিশ্চুপ, লর্ডস স্পিরিচুয়াল বা ধর্মীয় প্রতিনিধিদের বলার মতো কিছুই নেই এবং হাউজ অফ কমন্স বা নিম্নকক্ষের বলার মতো কিছু না থাকলেও তারা অনবরত কথা বলে যাচ্ছে। আমরা এখন পুরোপুরি সাংবাদিকতার আধিপত্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে শাসন চালায় অনন্তকাল ধরে! সৌভাগ্যবশত, ইতোমধ্যে আমেরিকায় 'সাংবাদিকতা' তার ক্ষমতাকে সবচেয়ে জঘন্য এবং পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে গেছে। যার স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে এটি মানুষের মাঝে এক বিদ্রোহের চেতনা সৃষ্টি করতে শুরু করেছে! মানুষ এখন তাদের স্বভাব অনুযায়ী এই সাংবাদিকতা দেখে হয় বিনোদিত হয়, না হয় চরম বিরক্ত হয়। কিন্তু এটি আগের মতো আর সেই প্রকৃত প্রভাবশালী শক্তিতে টিকে নেই। মানুষ একে এখন আর খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। অন্যদিকে [[w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডে]], সুপরিচিত গুটিকতক উদাহরণ ছাড়া সাংবাদিকতাকে যেহেতু এমন পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে যাওয়া হয়নি, তাই এটি এখনও একটি বিশাল বড় প্রভাবক এবং এক উল্লেখযোগ্য শক্তি হিসেবে টিকে আছে। মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের ওপর এটি যে ধরণের স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েম করতে চায়, তা আমার কাছে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও বিস্ময়কর বলে মনে হয়। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আমরা এখানে সাংবাদিককে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা দিয়েছি, অথচ শিল্পীর পথকে করেছি সম্পূর্ণ কণ্টকাকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ। ইংরেজ জনমত মূলত সেই মানুষটিকেই বাধাগ্রস্ত করতে, অবদমিত করতে এবং তাঁর যাত্রাপথকে বিকৃত করতে চায়, যিনি প্রকৃতপক্ষে সুন্দর কিছু সৃষ্টি করেন। অন্যদিকে এটিই আবার সাংবাদিককে বাধ্য করে কুৎসিত, জঘন্য কিংবা বাস্তবিকভাবেই চরম ঘৃণ্য বিষয়গুলো পরিবেশন করতে। আর এর ফলস্বরূপ আমরা একই সাথে বিশ্বের সবচেয়ে গম্ভীর সাংবাদিকতা এবং সবচেয়ে কুরুচিপূর্ণ সংবাদপত্রের অধিকারী হয়েছি। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * প্রকৃত সত্য এই যে, সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক প্রচণ্ড ও অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার মতো কোনো যোগ্যতাই রাখে না। সাংবাদিকতা মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণ সচেতন এবং এক ধরণের খাঁটি ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে, তারা নিছক মুনাফার দায়ে মানুষের সেই কুরুচিপূর্ণ চাহিদাগুলোই পূরণ করে থাকে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আধুনিক সাংবাদিকতার পক্ষে বলার মতো আসলে অনেক কিছু আছে। অল্পশিক্ষিত বা মূর্খদের মতামত আমাদের সামনে উপস্থাপনের মাধ্যমে এটি আমাদের সমাজের সামগ্রিক অজ্ঞতার সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখে। সমসাময়িক জীবনের দৈনন্দিন ঘটনাবলী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ধারাবাহিকভাবে লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে এটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, আদতে এই সব ঘটনার গুরুত্ব কতই না নগণ্য। আর সবসময় অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে, সংস্কৃতির জন্য ঠিক কোন বিষয়গুলো অপরিহার্য এবং কোনগুলো একেবারেই অকেজো। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট''''' (১৮৯১), দ্বিতীয় খণ্ড। * আর্নেস্ট: কিন্তু সাহিত্য এবং সাংবাদিকতার মধ্যে প্রকৃত পার্থক্যটি ঠিক কোথায়? গিলবার্ট: পার্থক্য শুধু এইটুকু যে সাংবাদিকতা হলো পাঠের অযোগ্য বিষয়, আর সাহিত্য কেউ সচরাচর পাঠ করে না। সাধারণত, এর বাইরে আর কোনো তফাৎ নেই। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত। * আধুনিক সাংবাদিকতার কথা যদি বলেন, তবে এর স্বপক্ষে সাফাই গাওয়া বা একে রক্ষা করা আমার কাজ নয়। এটি ডারউইনের সেই বিবর্তনবাদ তত্ত্ব তথা 'যোগ্যতমের টিকে থাকার লড়াই'—এর পরিবর্তে 'নিকৃষ্টতমের টিকে থাকা' বা সার্ভাইভাল অফ দ্য ভালগারেস্টের মহান মূলনীতির মাধ্যমেই নিজের অস্তিত্বের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত। * ''ঘুস দিয়ে যদি সাংবাদিককে বশে আনতে চান,<br>তবে আপনাকে নিন্দাবাদ<br />কিংবা নিজ স্বার্থের জন্য যদি বাঁকিয়ে ফেলতেও যান,<br>আপনাকে মুর্দাবাদ,<br />তাই গাহি স্রষ্টার গান!<br>-জনৈক ব্রিটিশ সাংবাদিক<br /><br>তবে, কোনো প্রকার ঘুস ছাড়াই সেই মানুষটি যা যা করতে সক্ষম—<br />তা দেখার পর, তাঁকে ঘুস দেওয়া ছাড়া আর কোন প্রয়োজনটিই অক্ষম!'' ** '''''হাম্বার্ট উলফ''''', "ওভার দ্য ফায়ার", ''দ্য আনসেলেস্টিয়াল সিটি'' (১৯৩০), ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। * যদি [[:w:মঙ্গল গ্রহ|মঙ্গল গ্রহ]] থেকে কেউ আমেরিকায় আসে এবং সেখানে কয়েক মাস বা কয়েক বছর ঘুরে বেড়ানোর পর আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, সেখানে কাদের কাজ বা পেশা সবচেয়ে চমৎকার; তবে সে নিশ্চিতভাবেই সাংবাদিকদের কথা বলবে। কারণ সাংবাদিকরা মানুষের জীবনের সেই মুহূর্তগুলোতে প্রবেশ করার সুযোগ পান যখন সেই জীবনগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রোমাঞ্চকর থাকে, আর ঠিক যখনই আকর্ষণ ফুরিয়ে যায়, তখনই তাঁরা সেখান থেকে নির্বিঘ্নে বেরিয়ে আসতে পারেন। ** '''''[[:w:বব উডওয়ার্ড|বব উডওয়ার্ড]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (১ মে ২০০৩)। == Y == * আমি সাংবাদিকদের মনে প্রাণে খুব-ই ঘৃণা করি! তাদের ভেতরটা বিদ্রূপাত্মক এবং উপহাসপূর্ণ শূন্যতা ছাড়া আর কিছুই নয়, জাস্ট কিছুই নয়!.. এই পৃথিবীর পৃষ্ঠে তারা হলো সবচেয়ে নিচু প্রকৃতির আর অন্তঃসারশূন্য একদল বুনো মানুষ! ** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ক্যাথরিন টাইন্যানকে লেখা চিঠি (৩০ আগস্ট ১৮৮৮)। * ''একজন রাষ্ট্রনায়ক বেশ সহজ-সরল ভাবুক,<br />কিন্তু তিনি তো টিয়ে পাখির মতো অনর্গল যন্ত্রতুল্য মিথ্যুক!<br />তবে একজন সাংবাদিক খুব আরামসে ধরতে পারেন আপনার মিথ্যের খুঁটি ,<br />এবং এরপর সেই মিথ্যের জোরেই চেপে ধরেন আপনার টুঁটি।'' ** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ''দ্য ওল্ড স্টোন ক্রস'', ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''। * বর্তমান সময়ের সাংবাদিকতা, বড় বড় শহরগুলোর সংবাদপত্রগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কের কথা বিবেচনা করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদেরকে বেশ ভদ্রোচিত এবং মার্জিত বলে মনে হয়। কিন্তু সেই দিনগুলোতে নিউ ইয়র্কের দৈনিক পত্রিকাগুলো একে অপরের কর্মকাণ্ড এবং উদ্দেশ্যকে প্রকাশ্যে এমন ঘৃণাভরে আক্রমণ করত, যা সচরাচর পরম সৎ নাগরিকরা ঘোড়া-চোর কিংবা ডাকাতদের প্রতি প্রকাশ করে থাকেন। 'দ্য সানের' ডানা এবং 'দ্য ওয়ার্ল্ডের' পুলিৎজারের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব সে সময় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। এমনকি 'ওয়ার্ল্ড' এবং 'হেরাল্ড' পত্রিকা দুটিও প্রায়ই একে অপরের ওপর নেকড়ের মতো ক্ষিপ্ত হয়ে গর্জন করত। ** '''''আর্ট ইয়ং: হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস''''' (১৯৩৯)। ===''হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস''=== :<small>'''''[[s:en:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]''''' (১৯২২), পৃ. ৪০৭-০৮ থেকে প্রতিবেদনকৃত উদ্ধৃতিসমূহ।</small> * আমি তাঁদের মঙ্গলের জন্য অত্যন্ত আন্তরিকভাবে এই পরামর্শ দেব—যেন তাঁরা এই সংবাদপত্রটি নিয়মিত সংগ্রহ করার আদেশ দেন এবং একে তাঁদের প্রতিদিনের বৈকালিক আপ্যায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য করেন। ** [[জোসেফ অ্যাডিসন|'''''জোসেফ অ্যাডিসন''''',]] ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ১০। * তারা আমাদের কাগজ তৈরির শিল্পের একটি বিশাল অংশ ভোগ করে, মুদ্রণ কাজে আমাদের কারিগরদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে এবং অগণিত দরিদ্র ও অভাবী মানুষের জন্য জীবিকা নির্বাহের পথ প্রশস্ত করে দেয়। ** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ৩৬৭। * বিজ্ঞাপন সাধারণ বা নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি মাধ্যম। প্রথমত, এটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। একজন মানুষ যিনি কোনোভাবেই সরকারি গেজেটে স্থান পাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ নন, তিনি খুব সহজেই বিজ্ঞাপনের পাতায় নিজেকে ঢুকিয়ে দিতে পারেন। যার ফলে আমরা প্রায়ই দেখি একই সংবাদপত্রে একজন সাধারণ ওষুধ বিক্রেতা বা কবিরাজ একজন পূর্ণ ক্ষমতাপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের পাশে স্থান পেয়েছেন, কিংবা একজন সাধারণ বার্তাবাহক কোনো উচ্চপদস্থ দূতের সাথে একই সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন। ** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪। * বিজ্ঞাপন লেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কৌশল বা শিল্প হলো পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সঠিক পদ্ধতিটি খুঁজে বের করা। কারণ এই কৌশল ছাড়া একটি অত্যন্ত চমৎকার বস্তুও হয়তো অলক্ষিতও থেকে যেতে পারে, কিংবা দেউলিয়া হওয়ার সংবাদের ভিড়ে কোথাও হারিয়ে যেতে পারে। ** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪। * জিজ্ঞেস করছেন কীভাবে জীবন ধারণ করবেন? লিখুন, লিখুন, যা খুশি তা-ই লিখুন;<br>এই পৃথিবীটা এক চমৎকার বিশ্বাসপ্রবণ জগত, তাই স্রেফ সংবাদ লিখে যান। ** '''''বিউমন্ট এবং ফ্লেচার''''', ''উইট উইদাউট মানি'', দ্বিতীয় অংক। * [বিরোধী সংবাদমাধ্যম] মূলত এমন সব অসন্তুষ্ট ও ঈর্ষাপরায়ণ ব্যক্তিদের হাতে ন্যস্ত থাকে, যারা নিজেদের কর্মজীবনে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ** '''''[[:w:অটো ফন বিসমার্ক|অটো ফন বিসমার্ক]]''''', রুজেনের একটি প্রতিনিধি দলের নিকট রাজার উদ্দেশে (১০ নভেম্বর ১৮৬২)। * ''শোনো ওহে কেকের দেশ, আর স্কটল্যান্ডের ভাইয়েরা,<br>মেইডেনকার্ক থেকে জনি গ্রোটস—স্কল প্রান্তের মানুষেরা;<br>যদি তোমাদের পোশাকে কোনো তালি থাকে,<br>তবে সতর্ক করছি, তোমাদের সত্তা যেন সাবধানে থাকে।<br>তোমাদের মাঝে এমন এক আপদ বিদ্যমান, যে তুমাদের মাঝে কান পাতছে<br>এবং বিশ্বাস করো, সে নির্ঘাত তা সংবাদে ছাপিয়ে দিতে যাচ্ছে!'' ** '''''[[:w:রবার্ট বার্নস|রবার্ট বার্নস]]''''', ''অন ক্যাপটেন গ্রোস'স পেরেগ্রিনেশনস থ্রু স্কটল্যান্ড, রূপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)।'' * ''সম্পাদক তাঁর নিরব আলয়ে পড়ছে ঢুলে ঢুলে, অসম চিন্তার ভাঁজ তার কপালে,<br>মন তাঁর নিমগ্ন ব্যবসার অতলসম তলে, আর পা জোড়া তোলা চেয়ারের হাতলে,<br>এক হাত চেয়ারে ঠেকানো আর ডান হাত মাথায়টায়,<br>ধুলোমাখা মলিন টেবিলে তাঁর চোখ জোড়া ঠেকানো আর নথির পাহাড় ছড়িয়ে সেথায়!'' ** '''''উইল কার্লটন''''', ''ফার্ম ব্যালাডস'', ''দ্য এডিটর'স গেস্টস, রূপান্তরঃ '''মাহমুদ''''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। * এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে; কিন্তু ওই দূরে প্রতিবেদকদের গ্যালারিতে এমন এক 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''হিরোস অ্যান্ড হিরো-ওয়ারশিপ''''', বক্তৃতা ৫। বার্ককে এই শব্দটি উদ্ভাবনের কৃতিত্ব দেওয়া হলেও তাঁর প্রকাশিত কোনো রচনায় এর উল্লেখ পাওয়া যায় না। 'রাজ্যের তিনটি স্তম্ভ' হলো '''Lords Spiritual''' বা ধর্মীয় প্রতিনিধি, '''Lords Temporal''' উচ্চকক্ষ এবং '''Commons''' (নিম্নকক্ষ)। ডেভিড লিন্ডসে ১৫৩৫ সালে তাঁর 'অ্যান প্লেজেন্ট স্যাটায়ার অফ দ্য থ্রি এস্টেটসে' এর বর্ণনা দিয়েছেন। রাবেলে তাঁর 'পান্তাগ্রুয়েলে'(৪-৪৮) একজন সন্ন্যাসী, একজন বাজপাখি শিকারি, একজন আইনজীবী এবং একজন কৃষককে দ্বীপের '''Les quatre estatz de l'isle''' বা 'চারটি স্তম্ভ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। * একটি পার্লামেন্ট বা সংসদ, যা কি না সাংবাদিকদের মাধ্যমে বানকম্বের জনগণের কাছে এবং সেই দুই কোটি সত্তর লক্ষ মানুষের কাছে কথা বলে, যাঁদের অধিকাংশকেই নির্বোধ হিসেবে গণ্য করা যায়। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''লেটার ডে প্যামফ্লেটস''''', সংখ্যা ৬: পার্লামেন্ট। * প্রথমে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সঠিকভাবে সংগ্রহ করুন, আর তারপর আপনি নিজের ইচ্ছেমতো সেগুলোকে যত খুশি বিকৃত করতে পারেন। ** '''''[[:w:মার্ক টোয়েন|মার্ক টোয়েন]]''''', কিপলিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকার; '''''ইন ফ্রম সি টু সি''''', পত্র ৩৭। * স্রেফ একটি সংবাদপত্র! যা দ্রুত পড়া হয় এবং দ্রুতই হারিয়ে যায়,<br>কে আর হিসাব রাখে সেই অমূল্য রত্নভাণ্ডারের, যা এটি বহন করে নিয়ে যায়?<br>ছিন্নভিন্ন হয়ে পায়ের তলায় পিষ্ট হওয়া সেই উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো মেধার মূল্যই বা ক’জন দেয়? ** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', স্তবক ৯। * নিজের প্রজন্মের সেবা করাই তোমার নিয়তি—<br>জলের ওপর যেমন নাম লিখলে তা মুছে যায়, ঠিক তেমনি তোমার নামও দ্রুতই মিলিয়ে যাবে।<br>কিন্তু যে ব্যক্তি মানবতাকে ভালোবাসেন, তিনি আদিতে ও অন্তে এমন এক মহান কর্ম সম্পাদন করেন যা খ্যাতির গণ্ডির চেয়েও অনেক বড়। ** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', অন্তিম স্তবক। * আমার মনে হয় কোথাও বলা হয়েছে যে—'দ্য টাইমস' এর একটি মাত্র সংখ্যায় থুসিডাইডিসের সমগ্র ঐতিহাসিক রচনার চেয়েও অনেক বেশি দরকারী ও কার্যকর তথ্য নিহিত থাকে। ** '''''রিচার্ড কবডেন''''', ম্যানচেস্টার অ্যাথেনিয়ামে প্রদত্ত ভাষণ (২৭ ডিসেম্বর ১৮৫০)। দেখুন: দ্য টাইমস, ৩০ ডিসেম্বর ১৮৩০, পৃ. ৭; মর্লির 'লাইফ অফ কবডেনে' উদ্ধৃত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪২৯। * যদি মৈত্রীর চেতনা সর্বত্র জয়ী হতো, তবে এই সংবাদমাধ্যম বা প্রেস নিশ্চিতভাবেই<br>সততা, সত্য এবং ভালোবাসার এক মহান বাহন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করত। ** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''চ্যারিটি'', লাইন ৬২৪। * কীভাবে আমি তোমার প্রশংসা করব, বা কিভাবে সম্বোধিত হবে সেই পরাক্রমী অনড়,<br>হে সংবাদমাধ্যম—তুমিই তো আমাদের এই পৌত্তলিক আরাধনার অধিশ্বর!<br>*    *    *    *    *<br>স্বর্গের সেই নিষিদ্ধ জ্ঞানবৃক্ষের সাথেই,<br>ভালো এবং মন্দের যাবতীয় জ্ঞান তো প্রেরিত হয় তোমার মাধ্যমেই! ** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''প্রোগ্রেস অফ এরর'', লাইন ৪৫২, ''বাংলায় কাব্যিক রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (১৩ এপ্রিল, ২০২৬)। * তিনি এসেছেন, এক অশান্ত মহাবিশ্বের বার্তাবাহক হয়ে—<br>কর্দমাক্ত বুট, কোমরবন্ধনীতে বাঁধা পোশাক আর জমে থাকা তুষারশুভ্র চুলের অবয়ব নিয়ে;<br>মহাবিশ্বের তাবৎ সংবাদ ঝুলছে তার পিঠে আকাশসম বোঝা হয়ে! ** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), চতুর্থ খণ্ড, লাইন ৫, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''। * যখনই কোনো মূল্যবান তথ্যের সন্ধান পাবেন, তখনই তা টুকে রাখুন। ** '''''[[:w:চার্লস ডিকেন্স|চার্লস ডিকেন্স]]''''', ''ডম্বি অ্যান্ড সান'', ১৫তম অধ্যায়। * বিবিধ বিষয়ের লেখকরাই প্রতিটি জাতির কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক হিসেবে সমাদৃত হন। কারণ তাঁরাই মূলত শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত সামাজিক স্তরের মধ্যে যোগাযোগের একটি সেতুবন্ধন তৈরি কর যান, যেন জন মানুষের এই দুটি বিশাল স্তর বা বিভাগের মাঝখানে তাঁরা এক শৈল্পিক সেতু নির্মাণ করে দিতে পারেন। ** '''''আইজ্যাক ডি'ইজরায়েলি''''', ''লিটারারি ক্যারেক্টার অফ মেন অফ জিনিয়াস'', বিবিধ লেখক বিভাগ। * আমাদের রাজনৈতিক লেখকদের কেউই... রাজা, লর্ডস এবং কমন্স, এই তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেটের বাইরে অন্য কিছুর দিকে নজর দেন না... তাঁরা অত্যন্ত সুকৌশলে সেই বিশাল ও প্রভাবশালী অংশটিকে এড়িয়ে যান যারা এই সমাজের প্রকৃত 'চতুর্থ স্তম্ভ' গঠন করে... আর সেই শক্তিটি হলো 'জনসাধারণ' বা গণমানুষের ভিড়। ** '''''[[:w:হেনরি ফিল্ডিং|হেনরি ফিল্ডিং]]''''', ''কোভেন্ট গার্ডেন জার্নাল'' (১৩ জুন ১৭৫২)। * যদি কেলেঙ্কারির অভাবের কারণে হয় মানসিক অবসাদ<br>আমাদের প্রিয় নারীদের ব্যথিত করে—তবে তাঁদের পড়তে দিন সংবাদ। ** '''''ডেভিড গ্যারিক''''', শেরিডানের 'স্কুল ফর স্ক্যান্ডাল' এর প্রস্তাবনা। * সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হলো একজন ইংরেজ নাগরিকের সমস্ত দেওয়ানি, রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় অধিকারের এক অপরাজেয় সুরক্ষাকবচ বা প্যালাডিয়াম। ** '''''[[:w:জুনিয়াস (লেখক)|জুনিয়াস]]''''', ''ডেডিকেশন টু লেটারস''। * একজন সংবাদ লেখকের সর্বোচ্চ দৌড় হলো রাজনীতির ওপর কিছু অন্তঃসারশূন্য যুক্তি প্রদান করা এবং সরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর ভিত্তিহীন ও বৃথা অনুমান করা। ** '''''জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়। * একজন সংবাদ লেখক রাতের বেলা অত্যন্ত প্রশান্তির সাথে এমন একটি সংবাদের ওপর ভরসা করে ঘুমোতে যান যা ভোরের আলো ফোটার আগেই দেখা যায় পচে নষ্ট হয়ে যায়! এবং ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথেই তিনি তা আবর্জনার মতো ছুঁড়ে ফেলে দিতে বাধ্য হন। ** '''''জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়। * '''প্রতিটি সংবাদপত্রের সম্পাদক শয়তানের কাছে তাঁর আনুগত্যের খাজনা দিতে বাধ্য!''' ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ফোঁতেন|জঁ দ্য লা ফোঁতেন]]''''', ''লেত্রে আ সিমোঁ দ্য ত্রোয়া'' (১৬৮৬)। * সংবাদপত্র সবসময়ই কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এক রাশ চরম হতাশার অনুভূতি ছাড়া কেউই সংবাদপত্র পাঠ শেষ করে তা সরিয়ে রাখতে পারেন না। ** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''', ''এসেস অফ এলিয়া'': 'ডিট্যাচড থটস অন বুকস অ্যান্ড রিডিং'। * দেখুন, এই বিশাল বিস্তৃত পৃথিবীটা প্রতি সপ্তাহে একটি বাদামী কাগজের (সংবাদ পত্র) মোড়কে বন্দি হয়ে আমার কাছে পাঠানো হয়। ** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''বিগলো পেপারস'', প্রথম সিরিজ, সংখ্যা ৬। * '''আমি এক লক্ষ বেয়োনেটের চেয়ে তিনটি সংবাদপত্রকে অনেক বেশি ভয় পাই।''' ** '''''[[:w:নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|প্রথম নেপোলিয়ন]]'''''। * ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসের তুলনায় [[w:নিউ_ইয়র্ক_শহর|নিউ ইয়র্কের]] এই সস্তা এক-পেনির সংবাদপত্রগুলোই এদেশ শাসনে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ** '''''ওয়েন্ডেল ফিলিপস'''''। * আমরা মূলত একদল মানুষ যারা কিছু প্রভাতী সংবাদপত্র দ্বারা চালিত একটি সরকারের শাসনাধীনে বসবাস করছি। ** '''''ওয়েন্ডেল ফিলিপস'''''। * সংবাদমাধ্যম হলো বাতাসের মতো অবারিত এবং এক সনদপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাচারী শক্তি। ** '''''উইলিয়াম পিট''''', লর্ড গ্রেনভিলকে উদ্দেশ্য করে (প্রায় ১৭৫৭ সালে)। * একদল অভিজাত ও সচ্ছল মানুষের ভিড়, যারা অত্যন্ত অনায়াসে এবং সাবলীলভাবে এতে লিখে যেতে পারেন। ** '''''অ্যালক্সান্ডার পোপ''''', ''এপিসেলস অফ হোরেস'', দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম পত্র, লাইন ১০৮। * বিষয়টি যেহেতু লিখিত আকারে আছে, সেহেতু এটিকে ধ্রুব সত্যই হতে হবে। ** '''''ফ্রঁসোয়া রাবলে''''', ''পান্তাগ্রুয়েল''। * এটা কি কোনোভাবে মেনে নেওয়া সম্ভব যে কোনো শিক্ষিত ব্যক্তি এক-পেনির এই সস্তা কাগজগুলো থেকে জানার মতো প্রয়োজনীয় কিছু শিখতে পারেন? হয়তো বলা হতে পারে যে মানুষ এর মাধ্যমে পার্লামেন্টে কী বলা হচ্ছে তা জেনে নিতে পারে। কিন্তু ভালো করে ভেবে দেখুন তো, সেটি কি তাঁদের প্রকৃত শিক্ষা বা জ্ঞানার্জনে বিন্দুমাত্র কোনো অবদান রাখতে পারছে? ** '''''লর্ড সলসবরি''''' (রবার্ট সেসিল), ভাষণ: দ্য হাউজ অফ কমন্স, ১৮৬১; 'কাগজ শুল্ক বিলোপ' সংক্রান্ত বিতর্কে। * সংবাদপত্র! মশাই, ওগুলো হলো পুরোপুরি চরম পাপিষ্ঠ, লাগামহীন, জঘন্য এবং নারকীয় বস্তুর সমষ্টি! যদিও আমি ওগুলো কখনোই পড়ি না এবং আমি ইতিমধ্যেই নিয়ম করে ফেলেছি যে আমি কখনোই কোনো সংবাদপত্রের দিকে চোখ তুলে তাকাব না। ** '''''রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান''''', ''দ্য ক্রিটিক'', প্রথম অংক, প্রথম দৃশ্য। * ''ব্যবসায়ী ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁর কর্মচঞ্চল দিনটির শুরু হয়েছে বলে করছেনা গণন,<br>যতক্ষণ না তাঁদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি সংবাদপত্রের ওপর দিয়ে করছেনা আলিঙ্গন!<br>তরুণী মেয়েটি তাঁর হাতের সেলাইয়ের কাজ সরিয়ে রাখে দূরে,<br>এবং সহপাঠিনীর বিয়ের খবর পড়ে আফসোস করে!<br>অন্যদিকে প্রবীন মা তাঁর চশমাটি চোখে এঁটে নেন,<br>এবং কোনো এক বন্ধুর বিদায়ের খবর পড়ে এক ফোঁটা অশ্রু বিসর্জন দেন।<br>এমনকি ধর্মপ্রচারকগ্ণও রবিবারের জন্য ধর্মীয় আলোচনার পাতাটি সরিয়ে রাখেন—<br>শহরের নব-উন্মাদনা চারিপাশ কোথাই মাতাচ্ছে তা জানার কৌতূহলে,<br>সে খবর আনন্দময় কিংবা বিষাদময় হোক, জীবনের তুচ্ছতম কিংবা [[মহত্ত্ব|মহত্ত্বের]] বেড়াজালে—<br>মোরগ লড়াই থেকে শুরু করে রাজায় রাজায় যুদ্ধের রণ-তালে-তালে!'' ** '''''স্প্রাগ''''', ''কিউরিওসিটি, বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' ''(২৩ এপ্রিল, ২০২৬) ।'' * ''এই সংবাদমাধ্যমই জনমানুষের অধিকারে অক্ষুণ্ণ,<br>যেন প্রতিপত্তির কাছে নতি স্বীকার না করে এবং লাভের মোহে না হয় ক্ষুণ্ণ;<br>এখানেই দেশপ্রেমিক তাঁর আদর্শের লিপিতে চিরনিবন্ধ,<br>ধর্ম, স্বাধীনতা এবং আইনের রক্ষক হিসেবে থাকবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'' ** '''''[[:w:জোসেফ স্টোরি|জোসেফ স্টোরি]]''''', ''সালেম রেজিস্টারের'' মূলমন্ত্র (১৮০২ সালে গৃহীত)। উইলিয়াম ডব্লিউ স্টোরি রচিত ''লাইফ অফ জোসেফ স্টোরি'', প্রথম খণ্ড, ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে বর্ণিত, ''রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ।''' * সম্পাদকের চেয়ারের কুশনে লুকিয়ে থাকা এক তীক্ষ্ণ কণ্টক। ** '''''[[:w:উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়|উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়]]''''', ''রাউন্ডঅবাউট পেপারস'': 'দ্য থর্ন ইন দ্য কুশন'। == আরোপিত বা অ্যাট্রিবিউটেড == * গণমাধ্যম নির্ভুলতা সংক্রান্ত নোলের নীতি: সংবাদপত্রে আপনি যা কিছু পড়েন তার প্রতিটি অক্ষরই ধ্রুব সত্য—কেবল সেই বিরল সংবাদটি ছাড়া যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার একান্ত ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যক্ষ জ্ঞান রয়েছে। ** '''''আরউইন নোল''''', সম্পাদক, ''দ্য প্রোগ্রেসিভ''। * আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য শাসন করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে রাজত্ব চালায় চিরকাল। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]'''''; লোইস আগস্ট জেনিস রচিত ''ভয়েজ টু ইনসাইট'' (২০০৩), পৃ. ৭০ এ উদ্ধৃত। * যখন একটি কুকুর কোনো মানুষকে কামড়ায়, সেটি কোনো সংবাদ নয়; কারণ এমন ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। কিন্তু যদি কোনো মানুষ একটি কুকুরকে কামড়ে দেয়, তবে সেটিই হলো প্রকৃত সংবাদ। ** '''''জন বি. বোগার্ট''''', 'নিউ ইয়র্ক সানের' সম্পাদক; ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনসে'' আরোপিত (১৬তম সংস্করণ, ১৯৯২), পৃ. ৫৫৪। আরও দেখুন: [[:w:ম্যান বাইটস ডগ|ম্যান বাইটস ডগ]]। * ঔপন্যাসিকদের বড় বড় 'মহৎ আইডিয়া' বা তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনা নিয়ে আমি খুব একটা মাথা ঘামাই না। উপন্যাস নিশ্চিতভাবেই চমৎকার বিষয়, তবে পড়ার ক্ষেত্রে আমি সংবাদপত্রকেই বেশি প্রাধান্য দিই। ** '''''উইল কাপি''''', স্ট্যানলি জে. কুনিটজ এবং হাওয়ার্ড হ্যাব্রাফট সম্পাদিত ''টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি অথরস'' (১৯৪২), নিউ ইয়র্ক: এইচ. ডব্লিউ. উইলসন কোম্পানি, পৃ. ৩৪২। * সাংবাদিকতা হলো ইতিহাসের প্রথম খসড়া। মূলত ভিন্ন একটি রূপে প্রথম প্রকাশিত হয়—“সংবাদ বা সংবাদমাধ্যম হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া”। এই আধুনিক রূপটি অন্তত ১৯৪০ এর দশক থেকে প্রচলিত এবং সম্ভবত ''ওয়াশিংটন পোস্টের'' সম্পাদকীয় লেখক '''''অ্যালান বার্থ''''' এটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। সেই সময়কার প্রকাশিত ''ওয়াশিংটন'' ''পোস্টের'' সম্পাদকীয় পাতায় এই ভাবনার প্রতিফলন একাধিকবার দেখা যায়, যার মধ্যে বার্থের প্রথম উদ্ধৃতিটি ১৯৪৩ সালের: '''"সংবাদ হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া মাত্র।"''' ::* '''''অ্যালান বার্থ''''', হ্যারল্ড এল. ইক্সেস রচিত ''দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ আ কারমাজিয়ন'' এর পর্যালোচনা, ''নিউ রিপাবলিক'' (১৯৪৩), ভলিউম ১০৮, পৃ. ৬৭৭ থেকে সংগৃহীত। :* ''ওয়াশিংটন পোস্টে'' এর পরবর্তী ব্যবহারগুলো হলো: :: সংবাদপত্র হলো আসলে ইতিহাসের প্রথম খসড়া, অথবা অন্তত তারা তেমন হওয়ার ভান করে থাকে! ::* নামবিহীন "সম্পাদকের টীকা", ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (১৬ অক্টোবর ১৯৪৪)। :* বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকেও একই ধরনের ভাবধারা পরিলক্ষিত হয়, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেঃ [http://www.barrypopik.com/index.php/new_york_city/entry/first_draft_of_history_journalism/ “ইতিহাসের প্রথম খাসড়া” (সাংবাদিকতা)], ২৩ নভেম্বর ২০০৯, ব্যারি পপিক। :: এটি অত্যন্ত সম্ভবপর যে, ৪১৩ অব্দ পর্যন্ত 'ইতিহাসের একটি প্রাথমিক ও অমসৃণ খসড়া' হয়তো ৪০৫ অব্দের আগেই থুসিডাইডিস কর্তৃক রূপরেখা আকারে প্রস্তুত করা হয়েছিল। ::* (এখানে “সংবাদ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং একটি নির্দিষ্ট পাঠ্যকে নির্দেশ করা হয়েছে) ১৯০২, '''''রিচার্ড ক্ল্যাভারহাউস জেব''''', [http://www.1902encyclopedia.com/T/THU/thucydides.html থুসিডাইডিস], এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১০ম সংস্করণ (১৯০২)। ২০১০ সালে শেফারের মন্তব্যে ব্যাবেট হোগান কর্তৃক উদ্ধৃত। :: সংবাদপত্রগুলো প্রতিদিন প্রভাতে 'ইতিহাসের একটি অমসৃণ খসড়া' তৈরি করে চলেছে। পরবর্তীতে ঐতিহাসিকগণ আসবেন, পুরোনো নথিপত্রগুলো হাতে নেবেন এবং সম্পাদক ও সংবাদদাতাদের সেই অপরিশোধিত অথচ আন্তরিক ও নির্ভুল বিবরণীগুলোকে প্রকৃত ইতিহাস ও কালোজয়ী সাহিত্যে রূপান্তরিত করবেন। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবশ্যই এই দৈনিক সংবাদপত্রের গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে। ::* (এখানে “প্রথম” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৫ ডিসেম্বর ১৯০৫, দ্য স্টেট, “[http://blog.readex.com/wp-content/uploads/2010/10/TP-State-News-Draft-Dec-5-1905.pdf সংবাদের শিক্ষামূলক মূল্য]”, পৃ. ৪, কলাম ৪, কলাম্বিয়া, সাউথ ক্যারোলাইনা। টনি পেত্তিনাতো কর্তৃক ৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখে উদ্ধৃত। 'কোট ইনভেস্টিগেটর' এর গারসন ও'টুল এটি জিনিয়লজি-ব্যাংক ডাটাবেস থেকে সংগ্রহ করেছেন। :: একজন প্রতিবেদক হলেন সেই তরুণ যুবক, যিনি প্রতিদিন একটি জরাজীর্ণ ও শব্দজব্দ টাইপরাইটারের ওপর 'ইতিহাসের প্রথম খসড়াটি' অত্যন্ত নিপুণভাবে অঙ্কন করেন। ::* (এখানে “অমসৃণ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৩ জুলাই ১৯১৪, লিঙ্কন (NE) ডেইলি স্টার, '''''জর্জ ফিচের''''' লেখা “দ্য রিপোর্টার”, পৃ. ৬, কলাম ৪। :* এই উক্তিটি সাধারণত ভুলভাবে '''''ফিলিপ এল. গ্রাহাম এর''''' নামে দায়ী করা হয়, যা তিনি ১৯৬৩ সালে লন্ডনে 'নিউজউইক' প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া একটি ভাষণে বলেছিলেন বলে মনে করা হয়: “[http://www.slate.com/id/2265540/pagenum/all এটি প্রথম কে বলেছিলেন? সাংবাদিকতা হলো 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া'।]”, '''''জ্যাক শেফার''''', ''স্লেট'' (৩০ আগস্ট ২০১০); ''পার্সোনাল হিস্ট্রি'' (১৯৯৭), '''''ক্যাথরিন গ্রাহাম'''''। :: সুতরাং, আসুন আমরা আমাদের সেই অনিবার্য এবং অসম্ভব কাজের পেছনে অবিরাম শ্রম দিয়ে যাই—যা হলো প্রতি সপ্তাহে 'ইতিহাসের এমন একটি প্রথম অমসৃণ খসড়া' সরবরাহ করা, যা আসলে কখনোই সম্পন্ন হবে না; কারণ এই জগতকে আমরা কখনোই পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারব না। :* যদিও এই ভাষণটি উক্তিটিকে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করেছিল, তবে এর আগেও গ্রাহাম নিজে এবং অন্য অনেকে (উপরে উল্লিখিত) একই ধরণের বক্তব্য প্রদান করেছিলেন: :: সংবাদমাধ্যমের এই অপরিহার্য ক্ষিপ্রতা বা তাড়াহুড়ো অনিবার্যভাবেই এক ধরণের অগভীরতাকে সঙ্গী করে আনে। পরম গভীরতা অর্জন করা না আমাদের ক্ষমতার মধ্যে আছে, আর না তা আমাদের অধিকারভুক্ত। আমরা বছরের ৩৬৫ দিন জুড়েই 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া' লিখে চলি, এবং এটি সত্যিই এক অত্যন্ত মহৎ ও বিশাল দায়িত্ব। ::* আমেরিকান সোসাইটি ফর পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে প্রদত্ত ভাষণ (৮ মার্চ ১৯৫৩); “[http://www.jstor.org/stable/972460 পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড দ্য প্রেস]” থেকে প্রকাশিত, ফিলিপ এল. গ্রাহাম, ''পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিভিউ'', ভলিউম ১৩, সংখ্যা ২ (বসন্ত, ১৯৫৩), পৃ. ৮৭-৮৮। :* এছাড়াও আরও নানা ধরণের ভুল আরোপ বা অ্যাট্রিবিউশন বিদ্যমান—'''''হেলেন থমাস''''' তাঁর স্মৃতিকথা 'ফার্স্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউসে' উক্তিটিকে ভুলবশত '''''বেন ব্র্যাডলির''''' নামে চালিয়ে দিয়েছেন। ** '''''হেলেন থমাস''''', ''ফ্রন্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস: মাই লাইফ অ্যান্ড টাইমস'' (২০০০), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃ. ৩৮৩, ISBN 0684845687। == আরও দেখুন == * [[w:গণমাধ্যম|বিকল্প ধারার গণমাধ্যম]] * [[:w:অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা|অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা]] * [[:w:সংবাদ|সংবাদ]] * [[:w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]] * [[:w:মূলধারার গণমাধ্যম|মূলধারার গণমাধ্যম]] * [[w:গণমাধ্যম_সংস্কৃতি|গণমাধ্যম সংস্কৃতি]] == বহিঃসংযোগ == {{similarlinks}} * [https://www.fourthestate.org/journalism-quotes/ ফোর্থ এস্টেটে সাংবাদিকতা বিষয়ক উল্লেখযোগ্য উদ্ধৃতিসমূহ] [[বিভাগ:সাংবাদিকতা| ]] [[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিকতা]] [[বিষয়শ্রেণী:গণমাধ্যম]] [[বিষয়শ্রেণী:পেশা]] mtokg25rp0buqv8wz5an09ty8k4yctw 83513 83512 2026-05-08T05:49:19Z Oindrojalik Watch 4169 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:পেশা অনুযায়ী ব্যক্তি]] যোগ 83513 wikitext text/x-wiki [[File:2 Fillettes vendant des journaux, Wilmington (Delaware), mai 1910.jpg|thumb|আমেরিকায় রাষ্ট্রপতি চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, আর সাংবাদিকতা শাসন করে অনন্তকাল ধরে!<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''']] '''[[w:সাংবাদিকতা|সাংবাদিকতা]]''' হলো সংবাদ সংগ্রহ, লিখন এবং সংবাদ পরিবেশনের একটি বিশেষ শাখা। বিস্তৃত অর্থে এটি সংবাদ নিবন্ধ সম্পাদনা ও উপস্থাপনার প্রক্রিয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করে। সাংবাদিকতা বিভিন্ন মাধ্যমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি কেবল [[w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]], [[w:সাময়িকী_(পত্রিকা)|সাময়িকী]], [[w:বেতার|রেডিও]] এবং [[w:টেলিভিশন|টেলিভিশনের]] মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদ প্রচারের দৌড়ে সবার আগে থাকার প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও, প্রতিটি সংবাদ সংস্থা নিজস্ব নির্ভুলতা, গুণমান এবং শৈলীর মানদণ্ড মেনে চলে। যেখানে সাধারণত প্রকাশের পূর্বে প্রতিবেদনগুলো [[:w:সম্পাদনা|সম্পাদনা]] ও প্রুফরিডিং করা হয়। অনেক সংবাদ সংস্থা সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার গৌরবময় ঐতিহ্য দাবি করে, যদিও সংবাদ মাধ্যম সমালোচকরা খোদ সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ''জার্নালিজম'' বা সাংবাদিকতা শব্দটি [[w:ফরাসি_ভাষা|ফরাসি ভাষার]] '''''journal''''' '''''বা''''' '''''জার্নাল''''' থেকে নেওয়া হয়েছে, যা কালক্রমে ল্যাটিন ''ডিউর্নাল'' বা দৈনিক শব্দ থেকে উদ্ভূত। [[w:প্রাচীন_রোম|প্রাচীন রোমের]] প্রধান জনচত্বর ফোরামে প্রতিদিন 'অ্যাক্টা ডিউর্না' নামক একটি হস্তলিখিত বুলেটিন টাঙিয়ে দেওয়া হতো, যা ছিল বিশ্বের প্রথম সংবাদপত্র। [[File:Amy Goodman — Keynote, National Conference for Media Reform 2013 (8626124929).jpg|thumb|যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।<br>~'''''অ্যামি গুডম্যান''''']] __NOTOC__ {{TOCalpha|''[[#হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস|হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · [[#আরোপিত|আরোপিত]]}} == A == [[File:Julian Assange in Ecuadorian Embassy cropped.jpg|thumb|আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও আক্রমণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি।<br>~'''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' ]] [[File:Great men and famous women - a series of pen and pencil sketches of the lives of more than 200 of the most prominent personages in history Volume 7 (1894) (14760162546).jpg|thumb|সাংবাদিকতা সত্যিই মহৎ। প্রতিটি দক্ষ ও সামর্থ্যবান সম্পাদক কি বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন, যেহেতু তিনি বিশ্ববাসীকে নিজের যুক্তি ও চিন্তায় প্ররোচিত ও প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখেন?<br>~'''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''' ]] *একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংবাদপত্রের অবাধ স্বাধীনতা অপরিহার্য ও মৌলিক একটি শর্ত। অতএব, এই কমনওয়েলথ বা জনসমষ্টির মধ্যে কোনোভাবেই সংবাদপত্রের সেই স্বাধীনতাকে খর্ব বা সংকুচিত করা উচিত নয়। **'''''ম্যাসাচুসেটস সংবিধান''''' (২৫ অক্টোবর, ১৭৮০ তারিখে গৃহীত; যা বিশ্বের প্রাচীনতম কার্যকর লিখিত সংবিধান) {{cite book|author='''''[[:w:জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:স্যামুয়েল অ্যাডামস|স্যামুয়েল অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:জেমস বাউডোইন|জেমস বাউডোইন]]'''''|title=[[:w:ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান]]|publisher=[[:w:ম্যাসাচুসেটস|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ]]|year=1780|pages= অনুচ্ছেদ XVI}}[http://en.wikisource.org/wiki/Constitution_of_the_Commonwealth_of_Massachusetts_%281780%29 মূল পাঠ্য] * বেনামে তথ্য ফাঁস করা একটি প্রাচীন শিল্পকলা এবং অনেক ওয়েবসাইটই এমন সব উৎস থেকে প্রাপ্ত নথিপত্র প্রকাশ করে থাকে যাদের তারা শনাক্ত করতে পারে না। উইকিলিকস যা করেছে তা হলো এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে পেশাদার রূপ দেওয়া। তারা তথ্য ফাঁস গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও মানসম্মত কার্যপ্রণালী তৈরি করেছে। ** '''''স্টিফেন আফটারগুড''''', '''FAS''' বা ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস প্রজেক্ট অন গভর্নমেন্ট সিক্রেসি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|first=পল |last=মার্কস |author= |url= |title=উচ্চপদে আসীন ব্যক্তিদের অপ্রস্তুত করার একটি অব্যর্থ উপায়: হুইসেল-ব্লোয়ার বা তথ্য ফাঁসকারীরা কোনো চিহ্ন না রেখেই সব বলে দিতে পারেন, সেইসব ওয়েবসাইটকে ধন্যবাদ যা তাদের পরিচয় গোপন রাখে |work= নিউ সায়েন্টিস্ট|publisher=রিড বিজনেস ইনফরমেশন |pages= |page=২৮, খণ্ড ১৯৮; ইস্যু ২৬৫৫ |date=মে ১০, ২০০৮ |accessdate= }} * একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার কর্মজীবন আমার সাহিত্যিক সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে এক মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। সাংবাদিকতাই আমাকে শব্দকে চিনতে এবং ভালোবাসতে শিখিয়েছে—যা আমার পেশার প্রধান হাতিয়ার এবং আমার শিল্পের মূল উপাদান। সাংবাদিকতা আমাকে সত্যের সন্ধান করতে এবং নৈর্ব্যক্তিক বা বস্তুনিষ্ঠ হতে শিখিয়েছে। শিখিয়েছে কীভাবে পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নিতে হয় এবং তাকে এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে রাখতে হয় যেন সে কোনোভাবেই ফস্কে না যায়। এটি আমাকে বিভিন্ন ধারণাকে সংশ্লেষণ করতে এবং ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনায় সুনির্দিষ্ট হতে শিখিয়েছে। আর সর্বোপরি, এটি আমার ভেতর থেকে সাদা পাতার প্রতি যাবতীয় ভয়কে চিরতরে দূর করে দিয়েছে। ** ১৯৯৪ সালের একটি সাক্ষাৎকার যা ''কনভারসেশনস উইথ '''''ইসাবেল আলেন্দে''''' '' (১৯৯৯) এ অন্তর্ভুক্ত, স্পেনীয় ভাষা থেকে কোলা ফ্রাঞ্জেন কর্তৃক অনূদিত। * প্রথম সংশোধনীর প্রতিষ্ঠিত আইন অনুযায়ী, সংবাদ প্রকাশে পূর্ব-নিষেধাজ্ঞা বা সেন্সরশিপ যদি আদৌ সাংবিধানিক হয়ও, তবে তা কেবল চরম ও অতি-অস্বাভাবিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই অনুমোদিত হতে পারে। বর্তমান মামলার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, আদালতের এমন সব নির্দেশ রয়েছে যা কার্যকরভাবে একটি ওয়েবসাইটকে বন্ধ করে দিয়েছে। যে সাইটটি বিশ্বজুড়ে সরকার ও কর্পোরেশনগুলোর দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছিল এবং এই নির্দেশটি যে কেউ পাঠ করলে তাকে সেই নথিগুলো প্রকাশ করা, এমনকি সেগুলোর লিঙ্ক দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বাধ্য করছে। ** '''''ডেভিড আরডিয়া''''', হার্ভার্ড ল স্কুলের বার্কম্যান সেন্টার ফর ইন্টারনেট অ্যান্ড সোসাইটি-র সিটিজেন মিডিয়া ল' প্রজেক্ট বা CMLP এর পরিচালক, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' প্রসঙ্গে মন্তব্যকালে — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|title=ইন্টারনেটে বাকস্বাধীনতা রক্ষা: একটি সাইবার-ল ক্লিনিকে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক আইনি বিষয়গুলো মোকাবিলায় সহায়তা করছে |work=হার্ভার্ড ল বুলেটিন |publisher= [[:w:হার্ভার্ড ল স্কুল|হার্ভার্ড ল স্কুল]]|page= |date=Fall 2008 |url=http://www.law.harvard.edu/news/bulletin/2008/fall/feature_2-side1.php|accessdate=2009-03-04}} * আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর শক্তিমত্তা ও দুর্নীতির মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে ধেয়ে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও প্রবল বিরুদ্ধাচরণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি। ** '''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' এর উদ্ধৃতি: [https://www.theguardian.com/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সেই সন্ন্যাসী যিনি বৌদ্ধিক লড়াইয়ের মাধ্যমেই বিকশিত হন, ক্যারল ক্যাডওয়ালাডার, ''দ্য গার্ডিয়ান''], (১ আগস্ট ২০১০) == B == * অভিজ্ঞতা এটিই প্রমাণ করেছে যে, সাধারণ প্রত্যাশার সম্পূর্ণ বিপরীতে গিয়ে সংবাদপত্র হলো জনমতকে সঠিক পথে পরিচালিত করার, উত্তেজনাপূর্ণ আন্দোলনকে শান্ত করার এবং সেইসব মিথ্যা ও কৃত্রিম গুজবকে বিলীন করে দেওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম, যার দ্বারা রাষ্ট্রের শত্রুরা তাদের অশুভ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এই জনসমক্ষে প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোর মাধ্যমে যেমন নির্দেশনা সরকার থেকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, তেমনি তা মানুষের কাছ থেকে সরকারের কাছেও উন্নীত হতে পারে। সংবাদপত্রকে যত বেশি স্বাধীনতা প্রদান করা হবে, জনমতের গতিপথ সম্পর্কে তত বেশি নির্ভুলভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে এবং তা তত বেশি সুনিশ্চিতভাবে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। **'''''[[:w:জেরেমি বেন্থাম|জেরেমি বেন্থাম]]''''', ''প্রিন্সিপালস অফ পেনাল ল''; তৃতীয় অংশ, "অপরাধ প্রতিরোধের পরোক্ষ পদ্ধতিসমূহ"; অধ্যায় XIX, "নির্দেশনা প্রদানের ক্ষমতা থেকে আহরিত ব্যবহার"। [https://books.google.com/books?id=GGpVAAAAcAAJ&newbks=1&newbks_redir=0&dq=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&pg=RA1-PA568#v=onepage&q=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&f=false গুগল বুকস] * আপনি যদি সমগ্র আমেরিকা ঘুরে দেখেন, তবে দেখবেন ছোট ছোট সংবাদপত্রগুলো তাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সত্যিই চমৎকার কাজ করছে। আধুনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস, আধুনিক ওয়াশিংটন পোস্ট কিংবা আধুনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অধিকাংশ বিচারেই ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সময়ের চেয়ে এখন অনেক উন্নত মানের সংবাদপত্র। কিন্তু আপনি যদি এই ক্ষেত্রের বাকি অংশগুলোর দিকে তাকান... তবে দেখবেন যে সত্যের সর্বোত্তম লভ্য সংস্করণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা প্রকৃত সংবাদ ক্রমশ একটি দুষ্প্রাপ্য পণ্যে পরিণত হচ্ছে এবং আমাদের সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত অংশ হিসেবে এর উপস্থিতি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। **'''''কার্ল বার্নস্টাইন''''', সাক্ষাৎকারে {{cite news | last =স্টাফ | title =সাক্ষাৎকার: কার্ল বার্নস্টাইন | work =[[:w:ফ্রন্টলাইন (মার্কিন টিভি সিরিজ)|ফ্রন্টলাইন]] | publisher =[[:w:ডব্লিউজিবিএইচ|ডব্লিউজিবিএইচ]] এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন | date =১০ জুলাই ২০০৬ | url =http://www-c.pbs.org/wgbh/pages/frontline/newswar/interviews/bernstein.html | accessdate =২০০৯-০২-২০ }} * প্রতিবেদক, বিশেষ্য: একজন লেখক যিনি সত্যের পথে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে অগ্রসর হন এবং শব্দের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে সেই সত্যকেই বিলীন করে দেন। ** '''''অ্যামব্রোস বিয়ার্স''''', ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১)। * প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা পূর্বপুরুষগণ মুক্ত সংবাদমাধ্যমকে সেই সুরক্ষা প্রদান করেছিলেন যা আমাদের গণতন্ত্রে এর অপরিহার্য ভূমিকা পালনের জন্য একান্ত প্রয়োজন। সংবাদপত্রের কাজ ছিল শাসিতদের সেবা করা, শাসকদের নয়। সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ বা বিধি-নিষেধ আরোপের সরকারি ক্ষমতা বিলুপ্ত করা হয়েছিল যাতে সংবাদপত্র চিরকাল সরকারকে কঠোর সমালোচনা করার স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। সংবাদমাধ্যমকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল যাতে এটি সরকারের গোপন রহস্যগুলো উন্মোচন করতে পারে এবং জনগণকে তথ্য দিয়ে সচেতন করতে পারে। কেবল একটি স্বাধীন এবং নিয়ন্ত্রণহীন সংবাদমাধ্যমই কার্যকরভাবে সরকারের প্রতারণা ও জালিয়াতির মুখোশ খুলে দিতে পারে। ** '''''হিউগো এল. ব্ল্যাক''''', নিউ ইয়র্ক টাইমস বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মামলা, পৃ. ৭১৭ * দীর্ঘকাল ধরে এটি ধরে নেওয়া হয়েছিল যে, সাংবাদিকরা যেসব ঘটনা কভার করেন বা প্রতিবেদন তৈরি করেন, তা তাদের ওপর কোনো স্থায়ী প্রভাব ফেলে না। ট্রমাটিক বা মানসিকভাবে আঘাতমূলক ঘটনাগুলোর মুখোমুখি হওয়াকে তাদের চাকরির বিবরণের অংশ এবং এই পেশার একটি সাধারণ ঝুঁকি হিসেবে দেখা হতো। ঠিক যেমন একজন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বা অগ্নিনির্বাপক কর্মীর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। অনেকে মনে করতেন যে, যারা মৃত্যু এবং ধ্বংসের খবর সংগ্রহ করেন তারা অস্বাভাবিকভাবে কঠোর মনের মানুষ এবং তারা যে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা প্রত্যক্ষ করেন, তার প্রতিধ্বনিমূলক প্রভাব থেকে তারা কোনোভাবে মুক্ত। কিছুদিন আগ পর্যন্তও সাংবাদিকরা মনে করতেন যে, যদি তারা জনসমক্ষে স্বীকার করেন যে সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা দীর্ঘমেয়াদে তাদের প্রভাবিত করতে পারে, তবে তাদের দুর্বল ভাবা হবে এবং সহকর্মীদের তুলনায় কম যোগ্য বলে মনে করা হবে। ** '''''এলিসা ই. বোল্টন''''', [https://www.ptsd.va.gov/public/community/journalists-ptsd.asp “সাংবাদিকদের দ্বারা সম্মুখীন হওয়া বেদনাদায়ক ঘটনাসমূহ“], '''''ন্যাশনাল সেন্টার ফর পিটিএসডি''''', '''''ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ ভেটেরান্স অ্যাফেয়ার্স'''''। * সেখানে পোস্ট করা মাত্র কয়েকটি নথির প্রতিক্রিয়ায় পুরো সাইটটিতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া জনগণের জানার অধিকারকে সম্পূর্ণভাবে অবজ্ঞা করার শামিল। ** '''''অ্যান ব্রিক''''', [[:w:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের]] অ্যাটর্নি, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' মামলায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আগে দেওয়া বিবৃতি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত: [http://en.wikinews.org/wiki/Rights_groups:_Forcing_Wikileaks.org_offline_raises_%27serious_First_Amendment_concerns%27 "অধিকার গোষ্ঠীসমূহ: উইকিলিকস ডট অর্গকে অফলাইনে যেতে বাধ্য করা 'প্রথম সংশোধনীর গুরুতর উদ্বেগ' তৈরি করে"], '''''[[:n:প্রধান পাতা|উইকিসংবাদ]]''''', (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। * কখনোই ভুলে যাবেন না যে, আপনি যদি আপনার প্রথম বাক্যটি দিয়েই সংবাদপত্রের পাঠকের চোখের মণি বরাবর আঘাত করতে না পারেন (অর্থাৎ তার তীক্ষ্ণ মনোযোগ আকর্ষণ করতে না পারেন), তবে দ্বিতীয় বাক্যটি আর লেখার কোনো প্রয়োজনই নেই। ** '''''আর্থার ব্রিসবেন''''' (আনু. ১৯০০), উদ্ধৃত হয়েছে: অলিভার কার্লসন রচিত '''''ব্রিসবেন: এ ক্যান্ডিড বায়োগ্রাফি''''' (১৯৩৭), অধ্যায় ৫। * এমন এক সময় ছিল যখন হর্স ওয়াটসনদের মতো পেশার মানুষরা সাধারণত নেশামুক্ত অবস্থায় কখনও ঘুমাতে যেতেন না এবং তাদের লিভার বা যকৃৎ ক্ষয় হয়েই তারা মৃত্যুবরণ করতেন। সেই অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন দুঃসাহসী যোদ্ধাদের সীমান্ত অঞ্চলের স্যালুনগুলোতে নিজেদের বোকা বানাতে দেখাটা নিশ্চয়ই মজার ছিল। যেখানে তারা প্রতিদ্বন্দ্বী সাংবাদিক ও তাদের সমর্থকদের সাথে চাবুকপেটা এবং গোলাগুলিতে মেতে উঠতেন। কিন্তু কে থামত এটা ভাবতে যে, শব্দ এবং প্রকাশনার ক্ষমতা হাতে থাকা বলতে আসলে কী বোঝায়? এটা বুঝতে পারা যে, একটি পুরো শহর বা অঞ্চল বিচার করবে, নিন্দা জানাবে, কাজ করবে, দণ্ড মওকুফ করবে কিংবা গুণগান গাইবে শুধুমাত্র আপনার গতরাতের তড়িঘড়ি করে লেখা কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে? কারণ আপনি টাইপসেটে কিছু একটা সাজিয়েছিলেন, আর তা করতে গিয়ে আপনার আঙুলের ডগায় লেগে যাওয়া ধাতব বিষগুলো অদম্যভাবে আপনার রক্তপ্রবাহে যাত্রা শুরু করেছিল? ক্ষমতার মোহে আপনি আপনার যকৃৎ আর বৃক্ককে এক স্পঞ্জি ও খিটখিটে পিন্ডে পরিণত করেছিলেন। আপনি আপনার মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ভারী ধাতব আয়নের বিষে কলুষিত করেছিলেন যতক্ষণ না তা দিকভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গির এক ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়। [[w:অ্যালকোহল|অ্যালকোহল]] সাময়িকভাবে সেই প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করত। তাই আপনি একজন মদ্যপ হয়ে উঠেছিলেন, এবং দিনপ্রতি কিস্তিতে নিজের মানসিক সুস্থতা কিনে নিতেন, আর নিজেকে সবার হাসির পাত্রে পরিণত করতেন। শেষ পর্যন্ত এটি মজার কিংবা বিয়োগান্তক কোনোটিই ছিল না। এটি ছিল জীবনের এক রূঢ় বাস্তবতা যা মাঝারি মানের মানুষের ওপর ধীরগতিতে কাজ করত; কারণ সেই মাঝারিরা নিজেদের সত্ত্বাকে থামিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যেতে পারত, রাতের কাজটি তাদের নিজের সন্তুষ্টি অনুযায়ী হোক বা না হোক। ** '''''অ্যালজিস বাড্রিস''''', '''''মাইকেলমাস''''' (১৯৭৭), ISBN 0-425-03812-2, অধ্যায় ৩ (পৃ. ৩৬-৩৭)। * সাংবাদিকতা হয়তো খুব বেশি দুঃসাহস দেখানোর সাহস পায় না। এটি মৃদু হাস্যরসাত্মক এবং বিদ্রূপাত্মক হতে পারে, খুব হালকাভাবে এতে ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের ছোঁয়া থাকতে পারে, কিন্তু খুব গভীরে খনন করে এটি পাঠকদের বিমুখ করতে পারে না। ভাষার প্রতি এর দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সত্য: প্রচলিত রীতিগুলো নিয়ে এখানে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। ** '''''[[:w:অ্যান্থনি বার্জেস|অ্যান্থনি বার্জেস]]''''', '''''এ মাউথফুল অফ এয়ার: ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস, এস্পেশালি ইংলিশ''''' (১৯৯২)। * ''স্বঘোষিত এক তামাশাকার আর রসালো ভাড়াটে ভাঁড়,<br>নিম্নমানের মাসিক-লেখক ও উপহাসের উপহার!<br>শৈল্পিক চাটুকারিতে সে বেজায় রপ্ত,''<br>''তার হস্তকৃত ম্যাগাজিন মিথ্যায় অভিশপ্ত!'' ** '''''[[:w:লর্ড বায়রন|লর্ড বায়রন]]''''', '''''ইংলিশ বার্ডস অ্যান্ড স্কচ রিভিউয়ার্সের''''' খন্ডাংশ (১৮০৯), লাইন ৯৭৫, বাংলায় রূপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। == C == * মূলধারার সংবাদ মাধ্যমগুলো যখন ক্রমশ আত্মতুষ্ট হয়ে পড়ছে, এমনকি যুদ্ধপন্থী নীতিগুলোর সমর্থক হয়ে উঠছে, তখন এটি আরও বেশি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, যুদ্ধবিরোধী কণ্ঠস্বর এবং বিশেষ করে যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকরা যেন [[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সেই নজির স্থাপনের প্রচেষ্টাকে প্রতিরোধ করেন, যা যুদ্ধাপরাধ প্রকাশের কাজটিকে একটি দণ্ডণীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে চায়। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির অপূরণীয় ক্ষতির বিষয়ে যারা উদাসীন বা সরাসরি সমর্থনমূলক অবস্থান গ্রহণ করে, সেইসব প্রকাশনার সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান করছে উইকিলিকস এবং এর প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। "যদি মিথ্যা দিয়ে যুদ্ধ শুরু করা যায়, তবে সত্য দিয়ে তা থামানোও সম্ভব"—তার এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে, অ্যাসাঞ্জ একবিংশ শতাব্দীর মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিখুঁত নির্ভুলতার সাথে প্রকাশ করেছেন। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * মূলধারার সংবাদমাধ্যমের হাজারো সমস্যা থাকা সত্ত্বেও, একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাংবাদিকতা আজও যুদ্ধ প্রতিরোধ করার এবং ক্ষেত্রবিশেষে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করার অন্যতম প্রধান ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে টিকে রয়েছে। এমনকি যারা সংবাদমাধ্যমের ওপর চরম আস্থাহীন, তাদেরও উচিত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আসা যাবতীয় আক্রমণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। কারণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার এই সুনিশ্চিত গ্যারান্টিই যুদ্ধবিরোধী প্রতিবেদনগুলোকে মূলধারার আলোচনায় নিয়ে আসে এবং সাধারণ মানুষের প্রথাগত চিন্তাধারাকে পরিবর্তন করে তাদের সরকারকে আরও গভীরভাবে বুঝতে শেখায়। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * দক্ষ ও দূরদর্শী সম্পাদকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেটের অভ্যুদয় ঘটছে। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), প্রথম অংশ, ষষ্ঠ বই, অধ্যায় ৫। * সাংবাদিকতা সত্যিই এক মহৎ ও বিশাল শক্তি। প্রতিটি দক্ষ ও কুশলী সম্পাদক কি এই বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন? কারণ তিনি তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ও অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে সমগ্র বিশ্ববাসীকে নিজ মতে প্ররোচিত করার ক্ষমতা রাখেন। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), দ্বিতীয় অংশ, প্রথম বই, অধ্যায় ৪। * বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি প্রধান স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে। কিন্তু তিনি ঐ যে সংবাদদাতাদের গ্যালারির দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, সেখানে একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা আগের তিনটি স্তম্ভের তুলনায় অনেক বেশি প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোনো আলঙ্কারিক শব্দ বা নিছক চাতুর্যপূর্ণ উক্তি নয়, বরং এটি একটি আক্ষরিক সত্য। যা বর্তমান এই অস্থির সময়ে আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অমোঘ। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''অন হিরোস, হিরো-ওয়ারশিপ, অ্যান্ড দ্য হিরোইক ইন হিস্ট্রি: সিক্স লেকচারস: রিপোর্টেড''''', উইলি অ্যান্ড হ্যালস্টেড, (১৮৫৯), পৃ. ১৪৭, বক্তৃতা ৫: "দ্য হিরো অ্যাজ ম্যান অফ লেটারস"। * সাংবাদিকদের দেখলে মনে হতে পারে যে তারা প্রায় আক্ষরিক অর্থেই আধুনিক বিশ্বের এক একজন পুরোহিত... তবে পুরোহিততন্ত্রের নৈতিক অবক্ষয় ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটেছিল যখন এটি জ্ঞান বিতরণের জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী থেকে জ্ঞান গোপন রাখার জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীতে রূপান্তরিত হয়েছিল। সাংবাদিকতার অধঃপতনের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ধরনের এক বিশাল বিপদ ও আশঙ্কা লুকিয়ে রয়েছে। সাংবাদিকতা নিজেই নিজের মধ্যে এমন এক ভয়াবহ দানবীয় রূপ এবং বিভ্রম সৃষ্টি করার সম্ভাবনা ধারণ করে, যা মানবজাতির জন্য অতীতে কখনও আসা যেকোনো অভিশাপের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। এই ভয়ংকর রূপান্তরটি ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটবে যখন সাংবাদিকরা অনুধাবন করতে শুরু করবে যে তারা সমাজের এক বিশেষ অভিজাত শ্রেণীতে পরিণত হতে সক্ষম। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য নিউ প্রিস্টস" (১৯০১)। [https://books.google.com/books?id=v6-RGg0qKpsC&pg=PA551&dq=%22Journalism+possesses+in+itself+the+potentiality+of+becoming+one+of+the+most+frightful+monstrosities%22&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&sa=X&ved=2ahUKEwikocyvmKf7AhWbj4kEHWQlDCAQuwV6BAgOEAY#v=onepage&q=%22Journalism%20possesses%20in%20itself%20the%20potentiality%20of%20becoming%20one%20of%20the%20most%20frightful%20monstrosities%22&f=false] * সাংবাদিকতা বর্তমানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে ঠিকই, তবে এই জনপ্রিয়তার মূল ভিত্তিটি আসলে এক ধরনের কাল্পনিক আখ্যান বা ফিকশন। আমাদের যাপিত জীবন হলো এক স্বতন্ত্র জগত, আর সংবাদপত্রের পাতায় প্রতিফলিত জীবন হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন ও কৃত্রিম এক জগত। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "অন দ্য ক্রিপ্টিক অ্যান্ড দ্য এলিপ্টিক", '''''অল থিংস কনসিডারড''''' (১৯০৮)। * আমি জানি যে সাংবাদিকতা মূলত এমন সব মানুষকে 'লর্ড জোন্স মৃত' বলে সংবাদ দেওয়ার নামান্তর, যারা লর্ড জোন্স যে আদৌ জীবিত ছিলেন সেই খবরটিই কখনও জানতেন না। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য পার্পল উইগ", '''''দ্য উইজডম অফ ফাদার ব্রাউন''''' (১৯১৪)। * আমাদের আধুনিক অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি হিসেবে সাংবাদিকতার একটি বড় ও প্রধান দুর্বলতা হলো এই যে, একে এমন এক চিত্রকল্প হতে হয় যা পুরোপুরি কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনার সমষ্টি। আমরা চটকদার পোস্টারে ঘোষণা করি যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছেন। কিন্তু আমরা কখনও রঙিন পোস্টারে এই ঘোষণা দিই না যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে যাননি। অথচ বাস্তবিকভাবে পরবর্তী তথ্যটিই অনেক বেশি রোমাঞ্চকর ও উদ্দীপক। কারণ এটি নির্দেশ করে যে মানুষ নামক রহস্য আর আতঙ্কের সেই সচল মিনারটি এখনও এই পৃথিবীতে সদর্পে বিচরণ করছে। মানুষটি যে ভারা থেকে পড়ে যায়নি, সেটিই আসলে প্রকৃত অর্থে বেশি চাঞ্চল্যকর এবং এটি নিয়মিত ঘটে যাওয়া হাজারো সাধারণ ঘটনার চেয়েও অনেক বেশি বাস্তব। কিন্তু সাংবাদিকতার কাছে এমন প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক যে তারা এই চিরন্তন ও ধ্রুব অলৌকিক ঘটনাগুলোর ওপর জোর দেবে। ব্যস্ত সম্পাদকদের কাছ থেকে এমনটা আশা করা যায় না যে তারা তাদের পোস্টারে লিখবেন, "মিস্টার উইলকিনসন এখনও নিরাপদ আছেন" কিংবা "ওয়ার্দিং এর মিস্টার জোন্স এখনও মারা যাননি।" তারা মানবজাতির সামগ্রিক সুখ বা সাধারণ স্বাভাবিকতাকে সংবাদ হিসেবে প্রচার করতে পারেন না। তারা এমন সব কাঁটাচামচের বর্ণনা দিতে পারেন না যা চুরি হয়নি, কিংবা এমন সব দাম্পত্যের কথা লিখতে পারেন না যা বিচারবুদ্ধি খাটিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়নি। ফলস্বরূপ, জীবনের যে পূর্ণাঙ্গ চিত্র তারা তুলে ধরেন তা অপরিহার্যভাবেই বিভ্রান্তিকর ও ত্রুটিপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ তারা কেবল যা অস্বাভাবিক ও ব্যতিক্রমী, তা-ই উপস্থাপন করতে সক্ষম। তারা যত বড় গণতান্ত্রিকই হোন না কেন, দিনশেষে তারা কেবলমাত্র সংখ্যালঘু এবং বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', '''''দ্য বল অ্যান্ড দ্য ক্রস''''' (১৯০৯), [http://www.classicreader.com/book/2241/4/ চতুর্থ অধ্যায়: ভোরের আলোচনা] (দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ)। * উইকিলিকস যদি কোনো ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত সাধারণ সাময়িকী হতো, তবে এর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা চিন্তাও করা যেত না। ... এই মামলাটিকে যা আলাদা করে তুলেছে তা হলো, অভিযোগ অনুযায়ী তথাকথিত অগ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তুগুলো কাগজের পরিবর্তে ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু যারা কোনো কিছু প্রকাশ করতে চায় এবং যারা তা পড়তে চায়। তাদের সুরক্ষা প্রদানকারী মূলনীতিগুলো বিসর্জন দেওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত দুর্বল ও ভিত্তিহীন একটি অজুহাত। মাধ্যম যা-ই হোক না কেন, সেন্সরশিপ বা কণ্ঠরোধ সবসময়ই সেন্সরশিপ হিসেবেই গণ্য হয়। ** '''''সম্পাদকীয়''''', "ইলেকট্রনিক সেন্সরশিপ", '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]''''', শিকাগো ট্রিবিউন কোম্পানি, (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮), পৃ. ১৪। * '''সাংবাদিকদের পরম পবিত্র দায়িত্ব হলো সত্য প্রকাশ করা। সাংবাদিকতা মানে হলো আপনাকে প্রকৃত ঘটনার মূলে ফিরে যেতে হবে, নথিপত্রগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে, নথিবদ্ধ তথ্যের আসল রূপটি উন্মোচন করতে হবে এবং ঠিক সেভাবেই তা সবার সামনে তুলে ধরতে হবে।''' ** '''''[[:w:নোম চমস্কি|নোম চমস্কি]]''''', সাক্ষাৎকারে: জয় ওয়াং, "বক্তৃতা: নোম চমস্কি", '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', [[:w:নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি|নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়]], (ডিসেম্বর ২০০৪)। * রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো সরকারকে তার নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধি এবং প্রায়শই ভিত্তিহীন ও মিথ্যায় ঘেরা সত্যের একটি সংস্করণ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করা। আর এটি করা হয় জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া 'তথ্য' বা 'উপাত্ত'গুলোকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বাছাই করার মাধ্যমে। তারা তাদের প্রকৃত জানা তথ্যের যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রকাশ কিংবা বিকল্প কোনো তথ্যসূত্রের উপস্থিতিতে চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। সংবাদসূচির ওপর তাদের এই একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের হুমকিকে সম্ভব হলে দমন করা হয়। আর যেখানে দমন করা সম্ভব হয় না, সেখানে দায়ীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।<br>[[w:ইয়েমেনী_সংকট_(২০১১-বর্তমান)|ইয়েমেন যুদ্ধ]]—যেখানে অন্তত ৭০,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে! সেই যুদ্ধ সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে দেওয়াই হলো প্রধান কারণ যার জন্য মার্কিন সরকার জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এবং জিক্রি—উভয়কেই চরমভাবে হেনস্তা ও নিপীড়ন করছে। ** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)। * এক দশক আগে আমি যখন কাবুলে অবস্থান করছিলাম, ঠিক তখনই উইকিলিকস আফগানিস্তান, ইরাক এবং ইয়েমেনের সংঘাত সংক্রান্ত মার্কিন সরকারের নথিপত্রের এক বিশাল ভাণ্ডার উন্মোচন করেছিল। সেই প্রকাশের দিনটিতে আমি একজন মার্কিন কর্মকর্তার সাথে দেখা করার জন্য ফোনে কথা বলছিলাম... তিনি এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উৎসুক ছিলেন এবং আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে ফাইলগুলোর গোপনীয়তার মাত্রা বা ক্লাসিফিকেশন সম্পর্কে আসলে কী জানা গেছে। আমি যখন তাঁকে বিস্তারিত জানালাম, তিনি বেশ স্বস্তির সুরে বললেন: “তাহলে তো দেখছি এর মধ্যে প্রকৃত অর্থে গোপন রাখার মতো তেমন কিছুই নেই।” ** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)। * আমরা এই শুনানিতে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। ১৯৮৯ সালের 'টেক্সাস বনাম জনসন' মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আমাদের গণতন্ত্রের অন্যতম মৌলিক একটি আদর্শ তুলে ধরেছিল। সেটি হলোঃ প্রথম সংশোধনীর পেছনে যদি কোনো সুদৃঢ় ও অপরিবর্তনীয় ভিত্তি থেকে থাকে, তবে তা হলো এই যে: সরকার কোনো নির্দিষ্ট ধারণার বহিঃপ্রকাশকে কেবল এই অজুহাতে নিষিদ্ধ করতে পারে না যে সমাজ সেই ধারণাটিকে আপত্তিকর বা অপ্রীতিকর বলে মনে করছে। এই অমোঘ কথাগুলো ছিল বিচারপতি উইলিয়াম ব্রেনান জুনিয়রের। ** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং] * ...এই বিতর্ক সম্পর্কে যার যা-ই মত থাকুক না কেন, এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে উইকিলিকসের বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তা বাকস্বাধীনতা, সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয় এবং নাগরিকরা তাদের নিজস্ব সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আসলে কতটুকু জানার অধিকার রাখে। তা নিয়ে অত্যন্ত মৌলিক ও সুদূরপ্রসারী প্রশ্নের জন্ম দেবে। প্রকৃতপক্ষে, যদিও এ বিষয়ে একটি সাধারণ ঐকমত্য রয়েছে যে মাঝে মাঝে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা বজায় রাখা অপরিহার্য, তবুও বর্তমান সময়ের আসল সমস্যাটি গোপনীয়তার অভাব নয়, বরং অতিমাত্রায় গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রবণতা। ** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং] * গণমাধ্যম এমন এক ধরনের বিশ্বাসযোগ্যতা বহন করে যা তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাওয়ার যোগ্য নয়। আপনারা সবাই কোনো না কোনোভাবে জীবনের এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। [...]<br>সংক্ষেপে বলতে গেলে, '''গেল-ম্যান অ্যামনেসিয়া এফেক্ট''' বা বিস্মৃতি প্রভাবটি হলো এইরকম: আপনি সংবাদপত্রের এমন একটি নিবন্ধ পড়তে শুরু করলেন যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার আগে থেকেই খুব ভালো জানাশোনা আছে। [...] আপনি নিবন্ধটি পড়লেন এবং বুঝতে পারলেন যে ওই সাংবাদিকের সংশ্লিষ্ট তথ্য বা বিষয়টি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র কোনো ধারণা নেই। [...] আপনি অত্যন্ত বিরক্তি বা কৌতুকের সাথে সেই প্রতিবেদনের অসংখ্য ভুলগুলো লক্ষ্য করলেন, কিন্তু এরপরই পাতার উল্টো পাশে গিয়ে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয়ক সংবাদগুলো এমনভাবে পড়তে শুরু করলেন যেন সংবাদপত্রের বাকি অংশগুলো [[w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] বা অন্য কোনো জটিল বিষয়ে অনেক বেশি নির্ভুল। যদিও মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগেই আপনি একগাদা আজেবাজে ও ভুল তথ্য পড়েছেন। '''আপনি যদি পাতা উল্টাতে থাকেন, আর যা আপনি জানেন তা মুহূর্তেই ভুলে যান।''' ** '''''মাইকেল ক্রিকটন''''', [https://web.archive.org/web/20190808123852/http://larvatus.com/michael-crichton-why-speculate/ "কেন অনুমান করবেন?"], (লা জোলা, ক্যালিফোর্নিয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিডারশিপ ফোরামে দেওয়া ভাষণ, ২৬ এপ্রিল ২০০২)। মূল উৎস থেকে ৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখে আর্কাইভ করা। সংগৃহীত: ৩ মে ২০২২। == D == [[File:Betty Friedan 1960.jpg|thumb|আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের সাংবাদিকতা দক্ষতার সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের উদীয়মান সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান করেন।<br>~'''''বেটি ফ্রিডান''''' ]] * আমি সত্যি বুঝতে অক্ষম যে সাংবাদিকতাকে কেন এত জঘন্য, এত বেশি বিদ্রূপাত্মক এবং অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপকারী হতে হয়। ** '''''পাল ড্যানিয়েলস''''', উদ্ধৃত হয়েছে: '''''[[:w:দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট|দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট]]''''', (১৭ মার্চ ২০১৬)। * এই সংবাদপত্র আমাদের জন্য সব কিছুই করে থাকে। এটি পুলিশ বাহিনীকে পরিচালনা করে এবং ব্যাংকগুলো চালায়, সামরিক বাহিনীকে আদেশ দেয়, আইনসভা নিয়ন্ত্রণ করে, নবজাতকদের দীক্ষা দেয়, নির্বোধদের বিবাহ সম্পন্ন করে, '''বেদনার্তদের সান্ত্বনা দেয় ও শান্তিতে থাকাদের অস্বস্তিতে ফেলে''', মৃতদের সমাহিত করে এবং পরবর্তীতে তাদের কঠোর সমালোচনা করে দহন করে। এমন কোনো বিষয় নেই যা তারা স্পর্শ করে না, তা পবিত্র রুটির আধ্যাত্মিক রূপান্তর ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে সাধারণ বিস্কুট তৈরির প্রণালী পর্যন্ত যা-ই হোক না কেন। ** '''''ফিনলে পিটার ডান''''', "নিউজপেপার পাবলিসিটি", '''''অবজারভেশনস বাই মিস্টার ডুলি''''' (১৯০২)। == E == * সাংবাদিকতা হলো একটি সুসংগঠিত পরচর্চা। ** '''''এডওয়ার্ড এগলেস্টন''''' == F == * “সে কি তোমাকে বিশ্বাস করেছিল?”<br>“সে একজন অত্যন্ত দক্ষ ও ঝানু সাংবাদিক। কাজেই অবশ্যই বিশ্বাস করেনি।” ** '''''জ্যাসপার ফোর্ড''''', '''''ওয়ান অফ আওয়ার থার্সডেস ইজ মিসিং''''' (২০১১), ISBN 978-0-670-02252-6, পৃ. ২০৫। * আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত আমরা সাংবাদিকরা অন্তত সেই চেষ্টাটুকু করি বা করা উচিত। যেন আমরা ইতিহাসের প্রথম নিরপেক্ষ সাক্ষী হতে পারি। যদি আমাদের অস্তিত্বের পেছনে কোনো সার্থকতা থেকে থাকে, তবে তা অবশ্যই ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে ঘটে ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করার ক্ষমতার মধ্যে নিহিত; যেন ভবিষ্যতে কেউ কখনও এমনটা বলতে না পারে: 'আমরা জানতাম না! আমাদের কেউ বলেনি।' ** '''''রবার্ট ফিস্ক''''', '''''দ্য গ্রেট ওয়ার ফর সিভিলাইজেশন: দ্য কনকুয়েস্ট অফ দ্য মিডল ইস্ট''''', ফোর্থ এস্টেট, (২০০৫), পৃ. ২৫, ISBN 0007203837। * আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অপরিহার্য। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় তাত্ত্বিক ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের তীক্ষ্ণ সাংবাদিকতা দক্ষতার অনবদ্য সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সাধারণ সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি অতিক্রম করেন এবং আমাদের উদীয়মান ও পরিবর্তনশীল সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান নেন। ** '''''বেটি ফ্রিডান''''' (মে ১৯৭৮), ''৩০তম বার্ষিকী জার্নাল'', '''''আমেরিকান সোসাইটি অফ জার্নালিস্ট অ্যান্ড অথরস'''''; উদ্ধৃত হয়েছে: '''''দ্য কমপ্লিট গাইড টু রাইটিং নন-ফিকশন''''' (১৯৮৩), গ্লেন ইভান্স সম্পাদিত, রাইটার্স ডাইজেস্ট বুকস, সিনসিনাটি, ওহাইও, পৃ. ৫, ISBN 0-89879-117-0। == G == * যখন সাংবাদিকতার বিকৃত ভাষা বা 'জার্নালিজ' তার চরম শিখরে পৌঁছেছিল, ঠিক তখনই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, হয়তো এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা মাত্র। ** '''''জন গলসওয়ার্দি''''' (জুলাই ১৯২৪), ''অন এক্সপ্রেশন'', ইংলিশ অ্যাসোসিয়েশনের রাষ্ট্রপতির ভাষণ, পৃ. ১২; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018। * সাংবাদিকতা কোনো প্রথাগত পেশা নয়... এর অন্তরে এটি কেবল একটি সৃজনশীল শিল্প বা কারুশিল্প। আর এর অর্থ হলো, যে কেউ যার বিচারবুদ্ধি আছে, যে বুদ্ধিমান, চিন্তাশীল এবং কৌতূহলী—তিনিই এই শিল্পের চর্চা করতে পারেন। ** '''''সু গার্ডনার''''', [https://en.wikinews.org/wiki/Interview_with_Sue_Gardner_of_the_Wikimedia_Foundation "উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের সু গার্ডনারের সাথে সাক্ষাৎকার"], '''''উইকিসংবাদ''''', ২৪ অক্টোবর ২০০৭। * তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকতা হলো নাগরিক-সৃষ্ট সংবাদমাধ্যমের সেই বিস্তৃত পরিস্থিতির একটি অংশ, যা আসলে একটি বিশ্বব্যাপী আলাপচারিতা এবং এটি প্রতিনিয়ত শক্তিতে, জটিলতায় ও প্রভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছে। মানুষ যখন নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ পায়, তারা অবশ্যই তা করে। যখন তারা শক্তিশালী অথচ সুলভ সরঞ্জাম হাতে পায়, তখন তারা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই নতুন সংবাদমাধ্যমের জগতের সাথে নিজেদের মানিয়ে নেয়। আর যখন তারা সম্ভাব্য এক বিশ্বব্যাপী শ্রোতামণ্ডলীর কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়, তখন তারা আক্ষরিক অর্থেই পুরো পৃথিবীটাকে বদলে দিতে পারে। ** '''''ড্যান গিলমোর''''', '''''উই দ্য মিডিয়া: গ্রাসরুটস জার্নালিজম বাই দ্য পিপল ফর দ্য পিপল''''' (২০০৬), ও'রেলি মিডিয়া, পৃ. xv, ISBN 0596102275। * যদিও সাংবাদিকদের উচিত '''[[w:উইকিলিকস|উইকিলিকসকে]]''' (একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা; যা বিভিন্ন অপ্রকাশিত ও গোপন নথিসমূহ প্রকাশ করে) কিছুটা সংশয়ের দৃষ্টিতে দেখা, কিন্তু একে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার উপায় নেই। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার এই সাহসী নতুন বিশ্বে আপনাদের স্বাগতম। ** '''''শন গনসালভস''''', [http://www.alternet.org/mediaculture/90641/will_wikileaks_revolutionize_journalism/?page=2 "উইকিলিকস কি সাংবাদিকতায় বিপ্লব ঘটাবে?"], '''''অল্টারনেট''''', (৭ জুলাই ২০০৮)। * যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের পরম দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত হয়েছে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। আমাদের এমন এক 'ট্রিকল-আপ' বা তৃণমূল থেকে উঠে আসা গণমাধ্যম গড়ে তুলতে হবে যা এই দেশ এবং এর মানুষের প্রকৃত চরিত্রকে প্রতিফলিত করবে। ** '''''অ্যামি গুডম্যান''''', ডেভিড গুডম্যানের সাথে যৌথভাবে রচিত '''''দ্য এক্সেপশন টু দ্য রুলার্স''''' (২০০৪)। * সাংবাদিকদের কাজ হলো ক্ষমতার ওপর নজরদারি করা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা, জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়া নয়। ** '''''[[:w:অ্যামি গুডম্যান|অ্যামি গুডম্যান]]''''', ভূমিকা, '''''ডেমোক্রেসি নাও!: টুয়েন্টি ইয়ার্স কভারিং দ্য মুভমেন্টস চেঞ্জিং আমেরিকা''''' (২০১৬)। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ধর্ম হলো সামরিক সব কিছুর উপাসনা করা। আর সাংবাদিকরা হলেন সেই ধর্মের প্রধান পুরোহিত। ** '''''গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড''''' (১৯৬৭), ডেমোক্রেসি নাও! এর সাথে সাক্ষাৎকার (১৪ নভেম্বর ২০১২): [http://www.democracynow.org/2012/11/14/glenn_greenwald_while_petraeus_had_affair "গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: যখন পেট্রাউস জীবনীকারের সাথে প্রণয়ে লিপ্ত ছিলেন, কর্পোরেট মিডিয়া তখন পেট্রাউসের প্রেমে মগ্ন ছিল।"] সংগৃহীত: ১৫ নভেম্বর ২০১২। * গাজায় সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়গুলো ধ্বংস করা এবং সাংবাদিকদের হত্যা করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতেও সাংবাদিকদের আক্রমণ বা হেনস্তার ভয় ছাড়াই তাদের অপরিহার্য কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হতে হবে। তাঁদের অবশ্যই সুরক্ষা দিতে হবে এবং সম্মান করতে হবে... এমনকি যুদ্ধেরও সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে। সর্বোপরি, সাধারণ নাগরিকদের অবশ্যই রক্ষা করতে হবে... বাছবিচারহীন হামলা এবং বেসামরিক ব্যক্তি ও তাদের সম্পদের ওপর আক্রমণ করা যুদ্ধ আইনের চরম লঙ্ঘন। ** '''''[[:w:আন্তোনিও গুতেরেস|আন্তোনিও গুতেরেস]]''''', [https://www.un.org/sg/en/content/sg/statement/2021-05-20/secretary-general%E2%80%99s-remarks-the-general-assembly-meeting-the-situation-the-middle-east-and-palestine-delivered "মধ্যপ্রাচ্য ও ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ পরিষদের সভায় মহাসচিবের বক্তব্য"], জাতিসংঘ মহাসচিব, বিবৃতি (২০ মে ২০২১)। == H == [[File:Thomas Jefferson 1904 Issue, 2c.jpg|thumb|যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত। তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না।<br>~'''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''' ]] * সম্পাদক: সংবাদপত্রের দ্বারা নিযুক্ত এমন একজন ব্যক্তি, যাঁর কাজ হলো সারবস্তু থেকে অসার অংশকে আলাদা করা এবং এটি নিশ্চিত করা যে সেই অসার অংশগুলোই যেন সংবাদপত্রে ছাপা হয়। ** '''''এলবার্ট হাববার্ড''''' (১৯১৪), ''দ্য রয়ক্রফট ডিকশনারি অফ এপিগ্রামস''; উদ্ধৃত হয়েছে: ফ্রেড আর. শাপিরো সম্পাদিত '''''দ্য ইয়েল বুক অফ কোটেশনস''''', ইয়েল ইউনিভার্সিটি প্রেস, নিউ হ্যাভেন, কানেকটিকাট, পৃ. ৩৭৪, ISBN 0300107986। == I == * ...মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী জর্জ ইয়ান্সি তাঁর ২০১৫ সালের গ্রন্থ "হোস্টাইল এনভায়রনমেন্টে" খ্রিস্টধর্ম এবং সাধারণভাবে রক্ষণশীল ধর্মের বিরুদ্ধে মার্কিন গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন এবং এর মূল কারণ হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন যে, '''মূলধারার মার্কিন সাংবাদিকতা হলো একটি স্ব-স্থায়ীকৃত আভিজাত্য বা বর্ণপ্রথা।''' আপনি যদি একজন ইভানজেলিকাল খ্রিস্টান হন কিংবা প্রচলিত উদারপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের সাথে, বিশেষ করে নৈতিক বিষয়গুলোতে একমত না হন, তবে কোনো মূলধারার সংবাদমাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রথম সাক্ষাৎকারেই আপনাকে প্রত্যাখ্যান করে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে। ** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/the-anti-religious-anti-cult-and-anti-tai-ji-men-bias-in-the-media/ "গণমাধ্যমে ধর্ম-বিরোধী, গোষ্ঠী-বিরোধী এবং তাই জি মেন-বিরোধী পক্ষপাতিত্ব"], '''''বিটার উইন্টার''''', (মে ২০২৪)। * সাংবাদিকতা মানে দর্শক বা পাঠকদের জটিলতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা নয়। বরং এটি হলো জটিল বিষয়গুলোকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করা এবং সেই জটিলতার মধ্য দিয়ে পথ চলার জন্য দর্শকদের বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থা রাখা। একটি তথ্যচিত্র যা সমস্ত ভিন্নমত পোষণকারী কণ্ঠস্বরকে বর্জন করে, তাকে কোনোভাবেই প্রকৃত অনুসন্ধান বলা চলে না। ** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/france-hate-speech-against-scientology-now-funded-by-taxpayers/ "ফ্রান্স: সায়েন্টোলজির বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এখন করদাতাদের অর্থে অর্থায়িত হচ্ছে"], '''''বিটার উইন্টার''''', (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। == J == * একজন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা এবং সম্পত্তির অধিকার, সেইসাথে বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, উপাসনা ও সমাবেশের অধিকার এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকারগুলো ভোটের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। এগুলো কোনো নির্বাচনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না। ** '''''[[:w:রবার্ট এইচ. জ্যাকসন|রবার্ট এইচ. জ্যাকসন]]''''', '''''[[:w:ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট মামলা|ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪৩), ৩১৯ ইউ.এস. ৬২৪, ৬৩৮। * আমাদের সরকারের ভিত্তি যেহেতু জনমত, তাই আমাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত সেই অধিকারকে সমুন্নত রাখা। আর যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত—তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না। তবে আমার এই বক্তব্যের অর্থ এই যে, প্রতিটি মানুষের কাছে সেই সংবাদপত্র পৌঁছাতে হবে এবং তাদের তা পাঠ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', কর্নেল এডওয়ার্ড ক্যারিংটনকে লেখা চিঠি (১৬ জানুয়ারি ১৭৮৭), লিপসকম্ব ও বার্গ সংস্করণ ৬:৫৭। * সংবাদপত্রকে কীভাবে পরিচালনা করলে তা সবচেয়ে বেশি জনকল্যাণকর হবে, এ বিষয়ে আমার মত জানতে চাইলে আমি বলব, "একে কেবল ধ্রুব সত্য ঘটনা এবং নির্ভুল নীতিমালার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার মাধ্যমে।" তবুও আমার ভয় হয় যে এমন সংবাদপত্রের গ্রাহক সংখ্যা হবে খুবই নগণ্য। এটি একটি বিষাদময় সত্য যে, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করা হলে দেশ যতটা না এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়, তার চেয়েও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় যখন সংবাদপত্র নির্লজ্জভাবে মিথ্যার কাছে নিজেকে সঁপে দেয়। সংবাদপত্রে যা দেখা যায় তার কোনো কিছুই এখন আর বিশ্বাস করা যায় না। এমনকি পরম সত্যও যখন এই কলুষিত মাধ্যমের ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়, তখন তাও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। ভুল তথ্যের এই রাজত্ব আসলে কতটা বিস্তৃত তা কেবল তারাই জানেন যারা তাদের ব্যক্তিগত জ্ঞান দিয়ে দিনের পর দিন এই মিথ্যাগুলোর মুখোশ উন্মোচন করতে পারেন। ... আমি আরও যোগ করব যে, যে ব্যক্তি কখনোই সংবাদপত্র দেখেন না তিনি সেই ব্যক্তির চেয়ে বেশি অবগত ও শিক্ষিত যিনি নিয়মিত সংবাদপত্র পড়েন। কারণ যিনি কিছুই জানেন না তিনি সেই ব্যক্তির তুলনায় সত্যের অনেক বেশি কাছাকাছি থাকেন যার মন মিথ্যা আর ভ্রান্তিতে পরিপূর্ণ। যে ব্যক্তি কিছুই পড়ে না সে অন্তত মহান সত্যগুলো শিখতে পারবে, যেখানে সংবাদপত্রের বিস্তারিত তথ্যগুলোর সবই মিথ্যে। ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [[:w:জন নরভেল|জন নরভেল]]-কে লেখা চিঠি (১১ জুন ১৮০৭)। [https://www.loc.gov/resource/mtj1.038_0592_0594/?sp=2&st=text মূল উৎস এবং প্রতিলিপি] * আমাদের সংবাদপত্রগুলো বর্তমানে যে পঙ্কিল ও জঘন্য অবস্থায় পতিত হয়েছে, এবং যারা এই সংবাদপত্রের জন্য লেখেন, তাদের সেই বিদ্বেষপরায়ণতা, অসভ্যতা ও মিথ্যাচারের মানসিকতার জন্য আমি আপনার মতোই গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমরা ঠিক কতটা অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছি তার প্রমাণ হিসেবে আমি আপনাকে নিউ ইংল্যান্ডের একজন বিচারকের সাম্প্রতিক একটি লেখা পাঠাচ্ছি। এই সব আবর্জনা জনরুচিকে দ্রুত কলুষিত করছে এবং সুস্থ চিন্তার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে। তথ্যের বাহন হিসেবে এবং আমাদের কর্মকর্তাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখার যন্ত্র হিসেবে সংবাদপত্রগুলো এখন সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে; কারণ তারা বিশ্বাসযোগ্যতার সমস্ত দাবি হারিয়ে ফেলেছে। আমি আপনার সাথে একমত যে, দলীয় মানসিকতার চরম সহিংসতা এবং বিদ্বেষই এই পরিস্থিতির জন্য বহুলাংশে দায়ী... ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [https://founders.archives.gov/documents/Jefferson/03-07-02-0052 ওয়াল্টার জোন্সকে লেখা চিঠি] (২ জানুয়ারি ১৮১৪)। * তারা এ নিয়ে মিথ্যে কথা বলেছিল! শত্রু যখন সমুদ্রের পানি ফুটিয়ে ফেলল, আমাদের ষষ্ঠ নৌবহরকে জ্বালিয়ে ছারখার করে দিল এবং উপকূলরেখার পঞ্চাশ মাইলের মধ্যে থাকা প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুড়িয়ে মারল! তখন কিন্তু আপনি অন্তত কিছু সংবাদ প্রতিবেদন আশা করতেই পারতেন। কিন্তু তারা কী রিপোর্ট করল? ফ্লোরিডাতে কিসের সামান্য ভূমিক্ষয়! ওহে নারী, তারা তো পুরো সমুদ্রটাই লাভা-প্লাবিত করে ফেলেছিল! ** '''''আর্থার এম. জলি''''', ''আফটার ইটস অল ওভার'' নাটকে, অরিজিনাল ওয়ার্কস প্রেস, (২০০৯)। * বাইরের মানুষ যা বুঝতে পারেন না তা হলোঃ কটি সংবাদপত্র আসলে একটি 'সুফলে'র / '''Soufflé''' মতো, যা দ্রুত খাওয়ার জন্য খুব তড়িঘড়ি করে প্রস্তুত করা হয়। আর ঠিক এই কারণেই যখনই আপনি এমন কোনো ঘটনার সংবাদপত্র প্রতিবেদন পড়েন যা সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত জ্ঞান রয়েছে, তখনই সেটি আপনার কাছে প্রায় সবসময়ই অপর্যাপ্ত বা ভুল বলে মনে হয়। সাংবাদিকরাও অন্য সবার মতো এই ত্রুটির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বিষয়টি স্রেফ এই যে, যদি তথ্যকে যত বেশি সম্ভব পাঠকের কাছে পৌঁছাতে হয়, তবে নিখুঁত হওয়ার চেয়ে বরং কিছুটা কম গুণমানকেই প্রায়শ মেনে নিতে হয়। ** '''''ডেভিড ই. এইচ. জোন্স''''', '''''নিউ সায়েন্টিস্ট''''', খণ্ড ২৬, (১৯৬৫)। == K == * তারা ছিল পেশাদার ক্ষোভ-বিশারদ যারা কেবল একটি জিনিসই জানত। কীভাবে পরিচয়বাদী রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্স দিয়ে গোটা পশ্চিমা বিশ্বকে পিটিয়ে হত্যা করতে হয়। আর এখন, গত কয়েক বছরের মধ্যে দেখা সবচেয়ে উদ্দীপক বিদ্রূপের সাথে আমরা অন্তত নিরাপদে এটা বলতে পারি যে, তাদের সময় ফুরিয়ে এসেছে, "'''#টাইমসআপ'''"। ** '''''রহিম কাসাম''''', "না, আমি সেই সাংবাদিকদের জন্য দুঃখিত নই যারা চাকরি হারিয়েছে — আমি বরং দারুণ রোমাঞ্চিত", '''''ডেইলি কলার''''', (২৮ জানুয়ারি ২০১৯)। * আমার এবং আমাদের সবার সমস্যা হলো যে আমি মনে করি সংবাদ ব্যবসার সাথে জড়িত অধিকাংশ মানুষই আমার এই মতের সাথে একমত হবেন, যে আমরা (এবং এখানে আমি কেবল '[[w:দ্য_টাইমস|দ্য টাইমস]]' এর কথা বলছি না) নাম প্রকাশ না করার আড়ালে অত্যন্ত নীরস উদ্ধৃতি অথবা মাঝে মাঝে অলস পরচর্চা ও কটাক্ষ প্রকাশ করতে বড্ড বেশি উন্মুখ থাকি। আমার কাছে মনে হয়, এটি তথ্যসূত্রের সুরক্ষা বা সোর্স প্রোটেকশনের মূল্যকে সস্তা করে দেয়। ** '''''বিল কেলার''''', '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের]]''''' নির্বাহী সম্পাদক, বেনামী তথ্যসূত্র প্রসঙ্গে (১৩ মে ২০০৫), '''''অন দ্য মিডিয়া'''''তে। == L == * সংবাদপত্র সবসময়ই মানুষের মনে প্রবল কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, কেউ কোনোদিন সংবাদপত্র পাঠ শেষ করার পর একরাশ হতাশা বা অতৃপ্তি ছাড়া তা হাত থেকে নামিয়ে রাখতে পারে না। ** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''' (১৮৩৩), "অন বুকস অ্যান্ড রিডিং", ''দ্য লাস্ট এসেস অফ এলিয়া''; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018। * চাঞ্চল্যকর বা হলুদ সাংবাদিকতার চিরন্তন সাতটি প্রধান অনুষঙ্গ হলো: লোমহর্ষক অপরাধের বিবরণ, ব্যক্তিগত জীবনের কেলেঙ্কারি, ভিত্তিহীন কাল্পনিক বিজ্ঞান, মানসিক উন্মাদনা, সংখ্যাতত্ত্বের মতো নানাবিধ অন্ধবিশ্বাসের চর্চা, অলৌকিক দানব বা দানবীয় কর্মকাণ্ড এবং প্রভাবশালী ধনকুবেরদের জীবনকথা। ** '''''ফ্রিটজ লেইবার''''', ''এ রাইট অফ স্প্রিং'' (১৯৭৭); টেরি কার সম্পাদিত '''''ইউনিভার্স ৭''''', পৃ. ২৬। * জেনারেল ডগলাস ম্যাকার্থারের প্রসঙ্গে বলতে গেলে, আমি আসলে এমন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বা স্পষ্ট কোনো মতামত দেওয়ার মতো অবস্থানে নিজেকে খুঁজে পাই না, যাঁকে আমি কেবল সংবাদপত্রের মাধ্যমেই চিনি। আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন, সংবাদমাধ্যমগুলো যখনই এমন কোনো ব্যক্তি বা বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যা সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত ধারণা বা জ্ঞান রয়েছে, তখনই আমি দেখি যে তাদের পরিবেশিত তথ্যগুলো সবসময়ই মিথ্যাচার আর ভুল বোঝাবুঝির এক বিশাল স্তূপ ছাড়া আর কিছুই নয়; আর এই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, যেসব ক্ষেত্র সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র কোনো জ্ঞান নেই, সেখানেও তারা এর চেয়ে ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা রাখে না। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', মিসেস মেরি ভ্যান ডিউসেনকে লেখা চিঠি (৩০ এপ্রিল ১৯৫১), ''সংগৃহীত সি. এস. লিউইস পত্রাবলি, খণ্ড ৩: "নার্নিয়া, কেমব্রিজ, অ্যান্ড জয়", ১৯৫০-১৯৬৩'', পৃ. ১১৪। == M == [[File:Janet Malcolm 3.18.13a (headshot).jpg|thumb|আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন।<br>~'''''জ্যানেট ম্যালকম''''' ]] * বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ওয়েবসাইটগুলো সাধারণত সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে এক ধরনের অপপ্রচার বা 'জার্নালগান্ডা'র [হলুদ সাংবাদিকতা] জয়গান গায়। কারণ সেখানে সবকিছুই পরিবেশন করা হয় সেই নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিজস্ব স্বার্থের ফিল্টার বা ছাঁকনির ভেতর দিয়ে। এটি এক অদ্ভুত ও অবাস্তব জগত, তবে এর গুরুত্বও অপরিসীম। কারণ কট্টরপন্থীরা তাদের পূর্বনির্ধারিত চিন্তাধারাকে আরও শক্তিশালী করতে এখানেই ভিড় জমায়। আপনার অবস্থান যা-ই হোক না কেন, নিজেকে চূড়ান্তভাবে সঠিক মনে করার ক্ষেত্রে এই জার্নালগান্ডার চেয়ে কার্যকর আর কিছুই হতে পারে না। প্রকৃত সাংবাদিকতাকে সবসময় চিনে নেওয়া যায় তার কাজের ধরন দেখে। এটি প্রায়শই সাধারণ মানুষকে এই সাংবাদিকতার জগত সম্পর্কে চরম অস্বস্তি ও ভ্রান্ত বিচলিত অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয়। ** '''''চার্লস এম. ম্যাডিগান''''' (২৫ অক্টোবর ২০০৫), [http://web.archive.org/web/20130625005510/http://www.chicagotribune.com/news/opinion/chi-0510250027oct25,0,3811209.column?page=2&coll=chi-ed_opinion_columnists-utl "আজকের 'সাংবাদিকতা'র সমস্যা"], '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]'''''। * এমন প্রতিটি সাংবাদিক—যিনি পরিস্থিতির গভীরতা বোঝার মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং নিজের অহংবোধে অন্ধ হয়ে যাননি। তিনি খুব ভালো করেই জানেন যে, তিনি যা করছেন তা নৈতিকভাবে সম্পূর্ণ অমার্জনীয়। তিনি মূলত এক প্রকারের প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ম্যান', যিনি মানুষের অহংকার, অজ্ঞতা কিংবা একাকীত্বকে পুঁজি করে তাদের ওপর শিকারি পাখির মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি প্রথমে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেন এবং এরপর বিন্দুমাত্র অনুশোচনা ছাড়াই সেই বিশ্বাসের চরম অমর্যাদা করেন। ঠিক যেমন একজন অতি-বিশ্বাসী বিধবা একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করেন যে সেই মনোমুগ্ধকর যুবকটি তাঁর সারা জীবনের সমস্ত সঞ্চয় নিয়ে চম্পট দিয়েছে। তেমনি কোনো একটি অ-কাল্পনিক রচনার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটিও। যখন সেই নিবন্ধ বা বইটি প্রকাশিত হয়, তখনই তাঁর জীবনের সেই রূঢ় ও কঠিন শিক্ষাটি লাভ করেন। সাংবাদিকরা তাঁদের এই বিশ্বাসঘাতকতাকে নিজ নিজ স্বভাব অনুযায়ী বিভিন্নভাবে যুক্তিযুক্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যে যারা অধিকতর আড়ম্বরপূর্ণ, তারা বাকস্বাধীনতা এবং "জনগণের জানার অধিকার" নিয়ে লম্বা চওড়া কথা বলেন। যারা অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী হয়, তারা একে এক ধরণের 'শিল্প' বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন। আর যারা খুব বিনয়ী হওয়ার ভান করেন, তারা স্রেফ জীবনধারণের তাগিদে এই পেশা বেছে নেওয়ার কথা বলে মৃদু গুঞ্জন তোলে থাকেন। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৩ (বইটির উদ্বোধনী অনুচ্ছেদ)। * আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন। এই দেশে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য যারা নিজেদের সম্পর্কে কোথাও লেখা হচ্ছে কিংবা কোনো রেডিও বা টেলিভিশন প্রোগ্রামে তাঁদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, এমন সম্ভাবনা দেখে প্রবলভাবে উচ্ছ্বসিত হন না। ** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৫৮। * আমি এখন এমনটা ভাবতে শুরু করেছি যে... সাংবাদিকতামূলক রচনায় "আমি" নামক চরিত্রটি সাংবাদিকের সৃষ্ট অন্যান্য সমস্ত চরিত্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ এটি সেই নিয়মের একটি ব্যতিক্রম যেখানে বলা হয় যে কোনো কিছুই আবিষ্কার বা উদ্ভাবন করা যাবে না। সাংবাদিকতার এই "আমি" চরিত্রটি প্রায় পুরোপুরি একটি মনগড়া উদ্ভাবন। আত্মজীবনীতে ব্যবহৃত "আমি" যেখানে লেখকের সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করার কথা, সেখানে সাংবাদিকতার এই "আমি" লেখকের সাথে খুব সামান্য বা ক্ষীণভাবেই যুক্ত। ঠিক যেভাবে সুপারম্যানের সাথে ক্লার্ক কেন্টের সংযোগ থাকে। সাংবাদিকতার এই "আমি" হলো এক অতি-নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, যার ওপর আখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যুক্তি উপস্থাপন এবং সুর নির্ধারণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এটি গ্রিক ট্র্যাজেডির কোরাসের মতো একটি বিশেষ প্রয়োজনে সৃষ্ট সৃষ্টি। সে হলো একটি প্রতীকি চরিত্র, যে জীবনের এক নিরাসক্ত ও আবেগহীন পর্যবেক্ষক হিসেবে নিজেকে মূর্ত করে তোলে। তা সত্ত্বেও, পাঠকরা যারা সহজেই এই ধারণাটি মেনে নেন যে ফিকশন বা কল্পকাহিনীর বর্ণনাকারী এবং সেই বইয়ের লেখক এক ব্যক্তি নন, তারাই আবার সাংবাদিকতার এই উদ্ভাবিত "আমিত্বের" ধারণাটিকে জেদের সাথে প্রতিরোধ করেন। এমনকি সাংবাদিকদের মধ্যেও এমন অনেকে আছেন যারা নিজেদের টেক্সটের সেই 'সুপারম্যান' রূপ থেকে নিজেদের বাস্তব সত্ত্বাকে আলাদা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হিমশিম খান। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৫৯–১৬০। * সাংবাদিকতার নৈতিক অস্পষ্টতা বা দ্বিধার লিখিত বয়ানের মধ্যে নয়, বরং সেই সম্পর্কের গভীরে নিহিত থাকে যেখান থেকে এই বয়ানগুলো জন্ম নেয়। আর এই সম্পর্কগুলো অনিবার্যভাবেই এবং কোনোভাবেই এড়ানো যায় না এমনভাবে একপেশে বা অসম প্রকৃতির হয়ে থাকে। সাংবাদিকতামূলক রচনার 'ভালো' চরিত্রগুলো ঠিক তেমনিভাবেই অন্য একজন মানুষের ওপর লেখকের সেই অশুভ ও প্রচণ্ড ক্ষমতার ফসল, যেভাবে 'মন্দ' চরিত্রগুলো সৃষ্টি হয়। [...] সাংবাদিকতার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটি হয়তো সাংবাদিককে নিজের স্বার্থে ব্যবহার বা ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করতে পারেন এবং জাগতিক জ্ঞানসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিই কমবেশি এই প্রবণতার ঊর্ধ্বে নন। কিন্তু এই বিষয়টি কোনোভাবেই ব্যক্তিস্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধে সাংবাদিকের নিজের করা পাপগুলোকে মোচন কিংবা খণ্ডন করতে পারে না। [...] সাংবাদিকরা এই নৈতিক অচলাবস্থার সাথে লড়াই করার জন্য অগণিত বৈচিত্র্যময় পথ অবলম্বন করে থাকেন [...]। তাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে প্রজ্ঞাবান, তারাই ভালো করে জানেন যে তারা সর্বোচ্চ যা করতে পারেন তা-ও আসলে যথেষ্ট নয়। আর যারা খুব একটা বুদ্ধিমান নন, তারা তাদের চিরচেনা অভ্যাসবশত এটা বিশ্বাস করতেই পছন্দ করেন যে আসলে কোনো সমস্যাই নেই এবং তারা হয়তো এর একটি সমাধানও করে ফেলেছেন। ** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৬২-১৬৩। (শেষ বাক্যটি বইটির অন্তিম বাক্য)। * উন্নত ও মানসম্মত সাংবাদিকতার জন্য তথ্যফাঁসকারী বা 'হুইসেলব্লোয়ার'রা অপরিহার্য। তাঁরা সাংবাদিকদের সেই সব গোপনীয়তার দেয়াল ভেদ করতে সাহায্য করেন যা সরকারি কর্মকর্তা এবং জনসংযোগ কর্মকর্তারা অত্যন্ত সযত্নে গড়ে তোলেন। এই হুইসেলব্লোয়াররাই সরকার, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভেতরে লুকিয়ে থাকা নানা অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডগুলো সবার সামনে এনে উন্মোচন করে থাকেন। এই সাহসী মানুষদের তাঁদের এই বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য পুরস্কৃত করা উচিত ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো যে তাঁদের প্রায়ই বিচারিক হয়রানি কিংবা কারাবাসের মুখোমুখি হতে হয়। ** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)। * যদি জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে অভিযুক্ত করে বিচার করা হয়, তবে '[[w:দ্য_গার্ডিয়ান|দ্য গার্ডিয়ান]]', [[w:দ্য_নিউ_ইয়র্ক_টাইমস|'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]', 'ডার স্পিগেল', 'এল পাইস', 'লা রিপাবলিকা' এবং এই তথ্যগুলো প্রচারের সাথে জড়িত অন্যান্য সমস্ত সংবাদ সংস্থার সম্পাদক ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও মামলা করার সমান ও যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে। ** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)। * মাইকেল শুডসন তাঁর “ডিসকভারিং দ্য নিউজ” (১৯৭৮) গ্রন্থে যেমনটি উল্লেখ করেছেন—ভালো সাংবাদিকতা মানেই যে তা “বস্তুনিষ্ঠ” (অর্থাৎ দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং ব্যক্তিগত মতামতের ঊর্ধ্বে) হতে হবে, এই ধারণাটি মূলত বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রথম আবির্ভূত হয়েছিল। শুডসন মনে করতেন যে, ধ্রুব এবং নির্ভরযোগ্য সত্যের ধারণাটির প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান সংশয়বাদ থেকেই এই বস্তুনিষ্ঠতার ধারণার জন্ম হয়েছে। তাঁর ভাষায়, বস্তুনিষ্ঠতার এই মানদণ্ডটি “তথ্যের ওপর বিশ্বাসের কোনো চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল না; বরং এটি ছিল এমন এক জগতের জন্য পরিকল্পিত পদ্ধতির সুদৃঢ় দাবি, যেখানে এমনকি তথ্যকেও আর বিশ্বাস করা যাচ্ছিল না। ... সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন ঠিক ততটুকুই যতটুকু তাঁদের প্রয়োজন ছিল। কারণ তাঁরা চেয়েছিলেন, তাঁদের দরকার ছিল এবং সাধারণ মানবিক আকাঙ্ক্ষা থেকেই তাঁরা তাঁদের নিজেদের গভীর সন্দেহ ও অস্থিরচিত্ততা থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ খুঁজছিলেন।” অন্যভাবে বলতে গেলে, বস্তুনিষ্ঠতা বিষয়টি শুরু থেকেই একটি সমস্যাসঙ্কুল ধারণা ছিল... লিপম্যানের যুক্তি ছিল এই যে, সাংবাদিকতা আসলে কোনো সুনির্দিষ্ট পেশা নয়। এই পেশায় যুক্ত হওয়ার জন্য আপনার কোনো লাইসেন্স বা প্রাতিষ্ঠানিক একাডেমিক সনদের প্রয়োজন হয় না। সব ধরণের মানুষই নিজেদের সাংবাদিক বলে দাবি করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাঁরা সবাই কি জনগণকে নির্ভরযোগ্য এবং স্বার্থহীন সংবাদ পণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম? ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * ১৯৪৫ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যবর্তী সময়ে মার্কিন ক্যাবিনেটে মাত্র একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি ছিলেন। যাঁদের প্রত্যেকেই মাত্র দুই বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সংবাদমাধ্যমের দিকে তাকালে দেখা যায় যে পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ। নারী ও কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের পরিকল্পিতভাবে মূলধারা থেকে বাদ দেওয়া হতো। নির্দিষ্ট কিছু সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের প্রবেশাধিকার ছিল না এবং সম্পাদকরা নারীদের কখনোই সরকারি বিষয়গুলো কভার করার দায়িত্ব দিতেন না। ঘোর বর্ণবাদ এবং লিঙ্গবৈষম্য এত দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে টিকে ছিল যে আজ তা প্রায় অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়। <br> ওয়াশিংটনের সাংবাদিকদের জন্য প্রধান দুটি সামাজিক সংগঠন ছিল গ্রিডাইরন ক্লাব (১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত) এবং ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব (১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত)। ১৮৯৬ সালে গ্রিডাইরন ক্লাব সদস্যদের স্ত্রীদের একটি নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু নারী ভোটাধিকার আন্দোলনকে উপহাস করে পরিবেশিত একটি নাটক সেখানে মোটেও ভালো সাড়া ফেলেনি; যার ফলে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত নারীদের সেখানে আর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক পর্যন্তও গ্রিডাইরন ক্লাবের নৈশভোজগুলোতে বিনোদনের জন্য সদস্যরা মুখে কালো রঙ মেখে 'ব্ল্যাকফেস' সেজে অভিনয় করতেন। ম্যাকগারের বর্ণনা অনুযায়ী, ক্লাবটির সিগনেচার টিউন ছিল “দ্য ওয়াটারমেলন সং”, যা একটি বিশেষ আঞ্চলিক [[w:উপভাষা|উপভাষায়]] গাওয়া হতো। <br> ১৯৫৫ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে কোনো কৃষ্ণকায় সদস্য ছিলেন না; এবং সেই একই বছরেই প্রথমবারের মতো নারীদের এমন মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল যেখানে কর্মকর্তারা সদস্যদের ব্রিফিং দিতেন। তবে নারীদের বসতে হতো ব্যালকনিতে এবং তাঁদের কোনো প্রশ্ন করার অনুমতি ছিল না। ১৯৭১ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব কোনো নারী সদস্য গ্রহণ করেনি। <br> 'দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট' ১৯৫১ সালে তাদের প্রথম কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়। তাঁর জন্য আলাদা শৌচাগার বরাদ্দ করা হয়েছিল এবং মাত্র দুই বছর পরেই তিনি সেই পত্রিকা ত্যাগ করেন। (ম্যাকগার বলেন যে ওয়াশিংটন পোস্ট ১৯৭২ সালের আগে আর কোনো কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়নি, তবে তথ্যটি ভুল: পত্রিকাটি ১৯৬১ সালে ডরোথি বাটলার গিলিয়াম এবং ১৯৬৮ সালে জ্যাক হোয়াইটকে নিয়োগ দিয়েছিল।) নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অনেক গভীর সময় পর্যন্তও নিউ ইয়র্ক টাইমসে কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের সংখ্যা ছিল অতি সামান্য। এই পত্রিকার মতো অন্যান্য সাধারণ-আগ্রহের ম্যাগাজিনগুলোর রেকর্ডও এর চেয়ে ভালো কিছু ছিল না। ** '''''লুই মেনান্দ''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * সংবাদপত্রের শক্তি—তা যতটুকু বা যে পর্যায়েরই হোক না কেন—তা মূলত অনেকটা প্রাতিষ্ঠানিক পণ্ডিত, বৈজ্ঞানিক গবেষক এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের শক্তির মতো। এটি কোনো পেশিবল বা শারীরিক শক্তির ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে নেই; বরং এটি টিকে আছে মানুষের অগাধ বিশ্বাসের ওপর—এই বিশ্বাস যে, এরা হলো এমন একদল মানুষ যারা ভয় কিংবা পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে থেকে কেবল সত্য অন্বেষণের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। যখনই তাঁরা এই মহান দায়িত্ব পালন থেকে বিচ্যুত হবেন, তখন সমাজ তাঁদের সেই একইভাবে দেখতে শুরু করবে যেভাবে বর্তমানে অন্যদের দেখা হয়—অর্থাৎ এমন একদল লোক যারা কেবল ব্যক্তিগত লাভ বা সামাজিক মর্যাদার লোভে তথ্যকে নিজ স্বার্থে ঘুরিয়ে পরিবেশন করে। ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * যেহেতু আদর্শগত সত্য বলে পৃথিবীতে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই, তাই স্বাভাবিকভাবেই এটা প্রতীয়মান হয় যে, একজন প্রতিবেদক যখনই নিজেকে [[w:রক্ষণশীলতাবাদ|উদারপন্থী বা রক্ষণশীল]], কিংবা ডেমোক্রেটিক, [[w:সাম্যবাদ|কমিউনিস্ট]] বা রিপাবলিকান প্রতিবেদক হিসেবে উপস্থাপন করেন, তখন তিনি আসলে আর মোটেও কোনো প্রতিবেদক থাকেন না। ** '''''এইচ. এল. মেনকেন''''' (১৯৩৭), উদ্ধৃত হয়েছে: অ্যালেস্টার কুক রচিত '''''মেমোরিস অফ দ্য গ্রেট অ্যান্ড গুড''''' (১৯৯৯), পৃ. ২২৪। * সংবাদপত্রগুলো এখন জেসি-র পিছু নিতে শুরু করেছে। শুরুতে তারা তাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিল এবং সব ঘটনার দায়ভার অন্য যে কারো বা অন্য কিছুর ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, একজন অত্যন্ত রূপসী অথচ দৃশ্যত কোনো যৌনজীবন নেই এমন একজন নারীকে নিয়ে কাজ করা তাদের জন্য বেশ বিব্রতকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কারণ তাকে কলঙ্কিত করার জন্য আসলে ঠিক কী ধরনের অপবাদ ব্যবহার করা উচিত, তা তারা খুঁজে পাচ্ছিল না। ** '''''নাওমি মিচিসন''''', “মেরি অ্যান্ড জো”; হ্যারি হ্যারিসন সম্পাদিত '''''নোভা ১''''', পৃ. ১৬৩। * সাংবাদিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁদের মানহানির মামলার মুখে পড়তে হয়; কিন্তু ঐতিহাসিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁরা সেই ভুল শুধরে নিয়ে বইটির একটি পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশের সুযোগ পান। ** '''''বিল ময়ার্স''''', "দ্য বিগ স্টোরি", টেক্সাস স্টেট হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে প্রদত্ত ভাষণ, (৭ মার্চ ১৯৯৭), '''''ময়ার্স অন ডেমোক্রেসি''''' (২০০৮), পৃ. ১৩১। * বাকস্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, যা প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত করা হয়েছে। তা মূলত সেইসব মৌলিক ব্যক্তিগত অধিকার ও স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত যা চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে যেকোনো অঙ্গরাজ্যের হস্তক্ষেপ থেকে সকল নাগরিকের জন্য সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই অধিকারগুলোকে সুরক্ষিত রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো যেন মানুষ তাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলো নিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা ও কথা বলতে পারে এবং শিক্ষা ও আলোচনার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেন মিথ্যার মুখোশ উন্মোচিত হয়। যা একটি মুক্ত ও স্বাধীন সরকারের জন্য একান্ত অপরিহার্য। যারা আমাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন, তাঁদের এই অটল বিশ্বাস ছিল যে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সত্য আবিষ্কার এবং তা প্রচার করার জন্য স্বাধীন ও নির্ভীক যুক্তিপ্রদান এবং ধারণার আদান-প্রদান এক অজেয় শক্তি হিসেবে কাজ করবে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্ক মারফি|ফ্রাঙ্ক মারফি]]''''', '''''[[:w:থর্নহিল বনাম আলাবামা মামলা|থর্নহিল বনাম আলাবামা]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪০), ৩১০ ইউ.এস. ৮৮, ৯৫। == O == * সেই স্থূলকায় [[w:রুশ_জাতি|রুশ]] গোয়েন্দাটি একে একে সমস্ত বিদেশী উদ্বাস্তুদের এক কোণায় নিয়ে যাচ্ছিলেন এবং অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করছিলেন যে, এই পুরো ঘটনাটি আসলে ছিল একটি নৈরাজ্যবাদী চক্রান্ত। আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে তাঁকে পর্যবেক্ষণ করছিলাম, কারণ সেটিই ছিল আমার জীবনে প্রথম দেখা এমন কোনো ব্যক্তি যাঁর পেশা হলো অনর্গল মিথ্যা বলা, অবশ্য যদি কেউ এই তালিকায় সাংবাদিকদের গণনা না করেন। ** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''হোমেজ টু ক্যাটালোনিয়া''''' (১৯৩৮)। * জীবনের শুরুর দিকেই আমি লক্ষ্য করেছিলাম যে সংবাদপত্রে কোনো ঘটনাই আসলে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয় না; কিন্তু স্পেনে আমি প্রথমবারের মতো এমন কিছু সংবাদ প্রতিবেদন দেখলাম যার সাথে বাস্তব তথ্যের বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই, এমনকি একটি সাধারণ মিথ্যার মধ্যে যেটুকু সত্যের রেশ থাকে সেটুকুও সেখানে অনুপস্থিত ছিল। আমি দেখেছি এমন সব বিশাল যুদ্ধের খবর ছাপা হয়েছে যেখানে আসলে কোনো লড়াই-ই হয়নি, আবার যেখানে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে সেখানে বজায় রাখা হয়েছে কবরের নিস্তব্ধতা। আমি দেখেছি যেসব সৈন্য সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছে তাদেরকে উল্টো কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে নিন্দা জানানো হচ্ছে, আর যারা কোনোদিন যুদ্ধের ময়দানে একটি গুলিও ছোঁড়েনি তাদের কাল্পনিক বিজয়ের নায়ক হিসেবে জয়ধ্বনি দেওয়া হচ্ছে! শুধু তা-ই নয়, আমি দেখলাম '''[[w:লন্ডন|লন্ডনের]]''' সংবাদপত্রগুলো এই মিথ্যাগুলোই প্রচার করেছিল এবং উৎসাহী বুদ্ধিজীবীরা এমন সব ঘটনার ওপর আবেগপ্রবণ ইমারত গড়ে তুলছেন যা আদতে কখনও ঘটেইনি। আমি আসলে ইতিহাসকে এমনভাবে রচিত হতে দেখলাম যা কী ঘটেছে তার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং বিভিন্ন 'দলীয় আদর্শ' অনুযায়ী কী ঘটা উচিত ছিল, তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''লুকিং ব্যাক অন দ্য স্প্যানিশ ওয়ার''''' (১৯৪৩)। * অনেক সাংবাদিকই আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে এতটাই আচ্ছন্ন থাকেন যে, তাঁদের মধ্যে ইতিহাসের গভীর উপলব্ধি বা ঐতিহাসিক চেতনার এক ধরনের চরম ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়। ** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)। * অন্ধ স্তুতি বা ফ্যানডম এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কখনোই একে অপরের পরিপূরক হতে পারে না; বরং এই দুটি বিষয় একত্রে থাকলে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও অসম এক সহাবস্থানের জন্ম দেয়। ** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)। == P == * বর্তমানের এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যেখানে প্রতিটি মানুষই একেকজন প্রকাশক হয়ে উঠেছেন, সেখানে আশ্চর্যের বিষয় হলো কেউ আসলে প্রকৃত সম্পাদকের ভূমিকা পালন করছেন না। আর ঠিক এই জায়গাতেই আজকের দিনে আমরা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হচ্ছি। ** '''''স্কট পেলি''''', কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটিতে প্রদত্ত ভাষণ (১০ মে ২০১৩)। [http://www.youtube.com/watch?v=1AyCD_lcl1Q ইউটিউব ভিডিও: সিবিএস নিউজ অ্যাঙ্কর স্কট পেলি: 'আমরা বারবার বড় বড় খবরগুলো ভুলভাবে পরিবেশন করছি']। * সাংবাদিকদের জন্য নিজেদের কেবল সাধারণ বার্তাবাহক হিসেবে গণ্য করাই যথেষ্ট নয়। বরং তাঁদের পরিবেশিত বার্তার আড়ালে লুকিয়ে থাকা গোপন উদ্দেশ্য বা 'হিডেন এজেন্ডা' পুরিকল্পনা এবং সেই বার্তাকে ঘিরে থাকা প্রচলিত মিথ বা ভ্রান্ত ধারণাগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করা একান্ত প্রয়োজন। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', 'হিডেন এজেন্ডাস', ১৯৯৮। * গোপন ক্ষমতা সেই সাংবাদিকদের মনেপ্রাণে ঘৃণা করে যারা নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন। যারা গোপনীয়তার পর্দা সরিয়ে দেন, বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে উঁকি দেন এবং অশুভ সত্যের ওপর রাখা পাথর তুলে ধরেন। উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের কাছ থেকে আসা নিন্দা বা তিরস্কারই হলো এই নির্ভীক সাংবাদিকদের জন্য সম্মানের শ্রেষ্ঠ স্মারক। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''টেল মি নো লাইজ: ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড''''', থান্ডার্স মাউথ প্রেস, (২০০৫), পৃ. xv, ISBN 1560257865। * আমরা যারা সাংবাদিক... আমাদের সেইসব ব্যক্তিদের অবজ্ঞা ও প্রতিরোধ করার মতো যথেষ্ট সাহসী হতে হবে, যারা অন্যের দেশে তাদের সাম্প্রতিকতম রক্তক্ষয়ী দুঃসাহসিক অভিযানগুলো বৈধ করার জন্য আমাদের সহযোগিতা কামনা করে। এর অর্থ হলো সরকারি ভাষ্যকে সবসময় চ্যালেঞ্জ করা, সেই ভাষ্যটি আপাতদৃষ্টিতে যতই দেশপ্রেমমূলক মনে হোক না কেন, অথবা সেটি যতই মোহনীয় ও বিভ্রান্তিকর হোক না কেন। কারণ প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার পুরোপুরি আমাদের গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করে যেন তাদের প্রতারণার লক্ষ্যবস্তু কোনো দূরদেশের মানুষ নয়, বরং আপনার নিজের ঘরের মানুষ হয়। অন্তহীন সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের এই যুগে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুর জীবন আজ পরম সত্যের ওপর নির্ভর করছে। যদি সেই সত্য প্রকাশ না পায়, তবে তাদের ঝরানো রক্তের দায়ভার আমাদের ওপরই বর্তাবে। যাদের কাজ হলো ইতিহাসের নথিপত্রকে নির্ভুল রাখা, তাদের উচিত ক্ষমতার কণ্ঠস্বর না হয়ে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''দ্য ওয়ার ইউ ডোন্ট সি''''', আইটিভি১ (যুক্তরাজ্য), (১৪ ডিসেম্বর ২০১০)। * উইকিলিকস কেন সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত? কারণ এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যগুলো আমাদের কাছে একশ শতাংশ নিখুঁতভাবে এই সত্যটি তুলে ধরেছে যে এই বিশ্বের একটি বড় অংশ আসলে কীভাবে এবং কেন বিভক্ত এবং ঠিক কীভাবে তা পরিচালিত হচ্ছে। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://frontline.thehindu.com/cover-story/article25661115.ece "নতুন শীতল যুদ্ধ এবং আসন্ন হুমকি"], '''''ফ্রন্টলাইন, ভারত''''', (২১ ডিসেম্বর ২০১৮)। * একজন সাংবাদিক সত্য প্রচারের মাধ্যমে অথবা তিনি যতটুকু সত্যের সন্ধান পান তা প্রকাশের মাধ্যমে মানুষের প্রভূত কল্যাণ সাধন করতে পারেন। তবে শর্ত হলো তাঁকে কোনো সরকার বা কোনো বিশেষ ক্ষমতার প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। এর বাইরে যা কিছু আছে তার সবই আপাতদৃষ্টিতে সত্য মনে হলেও আসলে তা প্রতারণামূলক এবং মিথ্যা। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', উদ্ধৃত হয়েছে: [https://www.thedailystar.net/opinion/interviews/news/real-journalists-act-agents-people-not-power-1687921 "প্রকৃত সাংবাদিকরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন, ক্ষমতার নয়"], '''''ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)''''', (১৬ জানুয়ারি ২০১৯)। * কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া সরাসরি "পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার" দোহাই দিয়ে উদ্ধৃতি প্রদান করা কখনোই সাংবাদিকতা হতে পারে না; এটি প্রায় সবসময়ই একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার বা প্রোপাগান্ডা। একজন প্রতিবেদক হিসেবে আমি এই শিক্ষাটি লাভ করেছি। বিবিসি এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের এই নিরন্তর 'কোল্ড ওয়ার' বা স্নায়ুযুদ্ধের দামামা আমাদের ধীরে ধীরে একটি বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://twitter.com/johnpilger/status/1285869017412956160 টুইটার], (২২ জুলাই ২০২০)। == R == [[File:Helen Thomas - USNWR.jpg|thumb|আমি আশা করি যে ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত নীতিমালাগুলো কঠোরভাবে মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্র এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সজীব রাখার ক্ষেত্রে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছেন।<br>~'''''[[:w:হেলেন থমাস|হেলেন থমাস]]''''' ]] * সংবাদ বোধ বা 'নিউজ সেন্স' হলো মূলত কোনটি গুরুত্বপূর্ণ, কোনটি অত্যাবশ্যক এবং কোনটির মাঝে প্রাণ ও রঙের স্পন্দন রয়েছে। অর্থাৎ মানুষ কোন বিষয়ে আগ্রহী, তা বোঝার এক অনন্য ক্ষমতা। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। ** '''''বার্টন রাস্কো''''', উদ্ধৃত হয়েছে: ট্রায়ন এডওয়ার্ডস, সি. এন. ক্যাট্রেভাস এবং জনাথন এডওয়ার্ডস সম্পাদিত '''''ইউজফুল কোটেশনস: আ সাইক্লোপিডিয়া অফ কোটেশনস''''' (১৯৩৩)। * বিতর্ক? আপনি যদি এই নামের যোগ্য কোনো প্রতিবেদক হতে চান, তবে আপনি কখনোই বিতর্ককে পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে পারবেন না। আপনি একজন দক্ষ প্রতিবেদক হতে পারবেন না যদি না আপনি নিয়মিতভাবে কোনো না কোনো তর্কের সাথে জড়িয়ে পড়েন। আর আমি মনে করি না যে বিতর্ককে বারবার এড়িয়ে চলে আপনি একজন মহান প্রতিবেদক হতে পারবেন। কারণ একজন ভালো সাংবাদিকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সহজ সত্যগুলোর পাশাপাশি কঠিন ও রূঢ় সত্যগুলোকেও সাহসের সাথে তুলে ধরা। আর এই কঠিন সত্যগুলোই আপনাকে বিতর্কের দিকে ঠেলে দেবে, এমনকি এই কঠিন সত্যের অনুসন্ধান করতে গিয়ে আপনাকে হয়তো চড়া মূল্যও দিতে হতে পারে। দয়া করে আমার এই কথাগুলোকে কোনো অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করবেন না। আমি কেবল এটিই বোঝাতে চাইছি যে আপনি যদি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক হন, তবে এই ঝুঁকিগুলো আপনার কাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। আপনি যদি এমনভাবে সাংবাদিকতা শুরু করেন অথবা জীবনের এমন এক পর্যায়ে পৌঁছান যেখানে আপনি নিজেই নিজেকে বলেন, "শুনুন, আমি এমন কোনো কিছু স্পর্শ করব না যা থেকে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে," তবে আপনার উচিত হবে অনতিবিলম্বে এই পেশা ছেড়ে দেওয়া। ** '''''ড্যান রাদার''''', সাক্ষাৎকার: [http://www.achievement.org/autodoc/page/rat0int-1 "ড্যান রাদার ইন্টারভিউ: ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট, অন দ্য ফ্রন্টলাইনস অফ ব্রেকিং নিউজ"], '''''একাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৫ মে ২০০১)। * উন্নতমানের সাংবাদিকতা সেই হাজারো 'নিষিদ্ধ বিষয়ের' রাজ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করে, এমনকি যদি তার ফলাফল অত্যন্ত অদ্ভুত এবং বিচলিত করার মতো হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। ... বর্তমান সময়ে সাংবাদিকরা কোনো গোয়েন্দা নন, আবার আধ্যাত্মিক ধর্মপ্রচারকও নন। তাঁরা কেবল তাঁদের অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলেই তা যথেষ্ট। তবে সাংবাদিকতা পেশার সবসময়ই একটি অনুসন্ধানী দিকের পাশাপাশি একটি নৈতিক দিকও বিদ্যমান থাকে। সাংবাদিকরা গোয়েন্দা নন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের কাজের মধ্য দিয়ে তাঁরা অনুসন্ধানের একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড বজায় রাখতে পারেন। তাঁরা গোয়েন্দা বাহিনীর কেউ নন, কিন্তু তাঁরা এমন সব তথ্য সরবরাহ করতে পারেন যা গোয়েন্দারাও কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হন। সাংবাদিকরা আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শকও নন, কিন্তু পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে তাঁরা এমন কিছু উপলক্ষ এবং সূত্র উপহার দিতে পারেন যা পাঠকদের আত্মিক খোরাক জোগাতেও কিছুটা সাহায্য করে। আসুন আমরা সবাই অত্যন্ত বিজ্ঞতার সাথে উপদেশমূলক সাংবাদিকতা থেকে দূরে থাকি; তবে ভালো সাংবাদিকরা অন্তত নিজের এবং তাঁদের পাঠকদের আত্মাকে বিষাক্ত করা থেকে বিরত থাকতে পারেন। ** '''''মার্কো রেসপিন্তি''''', [https://bitterwinter.org/a-universal-declaration-on-combating-and-preventing-forced-organ-harvesting/ "চীনের মানব ফসল এবং অবৈধ অঙ্গ বাণিজ্য: প্রকাশ করো নতুবা ধ্বংস হও?"], '''''বিটার উইন্টার'''''। * একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সাংবাদিকতা শেখানো কতটা ভয়ানক ও অদ্ভুত বিষয়! আমি ভেবেছিলাম এটি কেবল অক্সফোর্ডেই করা হয়। নিচ ও নোংরা জনমানুষের প্রতি এই অতি-সম্মান প্রদর্শন আসলে আমাদের সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', লুসি মার্টিন ডনেলিকে লেখা একটি চিঠিতে (৬ জুলাই ১৯০২)। == S == * তবে আমি এমনভাবে এর প্রতিবেদন পেশ করব—<br>যেখানে সিনেটররা তাঁদের হাসির সাথে চোখের জলের মিশ্রণ ঘটাবেন। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:কোরিওলেনাস|কোরিওলেনাস]]''''' (আনু. ১৬০৭-০৮), প্রথম অংক, নবম দৃশ্য, লাইন ২। * যারা অতৃপ্ত বা সত্য সম্পর্কে অবগত নয়,<br>তাদের কাছে আমাকে এবং আমার উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করো। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]''''' (১৬০০-০২), পঞ্চম অংক, দ্বিতীয় দৃশ্য, লাইন ৩৫০। * আমার কাছে আর কোনো প্রতিবেদন নিয়ে এসো না। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]''''' (১৬০৫), পঞ্চম অংক, তৃতীয় দৃশ্য, লাইন ১। * আমার মনে হয় না যে পরিস্থিতি এর আগে কখনো বর্তমানের মতো এত বেশি ভয়াবহ ছিল। কারণ এখন দেখে মনে হচ্ছে যে প্রতিটি সাংবাদিকই আসলে কোনো না কোনো হুমকির মুখে রয়েছেন। ** '''''নাজিব শরিফি''''', আফগান সাংবাদিক নিরাপত্তা কমিটির প্রধান, '''''ডিডব্লিউ''''' (DW) এর সাথে একটি সাক্ষাৎকারে; [https://www.dw.com/en/2020-dozens-of-journalists-killed-in-targeted-attacks/a-56078207 "২০২০: লক্ষ্যবস্তু করে চালানো হামলায় কয়েক ডজন সাংবাদিক নিহত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে প্রকাশিত। * আমি আজও বিশ্বাস করি যে, আপনার লক্ষ্য যদি হয় এই পৃথিবীকে বদলে দেওয়া, তবে সাংবাদিকতা হলো তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি তাৎক্ষণিক এবং কার্যকর একটি স্বল্পমেয়াদী অস্ত্র। ** '''''[[:w:টম স্টপার্ড|টম স্টপার্ড]]''''', '''''টম স্টপার্ড ইন কনভারসেশন''''' (১৯৯৪), পল ডেলানি সম্পাদিত, ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান প্রেস, পৃ. ১৯৬। * আমি কোনো সংবাদের বা গল্পের অংশ হয়ে উঠতে চাই না। আমি বরং একজন নামহীন, শান্ত ও নিভৃতচারী দর্শক হয়ে থাকতে চাই। যে আসলে পৃথিবীতে কী ঘটছে তা বোঝার চেষ্টা করে (যা মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়) এবং পরবর্তীতে অন্য মানুষের কাছে সেই সত্যটি বর্ণনা করে। ঘটনার কেন্দ্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে থাকাটা আমার একদমই পছন্দ নয়। ** '''''[[:w:জন সিম্পসন|জন সিম্পসন]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''বিবিসি নরফোক''''', (১২ অক্টোবর ২০০৭)। [[File:William Thomas Stead.jpg|thumb|সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ। এটি যদি গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বর নাও হয়, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক দৃশ্যমান ভাষা। এটি আসলে পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ।<br>~'''''[[:w:উইলিয়াম থমাস স্টিড|উইলিয়াম থমাস স্টিড]]''''' ]] * সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ তথা একটি দেহের মতো। এটি যদি গণতন্ত্রের প্রকৃত কণ্ঠস্বর নাও হয়ে থাকে, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক অনন্য ও দৃশ্যমান ভাষা। সহজ কথায়, এটি পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ। ** '''''উইলিয়াম থমাস স্টিড''''' (মে ১৮৮৬), "গভর্নমেন্ট বাই জার্নালিজম", ''কন্টেম্পোরারি রিভিউ''। * সাংবাদিকতা (একটি সংজ্ঞা দেওয়া যাক): জীবনকে একগুচ্ছ গতানুগতিক ক্লিশে বা ধরাবাঁধা চেনা ছাঁচের ধারাবাহিকতা হিসেবে উপস্থাপন করার একটি শিল্প কিংবা বিজ্ঞান। ** '''''রিচার্ড সামারবেল''''', '''''অ্যাবনরমালি হ্যাপি''''' (১৯৮৫), নিউ স্টার বুকস, পৃ. ৩০, ISBN 091957341X। == T == * সংবাদপত্র পড়ার নেশা থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেতে চাইলে, একটি বছর ব্যয় করুন গত সপ্তাহের পুরোনো সংবাদপত্রগুলো পড়ার পেছনে! (যেন সত্য এবং মিথ্যার মাঝে তৌফাতটা ধরতে পারা যায়!) ** '''''নাসিম এন. তালেব''''', '''''দ্য বেড অফ প্রোক্রাস্টাস: ফিলোসফিক্যাল অ্যান্ড প্র্যাকটিক্যাল অ্যাফোরিজমস''''' (২০১০), পৃ. ২১। * আমি সবসময়ই উন্নতমানের ও শৈল্পিক লিখনশৈলীর মানদণ্ড বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। এই সাংবাদিকতা পেশার ভেতরেও শিল্প লুকিয়ে আছে। এমনকি এখানে অত্যন্ত মহান শিল্প সৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনাও বিদ্যমান। ** '''''[[:w:গে টালিস|গে টালিস]]''''' (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬); রিপোর্ট করেছেন রেবেকা ক্যাথকার্ট: '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি। * একজন সংবাদ প্রতিবেদকের প্রকৃত শিল্প চাতুর্য হলো কোনো শিকারকে কীভাবে আশ্বস্ত করে শান্ত করতে হয় তা আয়ত্ত করা। কারণ সমস্ত দক্ষ প্রতিবেদকই আসলে তাঁদের প্রাথমিক সত্তায় একেকজন অত্যন্ত ধুরন্ধর প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ট্রিকস্টার'। ** '''''ডেরেক টাঙ্গি''''', ব্রিটিশ লেখক, '''''দ্য ওয়ে টু মাইনাক''''' (১৯৬৮), সপ্তম অধ্যায়। * আমি মোটেও বিশ্বাস করি না যে সাংবাদিকতা একটি মৃতপ্রায় শিল্প। বরং আমি মনে করি, এটি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ; এবং বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকরা আমাদের কর্মপদ্ধতির সাথে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছেন, যার মূল লক্ষ্য হলো সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ করা। সাংবাদিকের ভূমিকা অপরিহার্য, এবং সংবাদকর্মীরা মাঝে মাঝে জনরোষের শিকার বা নিন্দিত হলেও, তাঁরা যখন নিষ্ঠার সাথে সত্য অন্বেষণ করেন এবং ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনেন, তখন তাঁরা আজও অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদায় ভূষিত হন। আমার প্রত্যাশা এই যে, ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত মূলনীতিগুলো মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে, দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সচল রাখতে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনবদ্য ভূমিকা পালন করছেন। ** '''''হেলেন থমাস''''', '''''ওয়াচডগস অফ ডেমোক্রেসি?''''' (২০০৬), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ভূমিকা অংশ, ISBN 0743267818। * বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিয়ে এই হলো আমার বক্তব্য। আমার কোনো নামলিপির নিচে বা আমার চেনা অন্য কারোর লেখার মাঝেও এটি খুঁজে পাওয়ার বৃথা চেষ্টা করে লাভ নেই। খেলার স্কোরকার্ড, ঘোড়দৌড়ের ফলাফল কিংবা শেয়ার বাজারের তালিকার মতো গুটিকতক ব্যতিক্রম ছাড়া এই পৃথিবীতে 'বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা' বলে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই। এই শব্দগুচ্ছটি নিজেই নিজের অর্থের মধ্যে এক উদ্ধত ও হাস্যকর বৈপরীত্য ছাড়া আর কিছুই নয়। ** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং: অন দ্য ক্যাম্পেইন ট্রেইল '৭২''''' (২২ এপ্রিল ১৯৮৫), পৃ. ৪৮, ISBN 0446313645। * "সংবাদপত্র যদি কেবল এইটুকুই দেওয়ার ক্ষমতা রাখে, তবে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার কী? অ্যাগনিউ ঠিকই বলেছিলেন। সংবাদমাধ্যম হলো একদল নিষ্ঠুর ও বিকৃত মানুষের আস্তানা। সাংবাদিকতা কোনো পেশা বা সাধারণ ব্যবসা নয়। এটি হলো ব্যর্থ আর অযোগ্যদের ভিড় জমানোর এক সস্তা আশ্রয়স্থল। জীবনের পেছনের দরজার দিকে যাওয়ার জন্য এটি একটি মিথ্যে প্রবেশপথ। এটি বিল্ডিং পুলিশ ইন্সপেক্টর কর্তৃক পরিত্যক্ত এক নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত গর্ত, যা কেবল কোনো মদ্যপ-ভবঘুরে ব্যক্তির ফুটপাত থেকে গুটিয়ে শুয়ে থাকার জন্য কিংবা চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দি কোনো শিম্পাঞ্জির মতো কুরুচিপূর্ণ আচরণের উপযুক্ত স্থান হিসেবে যথেষ্ট গভীর।" ** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং ইন লাস ভেগাস''''' (১৯৭১), পৃ. ২০০। == U == * প্রত্যেকে ব্যক্তিরই স্বাধীনভাবে নিজস্ব মত পোষণ এবং তা প্রকাশের অধিকার রয়েছে। এই অধিকারের মধ্যে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বীয় মতামতে অটল থাকা এবং যেকোনো সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে এবং ভৌগোলিক সীমানা নির্বিশেষে তথ্য ও ধারণা অনুসন্ধান করা, গ্রহণ করা এবং তা প্রচার করার স্বাধীনতা অন্তর্ভুক্ত। ** '''''[[:w:জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]''''', '''''মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা''''', [[w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘ]], প্যালে ডি শাইলট, প্যারিস (১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮), ধারা ১৯। [http://www.un.org/Overview/rights.html মূল পাঠ্য] == V == [[File:Superman-facebook.svg|thumb|সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র সত্তা যা আমাদেরকে সুরক্ষা প্রদান করতে পারে। ঐতিহাসিকভাবেই এমন কিছু আপসহীন ও প্রতিবাদী সাংবাদিক ছিলেন যারা পরিণতির পরোয়া না করে সত্যের পথে লড়াই করতেন। কিন্তু সেই ধারা এখন 'অ্যাডভোকেসি জার্নালিস্ট' বা ওকালতি সাংবাদিকতায় রূপ নিয়েছে, যাদের নির্দিষ্ট বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। এর কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই। একজন সাংবাদিকের একমাত্র উপাসনার বিষয় হওয়া উচিত ধ্রুব সত্য।<br>~'''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''' ]] * সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র মাধ্যম যা আমাদের ঢাল হয়ে রক্ষা করে। অতীতে এমন অনেক আপসহীন ও লড়াকু সাংবাদিকের ইতিহাস ছিল যারা পরিণতির পরোয়া না করেই সত্য প্রকাশে অবিচল থাকতেন। কিন্তু সেই জায়গাটি এখন দখল করে নিয়েছে এক ধরনের 'ওকালতি সাংবাদিকতা'! যেখানে সংবাদকর্মীরা বাম কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট। এটি মোটেও যুক্তিযুক্ত নয়। একজন সাংবাদিকের উপাসনার যোগ্য একমাত্র ঈশ্বর হওয়া উচিত পরম সত্য। ** '''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''', ডুয়েন সোয়ারসিনস্কির নেওয়া সাক্ষাৎকার, ''ফিলডেলফিয়া সিটি পেপার'', (৭ জুলাই ২০০৫)। == W == [[File:Oscar Wilde by Napoleon Sarony. Three-quarter-length photograph, seated.jpg|thumb|সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার যোগ্য। সাংবাদিকতা এই দুর্বলতা সম্পর্কে অনেক সচেতন এবং ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে তারা ঠিক সেই চাহিদাগুলোই মিটিয়ে থাকে।<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''' ]] * আমার একটি লক্ষ্য ছিল 'দ্য ''৬০ মিনিটস''' এর জন্য কাজ করা এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা, যেকোনো বিষয়ের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করা এবং প্রচারের জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া। সহজ কথায়, সাংবাদিকতায় এর সমতুল্য কোনো দ্বিতীয় কাজ আর নেই। শুরুতে এটি ছিল কেবল একটি স্বপ্ন। এখন ৮৪ বছর বয়সে এসেও আমি এমন সব মানুষের সাথে কাজ করছি যারা আমার অর্ধেক বয়সের বা তারও কম। আর এর মূল কারণ হলো সংবাদের প্রতি এক অমোঘ আকর্ষণ। যদি কোথাও কোনো ভালো সংবাদ বা গল্পের সুযোগ থাকে, তবে সেখানে উপস্থিত না হওয়ার কোনো কারণ আমি দেখি না। ** '''''মাইক ওয়ালেস''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৮ জুন ২০০২)। * [[w:সংবাদ|সংবাদ]] হলো এমন কিছু যা সেই ব্যক্তিটি পড়তে চায় যে আসলে কোনো কিছু নিয়েই খুব একটা মাথা ঘামায় না। আর এটি ততক্ষণই সংবাদ হিসেবে টিকে থাকে যতক্ষণ না সে এটি পড়ছে। একবার পড়া হয়ে গেলে এটি স্রেফ একটি মৃত বিষয়ে পরিণত হয়। ** '''''ইভলিন ওয়াহ''''' (১৯৩৮), ''স্কুপ'', প্রথম খণ্ড, ৫ম অধ্যায়; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৭, ISBN 0226122018। * এটি একটি ধ্রুব সত্য যে, কোনো অভিযোগের বিপরীতে দেওয়া খণ্ডন বা প্রতিবাদ কখনোই মূল অভিযোগের গতির সাথে পাল্লা দিয়ে উঠতে পারে না। যেসব সৎ সাংবাদিক ব্যক্তি হয়তো ভুলবশত কোনো মিথ্যা তথ্য ছাপিয়ে ফেলতে পারেন, তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন যে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত কোনো প্রতিবাদলিপি বা সংশোধনীও মূল প্রতিবেদনের মাধ্যমে হওয়া ক্ষতির ক্ষত কখনোই পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে না। ** '''''টম উইকার''''', [http://www.nytimes.com/1989/06/09/opinion/in-the-nation-lesson-of-lattimore.html "ইন দ্য নেশন; লেসন অফ ল্যাটিমোর"], '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]''''', (৯ জুন ১৯৮৯)। * সেটি ছিল এক মারাত্মক ও অভিশপ্ত দিন যখন সাধারণ মানুষ প্রথম আবিষ্কার করল যে, কলম আসলে ফুটপাতের ইটের চেয়েও ভয়ংকর রকম্ন শক্তিশালী এবং একে অনায়াসেই ইটের টুকরোর মতো আক্রমণাত্মক করে তোলা সম্ভব! | এই সত্য জানার পরপরই তারা একজন সাংবাদিকের খোঁজ করল, তাকে খুঁজে বের করল, তাকে নিজেদের প্রয়োজনের তাগিদে তথা 'আপনা-সুবিধা' বাস্তবায়নের জন্য গড়ে তুলল এবং শেষ পর্যন্ত তাকে নিজেদের এক পরিশ্রমী ও উচ্চ বেতনের ভৃত্যে পরিণত করল। এটি উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। যুদ্ধের ব্যারিকেডের পেছনে হয়তো মহত্ত্ব আর বীরত্বের অনেক কিছু থাকতে পারে। কিন্তু সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বা প্রধান নিবন্ধগুলোর পেছনে কুসংস্কার, মূর্খতা, ভণ্ডামি আর নিরর্থক প্রলাপ ছাড়া আর কী-ই বা আছে? আর যখন এই চারটি বিষয় একত্রিত হয়, তখন তারা এক ভয়াবহ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং এক নতুন ও একনায়কতান্ত্রিক কর্তৃত্বের সৃষ্টি করে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * প্রাচীনকালে মানুষের ওপর নির্যাতন করার জন্য 'র‍্যাক' (The Rack) নামক যন্ত্র ছিল, আর এখন তাদের হাতে আছে সংবাদমাধ্যম বা প্রেস। এটি নিশ্চিতভাবেই একটি উন্নতি বলা যায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি অত্যন্ত মন্দ, ভুল এবং নৈতিকভাবে অবক্ষয় সৃষ্টিকারী। কেউ একজন—তিনি কি বার্ক ছিলেন? সাংবাদিকতাকে 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেট বলে অভিহিত করেছিলেন। সেই সময়ে সেটি নিঃসন্দেহে সত্য ছিল। কিন্তু বর্তমান মুহূর্তে এটিই আসলে একমাত্র স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। কারণ এটি অন্য বাকি তিনটি স্তম্ভকেই গ্রাস করে ফেলেছে। লর্ডস টেম্পোরাল বা উচ্চকক্ষ এখন নিশ্চুপ, লর্ডস স্পিরিচুয়াল বা ধর্মীয় প্রতিনিধিদের বলার মতো কিছুই নেই এবং হাউজ অফ কমন্স বা নিম্নকক্ষের বলার মতো কিছু না থাকলেও তারা অনবরত কথা বলে যাচ্ছে। আমরা এখন পুরোপুরি সাংবাদিকতার আধিপত্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে শাসন চালায় অনন্তকাল ধরে! সৌভাগ্যবশত, ইতোমধ্যে আমেরিকায় 'সাংবাদিকতা' তার ক্ষমতাকে সবচেয়ে জঘন্য এবং পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে গেছে। যার স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে এটি মানুষের মাঝে এক বিদ্রোহের চেতনা সৃষ্টি করতে শুরু করেছে! মানুষ এখন তাদের স্বভাব অনুযায়ী এই সাংবাদিকতা দেখে হয় বিনোদিত হয়, না হয় চরম বিরক্ত হয়। কিন্তু এটি আগের মতো আর সেই প্রকৃত প্রভাবশালী শক্তিতে টিকে নেই। মানুষ একে এখন আর খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। অন্যদিকে [[w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডে]], সুপরিচিত গুটিকতক উদাহরণ ছাড়া সাংবাদিকতাকে যেহেতু এমন পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে যাওয়া হয়নি, তাই এটি এখনও একটি বিশাল বড় প্রভাবক এবং এক উল্লেখযোগ্য শক্তি হিসেবে টিকে আছে। মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের ওপর এটি যে ধরণের স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েম করতে চায়, তা আমার কাছে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও বিস্ময়কর বলে মনে হয়। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আমরা এখানে সাংবাদিককে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা দিয়েছি, অথচ শিল্পীর পথকে করেছি সম্পূর্ণ কণ্টকাকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ। ইংরেজ জনমত মূলত সেই মানুষটিকেই বাধাগ্রস্ত করতে, অবদমিত করতে এবং তাঁর যাত্রাপথকে বিকৃত করতে চায়, যিনি প্রকৃতপক্ষে সুন্দর কিছু সৃষ্টি করেন। অন্যদিকে এটিই আবার সাংবাদিককে বাধ্য করে কুৎসিত, জঘন্য কিংবা বাস্তবিকভাবেই চরম ঘৃণ্য বিষয়গুলো পরিবেশন করতে। আর এর ফলস্বরূপ আমরা একই সাথে বিশ্বের সবচেয়ে গম্ভীর সাংবাদিকতা এবং সবচেয়ে কুরুচিপূর্ণ সংবাদপত্রের অধিকারী হয়েছি। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * প্রকৃত সত্য এই যে, সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক প্রচণ্ড ও অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার মতো কোনো যোগ্যতাই রাখে না। সাংবাদিকতা মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণ সচেতন এবং এক ধরণের খাঁটি ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে, তারা নিছক মুনাফার দায়ে মানুষের সেই কুরুচিপূর্ণ চাহিদাগুলোই পূরণ করে থাকে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আধুনিক সাংবাদিকতার পক্ষে বলার মতো আসলে অনেক কিছু আছে। অল্পশিক্ষিত বা মূর্খদের মতামত আমাদের সামনে উপস্থাপনের মাধ্যমে এটি আমাদের সমাজের সামগ্রিক অজ্ঞতার সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখে। সমসাময়িক জীবনের দৈনন্দিন ঘটনাবলী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ধারাবাহিকভাবে লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে এটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, আদতে এই সব ঘটনার গুরুত্ব কতই না নগণ্য। আর সবসময় অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে, সংস্কৃতির জন্য ঠিক কোন বিষয়গুলো অপরিহার্য এবং কোনগুলো একেবারেই অকেজো। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট''''' (১৮৯১), দ্বিতীয় খণ্ড। * আর্নেস্ট: কিন্তু সাহিত্য এবং সাংবাদিকতার মধ্যে প্রকৃত পার্থক্যটি ঠিক কোথায়? গিলবার্ট: পার্থক্য শুধু এইটুকু যে সাংবাদিকতা হলো পাঠের অযোগ্য বিষয়, আর সাহিত্য কেউ সচরাচর পাঠ করে না। সাধারণত, এর বাইরে আর কোনো তফাৎ নেই। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত। * আধুনিক সাংবাদিকতার কথা যদি বলেন, তবে এর স্বপক্ষে সাফাই গাওয়া বা একে রক্ষা করা আমার কাজ নয়। এটি ডারউইনের সেই বিবর্তনবাদ তত্ত্ব তথা 'যোগ্যতমের টিকে থাকার লড়াই'—এর পরিবর্তে 'নিকৃষ্টতমের টিকে থাকা' বা সার্ভাইভাল অফ দ্য ভালগারেস্টের মহান মূলনীতির মাধ্যমেই নিজের অস্তিত্বের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত। * ''ঘুস দিয়ে যদি সাংবাদিককে বশে আনতে চান,<br>তবে আপনাকে নিন্দাবাদ<br />কিংবা নিজ স্বার্থের জন্য যদি বাঁকিয়ে ফেলতেও যান,<br>আপনাকে মুর্দাবাদ,<br />তাই গাহি স্রষ্টার গান!<br>-জনৈক ব্রিটিশ সাংবাদিক<br /><br>তবে, কোনো প্রকার ঘুস ছাড়াই সেই মানুষটি যা যা করতে সক্ষম—<br />তা দেখার পর, তাঁকে ঘুস দেওয়া ছাড়া আর কোন প্রয়োজনটিই অক্ষম!'' ** '''''হাম্বার্ট উলফ''''', "ওভার দ্য ফায়ার", ''দ্য আনসেলেস্টিয়াল সিটি'' (১৯৩০), ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। * যদি [[:w:মঙ্গল গ্রহ|মঙ্গল গ্রহ]] থেকে কেউ আমেরিকায় আসে এবং সেখানে কয়েক মাস বা কয়েক বছর ঘুরে বেড়ানোর পর আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, সেখানে কাদের কাজ বা পেশা সবচেয়ে চমৎকার; তবে সে নিশ্চিতভাবেই সাংবাদিকদের কথা বলবে। কারণ সাংবাদিকরা মানুষের জীবনের সেই মুহূর্তগুলোতে প্রবেশ করার সুযোগ পান যখন সেই জীবনগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রোমাঞ্চকর থাকে, আর ঠিক যখনই আকর্ষণ ফুরিয়ে যায়, তখনই তাঁরা সেখান থেকে নির্বিঘ্নে বেরিয়ে আসতে পারেন। ** '''''[[:w:বব উডওয়ার্ড|বব উডওয়ার্ড]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (১ মে ২০০৩)। == Y == * আমি সাংবাদিকদের মনে প্রাণে খুব-ই ঘৃণা করি! তাদের ভেতরটা বিদ্রূপাত্মক এবং উপহাসপূর্ণ শূন্যতা ছাড়া আর কিছুই নয়, জাস্ট কিছুই নয়!.. এই পৃথিবীর পৃষ্ঠে তারা হলো সবচেয়ে নিচু প্রকৃতির আর অন্তঃসারশূন্য একদল বুনো মানুষ! ** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ক্যাথরিন টাইন্যানকে লেখা চিঠি (৩০ আগস্ট ১৮৮৮)। * ''একজন রাষ্ট্রনায়ক বেশ সহজ-সরল ভাবুক,<br />কিন্তু তিনি তো টিয়ে পাখির মতো অনর্গল যন্ত্রতুল্য মিথ্যুক!<br />তবে একজন সাংবাদিক খুব আরামসে ধরতে পারেন আপনার মিথ্যের খুঁটি ,<br />এবং এরপর সেই মিথ্যের জোরেই চেপে ধরেন আপনার টুঁটি।'' ** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ''দ্য ওল্ড স্টোন ক্রস'', ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''। * বর্তমান সময়ের সাংবাদিকতা, বড় বড় শহরগুলোর সংবাদপত্রগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কের কথা বিবেচনা করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদেরকে বেশ ভদ্রোচিত এবং মার্জিত বলে মনে হয়। কিন্তু সেই দিনগুলোতে নিউ ইয়র্কের দৈনিক পত্রিকাগুলো একে অপরের কর্মকাণ্ড এবং উদ্দেশ্যকে প্রকাশ্যে এমন ঘৃণাভরে আক্রমণ করত, যা সচরাচর পরম সৎ নাগরিকরা ঘোড়া-চোর কিংবা ডাকাতদের প্রতি প্রকাশ করে থাকেন। 'দ্য সানের' ডানা এবং 'দ্য ওয়ার্ল্ডের' পুলিৎজারের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব সে সময় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। এমনকি 'ওয়ার্ল্ড' এবং 'হেরাল্ড' পত্রিকা দুটিও প্রায়ই একে অপরের ওপর নেকড়ের মতো ক্ষিপ্ত হয়ে গর্জন করত। ** '''''আর্ট ইয়ং: হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস''''' (১৯৩৯)। ===''হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস''=== :<small>'''''[[s:en:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]''''' (১৯২২), পৃ. ৪০৭-০৮ থেকে প্রতিবেদনকৃত উদ্ধৃতিসমূহ।</small> * আমি তাঁদের মঙ্গলের জন্য অত্যন্ত আন্তরিকভাবে এই পরামর্শ দেব—যেন তাঁরা এই সংবাদপত্রটি নিয়মিত সংগ্রহ করার আদেশ দেন এবং একে তাঁদের প্রতিদিনের বৈকালিক আপ্যায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য করেন। ** [[জোসেফ অ্যাডিসন|'''''জোসেফ অ্যাডিসন''''',]] ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ১০। * তারা আমাদের কাগজ তৈরির শিল্পের একটি বিশাল অংশ ভোগ করে, মুদ্রণ কাজে আমাদের কারিগরদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে এবং অগণিত দরিদ্র ও অভাবী মানুষের জন্য জীবিকা নির্বাহের পথ প্রশস্ত করে দেয়। ** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ৩৬৭। * বিজ্ঞাপন সাধারণ বা নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি মাধ্যম। প্রথমত, এটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। একজন মানুষ যিনি কোনোভাবেই সরকারি গেজেটে স্থান পাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ নন, তিনি খুব সহজেই বিজ্ঞাপনের পাতায় নিজেকে ঢুকিয়ে দিতে পারেন। যার ফলে আমরা প্রায়ই দেখি একই সংবাদপত্রে একজন সাধারণ ওষুধ বিক্রেতা বা কবিরাজ একজন পূর্ণ ক্ষমতাপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের পাশে স্থান পেয়েছেন, কিংবা একজন সাধারণ বার্তাবাহক কোনো উচ্চপদস্থ দূতের সাথে একই সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন। ** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪। * বিজ্ঞাপন লেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কৌশল বা শিল্প হলো পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সঠিক পদ্ধতিটি খুঁজে বের করা। কারণ এই কৌশল ছাড়া একটি অত্যন্ত চমৎকার বস্তুও হয়তো অলক্ষিতও থেকে যেতে পারে, কিংবা দেউলিয়া হওয়ার সংবাদের ভিড়ে কোথাও হারিয়ে যেতে পারে। ** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪। * জিজ্ঞেস করছেন কীভাবে জীবন ধারণ করবেন? লিখুন, লিখুন, যা খুশি তা-ই লিখুন;<br>এই পৃথিবীটা এক চমৎকার বিশ্বাসপ্রবণ জগত, তাই স্রেফ সংবাদ লিখে যান। ** '''''বিউমন্ট এবং ফ্লেচার''''', ''উইট উইদাউট মানি'', দ্বিতীয় অংক। * [বিরোধী সংবাদমাধ্যম] মূলত এমন সব অসন্তুষ্ট ও ঈর্ষাপরায়ণ ব্যক্তিদের হাতে ন্যস্ত থাকে, যারা নিজেদের কর্মজীবনে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ** '''''[[:w:অটো ফন বিসমার্ক|অটো ফন বিসমার্ক]]''''', রুজেনের একটি প্রতিনিধি দলের নিকট রাজার উদ্দেশে (১০ নভেম্বর ১৮৬২)। * ''শোনো ওহে কেকের দেশ, আর স্কটল্যান্ডের ভাইয়েরা,<br>মেইডেনকার্ক থেকে জনি গ্রোটস—স্কল প্রান্তের মানুষেরা;<br>যদি তোমাদের পোশাকে কোনো তালি থাকে,<br>তবে সতর্ক করছি, তোমাদের সত্তা যেন সাবধানে থাকে।<br>তোমাদের মাঝে এমন এক আপদ বিদ্যমান, যে তুমাদের মাঝে কান পাতছে<br>এবং বিশ্বাস করো, সে নির্ঘাত তা সংবাদে ছাপিয়ে দিতে যাচ্ছে!'' ** '''''[[:w:রবার্ট বার্নস|রবার্ট বার্নস]]''''', ''অন ক্যাপটেন গ্রোস'স পেরেগ্রিনেশনস থ্রু স্কটল্যান্ড, রূপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)।'' * ''সম্পাদক তাঁর নিরব আলয়ে পড়ছে ঢুলে ঢুলে, অসম চিন্তার ভাঁজ তার কপালে,<br>মন তাঁর নিমগ্ন ব্যবসার অতলসম তলে, আর পা জোড়া তোলা চেয়ারের হাতলে,<br>এক হাত চেয়ারে ঠেকানো আর ডান হাত মাথায়টায়,<br>ধুলোমাখা মলিন টেবিলে তাঁর চোখ জোড়া ঠেকানো আর নথির পাহাড় ছড়িয়ে সেথায়!'' ** '''''উইল কার্লটন''''', ''ফার্ম ব্যালাডস'', ''দ্য এডিটর'স গেস্টস, রূপান্তরঃ '''মাহমুদ''''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। * এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে; কিন্তু ওই দূরে প্রতিবেদকদের গ্যালারিতে এমন এক 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''হিরোস অ্যান্ড হিরো-ওয়ারশিপ''''', বক্তৃতা ৫। বার্ককে এই শব্দটি উদ্ভাবনের কৃতিত্ব দেওয়া হলেও তাঁর প্রকাশিত কোনো রচনায় এর উল্লেখ পাওয়া যায় না। 'রাজ্যের তিনটি স্তম্ভ' হলো '''Lords Spiritual''' বা ধর্মীয় প্রতিনিধি, '''Lords Temporal''' উচ্চকক্ষ এবং '''Commons''' (নিম্নকক্ষ)। ডেভিড লিন্ডসে ১৫৩৫ সালে তাঁর 'অ্যান প্লেজেন্ট স্যাটায়ার অফ দ্য থ্রি এস্টেটসে' এর বর্ণনা দিয়েছেন। রাবেলে তাঁর 'পান্তাগ্রুয়েলে'(৪-৪৮) একজন সন্ন্যাসী, একজন বাজপাখি শিকারি, একজন আইনজীবী এবং একজন কৃষককে দ্বীপের '''Les quatre estatz de l'isle''' বা 'চারটি স্তম্ভ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। * একটি পার্লামেন্ট বা সংসদ, যা কি না সাংবাদিকদের মাধ্যমে বানকম্বের জনগণের কাছে এবং সেই দুই কোটি সত্তর লক্ষ মানুষের কাছে কথা বলে, যাঁদের অধিকাংশকেই নির্বোধ হিসেবে গণ্য করা যায়। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''লেটার ডে প্যামফ্লেটস''''', সংখ্যা ৬: পার্লামেন্ট। * প্রথমে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সঠিকভাবে সংগ্রহ করুন, আর তারপর আপনি নিজের ইচ্ছেমতো সেগুলোকে যত খুশি বিকৃত করতে পারেন। ** '''''[[:w:মার্ক টোয়েন|মার্ক টোয়েন]]''''', কিপলিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকার; '''''ইন ফ্রম সি টু সি''''', পত্র ৩৭। * স্রেফ একটি সংবাদপত্র! যা দ্রুত পড়া হয় এবং দ্রুতই হারিয়ে যায়,<br>কে আর হিসাব রাখে সেই অমূল্য রত্নভাণ্ডারের, যা এটি বহন করে নিয়ে যায়?<br>ছিন্নভিন্ন হয়ে পায়ের তলায় পিষ্ট হওয়া সেই উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো মেধার মূল্যই বা ক’জন দেয়? ** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', স্তবক ৯। * নিজের প্রজন্মের সেবা করাই তোমার নিয়তি—<br>জলের ওপর যেমন নাম লিখলে তা মুছে যায়, ঠিক তেমনি তোমার নামও দ্রুতই মিলিয়ে যাবে।<br>কিন্তু যে ব্যক্তি মানবতাকে ভালোবাসেন, তিনি আদিতে ও অন্তে এমন এক মহান কর্ম সম্পাদন করেন যা খ্যাতির গণ্ডির চেয়েও অনেক বড়। ** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', অন্তিম স্তবক। * আমার মনে হয় কোথাও বলা হয়েছে যে—'দ্য টাইমস' এর একটি মাত্র সংখ্যায় থুসিডাইডিসের সমগ্র ঐতিহাসিক রচনার চেয়েও অনেক বেশি দরকারী ও কার্যকর তথ্য নিহিত থাকে। ** '''''রিচার্ড কবডেন''''', ম্যানচেস্টার অ্যাথেনিয়ামে প্রদত্ত ভাষণ (২৭ ডিসেম্বর ১৮৫০)। দেখুন: দ্য টাইমস, ৩০ ডিসেম্বর ১৮৩০, পৃ. ৭; মর্লির 'লাইফ অফ কবডেনে' উদ্ধৃত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪২৯। * যদি মৈত্রীর চেতনা সর্বত্র জয়ী হতো, তবে এই সংবাদমাধ্যম বা প্রেস নিশ্চিতভাবেই<br>সততা, সত্য এবং ভালোবাসার এক মহান বাহন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করত। ** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''চ্যারিটি'', লাইন ৬২৪। * কীভাবে আমি তোমার প্রশংসা করব, বা কিভাবে সম্বোধিত হবে সেই পরাক্রমী অনড়,<br>হে সংবাদমাধ্যম—তুমিই তো আমাদের এই পৌত্তলিক আরাধনার অধিশ্বর!<br>*    *    *    *    *<br>স্বর্গের সেই নিষিদ্ধ জ্ঞানবৃক্ষের সাথেই,<br>ভালো এবং মন্দের যাবতীয় জ্ঞান তো প্রেরিত হয় তোমার মাধ্যমেই! ** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''প্রোগ্রেস অফ এরর'', লাইন ৪৫২, ''বাংলায় কাব্যিক রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (১৩ এপ্রিল, ২০২৬)। * তিনি এসেছেন, এক অশান্ত মহাবিশ্বের বার্তাবাহক হয়ে—<br>কর্দমাক্ত বুট, কোমরবন্ধনীতে বাঁধা পোশাক আর জমে থাকা তুষারশুভ্র চুলের অবয়ব নিয়ে;<br>মহাবিশ্বের তাবৎ সংবাদ ঝুলছে তার পিঠে আকাশসম বোঝা হয়ে! ** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), চতুর্থ খণ্ড, লাইন ৫, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''। * যখনই কোনো মূল্যবান তথ্যের সন্ধান পাবেন, তখনই তা টুকে রাখুন। ** '''''[[:w:চার্লস ডিকেন্স|চার্লস ডিকেন্স]]''''', ''ডম্বি অ্যান্ড সান'', ১৫তম অধ্যায়। * বিবিধ বিষয়ের লেখকরাই প্রতিটি জাতির কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক হিসেবে সমাদৃত হন। কারণ তাঁরাই মূলত শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত সামাজিক স্তরের মধ্যে যোগাযোগের একটি সেতুবন্ধন তৈরি কর যান, যেন জন মানুষের এই দুটি বিশাল স্তর বা বিভাগের মাঝখানে তাঁরা এক শৈল্পিক সেতু নির্মাণ করে দিতে পারেন। ** '''''আইজ্যাক ডি'ইজরায়েলি''''', ''লিটারারি ক্যারেক্টার অফ মেন অফ জিনিয়াস'', বিবিধ লেখক বিভাগ। * আমাদের রাজনৈতিক লেখকদের কেউই... রাজা, লর্ডস এবং কমন্স, এই তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেটের বাইরে অন্য কিছুর দিকে নজর দেন না... তাঁরা অত্যন্ত সুকৌশলে সেই বিশাল ও প্রভাবশালী অংশটিকে এড়িয়ে যান যারা এই সমাজের প্রকৃত 'চতুর্থ স্তম্ভ' গঠন করে... আর সেই শক্তিটি হলো 'জনসাধারণ' বা গণমানুষের ভিড়। ** '''''[[:w:হেনরি ফিল্ডিং|হেনরি ফিল্ডিং]]''''', ''কোভেন্ট গার্ডেন জার্নাল'' (১৩ জুন ১৭৫২)। * যদি কেলেঙ্কারির অভাবের কারণে হয় মানসিক অবসাদ<br>আমাদের প্রিয় নারীদের ব্যথিত করে—তবে তাঁদের পড়তে দিন সংবাদ। ** '''''ডেভিড গ্যারিক''''', শেরিডানের 'স্কুল ফর স্ক্যান্ডাল' এর প্রস্তাবনা। * সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হলো একজন ইংরেজ নাগরিকের সমস্ত দেওয়ানি, রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় অধিকারের এক অপরাজেয় সুরক্ষাকবচ বা প্যালাডিয়াম। ** '''''[[:w:জুনিয়াস (লেখক)|জুনিয়াস]]''''', ''ডেডিকেশন টু লেটারস''। * একজন সংবাদ লেখকের সর্বোচ্চ দৌড় হলো রাজনীতির ওপর কিছু অন্তঃসারশূন্য যুক্তি প্রদান করা এবং সরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর ভিত্তিহীন ও বৃথা অনুমান করা। ** '''''জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়। * একজন সংবাদ লেখক রাতের বেলা অত্যন্ত প্রশান্তির সাথে এমন একটি সংবাদের ওপর ভরসা করে ঘুমোতে যান যা ভোরের আলো ফোটার আগেই দেখা যায় পচে নষ্ট হয়ে যায়! এবং ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথেই তিনি তা আবর্জনার মতো ছুঁড়ে ফেলে দিতে বাধ্য হন। ** '''''জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়। * '''প্রতিটি সংবাদপত্রের সম্পাদক শয়তানের কাছে তাঁর আনুগত্যের খাজনা দিতে বাধ্য!''' ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ফোঁতেন|জঁ দ্য লা ফোঁতেন]]''''', ''লেত্রে আ সিমোঁ দ্য ত্রোয়া'' (১৬৮৬)। * সংবাদপত্র সবসময়ই কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এক রাশ চরম হতাশার অনুভূতি ছাড়া কেউই সংবাদপত্র পাঠ শেষ করে তা সরিয়ে রাখতে পারেন না। ** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''', ''এসেস অফ এলিয়া'': 'ডিট্যাচড থটস অন বুকস অ্যান্ড রিডিং'। * দেখুন, এই বিশাল বিস্তৃত পৃথিবীটা প্রতি সপ্তাহে একটি বাদামী কাগজের (সংবাদ পত্র) মোড়কে বন্দি হয়ে আমার কাছে পাঠানো হয়। ** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''বিগলো পেপারস'', প্রথম সিরিজ, সংখ্যা ৬। * '''আমি এক লক্ষ বেয়োনেটের চেয়ে তিনটি সংবাদপত্রকে অনেক বেশি ভয় পাই।''' ** '''''[[:w:নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|প্রথম নেপোলিয়ন]]'''''। * ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসের তুলনায় [[w:নিউ_ইয়র্ক_শহর|নিউ ইয়র্কের]] এই সস্তা এক-পেনির সংবাদপত্রগুলোই এদেশ শাসনে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ** '''''ওয়েন্ডেল ফিলিপস'''''। * আমরা মূলত একদল মানুষ যারা কিছু প্রভাতী সংবাদপত্র দ্বারা চালিত একটি সরকারের শাসনাধীনে বসবাস করছি। ** '''''ওয়েন্ডেল ফিলিপস'''''। * সংবাদমাধ্যম হলো বাতাসের মতো অবারিত এবং এক সনদপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাচারী শক্তি। ** '''''উইলিয়াম পিট''''', লর্ড গ্রেনভিলকে উদ্দেশ্য করে (প্রায় ১৭৫৭ সালে)। * একদল অভিজাত ও সচ্ছল মানুষের ভিড়, যারা অত্যন্ত অনায়াসে এবং সাবলীলভাবে এতে লিখে যেতে পারেন। ** '''''অ্যালক্সান্ডার পোপ''''', ''এপিসেলস অফ হোরেস'', দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম পত্র, লাইন ১০৮। * বিষয়টি যেহেতু লিখিত আকারে আছে, সেহেতু এটিকে ধ্রুব সত্যই হতে হবে। ** '''''ফ্রঁসোয়া রাবলে''''', ''পান্তাগ্রুয়েল''। * এটা কি কোনোভাবে মেনে নেওয়া সম্ভব যে কোনো শিক্ষিত ব্যক্তি এক-পেনির এই সস্তা কাগজগুলো থেকে জানার মতো প্রয়োজনীয় কিছু শিখতে পারেন? হয়তো বলা হতে পারে যে মানুষ এর মাধ্যমে পার্লামেন্টে কী বলা হচ্ছে তা জেনে নিতে পারে। কিন্তু ভালো করে ভেবে দেখুন তো, সেটি কি তাঁদের প্রকৃত শিক্ষা বা জ্ঞানার্জনে বিন্দুমাত্র কোনো অবদান রাখতে পারছে? ** '''''লর্ড সলসবরি''''' (রবার্ট সেসিল), ভাষণ: দ্য হাউজ অফ কমন্স, ১৮৬১; 'কাগজ শুল্ক বিলোপ' সংক্রান্ত বিতর্কে। * সংবাদপত্র! মশাই, ওগুলো হলো পুরোপুরি চরম পাপিষ্ঠ, লাগামহীন, জঘন্য এবং নারকীয় বস্তুর সমষ্টি! যদিও আমি ওগুলো কখনোই পড়ি না এবং আমি ইতিমধ্যেই নিয়ম করে ফেলেছি যে আমি কখনোই কোনো সংবাদপত্রের দিকে চোখ তুলে তাকাব না। ** '''''রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান''''', ''দ্য ক্রিটিক'', প্রথম অংক, প্রথম দৃশ্য। * ''ব্যবসায়ী ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁর কর্মচঞ্চল দিনটির শুরু হয়েছে বলে করছেনা গণন,<br>যতক্ষণ না তাঁদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি সংবাদপত্রের ওপর দিয়ে করছেনা আলিঙ্গন!<br>তরুণী মেয়েটি তাঁর হাতের সেলাইয়ের কাজ সরিয়ে রাখে দূরে,<br>এবং সহপাঠিনীর বিয়ের খবর পড়ে আফসোস করে!<br>অন্যদিকে প্রবীন মা তাঁর চশমাটি চোখে এঁটে নেন,<br>এবং কোনো এক বন্ধুর বিদায়ের খবর পড়ে এক ফোঁটা অশ্রু বিসর্জন দেন।<br>এমনকি ধর্মপ্রচারকগ্ণও রবিবারের জন্য ধর্মীয় আলোচনার পাতাটি সরিয়ে রাখেন—<br>শহরের নব-উন্মাদনা চারিপাশ কোথাই মাতাচ্ছে তা জানার কৌতূহলে,<br>সে খবর আনন্দময় কিংবা বিষাদময় হোক, জীবনের তুচ্ছতম কিংবা [[মহত্ত্ব|মহত্ত্বের]] বেড়াজালে—<br>মোরগ লড়াই থেকে শুরু করে রাজায় রাজায় যুদ্ধের রণ-তালে-তালে!'' ** '''''স্প্রাগ''''', ''কিউরিওসিটি, বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' ''(২৩ এপ্রিল, ২০২৬) ।'' * ''এই সংবাদমাধ্যমই জনমানুষের অধিকারে অক্ষুণ্ণ,<br>যেন প্রতিপত্তির কাছে নতি স্বীকার না করে এবং লাভের মোহে না হয় ক্ষুণ্ণ;<br>এখানেই দেশপ্রেমিক তাঁর আদর্শের লিপিতে চিরনিবন্ধ,<br>ধর্ম, স্বাধীনতা এবং আইনের রক্ষক হিসেবে থাকবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'' ** '''''[[:w:জোসেফ স্টোরি|জোসেফ স্টোরি]]''''', ''সালেম রেজিস্টারের'' মূলমন্ত্র (১৮০২ সালে গৃহীত)। উইলিয়াম ডব্লিউ স্টোরি রচিত ''লাইফ অফ জোসেফ স্টোরি'', প্রথম খণ্ড, ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে বর্ণিত, ''রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ।''' * সম্পাদকের চেয়ারের কুশনে লুকিয়ে থাকা এক তীক্ষ্ণ কণ্টক। ** '''''[[:w:উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়|উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়]]''''', ''রাউন্ডঅবাউট পেপারস'': 'দ্য থর্ন ইন দ্য কুশন'। == আরোপিত বা অ্যাট্রিবিউটেড == * গণমাধ্যম নির্ভুলতা সংক্রান্ত নোলের নীতি: সংবাদপত্রে আপনি যা কিছু পড়েন তার প্রতিটি অক্ষরই ধ্রুব সত্য—কেবল সেই বিরল সংবাদটি ছাড়া যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার একান্ত ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যক্ষ জ্ঞান রয়েছে। ** '''''আরউইন নোল''''', সম্পাদক, ''দ্য প্রোগ্রেসিভ''। * আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য শাসন করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে রাজত্ব চালায় চিরকাল। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]'''''; লোইস আগস্ট জেনিস রচিত ''ভয়েজ টু ইনসাইট'' (২০০৩), পৃ. ৭০ এ উদ্ধৃত। * যখন একটি কুকুর কোনো মানুষকে কামড়ায়, সেটি কোনো সংবাদ নয়; কারণ এমন ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। কিন্তু যদি কোনো মানুষ একটি কুকুরকে কামড়ে দেয়, তবে সেটিই হলো প্রকৃত সংবাদ। ** '''''জন বি. বোগার্ট''''', 'নিউ ইয়র্ক সানের' সম্পাদক; ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনসে'' আরোপিত (১৬তম সংস্করণ, ১৯৯২), পৃ. ৫৫৪। আরও দেখুন: [[:w:ম্যান বাইটস ডগ|ম্যান বাইটস ডগ]]। * ঔপন্যাসিকদের বড় বড় 'মহৎ আইডিয়া' বা তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনা নিয়ে আমি খুব একটা মাথা ঘামাই না। উপন্যাস নিশ্চিতভাবেই চমৎকার বিষয়, তবে পড়ার ক্ষেত্রে আমি সংবাদপত্রকেই বেশি প্রাধান্য দিই। ** '''''উইল কাপি''''', স্ট্যানলি জে. কুনিটজ এবং হাওয়ার্ড হ্যাব্রাফট সম্পাদিত ''টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি অথরস'' (১৯৪২), নিউ ইয়র্ক: এইচ. ডব্লিউ. উইলসন কোম্পানি, পৃ. ৩৪২। * সাংবাদিকতা হলো ইতিহাসের প্রথম খসড়া। মূলত ভিন্ন একটি রূপে প্রথম প্রকাশিত হয়—“সংবাদ বা সংবাদমাধ্যম হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া”। এই আধুনিক রূপটি অন্তত ১৯৪০ এর দশক থেকে প্রচলিত এবং সম্ভবত ''ওয়াশিংটন পোস্টের'' সম্পাদকীয় লেখক '''''অ্যালান বার্থ''''' এটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। সেই সময়কার প্রকাশিত ''ওয়াশিংটন'' ''পোস্টের'' সম্পাদকীয় পাতায় এই ভাবনার প্রতিফলন একাধিকবার দেখা যায়, যার মধ্যে বার্থের প্রথম উদ্ধৃতিটি ১৯৪৩ সালের: '''"সংবাদ হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া মাত্র।"''' ::* '''''অ্যালান বার্থ''''', হ্যারল্ড এল. ইক্সেস রচিত ''দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ আ কারমাজিয়ন'' এর পর্যালোচনা, ''নিউ রিপাবলিক'' (১৯৪৩), ভলিউম ১০৮, পৃ. ৬৭৭ থেকে সংগৃহীত। :* ''ওয়াশিংটন পোস্টে'' এর পরবর্তী ব্যবহারগুলো হলো: :: সংবাদপত্র হলো আসলে ইতিহাসের প্রথম খসড়া, অথবা অন্তত তারা তেমন হওয়ার ভান করে থাকে! ::* নামবিহীন "সম্পাদকের টীকা", ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (১৬ অক্টোবর ১৯৪৪)। :* বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকেও একই ধরনের ভাবধারা পরিলক্ষিত হয়, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেঃ [http://www.barrypopik.com/index.php/new_york_city/entry/first_draft_of_history_journalism/ “ইতিহাসের প্রথম খাসড়া” (সাংবাদিকতা)], ২৩ নভেম্বর ২০০৯, ব্যারি পপিক। :: এটি অত্যন্ত সম্ভবপর যে, ৪১৩ অব্দ পর্যন্ত 'ইতিহাসের একটি প্রাথমিক ও অমসৃণ খসড়া' হয়তো ৪০৫ অব্দের আগেই থুসিডাইডিস কর্তৃক রূপরেখা আকারে প্রস্তুত করা হয়েছিল। ::* (এখানে “সংবাদ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং একটি নির্দিষ্ট পাঠ্যকে নির্দেশ করা হয়েছে) ১৯০২, '''''রিচার্ড ক্ল্যাভারহাউস জেব''''', [http://www.1902encyclopedia.com/T/THU/thucydides.html থুসিডাইডিস], এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১০ম সংস্করণ (১৯০২)। ২০১০ সালে শেফারের মন্তব্যে ব্যাবেট হোগান কর্তৃক উদ্ধৃত। :: সংবাদপত্রগুলো প্রতিদিন প্রভাতে 'ইতিহাসের একটি অমসৃণ খসড়া' তৈরি করে চলেছে। পরবর্তীতে ঐতিহাসিকগণ আসবেন, পুরোনো নথিপত্রগুলো হাতে নেবেন এবং সম্পাদক ও সংবাদদাতাদের সেই অপরিশোধিত অথচ আন্তরিক ও নির্ভুল বিবরণীগুলোকে প্রকৃত ইতিহাস ও কালোজয়ী সাহিত্যে রূপান্তরিত করবেন। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবশ্যই এই দৈনিক সংবাদপত্রের গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে। ::* (এখানে “প্রথম” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৫ ডিসেম্বর ১৯০৫, দ্য স্টেট, “[http://blog.readex.com/wp-content/uploads/2010/10/TP-State-News-Draft-Dec-5-1905.pdf সংবাদের শিক্ষামূলক মূল্য]”, পৃ. ৪, কলাম ৪, কলাম্বিয়া, সাউথ ক্যারোলাইনা। টনি পেত্তিনাতো কর্তৃক ৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখে উদ্ধৃত। 'কোট ইনভেস্টিগেটর' এর গারসন ও'টুল এটি জিনিয়লজি-ব্যাংক ডাটাবেস থেকে সংগ্রহ করেছেন। :: একজন প্রতিবেদক হলেন সেই তরুণ যুবক, যিনি প্রতিদিন একটি জরাজীর্ণ ও শব্দজব্দ টাইপরাইটারের ওপর 'ইতিহাসের প্রথম খসড়াটি' অত্যন্ত নিপুণভাবে অঙ্কন করেন। ::* (এখানে “অমসৃণ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৩ জুলাই ১৯১৪, লিঙ্কন (NE) ডেইলি স্টার, '''''জর্জ ফিচের''''' লেখা “দ্য রিপোর্টার”, পৃ. ৬, কলাম ৪। :* এই উক্তিটি সাধারণত ভুলভাবে '''''ফিলিপ এল. গ্রাহাম এর''''' নামে দায়ী করা হয়, যা তিনি ১৯৬৩ সালে লন্ডনে 'নিউজউইক' প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া একটি ভাষণে বলেছিলেন বলে মনে করা হয়: “[http://www.slate.com/id/2265540/pagenum/all এটি প্রথম কে বলেছিলেন? সাংবাদিকতা হলো 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া'।]”, '''''জ্যাক শেফার''''', ''স্লেট'' (৩০ আগস্ট ২০১০); ''পার্সোনাল হিস্ট্রি'' (১৯৯৭), '''''ক্যাথরিন গ্রাহাম'''''। :: সুতরাং, আসুন আমরা আমাদের সেই অনিবার্য এবং অসম্ভব কাজের পেছনে অবিরাম শ্রম দিয়ে যাই—যা হলো প্রতি সপ্তাহে 'ইতিহাসের এমন একটি প্রথম অমসৃণ খসড়া' সরবরাহ করা, যা আসলে কখনোই সম্পন্ন হবে না; কারণ এই জগতকে আমরা কখনোই পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারব না। :* যদিও এই ভাষণটি উক্তিটিকে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করেছিল, তবে এর আগেও গ্রাহাম নিজে এবং অন্য অনেকে (উপরে উল্লিখিত) একই ধরণের বক্তব্য প্রদান করেছিলেন: :: সংবাদমাধ্যমের এই অপরিহার্য ক্ষিপ্রতা বা তাড়াহুড়ো অনিবার্যভাবেই এক ধরণের অগভীরতাকে সঙ্গী করে আনে। পরম গভীরতা অর্জন করা না আমাদের ক্ষমতার মধ্যে আছে, আর না তা আমাদের অধিকারভুক্ত। আমরা বছরের ৩৬৫ দিন জুড়েই 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া' লিখে চলি, এবং এটি সত্যিই এক অত্যন্ত মহৎ ও বিশাল দায়িত্ব। ::* আমেরিকান সোসাইটি ফর পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে প্রদত্ত ভাষণ (৮ মার্চ ১৯৫৩); “[http://www.jstor.org/stable/972460 পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড দ্য প্রেস]” থেকে প্রকাশিত, ফিলিপ এল. গ্রাহাম, ''পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিভিউ'', ভলিউম ১৩, সংখ্যা ২ (বসন্ত, ১৯৫৩), পৃ. ৮৭-৮৮। :* এছাড়াও আরও নানা ধরণের ভুল আরোপ বা অ্যাট্রিবিউশন বিদ্যমান—'''''হেলেন থমাস''''' তাঁর স্মৃতিকথা 'ফার্স্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউসে' উক্তিটিকে ভুলবশত '''''বেন ব্র্যাডলির''''' নামে চালিয়ে দিয়েছেন। ** '''''হেলেন থমাস''''', ''ফ্রন্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস: মাই লাইফ অ্যান্ড টাইমস'' (২০০০), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃ. ৩৮৩, ISBN 0684845687। == আরও দেখুন == * [[w:গণমাধ্যম|বিকল্প ধারার গণমাধ্যম]] * [[:w:অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা|অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা]] * [[:w:সংবাদ|সংবাদ]] * [[:w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]] * [[:w:মূলধারার গণমাধ্যম|মূলধারার গণমাধ্যম]] * [[w:গণমাধ্যম_সংস্কৃতি|গণমাধ্যম সংস্কৃতি]] == বহিঃসংযোগ == {{similarlinks}} * [https://www.fourthestate.org/journalism-quotes/ ফোর্থ এস্টেটে সাংবাদিকতা বিষয়ক উল্লেখযোগ্য উদ্ধৃতিসমূহ] [[বিভাগ:সাংবাদিকতা| ]] [[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিকতা]] [[বিষয়শ্রেণী:গণমাধ্যম]] [[বিষয়শ্রেণী:পেশা]] [[বিষয়শ্রেণী:পেশা অনুযায়ী ব্যক্তি]] m1gwjq53dwyf50z7excb8kzdnksp0je 83514 83513 2026-05-08T05:49:40Z Oindrojalik Watch 4169 83514 wikitext text/x-wiki [[File:2 Fillettes vendant des journaux, Wilmington (Delaware), mai 1910.jpg|thumb|আমেরিকায় রাষ্ট্রপতি চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, আর সাংবাদিকতা শাসন করে অনন্তকাল ধরে!<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''']] '''[[w:সাংবাদিকতা|সাংবাদিকতা]]''' হলো সংবাদ সংগ্রহ, লিখন এবং সংবাদ পরিবেশনের একটি বিশেষ শাখা। বিস্তৃত অর্থে এটি সংবাদ নিবন্ধ সম্পাদনা ও উপস্থাপনার প্রক্রিয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করে। সাংবাদিকতা বিভিন্ন মাধ্যমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি কেবল [[w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]], [[w:সাময়িকী_(পত্রিকা)|সাময়িকী]], [[w:বেতার|রেডিও]] এবং [[w:টেলিভিশন|টেলিভিশনের]] মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদ প্রচারের দৌড়ে সবার আগে থাকার প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও, প্রতিটি সংবাদ সংস্থা নিজস্ব নির্ভুলতা, গুণমান এবং শৈলীর মানদণ্ড মেনে চলে। যেখানে সাধারণত প্রকাশের পূর্বে প্রতিবেদনগুলো [[:w:সম্পাদনা|সম্পাদনা]] বা প্রুফরিডিং করা হয়। অনেক সংবাদ সংস্থা সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার গৌরবময় ঐতিহ্য দাবি করে, যদিও সংবাদ মাধ্যম সমালোচকরা খোদ সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ''জার্নালিজম'' বা সাংবাদিকতা শব্দটি [[w:ফরাসি_ভাষা|ফরাসি ভাষার]] '''''journal''''' '''''বা''''' '''''জার্নাল''''' থেকে নেওয়া হয়েছে, যা কালক্রমে ল্যাটিন ''ডিউর্নাল'' বা দৈনিক শব্দ থেকে উদ্ভূত। [[w:প্রাচীন_রোম|প্রাচীন রোমের]] প্রধান জনচত্বর ফোরামে প্রতিদিন 'অ্যাক্টা ডিউর্না' নামক একটি হস্তলিখিত বুলেটিন টাঙিয়ে দেওয়া হতো, যা ছিল বিশ্বের প্রথম সংবাদপত্র। [[File:Amy Goodman — Keynote, National Conference for Media Reform 2013 (8626124929).jpg|thumb|যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।<br>~'''''অ্যামি গুডম্যান''''']] __NOTOC__ {{TOCalpha|''[[#হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস|হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · [[#আরোপিত|আরোপিত]]}} == A == [[File:Julian Assange in Ecuadorian Embassy cropped.jpg|thumb|আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও আক্রমণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি।<br>~'''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' ]] [[File:Great men and famous women - a series of pen and pencil sketches of the lives of more than 200 of the most prominent personages in history Volume 7 (1894) (14760162546).jpg|thumb|সাংবাদিকতা সত্যিই মহৎ। প্রতিটি দক্ষ ও সামর্থ্যবান সম্পাদক কি বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন, যেহেতু তিনি বিশ্ববাসীকে নিজের যুক্তি ও চিন্তায় প্ররোচিত ও প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখেন?<br>~'''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''' ]] *একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংবাদপত্রের অবাধ স্বাধীনতা অপরিহার্য ও মৌলিক একটি শর্ত। অতএব, এই কমনওয়েলথ বা জনসমষ্টির মধ্যে কোনোভাবেই সংবাদপত্রের সেই স্বাধীনতাকে খর্ব বা সংকুচিত করা উচিত নয়। **'''''ম্যাসাচুসেটস সংবিধান''''' (২৫ অক্টোবর, ১৭৮০ তারিখে গৃহীত; যা বিশ্বের প্রাচীনতম কার্যকর লিখিত সংবিধান) {{cite book|author='''''[[:w:জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:স্যামুয়েল অ্যাডামস|স্যামুয়েল অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:জেমস বাউডোইন|জেমস বাউডোইন]]'''''|title=[[:w:ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান]]|publisher=[[:w:ম্যাসাচুসেটস|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ]]|year=1780|pages= অনুচ্ছেদ XVI}}[http://en.wikisource.org/wiki/Constitution_of_the_Commonwealth_of_Massachusetts_%281780%29 মূল পাঠ্য] * বেনামে তথ্য ফাঁস করা একটি প্রাচীন শিল্পকলা এবং অনেক ওয়েবসাইটই এমন সব উৎস থেকে প্রাপ্ত নথিপত্র প্রকাশ করে থাকে যাদের তারা শনাক্ত করতে পারে না। উইকিলিকস যা করেছে তা হলো এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে পেশাদার রূপ দেওয়া। তারা তথ্য ফাঁস গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও মানসম্মত কার্যপ্রণালী তৈরি করেছে। ** '''''স্টিফেন আফটারগুড''''', '''FAS''' বা ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস প্রজেক্ট অন গভর্নমেন্ট সিক্রেসি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|first=পল |last=মার্কস |author= |url= |title=উচ্চপদে আসীন ব্যক্তিদের অপ্রস্তুত করার একটি অব্যর্থ উপায়: হুইসেল-ব্লোয়ার বা তথ্য ফাঁসকারীরা কোনো চিহ্ন না রেখেই সব বলে দিতে পারেন, সেইসব ওয়েবসাইটকে ধন্যবাদ যা তাদের পরিচয় গোপন রাখে |work= নিউ সায়েন্টিস্ট|publisher=রিড বিজনেস ইনফরমেশন |pages= |page=২৮, খণ্ড ১৯৮; ইস্যু ২৬৫৫ |date=মে ১০, ২০০৮ |accessdate= }} * একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার কর্মজীবন আমার সাহিত্যিক সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে এক মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। সাংবাদিকতাই আমাকে শব্দকে চিনতে এবং ভালোবাসতে শিখিয়েছে—যা আমার পেশার প্রধান হাতিয়ার এবং আমার শিল্পের মূল উপাদান। সাংবাদিকতা আমাকে সত্যের সন্ধান করতে এবং নৈর্ব্যক্তিক বা বস্তুনিষ্ঠ হতে শিখিয়েছে। শিখিয়েছে কীভাবে পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নিতে হয় এবং তাকে এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে রাখতে হয় যেন সে কোনোভাবেই ফস্কে না যায়। এটি আমাকে বিভিন্ন ধারণাকে সংশ্লেষণ করতে এবং ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনায় সুনির্দিষ্ট হতে শিখিয়েছে। আর সর্বোপরি, এটি আমার ভেতর থেকে সাদা পাতার প্রতি যাবতীয় ভয়কে চিরতরে দূর করে দিয়েছে। ** ১৯৯৪ সালের একটি সাক্ষাৎকার যা ''কনভারসেশনস উইথ '''''ইসাবেল আলেন্দে''''' '' (১৯৯৯) এ অন্তর্ভুক্ত, স্পেনীয় ভাষা থেকে কোলা ফ্রাঞ্জেন কর্তৃক অনূদিত। * প্রথম সংশোধনীর প্রতিষ্ঠিত আইন অনুযায়ী, সংবাদ প্রকাশে পূর্ব-নিষেধাজ্ঞা বা সেন্সরশিপ যদি আদৌ সাংবিধানিক হয়ও, তবে তা কেবল চরম ও অতি-অস্বাভাবিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই অনুমোদিত হতে পারে। বর্তমান মামলার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, আদালতের এমন সব নির্দেশ রয়েছে যা কার্যকরভাবে একটি ওয়েবসাইটকে বন্ধ করে দিয়েছে। যে সাইটটি বিশ্বজুড়ে সরকার ও কর্পোরেশনগুলোর দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছিল এবং এই নির্দেশটি যে কেউ পাঠ করলে তাকে সেই নথিগুলো প্রকাশ করা, এমনকি সেগুলোর লিঙ্ক দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বাধ্য করছে। ** '''''ডেভিড আরডিয়া''''', হার্ভার্ড ল স্কুলের বার্কম্যান সেন্টার ফর ইন্টারনেট অ্যান্ড সোসাইটি-র সিটিজেন মিডিয়া ল' প্রজেক্ট বা CMLP এর পরিচালক, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' প্রসঙ্গে মন্তব্যকালে — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|title=ইন্টারনেটে বাকস্বাধীনতা রক্ষা: একটি সাইবার-ল ক্লিনিকে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক আইনি বিষয়গুলো মোকাবিলায় সহায়তা করছে |work=হার্ভার্ড ল বুলেটিন |publisher= [[:w:হার্ভার্ড ল স্কুল|হার্ভার্ড ল স্কুল]]|page= |date=Fall 2008 |url=http://www.law.harvard.edu/news/bulletin/2008/fall/feature_2-side1.php|accessdate=2009-03-04}} * আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর শক্তিমত্তা ও দুর্নীতির মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে ধেয়ে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও প্রবল বিরুদ্ধাচরণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি। ** '''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' এর উদ্ধৃতি: [https://www.theguardian.com/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সেই সন্ন্যাসী যিনি বৌদ্ধিক লড়াইয়ের মাধ্যমেই বিকশিত হন, ক্যারল ক্যাডওয়ালাডার, ''দ্য গার্ডিয়ান''], (১ আগস্ট ২০১০) == B == * অভিজ্ঞতা এটিই প্রমাণ করেছে যে, সাধারণ প্রত্যাশার সম্পূর্ণ বিপরীতে গিয়ে সংবাদপত্র হলো জনমতকে সঠিক পথে পরিচালিত করার, উত্তেজনাপূর্ণ আন্দোলনকে শান্ত করার এবং সেইসব মিথ্যা ও কৃত্রিম গুজবকে বিলীন করে দেওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম, যার দ্বারা রাষ্ট্রের শত্রুরা তাদের অশুভ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এই জনসমক্ষে প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোর মাধ্যমে যেমন নির্দেশনা সরকার থেকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, তেমনি তা মানুষের কাছ থেকে সরকারের কাছেও উন্নীত হতে পারে। সংবাদপত্রকে যত বেশি স্বাধীনতা প্রদান করা হবে, জনমতের গতিপথ সম্পর্কে তত বেশি নির্ভুলভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে এবং তা তত বেশি সুনিশ্চিতভাবে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। **'''''[[:w:জেরেমি বেন্থাম|জেরেমি বেন্থাম]]''''', ''প্রিন্সিপালস অফ পেনাল ল''; তৃতীয় অংশ, "অপরাধ প্রতিরোধের পরোক্ষ পদ্ধতিসমূহ"; অধ্যায় XIX, "নির্দেশনা প্রদানের ক্ষমতা থেকে আহরিত ব্যবহার"। [https://books.google.com/books?id=GGpVAAAAcAAJ&newbks=1&newbks_redir=0&dq=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&pg=RA1-PA568#v=onepage&q=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&f=false গুগল বুকস] * আপনি যদি সমগ্র আমেরিকা ঘুরে দেখেন, তবে দেখবেন ছোট ছোট সংবাদপত্রগুলো তাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সত্যিই চমৎকার কাজ করছে। আধুনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস, আধুনিক ওয়াশিংটন পোস্ট কিংবা আধুনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অধিকাংশ বিচারেই ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সময়ের চেয়ে এখন অনেক উন্নত মানের সংবাদপত্র। কিন্তু আপনি যদি এই ক্ষেত্রের বাকি অংশগুলোর দিকে তাকান... তবে দেখবেন যে সত্যের সর্বোত্তম লভ্য সংস্করণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা প্রকৃত সংবাদ ক্রমশ একটি দুষ্প্রাপ্য পণ্যে পরিণত হচ্ছে এবং আমাদের সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত অংশ হিসেবে এর উপস্থিতি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। **'''''কার্ল বার্নস্টাইন''''', সাক্ষাৎকারে {{cite news | last =স্টাফ | title =সাক্ষাৎকার: কার্ল বার্নস্টাইন | work =[[:w:ফ্রন্টলাইন (মার্কিন টিভি সিরিজ)|ফ্রন্টলাইন]] | publisher =[[:w:ডব্লিউজিবিএইচ|ডব্লিউজিবিএইচ]] এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন | date =১০ জুলাই ২০০৬ | url =http://www-c.pbs.org/wgbh/pages/frontline/newswar/interviews/bernstein.html | accessdate =২০০৯-০২-২০ }} * প্রতিবেদক, বিশেষ্য: একজন লেখক যিনি সত্যের পথে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে অগ্রসর হন এবং শব্দের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে সেই সত্যকেই বিলীন করে দেন। ** '''''অ্যামব্রোস বিয়ার্স''''', ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১)। * প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা পূর্বপুরুষগণ মুক্ত সংবাদমাধ্যমকে সেই সুরক্ষা প্রদান করেছিলেন যা আমাদের গণতন্ত্রে এর অপরিহার্য ভূমিকা পালনের জন্য একান্ত প্রয়োজন। সংবাদপত্রের কাজ ছিল শাসিতদের সেবা করা, শাসকদের নয়। সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ বা বিধি-নিষেধ আরোপের সরকারি ক্ষমতা বিলুপ্ত করা হয়েছিল যাতে সংবাদপত্র চিরকাল সরকারকে কঠোর সমালোচনা করার স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। সংবাদমাধ্যমকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল যাতে এটি সরকারের গোপন রহস্যগুলো উন্মোচন করতে পারে এবং জনগণকে তথ্য দিয়ে সচেতন করতে পারে। কেবল একটি স্বাধীন এবং নিয়ন্ত্রণহীন সংবাদমাধ্যমই কার্যকরভাবে সরকারের প্রতারণা ও জালিয়াতির মুখোশ খুলে দিতে পারে। ** '''''হিউগো এল. ব্ল্যাক''''', নিউ ইয়র্ক টাইমস বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মামলা, পৃ. ৭১৭ * দীর্ঘকাল ধরে এটি ধরে নেওয়া হয়েছিল যে, সাংবাদিকরা যেসব ঘটনা কভার করেন বা প্রতিবেদন তৈরি করেন, তা তাদের ওপর কোনো স্থায়ী প্রভাব ফেলে না। ট্রমাটিক বা মানসিকভাবে আঘাতমূলক ঘটনাগুলোর মুখোমুখি হওয়াকে তাদের চাকরির বিবরণের অংশ এবং এই পেশার একটি সাধারণ ঝুঁকি হিসেবে দেখা হতো। ঠিক যেমন একজন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বা অগ্নিনির্বাপক কর্মীর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। অনেকে মনে করতেন যে, যারা মৃত্যু এবং ধ্বংসের খবর সংগ্রহ করেন তারা অস্বাভাবিকভাবে কঠোর মনের মানুষ এবং তারা যে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা প্রত্যক্ষ করেন, তার প্রতিধ্বনিমূলক প্রভাব থেকে তারা কোনোভাবে মুক্ত। কিছুদিন আগ পর্যন্তও সাংবাদিকরা মনে করতেন যে, যদি তারা জনসমক্ষে স্বীকার করেন যে সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা দীর্ঘমেয়াদে তাদের প্রভাবিত করতে পারে, তবে তাদের দুর্বল ভাবা হবে এবং সহকর্মীদের তুলনায় কম যোগ্য বলে মনে করা হবে। ** '''''এলিসা ই. বোল্টন''''', [https://www.ptsd.va.gov/public/community/journalists-ptsd.asp “সাংবাদিকদের দ্বারা সম্মুখীন হওয়া বেদনাদায়ক ঘটনাসমূহ“], '''''ন্যাশনাল সেন্টার ফর পিটিএসডি''''', '''''ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ ভেটেরান্স অ্যাফেয়ার্স'''''। * সেখানে পোস্ট করা মাত্র কয়েকটি নথির প্রতিক্রিয়ায় পুরো সাইটটিতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া জনগণের জানার অধিকারকে সম্পূর্ণভাবে অবজ্ঞা করার শামিল। ** '''''অ্যান ব্রিক''''', [[:w:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের]] অ্যাটর্নি, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' মামলায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আগে দেওয়া বিবৃতি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত: [http://en.wikinews.org/wiki/Rights_groups:_Forcing_Wikileaks.org_offline_raises_%27serious_First_Amendment_concerns%27 "অধিকার গোষ্ঠীসমূহ: উইকিলিকস ডট অর্গকে অফলাইনে যেতে বাধ্য করা 'প্রথম সংশোধনীর গুরুতর উদ্বেগ' তৈরি করে"], '''''[[:n:প্রধান পাতা|উইকিসংবাদ]]''''', (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। * কখনোই ভুলে যাবেন না যে, আপনি যদি আপনার প্রথম বাক্যটি দিয়েই সংবাদপত্রের পাঠকের চোখের মণি বরাবর আঘাত করতে না পারেন (অর্থাৎ তার তীক্ষ্ণ মনোযোগ আকর্ষণ করতে না পারেন), তবে দ্বিতীয় বাক্যটি আর লেখার কোনো প্রয়োজনই নেই। ** '''''আর্থার ব্রিসবেন''''' (আনু. ১৯০০), উদ্ধৃত হয়েছে: অলিভার কার্লসন রচিত '''''ব্রিসবেন: এ ক্যান্ডিড বায়োগ্রাফি''''' (১৯৩৭), অধ্যায় ৫। * এমন এক সময় ছিল যখন হর্স ওয়াটসনদের মতো পেশার মানুষরা সাধারণত নেশামুক্ত অবস্থায় কখনও ঘুমাতে যেতেন না এবং তাদের লিভার বা যকৃৎ ক্ষয় হয়েই তারা মৃত্যুবরণ করতেন। সেই অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন দুঃসাহসী যোদ্ধাদের সীমান্ত অঞ্চলের স্যালুনগুলোতে নিজেদের বোকা বানাতে দেখাটা নিশ্চয়ই মজার ছিল। যেখানে তারা প্রতিদ্বন্দ্বী সাংবাদিক ও তাদের সমর্থকদের সাথে চাবুকপেটা এবং গোলাগুলিতে মেতে উঠতেন। কিন্তু কে থামত এটা ভাবতে যে, শব্দ এবং প্রকাশনার ক্ষমতা হাতে থাকা বলতে আসলে কী বোঝায়? এটা বুঝতে পারা যে, একটি পুরো শহর বা অঞ্চল বিচার করবে, নিন্দা জানাবে, কাজ করবে, দণ্ড মওকুফ করবে কিংবা গুণগান গাইবে শুধুমাত্র আপনার গতরাতের তড়িঘড়ি করে লেখা কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে? কারণ আপনি টাইপসেটে কিছু একটা সাজিয়েছিলেন, আর তা করতে গিয়ে আপনার আঙুলের ডগায় লেগে যাওয়া ধাতব বিষগুলো অদম্যভাবে আপনার রক্তপ্রবাহে যাত্রা শুরু করেছিল? ক্ষমতার মোহে আপনি আপনার যকৃৎ আর বৃক্ককে এক স্পঞ্জি ও খিটখিটে পিন্ডে পরিণত করেছিলেন। আপনি আপনার মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ভারী ধাতব আয়নের বিষে কলুষিত করেছিলেন যতক্ষণ না তা দিকভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গির এক ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়। [[w:অ্যালকোহল|অ্যালকোহল]] সাময়িকভাবে সেই প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করত। তাই আপনি একজন মদ্যপ হয়ে উঠেছিলেন, এবং দিনপ্রতি কিস্তিতে নিজের মানসিক সুস্থতা কিনে নিতেন, আর নিজেকে সবার হাসির পাত্রে পরিণত করতেন। শেষ পর্যন্ত এটি মজার কিংবা বিয়োগান্তক কোনোটিই ছিল না। এটি ছিল জীবনের এক রূঢ় বাস্তবতা যা মাঝারি মানের মানুষের ওপর ধীরগতিতে কাজ করত; কারণ সেই মাঝারিরা নিজেদের সত্ত্বাকে থামিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যেতে পারত, রাতের কাজটি তাদের নিজের সন্তুষ্টি অনুযায়ী হোক বা না হোক। ** '''''অ্যালজিস বাড্রিস''''', '''''মাইকেলমাস''''' (১৯৭৭), ISBN 0-425-03812-2, অধ্যায় ৩ (পৃ. ৩৬-৩৭)। * সাংবাদিকতা হয়তো খুব বেশি দুঃসাহস দেখানোর সাহস পায় না। এটি মৃদু হাস্যরসাত্মক এবং বিদ্রূপাত্মক হতে পারে, খুব হালকাভাবে এতে ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের ছোঁয়া থাকতে পারে, কিন্তু খুব গভীরে খনন করে এটি পাঠকদের বিমুখ করতে পারে না। ভাষার প্রতি এর দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সত্য: প্রচলিত রীতিগুলো নিয়ে এখানে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। ** '''''[[:w:অ্যান্থনি বার্জেস|অ্যান্থনি বার্জেস]]''''', '''''এ মাউথফুল অফ এয়ার: ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস, এস্পেশালি ইংলিশ''''' (১৯৯২)। * ''স্বঘোষিত এক তামাশাকার আর রসালো ভাড়াটে ভাঁড়,<br>নিম্নমানের মাসিক-লেখক ও উপহাসের উপহার!<br>শৈল্পিক চাটুকারিতে সে বেজায় রপ্ত,''<br>''তার হস্তকৃত ম্যাগাজিন মিথ্যায় অভিশপ্ত!'' ** '''''[[:w:লর্ড বায়রন|লর্ড বায়রন]]''''', '''''ইংলিশ বার্ডস অ্যান্ড স্কচ রিভিউয়ার্সের''''' খন্ডাংশ (১৮০৯), লাইন ৯৭৫, বাংলায় রূপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। == C == * মূলধারার সংবাদ মাধ্যমগুলো যখন ক্রমশ আত্মতুষ্ট হয়ে পড়ছে, এমনকি যুদ্ধপন্থী নীতিগুলোর সমর্থক হয়ে উঠছে, তখন এটি আরও বেশি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, যুদ্ধবিরোধী কণ্ঠস্বর এবং বিশেষ করে যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকরা যেন [[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সেই নজির স্থাপনের প্রচেষ্টাকে প্রতিরোধ করেন, যা যুদ্ধাপরাধ প্রকাশের কাজটিকে একটি দণ্ডণীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে চায়। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির অপূরণীয় ক্ষতির বিষয়ে যারা উদাসীন বা সরাসরি সমর্থনমূলক অবস্থান গ্রহণ করে, সেইসব প্রকাশনার সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান করছে উইকিলিকস এবং এর প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। "যদি মিথ্যা দিয়ে যুদ্ধ শুরু করা যায়, তবে সত্য দিয়ে তা থামানোও সম্ভব"—তার এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে, অ্যাসাঞ্জ একবিংশ শতাব্দীর মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিখুঁত নির্ভুলতার সাথে প্রকাশ করেছেন। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * মূলধারার সংবাদমাধ্যমের হাজারো সমস্যা থাকা সত্ত্বেও, একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাংবাদিকতা আজও যুদ্ধ প্রতিরোধ করার এবং ক্ষেত্রবিশেষে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করার অন্যতম প্রধান ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে টিকে রয়েছে। এমনকি যারা সংবাদমাধ্যমের ওপর চরম আস্থাহীন, তাদেরও উচিত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আসা যাবতীয় আক্রমণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। কারণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার এই সুনিশ্চিত গ্যারান্টিই যুদ্ধবিরোধী প্রতিবেদনগুলোকে মূলধারার আলোচনায় নিয়ে আসে এবং সাধারণ মানুষের প্রথাগত চিন্তাধারাকে পরিবর্তন করে তাদের সরকারকে আরও গভীরভাবে বুঝতে শেখায়। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * দক্ষ ও দূরদর্শী সম্পাদকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেটের অভ্যুদয় ঘটছে। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), প্রথম অংশ, ষষ্ঠ বই, অধ্যায় ৫। * সাংবাদিকতা সত্যিই এক মহৎ ও বিশাল শক্তি। প্রতিটি দক্ষ ও কুশলী সম্পাদক কি এই বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন? কারণ তিনি তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ও অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে সমগ্র বিশ্ববাসীকে নিজ মতে প্ররোচিত করার ক্ষমতা রাখেন। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), দ্বিতীয় অংশ, প্রথম বই, অধ্যায় ৪। * বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি প্রধান স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে। কিন্তু তিনি ঐ যে সংবাদদাতাদের গ্যালারির দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, সেখানে একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা আগের তিনটি স্তম্ভের তুলনায় অনেক বেশি প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোনো আলঙ্কারিক শব্দ বা নিছক চাতুর্যপূর্ণ উক্তি নয়, বরং এটি একটি আক্ষরিক সত্য। যা বর্তমান এই অস্থির সময়ে আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অমোঘ। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''অন হিরোস, হিরো-ওয়ারশিপ, অ্যান্ড দ্য হিরোইক ইন হিস্ট্রি: সিক্স লেকচারস: রিপোর্টেড''''', উইলি অ্যান্ড হ্যালস্টেড, (১৮৫৯), পৃ. ১৪৭, বক্তৃতা ৫: "দ্য হিরো অ্যাজ ম্যান অফ লেটারস"। * সাংবাদিকদের দেখলে মনে হতে পারে যে তারা প্রায় আক্ষরিক অর্থেই আধুনিক বিশ্বের এক একজন পুরোহিত... তবে পুরোহিততন্ত্রের নৈতিক অবক্ষয় ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটেছিল যখন এটি জ্ঞান বিতরণের জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী থেকে জ্ঞান গোপন রাখার জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীতে রূপান্তরিত হয়েছিল। সাংবাদিকতার অধঃপতনের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ধরনের এক বিশাল বিপদ ও আশঙ্কা লুকিয়ে রয়েছে। সাংবাদিকতা নিজেই নিজের মধ্যে এমন এক ভয়াবহ দানবীয় রূপ এবং বিভ্রম সৃষ্টি করার সম্ভাবনা ধারণ করে, যা মানবজাতির জন্য অতীতে কখনও আসা যেকোনো অভিশাপের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। এই ভয়ংকর রূপান্তরটি ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটবে যখন সাংবাদিকরা অনুধাবন করতে শুরু করবে যে তারা সমাজের এক বিশেষ অভিজাত শ্রেণীতে পরিণত হতে সক্ষম। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য নিউ প্রিস্টস" (১৯০১)। [https://books.google.com/books?id=v6-RGg0qKpsC&pg=PA551&dq=%22Journalism+possesses+in+itself+the+potentiality+of+becoming+one+of+the+most+frightful+monstrosities%22&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&sa=X&ved=2ahUKEwikocyvmKf7AhWbj4kEHWQlDCAQuwV6BAgOEAY#v=onepage&q=%22Journalism%20possesses%20in%20itself%20the%20potentiality%20of%20becoming%20one%20of%20the%20most%20frightful%20monstrosities%22&f=false] * সাংবাদিকতা বর্তমানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে ঠিকই, তবে এই জনপ্রিয়তার মূল ভিত্তিটি আসলে এক ধরনের কাল্পনিক আখ্যান বা ফিকশন। আমাদের যাপিত জীবন হলো এক স্বতন্ত্র জগত, আর সংবাদপত্রের পাতায় প্রতিফলিত জীবন হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন ও কৃত্রিম এক জগত। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "অন দ্য ক্রিপ্টিক অ্যান্ড দ্য এলিপ্টিক", '''''অল থিংস কনসিডারড''''' (১৯০৮)। * আমি জানি যে সাংবাদিকতা মূলত এমন সব মানুষকে 'লর্ড জোন্স মৃত' বলে সংবাদ দেওয়ার নামান্তর, যারা লর্ড জোন্স যে আদৌ জীবিত ছিলেন সেই খবরটিই কখনও জানতেন না। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য পার্পল উইগ", '''''দ্য উইজডম অফ ফাদার ব্রাউন''''' (১৯১৪)। * আমাদের আধুনিক অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি হিসেবে সাংবাদিকতার একটি বড় ও প্রধান দুর্বলতা হলো এই যে, একে এমন এক চিত্রকল্প হতে হয় যা পুরোপুরি কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনার সমষ্টি। আমরা চটকদার পোস্টারে ঘোষণা করি যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছেন। কিন্তু আমরা কখনও রঙিন পোস্টারে এই ঘোষণা দিই না যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে যাননি। অথচ বাস্তবিকভাবে পরবর্তী তথ্যটিই অনেক বেশি রোমাঞ্চকর ও উদ্দীপক। কারণ এটি নির্দেশ করে যে মানুষ নামক রহস্য আর আতঙ্কের সেই সচল মিনারটি এখনও এই পৃথিবীতে সদর্পে বিচরণ করছে। মানুষটি যে ভারা থেকে পড়ে যায়নি, সেটিই আসলে প্রকৃত অর্থে বেশি চাঞ্চল্যকর এবং এটি নিয়মিত ঘটে যাওয়া হাজারো সাধারণ ঘটনার চেয়েও অনেক বেশি বাস্তব। কিন্তু সাংবাদিকতার কাছে এমন প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক যে তারা এই চিরন্তন ও ধ্রুব অলৌকিক ঘটনাগুলোর ওপর জোর দেবে। ব্যস্ত সম্পাদকদের কাছ থেকে এমনটা আশা করা যায় না যে তারা তাদের পোস্টারে লিখবেন, "মিস্টার উইলকিনসন এখনও নিরাপদ আছেন" কিংবা "ওয়ার্দিং এর মিস্টার জোন্স এখনও মারা যাননি।" তারা মানবজাতির সামগ্রিক সুখ বা সাধারণ স্বাভাবিকতাকে সংবাদ হিসেবে প্রচার করতে পারেন না। তারা এমন সব কাঁটাচামচের বর্ণনা দিতে পারেন না যা চুরি হয়নি, কিংবা এমন সব দাম্পত্যের কথা লিখতে পারেন না যা বিচারবুদ্ধি খাটিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়নি। ফলস্বরূপ, জীবনের যে পূর্ণাঙ্গ চিত্র তারা তুলে ধরেন তা অপরিহার্যভাবেই বিভ্রান্তিকর ও ত্রুটিপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ তারা কেবল যা অস্বাভাবিক ও ব্যতিক্রমী, তা-ই উপস্থাপন করতে সক্ষম। তারা যত বড় গণতান্ত্রিকই হোন না কেন, দিনশেষে তারা কেবলমাত্র সংখ্যালঘু এবং বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', '''''দ্য বল অ্যান্ড দ্য ক্রস''''' (১৯০৯), [http://www.classicreader.com/book/2241/4/ চতুর্থ অধ্যায়: ভোরের আলোচনা] (দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ)। * উইকিলিকস যদি কোনো ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত সাধারণ সাময়িকী হতো, তবে এর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা চিন্তাও করা যেত না। ... এই মামলাটিকে যা আলাদা করে তুলেছে তা হলো, অভিযোগ অনুযায়ী তথাকথিত অগ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তুগুলো কাগজের পরিবর্তে ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু যারা কোনো কিছু প্রকাশ করতে চায় এবং যারা তা পড়তে চায়। তাদের সুরক্ষা প্রদানকারী মূলনীতিগুলো বিসর্জন দেওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত দুর্বল ও ভিত্তিহীন একটি অজুহাত। মাধ্যম যা-ই হোক না কেন, সেন্সরশিপ বা কণ্ঠরোধ সবসময়ই সেন্সরশিপ হিসেবেই গণ্য হয়। ** '''''সম্পাদকীয়''''', "ইলেকট্রনিক সেন্সরশিপ", '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]''''', শিকাগো ট্রিবিউন কোম্পানি, (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮), পৃ. ১৪। * '''সাংবাদিকদের পরম পবিত্র দায়িত্ব হলো সত্য প্রকাশ করা। সাংবাদিকতা মানে হলো আপনাকে প্রকৃত ঘটনার মূলে ফিরে যেতে হবে, নথিপত্রগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে, নথিবদ্ধ তথ্যের আসল রূপটি উন্মোচন করতে হবে এবং ঠিক সেভাবেই তা সবার সামনে তুলে ধরতে হবে।''' ** '''''[[:w:নোম চমস্কি|নোম চমস্কি]]''''', সাক্ষাৎকারে: জয় ওয়াং, "বক্তৃতা: নোম চমস্কি", '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', [[:w:নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি|নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়]], (ডিসেম্বর ২০০৪)। * রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো সরকারকে তার নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধি এবং প্রায়শই ভিত্তিহীন ও মিথ্যায় ঘেরা সত্যের একটি সংস্করণ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করা। আর এটি করা হয় জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া 'তথ্য' বা 'উপাত্ত'গুলোকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বাছাই করার মাধ্যমে। তারা তাদের প্রকৃত জানা তথ্যের যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রকাশ কিংবা বিকল্প কোনো তথ্যসূত্রের উপস্থিতিতে চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। সংবাদসূচির ওপর তাদের এই একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের হুমকিকে সম্ভব হলে দমন করা হয়। আর যেখানে দমন করা সম্ভব হয় না, সেখানে দায়ীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।<br>[[w:ইয়েমেনী_সংকট_(২০১১-বর্তমান)|ইয়েমেন যুদ্ধ]]—যেখানে অন্তত ৭০,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে! সেই যুদ্ধ সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে দেওয়াই হলো প্রধান কারণ যার জন্য মার্কিন সরকার জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এবং জিক্রি—উভয়কেই চরমভাবে হেনস্তা ও নিপীড়ন করছে। ** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)। * এক দশক আগে আমি যখন কাবুলে অবস্থান করছিলাম, ঠিক তখনই উইকিলিকস আফগানিস্তান, ইরাক এবং ইয়েমেনের সংঘাত সংক্রান্ত মার্কিন সরকারের নথিপত্রের এক বিশাল ভাণ্ডার উন্মোচন করেছিল। সেই প্রকাশের দিনটিতে আমি একজন মার্কিন কর্মকর্তার সাথে দেখা করার জন্য ফোনে কথা বলছিলাম... তিনি এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উৎসুক ছিলেন এবং আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে ফাইলগুলোর গোপনীয়তার মাত্রা বা ক্লাসিফিকেশন সম্পর্কে আসলে কী জানা গেছে। আমি যখন তাঁকে বিস্তারিত জানালাম, তিনি বেশ স্বস্তির সুরে বললেন: “তাহলে তো দেখছি এর মধ্যে প্রকৃত অর্থে গোপন রাখার মতো তেমন কিছুই নেই।” ** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)। * আমরা এই শুনানিতে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। ১৯৮৯ সালের 'টেক্সাস বনাম জনসন' মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আমাদের গণতন্ত্রের অন্যতম মৌলিক একটি আদর্শ তুলে ধরেছিল। সেটি হলোঃ প্রথম সংশোধনীর পেছনে যদি কোনো সুদৃঢ় ও অপরিবর্তনীয় ভিত্তি থেকে থাকে, তবে তা হলো এই যে: সরকার কোনো নির্দিষ্ট ধারণার বহিঃপ্রকাশকে কেবল এই অজুহাতে নিষিদ্ধ করতে পারে না যে সমাজ সেই ধারণাটিকে আপত্তিকর বা অপ্রীতিকর বলে মনে করছে। এই অমোঘ কথাগুলো ছিল বিচারপতি উইলিয়াম ব্রেনান জুনিয়রের। ** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং] * ...এই বিতর্ক সম্পর্কে যার যা-ই মত থাকুক না কেন, এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে উইকিলিকসের বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তা বাকস্বাধীনতা, সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয় এবং নাগরিকরা তাদের নিজস্ব সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আসলে কতটুকু জানার অধিকার রাখে। তা নিয়ে অত্যন্ত মৌলিক ও সুদূরপ্রসারী প্রশ্নের জন্ম দেবে। প্রকৃতপক্ষে, যদিও এ বিষয়ে একটি সাধারণ ঐকমত্য রয়েছে যে মাঝে মাঝে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা বজায় রাখা অপরিহার্য, তবুও বর্তমান সময়ের আসল সমস্যাটি গোপনীয়তার অভাব নয়, বরং অতিমাত্রায় গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রবণতা। ** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং] * গণমাধ্যম এমন এক ধরনের বিশ্বাসযোগ্যতা বহন করে যা তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাওয়ার যোগ্য নয়। আপনারা সবাই কোনো না কোনোভাবে জীবনের এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। [...]<br>সংক্ষেপে বলতে গেলে, '''গেল-ম্যান অ্যামনেসিয়া এফেক্ট''' বা বিস্মৃতি প্রভাবটি হলো এইরকম: আপনি সংবাদপত্রের এমন একটি নিবন্ধ পড়তে শুরু করলেন যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার আগে থেকেই খুব ভালো জানাশোনা আছে। [...] আপনি নিবন্ধটি পড়লেন এবং বুঝতে পারলেন যে ওই সাংবাদিকের সংশ্লিষ্ট তথ্য বা বিষয়টি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র কোনো ধারণা নেই। [...] আপনি অত্যন্ত বিরক্তি বা কৌতুকের সাথে সেই প্রতিবেদনের অসংখ্য ভুলগুলো লক্ষ্য করলেন, কিন্তু এরপরই পাতার উল্টো পাশে গিয়ে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয়ক সংবাদগুলো এমনভাবে পড়তে শুরু করলেন যেন সংবাদপত্রের বাকি অংশগুলো [[w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] বা অন্য কোনো জটিল বিষয়ে অনেক বেশি নির্ভুল। যদিও মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগেই আপনি একগাদা আজেবাজে ও ভুল তথ্য পড়েছেন। '''আপনি যদি পাতা উল্টাতে থাকেন, আর যা আপনি জানেন তা মুহূর্তেই ভুলে যান।''' ** '''''মাইকেল ক্রিকটন''''', [https://web.archive.org/web/20190808123852/http://larvatus.com/michael-crichton-why-speculate/ "কেন অনুমান করবেন?"], (লা জোলা, ক্যালিফোর্নিয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিডারশিপ ফোরামে দেওয়া ভাষণ, ২৬ এপ্রিল ২০০২)। মূল উৎস থেকে ৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখে আর্কাইভ করা। সংগৃহীত: ৩ মে ২০২২। == D == [[File:Betty Friedan 1960.jpg|thumb|আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের সাংবাদিকতা দক্ষতার সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের উদীয়মান সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান করেন।<br>~'''''বেটি ফ্রিডান''''' ]] * আমি সত্যি বুঝতে অক্ষম যে সাংবাদিকতাকে কেন এত জঘন্য, এত বেশি বিদ্রূপাত্মক এবং অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপকারী হতে হয়। ** '''''পাল ড্যানিয়েলস''''', উদ্ধৃত হয়েছে: '''''[[:w:দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট|দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট]]''''', (১৭ মার্চ ২০১৬)। * এই সংবাদপত্র আমাদের জন্য সব কিছুই করে থাকে। এটি পুলিশ বাহিনীকে পরিচালনা করে এবং ব্যাংকগুলো চালায়, সামরিক বাহিনীকে আদেশ দেয়, আইনসভা নিয়ন্ত্রণ করে, নবজাতকদের দীক্ষা দেয়, নির্বোধদের বিবাহ সম্পন্ন করে, '''বেদনার্তদের সান্ত্বনা দেয় ও শান্তিতে থাকাদের অস্বস্তিতে ফেলে''', মৃতদের সমাহিত করে এবং পরবর্তীতে তাদের কঠোর সমালোচনা করে দহন করে। এমন কোনো বিষয় নেই যা তারা স্পর্শ করে না, তা পবিত্র রুটির আধ্যাত্মিক রূপান্তর ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে সাধারণ বিস্কুট তৈরির প্রণালী পর্যন্ত যা-ই হোক না কেন। ** '''''ফিনলে পিটার ডান''''', "নিউজপেপার পাবলিসিটি", '''''অবজারভেশনস বাই মিস্টার ডুলি''''' (১৯০২)। == E == * সাংবাদিকতা হলো একটি সুসংগঠিত পরচর্চা। ** '''''এডওয়ার্ড এগলেস্টন''''' == F == * “সে কি তোমাকে বিশ্বাস করেছিল?”<br>“সে একজন অত্যন্ত দক্ষ ও ঝানু সাংবাদিক। কাজেই অবশ্যই বিশ্বাস করেনি।” ** '''''জ্যাসপার ফোর্ড''''', '''''ওয়ান অফ আওয়ার থার্সডেস ইজ মিসিং''''' (২০১১), ISBN 978-0-670-02252-6, পৃ. ২০৫। * আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত আমরা সাংবাদিকরা অন্তত সেই চেষ্টাটুকু করি বা করা উচিত। যেন আমরা ইতিহাসের প্রথম নিরপেক্ষ সাক্ষী হতে পারি। যদি আমাদের অস্তিত্বের পেছনে কোনো সার্থকতা থেকে থাকে, তবে তা অবশ্যই ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে ঘটে ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করার ক্ষমতার মধ্যে নিহিত; যেন ভবিষ্যতে কেউ কখনও এমনটা বলতে না পারে: 'আমরা জানতাম না! আমাদের কেউ বলেনি।' ** '''''রবার্ট ফিস্ক''''', '''''দ্য গ্রেট ওয়ার ফর সিভিলাইজেশন: দ্য কনকুয়েস্ট অফ দ্য মিডল ইস্ট''''', ফোর্থ এস্টেট, (২০০৫), পৃ. ২৫, ISBN 0007203837। * আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অপরিহার্য। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় তাত্ত্বিক ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের তীক্ষ্ণ সাংবাদিকতা দক্ষতার অনবদ্য সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সাধারণ সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি অতিক্রম করেন এবং আমাদের উদীয়মান ও পরিবর্তনশীল সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান নেন। ** '''''বেটি ফ্রিডান''''' (মে ১৯৭৮), ''৩০তম বার্ষিকী জার্নাল'', '''''আমেরিকান সোসাইটি অফ জার্নালিস্ট অ্যান্ড অথরস'''''; উদ্ধৃত হয়েছে: '''''দ্য কমপ্লিট গাইড টু রাইটিং নন-ফিকশন''''' (১৯৮৩), গ্লেন ইভান্স সম্পাদিত, রাইটার্স ডাইজেস্ট বুকস, সিনসিনাটি, ওহাইও, পৃ. ৫, ISBN 0-89879-117-0। == G == * যখন সাংবাদিকতার বিকৃত ভাষা বা 'জার্নালিজ' তার চরম শিখরে পৌঁছেছিল, ঠিক তখনই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, হয়তো এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা মাত্র। ** '''''জন গলসওয়ার্দি''''' (জুলাই ১৯২৪), ''অন এক্সপ্রেশন'', ইংলিশ অ্যাসোসিয়েশনের রাষ্ট্রপতির ভাষণ, পৃ. ১২; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018। * সাংবাদিকতা কোনো প্রথাগত পেশা নয়... এর অন্তরে এটি কেবল একটি সৃজনশীল শিল্প বা কারুশিল্প। আর এর অর্থ হলো, যে কেউ যার বিচারবুদ্ধি আছে, যে বুদ্ধিমান, চিন্তাশীল এবং কৌতূহলী—তিনিই এই শিল্পের চর্চা করতে পারেন। ** '''''সু গার্ডনার''''', [https://en.wikinews.org/wiki/Interview_with_Sue_Gardner_of_the_Wikimedia_Foundation "উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের সু গার্ডনারের সাথে সাক্ষাৎকার"], '''''উইকিসংবাদ''''', ২৪ অক্টোবর ২০০৭। * তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকতা হলো নাগরিক-সৃষ্ট সংবাদমাধ্যমের সেই বিস্তৃত পরিস্থিতির একটি অংশ, যা আসলে একটি বিশ্বব্যাপী আলাপচারিতা এবং এটি প্রতিনিয়ত শক্তিতে, জটিলতায় ও প্রভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছে। মানুষ যখন নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ পায়, তারা অবশ্যই তা করে। যখন তারা শক্তিশালী অথচ সুলভ সরঞ্জাম হাতে পায়, তখন তারা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই নতুন সংবাদমাধ্যমের জগতের সাথে নিজেদের মানিয়ে নেয়। আর যখন তারা সম্ভাব্য এক বিশ্বব্যাপী শ্রোতামণ্ডলীর কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়, তখন তারা আক্ষরিক অর্থেই পুরো পৃথিবীটাকে বদলে দিতে পারে। ** '''''ড্যান গিলমোর''''', '''''উই দ্য মিডিয়া: গ্রাসরুটস জার্নালিজম বাই দ্য পিপল ফর দ্য পিপল''''' (২০০৬), ও'রেলি মিডিয়া, পৃ. xv, ISBN 0596102275। * যদিও সাংবাদিকদের উচিত '''[[w:উইকিলিকস|উইকিলিকসকে]]''' (একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা; যা বিভিন্ন অপ্রকাশিত ও গোপন নথিসমূহ প্রকাশ করে) কিছুটা সংশয়ের দৃষ্টিতে দেখা, কিন্তু একে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার উপায় নেই। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার এই সাহসী নতুন বিশ্বে আপনাদের স্বাগতম। ** '''''শন গনসালভস''''', [http://www.alternet.org/mediaculture/90641/will_wikileaks_revolutionize_journalism/?page=2 "উইকিলিকস কি সাংবাদিকতায় বিপ্লব ঘটাবে?"], '''''অল্টারনেট''''', (৭ জুলাই ২০০৮)। * যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের পরম দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত হয়েছে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। আমাদের এমন এক 'ট্রিকল-আপ' বা তৃণমূল থেকে উঠে আসা গণমাধ্যম গড়ে তুলতে হবে যা এই দেশ এবং এর মানুষের প্রকৃত চরিত্রকে প্রতিফলিত করবে। ** '''''অ্যামি গুডম্যান''''', ডেভিড গুডম্যানের সাথে যৌথভাবে রচিত '''''দ্য এক্সেপশন টু দ্য রুলার্স''''' (২০০৪)। * সাংবাদিকদের কাজ হলো ক্ষমতার ওপর নজরদারি করা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা, জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়া নয়। ** '''''[[:w:অ্যামি গুডম্যান|অ্যামি গুডম্যান]]''''', ভূমিকা, '''''ডেমোক্রেসি নাও!: টুয়েন্টি ইয়ার্স কভারিং দ্য মুভমেন্টস চেঞ্জিং আমেরিকা''''' (২০১৬)। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ধর্ম হলো সামরিক সব কিছুর উপাসনা করা। আর সাংবাদিকরা হলেন সেই ধর্মের প্রধান পুরোহিত। ** '''''গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড''''' (১৯৬৭), ডেমোক্রেসি নাও! এর সাথে সাক্ষাৎকার (১৪ নভেম্বর ২০১২): [http://www.democracynow.org/2012/11/14/glenn_greenwald_while_petraeus_had_affair "গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: যখন পেট্রাউস জীবনীকারের সাথে প্রণয়ে লিপ্ত ছিলেন, কর্পোরেট মিডিয়া তখন পেট্রাউসের প্রেমে মগ্ন ছিল।"] সংগৃহীত: ১৫ নভেম্বর ২০১২। * গাজায় সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়গুলো ধ্বংস করা এবং সাংবাদিকদের হত্যা করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতেও সাংবাদিকদের আক্রমণ বা হেনস্তার ভয় ছাড়াই তাদের অপরিহার্য কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হতে হবে। তাঁদের অবশ্যই সুরক্ষা দিতে হবে এবং সম্মান করতে হবে... এমনকি যুদ্ধেরও সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে। সর্বোপরি, সাধারণ নাগরিকদের অবশ্যই রক্ষা করতে হবে... বাছবিচারহীন হামলা এবং বেসামরিক ব্যক্তি ও তাদের সম্পদের ওপর আক্রমণ করা যুদ্ধ আইনের চরম লঙ্ঘন। ** '''''[[:w:আন্তোনিও গুতেরেস|আন্তোনিও গুতেরেস]]''''', [https://www.un.org/sg/en/content/sg/statement/2021-05-20/secretary-general%E2%80%99s-remarks-the-general-assembly-meeting-the-situation-the-middle-east-and-palestine-delivered "মধ্যপ্রাচ্য ও ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ পরিষদের সভায় মহাসচিবের বক্তব্য"], জাতিসংঘ মহাসচিব, বিবৃতি (২০ মে ২০২১)। == H == [[File:Thomas Jefferson 1904 Issue, 2c.jpg|thumb|যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত। তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না।<br>~'''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''' ]] * সম্পাদক: সংবাদপত্রের দ্বারা নিযুক্ত এমন একজন ব্যক্তি, যাঁর কাজ হলো সারবস্তু থেকে অসার অংশকে আলাদা করা এবং এটি নিশ্চিত করা যে সেই অসার অংশগুলোই যেন সংবাদপত্রে ছাপা হয়। ** '''''এলবার্ট হাববার্ড''''' (১৯১৪), ''দ্য রয়ক্রফট ডিকশনারি অফ এপিগ্রামস''; উদ্ধৃত হয়েছে: ফ্রেড আর. শাপিরো সম্পাদিত '''''দ্য ইয়েল বুক অফ কোটেশনস''''', ইয়েল ইউনিভার্সিটি প্রেস, নিউ হ্যাভেন, কানেকটিকাট, পৃ. ৩৭৪, ISBN 0300107986। == I == * ...মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী জর্জ ইয়ান্সি তাঁর ২০১৫ সালের গ্রন্থ "হোস্টাইল এনভায়রনমেন্টে" খ্রিস্টধর্ম এবং সাধারণভাবে রক্ষণশীল ধর্মের বিরুদ্ধে মার্কিন গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন এবং এর মূল কারণ হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন যে, '''মূলধারার মার্কিন সাংবাদিকতা হলো একটি স্ব-স্থায়ীকৃত আভিজাত্য বা বর্ণপ্রথা।''' আপনি যদি একজন ইভানজেলিকাল খ্রিস্টান হন কিংবা প্রচলিত উদারপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের সাথে, বিশেষ করে নৈতিক বিষয়গুলোতে একমত না হন, তবে কোনো মূলধারার সংবাদমাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রথম সাক্ষাৎকারেই আপনাকে প্রত্যাখ্যান করে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে। ** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/the-anti-religious-anti-cult-and-anti-tai-ji-men-bias-in-the-media/ "গণমাধ্যমে ধর্ম-বিরোধী, গোষ্ঠী-বিরোধী এবং তাই জি মেন-বিরোধী পক্ষপাতিত্ব"], '''''বিটার উইন্টার''''', (মে ২০২৪)। * সাংবাদিকতা মানে দর্শক বা পাঠকদের জটিলতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা নয়। বরং এটি হলো জটিল বিষয়গুলোকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করা এবং সেই জটিলতার মধ্য দিয়ে পথ চলার জন্য দর্শকদের বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থা রাখা। একটি তথ্যচিত্র যা সমস্ত ভিন্নমত পোষণকারী কণ্ঠস্বরকে বর্জন করে, তাকে কোনোভাবেই প্রকৃত অনুসন্ধান বলা চলে না। ** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/france-hate-speech-against-scientology-now-funded-by-taxpayers/ "ফ্রান্স: সায়েন্টোলজির বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এখন করদাতাদের অর্থে অর্থায়িত হচ্ছে"], '''''বিটার উইন্টার''''', (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। == J == * একজন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা এবং সম্পত্তির অধিকার, সেইসাথে বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, উপাসনা ও সমাবেশের অধিকার এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকারগুলো ভোটের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। এগুলো কোনো নির্বাচনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না। ** '''''[[:w:রবার্ট এইচ. জ্যাকসন|রবার্ট এইচ. জ্যাকসন]]''''', '''''[[:w:ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট মামলা|ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪৩), ৩১৯ ইউ.এস. ৬২৪, ৬৩৮। * আমাদের সরকারের ভিত্তি যেহেতু জনমত, তাই আমাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত সেই অধিকারকে সমুন্নত রাখা। আর যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত—তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না। তবে আমার এই বক্তব্যের অর্থ এই যে, প্রতিটি মানুষের কাছে সেই সংবাদপত্র পৌঁছাতে হবে এবং তাদের তা পাঠ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', কর্নেল এডওয়ার্ড ক্যারিংটনকে লেখা চিঠি (১৬ জানুয়ারি ১৭৮৭), লিপসকম্ব ও বার্গ সংস্করণ ৬:৫৭। * সংবাদপত্রকে কীভাবে পরিচালনা করলে তা সবচেয়ে বেশি জনকল্যাণকর হবে, এ বিষয়ে আমার মত জানতে চাইলে আমি বলব, "একে কেবল ধ্রুব সত্য ঘটনা এবং নির্ভুল নীতিমালার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার মাধ্যমে।" তবুও আমার ভয় হয় যে এমন সংবাদপত্রের গ্রাহক সংখ্যা হবে খুবই নগণ্য। এটি একটি বিষাদময় সত্য যে, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করা হলে দেশ যতটা না এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়, তার চেয়েও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় যখন সংবাদপত্র নির্লজ্জভাবে মিথ্যার কাছে নিজেকে সঁপে দেয়। সংবাদপত্রে যা দেখা যায় তার কোনো কিছুই এখন আর বিশ্বাস করা যায় না। এমনকি পরম সত্যও যখন এই কলুষিত মাধ্যমের ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়, তখন তাও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। ভুল তথ্যের এই রাজত্ব আসলে কতটা বিস্তৃত তা কেবল তারাই জানেন যারা তাদের ব্যক্তিগত জ্ঞান দিয়ে দিনের পর দিন এই মিথ্যাগুলোর মুখোশ উন্মোচন করতে পারেন। ... আমি আরও যোগ করব যে, যে ব্যক্তি কখনোই সংবাদপত্র দেখেন না তিনি সেই ব্যক্তির চেয়ে বেশি অবগত ও শিক্ষিত যিনি নিয়মিত সংবাদপত্র পড়েন। কারণ যিনি কিছুই জানেন না তিনি সেই ব্যক্তির তুলনায় সত্যের অনেক বেশি কাছাকাছি থাকেন যার মন মিথ্যা আর ভ্রান্তিতে পরিপূর্ণ। যে ব্যক্তি কিছুই পড়ে না সে অন্তত মহান সত্যগুলো শিখতে পারবে, যেখানে সংবাদপত্রের বিস্তারিত তথ্যগুলোর সবই মিথ্যে। ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [[:w:জন নরভেল|জন নরভেল]]-কে লেখা চিঠি (১১ জুন ১৮০৭)। [https://www.loc.gov/resource/mtj1.038_0592_0594/?sp=2&st=text মূল উৎস এবং প্রতিলিপি] * আমাদের সংবাদপত্রগুলো বর্তমানে যে পঙ্কিল ও জঘন্য অবস্থায় পতিত হয়েছে, এবং যারা এই সংবাদপত্রের জন্য লেখেন, তাদের সেই বিদ্বেষপরায়ণতা, অসভ্যতা ও মিথ্যাচারের মানসিকতার জন্য আমি আপনার মতোই গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমরা ঠিক কতটা অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছি তার প্রমাণ হিসেবে আমি আপনাকে নিউ ইংল্যান্ডের একজন বিচারকের সাম্প্রতিক একটি লেখা পাঠাচ্ছি। এই সব আবর্জনা জনরুচিকে দ্রুত কলুষিত করছে এবং সুস্থ চিন্তার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে। তথ্যের বাহন হিসেবে এবং আমাদের কর্মকর্তাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখার যন্ত্র হিসেবে সংবাদপত্রগুলো এখন সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে; কারণ তারা বিশ্বাসযোগ্যতার সমস্ত দাবি হারিয়ে ফেলেছে। আমি আপনার সাথে একমত যে, দলীয় মানসিকতার চরম সহিংসতা এবং বিদ্বেষই এই পরিস্থিতির জন্য বহুলাংশে দায়ী... ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [https://founders.archives.gov/documents/Jefferson/03-07-02-0052 ওয়াল্টার জোন্সকে লেখা চিঠি] (২ জানুয়ারি ১৮১৪)। * তারা এ নিয়ে মিথ্যে কথা বলেছিল! শত্রু যখন সমুদ্রের পানি ফুটিয়ে ফেলল, আমাদের ষষ্ঠ নৌবহরকে জ্বালিয়ে ছারখার করে দিল এবং উপকূলরেখার পঞ্চাশ মাইলের মধ্যে থাকা প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুড়িয়ে মারল! তখন কিন্তু আপনি অন্তত কিছু সংবাদ প্রতিবেদন আশা করতেই পারতেন। কিন্তু তারা কী রিপোর্ট করল? ফ্লোরিডাতে কিসের সামান্য ভূমিক্ষয়! ওহে নারী, তারা তো পুরো সমুদ্রটাই লাভা-প্লাবিত করে ফেলেছিল! ** '''''আর্থার এম. জলি''''', ''আফটার ইটস অল ওভার'' নাটকে, অরিজিনাল ওয়ার্কস প্রেস, (২০০৯)। * বাইরের মানুষ যা বুঝতে পারেন না তা হলোঃ কটি সংবাদপত্র আসলে একটি 'সুফলে'র / '''Soufflé''' মতো, যা দ্রুত খাওয়ার জন্য খুব তড়িঘড়ি করে প্রস্তুত করা হয়। আর ঠিক এই কারণেই যখনই আপনি এমন কোনো ঘটনার সংবাদপত্র প্রতিবেদন পড়েন যা সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত জ্ঞান রয়েছে, তখনই সেটি আপনার কাছে প্রায় সবসময়ই অপর্যাপ্ত বা ভুল বলে মনে হয়। সাংবাদিকরাও অন্য সবার মতো এই ত্রুটির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বিষয়টি স্রেফ এই যে, যদি তথ্যকে যত বেশি সম্ভব পাঠকের কাছে পৌঁছাতে হয়, তবে নিখুঁত হওয়ার চেয়ে বরং কিছুটা কম গুণমানকেই প্রায়শ মেনে নিতে হয়। ** '''''ডেভিড ই. এইচ. জোন্স''''', '''''নিউ সায়েন্টিস্ট''''', খণ্ড ২৬, (১৯৬৫)। == K == * তারা ছিল পেশাদার ক্ষোভ-বিশারদ যারা কেবল একটি জিনিসই জানত। কীভাবে পরিচয়বাদী রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্স দিয়ে গোটা পশ্চিমা বিশ্বকে পিটিয়ে হত্যা করতে হয়। আর এখন, গত কয়েক বছরের মধ্যে দেখা সবচেয়ে উদ্দীপক বিদ্রূপের সাথে আমরা অন্তত নিরাপদে এটা বলতে পারি যে, তাদের সময় ফুরিয়ে এসেছে, "'''#টাইমসআপ'''"। ** '''''রহিম কাসাম''''', "না, আমি সেই সাংবাদিকদের জন্য দুঃখিত নই যারা চাকরি হারিয়েছে — আমি বরং দারুণ রোমাঞ্চিত", '''''ডেইলি কলার''''', (২৮ জানুয়ারি ২০১৯)। * আমার এবং আমাদের সবার সমস্যা হলো যে আমি মনে করি সংবাদ ব্যবসার সাথে জড়িত অধিকাংশ মানুষই আমার এই মতের সাথে একমত হবেন, যে আমরা (এবং এখানে আমি কেবল '[[w:দ্য_টাইমস|দ্য টাইমস]]' এর কথা বলছি না) নাম প্রকাশ না করার আড়ালে অত্যন্ত নীরস উদ্ধৃতি অথবা মাঝে মাঝে অলস পরচর্চা ও কটাক্ষ প্রকাশ করতে বড্ড বেশি উন্মুখ থাকি। আমার কাছে মনে হয়, এটি তথ্যসূত্রের সুরক্ষা বা সোর্স প্রোটেকশনের মূল্যকে সস্তা করে দেয়। ** '''''বিল কেলার''''', '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের]]''''' নির্বাহী সম্পাদক, বেনামী তথ্যসূত্র প্রসঙ্গে (১৩ মে ২০০৫), '''''অন দ্য মিডিয়া'''''তে। == L == * সংবাদপত্র সবসময়ই মানুষের মনে প্রবল কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, কেউ কোনোদিন সংবাদপত্র পাঠ শেষ করার পর একরাশ হতাশা বা অতৃপ্তি ছাড়া তা হাত থেকে নামিয়ে রাখতে পারে না। ** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''' (১৮৩৩), "অন বুকস অ্যান্ড রিডিং", ''দ্য লাস্ট এসেস অফ এলিয়া''; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018। * চাঞ্চল্যকর বা হলুদ সাংবাদিকতার চিরন্তন সাতটি প্রধান অনুষঙ্গ হলো: লোমহর্ষক অপরাধের বিবরণ, ব্যক্তিগত জীবনের কেলেঙ্কারি, ভিত্তিহীন কাল্পনিক বিজ্ঞান, মানসিক উন্মাদনা, সংখ্যাতত্ত্বের মতো নানাবিধ অন্ধবিশ্বাসের চর্চা, অলৌকিক দানব বা দানবীয় কর্মকাণ্ড এবং প্রভাবশালী ধনকুবেরদের জীবনকথা। ** '''''ফ্রিটজ লেইবার''''', ''এ রাইট অফ স্প্রিং'' (১৯৭৭); টেরি কার সম্পাদিত '''''ইউনিভার্স ৭''''', পৃ. ২৬। * জেনারেল ডগলাস ম্যাকার্থারের প্রসঙ্গে বলতে গেলে, আমি আসলে এমন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বা স্পষ্ট কোনো মতামত দেওয়ার মতো অবস্থানে নিজেকে খুঁজে পাই না, যাঁকে আমি কেবল সংবাদপত্রের মাধ্যমেই চিনি। আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন, সংবাদমাধ্যমগুলো যখনই এমন কোনো ব্যক্তি বা বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যা সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত ধারণা বা জ্ঞান রয়েছে, তখনই আমি দেখি যে তাদের পরিবেশিত তথ্যগুলো সবসময়ই মিথ্যাচার আর ভুল বোঝাবুঝির এক বিশাল স্তূপ ছাড়া আর কিছুই নয়; আর এই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, যেসব ক্ষেত্র সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র কোনো জ্ঞান নেই, সেখানেও তারা এর চেয়ে ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা রাখে না। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', মিসেস মেরি ভ্যান ডিউসেনকে লেখা চিঠি (৩০ এপ্রিল ১৯৫১), ''সংগৃহীত সি. এস. লিউইস পত্রাবলি, খণ্ড ৩: "নার্নিয়া, কেমব্রিজ, অ্যান্ড জয়", ১৯৫০-১৯৬৩'', পৃ. ১১৪। == M == [[File:Janet Malcolm 3.18.13a (headshot).jpg|thumb|আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন।<br>~'''''জ্যানেট ম্যালকম''''' ]] * বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ওয়েবসাইটগুলো সাধারণত সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে এক ধরনের অপপ্রচার বা 'জার্নালগান্ডা'র [হলুদ সাংবাদিকতা] জয়গান গায়। কারণ সেখানে সবকিছুই পরিবেশন করা হয় সেই নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিজস্ব স্বার্থের ফিল্টার বা ছাঁকনির ভেতর দিয়ে। এটি এক অদ্ভুত ও অবাস্তব জগত, তবে এর গুরুত্বও অপরিসীম। কারণ কট্টরপন্থীরা তাদের পূর্বনির্ধারিত চিন্তাধারাকে আরও শক্তিশালী করতে এখানেই ভিড় জমায়। আপনার অবস্থান যা-ই হোক না কেন, নিজেকে চূড়ান্তভাবে সঠিক মনে করার ক্ষেত্রে এই জার্নালগান্ডার চেয়ে কার্যকর আর কিছুই হতে পারে না। প্রকৃত সাংবাদিকতাকে সবসময় চিনে নেওয়া যায় তার কাজের ধরন দেখে। এটি প্রায়শই সাধারণ মানুষকে এই সাংবাদিকতার জগত সম্পর্কে চরম অস্বস্তি ও ভ্রান্ত বিচলিত অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয়। ** '''''চার্লস এম. ম্যাডিগান''''' (২৫ অক্টোবর ২০০৫), [http://web.archive.org/web/20130625005510/http://www.chicagotribune.com/news/opinion/chi-0510250027oct25,0,3811209.column?page=2&coll=chi-ed_opinion_columnists-utl "আজকের 'সাংবাদিকতা'র সমস্যা"], '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]'''''। * এমন প্রতিটি সাংবাদিক—যিনি পরিস্থিতির গভীরতা বোঝার মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং নিজের অহংবোধে অন্ধ হয়ে যাননি। তিনি খুব ভালো করেই জানেন যে, তিনি যা করছেন তা নৈতিকভাবে সম্পূর্ণ অমার্জনীয়। তিনি মূলত এক প্রকারের প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ম্যান', যিনি মানুষের অহংকার, অজ্ঞতা কিংবা একাকীত্বকে পুঁজি করে তাদের ওপর শিকারি পাখির মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি প্রথমে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেন এবং এরপর বিন্দুমাত্র অনুশোচনা ছাড়াই সেই বিশ্বাসের চরম অমর্যাদা করেন। ঠিক যেমন একজন অতি-বিশ্বাসী বিধবা একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করেন যে সেই মনোমুগ্ধকর যুবকটি তাঁর সারা জীবনের সমস্ত সঞ্চয় নিয়ে চম্পট দিয়েছে। তেমনি কোনো একটি অ-কাল্পনিক রচনার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটিও। যখন সেই নিবন্ধ বা বইটি প্রকাশিত হয়, তখনই তাঁর জীবনের সেই রূঢ় ও কঠিন শিক্ষাটি লাভ করেন। সাংবাদিকরা তাঁদের এই বিশ্বাসঘাতকতাকে নিজ নিজ স্বভাব অনুযায়ী বিভিন্নভাবে যুক্তিযুক্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যে যারা অধিকতর আড়ম্বরপূর্ণ, তারা বাকস্বাধীনতা এবং "জনগণের জানার অধিকার" নিয়ে লম্বা চওড়া কথা বলেন। যারা অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী হয়, তারা একে এক ধরণের 'শিল্প' বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন। আর যারা খুব বিনয়ী হওয়ার ভান করেন, তারা স্রেফ জীবনধারণের তাগিদে এই পেশা বেছে নেওয়ার কথা বলে মৃদু গুঞ্জন তোলে থাকেন। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৩ (বইটির উদ্বোধনী অনুচ্ছেদ)। * আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন। এই দেশে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য যারা নিজেদের সম্পর্কে কোথাও লেখা হচ্ছে কিংবা কোনো রেডিও বা টেলিভিশন প্রোগ্রামে তাঁদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, এমন সম্ভাবনা দেখে প্রবলভাবে উচ্ছ্বসিত হন না। ** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৫৮। * আমি এখন এমনটা ভাবতে শুরু করেছি যে... সাংবাদিকতামূলক রচনায় "আমি" নামক চরিত্রটি সাংবাদিকের সৃষ্ট অন্যান্য সমস্ত চরিত্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ এটি সেই নিয়মের একটি ব্যতিক্রম যেখানে বলা হয় যে কোনো কিছুই আবিষ্কার বা উদ্ভাবন করা যাবে না। সাংবাদিকতার এই "আমি" চরিত্রটি প্রায় পুরোপুরি একটি মনগড়া উদ্ভাবন। আত্মজীবনীতে ব্যবহৃত "আমি" যেখানে লেখকের সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করার কথা, সেখানে সাংবাদিকতার এই "আমি" লেখকের সাথে খুব সামান্য বা ক্ষীণভাবেই যুক্ত। ঠিক যেভাবে সুপারম্যানের সাথে ক্লার্ক কেন্টের সংযোগ থাকে। সাংবাদিকতার এই "আমি" হলো এক অতি-নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, যার ওপর আখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যুক্তি উপস্থাপন এবং সুর নির্ধারণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এটি গ্রিক ট্র্যাজেডির কোরাসের মতো একটি বিশেষ প্রয়োজনে সৃষ্ট সৃষ্টি। সে হলো একটি প্রতীকি চরিত্র, যে জীবনের এক নিরাসক্ত ও আবেগহীন পর্যবেক্ষক হিসেবে নিজেকে মূর্ত করে তোলে। তা সত্ত্বেও, পাঠকরা যারা সহজেই এই ধারণাটি মেনে নেন যে ফিকশন বা কল্পকাহিনীর বর্ণনাকারী এবং সেই বইয়ের লেখক এক ব্যক্তি নন, তারাই আবার সাংবাদিকতার এই উদ্ভাবিত "আমিত্বের" ধারণাটিকে জেদের সাথে প্রতিরোধ করেন। এমনকি সাংবাদিকদের মধ্যেও এমন অনেকে আছেন যারা নিজেদের টেক্সটের সেই 'সুপারম্যান' রূপ থেকে নিজেদের বাস্তব সত্ত্বাকে আলাদা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হিমশিম খান। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৫৯–১৬০। * সাংবাদিকতার নৈতিক অস্পষ্টতা বা দ্বিধার লিখিত বয়ানের মধ্যে নয়, বরং সেই সম্পর্কের গভীরে নিহিত থাকে যেখান থেকে এই বয়ানগুলো জন্ম নেয়। আর এই সম্পর্কগুলো অনিবার্যভাবেই এবং কোনোভাবেই এড়ানো যায় না এমনভাবে একপেশে বা অসম প্রকৃতির হয়ে থাকে। সাংবাদিকতামূলক রচনার 'ভালো' চরিত্রগুলো ঠিক তেমনিভাবেই অন্য একজন মানুষের ওপর লেখকের সেই অশুভ ও প্রচণ্ড ক্ষমতার ফসল, যেভাবে 'মন্দ' চরিত্রগুলো সৃষ্টি হয়। [...] সাংবাদিকতার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটি হয়তো সাংবাদিককে নিজের স্বার্থে ব্যবহার বা ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করতে পারেন এবং জাগতিক জ্ঞানসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিই কমবেশি এই প্রবণতার ঊর্ধ্বে নন। কিন্তু এই বিষয়টি কোনোভাবেই ব্যক্তিস্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধে সাংবাদিকের নিজের করা পাপগুলোকে মোচন কিংবা খণ্ডন করতে পারে না। [...] সাংবাদিকরা এই নৈতিক অচলাবস্থার সাথে লড়াই করার জন্য অগণিত বৈচিত্র্যময় পথ অবলম্বন করে থাকেন [...]। তাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে প্রজ্ঞাবান, তারাই ভালো করে জানেন যে তারা সর্বোচ্চ যা করতে পারেন তা-ও আসলে যথেষ্ট নয়। আর যারা খুব একটা বুদ্ধিমান নন, তারা তাদের চিরচেনা অভ্যাসবশত এটা বিশ্বাস করতেই পছন্দ করেন যে আসলে কোনো সমস্যাই নেই এবং তারা হয়তো এর একটি সমাধানও করে ফেলেছেন। ** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৬২-১৬৩। (শেষ বাক্যটি বইটির অন্তিম বাক্য)। * উন্নত ও মানসম্মত সাংবাদিকতার জন্য তথ্যফাঁসকারী বা 'হুইসেলব্লোয়ার'রা অপরিহার্য। তাঁরা সাংবাদিকদের সেই সব গোপনীয়তার দেয়াল ভেদ করতে সাহায্য করেন যা সরকারি কর্মকর্তা এবং জনসংযোগ কর্মকর্তারা অত্যন্ত সযত্নে গড়ে তোলেন। এই হুইসেলব্লোয়াররাই সরকার, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভেতরে লুকিয়ে থাকা নানা অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডগুলো সবার সামনে এনে উন্মোচন করে থাকেন। এই সাহসী মানুষদের তাঁদের এই বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য পুরস্কৃত করা উচিত ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো যে তাঁদের প্রায়ই বিচারিক হয়রানি কিংবা কারাবাসের মুখোমুখি হতে হয়। ** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)। * যদি জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে অভিযুক্ত করে বিচার করা হয়, তবে '[[w:দ্য_গার্ডিয়ান|দ্য গার্ডিয়ান]]', [[w:দ্য_নিউ_ইয়র্ক_টাইমস|'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]', 'ডার স্পিগেল', 'এল পাইস', 'লা রিপাবলিকা' এবং এই তথ্যগুলো প্রচারের সাথে জড়িত অন্যান্য সমস্ত সংবাদ সংস্থার সম্পাদক ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও মামলা করার সমান ও যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে। ** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)। * মাইকেল শুডসন তাঁর “ডিসকভারিং দ্য নিউজ” (১৯৭৮) গ্রন্থে যেমনটি উল্লেখ করেছেন—ভালো সাংবাদিকতা মানেই যে তা “বস্তুনিষ্ঠ” (অর্থাৎ দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং ব্যক্তিগত মতামতের ঊর্ধ্বে) হতে হবে, এই ধারণাটি মূলত বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রথম আবির্ভূত হয়েছিল। শুডসন মনে করতেন যে, ধ্রুব এবং নির্ভরযোগ্য সত্যের ধারণাটির প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান সংশয়বাদ থেকেই এই বস্তুনিষ্ঠতার ধারণার জন্ম হয়েছে। তাঁর ভাষায়, বস্তুনিষ্ঠতার এই মানদণ্ডটি “তথ্যের ওপর বিশ্বাসের কোনো চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল না; বরং এটি ছিল এমন এক জগতের জন্য পরিকল্পিত পদ্ধতির সুদৃঢ় দাবি, যেখানে এমনকি তথ্যকেও আর বিশ্বাস করা যাচ্ছিল না। ... সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন ঠিক ততটুকুই যতটুকু তাঁদের প্রয়োজন ছিল। কারণ তাঁরা চেয়েছিলেন, তাঁদের দরকার ছিল এবং সাধারণ মানবিক আকাঙ্ক্ষা থেকেই তাঁরা তাঁদের নিজেদের গভীর সন্দেহ ও অস্থিরচিত্ততা থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ খুঁজছিলেন।” অন্যভাবে বলতে গেলে, বস্তুনিষ্ঠতা বিষয়টি শুরু থেকেই একটি সমস্যাসঙ্কুল ধারণা ছিল... লিপম্যানের যুক্তি ছিল এই যে, সাংবাদিকতা আসলে কোনো সুনির্দিষ্ট পেশা নয়। এই পেশায় যুক্ত হওয়ার জন্য আপনার কোনো লাইসেন্স বা প্রাতিষ্ঠানিক একাডেমিক সনদের প্রয়োজন হয় না। সব ধরণের মানুষই নিজেদের সাংবাদিক বলে দাবি করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাঁরা সবাই কি জনগণকে নির্ভরযোগ্য এবং স্বার্থহীন সংবাদ পণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম? ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * ১৯৪৫ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যবর্তী সময়ে মার্কিন ক্যাবিনেটে মাত্র একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি ছিলেন। যাঁদের প্রত্যেকেই মাত্র দুই বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সংবাদমাধ্যমের দিকে তাকালে দেখা যায় যে পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ। নারী ও কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের পরিকল্পিতভাবে মূলধারা থেকে বাদ দেওয়া হতো। নির্দিষ্ট কিছু সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের প্রবেশাধিকার ছিল না এবং সম্পাদকরা নারীদের কখনোই সরকারি বিষয়গুলো কভার করার দায়িত্ব দিতেন না। ঘোর বর্ণবাদ এবং লিঙ্গবৈষম্য এত দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে টিকে ছিল যে আজ তা প্রায় অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়। <br> ওয়াশিংটনের সাংবাদিকদের জন্য প্রধান দুটি সামাজিক সংগঠন ছিল গ্রিডাইরন ক্লাব (১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত) এবং ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব (১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত)। ১৮৯৬ সালে গ্রিডাইরন ক্লাব সদস্যদের স্ত্রীদের একটি নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু নারী ভোটাধিকার আন্দোলনকে উপহাস করে পরিবেশিত একটি নাটক সেখানে মোটেও ভালো সাড়া ফেলেনি; যার ফলে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত নারীদের সেখানে আর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক পর্যন্তও গ্রিডাইরন ক্লাবের নৈশভোজগুলোতে বিনোদনের জন্য সদস্যরা মুখে কালো রঙ মেখে 'ব্ল্যাকফেস' সেজে অভিনয় করতেন। ম্যাকগারের বর্ণনা অনুযায়ী, ক্লাবটির সিগনেচার টিউন ছিল “দ্য ওয়াটারমেলন সং”, যা একটি বিশেষ আঞ্চলিক [[w:উপভাষা|উপভাষায়]] গাওয়া হতো। <br> ১৯৫৫ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে কোনো কৃষ্ণকায় সদস্য ছিলেন না; এবং সেই একই বছরেই প্রথমবারের মতো নারীদের এমন মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল যেখানে কর্মকর্তারা সদস্যদের ব্রিফিং দিতেন। তবে নারীদের বসতে হতো ব্যালকনিতে এবং তাঁদের কোনো প্রশ্ন করার অনুমতি ছিল না। ১৯৭১ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব কোনো নারী সদস্য গ্রহণ করেনি। <br> 'দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট' ১৯৫১ সালে তাদের প্রথম কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়। তাঁর জন্য আলাদা শৌচাগার বরাদ্দ করা হয়েছিল এবং মাত্র দুই বছর পরেই তিনি সেই পত্রিকা ত্যাগ করেন। (ম্যাকগার বলেন যে ওয়াশিংটন পোস্ট ১৯৭২ সালের আগে আর কোনো কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়নি, তবে তথ্যটি ভুল: পত্রিকাটি ১৯৬১ সালে ডরোথি বাটলার গিলিয়াম এবং ১৯৬৮ সালে জ্যাক হোয়াইটকে নিয়োগ দিয়েছিল।) নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অনেক গভীর সময় পর্যন্তও নিউ ইয়র্ক টাইমসে কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের সংখ্যা ছিল অতি সামান্য। এই পত্রিকার মতো অন্যান্য সাধারণ-আগ্রহের ম্যাগাজিনগুলোর রেকর্ডও এর চেয়ে ভালো কিছু ছিল না। ** '''''লুই মেনান্দ''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * সংবাদপত্রের শক্তি—তা যতটুকু বা যে পর্যায়েরই হোক না কেন—তা মূলত অনেকটা প্রাতিষ্ঠানিক পণ্ডিত, বৈজ্ঞানিক গবেষক এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের শক্তির মতো। এটি কোনো পেশিবল বা শারীরিক শক্তির ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে নেই; বরং এটি টিকে আছে মানুষের অগাধ বিশ্বাসের ওপর—এই বিশ্বাস যে, এরা হলো এমন একদল মানুষ যারা ভয় কিংবা পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে থেকে কেবল সত্য অন্বেষণের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। যখনই তাঁরা এই মহান দায়িত্ব পালন থেকে বিচ্যুত হবেন, তখন সমাজ তাঁদের সেই একইভাবে দেখতে শুরু করবে যেভাবে বর্তমানে অন্যদের দেখা হয়—অর্থাৎ এমন একদল লোক যারা কেবল ব্যক্তিগত লাভ বা সামাজিক মর্যাদার লোভে তথ্যকে নিজ স্বার্থে ঘুরিয়ে পরিবেশন করে। ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * যেহেতু আদর্শগত সত্য বলে পৃথিবীতে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই, তাই স্বাভাবিকভাবেই এটা প্রতীয়মান হয় যে, একজন প্রতিবেদক যখনই নিজেকে [[w:রক্ষণশীলতাবাদ|উদারপন্থী বা রক্ষণশীল]], কিংবা ডেমোক্রেটিক, [[w:সাম্যবাদ|কমিউনিস্ট]] বা রিপাবলিকান প্রতিবেদক হিসেবে উপস্থাপন করেন, তখন তিনি আসলে আর মোটেও কোনো প্রতিবেদক থাকেন না। ** '''''এইচ. এল. মেনকেন''''' (১৯৩৭), উদ্ধৃত হয়েছে: অ্যালেস্টার কুক রচিত '''''মেমোরিস অফ দ্য গ্রেট অ্যান্ড গুড''''' (১৯৯৯), পৃ. ২২৪। * সংবাদপত্রগুলো এখন জেসি-র পিছু নিতে শুরু করেছে। শুরুতে তারা তাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিল এবং সব ঘটনার দায়ভার অন্য যে কারো বা অন্য কিছুর ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, একজন অত্যন্ত রূপসী অথচ দৃশ্যত কোনো যৌনজীবন নেই এমন একজন নারীকে নিয়ে কাজ করা তাদের জন্য বেশ বিব্রতকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কারণ তাকে কলঙ্কিত করার জন্য আসলে ঠিক কী ধরনের অপবাদ ব্যবহার করা উচিত, তা তারা খুঁজে পাচ্ছিল না। ** '''''নাওমি মিচিসন''''', “মেরি অ্যান্ড জো”; হ্যারি হ্যারিসন সম্পাদিত '''''নোভা ১''''', পৃ. ১৬৩। * সাংবাদিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁদের মানহানির মামলার মুখে পড়তে হয়; কিন্তু ঐতিহাসিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁরা সেই ভুল শুধরে নিয়ে বইটির একটি পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশের সুযোগ পান। ** '''''বিল ময়ার্স''''', "দ্য বিগ স্টোরি", টেক্সাস স্টেট হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে প্রদত্ত ভাষণ, (৭ মার্চ ১৯৯৭), '''''ময়ার্স অন ডেমোক্রেসি''''' (২০০৮), পৃ. ১৩১। * বাকস্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, যা প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত করা হয়েছে। তা মূলত সেইসব মৌলিক ব্যক্তিগত অধিকার ও স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত যা চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে যেকোনো অঙ্গরাজ্যের হস্তক্ষেপ থেকে সকল নাগরিকের জন্য সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই অধিকারগুলোকে সুরক্ষিত রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো যেন মানুষ তাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলো নিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা ও কথা বলতে পারে এবং শিক্ষা ও আলোচনার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেন মিথ্যার মুখোশ উন্মোচিত হয়। যা একটি মুক্ত ও স্বাধীন সরকারের জন্য একান্ত অপরিহার্য। যারা আমাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন, তাঁদের এই অটল বিশ্বাস ছিল যে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সত্য আবিষ্কার এবং তা প্রচার করার জন্য স্বাধীন ও নির্ভীক যুক্তিপ্রদান এবং ধারণার আদান-প্রদান এক অজেয় শক্তি হিসেবে কাজ করবে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্ক মারফি|ফ্রাঙ্ক মারফি]]''''', '''''[[:w:থর্নহিল বনাম আলাবামা মামলা|থর্নহিল বনাম আলাবামা]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪০), ৩১০ ইউ.এস. ৮৮, ৯৫। == O == * সেই স্থূলকায় [[w:রুশ_জাতি|রুশ]] গোয়েন্দাটি একে একে সমস্ত বিদেশী উদ্বাস্তুদের এক কোণায় নিয়ে যাচ্ছিলেন এবং অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করছিলেন যে, এই পুরো ঘটনাটি আসলে ছিল একটি নৈরাজ্যবাদী চক্রান্ত। আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে তাঁকে পর্যবেক্ষণ করছিলাম, কারণ সেটিই ছিল আমার জীবনে প্রথম দেখা এমন কোনো ব্যক্তি যাঁর পেশা হলো অনর্গল মিথ্যা বলা, অবশ্য যদি কেউ এই তালিকায় সাংবাদিকদের গণনা না করেন। ** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''হোমেজ টু ক্যাটালোনিয়া''''' (১৯৩৮)। * জীবনের শুরুর দিকেই আমি লক্ষ্য করেছিলাম যে সংবাদপত্রে কোনো ঘটনাই আসলে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয় না; কিন্তু স্পেনে আমি প্রথমবারের মতো এমন কিছু সংবাদ প্রতিবেদন দেখলাম যার সাথে বাস্তব তথ্যের বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই, এমনকি একটি সাধারণ মিথ্যার মধ্যে যেটুকু সত্যের রেশ থাকে সেটুকুও সেখানে অনুপস্থিত ছিল। আমি দেখেছি এমন সব বিশাল যুদ্ধের খবর ছাপা হয়েছে যেখানে আসলে কোনো লড়াই-ই হয়নি, আবার যেখানে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে সেখানে বজায় রাখা হয়েছে কবরের নিস্তব্ধতা। আমি দেখেছি যেসব সৈন্য সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছে তাদেরকে উল্টো কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে নিন্দা জানানো হচ্ছে, আর যারা কোনোদিন যুদ্ধের ময়দানে একটি গুলিও ছোঁড়েনি তাদের কাল্পনিক বিজয়ের নায়ক হিসেবে জয়ধ্বনি দেওয়া হচ্ছে! শুধু তা-ই নয়, আমি দেখলাম '''[[w:লন্ডন|লন্ডনের]]''' সংবাদপত্রগুলো এই মিথ্যাগুলোই প্রচার করেছিল এবং উৎসাহী বুদ্ধিজীবীরা এমন সব ঘটনার ওপর আবেগপ্রবণ ইমারত গড়ে তুলছেন যা আদতে কখনও ঘটেইনি। আমি আসলে ইতিহাসকে এমনভাবে রচিত হতে দেখলাম যা কী ঘটেছে তার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং বিভিন্ন 'দলীয় আদর্শ' অনুযায়ী কী ঘটা উচিত ছিল, তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''লুকিং ব্যাক অন দ্য স্প্যানিশ ওয়ার''''' (১৯৪৩)। * অনেক সাংবাদিকই আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে এতটাই আচ্ছন্ন থাকেন যে, তাঁদের মধ্যে ইতিহাসের গভীর উপলব্ধি বা ঐতিহাসিক চেতনার এক ধরনের চরম ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়। ** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)। * অন্ধ স্তুতি বা ফ্যানডম এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কখনোই একে অপরের পরিপূরক হতে পারে না; বরং এই দুটি বিষয় একত্রে থাকলে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও অসম এক সহাবস্থানের জন্ম দেয়। ** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)। == P == * বর্তমানের এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যেখানে প্রতিটি মানুষই একেকজন প্রকাশক হয়ে উঠেছেন, সেখানে আশ্চর্যের বিষয় হলো কেউ আসলে প্রকৃত সম্পাদকের ভূমিকা পালন করছেন না। আর ঠিক এই জায়গাতেই আজকের দিনে আমরা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হচ্ছি। ** '''''স্কট পেলি''''', কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটিতে প্রদত্ত ভাষণ (১০ মে ২০১৩)। [http://www.youtube.com/watch?v=1AyCD_lcl1Q ইউটিউব ভিডিও: সিবিএস নিউজ অ্যাঙ্কর স্কট পেলি: 'আমরা বারবার বড় বড় খবরগুলো ভুলভাবে পরিবেশন করছি']। * সাংবাদিকদের জন্য নিজেদের কেবল সাধারণ বার্তাবাহক হিসেবে গণ্য করাই যথেষ্ট নয়। বরং তাঁদের পরিবেশিত বার্তার আড়ালে লুকিয়ে থাকা গোপন উদ্দেশ্য বা 'হিডেন এজেন্ডা' পুরিকল্পনা এবং সেই বার্তাকে ঘিরে থাকা প্রচলিত মিথ বা ভ্রান্ত ধারণাগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করা একান্ত প্রয়োজন। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', 'হিডেন এজেন্ডাস', ১৯৯৮। * গোপন ক্ষমতা সেই সাংবাদিকদের মনেপ্রাণে ঘৃণা করে যারা নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন। যারা গোপনীয়তার পর্দা সরিয়ে দেন, বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে উঁকি দেন এবং অশুভ সত্যের ওপর রাখা পাথর তুলে ধরেন। উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের কাছ থেকে আসা নিন্দা বা তিরস্কারই হলো এই নির্ভীক সাংবাদিকদের জন্য সম্মানের শ্রেষ্ঠ স্মারক। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''টেল মি নো লাইজ: ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড''''', থান্ডার্স মাউথ প্রেস, (২০০৫), পৃ. xv, ISBN 1560257865। * আমরা যারা সাংবাদিক... আমাদের সেইসব ব্যক্তিদের অবজ্ঞা ও প্রতিরোধ করার মতো যথেষ্ট সাহসী হতে হবে, যারা অন্যের দেশে তাদের সাম্প্রতিকতম রক্তক্ষয়ী দুঃসাহসিক অভিযানগুলো বৈধ করার জন্য আমাদের সহযোগিতা কামনা করে। এর অর্থ হলো সরকারি ভাষ্যকে সবসময় চ্যালেঞ্জ করা, সেই ভাষ্যটি আপাতদৃষ্টিতে যতই দেশপ্রেমমূলক মনে হোক না কেন, অথবা সেটি যতই মোহনীয় ও বিভ্রান্তিকর হোক না কেন। কারণ প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার পুরোপুরি আমাদের গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করে যেন তাদের প্রতারণার লক্ষ্যবস্তু কোনো দূরদেশের মানুষ নয়, বরং আপনার নিজের ঘরের মানুষ হয়। অন্তহীন সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের এই যুগে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুর জীবন আজ পরম সত্যের ওপর নির্ভর করছে। যদি সেই সত্য প্রকাশ না পায়, তবে তাদের ঝরানো রক্তের দায়ভার আমাদের ওপরই বর্তাবে। যাদের কাজ হলো ইতিহাসের নথিপত্রকে নির্ভুল রাখা, তাদের উচিত ক্ষমতার কণ্ঠস্বর না হয়ে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''দ্য ওয়ার ইউ ডোন্ট সি''''', আইটিভি১ (যুক্তরাজ্য), (১৪ ডিসেম্বর ২০১০)। * উইকিলিকস কেন সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত? কারণ এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যগুলো আমাদের কাছে একশ শতাংশ নিখুঁতভাবে এই সত্যটি তুলে ধরেছে যে এই বিশ্বের একটি বড় অংশ আসলে কীভাবে এবং কেন বিভক্ত এবং ঠিক কীভাবে তা পরিচালিত হচ্ছে। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://frontline.thehindu.com/cover-story/article25661115.ece "নতুন শীতল যুদ্ধ এবং আসন্ন হুমকি"], '''''ফ্রন্টলাইন, ভারত''''', (২১ ডিসেম্বর ২০১৮)। * একজন সাংবাদিক সত্য প্রচারের মাধ্যমে অথবা তিনি যতটুকু সত্যের সন্ধান পান তা প্রকাশের মাধ্যমে মানুষের প্রভূত কল্যাণ সাধন করতে পারেন। তবে শর্ত হলো তাঁকে কোনো সরকার বা কোনো বিশেষ ক্ষমতার প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। এর বাইরে যা কিছু আছে তার সবই আপাতদৃষ্টিতে সত্য মনে হলেও আসলে তা প্রতারণামূলক এবং মিথ্যা। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', উদ্ধৃত হয়েছে: [https://www.thedailystar.net/opinion/interviews/news/real-journalists-act-agents-people-not-power-1687921 "প্রকৃত সাংবাদিকরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন, ক্ষমতার নয়"], '''''ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)''''', (১৬ জানুয়ারি ২০১৯)। * কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া সরাসরি "পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার" দোহাই দিয়ে উদ্ধৃতি প্রদান করা কখনোই সাংবাদিকতা হতে পারে না; এটি প্রায় সবসময়ই একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার বা প্রোপাগান্ডা। একজন প্রতিবেদক হিসেবে আমি এই শিক্ষাটি লাভ করেছি। বিবিসি এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের এই নিরন্তর 'কোল্ড ওয়ার' বা স্নায়ুযুদ্ধের দামামা আমাদের ধীরে ধীরে একটি বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://twitter.com/johnpilger/status/1285869017412956160 টুইটার], (২২ জুলাই ২০২০)। == R == [[File:Helen Thomas - USNWR.jpg|thumb|আমি আশা করি যে ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত নীতিমালাগুলো কঠোরভাবে মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্র এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সজীব রাখার ক্ষেত্রে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছেন।<br>~'''''[[:w:হেলেন থমাস|হেলেন থমাস]]''''' ]] * সংবাদ বোধ বা 'নিউজ সেন্স' হলো মূলত কোনটি গুরুত্বপূর্ণ, কোনটি অত্যাবশ্যক এবং কোনটির মাঝে প্রাণ ও রঙের স্পন্দন রয়েছে। অর্থাৎ মানুষ কোন বিষয়ে আগ্রহী, তা বোঝার এক অনন্য ক্ষমতা। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। ** '''''বার্টন রাস্কো''''', উদ্ধৃত হয়েছে: ট্রায়ন এডওয়ার্ডস, সি. এন. ক্যাট্রেভাস এবং জনাথন এডওয়ার্ডস সম্পাদিত '''''ইউজফুল কোটেশনস: আ সাইক্লোপিডিয়া অফ কোটেশনস''''' (১৯৩৩)। * বিতর্ক? আপনি যদি এই নামের যোগ্য কোনো প্রতিবেদক হতে চান, তবে আপনি কখনোই বিতর্ককে পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে পারবেন না। আপনি একজন দক্ষ প্রতিবেদক হতে পারবেন না যদি না আপনি নিয়মিতভাবে কোনো না কোনো তর্কের সাথে জড়িয়ে পড়েন। আর আমি মনে করি না যে বিতর্ককে বারবার এড়িয়ে চলে আপনি একজন মহান প্রতিবেদক হতে পারবেন। কারণ একজন ভালো সাংবাদিকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সহজ সত্যগুলোর পাশাপাশি কঠিন ও রূঢ় সত্যগুলোকেও সাহসের সাথে তুলে ধরা। আর এই কঠিন সত্যগুলোই আপনাকে বিতর্কের দিকে ঠেলে দেবে, এমনকি এই কঠিন সত্যের অনুসন্ধান করতে গিয়ে আপনাকে হয়তো চড়া মূল্যও দিতে হতে পারে। দয়া করে আমার এই কথাগুলোকে কোনো অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করবেন না। আমি কেবল এটিই বোঝাতে চাইছি যে আপনি যদি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক হন, তবে এই ঝুঁকিগুলো আপনার কাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। আপনি যদি এমনভাবে সাংবাদিকতা শুরু করেন অথবা জীবনের এমন এক পর্যায়ে পৌঁছান যেখানে আপনি নিজেই নিজেকে বলেন, "শুনুন, আমি এমন কোনো কিছু স্পর্শ করব না যা থেকে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে," তবে আপনার উচিত হবে অনতিবিলম্বে এই পেশা ছেড়ে দেওয়া। ** '''''ড্যান রাদার''''', সাক্ষাৎকার: [http://www.achievement.org/autodoc/page/rat0int-1 "ড্যান রাদার ইন্টারভিউ: ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট, অন দ্য ফ্রন্টলাইনস অফ ব্রেকিং নিউজ"], '''''একাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৫ মে ২০০১)। * উন্নতমানের সাংবাদিকতা সেই হাজারো 'নিষিদ্ধ বিষয়ের' রাজ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করে, এমনকি যদি তার ফলাফল অত্যন্ত অদ্ভুত এবং বিচলিত করার মতো হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। ... বর্তমান সময়ে সাংবাদিকরা কোনো গোয়েন্দা নন, আবার আধ্যাত্মিক ধর্মপ্রচারকও নন। তাঁরা কেবল তাঁদের অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলেই তা যথেষ্ট। তবে সাংবাদিকতা পেশার সবসময়ই একটি অনুসন্ধানী দিকের পাশাপাশি একটি নৈতিক দিকও বিদ্যমান থাকে। সাংবাদিকরা গোয়েন্দা নন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের কাজের মধ্য দিয়ে তাঁরা অনুসন্ধানের একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড বজায় রাখতে পারেন। তাঁরা গোয়েন্দা বাহিনীর কেউ নন, কিন্তু তাঁরা এমন সব তথ্য সরবরাহ করতে পারেন যা গোয়েন্দারাও কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হন। সাংবাদিকরা আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শকও নন, কিন্তু পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে তাঁরা এমন কিছু উপলক্ষ এবং সূত্র উপহার দিতে পারেন যা পাঠকদের আত্মিক খোরাক জোগাতেও কিছুটা সাহায্য করে। আসুন আমরা সবাই অত্যন্ত বিজ্ঞতার সাথে উপদেশমূলক সাংবাদিকতা থেকে দূরে থাকি; তবে ভালো সাংবাদিকরা অন্তত নিজের এবং তাঁদের পাঠকদের আত্মাকে বিষাক্ত করা থেকে বিরত থাকতে পারেন। ** '''''মার্কো রেসপিন্তি''''', [https://bitterwinter.org/a-universal-declaration-on-combating-and-preventing-forced-organ-harvesting/ "চীনের মানব ফসল এবং অবৈধ অঙ্গ বাণিজ্য: প্রকাশ করো নতুবা ধ্বংস হও?"], '''''বিটার উইন্টার'''''। * একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সাংবাদিকতা শেখানো কতটা ভয়ানক ও অদ্ভুত বিষয়! আমি ভেবেছিলাম এটি কেবল অক্সফোর্ডেই করা হয়। নিচ ও নোংরা জনমানুষের প্রতি এই অতি-সম্মান প্রদর্শন আসলে আমাদের সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', লুসি মার্টিন ডনেলিকে লেখা একটি চিঠিতে (৬ জুলাই ১৯০২)। == S == * তবে আমি এমনভাবে এর প্রতিবেদন পেশ করব—<br>যেখানে সিনেটররা তাঁদের হাসির সাথে চোখের জলের মিশ্রণ ঘটাবেন। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:কোরিওলেনাস|কোরিওলেনাস]]''''' (আনু. ১৬০৭-০৮), প্রথম অংক, নবম দৃশ্য, লাইন ২। * যারা অতৃপ্ত বা সত্য সম্পর্কে অবগত নয়,<br>তাদের কাছে আমাকে এবং আমার উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করো। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]''''' (১৬০০-০২), পঞ্চম অংক, দ্বিতীয় দৃশ্য, লাইন ৩৫০। * আমার কাছে আর কোনো প্রতিবেদন নিয়ে এসো না। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]''''' (১৬০৫), পঞ্চম অংক, তৃতীয় দৃশ্য, লাইন ১। * আমার মনে হয় না যে পরিস্থিতি এর আগে কখনো বর্তমানের মতো এত বেশি ভয়াবহ ছিল। কারণ এখন দেখে মনে হচ্ছে যে প্রতিটি সাংবাদিকই আসলে কোনো না কোনো হুমকির মুখে রয়েছেন। ** '''''নাজিব শরিফি''''', আফগান সাংবাদিক নিরাপত্তা কমিটির প্রধান, '''''ডিডব্লিউ''''' (DW) এর সাথে একটি সাক্ষাৎকারে; [https://www.dw.com/en/2020-dozens-of-journalists-killed-in-targeted-attacks/a-56078207 "২০২০: লক্ষ্যবস্তু করে চালানো হামলায় কয়েক ডজন সাংবাদিক নিহত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে প্রকাশিত। * আমি আজও বিশ্বাস করি যে, আপনার লক্ষ্য যদি হয় এই পৃথিবীকে বদলে দেওয়া, তবে সাংবাদিকতা হলো তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি তাৎক্ষণিক এবং কার্যকর একটি স্বল্পমেয়াদী অস্ত্র। ** '''''[[:w:টম স্টপার্ড|টম স্টপার্ড]]''''', '''''টম স্টপার্ড ইন কনভারসেশন''''' (১৯৯৪), পল ডেলানি সম্পাদিত, ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান প্রেস, পৃ. ১৯৬। * আমি কোনো সংবাদের বা গল্পের অংশ হয়ে উঠতে চাই না। আমি বরং একজন নামহীন, শান্ত ও নিভৃতচারী দর্শক হয়ে থাকতে চাই। যে আসলে পৃথিবীতে কী ঘটছে তা বোঝার চেষ্টা করে (যা মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়) এবং পরবর্তীতে অন্য মানুষের কাছে সেই সত্যটি বর্ণনা করে। ঘটনার কেন্দ্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে থাকাটা আমার একদমই পছন্দ নয়। ** '''''[[:w:জন সিম্পসন|জন সিম্পসন]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''বিবিসি নরফোক''''', (১২ অক্টোবর ২০০৭)। [[File:William Thomas Stead.jpg|thumb|সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ। এটি যদি গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বর নাও হয়, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক দৃশ্যমান ভাষা। এটি আসলে পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ।<br>~'''''[[:w:উইলিয়াম থমাস স্টিড|উইলিয়াম থমাস স্টিড]]''''' ]] * সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ তথা একটি দেহের মতো। এটি যদি গণতন্ত্রের প্রকৃত কণ্ঠস্বর নাও হয়ে থাকে, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক অনন্য ও দৃশ্যমান ভাষা। সহজ কথায়, এটি পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ। ** '''''উইলিয়াম থমাস স্টিড''''' (মে ১৮৮৬), "গভর্নমেন্ট বাই জার্নালিজম", ''কন্টেম্পোরারি রিভিউ''। * সাংবাদিকতা (একটি সংজ্ঞা দেওয়া যাক): জীবনকে একগুচ্ছ গতানুগতিক ক্লিশে বা ধরাবাঁধা চেনা ছাঁচের ধারাবাহিকতা হিসেবে উপস্থাপন করার একটি শিল্প কিংবা বিজ্ঞান। ** '''''রিচার্ড সামারবেল''''', '''''অ্যাবনরমালি হ্যাপি''''' (১৯৮৫), নিউ স্টার বুকস, পৃ. ৩০, ISBN 091957341X। == T == * সংবাদপত্র পড়ার নেশা থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেতে চাইলে, একটি বছর ব্যয় করুন গত সপ্তাহের পুরোনো সংবাদপত্রগুলো পড়ার পেছনে! (যেন সত্য এবং মিথ্যার মাঝে তৌফাতটা ধরতে পারা যায়!) ** '''''নাসিম এন. তালেব''''', '''''দ্য বেড অফ প্রোক্রাস্টাস: ফিলোসফিক্যাল অ্যান্ড প্র্যাকটিক্যাল অ্যাফোরিজমস''''' (২০১০), পৃ. ২১। * আমি সবসময়ই উন্নতমানের ও শৈল্পিক লিখনশৈলীর মানদণ্ড বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। এই সাংবাদিকতা পেশার ভেতরেও শিল্প লুকিয়ে আছে। এমনকি এখানে অত্যন্ত মহান শিল্প সৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনাও বিদ্যমান। ** '''''[[:w:গে টালিস|গে টালিস]]''''' (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬); রিপোর্ট করেছেন রেবেকা ক্যাথকার্ট: '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি। * একজন সংবাদ প্রতিবেদকের প্রকৃত শিল্প চাতুর্য হলো কোনো শিকারকে কীভাবে আশ্বস্ত করে শান্ত করতে হয় তা আয়ত্ত করা। কারণ সমস্ত দক্ষ প্রতিবেদকই আসলে তাঁদের প্রাথমিক সত্তায় একেকজন অত্যন্ত ধুরন্ধর প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ট্রিকস্টার'। ** '''''ডেরেক টাঙ্গি''''', ব্রিটিশ লেখক, '''''দ্য ওয়ে টু মাইনাক''''' (১৯৬৮), সপ্তম অধ্যায়। * আমি মোটেও বিশ্বাস করি না যে সাংবাদিকতা একটি মৃতপ্রায় শিল্প। বরং আমি মনে করি, এটি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ; এবং বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকরা আমাদের কর্মপদ্ধতির সাথে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছেন, যার মূল লক্ষ্য হলো সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ করা। সাংবাদিকের ভূমিকা অপরিহার্য, এবং সংবাদকর্মীরা মাঝে মাঝে জনরোষের শিকার বা নিন্দিত হলেও, তাঁরা যখন নিষ্ঠার সাথে সত্য অন্বেষণ করেন এবং ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনেন, তখন তাঁরা আজও অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদায় ভূষিত হন। আমার প্রত্যাশা এই যে, ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত মূলনীতিগুলো মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে, দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সচল রাখতে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনবদ্য ভূমিকা পালন করছেন। ** '''''হেলেন থমাস''''', '''''ওয়াচডগস অফ ডেমোক্রেসি?''''' (২০০৬), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ভূমিকা অংশ, ISBN 0743267818। * বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিয়ে এই হলো আমার বক্তব্য। আমার কোনো নামলিপির নিচে বা আমার চেনা অন্য কারোর লেখার মাঝেও এটি খুঁজে পাওয়ার বৃথা চেষ্টা করে লাভ নেই। খেলার স্কোরকার্ড, ঘোড়দৌড়ের ফলাফল কিংবা শেয়ার বাজারের তালিকার মতো গুটিকতক ব্যতিক্রম ছাড়া এই পৃথিবীতে 'বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা' বলে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই। এই শব্দগুচ্ছটি নিজেই নিজের অর্থের মধ্যে এক উদ্ধত ও হাস্যকর বৈপরীত্য ছাড়া আর কিছুই নয়। ** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং: অন দ্য ক্যাম্পেইন ট্রেইল '৭২''''' (২২ এপ্রিল ১৯৮৫), পৃ. ৪৮, ISBN 0446313645। * "সংবাদপত্র যদি কেবল এইটুকুই দেওয়ার ক্ষমতা রাখে, তবে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার কী? অ্যাগনিউ ঠিকই বলেছিলেন। সংবাদমাধ্যম হলো একদল নিষ্ঠুর ও বিকৃত মানুষের আস্তানা। সাংবাদিকতা কোনো পেশা বা সাধারণ ব্যবসা নয়। এটি হলো ব্যর্থ আর অযোগ্যদের ভিড় জমানোর এক সস্তা আশ্রয়স্থল। জীবনের পেছনের দরজার দিকে যাওয়ার জন্য এটি একটি মিথ্যে প্রবেশপথ। এটি বিল্ডিং পুলিশ ইন্সপেক্টর কর্তৃক পরিত্যক্ত এক নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত গর্ত, যা কেবল কোনো মদ্যপ-ভবঘুরে ব্যক্তির ফুটপাত থেকে গুটিয়ে শুয়ে থাকার জন্য কিংবা চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দি কোনো শিম্পাঞ্জির মতো কুরুচিপূর্ণ আচরণের উপযুক্ত স্থান হিসেবে যথেষ্ট গভীর।" ** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং ইন লাস ভেগাস''''' (১৯৭১), পৃ. ২০০। == U == * প্রত্যেকে ব্যক্তিরই স্বাধীনভাবে নিজস্ব মত পোষণ এবং তা প্রকাশের অধিকার রয়েছে। এই অধিকারের মধ্যে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বীয় মতামতে অটল থাকা এবং যেকোনো সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে এবং ভৌগোলিক সীমানা নির্বিশেষে তথ্য ও ধারণা অনুসন্ধান করা, গ্রহণ করা এবং তা প্রচার করার স্বাধীনতা অন্তর্ভুক্ত। ** '''''[[:w:জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]''''', '''''মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা''''', [[w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘ]], প্যালে ডি শাইলট, প্যারিস (১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮), ধারা ১৯। [http://www.un.org/Overview/rights.html মূল পাঠ্য] == V == [[File:Superman-facebook.svg|thumb|সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র সত্তা যা আমাদেরকে সুরক্ষা প্রদান করতে পারে। ঐতিহাসিকভাবেই এমন কিছু আপসহীন ও প্রতিবাদী সাংবাদিক ছিলেন যারা পরিণতির পরোয়া না করে সত্যের পথে লড়াই করতেন। কিন্তু সেই ধারা এখন 'অ্যাডভোকেসি জার্নালিস্ট' বা ওকালতি সাংবাদিকতায় রূপ নিয়েছে, যাদের নির্দিষ্ট বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। এর কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই। একজন সাংবাদিকের একমাত্র উপাসনার বিষয় হওয়া উচিত ধ্রুব সত্য।<br>~'''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''' ]] * সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র মাধ্যম যা আমাদের ঢাল হয়ে রক্ষা করে। অতীতে এমন অনেক আপসহীন ও লড়াকু সাংবাদিকের ইতিহাস ছিল যারা পরিণতির পরোয়া না করেই সত্য প্রকাশে অবিচল থাকতেন। কিন্তু সেই জায়গাটি এখন দখল করে নিয়েছে এক ধরনের 'ওকালতি সাংবাদিকতা'! যেখানে সংবাদকর্মীরা বাম কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট। এটি মোটেও যুক্তিযুক্ত নয়। একজন সাংবাদিকের উপাসনার যোগ্য একমাত্র ঈশ্বর হওয়া উচিত পরম সত্য। ** '''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''', ডুয়েন সোয়ারসিনস্কির নেওয়া সাক্ষাৎকার, ''ফিলডেলফিয়া সিটি পেপার'', (৭ জুলাই ২০০৫)। == W == [[File:Oscar Wilde by Napoleon Sarony. Three-quarter-length photograph, seated.jpg|thumb|সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার যোগ্য। সাংবাদিকতা এই দুর্বলতা সম্পর্কে অনেক সচেতন এবং ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে তারা ঠিক সেই চাহিদাগুলোই মিটিয়ে থাকে।<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''' ]] * আমার একটি লক্ষ্য ছিল 'দ্য ''৬০ মিনিটস''' এর জন্য কাজ করা এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা, যেকোনো বিষয়ের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করা এবং প্রচারের জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া। সহজ কথায়, সাংবাদিকতায় এর সমতুল্য কোনো দ্বিতীয় কাজ আর নেই। শুরুতে এটি ছিল কেবল একটি স্বপ্ন। এখন ৮৪ বছর বয়সে এসেও আমি এমন সব মানুষের সাথে কাজ করছি যারা আমার অর্ধেক বয়সের বা তারও কম। আর এর মূল কারণ হলো সংবাদের প্রতি এক অমোঘ আকর্ষণ। যদি কোথাও কোনো ভালো সংবাদ বা গল্পের সুযোগ থাকে, তবে সেখানে উপস্থিত না হওয়ার কোনো কারণ আমি দেখি না। ** '''''মাইক ওয়ালেস''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৮ জুন ২০০২)। * [[w:সংবাদ|সংবাদ]] হলো এমন কিছু যা সেই ব্যক্তিটি পড়তে চায় যে আসলে কোনো কিছু নিয়েই খুব একটা মাথা ঘামায় না। আর এটি ততক্ষণই সংবাদ হিসেবে টিকে থাকে যতক্ষণ না সে এটি পড়ছে। একবার পড়া হয়ে গেলে এটি স্রেফ একটি মৃত বিষয়ে পরিণত হয়। ** '''''ইভলিন ওয়াহ''''' (১৯৩৮), ''স্কুপ'', প্রথম খণ্ড, ৫ম অধ্যায়; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৭, ISBN 0226122018। * এটি একটি ধ্রুব সত্য যে, কোনো অভিযোগের বিপরীতে দেওয়া খণ্ডন বা প্রতিবাদ কখনোই মূল অভিযোগের গতির সাথে পাল্লা দিয়ে উঠতে পারে না। যেসব সৎ সাংবাদিক ব্যক্তি হয়তো ভুলবশত কোনো মিথ্যা তথ্য ছাপিয়ে ফেলতে পারেন, তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন যে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত কোনো প্রতিবাদলিপি বা সংশোধনীও মূল প্রতিবেদনের মাধ্যমে হওয়া ক্ষতির ক্ষত কখনোই পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে না। ** '''''টম উইকার''''', [http://www.nytimes.com/1989/06/09/opinion/in-the-nation-lesson-of-lattimore.html "ইন দ্য নেশন; লেসন অফ ল্যাটিমোর"], '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]''''', (৯ জুন ১৯৮৯)। * সেটি ছিল এক মারাত্মক ও অভিশপ্ত দিন যখন সাধারণ মানুষ প্রথম আবিষ্কার করল যে, কলম আসলে ফুটপাতের ইটের চেয়েও ভয়ংকর রকম্ন শক্তিশালী এবং একে অনায়াসেই ইটের টুকরোর মতো আক্রমণাত্মক করে তোলা সম্ভব! | এই সত্য জানার পরপরই তারা একজন সাংবাদিকের খোঁজ করল, তাকে খুঁজে বের করল, তাকে নিজেদের প্রয়োজনের তাগিদে তথা 'আপনা-সুবিধা' বাস্তবায়নের জন্য গড়ে তুলল এবং শেষ পর্যন্ত তাকে নিজেদের এক পরিশ্রমী ও উচ্চ বেতনের ভৃত্যে পরিণত করল। এটি উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। যুদ্ধের ব্যারিকেডের পেছনে হয়তো মহত্ত্ব আর বীরত্বের অনেক কিছু থাকতে পারে। কিন্তু সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বা প্রধান নিবন্ধগুলোর পেছনে কুসংস্কার, মূর্খতা, ভণ্ডামি আর নিরর্থক প্রলাপ ছাড়া আর কী-ই বা আছে? আর যখন এই চারটি বিষয় একত্রিত হয়, তখন তারা এক ভয়াবহ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং এক নতুন ও একনায়কতান্ত্রিক কর্তৃত্বের সৃষ্টি করে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * প্রাচীনকালে মানুষের ওপর নির্যাতন করার জন্য 'র‍্যাক' (The Rack) নামক যন্ত্র ছিল, আর এখন তাদের হাতে আছে সংবাদমাধ্যম বা প্রেস। এটি নিশ্চিতভাবেই একটি উন্নতি বলা যায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি অত্যন্ত মন্দ, ভুল এবং নৈতিকভাবে অবক্ষয় সৃষ্টিকারী। কেউ একজন—তিনি কি বার্ক ছিলেন? সাংবাদিকতাকে 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেট বলে অভিহিত করেছিলেন। সেই সময়ে সেটি নিঃসন্দেহে সত্য ছিল। কিন্তু বর্তমান মুহূর্তে এটিই আসলে একমাত্র স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। কারণ এটি অন্য বাকি তিনটি স্তম্ভকেই গ্রাস করে ফেলেছে। লর্ডস টেম্পোরাল বা উচ্চকক্ষ এখন নিশ্চুপ, লর্ডস স্পিরিচুয়াল বা ধর্মীয় প্রতিনিধিদের বলার মতো কিছুই নেই এবং হাউজ অফ কমন্স বা নিম্নকক্ষের বলার মতো কিছু না থাকলেও তারা অনবরত কথা বলে যাচ্ছে। আমরা এখন পুরোপুরি সাংবাদিকতার আধিপত্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে শাসন চালায় অনন্তকাল ধরে! সৌভাগ্যবশত, ইতোমধ্যে আমেরিকায় 'সাংবাদিকতা' তার ক্ষমতাকে সবচেয়ে জঘন্য এবং পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে গেছে। যার স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে এটি মানুষের মাঝে এক বিদ্রোহের চেতনা সৃষ্টি করতে শুরু করেছে! মানুষ এখন তাদের স্বভাব অনুযায়ী এই সাংবাদিকতা দেখে হয় বিনোদিত হয়, না হয় চরম বিরক্ত হয়। কিন্তু এটি আগের মতো আর সেই প্রকৃত প্রভাবশালী শক্তিতে টিকে নেই। মানুষ একে এখন আর খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। অন্যদিকে [[w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডে]], সুপরিচিত গুটিকতক উদাহরণ ছাড়া সাংবাদিকতাকে যেহেতু এমন পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে যাওয়া হয়নি, তাই এটি এখনও একটি বিশাল বড় প্রভাবক এবং এক উল্লেখযোগ্য শক্তি হিসেবে টিকে আছে। মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের ওপর এটি যে ধরণের স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েম করতে চায়, তা আমার কাছে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও বিস্ময়কর বলে মনে হয়। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আমরা এখানে সাংবাদিককে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা দিয়েছি, অথচ শিল্পীর পথকে করেছি সম্পূর্ণ কণ্টকাকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ। ইংরেজ জনমত মূলত সেই মানুষটিকেই বাধাগ্রস্ত করতে, অবদমিত করতে এবং তাঁর যাত্রাপথকে বিকৃত করতে চায়, যিনি প্রকৃতপক্ষে সুন্দর কিছু সৃষ্টি করেন। অন্যদিকে এটিই আবার সাংবাদিককে বাধ্য করে কুৎসিত, জঘন্য কিংবা বাস্তবিকভাবেই চরম ঘৃণ্য বিষয়গুলো পরিবেশন করতে। আর এর ফলস্বরূপ আমরা একই সাথে বিশ্বের সবচেয়ে গম্ভীর সাংবাদিকতা এবং সবচেয়ে কুরুচিপূর্ণ সংবাদপত্রের অধিকারী হয়েছি। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * প্রকৃত সত্য এই যে, সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক প্রচণ্ড ও অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার মতো কোনো যোগ্যতাই রাখে না। সাংবাদিকতা মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণ সচেতন এবং এক ধরণের খাঁটি ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে, তারা নিছক মুনাফার দায়ে মানুষের সেই কুরুচিপূর্ণ চাহিদাগুলোই পূরণ করে থাকে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আধুনিক সাংবাদিকতার পক্ষে বলার মতো আসলে অনেক কিছু আছে। অল্পশিক্ষিত বা মূর্খদের মতামত আমাদের সামনে উপস্থাপনের মাধ্যমে এটি আমাদের সমাজের সামগ্রিক অজ্ঞতার সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখে। সমসাময়িক জীবনের দৈনন্দিন ঘটনাবলী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ধারাবাহিকভাবে লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে এটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, আদতে এই সব ঘটনার গুরুত্ব কতই না নগণ্য। আর সবসময় অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে, সংস্কৃতির জন্য ঠিক কোন বিষয়গুলো অপরিহার্য এবং কোনগুলো একেবারেই অকেজো। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট''''' (১৮৯১), দ্বিতীয় খণ্ড। * আর্নেস্ট: কিন্তু সাহিত্য এবং সাংবাদিকতার মধ্যে প্রকৃত পার্থক্যটি ঠিক কোথায়? গিলবার্ট: পার্থক্য শুধু এইটুকু যে সাংবাদিকতা হলো পাঠের অযোগ্য বিষয়, আর সাহিত্য কেউ সচরাচর পাঠ করে না। সাধারণত, এর বাইরে আর কোনো তফাৎ নেই। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত। * আধুনিক সাংবাদিকতার কথা যদি বলেন, তবে এর স্বপক্ষে সাফাই গাওয়া বা একে রক্ষা করা আমার কাজ নয়। এটি ডারউইনের সেই বিবর্তনবাদ তত্ত্ব তথা 'যোগ্যতমের টিকে থাকার লড়াই'—এর পরিবর্তে 'নিকৃষ্টতমের টিকে থাকা' বা সার্ভাইভাল অফ দ্য ভালগারেস্টের মহান মূলনীতির মাধ্যমেই নিজের অস্তিত্বের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত। * ''ঘুস দিয়ে যদি সাংবাদিককে বশে আনতে চান,<br>তবে আপনাকে নিন্দাবাদ<br />কিংবা নিজ স্বার্থের জন্য যদি বাঁকিয়ে ফেলতেও যান,<br>আপনাকে মুর্দাবাদ,<br />তাই গাহি স্রষ্টার গান!<br>-জনৈক ব্রিটিশ সাংবাদিক<br /><br>তবে, কোনো প্রকার ঘুস ছাড়াই সেই মানুষটি যা যা করতে সক্ষম—<br />তা দেখার পর, তাঁকে ঘুস দেওয়া ছাড়া আর কোন প্রয়োজনটিই অক্ষম!'' ** '''''হাম্বার্ট উলফ''''', "ওভার দ্য ফায়ার", ''দ্য আনসেলেস্টিয়াল সিটি'' (১৯৩০), ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। * যদি [[:w:মঙ্গল গ্রহ|মঙ্গল গ্রহ]] থেকে কেউ আমেরিকায় আসে এবং সেখানে কয়েক মাস বা কয়েক বছর ঘুরে বেড়ানোর পর আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, সেখানে কাদের কাজ বা পেশা সবচেয়ে চমৎকার; তবে সে নিশ্চিতভাবেই সাংবাদিকদের কথা বলবে। কারণ সাংবাদিকরা মানুষের জীবনের সেই মুহূর্তগুলোতে প্রবেশ করার সুযোগ পান যখন সেই জীবনগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রোমাঞ্চকর থাকে, আর ঠিক যখনই আকর্ষণ ফুরিয়ে যায়, তখনই তাঁরা সেখান থেকে নির্বিঘ্নে বেরিয়ে আসতে পারেন। ** '''''[[:w:বব উডওয়ার্ড|বব উডওয়ার্ড]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (১ মে ২০০৩)। == Y == * আমি সাংবাদিকদের মনে প্রাণে খুব-ই ঘৃণা করি! তাদের ভেতরটা বিদ্রূপাত্মক এবং উপহাসপূর্ণ শূন্যতা ছাড়া আর কিছুই নয়, জাস্ট কিছুই নয়!.. এই পৃথিবীর পৃষ্ঠে তারা হলো সবচেয়ে নিচু প্রকৃতির আর অন্তঃসারশূন্য একদল বুনো মানুষ! ** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ক্যাথরিন টাইন্যানকে লেখা চিঠি (৩০ আগস্ট ১৮৮৮)। * ''একজন রাষ্ট্রনায়ক বেশ সহজ-সরল ভাবুক,<br />কিন্তু তিনি তো টিয়ে পাখির মতো অনর্গল যন্ত্রতুল্য মিথ্যুক!<br />তবে একজন সাংবাদিক খুব আরামসে ধরতে পারেন আপনার মিথ্যের খুঁটি ,<br />এবং এরপর সেই মিথ্যের জোরেই চেপে ধরেন আপনার টুঁটি।'' ** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ''দ্য ওল্ড স্টোন ক্রস'', ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''। * বর্তমান সময়ের সাংবাদিকতা, বড় বড় শহরগুলোর সংবাদপত্রগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কের কথা বিবেচনা করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদেরকে বেশ ভদ্রোচিত এবং মার্জিত বলে মনে হয়। কিন্তু সেই দিনগুলোতে নিউ ইয়র্কের দৈনিক পত্রিকাগুলো একে অপরের কর্মকাণ্ড এবং উদ্দেশ্যকে প্রকাশ্যে এমন ঘৃণাভরে আক্রমণ করত, যা সচরাচর পরম সৎ নাগরিকরা ঘোড়া-চোর কিংবা ডাকাতদের প্রতি প্রকাশ করে থাকেন। 'দ্য সানের' ডানা এবং 'দ্য ওয়ার্ল্ডের' পুলিৎজারের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব সে সময় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। এমনকি 'ওয়ার্ল্ড' এবং 'হেরাল্ড' পত্রিকা দুটিও প্রায়ই একে অপরের ওপর নেকড়ের মতো ক্ষিপ্ত হয়ে গর্জন করত। ** '''''আর্ট ইয়ং: হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস''''' (১৯৩৯)। ===''হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস''=== :<small>'''''[[s:en:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]''''' (১৯২২), পৃ. ৪০৭-০৮ থেকে প্রতিবেদনকৃত উদ্ধৃতিসমূহ।</small> * আমি তাঁদের মঙ্গলের জন্য অত্যন্ত আন্তরিকভাবে এই পরামর্শ দেব—যেন তাঁরা এই সংবাদপত্রটি নিয়মিত সংগ্রহ করার আদেশ দেন এবং একে তাঁদের প্রতিদিনের বৈকালিক আপ্যায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য করেন। ** [[জোসেফ অ্যাডিসন|'''''জোসেফ অ্যাডিসন''''',]] ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ১০। * তারা আমাদের কাগজ তৈরির শিল্পের একটি বিশাল অংশ ভোগ করে, মুদ্রণ কাজে আমাদের কারিগরদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে এবং অগণিত দরিদ্র ও অভাবী মানুষের জন্য জীবিকা নির্বাহের পথ প্রশস্ত করে দেয়। ** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ৩৬৭। * বিজ্ঞাপন সাধারণ বা নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি মাধ্যম। প্রথমত, এটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। একজন মানুষ যিনি কোনোভাবেই সরকারি গেজেটে স্থান পাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ নন, তিনি খুব সহজেই বিজ্ঞাপনের পাতায় নিজেকে ঢুকিয়ে দিতে পারেন। যার ফলে আমরা প্রায়ই দেখি একই সংবাদপত্রে একজন সাধারণ ওষুধ বিক্রেতা বা কবিরাজ একজন পূর্ণ ক্ষমতাপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের পাশে স্থান পেয়েছেন, কিংবা একজন সাধারণ বার্তাবাহক কোনো উচ্চপদস্থ দূতের সাথে একই সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন। ** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪। * বিজ্ঞাপন লেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কৌশল বা শিল্প হলো পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সঠিক পদ্ধতিটি খুঁজে বের করা। কারণ এই কৌশল ছাড়া একটি অত্যন্ত চমৎকার বস্তুও হয়তো অলক্ষিতও থেকে যেতে পারে, কিংবা দেউলিয়া হওয়ার সংবাদের ভিড়ে কোথাও হারিয়ে যেতে পারে। ** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪। * জিজ্ঞেস করছেন কীভাবে জীবন ধারণ করবেন? লিখুন, লিখুন, যা খুশি তা-ই লিখুন;<br>এই পৃথিবীটা এক চমৎকার বিশ্বাসপ্রবণ জগত, তাই স্রেফ সংবাদ লিখে যান। ** '''''বিউমন্ট এবং ফ্লেচার''''', ''উইট উইদাউট মানি'', দ্বিতীয় অংক। * [বিরোধী সংবাদমাধ্যম] মূলত এমন সব অসন্তুষ্ট ও ঈর্ষাপরায়ণ ব্যক্তিদের হাতে ন্যস্ত থাকে, যারা নিজেদের কর্মজীবনে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ** '''''[[:w:অটো ফন বিসমার্ক|অটো ফন বিসমার্ক]]''''', রুজেনের একটি প্রতিনিধি দলের নিকট রাজার উদ্দেশে (১০ নভেম্বর ১৮৬২)। * ''শোনো ওহে কেকের দেশ, আর স্কটল্যান্ডের ভাইয়েরা,<br>মেইডেনকার্ক থেকে জনি গ্রোটস—স্কল প্রান্তের মানুষেরা;<br>যদি তোমাদের পোশাকে কোনো তালি থাকে,<br>তবে সতর্ক করছি, তোমাদের সত্তা যেন সাবধানে থাকে।<br>তোমাদের মাঝে এমন এক আপদ বিদ্যমান, যে তুমাদের মাঝে কান পাতছে<br>এবং বিশ্বাস করো, সে নির্ঘাত তা সংবাদে ছাপিয়ে দিতে যাচ্ছে!'' ** '''''[[:w:রবার্ট বার্নস|রবার্ট বার্নস]]''''', ''অন ক্যাপটেন গ্রোস'স পেরেগ্রিনেশনস থ্রু স্কটল্যান্ড, রূপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)।'' * ''সম্পাদক তাঁর নিরব আলয়ে পড়ছে ঢুলে ঢুলে, অসম চিন্তার ভাঁজ তার কপালে,<br>মন তাঁর নিমগ্ন ব্যবসার অতলসম তলে, আর পা জোড়া তোলা চেয়ারের হাতলে,<br>এক হাত চেয়ারে ঠেকানো আর ডান হাত মাথায়টায়,<br>ধুলোমাখা মলিন টেবিলে তাঁর চোখ জোড়া ঠেকানো আর নথির পাহাড় ছড়িয়ে সেথায়!'' ** '''''উইল কার্লটন''''', ''ফার্ম ব্যালাডস'', ''দ্য এডিটর'স গেস্টস, রূপান্তরঃ '''মাহমুদ''''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। * এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে; কিন্তু ওই দূরে প্রতিবেদকদের গ্যালারিতে এমন এক 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''হিরোস অ্যান্ড হিরো-ওয়ারশিপ''''', বক্তৃতা ৫। বার্ককে এই শব্দটি উদ্ভাবনের কৃতিত্ব দেওয়া হলেও তাঁর প্রকাশিত কোনো রচনায় এর উল্লেখ পাওয়া যায় না। 'রাজ্যের তিনটি স্তম্ভ' হলো '''Lords Spiritual''' বা ধর্মীয় প্রতিনিধি, '''Lords Temporal''' উচ্চকক্ষ এবং '''Commons''' (নিম্নকক্ষ)। ডেভিড লিন্ডসে ১৫৩৫ সালে তাঁর 'অ্যান প্লেজেন্ট স্যাটায়ার অফ দ্য থ্রি এস্টেটসে' এর বর্ণনা দিয়েছেন। রাবেলে তাঁর 'পান্তাগ্রুয়েলে'(৪-৪৮) একজন সন্ন্যাসী, একজন বাজপাখি শিকারি, একজন আইনজীবী এবং একজন কৃষককে দ্বীপের '''Les quatre estatz de l'isle''' বা 'চারটি স্তম্ভ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। * একটি পার্লামেন্ট বা সংসদ, যা কি না সাংবাদিকদের মাধ্যমে বানকম্বের জনগণের কাছে এবং সেই দুই কোটি সত্তর লক্ষ মানুষের কাছে কথা বলে, যাঁদের অধিকাংশকেই নির্বোধ হিসেবে গণ্য করা যায়। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''লেটার ডে প্যামফ্লেটস''''', সংখ্যা ৬: পার্লামেন্ট। * প্রথমে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সঠিকভাবে সংগ্রহ করুন, আর তারপর আপনি নিজের ইচ্ছেমতো সেগুলোকে যত খুশি বিকৃত করতে পারেন। ** '''''[[:w:মার্ক টোয়েন|মার্ক টোয়েন]]''''', কিপলিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকার; '''''ইন ফ্রম সি টু সি''''', পত্র ৩৭। * স্রেফ একটি সংবাদপত্র! যা দ্রুত পড়া হয় এবং দ্রুতই হারিয়ে যায়,<br>কে আর হিসাব রাখে সেই অমূল্য রত্নভাণ্ডারের, যা এটি বহন করে নিয়ে যায়?<br>ছিন্নভিন্ন হয়ে পায়ের তলায় পিষ্ট হওয়া সেই উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো মেধার মূল্যই বা ক’জন দেয়? ** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', স্তবক ৯। * নিজের প্রজন্মের সেবা করাই তোমার নিয়তি—<br>জলের ওপর যেমন নাম লিখলে তা মুছে যায়, ঠিক তেমনি তোমার নামও দ্রুতই মিলিয়ে যাবে।<br>কিন্তু যে ব্যক্তি মানবতাকে ভালোবাসেন, তিনি আদিতে ও অন্তে এমন এক মহান কর্ম সম্পাদন করেন যা খ্যাতির গণ্ডির চেয়েও অনেক বড়। ** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', অন্তিম স্তবক। * আমার মনে হয় কোথাও বলা হয়েছে যে—'দ্য টাইমস' এর একটি মাত্র সংখ্যায় থুসিডাইডিসের সমগ্র ঐতিহাসিক রচনার চেয়েও অনেক বেশি দরকারী ও কার্যকর তথ্য নিহিত থাকে। ** '''''রিচার্ড কবডেন''''', ম্যানচেস্টার অ্যাথেনিয়ামে প্রদত্ত ভাষণ (২৭ ডিসেম্বর ১৮৫০)। দেখুন: দ্য টাইমস, ৩০ ডিসেম্বর ১৮৩০, পৃ. ৭; মর্লির 'লাইফ অফ কবডেনে' উদ্ধৃত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪২৯। * যদি মৈত্রীর চেতনা সর্বত্র জয়ী হতো, তবে এই সংবাদমাধ্যম বা প্রেস নিশ্চিতভাবেই<br>সততা, সত্য এবং ভালোবাসার এক মহান বাহন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করত। ** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''চ্যারিটি'', লাইন ৬২৪। * কীভাবে আমি তোমার প্রশংসা করব, বা কিভাবে সম্বোধিত হবে সেই পরাক্রমী অনড়,<br>হে সংবাদমাধ্যম—তুমিই তো আমাদের এই পৌত্তলিক আরাধনার অধিশ্বর!<br>*    *    *    *    *<br>স্বর্গের সেই নিষিদ্ধ জ্ঞানবৃক্ষের সাথেই,<br>ভালো এবং মন্দের যাবতীয় জ্ঞান তো প্রেরিত হয় তোমার মাধ্যমেই! ** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''প্রোগ্রেস অফ এরর'', লাইন ৪৫২, ''বাংলায় কাব্যিক রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (১৩ এপ্রিল, ২০২৬)। * তিনি এসেছেন, এক অশান্ত মহাবিশ্বের বার্তাবাহক হয়ে—<br>কর্দমাক্ত বুট, কোমরবন্ধনীতে বাঁধা পোশাক আর জমে থাকা তুষারশুভ্র চুলের অবয়ব নিয়ে;<br>মহাবিশ্বের তাবৎ সংবাদ ঝুলছে তার পিঠে আকাশসম বোঝা হয়ে! ** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), চতুর্থ খণ্ড, লাইন ৫, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''। * যখনই কোনো মূল্যবান তথ্যের সন্ধান পাবেন, তখনই তা টুকে রাখুন। ** '''''[[:w:চার্লস ডিকেন্স|চার্লস ডিকেন্স]]''''', ''ডম্বি অ্যান্ড সান'', ১৫তম অধ্যায়। * বিবিধ বিষয়ের লেখকরাই প্রতিটি জাতির কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক হিসেবে সমাদৃত হন। কারণ তাঁরাই মূলত শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত সামাজিক স্তরের মধ্যে যোগাযোগের একটি সেতুবন্ধন তৈরি কর যান, যেন জন মানুষের এই দুটি বিশাল স্তর বা বিভাগের মাঝখানে তাঁরা এক শৈল্পিক সেতু নির্মাণ করে দিতে পারেন। ** '''''আইজ্যাক ডি'ইজরায়েলি''''', ''লিটারারি ক্যারেক্টার অফ মেন অফ জিনিয়াস'', বিবিধ লেখক বিভাগ। * আমাদের রাজনৈতিক লেখকদের কেউই... রাজা, লর্ডস এবং কমন্স, এই তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেটের বাইরে অন্য কিছুর দিকে নজর দেন না... তাঁরা অত্যন্ত সুকৌশলে সেই বিশাল ও প্রভাবশালী অংশটিকে এড়িয়ে যান যারা এই সমাজের প্রকৃত 'চতুর্থ স্তম্ভ' গঠন করে... আর সেই শক্তিটি হলো 'জনসাধারণ' বা গণমানুষের ভিড়। ** '''''[[:w:হেনরি ফিল্ডিং|হেনরি ফিল্ডিং]]''''', ''কোভেন্ট গার্ডেন জার্নাল'' (১৩ জুন ১৭৫২)। * যদি কেলেঙ্কারির অভাবের কারণে হয় মানসিক অবসাদ<br>আমাদের প্রিয় নারীদের ব্যথিত করে—তবে তাঁদের পড়তে দিন সংবাদ। ** '''''ডেভিড গ্যারিক''''', শেরিডানের 'স্কুল ফর স্ক্যান্ডাল' এর প্রস্তাবনা। * সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হলো একজন ইংরেজ নাগরিকের সমস্ত দেওয়ানি, রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় অধিকারের এক অপরাজেয় সুরক্ষাকবচ বা প্যালাডিয়াম। ** '''''[[:w:জুনিয়াস (লেখক)|জুনিয়াস]]''''', ''ডেডিকেশন টু লেটারস''। * একজন সংবাদ লেখকের সর্বোচ্চ দৌড় হলো রাজনীতির ওপর কিছু অন্তঃসারশূন্য যুক্তি প্রদান করা এবং সরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর ভিত্তিহীন ও বৃথা অনুমান করা। ** '''''জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়। * একজন সংবাদ লেখক রাতের বেলা অত্যন্ত প্রশান্তির সাথে এমন একটি সংবাদের ওপর ভরসা করে ঘুমোতে যান যা ভোরের আলো ফোটার আগেই দেখা যায় পচে নষ্ট হয়ে যায়! এবং ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথেই তিনি তা আবর্জনার মতো ছুঁড়ে ফেলে দিতে বাধ্য হন। ** '''''জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়। * '''প্রতিটি সংবাদপত্রের সম্পাদক শয়তানের কাছে তাঁর আনুগত্যের খাজনা দিতে বাধ্য!''' ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ফোঁতেন|জঁ দ্য লা ফোঁতেন]]''''', ''লেত্রে আ সিমোঁ দ্য ত্রোয়া'' (১৬৮৬)। * সংবাদপত্র সবসময়ই কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এক রাশ চরম হতাশার অনুভূতি ছাড়া কেউই সংবাদপত্র পাঠ শেষ করে তা সরিয়ে রাখতে পারেন না। ** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''', ''এসেস অফ এলিয়া'': 'ডিট্যাচড থটস অন বুকস অ্যান্ড রিডিং'। * দেখুন, এই বিশাল বিস্তৃত পৃথিবীটা প্রতি সপ্তাহে একটি বাদামী কাগজের (সংবাদ পত্র) মোড়কে বন্দি হয়ে আমার কাছে পাঠানো হয়। ** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''বিগলো পেপারস'', প্রথম সিরিজ, সংখ্যা ৬। * '''আমি এক লক্ষ বেয়োনেটের চেয়ে তিনটি সংবাদপত্রকে অনেক বেশি ভয় পাই।''' ** '''''[[:w:নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|প্রথম নেপোলিয়ন]]'''''। * ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসের তুলনায় [[w:নিউ_ইয়র্ক_শহর|নিউ ইয়র্কের]] এই সস্তা এক-পেনির সংবাদপত্রগুলোই এদেশ শাসনে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ** '''''ওয়েন্ডেল ফিলিপস'''''। * আমরা মূলত একদল মানুষ যারা কিছু প্রভাতী সংবাদপত্র দ্বারা চালিত একটি সরকারের শাসনাধীনে বসবাস করছি। ** '''''ওয়েন্ডেল ফিলিপস'''''। * সংবাদমাধ্যম হলো বাতাসের মতো অবারিত এবং এক সনদপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাচারী শক্তি। ** '''''উইলিয়াম পিট''''', লর্ড গ্রেনভিলকে উদ্দেশ্য করে (প্রায় ১৭৫৭ সালে)। * একদল অভিজাত ও সচ্ছল মানুষের ভিড়, যারা অত্যন্ত অনায়াসে এবং সাবলীলভাবে এতে লিখে যেতে পারেন। ** '''''অ্যালক্সান্ডার পোপ''''', ''এপিসেলস অফ হোরেস'', দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম পত্র, লাইন ১০৮। * বিষয়টি যেহেতু লিখিত আকারে আছে, সেহেতু এটিকে ধ্রুব সত্যই হতে হবে। ** '''''ফ্রঁসোয়া রাবলে''''', ''পান্তাগ্রুয়েল''। * এটা কি কোনোভাবে মেনে নেওয়া সম্ভব যে কোনো শিক্ষিত ব্যক্তি এক-পেনির এই সস্তা কাগজগুলো থেকে জানার মতো প্রয়োজনীয় কিছু শিখতে পারেন? হয়তো বলা হতে পারে যে মানুষ এর মাধ্যমে পার্লামেন্টে কী বলা হচ্ছে তা জেনে নিতে পারে। কিন্তু ভালো করে ভেবে দেখুন তো, সেটি কি তাঁদের প্রকৃত শিক্ষা বা জ্ঞানার্জনে বিন্দুমাত্র কোনো অবদান রাখতে পারছে? ** '''''লর্ড সলসবরি''''' (রবার্ট সেসিল), ভাষণ: দ্য হাউজ অফ কমন্স, ১৮৬১; 'কাগজ শুল্ক বিলোপ' সংক্রান্ত বিতর্কে। * সংবাদপত্র! মশাই, ওগুলো হলো পুরোপুরি চরম পাপিষ্ঠ, লাগামহীন, জঘন্য এবং নারকীয় বস্তুর সমষ্টি! যদিও আমি ওগুলো কখনোই পড়ি না এবং আমি ইতিমধ্যেই নিয়ম করে ফেলেছি যে আমি কখনোই কোনো সংবাদপত্রের দিকে চোখ তুলে তাকাব না। ** '''''রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান''''', ''দ্য ক্রিটিক'', প্রথম অংক, প্রথম দৃশ্য। * ''ব্যবসায়ী ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁর কর্মচঞ্চল দিনটির শুরু হয়েছে বলে করছেনা গণন,<br>যতক্ষণ না তাঁদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি সংবাদপত্রের ওপর দিয়ে করছেনা আলিঙ্গন!<br>তরুণী মেয়েটি তাঁর হাতের সেলাইয়ের কাজ সরিয়ে রাখে দূরে,<br>এবং সহপাঠিনীর বিয়ের খবর পড়ে আফসোস করে!<br>অন্যদিকে প্রবীন মা তাঁর চশমাটি চোখে এঁটে নেন,<br>এবং কোনো এক বন্ধুর বিদায়ের খবর পড়ে এক ফোঁটা অশ্রু বিসর্জন দেন।<br>এমনকি ধর্মপ্রচারকগ্ণও রবিবারের জন্য ধর্মীয় আলোচনার পাতাটি সরিয়ে রাখেন—<br>শহরের নব-উন্মাদনা চারিপাশ কোথাই মাতাচ্ছে তা জানার কৌতূহলে,<br>সে খবর আনন্দময় কিংবা বিষাদময় হোক, জীবনের তুচ্ছতম কিংবা [[মহত্ত্ব|মহত্ত্বের]] বেড়াজালে—<br>মোরগ লড়াই থেকে শুরু করে রাজায় রাজায় যুদ্ধের রণ-তালে-তালে!'' ** '''''স্প্রাগ''''', ''কিউরিওসিটি, বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' ''(২৩ এপ্রিল, ২০২৬) ।'' * ''এই সংবাদমাধ্যমই জনমানুষের অধিকারে অক্ষুণ্ণ,<br>যেন প্রতিপত্তির কাছে নতি স্বীকার না করে এবং লাভের মোহে না হয় ক্ষুণ্ণ;<br>এখানেই দেশপ্রেমিক তাঁর আদর্শের লিপিতে চিরনিবন্ধ,<br>ধর্ম, স্বাধীনতা এবং আইনের রক্ষক হিসেবে থাকবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'' ** '''''[[:w:জোসেফ স্টোরি|জোসেফ স্টোরি]]''''', ''সালেম রেজিস্টারের'' মূলমন্ত্র (১৮০২ সালে গৃহীত)। উইলিয়াম ডব্লিউ স্টোরি রচিত ''লাইফ অফ জোসেফ স্টোরি'', প্রথম খণ্ড, ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে বর্ণিত, ''রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ।''' * সম্পাদকের চেয়ারের কুশনে লুকিয়ে থাকা এক তীক্ষ্ণ কণ্টক। ** '''''[[:w:উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়|উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়]]''''', ''রাউন্ডঅবাউট পেপারস'': 'দ্য থর্ন ইন দ্য কুশন'। == আরোপিত বা অ্যাট্রিবিউটেড == * গণমাধ্যম নির্ভুলতা সংক্রান্ত নোলের নীতি: সংবাদপত্রে আপনি যা কিছু পড়েন তার প্রতিটি অক্ষরই ধ্রুব সত্য—কেবল সেই বিরল সংবাদটি ছাড়া যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার একান্ত ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যক্ষ জ্ঞান রয়েছে। ** '''''আরউইন নোল''''', সম্পাদক, ''দ্য প্রোগ্রেসিভ''। * আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য শাসন করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে রাজত্ব চালায় চিরকাল। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]'''''; লোইস আগস্ট জেনিস রচিত ''ভয়েজ টু ইনসাইট'' (২০০৩), পৃ. ৭০ এ উদ্ধৃত। * যখন একটি কুকুর কোনো মানুষকে কামড়ায়, সেটি কোনো সংবাদ নয়; কারণ এমন ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। কিন্তু যদি কোনো মানুষ একটি কুকুরকে কামড়ে দেয়, তবে সেটিই হলো প্রকৃত সংবাদ। ** '''''জন বি. বোগার্ট''''', 'নিউ ইয়র্ক সানের' সম্পাদক; ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনসে'' আরোপিত (১৬তম সংস্করণ, ১৯৯২), পৃ. ৫৫৪। আরও দেখুন: [[:w:ম্যান বাইটস ডগ|ম্যান বাইটস ডগ]]। * ঔপন্যাসিকদের বড় বড় 'মহৎ আইডিয়া' বা তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনা নিয়ে আমি খুব একটা মাথা ঘামাই না। উপন্যাস নিশ্চিতভাবেই চমৎকার বিষয়, তবে পড়ার ক্ষেত্রে আমি সংবাদপত্রকেই বেশি প্রাধান্য দিই। ** '''''উইল কাপি''''', স্ট্যানলি জে. কুনিটজ এবং হাওয়ার্ড হ্যাব্রাফট সম্পাদিত ''টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি অথরস'' (১৯৪২), নিউ ইয়র্ক: এইচ. ডব্লিউ. উইলসন কোম্পানি, পৃ. ৩৪২। * সাংবাদিকতা হলো ইতিহাসের প্রথম খসড়া। মূলত ভিন্ন একটি রূপে প্রথম প্রকাশিত হয়—“সংবাদ বা সংবাদমাধ্যম হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া”। এই আধুনিক রূপটি অন্তত ১৯৪০ এর দশক থেকে প্রচলিত এবং সম্ভবত ''ওয়াশিংটন পোস্টের'' সম্পাদকীয় লেখক '''''অ্যালান বার্থ''''' এটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। সেই সময়কার প্রকাশিত ''ওয়াশিংটন'' ''পোস্টের'' সম্পাদকীয় পাতায় এই ভাবনার প্রতিফলন একাধিকবার দেখা যায়, যার মধ্যে বার্থের প্রথম উদ্ধৃতিটি ১৯৪৩ সালের: '''"সংবাদ হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া মাত্র।"''' ::* '''''অ্যালান বার্থ''''', হ্যারল্ড এল. ইক্সেস রচিত ''দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ আ কারমাজিয়ন'' এর পর্যালোচনা, ''নিউ রিপাবলিক'' (১৯৪৩), ভলিউম ১০৮, পৃ. ৬৭৭ থেকে সংগৃহীত। :* ''ওয়াশিংটন পোস্টে'' এর পরবর্তী ব্যবহারগুলো হলো: :: সংবাদপত্র হলো আসলে ইতিহাসের প্রথম খসড়া, অথবা অন্তত তারা তেমন হওয়ার ভান করে থাকে! ::* নামবিহীন "সম্পাদকের টীকা", ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (১৬ অক্টোবর ১৯৪৪)। :* বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকেও একই ধরনের ভাবধারা পরিলক্ষিত হয়, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেঃ [http://www.barrypopik.com/index.php/new_york_city/entry/first_draft_of_history_journalism/ “ইতিহাসের প্রথম খাসড়া” (সাংবাদিকতা)], ২৩ নভেম্বর ২০০৯, ব্যারি পপিক। :: এটি অত্যন্ত সম্ভবপর যে, ৪১৩ অব্দ পর্যন্ত 'ইতিহাসের একটি প্রাথমিক ও অমসৃণ খসড়া' হয়তো ৪০৫ অব্দের আগেই থুসিডাইডিস কর্তৃক রূপরেখা আকারে প্রস্তুত করা হয়েছিল। ::* (এখানে “সংবাদ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং একটি নির্দিষ্ট পাঠ্যকে নির্দেশ করা হয়েছে) ১৯০২, '''''রিচার্ড ক্ল্যাভারহাউস জেব''''', [http://www.1902encyclopedia.com/T/THU/thucydides.html থুসিডাইডিস], এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১০ম সংস্করণ (১৯০২)। ২০১০ সালে শেফারের মন্তব্যে ব্যাবেট হোগান কর্তৃক উদ্ধৃত। :: সংবাদপত্রগুলো প্রতিদিন প্রভাতে 'ইতিহাসের একটি অমসৃণ খসড়া' তৈরি করে চলেছে। পরবর্তীতে ঐতিহাসিকগণ আসবেন, পুরোনো নথিপত্রগুলো হাতে নেবেন এবং সম্পাদক ও সংবাদদাতাদের সেই অপরিশোধিত অথচ আন্তরিক ও নির্ভুল বিবরণীগুলোকে প্রকৃত ইতিহাস ও কালোজয়ী সাহিত্যে রূপান্তরিত করবেন। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবশ্যই এই দৈনিক সংবাদপত্রের গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে। ::* (এখানে “প্রথম” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৫ ডিসেম্বর ১৯০৫, দ্য স্টেট, “[http://blog.readex.com/wp-content/uploads/2010/10/TP-State-News-Draft-Dec-5-1905.pdf সংবাদের শিক্ষামূলক মূল্য]”, পৃ. ৪, কলাম ৪, কলাম্বিয়া, সাউথ ক্যারোলাইনা। টনি পেত্তিনাতো কর্তৃক ৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখে উদ্ধৃত। 'কোট ইনভেস্টিগেটর' এর গারসন ও'টুল এটি জিনিয়লজি-ব্যাংক ডাটাবেস থেকে সংগ্রহ করেছেন। :: একজন প্রতিবেদক হলেন সেই তরুণ যুবক, যিনি প্রতিদিন একটি জরাজীর্ণ ও শব্দজব্দ টাইপরাইটারের ওপর 'ইতিহাসের প্রথম খসড়াটি' অত্যন্ত নিপুণভাবে অঙ্কন করেন। ::* (এখানে “অমসৃণ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৩ জুলাই ১৯১৪, লিঙ্কন (NE) ডেইলি স্টার, '''''জর্জ ফিচের''''' লেখা “দ্য রিপোর্টার”, পৃ. ৬, কলাম ৪। :* এই উক্তিটি সাধারণত ভুলভাবে '''''ফিলিপ এল. গ্রাহাম এর''''' নামে দায়ী করা হয়, যা তিনি ১৯৬৩ সালে লন্ডনে 'নিউজউইক' প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া একটি ভাষণে বলেছিলেন বলে মনে করা হয়: “[http://www.slate.com/id/2265540/pagenum/all এটি প্রথম কে বলেছিলেন? সাংবাদিকতা হলো 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া'।]”, '''''জ্যাক শেফার''''', ''স্লেট'' (৩০ আগস্ট ২০১০); ''পার্সোনাল হিস্ট্রি'' (১৯৯৭), '''''ক্যাথরিন গ্রাহাম'''''। :: সুতরাং, আসুন আমরা আমাদের সেই অনিবার্য এবং অসম্ভব কাজের পেছনে অবিরাম শ্রম দিয়ে যাই—যা হলো প্রতি সপ্তাহে 'ইতিহাসের এমন একটি প্রথম অমসৃণ খসড়া' সরবরাহ করা, যা আসলে কখনোই সম্পন্ন হবে না; কারণ এই জগতকে আমরা কখনোই পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারব না। :* যদিও এই ভাষণটি উক্তিটিকে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করেছিল, তবে এর আগেও গ্রাহাম নিজে এবং অন্য অনেকে (উপরে উল্লিখিত) একই ধরণের বক্তব্য প্রদান করেছিলেন: :: সংবাদমাধ্যমের এই অপরিহার্য ক্ষিপ্রতা বা তাড়াহুড়ো অনিবার্যভাবেই এক ধরণের অগভীরতাকে সঙ্গী করে আনে। পরম গভীরতা অর্জন করা না আমাদের ক্ষমতার মধ্যে আছে, আর না তা আমাদের অধিকারভুক্ত। আমরা বছরের ৩৬৫ দিন জুড়েই 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া' লিখে চলি, এবং এটি সত্যিই এক অত্যন্ত মহৎ ও বিশাল দায়িত্ব। ::* আমেরিকান সোসাইটি ফর পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে প্রদত্ত ভাষণ (৮ মার্চ ১৯৫৩); “[http://www.jstor.org/stable/972460 পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড দ্য প্রেস]” থেকে প্রকাশিত, ফিলিপ এল. গ্রাহাম, ''পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিভিউ'', ভলিউম ১৩, সংখ্যা ২ (বসন্ত, ১৯৫৩), পৃ. ৮৭-৮৮। :* এছাড়াও আরও নানা ধরণের ভুল আরোপ বা অ্যাট্রিবিউশন বিদ্যমান—'''''হেলেন থমাস''''' তাঁর স্মৃতিকথা 'ফার্স্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউসে' উক্তিটিকে ভুলবশত '''''বেন ব্র্যাডলির''''' নামে চালিয়ে দিয়েছেন। ** '''''হেলেন থমাস''''', ''ফ্রন্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস: মাই লাইফ অ্যান্ড টাইমস'' (২০০০), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃ. ৩৮৩, ISBN 0684845687। == আরও দেখুন == * [[w:গণমাধ্যম|বিকল্প ধারার গণমাধ্যম]] * [[:w:অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা|অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা]] * [[:w:সংবাদ|সংবাদ]] * [[:w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]] * [[:w:মূলধারার গণমাধ্যম|মূলধারার গণমাধ্যম]] * [[w:গণমাধ্যম_সংস্কৃতি|গণমাধ্যম সংস্কৃতি]] == বহিঃসংযোগ == {{similarlinks}} * [https://www.fourthestate.org/journalism-quotes/ ফোর্থ এস্টেটে সাংবাদিকতা বিষয়ক উল্লেখযোগ্য উদ্ধৃতিসমূহ] [[বিভাগ:সাংবাদিকতা| ]] [[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিকতা]] [[বিষয়শ্রেণী:গণমাধ্যম]] [[বিষয়শ্রেণী:পেশা]] [[বিষয়শ্রেণী:পেশা অনুযায়ী ব্যক্তি]] 1dkmiu6v2codxk8u2o5f4uxo957u8vd বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ 0 14037 83509 83192 2026-05-08T05:44:11Z Oindrojalik Watch 4169 সংশোধন 83509 wikitext text/x-wiki [[১৯৭১|১৯৭১ সালে]] [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের]] সময় পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী এবং রাজাকারেরা একটি পদ্ধতিগত ও পরিকল্পিত প্রচারণার অংশ হিসেবে '''[[w:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ|২,০০,০০০ থেকে ৪,০০,০০০ বাঙালি নারী ও শিশুকে ধর্ষণ করে]]'''। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের সহযোগীদের দ্বারা সংঘটিত এই গণধর্ষণের শিকারদের অধিকাংশই ছিল হিন্দু নারী। অনেক [[w:ইমাম|ইমাম]] এবং মুসলিম ধর্মীয় নেতা এই নারীদের "গনিমতের মাল" (যুদ্ধের লুটের মাল) হিসেবে ঘোষণা করে এসব ধর্ষণকে সমর্থন দিয়েছিলেন। ইসলামপন্থী দলগুলোর নেতা ও কর্মীদের বিরুদ্ধেও নারীদের অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। == উক্তি == * হিন্দু-বাঙালি জিনের মিউটেশন বা পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে সৈন্যদের গণধর্ষণে উস্কানি দেওয়া হয়েছিল। পাঞ্জাবি অফিসাররা পাঞ্জাবি সেনাদের এই কথাই বলেছিল। আর তারা তা-ই করেছিল। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তান আক্রমণ করে। সেখানে ব্যাপক হারে ধর্ষণ ও গণহত্যা চালানো হয়। শুধুমাত্র এক রাতেই দখলদার সৈন্যরা জামায়াতে ইসলামীর সহযোগীদের সাথে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসগুলোতে হানা দেয়। শত শত ছাত্র নিখোঁজ হয়ে যায়। বামপন্থী বুদ্ধিজীবীদের খুঁজে বের করে গুলি করে হত্যা করা হয়। শেখ মুজিবকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর দল গোপনে চলে যায় এবং প্রতিরোধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। পাকিস্তানের শ্রেষ্ঠ কবি ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ লিখেছিলেন সেই 'রক্তে ভেজা চোখের' কথা।" ** [[তারিক আলি|তারিক আলির]] - দ্য ক্ল্যাশ অফ ফান্ডামেন্টালিজম: ক্রুসেডস, জিহাদস অ্যান্ড মডার্নিটি (২০০২) * সৈন্যদের বলা হয়েছিল যে বাঙালিরা অতি সম্প্রতি ইসলাম গ্রহণ করেছে এবং তাই তারা "সঠিক মুসলিম" নয়—তাদের জিনের উন্নতি করা প্রয়োজন। এই অজুহাত দিয়েই গণধর্ষণের প্রচারণা চালানো হয়েছিল। ** [[তারিক আলি]] - দ্য ডুয়েল: পাকিস্তান অন দ্য ফ্লাইট পাথ অফ আমেরিকান পাওয়ার (২০০৮) * স্থানীয়রা জানিয়েছিলেন যে সেখানে ব্যাপকভাবে ধর্ষণ সংঘটিত হয়েছিল। নিউ ইয়র্ক টাইমসের সিডনি শ্যানবার্গ এর সত্যতা নিশ্চিত করেন। ভারতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের সাক্ষাৎকার নিয়ে তিনি দেখেন যে তাদের প্রায় সবাই হিন্দু এবং পাকিস্তানি সেনাবাহিনী সুনির্দিষ্টভাবে তাদেরই খুঁজে খুঁজে হয়রানি করছিল। শ্যানবার্গ স্মরণ করেন, “পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ধর্ষণের গল্পগুলো ছিল সত্য। একের পর এক গল্প। এটা একদম স্পষ্ট ছিল যে এসব সত্যিই ঘটেছিল।” ** ব্যাস, জি. জে. (২০১৪)। দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, কিসিঞ্জার অ্যান্ড আ ফরগোটেন জেনোসাইড। অধ্যায় ১৬ * কাহিনীগুলো এতটাই ভয়াবহ ছিল যে আমি কী ভাবব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। র‍্যাডক্লিফে আমাদের ওরিয়েন্টেশন সপ্তাহে ধর্ষণের বিপদ সম্পর্কে যে বক্তৃতা দেওয়া হয়েছিল, প্রথম দিকে সেগুলোকেও আমার অবিশ্বাস্য মনে হয়েছিল। আমেরিকায় আসার আগে আমি ধর্ষণের কথা শুনিইনি এবং এর ভয়ে পরবর্তী চার বছর আমি রাতে একা বাইরে বের হইনি। সেই বক্তৃতার পর হার্ভার্ডে ধর্ষণের সম্ভাবনা আমার কাছে বাস্তব মনে হতে শুরু করল। কিন্তু পূর্ব বাংলার ধর্ষণ তখনো আমার কাছে বাস্তব ছিল না। আমাদের অঞ্চলের সরকারি উগ্র জাতীয়তাবাদী প্রচারণার মধ্যেই আমি নিরাপত্তা খুঁজে পেয়েছিলাম, যেখানে বলা হতো যে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলো 'অতিরঞ্জিত' এবং একটি ইসলামিক রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে 'জায়নবাদী ষড়যন্ত্র'। ** [[বেনজীর ভুট্টো|বেনজীর ভুট্টোর]], ডটার অফ দ্য ইস্ট: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি * ...১৯৭১ সালের ৭ অক্টোবর কয়েকজন সেনাকর্মকর্তা রোকেয়া হলে অভিযান চালায়। ৫ জন সৈন্যসহ মেজর আসলাম ৩ অক্টোবর প্রথমবার হোস্টেল পরিদর্শন করেছিলেন এবং সুপারিন্টেন্ডেন্টকে কিছু মেয়ে সরবরাহ করতে বলেছিলেন যারা তেজগাঁও সেনানিবাসের এক অনুষ্ঠানে নাচ-গান করতে পারবে। সুপারিন্টেন্ডেন্ট তাকে জানিয়েছিলেন যে গোলযোগের কারণে অধিকাংশ মেয়ে হোস্টেল ছেড়ে চলে গেছে এবং মাত্র ৪০ জন ছাত্রী অবশিষ্ট আছে; কিন্তু একজন সুপারিন্টেন্ডেন্ট হিসেবে তিনি তাদের এই উদ্দেশ্যে সেনানিবাসে যাওয়ার অনুমতি দিতে পারেন না। অসন্তুষ্ট হয়ে মেজর আসলাম চলে যান। দ্রুতই সুপারিন্টেন্ডেন্ট সেনানিবাসের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে টেলিফোনে মেজরের এই উদ্দেশ্য সম্পর্কে অবহিত করেন। তবে ৭ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে মেজর আসলাম এবং তার দল হোস্টেলে হানা দেয়। সৈন্যরা দরজা ভেঙে মেয়েদের টেনে বের করে আনে এবং সুপারিন্টেন্ডেন্টের সামনেই তাদের নগ্ন করে ধর্ষণ ও নির্যাতন করে। পুরো বিষয়টি এত প্রকাশ্যভাবে এবং বিনা উস্কানিতে করা হয়েছিল যে করাচি-ভিত্তিক সংবাদপত্র ডন-কেও সামরিক কর্তৃপক্ষের সেন্সরশিপ লঙ্ঘন করে এই সংবাদ ছাপতে হয়েছিল। দেশ স্বাধীনের পর প্রথম সাত দিনে ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় ৩০০ মেয়েকে উদ্ধার করা হয় যাদের পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আটকে রেখেছিল। ২৬ ডিসেম্বর রেড ক্রস মুক্তি বাহিনী ও মিত্র বাহিনীর সহায়তায় নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা সেনানিবাস এবং ঢাকার পার্শ্ববর্তী ছোট শহরগুলোর গোপন আস্তানা থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় অর্ধমৃত ৫৫ জন মেয়েকে উদ্ধার করে। ** কল্যাণ চৌধুরী (১৯৭২)। জেনোসাইড ইন বাংলাদেশ। বোম্বে: ওরিয়েন্ট লংম্যান। পৃষ্ঠা ১৫৭–১৫৮ থেকে উদ্ধৃতাংশ। * পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে ধর্ষিত নারীদের সংখ্যা ২-৪ লাখ হওয়াটা সঠিক কি না জানতে চাইলে ড. ডেভিস বলেন যে এই সংখ্যা আসলে কম করে দেখানো হয়েছে: <br>...তারা যা করেছে তার তুলনায় এই সংখ্যাগুলো সম্ভবত অনেক রক্ষণশীল। তারা যেভাবে শহর দখল করত সেই বিবরণগুলো ছিল খুবই চাঞ্চল্যকর। তারা পদাতিক বাহিনীকে পেছনে রেখে কামান বাহিনীকে সামনে রাখত এবং হাসপাতাল ও স্কুলগুলোতে গোলাবর্ষণ করত। এতে শহরে চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হতো। এরপর পদাতিক বাহিনী ভেতরে ঢুকে নারীদের আলাদা করা শুরু করত। ছোট শিশুদের বাদ দিয়ে বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছানো সব নারীকে আলাদা করে ফেলা হতো। এরপর সেই নারীদের পাহারার মধ্যে একটি চত্বরে রাখা হতো যাতে সৈন্যরা তাদের ব্যবহার করতে পারে... কিছু কাহিনী ছিল অত্যন্ত মর্মান্তিক। বারবার এবং বারবার ধর্ষিত হওয়া। তাদের অনেকেই সেই [ধর্ষণ] ক্যাম্পগুলোতে মারা গিয়েছিল। পুরো বিষয়টি নিয়ে এক ধরনের অবিশ্বাস কাজ করছিল। কেউ বিশ্বাসই করতে পারছিল না যে এমনটা সত্যিই ঘটেছে! কিন্তু সাক্ষ্যপ্রমাণ স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছিল যে এটি সত্যিই ঘটেছিল। ** ড. জিওফ্রে ডেভিস, [https://www.forbes.com/sites/worldviews/2012/05/21/1971-rapes-bangladesh-cannot-hide-history/ ১৯৭১ রেপস: বাংলাদেশ ক্যাননট হাইড হিস্ট্রি]-এ উদ্ধৃত। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানিদের মতো এবং ১৯৪৫ সালে পূর্ব ইউরোপে বিজয়ী রেড আর্মির মতো পশ্চিম পাকিস্তানিরা চোখের সামনে পড়া যেকোনো নারীকে ধর্ষণের নেশায় মত্ত ছিল। অনেককে বারবার তাদের বাড়িতে বা রাস্তায় ধর্ষণ করে মেরে ফেলা হয়েছে। অনেককে সামরিক স্থাপনায় নিয়ে গিয়ে আটকে রেখে বারবার ধর্ষণ করা হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যু হওয়া পর্যন্ত। একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ময়নামতি সেনানিবাস থেকে ৭০০ নগ্ন নারীকে উদ্ধার করা হয়েছিল। যারা যুদ্ধে বেঁচে গিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে ২,০০,০০০ বা তারও বেশি নারী ধর্ষিত হয়ে থাকতে পারেন—অন্তত যুদ্ধ-পরবর্তী পরিসংখ্যানে এই সংখ্যাটিই বহুল প্রচলিত। ** [[আর. জে. রামেল|আর. জে. রামেলের]], ডেথ বাই গভর্নমেন্ট, নিউ ব্রান্সউইক, এন. জে.: ট্রানজ্যাকশন পাবলিশার্স, ১৯৯৪। * যখন বাংলাদেশে আগ্রাসী যুদ্ধের সময় এবং পরবর্তীতে বসনিয়াতে গণধর্ষণ সংঘটিত হয়েছিল, প্রথম ক্ষেত্রে মাদার তেরেসা এবং দ্বিতীয় ক্ষেত্রে পোপ ভুক্তভোগীদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ জানিয়েছিলেন যাতে তারা আক্রমণকারী ও অত্যাচারীর বীজ (ভ্রূণ) নষ্ট (গর্ভপাত) না করেন। ** [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স|হিচেন্স, সি.]] (২০১২)। দ্য মিশনারি পজিশন: মাদার তেরেসা ইন থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস। * [আউব্রে মেনন বাংলাদেশে এক সংবাদ দাতা হিসেবে গিয়েছিলেন, তিনি একটি হিট-অ্যান্ড-রান ধর্ষণের ঘটনা পুনর্গঠন করেছিলেন:] ...এবং এভাবেই চলতে থাকল, যতক্ষণ না ছয়জনই গ্রামের সেই সুন্দরী মেয়েটিকে ধর্ষণ করল। এরপর ছয়জনই দ্রুত প্রস্থান করল। বাবা তার মেয়েকে খাটিয়ার ওপর অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখলেন। মেয়েটির স্বামী তখন তার নিজের বমির ওপর হাঁটু গেড়ে কুঁকড়ে বসে ছিলেন। ** আউব্রে মেনন, ভারতীয় ক্যাথলিক ঔপন্যাসিক। সুসান ব্রাউনমিলার রচিত এগেইনস্ট আওয়ার উইল: মেন, ওমেন অ্যান্ড রেপ-এ উদ্ধৃত। === সুসান ব্রাউনমিলার, ''এগেইনস্ট আওয়ার উইল: মেন, ওমেন অ্যান্ড রেপ'' (১৯৭৫) === : [[সুসান ব্রাউনমিলার]], এগেইনস্ট আওয়ার উইল: মেন, ওমেন অ্যান্ড রেপ *অগণিত ভুক্তভোগী এবং প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা থেকে জানা যায় কীভাবে ট্রাক বোঝাই পাকিস্তানি সৈন্য এবং তাদের ভাড়াটে রাজাকারেরা রাতের অন্ধকারে গ্রামগুলোতে হানা দিত এবং জোরপূর্বক নারীদের তুলে নিয়ে যেত। কাউকে ঘটনাস্থলেই ধর্ষণ করা হতো। অন্যদের নিয়ে যাওয়া হতো সামরিক ছাউনিতে। ভারতীয় বাহিনী যখন পাকিস্তানি দুর্ভেদ্য ঘাঁটিগুলোতে আক্রমণ চালিয়ে ভেতরে ঢোকে, তখনো অনেক নারীকে সেখানে বন্দি অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। মুক্তি বাহিনীর প্রতি সহানুভূতিশীল সন্দেহে জ্বালিয়ে দেওয়া গ্রামের ক্রন্দনরত বেঁচে যাওয়া মানুষেরা জানিয়েছেন, কীভাবে স্বামীদের বেঁধে তাদের সামনেই স্ত্রীদের ধর্ষণ করা হতো এবং পরবর্তীতে সেই স্বামীদের হত্যা করা হতো। *রেভারেন্ড কেনতারো বুমা রিপোর্ট করেছিলেন যে ৯ মাসব্যাপী এই সংঘর্ষে পাকিস্তানি সৈন্যদের হাতে ২,০০,০০০-এরও বেশি বাঙালি নারী ধর্ষিত হয়েছেন; এই সংখ্যাটি তাকে ঢাকার বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ সরবরাহ করেছিল। তিনি জানান, ধর্ষিত নারীদের মধ্যে হাজার হাজার নারী গর্ভবতী হয়ে পড়েছিলেন। প্রথা অনুযায়ী, কোনো মুসলিম স্বামী এমন স্ত্রীকে গ্রহণ করতে রাজি হতেন না যাকে অন্য কোনো পুরুষ স্পর্শ করেছে, এমনকি তা জোরপূর্বক হলেও। *ইতিহাসে প্রথমবারের মতো যুদ্ধের ময়দানে ধর্ষণের বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করা হয়েছিল। লন্ডনের ইন্টারন্যাশনাল প্ল্যান্ড প্যারেন্টহুড ফেডারেশনের সতর্ক কর্মকর্তাদের সহায়তায় বাঙালি ভুক্তভোগীদের জন্য আন্তর্জাতিক সাহায্যের সমন্বয় করা হয়েছিল। *১৯৭১ সালের মার্চ মাসে যখন ভারত সরকারের সমর্থনে বাংলাদেশ সরকার স্বাধীনতা ঘোষণা করে, তখন বাংলা (সাবেক পূর্ব পাকিস্তান) ছিল সাড়ে সাত কোটি মানুষের একটি প্রদেশ। বিদ্রোহ দমন করতে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে বিমানে করে সৈন্য আনা হয়েছিল। এই নয় মাসের বিভীষিকা, যা ভারতের দুই সপ্তাহের সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে শেষ হয়েছিল, তাতে সম্ভাব্য ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়, এক কোটি মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় নেয় এবং ২,০০,০০০, ৩,০০,০০০ বা সম্ভবত ৪,০০,০০০ নারী (তিনটি ভিন্ন পরিসংখ্যান বিভিন্ন জায়গায় উদ্ধৃত হয়েছে) ধর্ষিত হন। ধর্ষিত নারীদের আশি শতাংশই ছিলেন মুসলিম, যা বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রতিফলন; তবে হিন্দু ও খ্রিস্টান নারীরাও এর থেকে রেহাই পাননি। মুসলিম হিসেবে অধিকাংশ বাঙালি নারী পর্দাপ্রথায় অভ্যস্ত ছিলেন, যার ফলে তারা এমনকি নিজেদের বাড়িতেও পুরুষদের থেকে আলাদা ও নিভৃত স্থানে বসবাস করতেন। * পাকিস্তানি নিয়মিত বাহিনী যখন নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের চেয়ে সামান্য বড় এই জনবহুল ভূখণ্ডটি দখল করে নিচ্ছিল, তখন বিপুল সংখ্যক বাঙালি নারীকে ধর্ষণ করা তাদের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সহজ ছিল। (বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ)। মুক্তি বাহিনী তখন খুব একটা কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি। ভুক্তভোগীদের মতে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সহযোগী বিহারি মুসলিমরা—অর্থাৎ ভাড়াটে রাজাকারেরা—ছিল সবচেয়ে উৎসাহী ধর্ষক। আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতির সুযোগে মুক্তি বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল, যা অনেকটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গ্রিক এবং ইতালীয় গ্রামীণ নারীদের পরিস্থিতির কথা মনে করিয়ে দেয়, যারা তাদের গ্রামের ওপর দিয়ে যাওয়া যেকোনো সৈন্যদলের হাতেই নির্যাতনের শিকার হতেন। *বাংলাদেশে ধর্ষণ কেবল সৌন্দর্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। এই নয় মাসের দমন-পীড়নের সময় আট বছরের শিশু থেকে পঁচাত্তর বছরের বৃদ্ধা পর্যন্ত যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। পাকিস্তানি সৈন্যরা কেবল অকুস্থলেই বাঙালি নারীদের লাঞ্ছিত করেনি; তারা হাজার হাজার নারীকে অপহরণ করে সামরিক ব্যারাকে বন্দি করে রাখত প্রতি রাতে ভোগের জন্য। পালানোর পথ বন্ধ করতে এই নারীদের উলঙ্গ করে রাখা হতো। *ঢাকার একজন ফটোসাংবাদিক খাদিগা নামের তেরো বছর বয়সী এক কিশোরীর সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন। সে যখন আরও চারজন মেয়ের সাথে স্কুলে যাচ্ছিল, তখন পাকিস্তানি সৈন্যদের একটি দল তাদের অপহরণ করে। তাদের পাঁচজনকেই মোহাম্মদপুরের একটি সামরিক পতিতালয়ে বন্দি করে রাখা হয় এবং যুদ্ধ শেষ হওয়া পর্যন্ত ছয় মাস সেখানে আটকে রাখা হয়। খাদিগা প্রতিদিন নিয়মিতভাবে দুজন পুরুষের হাতে নির্যাতিত হতো; অন্যদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ছিল দিনে সাত থেকে দশ জন। (কিছু বর্ণনায় এক রাতে আশিবার পর্যন্ত শারীরিক নির্যাতনের কথা উল্লেখ রয়েছে, যা একজন মানুষ হিসেবে আমার পক্ষে লিখে প্রকাশ করা বা পুরোপুরি অনুধাবন করাও অসম্ভব)। খাদিগা জানায়, শুরুতে চিৎকার বন্ধ করতে সৈন্যরা তার মুখে কাপড় বেঁধে রাখত। মাস গড়ানোর সাথে সাথে যখন বন্দিদের মনোবল ভেঙে যেত, তখন সৈন্যরা খাবারের বিনিময়ে শারীরিক সম্পর্কের শর্ত জুড়ে দিত। কোটা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের দৈনিক খাবার দেওয়া হতো না। *সবচেয়ে ভয়াবহ সংকট ছিল গর্ভধারণ। ধর্ষিত নারীদের মধ্যে ঠিক কতজন অন্তঃসত্ত্বা হয়েছিলেন তার সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া কঠিন, তবে ২৫,০০০ সংখ্যাটি সাধারণত স্বীকৃত। গর্ভবতী নারীদের মনোভাব ছিল অত্যন্ত স্পষ্ট; তারা কেউই এই সন্তান জন্ম দিতে আগ্রহী ছিলেন না। প্রসবের কাছাকাছি সময়ে থাকা নারীরাও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো আগ্রহ দেখাননি। *কলকাতার একটি ক্যাথলিক কনভেন্ট, মাদার তেরেসার সংস্থা, ঢাকায় সেই সব নারীদের জন্য দ্বার উন্মুক্ত করেছিল যারা তাদের সন্তানদের বিদেশে দত্তক দিতে ইচ্ছুক ছিলেন। তবে ব্যাপক প্রচার সত্ত্বেও খুব কম সংখ্যক ভুক্তভোগীই তখন মাদার তেরেসার আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়েছিলেন। যারা বিকল্প সুযোগের কথা জানতেন, তারা গর্ভপাতকেই বেছে নিয়েছিলেন। নবগঠিত বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় মহিলা পুনর্বাসন সংস্থার সহযোগিতায় [[w:প্ল্যান্ড প্যারেন্টহুড|প্ল্যান্ড প্যারেন্টহুড]] ঢাকা এবং বাইরের ১৭টি এলাকায় অবাঞ্ছিত গর্ভাবস্থা নিরসনে ক্লিনিক স্থাপন করেছিল। *ভারতীয় ঔপন্যাসিক [[মুলক রাজ আনন্দ]] একে একটি ষড়যন্ত্র হিসেবে নিশ্চিত করেছিলেন। তার মতে, এই ধর্ষণগুলো এতটাই সুশৃঙ্খল ও ব্যাপক ছিল যে এটি সেনাবাহিনীর একটি সচেতন নীতি হতে বাধ্য। তিনি সাংবাদিকদের জোরালোভাবে বলেছিলেন, এটি ছিল পশ্চিম পাকিস্তানিদের একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা যাতে তারা "একটি নতুন জাতি গঠন" করতে পারে অথবা বাঙালি জাতীয়তাবাদকে দুর্বল করে দিতে পারে। *বাংলাদেশের ঘটনাটি এক দিক থেকে অনেক অনন্য ছিল। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো যুদ্ধে নারী ধর্ষণ এবং ব্যাপক লাঞ্ছনার পরবর্তী জটিল ফলাফল গুরুত্বের সাথে আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল। [[শেখ মুজিবুর রহমান|শেখ মুজিবুর রহমানের]] সরকারের আন্তর্জাতিক সহানুভূতি এবং আর্থিক সাহায্যের নিদারুণ প্রয়োজন এর আংশিক কারণ ছিল; সেই সাথে ধর্ষণের মতো রাজনৈতিক ইস্যুকে ঘিরে নতুন নারীবাদী চেতনা এবং অবাঞ্ছিত গর্ভপাত নিরসনে গর্ভপাতের ক্রমবর্ধমান বাস্তবসম্মত গ্রহণযোগ্যতা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক কারণ। আর এভাবেই পশ্চিমা চোখে বিশ্বের এক অখ্যাত প্রান্তের এক অখ্যাত যুদ্ধ এই "অকথ্য" অপরাধের বিশ্লেষণের ক্ষেত্র তৈরি করেছিল। এই প্রথমবারের মতো সশস্ত্র পুরুষদের সামনে নিরস্ত্র নারীদের নিদারুণ আতঙ্কের কথা পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে শোনা হয়েছিল। == আরও দেখুন == *[[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] *[[নৃশংসতা]] *[[নারীবাদ]] *[[মানবাধিকার]] *[[আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত]] *[[আন্তর্জাতিক আইন]] *[[ধর্ষণ]] *[[আইনের শাসন]] *[[যৌন অপরাধী]] *[[নির্যাতন]] *[[মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা]] *[[নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা]] *[[যুদ্ধাপরাধ]] *[[নারী]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[W:যুদ্ধকালীন যৌন সহিংসতা|যুদ্ধকালীন যৌন সহিংসতা]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭১-এ বাংলাদেশে গণহত্যা]] [[বিষয়শ্রেণী:ধর্ষণ|বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ায় নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা]] k69j56v8agpflle5rdfy539tn22fq6h রজার ইবার্ট 0 14043 83510 83045 2026-05-08T05:45:31Z Oindrojalik Watch 4169 83510 wikitext text/x-wiki [[File:Roger Ebert cropped.jpg|thumb|right|যাঁরা কাউকে অপমান করতে [[ভয়|ভয় পান]], তাঁদের জন্য [[w:বাকস্বাধীনতা|বাকস্বাধীনতার]] কী ব্যবহার আছে?]] [[File:Russ_Meyer_and_Roger_Ebert_by_Roger_Ebert.jpg|thumb|right|[[w:রাস মেয়ার|মেয়ার]] হলেন এমন একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা যাঁর প্রতিটি ফ্রেমে তাঁর নিজের আবেশ প্রতিফলিত হয়। অন্যান্য সমস্ত গম্ভীর [[শিল্পী|শিল্পীদের]] মতো তিনিও তাঁর [[কাজ]] এবং তাঁর [[স্বপ্ন|স্বপ্নের]] মাঝে কোনো [[স্থান|ফাঁক]] রাখেন না।]] '''[[w:রজার ইবার্ট|রজার জোসেফ ইবার্ট]]''' (১৮ জুন ১৯৪২ – ৪ এপ্রিল ২০১৩) ছিলেন একজন মার্কিন [[w:চলচ্চিত্র সমালোচনা|চলচ্চিত্র সমালোচক]], চলচ্চিত্র ইতিহাসবিদ, সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক, চিত্রনাট্যকার এবং লেখক। তিনি ১৯৬৭ সাল থেকে ২০১৩ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত ''[[w:শিকাগো সান-টাইমস|শিকাগো সান-টাইমস]]ের'' চলচ্চিত্র সমালোচক ছিলেন। তিনি [[w:সমালোচনার জন্য পুলিৎজার পুরস্কার|সমালোচনার জন্য পুলিৎজার পুরস্কার]] বিজয়ী প্রথম চলচ্চিত্র সমালোচক ছিলেন। == উক্তি == [[File:Roger Ebert crop (retouched).jpg|thumb|[[শিল্প]] হলো একজন [[অপরিচিত ব্যক্তি]] আসলে কী [[অনুভূতি|অনুভব করেন]], তা [[বোঝা|বোঝার]] সবচেয়ে কাছের উপায়।]] [[File:Casablanca, Trailer Screenshot.JPG|thumb|অহংকারীরা বাদ দেন; তাঁরা অন্তর্ভুক্ত করেন না। আপনার [[পছন্দ|পছন্দের]] তালিকা থেকে সাদাকালো চলচ্চিত্র বাদ দেওয়ার অর্থ হলো আপনার একটি বদ্ধ [[মন]], একটি সীমিত [[কল্পনা|কল্পনাশক্তির]] অধিকারী হওয়া অথবা আপনার [[রুচি|রুচির]] অভাব রয়েছে।]] [[File:BusterKeatonKBF1956.jpg|thumb|[[বাস্টার কিটন|বাস্টার]] [[টর্নেডো]], জলপ্রপাত, পাথরের ধস এবং অনেক উঁচু থেকে পড়ে গিয়েও বেঁচে যান এবং কখনো মাথা নোয়াতে থামেন না। তাঁর [[চোখ]] তাঁর [[লক্ষ্য|লক্ষ্যের]] দিকে থাকে। তাঁর চলচ্চিত্রগুলোকে একসাথে দেখলে মনে হয় যেন [[প্রতিকূলতা|প্রতিকূলতার]] মুখে এগুলো [[আশাবাদ|আশাবাদের]] একটি ধারাবাহিক কাজ।]] [[File:The General, front.jpg|thumb|কোনো নির্বাক তারকাই [[বাস্টার কিটন|বাস্টার কিটনের]] চেয়ে বেশি [[বিপজ্জনক]] স্টান্ট করেননি। ডাবল ব্যবহার করার পরিবর্তে তিনি নিজেই তাঁর অভিনেতাদের ডাবল হিসেবে কাজ করতেন এবং নিজের স্টান্টগুলোর পাশাপাশি তাঁদের স্টান্টগুলোও করতেন।]] [[File:Chaz Hammel-Smith, Roger Ebert, and Nancy Kwan at the Hawaii International Film Festival in October 2010.jpg|thumb|right|অসুস্থতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া [[মানবপ্রকৃতি]]। আমরা আমাদের নিজেদের ভঙ্গুর মরণশীলতার কথা মনে করিয়ে দেওয়াটা উপভোগ করি না। এই কারণে ইন্টারনেটে লেখালেখি করা আমার জন্য জীবনরক্ষাকারী হয়ে উঠেছে। আমার [[চিন্তা করা|চিন্তা করার]] এবং [[লেখা|লেখার]] [[সক্ষমতা]] প্রভাবিত হয়নি। ওয়েবে আমার [[আসল]] [[কণ্ঠস্বর]] প্রকাশ পায়।]] * [[w:রাস মেয়ার|রাস মেয়ারের]] চলচ্চিত্রগুলোর একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো সফট-কোর যুগের অন্যান্য কাজ ভুলে যাওয়ার অনেক পরেও এগুলো বেঁচে আছে এবং চলছে। এর কারণ আংশিকভাবে তাদের কারুকাজ, আংশিকভাবে মেয়ারের প্রধান অভিনেত্রীরা। এর আংশিক কারণ হলো একটি আধা-সামরিক প্রতিশ্রুতির মনোভাব। কলাকুশলীরা তাদের গ্রামীণ মেলোড্রামাগুলো অভিনয় করার জন্য দুর্গম ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে সংগ্রাম করার সময় এটি অনুভব করা যায়। কিন্তু আমার বিশ্বাস, মূল কারণ হলো মেয়ার একজন এমন চলচ্চিত্র নির্মাতা যাঁর প্রতিটি ফ্রেমে তাঁর নিজের আবেশ প্রতিফলিত হয়। অন্যান্য সমস্ত গম্ভীর শিল্পীদের মতো তিনিও তাঁর কাজ এবং তাঁর স্বপ্নের মাঝে কোনো ফাঁক রাখেন না। ** [http://www.rogerebert.com/interviews/russ-meyer-busts-sleazy-stereotype "রাস মেয়ার বাস্টস স্লিজি স্টেরিওটাইপ" ''শিকাগো সান-টাইমস''] (১৫ নভেম্বর ১৯৮৫) * আমাকে কাঁদায়, আমার চোখে জল আনে, এমন চলচ্চিত্রগুলোর কথা ভাবলে আমি সাধারণত দুঃখের চলচ্চিত্রগুলোর কথা ভাবি না। আমি দুঃখের চলচ্চিত্রগুলোর দিকে কেবল তাকিয়ে থাকি। নিঃস্বার্থতা, আত্মত্যাগ এবং মানবজাতির কল্যাণে বিশ্বাসী মানুষদের নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্রগুলো মাঝে মাঝে আমাকে আবেগপ্রবণ করে তোলে। ** ''কাসাব্লাঙ্কা'' চলচ্চিত্রের জন্য রজার ইবার্টের ডিভিডি ভাষ্য * '''যাঁরা কাউকে অপমান করতে ভয় পান, তাঁদের জন্য বাকস্বাধীনতার কী ব্যবহার আছে?''' ** ''রজার ইবার্টস মুভি হোম কমপ্যানিয়ন'' (১৯৯০ সংস্করণ), পৃষ্ঠা ৭৩৫ * [[শিল্প]] হলো একজন [[অপরিচিত ব্যক্তি]] আসলে কী [[অনুভূতি|অনুভব করেন]], তা [[বোঝা|বোঝার]] সবচেয়ে কাছের উপায়। **কলোরাডো পাবলিক টেলিভিশনের এলেভেন্থ আওয়ারে [http://video.cpt12.org/video/2364991008 "লিভিং টেস্টামেন্ট" বক্তৃতা] (১৯৯৪) * বেশ, রাজনৈতিক চলচ্চিত্র কী? রাজনীতিবিদদের নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্র? নাকি লিঙ্গবৈষম্য, বর্ণবাদ, পরিবেশ, পারমাণবিক নীতির মতো বিষয়গুলো নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্র? আমি বৃহত্তর সংজ্ঞাটি বেছে নিয়েছি। আমি যদি নিজেকে কেবল রাজনীতিবিদদের নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্রে সীমাবদ্ধ রাখতাম, তবে এটি একটি ছোট তালিকা হতো। মূলধারার মার্কিন চলচ্চিত্রের কতজন চরিত্র রাজনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন বলে মনে হয়, বা কোনো দলের সদস্য বলে মনে হয়? ** [http://www.motherjones.com/arts/film/1996/05/ebert.html ''মাদারজোনসে'' "দ্য বিগ পিকচার: রজার ইবার্ট"] নিবন্ধে "গত দুই দশকের ২০টি সেরা রাজনৈতিক চলচ্চিত্রের" র‍্যাঙ্কিং (মে/জুন ১৯৯৬) * ওয়েবে গবেষণা করা এমন একটি লাইব্রেরি ব্যবহার করার মতো, যা প্যাক ইঁদুরেরা টুকরো টুকরো করে একত্রিত করে এবং প্রতি রাতে তা ভাঙচুর করা হয়। ** "ক্রিটিকাল আই" কলাম, ''[[w:ইয়াহু! ইন্টারনেট লাইফ|ইয়াহু! ইন্টারনেট লাইফ]]'' (সেপ্টেম্বর ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৬৬ * আমার একবার কোলনোস্কোপি হয়েছিল এবং তাঁরা আমাকে এটি টিভিতে দেখতে দিয়েছিলেন। এটি ''দ্য ব্রাউন বানিের'' চেয়ে বেশি বিনোদনমূলক ছিল। ** ২০০৩ সালের [[w:কান চলচ্চিত্র উৎসব|কান চলচ্চিত্র উৎসবে]] প্রদর্শিত ''[[w:দ্য ব্রাউন বানি|দ্য ব্রাউন বানি]]ের'' একটি প্রারম্ভিক সংস্করণের [http://www.rogerebert.com/festivals-and-awards/gallo-goes-on-the-offensive-after-bunny-flop পর্যালোচনা] (৪ জুন ২০০৩) *** পরিচালক [[w:ভিনসেন্ট গ্যালো|ভিনসেন্ট গ্যালো]] ইবার্টের স্থূলতা নিয়ে উপহাস করে উপরের সমালোচনার জবাব দেওয়ার পর ইবার্ট উত্তর দিয়েছিলেন: "এটি সত্য যে আমি মোটা। কিন্তু আমি একদিন চিকন হয়ে যাব, আর তিনি তখনও ''দ্য ব্রাউন বানিের'' পরিচালক থাকবেন।" [http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20030604/FILMFESTIVALS01/66010303] (৪ জুন ২০০৩) * '''[[w:চলচ্চিত্র তত্ত্ব|চলচ্চিত্র তত্ত্বের]] সাথে চলচ্চিত্রের কোনো সম্পর্ক নেই।''' শিক্ষার্থীরা সম্ভবত চলচ্চিত্র সম্পর্কে কিছু জানার আশা করে। তাঁরা কেবল একটি গুপ্ত এবং রহস্যময় ভাষা খুঁজে পাবে, যা কেবল যাঁরা এটি আয়ত্ত করেননি তাঁদের বাদ দেওয়ার জন্য এবং যাঁরা আয়ত্ত করেছেন তাঁদের একাডেমিক পুরস্কার দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। সাক্ষরতা, রুচি বা বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কেউ এই কোর্সগুলো পড়াতে চাইবেন না। তাই যাঁরা এগুলো পড়াচ্ছেন তাঁদের আসল পরিচয় হলো তাঁরা অন্য কিছু পড়াতে অক্ষম। ** ''লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের'' "[http://articles.latimes.com/print/2003/jul/13/magazine/tm-filmschool28 লাইটস, ক্যামেরা, অ্যাকশন. মার্ক্সিজম, সেমিওটিকস, ন্যারাটোলজি: ফিল্ম স্কুল ইজন্ট হোয়াট ইট ইউজড টু বি, ওয়ান ফাদার ডিসকভারস]" নিবন্ধে [[w:ডেভিড ওয়েডল|ডেভিড ওয়েডল]] কর্তৃক উদ্ধৃত। (১৩ জুলাই ২০০৩) * '''অনেক চলচ্চিত্র দর্শক এবং ভিডিও দর্শক বলেন যে তাঁরা সাদাকালো চলচ্চিত্র "পছন্দ" করেন না। আমার মতে, তাঁরা চলচ্চিত্রের অনেক রহস্য এবং সৌন্দর্য থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখছেন। <br /> সাদাকালো হলো একটি শৈল্পিক পছন্দ। এটি এমন একটি মাধ্যম যার শক্তি এবং ঐতিহ্য রয়েছে, বিশেষ করে আলো ও ছায়ার ব্যবহারে এটি প্রযোজ্য।''' অবশ্যই চলচ্চিত্র দর্শকদের সাদাকালো চলচ্চিত্র অপছন্দ করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু এটি এমন কিছু নয় যা নিয়ে তাঁদের গর্ব করা উচিত। এটি সত্যি বলতে তাঁদের সিনেমাটিক দিক থেকে নিরক্ষর হিসেবে প্রকাশ করে। <br /> '''এই বিষয়ে আমাকে অহংকারী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। কিন্তু অহংকারীরা বাদ দেন; তাঁরা অন্তর্ভুক্ত করেন না। আপনার পছন্দের তালিকা থেকে সাদাকালো চলচ্চিত্র বাদ দেওয়ার অর্থ হলো আপনার একটি বদ্ধ মন, একটি সীমিত কল্পনাশক্তির অধিকারী হওয়া অথবা আপনার রুচির অভাব রয়েছে।''' ** প্রথমবার [http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20040725/ANSWERMAN/407250305 "মুভি আনসার ম্যান" কলামে] প্রকাশিত (২৫ জুলাই ২০০৪) * '''হতাশাজনকভাবে বিপুল সংখ্যক মানুষ সবকিছুকে আক্ষরিকভাবে গ্রহণ করেন বলে মনে হয়। তাঁরা একটি জঙ্গলে একজন অন্ধ মানুষের মতো। তাঁরা প্রতিটি গাছ খুঁজে পেতে সক্ষম, কিন্তু প্রতিটি গাছ তাঁদের কাছে বিস্ময়কর হিসেবে আসে।''' ** প্রথমবার [http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20050918/ANSWERMAN/509180304/1023 "মুভি আনসার ম্যান" কলামে] প্রকাশিত (১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৫) * আমার কাছে কোনো স্টপ ওয়াচ ছিল না। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছিল হাতির মতো অ্যাকশন দৃশ্যগুলো পুরো চলচ্চিত্র জুড়ে সমানভাবে ছড়িয়ে ছিল। ধীরগতিতে শুরু করে বড় ক্লাইম্যাক্সের দিকে যাওয়ার কোনো ব্যাপার ছিল না। চলচ্চিত্রটি প্রায় পুরোটাই ক্লাইম্যাক্স। অটোবট® এবং ডিসেপ্টিকনস® নিশ্চয়ই তাদের ভায়াগ্রার সতর্কীকরণ লেবেল পড়েনি। '''অবশেষে আমরা দেখলাম চার ঘণ্টার ইরেকশন দেখতে কেমন হয়।''' ** ''দ্য ফল অব দ্য রিভেঞ্জার্স'', ''[[ট্রান্সফর্মার্স: রিভেঞ্জ অব দ্য ফলেন]]'' চলচ্চিত্রটি নিয়ে আলোচনা। [http://blogs.suntimes.com/ebert/2009/06/the_fall_of_the_revengers.html "রজার ইবার্টস জার্নাল"] (২৪ জুন ২০০৯) * '''আমি বিশ্বাস করি যে সহানুভূতি হলো সভ্যতার সবচেয়ে প্রয়োজনীয় গুণ।''' ** প্রথমবার [http://www.rogerebert.com/rogers-journal/cannes-7-a-campaign-for-real-movies "রজার ইবার্টস জার্নাল" কলামে] প্রকাশিত (১৯ মে ২০১০) * আমি একটি পেডোমিটার পরি, এটি একটি ছোট যন্ত্র যা প্রতিটি পদক্ষেপ গণনা করে। এটি একটি উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে, কারণ আপনি সংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরিক্ত দূরত্ব হাঁটেন। একজন গড় মানুষ দিনে ২,০০০ থেকে ৩,০০০ কদম হাঁটেন। আমি দিনে ১০,০০০ কদম হাঁটি। এর ফলে আমি অনেক ওজন কমিয়েছি। ** ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে'' [http://www.nytimes.com/2005/02/13/magazine/13DOMAINS.html?ex=1266987600&en=ee5831db9aa9dafb&ei=5088&partner=rssnyt "এ ফিল্ম ক্রিটিকস উইন্ডি সিটি হোম"] (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৫) * [[w:রজার ইবার্টস ওভারলুকড ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল|গোল্ডেন থাম্ব]] অস্কারের মতো ততটা ভালো নয়, তবে এটি বেশ মজার। ** ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে'' "এ ফিল্ম ক্রিটিকস উইন্ডি সিটি হোম" (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৫) * চলচ্চিত্র সমালোচক হওয়ার প্রথম বছরেই আমি অস্কারের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলি। সেই বছর ''[[বনি অ্যান্ড ক্লাইড]]'' জয়ী হয়নি। ** ''[http://www.playboy.com/magazine/20q_archive/siskel-and-ebert.html প্লেবয় ২০কিউ]'' * ৪০ বছর ধরে আমি একটিও সময়সীমা মিস করিনি। কিন্তু জুলাই থেকে আমি প্রতিটি সময়সীমা মিস করেছি। আমার তীব্র হতাশার বিষয় হলো আমি টেলুরাইড এবং টরন্টো চলচ্চিত্র উৎসবও মিস করেছি। জুন থেকে আমার প্রথম পর্যালোচনা (''[[w:দ্য কুইন (চলচ্চিত্র)|দ্য কুইন]]'') লেখার পর, আমার মনে হচ্ছে একটি আপডেট দেওয়া উচিত। ** ''শিকাগো সান টাইমসে'' [http://www.rogerebert.com/interviews/roger-writes-to-readers "রজার রাইটস টু রিডারস"] (১১ অক্টোবর ২০০৬) * আমাকে পাঠানো সমস্ত চিঠি, ইমেইল, ফুল, উপহার এবং প্রার্থনায় আমি মানুষের মাঝে একটি সততা এবং শালীনতা আবিষ্কার করেছি। আমি অভিভূত এবং বিনীত। আমি আপনাদের আমার সবচেয়ে আন্তরিক ধন্যবাদ এবং গভীর ও অটল কৃতজ্ঞতা জানাই। আমি যদি কখনও আমার স্মৃতিকথা লিখি, তবে আমার কাছে কিছু জাদুকরী উপাদান রয়েছে। জনি মিচেলের গানটি কীভাবে চলে? "ডোন্ট ইট অলওয়েজ সিম টু গো দ্যাট ইউ ডোন্ট নো হোয়াট ইউ গট টিল ইট ইজ গন"? আমি একটি বিষয় আবিষ্কার করেছি যে, আমি আমার চাকরিকে যতটা ভালোবাসতাম, তার চেয়েও বেশি ভালোবাসি। আর আমি আমার স্ত্রীকে আরও বেশি ভালোবাসি! ** ''শিকাগো সান টাইমসে'' "রজার রাইটস টু রিডারস" (১১ অক্টোবর ২০০৬) * অনেক আগে একজন জ্ঞানী সম্পাদক আমাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, "যদি তুমি কিছু বোঝো, তবে তুমি এটি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে পারবে যেন প্রায় সবাই তা বুঝতে পারে। তুমি না বুঝলে, তুমি নিজের ব্যাখ্যাও বুঝতে পারবে না।" এই কারণেই ৯০% একাডেমিক [[w:চলচ্চিত্র তত্ত্ব|চলচ্চিত্র তত্ত্ব]] হলো আবর্জনা। '''কঠিন পরিভাষা হলো দুষ্টদের শেষ আশ্রয়স্থল।''' ** "[http://blogs.suntimes.com/ebert/2008/11/o_synecdoche_my_synecdoche.html ও, সায়নেকডোকি, মাই সায়নেকডোকি!]," (১০ নভেম্বর ২০০৮) * [[w:পিক্সার|পিক্সার]] হলো প্রথম স্টুডিও যা একটি চলচ্চিত্র তারকা। ** [https://twitter.com/ebertchicago/status/16740535371 টুইটার ফিড] (২১ জুন ২০১০) * '''অসুস্থতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া মানবপ্রকৃতি। আমরা আমাদের নিজেদের ভঙ্গুর মরণশীলতার কথা মনে করিয়ে দেওয়াটা উপভোগ করি না।''' এই কারণে ইন্টারনেটে লেখালেখি করা আমার জন্য জীবনরক্ষাকারী হয়ে উঠেছে। আমার চিন্তা করার এবং লেখার সক্ষমতা প্রভাবিত হয়নি। ওয়েবে আমার আসল কণ্ঠস্বর প্রকাশ পায়। **[http://www.ted.com/talks/roger_ebert_remaking_my_voice.html টেড টক] (মার্চ ২০১১) * আমি বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা সমর্থন করি। আমার পছন্দ হলো মা এবং শিশুর জীবনের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট পছন্দের ক্ষেত্র ছাড়া [[গর্ভপাত|গর্ভপাতকে]] সমর্থন না করা। অজাচার বা ধর্ষণের মাধ্যমে গর্ভধারণ করা শিশু নির্দোষ এবং তার জন্মগ্রহণ করার অধিকার রয়েছে। ** ''রজার ইবার্টস জার্নালে'' [http://www.rogerebert.com/rogers-journal/how-i-am-a-roman-catholic "হাউ আই অ্যাম এ রোমান ক্যাথলিক"] (১ মার্চ ২০১৩) * আমি জানি এটি আসছে। আমি এটি নিয়ে ভয় পাই না। কারণ আমি বিশ্বাস করি যে মৃত্যুর পরপারে ভয় পাওয়ার মতো কিছু নেই। আমার সারাজীবনের স্মৃতিগুলোই আমি এই যাত্রা থেকে বাড়িতে নিয়ে এসেছি। প্যারিস থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা আইফেল টাওয়ারের সেই ছোট্ট স্যুভেনিরের চেয়ে বেশি অনন্তকালের জন্য আমার সেগুলোর প্রয়োজন হবে না। ** ''রজার ইবার্টস জার্নালে'' [https://www.rogerebert.com/rogers-journal/go-gentle-into-that-good-night "গো জেন্টল ইনটু দ্যাট গুড নাইট"] (২ মে ২০০৯) * '''আমাকে এখন ধীরগতিতে চলতে হবে। যে কারণে আমি এমন কিছু নিচ্ছি যাকে আমি "লিভ অব প্রেজেন্স" বলতে পছন্দ করি। '''<br /> লিভ অব প্রেজেন্স আসলে কী? এর অর্থ হলো আমি দূরে যাচ্ছি না। আমার উদ্দেশ্য হলো বাছাই করা পর্যালোচনাগুলো লেখা চালিয়ে যাওয়া এবং বাকিগুলো আমার দ্বারা বাছাই করা এবং আমার কাছে দারুণ প্রশংসিত লেখকদের একটি মেধাবী দলের ওপর ছেড়ে দেওয়া। এর চেয়েও বড় কথা হলো, আমি সবসময় যা করার কল্পনা করতাম, শেষ পর্যন্ত আমি তা করতে পারব। আমি কেবল সেই চলচ্চিত্রগুলোর পর্যালোচনা করব যা আমি পর্যালোচনা করতে চাই। ... তাই এই চিন্তার দিনে আমি আবার বলছি, আমার সাথে এই যাত্রায় অংশ নেওয়ার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। '''চলচ্চিত্রে আপনাদের সাথে দেখা হবে।''' **[http://www.rogerebert.com/rogers-journal/a-leave-of-presence "এ লিভ অব প্রেজেন্স" (২ এপ্রিল ২০১৩)] === ''দ্য গ্রেট মুভিজ'' প্রবন্ধ সংকলন === * ''[[ডক্টর স্ট্রেঞ্জলাভ|ডক্টর স্ট্রেঞ্জলাভের]]'' রসবোধ একটি মৌলিক কমিক নীতির মাধ্যমে তৈরি হয়। যাঁরা মজার হতে চান, তাঁরা কখনো সেইসব মানুষের মতো মজার হতে পারেন না যাঁরা গম্ভীর হতে গিয়ে ব্যর্থ হন। হাসির কারণগুলোকে ঘটনার যুক্তি দ্বারা অনিচ্ছুক চরিত্রগুলোর ওপর ''চাপিয়ে দেওয়া'' হয়েছে বলে মনে হতে হবে। '''মজার টুপি পরা কোনো মানুষ মজার নয়। কিন্তু যদি লোকটি না জানে যে সে একটি মজার টুপি পরে আছে, তবে এটি মজার কিছু হতে পারে।''' ''ডক্টর স্ট্রেঞ্জলাভের'' চরিত্রগুলো জানে না যে তাদের টুপিগুলো মজার। ** ''খণ্ড ১'' (২০০৩), পৃষ্ঠা ১৫৬-১৫৭ * '''বলা হয়ে থাকে যে [[চার্লি চ্যাপলিন|চ্যাপলিন]] চাইতেন আপনি তাঁকে পছন্দ করুন, কিন্তু [[বাস্টার কিটন|কিটন]] পাত্তা দিতেন না। আমার মনে হয় তিনি পাত্তা দিতেন, কিন্তু সেটা জিজ্ঞাসা করার জন্য তিনি অনেক বেশি গর্বিত ছিলেন।''' তাঁর চলচ্চিত্রগুলো চ্যাপলিনের ছবির করুণ এবং আবেগময় দিকগুলোকে এড়িয়ে যায়। এই চলচ্চিত্রগুলোতে সাধারণত এমন একজন প্রফুল্ল যুবককে দেখা যায়, যে একটি লক্ষ্য দেখতে পায় এবং সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বাধাগুলোর মুখোমুখি হয়ে সেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায়। '''বাস্টার টর্নেডো, জলপ্রপাত, পাথরের ধস এবং অনেক উঁচু থেকে পড়ে গিয়েও বেঁচে যান এবং কখনো মাথা নোয়াতে থামেন না। তাঁর চোখ তাঁর লক্ষ্যের দিকে থাকে। তাঁর চলচ্চিত্রগুলোকে একসাথে দেখলে মনে হয় যেন প্রতিকূলতার মুখে এগুলো আশাবাদের একটি ধারাবাহিক কাজ।''' তিনি জিজ্ঞাসা না করেই কীভাবে আমাদের প্রশংসা এবং স্নেহ অর্জন করেন তা আশ্চর্যজনক। <br /> তিনি মজার ছিলেন বলে এবং একটি পোর্কপাই টুপি পরতেন বলে কিটনের শারীরিক দক্ষতাগুলোকে প্রায়শই অবমূল্যায়ন করা হয়। কোনো নির্বাক তারকাই [[বাস্টার কিটন|বাস্টার কিটনের]] চেয়ে বেশি বিপজ্জনক স্টান্ট করেননি। '''ডাবল ব্যবহার করার পরিবর্তে তিনি নিজেই তাঁর অভিনেতাদের ডাবল হিসেবে কাজ করতেন এবং নিজের স্টান্টগুলোর পাশাপাশি তাঁদের স্টান্টগুলোও করতেন।''' ** ''খণ্ড ২'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৯৪ *''' ''[[ম্যাগনোলিয়া (চলচ্চিত্র)|ম্যাগনোলিয়া]]'' হলো দুঃখ, ক্ষতি, আজীবন তিক্ততা, ক্ষতিগ্রস্ত শিশু এবং নিজেদের ধ্বংসকারী প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ে তৈরি একটি চলচ্চিত্র।''' বর্ণনাকারী শেষের দিকে আমাদের বলেন, "আমরা অতীত শেষ করে ফেলতে পারি, কিন্তু অতীত কখনো আমাদের ছেড়ে যায় না।" জীবনের এই ধ্বংসস্তূপে একজন পুলিশ এবং একজন নার্স আছেন, যাঁরা সাহায্য, আশা এবং ভালোবাসা দেওয়ার জন্য নিজেদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেন। ... এর কেন্দ্রীয় বিষয়বস্তু হলো শিশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতা এবং এর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব। আমরা যেমনটা বলি বা ভাবি, আমাদের সেভাবে আচরণ করার প্রতি ঘৃণা বা ভয়ের সাথে এটি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। ... '''চলচ্চিত্র নির্মাণের একটি কাজ হিসেবে এটি আমাদের আকর্ষণ করে এবং ছেড়ে দেয় না।''' এটি অবিশ্বাস্য কাকতালীয় ঘটনাগুলো নিয়ে একটি ছোট প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে বিভ্রান্তিকরভাবে শুরু হয়। কাকতালীয় ঘটনা এবং অদ্ভুত ঘটনা ঘটে এবং এগুলো অন্য সবকিছুর মতোই বাস্তব। আপনি যদি যথেষ্ট দূরে দাঁড়িয়ে দেখতে পারেন, তবে সবকিছু একটি কাকতালীয় ঘটনা হিসেবে প্রকাশিত হবে। আমরা যেগুলোকে "কাকতালীয় ঘটনা" বলি তা কেবল আমাদের নজরে আসা ঘটনাগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ। ... একটি সুন্দর অংশে অ্যান্ডারসন [https://www.youtube.com/watch?v=aNmKghTvj0E বেশিরভাগ প্রধান চরিত্রকে একসাথে] [[অ্যামি মান|অ্যামি মানের]] "ইট ইজ নট গোয়িং টু স্টপ" গানটি গাওয়ার দৃশ্য কাটছাঁট করেছেন। একটি নির্দেশক বিকাশ? আপনি কি জানেন? আমার মনে হয় এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা। পরস্পর সংযুক্ত কাহিনিসহ অন্যান্য অনেক "হাইপারটেক্সট চলচ্চিত্রের" বিপরীতে ''ম্যাগনোলিয়া'' পদ্ধতিটিকে আরও গভীর এবং আরও দার্শনিক উপায়ে ব্যবহার করছে বলে মনে হয়। '''অ্যান্ডারসন এই মানুষগুলোকে যেকোনো সম্ভাব্য জ্ঞানের নিচে, যেখানে [[ভাগ্য]] এবং [[নিয়তি]] রয়েছে, সেখানে যুক্ত হতে দেখেন। তারা তাদের [[কাজ]] এবং তাদের [[পছন্দ|পছন্দগুলোর]] দ্বারা যুক্ত হয়েছে।''' <br /> এবং সবকিছু চলচ্চিত্রের শেষের দিকের একটি অসাধারণ, বিখ্যাত দৃশ্যের দিকে নিয়ে যায়, যখন ব্যাঙের বৃষ্টি হয়। হ্যাঁ। অসংখ্য জীবন্ত ব্যাঙ আকাশ থেকে পুরো লস অ্যাঞ্জেলেসের ওপর পড়ছে। এই পদ্ধতিটি নিয়ে মাঝে মাঝে মজা করা হয়েছে, যা আমাকে অবাক করে। '''পুরো গল্পটিকে অব্যাখ্যাত কিন্তু বাস্তব আচরণের বৃহত্তর জগতে উন্নীত করার একটি উপায় হিসেবে আমি এটিকে দেখি। আরেকটি মাত্রা যোগ করার জন্য আমাদের মানুষের ঊর্ধ্বে কিছু প্রয়োজন।''' এই শতাব্দীতে আকাশ থেকে আটবার ব্যাঙের বৃষ্টি হয়েছে। তবে তথ্যগুলোর কথা ভুলে যান। এর পরিবর্তে ''যাত্রাপুস্তক'' ৮:২-এর দিকে মনোযোগ দিন, যা চলচ্চিত্রের একটি প্ল্যাকার্ডে উল্লেখ করা হয়েছে: "এবং যদি তুমি তাদের যেতে দিতে অস্বীকার করো, তবে দেখো, আমি তোমার পুরো অঞ্চলে ব্যাঙ দিয়ে আঘাত করব।" কাকে যেতে দেবে? আমার বিশ্বাস, এই ক্ষেত্রে এটি মানুষ নয়, বরং [[ভয়]], [[লজ্জা]] এবং [[পাপ|পাপগুলোকে]] বোঝায়। <br /> ''ম্যাগনোলিয়া'' হলো সেই বিরল চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে একটি যা সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি উপায়ে কাজ করে। '''এক অর্থে এটি বিশদ বিবরণে পূর্ণ এবং নির্ভুলতার সাথে বলা আকর্ষণীয় গল্পগুলো বলে, যাতে সামান্য হলেও [[রসবোধ|রসবোধের]] অভাব নেই। অন্য অর্থে এটি একটি [[দৃষ্টান্তমূলক গল্প]]। সমস্ত ভালো দৃষ্টান্তমূলক গল্পের মতো এই দৃষ্টান্তমূলক গল্পের বার্তাও [[শব্দ|শব্দে]] নয়, বরং [[আবেগ|আবেগের]] মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। আমরা এই মানুষগুলোর [[ব্যথা]] অনুভব করার পর এবং পুলিশ ও নার্সের ভালোবাসা অনুভব করার পর, আমাদের এমন কিছু অবর্ণনীয় বিষয় [[শিক্ষা|শেখানো]] হয়েছে যা [[জানা|জানা]] [[প্রয়োজনীয়]]।''' ** খণ্ড ৩ === ''অ্যাওয়েক ইন দ্য ডার্ক: দ্য বেস্ট অব রজার ইবার্ট'' (২০০৬) === :<small>{{ISBN|0226182002}}</small> * আমি ১৯৬৭ সালে একজন চলচ্চিত্র সমালোচক হিসেবে আমার কাজ শুরু করি। আমি চলচ্চিত্র সমালোচক হওয়ার কথা ভাবিনি। কোনো একদিন আমি রাজনৈতিক কলামিস্ট বা ইংরেজির অধ্যাপক হতে পারি, এই অস্পষ্ট ধারণা ছাড়া আমার পেশাগত কোনো দৃঢ় পরিকল্পনা ছিল না। <br /> রবার্ট জোংকা আমার জীবনের অন্যতম সেরা বন্ধু হয়ে ওঠেন। আমাকে যেদিন ''শিকাগো সান-টাইমসে'' নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, সেদিনই তাঁকে পত্রিকাটির ফিচার সম্পাদক করা হয়েছিল। ১৯৬৭ সালের মার্চ মাসের একদিন তিনি আমাকে একটি কনফারেন্স রুমে ডাকেন। তিনি আমাকে জানান যে পত্রিকাটির চলচ্চিত্র সমালোচক এলেনর কিন অবসর নিচ্ছেন এবং আমি নতুন সমালোচক। '''আমি আনন্দ এবং অবিশ্বাসের সাথে চলে গিয়েছিলাম। তবুও আমি প্রায় সন্দেহ করেছিলাম যে এই দিনটি আমার বাকি জীবনের পথ নির্ধারণ করবে।''' * আমার একদম প্রথম পর্যালোচনাতেই আমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। একটি অস্পষ্ট ফরাসি চলচ্চিত্র "গালিয়া" পর্যবেক্ষণ করে বলেছিলাম যে এটি মহাসাগরের শৈল্পিক শট দিয়ে শুরু এবং শেষ হয়। তবে এর মাঝে ফরাসি নিউ ওয়েভ উপকূলে আছড়ে পড়ছে বলে বেশ স্পষ্ট। সেই সময় আমার ভঙ্গিটি চলচ্চিত্রের প্রতি শ্রেষ্ঠত্বের ছিল। যদিও আমি অবজ্ঞার সঠিক কোণ হিসাব করতাম, একটি চলচ্চিত্র মুক্তি পেলে তা আমার প্রতিরক্ষা ভেঙে দিতো এবং আমাকে আনন্দে আত্মহারা করে তুলতো। * '''[[ভের্নার হ্যার্ৎসগ|হ্যার্ৎসগ]] তাঁর উদাহরণের মাধ্যমে আমাকে চলচ্চিত্র শিল্পীর জন্য একটি মডেল দিয়েছিলেন। তিনি নির্ভীক, তাঁর বিষয়বস্তু দ্বারা চালিত, বাণিজ্যিক বিবেচনার প্রতি উদাসীন এবং দর্শকদের তাঁর অনুসরণ করার ওপর আস্থা রাখেন।''' আমি ৩৮ বছরে প্রায় ৫০টি ফিচার এবং প্রামাণ্যচিত্র মুক্তির পর প্রথম হ্যার্ৎসগের চলচ্চিত্র দেখার পর, তিনি কখনো এমন একটি চলচ্চিত্রও তৈরি করেননি যা আপস করা, লজ্জাজনক, ব্যবহারিক কারণে তৈরি বা অরুচিকর। '''এমনকি তাঁর ব্যর্থতাগুলোও দর্শনীয়।''' === ''ইউর মুভি সাকস'' (২০০৭) === [[File:Vampirefilm.png|thumb|ইউর মুভি সাকস।]] :<small>{{ISBN|0740763660}}</small> * '''এই পর্যালোচনাগুলোর কয়েকটি [[আনন্দ|আনন্দময়]] উৎসাহের সাথে লেখা হয়েছিল। অন্যগুলো উল্লাসের সাথে। কয়েকটি [[দুঃখ|দুঃখে]], কয়েকটি [[রাগ|রাগে]] এবং খুব কম সংখ্যক বিষাক্ততার সাথে লেখা হয়েছিল, যার একটি কঠোরভাবে সংরক্ষিত সরবরাহ আমার কাছে রয়েছে।''' আমাকে যখন বারবার জিজ্ঞাসা করা হয় যে আমি সত্যিই পুরো চলচ্চিত্র দেখি কি না, তখন আমার উত্তর অনিবার্যভাবে হয়: হ্যাঁ, কারণ আমি পর্যালোচনা লিখতে চাই। <br /> আমি অনুমান করছি যে ১৯৭৫ সাল থেকে আমি কেবল একবার বা দুবার ছাড়া আমার পুলিৎজার পুরস্কারের কথা কোনো পর্যালোচনায় উল্লেখ করিনি। তবে আমি যখন প্যাট্রিক গোল্ডস্টেইনকে লেখা রব স্নাইডারের অত্যন্ত অবিবেচক খোলা চিঠিটি পড়ি, তখন আমি জানতাম যে আমি একটি হোম-রান পিচ পাচ্ছি। অন্যান্য পর্যালোচনাগুলো বিভিন্ন মনোভাব নিয়ে লেখা হয়েছিল, যার মধ্যে কয়েকটি প্রায় পরোপকারীভাবে। তবে ''ডিউস বিগলো: ইউরোপীয় জিগোলো'' সম্পর্কে আমি কেবল এটিই বলতে পারি যে এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা এই বইয়ের শিরোনামটিকে অনুপ্রাণিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ** ভূমিকা === ''লাইফ ইটসেলফ : এ মেমোয়ার'' (২০১১) === [[File:SecularHumanismLogo3DPrideRainbowColors.png|thumb|আমাদের অবশ্যই [[বিশ্ব|বিশ্বে]] [[আনন্দ]] প্রদানে অবদান রাখার চেষ্টা করতে হবে। ... আমি সবসময় এটি [[জানা|জানতাম]] না এবং আমি এটি খুঁজে বের করার মতো যথেষ্ট সময় [[জীবনযাপন করা|বেঁচে থাকায়]] [[সুখ|সুখী]]।]] * আমি জেগে শুয়ে ভাবতাম যে কীভাবে আমি বিশ্বাস ছাড়া এমন একজন [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] কাছে বিশ্বাসের জন্য প্রার্থনা করতে পারি যাকে আমি বিশ্বাস করতে পারি না। মনে হতো যেন তা আমাকে দুটি প্রশ্নের মাঝে ঝুলিয়ে রেখেছিল। এই যৌক্তিক ধাঁধাগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমার মনের ভেতর তৈরি হয়েছিল। এগুলো আমার স্কুল বা পরিবার থেকে আসেনি। আমার পাড়ার বেশিরভাগ বন্ধু প্রোটেস্ট্যান্ট ছিল। ঈশ্বর যে বিদ্যমান, এই সত্যটি ছাড়া ঈশ্বর সম্পর্কে তত্ত্বে তারা আগ্রহী ছিল না। <br /> আমি ঈশ্বরের সমস্যাটি বাদ দিয়ে [[রোমান ক্যাথলিক গির্জা|রোমান ক্যাথলিক গির্জার]] শিক্ষাগুলো পুরোপুরি গ্রহণ করেছিলাম। ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * অনেক বছর ধরে আমি [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নকে]] এমন একটি দেশ হিসেবে কল্পনা করতাম যেখানে কখনো সূর্য ওঠে না এবং ক্রীতদাস ক্যাথলিক কৃষকেরা তাদের ঈশ্বরহীন শাসকদের অধীনে মেঘলা আকাশের নিচে কাজ করে। <br /> কিন্তু আমাদের ধর্মতত্ত্ব প্রায়শই খুব ব্যবহারিক ছিল: সমস্ত মানুষ সমান হিসেবে সৃষ্ট। অন্যের প্রতি এমন আচরণ করো যেমনটা তুমি তাদের কাছ থেকে আশা করো। দশটি আজ্ঞা মেনে চলো, যা আমরা বিস্তারিতভাবে অধ্যয়ন করেছি। তবে ব্যভিচার বাদে, "যা নিয়ে তোমাদের শিশুদের চিন্তা করার দরকার নেই।" ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * বড় হওয়ার সাথে সাথে আমি ঈশ্বর এবং অসীমের প্রশ্নে আর ঘুম হারাইনি। আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে এগুলোর কোনো উত্তর থাকতে পারে না। কোনো এক পর্যায়ে ঈশ্বরের বাস্তবতা আর আমার মনে উপস্থিত ছিল না। আমি গির্জার মৌলিক শিক্ষাগুলো বিশ্বাস করতাম কারণ আমি ভেবেছিলাম এগুলো সঠিক। ঈশ্বর চেয়েছিলেন বলে নয়। আমার মনে, আমি যেভাবে সেগুলোর ব্যাখ্যা করি, আমি আজও সেই অনুযায়ী জীবনযাপন করি। নিয়মকানুন দ্বারা নয়, বরং নীতিগুলো দ্বারা। উদাহরণস্বরূপ, গর্ভপাতের ক্ষেত্রে আমি স্বাধীন মতবাদে বিশ্বাসী। তবে ব্যক্তিগত পছন্দের কারণে আমার নিজের সন্তানের গর্ভপাতের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক থাকবে না। আমি স্বাধীন ইচ্ছায় বিশ্বাস করি এবং আমার বিশ্বাস যে অন্য কাউকে কী করতে হবে তা বলার অধিকার আমার নেই। পোপেরা আসেন এবং যান। কেবল [[পোপ ত্রয়োদশ জন|ত্রয়োদশ জনের]] প্রতি আমি স্নেহ অনুভব করেছি। তাঁদের নির্দেশগুলো আমার কাছে চমকে দেওয়ার মতো ক্ষমতার অভাব বলে মনে হয়। তাঁরা এক সহস্রাব্দ ধরে একটি আটকে রাখার কাজ পরিচালনা করছেন। ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * '''ক্যাথলিক ধর্ম আমাকে মানবতাবাদী শব্দটি জানার আগেই একজন মানবতাবাদী করে তুলেছিল। মানুষ যখন "ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদের" বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে, তখন আমি তাদের জিজ্ঞাসা করতে চাই যে মানবতাবাদ যদি ধর্মনিরপেক্ষ না হতো, তবে তা তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হতো কি না। এরপর আমি জিজ্ঞাসা করতে চাই, "আপনার কেন মনে হয় এটি ধর্মনিরপেক্ষ?" এর ফলে আমার এই মতামতটি উঠে আসবে যে তাদের বিশ্বাসগুলো মানবতাবাদী ছিল না।''' ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * হাইস্কুলের বছরগুলোতে ঈশ্বরের অস্তিত্বের সম্ভাবনায় আমার বিশ্বাস হারিয়ে যায়। আমি এটি নিজের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছিলাম। আমি কখনো আমার বাবা-মায়ের সাথে এটি নিয়ে আলোচনা করিনি। আমার বাবা যেকোনো ক্ষেত্রেই একজন অ-অনুশীলনকারী লুথারান ছিলেন। মৃত্যুশয্যায় তাঁর ধর্মান্তরকরণ আমাকে বেশ হতাশ করেছিল। আমি নিশ্চিত যে তিনি আমার মায়ের খাতিরে এতে রাজি হয়েছিলেন। আমি কি নিজেকে [[অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদী]] বা [[নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক]] বলা শুরু করেছিলাম? না, এবং আমি এখনও তা করি না। আমি এটি এড়িয়ে চলি কারণ '''আমি এমন কোনো বিভাগ প্রদান করতে চাই না যা মানুষ আমার ওপর প্রয়োগ করতে পারে। যাঁরা বলেন যে "বিশ্বাসী" এবং "নাস্তিক" হলো কংক্রিট বিভাগ, তাঁরা সেই রহস্যের প্রতি সহিংসতা করেন যা স্বীকার করার মতো যথেষ্ট বিনীত হওয়া আমাদের উচিত। আমি চাই না আমার বিশ্বাসগুলো একটি মাত্র শব্দে কমে আসুক।''' ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * '''[[চরমপন্থবাদ|চরমপন্থীরা]] আমাকে ভয় দেখায়।''' আমার ব্লগে [[বিবর্তন]], বুদ্ধিমান নকশা, [[ঈশ্বর]] এবং পরকাল নিয়ে সমস্ত অন্তহীন আলোচনা চলাকালীন, যার মন্তব্যের সংখ্যা সব মিলিয়ে হাজার হাজার হবে, আমি কখনো আমার [[বিশ্বাস|বিশ্বাসগুলোর]] [[নামকরণ|নাম]] দিইনি। যদিও পাঠকেরা আমাকে নির্দ্বিধায় জানিয়েছেন যে আমি একজন [[নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক]] এবং [[অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদী]] অথবা অন্ততপক্ষে একজন ধর্মনিরপেক্ষ '''[[মানবতাবাদ|মানবতাবাদী]]''' — যা আমি। ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * যে ঈশ্বর ব্যক্তিগতভাবে কারও সাথে কথা বলেছেন বা মানুষের জন্য নির্দেশ জারি করেছেন, তাঁকে আমি একবারে বাতিল করে দিই। আমি নিশ্চিত যে কিছু মানুষ বিশ্বাস করে যে ঈশ্বর তাদের সাথে কথা বলেছেন। এটি তাদের বিশ্বাস করার বিষয়। আমি বিশ্বাস করি না যে [[মোশি (নবি)|মোশি]] এমন কোনো ফলক নিয়ে পাহাড় থেকে নেমে এসেছিলেন যা তিনি সাথে নিয়ে ওঠেননি। আমি বিশ্বাস করি যে উচ্চতর ক্ষমতা এবং শরীরের শারীরিক মেয়াদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় এমন একটি অস্তিত্বে বিশ্বাস করার প্রয়োজনীয়তা মানবজাতির সাধারণভাবে রয়েছে। কিন্তু এই প্রয়োজনীয়তাগুলো হলো আশা। আর এগুলো বিশ্বাস করলেই তা সত্য হয়ে যায় না। আমি বিশ্বাস করি মানবজাতি শারীরিক হোক বা সামাজিক, গির্জাগুলোতে জড়ো হওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। আমি সারা বিশ্বের গির্জাগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছি। আমি প্রার্থনা করার জন্য সেখানে বসি না, বরং আমার চিন্তাভাবনাগুলোকে ধীরে ধীরে বিস্ময় এবং শ্রদ্ধার দিকে পরিচালিত করতে বসি। আমি আমার আগের প্রজন্ম এবং ঐতিহ্যের আশ্বাসের কথা সম্পর্কে সচেতন। ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * যে গির্জাগুলো আক্রমণাত্মকভাবে সুসমাচার প্রচার করে তাদের প্রতি আমার কোনো ধৈর্য নেই। উদ্ধার পাওয়ার জন্য আমাকে কী করতে হবে, সেই নির্দেশনায় আমার কোনো আগ্রহ নেই। '''আমি আমার দিকে নির্দেশিত অনুভূমিক প্রার্থনার চেয়ে স্বর্গের দিকে নির্দেশিত উল্লম্ব প্রার্থনা বেশি পছন্দ করি।''' আমি বিশ্বাস করি একটি যোগ্য গির্জাকে আকর্ষণের মাধ্যমে বেড়ে উঠতে হবে, প্রচারের মাধ্যমে নয়। '''আমি ধর্মান্ধতা নিয়ে সতর্ক। এমনকি ছোটবেলাতেও আমি তাঁদের প্রতি সন্দেহপ্রবণ ছিলাম, যাঁরা আমার প্রায়শই শোনা কথা অনুযায়ী "পোপের চেয়েও বেশি ক্যাথলিক" ছিলেন। আমরা যদি আমাদের প্রতিবেশীদের নিজেদের মতো ভালোবাসতে চাই, তবে আমাদের অবশ্যই তাঁদের বিশ্বাসগুলোকে আমাদের নিজস্ব বিশ্বাসের মতো একই শ্রদ্ধার সাথে দেখতে হবে।''' ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * একবার যেমনটা ভাবা হয়েছিল, [[মহাবিশ্ব]] অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রসারিত এবং সংকুচিত হয়, একটি [[মহা বিস্ফোরণ]] অন্যটিতে ভেঙে পড়ে, তা যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু মহাবিশ্বের উভয় মডেলেই প্রথম মহা বিস্ফোরণের কারণ কী ছিল? শেষ সংখ্যার চেয়ে বেশি কি কোনো প্রথম মহা বিস্ফোরণ ছিল? যদি কোনো প্রথম কারণ থেকে থাকে, তবে কি কোনো প্রথম কারণ সৃষ্টিকারী ছিল? মহা বিস্ফোরণগুলো কি কেবল ঘটতেই থাকে? আমরা কি প্রথম কারণ সৃষ্টিকারীর নাম "ঈশ্বর" রাখতে পারি? আমরা যেকোনো নাম রাখতে পারি। আমি আমার নিজের নামে এর নাম রাখতে পারি। একে কী বলা হয় তা অত্যন্ত তাৎপর্যহীন, কারণ আমরা এমন কিছুর নাম দেবো যা চিন্তার সমস্ত বিভাগের বাইরে পড়ে এবং জ্ঞানের কাছে তা অজানা এবং অপ্রাসঙ্গিক হতে হবে। তাই নামকরণ করা একটি বৃথা উদ্যোগ। "ঈশ্বর" শব্দটি সহায়ক নয়, কারণ এর অর্থ হলো এর একটি জানা যায় এমন সংজ্ঞা রয়েছে। ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * '''[[কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান|কোয়ান্টাম তত্ত্ব]] এখন [[ইলেকট্রন|ইলেকট্রনের]] মতো দুটি [[কোয়ান্টাম জট|জড়ানো কোয়ান্টাম বস্তুর]] মধ্যে তাৎক্ষণিক [[সংযোগ|সংযোগের]] কথা বলছে।''' এই [[ঘটনা]] গবেষণাগারের [[পরীক্ষা|পরীক্ষাগুলোতে]] [[পর্যবেক্ষণ|পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে]] এবং [[বিজ্ঞানী|বিজ্ঞানীরা]] [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করেন]] যে তাঁরা এটি ঘটার বিষয়টি [[প্রমাণ|প্রমাণ করেছেন]]। '''তাঁরা [[আলো|আলোর]] [[গতি|গতির]] চেয়ে দ্রুত হওয়ার কথা বলছেন না। গতির সাথে এর কোনো [[শূন্য|সম্পর্ক নেই]]। জড়ানো বস্তুগুলো কোনো না কোনোভাবে দূর থেকে তাৎক্ষণিকভাবে [[যোগাযোগ|যোগাযোগ করে]]। এটি [[সত্য]] হলে, দূরত্বের কোনো [[অর্থ]] নেই। আলোকবর্ষের কোনো অর্থ নেই। [[মহাশূন্য|স্থানের]] কোনো অর্থ নেই। এক অর্থে, জড়ানো বস্তুগুলো যোগাযোগও করছে না। এগুলো একই জিনিস। "কোয়ান্টাম স্তরে" (এবং আমি জানি না এর অর্থ কী), সবকিছু আসলে বা তাত্ত্বিকভাবে যুক্ত হতে পারে। [[সবকিছু|সবকিছুই]] [[ঐক্য|এক]]। [[সূর্য]], [[চাঁদ]], [[তারা]], বৃষ্টি, আপনি, আমি, সবকিছু। [[অদ্বৈতবাদ|সব এক]]।''' যদি এটি এমন হয়, তবে [[বৌদ্ধধর্ম]] বরাবরই একটি কোয়ান্টাম তত্ত্ব হয়ে থাকবে। না, আমি বৌদ্ধ নই। আমি বিশ্বাসী নই, নাস্তিক নই, অজ্ঞেয়বাদী নই। '''আমি উত্তরের চেয়ে প্রশ্ন নিয়ে বেশি সন্তুষ্ট।''' ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * অনেক পাঠক আমাকে জানিয়েছেন যে [[বিশ্বাস]] ছাড়া মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া একটি মর্মান্তিক এবং বিরক্তিকর ব্যাপার। আমার তেমনটা মনে হয় না। "বিশ্বাস" হলো নিরপেক্ষ। সব নির্ভর করে কী বিশ্বাস করা হয় তার ওপর। ** অধ্যায় ৫৫ : গো জেন্টলি * একজন রোমান ক্যাথলিক হিসেবে বড় হওয়ার কারণে আমি সেই বিশ্বাসের সামাজিক মূল্যবোধগুলোকে আত্মস্থ করেছিলাম এবং আজও তার বেশিরভাগই ধারণ করি, যদিও এর ধর্মতত্ত্ব আমাকে আর প্ররোচিত করে না। অন্য কেউ কী বিশ্বাস করে তা নিয়ে আমার কোনো ঝগড়া নেই। সবাই এই বিষয়গুলো নিজেদের মতো করে সামলায়। আমার বলার মতো কোনো সত্য নেই। '''আমি কেবল একটি ধর্মের কাছ থেকে এটাই চাই যে, যারা এর সাথে একমত নয়, তাদের প্রতি ধর্মটি যেন সহনশীল হয়।''' আমি এমন একজন যাজককে চিনি যাঁর চোখ চিকচিক করে যখন তিনি বলেন, "তুমি ঈশ্বরের কাজ তোমার মতো করে করো, আর আমি তাঁর মতো করে করব।" ** অধ্যায় ৫৫ : গো জেন্টলি * '''"[[দয়া]]" আমার সমস্ত রাজনৈতিক বিশ্বাসকে ঢেকে দেয়।''' সেগুলোর বানান করার দরকার নেই। '''আমি বিশ্বাস করি যে শেষে যদি আমরা আমাদের [[ক্ষমতা|ক্ষমতাগুলো]] অনুযায়ী অন্যদের কিছুটা সুখী করার জন্য কিছু করতে পারি এবং নিজেদের কিছুটা সুখী করার জন্য কিছু করতে পারি, তবে এটিই আমাদের পক্ষে করা সবচেয়ে ভালো কাজ।''' অন্যদের কম সুখী করা একটি [[অপরাধ]]। নিজেদের অসুখী করা থেকেই সমস্ত অপরাধের শুরু হয়। '''আমাদের অবশ্যই [[বিশ্ব|বিশ্বে]] [[আনন্দ]] প্রদানে অবদান রাখার চেষ্টা করতে হবে।''' এটি আমাদের [[সমস্যা]], আমাদের [[স্বাস্থ্য]] এবং আমাদের পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, তা সত্য। '''আমাদের অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে।''' আমি সবসময় এটি জানতাম না এবং আমি এটি খুঁজে বের করার মতো যথেষ্ট সময় বেঁচে থাকায় খুশি। ** অধ্যায় ৫৫ : গো জেন্টলি === পর্যালোচনা === ==== চার তারকার পর্যালোচনা ==== [[File:Amateur-made Na'vi.jpg|thumb|right|তাঁর ''[[w:টাইটানিক (১৯৯৭-এর চলচ্চিত্র)|টাইটানিকের]]'' মতো [[জেমস ক্যামেরন|জেমস ক্যামেরনের]] চলচ্চিত্র নিয়েও নিরলসভাবে সন্দেহজনক অগ্রিম গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। তিনি কেবল [[অ্যাভাটার (২০০৯-এর চলচ্চিত্র)|একটি অসাধারণ চলচ্চিত্র]] নির্মাণের মাধ্যমে আরও একবার সন্দেহবাদীদের চুপ করিয়ে দিয়েছেন।]] [[File:Magnòlia a Verbania.JPG|thumb|''[[ম্যাগনোলিয়া (চলচ্চিত্র)|ম্যাগনোলিয়া]]'' হলো এমন একটি চলচ্চিত্র যাতে আমি সহজাতভাবে সাড়া দিই। [[যুক্তি|যুক্তিকে]] [[দরজা|দরজায়]] রেখে আসুন। দমিত [[রুচি]] এবং সংযম আশা করবেন না, বরং এক ধরনের নাটকীয় [[পরমানন্দ|পরমানন্দের]] প্রত্যাশা করুন।]] [[File:Raining WikiWorld.png|thumb|''[[ম্যাগনোলিয়া (চলচ্চিত্র)|ম্যাগনোলিয়া]]'' হলো সেই বিরল চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে একটি যা সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি উপায়ে কাজ করে। এক অর্থে এটি বিশদ বিবরণে পূর্ণ এবং নির্ভুলতার সাথে বলা আকর্ষণীয় [[গল্প|গল্পগুলো]] বলে, যাতে সামান্য হলেও [[রসবোধ|রসবোধের]] অভাব নেই। অন্য অর্থে এটি একটি [[দৃষ্টান্তমূলক গল্প]]।]] [[File:Eye Black and White with Color.jpg|thumb|বছরের অন্যতম সেরা এবং সবচেয়ে মৌলিক চলচ্চিত্র ''[[প্লিজেন্টভিল]]'' আমাদের চমকে দেয়। এটি "ফাদার নোজ বেস্টের" মতো পুরোনো সাদাকালো সিটকমগুলোকে নিয়ে মজা করার মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর এটি নিজেই একটি সিটকম হওয়ার ভান করতে থাকে এবং এটি আশ্চর্যজনক [[শক্তি|ক্ষমতার]] একটি সামাজিক ভাষ্য হিসেবে শেষ হয়। … ''প্লিজেন্টভিল'' হলো এক ধরনের [[দৃষ্টান্তমূলক গল্প]] যা আমাদের ভালো পুরোনো দিনগুলোর পুনর্মূল্যায়ন করতে এবং ক্ষয়িষ্ণু বলে সহজেই বাতিল করে দেওয়া নতুন [[বিশ্ব|বিশ্বের]] দিকে নতুন করে [[তাকানো|তাকাতে]] উৎসাহিত করে। হ্যাঁ, আমাদের আরও [[সমস্যা]] রয়েছে। কিন্তু আরও [[সমাধান]], আরও [[সুযোগ]] এবং আরও [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতাও]] রয়েছে।<!-- আমি পঞ্চাশের দশকে বড় হয়েছি। এটি আপনি যা [[কল্পনা|কল্পনা করতে]] পারেন তার চেয়ে অনেক বেশি ''প্লিজেন্টভিলের'' জগতের মতো ছিল। হ্যাঁ, আমার [[বাড়ি|বাড়ির]] চারপাশে কাঠের বেড়া ছিল এবং পৌনে ছয়টায় রাতের খাবার সবসময় টেবিলে থাকত, কিন্তু এমন অনেক কিছু [[ভুল]] ছিল যার জন্য আমি [[শব্দ|শব্দগুলোও]] জানতাম না। --> ]] [[File:Roger Ebert.jpg|thumb|আমার নিজের [[ব্যক্তিগত]] [[অভিজ্ঞতা|অভিজ্ঞতার]] সাথে কোনো চলচ্চিত্র এর চেয়ে দ্রুত কখন [[যুক্ত করা|যুক্ত হয়েছে]], তা আমি [[জানা|জানি না]]। অদ্ভুত উপায়ে ''[[দ্য ট্রি অব লাইফ (চলচ্চিত্র)|দ্য ট্রি অব লাইফ]]ের'' কেন্দ্রীয় ঘটনাগুলো আমার [[জীবনযাপন করা|বেঁচে থাকার]] একটি [[সময়]] এবং [[স্থান|স্থানকে]] প্রতিফলিত করে এবং এর ছেলেরাই হলাম আমি। আমি যদি একটি আত্মজৈবনিক চলচ্চিত্র তৈরি করতে বের হতাম এবং আমার যদি ম্যালিকের [[উপহার|উপহারটি]] থাকত, তবে এটি দেখতে অনেকটাই এমন হতো।]] * '''তাঁরা কেন কিশোর-কিশোরীদের জন্য [[নিখুঁত]] একটি চলচ্চিত্রকে আর রেটিং দিয়েছিলেন?''' ** ''[[অলমোস্ট ফেমাস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/almost-famous-2000 পর্যালোচনা] (১৫ সেপ্টেম্বর ২০০০) * '''বার্ধক্য দুর্বলদের জন্য নয়, আর এই চলচ্চিত্রটিও নয়।''' … এটি হলো [[বর্তমান|এখনকার]] সময়। আমরা [[আশাবাদ]] এবং [[প্রত্যাশা|প্রত্যাশায়]] পূর্ণ। চলচ্চিত্রটি যত চমৎকারভাবেই তৈরি করা হোক না কেন, আমরা কেন এমন একটি চলচ্চিত্র দেখতে চাইব? আমি মনে করি এর কারণ হলো ''আমোরের'' মতো একটি চলচ্চিত্রের আমাদের জন্য এমন একটি শিক্ষা রয়েছে যা কেবল সিনেমাই শেখাতে পারে। সিনেমা, [[সময়|সময়কে]] অতিক্রম করার এবং [[জীবন|জীবনকে]] ছাড়িয়ে যাওয়ার অসতর্ক [[সক্ষমতা|সক্ষমতাসহ]] এটি মানবজাতির শাশ্বত দর্শকদের একজন সদস্য হওয়ার অর্থকে নাটকীয় করে তোলে। ** ''[[w:আমোর (২০১২-এর চলচ্চিত্র)|আমোর]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/amour-2013 পর্যালোচনা] (৯ জানুয়ারি ২০১৩) * '''১৯৭৭ সালে ''[[স্টার ওয়ার্স এপিসোড ৪: আ নিউ হোপ|স্টার ওয়ার্স]]'' দেখার সময় যেমনটা লেগেছিল, ''[[অ্যাভাটার (২০০৯-এর চলচ্চিত্র)|অ্যাভাটার]]'' দেখার সময় আমার ঠিক তেমনই লেগেছিল।''' এটি আরেকটি চলচ্চিত্র ছিল, যা আমি অনিশ্চিত প্রত্যাশা নিয়ে দেখতে গিয়েছিলাম। তাঁর ''[[টাইটানিক (১৯৯৭-এর চলচ্চিত্র)|টাইটানিকের]]'' মতো [[জেমস ক্যামেরন|জেমস ক্যামেরনের]] চলচ্চিত্র নিয়েও নিরলসভাবে সন্দেহজনক অগ্রিম গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। '''তিনি কেবল একটি অসাধারণ চলচ্চিত্র নির্মাণের মাধ্যমে আরও একবার সন্দেহবাদীদের চুপ করিয়ে দিয়েছেন।''' হলিউডে এখনও অন্তত একজন মানুষ আছেন যিনি জানেন কীভাবে ২৫ কোটি বা ৩০ কোটি ডলার বিজ্ঞতার সাথে খরচ করতে হয়। ** ''[[অ্যাভাটার (২০০৯-এর চলচ্চিত্র)|অ্যাভাটার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/avatar-2009 পর্যালোচনা] (১১ ডিসেম্বর ২০০৯) * বিশেষ করে এর শুরুর দৃশ্যগুলোতে ''[[w:ব্যালাস্ট (চলচ্চিত্র)|ব্যালাস্ট]]'' আমাদের সাধারণ প্রত্যাশার চেয়ে "ধীর" এবং "শান্ত"। আপনি কি জানেন? বেশিরভাগ সময় জীবনও এমন। আমরা ঘুম থেকে উঠে সাথে সাথেই প্লট পয়েন্টগুলোর সাথে যুক্ত হতে শুরু করি না। কিন্তু ''[[w:ব্যালাস্ট (চলচ্চিত্র)|ব্যালাস্ট]]'' অনিবার্যভাবে বৃদ্ধি পায় এবং গভীর হয় এবং শক্তি সঞ্চয় করে আমাদের শুষে নেয়। আমি সবসময় বলি যে আমি দুঃখের চলচ্চিত্রে খুব কমই কাঁদি, তবে আমি মাঝে মাঝে ভালো মানুষদের নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্রে কিছুটা কাঁদি। ** ''[[w:ব্যালাস্ট (চলচ্চিত্র)|ব্যালাস্ট]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/ballast-2008 পর্যালোচনা] (২৯ অক্টোবর ২০০৮) * '''আমি বলেছিলাম যে এটি সেই ব্যাটম্যান চলচ্চিত্র যার জন্য আমি অপেক্ষা করছিলাম। আরও সঠিকভাবে বললে, এটি সেই চলচ্চিত্র যার জন্য আমি অপেক্ষা করছিলাম বলে বুঝতে পারিনি, কারণ আমি বুঝতে পারিনি যে [[গল্প]] এবং চরিত্রের ওপর বেশি জোর দেওয়া এবং হাই-টেক অ্যাকশনের ওপর কম জোর দেওয়াই প্রয়োজন ছিল।''' চলচ্চিত্রটি বিনোদনমূলক হওয়ার পাশাপাশি নাটকীয়ভাবেও কাজ করে। এর মধ্যে কিছু একটা আছে। ** ''[[ব্যাটম্যান বিগিন্স]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/batman-begins-2005 পর্যালোচনা] (১৩ জুন ২০০৫) * '''''[[w:ড্যান্সেস উইথ উলভস|ড্যান্সেস উইথ উলভস]]ের'' এমন দৃষ্টিভঙ্গি এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে যা আজকের চলচ্চিত্রে বিরল।''' এটি কোনো সূত্রের চলচ্চিত্র নয়, বরং একটি চিন্তাশীল এবং সাবধানে পর্যবেক্ষণ করা গল্প। পশ্চিমা চলচ্চিত্র মৃত বলে বিবেচিত হওয়ার সময়ে এটি একটি পশ্চিমা চলচ্চিত্র। এটি আমাদের কল্পনা এবং সহানুভূতি চায়। এটি উন্মোচিত হতে তিন ঘণ্টা সময় নেয়। এটি ''ফিল্ড অব ড্রিমসের'' বুদ্ধিমান অভিনেতা [[w:কেভিন কসনার|কেভিন কসনারের]] জন্য একটি ব্যক্তিগত বিজয়, যিনি চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন এবং গল্প ও চাক্ষুষ কাঠামোর ওপর এমন একটি নিয়ন্ত্রণ দেখিয়েছেন যা চমকে দেওয়ার মতো। এই চলচ্চিত্রটি এত আত্মবিশ্বাসের সাথে এগোয় এবং এত ভালো দেখায় যে এটি বিশ্বাস করা কঠিন যে এটি একটি পরিচালনার আত্মপ্রকাশ। ** ''[[ড্যান্সেস উইথ উলভস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/dances-with-wolves-1990 পর্যালোচনা] (৯ নভেম্বর ১৯৯০) * আমি প্রশংসা অনুভব করিনি। আমি এমন অর্থে সহানুভূতি অনুভব করেছি যে আমি একটি পাগল কুকুরের জন্য এটি অনুভব করব, যখন আমি স্বীকার করব যে এটি অবশ্যই ধ্বংস করতে হবে। আমার মনে হয় না চলচ্চিত্রটি "[[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলার]] আসলে কী করেছিলেন, তার একটি পর্যাপ্ত প্রতিক্রিয়া" প্রদান করে, কারণ আমার মনে হয় কোনো চলচ্চিত্রই তা পারে না এবং কোনো প্রতিক্রিয়াই পর্যাপ্ত হবে ঘন। '''আমরা এই ধরনের একটি চলচ্চিত্র থেকে কেবল এটাই শিখতে পারি যে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বর্ণবাদ এবং উপজাতীয়তার বর্বর প্রবৃত্তির সাথে যুক্ত উন্মাদনার দ্বারা পরিচালিত করা যেতে পারে এবং আরও লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা যেতে পারে।''' ** ''[[w:ডাউনফল (২০০৪-এর চলচ্চিত্র)|ডাউনফল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/downfall-2005 পর্যালোচনা] (১১ মার্চ ২০০৫) * আপনাদের একটি গল্প বলি। কলাম্বাইনের পরের দিন টম ব্রোকাও সংবাদ অনুষ্ঠানের জন্য আমার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল। প্রতিবেদককে একটি তত্ত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি এটি সমর্থন করার জন্য সাউন্ড বাইট খুঁজছিলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "আপনি কি বলবেন না যে এই ধরনের হত্যাকাণ্ডগুলো সহিংস চলচ্চিত্র দ্বারা প্রভাবিত হয়?" আমি বলেছিলাম, না, আমি তা বলব না। তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "কিন্তু ''বাস্কেটবল ডায়েরিজ'' সম্পর্কে কী বলবেন? সেখানে কি এমন কোনো দৃশ্য নেই যেখানে একটি ছেলে মেশিনগান নিয়ে স্কুলে ঢুকছে?" আমি বলেছিলাম, ১৯৯৫ সালের অখ্যাত লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিওর চলচ্চিত্রে সেই প্রকৃতির একটি সংক্ষিপ্ত ফ্যান্টাসি দৃশ্য ছিল। কিন্তু চলচ্চিত্রটি বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়েছিল (এটি কেবল ২৫ লাখ ডলার আয় করেছিল) এবং কলাম্বাইনের খুনিরা এটি দেখেছে এমন সম্ভাবনা কম। প্রতিবেদককে হতাশ লাগছিল। তাই আমি তাঁকে আমার তত্ত্বটি দিয়েছিলাম। '''আমি বলেছিলাম, "এই ধরনের ঘটনাগুলো যদি কোনো কিছুর দ্বারা প্রভাবিত হয়, তবে তা আপনাদের মতো সংবাদ অনুষ্ঠান দ্বারা প্রভাবিত হয়।"''' যখন কোনো ভারসাম্যহীন শিশু স্কুলে ঢুকে গুলি চালাতে শুরু করে, তখন এটি একটি বড় গণমাধ্যমের ঘটনা হয়ে ওঠে। কেবল সংবাদ সাধারণ অনুষ্ঠান বাতিল করে এবং দিনরাত এটি প্রচার করে। গল্পটিতে একটি লোগো এবং একটি থিম গান দেওয়া হয়; এই দুই শিশুকে ট্রেঞ্চ কোট মাফিয়া হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। '''দেশের চারপাশের অন্যান্য বিরক্ত শিশুদের কাছে বার্তাটি স্পষ্ট: আমি যদি আমার স্কুলে গুলি চালাই, তবে আমি বিখ্যাত হতে পারি।''' টিভি আমাকে ছাড়া আর কিছুই নিয়ে কথা বলবে না। বিশেষজ্ঞরা আমি কী ভাবছিলাম তা বোঝার চেষ্টা করবেন। স্কুলের শিশু এবং শিক্ষকেরা দেখবেন যে তাদের আমার সাথে ঝামেলা করা উচিত হয়নি। আমি গৌরবের আভায় বাইরে যাব।" <br /> সংক্ষেপে আমি বলেছিলাম, '''কলাম্বাইনের মতো ঘটনাগুলো সহিংস চলচ্চিত্রের চেয়ে সিএনএন, এনবিসি নাইটলি নিউজ এবং অন্যান্য সমস্ত সংবাদ মাধ্যম দ্বারা বেশি প্রভাবিত হয়, যারা খুনিদের "ব্যাখ্যা" করার ছদ্মবেশে তাদের মহিমান্বিত করে।''' আমি ''সান-টাইমসের'' নীতির প্রশংসা করেছিলাম, যেখানে আমাদের সম্পাদক বলেছিলেন যে পত্রিকাটি আর প্রথম পাতায় স্কুলে হত্যার ঘটনা প্রকাশ করবে না। প্রতিবেদক আমাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ক্যামেরা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। '''অবশ্যই সাক্ষাৎকারটি কখনো ব্যবহার করা হয়নি।''' তাঁরা সহিংস চলচ্চিত্রের নিন্দা করার জন্য প্রচুর কথা বলার মানুষ খুঁজে পেয়েছিলেন এবং সবাই খুশি ছিলেন। ** ''[[w:এলিফ্যান্ট (২০০৩-এর চলচ্চিত্র)|এলিফ্যান্ট]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/elephant-2003 পর্যালোচনা] (৭ নভেম্বর ২০০৩) * '''আমি চলচ্চিত্র ভালোবাসি বলে ''[[w:ফার্গো (চলচ্চিত্র)|ফার্গো]]ের'' মতো চলচ্চিত্রগুলো দেখি।''' ** ''[[w:ফার্গো (চলচ্চিত্র)|ফার্গো]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/fargo-1996 পর্যালোচনা] (৮ মার্চ ১৯৯৬) *''' ''গ্রাউন্ডহগ ডে'' হলো এমন একটি চলচ্চিত্র যা তার সুর এবং উদ্দেশ্য এত নিখুঁতভাবে খুঁজে পায় যে এর [[প্রতিভা]] তাৎক্ষণিকভাবে নজরে নাও আসতে পারে। এটি এত অনিবার্যভাবে উন্মোচিত হয়, এত বিনোদনমূলক এবং এত স্পষ্টতই অনায়াস যে এটি আসলে কতটা ভালো তা দেখার আগে আপনাকে পিছিয়ে দাঁড়াতে হবে এবং নিজেকে চড় মারতে হবে।''' <br> নিশ্চিতভাবেই আমি [https://web.archive.org/web/20070930041716/http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/19930212/REVIEWS/302120302/1023 আমার মূল পর্যালোচনায়] এটিকে অবমূল্যায়ন করেছি। আমি এটিকে এত সহজেই উপভোগ করেছি যে আমি প্রফুল্ল পরিমিতির দ্বারা প্রলুব্ধ হয়েছিলাম। তবে এমন কয়েকটি চলচ্চিত্র রয়েছে যা আমাদের স্মৃতিতে প্রবেশ করে এবং রেফারেন্স পয়েন্ট হয়ে ওঠে। এটি সেগুলোর মধ্যে একটি। যখন আপনার কেমন লাগছে তা বোঝানোর জন্য আপনার এই কথাটির প্রয়োজন হয় যে ''এটি "গ্রাউন্ডহগ ডে"র মতো'', তখন বুঝতে হবে একটি চলচ্চিত্র দারুণ কিছু অর্জন করেছে। ** ''শিকাগো সান-টাইমসে'' (৩০ জানুয়ারি ২০০৫) ''[[w:গ্রাউন্ডহগ ডে (চলচ্চিত্র)|গ্রাউন্ডহগ ডে]]ের'' [https://web.archive.org/web/20050615085737/http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20050130/REVIEWS08/501300301/1023 পর্যালোচনা], [https://www.rogerebert.com/reviews/great-movie-groundhog-day-1993 rogerebert.com]-এও উপলব্ধ * চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে সবাই জানে যে এটি এমন এক ব্যক্তিকে নিয়ে, যে নিজেকে বারবার একই দিনে বেঁচে থাকতে দেখে। সে তার বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি যে জানে যে এমনটা ঘটছে। হতাশা এবং তিক্ততা, বিদ্রোহ এবং নিরাশা, আত্মঘাতী আত্মবিধ্বংস এবং নিষ্ঠুর বেপরোয়া সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর, সে এমন কিছু করতে শুরু করে যা তার স্বভাবের বাইরের। সে শিখতে শুরু করে। ** ''শিকাগো সান-টাইমসে'' (৩০ জানুয়ারি ২০০৫) ''গ্রাউন্ডহগ ডে'' (১৯৯৩)-এর পর্যালোচনা * '''ব্রিটিশ সংবাদপত্র ইন্ডিপেন্ডেন্টের একটি দীর্ঘ নিবন্ধে বলা হয়েছে যে ধর্মীয় নেতারা "গ্রাউন্ডহগ ডে" চলচ্চিত্রটিকে "সর্বকালের সবচেয়ে আধ্যাত্মিক চলচ্চিত্র হিসেবে প্রশংসা করেছেন।"''' সম্ভবত সমস্ত ধর্মীয় নেতা বার্গম্যান, ব্রেসন, ওজু এবং ড্রেয়ারের কোনো কিছু দেখেননি। কিন্তু কিছু মনে করবেন না: তাঁদের একটি কথা যুক্তিসঙ্গত, এমনকি এমন একটি চলচ্চিত্র সম্পর্কেও যেখানে সবচেয়ে গভীর ধর্মতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ হলো, "'''সম্ভবত ঈশ্বর দীর্ঘকাল ধরে আছেন এবং সবকিছু জানেন।'''" <br> চলচ্চিত্রটির যে বিষয়টি আমাকে অবাক করে তা হলো, মারে এবং রামিস এটি করে পার পেয়ে যান। তাঁরা কখনো তাঁদের স্নায়ু হারান না। '''ফিলের পরিবর্তন হয় কিন্তু সে কখনো তার প্রান্ত হারায় না। সে আরও ভালো ফিলে পরিণত হয়, কিন্তু ভিন্ন ফিলে নয়।''' মুভিটি শেষে খুব বেশি আবেগময় হয় না। একটি অন্ধকার সময় থাকে যখন সে নিজেকে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। একটি বেপরোয়া সময় থাকে যখন সে তার গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কারণ সে জানে এতে কিছু আসে যায় না। হতাশার সময়গুলোও থাকে। <br> আমরা দেখি যে জীবন এমনই। '''আগামীকাল আসবে এবং সর্বদা ২ ফেব্রুয়ারি থাকুক বা না থাকুক, আমরা কেবল এটি সম্পর্কে যেটা করতে পারি তা হলো আমরা যতটা ভালো মানুষ হতে জানি ততটা ভালো হওয়া। সুখবর হলো যে আমরা আরও ভালো মানুষ হতে শিখতে পারি।''' এমন একটি মুহূর্ত আছে যখন ফিল রিতাকে বলে, "তুমি যখন তুষারে দাঁড়াও, তোমাকে দেখতে একটি দেবদূতের মতো লাগে।" '''আসল কথা এটি নয় যে সে রিতাকে ভালোবাসতে শুরু করেছে। আসল কথা হলো সে [[দেবদূত|দেবদূতকে]] দেখতে শিখেছে।''' ** ''শিকাগো সান-টাইমসে'' (৩০ জানুয়ারি ২০০৫) ''গ্রাউন্ডহগ ডে'' (১৯৯৩)-এর পর্যালোচনা * এটি কেবল রেকর্ড স্টোরের অবসাদগ্রস্ত কেরানিদের নিয়ে এবং তাঁদের জন্য তৈরি একটি চলচ্চিত্র নয়, বরং ভিডিও স্টোরের কেরানি, যাঁরা সমস্ত সিনেমা দেখেছেন এবং বইয়ের দোকানের কর্মচারী, যাঁরা সমস্ত বই পড়েছেন, তাঁদের নিয়ে তৈরি। সেইসাথে বারটেন্ডার, পরিচারিকা, স্বাস্থ্যকর খাবারের দোকানে সবজি বিক্রেতা, নিরামিষ রেস্তোরাঁগুলোতে রান্নাঘরের দাস, জিএনসিতে থাকা মানুষ যাঁরা সমস্ত ভেষজ চেনেন, বিকল্প সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলোর জন্য লেখক, কলেজের স্টেশনগুলোতে ডিস্ক জকি, রেট্রো পোশাকের দোকানে বিক্রয়কর্মী, ট্যাটু শিল্পী এবং যাঁরা ট্যাটু আঁকান তাঁদের জন্য, কবি, শিল্পী, সুরকার, ঔপন্যাসিক এবং হিপ, ছিদ্রযুক্ত এবং একাকীদের নিয়ে তৈরি। তাঁরা হয়তো নিজেদের দেখতে পাবেন না, কিন্তু তাঁরা তাঁদের চেনা মানুষদের চিনতে পারবেন। ** ''[[হাই ফিডেলিটি]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/high-fidelity-2000 পর্যালোচনা] (৩১ মার্চ ২০০০) * '''এমন একটি চলচ্চিত্র পাওয়া খুব বিরল, যা পক্ষ নেয় না।''' দ্বন্দ্বকে জনপ্রিয় কল্পকাহিনির ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবুও এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা প্রথম দৃশ্য থেকেই আমাদের আটকে রাখে এবং কখনো ছেড়ে দেয় না এবং আমরা এর ভেতরের সবার জন্য পুরোটা সময় ধরে সহানুভূতি অনুভব করি। '''নিশ্চিতভাবেই তাঁরা মাঝে মাঝে খারাপ কাজ করেন। কিন্তু চলচ্চিত্রটি তাঁদের এবং তাঁদের ত্রুটিগুলো ''বোঝে''। দারুণ কল্পকাহিনির মতো ''[[হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগ (চলচ্চিত্র)|হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগ]]'' এর চরিত্রগুলোর হৃদয়ে দেখতে পায় এবং তাঁদের ভালোবাসে ও করুণা করে।''' … "হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগ" কোনো বানানো উত্থান-পতনযুক্ত প্লট নয়, বরং এটি একটি গল্প তুলে ধরে। প্লট হলো সেসব বিষয় যা ঘটে। গল্প হলো সেসব মানুষ যারা আচরণ করে। <br /> একটি গল্পের প্রশংসা করার জন্য আপনাকে অবশ্যই মানুষদের কথা শুনতে এবং তাঁদের পর্যবেক্ষণ করতে ইচ্ছুক হতে হবে। ''হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগের'' শেষে আমরা ভালো উদ্দেশ্যধারী ভালো মানুষদের দেখেছি, যাঁদের জীবন ধ্বংস হয়ে যায়, কারণ একটি দুর্বল, জঘন্য আকাঙ্ক্ষাধারী মানুষের সাথে তাঁদের দেখা হওয়ার দুর্ভাগ্য হয়েছিল। ** ''[[w:হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগ|হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/house-of-sand-and-fog-2003 পর্যালোচনা] (২৬ ডিসেম্বর ২০০৩) * একটি অন্ধকার প্রেক্ষাগৃহে বসে আমি আমার স্ত্রীর হাত ধরার জন্য নিজের হাত বাড়িয়ে দিলাম। তিনি এবং আমি একই সমুদ্রসৈকতে গিয়েছিলাম এবং আমাদের সন্তান ও নাতি-নাতনিদের সাথে সেখানে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছিলাম। একটি বরফশীতল আঙুল ধীরে ধীরে আমাদের মেরুদণ্ড বেয়ে নেমে গেল। '''এমন একটি সংযোগ ভয়ঙ্কর হতে পারে।''' এর অর্থ কী? আমরা দেবতাদের হাতের খেলনা। ** ''[[দ্য ইম্পসিবল (২০১২-এর চলচ্চিত্র)|দ্য ইম্পসিবল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-impossible-2012 পর্যালোচনা] (১৯ ডিসেম্বর ২০১২) * আর রেটিংটি লগের অশ্লীল শব্দ ব্যবহারকে বোঝায়। এটি সম্পূর্ণরূপে অবর্ণনীয়। এটি কিশোর-কিশোরীদের জন্য একটি চমৎকার চলচ্চিত্র। ** ''[[দ্য কিংস স্পিচ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-kings-speech-2010 পর্যালোচনা] (১৫ ডিসেম্বর ২০১০) * '''''[[ম্যাগনোলিয়া (চলচ্চিত্র)|ম্যাগনোলিয়া]]'' তার [[উচ্চাকাঙ্ক্ষা|উচ্চাকাঙ্ক্ষায়]] [[নাটকীয়|নাটকীয়তা]] দেখিয়েছে। এটি মেলোড্রামা এবং [[কাকতালীয় ঘটনা|কাকতালীয় ঘটনায়]] একটি [[দারুণ]], [[আনন্দ|আনন্দময়]] লাফ, যেখানে রয়েছে রুক্ষ [[আবেগ]], [[অপরাধ]] এবং [[শাস্তি]], মৃত্যুশয্যার দৃশ্য, [[রোম্যান্স|রোমান্টিক]] [[স্বপ্ন]], প্রজন্মের কোলাহল এবং স্বর্গীয় হস্তক্ষেপ। এর সবগুলোতে ধারাবাহিক সংগীত যুক্ত। এটি কোনো ভীতু চলচ্চিত্র নয়।''' … চলচ্চিত্রটি একটার পর একটা পর্বের একটি শৃঙ্খল যা লস অ্যাঞ্জেলেসে একদিনের মধ্যে ঘটে। মাঝে মাঝে একই মুহূর্তেও ঘটে। এর চরিত্রগুলো রক্ত, কাকতালীয় ঘটনা এবং তাদের জীবনের সমান্তরাল মনে হওয়ার উপায়ের মাধ্যমে যুক্ত। বিষয়বস্তুগুলো ধীরে ধীরে ফুটে ওঠে: বাবাদের মৃত্যু, শিশুদের ক্ষোভ, প্রাথমিক প্রতিশ্রুতির ব্যর্থতা, হঠাৎ এবং আশ্চর্যজনক ঘটনাগুলো দ্বারা সমস্ত পরিকল্পনা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে দুর্বল করার উপায়। … '''এই সমস্ত সুতোগুলো কোনো না কোনোভাবে একটি ঘটনার দিকে একত্রিত হয়। দর্শকদের এটি আগে থেকে ধারণা করার কোনো উপায় নেই।''' এই ঘটনাটি "প্রতারণা" নয়, যেমনটা কিছু সমালোচক যুক্তি দিয়েছেন, কারণ উপস্থাপনা অংশটি পুরোপুরি এর জন্য পথ তৈরি করে দেয়। ''যাত্রাপুস্তকের'' কিছু সূক্ষ্ম উল্লেখও এর জন্য দায়ী। এটি [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] [[হাত|হাতের]] মতো কাজ করে, যা আমাদের পরিকল্পনা করার দুঃসাহসের [[অযৌক্তিকতা|অযৌক্তিকতা]] মনে করিয়ে দেয়। তবুও আমাদের পরিকল্পনা করতে হয়, কারণ আমরা মানুষ এবং কারণ মাঝে মাঝে আমাদের পরিকল্পনাগুলো সফল হয়। <br /> '''''ম্যাগনোলিয়া'' হলো এমন একটি চলচ্চিত্র যাতে আমি সহজাতভাবে সাড়া দিই। [[যুক্তি|যুক্তিকে]] [[দরজা|দরজায়]] রেখে আসুন। দমিত [[রুচি]] এবং সংযম আশা করবেন না, বরং এক ধরনের নাটকীয় [[পরমানন্দ|পরমানন্দের]] প্রত্যাশা করুন।''' তিন ঘণ্টার দৈর্ঘ্যেও এটি নাটকীয়। এর বিষয়বস্তুগুলো উন্মোচিত হয়, এর চরিত্রগুলো [[আলো|আলোর]] মৃত্যু ঠেকাতে সংগ্রাম করে এবং ভাগ্যের বিশাল চাকা তাদের দিকে গড়িয়ে আসে। ** [''শিকাগো সান-টাইমসে'' ''ম্যাগনোলিয়াের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/magnolia-2000 পর্যালোচনা] (৭ জানুয়ারি ২০০০)] * সম্প্রতি আমাদের দেশে সহানুভূতির অভাব দেখা দিয়েছে। আমাদের নেতারা দ্রুত নিজেদের অনুভূতি নিয়ে আমাদের অভিনন্দন জানান, অন্যদের কেমন লাগছে তা জিজ্ঞাসা করতে সময় নেন। কিন্তু হয়তো সময় পাল্টাচ্ছে। প্রতিটি [[w:স্পাইক লি|লি]] চলচ্চিত্র সহানুভূতির একটি অনুশীলন। তিনি তাঁর দর্শকদের মধ্যে থাকা কৃষ্ণাঙ্গদের অভিনন্দন জানাতে বা শ্বেতাঙ্গদের নিন্দা করতে আগ্রহী নন। তিনি পর্দায় মানুষদের তুলে ধরেন এবং তাঁর দর্শকদের কিছুক্ষণ তাদের জুতো পরে হাঁটার অনুরোধ করেন। ** ''[[ম্যালকম এক্স (চলচ্চিত্র)|ম্যালকম এক্স]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/malcolm-x-1992 পর্যালোচনা] (১৮ নভেম্বর ১৯৯২) * ''[[দ্য ম্যান ইন দ্য মুন]]'' একটি চমৎকার ছোটগল্পের মতো, ভাষা এবং মেজাজের সেইসব মাস্টারপিসগুলোর মধ্যে একটি যেখানে কোনো একটি শব্দও ভুল বা অপ্রয়োজনীয় নয়। এটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এত মসৃণভাবে প্রবাহিত হয় যে এটিকে খুব একটা সাধারণ চলচ্চিত্র বলে মনে হয় না। সাধারণত আমি চিত্রনাট্যকারের বাধ্যতামূলক দৃশ্যগুলো যুক্ত করা সম্পর্কে সচেতন থাকি। আমি কলকবজা ঘোরানোর শব্দ শুনতে পারি। তবে এবার নয়। যদিও, পেছনের দিকে ফিরে তাকালে, আমি দেখতে পাই কীভাবে যত্ন সহকারে প্লটটি একত্রিত করা হয়েছিল, কীভাবে সতর্কতার সাথে প্রতিটি ঘটনার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, চলচ্চিত্রটি দেখার সময় আমি কেবল জীবনের পার হয়ে যাওয়া সম্পর্কে সচেতন ছিলাম। ** ''[[দ্য ম্যান ইন দ্য মুন]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-man-in-the-moon-1991 পর্যালোচনা] (৪ অক্টোবর ১৯৯১) * [[শন পেন]] কখনো [[হার্ভে মিল্ক|হার্ভে মিল্ককে]] বীর হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেন না এবং তার প্রয়োজনও নেই। তিনি তাঁকে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে দেখান, যিনি দয়ালু, মজার, ত্রুটিযুক্ত, চতুর, আদর্শবাদী, যিনি একটি ভালো পৃথিবীর আকাঙ্ক্ষা করেন। তিনি দেখান যে এমন একজন সাধারণ মানুষ কী অর্জন করতে পারে। '''মিল্ক সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় সঠিক মানুষ ছিলেন এবং তিনি পরিস্থিতি অনুযায়ী উঠে দাঁড়িয়েছিলেন।''' [[রোজা পার্কস|রোজা পার্কসও]] তাই ছিলেন। মাঝে মাঝে ইতিহাসের একটি সুনির্দিষ্ট মুহূর্তে কেবল একজন মানুষকে উঠে দাঁড়াতে হয়। অথবা বসতে হয়। ** ''[[মিল্ক (চলচ্চিত্র)|মিল্ক]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/milk-2008 পর্যালোচনা] (২৪ নভেম্বর ২০০৮) * মার্কিন চলচ্চিত্রগুলো একটি পরিবর্তনকালীন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কিছু পরিচালক প্রযুক্তির ওপর তাঁদের আস্থা রাখেন। প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ [[w:স্টিভেন স্পিলবার্গ|স্পিলবার্গ]] কেবল গল্প এবং চরিত্রের ওপর আস্থা রাখেন এবং এরপর তিনি বাকি সবকিছু একজন কর্মীর মতো ব্যবহার করেন যিনি তাঁর সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করেন। তিনি নতুন প্রযুক্তি দিয়ে ''মাইনরিটি রিপোর্ট'' তৈরি করেন। অন্যান্য পরিচালকেরা মনে হচ্ছে প্রযুক্তি থেকেই তাঁদের চলচ্চিত্রগুলো তৈরি করার চেষ্টা করছেন। এই চলচ্চিত্রটি এমন একটি গুণী এবং উচ্চ পর্যায়ের কাজ, যা অনেক সাহস করে, এত অনুগ্রহ এবং দক্ষতার সাথে এটি অর্জন করে। '''মাইনরিটি রিপোর্ট আমাদের মনে করিয়ে দেয় কেন আমরা প্রথমে চলচ্চিত্র দেখতে যাই।''' ** ''[[w:মাইনরিটি রিপোর্ট (চলচ্চিত্র)|মাইনরিটি রিপোর্ট]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/minority-report-2002 পর্যালোচনা] (২১ জুন ২০০২) * '''প্যাটি জেনকিন্স-এর ''[[w:মনস্টার (চলচ্চিত্র)|মনস্টার]]ে'' [[w:শার্লিজ থেরন|শার্লিজ থেরন]] যা অর্জন করেছেন তা অভিনয় নয়, বরং একটি বাস্তব রূপ।''' সাহস, শিল্প এবং দয়ার সাথে তিনি [[w:এইলিন উরনোস|এইলিন উরনোসের]] প্রতি সহানুভূতি দেখান, যিনি একজন ক্ষতিগ্রস্ত নারী এবং যিনি সাতটি খুন করেছিলেন। তিনি খুনগুলোর সাফাই গান না। তিনি কেবল আমাদের সেই নারীর ভাগ্যের চেয়ে ভালো মানুষ হওয়ার চূড়ান্ত মরিয়া প্রচেষ্টার সাক্ষী হওয়ার অনুরোধ করেন। ** ''[[w:মনস্টার (চলচ্চিত্র)|মনস্টার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/monster-2003 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ২০০৪) * অনেক মানুষের [[মৃত্যুদণ্ড|মৃত্যুদণ্ডের]] ধারণার সাথে আরামদায়কভাবে বেঁচে থাকার ক্ষমতা হয়তো এই বিষয়ের একটি সূত্র যে কীভাবে অনেক ইউরোপীয় [[হলোকাস্ট|হলোকাস্টের]] ধারণার সাথে বেঁচে থাকতে পেরেছিলেন: '''আপনি যদি এই ধারণাটি গ্রহণ করেন যে রাষ্ট্রের কাউকে হত্যা করার অধিকার রয়েছে এবং কোনটি মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ তা নির্ধারণ করার অধিকার রয়েছে, তবে কি আপনি অর্ধেক পথ অতিক্রম করেননি?''' ** ''[[w:মিস্টার ডেথ: দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অব ফ্রেড এ. লিউচার, জুনিয়র|মিস্টার ডেথ: দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অব ফ্রেড এ. লিউচার, জুনিয়র]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/mr-death-the-rise-and-fall-of-fred-a-leuchter-jr-2000 পর্যালোচনা] (৪ ফেব্রুয়ারি ২০০০) * এই ধরনের শক্তিশালী অভিনয় দেখা রোমাঞ্চকর। এমন এক সময়ে যখন জাঁকজমকপূর্ণ পরিচালকেরা মাথা ঘোরানো সম্পাদনার ছন্দে তাঁদের চলচ্চিত্রগুলোকে টুকরো টুকরো করে কাটেন, তখন এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে চলচ্চিত্রগুলো তাদের চরিত্রগুলোর প্রতি সহানুভূতিশীল হতে পারে, তাকাতে এবং শুনতে পারে। পরিচালকেরা বিয়োগ করার মাধ্যমে মহান হন, যোগ করার মাধ্যমে নয়। [[w:ক্লিন্ট ইস্টউড|ইস্টউড]] দেখানোর জন্য কিছুই করেন না, সবকিছু করেন কেবল প্রভাব ফেলার জন্য। ** ''[[মিস্টিক রিভার (চলচ্চিত্র)|মিস্টিক রিভার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/mystic-river-2003 পর্যালোচনা] (৮ অক্টোবর ২০০৩) * এই চলচ্চিত্রটি দেখা বেদনাদায়ক। তবে এটি আনন্দদায়কও বটে, যেমনটা সব ভালো চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে হয়। কারণ আমরা পরিচালক এবং অভিনেতাদের দেখতে পাই, যাঁরা একটি আধুনিক চলচ্চিত্র কী নিয়ে হতে পারে, তার যেকোনো প্রচলিত ধারণার বাইরে উদ্যোগ নিচ্ছেন। এখানে কোনো প্লট নেই, চিহ্নিত করার মতো কোনো চরিত্র নেই, কোনো আশা নেই। তবে যত্ন আছে: চলচ্চিত্র নির্মাতারা এই মানুষগুলোর খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য যথেষ্ট যত্ন নেন। তাঁরা কীভাবে দেখেন এবং শব্দ করেন এবং তাঁরা কী অনুভব করেন, তা তাঁরা নোট করেন। ** ''[[নেকড (চলচ্চিত্র)|নেকড]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/naked-1994 পর্যালোচনা] (১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৪) * ''[[w:ওয়ান্স (চলচ্চিত্র)|ওয়ান্স]]'' হলো সেই ধরনের চলচ্চিত্র, যা নিয়ে আমি পর্যালোচনা আবার শুরু করার পর থেকে আমাকে বিরক্ত করা হয়েছে। মানুষ এটিকে পুরোপুরি বর্ণনা করতে পারেনি, কিন্তু তারা বলেছিল আমাকে এটি দেখতে হবে। আমাকে দেখতেই হতো। আমি দেখেছি। তাঁরা ঠিক ছিলেন। ** ''[[w:ওয়ান্স (চলচ্চিত্র)|ওয়ান্স]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/once-2007 পর্যালোচনা] (২৪ ডিসেম্বর ২০০৭) * '''বিংশ শতাব্দীর গোধূলিলগ্নে, আমাদের আশ্বস্ত করার জন্য এখানে একটি [[হাস্যরসাত্মক|কমেডি]] রয়েছে যে [[আশা]] রয়েছে — যে বিশ্বকে আমরা আমাদের চারপাশে দেখি তা [[প্রগতি|প্রগতির]] প্রতিনিধিত্ব করে, ক্ষয়ের নয়।''' বছরের অন্যতম সেরা এবং সবচেয়ে মৌলিক চলচ্চিত্র ''[[প্লিজেন্টভিল]]'' আমাদের চমকে দেয়। এটি "ফাদার নোজ বেস্টের" মতো পুরোনো সাদাকালো সিটকমগুলোকে নিয়ে মজা করার মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর এটি নিজেই একটি সিটকম হওয়ার ভান করতে থাকে এবং এটি আশ্চর্যজনক [[শক্তি|ক্ষমতার]] একটি সামাজিক ভাষ্য হিসেবে শেষ হয়। <br /> … <br /> চলচ্চিত্রটি পর্যবেক্ষণ করে যে মাঝে মাঝে আনন্দদায়ক [[মানুষ|মানুষেরা]] আনন্দদায়ক হয় কেবল কারণ তাদের কখনো চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। নতুন উপায়গুলো শেখা ভীতিকর এবং বিপজ্জনক। চলচ্চিত্রটি বডি স্ন্যাচারদের পরাজয়ের মতো: রঙিন মানুষেরা প্রাক্তন পড মানুষের মতো, যাঁরা এখন ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য মুক্ত। আমরা পর্যবেক্ষণ করি যে [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] হুমকির মতো আর কিছুই [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদী]] তৈরি করে না। <br /> ''[[প্লিজেন্টভিল]]'' হলো এক ধরনের দৃষ্টান্তমূলক গল্প যা আমাদের ভালো পুরোনো দিনগুলোর পুনর্মূল্যায়ন করতে এবং ক্ষয়িষ্ণু বলে সহজেই বাতিল করে দেওয়া নতুন বিশ্বের দিকে নতুন করে তাকাতে উৎসাহিত করে। '''হ্যাঁ, আমাদের আরও সমস্যা রয়েছে। কিন্তু আরও সমাধান, আরও সুযোগ এবং আরও স্বাধীনতাও রয়েছে।''' আমি পঞ্চাশের দশকে বড় হয়েছি। এটি আপনি যা কল্পনা করতে পারেন তার চেয়ে অনেক বেশি ''প্লিজেন্টভিলের'' জগতের মতো ছিল। হ্যাঁ, আমার বাড়ির চারপাশে কাঠের বেড়া ছিল এবং পৌনে ছয়টায় রাতের খাবার সবসময় টেবিলে থাকত, কিন্তু এমন অনেক কিছু ভুল ছিল যার জন্য আমি শব্দগুলোও জানতাম না। ** ''[[w:প্লিজেন্টভিল (চলচ্চিত্র)|প্লিজেন্টভিল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/pleasantville-1998 পর্যালোচনা] (১ অক্টোবর ১৯৯৮) * এভাবেই [জীবন] ঘটে। আমরা যদি ভাগ্যবান হই, তবে আমরা যা করতে চাই তা খুঁজে পাই। অথবা যদি আমরা বেশিরভাগ মানুষের মতো হই, তবে যা করা আমাদের প্রয়োজন তা খুঁজে পাই। আমরা খাবার, আশ্রয়, পোশাক, সঙ্গী, স্বাচ্ছন্দ্য, শেকসপিয়রের একটি প্রথম ফোলিও, মডেল প্লেন, আমেরিকান গার্ল ডল, একমুঠো ভাত, যৌনতা, একাকীত্ব, ভেনিস ভ্রমণ, নাইকি, পানীয় জল, প্লাস্টিক সার্জারি, শিশুদের যত্ন, কুকুর, ওষুধ, শিক্ষা, গাড়ি, আধ্যাত্মিক সান্ত্বনা — আমাদের যা কিছু প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি, তা অর্জনের একটি উপায় হিসেবে আমরা এটিকে ব্যবহার করি।<p>এই প্রক্রিয়ায় আমরা আমাদের জীবনে থাকা মানুষগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন কক্ষে রাখি এবং আমাদের সুবিধার জন্য তাদের কীভাবে আচরণ করা উচিত তা নির্ধারণ করি। যেহেতু আমরা তাদের আমাদের ইচ্ছা অনুসরণ করতে বাধ্য করতে পারি না, তাই আমরা আমাদের মনে তৈরি হওয়া তাদের অনুমান নিয়ে কাজ করি। কিন্তু তারা বিপরীতমুখী হবে এবং তাদের নিজস্ব ইচ্ছা থাকবে। শেষপর্যন্ত আমাদের নতুন অনুমান তাদের নতুন অনুমানের সাথে কাজ করছে। মাঝে মাঝে আমাদের নিজেদের সংস্করণগুলো দ্বিমত পোষণ করে। আমরা প্রলোভনের কাছে আত্মসমর্পণ করি — কিন্তু ওহ বাবা, আমি আর কী করতে পারতাম? আমার নরকের মতো লাগছে। আমি অনুতপ্ত। আমি আবার এটি করব... এটি একটি গতানুগতিক পর্যালোচনা ছিল না। চরিত্রগুলোর নাম, অভিনেতাদের নাম, তাদের অভিনয়ের বিশেষণ নির্ধারণ করার কোনো প্রয়োজন নেই। এই অভিনয়ে কারা আছেন তা দেখুন। আপনি জানেন আমি তাঁদের নিয়ে কী ভাবি। এই চলচ্চিত্রটি তাঁদের কাছে অদ্ভুত লাগার কথা নয়। তাঁরা সারাদিন এটাই করেন, বিশেষ করে পরিচালকের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন। ** ''[[w:সায়নেকডোকি, নিউ ইয়র্ক|সায়নেকডোকি, নিউ ইয়র্ক]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/synecdoche-new-york-2008 পর্যালোচনা] (৫ নভেম্বর ২০০৮) * মাঝে মাঝে উপন্যাস পড়ার পর পর্দায় ভেসে ওঠা ছবিগুলো বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আপনি কীভাবে কল্পনা করেছিলেন তা আপনার বারবার মনে পড়ে। ''[[সোফিস চয়েস (চলচ্চিত্র)|সোফিস চয়েস]]ের'' সময় আমার সাথে এমনটা হয়নি। কারণ চলচ্চিত্রটি এত নিখুঁতভাবে কাস্ট করা হয়েছে এবং কল্পনা করা হয়েছে যে এটি কেবল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং আপনার সাথে ঘটে। এটি বেশ দারুণ একটি অভিজ্ঞতা। … চলচ্চিত্রটি আবিষ্কারের একটি কাজ হয়ে ওঠে। কারণ মার্কিন সরল যুবক, ভালোবাসা, মৃত্যু এবং সম্মানের ধারণায় ভরা মন নিয়ে এমন এক নারীর বন্ধু হয়ে ওঠে, যিনি এত ঘৃণা, মৃত্যু এবং অসম্মান দেখেছেন যে তিনি কেবল অতীতকে মুছে ফেলার মাধ্যমে এবং সাময়িক বিস্মৃতির দিকে পান করে এবং ভালোবেসে এগিয়ে যেতে পারেন। …''' ''সোফিস চয়েস'' একটি চমৎকার, আকর্ষণীয়, দারুণ অভিনীত এবং হৃদয়বিদারক চলচ্চিত্র। এটি এমন তিনজন মানুষকে নিয়ে, যাঁরা ধারাবাহিক পছন্দের মুখোমুখি হন, যার কয়েকটি তুচ্ছ এবং কয়েকটি মর্মান্তিক। উন্মাদের যুগে মানুষ হওয়ার বিভ্রান্তিতে তাঁরা যখন হাবুডুবু খান, তখন তাঁরা আমাদের বন্ধু হয়ে ওঠেন এবং আমরা তাঁদের ভালোবাসি।''' ** ''[[সোফিস চয়েস (চলচ্চিত্র)|সোফিস চয়েস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/sophies-choice-1982 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৮২) * এটি উচ্চ বিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের দুজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে তৈরি একটি সুন্দর চলচ্চিত্র, যাঁদের দেখতে, কথা বলতে এবং বাস্তব ১৮ বছর বয়সী মধ্য-মার্কিন মানুষের মতো মনে হয়। আপনার কি ধারণা আছে এটি কতটা বিরল? তাঁরা বিদ্রূপের দ্বারা পঙ্গু হন না। তাঁদের কার্টুন হিসেবেও গতি বাড়ানো হয়নি। তাঁদের যৌনজীবন এমন দৃশ্য দ্বারা অপমানিত হয়নি যা তাঁদের সাথে সস্তায় আচরণ করে। গল্পটির জন্য তাঁদের প্রেম করা প্রয়োজন, কিন্তু এটি আমাদের তাঁর স্তন দেখার জন্য জোর দেয় না। ** ''[[দ্য স্পেকটাকুলার নাউ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-spectacular-now-2013 পর্যালোচনা] (২ আগস্ট ২০১৩) * ''স্পিডের'' মতো চলচ্চিত্রগুলো এমন ঘরানার অন্তর্ভুক্ত যাকে আমি ব্রুজড ফোরআর্ম মুভিজ বলি। কারণ আপনি সবসময় আপনার পাশে বসে থাকা ব্যক্তির হাত ধরছেন। ভুলভাবে করা হলে এগুলো পুরোনো ধাওয়া করার ক্লিশেগুলোর ক্লান্তিকর রিপ্লে বলে মনে হয়। ভালোভাবে করা হলে এগুলো মজার হয়। ''স্পিডের'' মতো ভালোভাবে করা হলে এগুলো একধরনের উন্মত্ত উল্লাস তৈরি করে। ** ''[[স্পিড (১৯৯৪-এর চলচ্চিত্র)|স্পিড]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/speed-1994 পর্যালোচনা] (১০ জুন ১৯৯৪) * '''আমরা কিছু মানুষের সাথে যুক্ত হই এবং অন্যদের সাথে কখনো দেখা করি না, কিন্তু সহজেই অন্যরকম কিছু হতে পারত।''' সারাজীবনের দিকে ফিরে তাকালে, আমরা যা ঘটেছিল তা এমনভাবে বর্ণনা করি যেন এর একটি পরিকল্পনা ছিল। জীবন কতটা আকস্মিক এবং এলোমেলো — কোনো একটি ঘটনা ঘটার বিরুদ্ধে সম্ভাবনা কতটা বিশাল — তা পুরোপুরি বুঝতে পারা বিনীত হওয়ার মতো। … '''এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা দেখার সময় আপনাকে তীব্রভাবে জীবন্ত বোধ করায় এবং এরপর আপনাকে আপনার সাথে থাকা ব্যক্তির সাথে গভীরভাবে এবং জরুরিভাবে কথা বলার আগ্রহ নিয়ে রাস্তায় পাঠায়। সে যে-ই হোক না কেন।''' ** ''[[w:থ্রি কালার্স: রেড|থ্রি কালার্স: রেড]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/red-1994 পর্যালোচনা] (২ ডিসেম্বর ১৯৯৪) * '''[[w:টেরেন্স ম্যালিক|টেরেন্স ম্যালিকের]] ''[[দ্য ট্রি অব লাইফ (চলচ্চিত্র)|দ্য ট্রি অব লাইফ]]'' হলো বিশাল [[উচ্চাকাঙ্ক্ষা|উচ্চাকাঙ্ক্ষা]] এবং গভীর [[নম্রতা|নম্রতার]] একটি চলচ্চিত্র। এটি সমস্ত [[অস্তিত্ব|অস্তিত্বকে]] ধারণ করার এবং কয়েকটি অসীম ক্ষুদ্র [[জীবন|জীবনের]] প্রিজমের মাধ্যমে তা দেখার চেয়ে কম কিছুর চেষ্টা করে না।''' আমি কেবল [[স্ট্যানলি কুবরিক|কুবরিকের]] ''[[২০০১: আ স্পেস অডিসি]]''তে এই [[সাহস|সাহসী]] দৃষ্টিভঙ্গি দেখেছি এবং এতে ম্যালিকের [[মানুষ|মানবিক]] [[অনুভূতি|অনুভূতির]] তীব্র প্রকাশের অভাব ছিল। … '''আমার নিজের [[ব্যক্তিগত]] [[অভিজ্ঞতা|অভিজ্ঞতার]] সাথে কোনো চলচ্চিত্র এর চেয়ে দ্রুত কখন [[যুক্ত করা|যুক্ত হয়েছে]], তা আমি [[জানা|জানি না]]।''' অদ্ভুত উপায়ে ''দ্য ট্রি অব লাইফের'' কেন্দ্রীয় ঘটনাগুলো আমার জীবনযাপন করা একটি [[সময়]] এবং [[স্থান|স্থানকে]] প্রতিফলিত করে এবং এর ছেলেরাই হলাম আমি। আমি যদি একটি আত্মজৈবনিক চলচ্চিত্র তৈরি করতে বের হতাম এবং আমার যদি ম্যালিকের [[উপহার|উপহারটি]] থাকত, তবে এটি দেখতে অনেকটাই এমন হতো। … সেখানে একজন বাবা আছেন যিনি [[শৃঙ্খলা]] বজায় রাখেন এবং একজন মা আছেন যিনি [[ক্ষমা]] প্রকাশ করেন। দীর্ঘ গ্রীষ্মের দিনগুলোর [[খেলা]] এবং অলসতা এবং জিনিসগুলোর [[অর্থ]] সম্পর্কে জরুরি না বলা প্রশ্ন থাকে। … ওয়াকো, টেক্সাস-এ ম্যালিকের নিজের শহরের স্মৃতি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে চলচ্চিত্রটির দৈনন্দিন জীবনের চিত্রায়ন দুটি বিশালতার দ্বারা আবদ্ধ, একটি স্থান ও সময়ের এবং অন্যটি [[আধ্যাত্মিকতা|আধ্যাত্মিকতার]]। ''দ্য ট্রি অব লাইফে'' [[মহাবিশ্ব|মহাবিশ্বের]] [[জন্ম]] ও সম্প্রসারণ, একটি অণুবীক্ষণিক স্তরে জীবনের উপস্থিতি এবং প্রজাতির [[বিবর্তন|বিবর্তনের]] পরামর্শ দেওয়া বিস্ময়কর দৃশ্য রয়েছে। '''এই প্রক্রিয়াটি [[বর্তমান]] [[মুহূর্ত|মুহূর্তের]] দিকে এবং আমাদের সবার দিকে নিয়ে যায়।''' আমাদের [[মহা বিস্ফোরণ|মহা বিস্ফোরণে]] সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং অগণিত মিলিয়ন বছর ধরে অণুগুলো নিজেদেরকে, আপনার এবং আমার মধ্যে তৈরি করেছে। <br /> আর এরপর কী আসে? [[শুরু|শুরুর]] দিকে ফিসফিস করে বলা [[শব্দ|শব্দগুলোতে]] "[[প্রকৃতি]]" এবং "[[অনুগ্রহ]]" শোনা যায়। … '''চলচ্চিত্রটির কোডা একটি পরকালের একটি [[দর্শন|দর্শন]] প্রদান করে, একটি জনশূন্য ল্যান্ডস্কেপ যেখানে শান্ত মানুষেরা গম্ভীরভাবে একে অপরকে চিনতে পারেন এবং অভিবাদন জানান। আর সমস্ত কিছু [[সময়|সময়ের]] পূর্ণতায় [[বোঝা|বোঝা যায়]]।''' ** [''দ্য ট্রি অব লাইফের'' [http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20110602/REVIEWS/110609998 পর্যালোচনা] (২ জুন ২০১১)] * '''"[[ইউনাইটেড ৯৩ (চলচ্চিত্র)|ইউনাইটেড ৯৩]]"-এর জন্য খুব বেশি দেরি হয়নি, কারণ এটি এমন কোনো চলচ্চিত্র নয় যা জানে যে ৯/১১-এর পর কোনো সময় পার হয়েছে।''' পুরো গল্প, প্রতিটি বিবরণ বর্তমান কালে বলা হয়েছে। আমরা ততটাই জানি যতটা তাঁরা জানেন এবং এর চেয়ে বেশি কিছু নয়। আল-কায়েদা সম্পর্কে কিছু নেই, ওসামা বিন লাদেন সম্পর্কে কিছু নেই, আফগানিস্তান বা ইরাক সম্পর্কে কিছু নেই। ঘটনাগুলো যেভাবে ঘটে কেবল সেভাবেই বলা হয়েছে। '''এটি একটি নিপুণ এবং হৃদয়বিদারক চলচ্চিত্র এবং এটি ভুক্তভোগীদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানায়।''' ** ''[[ইউনাইটেড ৯৩ (চলচ্চিত্র)|ইউনাইটেড ৯৩]]ের'' [https://web.archive.org/web/20130707210114/http://www.rogerebert.com/reviews/united-93-2006 পর্যালোচনা] (২৭ এপ্রিল ২০০৬) * '''শিশুরা বোকা নয়। তারা ঈশ্বরের পৃথিবীতে সবচেয়ে তীক্ষ্ণ, চতুর, সবচেয়ে ঈগল-চোখের প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম। আর খুব কম জিনিসই তাদের নজর এড়ায়।''' আপনি হয়তো খেয়াল করেননি যে আপনার প্রতিবেশী এখনও জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে তার স্নো টায়ার ব্যবহার করছে, কিন্তু ব্লকের প্রতিটি চার বছর বয়সী শিশু তা করেছে। বাচ্চারা যখন সিনেমা দেখতে যায় তখন তারা একই রকম বিস্তারিত মনোযোগ দেয়। তারা কিছুই এড়িয়ে যায় না, এবং সস্তা এবং নিম্নমানের কাজের প্রতি তাদের একটি সহজাত অবজ্ঞা রয়েছে। আমি এই পর্যবেক্ষণটি করছি কারণ দশটির মধ্যে নয়টি শিশুদের চলচ্চিত্র বোকা, বুদ্ধিহীন এবং তাদের দর্শকদের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করে। এই কারণেই বাচ্চারা সেগুলো ঘৃণা করে। অভিভাবকেরা কি কেবল এটাই বাচ্চাদের সিনেমা থেকে চান? এগুলোতে যেন খারাপ কিছু না থাকে? এগুলোতে কি ভালো কিছু থাকা উচিত নয় — কিছু জীবন, কল্পনা, ফ্যান্টাসি, উদ্ভাবনশীলতা, কল্পনাকে সুড়সুড়ি দেওয়ার মতো কিছু? একটি চলচ্চিত্র যদি আপনার বাচ্চাদের কোনো উপকারে না আসে, তবে তাদের কেন এটি দেখতে দেবেন? কেবল শনিবার বিকেল কাটানোর জন্য? এটি একটি শিশুর মনের প্রতি একটি সূক্ষ্ম ধরনের অবজ্ঞা দেখায় বলে আমি মনে করি। এই সবই একটি সাধারণ বক্তব্যের ভূমিকা: ''উইলি ওঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি'' সম্ভবত "দ্য উইজার্ড অব ওজের" পর থেকে এই ধরনের সেরা চলচ্চিত্র। পারিবারিক চলচ্চিত্রগুলো সাধারণত যা হওয়ার দাবি করে, এটি ঠিক তা-ই, কিন্তু অন্যান্য চলচ্চিত্রগুলো তা নয়: আনন্দদায়ক, মজার, ভীতিকর, উত্তেজনাপূর্ণ এবং সর্বোপরি এটি কল্পনার একটি খাঁটি কাজ। ''উইলি ওঙ্কা'' এত নিশ্চিতভাবে এবং চমৎকারভাবে বোনা ফ্যান্টাসি যে এটি সব ধরনের মনের ওপর কাজ করে। এটি আকর্ষণীয় কারণ সমস্ত ক্লাসিক ফ্যান্টাসির মতো এটি নিজের প্রতি মুগ্ধ। ** ''[[উইলি ওঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/willy-wonka-and-the-chocolate-factory-1971 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৭১) * ''' ''[[দ্য উইজার্ড অব ওজ]]ের'' উপাদানগুলো অনেক শিশুর ভেতরে থাকা একটি শূন্যস্থান শক্তিশালীভাবে পূরণ করে।''' একটি নির্দিষ্ট বয়সের বাচ্চাদের জন্য বাড়িই সবকিছু, বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু রংধনুর ওপারে বিস্তৃত পৃথিবী, যা আকর্ষণীয় এবং ভীতিকর বলে অস্পষ্টভাবে অনুমান করা যায়। এমন একটি গভীর মৌলিক ভয় রয়েছে যে ঘটনাগুলো হয়তো শিশুকে বাড়ির নিরাপত্তা থেকে সরিয়ে নিয়ে একটি অপরিচিত দেশে বহুদূরে ফেলে দিতে পারে। সেখানে সে কী পাওয়ার আশা করবে? কেন, নতুন বন্ধু, তাকে পরামর্শ দিতে এবং রক্ষা করতে। আর টোটো, অবশ্যই, কারণ পোষা প্রাণীদের সাথে শিশুদের একটি শক্তিশালী মিথোজীবী সম্পর্ক থাকে যে তারা ধরে নেয় যে তারা একসাথেই হারিয়ে যাবে। ** ''[[দ্য উইজার্ড অব ওজ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/great-movie-the-wizard-of-oz-1939 পর্যালোচনা] (২২ ডিসেম্বর ১৯৯৬) ==== সাড়ে তিন তারকার পর্যালোচনা ==== * বার্ট এবং ভেরোনা হলো চলচ্চিত্রে খুব কম দেখা দুটি চরিত্র: ত্রিশোর্ধ্ব, শিক্ষিত, সুস্থ, স্বনির্ভর, ভদ্র, চিন্তাশীল, খেয়ালী, স্নায়বিক নয় এবং সত্যিই একে অপরের প্রেমে পাগল। তাদের সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয় হলো তাদের সন্তানকে, যে এখনও গর্ভে রয়েছে, তাকে বড় করার জন্য সবচেয়ে ভালো জায়গা এবং উপায় খুঁজে বের করা। গত ১২ মাসে এই ধরনের প্রতিটি চরিত্রের জন্য আমি ২০, হয়তো ৩০ জন গণহত্যাকারীকে দেখেছি। ** ''[[w:অ্যাওয়ে উই গো (চলচ্চিত্র)|অ্যাওয়ে উই গো]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/away-we-go-2009 পর্যালোচনা] (১০ জুন ২০০৯) * মাঝে মাঝে কোনো সন্দেহহীন নিরীহ ব্যক্তি এমন একটি চলচ্চিত্রে হোঁচট খাবে এবং আমাকে একটি যন্ত্রণাদায়ক পোস্টকার্ড পাঠাবে, জিজ্ঞাসা করবে যে আমি কীভাবে এমন আবর্জনার অনুকূল পর্যালোচনা দিতে পারি। আমার নিয়মিত উত্তর হলো ইবার্টের সূত্র, যা হলো: একটি চলচ্চিত্র তার বিষয়বস্তু নিয়ে নয়। এটি বিষয়বস্তুটিকে কীভাবে তুলে ধরে, তা নিয়ে। ** ''[[w:ফ্রিওয়ে (১৯৯৬-এর চলচ্চিত্র)|ফ্রিওয়ে]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/freeway-1997 পর্যালোচনা] (২৪ জানুয়ারি ১৯৯৭) * খুব কম ক্ষেত্রেই এতটা ব্যয়বহুল একটি চলচ্চিত্র এতটা উদ্ধৃতিযোগ্য সংলাপ দিয়েছে। ** ''[[ঘোস্টবাস্টার্স]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/ghostbusters-1984 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৮৪) * আনার প্রতিক্রিয়া আপনি যতটা কল্পনা করতে পারেন তার চেয়ে বেশি জটিল। এমন একটি মুহূর্তে আপনি লেখক-পরিচালকের চেয়ারে থাকা নারীর প্রশংসা করবেন। পুরুষদের তুলনায় নারী, আমি সন্দেহ করি, যৌনতাকে তাদের জীবনের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখার সম্ভাবনা বেশি রাখে। সৌদি আরবের মতো একটি দেশে, যার নাগরিকেরা নারী এবং পুরুষের একসঙ্গে সিনেমা দেখার বিষয়েও অস্বস্তি প্রকাশ করেন, সেখানে কোন লিঙ্গ বেশি উদ্বিগ্ন, সে বিষয়ে আমার সামান্যই সন্দেহ রয়েছে। ** ''[[w:হাম্পডে|হাম্পডে]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/humpday-2009 পর্যালোচনা] (২২ জুলাই ২০০৯) * [য]া ''হাসব্যান্ডস অ্যান্ড ওয়াইভস'' যুক্তি দেয় তা হলো অনেক "যৌক্তিক" সম্পর্ক বাস্তবে ততটা টেকসই নয় যতটা মনে হয়, কারণ প্রতিটি মানুষের ভেতরে কোথাও না কোথাও একটি শিশু আমি! আমি! আমি! বলে কাঁদছে। আমরা বলি আমরা চাই অন্য ব্যক্তিটি সুখী হোক। আমরা যা বোঝাতে চাই তা হলো, আমরা চাই তারা আমাদের সাথে, আমরা যেমন, তেমন শর্তেই সুখী হোক... সমস্ত বয়স্ক চরিত্রের - দুই পুরুষ, দুই নারী, এবং এমনকি বয়স্ক ডেটিং সঙ্গীদের যাদের সাথে তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে - তাদের সবার জরুরি অবস্থার নিচে একটি উপলব্ধি রয়েছে যে জীবন ছোট, সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে, জীবন আপনাকে একটি রোমান্টিক ভ্রম বিক্রি করে এবং আপনাকে বলতে অবহেলা করে যে আপনি এটি পেতে পারেন না। কারণ আপনি যখন কোনো ভ্রমকে গ্রহণ করেন এবং এটিকে বাস্তবে রূপ দেন, তখন তার চুল পড়তে শুরু করে, এবং তার শরীরের গন্ধ থাকে, এবং সে আপনাকে জিজ্ঞাসা করে আপনার রাশি কী। সত্য ভালোবাসা হলো অন্যের অপূর্ণতাগুলোকে ভালোবাসা, যে অংশগুলো টিকে থাকে। ** ''[[w:হাসব্যান্ডস অ্যান্ড ওয়াইভস|হাসব্যান্ডস অ্যান্ড ওয়াইভস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/husbands-and-wives-1992 পর্যালোচনা] (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯২) * এটা অদ্ভুত যে কীভাবে কিশোর বয়সের রোমান্সগুলো সারা জীবন ধরে একটি মর্মস্পর্শী অনুভূতি ধরে রাখে - কীভাবে একটি মেয়ে যে ১৬ বছর বয়সে আপনাকে প্রত্যাখ্যান করে, আপনি এবং সে তখন যারা ছিলেন তা অনেক বছর পার হওয়ার পরও আপনার স্মৃতিতে একটি আভা ধরে রাখে। আমি কয়েক সপ্তাহ আগে আমার হাই স্কুলের পুনর্মিলনীতে যোগ দিয়েছিলাম এবং পুনর্মিলনী কমিটির একত্রিত করা স্যুভেনির পুস্তিকায় আবিষ্কার করেছি যে আমাদের ক্লাসের একটি মেয়ের এত বছর আগে আমার ওপর ক্রাশ ছিল। সেই সময় এই তথ্যটি জানার জন্য আমি অনেক কিছুই দিতে পারতাম। ** ''[[মেট্রোপলিটান (১৯৯০-এর চলচ্চিত্র)|মেট্রোপলিটান]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/metropolitan-1990 পর্যালোচনা] (১০ আগস্ট ১৯৯০) * ''অরফান'' দেখার পর আমি বুঝতে পেরেছি যে ''[[দ্য ওমেন]]ের'' ড্যামিয়েন একজন আদর্শ শিশু ছিল। ডেমন সিড একটি বাম্পার ফসল ছিল। [[w:রোজমেরিস বেবি (চলচ্চিত্র)|রোজমেরি]] এই বাচ্চাটিকে পেয়ে খুশি হতেন। <br /> কোনো অবস্থাতেই শিশুদের এটি দেখতে নিয়ে যাবেন না। এই ব্যাপারে আমার কথা বিশ্বাস করুন। ** ''[[w:অরফান (চলচ্চিত্র)|অরফান]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/orphan-2009 পর্যালোচনা] (২২ জুলাই ২০০৯) * চলচ্চিত্রটি তার উদ্ধত আত্মবিশ্বাসের সাথে আমাকে আনন্দ দেয় যে দর্শকেরা এর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে। ''প্রাইমার'' হলো নিয়নর্ড, গিক, ব্রেনিয়াক, একাডেমিক ডেকাথলন বিজয়ী, প্রোগ্রামার, দার্শনিক এবং সেই ধরনের লোকদের জন্য একটি চলচ্চিত্র যাঁরা পর্যালোচনার এতদূর পর্যন্ত এসেছেন। যাঁরা 'বিনোদন পেতে সিনেমা দেখতে যান', তাঁরা এটি অবশ্যই ঘৃণা করবেন। আর অন্যেরা এটিকে গ্রহণ করবেন এবং বিতর্ক করবেন, যাঁরা দেখবেন যে এটি অন্যদের পৌঁছাতে না পারা জায়গাগুলোতেও বিনোদন দেয়। ** ''[[w:প্রাইমার (চলচ্চিত্র)|প্রাইমার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/primer-2004 পর্যালোচনা] (২৯ অক্টোবর ২০০৪) [[File:Heterosexual symbol (bold, red blue).svg|thumb|right|যে আপনাকে মানিয়ে নেয় কারণ সে আসলে পাত্তা দেয় না, তার চেয়ে এমন একজন সঙ্গী খুঁজে পাওয়া ভালো যাঁর সাথে আপনি সারা জীবন লড়াই করতে পারেন।]] * জীবনের হাতছাড়া হওয়া সুযোগগুলো শেষে আমরা যেগুলো গ্রহণ করেছি তার চেয়েও আমাদের কাছে বেশি মর্মস্পর্শী মনে হতে পারে — কারণ আমাদের কল্পনায় সেগুলোর এমন একটি নিখুঁত রূপ থাকে, যার সাথে বাস্তবতা কখনো পাল্লা দিতে পারে না। ** ''[[w:দ্য স্লিপি টাইম গ্যাল (চলচ্চিত্র)|দ্য স্লিপি টাইম গ্যাল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-sleepy-time-gal-2002 পর্যালোচনা] (২২ নভেম্বর ২০০২) * এটি কেবল অন্যদের সাথে আমরা কীভাবে সম্পর্কিত তা বিবেচনা করে না, বরং অন্যদের সম্পর্কে আমাদের ধারণার সাথে আমরা কীভাবে সম্পর্কিত তা বিবেচনা করে — যাতে একটি মৃত স্ত্রীর সম্পূর্ণ নকল, অমানবিক প্রতিরূপ একই অনুভূতি অনুপ্রাণিত করতে পারে, যা স্ত্রী নিজেই একসময় করেছিলেন। এটি মানুষের একটি বিশেষত্ব: আমরা আমাদের ধারণার প্রতি বাস্তব বিশ্বের মতোই আবেগ অনুভব করি, যার কারণে আমরা বই পড়ার সময় কাঁদতে পারি, বা সিনেমা তারকাদের প্রেমে পড়তে পারি। মানবতার ধারণা আমাদের মুগ্ধ করে, যখন মানবতা নিজেই তার বিলিয়ন বিলিয়ন আলাদা পাত্রে বা "মানুষের" মাঝে নিরাপদে সিল করা থাকে। ** ''[[w:সোলারিস (২০০২-এর চলচ্চিত্র)|সোলারিস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/solaris-2002 পর্যালোচনা] (২২ নভেম্বর ২০০২) * এই মুভিটি পেশাদারদের দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল। নিজে থেকে এই আচরণের কোনোটি করার চেষ্টা করবেন না। ** ''[[সুপারব্যাড]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/superbad-2007 পর্যালোচনা] (১৭ আগস্ট ২০০৭) * কেন একটি চলচ্চিত্রকে সবকিছু ব্যাখ্যা করতে হবে? কেন প্রতিটি উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে বলা উচিত? অনেক চলচ্চিত্র কি মূলত একই চলচ্চিত্র নয়, কেবল নির্দিষ্ট বিষয়গুলো পরিবর্তন করে? সেগুলোর মধ্যে অনেকেই কি একই গল্প বলছে না? পরিপূর্ণতার সন্ধানে, আমরা দেখি আমাদের স্বপ্ন এবং আশাগুলো কেমন হতে পারে। আমরা উপলব্ধি করি যে সেগুলো আমাদের নিজস্ব কোনো ক্ষমতার কারণে নয়, বরং উপহার হিসেবে আসে এবং যদি আমরা সেগুলো হারিয়ে ফেলি, তবে তা কি প্রথম স্থানে সেগুলো না থাকার চেয়েও খারাপ নয়?<p>অনেকেই "টু দ্য ওয়ান্ডার" কে অধরা এবং খুব চঞ্চল বলে মনে করবেন। তাঁরা এমন একটি চলচ্চিত্রে অসন্তুষ্ট হবেন যা সরবরাহ করার চেয়ে জাগিয়ে তুলতে বেশি পছন্দ করে। আমি এটি বুঝতে পারি এবং আমি মনে করি [[w:টেরেন্স ম্যালিক|টেরেন্স ম্যালিকও]] তা বোঝেন। কিন্তু এখানে তিনি তার চেয়েও গভীরে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন: পৃষ্ঠের নিচে পৌঁছানোর এবং প্রয়োজনে আত্মা খোঁজার চেষ্টা করেছেন। ** ''[[w:টু দ্য ওয়ান্ডার|টু দ্য ওয়ান্ডার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/to-the-wonder-2013 পর্যালোচনা] (এপ্রিল ৬, ২০১৩) ** '''দ্রষ্টব্য: এটি রজার ইবার্টের জমা দেওয়া শেষ চলচ্চিত্র পর্যালোচনা।''' * এটিকে অদ্ভুত বলাটা একটি কাপুরুষোচিত এড়ানো হবে। এটি ভীতিকর, অদ্ভুত, ছমছমে, অদ্ভুত, উদ্ভট, ফাঙ্কি, ভয়ানক, অবোধ্য, কিঙ্কি, কুকি, জাদুকরী, অদ্ভূত, ভৌতিক, অলৌকিক, অমার্জিত এবং অপার্থিব। বিশেষ করে অমার্জিত। আমি যা করেছিলাম তা হলো, আমি 'অদ্ভুত' শব্দটি টাইপ করেছিলাম এবং যখন এটি আমার মধ্যে জাগানো অনুভূতিগুলো জাগিয়ে তুলতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছিল, আমি থিসোরাসের দিকে ফিরেছিলাম এবং এটি উপরের বিকল্পগুলোর পরামর্শ দিয়েছিল - এবং এর কোনোটিই কাজ করেনি। ** ''[[w:দ্য ট্রিপলেটস অব বেলভিলি|দ্য ট্রিপলেটস অব বেলভিলি]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-triplets-of-belleville-2003 পর্যালোচনা] (২৬ ডিসেম্বর ২০০৩) * [বা]স্তব জগতের কি দৃষ্টিভঙ্গি এবং হ্যালুসিনেশনের চেয়ে বেশি পদার্থ আছে — যখন আমরা সেগুলোর মধ্য দিয়ে যাচ্ছি? যেকোনো নির্দিষ্ট মুহূর্তে, আমাদের মনে যা ঘটছে তা-ই সমস্ত এবং সবকিছু যা ঘটে। ** ''[[w:আঙ্কল বুনমি হু ক্যান রিকল হিজ পাস্ট লাইভস|আঙ্কল বুনমি হু ক্যান রিকল হিজ পাস্ট লাইভস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/uncle-boonmee-who-can-recall-his-past-lives-2011 পর্যালোচনা] (১৪ এপ্রিল ২০১১) * এটি রোমান্সের একটি আকর্ষণীয় নিয়ম যে একজন সত্যিকারের শক্তিশালী নারী একজন শক্তিশালী পুরুষকে বেছে নেবেন যিনি তার সাথে একমত নন, একজন দুর্বল পুরুষের চেয়ে যিনি তার সাথে একমত হন। শক্তি বুদ্ধিমত্তার দাবি করে, বুদ্ধিমত্তা উদ্দীপনার দাবি করে এবং দুর্বলতা বিরক্তিকর। যে আপনাকে মানিয়ে নেয় কারণ সে আসলে পাত্তা দেয় না, তার চেয়ে এমন একজন সঙ্গী খুঁজে পাওয়া ভালো যাঁর সাথে আপনি সারা জীবন লড়াই করতে পারেন। … কেউ আপনাকে চুম্বন করতে চলেছে কি না তা নিয়ে ভাবার ৬০ সেকেন্ড, ৬০ মিনিটের চুম্বনের চেয়ে বেশি বিনোদনমূলক। … কথা প্রকাশ করুন, এবং কথোপকথন ইতিহাস হয়ে যায়। বুদ্ধি এবং চ্যালেঞ্জের সাথে কোডে কথা বলুন, এবং ডিক্রিপশনের প্রক্রিয়া ফোরপ্লের মতো। ** ''[[w:দ্য উইন্সলো বয় (১৯৯৯-এর চলচ্চিত্র)|দ্য উইন্সলো বয়]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-winslow-boy-1999 পর্যালোচনা] (২৮ মে ১৯৯৯) * ''xXx'' কি বন্ড ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য একটি হুমকি? হুমকি নয়, বরং একটি অভিবাদন। আমি চাই না [[w:জেমস বন্ড|জেমস বন্ড]] আমার কাছে রূঢ় এবং পেশীবহুল হয়ে উঠুক। আমি নম্র স্টাইল পছন্দ করি। কিন্তু আমি জ্যান্ডারকেও পছন্দ করি, বিশেষ করে যেহেতু সে বন্ডকে খুব সতর্কতার সাথে অধ্যয়ন করেছে বলে মনে হয়। ** ''ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/xxx-2002 পর্যালোচনা] (৯ আগস্ট ২০০২) ==== তিন তারকার পর্যালোচনা ==== * আমি ভাবি এই চলচ্চিত্রটি কাদের কাছে বেশি অস্বস্তিকর লাগবে - পুরুষ না নারী? উভয়ই লাঞ্ছনার দৃশ্যের নির্মমতা দেখে পিছিয়ে যাবেন। কিন্তু কিছু পুরুষের জন্য মুভিটি এমন একটি সত্য প্রকাশ করবে যা বেশিরভাগ নারী ইতোমধ্যে জানেন। এটি হলো যে মৌখিক যৌন হয়রানি, সেলুনের পিছনের ঘরে স্থূলভাবেই হোক বা প্রতিদিনের পরিস্থিতিতে সূক্ষ্মভাবেই হোক, তা এক ধরণের সহিংসতা - এটি এমন একটি সহিংসতা যা কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন রাখে না তবে এর শিকারদের সমাজে স্বাধীনভাবে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে অক্ষম বোধ করাতে পারে। ** ''[[w:দ্য অ্যাকিউজড|দ্য অ্যাকিউজড]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-accused-1988 পর্যালোচনা] (১৪ অক্টোবর ১৯৮৮) * অশ্লীলতার গ্রীষ্মকালীন স্রোতে সাঁতার কাটার সময় আমি বুঝতে পারি যে আমি যা খুঁজছি তা হলো: এমন মুভি যা অন্তত চরিত্রগুলোর প্রতি স্নেহ অনুভব করে। রাউঞ্চি ঠিক আছে। নিষ্ঠুরতা নয়। ** ''[[আমেরিকান পাই (চলচ্চিত্র)|আমেরিকান পাই]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/american-pie-1999 পর্যালোচনা] (৯ জুলাই ১৯৯৯) * চলচ্চিত্র নির্মাতারা শিখতে এবং বড় হতে পারেন, এর একটি আশাব্যঞ্জক লক্ষণ হলো যে সিক্যুয়ালটিতে একটিও পাই নেই, যদি আপনি আমার কথার অর্থ বোঝেন। ** ''[[আমেরিকান পাই ২]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/american-pie-2-2001 পর্যালোচনা] (১০ আগস্ট ২০০১) * চলচ্চিত্রটি হাসিমুখে রুচি, শোভনতা, শিষ্টাচার এবং পরিচ্ছন্নতার সমস্ত সভ্য ধারণাকে ক্ষুণ্ন করে... মুভিটি কি অশ্লীল? অশ্লীলতা হলো যখন আমরা হাসি না। যখন আমরা হাসি, তখন এটি কেবল মানবপ্রকৃতি। ** ''[[আমেরিকান ওয়েডিং]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/american-wedding-2003 পর্যালোচনা] (১ আগস্ট ২০০৩) * সুন্দরী মনিক তাদের অভিযানে যোগ দেওয়ার জন্য জোর দেয় এবং তাকে নিরুৎসাহিত করা যায় না। আমরা প্রথমে ভাবি যে তার একটি জঘন্য উদ্দেশ্য রয়েছে, কিন্তু না, সে সম্ভবত চিত্রনাট্য নির্মাণের ক্লাসে অংশ নিয়েছে এবং জানে যে চলচ্চিত্রের একটি সেক্সি নারী চরিত্রের প্রয়োজন। এটি সিনেম্যাটিক ইতিহাসে কোনো চরিত্রের স্বেচ্ছায় চলচ্চিত্রে প্রবেশের প্রথম ঘটনা হতে পারে কারণ এটি প্রয়োজনীয়। ** ''[[w:অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেজ (২০০৪-এর চলচ্চিত্র)|অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেজ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/around-the-world-in-80-days-2004 পর্যালোচনা] (১৬ জুন ২০০৪) * ...ব্যাপকভাবে কিন্তু ভুলভাবে বিশ্বাস করা হয় যে ''[[বিভিস অ্যান্ড বাট-হেড]]'' এর চরিত্রগুলোকে উদযাপন করে এবং তাদের মূল্যবোধ, রুচি এবং বুদ্ধিমত্তার চরম অভাবকে সাধুবাদ জানায়। আমি কখনো এমনটা ভাবিনি। আমি বিশ্বাস করি মাইক জাজ তাঁর চরিত্রগুলোর সাথে বিমানবন্দরে ট্যাক্সি রাইড ভাগ করে নেওয়ার চেয়ে মারা যেতে পছন্দ করবেন — যে তাঁর জন্য, বিঅ্যান্ডবি স্কট অ্যাডামস মহাবিশ্বে ডিলবার্টের সহকর্মীদের মতো কাজ করে। তারা হলো ক্রমবর্ধমান বোকামির বিরুদ্ধে তাঁর রাগের লক্ষ্যবস্তু। ** ''[[বিভিস অ্যান্ড বাটহেড ডু আমেরিকা]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/beavis-and-butt-head-do-america-1996 পর্যালোচনা] (২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬) * এই ধরণের পরিস্থিতি আমার ধারণা, লাখ লাখ বার ঘটেছে। [[w:রিচার্ড লিংকলেটার|রিচার্ড লিংকলেটারের]] ''[[বিফোর সানরাইজ]]ের'' চেয়ে এটি খুব কমই আরও সুন্দর, মিষ্টি, আরও মৃদু উপায়ে ঘটেছে। আমি একে জেনারেশন এক্স-এর জন্য ''[[w:লাভ অ্যাফেয়ার (১৯৩৯-এর চলচ্চিত্র)|লাভ অ্যাফেয়ার]]'' বলতে পারতাম। তবে জেসি এবং সেলিন তাদের প্রজন্মের বাইরে এবং বিশেষ করে বিরক্ত হওয়ার একঘেয়ে জেদের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে। <br /> কয়েকটি চার অক্ষরের শব্দের ওপর ভিত্তি করে এই চলচ্চিত্রের আর রেটিংটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এটি কিশোর-কিশোরীদের জন্য একটি আদর্শ চলচ্চিত্র। ** ''[[বিফোর সানরাইজ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/before-sunrise-1995 পর্যালোচনা] (২৭ জানুয়ারি ১৯৯৫) * সেন্সররা মনে করেন তাঁরা আপত্তিকর উপাদানের হাত থেকে নিরাপদ, কিন্তু অন্যদের রক্ষা করা তাঁদের উচিত, যাঁরা ততটা বুদ্ধিমান বা নৈতিক নন। একই প্রেরণা 'দ্য বিলিভার'-এর পর্যালোচককে প্রলুব্ধ করে... যদি ভুল লোকেরা ভুল বার্তা পায় - ঠিক আছে, কখনো ভুল বার্তার অভাব ছিল না। বা ভুল মানুষেরও অভাব ছিল না। ** ''[[w:দ্য বিলিভার|দ্য বিলিভার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-believer-2002 পর্যালোচনা] (১৪ জুন ২০০২) * আমি সেই অত্যন্ত জনপ্রিয় মুভিটি মিস করেছিলাম যা এই চরিত্রগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল, ''বিল অ্যান্ড টেডস এক্সিলেন্ট অ্যাডভেঞ্চার'', এবং সেসময় নিজেকে ধন্য মনে করেছিলাম। কিন্তু এখন আমি এতটা নিশ্চিত নই। তাদের ''বোগাস জার্নি'' হলো দৃশ্যমান উদ্ভাবন এবং অদ্ভুত হাস্যরসের একটি দাঙ্গা যা তার নির্বাচিত সাব-মোরোনিক স্তরে কাজ করে। বেশ কয়েকটি পরিশীলিত স্তর সহ অন্যান্য বেশ কয়েকটি স্তরেও কাজ করে। এটি এমন এক ধরনের সিনেমা যেখানে আপনি নিজের অজান্তেই স্নিকারিং শুরু করেন এবং শেষ পর্যন্ত এই হ্যালুসিনেটরি স্ল্যাপস্টিক তৈরিতে যে মৌলিকত্ব রয়েছে তার প্রশংসা করেন। ** ''[[w:বিল অ্যান্ড টেডস বোগাস জার্নি|বিল অ্যান্ড টেডস বোগাস জার্নি]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/bill-and-teds-bogus-journey পর্যালোচনা] (১৯ জুলাই ১৯৯১) * ''ব্লু ক্রাশে'' আমরা তিনজন হাওয়াইয়ান সার্ফারের সাথে পরিচিত হই, যাঁরা হোটেলের পরিচারিকা হিসেবে কাজ করেন, একটি নোংরা ভাড়ার ঘরে থাকেন এবং তাঁদের মধ্যে একজনের ছোট বোনকে বড় করছেন। প্রায় দারিদ্র্য সত্ত্বেও তাঁদের দেখতে দারুণ লাগে; শ্রেণি বৈষম্য দূর করার জন্য ট্যান এবং বিকিনির বিকল্প নেই। ** ''[[w:ব্লু ক্রাশ|ব্লু ক্রাশ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/blue-crush-2002 পর্যালোচনা] (১৬ আগস্ট ২০০২) * জেনারেশন এক্স এবং তাদের নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্রগুলো সম্পর্কে অনেক কিছু লেখা হয়েছে। ''ক্লার্কস'' এতটাই খাঁটি যে এর নায়কেরা কখনো তাদের প্রজন্মের কথা শোনেননি। তারা যখন "এক্স" নিয়ে ভাবেন, তখন তা ভিডিও স্টোরে যাওয়ার পথে। ** ''[[ক্লার্কস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/clerks-1994 পর্যালোচনা] (৪ নভেম্বর ১৯৯৪) * এই চলচ্চিত্রটি একটি বাস্তব [[w:স্ট্রিপ সার্চ প্র্যাঙ্ক কল স্ক্যাম|২০০৪ সালের ঘটনার]] ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা কেন্টাকির মাউন্ট ওয়াশিংটনের একটি ম্যাকডোনাল্ডসে ঘটেছিল। গুগল করলে আপনি বেশিরভাগ বিবরণ একই পাবেন। আপনি যদি চলচ্চিত্রটির ওয়াকআউটদের মধ্যে একজন না হন, তবে আপনি শেষে আবিষ্কার করবেন যে যুক্তরাষ্ট্রে এই ধরনের ৭০টি প্রতারণা ঘটেছে... স্টান্টটি যদি ৭০ বার কাজ করে থাকে, তবে তাদের অবশ্যই কিছু প্রমাণ করতে হবে — সম্ভবত আমরা কর্তৃপক্ষকে ভয় পাই। আমি জানি যে একজন ট্রাফিক পুলিশ যখন আমাকে থামায়, তখন আমি ভয় পাই — এতটাই ভয় পাই যে আমি সাবধানে গাড়ি চালাই এবং আমাকে খুব কমই থামানো হয়। ** ''[[w:কমপ্লায়েন্স (চলচ্চিত্র)|কমপ্লায়েন্স]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/compliance-2012 পর্যালোচনা] (২৯ আগস্ট ২০১২) * ...এই জীবনে আমি যদি একটি জিনিস শিখে থাকি, তবে তা হলো অন্ধ চোখ এবং কুষ্ঠরোগীর নখ যুক্ত একজন বৃদ্ধ জিপসি নারীকে কখনো না বলা উচিত নয়। ** ''[[w:ড্র্যাগ মি টু হেল|ড্র্যাগ মি টু হেল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/drag-me-to-hell-2009 পর্যালোচনা] (৭ জুন ২০০৯) * আমি সমস্ত সিনেমা পর্যালোচনা পড়ি, বিশেষ করে ইবার্টের। তিনি একজন সাবলীল এবং রসিক গদ্য লেখক যাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য রয়েছে। যাঁর পর্যালোচনাগুলো সিনেমাটি দেখার ইচ্ছা থাকুক বা না থাকুক, কেবল সেগুলোর জন্যই পড়া মূল্যবান। স্মার্ট এবং সুদর্শন ইবার্ট আমার প্রথম মুভিকে [''[[w:গারফিল্ড (চলচ্চিত্র)|গারফিল্ড: দ্য মুভি]]''] থাম্বস আপ দিয়েছিলেন। কিন্তু অন্য একজন, [[w:রিচার্ড রোপার|[রিচার্ড] রোপার]] থাম্বস ডাউন দিয়েছিলেন এবং তিনি বিশেষভাবে নির্দয় ছিলেন। তিনি ''গারফিল্ড'' পছন্দ করার কারণে ইবার্টকে আক্রমণ করে অনন্তকাল চালিয়ে গিয়েছিলেন। এটি এমন একজন মানুষের কাছ থেকে এসেছে যাঁর ''[[w:ডুমা (চলচ্চিত্র)|ডুমা]]ের'' প্রশংসা করার মতো যথেষ্ট রুচি রয়েছে। এটি অত্যন্ত হতাশাজনক। রোপারের অন্যতম অভিযোগ ছিল যে আমি অ্যানিমেটেড ছিলাম এবং মুভির অন্যান্য সমস্ত চরিত্র "বাস্তব" ছিল। আপনার কি কোনো ধারণা আছে যে এই ধরনের একটি বক্তব্য এমন একজন অভিনেতাকে কতটা আঘাত করে, যিনি সারাজীবন মিডিয়া ক্যাট হিসেবে কাজ করেছেন? হ্যাঁ, রিচার্ড রোপার, আমি অ্যানিমেটেড ছিলাম। আমার ঠোঁট পড়ুন: ''আমি একটি কমিক স্ট্রিপের চরিত্র''। ** [[w:গারফিল্ড|গারফিল্ড]] হিসেবে প্রথম পুরুষে লেখা ''[[w:গারফিল্ড: এ টেইল অব টু কিটিজ|গারফিল্ড: এ টেইল অব টু কিটিজ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/garfield-a-tail-of-two-kitties-2006 পর্যালোচনা] (১৬ জুন ২০০৬) * আমি একজন সমালোচক হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করে এই পর্যালোচনার শেষে পৌঁছেছি। আমি মুভিটি নিখুঁতভাবে বর্ণনা করেছি এবং আপনি যদি এটি দেখতে যান তবে আপনার জন্য কী অপেক্ষা করছে, সে সম্পর্কে আপনার ভালো ধারণা রয়েছে। আপনাদের মধ্যে বেশিরভাগই তা করবেন না। আমি আপনাদের সাথে তর্ক করতে পারি না। সাহসী এবং কৌতূহলীদের মধ্যে আপনাদের কেউ কেউ তা করবেন। আপনি সেই মানুষটির আত্মাকে মূর্ত করেন, যিনি প্রথম ভেবেছিলেন যে ঝিনুক খেতে কেমন লাগবে। ** ''[[w:গেরি|গেরি]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/gerry-2003 পর্যালোচনা] (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৩) * এটি অদ্ভুত: আমরা মুভিটির শেষটা এতটাই উপভোগ করে বেরিয়ে আসি যে আমরা প্রায় আমাদের পূর্ববর্তী সংরক্ষণগুলো ভুলে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেগুলো ছিল এবং সেগুলো বাস্তব ছিল। ** ''[[w:দ্য গুডবাই গার্ল|দ্য গুডবাই গার্ল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-goodbye-girl-1977 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৭৭) * '''ফর্মুলা কমেডিগুলো দশ পয়সায় এক ডজন পাওয়া যায়। একটি মূল ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি কমেডিগুলো অনেক বিরল। এছাড়া অন্যান্য সমস্ত কিছু বাদ দিলে ''[[গ্রাউন্ডহগ ডে]]'' হলো কীভাবে [[সময়]] মাঝে মাঝে আমাদের বিরতি দিতে পারে তার একটি প্রমাণ।''' কেবল আমরা কুকুরের বাচ্চা হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছি বলে আমাদের সেভাবেই বাঁচতে হবে, তার কোনো মানে নেই। ** [''শিকাগো সান-টাইমসে'' (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩) ''গ্রাউন্ডহগ ডেের'' মূল ৩-তারকার পর্যালোচনা]; পরবর্তীতে তিনি ২০০৫ সালে এর জন্য একটি ৪-তারকা পর্যালোচনা লিখেছিলেন (ওপরের ৪-তারকা অংশে উদ্ধৃত করা হয়েছে)। * আপনার কখনোই একজন বিশেষজ্ঞকে তাঁর বিশেষত্ব নিয়ে তৈরি কোনো চলচ্চিত্রে পাঠানো উচিত নয়। বক্সাররা বক্সিং মুভি ঘৃণা করেন। স্পেস বাফেরা বলেছিলেন 'অ্যাপোলো ১৩' চাঁদের ভুল দিকটি দেখিয়েছে। ব্রিটিশদের বিশ্বাস মেল গিবসনের 'ব্রেভহার্ট'-এর পাণ্ডিত্য ত্রুটিপূর্ণ ছিল। কারণ கதার সময়ের দিকে কিছু প্রধান চরিত্রের জন্মই হয়নি। 'হ্যাকারস' নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই, কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের দিক থেকে এটি গভীরভাবে সন্দেহজনক। যদিও এটি নিঃসন্দেহে সত্য যে বাস্তব জীবনে এই চলচ্চিত্রের চরিত্রগুলো যা করে তা কোনো হ্যাকার করতে পারবে না, এটি নিঃসন্দেহে সমানভাবে সত্য যে হ্যাকাররা যা করতে পারে তা খুব একটা বিনোদনমূলক চলচ্চিত্র তৈরি করবে না। ** ''[[w:হ্যাকারস (চলচ্চিত্র)|হ্যাকারস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/hackers-1995 পর্যালোচনা] (১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫) * বেশিরভাগ মানুষ এমন সিনেমা বেছে নেন যা ঠিক তাঁদের প্রত্যাশা অনুযায়ী হয় এবং তাঁদের এমন সব জিনিস জানায় যা তাঁরা আগে থেকেই জানেন। অন্যেরা বেশি কৌতূহলী। আমাদের এই গ্রহে কেবল একবারই পাঠানো হয়েছে এবং পরিচিত জিনিসের মাঝে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখা আমাদের মনের ওপর অপরাধ। ** ''[[w:দ্য আইল|দ্য আইল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-isle-2003 পর্যালোচনা] (৩১ জানুয়ারি ২০০৩) * একটি কেভিন স্মিথ মুভির আকর্ষণ হলো এটি ধরে নেয় যে আপনি একটি খালি স্লেট হিসেবে প্রেক্ষাগৃহে প্রবেশ করবেন না। "চেজিং অ্যামি" সিরিয়াস কমিক বই এবং সংগ্রাহকদের জগৎ সম্পর্কে কিছুটা জ্ঞান ধরে নেয়। "ডগমা"র জন্য আপনার ক্যাথলিক ধর্মতত্ত্ব সম্পর্কে কিছু জানার প্রয়োজন ছিল এবং "জে অ্যান্ড সাইলেন্ট বব"-এ এমন মুহূর্ত রয়েছে যখন অ্যাফ্লেক চরিত্রটি জে-এর জন্য ইন্টারনেটের সংজ্ঞায়িত করে: "এটি সারা বিশ্বে ব্যবহৃত এমন একটি জায়গা, যেখানে মানুষ সিনেমা নিয়ে অভিযোগ করতে এবং একসাথে পর্নোগ্রাফি শেয়ার করতে আসতে পারে।" উচ্চ-প্রযুক্তিগত সাইবারথ্রিলারগুলোতে আমরা যা দেখতে পাই তার চেয়ে এটি নেটের একটি অনেক বেশি পরিশীলিত ধারণা, যেখানে নেট এমন একটি জায়গা যা আপনার কম্পিউটারকে অনেক বেশি বিপ বিপ শব্দ করায়। আপনি "জে অ্যান্ড সাইলেন্ট বব" পছন্দ করবেন কি না, তা নির্ভর করে আপনি কে, তার ওপর। বেশিরভাগ মুভি সবার জন্য তৈরি হয়। কেভিন স্মিথের মুভিগুলো হয় বিশেষভাবে আপনার জন্য তৈরি, নয়তো বিশেষভাবে আপনার জন্য তৈরি নয়। আপনি যদি হাসি বা স্বীকৃতির ইঙ্গিত ছাড়া এই পর্যালোচনাটি পড়েন, তবে আমি "রাশ আওয়ার ২" দেখার সুপারিশ করব। এটি সবার জন্য নাকি কারও জন্য নয়, তা আপনিই আমাকে বলুন। ** ''[[জে অ্যান্ড সাইলেন্ট বব স্ট্রাইক ব্যাক]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/jay-and-silent-bog-strike-back-2001 পর্যালোচনা] (২৪ আগস্ট ২০০১) * আজকাল বাচ্চাদের অনেক চলচ্চিত্রে জয়ের ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। মনে হয় বাচ্চারা যেন কম বয়সী পেশাদার ক্রীড়াবিদ ছাড়া আর কিছুই নয়। ভিন্স লম্বার্দির মূল্যবোধই যেন এখানে প্রধান। কীভাবে খেলা হলো সেটা বড় কথা নয়, বরং হারজিতটাই আসল। এই চলচ্চিত্রটি সেই প্রথা ভেঙেছে। এটি বাচ্চাদের তাদের মতোই থাকতে দেয়। প্রাপ্তবয়স্কদের জগৎ ও মূল্যবোধ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে বাচ্চারা কল্পনা ও স্বপ্নের যে নিজস্ব জগৎ তৈরি করে, এটি তাদের সেখানেই দেখায়। চলচ্চিত্রের একটি দৃশ্যে রদ্রিগেজ সোজা পিচারের ঢিবির দিকে লাইন ড্রাইভ মারে। তখন আমি মাথা নিচু করে আমার গ্লাভস তুলে ধরি। এরপর আমার মনে পড়ে যে আমার কাছে কোনো গ্লাভস নেই। তখনই আমি বুঝতে পারি যে ১২ বছর বয়সে কোন জিনিসগুলো সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সেই স্মৃতি দিয়ে চলচ্চিত্রটি আমাকে কতটা মোহিত করেছে। ** ''দ্য স্যান্ডলট'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-sandlot-1993 পর্যালোচনা] (৭ এপ্রিল ১৯৯৩) * সম্প্রতি আমি আমার অপছন্দের চলচ্চিত্রগুলো নিয়ে একটি বই প্রকাশ করেছি। মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করছে যে কোন ধরনের পর্যালোচনা লেখা বেশি কঠিন, দারুণ নাকি ভয়ংকর চলচ্চিত্রগুলোর। উত্তর হলো কোনোটিই নয়। স্পুফ ঘরানার চলচ্চিত্রগুলোর পর্যালোচনা লেখা সবচেয়ে কঠিন। যেমন ''[[Airplane!|এয়ারপ্লেন!]]'' ও ''দ্য নেকেড গান'' এবং একই মূল ধারণার অসংখ্য স্পিন-অফ ও পুনরাবৃত্তি। এ ধরনের চলচ্চিত্রের পর্যালোচনার মূল কথা হলো এটি কি কাজ করে? এটি কি মজার? হ্যাঁ, এটি মজার। এটি ''এয়ারপ্লেন!'' এর মতো চমকপ্রদভাবে মজার নয়, কারণ সেটি নতুন কিছু করার সুবিধা পেয়েছিল। তবে এটি পরবর্তী সময়ের কম পরিচিত [[w:লেসলি নিলসেন|লেসলি নিলসেনের]] কিছু চলচ্চিত্রের মতো ক্লান্তিকরও নয়। অর্থের সঠিক ব্যবহার করতে হলে আপনাকে কিশোর হরর ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সাথে পরিচিত হতে হবে। যদি পরিচিত থাকেন তবে ''স্ক্যারি মুভি'' আপনাকে হতাশ করবে না। ** ''স্ক্যারি মুভি'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/scary-movie-2000 পর্যালোচনা] (৭ জুলাই ২০০০) * এই চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে আমার মতামত কী? একজন চলচ্চিত্র সমালোচক হিসেবে এটি আমার ভালো লেগেছে। এর ভেতরের রসিকতা ও আত্মসচেতন চরিত্রগুলো আমার পছন্দ হয়েছে। একই সাথে আমি এই চলচ্চিত্রের অতিরিক্ত রক্তপাতের বিষয়েও সচেতন ছিলাম। এটি সত্যিই ভীষণ সহিংস। চলচ্চিত্রটি যেভাবে ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে এই সহিংসতা ব্যবহার করে এবং এর ওপর মন্তব্য করে, তা কি এর প্রভাব কমিয়ে দেয়? আমার কাছে তা-ই মনে হয়েছে। তবে কিছু দর্শকের কাছে এমনটি মনে হবে না এবং তারা আতঙ্কিত হবেন। আপনি কোন দলে পড়েন? এটি বোঝার একটি সহজ উপায় হলো, আমি যখন ''ফ্যাঙ্গোরিয়া'' এর কথা উল্লেখ করলাম তখন আপনি কি বুঝতে পেরেছিলেন আমি কী নিয়ে কথা বলছি? ** ''স্ক্রিম'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/scream-1996 পর্যালোচনা] (২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬) * তারকা রেটিং ব্যবস্থা আপেক্ষিক, চূড়ান্ত নয়। আপনি যখন কোনো বন্ধুকে জিজ্ঞেস করেন ''হেলবয়'' ভালো কি না, তখন আপনি ''মিস্টিক রিভার'' এর তুলনায় এটি ভালো কি না তা জানতে চান না। বরং আপনি জানতে চান ''দ্য পানিশার'' এর তুলনায় এটি ভালো কি না। আমার উত্তর হবে এক থেকে চারের স্কেলে ''সুপারম্যান'' (১৯৭৮) যদি চার হয়, তবে ''হেলবয়'' তিন এবং ''দ্য পানিশার'' দুই। একইভাবে ''আমেরিকান বিউটি'' যদি চার তারকা পায়, তবে ''[দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অব] লিল্যান্ড'' পাবে প্রায় দুই। ** ''[[w:শাওলিন সকার|শাওলিন সকার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/shaolin-soccer-2004 পর্যালোচনা] (২৩ এপ্রিল ২০০৪) * রিকার্ডো মন্টালবান ক্ষোভের এক জ্বলন্ত রূপ হিসেবে খানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর অভিনয় এতটাই শক্তিশালী যে এটি একটি সাধারণ নীতি তুলে ধরতে সাহায্য করে। এটি কেবল ''স্টার ট্রেক'' নয়, বরং ''স্টার ওয়ার্স'' এবং অন্যান্য সব মহাকাব্যিক ধারাবাহিক, বিশেষ করে ''জেমস বন্ড'' চলচ্চিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। নীতিটি হলো একটি চলচ্চিত্র তার খলনায়কের মতোই ভালো হয়। যেহেতু নায়ক ও কৌশলগুলো এক চলচ্চিত্র থেকে অন্য চলচ্চিত্রে পুনরাবৃত্ত হতে থাকে, তাই কেবল একজন দুর্দান্ত খলনায়কই একটি ভালো প্রচেষ্টাকে বিশাল সাফল্যে পরিণত করতে পারে। ** ''[[w:স্টার ট্রেক ২: দ্য র‍্যাথ অব খান|স্টার ট্রেক ২: দ্য র‍্যাথ অব খান]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/star-trek-ii-the-wrath-of-khan-1982 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৮২) * ''ওয়াইল্ড থিংস'' একটি ভয়ংকর আবর্জনা। এর কাহিনি এতই প্যাঁচানো যে শেষের নামলিপি চলার সময়ও তারা এটি বোঝানোর চেষ্টা করে। এটি একটি সফটকোর যৌন চলচ্চিত্র, একটি সোপ অপেরা এবং একটি বি-গ্রেড নোয়া চলচ্চিত্রের মধ্যকার ত্রিমুখী সংঘর্ষের মতো। আমার এটি ভালো লেগেছে। এ ধরনের চলচ্চিত্র হয় দর্শকদের বিনোদন দেয় অথবা ক্ষুব্ধ করে। এর মাঝামাঝি কিছু নেই। হয় আপনি অতিনাটকীয় হাস্যরসাত্মক অশালীনতার সমঝদার, না হয় নন। আপনি নিজেই জানেন আপনি কে। আমি এমন কোনো পোস্টকার্ড পেতে চাই না যেখানে লেখা থাকবে যে এই চলচ্চিত্রটি কুরুচিপূর্ণ। আমি আগেই সতর্ক করছি যে এটি কুরুচিপূর্ণ। কুরুচি চরম নোংরামির পর্যায়ে পৌঁছেছে। ** ''[[w:ওয়াইল্ড থিংস|ওয়াইল্ড থিংস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/wild-things-1998 পর্যালোচনা] (২০ মার্চ ১৯৯৮) ==== আড়াই তারকা পর্যালোচনা ==== * এটি এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র যার সম্পর্কে মানুষকে জিজ্ঞেস করলে তারা বলে, "চলচ্চিত্রটি ভালোভাবে তৈরি করা হয়েছে।" এরপর তারা অস্বস্তিতে মুখ কুঁচকে ফেলে। ** ''[[w:ডেড রিঙ্গার্স (চলচ্চিত্র)|ডেড রিঙ্গার্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/dead-ringers-1988 পর্যালোচনা] (২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮) * কোনো চলচ্চিত্রই কখনো [[হলোকাস্ট|হলোকাস্টের]] জন্য মানসিক শান্তি দিতে পারেনি। আমি সন্দেহ করি যে কেউ কখনো [[সেপ্টেম্বর ১১-এর হামলা|নাইন-ইলেভেনের]] জন্যও তা দিতে পারবে না। ** ''[[w:এক্সট্রিমলি লাউড অ্যান্ড ইনক্রেডিবলি ক্লোজ (চলচ্চিত্র)|এক্সট্রিমলি লাউড অ্যান্ড ইনক্রেডিবলি ক্লোজ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/extremely-loud-and-incredibly-close-2012 পর্যালোচনা] (১৮ জানুয়ারি ২০১২) * আমি যে একটি হলোকাস্ট চলচ্চিত্রকে <nowiki>[</nowiki>''[[শিন্ডলার্স লিস্ট]]''<nowiki>]</nowiki> বিনোদনমূলক বলে প্রশংসা করছি তা কি পবিত্রতা নষ্ট করার মতো কোনো অপরাধ? এই শব্দটি এমন কিছু বোঝায় না যে একটি চলচ্চিত্রকে আনন্দদায়ক হতে হবে। আমার মতে এই ঘরানার বিনোদন এমন চরিত্রগুলো থেকে আসে যাদের জীবন্ত করে তোলা হয়, যাদের জন্য আমরা চিন্তা করি এবং যাদের একটি শক্তিশালী গল্পের মধ্যে স্থাপন করা হয়। আমার মূলমন্ত্র হলো, "কোনো ভালো চলচ্চিত্র হতাশাজনক নয়। সব খারাপ চলচ্চিত্রই হতাশাজনক।" ** ''[[w:ইন ডার্কনেস (২০১১-এর চলচ্চিত্র)|ইন ডার্কনেস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/in-darkness-2011 পর্যালোচনা] (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২) * একটি চলচ্চিত্রের উচিত তার চরিত্রগুলোর সামনে একটি সমস্যা তুলে ধরা। এরপর অনেক কষ্টের মধ্য দিয়ে তাদের সেই সমস্যা সমাধান করতে দেখা। একটি পুরোনো ও নির্ভরযোগ্য চিত্রনাট্যের সূত্র এমনটাই বলে। একটি ছেলে ও একটি মেয়েকে নিয়ে অসংখ্য চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে যাদের একটি সমস্যা থাকে (তারা একে অপরের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়ায়নি)। এরপর নানা বাধা (পরিবার, যুদ্ধ, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রেমিক, বোকামিপূর্ণ ভুল বোঝাবুঝি) পেরিয়ে তারা শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর মাধ্যমে সেই সমস্যার সমাধান করে। এখন আমাদের সামনে দুজন সমকামীকে নিয়ে একটি চলচ্চিত্র এসেছে যা একই নির্ভরযোগ্য প্রথা অনুসরণ করে। ** ''[[w:ল্যাটার ডেইজ|ল্যাটার ডেইজ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/latter-days-2004 পর্যালোচনা] (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৪) * "দ্য লাকি ওয়ান" মূলত একটি প্রেমের উপন্যাস। তবে নিকোলাস স্পার্কসের দারুণ গল্প বলার ধরন একে অনন্য করে তুলেছে। পাঠকরা তার বইগুলো সত্যি বলে পড়েন না, বরং সেগুলো সত্যি হওয়া উচিত বলে পড়েন। আপনি সহজেই কল্পনা করতে পারেন বাস্তব জীবনে এই গল্পটি কতভাবে ভুল পথে যেতে পারত। কিন্তু কে এমন একটি চলচ্চিত্র দেখতে চায় যেখানে একজন মেরিন সেনা একটি ছবি তোলার জন্য ঝুঁকে পড়ে এবং বিস্ফোরণে উড়ে যায়? অথবা একজন মা তার ছেলেকে বড় করার ও অনেকগুলো ক্ষুধার্ত কুকুরকে খাওয়ানোর চেষ্টা করছে, আর তার অত্যাচারী প্রাক্তন স্বামী মাতাল হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে? এ ধরনের বিষয়গুলো জীবনের খুব কাছাকাছি। ** ''[[w:দ্য লাকি ওয়ান|দ্য লাকি ওয়ান]]'' এর [https://web.archive.org/web/20120505180249/http://rogerebert.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20120418/REVIEWS/120419985/1001 পর্যালোচনা] (১৮ এপ্রিল ২০১২) * এটি তুলে ধরে এমন কিছু জাপানি চলচ্চিত্রের তালিকা আমি দিতে পারি। তবে ''[[w:মেময়ার্স অব আ গেইশা (চলচ্চিত্র)|মেময়ার্স অব আ গেইশা]]'' এর দর্শকরা কোনোভাবেই কম সুন্দরী নারী এবং নিম্নমানের প্রযোজনা মূল্যযুক্ত বেশি বাস্তবসম্মত চলচ্চিত্র দেখতে চান না। ** ''[[w:মেময়ার্স অব আ গেইশা (চলচ্চিত্র)|মেময়ার্স অব আ গেইশা]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/memoirs-of-a-geisha-2005 পর্যালোচনা] (৯ ডিসেম্বর ২০০৫) * এটি এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র যার জন্যই হোম ভিডিও আবিষ্কার করা হয়েছিল। প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখার মতো নয়, তবে ভিসিআরে চালিয়ে দেখলে ভাড়ার টাকাটা উসুল হয়ে যাবে। ** ''মাই কাজিন ভিনি'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/my-cousin-vinny-1992 পর্যালোচনা] (১৩ মার্চ ১৯৯২) * আমি দাবি করি না যে সব চলচ্চিত্রে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের ধরে রাখার মতো একটি গল্প থাকতে হবে। কোয়েন ভাইদের আগের চলচ্চিত্র ''দ্য বিগ লেবোস্কি'' এর অন্যতম আকর্ষণ ছিল যে কীভাবে এর নেশাগ্রস্ত নায়ক নিজের জীবনের খেই হারিয়ে ফেলে। কিন্তু ''ও ব্রাদার, হোয়্যার আর্ট দাউ?'' দেখে আমার মনে হয়েছে যেন উদ্ভাবনী ক্ষমতা হারিয়ে গেছে। মনে হয়েছে কিছু উজ্জ্বল ধারণা অবাক হয়ে ভাবছে কেন তাদের সবাইকে একই চলচ্চিত্রে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ** ''[[w:ও ব্রাদার, হোয়্যার আর্ট দাউ?|ও ব্রাদার, হোয়্যার আর্ট দাউ?]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/o-brother-where-art-thou-2000 পর্যালোচনা] (২৯ ডিসেম্বর ২০০০) * এখন যেহেতু আমরা জানি যে কোয়েন্টিন টারান্টিনো ''রিজারভয়ার ডগস'' এর মতো চলচ্চিত্র তৈরি করতে পারেন, তাই এখন তাঁর সামনে এগিয়ে গিয়ে এর চেয়ে ভালো কিছু তৈরি করার সময় এসেছে। ** ''রিজারভয়ার ডগস'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/reservoir-dogs-1992 পর্যালোচনা] (২৬ অক্টোবর ১৯৯২) * অ্যাকশন দৃশ্যগুলোতেই সব কিছু এলোমেলো হয়ে যায়। সেই দৃশ্যটির কথা ভাবুন যেখানে স্পাইডার-ম্যানকে মেরি জেন অথবা স্কুলগামী বাচ্চাদের বোঝাই একটি কেবল কার বাঁচানোর মধ্যে একটি নিষ্ঠুর পথ বেছে নিতে বলা হয়। সে উভয়কেই বাঁচানোর চেষ্টা করে। ফলে সবাই জালের ওপর ঝুলতে থাকে এবং মনে হয় যেন এখনই তা ছিঁড়ে যাবে। এখানকার দৃশ্যপট জড়িত বিশাল ওজন ও উত্তেজনার একটি ধারণা দিতে পারত। কিন্তু এর পরিবর্তে দৃশ্যটি কেবল এই ধারণার একটি প্রাণহীন স্টোরিবোর্ডের মতো মনে হয়। অন্যান্য সিজিআই দৃশ্যে স্পাইডি প্রচণ্ড উচ্চতা থেকে ছোঁ মেরে রাস্তায় নেমে আসে এবং আবার আকাশচুম্বী ভবনগুলোর মাঝে এমন অবিশ্বাস্য গতিতে উঠে যায় যা কোনো স্টান্টের চেয়ে এর ফাস্ট-ফরোয়ার্ড সংস্করণের মতোই বেশি মনে হয়। ** 'স্পাইডার-ম্যান'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/spider-man-2002 পর্যালোচনা] (৩ মে ২০০২) * আমি খুব ফুরফুরে মেজাজে আনন্দিত মন নিয়ে এটি দেখতে ঢুকিনি। একইভাবে দেখার পর আমি খুব উজ্জীবিত হয়েও বেরিয়ে আসিনি। তবে এই চলচ্চিত্রটি যতটা খারাপ হতে পারত, তার ধারেকাছেও যায়নি। এটি সম্ভবত সেরা টিনেজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস চলচ্চিত্র। ** ''টিনেজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস'' এর [https://www.rogerebert.com/reviews/teenage-mutant-ninja-turtles-1990 পর্যালোচনা] (৩০ মার্চ ১৯৯০) * আমাকে জানা মানেই আমাকে ভালোবাসা। এই পুরোনো কথাটি জনপ্রিয় হওয়ার একটি কারণ আছে। আমার মনে হয় আমাদের বেশিরভাগই মনের গভীরে বিশ্বাস করি যে যদি কেউ সত্যিই আমাদের জানতে পারে, তবে তারা সত্যিই আমাদের ভালোবাসবে। অথবা অন্তত বুঝতে পারবে কেন আমরা এমন। জীবনের সমস্যা, সম্ভবত প্রধান সমস্যা হলো খুব কম মানুষেরই আমাদের নিয়ে জানার যথেষ্ট কৌতূহল আছে বলে মনে হয়। অথচ আমরা জানি যে আমরা এমন মনোযোগ পাওয়ার যোগ্য। ** ''[[w:টাই মি আপ! টাই মি ডাউন!|টাই মি আপ! টাই মি ডাউন!]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/tie-me-up-tie-me-down-1990 পর্যালোচনা] (২৫ মে ১৯৯০) * এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যার দুটি অংশ রয়েছে। এটি জানে কীভাবে স্পেশাল ইফেক্ট ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু প্রেমে পড়া দুজন মানুষ কীভাবে আচরণ করতে, কথা বলতে ও চিন্তা করতে পারে সে সম্পর্কে এর কোনো ধারণা নেই। <br /> ''[[w:টপ গান|টপ গান]]'' এর মতো চলচ্চিত্রগুলোর পর্যালোচনা করা কঠিন। কারণ এর ভালো অংশগুলো খুবই ভালো এবং খারাপ অংশগুলো খুব একঘেয়ে। ক্লিন্ট ইস্টউডের ''ফায়ারফক্স'' এর রোমাঞ্চকর আকাশপথের দৃশ্যগুলোর পর এর ডগফাইটগুলো নিঃসন্দেহে সেরা। কিন্তু চরিত্ররা নিজেদের মধ্যে কথা বলছে এমন দৃশ্যগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো। ** ''[[w:টপ গান|টপ গান]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/top-gun-1986 পর্যালোচনা] (১৬ মে ১৯৮৬) * আপনি কি শোরগোলপূর্ণ, নির্বোধ, দক্ষ এবং পলায়নী বিনোদন চান? ''টুইস্টার'' ঠিক তাই। আপনি কি চিন্তা করতে চান? তাহলে এটি দেখার আগে দুবার ভাবুন। ** ''[[w:টুইস্টার (১৯৯৬-এর চলচ্চিত্র)|টুইস্টার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/twister-1996 পর্যালোচনা] (১০ মে ১৯৯৬) ==== দুই তারকা পর্যালোচনা ==== * খেলাধুলার প্রতিযোগিতায় যেকোনো ধরনের ঐশ্বরিক হস্তক্ষেপ নিয়ে আমার সবসময় সন্দেহ ছিল। প্রার্থনার শক্তি অন্য অনেক ক্ষেত্রে অসাধারণ হতে পারে, কিন্তু ঈশ্বর কেন অন্য দলের বদলে আমার দলকে জেতাতে চাইবেন? ঈশ্বরকে বেসবলের প্রতি আগ্রহ দেখাতে বলাটা কি অপমানজনক নয়? ** ''অ্যাঞ্জেলস ইন দ্য আউটফিল্ড'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/angels-in-the-outfield-1994 পর্যালোচনা] (১৫ জুলাই ১৯৯৪) * যেহেতু তারা একসাথে আছে এমন দৃশ্যগুলো তাদের আলাদা হওয়ার দৃশ্যগুলোর চেয়ে অনেক কম বিশ্বাসযোগ্য, তাই এই চলচ্চিত্রটি দেখা মানে নরক থেকে আসা কোনো ডাবল-ডেটে যাওয়ার মতো। ** ''[[w:দ্য ব্রেক-আপ|দ্য ব্রেক-আপ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-break-up-2006 পর্যালোচনা] (২ জুন ২০০৬) * আমরা সম্ভবত দীর্ঘ সময় ধরে ''আ ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ'' নিয়ে বিতর্ক করব। এটি একটি দীর্ঘ, ক্লান্তিকর ও অর্থহীন সময় হবে। নিউ ইয়র্কের সমালোচকরা আমাদের জন্য এটি নিশ্চিত করেছেন। তারা ''২০০১ (২০০১: আ স্পেস ওডিসি)'' বুঝতে পারেননি, তাই হয়তো তারা এটি দিয়ে স্ট্যানলি কুবরিকের সাথে তাল মেলাতে চাইছিলেন। অথবা হয়তো সংবাদ সাময়িকীগুলোর বড়দিনের জন্য একটি ভালো চলচ্চিত্রের প্রচ্ছদকাহিনির প্রয়োজন ছিল। ** ''আ ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/a-clockwork-orange-1972 পর্যালোচনা] (১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২) * [[w:২০০৩ কান চলচ্চিত্র উৎসব|২০০৩ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে]] যখন চলচ্চিত্রটির প্রিমিয়ার হয়, তখন লার্স ফন ট্রায়ারের বিরুদ্ধে আমেরিকানদের সঠিকভাবে তুলে না ধরার অভিযোগ ওঠে। কিন্তু কয়টি চলচ্চিত্র তা করে? [[w:ডেভিড স্পেড|ডেভিড স্পেড]] এর কোনো চলচ্চিত্রের কথা মনে পড়ে? ফন ট্রায়ার যৌক্তিকভাবেই আমেরিকা নিয়ে একটি কল্পকাহিনি তৈরি করতে পারতেন, এমনকি একটি আমেরিকান-বিরোধী কল্পকাহিনি। তিনি একটি ভালো চলচ্চিত্রও তৈরি করতে পারতেন, কিন্তু এখানে তিনি রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা কোনো ক্ষিপ্ত নবীর আদর্শগত সূক্ষ্মতা নিয়ে কাজ করেছেন। ** ''[[w:ডগভিল|ডগভিল]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/dogville-2004 পর্যালোচনা] (৯ এপ্রিল ২০০৪) * আমি যে দর্শকদের সাথে বসেছিলাম, তাদের মধ্যে সম্ভবত ৮০ শতাংশই ছিলেন নারী। আমি কিছু কান্নার শব্দ শুনেছি এবং কিছু অশ্রু দেখেছি। অবাক হওয়ার কিছু নেই। ''ইট প্রে লাভ'' হলো নির্লজ্জভাবে ইচ্ছা পূরণের গল্প। এটি একটি আধ্যাত্মিক ভ্রমণকাহিনির সাথে মিশ্রিত [[w:হার্লেকুইন|হার্লেকুইন]] উপন্যাস। এটি দয়াপরবশ হয়ে অনেক মানুষের জীবনের ধারাবাহিকতা উল্টে দেয়, যা হলো লাভ প্রে ইট (ভালোবাসা প্রার্থনা খাওয়া)। ** ''[[w:ইট প্রে লাভ (চলচ্চিত্র)|ইট প্রে লাভ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/eat-pray-love-2010 পর্যালোচনা] (১১ আগষ্ট ২০১০) * আমি জানি যে আসল [[w:এরিন ব্রকোভিচ|ব্রকোভিচ]] উত্তেজক পোশাক পরতে পছন্দ করতেন। এটি তার ব্যক্তিগত স্টাইল এবং তিনি এটি করতে পারেন। কিন্তু হলিউড সংস্করণে তাকে মিনিস্কার্ট পরা যৌনকর্মীর মতো দেখানো হয়েছে, যার গলার নিচের অংশ থেকে বক্ষবন্ধনী উঁকি দিচ্ছে। ** ''এরিন ব্রকোভিচ'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/erin-brockovich-2000 পর্যালোচনা] (১৭ মার্চ ২০০০) * [[w:ফেম (১৯৮০-এর চলচ্চিত্র)|১৯৮০ সালের চলচ্চিত্রটি]] কেন বিশেষ ছিল তা নিয়ে কোনো ধারণা না থাকলে ''ফেম'' রিমেক করার কী দরকার? কেন একটি আবেগপূর্ণ অভিজ্ঞতা নিয়ে তা একটি অগভীর অনুশীলনে পরিণত করবেন? কেন বাস্তব সমস্যাযুক্ত বিশ্বাসযোগ্য কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে একটি আর-রেটেড চলচ্চিত্র শুরু করবেন এবং এটিকে পিজি-রেটেড স্কুল-পরবর্তী বিশেষ অনুষ্ঠানে পরিণত করবেন? কেন এমন অভিনয়শিল্পীদের নির্বাচন করবেন যারা কখনও কখনও শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীর চরিত্রে অভিনয়ের জন্য খুব বয়স্ক ও অভিজ্ঞ, আর প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীর কথা তো বাদই দিলাম? ** ''[[w:ফেম (২০০৯-এর চলচ্চিত্র)|ফেম]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/fame-2009 পর্যালোচনা] (২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯) * আমরা সোফায় বসে আছি। আমরা দৃশ্যটির দিকে তাকাই। আমরা আবার তাকাই। আমরা ট্রাভোল্টার দিকে নজর দিই। সে একজন ক্রীড়াবিদ। তার রিফ্লেক্স খুব দ্রুত। সে একই সাথে কয়েকজন শত্রুকে সামলাতে পারে। সে মাথা নিচু করতে পারে, লাফ দিতে পারে, বাধা টপকাতে পারে, ঘুরতে পারে এবং লাফিয়ে উঠতে পারে। সামান্য ভুল হিসাব, এবং সে মারা যাবে। সে একটুকুও ভুল করে না। সে খুব ভালো অবস্থায় আছে, বিশেষ করে এমন একজনের জন্য যার প্রিয় খাবার চিজ রয়্যাল। এটি একটি ছোট রসিকতা যা আমাদের "পাল্প ফিকশন" এর কথা মনে করিয়ে দেয়। আর '''দর্শকদের এমন কোনো চলচ্চিত্রের কথা মনে করিয়ে দেওয়া উচিত নয় যা তারা বাড়িতে বসে দেখতে বেশি পছন্দ করত।''' ** ''[[w:ফ্রম প্যারিস উইথ লাভ (চলচ্চিত্র)|ফ্রম প্যারিস উইথ লাভ]]'' এর [https://www.rogerebert.com/reviews/from-paris-with-love-2010 পর্যালোচনা] (৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০) * এই দীর্ঘ চলচ্চিত্রের শেষে আমি কেবল একটু নীল আকাশ দেখার বিনিময়ে যেকোনো গ্ল্যাডিয়েটরের বিজয় ছেড়ে দিতে প্রস্তুত ছিলাম। ''গ্ল্যাডিয়েটর'' এ কোনো আনন্দ নেই। এটি ব্যক্তিত্বের বিকল্প হিসেবে বিষণ্ণতাকে ব্যবহার করে। এর ধারণা হলো, চরিত্রগুলো যদি যথেষ্ট তিক্ত ও বিষণ্ণ হয়, তবে তারা কতটা একঘেয়ে তা আমরা খেয়াল করব না। ** ''গ্ল্যাডিয়েটর'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/gladiator-2000 পর্যালোচনা] (৫ মে ২০০০) * আমাকে পাষাণহৃদয় বলুন, সন্দেহবাতিক বলুন, কিন্তু তারা যদি ''হোম অ্যালোন ৩'' তৈরি করে তবে দয়া করে আমাকে ডাকবেন না। ** ''[[w:হোম অ্যালোন ২: লস্ট ইন নিউ ইয়র্ক|হোম অ্যালোন ২: লস্ট ইন নিউ ইয়র্ক]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/home-alone-2-lost-in-new-york-1992 পর্যালোচনা] (২০ নভেম্বর ১৯৯২) * ডব্লিউ. সি. ফিল্ডস একটি শিশু, একটি কুকুর বা গভীর গলার পোশাক পরা কারও সাথে একই দৃশ্যে উপস্থিত হওয়াকে ঘৃণা করতেন। কারণ তখন দর্শকরা কেউই তার দিকে তাকাবে না। [[w:জেনিফার অ্যানিস্টন|জেনিফার অ্যানিস্টন]] এই চলচ্চিত্রে একই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন, এমনকি যখন তিনি দৃশ্যে সম্পূর্ণ একা থাকেন তখনও। ** ''[[w:পিকচার পারফেক্ট (১৯৯৭-এর চলচ্চিত্র)|পিকচার পারফেক্ট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/picture-perfect-1997 পর্যালোচনা] (১ আগষ্ট ১৯৯৭) * আপনি একসময় খারাপ চলচ্চিত্র বাজেভাবে তৈরি হওয়ার ওপর নির্ভর করতে পারতেন। এখন আর তা হয় না। ''দ্য পানিশার: ওয়ার জোন'' [সিক] আমার দেখা সেরা বাজে চলচ্চিত্রগুলোর একটি। এর একমাত্র ত্রুটি হলো এটি জঘন্য। ** ''[[w:পানিশার: ওয়ার জোন|পানিশার: ওয়ার জোন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/punisher-war-zone-2008 পর্যালোচনা] (৩ ডিসেম্বর ২০০৮) * প্রসূতি ওয়ার্ডের শুরুর একটি গীতিময় দৃশ্যের কথা ভাবুন। সেখানে টমি পিকলস এবং তার বন্ধু চাকি ফিনস্টার এবং ফিল ও লিল ডেভিল টমির নতুন ছোট ভাই দিলবার্টকে এক নজর দেখার আশা করছে। (দিল পিকলস — বুঝতে পেরেছেন? ''রাগ্র্যাটস'' ভক্তদের জন্য এটি সর্বোচ্চ স্তরের রসিকতা।) তারা বাচ্চাদের জাগিয়ে তোলে, যারা এমন একটি দৃশ্য করে যা দেখে মনে হয় [[w:বাসবি বার্কলি|বাবসি বার্কলির]] দ্বারা অনুপ্রাণিত। শুধু পার্থক্য হলো, বার্কলি মেয়েদের কখনোই নিজেদের নাচের পানির ব্যবস্থা করতে হয়নি, যদি আপনি আমার কথা বুঝতে পারেন। ** ''[[w:দ্য রাগ্র্যাটস মুভি|দ্য রাগ্র্যাটস মুভি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-rugrats-movie-1998 পর্যালোচনা] (২০ নভেম্বর ১৯৯৮) * ''শোগার্লস'' হলো কয়েক বছরের মধ্যে প্রথম বড় বাজেটের "কেবল প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য" চলচ্চিত্র। নিশ্চিতভাবে বলতে গেলে, এতে এতটাই নগ্নতা রয়েছে যে সেক্সি অংশগুলো তখনই দেখা যায় যখন মেয়েরা তাদের পোশাক পরে। তবে এর মধ্যে কোনো সত্যিকারের কামুকতা নেই। এ কারণেই আমি মনে করি এটি যৌন কল্পনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। কামুকতার জন্য দুজনের মধ্যে একটি মানসিক সংযোগ প্রয়োজন, অন্যদিকে হস্তমৈথুনের জন্য কেবল অন্য ব্যক্তির ছবির প্রয়োজন। ** ''শোগার্লস'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/showgirls-1995 পর্যালোচনা] (২২ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫) * কৃতিত্ব অনুযায়ী, ''ট্রয়'' হোমারের মহাকাব্য ''[[w:ইলিয়াড|ইলিয়াড]]'' এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি। হোমারের এস্টেটের উচিত তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা। ** ''ট্রয়'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/troy-2004 পর্যালোচনা] (১৪ মে ২০০৪) * [[w:ফিলিপ কফম্যান|ফিলিপ কফম্যানের]] ''টুইস্টেড'' থ্রিলারের মতো হাঁটে এবং থ্রিলারের মতো কথা বলে, কিন্তু এটি টার্কির মতো ডাকে। <br /> এবার ''[[w:দেউস এক্স মাকিনা|দেউস এক্স মাকিনা]]'' তে ফিরে যাওয়া যাক। এটি এমন একটি শব্দগুচ্ছ যা আপনি শিখতে এবং আয়ত্ত করতে চাইবেন। এটি কেবল দীর্ঘ বাস যাত্রার সময় বন্ধুদের অবাক করার জন্য নয়, বরং এটি এমন কিছুকে নিখুঁতভাবে বর্ণনা করে যা বোঝাতে হয়তো হাজার হাজার শব্দ লাগতে পারে। একটি মঞ্চে একটি নাটকের কথা ভাবুন। নায়ক সমস্যায় পড়েছে। ড্রাগন আগুন ছাড়ছে, তার তলোয়ার ভেঙে গেছে, তার পা ভেঙে গেছে, তার মনোবল ভেঙে গেছে, এবং নাট্যকারের কল্পনা ভেঙে গেছে। হঠাৎ মঞ্চের বাইরে থেকে গিয়ার ঘোরানোর শব্দ শোনা যায়। একটি অদৃশ্য যন্ত্র একজন ঈশ্বরকে মঞ্চে নামিয়ে আনে। সেই ঈশ্বর ড্রাগনটিকে হত্যা করেন, নায়ককে সুস্থ করেন এবং নাট্যকারকে বরখাস্ত করেন। তিনি হলেন "যন্ত্র থেকে আসা ঈশ্বর।" ** ''[[w:টুইস্টেড (২০০৪-এর চলচ্চিত্র)|টুইস্টেড]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/twisted-2004 পর্যালোচনা] (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৪) * ''ভ্যালেন্টাইন্স ডে'' কে একটি ডেট মুভি হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে। আমার মনে হয় এটি মূলত একটি ফার্স্ট-ডেট মুভি। যদি আপনার ডেট এটি পছন্দ করে, তবে সেই ব্যক্তির সাথে আর ডেট করবেন না। আর যদি আপনি এটি পছন্দ করেন, তবে হয়তো দ্বিতীয় কোনো ডেট আর হবে না। ** ''[[w:ভ্যালেন্টাইন্স ডে (চলচ্চিত্র)|ভ্যালেন্টাইন্স ডে]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/valentines-day-2010 পর্যালোচনা] (১০ ফেব্রুয়ারি ২০১০) * কোনো ভালো কৌতুক অভিনেতাকে এমন একটি চলচ্চিত্রে হাস্যরসাত্মক হওয়ার চেষ্টা করতে দেখার চেয়ে একাকী দৃশ্য আর খুব কমই আছে, যে চলচ্চিত্রটি নিজেই জানে না যে হাস্যরস কী। ** ''ওয়েডিং ক্র্যাশারস'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/wedding-crashers-2005 পর্যালোচনা] (১৪ জুলাই ২০০৫) ==== দেড় তারকা পর্যালোচনা ==== * ''[[w:বেসিক ইন্সটিংক্ট ২|বেসিক ইন্সটিংক্ট ২]]'' কোনো যৌক্তিক বা সমর্থনযোগ্য উপায়ে ভালো নয়। আবার এটি অযৌক্তিক বা অসমর্থনযোগ্য উপায়ে খারাপও নয়। আধুনিক স্থাপত্যের শীতল বিমূর্ততা আমার দারুণ লেগেছে। এটি দেখে মনে হয় মানুষগুলো যেন ভবনের সাথেই এসেছে। আমি লন্ডনে বাস্তবে থাকা সেই অদ্ভুত গগনচুম্বী ভবনটি দেখে হেসেছি। চলচ্চিত্রের শুরুতে যে বেপরোয়া যৌনতা ও গতির দৃশ্য রয়েছে (যা আশ্চর্যের বিষয় যে শিকাগোতে শ্যুট করা হয়েছে বলে মনে হয়), সেটি আমার ভালো লেগেছে। কাহিনিটি কেবল আমার সাথে মজা করছে, এটি মেনে নেওয়ার পর আমি তা উপভোগ করতে পেরেছি। আপনি এতে মগ্ন হতে পারেন। '''পাদটীকা ২:''' আমার দেড় তারকা রেটিং হলো এক পশলা শীতল বৃষ্টির মতো। এটি আমার মনকে চার তারকা দেওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য তৈরি। ** ''[[w:বেসিক ইন্সটিংক্ট ২|বেসিক ইন্সটিংক্ট ২]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/basic-instinct-2-2006 পর্যালোচনা] (৩১ মার্চ ২০০৬) * এই চলচ্চিত্রে [[w:মিশেল ফাইফার|মিশেল ফাইফার]] [[w:লুঅ্যান জনসন|লুঅ্যান জনসন]] এর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর শেখানোর পদ্ধতিগুলো বেশ উদ্ভাবনী। তিনি তাদের ক্যান্ডি বার এবং অ্যামিউজমেন্ট পার্কে বিনামূল্যে ভ্রমণের প্রলোভন দেখান। তিনি তাদের গুরুত্বপূর্ণ কবি বব ডিলানের শব্দের সাথে যুক্ত করেন (ট্যাম্বুরিন ম্যান হয়তো কোনো মাদক ব্যবসায়ী ছিল!)। শীঘ্রই তারা স্কুলের লাইব্রেরিতে বব ডিলান এবং ডিলান থমাসের মধ্যে সম্পর্ক খুঁজে বের করে। ক্যান্ডি বার এবং বব ডিলানের "প্রাসঙ্গিকতা" দিয়ে ঘুষ দিয়ে সুবিধাবঞ্চিত এই শহরের ভেতরের বাচ্চারা ঠিক কী অর্জন করবে? তারা কি পড়তে এবং লিখতে পারবে? তারা কি চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা করতে পারবে? যে শিক্ষাব্যবস্থা তাদের এমন একটি পর্যায়ে নিয়ে এসেছে, যা আমরা প্রথম শ্রেণিকক্ষের দৃশ্যে দেখি, তা তাদের এতটা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ করেছে যে মিস জনসনের কোনো কারাতে শিক্ষাই খুব একটা কাজে আসবে না। ** ''[[w:ডেঞ্জারাস মাইন্ডস|ডেঞ্জারাস মাইন্ডস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/dangerous-minds-1995 পর্যালোচনা] (১১ আগষ্ট ১৯৯৫) * ওপরতলার শোবার ঘরে বৃদ্ধা অ্যান খুব ধীরে ধীরে মারা যাচ্ছে। সে অনেক বছর আগের বিয়ের রাত এবং পরের সকালের ঘটনাগুলো মনে করছে। আইরিশ উচ্চারণের একজন নার্স ([[w:এইলিন অ্যাটকিন্স|এইলিন অ্যাটকিন্স]]) তার দেখাশোনা করছে। সে মাঝে মাঝে তাকে মনে করিয়ে দেয়, "একটি খুশির সময়ের কথা মনে করুন!" অ্যানের একটি খুশির সময়ের স্মৃতি ভেসে ওঠে। এটি এতই সাধারণ যে যদি এটি তার জীবনের একটি সেরা মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে তা প্যারিস হিলটনের একটি ভালো চুইংগামের কথা মনে করার সাথে তুলনীয়। ** ''[[w:ইভনিং (চলচ্চিত্র)|ইভনিং]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/evening-2007 পর্যালোচনা] (২৯ জুন ২০০৭) * ১৯৮৪ সালের চলচ্চিত্রের রিমেকের ক্ষেত্রে একটি কথা বলা যেতে পারে, যা মূল চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য ব্যবহার করে। ২০১১ সালের এই সংস্করণটি এতটাই মিল সম্পন্ন — কখনও কখনও গানে গানে এবং লাইনে লাইনে — যে আমি দুষ্টুমি করে [http://www.rogerebert.com/reviews/footloose-1984 আমার ১৯৮৪ সালের পর্যালোচনাটি] হুবহু ছাপানোর জন্য প্রলুব্ধ হয়েছিলাম। কিন্তু সেটা করা ভুল হতো। ** ''[[w:ফুটলুস (২০১১-এর চলচ্চিত্র)|ফুটলুস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/footloose-2011 পর্যালোচনা] (১২ অক্টোবর ২০১১) * এটি এমন একটি গৃহযুদ্ধের চলচ্চিত্র যা হয়তো ট্রেন্ট লট উপভোগ করবেন। এটি ''গন উইথ দ্য উইন্ড'' এর চেয়ে কম আলোকিত, সামরিক কৌশলের প্রতি আচ্ছন্ন, দক্ষিণ ও উত্তরের মধ্যে নিরপেক্ষ এবং ধর্মীয়ভাবে নিবেদিত। এটি আফ্রিকান আমেরিকানদের জন্য দুটি কথা বলার ভূমিকার প্রথমটি চালু করার জন্য ৭০ মিনিট অপেক্ষা করে। "স্টোনওয়াল" জ্যাকসন তার কৃষ্ণাঙ্গ বাবুর্চিকে আশ্বস্ত করেন যে দক্ষিণ তাকে মুক্ত করবে, এবং বাবুর্চিকে সতর্কভাবে আশাবাদী বলে মনে হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে যদি এভাবে পরিচালনা করা হতো, তবে নরক নেমে আসত। ** ''[[w:গডস অ্যান্ড জেনারেলস (চলচ্চিত্র)|গডস অ্যান্ড জেনারেলস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/gods-and-generals-2003 পর্যালোচনা] (২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৩) * [[w:কান চলচ্চিত্র উৎসব|কান চলচ্চিত্র উৎসবের]] পালাইসে ''গডজিলা'' দেখতে যাওয়া অনেকটা [[w:সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকা|সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায়]] কোনো শয়তানের আচার অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার মতো। ভবনটি যে বিশ্বাসের প্রতিনিধিত্ব করে, এটি তার প্রতি একটি তিরস্কার। কানের কর্তৃপক্ষ আবেগপূর্ণভাবে বিশ্বাস করে যে চলচ্চিত্র বুদ্ধিদীপ্ত, হৃদয়গ্রাহী এবং মহৎ হতে পারে। ''গডজিলা'' হলো একটি বিশাল, কুৎসিত এবং বিশ্রী যন্ত্র। এটি কিশোর-কিশোরীদের মনে এমন একটি ধারণা তৈরি করার জন্য তৈরি যে তারা একটি চলচ্চিত্র দেখছে। প্যারেডের শেষে ঘোড়া আসার মতো এটি উৎসবের সমাপনী চলচ্চিত্র ছিল। সম্ভবত একই কারণেই এটি শেষে রাখা হয়েছিল। ** ''[[w:গডজিলা (১৯৯৮-এর চলচ্চিত্র)|গডজিলা]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/godzilla-1998 পর্যালোচনা] (২৬ মে ১৯৯৮) * ''ইমমর্টালস'' নিঃসন্দেহে আপনার দেখা সবচেয়ে সুন্দর অথচ জঘন্য চলচ্চিত্র। কেবল [[w:এইকো ইশিওকা|এইকো ইশিওকার]] পোশাক নকশাই একটি [[w:শ্রেষ্ঠ পোশাক নকশা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার|অস্কার মনোনয়নের]] দাবিদার। প্রিভিউ দেখার পর এলিভেটরে এক নারী বিরক্তি প্রকাশ করে বললেন, "এগুলো মোটেও ঐতিহাসিকভাবে সঠিক ছিল না।" যেন দেবতাদের পোশাক নিয়ে অনেক তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। তিনি আরও যোগ করলেন, "আমি মনে করি [[w:শিকাগো ব্ল্যাকহকস|ব্ল্যাকহকস]] গেমসে পাওয়া বিনামূল্যের টিকিট ব্যবহার করার এটাই আমাদের শাস্তি।" ** ''[[w:ইমমর্টালস (২০১১-এর চলচ্চিত্র)|ইমমর্টালস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/immortals-2011 পর্যালোচনা] (৯ নভেম্বর ২০১১) * আমি সম্পূর্ণ একা ''দ্য লোনলি গাই'' দেখেছি। এটি ছিল শনিবারের এমন একটি বিকেল, যখন ধূসর রঙের তুষারপাত হচ্ছিল। এমনকি আপনি অপরিচিতদের উত্তর দেওয়ার মেশিনে একটি ভালো রেকর্ড করা বার্তাও পাবেন না... "শুভকামনা," একজন দারোয়ান আমাকে বলেছিলেন। "আপনার এটির প্রয়োজন হবে।" তিনি সঠিক ছিলেন... ''দ্য লোনলি গাই'' এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র যা মনে হয় জানুয়ারির মেঘলা বিকেলে খালি প্রেক্ষাগৃহে চালানোর জন্যই তৈরি করা হয়েছে... এটি এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র যা আপনাকে পর্দায় দৃশ্যমান বাণিজ্যিক পণ্যগুলো গণনা করে নিজেকে বিভ্রান্ত করতে অনুপ্রাণিত করে। আপনি ভাবতে শুরু করেন যে প্রস্তুতকারকেরা চলচ্চিত্রে এগুলো দেখানোর জন্য ফি দিয়েছিলেন কি না। আমি দুটি ডায়েট সেভেন-আপ, দুটি ট্যাব এবং স্টিভ মার্টিনকে গণনা করেছি। ** ''[[w:দ্য লোনলি গাই|দ্য লোনলি গাই]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-lonely-guy-1984 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৮৪) * আমি রটেন টম্যাটোজে ঘুরছিলাম। ব্যাংকের নিরাপত্তারক্ষী প্রধান চরিত্রে কে অভিনয় করেছেন তা বের করার চেষ্টা করছিলাম। তখন খেয়াল করলাম যে চলচ্চিত্রটি তখনও কেউ পর্যালোচনা করেনি। অপেক্ষা করুন! এই চলচ্চিত্রের "ফোরাম" বিভাগে, "আইল্যান্ডহোম" ৮ জানুয়ারি সকাল ৭:৫৮ মিনিটে লিখেছে: "এই চলচ্চিত্রের পর্যালোচনা... আজ রাতে আমি পোস্ট করব।" ১০ জানুয়ারি সকাল ১১:১৯ মিনিটে, "আইল্যান্ডহোম" অবশেষে তার প্রতিশ্রুত পর্যালোচনা নিয়ে ফিরে আসে। এটি ছোট হাতের অক্ষরে লেখা হয়েছে এবং কবিতার মতো বাম দিকে সারিবদ্ধ করা হয়েছে। আমি এটি বানানসহ হুবহু উদ্ধৃত করছি: ::''হ্যালো দুঃখিত আমি ফিরে এসে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম'' ::''যাই হোক এটি বেশ মজার ছিল'' ::''যেভাবে দেখানো হয়েছে সেভাবে এটি কখনও হতে পারে না'' ::''তবে যাই হোক এটি একটি চলচ্চিত্র'' ::''মেয়েদের জন্য বেশিরভাগই এটি পছন্দ করবে'' ::''এবং পুরুষরা এটি খুব একটা অপছন্দ করবে না'' ::''আমি ভেবেছিলাম এটি কিছুটা হাউ টু বিট দ্য হাই কস্ট অফ লিভিং এর মতো হবে'' ::''কিছুটা একই রকম কিন্তু ততটা মজার নয়'' ::''আমি এটিকে ১০ এর মধ্যে ৪ দেব'' :আমি এটি দুবার, তিনবার পড়েছি। আমি আমার নিজের পর্যালোচনার জন্য বিভিন্ন প্রথম বাক্য পরীক্ষা করে দেখছিলাম। কিন্তু কোনোভাবে আইল্যান্ডহোমের পর্যালোচনার বিশুদ্ধতা ও প্রত্যক্ষতা আমাকে থামিয়ে দেয়। এটি খুবই চূড়ান্ত। "মেয়েদের জন্য বেশিরভাগই এটি পছন্দ করবে / এবং পুরুষরা এটি খুব একটা অপছন্দ করবে না।" আপনি এর চেয়ে ভালো কীভাবে বলতে পারেন? এটি চার্লস বুকোভস্কির যোগ্য। ...মূল কথা হলো কিছু মেয়ের এটি ভালো লাগবে, পুরুষদের ততটা নয়, এবং আমি এটিকে ৪ এর মধ্যে ১½ তারকা দিচ্ছি। ** ''[[w:ম্যাড মানি (চলচ্চিত্র)|ম্যাড মানি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/mad-money-2008 পর্যালোচনা] (১৭ জানুয়ারি ২০০৮) * ''ক্লার্কস'' একজন মৌলিক নির্মাতার আত্মবিশ্বাসী ও স্পষ্ট কণ্ঠস্বরের কথা বলেছিল। ''মলর‍্যাটস'' এ সেই কণ্ঠস্বর অবরুদ্ধ। এর বদলে আমরা ক্লান্ত, প্রতিষ্ঠিত, ভীরু এবং অন্যান্য পরিচিত হলিউড নির্বাহীদের উপদেশ শুনতে পাই। যে বছর ''ক্লার্কস'' [[w:১৯৯৪ কান চলচ্চিত্র উৎসব|কান চলচ্চিত্র উৎসবে]] প্রদর্শিত হয়েছিল, আমি স্বাধীন নির্মাতাদের একটি প্যানেল আলোচনার সভাপতি ছিলাম। তাদের বেশিরভাগই হলিউডের নিরাপদ কৌশলগুলো থেকে মুক্ত থাকার জন্য নিজেদের সংগ্রামের কথা বলেছিলেন। কিন্তু কেভিন স্মিথ আনন্দের সাথে বলেছিলেন যে স্টুডিওগুলো যদি তার চলচ্চিত্রের জন্য টাকা দেয়, তবে তারা যা চাইবে তিনি সানন্দে তাই করবেন। সে সময় আমি ভেবেছিলাম তিনি রসিকতা করছেন। ** ''[[মলর‍্যাটস|মলর‍্যাটস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/mallrats-1995 পর্যালোচনা] (২০ অক্টোবর ১৯৯৫) * আমরা এ ধরনের কমেডি দেখে দুটি কারণে হাসতে পারি: কারণ আমরা চরিত্রগুলোর চেয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠ মনে করি, অথবা কারণ আমরা তাদের করুণা করি বা পছন্দ করি। আমি মানুষের দিকে তাচ্ছিল্য করে হাসতে খুব একটা পছন্দ করি না। এই কারণেই অ্যাডাম স্যান্ডলারের কমেডিগুলো আমাকে অস্বস্তিতে ফেলে (আমি জানি বেশিরভাগ মানুষ হাসে কারণ তারা তাকে পছন্দ করে)। নেপোলিয়ন ডিনামাইটের ক্ষেত্রে আমি তাকে মোটেও পছন্দ করি না। তবে চলচ্চিত্রটিও তাকে পছন্দনীয় করার কোনো চেষ্টা করে না। এটি তার গল্প বলে এবং আমাদের হাসতে বলা হয়। কারণ আমরা এমন হাস্যরস খুঁজে পাই যা চলচ্চিত্রটি না জানার ভান করে। ** ''[[নেপোলিয়ন ডিনামাইট|নেপোলিয়ন ডিনামাইট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/napoleon-dynamite-2004 পর্যালোচনা] (১৮ জুন ২০০৪) * তারা বলে বেসবল জনপ্রিয় কারণ সবাই মনে করে তারা এটি খেলতে পারে। [[w:ম্যারি-কেট ও অ্যাশলি ওলসেন|ওলসেন যমজদের]] জনপ্রিয়তার ব্যাখ্যাও হয়তো একই রকম। কিশোরীরা তাদের ভালোবাসে কারণ তারা বিশ্বাস করে যে তারা তাদের মতো হতে পারে। সর্বোপরি, ম্যারি-কেট এবং অ্যাশলি ''নিউ ইয়র্ক মিনিট'' এ এমন কী করে যা যুক্তিসঙ্গতভাবে উপস্থাপনযোগ্য কোনো কিশোরী করতে পারে না? তাদের কর্মজীবন তারা যা করে তার ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়, বরং তাদের ভক্তদের পরোক্ষ পরিচিতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। ভক্তরা এমন দুজন মেয়েকে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে দেখে আনন্দ পায়, যারা এমন কিছু করছে যা প্রায় যে কেউই করতে পারে। ** ''[[w:নিউ ইয়র্ক মিনিট (চলচ্চিত্র)|নিউ ইয়র্ক মিনিট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/new-york-minute-2004 পর্যালোচনা] (৭ মে ২০০৪) * ''পার্ল হারবার'' হলো তিন ঘণ্টার মধ্যে আটকে দেওয়া দুই ঘণ্টার একটি চলচ্চিত্র। এটি ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর কীভাবে জাপানিরা একটি আমেরিকান ত্রিভুজ প্রেমের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছিল তা নিয়ে তৈরি। এর মূল অংশ হলো ৪০ মিনিটের অপ্রয়োজনীয় স্পেশাল ইফেক্ট, যা একটি বিস্ময়করভাবে সাধারণ প্রেমের গল্প দ্বারা বেষ্টিত। চলচ্চিত্রটি কোনো সৌন্দর্য, দৃষ্টিভঙ্গি বা মৌলিকতা ছাড়াই পরিচালিত হয়েছে। যদিও আপনি বের হওয়ার সময় এর সংলাপ উদ্ধৃত করতে পারেন, তবে তা এই কারণে নয় যে আপনি সেগুলোর প্রশংসা করেন। ** ''[[w:পার্ল হারবার (চলচ্চিত্র)|পার্ল হারবার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/pearl-harbor-2001 পর্যালোচনা] (২৫ মে ২০০১) * এটি অনেকটা উচ্চ বিদ্যালয়ের কোনো প্রযোজনার মতো যা আপনি [[w:স্টেপেনউলফ থিয়েটার কোম্পানি|স্টেপেনউলফ]] এ দেখেছেন। যেখানে নাটক ক্লাসের সবচেয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীরা [[w:জন মালকোভিচ|জন মালকোভিচ]] এবং [[w:জোন অ্যালেন|জোন অ্যালেনের]] চরিত্রে অভিনয় করছে। ** ''দ্য পিংক প্যান্থার'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-pink-panther-2006 পর্যালোচনা] (১০ ফেব্রুয়ারি ২০০৬) * এই নতুন সংস্করণটি দেখার সময় আমার কাছে অদ্ভুতভাবে মনে হচ্ছিল যেন আমি ব্রডওয়ে কাস্ট ছাড়াই একটি প্রাদেশিক স্টক কোম্পানিকে তাদের সাধ্যমতো সেরাটা করার চেষ্টা করতে দেখছি। আমার সেই বিস্ময়কর শিশুটির কথা মনে পড়ে গেল যাকে একজন বিখ্যাত পিয়ানোবাদকের জন্য পারফর্ম করার জন্য ডাকা হয়েছিল। শিশুটি পিয়ানোর টুলে উঠে বসে এবং দারুণ গতি ও নিখুঁতভাবে চপিনের কোনো একটি সুর বাজায়। এরপর মহান সংগীতশিল্পী শিশুটির মাথায় হাত বুলিয়ে বলেন, 'তুমি সুর বাজাতে পারো। একদিন হয়তো তুমি সংগীত বাজাতে পারবে।' ** ''সাইকো'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/psycho-1998 পর্যালোচনা] (৬ ডিসেম্বর ১৯৯৮) * এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা প্রতিটি মুহূর্তকে এর যোগ্যতার চেয়ে বেশি টেনে লম্বা করে। এর ফলে এমনকি অনুপ্রেরণার মুহূর্তগুলোকেও জোরপূর্বক মনে হয়। যেহেতু চলচ্চিত্রের মূল ধারণাটি ভালো এবং কলাকুশলীদের মধ্যে প্রতিভাবান মানুষ রয়েছেন, তাই বলা যায় চলচ্চিত্রটি তার নিজস্ব জোরপূর্বক ও অস্বাভাবিক শৈলীর দ্বারাই ধ্বংস হয়েছে। ** ''রেইজিং অ্যারিজোনা'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/raising-arizona-1987 পর্যালোচনা] (২০ মার্চ ১৯৮৭) * এরা বোকা নয়। এরা কয়েকজন দারুণ ছেলে, এবং এটাই ''রিভেঞ্জ অব দ্য নার্ডস ২'' এর মূল সমস্যা। এই চলচ্চিত্রের সত্যিকারের বোকাদের নিয়ে কাজ করার সাহস নেই। এটি ঝুঁকি এড়িয়ে চলে। একজন বোকা বোকা হয় না কারণ সে কম্পিউটার বোঝে এবং তার শার্টের পকেটে একটি প্লাস্টিকের পেন প্রটেক্টর পরে। একজন বোকা বোকা হয় কারণ সে জীবনে এক বিশেষ ধরনের কমনীয়তার অভাব নিয়ে আসে। তার কোনো স্টাইল থাকে না। সে অন্য মানুষের অনুভূতি বুঝতে অক্ষম। একজন বোকা ভেতর থেকে বোকা হয়, যা এই চলচ্চিত্র তৈরিকারী বোকারা কখনও বুঝতে পারবে না। ** ''[[w:রিভেঞ্জ অব দ্য নার্ডস ২: নার্ডস ইন প্যারাডাইস|রিভেঞ্জ অব দ্য নার্ডস ২: নার্ডস ইন প্যারাডাইস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/revenge-of-the-nerds-ii-nerds-in-paradise-1987 পর্যালোচনা] (১৩ জুলাই ১৯৮৭) * আমি জানি যে অন্য গ্রহ থেকে আসা এলিয়েনদের নিউ মেক্সিকোতে আসার নিয়ম আছে, কিন্তু তারা সেখানে থাকে কেন? ** ''থর'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/thor-2011 পর্যালোচনা] (১০ মে ২০১১) ==== এক তারকা পর্যালোচনা ==== * শিকাগো থেকে ডি. কেপেশ লিখেছেন, "আপনি কি কখনও কোনো স্ক্রিনিংয়ের সময় পরে যে পর্যালোচনাটি লিখবেন তা নিয়ে ভাবতে গিয়ে বিভ্রান্ত হন? এতটা বিভ্রান্ত যে চলচ্চিত্রের কিছু অংশ মিস করে ফেলেন?" কখনও কখনও অবস্থা এর চেয়েও খারাপ হয়, ডি.। কখনও কখনও কোনো চলচ্চিত্র এতটাই বুদ্ধিহীন হয় যে আমি পর্যালোচনার জন্য চতুর লাইন ভাবার চেষ্টা ছেড়ে দিই। আমি পরাজয় স্বীকার করে সত্যিই চলচ্চিত্রটি দেখার দিকে মনোযোগ দিই। আমি একে ধ্যান করার একটি সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করি। আমার মন্ত্র হলো "আর্গ ... আর্গ ... " ** ''[[w:আ নাইট অ্যাট দ্য রক্সবেরি|আ নাইট অ্যাট দ্য রক্সবেরি]]'' এর [https://www.rogerebert.com/reviews/a-night-at-the-roxbury-1998 পর্যালোচনা] (২ অক্টোবর ১৯৯৮) * আমার মনে আছে যখন হার্ডকোর প্রথম সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছিল। তখন আলোচনা হতো যে কোনো সিরিয়াস পরিচালক যদি কখনও কোনো পর্নো চলচ্চিত্র তৈরি করেন, তবে তা কেমন হবে। ''অ্যানাটমি অব হেল'' বিচার করে উত্তরটি হলো যে, দর্শকরা সিদ্ধান্ত নেবেন তাদের আসলে এমন সিরিয়াস কোনো পরিচালকের প্রয়োজন নেই। ** ''[[w:অ্যানাটমি অব হেল|অ্যানাটমি অব হেল]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/anatomy-of-hell-2004 পর্যালোচনা] (১২ নভেম্বর ২০০৪) * অবশেষে এটি এখানে, প্রথম ১৫০ মিনিটের ট্রেলার। ''আর্মাগেডন'' কে এর নিজস্ব হাইলাইট হিসেবে একসাথে কাটা হয়েছে। এলোমেলোভাবে যেকোনো ৩০ সেকেন্ড নিন, আপনি একটি টিভি বিজ্ঞাপন পেয়ে যাবেন। এই চলচ্চিত্রটি চোখ, কান, মস্তিষ্ক, কাণ্ডজ্ঞান এবং মানুষের বিনোদন পাওয়ার আকাঙ্ক্ষার ওপর একটি আক্রমণ। '''ভেতরে ঢোকার জন্য তারা যাই চার্জ করুক না কেন, বেরিয়ে আসাটা এর চেয়ে বেশি মূল্যবান।''' ** ''[[w:আর্মাগেডন (চলচ্চিত্র)|আর্মাগেডন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/armageddon-1998 পর্যালোচনা] (১ জুলাই ১৯৯৮) * তো ঠিক আছে। ধরুন আপনি উপন্যাসটি জানেন, আপনি আইন র‍্যান্ডের সাথে একমত, আপনি একজন অবজেক্টিভিস্ট বা লিবারটেরিয়ান, এবং আপনি আগ্রহের সাথে এই চলচ্চিত্রটির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। ভাই, আপনি খুব হতাশ হতে চলেছেন। একটি চলচ্চিত্র আপনার সাথে একমত হবে এটাই যথেষ্ট নয়, তা যত অগোছালো ও অস্পষ্টভাবেই হোক না কেন। এটি যদি বিনোদনমূলক হতো, তবে কি ভালো হতো না? ** ''[[w:অ্যাটলাস শ্রাগড: পার্ট ১|অ্যাটলাস শ্রাগড: পার্ট ১]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/atlas-shrugged-2011 পর্যালোচনা] (১৪ এপ্রিল ২০১১) * ''ব্লু ভেলভেট'' এ এমন কাঁচা মানসিক শক্তির দৃশ্য রয়েছে যে কিছু সমালোচক কেন এটিকে মাস্টারপিস বলেছেন তা বোঝা সহজ। এতটা বেদনাদায়ক ও আঘাতকারী একটি চলচ্চিত্রকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। তবুও সেই তীব্র যৌন হতাশার দৃশ্যগুলোই বলে দেয় এই চলচ্চিত্রে কী ভুল আছে। এগুলো এতটাই শক্তিশালী যে এগুলোর এমন একটি চলচ্চিত্রে থাকা উচিত যা আন্তরিক, সৎ এবং সত্য। কিন্তু ''ব্লু ভেলভেট'' এদের এমন একটি গল্প দিয়ে ঘিরে রেখেছে যা শিশুতোষ ব্যঙ্গ এবং সস্তা শট দ্বারা নষ্ট হয়ে গেছে। [[w:ডেভিড লিঞ্চ|পরিচালক]] হয় তার উপাদানের শক্তি অস্বীকার করছেন অথবা এটিকে একটি ক্যাম্পি ইন-জোকের অংশ ভান করে এর প্রভাব কমানোর চেষ্টা করছেন। … কোনটি বেশি খারাপ? কাউকে চড় মারা, নাকি দূরে দাঁড়িয়ে পুরো ব্যাপারটিকে মজার মনে করা? ** ''ব্লু ভেলভেট'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/blue-velvet-1986 পর্যালোচনা] (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৮৬) * ''দ্য বাকেট লিস্ট'' এমন দুজন বৃদ্ধকে নিয়ে তৈরি একটি চলচ্চিত্র যারা কোনোভাবেই সাধারণ মানুষের মতো নন। তারা উভয়েই ক্যান্সারে ভুগছেন, যা ক্যান্সারের মতো নয়। তারা এমন সব অভিযানে বের হন যা সম্ভব হওয়ার মতো নয়। আমি জরুরিভাবে হাসপাতালগুলোকে পরামর্শ দিচ্ছি: রোগীদের জন্য এই ডিভিডিটি উপলব্ধ করবেন না। টিভি স্ক্রিনে বেডপ্যান ছুড়ে মারার একটি প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে। ** ''[[w:দ্য বাকেট লিস্ট|দ্য বাকেট লিস্ট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-bucket-list-2008 পর্যালোচনা] (১০ জানুয়ারি ২০০৮) * পরিচালক, যার নাম পিটফ, সম্ভবত জন্মের সময় দুটি নাম পেয়েছিলেন এবং তার পরবর্তী প্রজেক্টে অন্য নামটি ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। ** ''[[w:ক্যাটওম্যান (চলচ্চিত্র)|ক্যাটওম্যান]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/catwoman-2004 পর্যালোচনা] (২৩ জুলাই ২০০৪) * আমি অনেক দিন ধরে চলচ্চিত্রের পর্যালোচনা করছি। কিন্তু আমার এমন কোনো চলচ্চিত্রের কথা মনে পড়ে না যা এতটা নাটকীয়ভাবে নিজের পায়ে কুড়াল মারে। ** ''[[w:ডায়েরি অব আ ম্যাড ব্ল্যাক ওম্যান|ডায়েরি অব আ ম্যাড ব্ল্যাক ওম্যান]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/diary-of-a-mad-black-woman-2005 পর্যালোচনা] (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৫) * এর ফলাফল হলো কোনো আকার, পথ বা উদ্দেশ্যবিহীন এক ভয়ংকর অগোছালো চলচ্চিত্র। এটি একটি ওয়ান জোক মুভি, যদি এতে একটি জোকও থাকত। দুজন চরিত্র ঘোরের মধ্যে লাস ভেগাসের অদ্ভুত পটভূমিতে (কিছু বাস্তব, কিছু দৃষ্টিভ্রম, সবগুলোই পরিবর্তনযোগ্য) বুদ্ধিহীনভাবে ঘুরে বেড়ায়। হাস্যরস দৃষ্টিভঙ্গির ওপর নির্ভর করে। একটি নির্দিষ্ট বিন্দুর পর আপনার কোনো দৃষ্টিভঙ্গি থাকে না, আপনি কেবল একটি অবস্থায় বসবাস করেন। আমি মাতাল এবং মাদকাসক্তদের সম্পর্কে অনেক মজার জোকস শুনেছি, কিন্তু এই লোকগুলো এতটাই নেশাগ্রস্ত যে তাদের বেশিরভাগ সংলাপকে "অ্যাঁ?" হিসেবে বর্ণনা করা যায়। ... ডেপের কথা বলতে গেলে, তিনি কী ভেবে এই চলচ্চিত্রটি তৈরি করেছিলেন? তিনি একবার নিউ ইয়র্কের একটি হোটেলের ঘর ভাঙচুর করে বিপদে পড়েছিলেন, ঠিক ''ফিয়ার অ্যান্ড লোথিং ইন লাস ভেগাস'' এর নায়কদের মতো। ওটা কী ছিল? গবেষণা? ডেপের ক্লাবের বাইরে রিভার ফিনিক্স অতিরিক্ত মাত্রায় মাদক সেবনের কারণে মারা যাওয়ার পর, আপনি ভাববেন না যে ডেপ এই গল্পে খুব বেশি হাস্যরস দেখতে পাবেন। তবে অবশ্যই, এই গল্পে খুব বেশি হাস্যরস *নেই*। ** ''ফিয়ার অ্যান্ড লোথিং ইন লাস ভেগাস'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/fear-and-loathing-in-las-vegas-1998 পর্যালোচনা] (২২ মে ১৯৯৮) * গত বছর আমি মঙ্গোলিয়ান ইয়াক পশুপালকদের জীবন নিয়ে একটি [[w:তাইগা (চলচ্চিত্র)|নয় ঘণ্টার ডকুমেন্টারি]] পর্যালোচনা করেছিলাম। আমি ''দ্য ফ্রাইটেনার্স'' দেখার চেয়ে সেটি আবার দেখতে বেশি পছন্দ করব। ** ''[[w:দ্য ফ্রাইটেনার্স|দ্য ফ্রাইটেনার্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-frighteners-1996 পর্যালোচনা] (১৯ জুলাই ১৯৯৬) * এই চলচ্চিত্রের জন্য একটি শব্দ রয়েছে, আর তা হলো: ঘিনঘিনে। ** ''[[w:গুড লাক চাক|গুড লাক চাক]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/good-luck-chuck-2007 পর্যালোচনা] (২১ সেপ্টেম্বর ২০০৭) * ''[[w:আই অ্যাম কিউরিয়াস (ইয়েলো)|আই অ্যাম কিউরিয়াস (ইয়েলো)]]'' যে কেবল অ্যারোটিক নয় তা নয়। এটি অ্যান্টি-অ্যারোটিক। এই চলচ্চিত্রের দুই ঘণ্টা আপনার মন থেকে সপ্তাহের জন্য যৌনতার চিন্তাকে তাড়িয়ে দেবে। ছবিটি দেখুন এবং জোড়া বিছানা কিনুন... আমি মনে করি সুইডেনে এমন একজন পরিচালক আছেন যিনি এটিকে চলচ্চিত্র নির্মাণের শিল্প হিসেবে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার মতো যথেষ্ট একঘেয়ে এবং প্রাচীনপন্থি। ** ''[[w:আই অ্যাম কিউরিয়াস (ইয়েলো)|আই অ্যাম কিউরিয়াস (ইয়েলো)]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/i-am-curious-yellow-1969 পর্যালোচনা] (২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯) * এই চলচ্চিত্রের সেরা শটটি হলো প্রথম শটটি। এটি ভালো লক্ষণ নয়... স্ক্রিনিং শেষ হওয়ার পর এবং লাইট জ্বলে ওঠার পর আমি দেখলাম আমার দুজন সহকর্মী গভীর ও আন্তরিক আলোচনায় মগ্ন। তারা প্লটের মোড়গুলো সমাধান করার চেষ্টা করছেন। তারা নির্মাতাদের চেয়ে চলচ্চিত্রের ওপর বেশি চিন্তাভাবনা প্রয়োগ করছিলেন। একজন সমালোচকের মন নষ্ট করার মতো বিষয় নয়। ** ''[[w:আই নো হোয়াট ইউ ডিড লাস্ট সামার|আই নো হোয়াট ইউ ডিড লাস্ট সামার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/i-know-what-you-did-last-summer-1997 পর্যালোচনা] (১৭ অক্টোবর ১৯৯৭) * তারা বলে যে অত্যাধুনিক স্পেশাল ইফেক্ট পর্দায় যেকোনো কিছুর বিভ্রম তৈরি করতে পারে। এখন আমাদের কাছে প্রমাণ রয়েছে: [[w:জিম হেনসন|জিম হেনসনের]] লোকেরা এবং [[w:ইন্ডাস্ট্রিয়াল লাইট অ্যান্ড ম্যাজিক|ইন্ডাস্ট্রিয়াল লাইট অ্যান্ড ম্যাজিক]] এর পক্ষে একত্রে মিলে স্পেশাল ইফেক্টের ইতিহাসে সবচেয়ে বিকর্ষণকারী একক প্রাণী তৈরি করা সম্ভব। আমি ''স্টার ওয়ার্স'' এর মরুভূমির অন্ত্র বা [[w:চাকি (চাইল্ডস প্লে)|চাকি ডলের]] কথা ভুলে যাইনি। স্নোম্যানকে দেখার অর্থ হলো স্নোম্যানকে অপছন্দ করা। এটি দেখতে তো স্নোম্যানের মতোও নয়। ** ''[[w:জ্যাক ফ্রস্ট (১৯৯৮-এর চলচ্চিত্র)|জ্যাক ফ্রস্ট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/jack-frost-1998 পর্যালোচনা] (১১ ডিসেম্বর ১৯৯৮) * এই ব্যবসায় একজন মানুষ সমঝদার হয়ে ওঠে। আমি এখন দেখতে পাচ্ছি যে জিম ক্যারি একজন গুণী শিল্পী, [[w:ক্রিস ফার্লি|ক্রিস ফার্লি]] অন্তত কঠোর পরিশ্রমী, অ্যাডাম স্যান্ডলার হতাশাজনক এবং [[w:পলি শোর|পলি শোর]] সব বিভাগকে পাশ কাটিয়ে ব্ল্যাকবোর্ডে নখের আঁচড়ের মতো একটি অসাধারণ বিরক্তিকর প্রভাব অর্জন করেছেন। তার আবেদন অবশ্যই এমন লোকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ যাদের আত্মমর্যাদা এবং সামাজিক দক্ষতা এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত যে তারা নিজেদের চেয়ে কম সফল কোনো চলচ্চিত্রের চরিত্রের মুখোমুখি হয়ে অন্তত স্বস্তি বা হাস্যরস খুঁজে পায়। ** ''[[w:জুরি ডিউটি (চলচ্চিত্র)|জুরি ডিউটি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/jury-duty-1995 পর্যালোচনা] (১২ এপ্রিল ১৯৯৫) * ...''নিউ ইয়ার্স ইভ'' এ আমরা আনন্দিত উদ্‌যাপনকারীদের বিশাল জনতার দিকে তাকাই এবং মানবতার সমুদ্র নীল রঙের হয়ে যায়। তারা সবাই [[w:নিভিয়া|নিভিয়া স্কিন ক্রিমের]] বিনামূল্যের টুপি পরে আছে। [[w:নিউ ইয়র্ক নিকস|নিকস]], [[w:বাডউইজার (আনহয়েজার-বুশ)|বাডউইজার]] বা [[w:আই লাভ নিউ ইয়র্ক|আই হার্ট [সিক] নিউ ইয়র্কের]] জন্য কোনো টুপি নেই। সবই নিভিয়া স্কিন ক্রিমের। অসংখ্য নিভিয়া নীল রঙের টুপি। আমি পণ্য প্রদর্শনের কথা শুনেছি, কিন্তু এটি কার্পেট বোম্বিং। ** ''[[w:নিউ ইয়ার্স ইভ (চলচ্চিত্র)|নিউ ইয়ার্স ইভ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/new-years-eve-2011 পর্যালোচনা] (৭ ডিসেম্বর ২০১১) * টেরি (হিলারি ডাফ) এর নতুন রুমমেট ডেনিস (ডানা ডেভিস)। সে স্কলারশিপের জন্য কঠোর পরিশ্রম করার পরিকল্পনা করে এবং টেরিকে একটি বিক্ষেপ হিসেবে অপছন্দ করে। টেরির পোশাক এবং হাসির মাপকাঠি করে সে তাকে বলে: "তুমি অনেকটা রেট্রো ব্র্যাডি বাঞ্চারের মতো।" আমি ঘৃণা করি যখন কোনো চলচ্চিত্র তার নিজস্ব পর্যালোচনা ধারণ করে। ** ''[[w:রেইজ ইওর ভয়েস|রেইজ ইওর ভয়েস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/raise-your-voice-2004 পর্যালোচনা] (৮ অক্টোবর ২০০৪) * আমি এই চলচ্চিত্রটি আবার দেখার চেয়ে একটি গল্ফ বল খাওয়া বেশি পছন্দ করব। ** ''[[w:সেভেন ডেইজ ইন ইউটোপিয়া|সেভেন ডেইজ ইন ইউটোপিয়া]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/seven-days-in-utopia-2011 পর্যালোচনা] (৩১ আগষ্ট ২০১১) * পাঠক, আমাকে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে যখন আমি নারী দর্শকে পরিপূর্ণ স্নিক প্রিভিউতে অংশ নিচ্ছিলাম, তখন আমি প্রদর্শনীতে দেখা আনন্দদায়ক বক্ষবিভাজিকা দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। নারীরা কি একে অপরের জন্যই তাদের সবচেয়ে নিচু গলার পোশাক পরেন? ** ''সেক্স অ্যান্ড দ্য সিটি ২'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/sex-and-the-city-2-2010 পর্যালোচনা] (২৫ মে ২০১০) * টিভিতে যেসব শব্দ বলা যাবে না বলে জর্জ কার্লিন বলেছিলেন, সেগুলো কি মনে আছে? এখন এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে যা এর একটি ছাড়া বাকি সবগুলো শব্দ ব্যবহার না করে তৈরি করা যায় না। এমনকি অনলাইন ট্রেলারটিও আপনাকে চমকে দিতে পারে। এটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সেই রেড ব্যান্ড ট্রেলারগুলোর মধ্যে একটি, যা দেখার জন্য আপনাকে আপনার বয়স দিতে হবে। আমি আমার বয়স নিয়ে মিথ্যা বলেছিলাম। ১৭ বছরের কম বয়সী কেউই এমন করবে না। ** ''[[w:দ্য সিটার|দ্য সিটার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-sitter-2011 পর্যালোচনা] (৭ ডিসেম্বর ২০১১) * এটি বাজে চলচ্চিত্রের মধ্যে সবচেয়ে জঘন্য ধরনের। এটি প্রথম দৃশ্য থেকে জঘন্য হওয়ার বদলে আপনাকে উত্তেজিত করে তারপর হতাশ করে দেয়। ** ''[[w:স্নেক আইজ (চলচ্চিত্র)|স্নেক আইজ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/snake-eyes-1998 পর্যালোচনা] (৭ আগষ্ট ১৯৯৮) * কিন্তু এখন এখানে ডিরেক্টরস কাট রয়েছে, যা ২০ মিনিটের ছোট। এটি কয়েকটি চরিত্র এবং অসংখ্য সাবপ্লটের কয়েকটি ছেঁটে ফেলেছে এবং এটি আরও বেশি জগাখিচুড়ি। আমি সুপারিশ করি যে [[w:রিচার্ড কেলি (পরিচালক)|কেলি]] এটিকে কাটতে কাটতে ইউকুলেলের পিকের মতো ছোট না করা পর্যন্ত কাটতেই থাকুন। ** ''সাউথল্যান্ড টেলস'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/southland-tales-2007 পর্যালোচনা] (১৬ নভেম্বর ২০০৭) * আপনি যদি নিজের টিকিটের মূল্য বাঁচাতে চান, তবে রান্নাঘরে যান, নরকের সংগীত গাওয়া পুরুষ গায়কদের একটি গান চালু করুন, এবং কোনো বাচ্চাকে হাঁড়ি-পাতিল বাজাতে দিন। তারপর চোখ বন্ধ করে আপনার কল্পনা ব্যবহার করুন... এই চলচ্চিত্রটি মাইকেল বে পরিচালনা করেছেন। এই একই ব্যক্তি যিনি ১৯৯৬ সালে ''[[w:দ্য রক (চলচ্চিত্র)|দ্য রক]]'' পরিচালনা করেছিলেন। এখন তিনি ''ট্রান্সফর্মারস: রিভেঞ্জ অব দ্য ফলেন'' তৈরি করেছেন। ফাউস্ট এর চেয়ে ভালো চুক্তি করেছিলেন। ** ''[[Transformers: Revenge of the Fallen|ট্রান্সফর্মারস: রিভেঞ্জ অব দ্য ফলেন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/transformers-revenge-of-the-fallen-2009 পর্যালোচনা] (২৩ জুন ২০০৯) * এই চলচ্চিত্রের চরিত্রগুলোকে আর্তনাদ করার উদ্দেশ্যে ঘোরাঘুরি করার অপরাধে গ্রেপ্তার করা উচিত। কিশোর-কিশোরীদের এর আগে কখনো নতুন করে শুরু করার এত প্রয়োজন হয়নি। স্বীকার করছি তাদের মধ্যে কেউ কেউ ১০০ বছরেরও বেশি বয়সী, কিন্তু তবুও তাদের ক্যারিশমা মাদাম তুসোর মতো। ''[[The Twilight Saga: New Moon|দ্য টোয়াইলাইট সাগা: নিউ মুন]]'' ''টোয়াইলাইট'' (২০০৮) এর নিষ্প্রভ অর্জনকে গ্রহণ করে, এর ভেতরটা বের করে আনে এবং একে অর্ধমৃত অবস্থায় ফেলে রাখে। আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি কোনো সিক্যুয়েল নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন যখন লোকমুখে আপনাকে প্রথম চলচ্চিত্রটি দুবার দেখার পরামর্শ দেওয়া হবে। স্পষ্টতই চরিত্রগুলো সবাই তাই করেছে। এই চলচ্চিত্রের দীর্ঘ শুরুর অংশগুলোর কোনো অর্থই হয় না যদি না আপনি প্রথম চলচ্চিত্রটি এবং আশা করি উভয় স্টেফানি মেয়ারের উপন্যাস মুখস্থ করে ভেতরে ঢোকেন। এডওয়ার্ড এবং বেলা একে অপরের দিকে রাগী চোখে তাকিয়ে এবং ভেবে অন্ধকার মুহূর্ত কাটায় যে, আমরা আবার এখানে। ** ''[[The Twilight Saga: New Moon|দ্য টোয়াইলাইট সাগা: নিউ মুন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-twilight-saga-new-moon-2009 পর্যালোচনা] (১৮ নভেম্বর ২০০৯) * ''ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়েস্ট'' হলো একটি মৃত কমেডি। আপনি অবিশ্বাসের সাথে তাকিয়ে থাকবেন যখন দৃশ্যগুলো ব্যর্থ হয়ে মারা যায়। চলচ্চিত্রটি পুরোটাই ধারণা, কোনো বিষয়বস্তু নেই। বিশাল স্পেশাল ইফেক্টগুলো যেন পর্দায় টাকা পুড়তে দেখার মতো। আপনি বুঝতে পারবেন যে কিছু ভুল হয়েছে যখন একটি গল্প পুরোনো পশ্চিমের দুজন নায়ককে নিয়ে তৈরি, আর এর শেষ শটটি হলো একটি যান্ত্রিক মাকড়সা সূর্যাস্তের দিকে ছুটে যাচ্ছে। ** ''[[w:ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়েস্ট|ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়েস্ট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/wild-wild-west-1999 পর্যালোচনা] (৩০ জুন ১৯৯৯) * ''ইওর হাইনেস'' হলো এক অবিকশিত আবর্জনা। এটি দেখে মনে হয় এটি অন্ধকূপ, ড্রাগন, যোদ্ধা নারী, গাঁজা, স্তন এবং চার অক্ষরের শব্দের প্রেমে পড়া ১১ বছরের ছেলেদের কাজ। নায়কদের একজন তো তার গলায় সুতোয় বাঁধা মিনোটরের পুরুষাঙ্গও পরে থাকে। আমি এ ধরনের ঘটনা খুব অপছন্দ করি। ** ''[[w:ইওর হাইনেস|ইওর হাইনেস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/your-highness-2011 পর্যালোচনা] (৬ এপ্রিল ২০১১) * সম্প্রতি কিছু প্রবন্ধ বের হয়েছে যেখানে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে যে বিশ্বের কিছু অংশে যুক্তরাষ্ট্রকে কেন এত ঘৃণা করা হয়। হলিউডের এই সপ্তাহের প্রদর্শনী হিসেবে আমি ''জুল্যান্ডার'' উপস্থাপন করছি। এটি একটি কমেডি যা মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করার একটি ষড়যন্ত্র নিয়ে তৈরি, কারণ তিনি শিশুশ্রমের বিরোধী ছিলেন। আপনি হয়তো এই বাক্যটি দুবার পড়তে চাইবেন। যুক্তিটি হলো শিশুশ্রম ফ্যাশন শিল্পের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়, এবং তাই এর বিরোধীদের সরিয়ে দিতে হবে... যদি মালয়েশিয়ানরা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিকে দাসপ্রথার বিরোধিতার কারণে হত্যা করার বিষয়ে একটি কমেডি তৈরি করত, তবে তা আমাদের কাছে প্রায় ততটাই মজার মনে হতো যতটা ''জুল্যান্ডার'' তাদের কাছে মনে হবে। ** ''জুল্যান্ডার'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/zoolander-2001 পর্যালোচনা] (২৮ সেপ্টেম্বর ২০০১) ==== আধা তারকা পর্যালোচনা ==== * আপনি যদি এই চলচ্চিত্রটি মিস করার পরিকল্পনা করেন, তবে দ্রুত মিস করাই ভালো। আমার সন্দেহ আছে যে এটি বেশিদিন মিস করার জন্য থাকবে কি না। ** ''[[w:অ্যামেরিকাথন|অ্যামেরিকাথন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/americathon-1979 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৭৯) * সংলাপগুলো প্রায় পুরোপুরি ছোট ছোট চিৎকারের সমন্বয়ে গঠিত: ''সাবধান! আসছে! সরো! দেখো! গুলি করো! সরো!'' কেবল কেবল নিউজের উপস্থাপকদেরই টানা চারটি বাক্য বলতে আমার মনে পড়ে। … যুবকেরা, যদি তুমি তোমার বন্ধুদের সাথে এই আবর্জনাটি দেখতে যাও যারা এটি পছন্দ করে, তবে তাদের কৌশলে জানিয়ে দাও যে তারা বোকা। যুবতীরা, যদি তোমার ডেট এই চলচ্চিত্রটি পছন্দ করে, তবে তাকে বলো তুমি এ নিয়ে ভেবেছ এবং তোমার মনে হয় তোমাদের কিছু সময়ের জন্য আলাদা থাকা উচিত। ** ''[[w:ব্যাটেল: লস অ্যাঞ্জেলেস|ব্যাটেল: লস অ্যাঞ্জেলেস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/battle-los-angeles-2011 পর্যালোচনা] (৯ মার্চ ২০১১) * ''ব্যাটলফিল্ড আর্থ'' দেখাটা এমন কারও সাথে বাস ভ্রমণের মতো যার অনেক দিন ধরে গোসল করা প্রয়োজন। এটি কেবল খারাপই নয়। এটি শত্রুতাপূর্ণভাবে বিরক্তিকর। দৃশ্যগুলো নোংরা এবং মলিন। চরিত্রগুলো অগোছালো এবং তাদের দাঁত পচা। তাদের নাক থেকে শ্লেষ্মার দড়ির মতো শ্বাস নেওয়ার নল ঝুলে থাকে। সাউন্ডট্র্যাক শুনে মনে হয় যেন বুম মাইক কোনো ৫৫ গ্যালনের ড্রামের ভেতর আঘাত করছে। প্লট। … পরিচালক রজার ক্রিশ্চিয়ান ভালো চলচ্চিত্র থেকে শিখেছেন যে পরিচালকরা কখনও কখনও তাদের ক্যামেরা বাঁকা করেন। কিন্তু তিনি কেন এমন করেন তা শেখেননি। … কিছু চলচ্চিত্র লাইনচ্যুত হয়ে যায়। এটি ''[[w:দ্য ফিউজিটিভ (১৯৯৩-এর চলচ্চিত্র)|দ্য ফিউজিটিভ]]'' এর ট্রেন দুর্ঘটনার মতো। আমি ক্রমবর্ধমান হতাশার সাথে এটি দেখেছি এবং বুঝতে পেরেছি যে আমি একটি ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হচ্ছি। এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা আগামী দশকগুলোতে বাজে চলচ্চিত্র নিয়ে রসিকতার খোরাক জোগাবে। ** ''[[w:ব্যাটলফিল্ড আর্থ (চলচ্চিত্র)|ব্যাটলফিল্ড আর্থ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/battlefield-earth-2000 পর্যালোচনা] (১২ মে ২০০০) * মিডনাইট কাল্ট প্রদর্শনের জন্য চলচ্চিত্রটি সারা দেশে আবার চালানো হচ্ছে। মধ্যরাত খুব একটা দেরি নয়। ** ''[[w:দ্য বিয়ন্ড (চলচ্চিত্র)|দ্য বিয়ন্ড]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-beyond-1998 পর্যালোচনা] (৩ জুলাই ১৯৯৮) * ''বোট ট্রিপ'' মুক্তি পাওয়ার আগেই প্রচার হয়েছিল যে অনেক সমকামী চলচ্চিত্রটি দেখে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এখন এটি প্রেক্ষাগৃহে আসায় বাকি সবারও তাদের সাথে যোগ দেওয়ার সুযোগ হয়েছে। এমন নয় যে চলচ্চিত্রটি চরম ক্ষোভের উদ্রেককারী। সেটা আশা করা বেশি হয়ে যাবে। এটি নির্বোধ, মজাহীন এবং এতটাই অগভীর যে তা আপত্তিকরও হতে পারে না। চামড়া ও শিকল পরে পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা এবং সংকেতের অপেক্ষায় থাকা এতসব লোককে ব্যবহার করার জন্য এটি খুব বেশি গতানুগতিক। এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা কারও জন্যই নয় এবং কোনো বিষয় নিয়েই নয়। ** ''[[w:বোট ট্রিপ|বোট ট্রিপ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/boat-trip-2003 পর্যালোচনা] (২১ মার্চ ২০০৩) * কেউই গল্পের জন্য ''বোলেরো'' দেখতে যাচ্ছে না। তারা ভালো অংশগুলোর জন্য যাচ্ছে। তার ঘোড়ার পিঠে নগ্ন হয়ে চড়ার দৃশ্য বাদে দুটি ভালো অংশ রয়েছে, যা চলচ্চিত্রে আমাকে ভাবিয়ে তুলেছিল যে সে কীভাবে এটি করল। ''বোলেরো'' এর আসল ভবিষ্যৎ হলো হোম ক্যাসেট ভাড়া দেওয়া, যেখানে আপনার ফাস্ট ফরোয়ার্ড এবং ইনস্ট্যান্ট রিপ্লে নিয়ন্ত্রণগুলো চলচ্চিত্রের প্রয়োজনীয় সম্পাদনার কাজ করবে। ** ''[[w:বোলেরো (১৯৮৪-এর চলচ্চিত্র)|বোলেরো]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/bolero-1984 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৮৪) * হিচকক বলেছিলেন যে একটি চলচ্চিত্রের উচিত দর্শকদের পিয়ানোর মতো বাজানো। ''ডেথ রেস'' আমাকে ড্রামের মতো বাজিয়েছে। এটি কাণ্ডজ্ঞানসহ সব ইন্দ্রিয়ের ওপর একটি আক্রমণ। বেরিয়ে আসার সময় আমার মনে হলো যে আমি এইমাত্র ভিডিও গেমটি দেখেছি এবং এখনও চলচ্চিত্রের জন্য অপেক্ষা করছি। ** ''[[w:ডেথ রেস (চলচ্চিত্র)|ডেথ রেস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/death-race-2008 পর্যালোচনা] (২২ আগষ্ট ২০০৮) * কেবল অত্যন্ত প্রতিভাবান ব্যক্তিরাই ''[[w:ডেথ টু স্মুচি|ডেথ টু স্মুচি]]'' তৈরি করতে পারতেন। যাদের প্রতিভা কম তাদের এত বাজে, এত ভুল হিসাবের এবং দর্শকদের সাথে কোনো ধরনের সংযোগহীন একটি চলচ্চিত্র তৈরি করার সাহস হতো না। ** ''[[w:ডেথ টু স্মুচি|ডেথ টু স্মুচি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/death-to-smoochy-2002 পর্যালোচনা] (২৯ মার্চ ২০০২) * এই চলচ্চিত্রটি কেবল খারাপই নয়, এটি অযোগ্য। দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মেইলে পাওয়া টেপগুলোও এর চেয়ে ভালোভাবে তৈরি করা হয়... আমি প্রায়ই নিজেকে প্রশ্ন করেছি, "কোনো চলচ্চিত্রের চরিত্রগুলো যদি মানুষের আচরণের ওপর অসম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকা এলিয়েনদের তৈরি অ্যানিমেট্রনিক পুতুল হতো, তবে তা দেখতে কেমন হতো?" এখন আমি জানি। ** ''[[w:ফ্রেন্ডস অ্যান্ড লাভার্স (চলচ্চিত্র)|ফ্রেন্ডস অ্যান্ড লাভার্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/friends-and-lovers-1999 পর্যালোচনা] (৩০ এপ্রিল ১৯৯৯) * "এটি অনেক দিক থেকেই জঘন্য।" — "জেসন এক্স" এর সংলাপ। কোনো চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে নিজেকে এত স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা বিরল ঘটনা। "জেসন এক্স" গল্প বলা, চরিত্রের বিকাশ, সাসপেন্স, স্পেশাল ইফেক্ট, মৌলিকতা, যতিচিহ্ন, পরিচ্ছন্নতা এবং চিন্তার উপযুক্ততার দিক থেকে জঘন্য। ** ''[[w:জেসন এক্স|জেসন এক্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/jason-x-2002 পর্যালোচনা] (২৬ এপ্রিল ২০০২) * চলচ্চিত্রটিতে ছয়জন কিশোর চরিত্রের অভিনয় রয়েছে যাদের টিভিতে এবং খেলনার দোকানে বিক্রি করা হয়েছে। তাদের নাম আছে, কিন্তু চোখে পড়ার মতো কোনো ব্যক্তিত্ব নেই। তাদের কেউই কখনো "তোমরা সবাই!" এর চেয়ে মজার কিছু বলেনি। কিশোর হিসেবে তারা দক্ষ ইন-লাইন স্কেটার এবং কারাতে যোদ্ধা। কিন্তু প্লাস্টিকের মুখোশ ও হেলমেট পরা পাওয়ার রেঞ্জার্স ইউনিফর্মে মুখহীন ক্লোন হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা তাদের আসল ক্ষমতা পায় না। এটাই কি বার্তা? মুখহীন বাধ্যগত হওয়াই কি সাফল্যের পথ? অবশ্যই রেঞ্জার্সরা ইউনিফর্মের ভেতরে বা বাইরে স্বকীয় নয়, কিন্তু আমি অবাক হই যে তারা সৃজনশীলতার ওপর বাণিজ্যের বিজয়ের প্রতিনিধিত্ব করে কি না। শিশুদের নায়কেরা ঐতিহ্যগতভাবেই স্বকীয় এবং অদ্ভুত হয়ে থাকেন। রেঞ্জার্সরা সঠিকভাবে বলতে গেলে কোনো চরিত্রই নয়। তারা কেবল রং দিয়ে আলাদা করা পণ্য...চলচ্চিত্রটির প্রেস কিট উল্টানোর সময় আমি পিংক পাওয়ার রেঞ্জার কিম্বার্লির চরিত্রে অভিনয় করা অ্যামি জো জনসনের একটি উক্তি দেখতে পাই: " 'মাইটি মর্ফিন পাওয়ার রেঞ্জার্স™: দ্য মুভি' হলো ''স্টার ওয়ার্স'' এবং ''দ্য উইজার্ড অব ওজ'' এর মিশ্রণ। " আমি ভাবি এই দারুণ সতেজ এবং স্বতঃস্ফূর্ত উক্তিটি দেওয়ার সময় অ্যামি জো সত্যিই "টিএম" বলেছিলেন কি না, যা চলচ্চিত্রে তার বলা যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক বেশি জড়িত। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমি ভাবি যে সে কখনো "স্টার ওয়ার্স" বা "দ্য উইজার্ড অব ওজ" দেখেছে কি না। ** ''[[w:মাইটি মর্ফিন পাওয়ার রেঞ্জার্স: দ্য মুভি|মাইটি মর্ফিন পাওয়ার রেঞ্জার্স: দ্য মুভি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/mighty-morphin-power-rangers-the-movie-1995 পর্যালোচনা] (৩০ জুন ১৯৯৫) * বাবা-মায়েদের বলছি, যদি তোমরা এমন কিশোর-কিশোরী দেখতে পাও যারা বলে যে তাদের এই চলচ্চিত্রটি ভালো লেগেছে, তবে তাদের তোমার সন্তানদের সাথে মেলামেশা করতে দিয়ো না। ** ''[[w:রেসিডেন্ট ইভল: অ্যাপোক্যালিপ্স|রেসিডেন্ট ইভল: অ্যাপোক্যালিপ্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/resident-evil-apocalypse-2004 পর্যালোচনা] (১০ সেপ্টেম্বর ২০০৪) * এর কিছু অভিনয় চলচ্চিত্রের যোগ্যতার চেয়েও ভালো। বলতে পারেন সব অভিনয়ই ভালো। আসলে ফিল্ম স্টক নিজেই চলচ্চিত্রের যোগ্যতার চেয়ে ভালো। আপনি জানেন যে মাঝে মাঝে প্রজেক্টরের ভেতরে ফিল্মে আগুন ধরে যায়? যদি এই চলচ্চিত্রটির ক্ষেত্রে এমন হতো, তবে আমার ধারণা দর্শকরা উল্লাস করত। ** ''[[w:রিভলভার (চলচ্চিত্র)|রিভলভার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/revolver-2007 পর্যালোচনা] (৭ ডিসেম্বর ২০০৭) * ''[[w:রোলারবল (২০০২-এর চলচ্চিত্র)|রোলারবল]]'' হলো একটি অসংলগ্ন জগাখিচুড়ি। এটি এমন কিছু ফুটেজের মিশ্রণ যা প্লট, অর্থ, ছন্দ এবং যৌক্তিকতা খুঁজছে। পর্দায় উজ্জ্বল রং এবং দ্রুত নড়াচড়া রয়েছে, যা আমরা একটি চাক্ষুষ বিন্যাস হিসেবে দেখতে পারি। বিনোদন মূল্যের দিক থেকে এটি ক্যালাইডোস্কোপ এবং লাভা ল্যাম্পের মাঝামাঝি কোনো স্থানে পড়ে। ** ২০০২ সালের চলচ্চিত্র ''[[w:রোলারবল (২০০২-এর চলচ্চিত্র)|রোলারবল]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/rollerball-2002 পর্যালোচনা] (৮ ফেব্রুয়ারি ২০০২) * ''[[w:সেভিং সিলভারম্যান|সেভিং সিলভারম্যান]]'' এত বিভিন্ন উপায়ে এতটাই খারাপ যে আপনার হয়তো এটি দেখা উচিত, বেল আকৃতির বক্ররেখার সর্বনিম্ন ঢালের একটি উদাহরণ হিসেবে। এটি এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র যা এর রক্ষকদেরও হতাশার শিকার করে তোলে। ওয়েব-ভিত্তিক সমালোচকদের মধ্যে সেরা আমার বন্ধু [[w:জেমস বেরার্ডিনেলি|জেমস বেরার্ডিনেলি]]র কথা ভাবুন। সন্দেহ নেই যে সানড্যান্স চলচ্চিত্র উৎসবে ১০ দিনের অক্সিজেনের অভাব তার তিন তারকা পর্যালোচনাকে অনুপ্রাণিত করেছিল। সেখানে তিনি আশাবাদী হয়ে বলেছেন, "''সেভিং সিলভারম্যান'' এ পতন এবং স্ল্যাপস্টিক মুহূর্ত রয়েছে, তবে এতে প্রায় কোনো বাতকর্মের জোকস নেই।" সমালোচকদের একটি সাধারণ নিয়ম হলো, আপনি জানবেন যে আপনি সমস্যায় পড়েছেন যখন আপনাকে বাতকর্মের জোকসের অভাবের জন্য একটি চলচ্চিত্রের প্রশংসা করতে হবে এবং "প্রায়" যোগ করতে হবে... [[w:নিল ডায়মন্ড|নিল ডায়মন্ডের]] কথা বলতে গেলে, ''[[w:দ্য জ্যাজ সিঙ্গার (১৯৮০-এর চলচ্চিত্র)|দ্য জ্যাজ সিঙ্গার]]'' এর পর ''সেভিং সিলভারম্যান'' হলো কথাসাহিত্যের চলচ্চিত্রে তাঁর প্রথম উপস্থিতি। একজন কেবল অবাক হতে পারে যে তিনি দ্বিতীয় চলচ্চিত্রে উপস্থিত হওয়ার জন্য ২০ বছর অপেক্ষা করেছিলেন এবং এমন একটি খুঁজে পেয়েছেন যা তাঁর প্রথমটির চেয়েও খারাপ। ** ''[[w:সেভিং সিলভারম্যান|সেভিং সিলভারম্যান]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/saving-silverman-2001 পর্যালোচনা] (৯ ফেব্রুয়ারি ২০০১) * টিনেজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস এর চেয়ে স্পাইস গার্লস দের আলাদা করা সহজ। কিন্তু তা একটি ছোট সান্ত্বনা: আপনি এমন পাঁচজন নারী সম্পর্কে কী বলবেন যাদের প্রধান স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হলো তাদের ভিন্ন ভিন্ন নাম রয়েছে? তারা ''স্পাইস ওয়ার্ল্ড'' এ এমনভাবে অবস্থান করে যেন তারা এটি দেখছে। তারা এতটাই বিচ্ছিন্ন যে তারা সফলভাবে নিজেদের গানে ঠোঁট মেলাতেও পারে না। মহড়ার একটি দৃশ্যে তাদের পরিচালক তাদের এমন সত্যি কথা বলেন যে আমরা হয়তো চিত্রনাট্যকারের কাছ থেকে একটি গোপন বার্তা শুনতে পাচ্ছি, "এটি একদম নিখুঁত ছিল — বাস্তবিকভাবে খুব একটা ভালো না হয়েও।" ''স্পাইস ওয়ার্ল্ড'' স্পষ্টভাবে ''[[w:আ হার্ড ডেজ নাইট (চলচ্চিত্র)|আ হার্ড ডেজ নাইট]]'' এর একটি অনুকরণ হিসেবে তৈরি, যা চলচ্চিত্র জগতে দ্য বিটলস কে এনে দিয়েছিল... বিশাল পার্থক্য হলো অবশ্যই বিটলসরা প্রতিভাবান ছিল। অন্যদিকে সত্যি কথা বলতে, ডানকিন ডোনাটস এর লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ৩০ বছরের কম বয়সী যেকোনো পাঁচজন নারী দিয়ে স্পাইস গার্লসদের অভাব পূরণ করা যেত। ** ''স্পাইস ওয়ার্ল্ড'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/spice-world-1998 পর্যালোচনা] (২৩ জানুয়ারি ১৯৯৮) * এটি আমাকে অবাক করে যে নির্মাতারা এখনও চিত্রায়িত করবেন এবং দর্শকরা এখনও মানব অনুভূতির এতটা দেউলিয়া সম্পর্ক দেখবে যে মনে হয় চরিত্রগুলো কম্পিউটারে লেখা সংলাপ পড়ছে। ** ''[[w:সামার স্কুল (চলচ্চিত্র)|সামার স্কুল]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/summer-school-1987 পর্যালোচনা] (২২ জুলাই ১৯৮৭) * এই চলচ্চিত্রে এমন একটি দৃশ্য রয়েছে যেখানে একটি চরিত্রের গায়ে একই সময়ে কয়েকজন মলত্যাগ করে, এবং আমি জানি না … আমি এটি উপভোগ করিনি। ** ''[[w:টিম অ্যান্ড এরিকস বিলিয়ন ডলার মুভি|টিম অ্যান্ড এরিকস বিলিয়ন ডলার মুভি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/tim-and-erics-billion-dollar-movie-2012 পর্যালোচনা] (২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২) ==== শূন্য তারকা পর্যালোচনা ==== * ''ক্যালিগুলা'' হলো একটি অসুস্থ, সম্পূর্ণ মূল্যহীন এবং লজ্জাজনক জঞ্জাল। '''এটি যদি আমার দেখা সবচেয়ে বাজে চলচ্চিত্র না হয়, তবে এটি এটিকে আরও বেশি লজ্জাজনক করে তোলে: প্রতিভাবান ব্যক্তিরা এই প্রহসনে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।''' বিরক্ত এবং অবর্ণনীয় হতাশায় আমি ১৭০ মিনিটের চলচ্চিত্রটির দুই ঘণ্টা পর বেরিয়ে আসি। সেটা ছিল শনিবার রাত, যখন শত শত মানুষ ৭.৫০ ডলার দিয়ে এই লজ্জার সাক্ষী হওয়ার জন্য লিংকন এভিনিউতে লাইনে দাঁড়িয়েছিল... "এই চলচ্চিত্রটি," আমার সামনের এক নারী পানির ফোয়ারার কাছে বলেছিলেন, "আমার দেখা সবচেয়ে বাজে জিনিস।" ** ''[[w:ক্যালিগুলা (চলচ্চিত্র)|ক্যালিগুলা]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/caligula-1980 পর্যালোচনা] (২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮০) * ''কেওস'' কুৎসিত, ধ্বংসাত্মক এবং নিষ্ঠুর — এমন একটি চলচ্চিত্র যা দেখে আমি অনুতপ্ত। আমি আপনাদের এটি এড়িয়ে চলার অনুরোধ করছি। এটি 'কেবল' একটি হরর চলচ্চিত্র বা স্ল্যাশার চলচ্চিত্র ভেবে ভুল করবেন না। এটি হৃদয়হীন নিষ্ঠুরতার একটি অনুশীলন এবং এটি নির্মম পাশবিকতার মধ্য দিয়ে শেষ হয়। চলচ্চিত্রটি কেবল জীবনের মূল্যই নয়, বরং আশার সম্ভাবনাকেও অস্বীকার করে। ** ''[[w:কেওস (২০০৫ ডমিনিয়ন চলচ্চিত্র)|কেওস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/chaos-2005 পর্যালোচনা] (১১ আগষ্ট ২০০৫) * ''ডিউস বিগলৌ'' চরম বাজে, যেন এটি দর্শকদের কষ্ট দিতে চায়। এর সবচেয়ে ভালো দিক হলো এটি মাত্র ৭৫ মিনিটের। … এটি শুনে কি মনে হচ্ছে যে আপনি চলচ্চিত্রটি দেখতে চান? আমার কাছে মনে হচ্ছে কলম্বিয়া পিকচার্স এবং এর প্রযোজকদের উচিত তাদের ভেতরের শিশুর সাথে দীর্ঘ ও দুঃখজনক আলোচনা করা। <br /> চলচ্চিত্রটি বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল... লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের প্যাট্রিক গোল্ডস্টেইন [২০০৪ সালের] সেরা চলচ্চিত্রের মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করে লিখেছিলেন যে তারা "উপেক্ষিত, অপছন্দের এবং একই স্টুডিওগুলো দ্বারা সরাসরি প্রত্যাখ্যাত, যারা শত শত সিক্যুয়েলে অর্থায়ন করে। যার মধ্যে রয়েছে ''ডিউস বিগলৌ: মেল জিগোলো'' এর একটি সিক্যুয়েল, একটি চলচ্চিত্র যা অস্কারের সময় দুঃখজনকভাবে উপেক্ষা করা হয়েছিল। কারণ দৃশ্যত একজন তৃতীয় শ্রেণির কমিক দ্বারা পরিবেশিত সেরা রানিং পেনিস জোকের জন্য একটি বিভাগ আবিষ্কার করার মতো দূরদর্শিতা কারও ছিল না।" <br /> স্নাইডার গোল্ডস্টেইনকে ডেইলি ভ্যারাইটি এবং হলিউড রিপোর্টার এ পূর্ণ পৃষ্ঠার বিজ্ঞাপন দিয়ে আক্রমণ করে প্রতিশোধ নেন। গোল্ডস্টেইনের উদ্দেশ্যে এক খোলা চিঠিতে স্নাইডার লিখেছিলেন: "জনাব গোল্ডস্টেইন, আমি গবেষণা করে বের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আপনি কী পুরস্কার জিতেছেন। আমি অনলাইনে গিয়ে দেখলাম যে আপনি কিছুই জেতেননি। একেবারেই কিছু না। কোনো ধরনের সাংবাদিকতার পুরস্কার নেই। … হয়তো আপনি পুলিৎজার পুরস্কার জেতেননি কারণ তারা সেরা তৃতীয় শ্রেণির, নিষ্প্রভ দাম্ভিক সাংবাদিক যিনি কখনও তার সহকর্মীদের দ্বারা স্বীকৃত হননি তার জন্য কোনো বিভাগ আবিষ্কার করেনি..." ভাগ্যক্রমে আমি পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছি, তাই আমি যোগ্য। '''একজন পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ীর আনুষ্ঠানিক ক্ষমতাবলে বলছি, জনাব স্নাইডার, আপনার চলচ্চিত্রটি জঘন্য।'''" ** ''[[w:ডিউস বিগলৌ: ইউরোপিয়ান জিগোলো|ডিউস বিগলৌ: ইউরোপিয়ান জিগোলো]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/deuce-bigalow-european-gigolo-2005 পর্যালোচনা] * খুঁটিতে বেঁধে পোড়ানো, র‍্যাকে একটি বিকেল, হেডস্ক্রু, ফুটন্ত পানি দিয়ে ডুশ, হাতে পেরেক, জোরপূর্বক বমি করানো, ছেঁড়া জিভ, মৃত শিশু, মানব লক্ষ্যবস্তুতে অনুশীলন, শয়তান দ্বারা আচ্ছন্ন হওয়া, ধর্ষণ, ট্রান্সভেস্টিজম, নানারিতে নগ্ন অরজি। এগুলো একসাথে রাখুন এবং এগুলো কমিটেড আর্টের কথা বলে। কারণ এগুলো আধুনিক সময় এবং আমি নিশ্চিতভাবে আশা করি আমাদের কেউই সত্যের বিরোধী নই। ** ''[[w:দ্য ডেভিলস (চলচ্চিত্র)|দ্য ডেভিলস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-devils পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৭১) * জনতা ভীতিকর হতে পারে। তাদের সদস্যদের ওপর নিচু, হীন রুচি চাপিয়ে দেওয়ার উপায় তাদের জানা আছে। '''হাজার হাজার মানুষ কীভাবে নিজেদের জন্য ভাবতে পারে না, কীভাবে তাদের শালীনতা ও রুচির সাধারণ অনুভূতিকে জয়ী করার সাহস পায় না তা দেখে আমি আরও ভালোভাবে বুঝতে পেরেছি যে কীভাবে বিভ্রান্তিকর নেতারা সম্ভব।''' ** ''[[w:ডাইস রুলস|ডাইস রুলস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/dice-rules-1991 পর্যালোচনা] (১৭ মে ১৯৯১) * ''ডার্টি লাভ'' লেখা এবং পরিচালনা করা হয়নি, এটি সংঘটিত হয়েছিল। এটি এমন একটি করুণ চলচ্চিত্র যা খারাপের স্তরেও পৌঁছায় না। এটি আশাহীনভাবে অযোগ্য... আমি নিশ্চিত নই যে এর সাথে জড়িত কেউ কখনো কোনো চলচ্চিত্র দেখেছেন কি না বা চলচ্চিত্র কী তা জানেন কি না। ** ''[[w:ডার্টি লাভ|ডার্টি লাভ]]'' এর [http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20050922/REVIEWS/509220303/1023 পর্যালোচনা] (২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৫) * চলচ্চিত্রটির শুরুতে ভবঘুরে ছেলেটি "অনিচ্ছাকৃতভাবে" (প্রেস কিটে আরাকির কথা) এক কোরিয়ান সুবিধাপ্রাপ্ত দোকানের মালিকের মাথা উড়িয়ে দেয়... "রহস্যময় জেভিয়ার" (আমি আবার চমৎকারভাবে প্রকাশিত প্রেস কিট থেকে উদ্ধৃত করছি) এর সাথে এটি চলতে থাকে "যার কর্মফল এতই খারাপ যে প্রতিবার যখন তারা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এবং ডায়েট কোকের জন্য গাড়ি থামায়, তখন কেউ না কেউ জঘন্য উপায়ে মারা যায়।" অপেক্ষা করুন, আরও আছে: "তরুণ দলছুটরা যখন আমেরিকার পতিতভূমির মধ্য দিয়ে তাদের ভ্রমণ চালিয়ে যায়, অ্যামি তখন নিজেকে জর্ডান এবং জেভিয়ার উভয়ের সাথে (শারীরিক সম্পর্কে) খুঁজে পায় এবং প্রেম, যৌনতা ও হতাশার এমন একটি ত্রিভুজ তৈরি করে যা এই পৃথিবীর জন্য খুবই পবিত্র।" এখন এটি বিশ্লেষণ করা যাক। (১) সঠিক শব্দটি হলো "its", "their" নয়। (২) "ব্যান্ড অব আউটসাইডার্স" হলো একটি ভেতরের উল্লেখ যা কোয়েন্টিন টারান্টিনোর প্রযোজনা সংস্থা "এ ব্যান্ড অ্যাপার্ট" কে নির্দেশ করে। এই সংস্থাটির নাম আবার গদার এর [[w:ব্যান্ডে আ পার্ট (চলচ্চিত্র)|একটি চলচ্চিত্রের]] শিরোনামের ওপর একটি শ্লেষ। (৩) এটা কি কোনোভাবেই সম্ভব যে আমেরিকা একটি "পতিতভূমি" কারণ অ্যামি, জর্ডান এবং জেভিয়ার প্রতিবার ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এবং সোডার জন্য থামার সময় কাউকে হত্যা করে? এই চলচ্চিত্রটি এমনটা ভাবেনি। (৪) "কেউ মারা যায়" কথাটি এই তিনজন চরিত্র যে তাদের হত্যা করে, তা এড়ানোর একটি নিষ্ক্রিয় উপায়। '''ঠিক একই গঠন অনেক সিরিয়াল কিলার এবং রাষ্ট্রপ্রধানরা ব্যবহার করেন, যারা ভাষার মাধ্যমে নিজেদের কর্মের পরিণতি থেকে আলাদা রাখেন।''' ** ''[[w:দ্য ডুম জেনারেশন|দ্য ডুম জেনারেশন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-doom-generation-1995 পর্যালোচনা] (১০ নভেম্বর ১৯৯৫) * এই চলচ্চিত্রটি তলানির ধারেকাছেও যায়নি। এই চলচ্চিত্রটি তলানি নয়। এই চলচ্চিত্রটি তলানির নিচেও নয়। এই চলচ্চিত্রটি তলানির সাথে একই বাক্যে উল্লেখ করারও যোগ্য নয়... এমন একদিন আসতে পারে যখন "ফ্রেডি গট ফিঙ্গার্ড" নিও-সুররিয়ালিজমের একটি মাইলফলক হিসেবে দেখা হবে। '''এমন দিন হয়তো কখনো আসবে না যখন এটিকে মজার হিসেবে দেখা হবে।''' ** ''[[w:ফ্রেডি গট ফিঙ্গার্ড|ফ্রেডি গট ফিঙ্গার্ড]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/freddy-got-fingered-2001 পর্যালোচনা] (২০ এপ্রিল ২০০১) * ''[[w:গিয়ানা: ক্রাইম অব দ্য সেঞ্চুরি|গিয়ানা-কাল্ট অব দ্য ড্যামড]]'' গর্ত থেকে বেরিয়ে এসে স্থানীয় প্রেক্ষাগৃহগুলোতে প্রবেশ করেছে। এটি এই সপ্তাহের এমন একটি উদাহরণ হিসেবে কাজ করবে যা দেখায় যে মানুষ টাকার খোঁজে কতটা নিচে নামতে পারে। এই চলচ্চিত্রটি ১৯৭৮ সালের জোনসটাউন গণহত্যার একটি বীভৎস সংস্করণ। এটি এত খারাপভাবে লেখা এবং পরিচালিত হয়েছে যে এটি চলচ্চিত্র প্রদর্শনের একটি সাধারণ নিয়ম তুলে ধরে: যদি কোনো চলচ্চিত্র এতটাই বমি উদ্রেককারী এবং নিন্দনীয় হয়, তবে তা কতটা খারাপভাবে তৈরি হয়েছে তা কোনো ব্যাপার নয় - মানুষ তবু তা দেখতে যাবে। ** ''[[w:গিয়ানা: ক্রাইম অব দ্য সেঞ্চুরি|গিয়ানা-কাল্ট অব দ্য ড্যামড]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/guyana-cult-of-the-damned-1980 পর্যালোচনা] (২৯ জানুয়ারি ১৯৮০) * আমি সাধারণত দর্শকদের উদ্দেশ্য নিয়ে ভাবি না, এবং আমি তাদের মন পড়ারও চেষ্টা করি না। কিন্তু সোমবার সকালে আমার চারপাশে যারা বসে ছিল, তারা আমাকে সহজেই বুঝতে সাহায্য করেছিল যে তারা কী ভাবছে। তারা জোরে জোরে কথা বলছিল। এবং যদি তারা সত্যিই বিশ্বাস করে থাকে যা তারা বলছিল, তবে তারা ছিল পরোক্ষ যৌন অপরাধী। ** ''[[w:আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ|আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/i-spit-on-your-grave-1980 পর্যালোচনা] (১৬ জুলাই ১৯৮০) * ১৯৭৮ সালের জঘন্য চলচ্চিত্র ''[[w:আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ|আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ]]'' এর এই জঘন্য [[w:আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ (২০১০-এর চলচ্চিত্র)|রিমেক]] আরেকটি অপরাধ যোগ করে: একটি ভুয়া নৈতিক সমতা। মূল চলচ্চিত্রে একজন নারী বোকামি করে একা একটি নির্জন কেবিনে ছুটি কাটাতে যাওয়ার কথা ভেবেছিলেন। তিনি বিকৃত স্থানীয় পুরুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন, যারা একের পর এক তাকে ধর্ষণ করেছিল। এরপর চলচ্চিত্রটি তার মারাত্মক প্রতিশোধের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এই চলচ্চিত্রে প্রতিশোধের জন্য কম সময় এবং তার বিরুদ্ধে মৌখিক, মানসিক ও শারীরিক সহিংসতার জন্য বেশি সময় ব্যয় করা হয়েছে। ফলে এটি নারীদের প্রতি পরোক্ষ নিষ্ঠুরতা হিসেবে আরও ভালোভাবে কাজ করে। ** ''[[w:আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ (২০১০-এর চলচ্চিত্র)|আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/i-spit-on-your-grave-2010 পর্যালোচনা] (৬ অক্টোবর ২০১০) * এই প্লটটি যদি কিছু বোঝাতে চায়, তবে তা হলো [[w:কিং লিয়ার|কিং লিয়ারের]] সেই অভিযোগ, "দেবতাদের কাছে আমরা হলাম দুষ্টু ছেলেদের হাতে মাছির মতো; তারা খেলার ছলে আমাদের মেরে ফেলে।" আমি জানি যে এই নিয়ে টানা দুই সপ্তাহে আমাকে লিয়ারের উদ্ধৃতি দিতে হলো, কিন্তু এমন সময় আসে যখন এমিনেম দিয়ে কাজ চলে না। ** ''দ্য লাইফ অব ডেভিড গেল'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-life-of-david-gale-2003 পর্যালোচনা] (২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৩) * ''লিটল ইন্ডিয়ান, বিগ সিটি'' সর্বকালের সবচেয়ে বাজে চলচ্চিত্রগুলোর একটি। এর প্রতিটি নির্বোধ মুহূর্ত আমি ঘৃণা করেছি... আপনি যদি কোনো অবস্থাতেই ''লিটল ইন্ডিয়ান, বিগ সিটি'' দেখেন, তবে আমি আপনাকে আর কখনোই আমার পর্যালোচনা পড়তে দেব না। ** ''[[w:আন ইন্ডিয়ান ড্যান্স লা ভিলি|লিটল ইন্ডিয়ান, বিগ সিটি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/little-indian-big-city-1996 পর্যালোচনা] (২২ মার্চ ১৯৯৬) * ''[[w:ম্যাড ডগ টাইম|ম্যাড ডগ টাইম]]'' আমার দেখা প্রথম চলচ্চিত্র যা একই সময়ের জন্য ফাঁকা পর্দার দৃশ্য দেখার চেয়ে ভালো কিছু দিতে পারে না। ওহ, আমি এর আগে বাজে চলচ্চিত্র দেখেছি। কিন্তু সেগুলো সাধারণত আমাকে ভাবাত যে সেগুলো কতটা খারাপ। ''ম্যাড ডগ টাইম'' দেখা হলো এমন এক শহরে বাসের জন্য অপেক্ষা করার মতো যেখানে আপনি নিশ্চিত নন যে সেখানে কোনো বাস লাইন আছে কি না... ''ম্যাড ডগ টাইম'' কেটে গরিবদের জন্য বিনামূল্যে ইউকুলেলের পিক বানানো উচিত। ** ''[[w:ম্যাড ডগ টাইম|ম্যাড ডগ টাইম]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/mad-dog-time-1996 পর্যালোচনা] (২৯ নভেম্বর ১৯৯৬) * ''[[w:ম্যানডিঙ্গো (চলচ্চিত্র)|ম্যানডিঙ্গো]]'' হলো এক বর্ণবাদী জঞ্জাল। এটি মানুষ ও তাদের অনুভূতির অপব্যবহারে এতটাই জঘন্য এবং সহ্য করা এতটাই যন্ত্রণাদায়ক যে, আমি গত শনিবার বিকেলে বেশিরভাগ শিশুদের নিয়ে গঠিত দর্শকদের মধ্যে বসে এটি অনুভব করেছি। চলচ্চিত্রটির রেটিং "আর", যা অনেক শিশুকে ভেতরে ঢোকা থেকে আটকাতে পারেনি, কারণ বেশিরভাগই তাদের বাবা-মায়ের সাথে এসেছিল... যদি [শিকাগো] বিশ্বাস করে যে শিশুদের ''ম্যানডিঙ্গো'' দেখানো উচিত, তবে আর কোনো মানদণ্ড অবশিষ্ট নেই। এখন একমাত্র করণীয় হলো সেন্সর বোর্ডকে পার্ক বিভাগে বদলি করে দেওয়া, যেখানে তারা কাগজের প্লেট ছোড়ার প্রতিযোগিতা তদারকি করতে পারবে। ** ''[[w:ম্যানডিঙ্গো (চলচ্চিত্র)|ম্যানডিঙ্গো]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/mandingo-1975 পর্যালোচনা] (২৫ জুলাই ১৯৭৫) * আমি এই চলচ্চিত্রটি ঘৃণা করেছি। ঘৃণা করেছি, ঘৃণা করেছি, ঘৃণা করেছি, ঘৃণা করেছি, এই চলচ্চিত্রটি ঘৃণা করেছি। ঘৃণা করেছি। এর প্রতিটি বোকা, ফাঁকা এবং দর্শকদের অপমানজনক মুহূর্ত আমি ঘৃণা করেছি। যে সংবেদনশীলতা ভেবেছিল যে কেউ এটি পছন্দ করবে, আমি তা ঘৃণা করেছি। কেউ এটি দেখে বিনোদন পাবে, এই বিশ্বাস করে দর্শকদের যে অপমান করা হয়েছে তা আমি ঘৃণা করেছি। ** ''[[w:নর্থ (১৯৯৪-এর চলচ্চিত্র)|নর্থ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/north-1994 পর্যালোচনা] (২২ জুলাই ১৯৯৪) * আমি বিশ্বাস করি এবং যুক্তি দেব যে সব ধর্মের বেশিরভাগ সদস্যই কাউকে হত্যা করতে চায় না। তারা তাদের পরিবারকে ভালোবাসতে ও যত্ন নিতে চায়, এমন সম্মানজনক কাজ করতে চায় যা জীবনকে টিকিয়ে রাখে ও আরাম দেয়, শান্তিতে থাকতে চায় এবং প্রতিবেশীদের সাথে মিলেমিশে থাকতে চায়। আমার সন্দেহ হয়, কিছু মানুষের মধ্যে থাকা এক বিকৃত প্রবণতা তাদের আত্ম-ধার্মিকতার নামে সহিংসতার দিকে ধাবিত করে, এবং ধর্মকে একটি সুবিধাজনক অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে... আমি এই চলচ্চিত্রের দর্শকদের কল্পনা করার যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। প্রতিবার যখনই আমি একটু অগ্রসর হই, এটি আমাকে ভয় পাইয়ে দেয়। ** ''[[w:সেপ্টেম্বর ডন|সেপ্টেম্বর ডন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/september-dawn-2007 পর্যালোচনা] (২৪ আগষ্ট ২০০৭) * এই চলচ্চিত্রের নির্মাতারা কোন গ্রহ থেকে এসেছেন? জীবনের উদ্দেশ্য ও মান নিয়ে তাদের কী ধারণা? আমি জিজ্ঞেস করছি কারণ ''[[w:শিজ আউট অব কন্ট্রোল|শিজ আউট অব কন্ট্রোল]]'' একই সাথে এতটা অদ্ভুত এবং এতটা মামুলি যে এটি প্রথম: এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা বাস্তবতার কোনো স্তরের উল্লেখ ছাড়াই সম্পূর্ণ সিটকম ক্লিশে এবং কৃত্রিম জীবনধারা দিয়ে তৈরি। ** ''[[w:শিজ আউট অব কন্ট্রোল|শিজ আউট অব কন্ট্রোল]]'' এর [https://www.rogerebert.com/reviews/shes-out-of-control-1989 পর্যালোচনা] (১৪ এপ্রিল ১৯৮৯) * চলচ্চিত্রটি পুরোনো ক্যাম্পাসের প্রেমের রসিকতার একটি ক্লান্তিকর পুনরাবৃত্তি। এখানে সুন্দরী মেয়েটি তাকে ভালোবাসে এমন ভালো ছেলেকে বিশ্বাস না করে এক জঘন্য প্রতারকের মিথ্যায় প্রায় বিশ্বাস করে ফেলে। চলচ্চিত্রটি এই সূত্রে একমাত্র যে মৌলিকতা এনেছে, তা হলো এর গল্প বলার অদক্ষ কাঠামোর মাধ্যমে এটিকে দুর্বোধ্য করে তোলা। বড় চিত্রটি অাঁকা না রেখেই বিস্তারিত বিষয়গুলোতে জোর দেওয়া হয়েছে... এর কল্পনার অভাব দেখে আমি আতঙ্কিত হয়েছিলাম। ** ''[[w:স্ল্যাকার্স (চলচ্চিত্র)|স্ল্যাকার্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/slackers-2002 পর্যালোচনা] (১ ফেব্রুয়ারি ২০০২) * ''সাওয়ার গ্রেপস'' এমন একটি কমেডি যা মোটেও মজার নয়। এটি আমাকে ''[[w:ক্র্যাশ (১৯৯৬-এর চলচ্চিত্র)|ক্র্যাশ]]'' এর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে, যা এমন একটি কামুক থ্রিলার যার কোনো কিছুই কামোদ্দীপক নয়। বড় পার্থক্য হলো [[w:ডেভিড ক্রোনেনবার্গ|ডেভিড ক্রোনেনবার্গ]], যিনি ''ক্র্যাশ'' তৈরি করেছিলেন, তিনি জানতেন যে মানুষ সড়ক দুর্ঘটনা দেখে উত্তেজিত হয় না। ল্যারি ডেভিড, যিনি ''সাওয়ার গ্রেপস'' লিখেছেন এবং পরিচালনা করেছেন, তিনি মনে হয় ভাবেন যে মানুষ ক্যান্সার, দুর্ঘটনাবশত খোজাকরণ, বর্ণবাদী স্টেরিওটাইপ এবং তিক্ত পারিবারিক বিবাদ দেখে মজা পায়... আমি যত বেশি ভাবছি, তত বেশি মনে হচ্ছে ''সাওয়ার গ্রেপস'' সত্যিই ''ক্র্যাশ'' এর মতো (যদিও ''ক্র্যাশ'' খারাপ চলচ্চিত্র ছিল না)। উভয় চলচ্চিত্রই অটোমোবাইল দুর্ঘটনা দেখার মতো। তবে কেবল একটিই এমন হওয়ার কথা ছিল। ** ''[[w:সাওয়ার গ্রেপস (চলচ্চিত্র)|সাওয়ার গ্রেপস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/sour-grapes-1998 পর্যালোচনা] (১৭ এপ্রিল ১৯৯৮) * আমি ভালো হরর চলচ্চিত্র পছন্দ করি। সেগুলো আমাদের মনের শয়তানকে দূর করতে পারে। ''দ্য টেক্সাস চেইনস মাসাকার'' কোনো কিছু দূর করতে চায় না। এটি আমাদের কল্পনার মধ্য দিয়ে নোংরা কিছু মাড়িয়ে আমাদের স্বপ্নের ওপর পা মুছতে চায়। আমি ডেটে যাওয়া দর্শকদের কথা ভাবি যারা এই চলচ্চিত্রটি দেখে এবং তারপর — কী? আমার ধারণা তাদের এটি নিয়ে হাসতে হবে, কারণ বোকা বনে যাওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে ব্যঙ্গ করা এখন একটি কেতাদুরস্ত প্রতিক্রিয়া। … নিজের উপকার করুন। এখন অনেক ভালো চলচ্চিত্র চলছে যা আপনাকে একটু বেশি খুশি, বুদ্ধিমান, কামুক, মজাদার, আরও উত্তেজিত — অথবা আরও ভীত করে তুলতে পারে, যদি আপনি সেটাই চান। এটি সেগুলোর মধ্যে একটি নয়। এটি দিয়ে আপনার জীবনের ৯৮ মিনিট নষ্ট করবেন না। ** ''[[w:দ্য টেক্সাস চেইনস মাসাকার (চলচ্চিত্র)|দ্য টেক্সাস চেইনস মাসাকার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-texas-chainsaw-massacre-2003 পর্যালোচনা] (১৭ অক্টোবর ২০০৩) * ''[[w:উলফ ক্রিক (চলচ্চিত্র)|উলফ ক্রিক]]'' দেখা আমার জন্য কঠিন ছিল। এটি একটি সুস্পষ্ট উদ্দেশ্যে তৈরি চলচ্চিত্র: চিৎকার করা তরুণীদের নিষ্ঠুরভাবে অনুসরণ, নির্যাতন এবং অঙ্গচ্ছেদের দৃশ্য দেখিয়ে পরিচালকের বাণিজ্যিক দক্ষতা প্রমাণ করা। যখন খুনি তার এক শিকারের মেরুদণ্ড কেটে ফেলে এবং তাকে "লাঠির মাথায় রাখা মুণ্ডু" বলে ডাকে, তখন আমি প্রেক্ষাগৃহ থেকে বেরিয়ে গিয়ে হাঁটতে থাকতে চেয়েছিলাম। ** ''[[w:উলফ ক্রিক (চলচ্চিত্র)|উলফ ক্রিক]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/wolf-creek-2005 পর্যালোচনা] (২৩ ডিসেম্বর ২০০৫) ==== তারকা রেটিং ছাড়া ==== * এই চলচ্চিত্রের তারকা [[w:লিন্ডা লাভলেস|লিন্ডা লাভলেস]] যৌন স্বাধীনতার সমর্থন করেন, যা খুবই ভালো। কিন্তু তিনি তার চরিত্রে যে শক্তি নিয়ে এসেছেন, তা চমকপ্রদ হওয়ার চেয়ে বেশি হতাশাজনক। যৌন স্বাধীনতার জন্য যদি এতটা পরিশ্রম করতে হয়, তবে হয়তো এটি এতটা চেষ্টার যোগ্য নয়। ** ''[[w:ডিপ থ্রোট (চলচ্চিত্র)|ডিপ থ্রোট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/deep-throat-1973 পর্যালোচনা] (৬ মার্চ ১৯৭৩) * আমাকে এমন চলচ্চিত্রগুলোতে তারকা রেটিং দিতে হয় যা আমি পর্যালোচনা করি। এইবার আমি তা করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছি। তারকা রেটিং ব্যবস্থা এই চলচ্চিত্রের জন্য অনুপযুক্ত। চলচ্চিত্রটি কি ভালো? এটি কি খারাপ? এতে কি কিছু যায় আসে? এটি যা, তা-ই। এবং এটি এমন এক জগতে থাকে যেখানে তারকারা জ্বলে না। ** ''[[w:দ্য হিউম্যান সেন্টিপিড (ফার্স্ট সিকোয়েন্স)|দ্য হিউম্যান সেন্টিপিড]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-human-centipede-2010 পর্যালোচনা] (৫ মে ২০১০) == ইবার্ট সম্পর্কে উক্তি == [[চিত্র:Roger Ebert Statue, Virginia Theater (Champaign).JPG|থাম্ব|রজার নিজেই ছিলেন চলচ্চিত্র। যখন কোনো চলচ্চিত্র তার ভালো লাগত না, তিনি [[সততা|সৎ]] থাকতেন। আর যখন ভালো লাগত, তখন তিনি উচ্ছ্বসিত হতেন। তিনি চলচ্চিত্রের অনন্য [[শক্তি]] দিয়ে আমাদের কোনো [[জাদু|জাদুকরি]] জায়গায় নিয়ে যেতেন। ~ [[বারাক ওবামা]]]] :<small>লেখকের নাম অনুযায়ী বর্ণনানুক্রমিক </small> [[চিত্র:Boutte and Ebert.jpg|থাম্ব|ডান|অনেক চলচ্চিত্র [[সমালোচক|সমালোচকের]] ক্ষেত্রে আপনি এমন কথা শুনবেন না। [[মানুষ]] রজার ইবার্টকে [[ভালোবাসা|ভালোবাসে]]। ~ রডনি ওয়েলচ]] * '''রজার ইবার্ট একটি জাতীয় সম্পদ।''' তিনি সবচেয়ে পরিচিত এবং সুপরিচিত চলচ্চিত্র সমালোচক। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে আমার প্রিয় লেখক। আমি সবসময় তাঁর [[মতামত|মতামতের]] সাথে একমত হই না, যা আমার অধিকার, কিন্তু তিনি সবসময় সেগুলো সমর্থন করেন। তিনি এমন কেউ নন যিনি কেবল বলে দেবেন যে অমুক চলচ্চিত্রের অমুক দিকটি খারাপ এবং সেখানেই শেষ করবেন। বরং তিনি তাঁর [[চিন্তা|চিন্তা]] প্রক্রিয়ার [[কারণ]]গুলোও তুলে ধরবেন। ** ক্রিস বিউমন্ট, ব্লগক্রিটিকস ম্যাগাজিনের [http://blogcritics.org/archives/2006/10/15/001852.php "রজার ইবার্টস রিহ্যাবিলিটেশন গোয়িং ওয়েল"] এ (১৫ অক্টোবর ২০০৬) * তাঁর অভদ্র ও সহজাত বামপন্থি মানসিকতার মাধ্যমে ইবার্ট কেবল আরেকজন হলিউড অভিজাত শ্রেণিতে পরিণত হয়েছেন, যিনি আমেরিকাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন। দুই বৃদ্ধাঙ্গুলি নিচের দিকে। ** ক্রিস রিড, ফ্রন্টপেজম্যাগাজিনের [http://www.frontpagemag.com/Articles/ReadArticle.asp?ID=9187 "রজার ইবার্ট: দ্য শ্রিল শিল"] এ (১ আগষ্ট ২০০৩) * '''এটি বাড়িয়ে বলা হবে না যে মি. ইবার্ট ছিলেন তাঁর প্রজন্মের সবচেয়ে সুপরিচিত চলচ্চিত্র পর্যালোচক এবং অন্যতম [[বিশ্বাস|বিশ্বস্ত]] একজন ব্যক্তি।''' তাঁর মতামতের [[শক্তি]] এবং [[সৌন্দর্য]] চলচ্চিত্র সমালোচনাকে আমেরিকান সংস্কৃতির মূল স্রোতে নিয়ে এসেছিল। তিনি দর্শকদের কেবল কী দেখতে হবে তার পরামর্শই দেননি, বরং তারা যা দেখেছেন সে সম্পর্কে কীভাবে চিন্তা করতে হবে তাও শিখিয়েছিলেন। ** [[w:ডগলাস মার্টিন|ডগলাস মার্টিন]], দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের [http://www.nytimes.com/2013/04/05/movies/roger-ebert-film-critic-dies.html?_r=0&pagewanted=all "আ ক্রিটিক ফর দ্য কমন ম্যান"] এ (৪ এপ্রিল ২০১৩) * রজার ইবার্টের মৃত্যুর খবর শুনে আমি আজ খুবই ব্যথিত হয়েছি। '''রজার... চিরকালই আমার প্রিয় চলচ্চিত্র সমালোচক। আমি সবসময় তাঁর সাথে একমত হইনি, কিন্তু আমি সবসময় তাঁর লেখা অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ এবং পড়তে মজাদার পেয়েছি।''' তিনি কেবল একজন অসাধারণ সমালোচকই ছিলেন না, তিনি একজন অসাধারণ লেখকও ছিলেন। .. '''একজন বুদ্ধিমান মানুষ, একটি সুন্দর জীবন। আমি তাঁকে দুই বৃদ্ধাঙ্গুলি ওপরের দিকে দেখাচ্ছি।''' ** জর্জ আর. আর. মার্টিন, নট আ ব্লগের [http://grrm.livejournal.com/319625.html রিপ রজার ইবার্ট] এ (৫ এপ্রিল ২০১৩) * আমেরিকানদের একটি প্রজন্মের জন্য — এবং বিশেষ করে শিকাগোবাসীদের জন্য — রজার নিজেই ছিলেন চলচ্চিত্র। '''যখন কোনো চলচ্চিত্র তার ভালো লাগত না, তিনি সৎ থাকতেন। আর যখন ভালো লাগত, তখন তিনি উচ্ছ্বসিত হতেন। তিনি চলচ্চিত্রের অনন্য শক্তি দিয়ে আমাদের কোনো জাদুকরি জায়গায় নিয়ে যেতেন।''' ** [[বারাক ওবামা]], দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে ডগলাস মার্টিন রচিত [http://www.nytimes.com/2013/04/05/movies/roger-ebert-film-critic-dies.html?_r=0&pagewanted=all "আ ক্রিটিক ফর দ্য কমন ম্যান"] এ উদ্ধৃত (৪ এপ্রিল ২০১৩) * '''আমেরিকানদের কেন চলচ্চিত্র ভালোবাসা উচিত, তা बताने के लिए রজার ইবার্টের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কেউ ছিলেন না।''' ** [[w:মাইকেল শ্যামবার্গ|মাইকেল শ্যামবার্গ]], এডিটর অ্যান্ড পাবলিশারের [http://www.editorandpublisher.com/eandp/departments/syndicates/article_display.jsp?vnu_content_id=1003577005 "রজার ইবার্ট মেকস ফার্স্ট পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্স ইন ১০ মান্থস"] এ উদ্ধৃত (২৬ এপ্রিল ২০০৭) * গত পঁচিশ বছরের অন্যতম প্রভাবশালী আমেরিকান লেখক ও সমালোচক রজার ইবার্টের [[মৃত্যু|মৃত্যুর]] পর আজ এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি বলেছেন, '''"রজার ছাড়া চলচ্চিত্র আর আগের মতো থাকবে না।"''' '''প্রথমত, তিনি ছিলেন একজন দুর্দান্ত চলচ্চিত্র সমালোচক, একজন [[আনন্দ|আনন্দিত]] দর্শক যিনি সবসময় প্রচার করতেন যে [[মহান]] [[শিল্প]] এবং জনপ্রিয় বিনোদন পরস্পরবিরোধী নয়।''' … তিনি একজন দুর্দান্ত প্রাবন্ধিকও ছিলেন। পৃথিবী এখন কোনো প্রকাশকের কাছে তাঁর সেরা ব্লগ পোস্টগুলো মলাটবদ্ধ করার অনুরোধ করে। যাতে যারা তাঁর মতোই ছাপার অক্ষর ভালোবাসতেন, তাদের জন্য সেগুলো সংরক্ষিত থাকে। '''তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তিনি [[মানবতা|মানবতা]] এবং মানুষের সৃষ্টিকে উদ্‌যাপন করতেন।''' ** মাইকেল শেরার, টাইম ম্যাগাজিনের [http://swampland.time.com/2013/04/04/roger-ebert-rip/#ixzz2PhpDI5Ue "রজার ইবার্ট আর.আই.পি."] এ (৪ এপ্রিল ২০১৩) * '''অনেক চলচ্চিত্র সমালোচকের ক্ষেত্রে আপনি এমন কথা শুনবেন না। মানুষ রজার ইবার্টকে ভালোবাসে।''' … এর একটি ভালো কারণ রয়েছে: ইবার্ট চলচ্চিত্র দর্শক এবং প্রেক্ষাগৃহের মাঝখানে দাঁড়ান না। বরং তাঁর নিয়মিত পাঠকরা হলেন গুরুতর চলচ্চিত্রপ্রেমী যারা তাঁকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখেন। তিনি এমন একজন যিনি চলচ্চিত্রগুলোকে কম বোকা, আরও বিনোদনমূলক, আরও বুদ্ধিদীপ্ত, এককথায় আরও ভালো করার জন্য লড়াই করেন। তিনি যে আপনার পক্ষে আছেন, তা জানার জন্য আপনাকে তাঁর সাথে একমত হতে হবে না। যেমন আমি এই বইটিতে তাঁর সাথে একমত হইনি, যখন তিনি ''টিম আমেরিকা'' এবং ''জিসাস ইজ ম্যাজিক'' নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন। এই দুটি চলচ্চিত্র দেখে আমি হাসতে হাসতে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। তিনি বাজে চলচ্চিত্রগুলো দেখেন যাতে আপনাকে দেখতে না হয়। এবং তিনি একই চলচ্চিত্র বারবার দেখেছেন। … তবে কেবল ক্ষোভ উগরে দেওয়াই তাঁর কাজ নয়। কোনো চলচ্চিত্র কেন সফল হয়, তার মতো কোনো চলচ্চিত্র কেন ব্যর্থ হয় তা নিয়েও তাঁর সমান আগ্রহ রয়েছে। বেশিরভাগ সময়ই কারণটা স্পষ্ট থাকে: কারণ এটি বোকাদের জন্য বোকাদের দ্বারা তৈরি। এসব ক্ষেত্রে ইবার্ট আমাদের যতটা সম্ভব বিনোদনমূলক উপায়ে গল্পের মধ্য দিয়ে নিয়ে যান। … চল্লিশ বছর পরও, তিনি একজন চলচ্চিত্র দর্শকের সেরা বন্ধু। ** রডনি ওয়েলচ, ফ্রি টাইমসের [http://www.free-times.com/Portlet/Print_Friendly.php?Print=Article&z_Article_ID=11462205071445460 "ওর্স্ট. মুভিজ. এভার. আ রিভিউ অব রজার ইবার্টস ''ইওর মুভি সাকস''"] এ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.rogerebert.com/ রজার ইবার্টের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট] * [http://www.ebertandroeper.tv/ ইবার্ট অ্যান্ড রোপারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট] * [http://www.rogerebert.com/rogers-journal/in-the-meadow-we-can-pan-a-snowman "ইন দ্য মিডৌ, উই ক্যান প্যান আ স্নোম্যান"], (রজার ইবার্টের জার্নাল), ''শিকাগো সান-টাইমস'', ২১ ডিসেম্বর ২০০৮ – তাঁর কলামগুলো থেকে প্রিয় চলচ্চিত্রের সমালোচনা উদ্ধৃত করে, "বার্মিংহাম, আলাবামার পাঠক জেরি রবার্টস এবং এর কিছুর জন্য উইকিকোটস ''[সিক]'' কে ধন্যবাদ।" * {{nndb name|id=230/000024158|name=রজার ইবার্ট}} * {{imdb name|id=0001170|name=রজার ইবার্ট}} * [http://www.rss.hm/ রজার ইবার্টের আরএসএস ফিড] * [http://www.progressive.org/mag_intvebert রজার ইবার্টের সাথে প্রগ্রেসিভ ম্যাগাজিনের সাক্ষাৎকারের প্রতিলিপি] {{ডিফল্টসর্ট:ইবার্ট, রজার}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১৩-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের চিত্রনাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রাক্তন রোমান ক্যাথলিক]] kyptjzd6fw28je3667oj5jbhkyc6pbc 83511 83510 2026-05-08T05:46:40Z Oindrojalik Watch 4169 83511 wikitext text/x-wiki [[File:Roger Ebert cropped.jpg|thumb|right|যাঁরা কাউকে অপমান করতে [[ভয়|ভয় পান]], তাঁদের জন্য [[w:বাকস্বাধীনতা|বাকস্বাধীনতার]] কী ব্যবহার আছে?]] [[File:Russ_Meyer_and_Roger_Ebert_by_Roger_Ebert.jpg|thumb|right|[[w:রাস মেয়ার|মেয়ার]] হলেন এমন একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা যাঁর প্রতিটি ফ্রেমে তাঁর নিজের আবেশ প্রতিফলিত হয়। অন্যান্য সমস্ত গম্ভীর [[শিল্পী|শিল্পীদের]] মতো তিনিও তাঁর [[কাজ]] এবং তাঁর [[স্বপ্ন|স্বপ্নের]] মাঝে কোনো ফাঁক রাখেন না।]] '''[[w:রজার ইবার্ট|রজার জোসেফ ইবার্ট]]''' (১৮ জুন ১৯৪২ – ৪ এপ্রিল ২০১৩) ছিলেন একজন মার্কিন [[w:চলচ্চিত্র সমালোচনা|চলচ্চিত্র সমালোচক]], চলচ্চিত্র ইতিহাসবিদ, সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক, চিত্রনাট্যকার এবং লেখক। তিনি ১৯৬৭ সাল থেকে ২০১৩ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত ''[[w:শিকাগো সান-টাইমস|শিকাগো সান-টাইমস]]ের'' চলচ্চিত্র সমালোচক ছিলেন। তিনি [[w:সমালোচনার জন্য পুলিৎজার পুরস্কার|সমালোচনার জন্য পুলিৎজার পুরস্কার]] বিজয়ী প্রথম চলচ্চিত্র সমালোচক ছিলেন। == উক্তি == [[File:Roger Ebert crop (retouched).jpg|thumb|[[শিল্প]] হলো একজন [[অপরিচিত ব্যক্তি]] আসলে কী [[অনুভূতি|অনুভব করেন]], তা [[বোঝা|বোঝার]] সবচেয়ে কাছের উপায়।]] [[File:Casablanca, Trailer Screenshot.JPG|thumb|অহংকারীরা বাদ দেন; তাঁরা অন্তর্ভুক্ত করেন না। আপনার [[পছন্দ|পছন্দের]] তালিকা থেকে সাদাকালো চলচ্চিত্র বাদ দেওয়ার অর্থ হলো আপনার একটি বদ্ধ [[মন]], একটি সীমিত [[কল্পনা|কল্পনাশক্তির]] অধিকারী হওয়া অথবা আপনার [[রুচি|রুচির]] অভাব রয়েছে।]] [[File:BusterKeatonKBF1956.jpg|thumb|[[বাস্টার কিটন|বাস্টার]] [[টর্নেডো]], জলপ্রপাত, পাথরের ধস এবং অনেক উঁচু থেকে পড়ে গিয়েও বেঁচে যান এবং কখনো মাথা নোয়াতে থামেন না। তাঁর [[চোখ]] তাঁর [[লক্ষ্য|লক্ষ্যের]] দিকে থাকে। তাঁর চলচ্চিত্রগুলোকে একসাথে দেখলে মনে হয় যেন [[প্রতিকূলতা|প্রতিকূলতার]] মুখে এগুলো [[আশাবাদ|আশাবাদের]] একটি ধারাবাহিক কাজ।]] [[File:The General, front.jpg|thumb|কোনো নির্বাক তারকাই [[বাস্টার কিটন|বাস্টার কিটনের]] চেয়ে বেশি [[বিপজ্জনক]] স্টান্ট করেননি। ডাবল ব্যবহার করার পরিবর্তে তিনি নিজেই তাঁর অভিনেতাদের ডাবল হিসেবে কাজ করতেন এবং নিজের স্টান্টগুলোর পাশাপাশি তাঁদের স্টান্টগুলোও করতেন।]] [[File:Chaz Hammel-Smith, Roger Ebert, and Nancy Kwan at the Hawaii International Film Festival in October 2010.jpg|thumb|right|অসুস্থতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া [[মানবপ্রকৃতি]]। আমরা আমাদের নিজেদের ভঙ্গুর মরণশীলতার কথা মনে করিয়ে দেওয়াটা উপভোগ করি না। এই কারণে ইন্টারনেটে লেখালেখি করা আমার জন্য জীবনরক্ষাকারী হয়ে উঠেছে। আমার [[চিন্তা করা|চিন্তা করার]] এবং [[লেখা|লেখার]] [[সক্ষমতা]] প্রভাবিত হয়নি। ওয়েবে আমার [[আসল]] [[কণ্ঠস্বর]] প্রকাশ পায়।]] * [[w:রাস মেয়ার|রাস মেয়ারের]] চলচ্চিত্রগুলোর একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো সফট-কোর যুগের অন্যান্য কাজ ভুলে যাওয়ার অনেক পরেও এগুলো বেঁচে আছে এবং চলছে। এর কারণ আংশিকভাবে তাদের কারুকাজ, আংশিকভাবে মেয়ারের প্রধান অভিনেত্রীরা। এর আংশিক কারণ হলো একটি আধা-সামরিক প্রতিশ্রুতির মনোভাব। কলাকুশলীরা তাদের গ্রামীণ মেলোড্রামাগুলো অভিনয় করার জন্য দুর্গম ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে সংগ্রাম করার সময় এটি অনুভব করা যায়। কিন্তু আমার বিশ্বাস, মূল কারণ হলো মেয়ার একজন এমন চলচ্চিত্র নির্মাতা যাঁর প্রতিটি ফ্রেমে তাঁর নিজের আবেশ প্রতিফলিত হয়। অন্যান্য সমস্ত গম্ভীর শিল্পীদের মতো তিনিও তাঁর কাজ এবং তাঁর স্বপ্নের মাঝে কোনো ফাঁক রাখেন না। ** [http://www.rogerebert.com/interviews/russ-meyer-busts-sleazy-stereotype "রাস মেয়ার বাস্টস স্লিজি স্টেরিওটাইপ" ''শিকাগো সান-টাইমস''], (১৫ নভেম্বর ১৯৮৫) * আমাকে কাঁদায়, আমার চোখে জল আনে, এমন চলচ্চিত্রগুলোর কথা ভাবলে আমি সাধারণত দুঃখের চলচ্চিত্রগুলোর কথা ভাবি না। আমি দুঃখের চলচ্চিত্রগুলোর দিকে কেবল তাকিয়ে থাকি। নিঃস্বার্থতা, আত্মত্যাগ এবং মানবজাতির কল্যাণে বিশ্বাসী মানুষদের নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্রগুলো মাঝে মাঝে আমাকে আবেগপ্রবণ করে তোলে। ** ''কাসাব্লাঙ্কা'' চলচ্চিত্রের জন্য রজার ইবার্টের একটি ডিভিডি ভাষ্য * '''যাঁরা কাউকে অপমান করতে ভয় পান, তাঁদের জন্য বাকস্বাধীনতার কী ব্যবহার আছে?''' ** ''রজার ইবার্টস মুভি হোম কমপ্যানিয়ন'' (১৯৯০ সংস্করণ), পৃষ্ঠা ৭৩৫ * [[শিল্প]] হলো একজন [[অপরিচিত ব্যক্তি]] আসলে কী [[অনুভূতি|অনুভব করেন]], তা [[বোঝা|বোঝার]] সবচেয়ে কাছের উপায়। **কলোরাডো পাবলিক টেলিভিশনের এলেভেন্থ আওয়ারে [http://video.cpt12.org/video/2364991008 "লিভিং টেস্টামেন্ট" বক্তৃতা] (১৯৯৪) * বেশ, রাজনৈতিক চলচ্চিত্র কী? রাজনীতিবিদদের নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্র? নাকি লিঙ্গবৈষম্য, বর্ণবাদ, পরিবেশ, পারমাণবিক নীতির মতো বিষয়গুলো নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্র? আমি বৃহত্তর সংজ্ঞাটি বেছে নিয়েছি। আমি যদি নিজেকে কেবল রাজনীতিবিদদের নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্রে সীমাবদ্ধ রাখতাম, তবে এটি একটি ছোট তালিকা হতো। মূলধারার মার্কিন চলচ্চিত্রের কতজন চরিত্র রাজনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন বলে মনে হয়, বা কোনো দলের সদস্য বলে মনে হয়? ** [http://www.motherjones.com/arts/film/1996/05/ebert.html ''মাদারজোনসে'' "দ্য বিগ পিকচার: রজার ইবার্ট"] নিবন্ধে "গত দুই দশকের ২০টি সেরা রাজনৈতিক চলচ্চিত্রের" র‍্যাঙ্কিং (মে/জুন ১৯৯৬) * ওয়েবে গবেষণা করা এমন একটি লাইব্রেরি ব্যবহার করার মতো, যা প্যাক ইঁদুরেরা টুকরো টুকরো করে একত্রিত করে এবং প্রতি রাতে তা ভাঙচুর করা হয়। ** "ক্রিটিকাল আই" কলাম, ''[[w:ইয়াহু! ইন্টারনেট লাইফ|ইয়াহু! ইন্টারনেট লাইফ]]'' (সেপ্টেম্বর ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৬৬ * আমার একবার কোলনোস্কোপি হয়েছিল এবং তাঁরা আমাকে এটি টিভিতে দেখতে দিয়েছিলেন। এটি ''দ্য ব্রাউন বানিের'' চেয়ে বেশি বিনোদনমূলক ছিল। ** ২০০৩ সালের [[w:কান চলচ্চিত্র উৎসব|কান চলচ্চিত্র উৎসবে]] প্রদর্শিত ''[[w:দ্য ব্রাউন বানি|দ্য ব্রাউন বানি]]ের'' একটি প্রারম্ভিক সংস্করণের [http://www.rogerebert.com/festivals-and-awards/gallo-goes-on-the-offensive-after-bunny-flop পর্যালোচনা] (৪ জুন ২০০৩) *** পরিচালক [[w:ভিনসেন্ট গ্যালো|ভিনসেন্ট গ্যালো]] ইবার্টের স্থূলতা নিয়ে উপহাস করে উপরের সমালোচনার জবাব দেওয়ার পর ইবার্ট উত্তর দিয়েছিলেন: "এটি সত্য যে আমি মোটা। কিন্তু আমি একদিন চিকন হয়ে যাব, আর তিনি তখনও ''দ্য ব্রাউন বানিের'' পরিচালক থাকবেন।" [http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20030604/FILMFESTIVALS01/66010303] (৪ জুন ২০০৩) * '''[[w:চলচ্চিত্র তত্ত্ব|চলচ্চিত্র তত্ত্বের]] সাথে চলচ্চিত্রের কোনো সম্পর্ক নেই।''' শিক্ষার্থীরা সম্ভবত চলচ্চিত্র সম্পর্কে কিছু জানার আশা করে। তাঁরা কেবল একটি গুপ্ত এবং রহস্যময় ভাষা খুঁজে পাবে, যা কেবল যাঁরা এটি আয়ত্ত করেননি তাঁদের বাদ দেওয়ার জন্য এবং যাঁরা আয়ত্ত করেছেন তাঁদের একাডেমিক পুরস্কার দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। সাক্ষরতা, রুচি বা বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কেউ এই কোর্সগুলো পড়াতে চাইবেন না। তাই যাঁরা এগুলো পড়াচ্ছেন তাঁদের আসল পরিচয় হলো তাঁরা অন্য কিছু পড়াতে অক্ষম। ** ''লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের'' "[http://articles.latimes.com/print/2003/jul/13/magazine/tm-filmschool28 লাইটস, ক্যামেরা, অ্যাকশন. মার্ক্সিজম, সেমিওটিকস, ন্যারাটোলজি: ফিল্ম স্কুল ইজন্ট হোয়াট ইট ইউজড টু বি, ওয়ান ফাদার ডিসকভারস]" নিবন্ধে [[w:ডেভিড ওয়েডল|ডেভিড ওয়েডল]] কর্তৃক উদ্ধৃত। (১৩ জুলাই ২০০৩) * '''অনেক চলচ্চিত্র দর্শক এবং ভিডিও দর্শক বলেন যে তাঁরা সাদাকালো চলচ্চিত্র "পছন্দ" করেন না। আমার মতে, তাঁরা চলচ্চিত্রের অনেক রহস্য এবং সৌন্দর্য থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখছেন। <br /> সাদাকালো হলো একটি শৈল্পিক পছন্দ। এটি এমন একটি মাধ্যম যার শক্তি এবং ঐতিহ্য রয়েছে, বিশেষ করে আলো ও ছায়ার ব্যবহারে এটি প্রযোজ্য।''' অবশ্যই চলচ্চিত্র দর্শকদের সাদাকালো চলচ্চিত্র অপছন্দ করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু এটি এমন কিছু নয় যা নিয়ে তাঁদের গর্ব করা উচিত। এটি সত্যি বলতে তাঁদের সিনেমাটিক দিক থেকে নিরক্ষর হিসেবে প্রকাশ করে। <br /> '''এই বিষয়ে আমাকে অহংকারী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। কিন্তু অহংকারীরা বাদ দেন; তাঁরা অন্তর্ভুক্ত করেন না। আপনার পছন্দের তালিকা থেকে সাদাকালো চলচ্চিত্র বাদ দেওয়ার অর্থ হলো আপনার একটি বদ্ধ মন, একটি সীমিত কল্পনাশক্তির অধিকারী হওয়া অথবা আপনার রুচির অভাব রয়েছে।''' ** প্রথমবার [http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20040725/ANSWERMAN/407250305 "মুভি আনসার ম্যান" কলামে] প্রকাশিত (২৫ জুলাই ২০০৪) * '''হতাশাজনকভাবে বিপুল সংখ্যক মানুষ সবকিছুকে আক্ষরিকভাবে গ্রহণ করেন বলে মনে হয়। তাঁরা একটি জঙ্গলে একজন অন্ধ মানুষের মতো। তাঁরা প্রতিটি গাছ খুঁজে পেতে সক্ষম, কিন্তু প্রতিটি গাছ তাঁদের কাছে বিস্ময়কর হিসেবে আসে।''' ** প্রথমবার [http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20050918/ANSWERMAN/509180304/1023 "মুভি আনসার ম্যান" কলামে] প্রকাশিত (১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৫) * আমার কাছে কোনো স্টপ ওয়াচ ছিল না। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছিল হাতির মতো অ্যাকশন দৃশ্যগুলো পুরো চলচ্চিত্র জুড়ে সমানভাবে ছড়িয়ে ছিল। ধীরগতিতে শুরু করে বড় ক্লাইম্যাক্সের দিকে যাওয়ার কোনো ব্যাপার ছিল না। চলচ্চিত্রটি প্রায় পুরোটাই ক্লাইম্যাক্স। অটোবট® এবং ডিসেপ্টিকনস® নিশ্চয়ই তাদের ভায়াগ্রার সতর্কীকরণ লেবেল পড়েনি। '''অবশেষে আমরা দেখলাম চার ঘণ্টার ইরেকশন দেখতে কেমন হয়।''' ** ''দ্য ফল অব দ্য রিভেঞ্জার্স'', ''[[ট্রান্সফর্মার্স: রিভেঞ্জ অব দ্য ফলেন]]'' চলচ্চিত্রটি নিয়ে আলোচনা। [http://blogs.suntimes.com/ebert/2009/06/the_fall_of_the_revengers.html "রজার ইবার্টস জার্নাল"] (২৪ জুন ২০০৯) * '''আমি বিশ্বাস করি যে সহানুভূতি হলো সভ্যতার সবচেয়ে প্রয়োজনীয় গুণ।''' ** প্রথমবার [http://www.rogerebert.com/rogers-journal/cannes-7-a-campaign-for-real-movies "রজার ইবার্টস জার্নাল" কলামে] প্রকাশিত (১৯ মে ২০১০) * আমি একটি পেডোমিটার পরি, এটি একটি ছোট যন্ত্র যা প্রতিটি পদক্ষেপ গণনা করে। এটি একটি উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে, কারণ আপনি সংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরিক্ত দূরত্ব হাঁটেন। একজন গড় মানুষ দিনে ২,০০০ থেকে ৩,০০০ কদম হাঁটেন। আমি দিনে ১০,০০০ কদম হাঁটি। এর ফলে আমি অনেক ওজন কমিয়েছি। ** ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে'' [http://www.nytimes.com/2005/02/13/magazine/13DOMAINS.html?ex=1266987600&en=ee5831db9aa9dafb&ei=5088&partner=rssnyt "এ ফিল্ম ক্রিটিকস উইন্ডি সিটি হোম"] (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৫) * [[w:রজার ইবার্টস ওভারলুকড ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল|গোল্ডেন থাম্ব]] অস্কারের মতো ততটা ভালো নয়, তবে এটি বেশ মজার। ** ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে'' "এ ফিল্ম ক্রিটিকস উইন্ডি সিটি হোম" (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৫) * চলচ্চিত্র সমালোচক হওয়ার প্রথম বছরেই আমি অস্কারের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলি। সেই বছর ''[[বনি অ্যান্ড ক্লাইড]]'' জয়ী হয়নি। ** ''[http://www.playboy.com/magazine/20q_archive/siskel-and-ebert.html প্লেবয় ২০কিউ]'' * ৪০ বছর ধরে আমি একটিও সময়সীমা মিস করিনি। কিন্তু জুলাই থেকে আমি প্রতিটি সময়সীমা মিস করেছি। আমার তীব্র হতাশার বিষয় হলো আমি টেলুরাইড এবং টরন্টো চলচ্চিত্র উৎসবও মিস করেছি। জুন থেকে আমার প্রথম পর্যালোচনা (''[[w:দ্য কুইন (চলচ্চিত্র)|দ্য কুইন]]'') লেখার পর, আমার মনে হচ্ছে একটি আপডেট দেওয়া উচিত। ** ''শিকাগো সান টাইমসে'' [http://www.rogerebert.com/interviews/roger-writes-to-readers "রজার রাইটস টু রিডারস"] (১১ অক্টোবর ২০০৬) * আমাকে পাঠানো সমস্ত চিঠি, ইমেইল, ফুল, উপহার এবং প্রার্থনায় আমি মানুষের মাঝে একটি সততা এবং শালীনতা আবিষ্কার করেছি। আমি অভিভূত এবং বিনীত। আমি আপনাদের আমার সবচেয়ে আন্তরিক ধন্যবাদ এবং গভীর ও অটল কৃতজ্ঞতা জানাই। আমি যদি কখনও আমার স্মৃতিকথা লিখি, তবে আমার কাছে কিছু জাদুকরী উপাদান রয়েছে। জনি মিচেলের গানটি কীভাবে চলে? "ডোন্ট ইট অলওয়েজ সিম টু গো দ্যাট ইউ ডোন্ট নো হোয়াট ইউ গট টিল ইট ইজ গন"? আমি একটি বিষয় আবিষ্কার করেছি যে, আমি আমার চাকরিকে যতটা ভালোবাসতাম, তার চেয়েও বেশি ভালোবাসি। আর আমি আমার স্ত্রীকে আরও বেশি ভালোবাসি! ** ''শিকাগো সান টাইমসে'' "রজার রাইটস টু রিডারস" (১১ অক্টোবর ২০০৬) * অনেক আগে একজন জ্ঞানী সম্পাদক আমাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, "যদি তুমি কিছু বোঝো, তবে তুমি এটি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে পারবে যেন প্রায় সবাই তা বুঝতে পারে। তুমি না বুঝলে, তুমি নিজের ব্যাখ্যাও বুঝতে পারবে না।" এই কারণেই ৯০% একাডেমিক [[w:চলচ্চিত্র তত্ত্ব|চলচ্চিত্র তত্ত্ব]] হলো আবর্জনা। '''কঠিন পরিভাষা হলো দুষ্টদের শেষ আশ্রয়স্থল।''' ** "[http://blogs.suntimes.com/ebert/2008/11/o_synecdoche_my_synecdoche.html ও, সায়নেকডোকি, মাই সায়নেকডোকি!]," (১০ নভেম্বর ২০০৮) * [[w:পিক্সার|পিক্সার]] হলো প্রথম স্টুডিও যা একটি চলচ্চিত্র তারকা। ** [https://twitter.com/ebertchicago/status/16740535371 টুইটার ফিড] (২১ জুন ২০১০) * '''অসুস্থতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া মানবপ্রকৃতি। আমরা আমাদের নিজেদের ভঙ্গুর মরণশীলতার কথা মনে করিয়ে দেওয়াটা উপভোগ করি না।''' এই কারণে ইন্টারনেটে লেখালেখি করা আমার জন্য জীবনরক্ষাকারী হয়ে উঠেছে। আমার চিন্তা করার এবং লেখার সক্ষমতা প্রভাবিত হয়নি। ওয়েবে আমার আসল কণ্ঠস্বর প্রকাশ পায়। **[http://www.ted.com/talks/roger_ebert_remaking_my_voice.html টেড টক] (মার্চ ২০১১) * আমি বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা সমর্থন করি। আমার পছন্দ হলো মা এবং শিশুর জীবনের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট পছন্দের ক্ষেত্র ছাড়া [[গর্ভপাত|গর্ভপাতকে]] সমর্থন না করা। অজাচার বা ধর্ষণের মাধ্যমে গর্ভধারণ করা শিশু নির্দোষ এবং তার জন্মগ্রহণ করার অধিকার রয়েছে। ** ''রজার ইবার্টস জার্নালে'' [http://www.rogerebert.com/rogers-journal/how-i-am-a-roman-catholic "হাউ আই অ্যাম এ রোমান ক্যাথলিক"] (১ মার্চ ২০১৩) * আমি জানি এটি আসছে। আমি এটি নিয়ে ভয় পাই না। কারণ আমি বিশ্বাস করি যে মৃত্যুর পরপারে ভয় পাওয়ার মতো কিছু নেই। আমার সারাজীবনের স্মৃতিগুলোই আমি এই যাত্রা থেকে বাড়িতে নিয়ে এসেছি। প্যারিস থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা আইফেল টাওয়ারের সেই ছোট্ট স্যুভেনিরের চেয়ে বেশি অনন্তকালের জন্য আমার সেগুলোর প্রয়োজন হবে না। ** ''রজার ইবার্টস জার্নালে'' [https://www.rogerebert.com/rogers-journal/go-gentle-into-that-good-night "গো জেন্টল ইনটু দ্যাট গুড নাইট"] (২ মে ২০০৯) * '''আমাকে এখন ধীরগতিতে চলতে হবে। যে কারণে আমি এমন কিছু নিচ্ছি যাকে আমি "লিভ অব প্রেজেন্স" বলতে পছন্দ করি। '''<br /> লিভ অব প্রেজেন্স আসলে কী? এর অর্থ হলো আমি দূরে যাচ্ছি না। আমার উদ্দেশ্য হলো বাছাই করা পর্যালোচনাগুলো লেখা চালিয়ে যাওয়া এবং বাকিগুলো আমার দ্বারা বাছাই করা এবং আমার কাছে দারুণ প্রশংসিত লেখকদের একটি মেধাবী দলের ওপর ছেড়ে দেওয়া। এর চেয়েও বড় কথা হলো, আমি সবসময় যা করার কল্পনা করতাম, শেষ পর্যন্ত আমি তা করতে পারব। আমি কেবল সেই চলচ্চিত্রগুলোর পর্যালোচনা করব যা আমি পর্যালোচনা করতে চাই। ... তাই এই চিন্তার দিনে আমি আবার বলছি, আমার সাথে এই যাত্রায় অংশ নেওয়ার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। '''চলচ্চিত্রে আপনাদের সাথে দেখা হবে।''' **[http://www.rogerebert.com/rogers-journal/a-leave-of-presence "এ লিভ অব প্রেজেন্স" (২ এপ্রিল ২০১৩)] === ''দ্য গ্রেট মুভিজ'' প্রবন্ধ সংকলন === * ''[[ডক্টর স্ট্রেঞ্জলাভ|ডক্টর স্ট্রেঞ্জলাভের]]'' রসবোধ একটি মৌলিক কমিক নীতির মাধ্যমে তৈরি হয়। যাঁরা মজার হতে চান, তাঁরা কখনো সেইসব মানুষের মতো মজার হতে পারেন না যাঁরা গম্ভীর হতে গিয়ে ব্যর্থ হন। হাসির কারণগুলোকে ঘটনার যুক্তি দ্বারা অনিচ্ছুক চরিত্রগুলোর ওপর ''চাপিয়ে দেওয়া'' হয়েছে বলে মনে হতে হবে। '''মজার টুপি পরা কোনো মানুষ মজার নয়। কিন্তু যদি লোকটি না জানে যে সে একটি মজার টুপি পরে আছে, তবে এটি মজার কিছু হতে পারে।''' ''ডক্টর স্ট্রেঞ্জলাভের'' চরিত্রগুলো জানে না যে তাদের টুপিগুলো মজার। ** ''খণ্ড ১'' (২০০৩), পৃষ্ঠা ১৫৬-১৫৭ * '''বলা হয়ে থাকে যে [[চার্লি চ্যাপলিন|চ্যাপলিন]] চাইতেন আপনি তাঁকে পছন্দ করুন, কিন্তু [[বাস্টার কিটন|কিটন]] পাত্তা দিতেন না। আমার মনে হয় তিনি পাত্তা দিতেন, কিন্তু সেটা জিজ্ঞাসা করার জন্য তিনি অনেক বেশি গর্বিত ছিলেন।''' তাঁর চলচ্চিত্রগুলো চ্যাপলিনের ছবির করুণ এবং আবেগময় দিকগুলোকে এড়িয়ে যায়। এই চলচ্চিত্রগুলোতে সাধারণত এমন একজন প্রফুল্ল যুবককে দেখা যায়, যে একটি লক্ষ্য দেখতে পায় এবং সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বাধাগুলোর মুখোমুখি হয়ে সেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায়। '''বাস্টার টর্নেডো, জলপ্রপাত, পাথরের ধস এবং অনেক উঁচু থেকে পড়ে গিয়েও বেঁচে যান এবং কখনো মাথা নোয়াতে থামেন না। তাঁর চোখ তাঁর লক্ষ্যের দিকে থাকে। তাঁর চলচ্চিত্রগুলোকে একসাথে দেখলে মনে হয় যেন প্রতিকূলতার মুখে এগুলো আশাবাদের একটি ধারাবাহিক কাজ।''' তিনি জিজ্ঞাসা না করেই কীভাবে আমাদের প্রশংসা এবং স্নেহ অর্জন করেন তা আশ্চর্যজনক। <br /> তিনি মজার ছিলেন বলে এবং একটি পোর্কপাই টুপি পরতেন বলে কিটনের শারীরিক দক্ষতাগুলোকে প্রায়শই অবমূল্যায়ন করা হয়। কোনো নির্বাক তারকাই [[বাস্টার কিটন|বাস্টার কিটনের]] চেয়ে বেশি বিপজ্জনক স্টান্ট করেননি। '''ডাবল ব্যবহার করার পরিবর্তে তিনি নিজেই তাঁর অভিনেতাদের ডাবল হিসেবে কাজ করতেন এবং নিজের স্টান্টগুলোর পাশাপাশি তাঁদের স্টান্টগুলোও করতেন।''' ** ''খণ্ড ২'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৯৪ *''' ''[[ম্যাগনোলিয়া (চলচ্চিত্র)|ম্যাগনোলিয়া]]'' হলো দুঃখ, ক্ষতি, আজীবন তিক্ততা, ক্ষতিগ্রস্ত শিশু এবং নিজেদের ধ্বংসকারী প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ে তৈরি একটি চলচ্চিত্র।''' বর্ণনাকারী শেষের দিকে আমাদের বলেন, "আমরা অতীত শেষ করে ফেলতে পারি, কিন্তু অতীত কখনো আমাদের ছেড়ে যায় না।" জীবনের এই ধ্বংসস্তূপে একজন পুলিশ এবং একজন নার্স আছেন, যাঁরা সাহায্য, আশা এবং ভালোবাসা দেওয়ার জন্য নিজেদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেন। ... এর কেন্দ্রীয় বিষয়বস্তু হলো শিশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতা এবং এর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব। আমরা যেমনটা বলি বা ভাবি, আমাদের সেভাবে আচরণ করার প্রতি ঘৃণা বা ভয়ের সাথে এটি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। ... '''চলচ্চিত্র নির্মাণের একটি কাজ হিসেবে এটি আমাদের আকর্ষণ করে এবং ছেড়ে দেয় না।''' এটি অবিশ্বাস্য কাকতালীয় ঘটনাগুলো নিয়ে একটি ছোট প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে বিভ্রান্তিকরভাবে শুরু হয়। কাকতালীয় ঘটনা এবং অদ্ভুত ঘটনা ঘটে এবং এগুলো অন্য সবকিছুর মতোই বাস্তব। আপনি যদি যথেষ্ট দূরে দাঁড়িয়ে দেখতে পারেন, তবে সবকিছু একটি কাকতালীয় ঘটনা হিসেবে প্রকাশিত হবে। আমরা যেগুলোকে "কাকতালীয় ঘটনা" বলি তা কেবল আমাদের নজরে আসা ঘটনাগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ। ... একটি সুন্দর অংশে অ্যান্ডারসন [https://www.youtube.com/watch?v=aNmKghTvj0E বেশিরভাগ প্রধান চরিত্রকে একসাথে] [[অ্যামি মান|অ্যামি মানের]] "ইট ইজ নট গোয়িং টু স্টপ" গানটি গাওয়ার দৃশ্য কাটছাঁট করেছেন। একটি নির্দেশক বিকাশ? আপনি কি জানেন? আমার মনে হয় এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা। পরস্পর সংযুক্ত কাহিনিসহ অন্যান্য অনেক "হাইপারটেক্সট চলচ্চিত্রের" বিপরীতে ''ম্যাগনোলিয়া'' পদ্ধতিটিকে আরও গভীর এবং আরও দার্শনিক উপায়ে ব্যবহার করছে বলে মনে হয়। '''অ্যান্ডারসন এই মানুষগুলোকে যেকোনো সম্ভাব্য জ্ঞানের নিচে, যেখানে [[ভাগ্য]] এবং [[নিয়তি]] রয়েছে, সেখানে যুক্ত হতে দেখেন। তারা তাদের [[কাজ]] এবং তাদের [[পছন্দ|পছন্দগুলোর]] দ্বারা যুক্ত হয়েছে।''' <br /> এবং সবকিছু চলচ্চিত্রের শেষের দিকের একটি অসাধারণ, বিখ্যাত দৃশ্যের দিকে নিয়ে যায়, যখন ব্যাঙের বৃষ্টি হয়। হ্যাঁ। অসংখ্য জীবন্ত ব্যাঙ আকাশ থেকে পুরো লস অ্যাঞ্জেলেসের ওপর পড়ছে। এই পদ্ধতিটি নিয়ে মাঝে মাঝে মজা করা হয়েছে, যা আমাকে অবাক করে। '''পুরো গল্পটিকে অব্যাখ্যাত কিন্তু বাস্তব আচরণের বৃহত্তর জগতে উন্নীত করার একটি উপায় হিসেবে আমি এটিকে দেখি। আরেকটি মাত্রা যোগ করার জন্য আমাদের মানুষের ঊর্ধ্বে কিছু প্রয়োজন।''' এই শতাব্দীতে আকাশ থেকে আটবার ব্যাঙের বৃষ্টি হয়েছে। তবে তথ্যগুলোর কথা ভুলে যান। এর পরিবর্তে ''যাত্রাপুস্তক'' ৮:২-এর দিকে মনোযোগ দিন, যা চলচ্চিত্রের একটি প্ল্যাকার্ডে উল্লেখ করা হয়েছে: "এবং যদি তুমি তাদের যেতে দিতে অস্বীকার করো, তবে দেখো, আমি তোমার পুরো অঞ্চলে ব্যাঙ দিয়ে আঘাত করব।" কাকে যেতে দেবে? আমার বিশ্বাস, এই ক্ষেত্রে এটি মানুষ নয়, বরং [[ভয়]], [[লজ্জা]] এবং [[পাপ|পাপগুলোকে]] বোঝায়। <br /> ''ম্যাগনোলিয়া'' হলো সেই বিরল চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে একটি যা সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি উপায়ে কাজ করে। '''এক অর্থে এটি বিশদ বিবরণে পূর্ণ এবং নির্ভুলতার সাথে বলা আকর্ষণীয় গল্পগুলো বলে, যাতে সামান্য হলেও [[রসবোধ|রসবোধের]] অভাব নেই। অন্য অর্থে এটি একটি [[দৃষ্টান্তমূলক গল্প]]। সমস্ত ভালো দৃষ্টান্তমূলক গল্পের মতো এই দৃষ্টান্তমূলক গল্পের বার্তাও [[শব্দ|শব্দে]] নয়, বরং [[আবেগ|আবেগের]] মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। আমরা এই মানুষগুলোর [[ব্যথা]] অনুভব করার পর এবং পুলিশ ও নার্সের ভালোবাসা অনুভব করার পর, আমাদের এমন কিছু অবর্ণনীয় বিষয় [[শিক্ষা|শেখানো]] হয়েছে যা [[জানা|জানা]] [[প্রয়োজনীয়]]।''' ** খণ্ড ৩ === ''অ্যাওয়েক ইন দ্য ডার্ক: দ্য বেস্ট অব রজার ইবার্ট'' (২০০৬) === :<small>{{ISBN|0226182002}}</small> * আমি ১৯৬৭ সালে একজন চলচ্চিত্র সমালোচক হিসেবে আমার কাজ শুরু করি। আমি চলচ্চিত্র সমালোচক হওয়ার কথা ভাবিনি। কোনো একদিন আমি রাজনৈতিক কলামিস্ট বা ইংরেজির অধ্যাপক হতে পারি, এই অস্পষ্ট ধারণা ছাড়া আমার পেশাগত কোনো দৃঢ় পরিকল্পনা ছিল না। <br /> রবার্ট জোংকা আমার জীবনের অন্যতম সেরা বন্ধু হয়ে ওঠেন। আমাকে যেদিন ''শিকাগো সান-টাইমসে'' নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, সেদিনই তাঁকে পত্রিকাটির ফিচার সম্পাদক করা হয়েছিল। ১৯৬৭ সালের মার্চ মাসের একদিন তিনি আমাকে একটি কনফারেন্স রুমে ডাকেন। তিনি আমাকে জানান যে পত্রিকাটির চলচ্চিত্র সমালোচক এলেনর কিন অবসর নিচ্ছেন এবং আমি নতুন সমালোচক। '''আমি আনন্দ এবং অবিশ্বাসের সাথে চলে গিয়েছিলাম। তবুও আমি প্রায় সন্দেহ করেছিলাম যে এই দিনটি আমার বাকি জীবনের পথ নির্ধারণ করবে।''' * আমার একদম প্রথম পর্যালোচনাতেই আমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। একটি অস্পষ্ট ফরাসি চলচ্চিত্র "গালিয়া" পর্যবেক্ষণ করে বলেছিলাম যে এটি মহাসাগরের শৈল্পিক শট দিয়ে শুরু এবং শেষ হয়। তবে এর মাঝে ফরাসি নিউ ওয়েভ উপকূলে আছড়ে পড়ছে বলে বেশ স্পষ্ট। সেই সময় আমার ভঙ্গিটি চলচ্চিত্রের প্রতি শ্রেষ্ঠত্বের ছিল। যদিও আমি অবজ্ঞার সঠিক কোণ হিসাব করতাম, একটি চলচ্চিত্র মুক্তি পেলে তা আমার প্রতিরক্ষা ভেঙে দিতো এবং আমাকে আনন্দে আত্মহারা করে তুলতো। * '''[[ভের্নার হ্যার্ৎসগ|হ্যার্ৎসগ]] তাঁর উদাহরণের মাধ্যমে আমাকে চলচ্চিত্র শিল্পীর জন্য একটি মডেল দিয়েছিলেন। তিনি নির্ভীক, তাঁর বিষয়বস্তু দ্বারা চালিত, বাণিজ্যিক বিবেচনার প্রতি উদাসীন এবং দর্শকদের তাঁর অনুসরণ করার ওপর আস্থা রাখেন।''' আমি ৩৮ বছরে প্রায় ৫০টি ফিচার এবং প্রামাণ্যচিত্র মুক্তির পর প্রথম হ্যার্ৎসগের চলচ্চিত্র দেখার পর, তিনি কখনো এমন একটি চলচ্চিত্রও তৈরি করেননি যা আপস করা, লজ্জাজনক, ব্যবহারিক কারণে তৈরি বা অরুচিকর। '''এমনকি তাঁর ব্যর্থতাগুলোও দর্শনীয়।''' === ''ইউর মুভি সাকস'' (২০০৭) === [[File:Vampirefilm.png|thumb|ইউর মুভি সাকস।]] :<small>{{ISBN|0740763660}}</small> * '''এই পর্যালোচনাগুলোর কয়েকটি [[আনন্দ|আনন্দময়]] উৎসাহের সাথে লেখা হয়েছিল। অন্যগুলো উল্লাসের সাথে। কয়েকটি [[দুঃখ|দুঃখে]], কয়েকটি [[রাগ|রাগে]] এবং খুব কম সংখ্যক বিষাক্ততার সাথে লেখা হয়েছিল, যার একটি কঠোরভাবে সংরক্ষিত সরবরাহ আমার কাছে রয়েছে।''' আমাকে যখন বারবার জিজ্ঞাসা করা হয় যে আমি সত্যিই পুরো চলচ্চিত্র দেখি কি না, তখন আমার উত্তর অনিবার্যভাবে হয়: হ্যাঁ, কারণ আমি পর্যালোচনা লিখতে চাই। <br /> আমি অনুমান করছি যে ১৯৭৫ সাল থেকে আমি কেবল একবার বা দুবার ছাড়া আমার পুলিৎজার পুরস্কারের কথা কোনো পর্যালোচনায় উল্লেখ করিনি। তবে আমি যখন প্যাট্রিক গোল্ডস্টেইনকে লেখা রব স্নাইডারের অত্যন্ত অবিবেচক খোলা চিঠিটি পড়ি, তখন আমি জানতাম যে আমি একটি হোম-রান পিচ পাচ্ছি। অন্যান্য পর্যালোচনাগুলো বিভিন্ন মনোভাব নিয়ে লেখা হয়েছিল, যার মধ্যে কয়েকটি প্রায় পরোপকারীভাবে। তবে ''ডিউস বিগলো: ইউরোপীয় জিগোলো'' সম্পর্কে আমি কেবল এটিই বলতে পারি যে এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা এই বইয়ের শিরোনামটিকে অনুপ্রাণিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ** ভূমিকা === ''লাইফ ইটসেলফ : এ মেমোয়ার'' (২০১১) === [[File:SecularHumanismLogo3DPrideRainbowColors.png|thumb|আমাদের অবশ্যই [[বিশ্ব|বিশ্বে]] [[আনন্দ]] প্রদানে অবদান রাখার চেষ্টা করতে হবে। ... আমি সবসময় এটি [[জানা|জানতাম]] না এবং আমি এটি খুঁজে বের করার মতো যথেষ্ট সময় [[জীবনযাপন করা|বেঁচে থাকায়]] [[সুখ|সুখী]]।]] * আমি জেগে শুয়ে ভাবতাম যে কীভাবে আমি বিশ্বাস ছাড়া এমন একজন [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] কাছে বিশ্বাসের জন্য প্রার্থনা করতে পারি যাকে আমি বিশ্বাস করতে পারি না। মনে হতো যেন তা আমাকে দুটি প্রশ্নের মাঝে ঝুলিয়ে রেখেছিল। এই যৌক্তিক ধাঁধাগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমার মনের ভেতর তৈরি হয়েছিল। এগুলো আমার স্কুল বা পরিবার থেকে আসেনি। আমার পাড়ার বেশিরভাগ বন্ধু প্রোটেস্ট্যান্ট ছিল। ঈশ্বর যে বিদ্যমান, এই সত্যটি ছাড়া ঈশ্বর সম্পর্কে তত্ত্বে তারা আগ্রহী ছিল না। <br /> আমি ঈশ্বরের সমস্যাটি বাদ দিয়ে [[রোমান ক্যাথলিক গির্জা|রোমান ক্যাথলিক গির্জার]] শিক্ষাগুলো পুরোপুরি গ্রহণ করেছিলাম। ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * অনেক বছর ধরে আমি [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নকে]] এমন একটি দেশ হিসেবে কল্পনা করতাম যেখানে কখনো সূর্য ওঠে না এবং ক্রীতদাস ক্যাথলিক কৃষকেরা তাদের ঈশ্বরহীন শাসকদের অধীনে মেঘলা আকাশের নিচে কাজ করে। <br /> কিন্তু আমাদের ধর্মতত্ত্ব প্রায়শই খুব ব্যবহারিক ছিল: সমস্ত মানুষ সমান হিসেবে সৃষ্ট। অন্যের প্রতি এমন আচরণ করো যেমনটা তুমি তাদের কাছ থেকে আশা করো। দশটি আজ্ঞা মেনে চলো, যা আমরা বিস্তারিতভাবে অধ্যয়ন করেছি। তবে ব্যভিচার বাদে, "যা নিয়ে তোমাদের শিশুদের চিন্তা করার দরকার নেই।" ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * বড় হওয়ার সাথে সাথে আমি ঈশ্বর এবং অসীমের প্রশ্নে আর ঘুম হারাইনি। আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে এগুলোর কোনো উত্তর থাকতে পারে না। কোনো এক পর্যায়ে ঈশ্বরের বাস্তবতা আর আমার মনে উপস্থিত ছিল না। আমি গির্জার মৌলিক শিক্ষাগুলো বিশ্বাস করতাম কারণ আমি ভেবেছিলাম এগুলো সঠিক। ঈশ্বর চেয়েছিলেন বলে নয়। আমার মনে, আমি যেভাবে সেগুলোর ব্যাখ্যা করি, আমি আজও সেই অনুযায়ী জীবনযাপন করি। নিয়মকানুন দ্বারা নয়, বরং নীতিগুলো দ্বারা। উদাহরণস্বরূপ, গর্ভপাতের ক্ষেত্রে আমি স্বাধীন মতবাদে বিশ্বাসী। তবে ব্যক্তিগত পছন্দের কারণে আমার নিজের সন্তানের গর্ভপাতের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক থাকবে না। আমি স্বাধীন ইচ্ছায় বিশ্বাস করি এবং আমার বিশ্বাস যে অন্য কাউকে কী করতে হবে তা বলার অধিকার আমার নেই। পোপেরা আসেন এবং যান। কেবল [[পোপ ত্রয়োদশ জন|ত্রয়োদশ জনের]] প্রতি আমি স্নেহ অনুভব করেছি। তাঁদের নির্দেশগুলো আমার কাছে চমকে দেওয়ার মতো ক্ষমতার অভাব বলে মনে হয়। তাঁরা এক সহস্রাব্দ ধরে একটি আটকে রাখার কাজ পরিচালনা করছেন। ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * '''ক্যাথলিক ধর্ম আমাকে মানবতাবাদী শব্দটি জানার আগেই একজন মানবতাবাদী করে তুলেছিল। মানুষ যখন "ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদের" বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে, তখন আমি তাদের জিজ্ঞাসা করতে চাই যে মানবতাবাদ যদি ধর্মনিরপেক্ষ না হতো, তবে তা তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হতো কি না। এরপর আমি জিজ্ঞাসা করতে চাই, "আপনার কেন মনে হয় এটি ধর্মনিরপেক্ষ?" এর ফলে আমার এই মতামতটি উঠে আসবে যে তাদের বিশ্বাসগুলো মানবতাবাদী ছিল না।''' ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * হাইস্কুলের বছরগুলোতে ঈশ্বরের অস্তিত্বের সম্ভাবনায় আমার বিশ্বাস হারিয়ে যায়। আমি এটি নিজের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছিলাম। আমি কখনো আমার বাবা-মায়ের সাথে এটি নিয়ে আলোচনা করিনি। আমার বাবা যেকোনো ক্ষেত্রেই একজন অ-অনুশীলনকারী লুথারান ছিলেন। মৃত্যুশয্যায় তাঁর ধর্মান্তরকরণ আমাকে বেশ হতাশ করেছিল। আমি নিশ্চিত যে তিনি আমার মায়ের খাতিরে এতে রাজি হয়েছিলেন। আমি কি নিজেকে [[অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদী]] বা [[নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক]] বলা শুরু করেছিলাম? না, এবং আমি এখনও তা করি না। আমি এটি এড়িয়ে চলি কারণ '''আমি এমন কোনো বিভাগ প্রদান করতে চাই না যা মানুষ আমার ওপর প্রয়োগ করতে পারে। যাঁরা বলেন যে "বিশ্বাসী" এবং "নাস্তিক" হলো কংক্রিট বিভাগ, তাঁরা সেই রহস্যের প্রতি সহিংসতা করেন যা স্বীকার করার মতো যথেষ্ট বিনীত হওয়া আমাদের উচিত। আমি চাই না আমার বিশ্বাসগুলো একটি মাত্র শব্দে কমে আসুক।''' ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * '''[[চরমপন্থবাদ|চরমপন্থীরা]] আমাকে ভয় দেখায়।''' আমার ব্লগে [[বিবর্তন]], বুদ্ধিমান নকশা, [[ঈশ্বর]] এবং পরকাল নিয়ে সমস্ত অন্তহীন আলোচনা চলাকালীন, যার মন্তব্যের সংখ্যা সব মিলিয়ে হাজার হাজার হবে, আমি কখনো আমার [[বিশ্বাস|বিশ্বাসগুলোর]] [[নামকরণ|নাম]] দিইনি। যদিও পাঠকেরা আমাকে নির্দ্বিধায় জানিয়েছেন যে আমি একজন [[নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক]] এবং [[অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদী]] অথবা অন্ততপক্ষে একজন ধর্মনিরপেক্ষ '''[[মানবতাবাদ|মানবতাবাদী]]''' — যা আমি। ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * যে ঈশ্বর ব্যক্তিগতভাবে কারও সাথে কথা বলেছেন বা মানুষের জন্য নির্দেশ জারি করেছেন, তাঁকে আমি একবারে বাতিল করে দিই। আমি নিশ্চিত যে কিছু মানুষ বিশ্বাস করে যে ঈশ্বর তাদের সাথে কথা বলেছেন। এটি তাদের বিশ্বাস করার বিষয়। আমি বিশ্বাস করি না যে [[মোশি (নবি)|মোশি]] এমন কোনো ফলক নিয়ে পাহাড় থেকে নেমে এসেছিলেন যা তিনি সাথে নিয়ে ওঠেননি। আমি বিশ্বাস করি যে উচ্চতর ক্ষমতা এবং শরীরের শারীরিক মেয়াদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় এমন একটি অস্তিত্বে বিশ্বাস করার প্রয়োজনীয়তা মানবজাতির সাধারণভাবে রয়েছে। কিন্তু এই প্রয়োজনীয়তাগুলো হলো আশা। আর এগুলো বিশ্বাস করলেই তা সত্য হয়ে যায় না। আমি বিশ্বাস করি মানবজাতি শারীরিক হোক বা সামাজিক, গির্জাগুলোতে জড়ো হওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। আমি সারা বিশ্বের গির্জাগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছি। আমি প্রার্থনা করার জন্য সেখানে বসি না, বরং আমার চিন্তাভাবনাগুলোকে ধীরে ধীরে বিস্ময় এবং শ্রদ্ধার দিকে পরিচালিত করতে বসি। আমি আমার আগের প্রজন্ম এবং ঐতিহ্যের আশ্বাসের কথা সম্পর্কে সচেতন। ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * যে গির্জাগুলো আক্রমণাত্মকভাবে সুসমাচার প্রচার করে তাদের প্রতি আমার কোনো ধৈর্য নেই। উদ্ধার পাওয়ার জন্য আমাকে কী করতে হবে, সেই নির্দেশনায় আমার কোনো আগ্রহ নেই। '''আমি আমার দিকে নির্দেশিত অনুভূমিক প্রার্থনার চেয়ে স্বর্গের দিকে নির্দেশিত উল্লম্ব প্রার্থনা বেশি পছন্দ করি।''' আমি বিশ্বাস করি একটি যোগ্য গির্জাকে আকর্ষণের মাধ্যমে বেড়ে উঠতে হবে, প্রচারের মাধ্যমে নয়। '''আমি ধর্মান্ধতা নিয়ে সতর্ক। এমনকি ছোটবেলাতেও আমি তাঁদের প্রতি সন্দেহপ্রবণ ছিলাম, যাঁরা আমার প্রায়শই শোনা কথা অনুযায়ী "পোপের চেয়েও বেশি ক্যাথলিক" ছিলেন। আমরা যদি আমাদের প্রতিবেশীদের নিজেদের মতো ভালোবাসতে চাই, তবে আমাদের অবশ্যই তাঁদের বিশ্বাসগুলোকে আমাদের নিজস্ব বিশ্বাসের মতো একই শ্রদ্ধার সাথে দেখতে হবে।''' ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * একবার যেমনটা ভাবা হয়েছিল, [[মহাবিশ্ব]] অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রসারিত এবং সংকুচিত হয়, একটি [[মহা বিস্ফোরণ]] অন্যটিতে ভেঙে পড়ে, তা যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু মহাবিশ্বের উভয় মডেলেই প্রথম মহা বিস্ফোরণের কারণ কী ছিল? শেষ সংখ্যার চেয়ে বেশি কি কোনো প্রথম মহা বিস্ফোরণ ছিল? যদি কোনো প্রথম কারণ থেকে থাকে, তবে কি কোনো প্রথম কারণ সৃষ্টিকারী ছিল? মহা বিস্ফোরণগুলো কি কেবল ঘটতেই থাকে? আমরা কি প্রথম কারণ সৃষ্টিকারীর নাম "ঈশ্বর" রাখতে পারি? আমরা যেকোনো নাম রাখতে পারি। আমি আমার নিজের নামে এর নাম রাখতে পারি। একে কী বলা হয় তা অত্যন্ত তাৎপর্যহীন, কারণ আমরা এমন কিছুর নাম দেবো যা চিন্তার সমস্ত বিভাগের বাইরে পড়ে এবং জ্ঞানের কাছে তা অজানা এবং অপ্রাসঙ্গিক হতে হবে। তাই নামকরণ করা একটি বৃথা উদ্যোগ। "ঈশ্বর" শব্দটি সহায়ক নয়, কারণ এর অর্থ হলো এর একটি জানা যায় এমন সংজ্ঞা রয়েছে। ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * '''[[কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান|কোয়ান্টাম তত্ত্ব]] এখন [[ইলেকট্রন|ইলেকট্রনের]] মতো দুটি [[কোয়ান্টাম জট|জড়ানো কোয়ান্টাম বস্তুর]] মধ্যে তাৎক্ষণিক [[সংযোগ|সংযোগের]] কথা বলছে।''' এই [[ঘটনা]] গবেষণাগারের [[পরীক্ষা|পরীক্ষাগুলোতে]] [[পর্যবেক্ষণ|পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে]] এবং [[বিজ্ঞানী|বিজ্ঞানীরা]] [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করেন]] যে তাঁরা এটি ঘটার বিষয়টি [[প্রমাণ|প্রমাণ করেছেন]]। '''তাঁরা [[আলো|আলোর]] [[গতি|গতির]] চেয়ে দ্রুত হওয়ার কথা বলছেন না। গতির সাথে এর কোনো [[শূন্য|সম্পর্ক নেই]]। জড়ানো বস্তুগুলো কোনো না কোনোভাবে দূর থেকে তাৎক্ষণিকভাবে [[যোগাযোগ|যোগাযোগ করে]]। এটি [[সত্য]] হলে, দূরত্বের কোনো [[অর্থ]] নেই। আলোকবর্ষের কোনো অর্থ নেই। [[মহাশূন্য|স্থানের]] কোনো অর্থ নেই। এক অর্থে, জড়ানো বস্তুগুলো যোগাযোগও করছে না। এগুলো একই জিনিস। "কোয়ান্টাম স্তরে" (এবং আমি জানি না এর অর্থ কী), সবকিছু আসলে বা তাত্ত্বিকভাবে যুক্ত হতে পারে। [[সবকিছু|সবকিছুই]] [[ঐক্য|এক]]। [[সূর্য]], [[চাঁদ]], [[তারা]], বৃষ্টি, আপনি, আমি, সবকিছু। [[অদ্বৈতবাদ|সব এক]]।''' যদি এটি এমন হয়, তবে [[বৌদ্ধধর্ম]] বরাবরই একটি কোয়ান্টাম তত্ত্ব হয়ে থাকবে। না, আমি বৌদ্ধ নই। আমি বিশ্বাসী নই, নাস্তিক নই, অজ্ঞেয়বাদী নই। '''আমি উত্তরের চেয়ে প্রশ্ন নিয়ে বেশি সন্তুষ্ট।''' ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * অনেক পাঠক আমাকে জানিয়েছেন যে [[বিশ্বাস]] ছাড়া মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া একটি মর্মান্তিক এবং বিরক্তিকর ব্যাপার। আমার তেমনটা মনে হয় না। "বিশ্বাস" হলো নিরপেক্ষ। সব নির্ভর করে কী বিশ্বাস করা হয় তার ওপর। ** অধ্যায় ৫৫ : গো জেন্টলি * একজন রোমান ক্যাথলিক হিসেবে বড় হওয়ার কারণে আমি সেই বিশ্বাসের সামাজিক মূল্যবোধগুলোকে আত্মস্থ করেছিলাম এবং আজও তার বেশিরভাগই ধারণ করি, যদিও এর ধর্মতত্ত্ব আমাকে আর প্ররোচিত করে না। অন্য কেউ কী বিশ্বাস করে তা নিয়ে আমার কোনো ঝগড়া নেই। সবাই এই বিষয়গুলো নিজেদের মতো করে সামলায়। আমার বলার মতো কোনো সত্য নেই। '''আমি কেবল একটি ধর্মের কাছ থেকে এটাই চাই যে, যারা এর সাথে একমত নয়, তাদের প্রতি ধর্মটি যেন সহনশীল হয়।''' আমি এমন একজন যাজককে চিনি যাঁর চোখ চিকচিক করে যখন তিনি বলেন, "তুমি ঈশ্বরের কাজ তোমার মতো করে করো, আর আমি তাঁর মতো করে করব।" ** অধ্যায় ৫৫ : গো জেন্টলি * '''"[[দয়া]]" আমার সমস্ত রাজনৈতিক বিশ্বাসকে ঢেকে দেয়।''' সেগুলোর বানান করার দরকার নেই। '''আমি বিশ্বাস করি যে শেষে যদি আমরা আমাদের [[ক্ষমতা|ক্ষমতাগুলো]] অনুযায়ী অন্যদের কিছুটা সুখী করার জন্য কিছু করতে পারি এবং নিজেদের কিছুটা সুখী করার জন্য কিছু করতে পারি, তবে এটিই আমাদের পক্ষে করা সবচেয়ে ভালো কাজ।''' অন্যদের কম সুখী করা একটি [[অপরাধ]]। নিজেদের অসুখী করা থেকেই সমস্ত অপরাধের শুরু হয়। '''আমাদের অবশ্যই [[বিশ্ব|বিশ্বে]] [[আনন্দ]] প্রদানে অবদান রাখার চেষ্টা করতে হবে।''' এটি আমাদের [[সমস্যা]], আমাদের [[স্বাস্থ্য]] এবং আমাদের পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, তা সত্য। '''আমাদের অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে।''' আমি সবসময় এটি জানতাম না এবং আমি এটি খুঁজে বের করার মতো যথেষ্ট সময় বেঁচে থাকায় খুশি। ** অধ্যায় ৫৫ : গো জেন্টলি === পর্যালোচনা === ==== চার তারকার পর্যালোচনা ==== [[File:Amateur-made Na'vi.jpg|thumb|right|তাঁর ''[[w:টাইটানিক (১৯৯৭-এর চলচ্চিত্র)|টাইটানিকের]]'' মতো [[জেমস ক্যামেরন|জেমস ক্যামেরনের]] চলচ্চিত্র নিয়েও নিরলসভাবে সন্দেহজনক অগ্রিম গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। তিনি কেবল [[অ্যাভাটার (২০০৯-এর চলচ্চিত্র)|একটি অসাধারণ চলচ্চিত্র]] নির্মাণের মাধ্যমে আরও একবার সন্দেহবাদীদের চুপ করিয়ে দিয়েছেন।]] [[File:Magnòlia a Verbania.JPG|thumb|''[[ম্যাগনোলিয়া (চলচ্চিত্র)|ম্যাগনোলিয়া]]'' হলো এমন একটি চলচ্চিত্র যাতে আমি সহজাতভাবে সাড়া দিই। [[যুক্তি|যুক্তিকে]] [[দরজা|দরজায়]] রেখে আসুন। দমিত [[রুচি]] এবং সংযম আশা করবেন না, বরং এক ধরনের নাটকীয় [[পরমানন্দ|পরমানন্দের]] প্রত্যাশা করুন।]] [[File:Raining WikiWorld.png|thumb|''[[ম্যাগনোলিয়া (চলচ্চিত্র)|ম্যাগনোলিয়া]]'' হলো সেই বিরল চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে একটি যা সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি উপায়ে কাজ করে। এক অর্থে এটি বিশদ বিবরণে পূর্ণ এবং নির্ভুলতার সাথে বলা আকর্ষণীয় [[গল্প|গল্পগুলো]] বলে, যাতে সামান্য হলেও [[রসবোধ|রসবোধের]] অভাব নেই। অন্য অর্থে এটি একটি [[দৃষ্টান্তমূলক গল্প]]।]] [[File:Eye Black and White with Color.jpg|thumb|বছরের অন্যতম সেরা এবং সবচেয়ে মৌলিক চলচ্চিত্র ''[[প্লিজেন্টভিল]]'' আমাদের চমকে দেয়। এটি "ফাদার নোজ বেস্টের" মতো পুরোনো সাদাকালো সিটকমগুলোকে নিয়ে মজা করার মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর এটি নিজেই একটি সিটকম হওয়ার ভান করতে থাকে এবং এটি আশ্চর্যজনক [[শক্তি|ক্ষমতার]] একটি সামাজিক ভাষ্য হিসেবে শেষ হয়। … ''প্লিজেন্টভিল'' হলো এক ধরনের [[দৃষ্টান্তমূলক গল্প]] যা আমাদের ভালো পুরোনো দিনগুলোর পুনর্মূল্যায়ন করতে এবং ক্ষয়িষ্ণু বলে সহজেই বাতিল করে দেওয়া নতুন [[বিশ্ব|বিশ্বের]] দিকে নতুন করে [[তাকানো|তাকাতে]] উৎসাহিত করে। হ্যাঁ, আমাদের আরও [[সমস্যা]] রয়েছে। কিন্তু আরও [[সমাধান]], আরও [[সুযোগ]] এবং আরও [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতাও]] রয়েছে।<!-- আমি পঞ্চাশের দশকে বড় হয়েছি। এটি আপনি যা [[কল্পনা|কল্পনা করতে]] পারেন তার চেয়ে অনেক বেশি ''প্লিজেন্টভিলের'' জগতের মতো ছিল। হ্যাঁ, আমার [[বাড়ি|বাড়ির]] চারপাশে কাঠের বেড়া ছিল এবং পৌনে ছয়টায় রাতের খাবার সবসময় টেবিলে থাকত, কিন্তু এমন অনেক কিছু [[ভুল]] ছিল যার জন্য আমি [[শব্দ|শব্দগুলোও]] জানতাম না। --> ]] [[File:Roger Ebert.jpg|thumb|আমার নিজের [[ব্যক্তিগত]] [[অভিজ্ঞতা|অভিজ্ঞতার]] সাথে কোনো চলচ্চিত্র এর চেয়ে দ্রুত কখন [[যুক্ত করা|যুক্ত হয়েছে]], তা আমি [[জানা|জানি না]]। অদ্ভুত উপায়ে ''[[দ্য ট্রি অব লাইফ (চলচ্চিত্র)|দ্য ট্রি অব লাইফ]]ের'' কেন্দ্রীয় ঘটনাগুলো আমার [[জীবনযাপন করা|বেঁচে থাকার]] একটি [[সময়]] এবং [[স্থান|স্থানকে]] প্রতিফলিত করে এবং এর ছেলেরাই হলাম আমি। আমি যদি একটি আত্মজৈবনিক চলচ্চিত্র তৈরি করতে বের হতাম এবং আমার যদি ম্যালিকের [[উপহার|উপহারটি]] থাকত, তবে এটি দেখতে অনেকটাই এমন হতো।]] * '''তাঁরা কেন কিশোর-কিশোরীদের জন্য [[নিখুঁত]] একটি চলচ্চিত্রকে আর রেটিং দিয়েছিলেন?''' ** ''[[অলমোস্ট ফেমাস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/almost-famous-2000 পর্যালোচনা] (১৫ সেপ্টেম্বর ২০০০) * '''বার্ধক্য দুর্বলদের জন্য নয়, আর এই চলচ্চিত্রটিও নয়।''' … এটি হলো [[বর্তমান|এখনকার]] সময়। আমরা [[আশাবাদ]] এবং [[প্রত্যাশা|প্রত্যাশায়]] পূর্ণ। চলচ্চিত্রটি যত চমৎকারভাবেই তৈরি করা হোক না কেন, আমরা কেন এমন একটি চলচ্চিত্র দেখতে চাইব? আমি মনে করি এর কারণ হলো ''আমোরের'' মতো একটি চলচ্চিত্রের আমাদের জন্য এমন একটি শিক্ষা রয়েছে যা কেবল সিনেমাই শেখাতে পারে। সিনেমা, [[সময়|সময়কে]] অতিক্রম করার এবং [[জীবন|জীবনকে]] ছাড়িয়ে যাওয়ার অসতর্ক [[সক্ষমতা|সক্ষমতাসহ]] এটি মানবজাতির শাশ্বত দর্শকদের একজন সদস্য হওয়ার অর্থকে নাটকীয় করে তোলে। ** ''[[w:আমোর (২০১২-এর চলচ্চিত্র)|আমোর]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/amour-2013 পর্যালোচনা] (৯ জানুয়ারি ২০১৩) * '''১৯৭৭ সালে ''[[স্টার ওয়ার্স এপিসোড ৪: আ নিউ হোপ|স্টার ওয়ার্স]]'' দেখার সময় যেমনটা লেগেছিল, ''[[অ্যাভাটার (২০০৯-এর চলচ্চিত্র)|অ্যাভাটার]]'' দেখার সময় আমার ঠিক তেমনই লেগেছিল।''' এটি আরেকটি চলচ্চিত্র ছিল, যা আমি অনিশ্চিত প্রত্যাশা নিয়ে দেখতে গিয়েছিলাম। তাঁর ''[[টাইটানিক (১৯৯৭-এর চলচ্চিত্র)|টাইটানিকের]]'' মতো [[জেমস ক্যামেরন|জেমস ক্যামেরনের]] চলচ্চিত্র নিয়েও নিরলসভাবে সন্দেহজনক অগ্রিম গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। '''তিনি কেবল একটি অসাধারণ চলচ্চিত্র নির্মাণের মাধ্যমে আরও একবার সন্দেহবাদীদের চুপ করিয়ে দিয়েছেন।''' হলিউডে এখনও অন্তত একজন মানুষ আছেন যিনি জানেন কীভাবে ২৫ কোটি বা ৩০ কোটি ডলার বিজ্ঞতার সাথে খরচ করতে হয়। ** ''[[অ্যাভাটার (২০০৯-এর চলচ্চিত্র)|অ্যাভাটার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/avatar-2009 পর্যালোচনা] (১১ ডিসেম্বর ২০০৯) * বিশেষ করে এর শুরুর দৃশ্যগুলোতে ''[[w:ব্যালাস্ট (চলচ্চিত্র)|ব্যালাস্ট]]'' আমাদের সাধারণ প্রত্যাশার চেয়ে "ধীর" এবং "শান্ত"। আপনি কি জানেন? বেশিরভাগ সময় জীবনও এমন। আমরা ঘুম থেকে উঠে সাথে সাথেই প্লট পয়েন্টগুলোর সাথে যুক্ত হতে শুরু করি না। কিন্তু ''[[w:ব্যালাস্ট (চলচ্চিত্র)|ব্যালাস্ট]]'' অনিবার্যভাবে বৃদ্ধি পায় এবং গভীর হয় এবং শক্তি সঞ্চয় করে আমাদের শুষে নেয়। আমি সবসময় বলি যে আমি দুঃখের চলচ্চিত্রে খুব কমই কাঁদি, তবে আমি মাঝে মাঝে ভালো মানুষদের নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্রে কিছুটা কাঁদি। ** ''[[w:ব্যালাস্ট (চলচ্চিত্র)|ব্যালাস্ট]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/ballast-2008 পর্যালোচনা] (২৯ অক্টোবর ২০০৮) * '''আমি বলেছিলাম যে এটি সেই ব্যাটম্যান চলচ্চিত্র যার জন্য আমি অপেক্ষা করছিলাম। আরও সঠিকভাবে বললে, এটি সেই চলচ্চিত্র যার জন্য আমি অপেক্ষা করছিলাম বলে বুঝতে পারিনি, কারণ আমি বুঝতে পারিনি যে [[গল্প]] এবং চরিত্রের ওপর বেশি জোর দেওয়া এবং হাই-টেক অ্যাকশনের ওপর কম জোর দেওয়াই প্রয়োজন ছিল।''' চলচ্চিত্রটি বিনোদনমূলক হওয়ার পাশাপাশি নাটকীয়ভাবেও কাজ করে। এর মধ্যে কিছু একটা আছে। ** ''[[ব্যাটম্যান বিগিন্স]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/batman-begins-2005 পর্যালোচনা] (১৩ জুন ২০০৫) * '''''[[w:ড্যান্সেস উইথ উলভস|ড্যান্সেস উইথ উলভস]]ের'' এমন দৃষ্টিভঙ্গি এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে যা আজকের চলচ্চিত্রে বিরল।''' এটি কোনো সূত্রের চলচ্চিত্র নয়, বরং একটি চিন্তাশীল এবং সাবধানে পর্যবেক্ষণ করা গল্প। পশ্চিমা চলচ্চিত্র মৃত বলে বিবেচিত হওয়ার সময়ে এটি একটি পশ্চিমা চলচ্চিত্র। এটি আমাদের কল্পনা এবং সহানুভূতি চায়। এটি উন্মোচিত হতে তিন ঘণ্টা সময় নেয়। এটি ''ফিল্ড অব ড্রিমসের'' বুদ্ধিমান অভিনেতা [[w:কেভিন কসনার|কেভিন কসনারের]] জন্য একটি ব্যক্তিগত বিজয়, যিনি চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন এবং গল্প ও চাক্ষুষ কাঠামোর ওপর এমন একটি নিয়ন্ত্রণ দেখিয়েছেন যা চমকে দেওয়ার মতো। এই চলচ্চিত্রটি এত আত্মবিশ্বাসের সাথে এগোয় এবং এত ভালো দেখায় যে এটি বিশ্বাস করা কঠিন যে এটি একটি পরিচালনার আত্মপ্রকাশ। ** ''[[ড্যান্সেস উইথ উলভস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/dances-with-wolves-1990 পর্যালোচনা] (৯ নভেম্বর ১৯৯০) * আমি প্রশংসা অনুভব করিনি। আমি এমন অর্থে সহানুভূতি অনুভব করেছি যে আমি একটি পাগল কুকুরের জন্য এটি অনুভব করব, যখন আমি স্বীকার করব যে এটি অবশ্যই ধ্বংস করতে হবে। আমার মনে হয় না চলচ্চিত্রটি "[[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলার]] আসলে কী করেছিলেন, তার একটি পর্যাপ্ত প্রতিক্রিয়া" প্রদান করে, কারণ আমার মনে হয় কোনো চলচ্চিত্রই তা পারে না এবং কোনো প্রতিক্রিয়াই পর্যাপ্ত হবে ঘন। '''আমরা এই ধরনের একটি চলচ্চিত্র থেকে কেবল এটাই শিখতে পারি যে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বর্ণবাদ এবং উপজাতীয়তার বর্বর প্রবৃত্তির সাথে যুক্ত উন্মাদনার দ্বারা পরিচালিত করা যেতে পারে এবং আরও লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা যেতে পারে।''' ** ''[[w:ডাউনফল (২০০৪-এর চলচ্চিত্র)|ডাউনফল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/downfall-2005 পর্যালোচনা] (১১ মার্চ ২০০৫) * আপনাদের একটি গল্প বলি। কলাম্বাইনের পরের দিন টম ব্রোকাও সংবাদ অনুষ্ঠানের জন্য আমার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল। প্রতিবেদককে একটি তত্ত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি এটি সমর্থন করার জন্য সাউন্ড বাইট খুঁজছিলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "আপনি কি বলবেন না যে এই ধরনের হত্যাকাণ্ডগুলো সহিংস চলচ্চিত্র দ্বারা প্রভাবিত হয়?" আমি বলেছিলাম, না, আমি তা বলব না। তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "কিন্তু ''বাস্কেটবল ডায়েরিজ'' সম্পর্কে কী বলবেন? সেখানে কি এমন কোনো দৃশ্য নেই যেখানে একটি ছেলে মেশিনগান নিয়ে স্কুলে ঢুকছে?" আমি বলেছিলাম, ১৯৯৫ সালের অখ্যাত লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিওর চলচ্চিত্রে সেই প্রকৃতির একটি সংক্ষিপ্ত ফ্যান্টাসি দৃশ্য ছিল। কিন্তু চলচ্চিত্রটি বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়েছিল (এটি কেবল ২৫ লাখ ডলার আয় করেছিল) এবং কলাম্বাইনের খুনিরা এটি দেখেছে এমন সম্ভাবনা কম। প্রতিবেদককে হতাশ লাগছিল। তাই আমি তাঁকে আমার তত্ত্বটি দিয়েছিলাম। '''আমি বলেছিলাম, "এই ধরনের ঘটনাগুলো যদি কোনো কিছুর দ্বারা প্রভাবিত হয়, তবে তা আপনাদের মতো সংবাদ অনুষ্ঠান দ্বারা প্রভাবিত হয়।"''' যখন কোনো ভারসাম্যহীন শিশু স্কুলে ঢুকে গুলি চালাতে শুরু করে, তখন এটি একটি বড় গণমাধ্যমের ঘটনা হয়ে ওঠে। কেবল সংবাদ সাধারণ অনুষ্ঠান বাতিল করে এবং দিনরাত এটি প্রচার করে। গল্পটিতে একটি লোগো এবং একটি থিম গান দেওয়া হয়; এই দুই শিশুকে ট্রেঞ্চ কোট মাফিয়া হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। '''দেশের চারপাশের অন্যান্য বিরক্ত শিশুদের কাছে বার্তাটি স্পষ্ট: আমি যদি আমার স্কুলে গুলি চালাই, তবে আমি বিখ্যাত হতে পারি।''' টিভি আমাকে ছাড়া আর কিছুই নিয়ে কথা বলবে না। বিশেষজ্ঞরা আমি কী ভাবছিলাম তা বোঝার চেষ্টা করবেন। স্কুলের শিশু এবং শিক্ষকেরা দেখবেন যে তাদের আমার সাথে ঝামেলা করা উচিত হয়নি। আমি গৌরবের আভায় বাইরে যাব।" <br /> সংক্ষেপে আমি বলেছিলাম, '''কলাম্বাইনের মতো ঘটনাগুলো সহিংস চলচ্চিত্রের চেয়ে সিএনএন, এনবিসি নাইটলি নিউজ এবং অন্যান্য সমস্ত সংবাদ মাধ্যম দ্বারা বেশি প্রভাবিত হয়, যারা খুনিদের "ব্যাখ্যা" করার ছদ্মবেশে তাদের মহিমান্বিত করে।''' আমি ''সান-টাইমসের'' নীতির প্রশংসা করেছিলাম, যেখানে আমাদের সম্পাদক বলেছিলেন যে পত্রিকাটি আর প্রথম পাতায় স্কুলে হত্যার ঘটনা প্রকাশ করবে না। প্রতিবেদক আমাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ক্যামেরা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। '''অবশ্যই সাক্ষাৎকারটি কখনো ব্যবহার করা হয়নি।''' তাঁরা সহিংস চলচ্চিত্রের নিন্দা করার জন্য প্রচুর কথা বলার মানুষ খুঁজে পেয়েছিলেন এবং সবাই খুশি ছিলেন। ** ''[[w:এলিফ্যান্ট (২০০৩-এর চলচ্চিত্র)|এলিফ্যান্ট]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/elephant-2003 পর্যালোচনা] (৭ নভেম্বর ২০০৩) * '''আমি চলচ্চিত্র ভালোবাসি বলে ''[[w:ফার্গো (চলচ্চিত্র)|ফার্গো]]ের'' মতো চলচ্চিত্রগুলো দেখি।''' ** ''[[w:ফার্গো (চলচ্চিত্র)|ফার্গো]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/fargo-1996 পর্যালোচনা] (৮ মার্চ ১৯৯৬) *''' ''গ্রাউন্ডহগ ডে'' হলো এমন একটি চলচ্চিত্র যা তার সুর এবং উদ্দেশ্য এত নিখুঁতভাবে খুঁজে পায় যে এর [[প্রতিভা]] তাৎক্ষণিকভাবে নজরে নাও আসতে পারে। এটি এত অনিবার্যভাবে উন্মোচিত হয়, এত বিনোদনমূলক এবং এত স্পষ্টতই অনায়াস যে এটি আসলে কতটা ভালো তা দেখার আগে আপনাকে পিছিয়ে দাঁড়াতে হবে এবং নিজেকে চড় মারতে হবে।''' <br> নিশ্চিতভাবেই আমি [https://web.archive.org/web/20070930041716/http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/19930212/REVIEWS/302120302/1023 আমার মূল পর্যালোচনায়] এটিকে অবমূল্যায়ন করেছি। আমি এটিকে এত সহজেই উপভোগ করেছি যে আমি প্রফুল্ল পরিমিতির দ্বারা প্রলুব্ধ হয়েছিলাম। তবে এমন কয়েকটি চলচ্চিত্র রয়েছে যা আমাদের স্মৃতিতে প্রবেশ করে এবং রেফারেন্স পয়েন্ট হয়ে ওঠে। এটি সেগুলোর মধ্যে একটি। যখন আপনার কেমন লাগছে তা বোঝানোর জন্য আপনার এই কথাটির প্রয়োজন হয় যে ''এটি "গ্রাউন্ডহগ ডে"র মতো'', তখন বুঝতে হবে একটি চলচ্চিত্র দারুণ কিছু অর্জন করেছে। ** ''শিকাগো সান-টাইমসে'' (৩০ জানুয়ারি ২০০৫) ''[[w:গ্রাউন্ডহগ ডে (চলচ্চিত্র)|গ্রাউন্ডহগ ডে]]ের'' [https://web.archive.org/web/20050615085737/http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20050130/REVIEWS08/501300301/1023 পর্যালোচনা], [https://www.rogerebert.com/reviews/great-movie-groundhog-day-1993 rogerebert.com]-এও উপলব্ধ * চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে সবাই জানে যে এটি এমন এক ব্যক্তিকে নিয়ে, যে নিজেকে বারবার একই দিনে বেঁচে থাকতে দেখে। সে তার বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি যে জানে যে এমনটা ঘটছে। হতাশা এবং তিক্ততা, বিদ্রোহ এবং নিরাশা, আত্মঘাতী আত্মবিধ্বংস এবং নিষ্ঠুর বেপরোয়া সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর, সে এমন কিছু করতে শুরু করে যা তার স্বভাবের বাইরের। সে শিখতে শুরু করে। ** ''শিকাগো সান-টাইমসে'' (৩০ জানুয়ারি ২০০৫) ''গ্রাউন্ডহগ ডে'' (১৯৯৩)-এর পর্যালোচনা * '''ব্রিটিশ সংবাদপত্র ইন্ডিপেন্ডেন্টের একটি দীর্ঘ নিবন্ধে বলা হয়েছে যে ধর্মীয় নেতারা "গ্রাউন্ডহগ ডে" চলচ্চিত্রটিকে "সর্বকালের সবচেয়ে আধ্যাত্মিক চলচ্চিত্র হিসেবে প্রশংসা করেছেন।"''' সম্ভবত সমস্ত ধর্মীয় নেতা বার্গম্যান, ব্রেসন, ওজু এবং ড্রেয়ারের কোনো কিছু দেখেননি। কিন্তু কিছু মনে করবেন না: তাঁদের একটি কথা যুক্তিসঙ্গত, এমনকি এমন একটি চলচ্চিত্র সম্পর্কেও যেখানে সবচেয়ে গভীর ধর্মতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ হলো, "'''সম্ভবত ঈশ্বর দীর্ঘকাল ধরে আছেন এবং সবকিছু জানেন।'''" <br> চলচ্চিত্রটির যে বিষয়টি আমাকে অবাক করে তা হলো, মারে এবং রামিস এটি করে পার পেয়ে যান। তাঁরা কখনো তাঁদের স্নায়ু হারান না। '''ফিলের পরিবর্তন হয় কিন্তু সে কখনো তার প্রান্ত হারায় না। সে আরও ভালো ফিলে পরিণত হয়, কিন্তু ভিন্ন ফিলে নয়।''' মুভিটি শেষে খুব বেশি আবেগময় হয় না। একটি অন্ধকার সময় থাকে যখন সে নিজেকে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। একটি বেপরোয়া সময় থাকে যখন সে তার গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কারণ সে জানে এতে কিছু আসে যায় না। হতাশার সময়গুলোও থাকে। <br> আমরা দেখি যে জীবন এমনই। '''আগামীকাল আসবে এবং সর্বদা ২ ফেব্রুয়ারি থাকুক বা না থাকুক, আমরা কেবল এটি সম্পর্কে যেটা করতে পারি তা হলো আমরা যতটা ভালো মানুষ হতে জানি ততটা ভালো হওয়া। সুখবর হলো যে আমরা আরও ভালো মানুষ হতে শিখতে পারি।''' এমন একটি মুহূর্ত আছে যখন ফিল রিতাকে বলে, "তুমি যখন তুষারে দাঁড়াও, তোমাকে দেখতে একটি দেবদূতের মতো লাগে।" '''আসল কথা এটি নয় যে সে রিতাকে ভালোবাসতে শুরু করেছে। আসল কথা হলো সে [[দেবদূত|দেবদূতকে]] দেখতে শিখেছে।''' ** ''শিকাগো সান-টাইমসে'' (৩০ জানুয়ারি ২০০৫) ''গ্রাউন্ডহগ ডে'' (১৯৯৩)-এর পর্যালোচনা * এটি কেবল রেকর্ড স্টোরের অবসাদগ্রস্ত কেরানিদের নিয়ে এবং তাঁদের জন্য তৈরি একটি চলচ্চিত্র নয়, বরং ভিডিও স্টোরের কেরানি, যাঁরা সমস্ত সিনেমা দেখেছেন এবং বইয়ের দোকানের কর্মচারী, যাঁরা সমস্ত বই পড়েছেন, তাঁদের নিয়ে তৈরি। সেইসাথে বারটেন্ডার, পরিচারিকা, স্বাস্থ্যকর খাবারের দোকানে সবজি বিক্রেতা, নিরামিষ রেস্তোরাঁগুলোতে রান্নাঘরের দাস, জিএনসিতে থাকা মানুষ যাঁরা সমস্ত ভেষজ চেনেন, বিকল্প সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলোর জন্য লেখক, কলেজের স্টেশনগুলোতে ডিস্ক জকি, রেট্রো পোশাকের দোকানে বিক্রয়কর্মী, ট্যাটু শিল্পী এবং যাঁরা ট্যাটু আঁকান তাঁদের জন্য, কবি, শিল্পী, সুরকার, ঔপন্যাসিক এবং হিপ, ছিদ্রযুক্ত এবং একাকীদের নিয়ে তৈরি। তাঁরা হয়তো নিজেদের দেখতে পাবেন না, কিন্তু তাঁরা তাঁদের চেনা মানুষদের চিনতে পারবেন। ** ''[[হাই ফিডেলিটি]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/high-fidelity-2000 পর্যালোচনা] (৩১ মার্চ ২০০০) * '''এমন একটি চলচ্চিত্র পাওয়া খুব বিরল, যা পক্ষ নেয় না।''' দ্বন্দ্বকে জনপ্রিয় কল্পকাহিনির ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবুও এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা প্রথম দৃশ্য থেকেই আমাদের আটকে রাখে এবং কখনো ছেড়ে দেয় না এবং আমরা এর ভেতরের সবার জন্য পুরোটা সময় ধরে সহানুভূতি অনুভব করি। '''নিশ্চিতভাবেই তাঁরা মাঝে মাঝে খারাপ কাজ করেন। কিন্তু চলচ্চিত্রটি তাঁদের এবং তাঁদের ত্রুটিগুলো ''বোঝে''। দারুণ কল্পকাহিনির মতো ''[[হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগ (চলচ্চিত্র)|হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগ]]'' এর চরিত্রগুলোর হৃদয়ে দেখতে পায় এবং তাঁদের ভালোবাসে ও করুণা করে।''' … "হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগ" কোনো বানানো উত্থান-পতনযুক্ত প্লট নয়, বরং এটি একটি গল্প তুলে ধরে। প্লট হলো সেসব বিষয় যা ঘটে। গল্প হলো সেসব মানুষ যারা আচরণ করে। <br /> একটি গল্পের প্রশংসা করার জন্য আপনাকে অবশ্যই মানুষদের কথা শুনতে এবং তাঁদের পর্যবেক্ষণ করতে ইচ্ছুক হতে হবে। ''হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগের'' শেষে আমরা ভালো উদ্দেশ্যধারী ভালো মানুষদের দেখেছি, যাঁদের জীবন ধ্বংস হয়ে যায়, কারণ একটি দুর্বল, জঘন্য আকাঙ্ক্ষাধারী মানুষের সাথে তাঁদের দেখা হওয়ার দুর্ভাগ্য হয়েছিল। ** ''[[w:হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগ|হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/house-of-sand-and-fog-2003 পর্যালোচনা] (২৬ ডিসেম্বর ২০০৩) * একটি অন্ধকার প্রেক্ষাগৃহে বসে আমি আমার স্ত্রীর হাত ধরার জন্য নিজের হাত বাড়িয়ে দিলাম। তিনি এবং আমি একই সমুদ্রসৈকতে গিয়েছিলাম এবং আমাদের সন্তান ও নাতি-নাতনিদের সাথে সেখানে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছিলাম। একটি বরফশীতল আঙুল ধীরে ধীরে আমাদের মেরুদণ্ড বেয়ে নেমে গেল। '''এমন একটি সংযোগ ভয়ঙ্কর হতে পারে।''' এর অর্থ কী? আমরা দেবতাদের হাতের খেলনা। ** ''[[দ্য ইম্পসিবল (২০১২-এর চলচ্চিত্র)|দ্য ইম্পসিবল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-impossible-2012 পর্যালোচনা] (১৯ ডিসেম্বর ২০১২) * আর রেটিংটি লগের অশ্লীল শব্দ ব্যবহারকে বোঝায়। এটি সম্পূর্ণরূপে অবর্ণনীয়। এটি কিশোর-কিশোরীদের জন্য একটি চমৎকার চলচ্চিত্র। ** ''[[দ্য কিংস স্পিচ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-kings-speech-2010 পর্যালোচনা] (১৫ ডিসেম্বর ২০১০) * '''''[[ম্যাগনোলিয়া (চলচ্চিত্র)|ম্যাগনোলিয়া]]'' তার [[উচ্চাকাঙ্ক্ষা|উচ্চাকাঙ্ক্ষায়]] [[নাটকীয়|নাটকীয়তা]] দেখিয়েছে। এটি মেলোড্রামা এবং [[কাকতালীয় ঘটনা|কাকতালীয় ঘটনায়]] একটি [[দারুণ]], [[আনন্দ|আনন্দময়]] লাফ, যেখানে রয়েছে রুক্ষ [[আবেগ]], [[অপরাধ]] এবং [[শাস্তি]], মৃত্যুশয্যার দৃশ্য, [[রোম্যান্স|রোমান্টিক]] [[স্বপ্ন]], প্রজন্মের কোলাহল এবং স্বর্গীয় হস্তক্ষেপ। এর সবগুলোতে ধারাবাহিক সংগীত যুক্ত। এটি কোনো ভীতু চলচ্চিত্র নয়।''' … চলচ্চিত্রটি একটার পর একটা পর্বের একটি শৃঙ্খল যা লস অ্যাঞ্জেলেসে একদিনের মধ্যে ঘটে। মাঝে মাঝে একই মুহূর্তেও ঘটে। এর চরিত্রগুলো রক্ত, কাকতালীয় ঘটনা এবং তাদের জীবনের সমান্তরাল মনে হওয়ার উপায়ের মাধ্যমে যুক্ত। বিষয়বস্তুগুলো ধীরে ধীরে ফুটে ওঠে: বাবাদের মৃত্যু, শিশুদের ক্ষোভ, প্রাথমিক প্রতিশ্রুতির ব্যর্থতা, হঠাৎ এবং আশ্চর্যজনক ঘটনাগুলো দ্বারা সমস্ত পরিকল্পনা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে দুর্বল করার উপায়। … '''এই সমস্ত সুতোগুলো কোনো না কোনোভাবে একটি ঘটনার দিকে একত্রিত হয়। দর্শকদের এটি আগে থেকে ধারণা করার কোনো উপায় নেই।''' এই ঘটনাটি "প্রতারণা" নয়, যেমনটা কিছু সমালোচক যুক্তি দিয়েছেন, কারণ উপস্থাপনা অংশটি পুরোপুরি এর জন্য পথ তৈরি করে দেয়। ''যাত্রাপুস্তকের'' কিছু সূক্ষ্ম উল্লেখও এর জন্য দায়ী। এটি [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] [[হাত|হাতের]] মতো কাজ করে, যা আমাদের পরিকল্পনা করার দুঃসাহসের [[অযৌক্তিকতা|অযৌক্তিকতা]] মনে করিয়ে দেয়। তবুও আমাদের পরিকল্পনা করতে হয়, কারণ আমরা মানুষ এবং কারণ মাঝে মাঝে আমাদের পরিকল্পনাগুলো সফল হয়। <br /> '''''ম্যাগনোলিয়া'' হলো এমন একটি চলচ্চিত্র যাতে আমি সহজাতভাবে সাড়া দিই। [[যুক্তি|যুক্তিকে]] [[দরজা|দরজায়]] রেখে আসুন। দমিত [[রুচি]] এবং সংযম আশা করবেন না, বরং এক ধরনের নাটকীয় [[পরমানন্দ|পরমানন্দের]] প্রত্যাশা করুন।''' তিন ঘণ্টার দৈর্ঘ্যেও এটি নাটকীয়। এর বিষয়বস্তুগুলো উন্মোচিত হয়, এর চরিত্রগুলো [[আলো|আলোর]] মৃত্যু ঠেকাতে সংগ্রাম করে এবং ভাগ্যের বিশাল চাকা তাদের দিকে গড়িয়ে আসে। ** [''শিকাগো সান-টাইমসে'' ''ম্যাগনোলিয়াের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/magnolia-2000 পর্যালোচনা] (৭ জানুয়ারি ২০০০)] * সম্প্রতি আমাদের দেশে সহানুভূতির অভাব দেখা দিয়েছে। আমাদের নেতারা দ্রুত নিজেদের অনুভূতি নিয়ে আমাদের অভিনন্দন জানান, অন্যদের কেমন লাগছে তা জিজ্ঞাসা করতে সময় নেন। কিন্তু হয়তো সময় পাল্টাচ্ছে। প্রতিটি [[w:স্পাইক লি|লি]] চলচ্চিত্র সহানুভূতির একটি অনুশীলন। তিনি তাঁর দর্শকদের মধ্যে থাকা কৃষ্ণাঙ্গদের অভিনন্দন জানাতে বা শ্বেতাঙ্গদের নিন্দা করতে আগ্রহী নন। তিনি পর্দায় মানুষদের তুলে ধরেন এবং তাঁর দর্শকদের কিছুক্ষণ তাদের জুতো পরে হাঁটার অনুরোধ করেন। ** ''[[ম্যালকম এক্স (চলচ্চিত্র)|ম্যালকম এক্স]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/malcolm-x-1992 পর্যালোচনা] (১৮ নভেম্বর ১৯৯২) * ''[[দ্য ম্যান ইন দ্য মুন]]'' একটি চমৎকার ছোটগল্পের মতো, ভাষা এবং মেজাজের সেইসব মাস্টারপিসগুলোর মধ্যে একটি যেখানে কোনো একটি শব্দও ভুল বা অপ্রয়োজনীয় নয়। এটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এত মসৃণভাবে প্রবাহিত হয় যে এটিকে খুব একটা সাধারণ চলচ্চিত্র বলে মনে হয় না। সাধারণত আমি চিত্রনাট্যকারের বাধ্যতামূলক দৃশ্যগুলো যুক্ত করা সম্পর্কে সচেতন থাকি। আমি কলকবজা ঘোরানোর শব্দ শুনতে পারি। তবে এবার নয়। যদিও, পেছনের দিকে ফিরে তাকালে, আমি দেখতে পাই কীভাবে যত্ন সহকারে প্লটটি একত্রিত করা হয়েছিল, কীভাবে সতর্কতার সাথে প্রতিটি ঘটনার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, চলচ্চিত্রটি দেখার সময় আমি কেবল জীবনের পার হয়ে যাওয়া সম্পর্কে সচেতন ছিলাম। ** ''[[দ্য ম্যান ইন দ্য মুন]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-man-in-the-moon-1991 পর্যালোচনা] (৪ অক্টোবর ১৯৯১) * [[শন পেন]] কখনো [[হার্ভে মিল্ক|হার্ভে মিল্ককে]] বীর হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেন না এবং তার প্রয়োজনও নেই। তিনি তাঁকে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে দেখান, যিনি দয়ালু, মজার, ত্রুটিযুক্ত, চতুর, আদর্শবাদী, যিনি একটি ভালো পৃথিবীর আকাঙ্ক্ষা করেন। তিনি দেখান যে এমন একজন সাধারণ মানুষ কী অর্জন করতে পারে। '''মিল্ক সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় সঠিক মানুষ ছিলেন এবং তিনি পরিস্থিতি অনুযায়ী উঠে দাঁড়িয়েছিলেন।''' [[রোজা পার্কস|রোজা পার্কসও]] তাই ছিলেন। মাঝে মাঝে ইতিহাসের একটি সুনির্দিষ্ট মুহূর্তে কেবল একজন মানুষকে উঠে দাঁড়াতে হয়। অথবা বসতে হয়। ** ''[[মিল্ক (চলচ্চিত্র)|মিল্ক]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/milk-2008 পর্যালোচনা] (২৪ নভেম্বর ২০০৮) * মার্কিন চলচ্চিত্রগুলো একটি পরিবর্তনকালীন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কিছু পরিচালক প্রযুক্তির ওপর তাঁদের আস্থা রাখেন। প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ [[w:স্টিভেন স্পিলবার্গ|স্পিলবার্গ]] কেবল গল্প এবং চরিত্রের ওপর আস্থা রাখেন এবং এরপর তিনি বাকি সবকিছু একজন কর্মীর মতো ব্যবহার করেন যিনি তাঁর সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করেন। তিনি নতুন প্রযুক্তি দিয়ে ''মাইনরিটি রিপোর্ট'' তৈরি করেন। অন্যান্য পরিচালকেরা মনে হচ্ছে প্রযুক্তি থেকেই তাঁদের চলচ্চিত্রগুলো তৈরি করার চেষ্টা করছেন। এই চলচ্চিত্রটি এমন একটি গুণী এবং উচ্চ পর্যায়ের কাজ, যা অনেক সাহস করে, এত অনুগ্রহ এবং দক্ষতার সাথে এটি অর্জন করে। '''মাইনরিটি রিপোর্ট আমাদের মনে করিয়ে দেয় কেন আমরা প্রথমে চলচ্চিত্র দেখতে যাই।''' ** ''[[w:মাইনরিটি রিপোর্ট (চলচ্চিত্র)|মাইনরিটি রিপোর্ট]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/minority-report-2002 পর্যালোচনা] (২১ জুন ২০০২) * '''প্যাটি জেনকিন্স-এর ''[[w:মনস্টার (চলচ্চিত্র)|মনস্টার]]ে'' [[w:শার্লিজ থেরন|শার্লিজ থেরন]] যা অর্জন করেছেন তা অভিনয় নয়, বরং একটি বাস্তব রূপ।''' সাহস, শিল্প এবং দয়ার সাথে তিনি [[w:এইলিন উরনোস|এইলিন উরনোসের]] প্রতি সহানুভূতি দেখান, যিনি একজন ক্ষতিগ্রস্ত নারী এবং যিনি সাতটি খুন করেছিলেন। তিনি খুনগুলোর সাফাই গান না। তিনি কেবল আমাদের সেই নারীর ভাগ্যের চেয়ে ভালো মানুষ হওয়ার চূড়ান্ত মরিয়া প্রচেষ্টার সাক্ষী হওয়ার অনুরোধ করেন। ** ''[[w:মনস্টার (চলচ্চিত্র)|মনস্টার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/monster-2003 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ২০০৪) * অনেক মানুষের [[মৃত্যুদণ্ড|মৃত্যুদণ্ডের]] ধারণার সাথে আরামদায়কভাবে বেঁচে থাকার ক্ষমতা হয়তো এই বিষয়ের একটি সূত্র যে কীভাবে অনেক ইউরোপীয় [[হলোকাস্ট|হলোকাস্টের]] ধারণার সাথে বেঁচে থাকতে পেরেছিলেন: '''আপনি যদি এই ধারণাটি গ্রহণ করেন যে রাষ্ট্রের কাউকে হত্যা করার অধিকার রয়েছে এবং কোনটি মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ তা নির্ধারণ করার অধিকার রয়েছে, তবে কি আপনি অর্ধেক পথ অতিক্রম করেননি?''' ** ''[[w:মিস্টার ডেথ: দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অব ফ্রেড এ. লিউচার, জুনিয়র|মিস্টার ডেথ: দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অব ফ্রেড এ. লিউচার, জুনিয়র]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/mr-death-the-rise-and-fall-of-fred-a-leuchter-jr-2000 পর্যালোচনা] (৪ ফেব্রুয়ারি ২০০০) * এই ধরনের শক্তিশালী অভিনয় দেখা রোমাঞ্চকর। এমন এক সময়ে যখন জাঁকজমকপূর্ণ পরিচালকেরা মাথা ঘোরানো সম্পাদনার ছন্দে তাঁদের চলচ্চিত্রগুলোকে টুকরো টুকরো করে কাটেন, তখন এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে চলচ্চিত্রগুলো তাদের চরিত্রগুলোর প্রতি সহানুভূতিশীল হতে পারে, তাকাতে এবং শুনতে পারে। পরিচালকেরা বিয়োগ করার মাধ্যমে মহান হন, যোগ করার মাধ্যমে নয়। [[w:ক্লিন্ট ইস্টউড|ইস্টউড]] দেখানোর জন্য কিছুই করেন না, সবকিছু করেন কেবল প্রভাব ফেলার জন্য। ** ''[[মিস্টিক রিভার (চলচ্চিত্র)|মিস্টিক রিভার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/mystic-river-2003 পর্যালোচনা] (৮ অক্টোবর ২০০৩) * এই চলচ্চিত্রটি দেখা বেদনাদায়ক। তবে এটি আনন্দদায়কও বটে, যেমনটা সব ভালো চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে হয়। কারণ আমরা পরিচালক এবং অভিনেতাদের দেখতে পাই, যাঁরা একটি আধুনিক চলচ্চিত্র কী নিয়ে হতে পারে, তার যেকোনো প্রচলিত ধারণার বাইরে উদ্যোগ নিচ্ছেন। এখানে কোনো প্লট নেই, চিহ্নিত করার মতো কোনো চরিত্র নেই, কোনো আশা নেই। তবে যত্ন আছে: চলচ্চিত্র নির্মাতারা এই মানুষগুলোর খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য যথেষ্ট যত্ন নেন। তাঁরা কীভাবে দেখেন এবং শব্দ করেন এবং তাঁরা কী অনুভব করেন, তা তাঁরা নোট করেন। ** ''[[নেকড (চলচ্চিত্র)|নেকড]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/naked-1994 পর্যালোচনা] (১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৪) * ''[[w:ওয়ান্স (চলচ্চিত্র)|ওয়ান্স]]'' হলো সেই ধরনের চলচ্চিত্র, যা নিয়ে আমি পর্যালোচনা আবার শুরু করার পর থেকে আমাকে বিরক্ত করা হয়েছে। মানুষ এটিকে পুরোপুরি বর্ণনা করতে পারেনি, কিন্তু তারা বলেছিল আমাকে এটি দেখতে হবে। আমাকে দেখতেই হতো। আমি দেখেছি। তাঁরা ঠিক ছিলেন। ** ''[[w:ওয়ান্স (চলচ্চিত্র)|ওয়ান্স]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/once-2007 পর্যালোচনা] (২৪ ডিসেম্বর ২০০৭) * '''বিংশ শতাব্দীর গোধূলিলগ্নে, আমাদের আশ্বস্ত করার জন্য এখানে একটি [[হাস্যরসাত্মক|কমেডি]] রয়েছে যে [[আশা]] রয়েছে — যে বিশ্বকে আমরা আমাদের চারপাশে দেখি তা [[প্রগতি|প্রগতির]] প্রতিনিধিত্ব করে, ক্ষয়ের নয়।''' বছরের অন্যতম সেরা এবং সবচেয়ে মৌলিক চলচ্চিত্র ''[[প্লিজেন্টভিল]]'' আমাদের চমকে দেয়। এটি "ফাদার নোজ বেস্টের" মতো পুরোনো সাদাকালো সিটকমগুলোকে নিয়ে মজা করার মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর এটি নিজেই একটি সিটকম হওয়ার ভান করতে থাকে এবং এটি আশ্চর্যজনক [[শক্তি|ক্ষমতার]] একটি সামাজিক ভাষ্য হিসেবে শেষ হয়। <br /> … <br /> চলচ্চিত্রটি পর্যবেক্ষণ করে যে মাঝে মাঝে আনন্দদায়ক [[মানুষ|মানুষেরা]] আনন্দদায়ক হয় কেবল কারণ তাদের কখনো চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। নতুন উপায়গুলো শেখা ভীতিকর এবং বিপজ্জনক। চলচ্চিত্রটি বডি স্ন্যাচারদের পরাজয়ের মতো: রঙিন মানুষেরা প্রাক্তন পড মানুষের মতো, যাঁরা এখন ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য মুক্ত। আমরা পর্যবেক্ষণ করি যে [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] হুমকির মতো আর কিছুই [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদী]] তৈরি করে না। <br /> ''[[প্লিজেন্টভিল]]'' হলো এক ধরনের দৃষ্টান্তমূলক গল্প যা আমাদের ভালো পুরোনো দিনগুলোর পুনর্মূল্যায়ন করতে এবং ক্ষয়িষ্ণু বলে সহজেই বাতিল করে দেওয়া নতুন বিশ্বের দিকে নতুন করে তাকাতে উৎসাহিত করে। '''হ্যাঁ, আমাদের আরও সমস্যা রয়েছে। কিন্তু আরও সমাধান, আরও সুযোগ এবং আরও স্বাধীনতাও রয়েছে।''' আমি পঞ্চাশের দশকে বড় হয়েছি। এটি আপনি যা কল্পনা করতে পারেন তার চেয়ে অনেক বেশি ''প্লিজেন্টভিলের'' জগতের মতো ছিল। হ্যাঁ, আমার বাড়ির চারপাশে কাঠের বেড়া ছিল এবং পৌনে ছয়টায় রাতের খাবার সবসময় টেবিলে থাকত, কিন্তু এমন অনেক কিছু ভুল ছিল যার জন্য আমি শব্দগুলোও জানতাম না। ** ''[[w:প্লিজেন্টভিল (চলচ্চিত্র)|প্লিজেন্টভিল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/pleasantville-1998 পর্যালোচনা] (১ অক্টোবর ১৯৯৮) * এভাবেই [জীবন] ঘটে। আমরা যদি ভাগ্যবান হই, তবে আমরা যা করতে চাই তা খুঁজে পাই। অথবা যদি আমরা বেশিরভাগ মানুষের মতো হই, তবে যা করা আমাদের প্রয়োজন তা খুঁজে পাই। আমরা খাবার, আশ্রয়, পোশাক, সঙ্গী, স্বাচ্ছন্দ্য, শেকসপিয়রের একটি প্রথম ফোলিও, মডেল প্লেন, আমেরিকান গার্ল ডল, একমুঠো ভাত, যৌনতা, একাকীত্ব, ভেনিস ভ্রমণ, নাইকি, পানীয় জল, প্লাস্টিক সার্জারি, শিশুদের যত্ন, কুকুর, ওষুধ, শিক্ষা, গাড়ি, আধ্যাত্মিক সান্ত্বনা — আমাদের যা কিছু প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি, তা অর্জনের একটি উপায় হিসেবে আমরা এটিকে ব্যবহার করি।<p>এই প্রক্রিয়ায় আমরা আমাদের জীবনে থাকা মানুষগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন কক্ষে রাখি এবং আমাদের সুবিধার জন্য তাদের কীভাবে আচরণ করা উচিত তা নির্ধারণ করি। যেহেতু আমরা তাদের আমাদের ইচ্ছা অনুসরণ করতে বাধ্য করতে পারি না, তাই আমরা আমাদের মনে তৈরি হওয়া তাদের অনুমান নিয়ে কাজ করি। কিন্তু তারা বিপরীতমুখী হবে এবং তাদের নিজস্ব ইচ্ছা থাকবে। শেষপর্যন্ত আমাদের নতুন অনুমান তাদের নতুন অনুমানের সাথে কাজ করছে। মাঝে মাঝে আমাদের নিজেদের সংস্করণগুলো দ্বিমত পোষণ করে। আমরা প্রলোভনের কাছে আত্মসমর্পণ করি — কিন্তু ওহ বাবা, আমি আর কী করতে পারতাম? আমার নরকের মতো লাগছে। আমি অনুতপ্ত। আমি আবার এটি করব... এটি একটি গতানুগতিক পর্যালোচনা ছিল না। চরিত্রগুলোর নাম, অভিনেতাদের নাম, তাদের অভিনয়ের বিশেষণ নির্ধারণ করার কোনো প্রয়োজন নেই। এই অভিনয়ে কারা আছেন তা দেখুন। আপনি জানেন আমি তাঁদের নিয়ে কী ভাবি। এই চলচ্চিত্রটি তাঁদের কাছে অদ্ভুত লাগার কথা নয়। তাঁরা সারাদিন এটাই করেন, বিশেষ করে পরিচালকের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন। ** ''[[w:সায়নেকডোকি, নিউ ইয়র্ক|সায়নেকডোকি, নিউ ইয়র্ক]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/synecdoche-new-york-2008 পর্যালোচনা] (৫ নভেম্বর ২০০৮) * মাঝে মাঝে উপন্যাস পড়ার পর পর্দায় ভেসে ওঠা ছবিগুলো বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আপনি কীভাবে কল্পনা করেছিলেন তা আপনার বারবার মনে পড়ে। ''[[সোফিস চয়েস (চলচ্চিত্র)|সোফিস চয়েস]]ের'' সময় আমার সাথে এমনটা হয়নি। কারণ চলচ্চিত্রটি এত নিখুঁতভাবে কাস্ট করা হয়েছে এবং কল্পনা করা হয়েছে যে এটি কেবল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং আপনার সাথে ঘটে। এটি বেশ দারুণ একটি অভিজ্ঞতা। … চলচ্চিত্রটি আবিষ্কারের একটি কাজ হয়ে ওঠে। কারণ মার্কিন সরল যুবক, ভালোবাসা, মৃত্যু এবং সম্মানের ধারণায় ভরা মন নিয়ে এমন এক নারীর বন্ধু হয়ে ওঠে, যিনি এত ঘৃণা, মৃত্যু এবং অসম্মান দেখেছেন যে তিনি কেবল অতীতকে মুছে ফেলার মাধ্যমে এবং সাময়িক বিস্মৃতির দিকে পান করে এবং ভালোবেসে এগিয়ে যেতে পারেন। …''' ''সোফিস চয়েস'' একটি চমৎকার, আকর্ষণীয়, দারুণ অভিনীত এবং হৃদয়বিদারক চলচ্চিত্র। এটি এমন তিনজন মানুষকে নিয়ে, যাঁরা ধারাবাহিক পছন্দের মুখোমুখি হন, যার কয়েকটি তুচ্ছ এবং কয়েকটি মর্মান্তিক। উন্মাদের যুগে মানুষ হওয়ার বিভ্রান্তিতে তাঁরা যখন হাবুডুবু খান, তখন তাঁরা আমাদের বন্ধু হয়ে ওঠেন এবং আমরা তাঁদের ভালোবাসি।''' ** ''[[সোফিস চয়েস (চলচ্চিত্র)|সোফিস চয়েস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/sophies-choice-1982 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৮২) * এটি উচ্চ বিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের দুজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে তৈরি একটি সুন্দর চলচ্চিত্র, যাঁদের দেখতে, কথা বলতে এবং বাস্তব ১৮ বছর বয়সী মধ্য-মার্কিন মানুষের মতো মনে হয়। আপনার কি ধারণা আছে এটি কতটা বিরল? তাঁরা বিদ্রূপের দ্বারা পঙ্গু হন না। তাঁদের কার্টুন হিসেবেও গতি বাড়ানো হয়নি। তাঁদের যৌনজীবন এমন দৃশ্য দ্বারা অপমানিত হয়নি যা তাঁদের সাথে সস্তায় আচরণ করে। গল্পটির জন্য তাঁদের প্রেম করা প্রয়োজন, কিন্তু এটি আমাদের তাঁর স্তন দেখার জন্য জোর দেয় না। ** ''[[দ্য স্পেকটাকুলার নাউ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-spectacular-now-2013 পর্যালোচনা] (২ আগস্ট ২০১৩) * ''স্পিডের'' মতো চলচ্চিত্রগুলো এমন ঘরানার অন্তর্ভুক্ত যাকে আমি ব্রুজড ফোরআর্ম মুভিজ বলি। কারণ আপনি সবসময় আপনার পাশে বসে থাকা ব্যক্তির হাত ধরছেন। ভুলভাবে করা হলে এগুলো পুরোনো ধাওয়া করার ক্লিশেগুলোর ক্লান্তিকর রিপ্লে বলে মনে হয়। ভালোভাবে করা হলে এগুলো মজার হয়। ''স্পিডের'' মতো ভালোভাবে করা হলে এগুলো একধরনের উন্মত্ত উল্লাস তৈরি করে। ** ''[[স্পিড (১৯৯৪-এর চলচ্চিত্র)|স্পিড]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/speed-1994 পর্যালোচনা] (১০ জুন ১৯৯৪) * '''আমরা কিছু মানুষের সাথে যুক্ত হই এবং অন্যদের সাথে কখনো দেখা করি না, কিন্তু সহজেই অন্যরকম কিছু হতে পারত।''' সারাজীবনের দিকে ফিরে তাকালে, আমরা যা ঘটেছিল তা এমনভাবে বর্ণনা করি যেন এর একটি পরিকল্পনা ছিল। জীবন কতটা আকস্মিক এবং এলোমেলো — কোনো একটি ঘটনা ঘটার বিরুদ্ধে সম্ভাবনা কতটা বিশাল — তা পুরোপুরি বুঝতে পারা বিনীত হওয়ার মতো। … '''এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা দেখার সময় আপনাকে তীব্রভাবে জীবন্ত বোধ করায় এবং এরপর আপনাকে আপনার সাথে থাকা ব্যক্তির সাথে গভীরভাবে এবং জরুরিভাবে কথা বলার আগ্রহ নিয়ে রাস্তায় পাঠায়। সে যে-ই হোক না কেন।''' ** ''[[w:থ্রি কালার্স: রেড|থ্রি কালার্স: রেড]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/red-1994 পর্যালোচনা] (২ ডিসেম্বর ১৯৯৪) * '''[[w:টেরেন্স ম্যালিক|টেরেন্স ম্যালিকের]] ''[[দ্য ট্রি অব লাইফ (চলচ্চিত্র)|দ্য ট্রি অব লাইফ]]'' হলো বিশাল [[উচ্চাকাঙ্ক্ষা|উচ্চাকাঙ্ক্ষা]] এবং গভীর [[নম্রতা|নম্রতার]] একটি চলচ্চিত্র। এটি সমস্ত [[অস্তিত্ব|অস্তিত্বকে]] ধারণ করার এবং কয়েকটি অসীম ক্ষুদ্র [[জীবন|জীবনের]] প্রিজমের মাধ্যমে তা দেখার চেয়ে কম কিছুর চেষ্টা করে না।''' আমি কেবল [[স্ট্যানলি কুবরিক|কুবরিকের]] ''[[২০০১: আ স্পেস অডিসি]]''তে এই [[সাহস|সাহসী]] দৃষ্টিভঙ্গি দেখেছি এবং এতে ম্যালিকের [[মানুষ|মানবিক]] [[অনুভূতি|অনুভূতির]] তীব্র প্রকাশের অভাব ছিল। … '''আমার নিজের [[ব্যক্তিগত]] [[অভিজ্ঞতা|অভিজ্ঞতার]] সাথে কোনো চলচ্চিত্র এর চেয়ে দ্রুত কখন [[যুক্ত করা|যুক্ত হয়েছে]], তা আমি [[জানা|জানি না]]।''' অদ্ভুত উপায়ে ''দ্য ট্রি অব লাইফের'' কেন্দ্রীয় ঘটনাগুলো আমার জীবনযাপন করা একটি [[সময়]] এবং [[স্থান|স্থানকে]] প্রতিফলিত করে এবং এর ছেলেরাই হলাম আমি। আমি যদি একটি আত্মজৈবনিক চলচ্চিত্র তৈরি করতে বের হতাম এবং আমার যদি ম্যালিকের [[উপহার|উপহারটি]] থাকত, তবে এটি দেখতে অনেকটাই এমন হতো। … সেখানে একজন বাবা আছেন যিনি [[শৃঙ্খলা]] বজায় রাখেন এবং একজন মা আছেন যিনি [[ক্ষমা]] প্রকাশ করেন। দীর্ঘ গ্রীষ্মের দিনগুলোর [[খেলা]] এবং অলসতা এবং জিনিসগুলোর [[অর্থ]] সম্পর্কে জরুরি না বলা প্রশ্ন থাকে। … ওয়াকো, টেক্সাস-এ ম্যালিকের নিজের শহরের স্মৃতি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে চলচ্চিত্রটির দৈনন্দিন জীবনের চিত্রায়ন দুটি বিশালতার দ্বারা আবদ্ধ, একটি স্থান ও সময়ের এবং অন্যটি [[আধ্যাত্মিকতা|আধ্যাত্মিকতার]]। ''দ্য ট্রি অব লাইফে'' [[মহাবিশ্ব|মহাবিশ্বের]] [[জন্ম]] ও সম্প্রসারণ, একটি অণুবীক্ষণিক স্তরে জীবনের উপস্থিতি এবং প্রজাতির [[বিবর্তন|বিবর্তনের]] পরামর্শ দেওয়া বিস্ময়কর দৃশ্য রয়েছে। '''এই প্রক্রিয়াটি [[বর্তমান]] [[মুহূর্ত|মুহূর্তের]] দিকে এবং আমাদের সবার দিকে নিয়ে যায়।''' আমাদের [[মহা বিস্ফোরণ|মহা বিস্ফোরণে]] সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং অগণিত মিলিয়ন বছর ধরে অণুগুলো নিজেদেরকে, আপনার এবং আমার মধ্যে তৈরি করেছে। <br /> আর এরপর কী আসে? [[শুরু|শুরুর]] দিকে ফিসফিস করে বলা [[শব্দ|শব্দগুলোতে]] "[[প্রকৃতি]]" এবং "[[অনুগ্রহ]]" শোনা যায়। … '''চলচ্চিত্রটির কোডা একটি পরকালের একটি [[দর্শন|দর্শন]] প্রদান করে, একটি জনশূন্য ল্যান্ডস্কেপ যেখানে শান্ত মানুষেরা গম্ভীরভাবে একে অপরকে চিনতে পারেন এবং অভিবাদন জানান। আর সমস্ত কিছু [[সময়|সময়ের]] পূর্ণতায় [[বোঝা|বোঝা যায়]]।''' ** [''দ্য ট্রি অব লাইফের'' [http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20110602/REVIEWS/110609998 পর্যালোচনা] (২ জুন ২০১১)] * '''"[[ইউনাইটেড ৯৩ (চলচ্চিত্র)|ইউনাইটেড ৯৩]]"-এর জন্য খুব বেশি দেরি হয়নি, কারণ এটি এমন কোনো চলচ্চিত্র নয় যা জানে যে ৯/১১-এর পর কোনো সময় পার হয়েছে।''' পুরো গল্প, প্রতিটি বিবরণ বর্তমান কালে বলা হয়েছে। আমরা ততটাই জানি যতটা তাঁরা জানেন এবং এর চেয়ে বেশি কিছু নয়। আল-কায়েদা সম্পর্কে কিছু নেই, ওসামা বিন লাদেন সম্পর্কে কিছু নেই, আফগানিস্তান বা ইরাক সম্পর্কে কিছু নেই। ঘটনাগুলো যেভাবে ঘটে কেবল সেভাবেই বলা হয়েছে। '''এটি একটি নিপুণ এবং হৃদয়বিদারক চলচ্চিত্র এবং এটি ভুক্তভোগীদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানায়।''' ** ''[[ইউনাইটেড ৯৩ (চলচ্চিত্র)|ইউনাইটেড ৯৩]]ের'' [https://web.archive.org/web/20130707210114/http://www.rogerebert.com/reviews/united-93-2006 পর্যালোচনা] (২৭ এপ্রিল ২০০৬) * '''শিশুরা বোকা নয়। তারা ঈশ্বরের পৃথিবীতে সবচেয়ে তীক্ষ্ণ, চতুর, সবচেয়ে ঈগল-চোখের প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম। আর খুব কম জিনিসই তাদের নজর এড়ায়।''' আপনি হয়তো খেয়াল করেননি যে আপনার প্রতিবেশী এখনও জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে তার স্নো টায়ার ব্যবহার করছে, কিন্তু ব্লকের প্রতিটি চার বছর বয়সী শিশু তা করেছে। বাচ্চারা যখন সিনেমা দেখতে যায় তখন তারা একই রকম বিস্তারিত মনোযোগ দেয়। তারা কিছুই এড়িয়ে যায় না, এবং সস্তা এবং নিম্নমানের কাজের প্রতি তাদের একটি সহজাত অবজ্ঞা রয়েছে। আমি এই পর্যবেক্ষণটি করছি কারণ দশটির মধ্যে নয়টি শিশুদের চলচ্চিত্র বোকা, বুদ্ধিহীন এবং তাদের দর্শকদের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করে। এই কারণেই বাচ্চারা সেগুলো ঘৃণা করে। অভিভাবকেরা কি কেবল এটাই বাচ্চাদের সিনেমা থেকে চান? এগুলোতে যেন খারাপ কিছু না থাকে? এগুলোতে কি ভালো কিছু থাকা উচিত নয় — কিছু জীবন, কল্পনা, ফ্যান্টাসি, উদ্ভাবনশীলতা, কল্পনাকে সুড়সুড়ি দেওয়ার মতো কিছু? একটি চলচ্চিত্র যদি আপনার বাচ্চাদের কোনো উপকারে না আসে, তবে তাদের কেন এটি দেখতে দেবেন? কেবল শনিবার বিকেল কাটানোর জন্য? এটি একটি শিশুর মনের প্রতি একটি সূক্ষ্ম ধরনের অবজ্ঞা দেখায় বলে আমি মনে করি। এই সবই একটি সাধারণ বক্তব্যের ভূমিকা: ''উইলি ওঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি'' সম্ভবত "দ্য উইজার্ড অব ওজের" পর থেকে এই ধরনের সেরা চলচ্চিত্র। পারিবারিক চলচ্চিত্রগুলো সাধারণত যা হওয়ার দাবি করে, এটি ঠিক তা-ই, কিন্তু অন্যান্য চলচ্চিত্রগুলো তা নয়: আনন্দদায়ক, মজার, ভীতিকর, উত্তেজনাপূর্ণ এবং সর্বোপরি এটি কল্পনার একটি খাঁটি কাজ। ''উইলি ওঙ্কা'' এত নিশ্চিতভাবে এবং চমৎকারভাবে বোনা ফ্যান্টাসি যে এটি সব ধরনের মনের ওপর কাজ করে। এটি আকর্ষণীয় কারণ সমস্ত ক্লাসিক ফ্যান্টাসির মতো এটি নিজের প্রতি মুগ্ধ। ** ''[[উইলি ওঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/willy-wonka-and-the-chocolate-factory-1971 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৭১) * ''' ''[[দ্য উইজার্ড অব ওজ]]ের'' উপাদানগুলো অনেক শিশুর ভেতরে থাকা একটি শূন্যস্থান শক্তিশালীভাবে পূরণ করে।''' একটি নির্দিষ্ট বয়সের বাচ্চাদের জন্য বাড়িই সবকিছু, বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু রংধনুর ওপারে বিস্তৃত পৃথিবী, যা আকর্ষণীয় এবং ভীতিকর বলে অস্পষ্টভাবে অনুমান করা যায়। এমন একটি গভীর মৌলিক ভয় রয়েছে যে ঘটনাগুলো হয়তো শিশুকে বাড়ির নিরাপত্তা থেকে সরিয়ে নিয়ে একটি অপরিচিত দেশে বহুদূরে ফেলে দিতে পারে। সেখানে সে কী পাওয়ার আশা করবে? কেন, নতুন বন্ধু, তাকে পরামর্শ দিতে এবং রক্ষা করতে। আর টোটো, অবশ্যই, কারণ পোষা প্রাণীদের সাথে শিশুদের একটি শক্তিশালী মিথোজীবী সম্পর্ক থাকে যে তারা ধরে নেয় যে তারা একসাথেই হারিয়ে যাবে। ** ''[[দ্য উইজার্ড অব ওজ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/great-movie-the-wizard-of-oz-1939 পর্যালোচনা] (২২ ডিসেম্বর ১৯৯৬) ==== সাড়ে তিন তারকার পর্যালোচনা ==== * বার্ট এবং ভেরোনা হলো চলচ্চিত্রে খুব কম দেখা দুটি চরিত্র: ত্রিশোর্ধ্ব, শিক্ষিত, সুস্থ, স্বনির্ভর, ভদ্র, চিন্তাশীল, খেয়ালী, স্নায়বিক নয় এবং সত্যিই একে অপরের প্রেমে পাগল। তাদের সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয় হলো তাদের সন্তানকে, যে এখনও গর্ভে রয়েছে, তাকে বড় করার জন্য সবচেয়ে ভালো জায়গা এবং উপায় খুঁজে বের করা। গত ১২ মাসে এই ধরনের প্রতিটি চরিত্রের জন্য আমি ২০, হয়তো ৩০ জন গণহত্যাকারীকে দেখেছি। ** ''[[w:অ্যাওয়ে উই গো (চলচ্চিত্র)|অ্যাওয়ে উই গো]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/away-we-go-2009 পর্যালোচনা] (১০ জুন ২০০৯) * মাঝে মাঝে কোনো সন্দেহহীন নিরীহ ব্যক্তি এমন একটি চলচ্চিত্রে হোঁচট খাবে এবং আমাকে একটি যন্ত্রণাদায়ক পোস্টকার্ড পাঠাবে, জিজ্ঞাসা করবে যে আমি কীভাবে এমন আবর্জনার অনুকূল পর্যালোচনা দিতে পারি। আমার নিয়মিত উত্তর হলো ইবার্টের সূত্র, যা হলো: একটি চলচ্চিত্র তার বিষয়বস্তু নিয়ে নয়। এটি বিষয়বস্তুটিকে কীভাবে তুলে ধরে, তা নিয়ে। ** ''[[w:ফ্রিওয়ে (১৯৯৬-এর চলচ্চিত্র)|ফ্রিওয়ে]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/freeway-1997 পর্যালোচনা] (২৪ জানুয়ারি ১৯৯৭) * খুব কম ক্ষেত্রেই এতটা ব্যয়বহুল একটি চলচ্চিত্র এতটা উদ্ধৃতিযোগ্য সংলাপ দিয়েছে। ** ''[[ঘোস্টবাস্টার্স]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/ghostbusters-1984 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৮৪) * আনার প্রতিক্রিয়া আপনি যতটা কল্পনা করতে পারেন তার চেয়ে বেশি জটিল। এমন একটি মুহূর্তে আপনি লেখক-পরিচালকের চেয়ারে থাকা নারীর প্রশংসা করবেন। পুরুষদের তুলনায় নারী, আমি সন্দেহ করি, যৌনতাকে তাদের জীবনের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখার সম্ভাবনা বেশি রাখে। সৌদি আরবের মতো একটি দেশে, যার নাগরিকেরা নারী এবং পুরুষের একসঙ্গে সিনেমা দেখার বিষয়েও অস্বস্তি প্রকাশ করেন, সেখানে কোন লিঙ্গ বেশি উদ্বিগ্ন, সে বিষয়ে আমার সামান্যই সন্দেহ রয়েছে। ** ''[[w:হাম্পডে|হাম্পডে]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/humpday-2009 পর্যালোচনা] (২২ জুলাই ২০০৯) * [য]া ''হাসব্যান্ডস অ্যান্ড ওয়াইভস'' যুক্তি দেয় তা হলো অনেক "যৌক্তিক" সম্পর্ক বাস্তবে ততটা টেকসই নয় যতটা মনে হয়, কারণ প্রতিটি মানুষের ভেতরে কোথাও না কোথাও একটি শিশু আমি! আমি! আমি! বলে কাঁদছে। আমরা বলি আমরা চাই অন্য ব্যক্তিটি সুখী হোক। আমরা যা বোঝাতে চাই তা হলো, আমরা চাই তারা আমাদের সাথে, আমরা যেমন, তেমন শর্তেই সুখী হোক... সমস্ত বয়স্ক চরিত্রের - দুই পুরুষ, দুই নারী, এবং এমনকি বয়স্ক ডেটিং সঙ্গীদের যাদের সাথে তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে - তাদের সবার জরুরি অবস্থার নিচে একটি উপলব্ধি রয়েছে যে জীবন ছোট, সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে, জীবন আপনাকে একটি রোমান্টিক ভ্রম বিক্রি করে এবং আপনাকে বলতে অবহেলা করে যে আপনি এটি পেতে পারেন না। কারণ আপনি যখন কোনো ভ্রমকে গ্রহণ করেন এবং এটিকে বাস্তবে রূপ দেন, তখন তার চুল পড়তে শুরু করে, এবং তার শরীরের গন্ধ থাকে, এবং সে আপনাকে জিজ্ঞাসা করে আপনার রাশি কী। সত্য ভালোবাসা হলো অন্যের অপূর্ণতাগুলোকে ভালোবাসা, যে অংশগুলো টিকে থাকে। ** ''[[w:হাসব্যান্ডস অ্যান্ড ওয়াইভস|হাসব্যান্ডস অ্যান্ড ওয়াইভস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/husbands-and-wives-1992 পর্যালোচনা] (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯২) * এটা অদ্ভুত যে কীভাবে কিশোর বয়সের রোমান্সগুলো সারা জীবন ধরে একটি মর্মস্পর্শী অনুভূতি ধরে রাখে - কীভাবে একটি মেয়ে যে ১৬ বছর বয়সে আপনাকে প্রত্যাখ্যান করে, আপনি এবং সে তখন যারা ছিলেন তা অনেক বছর পার হওয়ার পরও আপনার স্মৃতিতে একটি আভা ধরে রাখে। আমি কয়েক সপ্তাহ আগে আমার হাই স্কুলের পুনর্মিলনীতে যোগ দিয়েছিলাম এবং পুনর্মিলনী কমিটির একত্রিত করা স্যুভেনির পুস্তিকায় আবিষ্কার করেছি যে আমাদের ক্লাসের একটি মেয়ের এত বছর আগে আমার ওপর ক্রাশ ছিল। সেই সময় এই তথ্যটি জানার জন্য আমি অনেক কিছুই দিতে পারতাম। ** ''[[মেট্রোপলিটান (১৯৯০-এর চলচ্চিত্র)|মেট্রোপলিটান]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/metropolitan-1990 পর্যালোচনা] (১০ আগস্ট ১৯৯০) * ''অরফান'' দেখার পর আমি বুঝতে পেরেছি যে ''[[দ্য ওমেন]]ের'' ড্যামিয়েন একজন আদর্শ শিশু ছিল। ডেমন সিড একটি বাম্পার ফসল ছিল। [[w:রোজমেরিস বেবি (চলচ্চিত্র)|রোজমেরি]] এই বাচ্চাটিকে পেয়ে খুশি হতেন। <br /> কোনো অবস্থাতেই শিশুদের এটি দেখতে নিয়ে যাবেন না। এই ব্যাপারে আমার কথা বিশ্বাস করুন। ** ''[[w:অরফান (চলচ্চিত্র)|অরফান]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/orphan-2009 পর্যালোচনা] (২২ জুলাই ২০০৯) * চলচ্চিত্রটি তার উদ্ধত আত্মবিশ্বাসের সাথে আমাকে আনন্দ দেয় যে দর্শকেরা এর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে। ''প্রাইমার'' হলো নিয়নর্ড, গিক, ব্রেনিয়াক, একাডেমিক ডেকাথলন বিজয়ী, প্রোগ্রামার, দার্শনিক এবং সেই ধরনের লোকদের জন্য একটি চলচ্চিত্র যাঁরা পর্যালোচনার এতদূর পর্যন্ত এসেছেন। যাঁরা 'বিনোদন পেতে সিনেমা দেখতে যান', তাঁরা এটি অবশ্যই ঘৃণা করবেন। আর অন্যেরা এটিকে গ্রহণ করবেন এবং বিতর্ক করবেন, যাঁরা দেখবেন যে এটি অন্যদের পৌঁছাতে না পারা জায়গাগুলোতেও বিনোদন দেয়। ** ''[[w:প্রাইমার (চলচ্চিত্র)|প্রাইমার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/primer-2004 পর্যালোচনা] (২৯ অক্টোবর ২০০৪) [[File:Heterosexual symbol (bold, red blue).svg|thumb|right|যে আপনাকে মানিয়ে নেয় কারণ সে আসলে পাত্তা দেয় না, তার চেয়ে এমন একজন সঙ্গী খুঁজে পাওয়া ভালো যাঁর সাথে আপনি সারা জীবন লড়াই করতে পারেন।]] * জীবনের হাতছাড়া হওয়া সুযোগগুলো শেষে আমরা যেগুলো গ্রহণ করেছি তার চেয়েও আমাদের কাছে বেশি মর্মস্পর্শী মনে হতে পারে — কারণ আমাদের কল্পনায় সেগুলোর এমন একটি নিখুঁত রূপ থাকে, যার সাথে বাস্তবতা কখনো পাল্লা দিতে পারে না। ** ''[[w:দ্য স্লিপি টাইম গ্যাল (চলচ্চিত্র)|দ্য স্লিপি টাইম গ্যাল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-sleepy-time-gal-2002 পর্যালোচনা] (২২ নভেম্বর ২০০২) * এটি কেবল অন্যদের সাথে আমরা কীভাবে সম্পর্কিত তা বিবেচনা করে না, বরং অন্যদের সম্পর্কে আমাদের ধারণার সাথে আমরা কীভাবে সম্পর্কিত তা বিবেচনা করে — যাতে একটি মৃত স্ত্রীর সম্পূর্ণ নকল, অমানবিক প্রতিরূপ একই অনুভূতি অনুপ্রাণিত করতে পারে, যা স্ত্রী নিজেই একসময় করেছিলেন। এটি মানুষের একটি বিশেষত্ব: আমরা আমাদের ধারণার প্রতি বাস্তব বিশ্বের মতোই আবেগ অনুভব করি, যার কারণে আমরা বই পড়ার সময় কাঁদতে পারি, বা সিনেমা তারকাদের প্রেমে পড়তে পারি। মানবতার ধারণা আমাদের মুগ্ধ করে, যখন মানবতা নিজেই তার বিলিয়ন বিলিয়ন আলাদা পাত্রে বা "মানুষের" মাঝে নিরাপদে সিল করা থাকে। ** ''[[w:সোলারিস (২০০২-এর চলচ্চিত্র)|সোলারিস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/solaris-2002 পর্যালোচনা] (২২ নভেম্বর ২০০২) * এই মুভিটি পেশাদারদের দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল। নিজে থেকে এই আচরণের কোনোটি করার চেষ্টা করবেন না। ** ''[[সুপারব্যাড]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/superbad-2007 পর্যালোচনা] (১৭ আগস্ট ২০০৭) * কেন একটি চলচ্চিত্রকে সবকিছু ব্যাখ্যা করতে হবে? কেন প্রতিটি উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে বলা উচিত? অনেক চলচ্চিত্র কি মূলত একই চলচ্চিত্র নয়, কেবল নির্দিষ্ট বিষয়গুলো পরিবর্তন করে? সেগুলোর মধ্যে অনেকেই কি একই গল্প বলছে না? পরিপূর্ণতার সন্ধানে, আমরা দেখি আমাদের স্বপ্ন এবং আশাগুলো কেমন হতে পারে। আমরা উপলব্ধি করি যে সেগুলো আমাদের নিজস্ব কোনো ক্ষমতার কারণে নয়, বরং উপহার হিসেবে আসে এবং যদি আমরা সেগুলো হারিয়ে ফেলি, তবে তা কি প্রথম স্থানে সেগুলো না থাকার চেয়েও খারাপ নয়?<p>অনেকেই "টু দ্য ওয়ান্ডার" কে অধরা এবং খুব চঞ্চল বলে মনে করবেন। তাঁরা এমন একটি চলচ্চিত্রে অসন্তুষ্ট হবেন যা সরবরাহ করার চেয়ে জাগিয়ে তুলতে বেশি পছন্দ করে। আমি এটি বুঝতে পারি এবং আমি মনে করি [[w:টেরেন্স ম্যালিক|টেরেন্স ম্যালিকও]] তা বোঝেন। কিন্তু এখানে তিনি তার চেয়েও গভীরে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন: পৃষ্ঠের নিচে পৌঁছানোর এবং প্রয়োজনে আত্মা খোঁজার চেষ্টা করেছেন। ** ''[[w:টু দ্য ওয়ান্ডার|টু দ্য ওয়ান্ডার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/to-the-wonder-2013 পর্যালোচনা] (এপ্রিল ৬, ২০১৩) ** '''দ্রষ্টব্য: এটি রজার ইবার্টের জমা দেওয়া শেষ চলচ্চিত্র পর্যালোচনা।''' * এটিকে অদ্ভুত বলাটা একটি কাপুরুষোচিত এড়ানো হবে। এটি ভীতিকর, অদ্ভুত, ছমছমে, অদ্ভুত, উদ্ভট, ফাঙ্কি, ভয়ানক, অবোধ্য, কিঙ্কি, কুকি, জাদুকরী, অদ্ভূত, ভৌতিক, অলৌকিক, অমার্জিত এবং অপার্থিব। বিশেষ করে অমার্জিত। আমি যা করেছিলাম তা হলো, আমি 'অদ্ভুত' শব্দটি টাইপ করেছিলাম এবং যখন এটি আমার মধ্যে জাগানো অনুভূতিগুলো জাগিয়ে তুলতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছিল, আমি থিসোরাসের দিকে ফিরেছিলাম এবং এটি উপরের বিকল্পগুলোর পরামর্শ দিয়েছিল - এবং এর কোনোটিই কাজ করেনি। ** ''[[w:দ্য ট্রিপলেটস অব বেলভিলি|দ্য ট্রিপলেটস অব বেলভিলি]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-triplets-of-belleville-2003 পর্যালোচনা] (২৬ ডিসেম্বর ২০০৩) * [বা]স্তব জগতের কি দৃষ্টিভঙ্গি এবং হ্যালুসিনেশনের চেয়ে বেশি পদার্থ আছে — যখন আমরা সেগুলোর মধ্য দিয়ে যাচ্ছি? যেকোনো নির্দিষ্ট মুহূর্তে, আমাদের মনে যা ঘটছে তা-ই সমস্ত এবং সবকিছু যা ঘটে। ** ''[[w:আঙ্কল বুনমি হু ক্যান রিকল হিজ পাস্ট লাইভস|আঙ্কল বুনমি হু ক্যান রিকল হিজ পাস্ট লাইভস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/uncle-boonmee-who-can-recall-his-past-lives-2011 পর্যালোচনা] (১৪ এপ্রিল ২০১১) * এটি রোমান্সের একটি আকর্ষণীয় নিয়ম যে একজন সত্যিকারের শক্তিশালী নারী একজন শক্তিশালী পুরুষকে বেছে নেবেন যিনি তার সাথে একমত নন, একজন দুর্বল পুরুষের চেয়ে যিনি তার সাথে একমত হন। শক্তি বুদ্ধিমত্তার দাবি করে, বুদ্ধিমত্তা উদ্দীপনার দাবি করে এবং দুর্বলতা বিরক্তিকর। যে আপনাকে মানিয়ে নেয় কারণ সে আসলে পাত্তা দেয় না, তার চেয়ে এমন একজন সঙ্গী খুঁজে পাওয়া ভালো যাঁর সাথে আপনি সারা জীবন লড়াই করতে পারেন। … কেউ আপনাকে চুম্বন করতে চলেছে কি না তা নিয়ে ভাবার ৬০ সেকেন্ড, ৬০ মিনিটের চুম্বনের চেয়ে বেশি বিনোদনমূলক। … কথা প্রকাশ করুন, এবং কথোপকথন ইতিহাস হয়ে যায়। বুদ্ধি এবং চ্যালেঞ্জের সাথে কোডে কথা বলুন, এবং ডিক্রিপশনের প্রক্রিয়া ফোরপ্লের মতো। ** ''[[w:দ্য উইন্সলো বয় (১৯৯৯-এর চলচ্চিত্র)|দ্য উইন্সলো বয়]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-winslow-boy-1999 পর্যালোচনা] (২৮ মে ১৯৯৯) * ''xXx'' কি বন্ড ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য একটি হুমকি? হুমকি নয়, বরং একটি অভিবাদন। আমি চাই না [[w:জেমস বন্ড|জেমস বন্ড]] আমার কাছে রূঢ় এবং পেশীবহুল হয়ে উঠুক। আমি নম্র স্টাইল পছন্দ করি। কিন্তু আমি জ্যান্ডারকেও পছন্দ করি, বিশেষ করে যেহেতু সে বন্ডকে খুব সতর্কতার সাথে অধ্যয়ন করেছে বলে মনে হয়। ** ''ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/xxx-2002 পর্যালোচনা] (৯ আগস্ট ২০০২) ==== তিন তারকার পর্যালোচনা ==== * আমি ভাবি এই চলচ্চিত্রটি কাদের কাছে বেশি অস্বস্তিকর লাগবে - পুরুষ না নারী? উভয়ই লাঞ্ছনার দৃশ্যের নির্মমতা দেখে পিছিয়ে যাবেন। কিন্তু কিছু পুরুষের জন্য মুভিটি এমন একটি সত্য প্রকাশ করবে যা বেশিরভাগ নারী ইতোমধ্যে জানেন। এটি হলো যে মৌখিক যৌন হয়রানি, সেলুনের পিছনের ঘরে স্থূলভাবেই হোক বা প্রতিদিনের পরিস্থিতিতে সূক্ষ্মভাবেই হোক, তা এক ধরণের সহিংসতা - এটি এমন একটি সহিংসতা যা কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন রাখে না তবে এর শিকারদের সমাজে স্বাধীনভাবে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে অক্ষম বোধ করাতে পারে। ** ''[[w:দ্য অ্যাকিউজড|দ্য অ্যাকিউজড]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-accused-1988 পর্যালোচনা] (১৪ অক্টোবর ১৯৮৮) * অশ্লীলতার গ্রীষ্মকালীন স্রোতে সাঁতার কাটার সময় আমি বুঝতে পারি যে আমি যা খুঁজছি তা হলো: এমন মুভি যা অন্তত চরিত্রগুলোর প্রতি স্নেহ অনুভব করে। রাউঞ্চি ঠিক আছে। নিষ্ঠুরতা নয়। ** ''[[আমেরিকান পাই (চলচ্চিত্র)|আমেরিকান পাই]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/american-pie-1999 পর্যালোচনা] (৯ জুলাই ১৯৯৯) * চলচ্চিত্র নির্মাতারা শিখতে এবং বড় হতে পারেন, এর একটি আশাব্যঞ্জক লক্ষণ হলো যে সিক্যুয়ালটিতে একটিও পাই নেই, যদি আপনি আমার কথার অর্থ বোঝেন। ** ''[[আমেরিকান পাই ২]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/american-pie-2-2001 পর্যালোচনা] (১০ আগস্ট ২০০১) * চলচ্চিত্রটি হাসিমুখে রুচি, শোভনতা, শিষ্টাচার এবং পরিচ্ছন্নতার সমস্ত সভ্য ধারণাকে ক্ষুণ্ন করে... মুভিটি কি অশ্লীল? অশ্লীলতা হলো যখন আমরা হাসি না। যখন আমরা হাসি, তখন এটি কেবল মানবপ্রকৃতি। ** ''[[আমেরিকান ওয়েডিং]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/american-wedding-2003 পর্যালোচনা] (১ আগস্ট ২০০৩) * সুন্দরী মনিক তাদের অভিযানে যোগ দেওয়ার জন্য জোর দেয় এবং তাকে নিরুৎসাহিত করা যায় না। আমরা প্রথমে ভাবি যে তার একটি জঘন্য উদ্দেশ্য রয়েছে, কিন্তু না, সে সম্ভবত চিত্রনাট্য নির্মাণের ক্লাসে অংশ নিয়েছে এবং জানে যে চলচ্চিত্রের একটি সেক্সি নারী চরিত্রের প্রয়োজন। এটি সিনেম্যাটিক ইতিহাসে কোনো চরিত্রের স্বেচ্ছায় চলচ্চিত্রে প্রবেশের প্রথম ঘটনা হতে পারে কারণ এটি প্রয়োজনীয়। ** ''[[w:অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেজ (২০০৪-এর চলচ্চিত্র)|অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেজ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/around-the-world-in-80-days-2004 পর্যালোচনা] (১৬ জুন ২০০৪) * ...ব্যাপকভাবে কিন্তু ভুলভাবে বিশ্বাস করা হয় যে ''[[বিভিস অ্যান্ড বাট-হেড]]'' এর চরিত্রগুলোকে উদযাপন করে এবং তাদের মূল্যবোধ, রুচি এবং বুদ্ধিমত্তার চরম অভাবকে সাধুবাদ জানায়। আমি কখনো এমনটা ভাবিনি। আমি বিশ্বাস করি মাইক জাজ তাঁর চরিত্রগুলোর সাথে বিমানবন্দরে ট্যাক্সি রাইড ভাগ করে নেওয়ার চেয়ে মারা যেতে পছন্দ করবেন — যে তাঁর জন্য, বিঅ্যান্ডবি স্কট অ্যাডামস মহাবিশ্বে ডিলবার্টের সহকর্মীদের মতো কাজ করে। তারা হলো ক্রমবর্ধমান বোকামির বিরুদ্ধে তাঁর রাগের লক্ষ্যবস্তু। ** ''[[বিভিস অ্যান্ড বাটহেড ডু আমেরিকা]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/beavis-and-butt-head-do-america-1996 পর্যালোচনা] (২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬) * এই ধরণের পরিস্থিতি আমার ধারণা, লাখ লাখ বার ঘটেছে। [[w:রিচার্ড লিংকলেটার|রিচার্ড লিংকলেটারের]] ''[[বিফোর সানরাইজ]]ের'' চেয়ে এটি খুব কমই আরও সুন্দর, মিষ্টি, আরও মৃদু উপায়ে ঘটেছে। আমি একে জেনারেশন এক্স-এর জন্য ''[[w:লাভ অ্যাফেয়ার (১৯৩৯-এর চলচ্চিত্র)|লাভ অ্যাফেয়ার]]'' বলতে পারতাম। তবে জেসি এবং সেলিন তাদের প্রজন্মের বাইরে এবং বিশেষ করে বিরক্ত হওয়ার একঘেয়ে জেদের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে। <br /> কয়েকটি চার অক্ষরের শব্দের ওপর ভিত্তি করে এই চলচ্চিত্রের আর রেটিংটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এটি কিশোর-কিশোরীদের জন্য একটি আদর্শ চলচ্চিত্র। ** ''[[বিফোর সানরাইজ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/before-sunrise-1995 পর্যালোচনা] (২৭ জানুয়ারি ১৯৯৫) * সেন্সররা মনে করেন তাঁরা আপত্তিকর উপাদানের হাত থেকে নিরাপদ, কিন্তু অন্যদের রক্ষা করা তাঁদের উচিত, যাঁরা ততটা বুদ্ধিমান বা নৈতিক নন। একই প্রেরণা 'দ্য বিলিভার'-এর পর্যালোচককে প্রলুব্ধ করে... যদি ভুল লোকেরা ভুল বার্তা পায় - ঠিক আছে, কখনো ভুল বার্তার অভাব ছিল না। বা ভুল মানুষেরও অভাব ছিল না। ** ''[[w:দ্য বিলিভার|দ্য বিলিভার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-believer-2002 পর্যালোচনা] (১৪ জুন ২০০২) * আমি সেই অত্যন্ত জনপ্রিয় মুভিটি মিস করেছিলাম যা এই চরিত্রগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল, ''বিল অ্যান্ড টেডস এক্সিলেন্ট অ্যাডভেঞ্চার'', এবং সেসময় নিজেকে ধন্য মনে করেছিলাম। কিন্তু এখন আমি এতটা নিশ্চিত নই। তাদের ''বোগাস জার্নি'' হলো দৃশ্যমান উদ্ভাবন এবং অদ্ভুত হাস্যরসের একটি দাঙ্গা যা তার নির্বাচিত সাব-মোরোনিক স্তরে কাজ করে। বেশ কয়েকটি পরিশীলিত স্তর সহ অন্যান্য বেশ কয়েকটি স্তরেও কাজ করে। এটি এমন এক ধরনের সিনেমা যেখানে আপনি নিজের অজান্তেই স্নিকারিং শুরু করেন এবং শেষ পর্যন্ত এই হ্যালুসিনেটরি স্ল্যাপস্টিক তৈরিতে যে মৌলিকত্ব রয়েছে তার প্রশংসা করেন। ** ''[[w:বিল অ্যান্ড টেডস বোগাস জার্নি|বিল অ্যান্ড টেডস বোগাস জার্নি]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/bill-and-teds-bogus-journey পর্যালোচনা] (১৯ জুলাই ১৯৯১) * ''ব্লু ক্রাশে'' আমরা তিনজন হাওয়াইয়ান সার্ফারের সাথে পরিচিত হই, যাঁরা হোটেলের পরিচারিকা হিসেবে কাজ করেন, একটি নোংরা ভাড়ার ঘরে থাকেন এবং তাঁদের মধ্যে একজনের ছোট বোনকে বড় করছেন। প্রায় দারিদ্র্য সত্ত্বেও তাঁদের দেখতে দারুণ লাগে; শ্রেণি বৈষম্য দূর করার জন্য ট্যান এবং বিকিনির বিকল্প নেই। ** ''[[w:ব্লু ক্রাশ|ব্লু ক্রাশ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/blue-crush-2002 পর্যালোচনা] (১৬ আগস্ট ২০০২) * জেনারেশন এক্স এবং তাদের নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্রগুলো সম্পর্কে অনেক কিছু লেখা হয়েছে। ''ক্লার্কস'' এতটাই খাঁটি যে এর নায়কেরা কখনো তাদের প্রজন্মের কথা শোনেননি। তারা যখন "এক্স" নিয়ে ভাবেন, তখন তা ভিডিও স্টোরে যাওয়ার পথে। ** ''[[ক্লার্কস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/clerks-1994 পর্যালোচনা] (৪ নভেম্বর ১৯৯৪) * এই চলচ্চিত্রটি একটি বাস্তব [[w:স্ট্রিপ সার্চ প্র্যাঙ্ক কল স্ক্যাম|২০০৪ সালের ঘটনার]] ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা কেন্টাকির মাউন্ট ওয়াশিংটনের একটি ম্যাকডোনাল্ডসে ঘটেছিল। গুগল করলে আপনি বেশিরভাগ বিবরণ একই পাবেন। আপনি যদি চলচ্চিত্রটির ওয়াকআউটদের মধ্যে একজন না হন, তবে আপনি শেষে আবিষ্কার করবেন যে যুক্তরাষ্ট্রে এই ধরনের ৭০টি প্রতারণা ঘটেছে... স্টান্টটি যদি ৭০ বার কাজ করে থাকে, তবে তাদের অবশ্যই কিছু প্রমাণ করতে হবে — সম্ভবত আমরা কর্তৃপক্ষকে ভয় পাই। আমি জানি যে একজন ট্রাফিক পুলিশ যখন আমাকে থামায়, তখন আমি ভয় পাই — এতটাই ভয় পাই যে আমি সাবধানে গাড়ি চালাই এবং আমাকে খুব কমই থামানো হয়। ** ''[[w:কমপ্লায়েন্স (চলচ্চিত্র)|কমপ্লায়েন্স]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/compliance-2012 পর্যালোচনা] (২৯ আগস্ট ২০১২) * ...এই জীবনে আমি যদি একটি জিনিস শিখে থাকি, তবে তা হলো অন্ধ চোখ এবং কুষ্ঠরোগীর নখ যুক্ত একজন বৃদ্ধ জিপসি নারীকে কখনো না বলা উচিত নয়। ** ''[[w:ড্র্যাগ মি টু হেল|ড্র্যাগ মি টু হেল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/drag-me-to-hell-2009 পর্যালোচনা] (৭ জুন ২০০৯) * আমি সমস্ত সিনেমা পর্যালোচনা পড়ি, বিশেষ করে ইবার্টের। তিনি একজন সাবলীল এবং রসিক গদ্য লেখক যাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য রয়েছে। যাঁর পর্যালোচনাগুলো সিনেমাটি দেখার ইচ্ছা থাকুক বা না থাকুক, কেবল সেগুলোর জন্যই পড়া মূল্যবান। স্মার্ট এবং সুদর্শন ইবার্ট আমার প্রথম মুভিকে [''[[w:গারফিল্ড (চলচ্চিত্র)|গারফিল্ড: দ্য মুভি]]''] থাম্বস আপ দিয়েছিলেন। কিন্তু অন্য একজন, [[w:রিচার্ড রোপার|[রিচার্ড] রোপার]] থাম্বস ডাউন দিয়েছিলেন এবং তিনি বিশেষভাবে নির্দয় ছিলেন। তিনি ''গারফিল্ড'' পছন্দ করার কারণে ইবার্টকে আক্রমণ করে অনন্তকাল চালিয়ে গিয়েছিলেন। এটি এমন একজন মানুষের কাছ থেকে এসেছে যাঁর ''[[w:ডুমা (চলচ্চিত্র)|ডুমা]]ের'' প্রশংসা করার মতো যথেষ্ট রুচি রয়েছে। এটি অত্যন্ত হতাশাজনক। রোপারের অন্যতম অভিযোগ ছিল যে আমি অ্যানিমেটেড ছিলাম এবং মুভির অন্যান্য সমস্ত চরিত্র "বাস্তব" ছিল। আপনার কি কোনো ধারণা আছে যে এই ধরনের একটি বক্তব্য এমন একজন অভিনেতাকে কতটা আঘাত করে, যিনি সারাজীবন মিডিয়া ক্যাট হিসেবে কাজ করেছেন? হ্যাঁ, রিচার্ড রোপার, আমি অ্যানিমেটেড ছিলাম। আমার ঠোঁট পড়ুন: ''আমি একটি কমিক স্ট্রিপের চরিত্র''। ** [[w:গারফিল্ড|গারফিল্ড]] হিসেবে প্রথম পুরুষে লেখা ''[[w:গারফিল্ড: এ টেইল অব টু কিটিজ|গারফিল্ড: এ টেইল অব টু কিটিজ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/garfield-a-tail-of-two-kitties-2006 পর্যালোচনা] (১৬ জুন ২০০৬) * আমি একজন সমালোচক হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করে এই পর্যালোচনার শেষে পৌঁছেছি। আমি মুভিটি নিখুঁতভাবে বর্ণনা করেছি এবং আপনি যদি এটি দেখতে যান তবে আপনার জন্য কী অপেক্ষা করছে, সে সম্পর্কে আপনার ভালো ধারণা রয়েছে। আপনাদের মধ্যে বেশিরভাগই তা করবেন না। আমি আপনাদের সাথে তর্ক করতে পারি না। সাহসী এবং কৌতূহলীদের মধ্যে আপনাদের কেউ কেউ তা করবেন। আপনি সেই মানুষটির আত্মাকে মূর্ত করেন, যিনি প্রথম ভেবেছিলেন যে ঝিনুক খেতে কেমন লাগবে। ** ''[[w:গেরি|গেরি]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/gerry-2003 পর্যালোচনা] (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৩) * এটি অদ্ভুত: আমরা মুভিটির শেষটা এতটাই উপভোগ করে বেরিয়ে আসি যে আমরা প্রায় আমাদের পূর্ববর্তী সংরক্ষণগুলো ভুলে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেগুলো ছিল এবং সেগুলো বাস্তব ছিল। ** ''[[w:দ্য গুডবাই গার্ল|দ্য গুডবাই গার্ল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-goodbye-girl-1977 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৭৭) * '''ফর্মুলা কমেডিগুলো দশ পয়সায় এক ডজন পাওয়া যায়। একটি মূল ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি কমেডিগুলো অনেক বিরল। এছাড়া অন্যান্য সমস্ত কিছু বাদ দিলে ''[[গ্রাউন্ডহগ ডে]]'' হলো কীভাবে [[সময়]] মাঝে মাঝে আমাদের বিরতি দিতে পারে তার একটি প্রমাণ।''' কেবল আমরা কুকুরের বাচ্চা হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছি বলে আমাদের সেভাবেই বাঁচতে হবে, তার কোনো মানে নেই। ** [''শিকাগো সান-টাইমসে'' (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩) ''গ্রাউন্ডহগ ডেের'' মূল ৩-তারকার পর্যালোচনা]; পরবর্তীতে তিনি ২০০৫ সালে এর জন্য একটি ৪-তারকা পর্যালোচনা লিখেছিলেন (ওপরের ৪-তারকা অংশে উদ্ধৃত করা হয়েছে)। * আপনার কখনোই একজন বিশেষজ্ঞকে তাঁর বিশেষত্ব নিয়ে তৈরি কোনো চলচ্চিত্রে পাঠানো উচিত নয়। বক্সাররা বক্সিং মুভি ঘৃণা করেন। স্পেস বাফেরা বলেছিলেন 'অ্যাপোলো ১৩' চাঁদের ভুল দিকটি দেখিয়েছে। ব্রিটিশদের বিশ্বাস মেল গিবসনের 'ব্রেভহার্ট'-এর পাণ্ডিত্য ত্রুটিপূর্ণ ছিল। কারণ கதার সময়ের দিকে কিছু প্রধান চরিত্রের জন্মই হয়নি। 'হ্যাকারস' নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই, কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের দিক থেকে এটি গভীরভাবে সন্দেহজনক। যদিও এটি নিঃসন্দেহে সত্য যে বাস্তব জীবনে এই চলচ্চিত্রের চরিত্রগুলো যা করে তা কোনো হ্যাকার করতে পারবে না, এটি নিঃসন্দেহে সমানভাবে সত্য যে হ্যাকাররা যা করতে পারে তা খুব একটা বিনোদনমূলক চলচ্চিত্র তৈরি করবে না। ** ''[[w:হ্যাকারস (চলচ্চিত্র)|হ্যাকারস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/hackers-1995 পর্যালোচনা] (১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫) * বেশিরভাগ মানুষ এমন সিনেমা বেছে নেন যা ঠিক তাঁদের প্রত্যাশা অনুযায়ী হয় এবং তাঁদের এমন সব জিনিস জানায় যা তাঁরা আগে থেকেই জানেন। অন্যেরা বেশি কৌতূহলী। আমাদের এই গ্রহে কেবল একবারই পাঠানো হয়েছে এবং পরিচিত জিনিসের মাঝে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখা আমাদের মনের ওপর অপরাধ। ** ''[[w:দ্য আইল|দ্য আইল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-isle-2003 পর্যালোচনা] (৩১ জানুয়ারি ২০০৩) * একটি কেভিন স্মিথ মুভির আকর্ষণ হলো এটি ধরে নেয় যে আপনি একটি খালি স্লেট হিসেবে প্রেক্ষাগৃহে প্রবেশ করবেন না। "চেজিং অ্যামি" সিরিয়াস কমিক বই এবং সংগ্রাহকদের জগৎ সম্পর্কে কিছুটা জ্ঞান ধরে নেয়। "ডগমা"র জন্য আপনার ক্যাথলিক ধর্মতত্ত্ব সম্পর্কে কিছু জানার প্রয়োজন ছিল এবং "জে অ্যান্ড সাইলেন্ট বব"-এ এমন মুহূর্ত রয়েছে যখন অ্যাফ্লেক চরিত্রটি জে-এর জন্য ইন্টারনেটের সংজ্ঞায়িত করে: "এটি সারা বিশ্বে ব্যবহৃত এমন একটি জায়গা, যেখানে মানুষ সিনেমা নিয়ে অভিযোগ করতে এবং একসাথে পর্নোগ্রাফি শেয়ার করতে আসতে পারে।" উচ্চ-প্রযুক্তিগত সাইবারথ্রিলারগুলোতে আমরা যা দেখতে পাই তার চেয়ে এটি নেটের একটি অনেক বেশি পরিশীলিত ধারণা, যেখানে নেট এমন একটি জায়গা যা আপনার কম্পিউটারকে অনেক বেশি বিপ বিপ শব্দ করায়। আপনি "জে অ্যান্ড সাইলেন্ট বব" পছন্দ করবেন কি না, তা নির্ভর করে আপনি কে, তার ওপর। বেশিরভাগ মুভি সবার জন্য তৈরি হয়। কেভিন স্মিথের মুভিগুলো হয় বিশেষভাবে আপনার জন্য তৈরি, নয়তো বিশেষভাবে আপনার জন্য তৈরি নয়। আপনি যদি হাসি বা স্বীকৃতির ইঙ্গিত ছাড়া এই পর্যালোচনাটি পড়েন, তবে আমি "রাশ আওয়ার ২" দেখার সুপারিশ করব। এটি সবার জন্য নাকি কারও জন্য নয়, তা আপনিই আমাকে বলুন। ** ''[[জে অ্যান্ড সাইলেন্ট বব স্ট্রাইক ব্যাক]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/jay-and-silent-bog-strike-back-2001 পর্যালোচনা] (২৪ আগস্ট ২০০১) * আজকাল বাচ্চাদের অনেক চলচ্চিত্রে জয়ের ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। মনে হয় বাচ্চারা যেন কম বয়সী পেশাদার ক্রীড়াবিদ ছাড়া আর কিছুই নয়। ভিন্স লম্বার্দির মূল্যবোধই যেন এখানে প্রধান। কীভাবে খেলা হলো সেটা বড় কথা নয়, বরং হারজিতটাই আসল। এই চলচ্চিত্রটি সেই প্রথা ভেঙেছে। এটি বাচ্চাদের তাদের মতোই থাকতে দেয়। প্রাপ্তবয়স্কদের জগৎ ও মূল্যবোধ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে বাচ্চারা কল্পনা ও স্বপ্নের যে নিজস্ব জগৎ তৈরি করে, এটি তাদের সেখানেই দেখায়। চলচ্চিত্রের একটি দৃশ্যে রদ্রিগেজ সোজা পিচারের ঢিবির দিকে লাইন ড্রাইভ মারে। তখন আমি মাথা নিচু করে আমার গ্লাভস তুলে ধরি। এরপর আমার মনে পড়ে যে আমার কাছে কোনো গ্লাভস নেই। তখনই আমি বুঝতে পারি যে ১২ বছর বয়সে কোন জিনিসগুলো সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সেই স্মৃতি দিয়ে চলচ্চিত্রটি আমাকে কতটা মোহিত করেছে। ** ''দ্য স্যান্ডলট'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-sandlot-1993 পর্যালোচনা] (৭ এপ্রিল ১৯৯৩) * সম্প্রতি আমি আমার অপছন্দের চলচ্চিত্রগুলো নিয়ে একটি বই প্রকাশ করেছি। মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করছে যে কোন ধরনের পর্যালোচনা লেখা বেশি কঠিন, দারুণ নাকি ভয়ংকর চলচ্চিত্রগুলোর। উত্তর হলো কোনোটিই নয়। স্পুফ ঘরানার চলচ্চিত্রগুলোর পর্যালোচনা লেখা সবচেয়ে কঠিন। যেমন ''[[Airplane!|এয়ারপ্লেন!]]'' ও ''দ্য নেকেড গান'' এবং একই মূল ধারণার অসংখ্য স্পিন-অফ ও পুনরাবৃত্তি। এ ধরনের চলচ্চিত্রের পর্যালোচনার মূল কথা হলো এটি কি কাজ করে? এটি কি মজার? হ্যাঁ, এটি মজার। এটি ''এয়ারপ্লেন!'' এর মতো চমকপ্রদভাবে মজার নয়, কারণ সেটি নতুন কিছু করার সুবিধা পেয়েছিল। তবে এটি পরবর্তী সময়ের কম পরিচিত [[w:লেসলি নিলসেন|লেসলি নিলসেনের]] কিছু চলচ্চিত্রের মতো ক্লান্তিকরও নয়। অর্থের সঠিক ব্যবহার করতে হলে আপনাকে কিশোর হরর ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সাথে পরিচিত হতে হবে। যদি পরিচিত থাকেন তবে ''স্ক্যারি মুভি'' আপনাকে হতাশ করবে না। ** ''স্ক্যারি মুভি'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/scary-movie-2000 পর্যালোচনা] (৭ জুলাই ২০০০) * এই চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে আমার মতামত কী? একজন চলচ্চিত্র সমালোচক হিসেবে এটি আমার ভালো লেগেছে। এর ভেতরের রসিকতা ও আত্মসচেতন চরিত্রগুলো আমার পছন্দ হয়েছে। একই সাথে আমি এই চলচ্চিত্রের অতিরিক্ত রক্তপাতের বিষয়েও সচেতন ছিলাম। এটি সত্যিই ভীষণ সহিংস। চলচ্চিত্রটি যেভাবে ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে এই সহিংসতা ব্যবহার করে এবং এর ওপর মন্তব্য করে, তা কি এর প্রভাব কমিয়ে দেয়? আমার কাছে তা-ই মনে হয়েছে। তবে কিছু দর্শকের কাছে এমনটি মনে হবে না এবং তারা আতঙ্কিত হবেন। আপনি কোন দলে পড়েন? এটি বোঝার একটি সহজ উপায় হলো, আমি যখন ''ফ্যাঙ্গোরিয়া'' এর কথা উল্লেখ করলাম তখন আপনি কি বুঝতে পেরেছিলেন আমি কী নিয়ে কথা বলছি? ** ''স্ক্রিম'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/scream-1996 পর্যালোচনা] (২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬) * তারকা রেটিং ব্যবস্থা আপেক্ষিক, চূড়ান্ত নয়। আপনি যখন কোনো বন্ধুকে জিজ্ঞেস করেন ''হেলবয়'' ভালো কি না, তখন আপনি ''মিস্টিক রিভার'' এর তুলনায় এটি ভালো কি না তা জানতে চান না। বরং আপনি জানতে চান ''দ্য পানিশার'' এর তুলনায় এটি ভালো কি না। আমার উত্তর হবে এক থেকে চারের স্কেলে ''সুপারম্যান'' (১৯৭৮) যদি চার হয়, তবে ''হেলবয়'' তিন এবং ''দ্য পানিশার'' দুই। একইভাবে ''আমেরিকান বিউটি'' যদি চার তারকা পায়, তবে ''[দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অব] লিল্যান্ড'' পাবে প্রায় দুই। ** ''[[w:শাওলিন সকার|শাওলিন সকার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/shaolin-soccer-2004 পর্যালোচনা] (২৩ এপ্রিল ২০০৪) * রিকার্ডো মন্টালবান ক্ষোভের এক জ্বলন্ত রূপ হিসেবে খানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর অভিনয় এতটাই শক্তিশালী যে এটি একটি সাধারণ নীতি তুলে ধরতে সাহায্য করে। এটি কেবল ''স্টার ট্রেক'' নয়, বরং ''স্টার ওয়ার্স'' এবং অন্যান্য সব মহাকাব্যিক ধারাবাহিক, বিশেষ করে ''জেমস বন্ড'' চলচ্চিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। নীতিটি হলো একটি চলচ্চিত্র তার খলনায়কের মতোই ভালো হয়। যেহেতু নায়ক ও কৌশলগুলো এক চলচ্চিত্র থেকে অন্য চলচ্চিত্রে পুনরাবৃত্ত হতে থাকে, তাই কেবল একজন দুর্দান্ত খলনায়কই একটি ভালো প্রচেষ্টাকে বিশাল সাফল্যে পরিণত করতে পারে। ** ''[[w:স্টার ট্রেক ২: দ্য র‍্যাথ অব খান|স্টার ট্রেক ২: দ্য র‍্যাথ অব খান]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/star-trek-ii-the-wrath-of-khan-1982 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৮২) * ''ওয়াইল্ড থিংস'' একটি ভয়ংকর আবর্জনা। এর কাহিনি এতই প্যাঁচানো যে শেষের নামলিপি চলার সময়ও তারা এটি বোঝানোর চেষ্টা করে। এটি একটি সফটকোর যৌন চলচ্চিত্র, একটি সোপ অপেরা এবং একটি বি-গ্রেড নোয়া চলচ্চিত্রের মধ্যকার ত্রিমুখী সংঘর্ষের মতো। আমার এটি ভালো লেগেছে। এ ধরনের চলচ্চিত্র হয় দর্শকদের বিনোদন দেয় অথবা ক্ষুব্ধ করে। এর মাঝামাঝি কিছু নেই। হয় আপনি অতিনাটকীয় হাস্যরসাত্মক অশালীনতার সমঝদার, না হয় নন। আপনি নিজেই জানেন আপনি কে। আমি এমন কোনো পোস্টকার্ড পেতে চাই না যেখানে লেখা থাকবে যে এই চলচ্চিত্রটি কুরুচিপূর্ণ। আমি আগেই সতর্ক করছি যে এটি কুরুচিপূর্ণ। কুরুচি চরম নোংরামির পর্যায়ে পৌঁছেছে। ** ''[[w:ওয়াইল্ড থিংস|ওয়াইল্ড থিংস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/wild-things-1998 পর্যালোচনা] (২০ মার্চ ১৯৯৮) ==== আড়াই তারকা পর্যালোচনা ==== * এটি এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র যার সম্পর্কে মানুষকে জিজ্ঞেস করলে তারা বলে, "চলচ্চিত্রটি ভালোভাবে তৈরি করা হয়েছে।" এরপর তারা অস্বস্তিতে মুখ কুঁচকে ফেলে। ** ''[[w:ডেড রিঙ্গার্স (চলচ্চিত্র)|ডেড রিঙ্গার্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/dead-ringers-1988 পর্যালোচনা] (২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮) * কোনো চলচ্চিত্রই কখনো [[হলোকাস্ট|হলোকাস্টের]] জন্য মানসিক শান্তি দিতে পারেনি। আমি সন্দেহ করি যে কেউ কখনো [[সেপ্টেম্বর ১১-এর হামলা|নাইন-ইলেভেনের]] জন্যও তা দিতে পারবে না। ** ''[[w:এক্সট্রিমলি লাউড অ্যান্ড ইনক্রেডিবলি ক্লোজ (চলচ্চিত্র)|এক্সট্রিমলি লাউড অ্যান্ড ইনক্রেডিবলি ক্লোজ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/extremely-loud-and-incredibly-close-2012 পর্যালোচনা] (১৮ জানুয়ারি ২০১২) * আমি যে একটি হলোকাস্ট চলচ্চিত্রকে <nowiki>[</nowiki>''[[শিন্ডলার্স লিস্ট]]''<nowiki>]</nowiki> বিনোদনমূলক বলে প্রশংসা করছি তা কি পবিত্রতা নষ্ট করার মতো কোনো অপরাধ? এই শব্দটি এমন কিছু বোঝায় না যে একটি চলচ্চিত্রকে আনন্দদায়ক হতে হবে। আমার মতে এই ঘরানার বিনোদন এমন চরিত্রগুলো থেকে আসে যাদের জীবন্ত করে তোলা হয়, যাদের জন্য আমরা চিন্তা করি এবং যাদের একটি শক্তিশালী গল্পের মধ্যে স্থাপন করা হয়। আমার মূলমন্ত্র হলো, "কোনো ভালো চলচ্চিত্র হতাশাজনক নয়। সব খারাপ চলচ্চিত্রই হতাশাজনক।" ** ''[[w:ইন ডার্কনেস (২০১১-এর চলচ্চিত্র)|ইন ডার্কনেস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/in-darkness-2011 পর্যালোচনা] (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২) * একটি চলচ্চিত্রের উচিত তার চরিত্রগুলোর সামনে একটি সমস্যা তুলে ধরা। এরপর অনেক কষ্টের মধ্য দিয়ে তাদের সেই সমস্যা সমাধান করতে দেখা। একটি পুরোনো ও নির্ভরযোগ্য চিত্রনাট্যের সূত্র এমনটাই বলে। একটি ছেলে ও একটি মেয়েকে নিয়ে অসংখ্য চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে যাদের একটি সমস্যা থাকে (তারা একে অপরের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়ায়নি)। এরপর নানা বাধা (পরিবার, যুদ্ধ, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রেমিক, বোকামিপূর্ণ ভুল বোঝাবুঝি) পেরিয়ে তারা শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর মাধ্যমে সেই সমস্যার সমাধান করে। এখন আমাদের সামনে দুজন সমকামীকে নিয়ে একটি চলচ্চিত্র এসেছে যা একই নির্ভরযোগ্য প্রথা অনুসরণ করে। ** ''[[w:ল্যাটার ডেইজ|ল্যাটার ডেইজ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/latter-days-2004 পর্যালোচনা] (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৪) * "দ্য লাকি ওয়ান" মূলত একটি প্রেমের উপন্যাস। তবে নিকোলাস স্পার্কসের দারুণ গল্প বলার ধরন একে অনন্য করে তুলেছে। পাঠকরা তার বইগুলো সত্যি বলে পড়েন না, বরং সেগুলো সত্যি হওয়া উচিত বলে পড়েন। আপনি সহজেই কল্পনা করতে পারেন বাস্তব জীবনে এই গল্পটি কতভাবে ভুল পথে যেতে পারত। কিন্তু কে এমন একটি চলচ্চিত্র দেখতে চায় যেখানে একজন মেরিন সেনা একটি ছবি তোলার জন্য ঝুঁকে পড়ে এবং বিস্ফোরণে উড়ে যায়? অথবা একজন মা তার ছেলেকে বড় করার ও অনেকগুলো ক্ষুধার্ত কুকুরকে খাওয়ানোর চেষ্টা করছে, আর তার অত্যাচারী প্রাক্তন স্বামী মাতাল হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে? এ ধরনের বিষয়গুলো জীবনের খুব কাছাকাছি। ** ''[[w:দ্য লাকি ওয়ান|দ্য লাকি ওয়ান]]'' এর [https://web.archive.org/web/20120505180249/http://rogerebert.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20120418/REVIEWS/120419985/1001 পর্যালোচনা] (১৮ এপ্রিল ২০১২) * এটি তুলে ধরে এমন কিছু জাপানি চলচ্চিত্রের তালিকা আমি দিতে পারি। তবে ''[[w:মেময়ার্স অব আ গেইশা (চলচ্চিত্র)|মেময়ার্স অব আ গেইশা]]'' এর দর্শকরা কোনোভাবেই কম সুন্দরী নারী এবং নিম্নমানের প্রযোজনা মূল্যযুক্ত বেশি বাস্তবসম্মত চলচ্চিত্র দেখতে চান না। ** ''[[w:মেময়ার্স অব আ গেইশা (চলচ্চিত্র)|মেময়ার্স অব আ গেইশা]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/memoirs-of-a-geisha-2005 পর্যালোচনা] (৯ ডিসেম্বর ২০০৫) * এটি এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র যার জন্যই হোম ভিডিও আবিষ্কার করা হয়েছিল। প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখার মতো নয়, তবে ভিসিআরে চালিয়ে দেখলে ভাড়ার টাকাটা উসুল হয়ে যাবে। ** ''মাই কাজিন ভিনি'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/my-cousin-vinny-1992 পর্যালোচনা] (১৩ মার্চ ১৯৯২) * আমি দাবি করি না যে সব চলচ্চিত্রে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের ধরে রাখার মতো একটি গল্প থাকতে হবে। কোয়েন ভাইদের আগের চলচ্চিত্র ''দ্য বিগ লেবোস্কি'' এর অন্যতম আকর্ষণ ছিল যে কীভাবে এর নেশাগ্রস্ত নায়ক নিজের জীবনের খেই হারিয়ে ফেলে। কিন্তু ''ও ব্রাদার, হোয়্যার আর্ট দাউ?'' দেখে আমার মনে হয়েছে যেন উদ্ভাবনী ক্ষমতা হারিয়ে গেছে। মনে হয়েছে কিছু উজ্জ্বল ধারণা অবাক হয়ে ভাবছে কেন তাদের সবাইকে একই চলচ্চিত্রে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ** ''[[w:ও ব্রাদার, হোয়্যার আর্ট দাউ?|ও ব্রাদার, হোয়্যার আর্ট দাউ?]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/o-brother-where-art-thou-2000 পর্যালোচনা] (২৯ ডিসেম্বর ২০০০) * এখন যেহেতু আমরা জানি যে কোয়েন্টিন টারান্টিনো ''রিজারভয়ার ডগস'' এর মতো চলচ্চিত্র তৈরি করতে পারেন, তাই এখন তাঁর সামনে এগিয়ে গিয়ে এর চেয়ে ভালো কিছু তৈরি করার সময় এসেছে। ** ''রিজারভয়ার ডগস'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/reservoir-dogs-1992 পর্যালোচনা] (২৬ অক্টোবর ১৯৯২) * অ্যাকশন দৃশ্যগুলোতেই সব কিছু এলোমেলো হয়ে যায়। সেই দৃশ্যটির কথা ভাবুন যেখানে স্পাইডার-ম্যানকে মেরি জেন অথবা স্কুলগামী বাচ্চাদের বোঝাই একটি কেবল কার বাঁচানোর মধ্যে একটি নিষ্ঠুর পথ বেছে নিতে বলা হয়। সে উভয়কেই বাঁচানোর চেষ্টা করে। ফলে সবাই জালের ওপর ঝুলতে থাকে এবং মনে হয় যেন এখনই তা ছিঁড়ে যাবে। এখানকার দৃশ্যপট জড়িত বিশাল ওজন ও উত্তেজনার একটি ধারণা দিতে পারত। কিন্তু এর পরিবর্তে দৃশ্যটি কেবল এই ধারণার একটি প্রাণহীন স্টোরিবোর্ডের মতো মনে হয়। অন্যান্য সিজিআই দৃশ্যে স্পাইডি প্রচণ্ড উচ্চতা থেকে ছোঁ মেরে রাস্তায় নেমে আসে এবং আবার আকাশচুম্বী ভবনগুলোর মাঝে এমন অবিশ্বাস্য গতিতে উঠে যায় যা কোনো স্টান্টের চেয়ে এর ফাস্ট-ফরোয়ার্ড সংস্করণের মতোই বেশি মনে হয়। ** 'স্পাইডার-ম্যান'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/spider-man-2002 পর্যালোচনা] (৩ মে ২০০২) * আমি খুব ফুরফুরে মেজাজে আনন্দিত মন নিয়ে এটি দেখতে ঢুকিনি। একইভাবে দেখার পর আমি খুব উজ্জীবিত হয়েও বেরিয়ে আসিনি। তবে এই চলচ্চিত্রটি যতটা খারাপ হতে পারত, তার ধারেকাছেও যায়নি। এটি সম্ভবত সেরা টিনেজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস চলচ্চিত্র। ** ''টিনেজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস'' এর [https://www.rogerebert.com/reviews/teenage-mutant-ninja-turtles-1990 পর্যালোচনা] (৩০ মার্চ ১৯৯০) * আমাকে জানা মানেই আমাকে ভালোবাসা। এই পুরোনো কথাটি জনপ্রিয় হওয়ার একটি কারণ আছে। আমার মনে হয় আমাদের বেশিরভাগই মনের গভীরে বিশ্বাস করি যে যদি কেউ সত্যিই আমাদের জানতে পারে, তবে তারা সত্যিই আমাদের ভালোবাসবে। অথবা অন্তত বুঝতে পারবে কেন আমরা এমন। জীবনের সমস্যা, সম্ভবত প্রধান সমস্যা হলো খুব কম মানুষেরই আমাদের নিয়ে জানার যথেষ্ট কৌতূহল আছে বলে মনে হয়। অথচ আমরা জানি যে আমরা এমন মনোযোগ পাওয়ার যোগ্য। ** ''[[w:টাই মি আপ! টাই মি ডাউন!|টাই মি আপ! টাই মি ডাউন!]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/tie-me-up-tie-me-down-1990 পর্যালোচনা] (২৫ মে ১৯৯০) * এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যার দুটি অংশ রয়েছে। এটি জানে কীভাবে স্পেশাল ইফেক্ট ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু প্রেমে পড়া দুজন মানুষ কীভাবে আচরণ করতে, কথা বলতে ও চিন্তা করতে পারে সে সম্পর্কে এর কোনো ধারণা নেই। <br /> ''[[w:টপ গান|টপ গান]]'' এর মতো চলচ্চিত্রগুলোর পর্যালোচনা করা কঠিন। কারণ এর ভালো অংশগুলো খুবই ভালো এবং খারাপ অংশগুলো খুব একঘেয়ে। ক্লিন্ট ইস্টউডের ''ফায়ারফক্স'' এর রোমাঞ্চকর আকাশপথের দৃশ্যগুলোর পর এর ডগফাইটগুলো নিঃসন্দেহে সেরা। কিন্তু চরিত্ররা নিজেদের মধ্যে কথা বলছে এমন দৃশ্যগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো। ** ''[[w:টপ গান|টপ গান]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/top-gun-1986 পর্যালোচনা] (১৬ মে ১৯৮৬) * আপনি কি শোরগোলপূর্ণ, নির্বোধ, দক্ষ এবং পলায়নী বিনোদন চান? ''টুইস্টার'' ঠিক তাই। আপনি কি চিন্তা করতে চান? তাহলে এটি দেখার আগে দুবার ভাবুন। ** ''[[w:টুইস্টার (১৯৯৬-এর চলচ্চিত্র)|টুইস্টার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/twister-1996 পর্যালোচনা] (১০ মে ১৯৯৬) ==== দুই তারকা পর্যালোচনা ==== * খেলাধুলার প্রতিযোগিতায় যেকোনো ধরনের ঐশ্বরিক হস্তক্ষেপ নিয়ে আমার সবসময় সন্দেহ ছিল। প্রার্থনার শক্তি অন্য অনেক ক্ষেত্রে অসাধারণ হতে পারে, কিন্তু ঈশ্বর কেন অন্য দলের বদলে আমার দলকে জেতাতে চাইবেন? ঈশ্বরকে বেসবলের প্রতি আগ্রহ দেখাতে বলাটা কি অপমানজনক নয়? ** ''অ্যাঞ্জেলস ইন দ্য আউটফিল্ড'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/angels-in-the-outfield-1994 পর্যালোচনা] (১৫ জুলাই ১৯৯৪) * যেহেতু তারা একসাথে আছে এমন দৃশ্যগুলো তাদের আলাদা হওয়ার দৃশ্যগুলোর চেয়ে অনেক কম বিশ্বাসযোগ্য, তাই এই চলচ্চিত্রটি দেখা মানে নরক থেকে আসা কোনো ডাবল-ডেটে যাওয়ার মতো। ** ''[[w:দ্য ব্রেক-আপ|দ্য ব্রেক-আপ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-break-up-2006 পর্যালোচনা] (২ জুন ২০০৬) * আমরা সম্ভবত দীর্ঘ সময় ধরে ''আ ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ'' নিয়ে বিতর্ক করব। এটি একটি দীর্ঘ, ক্লান্তিকর ও অর্থহীন সময় হবে। নিউ ইয়র্কের সমালোচকরা আমাদের জন্য এটি নিশ্চিত করেছেন। তারা ''২০০১ (২০০১: আ স্পেস ওডিসি)'' বুঝতে পারেননি, তাই হয়তো তারা এটি দিয়ে স্ট্যানলি কুবরিকের সাথে তাল মেলাতে চাইছিলেন। অথবা হয়তো সংবাদ সাময়িকীগুলোর বড়দিনের জন্য একটি ভালো চলচ্চিত্রের প্রচ্ছদকাহিনির প্রয়োজন ছিল। ** ''আ ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/a-clockwork-orange-1972 পর্যালোচনা] (১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২) * [[w:২০০৩ কান চলচ্চিত্র উৎসব|২০০৩ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে]] যখন চলচ্চিত্রটির প্রিমিয়ার হয়, তখন লার্স ফন ট্রায়ারের বিরুদ্ধে আমেরিকানদের সঠিকভাবে তুলে না ধরার অভিযোগ ওঠে। কিন্তু কয়টি চলচ্চিত্র তা করে? [[w:ডেভিড স্পেড|ডেভিড স্পেড]] এর কোনো চলচ্চিত্রের কথা মনে পড়ে? ফন ট্রায়ার যৌক্তিকভাবেই আমেরিকা নিয়ে একটি কল্পকাহিনি তৈরি করতে পারতেন, এমনকি একটি আমেরিকান-বিরোধী কল্পকাহিনি। তিনি একটি ভালো চলচ্চিত্রও তৈরি করতে পারতেন, কিন্তু এখানে তিনি রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা কোনো ক্ষিপ্ত নবীর আদর্শগত সূক্ষ্মতা নিয়ে কাজ করেছেন। ** ''[[w:ডগভিল|ডগভিল]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/dogville-2004 পর্যালোচনা] (৯ এপ্রিল ২০০৪) * আমি যে দর্শকদের সাথে বসেছিলাম, তাদের মধ্যে সম্ভবত ৮০ শতাংশই ছিলেন নারী। আমি কিছু কান্নার শব্দ শুনেছি এবং কিছু অশ্রু দেখেছি। অবাক হওয়ার কিছু নেই। ''ইট প্রে লাভ'' হলো নির্লজ্জভাবে ইচ্ছা পূরণের গল্প। এটি একটি আধ্যাত্মিক ভ্রমণকাহিনির সাথে মিশ্রিত [[w:হার্লেকুইন|হার্লেকুইন]] উপন্যাস। এটি দয়াপরবশ হয়ে অনেক মানুষের জীবনের ধারাবাহিকতা উল্টে দেয়, যা হলো লাভ প্রে ইট (ভালোবাসা প্রার্থনা খাওয়া)। ** ''[[w:ইট প্রে লাভ (চলচ্চিত্র)|ইট প্রে লাভ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/eat-pray-love-2010 পর্যালোচনা] (১১ আগষ্ট ২০১০) * আমি জানি যে আসল [[w:এরিন ব্রকোভিচ|ব্রকোভিচ]] উত্তেজক পোশাক পরতে পছন্দ করতেন। এটি তার ব্যক্তিগত স্টাইল এবং তিনি এটি করতে পারেন। কিন্তু হলিউড সংস্করণে তাকে মিনিস্কার্ট পরা যৌনকর্মীর মতো দেখানো হয়েছে, যার গলার নিচের অংশ থেকে বক্ষবন্ধনী উঁকি দিচ্ছে। ** ''এরিন ব্রকোভিচ'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/erin-brockovich-2000 পর্যালোচনা] (১৭ মার্চ ২০০০) * [[w:ফেম (১৯৮০-এর চলচ্চিত্র)|১৯৮০ সালের চলচ্চিত্রটি]] কেন বিশেষ ছিল তা নিয়ে কোনো ধারণা না থাকলে ''ফেম'' রিমেক করার কী দরকার? কেন একটি আবেগপূর্ণ অভিজ্ঞতা নিয়ে তা একটি অগভীর অনুশীলনে পরিণত করবেন? কেন বাস্তব সমস্যাযুক্ত বিশ্বাসযোগ্য কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে একটি আর-রেটেড চলচ্চিত্র শুরু করবেন এবং এটিকে পিজি-রেটেড স্কুল-পরবর্তী বিশেষ অনুষ্ঠানে পরিণত করবেন? কেন এমন অভিনয়শিল্পীদের নির্বাচন করবেন যারা কখনও কখনও শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীর চরিত্রে অভিনয়ের জন্য খুব বয়স্ক ও অভিজ্ঞ, আর প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীর কথা তো বাদই দিলাম? ** ''[[w:ফেম (২০০৯-এর চলচ্চিত্র)|ফেম]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/fame-2009 পর্যালোচনা] (২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯) * আমরা সোফায় বসে আছি। আমরা দৃশ্যটির দিকে তাকাই। আমরা আবার তাকাই। আমরা ট্রাভোল্টার দিকে নজর দিই। সে একজন ক্রীড়াবিদ। তার রিফ্লেক্স খুব দ্রুত। সে একই সাথে কয়েকজন শত্রুকে সামলাতে পারে। সে মাথা নিচু করতে পারে, লাফ দিতে পারে, বাধা টপকাতে পারে, ঘুরতে পারে এবং লাফিয়ে উঠতে পারে। সামান্য ভুল হিসাব, এবং সে মারা যাবে। সে একটুকুও ভুল করে না। সে খুব ভালো অবস্থায় আছে, বিশেষ করে এমন একজনের জন্য যার প্রিয় খাবার চিজ রয়্যাল। এটি একটি ছোট রসিকতা যা আমাদের "পাল্প ফিকশন" এর কথা মনে করিয়ে দেয়। আর '''দর্শকদের এমন কোনো চলচ্চিত্রের কথা মনে করিয়ে দেওয়া উচিত নয় যা তারা বাড়িতে বসে দেখতে বেশি পছন্দ করত।''' ** ''[[w:ফ্রম প্যারিস উইথ লাভ (চলচ্চিত্র)|ফ্রম প্যারিস উইথ লাভ]]'' এর [https://www.rogerebert.com/reviews/from-paris-with-love-2010 পর্যালোচনা] (৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০) * এই দীর্ঘ চলচ্চিত্রের শেষে আমি কেবল একটু নীল আকাশ দেখার বিনিময়ে যেকোনো গ্ল্যাডিয়েটরের বিজয় ছেড়ে দিতে প্রস্তুত ছিলাম। ''গ্ল্যাডিয়েটর'' এ কোনো আনন্দ নেই। এটি ব্যক্তিত্বের বিকল্প হিসেবে বিষণ্ণতাকে ব্যবহার করে। এর ধারণা হলো, চরিত্রগুলো যদি যথেষ্ট তিক্ত ও বিষণ্ণ হয়, তবে তারা কতটা একঘেয়ে তা আমরা খেয়াল করব না। ** ''গ্ল্যাডিয়েটর'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/gladiator-2000 পর্যালোচনা] (৫ মে ২০০০) * আমাকে পাষাণহৃদয় বলুন, সন্দেহবাতিক বলুন, কিন্তু তারা যদি ''হোম অ্যালোন ৩'' তৈরি করে তবে দয়া করে আমাকে ডাকবেন না। ** ''[[w:হোম অ্যালোন ২: লস্ট ইন নিউ ইয়র্ক|হোম অ্যালোন ২: লস্ট ইন নিউ ইয়র্ক]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/home-alone-2-lost-in-new-york-1992 পর্যালোচনা] (২০ নভেম্বর ১৯৯২) * ডব্লিউ. সি. ফিল্ডস একটি শিশু, একটি কুকুর বা গভীর গলার পোশাক পরা কারও সাথে একই দৃশ্যে উপস্থিত হওয়াকে ঘৃণা করতেন। কারণ তখন দর্শকরা কেউই তার দিকে তাকাবে না। [[w:জেনিফার অ্যানিস্টন|জেনিফার অ্যানিস্টন]] এই চলচ্চিত্রে একই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন, এমনকি যখন তিনি দৃশ্যে সম্পূর্ণ একা থাকেন তখনও। ** ''[[w:পিকচার পারফেক্ট (১৯৯৭-এর চলচ্চিত্র)|পিকচার পারফেক্ট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/picture-perfect-1997 পর্যালোচনা] (১ আগষ্ট ১৯৯৭) * আপনি একসময় খারাপ চলচ্চিত্র বাজেভাবে তৈরি হওয়ার ওপর নির্ভর করতে পারতেন। এখন আর তা হয় না। ''দ্য পানিশার: ওয়ার জোন'' [সিক] আমার দেখা সেরা বাজে চলচ্চিত্রগুলোর একটি। এর একমাত্র ত্রুটি হলো এটি জঘন্য। ** ''[[w:পানিশার: ওয়ার জোন|পানিশার: ওয়ার জোন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/punisher-war-zone-2008 পর্যালোচনা] (৩ ডিসেম্বর ২০০৮) * প্রসূতি ওয়ার্ডের শুরুর একটি গীতিময় দৃশ্যের কথা ভাবুন। সেখানে টমি পিকলস এবং তার বন্ধু চাকি ফিনস্টার এবং ফিল ও লিল ডেভিল টমির নতুন ছোট ভাই দিলবার্টকে এক নজর দেখার আশা করছে। (দিল পিকলস — বুঝতে পেরেছেন? ''রাগ্র্যাটস'' ভক্তদের জন্য এটি সর্বোচ্চ স্তরের রসিকতা।) তারা বাচ্চাদের জাগিয়ে তোলে, যারা এমন একটি দৃশ্য করে যা দেখে মনে হয় [[w:বাসবি বার্কলি|বাবসি বার্কলির]] দ্বারা অনুপ্রাণিত। শুধু পার্থক্য হলো, বার্কলি মেয়েদের কখনোই নিজেদের নাচের পানির ব্যবস্থা করতে হয়নি, যদি আপনি আমার কথা বুঝতে পারেন। ** ''[[w:দ্য রাগ্র্যাটস মুভি|দ্য রাগ্র্যাটস মুভি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-rugrats-movie-1998 পর্যালোচনা] (২০ নভেম্বর ১৯৯৮) * ''শোগার্লস'' হলো কয়েক বছরের মধ্যে প্রথম বড় বাজেটের "কেবল প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য" চলচ্চিত্র। নিশ্চিতভাবে বলতে গেলে, এতে এতটাই নগ্নতা রয়েছে যে সেক্সি অংশগুলো তখনই দেখা যায় যখন মেয়েরা তাদের পোশাক পরে। তবে এর মধ্যে কোনো সত্যিকারের কামুকতা নেই। এ কারণেই আমি মনে করি এটি যৌন কল্পনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। কামুকতার জন্য দুজনের মধ্যে একটি মানসিক সংযোগ প্রয়োজন, অন্যদিকে হস্তমৈথুনের জন্য কেবল অন্য ব্যক্তির ছবির প্রয়োজন। ** ''শোগার্লস'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/showgirls-1995 পর্যালোচনা] (২২ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫) * কৃতিত্ব অনুযায়ী, ''ট্রয়'' হোমারের মহাকাব্য ''[[w:ইলিয়াড|ইলিয়াড]]'' এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি। হোমারের এস্টেটের উচিত তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা। ** ''ট্রয়'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/troy-2004 পর্যালোচনা] (১৪ মে ২০০৪) * [[w:ফিলিপ কফম্যান|ফিলিপ কফম্যানের]] ''টুইস্টেড'' থ্রিলারের মতো হাঁটে এবং থ্রিলারের মতো কথা বলে, কিন্তু এটি টার্কির মতো ডাকে। <br /> এবার ''[[w:দেউস এক্স মাকিনা|দেউস এক্স মাকিনা]]'' তে ফিরে যাওয়া যাক। এটি এমন একটি শব্দগুচ্ছ যা আপনি শিখতে এবং আয়ত্ত করতে চাইবেন। এটি কেবল দীর্ঘ বাস যাত্রার সময় বন্ধুদের অবাক করার জন্য নয়, বরং এটি এমন কিছুকে নিখুঁতভাবে বর্ণনা করে যা বোঝাতে হয়তো হাজার হাজার শব্দ লাগতে পারে। একটি মঞ্চে একটি নাটকের কথা ভাবুন। নায়ক সমস্যায় পড়েছে। ড্রাগন আগুন ছাড়ছে, তার তলোয়ার ভেঙে গেছে, তার পা ভেঙে গেছে, তার মনোবল ভেঙে গেছে, এবং নাট্যকারের কল্পনা ভেঙে গেছে। হঠাৎ মঞ্চের বাইরে থেকে গিয়ার ঘোরানোর শব্দ শোনা যায়। একটি অদৃশ্য যন্ত্র একজন ঈশ্বরকে মঞ্চে নামিয়ে আনে। সেই ঈশ্বর ড্রাগনটিকে হত্যা করেন, নায়ককে সুস্থ করেন এবং নাট্যকারকে বরখাস্ত করেন। তিনি হলেন "যন্ত্র থেকে আসা ঈশ্বর।" ** ''[[w:টুইস্টেড (২০০৪-এর চলচ্চিত্র)|টুইস্টেড]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/twisted-2004 পর্যালোচনা] (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৪) * ''ভ্যালেন্টাইন্স ডে'' কে একটি ডেট মুভি হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে। আমার মনে হয় এটি মূলত একটি ফার্স্ট-ডেট মুভি। যদি আপনার ডেট এটি পছন্দ করে, তবে সেই ব্যক্তির সাথে আর ডেট করবেন না। আর যদি আপনি এটি পছন্দ করেন, তবে হয়তো দ্বিতীয় কোনো ডেট আর হবে না। ** ''[[w:ভ্যালেন্টাইন্স ডে (চলচ্চিত্র)|ভ্যালেন্টাইন্স ডে]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/valentines-day-2010 পর্যালোচনা] (১০ ফেব্রুয়ারি ২০১০) * কোনো ভালো কৌতুক অভিনেতাকে এমন একটি চলচ্চিত্রে হাস্যরসাত্মক হওয়ার চেষ্টা করতে দেখার চেয়ে একাকী দৃশ্য আর খুব কমই আছে, যে চলচ্চিত্রটি নিজেই জানে না যে হাস্যরস কী। ** ''ওয়েডিং ক্র্যাশারস'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/wedding-crashers-2005 পর্যালোচনা] (১৪ জুলাই ২০০৫) ==== দেড় তারকা পর্যালোচনা ==== * ''[[w:বেসিক ইন্সটিংক্ট ২|বেসিক ইন্সটিংক্ট ২]]'' কোনো যৌক্তিক বা সমর্থনযোগ্য উপায়ে ভালো নয়। আবার এটি অযৌক্তিক বা অসমর্থনযোগ্য উপায়ে খারাপও নয়। আধুনিক স্থাপত্যের শীতল বিমূর্ততা আমার দারুণ লেগেছে। এটি দেখে মনে হয় মানুষগুলো যেন ভবনের সাথেই এসেছে। আমি লন্ডনে বাস্তবে থাকা সেই অদ্ভুত গগনচুম্বী ভবনটি দেখে হেসেছি। চলচ্চিত্রের শুরুতে যে বেপরোয়া যৌনতা ও গতির দৃশ্য রয়েছে (যা আশ্চর্যের বিষয় যে শিকাগোতে শ্যুট করা হয়েছে বলে মনে হয়), সেটি আমার ভালো লেগেছে। কাহিনিটি কেবল আমার সাথে মজা করছে, এটি মেনে নেওয়ার পর আমি তা উপভোগ করতে পেরেছি। আপনি এতে মগ্ন হতে পারেন। '''পাদটীকা ২:''' আমার দেড় তারকা রেটিং হলো এক পশলা শীতল বৃষ্টির মতো। এটি আমার মনকে চার তারকা দেওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য তৈরি। ** ''[[w:বেসিক ইন্সটিংক্ট ২|বেসিক ইন্সটিংক্ট ২]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/basic-instinct-2-2006 পর্যালোচনা] (৩১ মার্চ ২০০৬) * এই চলচ্চিত্রে [[w:মিশেল ফাইফার|মিশেল ফাইফার]] [[w:লুঅ্যান জনসন|লুঅ্যান জনসন]] এর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর শেখানোর পদ্ধতিগুলো বেশ উদ্ভাবনী। তিনি তাদের ক্যান্ডি বার এবং অ্যামিউজমেন্ট পার্কে বিনামূল্যে ভ্রমণের প্রলোভন দেখান। তিনি তাদের গুরুত্বপূর্ণ কবি বব ডিলানের শব্দের সাথে যুক্ত করেন (ট্যাম্বুরিন ম্যান হয়তো কোনো মাদক ব্যবসায়ী ছিল!)। শীঘ্রই তারা স্কুলের লাইব্রেরিতে বব ডিলান এবং ডিলান থমাসের মধ্যে সম্পর্ক খুঁজে বের করে। ক্যান্ডি বার এবং বব ডিলানের "প্রাসঙ্গিকতা" দিয়ে ঘুষ দিয়ে সুবিধাবঞ্চিত এই শহরের ভেতরের বাচ্চারা ঠিক কী অর্জন করবে? তারা কি পড়তে এবং লিখতে পারবে? তারা কি চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা করতে পারবে? যে শিক্ষাব্যবস্থা তাদের এমন একটি পর্যায়ে নিয়ে এসেছে, যা আমরা প্রথম শ্রেণিকক্ষের দৃশ্যে দেখি, তা তাদের এতটা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ করেছে যে মিস জনসনের কোনো কারাতে শিক্ষাই খুব একটা কাজে আসবে না। ** ''[[w:ডেঞ্জারাস মাইন্ডস|ডেঞ্জারাস মাইন্ডস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/dangerous-minds-1995 পর্যালোচনা] (১১ আগষ্ট ১৯৯৫) * ওপরতলার শোবার ঘরে বৃদ্ধা অ্যান খুব ধীরে ধীরে মারা যাচ্ছে। সে অনেক বছর আগের বিয়ের রাত এবং পরের সকালের ঘটনাগুলো মনে করছে। আইরিশ উচ্চারণের একজন নার্স ([[w:এইলিন অ্যাটকিন্স|এইলিন অ্যাটকিন্স]]) তার দেখাশোনা করছে। সে মাঝে মাঝে তাকে মনে করিয়ে দেয়, "একটি খুশির সময়ের কথা মনে করুন!" অ্যানের একটি খুশির সময়ের স্মৃতি ভেসে ওঠে। এটি এতই সাধারণ যে যদি এটি তার জীবনের একটি সেরা মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে তা প্যারিস হিলটনের একটি ভালো চুইংগামের কথা মনে করার সাথে তুলনীয়। ** ''[[w:ইভনিং (চলচ্চিত্র)|ইভনিং]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/evening-2007 পর্যালোচনা] (২৯ জুন ২০০৭) * ১৯৮৪ সালের চলচ্চিত্রের রিমেকের ক্ষেত্রে একটি কথা বলা যেতে পারে, যা মূল চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য ব্যবহার করে। ২০১১ সালের এই সংস্করণটি এতটাই মিল সম্পন্ন — কখনও কখনও গানে গানে এবং লাইনে লাইনে — যে আমি দুষ্টুমি করে [http://www.rogerebert.com/reviews/footloose-1984 আমার ১৯৮৪ সালের পর্যালোচনাটি] হুবহু ছাপানোর জন্য প্রলুব্ধ হয়েছিলাম। কিন্তু সেটা করা ভুল হতো। ** ''[[w:ফুটলুস (২০১১-এর চলচ্চিত্র)|ফুটলুস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/footloose-2011 পর্যালোচনা] (১২ অক্টোবর ২০১১) * এটি এমন একটি গৃহযুদ্ধের চলচ্চিত্র যা হয়তো ট্রেন্ট লট উপভোগ করবেন। এটি ''গন উইথ দ্য উইন্ড'' এর চেয়ে কম আলোকিত, সামরিক কৌশলের প্রতি আচ্ছন্ন, দক্ষিণ ও উত্তরের মধ্যে নিরপেক্ষ এবং ধর্মীয়ভাবে নিবেদিত। এটি আফ্রিকান আমেরিকানদের জন্য দুটি কথা বলার ভূমিকার প্রথমটি চালু করার জন্য ৭০ মিনিট অপেক্ষা করে। "স্টোনওয়াল" জ্যাকসন তার কৃষ্ণাঙ্গ বাবুর্চিকে আশ্বস্ত করেন যে দক্ষিণ তাকে মুক্ত করবে, এবং বাবুর্চিকে সতর্কভাবে আশাবাদী বলে মনে হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে যদি এভাবে পরিচালনা করা হতো, তবে নরক নেমে আসত। ** ''[[w:গডস অ্যান্ড জেনারেলস (চলচ্চিত্র)|গডস অ্যান্ড জেনারেলস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/gods-and-generals-2003 পর্যালোচনা] (২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৩) * [[w:কান চলচ্চিত্র উৎসব|কান চলচ্চিত্র উৎসবের]] পালাইসে ''গডজিলা'' দেখতে যাওয়া অনেকটা [[w:সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকা|সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায়]] কোনো শয়তানের আচার অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার মতো। ভবনটি যে বিশ্বাসের প্রতিনিধিত্ব করে, এটি তার প্রতি একটি তিরস্কার। কানের কর্তৃপক্ষ আবেগপূর্ণভাবে বিশ্বাস করে যে চলচ্চিত্র বুদ্ধিদীপ্ত, হৃদয়গ্রাহী এবং মহৎ হতে পারে। ''গডজিলা'' হলো একটি বিশাল, কুৎসিত এবং বিশ্রী যন্ত্র। এটি কিশোর-কিশোরীদের মনে এমন একটি ধারণা তৈরি করার জন্য তৈরি যে তারা একটি চলচ্চিত্র দেখছে। প্যারেডের শেষে ঘোড়া আসার মতো এটি উৎসবের সমাপনী চলচ্চিত্র ছিল। সম্ভবত একই কারণেই এটি শেষে রাখা হয়েছিল। ** ''[[w:গডজিলা (১৯৯৮-এর চলচ্চিত্র)|গডজিলা]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/godzilla-1998 পর্যালোচনা] (২৬ মে ১৯৯৮) * ''ইমমর্টালস'' নিঃসন্দেহে আপনার দেখা সবচেয়ে সুন্দর অথচ জঘন্য চলচ্চিত্র। কেবল [[w:এইকো ইশিওকা|এইকো ইশিওকার]] পোশাক নকশাই একটি [[w:শ্রেষ্ঠ পোশাক নকশা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার|অস্কার মনোনয়নের]] দাবিদার। প্রিভিউ দেখার পর এলিভেটরে এক নারী বিরক্তি প্রকাশ করে বললেন, "এগুলো মোটেও ঐতিহাসিকভাবে সঠিক ছিল না।" যেন দেবতাদের পোশাক নিয়ে অনেক তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। তিনি আরও যোগ করলেন, "আমি মনে করি [[w:শিকাগো ব্ল্যাকহকস|ব্ল্যাকহকস]] গেমসে পাওয়া বিনামূল্যের টিকিট ব্যবহার করার এটাই আমাদের শাস্তি।" ** ''[[w:ইমমর্টালস (২০১১-এর চলচ্চিত্র)|ইমমর্টালস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/immortals-2011 পর্যালোচনা] (৯ নভেম্বর ২০১১) * আমি সম্পূর্ণ একা ''দ্য লোনলি গাই'' দেখেছি। এটি ছিল শনিবারের এমন একটি বিকেল, যখন ধূসর রঙের তুষারপাত হচ্ছিল। এমনকি আপনি অপরিচিতদের উত্তর দেওয়ার মেশিনে একটি ভালো রেকর্ড করা বার্তাও পাবেন না... "শুভকামনা," একজন দারোয়ান আমাকে বলেছিলেন। "আপনার এটির প্রয়োজন হবে।" তিনি সঠিক ছিলেন... ''দ্য লোনলি গাই'' এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র যা মনে হয় জানুয়ারির মেঘলা বিকেলে খালি প্রেক্ষাগৃহে চালানোর জন্যই তৈরি করা হয়েছে... এটি এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র যা আপনাকে পর্দায় দৃশ্যমান বাণিজ্যিক পণ্যগুলো গণনা করে নিজেকে বিভ্রান্ত করতে অনুপ্রাণিত করে। আপনি ভাবতে শুরু করেন যে প্রস্তুতকারকেরা চলচ্চিত্রে এগুলো দেখানোর জন্য ফি দিয়েছিলেন কি না। আমি দুটি ডায়েট সেভেন-আপ, দুটি ট্যাব এবং স্টিভ মার্টিনকে গণনা করেছি। ** ''[[w:দ্য লোনলি গাই|দ্য লোনলি গাই]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-lonely-guy-1984 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৮৪) * আমি রটেন টম্যাটোজে ঘুরছিলাম। ব্যাংকের নিরাপত্তারক্ষী প্রধান চরিত্রে কে অভিনয় করেছেন তা বের করার চেষ্টা করছিলাম। তখন খেয়াল করলাম যে চলচ্চিত্রটি তখনও কেউ পর্যালোচনা করেনি। অপেক্ষা করুন! এই চলচ্চিত্রের "ফোরাম" বিভাগে, "আইল্যান্ডহোম" ৮ জানুয়ারি সকাল ৭:৫৮ মিনিটে লিখেছে: "এই চলচ্চিত্রের পর্যালোচনা... আজ রাতে আমি পোস্ট করব।" ১০ জানুয়ারি সকাল ১১:১৯ মিনিটে, "আইল্যান্ডহোম" অবশেষে তার প্রতিশ্রুত পর্যালোচনা নিয়ে ফিরে আসে। এটি ছোট হাতের অক্ষরে লেখা হয়েছে এবং কবিতার মতো বাম দিকে সারিবদ্ধ করা হয়েছে। আমি এটি বানানসহ হুবহু উদ্ধৃত করছি: ::''হ্যালো দুঃখিত আমি ফিরে এসে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম'' ::''যাই হোক এটি বেশ মজার ছিল'' ::''যেভাবে দেখানো হয়েছে সেভাবে এটি কখনও হতে পারে না'' ::''তবে যাই হোক এটি একটি চলচ্চিত্র'' ::''মেয়েদের জন্য বেশিরভাগই এটি পছন্দ করবে'' ::''এবং পুরুষরা এটি খুব একটা অপছন্দ করবে না'' ::''আমি ভেবেছিলাম এটি কিছুটা হাউ টু বিট দ্য হাই কস্ট অফ লিভিং এর মতো হবে'' ::''কিছুটা একই রকম কিন্তু ততটা মজার নয়'' ::''আমি এটিকে ১০ এর মধ্যে ৪ দেব'' :আমি এটি দুবার, তিনবার পড়েছি। আমি আমার নিজের পর্যালোচনার জন্য বিভিন্ন প্রথম বাক্য পরীক্ষা করে দেখছিলাম। কিন্তু কোনোভাবে আইল্যান্ডহোমের পর্যালোচনার বিশুদ্ধতা ও প্রত্যক্ষতা আমাকে থামিয়ে দেয়। এটি খুবই চূড়ান্ত। "মেয়েদের জন্য বেশিরভাগই এটি পছন্দ করবে / এবং পুরুষরা এটি খুব একটা অপছন্দ করবে না।" আপনি এর চেয়ে ভালো কীভাবে বলতে পারেন? এটি চার্লস বুকোভস্কির যোগ্য। ...মূল কথা হলো কিছু মেয়ের এটি ভালো লাগবে, পুরুষদের ততটা নয়, এবং আমি এটিকে ৪ এর মধ্যে ১½ তারকা দিচ্ছি। ** ''[[w:ম্যাড মানি (চলচ্চিত্র)|ম্যাড মানি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/mad-money-2008 পর্যালোচনা] (১৭ জানুয়ারি ২০০৮) * ''ক্লার্কস'' একজন মৌলিক নির্মাতার আত্মবিশ্বাসী ও স্পষ্ট কণ্ঠস্বরের কথা বলেছিল। ''মলর‍্যাটস'' এ সেই কণ্ঠস্বর অবরুদ্ধ। এর বদলে আমরা ক্লান্ত, প্রতিষ্ঠিত, ভীরু এবং অন্যান্য পরিচিত হলিউড নির্বাহীদের উপদেশ শুনতে পাই। যে বছর ''ক্লার্কস'' [[w:১৯৯৪ কান চলচ্চিত্র উৎসব|কান চলচ্চিত্র উৎসবে]] প্রদর্শিত হয়েছিল, আমি স্বাধীন নির্মাতাদের একটি প্যানেল আলোচনার সভাপতি ছিলাম। তাদের বেশিরভাগই হলিউডের নিরাপদ কৌশলগুলো থেকে মুক্ত থাকার জন্য নিজেদের সংগ্রামের কথা বলেছিলেন। কিন্তু কেভিন স্মিথ আনন্দের সাথে বলেছিলেন যে স্টুডিওগুলো যদি তার চলচ্চিত্রের জন্য টাকা দেয়, তবে তারা যা চাইবে তিনি সানন্দে তাই করবেন। সে সময় আমি ভেবেছিলাম তিনি রসিকতা করছেন। ** ''[[মলর‍্যাটস|মলর‍্যাটস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/mallrats-1995 পর্যালোচনা] (২০ অক্টোবর ১৯৯৫) * আমরা এ ধরনের কমেডি দেখে দুটি কারণে হাসতে পারি: কারণ আমরা চরিত্রগুলোর চেয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠ মনে করি, অথবা কারণ আমরা তাদের করুণা করি বা পছন্দ করি। আমি মানুষের দিকে তাচ্ছিল্য করে হাসতে খুব একটা পছন্দ করি না। এই কারণেই অ্যাডাম স্যান্ডলারের কমেডিগুলো আমাকে অস্বস্তিতে ফেলে (আমি জানি বেশিরভাগ মানুষ হাসে কারণ তারা তাকে পছন্দ করে)। নেপোলিয়ন ডিনামাইটের ক্ষেত্রে আমি তাকে মোটেও পছন্দ করি না। তবে চলচ্চিত্রটিও তাকে পছন্দনীয় করার কোনো চেষ্টা করে না। এটি তার গল্প বলে এবং আমাদের হাসতে বলা হয়। কারণ আমরা এমন হাস্যরস খুঁজে পাই যা চলচ্চিত্রটি না জানার ভান করে। ** ''[[নেপোলিয়ন ডিনামাইট|নেপোলিয়ন ডিনামাইট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/napoleon-dynamite-2004 পর্যালোচনা] (১৮ জুন ২০০৪) * তারা বলে বেসবল জনপ্রিয় কারণ সবাই মনে করে তারা এটি খেলতে পারে। [[w:ম্যারি-কেট ও অ্যাশলি ওলসেন|ওলসেন যমজদের]] জনপ্রিয়তার ব্যাখ্যাও হয়তো একই রকম। কিশোরীরা তাদের ভালোবাসে কারণ তারা বিশ্বাস করে যে তারা তাদের মতো হতে পারে। সর্বোপরি, ম্যারি-কেট এবং অ্যাশলি ''নিউ ইয়র্ক মিনিট'' এ এমন কী করে যা যুক্তিসঙ্গতভাবে উপস্থাপনযোগ্য কোনো কিশোরী করতে পারে না? তাদের কর্মজীবন তারা যা করে তার ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়, বরং তাদের ভক্তদের পরোক্ষ পরিচিতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। ভক্তরা এমন দুজন মেয়েকে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে দেখে আনন্দ পায়, যারা এমন কিছু করছে যা প্রায় যে কেউই করতে পারে। ** ''[[w:নিউ ইয়র্ক মিনিট (চলচ্চিত্র)|নিউ ইয়র্ক মিনিট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/new-york-minute-2004 পর্যালোচনা] (৭ মে ২০০৪) * ''পার্ল হারবার'' হলো তিন ঘণ্টার মধ্যে আটকে দেওয়া দুই ঘণ্টার একটি চলচ্চিত্র। এটি ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর কীভাবে জাপানিরা একটি আমেরিকান ত্রিভুজ প্রেমের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছিল তা নিয়ে তৈরি। এর মূল অংশ হলো ৪০ মিনিটের অপ্রয়োজনীয় স্পেশাল ইফেক্ট, যা একটি বিস্ময়করভাবে সাধারণ প্রেমের গল্প দ্বারা বেষ্টিত। চলচ্চিত্রটি কোনো সৌন্দর্য, দৃষ্টিভঙ্গি বা মৌলিকতা ছাড়াই পরিচালিত হয়েছে। যদিও আপনি বের হওয়ার সময় এর সংলাপ উদ্ধৃত করতে পারেন, তবে তা এই কারণে নয় যে আপনি সেগুলোর প্রশংসা করেন। ** ''[[w:পার্ল হারবার (চলচ্চিত্র)|পার্ল হারবার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/pearl-harbor-2001 পর্যালোচনা] (২৫ মে ২০০১) * এটি অনেকটা উচ্চ বিদ্যালয়ের কোনো প্রযোজনার মতো যা আপনি [[w:স্টেপেনউলফ থিয়েটার কোম্পানি|স্টেপেনউলফ]] এ দেখেছেন। যেখানে নাটক ক্লাসের সবচেয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীরা [[w:জন মালকোভিচ|জন মালকোভিচ]] এবং [[w:জোন অ্যালেন|জোন অ্যালেনের]] চরিত্রে অভিনয় করছে। ** ''দ্য পিংক প্যান্থার'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-pink-panther-2006 পর্যালোচনা] (১০ ফেব্রুয়ারি ২০০৬) * এই নতুন সংস্করণটি দেখার সময় আমার কাছে অদ্ভুতভাবে মনে হচ্ছিল যেন আমি ব্রডওয়ে কাস্ট ছাড়াই একটি প্রাদেশিক স্টক কোম্পানিকে তাদের সাধ্যমতো সেরাটা করার চেষ্টা করতে দেখছি। আমার সেই বিস্ময়কর শিশুটির কথা মনে পড়ে গেল যাকে একজন বিখ্যাত পিয়ানোবাদকের জন্য পারফর্ম করার জন্য ডাকা হয়েছিল। শিশুটি পিয়ানোর টুলে উঠে বসে এবং দারুণ গতি ও নিখুঁতভাবে চপিনের কোনো একটি সুর বাজায়। এরপর মহান সংগীতশিল্পী শিশুটির মাথায় হাত বুলিয়ে বলেন, 'তুমি সুর বাজাতে পারো। একদিন হয়তো তুমি সংগীত বাজাতে পারবে।' ** ''সাইকো'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/psycho-1998 পর্যালোচনা] (৬ ডিসেম্বর ১৯৯৮) * এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা প্রতিটি মুহূর্তকে এর যোগ্যতার চেয়ে বেশি টেনে লম্বা করে। এর ফলে এমনকি অনুপ্রেরণার মুহূর্তগুলোকেও জোরপূর্বক মনে হয়। যেহেতু চলচ্চিত্রের মূল ধারণাটি ভালো এবং কলাকুশলীদের মধ্যে প্রতিভাবান মানুষ রয়েছেন, তাই বলা যায় চলচ্চিত্রটি তার নিজস্ব জোরপূর্বক ও অস্বাভাবিক শৈলীর দ্বারাই ধ্বংস হয়েছে। ** ''রেইজিং অ্যারিজোনা'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/raising-arizona-1987 পর্যালোচনা] (২০ মার্চ ১৯৮৭) * এরা বোকা নয়। এরা কয়েকজন দারুণ ছেলে, এবং এটাই ''রিভেঞ্জ অব দ্য নার্ডস ২'' এর মূল সমস্যা। এই চলচ্চিত্রের সত্যিকারের বোকাদের নিয়ে কাজ করার সাহস নেই। এটি ঝুঁকি এড়িয়ে চলে। একজন বোকা বোকা হয় না কারণ সে কম্পিউটার বোঝে এবং তার শার্টের পকেটে একটি প্লাস্টিকের পেন প্রটেক্টর পরে। একজন বোকা বোকা হয় কারণ সে জীবনে এক বিশেষ ধরনের কমনীয়তার অভাব নিয়ে আসে। তার কোনো স্টাইল থাকে না। সে অন্য মানুষের অনুভূতি বুঝতে অক্ষম। একজন বোকা ভেতর থেকে বোকা হয়, যা এই চলচ্চিত্র তৈরিকারী বোকারা কখনও বুঝতে পারবে না। ** ''[[w:রিভেঞ্জ অব দ্য নার্ডস ২: নার্ডস ইন প্যারাডাইস|রিভেঞ্জ অব দ্য নার্ডস ২: নার্ডস ইন প্যারাডাইস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/revenge-of-the-nerds-ii-nerds-in-paradise-1987 পর্যালোচনা] (১৩ জুলাই ১৯৮৭) * আমি জানি যে অন্য গ্রহ থেকে আসা এলিয়েনদের নিউ মেক্সিকোতে আসার নিয়ম আছে, কিন্তু তারা সেখানে থাকে কেন? ** ''থর'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/thor-2011 পর্যালোচনা] (১০ মে ২০১১) ==== এক তারকা পর্যালোচনা ==== * শিকাগো থেকে ডি. কেপেশ লিখেছেন, "আপনি কি কখনও কোনো স্ক্রিনিংয়ের সময় পরে যে পর্যালোচনাটি লিখবেন তা নিয়ে ভাবতে গিয়ে বিভ্রান্ত হন? এতটা বিভ্রান্ত যে চলচ্চিত্রের কিছু অংশ মিস করে ফেলেন?" কখনও কখনও অবস্থা এর চেয়েও খারাপ হয়, ডি.। কখনও কখনও কোনো চলচ্চিত্র এতটাই বুদ্ধিহীন হয় যে আমি পর্যালোচনার জন্য চতুর লাইন ভাবার চেষ্টা ছেড়ে দিই। আমি পরাজয় স্বীকার করে সত্যিই চলচ্চিত্রটি দেখার দিকে মনোযোগ দিই। আমি একে ধ্যান করার একটি সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করি। আমার মন্ত্র হলো "আর্গ ... আর্গ ... " ** ''[[w:আ নাইট অ্যাট দ্য রক্সবেরি|আ নাইট অ্যাট দ্য রক্সবেরি]]'' এর [https://www.rogerebert.com/reviews/a-night-at-the-roxbury-1998 পর্যালোচনা] (২ অক্টোবর ১৯৯৮) * আমার মনে আছে যখন হার্ডকোর প্রথম সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছিল। তখন আলোচনা হতো যে কোনো সিরিয়াস পরিচালক যদি কখনও কোনো পর্নো চলচ্চিত্র তৈরি করেন, তবে তা কেমন হবে। ''অ্যানাটমি অব হেল'' বিচার করে উত্তরটি হলো যে, দর্শকরা সিদ্ধান্ত নেবেন তাদের আসলে এমন সিরিয়াস কোনো পরিচালকের প্রয়োজন নেই। ** ''[[w:অ্যানাটমি অব হেল|অ্যানাটমি অব হেল]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/anatomy-of-hell-2004 পর্যালোচনা] (১২ নভেম্বর ২০০৪) * অবশেষে এটি এখানে, প্রথম ১৫০ মিনিটের ট্রেলার। ''আর্মাগেডন'' কে এর নিজস্ব হাইলাইট হিসেবে একসাথে কাটা হয়েছে। এলোমেলোভাবে যেকোনো ৩০ সেকেন্ড নিন, আপনি একটি টিভি বিজ্ঞাপন পেয়ে যাবেন। এই চলচ্চিত্রটি চোখ, কান, মস্তিষ্ক, কাণ্ডজ্ঞান এবং মানুষের বিনোদন পাওয়ার আকাঙ্ক্ষার ওপর একটি আক্রমণ। '''ভেতরে ঢোকার জন্য তারা যাই চার্জ করুক না কেন, বেরিয়ে আসাটা এর চেয়ে বেশি মূল্যবান।''' ** ''[[w:আর্মাগেডন (চলচ্চিত্র)|আর্মাগেডন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/armageddon-1998 পর্যালোচনা] (১ জুলাই ১৯৯৮) * তো ঠিক আছে। ধরুন আপনি উপন্যাসটি জানেন, আপনি আইন র‍্যান্ডের সাথে একমত, আপনি একজন অবজেক্টিভিস্ট বা লিবারটেরিয়ান, এবং আপনি আগ্রহের সাথে এই চলচ্চিত্রটির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। ভাই, আপনি খুব হতাশ হতে চলেছেন। একটি চলচ্চিত্র আপনার সাথে একমত হবে এটাই যথেষ্ট নয়, তা যত অগোছালো ও অস্পষ্টভাবেই হোক না কেন। এটি যদি বিনোদনমূলক হতো, তবে কি ভালো হতো না? ** ''[[w:অ্যাটলাস শ্রাগড: পার্ট ১|অ্যাটলাস শ্রাগড: পার্ট ১]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/atlas-shrugged-2011 পর্যালোচনা] (১৪ এপ্রিল ২০১১) * ''ব্লু ভেলভেট'' এ এমন কাঁচা মানসিক শক্তির দৃশ্য রয়েছে যে কিছু সমালোচক কেন এটিকে মাস্টারপিস বলেছেন তা বোঝা সহজ। এতটা বেদনাদায়ক ও আঘাতকারী একটি চলচ্চিত্রকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। তবুও সেই তীব্র যৌন হতাশার দৃশ্যগুলোই বলে দেয় এই চলচ্চিত্রে কী ভুল আছে। এগুলো এতটাই শক্তিশালী যে এগুলোর এমন একটি চলচ্চিত্রে থাকা উচিত যা আন্তরিক, সৎ এবং সত্য। কিন্তু ''ব্লু ভেলভেট'' এদের এমন একটি গল্প দিয়ে ঘিরে রেখেছে যা শিশুতোষ ব্যঙ্গ এবং সস্তা শট দ্বারা নষ্ট হয়ে গেছে। [[w:ডেভিড লিঞ্চ|পরিচালক]] হয় তার উপাদানের শক্তি অস্বীকার করছেন অথবা এটিকে একটি ক্যাম্পি ইন-জোকের অংশ ভান করে এর প্রভাব কমানোর চেষ্টা করছেন। … কোনটি বেশি খারাপ? কাউকে চড় মারা, নাকি দূরে দাঁড়িয়ে পুরো ব্যাপারটিকে মজার মনে করা? ** ''ব্লু ভেলভেট'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/blue-velvet-1986 পর্যালোচনা] (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৮৬) * ''দ্য বাকেট লিস্ট'' এমন দুজন বৃদ্ধকে নিয়ে তৈরি একটি চলচ্চিত্র যারা কোনোভাবেই সাধারণ মানুষের মতো নন। তারা উভয়েই ক্যান্সারে ভুগছেন, যা ক্যান্সারের মতো নয়। তারা এমন সব অভিযানে বের হন যা সম্ভব হওয়ার মতো নয়। আমি জরুরিভাবে হাসপাতালগুলোকে পরামর্শ দিচ্ছি: রোগীদের জন্য এই ডিভিডিটি উপলব্ধ করবেন না। টিভি স্ক্রিনে বেডপ্যান ছুড়ে মারার একটি প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে। ** ''[[w:দ্য বাকেট লিস্ট|দ্য বাকেট লিস্ট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-bucket-list-2008 পর্যালোচনা] (১০ জানুয়ারি ২০০৮) * পরিচালক, যার নাম পিটফ, সম্ভবত জন্মের সময় দুটি নাম পেয়েছিলেন এবং তার পরবর্তী প্রজেক্টে অন্য নামটি ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। ** ''[[w:ক্যাটওম্যান (চলচ্চিত্র)|ক্যাটওম্যান]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/catwoman-2004 পর্যালোচনা] (২৩ জুলাই ২০০৪) * আমি অনেক দিন ধরে চলচ্চিত্রের পর্যালোচনা করছি। কিন্তু আমার এমন কোনো চলচ্চিত্রের কথা মনে পড়ে না যা এতটা নাটকীয়ভাবে নিজের পায়ে কুড়াল মারে। ** ''[[w:ডায়েরি অব আ ম্যাড ব্ল্যাক ওম্যান|ডায়েরি অব আ ম্যাড ব্ল্যাক ওম্যান]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/diary-of-a-mad-black-woman-2005 পর্যালোচনা] (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৫) * এর ফলাফল হলো কোনো আকার, পথ বা উদ্দেশ্যবিহীন এক ভয়ংকর অগোছালো চলচ্চিত্র। এটি একটি ওয়ান জোক মুভি, যদি এতে একটি জোকও থাকত। দুজন চরিত্র ঘোরের মধ্যে লাস ভেগাসের অদ্ভুত পটভূমিতে (কিছু বাস্তব, কিছু দৃষ্টিভ্রম, সবগুলোই পরিবর্তনযোগ্য) বুদ্ধিহীনভাবে ঘুরে বেড়ায়। হাস্যরস দৃষ্টিভঙ্গির ওপর নির্ভর করে। একটি নির্দিষ্ট বিন্দুর পর আপনার কোনো দৃষ্টিভঙ্গি থাকে না, আপনি কেবল একটি অবস্থায় বসবাস করেন। আমি মাতাল এবং মাদকাসক্তদের সম্পর্কে অনেক মজার জোকস শুনেছি, কিন্তু এই লোকগুলো এতটাই নেশাগ্রস্ত যে তাদের বেশিরভাগ সংলাপকে "অ্যাঁ?" হিসেবে বর্ণনা করা যায়। ... ডেপের কথা বলতে গেলে, তিনি কী ভেবে এই চলচ্চিত্রটি তৈরি করেছিলেন? তিনি একবার নিউ ইয়র্কের একটি হোটেলের ঘর ভাঙচুর করে বিপদে পড়েছিলেন, ঠিক ''ফিয়ার অ্যান্ড লোথিং ইন লাস ভেগাস'' এর নায়কদের মতো। ওটা কী ছিল? গবেষণা? ডেপের ক্লাবের বাইরে রিভার ফিনিক্স অতিরিক্ত মাত্রায় মাদক সেবনের কারণে মারা যাওয়ার পর, আপনি ভাববেন না যে ডেপ এই গল্পে খুব বেশি হাস্যরস দেখতে পাবেন। তবে অবশ্যই, এই গল্পে খুব বেশি হাস্যরস *নেই*। ** ''ফিয়ার অ্যান্ড লোথিং ইন লাস ভেগাস'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/fear-and-loathing-in-las-vegas-1998 পর্যালোচনা] (২২ মে ১৯৯৮) * গত বছর আমি মঙ্গোলিয়ান ইয়াক পশুপালকদের জীবন নিয়ে একটি [[w:তাইগা (চলচ্চিত্র)|নয় ঘণ্টার ডকুমেন্টারি]] পর্যালোচনা করেছিলাম। আমি ''দ্য ফ্রাইটেনার্স'' দেখার চেয়ে সেটি আবার দেখতে বেশি পছন্দ করব। ** ''[[w:দ্য ফ্রাইটেনার্স|দ্য ফ্রাইটেনার্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-frighteners-1996 পর্যালোচনা] (১৯ জুলাই ১৯৯৬) * এই চলচ্চিত্রের জন্য একটি শব্দ রয়েছে, আর তা হলো: ঘিনঘিনে। ** ''[[w:গুড লাক চাক|গুড লাক চাক]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/good-luck-chuck-2007 পর্যালোচনা] (২১ সেপ্টেম্বর ২০০৭) * ''[[w:আই অ্যাম কিউরিয়াস (ইয়েলো)|আই অ্যাম কিউরিয়াস (ইয়েলো)]]'' যে কেবল অ্যারোটিক নয় তা নয়। এটি অ্যান্টি-অ্যারোটিক। এই চলচ্চিত্রের দুই ঘণ্টা আপনার মন থেকে সপ্তাহের জন্য যৌনতার চিন্তাকে তাড়িয়ে দেবে। ছবিটি দেখুন এবং জোড়া বিছানা কিনুন... আমি মনে করি সুইডেনে এমন একজন পরিচালক আছেন যিনি এটিকে চলচ্চিত্র নির্মাণের শিল্প হিসেবে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার মতো যথেষ্ট একঘেয়ে এবং প্রাচীনপন্থি। ** ''[[w:আই অ্যাম কিউরিয়াস (ইয়েলো)|আই অ্যাম কিউরিয়াস (ইয়েলো)]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/i-am-curious-yellow-1969 পর্যালোচনা] (২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯) * এই চলচ্চিত্রের সেরা শটটি হলো প্রথম শটটি। এটি ভালো লক্ষণ নয়... স্ক্রিনিং শেষ হওয়ার পর এবং লাইট জ্বলে ওঠার পর আমি দেখলাম আমার দুজন সহকর্মী গভীর ও আন্তরিক আলোচনায় মগ্ন। তারা প্লটের মোড়গুলো সমাধান করার চেষ্টা করছেন। তারা নির্মাতাদের চেয়ে চলচ্চিত্রের ওপর বেশি চিন্তাভাবনা প্রয়োগ করছিলেন। একজন সমালোচকের মন নষ্ট করার মতো বিষয় নয়। ** ''[[w:আই নো হোয়াট ইউ ডিড লাস্ট সামার|আই নো হোয়াট ইউ ডিড লাস্ট সামার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/i-know-what-you-did-last-summer-1997 পর্যালোচনা] (১৭ অক্টোবর ১৯৯৭) * তারা বলে যে অত্যাধুনিক স্পেশাল ইফেক্ট পর্দায় যেকোনো কিছুর বিভ্রম তৈরি করতে পারে। এখন আমাদের কাছে প্রমাণ রয়েছে: [[w:জিম হেনসন|জিম হেনসনের]] লোকেরা এবং [[w:ইন্ডাস্ট্রিয়াল লাইট অ্যান্ড ম্যাজিক|ইন্ডাস্ট্রিয়াল লাইট অ্যান্ড ম্যাজিক]] এর পক্ষে একত্রে মিলে স্পেশাল ইফেক্টের ইতিহাসে সবচেয়ে বিকর্ষণকারী একক প্রাণী তৈরি করা সম্ভব। আমি ''স্টার ওয়ার্স'' এর মরুভূমির অন্ত্র বা [[w:চাকি (চাইল্ডস প্লে)|চাকি ডলের]] কথা ভুলে যাইনি। স্নোম্যানকে দেখার অর্থ হলো স্নোম্যানকে অপছন্দ করা। এটি দেখতে তো স্নোম্যানের মতোও নয়। ** ''[[w:জ্যাক ফ্রস্ট (১৯৯৮-এর চলচ্চিত্র)|জ্যাক ফ্রস্ট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/jack-frost-1998 পর্যালোচনা] (১১ ডিসেম্বর ১৯৯৮) * এই ব্যবসায় একজন মানুষ সমঝদার হয়ে ওঠে। আমি এখন দেখতে পাচ্ছি যে জিম ক্যারি একজন গুণী শিল্পী, [[w:ক্রিস ফার্লি|ক্রিস ফার্লি]] অন্তত কঠোর পরিশ্রমী, অ্যাডাম স্যান্ডলার হতাশাজনক এবং [[w:পলি শোর|পলি শোর]] সব বিভাগকে পাশ কাটিয়ে ব্ল্যাকবোর্ডে নখের আঁচড়ের মতো একটি অসাধারণ বিরক্তিকর প্রভাব অর্জন করেছেন। তার আবেদন অবশ্যই এমন লোকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ যাদের আত্মমর্যাদা এবং সামাজিক দক্ষতা এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত যে তারা নিজেদের চেয়ে কম সফল কোনো চলচ্চিত্রের চরিত্রের মুখোমুখি হয়ে অন্তত স্বস্তি বা হাস্যরস খুঁজে পায়। ** ''[[w:জুরি ডিউটি (চলচ্চিত্র)|জুরি ডিউটি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/jury-duty-1995 পর্যালোচনা] (১২ এপ্রিল ১৯৯৫) * ...''নিউ ইয়ার্স ইভ'' এ আমরা আনন্দিত উদ্‌যাপনকারীদের বিশাল জনতার দিকে তাকাই এবং মানবতার সমুদ্র নীল রঙের হয়ে যায়। তারা সবাই [[w:নিভিয়া|নিভিয়া স্কিন ক্রিমের]] বিনামূল্যের টুপি পরে আছে। [[w:নিউ ইয়র্ক নিকস|নিকস]], [[w:বাডউইজার (আনহয়েজার-বুশ)|বাডউইজার]] বা [[w:আই লাভ নিউ ইয়র্ক|আই হার্ট [সিক] নিউ ইয়র্কের]] জন্য কোনো টুপি নেই। সবই নিভিয়া স্কিন ক্রিমের। অসংখ্য নিভিয়া নীল রঙের টুপি। আমি পণ্য প্রদর্শনের কথা শুনেছি, কিন্তু এটি কার্পেট বোম্বিং। ** ''[[w:নিউ ইয়ার্স ইভ (চলচ্চিত্র)|নিউ ইয়ার্স ইভ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/new-years-eve-2011 পর্যালোচনা] (৭ ডিসেম্বর ২০১১) * টেরি (হিলারি ডাফ) এর নতুন রুমমেট ডেনিস (ডানা ডেভিস)। সে স্কলারশিপের জন্য কঠোর পরিশ্রম করার পরিকল্পনা করে এবং টেরিকে একটি বিক্ষেপ হিসেবে অপছন্দ করে। টেরির পোশাক এবং হাসির মাপকাঠি করে সে তাকে বলে: "তুমি অনেকটা রেট্রো ব্র্যাডি বাঞ্চারের মতো।" আমি ঘৃণা করি যখন কোনো চলচ্চিত্র তার নিজস্ব পর্যালোচনা ধারণ করে। ** ''[[w:রেইজ ইওর ভয়েস|রেইজ ইওর ভয়েস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/raise-your-voice-2004 পর্যালোচনা] (৮ অক্টোবর ২০০৪) * আমি এই চলচ্চিত্রটি আবার দেখার চেয়ে একটি গল্ফ বল খাওয়া বেশি পছন্দ করব। ** ''[[w:সেভেন ডেইজ ইন ইউটোপিয়া|সেভেন ডেইজ ইন ইউটোপিয়া]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/seven-days-in-utopia-2011 পর্যালোচনা] (৩১ আগষ্ট ২০১১) * পাঠক, আমাকে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে যখন আমি নারী দর্শকে পরিপূর্ণ স্নিক প্রিভিউতে অংশ নিচ্ছিলাম, তখন আমি প্রদর্শনীতে দেখা আনন্দদায়ক বক্ষবিভাজিকা দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। নারীরা কি একে অপরের জন্যই তাদের সবচেয়ে নিচু গলার পোশাক পরেন? ** ''সেক্স অ্যান্ড দ্য সিটি ২'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/sex-and-the-city-2-2010 পর্যালোচনা] (২৫ মে ২০১০) * টিভিতে যেসব শব্দ বলা যাবে না বলে জর্জ কার্লিন বলেছিলেন, সেগুলো কি মনে আছে? এখন এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে যা এর একটি ছাড়া বাকি সবগুলো শব্দ ব্যবহার না করে তৈরি করা যায় না। এমনকি অনলাইন ট্রেলারটিও আপনাকে চমকে দিতে পারে। এটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সেই রেড ব্যান্ড ট্রেলারগুলোর মধ্যে একটি, যা দেখার জন্য আপনাকে আপনার বয়স দিতে হবে। আমি আমার বয়স নিয়ে মিথ্যা বলেছিলাম। ১৭ বছরের কম বয়সী কেউই এমন করবে না। ** ''[[w:দ্য সিটার|দ্য সিটার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-sitter-2011 পর্যালোচনা] (৭ ডিসেম্বর ২০১১) * এটি বাজে চলচ্চিত্রের মধ্যে সবচেয়ে জঘন্য ধরনের। এটি প্রথম দৃশ্য থেকে জঘন্য হওয়ার বদলে আপনাকে উত্তেজিত করে তারপর হতাশ করে দেয়। ** ''[[w:স্নেক আইজ (চলচ্চিত্র)|স্নেক আইজ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/snake-eyes-1998 পর্যালোচনা] (৭ আগষ্ট ১৯৯৮) * কিন্তু এখন এখানে ডিরেক্টরস কাট রয়েছে, যা ২০ মিনিটের ছোট। এটি কয়েকটি চরিত্র এবং অসংখ্য সাবপ্লটের কয়েকটি ছেঁটে ফেলেছে এবং এটি আরও বেশি জগাখিচুড়ি। আমি সুপারিশ করি যে [[w:রিচার্ড কেলি (পরিচালক)|কেলি]] এটিকে কাটতে কাটতে ইউকুলেলের পিকের মতো ছোট না করা পর্যন্ত কাটতেই থাকুন। ** ''সাউথল্যান্ড টেলস'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/southland-tales-2007 পর্যালোচনা] (১৬ নভেম্বর ২০০৭) * আপনি যদি নিজের টিকিটের মূল্য বাঁচাতে চান, তবে রান্নাঘরে যান, নরকের সংগীত গাওয়া পুরুষ গায়কদের একটি গান চালু করুন, এবং কোনো বাচ্চাকে হাঁড়ি-পাতিল বাজাতে দিন। তারপর চোখ বন্ধ করে আপনার কল্পনা ব্যবহার করুন... এই চলচ্চিত্রটি মাইকেল বে পরিচালনা করেছেন। এই একই ব্যক্তি যিনি ১৯৯৬ সালে ''[[w:দ্য রক (চলচ্চিত্র)|দ্য রক]]'' পরিচালনা করেছিলেন। এখন তিনি ''ট্রান্সফর্মারস: রিভেঞ্জ অব দ্য ফলেন'' তৈরি করেছেন। ফাউস্ট এর চেয়ে ভালো চুক্তি করেছিলেন। ** ''[[Transformers: Revenge of the Fallen|ট্রান্সফর্মারস: রিভেঞ্জ অব দ্য ফলেন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/transformers-revenge-of-the-fallen-2009 পর্যালোচনা] (২৩ জুন ২০০৯) * এই চলচ্চিত্রের চরিত্রগুলোকে আর্তনাদ করার উদ্দেশ্যে ঘোরাঘুরি করার অপরাধে গ্রেপ্তার করা উচিত। কিশোর-কিশোরীদের এর আগে কখনো নতুন করে শুরু করার এত প্রয়োজন হয়নি। স্বীকার করছি তাদের মধ্যে কেউ কেউ ১০০ বছরেরও বেশি বয়সী, কিন্তু তবুও তাদের ক্যারিশমা মাদাম তুসোর মতো। ''[[The Twilight Saga: New Moon|দ্য টোয়াইলাইট সাগা: নিউ মুন]]'' ''টোয়াইলাইট'' (২০০৮) এর নিষ্প্রভ অর্জনকে গ্রহণ করে, এর ভেতরটা বের করে আনে এবং একে অর্ধমৃত অবস্থায় ফেলে রাখে। আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি কোনো সিক্যুয়েল নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন যখন লোকমুখে আপনাকে প্রথম চলচ্চিত্রটি দুবার দেখার পরামর্শ দেওয়া হবে। স্পষ্টতই চরিত্রগুলো সবাই তাই করেছে। এই চলচ্চিত্রের দীর্ঘ শুরুর অংশগুলোর কোনো অর্থই হয় না যদি না আপনি প্রথম চলচ্চিত্রটি এবং আশা করি উভয় স্টেফানি মেয়ারের উপন্যাস মুখস্থ করে ভেতরে ঢোকেন। এডওয়ার্ড এবং বেলা একে অপরের দিকে রাগী চোখে তাকিয়ে এবং ভেবে অন্ধকার মুহূর্ত কাটায় যে, আমরা আবার এখানে। ** ''[[The Twilight Saga: New Moon|দ্য টোয়াইলাইট সাগা: নিউ মুন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-twilight-saga-new-moon-2009 পর্যালোচনা] (১৮ নভেম্বর ২০০৯) * ''ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়েস্ট'' হলো একটি মৃত কমেডি। আপনি অবিশ্বাসের সাথে তাকিয়ে থাকবেন যখন দৃশ্যগুলো ব্যর্থ হয়ে মারা যায়। চলচ্চিত্রটি পুরোটাই ধারণা, কোনো বিষয়বস্তু নেই। বিশাল স্পেশাল ইফেক্টগুলো যেন পর্দায় টাকা পুড়তে দেখার মতো। আপনি বুঝতে পারবেন যে কিছু ভুল হয়েছে যখন একটি গল্প পুরোনো পশ্চিমের দুজন নায়ককে নিয়ে তৈরি, আর এর শেষ শটটি হলো একটি যান্ত্রিক মাকড়সা সূর্যাস্তের দিকে ছুটে যাচ্ছে। ** ''[[w:ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়েস্ট|ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়েস্ট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/wild-wild-west-1999 পর্যালোচনা] (৩০ জুন ১৯৯৯) * ''ইওর হাইনেস'' হলো এক অবিকশিত আবর্জনা। এটি দেখে মনে হয় এটি অন্ধকূপ, ড্রাগন, যোদ্ধা নারী, গাঁজা, স্তন এবং চার অক্ষরের শব্দের প্রেমে পড়া ১১ বছরের ছেলেদের কাজ। নায়কদের একজন তো তার গলায় সুতোয় বাঁধা মিনোটরের পুরুষাঙ্গও পরে থাকে। আমি এ ধরনের ঘটনা খুব অপছন্দ করি। ** ''[[w:ইওর হাইনেস|ইওর হাইনেস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/your-highness-2011 পর্যালোচনা] (৬ এপ্রিল ২০১১) * সম্প্রতি কিছু প্রবন্ধ বের হয়েছে যেখানে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে যে বিশ্বের কিছু অংশে যুক্তরাষ্ট্রকে কেন এত ঘৃণা করা হয়। হলিউডের এই সপ্তাহের প্রদর্শনী হিসেবে আমি ''জুল্যান্ডার'' উপস্থাপন করছি। এটি একটি কমেডি যা মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করার একটি ষড়যন্ত্র নিয়ে তৈরি, কারণ তিনি শিশুশ্রমের বিরোধী ছিলেন। আপনি হয়তো এই বাক্যটি দুবার পড়তে চাইবেন। যুক্তিটি হলো শিশুশ্রম ফ্যাশন শিল্পের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়, এবং তাই এর বিরোধীদের সরিয়ে দিতে হবে... যদি মালয়েশিয়ানরা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিকে দাসপ্রথার বিরোধিতার কারণে হত্যা করার বিষয়ে একটি কমেডি তৈরি করত, তবে তা আমাদের কাছে প্রায় ততটাই মজার মনে হতো যতটা ''জুল্যান্ডার'' তাদের কাছে মনে হবে। ** ''জুল্যান্ডার'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/zoolander-2001 পর্যালোচনা] (২৮ সেপ্টেম্বর ২০০১) ==== আধা তারকা পর্যালোচনা ==== * আপনি যদি এই চলচ্চিত্রটি মিস করার পরিকল্পনা করেন, তবে দ্রুত মিস করাই ভালো। আমার সন্দেহ আছে যে এটি বেশিদিন মিস করার জন্য থাকবে কি না। ** ''[[w:অ্যামেরিকাথন|অ্যামেরিকাথন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/americathon-1979 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৭৯) * সংলাপগুলো প্রায় পুরোপুরি ছোট ছোট চিৎকারের সমন্বয়ে গঠিত: ''সাবধান! আসছে! সরো! দেখো! গুলি করো! সরো!'' কেবল কেবল নিউজের উপস্থাপকদেরই টানা চারটি বাক্য বলতে আমার মনে পড়ে। … যুবকেরা, যদি তুমি তোমার বন্ধুদের সাথে এই আবর্জনাটি দেখতে যাও যারা এটি পছন্দ করে, তবে তাদের কৌশলে জানিয়ে দাও যে তারা বোকা। যুবতীরা, যদি তোমার ডেট এই চলচ্চিত্রটি পছন্দ করে, তবে তাকে বলো তুমি এ নিয়ে ভেবেছ এবং তোমার মনে হয় তোমাদের কিছু সময়ের জন্য আলাদা থাকা উচিত। ** ''[[w:ব্যাটেল: লস অ্যাঞ্জেলেস|ব্যাটেল: লস অ্যাঞ্জেলেস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/battle-los-angeles-2011 পর্যালোচনা] (৯ মার্চ ২০১১) * ''ব্যাটলফিল্ড আর্থ'' দেখাটা এমন কারও সাথে বাস ভ্রমণের মতো যার অনেক দিন ধরে গোসল করা প্রয়োজন। এটি কেবল খারাপই নয়। এটি শত্রুতাপূর্ণভাবে বিরক্তিকর। দৃশ্যগুলো নোংরা এবং মলিন। চরিত্রগুলো অগোছালো এবং তাদের দাঁত পচা। তাদের নাক থেকে শ্লেষ্মার দড়ির মতো শ্বাস নেওয়ার নল ঝুলে থাকে। সাউন্ডট্র্যাক শুনে মনে হয় যেন বুম মাইক কোনো ৫৫ গ্যালনের ড্রামের ভেতর আঘাত করছে। প্লট। … পরিচালক রজার ক্রিশ্চিয়ান ভালো চলচ্চিত্র থেকে শিখেছেন যে পরিচালকরা কখনও কখনও তাদের ক্যামেরা বাঁকা করেন। কিন্তু তিনি কেন এমন করেন তা শেখেননি। … কিছু চলচ্চিত্র লাইনচ্যুত হয়ে যায়। এটি ''[[w:দ্য ফিউজিটিভ (১৯৯৩-এর চলচ্চিত্র)|দ্য ফিউজিটিভ]]'' এর ট্রেন দুর্ঘটনার মতো। আমি ক্রমবর্ধমান হতাশার সাথে এটি দেখেছি এবং বুঝতে পেরেছি যে আমি একটি ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হচ্ছি। এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা আগামী দশকগুলোতে বাজে চলচ্চিত্র নিয়ে রসিকতার খোরাক জোগাবে। ** ''[[w:ব্যাটলফিল্ড আর্থ (চলচ্চিত্র)|ব্যাটলফিল্ড আর্থ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/battlefield-earth-2000 পর্যালোচনা] (১২ মে ২০০০) * মিডনাইট কাল্ট প্রদর্শনের জন্য চলচ্চিত্রটি সারা দেশে আবার চালানো হচ্ছে। মধ্যরাত খুব একটা দেরি নয়। ** ''[[w:দ্য বিয়ন্ড (চলচ্চিত্র)|দ্য বিয়ন্ড]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-beyond-1998 পর্যালোচনা] (৩ জুলাই ১৯৯৮) * ''বোট ট্রিপ'' মুক্তি পাওয়ার আগেই প্রচার হয়েছিল যে অনেক সমকামী চলচ্চিত্রটি দেখে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এখন এটি প্রেক্ষাগৃহে আসায় বাকি সবারও তাদের সাথে যোগ দেওয়ার সুযোগ হয়েছে। এমন নয় যে চলচ্চিত্রটি চরম ক্ষোভের উদ্রেককারী। সেটা আশা করা বেশি হয়ে যাবে। এটি নির্বোধ, মজাহীন এবং এতটাই অগভীর যে তা আপত্তিকরও হতে পারে না। চামড়া ও শিকল পরে পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা এবং সংকেতের অপেক্ষায় থাকা এতসব লোককে ব্যবহার করার জন্য এটি খুব বেশি গতানুগতিক। এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা কারও জন্যই নয় এবং কোনো বিষয় নিয়েই নয়। ** ''[[w:বোট ট্রিপ|বোট ট্রিপ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/boat-trip-2003 পর্যালোচনা] (২১ মার্চ ২০০৩) * কেউই গল্পের জন্য ''বোলেরো'' দেখতে যাচ্ছে না। তারা ভালো অংশগুলোর জন্য যাচ্ছে। তার ঘোড়ার পিঠে নগ্ন হয়ে চড়ার দৃশ্য বাদে দুটি ভালো অংশ রয়েছে, যা চলচ্চিত্রে আমাকে ভাবিয়ে তুলেছিল যে সে কীভাবে এটি করল। ''বোলেরো'' এর আসল ভবিষ্যৎ হলো হোম ক্যাসেট ভাড়া দেওয়া, যেখানে আপনার ফাস্ট ফরোয়ার্ড এবং ইনস্ট্যান্ট রিপ্লে নিয়ন্ত্রণগুলো চলচ্চিত্রের প্রয়োজনীয় সম্পাদনার কাজ করবে। ** ''[[w:বোলেরো (১৯৮৪-এর চলচ্চিত্র)|বোলেরো]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/bolero-1984 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৮৪) * হিচকক বলেছিলেন যে একটি চলচ্চিত্রের উচিত দর্শকদের পিয়ানোর মতো বাজানো। ''ডেথ রেস'' আমাকে ড্রামের মতো বাজিয়েছে। এটি কাণ্ডজ্ঞানসহ সব ইন্দ্রিয়ের ওপর একটি আক্রমণ। বেরিয়ে আসার সময় আমার মনে হলো যে আমি এইমাত্র ভিডিও গেমটি দেখেছি এবং এখনও চলচ্চিত্রের জন্য অপেক্ষা করছি। ** ''[[w:ডেথ রেস (চলচ্চিত্র)|ডেথ রেস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/death-race-2008 পর্যালোচনা] (২২ আগষ্ট ২০০৮) * কেবল অত্যন্ত প্রতিভাবান ব্যক্তিরাই ''[[w:ডেথ টু স্মুচি|ডেথ টু স্মুচি]]'' তৈরি করতে পারতেন। যাদের প্রতিভা কম তাদের এত বাজে, এত ভুল হিসাবের এবং দর্শকদের সাথে কোনো ধরনের সংযোগহীন একটি চলচ্চিত্র তৈরি করার সাহস হতো না। ** ''[[w:ডেথ টু স্মুচি|ডেথ টু স্মুচি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/death-to-smoochy-2002 পর্যালোচনা] (২৯ মার্চ ২০০২) * এই চলচ্চিত্রটি কেবল খারাপই নয়, এটি অযোগ্য। দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মেইলে পাওয়া টেপগুলোও এর চেয়ে ভালোভাবে তৈরি করা হয়... আমি প্রায়ই নিজেকে প্রশ্ন করেছি, "কোনো চলচ্চিত্রের চরিত্রগুলো যদি মানুষের আচরণের ওপর অসম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকা এলিয়েনদের তৈরি অ্যানিমেট্রনিক পুতুল হতো, তবে তা দেখতে কেমন হতো?" এখন আমি জানি। ** ''[[w:ফ্রেন্ডস অ্যান্ড লাভার্স (চলচ্চিত্র)|ফ্রেন্ডস অ্যান্ড লাভার্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/friends-and-lovers-1999 পর্যালোচনা] (৩০ এপ্রিল ১৯৯৯) * "এটি অনেক দিক থেকেই জঘন্য।" — "জেসন এক্স" এর সংলাপ। কোনো চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে নিজেকে এত স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা বিরল ঘটনা। "জেসন এক্স" গল্প বলা, চরিত্রের বিকাশ, সাসপেন্স, স্পেশাল ইফেক্ট, মৌলিকতা, যতিচিহ্ন, পরিচ্ছন্নতা এবং চিন্তার উপযুক্ততার দিক থেকে জঘন্য। ** ''[[w:জেসন এক্স|জেসন এক্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/jason-x-2002 পর্যালোচনা] (২৬ এপ্রিল ২০০২) * চলচ্চিত্রটিতে ছয়জন কিশোর চরিত্রের অভিনয় রয়েছে যাদের টিভিতে এবং খেলনার দোকানে বিক্রি করা হয়েছে। তাদের নাম আছে, কিন্তু চোখে পড়ার মতো কোনো ব্যক্তিত্ব নেই। তাদের কেউই কখনো "তোমরা সবাই!" এর চেয়ে মজার কিছু বলেনি। কিশোর হিসেবে তারা দক্ষ ইন-লাইন স্কেটার এবং কারাতে যোদ্ধা। কিন্তু প্লাস্টিকের মুখোশ ও হেলমেট পরা পাওয়ার রেঞ্জার্স ইউনিফর্মে মুখহীন ক্লোন হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা তাদের আসল ক্ষমতা পায় না। এটাই কি বার্তা? মুখহীন বাধ্যগত হওয়াই কি সাফল্যের পথ? অবশ্যই রেঞ্জার্সরা ইউনিফর্মের ভেতরে বা বাইরে স্বকীয় নয়, কিন্তু আমি অবাক হই যে তারা সৃজনশীলতার ওপর বাণিজ্যের বিজয়ের প্রতিনিধিত্ব করে কি না। শিশুদের নায়কেরা ঐতিহ্যগতভাবেই স্বকীয় এবং অদ্ভুত হয়ে থাকেন। রেঞ্জার্সরা সঠিকভাবে বলতে গেলে কোনো চরিত্রই নয়। তারা কেবল রং দিয়ে আলাদা করা পণ্য...চলচ্চিত্রটির প্রেস কিট উল্টানোর সময় আমি পিংক পাওয়ার রেঞ্জার কিম্বার্লির চরিত্রে অভিনয় করা অ্যামি জো জনসনের একটি উক্তি দেখতে পাই: " 'মাইটি মর্ফিন পাওয়ার রেঞ্জার্স™: দ্য মুভি' হলো ''স্টার ওয়ার্স'' এবং ''দ্য উইজার্ড অব ওজ'' এর মিশ্রণ। " আমি ভাবি এই দারুণ সতেজ এবং স্বতঃস্ফূর্ত উক্তিটি দেওয়ার সময় অ্যামি জো সত্যিই "টিএম" বলেছিলেন কি না, যা চলচ্চিত্রে তার বলা যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক বেশি জড়িত। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমি ভাবি যে সে কখনো "স্টার ওয়ার্স" বা "দ্য উইজার্ড অব ওজ" দেখেছে কি না। ** ''[[w:মাইটি মর্ফিন পাওয়ার রেঞ্জার্স: দ্য মুভি|মাইটি মর্ফিন পাওয়ার রেঞ্জার্স: দ্য মুভি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/mighty-morphin-power-rangers-the-movie-1995 পর্যালোচনা] (৩০ জুন ১৯৯৫) * বাবা-মায়েদের বলছি, যদি তোমরা এমন কিশোর-কিশোরী দেখতে পাও যারা বলে যে তাদের এই চলচ্চিত্রটি ভালো লেগেছে, তবে তাদের তোমার সন্তানদের সাথে মেলামেশা করতে দিয়ো না। ** ''[[w:রেসিডেন্ট ইভল: অ্যাপোক্যালিপ্স|রেসিডেন্ট ইভল: অ্যাপোক্যালিপ্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/resident-evil-apocalypse-2004 পর্যালোচনা] (১০ সেপ্টেম্বর ২০০৪) * এর কিছু অভিনয় চলচ্চিত্রের যোগ্যতার চেয়েও ভালো। বলতে পারেন সব অভিনয়ই ভালো। আসলে ফিল্ম স্টক নিজেই চলচ্চিত্রের যোগ্যতার চেয়ে ভালো। আপনি জানেন যে মাঝে মাঝে প্রজেক্টরের ভেতরে ফিল্মে আগুন ধরে যায়? যদি এই চলচ্চিত্রটির ক্ষেত্রে এমন হতো, তবে আমার ধারণা দর্শকরা উল্লাস করত। ** ''[[w:রিভলভার (চলচ্চিত্র)|রিভলভার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/revolver-2007 পর্যালোচনা] (৭ ডিসেম্বর ২০০৭) * ''[[w:রোলারবল (২০০২-এর চলচ্চিত্র)|রোলারবল]]'' হলো একটি অসংলগ্ন জগাখিচুড়ি। এটি এমন কিছু ফুটেজের মিশ্রণ যা প্লট, অর্থ, ছন্দ এবং যৌক্তিকতা খুঁজছে। পর্দায় উজ্জ্বল রং এবং দ্রুত নড়াচড়া রয়েছে, যা আমরা একটি চাক্ষুষ বিন্যাস হিসেবে দেখতে পারি। বিনোদন মূল্যের দিক থেকে এটি ক্যালাইডোস্কোপ এবং লাভা ল্যাম্পের মাঝামাঝি কোনো স্থানে পড়ে। ** ২০০২ সালের চলচ্চিত্র ''[[w:রোলারবল (২০০২-এর চলচ্চিত্র)|রোলারবল]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/rollerball-2002 পর্যালোচনা] (৮ ফেব্রুয়ারি ২০০২) * ''[[w:সেভিং সিলভারম্যান|সেভিং সিলভারম্যান]]'' এত বিভিন্ন উপায়ে এতটাই খারাপ যে আপনার হয়তো এটি দেখা উচিত, বেল আকৃতির বক্ররেখার সর্বনিম্ন ঢালের একটি উদাহরণ হিসেবে। এটি এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র যা এর রক্ষকদেরও হতাশার শিকার করে তোলে। ওয়েব-ভিত্তিক সমালোচকদের মধ্যে সেরা আমার বন্ধু [[w:জেমস বেরার্ডিনেলি|জেমস বেরার্ডিনেলি]]র কথা ভাবুন। সন্দেহ নেই যে সানড্যান্স চলচ্চিত্র উৎসবে ১০ দিনের অক্সিজেনের অভাব তার তিন তারকা পর্যালোচনাকে অনুপ্রাণিত করেছিল। সেখানে তিনি আশাবাদী হয়ে বলেছেন, "''সেভিং সিলভারম্যান'' এ পতন এবং স্ল্যাপস্টিক মুহূর্ত রয়েছে, তবে এতে প্রায় কোনো বাতকর্মের জোকস নেই।" সমালোচকদের একটি সাধারণ নিয়ম হলো, আপনি জানবেন যে আপনি সমস্যায় পড়েছেন যখন আপনাকে বাতকর্মের জোকসের অভাবের জন্য একটি চলচ্চিত্রের প্রশংসা করতে হবে এবং "প্রায়" যোগ করতে হবে... [[w:নিল ডায়মন্ড|নিল ডায়মন্ডের]] কথা বলতে গেলে, ''[[w:দ্য জ্যাজ সিঙ্গার (১৯৮০-এর চলচ্চিত্র)|দ্য জ্যাজ সিঙ্গার]]'' এর পর ''সেভিং সিলভারম্যান'' হলো কথাসাহিত্যের চলচ্চিত্রে তাঁর প্রথম উপস্থিতি। একজন কেবল অবাক হতে পারে যে তিনি দ্বিতীয় চলচ্চিত্রে উপস্থিত হওয়ার জন্য ২০ বছর অপেক্ষা করেছিলেন এবং এমন একটি খুঁজে পেয়েছেন যা তাঁর প্রথমটির চেয়েও খারাপ। ** ''[[w:সেভিং সিলভারম্যান|সেভিং সিলভারম্যান]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/saving-silverman-2001 পর্যালোচনা] (৯ ফেব্রুয়ারি ২০০১) * টিনেজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস এর চেয়ে স্পাইস গার্লস দের আলাদা করা সহজ। কিন্তু তা একটি ছোট সান্ত্বনা: আপনি এমন পাঁচজন নারী সম্পর্কে কী বলবেন যাদের প্রধান স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হলো তাদের ভিন্ন ভিন্ন নাম রয়েছে? তারা ''স্পাইস ওয়ার্ল্ড'' এ এমনভাবে অবস্থান করে যেন তারা এটি দেখছে। তারা এতটাই বিচ্ছিন্ন যে তারা সফলভাবে নিজেদের গানে ঠোঁট মেলাতেও পারে না। মহড়ার একটি দৃশ্যে তাদের পরিচালক তাদের এমন সত্যি কথা বলেন যে আমরা হয়তো চিত্রনাট্যকারের কাছ থেকে একটি গোপন বার্তা শুনতে পাচ্ছি, "এটি একদম নিখুঁত ছিল — বাস্তবিকভাবে খুব একটা ভালো না হয়েও।" ''স্পাইস ওয়ার্ল্ড'' স্পষ্টভাবে ''[[w:আ হার্ড ডেজ নাইট (চলচ্চিত্র)|আ হার্ড ডেজ নাইট]]'' এর একটি অনুকরণ হিসেবে তৈরি, যা চলচ্চিত্র জগতে দ্য বিটলস কে এনে দিয়েছিল... বিশাল পার্থক্য হলো অবশ্যই বিটলসরা প্রতিভাবান ছিল। অন্যদিকে সত্যি কথা বলতে, ডানকিন ডোনাটস এর লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ৩০ বছরের কম বয়সী যেকোনো পাঁচজন নারী দিয়ে স্পাইস গার্লসদের অভাব পূরণ করা যেত। ** ''স্পাইস ওয়ার্ল্ড'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/spice-world-1998 পর্যালোচনা] (২৩ জানুয়ারি ১৯৯৮) * এটি আমাকে অবাক করে যে নির্মাতারা এখনও চিত্রায়িত করবেন এবং দর্শকরা এখনও মানব অনুভূতির এতটা দেউলিয়া সম্পর্ক দেখবে যে মনে হয় চরিত্রগুলো কম্পিউটারে লেখা সংলাপ পড়ছে। ** ''[[w:সামার স্কুল (চলচ্চিত্র)|সামার স্কুল]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/summer-school-1987 পর্যালোচনা] (২২ জুলাই ১৯৮৭) * এই চলচ্চিত্রে এমন একটি দৃশ্য রয়েছে যেখানে একটি চরিত্রের গায়ে একই সময়ে কয়েকজন মলত্যাগ করে, এবং আমি জানি না … আমি এটি উপভোগ করিনি। ** ''[[w:টিম অ্যান্ড এরিকস বিলিয়ন ডলার মুভি|টিম অ্যান্ড এরিকস বিলিয়ন ডলার মুভি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/tim-and-erics-billion-dollar-movie-2012 পর্যালোচনা] (২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২) ==== শূন্য তারকা পর্যালোচনা ==== * ''ক্যালিগুলা'' হলো একটি অসুস্থ, সম্পূর্ণ মূল্যহীন এবং লজ্জাজনক জঞ্জাল। '''এটি যদি আমার দেখা সবচেয়ে বাজে চলচ্চিত্র না হয়, তবে এটি এটিকে আরও বেশি লজ্জাজনক করে তোলে: প্রতিভাবান ব্যক্তিরা এই প্রহসনে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।''' বিরক্ত এবং অবর্ণনীয় হতাশায় আমি ১৭০ মিনিটের চলচ্চিত্রটির দুই ঘণ্টা পর বেরিয়ে আসি। সেটা ছিল শনিবার রাত, যখন শত শত মানুষ ৭.৫০ ডলার দিয়ে এই লজ্জার সাক্ষী হওয়ার জন্য লিংকন এভিনিউতে লাইনে দাঁড়িয়েছিল... "এই চলচ্চিত্রটি," আমার সামনের এক নারী পানির ফোয়ারার কাছে বলেছিলেন, "আমার দেখা সবচেয়ে বাজে জিনিস।" ** ''[[w:ক্যালিগুলা (চলচ্চিত্র)|ক্যালিগুলা]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/caligula-1980 পর্যালোচনা] (২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮০) * ''কেওস'' কুৎসিত, ধ্বংসাত্মক এবং নিষ্ঠুর — এমন একটি চলচ্চিত্র যা দেখে আমি অনুতপ্ত। আমি আপনাদের এটি এড়িয়ে চলার অনুরোধ করছি। এটি 'কেবল' একটি হরর চলচ্চিত্র বা স্ল্যাশার চলচ্চিত্র ভেবে ভুল করবেন না। এটি হৃদয়হীন নিষ্ঠুরতার একটি অনুশীলন এবং এটি নির্মম পাশবিকতার মধ্য দিয়ে শেষ হয়। চলচ্চিত্রটি কেবল জীবনের মূল্যই নয়, বরং আশার সম্ভাবনাকেও অস্বীকার করে। ** ''[[w:কেওস (২০০৫ ডমিনিয়ন চলচ্চিত্র)|কেওস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/chaos-2005 পর্যালোচনা] (১১ আগষ্ট ২০০৫) * ''ডিউস বিগলৌ'' চরম বাজে, যেন এটি দর্শকদের কষ্ট দিতে চায়। এর সবচেয়ে ভালো দিক হলো এটি মাত্র ৭৫ মিনিটের। … এটি শুনে কি মনে হচ্ছে যে আপনি চলচ্চিত্রটি দেখতে চান? আমার কাছে মনে হচ্ছে কলম্বিয়া পিকচার্স এবং এর প্রযোজকদের উচিত তাদের ভেতরের শিশুর সাথে দীর্ঘ ও দুঃখজনক আলোচনা করা। <br /> চলচ্চিত্রটি বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল... লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের প্যাট্রিক গোল্ডস্টেইন [২০০৪ সালের] সেরা চলচ্চিত্রের মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করে লিখেছিলেন যে তারা "উপেক্ষিত, অপছন্দের এবং একই স্টুডিওগুলো দ্বারা সরাসরি প্রত্যাখ্যাত, যারা শত শত সিক্যুয়েলে অর্থায়ন করে। যার মধ্যে রয়েছে ''ডিউস বিগলৌ: মেল জিগোলো'' এর একটি সিক্যুয়েল, একটি চলচ্চিত্র যা অস্কারের সময় দুঃখজনকভাবে উপেক্ষা করা হয়েছিল। কারণ দৃশ্যত একজন তৃতীয় শ্রেণির কমিক দ্বারা পরিবেশিত সেরা রানিং পেনিস জোকের জন্য একটি বিভাগ আবিষ্কার করার মতো দূরদর্শিতা কারও ছিল না।" <br /> স্নাইডার গোল্ডস্টেইনকে ডেইলি ভ্যারাইটি এবং হলিউড রিপোর্টার এ পূর্ণ পৃষ্ঠার বিজ্ঞাপন দিয়ে আক্রমণ করে প্রতিশোধ নেন। গোল্ডস্টেইনের উদ্দেশ্যে এক খোলা চিঠিতে স্নাইডার লিখেছিলেন: "জনাব গোল্ডস্টেইন, আমি গবেষণা করে বের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আপনি কী পুরস্কার জিতেছেন। আমি অনলাইনে গিয়ে দেখলাম যে আপনি কিছুই জেতেননি। একেবারেই কিছু না। কোনো ধরনের সাংবাদিকতার পুরস্কার নেই। … হয়তো আপনি পুলিৎজার পুরস্কার জেতেননি কারণ তারা সেরা তৃতীয় শ্রেণির, নিষ্প্রভ দাম্ভিক সাংবাদিক যিনি কখনও তার সহকর্মীদের দ্বারা স্বীকৃত হননি তার জন্য কোনো বিভাগ আবিষ্কার করেনি..." ভাগ্যক্রমে আমি পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছি, তাই আমি যোগ্য। '''একজন পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ীর আনুষ্ঠানিক ক্ষমতাবলে বলছি, জনাব স্নাইডার, আপনার চলচ্চিত্রটি জঘন্য।'''" ** ''[[w:ডিউস বিগলৌ: ইউরোপিয়ান জিগোলো|ডিউস বিগলৌ: ইউরোপিয়ান জিগোলো]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/deuce-bigalow-european-gigolo-2005 পর্যালোচনা] * খুঁটিতে বেঁধে পোড়ানো, র‍্যাকে একটি বিকেল, হেডস্ক্রু, ফুটন্ত পানি দিয়ে ডুশ, হাতে পেরেক, জোরপূর্বক বমি করানো, ছেঁড়া জিভ, মৃত শিশু, মানব লক্ষ্যবস্তুতে অনুশীলন, শয়তান দ্বারা আচ্ছন্ন হওয়া, ধর্ষণ, ট্রান্সভেস্টিজম, নানারিতে নগ্ন অরজি। এগুলো একসাথে রাখুন এবং এগুলো কমিটেড আর্টের কথা বলে। কারণ এগুলো আধুনিক সময় এবং আমি নিশ্চিতভাবে আশা করি আমাদের কেউই সত্যের বিরোধী নই। ** ''[[w:দ্য ডেভিলস (চলচ্চিত্র)|দ্য ডেভিলস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-devils পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৭১) * জনতা ভীতিকর হতে পারে। তাদের সদস্যদের ওপর নিচু, হীন রুচি চাপিয়ে দেওয়ার উপায় তাদের জানা আছে। '''হাজার হাজার মানুষ কীভাবে নিজেদের জন্য ভাবতে পারে না, কীভাবে তাদের শালীনতা ও রুচির সাধারণ অনুভূতিকে জয়ী করার সাহস পায় না তা দেখে আমি আরও ভালোভাবে বুঝতে পেরেছি যে কীভাবে বিভ্রান্তিকর নেতারা সম্ভব।''' ** ''[[w:ডাইস রুলস|ডাইস রুলস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/dice-rules-1991 পর্যালোচনা] (১৭ মে ১৯৯১) * ''ডার্টি লাভ'' লেখা এবং পরিচালনা করা হয়নি, এটি সংঘটিত হয়েছিল। এটি এমন একটি করুণ চলচ্চিত্র যা খারাপের স্তরেও পৌঁছায় না। এটি আশাহীনভাবে অযোগ্য... আমি নিশ্চিত নই যে এর সাথে জড়িত কেউ কখনো কোনো চলচ্চিত্র দেখেছেন কি না বা চলচ্চিত্র কী তা জানেন কি না। ** ''[[w:ডার্টি লাভ|ডার্টি লাভ]]'' এর [http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20050922/REVIEWS/509220303/1023 পর্যালোচনা] (২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৫) * চলচ্চিত্রটির শুরুতে ভবঘুরে ছেলেটি "অনিচ্ছাকৃতভাবে" (প্রেস কিটে আরাকির কথা) এক কোরিয়ান সুবিধাপ্রাপ্ত দোকানের মালিকের মাথা উড়িয়ে দেয়... "রহস্যময় জেভিয়ার" (আমি আবার চমৎকারভাবে প্রকাশিত প্রেস কিট থেকে উদ্ধৃত করছি) এর সাথে এটি চলতে থাকে "যার কর্মফল এতই খারাপ যে প্রতিবার যখন তারা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এবং ডায়েট কোকের জন্য গাড়ি থামায়, তখন কেউ না কেউ জঘন্য উপায়ে মারা যায়।" অপেক্ষা করুন, আরও আছে: "তরুণ দলছুটরা যখন আমেরিকার পতিতভূমির মধ্য দিয়ে তাদের ভ্রমণ চালিয়ে যায়, অ্যামি তখন নিজেকে জর্ডান এবং জেভিয়ার উভয়ের সাথে (শারীরিক সম্পর্কে) খুঁজে পায় এবং প্রেম, যৌনতা ও হতাশার এমন একটি ত্রিভুজ তৈরি করে যা এই পৃথিবীর জন্য খুবই পবিত্র।" এখন এটি বিশ্লেষণ করা যাক। (১) সঠিক শব্দটি হলো "its", "their" নয়। (২) "ব্যান্ড অব আউটসাইডার্স" হলো একটি ভেতরের উল্লেখ যা কোয়েন্টিন টারান্টিনোর প্রযোজনা সংস্থা "এ ব্যান্ড অ্যাপার্ট" কে নির্দেশ করে। এই সংস্থাটির নাম আবার গদার এর [[w:ব্যান্ডে আ পার্ট (চলচ্চিত্র)|একটি চলচ্চিত্রের]] শিরোনামের ওপর একটি শ্লেষ। (৩) এটা কি কোনোভাবেই সম্ভব যে আমেরিকা একটি "পতিতভূমি" কারণ অ্যামি, জর্ডান এবং জেভিয়ার প্রতিবার ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এবং সোডার জন্য থামার সময় কাউকে হত্যা করে? এই চলচ্চিত্রটি এমনটা ভাবেনি। (৪) "কেউ মারা যায়" কথাটি এই তিনজন চরিত্র যে তাদের হত্যা করে, তা এড়ানোর একটি নিষ্ক্রিয় উপায়। '''ঠিক একই গঠন অনেক সিরিয়াল কিলার এবং রাষ্ট্রপ্রধানরা ব্যবহার করেন, যারা ভাষার মাধ্যমে নিজেদের কর্মের পরিণতি থেকে আলাদা রাখেন।''' ** ''[[w:দ্য ডুম জেনারেশন|দ্য ডুম জেনারেশন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-doom-generation-1995 পর্যালোচনা] (১০ নভেম্বর ১৯৯৫) * এই চলচ্চিত্রটি তলানির ধারেকাছেও যায়নি। এই চলচ্চিত্রটি তলানি নয়। এই চলচ্চিত্রটি তলানির নিচেও নয়। এই চলচ্চিত্রটি তলানির সাথে একই বাক্যে উল্লেখ করারও যোগ্য নয়... এমন একদিন আসতে পারে যখন "ফ্রেডি গট ফিঙ্গার্ড" নিও-সুররিয়ালিজমের একটি মাইলফলক হিসেবে দেখা হবে। '''এমন দিন হয়তো কখনো আসবে না যখন এটিকে মজার হিসেবে দেখা হবে।''' ** ''[[w:ফ্রেডি গট ফিঙ্গার্ড|ফ্রেডি গট ফিঙ্গার্ড]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/freddy-got-fingered-2001 পর্যালোচনা] (২০ এপ্রিল ২০০১) * ''[[w:গিয়ানা: ক্রাইম অব দ্য সেঞ্চুরি|গিয়ানা-কাল্ট অব দ্য ড্যামড]]'' গর্ত থেকে বেরিয়ে এসে স্থানীয় প্রেক্ষাগৃহগুলোতে প্রবেশ করেছে। এটি এই সপ্তাহের এমন একটি উদাহরণ হিসেবে কাজ করবে যা দেখায় যে মানুষ টাকার খোঁজে কতটা নিচে নামতে পারে। এই চলচ্চিত্রটি ১৯৭৮ সালের জোনসটাউন গণহত্যার একটি বীভৎস সংস্করণ। এটি এত খারাপভাবে লেখা এবং পরিচালিত হয়েছে যে এটি চলচ্চিত্র প্রদর্শনের একটি সাধারণ নিয়ম তুলে ধরে: যদি কোনো চলচ্চিত্র এতটাই বমি উদ্রেককারী এবং নিন্দনীয় হয়, তবে তা কতটা খারাপভাবে তৈরি হয়েছে তা কোনো ব্যাপার নয় - মানুষ তবু তা দেখতে যাবে। ** ''[[w:গিয়ানা: ক্রাইম অব দ্য সেঞ্চুরি|গিয়ানা-কাল্ট অব দ্য ড্যামড]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/guyana-cult-of-the-damned-1980 পর্যালোচনা] (২৯ জানুয়ারি ১৯৮০) * আমি সাধারণত দর্শকদের উদ্দেশ্য নিয়ে ভাবি না, এবং আমি তাদের মন পড়ারও চেষ্টা করি না। কিন্তু সোমবার সকালে আমার চারপাশে যারা বসে ছিল, তারা আমাকে সহজেই বুঝতে সাহায্য করেছিল যে তারা কী ভাবছে। তারা জোরে জোরে কথা বলছিল। এবং যদি তারা সত্যিই বিশ্বাস করে থাকে যা তারা বলছিল, তবে তারা ছিল পরোক্ষ যৌন অপরাধী। ** ''[[w:আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ|আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/i-spit-on-your-grave-1980 পর্যালোচনা] (১৬ জুলাই ১৯৮০) * ১৯৭৮ সালের জঘন্য চলচ্চিত্র ''[[w:আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ|আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ]]'' এর এই জঘন্য [[w:আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ (২০১০-এর চলচ্চিত্র)|রিমেক]] আরেকটি অপরাধ যোগ করে: একটি ভুয়া নৈতিক সমতা। মূল চলচ্চিত্রে একজন নারী বোকামি করে একা একটি নির্জন কেবিনে ছুটি কাটাতে যাওয়ার কথা ভেবেছিলেন। তিনি বিকৃত স্থানীয় পুরুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন, যারা একের পর এক তাকে ধর্ষণ করেছিল। এরপর চলচ্চিত্রটি তার মারাত্মক প্রতিশোধের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এই চলচ্চিত্রে প্রতিশোধের জন্য কম সময় এবং তার বিরুদ্ধে মৌখিক, মানসিক ও শারীরিক সহিংসতার জন্য বেশি সময় ব্যয় করা হয়েছে। ফলে এটি নারীদের প্রতি পরোক্ষ নিষ্ঠুরতা হিসেবে আরও ভালোভাবে কাজ করে। ** ''[[w:আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ (২০১০-এর চলচ্চিত্র)|আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/i-spit-on-your-grave-2010 পর্যালোচনা] (৬ অক্টোবর ২০১০) * এই প্লটটি যদি কিছু বোঝাতে চায়, তবে তা হলো [[w:কিং লিয়ার|কিং লিয়ারের]] সেই অভিযোগ, "দেবতাদের কাছে আমরা হলাম দুষ্টু ছেলেদের হাতে মাছির মতো; তারা খেলার ছলে আমাদের মেরে ফেলে।" আমি জানি যে এই নিয়ে টানা দুই সপ্তাহে আমাকে লিয়ারের উদ্ধৃতি দিতে হলো, কিন্তু এমন সময় আসে যখন এমিনেম দিয়ে কাজ চলে না। ** ''দ্য লাইফ অব ডেভিড গেল'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-life-of-david-gale-2003 পর্যালোচনা] (২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৩) * ''লিটল ইন্ডিয়ান, বিগ সিটি'' সর্বকালের সবচেয়ে বাজে চলচ্চিত্রগুলোর একটি। এর প্রতিটি নির্বোধ মুহূর্ত আমি ঘৃণা করেছি... আপনি যদি কোনো অবস্থাতেই ''লিটল ইন্ডিয়ান, বিগ সিটি'' দেখেন, তবে আমি আপনাকে আর কখনোই আমার পর্যালোচনা পড়তে দেব না। ** ''[[w:আন ইন্ডিয়ান ড্যান্স লা ভিলি|লিটল ইন্ডিয়ান, বিগ সিটি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/little-indian-big-city-1996 পর্যালোচনা] (২২ মার্চ ১৯৯৬) * ''[[w:ম্যাড ডগ টাইম|ম্যাড ডগ টাইম]]'' আমার দেখা প্রথম চলচ্চিত্র যা একই সময়ের জন্য ফাঁকা পর্দার দৃশ্য দেখার চেয়ে ভালো কিছু দিতে পারে না। ওহ, আমি এর আগে বাজে চলচ্চিত্র দেখেছি। কিন্তু সেগুলো সাধারণত আমাকে ভাবাত যে সেগুলো কতটা খারাপ। ''ম্যাড ডগ টাইম'' দেখা হলো এমন এক শহরে বাসের জন্য অপেক্ষা করার মতো যেখানে আপনি নিশ্চিত নন যে সেখানে কোনো বাস লাইন আছে কি না... ''ম্যাড ডগ টাইম'' কেটে গরিবদের জন্য বিনামূল্যে ইউকুলেলের পিক বানানো উচিত। ** ''[[w:ম্যাড ডগ টাইম|ম্যাড ডগ টাইম]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/mad-dog-time-1996 পর্যালোচনা] (২৯ নভেম্বর ১৯৯৬) * ''[[w:ম্যানডিঙ্গো (চলচ্চিত্র)|ম্যানডিঙ্গো]]'' হলো এক বর্ণবাদী জঞ্জাল। এটি মানুষ ও তাদের অনুভূতির অপব্যবহারে এতটাই জঘন্য এবং সহ্য করা এতটাই যন্ত্রণাদায়ক যে, আমি গত শনিবার বিকেলে বেশিরভাগ শিশুদের নিয়ে গঠিত দর্শকদের মধ্যে বসে এটি অনুভব করেছি। চলচ্চিত্রটির রেটিং "আর", যা অনেক শিশুকে ভেতরে ঢোকা থেকে আটকাতে পারেনি, কারণ বেশিরভাগই তাদের বাবা-মায়ের সাথে এসেছিল... যদি [শিকাগো] বিশ্বাস করে যে শিশুদের ''ম্যানডিঙ্গো'' দেখানো উচিত, তবে আর কোনো মানদণ্ড অবশিষ্ট নেই। এখন একমাত্র করণীয় হলো সেন্সর বোর্ডকে পার্ক বিভাগে বদলি করে দেওয়া, যেখানে তারা কাগজের প্লেট ছোড়ার প্রতিযোগিতা তদারকি করতে পারবে। ** ''[[w:ম্যানডিঙ্গো (চলচ্চিত্র)|ম্যানডিঙ্গো]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/mandingo-1975 পর্যালোচনা] (২৫ জুলাই ১৯৭৫) * আমি এই চলচ্চিত্রটি ঘৃণা করেছি। ঘৃণা করেছি, ঘৃণা করেছি, ঘৃণা করেছি, ঘৃণা করেছি, এই চলচ্চিত্রটি ঘৃণা করেছি। ঘৃণা করেছি। এর প্রতিটি বোকা, ফাঁকা এবং দর্শকদের অপমানজনক মুহূর্ত আমি ঘৃণা করেছি। যে সংবেদনশীলতা ভেবেছিল যে কেউ এটি পছন্দ করবে, আমি তা ঘৃণা করেছি। কেউ এটি দেখে বিনোদন পাবে, এই বিশ্বাস করে দর্শকদের যে অপমান করা হয়েছে তা আমি ঘৃণা করেছি। ** ''[[w:নর্থ (১৯৯৪-এর চলচ্চিত্র)|নর্থ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/north-1994 পর্যালোচনা] (২২ জুলাই ১৯৯৪) * আমি বিশ্বাস করি এবং যুক্তি দেব যে সব ধর্মের বেশিরভাগ সদস্যই কাউকে হত্যা করতে চায় না। তারা তাদের পরিবারকে ভালোবাসতে ও যত্ন নিতে চায়, এমন সম্মানজনক কাজ করতে চায় যা জীবনকে টিকিয়ে রাখে ও আরাম দেয়, শান্তিতে থাকতে চায় এবং প্রতিবেশীদের সাথে মিলেমিশে থাকতে চায়। আমার সন্দেহ হয়, কিছু মানুষের মধ্যে থাকা এক বিকৃত প্রবণতা তাদের আত্ম-ধার্মিকতার নামে সহিংসতার দিকে ধাবিত করে, এবং ধর্মকে একটি সুবিধাজনক অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে... আমি এই চলচ্চিত্রের দর্শকদের কল্পনা করার যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। প্রতিবার যখনই আমি একটু অগ্রসর হই, এটি আমাকে ভয় পাইয়ে দেয়। ** ''[[w:সেপ্টেম্বর ডন|সেপ্টেম্বর ডন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/september-dawn-2007 পর্যালোচনা] (২৪ আগষ্ট ২০০৭) * এই চলচ্চিত্রের নির্মাতারা কোন গ্রহ থেকে এসেছেন? জীবনের উদ্দেশ্য ও মান নিয়ে তাদের কী ধারণা? আমি জিজ্ঞেস করছি কারণ ''[[w:শিজ আউট অব কন্ট্রোল|শিজ আউট অব কন্ট্রোল]]'' একই সাথে এতটা অদ্ভুত এবং এতটা মামুলি যে এটি প্রথম: এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা বাস্তবতার কোনো স্তরের উল্লেখ ছাড়াই সম্পূর্ণ সিটকম ক্লিশে এবং কৃত্রিম জীবনধারা দিয়ে তৈরি। ** ''[[w:শিজ আউট অব কন্ট্রোল|শিজ আউট অব কন্ট্রোল]]'' এর [https://www.rogerebert.com/reviews/shes-out-of-control-1989 পর্যালোচনা] (১৪ এপ্রিল ১৯৮৯) * চলচ্চিত্রটি পুরোনো ক্যাম্পাসের প্রেমের রসিকতার একটি ক্লান্তিকর পুনরাবৃত্তি। এখানে সুন্দরী মেয়েটি তাকে ভালোবাসে এমন ভালো ছেলেকে বিশ্বাস না করে এক জঘন্য প্রতারকের মিথ্যায় প্রায় বিশ্বাস করে ফেলে। চলচ্চিত্রটি এই সূত্রে একমাত্র যে মৌলিকতা এনেছে, তা হলো এর গল্প বলার অদক্ষ কাঠামোর মাধ্যমে এটিকে দুর্বোধ্য করে তোলা। বড় চিত্রটি অাঁকা না রেখেই বিস্তারিত বিষয়গুলোতে জোর দেওয়া হয়েছে... এর কল্পনার অভাব দেখে আমি আতঙ্কিত হয়েছিলাম। ** ''[[w:স্ল্যাকার্স (চলচ্চিত্র)|স্ল্যাকার্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/slackers-2002 পর্যালোচনা] (১ ফেব্রুয়ারি ২০০২) * ''সাওয়ার গ্রেপস'' এমন একটি কমেডি যা মোটেও মজার নয়। এটি আমাকে ''[[w:ক্র্যাশ (১৯৯৬-এর চলচ্চিত্র)|ক্র্যাশ]]'' এর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে, যা এমন একটি কামুক থ্রিলার যার কোনো কিছুই কামোদ্দীপক নয়। বড় পার্থক্য হলো [[w:ডেভিড ক্রোনেনবার্গ|ডেভিড ক্রোনেনবার্গ]], যিনি ''ক্র্যাশ'' তৈরি করেছিলেন, তিনি জানতেন যে মানুষ সড়ক দুর্ঘটনা দেখে উত্তেজিত হয় না। ল্যারি ডেভিড, যিনি ''সাওয়ার গ্রেপস'' লিখেছেন এবং পরিচালনা করেছেন, তিনি মনে হয় ভাবেন যে মানুষ ক্যান্সার, দুর্ঘটনাবশত খোজাকরণ, বর্ণবাদী স্টেরিওটাইপ এবং তিক্ত পারিবারিক বিবাদ দেখে মজা পায়... আমি যত বেশি ভাবছি, তত বেশি মনে হচ্ছে ''সাওয়ার গ্রেপস'' সত্যিই ''ক্র্যাশ'' এর মতো (যদিও ''ক্র্যাশ'' খারাপ চলচ্চিত্র ছিল না)। উভয় চলচ্চিত্রই অটোমোবাইল দুর্ঘটনা দেখার মতো। তবে কেবল একটিই এমন হওয়ার কথা ছিল। ** ''[[w:সাওয়ার গ্রেপস (চলচ্চিত্র)|সাওয়ার গ্রেপস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/sour-grapes-1998 পর্যালোচনা] (১৭ এপ্রিল ১৯৯৮) * আমি ভালো হরর চলচ্চিত্র পছন্দ করি। সেগুলো আমাদের মনের শয়তানকে দূর করতে পারে। ''দ্য টেক্সাস চেইনস মাসাকার'' কোনো কিছু দূর করতে চায় না। এটি আমাদের কল্পনার মধ্য দিয়ে নোংরা কিছু মাড়িয়ে আমাদের স্বপ্নের ওপর পা মুছতে চায়। আমি ডেটে যাওয়া দর্শকদের কথা ভাবি যারা এই চলচ্চিত্রটি দেখে এবং তারপর — কী? আমার ধারণা তাদের এটি নিয়ে হাসতে হবে, কারণ বোকা বনে যাওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে ব্যঙ্গ করা এখন একটি কেতাদুরস্ত প্রতিক্রিয়া। … নিজের উপকার করুন। এখন অনেক ভালো চলচ্চিত্র চলছে যা আপনাকে একটু বেশি খুশি, বুদ্ধিমান, কামুক, মজাদার, আরও উত্তেজিত — অথবা আরও ভীত করে তুলতে পারে, যদি আপনি সেটাই চান। এটি সেগুলোর মধ্যে একটি নয়। এটি দিয়ে আপনার জীবনের ৯৮ মিনিট নষ্ট করবেন না। ** ''[[w:দ্য টেক্সাস চেইনস মাসাকার (চলচ্চিত্র)|দ্য টেক্সাস চেইনস মাসাকার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-texas-chainsaw-massacre-2003 পর্যালোচনা] (১৭ অক্টোবর ২০০৩) * ''[[w:উলফ ক্রিক (চলচ্চিত্র)|উলফ ক্রিক]]'' দেখা আমার জন্য কঠিন ছিল। এটি একটি সুস্পষ্ট উদ্দেশ্যে তৈরি চলচ্চিত্র: চিৎকার করা তরুণীদের নিষ্ঠুরভাবে অনুসরণ, নির্যাতন এবং অঙ্গচ্ছেদের দৃশ্য দেখিয়ে পরিচালকের বাণিজ্যিক দক্ষতা প্রমাণ করা। যখন খুনি তার এক শিকারের মেরুদণ্ড কেটে ফেলে এবং তাকে "লাঠির মাথায় রাখা মুণ্ডু" বলে ডাকে, তখন আমি প্রেক্ষাগৃহ থেকে বেরিয়ে গিয়ে হাঁটতে থাকতে চেয়েছিলাম। ** ''[[w:উলফ ক্রিক (চলচ্চিত্র)|উলফ ক্রিক]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/wolf-creek-2005 পর্যালোচনা] (২৩ ডিসেম্বর ২০০৫) ==== তারকা রেটিং ছাড়া ==== * এই চলচ্চিত্রের তারকা [[w:লিন্ডা লাভলেস|লিন্ডা লাভলেস]] যৌন স্বাধীনতার সমর্থন করেন, যা খুবই ভালো। কিন্তু তিনি তার চরিত্রে যে শক্তি নিয়ে এসেছেন, তা চমকপ্রদ হওয়ার চেয়ে বেশি হতাশাজনক। যৌন স্বাধীনতার জন্য যদি এতটা পরিশ্রম করতে হয়, তবে হয়তো এটি এতটা চেষ্টার যোগ্য নয়। ** ''[[w:ডিপ থ্রোট (চলচ্চিত্র)|ডিপ থ্রোট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/deep-throat-1973 পর্যালোচনা] (৬ মার্চ ১৯৭৩) * আমাকে এমন চলচ্চিত্রগুলোতে তারকা রেটিং দিতে হয় যা আমি পর্যালোচনা করি। এইবার আমি তা করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছি। তারকা রেটিং ব্যবস্থা এই চলচ্চিত্রের জন্য অনুপযুক্ত। চলচ্চিত্রটি কি ভালো? এটি কি খারাপ? এতে কি কিছু যায় আসে? এটি যা, তা-ই। এবং এটি এমন এক জগতে থাকে যেখানে তারকারা জ্বলে না। ** ''[[w:দ্য হিউম্যান সেন্টিপিড (ফার্স্ট সিকোয়েন্স)|দ্য হিউম্যান সেন্টিপিড]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-human-centipede-2010 পর্যালোচনা] (৫ মে ২০১০) == ইবার্ট সম্পর্কে উক্তি == [[চিত্র:Roger Ebert Statue, Virginia Theater (Champaign).JPG|থাম্ব|রজার নিজেই ছিলেন চলচ্চিত্র। যখন কোনো চলচ্চিত্র তার ভালো লাগত না, তিনি [[সততা|সৎ]] থাকতেন। আর যখন ভালো লাগত, তখন তিনি উচ্ছ্বসিত হতেন। তিনি চলচ্চিত্রের অনন্য [[শক্তি]] দিয়ে আমাদের কোনো [[জাদু|জাদুকরি]] জায়গায় নিয়ে যেতেন। ~ [[বারাক ওবামা]]]] :<small>লেখকের নাম অনুযায়ী বর্ণনানুক্রমিক </small> [[চিত্র:Boutte and Ebert.jpg|থাম্ব|ডান|অনেক চলচ্চিত্র [[সমালোচক|সমালোচকের]] ক্ষেত্রে আপনি এমন কথা শুনবেন না। [[মানুষ]] রজার ইবার্টকে [[ভালোবাসা|ভালোবাসে]]। ~ রডনি ওয়েলচ]] * '''রজার ইবার্ট একটি জাতীয় সম্পদ।''' তিনি সবচেয়ে পরিচিত এবং সুপরিচিত চলচ্চিত্র সমালোচক। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে আমার প্রিয় লেখক। আমি সবসময় তাঁর [[মতামত|মতামতের]] সাথে একমত হই না, যা আমার অধিকার, কিন্তু তিনি সবসময় সেগুলো সমর্থন করেন। তিনি এমন কেউ নন যিনি কেবল বলে দেবেন যে অমুক চলচ্চিত্রের অমুক দিকটি খারাপ এবং সেখানেই শেষ করবেন। বরং তিনি তাঁর [[চিন্তা|চিন্তা]] প্রক্রিয়ার [[কারণ]]গুলোও তুলে ধরবেন। ** ক্রিস বিউমন্ট, ব্লগক্রিটিকস ম্যাগাজিনের [http://blogcritics.org/archives/2006/10/15/001852.php "রজার ইবার্টস রিহ্যাবিলিটেশন গোয়িং ওয়েল"] এ (১৫ অক্টোবর ২০০৬) * তাঁর অভদ্র ও সহজাত বামপন্থি মানসিকতার মাধ্যমে ইবার্ট কেবল আরেকজন হলিউড অভিজাত শ্রেণিতে পরিণত হয়েছেন, যিনি আমেরিকাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন। দুই বৃদ্ধাঙ্গুলি নিচের দিকে। ** ক্রিস রিড, ফ্রন্টপেজম্যাগাজিনের [http://www.frontpagemag.com/Articles/ReadArticle.asp?ID=9187 "রজার ইবার্ট: দ্য শ্রিল শিল"] এ (১ আগষ্ট ২০০৩) * '''এটি বাড়িয়ে বলা হবে না যে মি. ইবার্ট ছিলেন তাঁর প্রজন্মের সবচেয়ে সুপরিচিত চলচ্চিত্র পর্যালোচক এবং অন্যতম [[বিশ্বাস|বিশ্বস্ত]] একজন ব্যক্তি।''' তাঁর মতামতের [[শক্তি]] এবং [[সৌন্দর্য]] চলচ্চিত্র সমালোচনাকে আমেরিকান সংস্কৃতির মূল স্রোতে নিয়ে এসেছিল। তিনি দর্শকদের কেবল কী দেখতে হবে তার পরামর্শই দেননি, বরং তারা যা দেখেছেন সে সম্পর্কে কীভাবে চিন্তা করতে হবে তাও শিখিয়েছিলেন। ** [[w:ডগলাস মার্টিন|ডগলাস মার্টিন]], দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের [http://www.nytimes.com/2013/04/05/movies/roger-ebert-film-critic-dies.html?_r=0&pagewanted=all "আ ক্রিটিক ফর দ্য কমন ম্যান"] এ (৪ এপ্রিল ২০১৩) * রজার ইবার্টের মৃত্যুর খবর শুনে আমি আজ খুবই ব্যথিত হয়েছি। '''রজার... চিরকালই আমার প্রিয় চলচ্চিত্র সমালোচক। আমি সবসময় তাঁর সাথে একমত হইনি, কিন্তু আমি সবসময় তাঁর লেখা অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ এবং পড়তে মজাদার পেয়েছি।''' তিনি কেবল একজন অসাধারণ সমালোচকই ছিলেন না, তিনি একজন অসাধারণ লেখকও ছিলেন। .. '''একজন বুদ্ধিমান মানুষ, একটি সুন্দর জীবন। আমি তাঁকে দুই বৃদ্ধাঙ্গুলি ওপরের দিকে দেখাচ্ছি।''' ** জর্জ আর. আর. মার্টিন, নট আ ব্লগের [http://grrm.livejournal.com/319625.html রিপ রজার ইবার্ট] এ (৫ এপ্রিল ২০১৩) * আমেরিকানদের একটি প্রজন্মের জন্য — এবং বিশেষ করে শিকাগোবাসীদের জন্য — রজার নিজেই ছিলেন চলচ্চিত্র। '''যখন কোনো চলচ্চিত্র তার ভালো লাগত না, তিনি সৎ থাকতেন। আর যখন ভালো লাগত, তখন তিনি উচ্ছ্বসিত হতেন। তিনি চলচ্চিত্রের অনন্য শক্তি দিয়ে আমাদের কোনো জাদুকরি জায়গায় নিয়ে যেতেন।''' ** [[বারাক ওবামা]], দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে ডগলাস মার্টিন রচিত [http://www.nytimes.com/2013/04/05/movies/roger-ebert-film-critic-dies.html?_r=0&pagewanted=all "আ ক্রিটিক ফর দ্য কমন ম্যান"] এ উদ্ধৃত (৪ এপ্রিল ২০১৩) * '''আমেরিকানদের কেন চলচ্চিত্র ভালোবাসা উচিত, তা बताने के लिए রজার ইবার্টের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কেউ ছিলেন না।''' ** [[w:মাইকেল শ্যামবার্গ|মাইকেল শ্যামবার্গ]], এডিটর অ্যান্ড পাবলিশারের [http://www.editorandpublisher.com/eandp/departments/syndicates/article_display.jsp?vnu_content_id=1003577005 "রজার ইবার্ট মেকস ফার্স্ট পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্স ইন ১০ মান্থস"] এ উদ্ধৃত (২৬ এপ্রিল ২০০৭) * গত পঁচিশ বছরের অন্যতম প্রভাবশালী আমেরিকান লেখক ও সমালোচক রজার ইবার্টের [[মৃত্যু|মৃত্যুর]] পর আজ এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি বলেছেন, '''"রজার ছাড়া চলচ্চিত্র আর আগের মতো থাকবে না।"''' '''প্রথমত, তিনি ছিলেন একজন দুর্দান্ত চলচ্চিত্র সমালোচক, একজন [[আনন্দ|আনন্দিত]] দর্শক যিনি সবসময় প্রচার করতেন যে [[মহান]] [[শিল্প]] এবং জনপ্রিয় বিনোদন পরস্পরবিরোধী নয়।''' … তিনি একজন দুর্দান্ত প্রাবন্ধিকও ছিলেন। পৃথিবী এখন কোনো প্রকাশকের কাছে তাঁর সেরা ব্লগ পোস্টগুলো মলাটবদ্ধ করার অনুরোধ করে। যাতে যারা তাঁর মতোই ছাপার অক্ষর ভালোবাসতেন, তাদের জন্য সেগুলো সংরক্ষিত থাকে। '''তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তিনি [[মানবতা|মানবতা]] এবং মানুষের সৃষ্টিকে উদ্‌যাপন করতেন।''' ** মাইকেল শেরার, টাইম ম্যাগাজিনের [http://swampland.time.com/2013/04/04/roger-ebert-rip/#ixzz2PhpDI5Ue "রজার ইবার্ট আর.আই.পি."] এ (৪ এপ্রিল ২০১৩) * '''অনেক চলচ্চিত্র সমালোচকের ক্ষেত্রে আপনি এমন কথা শুনবেন না। মানুষ রজার ইবার্টকে ভালোবাসে।''' … এর একটি ভালো কারণ রয়েছে: ইবার্ট চলচ্চিত্র দর্শক এবং প্রেক্ষাগৃহের মাঝখানে দাঁড়ান না। বরং তাঁর নিয়মিত পাঠকরা হলেন গুরুতর চলচ্চিত্রপ্রেমী যারা তাঁকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখেন। তিনি এমন একজন যিনি চলচ্চিত্রগুলোকে কম বোকা, আরও বিনোদনমূলক, আরও বুদ্ধিদীপ্ত, এককথায় আরও ভালো করার জন্য লড়াই করেন। তিনি যে আপনার পক্ষে আছেন, তা জানার জন্য আপনাকে তাঁর সাথে একমত হতে হবে না। যেমন আমি এই বইটিতে তাঁর সাথে একমত হইনি, যখন তিনি ''টিম আমেরিকা'' এবং ''জিসাস ইজ ম্যাজিক'' নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন। এই দুটি চলচ্চিত্র দেখে আমি হাসতে হাসতে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। তিনি বাজে চলচ্চিত্রগুলো দেখেন যাতে আপনাকে দেখতে না হয়। এবং তিনি একই চলচ্চিত্র বারবার দেখেছেন। … তবে কেবল ক্ষোভ উগরে দেওয়াই তাঁর কাজ নয়। কোনো চলচ্চিত্র কেন সফল হয়, তার মতো কোনো চলচ্চিত্র কেন ব্যর্থ হয় তা নিয়েও তাঁর সমান আগ্রহ রয়েছে। বেশিরভাগ সময়ই কারণটা স্পষ্ট থাকে: কারণ এটি বোকাদের জন্য বোকাদের দ্বারা তৈরি। এসব ক্ষেত্রে ইবার্ট আমাদের যতটা সম্ভব বিনোদনমূলক উপায়ে গল্পের মধ্য দিয়ে নিয়ে যান। … চল্লিশ বছর পরও, তিনি একজন চলচ্চিত্র দর্শকের সেরা বন্ধু। ** রডনি ওয়েলচ, ফ্রি টাইমসের [http://www.free-times.com/Portlet/Print_Friendly.php?Print=Article&z_Article_ID=11462205071445460 "ওর্স্ট. মুভিজ. এভার. আ রিভিউ অব রজার ইবার্টস ''ইওর মুভি সাকস''"] এ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.rogerebert.com/ রজার ইবার্টের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট] * [http://www.ebertandroeper.tv/ ইবার্ট অ্যান্ড রোপারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট] * [http://www.rogerebert.com/rogers-journal/in-the-meadow-we-can-pan-a-snowman "ইন দ্য মিডৌ, উই ক্যান প্যান আ স্নোম্যান"], (রজার ইবার্টের জার্নাল), ''শিকাগো সান-টাইমস'', ২১ ডিসেম্বর ২০০৮ – তাঁর কলামগুলো থেকে প্রিয় চলচ্চিত্রের সমালোচনা উদ্ধৃত করে, "বার্মিংহাম, আলাবামার পাঠক জেরি রবার্টস এবং এর কিছুর জন্য উইকিকোটস ''[সিক]'' কে ধন্যবাদ।" * {{nndb name|id=230/000024158|name=রজার ইবার্ট}} * {{imdb name|id=0001170|name=রজার ইবার্ট}} * [http://www.rss.hm/ রজার ইবার্টের আরএসএস ফিড] * [http://www.progressive.org/mag_intvebert রজার ইবার্টের সাথে প্রগ্রেসিভ ম্যাগাজিনের সাক্ষাৎকারের প্রতিলিপি] {{ডিফল্টসর্ট:ইবার্ট, রজার}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১৩-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের চিত্রনাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রাক্তন রোমান ক্যাথলিক]] thueb61hiqe0ams5g076p8nr6rzkqga কবিগুরু 0 14107 83498 2026-05-07T16:50:18Z ফারদিন 52 [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]-এ পুনর্নির্দেশ করা হল 83498 wikitext text/x-wiki #পুনর্নির্দেশ [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] {{একটি পুনর্নির্দেশ}} kgnufb29ly914rjjc4wyzap9x6071gw