উইকিউক্তি bnwikiquote https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.9 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিউক্তি উইকিউক্তি আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ 0 380 83853 83820 2026-07-03T10:34:09Z Oindrojalik Watch 4169 ভূমিকাংশ সম্প্রসারণ 83853 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ|বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ]]''' বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দল। এই রাজনৈতিক দলটির গোড়াপত্তন হয় ২৩ জুন ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ব [[পাকিস্তান]] আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। পরবর্তী কালে এর নাম ছিলো নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। ১৯৭০ সাল থেকে এর নির্বাচনী প্রতীক নৌকা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ১৯৫৫ সালে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শের অধিকতর প্রতিফলন ঘটানোর জন্য এর নাম "আওয়ামী লীগ" করা হয়। [[w:জুলাই_গণহত্যা|জুলাই গণহত্যার]] অভিযোগে ২০২৫ সালের ১০ মে এর [[w:২০২৫_আওয়ামী_লীগ_নিষিদ্ধকরণ_আন্দোলন|যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ব]] ঘোষণা করা হয়। ==উক্তি== * আওয়ামী লীগের জন্ম, সংগ্রামের জন্ম। আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়েছে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠানের আজ যদি মৃত্যু হয় তবে আমি দেখতে চাই সংগ্রামের মধ্য দিয়েই যেনো মৃত্যু হয়। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ১৮ জানুয়ারি ১৯৭৪-এ ঢাকায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর [https://songramernotebook.com/archives/62792 ভাষণ]। *আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে দেশের উন্নয়ন করে। **[[শেখ হাসিনা]] * পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতেও বাঙালি অফিসারদের আনুগত্য ছিল না প্রশ্নাতীত। অবশ্য গুটিকয়েক দালাল ছাড়া। আমাদের ওরা দাবিয়ে রাখতো, অবহেলা করতো, অসম্মান করতো। দক্ষ ও যোগ্য [[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] অফিসার আর সৈনিকদের ভাগ্যে জুটতো না কোন স্বীকৃতি বা পারিতোষিক। জুটতো শুধু অবহেলা আর অবজ্ঞা। আখ্যায়িত করতো আমাদের আওয়ামী লীগের দালাল বলে। একাডেমির ক্লাসগুলোতেও সব সময় বোঝানো হতো, আওয়ামী লীগ হচ্ছে [[ভারত|ভারতের]] দালাল। [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] সংহতি বিনষ্ট করতেই আওয়ামী লীগ সচেষ্ট। এমনকি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবেই ক্যাডেটদের শেখানো হতো— আমাদের জাতির পিতা [[বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান]] হচ্ছেন ওদের রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। ** [[জিয়াউর রহমান]]। "একটি জাতির জন্ম", জিয়া স্টাডি সেল কর্তৃক প্রকাশিত, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০০২, পৃষ্ঠা: ৫ *আওয়ামী লীগ কোন রাজনৈতিক দল ভাঙ্গা-গড়ায় বিশ্বাসী নয়। আওয়ামী লীগের অতীত ইতিহাস কখনো একে সমর্থন করে না। **[[মাহবুব উল আলম হানিফ]] *আওয়ামী লীগ শুধু রাজনৈতিক দল নয় এটি একটি অনুভূতি **[[সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম]] *আওয়ামী লীগের নেতারা কথা বললে মিথ্যা বলে, প্রতিজ্ঞা করলে তা ভঙ্গ করে, এবং জনগনের আমানতের খেয়ানত করে। **[[সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী]] * আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করাই সর্বপ্রথম সংস্কার বলে আমরা মনে করি। সাবেক কোনো প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের অযোগ্যতা, এটি একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে আমরা এর সাথে একমত হতে পারি নাই। ** [[ববি হাজ্জাজ]], ১৫ এপ্রিল ২০২৫ জাতীয় সংসদের এলডি হলে এই [https://www.itvbd.com/politics/212734/%E0%A6%86%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%9C এই সংবাদ সম্মেলনে] বলেছেন। *আওয়ামী লীগ নামে কোনো সংগঠন নেই **বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী [[সালাহউদ্দিন আহমেদ (রাজনীতিবিদ)|সালাহউদ্দিন আহমেদ]], ২০২৬ সালের ২২ জুন একটি সংবাদ সম্মেলনে এই উক্তি করেন, যেমনটা [https://www.ittefaq.com.bd/794864/%E0%A6%86%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A6%A0%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80 ইত্তেফাকে উদ্ধৃত] হয়েছে। ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ]] 5vykars6er3vxlyyn899s2z6b30sxbk 83855 83853 2026-07-03T10:41:17Z Oindrojalik Watch 4169 সূত্রহীন উক্তিসমূহ অপসারণ 83855 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ|বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ]]''' বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দল। এই রাজনৈতিক দলটির গোড়াপত্তন হয় ২৩ জুন ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ব [[পাকিস্তান]] আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। পরবর্তী কালে এর নাম ছিলো নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। ১৯৭০ সাল থেকে এর নির্বাচনী প্রতীক নৌকা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ১৯৫৫ সালে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শের অধিকতর প্রতিফলন ঘটানোর জন্য এর নাম "আওয়ামী লীগ" করা হয়। [[w:জুলাই_গণহত্যা|জুলাই গণহত্যার]] অভিযোগে ২০২৫ সালের ১০ মে এর [[w:২০২৫_আওয়ামী_লীগ_নিষিদ্ধকরণ_আন্দোলন|যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ব]] ঘোষণা করা হয়। ==উক্তি== * আওয়ামী লীগের জন্ম, সংগ্রামের জন্ম। আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়েছে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠানের আজ যদি মৃত্যু হয় তবে আমি দেখতে চাই সংগ্রামের মধ্য দিয়েই যেনো মৃত্যু হয়। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ১৮ জানুয়ারি ১৯৭৪-এ ঢাকায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর [https://songramernotebook.com/archives/62792 ভাষণ]। * পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতেও বাঙালি অফিসারদের আনুগত্য ছিল না প্রশ্নাতীত। অবশ্য গুটিকয়েক দালাল ছাড়া। আমাদের ওরা দাবিয়ে রাখতো, অবহেলা করতো, অসম্মান করতো। দক্ষ ও যোগ্য [[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] অফিসার আর সৈনিকদের ভাগ্যে জুটতো না কোন স্বীকৃতি বা পারিতোষিক। জুটতো শুধু অবহেলা আর অবজ্ঞা। আখ্যায়িত করতো আমাদের আওয়ামী লীগের দালাল বলে। একাডেমির ক্লাসগুলোতেও সব সময় বোঝানো হতো, আওয়ামী লীগ হচ্ছে [[ভারত|ভারতের]] দালাল। [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] সংহতি বিনষ্ট করতেই আওয়ামী লীগ সচেষ্ট। এমনকি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবেই ক্যাডেটদের শেখানো হতো— আমাদের জাতির পিতা [[বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান]] হচ্ছেন ওদের রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। ** [[জিয়াউর রহমান]]। "একটি জাতির জন্ম", জিয়া স্টাডি সেল কর্তৃক প্রকাশিত, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০০২, পৃষ্ঠা: ৫ * আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করাই সর্বপ্রথম সংস্কার বলে আমরা মনে করি। সাবেক কোনো প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের অযোগ্যতা, এটি একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে আমরা এর সাথে একমত হতে পারি নাই। ** [[ববি হাজ্জাজ]], ১৫ এপ্রিল ২০২৫ জাতীয় সংসদের এলডি হলে এই [https://www.itvbd.com/politics/212734/%E0%A6%86%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%9C এই সংবাদ সম্মেলনে] বলেছেন। *আওয়ামী লীগ নামে কোনো সংগঠন নেই **বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী [[সালাহউদ্দিন আহমেদ (রাজনীতিবিদ)|সালাহউদ্দিন আহমেদ]], ২০২৬ সালের ২২ জুন একটি সংবাদ সম্মেলনে এই উক্তি করেন, যেমনটা [https://www.ittefaq.com.bd/794864/%E0%A6%86%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A6%A0%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80 ইত্তেফাকে উদ্ধৃত] হয়েছে। ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ]] 9g498wv3b33z817hvj7ocqnu2uehfoy 83858 83855 2026-07-03T10:56:55Z Oindrojalik Watch 4169 উক্তি যোগ 83858 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ|বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ]]''' বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দল। এই রাজনৈতিক দলটির গোড়াপত্তন হয় ২৩ জুন ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ব [[পাকিস্তান]] আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। পরবর্তী কালে এর নাম ছিলো নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। ১৯৭০ সাল থেকে এর নির্বাচনী প্রতীক নৌকা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ১৯৫৫ সালে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শের অধিকতর প্রতিফলন ঘটানোর জন্য এর নাম "আওয়ামী লীগ" করা হয়। [[w:জুলাই_গণহত্যা|জুলাই গণহত্যার]] অভিযোগে ২০২৫ সালের ১০ মে এর [[w:২০২৫_আওয়ামী_লীগ_নিষিদ্ধকরণ_আন্দোলন|যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ব]] ঘোষণা করা হয়। ==উক্তি== * আওয়ামী লীগের জন্ম, সংগ্রামের জন্ম। আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়েছে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠানের আজ যদি মৃত্যু হয় তবে আমি দেখতে চাই সংগ্রামের মধ্য দিয়েই যেনো মৃত্যু হয়। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ১৮ জানুয়ারি ১৯৭৪-এ ঢাকায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর [https://songramernotebook.com/archives/62792 ভাষণ]। * '''আওয়ামী লীগের ইতিহাস ফ্যাসিবাদ ও সংবাদপত্র দলনের ইতিহাস। সংবাদপত্রের কালো দিবস হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন।'''<br>শেখ সাহেব সংবাদপত্র ধ্বংস করেছেন এবং শেখ হাসিনা কী করেছেন-সেটি আপনারা জানেন। ** মাহমুদুর রহমান, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক, ১৬ জুন ২০২৬; [https://www.jugantor.com/tp-lastpage/1114237 স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে], যুগান্তর * পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতেও বাঙালি অফিসারদের আনুগত্য ছিল না প্রশ্নাতীত। অবশ্য গুটিকয়েক দালাল ছাড়া। আমাদের ওরা দাবিয়ে রাখতো, অবহেলা করতো, অসম্মান করতো। দক্ষ ও যোগ্য [[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] অফিসার আর সৈনিকদের ভাগ্যে জুটতো না কোন স্বীকৃতি বা পারিতোষিক। জুটতো শুধু অবহেলা আর অবজ্ঞা। আখ্যায়িত করতো আমাদের আওয়ামী লীগের দালাল বলে। একাডেমির ক্লাসগুলোতেও সব সময় বোঝানো হতো, আওয়ামী লীগ হচ্ছে [[ভারত|ভারতের]] দালাল। [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] সংহতি বিনষ্ট করতেই আওয়ামী লীগ সচেষ্ট। এমনকি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবেই ক্যাডেটদের শেখানো হতো— আমাদের জাতির পিতা [[বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান]] হচ্ছেন ওদের রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। ** [[জিয়াউর রহমান]]। "একটি জাতির জন্ম", জিয়া স্টাডি সেল কর্তৃক প্রকাশিত, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০০২, পৃষ্ঠা: ৫ * আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করাই সর্বপ্রথম সংস্কার বলে আমরা মনে করি। সাবেক কোনো প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের অযোগ্যতা, এটি একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে আমরা এর সাথে একমত হতে পারি নাই। ** [[ববি হাজ্জাজ]], ১৫ এপ্রিল ২০২৫ জাতীয় সংসদের এলডি হলে এই [https://www.itvbd.com/politics/212734/%E0%A6%86%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%9C এই সংবাদ সম্মেলনে] বলেছেন। *আওয়ামী লীগ নামে কোনো সংগঠন নেই **বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী [[সালাহউদ্দিন আহমেদ (রাজনীতিবিদ)|সালাহউদ্দিন আহমেদ]], ২০২৬ সালের ২২ জুন একটি সংবাদ সম্মেলনে এই উক্তি করেন, যেমনটা [https://www.ittefaq.com.bd/794864/%E0%A6%86%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A6%A0%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80 ইত্তেফাকে উদ্ধৃত] হয়েছে। ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ]] tl57nvvk7qdjykfo7l2kiqwz0rgsj9m 83859 83858 2026-07-03T10:57:37Z Oindrojalik Watch 4169 83859 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ|বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ]]''' বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দল। এই রাজনৈতিক দলটির গোড়াপত্তন হয় ২৩ জুন ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ব [[পাকিস্তান]] আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। পরবর্তী কালে এর নাম ছিলো নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। ১৯৭০ সাল থেকে এর নির্বাচনী প্রতীক নৌকা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ১৯৫৫ সালে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শের অধিকতর প্রতিফলন ঘটানোর জন্য এর নাম "আওয়ামী লীগ" করা হয়। [[w:জুলাই_গণহত্যা|জুলাই গণহত্যার]] অভিযোগে ২০২৫ সালের ১০ মে এর [[w:২০২৫_আওয়ামী_লীগ_নিষিদ্ধকরণ_আন্দোলন|যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ব]] ঘোষণা করা হয়। ==উক্তি== * আওয়ামী লীগের জন্ম, সংগ্রামের জন্ম। আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়েছে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠানের আজ যদি মৃত্যু হয় তবে আমি দেখতে চাই সংগ্রামের মধ্য দিয়েই যেনো মৃত্যু হয়। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ১৮ জানুয়ারি ১৯৭৪-এ ঢাকায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর [https://songramernotebook.com/archives/62792 ভাষণ]। * '''আওয়ামী লীগের ইতিহাস ফ্যাসিবাদ ও সংবাদপত্র দলনের ইতিহাস। সংবাদপত্রের কালো দিবস হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন।'''<br>শেখ সাহেব সংবাদপত্র ধ্বংস করেছেন এবং শেখ হাসিনা কী করেছেন-সেটি আপনারা জানেন। ** মাহমুদুর রহমান, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক, ১৬ জুন ২০২৬; [https://www.jugantor.com/tp-lastpage/1114237 স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে], যুগান্তর * পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতেও বাঙালি অফিসারদের আনুগত্য ছিল না প্রশ্নাতীত। অবশ্য গুটিকয়েক দালাল ছাড়া। আমাদের ওরা দাবিয়ে রাখতো, অবহেলা করতো, অসম্মান করতো। দক্ষ ও যোগ্য [[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] অফিসার আর সৈনিকদের ভাগ্যে জুটতো না কোন স্বীকৃতি বা পারিতোষিক। জুটতো শুধু অবহেলা আর অবজ্ঞা। আখ্যায়িত করতো আমাদের আওয়ামী লীগের দালাল বলে। একাডেমির ক্লাসগুলোতেও সব সময় বোঝানো হতো, আওয়ামী লীগ হচ্ছে [[ভারত|ভারতের]] দালাল। [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] সংহতি বিনষ্ট করতেই আওয়ামী লীগ সচেষ্ট। এমনকি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবেই ক্যাডেটদের শেখানো হতো— আমাদের জাতির পিতা [[বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান]] হচ্ছেন ওদের রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। ** [[জিয়াউর রহমান]]। "একটি জাতির জন্ম", জিয়া স্টাডি সেল কর্তৃক প্রকাশিত, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০০২, পৃষ্ঠা: ৫ * আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করাই সর্বপ্রথম সংস্কার বলে আমরা মনে করি। সাবেক কোনো প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের অযোগ্যতা, এটি একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে আমরা এর সাথে একমত হতে পারি নাই। ** [[ববি হাজ্জাজ]], ১৫ এপ্রিল ২০২৫ জাতীয় সংসদের এলডি হলে এই [https://www.itvbd.com/politics/212734/%E0%A6%86%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%9C এই সংবাদ সম্মেলনে] বলেছেন। *আওয়ামী লীগ নামে কোনো সংগঠন নেই। **বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী [[সালাহউদ্দিন আহমেদ (রাজনীতিবিদ)|সালাহউদ্দিন আহমেদ]], ২০২৬ সালের ২২ জুন একটি সংবাদ সম্মেলনে এই উক্তি করেন, যেমনটা [https://www.ittefaq.com.bd/794864/%E0%A6%86%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A6%A0%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80 ইত্তেফাকে উদ্ধৃত] হয়েছে। ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ]] lmrvtgne5fcgk079qib0vcayoxovgdc শেখ মুজিবুর রহমান 0 474 83856 83834 2026-07-03T10:46:21Z Oindrojalik Watch 4169 83856 wikitext text/x-wiki [[চিত্র: Sheikh Mujibur Rahman portrait (PID-h0066).jpg|thumb|বিশ্ব দুই শিবিরে বিভক্ত-শোষক আর শোষিত। আমি নিঃসন্দেহে শোষিতের পক্ষে।‌‍ ~ শেখ মুজিবুর রহমান]] '''[[:w:শেখ মুজিবুর রহমান|শেখ মুজিবুর রহমান]]''' (১৭ মার্চ ১৯২০ – ১৫ আগস্ট ১৯৭৫) বাংলাদেশী রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তার উপাধি হলো ''বঙ্গবন্ধু''। তিনি জনগণের কাছে ''শেখ সাহেব'' অথবা ''শেখ মুজিব'' হিসেবে পরিচিত। তার কন্যা [[শেখ হাসিনা]] [[বাংলাদেশ]] আওয়ামীলীগের সভানেত্রী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী। ==উক্তি== *'''এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা!''' **[[s:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বিতীয় খণ্ড)/১৭৮|১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে]], [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ]] দলিলপত্র- দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭০৬ *সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। আমরা যখন মরতে শিখেছি, তখন কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবা না। **[[s:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বিতীয় খণ্ড)/১৭৮|১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে]], বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭০৫ *[[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] সব বাড়ীই আমার বাড়ী। **বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬৩ *আমাদের মনে এই [[বিশ্বাস]] আছে, '''পূর্ববঙ্গে''' যদি '''অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র''' প্রতিষ্ঠা করতে পারি তাহলে হিন্দিভাষীদের দ্বারা শাসিত এবং '''নির্যাতিত [[পশ্চিমবঙ্গ]], আসাম, ত্রিপুরাও''' একসময় স্বাধীন বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হতে ইচ্ছুক হবে। **বাংলাদেশ বিপ্লবী পরিষদের আঁকা স্বাধীন বাংলার পতাকা প্রসঙ্গে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ [[মুজিবুর রহমান]] [https://samakal.com/editorial-subeditorial/article/220295604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8] *এটা ১৯৪৭ সালের কথা। তখন আমি মিস্টার [[হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী|সোহরাওয়ার্দীর]] দলে ছিলাম। তিনি এবং শরৎচন্দ্র বসু একটি অখন্ড বাংলা চান। আমিও চাই সকল বাঙালির জন্য একটি দেশ। [[বাঙালি জাতি|বাঙালিরা]] ঐক্যবদ্ধ থাকলে কী না করতে পারত! তারা বিশ্ব জয় করতে পারত। **অন্নদাশঙ্কর রায়ের এক প্রশ্নের উত্তরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এটি বলেছিলেন।[https://www.thedailystar.net/opinion/views/news/47th-death-anniversary-bangabandhu-cry-o-beloved-country-3095476] *মানুষকে ভালোবাসলে মানুষও ভালোবাসে। যদিও সামান্য ত্যাগ স্বীকার করেন, তবে জনসাধারণ আপনার জন্য জীবন দিতেও পারে।{{fact}} *আমার সবচেয়ে বড় শক্তি আমার দেশের মানুষকে ভালবাসি, সবচেয়ে বড় দূর্বলতা আমি তাদেরকে খুব বেশি ভালবাসি।{{fact}} *প্রধানমন্ত্রী হবার কোন ইচ্ছা আমার নেই। প্রধানমন্ত্রী আসে এবং যায়। কিন্তু, যে [[ভালোবাসা]] ও সম্মান দেশবাসী আমাকে দিয়েছেন, তা আমি সারাজীবন মনে রাখব। **[https://www.jugantor.com/everyday/257627/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A7%A6-%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF উৎস দেখতে চাইলে এখানে দেখুন] *সাত কোটি বাঙ্গালির ভালোবাসার কাঙ্গাল আমি। আমি সব হারাতে পারি, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা হারাতে পারবনা।{{fact}} *পাট, চা ইত্যাদিসহ আমাদের যা প্রয়োজন বাংলাদেশেই তা আছে। **বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬৩ *বিশ্ব দুই শিবিরে বিভক্ত-শোষক আর শোষিত। আমি নিঃসন্দেহে শোষিতের পক্ষে।{{fact}} *এই স্বাধীন দেশে মানুষ যখন পেট ভর খেতে পাবে, পাবে মর্যাদাপূর্ণ জীবন: তখনই শুধু এই লাখো শহীদের আত্মা তৃপ্তি পাবে।{{fact}} *দেশ থেকে সর্বপ্রকার অন্যায়, অবিচার ও শোষণ উচ্ছেদ করার জন্য দরকার হলে আমি আমার জীবন উৎসর্গ করব।{{fact}} *আমি যদি বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে না পারি, আমি যদি দেখি বাংলার মানুষ দুঃখী, আর যদি দেখি বাংলার মানুষ পেট ভরে খায় নাই, তাহলে আমি শান্তিতে মরতে পারব না।{{fact}} *এ স্বাধীনতা আমার ব্যর্থ হয়ে যাবে যদি আমার বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত না খায়। এই স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি বাংলার মা-বোনেরা কাপড় না পায়। এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি এদেশের মানুষ যারা আমর যুবক শ্রেণী আছে তারচ চাকরি না পায় বা কাজ না পায়।{{fact}} *আমাদের চাষিরা হল সবচেয়ে দুঃখী ও নির্যাতিত শ্রেণী এবং তাদের অবস্থার উন্নতির জন্যে আমাদের বিরাট অংশ অবশ্যই তাদের পেছনে নিয়োজিত করতে হবে।{{fact}} *যিনি যেখানে রয়েছেন, তিনি সেখানে আপন কর্তব্য পালন করলে দেশের মধ্যে বিশৃঙ্গলা সৃষ্টি হতে পারেনা।{{fact}} *সরকারি কর্মচারীদের জনগণের সাথে মিশে যেতে হবে। তারা জনগণের খাদেম, সেবক, ভাই। তার জনগণের বাপ, জনগণের ছেলে, জনগণের সন্তান। তাদের এই মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে।{{fact}} *সমস্ত সরকারী কর্মচারীকেই আমি অনুরোধ করি, যাদের অর্থে আমাদের সংসার চলে তাদের সেবা করুন।{{fact}} *গরীবের উপর অত্যাচার করলে আল্লাহর কাছে তার জবাব দিতে হবে।{{fact}} **[https://www.jugantor.com/everyday/257627/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A7%A6-%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF উৎস দেখতে চাইলে এখানে দেখুন] *জীবন অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী। এই কথা মনে রাখতে হবে। আমি বা আপনারা সবাই মৃত্যুর পর সামান্য কয়েক গজ কাপড় ছাড়া সাথে আর কিছুই নিয়ে যাব না।তবে কেন আপনার মানুষকে শোষণ করবেন, মানুষের উপর অত্যাচার করবেন?{{fact}} *গণ-আন্দোলন ছাড়া, গণ-বিপ্লব ছাড়া বিপ্লব হয়না। **[https://www.jugantor.com/everyday/257627/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A7%A6-%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF উৎস দেখতে চাইলে এখানে দেখুন] *পবিত্র ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।{{fact}} *আমাদেরকে সোনার দেশের সোনার মানুষ হতে হবে। *আমাদের আদর্শ পরিষ্কার। আদর্শের ভিত্তিতে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। এই আদর্শের ভিত্তিতে এদেশ চলবে। *মানুষের উপর মানুষের শোষণ, অঞ্চলের উপর অঞ্চলের শোষণের অবসান ঘটাতে হবে। *আমরা যেন পশু না হই। লেখাপড়া শিখে যেন মানুষ হই। *আমি বাঙালি,বাংলা আমার ভাষা। এই বাংলায় যেন জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে পারি। *দুর্নীতিবাজদের যদি খতম করতে পারেন তা হলে বাংলাদেশের শতকরা ২৫ থেকে ৩০ ভাগ [[দুঃখ]] চলে যাবে। *বাঙালি জাতীয়তাবাদ না থাকলে আমাদের স্বাধীনতার অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। *আপনাদের জন্য চব্বিশ ঘণ্টা কাজ করেও আমি ক্লান্ত বোধ করি না। *এই রাষ্ট্রের মানুষ হবে বাঙালি। তাদের মূলমন্ত্র '''সবার উপরে মানুষ সত্য,তাহার উপরে নাই'''। *রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের চারটি জিনিসের প্রয়োজন,তা হচ্ছে: '''নেতৃত্ব, ম্যানিফেস্টো বা আদর্শ, নিঃস্বার্থ কর্মী এবং সংগঠন'''। *বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই। *ভিক্ষুক জাতির অস্তিত্ব থাকে না। বিদেশ থেকে ভিক্ষা করে এনে দেশকে গড়া যাবে না। দেশের মধ্যেই পয়সা করতে হবে। *সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ছাড়া রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্থহীন।{{fact}} *যে মানুষ মৃত্যুর জন্য প্রস্তত, কেউ তাকে মারতে পারে না। **[https://www.jugantor.com/everyday/257627/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A7%A6-%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF উৎস দেখতে চাইলে এখানে দেখুন] *আপনি চাকরি করেন, আপনার মাইনে দেয় গরিব কৃষক, আপনার মাইনে দেয় ঐ গরিব শ্রমিক। আপনার সংসার চলে ঐ টাকায়। আমরা গাড়ি চড়ি ঐ টাকায়। ওদের সম্মান করে কথা বলুন। ইজ্জত করে কথা বলুন। ওরাই মালিক, ওদের দ্বারাই আপনাদের সংসার চলে। **১৯৭৫ সালের ২৬শে মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ। * আমরা তাকাব এমন এক পৃথিবীর দিকে, যেখানে বিজ্ঞান ও কারিগরি জ্ঞানের বিস্ময়কর অগ্রগতির যুগে মানুষের সৃষ্টি ক্ষমতা ও বিরাট সাফল্য আমাদের জন্য এক শঙ্কামুক্ত উন্নত ভবিষ্যৎ গঠনে সক্ষম। ** ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে প্রদত্ত ভাষণে। [https://www.ekushey-tv.com/national/88889] * স্বাধীনতা পাওয়া যেমন কষ্টকর, স্বাধীনতা রক্ষা করাও তেমন কষ্টকর। ষড়যন্ত্র চলছে, কিন্তু তারা জানে না বাংলাদেশের মানুষকে, তারা জানে না আমার গণবাহিনীর লোকদের, তারা জানে না আমার মুজিব বাহিনীর লোকদের, তারা জানে না আমার এই বাংলার জনসাধারণকে। কী করবে? আমার স্বাধীনতা হরণ করার চেষ্টা করবে? ষড়যন্ত্র করবে? ভুলে যাও। সাত কোটি মানুষ গুণে গুণে জান দিবে, বাংলার স্বাধীনতা কেউ নেবার পারবে না।  ** ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকা স্টেডিয়ামে মুক্তিবাহিনীর অস্ত্র সমর্পণ অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান। [https://shuddhoshor.com/2020/01/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%B0/] * পশ্চিম পাকিস্তানের নেতাদের তিনটা আদর্শ ছিল, যে আদর্শ এ সভ্য জগতে চলতে পারে না। কী ছিল তাদের আদর্শ? '''‘এসলাম খতরা মে হ্যায়’, ‘কাশ্মীরকো ফতে করনে পরে গা’, ‘হিন্দু হামারা দুশমন হ্যায়’।''' আর কোনো স্লোগান নাই। আর কোনো আদর্শ নাই। মানুষ না খেয়ে মরছে, তার কথা বলবে না। ** ৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২, কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রদত্ত এক [https://web.archive.org/web/20260605155233/https://www.kalerkantho.com/print-edition/tenth-anniversary-special%20/2020/01/11/860908?hl=en-GB ভাষণে]। * প্রত্যেক রবিবার আমরা থলি নিয়ে বাড়ি বাড়ি থেকে চাউল উঠিয়ে আনতাম এবং এই চাউল বিক্রি করে তিনি (মুজিবের মাস্টার সাহেব; যিনি প্রত্যেক বাড়ি থেকে চাল উঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন) গরীব ছেলেদের বই এবং পরীক্ষার ও অন্যান্য খরচ দিতেন। [...]<br> '''যদি কোনো মুসলমান চাউল না দিত আমার দলবল নিয়ে তার উপর জোর করতাম। দরকার হলে তার বাড়িতে রাতে ইট মারতাম। এজন্য আমার আব্বার কাছে অনেক সময় শাস্তি পেতে হত।''' ** অসমাপ্ত আত্মজীবনী, ৯-১০ পৃষ্ঠা == মুজিব সম্পর্কে উক্তি == * '''আওয়ামী লীগের ইতিহাস ফ্যাসিবাদ ও সংবাদপত্র দলনের ইতিহাস। সংবাদপত্রের কালো দিবস হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন। শেখ সাহেব সংবাদপত্র ধ্বংস করেছেন এবং শেখ হাসিনা কী করেছেন-সেটি আপনারা জানেন।''' টিউলিপও লন্ডনে এক সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। এটা আওয়ামী লীগের জিনের মধ্যে রয়েছে। ** মাহমুদুর রহমান, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক, ১৬ জুন ২০২৬; [https://www.jugantor.com/tp-lastpage/1114237 স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে], যুগান্তর * আমি হিমালয় দেখিনি। কিন্তু আমি শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্বে এবং সাহসে, এই মানুষটি হিমালয়। এইভাবে হিমালয় প্রত্যক্ষ করার অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে। ** কিউবার নেতা [[ফিদেল কাস্ত্রো]] [http://www.thedailystar.net/magazine/2008/08/04/chintito.htm ১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ শীর্ষ সম্মেলনে] * যতকাল রবে পদ্মা যমুনা গৌরী মেঘনা বহমান ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান। ** [[অন্নদাশঙ্কর রায়]]{{fact}} * শেখ মুজিব [[জর্জ ওয়াশিংটন]], [[মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী|গান্ধী]] এবং দ্য ভ্যালেরার থেকেও মহান নেতা ছিলেন। ** ব্রিটিশ লর্ড ফেন্যার ব্রোকওয়ে [https://web.archive.org/web/20250815084804/https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * মুজিব না থাকলে [[বাংলাদেশ]] কখনই জন্ম নিত না। ** শেখ মুজিব হত্যার প্রতিক্রিয়ায় ফিন্যান্সিয়াল টাইমস্। [https://web.archive.org/web/20250815084804/https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * যাদের নেতৃত্বে ভারত স্বাধীনতা পেয়েছে,বঙ্গবন্ধু তাদের চেয়েও বড় নেতা। ** [[অটল বিহারী বাজপেয়ী]]{{fact}} * অতিদর্প [[নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|নেপোলিয়নের]]<nowiki/>ও ছিল, [[জুলিয়াস সিজার|জুলিয়াস সীজারের]]<nowiki/>ও ছিল। লোকে সে দোষ ভুলে গেছে। মনে রেখেছে শুধু এই উপকথা যে নেপোলিয়নের যুগটাই ছিল ফরাসীদের সব চেয়ে গর্বের যুগ। আর জুলিয়াস সীজারের যুগটাই ছিল রোমানদের সব চেয়ে গৌরবের যুগ। তেমনি বাংলাদেশের নাগরিকরাও মনে রাখবে এই উপকথা যে মুজিবের যুগটাই ছিল তাদের সব চেয়ে পৌরুষের যুগ। … মুজিব ছিলেন বাংলাদেশের আত্মা। তিনি রেখে গেছেন একটা ষবমবহফ। বাংলাদেশ চিরকাল সেটা স্মরণ রাখবে। ** [[অন্নদাশঙ্কর রায়]]।[https://www.kaliokalam.com/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%B0/] * ১৯৪৬ সালে ভারত ভাগের সময় তৎকালীন মুসলিম লীগ নেতা আবুল হাশেম এবং কংগ্রেস নেতা [[শরৎচন্দ্র বসু]] মিলে এই [[যুক্তবঙ্গ|স্বাধীন যুক্ত বাংলা]] গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের নেতাদের চাপে তা সফল হয়নি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাফল্য এই, তিনি বাংলাদেশের অর্ধাংশকে স্বাধীন করেছেন। কিন্তু [[বাঙালি জাতীয়তাবাদ|বাঙালি জাতীয়তাবাদের]] ভিত্তিতে তার খণ্ডিত দেশটিকে গড়ে তোলার আগেই তাকে হত্যা করা হয়। ** [[আবদুল গাফফার চৌধুরী]]। [https://samakal.com/editorial-subeditorial/article/95604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8] * তারপর ছয় দফার আন্দোলনকে শেষ পর্যন্ত স্বাধীনতা আন্দোলনে পরিণত করায় বঙ্গবন্ধু আজ বিশ শতকের শ্রেষ্ঠ বাঙালি। কিন্তু [[যুক্তবঙ্গ|যে স্বাধীন বাংলার]] কল্পনা তার মনে ছিল তা আজ পর্যন্ত পূর্ণ হয়নি। পূর্ব পাকিস্তানে অনবরত [[সাম্প্রদায়িকতা|সাম্প্রদায়িক]] দাঙ্গা-হাঙ্গামা দেখে [[পশ্চিমবঙ্গ]] ও [[আসাম|আসামের]] বাঙালিদের মনে ভয় ঢুকে গেছে এবং তারাও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামায় রত হয়েছে। ** আবদুল গাফফার চৌধুরী। [https://samakal.com/editorial-subeditorial/article/95604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8] {{কবিতা |মূল =রাজভয় আর কারাশৃঙ্কল হেলায় করেছ জয়। ফাঁসির মঞ্চে-মহত্ব তব কখনো হয়নি ক্ষয়। বাঙলাদেশের মুকুটবিহীন তুমি প্রমুর্ত রাজ, প্রতি বাঙালীর হৃদয়ে হৃদয়ে তোমার তক্ত-তাজ। তোমার একটি আঙ্গুল হেলনে অচল যে সরকার। অফিসে অফিসে তালা লেগে গেছে-স্তব্ধ হুকুমদার। এই বাঙলায় শুনেছি আমরা সকল করিয়া ত্যাগ, সন্ন্যাসী বেশে দেশ-বন্ধুর শান্ত-মধুর ডাক। শুনেছি আমরা [[মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী|গান্ধীর]] বাণী-জীবন করিয়া দান, মিলাতে পারেনি প্রেম-বন্ধনে [[হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক|হিন্দু-মুসলমান]]। তারা যা পারেনি তুমি তা করেছ, ধর্মে ধর্মে আর, জাতিতে জাতিতে ভুলিয়াছে ভেদ সন্তান বাঙলার। |উৎস = "ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে" - [[জসীম উদ্‌দীন]], প্রথম সংস্করণ: ২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮, সংস্করণ: দ্বিতীয়, প্রকাশক: পলাশ প্রকাশনী, "বঙ্গ-বন্ধু" কবিতার অংশ, পৃষ্ঠা:১০ }} * '''বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে দুইবার স্বাধীন করেছেন। একবার পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে। আরেকবার [[ভারত|ভারতের]] সেনাবাহিনীকে বাংলদেশ থেকে নিয়ে যেতে বলে।''' এটা আরেকটা স্বাধীনতার সমান। [[জিয়াউর রহমান|জিয়া]] স্বাধীনতাযুদ্ধে যা-ই করুক না কেন, বঙ্গবন্ধু দেশে না এলে ইন্ডিয়ান আর্মিদের তাড়াতে পারত না। সে নিজেই বিদেশে পালিয়ে যেত। ** [[আবদুল গাফফার চৌধুরী]], ২০১৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায়। [https://web.archive.org/web/20251220100710/https://www.prothomalo.com/politics/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E2%80%98%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E2%80%99-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80] * বাঙলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধে পৌঁছে দিয়েছিলেন মুজিব, বন্দী থেকেও তিনিই নিয়ন্ত্রণ করছিলেন মুক্তিযুদ্ধকে, তিনিই সৃষ্টি ক'রে চলছিলেন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। মুজিবকে আমরা প্রচণ্ড সমালোচনা করতে পারি, তিনি সমালোচনার উর্ধ্বে নন, অনেক সীমাবদ্ধতা তাঁর ছিলো; কয়েক দশক ধ'রে তো কোটি কোটি বামন প্রাণভ'রে তাঁর সমালোচনা করছে। কিন্তু সত্য হচ্ছে তিনি মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক, বাঙলাদেশের মহাস্থপতি। '''মুজিব ছাড়া হাজার হাজার [[জিয়াউর রহমান|জিয়া]] বা অন্য কেউ মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিলেও মুক্তিযুদ্ধ ঘটতো না, তখন সেটা হতো হাস্যকর হঠকারিতা ও পরিণতিতে শোকাবহ; মুক্তিযোদ্ধারা এগিয়ে আসতো না, এবং বিশ্ব আমাদের পক্ষ নিতো না, সাড়া দিতো না। এটা ঘটেছিলো মুজিবের জন্যেই।''' মুজিব বাঙলাদেশের স্থপতি, মহাস্থপতি; তিনি সৃষ্টি ক'রে চলছিলেন বাঙলাদেশ। তাঁকে ছাড়া বাঙলাদেশের কথা ভাবাই যায় না। ** [[হুমায়ুন আজাদ]]। ''আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম'', প্রকাশক: আগামী প্রকাশনী, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০০৬, পৃষ্ঠা: ৩০-৩১ * সবাইকে মহান স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা। ফ্যাক্ট: স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিতর্কের একটি কারণ হচ্ছে আমরা আমাদের ইতিহাসকে যে যার মত করে ব্যবহার করেছি নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য। ফ্যাক্ট: আমাদের স্বাধীনতা এসেছে একটি রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এবং সেই মুক্তিযুদ্ধের আগে ২৩ বছরের একটি স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে যার রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধুই ছিলেন মানুষের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক। ফ্যাক্ট: ২৫শে মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন, কিন্তু গ্রেফতারের পূর্বে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রে সাক্ষর করেননি এবং তাজউদ্দীন আহমদের নিয়ে যাওয়া টেইপ রেকর্ডারে ঘোষণা দিতে রাজি হননি। এর ফলে সাময়িক ভাবে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয় এবং পুরো জাতি দিশেহারা হয়ে পরে। এমতাবস্থায় মেজর জিয়াউর রহমান নিজ উদ্যোগে নিজের নামে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং পরবর্তীতে আরেকবার ঘোষণা সংশোধন করে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণা দেন। মেজর জিয়াউর রহমানের কন্ঠে স্বাধীনতার ঘোষণা সকলকে অনুপ্রাণিত করে। পাশাপাশি এম এ হান্নান সহ কয়েকজন ঘোষণা দেন কিন্তু মেজর জিয়াউর রহমান এর ঘোষণা অনেক বেশি মানুষের কাছে পৌঁছায় আর তিনি সামরিক অফিসার হবার কারণে ভিন্ন তাৎপর্য বহন করে বিশেষ করে বাঙালি সেনা, ই পি আর সেনা এবং পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের জন্য। এরই ধারাবাহিকতায় তাজউদ্দীন আহমদ এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন হয় ১০ই এপ্রিল ১৯৭১ এবং শপথ নেয় ১৭ই এপ্রিল ১৯৭১। এই সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্বেই সামরিক যুদ্ধ, কূটনীতি, প্রশাসন সহ সকল কার্যকলাপ পরিচালিত হয় এবং দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা আমাদের স্বাধীনতা অর্জন করি ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১। ** {{w|সোহেল তাজ}}, ২৬ মার্চ ২০২৫, ফেসবুক পোস্টে [https://www.dailyjanakantha.com/national/news/786565] * বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান লাভ করেছে। এ বিষয়ে তার অবদানকে অস্বীকার করার সাধ্য কারো নেই। ভারতের সরাসরি হস্তক্ষেপে যে পদ্ধতিতে দেশটি স্বাধীন হয়েছে আমার ধারণা যে, তিনি এভাবে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করার পরিকল্পনা করেননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ক্রমান্বয়ে বাংলাদেশকে পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে বিচ্ছিন্ন করতে অবশ্যই সচেষ্ট হতেন। সে উদ্দেশ্যেই তিনি ‘৭০ সালেই পূর্ব-পাকিস্তানের বদলে বাংলাদেশ নামকরণ করেন। তাই '''স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধান স্থপতি হিসেবে ইতিহাস [[শেখ মুজিবুর রহমান]]কেই স্বীকৃতি দেবে'''। ** [[গোলাম আযম]], জীবনে যা দেখলাম, কামিয়াব প্রকাশন লিমিটেড, প্রথম প্রকাশ: মে, ২০০৭, ৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা নং ১৮৩ *মুজিব কিসের জাতির পিতা? এ দেশের জনগণ দুবার তাঁর (মুজিব) বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁকে হত্যা করার পর একজন লোকও তাঁর পক্ষে রাস্তায় আসেনি। স্বাধীনতার পর সাড়ে তিন বছরে শেখ মুজিব কী করলেন, যাঁর জন্য মানুষ এটা করল, তা হিসাব করতে হবে। তাঁর আসল পরিচয় পাওয়া যায় যখন ক্ষমতায় আসেন। তখন এই দেশের জনগণকে তিনি কী দিয়েছেন? তারপর গত ৫ আগস্ট (২০২৪ সালের ৫ আগস্ট) সারা দেশের জনগণ শেখ মুজিবের মূর্তি ভেঙে ফেলল। তাঁর বাড়িতে আগুন দিল। এটা শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে একটা রায়। **'জুলাই গণঅভ্যুত্থান: জনগণের হাতে ক্ষমতা চাই, জনগণের সরকার-সংবিধান-রাষ্ট্র চাই’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে [[বদরুদ্দীন উমর]], ১৯ অক্টোবর,২০২৫ [https://www.bssnews.net/bangla/national/157519] * ২৫ জানুয়ারি বাকশাল প্রতিষ্ঠা দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান দেশে একদলীয় বাকশাল শাসন-পদ্ধতি কায়েম করেন। সংসদে কোনো আলোচনা বা বিতর্কের সুযোগ না দিয়ে মাত্র ১১ মিনিটে একটি বিল পাশের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সংবিধানের মৌলিক রদবদল করা হয়। এটি চতুর্থ সংশোধনী নামে পরিচিত। [...] এই পরিবর্তনে দেশে একটি মাত্র দল বাকশাল ছাড়া সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হয়। এই বাকশালকে জাতীয় দল বলে উল্লেখ করা হয়। [...]<br><br>'''বাকশাল ব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ অবাধ নির্বাচন ব্যবস্থা এবং নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের পদ্ধতিও বিলুপ্ত হয়ে যায়।''' মিলিটারি, পুলিশ, বিডিআর, আমলাতন্ত্রের লোকদেরও বাধ্যতামূলকভাবে বাকশাল সদস্য করা হয়। জেলায় জেলায় একদলীয় বাকশাল মনোনীত ব্যক্তিকে গভর্নর পদে বসিয়ে নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থা চালু হয়। জনগণের নাগরিক স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রহিত করা হয়। সব সংবাদপত্র নিষিদ্ধ করে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত কেবল চারটি মাত্র দৈনিক পত্রিকা প্রকাশের ব্যবস্থা করা হয়। বাকশালে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানানো সাংবাদিকদের চাকরি চলে যায়। ** মারুফ কামাল খান সোহেল, সাবেক প্রধানমন্ত্রী [[:w:খালেদা জিয়া|খালেদা জিয়ার]] সাবেক প্রেস সচিব, ২৫ জানুয়ারি ২০২৫; [https://www.jugantor.com/viewers-opinion/908221 মুজিবের নাকি হাসিনার অঘোষিত বাকশাল বেশি ভয়ঙ্কর?] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী}} [[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২০-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মুসলিম লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতির জনক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:রাষ্ট্রপ্রধান]] [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক নেতা]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি জাতীয়তাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমান]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] b0l29ihre96ss71su54an64nqhhmcbr 83857 83856 2026-07-03T10:52:47Z Oindrojalik Watch 4169 /* উক্তি */ উক্তি যোগ (বর্ণানুক্রমিক) 83857 wikitext text/x-wiki [[চিত্র: Sheikh Mujibur Rahman portrait (PID-h0066).jpg|thumb|বিশ্ব দুই শিবিরে বিভক্ত-শোষক আর শোষিত। আমি নিঃসন্দেহে শোষিতের পক্ষে।‌‍ ~ শেখ মুজিবুর রহমান]] '''[[:w:শেখ মুজিবুর রহমান|শেখ মুজিবুর রহমান]]''' (১৭ মার্চ ১৯২০ – ১৫ আগস্ট ১৯৭৫) বাংলাদেশী রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তার উপাধি হলো ''বঙ্গবন্ধু''। তিনি জনগণের কাছে ''শেখ সাহেব'' অথবা ''শেখ মুজিব'' হিসেবে পরিচিত। তার কন্যা [[শেখ হাসিনা]] [[বাংলাদেশ]] আওয়ামীলীগের সভানেত্রী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী। ==উক্তি== *'''এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা!''' **[[s:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বিতীয় খণ্ড)/১৭৮|১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে]], [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ]] দলিলপত্র- দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭০৬ * '''এত চোরের চোর। চোর কোথা থেকে যে পয়দা হয়েছে আমি জানি না।'''</br>পাকিস্তানিরা সব নিয়ে গেছে; কিন্তু এ চোরগুলো রেখে গেছে আমার কাছে। এ চোরগুলো নিয়ে গেলে আমি বাঁচতাম। ** [https://www.jugantor.com/tp-ub-editorial/210913 বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে আজ কী ভাবতেন!], ''যুগান্তর'' *সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। আমরা যখন মরতে শিখেছি, তখন কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবা না। **[[s:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বিতীয় খণ্ড)/১৭৮|১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে]], বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭০৫ *[[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] সব বাড়ীই আমার বাড়ী। **বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬৩ *আমাদের মনে এই [[বিশ্বাস]] আছে, '''পূর্ববঙ্গে''' যদি '''অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র''' প্রতিষ্ঠা করতে পারি তাহলে হিন্দিভাষীদের দ্বারা শাসিত এবং '''নির্যাতিত [[পশ্চিমবঙ্গ]], আসাম, ত্রিপুরাও''' একসময় স্বাধীন বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হতে ইচ্ছুক হবে। **বাংলাদেশ বিপ্লবী পরিষদের আঁকা স্বাধীন বাংলার পতাকা প্রসঙ্গে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ [[মুজিবুর রহমান]] [https://samakal.com/editorial-subeditorial/article/220295604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8] *এটা ১৯৪৭ সালের কথা। তখন আমি মিস্টার [[হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী|সোহরাওয়ার্দীর]] দলে ছিলাম। তিনি এবং শরৎচন্দ্র বসু একটি অখন্ড বাংলা চান। আমিও চাই সকল বাঙালির জন্য একটি দেশ। [[বাঙালি জাতি|বাঙালিরা]] ঐক্যবদ্ধ থাকলে কী না করতে পারত! তারা বিশ্ব জয় করতে পারত। **অন্নদাশঙ্কর রায়ের এক প্রশ্নের উত্তরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এটি বলেছিলেন।[https://www.thedailystar.net/opinion/views/news/47th-death-anniversary-bangabandhu-cry-o-beloved-country-3095476] *মানুষকে ভালোবাসলে মানুষও ভালোবাসে। যদিও সামান্য ত্যাগ স্বীকার করেন, তবে জনসাধারণ আপনার জন্য জীবন দিতেও পারে।{{fact}} *আমার সবচেয়ে বড় শক্তি আমার দেশের মানুষকে ভালবাসি, সবচেয়ে বড় দূর্বলতা আমি তাদেরকে খুব বেশি ভালবাসি।{{fact}} *প্রধানমন্ত্রী হবার কোন ইচ্ছা আমার নেই। প্রধানমন্ত্রী আসে এবং যায়। কিন্তু, যে [[ভালোবাসা]] ও সম্মান দেশবাসী আমাকে দিয়েছেন, তা আমি সারাজীবন মনে রাখব। **[https://www.jugantor.com/everyday/257627/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A7%A6-%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF উৎস দেখতে চাইলে এখানে দেখুন] *সাত কোটি বাঙ্গালির ভালোবাসার কাঙ্গাল আমি। আমি সব হারাতে পারি, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা হারাতে পারবনা।{{fact}} *পাট, চা ইত্যাদিসহ আমাদের যা প্রয়োজন বাংলাদেশেই তা আছে। **বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬৩ *বিশ্ব দুই শিবিরে বিভক্ত-শোষক আর শোষিত। আমি নিঃসন্দেহে শোষিতের পক্ষে।{{fact}} *এই স্বাধীন দেশে মানুষ যখন পেট ভর খেতে পাবে, পাবে মর্যাদাপূর্ণ জীবন: তখনই শুধু এই লাখো শহীদের আত্মা তৃপ্তি পাবে।{{fact}} *দেশ থেকে সর্বপ্রকার অন্যায়, অবিচার ও শোষণ উচ্ছেদ করার জন্য দরকার হলে আমি আমার জীবন উৎসর্গ করব।{{fact}} *আমি যদি বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে না পারি, আমি যদি দেখি বাংলার মানুষ দুঃখী, আর যদি দেখি বাংলার মানুষ পেট ভরে খায় নাই, তাহলে আমি শান্তিতে মরতে পারব না।{{fact}} *এ স্বাধীনতা আমার ব্যর্থ হয়ে যাবে যদি আমার বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত না খায়। এই স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি বাংলার মা-বোনেরা কাপড় না পায়। এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি এদেশের মানুষ যারা আমর যুবক শ্রেণী আছে তারচ চাকরি না পায় বা কাজ না পায়।{{fact}} *আমাদের চাষিরা হল সবচেয়ে দুঃখী ও নির্যাতিত শ্রেণী এবং তাদের অবস্থার উন্নতির জন্যে আমাদের বিরাট অংশ অবশ্যই তাদের পেছনে নিয়োজিত করতে হবে।{{fact}} *যিনি যেখানে রয়েছেন, তিনি সেখানে আপন কর্তব্য পালন করলে দেশের মধ্যে বিশৃঙ্গলা সৃষ্টি হতে পারেনা।{{fact}} *সরকারি কর্মচারীদের জনগণের সাথে মিশে যেতে হবে। তারা জনগণের খাদেম, সেবক, ভাই। তার জনগণের বাপ, জনগণের ছেলে, জনগণের সন্তান। তাদের এই মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে।{{fact}} *সমস্ত সরকারী কর্মচারীকেই আমি অনুরোধ করি, যাদের অর্থে আমাদের সংসার চলে তাদের সেবা করুন।{{fact}} *গরীবের উপর অত্যাচার করলে আল্লাহর কাছে তার জবাব দিতে হবে।{{fact}} **[https://www.jugantor.com/everyday/257627/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A7%A6-%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF উৎস দেখতে চাইলে এখানে দেখুন] *জীবন অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী। এই কথা মনে রাখতে হবে। আমি বা আপনারা সবাই মৃত্যুর পর সামান্য কয়েক গজ কাপড় ছাড়া সাথে আর কিছুই নিয়ে যাব না।তবে কেন আপনার মানুষকে শোষণ করবেন, মানুষের উপর অত্যাচার করবেন?{{fact}} *গণ-আন্দোলন ছাড়া, গণ-বিপ্লব ছাড়া বিপ্লব হয়না। **[https://www.jugantor.com/everyday/257627/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A7%A6-%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF উৎস দেখতে চাইলে এখানে দেখুন] *পবিত্র ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।{{fact}} *আমাদেরকে সোনার দেশের সোনার মানুষ হতে হবে। *আমাদের আদর্শ পরিষ্কার। আদর্শের ভিত্তিতে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। এই আদর্শের ভিত্তিতে এদেশ চলবে। *মানুষের উপর মানুষের শোষণ, অঞ্চলের উপর অঞ্চলের শোষণের অবসান ঘটাতে হবে। *আমরা যেন পশু না হই। লেখাপড়া শিখে যেন মানুষ হই। *আমি বাঙালি,বাংলা আমার ভাষা। এই বাংলায় যেন জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে পারি। *দুর্নীতিবাজদের যদি খতম করতে পারেন তা হলে বাংলাদেশের শতকরা ২৫ থেকে ৩০ ভাগ [[দুঃখ]] চলে যাবে। *বাঙালি জাতীয়তাবাদ না থাকলে আমাদের স্বাধীনতার অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। *আপনাদের জন্য চব্বিশ ঘণ্টা কাজ করেও আমি ক্লান্ত বোধ করি না। *এই রাষ্ট্রের মানুষ হবে বাঙালি। তাদের মূলমন্ত্র '''সবার উপরে মানুষ সত্য,তাহার উপরে নাই'''। *রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের চারটি জিনিসের প্রয়োজন,তা হচ্ছে: '''নেতৃত্ব, ম্যানিফেস্টো বা আদর্শ, নিঃস্বার্থ কর্মী এবং সংগঠন'''। *বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই। *ভিক্ষুক জাতির অস্তিত্ব থাকে না। বিদেশ থেকে ভিক্ষা করে এনে দেশকে গড়া যাবে না। দেশের মধ্যেই পয়সা করতে হবে। *সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ছাড়া রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্থহীন।{{fact}} *যে মানুষ মৃত্যুর জন্য প্রস্তত, কেউ তাকে মারতে পারে না। **[https://www.jugantor.com/everyday/257627/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A7%A6-%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF উৎস দেখতে চাইলে এখানে দেখুন] *আপনি চাকরি করেন, আপনার মাইনে দেয় গরিব কৃষক, আপনার মাইনে দেয় ঐ গরিব শ্রমিক। আপনার সংসার চলে ঐ টাকায়। আমরা গাড়ি চড়ি ঐ টাকায়। ওদের সম্মান করে কথা বলুন। ইজ্জত করে কথা বলুন। ওরাই মালিক, ওদের দ্বারাই আপনাদের সংসার চলে। **১৯৭৫ সালের ২৬শে মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ। * আমরা তাকাব এমন এক পৃথিবীর দিকে, যেখানে বিজ্ঞান ও কারিগরি জ্ঞানের বিস্ময়কর অগ্রগতির যুগে মানুষের সৃষ্টি ক্ষমতা ও বিরাট সাফল্য আমাদের জন্য এক শঙ্কামুক্ত উন্নত ভবিষ্যৎ গঠনে সক্ষম। ** ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে প্রদত্ত ভাষণে। [https://www.ekushey-tv.com/national/88889] * স্বাধীনতা পাওয়া যেমন কষ্টকর, স্বাধীনতা রক্ষা করাও তেমন কষ্টকর। ষড়যন্ত্র চলছে, কিন্তু তারা জানে না বাংলাদেশের মানুষকে, তারা জানে না আমার গণবাহিনীর লোকদের, তারা জানে না আমার মুজিব বাহিনীর লোকদের, তারা জানে না আমার এই বাংলার জনসাধারণকে। কী করবে? আমার স্বাধীনতা হরণ করার চেষ্টা করবে? ষড়যন্ত্র করবে? ভুলে যাও। সাত কোটি মানুষ গুণে গুণে জান দিবে, বাংলার স্বাধীনতা কেউ নেবার পারবে না।  ** ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকা স্টেডিয়ামে মুক্তিবাহিনীর অস্ত্র সমর্পণ অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান। [https://shuddhoshor.com/2020/01/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%B0/] * পশ্চিম পাকিস্তানের নেতাদের তিনটা আদর্শ ছিল, যে আদর্শ এ সভ্য জগতে চলতে পারে না। কী ছিল তাদের আদর্শ? '''‘এসলাম খতরা মে হ্যায়’, ‘কাশ্মীরকো ফতে করনে পরে গা’, ‘হিন্দু হামারা দুশমন হ্যায়’।''' আর কোনো স্লোগান নাই। আর কোনো আদর্শ নাই। মানুষ না খেয়ে মরছে, তার কথা বলবে না। ** ৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২, কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রদত্ত এক [https://web.archive.org/web/20260605155233/https://www.kalerkantho.com/print-edition/tenth-anniversary-special%20/2020/01/11/860908?hl=en-GB ভাষণে]। * প্রত্যেক রবিবার আমরা থলি নিয়ে বাড়ি বাড়ি থেকে চাউল উঠিয়ে আনতাম এবং এই চাউল বিক্রি করে তিনি (মুজিবের মাস্টার সাহেব; যিনি প্রত্যেক বাড়ি থেকে চাল উঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন) গরীব ছেলেদের বই এবং পরীক্ষার ও অন্যান্য খরচ দিতেন। [...]<br> '''যদি কোনো মুসলমান চাউল না দিত আমার দলবল নিয়ে তার উপর জোর করতাম। দরকার হলে তার বাড়িতে রাতে ইট মারতাম। এজন্য আমার আব্বার কাছে অনেক সময় শাস্তি পেতে হত।''' ** অসমাপ্ত আত্মজীবনী, ৯-১০ পৃষ্ঠা == মুজিব সম্পর্কে উক্তি == * '''আওয়ামী লীগের ইতিহাস ফ্যাসিবাদ ও সংবাদপত্র দলনের ইতিহাস। সংবাদপত্রের কালো দিবস হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন। শেখ সাহেব সংবাদপত্র ধ্বংস করেছেন এবং শেখ হাসিনা কী করেছেন-সেটি আপনারা জানেন।''' টিউলিপও লন্ডনে এক সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। এটা আওয়ামী লীগের জিনের মধ্যে রয়েছে। ** মাহমুদুর রহমান, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক, ১৬ জুন ২০২৬; [https://www.jugantor.com/tp-lastpage/1114237 স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে], যুগান্তর * আমি হিমালয় দেখিনি। কিন্তু আমি শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্বে এবং সাহসে, এই মানুষটি হিমালয়। এইভাবে হিমালয় প্রত্যক্ষ করার অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে। ** কিউবার নেতা [[ফিদেল কাস্ত্রো]] [http://www.thedailystar.net/magazine/2008/08/04/chintito.htm ১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ শীর্ষ সম্মেলনে] * যতকাল রবে পদ্মা যমুনা গৌরী মেঘনা বহমান ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান। ** [[অন্নদাশঙ্কর রায়]]{{fact}} * শেখ মুজিব [[জর্জ ওয়াশিংটন]], [[মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী|গান্ধী]] এবং দ্য ভ্যালেরার থেকেও মহান নেতা ছিলেন। ** ব্রিটিশ লর্ড ফেন্যার ব্রোকওয়ে [https://web.archive.org/web/20250815084804/https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * মুজিব না থাকলে [[বাংলাদেশ]] কখনই জন্ম নিত না। ** শেখ মুজিব হত্যার প্রতিক্রিয়ায় ফিন্যান্সিয়াল টাইমস্। [https://web.archive.org/web/20250815084804/https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * যাদের নেতৃত্বে ভারত স্বাধীনতা পেয়েছে,বঙ্গবন্ধু তাদের চেয়েও বড় নেতা। ** [[অটল বিহারী বাজপেয়ী]]{{fact}} * অতিদর্প [[নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|নেপোলিয়নের]]<nowiki/>ও ছিল, [[জুলিয়াস সিজার|জুলিয়াস সীজারের]]<nowiki/>ও ছিল। লোকে সে দোষ ভুলে গেছে। মনে রেখেছে শুধু এই উপকথা যে নেপোলিয়নের যুগটাই ছিল ফরাসীদের সব চেয়ে গর্বের যুগ। আর জুলিয়াস সীজারের যুগটাই ছিল রোমানদের সব চেয়ে গৌরবের যুগ। তেমনি বাংলাদেশের নাগরিকরাও মনে রাখবে এই উপকথা যে মুজিবের যুগটাই ছিল তাদের সব চেয়ে পৌরুষের যুগ। … মুজিব ছিলেন বাংলাদেশের আত্মা। তিনি রেখে গেছেন একটা ষবমবহফ। বাংলাদেশ চিরকাল সেটা স্মরণ রাখবে। ** [[অন্নদাশঙ্কর রায়]]।[https://www.kaliokalam.com/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%B0/] * ১৯৪৬ সালে ভারত ভাগের সময় তৎকালীন মুসলিম লীগ নেতা আবুল হাশেম এবং কংগ্রেস নেতা [[শরৎচন্দ্র বসু]] মিলে এই [[যুক্তবঙ্গ|স্বাধীন যুক্ত বাংলা]] গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের নেতাদের চাপে তা সফল হয়নি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাফল্য এই, তিনি বাংলাদেশের অর্ধাংশকে স্বাধীন করেছেন। কিন্তু [[বাঙালি জাতীয়তাবাদ|বাঙালি জাতীয়তাবাদের]] ভিত্তিতে তার খণ্ডিত দেশটিকে গড়ে তোলার আগেই তাকে হত্যা করা হয়। ** [[আবদুল গাফফার চৌধুরী]]। [https://samakal.com/editorial-subeditorial/article/95604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8] * তারপর ছয় দফার আন্দোলনকে শেষ পর্যন্ত স্বাধীনতা আন্দোলনে পরিণত করায় বঙ্গবন্ধু আজ বিশ শতকের শ্রেষ্ঠ বাঙালি। কিন্তু [[যুক্তবঙ্গ|যে স্বাধীন বাংলার]] কল্পনা তার মনে ছিল তা আজ পর্যন্ত পূর্ণ হয়নি। পূর্ব পাকিস্তানে অনবরত [[সাম্প্রদায়িকতা|সাম্প্রদায়িক]] দাঙ্গা-হাঙ্গামা দেখে [[পশ্চিমবঙ্গ]] ও [[আসাম|আসামের]] বাঙালিদের মনে ভয় ঢুকে গেছে এবং তারাও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামায় রত হয়েছে। ** আবদুল গাফফার চৌধুরী। [https://samakal.com/editorial-subeditorial/article/95604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8] {{কবিতা |মূল =রাজভয় আর কারাশৃঙ্কল হেলায় করেছ জয়। ফাঁসির মঞ্চে-মহত্ব তব কখনো হয়নি ক্ষয়। বাঙলাদেশের মুকুটবিহীন তুমি প্রমুর্ত রাজ, প্রতি বাঙালীর হৃদয়ে হৃদয়ে তোমার তক্ত-তাজ। তোমার একটি আঙ্গুল হেলনে অচল যে সরকার। অফিসে অফিসে তালা লেগে গেছে-স্তব্ধ হুকুমদার। এই বাঙলায় শুনেছি আমরা সকল করিয়া ত্যাগ, সন্ন্যাসী বেশে দেশ-বন্ধুর শান্ত-মধুর ডাক। শুনেছি আমরা [[মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী|গান্ধীর]] বাণী-জীবন করিয়া দান, মিলাতে পারেনি প্রেম-বন্ধনে [[হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক|হিন্দু-মুসলমান]]। তারা যা পারেনি তুমি তা করেছ, ধর্মে ধর্মে আর, জাতিতে জাতিতে ভুলিয়াছে ভেদ সন্তান বাঙলার। |উৎস = "ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে" - [[জসীম উদ্‌দীন]], প্রথম সংস্করণ: ২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮, সংস্করণ: দ্বিতীয়, প্রকাশক: পলাশ প্রকাশনী, "বঙ্গ-বন্ধু" কবিতার অংশ, পৃষ্ঠা:১০ }} * '''বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে দুইবার স্বাধীন করেছেন। একবার পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে। আরেকবার [[ভারত|ভারতের]] সেনাবাহিনীকে বাংলদেশ থেকে নিয়ে যেতে বলে।''' এটা আরেকটা স্বাধীনতার সমান। [[জিয়াউর রহমান|জিয়া]] স্বাধীনতাযুদ্ধে যা-ই করুক না কেন, বঙ্গবন্ধু দেশে না এলে ইন্ডিয়ান আর্মিদের তাড়াতে পারত না। সে নিজেই বিদেশে পালিয়ে যেত। ** [[আবদুল গাফফার চৌধুরী]], ২০১৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায়। [https://web.archive.org/web/20251220100710/https://www.prothomalo.com/politics/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E2%80%98%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E2%80%99-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80] * বাঙলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধে পৌঁছে দিয়েছিলেন মুজিব, বন্দী থেকেও তিনিই নিয়ন্ত্রণ করছিলেন মুক্তিযুদ্ধকে, তিনিই সৃষ্টি ক'রে চলছিলেন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। মুজিবকে আমরা প্রচণ্ড সমালোচনা করতে পারি, তিনি সমালোচনার উর্ধ্বে নন, অনেক সীমাবদ্ধতা তাঁর ছিলো; কয়েক দশক ধ'রে তো কোটি কোটি বামন প্রাণভ'রে তাঁর সমালোচনা করছে। কিন্তু সত্য হচ্ছে তিনি মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক, বাঙলাদেশের মহাস্থপতি। '''মুজিব ছাড়া হাজার হাজার [[জিয়াউর রহমান|জিয়া]] বা অন্য কেউ মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিলেও মুক্তিযুদ্ধ ঘটতো না, তখন সেটা হতো হাস্যকর হঠকারিতা ও পরিণতিতে শোকাবহ; মুক্তিযোদ্ধারা এগিয়ে আসতো না, এবং বিশ্ব আমাদের পক্ষ নিতো না, সাড়া দিতো না। এটা ঘটেছিলো মুজিবের জন্যেই।''' মুজিব বাঙলাদেশের স্থপতি, মহাস্থপতি; তিনি সৃষ্টি ক'রে চলছিলেন বাঙলাদেশ। তাঁকে ছাড়া বাঙলাদেশের কথা ভাবাই যায় না। ** [[হুমায়ুন আজাদ]]। ''আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম'', প্রকাশক: আগামী প্রকাশনী, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০০৬, পৃষ্ঠা: ৩০-৩১ * সবাইকে মহান স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা। ফ্যাক্ট: স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিতর্কের একটি কারণ হচ্ছে আমরা আমাদের ইতিহাসকে যে যার মত করে ব্যবহার করেছি নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য। ফ্যাক্ট: আমাদের স্বাধীনতা এসেছে একটি রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এবং সেই মুক্তিযুদ্ধের আগে ২৩ বছরের একটি স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে যার রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধুই ছিলেন মানুষের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক। ফ্যাক্ট: ২৫শে মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন, কিন্তু গ্রেফতারের পূর্বে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রে সাক্ষর করেননি এবং তাজউদ্দীন আহমদের নিয়ে যাওয়া টেইপ রেকর্ডারে ঘোষণা দিতে রাজি হননি। এর ফলে সাময়িক ভাবে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয় এবং পুরো জাতি দিশেহারা হয়ে পরে। এমতাবস্থায় মেজর জিয়াউর রহমান নিজ উদ্যোগে নিজের নামে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং পরবর্তীতে আরেকবার ঘোষণা সংশোধন করে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণা দেন। মেজর জিয়াউর রহমানের কন্ঠে স্বাধীনতার ঘোষণা সকলকে অনুপ্রাণিত করে। পাশাপাশি এম এ হান্নান সহ কয়েকজন ঘোষণা দেন কিন্তু মেজর জিয়াউর রহমান এর ঘোষণা অনেক বেশি মানুষের কাছে পৌঁছায় আর তিনি সামরিক অফিসার হবার কারণে ভিন্ন তাৎপর্য বহন করে বিশেষ করে বাঙালি সেনা, ই পি আর সেনা এবং পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের জন্য। এরই ধারাবাহিকতায় তাজউদ্দীন আহমদ এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন হয় ১০ই এপ্রিল ১৯৭১ এবং শপথ নেয় ১৭ই এপ্রিল ১৯৭১। এই সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্বেই সামরিক যুদ্ধ, কূটনীতি, প্রশাসন সহ সকল কার্যকলাপ পরিচালিত হয় এবং দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা আমাদের স্বাধীনতা অর্জন করি ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১। ** {{w|সোহেল তাজ}}, ২৬ মার্চ ২০২৫, ফেসবুক পোস্টে [https://www.dailyjanakantha.com/national/news/786565] * বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান লাভ করেছে। এ বিষয়ে তার অবদানকে অস্বীকার করার সাধ্য কারো নেই। ভারতের সরাসরি হস্তক্ষেপে যে পদ্ধতিতে দেশটি স্বাধীন হয়েছে আমার ধারণা যে, তিনি এভাবে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করার পরিকল্পনা করেননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ক্রমান্বয়ে বাংলাদেশকে পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে বিচ্ছিন্ন করতে অবশ্যই সচেষ্ট হতেন। সে উদ্দেশ্যেই তিনি ‘৭০ সালেই পূর্ব-পাকিস্তানের বদলে বাংলাদেশ নামকরণ করেন। তাই '''স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধান স্থপতি হিসেবে ইতিহাস [[শেখ মুজিবুর রহমান]]কেই স্বীকৃতি দেবে'''। ** [[গোলাম আযম]], জীবনে যা দেখলাম, কামিয়াব প্রকাশন লিমিটেড, প্রথম প্রকাশ: মে, ২০০৭, ৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা নং ১৮৩ *মুজিব কিসের জাতির পিতা? এ দেশের জনগণ দুবার তাঁর (মুজিব) বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁকে হত্যা করার পর একজন লোকও তাঁর পক্ষে রাস্তায় আসেনি। স্বাধীনতার পর সাড়ে তিন বছরে শেখ মুজিব কী করলেন, যাঁর জন্য মানুষ এটা করল, তা হিসাব করতে হবে। তাঁর আসল পরিচয় পাওয়া যায় যখন ক্ষমতায় আসেন। তখন এই দেশের জনগণকে তিনি কী দিয়েছেন? তারপর গত ৫ আগস্ট (২০২৪ সালের ৫ আগস্ট) সারা দেশের জনগণ শেখ মুজিবের মূর্তি ভেঙে ফেলল। তাঁর বাড়িতে আগুন দিল। এটা শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে একটা রায়। **'জুলাই গণঅভ্যুত্থান: জনগণের হাতে ক্ষমতা চাই, জনগণের সরকার-সংবিধান-রাষ্ট্র চাই’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে [[বদরুদ্দীন উমর]], ১৯ অক্টোবর,২০২৫ [https://www.bssnews.net/bangla/national/157519] * ২৫ জানুয়ারি বাকশাল প্রতিষ্ঠা দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান দেশে একদলীয় বাকশাল শাসন-পদ্ধতি কায়েম করেন। সংসদে কোনো আলোচনা বা বিতর্কের সুযোগ না দিয়ে মাত্র ১১ মিনিটে একটি বিল পাশের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সংবিধানের মৌলিক রদবদল করা হয়। এটি চতুর্থ সংশোধনী নামে পরিচিত। [...] এই পরিবর্তনে দেশে একটি মাত্র দল বাকশাল ছাড়া সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হয়। এই বাকশালকে জাতীয় দল বলে উল্লেখ করা হয়। [...]<br><br>'''বাকশাল ব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ অবাধ নির্বাচন ব্যবস্থা এবং নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের পদ্ধতিও বিলুপ্ত হয়ে যায়।''' মিলিটারি, পুলিশ, বিডিআর, আমলাতন্ত্রের লোকদেরও বাধ্যতামূলকভাবে বাকশাল সদস্য করা হয়। জেলায় জেলায় একদলীয় বাকশাল মনোনীত ব্যক্তিকে গভর্নর পদে বসিয়ে নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থা চালু হয়। জনগণের নাগরিক স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রহিত করা হয়। সব সংবাদপত্র নিষিদ্ধ করে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত কেবল চারটি মাত্র দৈনিক পত্রিকা প্রকাশের ব্যবস্থা করা হয়। বাকশালে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানানো সাংবাদিকদের চাকরি চলে যায়। ** মারুফ কামাল খান সোহেল, সাবেক প্রধানমন্ত্রী [[:w:খালেদা জিয়া|খালেদা জিয়ার]] সাবেক প্রেস সচিব, ২৫ জানুয়ারি ২০২৫; [https://www.jugantor.com/viewers-opinion/908221 মুজিবের নাকি হাসিনার অঘোষিত বাকশাল বেশি ভয়ঙ্কর?] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী}} [[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২০-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মুসলিম লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতির জনক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:রাষ্ট্রপ্রধান]] [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক নেতা]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি জাতীয়তাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমান]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] t9ix43c5iu05gvq6ktq0txjih1cwgmi ব্যবহারকারী আলাপ:খাত্তাব হাসান 3 735 83847 83780 2026-07-03T04:38:36Z খাত্তাব হাসান 7 Warned: Spam/Advertising ([[উইকিউক্তি:টুলবক্স|টুলবক্স]] ব্যবহার করে) 83847 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত== সুপ্রিয়, খাত্তাব হাসান, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! [[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:১৬, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == গ্যাজেট == ইন্টারফেস প্রশাসক অধিকার পাবার পর এই গ্যাজেটগুলো তৈরি করিয়েন: প্রথমে [[:w:মিডিয়াউইকি:Gadgets-definition]] থেকে সংজ্ঞা নিয়ে [[মিডিয়াউইকি:Gadgets-definition]] পাতা তৈরি করিয়েন। সব গ্যাজেট আনার দরকার নেই, কেবল উইকিউক্তিতে কাজে লাগবে এমনগুলো আনলেই হবে। * HotCat * sompadonasarangsho * Navigation_popups * purgetab * exlinks * edittop সংজ্ঞা পাতা তৈরির পর কোডের পাতা তৈরি করেন। আপনি কোড [[:w:মিডিয়াউইকি:Gadget-গ্যাজেটের নাম]]-এ পাবেন। যেমন [[:w:মিডিয়াউইকি:Gadget-HotCat.js]]। কোড কপি-পেস্ট করলেই চলবে, আপনাকে কিছু পরিবর্তন করতে হবে না। আর [[:w:voy:মিডিয়াউইকি:Gadgets-definition]] থেকে URLShortener আনিয়েন। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:১৮, ২০ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :আর [[:w:মিডিয়াউইকি:Edittools]] আনিয়েন। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:২২, ২০ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে ইনশাআল্লাহ। আমার মাথায় ছিল বিষয়টা, তবুও আপনি বলে দেয়ায় সুবিধা হল। {{ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/স্বাক্ষর}} ০৩:১৯, ২১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] আমি আপাতত এগুলো আনলাম। ইউটিসি ঘড়ি ইত্যাদি পরে আনব। আহ! আমার মেনশন আপনার নোটিফিকেশনে পৌঁছাচ্ছে? ‍~ {{পতাকা আইকন চিত্র|BarbarosSancagi.svg}} [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] <sup>([[ব্যবহারকারী আলাপ:খাত্তাব হাসান|বার্তা]] - [[বিশেষ:অবদান/খাত্তাব হাসান|অবদান]])</sup> ১৬:০২, ২৩ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) ::হ্যাঁ, এবার বিজ্ঞপ্তি পেয়েছি। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৬:৫৬, ২৩ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :::বাংলা উইকি থেকে এই দুই পাতা এনে তৈরি করে দেন: :::* [[মিডিয়াউইকি:Scribunto-doc-page-show]] :::* [[মিডিয়াউইকি:Scribunto-doc-page-header]] :::[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২৩:১৩, ২৩ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :::[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7:%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97?prefix=Category+handler&namespace=828 এই সবগুলি] ও [https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7:%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97?prefix=Message+box&namespace=828 এই সবগুলি] মুছে ফেলেন। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২৩:৩৪, ২৩ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] যেহুতু উক্তি প্রতিযোগিতা চলছে তাই বর্তমানে অনেক ধ্বংস প্রবণতা, অপব্যাবহার,অর্থহীন নিবন্ধ দেখা যেতে যা ম্যানুয়ালি অপসারণ অনুরোধ করা কঠিন তাই টুইঙ্কেল মডিউল টা যদি এই উইকিতে আনা হতো তবে রিপোর্ট করতে সুবিধা হতো। [[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rifat008|আলাপ]]) ০৭:৫৩, ২ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] টুইংকল আমরা হিসেব করেই আনিনি। এরচেয়ে গ্লোবাল টুইংকল ব্যবহার করতে পারেন অথবা [[বিশেষ:আমার পাতা/common.js|এই পাতায়]] নিচের লাইনটুকু যুক্ত করলে কয়েকটা অপশন দেখতে পাবেন: :::::<code>mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/GadgetPreview.js&action=raw&ctype=text/javascript');</code> ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৯:১৭, ২ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::::::[[MediaWiki:Scribunto-doc-page-does-not-exist]] ::::::বাংলা উইকির অনুরূপে এই পর তৈরি করে দেন ::::::[[w:bn:MediaWiki:Scribunto-doc-page-does-not-exist]] [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১১:৩২, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) == Need your input on a policy impacting gadgets and UserJS == <div lang="en" dir="ltr" class="mw-content-ltr"> Dear interface administrator, This is Samuel from the Security team and I hope my message finds you well. There is an [[m:Talk:Third-party resources policy|ongoing discussion]] on a proposed policy governing the use of external resources in gadgets and UserJS. The proposed [[m:Special:MyLanguage/Third-party resources policy|Third-party resources policy]] aims at making the UserJS and Gadgets landscape a bit safer by encouraging best practices around external resources. After an initial non-public conversation with a small number of interface admins and staff, we've launched a much larger, public consultation to get a wider pool of feedback for improving the policy proposal. Based on the ideas received so far, the proposed policy now includes some of the risks related to user scripts and gadgets loading third-party resources, best practices for gadgets and UserJS developers, and exemptions requirements such as code transparency and inspectability. As an interface administrator, your feedback and suggestions are warmly welcome until July 17, 2023 on the [[m:Talk:Third-party resources policy|policy talk page]]. Have a great day!</div> <bdi lang="en" dir="ltr">[[m:User:Samuel (WMF)|Samuel (WMF)]], on behalf of the Foundation's Security team</bdi> ২৩:০২, ৭ জুলাই ২০২৩ (ইউটিসি) <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:Samuel_(WMF)/IAdmins_MassMessage_list_1&oldid=25272788-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Samuel (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন --> == অ্যাকাউন্টের জন্য অনুরোধ == [[উইকিউক্তি:অ্যাকাউন্টের জন্য অনুরোধ]] পাতাটি সম্ভবত মিডিয়াউইকির লগইন বা অ্যাকাউন্ট তৈরি পাতায় সংযুক্ত (নিশ্চিত নই)। তাই [[:w:উইকিপিডিয়া:অ্যাকাউন্টের জন্য অনুরোধ]] পাতার মতো accounts.wmflabs.org সাইটের লিংক দিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত পাতা তৈরি করে রাখতে পারেন। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ২৩:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :বুঝতে পারলাম, ক্যাপচায় সমস্যা করলে এই পাতায় পাঠাচ্ছে। আমি ঐ পাতায় সংযুক্ত করে দিলাম। কিন্তু এ কী! সেখানে তো শুধু উইকিপিডিয়ায় ফিরে যাওয়ার সংযোগ রয়েছে। উইকিউক্তির অবদানকারীরা কেবলই উইকিপিডিয়ায় যাবে কেন, সেটাও ইংরেজি উইকিপিডিয়ায়? ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০০:২৩, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::একদম ফিরিয়ে দেওয়ার থেকে তো ভালো! এই সরঞ্জামে আমার পূর্ণ অ্যাক্সেস আছে। সে হিসেবে বলতে পারি, বাংলাদেশ/ভারত থেকে বেশ ভালো পরিমাণ অনুরোধ ওখানে যায়। এ বিবেচনায় বাংলা প্রকল্পের জন্যও এই সরঞ্জাম চালু করা যায়। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ০০:০৪, ৭ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় খাত্তাব হাসান, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি == সুপ্রিয় খাত্তাব হাসান, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]): * যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন। * যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৩, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == সূত্র তালিকা == বাংলা উইকিউক্তিতে {{tl|সূত্র তালিকা}} ব্যবহার করা হয় না কেনো? [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৬:২৩, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আলোচনাসভায় একসময়ে আলোচনা হয়েছিলো। দেখুন: [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা/সংগ্রহশালা/২০২২#ফরম্যাট_প্রসঙ্গ]]। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১২:২৫, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) ::ভাই {{tl|নথি}} পাতায় আমি যে কালার দিয়েছি, দেখেন তো সেটা মানানসই কিনা উইকিউক্তির সাথে। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১৩:১৮, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) ::এবং [[MediaWiki:Scribunto-doc-page-does-not-exist]] :::বাংলা উইকির অনুরূপে এই পাতাটি তৈরি করে দিয়েন :::[[w:bn:MediaWiki:Scribunto-doc-page-does-not-exist]] [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১১:৩২, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] রঙটা গাঢ় হয়ে গিয়েছে। একই রঙের একটু হালকা করে দিতে পারেন। আমার কোনো সমস্যা নেই। বিতর্ক সৃষ্টি হলে আমরা হয়তো আলোচনা করবো। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:৩৭, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আর মিডিয়াউইকি পাতাটি তৈরি করেছি। আপনার অবদানের জন্য ধন্যবাদ। এভাবে অবদান রেখে যাওয়ার অনুরোধ। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:৪৪, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) ::::হালকা করলে কিছু বক্সের সাদা কিংবা ধূসর border দেখা যায় না কিংবা চোখে লাগে তাই এইটা দিয়েছি। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০১:৫৯, ৩০ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আপনার কাজটা ভালো ছিলো, কিন্তু ডার্ক মোড ও ফন্টের সমস্যা খুব বেশি সমস্যা করছিলো। তার জন্য রিভার্ট ও ইম্পোর্ট ইত্যাদি করেছি। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২৩:৫৭, ১০ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) ::::::দেখেন তো ডার্ক মোডে color টা কি চলবে। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৯:২৮, ১১ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]], [https://i.imgur.com/ZZ2FmMa.png সীমানার কালো অংশ] বেশী গাঢ় দেখাচ্ছে। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৭:২০, ১১ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] এখন [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০২:৩২, ১২ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) == উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫ == আসসালামুয়ালাইকুম ভাই, আমি [[মুহাম্মাদ]] নিবন্ধের মান উন্নয়ন করেছি। তবে, জমা দিতে পারছিনা। দয়া করে আমাকে সাহায্য করুন। {{আপনাকে ধন্যবাদ}} [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৫:১৩, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ওয়াআলাইকুমুস সালাম ওয়ারহমাতুল্লাহ ভাই। ভুক্তিটি উন্নয়ন করার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুসারে প্রতিযোগিতা শুরু হবার পরে সৃষ্টিকৃত ভুক্তিগুলিই কেবল জমা দেয়া যাবে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:৩৭, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::আন্তর্জাতিক নিয়মে তো উন্নয়নের কথাও আছে। [[m:Wiki Loves Ramadan 2025/Rules]] এ দ্রষ্টব্য। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৫:৫১, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] সেটা বৈশ্বিক নিয়ম, কোনো কোনো প্রকল্প শুধু মানোন্নয়নকে হাতে নিয়েছে; কোনো প্রকল্প নতুন ভুক্তি তৈরিকে হাতে নিয়েছে, কোনো প্রকল্প উভয়টাই হাতে নিয়েছে। যেহেতু বাংলা উইকিউক্তি নতুন প্রকল্প, তাই এখানে মানোন্নয়ন প্রতিযোগিতা উপযুক্ত হয়না। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৬:৪৯, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আচ্ছা ভাই, আর [[উইকিউক্তি:অধিকারের আবেদন]] টাও একটু দেখবেন। ওখানে আমার একটা আবেদন আছে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ১০:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == Mediawiki Gadget == [[w:মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize.js]] & মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize.css কে এই উইকিতে ইনস্টল করার অনুরোধ করছি। এইখানে মুল [[W:মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize]] । @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৪:৩৯, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, জবাব দিলে ভালো হয়। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৬:২১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] এসব প্রস্তাব আলোচনাসভার মাধ্যমে আনুন, আর প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরুন। আমি এই গ্যাজেটের সাধারণভাবে প্রয়োজনীয়তা দেখতে পাচ্ছিনা। একান্তই ব্যক্তিগতভাবে আপনি নিজে ব্যবহার করতে [[Special:MyPage/common.js|আপনার কমন্স.জেএস পাতায়]] যুক্ত করুন: ::<code>mw.loader.load('//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize.js&action=raw&ctype=text/javascript');<br>mw.loader.load('//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize.css&action=raw&ctype=text/css', 'text/css');</code> ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৬:৫৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == নিবন্ধ জমা দেওয়া যাচ্ছে না == প্রিয় ভাই, উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫ এর জন্য [[আদম]] ও [[ফাতিমা]] এই দুটি নিবন্ধ ১০ এপ্রিল তৈরি করেছিলাম। কিন্তু এই নিবন্ধগুলো যখন জমা দেওয়ার চেষ্টা করেছি তখন এগুলো জমা নিচ্ছে না। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে এগুলো ৯ এপ্রিল তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এগুলো ১০ এপ্রিল তৈরি করেছিলাম। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১৮:৫৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] এখন চেষ্টা করুন ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৯:১১, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১৯:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == Notice of expiration of your interface-admin right == <div dir="ltr">Hi, as part of [[:m:Special:MyLanguage/Global reminder bot|Global reminder bot]], this is an automated reminder to let you know that your permission "interface-admin" (ইন্টারফেস প্রশাসক) will expire on 2025-04-22 11:22:00. Please renew this right if you would like to continue using it. <i>In other languages: [[:m:Special:MyLanguage/Global reminder bot/Messages/default|click here]]</i> [[ব্যবহারকারী:Leaderbot|Leaderbot]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Leaderbot|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)</div> == Notice of expiration of your sysop right == <div dir="ltr">Hi, as part of [[:m:Special:MyLanguage/Global reminder bot|Global reminder bot]], this is an automated reminder to let you know that your permission "sysop" (প্রশাসক) will expire on 2025-04-22 11:22:00. Please renew this right if you would like to continue using it. <i>In other languages: [[:m:Special:MyLanguage/Global reminder bot/Messages/default|click here]]</i> [[ব্যবহারকারী:Leaderbot|Leaderbot]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Leaderbot|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)</div> == Reminder: Submit Your Local Results for Wiki Loves Ramadan 2025 by 15 May == Dear খাত্তাব হাসান, Thank you for your valuable contributions to '''Wiki Loves Ramadan 2025''' in your communities! This is a kind reminder that the '''deadline to submit your local results is 15 May 2025'''. Please make sure to submit the '''complete and detailed results''' of your local contest on the following Meta-Wiki page: '''[[m:Wiki Loves Ramadan 2025/Results]]''' Additionally, feel free to add a brief summary of your local event under the '''Results''' section in your country/region’s row on the participants page: '''[[m:Wiki Loves Ramadan 2025/Participants]]''' If you need any assistance during this process, don’t hesitate to reach out. Thank you for your continued dedication and support! For, Wiki Loves Ramadan International Team ১১:৫১, ২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:ZI_Jony/MassMessage/WLR/List/Local_organizers&oldid=28651179-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:ZI Jony@metawiki পাঠিয়েছেন --> == উইকি রমজান ভালবাসে নিবন্ধ প্রতিযোগিতা সম্পর্কিত == @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই,জমাকৃত কয়েকটি ভুক্তি দুইবার জমা হয়েছে।উদাহরণ হিসেবে [[ইসলাম ধর্মে দাসত্ব]] ভুক্তিটির কথা উল্লেখ করা যায়।এ ভুক্তিটি দুইবার জমা হয়েছে। এছাড়াও আরো কয়েকটি ভুক্তি দুইবার জমা হয়েছে। বিষয়টি দেখার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৮:২৮, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উইকি রমজান ভালোবাসে প্রতিযোগিতা নিবন্ধ পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]]<nowiki/>ভাই,আসসালামু আলাইকুম। [[মোহামেদ নাশিদ]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৭:২৬, ১০ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ভাই, আমরা সময়ের সংক্ষিপ্ততার জন্য কাউকে দ্বিতীয় সুযোগ দিতে পারছিনা। পাশাপাশি, এখনও আপনার অনুবাদের অনেক কথাই বুঝিনি। নিচের কথার কী অর্থ, এবং এর সাথে উক্তির কী সম্পর্ক বুঝতে পারছিনা: :<blockquote>ফেব্রুয়ারীতে, ভারত এবং পাকিস্তান সকল বিষয়ে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করতে সম্মত হন। মে মাসে, ভারতীয় সংসদ সদস্যরা শান্তির লক্ষ্যে ইসলামাবাদ সফর করেন। জুলাই মাসে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী রব্বানী খার নয়াদিল্লি সফর করেন। এক মাস পরে, উভয় দেশের সংসদ সদস্যরা আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য ভারতে মিলিত হন। "সেপ্টেম্বরে, পাকিস্তান ও ভারতের রেলওয়ে কর্মকর্তারা যোগাযোগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করার জন্য বৈঠক করেছিলেন," তিনি আদ্দুতে আট সদস্যের আঞ্চলিক শীর্ষ সম্মেলনে বলেন। এবং গত কয়েকদিনে, পাকিস্তান ভারতকে সর্বাধিক পছন্দের জাতির মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নত করেছে। আজ, পাকিস্তান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীরা মালদ্বীপের শাংরি লা-এর মনোরম পরিবেশে মিলিত হয়েছেন।</blockquote> :যাইহোক, পরবর্তী প্রতিযোগিতাগুলিতে বিষয়গুলি খেয়াল রাখার অনুরোধ। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৮:৪০, ১০ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == Md Mobashir Hossain স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক == আজ [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]]-কে আপনি উইকিউক্তিতে বাধা প্রদান করেছেন। উইকিউক্তিতে তার স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক অধিকারটি রয়েছে। সেটিও অপসারণ করা উচিত। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৫:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == Final Reminder – Submit Full Local Results for Wiki Loves Ramadan 2025 by 15 May EOD == Dear খাত্তাব হাসান, This is a final reminder that the deadline to submit your '''full and detailed local results''' for '''Wiki Loves Ramadan 2025''' is '''15 May 2025''' EOD. Please ensure you complete the following as soon as possible: * Submit your full results on Meta-Wiki here: '''[[m:Wiki Loves Ramadan 2025/Results]]''' * Add a brief summary of your local event under the "Results" column on: '''[[Wiki Loves Ramadan 2025/Participants]]''' Failure to submit by the deadline may result in exclusion from the international jury consideration. If you need help or encounter any issues, feel free to contact the international team. Thank you once again for your dedication and hard work! ''Warm regards,''<br/> '''Wiki Loves Ramadan International Team''', ০২:৩৯, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:ZI_Jony/MassMessage/WLR/List/Local_organizers&oldid=28651179-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:ZI Jony@metawiki পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == নিবন্ধের নাম পরিবর্তন == [[আবু বকর আল-কালাবধি]] ভুক্তিটিকে আবু বকর কালাবাযি নামে স্থানান্তরিত করার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৬:০৯, ২৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == What was wrong with my biography..? == Please tell me what harm I have done to you. You have removed my '''biography'''. [[ব্যবহারকারী:ShohagHasanOffical|ShohagHasanOffical]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ShohagHasanOffical|আলাপ]]) ১৬:৫৫, ৬ জানুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি) == অপসারণ প্রস্তাবনা বিষয় == @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, আপনার [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/অপসারণ প্রস্তাবনা.js]] কি অপসারণ কাজে ব্যবহার করা যাবে?? তড়িৎ পদক্ষেপ ভালোভাবে কাজ করছে না। অনেক নিবন্ধ ম্যানুয়ালি অপসারণ প্রস্তাবনা যোগ করতে হচ্ছে। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৭:৩৭, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:JIBON|JIBON]] ভাই, অপসারণ প্রস্তাবনা তো ভিন্ন জিনিস। আমি দেখি, ওটাকে কীভাবে উন্নয়ন করতে পারি। আমি কালকের মধ্যে জানাচ্ছি। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:০১, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, আশা রাখব খুব দ্রুত উন্নয়ন করবেন। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৮:০৪, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:JIBON|JIBON]] আপনি কোন স্ক্রিপ্টটা ব্যবহার করছেন? লিঙ্ক দিবেন অনুগ্রহ করে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:০৭, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, আপনার আলাপ পাতায় গ্যাজেট নামক আলাপে আপনার লেখা একটি কোড ছিল সেটি ব্যবহার করে তড়িৎ পদক্ষেপ নামক সরঞ্জাম এসেছে কিন্তু ঠিকভাবে কাজ করছে না। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৮:১০, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:JIBON|JIBON]] আগের দুইটা বাদ দিয়ে [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/bnwq-tools.js]] এটা ইনস্টল করে নিন। আমি এর পূর্ণাঙ্গ ম্যানুয়াল পরবর্তীতে [[উইকিউক্তি:টুলবক্স]] পাতায় আপলোড করবো ইনশাআল্লাহ। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২০:৩৯, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == You may be an eligible candidate for the U4C election == <div lang="en" dir="ltr" class="mw-content-ltr"> Greetings, The [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee|Universal Code of Conduct Coordinating Committee (U4C)]] seeks candidates for the 2026 election. The U4C is the global committee responsible for overseeing enforcement of the [[foundation:Special:MyLanguage/Policy:Universal Code of Conduct|Universal Code of Conduct]]. Elections are held annually, if elected a committee member serves for two years. This year the U4C requires candidates to hold administrator rights on at least one wiki, which is why you are being contacted as you appear to hold this right. There are other requirements, such as candidates must be at least 18 years old and may not be employed by the Wikimedia Foundation or other related chapters and affiliates. You can find more information in the [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee/Election/2026#Call_for_Candidates|call for candidates on Meta-wiki]]. Additionally, the committee's working language is English; some ability to communicate in English is required. The election opens on 18 May, if you are eligible and interested you have until 10 May to submit your candidacy. There will week between for candidates to answer questions from the community. Voting takes place privately in [[m:Special:MyLanguage/SecurePoll|SecurePoll]], successful candidates must receive at least 60% support. More information is available on [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee/Election/2026|the 2026 Elections page]], including timelines and other candidacy information. If you read over the material and consider yourself qualified, please consider submitting your name to run for the committee. If you think someone else in your community might be interested and qualified, please encourage them to run. In partnership with the U4C -- [[m:User:Keegan (WMF)|Keegan (WMF)]] ([[m:User_talk:Keegan (WMF)|talk]]) ১৮:৩০, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) </div> <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:Keegan_(WMF)/test&oldid=30471712-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Keegan (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন --> == বর্ণানুক্রমিক বিন্যাস == [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] নিবন্ধ থেকে বর্ণানুক্রমিক বিন্যাস কাটবেন না। পুনরায় সংশোধন করার অনুরোধ। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১৭:০৩, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] বর্ণাণুক্রমিক হওয়ার থেকে নীতিমালা অনুসরণ করা অধিক প্রয়োজনীয়। অনুগ্রহ করে অন্য কেউ কাজ করার সময়ে এই ধরনের সম্পাদনা করে সম্পাদনা দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করবেন না। আমি কাজ শেষ করেছি, আপনি এখন কাজ করতে পারেন। ধন্যবাদ! ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৭:০৮, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]], ::আচ্ছা ঠিক আছে। শুধু বিন্যাসটি খেয়াল রাখবেন। আর 'সম্পাদনা দ্বন্দ্ব'-টা ডিক্শনারী থেকে নাই করে দিলাম! ধন্যবাদ!! [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১৭:৩০, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি) == প্রশ্ন == আসসালামু আলাইকুম, কাপুদান পাশা ভাই, [https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8&diff=prev&oldid=83751 এই] সংস্করণটি অপসারণ করলেন কেন? সেই সাথে ব্যবহারকারীকে বাধা দান করলেন দেখলাম। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১৩:৫৮, ১৩ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :দীর্ঘমেয়াদী অপব্যবহারকারী। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:৩৪, ১৩ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::তবে তার করা সম্পাদনাটি অপসারণ করেছিলেন কেন? জানতে চাই। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:৩৩, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ওটাই বলেছি। সম্পাদনা অপসারণ ও বাধাদানের কারণ: দীর্ঘমেয়াদী অপব্যবহারকারী। বিস্তারিত দেখুন: [[w:WP:BMB]]। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১১:৪৫, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ওহ বুঝলুম। তবে অন্যকেউ যুক্ত করে দিতে পারবে? [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:৪৮, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] একই উৎস বা একই প্যাটার্ন থেকে পুনঃসংযোজন করা হলে সেটি মিটপাপেট্রি বা দীর্ঘমেয়াদি অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, তাই এখনই পুনরায় যুক্ত করা ঠিক হবে না। :::::এছাড়া বিষয়বস্তু যুক্ত করার ক্ষেত্রে উইকির সাধারণ মানদণ্ড অনুসরণ করা প্রয়োজন, যেমন উল্লেখযোগ্যতা ও নির্ভরযোগ্য উৎস। বিশেষ কোনো ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি বা মতের ভিত্তিতে বিষয়বস্তু নির্বাচন না করে, আলোচিত, গুরুত্বপূর্ণ এবং যাচাইযোগ্য তথ্যই সাধারণত অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আশা করি, বুঝাতে পেরেছি। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১১:৫৫, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::ঠিক আছে। অন্য বিষয়বস্তু যুক্ত করা যাবে। ধন্যবাদ, [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:৫৯, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::[[ ২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] নিবন্ধে ট্যাগটি কি থাকার আর প্রয়োজন আছে ভাই? [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১২:১৪, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::[[আলাপ:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন#নিরপেক্ষতা ট্যাগ যুক্ত করার কারণ]] দেখুন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১২:৩৩, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::জী ভাই, সেটা তো জানিই। তবে এগুলো তো আলাপ পাতায় সরানো হয়েছে। এরপর আমি তথ্যসূত্র যুক্ত উক্তি যোগ করেছি। সেজন্য এখন তো আর কোনো বিতর্ক আছে বলে মনে হয়না। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১২:৩৮, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনি আমার আলোচনাটা দেখেননি। যেগুলো সরানো হয়েছে ওগুলোর জন্য নিরপেক্ষতা সমস্যা নয়, তথ্যসূত্র না থাকার সমস্যা। নিরপেক্ষতা হচ্ছে, কোনো কিছু প্রমাণের চেষ্টা করা বা একপেশে হয়ে লেখা। এখানে প্রয়োজনের বাইরে অনেক কিছু পক্ষপাতিত্ব হিসেবে যুক্ত হয়েছে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১২:৫৪, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::আরেকটা প্রশ্ন, বাংলা উইকিপিডিয়াতে টপিকব্যান থাকলে কী এর সহপ্রকল্পগুলোতে সেই টপিকের উপর কাজ করা যাবে?? @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ০৮:০৮, ১৫ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এক উইকির ব্যান অন্য উইকিতে সাধারণত প্রয়োগ হয়না, যদি না ফাউন্ডেশন ব্যান বা আচরণগত কোনো সমস্যা না থাকে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৫:৫৮, ১৫ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::::ওহ, এই বিষয়ে অভিহিত করার জন্য ধন্যবাদ। কোনো ভ্রান্তি হলে তার ওপর আলোকপাত করার বিনীত প্রত্যাশা কামনা করছি। এতোগুলো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আবারো ধন্যবাদ। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১৬:৫৯, ১৫ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) == Spam Warning == Hello! Welcome to Wikiquote. Wikiquote is not a place for advertising. Please refrain from adding promotional content. ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৪:৩৮, ৩ জুলাই ২০২৬ (ইউটিসি) a35gyyxikwovv8dgoxd8h159arcwucd 83848 83847 2026-07-03T04:40:55Z খাত্তাব হাসান 7 [[Special:Contributions/খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 83780 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত== সুপ্রিয়, খাত্তাব হাসান, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! [[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:১৬, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == গ্যাজেট == ইন্টারফেস প্রশাসক অধিকার পাবার পর এই গ্যাজেটগুলো তৈরি করিয়েন: প্রথমে [[:w:মিডিয়াউইকি:Gadgets-definition]] থেকে সংজ্ঞা নিয়ে [[মিডিয়াউইকি:Gadgets-definition]] পাতা তৈরি করিয়েন। সব গ্যাজেট আনার দরকার নেই, কেবল উইকিউক্তিতে কাজে লাগবে এমনগুলো আনলেই হবে। * HotCat * sompadonasarangsho * Navigation_popups * purgetab * exlinks * edittop সংজ্ঞা পাতা তৈরির পর কোডের পাতা তৈরি করেন। আপনি কোড [[:w:মিডিয়াউইকি:Gadget-গ্যাজেটের নাম]]-এ পাবেন। যেমন [[:w:মিডিয়াউইকি:Gadget-HotCat.js]]। কোড কপি-পেস্ট করলেই চলবে, আপনাকে কিছু পরিবর্তন করতে হবে না। আর [[:w:voy:মিডিয়াউইকি:Gadgets-definition]] থেকে URLShortener আনিয়েন। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:১৮, ২০ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :আর [[:w:মিডিয়াউইকি:Edittools]] আনিয়েন। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:২২, ২০ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে ইনশাআল্লাহ। আমার মাথায় ছিল বিষয়টা, তবুও আপনি বলে দেয়ায় সুবিধা হল। {{ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/স্বাক্ষর}} ০৩:১৯, ২১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] আমি আপাতত এগুলো আনলাম। ইউটিসি ঘড়ি ইত্যাদি পরে আনব। আহ! আমার মেনশন আপনার নোটিফিকেশনে পৌঁছাচ্ছে? ‍~ {{পতাকা আইকন চিত্র|BarbarosSancagi.svg}} [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] <sup>([[ব্যবহারকারী আলাপ:খাত্তাব হাসান|বার্তা]] - [[বিশেষ:অবদান/খাত্তাব হাসান|অবদান]])</sup> ১৬:০২, ২৩ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) ::হ্যাঁ, এবার বিজ্ঞপ্তি পেয়েছি। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৬:৫৬, ২৩ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :::বাংলা উইকি থেকে এই দুই পাতা এনে তৈরি করে দেন: :::* [[মিডিয়াউইকি:Scribunto-doc-page-show]] :::* [[মিডিয়াউইকি:Scribunto-doc-page-header]] :::[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২৩:১৩, ২৩ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :::[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7:%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97?prefix=Category+handler&namespace=828 এই সবগুলি] ও [https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7:%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97?prefix=Message+box&namespace=828 এই সবগুলি] মুছে ফেলেন। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২৩:৩৪, ২৩ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] যেহুতু উক্তি প্রতিযোগিতা চলছে তাই বর্তমানে অনেক ধ্বংস প্রবণতা, অপব্যাবহার,অর্থহীন নিবন্ধ দেখা যেতে যা ম্যানুয়ালি অপসারণ অনুরোধ করা কঠিন তাই টুইঙ্কেল মডিউল টা যদি এই উইকিতে আনা হতো তবে রিপোর্ট করতে সুবিধা হতো। [[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rifat008|আলাপ]]) ০৭:৫৩, ২ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] টুইংকল আমরা হিসেব করেই আনিনি। এরচেয়ে গ্লোবাল টুইংকল ব্যবহার করতে পারেন অথবা [[বিশেষ:আমার পাতা/common.js|এই পাতায়]] নিচের লাইনটুকু যুক্ত করলে কয়েকটা অপশন দেখতে পাবেন: :::::<code>mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/GadgetPreview.js&action=raw&ctype=text/javascript');</code> ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৯:১৭, ২ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::::::[[MediaWiki:Scribunto-doc-page-does-not-exist]] ::::::বাংলা উইকির অনুরূপে এই পর তৈরি করে দেন ::::::[[w:bn:MediaWiki:Scribunto-doc-page-does-not-exist]] [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১১:৩২, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) == Need your input on a policy impacting gadgets and UserJS == <div lang="en" dir="ltr" class="mw-content-ltr"> Dear interface administrator, This is Samuel from the Security team and I hope my message finds you well. There is an [[m:Talk:Third-party resources policy|ongoing discussion]] on a proposed policy governing the use of external resources in gadgets and UserJS. The proposed [[m:Special:MyLanguage/Third-party resources policy|Third-party resources policy]] aims at making the UserJS and Gadgets landscape a bit safer by encouraging best practices around external resources. After an initial non-public conversation with a small number of interface admins and staff, we've launched a much larger, public consultation to get a wider pool of feedback for improving the policy proposal. Based on the ideas received so far, the proposed policy now includes some of the risks related to user scripts and gadgets loading third-party resources, best practices for gadgets and UserJS developers, and exemptions requirements such as code transparency and inspectability. As an interface administrator, your feedback and suggestions are warmly welcome until July 17, 2023 on the [[m:Talk:Third-party resources policy|policy talk page]]. Have a great day!</div> <bdi lang="en" dir="ltr">[[m:User:Samuel (WMF)|Samuel (WMF)]], on behalf of the Foundation's Security team</bdi> ২৩:০২, ৭ জুলাই ২০২৩ (ইউটিসি) <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:Samuel_(WMF)/IAdmins_MassMessage_list_1&oldid=25272788-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Samuel (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন --> == অ্যাকাউন্টের জন্য অনুরোধ == [[উইকিউক্তি:অ্যাকাউন্টের জন্য অনুরোধ]] পাতাটি সম্ভবত মিডিয়াউইকির লগইন বা অ্যাকাউন্ট তৈরি পাতায় সংযুক্ত (নিশ্চিত নই)। তাই [[:w:উইকিপিডিয়া:অ্যাকাউন্টের জন্য অনুরোধ]] পাতার মতো accounts.wmflabs.org সাইটের লিংক দিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত পাতা তৈরি করে রাখতে পারেন। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ২৩:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :বুঝতে পারলাম, ক্যাপচায় সমস্যা করলে এই পাতায় পাঠাচ্ছে। আমি ঐ পাতায় সংযুক্ত করে দিলাম। কিন্তু এ কী! সেখানে তো শুধু উইকিপিডিয়ায় ফিরে যাওয়ার সংযোগ রয়েছে। উইকিউক্তির অবদানকারীরা কেবলই উইকিপিডিয়ায় যাবে কেন, সেটাও ইংরেজি উইকিপিডিয়ায়? ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০০:২৩, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::একদম ফিরিয়ে দেওয়ার থেকে তো ভালো! এই সরঞ্জামে আমার পূর্ণ অ্যাক্সেস আছে। সে হিসেবে বলতে পারি, বাংলাদেশ/ভারত থেকে বেশ ভালো পরিমাণ অনুরোধ ওখানে যায়। এ বিবেচনায় বাংলা প্রকল্পের জন্যও এই সরঞ্জাম চালু করা যায়। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ০০:০৪, ৭ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় খাত্তাব হাসান, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি == সুপ্রিয় খাত্তাব হাসান, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]): * যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন। * যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৩, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == সূত্র তালিকা == বাংলা উইকিউক্তিতে {{tl|সূত্র তালিকা}} ব্যবহার করা হয় না কেনো? [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৬:২৩, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আলোচনাসভায় একসময়ে আলোচনা হয়েছিলো। দেখুন: [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা/সংগ্রহশালা/২০২২#ফরম্যাট_প্রসঙ্গ]]। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১২:২৫, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) ::ভাই {{tl|নথি}} পাতায় আমি যে কালার দিয়েছি, দেখেন তো সেটা মানানসই কিনা উইকিউক্তির সাথে। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১৩:১৮, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) ::এবং [[MediaWiki:Scribunto-doc-page-does-not-exist]] :::বাংলা উইকির অনুরূপে এই পাতাটি তৈরি করে দিয়েন :::[[w:bn:MediaWiki:Scribunto-doc-page-does-not-exist]] [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১১:৩২, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] রঙটা গাঢ় হয়ে গিয়েছে। একই রঙের একটু হালকা করে দিতে পারেন। আমার কোনো সমস্যা নেই। বিতর্ক সৃষ্টি হলে আমরা হয়তো আলোচনা করবো। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:৩৭, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আর মিডিয়াউইকি পাতাটি তৈরি করেছি। আপনার অবদানের জন্য ধন্যবাদ। এভাবে অবদান রেখে যাওয়ার অনুরোধ। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:৪৪, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) ::::হালকা করলে কিছু বক্সের সাদা কিংবা ধূসর border দেখা যায় না কিংবা চোখে লাগে তাই এইটা দিয়েছি। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০১:৫৯, ৩০ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আপনার কাজটা ভালো ছিলো, কিন্তু ডার্ক মোড ও ফন্টের সমস্যা খুব বেশি সমস্যা করছিলো। তার জন্য রিভার্ট ও ইম্পোর্ট ইত্যাদি করেছি। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২৩:৫৭, ১০ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) ::::::দেখেন তো ডার্ক মোডে color টা কি চলবে। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৯:২৮, ১১ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]], [https://i.imgur.com/ZZ2FmMa.png সীমানার কালো অংশ] বেশী গাঢ় দেখাচ্ছে। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৭:২০, ১১ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] এখন [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০২:৩২, ১২ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) == উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫ == আসসালামুয়ালাইকুম ভাই, আমি [[মুহাম্মাদ]] নিবন্ধের মান উন্নয়ন করেছি। তবে, জমা দিতে পারছিনা। দয়া করে আমাকে সাহায্য করুন। {{আপনাকে ধন্যবাদ}} [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৫:১৩, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ওয়াআলাইকুমুস সালাম ওয়ারহমাতুল্লাহ ভাই। ভুক্তিটি উন্নয়ন করার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুসারে প্রতিযোগিতা শুরু হবার পরে সৃষ্টিকৃত ভুক্তিগুলিই কেবল জমা দেয়া যাবে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:৩৭, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::আন্তর্জাতিক নিয়মে তো উন্নয়নের কথাও আছে। [[m:Wiki Loves Ramadan 2025/Rules]] এ দ্রষ্টব্য। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৫:৫১, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] সেটা বৈশ্বিক নিয়ম, কোনো কোনো প্রকল্প শুধু মানোন্নয়নকে হাতে নিয়েছে; কোনো প্রকল্প নতুন ভুক্তি তৈরিকে হাতে নিয়েছে, কোনো প্রকল্প উভয়টাই হাতে নিয়েছে। যেহেতু বাংলা উইকিউক্তি নতুন প্রকল্প, তাই এখানে মানোন্নয়ন প্রতিযোগিতা উপযুক্ত হয়না। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৬:৪৯, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আচ্ছা ভাই, আর [[উইকিউক্তি:অধিকারের আবেদন]] টাও একটু দেখবেন। ওখানে আমার একটা আবেদন আছে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ১০:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == Mediawiki Gadget == [[w:মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize.js]] & মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize.css কে এই উইকিতে ইনস্টল করার অনুরোধ করছি। এইখানে মুল [[W:মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize]] । @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৪:৩৯, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, জবাব দিলে ভালো হয়। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৬:২১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] এসব প্রস্তাব আলোচনাসভার মাধ্যমে আনুন, আর প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরুন। আমি এই গ্যাজেটের সাধারণভাবে প্রয়োজনীয়তা দেখতে পাচ্ছিনা। একান্তই ব্যক্তিগতভাবে আপনি নিজে ব্যবহার করতে [[Special:MyPage/common.js|আপনার কমন্স.জেএস পাতায়]] যুক্ত করুন: ::<code>mw.loader.load('//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize.js&action=raw&ctype=text/javascript');<br>mw.loader.load('//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize.css&action=raw&ctype=text/css', 'text/css');</code> ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৬:৫৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == নিবন্ধ জমা দেওয়া যাচ্ছে না == প্রিয় ভাই, উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫ এর জন্য [[আদম]] ও [[ফাতিমা]] এই দুটি নিবন্ধ ১০ এপ্রিল তৈরি করেছিলাম। কিন্তু এই নিবন্ধগুলো যখন জমা দেওয়ার চেষ্টা করেছি তখন এগুলো জমা নিচ্ছে না। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে এগুলো ৯ এপ্রিল তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এগুলো ১০ এপ্রিল তৈরি করেছিলাম। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১৮:৫৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] এখন চেষ্টা করুন ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৯:১১, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১৯:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == Notice of expiration of your interface-admin right == <div dir="ltr">Hi, as part of [[:m:Special:MyLanguage/Global reminder bot|Global reminder bot]], this is an automated reminder to let you know that your permission "interface-admin" (ইন্টারফেস প্রশাসক) will expire on 2025-04-22 11:22:00. Please renew this right if you would like to continue using it. <i>In other languages: [[:m:Special:MyLanguage/Global reminder bot/Messages/default|click here]]</i> [[ব্যবহারকারী:Leaderbot|Leaderbot]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Leaderbot|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)</div> == Notice of expiration of your sysop right == <div dir="ltr">Hi, as part of [[:m:Special:MyLanguage/Global reminder bot|Global reminder bot]], this is an automated reminder to let you know that your permission "sysop" (প্রশাসক) will expire on 2025-04-22 11:22:00. Please renew this right if you would like to continue using it. <i>In other languages: [[:m:Special:MyLanguage/Global reminder bot/Messages/default|click here]]</i> [[ব্যবহারকারী:Leaderbot|Leaderbot]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Leaderbot|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)</div> == Reminder: Submit Your Local Results for Wiki Loves Ramadan 2025 by 15 May == Dear খাত্তাব হাসান, Thank you for your valuable contributions to '''Wiki Loves Ramadan 2025''' in your communities! This is a kind reminder that the '''deadline to submit your local results is 15 May 2025'''. Please make sure to submit the '''complete and detailed results''' of your local contest on the following Meta-Wiki page: '''[[m:Wiki Loves Ramadan 2025/Results]]''' Additionally, feel free to add a brief summary of your local event under the '''Results''' section in your country/region’s row on the participants page: '''[[m:Wiki Loves Ramadan 2025/Participants]]''' If you need any assistance during this process, don’t hesitate to reach out. Thank you for your continued dedication and support! For, Wiki Loves Ramadan International Team ১১:৫১, ২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:ZI_Jony/MassMessage/WLR/List/Local_organizers&oldid=28651179-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:ZI Jony@metawiki পাঠিয়েছেন --> == উইকি রমজান ভালবাসে নিবন্ধ প্রতিযোগিতা সম্পর্কিত == @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই,জমাকৃত কয়েকটি ভুক্তি দুইবার জমা হয়েছে।উদাহরণ হিসেবে [[ইসলাম ধর্মে দাসত্ব]] ভুক্তিটির কথা উল্লেখ করা যায়।এ ভুক্তিটি দুইবার জমা হয়েছে। এছাড়াও আরো কয়েকটি ভুক্তি দুইবার জমা হয়েছে। বিষয়টি দেখার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৮:২৮, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উইকি রমজান ভালোবাসে প্রতিযোগিতা নিবন্ধ পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]]<nowiki/>ভাই,আসসালামু আলাইকুম। [[মোহামেদ নাশিদ]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৭:২৬, ১০ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ভাই, আমরা সময়ের সংক্ষিপ্ততার জন্য কাউকে দ্বিতীয় সুযোগ দিতে পারছিনা। পাশাপাশি, এখনও আপনার অনুবাদের অনেক কথাই বুঝিনি। নিচের কথার কী অর্থ, এবং এর সাথে উক্তির কী সম্পর্ক বুঝতে পারছিনা: :<blockquote>ফেব্রুয়ারীতে, ভারত এবং পাকিস্তান সকল বিষয়ে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করতে সম্মত হন। মে মাসে, ভারতীয় সংসদ সদস্যরা শান্তির লক্ষ্যে ইসলামাবাদ সফর করেন। জুলাই মাসে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী রব্বানী খার নয়াদিল্লি সফর করেন। এক মাস পরে, উভয় দেশের সংসদ সদস্যরা আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য ভারতে মিলিত হন। "সেপ্টেম্বরে, পাকিস্তান ও ভারতের রেলওয়ে কর্মকর্তারা যোগাযোগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করার জন্য বৈঠক করেছিলেন," তিনি আদ্দুতে আট সদস্যের আঞ্চলিক শীর্ষ সম্মেলনে বলেন। এবং গত কয়েকদিনে, পাকিস্তান ভারতকে সর্বাধিক পছন্দের জাতির মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নত করেছে। আজ, পাকিস্তান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীরা মালদ্বীপের শাংরি লা-এর মনোরম পরিবেশে মিলিত হয়েছেন।</blockquote> :যাইহোক, পরবর্তী প্রতিযোগিতাগুলিতে বিষয়গুলি খেয়াল রাখার অনুরোধ। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৮:৪০, ১০ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == Md Mobashir Hossain স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক == আজ [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]]-কে আপনি উইকিউক্তিতে বাধা প্রদান করেছেন। উইকিউক্তিতে তার স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক অধিকারটি রয়েছে। সেটিও অপসারণ করা উচিত। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৫:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == Final Reminder – Submit Full Local Results for Wiki Loves Ramadan 2025 by 15 May EOD == Dear খাত্তাব হাসান, This is a final reminder that the deadline to submit your '''full and detailed local results''' for '''Wiki Loves Ramadan 2025''' is '''15 May 2025''' EOD. Please ensure you complete the following as soon as possible: * Submit your full results on Meta-Wiki here: '''[[m:Wiki Loves Ramadan 2025/Results]]''' * Add a brief summary of your local event under the "Results" column on: '''[[Wiki Loves Ramadan 2025/Participants]]''' Failure to submit by the deadline may result in exclusion from the international jury consideration. If you need help or encounter any issues, feel free to contact the international team. Thank you once again for your dedication and hard work! ''Warm regards,''<br/> '''Wiki Loves Ramadan International Team''', ০২:৩৯, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:ZI_Jony/MassMessage/WLR/List/Local_organizers&oldid=28651179-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:ZI Jony@metawiki পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == নিবন্ধের নাম পরিবর্তন == [[আবু বকর আল-কালাবধি]] ভুক্তিটিকে আবু বকর কালাবাযি নামে স্থানান্তরিত করার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৬:০৯, ২৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == What was wrong with my biography..? == Please tell me what harm I have done to you. You have removed my '''biography'''. [[ব্যবহারকারী:ShohagHasanOffical|ShohagHasanOffical]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ShohagHasanOffical|আলাপ]]) ১৬:৫৫, ৬ জানুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি) == অপসারণ প্রস্তাবনা বিষয় == @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, আপনার [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/অপসারণ প্রস্তাবনা.js]] কি অপসারণ কাজে ব্যবহার করা যাবে?? তড়িৎ পদক্ষেপ ভালোভাবে কাজ করছে না। অনেক নিবন্ধ ম্যানুয়ালি অপসারণ প্রস্তাবনা যোগ করতে হচ্ছে। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৭:৩৭, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:JIBON|JIBON]] ভাই, অপসারণ প্রস্তাবনা তো ভিন্ন জিনিস। আমি দেখি, ওটাকে কীভাবে উন্নয়ন করতে পারি। আমি কালকের মধ্যে জানাচ্ছি। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:০১, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, আশা রাখব খুব দ্রুত উন্নয়ন করবেন। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৮:০৪, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:JIBON|JIBON]] আপনি কোন স্ক্রিপ্টটা ব্যবহার করছেন? লিঙ্ক দিবেন অনুগ্রহ করে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:০৭, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, আপনার আলাপ পাতায় গ্যাজেট নামক আলাপে আপনার লেখা একটি কোড ছিল সেটি ব্যবহার করে তড়িৎ পদক্ষেপ নামক সরঞ্জাম এসেছে কিন্তু ঠিকভাবে কাজ করছে না। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৮:১০, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:JIBON|JIBON]] আগের দুইটা বাদ দিয়ে [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/bnwq-tools.js]] এটা ইনস্টল করে নিন। আমি এর পূর্ণাঙ্গ ম্যানুয়াল পরবর্তীতে [[উইকিউক্তি:টুলবক্স]] পাতায় আপলোড করবো ইনশাআল্লাহ। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২০:৩৯, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == You may be an eligible candidate for the U4C election == <div lang="en" dir="ltr" class="mw-content-ltr"> Greetings, The [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee|Universal Code of Conduct Coordinating Committee (U4C)]] seeks candidates for the 2026 election. The U4C is the global committee responsible for overseeing enforcement of the [[foundation:Special:MyLanguage/Policy:Universal Code of Conduct|Universal Code of Conduct]]. Elections are held annually, if elected a committee member serves for two years. This year the U4C requires candidates to hold administrator rights on at least one wiki, which is why you are being contacted as you appear to hold this right. There are other requirements, such as candidates must be at least 18 years old and may not be employed by the Wikimedia Foundation or other related chapters and affiliates. You can find more information in the [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee/Election/2026#Call_for_Candidates|call for candidates on Meta-wiki]]. Additionally, the committee's working language is English; some ability to communicate in English is required. The election opens on 18 May, if you are eligible and interested you have until 10 May to submit your candidacy. There will week between for candidates to answer questions from the community. Voting takes place privately in [[m:Special:MyLanguage/SecurePoll|SecurePoll]], successful candidates must receive at least 60% support. More information is available on [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee/Election/2026|the 2026 Elections page]], including timelines and other candidacy information. If you read over the material and consider yourself qualified, please consider submitting your name to run for the committee. If you think someone else in your community might be interested and qualified, please encourage them to run. In partnership with the U4C -- [[m:User:Keegan (WMF)|Keegan (WMF)]] ([[m:User_talk:Keegan (WMF)|talk]]) ১৮:৩০, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) </div> <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:Keegan_(WMF)/test&oldid=30471712-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Keegan (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন --> == বর্ণানুক্রমিক বিন্যাস == [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] নিবন্ধ থেকে বর্ণানুক্রমিক বিন্যাস কাটবেন না। পুনরায় সংশোধন করার অনুরোধ। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১৭:০৩, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] বর্ণাণুক্রমিক হওয়ার থেকে নীতিমালা অনুসরণ করা অধিক প্রয়োজনীয়। অনুগ্রহ করে অন্য কেউ কাজ করার সময়ে এই ধরনের সম্পাদনা করে সম্পাদনা দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করবেন না। আমি কাজ শেষ করেছি, আপনি এখন কাজ করতে পারেন। ধন্যবাদ! ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৭:০৮, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]], ::আচ্ছা ঠিক আছে। শুধু বিন্যাসটি খেয়াল রাখবেন। আর 'সম্পাদনা দ্বন্দ্ব'-টা ডিক্শনারী থেকে নাই করে দিলাম! ধন্যবাদ!! [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১৭:৩০, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি) == প্রশ্ন == আসসালামু আলাইকুম, কাপুদান পাশা ভাই, [https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8&diff=prev&oldid=83751 এই] সংস্করণটি অপসারণ করলেন কেন? সেই সাথে ব্যবহারকারীকে বাধা দান করলেন দেখলাম। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১৩:৫৮, ১৩ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :দীর্ঘমেয়াদী অপব্যবহারকারী। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:৩৪, ১৩ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::তবে তার করা সম্পাদনাটি অপসারণ করেছিলেন কেন? জানতে চাই। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:৩৩, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ওটাই বলেছি। সম্পাদনা অপসারণ ও বাধাদানের কারণ: দীর্ঘমেয়াদী অপব্যবহারকারী। বিস্তারিত দেখুন: [[w:WP:BMB]]। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১১:৪৫, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ওহ বুঝলুম। তবে অন্যকেউ যুক্ত করে দিতে পারবে? [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:৪৮, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] একই উৎস বা একই প্যাটার্ন থেকে পুনঃসংযোজন করা হলে সেটি মিটপাপেট্রি বা দীর্ঘমেয়াদি অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, তাই এখনই পুনরায় যুক্ত করা ঠিক হবে না। :::::এছাড়া বিষয়বস্তু যুক্ত করার ক্ষেত্রে উইকির সাধারণ মানদণ্ড অনুসরণ করা প্রয়োজন, যেমন উল্লেখযোগ্যতা ও নির্ভরযোগ্য উৎস। বিশেষ কোনো ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি বা মতের ভিত্তিতে বিষয়বস্তু নির্বাচন না করে, আলোচিত, গুরুত্বপূর্ণ এবং যাচাইযোগ্য তথ্যই সাধারণত অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আশা করি, বুঝাতে পেরেছি। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১১:৫৫, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::ঠিক আছে। অন্য বিষয়বস্তু যুক্ত করা যাবে। ধন্যবাদ, [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:৫৯, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::[[ ২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] নিবন্ধে ট্যাগটি কি থাকার আর প্রয়োজন আছে ভাই? [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১২:১৪, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::[[আলাপ:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন#নিরপেক্ষতা ট্যাগ যুক্ত করার কারণ]] দেখুন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১২:৩৩, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::জী ভাই, সেটা তো জানিই। তবে এগুলো তো আলাপ পাতায় সরানো হয়েছে। এরপর আমি তথ্যসূত্র যুক্ত উক্তি যোগ করেছি। সেজন্য এখন তো আর কোনো বিতর্ক আছে বলে মনে হয়না। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১২:৩৮, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনি আমার আলোচনাটা দেখেননি। যেগুলো সরানো হয়েছে ওগুলোর জন্য নিরপেক্ষতা সমস্যা নয়, তথ্যসূত্র না থাকার সমস্যা। নিরপেক্ষতা হচ্ছে, কোনো কিছু প্রমাণের চেষ্টা করা বা একপেশে হয়ে লেখা। এখানে প্রয়োজনের বাইরে অনেক কিছু পক্ষপাতিত্ব হিসেবে যুক্ত হয়েছে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১২:৫৪, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::আরেকটা প্রশ্ন, বাংলা উইকিপিডিয়াতে টপিকব্যান থাকলে কী এর সহপ্রকল্পগুলোতে সেই টপিকের উপর কাজ করা যাবে?? @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ০৮:০৮, ১৫ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এক উইকির ব্যান অন্য উইকিতে সাধারণত প্রয়োগ হয়না, যদি না ফাউন্ডেশন ব্যান বা আচরণগত কোনো সমস্যা না থাকে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৫:৫৮, ১৫ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::::ওহ, এই বিষয়ে অভিহিত করার জন্য ধন্যবাদ। কোনো ভ্রান্তি হলে তার ওপর আলোকপাত করার বিনীত প্রত্যাশা কামনা করছি। এতোগুলো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আবারো ধন্যবাদ। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১৬:৫৯, ১৫ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) b702fxmm6v0d93ldsbswjh02p5ynzws 83849 83848 2026-07-03T04:42:29Z খাত্তাব হাসান 7 বিজ্ঞপ্তি: [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/খেলাঘর]] অপসারণ করা হয়েছে ([[উইকিউক্তি:টুলবক্স|টুলবক্স]] ব্যবহার করে) 83849 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত== সুপ্রিয়, খাত্তাব হাসান, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! [[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:১৬, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == গ্যাজেট == ইন্টারফেস প্রশাসক অধিকার পাবার পর এই গ্যাজেটগুলো তৈরি করিয়েন: প্রথমে [[:w:মিডিয়াউইকি:Gadgets-definition]] থেকে সংজ্ঞা নিয়ে [[মিডিয়াউইকি:Gadgets-definition]] পাতা তৈরি করিয়েন। সব গ্যাজেট আনার দরকার নেই, কেবল উইকিউক্তিতে কাজে লাগবে এমনগুলো আনলেই হবে। * HotCat * sompadonasarangsho * Navigation_popups * purgetab * exlinks * edittop সংজ্ঞা পাতা তৈরির পর কোডের পাতা তৈরি করেন। আপনি কোড [[:w:মিডিয়াউইকি:Gadget-গ্যাজেটের নাম]]-এ পাবেন। যেমন [[:w:মিডিয়াউইকি:Gadget-HotCat.js]]। কোড কপি-পেস্ট করলেই চলবে, আপনাকে কিছু পরিবর্তন করতে হবে না। আর [[:w:voy:মিডিয়াউইকি:Gadgets-definition]] থেকে URLShortener আনিয়েন। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:১৮, ২০ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :আর [[:w:মিডিয়াউইকি:Edittools]] আনিয়েন। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:২২, ২০ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে ইনশাআল্লাহ। আমার মাথায় ছিল বিষয়টা, তবুও আপনি বলে দেয়ায় সুবিধা হল। {{ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/স্বাক্ষর}} ০৩:১৯, ২১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] আমি আপাতত এগুলো আনলাম। ইউটিসি ঘড়ি ইত্যাদি পরে আনব। আহ! আমার মেনশন আপনার নোটিফিকেশনে পৌঁছাচ্ছে? ‍~ {{পতাকা আইকন চিত্র|BarbarosSancagi.svg}} [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] <sup>([[ব্যবহারকারী আলাপ:খাত্তাব হাসান|বার্তা]] - [[বিশেষ:অবদান/খাত্তাব হাসান|অবদান]])</sup> ১৬:০২, ২৩ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) ::হ্যাঁ, এবার বিজ্ঞপ্তি পেয়েছি। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৬:৫৬, ২৩ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :::বাংলা উইকি থেকে এই দুই পাতা এনে তৈরি করে দেন: :::* [[মিডিয়াউইকি:Scribunto-doc-page-show]] :::* [[মিডিয়াউইকি:Scribunto-doc-page-header]] :::[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২৩:১৩, ২৩ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :::[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7:%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97?prefix=Category+handler&namespace=828 এই সবগুলি] ও [https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7:%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97?prefix=Message+box&namespace=828 এই সবগুলি] মুছে ফেলেন। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২৩:৩৪, ২৩ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] যেহুতু উক্তি প্রতিযোগিতা চলছে তাই বর্তমানে অনেক ধ্বংস প্রবণতা, অপব্যাবহার,অর্থহীন নিবন্ধ দেখা যেতে যা ম্যানুয়ালি অপসারণ অনুরোধ করা কঠিন তাই টুইঙ্কেল মডিউল টা যদি এই উইকিতে আনা হতো তবে রিপোর্ট করতে সুবিধা হতো। [[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rifat008|আলাপ]]) ০৭:৫৩, ২ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] টুইংকল আমরা হিসেব করেই আনিনি। এরচেয়ে গ্লোবাল টুইংকল ব্যবহার করতে পারেন অথবা [[বিশেষ:আমার পাতা/common.js|এই পাতায়]] নিচের লাইনটুকু যুক্ত করলে কয়েকটা অপশন দেখতে পাবেন: :::::<code>mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/GadgetPreview.js&action=raw&ctype=text/javascript');</code> ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৯:১৭, ২ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::::::[[MediaWiki:Scribunto-doc-page-does-not-exist]] ::::::বাংলা উইকির অনুরূপে এই পর তৈরি করে দেন ::::::[[w:bn:MediaWiki:Scribunto-doc-page-does-not-exist]] [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১১:৩২, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) == Need your input on a policy impacting gadgets and UserJS == <div lang="en" dir="ltr" class="mw-content-ltr"> Dear interface administrator, This is Samuel from the Security team and I hope my message finds you well. There is an [[m:Talk:Third-party resources policy|ongoing discussion]] on a proposed policy governing the use of external resources in gadgets and UserJS. The proposed [[m:Special:MyLanguage/Third-party resources policy|Third-party resources policy]] aims at making the UserJS and Gadgets landscape a bit safer by encouraging best practices around external resources. After an initial non-public conversation with a small number of interface admins and staff, we've launched a much larger, public consultation to get a wider pool of feedback for improving the policy proposal. Based on the ideas received so far, the proposed policy now includes some of the risks related to user scripts and gadgets loading third-party resources, best practices for gadgets and UserJS developers, and exemptions requirements such as code transparency and inspectability. As an interface administrator, your feedback and suggestions are warmly welcome until July 17, 2023 on the [[m:Talk:Third-party resources policy|policy talk page]]. Have a great day!</div> <bdi lang="en" dir="ltr">[[m:User:Samuel (WMF)|Samuel (WMF)]], on behalf of the Foundation's Security team</bdi> ২৩:০২, ৭ জুলাই ২০২৩ (ইউটিসি) <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:Samuel_(WMF)/IAdmins_MassMessage_list_1&oldid=25272788-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Samuel (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন --> == অ্যাকাউন্টের জন্য অনুরোধ == [[উইকিউক্তি:অ্যাকাউন্টের জন্য অনুরোধ]] পাতাটি সম্ভবত মিডিয়াউইকির লগইন বা অ্যাকাউন্ট তৈরি পাতায় সংযুক্ত (নিশ্চিত নই)। তাই [[:w:উইকিপিডিয়া:অ্যাকাউন্টের জন্য অনুরোধ]] পাতার মতো accounts.wmflabs.org সাইটের লিংক দিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত পাতা তৈরি করে রাখতে পারেন। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ২৩:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :বুঝতে পারলাম, ক্যাপচায় সমস্যা করলে এই পাতায় পাঠাচ্ছে। আমি ঐ পাতায় সংযুক্ত করে দিলাম। কিন্তু এ কী! সেখানে তো শুধু উইকিপিডিয়ায় ফিরে যাওয়ার সংযোগ রয়েছে। উইকিউক্তির অবদানকারীরা কেবলই উইকিপিডিয়ায় যাবে কেন, সেটাও ইংরেজি উইকিপিডিয়ায়? ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০০:২৩, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::একদম ফিরিয়ে দেওয়ার থেকে তো ভালো! এই সরঞ্জামে আমার পূর্ণ অ্যাক্সেস আছে। সে হিসেবে বলতে পারি, বাংলাদেশ/ভারত থেকে বেশ ভালো পরিমাণ অনুরোধ ওখানে যায়। এ বিবেচনায় বাংলা প্রকল্পের জন্যও এই সরঞ্জাম চালু করা যায়। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ০০:০৪, ৭ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় খাত্তাব হাসান, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি == সুপ্রিয় খাত্তাব হাসান, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]): * যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন। * যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৩, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == সূত্র তালিকা == বাংলা উইকিউক্তিতে {{tl|সূত্র তালিকা}} ব্যবহার করা হয় না কেনো? [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৬:২৩, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আলোচনাসভায় একসময়ে আলোচনা হয়েছিলো। দেখুন: [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা/সংগ্রহশালা/২০২২#ফরম্যাট_প্রসঙ্গ]]। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১২:২৫, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) ::ভাই {{tl|নথি}} পাতায় আমি যে কালার দিয়েছি, দেখেন তো সেটা মানানসই কিনা উইকিউক্তির সাথে। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১৩:১৮, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) ::এবং [[MediaWiki:Scribunto-doc-page-does-not-exist]] :::বাংলা উইকির অনুরূপে এই পাতাটি তৈরি করে দিয়েন :::[[w:bn:MediaWiki:Scribunto-doc-page-does-not-exist]] [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১১:৩২, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] রঙটা গাঢ় হয়ে গিয়েছে। একই রঙের একটু হালকা করে দিতে পারেন। আমার কোনো সমস্যা নেই। বিতর্ক সৃষ্টি হলে আমরা হয়তো আলোচনা করবো। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:৩৭, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আর মিডিয়াউইকি পাতাটি তৈরি করেছি। আপনার অবদানের জন্য ধন্যবাদ। এভাবে অবদান রেখে যাওয়ার অনুরোধ। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:৪৪, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) ::::হালকা করলে কিছু বক্সের সাদা কিংবা ধূসর border দেখা যায় না কিংবা চোখে লাগে তাই এইটা দিয়েছি। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০১:৫৯, ৩০ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আপনার কাজটা ভালো ছিলো, কিন্তু ডার্ক মোড ও ফন্টের সমস্যা খুব বেশি সমস্যা করছিলো। তার জন্য রিভার্ট ও ইম্পোর্ট ইত্যাদি করেছি। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২৩:৫৭, ১০ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) ::::::দেখেন তো ডার্ক মোডে color টা কি চলবে। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৯:২৮, ১১ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]], [https://i.imgur.com/ZZ2FmMa.png সীমানার কালো অংশ] বেশী গাঢ় দেখাচ্ছে। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৭:২০, ১১ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] এখন [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০২:৩২, ১২ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) == উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫ == আসসালামুয়ালাইকুম ভাই, আমি [[মুহাম্মাদ]] নিবন্ধের মান উন্নয়ন করেছি। তবে, জমা দিতে পারছিনা। দয়া করে আমাকে সাহায্য করুন। {{আপনাকে ধন্যবাদ}} [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৫:১৩, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ওয়াআলাইকুমুস সালাম ওয়ারহমাতুল্লাহ ভাই। ভুক্তিটি উন্নয়ন করার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুসারে প্রতিযোগিতা শুরু হবার পরে সৃষ্টিকৃত ভুক্তিগুলিই কেবল জমা দেয়া যাবে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:৩৭, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::আন্তর্জাতিক নিয়মে তো উন্নয়নের কথাও আছে। [[m:Wiki Loves Ramadan 2025/Rules]] এ দ্রষ্টব্য। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৫:৫১, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] সেটা বৈশ্বিক নিয়ম, কোনো কোনো প্রকল্প শুধু মানোন্নয়নকে হাতে নিয়েছে; কোনো প্রকল্প নতুন ভুক্তি তৈরিকে হাতে নিয়েছে, কোনো প্রকল্প উভয়টাই হাতে নিয়েছে। যেহেতু বাংলা উইকিউক্তি নতুন প্রকল্প, তাই এখানে মানোন্নয়ন প্রতিযোগিতা উপযুক্ত হয়না। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৬:৪৯, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আচ্ছা ভাই, আর [[উইকিউক্তি:অধিকারের আবেদন]] টাও একটু দেখবেন। ওখানে আমার একটা আবেদন আছে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ১০:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == Mediawiki Gadget == [[w:মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize.js]] & মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize.css কে এই উইকিতে ইনস্টল করার অনুরোধ করছি। এইখানে মুল [[W:মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize]] । @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৪:৩৯, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, জবাব দিলে ভালো হয়। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৬:২১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] এসব প্রস্তাব আলোচনাসভার মাধ্যমে আনুন, আর প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরুন। আমি এই গ্যাজেটের সাধারণভাবে প্রয়োজনীয়তা দেখতে পাচ্ছিনা। একান্তই ব্যক্তিগতভাবে আপনি নিজে ব্যবহার করতে [[Special:MyPage/common.js|আপনার কমন্স.জেএস পাতায়]] যুক্ত করুন: ::<code>mw.loader.load('//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize.js&action=raw&ctype=text/javascript');<br>mw.loader.load('//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize.css&action=raw&ctype=text/css', 'text/css');</code> ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৬:৫৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == নিবন্ধ জমা দেওয়া যাচ্ছে না == প্রিয় ভাই, উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫ এর জন্য [[আদম]] ও [[ফাতিমা]] এই দুটি নিবন্ধ ১০ এপ্রিল তৈরি করেছিলাম। কিন্তু এই নিবন্ধগুলো যখন জমা দেওয়ার চেষ্টা করেছি তখন এগুলো জমা নিচ্ছে না। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে এগুলো ৯ এপ্রিল তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এগুলো ১০ এপ্রিল তৈরি করেছিলাম। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১৮:৫৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] এখন চেষ্টা করুন ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৯:১১, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১৯:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == Notice of expiration of your interface-admin right == <div dir="ltr">Hi, as part of [[:m:Special:MyLanguage/Global reminder bot|Global reminder bot]], this is an automated reminder to let you know that your permission "interface-admin" (ইন্টারফেস প্রশাসক) will expire on 2025-04-22 11:22:00. Please renew this right if you would like to continue using it. <i>In other languages: [[:m:Special:MyLanguage/Global reminder bot/Messages/default|click here]]</i> [[ব্যবহারকারী:Leaderbot|Leaderbot]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Leaderbot|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)</div> == Notice of expiration of your sysop right == <div dir="ltr">Hi, as part of [[:m:Special:MyLanguage/Global reminder bot|Global reminder bot]], this is an automated reminder to let you know that your permission "sysop" (প্রশাসক) will expire on 2025-04-22 11:22:00. Please renew this right if you would like to continue using it. <i>In other languages: [[:m:Special:MyLanguage/Global reminder bot/Messages/default|click here]]</i> [[ব্যবহারকারী:Leaderbot|Leaderbot]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Leaderbot|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)</div> == Reminder: Submit Your Local Results for Wiki Loves Ramadan 2025 by 15 May == Dear খাত্তাব হাসান, Thank you for your valuable contributions to '''Wiki Loves Ramadan 2025''' in your communities! This is a kind reminder that the '''deadline to submit your local results is 15 May 2025'''. Please make sure to submit the '''complete and detailed results''' of your local contest on the following Meta-Wiki page: '''[[m:Wiki Loves Ramadan 2025/Results]]''' Additionally, feel free to add a brief summary of your local event under the '''Results''' section in your country/region’s row on the participants page: '''[[m:Wiki Loves Ramadan 2025/Participants]]''' If you need any assistance during this process, don’t hesitate to reach out. Thank you for your continued dedication and support! For, Wiki Loves Ramadan International Team ১১:৫১, ২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:ZI_Jony/MassMessage/WLR/List/Local_organizers&oldid=28651179-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:ZI Jony@metawiki পাঠিয়েছেন --> == উইকি রমজান ভালবাসে নিবন্ধ প্রতিযোগিতা সম্পর্কিত == @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই,জমাকৃত কয়েকটি ভুক্তি দুইবার জমা হয়েছে।উদাহরণ হিসেবে [[ইসলাম ধর্মে দাসত্ব]] ভুক্তিটির কথা উল্লেখ করা যায়।এ ভুক্তিটি দুইবার জমা হয়েছে। এছাড়াও আরো কয়েকটি ভুক্তি দুইবার জমা হয়েছে। বিষয়টি দেখার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৮:২৮, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উইকি রমজান ভালোবাসে প্রতিযোগিতা নিবন্ধ পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]]<nowiki/>ভাই,আসসালামু আলাইকুম। [[মোহামেদ নাশিদ]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৭:২৬, ১০ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ভাই, আমরা সময়ের সংক্ষিপ্ততার জন্য কাউকে দ্বিতীয় সুযোগ দিতে পারছিনা। পাশাপাশি, এখনও আপনার অনুবাদের অনেক কথাই বুঝিনি। নিচের কথার কী অর্থ, এবং এর সাথে উক্তির কী সম্পর্ক বুঝতে পারছিনা: :<blockquote>ফেব্রুয়ারীতে, ভারত এবং পাকিস্তান সকল বিষয়ে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করতে সম্মত হন। মে মাসে, ভারতীয় সংসদ সদস্যরা শান্তির লক্ষ্যে ইসলামাবাদ সফর করেন। জুলাই মাসে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী রব্বানী খার নয়াদিল্লি সফর করেন। এক মাস পরে, উভয় দেশের সংসদ সদস্যরা আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য ভারতে মিলিত হন। "সেপ্টেম্বরে, পাকিস্তান ও ভারতের রেলওয়ে কর্মকর্তারা যোগাযোগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করার জন্য বৈঠক করেছিলেন," তিনি আদ্দুতে আট সদস্যের আঞ্চলিক শীর্ষ সম্মেলনে বলেন। এবং গত কয়েকদিনে, পাকিস্তান ভারতকে সর্বাধিক পছন্দের জাতির মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নত করেছে। আজ, পাকিস্তান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীরা মালদ্বীপের শাংরি লা-এর মনোরম পরিবেশে মিলিত হয়েছেন।</blockquote> :যাইহোক, পরবর্তী প্রতিযোগিতাগুলিতে বিষয়গুলি খেয়াল রাখার অনুরোধ। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৮:৪০, ১০ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == Md Mobashir Hossain স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক == আজ [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]]-কে আপনি উইকিউক্তিতে বাধা প্রদান করেছেন। উইকিউক্তিতে তার স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক অধিকারটি রয়েছে। সেটিও অপসারণ করা উচিত। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৫:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == Final Reminder – Submit Full Local Results for Wiki Loves Ramadan 2025 by 15 May EOD == Dear খাত্তাব হাসান, This is a final reminder that the deadline to submit your '''full and detailed local results''' for '''Wiki Loves Ramadan 2025''' is '''15 May 2025''' EOD. Please ensure you complete the following as soon as possible: * Submit your full results on Meta-Wiki here: '''[[m:Wiki Loves Ramadan 2025/Results]]''' * Add a brief summary of your local event under the "Results" column on: '''[[Wiki Loves Ramadan 2025/Participants]]''' Failure to submit by the deadline may result in exclusion from the international jury consideration. If you need help or encounter any issues, feel free to contact the international team. Thank you once again for your dedication and hard work! ''Warm regards,''<br/> '''Wiki Loves Ramadan International Team''', ০২:৩৯, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:ZI_Jony/MassMessage/WLR/List/Local_organizers&oldid=28651179-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:ZI Jony@metawiki পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == নিবন্ধের নাম পরিবর্তন == [[আবু বকর আল-কালাবধি]] ভুক্তিটিকে আবু বকর কালাবাযি নামে স্থানান্তরিত করার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৬:০৯, ২৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == What was wrong with my biography..? == Please tell me what harm I have done to you. You have removed my '''biography'''. [[ব্যবহারকারী:ShohagHasanOffical|ShohagHasanOffical]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ShohagHasanOffical|আলাপ]]) ১৬:৫৫, ৬ জানুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি) == অপসারণ প্রস্তাবনা বিষয় == @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, আপনার [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/অপসারণ প্রস্তাবনা.js]] কি অপসারণ কাজে ব্যবহার করা যাবে?? তড়িৎ পদক্ষেপ ভালোভাবে কাজ করছে না। অনেক নিবন্ধ ম্যানুয়ালি অপসারণ প্রস্তাবনা যোগ করতে হচ্ছে। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৭:৩৭, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:JIBON|JIBON]] ভাই, অপসারণ প্রস্তাবনা তো ভিন্ন জিনিস। আমি দেখি, ওটাকে কীভাবে উন্নয়ন করতে পারি। আমি কালকের মধ্যে জানাচ্ছি। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:০১, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, আশা রাখব খুব দ্রুত উন্নয়ন করবেন। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৮:০৪, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:JIBON|JIBON]] আপনি কোন স্ক্রিপ্টটা ব্যবহার করছেন? লিঙ্ক দিবেন অনুগ্রহ করে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:০৭, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, আপনার আলাপ পাতায় গ্যাজেট নামক আলাপে আপনার লেখা একটি কোড ছিল সেটি ব্যবহার করে তড়িৎ পদক্ষেপ নামক সরঞ্জাম এসেছে কিন্তু ঠিকভাবে কাজ করছে না। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৮:১০, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:JIBON|JIBON]] আগের দুইটা বাদ দিয়ে [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/bnwq-tools.js]] এটা ইনস্টল করে নিন। আমি এর পূর্ণাঙ্গ ম্যানুয়াল পরবর্তীতে [[উইকিউক্তি:টুলবক্স]] পাতায় আপলোড করবো ইনশাআল্লাহ। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২০:৩৯, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == You may be an eligible candidate for the U4C election == <div lang="en" dir="ltr" class="mw-content-ltr"> Greetings, The [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee|Universal Code of Conduct Coordinating Committee (U4C)]] seeks candidates for the 2026 election. The U4C is the global committee responsible for overseeing enforcement of the [[foundation:Special:MyLanguage/Policy:Universal Code of Conduct|Universal Code of Conduct]]. Elections are held annually, if elected a committee member serves for two years. This year the U4C requires candidates to hold administrator rights on at least one wiki, which is why you are being contacted as you appear to hold this right. There are other requirements, such as candidates must be at least 18 years old and may not be employed by the Wikimedia Foundation or other related chapters and affiliates. You can find more information in the [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee/Election/2026#Call_for_Candidates|call for candidates on Meta-wiki]]. Additionally, the committee's working language is English; some ability to communicate in English is required. The election opens on 18 May, if you are eligible and interested you have until 10 May to submit your candidacy. There will week between for candidates to answer questions from the community. Voting takes place privately in [[m:Special:MyLanguage/SecurePoll|SecurePoll]], successful candidates must receive at least 60% support. More information is available on [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee/Election/2026|the 2026 Elections page]], including timelines and other candidacy information. If you read over the material and consider yourself qualified, please consider submitting your name to run for the committee. If you think someone else in your community might be interested and qualified, please encourage them to run. In partnership with the U4C -- [[m:User:Keegan (WMF)|Keegan (WMF)]] ([[m:User_talk:Keegan (WMF)|talk]]) ১৮:৩০, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) </div> <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:Keegan_(WMF)/test&oldid=30471712-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Keegan (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন --> == বর্ণানুক্রমিক বিন্যাস == [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] নিবন্ধ থেকে বর্ণানুক্রমিক বিন্যাস কাটবেন না। পুনরায় সংশোধন করার অনুরোধ। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১৭:০৩, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] বর্ণাণুক্রমিক হওয়ার থেকে নীতিমালা অনুসরণ করা অধিক প্রয়োজনীয়। অনুগ্রহ করে অন্য কেউ কাজ করার সময়ে এই ধরনের সম্পাদনা করে সম্পাদনা দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করবেন না। আমি কাজ শেষ করেছি, আপনি এখন কাজ করতে পারেন। ধন্যবাদ! ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৭:০৮, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]], ::আচ্ছা ঠিক আছে। শুধু বিন্যাসটি খেয়াল রাখবেন। আর 'সম্পাদনা দ্বন্দ্ব'-টা ডিক্শনারী থেকে নাই করে দিলাম! ধন্যবাদ!! [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১৭:৩০, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি) == প্রশ্ন == আসসালামু আলাইকুম, কাপুদান পাশা ভাই, [https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8&diff=prev&oldid=83751 এই] সংস্করণটি অপসারণ করলেন কেন? সেই সাথে ব্যবহারকারীকে বাধা দান করলেন দেখলাম। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১৩:৫৮, ১৩ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :দীর্ঘমেয়াদী অপব্যবহারকারী। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:৩৪, ১৩ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::তবে তার করা সম্পাদনাটি অপসারণ করেছিলেন কেন? জানতে চাই। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:৩৩, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ওটাই বলেছি। সম্পাদনা অপসারণ ও বাধাদানের কারণ: দীর্ঘমেয়াদী অপব্যবহারকারী। বিস্তারিত দেখুন: [[w:WP:BMB]]। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১১:৪৫, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ওহ বুঝলুম। তবে অন্যকেউ যুক্ত করে দিতে পারবে? [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:৪৮, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] একই উৎস বা একই প্যাটার্ন থেকে পুনঃসংযোজন করা হলে সেটি মিটপাপেট্রি বা দীর্ঘমেয়াদি অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, তাই এখনই পুনরায় যুক্ত করা ঠিক হবে না। :::::এছাড়া বিষয়বস্তু যুক্ত করার ক্ষেত্রে উইকির সাধারণ মানদণ্ড অনুসরণ করা প্রয়োজন, যেমন উল্লেখযোগ্যতা ও নির্ভরযোগ্য উৎস। বিশেষ কোনো ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি বা মতের ভিত্তিতে বিষয়বস্তু নির্বাচন না করে, আলোচিত, গুরুত্বপূর্ণ এবং যাচাইযোগ্য তথ্যই সাধারণত অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আশা করি, বুঝাতে পেরেছি। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১১:৫৫, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::ঠিক আছে। অন্য বিষয়বস্তু যুক্ত করা যাবে। ধন্যবাদ, [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:৫৯, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::[[ ২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] নিবন্ধে ট্যাগটি কি থাকার আর প্রয়োজন আছে ভাই? [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১২:১৪, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::[[আলাপ:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন#নিরপেক্ষতা ট্যাগ যুক্ত করার কারণ]] দেখুন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১২:৩৩, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::জী ভাই, সেটা তো জানিই। তবে এগুলো তো আলাপ পাতায় সরানো হয়েছে। এরপর আমি তথ্যসূত্র যুক্ত উক্তি যোগ করেছি। সেজন্য এখন তো আর কোনো বিতর্ক আছে বলে মনে হয়না। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১২:৩৮, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনি আমার আলোচনাটা দেখেননি। যেগুলো সরানো হয়েছে ওগুলোর জন্য নিরপেক্ষতা সমস্যা নয়, তথ্যসূত্র না থাকার সমস্যা। নিরপেক্ষতা হচ্ছে, কোনো কিছু প্রমাণের চেষ্টা করা বা একপেশে হয়ে লেখা। এখানে প্রয়োজনের বাইরে অনেক কিছু পক্ষপাতিত্ব হিসেবে যুক্ত হয়েছে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১২:৫৪, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::আরেকটা প্রশ্ন, বাংলা উইকিপিডিয়াতে টপিকব্যান থাকলে কী এর সহপ্রকল্পগুলোতে সেই টপিকের উপর কাজ করা যাবে?? @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ০৮:০৮, ১৫ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এক উইকির ব্যান অন্য উইকিতে সাধারণত প্রয়োগ হয়না, যদি না ফাউন্ডেশন ব্যান বা আচরণগত কোনো সমস্যা না থাকে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৫:৫৮, ১৫ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::::ওহ, এই বিষয়ে অভিহিত করার জন্য ধন্যবাদ। কোনো ভ্রান্তি হলে তার ওপর আলোকপাত করার বিনীত প্রত্যাশা কামনা করছি। এতোগুলো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আবারো ধন্যবাদ। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১৬:৫৯, ১৫ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) == আপনার তৈরি করা [[:ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/খেলাঘর]] পাতাটি অপসারণ করা হয়েছে == নমস্কার, আপনার তৈরি করা [[:ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/খেলাঘর]] পাতাটি অপসারণ করা হয়েছে। কারণ: নিজস্ব বিচারধারা। আপনি যদি মনে করেন যে এই পাতাটি ভুলবশত অপসারিত হয়েছে, তবে অনুগ্রহ করে আমার আলাপ পাতায় যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৪:৪২, ৩ জুলাই ২০২৬ (ইউটিসি) cfmlh9jtmgjczxow2y1hx6sjs3hdm59 83850 83849 2026-07-03T04:43:03Z খাত্তাব হাসান 7 [[Special:Contributions/খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 83780 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত== সুপ্রিয়, খাত্তাব হাসান, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! [[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:১৬, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == গ্যাজেট == ইন্টারফেস প্রশাসক অধিকার পাবার পর এই গ্যাজেটগুলো তৈরি করিয়েন: প্রথমে [[:w:মিডিয়াউইকি:Gadgets-definition]] থেকে সংজ্ঞা নিয়ে [[মিডিয়াউইকি:Gadgets-definition]] পাতা তৈরি করিয়েন। সব গ্যাজেট আনার দরকার নেই, কেবল উইকিউক্তিতে কাজে লাগবে এমনগুলো আনলেই হবে। * HotCat * sompadonasarangsho * Navigation_popups * purgetab * exlinks * edittop সংজ্ঞা পাতা তৈরির পর কোডের পাতা তৈরি করেন। আপনি কোড [[:w:মিডিয়াউইকি:Gadget-গ্যাজেটের নাম]]-এ পাবেন। যেমন [[:w:মিডিয়াউইকি:Gadget-HotCat.js]]। কোড কপি-পেস্ট করলেই চলবে, আপনাকে কিছু পরিবর্তন করতে হবে না। আর [[:w:voy:মিডিয়াউইকি:Gadgets-definition]] থেকে URLShortener আনিয়েন। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:১৮, ২০ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :আর [[:w:মিডিয়াউইকি:Edittools]] আনিয়েন। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:২২, ২০ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে ইনশাআল্লাহ। আমার মাথায় ছিল বিষয়টা, তবুও আপনি বলে দেয়ায় সুবিধা হল। {{ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/স্বাক্ষর}} ০৩:১৯, ২১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] আমি আপাতত এগুলো আনলাম। ইউটিসি ঘড়ি ইত্যাদি পরে আনব। আহ! আমার মেনশন আপনার নোটিফিকেশনে পৌঁছাচ্ছে? ‍~ {{পতাকা আইকন চিত্র|BarbarosSancagi.svg}} [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] <sup>([[ব্যবহারকারী আলাপ:খাত্তাব হাসান|বার্তা]] - [[বিশেষ:অবদান/খাত্তাব হাসান|অবদান]])</sup> ১৬:০২, ২৩ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) ::হ্যাঁ, এবার বিজ্ঞপ্তি পেয়েছি। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৬:৫৬, ২৩ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :::বাংলা উইকি থেকে এই দুই পাতা এনে তৈরি করে দেন: :::* [[মিডিয়াউইকি:Scribunto-doc-page-show]] :::* [[মিডিয়াউইকি:Scribunto-doc-page-header]] :::[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২৩:১৩, ২৩ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :::[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7:%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97?prefix=Category+handler&namespace=828 এই সবগুলি] ও [https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7:%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97?prefix=Message+box&namespace=828 এই সবগুলি] মুছে ফেলেন। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২৩:৩৪, ২৩ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] যেহুতু উক্তি প্রতিযোগিতা চলছে তাই বর্তমানে অনেক ধ্বংস প্রবণতা, অপব্যাবহার,অর্থহীন নিবন্ধ দেখা যেতে যা ম্যানুয়ালি অপসারণ অনুরোধ করা কঠিন তাই টুইঙ্কেল মডিউল টা যদি এই উইকিতে আনা হতো তবে রিপোর্ট করতে সুবিধা হতো। [[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rifat008|আলাপ]]) ০৭:৫৩, ২ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] টুইংকল আমরা হিসেব করেই আনিনি। এরচেয়ে গ্লোবাল টুইংকল ব্যবহার করতে পারেন অথবা [[বিশেষ:আমার পাতা/common.js|এই পাতায়]] নিচের লাইনটুকু যুক্ত করলে কয়েকটা অপশন দেখতে পাবেন: :::::<code>mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/GadgetPreview.js&action=raw&ctype=text/javascript');</code> ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৯:১৭, ২ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::::::[[MediaWiki:Scribunto-doc-page-does-not-exist]] ::::::বাংলা উইকির অনুরূপে এই পর তৈরি করে দেন ::::::[[w:bn:MediaWiki:Scribunto-doc-page-does-not-exist]] [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১১:৩২, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) == Need your input on a policy impacting gadgets and UserJS == <div lang="en" dir="ltr" class="mw-content-ltr"> Dear interface administrator, This is Samuel from the Security team and I hope my message finds you well. There is an [[m:Talk:Third-party resources policy|ongoing discussion]] on a proposed policy governing the use of external resources in gadgets and UserJS. The proposed [[m:Special:MyLanguage/Third-party resources policy|Third-party resources policy]] aims at making the UserJS and Gadgets landscape a bit safer by encouraging best practices around external resources. After an initial non-public conversation with a small number of interface admins and staff, we've launched a much larger, public consultation to get a wider pool of feedback for improving the policy proposal. Based on the ideas received so far, the proposed policy now includes some of the risks related to user scripts and gadgets loading third-party resources, best practices for gadgets and UserJS developers, and exemptions requirements such as code transparency and inspectability. As an interface administrator, your feedback and suggestions are warmly welcome until July 17, 2023 on the [[m:Talk:Third-party resources policy|policy talk page]]. Have a great day!</div> <bdi lang="en" dir="ltr">[[m:User:Samuel (WMF)|Samuel (WMF)]], on behalf of the Foundation's Security team</bdi> ২৩:০২, ৭ জুলাই ২০২৩ (ইউটিসি) <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:Samuel_(WMF)/IAdmins_MassMessage_list_1&oldid=25272788-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Samuel (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন --> == অ্যাকাউন্টের জন্য অনুরোধ == [[উইকিউক্তি:অ্যাকাউন্টের জন্য অনুরোধ]] পাতাটি সম্ভবত মিডিয়াউইকির লগইন বা অ্যাকাউন্ট তৈরি পাতায় সংযুক্ত (নিশ্চিত নই)। তাই [[:w:উইকিপিডিয়া:অ্যাকাউন্টের জন্য অনুরোধ]] পাতার মতো accounts.wmflabs.org সাইটের লিংক দিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত পাতা তৈরি করে রাখতে পারেন। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ২৩:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :বুঝতে পারলাম, ক্যাপচায় সমস্যা করলে এই পাতায় পাঠাচ্ছে। আমি ঐ পাতায় সংযুক্ত করে দিলাম। কিন্তু এ কী! সেখানে তো শুধু উইকিপিডিয়ায় ফিরে যাওয়ার সংযোগ রয়েছে। উইকিউক্তির অবদানকারীরা কেবলই উইকিপিডিয়ায় যাবে কেন, সেটাও ইংরেজি উইকিপিডিয়ায়? ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০০:২৩, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::একদম ফিরিয়ে দেওয়ার থেকে তো ভালো! এই সরঞ্জামে আমার পূর্ণ অ্যাক্সেস আছে। সে হিসেবে বলতে পারি, বাংলাদেশ/ভারত থেকে বেশ ভালো পরিমাণ অনুরোধ ওখানে যায়। এ বিবেচনায় বাংলা প্রকল্পের জন্যও এই সরঞ্জাম চালু করা যায়। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ০০:০৪, ৭ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় খাত্তাব হাসান, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি == সুপ্রিয় খাত্তাব হাসান, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]): * যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন। * যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৩, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == সূত্র তালিকা == বাংলা উইকিউক্তিতে {{tl|সূত্র তালিকা}} ব্যবহার করা হয় না কেনো? [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৬:২৩, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আলোচনাসভায় একসময়ে আলোচনা হয়েছিলো। দেখুন: [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা/সংগ্রহশালা/২০২২#ফরম্যাট_প্রসঙ্গ]]। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১২:২৫, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) ::ভাই {{tl|নথি}} পাতায় আমি যে কালার দিয়েছি, দেখেন তো সেটা মানানসই কিনা উইকিউক্তির সাথে। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১৩:১৮, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) ::এবং [[MediaWiki:Scribunto-doc-page-does-not-exist]] :::বাংলা উইকির অনুরূপে এই পাতাটি তৈরি করে দিয়েন :::[[w:bn:MediaWiki:Scribunto-doc-page-does-not-exist]] [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১১:৩২, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] রঙটা গাঢ় হয়ে গিয়েছে। একই রঙের একটু হালকা করে দিতে পারেন। আমার কোনো সমস্যা নেই। বিতর্ক সৃষ্টি হলে আমরা হয়তো আলোচনা করবো। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:৩৭, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আর মিডিয়াউইকি পাতাটি তৈরি করেছি। আপনার অবদানের জন্য ধন্যবাদ। এভাবে অবদান রেখে যাওয়ার অনুরোধ। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:৪৪, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) ::::হালকা করলে কিছু বক্সের সাদা কিংবা ধূসর border দেখা যায় না কিংবা চোখে লাগে তাই এইটা দিয়েছি। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০১:৫৯, ৩০ অক্টোবর ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আপনার কাজটা ভালো ছিলো, কিন্তু ডার্ক মোড ও ফন্টের সমস্যা খুব বেশি সমস্যা করছিলো। তার জন্য রিভার্ট ও ইম্পোর্ট ইত্যাদি করেছি। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২৩:৫৭, ১০ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) ::::::দেখেন তো ডার্ক মোডে color টা কি চলবে। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৯:২৮, ১১ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]], [https://i.imgur.com/ZZ2FmMa.png সীমানার কালো অংশ] বেশী গাঢ় দেখাচ্ছে। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৭:২০, ১১ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] এখন [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০২:৩২, ১২ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) == উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫ == আসসালামুয়ালাইকুম ভাই, আমি [[মুহাম্মাদ]] নিবন্ধের মান উন্নয়ন করেছি। তবে, জমা দিতে পারছিনা। দয়া করে আমাকে সাহায্য করুন। {{আপনাকে ধন্যবাদ}} [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৫:১৩, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ওয়াআলাইকুমুস সালাম ওয়ারহমাতুল্লাহ ভাই। ভুক্তিটি উন্নয়ন করার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুসারে প্রতিযোগিতা শুরু হবার পরে সৃষ্টিকৃত ভুক্তিগুলিই কেবল জমা দেয়া যাবে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:৩৭, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::আন্তর্জাতিক নিয়মে তো উন্নয়নের কথাও আছে। [[m:Wiki Loves Ramadan 2025/Rules]] এ দ্রষ্টব্য। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৫:৫১, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] সেটা বৈশ্বিক নিয়ম, কোনো কোনো প্রকল্প শুধু মানোন্নয়নকে হাতে নিয়েছে; কোনো প্রকল্প নতুন ভুক্তি তৈরিকে হাতে নিয়েছে, কোনো প্রকল্প উভয়টাই হাতে নিয়েছে। যেহেতু বাংলা উইকিউক্তি নতুন প্রকল্প, তাই এখানে মানোন্নয়ন প্রতিযোগিতা উপযুক্ত হয়না। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৬:৪৯, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আচ্ছা ভাই, আর [[উইকিউক্তি:অধিকারের আবেদন]] টাও একটু দেখবেন। ওখানে আমার একটা আবেদন আছে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ১০:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == Mediawiki Gadget == [[w:মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize.js]] & মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize.css কে এই উইকিতে ইনস্টল করার অনুরোধ করছি। এইখানে মুল [[W:মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize]] । @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৪:৩৯, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, জবাব দিলে ভালো হয়। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৬:২১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] এসব প্রস্তাব আলোচনাসভার মাধ্যমে আনুন, আর প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরুন। আমি এই গ্যাজেটের সাধারণভাবে প্রয়োজনীয়তা দেখতে পাচ্ছিনা। একান্তই ব্যক্তিগতভাবে আপনি নিজে ব্যবহার করতে [[Special:MyPage/common.js|আপনার কমন্স.জেএস পাতায়]] যুক্ত করুন: ::<code>mw.loader.load('//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize.js&action=raw&ctype=text/javascript');<br>mw.loader.load('//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=মিডিয়াউইকি:Gadget-Prosesize.css&action=raw&ctype=text/css', 'text/css');</code> ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৬:৫৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == নিবন্ধ জমা দেওয়া যাচ্ছে না == প্রিয় ভাই, উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫ এর জন্য [[আদম]] ও [[ফাতিমা]] এই দুটি নিবন্ধ ১০ এপ্রিল তৈরি করেছিলাম। কিন্তু এই নিবন্ধগুলো যখন জমা দেওয়ার চেষ্টা করেছি তখন এগুলো জমা নিচ্ছে না। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে এগুলো ৯ এপ্রিল তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এগুলো ১০ এপ্রিল তৈরি করেছিলাম। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১৮:৫৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] এখন চেষ্টা করুন ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৯:১১, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১৯:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == Notice of expiration of your interface-admin right == <div dir="ltr">Hi, as part of [[:m:Special:MyLanguage/Global reminder bot|Global reminder bot]], this is an automated reminder to let you know that your permission "interface-admin" (ইন্টারফেস প্রশাসক) will expire on 2025-04-22 11:22:00. Please renew this right if you would like to continue using it. <i>In other languages: [[:m:Special:MyLanguage/Global reminder bot/Messages/default|click here]]</i> [[ব্যবহারকারী:Leaderbot|Leaderbot]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Leaderbot|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)</div> == Notice of expiration of your sysop right == <div dir="ltr">Hi, as part of [[:m:Special:MyLanguage/Global reminder bot|Global reminder bot]], this is an automated reminder to let you know that your permission "sysop" (প্রশাসক) will expire on 2025-04-22 11:22:00. Please renew this right if you would like to continue using it. <i>In other languages: [[:m:Special:MyLanguage/Global reminder bot/Messages/default|click here]]</i> [[ব্যবহারকারী:Leaderbot|Leaderbot]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Leaderbot|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)</div> == Reminder: Submit Your Local Results for Wiki Loves Ramadan 2025 by 15 May == Dear খাত্তাব হাসান, Thank you for your valuable contributions to '''Wiki Loves Ramadan 2025''' in your communities! This is a kind reminder that the '''deadline to submit your local results is 15 May 2025'''. Please make sure to submit the '''complete and detailed results''' of your local contest on the following Meta-Wiki page: '''[[m:Wiki Loves Ramadan 2025/Results]]''' Additionally, feel free to add a brief summary of your local event under the '''Results''' section in your country/region’s row on the participants page: '''[[m:Wiki Loves Ramadan 2025/Participants]]''' If you need any assistance during this process, don’t hesitate to reach out. Thank you for your continued dedication and support! For, Wiki Loves Ramadan International Team ১১:৫১, ২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:ZI_Jony/MassMessage/WLR/List/Local_organizers&oldid=28651179-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:ZI Jony@metawiki পাঠিয়েছেন --> == উইকি রমজান ভালবাসে নিবন্ধ প্রতিযোগিতা সম্পর্কিত == @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই,জমাকৃত কয়েকটি ভুক্তি দুইবার জমা হয়েছে।উদাহরণ হিসেবে [[ইসলাম ধর্মে দাসত্ব]] ভুক্তিটির কথা উল্লেখ করা যায়।এ ভুক্তিটি দুইবার জমা হয়েছে। এছাড়াও আরো কয়েকটি ভুক্তি দুইবার জমা হয়েছে। বিষয়টি দেখার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৮:২৮, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উইকি রমজান ভালোবাসে প্রতিযোগিতা নিবন্ধ পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]]<nowiki/>ভাই,আসসালামু আলাইকুম। [[মোহামেদ নাশিদ]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৭:২৬, ১০ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ভাই, আমরা সময়ের সংক্ষিপ্ততার জন্য কাউকে দ্বিতীয় সুযোগ দিতে পারছিনা। পাশাপাশি, এখনও আপনার অনুবাদের অনেক কথাই বুঝিনি। নিচের কথার কী অর্থ, এবং এর সাথে উক্তির কী সম্পর্ক বুঝতে পারছিনা: :<blockquote>ফেব্রুয়ারীতে, ভারত এবং পাকিস্তান সকল বিষয়ে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করতে সম্মত হন। মে মাসে, ভারতীয় সংসদ সদস্যরা শান্তির লক্ষ্যে ইসলামাবাদ সফর করেন। জুলাই মাসে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী রব্বানী খার নয়াদিল্লি সফর করেন। এক মাস পরে, উভয় দেশের সংসদ সদস্যরা আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য ভারতে মিলিত হন। "সেপ্টেম্বরে, পাকিস্তান ও ভারতের রেলওয়ে কর্মকর্তারা যোগাযোগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করার জন্য বৈঠক করেছিলেন," তিনি আদ্দুতে আট সদস্যের আঞ্চলিক শীর্ষ সম্মেলনে বলেন। এবং গত কয়েকদিনে, পাকিস্তান ভারতকে সর্বাধিক পছন্দের জাতির মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নত করেছে। আজ, পাকিস্তান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীরা মালদ্বীপের শাংরি লা-এর মনোরম পরিবেশে মিলিত হয়েছেন।</blockquote> :যাইহোক, পরবর্তী প্রতিযোগিতাগুলিতে বিষয়গুলি খেয়াল রাখার অনুরোধ। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৮:৪০, ১০ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == Md Mobashir Hossain স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক == আজ [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]]-কে আপনি উইকিউক্তিতে বাধা প্রদান করেছেন। উইকিউক্তিতে তার স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক অধিকারটি রয়েছে। সেটিও অপসারণ করা উচিত। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৫:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == Final Reminder – Submit Full Local Results for Wiki Loves Ramadan 2025 by 15 May EOD == Dear খাত্তাব হাসান, This is a final reminder that the deadline to submit your '''full and detailed local results''' for '''Wiki Loves Ramadan 2025''' is '''15 May 2025''' EOD. Please ensure you complete the following as soon as possible: * Submit your full results on Meta-Wiki here: '''[[m:Wiki Loves Ramadan 2025/Results]]''' * Add a brief summary of your local event under the "Results" column on: '''[[Wiki Loves Ramadan 2025/Participants]]''' Failure to submit by the deadline may result in exclusion from the international jury consideration. If you need help or encounter any issues, feel free to contact the international team. Thank you once again for your dedication and hard work! ''Warm regards,''<br/> '''Wiki Loves Ramadan International Team''', ০২:৩৯, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:ZI_Jony/MassMessage/WLR/List/Local_organizers&oldid=28651179-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:ZI Jony@metawiki পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == নিবন্ধের নাম পরিবর্তন == [[আবু বকর আল-কালাবধি]] ভুক্তিটিকে আবু বকর কালাবাযি নামে স্থানান্তরিত করার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৬:০৯, ২৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == What was wrong with my biography..? == Please tell me what harm I have done to you. You have removed my '''biography'''. [[ব্যবহারকারী:ShohagHasanOffical|ShohagHasanOffical]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ShohagHasanOffical|আলাপ]]) ১৬:৫৫, ৬ জানুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি) == অপসারণ প্রস্তাবনা বিষয় == @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, আপনার [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/অপসারণ প্রস্তাবনা.js]] কি অপসারণ কাজে ব্যবহার করা যাবে?? তড়িৎ পদক্ষেপ ভালোভাবে কাজ করছে না। অনেক নিবন্ধ ম্যানুয়ালি অপসারণ প্রস্তাবনা যোগ করতে হচ্ছে। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৭:৩৭, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:JIBON|JIBON]] ভাই, অপসারণ প্রস্তাবনা তো ভিন্ন জিনিস। আমি দেখি, ওটাকে কীভাবে উন্নয়ন করতে পারি। আমি কালকের মধ্যে জানাচ্ছি। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:০১, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, আশা রাখব খুব দ্রুত উন্নয়ন করবেন। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৮:০৪, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:JIBON|JIBON]] আপনি কোন স্ক্রিপ্টটা ব্যবহার করছেন? লিঙ্ক দিবেন অনুগ্রহ করে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:০৭, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, আপনার আলাপ পাতায় গ্যাজেট নামক আলাপে আপনার লেখা একটি কোড ছিল সেটি ব্যবহার করে তড়িৎ পদক্ষেপ নামক সরঞ্জাম এসেছে কিন্তু ঠিকভাবে কাজ করছে না। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৮:১০, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:JIBON|JIBON]] আগের দুইটা বাদ দিয়ে [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/bnwq-tools.js]] এটা ইনস্টল করে নিন। আমি এর পূর্ণাঙ্গ ম্যানুয়াল পরবর্তীতে [[উইকিউক্তি:টুলবক্স]] পাতায় আপলোড করবো ইনশাআল্লাহ। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২০:৩৯, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == You may be an eligible candidate for the U4C election == <div lang="en" dir="ltr" class="mw-content-ltr"> Greetings, The [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee|Universal Code of Conduct Coordinating Committee (U4C)]] seeks candidates for the 2026 election. The U4C is the global committee responsible for overseeing enforcement of the [[foundation:Special:MyLanguage/Policy:Universal Code of Conduct|Universal Code of Conduct]]. Elections are held annually, if elected a committee member serves for two years. This year the U4C requires candidates to hold administrator rights on at least one wiki, which is why you are being contacted as you appear to hold this right. There are other requirements, such as candidates must be at least 18 years old and may not be employed by the Wikimedia Foundation or other related chapters and affiliates. You can find more information in the [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee/Election/2026#Call_for_Candidates|call for candidates on Meta-wiki]]. Additionally, the committee's working language is English; some ability to communicate in English is required. The election opens on 18 May, if you are eligible and interested you have until 10 May to submit your candidacy. There will week between for candidates to answer questions from the community. Voting takes place privately in [[m:Special:MyLanguage/SecurePoll|SecurePoll]], successful candidates must receive at least 60% support. More information is available on [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee/Election/2026|the 2026 Elections page]], including timelines and other candidacy information. If you read over the material and consider yourself qualified, please consider submitting your name to run for the committee. If you think someone else in your community might be interested and qualified, please encourage them to run. In partnership with the U4C -- [[m:User:Keegan (WMF)|Keegan (WMF)]] ([[m:User_talk:Keegan (WMF)|talk]]) ১৮:৩০, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) </div> <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:Keegan_(WMF)/test&oldid=30471712-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Keegan (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন --> == বর্ণানুক্রমিক বিন্যাস == [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] নিবন্ধ থেকে বর্ণানুক্রমিক বিন্যাস কাটবেন না। পুনরায় সংশোধন করার অনুরোধ। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১৭:০৩, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] বর্ণাণুক্রমিক হওয়ার থেকে নীতিমালা অনুসরণ করা অধিক প্রয়োজনীয়। অনুগ্রহ করে অন্য কেউ কাজ করার সময়ে এই ধরনের সম্পাদনা করে সম্পাদনা দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করবেন না। আমি কাজ শেষ করেছি, আপনি এখন কাজ করতে পারেন। ধন্যবাদ! ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৭:০৮, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]], ::আচ্ছা ঠিক আছে। শুধু বিন্যাসটি খেয়াল রাখবেন। আর 'সম্পাদনা দ্বন্দ্ব'-টা ডিক্শনারী থেকে নাই করে দিলাম! ধন্যবাদ!! [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১৭:৩০, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি) == প্রশ্ন == আসসালামু আলাইকুম, কাপুদান পাশা ভাই, [https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8&diff=prev&oldid=83751 এই] সংস্করণটি অপসারণ করলেন কেন? সেই সাথে ব্যবহারকারীকে বাধা দান করলেন দেখলাম। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১৩:৫৮, ১৩ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :দীর্ঘমেয়াদী অপব্যবহারকারী। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:৩৪, ১৩ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::তবে তার করা সম্পাদনাটি অপসারণ করেছিলেন কেন? জানতে চাই। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:৩৩, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ওটাই বলেছি। সম্পাদনা অপসারণ ও বাধাদানের কারণ: দীর্ঘমেয়াদী অপব্যবহারকারী। বিস্তারিত দেখুন: [[w:WP:BMB]]। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১১:৪৫, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ওহ বুঝলুম। তবে অন্যকেউ যুক্ত করে দিতে পারবে? [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:৪৮, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] একই উৎস বা একই প্যাটার্ন থেকে পুনঃসংযোজন করা হলে সেটি মিটপাপেট্রি বা দীর্ঘমেয়াদি অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, তাই এখনই পুনরায় যুক্ত করা ঠিক হবে না। :::::এছাড়া বিষয়বস্তু যুক্ত করার ক্ষেত্রে উইকির সাধারণ মানদণ্ড অনুসরণ করা প্রয়োজন, যেমন উল্লেখযোগ্যতা ও নির্ভরযোগ্য উৎস। বিশেষ কোনো ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি বা মতের ভিত্তিতে বিষয়বস্তু নির্বাচন না করে, আলোচিত, গুরুত্বপূর্ণ এবং যাচাইযোগ্য তথ্যই সাধারণত অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আশা করি, বুঝাতে পেরেছি। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১১:৫৫, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::ঠিক আছে। অন্য বিষয়বস্তু যুক্ত করা যাবে। ধন্যবাদ, [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:৫৯, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::[[ ২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] নিবন্ধে ট্যাগটি কি থাকার আর প্রয়োজন আছে ভাই? [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১২:১৪, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::[[আলাপ:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন#নিরপেক্ষতা ট্যাগ যুক্ত করার কারণ]] দেখুন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১২:৩৩, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::জী ভাই, সেটা তো জানিই। তবে এগুলো তো আলাপ পাতায় সরানো হয়েছে। এরপর আমি তথ্যসূত্র যুক্ত উক্তি যোগ করেছি। সেজন্য এখন তো আর কোনো বিতর্ক আছে বলে মনে হয়না। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১২:৩৮, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনি আমার আলোচনাটা দেখেননি। যেগুলো সরানো হয়েছে ওগুলোর জন্য নিরপেক্ষতা সমস্যা নয়, তথ্যসূত্র না থাকার সমস্যা। নিরপেক্ষতা হচ্ছে, কোনো কিছু প্রমাণের চেষ্টা করা বা একপেশে হয়ে লেখা। এখানে প্রয়োজনের বাইরে অনেক কিছু পক্ষপাতিত্ব হিসেবে যুক্ত হয়েছে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১২:৫৪, ১৪ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::আরেকটা প্রশ্ন, বাংলা উইকিপিডিয়াতে টপিকব্যান থাকলে কী এর সহপ্রকল্পগুলোতে সেই টপিকের উপর কাজ করা যাবে?? @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ০৮:০৮, ১৫ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এক উইকির ব্যান অন্য উইকিতে সাধারণত প্রয়োগ হয়না, যদি না ফাউন্ডেশন ব্যান বা আচরণগত কোনো সমস্যা না থাকে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৫:৫৮, ১৫ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::::ওহ, এই বিষয়ে অভিহিত করার জন্য ধন্যবাদ। কোনো ভ্রান্তি হলে তার ওপর আলোকপাত করার বিনীত প্রত্যাশা কামনা করছি। এতোগুলো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আবারো ধন্যবাদ। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১৬:৫৯, ১৫ জুন ২০২৬ (ইউটিসি) b702fxmm6v0d93ldsbswjh02p5ynzws ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন 3 742 83851 77360 2026-07-03T05:35:33Z Oindrojalik Watch 4169 /* পক্ষপাত */ নতুন অনুচ্ছেদ 83851 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == সুপ্রিয়, ফারদিন, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! —[[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:৫২, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) @[[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee|Salil Kumar Mukherjee]] মূল পয়েন্টগুলো highlight করার জন্য গাঢ় করা হয়। এমন তো অনেক দেখেছি যেখানে তথ্যসূত্রে গাঢ় অক্ষরে লেখা না থাকলেও উইকিউক্তিতে গাঢ় করা হয়েছে। English wiki তেও এমন অনেক দেখেছি। তাহলে তো Eng wiki সহ এমনভাবে যত জায়গায় গাঢ় করা আছে সব জায়গায় শব্দগুলোকে গাঢ় থেকে হালকা করে দিতে হবে।নাকি? [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩ (ইউটিসি) :তথ্যসূএ দিন যেখানে মূল বইয়ে অক্ষর গাঢ় নেই অথচ ইংরাজি উইকি উক্তিতে গাঢ় করে দেখানো হয়েছে? নিজের ইচ্ছা মতো অক্ষর গাঢ় করা হলে সেটি ঐ ব্যক্তির উক্তিকে বিকৃত করার সামিল। [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee|Salil Kumar Mukherjee]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Salil Kumar Mukherjee|আলাপ]]) ০৯:৫৮, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩ (ইউটিসি) @[[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee|Salil Kumar Mukherjee]] এরকম প্রচুর আছে।আপাতত Adolf Hitler এর টা দেখুন।যে উক্তিগুলো উইকিতে গাঢ় করা সেগুলোর তথ্যসূত্র চেক করলেই দেখতে পাবেন, মূল তথ্যসূত্রে গাঢ় করা হয় নি। https://en.m.wikiquote.org/wiki/Adolf_Hitler [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ১১:৩০, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩ (ইউটিসি) :Adolf Hitler এ কিছু লাইন গাঢ় করাা হয়েছে দেখলাম। তবে বেছে বেছে অক্ষর কোথাও গাঢ় করা হয়নি। যদিও ওটাও ঠিক নয়। ব্যক্তির উক্তিকে উল্লিখিত বইয়ের মতন তাঁর বানান অনুসারে হুবহু লেখা উচিৎ। নচেৎ উক্তিটিকে প্রামাণ্য বলে ধরা হবে কীভাবে? [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee|Salil Kumar Mukherjee]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Salil Kumar Mukherjee|আলাপ]]) ১২:১৯, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩ (ইউটিসি) @[[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee|Salil Kumar Mukherjee]] বেছে বেছে শব্দও গাঢ় করা আছে। শুধু Adolf Hitler না। এরকম প্রচুর জায়গায় গাঢ় করা আছে।আর এটা খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার। উক্তিকে তথ্যসূত্রের মতোই রাখা হচ্ছে।এখানে শব্দগত বা অর্থগত কোনো কিছুই পরিবর্তন করা হচ্ছে না।তাই উক্তির বিকৃতি হচ্ছে না।মূল পয়েন্টগুলো যেন সহজেই দৃষ্টিগোচর হয় তাই গাঢ় করা হয়।গাঢ় করার ব্যাপারে নিষেধ বা গাঢ় করলে উক্তি বিকৃত হয় এমন কোথাও দেখিনি। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ১৭:৩০, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩ (ইউটিসি) :নিজের মতো করে বেছে বেছে শব্দ গাঢ় করার কোন যুক্তি নেই। তাহলে তো যে কেউ যেকোন শব্দকে নিজের মতো করে গাঢ় করে দেবে। এক্ষেত্রে বক্তা হয়তো ঐ শব্দে আদতে জোরই দেননি। এগুলি উক্তি বিকৃতির সামিল বলেই আমার মনে হয়। [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee|Salil Kumar Mukherjee]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Salil Kumar Mukherjee|আলাপ]]) ১৮:৪২, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩ (ইউটিসি) ::নিজের মতো করে বেছে বেছে শব্দ গাঢ় করা হয় না।উইকিউক্তিতে যারা উক্তি যোগ করে তারা কনটেক্সট বুঝেই মূল টপিকগুলো হাইলাইট করার জন্য বোল্ড করে।আর link সহ তথ্যসূত্র তো সাথে দেওয়াই থাকে। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ১৯:২৪, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩ (ইউটিসি) :::সুধী, আমার সমান্য পর্যবেক্ষণে যা মনে হল, আপনার [[:en:Adolf_Hitler|উল্লেখিত পৃষ্ঠাটিতে]] এবং অন্য আরো কিছু পৃষ্ঠাতে গাঢ় লেখা আছে ঠিকই কিন্তু তা অনেক গুলো উক্তির সূচি থেকে কিছু জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত উক্তিগুলো তুলে ধরার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং উক্তির মধ্য থেকে বেছে বেছে নির্দিষ্ট শব্দ গাঢ় করা আমি ঠিক লক্ষ্য করিনি। তাছাড়া ইংরেজি উইকিউক্তির প্রসঙ্গ যেহেতু উঠলই তাহলে সেখানেও এই নিয়ে গাঢ় লেখার ব্যবহার নিয়ে কোনো ঐক্যমত নেই, [[:en:wq:Guide_to_layout#Boldface|এখানে দেখুন]]। গাঢ় লেখা সেই নির্দিষ্ট বাছাই করা শব্দের প্রাধান্যতা অন্য গুলোর তুলনায় বেশি হিসেবে তুলে ধরে, যদি বাস্তবিক উৎসে এমনটা ভাবে না হয়ে থাকে তাহলে নির্দিষ্ট শব্দ গাঢ় করা অপ্রয়োজনীয় বলেই মনে হচ্ছে। [[ব্যবহারকারী:Asked42|Asked42]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Asked42|আলাপ]]) ২০:৫১, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩ (ইউটিসি) == মুহাম্মদ জাফর ইকবাল == শুভেচ্ছা নিন। আপনি [[মুহাম্মদ জাফর ইকবাল]] পাতা তৈরি করে আর একটি উক্তি ছাড়া আর উক্তি যোগ করেন নি। আপনি এটি নিয়ে কাজ করতে না চাইলে, আপনি কী এটি ছেড়ে দিতে চান? দিলে অন্য জনকে এটি নিয়ে কাজ করতে দেওয়া যায়। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৫:০৯, ১১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) @[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] না, ধীরে ধীরে উক্তি যোগ করা হবে। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ১৮:৪২, ১১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :উক্তি যোগের জন্য ধন্যবাদ। তবে লক্ষ্য করুন গুডরিডস কোনও ভালো উৎস নয়। এটি যাচাইযোগ্য নয়। :দয়া করে মূল উৎস দিন। কোনো পত্রিকা/বই থেকে উক্তি নিলে পত্রিকার/বইয়ের নাম, তারিখ, পৃষ্ঠা নং দিন। তার লিখিত কোন রচনা থেকে উক্তি নিলে রচনার নাম, পৃষ্ঠা নম্বর দিন। অনলাইন পত্রিকা থেকে উক্তি নিলে সেই লিঙ্ক দিন। অনুগ্রহ করে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নৌকা]] পাতাটি দেখুন, সেখানে কীভাবে মূল উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৪৮, ১১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় == শুভেচ্ছা নিন। আপনি [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] পাতা তৈরি করে একটিও উক্তি যোগ করেন নি। দয়া করে উক্তি যোগ করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৯:৪৪, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ আরো অনেকগুলো পাতা আছে যেগুলোতে এখনো উক্তি যোগ করা হয়নি। তবে হ্যাঁ এসব পাতায় ধীরে উক্তি যোগ করা হবে। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ১২:০২, ৫ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উৎস ঠিক করা উচিত == শুভেচ্ছা নিবেন। আপনার [https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 জমা দেওয়া] অনেকগুলি পাতা গ্রহণ করা যাচ্ছে না কারণ সেগুলিতে উৎস নেই কিংবা সঠিকভাবে দেননি। অনেকগুলিতে মূল লেখা, বই, পৃষ্ঠা নংঙের বদলে গুডরিজ কিংবা ইন্টারনেটের বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশিত "অমুকের সেরা উক্তি" জাতীয় লিঙ্ক উৎস হিসেবে দিয়েছেন। দয়া করে প্রতিযোগিতার ফলাফল প্রকাশের আগে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে সমস্যাগুলি ঠিক করে আমাকে জানান। আমি পুনঃপর্যালোচনা করব। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ০৩:২০, ৭ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি == সুপ্রিয় ফারদিন, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]): * যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন। * যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৩, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :কার্ল সেগান ও আর্কিমিডিস এই দুটো নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করা হলো। :এছাড়াও দেশপ্রেম,গণিত,ইতিহাস,ঘুম,সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়সহ কয়েকটা নিবন্ধের উৎস ঠিক করা হচ্ছে। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ২০:১১, ১০ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান পাতায় শামসুর রহমান নামক দুটি পাতা রয়েছে। এছাড়াও দেশপ্রেম ও স্বদেশপ্রেম নামক দুটি পাতাও আছে। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ২০:৪৩, ১০ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ::শামসুর রহমান একবার আছে। দেশপ্রেম ও স্বদেশপ্রেম দুইবার আছে, এটা নজরে আছে। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২০:৫৭, ১০ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] :::সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় :::সমরেশ মজুমদার ::: দেশপ্রেম ::: ইতিহাস ::: ঘুম ::: সংস্কৃতি :::এই নিবন্ধগুলো পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ করা হলো। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ২০:৫৬, ১১ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :::[[শামসুর রহমান]] ও [[শামসুর রাহমান]] এই দুটি নিবন্ধ একই ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ২১:০১, ১১ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] আমার "দেশপ্রেম" নামক নিবন্ধের শব্দসংখ্যা ০ দেওয়া হয়েছে। আর "দূর্নীতি" নিবন্ধে শব্দসংখ্যা ০ হওয়ার কথা না? [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ১০:২৩, ১৭ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ::::করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৬:৪৩, ১৭ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় ফারদিন, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] আমার কোনো বিকাশ নম্বর নেই। এক্ষেত্রে দোকানের বিকাশ নম্বর ব্যবহার করতে হবে। দোকানে গিয়ে যদি আমি আপনাকে বিকাশ নম্বরটি জানাই তাহলে পাঠাতে পারবেন? [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ১৮:০৬, ২০ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ::পারব। ফরম পূরণ করে সেখানে যে নম্বরে পাঠাতে হবে সেই নম্বর দিন। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৮:৩৩, ২০ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি সরানো হয়েছে == প্রিয়, আপনি [[পিনাকী ভট্টাচার্য]] নিবন্ধ নিয়ে কাজ করেছিলেন। তবে কয়েকটি উক্তি দৈনিক হক কথা নামক ওয়েবসাইট থেকে ছিল, যার গ্রহণযোগ্যতা প্রামাণ্য হতে পারছেনা। সেজন্য সেসব উক্তি সরানো হয়েছে। আশা করছি, বিষয়টি বুঝতে পারছেন। ধন্যবাদ! ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:৪৩, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ (ইউটিসি) == পর্যালোচক হওয়ার আমন্ত্রণ == আসসালামু আলাইকুম, আপনি এই এপ্রিলে অনুষ্ঠেয় [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ পর্যালোচক হিসেবে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী? ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ২১:২৫, ৯ মার্চ ২০২৫ (ইউটিসি) :ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনার আমন্ত্রণের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। আমি আগ্রহী হলেও ব্যস্ততার কারণে পর্যালোচক হওয়ার দায়িত্বটি আমার পক্ষে নেওয়া সম্ভব হবে না। এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে মে মাসের প্রথম কয়েকদিন পর্যন্ত ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে উইকিতে খুব একটা সক্রিয় থাকতে পারব না। ফলে পর্যালোচকের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হবে না। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ১০:৪০, ১০ মার্চ ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:৪৬, ১০ মার্চ ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নবারুণ ভট্টাচার্য]] == উক্তিগুলোতে যথাযথ তথ্যসূত্র দেননি।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৮:৩৭, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[জ্যোতি বসু]] == পাতার কাঠামো-বিন্যাস ঠিক নেই। উক্তিগুলোতে থাকা তথ্যসূত্র যাচাইযোগ্য নয়।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৮:৩৮, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] নবারুণ ভট্টাচার্য, জ্যোতি বসু, অভিজিৎ রায় — এই তিনটি পাতা আমি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫|উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]] এর জন্য সাবমিট করিনি, যেহেতু তিনটি পাতাই ২০২৪ সালে তৈরি করা। বাংলা উইকিউক্তিতে ৬ মে তারিখে আমি সর্বশেষ সম্পাদনা করেছিলাম। কিন্তু চেকমেটে গিয়ে দেখতে পাই, এই তিনটি পাতাই ৭ মে তারিখে আমার নামে প্রতিযোগিতার জন্য সাবমিট করা হয়েছে। "Ei to ami akash" নামক একজন ব্যবহারকারী এই পাতাগুলোতে সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন। সম্ভবত তিনিই এই পাতাগুলো উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫ এর জন্য জমা দিয়েছেন। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ১৯:৫২, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] আচ্ছা, বুঝতে পেরেছি। বার্তা টুলের মাধ্যমে সরাসরি প্রদান করা। তাই আপনার আলাপ পাতাতেই পৌঁছেছে। তারিখ খেয়াল করা হয়নি বলে দুঃখিত। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২০:৪৩, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == Share Your Feedback – Wiki Loves Ramadan 2025 == Dear ফারদিন Thank you for being a part of '''[[m:Special:MyLanguage/Wiki Loves Ramadan 2025|Wiki Loves Ramadan 2025]]''' — whether as a contributor, jury member, or local organizer. Your efforts helped make this campaign a meaningful celebration of culture, heritage, and community on Wikimedia platforms. To help us improve and grow this initiative in future years, we kindly ask you to complete a short '''feedback form'''. Your responses are valuable in shaping how we support contributors like you. * '''Feedback Form:''' [https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSdXEtaqszxcwmTJa8pGT60E7GDtpbssNadR9vZFVFbLicGFBg/viewform Submit your feedback here] * '''Deadline to submit:''' 31 May 2025 It will only take a few minutes to complete, and your input will directly impact how we plan, communicate, and collaborate in the future. Thank you again for your support. We look forward to having you with us in future campaigns! Warm regards,<br/> ''Wiki Loves Ramadan International Team'' ০৮:৫১, ১৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:ZI_Jony/MassMessage/WLR/List/Participants&oldid=28751574-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:ZI Jony@metawiki পাঠিয়েছেন --> == Congratulations! You’re Among the Top 25 Contributors of Wiki Loves Ramadan 2025 🎉🌙 == Dear ফারদিন, We’re excited to inform you that you have been selected as one of the '''Top 25 Contributors''' of the [[m:Wiki Loves Ramadan 2025|Wiki Loves Ramadan 2025]] international campaign! Your remarkable dedication and contributions truly stood out among hundreds of participants across the globe. To help us document your experience and improve future editions, we kindly request you to take a moment to fill out our short feedback form: 📋 Feedback Form: https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSdXEtaqszxcwmTJa8pGT60E7GDtpbssNadR9vZFVFbLicGFBg/viewform After completing the feedback, please request your Top 25 Digital Certificate of Appreciation using this form: 📄 Top 25 Certificate Form: https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSepqMajvCTl3XA1xbFbTsPDJO_yxCro4mdU9UzA5T1GfLWl2w/viewform Thank you once again for your contributions to this campaign. We are proud to have you as part of the Wiki Loves Ramadan community. Warm regards,<br/> Wiki Loves Ramadan International Team <!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:ZI_Jony/MassMessage/WLR/List/2025_TOP_25&oldid=28893400-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:ZI Jony@metawiki পাঠিয়েছেন --> == যোগাযোগ == ভাই আসসালামু আলাইকুম, আপনার সাথে কি যোগাযোগ করা যাবে? WIKIPEDIA সম্পর্কে কিছু জানার ছিল, WhatsApp,phone,বা Facebook আইডি। [[ব্যবহারকারী:Alifuddinsunny|Alifuddinsunny]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Alifuddinsunny|আলাপ]]) ১৬:৩৯, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Alifuddinsunny|Alifuddinsunny]] ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনার টেলিগ্রাম আছে? [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ০৯:৪৮, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ (ইউটিসি) ::জ্বি আমি Telegram ব্যাবহার করি। ::[https://t.me/aleeeeeeeeef আমার Telegram একাউন্ট।] [[ব্যবহারকারী:Alifuddinsunny|Alifuddinsunny]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Alifuddinsunny|আলাপ]]) ১৬:৩১, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ (ইউটিসি) == পর্যালোচক হওয়ার আহ্‌বান == সুধি, আগামী ১ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলা উইকিউক্তির বার্ষিক '''উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬''' অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত প্রতিযোগিতায় আপনাকে পর্যালোচক দলের অংশ হওয়ার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আপনি কি পর্যালোচক হতে ইচ্ছুক? ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৮:৪০, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আপনার আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ। তবে বিভিন্ন কারণে আমি এইবারও পর্যালোচক হতে পারছি না। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ০৫:২০, ২৬ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) == [[:ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] পাতার [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণের জন্য বিচারধারা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা == [[File:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]] {{Quote box|quote=<p>এটি যদি উইকিউক্তিতে আপনার তৈরি করা প্রথম পাতা হয়ে থাকে, তবে আপনি উইকিউক্তিতে [[উইকিউক্তি:আপনার প্রথম ভুক্তি|প্রথম ভুক্তির দিক-নির্দেশনা]] অবশ্যই পাঠ করে নিন।</p><p>আমরা আপনাকে [[উইকিউক্তি:ভুক্তি উইজার্ড|ভুক্তি উইজার্ড]] ব্যবহার করে পাতা তৈরি করতে উৎসাহিত করছি।</p>|width=20%|align=right}} উইকিউক্তি থেকে দ্রুত অপসারণের জন্য [[:ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] নামক পাতাটিতে একটি ট্যাগ লাগানো হয়েছে। সংক্ষিপ্ত পাতা; উক্তি প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্যে সম্পূর্ণ পাতা অনুবাদ করতে ইচ্ছুক এর জন্য এই ট্যাগ লাগানো হয়েছে। [[WQ:CSD#পাতা|দ্রুত অপসারণের বিচারধারা]] অনুযায়ী এই পাতাটি যে কোনো সময় অপসারণ করা হতে পারে। আপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে এই পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:ভীমরাও রামজি আম্বেদকর|পাতাটিতে গিয়ে]] "'''দ্রুত অপসারণে আপত্তি জানান'''" লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন পাতাটি দ্রুত অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন পাতায় দ্রুত অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি পাতাটি দ্রুত অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে পাতাটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা পাতা থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে পাতাটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, পাতার বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উক্তিযোগ্যতা|উক্তিযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে পাতাটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকের আলোচনাসভায়]] জানান। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৭:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] এই পাতাটিকে অপসারণ করা যেতে পারে। কিন্তু উক্তি প্রতিযোগিতার জন্য নতুন পাতা তৈরির উদ্দেশ্যটি সফল নাও হতে পারে। কারণ উইকিউক্তিতে ভীমরাও রামজি আম্বেদকর সম্পর্কে দুটি পাতা আছে। এই পাতাটি ২০২৪ সালে তৈরি। কিন্তু এই পাতাটি তৈরিরও আগে ২০২২ সালে [[ভীমরাও আম্বেডকর]] নামক পাতাটি তৈরি করা হয়েছিল। যেহেতু [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] পাতাটি পরবর্তীতে তৈরি করা হয়েছে তাই এটিকে অপসারণ করে [[ভীমরাও আম্বেডকর]] পাতাটিকে ভীমরাও রামজি আম্বেদকর নামে স্থানান্তর করে সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন#top|আলাপ]]) ০৮:০১, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::প্রতিযোগিতায় সম্প্রসারণের সুযোগ নেই। যাইহোক, সিদ্ধান্তটি আমি @[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] প্রশাসক মহাশয়ের ওপর ছেড়ে দিলাম। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৮:২২, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] দুইটা প্রসঙ্গ রয়েছে। প্রথমত, [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] পাতাটি হয়তো [[ভীমরাও আম্বেডকর]] পাতার সাথে একত্রীকরণ করা যেতে পারে। কিন্তু লেখকের অনুরোধ/সমর্থন ব্যতীত নিয়ম অনুসারে [[ভীমরাও আম্বেডকর]] পাতাটি অপসারণ করা নীতিমালা অনুসারে কঠিন। যদিও সূত্র না থাকার বিষয় নিয়ে [[উইকিউক্তি:অপসারণের প্রস্তাবনা|অপসারণের প্রস্তাবনা]] শুরু করা যেতে পারে, কিন্তু কার্যধারা এমনই হয় যে, এখানে অপসারণ না করে সূত্র সম্প্রসারণ করা হোক। আরেকটা আমার একান্তই ব্যক্তিগত বিষয় হচ্ছে, দাদার এই কাজটা উইকিউক্তি যখন ইনকিউবেটরে ছিল, তখনকার। এটা অপসারণ না হলেই বরং আমি খুশি হবো। বাকি বিষয়টা @[[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee|Salil Kumar Mukherjee]] দাদার উপরও অনেকটা ডিপেন্ড করে। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৭:৪০, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পক্ষপাত == মনে হলো আপনি রাজনৈতিক শত্রুভাবাপন্ন হয়ে পক্ষপাতমূলক সম্পাদনা করছেন সাম্প্রতিক সম্পাদনা দেখে। [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ০৫:৩৫, ৩ জুলাই ২০২৬ (ইউটিসি) a3rddne7rt1rdquv6rkbe8hs20mlxxf প্রথম বিশ্বযুদ্ধ 0 5566 83863 48331 2026-07-03T11:16:44Z Oindrojalik Watch 4169 /* আরও দেখুন */ 83863 wikitext text/x-wiki [[File:Bulgaria_southern_front.jpg|thumb|প্রথম বিশ্বযুদ্ধ অগ্রগতির ভারাকে নাড়া দিয়েছিল কারণ এটি মারাত্মক এবং অপ্রত্যাশিতভাবে দীর্ঘ ছিল: এটি দেখিয়েছিল যে প্রযুক্তি দ্বিমুখী হতে পারে। - [[জিওফ্রে ব্লেইনি]] ]] '''[[:w:প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]]''' মানবসভ্যতার ইতিহাসে এ যাবৎকাল পর্যন্ত সংঘটিত সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ। ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল, এই ছয় বছর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়সীমা ধরা হলেও ১৯৩৯ সালের আগে এশিয়ায় সংগঠিত কয়েকটি সংঘর্ষকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়। == উক্তি == *যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে আমরা কিসের জন্য লড়াই করছি, আমি দুটি বাক্যে উত্তর দিতে পারি। প্রথমত, একটি গৌরবময় আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা পূরণ করা … সম্মানের একটি বাধ্যবাধকতা যা কোন আত্মমর্যাদাশীল মানুষ সম্ভবত প্রত্যাখ্যান করতে পারে না। <br/> আমি বলি, দ্বিতীয়ত, আমরা এই নীতিকে সত্যায়িত করার জন্য লড়াই করছি যে একটি শক্তিশালী এবং অধিপতি ক্ষমতার স্বেচ্ছাচারী ইচ্ছায় আন্তর্জাতিক ভাল বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ক্ষুদ্র জাতিসত্তাগুলিকে পিষ্ট করা যাবে না। **[[w:Herbert Asquith|হারবার্ট এস্কোইত]], [https://www.firstworldwar.com/source/asquithspeechtoparliament.htm সংসদে ঠিকানা], (৬ আগস্ট ১৯১৪); ''উৎস রেকর্ডস অফ দ্য গ্রেট ওয়ার'', ভলিউম ওয়ান। *প্রথম বিশ্বযুদ্ধ অগ্রগতির ভারাকে নাড়া দিয়েছিল কারণ এটি মারাত্মক এবং অপ্রত্যাশিতভাবে দীর্ঘ ছিল: এটি দেখিয়েছিল যে প্রযুক্তি দ্বিমুখী হতে পারে। যুদ্ধটি একটি নৈতিক প্রশ্ন উত্থাপন করে অগ্রগতির ধারণার উপর আরেকটি প্রতারণামূলক আক্রমণ করেছিল যা অগ্রগতিতে বিশ্বাসীরা মঞ্জুরি হিসাবে গ্রহণ করেছিল: 'প্রগতির' দীর্ঘ যুগে ইউরোপীয়দের নৈতিকতা কি উন্নত হয়েছিল? **[[জিওফ্রে ব্লেইনি]], ''দ্য গ্রেট সিসো: এ নিউ ভিউ অফ দ্য ওয়েস্টার্ন ওয়ার্ল্ড, ১৭৫০-২০০০'' (১৯৮৮)। *আজ সকাল এগারোটায় মানবজাতিকে আঘাত করা সবচেয়ে নিষ্ঠুর এবং সবচেয়ে ভয়ঙ্কর যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছে। আমি আশা করি আমরা বলতে পারি যেন এইভাবে, এই ভাজ্যজনক সকালে, সমস্ত যুদ্ধের অবসান ঘটেছে। **[[ডেভিড লয়েড জর্জ]], হাউস অফ কমন্সে বক্তৃতা, (১১ নভেম্বর ১৯১৮) *পৃথিবীর সমস্ত দেশের মানুষ <br/> সম্মিলিত কণ্ঠে সোচ্চার হও, <br/> বল,—অতীতের সেই দিনটি <br/> যেদিন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বেধেছিল। <br/> দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সেই ভয়ঙ্কর দিনটি <br/> যেদিন হিরোশিমা নাগাসাকি মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছিল, <br/> পৃথিবীর ইতিহাসের, মানুষের ইতিহাসের— <br/> সেই চরমতম কলঙ্কের দিনটি <br/> চিরদিনের জন্য <br/>কালাদিবস বলে ঘোষিত হোক। **[[s:bn:শান্তির স্বপক্ষে|শান্তির স্বপক্ষে,]] কালাদিবস *প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যুদ্ধরত সৈনিকদের মধ্যে হিস্টিরিক-অন্ধত্ব ও স্মৃতিভ্রংশের অনেক ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। এদের প্রতিটি অন্ধত্ব ও স্মৃতিভ্রংশ বহিরাগত কোনও কারণে হয়নি, হয়েছে মস্তিষ্ক-কোষের জন্য। ওদের অবচেতন মন রক্ত দেখতে চাইছে না। হত্যার বীভৎস স্মৃতি ধরে রাখতে চাইছে না। এই না চাওয়ার তীব্র আকুতি থেকেই দৃষ্টি হারিয়েছে, স্মৃতি হারিয়েছে। **[[মহেন্দ্রনাথ গুহ]] - বাঙ্গালীর প্রতিভা ও সুভাষচন্দ্র (১৯৪৬)। *বিগত বিশ্বযুদ্ধে জাপান মিত্রপক্ষে ছিল, এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের শত্রুরা ছিল শুধু ইউরোপে এবং নিকট-প্রাচ্যে অর্থাৎ পশ্চিম-এশিয়ায়। গতযুদ্ধের সময় যে সব ভারতীয় বিপ্লবী ভারতের বাইরে কাজ করছিলেন এবং যাঁরা ভারতীয় স্বাধীনতা-আন্দোলনের জন্যে ভারতে সাহায্য আনার চেষ্টা করছিলেন, তাঁদের কাছে সরবরাহপথের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল প্রায় সমাধানের অতীত। **[[সুভাষচন্দ্র বসু]] - দিল্লী চলো, পূর্ব্ব-এশিয়ার অবস্থা (১৯৪৫)। == আরও দেখুন == * [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] * [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] * [[w:পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] * [[w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্র]] * [[যুদ্ধ]] *[[শান্তি]] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} pfi8x1zarf5g9m3wnq7iyhncxefcruz তোফায়েল আহমেদ 0 7072 83852 83723 2026-07-03T06:01:30Z Oindrojalik Watch 4169 /* তোফায়েল আহমেদ সম্পর্কে উক্তি */ 83852 wikitext text/x-wiki '''[[:w:তোফায়েল আহমেদ|তোফায়েল আহমেদ]]''' (২২ অক্টোবর ১৯৪৩ — ১ জুন ২০২৬) ছিলেন একজন [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশী]] রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল [[বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ|বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের]] শীর্ষস্থানীয় নেতা। ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ জুন তিনি প্রধানমন্ত্রী [[শেখ হাসিনা]] সরকারের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তিনি নয় দফা জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পদের একজন সদস্য এবং তিনি ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। == উক্তি == *আমার দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ছিল যে আমার কিছু থাকবে না। আমি কোনো সম্পদ রাখব না। একটি ঘটনা বলি, যা আমাকে অনেকটা অনুপ্রাণিত করেছে এমন সিদ্ধান্ত নিতে। মহাবীর আলেকজান্ডার একদিন তার পাশে থাকা গুরুত্বপূর্ণদের ডেকে তিনটি নির্দেশ দিলেন। এক. আমি মারা গেলে আমার কফিন বহন করবেন চার জন ডাক্তার, যারা আমার চিকিৎসা করেছেন। দুই. আমি যত কিছু অর্জন করেছি, সোনাদানা-সম্পদ যা আছে তা বিলিয়ে দেবে। যেখান দিয়ে লাশ যাবে, সেখানে তা বিলিয়ে দেবে। তিন. কবরে নামানোর সময় হাত দুটি কফিনের দুই পাশে ঝুলতে থাকবে। জিজ্ঞাসা করবে এর কারণ কী? কারণ হলো- ডাক্তাররা মানুষকে চিকিৎসা করে সুস্থ করতে পারেন, কিন্তু বাঁচিয়ে রাখতে পারেন না। আর যা অর্জন করেছি, তার কোনো মূল্য নেই। আমি খালি হাতে যাচ্ছি। শূন্য হাতে ফিরে যাচ্ছি। আমি কিছুই নিয়ে যাচ্ছি না। এই যে কিছুই নিয়ে যাচ্ছেন না, আমিও তো শূন্য হাতে যাব। **সম্পদ দান করে দেওয়ার ব্যাপারে [https://bangla.thedailystar.net/node/234217 ডেইলি স্টার] ২৬ জুন ২০২১ *ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু জাতির পিতা (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) ধীরে ধীরে কীভাবে কারাগারে অন্ধকার কক্ষে থেকে সংগ্রাম করে আমাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে, সেই দৃশ্যগুলো তুলে ধরা হয়েছে এই ছবির মাধ্যমে। অপরদিকে ১৫ আগস্ট যখন দেখাল, তখন আমার হৃদয় কেঁপে উঠেছে। বির সব কলাকুশলী অনেক ভালো অভিনয় করেছেন। আমি খুবই মুগ্ধ হয়েছি। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর চরিত্র আরেফিন শুভ অনেক ভালোভাবেই ফুটিয়ে তুলতে পেরেছে।’ এ জন্য তাকেসহ সবাইকে ধন্যাবাদ জানান। যারা বঙ্গবন্ধুকে জানতে চান, বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাস জানতে চান, এই চলচ্চিত্রটি তাঁদের অনেক কিছু শিখাতে পারবে। [https://www.protidinersangbad.com/whole-country/421381 প্রতিদিনের সংবাদ] *আওয়ামী লীগ মানেই উন্নয়ন। আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে ততবারই দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে। তাই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় আগামী ৭ জানুয়ারি নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। **[https://www.kurigrambarta.com/politics/78924 কুড়িগ্রাম বার্তা] == তোফায়েল আহমেদ সম্পর্কে উক্তি == * ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) গঠিত হলে বাকশালের যুব সংগঠন ‘জাতীয় যুবলীগ’–এর সাধারণ সম্পাদক হন তিনি।[...] ১৯৭৮ সালে কুষ্টিয়া কারাগারে অন্তরিণ থাকা অবস্থায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন তোফায়েল। যদিও পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু (মুজিব)-কে হত্যার পর ‘নিষ্ক্রিয়তা’র জন্য তোফায়েল আহমেদ পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনার সমালোচনার মুখে পড়েন। ** [https://www.prothomalo.com/politics/ffeyl2iig4 শেষ সময়ে দলে অবহেলিত ছিলেন তিনি], ''প্রথম আলো'' * বীর মহাবীর জীবনে অনেকে একবার হন। কিন্তু তোফায়েল আহমেদ ’৬৯-এর যেমনি মহানায়ক, একাত্তরের [[মুক্তিযুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধেও]] তেমনি মহানায়ক। মানুষের অনেক ব্যর্থতা থাকে, ভুল থাকে, ভ্রান্তি থাকে। তারপরও আমি মনে করি, তোফায়েল আহমেদ সমস্ত ভুলভ্রান্তির ঊর্ধ্বে সফল রাজনীতিবিদ। ** [[আবদুল কাদের সিদ্দিকী]], [https://www.kalerkantho.com/online/opinion/2026/06/02/1691798 কালের কণ্ঠে] উদ্ধৃত। * ইতিহাসের পাতায় দাগ কাটা এক জঘন্য অপরাধের সাক্ষী ১৯৬৯ সালের ১৫ আগস্ট।<br> ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ইসলামী ছাত্রসংঘের নেতা আব্দুল মালেককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার পৈশাচিক ঘটনায় তোফায়েল আহমেদ এবং হাসানুল হক ইনুর সরাসরি অংশগ্রহণের কথা আজ আর কারও অজানা নয়। শহীদ আব্দুল মালেকের 'অপরাধ' ছিল—তৎকালীন ইকবাল হলে (বর্তমান শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) আয়োজিত এক সেমিনারে পশ্চিমা শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি ইসলামি শিক্ষা প্রবর্তনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা। সেমিনারের পর হলে ফেরার পথে রাস্তায় একা পেয়ে তোফায়েল আহমেদ, হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেননের মতো তৎকালীন ছাত্রলীগের ক্যাডাররা তার ওপর পশুর মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে আব্দুল মালেক প্রাণ হারান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এটিই ছিল প্রথম রাজনৈতিক ছাত্র হত্যাকাণ্ড, যা তখন পুরো জাতিকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষ ফল হিসেবেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকসু নির্বাচনে তোফায়েলদের ছাত্রলীগের ভরাডুবি ঘটেছিল।<br> গত পাঁচ দশকে তোফায়েল আহমেদ বাংলাদেশকে আসলে কী উপহার দিয়েছেন? তিনি যখনই যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন, তা দুর্নীতি ও লুটপাটের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটপাট থেকে শুরু করে বিচার ব্যবস্থাকে পঙ্গু করা- সবখানেই তার দীর্ঘ ছায়া ছিল।<br> '''শেখ হাসিনাকে আজ যে খুনি, স্বৈরাচারী ফেরাউন হিসেবে বিশ্ব চেনে, তার রাজনৈতিক ইন্ধনদাতা ও পরামর্শক হিসেবে তোফায়েল আহমেদের নাম ইতিহাসের কালো পাতায় খোদাই করা থাকবে।''' ** মো. রেযাউল করিম, [https://www.banglaedition.com/opinion/2026/06/02/264430 'খুনি' তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু: ইতিহাসের দায়মোচন]; ২ জুন, ২০২৬ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:২০২৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] g3nsg4u1q86qkblr86whm0xwlmpn0fr ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/bnwq-tools-test.js 2 12214 83844 81194 2026-07-03T04:35:31Z খাত্তাব হাসান 7 সংশোধন 83844 javascript text/javascript // <nowiki> /** * ToolBox Core: A lightweight global maintenance user script. * Features: Tagging, CSD, XfD, Protection, Welcome, Warnings. * Architecture: Central Core + External Configuration + External Admin Module. */ (function ($, mw) { 'use strict'; // Prevent multiple executions if (window.ToolBoxLoaded) return; window.ToolBoxLoaded = true; // Determine UI Language var userLang = mw.config.get('wgUserLanguage'); var savedLang = null; try { savedLang = window.localStorage.getItem('toolbox-ui-lang'); } catch (e) {} var uiLang = savedLang || userLang; if (uiLang !== 'bn' && uiLang !== 'en') uiLang = 'bn'; // Fallback Messages in case config fails to load var fallbackMsgs = { 'bn': { 'config_loading': 'কনফিগারেশন ফাইল লোড হচ্ছে... অনুগ্রহ করে কয়েক সেকেন্ড পর আবার চেষ্টা করুন।', 'toolbox': 'টুলবক্স', 'toolbox_tooltip': 'টুলবক্স মেনু খুলুন [alt-x]', 'docs': 'টুলবক্স নথি', 'bug_report': 'বাগ প্রতিবেদন বা মতামত', 'go_back': 'পিছনে যান', 'cancel': 'বাতিল', 'close': 'বন্ধ করুন', 'confirm': 'নিশ্চিত করুন', 'please_wait': 'অপেক্ষা করুন...', 'warning': 'সতর্কতা', 'error': 'ত্রুটি হয়েছে: ', 'restore_this_version': 'এই সংস্করণে ফেরত যান' }, 'en': { 'config_loading': 'Configuration file is loading... Please try again in a few seconds.', 'toolbox': 'ToolBox', 'toolbox_tooltip': 'Open ToolBox menu [alt-x]', 'docs': 'ToolBox Documentation', 'bug_report': 'Bug report or feedback', 'go_back': 'Go back', 'cancel': 'Cancel', 'close': 'Close', 'confirm': 'Confirm', 'please_wait': 'Please wait...', 'warning': 'Warning', 'error': 'An error occurred: ', 'restore_this_version': 'Restore this version' } }; // Message Translator Helper function msg(key, param) { var i18n = (window.ToolBoxConfig && window.ToolBoxConfig.i18n) ? window.ToolBoxConfig.i18n : {}; var text = (i18n[uiLang] && i18n[uiLang][key]) || (i18n['bn'] && i18n['bn'][key]) || (fallbackMsgs[uiLang] && fallbackMsgs[uiLang][key]) || (fallbackMsgs['bn'] && fallbackMsgs['bn'][key]) || key; if (param !== undefined) text = text.replace(/\$1/g, param); return text; } // Dynamic URLs (Make sure these paths match your exact wiki paths) var MSG_FILE_URL = '//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:খাত্তাব_হাসান/bnwq-tools-msg-test.js&action=raw&ctype=text/javascript'; var ADMIN_MODULE_URL = '//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:খাত্তাব_হাসান/bnwq-tools-admin-test.js&action=raw&ctype=text/javascript'; // Page Context Information var currentPage = mw.config.get('wgPageName'); var cleanPageName = currentPage.replace(/_/g, ' '); var userGroups = mw.config.get('wgUserGroups') || []; var isAdmin = userGroups.indexOf('sysop') !== -1; var ns = mw.config.get('wgNamespaceNumber'); var isUserSpace = (ns === 2 || ns === 3); var targetUser = isUserSpace ? mw.config.get('wgTitle').split('/')[0] : null; var userTalkPage = targetUser ? 'User talk:' + targetUser : null; // Load External Config Script first, then initialize core if (typeof window.ToolBoxMessages === 'undefined' || typeof window.ToolBoxConfig === 'undefined') { mw.loader.getScript(MSG_FILE_URL).then(initCoreScript).catch(function(e) { console.error("ToolBox: Failed to load configuration.", e); initCoreScript(); // Attempt fallback execution }); } else { initCoreScript(); } // Main Core Initialization Function function initCoreScript() { var localConfig = window.ToolBoxConfig || {}; // Core Constants var BOARD_PAGE = localConfig.boardPage || 'Project:অপসারণের_প্রস্তাবনা'; var ADMIN_BOARD_PAGE = localConfig.adminBoardPage || 'Project:প্রশাসকদের_আলোচনাসভা'; var DELETE_TEMPLATE = localConfig.deleteTemplate || '{{অপ্রচ}}'; var CSD_TEMPLATE = localConfig.csdTemplate || 'অপ'; var PROT_TEMPLATE = localConfig.protectTemplate || 'সুপ্রপা'; var ADMIN_PROT_TEMPLATE = localConfig.adminProtectTemplate || 'সুপ্র'; var VOTE_SUPPORT_TMPL = localConfig.voteSupportTemplate || '{{সমর্থন}}'; var VOTE_OPPOSE_TMPL = localConfig.voteOpposeTemplate || '{{বিরোধিতা}}'; var DONE_TMPL = localConfig.doneTemplate || '{{করা হয়েছে}}'; var XFD_NOTICE = localConfig.xfdNotice || "'''আলোচনাটি {{subst:#time:j F Y H:i|+1 week}} (ইউটিসি) এর আগে বন্ধ হওয়া উচিত নয়।'''"; var XFD_SEC_SUPPORT = localConfig.xfdSecSupport || '=== সমর্থন ==='; var XFD_SEC_OPPOSE = localConfig.xfdSecOppose || '=== বিরোধিতা ==='; var XFD_SEC_COMMENT = localConfig.xfdSecComment || '=== অন্যান্য মন্তব্য ==='; var ATOPR_TMPL = localConfig.atoprTemplate || '{{atopr|status=|result=$1 ~~~~}}'; var ABOT_TMPL = localConfig.abotTemplate || '{{abot}}'; var DOC_URL_PAGE = localConfig.docUrlPage || 'উইকিউক্তি:টুলবক্স'; var GLOBAL_FONT = localConfig.fontFamily || "'TiroBangla', sans-serif"; var isBoardPage = (currentPage === BOARD_PAGE); function withSummarySuffix(summaryStr) { var suffix = (window.ToolBoxMessages && window.ToolBoxMessages.summarySuffix) ? window.ToolBoxMessages.summarySuffix : ' ([[' + DOC_URL_PAGE + '|ToolBox]])'; if (summaryStr.indexOf(suffix) === -1) return summaryStr + suffix; return summaryStr; } function reopenMainMenu() { if (typeof window.ToolsMenu !== 'undefined') new window.ToolsMenu().open(); } // Custom Modal Dialog (Draggable) function showModal(title, htmlContent, onReady, onSubmit, onBack) { var $overlay = $('<div>').css({ position: 'fixed', top: 0, left: 0, width: '100%', height: '100%', backgroundColor: 'rgba(0,0,0,0.6)', zIndex: 9999, display: 'flex', alignItems: 'center', justifyContent: 'center', fontFamily: GLOBAL_FONT }).appendTo('body'); var $modal = $('<div>').css({ backgroundColor: '#fff', padding: '25px', borderRadius: '8px', width: '450px', minWidth: '300px', maxWidth: '90%', maxHeight: '90vh', overflowY: 'auto', boxShadow: '0 4px 15px rgba(0,0,0,0.3)', fontFamily: GLOBAL_FONT, resize: 'both' }).appendTo($overlay); var $headerContainer = $('<div>').css({ display: 'flex', justifyContent: 'space-between', alignItems: 'center', borderBottom: '1px solid #ccc', paddingBottom: '10px', cursor: 'move', userSelect: 'none' }).appendTo($modal); var $header = $('<h3>').text(title).css({ margin: 0, fontFamily: GLOBAL_FONT }).appendTo($headerContainer); var $iconsDiv = $('<div>').css({ display: 'flex', gap: '10px', alignItems: 'center' }).appendTo($headerContainer); var $langSelect = $('<select>').css({ 'padding': '2px 4px', 'border-radius': '4px', 'border': '1px solid #ccc', 'font-family': GLOBAL_FONT, 'font-size': '12px', 'cursor': 'pointer', 'background-color': '#fff' }); var availableLangs = ['bn', 'en']; var langNames = { 'bn': 'বাংলা', 'en': 'English' }; availableLangs.forEach(function(lang) { $langSelect.append($('<option>').val(lang).text(langNames[lang])); }); $langSelect.val(uiLang); $langSelect.on('change', function(e) { e.stopPropagation(); uiLang = $(this).val(); try { window.localStorage.setItem('toolbox-ui-lang', uiLang); } catch(err) {} closeModal(); reopenMainMenu(); }); $iconsDiv.append($langSelect); var docIconSvg = '<svg viewBox="0 0 24 24" width="18" height="18" fill="currentColor"><path d="M12 2C6.48 2 2 6.48 2 12s4.48 10 10 10 10-4.48 10-10S17.52 2 12 2zm1 15h-2v-6h2v6zm0-8h-2V7h2v2z"/></svg>'; $('<a>').attr({ href: mw.util.getUrl(DOC_URL_PAGE), target: '_blank', title: msg('docs') }) .html(docIconSvg).css({ color: '#54595d', display: 'flex', alignItems: 'center' }).appendTo($iconsDiv); var $content = $('<div>').html(htmlContent).css({ marginTop: '15px' }).appendTo($modal); var $footer = $('<div>').css({ marginTop: '25px', display: 'flex', justifyContent: 'flex-end', gap: '8px' }).appendTo($modal); var isDragging = false, startX, startY, initialX, initialY; $headerContainer.on('mousedown', function(e) { if ($(e.target).closest('button, input, textarea, select, a').length > 0) return; isDragging = true; startX = e.clientX; startY = e.clientY; var rect = $modal[0].getBoundingClientRect(); $modal.css({ position: 'absolute', left: rect.left + 'px', top: rect.top + 'px', margin: 0, transform: 'none' }); initialX = rect.left; initialY = rect.top; e.preventDefault(); }); $(document).on('mousemove.tbDrag', function(e) { if (isDragging) $modal.css({ left: (initialX + (e.clientX - startX)) + 'px', top: (initialY + (e.clientY - startY)) + 'px' }); }); $(document).on('mouseup.tbDrag', function() { isDragging = false; }); var closeModal = function () { $(document).off('.tbDrag'); $overlay.remove(); }; if (onBack) { $('<button>').text(msg('go_back')).addClass('mw-ui-button').css({ 'margin-right': 'auto', fontFamily: GLOBAL_FONT }) .appendTo($footer).on('click', function () { closeModal(); onBack(); }); } $('<button>').text(onSubmit ? msg('cancel') : msg('close')).addClass('mw-ui-button mw-ui-quiet').css('fontFamily', GLOBAL_FONT) .appendTo($footer).on('click', closeModal); if (onSubmit) { var $submitBtn = $('<button>').text(msg('confirm')).addClass('mw-ui-button mw-ui-progressive').css('fontFamily', GLOBAL_FONT).appendTo($footer); if (onReady) onReady($content, $submitBtn, closeModal); $submitBtn.on('click', function () { if ($submitBtn.prop('disabled')) return; $submitBtn.prop('disabled', true).text(msg('please_wait')); onSubmit($content, closeModal, function () { $submitBtn.prop('disabled', false).text(msg('confirm')); }); }); } else { if (onReady) onReady($content, null, closeModal); } } function preCheckAndRun(type, callback) { var $loader = $('<div>').text(msg('checking_page')).css({ position: 'fixed', top: '20px', left: '50%', transform: 'translateX(-50%)', background: '#000', color: '#fff', padding: '10px 20px', borderRadius: '5px', zIndex: 10000, fontFamily: GLOBAL_FONT }).appendTo('body'); var api = new mw.Api(); api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: currentPage }).then(function(data) { $loader.remove(); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') { callback(); return; } var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*'] || ''; var coreDelTemp = DELETE_TEMPLATE.replace(/[{}]/g, ''); var hasCSD = new RegExp('\\{\\{(?:' + CSD_TEMPLATE + '|delete)(?:\\||\\})', 'i').test(wikitext); var hasXFD = new RegExp('\\{\\{(?:' + coreDelTemp + '|XFD)(?:\\||\\})', 'i').test(wikitext); var hasProt = new RegExp('\\{\\{' + PROT_TEMPLATE + '(?:\\||\\})', 'i').test(wikitext); var alertMsg = null; if (type === 'csd' && hasCSD) alertMsg = msg('csd_exists'); else if (type === 'xfd' && hasXFD) alertMsg = msg('xfd_exists'); else if (type === 'prot' && hasProt) alertMsg = msg('prot_exists'); if (alertMsg) { showModal(msg('warning'), '<div style="color:#d33; font-weight:bold; background:#fee7e6; padding:15px; border:1px solid #d33; border-radius:4px;">' + alertMsg + '</div>', function($c, $b) { if ($b) $b.hide(); }, function($c, close) { close(); }, reopenMainMenu); } else { callback(); } }).catch(function() { $loader.remove(); callback(); }); } function getProtDropdownsHtml(includeAuto) { var autoOption = includeAuto ? '<option value="auto" selected>' + msg('auto_tmpl') + '</option>' : ''; return '<label style="font-weight:bold;">' + msg('prot_level') + '</label><br>' + '<select id="prot-level" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; margin-bottom:12px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '<option value="autoconfirmed">' + msg('prot_semi') + '</option>' + '<option value="sysop">' + msg('prot_full') + '</option>' + '</select><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('expiry') + '</label><br>' + '<select id="prot-expiry" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; margin-bottom:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + autoOption + '<option value="1 hour">' + msg('1_hour') + '</option><option value="1 day">' + msg('1_day') + '</option>' + '<option value="1 week">' + msg('1_week') + '</option><option value="1 month">' + msg('1_month') + '</option>' + '<option value="infinite"' + (!includeAuto ? ' selected' : '') + '>' + msg('infinite') + '</option>' + '<option value="othertime">' + msg('other_time') + '</option>' + '</select>' + '<input type="text" id="prot-other-time" placeholder="' + msg('other_time_placeholder') + '" style="display:none; width:100%; padding:5px; margin-top:4px; margin-bottom:12px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; } function bindProtDropdownEvents($content) { $content.find('#prot-expiry').on('change', function() { if ($(this).val() === 'othertime') $content.find('#prot-other-time').show(); else $content.find('#prot-other-time').hide(); }); } async function notifyCreator(pageTitle, type, customText, knownCreator) { var api = new mw.Api(); try { var user = knownCreator; if (!user) { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', titles: pageTitle, rvprop: 'user', rvdir: 'newer', rvlimit: 1, formatversion: 2 }); user = data.query.pages[0] && data.query.pages[0].revisions ? data.query.pages[0].revisions[0].user : null; } if (!user || user.includes(':')) return; var talkPage = 'User talk:' + user; var summaryMsg = '', noticeContent = ''; var nMsgs = (window.ToolBoxMessages && window.ToolBoxMessages.notifyMessages && window.ToolBoxMessages.notifyMessages[uiLang]) || window.ToolBoxMessages.notifyMessages['bn'] || {}; if (type === 'xfd') { noticeContent = nMsgs.xfd ? nMsgs.xfd.replace(/\$PAGE_NAME/g, cleanPageName) : '== Deletion discussion for [[:' + cleanPageName + ']] ==\n...'; summaryMsg = msg('notify_xfd_summary', cleanPageName); } else if (type === 'csd' || type === 'deleted') { noticeContent = customText; summaryMsg = msg(type === 'csd' ? 'notify_csd_summary' : 'notify_del_summary', cleanPageName); } await api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: talkPage, appendtext: '\n\n' + noticeContent, summary: withSummarySuffix(summaryMsg) }); } catch (e) { console.error("Creator notification failed:", e); } } async function deleteTalkPage(pageName, summary) { try { var titleObj = new mw.Title(pageName); if (titleObj && !titleObj.isTalkPage()) { var talkPage = titleObj.getTalkPage().getPrefixedText(); var api = new mw.Api(); await api.postWithToken('csrf', { action: 'delete', title: talkPage, reason: summary }); } } catch (e) { /* Ignore */ } } async function removeProtectionTemplate(pageName) { var api = new mw.Api(); try { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: pageName }); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') return; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var templateRegex = new RegExp('\\{\\{' + PROT_TEMPLATE + '(?:\\|[^}]+)?\\}\\}\\n?', 'gi'); var newWikitext = wikitext.replace(templateRegex, ''); if (newWikitext !== wikitext) { await api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: pageName, text: newWikitext, summary: withSummarySuffix(msg('temp_removed_prot')) }); } } catch (e) { console.error('Template removal failed:', e); } } // Export core utilities for Admin module window.ToolBoxCore = { msg: msg, showModal: showModal, withSummarySuffix: withSummarySuffix, getProtDropdownsHtml: getProtDropdownsHtml, bindProtDropdownEvents: bindProtDropdownEvents, notifyCreator: notifyCreator, deleteTalkPage: deleteTalkPage, removeProtectionTemplate: removeProtectionTemplate, GLOBAL_FONT: GLOBAL_FONT, cleanPageName: cleanPageName, currentPage: currentPage, BOARD_PAGE: BOARD_PAGE, ADMIN_BOARD_PAGE: ADMIN_BOARD_PAGE, CSD_TEMPLATE: CSD_TEMPLATE, PROT_TEMPLATE: PROT_TEMPLATE, ADMIN_PROT_TEMPLATE: ADMIN_PROT_TEMPLATE, DELETE_TEMPLATE: DELETE_TEMPLATE, ATOPR_TMPL: ATOPR_TMPL, ABOT_TMPL: ABOT_TMPL, DONE_TMPL: DONE_TMPL, uiLang: uiLang }; // UI ACTIONS (Non-Admin Dialogs) function openCSDDialog() { var defaultSummary = msg('def_sum_csd'); var csdList = (window.ToolBoxMessages.csdCriteriaLists && window.ToolBoxMessages.csdCriteriaLists[uiLang]) || window.ToolBoxMessages.csdCriteriaLists['bn'] || {}; var optionsHtml = ''; for (var group in csdList) { optionsHtml += '<optgroup label="' + group + '">'; csdList[group].forEach(function(reason) { optionsHtml += '<option value="' + reason + '">' + reason + '</option>'; }); optionsHtml += '</optgroup>'; } var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('csd_reason') + '</label><br>' + '<select id="csd-reason" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + optionsHtml + '</select><br><br>' + '<div id="csd-custom-box" style="display:none;"><input type="text" id="csd-custom-reason" style="width:100%; padding:5px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';" placeholder="' + msg('custom_reason_placeholder') + '"><br><br></div>' + '<label style="display:block; margin-bottom:10px; font-weight:bold; cursor:pointer;"><input type="checkbox" id="csd-notify-cb" checked> ' + msg('notify_creator') + '</label>' + '<div id="csd-notify-box" style="margin-bottom:15px;"><textarea id="csd-notify-text" style="width:100%; height:130px; padding:5px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';"></textarea></div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br><input type="text" id="edit-summary" value="' + defaultSummary + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('csd_nomination'), formHtml, function($content) { function updatePreview() { var selected = $content.find('#csd-reason').val(); var isCustom = (selected === 'নিজস্ব বিচারধারা' || selected === 'Custom rationale' || selected === 'Custom'); var finalReason = isCustom ? $content.find('#csd-custom-reason').val().trim() : selected; var nMsgs = (window.ToolBoxMessages.notifyMessages && window.ToolBoxMessages.notifyMessages[uiLang]) || window.ToolBoxMessages.notifyMessages['bn'] || {}; var tmpl = nMsgs.csd || 'Speedy delete: $CSD_REASON'; $content.find('#csd-notify-text').val(tmpl.replace(/\$PAGE_NAME/g, cleanPageName).replace(/\$CSD_REASON/g, finalReason)); } $content.find('#csd-reason').on('change', function() { var selected = $(this).val(); var isCustom = (selected === 'নিজস্ব বিচারধারা' || selected === 'Custom rationale' || selected === 'Custom'); if (isCustom) $content.find('#csd-custom-box').show(); else $content.find('#csd-custom-box').hide(); updatePreview(); }); $content.find('#csd-custom-reason').on('input', updatePreview); $content.find('#csd-notify-cb').on('change', function() { $content.find('#csd-notify-box').toggle($(this).is(':checked')); }); updatePreview(); }, function($content, close, enableBtn) { var selectedReason = $content.find('#csd-reason').val(); var isCustom = (selectedReason === 'নিজস্ব বিচারধারা' || selectedReason === 'Custom rationale' || selectedReason === 'Custom'); var finalReason = isCustom ? $content.find('#csd-custom-reason').val().trim() : selectedReason; if (!finalReason) { alert(msg('alert_reason')); enableBtn(); return; } var doNotify = $content.find('#csd-notify-cb').is(':checked'); var notifyText = $content.find('#csd-notify-text').val().trim(); var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, prependtext: '{{' + CSD_TEMPLATE + '|' + finalReason + '}}\n', summary: withSummarySuffix($content.find('#edit-summary').val().trim() || defaultSummary) }) .then(function() { if (doNotify && notifyText) return notifyCreator(currentPage, 'csd', notifyText); return $.Deferred().resolve(); }) .then(function() { mw.notify(msg('success_csd')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }) .catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } function openAddTagsDialog() { var tagsConfig = (window.ToolBoxMessages.tagsConfig && window.ToolBoxMessages.tagsConfig[uiLang]) || window.ToolBoxMessages.tagsConfig['bn'] || []; var optionsHtml = ''; tagsConfig.forEach(function(tag, index) { optionsHtml += '<label style="display:block; margin-bottom:8px;"><input type="radio" name="tag-select" value="' + index + '"> ' + tag.label + '</label>'; }); var formHtml = '<div style="margin-bottom:15px; font-weight:bold;">' + msg('select_tags') + '</div><div style="margin-bottom:15px;">' + optionsHtml + '</div>' + '<div id="tag-target-box" style="display:none; margin-bottom:15px;"><label style="font-weight:bold;">' + msg('target_page') + '</label><br><input type="text" id="tag-target-page" style="width:100%; padding:5px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';"></div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br><input type="text" id="edit-summary" style="width:100%; padding:5px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('add_tags_title'), formHtml, function($content, $submitBtn) { if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', true); $content.find('input[name="tag-select"]').on('change', function() { var tag = tagsConfig[$(this).val()]; $content.find('#edit-summary').val(tag.summary); if (tag.requiresTarget) { $content.find('#tag-target-box').show(); if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', $content.find('#tag-target-page').val().trim() === ''); } else { $content.find('#tag-target-box').hide(); if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', false); } }); $content.find('#tag-target-page').on('input', function() { var selectedIdx = $content.find('input[name="tag-select"]:checked').val(); if (selectedIdx && tagsConfig[selectedIdx].requiresTarget) if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', $(this).val().trim() === ''); }); }, function($content, close, enableBtn) { var selectedIdx = $content.find('input[name="tag-select"]:checked').val(); if (!selectedIdx) { alert(msg('alert_tag')); enableBtn(); return; } var tag = tagsConfig[selectedIdx]; var templateToPrepend = tag.tmpl; if (tag.requiresTarget) { var targetPage = $content.find('#tag-target-page').val().trim(); if (!targetPage) { alert(msg('alert_target')); enableBtn(); return; } templateToPrepend = templateToPrepend.replace('$1', targetPage); } new mw.Api().postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, prependtext: templateToPrepend, summary: withSummarySuffix($content.find('#edit-summary').val().trim() || msg('def_sum_tags')) }) .then(function() { mw.notify(msg('success_tags')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); }) .catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } function openNominationDialog() { var defSum = msg('def_sum_xfd', cleanPageName); var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('xfd_reason') + '</label><br><textarea id="nom-reason" style="width:100%; height:100px; padding:5px; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';"></textarea>' + '<br><label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br><input type="text" id="edit-summary" value="' + defSum + '" style="width:100%; padding:5px; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('xfd_nomination'), formHtml, function () {}, function ($content, close, enableBtn) { var reason = $content.find('#nom-reason').val().trim(); if (!reason) { alert(msg('alert_xfd_reason')); enableBtn(); return; } var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, prependtext: DELETE_TEMPLATE + '\n', summary: withSummarySuffix($content.find('#edit-summary').val().trim() || defSum) }) .then(function () { var boardText = '\n== [[' + cleanPageName + ']] ==\n' + XFD_NOTICE + '\n' + reason + ' ― ~~~~\n' + XFD_SEC_SUPPORT + '\n' + XFD_SEC_OPPOSE + '\n' + XFD_SEC_COMMENT + '\n'; return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: BOARD_PAGE, appendtext: boardText, summary: withSummarySuffix($content.find('#edit-summary').val().trim() || defSum) }); }).then(function () { return notifyCreator(currentPage, 'xfd', null); }) .then(function () { mw.notify(msg('success_xfd')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }) .catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } function openProtectionNominationDialog() { var defSum = msg('def_sum_prot', cleanPageName); var formHtml = getProtDropdownsHtml(false) + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('prot_reason_opt') + '</label><br><input type="text" id="prot-reason" style="width:100%; padding:5px; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br><input type="text" id="edit-summary" value="' + defSum + '" style="width:100%; padding:5px; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('prot_nomination'), formHtml, function ($content) { bindProtDropdownEvents($content); }, function ($content, close, enableBtn) { var isSemi = $content.find('#prot-level').val() === 'autoconfirmed'; var userReason = $content.find('#prot-reason').val().trim(); var expiryVal = $content.find('#prot-expiry').val(); var durationText = expiryVal === 'othertime' ? $content.find('#prot-other-time').val().trim() : $content.find('#prot-expiry option:selected').text(); if (expiryVal === 'othertime' && !durationText) { alert(msg('alert_custom_expiry')); enableBtn(); return; } var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, prependtext: '{{' + PROT_TEMPLATE + '|' + (expiryVal === 'othertime' ? durationText : expiryVal) + (userReason ? '|' + userReason : '') + '}}\n', summary: withSummarySuffix($content.find('#edit-summary').val().trim() || defSum) }) .then(function () { return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: ADMIN_BOARD_PAGE, appendtext: '\n{{subst:' + ADMIN_PROT_TEMPLATE + '|' + cleanPageName + '|' + userReason + '|' + durationText + '|' + (isSemi ? 'অর্ধ' : 'পূর্ণ') + '}}', summary: withSummarySuffix(msg('admin_prot_req', cleanPageName)) }); }).then(function () { mw.notify(msg('success_prot')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }) .catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } function openWelcomeDialog() { var options = (window.ToolBoxMessages.welcomeTemplates && window.ToolBoxMessages.welcomeTemplates[uiLang]) || window.ToolBoxMessages.welcomeTemplates['bn'] || []; var optionsHtml = ''; options.forEach(function(opt) { optionsHtml += '<option value="' + opt + '">' + opt + '</option>'; }); var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('select_welcome') + '</label><br><select id="welcome-tmpl" style="width:100%; padding:5px; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + optionsHtml + '</select><br><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('preview') + '</label><br><div id="welcome-preview" style="width:100%; height:200px; overflow-y:auto; padding:8px; border:1px solid #ccc; background:#f9f9f9; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';"><em>' + msg('loading') + '</em></div>'; showModal(msg('welcome_user_title', targetUser), formHtml, function($content) { var $pBox = $content.find('#welcome-preview'); function updatePreview() { $pBox.html('<em>' + msg('loading') + '</em>'); new mw.Api().post({ action: 'parse', text: '{{' + $content.find('#welcome-tmpl').val() + '}}', contentmodel: 'wikitext', title: userTalkPage || 'User talk:Example', disablelimitreport: 1, disableeditsection: 1, format: 'json' }) .then(function(data) { $pBox.html((data && data.parse && data.parse.text) ? data.parse.text['*'] : '<em style="color:red;">' + msg('preview_failed') + '</em>'); }) .catch(function() { $pBox.html('<em style="color:red;">' + msg('preview_failed') + '</em>'); }); } $content.find('#welcome-tmpl').on('change', updatePreview); updatePreview(); }, function($content, close, enableBtn) { new mw.Api().postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: userTalkPage, appendtext: '\n\n{{subst:' + $content.find('#welcome-tmpl').val() + '}}', summary: withSummarySuffix(msg('def_sum_welcome')) }) .then(function() { mw.notify(msg('success_welcome')); close(); setTimeout(function () { window.location.href = mw.util.getUrl(userTalkPage); }, 1200); }) .catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } function openWarnDialog() { var warningsConfig = (window.ToolBoxMessages.warningsConfig && window.ToolBoxMessages.warningsConfig[uiLang]) || window.ToolBoxMessages.warningsConfig['bn'] || {}; var optionsHtml = '', firstKey = Object.keys(warningsConfig)[0]; for (var key in warningsConfig) optionsHtml += '<option value="' + key + '">' + warningsConfig[key].label + '</option>'; var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('warn_type') + '</label><br><select id="warn-type" style="width:100%; padding:5px; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + optionsHtml + '</select><br><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_message') + '</label><br><textarea id="warn-preview" style="width:100%; height:120px; padding:5px; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">\n\n' + (warningsConfig[firstKey] ? warningsConfig[firstKey].text : '') + '</textarea><br><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br><input type="text" id="warn-summary" value="' + msg('def_sum_warn', (warningsConfig[firstKey] ? warningsConfig[firstKey].label : '')) + '" style="width:100%; padding:5px; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('warn_user_title', targetUser), formHtml, function($content) { $content.find('#warn-type').on('change', function() { var selected = $(this).val(); $content.find('#warn-preview').val('\n\n' + warningsConfig[selected].text); $content.find('#warn-summary').val(msg('def_sum_warn', warningsConfig[selected].label)); }); }, function($content, close, enableBtn) { new mw.Api().postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: userTalkPage, appendtext: $content.find('#warn-preview').val(), summary: withSummarySuffix($content.find('#warn-summary').val().trim() || msg('def_sum_warn', 'User')) }) .then(function() { mw.notify(msg('success_warn')); close(); setTimeout(function () { window.location.href = mw.util.getUrl(userTalkPage); }, 1200); }) .catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // Setup User Interface Icons & Menu mw.loader.using(['mediawiki.util', 'mediawiki.api', 'mediawiki.Title']).then(function () { var svgIcon = '<svg xmlns="http://www.w3.org/2000/svg" width="20" height="20" viewBox="0 0 24 24" style="fill:currentColor; flex-shrink:0;"><path d="M21.71 3.29a1 1 0 0 0-1.42 0l-1.58 1.58-4.25-4.24-2 2 2.83 2.83-11 11a2 2 0 0 0 0 2.82l1.42 1.42a2 2 0 0 0 2.82 0l11-11 2.83 2.83 2-2-4.24-4.25 1.58-1.58a1 1 0 0 0 0-1.42z"/></svg>'; function openMenu(e) { e.preventDefault(); if (typeof window.ToolsMenu !== 'undefined') { new window.ToolsMenu().open(); } else { mw.notify(msg('config_loading'), { type: 'warn' }); } } function createToolboxBtn(idClass, extraClasses) { return $('<a>', { href: '#', class: 'cdx-button cdx-button--fake-button cdx-button--weight-quiet ' + (extraClasses || ''), id: idClass, title: msg('toolbox_tooltip'), accesskey: 'x', css: { 'display': 'flex', 'align-items': 'center', 'gap': '6px', 'font-weight': 'bold' } }).html(svgIcon + '<span style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('toolbox') + '</span>').on('click', openMenu); } if ($('.vector-sticky-header-icons').length) $('.vector-sticky-header-icons').prepend(createToolboxBtn('toolbox-btn-sticky', 'cdx-button--icon-only').find('span').hide().end().css('margin-right', '4px')); if ($('.page-heading').length && !$('.mw-body-header').length) $('#firstHeading').after(createToolboxBtn('toolbox-btn-legacy').css({ 'display': 'inline-flex', 'margin-top': '8px' })); var portletId = $('#p-views').length ? 'p-views' : ($('#p-cactions').length ? 'p-cactions' : null); if (portletId) { var $tab = $(mw.util.addPortletLink(portletId, '#', msg('toolbox'), 'ca-toolbox-tools', msg('toolbox_tooltip'), 'x', '#ca-view')); if (portletId === 'p-views') $tab.find('a').html(svgIcon + '<span style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('toolbox') + '</span>').css({'display':'flex','align-items':'center','gap':'4px'}); $tab.on('click', openMenu); } }); // Initialize Main Tools Menu Component class ToolsMenu { open() { var html = '<div style="display:flex; flex-direction:column; gap:10px; padding: 10px 0;">'; if (ns >= 0 && !isBoardPage) { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-progressive" id="btn-main-tags" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_tags') + '</button>'; if (isAdmin) { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-destructive" id="btn-main-admin-del" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_del') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button" id="btn-main-xfd" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('xfd_nomination') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button" id="btn-main-admin-prot" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_prot') + '</button>'; } else { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-destructive" id="btn-main-csd" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_csd') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button" id="btn-main-xfd" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('xfd_nomination') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button" id="btn-main-prot" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('prot_nomination') + '</button>'; } } if (isUserSpace) { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-progressive" id="btn-main-welcome" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_welcome') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-destructive" id="btn-main-warn" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_warn') + '</button>'; } if (isAdmin) { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-progressive" id="btn-main-admin" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('admin_tasks') + '</button>'; } html += '</div>'; if (html.indexOf('<button') === -1) { mw.notify(msg('no_tasks')); return; } showModal(msg('toolbox_title'), html, function($c, $b, close) { $c.find('#btn-main-tags').on('click', function() { close(); openAddTagsDialog(); }); $c.find('#btn-main-xfd').on('click', function() { close(); preCheckAndRun('xfd', openNominationDialog); }); $c.find('#btn-main-welcome').on('click', function() { close(); openWelcomeDialog(); }); $c.find('#btn-main-warn').on('click', function() { close(); openWarnDialog(); }); if (isAdmin) { function callAdmin(method) { if (window.ToolBoxAdmin && window.ToolBoxAdmin[method]) window.ToolBoxAdmin[method](); else mw.notify('Loading admin module...', {type: 'warn'}); } $c.find('#btn-main-admin-del').on('click', function() { close(); callAdmin('openAdminDirectDeleteDialog'); }); $c.find('#btn-main-admin-prot').on('click', function() { close(); callAdmin('openAdminDirectProtectDialog'); }); $c.find('#btn-main-admin').on('click', function() { close(); callAdmin('openAdminDialog'); }); } else { $c.find('#btn-main-csd').on('click', function() { close(); preCheckAndRun('csd', openCSDDialog); }); $c.find('#btn-main-prot').on('click', function() { close(); preCheckAndRun('prot', openProtectionNominationDialog); }); } }, null, null); } } window.ToolsMenu = ToolsMenu; // Load Admin Module Dynamically if User is Admin if (isAdmin) { mw.loader.getScript(ADMIN_MODULE_URL).catch(function(e) { console.error("ToolBox: Failed to load admin module.", e); }); } } })(jQuery, mediaWiki); // </nowiki> 9kz5gcu4i726qer6dvi8la9r34ddrmj প্যানডিজম 0 12591 83864 83800 2026-07-03T11:25:23Z Oindrojalik Watch 4169 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:প্রকৃতিবাদ]] অপসারণ 83864 wikitext text/x-wiki [[File:Pillars of Creation.jpeg|thumb|আমরা হলাম '''''[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বরের]]'''''-ই এক একটি অবশিষ্টাংশ। ~ '''''[[:w:স্কট অ্যাডামস|স্কট অ্যাডামস]]''''' ]] [[File:Planetary nebula & white dwarf formation.gif|thumb|"প্যানডিজম" শব্দটি ব্যবহার করেন এটা জোর দেওয়ার জন্য যে—প্রকৃতিবাদীদের মতো তারাও বিশ্বাস করেন যে ঈশ্বর কোনো ব্যক্তিসত্তা নন যিনি উপাসনা পাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন। ~ '''''জন আর্মস্ট্রং''''']]'''[[:w:প্যানডিজম|প্যানডিজম]]''' (বা '''প্যান-ডিইজম''') হলো একটি ধর্মতাত্ত্বিক মতবাদ যা [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদ]] এবং [[w:প্রকৃতিবাদ_(দর্শন)|প্রকৃতিবাদের]] (ডিইজম) এক অনন্য সমন্বয়। এই মতবাদ অনুসারে, মহাবিশ্বের স্রষ্টা প্রকৃতপক্ষে নিজেই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন, এবং এর ফলে একটি পৃথক ও সচেতন সত্তা হিসেবে তাঁর পূর্বতন অস্তিত্বের অবসান ঘটেছে। প্রকৃতিবাদের প্রেক্ষিতে ঈশ্বর কেন মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে তা পরিত্যাগ করবেন এবং সর্বেশ্বরবাদের প্রেক্ষিতে এই জগতের উৎপত্তি ও উদ্দেশ্য কী—তা ব্যাখ্যা করতেই প্যানডিজমের অবতারণা করা হয়। প্যানডিজম শব্দটি মূলত সর্বেশ্বরবাদ এবং প্রকৃতিবাদের মূল শব্দদ্বয়ের একটি সংকর রূপ, যা প্রাচীন গ্রীক শব্দ 'প্যান' ('''πᾶν'''; যার অর্থ 'সকল') এবং ল্যাটিন শব্দ 'ডিউস' ('''deus'''; যার অর্থ 'ঈশ্বর') এর সমন্বয়ে গঠিত। [[চিত্র:Hs-2001-16-p-full jpg.jpg|thumb|প্যানডিজম হলো এমন একটি [[:w:বিশ্বাস|বিশ্বাস]] যে, কোনো এক [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] মহাবিশ্বে পরিণত হওয়ার জন্য নিজের ঈশ্বরত্ব বিসর্জন দিয়েছেন; এবং এই ধারণাটি মূলত [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদের]] [[:w:আদর্শ|আদর্শের]] ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ~ '''''অ্যালেক্স অ্যাশম্যান''''' ]] [[চিত্র:Bbrot225x225x24.PNG|thumb|[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] নিজেকে অসংখ্য খণ্ডে বিভক্ত করেছেন যেন তিনি কিছু [[:w:বন্ধু|বন্ধু]] পেতে পারেন। এটি হয়তো সত্য নয়, তবে শুনতে বেশ ভালো লাগে—এবং অন্য যেকোনো [[:w:ধর্মতত্ত্ব|ধর্মতত্ত্বের]] মতোই এটি সমান অর্থবহ। ~ '''''রবার্ট এ. হাইনলাইন''''' ]] [[চিত্র:Uvsun trace big.jpg|thumb|[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] সমগ্র [[:w:মহাবিশ্ব|মহাবিশ্বে]] রূপান্তরিত হয়েছেন। ''ঈশ্বরই হলেন এই মহাবিশ্ব'', এবং এর মধ্যকার সবকিছু। কিন্তু মহাবিশ্ব তা [[:w:জ্ঞান|জানে]] না, কারণ জানলে এই মহাকাব্যিক রহস্যের রোমাঞ্চ নষ্ট হয়ে যেত। এই মহাবিশ্ব হলো ঈশ্বরের এক বিশাল নাটক; আর ঈশ্বর নিজেই এখানে মঞ্চ, অভিনেতা এবং দর্শক। ~ '''''ওয়ারেন বি. শার্প''''' ]] [[চিত্র:Exploding planet.jpg|thumb|[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] নিজেকে জাগতিক রূপে সার্থক করতে এবং এক [[:w:শাশ্বত|শাশ্বত]] ও [[:w:অসীম|অসীম]] লক্ষ্য পূরণ করতে এই [[:w:পৃথিবী|জগৎ]] হয়ে উঠেছেন। তাঁর সেই মহিমান্বিত লক্ষ্য অনুধাবনের উদ্দেশ্যেই তিনি এই মহাবিশ্বের রূপ ধারণ করেছেন। ~ '''''[[:w:হ্যারি ওয়াটন|হ্যারি ওয়াটন]]''''' ]] [[চিত্র:Hong Kong Budha.jpg|thumb|আমাদের এই জন্ম কেবলই এক সুপ্তাবস্থা আর বিস্মৃতি বৈ কিছু নয়... ~ '''''উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ''''' ]] == উক্তি == * আমি জিজ্ঞেস করলাম, "আচ্ছা তাহলে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যটা আসলে কী? আপনার কাছে কি আদৌ এই প্রশ্নের কোনো উত্তর আছে নাকি শুধুই আপনি আমার সাথে তামাশাগিরি করছেন?"<br>"একজন সর্বশক্তিমান সত্তার জন্য আমি কেবল একটিই চ্যালেঞ্জ কল্পনা করতে পারি—আর তা হলো নিজেকে ধ্বংস করার চ্যালেঞ্জ!"<br>"আপনি কি মনে করেন ঈশ্বর কখনো আত্মহত্যা করে ফেলতে চাইবেন?" আমি আবারো জানতে চাইলাম।<br>"আমি বলছি না যে তিনি চাইবেন। আমি বলছি যে এটিই হয়তো একমাত্র সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ।"<br>"আমার মনে হয় একদম অস্তিত্বহীন হওয়ার চেয়ে ঈশ্বর বিদ্যমান থাকাকেই বেশি পছন্দ করবেন।"<br>"সেটা তুমি একজন মানব-প্রাণীর মতো করে ভাবছ, ঈশ্বরের মতো করে নয়। তোমারও আজরাঈলের ভয় রয়েছে, তাই তুমি ধরে নিচ্ছ যে ঈশ্বরও তোমার মতোই পছন্দ অপছন্দ ভাগ করে নেবেন। কিন্তু ঈশ্বরের তো কোনো ভয়ই নেই। বিদ্যমান থাকাটা তাঁর কাছে স্রেফ একটা পছন্দ ছাড়া আর কিছু নয়। আর সেখানে মৃত্যুর কোনো যন্ত্রণা নেই, নেই কোনো অপরাধবোধ, নেই অনুশোচনা কিংবা '''স্বজন হারানোর বেদনা'''! এগুলো শুধুই মানুষের অনুভূতি, ঈশ্বরের নয়। ঈশ্বর খুব সহজেই অস্তিত্ব বিলীন করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।"<br>আমিও ঘটাঘট করে বলে ফেললাম, "আপনার চিন্তা করার ধরন অনুযায়ী এখানে একটি সূক্ষ্ম যৌক্তিক সমস্যা আছে, ঈশ্বর যদি ভবিষ্যৎ জেনেই থাকেন, তবে তিনি ইতিমধ্যেই জানেন যে তিনি তাঁর অস্তিত্ব শেষ করার সিদ্ধান্ত নেবেন কি না, এবং তিনি এ কাজে সফলকাম হবেন কি না। ফলে এখানেও তো কোনো চ্যালেঞ্জ দেখতে পারছিনা।"<br>"তোমার চিন্তাশক্তি এখন স্বচ্ছ হচ্ছে," তিনি বললেন। "হ্যাঁ, স্বাভাবিক অবস্থায় তিনি তাঁর নিজের অস্তিত্বের ভবিষ্যৎ জানবেন। কিন্তু তাঁর সর্বশক্তিমান হওয়ার মধ্যে কি এটাও অন্তর্ভুক্ত যে তাঁর ক্ষমতা হারানোর পর কী ঘটবে—নাকি তাঁর ভবিষ্যতের জ্ঞান ঠিক সেই বিন্দুতেই শেষ হয়ে যাবে?"<br>আমি বললাম, "এটি পুরোপুরি একটি বাকহীন প্রশ্ন বলেই মনে হচ্ছে। আমার মনে হয় আপনি একটি কানাগলিতে এসে ঠেকেছেন!"<br>"হয়তো। কিন্তু এটি একটু চিন্তা করে দেখো তো। মহাপ্রাজ্ঞবান ঈশ্বর, যিনি এই প্রশ্নের উত্তর জানেন, তিনি প্রকৃতপক্ষে সকল কিছুই জানেন এবং তাঁর সবকিছুই নখদর্পনে রয়েছে। সে কারণেই তিনি কোনো কিছু করতে বা সৃষ্টি করতে অনুপ্রাণিত হবেন না। কোনোভাবেই কাজ করার কোনো উদ্দেশ্য থাকবে না। কিন্তু দয়ালু ঈশ্বর যার মনে একটি মাত্র প্রশ্ন খচখচ করছে—আমি যদি অস্তিত্বহীন হয়েই যাই তবে কী অকাল কান্ড ঘটবে? তিনি হয়তো তাঁর জ্ঞান পূর্ণ করার জন্য উত্তরটি খুঁজে পেতে উৎসাহিত হতে পারেন। আর যেহেতু তাঁর কোনো ভয়ই নেই এবং বিদ্যমান থাকার কোনো বিশেষ কারণও নেই, তাই তিনি এটি করে দেখতে পারেন।"<br>"আমরা এটিই বা কীভাবে জানব?"<br>"আমাদের কাছে উত্তরটি রয়েছে। সেটি হলো আমাদের এই 'অস্তিত্ব'। আমরা যে বিদ্যমান আছি, এটিই প্রমাণ করে যে ঈশ্বর কোনো না কোনোভাবে সেই কাজ করতে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। আর যেহেতু কেবল আত্মধ্বংসের চ্যালেঞ্জই একজন সর্বশক্তিমান ঈশ্বরকে আগ্রহী করতে পারে, তাই এটা যুক্তিযুক্ত যে আমরা ঈ. . ."<br>আমি এবার মাঝপথেই বুইড়া ব্যাটার কথা থামিয়ে দিলাম এবং রকিং চেয়ার থেকে সোজা ওঠে দাঁড়ালাম। মনে হলো যেন আমার মেরুদণ্ড দিয়ে শীতল প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আমার ফুসফুসকে, ত্বককে শুধুই শিহরিত করে তুলছে! এমনকি আমার ঘাড়ের লোমগুলোও খাড়া হয়ে গেল! আমি আগুন পোহাতে আগুনের কুন্ডলীর আরও কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম, যদিও তার উত্তাপ শুষে নেওয়ার ক্ষমতা আমার ছিল না।<br>"আপনি কি তাই বলছেন যা আমি ভাবছি?" আমার মগজ যেন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্ঞান গ্রহণ করে ওভারলোডেড হয়ে গেছিল! তথ্যের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে আমার শরীর ঝাঁকিয়ে-বাকিয়ে নেওয়ার একটু প্রয়োজন পড়ল।<br>বৃদ্ধ শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল, "আমরা আসলে ঈশ্বরের-ই একেকটি অংশমাত্র।" **'''''স্কট অ্যাডামস''''', ''গডস ডেব্রি'' (২০০১) পৃ. ৪২-৪৪। {{ISBN|0740721909}}। * [[:w:হিন্দুধর্ম|হিন্দুধর্ম]] হলো চিন্তাধারার এক বৈচিত্র্যময় জগত যেখানে [[:w:একেশ্বরবাদ|একেশ্বরবাদ]], [[:w:বহুদেববাদ|বহুদেববাদ]], [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদ]], প্যানডিজম, [[:w:অদ্বৈতবাদ|অদ্বৈতবাদ]] এবং [[:w:নিরীশ্বরবাদ|নিরীশ্বরবাদসহ]] আরও নানা বিশ্বাস বিদ্যমান। আর এখানে [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] ধারণা অত্যন্ত জটিল যা প্রতিটি ব্যক্তি এবং তাদের অনুসৃত ঐতিহ্য ও দর্শনের ওপর নির্ভর করে। ** '''''এডওয়ার্ড ডি. অ্যান্ড্রুস''''', ''রিজনিং উইথ দ্য ওয়ার্ল্ডস ভেরিয়াস রিলিজিয়নস: এক্সামিনিং অ্যান্ড ইভানজেলাইজিং আদার ফেইথস'' (২০১৮), পৃ. ৭১। * প্রথম অংশটি জীবন সম্পর্কে মনস্তাত্ত্বিক-ধর্মীয় বিশ্ববীক্ষার ঐতিহাসিক বিকাশের প্রকৃতি নিয়ে একটি প্রাথমিক আলোচনা। দ্বিতীয় অংশে প্রাচীন মিশরীয় ও ভারতীয়দের প্যানডিজম থেকে শুরু করে [[w:গট‌ফ্রিড_ভিলহেল্ম_লাইব‌নিৎস|গট‌ফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎসের]] পূর্ব-স্থাপিত সামঞ্জস্য (প্রি-এস্টাবলিশড হারমনি; যা একটি একটি মেটাফিজিক্যাল তত্ত্ব) এবং বস্তুগত বাস্তবতার কঠোর স্বরূপ সংক্রান্ত দার্শনিক ঈশ্বরবাদী ও থিওসফিস্ট মতামতের ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে। তৃতীয় ও চূড়ান্ত অংশটি সেইসব অধি-ভৌতিক এবং ভৌত বিশ্ববীক্ষাকে একত্রিত করে, যা ভারতীয়দের মাধ্যমে [[:w:আদর্শবাদ|আদর্শবাদের]] সূচনা থেকে শুরু করে [[w:আর্টুর_শোপনহাউয়ার|আর্টুর শোপনহাউয়ার]], [[w:ফ্রিডরিখ_নিচে|ফ্রিডরিখ নিচে]], ইভি হার্টম্যান এবং ক্রিস্টোফ ইউকেন পর্যন্ত বিস্তৃত, যা স্পিনোজাবাদ থেকে সর্বাধুনিক নব্য-স্পিনোজাবাদ ও নব্য-আদর্শবাদ পর্যন্ত ধাবিত হয়েছে এবং পরিশেষে [[:w:অভিজ্ঞতাবাদ|অভিজ্ঞতাবাদ]] ও [[:w:দৃষ্টবাদ|দৃষ্টবাদের]] মধ্য দিয়ে প্রকৃত ভৌত মতবাদসমূহের (বস্তুবাদ, পরমাণুবাদ, শক্তি-সংক্রান্ত মতবাদ ইত্যাদি) আলোচনায় উপনীত হয়েছে। ** '''''আন্নালেন ডার ফিজিক''''' ("অ্যানালস অফ ফিজিক্স") (১৯১১) পৃ. ৫৮। * কখনো কখনো [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদীরা]] "প্যানডিজম" শব্দটি ব্যবহার করেন এটা জোর দেওয়ার জন্য যে—প্রকৃতিবাদীদের মতো তারাও এই ধারণায় বিশ্বাসী যে, [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] কোনো ব্যক্তিসত্তা নন যিনি উপাসনা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেন। ** '''''জন আর্মস্ট্রং''''', ''[http://www.godvsthebible.com/chapter14.htm গড বনাম দ্য বাইবেল: হাউ গড'স ক্রিয়েশন ডিসক্রেডিট ক্রিশ্চিয়ান স্ক্রিপচার]'' (২০০৭)। ডিসেম্বর ২০০৭ সংখ্যায় আলেকজান্ডার সিউরানা (এম.টি.এস.) কর্তৃক উদ্ধৃত, "দ্য সুপিরিওরিটি অব আ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ার্ল্ডভিউ," অ্যাক্টস ম্যাগাজিন, চার্চেস অব গড সেভেন্থ ডে, খণ্ড ৫৭, সংখ্যা ১০, পৃষ্ঠা ১১। * প্রকৃতিবাদ এবং সর্বেশ্বরবাদ—উভয় মতবাদেই তাঁর অবস্থান থাকায়, [[w:আলবার্ট_আইনস্টাইন|আইনস্টাইনকে]] সম্ভবত একজন প্যানডিজম পন্থী হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। এটি মূলত সর্বেশ্বরবাদ ও প্রকৃতিবাদের একটি সংকর রূপকে নির্দেশ করে, যা ২০১৩ সালে রাফায়েল লাটাস্টার অত্যন্ত নিপুণভাবে বর্ণনা করেছিলেন। ** '''''ডা. মাইকেল আরনহেইম''''', ''দ্য গড বুক'', ২০১৫, পৃষ্ঠা ৭২। * এই "পরিকল্পিত নিয়ম" বা "নির্ধারিত নিয়ম", যা তিনি অন্য জায়গায় উল্লেখ করেছেন। এগুলো কোথা থেকে এল? [[w:চার্লস_ডারউইন|চার্লস ডারউইন]] তাঁর এই বিশ্বাসকে গোপন করেননি যে, এগুলো একজন "সর্বজ্ঞ স্রষ্টা" দ্বারা নকশা করা হয়েছে। তাঁর ব্যবহৃত "ভালো কিংবা মন্দ যাই হোক" বাক্যাংশটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং এটি ডারউইনকে এমন এক অবস্থানে দাঁড় করায় যা একজন নির্লিপ্ত ও নৈতিকতা-নিরপেক্ষ ঈশ্বরে বিশ্বাসী ব্যক্তির চেয়ে খুব একটা আলাদা নয়। তাই, ডারউইন হয়তো স্পষ্টভাবে প্রকৃতিবাদ সম্পর্কে সচেতন ছিলেন না, কিন্তু তাঁর নিজস্ব ধর্মীয় বিশ্বাসগুলো প্রকৃতিবাদ বা সম্ভবত প্যানডিজমের (যা এই অধ্যায়ে আগেও আলোচিত হয়েছে) সাথে চমৎকারভাবে মিলে যায়। ** '''''ডা. মাইকেল আরনহেইম''''', ''দ্য গড বুক'', ২০১৫, পৃষ্ঠা ১০৩-১০৪। * [[w:চার্লস_ডারউইন|চার্লস ডারউইন]] মাঝে মাঝে নিজেকে একজন [[:w:অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদী]] হিসেবে বর্ণনা করতেন, তবে তাঁর প্রকাশিত ধর্মীয় বিশ্বাসগুলো সাধারণভাবে [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদের]] সাথে, অথবা সম্ভবত প্যানডিজমের সাথে অধিকতর সামঞ্জস্যপূর্ণ। ** '''''ডা. মাইকেল আর্নহেইম''''', ''দ্য গড বুক'' (২০১৫), পৃষ্ঠা ১০৫। * প্যানডিজম হলো এমন একটি [[:w:বিশ্বাস|বিশ্বাস]] যে, কোনো এক [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] মহাবিশ্বে পরিণত হওয়ার জন্য নিজের ঈশ্বরত্ব বিসর্জন দিয়েছেন। এবং এই ধারণাটি মূলত [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদের]] [[:w:আদর্শ|আদর্শের]] ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ** '''''অ্যালেক্স অ্যাশম্যান''''', বিবিসি নিউজ, ''মেটাফিজিক্যাল ইজমস'' (৫ সেপ্টেম্বর ২০০৭)। * এটি দেখা যাবে যে, [[:w:বাস্তবতা|বাস্তবতার]] এই 'অপরিবর্তনীয়তা'র বিষয়টি যখন স্পষ্টভাবে অনুধাবন করা হয়, তখন তা অবশ্যই [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদের]] কিছু নির্দিষ্ট শাখার ত্রুটিপূর্ণ তত্ত্বগুলোকে খণ্ডন ও প্রত্যাখ্যান করতে সাহায্য করবে, যারা মনে করে যে "ঈশ্বর মহাবিশ্বে পরিবর্তিত হওয়ার মাধ্যমে নিজেই মহাবিশ্ব হয়ে ওঠেন।" এভাবে প্রকৃতিকে ঈশ্বরের সাথে অভিন্ন করার চেষ্টা করা হয়, যার ফলে [[w:আর্টুর_শোপনহাউয়ার|আর্টুর শোপনহাউয়ারের]] ভাষায়, "আপনি ঈশ্বরকেই বিদায় জানাচ্ছেন!" ঈশ্বর যদি নিজেকে এই বিস্তীর্ণ মহাবিশ্বে পরিবর্তিত করেন, তবে ঈশ্বর আর বিদ্যমান থাকেন না এবং তাঁকে নিয়ে আমাদের আর উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন পড়বে না! কারণ তিনি পরিবর্তনের মাধ্যমে আত্মহত্যা করে ফেলেছেন! ** '''''উইলিয়াম ওয়াকার অ্যাটকিনসন''''', ''মাস্টারি অফ বিয়িং'' (১৯১১), পৃষ্ঠা ৫৬। * হিগিন্স একটি প্রাচীন সর্বজনীন ধর্মের অস্তিত্ব উন্মোচনের দাবি করেছিলেন (যাকে তিনি প্যানডিজম নামেই অভিহিত করেছিলেন), যা থেকে নাকি জগতের সকল ধর্মীয় মতবাদের উৎপত্তি হয়েছিল। তাঁর মতে, এই ধর্মটি আজও একটি গোপন ও খণ্ডিত গোষ্ঠী হিসেবে টিকে আছে, যারা [[w:গ্রিস|গ্রিস]], [[w:মধ্যপ্রাচ্য|মধ্যপ্রাচ্য]] এবং বিশেষ করে [[w:ভারতীয়_উপমহাদেশ|ভারতীয় উপমহাদেশ]]—যেখানে এর আদি উৎস নিহিত। সেখানকার বিভিন্ন প্রান্তে তাদের সেই প্রাচীন বার্তাগুলো বহন করে চলেছে। ** '''''অ্যান্থনি অ্যাভেনি''''', ''অ্যাপোক্যালিপ্টিক এনজাইটি: রিলিজিয়ন, সায়েন্স, অ্যান্ড আমেরিকাস অবসেশন উইথ দ্য এন্ড অব দ্য ওয়ার্ল্ড'' (ইউনিভার্সিটি অফ কলোরাডো প্রেস, ২০১৬), পৃষ্ঠা ৯৮, ISBN 1607324717। * আজ আমরা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ঐক্য এবং সাম্যের এক প্রবল জোয়ার প্রত্যক্ষ করছি। বাণিজ্যিক দুনিয়ায় আমরা দেখছি বিশাল সব ব্যবসায়িক একত্রীকরণ। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গোটা জাতিগুলো একজোট হচ্ছে। [[w:শ্রমিক_সংঘ|শ্রমজীবী মানুষের মাঝে ইউনিয়নগুলো]] উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। আর্থিক বিশ্বে একচেটিয়া [[w:একচেটিয়া_বাজার|একচেটিয়া আধিপত্যের]] প্রবণতা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। ধর্মীয় জগতেও ঐক্যের এক মহাপ্রয়াসে অনেক বড় বড় আন্দোলন চলছে এই সময়ে এবং এটি কেবল খ্রিস্টীয় জগতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। রোমান গির্জা (চার্চ অফ রোম) তাদের বর্তমান কার্যক্রমকে বর্ণনা করতে "প্যানডিজম" শব্দটি ব্যবহার করে, যার লক্ষ্য হলো বিশ্বের অ-খ্রিস্টান ধর্মগুলোকে নিজেদের ছত্রছায়ায় নিয়ে আসা। রোম শেষ পর্যন্ত এই কাজে সফল হবে, কারণ সেই ভবিষ্যৎবাণীতে বলা আছে, '''"আর সমস্ত জগৎ সেই পশুর পশ্চাৎবর্ত্তী হইয়া আশ্চৰ্য্য জ্ঞান করিল!"''' (বাইবেল, অ্যাপোক্যালিপ্স ১৩:৩) ** '''''কনরাড বেকার''''', ''[https://web.archive.org/web/20060909220410/http://maranathamedia.com.au/start/index.php?option=com_docman&task=doc_view&gid=997 দ্য থ্রি পাওয়ার্স অব আর্মাগেডন: অ্যান এক্সপজিশন অব রিভিলেশন ১৬:১৩-১৬]'' (আর্কাইভ), পৃষ্ঠা ৭, ১২ আগস্ট, ২০০৫ (পিডিএফ)। * লেখক যেভাবে গ্রীক এবং খ্রিস্টীয় পৌরাণিক কাহিনীকে একত্রিত করেছেন তা বেশ সন্দেহজনক। যা শেষ পর্যন্ত এক ধরণের প্যানডিজমে রূপ নিয়েছে, যদিও সেই প্যানডিজম সর্বদা ঐশ্বরিক বিধাতার বা ডিভাইন প্রভিডেন্স উপস্থিতির মাধ্যমে সীমাবদ্ধ থাকে। ** '''''জোয়াকিন আলভারেজ বারিয়েন্টোস''''', ''লা নভেলা ডেল সিগলো XVIII'', পৃষ্ঠা ২৫৭ (১৯৯১)। * পাশ্চাত্য [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদ]] প্রসঙ্গে কেউ কেউ মনে করেন যে, "প্যানথেইজম" বা সর্বেশ্বরবাদ শব্দটি ভুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যেহেতু থিওলজি হলো ধর্মতত্ত্বের অধ্যয়ন এবং "প্যান" অর্থ "সব", তাই প্যানথেইজম বলতে মূলত সকল ধর্মকে অনুসরণ করাকে বোঝায়। ফলে সমস্ত নামাঙ্কিত দেবতাকে অনুসরণ করার এই নীতিকে বরং "প্যান-ডি-ইজম" [Pan-De-ism] বলা উচিত। সুতরাং, প্যানথেইস্ট না কি প্যানডেইস্ট? সিদ্ধান্ত আপনার। ** '''''মাইলস ব্যাটি''''', ''টিচিং উইচক্র্যাফট: এ গাইড ফর টিচার্স অ্যান্ড স্টুডেন্টস অফ দ্য ওল্ড রিলিজিয়ন'' (২০০৯) পৃ. ৩৮। * [[:w:বাইবেল|বাইবেল]] যদি কেবল মানুষের লোকগাথা হয় এবং কোনো ঐশ্বরিক সত্য না হয়, তবে যারা বলে, "চলুন সব ধর্ম থেকে সেরাটা বেছে নিয়ে সেগুলোকে একীভূত করে প্যান-ডেইজম (Pan-Deism) বানাই। একক ঈশ্বর যেখানে অনেককে নিয়ে গঠিত একটি বৈশ্বিক ধর্ম", তাদের দেওয়ার মতো কোনো প্রকৃত উত্তর আমাদের কাছে থাকবে না। ** '''''জে. সিডলো ব্যাক্সটার''''', ''আওয়ার বাইবেল: দ্য মোস্ট ক্রিটিক্যাল ইস্যু'' (১৯৯১)। * অত্যন্ত মজার বিষয় হলো, ভ্যাটিকান কাউন্সিলের সময় 'ইকুমেনিকাল' (বিশ্বজনীন ঐক্য) শব্দটিকে এমনকি এর ধারণাটিকেও অ-খ্রিস্টান ধর্মগুলোর সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রসারিত করার এই ক্যাথলিক সদিচ্ছার বিরুদ্ধে ডব্লিউসিসি / WCC মহল থেকে সমালোচনা ধেয়ে এসেছিল। তখন মনে করা হয়েছিল যে, এই বিশ্বজনীন ঐক্যের ধারণাটি "প্যান-ডিইস্ট" (সর্ব-প্রকৃতিবাদী) এবং বিভিন্ন ধর্মীয় মতবাদের সংমিশ্রণজনিত প্রবণতা দ্বারা কলুষিত হচ্ছে। ** '''''বার্ট বেভারলি বিচ''''', ''ইকুমেনিজম: বুন অর বেন?'' (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ২৫৯ (জর্জ এইচ. উইলিয়ামসের ''ডাইমেনশনস অব রোমান ক্যাথলিক ইকুমেনিজম'' (১৯৬৫), পৃষ্ঠা ৩১-৩২ থেকে উদ্ধৃত)। * হাইস্কুলের এক শিক্ষক একবার আমাকে বলেছিলেন যে, [[w:আদি_শঙ্কর|আদি শঙ্করাচার্য]] মনে করতেন ঈশ্বরই এই জগতে পরিণত হয়েছেন। শুরুতে কেবল ঈশ্বরই ছিলেন এবং তারপর তিনি নিজের থেকেই এই জগৎ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং, ঈশ্বরই জগতে রূপান্তরিত হয়েছেন। আর এখন ঈশ্বরের পৃথক কোনো অস্তিত্ব নেই। এটি অনেকটা চাল দিয়ে ইডলি (দক্ষিণ ভারতের একটি খাবার; যা আমাদের অনেকটা বাঙালিয়ানা '''[[w:চিতই_পিঠা|<nowiki/>'চিতই পিঠা]]'''<nowiki/>'র মতো) বানানোর মতো! চাল ফুরিয়ে গেছে, এখন কেবলি ইডলি পড়ে আছে। পরবর্তীতে, আমি যখন কারো কাছে আদি শঙ্করাচার্যের [[w:দর্শন|দর্শন]] হিসেবে এটি পুনরায় বললাম, তখন তিনি এত জোরে হেসে উঠলেন যে আমি বুঝতে পারলাম আমার কথায় কোথাও কোনো ভুল ছিল। কিন্তু ভুলটি কোথায় ছিল তা আমি জানতাম না, আর তিনিও আমাকে তা শুধরে দেননি। ** ''[[:w:ভগবদ্গীতা|ভগবদ্গীতা]] হোম স্টাডি'', ২০০০। * [[w:ক্যাথলিক_মণ্ডলী|রোমান ক্যাথলিক]] পণ্ডিতদের মধ্যে, যারা মূলত রোমান, [[w:পূর্বদেশীয়_সনাতনপন্থী_মণ্ডলী|অর্থোডক্স]] এবং অ্যাংলিকান গির্জাগুলোর পুনর্মিলনে আগ্রহী ছিলেন—তাদের মাঝেই আমি প্রথম এই বিশ্বজনীন ঐক্যের ধারণাকে 'প্যান-ডিইজম'-এ রূপান্তর হতে দেখি। [...] আমরা হয়তো প্রশ্ন করতে পারি যে, এই প্যান-ডিইস্ট আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করার পেছনে রোমান কিউরিয়ার চূড়ান্ত লক্ষ্য আসলে কী। তারা রোমের এই বিশ্বজনীন ঐক্য এবং প্যান-ডিইজমের মাঝে বিশ্ব আধিপত্য বিস্তারের কোনো সুদূরপ্রসারী প্রকল্পকে সম্ভবত স্পষ্টভাবে শনাক্ত করতে পারেনি। ** ফাদার '''''চার্লস এ. বোল্টন''''', "বিয়ন্ড দ্য ইকুমেনিকাল: প্যান-ডিইজম?" শীর্ষক নিবন্ধ, ''ক্রিশ্চিয়ানিটি টুডে'', ১৯৬৩, পৃষ্ঠা ২১। * ফ্রান্সের প্রবীণ প্রজন্মের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি [[w:ভিক্টর_হুগো|ভিক্টর হুগোর]] মধ্যে এক ধরণের দুর্বল প্যানথেইস্টিক ডিইজম বা সর্বেশ্বরবাদী ঈশ্বরবাদ পরিলক্ষিত হয়, যা তাঁর প্রবল [[:w:যুক্তিবাদ|যুক্তিবাদের]] বিপরীতে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আমরা এখনও তাঁর মধ্যে পূর্ববর্তী শতাব্দীর প্রভাব খুঁজে পাই। যেখানে ধর্মের ঊর্ধ্বে গিয়ে আধ্যাত্মিকতাকে মহিমান্বিত করা হয়েছে এবং বিশ্বাসের সেই ভালোবাসাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যা মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে, সেইসব গোঁড়ামির বিপরীতে যা মানুষকে বিভক্ত ও বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ** '''''জর্জ এম. ব্র্যান্ডেস''''', ''হেনরিক ইবসেন'' (১৯৯৯) পৃ. ৬৮। * একটি একক সত্তায় বিশ্বাস বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে যতক্ষণ পর্যন্ত সেই বিশ্বাসটি কেবল একটি 'আদি কারণ' (ফার্স্ট কজ) হিসেবে থাকে, যিনি পরবর্তীতে প্রাকৃতিক নিয়মের কোনো পরিবর্তন বা হস্তক্ষেপ করেন না। পাঠক এবং লেখক উভয়েরই নিজস্ব ব্যক্তিগত পছন্দ থাকতে পারে, তবে পরবর্তী বিশ্ববীক্ষা এবং চিন্তাধারার জন্য যা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো—একদিকে একটি "পরম সত্তায়" বিশ্বাস করার ব্যাপক আকাঙ্ক্ষাকে জায়গা দেওয়া, আবার একই সাথে এমন কিছু গ্রহণ না করা যা প্রাকৃতিক শৃঙ্খলা ও কার্যকারণ সম্পর্ককে বিঘ্নিত করতে পারে। পরবর্তী বিশ্বাস ব্যবস্থাটি এমন একটি ছাতার মতো হওয়া উচিত যা [[:w:নিরীশ্বরবাদ|নিরীশ্বরবাদ]], [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদ]], [[:w:অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদ]] এবং সর্বেশ্বর প্রকৃতবাদকে (অর্থাৎ, প্যান-ডিইজম) একই আবরণে ঢেকে নিতে পারে। কেবল এভাবেই আমরা মানবতাকে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের প্রকৃত যুগে নিয়ে আসতে পারি, একটি নতুন সভ্যতা গড়তে পারি এবং শেষ পর্যন্ত মানবজাতিকে এই সংকীর্ণ গ্রহের সীমানা ছাড়িয়ে মহাবিশ্বের সুদূর প্রান্তরে ছড়িয়ে দিতে পারি। ** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''আনটুইস্টিং দ্য সোশ্যাল সায়েন্সেস'' (২০০৬), পৃ. ১৪২। * পরবর্তী [বিশ্ববীক্ষা] বিশ্বাস ব্যবস্থাটি এমন একটি ছাতার মতো হতে পারে যা নিরীশ্বরবাদ, ঈশ্বরবাদ, অজ্ঞেয়বাদ এবং প্যান-ডিইজমকে অন্তর্ভুক্ত করবে। কারণ এই বিভিন্ন বিশ্বাসের মধ্যকার পার্থক্যগুলো তখন ম্লান হয়ে যায় যখন আমরা এমন কোনো "রহস্যময় সত্তার" প্রতি অসহিষ্ণু হই যে কার্যকারণ সম্পর্ক পরিবর্তন করতে পারে, যার ফলে আমাদের সেই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে হস্তক্ষেপ ঘটে যা এই প্রাচীন সভ্যতাকে বদলে দেওয়ার জন্য এখন অত্যন্ত জরুরি। ** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''ডেস্টিনি অ্যান্ড সিভিলাইজেশন: দ্য ইভোল্যুশনারি এক্সপ্লানেশন অফ রিলিজিয়ন অ্যান্ড হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃ. ২১০। * মুক্তচিন্তক, সেই সকল মানুষ যাদের "আত্মা" সংক্রান্ত বিশ্বাস আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদ]] (ডিইজম), প্যান-ডিইজম, [[:w:অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদ]] এবং [[:w:নিরীশ্বরবাদ|নিরীশ্বরবাদ]] বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ; কিন্তু [[:w:আস্তিক্যবাদ|সেব্য-ঈশ্বরবাদ]] (থেইজম) নয়। ** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''ডেস্টিনি অ্যান্ড সিভিলাইজেশন: দ্য ইভোল্যুশনারি এক্সপ্লানেশন অফ রিলিজিয়ন অ্যান্ড হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃ. ২৯৫। * ঈশ্বরবাদ (ডিইজম) ও প্যান-ডিইজম এবং সেই সাথে অজ্ঞেয়বাদ ও নিরীশ্বরবাদ, এই সবই হলো 'অ-সেব্য-ঈশ্বরবাদী' (নন-থেইজম) মতবাদ! ** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''দ্য লাস্ট সিভিলাইজেশন'' (২০১০), পৃ. ২৪৬। * ঈশ্বরবাদের (ডিইজম) মতো প্যানডিজমেরও কোনো সুনির্দিষ্ট সেব্য-ঈশ্বরবাদী ধর্মবিশ্বাস বা ধর্মগ্রন্থ নেই যা এই বিশ্বাসকে একটি 'প্রথা' হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে। তাই এখানে এমন এক ঈশ্বরকে কল্পনা করার স্বাধীনতা রয়েছে যিনি এই 'চেতনাসম্পন্ন' মহাবিশ্ব, অথবা এমন এক ঈশ্বর যিনি এই 'চেতনাভিহীন' মহাবিশ্ব। অথবা ন্যূনতম প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্যের সাথে সাংঘর্ষিক নয় এমন গুণাবলি আরোপ করে ঈশ্বরকে আরও নির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করার প্রচেষ্টাও চালানো সম্ভব। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন, পিএইচডি''''', "প্যানডিজম," ''এ থিওরেম কনসার্নিং গড'' (২০০৯)। * বেদান্তিক হিন্দুধর্ম হলো একটি সুসংগঠিত অদ্বৈতবাদী প্যানডিজম এবং এটি শুরুতেই স্বীকার করে নেয় যে এর ধর্মগ্রন্থগুলো মূলত উপকথা ও কিংবদন্তি, যা থেকে রূপক অন্তর্দৃষ্টি আহরণ করতে হয়, এগুলো কোনো "ঐশ্বরিক সত্য" নয়। আর বৌদ্ধধর্ম কোনো ধর্ম নয়, বরং এটি মূলত একটি নিরীশ্বরবাদী মনস্তাত্ত্বিক-সামাজিক দর্শন যা দুর্ভাগ্যবশত বৈদিক হিন্দুধর্মের কিছু ধর্মীয় বিশ্বতত্ত্বকে অন্তর্ভুক্ত করে ফেলেছে। বিশেষ করে ক্রমিক পুনর্জন্মের ধারণাটি, যা সম্ভবত সত্য নয়। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন, পিএইচডি''''', "এ পিউরলি গ্র্যাচুইটাস পোলেমিক অ্যাগেইনস্ট থেইজম," ''এ থিওরেম কনসার্নিং গড'' (২০০৯)। * আসুন অবশেষে আমরা সেই মৌলিক উপপাদ্যটি ব্যক্ত করি।<br><br>''যদি ঈশ্বরের অস্তিত্ব থাকে, তবে ঈশ্বর এবং এই মহাবিশ্ব অভিন্ন।''<br><br>অর্থাৎ, এই উপপাদ্যটি শর্তাধীন প্যানডিজমের একটি ঘোষণা। যদি আদৌ ঈশ্বরের কোনো অস্তিত্ব থেকে থাকে, তবে অস্তিত্বমান জাগতিক সবকিছুর সমষ্টিই হতে হবে সেই ঈশ্বর। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node6.html দ্য পান্ডিস্ট থিওরেম]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯। * উপনিষদে বিশেষভাবে বর্ণিত খাঁটি বৈদান্তিক হিন্দুধর্ম হলো অদ্বৈতবাদী এবং এটি হয় প্যানডিজম নয়তো প্যানেন-ডিজমের অনুসারী, যেখানে ব্রহ্মই হলেন এই মহাবিশ্ব। আমরা (আত্মা বা "ঈশ্বর-আত্মা" হিসেবে) ব্রহ্মেরই অংশ এবং স্বয়ং ব্রহ্ম! যা মূলত পূর্ণতাকে উপলব্ধি করার জন্য সেই পূর্ণ সত্তা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া কিছু অংশ মাত্র, যারা সর্বদা পুনরায় সেই পূর্ণতার সাথে মিলিত হতে এবং সর্বস্ব হিসেবে অস্তিত্বের এক পরম অবস্থায় ফিরে যেতে ব্যাকুল। উপনিষদে বর্ণিত ব্রহ্ম এমন কোনো সত্তা নন যাকে উপাসনা করা হয়, সেখানে এটি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ব্রহ্ম উপাসনার প্রতি উদাসীন এবং তিনি উপাসনার কোনো বস্তু নন। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node14.html হিন্দুইজম]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯। * একজন প্রকৃতিবাদী বা ডিইস্ট যিনি এমন এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন যিনি নিজেই মহাবিশ্ব, তিনি মূলত একজন প্যান্ডিস্ট (বা প্যান্ডিজম-বাদী)। এটি কেবল এই উপপাদ্যের সাথেই সংগতিপূর্ণ নয়, বরং তথ্য-তত্ত্বের (মানে ইনফরমেশন থিওরি) একটি প্রমাণিত উপপাদ্য হিসেবে এখন তাঁদের সেই শর্তাধীন বিশ্বাসকে নিশ্চিতভাবে সমর্থন করে। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node26.html ডিইজম]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯। * মহাবিশ্ব নিয়ে গবেষণারত একজন প্যান্ডিস্ট বিজ্ঞানী বা দার্শনিক যে অপরিহার্যভাবে অযৌক্তিক হবেন—তা নয়। এমনকি নিজের কাজকে গভীরভাবে ভালোবাসেন এমন একজন নাস্তিক বিজ্ঞানী বা দার্শনিকের চেয়েও তাকে খুব একটা আলাদাভাবে শনাক্ত করা কঠিন। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node29.html কনসিস্টেন্সি উইথ ফিজিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্স]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯। * আমাদের মধ্যে কেউ কেউ মনে করেন যে, উত্তর-আধুনিকতা বা পোস্ট-মডার্নিটি মূলত প্রচলিত বিশ্ববীক্ষার এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের প্রতিনিধিত্ব করে। যা জেমস এবং ওয়েবারের এক বিস্ময়কর সংমিশ্রণ হয়ে ওঠার মাধ্যমে আধুনিকতার মতোই অনন্য হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। যদি আমাদের এই ধারণা সঠিক হয়, তবে পরিবর্তিত দৃষ্টিভঙ্গি, পূর্বানুমান এবং মূল্যবোধগুলো একত্রে আমাদের জীবনযাত্রাকে এমনভাবে বদলে দিতে পারে, যা আমাদের মনন ও অস্তিত্বের ভূগোলকে রূপান্তরিত করবে। অর্থাৎ, আমরা যে বাস্তব ভৌগোলিক দৃশ্যপট এবং মানসিক মূল্যবোধের জগতে বসবাস করি, উভয়ই পরিবর্তিত হবে। এই চলমান রূপান্তরের একটি ক্রমবর্ধমান সাধারণ ফলাফল হলো, যা সম্ভবত উত্তর-শিল্পায়ন যুগের ধর্মনিরপেক্ষ সমাজগুলোর একটি লক্ষণ। আত্ম-অস্বীকৃতি থেকে অতিপ্রাকৃতকে অস্বীকার করার দিকে অগ্রসর হওয়া। এই বিবর্তনটি ভবিষ্যতের মনন ও অস্তিত্বের ভূগোলকে আমূল বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। কারণ এটি কার্যকারণের কেন্দ্রবিন্দুকে এক মহিমান্বিত দেবত্ব থেকে প্রকৃতির রাজত্বের দিকে সরিয়ে নিয়ে যায়। এই 'প্রকৃতি' শেষ পর্যন্ত কীভাবে সংজ্ঞায়িত হবে, তার ওপর ধর্মীয় এবং ধর্মনিরপেক্ষ বিশ্ববীক্ষার মধ্যকার কৃত্রিম পার্থক্যের এক ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। লেভিনের মতে, "ধর্মনিরপেক্ষতা একটি ইতিবাচক বিষয়, নেতিবাচক নয়। এটি আধ্যাত্মিক জগত বা ধর্মের অস্বীকার নয়, বরং আমরা এখন যে জগতে বাস করছি তারই এক দৃঢ় স্বীকৃতি... এমন একটি জগত আমাদের সেই 'পূর্ণতা' এনে দিতে সক্ষম যা ধর্ম সর্বদা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছে।" অন্যদের কাছে এই "পূর্ণতা" আরও বেশি ধর্মীয়-ঘেঁষা সর্বেশ্বরবাদ (প্যানথেইজম) বা প্যানডিজমের মাঝে বিদ্যমান। প্যানডিজমের ক্ষেত্রে ঈশ্বর হলেন একটি জটিল মহাবিশ্বের চির-উন্মোচিত এক অভিব্যক্তি, যার একটি শনাক্তযোগ্য শুরু থাকলেও কোনো সুনির্দিষ্ট চূড়ান্ত লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যমূলক গন্তব্যের (টেলিওলজিক্যাল ডিরেকশন) উপস্থিতি অপরিহার্য নয়। ** '''''মাইকেল এস. ব্রুনার''''', '''''জন ড্যাভেনপোর্ট''''', '''''জিম নরউইন''''', "অ্যান ইভলভিং ওয়ার্ল্ডভিউ: কালচার-শিফট ইন ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস", জিম নরউইন সম্পাদিত, ''আ ওয়ার্ল্ড আফটার ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড কালচার-শিফট'' (স্প্রিঙ্গার, ২০১৩), পৃষ্ঠা ৪৬। * সৃষ্ট বুদ্ধিবৃত্তিক সত্তাসমূহের সকল কাজই কেবল ঈশ্বরের কাজ নয়। তিনি এমন এক মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন যেখানে প্রাণীরা তাদের নিজস্ব নৈতিক কাজের নিকটতম কারণ (প্রক্সিমেট কজ) হিসেবে স্বাধীনভাবে এবং দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে বলে গণ্য হয়। যখন কোনো ব্যক্তি মন্দ কাজ করে, তখন সেখানে স্রষ্টা ও রক্ষক হিসেবে ঈশ্বর সক্রিয় থাকেন না। ঈশ্বর যদি প্রতিটি কাজের নিকটতম কারণ হতেন, তবে তা প্রতিটি ঘটনাকেই "ঈশ্বরের গতিশীল রূপ" (গড ইন মোশন) বানিয়ে দিত। যা প্রকৃতপক্ষে সর্বেশ্বরবাদ বা আরও নিখুঁতভাবে বললে প্যানডিজম ছাড়া আর কিছুই নয়। [তবে] স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এই দ্বিতীয় পর্যায়ের কারণগুলোর (সেকেন্ডারি কজেস) বাস্তবতা বা অস্তিত্বই খ্রিস্টীয় [[:w:আস্তিক্যবাদ|সেব্য-ঈশ্বরবাদকে]] প্যানডিজম থেকে পৃথক করে। ** '''''পাস্টর বব বারিজে''''', ''থিওলজি প্রোপার - লেসন ৪: দ্য ডিক্রিস অফ গড'' (১৯৯৭)। * কেন ঈশ্বরকে [[:w:পাপ|পাপের]] রচয়িতা হিসেবে অভিহিত করলে মহাবিশ্বের একটি প্যানডিস্টিক ধারণার প্রয়োজন পড়ে, যা কার্যত পাপ এবং নৈতিক আইনের বাস্তবতাকে বিলীন করে দেয়? ** '''''পাস্টর বব বারিজে''''', ''থিওলজি প্রোপার - লেসন ৪: দ্য ডিক্রিস অফ গড'' (১৯৯৭)। * [[w:জর্দানো_ব্রুনো|জর্দানো ব্রুনোর]] বিপরীতে, জোসেফ র‍্যাটজিঙ্গার সেই মতবাদটির সমালোচনা করেছেন যেটিকে অন্যান্য ভাষ্যকারগণ ব্রুনোর প্যানডিজম হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ** '''''ড্যানিয়েল কার্ডো''''' এবং '''''উই মাইকেল ল্যাং''''', ''দ্য ক্যামব্রিজ কম্প্যানিয়ন টু জোসেফ র‍্যাটজিঙ্গার'' (২০২৩), পৃ. ২৬৬। * [[w:ম্যাথু_আর্নল্ড|ম্যাথু আর্নল্ডের]] ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে সন্তুষ্ট করা সেই সত্তাটি যা-ই হোক না কেন, তিনি তাঁর 'লিটারেচার অ্যান্ড ডগমা' এবং 'গড অ্যান্ড দ্য বাইবেল' গ্রন্থে আমাদের যে ধর্মের কথা বলেছেন তা ঈশ্বরবাদ (ডিইজম) বা নিছক প্যান-ডিইজম নয়, বরং এক ধরণের লঘু [[:w:দৃষ্টবাদ|দৃষ্টবাদ]] বা পজিটিভিজম। একটি নৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে এটি তাত্ত্বিকভাবে চমৎকার, তবে এর বাস্তব মূল্য অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ। [[w:র‍্যনে_দেকার্ত|রেনে দেকার্তের]] দার্শনিক অনুসন্ধান থেকে বেরিয়ে আসা ঈশ্বর সম্পর্কে '''[[w:ব্লেজ_পাস্কাল|ব্লেজ পাস্কাল]]''' মন্তব্য করেছিলেন যে— তিনি ছিলেন একজন অপ্রয়োজনীয় ঈশ্বর। আর কেউ আরও বেশি সত্যের সাথে বলতে পারে যে, আর্নল্ড যে ধর্মের প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করার এবং সেই অনুযায়ী চলার সামর্থ্য যে মানুষের আছে, তার আসলে সেই ধর্মের সাহায্য বা উদ্দীপনার কোনো প্রয়োজন নেই। একটি [[:w:আদর্শবাদ|নৈতিক আদর্শবাদের]] মূল্যায়ন করতে হলে মানুষকে নিজেকেই আগে একজন নৈতিক আদর্শবাদী হতে হয়। ** '''''[[w:উইলিয়াম_হার্বার্ট_(উদ্ভিদবিজ্ঞানী)|উইলিয়াম হার্বাট ডসন]]''''', ''মাস্টারি অফ বিয়িং'' (১৯০৪, পুনর্মুদ্রিত ১৯৭৭), পৃষ্ঠা ২৫৬। * ঈশ্বর ''হলেন'' প্রবৃদ্ধি, ঈশ্বর ''হলেন'' কাঠামো বা জ্ঞান, ঈশ্বর একই সাথে সবকিছু আবার কিছুই নন। আর ইব্রাহিমীয় ধর্মগুলোর জন্য কিছুটা ধর্মদ্রোহী মনে হলেও উপলব্ধি করা, অর্থাৎ জ্ঞানার্জন করা, অর্থাৎ পদার্থের অংশ হওয়া, অর্থাৎ একটি মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র তৈরি করা কাঠামোগত শক্তি হওয়া হলো আলোর মাধ্যমে ঈশ্বরের এক সত্তার সাথে অন্য সত্তার সম্পর্কিত হওয়ারই একটি দিক। আর সেই আলো অবশ্যই ঈশ্বর। এই বিচারে, এর অন্তর্নিহিত অধিবিদ্যা নিশ্চিতভাবেই প্যানডিস্টিক। ** '''''নিল ডগলাস''''', ''ফ্রিয়িং গ্রোথ - এ নিও-ক্যাপিটালিস্ট ম্যানিফেস্টো'' (২০০৯), পৃষ্ঠা ৮। * 'থার্ড টেস্টামেন্টের' বৈপ্লবিক প্যানডিস্টিক ধারণাগুলো কি কেবল একটি দানবের উদ্ভাবিত একগুচ্ছ মিথ্যা ছিল? ডামারাসের চ্যাম্পিয়ন করা ঈশ্বরবাদ (ডিইজম) এবং সর্বেশ্বরবাদের (প্যানথেইজম) মধ্যকার সেই সমন্বয় কি আসলেও কাল্পনিক ছিল, যেমনটি অ্যামল্ড প্যারামো সমর্থন করেছিলেন? ** '''''ম্যাথু জে. ড্রুরি''''', ''ইডেন²'' (২০১১), পৃষ্ঠা ২২৯। * এম্পু (উচ্চপদস্থ পুরোহিতের পদবি) সাধারণত একটি ঐতিহ্যবাহী 'পেদান্ডা কেতু' বা লাল রঙের লম্বা মুকুট এবং একটি গোলক ব্যবহার করেন। দ্বীপে অন্য এক ব্যক্তি পান্ডে অনুষ্ঠানগুলো পরিচালনা করেন। তিনি বৌদ্ধধর্ম, হিন্দুধর্ম এবং যদি একে এভাবে অভিহিত করা যায়—"প্যানডিজমের" এক অদ্ভুত সংমিশ্রণের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রায় ত্রিশ বছর আগে সিঙ্গরাজা পান্ডে সম্প্রদায়ের কিছু নেতা নিজেদের হিন্দুধর্ম থেকে ভিন্ন কিছু হিসেবে ঘোষণা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন। কারণ তারা মনে করতেন যে তাদের মৌলিক বিশ্বাসগুলো হিন্দুধর্ম থেকে এতটাই আলাদা যে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় গঠন করা সমীচীন। ** '''''ফ্রেড বি. আইজম্যান, জুনিয়র''''', ''বালি: সেকালা অ্যান্ড নিস্কালা: এসেস অন রিলিজিয়ন, রিচুয়াল, অ্যান্ড আর্ট'' (১৯৮৯), পৃষ্ঠা ৮৯। {{ISBN|0945971036}}। * নিউ এজ মুভমেন্টের মধ্যে পুরোনো আধ্যাত্মিক এবং ধর্মীয় ঐতিহ্যের নানাবিধ উপাদান বিদ্যমান, যার বিস্তৃতি নাস্তিক্যবাদ ও একেশ্বরবাদ থেকে শুরু করে ধ্রুপদী সর্বেশ্বরবাদ, প্রাকৃতিক সর্বেশ্বরবাদ, প্যানডিজম এবং প্যানেনথিজম হয়ে বহুঈশ্বরবাদ পর্যন্ত, যা বিজ্ঞান এবং গায়া দর্শনের সাথে সমন্বিত। এর মধ্যে বিশেষভাবে [[w:পুরাজ্যোতির্বিদ্যা|প্রত্ন-জ্যোতির্বিদ্যা]], [[w:জ্যোতির্বিজ্ঞান|জ্যোতির্বিদ্যা]], বাস্তুসংস্থান, পরিবেশবাদ, গায়া হাইপোথিসিস, [[w:মনোবিজ্ঞান|মনোবিজ্ঞান]] এবং [[w:পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিদ্যা]] অন্তর্ভুক্ত। ** '''''হেনরি হ্যারিসন এপস, জুনিয়র''''', ''এন্ড টাইমস অর্গানাইজেশনস, ডকট্রিনস অ্যান্ড বিলিফস'' (২০১২), পৃষ্ঠা ২২০। * ঈশ্বর যদি সবটুকু হন, সবকিছুকে ধারণ করেন, প্রতিটি শব্দকে গভীর কোনো শব্দ কিংবা ভালোবাসা নামক শব্দটিকেও আপন করে নেন, তবে ঈশ্বর সত্যিই মহান, বিশাল ও অসীম। আর এমন এক ঈশ্বরের ধারণায় নেজারের প্যানডিজম হলো কাব্যজগতের অন্যতম শক্তিশালী একটি কাব্যিক চিন্তা যা আমরা পেয়েছি। এই কবির কাছ থেকে, এই কাব্যিক স্রষ্টার কাছ থেকে আর কী-ই বা প্রত্যাশা করা যায়, যিনি বিশ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এমন মহান এক কাব্যিক আলোকবর্তিকার সান্নিধ্য পেয়েছেন? ** '''''ওটাভিও ডি ফারিয়া''''', "প্যানডিজমো এম কার্লোস নেজার", ''উলতিমা হোরা'', রিও ডি জেনিরো (১৭ মে, ১৯৭৮)। * এমন এক মতবাদ যা তার হঠকারী [[:w:আদর্শবাদ|আদর্শবাদের]] কারণে কেবল বিশ্বাসকেই নয়, বরং স্বয়ং যুক্তিকেও আঘাত করে ([[w:ইমানুয়েল_কান্ট|'''ইমানুয়েল কান্টের''']] ব্যবস্থা): সেই ফরাসি মনোবিদের বিপজ্জনক ভুলগুলো উন্মোচিত করা ধর্ম ও নৈতিকতা উভয়ের জন্যই জরুরি হবে, যিনি মানুষের মনকে প্রলুব্ধ করেছেন (ভিক্টর কাজিন); তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে তাঁর দুঃসাহসিক দর্শন পবিত্র ধর্মতত্ত্বের দেয়াল ভেঙে নিজের কর্তৃত্বকে সবার উপরে স্থান দেয়। তিনি রহস্যময় বিষয়গুলোকে অপবিত্র করেন, কখনও সেগুলোকে অর্থহীন ঘোষণা করে, আবার কখনও সেগুলোকে সাধারণ ইঙ্গিত বা নিছক রূপকে পরিণত করে। একজন বিদগ্ধ সমালোচক যেমনটি লক্ষ্য করেছেন, এই দর্শন প্রত্যাদেশকে (রেভেলেশন) সহজাত চিন্তা ও বিচারহীন স্বীকৃতির সাথে স্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য করে। এটি যুক্তিকে মানুষের ব্যক্তিত্বের বাইরে স্থাপন করে মানুষকে ঈশ্বরেরই এক খণ্ডাংশ হিসেবে ঘোষণা করে; যা এক ধরণের আধ্যাত্মিক প্যানডিজমের সূচনা করে। আমাদের কাছে এটি যেমন অযৌক্তিক, তেমনি সেই পরম সত্তার জন্যও অবমাননাকর, যা কি না তাঁর স্বাধীনতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করে। ** '''''লুইগি ফেরারিজে''''', ''মেমোরি রিসগুয়ার্দান্টি লা ডটরিনা ফ্রেনোলজিকা'' (১৮৩৮), পৃ. ১৬। * গতকালের সেই 'প্যান-ডিইস্ট' বা প্যান্ডিস্টরা, যারা বৃক্ষ আর ঝরনার উপাসনা করত। আজ তারা বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের সদস্য হয়ে মূলত একই কাজ করে চলেছে। [[w:আল_গোর|আল গোর]] বা তাঁর মতো অন্যান্যরা, এমনকি সম্ভবত বনায়ন কর্মসূচিতে আগ্রহী বারাক ওবামা, হয়ে উঠেছেন তাদের বর্তমান যুগের ওঝা বা শামান। ** '''''মার্ক ফিঙ্কেলস্টেইন''''', [http://finkelblog.com/index.php/2009/04/11/happy-pan-deism-day-from-gail-collins/ "হ্যাপি প্যান-ডিইজম ডে ফ্রম গেইল কলিন্স"], (১১ এপ্রিল ২০০৯)। * প্যানডিজম হলো অন্য এক ধরনের বিশ্বাস যা দাবি করে যে, ঈশ্বর এবং মহাবিশ্ব অভিন্ন। তবে ঈশ্বর এখন আর এমন কোনো অবস্থায় বিদ্যমান নেই যেখানে তাঁর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব। ফলস্বরূপ, এই তত্ত্বটি কেবল যুক্তির মাধ্যমেই প্রমাণ করা সম্ভব। প্যানডিজম পুরো মহাবিশ্বকে ঈশ্বরেরই অংশ হিসেবে দেখে এবং এখন এই মহাবিশ্বই হলো ঈশ্বরের পূর্ণ রূপ। তবে সময়ের কোনো এক পর্যায়ে এই মহাবিশ্ব পুনরায় সংকুচিত হয়ে সেই একক সত্তায় বিলীন হয়ে যাবে, যিনি স্বয়ং ঈশ্বর এবং যা কিছু আছে সবকিছুর স্রষ্টা। প্যানডিজম এই প্রশ্ন উত্থাপন করে যে ঈশ্বর কেন একটি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে তারপর তা পরিত্যাগ করবেন? যেহেতু এটি সর্বেশ্বরবাদের সাথে সম্পর্কিত, তাই এটি এই প্রশ্নটিও তোলে যে, এই মহাবিশ্বের উৎপত্তি কীভাবে হলো এবং এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যই বা কী? ** '''''অ্যালান আর. ফুলার''''', ''থট: দ্য অনলি রিয়েলিটি''। ২০১০। পৃষ্ঠা ৭৯। * তদুপরি, তাঁর কর্ম থেকে এক ধরনের সর্বেশ্বরবাদ, বা বলা ভালো "প্যানডিজম" উন্মোচিত হয়। যেখানে [[w:নয়াপ্লাতোবাদ|নব্য-প্লেটোবাদী বা নয়াপ্লাতোবাদ]] অনুপ্রেরণা কঠোর খ্রিস্টীয় অর্থোডক্সির সাথে এক নিখুঁত পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। ** '''''জঁ-জাক গাবুত''''', [[:w:জন স্কটাস এরিউজেনা|এরিউজেনা]] প্রসঙ্গে, "[https://books.google.com/books?id=50FDDwAAQBAJ&pg=PT23&dq=pand%C3%A9isme&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwiByZ3owbveAhULxVkKHQRbBscQ6AEINTAC#v=onepage&q=pand%C3%A9isme&f=false ওরিজিনস এত ফন্দামেন্ট স্পিরিচুয়েলস এত সোসিওলজিকস দে লা মেসোনেরি একোসাইস]" (২০১৭)। * আঠারো শতক এবং উনিশ শতকের শুরুর দিকে, [[:w:গোটে|গোটে]], [[:w:শেলিং|শেলিং]] এবং [[:w:কোলরিজ|কোলরিজের]] মতো লেখকদের কাছে [[w:বারুখ_স্পিনোজা|বারুখ স্পিনোজা]] এক প্রকার রহস্যময় সর্বেশ্বরবাদী প্রকৃতিবাদের (প্যানথেইস্ট ডিইজম) এক ধর্মনিরপেক্ষ সন্তে পরিণত হয়েছিলেন। ** '''''অ্যারন ভি. গ্যারেট''''', ''মিনিং ইন স্পিনোজা'স মেথড'' (২০০৩), পৃষ্ঠা ২। * তারপরও, যদি অর্ধ-দেবতা প্যান-এর আবির্ভাব ঘটে, তবে এর ফলাফল হবে 'প্যান-ডিইজম', যা মূলত প্যান্ডোরার বাক্স উন্মুক্ত করারই নামান্তর। ** ২০০৩, '''''জন জি''''', ''দ্য মেটাফিজিশিয়ানস ডেস্ক রেফারেন্স: ইনক্লুডিং দ্য রিভাইজড ফরমাল সিস্টেম অফ মেটাফিজিক্স'', পৃষ্ঠা ১৬৪। * [[:w:সর্বপ্রাণবাদ|সর্বপ্রাণবাদ]] সংক্রান্ত ধারণাগুলোর মধ্যে এমন কিছু বৈচিত্র্য খুঁজে পাওয়া যায় যা মানব চিন্তার ইতিহাসে নিজস্ব স্থান করে নিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, [[:w:হিন্দুধর্ম|হিন্দুধর্মে]] বর্ণিত ''[[:w:লীলা|লীলা]]''-র ধারণাটি প্যানডিজমের ধারণার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ** '''''জেমস বি. গ্ল্যাটফেল্ডার''''', '''ইনফরমেশন—কনশাসনেস—রিয়ালিটি': হাউ এ নিউ আন্ডারস্ট্যান্ডিং অফ দ্য ইউনিভার্স ক্যান হেল্প আনসার এজ-ওল্ড কোশ্চেনস অফ এক্সিস্টেন্স'' (২০১৯), পৃ. ৫৩৪। * কিন্তু ব্রুনো পুরোপুরি নাস্তিক বা সর্বেশ্বরবাদী ছিলেন না। তিনি সম্ভবত একটি নেতিবাচক ধর্মতত্ত্ব বা 'অ্যাপোফ্যাটিক ক্রিড' (''[[:w:নেতি-নেতি|ভিয়া নেগাটিভা]]'') অনুসরণ করতেন, যা তাঁকে একজন প্যানডেইস্ট হিসেবে অধিকতর গ্রহণযোগ্য করে তোলে। ** '''''তারিক গডার্ড''''', ''দ্য রিপিটার বুক অফ হিরোইজম'' (২০২২), পৃ. ২৫। * যদিও 'প্যান-' (pan-) শব্দাংশ দিয়ে গঠিত প্যানথেইজম, প্যানডিজম বা প্যানকুবার্নিজম—এর যেকোনোটিই অ্যানাক্সিম্যান্ডারকে বর্ণনা করার জন্য যথেষ্ট; তবুও এখানে আরও একটি বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এই বর্ণনাটি কি টেকনিক্যালি অ্যানাক্সিম্যান্ডারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য? এখানে মূল বিষয় হলো সেই 'অ্যাপাইরন (গ্রিক দার্শনিক [[w:আনাক্সিমান্দ্রোস|আনাক্সিমান্দ্রোসের]] অ্যাপাইরন তত্ত্ব), যা সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে রাখে এবং সবকিছুকে চালনা করে, আর এই 'অ্যাপাইরন'ই হলো ঐশ্বরিক। তাহলে 'কসমস' বা মহাবিশ্বের অবস্থান কী? স্পষ্টতই, কসমস সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে থাকে না, কিন্তু এটি কি ঐশ্বরিক নয়? এটি কি কোনো চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে না? ** '''''অ্যান্ড্রু গ্রেগরি''''', ''অ্যানাক্সিম্যান্ডার: এ রি-অ্যাসেসমেন্ট'' (২০১৬), পৃ. ১০০। * [[w:প্লিনি_দ্য_এল্ডার|প্লিনি দ্য এল্ডারের]] ক্ষেত্রে, যাঁকে স্পিনোজাপন্থী না হলেও অন্তত একজন 'পান্ডিস্ট' হিসেবে অভিহিত করা যেতে পারে, প্রকৃতি হলো এমন কোনো সত্তা নয় যা জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন বা পৃথক। তাঁর দর্শনে প্রকৃতি হলো সমগ্র সৃষ্টিজগতের এক মূর্ত রূপ, এবং তাঁর দেবত্বের ধারণাটিও ঠিক একই উপাদানে গঠিত বলে প্রতীয়মান হয়। ** '''''গটফ্রিড গ্রোসে''''', ''[http://books.google.com/books?id=6ro9AAAAcAAJ&pg=PA165&dq=pandeisten&ei=YiknS8ydDo3iyATjvZnbCA&cd=2#v=onepage&q=pandeisten&f=false নাটুরগেশিখতে: মিট এরলাউটারনডেন আনমেরকুঙ্গেন]'' (প্রাকৃতিক ইতিহাস: টীকা সহ; [[:w:জ্যেষ্ঠ প্লিনি|জ্যেষ্ঠ প্লিনি]]-র 'প্রাকৃতিক ইতিহাস'-এর অনুবাদ ও ব্যাখ্যা), ১৭৮৭, পৃষ্ঠা ১৬৫। এটি এখন পর্যন্ত পাওয়া প্যানডিজমের প্রাচীনতম বিদ্যমান বর্ণনা। * আমরা গ্রিক এবং রোমান দার্শনিকদের সম্পর্কে কিছু বলতে পারি এবং তাঁদের প্যান্ডিস্ট ধর্মগুলোকে আমাদের বর্তমান ধর্মগুলোর সাথে তুলনা করতে পারি। উদাহরণস্বরূপ, [[w:এরিস্টটল|অ্যারিস্টটল]], [[w:প্লেটো|প্লেটো]], প্লটিনাস এবং অরেলিয়াস, তাঁরা সেন্ট অগাস্টিন এবং থমাস অ্যাকুইনাসের দেওয়া বিধানের বিপরীতে গিয়ে পুরুষ ও মহিলাদের আনন্দ অন্বেষণের অনুমতি দিয়েছিলেন। যাতে তাঁরা এই পৃথিবীতেই ব্যক্তিগত সুখ অর্জন করতে পারেন এবং স্রেফ যুক্তির চর্চাকেই পরম লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন। ** '''''ওয়াল্টার গ্রুয়েন''''', পিএইচ.ডি., ''দ্য প্রমিস অফ হিউম্যান অটোনমি'' (২০১৭), পৃষ্ঠা ৩১। * ভারত ত্রিশ কোটি দেব-দেবীর পূজা করে। তার কাছে ঈশ্বরই সবকিছু, এবং সবকিছুই ঈশ্বর। আর তাই, সবকিছুই আরাধ্য হতে পারে। সাপ এবং দানবরা তার বিশেষ উপাস্য। ভারতের এই প্যান-ডিইজম মূলত এক বিশৃঙ্খল নরককুন্ড (প্যান্ডেমোনিয়াম)। ** '''''রেভারেন্ড হেনরি গ্র্যাটান গিনেস''''', "ফার্স্ট ইমপ্রেশনস অফ ইন্ডিয়া", ''দ্য মেডিকেল মিশনারি'' (১৮৯৭), পৃষ্ঠা ১২৫-১২৭। * সত্যি বলতে, একজন প্যানডেইস্ট এবং একজন নিরীশ্বরবাদীর মধ্যে পার্থক্য করার মতো সিনট্যাক্স, সেমান্টিক্স, প্রযুক্তিগত দিক বা আনুষ্ঠানিকতা (এবং সম্ভবত দাম্ভিকতা) ছাড়া আর কিছুই নেই। সকল "নিরীশ্বরবাদী" মূলত সেই একই ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন যাতে প্যানডেইস্টরা বিশ্বাস করেন; কিন্তু অধিকাংশ ধর্মের চোখে তাঁদের সেই ব্যক্তিসত্ত্বাহীন 'ঈশ্বর' আদতে কোনো 'ঈশ্বরই' নন। ** '''''রেভ. কাইল লোগান হ্যামলিন''''', ''বেটার এ কম্প্যাশনেট অ্যাথিস্ট, দ্যান অ্যান অ্যাপাথেটিক ক্রিশ্চিয়ান'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ১০। * আমরা কি কেবল আইনের শিকল দিয়ে আবদ্ধ থাকি বলেই পুণ্যবান? আমরা মানুষকে ভবিষ্যদ্বাণী করতে শুনি যে, এই যুদ্ধ মানেই খ্রিস্টধর্মের মৃত্যু এবং প্যানডিজমের যুগের সূচনা, অথবা সম্ভবত আমাদের আধুনিক সভ্যতা ও সংস্কৃতির ধ্বংস। আবার আমরা অনেককে এমন ভবিষ্যদ্বাণী করতেও শুনি যে, এই যুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফল মানবজাতির জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনবে। ** '''''লুই এস. হার্ডিন''''', "দ্য কাইমেরিক্যাল অ্যাপ্লিকেশন অফ ম্যাকিয়াভেলি'স প্রিন্সিপলস", [[:w:ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়|''ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়'']] (মে ১৯১৫), পৃষ্ঠা ৪৬৩। * মুসলমানরা বড় শহরগুলোতে তাদের নিজস্ব ছোট জগত তৈরি করতে চাইলেও হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ সমাজের সাথে বারবার তাদের সংঘাত তৈরি হতো: হিন্দুদের বর্ণপ্রথা বনাম মুসলমানদের সমতাকামী সমাজ, হিন্দুদের নিরামিষভোজী বনাম মুসলমানদের মাংসাহার, এবং হিন্দুদের প্যানডিজম ও পীর-পূজার (সাধু ভক্তি) বিপরীতে মুসলমানদের একেশ্বরবাদ। ** '''''ইয়ুর্গেন হার্টম্যান''''', ''রিলিজিয়ন ইন ডার পলিটিক: ইউডেনটাম, ক্রিস্টেনটাম, ইসলাম'' (২০১৪), পৃষ্ঠা ২৩৭। * ঈশ্বর এই জগতকে তাঁর অস্তিত্বের বাইরে রাখেন। তিনি কেবল জগতের আদি কারণ হিসেবে গণ্য হন, কিন্তু কোনো অর্থেই তিনি নিজে কোনো কিছুর ফলাফল বা কার্যের বহিঃপ্রকাশ নন, তা সে নিজের পক্ষ থেকেই হোক কিংবা অন্য কিছুর। সর্বেশ্বরবাদ (যার চেয়ে "প্যানডিজম" শব্দটিই অধিকতর জুতসই, কারণ এখানে প্রকৃত অর্থে কোনো ব্যক্তিসত্তা বা 'থিয়স'-কে বর্ণনা করা হচ্ছে না) মূলত এটিই বোঝায় যে—ঈশ্বর হলেন সাধারণ কার্যকারণের এক অখণ্ড ও অবিভাজ্য সমষ্টি; যেখানে সাধারণ কার্যকারণের এই শৃঙ্খলের ঊর্ধ্বে স্বাধীন কোনো 'পরতম-কারণ' বা বিশেষ কোনো উচ্চতর শক্তির অস্তিত্ব নেই। ** প্রফেসর '''''[[:w:চার্লস হার্টশর্ন|চার্লস হার্টশর্ন]]''''', ''ম্যান'স ভিশন অফ গড অ্যান্ড দ্য লজিক অফ থেইজম'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৩৪৭। {{ISBN|020800498X}}। * ঈশ্বর এভাবে সমগ্র বিশ্বকে নিজের সত্তার অন্তরালে ধারণ করেন। প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন মহাবিশ্বের সেই সমস্ত খণ্ডাংশের এক পূর্ণাঙ্গ সমষ্টি, যা নির্বিশেষে কার্য এবং কারণের সমন্বয় হিসেবে বিদ্যমান। এখন এ-আর বা এমন এক ধারণা যা কিছু ক্ষেত্রে পরম নিখুঁত এবং অন্য সব ক্ষেত্রে আপেক্ষিক পরিপূর্ণতাকে বোঝায়, তা এই প্রচলিত মতবাদগুলোর চেয়ে সমদূরত্বে অবস্থান করে। ঈশ্বরের দ্বিমুখী স্বরূপের এই দৃষ্টিভঙ্গির কল্যাণে, এটি প্রকৃতিবাদ (ডিইজম) বা প্যানডিজমের মধ্যকার ইতিবাচক সমস্ত উপাদানকে সুসংগতভাবে আলিঙ্গন করতে সক্ষম। এ-আর বলতে বোঝায় যে, ঈশ্বর তাঁর সত্তার এক দিক থেকে সমস্ত সাধারণ কার্যকারণের এক অখণ্ড সামগ্রিকতা। কিন্তু তাঁর সত্তার অন্য দিকটি হলো তাঁর সারমর্ম (যাকে 'এ' বা পরম নিখুঁত বলা হয়েছে), যা যেকোনো নির্দিষ্ট বা আকস্মিক অস্তিত্বের গোষ্ঠী থেকে বিমূর্তভাবে কল্পনা করা সম্ভব, যদিও এটি সেই আবশ্যকতা এবং শক্তি থেকে বিচ্যুত নয় যা প্রতিটি মুহূর্তে তাঁকে একীভূত পূর্ণতার মধ্য দিয়ে তাঁর নিজস্ব স্বরূপ প্রকাশে পর্যাপ্ত উপাদান সরবরাহ করে। ** প্রফেসর '''''[[:w:চার্লস হার্টশর্ন|চার্লস হার্টশর্ন]]''''', ''ম্যান'স ভিশন অফ গড অ্যান্ড দ্য লজিক অফ থেইজম'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৩৪৮। {{ISBN|020800498X}}। * এই সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো কেবল তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে যখন এ-আর (কিছু ক্ষেত্রে পরম এবং অন্য ক্ষেত্রে আপেক্ষিক) ধারণাটিকে স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে ধরে নেওয়া হয় (যেখানে স্পিনোজা ব্যর্থ হয়েছিলেন, কারণ তিনি কেবল পরম বা 'এ' অংশটিকে বিবেচনা করেছিলেন)। ঠিক যেভাবে এ-আর ধারণাটি পরিপূর্ণতার ইতিবাচক নির্যাসটুকু ধারণ করে, ঠিক তেমনি সি-ডব্লিউ /CW বা 'স্রষ্টা এবং তাঁর সৃষ্টি'-কে একই প্রাণের অংশ হিসেবে বিবেচনা করার ধারণাটি এক ‘পরম-পূর্ণতা’ গঠন করে। এই পরমসর্বেশ্বরবাদ বা প্যানেনথিজম মতবাদটি প্রকৃতিবাদ ওপ্যানডিজমের সেই স্বেচ্ছাচারী নেতিবাচক অংশগুলো বাদ দিয়ে তাদের সমস্ত নির্যাস ধারণ করে। সুতরাং, এই পরম-আপেক্ষিক পরমসর্বেশ্বরবাদ হলো সেই অনন্য মতবাদ যা প্রকৃতপক্ষে ঈশ্বরবাদী এবং ক্ষেত্রবিশেষে নাস্তিকদের অবচেতন আলোচনার সেই পূর্ণাঙ্গ রূপটিকে স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করে। ** প্রফেসর '''''[[:w:চার্লস হার্টশর্ন|চার্লস হার্টশর্ন]]''''', ''ম্যান'স ভিশন অফ গড অ্যান্ড দ্য লজিক অফ থেইজম'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৩৪৮। {{ISBN|020800498X}}। * [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] নিজেকে অসংখ্য খণ্ডে বিভক্ত করেছেন যেন তিনি কিছু [[:w:বন্ধু|বন্ধু]] পেতে পারেন। এটি হয়তো সত্য নয়, তবে শুনতে বেশ ভালো লাগে এবং অন্য যেকোনো [[:w:ধর্মতত্ত্ব|ধর্মতত্ত্বের]] মতোই এটি সমান অর্থবহ। ** '''''রবার্ট এ. হাইনলাইন''''', অ্যাফোরিজমস অফ লাজারাস লং, ''টাইম এনাফ ফর লাভ'' (১৯৭৩), পৃষ্ঠা ২১৬। * ঈশ্বরকে সমস্ত কিছুর এক ঊর্ধ্বগামী সমষ্টি হিসেবে ভাবা যেতে পারে, যেখানে সেই 'সমগ্রতা' তার অংশগুলোর সমষ্টিকেও ছাড়িয়ে যায়, ঠিক একটি 'গেস্টাল্ট' বা পূর্ণাঙ্গ অবয়বের মতো। যদি 'দেব-দেবী' (বহুবচনে) বিদ্যমান থাকেন, তবে তাঁরা অস্তিত্বশীল হবেন সমস্ত কিছুর সেই সমষ্টিগত বহিঃপ্রকাশের উপ-বিভাগ হিসেবে। আমি মাঝে মাঝে নিজেকে একজন 'প্যানডেইস্ট' হিসেবে উল্লেখ করেছি, তবে মূলধারা বা এমনকি কোনো প্রযুক্তিগত শ্রেণীকরণও এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। কারণ লোকে তখন মনে করে যে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বুঝে ফেলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এর অর্থ হলো—কারো ধর্মীয় পরিচয়কে খ্রিস্টধর্মের সাথে পার্থক্যের মানদণ্ডে সংজ্ঞায়িত করা হয়, যাকে সেখানে আদর্শ ধর্মীয় মাপকাঠি হিসেবে ধরা হয়। আমি মনে করি এটি আদিবাসী আমেরিকানদের ঐতিহ্যগত পথকে বস্তুনিষ্ঠ করে তোলে এবং অধস্তন করে রাখে। তাই আমি প্রায়ই প্রকাশ্যে নিজেকে ঐতিহ্যগত সাধক বা 'প্যান-ডেইস্ট' হিসেবে পরিচয় দিই না। বরং আমি প্রায়ই 'নিরীশ্বরবাদী' তকমাটি পছন্দ করি, কারণ আমি মনে করি না যে আমার দৃষ্টিভঙ্গি মূলধারার আমেরিকার খ্রিস্টীয় 'ঈশ্বর' ধারণার সাথে মিলে যায়। তবুও, 'প্যান-ডিইজম'-এর মতো কিছু একটা আমার অনুভূত ঈশ্বরের স্বরূপকে কিছুটা হলেও ধারণ করতে পারে। সবকিছুই ঈশ্বর, ঈশ্বরের যেকোনো অংশই সেই সর্বজনীন ঐশ্বরিক প্রকৃতির অংশীদার। ** '''''থারম্যান 'লি' হেস্টার জুনিয়র''''', "নেটিভ আমেরিকান স্পিরিচুয়ালিটি", ইন গ্রাহাম অপ্পি, এন.এন. ট্রাকাকিস, ''ইন্টাররিলিজিয়াস ফিলোসফিক্যাল ডায়ালগস - ভলিউম ৩'' (২০১৭), পৃষ্ঠা ৪৬। * আমার স্থির বিশ্বাস এই যে, প্যানডিজম প্রকৃতপক্ষে একটি সুসংগঠিত ব্যবস্থা বা মতাদর্শ ছিল; এবং আমি যখন 'পান্ডিয়া দেশ' বা 'পান্ডিয়া সাম্রাজ্য' শব্দগুলো ব্যবহার করি, তখন আমি মূলত নিজেকে এমন এক ভঙ্গিতে প্রকাশ করি যা অনেকটা 'পোপীয় সাম্রাজ্য' বা 'পোপতন্ত্রের রাজ্য' বলার সমতুল্য। ঠিক যেভাবে আমরা বলে থাকি যে, গ্রিকদের চার্চে অনেক অসার আচার-অনুষ্ঠান প্রচলিত আছে, যার মাধ্যমে মূলত সমস্ত জাতির গ্রিক ধর্মাবলম্বীদের বোঝানো হয়। অথবা যেভাবে বলা হয় যে পোপের শাসনাধীন দেশগুলো কুসংস্কারে আচ্ছন্ন। একই সাথে, আমি বিনীতভাবে এটিও স্পষ্ট করতে চাই যে—আমি কৃষ্ণ-কন্যা পান্ডিয়ার সেই প্রাচীন সাম্রাজ্যের অস্তিত্বকে মোটেও অস্বীকার করছি না। এটি ঠিক তেমনই সত্য, যেমনটি অস্বীকার করা অসম্ভব যে ফ্রান্স নামক একটি রাজ্য ছিল যা চার্চের বা পোপের জ্যেষ্ঠ পুত্রের দ্বারা শাসিত হতো। ** '''''গডফ্রি হিগিন্স''''', ''[[:w:অ্যানাক্যালিপসিস|অ্যানাক্যালিপসিস: অ্যান অ্যাটেম্পট টু ড্র অ্যাসাইড দ্য ভেইল অফ দ্য সাইটিক আইসিস: অর অ্যান ইনকোয়ারি ইনটু দ্য অরিজিন অফ ল্যাঙ্গুয়েজেস, নেশনস অ্যান্ড রিলিজিয়নস]]'' (১৮৩৩), পৃষ্ঠা ৪৩৯। খণ্ড ১ {{ISBN|0766126439}}; খণ্ড ২ {{ISBN|0766126447}}; (১৯৭২ সংস্করণ) - ASIN: B0006Y9FEM। **(দ্রষ্টব্য: এই অংশটি মূলত '''''[[:w:জন ব্যালু নিউব্রো|জন ব্যালু নিউব্রো]]'''''-র ''[[:w:ওয়াস্পে বাইবেল|ওয়াস্পে বাইবেল]]'' (১৮৮২, পুনর্মুদ্রিত ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৮৭৪-এ ব্যাপকভাবে পুনরুৎপাদন করা হয়েছে)। * আমরা ইতিপূর্বে প্রত্যক্ষ করেছি যে, শ্রীকৃষ্ণের অনেক পুত্র সন্তান থাকা সত্ত্বেও তিনি তাঁর সেই সুবিশাল সাম্রাজ্যটি তাঁর কন্যা পান্ডিয়ার হাতে ন্যস্ত করে গিয়েছিলেন, যে সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ছিল সিন্ধু নদের উৎস মুখ থেকে শুরু করে কুমারিকা অন্তরীপ পর্যন্ত (যেহেতু আমরা এই বিন্দুর সন্নিকটেই 'রেজিও পান্ডিওনিস' এর অস্তিত্ব খুঁজে পাই)। তবে, বুদ্ধের মূর্তিকে নিরন্তর নয়টি ফণা তোলা সাপের ছায়াতলে সযত্নে রক্ষিত হতে দেখে আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে বাধ্য হচ্ছি যে এই প্যানডিজম মূলত এমন একটি গূঢ় মতবাদ ছিল, যা বৌদ্ধ এবং ব্রাহ্মণ উভয় সম্প্রদায়ের দ্বারাই পরম শ্রদ্ধায় গৃহীত হয়েছিল। ** '''''[[:w:গডফ্রি হিগিন্স|গডফ্রি হিগিন্স]]''''', ''[[:w:অ্যানাক্যালিপসিস|অ্যানাক্যালিপসিস: অ্যান অ্যাটেম্পট টু ড্র অ্যাসাইড দ্য ভেইল অফ দ্য সাইটিক আইসিস: অর অ্যান ইনকোয়ারি ইনটু দ্য অরিজিন অফ ল্যাঙ্গুয়েজেস, নেশনস অ্যান্ড রিলিজিয়নস]]'' (১৮৩৩), পৃষ্ঠা ৪৩৯। খণ্ড ১। {{ISBN|0766126439}}; খণ্ড ২ {{ISBN|0766126447}}; (১৯৭২ সংস্করণ) - ASIN: B0006Y9FEM। **(দ্রষ্টব্য: এই অংশটিও মূলত '''''[[:w:জন ব্যালু নিউব্রো|জন ব্যালু নিউব্রো]]'''''-র ''[[:w:ওয়াস্পে বাইবেল|ওয়াস্পে বাইবেল]]'' (১৮৮২, পুনর্মুদ্রিত ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৮৭৪-এ ব্যাপকভাবে পুনরুৎপাদন করা হয়েছে)। * সেই অর্থে খ্রিস্টধর্মের সুপ্ত যুক্তিবাদ আধুনিক বিশ্বের প্রাত্যহিক অভিজ্ঞতায় গভীরভাবে মিশে গেছে।এর মূল্যবোধগুলো এখন পরিবার, সুশীল সমাজ এবং রাষ্ট্রের বিভিন্নরূপে মূর্ত হয়ে উঠেছে। [[:w:ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস|এঙ্গেলস]] বিশেষত এই সমস্ত কিছুর মধ্যে আধুনিক সর্বেশ্বরবাদের (বা বলা ভালো, প্যানডিজমের) একটি ধারণা খুঁজে পেয়েছিলেন। যেখানে দেবত্ব বা ঈশ্বরত্বের সাথে প্রগতিশীল মানবতার এক মিলন ঘটে। এটি ছিল একটি আনন্দময় দ্বান্দ্বিক সংশ্লেষণ, যা তাঁকে ধর্মপ্রাণ আকুতি এবং বিচ্ছিন্নতার সেই 'পিয়েটিস্ট' মানসিকতার স্থির বৈপরীত্য থেকে মুক্তি দিয়েছিল। গ্র্যাবার ভাইদের কাছে লেখা তাঁর শেষ চিঠিগুলোর একটিতে এঙ্গেলস লিখেছিলেন, "স্ট্রাউসের মাধ্যমে আমি এখন হেগেলীয়বাদের সোজা পথে প্রবেশ করেছি। হেগেলের ঈশ্বরের ধারণাটি ইতিমধ্যেই আমার হয়ে গেছে, আর এভাবেই আমি 'আধুনিক সর্বেশ্বরবাদীদের' দলে যোগ দিচ্ছি।" ** '''''ট্রিস্ট্রাম হান্ট''''', ''মার্ক্স'স জেনারেল: দ্য রিভোল্যুশনারি লাইফ অফ ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস'' (২০১০), পৃষ্ঠা ৪৩। * আমি সবসময় ঈশ্বরের এমন এক ধারণা পছন্দ করি যা মানুষের চিন্তাশক্তির একদম ঊর্ধ্বে। আমার মনে হয় আমেরিকানদের জন্য সেখানে সর্বেশ্বরবাদী, ঈশ্বরবাদী এবং রেড ইন্ডিয়ানদের বিশ্বাসের সমন্বয়ে গঠিত একটি ধর্ম বিদ্যমান। এটি আমার কাছে অত্যন্ত সত্য বলে মনে হয়। ** '''''ফিল জ্যাকসন''''', ''শিকাগো ট্রিবিউনের'' মাইকেল হার্সলি কর্তৃক ধর্ম বিষয়ে সাক্ষাৎকার, “ফর বুলস কোচ, গড ইজ নো গেম,” ২৭ এপ্রিল ১৯৯০। * এমনকি সেই সমস্ত [[:w:অটিজম|অটিস্টিক]] ব্যক্তিরা, যারা ধর্মের প্রতি অনুরাগী, তারাও তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসগুলোকে এমনভাবে গঠন করার প্রবণতা দেখান যা তাদের মূর্ত ও বাস্তবসম্মত চিন্তাধারার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। তারা মূলত ধর্মতত্ত্বের জটিল তাত্ত্বিক আলোচনার চেয়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এবং ঐতিহ্যের মাঝে মানসিক প্রশান্তি খুঁজতেই বেশি পছন্দ করেন। মহাবিশ্বের সৃষ্টি বা নৈতিক শাসনের সাথে জড়িত কোনো মানুষের মতো ঈশ্বরকে আলিঙ্গন করার পরিবর্তে, তারা প্রায়শই দেবত্বকে মহাজাগতিক নিয়মাবলির এক মূর্ত প্রকাশ হিসেবে কল্পনা করেন। যা মূলত ধ্রুপদী প্রকৃতিবাদের চেয়ে সর্বেশ্বরবাদ বা প্যানডিজমের দিকেই বেশি ঝুঁকে থাকে। তাঁদের ঈশ্বর সাধারণত কোনো সচেতন বা উদ্দেশ্যমূলক স্রষ্টা নন, বরং প্রকৃতি বা পদার্থবিজ্ঞানের অমোঘ নিয়মাবলিরই এক অনিবার্য বহিঃপ্রকাশ মাত্র। ** '''''মার্টিন ডি. জনসন''''', ''দ্য অ্যাথিস্ট'স সারভাইভাল গাইড'' (২০২৪), পৃষ্ঠা ৮৯, ISBN: ৯৭৯-৮-২১৮-৪৮৪৩১-৬। * প্যান্ডিস্ট দৃষ্টিভঙ্গির সত্তাতাত্ত্বিক বৈধতাকে সরিয়ে রাখলেও, চেতনার সেই সুকঠিন সমস্যা বা "হার্ড প্রবলেম অফ কনশাসনেস" নিয়ে যে দীর্ঘস্থায়ী এবং উত্তপ্ত বিতর্ক চলছে, তার প্রতিটি পক্ষই যেন একই সাথে সঠিক বলে প্রতীয়মান হয়। এই ধারণাটি বাস্তবসম্মত হোক বা না হোক, স্রেফ এই সত্যটুকুই অত্যন্ত বিস্ময়কর যে, এমন একটি দার্শনিক ব্যবস্থার কথা কল্পনা করা সম্ভব যেখানে আপাতদৃষ্টিতে পরস্পরবিরোধী এই দৃষ্টিভঙ্গিগুলো আর একে অপরের সাথে কোনো দ্বন্দ্বে জড়ায় না। ** '''''বার্নার্ডো কাস্ট্রাপ''''', পিএইচ.ডি., ''[http://www.bernardokastrup.com/2010/03/consciousness-and-pandeism.html দ্য প্যারালালস অফ প্যানডিজম]'' (২০১০)। * আর তুমি তো অনাদিকাল থেকেই ছিলে এবং অনন্তকাল ধরে থাকবে; নিরপরাধ আলমারির দরজায় তোমার পায়ের এই সমস্ত দুশ্চিন্তাগ্রস্ত আঘাত। এগুলো তো ছিল স্রেফ সেই 'শূন্যতা'-র এক মহাজাগতিক অভিনয়, যেখানে সে একজন মানুষের রূপ ধরে নিজেকেই না চেনার ভান করছিল। ** '''''[[w:জ্যাক_কেরোয়াক|জ্যাক কেরুয়াক]]''''', ''ডেসোলেশন অ্যাঞ্জেলস'', ১৯৬৫, পৃষ্ঠা ৬। * লেখক দৃশ্যত ধর্মীয়, যুক্তিনির্ভর এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তি সম্পন্ন জীবনদর্শনগুলোকে আলাদাভাবে ভাগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁর সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের ভারে এতটাই অভিভূত হয়ে পড়েছিলেন যে, শেষ পর্যন্ত তাঁর শ্রেণীকরণের মূল নীতিটি কেবল অস্পষ্টভাবেই ফুটে উঠেছে। সম্ভবত এটাই সেই কদর্য গ্রীক-ল্যাটিন মিশ্র শব্দ প্যানডিজমের উৎস। ২২৮ নম্বর পৃষ্ঠায় তিনি এটিকে আরও বেশি অধিভৌতিক প্রকৃতির সর্বেশ্বরবাদ বা প্যানথেইজম থেকে আলাদা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন, একটি উন্নত ও একীভূত 'সর্বপ্রাণবাদ' বা অ্যানিমিজম হিসেবে, যা একটি জনপ্রিয় ধর্মীয় বিশ্বদর্শন। এই ধার করা শব্দটির কথা মনে রাখলে আমরা শব্দটির ব্যবহারের বিশাল ব্যাপ্তি দেখে বিস্মিত হই। ২৮৪ নম্বর পৃষ্ঠা অনুযায়ী জন স্কটাস এরিজেনা হলেন পুরোপুরি একজন প্যানডেইস্ট, ৩০০ নম্বর পৃষ্ঠায় আনসেলম অফ ক্যান্টারবেরিকে 'অর্ধ-প্যানডেইস্ট' বলা হয়েছে। এমনকি নিকোলাস অফ কুসা এবং জর্দানো ব্রুনো, এমনকি মেন্ডেলসোহন ও লেসিং-এর মধ্যেও এক ধরণের প্যানডিজম খুঁজে পাওয়া গেছে। ** '''''অটো কার্ন''''', পর্যালোচক, [[:w:এমিল শুরার|এমিল শুরার]] ও [[:w:আডলফ ফন হারনাক|আডলফ ফন হারনাক]] সম্পাদিত, ''থিওলজিশ লিতেরাaturজাইতুং'', খণ্ড ৩৫ (১৯১০)। * জেনোফেনিস... তাঁর নিজস্ব ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে অত্যন্ত বিস্তারিতভাবে লিখেছিলেন, যা ছিল মূলত একটি প্যান্ডিস্ট চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। তাঁর এই দর্শনটি ছিল সেই সময়ে প্রচলিত ও প্রভাবশালী বহুবিধ নরত্বারোপিত দেব-দেবীর উপাসনা ও আরাধনার সম্পূর্ণ বিপরীত এক অনন্য চিন্তাধারা। ** '''''পিম দে ক্লার্ক''''', "[http://www.pimdeklerk-palynology.eu/2500_yr_palaeoecology_-_de_Klerk_2017.pdf ২৫০০ ইয়ার্স অব প্যালিয়েকোলজি: আ নোট অন দ্য ওয়ার্ক অব জেনোফেনিস অব কলোফন (আনুমানিক ৫৭০-৪৭৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)]," ''জার্নাল অব জিওগ্রাফি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স ইন্টারন্যাশনাল'' (৫ এপ্রিল ২০১৭)। * সর্বেশ্বরবাদ ও প্যানডিজম, অদ্বৈতবাদ ও দ্বৈতবাদ - এই সমস্ত কিছুই মূলত সেই 'পরম জ্যোতি' বা দিব্য-আলোর বিভিন্ন রূপান্তর মাত্র। এগুলো সেই পরম সত্তারই মৌলিক ধারণার বিচিত্র সব আলোকচ্ছটা, যা মানুষের আত্মার গভীরে প্রতিফলিত হয়ে এক প্রতিবিম্ব তৈরি করে। এই প্রতিবিম্বের উপলব্ধি প্রতিটি ব্যক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, পারিবারিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক পরিবেশের দ্বারা নির্ধারিত বোধশক্তির মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন রূপে প্রকাশিত হয়। ** '''''পল ফ্রেডরিখ কোহলার''''', ''কুলতুরওয়েগ উন্ড এরকেন্টনিস: আইনি ক্রিটিশ উমশাউ ইন ডেন প্রবলেমেন ডেস রিলিজিয়াসেন উন্ড গেইস্টিগেন লেবেনস'' (১৯১৬), পৃষ্ঠা ১৯৩। * "নিউ এজ" বা নতুন যুগের মহাজাগতিক তত্ত্বগুলো বস্তুবাদ, প্রকৃতিবাদ এবং ভৌতবাদকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে। এই তত্ত্বগুলো সাধারণত সর্বেশ্বরবাদী অথবা পান্ডিস্ট ঘরানার হয়ে থাকে। তারা প্রায়শই কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান এবং চেতনা বিষয়ক গবেষণাগুলোকে নিজেদের আয়ত্তে আনার চেষ্টা করে, যাতে মহাবিশ্ব সম্পর্কে তাদের নিজস্ব দার্শনিক ধারণাগুলোকে আরও জোরালোভাবে চিত্রিত করা যায়। ** '''''আল ক্রেস্তা''''', ''ডেঞ্জারস টু দ্য ফেইথ: রিকগনাইজিং ক্যাথলিকিজম'স টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি অপোনেন্টস'', "সায়েন্স অ্যান্ড ওয়ারফেয়ার উইথ রিলিজিয়ন" (২০১৩), পৃষ্ঠা ২৫৫-২৫৬, টীকা ৩০, {{ISBN|1592767257}}। * [[w:বিশ্ব_স্বাস্থ্য_সংস্থা|WHO বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা]] এবং এমএসএফের মতো সংস্থাগুলো দারুণ কাজ করে, কিন্তু একটি টেকসই কর্মসূচি গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি এবং তৃণমূল পর্যায়ের সংগঠনের প্রায়ই তাদের অভাব থাকে। হলি ফ্যামিলির মতো [[:w:খ্রিস্টীয় ধর্মপ্রচারক|মিশনারি]] এবং হাসপাতালগুলোও অবদান রেখেছে এবং তারা অর্থনীতি-ভিত্তিক সহায়তা (যেমন কর্মসংস্থান খুঁজে দেওয়া) প্রদানের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে; কিন্তু সেন্ট স্টিফেনস সম্প্রদায়ের মতো তেজ ও উদ্দীপনার অভাব তাদের মধ্যে স্পষ্ট। সরকারও খুব সামান্যই কাজ করে, তবে অনুমোদন বা সম্মতির ক্ষেত্রে তারা সাধারণত সেন্ট স্টিফেনসকে সহযোগিতা করে, এর আংশিক কারণ হলো এই প্রতিষ্ঠানটি স্বয়ং [[:w:ভারত সরকার|ভারত সরকারের]] চেয়েও প্রাচীন, আর আংশিক কারণ হলো এর ধর্মনিরপেক্ষতার চমৎকার সুনাম। প্রকৃতপক্ষে, এখানকার অধিকাংশ কর্মীই হয় [[:w:হিন্দুধর্ম|হিন্দু]] নয়তো [[:w:ইসলাম|মুসলমান]], কিন্তু তাঁরা প্যান-ডেইস্ট ধারণায় পরিপূর্ণ। এমনকি জহির আমার সাথে কথা বলার সময় "আল্লাহ" শব্দের পরিবর্তে ইচ্ছাকৃতভাবে খ্রিস্টীয় শব্দ "গড" (ঈশ্বর) ব্যবহার করেছিলেন। ** '''''পল লা পোর্টে''''', ''সোশ্যাল ওয়ার্ক অ্যান্ড আদার এক্সপেরিয়েন্স ইন ইন্ডিয়া'' (২০০৩)। * যদি ঐশ্বরিক বিবর্তন বা 'হয়ে ওঠা' সম্পূর্ণ হতো, তবে ঈশ্বরের ''কেনোসিস,''অর্থাৎ ভালোবাসার খাতিরে ঈশ্বরের নিজেকে শূন্য করে দেওয়া; তা হতো চূড়ান্ত। এই প্যানডিস্টিক দৃষ্টিভঙ্গিতে, ঈশ্বর যা হয়ে উঠবেন তার বাইরে তাঁর আর কিছুই আলাদা বা বিচ্ছিন্ন হিসেবে অবশিষ্ট থাকবে না। ঈশ্বরের যেকোনো পৃথক অস্তিত্ব মূলত বাস্তবায়িত প্রপঞ্চগুলোর (অ্যাকচুয়ালাইজড ফেনোমেনা) জীবন ও ভাগ্যে তাঁর নিঃশর্ত অংশগ্রহণের সাথে অসংগতিপূর্ণ হবে। ** '''''উইলিয়াম সি. লেন''''', "লাইবনিৎস'স বেস্ট ওয়ার্ল্ড ক্লেইম রিস্ট্রাকচারড", ''আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল জার্নাল'' (জানুয়ারি ২০১০), খণ্ড ৪৭, পৃষ্ঠা ৬৭। * প্যানডিজম দর্শনে ঈশ্বর কোনো তদারকি বা রক্ষণাবেক্ষণকারী স্বর্গীয় শক্তি নন, যিনি পার্থিব জগতের দৈনন্দিন ও মুহূর্তের ঘটনাপ্রবাহে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা রাখেন। ঈশ্বর যেহেতু আর এই জগতের 'ঊর্ধ্বে' কোনো পৃথক সত্তা হিসেবে বিদ্যমান নেই, তাই তিনি উপর থেকে কোনো হস্তক্ষেপ করতে 'পারেন না' এবং তেমনটি করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য তাঁকে কোনোভাবেই দায়ী করা যায় না। বরং, সেই হরিণশাবক থেকে শুরু করে জগতের প্রতিটি প্রাণীর প্রতিটি দুঃখ ও যাতনা ঈশ্বর নিজেই নিজের সত্তার অভ্যন্তরে 'ধারণ' করেন।<br><br>তবুও, একজন সংশয়বাদী প্রশ্ন করতে পারেন, "কেন জগতে 'এত বেশি' দুঃখ-কষ্টের উপস্থিতি থাকতে হবে? কেন জগতের নকশাটি এমন হলো না যেখানে দুঃখের কারণ হওয়া ঘটনাগুলোকে বাদ দেওয়া যেত বা সংশোধন করা যেত?" প্যানডিজমে এর উত্তরটি অত্যন্ত স্বচ্ছঃ "একটি জগতকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হলে তথ্যের আদান-প্রদান বা লেনদেনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আর তথ্যের এই নির্ভরযোগ্য প্রবাহ বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন অপেক্ষাকৃত সরল এবং সুষম নিয়মাবলি। দুঃখদায়ক ঘটনাগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য অথবা তাদের প্রাকৃতিক ফলাফলগুলোকে (অর্থাৎ সরল নিয়মের অধীনে যে ফলাফল হওয়ার কথা ছিল) পরিবর্তন করার জন্য যদি কোনো বিশেষ নিয়ম তৈরি করা হতো, তবে সেই নিয়মাবলি হয়ে উঠত অত্যন্ত জটিল এবং সেখানে অগণিত ব্যতিক্রমের সৃষ্টি হতো যা মহাবিশ্বের স্বাভাবিক ছন্দকে ব্যাহত করত।" ** '''''উইলিয়াম সি. লেন''''', "[http://apq.press.illinois.edu/47/1/lane.html লাইবনিজ'স বেস্ট ওয়ার্ল্ড ক্লেইম রিস্ট্রাকচারড]," ''আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল জার্নাল'', জানুয়ারি ২০১০, খণ্ড ৪৭, সংখ্যা ১, পৃষ্ঠা ৭৬–৭৭। * এই এক ঈশ্বর হতে পারেন প্রকৃতিবাদী কিংবা সর্বেশ্বরবাদী বা প্যানথেইস্ট ঘরানার। ঈশ্বর কেন আপাতদৃষ্টিতে আমাদের আমাদের ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন, তা ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে প্রকৃতিবাদ হয়তো শ্রেষ্ঠ হতে পারে। আবার অন্যদিকে সর্বেশ্বরবাদ হতে পারে অধিকতর যৌক্তিক বিকল্প, কারণ এটি সত্তাতাত্ত্বিক যুক্তির সেই 'সর্বোত্তম মহান সত্তা'র ধারণার সাথে চমৎকারভাবে মিলে যায় এবং 'শূন্য থেকে সৃষ্টি'র মতো অপ্রমাণিত কোনো ধারণার ওপর নির্ভর করে না। এই দুইয়ের সংমিশ্রণে গড়ে ওঠা "[[প্যানডিজম]]" হতে পারে সম্ভাব্য সকল ঈশ্বর-তত্ত্বের মধ্যে সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত ও শক্তিশালী ধারণা। ** '''''রাফায়েল লাটাস্টার''''', ''দেয়ার ওয়াজ নো জেসাস, দেয়ার ইজ নো গড: আ স্কলারলি এক্সামিনেশন অব দ্য সায়েন্টিফিক, হিস্টোরিক্যাল, অ্যান্ড ফিলোসফিক্যাল এভিডেন্স অ্যান্ড আর্গুমেন্টস ফর মনোহেইজম'', পৃষ্ঠা ১৬৫, ২০১৩। * চিন্তাবিদদের ওপরই ছেড়ে দেওয়া হোক—তাঁরা [[w:আস্তিক্যবাদ|আস্তিক]], [[w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদী]], [[w:নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক]], [[w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদী]] (এবং কেন প্যানডেইস্ট নয়?) যা-ই হতে চান না কেন। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে ঈশ্বর কিংবা অমরত্ব নিয়ে কোনো প্রচারণা চালানো উচিত নয়। ** '''''মোরিৎজ লাজারাস''''' এবং '''''হেম্যান স্টাইনথাল''''', ''সাইটশ্রিফট ফুর ফোলকারপসাইকোলজি উন্ড স্প্রাখউইসেনশাফট'' (১৮৫৯), পৃ. ২৬২-৬৩। * কায়রো প্রতীয়মান রূপ এবং তথাকথিত "দার্শনিক চিন্তাভাবনা" যা তার আড়ালে খুঁজতে চায়, এই দুইয়ের মধ্যকার পার্থক্যটি এড়িয়ে চলেন। জিনিসগুলো যেমন দেখায়, তাঁর কাছে সেগুলো ঠিক তেমনই। তাঁর প্যান-ডিইজম মূলত [[w:অধিবিদ্যা|বস্তু-অধিবিদ্যার বা থিং-মেটাফিজিক্সের]] ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত, যা বিংশ শতাব্দীর আধুনিক কাব্যের ধারায় একটি নতুন ঘরানা তৈরি করেছিল। ** '''''ফন মার্টিন লুডকে''''', "আইন মডার্নার হুটার ডার ডিঙ্গে; ডি এন্টডেকুং ডার গ্রোসেন পর্তুগিজেন গেট ওয়েইটার: ফার্নান্দো পেসোয়া হাট ইন ডার পোয়েজি আলবার্তো কায়রোস সাইনেন মিস্টার গেসেহেন", ''ফ্রাঙ্কফুর্টার রুন্ডশাউ'' (১৮ আগস্ট ২০০৪)। * একবার কল্পনা করুন যে, আমরা প্রকৃতির সেই পরম ও সর্বজনীন নিয়মটির সন্ধান পেয়ে গিয়েছি যার অন্বেষণে আমরা নিরন্তর ছুটে চলেছি এবং শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত গর্বের সাথে আমরা এটি নিশ্চিত করতে পারলাম যে এই মহাবিশ্ব ঠিক এভাবেই গঠিত এবং অন্য কোনোভাবে নয়। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই একটি নতুন ও গভীরতর প্রশ্নের উদয় হবে। এই সুনির্দিষ্ট নিয়মের অন্তরালে আসলে কী লুকিয়ে আছে? কেন এই মহাবিশ্ব ঠিক এভাবেই সুসংগঠিত হলো, অন্য কোনো উপায়ে নয় কেন? এই 'কেন'-র উত্তর খুঁজতে গেলেই আমরা প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের সুনির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করে ধর্মের রহস্যময় জগতে প্রবেশ করি! একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে একজন [[w:পদার্থবিজ্ঞানী|পদার্থবিদের]] উত্তর দেওয়া উচিত, "আমরা জানি না, এবং হয়তো আমরা কোনোদিনই তা জানতে পারব না।" অনেকে হয়তো বলবেন যে, ঈশ্বরই এই অমোঘ নিয়মটি নির্ধারণ করেছেন এবং এভাবেই তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। তবে একজন প্যান্ডিস্ট হয়তো ভিন্নভাবে বলবেন যে, "প্রকৃতির এই সর্বজনীন ও সর্বব্যাপী নিয়মটিই হলো স্বয়ং ঈশ্বর!" ** সাওদ-অয়েস্ট ব্রডকাস্ট | SWR2 Aula - পাণ্ডুলিপি সেবা (একটি কথোপকথনের অনুলিপি) "গড প্লাস বিগ ব্যাং = এক্স: অ্যাস্ট্রোফিজিক্স অ্যান্ড ফেইথ (২)" আলোচক: প্রফেসর '''''হান্স কুং''''' এবং প্রফেসর '''''হারাল্ড লেশ''''', সম্পাদক: রালফ ক্যাসপারি, সম্প্রচারিত: ১৬ মে ২০১০, রবিবার। [http://swrmediathek.de/player.htm?show=73ab41a0-dac5-11df-950c-0026b975f2e6 ১৯৭০ সালের নোবেল বিজয়ী হানেস আলফভেনের উক্তিটি জ্যোতির্পদার্থবিদ হারাল্ড লেশ কর্তৃক উদ্ধৃত, ১:৩২ সেকেন্ডে]। * সময়ের সাথে সাথে ঈশ্বরবাদের বা ডিইজমের ছত্রছায়ায় আরও কিছু মতবাদ গড়ে উঠেছে। যার মধ্যে রয়েছে [[w:খ্রিস্টধর্মে_ঈশ্বর|খ্রিস্টীয় ঈশ্বরবাদ]], যা ডিইজমের মূলনীতির সাথে [[:w:যিশু|নাজারেথের যিশুর]] নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় ঘটায়। এবং প্যানডিজম এমন একটি বিশ্বাস যা মনে করে ঈশ্বর স্বয়ং এই সমগ্র মহাবিশ্বে পরিণত হয়েছেন এবং পৃথক কোনো সত্তা হিসেবে তাঁর আর কোনো অস্তিত্ব নেই। ** ডগলাস ম্যাকগোয়ান, "[[:w:মাদার নেচার নেটওয়ার্ক|মাদার নেচার নেটওয়ার্ক]]", ২১ মে ২০১৫। * এখানে যাকে "ঐশ্বরিক আধ্যাত্মিকতা" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তা আসলে পদার্থের নিজস্ব স্ব-সংগঠিত হওয়ার সহজাত প্রবণতা ও ঝোঁক ছাড়া আর কিছুই নয়। মহাবিশ্বের প্রসারণ যখন তার সীমায় পৌঁছাবে এবং 'বিগ ক্রাঞ্চ' বা চূড়ান্ত সংকোচনের দশা শুরু হবে, তখন অবশ্যই এর "মৃত্যু" ঘটা সম্ভব। এভাবেই গাইয়া মহাবিশ্বের সমাপ্তি ঘটে। এখানে আমি অবশ্যই [[:w:হেরাক্লিটাস|হেরাক্লিটাস]], [[w:বৈরাগ্যদর্শন|স্টোইকবাদী বা '''বৈরাগ্যদর্শন''']], [[w:জর্দানো_ব্রুনো|ব্রুনো]], [[:w:ইয়োহান গটলিব ফিকটে|ফিকটে]], শেলিং, [[:w:ইয়োহান ভল্ফগাং ফন গ্যোটে|গ্যোটে]] এবং হেগেলের পক্ষ নেব। মন শাশ্বত, মনের মৃত্যু নেই, মনই হলো মহাবিশ্ব। প্যানডিস্টিক ঈশ্বর অনেকটা স্যামন মাছের মতো, যিনি বংশবিস্তার (বা সৃষ্টির) পর মৃত্যুবরণ করেন। তাঁরা [[w:ফ্রিডরিখ_নিচে|ফ্রিডরিখ নিচের]] পক্ষ নেন—ঈশ্বর মৃত, পার্থক্য শুধু এটুকুই যে, ফ্রিডরিখ নিচের কাছে কোনো 'ঈশ্বর' কখনোই ছিল না! ** '''''প্রফেসর র‍্যামন জি. মেন্ডোজা''''', ''হিস্ট্রি অফ আইডিয়াস: প্যানথেইজম'' (১৯৯৬)। * অলসনের মতে, কার্ল জ্যাসপার্সের 'সাইফার' বা সংকেত বিষয়ক ধারণাটি প্রতীক গঠনের ক্ষেত্রে ব্যক্তির অভিজ্ঞতা এবং সেই প্রতীক ব্যাখ্যার সাথে জড়িত সক্রিয়তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে। এটি খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের চেয়ে ভিন্ন, যেখানে ধর্মীয় প্রতীকী দিক এবং ব্যক্তির ভূমিকার ওপর গুরুত্বের ভারসাম্যটি অন্যভাবে নির্ধারিত হয়। অলসনের অভিমত হলো প্যানডিজমের ভীতি অথবা বিশ্বাসকে স্রেফ বাহ্যিক উপায়ের স্তরে নামিয়ে আনার প্রবণতা শেষ পর্যন্ত এই উপায়গুলোকে নিছক ব্যক্তিনিষ্ঠ এবং পরিবর্তনশীল বৈধতা হিসেবে দেখার দিকে ঠেলে দিতে পারে। মূলত এই আশঙ্কার কারণেই ক্যাথলিক চার্চ ব্যক্তির ধর্মীয় অভিজ্ঞতার তুলনায় প্রতীকের নিজস্ব বস্তুনিষ্ঠ সত্যতার ওপর অধিকতর জোর প্রদান করেছিল। ** '''''রনি মিরন''''', ''কার্ল জ্যাসপার্স: ফ্রম সেলফহুড টু বিয়িং'' (রডোপি ২০১২), পৃষ্ঠা ২৪৯, ISBN 9042035315। * এই স্থানটি যেন এক অলৌকিক শক্তি নিংড়ে বের করে দিচ্ছে, মনে হচ্ছে আপনার চারপাশের প্রতিটি বস্তুর ভেতরে অগণিত আত্মার স্পন্দন বয়ে চলেছে। আমি জানি না এটি প্যানডিজম নাকি সর্বেশ্বরবাদের দর্শন, কিন্তু এই মুহূর্তের গভীর প্রশান্তিতে আমার তাতে খুব একটা কিছু আসে-যায় না। ** '''''পিটার মুর''''', ''ভালহাল্লা অ্যান্ড দ্য ফজর্ড: আ স্পিরিচুয়াল মোটরসাইকেল জার্নি'' (২০১৪), পৃষ্ঠা ১৯। * একটি ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি আমি বেশ আকর্ষণীয় বলে মনে করি, আর তা হলো প্যানডিজম। এই মতবাদ অনুযায়ী ঈশ্বর এককালে অস্তিত্বমান ছিলেন এবং তিনিই ছিলেন একমাত্র সত্তা, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি নিজেকে এই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত করেছেন এবং ফলে এখন আর তাঁর পৃথক কোনো অস্তিত্ব নেই। ঈশ্বরের এমনটি করার মূল কারণ ছিল মূলত আনন্দ লাভ করা অথবা কী ঘটে তা প্রত্যক্ষ করা। আর সম্ভবত কোনো এক সময়ে এই মহাবিশ্ব পুনরায় নিজেকে ঈশ্বরে রূপান্তরিত করবে, যা অনেকটা নির্বাণ বা স্বর্গের মতো হবে। কিন্তু পরিশেষে ঈশ্বর আবারও একঘেয়েমিতে আক্রান্ত হবেন এবং পুনরায় এই চক্রের সূচনা করবেন। আমার বোধগম্যতায়, এটি হিন্দু মহাজাগতিক দর্শনের কিছু অংশের সাথে বেশ সাদৃশ্যপূর্ণ। ** '''''হেড্ডা হ্যাসেল মর্চ''''', "[https://blogs.scientificamerican.com/cross-check/beyond-physicalism/ বিয়ন্ড ফিজিকালিজম: ফিলোসফার হেড্ডা হ্যাসেল মর্চ ডিফেন্ডস দ্য আইডিয়া দ্যাট কনশাসনেস পারভেডস দ্য কসমস]", [[:w:জন হোরগান|জন হোরগান]], ''সায়েন্টিফিক আমেরিকান'', ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯। * সকল [[w:অদ্বৈতবাদ_(অদ্বৈত_চেতনা)|অদ্বৈতবাদীই]] যে সর্বেশ্বরবাদী হবেন, এমন কোনো কথা নেই। একান্ত অদ্বৈতবাদীরা বিশ্বাস করেন যে, মহাবিশ্ব বা সর্বেশ্বরবাদীদের সেই ঈশ্বরের আদতে কোনো অস্তিত্বই নেই। এর বাইরেও, অদ্বৈতবাদীরা [[w:প্রকৃতিবাদ_(দর্শন)|প্রকৃতিবাদী]], প্যান্ডিস্ট, ঈশ্বরবাদী অথবা পরমসর্বেশ্বরবাদী বা প্যানেনথেইস্ট হতে পারেন। যারা এমন কোনো এক একক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন যিনি সর্বশক্তিমান ও সর্বব্যাপী এই দুনিয়াতে এবং যিনি একই সাথে সৃষ্টির ঊর্ধ্বে তথা ট্রান্সেন্ডেন্ট এবং সৃষ্টির ভেতরে বা ইম্যানেন্ট হিসেবে বিরাজমান! ** '''''থেরেসা জে. মরিস''''', ''নোয়িং কসমোলজি: অ্যাসেনশন এজ'' (২০১৪), পৃষ্ঠা ৮৫। * '''Anacalypsis (অ্যানাক্যালিপসিস)''' গ্রন্থে উপস্থাপিত তত্ত্বটি হলো— একটি গোপন ধর্মীয় গোষ্ঠী, যাকে হিগিন্স 'প্যানডিজম' নামে অভিহিত করেছেন, তা প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত টিকে আছে; যা অন্তত [[:w:গ্রিস|গ্রিস]] থেকে [[:w:ভারত|ভারত]] পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এবং সম্ভবত সমগ্র বিশ্বকেই একসময় আবৃত করেছিল। ** '''''সুজান ওলসন''''', ''জিসাস ইন কাশ্মীর: দ্য লস্ট টম্ব'' (২০১৯), পৃ. ৩৯২। * [[:w:দর্শনের ইতিহাস|দর্শনের]] পাইথাগোরীয় ঐতিহ্যের কেন্দ্রে এখানে 'Psyche' / সাইকি বা আত্মার অন্য একটি রূপ দেখা যায়। যা মাইলেসিয়ানদের উত্তরাধিকার হিসেবে প্রাপ্ত সর্বপ্রাণবাদ বা প্যান-ডিইজমের কাছে খুব সামান্যই ঋণী বলে মনে হয়। ** '''''প্রফেসর ফ্রান্সিস ই. পিটার্স''''', ''গ্রিক ফিলোসফিক্যাল টার্মস: এ হিস্টোরিক্যাল লেক্সিকন'' (১৯৬৭), পৃ. ১৬৯। * ওল্ড টেস্টামেন্টের কিছু নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদে ব্যবিলনের ধারণাটি এই জগতের অহংকারী এবং ঈশ্বর-বিরোধী শক্তির একটি আদিপ্রতীক (আর্কিটাইপ) হিসেবে আবির্ভূত হয়। নিউ টেস্টামেন্টে এটি আরও স্পষ্টভাবে খ্রিস্টধর্ম এবং পৌত্তলিকতার (প্যাগানিজম) সমন্বয়ে গঠিত এক ধরণের প্যান-ডিইজম হিসেবে ফুটে ওঠে; যা পশুর পিঠে চড়ে থাকা মহিলার বর্ণনার মাধ্যমে প্রতীকিভাবে নির্দেশ করা হয়েছে। ** '''''চার্লস এফ. ফাইফার''''', '''''হাওয়ার্ড ফ্রেডেরিক ভস''''' এবং '''''জন রিম''''', ''দ্য ওয়াইক্লিফ বাইবেল এনসাইক্লোপিডিয়া'' (১৯৭৫), পৃষ্ঠা ১৯০। * ওটাভিও দে ফারিয়া অত্যন্ত সঙ্গত কারণেই কার্লোস নেজারের রচনার মাঝে এক ধরনের প্যানডিজমের উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে পারতেন। এটি কোনো সাধারণ সর্বেশ্বরবাদী কবিতা নয়, বরং প্রকৃত অর্থেই একটি পান্ডিস্ট কাব্য। আমি বলতে চাইছি, এটি এমন এক মহাজাগতিক সৃষ্টিতত্ত্ব এবং এক সর্বজনীন গীতিমালা, যা একই সাথে মানবসত্তা এবং পবিত্র আত্মার জয়গান গায়। তবে এখানে সেই পবিত্র স্বর্গীয় সত্তার উপস্থিতি মূলত মানুষেরই অস্তিত্বের অভ্যন্তরে নিহিত। ** '''''জিওভানি পন্টিয়েরো''''', ''কার্লোস নেজার, পোয়েটা ই পেনসাডোর'', ১৯৮৩, পৃষ্ঠা ৩৪৯। * অধিবিদ্যা বা মেটাফিজিক্স হলো প্রকৃতিবাদী (পান্ডিস্ট) ঘরানার একটি দর্শন, যা শেষ পর্যন্ত ভাববাদের (আইডিয়ালিজম) দিকে ধাবিত হয়ে নিজের মৌলিকত্ব হারায়। ** '''''কার্লোস উইসে পোর্টোকারেরো''''', ''সিস্টেমাস ফিলোসোফিকোস দে লা ইন্ডিয়া'' (ভারতের দার্শনিক পদ্ধতি), নভেম্বর ১৮৭৭, পঞ্চম খণ্ড। * ব্রুনো কল্পনা করতেন যে প্রতিটি গ্রহ এবং নক্ষত্রের নিজস্ব আত্মা রয়েছে (যা মূলত তাদের সবার একই 'গাঠনিক উপাদানের' অন্তর্গত হওয়ার ধারণার একটি অংশ) এবং তিনি তাঁর এই মহাজাগতিক তত্ত্বকে একটি প্রাণবাদী (অ্যানিমিস্ট) অথবা পান্ডিস্ট ধর্মতত্ত্বকে এগিয়ে নেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। ** '''''কোরি এস. পাওয়েল''''', "ডিফেন্ডিং জর্দানো ব্রুনো: আ রেসপন্স ফ্রম দ্য কো-রাইটার অব 'কসমস'", ডিসকভার, ১৩ মার্চ, ২০১৪। * বর্তমান সময়ের একটি অত্যন্ত বিভ্রান্তিকর ধর্মীয় ধারণা, যা মূলত অসচেতন এবং মুক্তি না পাওয়া মানুষদের লক্ষ্য করে প্রচারিত হচ্ছে, তা হলো— 'প্যানডিজম'। এই শব্দটি মূলত প্যানথেইজম (সর্বেশ্বরবাদ) এবং ঈশ্বরবাদের সমন্বয়ে গঠিত। প্যানথেইজম প্রচার করে যে ঈশ্বর সবকিছুর মধ্যেই বিরাজমান। আর ডিইজম বা ঈশ্বরবাদ বলতে বোঝায় যে, ঈশ্বর কোনোভাবে তাঁর সৃষ্টির সাথে আর জড়িত নন। এই ভ্রান্ত ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই অনেকে বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন যে— মহাবিশ্বের স্রষ্টা ঈশ্বরের আর কোনো পৃথক অস্তিত্ব নেই, কারণ তিনি নিজেই মহাবিশ্বে পরিণত হয়েছেন এবং এখন তিনি নিজেই এই মহাবিশ্ব। অনেক মুক্তিহীন মানুষই এখন মনে করেন যে, এই মহাবিশ্বই মানুষের ব্যাপারে সমস্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ** '''''ব্রেন্ট প্রাইস, ডি.মিন.''''', ''বি প্রিপেয়ার্ড ইভানজেলিজম: দ্য পার্সোনাল ইভানজেলিজম গেম চেঞ্জার'' (২০২২), পৃষ্ঠা ১৩৭। * রাজনৈতিক ধর্মতত্ত্বের মৌলিক প্রশ্নগুলো হলোঃ হেগেলীয় ধারার যেকোনো ধর্মতাত্ত্বিক ইমানেন্টিজম (অন্তর্নিহিত সত্তাবাদ) এবং প্যানডিজমের বিরুদ্ধে বিতর্ক। রাজনৈতিক বহুত্ববাদের সমার্থক হিসেবে পলিডিজম বা বহু-ঈশ্বরবাদের বিরুদ্ধে বিতর্ক এবং প্রতিটি নিরীশ্বরবাদসহ এর আধুনিক রূপ বস্তুবাদ ও সায়েন্টিজম বা বিজ্ঞানবাদের বিরুদ্ধে বিতর্ক। ** '''''ইউজেন পুসিচ''''', ''ফ্রানকুস্কা রেভোলুসিজা - লজুডস্কা প্রাভা ই পলিটিকা ডেমোক্রাসিজা'', পৃষ্ঠা ২৭০ (১৯৯১)। * কিন্তু সেই দুঃস্বপ্নটি যদি সত্যের কোনো অলীক দর্শনও হয়ে থাকে, তবুও মিস্টার মন্ড ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখতে পারেন। কারণ তিনি দাবি করেন যে ঈশ্বরই একসময় এই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন। অতএব, এই মহাবিশ্বই হলো ঈশ্বর।<br>না। মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হওয়ার মাধ্যমে ঈশ্বর প্রকৃতপক্ষে তাঁর রাজকীয় ক্ষমতা বিসর্জন দিয়েছেন। ঈশ্বর হিসেবে তিনি নিজেকেই নিজে বিনাশ করেছেন। তিনি পূর্বে যা ছিলেন অর্থাৎ তাঁর সেই প্রকৃত সত্তা, তাকে তিনি শূন্যতায় পর্যবসিত করেছেন এবং এর ফলে তাঁর নিজের সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্ত ঈশ্বরীয় গুণাবলি চিরতরে হারিয়েছেন। যে মহাবিশ্বে তিনি আজ পরিণত হয়েছেন, তা একই সাথে তাঁর সমাধি হিসেবেও গণ্য। এই মহাবিশ্বের অভ্যন্তরে বা এর ওপর তাঁর এখন আর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ঈশ্বর হিসেবে সেই 'ঈশ্বর' আজ মৃত। ** '''''সাইমন রেভেন''''', ''দ্য সারভাইভারস (রেভেনের উপন্যাস)'', ১৯৭৬, পৃষ্ঠা ৯০। * এই সহাবস্থানের প্রকৃত তাৎপর্য তখনই স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়, যখন কেউ সেই আমূল 'প্যান-সাইক' বা সর্ব-মনস্তাত্ত্বিক অবস্থানটি বিবেচনা করেন। যেখানে মনে করা হয় যে জড় পদার্থের প্রতিটি কণার একটি 'মনস্তাত্ত্বিক' গুণ রয়েছে। অথবা সেই পান্ডিস্ট অবস্থানটি গুরুত্ব পায় যেখানে কোনো এক 'পরম চেতনা' জগতের সমস্ত জড় পদার্থের সাথে নিরন্তর মিথস্ক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। ** '''''মাইকেল পি. রেমলার''''', ''দ্য মেকানিজম, মেটাফিজিক্স, অ্যান্ড হিস্ট্রি অব কনশাসনেস ইন দ্য ওয়ার্ল্ড'', ২০২০, পৃষ্ঠা ৫০। * প্যানডিজমের যুক্তিকাঠামো অনুযায়ী, এক সর্বশক্তিমান এবং পরম দয়ালু ঈশ্বর এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেন এবং সেই সৃষ্টিপ্রক্রিয়ার মাঝেই তিনি নিজেই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হন। আর এর ফলে মানুষের জাগতিক বিষয়াবলীতে হস্তক্ষেপ করার যাবতীয় ক্ষমতা তিনি চিরতরে হারিয়ে ফেলেন। ** '''''সাল রেস্টিভো''''', ''সোসাইটি অ্যান্ড দ্য ডেথ অব গড'', ২০২১, পৃষ্ঠা ১২৩। * "পোপ পলের অবস্থান প্রায় একটি প্যান-ডিইজমের কাছাকাছি চলে এসেছিল। আর এই প্যান-ডিইজম হলো গ্রিক চিন্তাধারার ভাইরাসের এক যৌক্তিক পরিণতি।" ** '''''রৌসাস জন রাশদুনি''''', ''দ্য ওয়ান অ্যান্ড দ্য মেনি: স্টাডিজ ইন দ্য ফিলোসফি অফ অর্ডার অ্যান্ড আলটিমেসি'' (১৯৭১), অধ্যায় ৮-৭, পৃ. ১৪২। * "কিন্তু একজন একনিষ্ঠ আদর্শবাদী, যিনি বিশ্বাসে অন্তর্নিহিতভাবে একজন প্যান-ডেইস্ট এবং পৃথিবী ও সময়ের সমস্যাগুলো নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি একজন গিবেলাইন পোপ হতে পারেন। আর শেষ পর্যন্ত দান্তের সেই গিবেলাইনরাই জয়ী হয়েছে!" ** '''''রৌসাস জন রাশদুনি''''', ''দ্য ওয়ান অ্যান্ড দ্য মেনি: স্টাডিজ ইন দ্য ফিলোসফি অফ অর্ডার অ্যান্ড আলটিমেসি'' (১৯৭১), অধ্যায় ৮-৭, পৃ. ১৪৩। * মহাবিশ্ব কেবল ঈশ্বরই নয়, বরং একজন ব্যক্তিও এমন মতবাদকে বলা হয় "প্যানডিজম"। আপনি কি [[:w:উইলিয়াম জেমস|উইলিয়াম জেমসের]] সাথে একমত যে, মহাবিশ্বকে একজন ব্যক্তি হিসেবে দেখা আপনার জীবনকে অর্থবহ করে তুলতে সাহায্য করবে? ** '''''থিওডোর শিক''''' এবং '''''লুইস ভন''''', ''ডুইং ফিলোসফি: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন থ্রু থট এক্সপেরিমেন্টস'', ৫ম সংস্করণ (২০১৩), পৃ. ৫০৬। * জুবাল—এই উপাসক গোষ্ঠী এবং আমলাতন্ত্রে ঠাসা পৃথিবীতে একজন একনিষ্ঠ ও প্রচণ্ড ব্যক্তিবাদী চরিত্র। উপন্যাসের সমাপ্তিলগ্নে দেখা যায় যে, জিল কিংবা মাইক নয়, বরং তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি আজও এক 'অচেনা আগন্তুক' হয়ে অবাস্তব সব লক্ষ্য বা ছায়ার সাথে লড়াই করে চলেছেন। তিনি তাঁর নিজস্ব স্বাধীন ইচ্ছাশক্তিতে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন, যা মাইক, জিল এবং ফস্টারপন্থীরা একটি পান্ডিস্ট আকাঙ্ক্ষা বা 'তুমিই ঈশ্বর!' এই বাণীর দ্বারা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন। অন্যদিকে মাইক, মানবীয় বিশ্বাসের সাথে তাঁর মার্সিয়ান বা মঙ্গলগ্রহীয় বিশ্বাসের এক সমন্বয় খুঁজে পাওয়ার দাবি করলেও, শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত সহজেই নিজের পুরনো বিশ্বাসগুলো ত্যাগ করে মানুষের বিশ্বাসকেই আপন করে নেন। ** '''''ড্যান স্নাইডার''''', ''[[:w:রবার্ট এ. হাইনলেইন|রবার্ট এ. হাইনলেইনের]] [[:w:স্ট্রেঞ্জার ইন আ স্ট্রেঞ্জ ল্যান্ড|স্ট্রেঞ্জার ইন আ স্ট্রেঞ্জ ল্যান্ড]] (দ্য আনকাট ভার্সন) এর পর্যালোচনা'' (২৯ জুলাই ২০০৫) [http://www.hackwriters.com/strangerH.htm]। * নৈতিকতা সম্পর্কে প্রাচ্যের দৃষ্টিভঙ্গি মূলত বাস্তবতার এক মৌলিক ও সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা থেকে উৎসারিত হয়েছে। আমরা যারা পাশ্চাত্যবাসী, তারা মহাবিশ্বকে ঈশ্বরের একটি 'সৃষ্টি' হিসেবে গণ্য করি। যা অনেকটা কোনো আবিষ্কার বা পণ্যের মতো। মহাবিশ্ব সৃষ্টি করার পর, ঈশ্বর নিজেকে এর তদারকি ও ব্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত করেছেন। আমরা ঈশ্বরকে আমাদের 'অভিভাবক' বা 'মনিব' হিসেবে দেখি। তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন, তিনি এখানে উপস্থিত আছেন, তিনি এর প্রতিটি অংশ পরিচালনা করেন, কিন্তু তাসত্ত্বেও তিনি এর থেকে সম্পূর্ণ পৃথক। এটি অনেকটা এমন যে, তিনি পুরো মহাবিশ্বে ভিডিও ক্যামেরা স্থাপন করেছেন, যাতে তিনি যা কিছু ঘটছে সব দেখতে পান এবং নিজের ইচ্ছামতো যেকোনো ঘটনা ঘটাতে পারেন। কিন্তু নিজে সেই ঘটনার অংশ নন। তবে প্রাচ্যের দৃষ্টিভঙ্গি একেবারেই আলাদা। উদাহরণস্বরূপঃ একজন হিন্দুর কাছে ঈশ্বর মহাবিশ্ব 'সৃষ্টি' করেননি, বরং ঈশ্বর নিজেই মহাবিশ্বে 'রূপান্তরিত' হয়েছেন। এরপর তিনি ভুলে গিয়েছেন যে তিনি নিজেই এই মহাবিশ্ব হয়ে উঠেছেন। ঈশ্বর কেন এমনটি করবেন? মূলত আনন্দ এবং বিনোদনের জন্য! আপনি একটি মহাবিশ্ব তৈরি করলেন, যা নিজেই অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এক ব্যাপার। কিন্তু তারপর কী? আপনি কি স্রেফ হাত গুটিয়ে বসে থেকে আপনার সৃষ্টি করা মহাবিশ্বকে মজা করতে দেখবেন? নাকি আপনি নিজেই সেই সমস্ত আনন্দ উপভোগ করতে চাইবেন। আর এটি অর্জনের জন্যই ঈশ্বর স্বয়ং সমগ্র মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন। ঈশ্বরই হলেন এই মহাবিশ্ব এবং এর অন্তর্গত প্রতিটি অণু-পরমাণু। কিন্তু মহাবিশ্ব এই সত্যটি জানে না, কারণ তা জানলে এই নাটকের রহস্য ও উত্তেজনা নষ্ট হয়ে যাবে। এই মহাবিশ্ব হলো ঈশ্বরের এক মহাকাব্যিক নাটক, যেখানে ঈশ্বর নিজেই একাধারে মঞ্চ, অভিনেতা এবং দর্শক! এই মহাকাব্যিক নাটকের শিরোনাম হলো—"'''পরম অজানা পরিণতি"'''। এখানে আবেগ, প্রেম, ঘৃণা, ভালো-মন্দ এবং স্বাধীন ইচ্ছার মতো শক্তিশালী উপাদানগুলো যোগ করে দিন। তারপর দেখুন কী ঘটে! কেউই জানে না কী হবে, আর এই অনিশ্চয়তাই মহাবিশ্বকে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় করে রাখে। তবে পরিশেষে প্রত্যেকেই এক চমৎকার সময় অতিবাহিত করবে। এখানে প্রকৃতপক্ষে কোনো ভয় বা বিপদের অবকাশ নেই, কারণ প্রতিটি সত্তাই মূলত ঈশ্বর। আর ঈশ্বর আসলে স্রেফ খেলে যাচ্ছেন। ** '''''ওয়ারেন বি. শার্প''''', ''ফিলোসফি ফর দ্য সিরিয়াস হেরেটিক: দ্য লিমিটেশনস অব বিলিফ অ্যান্ড দ্য ডেরিভেশন অব ন্যাচারাল মোরাল প্রিন্সিপলস'' (২০০২), পৃষ্ঠা ৩৯৬ {{ISBN|0595215963}}। * এটি নিশ্চিত যে, এই ধারণাটি বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষের ধর্মের অন্যতম মৌলিক নৈতিক ভিত্তি তৈরি করে। যেখানে প্রতিটি ধর্মের বিশেষ স্বভাবের দ্বারা এটি প্রভাবিত। যেমন খ্রিস্টধর্মে এক অতিমানবীয় [[:w:আদর্শবাদ|আদর্শবাদ]], বৌদ্ধধর্মে এক মানব-বিরোধী [[:w:শূন্যবাদ|নিহিলিজম]] বা শূন্যবাদ, এবং ভারতের ক্রমবর্ধমান [[w:ব্রাহ্মধর্ম|ব্রাহ্মধর্মে]] এক উদীয়মান অথচ সারগ্রাহী প্যানডিজম। আর যারা সর্বজনীন ভ্রাতৃত্বের এই আদর্শিক নীতি স্বীকার করেন, তাদের সাথে গ্রিক-রোমান এবং আধুনিক যুগের সেই নান্দনিক বৈজ্ঞানিক [[:w:প্রকৃতিবাদ|প্রকৃতিবাদকে]] যুক্ত করা প্রয়োজন যা মূলত সমগ্র ইউরোপীয় জনশিক্ষাকে অনুপ্রাণিত করে। আর যার বিরুদ্ধে পোপ দ্বিতীয় পল থেকে শুরু করে জোসেফ ডি মেস্ট্রের মতো গোঁড়া খ্রিস্টানরা সর্বদা অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে প্রতিবাদ করে এসেছেন। ** '''''[[:w:গুস্তাভো উজিয়েলি|গুস্তাভো উজিয়েলি]]''''', ''রিচেরচে ইন্তোর্নো আ লিওনার্দো দা ভিঞ্চি'' (১৮৯৬), পৃষ্ঠা ৩৫। * '''在《撒忧的龙船河》里的撒忧文化, "撒忧"又叫"撒阳"、"撒野"、"撒尔嗬" ,就是生长在泛自然神论文化下的生殖崇拜符号, 撒野现象就是指土家情歌中那些强烈的生命冲动和人性张扬中所表现出来的野性美。''' ** "স্প্রেডিং ওরি অন দ্য ড্রাগন বোট রিভার" এ বর্ণিত 'S'''an Yu'''<nowiki/>' (যাকে san yang, san ye অথবা san er hu নামেও ডাকা হয়) বলতে মূলত প্যানডিজম বা সর্ব-প্রকৃতিবাদী সংস্কৃতির বলয়ে গড়ে ওঠা প্রজনন উপাসনাকে বোঝানো হয়েছে। যা মূলত গ্রাম্য জনপদগুলোর সেই রোমান্টিক প্রেমগীতিগুলোতে ফুটে ওঠা প্রাণের তীব্র স্পন্দন, গভীর মানবিকতা এবং আদিম বন্য সৌন্দর্যের এক বলিষ্ঠ বহিঃপ্রকাশ। *** '''''ওয়াং জুনকাং''''' (Wang Junkang), 叶梅研究专集 ''Ye Mei Special Collection'' (2007), পৃষ্ঠা ১৭৭। * '''在叶梅的早期小说里那种泛自然神论的浪漫精神随处可见,其目的是在张扬人性, 张扬泛自然神论下人性的自由'''。 ** ইয়ে মেই-এর প্রাথমিক পর্যায়ের উপন্যাসগুলোতে প্যানডিজমের সেই রোমান্টিক আধ্যাত্মিকতা বা জীবনবোধ প্রতিটি পাতায় লক্ষ্য করা যায়; যার প্রধান লক্ষ্যই ছিল মানবিকতার জয়গান গাওয়া এবং প্যানডিজমের সেই উদার দর্শনের অধীনে মানুষের ব্যক্তিগত ও চারিত্রিক স্বাধীনতার সপক্ষে এক জোরালো আহ্বান জানানো। ** '''''ওয়াং জুনকাং''''' (Wang Junkang), 叶梅研究专集 ''Ye Mei Special Collection'' (2007), পৃষ্ঠা ১৮৮। ** যিশু খ্রিস্ট এবং পবিত্র আত্মার প্রতি ঐকান্তিক মনোযোগ আমাদের সর্বেশ্বরবাদ (প্যানথেইজম), প্যানডিজম এবং বিবর্তনশীল ধর্মতত্ত্ব বা প্রসেস থিওলজির মতো মতবাদগুলোর প্রভাব থেকে মুক্তি প্রদান করে এবং এক গভীর আধ্যাত্মিক স্তরে নিয়ে যায়। ** '''''গ্রাহাম ওয়ার্ড''''', ''হাউ দ্য লাইট গেটস ইন: এথিক্যাল লাইফ ১'', পৃষ্ঠা ৩১৩, ২০১৬। * ঈশ্বর এই জগতকে সৃষ্টি করেননি, বরং তিনি নিজেই এই জগত বা মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন। ঈশ্বর এই জগতের রূপ পরিগ্রহ করেছেন মূলত এক শাশ্বত এবং অসীম লক্ষ্যকে বস্তুগত আকারে উপলব্ধি করার জন্য। আর এই অবিনশ্বর ও অনন্ত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের তাগিদেই তিনি স্বয়ং এই বিশ্ব চরাচরে পরিণত হয়েছেন। এখন একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়—এই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হওয়ার জন্য ঈশ্বরকে প্রথমে একটি আদি ও মৌলিক ধারণার কথা চিন্তা করতে হয়েছিল। ফলস্বরূপ, এই ভাব বা ধারণাটি জগতের আবির্ভাবের পূর্বেই বিদ্যমান ছিল। একেই মূলত কার্য এবং কারণের মধ্যকার সম্পর্ক হিসেবে গণ্য করা হয়। এখানে 'কারণ' বা স্রষ্টাকে মনে করা হয় কার্যের পূর্ববর্তী এবং স্বাধীন একটি সত্তা; অন্যদিকে 'কার্য' বা এই জগতকে মনে করা হয় কারণের পরবর্তী এবং তার ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল একটি রূপান্তর। ** রাব্বি '''''[[:w:হ্যারি ওয়াটন|হ্যারি ওয়াটন]]''''', ''এ ট্রু মোনিস্টিক ফিলোসফি: কমপ্রিহেন্ডিং দ্য অ্যাবসোলিউট, গড, এক্সিস্টেন্স, ম্যান, সোসাইটি অ্যান্ড হিস্ট্রি'' (১৯৪৭), পৃষ্ঠা ২৩২। ASIN: B0006ARGQ0। * '''''Wenn auch nur durch einen Buchstaben (d statt th), unter­scheiden wir grundsätzlich Pandeismus vom Pantheismus.''''' ** যদিও পার্থক্যটি কেবল একটিমাত্র বর্ণের (অর্থাৎ ''''th'''<nowiki/>' এর স্থলে ''''d'''<nowiki/>'), তবুও আমরা প্যানডিজমকে সর্বেশ্বরবাদ বা প্যানথেইজম থেকে মৌলিকভাবে পৃথক বলে গণ্য করি। এটি কেবল ব্যাকরণগত কোনো পরিবর্তন নয়, বরং দর্শনের এক গভীরতর স্তরের ভিন্নতা প্রকাশ করে। ** '''''ম্যাক্স বার্নহার্ড ওয়াইনস্টেইন''''', ''ওয়েল্ট- উন্ড লেবেনসানশাউউঙেন, হারভোরগেগাঙেন আউস রিলিজিয়ন, ফিলোসফি উন্ড নাটুর এরকেন্টনিস'' ("ধর্ম, দর্শন এবং প্রকৃতিজ্ঞান থেকে উদ্ভূত বিশ্ব ও জীবনদর্শন") (১৯১০), পৃষ্ঠা ২২৭। * '''''Wir werden später sehen, daß die Indier auch den Pandeismus gelehrt haben. Der letzte Zustand besteht in dieser Lehre im Eingehen in die betreffende Gottheit, Brahma oder Wischnu. So sagt in der Bhagavad-Gîtâ Krishna-Wischnu, nach vielen Lehren über ein vollkommenes Dasein.''''' ** আমরা পরবর্তীতে এটি প্রত্যক্ষ করব যে, ভারতবর্ষের মানুষও প্যানডিজমের শিক্ষা প্রচার করেছিলেন। এই মতবাদ অনুযায়ী সৃষ্টির চূড়ান্ত অবস্থা বা পরিণতি হলো সংশ্লিষ্ট দেবতা, তা সে ব্রহ্মা হোক কিংবা বিষ্ণু। তাঁর সত্তার অভ্যন্তরে পুনরায় প্রবেশ করা বা লীন হওয়া। ভগবদ্গীতায় শ্রীকৃষ্ণ-বিষ্ণুও এক পরিপূর্ণ অস্তিত্ব সম্পর্কে বহুমুখী শিক্ষার পর ঠিক এই সত্যটিই ব্যক্ত করেছেন। ** '''''ম্যাক্স বার্নহার্ড ওয়াইনস্টেইন''''', ''ওয়েল্ট- উন্ড লেবেনসানশাউউঙেন, হারভোরগেগাঙেন আউস রিলিজিয়ন, ফিলোসফি উন্ড নাটুর এরকেন্টনিস'' ("ধর্ম, দর্শন এবং প্রকৃতিজ্ঞান থেকে উদ্ভূত বিশ্ব ও জীবনদর্শন"), পৃষ্ঠা ২১৩, ১৯১০। * '''在在这里,人与天是平等和谐的,这就是说,它是泛自然神论或是无神论的,这是中国人文思想的一大特色。''' ** এখানে মানুষ এবং দৈব সত্তার মধ্যে এক অপূর্ব সাম্য ও সম্প্রীতি বিদ্যমান, যেখানে তারা একে অপরের সমকক্ষ। অর্থাৎ সহজ কথায় বলতে গেলে, এটি হয় প্যানডিজম অথবা [[w:নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক্যবাদের]] এক অনন্য প্রতিফলন। যা প্রকৃতপক্ষে চীনা দার্শনিক চিন্তাধারার অন্যতম একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে স্বীকৃত। *** '''''ওয়েন চি''''' , 'লেকচারস অ্যাট পেকিং ইউনিভার্সিটি: থিংকিং অব অরা' (২০০২), পৃষ্ঠা ১২১। * ''জন্ম—সে তো ঘুমন্ত, কিছুই নয় বিস্মৃতি ছাড়া—<br>যে জীবনে হয় আত্মিক জাগরণ, সে তো শুধুই জৈবিক ধ্রুবতারা!<br>ভীন-প্রানীতে ছিল হয়তো তার আদি-আধার, হয়তো ছিল অঞ্জান গহীন জায়গার।<br>তবুও সে পূর্ণ বিস্মৃতির অতলে নয়,<br>অসীম শূন্যতার মাঝেও নয়,<br>মহিমার জ্যোতিকে করেছি সঙ্গী, করেছি আপনা-আলোকায়ন!<br>সেই পরম সত্তা থেকেই, যিনি চির নিত্য-আবাসন।<br>স্বর্গ যেন ছেলেবেলাকে আগলে রাখে—চির আবরণ!...'' ** '''''[[:w:উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ|উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ]]''''', ''[[:w:ওড: ইনটিমেশনস অফ ইমমর্টালিটি|ওড: ইনটিমেশনস অফ ইমমর্টালিটি ফ্রম রিকালেকশনস অফ আরলি চাইল্ডহুড]]'' (১৮০৭), স্তবক ৫, ''বাংলায় রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' । * ''Als Gesamtcharakteristik wählte H. sich die Bezeichnung eines neo-transzendentalen Subsistenz-Relationismus bzw. mehr inhaltlich: eines Hen-Pan-Deismus (nicht: -theismus); geschichtsphilosophisch schließt dies Atheismus, naturphilosophisch einen Quasi-Pantheismus - das Absolute als definitiver Prinzipiationsgrenzwert unter Gültigkeitsrücksichten - ein.'' ** এইচ. হারল্ড হয তাঁর দর্শনের যে মৌলিক ভিত্তিটি স্থাপন করেছেন, তাকে তিনি একটি অনন্য চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন '''<nowiki/>'নিও-ট্রান্সেন্ডেন্টাল সাবসিস্টেন্স রিলেশনিজম'<nowiki/>'''। আরও গভীর ও সারবস্তুগতভাবে বিশ্লেষণ করলে এর মূল নির্যাসটি দাঁড়ায় একটি সূক্ষ্ম '''<nowiki/>'হেন-প্যান-ডিইজম'<nowiki/>''' হিসেবে, যা প্রচলিত 'প্যান-থেইজম' বা সর্বেশ্বরবাদ থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ও বিযুক্ত। ইতিহাসের দর্শনে এই মতবাদটি যথেষ্ট উদার, যা প্রয়োজনে নাস্তিক্যবাদ বা নিরীশ্বরবাদের যৌক্তিক উপাদানগুলোকেও নিজের ভেতরে ধারণ করতে সক্ষম। অন্যদিকে, যখন এটি প্রকৃতি-দর্শনের আলোকে ব্যাখ্যা করা হয়, তখন তা এক প্রকার '''Quasi-Pantheism''' বা '''<nowiki/>'কোয়াসি-প্যানথেইজম'''' বা আধা-সর্বেশ্বরবাদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এখানে 'পরম সত্তা' বা 'অ্যাবসলিউট' কে কেবল একটি বিমূর্ত ধারণা হিসেবে নয়, বরং যৌক্তিক বৈধতার নিরিখে একটি সুনির্দিষ্ট মূল নীতিগত সীমাবদ্ধতা কিংবা একটি অবিনশ্বর গাণিতিক ধ্রুবক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা মহাবিশ্বের অস্তিত্বের মূল ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করে। ** '''''কুর্ট ওয়াল্টার জেইডলার''''', [http://phaidon.philo.at/asp/hholz.htm আর্কাইভ ফ্যুর সিস্টেমেটিশ ফিলোসফি - হারাল্ড হোলজ] (২০০৩)। * '''泛自然神论的浪漫精神三峡文化的艺术原素是一种独特的理想浪漫精神,是纯朴粗犷、绚丽诡竒的。''' ** এটি মূলত সেই গভীর রোমান্টিক নির্যাস এবং উচ্চমার্গীয় আধ্যাত্মিক চেতনার এক অনন্য কাব্যিক উপস্থাপনা, যেখানে '''প্যানডিজম''' বা সর্ব-প্রকৃতিবাদের মূল দর্শনটি মূর্ত হয়ে ওঠে। এখানে স্রষ্টা এবং সৃষ্টিকে আলাদা করে দেখা হয় না, বরং মনে করা হয় প্রকৃতির প্রতিটি ধূলিকণায় এবং অরণ্যের গহীন নিস্তব্ধতায় সেই পরম সত্তাই বিলীন হয়ে আছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই রূপটি মোটেও কৃত্রিম নয়; বরং তা রুক্ষ সরলতার এক নিবিড় ও অবিচ্ছেদ্য সংমিশ্রণের মাধ্যমে গড়ে ওঠে, যা মানুষের আত্মাকে এক অদ্ভুত প্রশান্তি দান করে। এই সৌন্দর্য যেমন আড়ম্বরহীন ও অকৃত্রিম, ঠিক তেমনি এটি এক গভীর এবং বৈচিত্র্যময় রহস্যময়তায় ঘেরা—যা লৌকিক জগতের উর্ধ্বে গিয়ে এক অলৌকিক অনুভূতির জন্ম দেয়। এটি যেন এক শান্ত অথচ শক্তিশালী আহ্বান, যেখানে প্রকৃতির অনাড়ম্বর রুক্ষতা আর আধ্যাত্মিক রহস্য মিলেমিশে একাকার হয়ে একটি অখণ্ড সত্যের প্রকাশ ঘটায়। *** '''''ঝাং দাও কুই''''' (Zhang Dao Kui), 文化研究 ''কালচারাল স্টাডিজ'', ইস্যু ১-১২ (২০০১), পৃষ্ঠা ৬৫। * প্যানডিজম হলো সর্বেশ্বরবাদেরই বা '''Pantheism''' এর এমন একটি বিশেষ রূপান্তর যা নিজের ভেতর প্রকৃতিবাদের একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোকে ধারণ করে। এই মতবাদটি এই বিশ্বাস পোষণ করে যে, বর্তমান মহাবিশ্ব এবং ঈশ্বর প্রকৃতপক্ষে এক ও অভিন্ন সত্তা। তবে একই সাথে এই দর্শন এটিও জোরালোভাবে দাবি করে যে, এই দৃশ্যমান জগৎ রূপ পরিগ্রহ করার পূর্বে ঈশ্বর কেবল একটি বিমূর্ত ধারণা ছিলেন না। বরং তিনি ছিলেন এক পরম সচেতন, সংবেদনশীল এবং অসীম বুদ্ধিমান এক মহাশক্তি। তিনি সেই আদি ও অনাদি সত্তা, যিনি অত্যন্ত নিপুণ কারিগরি এবং সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের প্রতিটি কণা ও নক্ষত্ররাজির সূক্ষ্ম নকশা প্রণয়ন করেছিলেন। তাঁর সেই বুদ্ধিদীপ্ত সৃজনশীলতার মাধ্যমেই বিশৃঙ্খল মহাশূন্য এক সুশৃঙ্খল ও প্রাণবন্ত মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছে, যা তাঁর অস্তিত্বের মহিমা ও নিপুণ শিল্পবোধেরই এক জীবন্ত প্রতিফলন। অর্থাৎ, সৃষ্টির আদিতে তিনি ছিলেন এক স্বতন্ত্র স্থপতি, যিনি পরবর্তীতে নিজ সৃষ্টির মাঝেই নিজেকে বিলীন করে দিয়েছেন। ** '''''রোনাল্ড আর. জলিঞ্জার''''', ''মেয়ার মরমনজম: ডিফেন্স অব মরমন থিওলজি'', পৃষ্ঠা ৬, ২০১০। == বহিঃ সংযোগ == {{wikipedia|Pandeism|প্যানডিজম (ইংরেজি উইকিপিডিয়া)}} {{wiktionary|pandeism|প্যানডিজম (উইকশনারি)}} [[বিষয়শ্রেণী:দর্শন]] [[বিষয়শ্রেণী:ধর্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:প্যানডিজম]] [[বিষয়শ্রেণী:সর্বেদেবতাবাদ]] 7p5insz7tozbcivxgl7nzm2t711fp0y ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/bnwq-tools-msg-test.js 2 12870 83845 81196 2026-07-03T04:37:31Z খাত্তাব হাসান 7 সংশোধন 83845 javascript text/javascript // <nowiki> /** * ToolBox Configuration and i18n file. * Contains all translatable strings, warning templates, CSD criteria, and tags. * Note: Code comments are in English to prevent editor rendering issues. */ window.ToolBoxConfig = window.ToolBoxConfig || {}; window.ToolBoxMessages = window.ToolBoxMessages || {}; // ========================================== // 1. UI TRANSLATIONS (i18n) // ========================================== window.ToolBoxConfig.i18n = { 'bn': { 'checking_page': 'পাতা পরীক্ষা করা হচ্ছে...', 'warning': 'সতর্কতা', 'csd_exists': 'এই পাতায় ইতোমধ্যে অপসারণ ট্যাগ যুক্ত করা রয়েছে। অনুগ্রহ করে আরেকবার অপসারণ ট্যাগ দেয়ার পূর্বে পুনর্বিবেচনা করুন। ধন্যবাদ!', 'xfd_exists': 'এই পাতায় ইতোমধ্যে অপসারণ প্রস্তাবনার ট্যাগ যুক্ত করা রয়েছে। অনুগ্রহ করে আরেকবার অপসারণ প্রস্তাবনা শুরু করার পূর্বে পুনর্বিবেচনা করুন। ধন্যবাদ!', 'prot_exists': 'এই পাতায় ইতোমধ্যে সুরক্ষা প্রস্তাবনার ট্যাগ যুক্ত করা রয়েছে। অনুগ্রহ করে আরেকবার সুরক্ষা প্রস্তাবনা শুরু করার পূর্বে পুনর্বিবেচনা করুন। ধন্যবাদ!', 'prot_level': 'সুরক্ষা স্তর:', 'prot_semi': 'শুধুমাত্র স্বয়ংনিশ্চিতকৃত ব্যবহারকারীদের জন্য (অর্ধ সুরক্ষা)', 'prot_full': 'শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত (পূর্ণ সুরক্ষা)', 'expiry': 'মেয়াদ:', 'auto_tmpl': 'স্বয়ংক্রিয় (টেমপ্লেট থেকে)', '1_hour': '১ ঘণ্টা', '1_day': '১ দিন', '1_week': '১ সপ্তাহ', '2_weeks': '২ সপ্তাহ', '1_month': '১ মাস', '3_months': '৩ মাস', '6_months': '৬ মাস', '1_year': '১ বছর', 'infinite': 'অসীম', 'other_time': 'অন্য সময়', 'other_time_placeholder': 'অন্য সময় লিখুন (যেমন: 2 days)', 'docs': 'টুলবক্স নথি', 'bug_report': 'বাগ প্রতিবেদন বা মতামত', 'go_back': 'পিছনে যান', 'cancel': 'বাতিল', 'close': 'বন্ধ করুন', 'confirm': 'নিশ্চিত করুন', 'please_wait': 'অপেক্ষা করুন...', 'csd_nomination': 'দ্রুত অপসারণ প্রস্তাবনা', 'csd_reason': 'দ্রুত অপসারণের কারণ:', 'custom_rationale': 'নিজস্ব বিচারধারা লিখুন: ', 'custom_reason_placeholder': 'আপনার নিজস্ব কারণ লিখুন...', 'csd_warning': '<strong>সতর্কতা:</strong> যদি দাবীটি বিতর্কিত বা সাম্ভাব্য বিতর্ক সৃষ্টির আশংকা হয়, তাহলে এটিকে দ্রুত অপসারণের বদলে অপসারণ প্রস্তাবনাতে (XfD) নেওয়া উচিত।', 'edit_summary': 'সম্পাদনা সারাংশ:', 'def_sum_csd': 'দ্রুত অপসারণের জন্য ট্যাগ করা হলো', 'alert_reason': 'দয়া করে কারণ লিখুন!', 'success_csd': 'দ্রুত অপসারণ ট্যাগ সফলভাবে যুক্ত হয়েছে এবং ব্যবহারকারীকে বার্তা পাঠানো হয়েছে!', 'error': 'ত্রুটি হয়েছে: ', 'add_tags_title': 'ট্যাগ যুক্ত করুন', 'select_tags': 'যুক্ত করার জন্য ট্যাগ নির্বাচন করুন:', 'target_page': 'লক্ষ্য পাতার নাম (একত্রীকরণের জন্য):', 'target_page_placeholder': 'যে পাতায় একত্রিত করতে চান...', 'def_sum_tags': 'ট্যাগ যুক্ত করা হলো', 'alert_target': 'লক্ষ্য পাতার নাম উল্লেখ করতে হবে!', 'alert_tag': 'দয়া করে একটি ট্যাগ নির্বাচন করুন!', 'success_tags': 'ট্যাগ সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'xfd_nomination': 'অপসারণ প্রস্তাবনা', 'xfd_reason': 'অপসারণের কারণ:', 'xfd_placeholder': 'কেন এই পাতাটি অপসারণ করা উচিত তার বিস্তারিত বিবরণ দিন...', 'def_sum_xfd': '[[$1]]-এর অপসারণ প্রস্তাবনা যুক্ত করা হলো', 'alert_xfd_reason': 'দয়া করে অপসারণের কারণ উল্লেখ করুন!', 'success_xfd': 'অপসারণ প্রস্তাবনা সফলভাবে যুক্ত হয়েছে এবং ব্যবহারকারীকে বার্তা পাঠানো হয়েছে!', 'prot_nomination': 'সুরক্ষার প্রস্তাবনা', 'def_sum_prot': '[[$1]]-এর সুরক্ষার প্রস্তাবনা যুক্ত করা হলো', 'prot_reason_opt': 'সুরক্ষার কারণ (ঐচ্ছিক):', 'prot_placeholder': 'কারণ লিখুন (যেমন: ধ্বংসপ্রবণতা)...', 'alert_custom_expiry': 'দয়া করে কাস্টম মেয়াদ উল্লেখ করুন!', 'success_prot': 'সুরক্ষার প্রস্তাবনা সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'welcome_user_title': 'স্বাগত জানান: $1', 'select_welcome': 'স্বাগতম বার্তা নির্বাচন করুন:', 'preview': 'প্রিভিউ:', 'loading': 'লোড হচ্ছে...', 'preview_failed': 'প্রিভিউ লোড করা যায়নি।', 'def_sum_welcome': 'স্বাগতম!', 'success_welcome': 'স্বাগতম বার্তা সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'warn_user_title': 'সতর্ক করুন: $1', 'warn_type': 'সতর্কতার ধরন:', 'edit_message': 'বার্তা সম্পাদনা:', 'def_sum_warn': 'সতর্ক করা হলো: $1', 'success_warn': 'সতর্কবার্তা সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'admin_tasks': 'প্রশাসকের কাজ', 'select_task': 'কাজ নির্বাচন করুন:', 'task_cat_csd': 'দ্রুত অপসারণের তালিকা (বিষয়শ্রেণী থেকে)', 'task_cat_prot': 'প্রস্তাবিত পাতা সুরক্ষা (বিষয়শ্রেণী থেকে)', 'task_manual_del': 'গুচ্ছ অপসারণ (নিজ থেকে)', 'task_manual_prot': 'গুচ্ছ সুরক্ষা (নিজ থেকে)', 'page_list': 'পাতার তালিকা (প্রতি লাইনে একটি):', 'page_list_placeholder': 'পাতা ১\nপাতা ২...', 'page_links': 'পাতাগুলোর সংযোগ:', 'cat_empty': 'এই বিষয়শ্রেণীতে কোনো পাতা নেই।', 'reason_summary': 'কারণ / সম্পাদনা সারাংশ:', 'alert_no_pages': 'কোনো পাতা দেওয়া বা নির্বাচন করা হয়নি!', 'admin_start': 'প্রশাসকের কাজ শুরু হচ্ছে ($1 টি পাতা)...', 'admin_success': '$1 টি পাতায় কাজ সম্পন্ন হয়েছে।', 'vote_btn': 'ভোট দিন', 'decision_btn': 'সিদ্ধান্ত', 'admin_csd_btn': 'প্রশাসক: দ্রুত অপসারণ করুন', 'admin_del_reason_sel': 'অপসারণের কারণ (তালিকা থেকে):', 'admin_del_reason_txt': 'অথবা নিজস্ব কারণ লিখুন:', 'admin_del_reason_opt': '-- একটি কারণ নির্বাচন করুন (ঐচ্ছিক) --', 'admin_del_talk': 'সাথে আলাপ পাতাও অপসারণ করুন (যদি থাকে)', 'success_deleted': 'পাতা সফলভাবে অপসারিত হয়েছে!', 'protect_page': 'পাতা সুরক্ষা করুন', 'prot_reason_req': 'সুরক্ষার কারণ:', 'success_protected': 'পাতা সফলভাবে সুরক্ষিত হয়েছে!', 'vote_title': 'ভোট দিন: $1', 'vote_instruction': 'মতামত প্রদান করুন:', 'support': 'সমর্থন', 'oppose': 'বিরোধিতা', 'comment': 'মন্তব্য', 'reason_comment': 'কারণ/মন্তব্য:', 'success_vote': 'মতামত সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'decision_title': 'সিদ্ধান্ত গ্রহণ: $1', 'decision_instruction': 'চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:', 'deleted': 'অপসারিত', 'kept': 'অপসারিত নয়', 'comment_opt': 'মন্তব্য (ঐচ্ছিক):', 'success_decision': 'সিদ্ধান্ত সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে!', 'menu_tags': 'ট্যাগ যুক্ত করুন', 'menu_del': 'পাতা অপসারণ', 'menu_prot': 'পাতা সুরক্ষা', 'menu_csd': 'দ্রুত অপসারণ', 'menu_welcome': 'স্বাগত জানান', 'menu_warn': 'সতর্ক করুন', 'no_tasks': 'এই পাতায় করার মতো কোনো স্বয়ংক্রিয় কাজ নেই।', 'toolbox_title': 'রক্ষণাবেক্ষণ টুলবক্স ৩.০', 'notice_prot_done': '[[$1]]-এর সুরক্ষার আবেদন সম্পন্ন করা হলো', 'admin_prot_req': '[[$1]] পাতাটি সুরক্ষার আবেদন', 'temp_removed_prot': 'পাতা সুরক্ষিত হওয়ায় সুরক্ষা প্রস্তাবনার টেমপ্লেট সরানো হলো', 'temp_removed_close': 'অপসারণ প্রস্তাবনা সমাপ্ত হওয়ায় টেমপ্লেট সরানো হলো', 'deleted_diff': '[[বিশেষ:পার্থক্য/$1]] অনুযায়ী অপসারিত হয়েছে', 'mass_del': 'গুচ্ছ অপসারণ', 'mass_prot': 'গুচ্ছ সুরক্ষা (ধ্বংসপ্রবণতা রোধ)', 'prot_accepted': 'সুরক্ষার আবেদন গৃহীত', 'cat_csd_reason': 'দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুযায়ী', 'prot_def_reason': 'পাতা সুরক্ষা করা হলো', 'vote_def_summary': 'মতামত প্রদান', 'decision_def_summary': '[[$1]]-এর আলোচনা সমাপ্ত করা হলো', 'notify_xfd_summary': 'বিজ্ঞপ্তি: [[$1]] এর অপসারণ প্রস্তাবনা', 'notify_csd_summary': 'বিজ্ঞপ্তি: [[$1]] এর দ্রুত অপসারণ প্রস্তাবনা', 'notify_del_summary': 'বিজ্ঞপ্তি: [[$1]] অপসারণ করা হয়েছে', 'notify_creator': 'প্রণেতাকে অবহিত করুন', 'notify_preview': 'বার্তা প্রিভিউ/সম্পাদনা:', 'using_toolbox': 'ব্যবহার করে', 'restore_this_version': 'এই সংস্করণে ফেরত যান', 'restore_title': 'সংস্করণ ফেরত: $1', 'restore_prompt': 'আপনি কি এই পুরনো সংস্করণে (আইডি: $1) ফেরত যেতে চান?', 'restore_reason': 'কারণ লিখুন (ঐচ্ছিক):', 'def_sum_restore': '$1-এর করা $2 নং সংস্করণে ফেরত', 'success_restore': 'পাতাটি সফলভাবে পূর্বের সংস্করণে ফেরত নেওয়া হয়েছে!', 'fallback_msg_xfd': '== [[$PAGE_NAME]] পাতার অপসারণ প্রস্তাবনা ==\nপ্রিয় উইকিউক্তিয়ান, [[$PAGE_NAME]] পাতাটি উইকিমিডিয়ার নীতিমালা অনুযায়ী অপসারণের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য অনুগ্রহ করে প্রস্তাবনার পাতায় আপনার মতামত প্রদান করুন। ধন্যবাদ। ~~~~', 'fallback_msg_csd': '== [[$PAGE_NAME]] পাতার দ্রুত অপসারণ প্রস্তাবনা ==\nপ্রিয় উইকিউক্তিয়ান, উইকিমিডিয়ার নীতিমালা অনুযায়ী [[$PAGE_NAME]] পাতাটি দ্রুত অপসারণের জন্য একটি ট্যাগ যুক্ত করা হয়েছে। কারণ: $CSD_REASON। আপনি যদি মনে করেন যে এই পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে পাতাটিতে গিয়ে আপনার যুক্তি উপস্থাপন করতে পারেন। ধন্যবাদ। ~~~~', 'fallback_msg_del': '== আপনার তৈরি করা [[$PAGE_NAME]] পাতাটি অপসারণ করা হয়েছে ==\nপ্রিয় উইকিউক্তিয়ান, আপনার তৈরি করা [[$PAGE_NAME]] পাতাটি অপসারণ করা হয়েছে। কারণ: $REASON। আপনি যদি মনে করেন যে এই পাতাটি ভুলবশত অপসারিত হয়েছে, তবে অনুগ্রহ করে আমার আলাপ পাতায় যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ। ~~~~' }, 'en': { 'checking_page': 'Checking page...', 'warning': 'Warning', 'csd_exists': 'This page is already tagged for speedy deletion. Please reconsider before adding another tag. Thank you!', 'xfd_exists': 'This page is already nominated for deletion. Please reconsider before nominating again. Thank you!', 'prot_exists': 'This page is already nominated for protection. Please reconsider before nominating again. Thank you!', 'prot_level': 'Protection level:', 'prot_semi': 'Autoconfirmed users only (Semi-protection)', 'prot_full': 'Administrators only (Full protection)', 'expiry': 'Expiry:', 'auto_tmpl': 'Automatic (from template)', '1_hour': '1 hour', '1_day': '1 day', '1_week': '1 week', '2_weeks': '2 weeks', '1_month': '1 month', '3_months': '3 months', '6_months': '6 months', '1_year': '1 year', 'infinite': 'Infinite', 'other_time': 'Other time', 'other_time_placeholder': 'Enter other time (e.g., 2 days)', 'docs': 'ToolBox Documentation', 'bug_report': 'Bug report or feedback', 'go_back': 'Go back', 'cancel': 'Cancel', 'close': 'Close', 'confirm': 'Confirm', 'please_wait': 'Please wait...', 'csd_nomination': 'Speedy Deletion Nomination', 'csd_reason': 'Reason for speedy deletion:', 'custom_rationale': 'Enter custom rationale: ', 'custom_reason_placeholder': 'Enter your custom reason...', 'csd_warning': '<strong>Warning:</strong> If the claim is controversial or likely to cause a dispute, it should be sent to Deletion Discussions (XfD) instead.', 'edit_summary': 'Edit summary:', 'def_sum_csd': 'Tagged for speedy deletion', 'alert_reason': 'Please enter a reason!', 'success_csd': 'Speedy deletion tag added successfully and user notified!', 'error': 'An error occurred: ', 'add_tags_title': 'Add tags', 'select_tags': 'Select tags to add:', 'target_page': 'Target page name (for merging):', 'target_page_placeholder': 'Page you want to merge into...', 'def_sum_tags': 'Tags added', 'alert_target': 'Target page name must be specified!', 'alert_tag': 'Please select a tag!', 'success_tags': 'Tags added successfully!', 'xfd_nomination': 'Deletion Nomination', 'xfd_reason': 'Reason for deletion:', 'xfd_placeholder': 'Provide a detailed explanation of why this page should be deleted...', 'def_sum_xfd': 'Nominated [[$1]] for deletion', 'alert_xfd_reason': 'Please specify a reason for deletion!', 'success_xfd': 'Deletion nomination added successfully and user notified!', 'prot_nomination': 'Protection Nomination', 'def_sum_prot': 'Nominated [[$1]] for protection', 'prot_reason_opt': 'Reason for protection (optional):', 'prot_placeholder': 'Enter reason (e.g., Vandalism)...', 'alert_custom_expiry': 'Please specify a custom expiry!', 'success_prot': 'Protection nomination added successfully!', 'welcome_user_title': 'Welcome user: $1', 'select_welcome': 'Select welcome message:', 'preview': 'Preview:', 'loading': 'Loading...', 'preview_failed': 'Failed to load preview.', 'def_sum_welcome': 'Welcome!', 'success_welcome': 'Welcome message added successfully!', 'warn_user_title': 'Warn user: $1', 'warn_type': 'Warning type:', 'edit_message': 'Edit message:', 'def_sum_warn': 'Warned: $1', 'success_warn': 'Warning message added successfully!', 'admin_tasks': 'Admin tasks', 'select_task': 'Select task:', 'task_cat_csd': 'Speedy deletion candidates (from category)', 'task_cat_prot': 'Protection candidates (from category)', 'task_manual_del': 'Mass deletion (manual)', 'task_manual_prot': 'Mass protection (manual)', 'page_list': 'List of pages (one per line):', 'page_list_placeholder': 'Page 1\nPage 2...', 'page_links': 'Page links:', 'cat_empty': 'There are no pages in this category.', 'reason_summary': 'Reason / Edit summary:', 'alert_no_pages': 'No pages provided or selected!', 'admin_start': 'Starting admin task ($1 pages)...', 'admin_success': 'Task completed on $1 pages.', 'vote_btn': 'Vote', 'decision_btn': 'Decision', 'admin_csd_btn': 'Admin: Speedy Delete', 'admin_del_reason_sel': 'Reason for deletion (from list):', 'admin_del_reason_txt': 'Or enter custom reason:', 'admin_del_reason_opt': '-- Select a reason (optional) --', 'admin_del_talk': 'Also delete talk page (if exists)', 'success_deleted': 'Page deleted successfully!', 'protect_page': 'Protect page', 'prot_reason_req': 'Reason for protection:', 'success_protected': 'Page protected successfully!', 'vote_title': 'Vote: $1', 'vote_instruction': 'Provide your opinion:', 'support': 'Support', 'oppose': 'Oppose', 'comment': 'Comment', 'reason_comment': 'Reason/Comment:', 'success_vote': 'Opinion added successfully!', 'decision_title': 'Decision: $1', 'decision_instruction': 'Final decision:', 'deleted': 'Deleted', 'kept': 'Kept', 'comment_opt': 'Comment (optional):', 'success_decision': 'Decision applied successfully!', 'menu_tags': 'Add tags', 'menu_del': 'Delete page', 'menu_prot': 'Protect page', 'menu_csd': 'Speedy deletion', 'menu_welcome': 'Welcome user', 'menu_warn': 'Warn user', 'no_tasks': 'There are no automated tasks to perform on this page.', 'toolbox_title': 'Maintenance ToolBox 3.0', 'notice_prot_done': 'Protection request completed for [[$1]]', 'admin_prot_req': 'Protection request for [[$1]]', 'temp_removed_prot': 'Removed protection proposal template as page is protected', 'temp_removed_close': 'Removed template as deletion discussion is closed', 'deleted_diff': 'Deleted as per [[Special:Diff/$1]]', 'mass_del': 'Mass deletion', 'mass_prot': 'Mass protection (Anti-vandalism)', 'prot_accepted': 'Protection request accepted', 'cat_csd_reason': 'As per speedy deletion criteria', 'prot_def_reason': 'Page protected', 'vote_def_summary': 'Provided opinion', 'decision_def_summary': 'Discussion closed for [[$1]]', 'notify_xfd_summary': 'Notification: Deletion nomination for [[$1]]', 'notify_csd_summary': 'Notification: Speedy deletion nomination for [[$1]]', 'notify_del_summary': 'Notification: [[$1]] has been deleted', 'notify_creator': 'Notify creator', 'notify_preview': 'Message preview/edit:', 'using_toolbox': 'used', 'restore_this_version': 'Restore this version', 'restore_title': 'Restore revision: $1', 'restore_prompt': 'Do you want to restore to this old revision (ID: $1)?', 'restore_reason': 'Enter reason (optional):', 'def_sum_restore': 'Restored revision $2 by $1', 'success_restore': 'Page successfully restored to the older version!', 'fallback_msg_xfd': '== Deletion nomination of [[$PAGE_NAME]] ==\nHello, the page [[$PAGE_NAME]] has been nominated for deletion. Please share your opinion on the nomination page. Thank you. ~~~~', 'fallback_msg_csd': '== Speedy deletion nomination of [[$PAGE_NAME]] ==\nHello, a speedy deletion tag has been added to [[$PAGE_NAME]]. Reason: $CSD_REASON. If you think this page should not be deleted, you can contest the nomination. Thank you. ~~~~', 'fallback_msg_del': '== Your page [[$PAGE_NAME]] has been deleted ==\nHello, the page [[$PAGE_NAME]] created by you has been deleted. Reason: $REASON. If you believe this was in error, please contact me on my talk page. Thank you. ~~~~' } }; // ========================================== // 2. MODULE SETTINGS & TEMPLATES // ========================================== window.ToolBoxMessages.summarySuffix = ' ([[উইকিউক্তি:টুলবক্স|টুলবক্স]] ব্যবহার করে)'; // CSD Criteria configured for both languages window.ToolBoxMessages.csdCriteriaLists = { 'bn': { 'সাধারণ বিচারধারা': ['অনর্থক পাতা', 'ধ্বংসপ্রবণতা', 'ইতিমধ্যে অপসারিত', 'গৃহস্থালি পরিষ্কারকরণ', 'লেখকের অনুরোধ', 'পিতৃহীন আলাপ', 'দ্ব্যর্থহীন কপিরাইট'], 'পাতা': ['কোন উপাদান (বা উক্তি) নেই', 'অন্য উইকির বিষয়বস্তু', 'আক্রমণাত্মক পাতা', 'অনুল্লেখ্য বিষয়বস্তু'], 'পুনর্নির্দেশ': ['অস্তিত্বহীন পাতায় পুনর্নির্দেশ', 'ব্যবহারকারী পাতায় পুনর্নির্দেশ', 'অসংজ্ঞায়িত নামস্থানে পুনর্নির্দেশ'], 'বিষয়শ্রেণী': ['খালি বিষয়শ্রেণী', 'দ্রুত বিষয়শ্রেণী নামান্তর', 'টেমপ্লেট বিষয়শ্রেণী'], 'ব্যবহারকারী পাতা': ['ব্যবহারকারীর অনুরোধ'], 'টেমপ্লেট': ['আক্রমণাত্মক টেমপ্লেট'], 'নিজস্ব বিচারধারা': ['নিজস্ব বিচারধারা'] }, 'en': { 'General Criteria': ['Nonsense page', 'Vandalism', 'Already deleted', 'Housekeeping', 'Author request', 'Orphaned talk page', 'Unambiguous copyright infringement'], 'Articles': ['No content', 'Content of another wiki', 'Attack page', 'Insignificant content'], 'Redirects': ['Broken redirect', 'Redirect to user space', 'Redirect to undefined namespace'], 'Categories': ['Empty category', 'Speedy renaming', 'Template category'], 'User Pages': ['User request'], 'Templates': ['Attack template'], 'Custom': ['Custom rationale'] } }; // User Notifications configured for both languages window.ToolBoxMessages.notifyMessages = { 'bn': { xfd: "\n\n== [[:$PAGE_NAME]] পাতার অপসারণের প্রস্তাবনা ==\n<div class=\"floatleft\" style=\"margin-bottom:0\">[[চিত্র:Ambox warning orange.svg|48px|alt=|link=]]</div>'''[[:$PAGE_NAME]]''' পাতাটি [[উইকিউক্তি:নীতিমালা ও নির্দেশাবলী|উইকিউক্তির নীতিমালা ও নির্দেশাবলী]] অনুসারে উইকিউক্তিতে স্থান পাওয়ার জন্য উপযুক্ত কিনা বা [[উইকিউক্তি:অপসারণ নীতি|অপসারণ নীতিমালা]] অনুসারে অপসারণের যোগ্য কি-না এই বিষয়ে মতামতের জন্য একটি আলোচনার সূত্রপাত করা হয়েছে।\nএকটি ঐক্যমত্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত পাতাটি সম্পর্কে [[উইকিউক্তি:অপসারণের প্রস্তাবনা#$PAGE_NAME]] পাতায় আলোচনা করা হবে, এবং যে কাউকে আলোচনায় অংশগ্রহণে স্বাগতম। মনোনয়ন অপসারণ প্রস্তাবনার নীতি ও নির্দেশিকা ব্যাখ্যা করবে। আলোচনায় উচ্চমানের প্রমাণ এবং আমাদের নীতি ও নির্দেশাবলীর উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।\nঅপসারণ প্রস্তাবনার আলোচনা চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীগণ পাতাটির মান উন্নয়ন করতে পারবেন। অপসারণ প্রস্তাবনাতে পাতা উন্নয়ন সম্পর্কিত কোন তথ্য থাকলে পাতার স্বার্থে তা সম্পাদনা করা যাবে। যাইহোক, আলোচনা সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত পাতা থেকে '''পাতা অপসারণ প্রস্তাবনা''' টেমপ্লেটটি সরাবেন না। ~~~~", csd: "\n\n== [[:$PAGE_NAME]] পাতার [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণের জন্য বিচারধারা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা ==\n[[File:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]]\n{{Quote box|quote=<p>এটি যদি উইকিউক্তিতে আপনার তৈরি করা প্রথম পাতা হয়ে থাকে, তবে আপনি উইকিউক্তিতে [[উইকিউক্তি:আপনার প্রথম ভুক্তি|প্রথম ভুক্তির দিক-নির্দেশনা]] অবশ্যই পাঠ করে নিন।</p><p>আমরা আপনাকে [[উইকিউক্তি:ভুক্তি উইজার্ড|ভুক্তি উইজার্ড]] ব্যবহার করে পাতা তৈরি করতে উৎসাহিত করছি।</p>|width=20%|align=right}}\nউইকিউক্তি থেকে দ্রুত অপসারণের জন্য [[:$PAGE_NAME]] নামক পাতাটিতে একটি ট্যাগ লাগানো হয়েছে। $CSD_REASON এর জন্য এই ট্যাগ লাগানো হয়েছে। [[WQ:CSD#পাতা|দ্রুত অপসারণের বিচারধারা]] অনুযায়ী এই পাতাটি যে কোনো সময় অপসারণ করা হতে পারে।\nআপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে এই পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:$PAGE_NAME|পাতাটিতে গিয়ে]] \"'''দ্রুত অপসারণে আপত্তি জানান'''\" লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন পাতাটি দ্রুত অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন পাতায় দ্রুত অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি পাতাটি দ্রুত অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে পাতাটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা পাতা থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে পাতাটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, পাতার বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উক্তিযোগ্যতা|উক্তিযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে পাতাটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকের আলোচনাসভায়]] জানান। ~~~~", deleted: "\n\n== আপনার তৈরি করা [[:$PAGE_NAME]] পাতাটি অপসারণ করা হয়েছে ==\nনমস্কার, আপনার তৈরি করা [[:$PAGE_NAME]] পাতাটি অপসারণ করা হয়েছে। কারণ: $REASON। আপনি যদি মনে করেন যে এই পাতাটি ভুলবশত অপসারিত হয়েছে, তবে অনুগ্রহ করে আমার আলাপ পাতায় যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ। ~~~~" }, 'en': { xfd: "\n\n== Deletion discussion for [[:$PAGE_NAME]] ==\n<div class=\"floatleft\" style=\"margin-bottom:0\">[[File:Ambox warning orange.svg|48px|alt=|link=]]</div>A discussion has been started to decide whether the page '''[[:$PAGE_NAME]]''' is suitable for Wikiquote according to our policies, or if it meets the criteria for deletion.\nThe page will be discussed at [[Wikiquote:Votes for deletion#$PAGE_NAME]] until a consensus is reached, and anyone is welcome to contribute to the discussion. While the discussion is ongoing, users may improve the page. However, please do not remove the deletion discussion template from the page until the discussion has ended. ~~~~", csd: "\n\n== Speedy deletion nomination of [[:$PAGE_NAME]] ==\n[[File:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]]\nA tag has been placed on [[:$PAGE_NAME]] requesting that it be speedily deleted from Wikiquote. This has been done for the following reason: $CSD_REASON.\nIf you think this page should not be deleted for this reason, you may contest the nomination by visiting the page and clicking the button to contest. Please do not remove the speedy deletion tag from the page yourself. ~~~~", deleted: "\n\n== Your page [[:$PAGE_NAME]] has been deleted ==\nHello, the page [[:$PAGE_NAME]] created by you has been deleted. Reason: $REASON. If you believe this was in error, please contact me on my talk page. Thank you. ~~~~" } }; window.ToolBoxMessages.welcomeTemplates = { 'bn': ['স্বাগত', 'স্বাগতম উইকিপিডিয়ান'], 'en': ['Welcome', 'Welcome user'] }; window.ToolBoxMessages.warningsConfig = { 'bn': { 'vandalism': { label: 'ধ্বংসপ্রবণতা', text: '== ধ্বংসপ্রবণতা সতর্কবার্তা ==\nসুধী! উইকিউক্তিতে স্বাগতম! আপনার সাম্প্রতিক সম্পাদনা গঠনমূলক ছিল্বা নয়। অনুগ্রহ করে পরীক্ষামূলক সম্পাদনা থেকে বিরত থাকুন। ~~~~' }, 'spam': { label: 'বিজ্ঞাপন/স্প্যাম', text: '== বিজ্ঞাপন সতর্কবার্তা ==\nসুধী! উইকিউক্তিতে স্বাগতম! উইকিউক্তি কোনো বিজ্ঞাপন প্রচারের স্থান নয়। অনুগ্রহ করে প্রচারণামূলক লেখা যুক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। ~~~~' }, 'test': { label: 'পরীক্ষামূলক সম্পাদনা', text: '== পরীক্ষামূলক সম্পাদনা ==\nসুধী! উইকিউক্তিতে স্বাগতম! উইকিউক্তিতে আপনার অবদানের জন্য ধন্যবাদ। তবে আপনার সাম্প্রতিক সম্পাদনাটি পরীক্ষামূলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে এবং তা বাতিল করা হয়েছে। ~~~~' } }, 'en': { 'vandalism': { label: 'Vandalism', text: '== Vandalism Warning ==\nHello! Welcome to Wikiquote. Your recent edit was not constructive. Please refrain from making test edits or vandalism. ~~~~' }, 'spam': { label: 'Spam/Advertising', text: '== Spam Warning ==\nHello! Welcome to Wikiquote. Wikiquote is not a place for advertising. Please refrain from adding promotional content. ~~~~' }, 'test': { label: 'Test Edit', text: '== Test Edit ==\nHello! Welcome to Wikiquote. Thank you for your contribution. However, your recent edit was considered a test and has been reverted. ~~~~' } } }; window.ToolBoxMessages.tagsConfig = { 'bn': [ { label: 'বিদেশী ভাষায় লেখা নিবন্ধ (বাংলা নয়)', tmpl: '{{বাংলা নয়}}\n', summary: 'বাংলা নয় ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'অসম্পূর্ণ (সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন)', tmpl: '{{অসম্পূর্ণ}}\n', summary: 'অসম্পূর্ণ ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'উদ্ধৃতিগুলি এত কম গুরুত্বপূর্ণ যে এটি নিজস্ব নিবন্ধের যোগ্য নয় (একত্রীকরণ)', tmpl: '{{একত্রীকরণ|$1}}\n', requiresTarget: true, summary: 'একত্রীকরণ ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'ভুক্তিটি অন্য কোনো ভুক্তিতে উল্লেখযোগ্য তথ্য বা কাছাকাছি তথ্যে রয়েছে (একত্রীকরণ)', tmpl: '{{একত্রীকরণ|$1}}\n', requiresTarget: true, summary: 'একত্রীকরণ ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'ভুক্তির উন্নয়ন প্রয়োজন (cleanup)', tmpl: '{{cleanup}}\n', summary: 'পরিষ্করণ ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'ভুক্তিটি পক্ষপাতমূলক বা অনেক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে (npov)', tmpl: '{{npov}}\n', summary: 'নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'নিবন্ধের বিষয়বস্তু নিয়ে বিতর্ক (disputed)', tmpl: '{{disputed}}\n', summary: 'বিতর্কিত ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'দুটি বিষয়ের একই নাম (দ্ব্যর্থতা নিরসন)', tmpl: '{{disambig}}\n', summary: 'দ্ব্যর্থতা নিরসন ট্যাগ যুক্ত করা হলো' } ], 'en': [ { label: 'Article in foreign language (Not Bengali)', tmpl: '{{বাংলা নয়}}\n', summary: 'Added non-bengali tag' }, { label: 'Stub (needs expansion)', tmpl: '{{অসম্পূর্ণ}}\n', summary: 'Added stub tag' }, { label: 'Merge with another article', tmpl: '{{একত্রীকরণ|$1}}\n', requiresTarget: true, summary: 'Added merge tag' }, { label: 'Needs cleanup', tmpl: '{{cleanup}}\n', summary: 'Added cleanup tag' }, { label: 'Neutral point of view (NPOV) issue', tmpl: '{{npov}}\n', summary: 'Added NPOV tag' }, { label: 'Disputed content', tmpl: '{{disputed}}\n', summary: 'Added disputed tag' }, { label: 'Disambiguation page', tmpl: '{{disambig}}\n', summary: 'Added disambiguation tag' } ] }; // </nowiki> at7wwbxvlq71xzhw8e2q8jsaxecdy8i দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ 0 12991 83860 81644 2026-07-03T11:11:38Z Oindrojalik Watch 4169 83860 wikitext text/x-wiki [[File:WW2 collage.jpg|thumb| [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] আলোকচিত্রের একটি কোলাজ।]] '''[[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]]''' ('''WWII''' অথবা '''WW2'''), যা '''দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ''' নামেও পরিচিত, ছিল ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৬ বছর ধরে স্থায়ী এক বৈশ্বিক যুদ্ধ। এতে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ, সবকটি মহাশক্তিসহ—জড়িত ছিল এবং তারা [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তি|মিত্রপক্ষ]] ও [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তি|অক্ষশক্তি]] নামক দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী [[:w:সামরিক জোট|সামরিক জোটে]] বিভক্ত হয়েছিল। এটি ছিল একটি সর্বাত্মক যুদ্ধ, যেখানে ৩০টিরও বেশি দেশের ১০ কোটিরও বেশি সামরিক সদস্য সরাসরি অংশ নেয়। প্রধান অংশগ্রহণকারী দেশগুলো তাদের সমগ্র অর্থনৈতিক, শিল্প এবং বৈজ্ঞানিক সক্ষমতাকে যুদ্ধ প্রচেষ্টায় নিয়োজিত করেছিল, যা বেসামরিক ও সামরিক সম্পদের মধ্যকার পার্থক্যকে মুছে দিয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত, যার ফলে ৭ থেকে ৮.৫ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়, যেখানে সামরিক বাহিনীর চেয়ে বেসামরিক নাগরিক নিহতের সংখ্যা ছিল অনেক বেশি। [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] (যার মধ্যে [[w:ইহুদি_গণহত্যা|ইহুদি গণহত্যা]] অন্তর্ভুক্ত), সুপরিকল্পিত [[w:দুর্ভিক্ষ|দুর্ভিক্ষ]] এবং মহামারীর কারণে কোটি কোটি মানুষ প্রাণ হারায়। এই সংঘাতে [[:w:দ্বিতীয়_বিশ্বযুদ্ধ#যুদ্ধ_শুরু|বিমানবাহিনী বড় ভূমিকা পালন করে]], যার মধ্যে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় কৌশলগত বোমাবর্ষণ এবং যুদ্ধে একমাত্র [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্রের]] ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত ছিল। == যুদ্ধের সূত্রপাত == === ১৯৩৩ === * ''Du bist nichts; dein Volk ist alles.'' * ''তুমি কিছুই নও; তোমার জনগণই তোমার সবকিছু।'' ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', ''রেডেন, শ্রিফ্টেন, আনোর্ডনুঙেন: ফেব্রুয়ারি ১৯২৫ থেকে জানুয়ারি ১৯৩৩'' (পৃষ্ঠা ৪০৩) === ১৯৩৬ === * '''আজ এটি আমাদের ওপর দিয়ে যাচ্ছে। আগামীকাল এটি তোমাদের ওপর দিয়ে যাবে।''' ** '''''প্রথম হাইলি সেলাসি''''', দ্বিতীয় ইতালি-অ্যাবিসিনিয়া যুদ্ধের সমাপ্তির পর; ''টাইম'' ম্যাগাজিনের [https://web.archive.org/web/20090615032515/http://www.time.com/time/magazine/article/0,9171,917777,00.html?iid=chix-sphere "দ্য লায়ন ইজ ফ্রিড"] নিবন্ধে উদ্ধৃত (৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫) === ১৯৩৮ === * আমরা উত্তরোত্তর এটিই অনুভব করছিলাম যে সমগ্র ইউরোপীয় পরিস্থিতির একটি বাস্তব সমাধানই কেবল স্পেনকে রক্ষা করতে সমর্থ হতে পারে, যদি প্রকৃতপক্ষে স্পেনকে রক্ষা করার মতো কোনো সুযোগ বা সম্ভাবনা অবশিষ্ট থেকে থাকে। লিওন ব্লুমের নেতৃত্বাধীন সরকার অন্ততপক্ষে ফরাসি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে স্পেনের বিদ্যমান গুরুত্বটুকু আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে নিয়েছিল। তবে দালাদিয়ে গোষ্ঠী কেবল তাদের নিজস্ব দেশীয় ঘরানার ফ্যাসিবাদীদের সাথেই জোটবদ্ধ হয়নি, বরং তারা বিদেশি চক্রের সাথেও অত্যন্ত নিবিড়ভাবে হাত মিলিয়েছিল; যেখানে জাতীয় পরিচয়ের তুলনায় শ্রেণীগত পরিচয়ই তাদের নিকট অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ ও মুখ্য হিসেবে পরিগণিত হয়েছিল। ফ্রান্স কেন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না—এটি তখন একটি সাধারণ ও গতানুগতিক বুলিতে পরিণত হয়েছিল। হিটলার এবং তার সহযোগীরা যদি স্পেনের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে তবে ফ্রান্স যে তিনটি ভিন্ন দিক থেকে কৌশলগতভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে, তা ফরাসি শাসকরা হয় লক্ষ্য করতে সমর্থ হয়নি অথবা তারা এই পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন ছিল। ফরাসি সাধারণ জনগণ মনে-প্রাণে আমাদের আদর্শের সাথে যুক্ত ছিল; তারা হাজার হাজার উপযুক্ত সন্তান এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদানের মাধ্যমে আমাদের সহায়তা করেছিল; কিন্তু ফ্রান্সের তৎকালীন শাসকরা ছিল আমাদের অবস্থানের সম্পূর্ণ প্রতিকূলে। তাদের মনে ফ্যাসিবাদীদের প্রতি কোনো প্রকার বিদ্বেষ ছিল না, কারণ আদর্শগতভাবে তারা নিজেরাও ছিল ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার অনুসারী। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৮০ * লোকজন বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট থেকে [[:w:স্পেন|স্পেনে]] গমন করেছিলেন, তবে সেখানে আমার সাক্ষাৎ হওয়া প্রায় প্রত্যেকটি মানুষের অন্তরালে একটি সাধারণ অস্থিরতা এবং একপ্রকার একাকীত্ব বিদ্যমান ছিল। সম্মুখ সমরে এই মানুষগুলো শৃঙ্খলিত বিবেকপ্রসূত এক চরম মরিয়াভাব নিয়ে অত্যন্ত ক্ষিপ্রতার সাথে যুদ্ধ পরিচালনা করতেন; কিন্তু ব্যক্তিগত আলাপচারিতার মুহূর্তে তাদের মধ্যে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি সত্তার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা যেত। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৮১-১৮২ * হিটলার এবং মুসোলিনি কখনোই তাদের প্রেরিত সেই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীকে ফিরিয়ে নেওয়ার সামর্থ্য রাখতেন না, যাদের সদস্য সংখ্যা আমাদের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি ছিল। এর পাশাপাশি এটি অস্বীকার করার আর কোনো অবকাশ ছিল না যে, ব্রিটিশ সরকার আসলে স্পেনকে সম্পূর্ণ শ্বাসরোধ করার প্রচেষ্টায় ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলোর এক নিভৃত ও নীরব অংশীদার হিসেবে অবস্থান করছিল; এবং আমরা বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম বিস্ময়কর ও চরম নির্লজ্জ ভণ্ডামির এক নজিরবিহীন প্রদর্শনী প্রত্যক্ষ করছিলাম। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৯২-১৯৩ * তারা বিশ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে শুরু করেছিল, সব এমনভাবে মিশে গিয়েছিল যে তারা কী করছিল তা বোঝা যাচ্ছিল না। তাদের প্রপেলারের তীব্র শব্দ আমাদের কানে এমনভাবে আসছিল যেন তারা ঠিক আমাদের মাথার ওপরেই আছে। একে একে তিনটি বিমান অগ্নিশিখায় পরিণত হয়ে নিচে পড়ে গেল, আর হঠাৎ করেই বসন্তের ফুলের মতো দুটি [[w:প্যারাশুট|প্যারাশুট]] আকাশে ফুটে উঠল এবং ধীরে ধীরে নিচে নামতে লাগল। স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল যে মানুষগুলো তাদের প্যারাশুটগুলো যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে রশিগুলো ধরে প্রবলভাবে টানছে এবং পেন্ডুলামের ন্যায় এদিক-ওদিক দুলছে, আর ঠিক সেই মুহূর্তে ফ্যাসিবাদীদের যুদ্ধবিমানগুলো তাদের দিকে তীব্র গতিতে ধাবিত হয়ে মেশিনগান দিয়ে গুলিবর্ষণের চেষ্টা করছিল। "জারজগুলো!" অ্যারন তীব্র ক্ষোভের সাথে বলে উঠল। "ওদের কর্মকাণ্ড একবার দেখো, কুলাঙ্গারের দল!" আমাদের পক্ষীয় দুটি বিমান তখন অবতরণরত সেই পাইলটদের সুরক্ষা প্রদানের নিমিত্তে তাদের চারপাশ দিয়ে ধীরে ধীরে বৃত্তাকারে চক্কর দিচ্ছিল। অ্যারন পুনরায় মন্তব্য করল, "এটি প্রকৃতপক্ষেই এক নরকতুল্য যুদ্ধ।" ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ২৬৯ * কুয়াশা থাকার অর্থ ছিল কোনো বিমানের উপস্থিতি না থাকা, যার ফলে আমরা বিশ্রাম গ্রহণ করতে পারতাম। গতকাল তারা সারাদিনব্যাপী সক্রিয় ছিল; তারা আমাদের পশ্চাৎভাগের পিনেল, আমাদের ডানদিকের করবেরা ও গ্যানদেসা অভিমুখী সড়ক এবং মোরা ও আমাদের যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বোমাবর্ষণ পরিচালনা করছিল। আমরা পাহাড়ের চূড়া থেকে তাদের দেখতে পাচ্ছিলাম, তারা এক ভয়াবহ সারিতে অত্যন্ত ধীরগতিতে এই ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে চক্কর দিচ্ছিল এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে বিশাল বর্গাকার এলাকা জুড়ে সামনে-পেছনে ও ওপর-নিচে তাদের বীজ বপন করছিল; যার ফলে দীর্ঘ সময় বায়ুমণ্ডল ধোঁয়া ও ধুলোয় পূর্ণ ছিল এবং বিস্ফোরণের নিরন্তর শব্দে প্রকম্পিত হচ্ছিল।<br>আমাদের 'পম-পম' গানগুলো তাদের লক্ষ্য করে অত্যন্ত করুণভাবে গুলি ছুড়ছিল। এটি মূলত একটি দীর্ঘ ও হালকা ধরণের বিমান বিধ্বংসী বন্দুক যা বেশ কার্যকর ছিল, কিন্তু আমাদের কাছে এগুলো সংখ্যায় এতই সামান্য ছিল যে তারা এগুলোর প্রতি বিন্দুমাত্র মনোযোগ প্রদান করেনি। পঁচাত্তরটি বিমান আমাদের সেই নগণ্য গোলাগুলির মধ্য দিয়ে অত্যন্ত বিরক্তিকর স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে উড়ে যাচ্ছিল; কিন্তু যখন আমাদের পক্ষীয় দশটি বিমান আবির্ভূত হতো তখন তাদের এমন এক অগ্নিবলয়ের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হতো যা শত শত একর আকাশকে কালো করে ফেলত।<br>এটি ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক, আর এই পরিস্থিতির জন্য আপনি [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্সকে]] ধন্যবাদ দিতে পারেন; আপনি ধন্যবাদ দিতে পারেন [[:w:যুক্তরাজ্য|ইংল্যান্ড]] এবং তার 'হস্তক্ষেপহীনতা কমিটিকে'; আপনি ধন্যবাদ দিতে পারেন [[:w:ইতালি|ইতালি]] ও [[:w:জার্মানি|জার্মানিকে]] এবং পরিশেষে আপনি বিশেষভাবে ধন্যবাদ দিতে পারেন [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] ও তার 'নিরপেক্ষতা' আইনকে, যা ফ্রাঙ্কোর নিকট হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে ইতালি ও জার্মানিতে মার্কিন নির্মিত যুদ্ধাস্ত্র বিক্রির অনুমতি প্রদান করেছিল। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ২৮২-২৮৩ * ইউরোপ থেকে ভেসে আসা সংবাদগুলো পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিকতর শোচনীয় ছিল; [[:w:যুক্তরাজ্য|ইংল্যান্ড]] এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]] [[:w:চেকোস্লোভাকিয়া|চেকোস্লোভাকিয়াকে]] খণ্ডবিখণ্ড করার বিষয়ে একমত হয়েছিল এবং দেশটির নিকট সমঝোতার একটি 'পরিকল্পনা' পেশ করেছিল। এই পরিকল্পনাটি ছিল চরম পর্যায়ের নীতিভ্রষ্ট: এতে সুডেটেন অঞ্চলগুলোর সরাসরি হস্তান্তর, বৃহৎ [[:w:জার্মানি|জার্মান]] জনসংখ্যা অধ্যুষিত অন্যান্য অঞ্চলগুলোর [[:w:স্বায়ত্তশাসন|স্বায়ত্তশাসন]], অন্য পরাশক্তিগুলোর মধ্যে বড় ধরণের সংঘাতের ক্ষেত্রে চেকোস্লোভাকিয়ার 'নিরপেক্ষকরণ', এবং ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] ও [[:w:ইতালি|ইতালির]] পক্ষ থেকে দেশটির সীমান্ত রক্ষার প্রথাগত 'নিশ্চয়তা' অন্তর্ভুক্ত ছিল। খুনিরাই মৃতদেহকে সম্মান জানানোর নিশ্চয়তা দিচ্ছিল!<br>আমরা বিশ্বাস করেছিলাম যে বর্তমান চেক সরকার এই শর্তগুলো কখনোই গ্রহণ করবে না। তাদের নিকট ছিল একটি শ্রেষ্ঠ সেনাবাহিনী; তাদের জনগণ বছরের পর বছর প্রকৃত [[:w:গণতন্ত্র|গণতন্ত্রের]] স্বাদ গ্রহণ করেছিল। তাদের ছিল একটি সমৃদ্ধ সমরাস্ত্র শিল্প যা যে কাউকেই ঈর্ষান্বিত করতে পারত (অনেকে করতও)। আর তাই আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম যে ফ্রান্স তার পূর্বের প্রতিশ্রুতিগুলো রক্ষা করবে এবং ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের জনগণের তীব্র ক্ষোভ তাদের নিজ নিজ মন্ত্রিসভার পতন ঘটাবে। কিন্তু আমাদের ধারণা ভুল ছিল। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ৩৩৬-৩৩৭ * এভাবে লাঠি থেকে গাজর, সব ধরনের কৌশল অবলম্বন করে, শীর্ণকায় অস্ট্রিয়ান গাধাটিকে দিয়ে [[:w:নাৎসিবাদ|নাৎসি]] ঠেলাগাড়িটিকে এক ক্রমাগত খাড়া পাহাড়ের দিকে টেনে নেওয়া হচ্ছে। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "দ্য রেপ অফ অস্ট্রিয়া" পত্র (৬ জুলাই, ১৯৩৮); চার্চিলের ''স্টেপ বাই স্টেপ, ১৯৩৬-১৯৩৯'' (১৯৩৯) গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত, পৃষ্ঠা ২৬২ * অসংখ্য আক্রমণকারী সৈন্য কেবল পৈশাচিক ধর্ষণের মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ না রেখে তারা নারীদের পেট পর্যন্ত চিরে ফেলত, তাদের স্তনগুলো কেটে ফেলত এবং অনেককে জীবন্ত অবস্থায় দেয়ালের সাথে পেরেক দিয়ে গেঁথে ফেলেছিল! পরিবারের অন্য সদস্যদের চোখের সামনেই পিতাদেরকে বাধ্য করা হয়েছে তাদের নিজ কন্যাদের উপর পাশবিকতা চালাতে এবং একইভাবে পুত্রদের বাধ্য করা হয়েছে তাদের মায়েদের ধর্ষণ করতে । কেবল মানুষকে জীবন্ত মাটি চাপা দিয়ে কবর দেওয়া, খোজা করা, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নৃশংসভাবে কেটে নেওয়া এবং শুধু জ্যান্ত মানুষকে নির্মমভাবে পুড়িয়ে মারাটাই তাদের দৈনন্দিন রুটিনে পরিণত হয়নি, বরং সেখানে এর চেয়েও অনেক বেশি পৈশাচিক ও অবর্ণনীয় নির্যাতন চালানো হয়েছিল। যেমনঃ অসহায় মানুষের জিহ্বায় ধারালো লোহার হুক গেঁথে তাদের নির্মমভাবে ঝুলিয়ে রাখা কিংবা কোমর পর্যন্ত মাটির গভীরে পুঁতে দিয়ে হিংস্র [[w:জার্মান শেফার্ড|জার্মান শেফার্ড কুকুর]] লেলিয়ে দিয়ে তাদের শরীর জীবন্ত ছিঁড়ে খেতে দেখা। এই দৃশ্যগুলো এতটাই বীভৎস ও অবর্ণনীয় ছিল যে শহরের মধ্যে অবস্থানরত নাৎসি কর্মকর্তারাও শেষ পর্যন্ত চরমভাবে আতঙ্কিত ও স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিল। ** '''''আইরিস চ্যাং''''', ''দ্য রেপ অফ নানকিং'' (১৯৯৭); অরভিল শেল কর্তৃক পর্যালোচিত, [https://www.nytimes.com/books/97/12/14/reviews/971214.14schellt.html "বেয়ারিং উইটনেস"], ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৭) * আমাদের সময়ের শান্তি। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', হেস্টন বিমানবন্দরে দেওয়া ভাষণ (৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৮); বিবিসির "অন দিস ডে" সিরিজের অন্তর্ভুক্ত [http://news.bbc.co.uk/onthisday/hi/dates/stories/september/30/newsid_3115000/3115476.stm ১৯৩৮: "পিস ফর আওয়ার টাইম"] * আমি বিশ্বাস করি যে উভয় পক্ষের মধ্যেই আন্তরিকতা এবং সদিচ্ছা রয়েছে। আমার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ইউরোপের শান্তিকামীতার জন্য কাজ করা... চেকোস্লোভাকিয়ার প্রশ্নটি ছিল সর্বশেষ এবং সম্ভবত সবচেয়ে বিপজ্জনক সমস্যা। এখন যেহেতু আমরা এটি পেরিয়ে এসেছি, আমি অনুভব করছি যে সুস্থিরতার পথে আরও অগ্রগামী হওয়া সম্ভব সম্ভব হতে পারে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', মিউনিখ সম্মেলনে (৩ অক্টোবর, ১৯৩৮) তার কর্মকাণ্ডের (চেকোস্লোভাকিয়ার জার্মানভাষী অঞ্চলগুলো জার্মানিকে দিয়ে দেওয়া সহ) সপক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', খণ্ড ৮৮, সংখ্যা ২৯৪৭৩ (৪ অক্টোবর, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৪ * এটি কতখানি ভয়াবহ, অবিশ্বাস্য এবং একটি অকল্পনীয় একটি বিষয় যে, আমাদের এই আপন ভূমিতে দূর দেশের এমন কিছু মানুষের মধ্যেকার এক বিবাদের কারণে খন্দক খনন করতে হচ্ছে এবং শ্বাসরোধকারী গ্যাস মাস্ক পরিধান করে প্রত্যক্ষ করতে হচ্ছে, বলতে গেলে আমরা তাদের ব্যাপারে কিছুই জানিনা।<br>এটি ভাবতেও আরও অনেক বেশি অসম্ভব ও অবাস্তব বলে মনে হয় যে, একটি বিবাদ যা কি না ইতিমধ্যেই নীতিগতভাবে প্রায় মিমাংসা হয়ে গিয়েছে, তা শেষ পর্যন্ত আমাদের জন্য যুদ্ধের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', লন্ডনে দেওয়া জাতীয় বেতার ভাষণ (২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৮); চেম্বারলেনের ''ইন সার্চ অফ পিস'' (১৯৩৯) গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত, পৃষ্ঠা ১৭৪। তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। * নিঃসন্দেহে অনেক মানুষ আন্তরিকভাবেই এটি বিশ্বাস করেন যে, তারা কেবল চেকোস্লোভাকিয়ার স্বার্থগুলোই বিসর্জন দিচ্ছেন। অথচ আমার আশঙ্কা হলো, আমরা অচিরেই দেখতে পাব যে আমরা [[:w:যুক্তরাজ্য|গ্রেট ব্রিটেন]] এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] নিরাপত্তা ও এমনকি স্বাধীনতাকে গভীরভাবে আপস করে ফেলেছি এবং সম্ভবত এক মারাত্মক বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছি।<br>আমি পূর্বানুমান করছি এবং ভবিষ্যদ্বাণী করছি যে, এই নতিস্বীকারের নীতি অদূর ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে বাকস্বাধীনতা ও বিতর্কের ওপর, জনসভার মঞ্চগুলোতে এবং সংবাদপত্রের মুক্ত আলোচনার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ বয়ে আনবে। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', হিটলারের প্রতি প্রধানমন্ত্রী চেম্বারলেনের তোষণ নীতির কড়া সমালোচনা করে ব্রিটিশ [[:w:যুক্তরাজ্যের সংসদ|পার্লামেন্টে]] দেওয়া ভাষণ; র‍্যান্ডলফ এস. চার্চিল সম্পাদিত ''ইনটু ব্যাটেল'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৫০ * কী এক হযবরল অবস্থা! আমাদের শত্রুরা যদি জানত যে আমরা সব কিছুকে কতটা তালগোল পাকিয়ে ফেলেছি! বেনেৎস লড়াই না করে এক মস্ত বড় বোকামি করেছেন! ** '''''ভাল্টার ফন রাইখেনাউ''''', চেকোস্লোভাকিয়ার সুডেটেনল্যান্ড অঞ্চলটি জার্মানিতে অন্তর্ভুক্ত করার পর কার্লসব্যাডের পার্ক হোটেলে (৩ অক্টোবর, ১৯৩৮); লিওনার্ড মোসলে রচিত ''অন বরোড টাইম: হাউ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু বিগান'' (১৯৬৪), পৃষ্ঠা ৭৮ গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ১৯৩৯ === * আমেরিকার সীমান্ত আজ [[:w:রাইন নদী|রাইন নদীর]] তীরে অবস্থিত। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]]''''', হোয়াইট হাউসে সামরিক বিষয়ক সিনেট কমিটির এক নির্বাহী অধিবেশনে (৩১ জানুয়ারি, ১৯৩৯) তাঁর প্রতি আরোপিত উক্তি; হুইটনি এইচ শেপার্ডসন এবং উইলিয়াম ও স্ক্রগস রচিত ''দ্য ইউনাইটেড স্টেটস ইন ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স'' (১৯৪০) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০৪। এই মন্তব্যের প্রতিবেদন মার্কিন বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং জার্মান সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল, অন্যদিকে ব্রিটিশ ও ফরাসিদের মনে এটি সাহসের সঞ্চার করেছিল। রুজভেল্ট এই মন্তব্যটিকে জোরালোভাবে অস্বীকার করেন এবং ৩ ফেব্রুয়ারির এক সংবাদ সম্মেলনে এটিকে একটি "ইচ্ছাকৃত মিথ্যা" বলে অভিহিত করেন। ''দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট'', ১৯৩৯' (১৯৪১), পৃ. ১১৩. প্রতিনিধি জন এ. মার্টিন সামরিক বিমান নির্মাণ সংক্রান্ত একটি আলোচনার সময় হাউসে তাঁর মন্তব্যে এই বিষয়টি উল্লেখ করেন: "রাষ্ট্রপতির একটি কথিত ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়ে একটি তুমুল বিতর্ক চলছে যে আমেরিকার সীমান্ত রাইন নদীর তীরে অবস্থিত। তিনি একথা বলুন বা না বলুন, আমেরিকার সীমান্ত রাইন নদীর তীরে এবং তার বাইরেও ছিল। একটি আমেরিকান সেনাবাহিনী জার্মানির মাটিতে পা রেখেছে। আমেরিকার সীমান্ত ইউরোপ, আফ্রিকা এবং এশিয়ার উপকূলে ছিল, যখন সেই উপকূলগুলো আজকের তুলনায় আমাদের থেকে অনেক বেশি দূরে ছিল"। ''কংগ্রেসনাল রেকর্ড'' (ফেব্রুয়ারি ১৪, ১৯৩৯), খণ্ড ৮৪, পৃষ্ঠা ১৩৯৪। * এটি সম্পূর্ণ অসত্য যে আমি, অথবা জার্মানির অন্য কেউ ১৯৩৯ সালে একটি যুদ্ধ চেয়েছিল। এই যুদ্ধটি কেবলমাত্র সেইসব আন্তর্জাতিক রাজনীতিবিদদের দ্বারা কাঙ্ক্ষিত এবং প্ররোচিত ছিল যারা হয় ইহুদি বংশোদ্ভূত ছিল, অথবা ইহুদিদের স্বার্থের জন্য কাজ করত... তিনি জার্মান জাতির অভিজাত শ্রেণীকে জানিয়েছিলেন 'সকল মানুষের বিশ্ব-বিষকার, আন্তর্জাতিক ইহুদিতন্ত্রের, বিরুদ্ধে নির্মম প্রতিরোধ গড়ে তুলতে'। ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', এইচ. আর. ট্রেভর-রোপার রচিত ''দ্য লাস্ট ডেইজ অফ হিটলার'', লন্ডন (১৯৫০) গ্রন্থে উদ্ধৃত। * [[:w:এনরিকো ফের্মি|ই. ফের্মি]] এবং [[:w:লিও জিলার্ড|এল. জিলার্ডের]] পরিচালিত সাম্প্রতিক কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও পাণ্ডুলিপি... আমাকে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে এই প্রত্যাশা করতে উদ্বুদ্ধ করেছে যে, অতি অদূর ভবিষ্যতে [[:w:ইউরেনিয়াম|ইউরেনিয়াম]] মৌলটি এক অভাবনীয় শক্তির নতুন এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রধান উৎসে পরিণত হতে পারে। উদ্ভূত বর্তমান পরিস্থিতির কিছু অত্যন্ত সংবেদনশীল দিক এখন বিশেষ সতর্কতার দাবি রাখে এবং প্রয়োজনবোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন বলে আমি গভীরভাবে মনে করি...।<br>বিগত মাত্র চার মাসের নিরবচ্ছিন্ন গবেষণার ফলে এখন এটি পুরোপুরি সম্ভবপর হয়ে উঠেছে যে, ইউরেনিয়ামের একটি নির্দিষ্ট ও বিশাল ভরের অভ্যন্তরে একটি নিয়ন্ত্রিত নিউক্লীয় শৃঙ্খল বিক্রিয়া বা চেইন রিঅ্যাকশন সফলভাবে তৈরি করা যেতে পারে, যার অভাবনীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বিধ্বংসী শক্তি উৎপন্ন হবে। বর্তমানে এখন এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রায় নিশ্চিত যে অদূর ভবিষ্যতে এই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা পুরোপুরি সম্ভব হবে।<br>এই অভাবনীয় নতুন বৈজ্ঞানিক ঘটনাটি অত্যন্ত শক্তিশালী মারণাস্ত্র বা বোমা তৈরির প্রশস্ত পথও উন্মোচন করতে পারে এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে এমনটি ভাবা যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত বলে প্রতীয়মান হয়। যদিও বর্তমানে কিছুটা কম নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে যে, এই নির্দিষ্ট প্রযুক্তির সাহায্যে বাস্তবে একটি নতুন ধরণের অভাবনীয় ও অত্যন্ত শক্তিশালী বোমা তৈরি করা পুরোপুরি সম্ভব কি না। এই ধরণের একটিমাত্র বিধ্বংসী বোমা, যা কোনো সাধারণ নৌকায় করে কৌশলগত কোনো বন্দরে নিয়ে গিয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটালে, তা অনায়াসেই পুরো বন্দর এলাকা এবং তার আশেপাশের বিশাল জনপদ মুহূর্তেই ধ্বংস করে দিতে পারে। তবে, প্রাথমিক অবস্থায় এই ধরণের মারণ বোমাগুলো আকাশপথে নিরাপদ পরিবহনের জন্য সম্ভবত অনেক বেশি ভারী বলে প্রমাণিত হতে পারে...।<br>উদ্ভূত এই বিশেষ পরিস্থিতির গুরুত্বের প্রেক্ষিতে আপনি হয়তো আপনার প্রশাসনের সাথে আমেরিকায় চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ে নিরলস কাজ করা নিবেদিতপ্রাণ পদার্থবিজ্ঞানীদের দলের একটি স্থায়ী ও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখা অত্যন্ত সমীচীন এবং দূরদর্শী পদক্ষেপ বলে মনে করবেন। ** পদার্থবিজ্ঞানী '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''' কর্তৃক প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টকে লেখা চিঠি (২ আগস্ট, ১৯৩৯; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার এক মাস আগে); যেখানে তিনি নাৎসি জার্মানি কর্তৃক পারমাণবিক বোমা তৈরির বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এটি পরবর্তীতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সূত্রপাত ঘটায়: <br>(১) নাৎসি জার্মানির সাথে যুদ্ধে লিপ্ত সকল দেশকে সাহায্য করার জন্য রুজভেল্টের প্রচেষ্টা, যাতে জার্মানি পারমাণবিক বোমা তৈরির আগেই তাদের পরাজিত করা যায়, এবং <br>(২) অত্যন্ত গোপনীয় "[[:w:ম্যানহাটন প্রকল্প|ম্যানহাটন প্রকল্প]]", যেখানে সরকার প্রকৃতপক্ষে পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য "আমেরিকার চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ে কাজ করা পদার্থবিজ্ঞানীদের দলের" সাথে একত্রে কাজ করেছিল। * পুরো ইউরোপ জুড়ে, না, বরং পুরো বিশ্ব জুড়েই একটি নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে...। হায়! এটি আসলে এক চরম উত্তেজনার নিস্তব্ধতা এবং অনেক দেশেই এটি এক ভয়াবহ আতঙ্কের নিস্তব্ধতা। শুনুন! না, মন দিয়ে শুনুন, আমি মনে হয় কিছু একটা শুনতে পাচ্ছি—হ্যাঁ, এটি বেশ স্পষ্ট ছিল। আপনারা কি শুনতে পাচ্ছেন না? এটি হলো কুচকাওয়াজের ময়দানের নুড়ি পাথর মাড়িয়ে ধেয়ে আসা বিশাল সেনাবাহিনীর পদধ্বনি, বৃষ্টিতে ভেজা কর্দমাক্ত মাঠ দিয়ে এগিয়ে চলা দুই মিলিয়নেরও বেশি জার্মান সৈন্য এবং এক মিলিয়নেরও বেশি ইতালীয় সৈন্যের ভারী বুটের শব্দ, যারা কেবল "মহড়া দিতে যাচ্ছে"—হ্যাঁ, শুধুই মহড়া! ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "এ হাশ ওভার ইউরোপ" (ইউরোপ জুড়ে নিস্তব্ধতা) শীর্ষক ভাষণ; লন্ডন থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে প্রচারিত (৮ আগস্ট, ১৯৩৯); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬১৫০। == যুদ্ধের শুরু == === ১৯৩৯ === [[File:The British Army in France 1940 F2441.jpg|thumb|right|এখন যেহেতু আমরা এটি শেষ করার সংকল্প করেছি, আমি জানি যে আপনারা সবাই শান্ত থেকে এবং সাহসের সাথে আপনাদের ভূমিকা পালন করবেন। ~ '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''']] * আমি ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে আপনাদের উদ্দেশ্যে বলছি। আজ সকালে বার্লিনে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত জার্মান সরকারকে একটি চূড়ান্ত নোট প্রদান করেছেন, যাতে বলা হয়েছে যে, যদি না আমরা বেলা ১১টার মধ্যে তাদের কাছ থেকে এই মর্মে কোনো নিশ্চয়তা পাই যে তারা অবিলম্বে [[:w:পোল্যান্ড|পোল্যান্ড]] থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করতে প্রস্তুত, তবে আমাদের মধ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হবে। আমাকে এখন আপনাদের জানাতে হচ্ছে যে, এ ধরণের কোনো প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি এবং এর ফলে এই দেশ এখন জার্মানির সাথে যুদ্ধে লিপ্ত। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) * তাঁর কর্মকাণ্ড চূড়ান্তভাবে এটিই প্রমাণ করে যে, এই ব্যক্তি নিজের ইচ্ছা চরিতার্থ করার জন্য শক্তি প্রয়োগের যে পথ বেছে নিয়েছেন, তা তিনি কোনোদিন ত্যাগ করবেন। এমন কোনো প্রত্যাশা করার সুযোগ নেই। তাঁকে কেবলমাত্র শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমেই থামানো সম্ভব। আজ আমরা এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]], আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে সেই [[:w:পোল্যান্ড|পোল্যান্ডের]] এর দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, যারা তাদের জনগণের ওপর এই জঘন্য এবং বিনা উস্কানিতে হওয়া আক্রমণের বিরুদ্ধে অত্যন্ত সাহসের সাথে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) * জার্মানির শাসকের দেওয়া কোনো কথা যখন আর বিশ্বাস করা যায় না এবং কোনো জাতি বা দেশ নিজেকে নিরাপদ মনে করতে পারে না—এমন একটি পরিস্থিতি আজ অসহনীয় হয়ে উঠেছে। এখন যেহেতু আমরা এটি শেষ করার সংকল্প করেছি, আমি জানি যে আপনারা সবাই শান্ত থেকে এবং অদম্য সাহসের সাথে আপনাদের নিজ নিজ ভূমিকা পালন করবেন। ** '''''[[w:নেভিল চেম্বারলেনhttps://bn.wikipedia.org/wiki/নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) * ঈশ্বর আপনাদের সবার মঙ্গল করুন এবং ন্যায়ের পক্ষকে রক্ষা করুন। কারণ আমরা আজ অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে যাচ্ছি। যা শুধু পাশবিক শক্তি, বিশ্বাসভঙ্গ, অন্যায়, নিপীড়ন এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়াই। আর আমি নিশ্চিত যে, এদের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত ন্যায়েরই জয় হবে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) === ১৯৪০ === * আমাদের এই দ্বীপের, আমাদের সাম্রাজ্যের এবং বস্তুতপক্ষে অপরাধীদের বাসস্থান ব্যতীত সারা বিশ্বের প্রতিটি বাড়ির কৃতজ্ঞতা সেই ব্রিটিশ বিমানসেনাদের প্রতি নিবেদিত, যাঁরা প্রতিকূলতায় অদম্য, নিরন্তর সংগ্রাম ও মরণপণ বিপদের মুখে অক্লান্ত থেকে নিজেদের বীরত্ব ও নিষ্ঠার দ্বারা বিশ্বযুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিচ্ছেন। এই মানব সংঘাতের ইতিহাসে এত অল্পসংখ্যক মানুষের কাছে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের এত বেশি ঋণ আর কখনও দেখা যায়নি। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:ব্রিটেনের যুদ্ধ|ব্রিটেনের যুদ্ধের]] সময় ব্রিটিশ হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (২০ আগস্ট, ১৯৪০); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬২৬৬। * '''আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব, আমরা ফ্রান্সে লড়াই করব, আমরা সমুদ্র ও মহাসাগরগুলোতে লড়াই করব, আমরা আকাশে ক্রমবর্ধমান আত্মবিশ্বাস ও ক্রমবর্ধমান শক্তি নিয়ে লড়াই করব, আমরা আমাদের দ্বীপকে রক্ষা করব, এর মূল্য যাই হোক না কেন। আমরা লড়াই করব সৈকতে, আমরা লড়াই করব অবতরণ ক্ষেত্রে, আমরা লড়াই করব মাঠে ও রাস্তায়, আমরা লড়াই করব পাহাড়ে। আমরা কখনোই আত্মসমর্পণ করব না। আর এমনকি যদি—যা আমি এক মুহূর্তের জন্যও বিশ্বাস করি না যে এই দ্বীপ বা এর বিশাল অংশ পরাধীন হয় এবং অনাহারে থাকে, তবে সমুদ্রের ওপারে আমাদের সাম্রাজ্য ব্রিটিশ নৌবহর দ্বারা সশস্ত্র ও সুরক্ষিত থেকে সংগ্রাম চালিয়ে যাবে। যতক্ষণ না ঈশ্বরের শুভ সময়ে এক নতুন বিশ্ব, তার সমস্ত শক্তি ও সামর্থ্য নিয়ে পুরাতন বিশ্বকে উদ্ধার ও মুক্ত করতে এগিয়ে আসছে।''' ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', ব্রিটিশ হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (৪ জুন, ১৯৪০)। এটি লক্ষ্য করা হয়েছে যে, এই ভাষণের সবচেয়ে বিখ্যাত অংশটি, যা "আমরা সৈকতে লড়াই করব" দিয়ে শুরু হয়ে "আমরা কখনোই আত্মসমর্পণ করব না" দিয়ে শেষ হয়েছে, তার প্রতিটি শব্দই [[:w:প্রাচীন ইংরেজি ভাষা|প্রাচীন ইংরেজি]] (অ্যাংলো-স্যাক্সন) থেকে উদ্ভূত; কেবল "সারেন্ডার" বা 'আত্মসমর্পণ' শব্দটি বাদে—যা প্রাচীন ফরাসি থেকে এসেছে। * আমার নিজের পূর্ণ আত্মবিশ্বাস রয়েছে যে, যদি সবাই তাদের কর্তব্য পালন করে, যদি কোনো কিছু অবহেলা না করা হয় এবং যদি সর্বোত্তম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। যেমনটি এখন করা হচ্ছে, তবে আমরা আবারও আমাদের দ্বীপ-মাতৃভূমিকে রক্ষা করতে, যুদ্ধের এই ঝড় কাটিয়ে উঠতে এবং স্বৈরাচারের হুমকিকে পরাস্ত করতে সক্ষম বলে নিজেদের প্রমাণ করবই; প্রয়োজনে বছরের পর বছর, দরকার হলে একাই। * জেনারেল ওয়েগাঁ যে সংঘাতকে অত্যন্ত যথাযথভাবে [[w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ফ্রান্সের সামরিক ইতিহাস|ফ্রান্সের যুদ্ধ]] বলে অভিহিত করেছিলেন, তার পরিসমাপ্তি ঘটেছে। আমি এখন দৃঢ়ভাবে আশা করছি যে, চূড়ান্ত ও নির্ণায়ক [[w:ব্রিটেনের যুদ্ধ|ব্রিটেনের যুদ্ধ]] অতি শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে। এই মহাযুদ্ধের ফলাফলের ওপর সমগ্র খ্রিস্টান সভ্যতার টিকে থাকা এবং ভবিষ্যৎ অস্তিত্ব নির্ভর করছে। এর ওপর সরাসরি নির্ভর করছে আমাদের নিজস্ব ব্রিটিশ জীবনধারা এবং আমাদের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ও সাম্রাজ্যের সুদীর্ঘ মহান ধারাবাহিকতা। শত্রুর পুঞ্জীভূত সমস্ত ক্রোধ ও ধ্বংসাত্মক শক্তি খুব শীঘ্রই আমাদের এই ভূখণ্ডের ওপর সজোরে আছড়ে পড়বে। হিটলার অত্যন্ত ভালোভাবেই জানে যে তাকে হয় এই দ্বীপে আমাদের সম্পূর্ণরূপে পরাস্ত করতে হবে, নয়তো তাকে এই মহাযুদ্ধে চূড়ান্ত হার মানতে হবে।<br>আমরা যদি সাহসের সাথে তাঁর বিরুদ্ধে ইস্পাতকঠিন সংকল্প নিয়ে রুখে দাঁড়াতে পারি, তবে অচিরেই সমগ্র ইউরোপ নাৎসিদের দাসত্ব থেকে মুক্ত হতে পারে এবং সমগ্র বিশ্বের জীবনপ্রবাহ এক বিস্তৃত, সূর্যালোকিত উচ্চভূমির দিকে সফলভাবে এগিয়ে যেতে পারে। কিন্তু যদি আমরা কোনোভাবে ব্যর্থ হই, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সমগ্র বিশ্ব এবং আমরা যা কিছু জানি ও হৃদয়ে পরোয়া করি, তার সবই এক ভয়াবহ নতুন অন্ধকার যুগের অতল গহ্বরে চিরতরে তলিয়ে যাবে। যা বিকৃত বিজ্ঞানের অশুভ আলোকচ্ছটায় আরও অনেক বেশি পৈশাচিক এবং সম্ভবত ইতিহাসের দীর্ঘস্থায়ী এক নরক হবে। তাই আসুন আমরা আমাদের পবিত্র কর্তব্যে অবিচল থাকি এবং নিজেদের এমন আদর্শিকভাবে পরিচালিত করি যেন, যদি [[:w:ব্রিটিশ সাম্রাজ্য|ব্রিটিশ সাম্রাজ্য]] এবং তার [[:w:কমনওয়েলথ অফ নেশনস|কমনওয়েলথ]] আরও হাজার বছর মহিমায় টিকে থাকে, তবে অনাগত ভবিষ্যতের মানুষ যেন আজও বলে, "এটিই ছিল তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সময়।" ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (১৮ জুন, ১৯৪০) * ফ্রান্স একটি যুদ্ধে হেরেছে, কিন্তু ফ্রান্স এই পুরো যুদ্ধে হারেনি। ** '''''[[:w:শার্ল দ্য গোল|শার্ল দ্য গোল]]''''', মুক্ত ফরাসি বাহিনীর নেতা, [[:w:১৮ জুনের আবেদন|১৮ জুনের আবেদনে]]। * আমি সেই ঐতিহাসিক জুন মাসে বিজয়ী জার্মান সেনাবাহিনীর পিছু পিছু বিধ্বস্ত প্যারিসে প্রবেশ করেছিলাম... এবং ১৯ জুন হিটলার ঠিক কোথায় তাঁর সুনির্দিষ্ট যুদ্ধবিরতির শর্তাবলী পেশ করতে যাচ্ছেন, সেই গোপন খবরটি পাই। এটি ঠিক সেই একই ঐতিহাসিক স্থানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছিল যেখানে ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর পতনোন্মুখ জার্মান সাম্রাজ্য ফ্রান্স এবং তার মিত্রশক্তির কাছে বিনাশর্তে আত্মসমর্পণ করেছিলঃ কম্পিয়েন অরণ্যের সেই নির্জন ও ছোট্ট একটি খোলা জায়গায়। সেখানে নাৎসি যুদ্ধবাজ তাঁর দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত প্রতিশোধ চরিতার্থ করতে যাচ্ছিলেন... ১৯ জুনের শেষ বিকেলে আমি সেখানে গাড়ি চালিয়ে যাই এবং সবিস্ময়ে দেখতে পাই জার্মান সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়াররা ১৯১৮ সালে মহাযুদ্ধ শেষ হওয়া সেই স্মৃতিবিজড়িত রেলগাড়িটি] জাদুঘর থেকে টেনে বের করে এনে অরণ্যের ঠিক মাঝখানে সেই নির্দিষ্ট স্থানে পুনঃস্থাপন করছে। তাদের নিখুঁত হিসাব মতে, ১৯১৮ সালের নভেম্বরের সেই কুয়াশাচ্ছন্ন ভোর ৫টায় এটি ঠিক এখানেই দাঁড়িয়ে ছিল, যখন ফরাসি মার্শাল ফের্দিনঁ ফশের কঠোর নির্দেশে জার্মান প্রতিনিধিরা গ্লানিময় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।<br>এবং এভাবেই ২১ জুন বিকেলে আমি কম্পিয়েন অরণ্যের প্রান্তে দাঁড়িয়ে স্বয়ং হিটলারের সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক বিজয় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করি। আমি একদৃষ্টিতে হিটলারের মুখের প্রতিটি অভিব্যক্তি তীক্ষ্ণভাবে লক্ষ্য করছিলাম। আমি তাঁর অবস্থান থেকে মাত্র পঞ্চাশ গজ দূরে ছিলাম এবং শক্তিশালী দূরবীন দিয়ে তাঁকে এমনভাবে দেখছিলাম যেন তিনি ঠিক আমার সামনেই রক্ত-মাংসের শরীরে দাঁড়িয়ে আছেন। আমি তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের অনেক বড় বড় মাহেন্দ্রক্ষণে সেই পরিচিত মুখটি বারবার দেখেছি। কিন্তু আজ! চরম ঘৃণা, তীব্র ক্রোধ, অন্ধ বিদ্বেষ, প্রতিশোধের নেশা আর বিজয়ের উন্মাদনায় সেই মুখটি যেন এক পৈশাচিক তেজে জ্বলছে। ** মার্কিন যুদ্ধ সংবাদদাতা '''''উইলিয়াম এল. শায়রার''''', তাঁর ''দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য থার্ড রাইখ'' (১৯৬০) গ্রন্থে। * হিটলার তাঁর অধীনে থাকা সমস্ত ভয়াবহ শক্তি দিয়ে আঘাত হানছেন। এটি তাঁর এক বেপরোয়া বাজি, আর এর বাজিটি হলো সমগ্র মানবজাতির ওপর আধিপত্য বিস্তার করা।<br>যদি হিটলার ইউরোপে জয়ী হন, তবে ব্রিটিশ ও ফরাসি সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর শক্তি চিরতরে ভেঙে পড়বে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে এক বর্বর পৃথিবীতে একা খুঁজে পাবে। যে পৃথিবী শাসিত হবে নাৎসিদের দ্বারা, যেখানে তাদের সর্বগ্রাসী মিত্রদের জন্য 'প্রভাববলয়' নির্ধারিত থাকবে। জাতিগতভাবে এই একনায়কতন্ত্রগুলো ভিন্ন হতে পারে, তবে তারা সবাই একটি প্রাথমিক লক্ষ্যে একমত: 'গণতন্ত্রকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলতে হবে।'...<br>যুদ্ধ থেকে দূরে থাকার ইচ্ছা পোষণ করা, আধুনিক যুদ্ধের অবর্ণনীয় নরক থেকে, ডাইভ বোমারু বিমান এবং অগ্নিবর্ষণকারী ট্যাঙ্ক থেকে আমাদের তরুণ সমাজকে রক্ষা করার ইচ্ছার মধ্যে লজ্জার কিছু নেই।<br>কিন্তু যারা বর্তমানে আমাদের এবং এই নরক সৃষ্টিকারীদের মাঝে দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, তাদের সাহায্য করতে আমাদের ব্যর্থতা কি আত্মঘাতী উন্মাদনার প্রমাণ নয়? ** 'কমিটি টু ডিফেন্ড আমেরিকা'র একটি সংবাদপত্র বিজ্ঞাপন, যাদের আদর্শ প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের সাথে হুবহু মিলে যেত; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১০ জুন, ১৯৪০), পৃষ্ঠা ৩৬ এল। * মিত্রপক্ষকে যুদ্ধ ব্যতিরেকে সমস্ত ধরণের সাহায্য প্রদান। ** প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক নিরপেক্ষতার নতুন সংজ্ঞা; বার্টন কে. হুইলারের বর্ধিত মন্তব্য (৭ জুন, ১৯৪০), যা ''অ্যাপেন্ডিক্স টু দ্য কংগ্রেসনাল রেকর্ড: ৭৬তম কংগ্রেস, ৩য় অধিবেশন'', খণ্ড ৮৬, অংশ ১৬ (৬ জুন, ১৯৪০ - ৬ আগস্ট, ১৯৪০), ৩৬৭৭ পৃষ্ঠায় মুদ্রিত। * আমাদের অবশ্যই গণতন্ত্রের এক বিশাল অস্ত্রাগার বা শক্তি হয়ে উঠতে হবে। ** ১৯৪০ সালের মে-জুন মাসে জার্মানির কাছে ফ্রান্সের পরাজয়ের পর ব্রিটিশদের অস্ত্র সরবরাহ করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|রুজভেল্ট]]'''''; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৩০ ডিসেম্বর, ১৯৪০), পৃষ্ঠা ৬ এল। * প্রথমে তারা অংশ নিতে ভয় পেয়েছিল, চরম ভীরুতা দেখিয়েছিল। আর এখন তারা তাড়াহুড়ো করছে যাতে লুটের মালের ভাগ বসাতে পারে। ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', ১৯৪০ সালের ১০ জুন ফ্রান্স ও গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ইতালির যুদ্ধ ঘোষণার প্রেক্ষাপটে; [[:w:মার্টিন গিলবার্ট|মার্টিন গিলবার্ট]] রচিত ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার: এ কমপ্লিট হিস্ট্রি'' (২০০৪), পৃষ্ঠা ৯০। * ১৯৪০ সালের জুনের এই দশম দিনে, যে হাতটি ছুরি ধরেছিল, সেটি তার প্রতিবেশীর পিঠে সেই ছুরিটি বসিয়ে দিয়েছে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]]''''', ১৯৪০ সালের ১০ জুন ফ্রান্স ও ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ইতালির যুদ্ধ ঘোষণার প্রেক্ষাপটে; মার্টিন গিলবার্ট রচিত ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার'' (২০০৪), পৃষ্ঠা ৯০। * আমি এটি আগেও বলেছি, তবে আমি আবারও বারবার বলবঃ আপনাদের সন্তানদের কোনো বিদেশি যুদ্ধে পাঠানো হবে না। ** পুনর্নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রেসিডেন্ট '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|রুজভেল্ট]]''''' কর্তৃক প্রদত্ত বক্তব্য; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৩১ অক্টোবর, ১৯৪০), পৃষ্ঠা ১৪ এল+। * এই হত্যাকাণ্ড তার নিজের ইচ্ছামতো চলতে পারে, তবে এটি পশ্চিমা শক্তিগুলোর এক ঐতিহাসিক অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে যে, জার্মানি যে অবিরাম আক্রমণাত্মক রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছিল, তার বিরুদ্ধে তারা অবিলম্বে কঠোরতম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এর জন্য অনেক সুযোগ বিদ্যমান ছিল, কিন্তু কোনো পদক্ষেপই গ্রহণ করা হয়নি। ** '''''ফ্রিডরিখ কেলনার''''', জার্মানির প্রধান বিচার পরিদর্শক; ১৯৪০ সালের ২৯ মে তাঁর ডায়েরির পাতায় এই আক্ষেপ প্রকাশ করেন। * আমি আমেরিকায় বড় হওয়া এক মানুষ,<br>আমি এখানে ঘৃণা করার মতো অনেক কিছু দেখেছি, অনেক কিছু ক্ষমাও করেছি,<br>কিন্তু এমন এক পৃথিবীতে যেখানে ইংল্যান্ড নিঃশেষ এবং মৃত,<br>সেখানে আমি বেঁচে থাকতে চাই না। ** '''''অ্যালিস ডুয়ের মিলার''''', ''দ্য হোয়াইট ক্লিফসের'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৪০) শেষ পঙক্তিমালা। === ১৯৪১ === * আমাদের শুধু সরঞ্জামগুলো দিন, বাকি কাজটুকু আমরাই শেষ করব। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', লন্ডনে প্রচারিত বেতার ভাষণ (৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪১); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬৩৫০। * আমাদের ত্যাগের মানসিকতার চেয়ে ভোগবিলাসের আকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল। আমরা দেওয়ার চেয়ে পাওয়ার দিকেই বেশি আগ্রহী ছিলাম। আমরা পরিশ্রমকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি, যার ফলশ্রুতিতে এই মহাবিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে। ** '''''ফিলিপ পেত্যাঁ'''''; ১৯৪১ সালের মে মাসে 'নেশনস বিজনেসে' প্রকাশিত হ্যাটন ডব্লিউ সামারসের "ডেঞ্জার: মেন নট অ্যাট ওয়ার্ক!" শীর্ষক নিবন্ধের ক্যাপশনে তাঁর প্রতি এই উক্তিটি আরোপ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, "ফরাসিরা মার্শাল পেত্যাঁ-র কণ্ঠে হারানো ফ্রান্সের প্রতি এই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সঙ্গীতটি শুনেছে।" * লেন্ড-লিজ নীতিটি যখন শেষ পর্যন্ত আইনগত রূপ পরিগ্রহ করল, তখন এটি গ্রেট ব্রিটেনের প্রতি পূর্ণ সহমর্মী আমেরিকান কংগ্রেস এবং সমগ্র জাতিকে এক প্রকার স্তব্ধ ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় করে দিয়েছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কাইজার ভিলহেল্মের পক্ষ থেকে অস্ট্রিয়া-হাঙ্গারিকে দেওয়া সেই বহুল আলোচিত ব্লাঙ্ক চেক বা অবারিত সুযোগটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এই প্রেক্ষাপটে রুজভেল্টের দেওয়া বর্তমান ব্লাঙ্ক চেকের কাছে নিতান্তই নস্যি মাত্র। এটি আমেরিকার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার মনের মধ্যে থাকা চরম আশঙ্কাকেই শেষ পর্যন্ত নির্মমভাবে সত্য প্রমাণ করেছে এবং অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বর্তমান প্রেসিডেন্টকে এক ভয়ংকর যুদ্ধবাজ হিসেবে বিশ্বমঞ্চে চিহ্নিত করেছে...।<br>আমেরিকান সাধারণ জনগণকে এর আগে ইতিহাসের আর কোনো পর্যায়েই তাদের কষ্টার্জিত করের অর্থ অন্য কোনো দেশকে অকাতরে দেওয়ার জন্য এমন নজিরবিহীনভাবে বাধ্য করা হয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসকে এর আগে কোনো প্রেসিডেন্ট কখনও এভাবে প্রকাশ্যে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করার ধৃষ্টতাপূর্ণ অনুরোধ জানাননি। এই মহান জাতি আগে কখনও তাদের বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এমন দ্বিমুখী ও দ্বিচারিতামূলক আচরণের নির্লজ্জ আশ্রয় গ্রহণ করেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর আগে কখনও একক কোনো ব্যক্তির খেয়ালি হাতের মুঠোয় দেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করার এমন অপ্রতিহত ক্ষমতা তুলে দেয়নি।<br>এই বিতর্কিত আইন অনুমোদনের প্রকৃত অর্থ হলো সরাসরি যুদ্ধের পথে পা বাড়ানো, যা হবে এক উন্মুক্ত এবং সর্বাত্মক বিনাশী যুদ্ধ। তাই আমেরিকান জনগণ এটি মুখ বুজে নিঃশব্দে মেনে নেওয়ার আগে আমি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তাদের কাছে একটি মৌলিক প্রশ্ন করতে চাই যে 'গত রক্তক্ষয়ী বিশ্বযুদ্ধটি কি আদৌ কোনোভাবে সার্থক ছিল?'<br>যদি সেই যুদ্ধ সার্থক হয়েই থাকে, তবে আমাদের অবশ্যই বর্তমান যুদ্ধ উপকরণগুলো নির্দ্বিধায় ধার দেওয়া উচিত। যদি সার্থক হয়ে থাকে, তবে আমাদের প্রাণপ্রিয় আমেরিকান সন্তানদেরও যুদ্ধের ময়দানে একইভাবে ধার দেওয়া উচিত। প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে ইংল্যান্ড ভবিষ্যতে আমাদের এই সমস্ত ঋণ পরিশোধ করবে। হ্যাঁ, আমি নিশ্চিতভাবে বলছি তারা অবশ্যই ঋণ পরিশোধ করবে...।<br>আমাদের ছেলেরা একদিন ঠিকই ফিরে আসবে। হয়তো কাঠের কফিনে করে প্রাণহীন দেহে, হয়তো সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে, অথবা উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিধ্বংসী কামানের গোলার আর্তনাদ আর শিউরে ওঠা বিভীষিকাময় দৃশ্য দেখে বিকৃত মস্তিষ্কে তারা আপন ঘরে ফিরে আসবে! ** মন্টানার মার্কিন সিনেটর '''''বার্টন কে. হুইলার''''', লেন্ড-লিজ আইনের বিরোধিতা করে; ''কংগ্রেসনাল রেকর্ড: ৭৭তম কংগ্রেস'', খণ্ড ৮৭, অংশ ১০, পরিশিষ্ট (২১ জানুয়ারি, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ১৭৮-১৭৯। * আমি জানি যে যখন আমি বলব, জেতার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ না থাকলে আমাদের যুদ্ধে জড়ানো উচিত নয়। তখনই আমেরিকার হস্তক্ষেপবাদীদের দ্বারা আমি তীব্রভাবে সমালোচিত হব। হস্তক্ষেপবাদীরা যখন ফ্রান্সকে জিগফ্রিড লাইনে আক্রমণ করতে প্ররোচিত করেছিল, তখন তারা যতটা অপ্রস্তুত ছিল, আমরা আজও ঠিক ততটাই অপ্রস্তুত...।<br>একজন আমেরিকান নাগরিক হিসেবে এই যুদ্ধকে বস্তুনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং যুদ্ধে অবতীর্ণ হলে আমাদের সফলতার সম্ভাবনা যাচাই করা কেবল আমাদের অধিকারই নয়, বরং আমাদের দায়িত্ব। আমি বিশেষ করে বিমান চালনার দৃষ্টিকোণ থেকে এটি করার চেষ্টা করেছি। এবং আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে বাধ্য হয়েছি যে আমরা ইংল্যান্ডকে যতোই সাহায্য করি না কেন, তাদের হয়ে আমরা এই যুদ্ধে জিততে পারব না। ** '''''[[:w:চার্লস লিন্ডবার্গ|চার্লস এ. লিন্ডবার্গ]]''''', লেন্ড-লিজ আইনের বিরোধিতা করে; ''কংগ্রেসনাল রেকর্ড: ৭৭তম কংগ্রেস'', খণ্ড ৮৭, অংশ ১১, পরিশিষ্ট (৭ মে, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ২১৫৩। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাননীয় প্রেসিডেন্ট এবং হিজ মেজেস্টি’স গভর্নমেন্টের পক্ষে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মিস্টার চার্চিলের এই বিশেষ যৌথ ঘোষণা...।<br>প্রথমত, তাঁদের সংশ্লিষ্ট দেশসমূহ ভবিষ্যতে কোনো প্রকার আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার বা অন্য কোনো রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি বা সীমানা বিস্তার কামনা করে না।<br>দ্বিতীয়ত, তাঁরা ভূখণ্ডগত এমন কোনো আকস্মিক পরিবর্তন দেখতে চান না যা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সাধারণ জনগণের স্বাধীনভাবে ব্যক্ত করা ইচ্ছার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।<br>তৃতীয়ত, তাঁরা বিশ্বের সকল জাতির নিজেদের স্বাধীন পছন্দমতো নিজস্ব শাসনব্যবস্থা ও রাষ্ট্রকাঠামো নির্বাচনের মৌলিক অধিকারকে সর্বোচ্চ সম্মান জানান।<br>চতুর্থত, তাঁরা বিদ্যমান আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতাগুলোর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনপূর্বক বিশ্ববাণিজ্য এবং বিশ্বের প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর বড়-ছোট, বিজয়ী কিংবা বিজিত নির্বিশেষে সকল রাষ্ট্রের সমানাধিকার নিশ্চিত করার আপ্রাণ চেষ্টা করবেন।<br>পঞ্চমত, তাঁরা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিশ্বের সকল জাতির মধ্যে এক পূর্ণাঙ্গ ও সুষম সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে বিশেষভাবে আগ্রহী...।<br>ষষ্ঠত, নাৎসি জার্মানির চূড়ান্ত ও পূর্ণাঙ্গ ধ্বংসের পর তাঁরা এমন এক বিশ্বজনীন শান্তি ব্যবস্থা দেখতে চান যা প্রতিটি স্বাধীন জাতিকে তাদের নিজ নিজ ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে নিরাপদে বসবাসের অবারিত সুযোগ করে দেবে...।<br>সপ্তমত, ভবিষ্যতে এমন এক আধুনিক শান্তি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত যা প্রতিটি মানুষকে কোনো প্রকার বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই মুক্ত সমুদ্র ও মহাসাগরগুলোতে অবাধে যাতায়াতের নিরাপত্তা দেবে।<br>অষ্টমত, তাঁরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে বাস্তবসম্মত ও আধ্যাত্মিক, উভয়বিধ অনিবার্য কারণেই বিশ্বের সকল জাতিকে ভবিষ্যতে পাশবিক শক্তির ব্যবহার সম্পূর্ণ বর্জন করতে হবে...। তাঁরা মনে করেন, একটি বিস্তৃত ও স্থায়ী সাধারণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই আগ্রাসী দেশগুলোর সামরিক নিরস্ত্রীকরণ একান্ত অপরিহার্য।” ** '''''[[:w:আটলান্টিক সনদ|আটলান্টিক সনদ]]''''', ১৯৪১ সালের আগস্টে নিউফাউন্ডল্যান্ডের উপকূলে দুটি যুদ্ধজাহাজে বসে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট এবং প্রধানমন্ত্রী চার্চিল কর্তৃক প্রণীত। * আমি যখন তাদের [ফরাসিদের] সতর্ক করেছিলাম যে তারা যা-ই করুক না কেন ব্রিটেন একাই লড়াই চালিয়ে যাবে। তখন তাদের জেনারেলরা তাদের প্রধানমন্ত্রী এবং দ্বিধাবিভক্ত মন্ত্রিসভাকে বলেছিলেন, "তিন সপ্তাহের মধ্যে মুরগির বাচ্চার মতো ইংল্যান্ডের ঘাড় মটকে দেওয়া হবে।" কী অদ্ভুত সেই মুরগি! আর কী অদ্ভুত তার ঘাড়! ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', কানাডার অটোয়ায় কানাডীয় পার্লামেন্টের এক যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণ (৩০ ডিসেম্বর, ১৯৪১); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬৫৪৪। == দ্য ব্লিটজ (লন্ডনে বিমান হামলা) == === ১৯৪১ === * ''আমরা কী কেউ বেদনাদায়ক ব্লিটজ এবং সেই অগ্নিকাণ্ডের কথা মনে রাখিনি?'' ''সেই—<br>লাল নীলের মাঝে কালিমালিপ্ত মুখের বর্বর বাহিনী,<br>বিপন্ন সেন্ট পলস এবং হুনদের (জার্মানদের) পুনরায় ফিরে আসা,<br>সকল দানবীয় ট্যাঙ্ক আর অর্ধ রজনীতে ভেঙে যাওয়া আশা।'' ** ব্রিটিশ লেখক '''''এ. পি. হার্বার্ট''''', এরিক কেনিংটনের একটি পোস্টার থেকে (১৯৪৪), ''বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৪ এপ্রিল, ২০২৬)। "কালিমালিপ্ত মুখগুলোর বাহিনী" বলতে লন্ডন ফায়ার ব্রিগেডকে বোঝানো হয়েছে। == পূর্ব রণাঙ্গন == === ১৯৪১ === * আমাদের শুধু দরজায় একটা লাথি মেরে খুলতে হবে, তাহলেই এই পচা কাঠামোটি হুড়মুড় করে ভেঙে পড়বে। ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়ন]] আক্রমণের প্রস্তাব (যা [[w:অপারেশন_বারবারোসা|অপারেশন বারবারোসা]] নামে পরিচিত) নিয়ে জোডলের সাথে কথোপকথনের সময়; চেস্টার উইলমট রচিত ''দ্য স্ট্রাগল ফর ইউরোপ'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৫২), পৃষ্ঠা ৭২। * এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, ইউরোপে দ্বিতীয় কোনো রণাঙ্গন বা 'সেকেন্ড ফ্রন্ট' না থাকা জার্মান সেনাবাহিনীর অবস্থানকে অনেকটাই স্বস্তিদায়ক করে তুলেছে। আবার এতেও কোনো সন্দেহ নেই যে, ইউরোপ মহাদেশে দ্বিতীয় একটি রণাঙ্গনের আবির্ভাব, যা নিঃসন্দেহে অদূর ভবিষ্যতে ঘটবে। জার্মান সেনাবাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে আমাদের সেনাবাহিনীগুলোর অবস্থানকে উল্লেখযোগ্যভাবে স্বস্তি দেবে। ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''', মস্কো থেকে প্রচারিত বেতার ভাষণ (৬ নভেম্বর, ১৯৪১); ''ভাইটাল স্পিচেস অফ দ্য ডে'' (১ ডিসেম্বর, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ১০২। * কমরেডগণ, রেড আর্মি ([[w:লাল_ফৌজ|লাল ফৌজ]]) ও রেড নেভি ([[w:সোভিয়েত_নৌবাহিনী|সোভিয়েত নৌবাহিনী]]) সদস্যগণ, কমান্ডার ও রাজনৈতিক নির্দেশকগণ, গেরিলা পুরুষ ও নারীগণ! সমগ্র বিশ্ব আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে এমন এক শক্তি হিসেবে, যারা জার্মান আক্রমণকারীদের দস্যুবাহিনীকে ধ্বংস করতে সক্ষম। জার্মান দখলদারদের জোয়ালের নিচে পিষ্ট ইউরোপের শৃঙ্খলিত জাতিগুলো আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে তাদের মুক্তিদাতা হিসেবে। মুক্তির এক মহান দায়িত্ব আপনাদের ওপর অর্পিত হয়েছে। এই মিশনের যোগ্য হয়ে উঠুন! আপনারা যে যুদ্ধ করছেন তা হলো মুক্তির যুদ্ধ, একটি ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ। ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''', ভাষণ (৭ নভেম্বর, ১৯৪১); ফ্র্যাঙ্কলিন ওয়াটস সম্পাদিত ''ভয়েসেস অফ হিস্ট্রি: গ্রেট স্পিচেস অ্যান্ড পেপারস অফ দ্য ইয়ার ১৯৪১'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৪৮১–২। * বলশেভিক ব্যবস্থার প্রতি সৈন্যদের আচরণের ক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রেই এখনও অস্পষ্ট ধারণা প্রচলিত রয়েছে। ইহুদি-বলশেভিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুদ্ধের সবচেয়ে অপরিহার্য লক্ষ্য হলো তাদের ক্ষমতার উৎসগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা এবং ইউরোপীয় সংস্কৃতি থেকে এশীয় প্রভাব নির্মূল করা। এই প্রেক্ষিতে সৈন্যরা এমন সব কাজের মুখোমুখি হচ্ছে যা সাধারণ সৈনিক জীবনের রুটিন কাজের ঊর্ধ্বে। পূর্ব রণাঙ্গনের একজন সৈনিক কেবল যুদ্ধের নিয়ম অনুযায়ী লড়াই করা কোনো যোদ্ধা নন। বরং তিনি হলেন এক নির্মম জাতীয় আদর্শের বাহক এবং জার্মান ও তাদের সমজাতীয় জাতিগুলোর ওপর চালানো পাশবিকতার প্রতিশোধ গ্রহণকারী। তাই, তথাকথিত 'নিম্নতর' ইহুদিদের ওপর কঠোর কিন্তু ন্যায়সঙ্গত প্রতিশোধ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সৈনিকদের পূর্ণ উপলব্ধি থাকতে হবে। সেনাবাহিনীর আরও একটি লক্ষ্য হলো পশ্চাৎভাগের বিদ্রোহ দমন করা, যা অভিজ্ঞতা অনুযায়ী সর্বদা ইহুদিদের দ্বারাই সংঘটিত হয়েছে। ** '''''ভাল্টার ফন রাইখেনাউ''''', "পূর্ব রণাঙ্গনে আচরণের নির্দেশিকা" (১০ অক্টোবর, ১৯৪১); ''ইউ.এস. অফিস অফ চিফ অফ কাউন্সিল ফর দ্য প্রসিকিউশন অফ অ্যাক্সিস ক্রিমিনালিটি, নাৎসি কনস্পিরেসি অ্যান্ড অ্যাগ্রেশন'' (ওয়াশিংটন, ডি.সি., ১৯৪৬), খণ্ড ৮, পৃষ্ঠা ৫৮৫–৮৭। === ১৯৪২ === [[File:Voennaia marka Ni shagu nazad!.jpg|thumb|{{center|1=এক পা-ও পেছনে নয়!}}]] * Ни шагу назад! / ''Ni shagu nazad!'' (নি শাগু নাজাত!) ** '''আর এক পা-ও পেছনে নয়!''' ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''' কর্তৃক জারিকৃত আদেশ নম্বর ২২৭ (জুলাই ১৯৪২)। * বর্তমান পরিস্থিতি সম্বন্ধে সোভিয়েত মূল্যায়নে দ্বিতীয় রণাঙ্গন বা সেকেন্ড ফ্রন্টের সম্ভাবনা ঠিক কতটা জায়গা জুড়ে আছে? অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। বলা যেতে পারে এটি প্রথম সারির গুরুত্ব বহনকারী একটি বিষয়। ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''', মস্কোতে অবস্থিত অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিনিধি হেনরি সি. ক্যাসিডির কাছে লেখা চিঠি (৪ অক্টোবর, ১৯৪২); ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৫ অক্টোবর, ১৯৪২), ১ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত। * রাজপথগুলো এখন আর মিটারে পরিমাপ করা যায় না, বরং সেগুলো লাশের স্তূপ দিয়ে মাপা হচ্ছে... স্তালিনগ্রাদ এখন আর কোনো শহর নয়। দিনের বেলা এটি জ্বলন্ত এবং অন্ধ করে দেওয়া ধোঁয়ার এক বিশাল মেঘ। এটি আগুনের শিখার প্রতিচ্ছবিতে প্রজ্বলিত এক প্রকাণ্ড অগ্নিকুণ্ড। আর যখন রাত নেমে আসে, তখন সেই দগ্ধকারী, আর্তনাদপূর্ণ এবং রক্তক্ষয়ী রাতগুলো—তখন কুকুরগুলো [[:w:ভলগা নদী|ভোলগা নদীতে]] ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং মরিয়া হয়ে অন্য পাড়ে পৌঁছানোর জন্য সাঁতরাতে থাকে। স্তালিনগ্রাদের রাতগুলো তাদের জন্য এক চরম আতঙ্ক। পশুরা এই নরক থেকে পালিয়ে যায়, এমনকি শক্ত পাথরও দীর্ঘ সময় এই উত্তাপ সহ্য করতে পারে না। কেবল মানুষই এখানে টিকে থাকে। ** [[:w:স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধ|স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধের]] ময়দান থেকে একজন জার্মান অফিসারের উক্তি; ম্যাক্স হেস্টিংস রচিত ''ইনফার্নো: দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ওয়ার, ১৯৩৯-১৯৪৫'' (২০১২) গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ১৯৪৪ === * দুটি যুগান্তকারী সাফল্য, কমরেড স্তালিন, দুটি যুগান্তকারী সাফল্য। ** '''''কনস্টানটিন রোকোসভস্কি''''', অপারেশন বাগ্রাতিওনের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার সময়। * মাইন দুই ধরণের হয়ে থাকে। একটি হলো পারসোনেল বা ব্যক্তিনিরোধী মাইন এবং অন্যটি হলো যাননিরোধী মাইন। আমরা যখন কোনো মাইন ফিল্ডের সামনে আসি, তখন আমাদের পদাতিক বাহিনী ঠিক এমনভাবেই আক্রমণ চালায় যেন সেখানে মাইন ফিল্ডের কোনো অস্তিত্বই নেই। ব্যক্তিনিরোধী মাইনের কারণে যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়, সেটিকে আমরা সেই ক্ষতির সমান বলে মনে করি যা আমরা মেশিনগান বা গোলন্দাজ বাহিনীর আক্রমণের ফলে পেতাম, যদি নাৎসিরা মাইন ফিল্ডের বদলে সেই নির্দিষ্ট এলাকাটি বিশাল সৈন্যবাহিনী দিয়ে রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিত। আক্রমণকারী পদাতিক বাহিনী যেহেতু যাননিরোধী মাইনগুলোতে বিস্ফোরণ ঘটায় না, তাই তারা মাঠের অন্য প্রান্তে পৌঁছে যাওয়ার পর একটি ব্রিজহেড বা শক্ত অবস্থান তৈরি করে। এরপর ইঞ্জিনিয়াররা এসে পথ খনন করে দেয় যেখান দিয়ে আমাদের যানবাহনগুলো যেতে পারে। ** '''''গিওর্গি কে. ঝুকভের''''' প্রতি আরোপিত উক্তি; [[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]] রচিত ''ক্রুসেড ইন ইউরোপ'' (১৯৪৮), পৃষ্ঠা ৪৬৭-৬৮ গ্রন্থে বর্ণিত। আইজেনহাওয়ার এতে যোগ করেন, "আমার চোখে ভেসে উঠছিল যে, কোনো আমেরিকান বা ব্রিটিশ কমান্ডার যদি এই ধরণের রণকৌশল অনুসরণ করতেন তবে তাঁর কপালে কী জুটত। এমনকি আমাদের কোনো ডিভিশনের সৈন্যরা এ নিয়ে কী বলত, যদি আমরা এই পদ্ধতিটিকে আমাদের রণকৌশলের অংশ করার চেষ্টা করতাম, তা আমি আরও স্পষ্টভাবে কল্পনা করতে পারছিলাম। আমেরিকানরা যুদ্ধের মূল্য নির্ধারণ করে মানুষের জীবনের বিনিময়ে, আর রুশরা এটিকে মূল্যায়ন করে জাতির সামগ্রিক ক্ষয়-ক্ষতির সাপেক্ষে।" == [[:w:পার্ল হারবার আক্রমণ|জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমণ (৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১)]] == === ১৯২৭ === * ভবিষ্যতে যদি আমরা [[:w:চীন|চীনকে]] নিয়ন্ত্রণ করতে চাই, তবে আমাদের অবশ্যই প্রথমত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চূর্ণ করতে হবে, ঠিক যেভাবে অতীতে আমাদের [[:w:রুশ-জাপান যুদ্ধ|রুশ-জাপান যুদ্ধে]] লড়তে হয়েছিল। কিন্তু চীন জয়ের জন্য আমাদের প্রথমে [[:w:মাঞ্চুরিয়া|মাঞ্চুরিয়া]] এবং [[:w:মঙ্গোলিয়া|মঙ্গোলিয়া]] জয় করতে হবে। বিশ্বজয়ের নেশায় নামার আগে আমাদের প্রথমে চীনকে জয় করা অপরিহার্য। যদি আমরা চীনকে পদানত করতে সফল হই, তবে এশিয়ার বাকি দেশগুলো এবং দক্ষিণ সাগরের দেশগুলো আমাদের ভয় পাবে এবং আত্মসমর্পণ করবে। তখন বিশ্ব অনুধাবন করবে যে [[:w:পূর্ব এশিয়া|পূর্ব এশিয়া]] আমাদের এবং তারা আমাদের অধিকার খর্ব করার আর সাহস পাবে না। এটি [[:w:সম্রাট মেইজি|সম্রাট মেইজি]] আমাদের জন্য রেখে যাওয়া সেই পরিকল্পনা, যার সফলতার ওপর আমাদের জাতীয় অস্তিত্ব নির্ভর করছে। ** '''''তানাকা মেমোরিয়াল''''' (২৭ জুলাই, ১৯২৭); জাপানি প্রধানমন্ত্রী তানাকা গিইচির সুদূরপ্রসারী কৌশলগত পরিকল্পনা। ''দ্য মেমোরিয়াল অফ প্রিমিয়ার তানাকা'' (নিউ ইয়র্ক সিটি, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ৪। === ১৯৪১ === * নৌবাহিনী সেই অপমানজনক ওয়াশিংটন নৌ চুক্তিতে স্বাক্ষর করার পর বিশ বছর অতিবাহিত হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আঘাত করার জন্য আমাদের তলোয়ারে শান দিয়েছি। ** জনৈক জাপানি অফিসার; ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (যুক্তরাজ্য, ২০০৫), ৩৯ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * এই সাম্রাজ্য (জাপান সাম্রাজ্য) পূর্ব এশিয়া এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে আমেরিকান, ব্রিটিশ এবং ডাচ ঘাঁটিগুলোকে চূর্ণ করবে এবং দীর্ঘমেয়াদী আত্মনির্ভরশীলতার প্রস্তুতি হিসেবে প্রধান খনিজ সম্পদ অঞ্চল এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাগুলো সুরক্ষিত করবে। মার্কিন নৌবহরের মূল অংশগুলোকে উপযুক্ত সময়ে প্রলুব্ধ করে বের করে আনতে এবং তাদের আক্রমণ করে ধ্বংস করতে সম্ভাব্য সকল পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে। ** ''তাই বেই-এই-রান-শো সেনসো শুমাতসু সোকুশিন-নি কানসুরু ফুকুয়ান'' (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, নেদারল্যান্ডস এবং চিয়াং কাই-শেকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ সমাপ্তির পরিকল্পনা)। জাপানি ইম্পেরিয়াল জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স এবং মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত কর্মপরিকল্পনা (নভেম্বর ১৯৪১)। ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৫৩। * ''Nii Taka Yama Nobore 1208.'' (নি তাকা ইয়ামা নোবোরে ১২০৮) ** ৮ ডিসেম্বর [জাপানি সময় অনুযায়ী] হাওয়াই অভিযান সম্পন্ন করো। ** ২ ডিসেম্বর, ১৯৪১ তারিখে পার্ল হারবারের দিকে অগ্রসরমান বিমানবাহী রণতরী বহরের উদ্দেশ্যে জাপানি ইম্পেরিয়াল নৌবাহিনী সদরদপ্তর থেকে প্রেরিত বার্তা। ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৩৯। * ''Tora! Tora! Tora!'' (তোরা! তোরা! তোরা!) ** বাঘ! বাঘ! বাঘ! ** ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালের স্থানীয় সময় সকাল ০৭:৩০ মিনিটে আক্রমণের প্রথম তরঙ্গের নেতৃত্বদানকারী কমান্ডার মিৎসুও ফুচিদা কর্তৃক রণতরী বহরের উদ্দেশ্যে প্রেরিত সংকেত; যার অর্থ ছিল পার্ল হারবারে তাঁর "বাঘেরা" আকস্মিক আক্রমণে সফল হয়েছে। ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৪১। * '''গতকাল, ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ — এমন একটি অবিস্মরণীয় দিন যা বিশ্ব ইতিহাসে চিরকাল কলঙ্কিত ও ঘৃণ্য হয়ে থাকবে। যেদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত আকস্মিকভাবে এবং সুপরিকল্পিতভাবে জাপানি সাম্রাজ্যের নৌ ও বিমান বাহিনী দ্বারা অতর্কিত আক্রমণের শিকার হয়েছে।'''<br>গতকাল হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে পরিচালিত এই ধ্বংসাত্মক আক্রমণ আমাদের আমেরিকান নৌ ও সামরিক বাহিনীর অপূরণীয় ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে অনেক অকুতোভয় আমেরিকান এই হামলায় তাদের মহামূল্যবান প্রাণ হারিয়েছে...।<br>আমাদের জাতীয় সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর প্রধান কমান্ডার হিসেবে আমি ইতোমধ্যেই আমাদের রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষার সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে প্রয়োজনীয় সমস্ত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের চূড়ান্ত নির্দেশ প্রদান করেছি।<br>আমাদের পবিত্র মাতৃভূমির ওপর পরিচালিত এই বর্বরোচিত হামলার প্রকৃত প্রকৃতি ও স্বরূপ আমরা সর্বদা অন্তরে স্মরণে রাখব। এই পূর্বপরিকল্পিত ও হীন আক্রমণ কাটিয়ে উঠতে আমাদের যতো দীর্ঘ সময় বা প্রতিকূলতাই মোকাবিলা করতে হোক না কেন, আমেরিকান জনগণ তাদের ন্যায়সঙ্গত ও সম্মিলিত শক্তিতে শেষ পর্যন্ত পরম ও চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করবেই। আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি আমি কংগ্রেস এবং সাধারণ জনগণের বলিষ্ঠ ইচ্ছারই প্রতিফলন ঘটাচ্ছি যখন আমি ঘোষণা করি যে, আমরা কেবল নিজেদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে রক্ষা করব না। বরং আমরা ভবিষ্যতে এটিও সুনিশ্চিত করব যে এই ধরণের জঘন্য বিশ্বাসঘাতকতা যেন আমাদের আর কখনও কোনো বিপদে ফেলতে না পারে...।<br>আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অদম্য শৌর্য-বীরত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা এবং আমাদের জনগণের সীমাহীন ইস্পাতকঠিন সংকল্প নিয়ে আমরা সেই অনিবার্য ও গৌরবময় বিজয় অর্জন করবই! ঈশ্বর আমাদের এই মহৎ যাত্রায় সহায় হোন।<br>আমি এখন কংগ্রেসের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি যেন তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ঘোষণা করে যে রবিবার, ৭ ডিসেম্বর জাপানের এই কোনো প্রকার উস্কানিবিহীন এবং চরম কাপুরুষোচিত আক্রমণের মুহূর্ত থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানি সাম্রাজ্যের মধ্যে এক চূড়ান্ত যুদ্ধাবস্থা বিদ্যমান রয়েছে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]]''''', মার্কিন কংগ্রেসের এক যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণ, যেখানে তিনি জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ ঘোষণার অনুরোধ জানান (৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১); ''দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪১'' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ৫১৪। * আমার ভয় হচ্ছে যে, আমরা যা করেছি তা কেবল একটি ঘুমন্ত দানবকে জাগিয়ে তুলেছে এবং তাকে এক ভয়াবহ সংকল্পে পূর্ণ করে দিয়েছে। ** '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো''''' (জাপানি অ্যাডমিরাল); ১৯৭০ সালের ''তোরা! তোরা! তোরা! চলচ্চিত্রে'' তাঁর প্রতি আরোপিত উক্তি। টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফক্স, ''তোরা, তোরা, তোরা; ডায়ালগ অ্যান্ড কাটিং কন্টিনিউটি'' (১৯৭০), রিল ১৮, পৃষ্ঠা ১৬। চিত্রনাট্যটি লিখেছিলেন গর্ডন ডব্লিউ প্র্যাঞ্জ এবং ল্যাডিসলাস ফারাগো। ফারাগোর ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত বইয়ে বা ১৯৮১ সালে প্রকাশিত প্র্যাঞ্জের বইয়ে এই বাক্যের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ইয়ামামোতো সত্যিই এই কথাটি বলেছিলেন কি না, তার কোনো প্রমাণ নেই। তবে ৯ জানুয়ারি, ১৯৪২ তারিখে ওগাতা তাকেতোরা-র কাছে লেখা এক চিঠিতে ইয়ামামোতো লিখেছিলেন, "একজন সৈনিক 'একজন ঘুমন্ত শত্রুকে আঘাত করার' জন্য খুব কমই গর্ব করতে পারে; প্রকৃতপক্ষে, এটি উল্লেখ করা গর্বের চেয়ে বরং লজ্জার বিষয়।" হিরোসুকি আসাওয়া, ''দ্য রিলাকট্যান্ট অ্যাডমিরাল'', অনুবাদ: জন বেস্টার (১৯৭৯), পৃষ্ঠা ২৮৫। * আমেরিকা এবং ব্রিটেন, উভয়ই পূর্ব এশিয়ার অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই দুই শক্তি অন্য দেশগুলোকে প্ররোচিত করে আমাদের সাম্রাজ্যের চারদিকে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করেছে। তারা সম্ভাব্য সব উপায়ে আমাদের শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি করেছে এবং শেষ পর্যন্ত অর্থনৈতিক সম্পর্ক সরাসরি ছিন্ন করার পথ বেছে নিয়েছে...।<br>আমরা ধৈর্য ধরে দীর্ঘকাল অপেক্ষা করেছি এবং সহ্য করেছি এই আশায় যে আমাদের সরকার হয়তো পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধান বের করতে পারবে। কিন্তু আমাদের বিরোধীরা সমঝোতার বিন্দুমাত্র সদিচ্ছা না দেখিয়ে বিষয়টিকে অহেতুক বিলম্বিত করেছে। আমাদের সাম্রাজ্যের অস্তিত্ব রক্ষা এবং আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র তুলে নেওয়া এবং পথের প্রতিটি বাধাকে চূর্ণ করা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা ছিল না। ** জাপানি সম্রাট '''''[[:w:হিরোহিতো|হিরোহিতো]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গ্রেট ব্রিটেনের ওপর আক্রমণের কারণ ব্যাখ্যা করে (৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১)। এটি টোকিও যুদ্ধ ট্রায়ালে প্রসিকিউশন কর্তৃক প্রমাণ হিসেবে পেশ করা অনুবাদ: প্রিচার্ড এবং জাইড, ''ট্রান্সক্রিপ্ট অফ দ্য প্রসিডিংস'', খণ্ড ৫ [PX 1240], পৃষ্ঠা ১০৬৮৬–৯। == পশ্চিমা মিত্রশক্তি বনাম জার্মানি ও ইতালি == === ১৯৪১ === * আমি আমেরিকানদের কোনো ভবিষ্যৎ দেখি না... এটি একটি ক্ষয়িষ্ণু দেশ। তাদের জাতিগত সমস্যা এবং সামাজিক অসমতার সমস্যাও রয়েছে। আমেরিকানবাদের বিরুদ্ধে আমার অনুভূতি হলো ঘৃণা এবং গভীর বিতৃষ্ণার! আমেরিকান সমাজের আচরণের সবকিছুই প্রকাশ করে যে এর অর্ধেক হলো ইহুদিবাদী আর বাকি অর্ধেক হলো কৃষ্ণাঙ্গ-প্রভাবিত।<br>এমন একটি রাষ্ট্র যে ঐক্যবদ্ধ ভাবে থাকবে, তা কীভাবে বলে কেউ আশা করতে পারে? ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', কথোপকথনের সময় দেওয়া বক্তব্য (৭ জানুয়ারি, ১৯৪২); উইলিয়াম এল. শায়রার রচিত ''রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য থার্ড রাইখ'', ৮৯৫ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। এটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত ''হিটলার্স সিক্রেট কনভারসেশনস, ১৯৪১-১৯৪৪'' থেকে নেওয়া হয়েছে। একে পরবর্তীতে প্রকাশিত ১৯২৮ সালের ট্রান্সক্রিপ্ট "হিটলার্স সিক্রেট বুক" (১৯৬১) কিংবা বহুল পরিচিত জালিয়াতিপূর্ণ ''হিটলার ডায়েরির'' সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। === ১৯৪২ === * সেই সময় এসে গেছে যখন আমাদের অবশ্যই শত্রুর ডেরায় যুদ্ধ নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর বিশাল অংশ এবং আমাদের মূল্যবান সমর-সামগ্রীকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের ভেতরে স্থবির হয়ে পড়ে থাকতে দেওয়া আর সম্ভব নয়। ** '''''জর্জ সি. মার্শাল''''', সেনাবাহিনী প্রধান; ওয়াশিংটন ডি.সি.র ''টাইমস-হেরাল্ড'' (৩ মার্চ, ১৯৪২), ১ পৃষ্ঠায় রিপোর্টকৃত। * আমি ঠিক কেন এই মহাযুদ্ধে লড়াই করছি?<br>নিশ্চয়ই কেবল এই কারণে নয় যে 'আমাকে রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে'। যা কি না আসলে লক্ষ্যহীন অর্ধ-বিশ্বাসীদের এক অত্যন্ত তুচ্ছ এবং অতি সহজ অজুহাত মাত্র। হ্যাঁ, আমাকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল; কারণ তৎকালীন বিশেষ পরিস্থিতি আমাকে সেই সঠিক সময়ে বাহিনীতে যোগ দিতে বাধা প্রদান করেছিল যখন আমি স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজে থেকে যোগ দিতে প্রবলভাবে চেয়েছিলাম। আমি সেই অকুতোভয় ছেলেদের মনেপ্রাণে হিংসা করি এবং গভীর সম্মান জানাই যারা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় নিজেদের নাম যুদ্ধের খাতায় লিখিয়েছিল; যারা আপন দেশের পরম প্রয়োজন অনুভব করে ডাক পাওয়ার বা বাধ্য হওয়ার অপেক্ষা না করেই দেশরক্ষার লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।<br>কেবল পার্ল হারবারের বর্বরোচিত ঘটনার কারণেও আমি এই যুদ্ধে অবতীর্ণ হইনি। ওটি একটি তাৎক্ষণিক ও দৃশ্যমান কারণ হতে পারে। হ্যাঁ, কিন্তু পার্ল হারবার কিংবা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ বন্দর আজ হোক বা কাল শত্রুর দ্বারা আক্রান্ত হতোই। প্রকৃতপক্ষে, তখন হয়তো অনেক বেশি দেরি হয়ে যেত এবং আমাদের প্রস্তুতির সুযোগটুকুও চিরতরে হারিয়ে যেত।<br>আমি মোটেও "পুরো বিশ্বের ওপর আমাদের নিজস্ব চিন্তাধারা জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার জন্য" এই রক্তক্ষয়ী লড়াই করছি না। আমি লড়াই করছি পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের সেই জন্মগত অধিকারের জন্য যাতে তারা নিজেরা স্বাধীনভাবে বলতে পারে ঠিক কীভাবে তাদের দেশ শাসন করা হবে। যদি তারা আমাদের এই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পছন্দ করে, তবে তা অত্যন্ত ভালো। আর যদি তারা তা না করে, তবে তাদের স্বাধীনভাবে অন্য কিছু বেছে নিতে দিন—কিন্তু সেই পরম পছন্দটা যেন একান্তই তাদের নিজেদের হয়, কোনো স্বঘোষিত "নেতা" কর্তৃক উপর থেকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া কিছু না—কিংবা কোনো দখলদার শক্তির দেওয়া পরাধীনতার গ্লানিময় জোয়াল না।<br>তবে ঠিক কিসের জন্য আমরা সম্মিলিতভাবে লড়ছি?...<br>ঠিক আছে, এর শেকড় আসলে ইতিহাসের অনেক বেশি গভীরে প্রোথিত।<br>এটি আমেরিকার একদম আদিম ও মৌলিক উৎসগুলোর দিকে আমাদের বারবার ফিরিয়ে নিয়ে যায়। বিগত বিশ্বযুদ্ধের সেই অতি পরিচিত সাধারণ স্লোগান 'গণতন্ত্রের জন্য পৃথিবীকে নিরাপদ করা' তারও অনেক আগের কথা। ১৮৯৮ সালের আগের কথা, যখন আমরা কিউবাকে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত করতে জীবন বাজি রেখে লড়েছিলাম। ঐতিহাসিক গৃহযুদ্ধের আগের কথা, যখন আমরা আমেরিকাকে এক অখণ্ড ও মুক্ত মানুষের মহান জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে ও ধরে রাখতে লড়েছিলাম। ১৮১২ সালের [[:w:যুদ্ধ|যুদ্ধের]] আগের কথা, যখন আমাদের আকাশবাতাস প্রকম্পিত করা চিৎকার ছিল সমুদ্রের অবাধ স্বাধীনতা। এমনকি সেই কালজয়ী বিপ্লবেরও আগের কথা, যেখানে আমাদের পূর্বপুরুষরা 'তাদের মহামূল্যবান জীবন, তাদের অর্জিত সম্পদ এবং তাদের পবিত্র সম্মান' বাজি রেখেছিলেন যাতে কলোনিগুলোকে অত্যাচারী হ্যানোভারিয়ান রাজার জোয়াল থেকে চিরতরে মুক্ত করা যায়। এটি ব্রিটিশ আমলের বিল অফ রাইটসের গৌরবময় সময়কার কথা, এমনকি সাতশ বছর আগের সেই ঐতিহাসিক [[:w:ম্যাগনা কার্টা|ম্যাগনা কার্টা]] পর্যন্ত এর শিকড় বিস্তৃত, যা ছিল রাজনৈতিকভাবে মুক্ত হওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের সুদীর্ঘ সংগ্রামের প্রথম মহান ও অবিস্মরণীয় মাইলফলক...। অর্থাৎ আইন প্রণয়ন করার এবং নিজের জীবনপথ নিজে বেছে নেওয়ার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষা করাই এই লড়াইয়ের মূল উদ্দেশ্য!<br>আপনি হয়তো বলতে পারেন এগুলো কেবলই কিছু চমৎকার শব্দের ফুলঝুরি; কিন্তু জার্মানি যাদের প্রধান চিন্তা ছিল সমগ্র ইউরোপ গ্রাস করা, কিংবা জাপান যাদের অন্ধ উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল প্রাচ্যের দিকে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের এই যুদ্ধের সাথে এর প্রকৃত সম্পর্ক আসলে কী?<br>আমি অত্যন্ত জোরালোভাবে বলব, জাপান এবং জার্মানির আগ্রাসনের সাথে আমাদের এই আদর্শিক লড়াইয়ের এক সুগভীর সম্পর্ক রয়েছে। ইউরোপ এবং এশিয়ার বিশাল ভূখণ্ডে যদি নাৎসিবাদ প্রভাবশালী হয়ে উঠত, তবে তার চূড়ান্ত ফলশ্রুতিতে আমেরিকান যাপনেও নাৎসি মতাদর্শের বিষাক্ত উত্থান এবং চূড়ান্ত আধিপত্য দেখা দেওয়া ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।<br>এদেশের সাধারণ মানুষ তখন প্রবল বিভ্রান্তি, অন্তহীন আতঙ্ক আর সন্দেহের চোখে একে অপরের দিকে অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে তাকাত। তারা চরম ভয়ে ভয়ে বলাবলি করত, 'ইউরোপে তো গণতন্ত্র শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা ভেবেছিলাম এটিই হয়তো বিশ্বের সেরা পথ, কিন্তু এটি যদি আদতে এতটাই দুর্বল হয় তবে তা কীভাবে সেরা হতে পারে? হয়তো নাৎসিদের কছেই এই সংকটের আসল সমাধান আছে। হয়তো... হয়তো...'—এভাবেই সবখানে অশুভ কানাঘুষো ও বিভেদ শুরু হতো।<br>ঠিক এই কারণেই আমি আজ রণক্ষেত্রে লড়ছি। আমি ফ্যাসিবাদের সেই কুৎসিত ও বীভৎস রূপটি আমেরিকান প্রাণকেন্দ্রে থাবা বসানোর আগেই তাকে সমূলে ধ্বংস করার চেষ্টা করছি। আমি লড়ছি কারণ বর্তমান বিশ্ব, আমাদের প্রিয় আমেরিকার মতোই, 'অর্ধেক দাসের পৃথিবী আর অর্ধেক মুক্ত হয়ে কখনোই বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না।' আমি লড়ছি কারণ আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি চীনের একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার পূর্ণ অধিকার আছে, কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিশাল পুতুল রাষ্ট্র হিসেবে নয়।<br>আমি লড়ছি কারণ আমি একদিন আমার সন্তানদের চোখের দিকে শান্তভাবে তাকিয়ে গর্বের সাথে বলতে চাই যে, আমেরিকা একটি মহান আদর্শের জন্য আবারও লড়াই করতে তিলমাত্র ভয় পায়নি। সেই চিরন্তন আদর্শ যা আমেরিকাকে বিশ্বমঞ্চে মহান ও অনন্য করেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে শান্তিকে ভালোবাসি, কিন্তু আমি যুদ্ধকে ঘৃণা করি কেবল এর ধ্বংসাত্মক অপচয় আর করুণ পরিণতির জন্য। কিন্তু আন্তর্জাতিক পর্যায়ের পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের কাছে মুখ বুজে নিঃশব্দে মাথা নত করার চেয়ে সম্মুখ যুদ্ধ অনেক বেশি শ্রেয়, যা কেবল মানুষের শরীর নয়, বরং তার আত্মাকে পর্যন্ত চিরতরে ধ্বংস করে দেয়। ** সার্জেন্ট হেনরি সি. নেলসন, "টু বি অ্যাবল টু লুক মাই চিলড্রেন ইন দ্য ফেস," মার্কিন সেনাবাহিনী কর্তৃক প্রকাশিত ''হোয়াই আই ফাইট'' থেকে। * এযাবৎকালের নির্মিত সবচেয়ে শক্তিশালী বোমারু বিমান। ** বি-১৭ ফ্লাইং ফোরট্রেসের একটি বর্ণনা; যা জার্মান শিল্প লক্ষ্যবস্তুগুলোতে অষ্টম বিমান বাহিনীর বোমা হামলায় অংশ নিতে ইংল্যান্ডে উড়িয়ে আনা হয়েছিল। * ইউরোপের তপ্ত মাটি থেকে ভেসে আসা সংবাদগুলো পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি শোচনীয় ও উদ্বেগজনক ছিল; ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্স সুপরিকল্পিতভাবে চেকোস্লোভাকিয়াকে খণ্ডবিখণ্ড করার হীন চক্রান্তে একমত হয়েছিল এবং দেশটির সামনে তথাকথিত সমঝোতার এক অদ্ভুত 'পরিকল্পনা' পেশ করেছিল। এই সুকৌশলী পরিকল্পনাটি ছিল নৈতিকভাবে চরম পর্যায়ের নির্লজ্জতা এবং এক প্রকার অভাবনীয় কূটনৈতিক ধৃষ্টতা। এতে সুডেটেন অঞ্চলগুলো সরাসরি আগ্রাসীদের হাতে হস্তান্তর, বৃহৎ [[w:জার্মানি|জার্মান]] জনসংখ্যা অধ্যুষিত অন্যান্য সংবেদনশীল অঞ্চলগুলোর জন্য স্বঘোষিত [[w:স্বায়ত্তশাসন|স্বায়ত্তশাসন]], অন্য কোনো পরাশক্তির মধ্যে বড় ধরণের কোনো সংঘাত সৃষ্টি হলে [[w:চেকোস্লোভাকিয়া|চেকোস্লোভাকিয়ার]] সম্পূর্ণ 'নিরপেক্ষকরণ', এবং শেষ পর্যন্ত [[w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ড]], [[w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]], [[জার্মানি]] ও [[ইতালি|ইতালির]] পক্ষ থেকে দেশটির সীমান্ত রক্ষার এক প্রথাগত ও কাগুজে 'নিশ্চয়তা' অন্তর্ভুক্ত ছিল। এ যেন সমকালীন ইতিহাসের চরম এক ট্র্যাজেডি। যেখানে খুনিরাই খণ্ডবিখণ্ড মৃতদেহকে শেষ সম্মান জানানোর ভণ্ডামিপূর্ণ নিশ্চয়তা দিচ্ছিল!<br>আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেছিলাম যে বর্তমান চেক সরকার এই আত্মঘাতী ও অপমানজনক শর্তগুলো কখনোই মেনে নেবে না। কারণ তাদের কাছে ছিল তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সুশৃঙ্খল এক শক্তিশালী সেনাবাহিনী; তাদের সাধারণ জনগণ বছরের পর বছর ধরে প্রকৃত ও প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের সুমিষ্ট স্বাদ পেয়েছিল। এছাড়া তাদের ছিল এক অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী সমরাস্ত্র শিল্প, যা বিশ্বের যেকোনো শক্তিশালী রাষ্ট্রকেই ঈর্ষান্বিত করতে পারত (এবং বাস্তবে অনেকে করতও)। তাই আমরা শেষ পর্যন্ত প্রবলভাবে আশা করেছিলাম যে ফ্রান্স তার পূর্বের অঙ্গীকার ও পবিত্র প্রতিশ্রুতিগুলো নিষ্ঠার সাথে রক্ষা করবে এবং ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের ন্যায়নিষ্ঠ জনগণের পুঞ্জীভূত তীব্র ক্ষোভ তাদের নিজ নিজ অযোগ্য মন্ত্রিসভার পতন ঘটাবে। কিন্তু অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের সেই রাজনৈতিক সমীকরণ ও প্রত্যাশা সম্পূর্ণ ভুল ছিল। ** '''''রালফ এ. বার্ড''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সহকারী সচিব; নিউ ইয়র্ক সিটিতে 'ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইউনিয়ন অফ মেরিন অ্যান্ড শিপবিল্ডিং ওয়ার্কার্স অফ আমেরিকা'র উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণ (২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৪২); ''ভাইটাল স্পিচেস অফ দ্য ডে'', খণ্ড ৯, সংখ্যা ১ (১৫ অক্টোবর, ১৯৪২), পৃষ্ঠা ২১-২৩। ==== এল আলামেইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ (২৩ অক্টোবর – ১১ নভেম্বর ১৯৪২) ==== [[File:DummyShermanTank.jpg|thumb|[[উইনস্টন চার্চিল]] বলেছিলেন যে, এল আলামিনের আগে মিত্রশক্তির কোনো বিজয় ছিল না এবং এর পরে তাদের আর কোনো পরাজয় হয়নি। ~ ক্রিশ্চিয়ান হাউস]] * জানা যায় যে, [[:w:হ্যারি হুডিনি|হ্যারি হুডিনি]] একদা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে দাবি করেছিলেন, "মানুষের চোখ আসলে যা দেখে এবং কান যা শোনে, মন অবলীলায় ঠিক তা-ই বিশ্বাস করে থাকে"। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উত্তাল মধ্যগগনে উত্তর আফ্রিকা অভিযানে নিয়োজিত বিশেষ ছদ্মবেশ (ক্যামোফ্লেজ) ইউনিটের মূলমন্ত্রও হয়তো প্রকৃতপক্ষে এটিই হতে পারত। ''দ্য ফ্যান্টম আর্মি অফ আলামেইন'' নামক গ্রন্থে লেখক রিক স্ট্রাউড ঐতিহাসিক আল আলামিনের যুদ্ধের সময় এই স্বল্প পরিচিত দলটির রহস্যময় কর্মকাণ্ডের ওপর নতুন করে আলোকপাত করেছেন। এটি করতে গিয়ে তিনি একটি অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর গবেষণা তুলে ধরেছেন যে কীভাবে যুদ্ধের ময়দানে সবচেয়ে অকল্পনীয় ও বিচিত্র চরিত্রগুলোও প্রকৃত বীর বা মহানায়কে পরিণত হতে পারে।<br>তাদের এই বিশেষ দলে ছিলেন নিপুণ খোদাইশিল্পী, সৃজনশীল চিত্রশিল্পী, দক্ষ কার্টুনিস্ট এবং প্রতিভাবান ভাস্কর। এমনকি তাদের সুযোগ্য কমান্ডার মেজর জেফ্রি বারকাস ছিলেন একজন [[w:একাডেমি পুরস্কার|অস্কার]] বিজয়ী প্রখ্যাত [[:w:চলচ্চিত্র পরিচালক|চলচ্চিত্র পরিচালক]]। তাদের প্রধান দায়িত্ব ছিল হাতের কাছে যা কিছু পাওয়া যায় তা ব্যবহার করেই সুকৌশলে কোনো কিছুকে লুকিয়ে রাখা অথবা কোনো সামরিক সরঞ্জামের রূপ পরিবর্তন করার মাধ্যমে মূল সেনাবাহিনীকে কৌশলগত সহায়তা করা। পরাবাস্তববাদী বিশ্বখ্যাত শিল্পী রোল্যান্ড পেনরোজ তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করেছিলেন, যেখানে তাঁর প্রেমিকা লি মিলার শৈল্পিক অনুপ্রেরণা হিসেবে গায়ে ছদ্মবেশের ক্রিম এবং জাল জড়িয়ে সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় পোজ দিয়েছিলেন। আর এই বিচিত্র দলের অন্যতম জাঁকজমকপূর্ণ ও রহস্যময় সদস্য ছিলেন পিকাডিলির বিখ্যাত জাদুকর জ্যাসপার মাস্কিলিন; একজন সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি যাকে মূলত পরীক্ষামূলক অস্ত্র তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং যিনি মরুভূমির ধুলোময় কনভয়ের মতোই নিজের অর্জিত খ্যাতিকেও সর্বদা এক প্রকার কুয়াশাচ্ছন্ন করে রেখেছিলেন। ** ক্রিশ্চিয়ান হাউস, [https://www.independent.co.uk/arts-entertainment/books/reviews/the-phantom-army-of-alamein-by-rick-stroud-8219360.html "দ্য ফ্যান্টম আর্মি অফ আলামিন, বাই রিক স্ট্রাউড"], ''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (২১ অক্টোবর, ২০১২)। * অপারেশন বার্ট্রাম ছিল এই ইউনিটের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রচেষ্টা এবং এই কাহিনীর মূল কেন্দ্রবিন্দু। যা ছিল দিকভ্রান্ত করার এক বিশাল মহাযজ্ঞ। আল আলামেইনের যুদ্ধক্ষেত্রটি একদিকে সমুদ্র এবং অন্যদিকে কাত্তারা নিম্নভূমি দ্বারা সীমাবদ্ধ ছিল, যার ফলে যুদ্ধের জন্য সম্মুখভাগ ছিল খুবই ছোট। এই ইউনিটটি জিপ গাড়ি দিয়ে ডামি বা নকল ট্যাঙ্ক তৈরি করে দক্ষিণ দিকে পাঠিয়েছিল; অন্যদিকে, একটি সুকৌশলী চাল হিসেবে তারা আসল ট্যাঙ্কগুলোকে কাঠের কাঠামো দিয়ে ঢেকে ট্রাকের রূপ দিয়েছিল—যা অনেকটা বিশালাকার লেডিবল্ট পোকার মতো ওপরের দিকে খোলা যেত। এগুলোকে আসল আক্রমণের জন্য উত্তর দিকে পাঠানো হয়েছিল। বারকাস মন্তব্য করেছিলেন, "হেই প্রেস্টো! এই তো দেখছেন, এই তো নেই।" [[:w:আরউইন রোমেল|রোমেল]] এতে বোকা বনে গিয়েছিলেন এবং আল আলামেইনে জয় অর্জিত হয়েছিল।<br>[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]] বলেছিলেন যে, আল আলামিনের আগে মিত্রশক্তির কোনো বিজয় ছিল না এবং এর পরে তাদের আর কোনো পরাজয় হয়নি। ** ক্রিশ্চিয়ান হাউস, [https://www.independent.co.uk/arts-entertainment/books/reviews/the-phantom-army-of-alamein-by-rick-stroud-8219360.html "দ্য ফ্যান্টম আর্মি অফ আলামেইন, বাই রিক স্ট্রাউড"], ''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (২১ অক্টোবর, ২০১২)। === ১৯৪৩ === * লন্ডনের যেখানেই যাওয়া যাক না কেন, এটিই মনে হয় যে ব্রিটেন এখন একটি দখলকৃত ভূখণ্ড মাত্র। ** ব্রিটিশ লেখক '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]'''''। * তারা অতিরিক্ত ভোজনবিলাসী, অতিরিক্ত বেতনভোগী, অতিরিক্ত জাঁকজমকপূর্ণ পোশাকধারী! এবং তারা এখন এখানেই ([[:w:ব্রিটেন|ব্রিটেনে]])। ** ব্রিটিশ জনগণের একটি সাধারণ আক্ষেপ; যখন নাৎসি অধিকৃত ইউরোপে আক্রমণের প্রস্তুতির জন্য আমেরিকান সৈন্যদের প্রচুর সংখ্যায় ব্রিটেনে পাঠানো হচ্ছিল। * আমরা খুব দ্রুততম এবং সবচেয়ে সাশ্রয়ী উপায়ে এই যুদ্ধে জয়ী হতে চাই। ** জেনারেল '''''জর্জ সি. মার্শাল''''', সেনাবাহিনী প্রধান। * ম্যাগাজিনগুলোতে যুদ্ধকে মনে হতো রোমান্টিক এবং উত্তেজনাপূর্ণ, বীরত্ব আর প্রাণশক্তিতে ভরপুর... কিন্তু এর পরিবর্তে আমি দেখলাম পুরুষদের... যারা অবর্ণনীয় যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং মনে মনে কামনা করছে যেন তারা অন্য কোথাও থাকত। ** যুদ্ধ সংবাদদাতা '''''আর্নি পাইল'''''। * আজ আমরা এমন একটি দেশে (ইতালি) যুদ্ধ করছি যেটি আমাদের [[:w:সংস্কৃতি|সাংস্কৃতিক]] ঐতিহ্যে বিশাল অবদান রেখেছে। এমন একটি দেশ যা সেইসব স্মৃতিস্তম্ভে সমৃদ্ধ যেগুলো আমাদের নিজস্ব [[:w:সভ্যতা|সভ্যতার]] ক্রমবিকাশকে তুলে ধরে। যুদ্ধ যতোটা অনুমতি দেয়, আমরা সেই স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে সম্মান জানাতে বাধ্য। যদি আমাদের একটি বিখ্যাত [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] ধ্বংস করা এবং আমাদের নিজস্ব মানুষদের বলিদান দেওয়ার মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হয়, তবে আমাদের মানুষের জীবনের মূল্য অসীমভাবে বেশি এবং সেই স্থাপত্যটি অবশ্যই ধ্বংস করতে হবে। কিন্তু পছন্দটি সবসময় এতটা স্পষ্ট হয় না। সামরিক প্রয়োজনীয়তার যুক্তির বিরুদ্ধে কোনো কিছুই দাঁড়াতে পারে না। এটি একটি স্বীকৃত নীতি। কিন্তু 'সামরিক প্রয়োজনীয়তা' শব্দবন্ধটি কখনও কখনও এমন জায়গায় ব্যবহার করা হয় যেখানে সামরিক সুবিধা বা এমনকি ব্যক্তিগত সুবিধার কথা বলাটাই বেশি সত্য হতো। আমি চাই না এটি কোনো শিথিলতা বা উদাসীনতাকে আড়াল করার আবরণ হিসেবে ব্যবহৃত হোক। আমাদের সামনের সারিতে বা আমাদের দখলকৃত এলাকায় অবস্থিত স্থাপনাগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করা এবং উচ্চপদস্থ কমান্ডারদের তা জানানো এএমসি অফিসারদের দায়িত্ব। এই তথ্যগুলো যখন স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিম্ন স্তরের কমান্ডগুলোতে পৌঁছাবে, তখন এই চিঠির মূল স্পিরিট বা চেতনা মেনে চলার দায়িত্ব সকল কমান্ডারের ওপর বর্তাবে। ** '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]''''', ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৪৩ তারিখে লিখিত চিঠি; যা হাওয়ার্ড এম. হেনসেল সম্পাদিত “দ্য ল অফ আর্মড কনফ্লিক্ট: কনস্ট্রেইনস অন দ্য কনটেম্পোরারি ইউজ অফ মিলিটারি ফোর্স” (২০০৭), ৫৮ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। === ১৯৪৪ === * অচিরেই আমরা আমাদের [[:w:সভ্যতা|সভ্যতা]] রক্ষার লক্ষে [[:w:ইউরোপ|ইউরোপ]] মহাদেশ জুড়ে যুদ্ধের পথে এগিয়ে যাব। অনিবার্যভাবে আমাদের অগ্রযাত্রার পথে এমন সব ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পাওয়া যাবে যা বিশ্ববাসীর কাছে সেই সবকিছুর প্রতীক, যা রক্ষা করার জন্য আমরা লড়াই করছি। যখনই সম্ভব হবে, এই প্রতীকগুলোকে রক্ষা করা এবং সম্মান জানানো প্রতিটি কমান্ডারের দায়িত্ব। কিছু পরিস্থিতিতে এই শ্রদ্ধেয় বস্তুগুলোকে ধ্বংস করার ক্ষেত্রে আমাদের অনিচ্ছা সামরিক অভিযানের সাফল্যকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তখন, যেমনটি [[:w:ক্যাসিনো|ক্যাসিনোতে]] ঘটেছিল। যেখানে শত্রু তার প্রতিরক্ষা রক্ষা করতে আমাদের আবেগীয় টানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছিল—সেক্ষেত্রে আমাদের সেনাদের জীবন সবকিছুর উপরে। তাই যেখানে সামরিক প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ দেবে, কমান্ডাররা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ দিতে পারেন, এমনকি যদি তাতে কোনো সম্মানিত স্থানের ধ্বংসও জড়িত থাকে। কিন্তু এমন অনেক পরিস্থিতি আছে যেখানে ক্ষতি এবং ধ্বংস প্রয়োজনীয় নয় এবং তা কোনোভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না। এমন ক্ষেত্রে সংযম এবং শৃঙ্খলার মাধ্যমে কমান্ডাররা ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্বসম্পন্ন কেন্দ্র ও বস্তুগুলোকে রক্ষা করবেন। উচ্চপর্যায়ের সিভিল অ্যাফেয়ার্স স্টাফরা সামনের সারির বা আমাদের দখলকৃত এলাকার এই ধরণের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর অবস্থান সম্পর্কে কমান্ডারদের অবহিত করবেন। এই তথ্যগুলো প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সহ কমান্ড চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে সকল স্তরে পৌঁছে দেওয়া হবে। ** '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]''''', ২৬ মে ১৯৪৪ তারিখে লিখিত চিঠি; যা হাওয়ার্ড এম. হেনসেল সম্পাদিত “দ্য ল অফ আর্মড কনফ্লিক্ট: কনস্ট্রেইনস অন দ্য কনটেম্পোরারি ইউজ অফ মিলিটারি ফোর্স” (২০০৭), ৫৮ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * [[:w:পশ্চিম ইউরোপ|পশ্চিম ইউরোপের]] জনগণ: আজ সকালে আমাদের মিত্র অভিযাত্রী বাহিনীর সৈন্যরা ফ্রান্সের উপকূলে অবতরণ করেছে। এই অবতরণ আমাদের মহান রুশ মিত্রদের সহযোগিতায় ইউরোপের মুক্তির জন্য সম্মিলিত জাতিসংঘ পরিকল্পনার অংশ। যারা স্বাধীনতাকে ভালোবাসেন, আমি তাঁদের এখন আমাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা সবাই মিলে বিজয় অর্জন করব। ** ৬ জুন, নাৎসি অধিকৃত ইউরোপে মিত্রবাহিনীর আক্রমণ বা "ডি-ডে" (D-Day) শুরুর প্রাক্কালে দেওয়া জেনারেল ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের বেতার ভাষণ। দ্রষ্টব্য: "ডি-ডে" হলো সামরিক পরিকল্পনায় ব্যবহৃত একটি পরিভাষা যা কোনো জল ও স্থলভিত্তিক (উভচর) আক্রমণের তারিখকে নির্দেশ করে। [[File:Into the Jaws of Death 23-0455M edit.jpg|thumb|right|বিশ্বের মুক্ত মানুষেরা বিজয়ের লক্ষে একসাথে মার্চ করে এগিয়ে চলেছে। আপনাদের সাহস, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং যুদ্ধের নিপুণতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা পূর্ণ বিজয় ছাড়া আর কিছুই গ্রহণ করব না। ~ [[w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]]] * মিত্র অভিযাত্রী বাহিনীর সৈন্য, নাবিক এবং বৈমানিকগণঃ<br>আপনারা সেই 'গ্রেট [[ক্রুসেড]]' বা মহান অভিযানে যাত্রা করতে যাচ্ছেন, যার জন্য আমরা এই দীর্ঘ মাসগুলো কঠোর পরিশ্রম করেছি। বিশ্বের চোখ এখন আপনাদের ওপর। সর্বত্র স্বাধীনতাকামী মানুষের আশা আর প্রার্থনা আপনাদের সঙ্গী। অন্যান্য রণাঙ্গনে আমাদের সাহসী মিত্র এবং সহযোদ্ধাদের সাথে মিলে আপনারা জার্মান যুদ্ধযন্ত্রকে ধ্বংস করবেন, ইউরোপের নিপীড়িত মানুষের ওপর থেকে নাৎসি স্বৈরশাসনের অবসান ঘটাবেন এবং মুক্ত বিশ্বে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আপনাদের কাজ সহজ হবে না। আপনাদের শত্রু সুশিক্ষিত, সুসজ্জিত এবং যুদ্ধে পারদর্শী। তারা হিংস্রভাবে লড়াই করবে। কিন্তু এটি ১৯৪৪ সাল। ১৯৪০-৪১ সালের নাৎসি বিজয়ের পর থেকে অনেক কিছু বদলে গেছে। জাতিসংঘ উন্মুক্ত যুদ্ধে মুখোমুখি লড়াইয়ে জার্মানদের বিশাল পরাজয় উপহার দিয়েছে। আমাদের আকাশপথের আক্রমণ শত্রুর শক্তি এবং ভূমিতে যুদ্ধ করার ক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে কমিয়ে দিয়েছে। আমাদের স্বদেশী মানুষরা আমাদের হাতে যুদ্ধাস্ত্র ও গোলাবারুদের এক অভাবনীয় শ্রেষ্ঠত্ব তুলে দিয়েছে এবং আমাদের হাতে প্রশিক্ষিত যোদ্ধা পুরুষদের বিশাল মজুদ এনে দিয়েছে। সময়ের চাকা এখন আমাদের অনুকূলে। বিশ্বের মুক্ত মানুষেরা বিজয়ের লক্ষে একসাথে মার্চ করে এগিয়ে চলেছে। আপনাদের সাহস, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং যুদ্ধের নিপুণতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা পূর্ণ বিজয় ছাড়া আর কিছুই গ্রহণ করব না। শুভকামনা! আর আসুন আমরা সবাই এই মহান এবং মহৎ প্রচেষ্টার ওপর সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের আশীর্বাদ প্রার্থনা করি। ** ডি-ডে আক্রমণের পূর্বে মিত্রবাহিনীর সৈন্যদের উদ্দেশ্যে দেওয়া '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' ভাষণ। [[File:D-Day-Memorial-bronze-detail-Highsmith.jpeg|thumb|right|ছেলেরা একেকজন বীরপুরুষে পরিণত হয়েছিল। কেউ কেউ হয়ে উঠেছিল চরম সাহসী! অন্যরা খুব দ্রুতই লাশে পরিণত হয়েছিল, আর যারা বেঁচে ছিল তারা ছিল আতঙ্কগ্রস্ত। কেউ কেউ তো ভয়ে প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছিল, অন্যরা নির্লজ্জের মতো কাঁদছিল। অনেকেরই কাজ শেষ করার জন্য নিজের ভেতর থেকে শক্তি খুঁজে নিতে হয়েছিল। শৃঙ্খলা আর প্রশিক্ষণই তখন সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল...~ বব স্লটার]] * আমরা বোমার বিস্ফোরণগুলো দেখছিলাম যা থেকে সৃষ্ট আগুন অন্ধকার আকাশকে আলোকিত করে তুলছিল। উপকূল থেকে ১২ মাইল দূরে থাকতেই আমরা আমাদের নির্ধারিত এলসিএ উভচর অবতরণ যান গুলোতে উঠে পড়লাম এবং সেগুলো উত্তাল সমুদ্রে নামিয়ে দেওয়া হলো। নৌবাহিনী তখনও গোলাবর্ষণ শুরু করেনি কারণ চারপাশ তখনও অন্ধকার ছিল। আমরা বিশাল সেই নৌবহর দেখতে পাচ্ছিলাম না, কিন্তু জানতাম যে সেটি ওখানেই আছে।<br>যানে ওঠার আগে বন্ধুরা একে অপরকে বিদায় জানাচ্ছিল এবং শুভকামনা দিচ্ছিল...। আমাদের সবার কাছে সুপ্রিম কমান্ডার জেনারেল আইজেনহাওয়ারের স্বাক্ষর করা একটি চিঠি ছিল, যেখানে বলা হয়েছিল যে আমরা এক 'মহান অভিযান বা ক্রুসেডে' নামতে যাচ্ছি। আমার কয়েকজন সঙ্গী চিঠিতে অটোগ্রাফ দিয়েছিল এবং আমি পুরো যুদ্ধ জুড়ে সেটি আমার মানিব্যাগে বহন করেছি।<br>ইংলিশ চ্যানেল ছিল অত্যন্ত উত্তাল, এবং খুব দ্রুতই আমাদের হেলমেট দিয়ে যানের ভেতর থেকে জল সেঁচতে শুরু করতে হলো। ঠাণ্ডা জলের ঝাপটা আমাদের পুরো ভিজিয়ে দিয়েছিল...।<br>আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সাথে সাথে বিশাল নৌবহরটি দৃশ্যমান হলো। জ্বলন্ত ফরাসি উপকূলরেখাও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল। সকাল ০৬:০০ টায় মিত্রবাহিনীর নৌবাহিনীর বিশাল কামানগুলো গর্জে উঠল, যা ছিল সম্ভবত ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কামানের গোলাবর্ষণ। আমি দেখতে পাচ্ছিলাম 'টেক্সাস' যুদ্ধজাহাজটি উপকূলরেখায় গোলাবর্ষণ করছে।<br>বম-বা-বা-বুম-বা-বা-বুম! কয়েক মিনিটের মধ্যে সেই বিশাল কামানের প্রতিঘাত থেকে সৃষ্ট বিশাল ঢেউ আমাদের প্রায় ডুবিয়ে দিচ্ছিল এবং আমাদের অসুস্থতা ও দুর্দশা বাড়িয়ে দিচ্ছিল। কিন্তু আকাশ থেকে লক্ষ্যবস্তুর ওপর টনখানেক ওজনের মিসাইলগুলো আছড়ে পড়তেও দেখা যাচ্ছিল। মাথার ওপর পি-৩৮ ফাইটার-বোম্বারগুলো আমাদের লুফৎওয়াফ (জার্মান বিমান বাহিনীর নাম) থেকে রক্ষা করতে টহল দিচ্ছিল, যা আমাদের মনে এক ধরণের মিথ্যা নিরাপত্তার বোধ তৈরি করছিল। মনে হচ্ছিল যে এটি হয়তো খুব সহজ একটি কাজ হবে।<br>উপকূল থেকে কয়েক হাজার গজ দূরে আমরা তিন-চারজন বেঁচে যাওয়া মানুষকে উদ্ধার করলাম যাদের যানটি ডুবে গিয়েছিল...।<br>উপকূল থেকে প্রায় দুই-তিনশ গজ দূরে আমরা গোলন্দাজ বাহিনীর আক্রমণের মুখে পড়লাম। গোলার আঘাতে সমুদ্রের জল আকাশে উঠে বৃষ্টির মতো আমাদের ওপর পড়ছিল...।<br>তীর থেকে প্রায় ১৫০ গজ দূরে, বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও ('মাথা নিচু রাখো') আমি মাথা উঁচু করলাম। দেখলাম আমাদের ডানদিকের নৌকাটি শত্রুর গুলিতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমাদের কয়েক মিনিট আগেই যারা তীরে পৌঁছেছিল, শত্রুরা তাদের ওপর এমনভাবে গুলিবর্ষণ করছিল যে ট্রেসার বুলেটগুলো নৌকার র‍্যাম্প আর গায়ে লেগে ছিটকে আসছিল। আমরা যদি ডুবে যাওয়া যানের বেঁচে যাওয়া মানুষদের তোলার জন্য কয়েক মিনিট দেরি না করতাম, তবে হয়তো আমাদের ওপরই ওই গুলিবর্ষণ হতো।<br>শত্রুর গোলন্দাজ বাহিনী এবং মর্টারের আঘাতে সমুদ্র থেকে জলের ফোয়ারা উঠছিল। আমরা তখন বুঝতে পারলাম যে এটি কোনো সহজ কাজ হবে না। কেউ ভাবেনি যে জলের কিনারাতেই শত্রু আমাদের এমন প্রতিরোধের মুখে ফেলবে। আমরা ভেবেছিলাম আমরা পৌঁছানোর আগেই এ এবং বি কোম্পানি সৈকত দখল করে নেবে। বাস্তবে আমাদের সেক্টরে তখনও কেউ পা রাখেনি। আমাদের চালক 'ভিয়েরভিল চার্চের' চূড়াটি লক্ষ্য করতে ভুল করেছিলেন এবং জোয়ার আমাদের আরও ২০০ গজ পূর্বে টেনে নিয়ে গিয়েছিল।<br>অবস্থান পরিবর্তনের খুব একটা তফাত ছিল না। আমরা আমাদের ডানে, পশ্চিম দিক থেকে শত্রুর মেশিনগানের সেই 'প-র-র-র-র' করে একটা শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। এটা স্পষ্ট ছিল যে আমাদের যেখানে নামার কথা ছিল, সেখানে কেউ না কেউ... ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে।<br>জলে এবং স্থলে যখন কামানের গোলা বিস্ফোরিত হচ্ছিল, তখনই যানের র‍্যাম্পটি নেমে গেল। পাহাড়ের ওপর থেকে অদৃশ্য স্নাইপাররা গুলি চালাচ্ছিল, তবে সবচেয়ে বেশি ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছিল অটোমেটিক অস্ত্রগুলো...।<br>আমি যখন নামলাম, তখন আমি জলের ভেতরে। ৬০ পাউন্ড ওজনের সরঞ্জাম শরীর থেকে ঝেড়ে ফেলা খুব কঠিন ছিল, আর কেউ যদি ভালো সাঁতারু না হতো তবে তার ডুবে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা ছিল...। ভালো সাঁতারু হওয়া সত্ত্বেও অনেকে জলের ভেতরেই ডুবে মারা গেল। মৃত দেহগুলো জলে ভাসছিল, আর জীবিত মানুষেরা মৃত সেজে জলের স্রোতের সাথে তীরের দিকে আসছিল...।<br>গোলা যখন জলের কিনারে এসে পড়ছে, তখন আমি চিবুক পর্যন্ত জলের নিচে নিজেকে লুকিয়ে রেখেছিলাম। ছোট ছোট অস্ত্রের গুলিতে বালি উড়ছিল। আমি একজন জিআই-কে দেখলাম সৈকত অতিক্রম করার জন্য দৌড়ানোর চেষ্টা করছে। সরঞ্জামের ভারে তার নড়াচড়া করতে কষ্ট হচ্ছিল। শত্রুর গুলিতে সে বিদ্ধ হলো এবং একজন 'মেডিক' বা চিকিৎসকের জন্য চিৎকার করতে লাগল। একজন চিকিৎসাকর্মী দ্রুত তাকে সাহায্য করতে গেল এবং সেও গুলিবিদ্ধ হলো। আমি কখনোই সেই দৃশ্য ভুলব না! একজন আহত সৈনিকের পাশে ওই মেডিক শুয়ে আছে এবং দুজনেই যন্ত্রণায় চিৎকার করছে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই তারা মারা গেল।<br>ছেলেরা একেজন বীরপুরুষে পরিণত হয়েছিল। কেউ কেউ হয়ে উঠেছিল চরম সাহসী। অন্যরা খুব দ্রুতই লাশে পরিণত হয়েছিল, আর যারা বেঁচে ছিল তারা ছিল আতঙ্কগ্রস্ত। কেউ কেউ তো ভয়ে প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছিল, অন্যরা নির্লজ্জের মতো কাঁদছিল। অনেকেরই কাজ শেষ করার জন্য নিজের ভেতর থেকে শক্তি খুঁজে নিতে হয়েছিল। শৃঙ্খলা আর প্রশিক্ষণই তখন সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল।<br>আমি আমার অ্যাসল্ট জ্যাকেট খুলে রেইনকোটটি বিছিয়ে দিলাম যাতে আমার রাইফেলটি পরিষ্কার করতে পারি। তখনই আমি আমার জ্যাকেট এবং রেইনকোটে বুলেটের গর্ত দেখতে পেলাম। আমি আমার প্রথম সিগারেটটি ধরালাম; আমাকে একটু বিশ্রাম নিয়ে নিজেকে সামলাতে হচ্ছিল কারণ আমার হাঁটু তখন দুর্বল হয়ে আসছিল। ** ২৯তম পদাতিক ডিভিশনের সদস্য বব স্লটার; যিনি ১৯৪৪ সালের ৬ জুন নরম্যান্ডির ওমাহা বিচে অবতরণ করেছিলেন, যেখানে সৈকত দখলের সেই যুদ্ধে ৩,৫০০ আমেরিকান এবং ৭০০ জার্মান নিহত হয়েছিল। * আক্রমণকারী ইউনিটগুলো বিশৃঙ্খল হয়ে পড়েছিল, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছিল এবং মূল্যবান সরঞ্জাম হারিয়ে তারা পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল। শত্রুর তীব্র গুলিবর্ষণের কারণে তারা সৈকতে আটকা পড়েছিল..। সৈকতে সৈন্য এবং সরঞ্জামের স্তূপ জমে যাচ্ছিল, যেখানে জড়ো হওয়া দলগুলো শত্রুর জন্য খুব সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল। ** ১৯৪৪ সালের ৬ জুন নরম্যান্ডির অবতরণ সৈকতে থাকা একজন আমেরিকান অফিসারের বর্ণনা। * অবশ্যই, আমরা সবাই বাড়ি ফিরতে চাই। আমরা এই আপদ দ্রুত শেষ করতে চাই। কিন্তু এটি শেষ করার দ্রুততম উপায় হলো ওই জারজগুলোকে ধরতে যাওয়া। তাদের যতো দ্রুত চাবকানো হবে, আমরা ততো দ্রুত বাড়ি ফিরব। বাড়ি ফেরার সংক্ষিপ্ততম পথটি [[:w:বার্লিন|বার্লিনের]] ওপর দিয়ে গেছে।<br>আর একটি জিনিস তোমরা বাড়ি ফিরে বলতে পারবে। যখন তোমরা আগুনের পাশে বসে থাকবে, কোলে থাকবে তোমাদের বাচ্চা, আর সে যখন জিজ্ঞেস করবে যে মহান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তুমি কী করেছিলে, তখন তোমাকে অন্তত এটি বলতে হবে না যে, তুমি [[w:লুইজিয়ানা|লুইজিয়ানায়]] বসে বিষ্ঠা পরিষ্কার করছিলে। ** জেনারেল '''''জর্জ এস. প্যাটনের''''' ভাষণ; ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে ফ্রান্সের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার আগে তিনি তাঁর ইউএস থার্ড আর্মির উদ্দেশ্যে এটি দিয়েছিলেন। * যেকোনো কমান্ডার যিনি তাঁর লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হন, এবং যিনি মৃত বা মারাত্মকভাবে আহত নন—তিনি তাঁর পূর্ণ দায়িত্ব পালন করেননি। ** জেনারেল '''''জর্জ এস. প্যাটনের''''' নির্দেশনা, যা তিনি থার্ড আর্মিকে দিয়েছিলেন। * অস্টিন হোয়াইট, শিকাগো, ইলিনয়; ১৯১৮ এবং ১৯৪৪। - আমি এভাবে শেষবারের মতো এখানে আমার নাম লিখতে চাই। ** ফ্রান্সের ভেরদুনের কাছে পাওয়া একটি শিলালিপি; যা 'ইয়াঙ্ক' ম্যাগাজিনের (সৈনিকদের জন্য একটি ম্যাগাজিন) একজন সাংবাদিক খুঁজে পেয়েছিলেন। ==== মন্টে ক্যাসিনোর যুদ্ধ (১৭ জানুয়ারি – ১৮ মে ১৯৪৪) ==== * এরই মধ্যে ফরাসি বাহিনী গারিলিয়ানো (নদী) অতিক্রম করে লিরি নদীর দক্ষিণে অবস্থিত পার্বত্য অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয়। এটি মোটেও সহজ কাজ ছিল না। বরাবরের মতোই জার্মান অভিজ্ঞ সেনারা প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল এবং সেখানে তিক্ত লড়াই হয়েছিল। ফরাসিরা শত্রুকে অবাক করে দিয়ে দ্রুত মাউন্ট ফাইতো চেরাসোলা এবং কাস্তেলফোরতের নিকটবর্তী উচ্চভূমি সহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো দখল করে নেয়। ১ম মোটরাইজড ডিভিশনের সহায়তায় ২য় মরোক্কান ডিভিশন গুরুত্বপূর্ণ মাউন্ট গিরোফানো দখল করে এবং এরপর দ্রুত উত্তরে এস. আপোলিনারে এবং এস. আমব্রোজিওর দিকে অগ্রসর হয়। শত্রুর কঠোর প্রতিরোধ সত্ত্বেও ২য় মরোক্কান ডিভিশন মাত্র দুই দিনের লড়াইয়ে গুস্তাভ লাইন ভেদ করতে সক্ষম হয়। ফরাসি ফ্রন্টের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা ছিল চূড়ান্ত। খঞ্জরধারী 'গুমিয়ার' সেনারা পাহাড়ের ওপর পঙ্গপালের মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, বিশেষ করে রাতের বেলা। এবং জেনারেল জুঁ-র পুরো বাহিনী এমন আগ্রাসন দেখিয়েছিল যা জার্মানরা প্রতিহত করতে পারেনি। চেরাসোলা, সান জিওগ্রিও, মাউন্ট ডি'অরো, আউসোনিয়া এবং এসপেরিয়া দখল করা হয়েছিল যা ছিল ইতালির যুদ্ধে অন্যতম উজ্জ্বল এবং সাহসী অগ্রযাত্রা। ১৬ মে তারিখের মধ্যে ফরাসি এক্সপেডিশনরি কর্পস তাদের বাম পার্শ্ব দিয়ে মাউন্ট রেভোল পর্যন্ত প্রায় দশ মাইল অগ্রসর হয়েছিল, যখন তাদের ফ্রন্টের বাকি অংশ ব্রিটিশ ৮ম আর্মির সাথে যোগাযোগ বজায় রাখার জন্য কিছুটা পিছিয়ে ছিল। এই অভাবনীয় কর্মক্ষমতার জন্য, যা রোম অভিযানের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ছিল, আমি সর্বদা জেনারেল জুঁ এবং তাঁর অসামান্য এফইসি-র একজন কৃতজ্ঞ গুণমুগ্ধ হয়ে থাকব... ৮ম আর্মির বিলম্ব জুঁ-র কাজকে আরও কঠিন করে তুলেছিল, কারণ তিনি এত দ্রুত অগ্রসর হচ্ছিলেন যে তাঁর ডান পার্শ্ব। যা ব্রিটিশদের সংলগ্ন ছিল, তা ক্রমাগত পাল্টা আক্রমণের ঝুঁকির মুখে ছিল। ** জেনারেল '''''মার্ক ডব্লিউ ক্লার্কের''''' বর্ণনা; যেখানে তিনি বর্ণনা করেছেন কীভাবে মার্শাল জুঁ-র কমান্ডে ফরাসি এক্সপেডিশনরি কর্পস (FEC) ১৯৪৪ সালের মে মাসে [[:w:গুস্তাভ লাইন|গুস্তাভ লাইন]] ভেদ করেছিল। মার্ক ওয়েন ক্লার্ক, ''ক্যালকুলেটেড রিস্ক'' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ৩৪৮। * সাধারণ শত্রুর বিরুদ্ধে আমাদের ইতালি অভিযানে ফরাসি সৈন্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত হতে দেখে আমি গভীর তৃপ্তি অনুভব করছি। এই দীর্ঘ মাসগুলোতে ফরাসি সেনাবাহিনীর মহত্তম ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী এই সৈন্যদের অসামান্য যোগ্যতার প্রমাণ স্বচক্ষে দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। তবুও এতেই সন্তুষ্ট না হয়ে, আপনি এবং আপনার সকল লোক ফ্রান্সের ইতিহাসে এক নতুন মহাকাব্যিক অধ্যায় যুক্ত করেছেন। আপনারা স্বদেশবাসীদের হৃদয়ে আনন্দ দিয়েছেন, তাঁদের সান্ত্বনা ও আশার আলো দেখিয়েছেন যখন তাঁরা ঘৃণাভরে দেখা এক দখলদারের ভারী এবং অপমানজনক জোয়ালের নিচে ধুঁকছিলেন। সি.ই.এফ. এর সকল সদস্যদের অদম্য শক্তি এবং বিপদের প্রতি চরম উপেক্ষা, সাথে ফরাসি সামরিক কর্মকর্তাদের অসাধারণ পেশাদার দক্ষতা মিত্রদের মনে প্রশংসা এবং শত্রুর মনে ত্রাস সৃষ্টি করেছে। গারিলিয়ানোর তীর থেকে, যেখানে আপনাদের প্রথম সাফল্য পুরো অভিযানের গতিপথ নির্ধারণ করে দিয়েছিল—পার্বত্য অঞ্চলের মধ্য দিয়ে রোমের দিকে এগিয়ে যাওয়া, [[:w:তাইবার|তাইবার নদী]] পার হওয়া এবং সিয়েনা ও আরনো উপত্যকার পাহাড়গুলো পর্যন্ত শত্রুকে নিরলসভাবে ধাওয়া করা। ফ্রান্সের সৈন্যরা সর্বদা সম্ভাব্য সবকিছু অর্জন করেছে এবং কখনও কখনও যা অসম্ভব ছিল তাও সম্ভব করেছে। আমাদের যৌথ বিজয়ে আপনাদের এই বিশাল অবদানের জন্য আমার গভীর কৃতজ্ঞতা গ্রহণ করবেন, আমার প্রিয় জেনারেল। ** মার্শাল জুঁ-র কাছে লেখা একটি চিঠিতে জেনারেল '''''মার্ক ডব্লিউ ক্লার্কের''''' শ্রদ্ধাঞ্জলি। মার্শাল জুঁ, ''মেমোয়ার্স'' (ফায়ার্ড, ১৯৫৯), পৃষ্ঠা ৩৫৫। === ১৯৪৫ === * এই মিত্র বাহিনীর মিশন ৭ মে, ১৯৪৫ তারিখের স্থানীয় সময় ভোর ৩টায় সম্পন্ন হয়েছে। ** জেনারেল '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' বার্তা; ফ্রান্সের রেইমসে অবস্থিত আইজেনহাওয়ারের সদর দপ্তরে জার্মান প্রতিনিধিদের আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষরের পর তিনি এটি কম্বাইন্ড চিফস অফ স্টাফকে (ব্রিটিশ ও আমেরিকান বাহিনীর কমান্ড) পাঠিয়েছিলেন। == [[w:ইহুদি গণহত্যা|ইউরোপের যুদ্ধঃ ইহুদি গণহত্যা]] == === ১৯৪৪ === * আমরা যখন গবাদি পশু পরিবহনের ট্রাক থেকে নামলাম, তারা নির্দেশ দিল, 'পুরুষরা ডানদিকে ; মহিলারা বামদিকে।'...আমি বাবার সাথে গেলাম। আমার ছোট বোন এস্তার মায়ের সাথে গেল। এস্তারের বয়স ছিল মাত্র এগারো। ও আমার মায়ের হাত ধরে ছিল। যখন তারা মহিলাদের বাছাই করছিল, এস্তার আমার মাকে আঁকড়ে ধরল। মা ওকে ছেড়ে দিতে রাজি হননি। তারা সরাসরি গ্যাস চেম্বারের দিকে চলে গেল। ** মরিস (মরিৎজ) ভেগের বর্ণনা; ৪ মে, ১৯৯৬ তারিখে মার্টিন গিলবার্টের সাথে কথোপকথনে। ভেগ-কে ১৩ বছর বয়সে তাঁর পরিবারের সাথে অউশভিৎজ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছিল, সেখানে তিনি ক্রীতদাস হিসেবে কাজ করেছেন এবং তিনি তাঁর পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য ছিলেন। ''দ্য বয়েজ: ট্রায়াম্ফ ওভার অ্যাডভার্সিটি'' (ডগলাস অ্যান্ড ম্যাকইনটায়ার, ১৯৯৬), পৃষ্ঠা ১৬৭। === ১৯৪৫ === * আমি চাই, সামনের সারিতে নেই এমন প্রতিটি আমেরিকান ইউনিট এই জায়গাটি এসে দেখুক .... আমাদের বলা হয় যে আমেরিকান সৈন্যরা জানে না তারা কিসের জন্য লড়ছে। এখন অন্তত তারা জানবে যে তারা ঠিক কিসের 'বিরুদ্ধে' লড়ছে। ** ১৩ এপ্রিল, ১৯৪৫ তারিখে অর্ড্রুফ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প পরিদর্শনের পর সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার জেনারেল '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' মন্তব্য। সেখানে ব্যারাকগুলোতে লাশের স্তূপ ছিল এবং পুড়িয়ে ফেলা দেহের গন্ধ আসছিল মৃতদেহ পোড়ানোর চুল্লি (ক্রিমেটোরিয়া) থেকে। চার্লস আর. কোডম্যান, ''ড্রাইভ'' (বোস্টন, ১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২৮২–২৮৩। * ক্যাম্পের অন্য একটি অংশে তারা আমাকে শিশুদের দেখাল, সেখানে শত শত শিশু ছিল। কয়েকজনের বয়স ছিল মাত্র ৬ বছর। একজন তার জামার হাতা গুটিয়ে আমাকে তার নম্বরটি দেখাল। এটি তার হাতে উল্কি করে খোদাই করা ছিল। নম্বরটি ছিল বি-৬০৩০। অন্যরা আমাকে তাদের নম্বরগুলো দেখাল। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তারা এগুলো বহন করে বেড়াবে। আমি তাদের পাতলা শার্টের ভেতর দিয়ে পাঁজরের হাড়গুলো দেখতে পাচ্ছিলাম। ** সিবিএস নিউজের সংবাদদাতা '''''এডওয়ার্ড আর. মুরোর''''' রিপোর্ট; ১৫ এপ্রিল, ১৯৪৫ তারিখে বুখেনওয়াল্ড কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প থেকে। ''ফ্রম ডি-ডে থ্রু ভিক্টরি ইন ইউরোপ'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৪৫), পৃষ্ঠা ১৬৮–৭৪। * যা এই তদন্তকে তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে তা হলো—এই বন্দীরা (নাৎসি নেতারা) এমন এক অশুভ প্রভাবের প্রতিনিধিত্ব করে যা তাদের দেহ ধূলিসাৎ হয়ে যাওয়ার অনেক পরেও পৃথিবীতে লুকিয়ে থাকবে। তারা হলো বর্ণগত ঘৃণা, সন্ত্রাস ও সহিংসতা এবং ক্ষমতার দম্ভ ও নিষ্ঠুরতার জীবন্ত প্রতীক। ** মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি '''''রবার্ট এইচ. জ্যাকসনের''''' বক্তব্য; যিনি যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বেঁচে থাকা নাৎসি নেতাদের বিরুদ্ধে চলা নুরেমবার্গ ট্রায়ালে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', খণ্ড ৯৫, সংখ্যা ৩২,০৭৯ (২২ নভেম্বর, ১৯৪৫), পৃষ্ঠা ২। * মাসের পর মাস, বছরের পর বছর আমাদের কেবল একটিই ইচ্ছা ছিল। আমাদের মধ্যে কেউ যেন অন্তত বেঁচে ফিরতে পারি! যাতে আমরা বিশ্বকে জানাতে পারি যে নাৎসি অপরাধীদের কারাগারগুলো আসলে কেমন ছিল। সেখানে মানুষকে দাস হিসেবে ব্যবহার করার এবং যখন তারা আর কাজ করার ক্ষমতা রাখত না তখন তাদের মেরে ফেলার এক সুশৃঙ্খল আকাঙ্ক্ষা বিদ্যমান ছিল। ** অউশভিৎজ থেকে বেঁচে ফেরা '''''মারি-ক্লদ ভ্যালান-কুতুরিয়ের''''' (মারি ভ্যালান); ২৮ জানুয়ারি ১৯৪৬ তারিখে নুরেমবার্গ ট্রায়ালে দেওয়া সাক্ষ্যে। ''ট্রায়াল অফ দ্য মেজর ওয়ার ক্রিমিনালস বিফোর দ্য ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল'' (১৯৪৭), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ২২৮। * ''KZ Dachau — Velden — Buchenwald. Ich schäমে mich, daß ich ein Deutscher bin.'' (কেজেড ড্যাকাউ — ভেলডেন — বুখেনওয়াল্ড। ইশ শেমে মিশ, ডাস ইশ আইন ডয়চার বিন।) ** কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প ড্যাকাউ — ভেলডেন — বুখেনওয়াল্ড। আমি একজন জার্মান হিসেবে লজ্জিত। ** ১৯৪৫ সালে আমেরিকানদের হাতে শহরটি পতন হওয়ার পর [[w:মিউনিখ|মিউনিখের]] ফেল্ডহেরনহালের দেওয়ালে আঁকা একটি লিপি। ''সুদডয়েচ জেইতুংয়ের'' (৪ মে ২০২০) "স্পেট শম" প্রতিবেদনে এটি রিপোর্ট করা হয়েছে। == মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং [[:w:কমনওয়েলথ অব নেশনস|কমনওয়েলথ অব নেশনস]] বনাম জাপান == * ''কোনো শত্রু আমাদের ফসল কাটতে পারবে না,<br>অথবা আমাদের পশুখামারের বেড়ার উপর বসতে পারবে না।'' ** '''''মেরি গিলমোর''''', "নো ফো শ্যাল গ্যাদার আওয়ার হারভেস্ট" (কোনো শত্রু আমাদের ফসল কাটবে না), স্তবক ৪; ''দ্য অস্ট্রেলিয়ান ওমেনস উইকলি'' (সিডনি, ২৯ জুন ১৯৪০), পৃষ্ঠা ৫। লেখকের টীকা: "যুদ্ধ জয়ের জন্য আমি যা করতে চাই তার অনেক কিছুই করার মতো বয়স আমার নেই, কিন্তু আমি এখনও লিখতে পারি। অস্ট্রেলিয়ার পুরুষ ও নারীদের জন্য এখানে একটি গান দিলাম।" === ১৯৪১ === * আমি এখানে উপস্থিত আপনাদের অধিকাংশকেই চিনি এবং আপনাদের ক্ষমতা ও বিচারবুদ্ধির ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা এক বিশাল ধাক্কা খেয়েছি, কিন্তু চূড়ান্ত পরিণতি নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। ** '''''চেস্টার ডব্লিউ. নিমিৎজ'''''; ৩১ ডিসেম্বর ১৯৪১ তারিখে কমান্ড গ্রহণ করার সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিট স্টাফ অফিসারদের সাথে বৈঠকে। ইয়ান ডব্লিউ. টোল রচিত ''প্যাসিফিক ক্রুসিবল: ওয়ার অ্যাট সি ইন দ্য প্যাসিফিক, ১৯৪১–১৯৪২'' (২০১২), ১৬০ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * সময়জ্ঞান এবং আকস্মিকতার কারণে আপনারা হয়তো প্রাথমিক সাফল্য পাবেন, কিন্তু এমন সময় আসবে যখন আপনাদেরও ক্ষয়ক্ষতি হবে; তবে সেখানে একটি বিশাল পার্থক্য থাকবে। আপনারা কেবল আপনাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই ব্যর্থ হবেন না, বরং সময় গড়ানোর সাথে সাথে দুর্বল হতে থাকবেন। অন্যদিকে আমরা কেবল আমাদের ক্ষতিই পুষিয়ে নেব না, বরং সময়ের সাথে সাথে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠব। আমরা আপনাদের চূর্ণ না করা পর্যন্ত থামব না—এটি অনিবার্য। ** অ্যাডমিরাল '''''হ্যারল্ড রেইনসফোর্ড স্টার্কের''''' বক্তব্য; নৌ-অপারেশনের প্রধান হিসেবে যুদ্ধের আগে জাপানি রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশ্যে দেওয়া। লুইস মর্টন, ''দ্য ওয়ার ইন দ্য প্যাসিফিক। স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড কমান্ড: দ্য ফার্স্ট টু ইয়ার্স'' (১৯৬২), ১২৫ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গ্রেট ব্রিটেনের সাথে যুদ্ধের প্রথম ছয় থেকে বারো মাস আমি দাপিয়ে বেড়াব এবং একের পর এক বিজয় ছিনিয়ে আনব। কিন্তু এরপরও যদি যুদ্ধ চলতে থাকে, তবে সফল হওয়ার কোনো আশা আমার নেই। ** অ্যাডমিরাল '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো''''', পার্ল হারবার আক্রমণের পরিকল্পনাকারী; প্রধানমন্ত্রী ফুমিমারো কোনোর কাছে দেওয়া বক্তব্য। রোনাল্ড স্পেক্টর, ''ঈগল অ্যাগেইনস্ট দ্য সান: দ্য আমেরিকান ওয়ার উইথ জাপান'' (১৯৮৫) এ উদ্ধৃত। * ''Tennōheika banzai!'' (তেন্নো হেইকা বানজাই!) ** সম্রাট দশ হাজার বছর দীর্ঘজীবী হোন! ** — আক্রমণের সময় জাপানি ইম্পেরিয়াল বাহিনীর সেনাদের দেওয়া স্লোগান। == জাপানের আক্রমণ: ফিলিপাইনের পতন (ডিসেম্বর ১৯৪১ – মে ১৯৪২) == === ১৯৪২ === * আমরাই বাতাআনের জারজ লড়াকু দলীয়;<br>বাবা নেই, মা নেই, নেই [[:w:আঙ্কেল স্যাম|আঙ্কেল স্যাম]];<br>খালা নেই, মামা নেই, নেই কোনো আত্মীয়...<br>নেই ওষুধ, নেই বিমান, নেই কোনো কামানের গোলা...<br>আর কারো তাতে কিছু আসে যায় না। ** ম্যানিলা বে-র উত্তর-পশ্চিমে বাতাআন উপদ্বীপের প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত সেনাদের গাওয়া গান; যারা ফিলিপাইনে জাপানি আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে সর্বশেষ প্রধান শক্তি হিসেবে টিকে ছিল। * ধরুন আপনি একজন সার্জেন্ট মেশিন-গানার, আর আপনার বাহিনী পিছু হটছে এবং শত্রু এগিয়ে আসছে। ক্যাপ্টেন আপনাকে রাস্তা আগলে রাখা একটি মেশিনগানের কাছে নিয়ে গেলেন। তিনি আপনাকে বললেন, 'তোমাকে এখানেই থাকতে হবে এবং এই অবস্থান ধরে রাখতে হবে'। আপনি জিজ্ঞেস করলেন, 'কতোক্ষণ?' তিনি উত্তর দিলেন, 'সেটা নিয়ে ভেবো না, শুধু ধরে রাখো'। তখনই আপনি বুঝবেন যে আপনি 'এক্সপেন্ডবল' বা ত্যাজ্য। এক অর্থে যেকোনো কিছুই ত্যাজ্য হতে পারেটাকা, গ্যাসোলিন, সরঞ্জাম বা সাধারণত মানুষ। তারা কেবল কিছুটা সময় পাওয়ার জন্য আপনাকে এবং ওই মেশিনগানটিকে বিসর্জন দিচ্ছে। ** উইলিয়াম এল. হোয়াইট, তাঁর 'দে ওয়্যার এক্সপেন্ডবল' গ্রন্থে; ১৯৪২ সালের শুরুতে জাপানিদের কাছে ফিলিপাইনের পতনের বিবরণ। * সূর্য আমার ধড়ফড় করা হৃদয়ে এক প্রখর তাপ ঢালছিল... রাস্তার ধারে জঙ্গলটা ছিল কুয়াশাচ্ছন্ন সবুজ আভা, যা আমার ঘর্মাক্ত চোখের সামনে ভেসে উঠছিল। <br>ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেল, এবং প্রচুর সংখ্যক বন্দী তাদের সহ্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেল। দলছুটদের সংখ্যা বাড়তে থাকল। রাস্তার ওপর তারা শত শত সংখ্যায় লুটিয়ে পড়ল...।<br>একটি পিস্তলের আওয়াজ হলো এবং সেই গুলির শব্দ জঙ্গলের বুক জুড়ে প্রতিধ্বনিত হলো। এরপর আরেকটি গুলি, এবং আরও অনেক গুলি; আমি জানতাম যে আমাদের পেছনে জাপানিদের একটি 'ক্লিন-আপ স্কোয়াড' (পরিচ্ছন্নতাকারী দল) আসছে, যারা ওই সাদা ধুলোবালিময় রাস্তায় তাদের অসহায় শিকারদের হত্যা করছে...। সেই গুলির শব্দ আমাদের এগিয়ে যেতে বাধ্য করছিল। আমি দাঁতে দাঁত চাপলাম। 'ওহ ঈশ্বর, আমাকে চলতেই হবে। আমি থামতে পারব না। আমি ওভাবে মরতে পারি না'। ** সার্জেন্ট সিডনি স্টুয়ার্ট, ১৯৪২ সালের এপ্রিলের বাতাআন ডেথ মার্চের একজন উত্তরজীবী; যখন জাপানিরা ৭০,০০০ আমেরিকান ও ফিলিপিনো বন্দীকে বাতাআন উপদ্বীপ থেকে তাদের বন্দীশিবির পর্যন্ত ৬০ মাইল পথ হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। এই পদযাত্রার সময় প্রায় ১০,০০০ বন্দী গুলি, বেয়নেট বা অনাহারে নিহত হয়েছিল। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আমাকে জাপানি ব্যুহ ভেদ করে কোরিজিডোর থেকে [[:w:অস্ট্রেলিয়ায়|অস্ট্রেলিয়ায়]] যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন; যে উদ্দেশ্যে আমি এটি বুঝেছি তা হলো, জাপানের বিরুদ্ধে আমেরিকান আক্রমণ সংগঠিত করা, যার প্রাথমিক লক্ষ্য হলো [[:w:ফিলিপাইন|ফিলিপাইনের]] মুক্তি।<br>আমি পার হয়ে এসেছি এবং আমি ফিরে আসব। ** জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' মন্তব্য; ম্যানিলা বে-র কোরিজিডোর দ্বীপের দুর্গটি জাপানিদের হাতে পতনের পূর্বে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক তাঁকে অস্ট্রেলিয়ায় চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এটি বলেছিলেন (৩০ মার্চ, ১৯৪২)। ''রিপ্রেজেন্টেটিভ স্পিচেস অফ জেনারেল অফ দ্য আর্মি ডগলাস ম্যাকআর্থার'' (১৯৬৪), পৃষ্ঠা vi। * ঈশ্বর আমাদের প্রতি সহায় হোন! ** —জাপানি আক্রমণ মোকাবিলায় [[:w:অস্ট্রেলিয়ার|অস্ট্রেলিয়ার]] প্রস্তুতির অভাব সম্পর্কে জানতে পেরে জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' আক্ষেপ। == [[:w:মিডওয়ের যুদ্ধ|জাপানের আক্রমণ প্রতিহত: মিডওয়ের যুদ্ধ (জুন ১৯৪২)]] == === ১৯৪২ === * আমরা জানতাম নিমিৎজ কী করছেন। তিনি সঠিক কাজটিই করছিলেন, এবং আমরা তাঁকে তাঁর মতোই কাজ করতে দিয়েছিলাম। ** '''''আর্নেস্ট কিং'''''; মিডওয়ের যুদ্ধে চেস্টার নিমিৎজের ভূমিকা সম্পর্কে 'টাইম' ম্যাগাজিনের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে (খণ্ড ৪০, সংখ্যা ২৩, ৭ ডিসেম্বর ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৩৩। * ১৯৪২ সালের এপ্রিলে টোকিওতে ডুলিটল এয়ার রেইডের ফলে মিডওয়েতে আক্রমণ করা হবে কি না, সেই বিতর্কের অবসান ঘটেছিল। ** অ্যাডমিরাল '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো''''', জাপানি নৌবহরের কমান্ডার। * একটি নিষ্পত্তিমূলক নৌ-যুদ্ধের মুখোমুখি হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। আমরা যদি তা করার জন্য এখান থেকে যাত্রা করি এবং প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে একযোগে আত্মাহুতি দিই, তবে সমুদ্রের উপরিভাগে কিছু সময়ের জন্য হলেও শান্তি বিরাজ করবে। ** অ্যাডমিরাল '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো'''''; অপারেশন মি বা মিডওয়ে দ্বীপে আক্রমণের আগে জাপানি নেভাল জেনারেল স্টাফের কাছে দেওয়া বক্তব্য। * বিস্ময় বা আকস্মিকতা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমরা বিশ্বাস করতাম যে জাপানিরা আমাদের রণতরীগুলোর উপস্থিতি সম্পর্কে জানত না। ** কমান্ডার '''''জোসেফ ওয়ার্দিংটন''''', ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস বেনহামের কমান্ডিং অফিসার; মিডওয়ের যুদ্ধের জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর পরিকল্পনা সম্পর্কে, যা জাপানি কোড ভাঙার ওপর নির্ভরশীল ছিল। * পাঁচ মিনিটের মধ্যেই তার [জাপানি বিমানবাহী রণতরী 'আকাগি'-র] সব বিমান উড্ডয়ন করত। মাত্র পাঁচ মিনিট! কে ভেবেছিল যে যুদ্ধের মোড় এই সামান্য সময়ের ব্যবধানে পুরোপুরি ঘুরে যাবে? প্রথম জিরো ফাইটারটি গতি বাড়িয়ে ডেক থেকে শোঁ করে উড়ে গেল। ঠিক সেই মুহূর্তে একজন পাহারাদার চিৎকার করে উঠল, 'হেল ডাইভারস [মার্কিন নৌবাহিনীর ডাইভ বোম্বার]!' আমি ওপরের দিকে তাকিয়ে দেখলাম তিনটি কালো শত্রু বিমান আমাদের জাহাজের দিকে ধেয়ে আসছে। বোমা! সেগুলো সরাসরি আমার দিকেই নেমে আসছিল! ** কমান্ডার '''''মিৎসুও ফুচিদা''''', আকাগিতে থাকা একজন জাপানি কর্মকর্তা; 'মিডওয়ে: দ্য ব্যাটেল দ্যাট ডুমড জাপান' গ্রন্থে। ৩-৬ জুন, ১৯৪২ সালের মিডওয়ের যুদ্ধে মার্কিন নৌবাহিনী হাওয়াইয়ের দিকে জাপানিদের অগ্রযাত্রা রুখে দেয় এবং শত্রুর চারটি বিমানবাহী রণতরী ডুবিয়ে দেয়। এরপর থেকে যুদ্ধের পরবর্তী বছরগুলোতে প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন বাহিনী নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে যেতে থাকে। == প্রশান্ত মহাসাগরে যুদ্ধের মোড় পরিবর্তন == === ১৯৪২ === * কোনো সেনাবাহিনীই কখনও এত অল্প কিছু নিয়ে এত বেশি কিছু করেনি। ** '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' মন্তব্য; বাতাআনের পতন প্রসঙ্গে দেওয়া এই উক্তিটি ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১১ এপ্রিল, ১৯৪২), ১ পৃষ্ঠায় রিপোর্ট করা হয়েছিল। * এখন এটি প্রতীয়মান হচ্ছে যে আমরা গুয়াদালকানাল অঞ্চলে সমুদ্রের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে অক্ষম। ফলে আমাদের অবস্থানগুলোতে রসদ সরবরাহ করতে গেলে আমাদের বিশাল মূল্য চুকাতে হবে। পরিস্থিতি হতাশাজনক নয়, তবে এটি অবশ্যই সংকটজনক। ** অ্যাডমিরাল '''''চেস্টার ডব্লিউ. নিমিৎজের''''' বক্তব্য; ১৯৪২ সালের নভেম্বরে গুয়াদালকানাল অভিযানে মার্কিন নৌবাহিনীর কমান্ডিং অফিসার হিসেবে তিনি এটি বলেছিলেন। * একবার যদি আক্রমণকারী শক্তি হিসেবে জাপান ধ্বংস হয়ে যায়, তবে [[:w:প্রশান্ত মহাসাগর|প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে]] চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো আর কোনো শক্তির আবির্ভাব ঘটবে বলে আমাদের জানা নেই। প্রশান্ত মহাসাগরের তীরবর্তী শান্তিকামী মানুষের একমাত্র শত্রু হলো জাপান। ** '''''জোসেফ গ্রুর''''' ভাষণ; নিউ ইয়র্ক সিটির কার্নেগি হলে 'ইউনাইটেড চায়না রিলিফের' উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্য (১০ অক্টোবর, ১৯৪২); ''দ্য ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট বুলেটিন'' (১০ অক্টোবর, ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৭৯৮। গ্রু ১৯৩২-১৯৪১ সাল পর্যন্ত জাপানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন। === ১৯৪৩ === * আমি গুয়াদালকানাল এবং তুলাগি অভিযানকে আমাদের আক্রমণাত্মক অবস্থান থেকে রক্ষণাত্মক অবস্থানে চলে যাওয়ার সন্ধিক্ষণ হিসেবে দেখি। এবং সেখানে আমাদের বিপর্যয়ের কারণ ছিল আপনাদের মতো একই গতিতে আমাদের শক্তি বৃদ্ধিতে অক্ষমতা। ** জাপানি অ্যাডমিরাল '''''ওসামি নাগানোর''''' বক্তব্য; নৌ-বাহিনীর প্রধান হিসেবে যুদ্ধের পর আমেরিকান কর্মকর্তাদের কাছে তিনি এই স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন। * বাতাআন হলো একটি পরিবারের সেই সন্তানের মতো যে মারা গেছে। এটি আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকে। ** ১৯৪৩ সালের ৯ এপ্রিল, বাতাআনের পতনের প্রথম বার্ষিকীতে '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' স্মৃতিচারণ। ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' রিপোর্ট অনুযায়ী, পতনের পর এটিই ছিল প্রথমবার যখন জেনারেল ম্যাকআর্থার জনসম্মুখে 'বাতাআন' নামটি উচ্চারণ করেছিলেন। == প্রশান্ত মহাসাগরে আমেরিকার উভচর অগ্রযাত্রা == === ১৯৩৯ === * শত্রু বাহিনীর মুখোমুখি হয়ে কোনো বিদেশি উপকূলে অবতরণ করা বরাবরই যুদ্ধের অন্যতম কঠিন অভিযান হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এখন এটি আরও অনেক বেশি কঠিন, প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কারণ একটি পরিবহন কনভয় রক্ষণভাগের বিমান বাহিনীর কাছে অত্যন্ত সহজ লক্ষ্যবস্তু। খোলা নৌকায় করে সৈন্য নামানোর প্রক্রিয়াটি আরও বেশি বিপজ্জনক। ** ব্রিটিশ সামরিক লেখক ক্যাপ্টেন '''''বি. এইচ. লিডেল হার্টের''''' বক্তব্য; 'দ্য ডিফেন্স অফ ব্রিটেন' (১৯৩৯) গ্রন্থে। == ১৯৪৩-১৯৪৫: প্রশান্ত মহাসাগরে বিজয় == * যৌথ প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে এই যুদ্ধের অসামান্য সাফল্য ছিল উভচর অভিযানের নিখুঁত প্রয়োগ, যা আধুনিক যুদ্ধের সব অপারেশনের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন। ** ফ্লিট অ্যাডমিরাল '''''আর্নেস্ট জে. কিঙের''''' বক্তব্য; জেনারেল অফ দ্য আর্মি জর্জ সি. মার্শাল, জেনারেল অফ দ্য আর্মি এইচ. এইচ. আর্নল্ড এবং ফ্লিট অ্যাডমিরাল আর্নেস্ট জে. কিঙের 'দ্য ওয়ার রিপোর্টস' (১৯৪৭) গ্রন্থে। === ১৯৪৪ === * এই অভিযানের লক্ষ্য হলো এমন কিছু অবস্থান দখল করা যেখান থেকে ব্যাপক বিমান হামলা, সমুদ্র ও আকাশপথে অবরোধ এবং প্রয়োজনে আক্রমণের মাধ্যমে জাপানকে চূড়ান্ত আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যায়। ** কমান্ডার ইন চিফ প্যাসিফিক ওশান এরিয়াস (অ্যাডমিরাল নিমিৎজ); 'ক্যাম্পেইন প্ল্যান গ্রানাইট' (১৫ জানুয়ারি, ১৯৪৪)। * যদি সাইপান হাতছাড়া হয়, তবে [[w:টোকিও|টোকিওতে]] ঘনঘন বিমান হামলা চালানো হবে। ** সাইপান রক্ষাকারী জাপানি বাহিনীকে উৎসাহিত করার জন্য সম্রাট হিরোহিতোর পাঠানো বার্তা। * আমাদের জাহাজগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেগুলো জাপানি নৌবহরের দিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ** অ্যাডমিরাল '''''উইলিয়াম ফ্রেডরিক হ্যালসি জুনিয়রের''''' (বুল হ্যালসি) রেডিও বার্তা; লেয়তে উপসাগরের যুদ্ধের (অক্টোবর ১৯৪৪) সময় তাঁর ইউএস থার্ড ফ্লিটের অধিকাংশ জাহাজ হারিয়ে গেছে বলে প্রচারিত জাপানি প্রোপাগান্ডার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এটি দিয়েছিলেন। * আমি ব্ল্যাকজ্যাক নিজে বলছি। এখন পর্যন্ত আপনাদের রণকৌশল এবং সাহসিকতা ছিল এককথায় অতুলনীয়। আপনাদের কাছে আমার প্রত্যাশা এখন আরও বেড়ে গেছে। ওই জার্মান-জাপানি জারজদের জাহান্নামে পাঠানোর কাজ অব্যাহত রাখুন, তারা যেন এভাবেই মরতে থাকে! ** ১৯৪৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ইউএস থার্ড ফ্লিটের সকল সদস্যের উদ্দেশ্যে দেওয়া সমাপনী বার্তায় অ্যাডমিরাল '''''উইলিয়াম ফ্রেডরিক হ্যালসি জুনিয়রের''''' তেজস্বী উক্তি; যা তিনি তাঁর আত্মজীবনী 'অ্যাডমিরাল হ্যালসি'স স্টোরি' (১৯৪৭), ২৪২ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত করেছেন। * [[:w:ফিলিপাইনের|ফিলিপাইনের]] জনগণঃ আমি ফিরে এসেছি। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের অশেষ করুণায় আমাদের বাহিনী আজ পুনরায় ফিলিপাইনের পবিত্র মাটিতে পা রেখেছে...। আপনাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মুক্তির মাহেন্দ্রক্ষণ উপস্থিত হয়েছে। আমার পতাকাতলে সমবেত হোন! যুদ্ধের রণরেখা যখন আপনাদের মুক্ত করতে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন আপনারা জেগে উঠুন এবং শত্রুর ওপর আঘাত হানুন। যেখানেই সুযোগ পাবেন, সর্বশক্তিমান শক্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়ুন। আপনাদের ঘরবাড়ি আর প্রিয়জনদের নিরাপত্তার জন্য আঘাত করুন! আপনাদের সন্তানদের এবং অনাগত প্রজন্মের ভবিষ্যতের জন্য আঘাত করুন! আপনাদের সেইসব পূর্বপুরুষদের নামে আঘাত করুন যারা আত্মত্যাগ করে পবিত্র হয়ে আছেন! কারোর হৃদয় যেন আজ দুর্বল না হয়। প্রতিটি বাহু যেন ইস্পাতের মতো শক্ত হয়। পরম করুণাময় ঈশ্বর আমাদের পথ দেখাচ্ছেন। ন্যায়ের এই যুদ্ধে পবিত্র বিজয়ের সেই অমৃত সুধা বা 'হোলি গ্রেইল' অর্জনে তাঁরই নামে এগিয়ে চলুন। ** ১৭ অক্টোবর, ১৯৪৪ তারিখে ফিলিপাইনের লেয়তে অবতরণের পর জনগণের উদ্দেশ্যে দেওয়া জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]'''''; [https://www.youtube.com/watch?v=Wv1PF0tAE1s ফিলিপাইনের লেয়তে অবতরণকালে], সেই ভাষণ যা 'রেমিনিসেন্সেস' (১৯৬৪), ২১৬–১৭ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে। === ১৯৪৫ === * নাভাজো কোড টকাররা নিজেদেরকে অত্যন্ত মেধাবী, পরিশ্রমী এবং দক্ষ নৌ-সেনা (মেরিন) হিসেবে প্রমাণ করেছেন। তাঁদের বুদ্ধিমত্তা ও কর্মতৎপরতা সত্যিই প্রশংসনীয়।<br>যদি এই নাভাজো যোদ্ধারা আমাদের সাথে না থাকতেন, তবে আমেরিকান মেরিন বাহিনী কখনোই ইও জিমার মতো দুর্ভেদ্য দ্বীপ জয় করতে পারত না। ** কোড টকার হলেন মূলত প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনীতে কর্মরত নেটিভ আমেরিকান (আদিবাসী) সৈনিক, যারা নিজেদের জটিল ও অলিখিত আদিবাসী ভাষা ব্যবহার করে শত্রুপক্ষ বুঝতে না পারে এমন গোপন সংকেত বার্তা পাঠাতেন। *** নাভাজো ইন্ডিয়ান সৈন্য এবং মেরিনদের সম্পর্কে মন্তব্য, যারা রেডিওতে তাদের নিজস্ব মাতৃভাষায় যোগাযোগ করত; যার ফলে জাপানি গোয়েন্দারা আড়ি পেতেও সেই সংকেত বা কোড কখনোই বুঝতে সক্ষম হয়নি; [https://americanindian.si.edu/why-we-serve/topics/code-talkers/ সূত্র]। * যে সকল অতি-উৎসাহী প্লাটুন লিডাররা চমকপ্রদ আক্রমণের নির্দেশ দিয়ে শত্রুর গোলাবর্ষণকে আমন্ত্রণ জানাতেন, তাঁদের এড়িয়ে চলা হতো এবং প্রয়োজনে তাঁদের নির্দেশ উপেক্ষা করা হতো। ওভাবে কখনোই যুদ্ধক্ষেত্রে জমি দখল করা যেত না; বরং তা অর্জিত হতো পাঁচ-ছয়জনের ছোট ছোট একেকটি ক্লাস্টার বা দলের মাধ্যমে, যারা এক ধরণের আত্ম-সম্মোহনের বশবর্তী হয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে দুপাশ থেকে রহস্যময় এক সমন্বয়ের মাধ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে যেত। ** সার্জেন্ট '''''উইলিয়াম ম্যানচেস্টারের''''' (ইউএসএমসি) পর্যবেক্ষণ; ওকিনাওয়ার যুদ্ধে স্থল অভিযানের অভিজ্ঞতা নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত ইতিহাস গ্রন্থ গুডবাই ডার্কনেসে। * প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্রবর্তী অঞ্চলের একটি দ্রুতগামী রণতরী থেকে, ১১ মে (বিশেষ বিলম্বিত প্রতিবেদন) এক হাজার পাউন্ড ওজনের বোমা বহনকারী দুটি জাপানি আত্মঘাতী বিমান আজ ভাইস অ্যাডমিরাল মার্ক এ. মিটশারের নিজস্ব ফ্ল্যাগশিপের (প্রধান জাহাজ) ফ্লাইট ডেকে আছড়ে পড়েছে। যা আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফ্ল্যাট-টপ বা বিমানবাহী রণতরীটিকে একটি বিশাল 'ভাসমান মশালের' মতো জ্বলন্ত অগ্নিপিণ্ডে পরিণত করেছে, যার আগুনের শিখা আকাশে প্রায় এক হাজার ফুট উঁচুতে ছড়িয়ে পড়ছিল।<br>এরপরের দীর্ঘ আট ঘণ্টা ধরে জাহাজ এবং তার ক্রু-রা টিকে থাকার জন্য এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ ও ভয়াবহ লড়াই চালিয়েছে, যা প্রশান্ত মহাসাগরের ইতিহাসে খুব কমই দেখা গেছে। তবে গোধূলির আলো যখন নিভে আসছিল, তখন দেখা গেল সেই ইউএসএস বাঙ্কার হিল যা ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং এখনও ধোঁয়া ও বাষ্পের আবরণে ঢাকা থাকা সত্ত্বেও, নিজ শক্তিতেই দূর দিগন্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সে তখন নিরাপদ। আগামীকাল তাকে আরও আটটি ভয়াবহ ঘণ্টা কাটাতে হবে সেই সব মানুষদের সাগরে সমাহিত করার জন্য, যারা এই জাহাজটিকে রক্ষা করতে গিয়ে নিজেদের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন।<br>কয়েকশ গজ দূরে অবস্থিত পার্শ্ববর্তী একটি রণতরীর ডেক থেকে আমি বাঙ্কার হিলকে পুড়তে দেখেছি। এটি বিশ্বাস করা কঠিন যে ওই আগুনের শিখার মধ্যে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে কিংবা কোনো ধাতু এমন প্রচণ্ড উত্তাপ সহ্য করতে পারে।<br>এক মিনিট আগেও আমাদের টাস্ক ফোর্স ওকিনাওয়া থেকে ৬০ মাইল দূরে অলস ভঙ্গিতে চক্কর দিচ্ছিল, পৃথিবীর কোনো চিন্তা বা শত্রুর বিমানের কোনো আশঙ্কা আমাদের মনে ছিল না। কিন্তু ঠিক তার পরের মুহূর্তেই বাঙ্কার হিল আগুনের এক বিশাল স্তম্ভে পরিণত হলো। এটি গ্রীষ্মকালীন বজ্রপাতের মতোই ক্ষণস্থায়ী আর আকস্মিক ছিল।<br>যুদ্ধের এলাকায় প্রবেশের পর থেকে প্রতিদিন ষোলো ঘণ্টার একটানা সতর্ক পাহারার পর, আমাদের জাহাজের সেই ক্লান্তি মেটাতে এক ঘণ্টা আগেই জেনারেল কোয়ার্টার থেকে বিরতি দেওয়া হয়েছিল। বাঙ্কার হিলেও পরিস্থিতি তেমনই ছিল। পাহারায় নেই এমন ক্লান্ত সেনারা একটু ঘুমিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। জাহাজের পেছনের ফ্লাইট ডেকে ৩৪টি বিমান উড্ডয়নের অপেক্ষায় ছিল। সেগুলোর জ্বালানি ট্যাংক ছিল উদ্বায়ী এভিয়েশন গ্যাসোলিনে একদম পূর্ণ। বিমানগুলোর বন্দুকগুলোও ছিল গোলাবারুদে ঠাসা...।<br>ঠিক তখনই দিগন্তের ওপারে একটি মিশনের কাজ শেষ করে ফিরে আসা কিছু বিমান দেখা যাচ্ছিল। আমাদের জাহাজের একজন লোক প্রথম তিনটি শত্রু বিমান দেখতে পেয়ে চিৎকার করে সতর্কবার্তা দেয়। কিন্তু জেনারেল কোয়ার্টার বা সতর্কঘণ্টা বাজার আগেই এবং বাঙ্কার হিল থেকে আধডজন গুলি বের হওয়ার আগেই, প্রথম কামিকাজে তার ৫৫০ পাউন্ডের বোমাটি জাহাজের ওপর ফেলে দেয় এবং জ্বলন্ত গ্যাসোলিনের ফোয়ারা ছিটিয়ে দিয়ে সোজা ওই ৩৪টি অপেক্ষারত বিমানের ওপর আছড়ে পড়ে।<br>আগুনের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করার সুযোগ পাওয়ার আগেই, মেঘের আড়াল থেকে আরেকটি কামিকাজে গোঁ গোঁ গম্ভীর শব্দে জাহাজের প্রাণঘাতী বিমান-বিধ্বংসী কামানের গোলা উপেক্ষা করে সোজা আছড়ে পড়ে।<br>কয়েক মিনিট পর তৃতীয় একটি জাপানি আত্মঘাতী বিমান কাজ শেষ করতে নিচে নেমে আসে। চারপাশের আগুন আর ধোঁয়া উপেক্ষা করে বাঙ্কার হিলের কামানের গ্যালারিতে থাকা সেনারা তাঁদের পোস্টে অটল ছিলেন। অবশেষে পাশের একটি ডেস্ট্রয়ার সেই জাপানি বিমানটিকে সরাসরি আঘাত করে সমুদ্রে ফেলে দেয়।<br>এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আগুনের তীব্রতার কোনো কমতি দেখা যায়নি...। মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও জাহাজটি সর্বোচ্চ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল, আর সেই বাতাসের তোড়ে ডেক থেকে আগুন আর ধোঁয়া জাহাজের পেছনের দিকে সরে যাচ্ছিল, যা ফ্লাইট ডেককে আগুনের হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করেছে। জাহাজের একদম শেষ প্রান্তে (ফ্যানটেইল) আটকে পড়া সৈনিকেরা আগুনের দেয়ালের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন; অথচ তাঁরা জানতেনও না যে ওই আগুনের দেয়ালের অন্য পাশে জাহাজের কতোটুকু আর অবশিষ্ট আছে...।<br>প্রায় তিন ঘণ্টার এক প্রায়-অসম্ভব লড়াইয়ের পর তাঁরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। যদিও পুরোপুরি নেভাতে আরও অনেক সময় লেগেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে তাঁরাই জিতেছিলেন এবং জাহাজটি রক্ষা পেয়েছিল।<br>সেই অকুতোভয় জাহাজে আজ যে বীরত্বপূর্ণ কাজগুলো সংঘটিত হয়েছে, তা লিখে শেষ করার জন্য একটি মোটা বইও যথেষ্ট হবে না।<br>আজ মাত্র তিনটি পাইলট এবং তিনটি বিমানের বিনিময়ে শত্রু আমাদের ৩৯২ জন মানুষকে হত্যা করেছে, আহত করেছে আরও ২৬৪ জনকে, প্রায় ৭০টি বিমান ধ্বংস করেছে এবং একটি চমৎকার ও বিখ্যাত জাহাজকে দুমড়েমুচড়ে দিয়েছে। আজ রাতে সেই জাহাজের ফ্লাইট ডেকটিকে আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের মতো মনে হচ্ছে। কিন্তু জাহাজটি ডুবে যায়নি...। এটি নিজ শক্তিতেই ব্রেমারটন নেভি ইয়ার্ডে ফিরে যাবে এবং সেখানে মেরামত করা হবে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এটি আবারও ফিরে আসবে শত্রু জাহাজ ডুবাতে, বিমান ভূপাতিত করতে এবং জাপানি বিমানঘাঁটিগুলোতে বোমা হামলা চালাতে।<br>হয়তো তার পরবর্তী কাজ হবে খোদ টোকিও দখলের অভিযানে সহায়তা করা! ** ফেল্পস অ্যাডামস, "কামিকাজে: এন আই উইটনেস অ্যাকাউন্ট" (একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ); লুইস স্নাইডার সম্পাদিত 'মাস্টারপিসেস অফ ওয়ার রিপোর্টিং: গ্রেট মোমেন্টস অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার ২' (১৯৬২), পৃষ্ঠা ৪৮৭-৪৯৪। জাপানি ভাষায় "কামিকাজে" বা "দিব্য বায়ু" বলতে সেই সব আত্মঘাতী পাইলটদের বোঝানো হতো যারা তাদের বোমা ভর্তি বিমানগুলো আমেরিকান নৌ-জাহাজে আছড়ে ফেলতেন। ইউএসএস বাঙ্কার হিল ব্রেমারটনে মেরামত করা হয়েছিল এবং সেপ্টেম্বর মাসে পুনরায় প্যাসিফিক ফ্লিটে যোগ দিয়েছিল। ১৯৭৩ সালে স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি হওয়ার আগ পর্যন্ত এটি নৌবাহিনীতে যুক্ত ছিল। == [[w:হিরোশিমা_ও_নাগাসাকিতে_পারমাণবিক_বোমাবর্ষণ|হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা (৬/৯ আগস্ট, ১৯৪৫)]] == '''১৯৪৫''' * দোহাই লাগে, আমাদের দেশের সেরা যুবকদের ইও জিমার মতো জায়গায় এভাবে মরতে পাঠাবেন না। কেন অন্য কোনো উপায়ে আমাদের লক্ষ্যগুলো অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে না? ** মার্কিন নৌ-সচিবের কাছে লেখা একটি চিঠি। (যেখানে ইও জিমার যুদ্ধে ব্যাপক প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে এই করুণ আকুতি জানানো হয়েছিল) * জাতীয় প্রতিরোধ কর্মসূচি। ** জাপানের মূল ভূখণ্ডে মিত্রবাহিনীর সম্ভাব্য আক্রমণ (অপারেশন অলিম্পিক, যা ১ নভেম্বর ১৯৪৫ তারিখে শুরুর পরিকল্পনা ছিল) রুখে দেওয়ার একটি জাপানি পরিকল্পনা। এতে ১৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী সকল পুরুষ এবং ১৭ থেকে ৪০ বছর বয়সী সকল নারীকে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যুদ্ধপরবর্তী নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, এই পরিকল্পনায় প্রায় ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) জাপানি নাগরিকের জীবন বিসর্জন দেওয়ার প্রস্তুতি রাখা হয়েছিল। * জাপানিদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যেখানে আমাদের ও তাদের সৈন্য সংখ্যার অনুপাত ১:১ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। যা কোনোভাবেই যুদ্ধের বিজয়ের মন্ত্র হতে পারে না। ** মেজর জেনারেল চার্লস উইলোবির পর্যবেক্ষণ; তিনি জেনারেল [[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]] স্টাফের ইন্টেলিজেন্স প্রধান বা G-2 ছিলেন। অপারেশন অলিম্পিকের আক্রমণ জোনে জাপানিদের ক্রমাগত শক্তি বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে তিনি এই সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। * যখন আমি একটি অত্যন্ত তীব্র আলো বা ঝলক দেখতে পেলাম, আমি অবচেতনভাবেই আমার দুই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে ফেললাম... চোখের পলকে পুরো শহরটি ধ্বংস হয়ে গেল এবং দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করল। তখন কোথাও যাওয়ার মতো কোনো জায়গা আর অবশিষ্ট ছিল না। ** মিচিকো ইয়ামাওকা, ৬ আগস্ট ১৯৪৫ সালে হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা হামলার একজন উত্তরজীবীর বর্ণনা। [[File:Atomic bombing of Japan.jpg|thumb|right|সূর্য যে শক্তি থেকে তার তেজ সংগ্রহ করে, সেই একই শক্তি আজ তাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে যারা দূরপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে এসেছিল!]] * ঠিক ষোলো ঘণ্টা আগে একটি আমেরিকান বিমান জাপানি সেনাবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিরোশিমার ওপর একটি বোমা নিক্ষেপ করেছে। সেই একটি বোমার ক্ষমতা ২০,০০০ টন টিএনটির চেয়েও বেশি ছিল। এই বোমার মাধ্যমে আমরা এখন আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর ক্রমবর্ধমান শক্তির পাশাপাশি ধ্বংসযজ্ঞের এক নতুন এবং বৈপ্লবিক মাত্রা যুক্ত করেছি...। এটি একটি পারমাণবিক বোমা। এটি মহাবিশ্বের মৌলিক শক্তিকে বশীভূত করার এক বৈজ্ঞানিক সাফল্য। সূর্য যে শক্তি থেকে তার তেজ সংগ্রহ করে, সেই একই মহাশক্তি আজ তাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে যারা দূরপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে এসেছিল। আমরা এই বোমাটি উদ্ভাবন করেছি এবং এটি ব্যবহারও করেছি। আমরা এটি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছি যারা পার্ল হারবারে কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই আমাদের আক্রমণ করেছিল; তাদের বিরুদ্ধে যারা আমেরিকান যুদ্ধবন্দীদের অনাহারে রেখেছে, পিটিয়েছে এবং হত্যা করেছে; এবং তাদের বিরুদ্ধে যারা যুদ্ধের আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার সামান্যতম অভিনয়টুকুও বর্জন করেছে। আমরা এই বোমাটি ব্যবহার করেছি যুদ্ধের এই দীর্ঘ যন্ত্রণা কমিয়ে আনার জন্য এবং হাজার হাজার তরুণ আমেরিকানের জীবন বাঁচানোর জন্য। আমরা এটি ব্যবহার করা অব্যাহত রাখব যতক্ষণ না আমরা জাপানের যুদ্ধ করার ক্ষমতাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিই। কেবল জাপানিদের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণই আমাদের থামাতে পারবে। ** হিরোশিমায় বোমা হামলার পর আমেরিকান জনগণের উদ্দেশ্যে দেওয়া প্রেসিডেন্ট '''''[[:w:হ্যারি এস. ট্রুম্যানের|হ্যারি এস. ট্রুম্যানের]]''''' বেতার ভাষণ (৬ আগস্ট, ১৯৪৫)। * আপনি একবার সেই সব মানুষের জীবনের কথা ভাবুন যারা জাপানের মূল ভূখণ্ডে আক্রমণ করতে গেলে প্রাণ হারাত। আমেরিকানদের সেই সংখ্যাটা ছিল আকাশচুম্বী, কিন্তু জাপানিদের ক্ষেত্রে সেই প্রাণহানি হতো কয়েক মিলিয়ন বা কোটির ঘরে! তাই এই পারমাণবিক বোমার অস্তিত্বের জন্য আপনি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দেবেন। ** প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কর্মরত একজন আমেরিকান মেরিন সেনার মন্তব্য। * এই পুরো জাতি যদি একটি সুন্দর ফুলের মতো ধ্বংস হয়ে যায়, তবে সেটি কি এক বিস্ময়কর ব্যাপার হবে না? ** জাপানি যুদ্ধমন্ত্রী জেনারেল আনামির মন্তব্য; ৯ আগস্ট ১৯৪৫ জাপানের 'সুপ্রিম কাউন্সিল ফর দ্য ডিরেকশন অফ দ্য ওয়ারের' একটি বৈঠকে তিনি এই চরমপন্থী দর্শনের কথা বলেছিলেন। * যুদ্ধ শেষ করার প্রচেষ্টায় আমাদের 'শান্তি কামী দল'-কে এই পারমাণবিক বোমাটি পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছে। ** কোইচি কিদো, সম্রাট হিরোহিতোর একজন ঘনিষ্ঠ সহায়কের মন্তব্য; পারমাণবিক বোমার ধ্বংসলীলা কীভাবে কট্টরপন্থীদের দমাতে সাহায্য করেছিল তা তিনি এভাবেই ব্যক্ত করেছেন। * পারমাণবিক বোমা হামলা ছিল স্বর্গ থেকে আসা এক আশীর্বাদ বা উপহার। ** জাপানি নৌ-মন্ত্রী মিতসুমাসা ইয়োনাইয়ের উক্তি; তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে, এই বোমা হামলা সেই সব নেতাদের ক্ষমতার পতন ঘটিয়েছিল যারা যেকোনো মূল্যে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন। * পারমাণবিক বোমাটি ছিল জাপানের জন্য যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে স্বর্গ থেকে দেওয়া একটি সুবর্ণ সুযোগ। ** হিসাতসুনে সাকোমিজু; ১৯৪৫ সালে জাপানের চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি হিসেবে এই মন্তব্য করেছিলেন। * আমরা আমেরিকা ও ব্রিটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলাম আমাদের আত্মরক্ষা নিশ্চিত করার এবং পূর্ব এশিয়ায় স্থিতিশীলতা আনার আন্তরিক আকাঙ্ক্ষা থেকে। অন্য কোনো জাতির সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করা বা আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার করার কোনো চিন্তা আমাদের ছিল না। কিন্তু এখন এই যুদ্ধ প্রায় চার বছর ধরে চলছে। আমাদের সামরিক ও নৌবাহিনীর বীরত্বপূর্ণ লড়াই, রাষ্ট্রের সেবকদের নিরলস পরিশ্রম এবং আমাদের দশ কোটি মানুষের একনিষ্ঠ সেবা সত্ত্বেও, যুদ্ধের পরিস্থিতি জাপানের অনুকূলে গড়ে ওঠেনি। বরং বিশ্বের সাধারণ প্রবণতাগুলো এখন জাপানের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে গেছে। তদুপরি, শত্রু এখন এক নতুন এবং অত্যন্ত নৃশংস বোমা ব্যবহার করতে শুরু করেছে, যার ধ্বংস করার ক্ষমতা সত্যিই অভাবনীয় এবং যা বহু নিরপরাধ মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে। যদি আমরা লড়াই চালিয়ে যাই, তবে এটি কেবল জাপানি জাতির চূড়ান্ত পতন এবং বিলুপ্তিই ঘটাবে না, বরং তা মানব সভ্যতার সম্পূর্ণ বিনাশের দিকে নিয়ে যাবে। ** সম্রাট '''''[[w:হিরোহিতো|হিরোহিতোর]]''''' আত্মসমর্পণের ভাষণ (১৫ আগস্ট, ১৯৪৫)। এটিই ছিল প্রথমবার যখন সাধারণ জাপানিরা তাদের সম্রাটের কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়েছিল। * আজ বন্দুকগুলো নিস্তব্ধ। এক বিশাল ট্র্যাজেডির অবসান হয়েছে। এক মহান বিজয় অর্জিত হয়েছে। আকাশ থেকে আর মৃত্যুর বৃষ্টি ঝরছে না। আজ সর্বত্র মানুষ সূর্যের আলোতে মাথা উঁচু করে হাঁটে। সমগ্র বিশ্ব আজ শান্তিতে বিরাজ করছে। পবিত্র মিশন সম্পন্ন হয়েছে। আর আপনাদের কাছে এটি রিপোর্ট করার সময় আমি সেই হাজার হাজার নীরব ও নিশ্চল হয়ে যাওয়া ঠোঁটের হয়ে কথা বলছি, যারা প্রশান্ত মহাসাগরের জঙ্গল, সৈকত এবং গভীর জলে চিরকালের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেছে এবং আমাদের বিজয়ের পথ দেখিয়ে গেছে।<br>বাতাআন এবং কোরিজিডোরের সেই অন্ধকার দিনগুলো থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ ও কণ্টকাকীর্ণ পথের দিকে যখন আমি ফিরে তাকাই, যখন সমগ্র বিশ্ব ভয়ে কাঁপছিল, যখন গণতন্ত্র সর্বত্র কোণঠাসা ছিল, যখন আধুনিক সভ্যতা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দুলছিল। তখন আমি পরম দয়ালু ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই যে তিনি আমাদের সেই বিশ্বাস, সাহস এবং শক্তি দিয়েছেন যার মাধ্যমে আমরা বিজয় ছিনিয়ে আনতে পেরেছি। আমরা পরাজয়ের তিক্ততা এবং বিজয়ের আনন্দ উভয়ই দেখেছি, এবং উভয় থেকেই আমরা শিখেছি যে এখান থেকে আর পেছনে ফেরার পথ নেই। যুদ্ধে আমরা যা জিতেছি, শান্তিতে তা রক্ষা করার জন্য আমাদের অবশ্যই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ** জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' রেডিও ভাষণ; ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ তারিখে 'ভি-জে ডে' (জাপানের ওপর বিজয় দিবস) উপলক্ষে। টোকিও বেতে ইউএসএস মিসৌরি যুদ্ধজাহাজের ডেকে জাপানি প্রতিনিধিরা আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষরের সময় তিনি এই ভাষণ দেন। == যুদ্ধের পরবর্তী অবস্থা (আফটারম্যাথ) == [[File:Eternal flame ceremony 23 February 2010 07.jpg|thumb|তোমার নাম অজানা। তবে তোমার কীর্তি চির অমর। ~ অজানা সৈনিকের সমাধি (মস্কো)]] [[File:World War II Memorial Pacific-Bas Reliefs Navy In Action.jpg|thumb|right|এই যুদ্ধে প্রকৃত বীর হিসেবে কাকে বেছে নেওয়া হবে, সে ব্যাপারে আমরা সবাই একমত। তিনি হলেন সেই সাধারণ সৈনিক 'জি.আই. জো', এবং প্রতিটি মিত্র জাতির বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও মার্চেন্ট মেরিনে থাকা তাঁর সমকক্ষ সহযোদ্ধারা। ~ ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]] * '''তোমার নাম অজানা। তবে তোমার কীর্তি চির অমর।''' (রাশিয়ান: "Имя твоё неизвестно, подвиг твой бессмертен"/Imya tvoyo neizvestno, podvig tvoy bessmerten) ** মস্কোর অজানা সৈনিকের সমাধিতে খোদাই করা এক চিরকালীন শোকগাথা। * কানাডিয়ান, ফরাসি, আমেরিকান এবং ব্রিটিশ বাহিনীর আমার প্রধান সমর্থকদের নাম উল্লেখ করা মানেই দক্ষতা, কৌশল, আনুগত্য এবং কর্তব্যের প্রতি পরম একনিষ্ঠতার এক অনন্য আলেখ্য তুলে ধরা। জাতিসংঘ আজীবন কৃতজ্ঞতার সাথে টেথার, মন্টগোমারি, স্পটস, ব্র্যাডলি, বিলেট, ক্রেরে এবং আরও অনেকের নাম স্মরণ রাখবে।<br>'''কিন্তু এই যুদ্ধের প্রকৃত বীর কে—তা বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে আমার এই সকল সহযোদ্ধারা আমার সাথে সম্পূর্ণ একমত হবেন। তিনি হলেন আমাদের সেই অকুতোভয় সাধারণ সৈনিক 'জি.আই. জো', এবং প্রতিটি মিত্র জাতির বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও মার্চেন্ট মেরিনে থাকা তাঁর সমকক্ষ সহযোদ্ধারা।''' তিনি সেই ভয়ঙ্কর সমুদ্রের বিপদ মোকাবিলা করেছেন যা ইউ-বোটের উপদ্রবে ছিল তটস্থ। তিনি অসীম সাহসিকতায় সেই সব সৈকতে আক্রমণ শাণিত করেছেন যেখানে শত্রুরা অত্যন্ত মরিয়া হয়ে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলেছিল। তিনি কেল্লাবন্দি দুর্ভেদ্য এলাকাগুলোর মধ্য দিয়ে অত্যন্ত ধৈর্য ও তিতিক্ষার সাথে লড়াই করে তাঁর ত্যাগের পথটি প্রশস্ত করেছেন। তিনি হাড়কাঁপানো শীত, ক্ষুধা আর দুঃসহ ক্লান্তি হাসিমুখে সহ্য করেছেন। প্রতিটি পদক্ষেপে মৃত্যু তাঁর পিছু নিলেও বিপদকেই তিনি নিত্যসঙ্গী করেছেন। তিনি এবং তাঁর প্লাটুন কমান্ডাররা আমাদের সামনে আনুগত্য, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং অদম্য সাহসের এমন এক প্রদীপ্ত উদাহরণ স্থাপন করেছেন। যা আমাদের হৃদয়ে ততদিন প্রজ্জ্বলিত থাকবে যতদিন আমরা মানুষের এই মহৎ গুণাবলিকে শ্রদ্ধা জানাব। ** ১৯৪৫ সালের ভি-ই ডে উপলক্ষে দেওয়া জেনারেল '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' ভাষণ। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না কিংবা এটি নির্দিষ্ট কোনো রাষ্ট্রনায়কের ভুলের কারণে শুরু হয়েছিল—এমনটা ভাবা হবে চরম ভ্রান্তি; যদিও সেখানে বেশ কিছু বড় ভুল অবশ্যই সংঘটিত হয়েছিল। '''প্রকৃতপক্ষে, এই যুদ্ধ ছিল বর্তমান যুগের একচেটিয়া পুঁজিবাদের ভিত্তিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তিগুলোর বিকাশের এক অনিবার্য এবং অবধারিত পরিণতি।''' [[:w:মার্ক্সবাদ|মার্কসবাদীরা]] বারংবার একটি সত্য উচ্চারণ করেছেন যে, বিশ্ব অর্থনীতির পুঁজিবাদী ব্যবস্থাটি তার গর্ভেই সাধারণ সংকট এবং সামরিক সংঘাতের বীজ বহন করে। সেই নিরিখে বলা যায়, বর্তমান সময়ে বিশ্ব পুঁজিবাদের বিকাশ সরলরেখায় বা সমানভাবে ঘটে না। বরং এটি প্রতিটি গভীর সংকট এবং বিপর্যয়কর মহাযুদ্ধের ঘূর্ণাবর্তের মধ্য দিয়ে সামনে অগ্রসর হয়। মূল সত্যটি হলো, পুঁজিবাদী দেশগুলোর অসম বিকাশ সময়ের সাথে সাথে পুঁজিবাদী বিশ্বব্যবস্থার অভ্যন্তরীণ ভারসাম্যকে নিদারুণভাবে বিঘ্নিত করে। এর ফলে পুঁজিবাদের যে অংশটি নিজেদের কাঁচামাল এবং বাজারের দিক থেকে কম সুরক্ষিত বলে অনুধাবন করে, তারা সাধারণত সেই পরিস্থিতির মোড় ঘটাতে এবং সশস্ত্র শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থে 'প্রভাব বলয়' নতুন করে বন্টন করার চেষ্টায় মেতে ওঠে। এর ফলেই পুঁজিবাদী বিশ্ব দুটি পরস্পরবিরোধী শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং তাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয়। '''হয়তো এমন বিপর্যয়কর যুদ্ধগুলো এড়ানো সম্ভব হতো যদি দেশগুলোর অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে কাঁচামাল এবং বাজারগুলো শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে পুনর্বন্টন করা যেত। কিন্তু বর্তমান পুঁজিবাদী বিশ্ব অর্থনীতির বিকাশের প্রেক্ষাপটে তা একেবারেই অসম্ভব।''' ** — ১৯৪৬ সালে সোভিয়েত নেতা '''''জোসেফ স্ট্যালিনের''''' সেই ঐতিহাসিক নির্বাচনী ভাষণ। * '''দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মানুষের সাথে মানুষের প্রতিটি আত্মিক বন্ধন ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল'''। হিটলারের দোর্দণ্ড প্রতাপের অধীনে জার্মানরা এমন সব নৃশংস অপরাধ করেছিল—যার ব্যপ্তি এবং পৈশাচিকতা মানব ইতিহাসের প্রতিটি কৃষ্ণতম অধ্যায়কে ম্লান করে দেয়। জার্মানির কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ষাট থেকে সত্তর লক্ষ নারী, পুরুষ এবং শিশুকে যে পাইকারি হারে গণহত্যা করা হয়েছিল—তা ভয়াবহতায় চেঙ্গিস খানের নিষ্ঠুরতাকেও বহুগুণ ছাড়িয়ে যায়। '''পূর্বাঞ্চলীয় রণাঙ্গনে জার্মানি এবং রাশিয়া উভয় দেশই পুরো জনসংখ্যাকে পরিকল্পিতভাবে নির্মূল করার এক ঘৃণ্য লক্ষ্য তাড়া করেছিল এবং তা বাস্তবায়নও করেছিল।''' আকাশ থেকে খোলামেলা জনবহুল শহরগুলোতে নির্বিচারে বোমা বর্ষণের যে কুৎসিত সংস্কৃতি জার্মানরা শুরু করেছিল, মিত্রশক্তি তাদের ক্রমবর্ধমান বিধ্বংসী ক্ষমতা দিয়ে তার বিশগুণ বেশি প্রতিশোধ গ্রহণ করেছিল। যার চূড়ান্ত পরিণতি আমরা দেখেছি হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমার ভয়াবহ প্রয়োগের মধ্য দিয়ে। আমরা এক দীর্ঘ ও রক্তপিচ্ছিল সংগ্রাম শেষে এমন এক বস্তুগত ধ্বংসযজ্ঞ এবং নৈতিক বিপর্যয়ের ভগ্নস্তূপ থেকে বেরিয়ে এসেছি, যা পূর্ববর্তী শতকের মানুষের কল্পনাকেও কোনোদিন স্পর্শ করতে পারেনি। '''আমরা যা কিছু সহ্য করেছি এবং যা কিছু অর্জন করেছি—অবশেষে আজ আমরা নিজেদের এমন সব জটিল সমস্যার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখছি, যা আমাদের ফেলে আসা সংকটের চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়, বরং অনেক বেশি দুস্তর।''' ** উইনস্টন চার্চিল, ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার: ভলিউম ১: দ্য গ্যাদারিং স্টর্ম'' (১৯৪৮), পৃষ্ঠা ১৪। * '''যাইহোক, সবই তো শেষ হলো। ভাবছি কাল আমি কী করতে যাচ্ছি।''' ** ফ্লিট অ্যাডমিরাল '''''আর্নেস্ট কিঙের''''', ৯ম চিফ অফ নেভাল অপারেশনস; ১৪ আগস্ট ১৯৪৫ তারিখে নীল কে. ডায়েটরিচের কাছে করা একটি মন্তব্য। কিং এইমাত্র জানতে পেরেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান মিত্রবাহিনীর কাছে জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে যাচ্ছেন। থমাস বি. বুয়েল রচিত 'মাস্টার অফ সি পাওয়ার: এ বায়োগ্রাফি অফ ফ্লিট অ্যাডমিরাল আর্নেস্ট জে. কিং' (১৯৮০), ৪৯৮ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রতি বর্তমানের যে প্রবল আকর্ষণ, তার পেছনে। বিশেষ করে মিত্রশক্তির পক্ষ থেকে একটি সুপ্ত অনুভূতি কাজ করে যে, এটিই ছিল ইতিহাসের সর্বশেষ নৈতিকভাবে দ্ব্যর্থহীন ও ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ। জার্মান নাৎসি, ইতালীয় ফ্যাসিস্ট এবং জাপানি সামরিক শাসকরা এতটাই স্পষ্টভাবে মন্দ লোক ছিলেন যে তাঁদের পরাজিত করাটা ছিল অনিবার্য। (তবে আমরা যে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক স্বৈরশাসক জোসেফ স্ট্যালিনের সাথে জোট বেঁধেছিলাম, সেই চরম সত্যটি এখানে সবসময়ই এড়িয়ে যাওয়া হয়।) এরপর থেকে সংঘটিত যুদ্ধগুলো আর আগের মতো অতটা স্বচ্ছ বা পরিষ্কার ছিল না। সত্য যে, সোভিয়েত সম্প্রসারণবাদ রুখতে [[:w:কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধ]] ছিল প্রয়োজনীয়; কিন্তু জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' সেই লড়াইকে চীনা কমিউনিজমের বিরুদ্ধে একটি ধর্মযুদ্ধে রূপান্তরের প্রচেষ্টা আমেরিকানদের নিজেদের মধ্যে এবং তাদের মিত্রদের সাথে এক গভীর বিভেদ তৈরি করে দিয়েছিল। [[:w:ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধ]] ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক চরম বিপর্যয়, আর এখন [[:w:ইরাক যুদ্ধ|ইরাক দখলও]] অনেকটা সেরকম আরেকটি বিপর্যয়ের মতোই মনে হচ্ছে। ** '''''মার্গারেট ম্যাকমিলান''''', 'দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি' (২০০৮)। == যুদ্ধের লক্ষ্য এবং যুদ্ধের কূটনীতি == === ১৯৪৫ === * যুদ্ধের পর আমেরিকাকে তিনটি পথের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতেই হবেঃ প্রথমত, সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদ, যার অনিবার্য পরিণাম হলো শেষ পর্যন্ত আমাদের নিজেদের স্বাধীনতা হারানো।<br>দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদ, যার অর্থ হলো অন্য কোনো জাতির স্বাধীনতাকে বিসর্জন দেওয়া; অথবা তৃতীয়ত, এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলা যেখানে প্রতিটি জাতি এবং প্রতিটি বর্ণের মানুষের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত থাকবে। আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে, আমেরিকান জনগণের এক বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ এই শেষ পথটিই বেছে নেবে। এই পছন্দকে কার্যকর করতে হলে আমাদের কেবল যুদ্ধেই জিতলে চলবে না, আমাদের শান্তিকেও জয় করতে হবে এবং সেই জয়ের সূচনা আমাদের এখনই করতে হবে।<br>এই শান্তি জয়ের জন্য আমার কাছে তিনটি বিষয় অত্যন্ত প্রয়োজনীয় মনে হয়—প্রথমত, আমাদের এখন থেকেই বিশ্বব্যাপী শান্তির একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা করতে হবে।<br>দ্বিতীয়ত, বিশ্বে প্রকৃত শান্তি বজায় রাখার জন্য প্রতিটি জাতি ও প্রতিটি মানুষকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন হতে হবে। এবং তৃতীয়ত, বিশ্বে সেই স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা ও তা রক্ষা করার জন্য আমেরিকাকে একটি সক্রিয় ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।<br>আমাদের নেতাদের দেওয়া আটলান্টিক চার্টারের মতো নিছক ঘোষণা দিয়ে এটি সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এর প্রকৃত সাফল্য মূলত নির্ভর করে বিশ্বের সাধারণ মানুষের স্বীকৃতির ওপর। ... ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের দ্বারা এই 'চারটি স্বাধীনতা' অর্জন করা সম্ভব হবে না। এগুলো কেবল তখনই বাস্তবে ধরা দেবে যখন বিশ্বের সাধারণ মানুষ এগুলোকে নিজেদের প্রচেষ্টায় বাস্তবে রূপদান করবে। ** '''''ওয়েন্ডেল উইলি''''', ১৯৪০ সালের রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী; তাঁর 'ওয়ান ওয়ার্ল্ড' (১৯৪৩) গ্রন্থের ১৪ অধ্যায়ে। * এই বছর শেষ হওয়ার আগেই বিশ্ববাসীর কাছে কথার চেয়ে কাজের মাধ্যমে এটি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে যে, কাসাব্লাঙ্কা কনফারেন্স প্রচুর গুরুত্বপূর্ণ খবর তৈরি করেছে। আর সেই খবরগুলো জার্মান, ইতালীয় এবং জাপানিদের জন্য হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। ...<br>আসন্ন এবং অনিবার্য বিপর্যয় এড়ানোর নেশায়, অক্ষশক্তির প্রোপাগান্ডাকারীরা জাতিসংঘকে বিভক্ত করার জন্য তাদের সেই পুরনো সব নোংরা কৌশল অবলম্বন করছে। তারা এই ধারণা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে যে আমরা যদি এই যুদ্ধে জয়ী হই, তবে রাশিয়া, ইংল্যান্ড, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি শুরু করবে।<br>তাদের করা অপরাধের চরম পরিণাম থেকে বাঁচার এই আতঙ্কিত প্রচেষ্টার জবাবে আমরা বলি, জাতিসংঘের সকলেই একবাক্যে ঘোষণা করে। অক্ষশক্তির কোনো সরকার বা কোনো গোষ্ঠীর সাথে আমাদের আলোচনার একমাত্র শর্ত হলো কাসাব্লাঙ্কায় ঘোষিত সেই চূড়ান্ত নীতি: 'নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ'। আমাদের এই আপসহীন নীতির অর্থ অক্ষশক্তির দেশগুলোর সাধারণ মানুষের কোনো ক্ষতি করা নয়। তবে এর অর্থ হলো তাদের সেই পৈশাচিক ও বর্বর নেতাদের ওপর পূর্ণ শাস্তি এবং প্রতিশোধ নিশ্চিত করা। ** প্রেসিডেন্ট '''''রুজভেল্ট''''', প্রধানমন্ত্রী চার্চিলের সাথে কাসাব্লাঙ্কা কনফারেন্স থেকে ফেরার পর। হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে ওয়াশিংটন ডি.সি.-র হোটেল স্ট্যাটলার থেকে সম্প্রচারিত ভাষণ। ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩ তারিখে 'ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট বুলেটিন', খণ্ড ৮, সংখ্যা ১৯০ (১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩), ১৪৫–৪৬ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত। === ১৯৪৫ === * ইউরোপে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশগুলোর জাতীয় অর্থনৈতিক জীবনের পুনর্গঠন অবশ্যই এমন কিছু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্জন করতে হবে, যা মুক্ত হওয়া প্রতিটি দেশের মানুষকে নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদের শেষ চিহ্নটুকুও চিরতরে মুছে ফেলতে এবং তাদের নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সক্ষম করে তুলবে। ** ইয়াল্টা কনফারেন্সের ওপর স্টেট ডিপার্টমেন্টের একটি রিপোর্ট। যেখানে ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ রাশিয়ার একটি রিসোর্টে 'বিগ থ্রি' (তিন প্রধান নেতা) নাৎসি জার্মানিকে পরাজিত করার চূড়ান্ত পরিকল্পনা এবং ইউরোপের পুনর্গঠন শুরু করার বিষয়ে মিলিত হয়েছিলেন। উইলিয়াম অ্যাপলম্যান উইলিয়ামস (সম্পাদিত) 'দ্য শেপিং অফ আমেরিকান ডিপ্লোমাসি' (শিকাগো: র‍্যান্ড ম্যাকনালি অ্যান্ড কোং, ১৯৫৬), পৃষ্ঠা ৯৩০। == [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য]] সুরক্ষা == [[File:Ghent_altarpiece_at_Altaussee.jpg|thumb|তাঁরা মার্কিন সামরিক ইউনিটগুলোকে অনুসরণ করে মুক্ত হওয়া শহরগুলোতে প্রবেশ করতেন এবং সেখানে চুরি হওয়া শিল্পকর্মগুলোর লুকানো জায়গাগুলো খুঁজে বের করতেন। এরপর সেগুলো ভবিষ্যতে প্রত্যাবাসন বা স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করতেন এবং সুরক্ষিত স্থানে জমা রাখতেন। এছাড়াও, 'মনুমেন্টস মেন' বা এই বিশেষ রক্ষক দলের কাছে পশ্চিমা শিল্প বিশেষজ্ঞদের তৈরি করা অমূল্য সম্পদের তালিকা থাকত। যদি তালিকায় থাকা কোনো [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] বা স্মৃতিস্তম্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হতো, তবে তাঁরা সেই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব রাখতেন, মেরামত কাজ তত্ত্বাবধান করতেন এবং সাংস্কৃতিক সম্পদের আরও ক্ষতি হওয়া রোধ করতেন। ~ গ্রেগরি জে. ফেরার]] [[File:Monuments_Men_Congressional_Gold_Medal_(reverse).jpg|thumb|ভাস্কর্য, [[:w:ঐতিহাসিক|ঐতিহাসিক]] [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শনগুলোর রক্ষক হিসেবে তাঁদের প্রাথমিক ভূমিকার কারণেই তাঁরা এই নাম অর্জন করেছিলেন। এটি ছিল এক বিশাল ও দুঃসাধ্য কাজ, যার আওতায় ইউরোপীয় মহাদেশের ৫,৬০,০০০ বর্গমাইল এলাকার মধ্যে তালিকাভুক্ত ৩,৪১৫টি স্মৃতিস্তম্ভ অন্তর্ভুক্ত ছিল। ~ গ্রেগরি জে. ফেরার]] * [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের]] নিদর্শনগুলোর সাথে সম্পর্কিত সূক্ষ্ম সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত [[:w:জ্ঞান|জ্ঞান]] সাধারণত [[:w:শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলো|শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলো]] থেকেই পাওয়া সম্ভব। সাংস্কৃতিক সম্পদ রক্ষার ক্ষেত্রে [[:w:পণ্ডিত|পণ্ডিত]], [[:w:অধ্যাপক|অধ্যাপক]] এবং [[:w:জাদুঘর|জাদুঘর]] বিশেষজ্ঞরা হলেন সম্মুখসারির অভিজ্ঞ ব্যক্তি যাদের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য। এই ব্যক্তিরা ঝুঁকির মুখে থাকা শিল্পকর্মগুলো শনাক্ত করতে পারেন এবং সেগুলো সংরক্ষণ ও যত্নের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা সম্পর্কে সম্যক অবগত থাকেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ কর্মজীবনে নিজেদের বিশেষ দক্ষতাকে শাণিত করেছেন এবং সামরিক পরিকল্পনাকারীদের জন্য তাঁরা অত্যন্ত মূল্যবান যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে গণ্য হন। এই নিবন্ধে শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে [[:w:কলেজ|কলেজ]] বা [[:w:বিশ্ববিদ্যালয়|বিশ্ববিদ্যালয়]], জাদুঘর, আর্ট গ্যালারি এবং অলাভজনক বিদ্বৎ সমাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।<br>দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] এবং [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সামরিক বাহিনী তাঁদের নিজস্ব শিল্প রক্ষা সংস্থাগুলো পরিচালনার জন্য উচ্চশিক্ষা সংশ্লিষ্ট এই সম্প্রদায় থেকেই ব্যক্তিদের নির্বাচন করেছিল। জার্মান এবং আমেরিকান উভয় বাহিনীর কমান্ডাররা সাংস্কৃতিক সম্পদের ওপর অগাধ জ্ঞানসম্পন্ন পেশাদারদের খুঁজতেন, যারা সেগুলো শনাক্তকরণ এবং পরিচালনার কৌশল জানতেন। সাংস্কৃতিক সুরক্ষার কঠোর চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম এমন যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মূল সামরিক কাঠামোর অধীনে পরিষেবার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে সংশ্লিষ্ট সামরিক বাহিনীতে অফিসারের পদমর্যাদাও দেওয়া হয়েছিল যাতে তাঁদের নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং সামরিক কর্মপদ্ধতিতে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা নীতির প্রভাব আরও শক্তিশালী হয়। ** গ্রেগরি জে. ফেরার, [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ৯। * [[:w:আমেরিকান|আমেরিকান]] শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় [[:w:ইউরোপে|ইউরোপে]] স্থলযুদ্ধে যোগ দেওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ সাংস্কৃতিক স্থানগুলো সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের সাথে বিস্তারিত পরামর্শ করেছিল। আর্কিওলজিক্যাল ইনস্টিটিউট অফ আমেরিকা, নিউ ইয়র্ক মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট, হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ফগ মিউজিয়াম অফ ফাইন আর্টস এবং ওয়াশিংটন ডি.সি.-র ন্যাশনাল গ্যালারি অফ আর্টের প্রতিনিধিরা ১৯৪২ সালের শরতে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের সাথে একটি সমন্বিত গ্রুপ হিসেবে বৈঠক করেন। এরপর ১৯৪৩ সালের জানুয়ারিতে আমেরিকান কাউন্সিল অফ লার্নড সোসাইটিজের একটি কমিটি এই বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করে। এই সচেতন পণ্ডিতরা ১৯৪৩ সালের জুলাই মাসে সিসিলিতে মার্কিন সৈন্যদের অবতরণ এবং ১৯৪৪ সালের জুনে নরমান্ডি আক্রমণের অনেক আগেই—যা ছিল ইউরোপীয় রণাঙ্গন অভিযানের অংশ। ফেডারেল সরকারের কাছে তাঁদের প্রস্তাবনা নিয়ে গিয়েছিলেন।<br>এই বিশেষজ্ঞরা অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে, হিটলারের ফোট্রেস ইউরোপ যখন মিত্রবাহিনী অনিবার্যভাবে আক্রমণ চালাবে, তখন দখলকৃত দেশগুলোতে থাকা শিল্পকর্ম এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্থানগুলো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। আমেরিকার প্রধান শিল্প [[:w:জাদুঘর|জাদুঘর]], গ্যালারি এবং বুদ্ধিজীবী সমাজগুলোর এই আন্তরিক প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তিনি জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের সাথে শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতার অনুমোদন দেন, যেখানে [[w:সেনাবাহিনী|সেনাবাহিনী]], [[w:নৌবাহিনী|নৌবাহিনী]] এবং আর্মি এয়ার কোরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা সামরিক বিষয়ে ফেডারেল বিভাগগুলোকে পরামর্শ দিতেন। এছাড়াও রুজভেল্ট ১৯৪২ সালের আগস্ট মাসে রবার্টস কমিশন (যার দাপ্তরিক নাম ছিল "আমেরিকান কমিশন ফর দ্য প্রটেকশন অ্যান্ড স্যালভেজ অফ আর্টিস্টিক অ্যান্ড হিস্টোরিক মনুমেন্টস ইন ওয়ার এরিয়াস") তৈরির অনুমতি প্রদান করেন। রুজভেল্টের এই রবার্টস কমিশন গঠনের অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতেই মার্কিন সামরিক বাহিনী তাঁদের নিজস্ব একটি সংগঠন তৈরি করে, যার নাম দেওয়া হয় মনুমেন্টস, ফাইন আর্টস অ্যান্ড আর্কাইভস সার্ভিস (MFA&A)। এই অভিভাবক সংস্থা থেকেই পরবর্তীতে বিশ্ববিখ্যাত মনুমেন্টস মেনদের উদ্ভব ঘটেছিল। ** গ্রেগরি জে. ফেরার, [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ১৯-২০। * মনুমেন্টস মেনদের ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের কমান্ডাধীন সুপ্রিম হেডকোয়ার্টার্স অ্যালাইড এক্সপেডিশনারি ফোর্সের বা SHAEF এর একটি বিভাগ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। আইজেনহাওয়ার উপলব্ধি করেছিলেন যে, মিত্রবাহিনীর অগ্রগতি সমগ্র মানবতার অভিন্ন [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের]] জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। [[:w:রোমের|রোমের]] দিকে অগ্রসরমান সৈন্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছিলেন, "আজ আমরা এমন একটি দেশে লড়াই করছি যা আমাদের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারে বিশাল অবদান রেখেছে; এই দেশ এমন সব স্মৃতিস্তম্ভে সমৃদ্ধ যা আমাদের সভ্যতার বিকাশকে ফুটিয়ে তোলে। যুদ্ধ যতটুকু সুযোগ দেয়, সেই সীমার মধ্যে থেকে ওই স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে শ্রদ্ধা জানাতে আমরা বাধ্য।" সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার হিসেবে [[:w:আইজেনহাওয়ার|আইজেনহাওয়ার]] ১৯৪৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে [[:w:ইতালীয়|ইতালীয়]] সাংস্কৃতিক স্থান মন্টে ক্যাসিনো ধ্বংস হওয়ার পর 'মনুমেন্টস মেন'দের অভিযানের প্রতি সমর্থন আরও বৃদ্ধি করেন এবং ইউরোপীয় পৈতৃক সম্পদ রক্ষাকে যুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করেন। ১৯৪৪ সালের ১৫ আগস্ট ফ্রান্সের দক্ষিণ উপকূলে মিত্রবাহিনীর অবতরণের পর মনুমেন্টস মেনরা [[:w:ইউরোপে|ইউরোপে]] পৌঁছান। তাঁরা ইউনাইটেড স্টেটস আর্মির ইউনিটগুলোকে অনুসরণ করে মুক্ত হওয়া শহরগুলোতে প্রবেশ করতেন এবং সেখানে চুরি হওয়া শিল্পকর্মগুলোর লুকানো জায়গাগুলো তন্নতন্ন করে খুঁজতেন; এরপর সেগুলো ভবিষ্যতে প্রত্যাবাসন বা স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করতেন এবং সুরক্ষিত স্থানে জমা রাখতেন। এছাড়াও, মনুমেন্টস মেনদের কাছে পশ্চিমা শিল্প বিশেষজ্ঞদের তৈরি করা অমূল্য [[:w:সম্পদের|সম্পদের]] তালিকা থাকত। যদি তালিকায় থাকা কোনো স্থাপত্য বা স্মৃতিস্তম্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হতো, তবে তাঁরা সেই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব রাখতেন, মেরামত কাজ তত্ত্বাবধান করতেন এবং সাংস্কৃতিক সম্পদের আরও ক্ষতি হওয়া রোধ করতেন। ১৯৪৬ সালের জুনে MFA&A বিলুপ্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত যুদ্ধ পরবর্তী ইউরোপেও মনুমেন্টস মেনরা তাঁদের কার্যক্রম চালিয়ে গিয়েছিলেন। ** [[w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]] উক্তি; যা গ্রেগরি জে. ফেরার রচিত [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (বসন্ত ৫-২০১৩), ২১-২২ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত ও বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। * মনুমেন্টস মেনদের লক্ষ্য ও সুদূরপ্রসারী উদ্দেশ্য অনেকটা [[:w:নাৎসি জার্মানির|নাৎসি জার্মানির]] সমকক্ষ সংস্থা 'কুন্সটশুৎসের' কর্মপদ্ধতির মতোই ছিল। তবে তাঁদের মহান দায়িত্বে একটি বিশেষ বৈপ্লবিক অধ্যায় যুক্ত হয়েছিল। আর তা হলো লুণ্ঠিত শিল্প ও অমূল্য সম্পদসমূহকে উদ্ধার করে পুনরায় প্রকৃত মালিকের কাছে স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়া বা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা। মনুমেন্টস মেনদের অপরিহার্য কর্তব্যের মধ্যে শিল্প সুরক্ষা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা আদায়ের মতো নীতিগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা অনেকটা কুন্সটশুৎসের আদলেই পরিচালিত হতো। তবে তাঁদের মূল তৎপরতা চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল:<br>(১) মিত্রশক্তির অধিকারে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত স্মৃতিস্তম্ভগুলো বৈজ্ঞানিক ও শৈল্পিক উপায়ে মেরামত করা,<br>(২) মিত্রবাহিনীর সৈন্যদের নিজেদের হাতে যেন কোনো ঐতিহাসিক স্থাপনার অবমাননা, ক্ষতি বা অপব্যবহার না হয় তা কঠোরভাবে নিশ্চিত করা,<br>(৩) শত্রু-অধিকৃত অঞ্চলগুলোতে যুদ্ধের চরম ডামাডোলের মাঝেও অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষয়ক্ষতি থেকে স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে রক্ষা করা এবং<br>(৪) শত্রুসেনাদের দ্বারা সংঘটিত প্রতিটি চুরির ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নথিবদ্ধ করা ও উদ্ধার প্রক্রিয়াকে বেগবান করতে সম্ভাব্য সকল তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা। ভাস্কর্য, [[:w:ঐতিহাসিক|ঐতিহাসিক]] [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শনগুলোর অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে তাঁদের এই অবিস্মরণীয় ভূমিকার কারণেই তাঁরা ইতিহাসে 'মনুমেন্টস মেন' নামে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। এটি ছিল এক অভাবনীয় ও দুঃসাধ্য মহাযজ্ঞ, যার আওতায় ইউরোপীয় [[:w:মহাদেশের|মহাদেশের]] প্রায় ৫,৬০,০০০ বর্গমাইল বিশাল ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে তালিকাভুক্ত ৩,৪১৫টি স্মৃতিস্তম্ভের সুরক্ষার গুরুভার তাঁদের ওপর ন্যস্ত ছিল।<br>এই বিশাল ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য মিত্রবাহিনীর চেইন অফ কমান্ডের প্রতিটি স্তরে যথাযথ তথ্য আদান-প্রদান ও সক্রিয় পেশাদার সহযোগিতার প্রয়োজন ছিল। মনুমেন্টস মেনরা বিভিন্ন প্রকাশনা ও নির্দেশিকা তৈরির মাধ্যমে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের এবং ইউনাইটেড স্টেটস আর্মির [[w:নেতৃত্ব|নেতৃত্বের]] মধ্যে এই শৈল্পিক সচেতনতা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তাঁরা আর্মি এয়ার কোর এবং পদাতিক গোলন্দাজ ইউনিটগুলোকে এমন সব শিল্প সম্পদের তালিকা সরবরাহ করতেন, যা প্রচণ্ড বোমা বর্ষণ বা গোলাগুলির সময় সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে এড়িয়ে চলা আবশ্যক ছিল। যাতে সর্বাত্মক আক্রমণের সময়ও ওই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর কোনো স্থায়ী ক্ষতি না হয়। প্রতিটি শিল্পকর্ম বা স্থাপনাকে তাদের প্রাচীনত্ব, সংরক্ষণের বর্তমান অবস্থা এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সেগুলোর গুরুত্ব অনুযায়ী একটি সহজবোধ্য তারকা (স্টার) পদ্ধতির মাধ্যমে রেটিং বা মানদণ্ড দেওয়া হতো। এই পদ্ধতিতে তিন তারকা (৩/৩) ছিল আভিজাত্য ও গুরুত্বের বিচারে সর্বোচ্চ মানের স্বীকৃতি। ** গ্রেগরি জে. ফেরার; [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (বসন্ত ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ২২-২৩। == অর্থনৈতিক প্রভাব == [[File:Seizure_of_the_Zaibatsu_families_assets.JPG|thumb|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান এবং জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের পর, জাপানি শক্তিশালী ব্যবসায়িক গোষ্ঠী 'জাইবাৎসু' গুলোকে সমূলে বিলুপ্ত করার এক চূড়ান্ত ও কঠোর প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট এবং [[w:হ্যারি_এস._ট্রুম্যান|হ্যারি এস ট্রুম্যানের]] তৎকালীন আমেরিকান অর্থনৈতিক উপদেষ্টারা এই একচেটিয়া আধিপত্য এবং ব্যবসায়িক একাধিপত্যের নীতির প্রতি অত্যন্ত সন্দিহান ছিলেন; তাঁরা মনে করতেন এই পদ্ধতিটি অর্থনৈতিকভাবে কেবল অদক্ষই নয়, বরং এটি কর্পোরেটবাদের একটি কদর্য রূপ। ~ জেনিফার বিমার]] * ১৯০০ শতকের শেষভাগ থেকে [[:w:জাপানের|জাপানের]] অর্থনৈতিক ও শিল্পোদ্যোগের প্রতিটি ক্ষেত্রে জাইবাৎসু গোষ্ঠীগুলো অত্যন্ত প্রভাবশালী ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে আসছিল। এই জাইবাৎসু গোষ্ঠীগুলো মূলত একটি কেন্দ্রীয় হোল্ডিং কোম্পানি নিয়ে গঠিত ছিল, যার মালিকানা থাকত একটি নিয়ন্ত্রণকারী পরিবারের হাতে এবং তারাই প্রধান সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার নিয়ন্ত্রণ করত। যদিও এই ধরণের পিরামিড সদৃশ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পশ্চিমা দেশগুলোতেও প্রচলিত ছিল, কিন্তু জাইবাৎসুদের অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিল এই যে, তারা সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেবল সংখ্যালঘু শেয়ার ধারণ করেও অন্যান্য কৌশলের মাধ্যমে সেগুলোকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখত। এই নিয়ন্ত্রণ কৌশলের অন্যতম হাতিয়ার ছিল সম্মিলিত ব্যাংকিং, জাহাজ চলাচল এবং বাণিজ্যিক সুবিধার ওপর নির্ভরশীলতা। তবে তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল গ্রুপের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি কর্মকর্তাদের অটল ব্যক্তিগত আনুগত্য। জাপানের চারটি বৃহত্তম জাইবাৎসু গোষ্ঠীর খনি, রাসায়নিক এবং ধাতু শিল্পের ৩০ শতাংশের বেশি অংশের ওপর সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছিল; যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের বাজারের ওপর ছিল প্রায় ৫০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ; বাণিজ্যিক স্টক এক্সচেঞ্জের ৬০ শতাংশ এবং রপ্তানি পণ্যবাহী জাহাজ বহরের এক বিশাল অংশ তারা নিয়ন্ত্রণ করত। ** জেনিফার বিমার; [https://scholarspace.manoa.hawaii.edu/bitstream/10125/32822/4/Beamer%20Zaibatsu.pdf “জাপানিজ জাইবাৎসু”], হাওয়াই.এডু, (২০১২), পৃষ্ঠা ৩০১। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান এবং জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের পর, জাইবাৎসুগুলোকে সমূলে বিলুপ্ত করার একটি জোরালো প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট এবং [[w:হ্যারি_এস._ট্রুম্যান|হ্যারি ট্রুম্যানের]] আমেরিকান অর্থনৈতিক উপদেষ্টারা এই একচেটিয়া আধিপত্য এবং বাধানিষেধমূলক ব্যবসায়িক পদ্ধতির প্রতি গভীর সন্দেহ পোষণ করতেন; তাঁদের মতে এই পদ্ধতিটি ছিল চরম অদক্ষ এবং কর্পোরেটবাদের একটি কদর্য রূপ। দখলদারিত্বের সময় কেবল ১৬টি জাইবাৎসুক সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং আরও ২৬টি গোষ্ঠীকে পুনর্গঠনের তালিকায় রাখা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে নিয়ন্ত্রণকারী জাইবাৎসু পরিবারগুলোর সকল সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়, হোল্ডিং কোম্পানিগুলো বিলুপ্ত করা হয় এবং পুরনো ব্যবস্থায় কোম্পানিগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের জন্য অপরিহার্য 'ইন্টারলকিং ডিরেক্টটরশিপ' বা আন্তঃকোম্পানি পরিচালক পদগুলোকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। তা সত্ত্বেও, জাইবাৎসুগুলোর সম্পূর্ণ বিলুপ্তি কোনোদিন অর্জিত হয়নি। কারণ এশিয়ার অন্যান্য প্রান্ত থেকে ধেয়ে আসা [[w:সাম্যবাদ|সাম্যবাদের]] বিরুদ্ধে জাপানে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা দেয়াল বা শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পুনরায় শিল্পায়নের লক্ষে মার্কিন সরকার তাদের পূর্বের অবস্থান পরিবর্তন করেছিল। এমতাবস্থায় জাইবাৎসুগুলোকে জাপানের [[:w:অর্থনীতি|অর্থনীতি]] এবং [[w:সরকার|সরকারের]] জন্য হিতকর বলে বিবেচনা করা হয়েছিল। তবে জাপানি সাধারণ জনগণের মতামত ছিল এর সম্পূর্ণ বিপরীত। তাঁদের মনোভাব ছিল চরম উদাসীনতা থেকে গভীর অসন্তোষের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ** জেনিফার বিমার; [https://scholarspace.manoa.hawaii.edu/bitstream/10125/32822/4/Beamer%20Zaibatsu.pdf “জাপানিজ জাইবাৎসু”], হাওয়াই.এডু, (২০১২), পৃষ্ঠা ৩০১। == নিজ দেশে যুদ্ধের আবহ == ; ১৯৪১ * পার্ল হারবারে সেই অতর্কিত আক্রমণ আমাদের সামনে ধেয়ে আসা চ্যালেঞ্জের ভয়াবহতাকে স্পষ্ট করে দিয়েছিল এবং আমাদের অন্তরাত্মা এক ন্যায়সঙ্গত ক্রোধে এমনভাবে প্রজ্জ্বলিত হয়েছিল ও দেশপ্রেমে এমনভাবে উদ্বেলিত হয়েছিল যে, আমাদের মধ্যকার সকল ভেদাভেদ, বিভাজন আর ঘৃণা এক অভূতপূর্ব ঐক্যে গলে মিশে গিয়েছিল। যা এই দেশে আগে কখনো প্রত্যক্ষ করা যায়নি। ** ভার্জিনিয়ার প্রতিনিধি '''''জন ডব্লিউ. ফ্ল্যানাগান জুনিয়রের''''' মন্তব্য; মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে (১৬ ডিসেম্বর ১৯৪১); 'কংগ্রেশনাল রেকর্ড', খণ্ড ৮৭, অংশ ১৪, পরিশিষ্ট (৯ অক্টোবর ১৯৪১ – ২ জানুয়ারি ১৯৪২), পৃষ্ঠা এ৫৬০৯। ; ১৯৪২ * অসংযত বাক্যই বিপদকে ডেকে আনে। ** যুদ্ধকালীন একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় স্লোগান যা সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলা থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত করত; কারণ শত্রুশৈন্য বা গুপ্তচররা সবসময় আড়ি পেতে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হতো। * এই চরম জাতীয় সংকটের সময়ে, যখন আমাদের অর্জিত সকল অতিরিক্ত আয় যুদ্ধ জয়ের কাজে ব্যয় হওয়া উচিত, তখন কর প্রদানের পর কোনো আমেরিকান নাগরিকের বার্ষিক নিট আয় ২৫,০০০ ডলারের বেশি হওয়া মোটেও উচিত নয়। ** প্রেসিডেন্ট '''''[[w:ফ্রাঙ্কলিন_ডি._রুজভেল্ট|ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের]]''''' কংগ্রেসে পাঠানো বার্তা (২৭ এপ্রিল ১৯৪২); 'দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪২' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ২২১। * এই প্রয়োজনটি অত্যন্ত জরুরি — প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধের ফলে দূরপ্রাচ্য থেকে আমাদের উদ্ভিজ্জ চর্বির সরবরাহ ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। তাই সেগুলোর বিকল্প খুঁজে বের করা এখন সময়ের দাবি। চর্বি থেকে গ্লিসারিন তৈরি হয়, আর সেই গ্লিসারিন আমাদের এবং আমাদের মিত্রদের জন্য বিস্ফোরক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। যা অক্ষশক্তির বিমান ভূপাতিত করতে, তাদের ট্যাঙ্ক থামাতে এবং তাদের জাহাজ ডুবিয়ে দিতে অপরিহার্য। আমাদের লক্ষ লক্ষ পাউন্ড গ্লিসারিন প্রয়োজন এবং আপনারা গৃহিণীরাই তা সরবরাহ করতে পারেন।<br>রান্নার কাজে ব্যবহৃত চর্বি, মাংসের চর্বি বা ভাজাভুজির তেলের একটি ফোঁটাও দয়া করে ফেলে দেবেন না। আপনারা যা কিছুই ব্যবহার করেন না কেন। রান্নায় সেগুলোর ব্যবহার শেষ হয়ে গেলে একটি ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে পরিষ্কার ও চওড়া মুখের একটি কৌটায় ঢেলে রাখুন। কৌটাটি ঠান্ডা ও অন্ধকার জায়গায় সংরক্ষণ করুন<br>যখন এক পাউন্ড বা তার বেশি চর্বি জমে যাবে, তখন তা নিকটস্থ মাংস বিক্রেতার কাছে নিয়ে যান। তিনি অত্যন্ত দেশপ্রেমের সাথে এই কাজে সহযোগিতা করছেন। তিনি আপনার সেই ব্যবহৃত চর্বির ন্যায্য মূল্য পরিশোধ করবেন এবং সেগুলোকে যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট শিল্পকারখানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন। ** সাধারণ নাগরিকদের যুদ্ধ প্রচেষ্টায় সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে ফেডারেল সরকারের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি প্রচারপত্র; স্ট্যান কোহেন রচিত 'ভি ফর ভিক্টরি: আমেরিকাস হোম ফ্রন্ট ডিউরিং ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু' (মিসৌলা, এমটি: পিক্টোরিয়াল হিস্টোরিস, ১৯৯১), পৃষ্ঠা ১১১। ; ১৯৪৩ * 'ডক্টর নিউ ডিল' এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন 'ডক্টর উইন দ্য ওয়ার' বা 'যুদ্ধজয়ী চিকিৎসক' দ্বারা। সর্বপ্রথম ও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত এই যুদ্ধের উপর জয়লাভের ওপর। ** ফেডারেল সরকারের অগ্রাধিকারের পরিবর্তন প্রসঙ্গে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট '''''[[w:ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট|ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্টের]]''''' উক্তি (২৮ ডিসেম্বর ১৯৪৩); 'দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪৩' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ১৪০। * একজন সৎমনা উদারপন্থীও আজ নির্দ্বিধায় স্বীকার করবেন যে, একজন সাধারণ মানুষ সেই 'নিউ ডিলের' সময়ের তুলনায় [বর্তমানে] অনেক বেশি সুযোগ ও উন্নত জীবন অতিবাহিত করছেন। ** 'কমন সেন্স' নামক সাময়িকীর একজন লেখকের পর্যবেক্ষণ (সেপ্টেম্বর ১৯৪৩); 'ওয়ার অ্যান্ড সোসাইটি: দ্য ইউনাইটেড স্টেটস, ১৯৪১–১৯৪৫' (জে. বি. লিপিনকট কোং, ১৯৭২), পৃষ্ঠা ৯৩। * দেশের অভ্যন্তরে যুদ্ধকালীন মনোবলকে আরও সুদৃঢ় ও কঠোর করতে সামরিক বাহিনী এখন এক নতুন নীতি গ্রহণ করেছে; তারা এখন আলোকচিত্রের মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের দেখাতে চায় যে রণক্ষেত্রের এই ভয়াবহ যুদ্ধ সম্মুখপানে লড়াই করা বীর সেনাদের কী নিদারুণ পরিণতির দিকে ঠেলে দেয়। ** জনগণের অতি-আত্মবিশ্বাস রোধ করার লক্ষ্যে মার্কিন সেনাদের ক্ষয়ক্ষতির ছবি প্রকাশের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে 'নিউজউইক পত্রিকার' সম্পাদকদের অভিমত; সুসান ডি. মোয়েলার রচিত 'শুটিং ওয়ার: ফটোগ্রাফি অ্যান্ড দ্য আমেরিকান এক্সপেরিয়েন্স অফ কমব্যাট' (নিউ ইয়র্ক: বেসিক বুকস, ১৯৮৯), পৃষ্ঠা ২৪১। === নিজ দেশে যুদ্ধ: জাপানি-আমেরিকানদের জীবন === ==== ১৯৪২ ==== * আজ পর্যন্ত কোনো অন্তর্ঘাতমূলক ঘটনা না ঘটাটাই একটি উদ্বেগজনক এবং নিশ্চিত ইঙ্গিত যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ** পার্ল হারবারে আক্রমণের পর পশ্চিম উপকূলে বসবাসরত জাপানি অভিবাসী এবং জাপানি-আমেরিকানদের সম্পর্কে যুদ্ধ দপ্তরের একটি রিপোর্ট। ইউজিন ভি. রোস্টো রচিত "আওয়ার ওর্স্ট ওয়ারটাইম মিস্টেক", 'হার্পারস' (সেপ্টেম্বর ১৯৪৫), ১৯৬ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * আমাদের চুল বা গায়ের রং যেমনই হোক না কেন, আমাদের চোখের গড়ন যেমনই হোক না কেন, এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই ছিল আমাদের আপন মাতৃভূমি। আমার বাবা-মা আমাদের সেই সত্যটি কীভাবে বারবার স্মরণ করিয়ে দিতেন, তা আজও আমার স্মৃতিতে অমলিন। আমাদের পুরো পরিবারকে যখন জোরপূর্বক অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল, তার ঠিক আগমুহূর্তে আমার বাবা বলেছিলেন, "যা-ই ঘটুক না কেন, এই মাটিই তোমাদের চিরস্থায়ী আবাস।" ** মার্কিন পরিবহন সচিব '''''নরম্যান মিনেটার''''' স্মৃতিচারণ; যাকে শৈশবে একটি বন্দিশিবিরে (ইন্টার্নমেন্ট ক্যাম্প) নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। রবার্ট জেমস ম্যাডক্স (সম্পাদিত) 'আমেরিকান হিস্ট্রি', ৯ম সংস্করণ (গিলফোর্ড, সিটি: দুশকিন পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৮৭), খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৬৪। * ১৯৪২ সালের সেই বিষাদময় বসন্তকালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে বসবাসরত জাপানি এবং জাপানি-আমেরিকানদের আকস্মিকভাবে আটক করে দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত বিভিন্ন শিবিরে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। এভাবে ১,০০,০০০ এরও বেশি পুরুষ, নারী এবং শিশুকে তাঁদের নিজেদের ভিটেমাটি থেকে নির্বাসিত ও কারারুদ্ধ করা হয়। যাঁদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি ছিলেন জন্মসূত্রে আমেরিকার প্রকৃত নাগরিক। * সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে এই মানুষগুলোকে কেবল এই আশঙ্কায় আটক করা হয়েছিল যে, জাপানি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের কাছ থেকে গুপ্তচরবৃত্তি এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রবল ভয় রয়েছে। পশ্চিম উপকূল থেকে এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কারণ সামরিক কর্তৃপক্ষের ধারণা ছিল যে, ঘটনাস্থলে প্রত্যেকের আলাদাভাবে তদন্ত করা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ হবে। তাঁদের কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই অনির্দিষ্টকাল আটকে রাখা হয়েছিল। পুনর্বাসন কর্মকর্তাদের সৎ উদ্দেশ্য থাকা সত্ত্বেও, ওই কেন্দ্রগুলো নাৎসিদের কনসেনট্রেশন ক্যাম্প বা নির্যাতন শিবিরের চেয়ে খুব একটা উন্নত ছিল না। * যদি সেই নির্বাসিত ব্যক্তিদের 'অনুগত' হিসেবে পাওয়া যেত, তবে তাঁদের কেবল তখনই মুক্তি দেওয়া হতো যদি তাঁরা কোনো কাজ এবং থাকার জায়গা খুঁজে নিতে পারতেন। আর তা-ও হতে হতো এমন এক সমাজে যেখানে রাতের আঁধারে কোনো দুষ্কৃতকারী এসে জাপানি-বিরোধী স্লোগান লিখবে না, জানালার কাঁচ ভাঙবে না বা দাঙ্গা সৃষ্টির হুমকি দেবে না। অন্যদিকে, যুদ্ধের প্রতি তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি 'অবিশ্বস্ত' বলে প্রতীত হতো, তবে তাঁদের অনির্দিষ্টকালের জন্য শিবিরে বন্দি রাখা হতো। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (অন্তত শ্বেতাঙ্গদের জন্য) শত্রুর প্রতি কেবল সহানুভূতি পোষণ করা কোনো অপরাধ নয়, যতক্ষণ না সেটি কোনো সরাসরি নাশকতামূলক কাজে বা দৃশ্যমান হুমকিতে রূপ নেয়। ** '''''ইউজিন ভি. রোস্টো''''', "আওয়ার ওর্স্ট ওয়ারটাইম মিস্টেক", 'হার্পারস', খণ্ড ১৯১, সংখ্যা ১১৪৪ (সেপ্টেম্বর ১৯৪৫), পৃষ্ঠা ১৯৩–২০১। * সেখানে কোনো আলো, উনুন বা জানালার কাঁচ ছিল না। আমরা পরনের কাপড়সহই সেনাবাহিনীর খাটিয়ার ওপর ঘুমাতাম। ... শিবিরের চারপাশ ঘিরে থাকা সেই কাঁটাতারের বেড়া তুষারে ঢাকা সিয়েরা পর্বতমালাই যেন আমাদের বন্দিত্বের সেই ভয়াবহ পটভূমিকে আরও স্পষ্ট করে তুলত। ** ক্যালিফোর্নিয়ার মানজানার বন্দিশিবিরে জাপানি অভিবাসী ও জাপানি-আমেরিকানদের মানবেতর অবস্থা সম্পর্কে '''''কার্ল ইয়োনেডার''''' স্মৃতিচারণ; 'গানবাত্তে: সিক্সটি-ইয়ার স্ট্রাগল অফ এ কিবেই ওয়ার্কার' (ইউসিএলএ, ১৯৮৩), পৃষ্ঠা ১২৬। ==== ১৯৪৪ ==== * এতগুলো বছর পার করার পর, সারাটা জীবন কঠোর পরিশ্রম করে একটি স্বপ্নের ইমারত গড়ে তোলার পর সবকিছুই চোখের পলকে কেড়ে নেওয়া হলো.... তিনি এক বুক ভাঙা কষ্ট -হাহাকার নিয়ে মৃত্যুবরণ করলেন। ** পিটার ওটা, যাঁর পরিবারকে কলোরাডোর একটি শিবিরে বন্দি করা হয়েছিল। স্টাডস টারকেল রচিত '"দ্য গুড ওয়ার": এন ওরাল হিস্ট্রি অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু' (নিউ ইয়র্ক: প্যান্থিয়ন বুকস, ১৯৮৪), ৩২ পৃষ্ঠায় বর্ণিত। * যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি এবং অপরাধ দমনের মতো বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করার সময়, আমাদের অবশ্যই সেই সামরিক কর্তৃপক্ষের বিচারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও বিবেচনা প্রদর্শন করতে হবে যারা সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে উপস্থিত থাকেন এবং সামরিক তথ্যাদি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। তবে একই সাথে এটিও অপরিহার্য যে, সামরিক বিবেচনার একটি সুনির্দিষ্ট সীমা থাকতে হবে, বিশেষ করে যেখানে সামরিক আইন (মার্শাল ল) জারি করা হয়নি। কেবল সামরিক প্রয়োজনের দোহাই দিয়ে। যার কোনো বাস্তব ভিত্তি বা প্রমাণ নেই। একজন ব্যক্তিকে তাঁর সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ও নিঃস্ব করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ** সুপ্রিম কোর্টের সহযোগী বিচারক '''''ফ্র্যাঙ্ক মারফি'''''; তিনি 'কোরেমাতসু বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র' (৩২৩ ইউ.এস. ২১৪, ১৯৪৪) মামলায় ভিন্নমত পোষণকারী তিন বিচারকের একজন ছিলেন। উল্লেখ্য যে, আদালতের ছয় বিচারকের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ জাপানি এবং জাপানি-আমেরিকানদের বন্দি করার সামরিক সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিল। === নিজ দেশে যুদ্ধ: আফ্রিকান-আমেরিকানদের লড়াই === * আমার ব্যক্তিগত অভিমত ছিল এই যে, কৃষ্ণাঙ্গরা তাদের অসামান্য অর্জনের মাধ্যমেই বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গিকে জয় করতে পারে। যদিও সেই অর্জনগুলোকে সগৌরবে ছিনিয়ে আনতে হয়েছিল বর্ণবৈষম্যের এক চরম বিদ্বেষপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়েই।<br>এই যুদ্ধ আমাদের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল।<br>আমরা তখন আমাদের নিজস্ব একটি যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রনের মালিক ছিলাম—যা মাত্র অল্প কিছুকাল আগেও ছিল এক অকল্পনীয় অলীক কল্পনা। সেটি ছিল একান্তই আমাদের নিজেদের। তাছাড়া, আমাদের সেই সময়কার নিজস্ব সমস্যাগুলো বিশ্লেষণ করতে এবং আমাদের নিজস্ব দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সেগুলোর সমাধান খুঁজে পেতে আমরা বদ্ধপরিকর ছিলাম। ** জেনারেল '''''বেঞ্জামিন ও. ডেভিস'''''; যিনি বিমান বাহিনীর প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান জেনারেল এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বিখ্যাত টাস্কগি এয়ারমেনদের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন। * আমি জানতাম ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধের প্রতি আমার এক প্রবল আবেগ রয়েছে। কিন্তু, একটি বর্ণবৈষম্যমূলক বা পৃথকীকৃত সামরিক বাহিনীর হয়ে লড়াই করার বিষয়েও আমার মনে গভীর ক্ষোভ ছিল। আমি প্রশ্ন করি, একজন কৃষ্ণাঙ্গ যুদ্ধফেরত সৈনিক হওয়ার অনুভূতি আসলে কেমন? আপনি যদি একজন কৃষ্ণাঙ্গ ভেটেরান হন, তবে আপনি লড়াই করেছেন জার্মানিতে "ইহুদিদের প্রবেশ নিষেধ" এমন সাইনবোর্ডগুলো উপড়ে ফেলতে, অথচ নিজ দেশ আমেরিকায় ফিরে আপনি দেখতে পেলেন সেই একইরকম উদ্ধত সাইনবোর্ড,"কৃষ্ণাঙ্গদের প্রবেশ নিষেধ"। আপনি লড়াই করেছেন জার্মানি আর জাপানের ফাঁসির দড়ি আর চাবুকের দাপট মুছে দিতে, অথচ ফিরে এসে জর্জিয়া আর লুইসিয়ানায় নিজের পিঠেই সেই চাবুক আর ফাঁসির দড়িকে ফিরে পেতে! আমি আপনাদের একটি সৎ প্রশ্ন করতে চাই যে কেন আজ স্পেন আর যুগোস্লাভিয়া নিয়ে এত কথা হচ্ছে? ফিলিস্তিন আর গ্রিস নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, অথচ দক্ষিণ ক্যারোলিনার এইকেন কাউন্টি নিয়ে টুঁ শব্দটিও হচ্ছে না? ** '''''অলি হ্যারিংটনের''''' 'হোয়াই আই লেফট আমেরিকা অ্যান্ড আদার এসেস' (১৯৯৩) গ্রন্থে বর্ণিত। * এটি হলো মানুষকে মুক্ত রাখার এক মহান যুদ্ধ। স্বাধীনতার এই পথকে, আমাদের নিজেদের স্বাধীনতার পথকে—আমেরিকার বুকে আরও প্রশস্ত ও দীর্ঘায়িত করার সেই সংগ্রামটি না হয় তোলা থাকল তোলা থাকল ভবিষ্যতের জন্য। আমেরিকার অভ্যন্তরীণ এই ব্যক্তিগত লড়াইটি যে জারি থাকবে এবং শেষ পর্যন্ত আমরাই জয়ী হবো। কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে যুদ্ধে যাওয়ার পেছনে আমাদের কাছে এটিই একমাত্র প্রকৃত কারণ। আমাদের সেই লড়াইয়ের পথটি উন্মুক্ত রাখতে হবে।<br>একজন কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে আমি যে আমেরিকার ভেতরের এই অশুভ শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারছি। কেবল এই সত্যটুকুই যুদ্ধের ময়দানে লড়াই করার জন্য যথেষ্ট। যে অন্যায়কে মানুষ ঘৃণা করে, তার বিরুদ্ধে এই প্রকাশ্যে লড়াই চালিয়ে যাওয়াই হলো গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার প্রধান চিহ্ন এবং শেষ আশা। ** জে. সন্ডার্স রেডিং; 'দ্য আমেরিকান মারকারি' সাময়িকীতে প্রকাশিত “এ নিগ্রো লুকস অ্যাট দিস ওয়ার” (নভেম্বর ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৫৮৫-৫৯২। == যুদ্ধে নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত ভূমিকা == ; ১৯৪২ * দিন আর রাতগুলো ছিল এক অন্তহীন দুঃস্বপ্নের মতো, যতক্ষণ না আমাদের মনে হতো যে আমরা আর তা সহ্য করতে পারব না। শত শত রোগী প্রতিনিয়ত আসছিলেন, আর চিকিৎসক ও নার্সরা মশা-মাছি, সেই অসহ্য গরম, ধুলিকণার মধ্যে তাঁবুর নিচে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছিলেন। প্রতিদিন আমাদের কাছে প্রায় আট থেকে নয়শ পর্যন্ত রোগী আসতেন। ** '''''ইউনিস হ্যাচিট'''''; ''ফিলিপাইনের বাতানে দায়িত্বরত একজন আর্মি নার্স।'' ; ১৯৪৩ * যুদ্ধ জয়ের লক্ষ্যে অবদান রাখতে, কিছু অর্থ উপার্জন করতে এবং কোনো পেশাদার কাজ শিখতে। নারী ও পুরুষেরা গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এই শহরে অ্যালাবামার মোবাইল শহর পঙ্গপালের মতো ছুটে আসছেন। ** ''ঔপন্যাসিক '''জন ডস প্যাসোসের''' পর্যবেক্ষণ।'' ; ১৯৪৩ * আমি শিখতে একজন খুব আগ্রহী ছিলাম এবং খুব দ্রুতই আমি একজন অসামান্য রিভেটার (ধাতব পাত জোড়া দেওয়ার কারিগর) হয়ে উঠেছিলাম। রোহরে কাজ করার সময় আমি পি-৩৮ যুদ্ধবিমানের বুম ডোরগুলো রিভেটিং করতাম। এই যুদ্ধ প্রকৃতপক্ষে নারীদের জন্য এক বিশাল সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল। এটিই ছিল প্রথমবার যখন আমরা এটি প্রমাণ করার সুযোগ পেয়েছিলাম যে, আমরা এমন অনেক কাজ করতে পারি যা আগে কেবল গুটিকয়েক লোকের পক্ষেই সম্ভব বলে মনে করা হতো। ** '''''উইনোনা এসপিনোসা'''''; ''একজন বিমান নির্মাণ কর্মী।'' ; ১৯৪৩ * এমন কিছু ঘটছে যা অ্যাডলফ হিটলার বোধগম্য করতে পারছেন না। আর তা হলো আমাদের উৎপাদনের এই অবিশ্বাস্য অলৌকিক ক্ষমতা। ** ''মার্কিন শিল্পকারখানাগুলোতে বিপুল সংখ্যক বিমান, জাহাজ এবং ট্যাঙ্ক উৎপাদনের বিষয়ে 'টাইম' ম্যাগাজিনের মন্তব্য। প্রকৃতপক্ষে, জার্মান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন ক্ষমতা সম্পর্কে একদম সঠিক অনুমান করতে পেরেছিল, কিন্তু হিটলার সেই রিপোর্টটিকে অবজ্ঞা করার সিদ্ধান্ত নেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।'' ; ১৯৪৩ * কেক কাটার পরিবর্তে, এই নারী এখন বিমানের যন্ত্রাংশের নকশা কাটছেন। কেক তৈরি করার পরিবর্তে, এই নারী এখন যন্ত্রপাতির গিয়ারগুলোকে উত্তপ্ত করছেন যাতে ব্যবহারের পর সেগুলোর মধ্যকার টান বা চাপ হ্রাস পায়। ** ''একটি বিমান কারখানায় নারীদের কাজের দৃশ্য সম্বলিত একটি নিউজ ভিডিওর ধারা বর্ণনা।'' ; ১৯৪৪ * জাহাজ নির্মাণ কারখানার সেই অসহ্য ও কান ফাটানো প্রচণ্ড শব্দের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার মতো কোনো প্রশিক্ষণ আসলে আগে থেকে দেওয়া সম্ভব নয়। যাদের অন্তরাত্মা এই পরিস্থিতির সাথে লড়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নয়, তারা মুহূর্তের মধ্যেই রণভঙ্গ দিয়ে হারিয়ে যাবে। আর কেবল পেশি শক্ত করলেই চলে না, এই কাজে টিকে থাকতে হলে নিজের স্নায়ুগুলোকেও পাথরের মতো শক্ত করে গড়ে তুলতে হয়। ** ''একজন নারী জাহাজ নির্মাণ কর্মী'' । * আমার সাথে কথা বলার সময় তোমার বরং একটু বেশিই সাবধান হওয়া উচিত, কারণ আমি ইতোমধ্যেই আমার ডান হাতে বেশ বড় এক মাংসপেশি তৈরি করে ফেলেছি এবং বাম হাতটিও এখন যথেষ্ট শক্তিশালী। তাই বাপু, একটু বুঝেশুনে চলো! ** '''''মার্গারেট হুপার''' (বয়স ২০); প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরে (প্যাসিফিক ফ্লিট) দায়িত্বরত এক বন্ধুর কাছে লেখা চিঠিতে। মার্গারেট ক্যালিফোর্নিয়ার সান পেড্রোতে অবস্থিত একটি বিমান কারখানায় কাঁচামাল পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।'' * "রোজি দ্য রিভেটার" ** ''এটি ছিল যুদ্ধে নারীদের সমর্থন ও সহায়তা আদায়ের লক্ষে তৈরিকৃত একজন দৃঢ়চেতা, দেশপ্রেমী কাল্পনিক নারী কার্টুন চরিত্রের নাম, যা যুদ্ধকালীন জনমত গঠনে এক অসামান্য ভূমিকা রেখেছিল''। * সাইরেন বেজে ওঠল প্রবল শব্দে, আর মৃত্যুর হাতছানিতে বাতাস তখন হিমশীতল!<br>তবুও সেই বিশ্বস্ত ক্যাপ্টেনের নির্ভয় অটল সেই অধীর কর্মস্থল,<br>হাতের খুচরো পয়সাগুলো গুনে নিয়ে সে ক্ষিপ্র গতিতে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে যায়,<br>রাজার আজ্ঞাবহ নাবিকের মতোই এমন সাহসী অদম্য সৈনিক আর পাবে কোথায়? ** '''''এ. পি. হার্বার্ট'''''; লন্ডন ট্রান্সপোর্ট পোস্টারে প্রকাশিত "সিয়িং ইট থ্রু" কবিতা থেকে, ''বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''; ''এখানে "ক্যাপ্টেন" বলতে লন্ডনের একজন বাস কন্ডাক্ট্রেসকে বোঝানো হয়েছে।'' ; ১৯৪৫ * এটি আমার জীবনে একটি ভালো সূচনা এনে দিয়েছিল। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, যদি আমি একজন পুরুষের মতোই নিখুঁতভাবে ওয়েল্ডিং বা ঝালাইয়ের কাজ শিখতে পারি, তবে জীবনধারণের জন্য যা যা প্রয়োজন, তার সবই আমি করে যেতে পারব। ** '''''নোভা লি হলব্রুক'''; যুদ্ধকালীন কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনে কতটা অমূল্য ছিল, সে প্রসঙ্গে।'' == দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংক্রান্ত উক্তি == [[File:The British Army in the United Kingdom 1939-45 H41966.jpg|thumb|মেজর-জেনারেল জে. এফ. সি. ফুলার, ১৯২০ এর দশকে আধুনিক সাঁজোয়া যুদ্ধ কৌশলের বিকাশে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য, তিনি এই রণকৌশল ব্যবহারে ব্যর্থতাকে "পুরো যুদ্ধের সবচেয়ে বড় ভুল" হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। তিনি এমনকি এটিও আভাস দিয়েছিলেন যে যদি সঠিকভাবে সামরিক মোতায়েন করা হতো, তবে [[:w:ব্রিটিশ|ব্রিটিশ]] এবং [[:w:আমেরিকান|আমেরিকান]] ট্যাঙ্ক ডিভিশনগুলো রুশদের আগেই [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] দখল করে নিতে পারত। ~ ডেভিড হ্যাম্বলিং]] * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক শুরুর দিকে, [[:w:জাপান|জাপান]] ছিল প্রায় সাত কোটি জনসংখ্যার এক সমৃদ্ধশালী শিল্পোন্নত শক্তি। দেশটি ইতোমধ্যেই ভোক্তা পণ্যের এক প্রধান উৎপাদনকারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। কিন্তু ১৯৩০ এর দশকের শুরুর দিকে সামরিক বাহিনী নিয়ন্ত্রিত কেন্দ্রীয় সরকার ক্রমান্বয়ে বাজার অর্থনীতিকে একটি সর্বগ্রাসী [[:w:অর্থনীতি|নির্দেশিত অর্থনীতির]] বৈশিষ্ট্য দ্বারা প্রতিস্থাপন করতে শুরু করে, যার মধ্যে উৎপাদনের ওপর সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত ছিল। উৎপাদনের একটি ক্রমবর্ধমান অংশ তখন যুদ্ধ-সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলোর জন্য উৎসর্গ করা হচ্ছিল। তদুপরি, ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৬ সালের মধ্যে [[:w:বিদ্যুৎ|বিদ্যুৎ]] এবং [[:w:তেল|তেল]] শিল্পগুলোকে জাতীয়করণ করা হয় এবং ১৯৩৯ সালে চালের রেশনিং পদ্ধতি চালু করা হয়। সেই দশকের শেষ নাগাদ, জাপান সম্পূর্ণভাবে একটি যুদ্ধকালীন অর্থনীতির দ্বারা চালিত যুদ্ধের প্রস্তুতিতে লিপ্ত ছিল। ** অ্যালান অ্যাক্সেলরড; [https://books.google.com/books/about/The_Real_History_of_World_War_II.html?id=GqYWmUae5h8C&printsec=frontcover&source=kp_read_button ''দ্য রিয়েল হিস্ট্রি অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু: এ নিউ লুক অ্যাট দ্য পাস্ট''], (৬ মে ২০০৮), স্টার্লিং। পৃষ্ঠা ১৩৮-১৩৯। * সেই সমস্ত আমেরিকান, যারা ফ্রাঙ্কোর বিরুদ্ধে লড়তে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে রুখে দিতে স্পেনে গিয়েছিলেন, তাঁদের "অপরিণত ফ্যাসিবাদ-বিরোধী" (প্রিম্যাচিউর অ্যান্টি-ফ্যাসিস্ট) হিসেবে অভিহিত করায় তাঁরা কোনোদিন কিছু মনে করেননি। বরং তাঁরা এই তকমাটি বহন করতে গর্ববোধ করতেন। ** আলভা বেসি; ''<nowiki/>'মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন''' (১৯৩৯), ১৯৫৪ সালের পুনর্মুদ্রণের মুখবন্ধ। * আমাদের স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত প্রখর। আমাদের ওপর বছরের পর বছর ধরে যে অন্তহীন অপপ্রচার, কুৎসা আর ডাহা মিথ্যার আক্রমণ চালানো হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আমরা এক ধরণের আপেক্ষিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা অনাক্রম্যতা তৈরি করে ফেলেছি। বিশেষ করে, আমরা সেই 'মহা-মিথ্যা' (দ্য বিগ লাই) থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত যা একসময় স্পেনকে ধ্বংস করেছিল এবং যাকে হিটলার পূর্ণতার এমন এক চরম শিখরে নিয়ে গিয়েছিলেন যে, অক্ষশক্তির সেই বিষদাঁত ভাঙতে শেষ পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণহানির প্রয়োজন হয়েছিল। আক্ষেপের বিষয় এই যে, সেই 'মহা-মিথ্যা' আজও টিকে আছে এবং আমাদের নিজেদের দেশেই তা প্রবল প্রতাপে বিকশিত হচ্ছে। যেহেতু প্রতিটি যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিদিন, প্রতি ঘণ্টায় এমনকি প্রতি মিনিটে এটি প্রচার করা হচ্ছে, তাই আমাদের জনগণ যতক্ষণ না এর আসল রূপটি বুঝতে পারছেন এবং একে সম্পূর্ণভাবে নস্যাৎ করে দিচ্ছেন। ততক্ষণ পর্যন্ত এই মিথ্যার দাঁতভাঙা জবাব দিয়ে যাওয়া আমাদের একান্ত কর্তব্য। ** '''''আলভা বেসি'''''; ''<nowiki/>'মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন''' (১৯৩৯), ১৯৫৪ সালের পুনর্মুদ্রণের মুখবন্ধ। : যখনই আমরা শুনতে পাই যে [[:w:সাম্যবাদ|সাম্যবাদ]] আমাদের ভেতর এবং বাহির থেকে হুমকির মুখে ফেলছে। যখনই আমাদের বলা হয় যে সোভিয়েত ইউনিয়ন আমাদের জীবনযাত্রার ধরনকে বিপন্ন করছে এবং বিশ্ব জয় করতে চায়। যখনই আমাদের এমন এক 'পবিত্র ধর্মযুদ্ধে' (হলি [[ক্রুসেড]]) যোগ দিতে আহ্বান জানানো হয়, যা শুরু হলে সমগ্র পৃথিবীকে ছারখার করে দেবে। ঠিক তখনই আমরা ইতিহাসের কিছু সহজ ও অমোঘ সত্য স্মরণ করিঃ :সাম্যবাদের হুমকির দোহাই দিয়ে মুসোলিনি ইতালিতে বিদ্যমান গণতন্ত্রের টুঁটি চেপে ধরেছিলেন; :একই অস্ত্র ব্যবহার করে হিটলার জার্মান ভেইমার প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করেছিলেন; :একই তত্ত্ব কাজে লাগিয়ে হিদেকি তোজো জাপানের সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেঙে চুরমার করেছিলেন। :তথাকথিত '''"'''লাল সন্ত্রাসীর'''"''' (কমিউনিস্ট জুজু) নামে [[:w:দ্বিতীয় স্পেনীয় প্রজাতন্ত্র|স্পেনীয় দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রকে]] হত্যা করেছিলেন ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো; :বিশ্বকে সাম্যবাদ (কমিউনিজম) থেকে রক্ষার সস্তা স্লোগান দিয়েই শেষ পর্যন্ত অক্ষশক্তি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দাবানল জ্বালিয়েছিল। ** '''''আলভা বেসি'''''; ''<nowiki/>'মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন''' (১৯৩৯), ১৯৫৪ সালের পুনর্মুদ্রণের মুখবন্ধ। * বিস্ময়কর ভাবে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রণকৌশল মূলত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর সহকারী সচিব হিসেবে প্রেসিডেন্ট [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের]] অর্জিত অভিজ্ঞতারই এক প্রতিফলন। সেই সময়টিই তাঁকে শিখিয়েছিল কীভাবে যান্ত্রিক শক্তির প্রচণ্ড আঘাতে শত্রুকে পর্যুদস্ত করা যায় এবং পদাতিক বা স্থলযুদ্ধের ঝুঁকিগুলো কতটা ভয়াবহ হতে পারে। ১৯১৮ সালে যখন তিনি সম্মুখ সমর পরিদর্শনের জন্য [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্সে]] গিয়েছিলেন, তখন যুদ্ধক্ষেত্রের সেই বীভৎস দৃশ্য তাঁকে চরমভাবে ব্যথিত করেছিল। সৈন্যদের বসবাসের সেই ঘিঞ্জি পরিবেশ এবং ডায়েরিতে লেখা তাঁর নিজের ভাষায় "মৃত ঘোড়ার উৎকট গন্ধ" তাঁর সংবেদনশীল নৌ নাসিকাকে আঘাত করেছিল। ফলস্বরূপ, তিনি স্থলযুদ্ধের পরিবর্তে রসদ সরবরাহ এবং যুদ্ধ সরঞ্জামের ওপর বেশি মনোযোগী হয়েছিলেন: যেমন ট্রেনের কামরায় করে বিশাল নৌ-কামানগুলো স্থলপথে নিয়ে গিয়ে [[:w:জার্মানি|জার্মান]] বাহিনীকে নাস্তানাবুদ করা কিংবা বিমান ও বোমা প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতির জন্য চাপ দেওয়া। মিত্রপক্ষের জাহাজগুলোকে ঝুঁকির মুখে না ফেলে পুরো [[:w:উত্তর সাগর|উত্তর সাগর]] জুড়ে মাইন বিছিয়ে দিয়ে জার্মান ইউ-বোট আক্রমণ নস্যাৎ করার একটি পরিকল্পনাও তিনি ত্বরান্বিত করেছিলেন (যদিও যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ায় সেই পরিকল্পনাটি তখন পুরোপুরি সম্পন্ন করা যায়নি)। এই সময়েই রুজভেল্ট [[:w:ব্রিটেন|ব্রিটেন]] এবং ফ্রান্সের মতো বিশ্বস্ত আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করার গুরুত্ব অনুধাবন করেছিলেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, আধুনিক যুদ্ধে জয়লাভের চাবিকাঠি হলো শক্তিশালী জোট গঠন।<br>অনেক [[:w:আমেরিকান|আমেরিকানদের]] মতো রুজভেল্ট প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর [[w:বিচ্ছিন্নতাবাদ|বিচ্ছিন্নতাবাদী]] হয়ে পড়েননি। তিনি জানতেন যে উগ্র [[:w:একনায়কতন্ত্র|একনায়কতান্ত্রিক]] শাসন ব্যবস্থাকে অবশ্যই রুখতে হবে এবং তিনি বিশ্বাস করতেন যে উন্নত [[:w:যন্ত্র|যন্ত্রপাতি]] এবং মজবুত মিত্রজোটের মাধ্যমেই আমেরিকা তার স্বার্থ রক্ষা করতে পারবে। তিনি এই দুটি ধারণার প্রতি এতটাই অনুগত ছিলেন যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেন এবং [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়নকে|সোভিয়েত ইউনিয়নকে]] কোনো প্রতিদান ছাড়াই বিশাল পরিমাণ সাহায্য প্রদান করেছিলেন। রুজভেল্ট মনে করতেন, মার্কিন মিত্রদের শক্তিশালী করে তোলা এবং তাদের দিয়েই স্থলযুদ্ধের অধিকাংশ লড়াই করানোই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। এই দূরদর্শী কৌশলই শেষ পর্যন্ত একজন যুদ্ধকালীন [[:w:নেতা|নেতা]] হিসেবে তাঁকে ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাফল্য এনে দিয়েছিল। ** ফিলিপস পেসন ও'ব্রায়েন; [https://www.theatlantic.com/ideas/archive/2024/08/president-personal-preference-defines-national-interest/679642/ “দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ইজ হোয়াট দ্য প্রেসিডেন্ট সেজ ইট ইজ”], ''<nowiki/>'দি আটলান্টিক''<nowiki/>', (২৯ আগস্ট ২০২৪)। * এটি হতে পারত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সবচেয়ে আলোচিত এক হারিয়ে যাওয়া [[:w:অস্ত্র|অস্ত্র]]। মেজর-জেনারেল জে. এফ. সি. ফুলার, ১৯২০ সালের দশকে আধুনিক সাঁজোয়া যুদ্ধের রণকৌশল প্রবর্তনে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য, তিনি এই অস্ত্রের ব্যবহারে ব্যর্থতাকে "পুরো যুদ্ধের সবচেয়ে বড় ভুল" হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। তিনি এমনকি এটিও দাবি করেছিলেন যে, যদি এই অস্ত্রটি সঠিকভাবে মোতায়েন করা হতো, তবে [[:w:ব্রিটিশ|ব্রিটিশ]] এবং আমেরিকান ট্যাঙ্ক ডিভিশনগুলো রুশদের আগেই [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] দখল করে নিতে পারত। ** জে. এফ. সি. ফুলারের উক্তি; ডেভিড হ্যাম্বলিং রচিত [https://www.wired.com/2008/05/wwii-strobe-t-1/ "সিক্রেট স্ট্রোবলাইট ওয়েপনস অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু"], '''ওয়ার্ড''<nowiki/>', ২২ অক্টোবর ২০১২ তারিখে উদ্ধৃত। * আমি সেখানে তখন উপস্থিত ছিলাম। ** '''''উইলিয়াম ডি. লেহির''''' , ''<nowiki/>'আই ওয়াজ দেয়ার''' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ১। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, অন্তত ইউরোপীয় রণাঙ্গনের ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও নৈতিক ন্যায্যতা থাকতে পারে; যদিও আমেরিকার নিজের স্বাধীনতা বা অস্তিত্ব আদৌ কখনও হুমকির মুখে পড়েছিল কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট যৌক্তিক বিতর্কের অবকাশ রয়েছে। তবুও, যে সমস্ত আমেরিকান এই যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের অনেকেই নিজেদের এই সংগ্রামকে মহৎ উদ্দেশ্য বলে মনে করতেন; তাই আমরা অন্তত পরিষ্কার বিবেক নিয়ে তাঁদের এই মৃত্যুকে সম্মান জানাতে পারি। ** '''''ডেভ ডি লিনডর্ফ'''''; ''[https://www.counterpunch.org/2010/05/31/the-glorification-of-war/ “দ্য গ্লোরিফিকেশন অফ ওয়ার”],'' 'কাউন্টারপাঞ্চ', (৩১ মে ২০১০)। * প্রথম বিশ্বযুদ্ধের তুলনায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, যা মূলত 'হিটলারের যুদ্ধ' হিসেবে পরিচিত। ছিল এক প্রায়-সার্বজনীন অভিজ্ঞতা। এটি দীর্ঘকাল স্থায়ী হয়েছিল। বিশেষ করে [[:w:ব্রিটেন|ব্রিটেন]] এবং [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] মতো দেশগুলোর জন্য, যারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধের সাথে জড়িত ছিল, তাদের ক্ষেত্রে এই সময়কাল ছিল প্রায় ছয় বছর। [[w:চেকোস্লোভাকিয়া|চেকোস্লোভাকিয়ায়]] এটার সূচনা হয়েছিল আরও আগে, ১৯৩৮ সালের অক্টোবরে নাৎসিদের সুডেটেনল্যান্ড দখলের মধ্য দিয়ে। অন্যদিকে, [[:w:পূর্ব ইউরোপ|পূর্ব ইউরোপ]] এবং [[:w:বলকান অঞ্চল|বলকান অঞ্চলে]] হিটলারের পরাজয়ের মাধ্যমেও এই সংঘাত শেষ হয়নি; কারণ সোভিয়েত সেনাবাহিনী কর্তৃক দখল এবং গৃহযুদ্ধ জার্মানি ব্যবচ্ছেদের অনেক পর পর্যন্তও সেখানে অব্যাহত ছিল। ** '''''টোনি জাট'''''; ''<nowiki/>'পোস্টওয়ার: এ হিস্ট্রি অফ ইউরোপ সিন্স ১৯৪৫''' (২০০৫), অধ্যায় ১: দ্য লিগ্যাসি অফ ওয়ার। * যে বিশ্বযুদ্ধ হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে তার নৃশংসতম পরিণতির মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছিল, তা মূলত পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী এবং শক্তিশালী দেশগুলোর মধ্যেই সংগঠিত হয়েছিল। তাঁদের সভ্যতা পৃথিবীকে বড় বড় শহর আর চমৎকার শিল্পকলা উপহার দিয়েছিল। তাঁদের চিন্তাবিদগণ ন্যায়বিচার, সম্প্রীতি আর সত্যের মতো উন্নত ধারণাগুলো বিকশিত করেছিলেন। তবুও, এই যুদ্ধটি আধিপত্য বিস্তার বা বিজয়ের সেই আদিম প্রবৃত্তি থেকেই জন্ম নিয়েছিল। যা একসময় সাধারণ আদিবাসী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যেও সংঘাতের সৃষ্টি করত। এটি ছিল এমন এক পুরনো ধরন বা বিন্যাস যা নতুন সক্ষমতার মাধ্যমে বহুগুণ শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল এবং যেখানে কোনো আধুনিক বা নতুন বাধা ছিল না। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৬ কোটি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল।<br>পুরুষ, নারী আর শিশুরা, যারা আমাদের চেয়ে মোটেও আলাদা ছিল না। তাঁদের গুলি করে, পিটিয়ে, বন্দি করে, বোমায় উড়িয়ে, কারাগারে নিক্ষেপ করে, অনাহারে রেখে এবং বিষাক্ত গ্যাসে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছিল। ** '''''[[w:বারাক_ওবামা|বারাক ওবামা]]'''''; [https://obamawhitehouse.archives.gov/the-press-office/2016/05/27/remarks-president-obama-and-prime-minister-abe-japan-hiroshima-peace “হিরোশিমা পিস মেমোরিয়ালে প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে-র বক্তব্য”]; হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল, হিরোশিমা, জাপান, (২৭ মে ২০১৬)। * সারা বিশ্বে এমন অনেক স্থান রয়েছে যা এই যুদ্ধের ইতিহাসকে ধারণ করে আছে। স্মৃতিস্তম্ভগুলো বীরত্ব ও সাহসিকতার গল্প বলে। আবার সমাধি এবং পরিত্যক্ত বন্দি শিবিরগুলো অবর্ণনীয় পৈশাচিকতার প্রতিধ্বনি তুলে ধরে। তবুও, এই আকাশজুড়ে যে পারমাণবিক মাশরুম মেঘ বা ছাতা সদৃশ ধোঁয়ার কুণ্ডলী তৈরি হয়েছিল, তা আমাদের মানবজাতির মূল অন্তর্দ্বন্দ্বের কথা সবচেয়ে রূঢ়ভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়। একটি প্রজাতি হিসেবে যা আমাদের অনন্য করে তোলে আমাদের চিন্তা, কল্পনা, ভাষা, যন্ত্র তৈরির দক্ষতা, প্রকৃতি থেকে নিজেকে আলাদা করার ক্ষমতা এবং প্রকৃতিকে নিজের ইচ্ছামতো পরিচালিত করার শক্তি। সেই একই বৈশিষ্ট্যগুলো আমাদের এমন অকল্পনীয় ধ্বংসযজ্ঞের সক্ষমতাও দান করে যার কোনো তুলনা হয় না। ** '''''[[w:বারাক_ওবামা|বারাক ওবামা]]'''''; [https://obamawhitehouse.archives.gov/the-press-office/2016/05/27/remarks-president-obama-and-prime-minister-abe-japan-hiroshima-peace “হিরোশিমা পিস মেমোরিয়ালে প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবের বক্তব্য”]; হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল, হিরোশিমা, জাপান, (২৭ মে ২০১৬)। * যুদ্ধের শেষলগ্নে, [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নের]] জনগণের প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখে। ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] আগ্রাসনে ২ কোটি ৭০ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, পিটিয়ে মারা হয়েছে, অনাহারে রাখা হয়েছে অথবা জোরপূর্বক শ্রমের অমানুষিক চাপে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১ কোটি ৪০ লাখই ছিলেন নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিক। এই যুদ্ধে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের জনগণের চেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি আর কাউকে সইতে হয়নি। তবুও, এই কোটি কোটি মানুষের আত্মত্যাগ আমাদের সামষ্টিক স্মৃতিতে ততটা গভীরভাবে খোদাই করা নেই—যতটা তাঁদের ভোগান্তি এবং আমাদের দায়বদ্ধতা দাবি করে। এই যুদ্ধটি ছিল এক জঘন্য অপরাধ—আগ্রাসন এবং নির্মূল করার এক পৈশাচিক ও অপরাধমূলক যুদ্ধ। ** '''''ফ্রাঙ্ক-ওয়াল্টার স্টেইনমায়ার'''''; [https://www.bundespraesident.de/SharedDocs/Reden/EN/Frank-Walter-Steinmeier/Reden/2021/210618-Invasion-SovietUnion.html সোভিয়েত ইউনিয়নে জার্মানির আক্রমণের বার্ষিকী উপলক্ষে প্রদত্ত ভাষণ] (১৮ জুন ২০২১)। === আর্নেস্ট কিং এবং ওয়াল্টার এম. হোয়াইটহিল, ''<nowiki/>'ফ্লিট অ্যাডমিরাল কিং: এ নাভাল রেকর্ড''' (১৯৫২) === * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের ডুবে যাওয়া ১০,৫৮৩,৭৫৫ টন নৌ ও বাণিজ্যিক জাহাজের মধ্যে ৯,৭৩৬,০৬৮ টন জাহাজই ডুবিয়েছিল মার্কিন বাহিনী; যার মধ্যে কেবল মার্কিন সাবমেরিনগুলোই ৫,৩২০,০৯৪ টন জাহাজের সলিলসমাধি ঘটিয়েছিল। আটলান্টিকে জার্মান ইউ-বোটগুলো মিত্রশক্তির জাহাজ চলাচলের সাথে যা করছিল, আমাদের সাবমেরিনগুলো প্রশান্ত মহাসাগরে জাপানিদের সাথে ঠিক তাই করছিল। তবে পার্থক্য ছিল এই যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প শক্তি ছিল প্রায় অসীম, যেখানে জাপানের তা ছিল না। ১৯৪২ সালের শেষ মাসগুলো পর্যন্ত জার্মান সাবমেরিনগুলো মিত্রশক্তির মোট জাহাজের পরিমাণ ক্রমাগত হ্রাস করে চলেছিল, কিন্তু পরবর্তীতে সাবমেরিন-বিরোধী ব্যবস্থার উন্নত কার্যকারিতা এবং আমেরিকান ও ব্রিটিশ শিপইয়ার্ডগুলোর অভাবনীয় উৎপাদনের ফলে মিত্রশক্তির জাহাজের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকে। যদিও ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে জার্মান ইউ-বোটগুলো মিত্রশক্তির প্রায় ২৩,৩৫১,০০০ টন জাহাজ ডুবিয়েছিল, কিন্তু একই সময়ে নতুন জাহাজ নির্মাণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ৪২,৪৮৫,০০০ টনে। ফলে আটলান্টিকে শেষ পর্যন্ত ১৯,১৩৪,০০০ টন জাহাজের নিট লাভ দেখা যায়। জাপানিদের ক্ষয়ক্ষতি যেহেতু নতুন জাহাজ নির্মাণের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব হয়নি, তাই তাঁদের ক্ষতিগুলো ছিল অপূরণীয় ও চূড়ান্ত। এভাবে একদিকে আমাদের সাবমেরিনগুলো যখন প্রশান্ত মহাসাগরে শত্রুদের যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং রসদ সরবরাহের উৎসগুলোকে দুর্বল করে দিচ্ছিল, অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প উৎপাদন ক্ষমতা তখন তাঁদের বিজিত অঞ্চলগুলোর ওপর তাঁদের কর্তৃত্বকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছিল। ** পৃষ্ঠা ৫৩০ * ১৯৪৪ সালের শেষ সাত মাস ইউরোপ এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় রণাঙ্গন উভয় ক্ষেত্রেই এক অবিশ্বাস্য অগ্রগতির সাক্ষী ছিল। বহু প্রতীক্ষিত নরমান্ডি আক্রমণ সংঘটিত হয়েছিল। মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জ আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং আমরা অত্যন্ত আশাবাদী সময়সূচীর অনেক আগেই ফিলিপাইনে ফিরে গিয়েছিলাম। ফিলিপাইন সাগরের যুদ্ধ এবং লেয়ত উপসাগরের যুদ্ধে জাপানি নৌবহরের এক বিশাল অংশ চিরতরে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল এবং অবশিষ্ট অংশ দীর্ঘ সময়ের জন্য অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। যদিও যুদ্ধ জয়ের লক্ষ্য তখনও অনেক দূরে ছিল, তবুও পৃথিবীর উভয় প্রান্তেই সংঘাতটি অন্তত তার চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে ধাবিত হচ্ছিল। ** পৃষ্ঠা ৫৮২ * কিং, লেহি, নিমিৎস এবং সাধারণ নৌ-কর্মকর্তাদের কাছে সবসময়ই এটি মনে হয়েছে যে, জাপানের মূল ভূখণ্ডে পদাতিক সৈন্য পাঠিয়ে সরাসরি আক্রমণের প্রয়োজন ছাড়াই কেবল সমুদ্র এবং আকাশশক্তির মাধ্যমেই জাপানের পরাজয় নিশ্চিত করা সম্ভব। ১৯৪২, ১৯৪৩ এবং ১৯৪৪ সালে, যখন অধিকাংশ মিত্র রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের মনোযোগ ইউরোপের ওপর নিবদ্ধ ছিল এবং জাপানের সাথে যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব মূলত কিংয়ের ওপর ন্যস্ত ছিল, তখন প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধ মূলত এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই পরিচালিত হয়েছিল। ইউরোপে বিজয় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে সেই সব মানুষের মনোযোগও প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে নিবদ্ধ হয় যারা আগে এই যুদ্ধের সমস্যাগুলো নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন ছিলেন না। [[:w:তেহরান|তেহরান]] কনফারেন্সের সময় থেকেই জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সোভিয়েত হস্তক্ষেপের একটি রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করছিল এবং সেনাবাহিনী নিশ্চিত ছিল যে স্থল সৈন্যের ব্যবহার অনিবার্য হবে। মার্শালের জোরালো দাবির প্রেক্ষিতে (যা ম্যাকআর্থারের দৃষ্টিভঙ্গিরও প্রতিফলন ছিল), জয়েন্ট চিফরা কিউশু এবং শেষ পর্যন্ত টোকিও সমতলে অবতরণের পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন। কিং এবং লেহি এই ধারণাটি পছন্দ করেননি। তবে জয়েন্ট চিফদের বৈঠকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রয়োজনে তাঁরা অনিচ্ছাসত্ত্বেও এতে সম্মতি দেন। যদিও তাঁদের মনে মনে এই বিশ্বাস ছিল যে,শেষ পর্যন্ত নৌ-শক্তিই জাপানের পরাজয় নিশ্চিত করবে এবং বাস্তবেও তা-ই প্রমাণিত হয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ৫৯৮ * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অ্যাডমিরাল কিংকে তাঁর আরেকটি দীর্ঘদিনের বিশ্বাস কাজে লাগানোর সুযোগ করে দিয়েছিল। নেপোলিয়নিক যুদ্ধের ওপর তাঁর প্রাথমিক পড়াশোনা থেকে তিনি বুঝেছিলেন যে সেই আমলের ফরাসি সামরিক ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল প্রতিটি ছোটখাটো বিষয়ে স্বয়ং নেপোলিয়নের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানের প্রয়োজনীয়তা। কিংয়ের বিপরীত নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন; তিনি মনে করতেন অধীনস্থদের স্বাধীনভাবে কাজ করার জন্য প্রস্তুত করা উচিত। অ্যাডমিরাল মেয়োর সাথে দীর্ঘদিনের সাহচর্যে তাঁর এই বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কিং কৌতুক করে বলতেন যে, তিনি "অন্যকে দিয়ে করানো যায় এমন কোনো কাজ নিজে না করে" সুস্থ ও সচল আছেন। কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বলতে গেলে। অধীনস্থ কমান্ডারদের হাতে ক্ষমতার এই বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া তিনি যুদ্ধের ওই চার বছর টিকে থাকতে পারতেন না। ওই কমান্ডারদের ততক্ষণ পর্যন্ত যোগ্য বলে বিবেচনা করা হতো যতক্ষণ না তাঁরা নিজেদের অযোগ্য প্রমাণ করছেন এবং তাঁদের কাছ থেকে আশা করা হতো যে তাঁরা নিজেদের বিচারবুদ্ধি অনুযায়ী চিন্তা করবেন, সিদ্ধান্ত নেবেন এবং কাজ করবেন। প্রশান্ত মহাসাগরে নিমিৎস, ওয়াশিংটনে এডওয়ার্ডস, কুক এবং হর্ন, আটলান্টিকে ইঙ্গারসোল, লন্ডনে স্টার্ক এবং সমুদ্রে হ্যালসি, স্প্রুয়েন্স, কিনকাইড, হিউইট ও ইনগ্রামের মতো আরও অনেক ফ্ল্যাগ অফিসারের ওপর কিং গভীর আস্থা রেখেছিলেন এবং তাঁরা তাঁকে হতাশ করেননি। ** পৃষ্ঠা ৬৪৫ === জেমস বি. রেস্টন, ''প্রিলিউড টু ভিক্টরি'' (১৯৪২) === * যখন আমি শুনি যে মানুষ 'ফোর ফ্রিডমস' বা চারটি স্বাধীনতা নিয়ে উপহাস করছে এবং ভাবছে যে যুদ্ধ আসলে আদৌ কোনো কিছুর সমাধান করে কি না, তখন আমি অবাক হই। আমরা কি আজও এই যুদ্ধের বৈপ্লবিক প্রকৃতি বুঝতে পেরেছি? আমরা কি আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপকে এই পরীক্ষায় ফেলছি যে, এটি কি যুদ্ধ জয়ে সাহায্য করবে? আমাদের সামনে থাকা কাজের বিশালতা সম্পর্কে কি আমরা স্পষ্ট? আমরা কি উপলব্ধি করতে পারছি এই লড়াইয়ের বাজি কতটা বড়? ** পৃষ্ঠা ২৪ * আমরা এই সত্যগুলোকে স্বতঃসিদ্ধ বলে ধরে নিই যে সকল মানুষ সমানভাবে সৃষ্টি হয়েছে; তাদের স্রষ্টা তাদের কিছু সহজাত ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার প্রদান করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে জীবন, স্বাধীনতা এবং সুখ অন্বেষণের অধিকার।" এই দর্শনের চেয়ে বড় কোনো বৈপরীত্য কি সর্বগ্রাসী রাষ্ট্রগুলোর মৌলিক দর্শনের সাথে হতে পারে? এই রাষ্ট্রগুলো অনুচ্ছেদটির একটি সত্যকেও স্বীকার করে না। তারা অত্যন্ত জোরালোভাবে এগুলো অস্বীকার করে এবং তারা তরবারি হাতে তুলে নিয়েছে এটি প্রমাণ করতে যে, সকল মানুষ সমানভাবে সৃষ্টি হয়নি। বরং তারা মনে করে, তারা 'উন্নত জাতি' বা মাস্টার রেসেস এবং নিম্নতর মানুষদের শাসন ও নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার ও দায়িত্ব কেবল তাদেরই। তারা মানুষের কোনো "অবিচ্ছেদ্য অধিকারে" বিশ্বাস করে না। কেবল অস্ত্র ধারণ করা এবং 'ঈশ্বর-তুল্য রাষ্ট্র' বা গড-স্টেটের ইচ্ছা পূরণ করা ছাড়া। তারা মানুষকে কেবল তার স্বাধীনতা বা সুখ অন্বেষণ থেকেই বঞ্চিত করে না, বরং তার জীবনকেও তুচ্ছ জ্ঞান করে। ** পৃষ্ঠা ২৪-২৫ * স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে আরও বলা হয়েছেঃ "এই অধিকারগুলো নিশ্চিত করার লক্ষে মানুষের মধ্যে সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, যা শাসিতদের সম্মতির ভিত্তিতে তাদের ন্যায্য ক্ষমতা লাভ করে। যখনই কোনো শাসনব্যবস্থা এই লক্ষ্যগুলো ধ্বংস করতে উদ্যত হয়, তখনই জনগণের অধিকার থাকে সেই সরকারকে পরিবর্তন বা বিলুপ্ত করার এবং নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা করার। যার ভিত্তি হবে এমন সব মূলনীতি এবং যার ক্ষমতার বিন্যাস হবে এমন এক রূপে, যা জনগণের নিরাপত্তা ও সুখ নিশ্চিত করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে হবে।" এটি স্পষ্টতই সর্বগ্রাসী বিশ্বাসের সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর এক দর্শন। সেই সব একনায়কতান্ত্রিক সরকারগুলো তাদের জনগণের ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়নি। নাৎসি, জাপানি সামরিক জান্তা কিংবা ইতালির ফ্যাসিবাদীরা, কেউ-ই "শাসিতদের সম্মতির ভিত্তিতে তাদের ন্যায্য ক্ষমতা" লাভ করেনি। তাদের কনসেনট্রেশন ক্যাম্প এবং গণকবরগুলো এমন সব মানুষের লাশে পূর্ণ যারা বিদ্যমান শাসনব্যবস্থাকে পরিবর্তন বা বিলুপ্ত করা তো দূরের কথা, কেবল সমালোচনা করার দুঃসাহস দেখিয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ২৫ * আমরা যখন "আমাদের জীবনযাত্রার ধরন" তথা ''আওয়ার ওয়ে অফ লাইফ'' নিয়ে কথা বলি, তখন মূলত এই বিষয়গুলোই বোঝাতে চাই। আর এই যুদ্ধে ঠিক এই জিনিসগুলোই আজ চরম ঝুঁকির মুখে। কারণ জার্মানরা প্রতিটি গণতান্ত্রিক এবং [[:w:খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টীয়]] আদর্শকে অস্বীকার করেছে যা আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এবং এই মহান প্রজাতন্ত্রে সংরক্ষিত ও বিকশিত। গ্রিকরা আমাদের দিয়েছিল বৌদ্ধিক উদারতাবাদের ধারণা, [[:w:প্লেটো|প্লেটো]] দিয়েছিলেন যুক্তিবোধের ধারণা; অথচ নাৎসিরা তাদের বেঁচে থাকার অধিকারটুকুও স্বীকার করে না। যিশু আমাদের শিখিয়েছেন প্রেম ও দয়ার মতবাদ, কিন্তু জার্মানরা [[:w:যিশু|যিশুকে]] একজন ইহুদি হিসেবে তুচ্ছজ্ঞান করে এবং প্রেম ও দয়াকে নিয়ে বিদ্রূপ করে। ফরাসিরা ''স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের'' স্লোগানের মাধ্যমে গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের বিশ্বাসকে সুদৃঢ় করেছিল। অথচ জার্মানরা একে একটি ভণ্ডামিভরা স্লোগান হিসেবে প্রত্যাখ্যান করে। যেমনটি হিটলারের সহচর হ্যান্স ফন বুলো বলেছিলেন যে, এই স্লোগানকে তাদের "পদাতিক, অশ্বারোহী এবং গোলন্দাজ বাহিনীর প্রুশীয় বাস্তবতা" দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। রোমান এবং ব্রিটিশরা আমাদের শিখিয়েছিল "আইনের শাসন এবং চুক্তির পবিত্রতা"। আর এই মৌলিক গুণাবলি সম্পর্কে সর্বগ্রাসী একনায়ক শাসকরা কী ধারণা পোষণ করে, তা আমরা বহু বছর ধরেই জানি। আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই সকল সম্মানজনক আদর্শকে এক যোগ্য আবাস দিয়েছি এবং বিশ্বকে প্রমাণ করেছি যে, মুক্ত মনের নির্ভীক মানুষরা যখন সত্যের অন্বেষণ করে এবং ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে, তখন তারা কী অসামান্য অর্জন করতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * তবে আমাদের বুঝতে হবে যে, এই অর্জনগুলো কোনো চিরস্থায়ী বিষয় নয়। গণতন্ত্র কোনো পারিবারিক উত্তরাধিকার নয় যে একবার লাভ করলেই তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে গবর্নর উইনথ্রপ ডেস্কের মতো অবলীলায় হস্তান্তর করা যাবে। এটি "জীবনের মতোই এক সম্পদ যা প্রতিটি প্রজন্মকে নতুন করে অর্জন বা ক্রয় করতে হয়।" সহানুভূতি, যুক্তি এবং প্রকৃত গণতন্ত্র রাতারাতি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। নরওয়ের মতো এটি কোনো বিজেতা বা দখলদার দ্বারা ধ্বংস হতে পারে। আবার ফ্রান্সের মতো আমাদের নিজেদের স্বার্থপরতার কারণেও এটি আমাদের হাতছাড়া হতে পারে। প্রতিটি আমলা যারা সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে। প্রতিটি সংবাদপত্র প্রকাশক যারা ইচ্ছাকৃতভাবে সত্যকে গোপন, বিকৃত বা খাটো করে দেখায়। প্রতিটি কাণ্ডজ্ঞানহীন নাগরিক যারা নিজেদের কুসংস্কারকে লালন করে এবং অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি সহানুভূতি দিয়ে শুনতে অস্বীকার করে। তাদের প্রত্যেকের জানা উচিত যে, তারা প্রকৃতপক্ষে সেই আদর্শগুলোকেই বিপন্ন করছে যার জন্য আমরা লড়াই করছি। প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে এর আগে কখনো এই সত্যটি বোঝা এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেনি। কারণ যুদ্ধের সময় এই নীতিগুলো প্রায়শই ওপরমহলে একদল কর্মকর্তার মাধ্যমে হুমকির মুখে পড়ে যারা আমাদের জানার স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চায় এবং তৃণমূল পর্যায়ে এমন কিছু মানুষের দ্বারা যারা শত্রুর সামনে দাঁড়িয়েও নিজেদের কুসংস্কার বা গোষ্ঠীগত স্বার্থ ত্যাগ করতে পারে না। ** পৃষ্ঠা ৩৫–৩৬ * আমার মনে হয় এই সমস্যার মূল কারণ নিহিত রয়েছে সামরিক পরিস্থিতির মধ্যে। আমরা এই নজিরবিহীন দুঃসংবাদের মিছিল মোটেও পছন্দ করছি না; সারা বিশ্বে এভাবে কোণঠাসা হওয়াটাও আমাদের ভালো লাগছে না; তাই আমরা তিক্ততার সাথে প্রায় সব কিছু নিয়ে অভিযোগ করছি। কিন্তু ব্রিটিশরা কি এটি পছন্দ করছে? কিংবা রুশ, চীনা বা ডাচরা - যাদের আমাদের চেয়েও অনেক বেশি ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে? আমাদের মিত্রদের প্রতিকূল সমালোচনা আমাদের সামরিক পরিস্থিতির কোনো উন্নতি ঘটাবে না। সিঙ্গাপুরের পতন নিয়ে এখন অভিযোগ করে কোনো লাভ নেই; সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেছে। রাজা তৃতীয় জর্জ, বা গত বিশ্বযুদ্ধ, বা যুদ্ধের ঋণ, কিংবা হোয়াইটহল থেকে পাঠানো কিছু কর্মকর্তার অদ্ভুত বাচনভঙ্গি ও আচার-ব্যবহার নিয়ে পড়ে থাকাটা হবে আরও বেশি নিরর্থক। আমি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে পার্ল হারবার নিয়ে কোনো নেতিবাচক সমালোচনা দেখিনি (আমরা কী বলতাম যদি আলেকজান্দ্রিয়া বা জিব্রাল্টার বা স্কেপা ফ্লোতে তাদের এভাবে অপ্রস্তুত অবস্থায় ধরা হতো?); আমি ব্রিটিশ হাউজ অফ কমন্সে আমাদের নৌ-বিন্যাস বা আমাদের সেনাদলের আকার নিয়ে কোনো আক্রমণাত্মক কথা শুনিনি। ব্রিটিশদের অপ্রস্তুত অবস্থা নিয়ে বছরের পর বছর আমাদের সমালোচনা সত্ত্বেও, আমরা যে যুদ্ধের জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না—তা নিয়ে তাদের মধ্যে খুব কমই অভিযোগ দেখেছি। ** পৃষ্ঠা ১৬২–১৬৩ * তাহলে এখানে এত সমালোচনা কেন? আমরা এই যুদ্ধে কারো উপকার করছি না। এটি কোনো বীরত্ব প্রদর্শনের নিছক মহড়া নয়। রুশ এবং ব্রিটিশরা আমাদের জন্য ঠিক ততটাই করছে যতটা আমরা তাদের জন্য করছি। তাদের আমাদের অস্ত্র এবং সৈন্য প্রয়োজন। আর এই যুদ্ধে জয়ী হতে হলে আমাদের তাদের সাহায্য অত্যন্ত মরিয়াভাবে প্রয়োজন। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে যারা সবচেয়ে বেশি অভিযোগ করছে, তাদের কথা শুনলে আজ হয়তো আমাদের কোনো মিত্রই থাকত না। আমরা যদি চীন, [[:w:নেদারল্যান্ডস ইস্ট ইন্ডিজ|নেদারল্যান্ডস ইস্ট ইন্ডিজ]] (অথবা ডাচ ইস্ট ইন্ডিজ) এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ধ্বংসের বিষয়ে জাপানিদের সাথে হাত মেলাতে না চাইতাম, তবে আমাদের অবশ্যই পার্ল হারবারে আক্রান্ত হতে হতো। ৭ই ডিসেম্বরে আমাদের সামনে কেবল একটিই সম্মানজনক পথ খোলা ছিল এবং আমরা সেটিই বেছে নিয়েছি। আর এখন আমাদের সামনে কেবল একটিই সম্মানজনক পথ খোলা আছে—হয় সহায়ক হওয়া, নয়তো চুপ থাকা। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমি প্রায়ই শুনে এসেছি যে, ইউরোপের বিজিত জনগণ যদি আমাদের গণতন্ত্রকে তার বর্তমান রূপে পছন্দ না করে, তবে তারা জাহান্নামে যেতে পারে। এটা একান্তই সত্য যে, আমাদের অধিকাংশের কাছেই সেই পুরোনো জীবনটাই খুব আরামদায়ক ছিল এবং আমরা সেই স্বাভাবিকতায়-ই ফিরে যেতে চাই যা তা তৈরি করেছিল; কিন্তু... আমরা নিজেদের জীবন বাঁচাতে গিয়ে সেই স্বাভাবিকতাকে ধ্বংস করে ফেলেছি এবং এখন আর তাতে ফিরে যেতে পারি না, ঠিক যেমন আমরা ১৯৪৩ সালকে ১৯৩৮ সালে ফিরিয়ে আনতে পারব না। তেমনি, ইউরোপের বিজিত জনগণ যদি আমাদের গণতন্ত্রকে পছন্দ না করে, তবে আমরা তাদের জাহান্নামে যেতেও বলতে পারি না, কারণ আমাদেরকে তাদের সহায়তা প্রয়োজন এবং যুদ্ধের ইতি টানার আগেই তা অত্যন্ত জরুরত হয়ে পড়বে, আর সেটা পাওয়ার জন্য আমাদেরকে তাদের মন থেকে সন্দেহের উদ্রেক দূরীভূত করতে হবে। এর অর্থ হলো, আমেরিকার জনগণকে সামনের দিকেই তাকাতে হবে, পিছনের দিকে নয়। এর অর্থ হলো, আমাদের প্রমাণ করতে হবে যে আমাদের গণতন্ত্র আমাদের শত্রুদের স্বৈরাচারী মতবাদের মতোই কার্যকর। এর অর্থ হলো, আমাদের গণতন্ত্রকে তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ীই কাজ করাতে হবে। [[:w:আব্রাহাম লিঙ্কন|আব্রাহাম লিঙ্কন]] বলেছিলেন, "অধিকাংশ সরকারই মানুষের সমান অধিকার অস্বীকার করার উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে; আমাদের সরকার সেই অধিকারগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমেই সূচনা করেছিল। আমরা পরীক্ষাটি চালিয়েছিলাম, এবং তার ফলাফল তো আমাদের একদম সামনেই রয়েছে। এর দিকে তাকান—এ নিয়ে চিন্তা করে দেখুন।" লিঙ্কনের গণতন্ত্র মুর্দা নয়। এটি তার বিপ্লবী উদ্দীপনা হারায়নি। বিশ্ববাসীর কাছে এর আবেদনও হারায়নি। আমাদের কাজ হলো এটাই প্রমাণ করা যে, আমরা সত্যিই এতে বিশ্বাস করি। ** পৃষ্ঠা ২১৪–২১৫ * এই দেশের বহু মানুষ আটলান্টিক চার্টারকে আর গুরুত্বই দেয় না। তারা মনে করে, এটি রুজভেল্ট ও চার্চিলের ১৯৪১ সালের সমুদ্রসফরের প্রচারণার জন্য বানানো এক ধরনের ভেলকিবাজি। তারা এটিকে এর আসল রূপে দেখে না: এটি মূলত মানবাধিকারের একটি সম্প্রসারণ এবং এই জাতির উদ্দেশ্য পূরণের পথে আরেকটি যৌক্তিক পদক্ষেপ। আটলান্টিক চার্টার এবং আমাদের উদ্দেশ্য বিবৃত করার অন্য সকল প্রচেষ্টাকে অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখলে চলবে না। কারণ, এই ঘোষণাপত্রগুলোর পেছনে যদি জনগণের চেতনাই না থাকে, তবে সেগুলোর কোনো প্রকৃত মূল্য থাকবে না। দেশপ্রেমের সারমর্ম হলো আমেরিকার নীতিগুলোতে বিশ্বাস করা। আপনি হয় এই প্রজাতন্ত্রের পেছনের সমতাভিত্তিক ধারণায় বিশ্বাস করেন, অথবা করেন না। আপনি হয় লিংকনের "জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা এবং জনগণের জন্য" এতে বিশ্বাস করেন, অথবা করেন না। আপনি হয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং সঠিকতায় বিশ্বাস করেন, অথবা করেন না। যদি তা করেন, তবে এই বিশ্বের বিপ্লবী চেতনার প্রতি আমাদের মিবেদন শ্রবণ করা যাবে, কিন্তু যদি তা না করেন, তবে বিশ্বের এই সমস্ত আটলান্টিক সনদও বিজিত জাতিগুলোকে এমন সব নীতির জন্য লড়াই করতে অনুপ্রাণিত করতে পারবে না, যেগুলোর কথা আমরা ঘোষণা করি কিন্তু অনুসরণ করি না। ** পৃষ্ঠা ২১৫-২১৬ {{Misattributed begin}} == ভুলভাবে আরোপিত উক্তি == * আমাদের কাছে আরও জাপানি পাঠাও! ** মিডিয়ার মাধ্যমে এই উক্তিটি লেফটেন্যান্ট কর্নেল জেমস পি. এস. ডেভোরোর ওপর আরোপ করা হয়েছিল, যখন তিনি ওয়েক দ্বীপের যুদ্ধে লড়ছিলেন। পল এফ. বোলার জুনিয়র এবং জন জর্জ রচিত 'দে নেভার সেইড ইট: এ বুক অফ ফেইক কোটস, মিসকোটস, অ্যান্ড মিসলিডিং অ্যাট্রিবিউশনস' (১৯৮৯), ২০ পৃষ্ঠাতে এটি বর্ণিত হয়েছে। ডেভোরো নিজে এই ধরণের কোনো উক্তি করার কথা অস্বীকার করে বলেছিলেন, "আমি এই ধরণের কোনো বার্তা পাঠাইনি। যতদূর আমি জানি, এমন কোনো বার্তা আদৌ পাঠানো হয়নি। আমাদের মধ্যে কেউ এমন আহম্মক ছিল না যে এইসব কথা বলবে। সেখানে আমাদের সামলানোর সামর্থ্যের চেয়েও অনেক বেশি জাপানি ছিল।" {{Misattributed end}} == আরও দেখুন == * [[:w:প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]] * [[w:তৃতীয়_বিশ্বযুদ্ধ|তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] * [[:w:পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] * [[:w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্র]] == বহিঃসংযোগ == * {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.fallen.io/ww2/ দ্য ফলেন অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু] — যুদ্ধের প্রাণহানি ও পরিসংখ্যানের আধুনিক ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন প্রজেক্ট। * [https://avalon.law.yale.edu/subject_menus/wwii.asp দ্য অ্যাভালন প্রজেক্ট (ইয়েল ল স্কুল)] - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দাপ্তরিক নথিপত্র ও কূটনৈতিক পত্রাবলির ডিজিটাল আর্কাইভ। * [https://www.americanrhetoric.com/speeches/phildavidsonWWII75thanniversary.htm আমেরিকান রেটরিক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ] - যুদ্ধের বিখ্যাত সব বক্তৃতাসমূহের অডিও এবং পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি। * [https://artsandculture.google.com/project/second-world-war গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ] - উচ্চ গুণসম্পন্ন নথিসমূহ, আলোকচিত্র এবং ভার্চুয়াল মিউজিয়াম ট্যুর। * [https://www.worldwar2.org.uk/ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ মেমোরিয়াল আর্কাইভ] - আধুনিক ডিজিটাল ইন্টারফেসে সাজানো যুদ্ধের উক্তি ও ঘটনার সংকলন। * [https://www.theatlantic.com/photo/categories/world-war-ii/ দি আটলান্টিস আর্কাইভ] - যুদ্ধের অডিও এবং ধারাবাহিকতার একটি আধুনিক অনলাইন ল্যাব। * [https://ww2db.com/ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু ডাটাবেজ (WW2DB) ] - ঐতিহাসিক ঘটনা, ব্যক্তি এবং যুদ্ধকালীন উক্তির একটি কালানুক্রমিক সংগ্রহশালা। * [https://www.iwm.org.uk/collections ইম্পেরিয়াল ওয়ার মিউজিয়াম কালেকশন] - সৈনিকদের ব্যক্তিগত ডায়েরি, চিঠি এবং বিরল আলোকচিত্রের ভাণ্ডার। * [https://encyclopedia.ushmm.org/ দ্য হলোকাস্ট এনসাইক্লোপিডিয়া] - হলোকাস্ট বা ইহুদি গণহত্যা এবং নাৎসি জার্মানির মানবিক বিপর্যয় সংক্রান্ত প্রামাণ্য দলিল ও জবানবন্দি। * [https://search.archives.gov/search?query=2nd+world+war&submit=&utf8=&affiliate=national-archives মার্কিন জাতীয় আর্কাইভ] - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক দলিলসমূহ। [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বযুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] gjc4y7e8ujkn9bmp9ol6tey90ovhaja 83861 83860 2026-07-03T11:13:18Z Oindrojalik Watch 4169 /* আরও দেখুন */ 83861 wikitext text/x-wiki [[File:WW2 collage.jpg|thumb| [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] আলোকচিত্রের একটি কোলাজ।]] '''[[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]]''' ('''WWII''' অথবা '''WW2'''), যা '''দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ''' নামেও পরিচিত, ছিল ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৬ বছর ধরে স্থায়ী এক বৈশ্বিক যুদ্ধ। এতে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ, সবকটি মহাশক্তিসহ—জড়িত ছিল এবং তারা [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তি|মিত্রপক্ষ]] ও [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তি|অক্ষশক্তি]] নামক দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী [[:w:সামরিক জোট|সামরিক জোটে]] বিভক্ত হয়েছিল। এটি ছিল একটি সর্বাত্মক যুদ্ধ, যেখানে ৩০টিরও বেশি দেশের ১০ কোটিরও বেশি সামরিক সদস্য সরাসরি অংশ নেয়। প্রধান অংশগ্রহণকারী দেশগুলো তাদের সমগ্র অর্থনৈতিক, শিল্প এবং বৈজ্ঞানিক সক্ষমতাকে যুদ্ধ প্রচেষ্টায় নিয়োজিত করেছিল, যা বেসামরিক ও সামরিক সম্পদের মধ্যকার পার্থক্যকে মুছে দিয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত, যার ফলে ৭ থেকে ৮.৫ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়, যেখানে সামরিক বাহিনীর চেয়ে বেসামরিক নাগরিক নিহতের সংখ্যা ছিল অনেক বেশি। [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] (যার মধ্যে [[w:ইহুদি_গণহত্যা|ইহুদি গণহত্যা]] অন্তর্ভুক্ত), সুপরিকল্পিত [[w:দুর্ভিক্ষ|দুর্ভিক্ষ]] এবং মহামারীর কারণে কোটি কোটি মানুষ প্রাণ হারায়। এই সংঘাতে [[:w:দ্বিতীয়_বিশ্বযুদ্ধ#যুদ্ধ_শুরু|বিমানবাহিনী বড় ভূমিকা পালন করে]], যার মধ্যে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় কৌশলগত বোমাবর্ষণ এবং যুদ্ধে একমাত্র [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্রের]] ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত ছিল। == যুদ্ধের সূত্রপাত == === ১৯৩৩ === * ''Du bist nichts; dein Volk ist alles.'' * ''তুমি কিছুই নও; তোমার জনগণই তোমার সবকিছু।'' ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', ''রেডেন, শ্রিফ্টেন, আনোর্ডনুঙেন: ফেব্রুয়ারি ১৯২৫ থেকে জানুয়ারি ১৯৩৩'' (পৃষ্ঠা ৪০৩) === ১৯৩৬ === * '''আজ এটি আমাদের ওপর দিয়ে যাচ্ছে। আগামীকাল এটি তোমাদের ওপর দিয়ে যাবে।''' ** '''''প্রথম হাইলি সেলাসি''''', দ্বিতীয় ইতালি-অ্যাবিসিনিয়া যুদ্ধের সমাপ্তির পর; ''টাইম'' ম্যাগাজিনের [https://web.archive.org/web/20090615032515/http://www.time.com/time/magazine/article/0,9171,917777,00.html?iid=chix-sphere "দ্য লায়ন ইজ ফ্রিড"] নিবন্ধে উদ্ধৃত (৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫) === ১৯৩৮ === * আমরা উত্তরোত্তর এটিই অনুভব করছিলাম যে সমগ্র ইউরোপীয় পরিস্থিতির একটি বাস্তব সমাধানই কেবল স্পেনকে রক্ষা করতে সমর্থ হতে পারে, যদি প্রকৃতপক্ষে স্পেনকে রক্ষা করার মতো কোনো সুযোগ বা সম্ভাবনা অবশিষ্ট থেকে থাকে। লিওন ব্লুমের নেতৃত্বাধীন সরকার অন্ততপক্ষে ফরাসি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে স্পেনের বিদ্যমান গুরুত্বটুকু আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে নিয়েছিল। তবে দালাদিয়ে গোষ্ঠী কেবল তাদের নিজস্ব দেশীয় ঘরানার ফ্যাসিবাদীদের সাথেই জোটবদ্ধ হয়নি, বরং তারা বিদেশি চক্রের সাথেও অত্যন্ত নিবিড়ভাবে হাত মিলিয়েছিল; যেখানে জাতীয় পরিচয়ের তুলনায় শ্রেণীগত পরিচয়ই তাদের নিকট অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ ও মুখ্য হিসেবে পরিগণিত হয়েছিল। ফ্রান্স কেন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না—এটি তখন একটি সাধারণ ও গতানুগতিক বুলিতে পরিণত হয়েছিল। হিটলার এবং তার সহযোগীরা যদি স্পেনের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে তবে ফ্রান্স যে তিনটি ভিন্ন দিক থেকে কৌশলগতভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে, তা ফরাসি শাসকরা হয় লক্ষ্য করতে সমর্থ হয়নি অথবা তারা এই পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন ছিল। ফরাসি সাধারণ জনগণ মনে-প্রাণে আমাদের আদর্শের সাথে যুক্ত ছিল; তারা হাজার হাজার উপযুক্ত সন্তান এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদানের মাধ্যমে আমাদের সহায়তা করেছিল; কিন্তু ফ্রান্সের তৎকালীন শাসকরা ছিল আমাদের অবস্থানের সম্পূর্ণ প্রতিকূলে। তাদের মনে ফ্যাসিবাদীদের প্রতি কোনো প্রকার বিদ্বেষ ছিল না, কারণ আদর্শগতভাবে তারা নিজেরাও ছিল ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার অনুসারী। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৮০ * লোকজন বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট থেকে [[:w:স্পেন|স্পেনে]] গমন করেছিলেন, তবে সেখানে আমার সাক্ষাৎ হওয়া প্রায় প্রত্যেকটি মানুষের অন্তরালে একটি সাধারণ অস্থিরতা এবং একপ্রকার একাকীত্ব বিদ্যমান ছিল। সম্মুখ সমরে এই মানুষগুলো শৃঙ্খলিত বিবেকপ্রসূত এক চরম মরিয়াভাব নিয়ে অত্যন্ত ক্ষিপ্রতার সাথে যুদ্ধ পরিচালনা করতেন; কিন্তু ব্যক্তিগত আলাপচারিতার মুহূর্তে তাদের মধ্যে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি সত্তার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা যেত। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৮১-১৮২ * হিটলার এবং মুসোলিনি কখনোই তাদের প্রেরিত সেই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীকে ফিরিয়ে নেওয়ার সামর্থ্য রাখতেন না, যাদের সদস্য সংখ্যা আমাদের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি ছিল। এর পাশাপাশি এটি অস্বীকার করার আর কোনো অবকাশ ছিল না যে, ব্রিটিশ সরকার আসলে স্পেনকে সম্পূর্ণ শ্বাসরোধ করার প্রচেষ্টায় ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলোর এক নিভৃত ও নীরব অংশীদার হিসেবে অবস্থান করছিল; এবং আমরা বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম বিস্ময়কর ও চরম নির্লজ্জ ভণ্ডামির এক নজিরবিহীন প্রদর্শনী প্রত্যক্ষ করছিলাম। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৯২-১৯৩ * তারা বিশ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে শুরু করেছিল, সব এমনভাবে মিশে গিয়েছিল যে তারা কী করছিল তা বোঝা যাচ্ছিল না। তাদের প্রপেলারের তীব্র শব্দ আমাদের কানে এমনভাবে আসছিল যেন তারা ঠিক আমাদের মাথার ওপরেই আছে। একে একে তিনটি বিমান অগ্নিশিখায় পরিণত হয়ে নিচে পড়ে গেল, আর হঠাৎ করেই বসন্তের ফুলের মতো দুটি [[w:প্যারাশুট|প্যারাশুট]] আকাশে ফুটে উঠল এবং ধীরে ধীরে নিচে নামতে লাগল। স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল যে মানুষগুলো তাদের প্যারাশুটগুলো যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে রশিগুলো ধরে প্রবলভাবে টানছে এবং পেন্ডুলামের ন্যায় এদিক-ওদিক দুলছে, আর ঠিক সেই মুহূর্তে ফ্যাসিবাদীদের যুদ্ধবিমানগুলো তাদের দিকে তীব্র গতিতে ধাবিত হয়ে মেশিনগান দিয়ে গুলিবর্ষণের চেষ্টা করছিল। "জারজগুলো!" অ্যারন তীব্র ক্ষোভের সাথে বলে উঠল। "ওদের কর্মকাণ্ড একবার দেখো, কুলাঙ্গারের দল!" আমাদের পক্ষীয় দুটি বিমান তখন অবতরণরত সেই পাইলটদের সুরক্ষা প্রদানের নিমিত্তে তাদের চারপাশ দিয়ে ধীরে ধীরে বৃত্তাকারে চক্কর দিচ্ছিল। অ্যারন পুনরায় মন্তব্য করল, "এটি প্রকৃতপক্ষেই এক নরকতুল্য যুদ্ধ।" ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ২৬৯ * কুয়াশা থাকার অর্থ ছিল কোনো বিমানের উপস্থিতি না থাকা, যার ফলে আমরা বিশ্রাম গ্রহণ করতে পারতাম। গতকাল তারা সারাদিনব্যাপী সক্রিয় ছিল; তারা আমাদের পশ্চাৎভাগের পিনেল, আমাদের ডানদিকের করবেরা ও গ্যানদেসা অভিমুখী সড়ক এবং মোরা ও আমাদের যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বোমাবর্ষণ পরিচালনা করছিল। আমরা পাহাড়ের চূড়া থেকে তাদের দেখতে পাচ্ছিলাম, তারা এক ভয়াবহ সারিতে অত্যন্ত ধীরগতিতে এই ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে চক্কর দিচ্ছিল এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে বিশাল বর্গাকার এলাকা জুড়ে সামনে-পেছনে ও ওপর-নিচে তাদের বীজ বপন করছিল; যার ফলে দীর্ঘ সময় বায়ুমণ্ডল ধোঁয়া ও ধুলোয় পূর্ণ ছিল এবং বিস্ফোরণের নিরন্তর শব্দে প্রকম্পিত হচ্ছিল।<br>আমাদের 'পম-পম' গানগুলো তাদের লক্ষ্য করে অত্যন্ত করুণভাবে গুলি ছুড়ছিল। এটি মূলত একটি দীর্ঘ ও হালকা ধরণের বিমান বিধ্বংসী বন্দুক যা বেশ কার্যকর ছিল, কিন্তু আমাদের কাছে এগুলো সংখ্যায় এতই সামান্য ছিল যে তারা এগুলোর প্রতি বিন্দুমাত্র মনোযোগ প্রদান করেনি। পঁচাত্তরটি বিমান আমাদের সেই নগণ্য গোলাগুলির মধ্য দিয়ে অত্যন্ত বিরক্তিকর স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে উড়ে যাচ্ছিল; কিন্তু যখন আমাদের পক্ষীয় দশটি বিমান আবির্ভূত হতো তখন তাদের এমন এক অগ্নিবলয়ের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হতো যা শত শত একর আকাশকে কালো করে ফেলত।<br>এটি ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক, আর এই পরিস্থিতির জন্য আপনি [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্সকে]] ধন্যবাদ দিতে পারেন; আপনি ধন্যবাদ দিতে পারেন [[:w:যুক্তরাজ্য|ইংল্যান্ড]] এবং তার 'হস্তক্ষেপহীনতা কমিটিকে'; আপনি ধন্যবাদ দিতে পারেন [[:w:ইতালি|ইতালি]] ও [[:w:জার্মানি|জার্মানিকে]] এবং পরিশেষে আপনি বিশেষভাবে ধন্যবাদ দিতে পারেন [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] ও তার 'নিরপেক্ষতা' আইনকে, যা ফ্রাঙ্কোর নিকট হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে ইতালি ও জার্মানিতে মার্কিন নির্মিত যুদ্ধাস্ত্র বিক্রির অনুমতি প্রদান করেছিল। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ২৮২-২৮৩ * ইউরোপ থেকে ভেসে আসা সংবাদগুলো পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিকতর শোচনীয় ছিল; [[:w:যুক্তরাজ্য|ইংল্যান্ড]] এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]] [[:w:চেকোস্লোভাকিয়া|চেকোস্লোভাকিয়াকে]] খণ্ডবিখণ্ড করার বিষয়ে একমত হয়েছিল এবং দেশটির নিকট সমঝোতার একটি 'পরিকল্পনা' পেশ করেছিল। এই পরিকল্পনাটি ছিল চরম পর্যায়ের নীতিভ্রষ্ট: এতে সুডেটেন অঞ্চলগুলোর সরাসরি হস্তান্তর, বৃহৎ [[:w:জার্মানি|জার্মান]] জনসংখ্যা অধ্যুষিত অন্যান্য অঞ্চলগুলোর [[:w:স্বায়ত্তশাসন|স্বায়ত্তশাসন]], অন্য পরাশক্তিগুলোর মধ্যে বড় ধরণের সংঘাতের ক্ষেত্রে চেকোস্লোভাকিয়ার 'নিরপেক্ষকরণ', এবং ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] ও [[:w:ইতালি|ইতালির]] পক্ষ থেকে দেশটির সীমান্ত রক্ষার প্রথাগত 'নিশ্চয়তা' অন্তর্ভুক্ত ছিল। খুনিরাই মৃতদেহকে সম্মান জানানোর নিশ্চয়তা দিচ্ছিল!<br>আমরা বিশ্বাস করেছিলাম যে বর্তমান চেক সরকার এই শর্তগুলো কখনোই গ্রহণ করবে না। তাদের নিকট ছিল একটি শ্রেষ্ঠ সেনাবাহিনী; তাদের জনগণ বছরের পর বছর প্রকৃত [[:w:গণতন্ত্র|গণতন্ত্রের]] স্বাদ গ্রহণ করেছিল। তাদের ছিল একটি সমৃদ্ধ সমরাস্ত্র শিল্প যা যে কাউকেই ঈর্ষান্বিত করতে পারত (অনেকে করতও)। আর তাই আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম যে ফ্রান্স তার পূর্বের প্রতিশ্রুতিগুলো রক্ষা করবে এবং ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের জনগণের তীব্র ক্ষোভ তাদের নিজ নিজ মন্ত্রিসভার পতন ঘটাবে। কিন্তু আমাদের ধারণা ভুল ছিল। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ৩৩৬-৩৩৭ * এভাবে লাঠি থেকে গাজর, সব ধরনের কৌশল অবলম্বন করে, শীর্ণকায় অস্ট্রিয়ান গাধাটিকে দিয়ে [[:w:নাৎসিবাদ|নাৎসি]] ঠেলাগাড়িটিকে এক ক্রমাগত খাড়া পাহাড়ের দিকে টেনে নেওয়া হচ্ছে। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "দ্য রেপ অফ অস্ট্রিয়া" পত্র (৬ জুলাই, ১৯৩৮); চার্চিলের ''স্টেপ বাই স্টেপ, ১৯৩৬-১৯৩৯'' (১৯৩৯) গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত, পৃষ্ঠা ২৬২ * অসংখ্য আক্রমণকারী সৈন্য কেবল পৈশাচিক ধর্ষণের মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ না রেখে তারা নারীদের পেট পর্যন্ত চিরে ফেলত, তাদের স্তনগুলো কেটে ফেলত এবং অনেককে জীবন্ত অবস্থায় দেয়ালের সাথে পেরেক দিয়ে গেঁথে ফেলেছিল! পরিবারের অন্য সদস্যদের চোখের সামনেই পিতাদেরকে বাধ্য করা হয়েছে তাদের নিজ কন্যাদের উপর পাশবিকতা চালাতে এবং একইভাবে পুত্রদের বাধ্য করা হয়েছে তাদের মায়েদের ধর্ষণ করতে । কেবল মানুষকে জীবন্ত মাটি চাপা দিয়ে কবর দেওয়া, খোজা করা, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নৃশংসভাবে কেটে নেওয়া এবং শুধু জ্যান্ত মানুষকে নির্মমভাবে পুড়িয়ে মারাটাই তাদের দৈনন্দিন রুটিনে পরিণত হয়নি, বরং সেখানে এর চেয়েও অনেক বেশি পৈশাচিক ও অবর্ণনীয় নির্যাতন চালানো হয়েছিল। যেমনঃ অসহায় মানুষের জিহ্বায় ধারালো লোহার হুক গেঁথে তাদের নির্মমভাবে ঝুলিয়ে রাখা কিংবা কোমর পর্যন্ত মাটির গভীরে পুঁতে দিয়ে হিংস্র [[w:জার্মান শেফার্ড|জার্মান শেফার্ড কুকুর]] লেলিয়ে দিয়ে তাদের শরীর জীবন্ত ছিঁড়ে খেতে দেখা। এই দৃশ্যগুলো এতটাই বীভৎস ও অবর্ণনীয় ছিল যে শহরের মধ্যে অবস্থানরত নাৎসি কর্মকর্তারাও শেষ পর্যন্ত চরমভাবে আতঙ্কিত ও স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিল। ** '''''আইরিস চ্যাং''''', ''দ্য রেপ অফ নানকিং'' (১৯৯৭); অরভিল শেল কর্তৃক পর্যালোচিত, [https://www.nytimes.com/books/97/12/14/reviews/971214.14schellt.html "বেয়ারিং উইটনেস"], ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৭) * আমাদের সময়ের শান্তি। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', হেস্টন বিমানবন্দরে দেওয়া ভাষণ (৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৮); বিবিসির "অন দিস ডে" সিরিজের অন্তর্ভুক্ত [http://news.bbc.co.uk/onthisday/hi/dates/stories/september/30/newsid_3115000/3115476.stm ১৯৩৮: "পিস ফর আওয়ার টাইম"] * আমি বিশ্বাস করি যে উভয় পক্ষের মধ্যেই আন্তরিকতা এবং সদিচ্ছা রয়েছে। আমার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ইউরোপের শান্তিকামীতার জন্য কাজ করা... চেকোস্লোভাকিয়ার প্রশ্নটি ছিল সর্বশেষ এবং সম্ভবত সবচেয়ে বিপজ্জনক সমস্যা। এখন যেহেতু আমরা এটি পেরিয়ে এসেছি, আমি অনুভব করছি যে সুস্থিরতার পথে আরও অগ্রগামী হওয়া সম্ভব সম্ভব হতে পারে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', মিউনিখ সম্মেলনে (৩ অক্টোবর, ১৯৩৮) তার কর্মকাণ্ডের (চেকোস্লোভাকিয়ার জার্মানভাষী অঞ্চলগুলো জার্মানিকে দিয়ে দেওয়া সহ) সপক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', খণ্ড ৮৮, সংখ্যা ২৯৪৭৩ (৪ অক্টোবর, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৪ * এটি কতখানি ভয়াবহ, অবিশ্বাস্য এবং একটি অকল্পনীয় একটি বিষয় যে, আমাদের এই আপন ভূমিতে দূর দেশের এমন কিছু মানুষের মধ্যেকার এক বিবাদের কারণে খন্দক খনন করতে হচ্ছে এবং শ্বাসরোধকারী গ্যাস মাস্ক পরিধান করে প্রত্যক্ষ করতে হচ্ছে, বলতে গেলে আমরা তাদের ব্যাপারে কিছুই জানিনা।<br>এটি ভাবতেও আরও অনেক বেশি অসম্ভব ও অবাস্তব বলে মনে হয় যে, একটি বিবাদ যা কি না ইতিমধ্যেই নীতিগতভাবে প্রায় মিমাংসা হয়ে গিয়েছে, তা শেষ পর্যন্ত আমাদের জন্য যুদ্ধের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', লন্ডনে দেওয়া জাতীয় বেতার ভাষণ (২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৮); চেম্বারলেনের ''ইন সার্চ অফ পিস'' (১৯৩৯) গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত, পৃষ্ঠা ১৭৪। তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। * নিঃসন্দেহে অনেক মানুষ আন্তরিকভাবেই এটি বিশ্বাস করেন যে, তারা কেবল চেকোস্লোভাকিয়ার স্বার্থগুলোই বিসর্জন দিচ্ছেন। অথচ আমার আশঙ্কা হলো, আমরা অচিরেই দেখতে পাব যে আমরা [[:w:যুক্তরাজ্য|গ্রেট ব্রিটেন]] এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] নিরাপত্তা ও এমনকি স্বাধীনতাকে গভীরভাবে আপস করে ফেলেছি এবং সম্ভবত এক মারাত্মক বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছি।<br>আমি পূর্বানুমান করছি এবং ভবিষ্যদ্বাণী করছি যে, এই নতিস্বীকারের নীতি অদূর ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে বাকস্বাধীনতা ও বিতর্কের ওপর, জনসভার মঞ্চগুলোতে এবং সংবাদপত্রের মুক্ত আলোচনার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ বয়ে আনবে। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', হিটলারের প্রতি প্রধানমন্ত্রী চেম্বারলেনের তোষণ নীতির কড়া সমালোচনা করে ব্রিটিশ [[:w:যুক্তরাজ্যের সংসদ|পার্লামেন্টে]] দেওয়া ভাষণ; র‍্যান্ডলফ এস. চার্চিল সম্পাদিত ''ইনটু ব্যাটেল'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৫০ * কী এক হযবরল অবস্থা! আমাদের শত্রুরা যদি জানত যে আমরা সব কিছুকে কতটা তালগোল পাকিয়ে ফেলেছি! বেনেৎস লড়াই না করে এক মস্ত বড় বোকামি করেছেন! ** '''''ভাল্টার ফন রাইখেনাউ''''', চেকোস্লোভাকিয়ার সুডেটেনল্যান্ড অঞ্চলটি জার্মানিতে অন্তর্ভুক্ত করার পর কার্লসব্যাডের পার্ক হোটেলে (৩ অক্টোবর, ১৯৩৮); লিওনার্ড মোসলে রচিত ''অন বরোড টাইম: হাউ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু বিগান'' (১৯৬৪), পৃষ্ঠা ৭৮ গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ১৯৩৯ === * আমেরিকার সীমান্ত আজ [[:w:রাইন নদী|রাইন নদীর]] তীরে অবস্থিত। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]]''''', হোয়াইট হাউসে সামরিক বিষয়ক সিনেট কমিটির এক নির্বাহী অধিবেশনে (৩১ জানুয়ারি, ১৯৩৯) তাঁর প্রতি আরোপিত উক্তি; হুইটনি এইচ শেপার্ডসন এবং উইলিয়াম ও স্ক্রগস রচিত ''দ্য ইউনাইটেড স্টেটস ইন ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স'' (১৯৪০) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০৪। এই মন্তব্যের প্রতিবেদন মার্কিন বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং জার্মান সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল, অন্যদিকে ব্রিটিশ ও ফরাসিদের মনে এটি সাহসের সঞ্চার করেছিল। রুজভেল্ট এই মন্তব্যটিকে জোরালোভাবে অস্বীকার করেন এবং ৩ ফেব্রুয়ারির এক সংবাদ সম্মেলনে এটিকে একটি "ইচ্ছাকৃত মিথ্যা" বলে অভিহিত করেন। ''দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট'', ১৯৩৯' (১৯৪১), পৃ. ১১৩. প্রতিনিধি জন এ. মার্টিন সামরিক বিমান নির্মাণ সংক্রান্ত একটি আলোচনার সময় হাউসে তাঁর মন্তব্যে এই বিষয়টি উল্লেখ করেন: "রাষ্ট্রপতির একটি কথিত ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়ে একটি তুমুল বিতর্ক চলছে যে আমেরিকার সীমান্ত রাইন নদীর তীরে অবস্থিত। তিনি একথা বলুন বা না বলুন, আমেরিকার সীমান্ত রাইন নদীর তীরে এবং তার বাইরেও ছিল। একটি আমেরিকান সেনাবাহিনী জার্মানির মাটিতে পা রেখেছে। আমেরিকার সীমান্ত ইউরোপ, আফ্রিকা এবং এশিয়ার উপকূলে ছিল, যখন সেই উপকূলগুলো আজকের তুলনায় আমাদের থেকে অনেক বেশি দূরে ছিল"। ''কংগ্রেসনাল রেকর্ড'' (ফেব্রুয়ারি ১৪, ১৯৩৯), খণ্ড ৮৪, পৃষ্ঠা ১৩৯৪। * এটি সম্পূর্ণ অসত্য যে আমি, অথবা জার্মানির অন্য কেউ ১৯৩৯ সালে একটি যুদ্ধ চেয়েছিল। এই যুদ্ধটি কেবলমাত্র সেইসব আন্তর্জাতিক রাজনীতিবিদদের দ্বারা কাঙ্ক্ষিত এবং প্ররোচিত ছিল যারা হয় ইহুদি বংশোদ্ভূত ছিল, অথবা ইহুদিদের স্বার্থের জন্য কাজ করত... তিনি জার্মান জাতির অভিজাত শ্রেণীকে জানিয়েছিলেন 'সকল মানুষের বিশ্ব-বিষকার, আন্তর্জাতিক ইহুদিতন্ত্রের, বিরুদ্ধে নির্মম প্রতিরোধ গড়ে তুলতে'। ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', এইচ. আর. ট্রেভর-রোপার রচিত ''দ্য লাস্ট ডেইজ অফ হিটলার'', লন্ডন (১৯৫০) গ্রন্থে উদ্ধৃত। * [[:w:এনরিকো ফের্মি|ই. ফের্মি]] এবং [[:w:লিও জিলার্ড|এল. জিলার্ডের]] পরিচালিত সাম্প্রতিক কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও পাণ্ডুলিপি... আমাকে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে এই প্রত্যাশা করতে উদ্বুদ্ধ করেছে যে, অতি অদূর ভবিষ্যতে [[:w:ইউরেনিয়াম|ইউরেনিয়াম]] মৌলটি এক অভাবনীয় শক্তির নতুন এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রধান উৎসে পরিণত হতে পারে। উদ্ভূত বর্তমান পরিস্থিতির কিছু অত্যন্ত সংবেদনশীল দিক এখন বিশেষ সতর্কতার দাবি রাখে এবং প্রয়োজনবোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন বলে আমি গভীরভাবে মনে করি...।<br>বিগত মাত্র চার মাসের নিরবচ্ছিন্ন গবেষণার ফলে এখন এটি পুরোপুরি সম্ভবপর হয়ে উঠেছে যে, ইউরেনিয়ামের একটি নির্দিষ্ট ও বিশাল ভরের অভ্যন্তরে একটি নিয়ন্ত্রিত নিউক্লীয় শৃঙ্খল বিক্রিয়া বা চেইন রিঅ্যাকশন সফলভাবে তৈরি করা যেতে পারে, যার অভাবনীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বিধ্বংসী শক্তি উৎপন্ন হবে। বর্তমানে এখন এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রায় নিশ্চিত যে অদূর ভবিষ্যতে এই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা পুরোপুরি সম্ভব হবে।<br>এই অভাবনীয় নতুন বৈজ্ঞানিক ঘটনাটি অত্যন্ত শক্তিশালী মারণাস্ত্র বা বোমা তৈরির প্রশস্ত পথও উন্মোচন করতে পারে এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে এমনটি ভাবা যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত বলে প্রতীয়মান হয়। যদিও বর্তমানে কিছুটা কম নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে যে, এই নির্দিষ্ট প্রযুক্তির সাহায্যে বাস্তবে একটি নতুন ধরণের অভাবনীয় ও অত্যন্ত শক্তিশালী বোমা তৈরি করা পুরোপুরি সম্ভব কি না। এই ধরণের একটিমাত্র বিধ্বংসী বোমা, যা কোনো সাধারণ নৌকায় করে কৌশলগত কোনো বন্দরে নিয়ে গিয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটালে, তা অনায়াসেই পুরো বন্দর এলাকা এবং তার আশেপাশের বিশাল জনপদ মুহূর্তেই ধ্বংস করে দিতে পারে। তবে, প্রাথমিক অবস্থায় এই ধরণের মারণ বোমাগুলো আকাশপথে নিরাপদ পরিবহনের জন্য সম্ভবত অনেক বেশি ভারী বলে প্রমাণিত হতে পারে...।<br>উদ্ভূত এই বিশেষ পরিস্থিতির গুরুত্বের প্রেক্ষিতে আপনি হয়তো আপনার প্রশাসনের সাথে আমেরিকায় চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ে নিরলস কাজ করা নিবেদিতপ্রাণ পদার্থবিজ্ঞানীদের দলের একটি স্থায়ী ও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখা অত্যন্ত সমীচীন এবং দূরদর্শী পদক্ষেপ বলে মনে করবেন। ** পদার্থবিজ্ঞানী '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''' কর্তৃক প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টকে লেখা চিঠি (২ আগস্ট, ১৯৩৯; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার এক মাস আগে); যেখানে তিনি নাৎসি জার্মানি কর্তৃক পারমাণবিক বোমা তৈরির বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এটি পরবর্তীতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সূত্রপাত ঘটায়: <br>(১) নাৎসি জার্মানির সাথে যুদ্ধে লিপ্ত সকল দেশকে সাহায্য করার জন্য রুজভেল্টের প্রচেষ্টা, যাতে জার্মানি পারমাণবিক বোমা তৈরির আগেই তাদের পরাজিত করা যায়, এবং <br>(২) অত্যন্ত গোপনীয় "[[:w:ম্যানহাটন প্রকল্প|ম্যানহাটন প্রকল্প]]", যেখানে সরকার প্রকৃতপক্ষে পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য "আমেরিকার চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ে কাজ করা পদার্থবিজ্ঞানীদের দলের" সাথে একত্রে কাজ করেছিল। * পুরো ইউরোপ জুড়ে, না, বরং পুরো বিশ্ব জুড়েই একটি নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে...। হায়! এটি আসলে এক চরম উত্তেজনার নিস্তব্ধতা এবং অনেক দেশেই এটি এক ভয়াবহ আতঙ্কের নিস্তব্ধতা। শুনুন! না, মন দিয়ে শুনুন, আমি মনে হয় কিছু একটা শুনতে পাচ্ছি—হ্যাঁ, এটি বেশ স্পষ্ট ছিল। আপনারা কি শুনতে পাচ্ছেন না? এটি হলো কুচকাওয়াজের ময়দানের নুড়ি পাথর মাড়িয়ে ধেয়ে আসা বিশাল সেনাবাহিনীর পদধ্বনি, বৃষ্টিতে ভেজা কর্দমাক্ত মাঠ দিয়ে এগিয়ে চলা দুই মিলিয়নেরও বেশি জার্মান সৈন্য এবং এক মিলিয়নেরও বেশি ইতালীয় সৈন্যের ভারী বুটের শব্দ, যারা কেবল "মহড়া দিতে যাচ্ছে"—হ্যাঁ, শুধুই মহড়া! ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "এ হাশ ওভার ইউরোপ" (ইউরোপ জুড়ে নিস্তব্ধতা) শীর্ষক ভাষণ; লন্ডন থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে প্রচারিত (৮ আগস্ট, ১৯৩৯); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬১৫০। == যুদ্ধের শুরু == === ১৯৩৯ === [[File:The British Army in France 1940 F2441.jpg|thumb|right|এখন যেহেতু আমরা এটি শেষ করার সংকল্প করেছি, আমি জানি যে আপনারা সবাই শান্ত থেকে এবং সাহসের সাথে আপনাদের ভূমিকা পালন করবেন। ~ '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''']] * আমি ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে আপনাদের উদ্দেশ্যে বলছি। আজ সকালে বার্লিনে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত জার্মান সরকারকে একটি চূড়ান্ত নোট প্রদান করেছেন, যাতে বলা হয়েছে যে, যদি না আমরা বেলা ১১টার মধ্যে তাদের কাছ থেকে এই মর্মে কোনো নিশ্চয়তা পাই যে তারা অবিলম্বে [[:w:পোল্যান্ড|পোল্যান্ড]] থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করতে প্রস্তুত, তবে আমাদের মধ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হবে। আমাকে এখন আপনাদের জানাতে হচ্ছে যে, এ ধরণের কোনো প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি এবং এর ফলে এই দেশ এখন জার্মানির সাথে যুদ্ধে লিপ্ত। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) * তাঁর কর্মকাণ্ড চূড়ান্তভাবে এটিই প্রমাণ করে যে, এই ব্যক্তি নিজের ইচ্ছা চরিতার্থ করার জন্য শক্তি প্রয়োগের যে পথ বেছে নিয়েছেন, তা তিনি কোনোদিন ত্যাগ করবেন। এমন কোনো প্রত্যাশা করার সুযোগ নেই। তাঁকে কেবলমাত্র শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমেই থামানো সম্ভব। আজ আমরা এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]], আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে সেই [[:w:পোল্যান্ড|পোল্যান্ডের]] এর দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, যারা তাদের জনগণের ওপর এই জঘন্য এবং বিনা উস্কানিতে হওয়া আক্রমণের বিরুদ্ধে অত্যন্ত সাহসের সাথে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) * জার্মানির শাসকের দেওয়া কোনো কথা যখন আর বিশ্বাস করা যায় না এবং কোনো জাতি বা দেশ নিজেকে নিরাপদ মনে করতে পারে না—এমন একটি পরিস্থিতি আজ অসহনীয় হয়ে উঠেছে। এখন যেহেতু আমরা এটি শেষ করার সংকল্প করেছি, আমি জানি যে আপনারা সবাই শান্ত থেকে এবং অদম্য সাহসের সাথে আপনাদের নিজ নিজ ভূমিকা পালন করবেন। ** '''''[[w:নেভিল চেম্বারলেনhttps://bn.wikipedia.org/wiki/নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) * ঈশ্বর আপনাদের সবার মঙ্গল করুন এবং ন্যায়ের পক্ষকে রক্ষা করুন। কারণ আমরা আজ অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে যাচ্ছি। যা শুধু পাশবিক শক্তি, বিশ্বাসভঙ্গ, অন্যায়, নিপীড়ন এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়াই। আর আমি নিশ্চিত যে, এদের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত ন্যায়েরই জয় হবে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) === ১৯৪০ === * আমাদের এই দ্বীপের, আমাদের সাম্রাজ্যের এবং বস্তুতপক্ষে অপরাধীদের বাসস্থান ব্যতীত সারা বিশ্বের প্রতিটি বাড়ির কৃতজ্ঞতা সেই ব্রিটিশ বিমানসেনাদের প্রতি নিবেদিত, যাঁরা প্রতিকূলতায় অদম্য, নিরন্তর সংগ্রাম ও মরণপণ বিপদের মুখে অক্লান্ত থেকে নিজেদের বীরত্ব ও নিষ্ঠার দ্বারা বিশ্বযুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিচ্ছেন। এই মানব সংঘাতের ইতিহাসে এত অল্পসংখ্যক মানুষের কাছে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের এত বেশি ঋণ আর কখনও দেখা যায়নি। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:ব্রিটেনের যুদ্ধ|ব্রিটেনের যুদ্ধের]] সময় ব্রিটিশ হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (২০ আগস্ট, ১৯৪০); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬২৬৬। * '''আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব, আমরা ফ্রান্সে লড়াই করব, আমরা সমুদ্র ও মহাসাগরগুলোতে লড়াই করব, আমরা আকাশে ক্রমবর্ধমান আত্মবিশ্বাস ও ক্রমবর্ধমান শক্তি নিয়ে লড়াই করব, আমরা আমাদের দ্বীপকে রক্ষা করব, এর মূল্য যাই হোক না কেন। আমরা লড়াই করব সৈকতে, আমরা লড়াই করব অবতরণ ক্ষেত্রে, আমরা লড়াই করব মাঠে ও রাস্তায়, আমরা লড়াই করব পাহাড়ে। আমরা কখনোই আত্মসমর্পণ করব না। আর এমনকি যদি—যা আমি এক মুহূর্তের জন্যও বিশ্বাস করি না যে এই দ্বীপ বা এর বিশাল অংশ পরাধীন হয় এবং অনাহারে থাকে, তবে সমুদ্রের ওপারে আমাদের সাম্রাজ্য ব্রিটিশ নৌবহর দ্বারা সশস্ত্র ও সুরক্ষিত থেকে সংগ্রাম চালিয়ে যাবে। যতক্ষণ না ঈশ্বরের শুভ সময়ে এক নতুন বিশ্ব, তার সমস্ত শক্তি ও সামর্থ্য নিয়ে পুরাতন বিশ্বকে উদ্ধার ও মুক্ত করতে এগিয়ে আসছে।''' ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', ব্রিটিশ হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (৪ জুন, ১৯৪০)। এটি লক্ষ্য করা হয়েছে যে, এই ভাষণের সবচেয়ে বিখ্যাত অংশটি, যা "আমরা সৈকতে লড়াই করব" দিয়ে শুরু হয়ে "আমরা কখনোই আত্মসমর্পণ করব না" দিয়ে শেষ হয়েছে, তার প্রতিটি শব্দই [[:w:প্রাচীন ইংরেজি ভাষা|প্রাচীন ইংরেজি]] (অ্যাংলো-স্যাক্সন) থেকে উদ্ভূত; কেবল "সারেন্ডার" বা 'আত্মসমর্পণ' শব্দটি বাদে—যা প্রাচীন ফরাসি থেকে এসেছে। * আমার নিজের পূর্ণ আত্মবিশ্বাস রয়েছে যে, যদি সবাই তাদের কর্তব্য পালন করে, যদি কোনো কিছু অবহেলা না করা হয় এবং যদি সর্বোত্তম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। যেমনটি এখন করা হচ্ছে, তবে আমরা আবারও আমাদের দ্বীপ-মাতৃভূমিকে রক্ষা করতে, যুদ্ধের এই ঝড় কাটিয়ে উঠতে এবং স্বৈরাচারের হুমকিকে পরাস্ত করতে সক্ষম বলে নিজেদের প্রমাণ করবই; প্রয়োজনে বছরের পর বছর, দরকার হলে একাই। * জেনারেল ওয়েগাঁ যে সংঘাতকে অত্যন্ত যথাযথভাবে [[w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ফ্রান্সের সামরিক ইতিহাস|ফ্রান্সের যুদ্ধ]] বলে অভিহিত করেছিলেন, তার পরিসমাপ্তি ঘটেছে। আমি এখন দৃঢ়ভাবে আশা করছি যে, চূড়ান্ত ও নির্ণায়ক [[w:ব্রিটেনের যুদ্ধ|ব্রিটেনের যুদ্ধ]] অতি শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে। এই মহাযুদ্ধের ফলাফলের ওপর সমগ্র খ্রিস্টান সভ্যতার টিকে থাকা এবং ভবিষ্যৎ অস্তিত্ব নির্ভর করছে। এর ওপর সরাসরি নির্ভর করছে আমাদের নিজস্ব ব্রিটিশ জীবনধারা এবং আমাদের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ও সাম্রাজ্যের সুদীর্ঘ মহান ধারাবাহিকতা। শত্রুর পুঞ্জীভূত সমস্ত ক্রোধ ও ধ্বংসাত্মক শক্তি খুব শীঘ্রই আমাদের এই ভূখণ্ডের ওপর সজোরে আছড়ে পড়বে। হিটলার অত্যন্ত ভালোভাবেই জানে যে তাকে হয় এই দ্বীপে আমাদের সম্পূর্ণরূপে পরাস্ত করতে হবে, নয়তো তাকে এই মহাযুদ্ধে চূড়ান্ত হার মানতে হবে।<br>আমরা যদি সাহসের সাথে তাঁর বিরুদ্ধে ইস্পাতকঠিন সংকল্প নিয়ে রুখে দাঁড়াতে পারি, তবে অচিরেই সমগ্র ইউরোপ নাৎসিদের দাসত্ব থেকে মুক্ত হতে পারে এবং সমগ্র বিশ্বের জীবনপ্রবাহ এক বিস্তৃত, সূর্যালোকিত উচ্চভূমির দিকে সফলভাবে এগিয়ে যেতে পারে। কিন্তু যদি আমরা কোনোভাবে ব্যর্থ হই, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সমগ্র বিশ্ব এবং আমরা যা কিছু জানি ও হৃদয়ে পরোয়া করি, তার সবই এক ভয়াবহ নতুন অন্ধকার যুগের অতল গহ্বরে চিরতরে তলিয়ে যাবে। যা বিকৃত বিজ্ঞানের অশুভ আলোকচ্ছটায় আরও অনেক বেশি পৈশাচিক এবং সম্ভবত ইতিহাসের দীর্ঘস্থায়ী এক নরক হবে। তাই আসুন আমরা আমাদের পবিত্র কর্তব্যে অবিচল থাকি এবং নিজেদের এমন আদর্শিকভাবে পরিচালিত করি যেন, যদি [[:w:ব্রিটিশ সাম্রাজ্য|ব্রিটিশ সাম্রাজ্য]] এবং তার [[:w:কমনওয়েলথ অফ নেশনস|কমনওয়েলথ]] আরও হাজার বছর মহিমায় টিকে থাকে, তবে অনাগত ভবিষ্যতের মানুষ যেন আজও বলে, "এটিই ছিল তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সময়।" ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (১৮ জুন, ১৯৪০) * ফ্রান্স একটি যুদ্ধে হেরেছে, কিন্তু ফ্রান্স এই পুরো যুদ্ধে হারেনি। ** '''''[[:w:শার্ল দ্য গোল|শার্ল দ্য গোল]]''''', মুক্ত ফরাসি বাহিনীর নেতা, [[:w:১৮ জুনের আবেদন|১৮ জুনের আবেদনে]]। * আমি সেই ঐতিহাসিক জুন মাসে বিজয়ী জার্মান সেনাবাহিনীর পিছু পিছু বিধ্বস্ত প্যারিসে প্রবেশ করেছিলাম... এবং ১৯ জুন হিটলার ঠিক কোথায় তাঁর সুনির্দিষ্ট যুদ্ধবিরতির শর্তাবলী পেশ করতে যাচ্ছেন, সেই গোপন খবরটি পাই। এটি ঠিক সেই একই ঐতিহাসিক স্থানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছিল যেখানে ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর পতনোন্মুখ জার্মান সাম্রাজ্য ফ্রান্স এবং তার মিত্রশক্তির কাছে বিনাশর্তে আত্মসমর্পণ করেছিলঃ কম্পিয়েন অরণ্যের সেই নির্জন ও ছোট্ট একটি খোলা জায়গায়। সেখানে নাৎসি যুদ্ধবাজ তাঁর দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত প্রতিশোধ চরিতার্থ করতে যাচ্ছিলেন... ১৯ জুনের শেষ বিকেলে আমি সেখানে গাড়ি চালিয়ে যাই এবং সবিস্ময়ে দেখতে পাই জার্মান সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়াররা ১৯১৮ সালে মহাযুদ্ধ শেষ হওয়া সেই স্মৃতিবিজড়িত রেলগাড়িটি] জাদুঘর থেকে টেনে বের করে এনে অরণ্যের ঠিক মাঝখানে সেই নির্দিষ্ট স্থানে পুনঃস্থাপন করছে। তাদের নিখুঁত হিসাব মতে, ১৯১৮ সালের নভেম্বরের সেই কুয়াশাচ্ছন্ন ভোর ৫টায় এটি ঠিক এখানেই দাঁড়িয়ে ছিল, যখন ফরাসি মার্শাল ফের্দিনঁ ফশের কঠোর নির্দেশে জার্মান প্রতিনিধিরা গ্লানিময় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।<br>এবং এভাবেই ২১ জুন বিকেলে আমি কম্পিয়েন অরণ্যের প্রান্তে দাঁড়িয়ে স্বয়ং হিটলারের সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক বিজয় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করি। আমি একদৃষ্টিতে হিটলারের মুখের প্রতিটি অভিব্যক্তি তীক্ষ্ণভাবে লক্ষ্য করছিলাম। আমি তাঁর অবস্থান থেকে মাত্র পঞ্চাশ গজ দূরে ছিলাম এবং শক্তিশালী দূরবীন দিয়ে তাঁকে এমনভাবে দেখছিলাম যেন তিনি ঠিক আমার সামনেই রক্ত-মাংসের শরীরে দাঁড়িয়ে আছেন। আমি তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের অনেক বড় বড় মাহেন্দ্রক্ষণে সেই পরিচিত মুখটি বারবার দেখেছি। কিন্তু আজ! চরম ঘৃণা, তীব্র ক্রোধ, অন্ধ বিদ্বেষ, প্রতিশোধের নেশা আর বিজয়ের উন্মাদনায় সেই মুখটি যেন এক পৈশাচিক তেজে জ্বলছে। ** মার্কিন যুদ্ধ সংবাদদাতা '''''উইলিয়াম এল. শায়রার''''', তাঁর ''দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য থার্ড রাইখ'' (১৯৬০) গ্রন্থে। * হিটলার তাঁর অধীনে থাকা সমস্ত ভয়াবহ শক্তি দিয়ে আঘাত হানছেন। এটি তাঁর এক বেপরোয়া বাজি, আর এর বাজিটি হলো সমগ্র মানবজাতির ওপর আধিপত্য বিস্তার করা।<br>যদি হিটলার ইউরোপে জয়ী হন, তবে ব্রিটিশ ও ফরাসি সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর শক্তি চিরতরে ভেঙে পড়বে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে এক বর্বর পৃথিবীতে একা খুঁজে পাবে। যে পৃথিবী শাসিত হবে নাৎসিদের দ্বারা, যেখানে তাদের সর্বগ্রাসী মিত্রদের জন্য 'প্রভাববলয়' নির্ধারিত থাকবে। জাতিগতভাবে এই একনায়কতন্ত্রগুলো ভিন্ন হতে পারে, তবে তারা সবাই একটি প্রাথমিক লক্ষ্যে একমত: 'গণতন্ত্রকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলতে হবে।'...<br>যুদ্ধ থেকে দূরে থাকার ইচ্ছা পোষণ করা, আধুনিক যুদ্ধের অবর্ণনীয় নরক থেকে, ডাইভ বোমারু বিমান এবং অগ্নিবর্ষণকারী ট্যাঙ্ক থেকে আমাদের তরুণ সমাজকে রক্ষা করার ইচ্ছার মধ্যে লজ্জার কিছু নেই।<br>কিন্তু যারা বর্তমানে আমাদের এবং এই নরক সৃষ্টিকারীদের মাঝে দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, তাদের সাহায্য করতে আমাদের ব্যর্থতা কি আত্মঘাতী উন্মাদনার প্রমাণ নয়? ** 'কমিটি টু ডিফেন্ড আমেরিকা'র একটি সংবাদপত্র বিজ্ঞাপন, যাদের আদর্শ প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের সাথে হুবহু মিলে যেত; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১০ জুন, ১৯৪০), পৃষ্ঠা ৩৬ এল। * মিত্রপক্ষকে যুদ্ধ ব্যতিরেকে সমস্ত ধরণের সাহায্য প্রদান। ** প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক নিরপেক্ষতার নতুন সংজ্ঞা; বার্টন কে. হুইলারের বর্ধিত মন্তব্য (৭ জুন, ১৯৪০), যা ''অ্যাপেন্ডিক্স টু দ্য কংগ্রেসনাল রেকর্ড: ৭৬তম কংগ্রেস, ৩য় অধিবেশন'', খণ্ড ৮৬, অংশ ১৬ (৬ জুন, ১৯৪০ - ৬ আগস্ট, ১৯৪০), ৩৬৭৭ পৃষ্ঠায় মুদ্রিত। * আমাদের অবশ্যই গণতন্ত্রের এক বিশাল অস্ত্রাগার বা শক্তি হয়ে উঠতে হবে। ** ১৯৪০ সালের মে-জুন মাসে জার্মানির কাছে ফ্রান্সের পরাজয়ের পর ব্রিটিশদের অস্ত্র সরবরাহ করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|রুজভেল্ট]]'''''; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৩০ ডিসেম্বর, ১৯৪০), পৃষ্ঠা ৬ এল। * প্রথমে তারা অংশ নিতে ভয় পেয়েছিল, চরম ভীরুতা দেখিয়েছিল। আর এখন তারা তাড়াহুড়ো করছে যাতে লুটের মালের ভাগ বসাতে পারে। ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', ১৯৪০ সালের ১০ জুন ফ্রান্স ও গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ইতালির যুদ্ধ ঘোষণার প্রেক্ষাপটে; [[:w:মার্টিন গিলবার্ট|মার্টিন গিলবার্ট]] রচিত ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার: এ কমপ্লিট হিস্ট্রি'' (২০০৪), পৃষ্ঠা ৯০। * ১৯৪০ সালের জুনের এই দশম দিনে, যে হাতটি ছুরি ধরেছিল, সেটি তার প্রতিবেশীর পিঠে সেই ছুরিটি বসিয়ে দিয়েছে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]]''''', ১৯৪০ সালের ১০ জুন ফ্রান্স ও ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ইতালির যুদ্ধ ঘোষণার প্রেক্ষাপটে; মার্টিন গিলবার্ট রচিত ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার'' (২০০৪), পৃষ্ঠা ৯০। * আমি এটি আগেও বলেছি, তবে আমি আবারও বারবার বলবঃ আপনাদের সন্তানদের কোনো বিদেশি যুদ্ধে পাঠানো হবে না। ** পুনর্নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রেসিডেন্ট '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|রুজভেল্ট]]''''' কর্তৃক প্রদত্ত বক্তব্য; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৩১ অক্টোবর, ১৯৪০), পৃষ্ঠা ১৪ এল+। * এই হত্যাকাণ্ড তার নিজের ইচ্ছামতো চলতে পারে, তবে এটি পশ্চিমা শক্তিগুলোর এক ঐতিহাসিক অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে যে, জার্মানি যে অবিরাম আক্রমণাত্মক রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছিল, তার বিরুদ্ধে তারা অবিলম্বে কঠোরতম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এর জন্য অনেক সুযোগ বিদ্যমান ছিল, কিন্তু কোনো পদক্ষেপই গ্রহণ করা হয়নি। ** '''''ফ্রিডরিখ কেলনার''''', জার্মানির প্রধান বিচার পরিদর্শক; ১৯৪০ সালের ২৯ মে তাঁর ডায়েরির পাতায় এই আক্ষেপ প্রকাশ করেন। * আমি আমেরিকায় বড় হওয়া এক মানুষ,<br>আমি এখানে ঘৃণা করার মতো অনেক কিছু দেখেছি, অনেক কিছু ক্ষমাও করেছি,<br>কিন্তু এমন এক পৃথিবীতে যেখানে ইংল্যান্ড নিঃশেষ এবং মৃত,<br>সেখানে আমি বেঁচে থাকতে চাই না। ** '''''অ্যালিস ডুয়ের মিলার''''', ''দ্য হোয়াইট ক্লিফসের'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৪০) শেষ পঙক্তিমালা। === ১৯৪১ === * আমাদের শুধু সরঞ্জামগুলো দিন, বাকি কাজটুকু আমরাই শেষ করব। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', লন্ডনে প্রচারিত বেতার ভাষণ (৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪১); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬৩৫০। * আমাদের ত্যাগের মানসিকতার চেয়ে ভোগবিলাসের আকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল। আমরা দেওয়ার চেয়ে পাওয়ার দিকেই বেশি আগ্রহী ছিলাম। আমরা পরিশ্রমকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি, যার ফলশ্রুতিতে এই মহাবিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে। ** '''''ফিলিপ পেত্যাঁ'''''; ১৯৪১ সালের মে মাসে 'নেশনস বিজনেসে' প্রকাশিত হ্যাটন ডব্লিউ সামারসের "ডেঞ্জার: মেন নট অ্যাট ওয়ার্ক!" শীর্ষক নিবন্ধের ক্যাপশনে তাঁর প্রতি এই উক্তিটি আরোপ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, "ফরাসিরা মার্শাল পেত্যাঁ-র কণ্ঠে হারানো ফ্রান্সের প্রতি এই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সঙ্গীতটি শুনেছে।" * লেন্ড-লিজ নীতিটি যখন শেষ পর্যন্ত আইনগত রূপ পরিগ্রহ করল, তখন এটি গ্রেট ব্রিটেনের প্রতি পূর্ণ সহমর্মী আমেরিকান কংগ্রেস এবং সমগ্র জাতিকে এক প্রকার স্তব্ধ ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় করে দিয়েছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কাইজার ভিলহেল্মের পক্ষ থেকে অস্ট্রিয়া-হাঙ্গারিকে দেওয়া সেই বহুল আলোচিত ব্লাঙ্ক চেক বা অবারিত সুযোগটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এই প্রেক্ষাপটে রুজভেল্টের দেওয়া বর্তমান ব্লাঙ্ক চেকের কাছে নিতান্তই নস্যি মাত্র। এটি আমেরিকার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার মনের মধ্যে থাকা চরম আশঙ্কাকেই শেষ পর্যন্ত নির্মমভাবে সত্য প্রমাণ করেছে এবং অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বর্তমান প্রেসিডেন্টকে এক ভয়ংকর যুদ্ধবাজ হিসেবে বিশ্বমঞ্চে চিহ্নিত করেছে...।<br>আমেরিকান সাধারণ জনগণকে এর আগে ইতিহাসের আর কোনো পর্যায়েই তাদের কষ্টার্জিত করের অর্থ অন্য কোনো দেশকে অকাতরে দেওয়ার জন্য এমন নজিরবিহীনভাবে বাধ্য করা হয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসকে এর আগে কোনো প্রেসিডেন্ট কখনও এভাবে প্রকাশ্যে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করার ধৃষ্টতাপূর্ণ অনুরোধ জানাননি। এই মহান জাতি আগে কখনও তাদের বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এমন দ্বিমুখী ও দ্বিচারিতামূলক আচরণের নির্লজ্জ আশ্রয় গ্রহণ করেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর আগে কখনও একক কোনো ব্যক্তির খেয়ালি হাতের মুঠোয় দেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করার এমন অপ্রতিহত ক্ষমতা তুলে দেয়নি।<br>এই বিতর্কিত আইন অনুমোদনের প্রকৃত অর্থ হলো সরাসরি যুদ্ধের পথে পা বাড়ানো, যা হবে এক উন্মুক্ত এবং সর্বাত্মক বিনাশী যুদ্ধ। তাই আমেরিকান জনগণ এটি মুখ বুজে নিঃশব্দে মেনে নেওয়ার আগে আমি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তাদের কাছে একটি মৌলিক প্রশ্ন করতে চাই যে 'গত রক্তক্ষয়ী বিশ্বযুদ্ধটি কি আদৌ কোনোভাবে সার্থক ছিল?'<br>যদি সেই যুদ্ধ সার্থক হয়েই থাকে, তবে আমাদের অবশ্যই বর্তমান যুদ্ধ উপকরণগুলো নির্দ্বিধায় ধার দেওয়া উচিত। যদি সার্থক হয়ে থাকে, তবে আমাদের প্রাণপ্রিয় আমেরিকান সন্তানদেরও যুদ্ধের ময়দানে একইভাবে ধার দেওয়া উচিত। প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে ইংল্যান্ড ভবিষ্যতে আমাদের এই সমস্ত ঋণ পরিশোধ করবে। হ্যাঁ, আমি নিশ্চিতভাবে বলছি তারা অবশ্যই ঋণ পরিশোধ করবে...।<br>আমাদের ছেলেরা একদিন ঠিকই ফিরে আসবে। হয়তো কাঠের কফিনে করে প্রাণহীন দেহে, হয়তো সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে, অথবা উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিধ্বংসী কামানের গোলার আর্তনাদ আর শিউরে ওঠা বিভীষিকাময় দৃশ্য দেখে বিকৃত মস্তিষ্কে তারা আপন ঘরে ফিরে আসবে! ** মন্টানার মার্কিন সিনেটর '''''বার্টন কে. হুইলার''''', লেন্ড-লিজ আইনের বিরোধিতা করে; ''কংগ্রেসনাল রেকর্ড: ৭৭তম কংগ্রেস'', খণ্ড ৮৭, অংশ ১০, পরিশিষ্ট (২১ জানুয়ারি, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ১৭৮-১৭৯। * আমি জানি যে যখন আমি বলব, জেতার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ না থাকলে আমাদের যুদ্ধে জড়ানো উচিত নয়। তখনই আমেরিকার হস্তক্ষেপবাদীদের দ্বারা আমি তীব্রভাবে সমালোচিত হব। হস্তক্ষেপবাদীরা যখন ফ্রান্সকে জিগফ্রিড লাইনে আক্রমণ করতে প্ররোচিত করেছিল, তখন তারা যতটা অপ্রস্তুত ছিল, আমরা আজও ঠিক ততটাই অপ্রস্তুত...।<br>একজন আমেরিকান নাগরিক হিসেবে এই যুদ্ধকে বস্তুনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং যুদ্ধে অবতীর্ণ হলে আমাদের সফলতার সম্ভাবনা যাচাই করা কেবল আমাদের অধিকারই নয়, বরং আমাদের দায়িত্ব। আমি বিশেষ করে বিমান চালনার দৃষ্টিকোণ থেকে এটি করার চেষ্টা করেছি। এবং আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে বাধ্য হয়েছি যে আমরা ইংল্যান্ডকে যতোই সাহায্য করি না কেন, তাদের হয়ে আমরা এই যুদ্ধে জিততে পারব না। ** '''''[[:w:চার্লস লিন্ডবার্গ|চার্লস এ. লিন্ডবার্গ]]''''', লেন্ড-লিজ আইনের বিরোধিতা করে; ''কংগ্রেসনাল রেকর্ড: ৭৭তম কংগ্রেস'', খণ্ড ৮৭, অংশ ১১, পরিশিষ্ট (৭ মে, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ২১৫৩। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাননীয় প্রেসিডেন্ট এবং হিজ মেজেস্টি’স গভর্নমেন্টের পক্ষে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মিস্টার চার্চিলের এই বিশেষ যৌথ ঘোষণা...।<br>প্রথমত, তাঁদের সংশ্লিষ্ট দেশসমূহ ভবিষ্যতে কোনো প্রকার আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার বা অন্য কোনো রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি বা সীমানা বিস্তার কামনা করে না।<br>দ্বিতীয়ত, তাঁরা ভূখণ্ডগত এমন কোনো আকস্মিক পরিবর্তন দেখতে চান না যা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সাধারণ জনগণের স্বাধীনভাবে ব্যক্ত করা ইচ্ছার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।<br>তৃতীয়ত, তাঁরা বিশ্বের সকল জাতির নিজেদের স্বাধীন পছন্দমতো নিজস্ব শাসনব্যবস্থা ও রাষ্ট্রকাঠামো নির্বাচনের মৌলিক অধিকারকে সর্বোচ্চ সম্মান জানান।<br>চতুর্থত, তাঁরা বিদ্যমান আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতাগুলোর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনপূর্বক বিশ্ববাণিজ্য এবং বিশ্বের প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর বড়-ছোট, বিজয়ী কিংবা বিজিত নির্বিশেষে সকল রাষ্ট্রের সমানাধিকার নিশ্চিত করার আপ্রাণ চেষ্টা করবেন।<br>পঞ্চমত, তাঁরা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিশ্বের সকল জাতির মধ্যে এক পূর্ণাঙ্গ ও সুষম সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে বিশেষভাবে আগ্রহী...।<br>ষষ্ঠত, নাৎসি জার্মানির চূড়ান্ত ও পূর্ণাঙ্গ ধ্বংসের পর তাঁরা এমন এক বিশ্বজনীন শান্তি ব্যবস্থা দেখতে চান যা প্রতিটি স্বাধীন জাতিকে তাদের নিজ নিজ ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে নিরাপদে বসবাসের অবারিত সুযোগ করে দেবে...।<br>সপ্তমত, ভবিষ্যতে এমন এক আধুনিক শান্তি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত যা প্রতিটি মানুষকে কোনো প্রকার বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই মুক্ত সমুদ্র ও মহাসাগরগুলোতে অবাধে যাতায়াতের নিরাপত্তা দেবে।<br>অষ্টমত, তাঁরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে বাস্তবসম্মত ও আধ্যাত্মিক, উভয়বিধ অনিবার্য কারণেই বিশ্বের সকল জাতিকে ভবিষ্যতে পাশবিক শক্তির ব্যবহার সম্পূর্ণ বর্জন করতে হবে...। তাঁরা মনে করেন, একটি বিস্তৃত ও স্থায়ী সাধারণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই আগ্রাসী দেশগুলোর সামরিক নিরস্ত্রীকরণ একান্ত অপরিহার্য।” ** '''''[[:w:আটলান্টিক সনদ|আটলান্টিক সনদ]]''''', ১৯৪১ সালের আগস্টে নিউফাউন্ডল্যান্ডের উপকূলে দুটি যুদ্ধজাহাজে বসে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট এবং প্রধানমন্ত্রী চার্চিল কর্তৃক প্রণীত। * আমি যখন তাদের [ফরাসিদের] সতর্ক করেছিলাম যে তারা যা-ই করুক না কেন ব্রিটেন একাই লড়াই চালিয়ে যাবে। তখন তাদের জেনারেলরা তাদের প্রধানমন্ত্রী এবং দ্বিধাবিভক্ত মন্ত্রিসভাকে বলেছিলেন, "তিন সপ্তাহের মধ্যে মুরগির বাচ্চার মতো ইংল্যান্ডের ঘাড় মটকে দেওয়া হবে।" কী অদ্ভুত সেই মুরগি! আর কী অদ্ভুত তার ঘাড়! ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', কানাডার অটোয়ায় কানাডীয় পার্লামেন্টের এক যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণ (৩০ ডিসেম্বর, ১৯৪১); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬৫৪৪। == দ্য ব্লিটজ (লন্ডনে বিমান হামলা) == === ১৯৪১ === * ''আমরা কী কেউ বেদনাদায়ক ব্লিটজ এবং সেই অগ্নিকাণ্ডের কথা মনে রাখিনি?'' ''সেই—<br>লাল নীলের মাঝে কালিমালিপ্ত মুখের বর্বর বাহিনী,<br>বিপন্ন সেন্ট পলস এবং হুনদের (জার্মানদের) পুনরায় ফিরে আসা,<br>সকল দানবীয় ট্যাঙ্ক আর অর্ধ রজনীতে ভেঙে যাওয়া আশা।'' ** ব্রিটিশ লেখক '''''এ. পি. হার্বার্ট''''', এরিক কেনিংটনের একটি পোস্টার থেকে (১৯৪৪), ''বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৪ এপ্রিল, ২০২৬)। "কালিমালিপ্ত মুখগুলোর বাহিনী" বলতে লন্ডন ফায়ার ব্রিগেডকে বোঝানো হয়েছে। == পূর্ব রণাঙ্গন == === ১৯৪১ === * আমাদের শুধু দরজায় একটা লাথি মেরে খুলতে হবে, তাহলেই এই পচা কাঠামোটি হুড়মুড় করে ভেঙে পড়বে। ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়ন]] আক্রমণের প্রস্তাব (যা [[w:অপারেশন_বারবারোসা|অপারেশন বারবারোসা]] নামে পরিচিত) নিয়ে জোডলের সাথে কথোপকথনের সময়; চেস্টার উইলমট রচিত ''দ্য স্ট্রাগল ফর ইউরোপ'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৫২), পৃষ্ঠা ৭২। * এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, ইউরোপে দ্বিতীয় কোনো রণাঙ্গন বা 'সেকেন্ড ফ্রন্ট' না থাকা জার্মান সেনাবাহিনীর অবস্থানকে অনেকটাই স্বস্তিদায়ক করে তুলেছে। আবার এতেও কোনো সন্দেহ নেই যে, ইউরোপ মহাদেশে দ্বিতীয় একটি রণাঙ্গনের আবির্ভাব, যা নিঃসন্দেহে অদূর ভবিষ্যতে ঘটবে। জার্মান সেনাবাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে আমাদের সেনাবাহিনীগুলোর অবস্থানকে উল্লেখযোগ্যভাবে স্বস্তি দেবে। ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''', মস্কো থেকে প্রচারিত বেতার ভাষণ (৬ নভেম্বর, ১৯৪১); ''ভাইটাল স্পিচেস অফ দ্য ডে'' (১ ডিসেম্বর, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ১০২। * কমরেডগণ, রেড আর্মি ([[w:লাল_ফৌজ|লাল ফৌজ]]) ও রেড নেভি ([[w:সোভিয়েত_নৌবাহিনী|সোভিয়েত নৌবাহিনী]]) সদস্যগণ, কমান্ডার ও রাজনৈতিক নির্দেশকগণ, গেরিলা পুরুষ ও নারীগণ! সমগ্র বিশ্ব আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে এমন এক শক্তি হিসেবে, যারা জার্মান আক্রমণকারীদের দস্যুবাহিনীকে ধ্বংস করতে সক্ষম। জার্মান দখলদারদের জোয়ালের নিচে পিষ্ট ইউরোপের শৃঙ্খলিত জাতিগুলো আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে তাদের মুক্তিদাতা হিসেবে। মুক্তির এক মহান দায়িত্ব আপনাদের ওপর অর্পিত হয়েছে। এই মিশনের যোগ্য হয়ে উঠুন! আপনারা যে যুদ্ধ করছেন তা হলো মুক্তির যুদ্ধ, একটি ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ। ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''', ভাষণ (৭ নভেম্বর, ১৯৪১); ফ্র্যাঙ্কলিন ওয়াটস সম্পাদিত ''ভয়েসেস অফ হিস্ট্রি: গ্রেট স্পিচেস অ্যান্ড পেপারস অফ দ্য ইয়ার ১৯৪১'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৪৮১–২। * বলশেভিক ব্যবস্থার প্রতি সৈন্যদের আচরণের ক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রেই এখনও অস্পষ্ট ধারণা প্রচলিত রয়েছে। ইহুদি-বলশেভিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুদ্ধের সবচেয়ে অপরিহার্য লক্ষ্য হলো তাদের ক্ষমতার উৎসগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা এবং ইউরোপীয় সংস্কৃতি থেকে এশীয় প্রভাব নির্মূল করা। এই প্রেক্ষিতে সৈন্যরা এমন সব কাজের মুখোমুখি হচ্ছে যা সাধারণ সৈনিক জীবনের রুটিন কাজের ঊর্ধ্বে। পূর্ব রণাঙ্গনের একজন সৈনিক কেবল যুদ্ধের নিয়ম অনুযায়ী লড়াই করা কোনো যোদ্ধা নন। বরং তিনি হলেন এক নির্মম জাতীয় আদর্শের বাহক এবং জার্মান ও তাদের সমজাতীয় জাতিগুলোর ওপর চালানো পাশবিকতার প্রতিশোধ গ্রহণকারী। তাই, তথাকথিত 'নিম্নতর' ইহুদিদের ওপর কঠোর কিন্তু ন্যায়সঙ্গত প্রতিশোধ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সৈনিকদের পূর্ণ উপলব্ধি থাকতে হবে। সেনাবাহিনীর আরও একটি লক্ষ্য হলো পশ্চাৎভাগের বিদ্রোহ দমন করা, যা অভিজ্ঞতা অনুযায়ী সর্বদা ইহুদিদের দ্বারাই সংঘটিত হয়েছে। ** '''''ভাল্টার ফন রাইখেনাউ''''', "পূর্ব রণাঙ্গনে আচরণের নির্দেশিকা" (১০ অক্টোবর, ১৯৪১); ''ইউ.এস. অফিস অফ চিফ অফ কাউন্সিল ফর দ্য প্রসিকিউশন অফ অ্যাক্সিস ক্রিমিনালিটি, নাৎসি কনস্পিরেসি অ্যান্ড অ্যাগ্রেশন'' (ওয়াশিংটন, ডি.সি., ১৯৪৬), খণ্ড ৮, পৃষ্ঠা ৫৮৫–৮৭। === ১৯৪২ === [[File:Voennaia marka Ni shagu nazad!.jpg|thumb|{{center|1=এক পা-ও পেছনে নয়!}}]] * Ни шагу назад! / ''Ni shagu nazad!'' (নি শাগু নাজাত!) ** '''আর এক পা-ও পেছনে নয়!''' ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''' কর্তৃক জারিকৃত আদেশ নম্বর ২২৭ (জুলাই ১৯৪২)। * বর্তমান পরিস্থিতি সম্বন্ধে সোভিয়েত মূল্যায়নে দ্বিতীয় রণাঙ্গন বা সেকেন্ড ফ্রন্টের সম্ভাবনা ঠিক কতটা জায়গা জুড়ে আছে? অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। বলা যেতে পারে এটি প্রথম সারির গুরুত্ব বহনকারী একটি বিষয়। ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''', মস্কোতে অবস্থিত অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিনিধি হেনরি সি. ক্যাসিডির কাছে লেখা চিঠি (৪ অক্টোবর, ১৯৪২); ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৫ অক্টোবর, ১৯৪২), ১ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত। * রাজপথগুলো এখন আর মিটারে পরিমাপ করা যায় না, বরং সেগুলো লাশের স্তূপ দিয়ে মাপা হচ্ছে... স্তালিনগ্রাদ এখন আর কোনো শহর নয়। দিনের বেলা এটি জ্বলন্ত এবং অন্ধ করে দেওয়া ধোঁয়ার এক বিশাল মেঘ। এটি আগুনের শিখার প্রতিচ্ছবিতে প্রজ্বলিত এক প্রকাণ্ড অগ্নিকুণ্ড। আর যখন রাত নেমে আসে, তখন সেই দগ্ধকারী, আর্তনাদপূর্ণ এবং রক্তক্ষয়ী রাতগুলো—তখন কুকুরগুলো [[:w:ভলগা নদী|ভোলগা নদীতে]] ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং মরিয়া হয়ে অন্য পাড়ে পৌঁছানোর জন্য সাঁতরাতে থাকে। স্তালিনগ্রাদের রাতগুলো তাদের জন্য এক চরম আতঙ্ক। পশুরা এই নরক থেকে পালিয়ে যায়, এমনকি শক্ত পাথরও দীর্ঘ সময় এই উত্তাপ সহ্য করতে পারে না। কেবল মানুষই এখানে টিকে থাকে। ** [[:w:স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধ|স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধের]] ময়দান থেকে একজন জার্মান অফিসারের উক্তি; ম্যাক্স হেস্টিংস রচিত ''ইনফার্নো: দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ওয়ার, ১৯৩৯-১৯৪৫'' (২০১২) গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ১৯৪৪ === * দুটি যুগান্তকারী সাফল্য, কমরেড স্তালিন, দুটি যুগান্তকারী সাফল্য। ** '''''কনস্টানটিন রোকোসভস্কি''''', অপারেশন বাগ্রাতিওনের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার সময়। * মাইন দুই ধরণের হয়ে থাকে। একটি হলো পারসোনেল বা ব্যক্তিনিরোধী মাইন এবং অন্যটি হলো যাননিরোধী মাইন। আমরা যখন কোনো মাইন ফিল্ডের সামনে আসি, তখন আমাদের পদাতিক বাহিনী ঠিক এমনভাবেই আক্রমণ চালায় যেন সেখানে মাইন ফিল্ডের কোনো অস্তিত্বই নেই। ব্যক্তিনিরোধী মাইনের কারণে যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়, সেটিকে আমরা সেই ক্ষতির সমান বলে মনে করি যা আমরা মেশিনগান বা গোলন্দাজ বাহিনীর আক্রমণের ফলে পেতাম, যদি নাৎসিরা মাইন ফিল্ডের বদলে সেই নির্দিষ্ট এলাকাটি বিশাল সৈন্যবাহিনী দিয়ে রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিত। আক্রমণকারী পদাতিক বাহিনী যেহেতু যাননিরোধী মাইনগুলোতে বিস্ফোরণ ঘটায় না, তাই তারা মাঠের অন্য প্রান্তে পৌঁছে যাওয়ার পর একটি ব্রিজহেড বা শক্ত অবস্থান তৈরি করে। এরপর ইঞ্জিনিয়াররা এসে পথ খনন করে দেয় যেখান দিয়ে আমাদের যানবাহনগুলো যেতে পারে। ** '''''গিওর্গি কে. ঝুকভের''''' প্রতি আরোপিত উক্তি; [[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]] রচিত ''ক্রুসেড ইন ইউরোপ'' (১৯৪৮), পৃষ্ঠা ৪৬৭-৬৮ গ্রন্থে বর্ণিত। আইজেনহাওয়ার এতে যোগ করেন, "আমার চোখে ভেসে উঠছিল যে, কোনো আমেরিকান বা ব্রিটিশ কমান্ডার যদি এই ধরণের রণকৌশল অনুসরণ করতেন তবে তাঁর কপালে কী জুটত। এমনকি আমাদের কোনো ডিভিশনের সৈন্যরা এ নিয়ে কী বলত, যদি আমরা এই পদ্ধতিটিকে আমাদের রণকৌশলের অংশ করার চেষ্টা করতাম, তা আমি আরও স্পষ্টভাবে কল্পনা করতে পারছিলাম। আমেরিকানরা যুদ্ধের মূল্য নির্ধারণ করে মানুষের জীবনের বিনিময়ে, আর রুশরা এটিকে মূল্যায়ন করে জাতির সামগ্রিক ক্ষয়-ক্ষতির সাপেক্ষে।" == [[:w:পার্ল হারবার আক্রমণ|জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমণ (৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১)]] == === ১৯২৭ === * ভবিষ্যতে যদি আমরা [[:w:চীন|চীনকে]] নিয়ন্ত্রণ করতে চাই, তবে আমাদের অবশ্যই প্রথমত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চূর্ণ করতে হবে, ঠিক যেভাবে অতীতে আমাদের [[:w:রুশ-জাপান যুদ্ধ|রুশ-জাপান যুদ্ধে]] লড়তে হয়েছিল। কিন্তু চীন জয়ের জন্য আমাদের প্রথমে [[:w:মাঞ্চুরিয়া|মাঞ্চুরিয়া]] এবং [[:w:মঙ্গোলিয়া|মঙ্গোলিয়া]] জয় করতে হবে। বিশ্বজয়ের নেশায় নামার আগে আমাদের প্রথমে চীনকে জয় করা অপরিহার্য। যদি আমরা চীনকে পদানত করতে সফল হই, তবে এশিয়ার বাকি দেশগুলো এবং দক্ষিণ সাগরের দেশগুলো আমাদের ভয় পাবে এবং আত্মসমর্পণ করবে। তখন বিশ্ব অনুধাবন করবে যে [[:w:পূর্ব এশিয়া|পূর্ব এশিয়া]] আমাদের এবং তারা আমাদের অধিকার খর্ব করার আর সাহস পাবে না। এটি [[:w:সম্রাট মেইজি|সম্রাট মেইজি]] আমাদের জন্য রেখে যাওয়া সেই পরিকল্পনা, যার সফলতার ওপর আমাদের জাতীয় অস্তিত্ব নির্ভর করছে। ** '''''তানাকা মেমোরিয়াল''''' (২৭ জুলাই, ১৯২৭); জাপানি প্রধানমন্ত্রী তানাকা গিইচির সুদূরপ্রসারী কৌশলগত পরিকল্পনা। ''দ্য মেমোরিয়াল অফ প্রিমিয়ার তানাকা'' (নিউ ইয়র্ক সিটি, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ৪। === ১৯৪১ === * নৌবাহিনী সেই অপমানজনক ওয়াশিংটন নৌ চুক্তিতে স্বাক্ষর করার পর বিশ বছর অতিবাহিত হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আঘাত করার জন্য আমাদের তলোয়ারে শান দিয়েছি। ** জনৈক জাপানি অফিসার; ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (যুক্তরাজ্য, ২০০৫), ৩৯ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * এই সাম্রাজ্য (জাপান সাম্রাজ্য) পূর্ব এশিয়া এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে আমেরিকান, ব্রিটিশ এবং ডাচ ঘাঁটিগুলোকে চূর্ণ করবে এবং দীর্ঘমেয়াদী আত্মনির্ভরশীলতার প্রস্তুতি হিসেবে প্রধান খনিজ সম্পদ অঞ্চল এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাগুলো সুরক্ষিত করবে। মার্কিন নৌবহরের মূল অংশগুলোকে উপযুক্ত সময়ে প্রলুব্ধ করে বের করে আনতে এবং তাদের আক্রমণ করে ধ্বংস করতে সম্ভাব্য সকল পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে। ** ''তাই বেই-এই-রান-শো সেনসো শুমাতসু সোকুশিন-নি কানসুরু ফুকুয়ান'' (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, নেদারল্যান্ডস এবং চিয়াং কাই-শেকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ সমাপ্তির পরিকল্পনা)। জাপানি ইম্পেরিয়াল জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স এবং মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত কর্মপরিকল্পনা (নভেম্বর ১৯৪১)। ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৫৩। * ''Nii Taka Yama Nobore 1208.'' (নি তাকা ইয়ামা নোবোরে ১২০৮) ** ৮ ডিসেম্বর [জাপানি সময় অনুযায়ী] হাওয়াই অভিযান সম্পন্ন করো। ** ২ ডিসেম্বর, ১৯৪১ তারিখে পার্ল হারবারের দিকে অগ্রসরমান বিমানবাহী রণতরী বহরের উদ্দেশ্যে জাপানি ইম্পেরিয়াল নৌবাহিনী সদরদপ্তর থেকে প্রেরিত বার্তা। ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৩৯। * ''Tora! Tora! Tora!'' (তোরা! তোরা! তোরা!) ** বাঘ! বাঘ! বাঘ! ** ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালের স্থানীয় সময় সকাল ০৭:৩০ মিনিটে আক্রমণের প্রথম তরঙ্গের নেতৃত্বদানকারী কমান্ডার মিৎসুও ফুচিদা কর্তৃক রণতরী বহরের উদ্দেশ্যে প্রেরিত সংকেত; যার অর্থ ছিল পার্ল হারবারে তাঁর "বাঘেরা" আকস্মিক আক্রমণে সফল হয়েছে। ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৪১। * '''গতকাল, ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ — এমন একটি অবিস্মরণীয় দিন যা বিশ্ব ইতিহাসে চিরকাল কলঙ্কিত ও ঘৃণ্য হয়ে থাকবে। যেদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত আকস্মিকভাবে এবং সুপরিকল্পিতভাবে জাপানি সাম্রাজ্যের নৌ ও বিমান বাহিনী দ্বারা অতর্কিত আক্রমণের শিকার হয়েছে।'''<br>গতকাল হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে পরিচালিত এই ধ্বংসাত্মক আক্রমণ আমাদের আমেরিকান নৌ ও সামরিক বাহিনীর অপূরণীয় ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে অনেক অকুতোভয় আমেরিকান এই হামলায় তাদের মহামূল্যবান প্রাণ হারিয়েছে...।<br>আমাদের জাতীয় সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর প্রধান কমান্ডার হিসেবে আমি ইতোমধ্যেই আমাদের রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষার সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে প্রয়োজনীয় সমস্ত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের চূড়ান্ত নির্দেশ প্রদান করেছি।<br>আমাদের পবিত্র মাতৃভূমির ওপর পরিচালিত এই বর্বরোচিত হামলার প্রকৃত প্রকৃতি ও স্বরূপ আমরা সর্বদা অন্তরে স্মরণে রাখব। এই পূর্বপরিকল্পিত ও হীন আক্রমণ কাটিয়ে উঠতে আমাদের যতো দীর্ঘ সময় বা প্রতিকূলতাই মোকাবিলা করতে হোক না কেন, আমেরিকান জনগণ তাদের ন্যায়সঙ্গত ও সম্মিলিত শক্তিতে শেষ পর্যন্ত পরম ও চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করবেই। আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি আমি কংগ্রেস এবং সাধারণ জনগণের বলিষ্ঠ ইচ্ছারই প্রতিফলন ঘটাচ্ছি যখন আমি ঘোষণা করি যে, আমরা কেবল নিজেদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে রক্ষা করব না। বরং আমরা ভবিষ্যতে এটিও সুনিশ্চিত করব যে এই ধরণের জঘন্য বিশ্বাসঘাতকতা যেন আমাদের আর কখনও কোনো বিপদে ফেলতে না পারে...।<br>আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অদম্য শৌর্য-বীরত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা এবং আমাদের জনগণের সীমাহীন ইস্পাতকঠিন সংকল্প নিয়ে আমরা সেই অনিবার্য ও গৌরবময় বিজয় অর্জন করবই! ঈশ্বর আমাদের এই মহৎ যাত্রায় সহায় হোন।<br>আমি এখন কংগ্রেসের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি যেন তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ঘোষণা করে যে রবিবার, ৭ ডিসেম্বর জাপানের এই কোনো প্রকার উস্কানিবিহীন এবং চরম কাপুরুষোচিত আক্রমণের মুহূর্ত থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানি সাম্রাজ্যের মধ্যে এক চূড়ান্ত যুদ্ধাবস্থা বিদ্যমান রয়েছে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]]''''', মার্কিন কংগ্রেসের এক যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণ, যেখানে তিনি জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ ঘোষণার অনুরোধ জানান (৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১); ''দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪১'' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ৫১৪। * আমার ভয় হচ্ছে যে, আমরা যা করেছি তা কেবল একটি ঘুমন্ত দানবকে জাগিয়ে তুলেছে এবং তাকে এক ভয়াবহ সংকল্পে পূর্ণ করে দিয়েছে। ** '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো''''' (জাপানি অ্যাডমিরাল); ১৯৭০ সালের ''তোরা! তোরা! তোরা! চলচ্চিত্রে'' তাঁর প্রতি আরোপিত উক্তি। টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফক্স, ''তোরা, তোরা, তোরা; ডায়ালগ অ্যান্ড কাটিং কন্টিনিউটি'' (১৯৭০), রিল ১৮, পৃষ্ঠা ১৬। চিত্রনাট্যটি লিখেছিলেন গর্ডন ডব্লিউ প্র্যাঞ্জ এবং ল্যাডিসলাস ফারাগো। ফারাগোর ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত বইয়ে বা ১৯৮১ সালে প্রকাশিত প্র্যাঞ্জের বইয়ে এই বাক্যের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ইয়ামামোতো সত্যিই এই কথাটি বলেছিলেন কি না, তার কোনো প্রমাণ নেই। তবে ৯ জানুয়ারি, ১৯৪২ তারিখে ওগাতা তাকেতোরা-র কাছে লেখা এক চিঠিতে ইয়ামামোতো লিখেছিলেন, "একজন সৈনিক 'একজন ঘুমন্ত শত্রুকে আঘাত করার' জন্য খুব কমই গর্ব করতে পারে; প্রকৃতপক্ষে, এটি উল্লেখ করা গর্বের চেয়ে বরং লজ্জার বিষয়।" হিরোসুকি আসাওয়া, ''দ্য রিলাকট্যান্ট অ্যাডমিরাল'', অনুবাদ: জন বেস্টার (১৯৭৯), পৃষ্ঠা ২৮৫। * আমেরিকা এবং ব্রিটেন, উভয়ই পূর্ব এশিয়ার অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই দুই শক্তি অন্য দেশগুলোকে প্ররোচিত করে আমাদের সাম্রাজ্যের চারদিকে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করেছে। তারা সম্ভাব্য সব উপায়ে আমাদের শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি করেছে এবং শেষ পর্যন্ত অর্থনৈতিক সম্পর্ক সরাসরি ছিন্ন করার পথ বেছে নিয়েছে...।<br>আমরা ধৈর্য ধরে দীর্ঘকাল অপেক্ষা করেছি এবং সহ্য করেছি এই আশায় যে আমাদের সরকার হয়তো পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধান বের করতে পারবে। কিন্তু আমাদের বিরোধীরা সমঝোতার বিন্দুমাত্র সদিচ্ছা না দেখিয়ে বিষয়টিকে অহেতুক বিলম্বিত করেছে। আমাদের সাম্রাজ্যের অস্তিত্ব রক্ষা এবং আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র তুলে নেওয়া এবং পথের প্রতিটি বাধাকে চূর্ণ করা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা ছিল না। ** জাপানি সম্রাট '''''[[:w:হিরোহিতো|হিরোহিতো]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গ্রেট ব্রিটেনের ওপর আক্রমণের কারণ ব্যাখ্যা করে (৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১)। এটি টোকিও যুদ্ধ ট্রায়ালে প্রসিকিউশন কর্তৃক প্রমাণ হিসেবে পেশ করা অনুবাদ: প্রিচার্ড এবং জাইড, ''ট্রান্সক্রিপ্ট অফ দ্য প্রসিডিংস'', খণ্ড ৫ [PX 1240], পৃষ্ঠা ১০৬৮৬–৯। == পশ্চিমা মিত্রশক্তি বনাম জার্মানি ও ইতালি == === ১৯৪১ === * আমি আমেরিকানদের কোনো ভবিষ্যৎ দেখি না... এটি একটি ক্ষয়িষ্ণু দেশ। তাদের জাতিগত সমস্যা এবং সামাজিক অসমতার সমস্যাও রয়েছে। আমেরিকানবাদের বিরুদ্ধে আমার অনুভূতি হলো ঘৃণা এবং গভীর বিতৃষ্ণার! আমেরিকান সমাজের আচরণের সবকিছুই প্রকাশ করে যে এর অর্ধেক হলো ইহুদিবাদী আর বাকি অর্ধেক হলো কৃষ্ণাঙ্গ-প্রভাবিত।<br>এমন একটি রাষ্ট্র যে ঐক্যবদ্ধ ভাবে থাকবে, তা কীভাবে বলে কেউ আশা করতে পারে? ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', কথোপকথনের সময় দেওয়া বক্তব্য (৭ জানুয়ারি, ১৯৪২); উইলিয়াম এল. শায়রার রচিত ''রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য থার্ড রাইখ'', ৮৯৫ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। এটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত ''হিটলার্স সিক্রেট কনভারসেশনস, ১৯৪১-১৯৪৪'' থেকে নেওয়া হয়েছে। একে পরবর্তীতে প্রকাশিত ১৯২৮ সালের ট্রান্সক্রিপ্ট "হিটলার্স সিক্রেট বুক" (১৯৬১) কিংবা বহুল পরিচিত জালিয়াতিপূর্ণ ''হিটলার ডায়েরির'' সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। === ১৯৪২ === * সেই সময় এসে গেছে যখন আমাদের অবশ্যই শত্রুর ডেরায় যুদ্ধ নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর বিশাল অংশ এবং আমাদের মূল্যবান সমর-সামগ্রীকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের ভেতরে স্থবির হয়ে পড়ে থাকতে দেওয়া আর সম্ভব নয়। ** '''''জর্জ সি. মার্শাল''''', সেনাবাহিনী প্রধান; ওয়াশিংটন ডি.সি.র ''টাইমস-হেরাল্ড'' (৩ মার্চ, ১৯৪২), ১ পৃষ্ঠায় রিপোর্টকৃত। * আমি ঠিক কেন এই মহাযুদ্ধে লড়াই করছি?<br>নিশ্চয়ই কেবল এই কারণে নয় যে 'আমাকে রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে'। যা কি না আসলে লক্ষ্যহীন অর্ধ-বিশ্বাসীদের এক অত্যন্ত তুচ্ছ এবং অতি সহজ অজুহাত মাত্র। হ্যাঁ, আমাকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল; কারণ তৎকালীন বিশেষ পরিস্থিতি আমাকে সেই সঠিক সময়ে বাহিনীতে যোগ দিতে বাধা প্রদান করেছিল যখন আমি স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজে থেকে যোগ দিতে প্রবলভাবে চেয়েছিলাম। আমি সেই অকুতোভয় ছেলেদের মনেপ্রাণে হিংসা করি এবং গভীর সম্মান জানাই যারা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় নিজেদের নাম যুদ্ধের খাতায় লিখিয়েছিল; যারা আপন দেশের পরম প্রয়োজন অনুভব করে ডাক পাওয়ার বা বাধ্য হওয়ার অপেক্ষা না করেই দেশরক্ষার লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।<br>কেবল পার্ল হারবারের বর্বরোচিত ঘটনার কারণেও আমি এই যুদ্ধে অবতীর্ণ হইনি। ওটি একটি তাৎক্ষণিক ও দৃশ্যমান কারণ হতে পারে। হ্যাঁ, কিন্তু পার্ল হারবার কিংবা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ বন্দর আজ হোক বা কাল শত্রুর দ্বারা আক্রান্ত হতোই। প্রকৃতপক্ষে, তখন হয়তো অনেক বেশি দেরি হয়ে যেত এবং আমাদের প্রস্তুতির সুযোগটুকুও চিরতরে হারিয়ে যেত।<br>আমি মোটেও "পুরো বিশ্বের ওপর আমাদের নিজস্ব চিন্তাধারা জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার জন্য" এই রক্তক্ষয়ী লড়াই করছি না। আমি লড়াই করছি পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের সেই জন্মগত অধিকারের জন্য যাতে তারা নিজেরা স্বাধীনভাবে বলতে পারে ঠিক কীভাবে তাদের দেশ শাসন করা হবে। যদি তারা আমাদের এই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পছন্দ করে, তবে তা অত্যন্ত ভালো। আর যদি তারা তা না করে, তবে তাদের স্বাধীনভাবে অন্য কিছু বেছে নিতে দিন—কিন্তু সেই পরম পছন্দটা যেন একান্তই তাদের নিজেদের হয়, কোনো স্বঘোষিত "নেতা" কর্তৃক উপর থেকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া কিছু না—কিংবা কোনো দখলদার শক্তির দেওয়া পরাধীনতার গ্লানিময় জোয়াল না।<br>তবে ঠিক কিসের জন্য আমরা সম্মিলিতভাবে লড়ছি?...<br>ঠিক আছে, এর শেকড় আসলে ইতিহাসের অনেক বেশি গভীরে প্রোথিত।<br>এটি আমেরিকার একদম আদিম ও মৌলিক উৎসগুলোর দিকে আমাদের বারবার ফিরিয়ে নিয়ে যায়। বিগত বিশ্বযুদ্ধের সেই অতি পরিচিত সাধারণ স্লোগান 'গণতন্ত্রের জন্য পৃথিবীকে নিরাপদ করা' তারও অনেক আগের কথা। ১৮৯৮ সালের আগের কথা, যখন আমরা কিউবাকে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত করতে জীবন বাজি রেখে লড়েছিলাম। ঐতিহাসিক গৃহযুদ্ধের আগের কথা, যখন আমরা আমেরিকাকে এক অখণ্ড ও মুক্ত মানুষের মহান জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে ও ধরে রাখতে লড়েছিলাম। ১৮১২ সালের [[:w:যুদ্ধ|যুদ্ধের]] আগের কথা, যখন আমাদের আকাশবাতাস প্রকম্পিত করা চিৎকার ছিল সমুদ্রের অবাধ স্বাধীনতা। এমনকি সেই কালজয়ী বিপ্লবেরও আগের কথা, যেখানে আমাদের পূর্বপুরুষরা 'তাদের মহামূল্যবান জীবন, তাদের অর্জিত সম্পদ এবং তাদের পবিত্র সম্মান' বাজি রেখেছিলেন যাতে কলোনিগুলোকে অত্যাচারী হ্যানোভারিয়ান রাজার জোয়াল থেকে চিরতরে মুক্ত করা যায়। এটি ব্রিটিশ আমলের বিল অফ রাইটসের গৌরবময় সময়কার কথা, এমনকি সাতশ বছর আগের সেই ঐতিহাসিক [[:w:ম্যাগনা কার্টা|ম্যাগনা কার্টা]] পর্যন্ত এর শিকড় বিস্তৃত, যা ছিল রাজনৈতিকভাবে মুক্ত হওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের সুদীর্ঘ সংগ্রামের প্রথম মহান ও অবিস্মরণীয় মাইলফলক...। অর্থাৎ আইন প্রণয়ন করার এবং নিজের জীবনপথ নিজে বেছে নেওয়ার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষা করাই এই লড়াইয়ের মূল উদ্দেশ্য!<br>আপনি হয়তো বলতে পারেন এগুলো কেবলই কিছু চমৎকার শব্দের ফুলঝুরি; কিন্তু জার্মানি যাদের প্রধান চিন্তা ছিল সমগ্র ইউরোপ গ্রাস করা, কিংবা জাপান যাদের অন্ধ উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল প্রাচ্যের দিকে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের এই যুদ্ধের সাথে এর প্রকৃত সম্পর্ক আসলে কী?<br>আমি অত্যন্ত জোরালোভাবে বলব, জাপান এবং জার্মানির আগ্রাসনের সাথে আমাদের এই আদর্শিক লড়াইয়ের এক সুগভীর সম্পর্ক রয়েছে। ইউরোপ এবং এশিয়ার বিশাল ভূখণ্ডে যদি নাৎসিবাদ প্রভাবশালী হয়ে উঠত, তবে তার চূড়ান্ত ফলশ্রুতিতে আমেরিকান যাপনেও নাৎসি মতাদর্শের বিষাক্ত উত্থান এবং চূড়ান্ত আধিপত্য দেখা দেওয়া ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।<br>এদেশের সাধারণ মানুষ তখন প্রবল বিভ্রান্তি, অন্তহীন আতঙ্ক আর সন্দেহের চোখে একে অপরের দিকে অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে তাকাত। তারা চরম ভয়ে ভয়ে বলাবলি করত, 'ইউরোপে তো গণতন্ত্র শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা ভেবেছিলাম এটিই হয়তো বিশ্বের সেরা পথ, কিন্তু এটি যদি আদতে এতটাই দুর্বল হয় তবে তা কীভাবে সেরা হতে পারে? হয়তো নাৎসিদের কছেই এই সংকটের আসল সমাধান আছে। হয়তো... হয়তো...'—এভাবেই সবখানে অশুভ কানাঘুষো ও বিভেদ শুরু হতো।<br>ঠিক এই কারণেই আমি আজ রণক্ষেত্রে লড়ছি। আমি ফ্যাসিবাদের সেই কুৎসিত ও বীভৎস রূপটি আমেরিকান প্রাণকেন্দ্রে থাবা বসানোর আগেই তাকে সমূলে ধ্বংস করার চেষ্টা করছি। আমি লড়ছি কারণ বর্তমান বিশ্ব, আমাদের প্রিয় আমেরিকার মতোই, 'অর্ধেক দাসের পৃথিবী আর অর্ধেক মুক্ত হয়ে কখনোই বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না।' আমি লড়ছি কারণ আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি চীনের একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার পূর্ণ অধিকার আছে, কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিশাল পুতুল রাষ্ট্র হিসেবে নয়।<br>আমি লড়ছি কারণ আমি একদিন আমার সন্তানদের চোখের দিকে শান্তভাবে তাকিয়ে গর্বের সাথে বলতে চাই যে, আমেরিকা একটি মহান আদর্শের জন্য আবারও লড়াই করতে তিলমাত্র ভয় পায়নি। সেই চিরন্তন আদর্শ যা আমেরিকাকে বিশ্বমঞ্চে মহান ও অনন্য করেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে শান্তিকে ভালোবাসি, কিন্তু আমি যুদ্ধকে ঘৃণা করি কেবল এর ধ্বংসাত্মক অপচয় আর করুণ পরিণতির জন্য। কিন্তু আন্তর্জাতিক পর্যায়ের পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের কাছে মুখ বুজে নিঃশব্দে মাথা নত করার চেয়ে সম্মুখ যুদ্ধ অনেক বেশি শ্রেয়, যা কেবল মানুষের শরীর নয়, বরং তার আত্মাকে পর্যন্ত চিরতরে ধ্বংস করে দেয়। ** সার্জেন্ট হেনরি সি. নেলসন, "টু বি অ্যাবল টু লুক মাই চিলড্রেন ইন দ্য ফেস," মার্কিন সেনাবাহিনী কর্তৃক প্রকাশিত ''হোয়াই আই ফাইট'' থেকে। * এযাবৎকালের নির্মিত সবচেয়ে শক্তিশালী বোমারু বিমান। ** বি-১৭ ফ্লাইং ফোরট্রেসের একটি বর্ণনা; যা জার্মান শিল্প লক্ষ্যবস্তুগুলোতে অষ্টম বিমান বাহিনীর বোমা হামলায় অংশ নিতে ইংল্যান্ডে উড়িয়ে আনা হয়েছিল। * ইউরোপের তপ্ত মাটি থেকে ভেসে আসা সংবাদগুলো পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি শোচনীয় ও উদ্বেগজনক ছিল; ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্স সুপরিকল্পিতভাবে চেকোস্লোভাকিয়াকে খণ্ডবিখণ্ড করার হীন চক্রান্তে একমত হয়েছিল এবং দেশটির সামনে তথাকথিত সমঝোতার এক অদ্ভুত 'পরিকল্পনা' পেশ করেছিল। এই সুকৌশলী পরিকল্পনাটি ছিল নৈতিকভাবে চরম পর্যায়ের নির্লজ্জতা এবং এক প্রকার অভাবনীয় কূটনৈতিক ধৃষ্টতা। এতে সুডেটেন অঞ্চলগুলো সরাসরি আগ্রাসীদের হাতে হস্তান্তর, বৃহৎ [[w:জার্মানি|জার্মান]] জনসংখ্যা অধ্যুষিত অন্যান্য সংবেদনশীল অঞ্চলগুলোর জন্য স্বঘোষিত [[w:স্বায়ত্তশাসন|স্বায়ত্তশাসন]], অন্য কোনো পরাশক্তির মধ্যে বড় ধরণের কোনো সংঘাত সৃষ্টি হলে [[w:চেকোস্লোভাকিয়া|চেকোস্লোভাকিয়ার]] সম্পূর্ণ 'নিরপেক্ষকরণ', এবং শেষ পর্যন্ত [[w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ড]], [[w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]], [[জার্মানি]] ও [[ইতালি|ইতালির]] পক্ষ থেকে দেশটির সীমান্ত রক্ষার এক প্রথাগত ও কাগুজে 'নিশ্চয়তা' অন্তর্ভুক্ত ছিল। এ যেন সমকালীন ইতিহাসের চরম এক ট্র্যাজেডি। যেখানে খুনিরাই খণ্ডবিখণ্ড মৃতদেহকে শেষ সম্মান জানানোর ভণ্ডামিপূর্ণ নিশ্চয়তা দিচ্ছিল!<br>আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেছিলাম যে বর্তমান চেক সরকার এই আত্মঘাতী ও অপমানজনক শর্তগুলো কখনোই মেনে নেবে না। কারণ তাদের কাছে ছিল তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সুশৃঙ্খল এক শক্তিশালী সেনাবাহিনী; তাদের সাধারণ জনগণ বছরের পর বছর ধরে প্রকৃত ও প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের সুমিষ্ট স্বাদ পেয়েছিল। এছাড়া তাদের ছিল এক অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী সমরাস্ত্র শিল্প, যা বিশ্বের যেকোনো শক্তিশালী রাষ্ট্রকেই ঈর্ষান্বিত করতে পারত (এবং বাস্তবে অনেকে করতও)। তাই আমরা শেষ পর্যন্ত প্রবলভাবে আশা করেছিলাম যে ফ্রান্স তার পূর্বের অঙ্গীকার ও পবিত্র প্রতিশ্রুতিগুলো নিষ্ঠার সাথে রক্ষা করবে এবং ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের ন্যায়নিষ্ঠ জনগণের পুঞ্জীভূত তীব্র ক্ষোভ তাদের নিজ নিজ অযোগ্য মন্ত্রিসভার পতন ঘটাবে। কিন্তু অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের সেই রাজনৈতিক সমীকরণ ও প্রত্যাশা সম্পূর্ণ ভুল ছিল। ** '''''রালফ এ. বার্ড''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সহকারী সচিব; নিউ ইয়র্ক সিটিতে 'ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইউনিয়ন অফ মেরিন অ্যান্ড শিপবিল্ডিং ওয়ার্কার্স অফ আমেরিকা'র উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণ (২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৪২); ''ভাইটাল স্পিচেস অফ দ্য ডে'', খণ্ড ৯, সংখ্যা ১ (১৫ অক্টোবর, ১৯৪২), পৃষ্ঠা ২১-২৩। ==== এল আলামেইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ (২৩ অক্টোবর – ১১ নভেম্বর ১৯৪২) ==== [[File:DummyShermanTank.jpg|thumb|[[উইনস্টন চার্চিল]] বলেছিলেন যে, এল আলামিনের আগে মিত্রশক্তির কোনো বিজয় ছিল না এবং এর পরে তাদের আর কোনো পরাজয় হয়নি। ~ ক্রিশ্চিয়ান হাউস]] * জানা যায় যে, [[:w:হ্যারি হুডিনি|হ্যারি হুডিনি]] একদা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে দাবি করেছিলেন, "মানুষের চোখ আসলে যা দেখে এবং কান যা শোনে, মন অবলীলায় ঠিক তা-ই বিশ্বাস করে থাকে"। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উত্তাল মধ্যগগনে উত্তর আফ্রিকা অভিযানে নিয়োজিত বিশেষ ছদ্মবেশ (ক্যামোফ্লেজ) ইউনিটের মূলমন্ত্রও হয়তো প্রকৃতপক্ষে এটিই হতে পারত। ''দ্য ফ্যান্টম আর্মি অফ আলামেইন'' নামক গ্রন্থে লেখক রিক স্ট্রাউড ঐতিহাসিক আল আলামিনের যুদ্ধের সময় এই স্বল্প পরিচিত দলটির রহস্যময় কর্মকাণ্ডের ওপর নতুন করে আলোকপাত করেছেন। এটি করতে গিয়ে তিনি একটি অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর গবেষণা তুলে ধরেছেন যে কীভাবে যুদ্ধের ময়দানে সবচেয়ে অকল্পনীয় ও বিচিত্র চরিত্রগুলোও প্রকৃত বীর বা মহানায়কে পরিণত হতে পারে।<br>তাদের এই বিশেষ দলে ছিলেন নিপুণ খোদাইশিল্পী, সৃজনশীল চিত্রশিল্পী, দক্ষ কার্টুনিস্ট এবং প্রতিভাবান ভাস্কর। এমনকি তাদের সুযোগ্য কমান্ডার মেজর জেফ্রি বারকাস ছিলেন একজন [[w:একাডেমি পুরস্কার|অস্কার]] বিজয়ী প্রখ্যাত [[:w:চলচ্চিত্র পরিচালক|চলচ্চিত্র পরিচালক]]। তাদের প্রধান দায়িত্ব ছিল হাতের কাছে যা কিছু পাওয়া যায় তা ব্যবহার করেই সুকৌশলে কোনো কিছুকে লুকিয়ে রাখা অথবা কোনো সামরিক সরঞ্জামের রূপ পরিবর্তন করার মাধ্যমে মূল সেনাবাহিনীকে কৌশলগত সহায়তা করা। পরাবাস্তববাদী বিশ্বখ্যাত শিল্পী রোল্যান্ড পেনরোজ তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করেছিলেন, যেখানে তাঁর প্রেমিকা লি মিলার শৈল্পিক অনুপ্রেরণা হিসেবে গায়ে ছদ্মবেশের ক্রিম এবং জাল জড়িয়ে সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় পোজ দিয়েছিলেন। আর এই বিচিত্র দলের অন্যতম জাঁকজমকপূর্ণ ও রহস্যময় সদস্য ছিলেন পিকাডিলির বিখ্যাত জাদুকর জ্যাসপার মাস্কিলিন; একজন সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি যাকে মূলত পরীক্ষামূলক অস্ত্র তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং যিনি মরুভূমির ধুলোময় কনভয়ের মতোই নিজের অর্জিত খ্যাতিকেও সর্বদা এক প্রকার কুয়াশাচ্ছন্ন করে রেখেছিলেন। ** ক্রিশ্চিয়ান হাউস, [https://www.independent.co.uk/arts-entertainment/books/reviews/the-phantom-army-of-alamein-by-rick-stroud-8219360.html "দ্য ফ্যান্টম আর্মি অফ আলামিন, বাই রিক স্ট্রাউড"], ''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (২১ অক্টোবর, ২০১২)। * অপারেশন বার্ট্রাম ছিল এই ইউনিটের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রচেষ্টা এবং এই কাহিনীর মূল কেন্দ্রবিন্দু। যা ছিল দিকভ্রান্ত করার এক বিশাল মহাযজ্ঞ। আল আলামেইনের যুদ্ধক্ষেত্রটি একদিকে সমুদ্র এবং অন্যদিকে কাত্তারা নিম্নভূমি দ্বারা সীমাবদ্ধ ছিল, যার ফলে যুদ্ধের জন্য সম্মুখভাগ ছিল খুবই ছোট। এই ইউনিটটি জিপ গাড়ি দিয়ে ডামি বা নকল ট্যাঙ্ক তৈরি করে দক্ষিণ দিকে পাঠিয়েছিল; অন্যদিকে, একটি সুকৌশলী চাল হিসেবে তারা আসল ট্যাঙ্কগুলোকে কাঠের কাঠামো দিয়ে ঢেকে ট্রাকের রূপ দিয়েছিল—যা অনেকটা বিশালাকার লেডিবল্ট পোকার মতো ওপরের দিকে খোলা যেত। এগুলোকে আসল আক্রমণের জন্য উত্তর দিকে পাঠানো হয়েছিল। বারকাস মন্তব্য করেছিলেন, "হেই প্রেস্টো! এই তো দেখছেন, এই তো নেই।" [[:w:আরউইন রোমেল|রোমেল]] এতে বোকা বনে গিয়েছিলেন এবং আল আলামেইনে জয় অর্জিত হয়েছিল।<br>[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]] বলেছিলেন যে, আল আলামিনের আগে মিত্রশক্তির কোনো বিজয় ছিল না এবং এর পরে তাদের আর কোনো পরাজয় হয়নি। ** ক্রিশ্চিয়ান হাউস, [https://www.independent.co.uk/arts-entertainment/books/reviews/the-phantom-army-of-alamein-by-rick-stroud-8219360.html "দ্য ফ্যান্টম আর্মি অফ আলামেইন, বাই রিক স্ট্রাউড"], ''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (২১ অক্টোবর, ২০১২)। === ১৯৪৩ === * লন্ডনের যেখানেই যাওয়া যাক না কেন, এটিই মনে হয় যে ব্রিটেন এখন একটি দখলকৃত ভূখণ্ড মাত্র। ** ব্রিটিশ লেখক '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]'''''। * তারা অতিরিক্ত ভোজনবিলাসী, অতিরিক্ত বেতনভোগী, অতিরিক্ত জাঁকজমকপূর্ণ পোশাকধারী! এবং তারা এখন এখানেই ([[:w:ব্রিটেন|ব্রিটেনে]])। ** ব্রিটিশ জনগণের একটি সাধারণ আক্ষেপ; যখন নাৎসি অধিকৃত ইউরোপে আক্রমণের প্রস্তুতির জন্য আমেরিকান সৈন্যদের প্রচুর সংখ্যায় ব্রিটেনে পাঠানো হচ্ছিল। * আমরা খুব দ্রুততম এবং সবচেয়ে সাশ্রয়ী উপায়ে এই যুদ্ধে জয়ী হতে চাই। ** জেনারেল '''''জর্জ সি. মার্শাল''''', সেনাবাহিনী প্রধান। * ম্যাগাজিনগুলোতে যুদ্ধকে মনে হতো রোমান্টিক এবং উত্তেজনাপূর্ণ, বীরত্ব আর প্রাণশক্তিতে ভরপুর... কিন্তু এর পরিবর্তে আমি দেখলাম পুরুষদের... যারা অবর্ণনীয় যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং মনে মনে কামনা করছে যেন তারা অন্য কোথাও থাকত। ** যুদ্ধ সংবাদদাতা '''''আর্নি পাইল'''''। * আজ আমরা এমন একটি দেশে (ইতালি) যুদ্ধ করছি যেটি আমাদের [[:w:সংস্কৃতি|সাংস্কৃতিক]] ঐতিহ্যে বিশাল অবদান রেখেছে। এমন একটি দেশ যা সেইসব স্মৃতিস্তম্ভে সমৃদ্ধ যেগুলো আমাদের নিজস্ব [[:w:সভ্যতা|সভ্যতার]] ক্রমবিকাশকে তুলে ধরে। যুদ্ধ যতোটা অনুমতি দেয়, আমরা সেই স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে সম্মান জানাতে বাধ্য। যদি আমাদের একটি বিখ্যাত [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] ধ্বংস করা এবং আমাদের নিজস্ব মানুষদের বলিদান দেওয়ার মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হয়, তবে আমাদের মানুষের জীবনের মূল্য অসীমভাবে বেশি এবং সেই স্থাপত্যটি অবশ্যই ধ্বংস করতে হবে। কিন্তু পছন্দটি সবসময় এতটা স্পষ্ট হয় না। সামরিক প্রয়োজনীয়তার যুক্তির বিরুদ্ধে কোনো কিছুই দাঁড়াতে পারে না। এটি একটি স্বীকৃত নীতি। কিন্তু 'সামরিক প্রয়োজনীয়তা' শব্দবন্ধটি কখনও কখনও এমন জায়গায় ব্যবহার করা হয় যেখানে সামরিক সুবিধা বা এমনকি ব্যক্তিগত সুবিধার কথা বলাটাই বেশি সত্য হতো। আমি চাই না এটি কোনো শিথিলতা বা উদাসীনতাকে আড়াল করার আবরণ হিসেবে ব্যবহৃত হোক। আমাদের সামনের সারিতে বা আমাদের দখলকৃত এলাকায় অবস্থিত স্থাপনাগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করা এবং উচ্চপদস্থ কমান্ডারদের তা জানানো এএমসি অফিসারদের দায়িত্ব। এই তথ্যগুলো যখন স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিম্ন স্তরের কমান্ডগুলোতে পৌঁছাবে, তখন এই চিঠির মূল স্পিরিট বা চেতনা মেনে চলার দায়িত্ব সকল কমান্ডারের ওপর বর্তাবে। ** '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]''''', ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৪৩ তারিখে লিখিত চিঠি; যা হাওয়ার্ড এম. হেনসেল সম্পাদিত “দ্য ল অফ আর্মড কনফ্লিক্ট: কনস্ট্রেইনস অন দ্য কনটেম্পোরারি ইউজ অফ মিলিটারি ফোর্স” (২০০৭), ৫৮ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। === ১৯৪৪ === * অচিরেই আমরা আমাদের [[:w:সভ্যতা|সভ্যতা]] রক্ষার লক্ষে [[:w:ইউরোপ|ইউরোপ]] মহাদেশ জুড়ে যুদ্ধের পথে এগিয়ে যাব। অনিবার্যভাবে আমাদের অগ্রযাত্রার পথে এমন সব ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পাওয়া যাবে যা বিশ্ববাসীর কাছে সেই সবকিছুর প্রতীক, যা রক্ষা করার জন্য আমরা লড়াই করছি। যখনই সম্ভব হবে, এই প্রতীকগুলোকে রক্ষা করা এবং সম্মান জানানো প্রতিটি কমান্ডারের দায়িত্ব। কিছু পরিস্থিতিতে এই শ্রদ্ধেয় বস্তুগুলোকে ধ্বংস করার ক্ষেত্রে আমাদের অনিচ্ছা সামরিক অভিযানের সাফল্যকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তখন, যেমনটি [[:w:ক্যাসিনো|ক্যাসিনোতে]] ঘটেছিল। যেখানে শত্রু তার প্রতিরক্ষা রক্ষা করতে আমাদের আবেগীয় টানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছিল—সেক্ষেত্রে আমাদের সেনাদের জীবন সবকিছুর উপরে। তাই যেখানে সামরিক প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ দেবে, কমান্ডাররা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ দিতে পারেন, এমনকি যদি তাতে কোনো সম্মানিত স্থানের ধ্বংসও জড়িত থাকে। কিন্তু এমন অনেক পরিস্থিতি আছে যেখানে ক্ষতি এবং ধ্বংস প্রয়োজনীয় নয় এবং তা কোনোভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না। এমন ক্ষেত্রে সংযম এবং শৃঙ্খলার মাধ্যমে কমান্ডাররা ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্বসম্পন্ন কেন্দ্র ও বস্তুগুলোকে রক্ষা করবেন। উচ্চপর্যায়ের সিভিল অ্যাফেয়ার্স স্টাফরা সামনের সারির বা আমাদের দখলকৃত এলাকার এই ধরণের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর অবস্থান সম্পর্কে কমান্ডারদের অবহিত করবেন। এই তথ্যগুলো প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সহ কমান্ড চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে সকল স্তরে পৌঁছে দেওয়া হবে। ** '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]''''', ২৬ মে ১৯৪৪ তারিখে লিখিত চিঠি; যা হাওয়ার্ড এম. হেনসেল সম্পাদিত “দ্য ল অফ আর্মড কনফ্লিক্ট: কনস্ট্রেইনস অন দ্য কনটেম্পোরারি ইউজ অফ মিলিটারি ফোর্স” (২০০৭), ৫৮ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * [[:w:পশ্চিম ইউরোপ|পশ্চিম ইউরোপের]] জনগণ: আজ সকালে আমাদের মিত্র অভিযাত্রী বাহিনীর সৈন্যরা ফ্রান্সের উপকূলে অবতরণ করেছে। এই অবতরণ আমাদের মহান রুশ মিত্রদের সহযোগিতায় ইউরোপের মুক্তির জন্য সম্মিলিত জাতিসংঘ পরিকল্পনার অংশ। যারা স্বাধীনতাকে ভালোবাসেন, আমি তাঁদের এখন আমাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা সবাই মিলে বিজয় অর্জন করব। ** ৬ জুন, নাৎসি অধিকৃত ইউরোপে মিত্রবাহিনীর আক্রমণ বা "ডি-ডে" (D-Day) শুরুর প্রাক্কালে দেওয়া জেনারেল ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের বেতার ভাষণ। দ্রষ্টব্য: "ডি-ডে" হলো সামরিক পরিকল্পনায় ব্যবহৃত একটি পরিভাষা যা কোনো জল ও স্থলভিত্তিক (উভচর) আক্রমণের তারিখকে নির্দেশ করে। [[File:Into the Jaws of Death 23-0455M edit.jpg|thumb|right|বিশ্বের মুক্ত মানুষেরা বিজয়ের লক্ষে একসাথে মার্চ করে এগিয়ে চলেছে। আপনাদের সাহস, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং যুদ্ধের নিপুণতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা পূর্ণ বিজয় ছাড়া আর কিছুই গ্রহণ করব না। ~ [[w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]]] * মিত্র অভিযাত্রী বাহিনীর সৈন্য, নাবিক এবং বৈমানিকগণঃ<br>আপনারা সেই 'গ্রেট [[ক্রুসেড]]' বা মহান অভিযানে যাত্রা করতে যাচ্ছেন, যার জন্য আমরা এই দীর্ঘ মাসগুলো কঠোর পরিশ্রম করেছি। বিশ্বের চোখ এখন আপনাদের ওপর। সর্বত্র স্বাধীনতাকামী মানুষের আশা আর প্রার্থনা আপনাদের সঙ্গী। অন্যান্য রণাঙ্গনে আমাদের সাহসী মিত্র এবং সহযোদ্ধাদের সাথে মিলে আপনারা জার্মান যুদ্ধযন্ত্রকে ধ্বংস করবেন, ইউরোপের নিপীড়িত মানুষের ওপর থেকে নাৎসি স্বৈরশাসনের অবসান ঘটাবেন এবং মুক্ত বিশ্বে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আপনাদের কাজ সহজ হবে না। আপনাদের শত্রু সুশিক্ষিত, সুসজ্জিত এবং যুদ্ধে পারদর্শী। তারা হিংস্রভাবে লড়াই করবে। কিন্তু এটি ১৯৪৪ সাল। ১৯৪০-৪১ সালের নাৎসি বিজয়ের পর থেকে অনেক কিছু বদলে গেছে। জাতিসংঘ উন্মুক্ত যুদ্ধে মুখোমুখি লড়াইয়ে জার্মানদের বিশাল পরাজয় উপহার দিয়েছে। আমাদের আকাশপথের আক্রমণ শত্রুর শক্তি এবং ভূমিতে যুদ্ধ করার ক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে কমিয়ে দিয়েছে। আমাদের স্বদেশী মানুষরা আমাদের হাতে যুদ্ধাস্ত্র ও গোলাবারুদের এক অভাবনীয় শ্রেষ্ঠত্ব তুলে দিয়েছে এবং আমাদের হাতে প্রশিক্ষিত যোদ্ধা পুরুষদের বিশাল মজুদ এনে দিয়েছে। সময়ের চাকা এখন আমাদের অনুকূলে। বিশ্বের মুক্ত মানুষেরা বিজয়ের লক্ষে একসাথে মার্চ করে এগিয়ে চলেছে। আপনাদের সাহস, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং যুদ্ধের নিপুণতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা পূর্ণ বিজয় ছাড়া আর কিছুই গ্রহণ করব না। শুভকামনা! আর আসুন আমরা সবাই এই মহান এবং মহৎ প্রচেষ্টার ওপর সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের আশীর্বাদ প্রার্থনা করি। ** ডি-ডে আক্রমণের পূর্বে মিত্রবাহিনীর সৈন্যদের উদ্দেশ্যে দেওয়া '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' ভাষণ। [[File:D-Day-Memorial-bronze-detail-Highsmith.jpeg|thumb|right|ছেলেরা একেকজন বীরপুরুষে পরিণত হয়েছিল। কেউ কেউ হয়ে উঠেছিল চরম সাহসী! অন্যরা খুব দ্রুতই লাশে পরিণত হয়েছিল, আর যারা বেঁচে ছিল তারা ছিল আতঙ্কগ্রস্ত। কেউ কেউ তো ভয়ে প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছিল, অন্যরা নির্লজ্জের মতো কাঁদছিল। অনেকেরই কাজ শেষ করার জন্য নিজের ভেতর থেকে শক্তি খুঁজে নিতে হয়েছিল। শৃঙ্খলা আর প্রশিক্ষণই তখন সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল...~ বব স্লটার]] * আমরা বোমার বিস্ফোরণগুলো দেখছিলাম যা থেকে সৃষ্ট আগুন অন্ধকার আকাশকে আলোকিত করে তুলছিল। উপকূল থেকে ১২ মাইল দূরে থাকতেই আমরা আমাদের নির্ধারিত এলসিএ উভচর অবতরণ যান গুলোতে উঠে পড়লাম এবং সেগুলো উত্তাল সমুদ্রে নামিয়ে দেওয়া হলো। নৌবাহিনী তখনও গোলাবর্ষণ শুরু করেনি কারণ চারপাশ তখনও অন্ধকার ছিল। আমরা বিশাল সেই নৌবহর দেখতে পাচ্ছিলাম না, কিন্তু জানতাম যে সেটি ওখানেই আছে।<br>যানে ওঠার আগে বন্ধুরা একে অপরকে বিদায় জানাচ্ছিল এবং শুভকামনা দিচ্ছিল...। আমাদের সবার কাছে সুপ্রিম কমান্ডার জেনারেল আইজেনহাওয়ারের স্বাক্ষর করা একটি চিঠি ছিল, যেখানে বলা হয়েছিল যে আমরা এক 'মহান অভিযান বা ক্রুসেডে' নামতে যাচ্ছি। আমার কয়েকজন সঙ্গী চিঠিতে অটোগ্রাফ দিয়েছিল এবং আমি পুরো যুদ্ধ জুড়ে সেটি আমার মানিব্যাগে বহন করেছি।<br>ইংলিশ চ্যানেল ছিল অত্যন্ত উত্তাল, এবং খুব দ্রুতই আমাদের হেলমেট দিয়ে যানের ভেতর থেকে জল সেঁচতে শুরু করতে হলো। ঠাণ্ডা জলের ঝাপটা আমাদের পুরো ভিজিয়ে দিয়েছিল...।<br>আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সাথে সাথে বিশাল নৌবহরটি দৃশ্যমান হলো। জ্বলন্ত ফরাসি উপকূলরেখাও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল। সকাল ০৬:০০ টায় মিত্রবাহিনীর নৌবাহিনীর বিশাল কামানগুলো গর্জে উঠল, যা ছিল সম্ভবত ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কামানের গোলাবর্ষণ। আমি দেখতে পাচ্ছিলাম 'টেক্সাস' যুদ্ধজাহাজটি উপকূলরেখায় গোলাবর্ষণ করছে।<br>বম-বা-বা-বুম-বা-বা-বুম! কয়েক মিনিটের মধ্যে সেই বিশাল কামানের প্রতিঘাত থেকে সৃষ্ট বিশাল ঢেউ আমাদের প্রায় ডুবিয়ে দিচ্ছিল এবং আমাদের অসুস্থতা ও দুর্দশা বাড়িয়ে দিচ্ছিল। কিন্তু আকাশ থেকে লক্ষ্যবস্তুর ওপর টনখানেক ওজনের মিসাইলগুলো আছড়ে পড়তেও দেখা যাচ্ছিল। মাথার ওপর পি-৩৮ ফাইটার-বোম্বারগুলো আমাদের লুফৎওয়াফ (জার্মান বিমান বাহিনীর নাম) থেকে রক্ষা করতে টহল দিচ্ছিল, যা আমাদের মনে এক ধরণের মিথ্যা নিরাপত্তার বোধ তৈরি করছিল। মনে হচ্ছিল যে এটি হয়তো খুব সহজ একটি কাজ হবে।<br>উপকূল থেকে কয়েক হাজার গজ দূরে আমরা তিন-চারজন বেঁচে যাওয়া মানুষকে উদ্ধার করলাম যাদের যানটি ডুবে গিয়েছিল...।<br>উপকূল থেকে প্রায় দুই-তিনশ গজ দূরে আমরা গোলন্দাজ বাহিনীর আক্রমণের মুখে পড়লাম। গোলার আঘাতে সমুদ্রের জল আকাশে উঠে বৃষ্টির মতো আমাদের ওপর পড়ছিল...।<br>তীর থেকে প্রায় ১৫০ গজ দূরে, বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও ('মাথা নিচু রাখো') আমি মাথা উঁচু করলাম। দেখলাম আমাদের ডানদিকের নৌকাটি শত্রুর গুলিতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমাদের কয়েক মিনিট আগেই যারা তীরে পৌঁছেছিল, শত্রুরা তাদের ওপর এমনভাবে গুলিবর্ষণ করছিল যে ট্রেসার বুলেটগুলো নৌকার র‍্যাম্প আর গায়ে লেগে ছিটকে আসছিল। আমরা যদি ডুবে যাওয়া যানের বেঁচে যাওয়া মানুষদের তোলার জন্য কয়েক মিনিট দেরি না করতাম, তবে হয়তো আমাদের ওপরই ওই গুলিবর্ষণ হতো।<br>শত্রুর গোলন্দাজ বাহিনী এবং মর্টারের আঘাতে সমুদ্র থেকে জলের ফোয়ারা উঠছিল। আমরা তখন বুঝতে পারলাম যে এটি কোনো সহজ কাজ হবে না। কেউ ভাবেনি যে জলের কিনারাতেই শত্রু আমাদের এমন প্রতিরোধের মুখে ফেলবে। আমরা ভেবেছিলাম আমরা পৌঁছানোর আগেই এ এবং বি কোম্পানি সৈকত দখল করে নেবে। বাস্তবে আমাদের সেক্টরে তখনও কেউ পা রাখেনি। আমাদের চালক 'ভিয়েরভিল চার্চের' চূড়াটি লক্ষ্য করতে ভুল করেছিলেন এবং জোয়ার আমাদের আরও ২০০ গজ পূর্বে টেনে নিয়ে গিয়েছিল।<br>অবস্থান পরিবর্তনের খুব একটা তফাত ছিল না। আমরা আমাদের ডানে, পশ্চিম দিক থেকে শত্রুর মেশিনগানের সেই 'প-র-র-র-র' করে একটা শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। এটা স্পষ্ট ছিল যে আমাদের যেখানে নামার কথা ছিল, সেখানে কেউ না কেউ... ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে।<br>জলে এবং স্থলে যখন কামানের গোলা বিস্ফোরিত হচ্ছিল, তখনই যানের র‍্যাম্পটি নেমে গেল। পাহাড়ের ওপর থেকে অদৃশ্য স্নাইপাররা গুলি চালাচ্ছিল, তবে সবচেয়ে বেশি ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছিল অটোমেটিক অস্ত্রগুলো...।<br>আমি যখন নামলাম, তখন আমি জলের ভেতরে। ৬০ পাউন্ড ওজনের সরঞ্জাম শরীর থেকে ঝেড়ে ফেলা খুব কঠিন ছিল, আর কেউ যদি ভালো সাঁতারু না হতো তবে তার ডুবে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা ছিল...। ভালো সাঁতারু হওয়া সত্ত্বেও অনেকে জলের ভেতরেই ডুবে মারা গেল। মৃত দেহগুলো জলে ভাসছিল, আর জীবিত মানুষেরা মৃত সেজে জলের স্রোতের সাথে তীরের দিকে আসছিল...।<br>গোলা যখন জলের কিনারে এসে পড়ছে, তখন আমি চিবুক পর্যন্ত জলের নিচে নিজেকে লুকিয়ে রেখেছিলাম। ছোট ছোট অস্ত্রের গুলিতে বালি উড়ছিল। আমি একজন জিআই-কে দেখলাম সৈকত অতিক্রম করার জন্য দৌড়ানোর চেষ্টা করছে। সরঞ্জামের ভারে তার নড়াচড়া করতে কষ্ট হচ্ছিল। শত্রুর গুলিতে সে বিদ্ধ হলো এবং একজন 'মেডিক' বা চিকিৎসকের জন্য চিৎকার করতে লাগল। একজন চিকিৎসাকর্মী দ্রুত তাকে সাহায্য করতে গেল এবং সেও গুলিবিদ্ধ হলো। আমি কখনোই সেই দৃশ্য ভুলব না! একজন আহত সৈনিকের পাশে ওই মেডিক শুয়ে আছে এবং দুজনেই যন্ত্রণায় চিৎকার করছে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই তারা মারা গেল।<br>ছেলেরা একেজন বীরপুরুষে পরিণত হয়েছিল। কেউ কেউ হয়ে উঠেছিল চরম সাহসী। অন্যরা খুব দ্রুতই লাশে পরিণত হয়েছিল, আর যারা বেঁচে ছিল তারা ছিল আতঙ্কগ্রস্ত। কেউ কেউ তো ভয়ে প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছিল, অন্যরা নির্লজ্জের মতো কাঁদছিল। অনেকেরই কাজ শেষ করার জন্য নিজের ভেতর থেকে শক্তি খুঁজে নিতে হয়েছিল। শৃঙ্খলা আর প্রশিক্ষণই তখন সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল।<br>আমি আমার অ্যাসল্ট জ্যাকেট খুলে রেইনকোটটি বিছিয়ে দিলাম যাতে আমার রাইফেলটি পরিষ্কার করতে পারি। তখনই আমি আমার জ্যাকেট এবং রেইনকোটে বুলেটের গর্ত দেখতে পেলাম। আমি আমার প্রথম সিগারেটটি ধরালাম; আমাকে একটু বিশ্রাম নিয়ে নিজেকে সামলাতে হচ্ছিল কারণ আমার হাঁটু তখন দুর্বল হয়ে আসছিল। ** ২৯তম পদাতিক ডিভিশনের সদস্য বব স্লটার; যিনি ১৯৪৪ সালের ৬ জুন নরম্যান্ডির ওমাহা বিচে অবতরণ করেছিলেন, যেখানে সৈকত দখলের সেই যুদ্ধে ৩,৫০০ আমেরিকান এবং ৭০০ জার্মান নিহত হয়েছিল। * আক্রমণকারী ইউনিটগুলো বিশৃঙ্খল হয়ে পড়েছিল, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছিল এবং মূল্যবান সরঞ্জাম হারিয়ে তারা পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল। শত্রুর তীব্র গুলিবর্ষণের কারণে তারা সৈকতে আটকা পড়েছিল..। সৈকতে সৈন্য এবং সরঞ্জামের স্তূপ জমে যাচ্ছিল, যেখানে জড়ো হওয়া দলগুলো শত্রুর জন্য খুব সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল। ** ১৯৪৪ সালের ৬ জুন নরম্যান্ডির অবতরণ সৈকতে থাকা একজন আমেরিকান অফিসারের বর্ণনা। * অবশ্যই, আমরা সবাই বাড়ি ফিরতে চাই। আমরা এই আপদ দ্রুত শেষ করতে চাই। কিন্তু এটি শেষ করার দ্রুততম উপায় হলো ওই জারজগুলোকে ধরতে যাওয়া। তাদের যতো দ্রুত চাবকানো হবে, আমরা ততো দ্রুত বাড়ি ফিরব। বাড়ি ফেরার সংক্ষিপ্ততম পথটি [[:w:বার্লিন|বার্লিনের]] ওপর দিয়ে গেছে।<br>আর একটি জিনিস তোমরা বাড়ি ফিরে বলতে পারবে। যখন তোমরা আগুনের পাশে বসে থাকবে, কোলে থাকবে তোমাদের বাচ্চা, আর সে যখন জিজ্ঞেস করবে যে মহান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তুমি কী করেছিলে, তখন তোমাকে অন্তত এটি বলতে হবে না যে, তুমি [[w:লুইজিয়ানা|লুইজিয়ানায়]] বসে বিষ্ঠা পরিষ্কার করছিলে। ** জেনারেল '''''জর্জ এস. প্যাটনের''''' ভাষণ; ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে ফ্রান্সের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার আগে তিনি তাঁর ইউএস থার্ড আর্মির উদ্দেশ্যে এটি দিয়েছিলেন। * যেকোনো কমান্ডার যিনি তাঁর লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হন, এবং যিনি মৃত বা মারাত্মকভাবে আহত নন—তিনি তাঁর পূর্ণ দায়িত্ব পালন করেননি। ** জেনারেল '''''জর্জ এস. প্যাটনের''''' নির্দেশনা, যা তিনি থার্ড আর্মিকে দিয়েছিলেন। * অস্টিন হোয়াইট, শিকাগো, ইলিনয়; ১৯১৮ এবং ১৯৪৪। - আমি এভাবে শেষবারের মতো এখানে আমার নাম লিখতে চাই। ** ফ্রান্সের ভেরদুনের কাছে পাওয়া একটি শিলালিপি; যা 'ইয়াঙ্ক' ম্যাগাজিনের (সৈনিকদের জন্য একটি ম্যাগাজিন) একজন সাংবাদিক খুঁজে পেয়েছিলেন। ==== মন্টে ক্যাসিনোর যুদ্ধ (১৭ জানুয়ারি – ১৮ মে ১৯৪৪) ==== * এরই মধ্যে ফরাসি বাহিনী গারিলিয়ানো (নদী) অতিক্রম করে লিরি নদীর দক্ষিণে অবস্থিত পার্বত্য অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয়। এটি মোটেও সহজ কাজ ছিল না। বরাবরের মতোই জার্মান অভিজ্ঞ সেনারা প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল এবং সেখানে তিক্ত লড়াই হয়েছিল। ফরাসিরা শত্রুকে অবাক করে দিয়ে দ্রুত মাউন্ট ফাইতো চেরাসোলা এবং কাস্তেলফোরতের নিকটবর্তী উচ্চভূমি সহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো দখল করে নেয়। ১ম মোটরাইজড ডিভিশনের সহায়তায় ২য় মরোক্কান ডিভিশন গুরুত্বপূর্ণ মাউন্ট গিরোফানো দখল করে এবং এরপর দ্রুত উত্তরে এস. আপোলিনারে এবং এস. আমব্রোজিওর দিকে অগ্রসর হয়। শত্রুর কঠোর প্রতিরোধ সত্ত্বেও ২য় মরোক্কান ডিভিশন মাত্র দুই দিনের লড়াইয়ে গুস্তাভ লাইন ভেদ করতে সক্ষম হয়। ফরাসি ফ্রন্টের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা ছিল চূড়ান্ত। খঞ্জরধারী 'গুমিয়ার' সেনারা পাহাড়ের ওপর পঙ্গপালের মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, বিশেষ করে রাতের বেলা। এবং জেনারেল জুঁ-র পুরো বাহিনী এমন আগ্রাসন দেখিয়েছিল যা জার্মানরা প্রতিহত করতে পারেনি। চেরাসোলা, সান জিওগ্রিও, মাউন্ট ডি'অরো, আউসোনিয়া এবং এসপেরিয়া দখল করা হয়েছিল যা ছিল ইতালির যুদ্ধে অন্যতম উজ্জ্বল এবং সাহসী অগ্রযাত্রা। ১৬ মে তারিখের মধ্যে ফরাসি এক্সপেডিশনরি কর্পস তাদের বাম পার্শ্ব দিয়ে মাউন্ট রেভোল পর্যন্ত প্রায় দশ মাইল অগ্রসর হয়েছিল, যখন তাদের ফ্রন্টের বাকি অংশ ব্রিটিশ ৮ম আর্মির সাথে যোগাযোগ বজায় রাখার জন্য কিছুটা পিছিয়ে ছিল। এই অভাবনীয় কর্মক্ষমতার জন্য, যা রোম অভিযানের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ছিল, আমি সর্বদা জেনারেল জুঁ এবং তাঁর অসামান্য এফইসি-র একজন কৃতজ্ঞ গুণমুগ্ধ হয়ে থাকব... ৮ম আর্মির বিলম্ব জুঁ-র কাজকে আরও কঠিন করে তুলেছিল, কারণ তিনি এত দ্রুত অগ্রসর হচ্ছিলেন যে তাঁর ডান পার্শ্ব। যা ব্রিটিশদের সংলগ্ন ছিল, তা ক্রমাগত পাল্টা আক্রমণের ঝুঁকির মুখে ছিল। ** জেনারেল '''''মার্ক ডব্লিউ ক্লার্কের''''' বর্ণনা; যেখানে তিনি বর্ণনা করেছেন কীভাবে মার্শাল জুঁ-র কমান্ডে ফরাসি এক্সপেডিশনরি কর্পস (FEC) ১৯৪৪ সালের মে মাসে [[:w:গুস্তাভ লাইন|গুস্তাভ লাইন]] ভেদ করেছিল। মার্ক ওয়েন ক্লার্ক, ''ক্যালকুলেটেড রিস্ক'' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ৩৪৮। * সাধারণ শত্রুর বিরুদ্ধে আমাদের ইতালি অভিযানে ফরাসি সৈন্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত হতে দেখে আমি গভীর তৃপ্তি অনুভব করছি। এই দীর্ঘ মাসগুলোতে ফরাসি সেনাবাহিনীর মহত্তম ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী এই সৈন্যদের অসামান্য যোগ্যতার প্রমাণ স্বচক্ষে দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। তবুও এতেই সন্তুষ্ট না হয়ে, আপনি এবং আপনার সকল লোক ফ্রান্সের ইতিহাসে এক নতুন মহাকাব্যিক অধ্যায় যুক্ত করেছেন। আপনারা স্বদেশবাসীদের হৃদয়ে আনন্দ দিয়েছেন, তাঁদের সান্ত্বনা ও আশার আলো দেখিয়েছেন যখন তাঁরা ঘৃণাভরে দেখা এক দখলদারের ভারী এবং অপমানজনক জোয়ালের নিচে ধুঁকছিলেন। সি.ই.এফ. এর সকল সদস্যদের অদম্য শক্তি এবং বিপদের প্রতি চরম উপেক্ষা, সাথে ফরাসি সামরিক কর্মকর্তাদের অসাধারণ পেশাদার দক্ষতা মিত্রদের মনে প্রশংসা এবং শত্রুর মনে ত্রাস সৃষ্টি করেছে। গারিলিয়ানোর তীর থেকে, যেখানে আপনাদের প্রথম সাফল্য পুরো অভিযানের গতিপথ নির্ধারণ করে দিয়েছিল—পার্বত্য অঞ্চলের মধ্য দিয়ে রোমের দিকে এগিয়ে যাওয়া, [[:w:তাইবার|তাইবার নদী]] পার হওয়া এবং সিয়েনা ও আরনো উপত্যকার পাহাড়গুলো পর্যন্ত শত্রুকে নিরলসভাবে ধাওয়া করা। ফ্রান্সের সৈন্যরা সর্বদা সম্ভাব্য সবকিছু অর্জন করেছে এবং কখনও কখনও যা অসম্ভব ছিল তাও সম্ভব করেছে। আমাদের যৌথ বিজয়ে আপনাদের এই বিশাল অবদানের জন্য আমার গভীর কৃতজ্ঞতা গ্রহণ করবেন, আমার প্রিয় জেনারেল। ** মার্শাল জুঁ-র কাছে লেখা একটি চিঠিতে জেনারেল '''''মার্ক ডব্লিউ ক্লার্কের''''' শ্রদ্ধাঞ্জলি। মার্শাল জুঁ, ''মেমোয়ার্স'' (ফায়ার্ড, ১৯৫৯), পৃষ্ঠা ৩৫৫। === ১৯৪৫ === * এই মিত্র বাহিনীর মিশন ৭ মে, ১৯৪৫ তারিখের স্থানীয় সময় ভোর ৩টায় সম্পন্ন হয়েছে। ** জেনারেল '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' বার্তা; ফ্রান্সের রেইমসে অবস্থিত আইজেনহাওয়ারের সদর দপ্তরে জার্মান প্রতিনিধিদের আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষরের পর তিনি এটি কম্বাইন্ড চিফস অফ স্টাফকে (ব্রিটিশ ও আমেরিকান বাহিনীর কমান্ড) পাঠিয়েছিলেন। == [[w:ইহুদি গণহত্যা|ইউরোপের যুদ্ধঃ ইহুদি গণহত্যা]] == === ১৯৪৪ === * আমরা যখন গবাদি পশু পরিবহনের ট্রাক থেকে নামলাম, তারা নির্দেশ দিল, 'পুরুষরা ডানদিকে ; মহিলারা বামদিকে।'...আমি বাবার সাথে গেলাম। আমার ছোট বোন এস্তার মায়ের সাথে গেল। এস্তারের বয়স ছিল মাত্র এগারো। ও আমার মায়ের হাত ধরে ছিল। যখন তারা মহিলাদের বাছাই করছিল, এস্তার আমার মাকে আঁকড়ে ধরল। মা ওকে ছেড়ে দিতে রাজি হননি। তারা সরাসরি গ্যাস চেম্বারের দিকে চলে গেল। ** মরিস (মরিৎজ) ভেগের বর্ণনা; ৪ মে, ১৯৯৬ তারিখে মার্টিন গিলবার্টের সাথে কথোপকথনে। ভেগ-কে ১৩ বছর বয়সে তাঁর পরিবারের সাথে অউশভিৎজ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছিল, সেখানে তিনি ক্রীতদাস হিসেবে কাজ করেছেন এবং তিনি তাঁর পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য ছিলেন। ''দ্য বয়েজ: ট্রায়াম্ফ ওভার অ্যাডভার্সিটি'' (ডগলাস অ্যান্ড ম্যাকইনটায়ার, ১৯৯৬), পৃষ্ঠা ১৬৭। === ১৯৪৫ === * আমি চাই, সামনের সারিতে নেই এমন প্রতিটি আমেরিকান ইউনিট এই জায়গাটি এসে দেখুক .... আমাদের বলা হয় যে আমেরিকান সৈন্যরা জানে না তারা কিসের জন্য লড়ছে। এখন অন্তত তারা জানবে যে তারা ঠিক কিসের 'বিরুদ্ধে' লড়ছে। ** ১৩ এপ্রিল, ১৯৪৫ তারিখে অর্ড্রুফ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প পরিদর্শনের পর সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার জেনারেল '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' মন্তব্য। সেখানে ব্যারাকগুলোতে লাশের স্তূপ ছিল এবং পুড়িয়ে ফেলা দেহের গন্ধ আসছিল মৃতদেহ পোড়ানোর চুল্লি (ক্রিমেটোরিয়া) থেকে। চার্লস আর. কোডম্যান, ''ড্রাইভ'' (বোস্টন, ১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২৮২–২৮৩। * ক্যাম্পের অন্য একটি অংশে তারা আমাকে শিশুদের দেখাল, সেখানে শত শত শিশু ছিল। কয়েকজনের বয়স ছিল মাত্র ৬ বছর। একজন তার জামার হাতা গুটিয়ে আমাকে তার নম্বরটি দেখাল। এটি তার হাতে উল্কি করে খোদাই করা ছিল। নম্বরটি ছিল বি-৬০৩০। অন্যরা আমাকে তাদের নম্বরগুলো দেখাল। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তারা এগুলো বহন করে বেড়াবে। আমি তাদের পাতলা শার্টের ভেতর দিয়ে পাঁজরের হাড়গুলো দেখতে পাচ্ছিলাম। ** সিবিএস নিউজের সংবাদদাতা '''''এডওয়ার্ড আর. মুরোর''''' রিপোর্ট; ১৫ এপ্রিল, ১৯৪৫ তারিখে বুখেনওয়াল্ড কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প থেকে। ''ফ্রম ডি-ডে থ্রু ভিক্টরি ইন ইউরোপ'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৪৫), পৃষ্ঠা ১৬৮–৭৪। * যা এই তদন্তকে তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে তা হলো—এই বন্দীরা (নাৎসি নেতারা) এমন এক অশুভ প্রভাবের প্রতিনিধিত্ব করে যা তাদের দেহ ধূলিসাৎ হয়ে যাওয়ার অনেক পরেও পৃথিবীতে লুকিয়ে থাকবে। তারা হলো বর্ণগত ঘৃণা, সন্ত্রাস ও সহিংসতা এবং ক্ষমতার দম্ভ ও নিষ্ঠুরতার জীবন্ত প্রতীক। ** মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি '''''রবার্ট এইচ. জ্যাকসনের''''' বক্তব্য; যিনি যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বেঁচে থাকা নাৎসি নেতাদের বিরুদ্ধে চলা নুরেমবার্গ ট্রায়ালে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', খণ্ড ৯৫, সংখ্যা ৩২,০৭৯ (২২ নভেম্বর, ১৯৪৫), পৃষ্ঠা ২। * মাসের পর মাস, বছরের পর বছর আমাদের কেবল একটিই ইচ্ছা ছিল। আমাদের মধ্যে কেউ যেন অন্তত বেঁচে ফিরতে পারি! যাতে আমরা বিশ্বকে জানাতে পারি যে নাৎসি অপরাধীদের কারাগারগুলো আসলে কেমন ছিল। সেখানে মানুষকে দাস হিসেবে ব্যবহার করার এবং যখন তারা আর কাজ করার ক্ষমতা রাখত না তখন তাদের মেরে ফেলার এক সুশৃঙ্খল আকাঙ্ক্ষা বিদ্যমান ছিল। ** অউশভিৎজ থেকে বেঁচে ফেরা '''''মারি-ক্লদ ভ্যালান-কুতুরিয়ের''''' (মারি ভ্যালান); ২৮ জানুয়ারি ১৯৪৬ তারিখে নুরেমবার্গ ট্রায়ালে দেওয়া সাক্ষ্যে। ''ট্রায়াল অফ দ্য মেজর ওয়ার ক্রিমিনালস বিফোর দ্য ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল'' (১৯৪৭), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ২২৮। * ''KZ Dachau — Velden — Buchenwald. Ich schäমে mich, daß ich ein Deutscher bin.'' (কেজেড ড্যাকাউ — ভেলডেন — বুখেনওয়াল্ড। ইশ শেমে মিশ, ডাস ইশ আইন ডয়চার বিন।) ** কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প ড্যাকাউ — ভেলডেন — বুখেনওয়াল্ড। আমি একজন জার্মান হিসেবে লজ্জিত। ** ১৯৪৫ সালে আমেরিকানদের হাতে শহরটি পতন হওয়ার পর [[w:মিউনিখ|মিউনিখের]] ফেল্ডহেরনহালের দেওয়ালে আঁকা একটি লিপি। ''সুদডয়েচ জেইতুংয়ের'' (৪ মে ২০২০) "স্পেট শম" প্রতিবেদনে এটি রিপোর্ট করা হয়েছে। == মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং [[:w:কমনওয়েলথ অব নেশনস|কমনওয়েলথ অব নেশনস]] বনাম জাপান == * ''কোনো শত্রু আমাদের ফসল কাটতে পারবে না,<br>অথবা আমাদের পশুখামারের বেড়ার উপর বসতে পারবে না।'' ** '''''মেরি গিলমোর''''', "নো ফো শ্যাল গ্যাদার আওয়ার হারভেস্ট" (কোনো শত্রু আমাদের ফসল কাটবে না), স্তবক ৪; ''দ্য অস্ট্রেলিয়ান ওমেনস উইকলি'' (সিডনি, ২৯ জুন ১৯৪০), পৃষ্ঠা ৫। লেখকের টীকা: "যুদ্ধ জয়ের জন্য আমি যা করতে চাই তার অনেক কিছুই করার মতো বয়স আমার নেই, কিন্তু আমি এখনও লিখতে পারি। অস্ট্রেলিয়ার পুরুষ ও নারীদের জন্য এখানে একটি গান দিলাম।" === ১৯৪১ === * আমি এখানে উপস্থিত আপনাদের অধিকাংশকেই চিনি এবং আপনাদের ক্ষমতা ও বিচারবুদ্ধির ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা এক বিশাল ধাক্কা খেয়েছি, কিন্তু চূড়ান্ত পরিণতি নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। ** '''''চেস্টার ডব্লিউ. নিমিৎজ'''''; ৩১ ডিসেম্বর ১৯৪১ তারিখে কমান্ড গ্রহণ করার সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিট স্টাফ অফিসারদের সাথে বৈঠকে। ইয়ান ডব্লিউ. টোল রচিত ''প্যাসিফিক ক্রুসিবল: ওয়ার অ্যাট সি ইন দ্য প্যাসিফিক, ১৯৪১–১৯৪২'' (২০১২), ১৬০ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * সময়জ্ঞান এবং আকস্মিকতার কারণে আপনারা হয়তো প্রাথমিক সাফল্য পাবেন, কিন্তু এমন সময় আসবে যখন আপনাদেরও ক্ষয়ক্ষতি হবে; তবে সেখানে একটি বিশাল পার্থক্য থাকবে। আপনারা কেবল আপনাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই ব্যর্থ হবেন না, বরং সময় গড়ানোর সাথে সাথে দুর্বল হতে থাকবেন। অন্যদিকে আমরা কেবল আমাদের ক্ষতিই পুষিয়ে নেব না, বরং সময়ের সাথে সাথে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠব। আমরা আপনাদের চূর্ণ না করা পর্যন্ত থামব না—এটি অনিবার্য। ** অ্যাডমিরাল '''''হ্যারল্ড রেইনসফোর্ড স্টার্কের''''' বক্তব্য; নৌ-অপারেশনের প্রধান হিসেবে যুদ্ধের আগে জাপানি রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশ্যে দেওয়া। লুইস মর্টন, ''দ্য ওয়ার ইন দ্য প্যাসিফিক। স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড কমান্ড: দ্য ফার্স্ট টু ইয়ার্স'' (১৯৬২), ১২৫ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গ্রেট ব্রিটেনের সাথে যুদ্ধের প্রথম ছয় থেকে বারো মাস আমি দাপিয়ে বেড়াব এবং একের পর এক বিজয় ছিনিয়ে আনব। কিন্তু এরপরও যদি যুদ্ধ চলতে থাকে, তবে সফল হওয়ার কোনো আশা আমার নেই। ** অ্যাডমিরাল '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো''''', পার্ল হারবার আক্রমণের পরিকল্পনাকারী; প্রধানমন্ত্রী ফুমিমারো কোনোর কাছে দেওয়া বক্তব্য। রোনাল্ড স্পেক্টর, ''ঈগল অ্যাগেইনস্ট দ্য সান: দ্য আমেরিকান ওয়ার উইথ জাপান'' (১৯৮৫) এ উদ্ধৃত। * ''Tennōheika banzai!'' (তেন্নো হেইকা বানজাই!) ** সম্রাট দশ হাজার বছর দীর্ঘজীবী হোন! ** — আক্রমণের সময় জাপানি ইম্পেরিয়াল বাহিনীর সেনাদের দেওয়া স্লোগান। == জাপানের আক্রমণ: ফিলিপাইনের পতন (ডিসেম্বর ১৯৪১ – মে ১৯৪২) == === ১৯৪২ === * আমরাই বাতাআনের জারজ লড়াকু দলীয়;<br>বাবা নেই, মা নেই, নেই [[:w:আঙ্কেল স্যাম|আঙ্কেল স্যাম]];<br>খালা নেই, মামা নেই, নেই কোনো আত্মীয়...<br>নেই ওষুধ, নেই বিমান, নেই কোনো কামানের গোলা...<br>আর কারো তাতে কিছু আসে যায় না। ** ম্যানিলা বে-র উত্তর-পশ্চিমে বাতাআন উপদ্বীপের প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত সেনাদের গাওয়া গান; যারা ফিলিপাইনে জাপানি আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে সর্বশেষ প্রধান শক্তি হিসেবে টিকে ছিল। * ধরুন আপনি একজন সার্জেন্ট মেশিন-গানার, আর আপনার বাহিনী পিছু হটছে এবং শত্রু এগিয়ে আসছে। ক্যাপ্টেন আপনাকে রাস্তা আগলে রাখা একটি মেশিনগানের কাছে নিয়ে গেলেন। তিনি আপনাকে বললেন, 'তোমাকে এখানেই থাকতে হবে এবং এই অবস্থান ধরে রাখতে হবে'। আপনি জিজ্ঞেস করলেন, 'কতোক্ষণ?' তিনি উত্তর দিলেন, 'সেটা নিয়ে ভেবো না, শুধু ধরে রাখো'। তখনই আপনি বুঝবেন যে আপনি 'এক্সপেন্ডবল' বা ত্যাজ্য। এক অর্থে যেকোনো কিছুই ত্যাজ্য হতে পারেটাকা, গ্যাসোলিন, সরঞ্জাম বা সাধারণত মানুষ। তারা কেবল কিছুটা সময় পাওয়ার জন্য আপনাকে এবং ওই মেশিনগানটিকে বিসর্জন দিচ্ছে। ** উইলিয়াম এল. হোয়াইট, তাঁর 'দে ওয়্যার এক্সপেন্ডবল' গ্রন্থে; ১৯৪২ সালের শুরুতে জাপানিদের কাছে ফিলিপাইনের পতনের বিবরণ। * সূর্য আমার ধড়ফড় করা হৃদয়ে এক প্রখর তাপ ঢালছিল... রাস্তার ধারে জঙ্গলটা ছিল কুয়াশাচ্ছন্ন সবুজ আভা, যা আমার ঘর্মাক্ত চোখের সামনে ভেসে উঠছিল। <br>ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেল, এবং প্রচুর সংখ্যক বন্দী তাদের সহ্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেল। দলছুটদের সংখ্যা বাড়তে থাকল। রাস্তার ওপর তারা শত শত সংখ্যায় লুটিয়ে পড়ল...।<br>একটি পিস্তলের আওয়াজ হলো এবং সেই গুলির শব্দ জঙ্গলের বুক জুড়ে প্রতিধ্বনিত হলো। এরপর আরেকটি গুলি, এবং আরও অনেক গুলি; আমি জানতাম যে আমাদের পেছনে জাপানিদের একটি 'ক্লিন-আপ স্কোয়াড' (পরিচ্ছন্নতাকারী দল) আসছে, যারা ওই সাদা ধুলোবালিময় রাস্তায় তাদের অসহায় শিকারদের হত্যা করছে...। সেই গুলির শব্দ আমাদের এগিয়ে যেতে বাধ্য করছিল। আমি দাঁতে দাঁত চাপলাম। 'ওহ ঈশ্বর, আমাকে চলতেই হবে। আমি থামতে পারব না। আমি ওভাবে মরতে পারি না'। ** সার্জেন্ট সিডনি স্টুয়ার্ট, ১৯৪২ সালের এপ্রিলের বাতাআন ডেথ মার্চের একজন উত্তরজীবী; যখন জাপানিরা ৭০,০০০ আমেরিকান ও ফিলিপিনো বন্দীকে বাতাআন উপদ্বীপ থেকে তাদের বন্দীশিবির পর্যন্ত ৬০ মাইল পথ হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। এই পদযাত্রার সময় প্রায় ১০,০০০ বন্দী গুলি, বেয়নেট বা অনাহারে নিহত হয়েছিল। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আমাকে জাপানি ব্যুহ ভেদ করে কোরিজিডোর থেকে [[:w:অস্ট্রেলিয়ায়|অস্ট্রেলিয়ায়]] যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন; যে উদ্দেশ্যে আমি এটি বুঝেছি তা হলো, জাপানের বিরুদ্ধে আমেরিকান আক্রমণ সংগঠিত করা, যার প্রাথমিক লক্ষ্য হলো [[:w:ফিলিপাইন|ফিলিপাইনের]] মুক্তি।<br>আমি পার হয়ে এসেছি এবং আমি ফিরে আসব। ** জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' মন্তব্য; ম্যানিলা বে-র কোরিজিডোর দ্বীপের দুর্গটি জাপানিদের হাতে পতনের পূর্বে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক তাঁকে অস্ট্রেলিয়ায় চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এটি বলেছিলেন (৩০ মার্চ, ১৯৪২)। ''রিপ্রেজেন্টেটিভ স্পিচেস অফ জেনারেল অফ দ্য আর্মি ডগলাস ম্যাকআর্থার'' (১৯৬৪), পৃষ্ঠা vi। * ঈশ্বর আমাদের প্রতি সহায় হোন! ** —জাপানি আক্রমণ মোকাবিলায় [[:w:অস্ট্রেলিয়ার|অস্ট্রেলিয়ার]] প্রস্তুতির অভাব সম্পর্কে জানতে পেরে জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' আক্ষেপ। == [[:w:মিডওয়ের যুদ্ধ|জাপানের আক্রমণ প্রতিহত: মিডওয়ের যুদ্ধ (জুন ১৯৪২)]] == === ১৯৪২ === * আমরা জানতাম নিমিৎজ কী করছেন। তিনি সঠিক কাজটিই করছিলেন, এবং আমরা তাঁকে তাঁর মতোই কাজ করতে দিয়েছিলাম। ** '''''আর্নেস্ট কিং'''''; মিডওয়ের যুদ্ধে চেস্টার নিমিৎজের ভূমিকা সম্পর্কে 'টাইম' ম্যাগাজিনের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে (খণ্ড ৪০, সংখ্যা ২৩, ৭ ডিসেম্বর ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৩৩। * ১৯৪২ সালের এপ্রিলে টোকিওতে ডুলিটল এয়ার রেইডের ফলে মিডওয়েতে আক্রমণ করা হবে কি না, সেই বিতর্কের অবসান ঘটেছিল। ** অ্যাডমিরাল '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো''''', জাপানি নৌবহরের কমান্ডার। * একটি নিষ্পত্তিমূলক নৌ-যুদ্ধের মুখোমুখি হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। আমরা যদি তা করার জন্য এখান থেকে যাত্রা করি এবং প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে একযোগে আত্মাহুতি দিই, তবে সমুদ্রের উপরিভাগে কিছু সময়ের জন্য হলেও শান্তি বিরাজ করবে। ** অ্যাডমিরাল '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো'''''; অপারেশন মি বা মিডওয়ে দ্বীপে আক্রমণের আগে জাপানি নেভাল জেনারেল স্টাফের কাছে দেওয়া বক্তব্য। * বিস্ময় বা আকস্মিকতা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমরা বিশ্বাস করতাম যে জাপানিরা আমাদের রণতরীগুলোর উপস্থিতি সম্পর্কে জানত না। ** কমান্ডার '''''জোসেফ ওয়ার্দিংটন''''', ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস বেনহামের কমান্ডিং অফিসার; মিডওয়ের যুদ্ধের জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর পরিকল্পনা সম্পর্কে, যা জাপানি কোড ভাঙার ওপর নির্ভরশীল ছিল। * পাঁচ মিনিটের মধ্যেই তার [জাপানি বিমানবাহী রণতরী 'আকাগি'-র] সব বিমান উড্ডয়ন করত। মাত্র পাঁচ মিনিট! কে ভেবেছিল যে যুদ্ধের মোড় এই সামান্য সময়ের ব্যবধানে পুরোপুরি ঘুরে যাবে? প্রথম জিরো ফাইটারটি গতি বাড়িয়ে ডেক থেকে শোঁ করে উড়ে গেল। ঠিক সেই মুহূর্তে একজন পাহারাদার চিৎকার করে উঠল, 'হেল ডাইভারস [মার্কিন নৌবাহিনীর ডাইভ বোম্বার]!' আমি ওপরের দিকে তাকিয়ে দেখলাম তিনটি কালো শত্রু বিমান আমাদের জাহাজের দিকে ধেয়ে আসছে। বোমা! সেগুলো সরাসরি আমার দিকেই নেমে আসছিল! ** কমান্ডার '''''মিৎসুও ফুচিদা''''', আকাগিতে থাকা একজন জাপানি কর্মকর্তা; 'মিডওয়ে: দ্য ব্যাটেল দ্যাট ডুমড জাপান' গ্রন্থে। ৩-৬ জুন, ১৯৪২ সালের মিডওয়ের যুদ্ধে মার্কিন নৌবাহিনী হাওয়াইয়ের দিকে জাপানিদের অগ্রযাত্রা রুখে দেয় এবং শত্রুর চারটি বিমানবাহী রণতরী ডুবিয়ে দেয়। এরপর থেকে যুদ্ধের পরবর্তী বছরগুলোতে প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন বাহিনী নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে যেতে থাকে। == প্রশান্ত মহাসাগরে যুদ্ধের মোড় পরিবর্তন == === ১৯৪২ === * কোনো সেনাবাহিনীই কখনও এত অল্প কিছু নিয়ে এত বেশি কিছু করেনি। ** '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' মন্তব্য; বাতাআনের পতন প্রসঙ্গে দেওয়া এই উক্তিটি ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১১ এপ্রিল, ১৯৪২), ১ পৃষ্ঠায় রিপোর্ট করা হয়েছিল। * এখন এটি প্রতীয়মান হচ্ছে যে আমরা গুয়াদালকানাল অঞ্চলে সমুদ্রের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে অক্ষম। ফলে আমাদের অবস্থানগুলোতে রসদ সরবরাহ করতে গেলে আমাদের বিশাল মূল্য চুকাতে হবে। পরিস্থিতি হতাশাজনক নয়, তবে এটি অবশ্যই সংকটজনক। ** অ্যাডমিরাল '''''চেস্টার ডব্লিউ. নিমিৎজের''''' বক্তব্য; ১৯৪২ সালের নভেম্বরে গুয়াদালকানাল অভিযানে মার্কিন নৌবাহিনীর কমান্ডিং অফিসার হিসেবে তিনি এটি বলেছিলেন। * একবার যদি আক্রমণকারী শক্তি হিসেবে জাপান ধ্বংস হয়ে যায়, তবে [[:w:প্রশান্ত মহাসাগর|প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে]] চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো আর কোনো শক্তির আবির্ভাব ঘটবে বলে আমাদের জানা নেই। প্রশান্ত মহাসাগরের তীরবর্তী শান্তিকামী মানুষের একমাত্র শত্রু হলো জাপান। ** '''''জোসেফ গ্রুর''''' ভাষণ; নিউ ইয়র্ক সিটির কার্নেগি হলে 'ইউনাইটেড চায়না রিলিফের' উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্য (১০ অক্টোবর, ১৯৪২); ''দ্য ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট বুলেটিন'' (১০ অক্টোবর, ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৭৯৮। গ্রু ১৯৩২-১৯৪১ সাল পর্যন্ত জাপানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন। === ১৯৪৩ === * আমি গুয়াদালকানাল এবং তুলাগি অভিযানকে আমাদের আক্রমণাত্মক অবস্থান থেকে রক্ষণাত্মক অবস্থানে চলে যাওয়ার সন্ধিক্ষণ হিসেবে দেখি। এবং সেখানে আমাদের বিপর্যয়ের কারণ ছিল আপনাদের মতো একই গতিতে আমাদের শক্তি বৃদ্ধিতে অক্ষমতা। ** জাপানি অ্যাডমিরাল '''''ওসামি নাগানোর''''' বক্তব্য; নৌ-বাহিনীর প্রধান হিসেবে যুদ্ধের পর আমেরিকান কর্মকর্তাদের কাছে তিনি এই স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন। * বাতাআন হলো একটি পরিবারের সেই সন্তানের মতো যে মারা গেছে। এটি আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকে। ** ১৯৪৩ সালের ৯ এপ্রিল, বাতাআনের পতনের প্রথম বার্ষিকীতে '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' স্মৃতিচারণ। ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' রিপোর্ট অনুযায়ী, পতনের পর এটিই ছিল প্রথমবার যখন জেনারেল ম্যাকআর্থার জনসম্মুখে 'বাতাআন' নামটি উচ্চারণ করেছিলেন। == প্রশান্ত মহাসাগরে আমেরিকার উভচর অগ্রযাত্রা == === ১৯৩৯ === * শত্রু বাহিনীর মুখোমুখি হয়ে কোনো বিদেশি উপকূলে অবতরণ করা বরাবরই যুদ্ধের অন্যতম কঠিন অভিযান হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এখন এটি আরও অনেক বেশি কঠিন, প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কারণ একটি পরিবহন কনভয় রক্ষণভাগের বিমান বাহিনীর কাছে অত্যন্ত সহজ লক্ষ্যবস্তু। খোলা নৌকায় করে সৈন্য নামানোর প্রক্রিয়াটি আরও বেশি বিপজ্জনক। ** ব্রিটিশ সামরিক লেখক ক্যাপ্টেন '''''বি. এইচ. লিডেল হার্টের''''' বক্তব্য; 'দ্য ডিফেন্স অফ ব্রিটেন' (১৯৩৯) গ্রন্থে। == ১৯৪৩-১৯৪৫: প্রশান্ত মহাসাগরে বিজয় == * যৌথ প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে এই যুদ্ধের অসামান্য সাফল্য ছিল উভচর অভিযানের নিখুঁত প্রয়োগ, যা আধুনিক যুদ্ধের সব অপারেশনের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন। ** ফ্লিট অ্যাডমিরাল '''''আর্নেস্ট জে. কিঙের''''' বক্তব্য; জেনারেল অফ দ্য আর্মি জর্জ সি. মার্শাল, জেনারেল অফ দ্য আর্মি এইচ. এইচ. আর্নল্ড এবং ফ্লিট অ্যাডমিরাল আর্নেস্ট জে. কিঙের 'দ্য ওয়ার রিপোর্টস' (১৯৪৭) গ্রন্থে। === ১৯৪৪ === * এই অভিযানের লক্ষ্য হলো এমন কিছু অবস্থান দখল করা যেখান থেকে ব্যাপক বিমান হামলা, সমুদ্র ও আকাশপথে অবরোধ এবং প্রয়োজনে আক্রমণের মাধ্যমে জাপানকে চূড়ান্ত আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যায়। ** কমান্ডার ইন চিফ প্যাসিফিক ওশান এরিয়াস (অ্যাডমিরাল নিমিৎজ); 'ক্যাম্পেইন প্ল্যান গ্রানাইট' (১৫ জানুয়ারি, ১৯৪৪)। * যদি সাইপান হাতছাড়া হয়, তবে [[w:টোকিও|টোকিওতে]] ঘনঘন বিমান হামলা চালানো হবে। ** সাইপান রক্ষাকারী জাপানি বাহিনীকে উৎসাহিত করার জন্য সম্রাট হিরোহিতোর পাঠানো বার্তা। * আমাদের জাহাজগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেগুলো জাপানি নৌবহরের দিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ** অ্যাডমিরাল '''''উইলিয়াম ফ্রেডরিক হ্যালসি জুনিয়রের''''' (বুল হ্যালসি) রেডিও বার্তা; লেয়তে উপসাগরের যুদ্ধের (অক্টোবর ১৯৪৪) সময় তাঁর ইউএস থার্ড ফ্লিটের অধিকাংশ জাহাজ হারিয়ে গেছে বলে প্রচারিত জাপানি প্রোপাগান্ডার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এটি দিয়েছিলেন। * আমি ব্ল্যাকজ্যাক নিজে বলছি। এখন পর্যন্ত আপনাদের রণকৌশল এবং সাহসিকতা ছিল এককথায় অতুলনীয়। আপনাদের কাছে আমার প্রত্যাশা এখন আরও বেড়ে গেছে। ওই জার্মান-জাপানি জারজদের জাহান্নামে পাঠানোর কাজ অব্যাহত রাখুন, তারা যেন এভাবেই মরতে থাকে! ** ১৯৪৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ইউএস থার্ড ফ্লিটের সকল সদস্যের উদ্দেশ্যে দেওয়া সমাপনী বার্তায় অ্যাডমিরাল '''''উইলিয়াম ফ্রেডরিক হ্যালসি জুনিয়রের''''' তেজস্বী উক্তি; যা তিনি তাঁর আত্মজীবনী 'অ্যাডমিরাল হ্যালসি'স স্টোরি' (১৯৪৭), ২৪২ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত করেছেন। * [[:w:ফিলিপাইনের|ফিলিপাইনের]] জনগণঃ আমি ফিরে এসেছি। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের অশেষ করুণায় আমাদের বাহিনী আজ পুনরায় ফিলিপাইনের পবিত্র মাটিতে পা রেখেছে...। আপনাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মুক্তির মাহেন্দ্রক্ষণ উপস্থিত হয়েছে। আমার পতাকাতলে সমবেত হোন! যুদ্ধের রণরেখা যখন আপনাদের মুক্ত করতে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন আপনারা জেগে উঠুন এবং শত্রুর ওপর আঘাত হানুন। যেখানেই সুযোগ পাবেন, সর্বশক্তিমান শক্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়ুন। আপনাদের ঘরবাড়ি আর প্রিয়জনদের নিরাপত্তার জন্য আঘাত করুন! আপনাদের সন্তানদের এবং অনাগত প্রজন্মের ভবিষ্যতের জন্য আঘাত করুন! আপনাদের সেইসব পূর্বপুরুষদের নামে আঘাত করুন যারা আত্মত্যাগ করে পবিত্র হয়ে আছেন! কারোর হৃদয় যেন আজ দুর্বল না হয়। প্রতিটি বাহু যেন ইস্পাতের মতো শক্ত হয়। পরম করুণাময় ঈশ্বর আমাদের পথ দেখাচ্ছেন। ন্যায়ের এই যুদ্ধে পবিত্র বিজয়ের সেই অমৃত সুধা বা 'হোলি গ্রেইল' অর্জনে তাঁরই নামে এগিয়ে চলুন। ** ১৭ অক্টোবর, ১৯৪৪ তারিখে ফিলিপাইনের লেয়তে অবতরণের পর জনগণের উদ্দেশ্যে দেওয়া জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]'''''; [https://www.youtube.com/watch?v=Wv1PF0tAE1s ফিলিপাইনের লেয়তে অবতরণকালে], সেই ভাষণ যা 'রেমিনিসেন্সেস' (১৯৬৪), ২১৬–১৭ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে। === ১৯৪৫ === * নাভাজো কোড টকাররা নিজেদেরকে অত্যন্ত মেধাবী, পরিশ্রমী এবং দক্ষ নৌ-সেনা (মেরিন) হিসেবে প্রমাণ করেছেন। তাঁদের বুদ্ধিমত্তা ও কর্মতৎপরতা সত্যিই প্রশংসনীয়।<br>যদি এই নাভাজো যোদ্ধারা আমাদের সাথে না থাকতেন, তবে আমেরিকান মেরিন বাহিনী কখনোই ইও জিমার মতো দুর্ভেদ্য দ্বীপ জয় করতে পারত না। ** কোড টকার হলেন মূলত প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনীতে কর্মরত নেটিভ আমেরিকান (আদিবাসী) সৈনিক, যারা নিজেদের জটিল ও অলিখিত আদিবাসী ভাষা ব্যবহার করে শত্রুপক্ষ বুঝতে না পারে এমন গোপন সংকেত বার্তা পাঠাতেন। *** নাভাজো ইন্ডিয়ান সৈন্য এবং মেরিনদের সম্পর্কে মন্তব্য, যারা রেডিওতে তাদের নিজস্ব মাতৃভাষায় যোগাযোগ করত; যার ফলে জাপানি গোয়েন্দারা আড়ি পেতেও সেই সংকেত বা কোড কখনোই বুঝতে সক্ষম হয়নি; [https://americanindian.si.edu/why-we-serve/topics/code-talkers/ সূত্র]। * যে সকল অতি-উৎসাহী প্লাটুন লিডাররা চমকপ্রদ আক্রমণের নির্দেশ দিয়ে শত্রুর গোলাবর্ষণকে আমন্ত্রণ জানাতেন, তাঁদের এড়িয়ে চলা হতো এবং প্রয়োজনে তাঁদের নির্দেশ উপেক্ষা করা হতো। ওভাবে কখনোই যুদ্ধক্ষেত্রে জমি দখল করা যেত না; বরং তা অর্জিত হতো পাঁচ-ছয়জনের ছোট ছোট একেকটি ক্লাস্টার বা দলের মাধ্যমে, যারা এক ধরণের আত্ম-সম্মোহনের বশবর্তী হয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে দুপাশ থেকে রহস্যময় এক সমন্বয়ের মাধ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে যেত। ** সার্জেন্ট '''''উইলিয়াম ম্যানচেস্টারের''''' (ইউএসএমসি) পর্যবেক্ষণ; ওকিনাওয়ার যুদ্ধে স্থল অভিযানের অভিজ্ঞতা নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত ইতিহাস গ্রন্থ গুডবাই ডার্কনেসে। * প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্রবর্তী অঞ্চলের একটি দ্রুতগামী রণতরী থেকে, ১১ মে (বিশেষ বিলম্বিত প্রতিবেদন) এক হাজার পাউন্ড ওজনের বোমা বহনকারী দুটি জাপানি আত্মঘাতী বিমান আজ ভাইস অ্যাডমিরাল মার্ক এ. মিটশারের নিজস্ব ফ্ল্যাগশিপের (প্রধান জাহাজ) ফ্লাইট ডেকে আছড়ে পড়েছে। যা আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফ্ল্যাট-টপ বা বিমানবাহী রণতরীটিকে একটি বিশাল 'ভাসমান মশালের' মতো জ্বলন্ত অগ্নিপিণ্ডে পরিণত করেছে, যার আগুনের শিখা আকাশে প্রায় এক হাজার ফুট উঁচুতে ছড়িয়ে পড়ছিল।<br>এরপরের দীর্ঘ আট ঘণ্টা ধরে জাহাজ এবং তার ক্রু-রা টিকে থাকার জন্য এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ ও ভয়াবহ লড়াই চালিয়েছে, যা প্রশান্ত মহাসাগরের ইতিহাসে খুব কমই দেখা গেছে। তবে গোধূলির আলো যখন নিভে আসছিল, তখন দেখা গেল সেই ইউএসএস বাঙ্কার হিল যা ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং এখনও ধোঁয়া ও বাষ্পের আবরণে ঢাকা থাকা সত্ত্বেও, নিজ শক্তিতেই দূর দিগন্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সে তখন নিরাপদ। আগামীকাল তাকে আরও আটটি ভয়াবহ ঘণ্টা কাটাতে হবে সেই সব মানুষদের সাগরে সমাহিত করার জন্য, যারা এই জাহাজটিকে রক্ষা করতে গিয়ে নিজেদের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন।<br>কয়েকশ গজ দূরে অবস্থিত পার্শ্ববর্তী একটি রণতরীর ডেক থেকে আমি বাঙ্কার হিলকে পুড়তে দেখেছি। এটি বিশ্বাস করা কঠিন যে ওই আগুনের শিখার মধ্যে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে কিংবা কোনো ধাতু এমন প্রচণ্ড উত্তাপ সহ্য করতে পারে।<br>এক মিনিট আগেও আমাদের টাস্ক ফোর্স ওকিনাওয়া থেকে ৬০ মাইল দূরে অলস ভঙ্গিতে চক্কর দিচ্ছিল, পৃথিবীর কোনো চিন্তা বা শত্রুর বিমানের কোনো আশঙ্কা আমাদের মনে ছিল না। কিন্তু ঠিক তার পরের মুহূর্তেই বাঙ্কার হিল আগুনের এক বিশাল স্তম্ভে পরিণত হলো। এটি গ্রীষ্মকালীন বজ্রপাতের মতোই ক্ষণস্থায়ী আর আকস্মিক ছিল।<br>যুদ্ধের এলাকায় প্রবেশের পর থেকে প্রতিদিন ষোলো ঘণ্টার একটানা সতর্ক পাহারার পর, আমাদের জাহাজের সেই ক্লান্তি মেটাতে এক ঘণ্টা আগেই জেনারেল কোয়ার্টার থেকে বিরতি দেওয়া হয়েছিল। বাঙ্কার হিলেও পরিস্থিতি তেমনই ছিল। পাহারায় নেই এমন ক্লান্ত সেনারা একটু ঘুমিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। জাহাজের পেছনের ফ্লাইট ডেকে ৩৪টি বিমান উড্ডয়নের অপেক্ষায় ছিল। সেগুলোর জ্বালানি ট্যাংক ছিল উদ্বায়ী এভিয়েশন গ্যাসোলিনে একদম পূর্ণ। বিমানগুলোর বন্দুকগুলোও ছিল গোলাবারুদে ঠাসা...।<br>ঠিক তখনই দিগন্তের ওপারে একটি মিশনের কাজ শেষ করে ফিরে আসা কিছু বিমান দেখা যাচ্ছিল। আমাদের জাহাজের একজন লোক প্রথম তিনটি শত্রু বিমান দেখতে পেয়ে চিৎকার করে সতর্কবার্তা দেয়। কিন্তু জেনারেল কোয়ার্টার বা সতর্কঘণ্টা বাজার আগেই এবং বাঙ্কার হিল থেকে আধডজন গুলি বের হওয়ার আগেই, প্রথম কামিকাজে তার ৫৫০ পাউন্ডের বোমাটি জাহাজের ওপর ফেলে দেয় এবং জ্বলন্ত গ্যাসোলিনের ফোয়ারা ছিটিয়ে দিয়ে সোজা ওই ৩৪টি অপেক্ষারত বিমানের ওপর আছড়ে পড়ে।<br>আগুনের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করার সুযোগ পাওয়ার আগেই, মেঘের আড়াল থেকে আরেকটি কামিকাজে গোঁ গোঁ গম্ভীর শব্দে জাহাজের প্রাণঘাতী বিমান-বিধ্বংসী কামানের গোলা উপেক্ষা করে সোজা আছড়ে পড়ে।<br>কয়েক মিনিট পর তৃতীয় একটি জাপানি আত্মঘাতী বিমান কাজ শেষ করতে নিচে নেমে আসে। চারপাশের আগুন আর ধোঁয়া উপেক্ষা করে বাঙ্কার হিলের কামানের গ্যালারিতে থাকা সেনারা তাঁদের পোস্টে অটল ছিলেন। অবশেষে পাশের একটি ডেস্ট্রয়ার সেই জাপানি বিমানটিকে সরাসরি আঘাত করে সমুদ্রে ফেলে দেয়।<br>এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আগুনের তীব্রতার কোনো কমতি দেখা যায়নি...। মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও জাহাজটি সর্বোচ্চ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল, আর সেই বাতাসের তোড়ে ডেক থেকে আগুন আর ধোঁয়া জাহাজের পেছনের দিকে সরে যাচ্ছিল, যা ফ্লাইট ডেককে আগুনের হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করেছে। জাহাজের একদম শেষ প্রান্তে (ফ্যানটেইল) আটকে পড়া সৈনিকেরা আগুনের দেয়ালের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন; অথচ তাঁরা জানতেনও না যে ওই আগুনের দেয়ালের অন্য পাশে জাহাজের কতোটুকু আর অবশিষ্ট আছে...।<br>প্রায় তিন ঘণ্টার এক প্রায়-অসম্ভব লড়াইয়ের পর তাঁরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। যদিও পুরোপুরি নেভাতে আরও অনেক সময় লেগেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে তাঁরাই জিতেছিলেন এবং জাহাজটি রক্ষা পেয়েছিল।<br>সেই অকুতোভয় জাহাজে আজ যে বীরত্বপূর্ণ কাজগুলো সংঘটিত হয়েছে, তা লিখে শেষ করার জন্য একটি মোটা বইও যথেষ্ট হবে না।<br>আজ মাত্র তিনটি পাইলট এবং তিনটি বিমানের বিনিময়ে শত্রু আমাদের ৩৯২ জন মানুষকে হত্যা করেছে, আহত করেছে আরও ২৬৪ জনকে, প্রায় ৭০টি বিমান ধ্বংস করেছে এবং একটি চমৎকার ও বিখ্যাত জাহাজকে দুমড়েমুচড়ে দিয়েছে। আজ রাতে সেই জাহাজের ফ্লাইট ডেকটিকে আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের মতো মনে হচ্ছে। কিন্তু জাহাজটি ডুবে যায়নি...। এটি নিজ শক্তিতেই ব্রেমারটন নেভি ইয়ার্ডে ফিরে যাবে এবং সেখানে মেরামত করা হবে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এটি আবারও ফিরে আসবে শত্রু জাহাজ ডুবাতে, বিমান ভূপাতিত করতে এবং জাপানি বিমানঘাঁটিগুলোতে বোমা হামলা চালাতে।<br>হয়তো তার পরবর্তী কাজ হবে খোদ টোকিও দখলের অভিযানে সহায়তা করা! ** ফেল্পস অ্যাডামস, "কামিকাজে: এন আই উইটনেস অ্যাকাউন্ট" (একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ); লুইস স্নাইডার সম্পাদিত 'মাস্টারপিসেস অফ ওয়ার রিপোর্টিং: গ্রেট মোমেন্টস অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার ২' (১৯৬২), পৃষ্ঠা ৪৮৭-৪৯৪। জাপানি ভাষায় "কামিকাজে" বা "দিব্য বায়ু" বলতে সেই সব আত্মঘাতী পাইলটদের বোঝানো হতো যারা তাদের বোমা ভর্তি বিমানগুলো আমেরিকান নৌ-জাহাজে আছড়ে ফেলতেন। ইউএসএস বাঙ্কার হিল ব্রেমারটনে মেরামত করা হয়েছিল এবং সেপ্টেম্বর মাসে পুনরায় প্যাসিফিক ফ্লিটে যোগ দিয়েছিল। ১৯৭৩ সালে স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি হওয়ার আগ পর্যন্ত এটি নৌবাহিনীতে যুক্ত ছিল। == [[w:হিরোশিমা_ও_নাগাসাকিতে_পারমাণবিক_বোমাবর্ষণ|হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা (৬/৯ আগস্ট, ১৯৪৫)]] == '''১৯৪৫''' * দোহাই লাগে, আমাদের দেশের সেরা যুবকদের ইও জিমার মতো জায়গায় এভাবে মরতে পাঠাবেন না। কেন অন্য কোনো উপায়ে আমাদের লক্ষ্যগুলো অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে না? ** মার্কিন নৌ-সচিবের কাছে লেখা একটি চিঠি। (যেখানে ইও জিমার যুদ্ধে ব্যাপক প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে এই করুণ আকুতি জানানো হয়েছিল) * জাতীয় প্রতিরোধ কর্মসূচি। ** জাপানের মূল ভূখণ্ডে মিত্রবাহিনীর সম্ভাব্য আক্রমণ (অপারেশন অলিম্পিক, যা ১ নভেম্বর ১৯৪৫ তারিখে শুরুর পরিকল্পনা ছিল) রুখে দেওয়ার একটি জাপানি পরিকল্পনা। এতে ১৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী সকল পুরুষ এবং ১৭ থেকে ৪০ বছর বয়সী সকল নারীকে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যুদ্ধপরবর্তী নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, এই পরিকল্পনায় প্রায় ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) জাপানি নাগরিকের জীবন বিসর্জন দেওয়ার প্রস্তুতি রাখা হয়েছিল। * জাপানিদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যেখানে আমাদের ও তাদের সৈন্য সংখ্যার অনুপাত ১:১ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। যা কোনোভাবেই যুদ্ধের বিজয়ের মন্ত্র হতে পারে না। ** মেজর জেনারেল চার্লস উইলোবির পর্যবেক্ষণ; তিনি জেনারেল [[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]] স্টাফের ইন্টেলিজেন্স প্রধান বা G-2 ছিলেন। অপারেশন অলিম্পিকের আক্রমণ জোনে জাপানিদের ক্রমাগত শক্তি বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে তিনি এই সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। * যখন আমি একটি অত্যন্ত তীব্র আলো বা ঝলক দেখতে পেলাম, আমি অবচেতনভাবেই আমার দুই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে ফেললাম... চোখের পলকে পুরো শহরটি ধ্বংস হয়ে গেল এবং দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করল। তখন কোথাও যাওয়ার মতো কোনো জায়গা আর অবশিষ্ট ছিল না। ** মিচিকো ইয়ামাওকা, ৬ আগস্ট ১৯৪৫ সালে হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা হামলার একজন উত্তরজীবীর বর্ণনা। [[File:Atomic bombing of Japan.jpg|thumb|right|সূর্য যে শক্তি থেকে তার তেজ সংগ্রহ করে, সেই একই শক্তি আজ তাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে যারা দূরপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে এসেছিল!]] * ঠিক ষোলো ঘণ্টা আগে একটি আমেরিকান বিমান জাপানি সেনাবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিরোশিমার ওপর একটি বোমা নিক্ষেপ করেছে। সেই একটি বোমার ক্ষমতা ২০,০০০ টন টিএনটির চেয়েও বেশি ছিল। এই বোমার মাধ্যমে আমরা এখন আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর ক্রমবর্ধমান শক্তির পাশাপাশি ধ্বংসযজ্ঞের এক নতুন এবং বৈপ্লবিক মাত্রা যুক্ত করেছি...। এটি একটি পারমাণবিক বোমা। এটি মহাবিশ্বের মৌলিক শক্তিকে বশীভূত করার এক বৈজ্ঞানিক সাফল্য। সূর্য যে শক্তি থেকে তার তেজ সংগ্রহ করে, সেই একই মহাশক্তি আজ তাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে যারা দূরপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে এসেছিল। আমরা এই বোমাটি উদ্ভাবন করেছি এবং এটি ব্যবহারও করেছি। আমরা এটি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছি যারা পার্ল হারবারে কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই আমাদের আক্রমণ করেছিল; তাদের বিরুদ্ধে যারা আমেরিকান যুদ্ধবন্দীদের অনাহারে রেখেছে, পিটিয়েছে এবং হত্যা করেছে; এবং তাদের বিরুদ্ধে যারা যুদ্ধের আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার সামান্যতম অভিনয়টুকুও বর্জন করেছে। আমরা এই বোমাটি ব্যবহার করেছি যুদ্ধের এই দীর্ঘ যন্ত্রণা কমিয়ে আনার জন্য এবং হাজার হাজার তরুণ আমেরিকানের জীবন বাঁচানোর জন্য। আমরা এটি ব্যবহার করা অব্যাহত রাখব যতক্ষণ না আমরা জাপানের যুদ্ধ করার ক্ষমতাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিই। কেবল জাপানিদের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণই আমাদের থামাতে পারবে। ** হিরোশিমায় বোমা হামলার পর আমেরিকান জনগণের উদ্দেশ্যে দেওয়া প্রেসিডেন্ট '''''[[:w:হ্যারি এস. ট্রুম্যানের|হ্যারি এস. ট্রুম্যানের]]''''' বেতার ভাষণ (৬ আগস্ট, ১৯৪৫)। * আপনি একবার সেই সব মানুষের জীবনের কথা ভাবুন যারা জাপানের মূল ভূখণ্ডে আক্রমণ করতে গেলে প্রাণ হারাত। আমেরিকানদের সেই সংখ্যাটা ছিল আকাশচুম্বী, কিন্তু জাপানিদের ক্ষেত্রে সেই প্রাণহানি হতো কয়েক মিলিয়ন বা কোটির ঘরে! তাই এই পারমাণবিক বোমার অস্তিত্বের জন্য আপনি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দেবেন। ** প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কর্মরত একজন আমেরিকান মেরিন সেনার মন্তব্য। * এই পুরো জাতি যদি একটি সুন্দর ফুলের মতো ধ্বংস হয়ে যায়, তবে সেটি কি এক বিস্ময়কর ব্যাপার হবে না? ** জাপানি যুদ্ধমন্ত্রী জেনারেল আনামির মন্তব্য; ৯ আগস্ট ১৯৪৫ জাপানের 'সুপ্রিম কাউন্সিল ফর দ্য ডিরেকশন অফ দ্য ওয়ারের' একটি বৈঠকে তিনি এই চরমপন্থী দর্শনের কথা বলেছিলেন। * যুদ্ধ শেষ করার প্রচেষ্টায় আমাদের 'শান্তি কামী দল'-কে এই পারমাণবিক বোমাটি পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছে। ** কোইচি কিদো, সম্রাট হিরোহিতোর একজন ঘনিষ্ঠ সহায়কের মন্তব্য; পারমাণবিক বোমার ধ্বংসলীলা কীভাবে কট্টরপন্থীদের দমাতে সাহায্য করেছিল তা তিনি এভাবেই ব্যক্ত করেছেন। * পারমাণবিক বোমা হামলা ছিল স্বর্গ থেকে আসা এক আশীর্বাদ বা উপহার। ** জাপানি নৌ-মন্ত্রী মিতসুমাসা ইয়োনাইয়ের উক্তি; তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে, এই বোমা হামলা সেই সব নেতাদের ক্ষমতার পতন ঘটিয়েছিল যারা যেকোনো মূল্যে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন। * পারমাণবিক বোমাটি ছিল জাপানের জন্য যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে স্বর্গ থেকে দেওয়া একটি সুবর্ণ সুযোগ। ** হিসাতসুনে সাকোমিজু; ১৯৪৫ সালে জাপানের চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি হিসেবে এই মন্তব্য করেছিলেন। * আমরা আমেরিকা ও ব্রিটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলাম আমাদের আত্মরক্ষা নিশ্চিত করার এবং পূর্ব এশিয়ায় স্থিতিশীলতা আনার আন্তরিক আকাঙ্ক্ষা থেকে। অন্য কোনো জাতির সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করা বা আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার করার কোনো চিন্তা আমাদের ছিল না। কিন্তু এখন এই যুদ্ধ প্রায় চার বছর ধরে চলছে। আমাদের সামরিক ও নৌবাহিনীর বীরত্বপূর্ণ লড়াই, রাষ্ট্রের সেবকদের নিরলস পরিশ্রম এবং আমাদের দশ কোটি মানুষের একনিষ্ঠ সেবা সত্ত্বেও, যুদ্ধের পরিস্থিতি জাপানের অনুকূলে গড়ে ওঠেনি। বরং বিশ্বের সাধারণ প্রবণতাগুলো এখন জাপানের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে গেছে। তদুপরি, শত্রু এখন এক নতুন এবং অত্যন্ত নৃশংস বোমা ব্যবহার করতে শুরু করেছে, যার ধ্বংস করার ক্ষমতা সত্যিই অভাবনীয় এবং যা বহু নিরপরাধ মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে। যদি আমরা লড়াই চালিয়ে যাই, তবে এটি কেবল জাপানি জাতির চূড়ান্ত পতন এবং বিলুপ্তিই ঘটাবে না, বরং তা মানব সভ্যতার সম্পূর্ণ বিনাশের দিকে নিয়ে যাবে। ** সম্রাট '''''[[w:হিরোহিতো|হিরোহিতোর]]''''' আত্মসমর্পণের ভাষণ (১৫ আগস্ট, ১৯৪৫)। এটিই ছিল প্রথমবার যখন সাধারণ জাপানিরা তাদের সম্রাটের কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়েছিল। * আজ বন্দুকগুলো নিস্তব্ধ। এক বিশাল ট্র্যাজেডির অবসান হয়েছে। এক মহান বিজয় অর্জিত হয়েছে। আকাশ থেকে আর মৃত্যুর বৃষ্টি ঝরছে না। আজ সর্বত্র মানুষ সূর্যের আলোতে মাথা উঁচু করে হাঁটে। সমগ্র বিশ্ব আজ শান্তিতে বিরাজ করছে। পবিত্র মিশন সম্পন্ন হয়েছে। আর আপনাদের কাছে এটি রিপোর্ট করার সময় আমি সেই হাজার হাজার নীরব ও নিশ্চল হয়ে যাওয়া ঠোঁটের হয়ে কথা বলছি, যারা প্রশান্ত মহাসাগরের জঙ্গল, সৈকত এবং গভীর জলে চিরকালের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেছে এবং আমাদের বিজয়ের পথ দেখিয়ে গেছে।<br>বাতাআন এবং কোরিজিডোরের সেই অন্ধকার দিনগুলো থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ ও কণ্টকাকীর্ণ পথের দিকে যখন আমি ফিরে তাকাই, যখন সমগ্র বিশ্ব ভয়ে কাঁপছিল, যখন গণতন্ত্র সর্বত্র কোণঠাসা ছিল, যখন আধুনিক সভ্যতা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দুলছিল। তখন আমি পরম দয়ালু ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই যে তিনি আমাদের সেই বিশ্বাস, সাহস এবং শক্তি দিয়েছেন যার মাধ্যমে আমরা বিজয় ছিনিয়ে আনতে পেরেছি। আমরা পরাজয়ের তিক্ততা এবং বিজয়ের আনন্দ উভয়ই দেখেছি, এবং উভয় থেকেই আমরা শিখেছি যে এখান থেকে আর পেছনে ফেরার পথ নেই। যুদ্ধে আমরা যা জিতেছি, শান্তিতে তা রক্ষা করার জন্য আমাদের অবশ্যই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ** জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' রেডিও ভাষণ; ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ তারিখে 'ভি-জে ডে' (জাপানের ওপর বিজয় দিবস) উপলক্ষে। টোকিও বেতে ইউএসএস মিসৌরি যুদ্ধজাহাজের ডেকে জাপানি প্রতিনিধিরা আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষরের সময় তিনি এই ভাষণ দেন। == যুদ্ধের পরবর্তী অবস্থা (আফটারম্যাথ) == [[File:Eternal flame ceremony 23 February 2010 07.jpg|thumb|তোমার নাম অজানা। তবে তোমার কীর্তি চির অমর। ~ অজানা সৈনিকের সমাধি (মস্কো)]] [[File:World War II Memorial Pacific-Bas Reliefs Navy In Action.jpg|thumb|right|এই যুদ্ধে প্রকৃত বীর হিসেবে কাকে বেছে নেওয়া হবে, সে ব্যাপারে আমরা সবাই একমত। তিনি হলেন সেই সাধারণ সৈনিক 'জি.আই. জো', এবং প্রতিটি মিত্র জাতির বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও মার্চেন্ট মেরিনে থাকা তাঁর সমকক্ষ সহযোদ্ধারা। ~ ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]] * '''তোমার নাম অজানা। তবে তোমার কীর্তি চির অমর।''' (রাশিয়ান: "Имя твоё неизвестно, подвиг твой бессмертен"/Imya tvoyo neizvestno, podvig tvoy bessmerten) ** মস্কোর অজানা সৈনিকের সমাধিতে খোদাই করা এক চিরকালীন শোকগাথা। * কানাডিয়ান, ফরাসি, আমেরিকান এবং ব্রিটিশ বাহিনীর আমার প্রধান সমর্থকদের নাম উল্লেখ করা মানেই দক্ষতা, কৌশল, আনুগত্য এবং কর্তব্যের প্রতি পরম একনিষ্ঠতার এক অনন্য আলেখ্য তুলে ধরা। জাতিসংঘ আজীবন কৃতজ্ঞতার সাথে টেথার, মন্টগোমারি, স্পটস, ব্র্যাডলি, বিলেট, ক্রেরে এবং আরও অনেকের নাম স্মরণ রাখবে।<br>'''কিন্তু এই যুদ্ধের প্রকৃত বীর কে—তা বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে আমার এই সকল সহযোদ্ধারা আমার সাথে সম্পূর্ণ একমত হবেন। তিনি হলেন আমাদের সেই অকুতোভয় সাধারণ সৈনিক 'জি.আই. জো', এবং প্রতিটি মিত্র জাতির বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও মার্চেন্ট মেরিনে থাকা তাঁর সমকক্ষ সহযোদ্ধারা।''' তিনি সেই ভয়ঙ্কর সমুদ্রের বিপদ মোকাবিলা করেছেন যা ইউ-বোটের উপদ্রবে ছিল তটস্থ। তিনি অসীম সাহসিকতায় সেই সব সৈকতে আক্রমণ শাণিত করেছেন যেখানে শত্রুরা অত্যন্ত মরিয়া হয়ে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলেছিল। তিনি কেল্লাবন্দি দুর্ভেদ্য এলাকাগুলোর মধ্য দিয়ে অত্যন্ত ধৈর্য ও তিতিক্ষার সাথে লড়াই করে তাঁর ত্যাগের পথটি প্রশস্ত করেছেন। তিনি হাড়কাঁপানো শীত, ক্ষুধা আর দুঃসহ ক্লান্তি হাসিমুখে সহ্য করেছেন। প্রতিটি পদক্ষেপে মৃত্যু তাঁর পিছু নিলেও বিপদকেই তিনি নিত্যসঙ্গী করেছেন। তিনি এবং তাঁর প্লাটুন কমান্ডাররা আমাদের সামনে আনুগত্য, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং অদম্য সাহসের এমন এক প্রদীপ্ত উদাহরণ স্থাপন করেছেন। যা আমাদের হৃদয়ে ততদিন প্রজ্জ্বলিত থাকবে যতদিন আমরা মানুষের এই মহৎ গুণাবলিকে শ্রদ্ধা জানাব। ** ১৯৪৫ সালের ভি-ই ডে উপলক্ষে দেওয়া জেনারেল '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' ভাষণ। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না কিংবা এটি নির্দিষ্ট কোনো রাষ্ট্রনায়কের ভুলের কারণে শুরু হয়েছিল—এমনটা ভাবা হবে চরম ভ্রান্তি; যদিও সেখানে বেশ কিছু বড় ভুল অবশ্যই সংঘটিত হয়েছিল। '''প্রকৃতপক্ষে, এই যুদ্ধ ছিল বর্তমান যুগের একচেটিয়া পুঁজিবাদের ভিত্তিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তিগুলোর বিকাশের এক অনিবার্য এবং অবধারিত পরিণতি।''' [[:w:মার্ক্সবাদ|মার্কসবাদীরা]] বারংবার একটি সত্য উচ্চারণ করেছেন যে, বিশ্ব অর্থনীতির পুঁজিবাদী ব্যবস্থাটি তার গর্ভেই সাধারণ সংকট এবং সামরিক সংঘাতের বীজ বহন করে। সেই নিরিখে বলা যায়, বর্তমান সময়ে বিশ্ব পুঁজিবাদের বিকাশ সরলরেখায় বা সমানভাবে ঘটে না। বরং এটি প্রতিটি গভীর সংকট এবং বিপর্যয়কর মহাযুদ্ধের ঘূর্ণাবর্তের মধ্য দিয়ে সামনে অগ্রসর হয়। মূল সত্যটি হলো, পুঁজিবাদী দেশগুলোর অসম বিকাশ সময়ের সাথে সাথে পুঁজিবাদী বিশ্বব্যবস্থার অভ্যন্তরীণ ভারসাম্যকে নিদারুণভাবে বিঘ্নিত করে। এর ফলে পুঁজিবাদের যে অংশটি নিজেদের কাঁচামাল এবং বাজারের দিক থেকে কম সুরক্ষিত বলে অনুধাবন করে, তারা সাধারণত সেই পরিস্থিতির মোড় ঘটাতে এবং সশস্ত্র শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থে 'প্রভাব বলয়' নতুন করে বন্টন করার চেষ্টায় মেতে ওঠে। এর ফলেই পুঁজিবাদী বিশ্ব দুটি পরস্পরবিরোধী শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং তাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয়। '''হয়তো এমন বিপর্যয়কর যুদ্ধগুলো এড়ানো সম্ভব হতো যদি দেশগুলোর অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে কাঁচামাল এবং বাজারগুলো শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে পুনর্বন্টন করা যেত। কিন্তু বর্তমান পুঁজিবাদী বিশ্ব অর্থনীতির বিকাশের প্রেক্ষাপটে তা একেবারেই অসম্ভব।''' ** — ১৯৪৬ সালে সোভিয়েত নেতা '''''জোসেফ স্ট্যালিনের''''' সেই ঐতিহাসিক নির্বাচনী ভাষণ। * '''দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মানুষের সাথে মানুষের প্রতিটি আত্মিক বন্ধন ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল'''। হিটলারের দোর্দণ্ড প্রতাপের অধীনে জার্মানরা এমন সব নৃশংস অপরাধ করেছিল—যার ব্যপ্তি এবং পৈশাচিকতা মানব ইতিহাসের প্রতিটি কৃষ্ণতম অধ্যায়কে ম্লান করে দেয়। জার্মানির কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ষাট থেকে সত্তর লক্ষ নারী, পুরুষ এবং শিশুকে যে পাইকারি হারে গণহত্যা করা হয়েছিল—তা ভয়াবহতায় চেঙ্গিস খানের নিষ্ঠুরতাকেও বহুগুণ ছাড়িয়ে যায়। '''পূর্বাঞ্চলীয় রণাঙ্গনে জার্মানি এবং রাশিয়া উভয় দেশই পুরো জনসংখ্যাকে পরিকল্পিতভাবে নির্মূল করার এক ঘৃণ্য লক্ষ্য তাড়া করেছিল এবং তা বাস্তবায়নও করেছিল।''' আকাশ থেকে খোলামেলা জনবহুল শহরগুলোতে নির্বিচারে বোমা বর্ষণের যে কুৎসিত সংস্কৃতি জার্মানরা শুরু করেছিল, মিত্রশক্তি তাদের ক্রমবর্ধমান বিধ্বংসী ক্ষমতা দিয়ে তার বিশগুণ বেশি প্রতিশোধ গ্রহণ করেছিল। যার চূড়ান্ত পরিণতি আমরা দেখেছি হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমার ভয়াবহ প্রয়োগের মধ্য দিয়ে। আমরা এক দীর্ঘ ও রক্তপিচ্ছিল সংগ্রাম শেষে এমন এক বস্তুগত ধ্বংসযজ্ঞ এবং নৈতিক বিপর্যয়ের ভগ্নস্তূপ থেকে বেরিয়ে এসেছি, যা পূর্ববর্তী শতকের মানুষের কল্পনাকেও কোনোদিন স্পর্শ করতে পারেনি। '''আমরা যা কিছু সহ্য করেছি এবং যা কিছু অর্জন করেছি—অবশেষে আজ আমরা নিজেদের এমন সব জটিল সমস্যার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখছি, যা আমাদের ফেলে আসা সংকটের চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়, বরং অনেক বেশি দুস্তর।''' ** উইনস্টন চার্চিল, ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার: ভলিউম ১: দ্য গ্যাদারিং স্টর্ম'' (১৯৪৮), পৃষ্ঠা ১৪। * '''যাইহোক, সবই তো শেষ হলো। ভাবছি কাল আমি কী করতে যাচ্ছি।''' ** ফ্লিট অ্যাডমিরাল '''''আর্নেস্ট কিঙের''''', ৯ম চিফ অফ নেভাল অপারেশনস; ১৪ আগস্ট ১৯৪৫ তারিখে নীল কে. ডায়েটরিচের কাছে করা একটি মন্তব্য। কিং এইমাত্র জানতে পেরেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান মিত্রবাহিনীর কাছে জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে যাচ্ছেন। থমাস বি. বুয়েল রচিত 'মাস্টার অফ সি পাওয়ার: এ বায়োগ্রাফি অফ ফ্লিট অ্যাডমিরাল আর্নেস্ট জে. কিং' (১৯৮০), ৪৯৮ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রতি বর্তমানের যে প্রবল আকর্ষণ, তার পেছনে। বিশেষ করে মিত্রশক্তির পক্ষ থেকে একটি সুপ্ত অনুভূতি কাজ করে যে, এটিই ছিল ইতিহাসের সর্বশেষ নৈতিকভাবে দ্ব্যর্থহীন ও ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ। জার্মান নাৎসি, ইতালীয় ফ্যাসিস্ট এবং জাপানি সামরিক শাসকরা এতটাই স্পষ্টভাবে মন্দ লোক ছিলেন যে তাঁদের পরাজিত করাটা ছিল অনিবার্য। (তবে আমরা যে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক স্বৈরশাসক জোসেফ স্ট্যালিনের সাথে জোট বেঁধেছিলাম, সেই চরম সত্যটি এখানে সবসময়ই এড়িয়ে যাওয়া হয়।) এরপর থেকে সংঘটিত যুদ্ধগুলো আর আগের মতো অতটা স্বচ্ছ বা পরিষ্কার ছিল না। সত্য যে, সোভিয়েত সম্প্রসারণবাদ রুখতে [[:w:কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধ]] ছিল প্রয়োজনীয়; কিন্তু জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' সেই লড়াইকে চীনা কমিউনিজমের বিরুদ্ধে একটি ধর্মযুদ্ধে রূপান্তরের প্রচেষ্টা আমেরিকানদের নিজেদের মধ্যে এবং তাদের মিত্রদের সাথে এক গভীর বিভেদ তৈরি করে দিয়েছিল। [[:w:ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধ]] ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক চরম বিপর্যয়, আর এখন [[:w:ইরাক যুদ্ধ|ইরাক দখলও]] অনেকটা সেরকম আরেকটি বিপর্যয়ের মতোই মনে হচ্ছে। ** '''''মার্গারেট ম্যাকমিলান''''', 'দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি' (২০০৮)। == যুদ্ধের লক্ষ্য এবং যুদ্ধের কূটনীতি == === ১৯৪৫ === * যুদ্ধের পর আমেরিকাকে তিনটি পথের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতেই হবেঃ প্রথমত, সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদ, যার অনিবার্য পরিণাম হলো শেষ পর্যন্ত আমাদের নিজেদের স্বাধীনতা হারানো।<br>দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদ, যার অর্থ হলো অন্য কোনো জাতির স্বাধীনতাকে বিসর্জন দেওয়া; অথবা তৃতীয়ত, এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলা যেখানে প্রতিটি জাতি এবং প্রতিটি বর্ণের মানুষের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত থাকবে। আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে, আমেরিকান জনগণের এক বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ এই শেষ পথটিই বেছে নেবে। এই পছন্দকে কার্যকর করতে হলে আমাদের কেবল যুদ্ধেই জিতলে চলবে না, আমাদের শান্তিকেও জয় করতে হবে এবং সেই জয়ের সূচনা আমাদের এখনই করতে হবে।<br>এই শান্তি জয়ের জন্য আমার কাছে তিনটি বিষয় অত্যন্ত প্রয়োজনীয় মনে হয়—প্রথমত, আমাদের এখন থেকেই বিশ্বব্যাপী শান্তির একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা করতে হবে।<br>দ্বিতীয়ত, বিশ্বে প্রকৃত শান্তি বজায় রাখার জন্য প্রতিটি জাতি ও প্রতিটি মানুষকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন হতে হবে। এবং তৃতীয়ত, বিশ্বে সেই স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা ও তা রক্ষা করার জন্য আমেরিকাকে একটি সক্রিয় ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।<br>আমাদের নেতাদের দেওয়া আটলান্টিক চার্টারের মতো নিছক ঘোষণা দিয়ে এটি সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এর প্রকৃত সাফল্য মূলত নির্ভর করে বিশ্বের সাধারণ মানুষের স্বীকৃতির ওপর। ... ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের দ্বারা এই 'চারটি স্বাধীনতা' অর্জন করা সম্ভব হবে না। এগুলো কেবল তখনই বাস্তবে ধরা দেবে যখন বিশ্বের সাধারণ মানুষ এগুলোকে নিজেদের প্রচেষ্টায় বাস্তবে রূপদান করবে। ** '''''ওয়েন্ডেল উইলি''''', ১৯৪০ সালের রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী; তাঁর 'ওয়ান ওয়ার্ল্ড' (১৯৪৩) গ্রন্থের ১৪ অধ্যায়ে। * এই বছর শেষ হওয়ার আগেই বিশ্ববাসীর কাছে কথার চেয়ে কাজের মাধ্যমে এটি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে যে, কাসাব্লাঙ্কা কনফারেন্স প্রচুর গুরুত্বপূর্ণ খবর তৈরি করেছে। আর সেই খবরগুলো জার্মান, ইতালীয় এবং জাপানিদের জন্য হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। ...<br>আসন্ন এবং অনিবার্য বিপর্যয় এড়ানোর নেশায়, অক্ষশক্তির প্রোপাগান্ডাকারীরা জাতিসংঘকে বিভক্ত করার জন্য তাদের সেই পুরনো সব নোংরা কৌশল অবলম্বন করছে। তারা এই ধারণা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে যে আমরা যদি এই যুদ্ধে জয়ী হই, তবে রাশিয়া, ইংল্যান্ড, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি শুরু করবে।<br>তাদের করা অপরাধের চরম পরিণাম থেকে বাঁচার এই আতঙ্কিত প্রচেষ্টার জবাবে আমরা বলি, জাতিসংঘের সকলেই একবাক্যে ঘোষণা করে। অক্ষশক্তির কোনো সরকার বা কোনো গোষ্ঠীর সাথে আমাদের আলোচনার একমাত্র শর্ত হলো কাসাব্লাঙ্কায় ঘোষিত সেই চূড়ান্ত নীতি: 'নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ'। আমাদের এই আপসহীন নীতির অর্থ অক্ষশক্তির দেশগুলোর সাধারণ মানুষের কোনো ক্ষতি করা নয়। তবে এর অর্থ হলো তাদের সেই পৈশাচিক ও বর্বর নেতাদের ওপর পূর্ণ শাস্তি এবং প্রতিশোধ নিশ্চিত করা। ** প্রেসিডেন্ট '''''রুজভেল্ট''''', প্রধানমন্ত্রী চার্চিলের সাথে কাসাব্লাঙ্কা কনফারেন্স থেকে ফেরার পর। হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে ওয়াশিংটন ডি.সি.-র হোটেল স্ট্যাটলার থেকে সম্প্রচারিত ভাষণ। ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩ তারিখে 'ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট বুলেটিন', খণ্ড ৮, সংখ্যা ১৯০ (১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩), ১৪৫–৪৬ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত। === ১৯৪৫ === * ইউরোপে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশগুলোর জাতীয় অর্থনৈতিক জীবনের পুনর্গঠন অবশ্যই এমন কিছু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্জন করতে হবে, যা মুক্ত হওয়া প্রতিটি দেশের মানুষকে নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদের শেষ চিহ্নটুকুও চিরতরে মুছে ফেলতে এবং তাদের নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সক্ষম করে তুলবে। ** ইয়াল্টা কনফারেন্সের ওপর স্টেট ডিপার্টমেন্টের একটি রিপোর্ট। যেখানে ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ রাশিয়ার একটি রিসোর্টে 'বিগ থ্রি' (তিন প্রধান নেতা) নাৎসি জার্মানিকে পরাজিত করার চূড়ান্ত পরিকল্পনা এবং ইউরোপের পুনর্গঠন শুরু করার বিষয়ে মিলিত হয়েছিলেন। উইলিয়াম অ্যাপলম্যান উইলিয়ামস (সম্পাদিত) 'দ্য শেপিং অফ আমেরিকান ডিপ্লোমাসি' (শিকাগো: র‍্যান্ড ম্যাকনালি অ্যান্ড কোং, ১৯৫৬), পৃষ্ঠা ৯৩০। == [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য]] সুরক্ষা == [[File:Ghent_altarpiece_at_Altaussee.jpg|thumb|তাঁরা মার্কিন সামরিক ইউনিটগুলোকে অনুসরণ করে মুক্ত হওয়া শহরগুলোতে প্রবেশ করতেন এবং সেখানে চুরি হওয়া শিল্পকর্মগুলোর লুকানো জায়গাগুলো খুঁজে বের করতেন। এরপর সেগুলো ভবিষ্যতে প্রত্যাবাসন বা স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করতেন এবং সুরক্ষিত স্থানে জমা রাখতেন। এছাড়াও, 'মনুমেন্টস মেন' বা এই বিশেষ রক্ষক দলের কাছে পশ্চিমা শিল্প বিশেষজ্ঞদের তৈরি করা অমূল্য সম্পদের তালিকা থাকত। যদি তালিকায় থাকা কোনো [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] বা স্মৃতিস্তম্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হতো, তবে তাঁরা সেই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব রাখতেন, মেরামত কাজ তত্ত্বাবধান করতেন এবং সাংস্কৃতিক সম্পদের আরও ক্ষতি হওয়া রোধ করতেন। ~ গ্রেগরি জে. ফেরার]] [[File:Monuments_Men_Congressional_Gold_Medal_(reverse).jpg|thumb|ভাস্কর্য, [[:w:ঐতিহাসিক|ঐতিহাসিক]] [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শনগুলোর রক্ষক হিসেবে তাঁদের প্রাথমিক ভূমিকার কারণেই তাঁরা এই নাম অর্জন করেছিলেন। এটি ছিল এক বিশাল ও দুঃসাধ্য কাজ, যার আওতায় ইউরোপীয় মহাদেশের ৫,৬০,০০০ বর্গমাইল এলাকার মধ্যে তালিকাভুক্ত ৩,৪১৫টি স্মৃতিস্তম্ভ অন্তর্ভুক্ত ছিল। ~ গ্রেগরি জে. ফেরার]] * [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের]] নিদর্শনগুলোর সাথে সম্পর্কিত সূক্ষ্ম সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত [[:w:জ্ঞান|জ্ঞান]] সাধারণত [[:w:শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলো|শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলো]] থেকেই পাওয়া সম্ভব। সাংস্কৃতিক সম্পদ রক্ষার ক্ষেত্রে [[:w:পণ্ডিত|পণ্ডিত]], [[:w:অধ্যাপক|অধ্যাপক]] এবং [[:w:জাদুঘর|জাদুঘর]] বিশেষজ্ঞরা হলেন সম্মুখসারির অভিজ্ঞ ব্যক্তি যাদের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য। এই ব্যক্তিরা ঝুঁকির মুখে থাকা শিল্পকর্মগুলো শনাক্ত করতে পারেন এবং সেগুলো সংরক্ষণ ও যত্নের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা সম্পর্কে সম্যক অবগত থাকেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ কর্মজীবনে নিজেদের বিশেষ দক্ষতাকে শাণিত করেছেন এবং সামরিক পরিকল্পনাকারীদের জন্য তাঁরা অত্যন্ত মূল্যবান যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে গণ্য হন। এই নিবন্ধে শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে [[:w:কলেজ|কলেজ]] বা [[:w:বিশ্ববিদ্যালয়|বিশ্ববিদ্যালয়]], জাদুঘর, আর্ট গ্যালারি এবং অলাভজনক বিদ্বৎ সমাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।<br>দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] এবং [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সামরিক বাহিনী তাঁদের নিজস্ব শিল্প রক্ষা সংস্থাগুলো পরিচালনার জন্য উচ্চশিক্ষা সংশ্লিষ্ট এই সম্প্রদায় থেকেই ব্যক্তিদের নির্বাচন করেছিল। জার্মান এবং আমেরিকান উভয় বাহিনীর কমান্ডাররা সাংস্কৃতিক সম্পদের ওপর অগাধ জ্ঞানসম্পন্ন পেশাদারদের খুঁজতেন, যারা সেগুলো শনাক্তকরণ এবং পরিচালনার কৌশল জানতেন। সাংস্কৃতিক সুরক্ষার কঠোর চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম এমন যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মূল সামরিক কাঠামোর অধীনে পরিষেবার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে সংশ্লিষ্ট সামরিক বাহিনীতে অফিসারের পদমর্যাদাও দেওয়া হয়েছিল যাতে তাঁদের নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং সামরিক কর্মপদ্ধতিতে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা নীতির প্রভাব আরও শক্তিশালী হয়। ** গ্রেগরি জে. ফেরার, [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ৯। * [[:w:আমেরিকান|আমেরিকান]] শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় [[:w:ইউরোপে|ইউরোপে]] স্থলযুদ্ধে যোগ দেওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ সাংস্কৃতিক স্থানগুলো সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের সাথে বিস্তারিত পরামর্শ করেছিল। আর্কিওলজিক্যাল ইনস্টিটিউট অফ আমেরিকা, নিউ ইয়র্ক মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট, হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ফগ মিউজিয়াম অফ ফাইন আর্টস এবং ওয়াশিংটন ডি.সি.-র ন্যাশনাল গ্যালারি অফ আর্টের প্রতিনিধিরা ১৯৪২ সালের শরতে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের সাথে একটি সমন্বিত গ্রুপ হিসেবে বৈঠক করেন। এরপর ১৯৪৩ সালের জানুয়ারিতে আমেরিকান কাউন্সিল অফ লার্নড সোসাইটিজের একটি কমিটি এই বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করে। এই সচেতন পণ্ডিতরা ১৯৪৩ সালের জুলাই মাসে সিসিলিতে মার্কিন সৈন্যদের অবতরণ এবং ১৯৪৪ সালের জুনে নরমান্ডি আক্রমণের অনেক আগেই—যা ছিল ইউরোপীয় রণাঙ্গন অভিযানের অংশ। ফেডারেল সরকারের কাছে তাঁদের প্রস্তাবনা নিয়ে গিয়েছিলেন।<br>এই বিশেষজ্ঞরা অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে, হিটলারের ফোট্রেস ইউরোপ যখন মিত্রবাহিনী অনিবার্যভাবে আক্রমণ চালাবে, তখন দখলকৃত দেশগুলোতে থাকা শিল্পকর্ম এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্থানগুলো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। আমেরিকার প্রধান শিল্প [[:w:জাদুঘর|জাদুঘর]], গ্যালারি এবং বুদ্ধিজীবী সমাজগুলোর এই আন্তরিক প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তিনি জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের সাথে শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতার অনুমোদন দেন, যেখানে [[w:সেনাবাহিনী|সেনাবাহিনী]], [[w:নৌবাহিনী|নৌবাহিনী]] এবং আর্মি এয়ার কোরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা সামরিক বিষয়ে ফেডারেল বিভাগগুলোকে পরামর্শ দিতেন। এছাড়াও রুজভেল্ট ১৯৪২ সালের আগস্ট মাসে রবার্টস কমিশন (যার দাপ্তরিক নাম ছিল "আমেরিকান কমিশন ফর দ্য প্রটেকশন অ্যান্ড স্যালভেজ অফ আর্টিস্টিক অ্যান্ড হিস্টোরিক মনুমেন্টস ইন ওয়ার এরিয়াস") তৈরির অনুমতি প্রদান করেন। রুজভেল্টের এই রবার্টস কমিশন গঠনের অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতেই মার্কিন সামরিক বাহিনী তাঁদের নিজস্ব একটি সংগঠন তৈরি করে, যার নাম দেওয়া হয় মনুমেন্টস, ফাইন আর্টস অ্যান্ড আর্কাইভস সার্ভিস (MFA&A)। এই অভিভাবক সংস্থা থেকেই পরবর্তীতে বিশ্ববিখ্যাত মনুমেন্টস মেনদের উদ্ভব ঘটেছিল। ** গ্রেগরি জে. ফেরার, [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ১৯-২০। * মনুমেন্টস মেনদের ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের কমান্ডাধীন সুপ্রিম হেডকোয়ার্টার্স অ্যালাইড এক্সপেডিশনারি ফোর্সের বা SHAEF এর একটি বিভাগ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। আইজেনহাওয়ার উপলব্ধি করেছিলেন যে, মিত্রবাহিনীর অগ্রগতি সমগ্র মানবতার অভিন্ন [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের]] জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। [[:w:রোমের|রোমের]] দিকে অগ্রসরমান সৈন্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছিলেন, "আজ আমরা এমন একটি দেশে লড়াই করছি যা আমাদের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারে বিশাল অবদান রেখেছে; এই দেশ এমন সব স্মৃতিস্তম্ভে সমৃদ্ধ যা আমাদের সভ্যতার বিকাশকে ফুটিয়ে তোলে। যুদ্ধ যতটুকু সুযোগ দেয়, সেই সীমার মধ্যে থেকে ওই স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে শ্রদ্ধা জানাতে আমরা বাধ্য।" সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার হিসেবে [[:w:আইজেনহাওয়ার|আইজেনহাওয়ার]] ১৯৪৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে [[:w:ইতালীয়|ইতালীয়]] সাংস্কৃতিক স্থান মন্টে ক্যাসিনো ধ্বংস হওয়ার পর 'মনুমেন্টস মেন'দের অভিযানের প্রতি সমর্থন আরও বৃদ্ধি করেন এবং ইউরোপীয় পৈতৃক সম্পদ রক্ষাকে যুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করেন। ১৯৪৪ সালের ১৫ আগস্ট ফ্রান্সের দক্ষিণ উপকূলে মিত্রবাহিনীর অবতরণের পর মনুমেন্টস মেনরা [[:w:ইউরোপে|ইউরোপে]] পৌঁছান। তাঁরা ইউনাইটেড স্টেটস আর্মির ইউনিটগুলোকে অনুসরণ করে মুক্ত হওয়া শহরগুলোতে প্রবেশ করতেন এবং সেখানে চুরি হওয়া শিল্পকর্মগুলোর লুকানো জায়গাগুলো তন্নতন্ন করে খুঁজতেন; এরপর সেগুলো ভবিষ্যতে প্রত্যাবাসন বা স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করতেন এবং সুরক্ষিত স্থানে জমা রাখতেন। এছাড়াও, মনুমেন্টস মেনদের কাছে পশ্চিমা শিল্প বিশেষজ্ঞদের তৈরি করা অমূল্য [[:w:সম্পদের|সম্পদের]] তালিকা থাকত। যদি তালিকায় থাকা কোনো স্থাপত্য বা স্মৃতিস্তম্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হতো, তবে তাঁরা সেই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব রাখতেন, মেরামত কাজ তত্ত্বাবধান করতেন এবং সাংস্কৃতিক সম্পদের আরও ক্ষতি হওয়া রোধ করতেন। ১৯৪৬ সালের জুনে MFA&A বিলুপ্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত যুদ্ধ পরবর্তী ইউরোপেও মনুমেন্টস মেনরা তাঁদের কার্যক্রম চালিয়ে গিয়েছিলেন। ** [[w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]] উক্তি; যা গ্রেগরি জে. ফেরার রচিত [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (বসন্ত ৫-২০১৩), ২১-২২ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত ও বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। * মনুমেন্টস মেনদের লক্ষ্য ও সুদূরপ্রসারী উদ্দেশ্য অনেকটা [[:w:নাৎসি জার্মানির|নাৎসি জার্মানির]] সমকক্ষ সংস্থা 'কুন্সটশুৎসের' কর্মপদ্ধতির মতোই ছিল। তবে তাঁদের মহান দায়িত্বে একটি বিশেষ বৈপ্লবিক অধ্যায় যুক্ত হয়েছিল। আর তা হলো লুণ্ঠিত শিল্প ও অমূল্য সম্পদসমূহকে উদ্ধার করে পুনরায় প্রকৃত মালিকের কাছে স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়া বা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা। মনুমেন্টস মেনদের অপরিহার্য কর্তব্যের মধ্যে শিল্প সুরক্ষা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা আদায়ের মতো নীতিগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা অনেকটা কুন্সটশুৎসের আদলেই পরিচালিত হতো। তবে তাঁদের মূল তৎপরতা চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল:<br>(১) মিত্রশক্তির অধিকারে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত স্মৃতিস্তম্ভগুলো বৈজ্ঞানিক ও শৈল্পিক উপায়ে মেরামত করা,<br>(২) মিত্রবাহিনীর সৈন্যদের নিজেদের হাতে যেন কোনো ঐতিহাসিক স্থাপনার অবমাননা, ক্ষতি বা অপব্যবহার না হয় তা কঠোরভাবে নিশ্চিত করা,<br>(৩) শত্রু-অধিকৃত অঞ্চলগুলোতে যুদ্ধের চরম ডামাডোলের মাঝেও অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষয়ক্ষতি থেকে স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে রক্ষা করা এবং<br>(৪) শত্রুসেনাদের দ্বারা সংঘটিত প্রতিটি চুরির ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নথিবদ্ধ করা ও উদ্ধার প্রক্রিয়াকে বেগবান করতে সম্ভাব্য সকল তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা। ভাস্কর্য, [[:w:ঐতিহাসিক|ঐতিহাসিক]] [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শনগুলোর অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে তাঁদের এই অবিস্মরণীয় ভূমিকার কারণেই তাঁরা ইতিহাসে 'মনুমেন্টস মেন' নামে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। এটি ছিল এক অভাবনীয় ও দুঃসাধ্য মহাযজ্ঞ, যার আওতায় ইউরোপীয় [[:w:মহাদেশের|মহাদেশের]] প্রায় ৫,৬০,০০০ বর্গমাইল বিশাল ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে তালিকাভুক্ত ৩,৪১৫টি স্মৃতিস্তম্ভের সুরক্ষার গুরুভার তাঁদের ওপর ন্যস্ত ছিল।<br>এই বিশাল ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য মিত্রবাহিনীর চেইন অফ কমান্ডের প্রতিটি স্তরে যথাযথ তথ্য আদান-প্রদান ও সক্রিয় পেশাদার সহযোগিতার প্রয়োজন ছিল। মনুমেন্টস মেনরা বিভিন্ন প্রকাশনা ও নির্দেশিকা তৈরির মাধ্যমে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের এবং ইউনাইটেড স্টেটস আর্মির [[w:নেতৃত্ব|নেতৃত্বের]] মধ্যে এই শৈল্পিক সচেতনতা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তাঁরা আর্মি এয়ার কোর এবং পদাতিক গোলন্দাজ ইউনিটগুলোকে এমন সব শিল্প সম্পদের তালিকা সরবরাহ করতেন, যা প্রচণ্ড বোমা বর্ষণ বা গোলাগুলির সময় সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে এড়িয়ে চলা আবশ্যক ছিল। যাতে সর্বাত্মক আক্রমণের সময়ও ওই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর কোনো স্থায়ী ক্ষতি না হয়। প্রতিটি শিল্পকর্ম বা স্থাপনাকে তাদের প্রাচীনত্ব, সংরক্ষণের বর্তমান অবস্থা এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সেগুলোর গুরুত্ব অনুযায়ী একটি সহজবোধ্য তারকা (স্টার) পদ্ধতির মাধ্যমে রেটিং বা মানদণ্ড দেওয়া হতো। এই পদ্ধতিতে তিন তারকা (৩/৩) ছিল আভিজাত্য ও গুরুত্বের বিচারে সর্বোচ্চ মানের স্বীকৃতি। ** গ্রেগরি জে. ফেরার; [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (বসন্ত ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ২২-২৩। == অর্থনৈতিক প্রভাব == [[File:Seizure_of_the_Zaibatsu_families_assets.JPG|thumb|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান এবং জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের পর, জাপানি শক্তিশালী ব্যবসায়িক গোষ্ঠী 'জাইবাৎসু' গুলোকে সমূলে বিলুপ্ত করার এক চূড়ান্ত ও কঠোর প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট এবং [[w:হ্যারি_এস._ট্রুম্যান|হ্যারি এস ট্রুম্যানের]] তৎকালীন আমেরিকান অর্থনৈতিক উপদেষ্টারা এই একচেটিয়া আধিপত্য এবং ব্যবসায়িক একাধিপত্যের নীতির প্রতি অত্যন্ত সন্দিহান ছিলেন; তাঁরা মনে করতেন এই পদ্ধতিটি অর্থনৈতিকভাবে কেবল অদক্ষই নয়, বরং এটি কর্পোরেটবাদের একটি কদর্য রূপ। ~ জেনিফার বিমার]] * ১৯০০ শতকের শেষভাগ থেকে [[:w:জাপানের|জাপানের]] অর্থনৈতিক ও শিল্পোদ্যোগের প্রতিটি ক্ষেত্রে জাইবাৎসু গোষ্ঠীগুলো অত্যন্ত প্রভাবশালী ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে আসছিল। এই জাইবাৎসু গোষ্ঠীগুলো মূলত একটি কেন্দ্রীয় হোল্ডিং কোম্পানি নিয়ে গঠিত ছিল, যার মালিকানা থাকত একটি নিয়ন্ত্রণকারী পরিবারের হাতে এবং তারাই প্রধান সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার নিয়ন্ত্রণ করত। যদিও এই ধরণের পিরামিড সদৃশ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পশ্চিমা দেশগুলোতেও প্রচলিত ছিল, কিন্তু জাইবাৎসুদের অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিল এই যে, তারা সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেবল সংখ্যালঘু শেয়ার ধারণ করেও অন্যান্য কৌশলের মাধ্যমে সেগুলোকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখত। এই নিয়ন্ত্রণ কৌশলের অন্যতম হাতিয়ার ছিল সম্মিলিত ব্যাংকিং, জাহাজ চলাচল এবং বাণিজ্যিক সুবিধার ওপর নির্ভরশীলতা। তবে তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল গ্রুপের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি কর্মকর্তাদের অটল ব্যক্তিগত আনুগত্য। জাপানের চারটি বৃহত্তম জাইবাৎসু গোষ্ঠীর খনি, রাসায়নিক এবং ধাতু শিল্পের ৩০ শতাংশের বেশি অংশের ওপর সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছিল; যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের বাজারের ওপর ছিল প্রায় ৫০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ; বাণিজ্যিক স্টক এক্সচেঞ্জের ৬০ শতাংশ এবং রপ্তানি পণ্যবাহী জাহাজ বহরের এক বিশাল অংশ তারা নিয়ন্ত্রণ করত। ** জেনিফার বিমার; [https://scholarspace.manoa.hawaii.edu/bitstream/10125/32822/4/Beamer%20Zaibatsu.pdf “জাপানিজ জাইবাৎসু”], হাওয়াই.এডু, (২০১২), পৃষ্ঠা ৩০১। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান এবং জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের পর, জাইবাৎসুগুলোকে সমূলে বিলুপ্ত করার একটি জোরালো প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট এবং [[w:হ্যারি_এস._ট্রুম্যান|হ্যারি ট্রুম্যানের]] আমেরিকান অর্থনৈতিক উপদেষ্টারা এই একচেটিয়া আধিপত্য এবং বাধানিষেধমূলক ব্যবসায়িক পদ্ধতির প্রতি গভীর সন্দেহ পোষণ করতেন; তাঁদের মতে এই পদ্ধতিটি ছিল চরম অদক্ষ এবং কর্পোরেটবাদের একটি কদর্য রূপ। দখলদারিত্বের সময় কেবল ১৬টি জাইবাৎসুক সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং আরও ২৬টি গোষ্ঠীকে পুনর্গঠনের তালিকায় রাখা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে নিয়ন্ত্রণকারী জাইবাৎসু পরিবারগুলোর সকল সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়, হোল্ডিং কোম্পানিগুলো বিলুপ্ত করা হয় এবং পুরনো ব্যবস্থায় কোম্পানিগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের জন্য অপরিহার্য 'ইন্টারলকিং ডিরেক্টটরশিপ' বা আন্তঃকোম্পানি পরিচালক পদগুলোকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। তা সত্ত্বেও, জাইবাৎসুগুলোর সম্পূর্ণ বিলুপ্তি কোনোদিন অর্জিত হয়নি। কারণ এশিয়ার অন্যান্য প্রান্ত থেকে ধেয়ে আসা [[w:সাম্যবাদ|সাম্যবাদের]] বিরুদ্ধে জাপানে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা দেয়াল বা শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পুনরায় শিল্পায়নের লক্ষে মার্কিন সরকার তাদের পূর্বের অবস্থান পরিবর্তন করেছিল। এমতাবস্থায় জাইবাৎসুগুলোকে জাপানের [[:w:অর্থনীতি|অর্থনীতি]] এবং [[w:সরকার|সরকারের]] জন্য হিতকর বলে বিবেচনা করা হয়েছিল। তবে জাপানি সাধারণ জনগণের মতামত ছিল এর সম্পূর্ণ বিপরীত। তাঁদের মনোভাব ছিল চরম উদাসীনতা থেকে গভীর অসন্তোষের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ** জেনিফার বিমার; [https://scholarspace.manoa.hawaii.edu/bitstream/10125/32822/4/Beamer%20Zaibatsu.pdf “জাপানিজ জাইবাৎসু”], হাওয়াই.এডু, (২০১২), পৃষ্ঠা ৩০১। == নিজ দেশে যুদ্ধের আবহ == ; ১৯৪১ * পার্ল হারবারে সেই অতর্কিত আক্রমণ আমাদের সামনে ধেয়ে আসা চ্যালেঞ্জের ভয়াবহতাকে স্পষ্ট করে দিয়েছিল এবং আমাদের অন্তরাত্মা এক ন্যায়সঙ্গত ক্রোধে এমনভাবে প্রজ্জ্বলিত হয়েছিল ও দেশপ্রেমে এমনভাবে উদ্বেলিত হয়েছিল যে, আমাদের মধ্যকার সকল ভেদাভেদ, বিভাজন আর ঘৃণা এক অভূতপূর্ব ঐক্যে গলে মিশে গিয়েছিল। যা এই দেশে আগে কখনো প্রত্যক্ষ করা যায়নি। ** ভার্জিনিয়ার প্রতিনিধি '''''জন ডব্লিউ. ফ্ল্যানাগান জুনিয়রের''''' মন্তব্য; মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে (১৬ ডিসেম্বর ১৯৪১); 'কংগ্রেশনাল রেকর্ড', খণ্ড ৮৭, অংশ ১৪, পরিশিষ্ট (৯ অক্টোবর ১৯৪১ – ২ জানুয়ারি ১৯৪২), পৃষ্ঠা এ৫৬০৯। ; ১৯৪২ * অসংযত বাক্যই বিপদকে ডেকে আনে। ** যুদ্ধকালীন একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় স্লোগান যা সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলা থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত করত; কারণ শত্রুশৈন্য বা গুপ্তচররা সবসময় আড়ি পেতে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হতো। * এই চরম জাতীয় সংকটের সময়ে, যখন আমাদের অর্জিত সকল অতিরিক্ত আয় যুদ্ধ জয়ের কাজে ব্যয় হওয়া উচিত, তখন কর প্রদানের পর কোনো আমেরিকান নাগরিকের বার্ষিক নিট আয় ২৫,০০০ ডলারের বেশি হওয়া মোটেও উচিত নয়। ** প্রেসিডেন্ট '''''[[w:ফ্রাঙ্কলিন_ডি._রুজভেল্ট|ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের]]''''' কংগ্রেসে পাঠানো বার্তা (২৭ এপ্রিল ১৯৪২); 'দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪২' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ২২১। * এই প্রয়োজনটি অত্যন্ত জরুরি — প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধের ফলে দূরপ্রাচ্য থেকে আমাদের উদ্ভিজ্জ চর্বির সরবরাহ ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। তাই সেগুলোর বিকল্প খুঁজে বের করা এখন সময়ের দাবি। চর্বি থেকে গ্লিসারিন তৈরি হয়, আর সেই গ্লিসারিন আমাদের এবং আমাদের মিত্রদের জন্য বিস্ফোরক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। যা অক্ষশক্তির বিমান ভূপাতিত করতে, তাদের ট্যাঙ্ক থামাতে এবং তাদের জাহাজ ডুবিয়ে দিতে অপরিহার্য। আমাদের লক্ষ লক্ষ পাউন্ড গ্লিসারিন প্রয়োজন এবং আপনারা গৃহিণীরাই তা সরবরাহ করতে পারেন।<br>রান্নার কাজে ব্যবহৃত চর্বি, মাংসের চর্বি বা ভাজাভুজির তেলের একটি ফোঁটাও দয়া করে ফেলে দেবেন না। আপনারা যা কিছুই ব্যবহার করেন না কেন। রান্নায় সেগুলোর ব্যবহার শেষ হয়ে গেলে একটি ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে পরিষ্কার ও চওড়া মুখের একটি কৌটায় ঢেলে রাখুন। কৌটাটি ঠান্ডা ও অন্ধকার জায়গায় সংরক্ষণ করুন<br>যখন এক পাউন্ড বা তার বেশি চর্বি জমে যাবে, তখন তা নিকটস্থ মাংস বিক্রেতার কাছে নিয়ে যান। তিনি অত্যন্ত দেশপ্রেমের সাথে এই কাজে সহযোগিতা করছেন। তিনি আপনার সেই ব্যবহৃত চর্বির ন্যায্য মূল্য পরিশোধ করবেন এবং সেগুলোকে যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট শিল্পকারখানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন। ** সাধারণ নাগরিকদের যুদ্ধ প্রচেষ্টায় সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে ফেডারেল সরকারের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি প্রচারপত্র; স্ট্যান কোহেন রচিত 'ভি ফর ভিক্টরি: আমেরিকাস হোম ফ্রন্ট ডিউরিং ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু' (মিসৌলা, এমটি: পিক্টোরিয়াল হিস্টোরিস, ১৯৯১), পৃষ্ঠা ১১১। ; ১৯৪৩ * 'ডক্টর নিউ ডিল' এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন 'ডক্টর উইন দ্য ওয়ার' বা 'যুদ্ধজয়ী চিকিৎসক' দ্বারা। সর্বপ্রথম ও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত এই যুদ্ধের উপর জয়লাভের ওপর। ** ফেডারেল সরকারের অগ্রাধিকারের পরিবর্তন প্রসঙ্গে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট '''''[[w:ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট|ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্টের]]''''' উক্তি (২৮ ডিসেম্বর ১৯৪৩); 'দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪৩' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ১৪০। * একজন সৎমনা উদারপন্থীও আজ নির্দ্বিধায় স্বীকার করবেন যে, একজন সাধারণ মানুষ সেই 'নিউ ডিলের' সময়ের তুলনায় [বর্তমানে] অনেক বেশি সুযোগ ও উন্নত জীবন অতিবাহিত করছেন। ** 'কমন সেন্স' নামক সাময়িকীর একজন লেখকের পর্যবেক্ষণ (সেপ্টেম্বর ১৯৪৩); 'ওয়ার অ্যান্ড সোসাইটি: দ্য ইউনাইটেড স্টেটস, ১৯৪১–১৯৪৫' (জে. বি. লিপিনকট কোং, ১৯৭২), পৃষ্ঠা ৯৩। * দেশের অভ্যন্তরে যুদ্ধকালীন মনোবলকে আরও সুদৃঢ় ও কঠোর করতে সামরিক বাহিনী এখন এক নতুন নীতি গ্রহণ করেছে; তারা এখন আলোকচিত্রের মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের দেখাতে চায় যে রণক্ষেত্রের এই ভয়াবহ যুদ্ধ সম্মুখপানে লড়াই করা বীর সেনাদের কী নিদারুণ পরিণতির দিকে ঠেলে দেয়। ** জনগণের অতি-আত্মবিশ্বাস রোধ করার লক্ষ্যে মার্কিন সেনাদের ক্ষয়ক্ষতির ছবি প্রকাশের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে 'নিউজউইক পত্রিকার' সম্পাদকদের অভিমত; সুসান ডি. মোয়েলার রচিত 'শুটিং ওয়ার: ফটোগ্রাফি অ্যান্ড দ্য আমেরিকান এক্সপেরিয়েন্স অফ কমব্যাট' (নিউ ইয়র্ক: বেসিক বুকস, ১৯৮৯), পৃষ্ঠা ২৪১। === নিজ দেশে যুদ্ধ: জাপানি-আমেরিকানদের জীবন === ==== ১৯৪২ ==== * আজ পর্যন্ত কোনো অন্তর্ঘাতমূলক ঘটনা না ঘটাটাই একটি উদ্বেগজনক এবং নিশ্চিত ইঙ্গিত যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ** পার্ল হারবারে আক্রমণের পর পশ্চিম উপকূলে বসবাসরত জাপানি অভিবাসী এবং জাপানি-আমেরিকানদের সম্পর্কে যুদ্ধ দপ্তরের একটি রিপোর্ট। ইউজিন ভি. রোস্টো রচিত "আওয়ার ওর্স্ট ওয়ারটাইম মিস্টেক", 'হার্পারস' (সেপ্টেম্বর ১৯৪৫), ১৯৬ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * আমাদের চুল বা গায়ের রং যেমনই হোক না কেন, আমাদের চোখের গড়ন যেমনই হোক না কেন, এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই ছিল আমাদের আপন মাতৃভূমি। আমার বাবা-মা আমাদের সেই সত্যটি কীভাবে বারবার স্মরণ করিয়ে দিতেন, তা আজও আমার স্মৃতিতে অমলিন। আমাদের পুরো পরিবারকে যখন জোরপূর্বক অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল, তার ঠিক আগমুহূর্তে আমার বাবা বলেছিলেন, "যা-ই ঘটুক না কেন, এই মাটিই তোমাদের চিরস্থায়ী আবাস।" ** মার্কিন পরিবহন সচিব '''''নরম্যান মিনেটার''''' স্মৃতিচারণ; যাকে শৈশবে একটি বন্দিশিবিরে (ইন্টার্নমেন্ট ক্যাম্প) নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। রবার্ট জেমস ম্যাডক্স (সম্পাদিত) 'আমেরিকান হিস্ট্রি', ৯ম সংস্করণ (গিলফোর্ড, সিটি: দুশকিন পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৮৭), খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৬৪। * ১৯৪২ সালের সেই বিষাদময় বসন্তকালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে বসবাসরত জাপানি এবং জাপানি-আমেরিকানদের আকস্মিকভাবে আটক করে দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত বিভিন্ন শিবিরে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। এভাবে ১,০০,০০০ এরও বেশি পুরুষ, নারী এবং শিশুকে তাঁদের নিজেদের ভিটেমাটি থেকে নির্বাসিত ও কারারুদ্ধ করা হয়। যাঁদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি ছিলেন জন্মসূত্রে আমেরিকার প্রকৃত নাগরিক। * সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে এই মানুষগুলোকে কেবল এই আশঙ্কায় আটক করা হয়েছিল যে, জাপানি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের কাছ থেকে গুপ্তচরবৃত্তি এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রবল ভয় রয়েছে। পশ্চিম উপকূল থেকে এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কারণ সামরিক কর্তৃপক্ষের ধারণা ছিল যে, ঘটনাস্থলে প্রত্যেকের আলাদাভাবে তদন্ত করা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ হবে। তাঁদের কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই অনির্দিষ্টকাল আটকে রাখা হয়েছিল। পুনর্বাসন কর্মকর্তাদের সৎ উদ্দেশ্য থাকা সত্ত্বেও, ওই কেন্দ্রগুলো নাৎসিদের কনসেনট্রেশন ক্যাম্প বা নির্যাতন শিবিরের চেয়ে খুব একটা উন্নত ছিল না। * যদি সেই নির্বাসিত ব্যক্তিদের 'অনুগত' হিসেবে পাওয়া যেত, তবে তাঁদের কেবল তখনই মুক্তি দেওয়া হতো যদি তাঁরা কোনো কাজ এবং থাকার জায়গা খুঁজে নিতে পারতেন। আর তা-ও হতে হতো এমন এক সমাজে যেখানে রাতের আঁধারে কোনো দুষ্কৃতকারী এসে জাপানি-বিরোধী স্লোগান লিখবে না, জানালার কাঁচ ভাঙবে না বা দাঙ্গা সৃষ্টির হুমকি দেবে না। অন্যদিকে, যুদ্ধের প্রতি তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি 'অবিশ্বস্ত' বলে প্রতীত হতো, তবে তাঁদের অনির্দিষ্টকালের জন্য শিবিরে বন্দি রাখা হতো। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (অন্তত শ্বেতাঙ্গদের জন্য) শত্রুর প্রতি কেবল সহানুভূতি পোষণ করা কোনো অপরাধ নয়, যতক্ষণ না সেটি কোনো সরাসরি নাশকতামূলক কাজে বা দৃশ্যমান হুমকিতে রূপ নেয়। ** '''''ইউজিন ভি. রোস্টো''''', "আওয়ার ওর্স্ট ওয়ারটাইম মিস্টেক", 'হার্পারস', খণ্ড ১৯১, সংখ্যা ১১৪৪ (সেপ্টেম্বর ১৯৪৫), পৃষ্ঠা ১৯৩–২০১। * সেখানে কোনো আলো, উনুন বা জানালার কাঁচ ছিল না। আমরা পরনের কাপড়সহই সেনাবাহিনীর খাটিয়ার ওপর ঘুমাতাম। ... শিবিরের চারপাশ ঘিরে থাকা সেই কাঁটাতারের বেড়া তুষারে ঢাকা সিয়েরা পর্বতমালাই যেন আমাদের বন্দিত্বের সেই ভয়াবহ পটভূমিকে আরও স্পষ্ট করে তুলত। ** ক্যালিফোর্নিয়ার মানজানার বন্দিশিবিরে জাপানি অভিবাসী ও জাপানি-আমেরিকানদের মানবেতর অবস্থা সম্পর্কে '''''কার্ল ইয়োনেডার''''' স্মৃতিচারণ; 'গানবাত্তে: সিক্সটি-ইয়ার স্ট্রাগল অফ এ কিবেই ওয়ার্কার' (ইউসিএলএ, ১৯৮৩), পৃষ্ঠা ১২৬। ==== ১৯৪৪ ==== * এতগুলো বছর পার করার পর, সারাটা জীবন কঠোর পরিশ্রম করে একটি স্বপ্নের ইমারত গড়ে তোলার পর সবকিছুই চোখের পলকে কেড়ে নেওয়া হলো.... তিনি এক বুক ভাঙা কষ্ট -হাহাকার নিয়ে মৃত্যুবরণ করলেন। ** পিটার ওটা, যাঁর পরিবারকে কলোরাডোর একটি শিবিরে বন্দি করা হয়েছিল। স্টাডস টারকেল রচিত '"দ্য গুড ওয়ার": এন ওরাল হিস্ট্রি অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু' (নিউ ইয়র্ক: প্যান্থিয়ন বুকস, ১৯৮৪), ৩২ পৃষ্ঠায় বর্ণিত। * যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি এবং অপরাধ দমনের মতো বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করার সময়, আমাদের অবশ্যই সেই সামরিক কর্তৃপক্ষের বিচারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও বিবেচনা প্রদর্শন করতে হবে যারা সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে উপস্থিত থাকেন এবং সামরিক তথ্যাদি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। তবে একই সাথে এটিও অপরিহার্য যে, সামরিক বিবেচনার একটি সুনির্দিষ্ট সীমা থাকতে হবে, বিশেষ করে যেখানে সামরিক আইন (মার্শাল ল) জারি করা হয়নি। কেবল সামরিক প্রয়োজনের দোহাই দিয়ে। যার কোনো বাস্তব ভিত্তি বা প্রমাণ নেই। একজন ব্যক্তিকে তাঁর সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ও নিঃস্ব করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ** সুপ্রিম কোর্টের সহযোগী বিচারক '''''ফ্র্যাঙ্ক মারফি'''''; তিনি 'কোরেমাতসু বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র' (৩২৩ ইউ.এস. ২১৪, ১৯৪৪) মামলায় ভিন্নমত পোষণকারী তিন বিচারকের একজন ছিলেন। উল্লেখ্য যে, আদালতের ছয় বিচারকের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ জাপানি এবং জাপানি-আমেরিকানদের বন্দি করার সামরিক সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিল। === নিজ দেশে যুদ্ধ: আফ্রিকান-আমেরিকানদের লড়াই === * আমার ব্যক্তিগত অভিমত ছিল এই যে, কৃষ্ণাঙ্গরা তাদের অসামান্য অর্জনের মাধ্যমেই বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গিকে জয় করতে পারে। যদিও সেই অর্জনগুলোকে সগৌরবে ছিনিয়ে আনতে হয়েছিল বর্ণবৈষম্যের এক চরম বিদ্বেষপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়েই।<br>এই যুদ্ধ আমাদের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল।<br>আমরা তখন আমাদের নিজস্ব একটি যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রনের মালিক ছিলাম—যা মাত্র অল্প কিছুকাল আগেও ছিল এক অকল্পনীয় অলীক কল্পনা। সেটি ছিল একান্তই আমাদের নিজেদের। তাছাড়া, আমাদের সেই সময়কার নিজস্ব সমস্যাগুলো বিশ্লেষণ করতে এবং আমাদের নিজস্ব দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সেগুলোর সমাধান খুঁজে পেতে আমরা বদ্ধপরিকর ছিলাম। ** জেনারেল '''''বেঞ্জামিন ও. ডেভিস'''''; যিনি বিমান বাহিনীর প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান জেনারেল এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বিখ্যাত টাস্কগি এয়ারমেনদের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন। * আমি জানতাম ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধের প্রতি আমার এক প্রবল আবেগ রয়েছে। কিন্তু, একটি বর্ণবৈষম্যমূলক বা পৃথকীকৃত সামরিক বাহিনীর হয়ে লড়াই করার বিষয়েও আমার মনে গভীর ক্ষোভ ছিল। আমি প্রশ্ন করি, একজন কৃষ্ণাঙ্গ যুদ্ধফেরত সৈনিক হওয়ার অনুভূতি আসলে কেমন? আপনি যদি একজন কৃষ্ণাঙ্গ ভেটেরান হন, তবে আপনি লড়াই করেছেন জার্মানিতে "ইহুদিদের প্রবেশ নিষেধ" এমন সাইনবোর্ডগুলো উপড়ে ফেলতে, অথচ নিজ দেশ আমেরিকায় ফিরে আপনি দেখতে পেলেন সেই একইরকম উদ্ধত সাইনবোর্ড,"কৃষ্ণাঙ্গদের প্রবেশ নিষেধ"। আপনি লড়াই করেছেন জার্মানি আর জাপানের ফাঁসির দড়ি আর চাবুকের দাপট মুছে দিতে, অথচ ফিরে এসে জর্জিয়া আর লুইসিয়ানায় নিজের পিঠেই সেই চাবুক আর ফাঁসির দড়িকে ফিরে পেতে! আমি আপনাদের একটি সৎ প্রশ্ন করতে চাই যে কেন আজ স্পেন আর যুগোস্লাভিয়া নিয়ে এত কথা হচ্ছে? ফিলিস্তিন আর গ্রিস নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, অথচ দক্ষিণ ক্যারোলিনার এইকেন কাউন্টি নিয়ে টুঁ শব্দটিও হচ্ছে না? ** '''''অলি হ্যারিংটনের''''' 'হোয়াই আই লেফট আমেরিকা অ্যান্ড আদার এসেস' (১৯৯৩) গ্রন্থে বর্ণিত। * এটি হলো মানুষকে মুক্ত রাখার এক মহান যুদ্ধ। স্বাধীনতার এই পথকে, আমাদের নিজেদের স্বাধীনতার পথকে—আমেরিকার বুকে আরও প্রশস্ত ও দীর্ঘায়িত করার সেই সংগ্রামটি না হয় তোলা থাকল তোলা থাকল ভবিষ্যতের জন্য। আমেরিকার অভ্যন্তরীণ এই ব্যক্তিগত লড়াইটি যে জারি থাকবে এবং শেষ পর্যন্ত আমরাই জয়ী হবো। কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে যুদ্ধে যাওয়ার পেছনে আমাদের কাছে এটিই একমাত্র প্রকৃত কারণ। আমাদের সেই লড়াইয়ের পথটি উন্মুক্ত রাখতে হবে।<br>একজন কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে আমি যে আমেরিকার ভেতরের এই অশুভ শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারছি। কেবল এই সত্যটুকুই যুদ্ধের ময়দানে লড়াই করার জন্য যথেষ্ট। যে অন্যায়কে মানুষ ঘৃণা করে, তার বিরুদ্ধে এই প্রকাশ্যে লড়াই চালিয়ে যাওয়াই হলো গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার প্রধান চিহ্ন এবং শেষ আশা। ** জে. সন্ডার্স রেডিং; 'দ্য আমেরিকান মারকারি' সাময়িকীতে প্রকাশিত “এ নিগ্রো লুকস অ্যাট দিস ওয়ার” (নভেম্বর ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৫৮৫-৫৯২। == যুদ্ধে নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত ভূমিকা == ; ১৯৪২ * দিন আর রাতগুলো ছিল এক অন্তহীন দুঃস্বপ্নের মতো, যতক্ষণ না আমাদের মনে হতো যে আমরা আর তা সহ্য করতে পারব না। শত শত রোগী প্রতিনিয়ত আসছিলেন, আর চিকিৎসক ও নার্সরা মশা-মাছি, সেই অসহ্য গরম, ধুলিকণার মধ্যে তাঁবুর নিচে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছিলেন। প্রতিদিন আমাদের কাছে প্রায় আট থেকে নয়শ পর্যন্ত রোগী আসতেন। ** '''''ইউনিস হ্যাচিট'''''; ''ফিলিপাইনের বাতানে দায়িত্বরত একজন আর্মি নার্স।'' ; ১৯৪৩ * যুদ্ধ জয়ের লক্ষ্যে অবদান রাখতে, কিছু অর্থ উপার্জন করতে এবং কোনো পেশাদার কাজ শিখতে। নারী ও পুরুষেরা গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এই শহরে অ্যালাবামার মোবাইল শহর পঙ্গপালের মতো ছুটে আসছেন। ** ''ঔপন্যাসিক '''জন ডস প্যাসোসের''' পর্যবেক্ষণ।'' ; ১৯৪৩ * আমি শিখতে একজন খুব আগ্রহী ছিলাম এবং খুব দ্রুতই আমি একজন অসামান্য রিভেটার (ধাতব পাত জোড়া দেওয়ার কারিগর) হয়ে উঠেছিলাম। রোহরে কাজ করার সময় আমি পি-৩৮ যুদ্ধবিমানের বুম ডোরগুলো রিভেটিং করতাম। এই যুদ্ধ প্রকৃতপক্ষে নারীদের জন্য এক বিশাল সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল। এটিই ছিল প্রথমবার যখন আমরা এটি প্রমাণ করার সুযোগ পেয়েছিলাম যে, আমরা এমন অনেক কাজ করতে পারি যা আগে কেবল গুটিকয়েক লোকের পক্ষেই সম্ভব বলে মনে করা হতো। ** '''''উইনোনা এসপিনোসা'''''; ''একজন বিমান নির্মাণ কর্মী।'' ; ১৯৪৩ * এমন কিছু ঘটছে যা অ্যাডলফ হিটলার বোধগম্য করতে পারছেন না। আর তা হলো আমাদের উৎপাদনের এই অবিশ্বাস্য অলৌকিক ক্ষমতা। ** ''মার্কিন শিল্পকারখানাগুলোতে বিপুল সংখ্যক বিমান, জাহাজ এবং ট্যাঙ্ক উৎপাদনের বিষয়ে 'টাইম' ম্যাগাজিনের মন্তব্য। প্রকৃতপক্ষে, জার্মান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন ক্ষমতা সম্পর্কে একদম সঠিক অনুমান করতে পেরেছিল, কিন্তু হিটলার সেই রিপোর্টটিকে অবজ্ঞা করার সিদ্ধান্ত নেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।'' ; ১৯৪৩ * কেক কাটার পরিবর্তে, এই নারী এখন বিমানের যন্ত্রাংশের নকশা কাটছেন। কেক তৈরি করার পরিবর্তে, এই নারী এখন যন্ত্রপাতির গিয়ারগুলোকে উত্তপ্ত করছেন যাতে ব্যবহারের পর সেগুলোর মধ্যকার টান বা চাপ হ্রাস পায়। ** ''একটি বিমান কারখানায় নারীদের কাজের দৃশ্য সম্বলিত একটি নিউজ ভিডিওর ধারা বর্ণনা।'' ; ১৯৪৪ * জাহাজ নির্মাণ কারখানার সেই অসহ্য ও কান ফাটানো প্রচণ্ড শব্দের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার মতো কোনো প্রশিক্ষণ আসলে আগে থেকে দেওয়া সম্ভব নয়। যাদের অন্তরাত্মা এই পরিস্থিতির সাথে লড়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নয়, তারা মুহূর্তের মধ্যেই রণভঙ্গ দিয়ে হারিয়ে যাবে। আর কেবল পেশি শক্ত করলেই চলে না, এই কাজে টিকে থাকতে হলে নিজের স্নায়ুগুলোকেও পাথরের মতো শক্ত করে গড়ে তুলতে হয়। ** ''একজন নারী জাহাজ নির্মাণ কর্মী'' । * আমার সাথে কথা বলার সময় তোমার বরং একটু বেশিই সাবধান হওয়া উচিত, কারণ আমি ইতোমধ্যেই আমার ডান হাতে বেশ বড় এক মাংসপেশি তৈরি করে ফেলেছি এবং বাম হাতটিও এখন যথেষ্ট শক্তিশালী। তাই বাপু, একটু বুঝেশুনে চলো! ** '''''মার্গারেট হুপার''' (বয়স ২০); প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরে (প্যাসিফিক ফ্লিট) দায়িত্বরত এক বন্ধুর কাছে লেখা চিঠিতে। মার্গারেট ক্যালিফোর্নিয়ার সান পেড্রোতে অবস্থিত একটি বিমান কারখানায় কাঁচামাল পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।'' * "রোজি দ্য রিভেটার" ** ''এটি ছিল যুদ্ধে নারীদের সমর্থন ও সহায়তা আদায়ের লক্ষে তৈরিকৃত একজন দৃঢ়চেতা, দেশপ্রেমী কাল্পনিক নারী কার্টুন চরিত্রের নাম, যা যুদ্ধকালীন জনমত গঠনে এক অসামান্য ভূমিকা রেখেছিল''। * সাইরেন বেজে ওঠল প্রবল শব্দে, আর মৃত্যুর হাতছানিতে বাতাস তখন হিমশীতল!<br>তবুও সেই বিশ্বস্ত ক্যাপ্টেনের নির্ভয় অটল সেই অধীর কর্মস্থল,<br>হাতের খুচরো পয়সাগুলো গুনে নিয়ে সে ক্ষিপ্র গতিতে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে যায়,<br>রাজার আজ্ঞাবহ নাবিকের মতোই এমন সাহসী অদম্য সৈনিক আর পাবে কোথায়? ** '''''এ. পি. হার্বার্ট'''''; লন্ডন ট্রান্সপোর্ট পোস্টারে প্রকাশিত "সিয়িং ইট থ্রু" কবিতা থেকে, ''বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''; ''এখানে "ক্যাপ্টেন" বলতে লন্ডনের একজন বাস কন্ডাক্ট্রেসকে বোঝানো হয়েছে।'' ; ১৯৪৫ * এটি আমার জীবনে একটি ভালো সূচনা এনে দিয়েছিল। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, যদি আমি একজন পুরুষের মতোই নিখুঁতভাবে ওয়েল্ডিং বা ঝালাইয়ের কাজ শিখতে পারি, তবে জীবনধারণের জন্য যা যা প্রয়োজন, তার সবই আমি করে যেতে পারব। ** '''''নোভা লি হলব্রুক'''; যুদ্ধকালীন কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনে কতটা অমূল্য ছিল, সে প্রসঙ্গে।'' == দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংক্রান্ত উক্তি == [[File:The British Army in the United Kingdom 1939-45 H41966.jpg|thumb|মেজর-জেনারেল জে. এফ. সি. ফুলার, ১৯২০ এর দশকে আধুনিক সাঁজোয়া যুদ্ধ কৌশলের বিকাশে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য, তিনি এই রণকৌশল ব্যবহারে ব্যর্থতাকে "পুরো যুদ্ধের সবচেয়ে বড় ভুল" হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। তিনি এমনকি এটিও আভাস দিয়েছিলেন যে যদি সঠিকভাবে সামরিক মোতায়েন করা হতো, তবে [[:w:ব্রিটিশ|ব্রিটিশ]] এবং [[:w:আমেরিকান|আমেরিকান]] ট্যাঙ্ক ডিভিশনগুলো রুশদের আগেই [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] দখল করে নিতে পারত। ~ ডেভিড হ্যাম্বলিং]] * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক শুরুর দিকে, [[:w:জাপান|জাপান]] ছিল প্রায় সাত কোটি জনসংখ্যার এক সমৃদ্ধশালী শিল্পোন্নত শক্তি। দেশটি ইতোমধ্যেই ভোক্তা পণ্যের এক প্রধান উৎপাদনকারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। কিন্তু ১৯৩০ এর দশকের শুরুর দিকে সামরিক বাহিনী নিয়ন্ত্রিত কেন্দ্রীয় সরকার ক্রমান্বয়ে বাজার অর্থনীতিকে একটি সর্বগ্রাসী [[:w:অর্থনীতি|নির্দেশিত অর্থনীতির]] বৈশিষ্ট্য দ্বারা প্রতিস্থাপন করতে শুরু করে, যার মধ্যে উৎপাদনের ওপর সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত ছিল। উৎপাদনের একটি ক্রমবর্ধমান অংশ তখন যুদ্ধ-সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলোর জন্য উৎসর্গ করা হচ্ছিল। তদুপরি, ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৬ সালের মধ্যে [[:w:বিদ্যুৎ|বিদ্যুৎ]] এবং [[:w:তেল|তেল]] শিল্পগুলোকে জাতীয়করণ করা হয় এবং ১৯৩৯ সালে চালের রেশনিং পদ্ধতি চালু করা হয়। সেই দশকের শেষ নাগাদ, জাপান সম্পূর্ণভাবে একটি যুদ্ধকালীন অর্থনীতির দ্বারা চালিত যুদ্ধের প্রস্তুতিতে লিপ্ত ছিল। ** অ্যালান অ্যাক্সেলরড; [https://books.google.com/books/about/The_Real_History_of_World_War_II.html?id=GqYWmUae5h8C&printsec=frontcover&source=kp_read_button ''দ্য রিয়েল হিস্ট্রি অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু: এ নিউ লুক অ্যাট দ্য পাস্ট''], (৬ মে ২০০৮), স্টার্লিং। পৃষ্ঠা ১৩৮-১৩৯। * সেই সমস্ত আমেরিকান, যারা ফ্রাঙ্কোর বিরুদ্ধে লড়তে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে রুখে দিতে স্পেনে গিয়েছিলেন, তাঁদের "অপরিণত ফ্যাসিবাদ-বিরোধী" (প্রিম্যাচিউর অ্যান্টি-ফ্যাসিস্ট) হিসেবে অভিহিত করায় তাঁরা কোনোদিন কিছু মনে করেননি। বরং তাঁরা এই তকমাটি বহন করতে গর্ববোধ করতেন। ** আলভা বেসি; ''<nowiki/>'মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন''' (১৯৩৯), ১৯৫৪ সালের পুনর্মুদ্রণের মুখবন্ধ। * আমাদের স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত প্রখর। আমাদের ওপর বছরের পর বছর ধরে যে অন্তহীন অপপ্রচার, কুৎসা আর ডাহা মিথ্যার আক্রমণ চালানো হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আমরা এক ধরণের আপেক্ষিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা অনাক্রম্যতা তৈরি করে ফেলেছি। বিশেষ করে, আমরা সেই 'মহা-মিথ্যা' (দ্য বিগ লাই) থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত যা একসময় স্পেনকে ধ্বংস করেছিল এবং যাকে হিটলার পূর্ণতার এমন এক চরম শিখরে নিয়ে গিয়েছিলেন যে, অক্ষশক্তির সেই বিষদাঁত ভাঙতে শেষ পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণহানির প্রয়োজন হয়েছিল। আক্ষেপের বিষয় এই যে, সেই 'মহা-মিথ্যা' আজও টিকে আছে এবং আমাদের নিজেদের দেশেই তা প্রবল প্রতাপে বিকশিত হচ্ছে। যেহেতু প্রতিটি যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিদিন, প্রতি ঘণ্টায় এমনকি প্রতি মিনিটে এটি প্রচার করা হচ্ছে, তাই আমাদের জনগণ যতক্ষণ না এর আসল রূপটি বুঝতে পারছেন এবং একে সম্পূর্ণভাবে নস্যাৎ করে দিচ্ছেন। ততক্ষণ পর্যন্ত এই মিথ্যার দাঁতভাঙা জবাব দিয়ে যাওয়া আমাদের একান্ত কর্তব্য। ** '''''আলভা বেসি'''''; ''<nowiki/>'মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন''' (১৯৩৯), ১৯৫৪ সালের পুনর্মুদ্রণের মুখবন্ধ। : যখনই আমরা শুনতে পাই যে [[:w:সাম্যবাদ|সাম্যবাদ]] আমাদের ভেতর এবং বাহির থেকে হুমকির মুখে ফেলছে। যখনই আমাদের বলা হয় যে সোভিয়েত ইউনিয়ন আমাদের জীবনযাত্রার ধরনকে বিপন্ন করছে এবং বিশ্ব জয় করতে চায়। যখনই আমাদের এমন এক 'পবিত্র ধর্মযুদ্ধে' (হলি [[ক্রুসেড]]) যোগ দিতে আহ্বান জানানো হয়, যা শুরু হলে সমগ্র পৃথিবীকে ছারখার করে দেবে। ঠিক তখনই আমরা ইতিহাসের কিছু সহজ ও অমোঘ সত্য স্মরণ করিঃ :সাম্যবাদের হুমকির দোহাই দিয়ে মুসোলিনি ইতালিতে বিদ্যমান গণতন্ত্রের টুঁটি চেপে ধরেছিলেন; :একই অস্ত্র ব্যবহার করে হিটলার জার্মান ভেইমার প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করেছিলেন; :একই তত্ত্ব কাজে লাগিয়ে হিদেকি তোজো জাপানের সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেঙে চুরমার করেছিলেন। :তথাকথিত '''"'''লাল সন্ত্রাসীর'''"''' (কমিউনিস্ট জুজু) নামে [[:w:দ্বিতীয় স্পেনীয় প্রজাতন্ত্র|স্পেনীয় দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রকে]] হত্যা করেছিলেন ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো; :বিশ্বকে সাম্যবাদ (কমিউনিজম) থেকে রক্ষার সস্তা স্লোগান দিয়েই শেষ পর্যন্ত অক্ষশক্তি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দাবানল জ্বালিয়েছিল। ** '''''আলভা বেসি'''''; ''<nowiki/>'মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন''' (১৯৩৯), ১৯৫৪ সালের পুনর্মুদ্রণের মুখবন্ধ। * বিস্ময়কর ভাবে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রণকৌশল মূলত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর সহকারী সচিব হিসেবে প্রেসিডেন্ট [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের]] অর্জিত অভিজ্ঞতারই এক প্রতিফলন। সেই সময়টিই তাঁকে শিখিয়েছিল কীভাবে যান্ত্রিক শক্তির প্রচণ্ড আঘাতে শত্রুকে পর্যুদস্ত করা যায় এবং পদাতিক বা স্থলযুদ্ধের ঝুঁকিগুলো কতটা ভয়াবহ হতে পারে। ১৯১৮ সালে যখন তিনি সম্মুখ সমর পরিদর্শনের জন্য [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্সে]] গিয়েছিলেন, তখন যুদ্ধক্ষেত্রের সেই বীভৎস দৃশ্য তাঁকে চরমভাবে ব্যথিত করেছিল। সৈন্যদের বসবাসের সেই ঘিঞ্জি পরিবেশ এবং ডায়েরিতে লেখা তাঁর নিজের ভাষায় "মৃত ঘোড়ার উৎকট গন্ধ" তাঁর সংবেদনশীল নৌ নাসিকাকে আঘাত করেছিল। ফলস্বরূপ, তিনি স্থলযুদ্ধের পরিবর্তে রসদ সরবরাহ এবং যুদ্ধ সরঞ্জামের ওপর বেশি মনোযোগী হয়েছিলেন: যেমন ট্রেনের কামরায় করে বিশাল নৌ-কামানগুলো স্থলপথে নিয়ে গিয়ে [[:w:জার্মানি|জার্মান]] বাহিনীকে নাস্তানাবুদ করা কিংবা বিমান ও বোমা প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতির জন্য চাপ দেওয়া। মিত্রপক্ষের জাহাজগুলোকে ঝুঁকির মুখে না ফেলে পুরো [[:w:উত্তর সাগর|উত্তর সাগর]] জুড়ে মাইন বিছিয়ে দিয়ে জার্মান ইউ-বোট আক্রমণ নস্যাৎ করার একটি পরিকল্পনাও তিনি ত্বরান্বিত করেছিলেন (যদিও যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ায় সেই পরিকল্পনাটি তখন পুরোপুরি সম্পন্ন করা যায়নি)। এই সময়েই রুজভেল্ট [[:w:ব্রিটেন|ব্রিটেন]] এবং ফ্রান্সের মতো বিশ্বস্ত আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করার গুরুত্ব অনুধাবন করেছিলেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, আধুনিক যুদ্ধে জয়লাভের চাবিকাঠি হলো শক্তিশালী জোট গঠন।<br>অনেক [[:w:আমেরিকান|আমেরিকানদের]] মতো রুজভেল্ট প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর [[w:বিচ্ছিন্নতাবাদ|বিচ্ছিন্নতাবাদী]] হয়ে পড়েননি। তিনি জানতেন যে উগ্র [[:w:একনায়কতন্ত্র|একনায়কতান্ত্রিক]] শাসন ব্যবস্থাকে অবশ্যই রুখতে হবে এবং তিনি বিশ্বাস করতেন যে উন্নত [[:w:যন্ত্র|যন্ত্রপাতি]] এবং মজবুত মিত্রজোটের মাধ্যমেই আমেরিকা তার স্বার্থ রক্ষা করতে পারবে। তিনি এই দুটি ধারণার প্রতি এতটাই অনুগত ছিলেন যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেন এবং [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়নকে|সোভিয়েত ইউনিয়নকে]] কোনো প্রতিদান ছাড়াই বিশাল পরিমাণ সাহায্য প্রদান করেছিলেন। রুজভেল্ট মনে করতেন, মার্কিন মিত্রদের শক্তিশালী করে তোলা এবং তাদের দিয়েই স্থলযুদ্ধের অধিকাংশ লড়াই করানোই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। এই দূরদর্শী কৌশলই শেষ পর্যন্ত একজন যুদ্ধকালীন [[:w:নেতা|নেতা]] হিসেবে তাঁকে ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাফল্য এনে দিয়েছিল। ** ফিলিপস পেসন ও'ব্রায়েন; [https://www.theatlantic.com/ideas/archive/2024/08/president-personal-preference-defines-national-interest/679642/ “দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ইজ হোয়াট দ্য প্রেসিডেন্ট সেজ ইট ইজ”], ''<nowiki/>'দি আটলান্টিক''<nowiki/>', (২৯ আগস্ট ২০২৪)। * এটি হতে পারত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সবচেয়ে আলোচিত এক হারিয়ে যাওয়া [[:w:অস্ত্র|অস্ত্র]]। মেজর-জেনারেল জে. এফ. সি. ফুলার, ১৯২০ সালের দশকে আধুনিক সাঁজোয়া যুদ্ধের রণকৌশল প্রবর্তনে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য, তিনি এই অস্ত্রের ব্যবহারে ব্যর্থতাকে "পুরো যুদ্ধের সবচেয়ে বড় ভুল" হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। তিনি এমনকি এটিও দাবি করেছিলেন যে, যদি এই অস্ত্রটি সঠিকভাবে মোতায়েন করা হতো, তবে [[:w:ব্রিটিশ|ব্রিটিশ]] এবং আমেরিকান ট্যাঙ্ক ডিভিশনগুলো রুশদের আগেই [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] দখল করে নিতে পারত। ** জে. এফ. সি. ফুলারের উক্তি; ডেভিড হ্যাম্বলিং রচিত [https://www.wired.com/2008/05/wwii-strobe-t-1/ "সিক্রেট স্ট্রোবলাইট ওয়েপনস অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু"], '''ওয়ার্ড''<nowiki/>', ২২ অক্টোবর ২০১২ তারিখে উদ্ধৃত। * আমি সেখানে তখন উপস্থিত ছিলাম। ** '''''উইলিয়াম ডি. লেহির''''' , ''<nowiki/>'আই ওয়াজ দেয়ার''' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ১। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, অন্তত ইউরোপীয় রণাঙ্গনের ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও নৈতিক ন্যায্যতা থাকতে পারে; যদিও আমেরিকার নিজের স্বাধীনতা বা অস্তিত্ব আদৌ কখনও হুমকির মুখে পড়েছিল কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট যৌক্তিক বিতর্কের অবকাশ রয়েছে। তবুও, যে সমস্ত আমেরিকান এই যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের অনেকেই নিজেদের এই সংগ্রামকে মহৎ উদ্দেশ্য বলে মনে করতেন; তাই আমরা অন্তত পরিষ্কার বিবেক নিয়ে তাঁদের এই মৃত্যুকে সম্মান জানাতে পারি। ** '''''ডেভ ডি লিনডর্ফ'''''; ''[https://www.counterpunch.org/2010/05/31/the-glorification-of-war/ “দ্য গ্লোরিফিকেশন অফ ওয়ার”],'' 'কাউন্টারপাঞ্চ', (৩১ মে ২০১০)। * প্রথম বিশ্বযুদ্ধের তুলনায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, যা মূলত 'হিটলারের যুদ্ধ' হিসেবে পরিচিত। ছিল এক প্রায়-সার্বজনীন অভিজ্ঞতা। এটি দীর্ঘকাল স্থায়ী হয়েছিল। বিশেষ করে [[:w:ব্রিটেন|ব্রিটেন]] এবং [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] মতো দেশগুলোর জন্য, যারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধের সাথে জড়িত ছিল, তাদের ক্ষেত্রে এই সময়কাল ছিল প্রায় ছয় বছর। [[w:চেকোস্লোভাকিয়া|চেকোস্লোভাকিয়ায়]] এটার সূচনা হয়েছিল আরও আগে, ১৯৩৮ সালের অক্টোবরে নাৎসিদের সুডেটেনল্যান্ড দখলের মধ্য দিয়ে। অন্যদিকে, [[:w:পূর্ব ইউরোপ|পূর্ব ইউরোপ]] এবং [[:w:বলকান অঞ্চল|বলকান অঞ্চলে]] হিটলারের পরাজয়ের মাধ্যমেও এই সংঘাত শেষ হয়নি; কারণ সোভিয়েত সেনাবাহিনী কর্তৃক দখল এবং গৃহযুদ্ধ জার্মানি ব্যবচ্ছেদের অনেক পর পর্যন্তও সেখানে অব্যাহত ছিল। ** '''''টোনি জাট'''''; ''<nowiki/>'পোস্টওয়ার: এ হিস্ট্রি অফ ইউরোপ সিন্স ১৯৪৫''' (২০০৫), অধ্যায় ১: দ্য লিগ্যাসি অফ ওয়ার। * যে বিশ্বযুদ্ধ হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে তার নৃশংসতম পরিণতির মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছিল, তা মূলত পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী এবং শক্তিশালী দেশগুলোর মধ্যেই সংগঠিত হয়েছিল। তাঁদের সভ্যতা পৃথিবীকে বড় বড় শহর আর চমৎকার শিল্পকলা উপহার দিয়েছিল। তাঁদের চিন্তাবিদগণ ন্যায়বিচার, সম্প্রীতি আর সত্যের মতো উন্নত ধারণাগুলো বিকশিত করেছিলেন। তবুও, এই যুদ্ধটি আধিপত্য বিস্তার বা বিজয়ের সেই আদিম প্রবৃত্তি থেকেই জন্ম নিয়েছিল। যা একসময় সাধারণ আদিবাসী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যেও সংঘাতের সৃষ্টি করত। এটি ছিল এমন এক পুরনো ধরন বা বিন্যাস যা নতুন সক্ষমতার মাধ্যমে বহুগুণ শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল এবং যেখানে কোনো আধুনিক বা নতুন বাধা ছিল না। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৬ কোটি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল।<br>পুরুষ, নারী আর শিশুরা, যারা আমাদের চেয়ে মোটেও আলাদা ছিল না। তাঁদের গুলি করে, পিটিয়ে, বন্দি করে, বোমায় উড়িয়ে, কারাগারে নিক্ষেপ করে, অনাহারে রেখে এবং বিষাক্ত গ্যাসে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছিল। ** '''''[[w:বারাক_ওবামা|বারাক ওবামা]]'''''; [https://obamawhitehouse.archives.gov/the-press-office/2016/05/27/remarks-president-obama-and-prime-minister-abe-japan-hiroshima-peace “হিরোশিমা পিস মেমোরিয়ালে প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে-র বক্তব্য”]; হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল, হিরোশিমা, জাপান, (২৭ মে ২০১৬)। * সারা বিশ্বে এমন অনেক স্থান রয়েছে যা এই যুদ্ধের ইতিহাসকে ধারণ করে আছে। স্মৃতিস্তম্ভগুলো বীরত্ব ও সাহসিকতার গল্প বলে। আবার সমাধি এবং পরিত্যক্ত বন্দি শিবিরগুলো অবর্ণনীয় পৈশাচিকতার প্রতিধ্বনি তুলে ধরে। তবুও, এই আকাশজুড়ে যে পারমাণবিক মাশরুম মেঘ বা ছাতা সদৃশ ধোঁয়ার কুণ্ডলী তৈরি হয়েছিল, তা আমাদের মানবজাতির মূল অন্তর্দ্বন্দ্বের কথা সবচেয়ে রূঢ়ভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়। একটি প্রজাতি হিসেবে যা আমাদের অনন্য করে তোলে আমাদের চিন্তা, কল্পনা, ভাষা, যন্ত্র তৈরির দক্ষতা, প্রকৃতি থেকে নিজেকে আলাদা করার ক্ষমতা এবং প্রকৃতিকে নিজের ইচ্ছামতো পরিচালিত করার শক্তি। সেই একই বৈশিষ্ট্যগুলো আমাদের এমন অকল্পনীয় ধ্বংসযজ্ঞের সক্ষমতাও দান করে যার কোনো তুলনা হয় না। ** '''''[[w:বারাক_ওবামা|বারাক ওবামা]]'''''; [https://obamawhitehouse.archives.gov/the-press-office/2016/05/27/remarks-president-obama-and-prime-minister-abe-japan-hiroshima-peace “হিরোশিমা পিস মেমোরিয়ালে প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবের বক্তব্য”]; হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল, হিরোশিমা, জাপান, (২৭ মে ২০১৬)। * যুদ্ধের শেষলগ্নে, [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নের]] জনগণের প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখে। ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] আগ্রাসনে ২ কোটি ৭০ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, পিটিয়ে মারা হয়েছে, অনাহারে রাখা হয়েছে অথবা জোরপূর্বক শ্রমের অমানুষিক চাপে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১ কোটি ৪০ লাখই ছিলেন নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিক। এই যুদ্ধে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের জনগণের চেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি আর কাউকে সইতে হয়নি। তবুও, এই কোটি কোটি মানুষের আত্মত্যাগ আমাদের সামষ্টিক স্মৃতিতে ততটা গভীরভাবে খোদাই করা নেই—যতটা তাঁদের ভোগান্তি এবং আমাদের দায়বদ্ধতা দাবি করে। এই যুদ্ধটি ছিল এক জঘন্য অপরাধ—আগ্রাসন এবং নির্মূল করার এক পৈশাচিক ও অপরাধমূলক যুদ্ধ। ** '''''ফ্রাঙ্ক-ওয়াল্টার স্টেইনমায়ার'''''; [https://www.bundespraesident.de/SharedDocs/Reden/EN/Frank-Walter-Steinmeier/Reden/2021/210618-Invasion-SovietUnion.html সোভিয়েত ইউনিয়নে জার্মানির আক্রমণের বার্ষিকী উপলক্ষে প্রদত্ত ভাষণ] (১৮ জুন ২০২১)। === আর্নেস্ট কিং এবং ওয়াল্টার এম. হোয়াইটহিল, ''<nowiki/>'ফ্লিট অ্যাডমিরাল কিং: এ নাভাল রেকর্ড''' (১৯৫২) === * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের ডুবে যাওয়া ১০,৫৮৩,৭৫৫ টন নৌ ও বাণিজ্যিক জাহাজের মধ্যে ৯,৭৩৬,০৬৮ টন জাহাজই ডুবিয়েছিল মার্কিন বাহিনী; যার মধ্যে কেবল মার্কিন সাবমেরিনগুলোই ৫,৩২০,০৯৪ টন জাহাজের সলিলসমাধি ঘটিয়েছিল। আটলান্টিকে জার্মান ইউ-বোটগুলো মিত্রশক্তির জাহাজ চলাচলের সাথে যা করছিল, আমাদের সাবমেরিনগুলো প্রশান্ত মহাসাগরে জাপানিদের সাথে ঠিক তাই করছিল। তবে পার্থক্য ছিল এই যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প শক্তি ছিল প্রায় অসীম, যেখানে জাপানের তা ছিল না। ১৯৪২ সালের শেষ মাসগুলো পর্যন্ত জার্মান সাবমেরিনগুলো মিত্রশক্তির মোট জাহাজের পরিমাণ ক্রমাগত হ্রাস করে চলেছিল, কিন্তু পরবর্তীতে সাবমেরিন-বিরোধী ব্যবস্থার উন্নত কার্যকারিতা এবং আমেরিকান ও ব্রিটিশ শিপইয়ার্ডগুলোর অভাবনীয় উৎপাদনের ফলে মিত্রশক্তির জাহাজের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকে। যদিও ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে জার্মান ইউ-বোটগুলো মিত্রশক্তির প্রায় ২৩,৩৫১,০০০ টন জাহাজ ডুবিয়েছিল, কিন্তু একই সময়ে নতুন জাহাজ নির্মাণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ৪২,৪৮৫,০০০ টনে। ফলে আটলান্টিকে শেষ পর্যন্ত ১৯,১৩৪,০০০ টন জাহাজের নিট লাভ দেখা যায়। জাপানিদের ক্ষয়ক্ষতি যেহেতু নতুন জাহাজ নির্মাণের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব হয়নি, তাই তাঁদের ক্ষতিগুলো ছিল অপূরণীয় ও চূড়ান্ত। এভাবে একদিকে আমাদের সাবমেরিনগুলো যখন প্রশান্ত মহাসাগরে শত্রুদের যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং রসদ সরবরাহের উৎসগুলোকে দুর্বল করে দিচ্ছিল, অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প উৎপাদন ক্ষমতা তখন তাঁদের বিজিত অঞ্চলগুলোর ওপর তাঁদের কর্তৃত্বকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছিল। ** পৃষ্ঠা ৫৩০ * ১৯৪৪ সালের শেষ সাত মাস ইউরোপ এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় রণাঙ্গন উভয় ক্ষেত্রেই এক অবিশ্বাস্য অগ্রগতির সাক্ষী ছিল। বহু প্রতীক্ষিত নরমান্ডি আক্রমণ সংঘটিত হয়েছিল। মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জ আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং আমরা অত্যন্ত আশাবাদী সময়সূচীর অনেক আগেই ফিলিপাইনে ফিরে গিয়েছিলাম। ফিলিপাইন সাগরের যুদ্ধ এবং লেয়ত উপসাগরের যুদ্ধে জাপানি নৌবহরের এক বিশাল অংশ চিরতরে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল এবং অবশিষ্ট অংশ দীর্ঘ সময়ের জন্য অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। যদিও যুদ্ধ জয়ের লক্ষ্য তখনও অনেক দূরে ছিল, তবুও পৃথিবীর উভয় প্রান্তেই সংঘাতটি অন্তত তার চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে ধাবিত হচ্ছিল। ** পৃষ্ঠা ৫৮২ * কিং, লেহি, নিমিৎস এবং সাধারণ নৌ-কর্মকর্তাদের কাছে সবসময়ই এটি মনে হয়েছে যে, জাপানের মূল ভূখণ্ডে পদাতিক সৈন্য পাঠিয়ে সরাসরি আক্রমণের প্রয়োজন ছাড়াই কেবল সমুদ্র এবং আকাশশক্তির মাধ্যমেই জাপানের পরাজয় নিশ্চিত করা সম্ভব। ১৯৪২, ১৯৪৩ এবং ১৯৪৪ সালে, যখন অধিকাংশ মিত্র রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের মনোযোগ ইউরোপের ওপর নিবদ্ধ ছিল এবং জাপানের সাথে যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব মূলত কিংয়ের ওপর ন্যস্ত ছিল, তখন প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধ মূলত এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই পরিচালিত হয়েছিল। ইউরোপে বিজয় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে সেই সব মানুষের মনোযোগও প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে নিবদ্ধ হয় যারা আগে এই যুদ্ধের সমস্যাগুলো নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন ছিলেন না। [[:w:তেহরান|তেহরান]] কনফারেন্সের সময় থেকেই জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সোভিয়েত হস্তক্ষেপের একটি রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করছিল এবং সেনাবাহিনী নিশ্চিত ছিল যে স্থল সৈন্যের ব্যবহার অনিবার্য হবে। মার্শালের জোরালো দাবির প্রেক্ষিতে (যা ম্যাকআর্থারের দৃষ্টিভঙ্গিরও প্রতিফলন ছিল), জয়েন্ট চিফরা কিউশু এবং শেষ পর্যন্ত টোকিও সমতলে অবতরণের পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন। কিং এবং লেহি এই ধারণাটি পছন্দ করেননি। তবে জয়েন্ট চিফদের বৈঠকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রয়োজনে তাঁরা অনিচ্ছাসত্ত্বেও এতে সম্মতি দেন। যদিও তাঁদের মনে মনে এই বিশ্বাস ছিল যে,শেষ পর্যন্ত নৌ-শক্তিই জাপানের পরাজয় নিশ্চিত করবে এবং বাস্তবেও তা-ই প্রমাণিত হয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ৫৯৮ * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অ্যাডমিরাল কিংকে তাঁর আরেকটি দীর্ঘদিনের বিশ্বাস কাজে লাগানোর সুযোগ করে দিয়েছিল। নেপোলিয়নিক যুদ্ধের ওপর তাঁর প্রাথমিক পড়াশোনা থেকে তিনি বুঝেছিলেন যে সেই আমলের ফরাসি সামরিক ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল প্রতিটি ছোটখাটো বিষয়ে স্বয়ং নেপোলিয়নের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানের প্রয়োজনীয়তা। কিংয়ের বিপরীত নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন; তিনি মনে করতেন অধীনস্থদের স্বাধীনভাবে কাজ করার জন্য প্রস্তুত করা উচিত। অ্যাডমিরাল মেয়োর সাথে দীর্ঘদিনের সাহচর্যে তাঁর এই বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কিং কৌতুক করে বলতেন যে, তিনি "অন্যকে দিয়ে করানো যায় এমন কোনো কাজ নিজে না করে" সুস্থ ও সচল আছেন। কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বলতে গেলে। অধীনস্থ কমান্ডারদের হাতে ক্ষমতার এই বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া তিনি যুদ্ধের ওই চার বছর টিকে থাকতে পারতেন না। ওই কমান্ডারদের ততক্ষণ পর্যন্ত যোগ্য বলে বিবেচনা করা হতো যতক্ষণ না তাঁরা নিজেদের অযোগ্য প্রমাণ করছেন এবং তাঁদের কাছ থেকে আশা করা হতো যে তাঁরা নিজেদের বিচারবুদ্ধি অনুযায়ী চিন্তা করবেন, সিদ্ধান্ত নেবেন এবং কাজ করবেন। প্রশান্ত মহাসাগরে নিমিৎস, ওয়াশিংটনে এডওয়ার্ডস, কুক এবং হর্ন, আটলান্টিকে ইঙ্গারসোল, লন্ডনে স্টার্ক এবং সমুদ্রে হ্যালসি, স্প্রুয়েন্স, কিনকাইড, হিউইট ও ইনগ্রামের মতো আরও অনেক ফ্ল্যাগ অফিসারের ওপর কিং গভীর আস্থা রেখেছিলেন এবং তাঁরা তাঁকে হতাশ করেননি। ** পৃষ্ঠা ৬৪৫ === জেমস বি. রেস্টন, ''প্রিলিউড টু ভিক্টরি'' (১৯৪২) === * যখন আমি শুনি যে মানুষ 'ফোর ফ্রিডমস' বা চারটি স্বাধীনতা নিয়ে উপহাস করছে এবং ভাবছে যে যুদ্ধ আসলে আদৌ কোনো কিছুর সমাধান করে কি না, তখন আমি অবাক হই। আমরা কি আজও এই যুদ্ধের বৈপ্লবিক প্রকৃতি বুঝতে পেরেছি? আমরা কি আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপকে এই পরীক্ষায় ফেলছি যে, এটি কি যুদ্ধ জয়ে সাহায্য করবে? আমাদের সামনে থাকা কাজের বিশালতা সম্পর্কে কি আমরা স্পষ্ট? আমরা কি উপলব্ধি করতে পারছি এই লড়াইয়ের বাজি কতটা বড়? ** পৃষ্ঠা ২৪ * আমরা এই সত্যগুলোকে স্বতঃসিদ্ধ বলে ধরে নিই যে সকল মানুষ সমানভাবে সৃষ্টি হয়েছে; তাদের স্রষ্টা তাদের কিছু সহজাত ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার প্রদান করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে জীবন, স্বাধীনতা এবং সুখ অন্বেষণের অধিকার।" এই দর্শনের চেয়ে বড় কোনো বৈপরীত্য কি সর্বগ্রাসী রাষ্ট্রগুলোর মৌলিক দর্শনের সাথে হতে পারে? এই রাষ্ট্রগুলো অনুচ্ছেদটির একটি সত্যকেও স্বীকার করে না। তারা অত্যন্ত জোরালোভাবে এগুলো অস্বীকার করে এবং তারা তরবারি হাতে তুলে নিয়েছে এটি প্রমাণ করতে যে, সকল মানুষ সমানভাবে সৃষ্টি হয়নি। বরং তারা মনে করে, তারা 'উন্নত জাতি' বা মাস্টার রেসেস এবং নিম্নতর মানুষদের শাসন ও নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার ও দায়িত্ব কেবল তাদেরই। তারা মানুষের কোনো "অবিচ্ছেদ্য অধিকারে" বিশ্বাস করে না। কেবল অস্ত্র ধারণ করা এবং 'ঈশ্বর-তুল্য রাষ্ট্র' বা গড-স্টেটের ইচ্ছা পূরণ করা ছাড়া। তারা মানুষকে কেবল তার স্বাধীনতা বা সুখ অন্বেষণ থেকেই বঞ্চিত করে না, বরং তার জীবনকেও তুচ্ছ জ্ঞান করে। ** পৃষ্ঠা ২৪-২৫ * স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে আরও বলা হয়েছেঃ "এই অধিকারগুলো নিশ্চিত করার লক্ষে মানুষের মধ্যে সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, যা শাসিতদের সম্মতির ভিত্তিতে তাদের ন্যায্য ক্ষমতা লাভ করে। যখনই কোনো শাসনব্যবস্থা এই লক্ষ্যগুলো ধ্বংস করতে উদ্যত হয়, তখনই জনগণের অধিকার থাকে সেই সরকারকে পরিবর্তন বা বিলুপ্ত করার এবং নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা করার। যার ভিত্তি হবে এমন সব মূলনীতি এবং যার ক্ষমতার বিন্যাস হবে এমন এক রূপে, যা জনগণের নিরাপত্তা ও সুখ নিশ্চিত করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে হবে।" এটি স্পষ্টতই সর্বগ্রাসী বিশ্বাসের সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর এক দর্শন। সেই সব একনায়কতান্ত্রিক সরকারগুলো তাদের জনগণের ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়নি। নাৎসি, জাপানি সামরিক জান্তা কিংবা ইতালির ফ্যাসিবাদীরা, কেউ-ই "শাসিতদের সম্মতির ভিত্তিতে তাদের ন্যায্য ক্ষমতা" লাভ করেনি। তাদের কনসেনট্রেশন ক্যাম্প এবং গণকবরগুলো এমন সব মানুষের লাশে পূর্ণ যারা বিদ্যমান শাসনব্যবস্থাকে পরিবর্তন বা বিলুপ্ত করা তো দূরের কথা, কেবল সমালোচনা করার দুঃসাহস দেখিয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ২৫ * আমরা যখন "আমাদের জীবনযাত্রার ধরন" তথা ''আওয়ার ওয়ে অফ লাইফ'' নিয়ে কথা বলি, তখন মূলত এই বিষয়গুলোই বোঝাতে চাই। আর এই যুদ্ধে ঠিক এই জিনিসগুলোই আজ চরম ঝুঁকির মুখে। কারণ জার্মানরা প্রতিটি গণতান্ত্রিক এবং [[:w:খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টীয়]] আদর্শকে অস্বীকার করেছে যা আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এবং এই মহান প্রজাতন্ত্রে সংরক্ষিত ও বিকশিত। গ্রিকরা আমাদের দিয়েছিল বৌদ্ধিক উদারতাবাদের ধারণা, [[:w:প্লেটো|প্লেটো]] দিয়েছিলেন যুক্তিবোধের ধারণা; অথচ নাৎসিরা তাদের বেঁচে থাকার অধিকারটুকুও স্বীকার করে না। যিশু আমাদের শিখিয়েছেন প্রেম ও দয়ার মতবাদ, কিন্তু জার্মানরা [[:w:যিশু|যিশুকে]] একজন ইহুদি হিসেবে তুচ্ছজ্ঞান করে এবং প্রেম ও দয়াকে নিয়ে বিদ্রূপ করে। ফরাসিরা ''স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের'' স্লোগানের মাধ্যমে গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের বিশ্বাসকে সুদৃঢ় করেছিল। অথচ জার্মানরা একে একটি ভণ্ডামিভরা স্লোগান হিসেবে প্রত্যাখ্যান করে। যেমনটি হিটলারের সহচর হ্যান্স ফন বুলো বলেছিলেন যে, এই স্লোগানকে তাদের "পদাতিক, অশ্বারোহী এবং গোলন্দাজ বাহিনীর প্রুশীয় বাস্তবতা" দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। রোমান এবং ব্রিটিশরা আমাদের শিখিয়েছিল "আইনের শাসন এবং চুক্তির পবিত্রতা"। আর এই মৌলিক গুণাবলি সম্পর্কে সর্বগ্রাসী একনায়ক শাসকরা কী ধারণা পোষণ করে, তা আমরা বহু বছর ধরেই জানি। আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই সকল সম্মানজনক আদর্শকে এক যোগ্য আবাস দিয়েছি এবং বিশ্বকে প্রমাণ করেছি যে, মুক্ত মনের নির্ভীক মানুষরা যখন সত্যের অন্বেষণ করে এবং ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে, তখন তারা কী অসামান্য অর্জন করতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * তবে আমাদের বুঝতে হবে যে, এই অর্জনগুলো কোনো চিরস্থায়ী বিষয় নয়। গণতন্ত্র কোনো পারিবারিক উত্তরাধিকার নয় যে একবার লাভ করলেই তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে গবর্নর উইনথ্রপ ডেস্কের মতো অবলীলায় হস্তান্তর করা যাবে। এটি "জীবনের মতোই এক সম্পদ যা প্রতিটি প্রজন্মকে নতুন করে অর্জন বা ক্রয় করতে হয়।" সহানুভূতি, যুক্তি এবং প্রকৃত গণতন্ত্র রাতারাতি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। নরওয়ের মতো এটি কোনো বিজেতা বা দখলদার দ্বারা ধ্বংস হতে পারে। আবার ফ্রান্সের মতো আমাদের নিজেদের স্বার্থপরতার কারণেও এটি আমাদের হাতছাড়া হতে পারে। প্রতিটি আমলা যারা সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে। প্রতিটি সংবাদপত্র প্রকাশক যারা ইচ্ছাকৃতভাবে সত্যকে গোপন, বিকৃত বা খাটো করে দেখায়। প্রতিটি কাণ্ডজ্ঞানহীন নাগরিক যারা নিজেদের কুসংস্কারকে লালন করে এবং অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি সহানুভূতি দিয়ে শুনতে অস্বীকার করে। তাদের প্রত্যেকের জানা উচিত যে, তারা প্রকৃতপক্ষে সেই আদর্শগুলোকেই বিপন্ন করছে যার জন্য আমরা লড়াই করছি। প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে এর আগে কখনো এই সত্যটি বোঝা এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেনি। কারণ যুদ্ধের সময় এই নীতিগুলো প্রায়শই ওপরমহলে একদল কর্মকর্তার মাধ্যমে হুমকির মুখে পড়ে যারা আমাদের জানার স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চায় এবং তৃণমূল পর্যায়ে এমন কিছু মানুষের দ্বারা যারা শত্রুর সামনে দাঁড়িয়েও নিজেদের কুসংস্কার বা গোষ্ঠীগত স্বার্থ ত্যাগ করতে পারে না। ** পৃষ্ঠা ৩৫–৩৬ * আমার মনে হয় এই সমস্যার মূল কারণ নিহিত রয়েছে সামরিক পরিস্থিতির মধ্যে। আমরা এই নজিরবিহীন দুঃসংবাদের মিছিল মোটেও পছন্দ করছি না; সারা বিশ্বে এভাবে কোণঠাসা হওয়াটাও আমাদের ভালো লাগছে না; তাই আমরা তিক্ততার সাথে প্রায় সব কিছু নিয়ে অভিযোগ করছি। কিন্তু ব্রিটিশরা কি এটি পছন্দ করছে? কিংবা রুশ, চীনা বা ডাচরা - যাদের আমাদের চেয়েও অনেক বেশি ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে? আমাদের মিত্রদের প্রতিকূল সমালোচনা আমাদের সামরিক পরিস্থিতির কোনো উন্নতি ঘটাবে না। সিঙ্গাপুরের পতন নিয়ে এখন অভিযোগ করে কোনো লাভ নেই; সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেছে। রাজা তৃতীয় জর্জ, বা গত বিশ্বযুদ্ধ, বা যুদ্ধের ঋণ, কিংবা হোয়াইটহল থেকে পাঠানো কিছু কর্মকর্তার অদ্ভুত বাচনভঙ্গি ও আচার-ব্যবহার নিয়ে পড়ে থাকাটা হবে আরও বেশি নিরর্থক। আমি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে পার্ল হারবার নিয়ে কোনো নেতিবাচক সমালোচনা দেখিনি (আমরা কী বলতাম যদি আলেকজান্দ্রিয়া বা জিব্রাল্টার বা স্কেপা ফ্লোতে তাদের এভাবে অপ্রস্তুত অবস্থায় ধরা হতো?); আমি ব্রিটিশ হাউজ অফ কমন্সে আমাদের নৌ-বিন্যাস বা আমাদের সেনাদলের আকার নিয়ে কোনো আক্রমণাত্মক কথা শুনিনি। ব্রিটিশদের অপ্রস্তুত অবস্থা নিয়ে বছরের পর বছর আমাদের সমালোচনা সত্ত্বেও, আমরা যে যুদ্ধের জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না—তা নিয়ে তাদের মধ্যে খুব কমই অভিযোগ দেখেছি। ** পৃষ্ঠা ১৬২–১৬৩ * তাহলে এখানে এত সমালোচনা কেন? আমরা এই যুদ্ধে কারো উপকার করছি না। এটি কোনো বীরত্ব প্রদর্শনের নিছক মহড়া নয়। রুশ এবং ব্রিটিশরা আমাদের জন্য ঠিক ততটাই করছে যতটা আমরা তাদের জন্য করছি। তাদের আমাদের অস্ত্র এবং সৈন্য প্রয়োজন। আর এই যুদ্ধে জয়ী হতে হলে আমাদের তাদের সাহায্য অত্যন্ত মরিয়াভাবে প্রয়োজন। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে যারা সবচেয়ে বেশি অভিযোগ করছে, তাদের কথা শুনলে আজ হয়তো আমাদের কোনো মিত্রই থাকত না। আমরা যদি চীন, [[:w:নেদারল্যান্ডস ইস্ট ইন্ডিজ|নেদারল্যান্ডস ইস্ট ইন্ডিজ]] (অথবা ডাচ ইস্ট ইন্ডিজ) এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ধ্বংসের বিষয়ে জাপানিদের সাথে হাত মেলাতে না চাইতাম, তবে আমাদের অবশ্যই পার্ল হারবারে আক্রান্ত হতে হতো। ৭ই ডিসেম্বরে আমাদের সামনে কেবল একটিই সম্মানজনক পথ খোলা ছিল এবং আমরা সেটিই বেছে নিয়েছি। আর এখন আমাদের সামনে কেবল একটিই সম্মানজনক পথ খোলা আছে—হয় সহায়ক হওয়া, নয়তো চুপ থাকা। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমি প্রায়ই শুনে এসেছি যে, ইউরোপের বিজিত জনগণ যদি আমাদের গণতন্ত্রকে তার বর্তমান রূপে পছন্দ না করে, তবে তারা জাহান্নামে যেতে পারে। এটা একান্তই সত্য যে, আমাদের অধিকাংশের কাছেই সেই পুরোনো জীবনটাই খুব আরামদায়ক ছিল এবং আমরা সেই স্বাভাবিকতায়-ই ফিরে যেতে চাই যা তা তৈরি করেছিল; কিন্তু... আমরা নিজেদের জীবন বাঁচাতে গিয়ে সেই স্বাভাবিকতাকে ধ্বংস করে ফেলেছি এবং এখন আর তাতে ফিরে যেতে পারি না, ঠিক যেমন আমরা ১৯৪৩ সালকে ১৯৩৮ সালে ফিরিয়ে আনতে পারব না। তেমনি, ইউরোপের বিজিত জনগণ যদি আমাদের গণতন্ত্রকে পছন্দ না করে, তবে আমরা তাদের জাহান্নামে যেতেও বলতে পারি না, কারণ আমাদেরকে তাদের সহায়তা প্রয়োজন এবং যুদ্ধের ইতি টানার আগেই তা অত্যন্ত জরুরত হয়ে পড়বে, আর সেটা পাওয়ার জন্য আমাদেরকে তাদের মন থেকে সন্দেহের উদ্রেক দূরীভূত করতে হবে। এর অর্থ হলো, আমেরিকার জনগণকে সামনের দিকেই তাকাতে হবে, পিছনের দিকে নয়। এর অর্থ হলো, আমাদের প্রমাণ করতে হবে যে আমাদের গণতন্ত্র আমাদের শত্রুদের স্বৈরাচারী মতবাদের মতোই কার্যকর। এর অর্থ হলো, আমাদের গণতন্ত্রকে তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ীই কাজ করাতে হবে। [[:w:আব্রাহাম লিঙ্কন|আব্রাহাম লিঙ্কন]] বলেছিলেন, "অধিকাংশ সরকারই মানুষের সমান অধিকার অস্বীকার করার উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে; আমাদের সরকার সেই অধিকারগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমেই সূচনা করেছিল। আমরা পরীক্ষাটি চালিয়েছিলাম, এবং তার ফলাফল তো আমাদের একদম সামনেই রয়েছে। এর দিকে তাকান—এ নিয়ে চিন্তা করে দেখুন।" লিঙ্কনের গণতন্ত্র মুর্দা নয়। এটি তার বিপ্লবী উদ্দীপনা হারায়নি। বিশ্ববাসীর কাছে এর আবেদনও হারায়নি। আমাদের কাজ হলো এটাই প্রমাণ করা যে, আমরা সত্যিই এতে বিশ্বাস করি। ** পৃষ্ঠা ২১৪–২১৫ * এই দেশের বহু মানুষ আটলান্টিক চার্টারকে আর গুরুত্বই দেয় না। তারা মনে করে, এটি রুজভেল্ট ও চার্চিলের ১৯৪১ সালের সমুদ্রসফরের প্রচারণার জন্য বানানো এক ধরনের ভেলকিবাজি। তারা এটিকে এর আসল রূপে দেখে না: এটি মূলত মানবাধিকারের একটি সম্প্রসারণ এবং এই জাতির উদ্দেশ্য পূরণের পথে আরেকটি যৌক্তিক পদক্ষেপ। আটলান্টিক চার্টার এবং আমাদের উদ্দেশ্য বিবৃত করার অন্য সকল প্রচেষ্টাকে অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখলে চলবে না। কারণ, এই ঘোষণাপত্রগুলোর পেছনে যদি জনগণের চেতনাই না থাকে, তবে সেগুলোর কোনো প্রকৃত মূল্য থাকবে না। দেশপ্রেমের সারমর্ম হলো আমেরিকার নীতিগুলোতে বিশ্বাস করা। আপনি হয় এই প্রজাতন্ত্রের পেছনের সমতাভিত্তিক ধারণায় বিশ্বাস করেন, অথবা করেন না। আপনি হয় লিংকনের "জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা এবং জনগণের জন্য" এতে বিশ্বাস করেন, অথবা করেন না। আপনি হয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং সঠিকতায় বিশ্বাস করেন, অথবা করেন না। যদি তা করেন, তবে এই বিশ্বের বিপ্লবী চেতনার প্রতি আমাদের মিবেদন শ্রবণ করা যাবে, কিন্তু যদি তা না করেন, তবে বিশ্বের এই সমস্ত আটলান্টিক সনদও বিজিত জাতিগুলোকে এমন সব নীতির জন্য লড়াই করতে অনুপ্রাণিত করতে পারবে না, যেগুলোর কথা আমরা ঘোষণা করি কিন্তু অনুসরণ করি না। ** পৃষ্ঠা ২১৫-২১৬ {{Misattributed begin}} == ভুলভাবে আরোপিত উক্তি == * আমাদের কাছে আরও জাপানি পাঠাও! ** মিডিয়ার মাধ্যমে এই উক্তিটি লেফটেন্যান্ট কর্নেল জেমস পি. এস. ডেভোরোর ওপর আরোপ করা হয়েছিল, যখন তিনি ওয়েক দ্বীপের যুদ্ধে লড়ছিলেন। পল এফ. বোলার জুনিয়র এবং জন জর্জ রচিত 'দে নেভার সেইড ইট: এ বুক অফ ফেইক কোটস, মিসকোটস, অ্যান্ড মিসলিডিং অ্যাট্রিবিউশনস' (১৯৮৯), ২০ পৃষ্ঠাতে এটি বর্ণিত হয়েছে। ডেভোরো নিজে এই ধরণের কোনো উক্তি করার কথা অস্বীকার করে বলেছিলেন, "আমি এই ধরণের কোনো বার্তা পাঠাইনি। যতদূর আমি জানি, এমন কোনো বার্তা আদৌ পাঠানো হয়নি। আমাদের মধ্যে কেউ এমন আহম্মক ছিল না যে এইসব কথা বলবে। সেখানে আমাদের সামলানোর সামর্থ্যের চেয়েও অনেক বেশি জাপানি ছিল।" {{Misattributed end}} == আরও দেখুন == * [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]] * [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] * [[:w:পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] * [[:w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্র]] == বহিঃসংযোগ == * {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.fallen.io/ww2/ দ্য ফলেন অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু] — যুদ্ধের প্রাণহানি ও পরিসংখ্যানের আধুনিক ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন প্রজেক্ট। * [https://avalon.law.yale.edu/subject_menus/wwii.asp দ্য অ্যাভালন প্রজেক্ট (ইয়েল ল স্কুল)] - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দাপ্তরিক নথিপত্র ও কূটনৈতিক পত্রাবলির ডিজিটাল আর্কাইভ। * [https://www.americanrhetoric.com/speeches/phildavidsonWWII75thanniversary.htm আমেরিকান রেটরিক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ] - যুদ্ধের বিখ্যাত সব বক্তৃতাসমূহের অডিও এবং পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি। * [https://artsandculture.google.com/project/second-world-war গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ] - উচ্চ গুণসম্পন্ন নথিসমূহ, আলোকচিত্র এবং ভার্চুয়াল মিউজিয়াম ট্যুর। * [https://www.worldwar2.org.uk/ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ মেমোরিয়াল আর্কাইভ] - আধুনিক ডিজিটাল ইন্টারফেসে সাজানো যুদ্ধের উক্তি ও ঘটনার সংকলন। * [https://www.theatlantic.com/photo/categories/world-war-ii/ দি আটলান্টিস আর্কাইভ] - যুদ্ধের অডিও এবং ধারাবাহিকতার একটি আধুনিক অনলাইন ল্যাব। * [https://ww2db.com/ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু ডাটাবেজ (WW2DB) ] - ঐতিহাসিক ঘটনা, ব্যক্তি এবং যুদ্ধকালীন উক্তির একটি কালানুক্রমিক সংগ্রহশালা। * [https://www.iwm.org.uk/collections ইম্পেরিয়াল ওয়ার মিউজিয়াম কালেকশন] - সৈনিকদের ব্যক্তিগত ডায়েরি, চিঠি এবং বিরল আলোকচিত্রের ভাণ্ডার। * [https://encyclopedia.ushmm.org/ দ্য হলোকাস্ট এনসাইক্লোপিডিয়া] - হলোকাস্ট বা ইহুদি গণহত্যা এবং নাৎসি জার্মানির মানবিক বিপর্যয় সংক্রান্ত প্রামাণ্য দলিল ও জবানবন্দি। * [https://search.archives.gov/search?query=2nd+world+war&submit=&utf8=&affiliate=national-archives মার্কিন জাতীয় আর্কাইভ] - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক দলিলসমূহ। [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বযুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] 31ds2v0c87uut8osidwwa7fe45d0yoe 83862 83861 2026-07-03T11:15:28Z Oindrojalik Watch 4169 /* বহিঃসংযোগ */ 83862 wikitext text/x-wiki [[File:WW2 collage.jpg|thumb| [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] আলোকচিত্রের একটি কোলাজ।]] '''[[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]]''' ('''WWII''' অথবা '''WW2'''), যা '''দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ''' নামেও পরিচিত, ছিল ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৬ বছর ধরে স্থায়ী এক বৈশ্বিক যুদ্ধ। এতে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ, সবকটি মহাশক্তিসহ—জড়িত ছিল এবং তারা [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তি|মিত্রপক্ষ]] ও [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তি|অক্ষশক্তি]] নামক দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী [[:w:সামরিক জোট|সামরিক জোটে]] বিভক্ত হয়েছিল। এটি ছিল একটি সর্বাত্মক যুদ্ধ, যেখানে ৩০টিরও বেশি দেশের ১০ কোটিরও বেশি সামরিক সদস্য সরাসরি অংশ নেয়। প্রধান অংশগ্রহণকারী দেশগুলো তাদের সমগ্র অর্থনৈতিক, শিল্প এবং বৈজ্ঞানিক সক্ষমতাকে যুদ্ধ প্রচেষ্টায় নিয়োজিত করেছিল, যা বেসামরিক ও সামরিক সম্পদের মধ্যকার পার্থক্যকে মুছে দিয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত, যার ফলে ৭ থেকে ৮.৫ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়, যেখানে সামরিক বাহিনীর চেয়ে বেসামরিক নাগরিক নিহতের সংখ্যা ছিল অনেক বেশি। [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] (যার মধ্যে [[w:ইহুদি_গণহত্যা|ইহুদি গণহত্যা]] অন্তর্ভুক্ত), সুপরিকল্পিত [[w:দুর্ভিক্ষ|দুর্ভিক্ষ]] এবং মহামারীর কারণে কোটি কোটি মানুষ প্রাণ হারায়। এই সংঘাতে [[:w:দ্বিতীয়_বিশ্বযুদ্ধ#যুদ্ধ_শুরু|বিমানবাহিনী বড় ভূমিকা পালন করে]], যার মধ্যে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় কৌশলগত বোমাবর্ষণ এবং যুদ্ধে একমাত্র [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্রের]] ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত ছিল। == যুদ্ধের সূত্রপাত == === ১৯৩৩ === * ''Du bist nichts; dein Volk ist alles.'' * ''তুমি কিছুই নও; তোমার জনগণই তোমার সবকিছু।'' ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', ''রেডেন, শ্রিফ্টেন, আনোর্ডনুঙেন: ফেব্রুয়ারি ১৯২৫ থেকে জানুয়ারি ১৯৩৩'' (পৃষ্ঠা ৪০৩) === ১৯৩৬ === * '''আজ এটি আমাদের ওপর দিয়ে যাচ্ছে। আগামীকাল এটি তোমাদের ওপর দিয়ে যাবে।''' ** '''''প্রথম হাইলি সেলাসি''''', দ্বিতীয় ইতালি-অ্যাবিসিনিয়া যুদ্ধের সমাপ্তির পর; ''টাইম'' ম্যাগাজিনের [https://web.archive.org/web/20090615032515/http://www.time.com/time/magazine/article/0,9171,917777,00.html?iid=chix-sphere "দ্য লায়ন ইজ ফ্রিড"] নিবন্ধে উদ্ধৃত (৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫) === ১৯৩৮ === * আমরা উত্তরোত্তর এটিই অনুভব করছিলাম যে সমগ্র ইউরোপীয় পরিস্থিতির একটি বাস্তব সমাধানই কেবল স্পেনকে রক্ষা করতে সমর্থ হতে পারে, যদি প্রকৃতপক্ষে স্পেনকে রক্ষা করার মতো কোনো সুযোগ বা সম্ভাবনা অবশিষ্ট থেকে থাকে। লিওন ব্লুমের নেতৃত্বাধীন সরকার অন্ততপক্ষে ফরাসি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে স্পেনের বিদ্যমান গুরুত্বটুকু আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে নিয়েছিল। তবে দালাদিয়ে গোষ্ঠী কেবল তাদের নিজস্ব দেশীয় ঘরানার ফ্যাসিবাদীদের সাথেই জোটবদ্ধ হয়নি, বরং তারা বিদেশি চক্রের সাথেও অত্যন্ত নিবিড়ভাবে হাত মিলিয়েছিল; যেখানে জাতীয় পরিচয়ের তুলনায় শ্রেণীগত পরিচয়ই তাদের নিকট অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ ও মুখ্য হিসেবে পরিগণিত হয়েছিল। ফ্রান্স কেন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না—এটি তখন একটি সাধারণ ও গতানুগতিক বুলিতে পরিণত হয়েছিল। হিটলার এবং তার সহযোগীরা যদি স্পেনের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে তবে ফ্রান্স যে তিনটি ভিন্ন দিক থেকে কৌশলগতভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে, তা ফরাসি শাসকরা হয় লক্ষ্য করতে সমর্থ হয়নি অথবা তারা এই পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন ছিল। ফরাসি সাধারণ জনগণ মনে-প্রাণে আমাদের আদর্শের সাথে যুক্ত ছিল; তারা হাজার হাজার উপযুক্ত সন্তান এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদানের মাধ্যমে আমাদের সহায়তা করেছিল; কিন্তু ফ্রান্সের তৎকালীন শাসকরা ছিল আমাদের অবস্থানের সম্পূর্ণ প্রতিকূলে। তাদের মনে ফ্যাসিবাদীদের প্রতি কোনো প্রকার বিদ্বেষ ছিল না, কারণ আদর্শগতভাবে তারা নিজেরাও ছিল ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার অনুসারী। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৮০ * লোকজন বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট থেকে [[:w:স্পেন|স্পেনে]] গমন করেছিলেন, তবে সেখানে আমার সাক্ষাৎ হওয়া প্রায় প্রত্যেকটি মানুষের অন্তরালে একটি সাধারণ অস্থিরতা এবং একপ্রকার একাকীত্ব বিদ্যমান ছিল। সম্মুখ সমরে এই মানুষগুলো শৃঙ্খলিত বিবেকপ্রসূত এক চরম মরিয়াভাব নিয়ে অত্যন্ত ক্ষিপ্রতার সাথে যুদ্ধ পরিচালনা করতেন; কিন্তু ব্যক্তিগত আলাপচারিতার মুহূর্তে তাদের মধ্যে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি সত্তার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা যেত। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৮১-১৮২ * হিটলার এবং মুসোলিনি কখনোই তাদের প্রেরিত সেই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীকে ফিরিয়ে নেওয়ার সামর্থ্য রাখতেন না, যাদের সদস্য সংখ্যা আমাদের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি ছিল। এর পাশাপাশি এটি অস্বীকার করার আর কোনো অবকাশ ছিল না যে, ব্রিটিশ সরকার আসলে স্পেনকে সম্পূর্ণ শ্বাসরোধ করার প্রচেষ্টায় ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলোর এক নিভৃত ও নীরব অংশীদার হিসেবে অবস্থান করছিল; এবং আমরা বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম বিস্ময়কর ও চরম নির্লজ্জ ভণ্ডামির এক নজিরবিহীন প্রদর্শনী প্রত্যক্ষ করছিলাম। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৯২-১৯৩ * তারা বিশ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে শুরু করেছিল, সব এমনভাবে মিশে গিয়েছিল যে তারা কী করছিল তা বোঝা যাচ্ছিল না। তাদের প্রপেলারের তীব্র শব্দ আমাদের কানে এমনভাবে আসছিল যেন তারা ঠিক আমাদের মাথার ওপরেই আছে। একে একে তিনটি বিমান অগ্নিশিখায় পরিণত হয়ে নিচে পড়ে গেল, আর হঠাৎ করেই বসন্তের ফুলের মতো দুটি [[w:প্যারাশুট|প্যারাশুট]] আকাশে ফুটে উঠল এবং ধীরে ধীরে নিচে নামতে লাগল। স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল যে মানুষগুলো তাদের প্যারাশুটগুলো যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে রশিগুলো ধরে প্রবলভাবে টানছে এবং পেন্ডুলামের ন্যায় এদিক-ওদিক দুলছে, আর ঠিক সেই মুহূর্তে ফ্যাসিবাদীদের যুদ্ধবিমানগুলো তাদের দিকে তীব্র গতিতে ধাবিত হয়ে মেশিনগান দিয়ে গুলিবর্ষণের চেষ্টা করছিল। "জারজগুলো!" অ্যারন তীব্র ক্ষোভের সাথে বলে উঠল। "ওদের কর্মকাণ্ড একবার দেখো, কুলাঙ্গারের দল!" আমাদের পক্ষীয় দুটি বিমান তখন অবতরণরত সেই পাইলটদের সুরক্ষা প্রদানের নিমিত্তে তাদের চারপাশ দিয়ে ধীরে ধীরে বৃত্তাকারে চক্কর দিচ্ছিল। অ্যারন পুনরায় মন্তব্য করল, "এটি প্রকৃতপক্ষেই এক নরকতুল্য যুদ্ধ।" ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ২৬৯ * কুয়াশা থাকার অর্থ ছিল কোনো বিমানের উপস্থিতি না থাকা, যার ফলে আমরা বিশ্রাম গ্রহণ করতে পারতাম। গতকাল তারা সারাদিনব্যাপী সক্রিয় ছিল; তারা আমাদের পশ্চাৎভাগের পিনেল, আমাদের ডানদিকের করবেরা ও গ্যানদেসা অভিমুখী সড়ক এবং মোরা ও আমাদের যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বোমাবর্ষণ পরিচালনা করছিল। আমরা পাহাড়ের চূড়া থেকে তাদের দেখতে পাচ্ছিলাম, তারা এক ভয়াবহ সারিতে অত্যন্ত ধীরগতিতে এই ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে চক্কর দিচ্ছিল এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে বিশাল বর্গাকার এলাকা জুড়ে সামনে-পেছনে ও ওপর-নিচে তাদের বীজ বপন করছিল; যার ফলে দীর্ঘ সময় বায়ুমণ্ডল ধোঁয়া ও ধুলোয় পূর্ণ ছিল এবং বিস্ফোরণের নিরন্তর শব্দে প্রকম্পিত হচ্ছিল।<br>আমাদের 'পম-পম' গানগুলো তাদের লক্ষ্য করে অত্যন্ত করুণভাবে গুলি ছুড়ছিল। এটি মূলত একটি দীর্ঘ ও হালকা ধরণের বিমান বিধ্বংসী বন্দুক যা বেশ কার্যকর ছিল, কিন্তু আমাদের কাছে এগুলো সংখ্যায় এতই সামান্য ছিল যে তারা এগুলোর প্রতি বিন্দুমাত্র মনোযোগ প্রদান করেনি। পঁচাত্তরটি বিমান আমাদের সেই নগণ্য গোলাগুলির মধ্য দিয়ে অত্যন্ত বিরক্তিকর স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে উড়ে যাচ্ছিল; কিন্তু যখন আমাদের পক্ষীয় দশটি বিমান আবির্ভূত হতো তখন তাদের এমন এক অগ্নিবলয়ের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হতো যা শত শত একর আকাশকে কালো করে ফেলত।<br>এটি ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক, আর এই পরিস্থিতির জন্য আপনি [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্সকে]] ধন্যবাদ দিতে পারেন; আপনি ধন্যবাদ দিতে পারেন [[:w:যুক্তরাজ্য|ইংল্যান্ড]] এবং তার 'হস্তক্ষেপহীনতা কমিটিকে'; আপনি ধন্যবাদ দিতে পারেন [[:w:ইতালি|ইতালি]] ও [[:w:জার্মানি|জার্মানিকে]] এবং পরিশেষে আপনি বিশেষভাবে ধন্যবাদ দিতে পারেন [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] ও তার 'নিরপেক্ষতা' আইনকে, যা ফ্রাঙ্কোর নিকট হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে ইতালি ও জার্মানিতে মার্কিন নির্মিত যুদ্ধাস্ত্র বিক্রির অনুমতি প্রদান করেছিল। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ২৮২-২৮৩ * ইউরোপ থেকে ভেসে আসা সংবাদগুলো পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিকতর শোচনীয় ছিল; [[:w:যুক্তরাজ্য|ইংল্যান্ড]] এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]] [[:w:চেকোস্লোভাকিয়া|চেকোস্লোভাকিয়াকে]] খণ্ডবিখণ্ড করার বিষয়ে একমত হয়েছিল এবং দেশটির নিকট সমঝোতার একটি 'পরিকল্পনা' পেশ করেছিল। এই পরিকল্পনাটি ছিল চরম পর্যায়ের নীতিভ্রষ্ট: এতে সুডেটেন অঞ্চলগুলোর সরাসরি হস্তান্তর, বৃহৎ [[:w:জার্মানি|জার্মান]] জনসংখ্যা অধ্যুষিত অন্যান্য অঞ্চলগুলোর [[:w:স্বায়ত্তশাসন|স্বায়ত্তশাসন]], অন্য পরাশক্তিগুলোর মধ্যে বড় ধরণের সংঘাতের ক্ষেত্রে চেকোস্লোভাকিয়ার 'নিরপেক্ষকরণ', এবং ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] ও [[:w:ইতালি|ইতালির]] পক্ষ থেকে দেশটির সীমান্ত রক্ষার প্রথাগত 'নিশ্চয়তা' অন্তর্ভুক্ত ছিল। খুনিরাই মৃতদেহকে সম্মান জানানোর নিশ্চয়তা দিচ্ছিল!<br>আমরা বিশ্বাস করেছিলাম যে বর্তমান চেক সরকার এই শর্তগুলো কখনোই গ্রহণ করবে না। তাদের নিকট ছিল একটি শ্রেষ্ঠ সেনাবাহিনী; তাদের জনগণ বছরের পর বছর প্রকৃত [[:w:গণতন্ত্র|গণতন্ত্রের]] স্বাদ গ্রহণ করেছিল। তাদের ছিল একটি সমৃদ্ধ সমরাস্ত্র শিল্প যা যে কাউকেই ঈর্ষান্বিত করতে পারত (অনেকে করতও)। আর তাই আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম যে ফ্রান্স তার পূর্বের প্রতিশ্রুতিগুলো রক্ষা করবে এবং ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের জনগণের তীব্র ক্ষোভ তাদের নিজ নিজ মন্ত্রিসভার পতন ঘটাবে। কিন্তু আমাদের ধারণা ভুল ছিল। ** '''''আলভাহ বেসি''''', ''মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ৩৩৬-৩৩৭ * এভাবে লাঠি থেকে গাজর, সব ধরনের কৌশল অবলম্বন করে, শীর্ণকায় অস্ট্রিয়ান গাধাটিকে দিয়ে [[:w:নাৎসিবাদ|নাৎসি]] ঠেলাগাড়িটিকে এক ক্রমাগত খাড়া পাহাড়ের দিকে টেনে নেওয়া হচ্ছে। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "দ্য রেপ অফ অস্ট্রিয়া" পত্র (৬ জুলাই, ১৯৩৮); চার্চিলের ''স্টেপ বাই স্টেপ, ১৯৩৬-১৯৩৯'' (১৯৩৯) গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত, পৃষ্ঠা ২৬২ * অসংখ্য আক্রমণকারী সৈন্য কেবল পৈশাচিক ধর্ষণের মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ না রেখে তারা নারীদের পেট পর্যন্ত চিরে ফেলত, তাদের স্তনগুলো কেটে ফেলত এবং অনেককে জীবন্ত অবস্থায় দেয়ালের সাথে পেরেক দিয়ে গেঁথে ফেলেছিল! পরিবারের অন্য সদস্যদের চোখের সামনেই পিতাদেরকে বাধ্য করা হয়েছে তাদের নিজ কন্যাদের উপর পাশবিকতা চালাতে এবং একইভাবে পুত্রদের বাধ্য করা হয়েছে তাদের মায়েদের ধর্ষণ করতে । কেবল মানুষকে জীবন্ত মাটি চাপা দিয়ে কবর দেওয়া, খোজা করা, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নৃশংসভাবে কেটে নেওয়া এবং শুধু জ্যান্ত মানুষকে নির্মমভাবে পুড়িয়ে মারাটাই তাদের দৈনন্দিন রুটিনে পরিণত হয়নি, বরং সেখানে এর চেয়েও অনেক বেশি পৈশাচিক ও অবর্ণনীয় নির্যাতন চালানো হয়েছিল। যেমনঃ অসহায় মানুষের জিহ্বায় ধারালো লোহার হুক গেঁথে তাদের নির্মমভাবে ঝুলিয়ে রাখা কিংবা কোমর পর্যন্ত মাটির গভীরে পুঁতে দিয়ে হিংস্র [[w:জার্মান শেফার্ড|জার্মান শেফার্ড কুকুর]] লেলিয়ে দিয়ে তাদের শরীর জীবন্ত ছিঁড়ে খেতে দেখা। এই দৃশ্যগুলো এতটাই বীভৎস ও অবর্ণনীয় ছিল যে শহরের মধ্যে অবস্থানরত নাৎসি কর্মকর্তারাও শেষ পর্যন্ত চরমভাবে আতঙ্কিত ও স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিল। ** '''''আইরিস চ্যাং''''', ''দ্য রেপ অফ নানকিং'' (১৯৯৭); অরভিল শেল কর্তৃক পর্যালোচিত, [https://www.nytimes.com/books/97/12/14/reviews/971214.14schellt.html "বেয়ারিং উইটনেস"], ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৭) * আমাদের সময়ের শান্তি। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', হেস্টন বিমানবন্দরে দেওয়া ভাষণ (৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৮); বিবিসির "অন দিস ডে" সিরিজের অন্তর্ভুক্ত [http://news.bbc.co.uk/onthisday/hi/dates/stories/september/30/newsid_3115000/3115476.stm ১৯৩৮: "পিস ফর আওয়ার টাইম"] * আমি বিশ্বাস করি যে উভয় পক্ষের মধ্যেই আন্তরিকতা এবং সদিচ্ছা রয়েছে। আমার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ইউরোপের শান্তিকামীতার জন্য কাজ করা... চেকোস্লোভাকিয়ার প্রশ্নটি ছিল সর্বশেষ এবং সম্ভবত সবচেয়ে বিপজ্জনক সমস্যা। এখন যেহেতু আমরা এটি পেরিয়ে এসেছি, আমি অনুভব করছি যে সুস্থিরতার পথে আরও অগ্রগামী হওয়া সম্ভব সম্ভব হতে পারে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', মিউনিখ সম্মেলনে (৩ অক্টোবর, ১৯৩৮) তার কর্মকাণ্ডের (চেকোস্লোভাকিয়ার জার্মানভাষী অঞ্চলগুলো জার্মানিকে দিয়ে দেওয়া সহ) সপক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', খণ্ড ৮৮, সংখ্যা ২৯৪৭৩ (৪ অক্টোবর, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৪ * এটি কতখানি ভয়াবহ, অবিশ্বাস্য এবং একটি অকল্পনীয় একটি বিষয় যে, আমাদের এই আপন ভূমিতে দূর দেশের এমন কিছু মানুষের মধ্যেকার এক বিবাদের কারণে খন্দক খনন করতে হচ্ছে এবং শ্বাসরোধকারী গ্যাস মাস্ক পরিধান করে প্রত্যক্ষ করতে হচ্ছে, বলতে গেলে আমরা তাদের ব্যাপারে কিছুই জানিনা।<br>এটি ভাবতেও আরও অনেক বেশি অসম্ভব ও অবাস্তব বলে মনে হয় যে, একটি বিবাদ যা কি না ইতিমধ্যেই নীতিগতভাবে প্রায় মিমাংসা হয়ে গিয়েছে, তা শেষ পর্যন্ত আমাদের জন্য যুদ্ধের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', লন্ডনে দেওয়া জাতীয় বেতার ভাষণ (২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৮); চেম্বারলেনের ''ইন সার্চ অফ পিস'' (১৯৩৯) গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত, পৃষ্ঠা ১৭৪। তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। * নিঃসন্দেহে অনেক মানুষ আন্তরিকভাবেই এটি বিশ্বাস করেন যে, তারা কেবল চেকোস্লোভাকিয়ার স্বার্থগুলোই বিসর্জন দিচ্ছেন। অথচ আমার আশঙ্কা হলো, আমরা অচিরেই দেখতে পাব যে আমরা [[:w:যুক্তরাজ্য|গ্রেট ব্রিটেন]] এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] নিরাপত্তা ও এমনকি স্বাধীনতাকে গভীরভাবে আপস করে ফেলেছি এবং সম্ভবত এক মারাত্মক বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছি।<br>আমি পূর্বানুমান করছি এবং ভবিষ্যদ্বাণী করছি যে, এই নতিস্বীকারের নীতি অদূর ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে বাকস্বাধীনতা ও বিতর্কের ওপর, জনসভার মঞ্চগুলোতে এবং সংবাদপত্রের মুক্ত আলোচনার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ বয়ে আনবে। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', হিটলারের প্রতি প্রধানমন্ত্রী চেম্বারলেনের তোষণ নীতির কড়া সমালোচনা করে ব্রিটিশ [[:w:যুক্তরাজ্যের সংসদ|পার্লামেন্টে]] দেওয়া ভাষণ; র‍্যান্ডলফ এস. চার্চিল সম্পাদিত ''ইনটু ব্যাটেল'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৫০ * কী এক হযবরল অবস্থা! আমাদের শত্রুরা যদি জানত যে আমরা সব কিছুকে কতটা তালগোল পাকিয়ে ফেলেছি! বেনেৎস লড়াই না করে এক মস্ত বড় বোকামি করেছেন! ** '''''ভাল্টার ফন রাইখেনাউ''''', চেকোস্লোভাকিয়ার সুডেটেনল্যান্ড অঞ্চলটি জার্মানিতে অন্তর্ভুক্ত করার পর কার্লসব্যাডের পার্ক হোটেলে (৩ অক্টোবর, ১৯৩৮); লিওনার্ড মোসলে রচিত ''অন বরোড টাইম: হাউ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু বিগান'' (১৯৬৪), পৃষ্ঠা ৭৮ গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ১৯৩৯ === * আমেরিকার সীমান্ত আজ [[:w:রাইন নদী|রাইন নদীর]] তীরে অবস্থিত। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]]''''', হোয়াইট হাউসে সামরিক বিষয়ক সিনেট কমিটির এক নির্বাহী অধিবেশনে (৩১ জানুয়ারি, ১৯৩৯) তাঁর প্রতি আরোপিত উক্তি; হুইটনি এইচ শেপার্ডসন এবং উইলিয়াম ও স্ক্রগস রচিত ''দ্য ইউনাইটেড স্টেটস ইন ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স'' (১৯৪০) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০৪। এই মন্তব্যের প্রতিবেদন মার্কিন বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং জার্মান সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল, অন্যদিকে ব্রিটিশ ও ফরাসিদের মনে এটি সাহসের সঞ্চার করেছিল। রুজভেল্ট এই মন্তব্যটিকে জোরালোভাবে অস্বীকার করেন এবং ৩ ফেব্রুয়ারির এক সংবাদ সম্মেলনে এটিকে একটি "ইচ্ছাকৃত মিথ্যা" বলে অভিহিত করেন। ''দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট'', ১৯৩৯' (১৯৪১), পৃ. ১১৩. প্রতিনিধি জন এ. মার্টিন সামরিক বিমান নির্মাণ সংক্রান্ত একটি আলোচনার সময় হাউসে তাঁর মন্তব্যে এই বিষয়টি উল্লেখ করেন: "রাষ্ট্রপতির একটি কথিত ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়ে একটি তুমুল বিতর্ক চলছে যে আমেরিকার সীমান্ত রাইন নদীর তীরে অবস্থিত। তিনি একথা বলুন বা না বলুন, আমেরিকার সীমান্ত রাইন নদীর তীরে এবং তার বাইরেও ছিল। একটি আমেরিকান সেনাবাহিনী জার্মানির মাটিতে পা রেখেছে। আমেরিকার সীমান্ত ইউরোপ, আফ্রিকা এবং এশিয়ার উপকূলে ছিল, যখন সেই উপকূলগুলো আজকের তুলনায় আমাদের থেকে অনেক বেশি দূরে ছিল"। ''কংগ্রেসনাল রেকর্ড'' (ফেব্রুয়ারি ১৪, ১৯৩৯), খণ্ড ৮৪, পৃষ্ঠা ১৩৯৪। * এটি সম্পূর্ণ অসত্য যে আমি, অথবা জার্মানির অন্য কেউ ১৯৩৯ সালে একটি যুদ্ধ চেয়েছিল। এই যুদ্ধটি কেবলমাত্র সেইসব আন্তর্জাতিক রাজনীতিবিদদের দ্বারা কাঙ্ক্ষিত এবং প্ররোচিত ছিল যারা হয় ইহুদি বংশোদ্ভূত ছিল, অথবা ইহুদিদের স্বার্থের জন্য কাজ করত... তিনি জার্মান জাতির অভিজাত শ্রেণীকে জানিয়েছিলেন 'সকল মানুষের বিশ্ব-বিষকার, আন্তর্জাতিক ইহুদিতন্ত্রের, বিরুদ্ধে নির্মম প্রতিরোধ গড়ে তুলতে'। ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', এইচ. আর. ট্রেভর-রোপার রচিত ''দ্য লাস্ট ডেইজ অফ হিটলার'', লন্ডন (১৯৫০) গ্রন্থে উদ্ধৃত। * [[:w:এনরিকো ফের্মি|ই. ফের্মি]] এবং [[:w:লিও জিলার্ড|এল. জিলার্ডের]] পরিচালিত সাম্প্রতিক কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও পাণ্ডুলিপি... আমাকে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে এই প্রত্যাশা করতে উদ্বুদ্ধ করেছে যে, অতি অদূর ভবিষ্যতে [[:w:ইউরেনিয়াম|ইউরেনিয়াম]] মৌলটি এক অভাবনীয় শক্তির নতুন এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রধান উৎসে পরিণত হতে পারে। উদ্ভূত বর্তমান পরিস্থিতির কিছু অত্যন্ত সংবেদনশীল দিক এখন বিশেষ সতর্কতার দাবি রাখে এবং প্রয়োজনবোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন বলে আমি গভীরভাবে মনে করি...।<br>বিগত মাত্র চার মাসের নিরবচ্ছিন্ন গবেষণার ফলে এখন এটি পুরোপুরি সম্ভবপর হয়ে উঠেছে যে, ইউরেনিয়ামের একটি নির্দিষ্ট ও বিশাল ভরের অভ্যন্তরে একটি নিয়ন্ত্রিত নিউক্লীয় শৃঙ্খল বিক্রিয়া বা চেইন রিঅ্যাকশন সফলভাবে তৈরি করা যেতে পারে, যার অভাবনীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বিধ্বংসী শক্তি উৎপন্ন হবে। বর্তমানে এখন এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রায় নিশ্চিত যে অদূর ভবিষ্যতে এই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা পুরোপুরি সম্ভব হবে।<br>এই অভাবনীয় নতুন বৈজ্ঞানিক ঘটনাটি অত্যন্ত শক্তিশালী মারণাস্ত্র বা বোমা তৈরির প্রশস্ত পথও উন্মোচন করতে পারে এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে এমনটি ভাবা যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত বলে প্রতীয়মান হয়। যদিও বর্তমানে কিছুটা কম নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে যে, এই নির্দিষ্ট প্রযুক্তির সাহায্যে বাস্তবে একটি নতুন ধরণের অভাবনীয় ও অত্যন্ত শক্তিশালী বোমা তৈরি করা পুরোপুরি সম্ভব কি না। এই ধরণের একটিমাত্র বিধ্বংসী বোমা, যা কোনো সাধারণ নৌকায় করে কৌশলগত কোনো বন্দরে নিয়ে গিয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটালে, তা অনায়াসেই পুরো বন্দর এলাকা এবং তার আশেপাশের বিশাল জনপদ মুহূর্তেই ধ্বংস করে দিতে পারে। তবে, প্রাথমিক অবস্থায় এই ধরণের মারণ বোমাগুলো আকাশপথে নিরাপদ পরিবহনের জন্য সম্ভবত অনেক বেশি ভারী বলে প্রমাণিত হতে পারে...।<br>উদ্ভূত এই বিশেষ পরিস্থিতির গুরুত্বের প্রেক্ষিতে আপনি হয়তো আপনার প্রশাসনের সাথে আমেরিকায় চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ে নিরলস কাজ করা নিবেদিতপ্রাণ পদার্থবিজ্ঞানীদের দলের একটি স্থায়ী ও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখা অত্যন্ত সমীচীন এবং দূরদর্শী পদক্ষেপ বলে মনে করবেন। ** পদার্থবিজ্ঞানী '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''' কর্তৃক প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টকে লেখা চিঠি (২ আগস্ট, ১৯৩৯; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার এক মাস আগে); যেখানে তিনি নাৎসি জার্মানি কর্তৃক পারমাণবিক বোমা তৈরির বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এটি পরবর্তীতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সূত্রপাত ঘটায়: <br>(১) নাৎসি জার্মানির সাথে যুদ্ধে লিপ্ত সকল দেশকে সাহায্য করার জন্য রুজভেল্টের প্রচেষ্টা, যাতে জার্মানি পারমাণবিক বোমা তৈরির আগেই তাদের পরাজিত করা যায়, এবং <br>(২) অত্যন্ত গোপনীয় "[[:w:ম্যানহাটন প্রকল্প|ম্যানহাটন প্রকল্প]]", যেখানে সরকার প্রকৃতপক্ষে পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য "আমেরিকার চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ে কাজ করা পদার্থবিজ্ঞানীদের দলের" সাথে একত্রে কাজ করেছিল। * পুরো ইউরোপ জুড়ে, না, বরং পুরো বিশ্ব জুড়েই একটি নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে...। হায়! এটি আসলে এক চরম উত্তেজনার নিস্তব্ধতা এবং অনেক দেশেই এটি এক ভয়াবহ আতঙ্কের নিস্তব্ধতা। শুনুন! না, মন দিয়ে শুনুন, আমি মনে হয় কিছু একটা শুনতে পাচ্ছি—হ্যাঁ, এটি বেশ স্পষ্ট ছিল। আপনারা কি শুনতে পাচ্ছেন না? এটি হলো কুচকাওয়াজের ময়দানের নুড়ি পাথর মাড়িয়ে ধেয়ে আসা বিশাল সেনাবাহিনীর পদধ্বনি, বৃষ্টিতে ভেজা কর্দমাক্ত মাঠ দিয়ে এগিয়ে চলা দুই মিলিয়নেরও বেশি জার্মান সৈন্য এবং এক মিলিয়নেরও বেশি ইতালীয় সৈন্যের ভারী বুটের শব্দ, যারা কেবল "মহড়া দিতে যাচ্ছে"—হ্যাঁ, শুধুই মহড়া! ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "এ হাশ ওভার ইউরোপ" (ইউরোপ জুড়ে নিস্তব্ধতা) শীর্ষক ভাষণ; লন্ডন থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে প্রচারিত (৮ আগস্ট, ১৯৩৯); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬১৫০। == যুদ্ধের শুরু == === ১৯৩৯ === [[File:The British Army in France 1940 F2441.jpg|thumb|right|এখন যেহেতু আমরা এটি শেষ করার সংকল্প করেছি, আমি জানি যে আপনারা সবাই শান্ত থেকে এবং সাহসের সাথে আপনাদের ভূমিকা পালন করবেন। ~ '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''']] * আমি ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে আপনাদের উদ্দেশ্যে বলছি। আজ সকালে বার্লিনে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত জার্মান সরকারকে একটি চূড়ান্ত নোট প্রদান করেছেন, যাতে বলা হয়েছে যে, যদি না আমরা বেলা ১১টার মধ্যে তাদের কাছ থেকে এই মর্মে কোনো নিশ্চয়তা পাই যে তারা অবিলম্বে [[:w:পোল্যান্ড|পোল্যান্ড]] থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করতে প্রস্তুত, তবে আমাদের মধ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হবে। আমাকে এখন আপনাদের জানাতে হচ্ছে যে, এ ধরণের কোনো প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি এবং এর ফলে এই দেশ এখন জার্মানির সাথে যুদ্ধে লিপ্ত। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) * তাঁর কর্মকাণ্ড চূড়ান্তভাবে এটিই প্রমাণ করে যে, এই ব্যক্তি নিজের ইচ্ছা চরিতার্থ করার জন্য শক্তি প্রয়োগের যে পথ বেছে নিয়েছেন, তা তিনি কোনোদিন ত্যাগ করবেন। এমন কোনো প্রত্যাশা করার সুযোগ নেই। তাঁকে কেবলমাত্র শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমেই থামানো সম্ভব। আজ আমরা এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]], আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে সেই [[:w:পোল্যান্ড|পোল্যান্ডের]] এর দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, যারা তাদের জনগণের ওপর এই জঘন্য এবং বিনা উস্কানিতে হওয়া আক্রমণের বিরুদ্ধে অত্যন্ত সাহসের সাথে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) * জার্মানির শাসকের দেওয়া কোনো কথা যখন আর বিশ্বাস করা যায় না এবং কোনো জাতি বা দেশ নিজেকে নিরাপদ মনে করতে পারে না—এমন একটি পরিস্থিতি আজ অসহনীয় হয়ে উঠেছে। এখন যেহেতু আমরা এটি শেষ করার সংকল্প করেছি, আমি জানি যে আপনারা সবাই শান্ত থেকে এবং অদম্য সাহসের সাথে আপনাদের নিজ নিজ ভূমিকা পালন করবেন। ** '''''[[w:নেভিল চেম্বারলেনhttps://bn.wikipedia.org/wiki/নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) * ঈশ্বর আপনাদের সবার মঙ্গল করুন এবং ন্যায়ের পক্ষকে রক্ষা করুন। কারণ আমরা আজ অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে যাচ্ছি। যা শুধু পাশবিক শক্তি, বিশ্বাসভঙ্গ, অন্যায়, নিপীড়ন এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়াই। আর আমি নিশ্চিত যে, এদের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত ন্যায়েরই জয় হবে। ** '''''[[w:নেভিল_চেম্বারলেইন|নেভিল চেম্বারলেইন]]''''', ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ক্যাবিনেট রুম থেকে প্রচারিত ভাষণ (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯) === ১৯৪০ === * আমাদের এই দ্বীপের, আমাদের সাম্রাজ্যের এবং বস্তুতপক্ষে অপরাধীদের বাসস্থান ব্যতীত সারা বিশ্বের প্রতিটি বাড়ির কৃতজ্ঞতা সেই ব্রিটিশ বিমানসেনাদের প্রতি নিবেদিত, যাঁরা প্রতিকূলতায় অদম্য, নিরন্তর সংগ্রাম ও মরণপণ বিপদের মুখে অক্লান্ত থেকে নিজেদের বীরত্ব ও নিষ্ঠার দ্বারা বিশ্বযুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিচ্ছেন। এই মানব সংঘাতের ইতিহাসে এত অল্পসংখ্যক মানুষের কাছে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের এত বেশি ঋণ আর কখনও দেখা যায়নি। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:ব্রিটেনের যুদ্ধ|ব্রিটেনের যুদ্ধের]] সময় ব্রিটিশ হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (২০ আগস্ট, ১৯৪০); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬২৬৬। * '''আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব, আমরা ফ্রান্সে লড়াই করব, আমরা সমুদ্র ও মহাসাগরগুলোতে লড়াই করব, আমরা আকাশে ক্রমবর্ধমান আত্মবিশ্বাস ও ক্রমবর্ধমান শক্তি নিয়ে লড়াই করব, আমরা আমাদের দ্বীপকে রক্ষা করব, এর মূল্য যাই হোক না কেন। আমরা লড়াই করব সৈকতে, আমরা লড়াই করব অবতরণ ক্ষেত্রে, আমরা লড়াই করব মাঠে ও রাস্তায়, আমরা লড়াই করব পাহাড়ে। আমরা কখনোই আত্মসমর্পণ করব না। আর এমনকি যদি—যা আমি এক মুহূর্তের জন্যও বিশ্বাস করি না যে এই দ্বীপ বা এর বিশাল অংশ পরাধীন হয় এবং অনাহারে থাকে, তবে সমুদ্রের ওপারে আমাদের সাম্রাজ্য ব্রিটিশ নৌবহর দ্বারা সশস্ত্র ও সুরক্ষিত থেকে সংগ্রাম চালিয়ে যাবে। যতক্ষণ না ঈশ্বরের শুভ সময়ে এক নতুন বিশ্ব, তার সমস্ত শক্তি ও সামর্থ্য নিয়ে পুরাতন বিশ্বকে উদ্ধার ও মুক্ত করতে এগিয়ে আসছে।''' ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', ব্রিটিশ হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (৪ জুন, ১৯৪০)। এটি লক্ষ্য করা হয়েছে যে, এই ভাষণের সবচেয়ে বিখ্যাত অংশটি, যা "আমরা সৈকতে লড়াই করব" দিয়ে শুরু হয়ে "আমরা কখনোই আত্মসমর্পণ করব না" দিয়ে শেষ হয়েছে, তার প্রতিটি শব্দই [[:w:প্রাচীন ইংরেজি ভাষা|প্রাচীন ইংরেজি]] (অ্যাংলো-স্যাক্সন) থেকে উদ্ভূত; কেবল "সারেন্ডার" বা 'আত্মসমর্পণ' শব্দটি বাদে—যা প্রাচীন ফরাসি থেকে এসেছে। * আমার নিজের পূর্ণ আত্মবিশ্বাস রয়েছে যে, যদি সবাই তাদের কর্তব্য পালন করে, যদি কোনো কিছু অবহেলা না করা হয় এবং যদি সর্বোত্তম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। যেমনটি এখন করা হচ্ছে, তবে আমরা আবারও আমাদের দ্বীপ-মাতৃভূমিকে রক্ষা করতে, যুদ্ধের এই ঝড় কাটিয়ে উঠতে এবং স্বৈরাচারের হুমকিকে পরাস্ত করতে সক্ষম বলে নিজেদের প্রমাণ করবই; প্রয়োজনে বছরের পর বছর, দরকার হলে একাই। * জেনারেল ওয়েগাঁ যে সংঘাতকে অত্যন্ত যথাযথভাবে [[w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ফ্রান্সের সামরিক ইতিহাস|ফ্রান্সের যুদ্ধ]] বলে অভিহিত করেছিলেন, তার পরিসমাপ্তি ঘটেছে। আমি এখন দৃঢ়ভাবে আশা করছি যে, চূড়ান্ত ও নির্ণায়ক [[w:ব্রিটেনের যুদ্ধ|ব্রিটেনের যুদ্ধ]] অতি শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে। এই মহাযুদ্ধের ফলাফলের ওপর সমগ্র খ্রিস্টান সভ্যতার টিকে থাকা এবং ভবিষ্যৎ অস্তিত্ব নির্ভর করছে। এর ওপর সরাসরি নির্ভর করছে আমাদের নিজস্ব ব্রিটিশ জীবনধারা এবং আমাদের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ও সাম্রাজ্যের সুদীর্ঘ মহান ধারাবাহিকতা। শত্রুর পুঞ্জীভূত সমস্ত ক্রোধ ও ধ্বংসাত্মক শক্তি খুব শীঘ্রই আমাদের এই ভূখণ্ডের ওপর সজোরে আছড়ে পড়বে। হিটলার অত্যন্ত ভালোভাবেই জানে যে তাকে হয় এই দ্বীপে আমাদের সম্পূর্ণরূপে পরাস্ত করতে হবে, নয়তো তাকে এই মহাযুদ্ধে চূড়ান্ত হার মানতে হবে।<br>আমরা যদি সাহসের সাথে তাঁর বিরুদ্ধে ইস্পাতকঠিন সংকল্প নিয়ে রুখে দাঁড়াতে পারি, তবে অচিরেই সমগ্র ইউরোপ নাৎসিদের দাসত্ব থেকে মুক্ত হতে পারে এবং সমগ্র বিশ্বের জীবনপ্রবাহ এক বিস্তৃত, সূর্যালোকিত উচ্চভূমির দিকে সফলভাবে এগিয়ে যেতে পারে। কিন্তু যদি আমরা কোনোভাবে ব্যর্থ হই, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সমগ্র বিশ্ব এবং আমরা যা কিছু জানি ও হৃদয়ে পরোয়া করি, তার সবই এক ভয়াবহ নতুন অন্ধকার যুগের অতল গহ্বরে চিরতরে তলিয়ে যাবে। যা বিকৃত বিজ্ঞানের অশুভ আলোকচ্ছটায় আরও অনেক বেশি পৈশাচিক এবং সম্ভবত ইতিহাসের দীর্ঘস্থায়ী এক নরক হবে। তাই আসুন আমরা আমাদের পবিত্র কর্তব্যে অবিচল থাকি এবং নিজেদের এমন আদর্শিকভাবে পরিচালিত করি যেন, যদি [[:w:ব্রিটিশ সাম্রাজ্য|ব্রিটিশ সাম্রাজ্য]] এবং তার [[:w:কমনওয়েলথ অফ নেশনস|কমনওয়েলথ]] আরও হাজার বছর মহিমায় টিকে থাকে, তবে অনাগত ভবিষ্যতের মানুষ যেন আজও বলে, "এটিই ছিল তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সময়।" ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (১৮ জুন, ১৯৪০) * ফ্রান্স একটি যুদ্ধে হেরেছে, কিন্তু ফ্রান্স এই পুরো যুদ্ধে হারেনি। ** '''''[[:w:শার্ল দ্য গোল|শার্ল দ্য গোল]]''''', মুক্ত ফরাসি বাহিনীর নেতা, [[:w:১৮ জুনের আবেদন|১৮ জুনের আবেদনে]]। * আমি সেই ঐতিহাসিক জুন মাসে বিজয়ী জার্মান সেনাবাহিনীর পিছু পিছু বিধ্বস্ত প্যারিসে প্রবেশ করেছিলাম... এবং ১৯ জুন হিটলার ঠিক কোথায় তাঁর সুনির্দিষ্ট যুদ্ধবিরতির শর্তাবলী পেশ করতে যাচ্ছেন, সেই গোপন খবরটি পাই। এটি ঠিক সেই একই ঐতিহাসিক স্থানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছিল যেখানে ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর পতনোন্মুখ জার্মান সাম্রাজ্য ফ্রান্স এবং তার মিত্রশক্তির কাছে বিনাশর্তে আত্মসমর্পণ করেছিলঃ কম্পিয়েন অরণ্যের সেই নির্জন ও ছোট্ট একটি খোলা জায়গায়। সেখানে নাৎসি যুদ্ধবাজ তাঁর দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত প্রতিশোধ চরিতার্থ করতে যাচ্ছিলেন... ১৯ জুনের শেষ বিকেলে আমি সেখানে গাড়ি চালিয়ে যাই এবং সবিস্ময়ে দেখতে পাই জার্মান সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়াররা ১৯১৮ সালে মহাযুদ্ধ শেষ হওয়া সেই স্মৃতিবিজড়িত রেলগাড়িটি] জাদুঘর থেকে টেনে বের করে এনে অরণ্যের ঠিক মাঝখানে সেই নির্দিষ্ট স্থানে পুনঃস্থাপন করছে। তাদের নিখুঁত হিসাব মতে, ১৯১৮ সালের নভেম্বরের সেই কুয়াশাচ্ছন্ন ভোর ৫টায় এটি ঠিক এখানেই দাঁড়িয়ে ছিল, যখন ফরাসি মার্শাল ফের্দিনঁ ফশের কঠোর নির্দেশে জার্মান প্রতিনিধিরা গ্লানিময় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।<br>এবং এভাবেই ২১ জুন বিকেলে আমি কম্পিয়েন অরণ্যের প্রান্তে দাঁড়িয়ে স্বয়ং হিটলারের সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক বিজয় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করি। আমি একদৃষ্টিতে হিটলারের মুখের প্রতিটি অভিব্যক্তি তীক্ষ্ণভাবে লক্ষ্য করছিলাম। আমি তাঁর অবস্থান থেকে মাত্র পঞ্চাশ গজ দূরে ছিলাম এবং শক্তিশালী দূরবীন দিয়ে তাঁকে এমনভাবে দেখছিলাম যেন তিনি ঠিক আমার সামনেই রক্ত-মাংসের শরীরে দাঁড়িয়ে আছেন। আমি তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের অনেক বড় বড় মাহেন্দ্রক্ষণে সেই পরিচিত মুখটি বারবার দেখেছি। কিন্তু আজ! চরম ঘৃণা, তীব্র ক্রোধ, অন্ধ বিদ্বেষ, প্রতিশোধের নেশা আর বিজয়ের উন্মাদনায় সেই মুখটি যেন এক পৈশাচিক তেজে জ্বলছে। ** মার্কিন যুদ্ধ সংবাদদাতা '''''উইলিয়াম এল. শায়রার''''', তাঁর ''দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য থার্ড রাইখ'' (১৯৬০) গ্রন্থে। * হিটলার তাঁর অধীনে থাকা সমস্ত ভয়াবহ শক্তি দিয়ে আঘাত হানছেন। এটি তাঁর এক বেপরোয়া বাজি, আর এর বাজিটি হলো সমগ্র মানবজাতির ওপর আধিপত্য বিস্তার করা।<br>যদি হিটলার ইউরোপে জয়ী হন, তবে ব্রিটিশ ও ফরাসি সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর শক্তি চিরতরে ভেঙে পড়বে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে এক বর্বর পৃথিবীতে একা খুঁজে পাবে। যে পৃথিবী শাসিত হবে নাৎসিদের দ্বারা, যেখানে তাদের সর্বগ্রাসী মিত্রদের জন্য 'প্রভাববলয়' নির্ধারিত থাকবে। জাতিগতভাবে এই একনায়কতন্ত্রগুলো ভিন্ন হতে পারে, তবে তারা সবাই একটি প্রাথমিক লক্ষ্যে একমত: 'গণতন্ত্রকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলতে হবে।'...<br>যুদ্ধ থেকে দূরে থাকার ইচ্ছা পোষণ করা, আধুনিক যুদ্ধের অবর্ণনীয় নরক থেকে, ডাইভ বোমারু বিমান এবং অগ্নিবর্ষণকারী ট্যাঙ্ক থেকে আমাদের তরুণ সমাজকে রক্ষা করার ইচ্ছার মধ্যে লজ্জার কিছু নেই।<br>কিন্তু যারা বর্তমানে আমাদের এবং এই নরক সৃষ্টিকারীদের মাঝে দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, তাদের সাহায্য করতে আমাদের ব্যর্থতা কি আত্মঘাতী উন্মাদনার প্রমাণ নয়? ** 'কমিটি টু ডিফেন্ড আমেরিকা'র একটি সংবাদপত্র বিজ্ঞাপন, যাদের আদর্শ প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের সাথে হুবহু মিলে যেত; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১০ জুন, ১৯৪০), পৃষ্ঠা ৩৬ এল। * মিত্রপক্ষকে যুদ্ধ ব্যতিরেকে সমস্ত ধরণের সাহায্য প্রদান। ** প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক নিরপেক্ষতার নতুন সংজ্ঞা; বার্টন কে. হুইলারের বর্ধিত মন্তব্য (৭ জুন, ১৯৪০), যা ''অ্যাপেন্ডিক্স টু দ্য কংগ্রেসনাল রেকর্ড: ৭৬তম কংগ্রেস, ৩য় অধিবেশন'', খণ্ড ৮৬, অংশ ১৬ (৬ জুন, ১৯৪০ - ৬ আগস্ট, ১৯৪০), ৩৬৭৭ পৃষ্ঠায় মুদ্রিত। * আমাদের অবশ্যই গণতন্ত্রের এক বিশাল অস্ত্রাগার বা শক্তি হয়ে উঠতে হবে। ** ১৯৪০ সালের মে-জুন মাসে জার্মানির কাছে ফ্রান্সের পরাজয়ের পর ব্রিটিশদের অস্ত্র সরবরাহ করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|রুজভেল্ট]]'''''; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৩০ ডিসেম্বর, ১৯৪০), পৃষ্ঠা ৬ এল। * প্রথমে তারা অংশ নিতে ভয় পেয়েছিল, চরম ভীরুতা দেখিয়েছিল। আর এখন তারা তাড়াহুড়ো করছে যাতে লুটের মালের ভাগ বসাতে পারে। ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', ১৯৪০ সালের ১০ জুন ফ্রান্স ও গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ইতালির যুদ্ধ ঘোষণার প্রেক্ষাপটে; [[:w:মার্টিন গিলবার্ট|মার্টিন গিলবার্ট]] রচিত ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার: এ কমপ্লিট হিস্ট্রি'' (২০০৪), পৃষ্ঠা ৯০। * ১৯৪০ সালের জুনের এই দশম দিনে, যে হাতটি ছুরি ধরেছিল, সেটি তার প্রতিবেশীর পিঠে সেই ছুরিটি বসিয়ে দিয়েছে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]]''''', ১৯৪০ সালের ১০ জুন ফ্রান্স ও ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ইতালির যুদ্ধ ঘোষণার প্রেক্ষাপটে; মার্টিন গিলবার্ট রচিত ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার'' (২০০৪), পৃষ্ঠা ৯০। * আমি এটি আগেও বলেছি, তবে আমি আবারও বারবার বলবঃ আপনাদের সন্তানদের কোনো বিদেশি যুদ্ধে পাঠানো হবে না। ** পুনর্নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রেসিডেন্ট '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|রুজভেল্ট]]''''' কর্তৃক প্রদত্ত বক্তব্য; ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৩১ অক্টোবর, ১৯৪০), পৃষ্ঠা ১৪ এল+। * এই হত্যাকাণ্ড তার নিজের ইচ্ছামতো চলতে পারে, তবে এটি পশ্চিমা শক্তিগুলোর এক ঐতিহাসিক অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে যে, জার্মানি যে অবিরাম আক্রমণাত্মক রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছিল, তার বিরুদ্ধে তারা অবিলম্বে কঠোরতম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এর জন্য অনেক সুযোগ বিদ্যমান ছিল, কিন্তু কোনো পদক্ষেপই গ্রহণ করা হয়নি। ** '''''ফ্রিডরিখ কেলনার''''', জার্মানির প্রধান বিচার পরিদর্শক; ১৯৪০ সালের ২৯ মে তাঁর ডায়েরির পাতায় এই আক্ষেপ প্রকাশ করেন। * আমি আমেরিকায় বড় হওয়া এক মানুষ,<br>আমি এখানে ঘৃণা করার মতো অনেক কিছু দেখেছি, অনেক কিছু ক্ষমাও করেছি,<br>কিন্তু এমন এক পৃথিবীতে যেখানে ইংল্যান্ড নিঃশেষ এবং মৃত,<br>সেখানে আমি বেঁচে থাকতে চাই না। ** '''''অ্যালিস ডুয়ের মিলার''''', ''দ্য হোয়াইট ক্লিফসের'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৪০) শেষ পঙক্তিমালা। === ১৯৪১ === * আমাদের শুধু সরঞ্জামগুলো দিন, বাকি কাজটুকু আমরাই শেষ করব। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', লন্ডনে প্রচারিত বেতার ভাষণ (৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪১); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬৩৫০। * আমাদের ত্যাগের মানসিকতার চেয়ে ভোগবিলাসের আকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল। আমরা দেওয়ার চেয়ে পাওয়ার দিকেই বেশি আগ্রহী ছিলাম। আমরা পরিশ্রমকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি, যার ফলশ্রুতিতে এই মহাবিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে। ** '''''ফিলিপ পেত্যাঁ'''''; ১৯৪১ সালের মে মাসে 'নেশনস বিজনেসে' প্রকাশিত হ্যাটন ডব্লিউ সামারসের "ডেঞ্জার: মেন নট অ্যাট ওয়ার্ক!" শীর্ষক নিবন্ধের ক্যাপশনে তাঁর প্রতি এই উক্তিটি আরোপ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, "ফরাসিরা মার্শাল পেত্যাঁ-র কণ্ঠে হারানো ফ্রান্সের প্রতি এই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সঙ্গীতটি শুনেছে।" * লেন্ড-লিজ নীতিটি যখন শেষ পর্যন্ত আইনগত রূপ পরিগ্রহ করল, তখন এটি গ্রেট ব্রিটেনের প্রতি পূর্ণ সহমর্মী আমেরিকান কংগ্রেস এবং সমগ্র জাতিকে এক প্রকার স্তব্ধ ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় করে দিয়েছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কাইজার ভিলহেল্মের পক্ষ থেকে অস্ট্রিয়া-হাঙ্গারিকে দেওয়া সেই বহুল আলোচিত ব্লাঙ্ক চেক বা অবারিত সুযোগটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এই প্রেক্ষাপটে রুজভেল্টের দেওয়া বর্তমান ব্লাঙ্ক চেকের কাছে নিতান্তই নস্যি মাত্র। এটি আমেরিকার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার মনের মধ্যে থাকা চরম আশঙ্কাকেই শেষ পর্যন্ত নির্মমভাবে সত্য প্রমাণ করেছে এবং অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বর্তমান প্রেসিডেন্টকে এক ভয়ংকর যুদ্ধবাজ হিসেবে বিশ্বমঞ্চে চিহ্নিত করেছে...।<br>আমেরিকান সাধারণ জনগণকে এর আগে ইতিহাসের আর কোনো পর্যায়েই তাদের কষ্টার্জিত করের অর্থ অন্য কোনো দেশকে অকাতরে দেওয়ার জন্য এমন নজিরবিহীনভাবে বাধ্য করা হয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসকে এর আগে কোনো প্রেসিডেন্ট কখনও এভাবে প্রকাশ্যে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করার ধৃষ্টতাপূর্ণ অনুরোধ জানাননি। এই মহান জাতি আগে কখনও তাদের বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এমন দ্বিমুখী ও দ্বিচারিতামূলক আচরণের নির্লজ্জ আশ্রয় গ্রহণ করেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর আগে কখনও একক কোনো ব্যক্তির খেয়ালি হাতের মুঠোয় দেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করার এমন অপ্রতিহত ক্ষমতা তুলে দেয়নি।<br>এই বিতর্কিত আইন অনুমোদনের প্রকৃত অর্থ হলো সরাসরি যুদ্ধের পথে পা বাড়ানো, যা হবে এক উন্মুক্ত এবং সর্বাত্মক বিনাশী যুদ্ধ। তাই আমেরিকান জনগণ এটি মুখ বুজে নিঃশব্দে মেনে নেওয়ার আগে আমি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তাদের কাছে একটি মৌলিক প্রশ্ন করতে চাই যে 'গত রক্তক্ষয়ী বিশ্বযুদ্ধটি কি আদৌ কোনোভাবে সার্থক ছিল?'<br>যদি সেই যুদ্ধ সার্থক হয়েই থাকে, তবে আমাদের অবশ্যই বর্তমান যুদ্ধ উপকরণগুলো নির্দ্বিধায় ধার দেওয়া উচিত। যদি সার্থক হয়ে থাকে, তবে আমাদের প্রাণপ্রিয় আমেরিকান সন্তানদেরও যুদ্ধের ময়দানে একইভাবে ধার দেওয়া উচিত। প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে ইংল্যান্ড ভবিষ্যতে আমাদের এই সমস্ত ঋণ পরিশোধ করবে। হ্যাঁ, আমি নিশ্চিতভাবে বলছি তারা অবশ্যই ঋণ পরিশোধ করবে...।<br>আমাদের ছেলেরা একদিন ঠিকই ফিরে আসবে। হয়তো কাঠের কফিনে করে প্রাণহীন দেহে, হয়তো সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে, অথবা উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিধ্বংসী কামানের গোলার আর্তনাদ আর শিউরে ওঠা বিভীষিকাময় দৃশ্য দেখে বিকৃত মস্তিষ্কে তারা আপন ঘরে ফিরে আসবে! ** মন্টানার মার্কিন সিনেটর '''''বার্টন কে. হুইলার''''', লেন্ড-লিজ আইনের বিরোধিতা করে; ''কংগ্রেসনাল রেকর্ড: ৭৭তম কংগ্রেস'', খণ্ড ৮৭, অংশ ১০, পরিশিষ্ট (২১ জানুয়ারি, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ১৭৮-১৭৯। * আমি জানি যে যখন আমি বলব, জেতার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ না থাকলে আমাদের যুদ্ধে জড়ানো উচিত নয়। তখনই আমেরিকার হস্তক্ষেপবাদীদের দ্বারা আমি তীব্রভাবে সমালোচিত হব। হস্তক্ষেপবাদীরা যখন ফ্রান্সকে জিগফ্রিড লাইনে আক্রমণ করতে প্ররোচিত করেছিল, তখন তারা যতটা অপ্রস্তুত ছিল, আমরা আজও ঠিক ততটাই অপ্রস্তুত...।<br>একজন আমেরিকান নাগরিক হিসেবে এই যুদ্ধকে বস্তুনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং যুদ্ধে অবতীর্ণ হলে আমাদের সফলতার সম্ভাবনা যাচাই করা কেবল আমাদের অধিকারই নয়, বরং আমাদের দায়িত্ব। আমি বিশেষ করে বিমান চালনার দৃষ্টিকোণ থেকে এটি করার চেষ্টা করেছি। এবং আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে বাধ্য হয়েছি যে আমরা ইংল্যান্ডকে যতোই সাহায্য করি না কেন, তাদের হয়ে আমরা এই যুদ্ধে জিততে পারব না। ** '''''[[:w:চার্লস লিন্ডবার্গ|চার্লস এ. লিন্ডবার্গ]]''''', লেন্ড-লিজ আইনের বিরোধিতা করে; ''কংগ্রেসনাল রেকর্ড: ৭৭তম কংগ্রেস'', খণ্ড ৮৭, অংশ ১১, পরিশিষ্ট (৭ মে, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ২১৫৩। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাননীয় প্রেসিডেন্ট এবং হিজ মেজেস্টি’স গভর্নমেন্টের পক্ষে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মিস্টার চার্চিলের এই বিশেষ যৌথ ঘোষণা...।<br>প্রথমত, তাঁদের সংশ্লিষ্ট দেশসমূহ ভবিষ্যতে কোনো প্রকার আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার বা অন্য কোনো রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি বা সীমানা বিস্তার কামনা করে না।<br>দ্বিতীয়ত, তাঁরা ভূখণ্ডগত এমন কোনো আকস্মিক পরিবর্তন দেখতে চান না যা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সাধারণ জনগণের স্বাধীনভাবে ব্যক্ত করা ইচ্ছার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।<br>তৃতীয়ত, তাঁরা বিশ্বের সকল জাতির নিজেদের স্বাধীন পছন্দমতো নিজস্ব শাসনব্যবস্থা ও রাষ্ট্রকাঠামো নির্বাচনের মৌলিক অধিকারকে সর্বোচ্চ সম্মান জানান।<br>চতুর্থত, তাঁরা বিদ্যমান আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতাগুলোর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনপূর্বক বিশ্ববাণিজ্য এবং বিশ্বের প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর বড়-ছোট, বিজয়ী কিংবা বিজিত নির্বিশেষে সকল রাষ্ট্রের সমানাধিকার নিশ্চিত করার আপ্রাণ চেষ্টা করবেন।<br>পঞ্চমত, তাঁরা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিশ্বের সকল জাতির মধ্যে এক পূর্ণাঙ্গ ও সুষম সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে বিশেষভাবে আগ্রহী...।<br>ষষ্ঠত, নাৎসি জার্মানির চূড়ান্ত ও পূর্ণাঙ্গ ধ্বংসের পর তাঁরা এমন এক বিশ্বজনীন শান্তি ব্যবস্থা দেখতে চান যা প্রতিটি স্বাধীন জাতিকে তাদের নিজ নিজ ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে নিরাপদে বসবাসের অবারিত সুযোগ করে দেবে...।<br>সপ্তমত, ভবিষ্যতে এমন এক আধুনিক শান্তি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত যা প্রতিটি মানুষকে কোনো প্রকার বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই মুক্ত সমুদ্র ও মহাসাগরগুলোতে অবাধে যাতায়াতের নিরাপত্তা দেবে।<br>অষ্টমত, তাঁরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে বাস্তবসম্মত ও আধ্যাত্মিক, উভয়বিধ অনিবার্য কারণেই বিশ্বের সকল জাতিকে ভবিষ্যতে পাশবিক শক্তির ব্যবহার সম্পূর্ণ বর্জন করতে হবে...। তাঁরা মনে করেন, একটি বিস্তৃত ও স্থায়ী সাধারণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই আগ্রাসী দেশগুলোর সামরিক নিরস্ত্রীকরণ একান্ত অপরিহার্য।” ** '''''[[:w:আটলান্টিক সনদ|আটলান্টিক সনদ]]''''', ১৯৪১ সালের আগস্টে নিউফাউন্ডল্যান্ডের উপকূলে দুটি যুদ্ধজাহাজে বসে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট এবং প্রধানমন্ত্রী চার্চিল কর্তৃক প্রণীত। * আমি যখন তাদের [ফরাসিদের] সতর্ক করেছিলাম যে তারা যা-ই করুক না কেন ব্রিটেন একাই লড়াই চালিয়ে যাবে। তখন তাদের জেনারেলরা তাদের প্রধানমন্ত্রী এবং দ্বিধাবিভক্ত মন্ত্রিসভাকে বলেছিলেন, "তিন সপ্তাহের মধ্যে মুরগির বাচ্চার মতো ইংল্যান্ডের ঘাড় মটকে দেওয়া হবে।" কী অদ্ভুত সেই মুরগি! আর কী অদ্ভুত তার ঘাড়! ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', কানাডার অটোয়ায় কানাডীয় পার্লামেন্টের এক যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণ (৩০ ডিসেম্বর, ১৯৪১); রবার্ট রোডস জেমস সম্পাদিত ''উইনস্টন এস. চার্চিল: হিজ কমপ্লিট স্পিচেস, ১৮৯৭-১৯৬৩'' (১৯৭৪), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৬৫৪৪। == দ্য ব্লিটজ (লন্ডনে বিমান হামলা) == === ১৯৪১ === * ''আমরা কী কেউ বেদনাদায়ক ব্লিটজ এবং সেই অগ্নিকাণ্ডের কথা মনে রাখিনি?'' ''সেই—<br>লাল নীলের মাঝে কালিমালিপ্ত মুখের বর্বর বাহিনী,<br>বিপন্ন সেন্ট পলস এবং হুনদের (জার্মানদের) পুনরায় ফিরে আসা,<br>সকল দানবীয় ট্যাঙ্ক আর অর্ধ রজনীতে ভেঙে যাওয়া আশা।'' ** ব্রিটিশ লেখক '''''এ. পি. হার্বার্ট''''', এরিক কেনিংটনের একটি পোস্টার থেকে (১৯৪৪), ''বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৪ এপ্রিল, ২০২৬)। "কালিমালিপ্ত মুখগুলোর বাহিনী" বলতে লন্ডন ফায়ার ব্রিগেডকে বোঝানো হয়েছে। == পূর্ব রণাঙ্গন == === ১৯৪১ === * আমাদের শুধু দরজায় একটা লাথি মেরে খুলতে হবে, তাহলেই এই পচা কাঠামোটি হুড়মুড় করে ভেঙে পড়বে। ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়ন]] আক্রমণের প্রস্তাব (যা [[w:অপারেশন_বারবারোসা|অপারেশন বারবারোসা]] নামে পরিচিত) নিয়ে জোডলের সাথে কথোপকথনের সময়; চেস্টার উইলমট রচিত ''দ্য স্ট্রাগল ফর ইউরোপ'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৫২), পৃষ্ঠা ৭২। * এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, ইউরোপে দ্বিতীয় কোনো রণাঙ্গন বা 'সেকেন্ড ফ্রন্ট' না থাকা জার্মান সেনাবাহিনীর অবস্থানকে অনেকটাই স্বস্তিদায়ক করে তুলেছে। আবার এতেও কোনো সন্দেহ নেই যে, ইউরোপ মহাদেশে দ্বিতীয় একটি রণাঙ্গনের আবির্ভাব, যা নিঃসন্দেহে অদূর ভবিষ্যতে ঘটবে। জার্মান সেনাবাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে আমাদের সেনাবাহিনীগুলোর অবস্থানকে উল্লেখযোগ্যভাবে স্বস্তি দেবে। ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''', মস্কো থেকে প্রচারিত বেতার ভাষণ (৬ নভেম্বর, ১৯৪১); ''ভাইটাল স্পিচেস অফ দ্য ডে'' (১ ডিসেম্বর, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ১০২। * কমরেডগণ, রেড আর্মি ([[w:লাল_ফৌজ|লাল ফৌজ]]) ও রেড নেভি ([[w:সোভিয়েত_নৌবাহিনী|সোভিয়েত নৌবাহিনী]]) সদস্যগণ, কমান্ডার ও রাজনৈতিক নির্দেশকগণ, গেরিলা পুরুষ ও নারীগণ! সমগ্র বিশ্ব আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে এমন এক শক্তি হিসেবে, যারা জার্মান আক্রমণকারীদের দস্যুবাহিনীকে ধ্বংস করতে সক্ষম। জার্মান দখলদারদের জোয়ালের নিচে পিষ্ট ইউরোপের শৃঙ্খলিত জাতিগুলো আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে তাদের মুক্তিদাতা হিসেবে। মুক্তির এক মহান দায়িত্ব আপনাদের ওপর অর্পিত হয়েছে। এই মিশনের যোগ্য হয়ে উঠুন! আপনারা যে যুদ্ধ করছেন তা হলো মুক্তির যুদ্ধ, একটি ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ। ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''', ভাষণ (৭ নভেম্বর, ১৯৪১); ফ্র্যাঙ্কলিন ওয়াটস সম্পাদিত ''ভয়েসেস অফ হিস্ট্রি: গ্রেট স্পিচেস অ্যান্ড পেপারস অফ দ্য ইয়ার ১৯৪১'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৪৮১–২। * বলশেভিক ব্যবস্থার প্রতি সৈন্যদের আচরণের ক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রেই এখনও অস্পষ্ট ধারণা প্রচলিত রয়েছে। ইহুদি-বলশেভিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুদ্ধের সবচেয়ে অপরিহার্য লক্ষ্য হলো তাদের ক্ষমতার উৎসগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা এবং ইউরোপীয় সংস্কৃতি থেকে এশীয় প্রভাব নির্মূল করা। এই প্রেক্ষিতে সৈন্যরা এমন সব কাজের মুখোমুখি হচ্ছে যা সাধারণ সৈনিক জীবনের রুটিন কাজের ঊর্ধ্বে। পূর্ব রণাঙ্গনের একজন সৈনিক কেবল যুদ্ধের নিয়ম অনুযায়ী লড়াই করা কোনো যোদ্ধা নন। বরং তিনি হলেন এক নির্মম জাতীয় আদর্শের বাহক এবং জার্মান ও তাদের সমজাতীয় জাতিগুলোর ওপর চালানো পাশবিকতার প্রতিশোধ গ্রহণকারী। তাই, তথাকথিত 'নিম্নতর' ইহুদিদের ওপর কঠোর কিন্তু ন্যায়সঙ্গত প্রতিশোধ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সৈনিকদের পূর্ণ উপলব্ধি থাকতে হবে। সেনাবাহিনীর আরও একটি লক্ষ্য হলো পশ্চাৎভাগের বিদ্রোহ দমন করা, যা অভিজ্ঞতা অনুযায়ী সর্বদা ইহুদিদের দ্বারাই সংঘটিত হয়েছে। ** '''''ভাল্টার ফন রাইখেনাউ''''', "পূর্ব রণাঙ্গনে আচরণের নির্দেশিকা" (১০ অক্টোবর, ১৯৪১); ''ইউ.এস. অফিস অফ চিফ অফ কাউন্সিল ফর দ্য প্রসিকিউশন অফ অ্যাক্সিস ক্রিমিনালিটি, নাৎসি কনস্পিরেসি অ্যান্ড অ্যাগ্রেশন'' (ওয়াশিংটন, ডি.সি., ১৯৪৬), খণ্ড ৮, পৃষ্ঠা ৫৮৫–৮৭। === ১৯৪২ === [[File:Voennaia marka Ni shagu nazad!.jpg|thumb|{{center|1=এক পা-ও পেছনে নয়!}}]] * Ни шагу назад! / ''Ni shagu nazad!'' (নি শাগু নাজাত!) ** '''আর এক পা-ও পেছনে নয়!''' ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''' কর্তৃক জারিকৃত আদেশ নম্বর ২২৭ (জুলাই ১৯৪২)। * বর্তমান পরিস্থিতি সম্বন্ধে সোভিয়েত মূল্যায়নে দ্বিতীয় রণাঙ্গন বা সেকেন্ড ফ্রন্টের সম্ভাবনা ঠিক কতটা জায়গা জুড়ে আছে? অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। বলা যেতে পারে এটি প্রথম সারির গুরুত্ব বহনকারী একটি বিষয়। ** '''''[[:w:জোসেফ স্ট্যালিন|জোসেফ স্ট্যালিন]]''''', মস্কোতে অবস্থিত অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিনিধি হেনরি সি. ক্যাসিডির কাছে লেখা চিঠি (৪ অক্টোবর, ১৯৪২); ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৫ অক্টোবর, ১৯৪২), ১ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত। * রাজপথগুলো এখন আর মিটারে পরিমাপ করা যায় না, বরং সেগুলো লাশের স্তূপ দিয়ে মাপা হচ্ছে... স্তালিনগ্রাদ এখন আর কোনো শহর নয়। দিনের বেলা এটি জ্বলন্ত এবং অন্ধ করে দেওয়া ধোঁয়ার এক বিশাল মেঘ। এটি আগুনের শিখার প্রতিচ্ছবিতে প্রজ্বলিত এক প্রকাণ্ড অগ্নিকুণ্ড। আর যখন রাত নেমে আসে, তখন সেই দগ্ধকারী, আর্তনাদপূর্ণ এবং রক্তক্ষয়ী রাতগুলো—তখন কুকুরগুলো [[:w:ভলগা নদী|ভোলগা নদীতে]] ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং মরিয়া হয়ে অন্য পাড়ে পৌঁছানোর জন্য সাঁতরাতে থাকে। স্তালিনগ্রাদের রাতগুলো তাদের জন্য এক চরম আতঙ্ক। পশুরা এই নরক থেকে পালিয়ে যায়, এমনকি শক্ত পাথরও দীর্ঘ সময় এই উত্তাপ সহ্য করতে পারে না। কেবল মানুষই এখানে টিকে থাকে। ** [[:w:স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধ|স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধের]] ময়দান থেকে একজন জার্মান অফিসারের উক্তি; ম্যাক্স হেস্টিংস রচিত ''ইনফার্নো: দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ওয়ার, ১৯৩৯-১৯৪৫'' (২০১২) গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ১৯৪৪ === * দুটি যুগান্তকারী সাফল্য, কমরেড স্তালিন, দুটি যুগান্তকারী সাফল্য। ** '''''কনস্টানটিন রোকোসভস্কি''''', অপারেশন বাগ্রাতিওনের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার সময়। * মাইন দুই ধরণের হয়ে থাকে। একটি হলো পারসোনেল বা ব্যক্তিনিরোধী মাইন এবং অন্যটি হলো যাননিরোধী মাইন। আমরা যখন কোনো মাইন ফিল্ডের সামনে আসি, তখন আমাদের পদাতিক বাহিনী ঠিক এমনভাবেই আক্রমণ চালায় যেন সেখানে মাইন ফিল্ডের কোনো অস্তিত্বই নেই। ব্যক্তিনিরোধী মাইনের কারণে যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়, সেটিকে আমরা সেই ক্ষতির সমান বলে মনে করি যা আমরা মেশিনগান বা গোলন্দাজ বাহিনীর আক্রমণের ফলে পেতাম, যদি নাৎসিরা মাইন ফিল্ডের বদলে সেই নির্দিষ্ট এলাকাটি বিশাল সৈন্যবাহিনী দিয়ে রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিত। আক্রমণকারী পদাতিক বাহিনী যেহেতু যাননিরোধী মাইনগুলোতে বিস্ফোরণ ঘটায় না, তাই তারা মাঠের অন্য প্রান্তে পৌঁছে যাওয়ার পর একটি ব্রিজহেড বা শক্ত অবস্থান তৈরি করে। এরপর ইঞ্জিনিয়াররা এসে পথ খনন করে দেয় যেখান দিয়ে আমাদের যানবাহনগুলো যেতে পারে। ** '''''গিওর্গি কে. ঝুকভের''''' প্রতি আরোপিত উক্তি; [[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]] রচিত ''ক্রুসেড ইন ইউরোপ'' (১৯৪৮), পৃষ্ঠা ৪৬৭-৬৮ গ্রন্থে বর্ণিত। আইজেনহাওয়ার এতে যোগ করেন, "আমার চোখে ভেসে উঠছিল যে, কোনো আমেরিকান বা ব্রিটিশ কমান্ডার যদি এই ধরণের রণকৌশল অনুসরণ করতেন তবে তাঁর কপালে কী জুটত। এমনকি আমাদের কোনো ডিভিশনের সৈন্যরা এ নিয়ে কী বলত, যদি আমরা এই পদ্ধতিটিকে আমাদের রণকৌশলের অংশ করার চেষ্টা করতাম, তা আমি আরও স্পষ্টভাবে কল্পনা করতে পারছিলাম। আমেরিকানরা যুদ্ধের মূল্য নির্ধারণ করে মানুষের জীবনের বিনিময়ে, আর রুশরা এটিকে মূল্যায়ন করে জাতির সামগ্রিক ক্ষয়-ক্ষতির সাপেক্ষে।" == [[:w:পার্ল হারবার আক্রমণ|জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমণ (৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১)]] == === ১৯২৭ === * ভবিষ্যতে যদি আমরা [[:w:চীন|চীনকে]] নিয়ন্ত্রণ করতে চাই, তবে আমাদের অবশ্যই প্রথমত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চূর্ণ করতে হবে, ঠিক যেভাবে অতীতে আমাদের [[:w:রুশ-জাপান যুদ্ধ|রুশ-জাপান যুদ্ধে]] লড়তে হয়েছিল। কিন্তু চীন জয়ের জন্য আমাদের প্রথমে [[:w:মাঞ্চুরিয়া|মাঞ্চুরিয়া]] এবং [[:w:মঙ্গোলিয়া|মঙ্গোলিয়া]] জয় করতে হবে। বিশ্বজয়ের নেশায় নামার আগে আমাদের প্রথমে চীনকে জয় করা অপরিহার্য। যদি আমরা চীনকে পদানত করতে সফল হই, তবে এশিয়ার বাকি দেশগুলো এবং দক্ষিণ সাগরের দেশগুলো আমাদের ভয় পাবে এবং আত্মসমর্পণ করবে। তখন বিশ্ব অনুধাবন করবে যে [[:w:পূর্ব এশিয়া|পূর্ব এশিয়া]] আমাদের এবং তারা আমাদের অধিকার খর্ব করার আর সাহস পাবে না। এটি [[:w:সম্রাট মেইজি|সম্রাট মেইজি]] আমাদের জন্য রেখে যাওয়া সেই পরিকল্পনা, যার সফলতার ওপর আমাদের জাতীয় অস্তিত্ব নির্ভর করছে। ** '''''তানাকা মেমোরিয়াল''''' (২৭ জুলাই, ১৯২৭); জাপানি প্রধানমন্ত্রী তানাকা গিইচির সুদূরপ্রসারী কৌশলগত পরিকল্পনা। ''দ্য মেমোরিয়াল অফ প্রিমিয়ার তানাকা'' (নিউ ইয়র্ক সিটি, ১৯৪১), পৃষ্ঠা ৪। === ১৯৪১ === * নৌবাহিনী সেই অপমানজনক ওয়াশিংটন নৌ চুক্তিতে স্বাক্ষর করার পর বিশ বছর অতিবাহিত হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আঘাত করার জন্য আমাদের তলোয়ারে শান দিয়েছি। ** জনৈক জাপানি অফিসার; ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (যুক্তরাজ্য, ২০০৫), ৩৯ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * এই সাম্রাজ্য (জাপান সাম্রাজ্য) পূর্ব এশিয়া এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে আমেরিকান, ব্রিটিশ এবং ডাচ ঘাঁটিগুলোকে চূর্ণ করবে এবং দীর্ঘমেয়াদী আত্মনির্ভরশীলতার প্রস্তুতি হিসেবে প্রধান খনিজ সম্পদ অঞ্চল এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাগুলো সুরক্ষিত করবে। মার্কিন নৌবহরের মূল অংশগুলোকে উপযুক্ত সময়ে প্রলুব্ধ করে বের করে আনতে এবং তাদের আক্রমণ করে ধ্বংস করতে সম্ভাব্য সকল পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে। ** ''তাই বেই-এই-রান-শো সেনসো শুমাতসু সোকুশিন-নি কানসুরু ফুকুয়ান'' (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, নেদারল্যান্ডস এবং চিয়াং কাই-শেকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ সমাপ্তির পরিকল্পনা)। জাপানি ইম্পেরিয়াল জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স এবং মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত কর্মপরিকল্পনা (নভেম্বর ১৯৪১)। ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৫৩। * ''Nii Taka Yama Nobore 1208.'' (নি তাকা ইয়ামা নোবোরে ১২০৮) ** ৮ ডিসেম্বর [জাপানি সময় অনুযায়ী] হাওয়াই অভিযান সম্পন্ন করো। ** ২ ডিসেম্বর, ১৯৪১ তারিখে পার্ল হারবারের দিকে অগ্রসরমান বিমানবাহী রণতরী বহরের উদ্দেশ্যে জাপানি ইম্পেরিয়াল নৌবাহিনী সদরদপ্তর থেকে প্রেরিত বার্তা। ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৩৯। * ''Tora! Tora! Tora!'' (তোরা! তোরা! তোরা!) ** বাঘ! বাঘ! বাঘ! ** ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালের স্থানীয় সময় সকাল ০৭:৩০ মিনিটে আক্রমণের প্রথম তরঙ্গের নেতৃত্বদানকারী কমান্ডার মিৎসুও ফুচিদা কর্তৃক রণতরী বহরের উদ্দেশ্যে প্রেরিত সংকেত; যার অর্থ ছিল পার্ল হারবারে তাঁর "বাঘেরা" আকস্মিক আক্রমণে সফল হয়েছে। ড্যানিয়েল মারস্টন সম্পাদিত ''দ্য প্যাসিফিক ওয়ার কম্প্যানিয়ন'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৪১। * '''গতকাল, ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ — এমন একটি অবিস্মরণীয় দিন যা বিশ্ব ইতিহাসে চিরকাল কলঙ্কিত ও ঘৃণ্য হয়ে থাকবে। যেদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত আকস্মিকভাবে এবং সুপরিকল্পিতভাবে জাপানি সাম্রাজ্যের নৌ ও বিমান বাহিনী দ্বারা অতর্কিত আক্রমণের শিকার হয়েছে।'''<br>গতকাল হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে পরিচালিত এই ধ্বংসাত্মক আক্রমণ আমাদের আমেরিকান নৌ ও সামরিক বাহিনীর অপূরণীয় ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে অনেক অকুতোভয় আমেরিকান এই হামলায় তাদের মহামূল্যবান প্রাণ হারিয়েছে...।<br>আমাদের জাতীয় সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর প্রধান কমান্ডার হিসেবে আমি ইতোমধ্যেই আমাদের রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষার সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে প্রয়োজনীয় সমস্ত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের চূড়ান্ত নির্দেশ প্রদান করেছি।<br>আমাদের পবিত্র মাতৃভূমির ওপর পরিচালিত এই বর্বরোচিত হামলার প্রকৃত প্রকৃতি ও স্বরূপ আমরা সর্বদা অন্তরে স্মরণে রাখব। এই পূর্বপরিকল্পিত ও হীন আক্রমণ কাটিয়ে উঠতে আমাদের যতো দীর্ঘ সময় বা প্রতিকূলতাই মোকাবিলা করতে হোক না কেন, আমেরিকান জনগণ তাদের ন্যায়সঙ্গত ও সম্মিলিত শক্তিতে শেষ পর্যন্ত পরম ও চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করবেই। আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি আমি কংগ্রেস এবং সাধারণ জনগণের বলিষ্ঠ ইচ্ছারই প্রতিফলন ঘটাচ্ছি যখন আমি ঘোষণা করি যে, আমরা কেবল নিজেদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে রক্ষা করব না। বরং আমরা ভবিষ্যতে এটিও সুনিশ্চিত করব যে এই ধরণের জঘন্য বিশ্বাসঘাতকতা যেন আমাদের আর কখনও কোনো বিপদে ফেলতে না পারে...।<br>আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অদম্য শৌর্য-বীরত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা এবং আমাদের জনগণের সীমাহীন ইস্পাতকঠিন সংকল্প নিয়ে আমরা সেই অনিবার্য ও গৌরবময় বিজয় অর্জন করবই! ঈশ্বর আমাদের এই মহৎ যাত্রায় সহায় হোন।<br>আমি এখন কংগ্রেসের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি যেন তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ঘোষণা করে যে রবিবার, ৭ ডিসেম্বর জাপানের এই কোনো প্রকার উস্কানিবিহীন এবং চরম কাপুরুষোচিত আক্রমণের মুহূর্ত থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানি সাম্রাজ্যের মধ্যে এক চূড়ান্ত যুদ্ধাবস্থা বিদ্যমান রয়েছে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]]''''', মার্কিন কংগ্রেসের এক যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণ, যেখানে তিনি জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ ঘোষণার অনুরোধ জানান (৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১); ''দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪১'' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ৫১৪। * আমার ভয় হচ্ছে যে, আমরা যা করেছি তা কেবল একটি ঘুমন্ত দানবকে জাগিয়ে তুলেছে এবং তাকে এক ভয়াবহ সংকল্পে পূর্ণ করে দিয়েছে। ** '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো''''' (জাপানি অ্যাডমিরাল); ১৯৭০ সালের ''তোরা! তোরা! তোরা! চলচ্চিত্রে'' তাঁর প্রতি আরোপিত উক্তি। টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফক্স, ''তোরা, তোরা, তোরা; ডায়ালগ অ্যান্ড কাটিং কন্টিনিউটি'' (১৯৭০), রিল ১৮, পৃষ্ঠা ১৬। চিত্রনাট্যটি লিখেছিলেন গর্ডন ডব্লিউ প্র্যাঞ্জ এবং ল্যাডিসলাস ফারাগো। ফারাগোর ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত বইয়ে বা ১৯৮১ সালে প্রকাশিত প্র্যাঞ্জের বইয়ে এই বাক্যের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ইয়ামামোতো সত্যিই এই কথাটি বলেছিলেন কি না, তার কোনো প্রমাণ নেই। তবে ৯ জানুয়ারি, ১৯৪২ তারিখে ওগাতা তাকেতোরা-র কাছে লেখা এক চিঠিতে ইয়ামামোতো লিখেছিলেন, "একজন সৈনিক 'একজন ঘুমন্ত শত্রুকে আঘাত করার' জন্য খুব কমই গর্ব করতে পারে; প্রকৃতপক্ষে, এটি উল্লেখ করা গর্বের চেয়ে বরং লজ্জার বিষয়।" হিরোসুকি আসাওয়া, ''দ্য রিলাকট্যান্ট অ্যাডমিরাল'', অনুবাদ: জন বেস্টার (১৯৭৯), পৃষ্ঠা ২৮৫। * আমেরিকা এবং ব্রিটেন, উভয়ই পূর্ব এশিয়ার অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই দুই শক্তি অন্য দেশগুলোকে প্ররোচিত করে আমাদের সাম্রাজ্যের চারদিকে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করেছে। তারা সম্ভাব্য সব উপায়ে আমাদের শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি করেছে এবং শেষ পর্যন্ত অর্থনৈতিক সম্পর্ক সরাসরি ছিন্ন করার পথ বেছে নিয়েছে...।<br>আমরা ধৈর্য ধরে দীর্ঘকাল অপেক্ষা করেছি এবং সহ্য করেছি এই আশায় যে আমাদের সরকার হয়তো পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধান বের করতে পারবে। কিন্তু আমাদের বিরোধীরা সমঝোতার বিন্দুমাত্র সদিচ্ছা না দেখিয়ে বিষয়টিকে অহেতুক বিলম্বিত করেছে। আমাদের সাম্রাজ্যের অস্তিত্ব রক্ষা এবং আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র তুলে নেওয়া এবং পথের প্রতিটি বাধাকে চূর্ণ করা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা ছিল না। ** জাপানি সম্রাট '''''[[:w:হিরোহিতো|হিরোহিতো]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গ্রেট ব্রিটেনের ওপর আক্রমণের কারণ ব্যাখ্যা করে (৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১)। এটি টোকিও যুদ্ধ ট্রায়ালে প্রসিকিউশন কর্তৃক প্রমাণ হিসেবে পেশ করা অনুবাদ: প্রিচার্ড এবং জাইড, ''ট্রান্সক্রিপ্ট অফ দ্য প্রসিডিংস'', খণ্ড ৫ [PX 1240], পৃষ্ঠা ১০৬৮৬–৯। == পশ্চিমা মিত্রশক্তি বনাম জার্মানি ও ইতালি == === ১৯৪১ === * আমি আমেরিকানদের কোনো ভবিষ্যৎ দেখি না... এটি একটি ক্ষয়িষ্ণু দেশ। তাদের জাতিগত সমস্যা এবং সামাজিক অসমতার সমস্যাও রয়েছে। আমেরিকানবাদের বিরুদ্ধে আমার অনুভূতি হলো ঘৃণা এবং গভীর বিতৃষ্ণার! আমেরিকান সমাজের আচরণের সবকিছুই প্রকাশ করে যে এর অর্ধেক হলো ইহুদিবাদী আর বাকি অর্ধেক হলো কৃষ্ণাঙ্গ-প্রভাবিত।<br>এমন একটি রাষ্ট্র যে ঐক্যবদ্ধ ভাবে থাকবে, তা কীভাবে বলে কেউ আশা করতে পারে? ** '''''[[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]''''', কথোপকথনের সময় দেওয়া বক্তব্য (৭ জানুয়ারি, ১৯৪২); উইলিয়াম এল. শায়রার রচিত ''রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য থার্ড রাইখ'', ৮৯৫ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। এটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত ''হিটলার্স সিক্রেট কনভারসেশনস, ১৯৪১-১৯৪৪'' থেকে নেওয়া হয়েছে। একে পরবর্তীতে প্রকাশিত ১৯২৮ সালের ট্রান্সক্রিপ্ট "হিটলার্স সিক্রেট বুক" (১৯৬১) কিংবা বহুল পরিচিত জালিয়াতিপূর্ণ ''হিটলার ডায়েরির'' সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। === ১৯৪২ === * সেই সময় এসে গেছে যখন আমাদের অবশ্যই শত্রুর ডেরায় যুদ্ধ নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর বিশাল অংশ এবং আমাদের মূল্যবান সমর-সামগ্রীকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের ভেতরে স্থবির হয়ে পড়ে থাকতে দেওয়া আর সম্ভব নয়। ** '''''জর্জ সি. মার্শাল''''', সেনাবাহিনী প্রধান; ওয়াশিংটন ডি.সি.র ''টাইমস-হেরাল্ড'' (৩ মার্চ, ১৯৪২), ১ পৃষ্ঠায় রিপোর্টকৃত। * আমি ঠিক কেন এই মহাযুদ্ধে লড়াই করছি?<br>নিশ্চয়ই কেবল এই কারণে নয় যে 'আমাকে রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে'। যা কি না আসলে লক্ষ্যহীন অর্ধ-বিশ্বাসীদের এক অত্যন্ত তুচ্ছ এবং অতি সহজ অজুহাত মাত্র। হ্যাঁ, আমাকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল; কারণ তৎকালীন বিশেষ পরিস্থিতি আমাকে সেই সঠিক সময়ে বাহিনীতে যোগ দিতে বাধা প্রদান করেছিল যখন আমি স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজে থেকে যোগ দিতে প্রবলভাবে চেয়েছিলাম। আমি সেই অকুতোভয় ছেলেদের মনেপ্রাণে হিংসা করি এবং গভীর সম্মান জানাই যারা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় নিজেদের নাম যুদ্ধের খাতায় লিখিয়েছিল; যারা আপন দেশের পরম প্রয়োজন অনুভব করে ডাক পাওয়ার বা বাধ্য হওয়ার অপেক্ষা না করেই দেশরক্ষার লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।<br>কেবল পার্ল হারবারের বর্বরোচিত ঘটনার কারণেও আমি এই যুদ্ধে অবতীর্ণ হইনি। ওটি একটি তাৎক্ষণিক ও দৃশ্যমান কারণ হতে পারে। হ্যাঁ, কিন্তু পার্ল হারবার কিংবা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ বন্দর আজ হোক বা কাল শত্রুর দ্বারা আক্রান্ত হতোই। প্রকৃতপক্ষে, তখন হয়তো অনেক বেশি দেরি হয়ে যেত এবং আমাদের প্রস্তুতির সুযোগটুকুও চিরতরে হারিয়ে যেত।<br>আমি মোটেও "পুরো বিশ্বের ওপর আমাদের নিজস্ব চিন্তাধারা জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার জন্য" এই রক্তক্ষয়ী লড়াই করছি না। আমি লড়াই করছি পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের সেই জন্মগত অধিকারের জন্য যাতে তারা নিজেরা স্বাধীনভাবে বলতে পারে ঠিক কীভাবে তাদের দেশ শাসন করা হবে। যদি তারা আমাদের এই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পছন্দ করে, তবে তা অত্যন্ত ভালো। আর যদি তারা তা না করে, তবে তাদের স্বাধীনভাবে অন্য কিছু বেছে নিতে দিন—কিন্তু সেই পরম পছন্দটা যেন একান্তই তাদের নিজেদের হয়, কোনো স্বঘোষিত "নেতা" কর্তৃক উপর থেকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া কিছু না—কিংবা কোনো দখলদার শক্তির দেওয়া পরাধীনতার গ্লানিময় জোয়াল না।<br>তবে ঠিক কিসের জন্য আমরা সম্মিলিতভাবে লড়ছি?...<br>ঠিক আছে, এর শেকড় আসলে ইতিহাসের অনেক বেশি গভীরে প্রোথিত।<br>এটি আমেরিকার একদম আদিম ও মৌলিক উৎসগুলোর দিকে আমাদের বারবার ফিরিয়ে নিয়ে যায়। বিগত বিশ্বযুদ্ধের সেই অতি পরিচিত সাধারণ স্লোগান 'গণতন্ত্রের জন্য পৃথিবীকে নিরাপদ করা' তারও অনেক আগের কথা। ১৮৯৮ সালের আগের কথা, যখন আমরা কিউবাকে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত করতে জীবন বাজি রেখে লড়েছিলাম। ঐতিহাসিক গৃহযুদ্ধের আগের কথা, যখন আমরা আমেরিকাকে এক অখণ্ড ও মুক্ত মানুষের মহান জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে ও ধরে রাখতে লড়েছিলাম। ১৮১২ সালের [[:w:যুদ্ধ|যুদ্ধের]] আগের কথা, যখন আমাদের আকাশবাতাস প্রকম্পিত করা চিৎকার ছিল সমুদ্রের অবাধ স্বাধীনতা। এমনকি সেই কালজয়ী বিপ্লবেরও আগের কথা, যেখানে আমাদের পূর্বপুরুষরা 'তাদের মহামূল্যবান জীবন, তাদের অর্জিত সম্পদ এবং তাদের পবিত্র সম্মান' বাজি রেখেছিলেন যাতে কলোনিগুলোকে অত্যাচারী হ্যানোভারিয়ান রাজার জোয়াল থেকে চিরতরে মুক্ত করা যায়। এটি ব্রিটিশ আমলের বিল অফ রাইটসের গৌরবময় সময়কার কথা, এমনকি সাতশ বছর আগের সেই ঐতিহাসিক [[:w:ম্যাগনা কার্টা|ম্যাগনা কার্টা]] পর্যন্ত এর শিকড় বিস্তৃত, যা ছিল রাজনৈতিকভাবে মুক্ত হওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের সুদীর্ঘ সংগ্রামের প্রথম মহান ও অবিস্মরণীয় মাইলফলক...। অর্থাৎ আইন প্রণয়ন করার এবং নিজের জীবনপথ নিজে বেছে নেওয়ার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষা করাই এই লড়াইয়ের মূল উদ্দেশ্য!<br>আপনি হয়তো বলতে পারেন এগুলো কেবলই কিছু চমৎকার শব্দের ফুলঝুরি; কিন্তু জার্মানি যাদের প্রধান চিন্তা ছিল সমগ্র ইউরোপ গ্রাস করা, কিংবা জাপান যাদের অন্ধ উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল প্রাচ্যের দিকে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের এই যুদ্ধের সাথে এর প্রকৃত সম্পর্ক আসলে কী?<br>আমি অত্যন্ত জোরালোভাবে বলব, জাপান এবং জার্মানির আগ্রাসনের সাথে আমাদের এই আদর্শিক লড়াইয়ের এক সুগভীর সম্পর্ক রয়েছে। ইউরোপ এবং এশিয়ার বিশাল ভূখণ্ডে যদি নাৎসিবাদ প্রভাবশালী হয়ে উঠত, তবে তার চূড়ান্ত ফলশ্রুতিতে আমেরিকান যাপনেও নাৎসি মতাদর্শের বিষাক্ত উত্থান এবং চূড়ান্ত আধিপত্য দেখা দেওয়া ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।<br>এদেশের সাধারণ মানুষ তখন প্রবল বিভ্রান্তি, অন্তহীন আতঙ্ক আর সন্দেহের চোখে একে অপরের দিকে অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে তাকাত। তারা চরম ভয়ে ভয়ে বলাবলি করত, 'ইউরোপে তো গণতন্ত্র শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা ভেবেছিলাম এটিই হয়তো বিশ্বের সেরা পথ, কিন্তু এটি যদি আদতে এতটাই দুর্বল হয় তবে তা কীভাবে সেরা হতে পারে? হয়তো নাৎসিদের কছেই এই সংকটের আসল সমাধান আছে। হয়তো... হয়তো...'—এভাবেই সবখানে অশুভ কানাঘুষো ও বিভেদ শুরু হতো।<br>ঠিক এই কারণেই আমি আজ রণক্ষেত্রে লড়ছি। আমি ফ্যাসিবাদের সেই কুৎসিত ও বীভৎস রূপটি আমেরিকান প্রাণকেন্দ্রে থাবা বসানোর আগেই তাকে সমূলে ধ্বংস করার চেষ্টা করছি। আমি লড়ছি কারণ বর্তমান বিশ্ব, আমাদের প্রিয় আমেরিকার মতোই, 'অর্ধেক দাসের পৃথিবী আর অর্ধেক মুক্ত হয়ে কখনোই বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না।' আমি লড়ছি কারণ আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি চীনের একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার পূর্ণ অধিকার আছে, কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিশাল পুতুল রাষ্ট্র হিসেবে নয়।<br>আমি লড়ছি কারণ আমি একদিন আমার সন্তানদের চোখের দিকে শান্তভাবে তাকিয়ে গর্বের সাথে বলতে চাই যে, আমেরিকা একটি মহান আদর্শের জন্য আবারও লড়াই করতে তিলমাত্র ভয় পায়নি। সেই চিরন্তন আদর্শ যা আমেরিকাকে বিশ্বমঞ্চে মহান ও অনন্য করেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে শান্তিকে ভালোবাসি, কিন্তু আমি যুদ্ধকে ঘৃণা করি কেবল এর ধ্বংসাত্মক অপচয় আর করুণ পরিণতির জন্য। কিন্তু আন্তর্জাতিক পর্যায়ের পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের কাছে মুখ বুজে নিঃশব্দে মাথা নত করার চেয়ে সম্মুখ যুদ্ধ অনেক বেশি শ্রেয়, যা কেবল মানুষের শরীর নয়, বরং তার আত্মাকে পর্যন্ত চিরতরে ধ্বংস করে দেয়। ** সার্জেন্ট হেনরি সি. নেলসন, "টু বি অ্যাবল টু লুক মাই চিলড্রেন ইন দ্য ফেস," মার্কিন সেনাবাহিনী কর্তৃক প্রকাশিত ''হোয়াই আই ফাইট'' থেকে। * এযাবৎকালের নির্মিত সবচেয়ে শক্তিশালী বোমারু বিমান। ** বি-১৭ ফ্লাইং ফোরট্রেসের একটি বর্ণনা; যা জার্মান শিল্প লক্ষ্যবস্তুগুলোতে অষ্টম বিমান বাহিনীর বোমা হামলায় অংশ নিতে ইংল্যান্ডে উড়িয়ে আনা হয়েছিল। * ইউরোপের তপ্ত মাটি থেকে ভেসে আসা সংবাদগুলো পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি শোচনীয় ও উদ্বেগজনক ছিল; ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্স সুপরিকল্পিতভাবে চেকোস্লোভাকিয়াকে খণ্ডবিখণ্ড করার হীন চক্রান্তে একমত হয়েছিল এবং দেশটির সামনে তথাকথিত সমঝোতার এক অদ্ভুত 'পরিকল্পনা' পেশ করেছিল। এই সুকৌশলী পরিকল্পনাটি ছিল নৈতিকভাবে চরম পর্যায়ের নির্লজ্জতা এবং এক প্রকার অভাবনীয় কূটনৈতিক ধৃষ্টতা। এতে সুডেটেন অঞ্চলগুলো সরাসরি আগ্রাসীদের হাতে হস্তান্তর, বৃহৎ [[w:জার্মানি|জার্মান]] জনসংখ্যা অধ্যুষিত অন্যান্য সংবেদনশীল অঞ্চলগুলোর জন্য স্বঘোষিত [[w:স্বায়ত্তশাসন|স্বায়ত্তশাসন]], অন্য কোনো পরাশক্তির মধ্যে বড় ধরণের কোনো সংঘাত সৃষ্টি হলে [[w:চেকোস্লোভাকিয়া|চেকোস্লোভাকিয়ার]] সম্পূর্ণ 'নিরপেক্ষকরণ', এবং শেষ পর্যন্ত [[w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ড]], [[w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]], [[জার্মানি]] ও [[ইতালি|ইতালির]] পক্ষ থেকে দেশটির সীমান্ত রক্ষার এক প্রথাগত ও কাগুজে 'নিশ্চয়তা' অন্তর্ভুক্ত ছিল। এ যেন সমকালীন ইতিহাসের চরম এক ট্র্যাজেডি। যেখানে খুনিরাই খণ্ডবিখণ্ড মৃতদেহকে শেষ সম্মান জানানোর ভণ্ডামিপূর্ণ নিশ্চয়তা দিচ্ছিল!<br>আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেছিলাম যে বর্তমান চেক সরকার এই আত্মঘাতী ও অপমানজনক শর্তগুলো কখনোই মেনে নেবে না। কারণ তাদের কাছে ছিল তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সুশৃঙ্খল এক শক্তিশালী সেনাবাহিনী; তাদের সাধারণ জনগণ বছরের পর বছর ধরে প্রকৃত ও প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের সুমিষ্ট স্বাদ পেয়েছিল। এছাড়া তাদের ছিল এক অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী সমরাস্ত্র শিল্প, যা বিশ্বের যেকোনো শক্তিশালী রাষ্ট্রকেই ঈর্ষান্বিত করতে পারত (এবং বাস্তবে অনেকে করতও)। তাই আমরা শেষ পর্যন্ত প্রবলভাবে আশা করেছিলাম যে ফ্রান্স তার পূর্বের অঙ্গীকার ও পবিত্র প্রতিশ্রুতিগুলো নিষ্ঠার সাথে রক্ষা করবে এবং ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের ন্যায়নিষ্ঠ জনগণের পুঞ্জীভূত তীব্র ক্ষোভ তাদের নিজ নিজ অযোগ্য মন্ত্রিসভার পতন ঘটাবে। কিন্তু অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের সেই রাজনৈতিক সমীকরণ ও প্রত্যাশা সম্পূর্ণ ভুল ছিল। ** '''''রালফ এ. বার্ড''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সহকারী সচিব; নিউ ইয়র্ক সিটিতে 'ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইউনিয়ন অফ মেরিন অ্যান্ড শিপবিল্ডিং ওয়ার্কার্স অফ আমেরিকা'র উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণ (২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৪২); ''ভাইটাল স্পিচেস অফ দ্য ডে'', খণ্ড ৯, সংখ্যা ১ (১৫ অক্টোবর, ১৯৪২), পৃষ্ঠা ২১-২৩। ==== এল আলামেইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ (২৩ অক্টোবর – ১১ নভেম্বর ১৯৪২) ==== [[File:DummyShermanTank.jpg|thumb|[[উইনস্টন চার্চিল]] বলেছিলেন যে, এল আলামিনের আগে মিত্রশক্তির কোনো বিজয় ছিল না এবং এর পরে তাদের আর কোনো পরাজয় হয়নি। ~ ক্রিশ্চিয়ান হাউস]] * জানা যায় যে, [[:w:হ্যারি হুডিনি|হ্যারি হুডিনি]] একদা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে দাবি করেছিলেন, "মানুষের চোখ আসলে যা দেখে এবং কান যা শোনে, মন অবলীলায় ঠিক তা-ই বিশ্বাস করে থাকে"। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উত্তাল মধ্যগগনে উত্তর আফ্রিকা অভিযানে নিয়োজিত বিশেষ ছদ্মবেশ (ক্যামোফ্লেজ) ইউনিটের মূলমন্ত্রও হয়তো প্রকৃতপক্ষে এটিই হতে পারত। ''দ্য ফ্যান্টম আর্মি অফ আলামেইন'' নামক গ্রন্থে লেখক রিক স্ট্রাউড ঐতিহাসিক আল আলামিনের যুদ্ধের সময় এই স্বল্প পরিচিত দলটির রহস্যময় কর্মকাণ্ডের ওপর নতুন করে আলোকপাত করেছেন। এটি করতে গিয়ে তিনি একটি অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর গবেষণা তুলে ধরেছেন যে কীভাবে যুদ্ধের ময়দানে সবচেয়ে অকল্পনীয় ও বিচিত্র চরিত্রগুলোও প্রকৃত বীর বা মহানায়কে পরিণত হতে পারে।<br>তাদের এই বিশেষ দলে ছিলেন নিপুণ খোদাইশিল্পী, সৃজনশীল চিত্রশিল্পী, দক্ষ কার্টুনিস্ট এবং প্রতিভাবান ভাস্কর। এমনকি তাদের সুযোগ্য কমান্ডার মেজর জেফ্রি বারকাস ছিলেন একজন [[w:একাডেমি পুরস্কার|অস্কার]] বিজয়ী প্রখ্যাত [[:w:চলচ্চিত্র পরিচালক|চলচ্চিত্র পরিচালক]]। তাদের প্রধান দায়িত্ব ছিল হাতের কাছে যা কিছু পাওয়া যায় তা ব্যবহার করেই সুকৌশলে কোনো কিছুকে লুকিয়ে রাখা অথবা কোনো সামরিক সরঞ্জামের রূপ পরিবর্তন করার মাধ্যমে মূল সেনাবাহিনীকে কৌশলগত সহায়তা করা। পরাবাস্তববাদী বিশ্বখ্যাত শিল্পী রোল্যান্ড পেনরোজ তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করেছিলেন, যেখানে তাঁর প্রেমিকা লি মিলার শৈল্পিক অনুপ্রেরণা হিসেবে গায়ে ছদ্মবেশের ক্রিম এবং জাল জড়িয়ে সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় পোজ দিয়েছিলেন। আর এই বিচিত্র দলের অন্যতম জাঁকজমকপূর্ণ ও রহস্যময় সদস্য ছিলেন পিকাডিলির বিখ্যাত জাদুকর জ্যাসপার মাস্কিলিন; একজন সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি যাকে মূলত পরীক্ষামূলক অস্ত্র তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং যিনি মরুভূমির ধুলোময় কনভয়ের মতোই নিজের অর্জিত খ্যাতিকেও সর্বদা এক প্রকার কুয়াশাচ্ছন্ন করে রেখেছিলেন। ** ক্রিশ্চিয়ান হাউস, [https://www.independent.co.uk/arts-entertainment/books/reviews/the-phantom-army-of-alamein-by-rick-stroud-8219360.html "দ্য ফ্যান্টম আর্মি অফ আলামিন, বাই রিক স্ট্রাউড"], ''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (২১ অক্টোবর, ২০১২)। * অপারেশন বার্ট্রাম ছিল এই ইউনিটের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রচেষ্টা এবং এই কাহিনীর মূল কেন্দ্রবিন্দু। যা ছিল দিকভ্রান্ত করার এক বিশাল মহাযজ্ঞ। আল আলামেইনের যুদ্ধক্ষেত্রটি একদিকে সমুদ্র এবং অন্যদিকে কাত্তারা নিম্নভূমি দ্বারা সীমাবদ্ধ ছিল, যার ফলে যুদ্ধের জন্য সম্মুখভাগ ছিল খুবই ছোট। এই ইউনিটটি জিপ গাড়ি দিয়ে ডামি বা নকল ট্যাঙ্ক তৈরি করে দক্ষিণ দিকে পাঠিয়েছিল; অন্যদিকে, একটি সুকৌশলী চাল হিসেবে তারা আসল ট্যাঙ্কগুলোকে কাঠের কাঠামো দিয়ে ঢেকে ট্রাকের রূপ দিয়েছিল—যা অনেকটা বিশালাকার লেডিবল্ট পোকার মতো ওপরের দিকে খোলা যেত। এগুলোকে আসল আক্রমণের জন্য উত্তর দিকে পাঠানো হয়েছিল। বারকাস মন্তব্য করেছিলেন, "হেই প্রেস্টো! এই তো দেখছেন, এই তো নেই।" [[:w:আরউইন রোমেল|রোমেল]] এতে বোকা বনে গিয়েছিলেন এবং আল আলামেইনে জয় অর্জিত হয়েছিল।<br>[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]] বলেছিলেন যে, আল আলামিনের আগে মিত্রশক্তির কোনো বিজয় ছিল না এবং এর পরে তাদের আর কোনো পরাজয় হয়নি। ** ক্রিশ্চিয়ান হাউস, [https://www.independent.co.uk/arts-entertainment/books/reviews/the-phantom-army-of-alamein-by-rick-stroud-8219360.html "দ্য ফ্যান্টম আর্মি অফ আলামেইন, বাই রিক স্ট্রাউড"], ''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (২১ অক্টোবর, ২০১২)। === ১৯৪৩ === * লন্ডনের যেখানেই যাওয়া যাক না কেন, এটিই মনে হয় যে ব্রিটেন এখন একটি দখলকৃত ভূখণ্ড মাত্র। ** ব্রিটিশ লেখক '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]'''''। * তারা অতিরিক্ত ভোজনবিলাসী, অতিরিক্ত বেতনভোগী, অতিরিক্ত জাঁকজমকপূর্ণ পোশাকধারী! এবং তারা এখন এখানেই ([[:w:ব্রিটেন|ব্রিটেনে]])। ** ব্রিটিশ জনগণের একটি সাধারণ আক্ষেপ; যখন নাৎসি অধিকৃত ইউরোপে আক্রমণের প্রস্তুতির জন্য আমেরিকান সৈন্যদের প্রচুর সংখ্যায় ব্রিটেনে পাঠানো হচ্ছিল। * আমরা খুব দ্রুততম এবং সবচেয়ে সাশ্রয়ী উপায়ে এই যুদ্ধে জয়ী হতে চাই। ** জেনারেল '''''জর্জ সি. মার্শাল''''', সেনাবাহিনী প্রধান। * ম্যাগাজিনগুলোতে যুদ্ধকে মনে হতো রোমান্টিক এবং উত্তেজনাপূর্ণ, বীরত্ব আর প্রাণশক্তিতে ভরপুর... কিন্তু এর পরিবর্তে আমি দেখলাম পুরুষদের... যারা অবর্ণনীয় যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং মনে মনে কামনা করছে যেন তারা অন্য কোথাও থাকত। ** যুদ্ধ সংবাদদাতা '''''আর্নি পাইল'''''। * আজ আমরা এমন একটি দেশে (ইতালি) যুদ্ধ করছি যেটি আমাদের [[:w:সংস্কৃতি|সাংস্কৃতিক]] ঐতিহ্যে বিশাল অবদান রেখেছে। এমন একটি দেশ যা সেইসব স্মৃতিস্তম্ভে সমৃদ্ধ যেগুলো আমাদের নিজস্ব [[:w:সভ্যতা|সভ্যতার]] ক্রমবিকাশকে তুলে ধরে। যুদ্ধ যতোটা অনুমতি দেয়, আমরা সেই স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে সম্মান জানাতে বাধ্য। যদি আমাদের একটি বিখ্যাত [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] ধ্বংস করা এবং আমাদের নিজস্ব মানুষদের বলিদান দেওয়ার মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হয়, তবে আমাদের মানুষের জীবনের মূল্য অসীমভাবে বেশি এবং সেই স্থাপত্যটি অবশ্যই ধ্বংস করতে হবে। কিন্তু পছন্দটি সবসময় এতটা স্পষ্ট হয় না। সামরিক প্রয়োজনীয়তার যুক্তির বিরুদ্ধে কোনো কিছুই দাঁড়াতে পারে না। এটি একটি স্বীকৃত নীতি। কিন্তু 'সামরিক প্রয়োজনীয়তা' শব্দবন্ধটি কখনও কখনও এমন জায়গায় ব্যবহার করা হয় যেখানে সামরিক সুবিধা বা এমনকি ব্যক্তিগত সুবিধার কথা বলাটাই বেশি সত্য হতো। আমি চাই না এটি কোনো শিথিলতা বা উদাসীনতাকে আড়াল করার আবরণ হিসেবে ব্যবহৃত হোক। আমাদের সামনের সারিতে বা আমাদের দখলকৃত এলাকায় অবস্থিত স্থাপনাগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করা এবং উচ্চপদস্থ কমান্ডারদের তা জানানো এএমসি অফিসারদের দায়িত্ব। এই তথ্যগুলো যখন স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিম্ন স্তরের কমান্ডগুলোতে পৌঁছাবে, তখন এই চিঠির মূল স্পিরিট বা চেতনা মেনে চলার দায়িত্ব সকল কমান্ডারের ওপর বর্তাবে। ** '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]''''', ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৪৩ তারিখে লিখিত চিঠি; যা হাওয়ার্ড এম. হেনসেল সম্পাদিত “দ্য ল অফ আর্মড কনফ্লিক্ট: কনস্ট্রেইনস অন দ্য কনটেম্পোরারি ইউজ অফ মিলিটারি ফোর্স” (২০০৭), ৫৮ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। === ১৯৪৪ === * অচিরেই আমরা আমাদের [[:w:সভ্যতা|সভ্যতা]] রক্ষার লক্ষে [[:w:ইউরোপ|ইউরোপ]] মহাদেশ জুড়ে যুদ্ধের পথে এগিয়ে যাব। অনিবার্যভাবে আমাদের অগ্রযাত্রার পথে এমন সব ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পাওয়া যাবে যা বিশ্ববাসীর কাছে সেই সবকিছুর প্রতীক, যা রক্ষা করার জন্য আমরা লড়াই করছি। যখনই সম্ভব হবে, এই প্রতীকগুলোকে রক্ষা করা এবং সম্মান জানানো প্রতিটি কমান্ডারের দায়িত্ব। কিছু পরিস্থিতিতে এই শ্রদ্ধেয় বস্তুগুলোকে ধ্বংস করার ক্ষেত্রে আমাদের অনিচ্ছা সামরিক অভিযানের সাফল্যকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তখন, যেমনটি [[:w:ক্যাসিনো|ক্যাসিনোতে]] ঘটেছিল। যেখানে শত্রু তার প্রতিরক্ষা রক্ষা করতে আমাদের আবেগীয় টানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছিল—সেক্ষেত্রে আমাদের সেনাদের জীবন সবকিছুর উপরে। তাই যেখানে সামরিক প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ দেবে, কমান্ডাররা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ দিতে পারেন, এমনকি যদি তাতে কোনো সম্মানিত স্থানের ধ্বংসও জড়িত থাকে। কিন্তু এমন অনেক পরিস্থিতি আছে যেখানে ক্ষতি এবং ধ্বংস প্রয়োজনীয় নয় এবং তা কোনোভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না। এমন ক্ষেত্রে সংযম এবং শৃঙ্খলার মাধ্যমে কমান্ডাররা ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্বসম্পন্ন কেন্দ্র ও বস্তুগুলোকে রক্ষা করবেন। উচ্চপর্যায়ের সিভিল অ্যাফেয়ার্স স্টাফরা সামনের সারির বা আমাদের দখলকৃত এলাকার এই ধরণের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর অবস্থান সম্পর্কে কমান্ডারদের অবহিত করবেন। এই তথ্যগুলো প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সহ কমান্ড চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে সকল স্তরে পৌঁছে দেওয়া হবে। ** '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]''''', ২৬ মে ১৯৪৪ তারিখে লিখিত চিঠি; যা হাওয়ার্ড এম. হেনসেল সম্পাদিত “দ্য ল অফ আর্মড কনফ্লিক্ট: কনস্ট্রেইনস অন দ্য কনটেম্পোরারি ইউজ অফ মিলিটারি ফোর্স” (২০০৭), ৫৮ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * [[:w:পশ্চিম ইউরোপ|পশ্চিম ইউরোপের]] জনগণ: আজ সকালে আমাদের মিত্র অভিযাত্রী বাহিনীর সৈন্যরা ফ্রান্সের উপকূলে অবতরণ করেছে। এই অবতরণ আমাদের মহান রুশ মিত্রদের সহযোগিতায় ইউরোপের মুক্তির জন্য সম্মিলিত জাতিসংঘ পরিকল্পনার অংশ। যারা স্বাধীনতাকে ভালোবাসেন, আমি তাঁদের এখন আমাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা সবাই মিলে বিজয় অর্জন করব। ** ৬ জুন, নাৎসি অধিকৃত ইউরোপে মিত্রবাহিনীর আক্রমণ বা "ডি-ডে" (D-Day) শুরুর প্রাক্কালে দেওয়া জেনারেল ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের বেতার ভাষণ। দ্রষ্টব্য: "ডি-ডে" হলো সামরিক পরিকল্পনায় ব্যবহৃত একটি পরিভাষা যা কোনো জল ও স্থলভিত্তিক (উভচর) আক্রমণের তারিখকে নির্দেশ করে। [[File:Into the Jaws of Death 23-0455M edit.jpg|thumb|right|বিশ্বের মুক্ত মানুষেরা বিজয়ের লক্ষে একসাথে মার্চ করে এগিয়ে চলেছে। আপনাদের সাহস, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং যুদ্ধের নিপুণতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা পূর্ণ বিজয় ছাড়া আর কিছুই গ্রহণ করব না। ~ [[w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]]] * মিত্র অভিযাত্রী বাহিনীর সৈন্য, নাবিক এবং বৈমানিকগণঃ<br>আপনারা সেই 'গ্রেট [[ক্রুসেড]]' বা মহান অভিযানে যাত্রা করতে যাচ্ছেন, যার জন্য আমরা এই দীর্ঘ মাসগুলো কঠোর পরিশ্রম করেছি। বিশ্বের চোখ এখন আপনাদের ওপর। সর্বত্র স্বাধীনতাকামী মানুষের আশা আর প্রার্থনা আপনাদের সঙ্গী। অন্যান্য রণাঙ্গনে আমাদের সাহসী মিত্র এবং সহযোদ্ধাদের সাথে মিলে আপনারা জার্মান যুদ্ধযন্ত্রকে ধ্বংস করবেন, ইউরোপের নিপীড়িত মানুষের ওপর থেকে নাৎসি স্বৈরশাসনের অবসান ঘটাবেন এবং মুক্ত বিশ্বে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আপনাদের কাজ সহজ হবে না। আপনাদের শত্রু সুশিক্ষিত, সুসজ্জিত এবং যুদ্ধে পারদর্শী। তারা হিংস্রভাবে লড়াই করবে। কিন্তু এটি ১৯৪৪ সাল। ১৯৪০-৪১ সালের নাৎসি বিজয়ের পর থেকে অনেক কিছু বদলে গেছে। জাতিসংঘ উন্মুক্ত যুদ্ধে মুখোমুখি লড়াইয়ে জার্মানদের বিশাল পরাজয় উপহার দিয়েছে। আমাদের আকাশপথের আক্রমণ শত্রুর শক্তি এবং ভূমিতে যুদ্ধ করার ক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে কমিয়ে দিয়েছে। আমাদের স্বদেশী মানুষরা আমাদের হাতে যুদ্ধাস্ত্র ও গোলাবারুদের এক অভাবনীয় শ্রেষ্ঠত্ব তুলে দিয়েছে এবং আমাদের হাতে প্রশিক্ষিত যোদ্ধা পুরুষদের বিশাল মজুদ এনে দিয়েছে। সময়ের চাকা এখন আমাদের অনুকূলে। বিশ্বের মুক্ত মানুষেরা বিজয়ের লক্ষে একসাথে মার্চ করে এগিয়ে চলেছে। আপনাদের সাহস, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং যুদ্ধের নিপুণতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা পূর্ণ বিজয় ছাড়া আর কিছুই গ্রহণ করব না। শুভকামনা! আর আসুন আমরা সবাই এই মহান এবং মহৎ প্রচেষ্টার ওপর সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের আশীর্বাদ প্রার্থনা করি। ** ডি-ডে আক্রমণের পূর্বে মিত্রবাহিনীর সৈন্যদের উদ্দেশ্যে দেওয়া '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' ভাষণ। [[File:D-Day-Memorial-bronze-detail-Highsmith.jpeg|thumb|right|ছেলেরা একেকজন বীরপুরুষে পরিণত হয়েছিল। কেউ কেউ হয়ে উঠেছিল চরম সাহসী! অন্যরা খুব দ্রুতই লাশে পরিণত হয়েছিল, আর যারা বেঁচে ছিল তারা ছিল আতঙ্কগ্রস্ত। কেউ কেউ তো ভয়ে প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছিল, অন্যরা নির্লজ্জের মতো কাঁদছিল। অনেকেরই কাজ শেষ করার জন্য নিজের ভেতর থেকে শক্তি খুঁজে নিতে হয়েছিল। শৃঙ্খলা আর প্রশিক্ষণই তখন সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল...~ বব স্লটার]] * আমরা বোমার বিস্ফোরণগুলো দেখছিলাম যা থেকে সৃষ্ট আগুন অন্ধকার আকাশকে আলোকিত করে তুলছিল। উপকূল থেকে ১২ মাইল দূরে থাকতেই আমরা আমাদের নির্ধারিত এলসিএ উভচর অবতরণ যান গুলোতে উঠে পড়লাম এবং সেগুলো উত্তাল সমুদ্রে নামিয়ে দেওয়া হলো। নৌবাহিনী তখনও গোলাবর্ষণ শুরু করেনি কারণ চারপাশ তখনও অন্ধকার ছিল। আমরা বিশাল সেই নৌবহর দেখতে পাচ্ছিলাম না, কিন্তু জানতাম যে সেটি ওখানেই আছে।<br>যানে ওঠার আগে বন্ধুরা একে অপরকে বিদায় জানাচ্ছিল এবং শুভকামনা দিচ্ছিল...। আমাদের সবার কাছে সুপ্রিম কমান্ডার জেনারেল আইজেনহাওয়ারের স্বাক্ষর করা একটি চিঠি ছিল, যেখানে বলা হয়েছিল যে আমরা এক 'মহান অভিযান বা ক্রুসেডে' নামতে যাচ্ছি। আমার কয়েকজন সঙ্গী চিঠিতে অটোগ্রাফ দিয়েছিল এবং আমি পুরো যুদ্ধ জুড়ে সেটি আমার মানিব্যাগে বহন করেছি।<br>ইংলিশ চ্যানেল ছিল অত্যন্ত উত্তাল, এবং খুব দ্রুতই আমাদের হেলমেট দিয়ে যানের ভেতর থেকে জল সেঁচতে শুরু করতে হলো। ঠাণ্ডা জলের ঝাপটা আমাদের পুরো ভিজিয়ে দিয়েছিল...।<br>আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সাথে সাথে বিশাল নৌবহরটি দৃশ্যমান হলো। জ্বলন্ত ফরাসি উপকূলরেখাও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল। সকাল ০৬:০০ টায় মিত্রবাহিনীর নৌবাহিনীর বিশাল কামানগুলো গর্জে উঠল, যা ছিল সম্ভবত ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কামানের গোলাবর্ষণ। আমি দেখতে পাচ্ছিলাম 'টেক্সাস' যুদ্ধজাহাজটি উপকূলরেখায় গোলাবর্ষণ করছে।<br>বম-বা-বা-বুম-বা-বা-বুম! কয়েক মিনিটের মধ্যে সেই বিশাল কামানের প্রতিঘাত থেকে সৃষ্ট বিশাল ঢেউ আমাদের প্রায় ডুবিয়ে দিচ্ছিল এবং আমাদের অসুস্থতা ও দুর্দশা বাড়িয়ে দিচ্ছিল। কিন্তু আকাশ থেকে লক্ষ্যবস্তুর ওপর টনখানেক ওজনের মিসাইলগুলো আছড়ে পড়তেও দেখা যাচ্ছিল। মাথার ওপর পি-৩৮ ফাইটার-বোম্বারগুলো আমাদের লুফৎওয়াফ (জার্মান বিমান বাহিনীর নাম) থেকে রক্ষা করতে টহল দিচ্ছিল, যা আমাদের মনে এক ধরণের মিথ্যা নিরাপত্তার বোধ তৈরি করছিল। মনে হচ্ছিল যে এটি হয়তো খুব সহজ একটি কাজ হবে।<br>উপকূল থেকে কয়েক হাজার গজ দূরে আমরা তিন-চারজন বেঁচে যাওয়া মানুষকে উদ্ধার করলাম যাদের যানটি ডুবে গিয়েছিল...।<br>উপকূল থেকে প্রায় দুই-তিনশ গজ দূরে আমরা গোলন্দাজ বাহিনীর আক্রমণের মুখে পড়লাম। গোলার আঘাতে সমুদ্রের জল আকাশে উঠে বৃষ্টির মতো আমাদের ওপর পড়ছিল...।<br>তীর থেকে প্রায় ১৫০ গজ দূরে, বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও ('মাথা নিচু রাখো') আমি মাথা উঁচু করলাম। দেখলাম আমাদের ডানদিকের নৌকাটি শত্রুর গুলিতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমাদের কয়েক মিনিট আগেই যারা তীরে পৌঁছেছিল, শত্রুরা তাদের ওপর এমনভাবে গুলিবর্ষণ করছিল যে ট্রেসার বুলেটগুলো নৌকার র‍্যাম্প আর গায়ে লেগে ছিটকে আসছিল। আমরা যদি ডুবে যাওয়া যানের বেঁচে যাওয়া মানুষদের তোলার জন্য কয়েক মিনিট দেরি না করতাম, তবে হয়তো আমাদের ওপরই ওই গুলিবর্ষণ হতো।<br>শত্রুর গোলন্দাজ বাহিনী এবং মর্টারের আঘাতে সমুদ্র থেকে জলের ফোয়ারা উঠছিল। আমরা তখন বুঝতে পারলাম যে এটি কোনো সহজ কাজ হবে না। কেউ ভাবেনি যে জলের কিনারাতেই শত্রু আমাদের এমন প্রতিরোধের মুখে ফেলবে। আমরা ভেবেছিলাম আমরা পৌঁছানোর আগেই এ এবং বি কোম্পানি সৈকত দখল করে নেবে। বাস্তবে আমাদের সেক্টরে তখনও কেউ পা রাখেনি। আমাদের চালক 'ভিয়েরভিল চার্চের' চূড়াটি লক্ষ্য করতে ভুল করেছিলেন এবং জোয়ার আমাদের আরও ২০০ গজ পূর্বে টেনে নিয়ে গিয়েছিল।<br>অবস্থান পরিবর্তনের খুব একটা তফাত ছিল না। আমরা আমাদের ডানে, পশ্চিম দিক থেকে শত্রুর মেশিনগানের সেই 'প-র-র-র-র' করে একটা শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। এটা স্পষ্ট ছিল যে আমাদের যেখানে নামার কথা ছিল, সেখানে কেউ না কেউ... ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে।<br>জলে এবং স্থলে যখন কামানের গোলা বিস্ফোরিত হচ্ছিল, তখনই যানের র‍্যাম্পটি নেমে গেল। পাহাড়ের ওপর থেকে অদৃশ্য স্নাইপাররা গুলি চালাচ্ছিল, তবে সবচেয়ে বেশি ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছিল অটোমেটিক অস্ত্রগুলো...।<br>আমি যখন নামলাম, তখন আমি জলের ভেতরে। ৬০ পাউন্ড ওজনের সরঞ্জাম শরীর থেকে ঝেড়ে ফেলা খুব কঠিন ছিল, আর কেউ যদি ভালো সাঁতারু না হতো তবে তার ডুবে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা ছিল...। ভালো সাঁতারু হওয়া সত্ত্বেও অনেকে জলের ভেতরেই ডুবে মারা গেল। মৃত দেহগুলো জলে ভাসছিল, আর জীবিত মানুষেরা মৃত সেজে জলের স্রোতের সাথে তীরের দিকে আসছিল...।<br>গোলা যখন জলের কিনারে এসে পড়ছে, তখন আমি চিবুক পর্যন্ত জলের নিচে নিজেকে লুকিয়ে রেখেছিলাম। ছোট ছোট অস্ত্রের গুলিতে বালি উড়ছিল। আমি একজন জিআই-কে দেখলাম সৈকত অতিক্রম করার জন্য দৌড়ানোর চেষ্টা করছে। সরঞ্জামের ভারে তার নড়াচড়া করতে কষ্ট হচ্ছিল। শত্রুর গুলিতে সে বিদ্ধ হলো এবং একজন 'মেডিক' বা চিকিৎসকের জন্য চিৎকার করতে লাগল। একজন চিকিৎসাকর্মী দ্রুত তাকে সাহায্য করতে গেল এবং সেও গুলিবিদ্ধ হলো। আমি কখনোই সেই দৃশ্য ভুলব না! একজন আহত সৈনিকের পাশে ওই মেডিক শুয়ে আছে এবং দুজনেই যন্ত্রণায় চিৎকার করছে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই তারা মারা গেল।<br>ছেলেরা একেজন বীরপুরুষে পরিণত হয়েছিল। কেউ কেউ হয়ে উঠেছিল চরম সাহসী। অন্যরা খুব দ্রুতই লাশে পরিণত হয়েছিল, আর যারা বেঁচে ছিল তারা ছিল আতঙ্কগ্রস্ত। কেউ কেউ তো ভয়ে প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছিল, অন্যরা নির্লজ্জের মতো কাঁদছিল। অনেকেরই কাজ শেষ করার জন্য নিজের ভেতর থেকে শক্তি খুঁজে নিতে হয়েছিল। শৃঙ্খলা আর প্রশিক্ষণই তখন সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল।<br>আমি আমার অ্যাসল্ট জ্যাকেট খুলে রেইনকোটটি বিছিয়ে দিলাম যাতে আমার রাইফেলটি পরিষ্কার করতে পারি। তখনই আমি আমার জ্যাকেট এবং রেইনকোটে বুলেটের গর্ত দেখতে পেলাম। আমি আমার প্রথম সিগারেটটি ধরালাম; আমাকে একটু বিশ্রাম নিয়ে নিজেকে সামলাতে হচ্ছিল কারণ আমার হাঁটু তখন দুর্বল হয়ে আসছিল। ** ২৯তম পদাতিক ডিভিশনের সদস্য বব স্লটার; যিনি ১৯৪৪ সালের ৬ জুন নরম্যান্ডির ওমাহা বিচে অবতরণ করেছিলেন, যেখানে সৈকত দখলের সেই যুদ্ধে ৩,৫০০ আমেরিকান এবং ৭০০ জার্মান নিহত হয়েছিল। * আক্রমণকারী ইউনিটগুলো বিশৃঙ্খল হয়ে পড়েছিল, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছিল এবং মূল্যবান সরঞ্জাম হারিয়ে তারা পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল। শত্রুর তীব্র গুলিবর্ষণের কারণে তারা সৈকতে আটকা পড়েছিল..। সৈকতে সৈন্য এবং সরঞ্জামের স্তূপ জমে যাচ্ছিল, যেখানে জড়ো হওয়া দলগুলো শত্রুর জন্য খুব সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল। ** ১৯৪৪ সালের ৬ জুন নরম্যান্ডির অবতরণ সৈকতে থাকা একজন আমেরিকান অফিসারের বর্ণনা। * অবশ্যই, আমরা সবাই বাড়ি ফিরতে চাই। আমরা এই আপদ দ্রুত শেষ করতে চাই। কিন্তু এটি শেষ করার দ্রুততম উপায় হলো ওই জারজগুলোকে ধরতে যাওয়া। তাদের যতো দ্রুত চাবকানো হবে, আমরা ততো দ্রুত বাড়ি ফিরব। বাড়ি ফেরার সংক্ষিপ্ততম পথটি [[:w:বার্লিন|বার্লিনের]] ওপর দিয়ে গেছে।<br>আর একটি জিনিস তোমরা বাড়ি ফিরে বলতে পারবে। যখন তোমরা আগুনের পাশে বসে থাকবে, কোলে থাকবে তোমাদের বাচ্চা, আর সে যখন জিজ্ঞেস করবে যে মহান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তুমি কী করেছিলে, তখন তোমাকে অন্তত এটি বলতে হবে না যে, তুমি [[w:লুইজিয়ানা|লুইজিয়ানায়]] বসে বিষ্ঠা পরিষ্কার করছিলে। ** জেনারেল '''''জর্জ এস. প্যাটনের''''' ভাষণ; ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে ফ্রান্সের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার আগে তিনি তাঁর ইউএস থার্ড আর্মির উদ্দেশ্যে এটি দিয়েছিলেন। * যেকোনো কমান্ডার যিনি তাঁর লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হন, এবং যিনি মৃত বা মারাত্মকভাবে আহত নন—তিনি তাঁর পূর্ণ দায়িত্ব পালন করেননি। ** জেনারেল '''''জর্জ এস. প্যাটনের''''' নির্দেশনা, যা তিনি থার্ড আর্মিকে দিয়েছিলেন। * অস্টিন হোয়াইট, শিকাগো, ইলিনয়; ১৯১৮ এবং ১৯৪৪। - আমি এভাবে শেষবারের মতো এখানে আমার নাম লিখতে চাই। ** ফ্রান্সের ভেরদুনের কাছে পাওয়া একটি শিলালিপি; যা 'ইয়াঙ্ক' ম্যাগাজিনের (সৈনিকদের জন্য একটি ম্যাগাজিন) একজন সাংবাদিক খুঁজে পেয়েছিলেন। ==== মন্টে ক্যাসিনোর যুদ্ধ (১৭ জানুয়ারি – ১৮ মে ১৯৪৪) ==== * এরই মধ্যে ফরাসি বাহিনী গারিলিয়ানো (নদী) অতিক্রম করে লিরি নদীর দক্ষিণে অবস্থিত পার্বত্য অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয়। এটি মোটেও সহজ কাজ ছিল না। বরাবরের মতোই জার্মান অভিজ্ঞ সেনারা প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল এবং সেখানে তিক্ত লড়াই হয়েছিল। ফরাসিরা শত্রুকে অবাক করে দিয়ে দ্রুত মাউন্ট ফাইতো চেরাসোলা এবং কাস্তেলফোরতের নিকটবর্তী উচ্চভূমি সহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো দখল করে নেয়। ১ম মোটরাইজড ডিভিশনের সহায়তায় ২য় মরোক্কান ডিভিশন গুরুত্বপূর্ণ মাউন্ট গিরোফানো দখল করে এবং এরপর দ্রুত উত্তরে এস. আপোলিনারে এবং এস. আমব্রোজিওর দিকে অগ্রসর হয়। শত্রুর কঠোর প্রতিরোধ সত্ত্বেও ২য় মরোক্কান ডিভিশন মাত্র দুই দিনের লড়াইয়ে গুস্তাভ লাইন ভেদ করতে সক্ষম হয়। ফরাসি ফ্রন্টের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা ছিল চূড়ান্ত। খঞ্জরধারী 'গুমিয়ার' সেনারা পাহাড়ের ওপর পঙ্গপালের মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, বিশেষ করে রাতের বেলা। এবং জেনারেল জুঁ-র পুরো বাহিনী এমন আগ্রাসন দেখিয়েছিল যা জার্মানরা প্রতিহত করতে পারেনি। চেরাসোলা, সান জিওগ্রিও, মাউন্ট ডি'অরো, আউসোনিয়া এবং এসপেরিয়া দখল করা হয়েছিল যা ছিল ইতালির যুদ্ধে অন্যতম উজ্জ্বল এবং সাহসী অগ্রযাত্রা। ১৬ মে তারিখের মধ্যে ফরাসি এক্সপেডিশনরি কর্পস তাদের বাম পার্শ্ব দিয়ে মাউন্ট রেভোল পর্যন্ত প্রায় দশ মাইল অগ্রসর হয়েছিল, যখন তাদের ফ্রন্টের বাকি অংশ ব্রিটিশ ৮ম আর্মির সাথে যোগাযোগ বজায় রাখার জন্য কিছুটা পিছিয়ে ছিল। এই অভাবনীয় কর্মক্ষমতার জন্য, যা রোম অভিযানের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ছিল, আমি সর্বদা জেনারেল জুঁ এবং তাঁর অসামান্য এফইসি-র একজন কৃতজ্ঞ গুণমুগ্ধ হয়ে থাকব... ৮ম আর্মির বিলম্ব জুঁ-র কাজকে আরও কঠিন করে তুলেছিল, কারণ তিনি এত দ্রুত অগ্রসর হচ্ছিলেন যে তাঁর ডান পার্শ্ব। যা ব্রিটিশদের সংলগ্ন ছিল, তা ক্রমাগত পাল্টা আক্রমণের ঝুঁকির মুখে ছিল। ** জেনারেল '''''মার্ক ডব্লিউ ক্লার্কের''''' বর্ণনা; যেখানে তিনি বর্ণনা করেছেন কীভাবে মার্শাল জুঁ-র কমান্ডে ফরাসি এক্সপেডিশনরি কর্পস (FEC) ১৯৪৪ সালের মে মাসে [[:w:গুস্তাভ লাইন|গুস্তাভ লাইন]] ভেদ করেছিল। মার্ক ওয়েন ক্লার্ক, ''ক্যালকুলেটেড রিস্ক'' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ৩৪৮। * সাধারণ শত্রুর বিরুদ্ধে আমাদের ইতালি অভিযানে ফরাসি সৈন্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত হতে দেখে আমি গভীর তৃপ্তি অনুভব করছি। এই দীর্ঘ মাসগুলোতে ফরাসি সেনাবাহিনীর মহত্তম ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী এই সৈন্যদের অসামান্য যোগ্যতার প্রমাণ স্বচক্ষে দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। তবুও এতেই সন্তুষ্ট না হয়ে, আপনি এবং আপনার সকল লোক ফ্রান্সের ইতিহাসে এক নতুন মহাকাব্যিক অধ্যায় যুক্ত করেছেন। আপনারা স্বদেশবাসীদের হৃদয়ে আনন্দ দিয়েছেন, তাঁদের সান্ত্বনা ও আশার আলো দেখিয়েছেন যখন তাঁরা ঘৃণাভরে দেখা এক দখলদারের ভারী এবং অপমানজনক জোয়ালের নিচে ধুঁকছিলেন। সি.ই.এফ. এর সকল সদস্যদের অদম্য শক্তি এবং বিপদের প্রতি চরম উপেক্ষা, সাথে ফরাসি সামরিক কর্মকর্তাদের অসাধারণ পেশাদার দক্ষতা মিত্রদের মনে প্রশংসা এবং শত্রুর মনে ত্রাস সৃষ্টি করেছে। গারিলিয়ানোর তীর থেকে, যেখানে আপনাদের প্রথম সাফল্য পুরো অভিযানের গতিপথ নির্ধারণ করে দিয়েছিল—পার্বত্য অঞ্চলের মধ্য দিয়ে রোমের দিকে এগিয়ে যাওয়া, [[:w:তাইবার|তাইবার নদী]] পার হওয়া এবং সিয়েনা ও আরনো উপত্যকার পাহাড়গুলো পর্যন্ত শত্রুকে নিরলসভাবে ধাওয়া করা। ফ্রান্সের সৈন্যরা সর্বদা সম্ভাব্য সবকিছু অর্জন করেছে এবং কখনও কখনও যা অসম্ভব ছিল তাও সম্ভব করেছে। আমাদের যৌথ বিজয়ে আপনাদের এই বিশাল অবদানের জন্য আমার গভীর কৃতজ্ঞতা গ্রহণ করবেন, আমার প্রিয় জেনারেল। ** মার্শাল জুঁ-র কাছে লেখা একটি চিঠিতে জেনারেল '''''মার্ক ডব্লিউ ক্লার্কের''''' শ্রদ্ধাঞ্জলি। মার্শাল জুঁ, ''মেমোয়ার্স'' (ফায়ার্ড, ১৯৫৯), পৃষ্ঠা ৩৫৫। === ১৯৪৫ === * এই মিত্র বাহিনীর মিশন ৭ মে, ১৯৪৫ তারিখের স্থানীয় সময় ভোর ৩টায় সম্পন্ন হয়েছে। ** জেনারেল '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' বার্তা; ফ্রান্সের রেইমসে অবস্থিত আইজেনহাওয়ারের সদর দপ্তরে জার্মান প্রতিনিধিদের আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষরের পর তিনি এটি কম্বাইন্ড চিফস অফ স্টাফকে (ব্রিটিশ ও আমেরিকান বাহিনীর কমান্ড) পাঠিয়েছিলেন। == [[w:ইহুদি গণহত্যা|ইউরোপের যুদ্ধঃ ইহুদি গণহত্যা]] == === ১৯৪৪ === * আমরা যখন গবাদি পশু পরিবহনের ট্রাক থেকে নামলাম, তারা নির্দেশ দিল, 'পুরুষরা ডানদিকে ; মহিলারা বামদিকে।'...আমি বাবার সাথে গেলাম। আমার ছোট বোন এস্তার মায়ের সাথে গেল। এস্তারের বয়স ছিল মাত্র এগারো। ও আমার মায়ের হাত ধরে ছিল। যখন তারা মহিলাদের বাছাই করছিল, এস্তার আমার মাকে আঁকড়ে ধরল। মা ওকে ছেড়ে দিতে রাজি হননি। তারা সরাসরি গ্যাস চেম্বারের দিকে চলে গেল। ** মরিস (মরিৎজ) ভেগের বর্ণনা; ৪ মে, ১৯৯৬ তারিখে মার্টিন গিলবার্টের সাথে কথোপকথনে। ভেগ-কে ১৩ বছর বয়সে তাঁর পরিবারের সাথে অউশভিৎজ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছিল, সেখানে তিনি ক্রীতদাস হিসেবে কাজ করেছেন এবং তিনি তাঁর পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য ছিলেন। ''দ্য বয়েজ: ট্রায়াম্ফ ওভার অ্যাডভার্সিটি'' (ডগলাস অ্যান্ড ম্যাকইনটায়ার, ১৯৯৬), পৃষ্ঠা ১৬৭। === ১৯৪৫ === * আমি চাই, সামনের সারিতে নেই এমন প্রতিটি আমেরিকান ইউনিট এই জায়গাটি এসে দেখুক .... আমাদের বলা হয় যে আমেরিকান সৈন্যরা জানে না তারা কিসের জন্য লড়ছে। এখন অন্তত তারা জানবে যে তারা ঠিক কিসের 'বিরুদ্ধে' লড়ছে। ** ১৩ এপ্রিল, ১৯৪৫ তারিখে অর্ড্রুফ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প পরিদর্শনের পর সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার জেনারেল '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' মন্তব্য। সেখানে ব্যারাকগুলোতে লাশের স্তূপ ছিল এবং পুড়িয়ে ফেলা দেহের গন্ধ আসছিল মৃতদেহ পোড়ানোর চুল্লি (ক্রিমেটোরিয়া) থেকে। চার্লস আর. কোডম্যান, ''ড্রাইভ'' (বোস্টন, ১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২৮২–২৮৩। * ক্যাম্পের অন্য একটি অংশে তারা আমাকে শিশুদের দেখাল, সেখানে শত শত শিশু ছিল। কয়েকজনের বয়স ছিল মাত্র ৬ বছর। একজন তার জামার হাতা গুটিয়ে আমাকে তার নম্বরটি দেখাল। এটি তার হাতে উল্কি করে খোদাই করা ছিল। নম্বরটি ছিল বি-৬০৩০। অন্যরা আমাকে তাদের নম্বরগুলো দেখাল। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তারা এগুলো বহন করে বেড়াবে। আমি তাদের পাতলা শার্টের ভেতর দিয়ে পাঁজরের হাড়গুলো দেখতে পাচ্ছিলাম। ** সিবিএস নিউজের সংবাদদাতা '''''এডওয়ার্ড আর. মুরোর''''' রিপোর্ট; ১৫ এপ্রিল, ১৯৪৫ তারিখে বুখেনওয়াল্ড কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প থেকে। ''ফ্রম ডি-ডে থ্রু ভিক্টরি ইন ইউরোপ'' (নিউ ইয়র্ক, ১৯৪৫), পৃষ্ঠা ১৬৮–৭৪। * যা এই তদন্তকে তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে তা হলো—এই বন্দীরা (নাৎসি নেতারা) এমন এক অশুভ প্রভাবের প্রতিনিধিত্ব করে যা তাদের দেহ ধূলিসাৎ হয়ে যাওয়ার অনেক পরেও পৃথিবীতে লুকিয়ে থাকবে। তারা হলো বর্ণগত ঘৃণা, সন্ত্রাস ও সহিংসতা এবং ক্ষমতার দম্ভ ও নিষ্ঠুরতার জীবন্ত প্রতীক। ** মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি '''''রবার্ট এইচ. জ্যাকসনের''''' বক্তব্য; যিনি যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বেঁচে থাকা নাৎসি নেতাদের বিরুদ্ধে চলা নুরেমবার্গ ট্রায়ালে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', খণ্ড ৯৫, সংখ্যা ৩২,০৭৯ (২২ নভেম্বর, ১৯৪৫), পৃষ্ঠা ২। * মাসের পর মাস, বছরের পর বছর আমাদের কেবল একটিই ইচ্ছা ছিল। আমাদের মধ্যে কেউ যেন অন্তত বেঁচে ফিরতে পারি! যাতে আমরা বিশ্বকে জানাতে পারি যে নাৎসি অপরাধীদের কারাগারগুলো আসলে কেমন ছিল। সেখানে মানুষকে দাস হিসেবে ব্যবহার করার এবং যখন তারা আর কাজ করার ক্ষমতা রাখত না তখন তাদের মেরে ফেলার এক সুশৃঙ্খল আকাঙ্ক্ষা বিদ্যমান ছিল। ** অউশভিৎজ থেকে বেঁচে ফেরা '''''মারি-ক্লদ ভ্যালান-কুতুরিয়ের''''' (মারি ভ্যালান); ২৮ জানুয়ারি ১৯৪৬ তারিখে নুরেমবার্গ ট্রায়ালে দেওয়া সাক্ষ্যে। ''ট্রায়াল অফ দ্য মেজর ওয়ার ক্রিমিনালস বিফোর দ্য ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল'' (১৯৪৭), খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ২২৮। * ''KZ Dachau — Velden — Buchenwald. Ich schäমে mich, daß ich ein Deutscher bin.'' (কেজেড ড্যাকাউ — ভেলডেন — বুখেনওয়াল্ড। ইশ শেমে মিশ, ডাস ইশ আইন ডয়চার বিন।) ** কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প ড্যাকাউ — ভেলডেন — বুখেনওয়াল্ড। আমি একজন জার্মান হিসেবে লজ্জিত। ** ১৯৪৫ সালে আমেরিকানদের হাতে শহরটি পতন হওয়ার পর [[w:মিউনিখ|মিউনিখের]] ফেল্ডহেরনহালের দেওয়ালে আঁকা একটি লিপি। ''সুদডয়েচ জেইতুংয়ের'' (৪ মে ২০২০) "স্পেট শম" প্রতিবেদনে এটি রিপোর্ট করা হয়েছে। == মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং [[:w:কমনওয়েলথ অব নেশনস|কমনওয়েলথ অব নেশনস]] বনাম জাপান == * ''কোনো শত্রু আমাদের ফসল কাটতে পারবে না,<br>অথবা আমাদের পশুখামারের বেড়ার উপর বসতে পারবে না।'' ** '''''মেরি গিলমোর''''', "নো ফো শ্যাল গ্যাদার আওয়ার হারভেস্ট" (কোনো শত্রু আমাদের ফসল কাটবে না), স্তবক ৪; ''দ্য অস্ট্রেলিয়ান ওমেনস উইকলি'' (সিডনি, ২৯ জুন ১৯৪০), পৃষ্ঠা ৫। লেখকের টীকা: "যুদ্ধ জয়ের জন্য আমি যা করতে চাই তার অনেক কিছুই করার মতো বয়স আমার নেই, কিন্তু আমি এখনও লিখতে পারি। অস্ট্রেলিয়ার পুরুষ ও নারীদের জন্য এখানে একটি গান দিলাম।" === ১৯৪১ === * আমি এখানে উপস্থিত আপনাদের অধিকাংশকেই চিনি এবং আপনাদের ক্ষমতা ও বিচারবুদ্ধির ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা এক বিশাল ধাক্কা খেয়েছি, কিন্তু চূড়ান্ত পরিণতি নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। ** '''''চেস্টার ডব্লিউ. নিমিৎজ'''''; ৩১ ডিসেম্বর ১৯৪১ তারিখে কমান্ড গ্রহণ করার সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিট স্টাফ অফিসারদের সাথে বৈঠকে। ইয়ান ডব্লিউ. টোল রচিত ''প্যাসিফিক ক্রুসিবল: ওয়ার অ্যাট সি ইন দ্য প্যাসিফিক, ১৯৪১–১৯৪২'' (২০১২), ১৬০ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * সময়জ্ঞান এবং আকস্মিকতার কারণে আপনারা হয়তো প্রাথমিক সাফল্য পাবেন, কিন্তু এমন সময় আসবে যখন আপনাদেরও ক্ষয়ক্ষতি হবে; তবে সেখানে একটি বিশাল পার্থক্য থাকবে। আপনারা কেবল আপনাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই ব্যর্থ হবেন না, বরং সময় গড়ানোর সাথে সাথে দুর্বল হতে থাকবেন। অন্যদিকে আমরা কেবল আমাদের ক্ষতিই পুষিয়ে নেব না, বরং সময়ের সাথে সাথে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠব। আমরা আপনাদের চূর্ণ না করা পর্যন্ত থামব না—এটি অনিবার্য। ** অ্যাডমিরাল '''''হ্যারল্ড রেইনসফোর্ড স্টার্কের''''' বক্তব্য; নৌ-অপারেশনের প্রধান হিসেবে যুদ্ধের আগে জাপানি রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশ্যে দেওয়া। লুইস মর্টন, ''দ্য ওয়ার ইন দ্য প্যাসিফিক। স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড কমান্ড: দ্য ফার্স্ট টু ইয়ার্স'' (১৯৬২), ১২৫ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গ্রেট ব্রিটেনের সাথে যুদ্ধের প্রথম ছয় থেকে বারো মাস আমি দাপিয়ে বেড়াব এবং একের পর এক বিজয় ছিনিয়ে আনব। কিন্তু এরপরও যদি যুদ্ধ চলতে থাকে, তবে সফল হওয়ার কোনো আশা আমার নেই। ** অ্যাডমিরাল '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো''''', পার্ল হারবার আক্রমণের পরিকল্পনাকারী; প্রধানমন্ত্রী ফুমিমারো কোনোর কাছে দেওয়া বক্তব্য। রোনাল্ড স্পেক্টর, ''ঈগল অ্যাগেইনস্ট দ্য সান: দ্য আমেরিকান ওয়ার উইথ জাপান'' (১৯৮৫) এ উদ্ধৃত। * ''Tennōheika banzai!'' (তেন্নো হেইকা বানজাই!) ** সম্রাট দশ হাজার বছর দীর্ঘজীবী হোন! ** — আক্রমণের সময় জাপানি ইম্পেরিয়াল বাহিনীর সেনাদের দেওয়া স্লোগান। == জাপানের আক্রমণ: ফিলিপাইনের পতন (ডিসেম্বর ১৯৪১ – মে ১৯৪২) == === ১৯৪২ === * আমরাই বাতাআনের জারজ লড়াকু দলীয়;<br>বাবা নেই, মা নেই, নেই [[:w:আঙ্কেল স্যাম|আঙ্কেল স্যাম]];<br>খালা নেই, মামা নেই, নেই কোনো আত্মীয়...<br>নেই ওষুধ, নেই বিমান, নেই কোনো কামানের গোলা...<br>আর কারো তাতে কিছু আসে যায় না। ** ম্যানিলা বে-র উত্তর-পশ্চিমে বাতাআন উপদ্বীপের প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত সেনাদের গাওয়া গান; যারা ফিলিপাইনে জাপানি আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে সর্বশেষ প্রধান শক্তি হিসেবে টিকে ছিল। * ধরুন আপনি একজন সার্জেন্ট মেশিন-গানার, আর আপনার বাহিনী পিছু হটছে এবং শত্রু এগিয়ে আসছে। ক্যাপ্টেন আপনাকে রাস্তা আগলে রাখা একটি মেশিনগানের কাছে নিয়ে গেলেন। তিনি আপনাকে বললেন, 'তোমাকে এখানেই থাকতে হবে এবং এই অবস্থান ধরে রাখতে হবে'। আপনি জিজ্ঞেস করলেন, 'কতোক্ষণ?' তিনি উত্তর দিলেন, 'সেটা নিয়ে ভেবো না, শুধু ধরে রাখো'। তখনই আপনি বুঝবেন যে আপনি 'এক্সপেন্ডবল' বা ত্যাজ্য। এক অর্থে যেকোনো কিছুই ত্যাজ্য হতে পারেটাকা, গ্যাসোলিন, সরঞ্জাম বা সাধারণত মানুষ। তারা কেবল কিছুটা সময় পাওয়ার জন্য আপনাকে এবং ওই মেশিনগানটিকে বিসর্জন দিচ্ছে। ** উইলিয়াম এল. হোয়াইট, তাঁর 'দে ওয়্যার এক্সপেন্ডবল' গ্রন্থে; ১৯৪২ সালের শুরুতে জাপানিদের কাছে ফিলিপাইনের পতনের বিবরণ। * সূর্য আমার ধড়ফড় করা হৃদয়ে এক প্রখর তাপ ঢালছিল... রাস্তার ধারে জঙ্গলটা ছিল কুয়াশাচ্ছন্ন সবুজ আভা, যা আমার ঘর্মাক্ত চোখের সামনে ভেসে উঠছিল। <br>ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেল, এবং প্রচুর সংখ্যক বন্দী তাদের সহ্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেল। দলছুটদের সংখ্যা বাড়তে থাকল। রাস্তার ওপর তারা শত শত সংখ্যায় লুটিয়ে পড়ল...।<br>একটি পিস্তলের আওয়াজ হলো এবং সেই গুলির শব্দ জঙ্গলের বুক জুড়ে প্রতিধ্বনিত হলো। এরপর আরেকটি গুলি, এবং আরও অনেক গুলি; আমি জানতাম যে আমাদের পেছনে জাপানিদের একটি 'ক্লিন-আপ স্কোয়াড' (পরিচ্ছন্নতাকারী দল) আসছে, যারা ওই সাদা ধুলোবালিময় রাস্তায় তাদের অসহায় শিকারদের হত্যা করছে...। সেই গুলির শব্দ আমাদের এগিয়ে যেতে বাধ্য করছিল। আমি দাঁতে দাঁত চাপলাম। 'ওহ ঈশ্বর, আমাকে চলতেই হবে। আমি থামতে পারব না। আমি ওভাবে মরতে পারি না'। ** সার্জেন্ট সিডনি স্টুয়ার্ট, ১৯৪২ সালের এপ্রিলের বাতাআন ডেথ মার্চের একজন উত্তরজীবী; যখন জাপানিরা ৭০,০০০ আমেরিকান ও ফিলিপিনো বন্দীকে বাতাআন উপদ্বীপ থেকে তাদের বন্দীশিবির পর্যন্ত ৬০ মাইল পথ হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। এই পদযাত্রার সময় প্রায় ১০,০০০ বন্দী গুলি, বেয়নেট বা অনাহারে নিহত হয়েছিল। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আমাকে জাপানি ব্যুহ ভেদ করে কোরিজিডোর থেকে [[:w:অস্ট্রেলিয়ায়|অস্ট্রেলিয়ায়]] যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন; যে উদ্দেশ্যে আমি এটি বুঝেছি তা হলো, জাপানের বিরুদ্ধে আমেরিকান আক্রমণ সংগঠিত করা, যার প্রাথমিক লক্ষ্য হলো [[:w:ফিলিপাইন|ফিলিপাইনের]] মুক্তি।<br>আমি পার হয়ে এসেছি এবং আমি ফিরে আসব। ** জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' মন্তব্য; ম্যানিলা বে-র কোরিজিডোর দ্বীপের দুর্গটি জাপানিদের হাতে পতনের পূর্বে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক তাঁকে অস্ট্রেলিয়ায় চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এটি বলেছিলেন (৩০ মার্চ, ১৯৪২)। ''রিপ্রেজেন্টেটিভ স্পিচেস অফ জেনারেল অফ দ্য আর্মি ডগলাস ম্যাকআর্থার'' (১৯৬৪), পৃষ্ঠা vi। * ঈশ্বর আমাদের প্রতি সহায় হোন! ** —জাপানি আক্রমণ মোকাবিলায় [[:w:অস্ট্রেলিয়ার|অস্ট্রেলিয়ার]] প্রস্তুতির অভাব সম্পর্কে জানতে পেরে জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' আক্ষেপ। == [[:w:মিডওয়ের যুদ্ধ|জাপানের আক্রমণ প্রতিহত: মিডওয়ের যুদ্ধ (জুন ১৯৪২)]] == === ১৯৪২ === * আমরা জানতাম নিমিৎজ কী করছেন। তিনি সঠিক কাজটিই করছিলেন, এবং আমরা তাঁকে তাঁর মতোই কাজ করতে দিয়েছিলাম। ** '''''আর্নেস্ট কিং'''''; মিডওয়ের যুদ্ধে চেস্টার নিমিৎজের ভূমিকা সম্পর্কে 'টাইম' ম্যাগাজিনের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে (খণ্ড ৪০, সংখ্যা ২৩, ৭ ডিসেম্বর ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৩৩। * ১৯৪২ সালের এপ্রিলে টোকিওতে ডুলিটল এয়ার রেইডের ফলে মিডওয়েতে আক্রমণ করা হবে কি না, সেই বিতর্কের অবসান ঘটেছিল। ** অ্যাডমিরাল '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো''''', জাপানি নৌবহরের কমান্ডার। * একটি নিষ্পত্তিমূলক নৌ-যুদ্ধের মুখোমুখি হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। আমরা যদি তা করার জন্য এখান থেকে যাত্রা করি এবং প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে একযোগে আত্মাহুতি দিই, তবে সমুদ্রের উপরিভাগে কিছু সময়ের জন্য হলেও শান্তি বিরাজ করবে। ** অ্যাডমিরাল '''''ইশোরোকু ইয়ামামোতো'''''; অপারেশন মি বা মিডওয়ে দ্বীপে আক্রমণের আগে জাপানি নেভাল জেনারেল স্টাফের কাছে দেওয়া বক্তব্য। * বিস্ময় বা আকস্মিকতা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমরা বিশ্বাস করতাম যে জাপানিরা আমাদের রণতরীগুলোর উপস্থিতি সম্পর্কে জানত না। ** কমান্ডার '''''জোসেফ ওয়ার্দিংটন''''', ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস বেনহামের কমান্ডিং অফিসার; মিডওয়ের যুদ্ধের জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর পরিকল্পনা সম্পর্কে, যা জাপানি কোড ভাঙার ওপর নির্ভরশীল ছিল। * পাঁচ মিনিটের মধ্যেই তার [জাপানি বিমানবাহী রণতরী 'আকাগি'-র] সব বিমান উড্ডয়ন করত। মাত্র পাঁচ মিনিট! কে ভেবেছিল যে যুদ্ধের মোড় এই সামান্য সময়ের ব্যবধানে পুরোপুরি ঘুরে যাবে? প্রথম জিরো ফাইটারটি গতি বাড়িয়ে ডেক থেকে শোঁ করে উড়ে গেল। ঠিক সেই মুহূর্তে একজন পাহারাদার চিৎকার করে উঠল, 'হেল ডাইভারস [মার্কিন নৌবাহিনীর ডাইভ বোম্বার]!' আমি ওপরের দিকে তাকিয়ে দেখলাম তিনটি কালো শত্রু বিমান আমাদের জাহাজের দিকে ধেয়ে আসছে। বোমা! সেগুলো সরাসরি আমার দিকেই নেমে আসছিল! ** কমান্ডার '''''মিৎসুও ফুচিদা''''', আকাগিতে থাকা একজন জাপানি কর্মকর্তা; 'মিডওয়ে: দ্য ব্যাটেল দ্যাট ডুমড জাপান' গ্রন্থে। ৩-৬ জুন, ১৯৪২ সালের মিডওয়ের যুদ্ধে মার্কিন নৌবাহিনী হাওয়াইয়ের দিকে জাপানিদের অগ্রযাত্রা রুখে দেয় এবং শত্রুর চারটি বিমানবাহী রণতরী ডুবিয়ে দেয়। এরপর থেকে যুদ্ধের পরবর্তী বছরগুলোতে প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন বাহিনী নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে যেতে থাকে। == প্রশান্ত মহাসাগরে যুদ্ধের মোড় পরিবর্তন == === ১৯৪২ === * কোনো সেনাবাহিনীই কখনও এত অল্প কিছু নিয়ে এত বেশি কিছু করেনি। ** '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' মন্তব্য; বাতাআনের পতন প্রসঙ্গে দেওয়া এই উক্তিটি ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১১ এপ্রিল, ১৯৪২), ১ পৃষ্ঠায় রিপোর্ট করা হয়েছিল। * এখন এটি প্রতীয়মান হচ্ছে যে আমরা গুয়াদালকানাল অঞ্চলে সমুদ্রের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে অক্ষম। ফলে আমাদের অবস্থানগুলোতে রসদ সরবরাহ করতে গেলে আমাদের বিশাল মূল্য চুকাতে হবে। পরিস্থিতি হতাশাজনক নয়, তবে এটি অবশ্যই সংকটজনক। ** অ্যাডমিরাল '''''চেস্টার ডব্লিউ. নিমিৎজের''''' বক্তব্য; ১৯৪২ সালের নভেম্বরে গুয়াদালকানাল অভিযানে মার্কিন নৌবাহিনীর কমান্ডিং অফিসার হিসেবে তিনি এটি বলেছিলেন। * একবার যদি আক্রমণকারী শক্তি হিসেবে জাপান ধ্বংস হয়ে যায়, তবে [[:w:প্রশান্ত মহাসাগর|প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে]] চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো আর কোনো শক্তির আবির্ভাব ঘটবে বলে আমাদের জানা নেই। প্রশান্ত মহাসাগরের তীরবর্তী শান্তিকামী মানুষের একমাত্র শত্রু হলো জাপান। ** '''''জোসেফ গ্রুর''''' ভাষণ; নিউ ইয়র্ক সিটির কার্নেগি হলে 'ইউনাইটেড চায়না রিলিফের' উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্য (১০ অক্টোবর, ১৯৪২); ''দ্য ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট বুলেটিন'' (১০ অক্টোবর, ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৭৯৮। গ্রু ১৯৩২-১৯৪১ সাল পর্যন্ত জাপানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন। === ১৯৪৩ === * আমি গুয়াদালকানাল এবং তুলাগি অভিযানকে আমাদের আক্রমণাত্মক অবস্থান থেকে রক্ষণাত্মক অবস্থানে চলে যাওয়ার সন্ধিক্ষণ হিসেবে দেখি। এবং সেখানে আমাদের বিপর্যয়ের কারণ ছিল আপনাদের মতো একই গতিতে আমাদের শক্তি বৃদ্ধিতে অক্ষমতা। ** জাপানি অ্যাডমিরাল '''''ওসামি নাগানোর''''' বক্তব্য; নৌ-বাহিনীর প্রধান হিসেবে যুদ্ধের পর আমেরিকান কর্মকর্তাদের কাছে তিনি এই স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন। * বাতাআন হলো একটি পরিবারের সেই সন্তানের মতো যে মারা গেছে। এটি আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকে। ** ১৯৪৩ সালের ৯ এপ্রিল, বাতাআনের পতনের প্রথম বার্ষিকীতে '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' স্মৃতিচারণ। ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' রিপোর্ট অনুযায়ী, পতনের পর এটিই ছিল প্রথমবার যখন জেনারেল ম্যাকআর্থার জনসম্মুখে 'বাতাআন' নামটি উচ্চারণ করেছিলেন। == প্রশান্ত মহাসাগরে আমেরিকার উভচর অগ্রযাত্রা == === ১৯৩৯ === * শত্রু বাহিনীর মুখোমুখি হয়ে কোনো বিদেশি উপকূলে অবতরণ করা বরাবরই যুদ্ধের অন্যতম কঠিন অভিযান হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এখন এটি আরও অনেক বেশি কঠিন, প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কারণ একটি পরিবহন কনভয় রক্ষণভাগের বিমান বাহিনীর কাছে অত্যন্ত সহজ লক্ষ্যবস্তু। খোলা নৌকায় করে সৈন্য নামানোর প্রক্রিয়াটি আরও বেশি বিপজ্জনক। ** ব্রিটিশ সামরিক লেখক ক্যাপ্টেন '''''বি. এইচ. লিডেল হার্টের''''' বক্তব্য; 'দ্য ডিফেন্স অফ ব্রিটেন' (১৯৩৯) গ্রন্থে। == ১৯৪৩-১৯৪৫: প্রশান্ত মহাসাগরে বিজয় == * যৌথ প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে এই যুদ্ধের অসামান্য সাফল্য ছিল উভচর অভিযানের নিখুঁত প্রয়োগ, যা আধুনিক যুদ্ধের সব অপারেশনের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন। ** ফ্লিট অ্যাডমিরাল '''''আর্নেস্ট জে. কিঙের''''' বক্তব্য; জেনারেল অফ দ্য আর্মি জর্জ সি. মার্শাল, জেনারেল অফ দ্য আর্মি এইচ. এইচ. আর্নল্ড এবং ফ্লিট অ্যাডমিরাল আর্নেস্ট জে. কিঙের 'দ্য ওয়ার রিপোর্টস' (১৯৪৭) গ্রন্থে। === ১৯৪৪ === * এই অভিযানের লক্ষ্য হলো এমন কিছু অবস্থান দখল করা যেখান থেকে ব্যাপক বিমান হামলা, সমুদ্র ও আকাশপথে অবরোধ এবং প্রয়োজনে আক্রমণের মাধ্যমে জাপানকে চূড়ান্ত আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যায়। ** কমান্ডার ইন চিফ প্যাসিফিক ওশান এরিয়াস (অ্যাডমিরাল নিমিৎজ); 'ক্যাম্পেইন প্ল্যান গ্রানাইট' (১৫ জানুয়ারি, ১৯৪৪)। * যদি সাইপান হাতছাড়া হয়, তবে [[w:টোকিও|টোকিওতে]] ঘনঘন বিমান হামলা চালানো হবে। ** সাইপান রক্ষাকারী জাপানি বাহিনীকে উৎসাহিত করার জন্য সম্রাট হিরোহিতোর পাঠানো বার্তা। * আমাদের জাহাজগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেগুলো জাপানি নৌবহরের দিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ** অ্যাডমিরাল '''''উইলিয়াম ফ্রেডরিক হ্যালসি জুনিয়রের''''' (বুল হ্যালসি) রেডিও বার্তা; লেয়তে উপসাগরের যুদ্ধের (অক্টোবর ১৯৪৪) সময় তাঁর ইউএস থার্ড ফ্লিটের অধিকাংশ জাহাজ হারিয়ে গেছে বলে প্রচারিত জাপানি প্রোপাগান্ডার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এটি দিয়েছিলেন। * আমি ব্ল্যাকজ্যাক নিজে বলছি। এখন পর্যন্ত আপনাদের রণকৌশল এবং সাহসিকতা ছিল এককথায় অতুলনীয়। আপনাদের কাছে আমার প্রত্যাশা এখন আরও বেড়ে গেছে। ওই জার্মান-জাপানি জারজদের জাহান্নামে পাঠানোর কাজ অব্যাহত রাখুন, তারা যেন এভাবেই মরতে থাকে! ** ১৯৪৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ইউএস থার্ড ফ্লিটের সকল সদস্যের উদ্দেশ্যে দেওয়া সমাপনী বার্তায় অ্যাডমিরাল '''''উইলিয়াম ফ্রেডরিক হ্যালসি জুনিয়রের''''' তেজস্বী উক্তি; যা তিনি তাঁর আত্মজীবনী 'অ্যাডমিরাল হ্যালসি'স স্টোরি' (১৯৪৭), ২৪২ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত করেছেন। * [[:w:ফিলিপাইনের|ফিলিপাইনের]] জনগণঃ আমি ফিরে এসেছি। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের অশেষ করুণায় আমাদের বাহিনী আজ পুনরায় ফিলিপাইনের পবিত্র মাটিতে পা রেখেছে...। আপনাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মুক্তির মাহেন্দ্রক্ষণ উপস্থিত হয়েছে। আমার পতাকাতলে সমবেত হোন! যুদ্ধের রণরেখা যখন আপনাদের মুক্ত করতে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন আপনারা জেগে উঠুন এবং শত্রুর ওপর আঘাত হানুন। যেখানেই সুযোগ পাবেন, সর্বশক্তিমান শক্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়ুন। আপনাদের ঘরবাড়ি আর প্রিয়জনদের নিরাপত্তার জন্য আঘাত করুন! আপনাদের সন্তানদের এবং অনাগত প্রজন্মের ভবিষ্যতের জন্য আঘাত করুন! আপনাদের সেইসব পূর্বপুরুষদের নামে আঘাত করুন যারা আত্মত্যাগ করে পবিত্র হয়ে আছেন! কারোর হৃদয় যেন আজ দুর্বল না হয়। প্রতিটি বাহু যেন ইস্পাতের মতো শক্ত হয়। পরম করুণাময় ঈশ্বর আমাদের পথ দেখাচ্ছেন। ন্যায়ের এই যুদ্ধে পবিত্র বিজয়ের সেই অমৃত সুধা বা 'হোলি গ্রেইল' অর্জনে তাঁরই নামে এগিয়ে চলুন। ** ১৭ অক্টোবর, ১৯৪৪ তারিখে ফিলিপাইনের লেয়তে অবতরণের পর জনগণের উদ্দেশ্যে দেওয়া জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]'''''; [https://www.youtube.com/watch?v=Wv1PF0tAE1s ফিলিপাইনের লেয়তে অবতরণকালে], সেই ভাষণ যা 'রেমিনিসেন্সেস' (১৯৬৪), ২১৬–১৭ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে। === ১৯৪৫ === * নাভাজো কোড টকাররা নিজেদেরকে অত্যন্ত মেধাবী, পরিশ্রমী এবং দক্ষ নৌ-সেনা (মেরিন) হিসেবে প্রমাণ করেছেন। তাঁদের বুদ্ধিমত্তা ও কর্মতৎপরতা সত্যিই প্রশংসনীয়।<br>যদি এই নাভাজো যোদ্ধারা আমাদের সাথে না থাকতেন, তবে আমেরিকান মেরিন বাহিনী কখনোই ইও জিমার মতো দুর্ভেদ্য দ্বীপ জয় করতে পারত না। ** কোড টকার হলেন মূলত প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনীতে কর্মরত নেটিভ আমেরিকান (আদিবাসী) সৈনিক, যারা নিজেদের জটিল ও অলিখিত আদিবাসী ভাষা ব্যবহার করে শত্রুপক্ষ বুঝতে না পারে এমন গোপন সংকেত বার্তা পাঠাতেন। *** নাভাজো ইন্ডিয়ান সৈন্য এবং মেরিনদের সম্পর্কে মন্তব্য, যারা রেডিওতে তাদের নিজস্ব মাতৃভাষায় যোগাযোগ করত; যার ফলে জাপানি গোয়েন্দারা আড়ি পেতেও সেই সংকেত বা কোড কখনোই বুঝতে সক্ষম হয়নি; [https://americanindian.si.edu/why-we-serve/topics/code-talkers/ সূত্র]। * যে সকল অতি-উৎসাহী প্লাটুন লিডাররা চমকপ্রদ আক্রমণের নির্দেশ দিয়ে শত্রুর গোলাবর্ষণকে আমন্ত্রণ জানাতেন, তাঁদের এড়িয়ে চলা হতো এবং প্রয়োজনে তাঁদের নির্দেশ উপেক্ষা করা হতো। ওভাবে কখনোই যুদ্ধক্ষেত্রে জমি দখল করা যেত না; বরং তা অর্জিত হতো পাঁচ-ছয়জনের ছোট ছোট একেকটি ক্লাস্টার বা দলের মাধ্যমে, যারা এক ধরণের আত্ম-সম্মোহনের বশবর্তী হয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে দুপাশ থেকে রহস্যময় এক সমন্বয়ের মাধ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে যেত। ** সার্জেন্ট '''''উইলিয়াম ম্যানচেস্টারের''''' (ইউএসএমসি) পর্যবেক্ষণ; ওকিনাওয়ার যুদ্ধে স্থল অভিযানের অভিজ্ঞতা নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত ইতিহাস গ্রন্থ গুডবাই ডার্কনেসে। * প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্রবর্তী অঞ্চলের একটি দ্রুতগামী রণতরী থেকে, ১১ মে (বিশেষ বিলম্বিত প্রতিবেদন) এক হাজার পাউন্ড ওজনের বোমা বহনকারী দুটি জাপানি আত্মঘাতী বিমান আজ ভাইস অ্যাডমিরাল মার্ক এ. মিটশারের নিজস্ব ফ্ল্যাগশিপের (প্রধান জাহাজ) ফ্লাইট ডেকে আছড়ে পড়েছে। যা আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফ্ল্যাট-টপ বা বিমানবাহী রণতরীটিকে একটি বিশাল 'ভাসমান মশালের' মতো জ্বলন্ত অগ্নিপিণ্ডে পরিণত করেছে, যার আগুনের শিখা আকাশে প্রায় এক হাজার ফুট উঁচুতে ছড়িয়ে পড়ছিল।<br>এরপরের দীর্ঘ আট ঘণ্টা ধরে জাহাজ এবং তার ক্রু-রা টিকে থাকার জন্য এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ ও ভয়াবহ লড়াই চালিয়েছে, যা প্রশান্ত মহাসাগরের ইতিহাসে খুব কমই দেখা গেছে। তবে গোধূলির আলো যখন নিভে আসছিল, তখন দেখা গেল সেই ইউএসএস বাঙ্কার হিল যা ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং এখনও ধোঁয়া ও বাষ্পের আবরণে ঢাকা থাকা সত্ত্বেও, নিজ শক্তিতেই দূর দিগন্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সে তখন নিরাপদ। আগামীকাল তাকে আরও আটটি ভয়াবহ ঘণ্টা কাটাতে হবে সেই সব মানুষদের সাগরে সমাহিত করার জন্য, যারা এই জাহাজটিকে রক্ষা করতে গিয়ে নিজেদের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন।<br>কয়েকশ গজ দূরে অবস্থিত পার্শ্ববর্তী একটি রণতরীর ডেক থেকে আমি বাঙ্কার হিলকে পুড়তে দেখেছি। এটি বিশ্বাস করা কঠিন যে ওই আগুনের শিখার মধ্যে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে কিংবা কোনো ধাতু এমন প্রচণ্ড উত্তাপ সহ্য করতে পারে।<br>এক মিনিট আগেও আমাদের টাস্ক ফোর্স ওকিনাওয়া থেকে ৬০ মাইল দূরে অলস ভঙ্গিতে চক্কর দিচ্ছিল, পৃথিবীর কোনো চিন্তা বা শত্রুর বিমানের কোনো আশঙ্কা আমাদের মনে ছিল না। কিন্তু ঠিক তার পরের মুহূর্তেই বাঙ্কার হিল আগুনের এক বিশাল স্তম্ভে পরিণত হলো। এটি গ্রীষ্মকালীন বজ্রপাতের মতোই ক্ষণস্থায়ী আর আকস্মিক ছিল।<br>যুদ্ধের এলাকায় প্রবেশের পর থেকে প্রতিদিন ষোলো ঘণ্টার একটানা সতর্ক পাহারার পর, আমাদের জাহাজের সেই ক্লান্তি মেটাতে এক ঘণ্টা আগেই জেনারেল কোয়ার্টার থেকে বিরতি দেওয়া হয়েছিল। বাঙ্কার হিলেও পরিস্থিতি তেমনই ছিল। পাহারায় নেই এমন ক্লান্ত সেনারা একটু ঘুমিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। জাহাজের পেছনের ফ্লাইট ডেকে ৩৪টি বিমান উড্ডয়নের অপেক্ষায় ছিল। সেগুলোর জ্বালানি ট্যাংক ছিল উদ্বায়ী এভিয়েশন গ্যাসোলিনে একদম পূর্ণ। বিমানগুলোর বন্দুকগুলোও ছিল গোলাবারুদে ঠাসা...।<br>ঠিক তখনই দিগন্তের ওপারে একটি মিশনের কাজ শেষ করে ফিরে আসা কিছু বিমান দেখা যাচ্ছিল। আমাদের জাহাজের একজন লোক প্রথম তিনটি শত্রু বিমান দেখতে পেয়ে চিৎকার করে সতর্কবার্তা দেয়। কিন্তু জেনারেল কোয়ার্টার বা সতর্কঘণ্টা বাজার আগেই এবং বাঙ্কার হিল থেকে আধডজন গুলি বের হওয়ার আগেই, প্রথম কামিকাজে তার ৫৫০ পাউন্ডের বোমাটি জাহাজের ওপর ফেলে দেয় এবং জ্বলন্ত গ্যাসোলিনের ফোয়ারা ছিটিয়ে দিয়ে সোজা ওই ৩৪টি অপেক্ষারত বিমানের ওপর আছড়ে পড়ে।<br>আগুনের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করার সুযোগ পাওয়ার আগেই, মেঘের আড়াল থেকে আরেকটি কামিকাজে গোঁ গোঁ গম্ভীর শব্দে জাহাজের প্রাণঘাতী বিমান-বিধ্বংসী কামানের গোলা উপেক্ষা করে সোজা আছড়ে পড়ে।<br>কয়েক মিনিট পর তৃতীয় একটি জাপানি আত্মঘাতী বিমান কাজ শেষ করতে নিচে নেমে আসে। চারপাশের আগুন আর ধোঁয়া উপেক্ষা করে বাঙ্কার হিলের কামানের গ্যালারিতে থাকা সেনারা তাঁদের পোস্টে অটল ছিলেন। অবশেষে পাশের একটি ডেস্ট্রয়ার সেই জাপানি বিমানটিকে সরাসরি আঘাত করে সমুদ্রে ফেলে দেয়।<br>এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আগুনের তীব্রতার কোনো কমতি দেখা যায়নি...। মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও জাহাজটি সর্বোচ্চ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল, আর সেই বাতাসের তোড়ে ডেক থেকে আগুন আর ধোঁয়া জাহাজের পেছনের দিকে সরে যাচ্ছিল, যা ফ্লাইট ডেককে আগুনের হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করেছে। জাহাজের একদম শেষ প্রান্তে (ফ্যানটেইল) আটকে পড়া সৈনিকেরা আগুনের দেয়ালের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন; অথচ তাঁরা জানতেনও না যে ওই আগুনের দেয়ালের অন্য পাশে জাহাজের কতোটুকু আর অবশিষ্ট আছে...।<br>প্রায় তিন ঘণ্টার এক প্রায়-অসম্ভব লড়াইয়ের পর তাঁরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। যদিও পুরোপুরি নেভাতে আরও অনেক সময় লেগেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে তাঁরাই জিতেছিলেন এবং জাহাজটি রক্ষা পেয়েছিল।<br>সেই অকুতোভয় জাহাজে আজ যে বীরত্বপূর্ণ কাজগুলো সংঘটিত হয়েছে, তা লিখে শেষ করার জন্য একটি মোটা বইও যথেষ্ট হবে না।<br>আজ মাত্র তিনটি পাইলট এবং তিনটি বিমানের বিনিময়ে শত্রু আমাদের ৩৯২ জন মানুষকে হত্যা করেছে, আহত করেছে আরও ২৬৪ জনকে, প্রায় ৭০টি বিমান ধ্বংস করেছে এবং একটি চমৎকার ও বিখ্যাত জাহাজকে দুমড়েমুচড়ে দিয়েছে। আজ রাতে সেই জাহাজের ফ্লাইট ডেকটিকে আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের মতো মনে হচ্ছে। কিন্তু জাহাজটি ডুবে যায়নি...। এটি নিজ শক্তিতেই ব্রেমারটন নেভি ইয়ার্ডে ফিরে যাবে এবং সেখানে মেরামত করা হবে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এটি আবারও ফিরে আসবে শত্রু জাহাজ ডুবাতে, বিমান ভূপাতিত করতে এবং জাপানি বিমানঘাঁটিগুলোতে বোমা হামলা চালাতে।<br>হয়তো তার পরবর্তী কাজ হবে খোদ টোকিও দখলের অভিযানে সহায়তা করা! ** ফেল্পস অ্যাডামস, "কামিকাজে: এন আই উইটনেস অ্যাকাউন্ট" (একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ); লুইস স্নাইডার সম্পাদিত 'মাস্টারপিসেস অফ ওয়ার রিপোর্টিং: গ্রেট মোমেন্টস অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার ২' (১৯৬২), পৃষ্ঠা ৪৮৭-৪৯৪। জাপানি ভাষায় "কামিকাজে" বা "দিব্য বায়ু" বলতে সেই সব আত্মঘাতী পাইলটদের বোঝানো হতো যারা তাদের বোমা ভর্তি বিমানগুলো আমেরিকান নৌ-জাহাজে আছড়ে ফেলতেন। ইউএসএস বাঙ্কার হিল ব্রেমারটনে মেরামত করা হয়েছিল এবং সেপ্টেম্বর মাসে পুনরায় প্যাসিফিক ফ্লিটে যোগ দিয়েছিল। ১৯৭৩ সালে স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি হওয়ার আগ পর্যন্ত এটি নৌবাহিনীতে যুক্ত ছিল। == [[w:হিরোশিমা_ও_নাগাসাকিতে_পারমাণবিক_বোমাবর্ষণ|হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা (৬/৯ আগস্ট, ১৯৪৫)]] == '''১৯৪৫''' * দোহাই লাগে, আমাদের দেশের সেরা যুবকদের ইও জিমার মতো জায়গায় এভাবে মরতে পাঠাবেন না। কেন অন্য কোনো উপায়ে আমাদের লক্ষ্যগুলো অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে না? ** মার্কিন নৌ-সচিবের কাছে লেখা একটি চিঠি। (যেখানে ইও জিমার যুদ্ধে ব্যাপক প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে এই করুণ আকুতি জানানো হয়েছিল) * জাতীয় প্রতিরোধ কর্মসূচি। ** জাপানের মূল ভূখণ্ডে মিত্রবাহিনীর সম্ভাব্য আক্রমণ (অপারেশন অলিম্পিক, যা ১ নভেম্বর ১৯৪৫ তারিখে শুরুর পরিকল্পনা ছিল) রুখে দেওয়ার একটি জাপানি পরিকল্পনা। এতে ১৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী সকল পুরুষ এবং ১৭ থেকে ৪০ বছর বয়সী সকল নারীকে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যুদ্ধপরবর্তী নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, এই পরিকল্পনায় প্রায় ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) জাপানি নাগরিকের জীবন বিসর্জন দেওয়ার প্রস্তুতি রাখা হয়েছিল। * জাপানিদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যেখানে আমাদের ও তাদের সৈন্য সংখ্যার অনুপাত ১:১ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। যা কোনোভাবেই যুদ্ধের বিজয়ের মন্ত্র হতে পারে না। ** মেজর জেনারেল চার্লস উইলোবির পর্যবেক্ষণ; তিনি জেনারেল [[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]] স্টাফের ইন্টেলিজেন্স প্রধান বা G-2 ছিলেন। অপারেশন অলিম্পিকের আক্রমণ জোনে জাপানিদের ক্রমাগত শক্তি বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে তিনি এই সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। * যখন আমি একটি অত্যন্ত তীব্র আলো বা ঝলক দেখতে পেলাম, আমি অবচেতনভাবেই আমার দুই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে ফেললাম... চোখের পলকে পুরো শহরটি ধ্বংস হয়ে গেল এবং দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করল। তখন কোথাও যাওয়ার মতো কোনো জায়গা আর অবশিষ্ট ছিল না। ** মিচিকো ইয়ামাওকা, ৬ আগস্ট ১৯৪৫ সালে হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা হামলার একজন উত্তরজীবীর বর্ণনা। [[File:Atomic bombing of Japan.jpg|thumb|right|সূর্য যে শক্তি থেকে তার তেজ সংগ্রহ করে, সেই একই শক্তি আজ তাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে যারা দূরপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে এসেছিল!]] * ঠিক ষোলো ঘণ্টা আগে একটি আমেরিকান বিমান জাপানি সেনাবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিরোশিমার ওপর একটি বোমা নিক্ষেপ করেছে। সেই একটি বোমার ক্ষমতা ২০,০০০ টন টিএনটির চেয়েও বেশি ছিল। এই বোমার মাধ্যমে আমরা এখন আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর ক্রমবর্ধমান শক্তির পাশাপাশি ধ্বংসযজ্ঞের এক নতুন এবং বৈপ্লবিক মাত্রা যুক্ত করেছি...। এটি একটি পারমাণবিক বোমা। এটি মহাবিশ্বের মৌলিক শক্তিকে বশীভূত করার এক বৈজ্ঞানিক সাফল্য। সূর্য যে শক্তি থেকে তার তেজ সংগ্রহ করে, সেই একই মহাশক্তি আজ তাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে যারা দূরপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে এসেছিল। আমরা এই বোমাটি উদ্ভাবন করেছি এবং এটি ব্যবহারও করেছি। আমরা এটি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছি যারা পার্ল হারবারে কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই আমাদের আক্রমণ করেছিল; তাদের বিরুদ্ধে যারা আমেরিকান যুদ্ধবন্দীদের অনাহারে রেখেছে, পিটিয়েছে এবং হত্যা করেছে; এবং তাদের বিরুদ্ধে যারা যুদ্ধের আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার সামান্যতম অভিনয়টুকুও বর্জন করেছে। আমরা এই বোমাটি ব্যবহার করেছি যুদ্ধের এই দীর্ঘ যন্ত্রণা কমিয়ে আনার জন্য এবং হাজার হাজার তরুণ আমেরিকানের জীবন বাঁচানোর জন্য। আমরা এটি ব্যবহার করা অব্যাহত রাখব যতক্ষণ না আমরা জাপানের যুদ্ধ করার ক্ষমতাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিই। কেবল জাপানিদের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণই আমাদের থামাতে পারবে। ** হিরোশিমায় বোমা হামলার পর আমেরিকান জনগণের উদ্দেশ্যে দেওয়া প্রেসিডেন্ট '''''[[:w:হ্যারি এস. ট্রুম্যানের|হ্যারি এস. ট্রুম্যানের]]''''' বেতার ভাষণ (৬ আগস্ট, ১৯৪৫)। * আপনি একবার সেই সব মানুষের জীবনের কথা ভাবুন যারা জাপানের মূল ভূখণ্ডে আক্রমণ করতে গেলে প্রাণ হারাত। আমেরিকানদের সেই সংখ্যাটা ছিল আকাশচুম্বী, কিন্তু জাপানিদের ক্ষেত্রে সেই প্রাণহানি হতো কয়েক মিলিয়ন বা কোটির ঘরে! তাই এই পারমাণবিক বোমার অস্তিত্বের জন্য আপনি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দেবেন। ** প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কর্মরত একজন আমেরিকান মেরিন সেনার মন্তব্য। * এই পুরো জাতি যদি একটি সুন্দর ফুলের মতো ধ্বংস হয়ে যায়, তবে সেটি কি এক বিস্ময়কর ব্যাপার হবে না? ** জাপানি যুদ্ধমন্ত্রী জেনারেল আনামির মন্তব্য; ৯ আগস্ট ১৯৪৫ জাপানের 'সুপ্রিম কাউন্সিল ফর দ্য ডিরেকশন অফ দ্য ওয়ারের' একটি বৈঠকে তিনি এই চরমপন্থী দর্শনের কথা বলেছিলেন। * যুদ্ধ শেষ করার প্রচেষ্টায় আমাদের 'শান্তি কামী দল'-কে এই পারমাণবিক বোমাটি পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছে। ** কোইচি কিদো, সম্রাট হিরোহিতোর একজন ঘনিষ্ঠ সহায়কের মন্তব্য; পারমাণবিক বোমার ধ্বংসলীলা কীভাবে কট্টরপন্থীদের দমাতে সাহায্য করেছিল তা তিনি এভাবেই ব্যক্ত করেছেন। * পারমাণবিক বোমা হামলা ছিল স্বর্গ থেকে আসা এক আশীর্বাদ বা উপহার। ** জাপানি নৌ-মন্ত্রী মিতসুমাসা ইয়োনাইয়ের উক্তি; তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে, এই বোমা হামলা সেই সব নেতাদের ক্ষমতার পতন ঘটিয়েছিল যারা যেকোনো মূল্যে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন। * পারমাণবিক বোমাটি ছিল জাপানের জন্য যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে স্বর্গ থেকে দেওয়া একটি সুবর্ণ সুযোগ। ** হিসাতসুনে সাকোমিজু; ১৯৪৫ সালে জাপানের চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি হিসেবে এই মন্তব্য করেছিলেন। * আমরা আমেরিকা ও ব্রিটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলাম আমাদের আত্মরক্ষা নিশ্চিত করার এবং পূর্ব এশিয়ায় স্থিতিশীলতা আনার আন্তরিক আকাঙ্ক্ষা থেকে। অন্য কোনো জাতির সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করা বা আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার করার কোনো চিন্তা আমাদের ছিল না। কিন্তু এখন এই যুদ্ধ প্রায় চার বছর ধরে চলছে। আমাদের সামরিক ও নৌবাহিনীর বীরত্বপূর্ণ লড়াই, রাষ্ট্রের সেবকদের নিরলস পরিশ্রম এবং আমাদের দশ কোটি মানুষের একনিষ্ঠ সেবা সত্ত্বেও, যুদ্ধের পরিস্থিতি জাপানের অনুকূলে গড়ে ওঠেনি। বরং বিশ্বের সাধারণ প্রবণতাগুলো এখন জাপানের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে গেছে। তদুপরি, শত্রু এখন এক নতুন এবং অত্যন্ত নৃশংস বোমা ব্যবহার করতে শুরু করেছে, যার ধ্বংস করার ক্ষমতা সত্যিই অভাবনীয় এবং যা বহু নিরপরাধ মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে। যদি আমরা লড়াই চালিয়ে যাই, তবে এটি কেবল জাপানি জাতির চূড়ান্ত পতন এবং বিলুপ্তিই ঘটাবে না, বরং তা মানব সভ্যতার সম্পূর্ণ বিনাশের দিকে নিয়ে যাবে। ** সম্রাট '''''[[w:হিরোহিতো|হিরোহিতোর]]''''' আত্মসমর্পণের ভাষণ (১৫ আগস্ট, ১৯৪৫)। এটিই ছিল প্রথমবার যখন সাধারণ জাপানিরা তাদের সম্রাটের কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়েছিল। * আজ বন্দুকগুলো নিস্তব্ধ। এক বিশাল ট্র্যাজেডির অবসান হয়েছে। এক মহান বিজয় অর্জিত হয়েছে। আকাশ থেকে আর মৃত্যুর বৃষ্টি ঝরছে না। আজ সর্বত্র মানুষ সূর্যের আলোতে মাথা উঁচু করে হাঁটে। সমগ্র বিশ্ব আজ শান্তিতে বিরাজ করছে। পবিত্র মিশন সম্পন্ন হয়েছে। আর আপনাদের কাছে এটি রিপোর্ট করার সময় আমি সেই হাজার হাজার নীরব ও নিশ্চল হয়ে যাওয়া ঠোঁটের হয়ে কথা বলছি, যারা প্রশান্ত মহাসাগরের জঙ্গল, সৈকত এবং গভীর জলে চিরকালের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেছে এবং আমাদের বিজয়ের পথ দেখিয়ে গেছে।<br>বাতাআন এবং কোরিজিডোরের সেই অন্ধকার দিনগুলো থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ ও কণ্টকাকীর্ণ পথের দিকে যখন আমি ফিরে তাকাই, যখন সমগ্র বিশ্ব ভয়ে কাঁপছিল, যখন গণতন্ত্র সর্বত্র কোণঠাসা ছিল, যখন আধুনিক সভ্যতা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দুলছিল। তখন আমি পরম দয়ালু ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই যে তিনি আমাদের সেই বিশ্বাস, সাহস এবং শক্তি দিয়েছেন যার মাধ্যমে আমরা বিজয় ছিনিয়ে আনতে পেরেছি। আমরা পরাজয়ের তিক্ততা এবং বিজয়ের আনন্দ উভয়ই দেখেছি, এবং উভয় থেকেই আমরা শিখেছি যে এখান থেকে আর পেছনে ফেরার পথ নেই। যুদ্ধে আমরা যা জিতেছি, শান্তিতে তা রক্ষা করার জন্য আমাদের অবশ্যই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ** জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' রেডিও ভাষণ; ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ তারিখে 'ভি-জে ডে' (জাপানের ওপর বিজয় দিবস) উপলক্ষে। টোকিও বেতে ইউএসএস মিসৌরি যুদ্ধজাহাজের ডেকে জাপানি প্রতিনিধিরা আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষরের সময় তিনি এই ভাষণ দেন। == যুদ্ধের পরবর্তী অবস্থা (আফটারম্যাথ) == [[File:Eternal flame ceremony 23 February 2010 07.jpg|thumb|তোমার নাম অজানা। তবে তোমার কীর্তি চির অমর। ~ অজানা সৈনিকের সমাধি (মস্কো)]] [[File:World War II Memorial Pacific-Bas Reliefs Navy In Action.jpg|thumb|right|এই যুদ্ধে প্রকৃত বীর হিসেবে কাকে বেছে নেওয়া হবে, সে ব্যাপারে আমরা সবাই একমত। তিনি হলেন সেই সাধারণ সৈনিক 'জি.আই. জো', এবং প্রতিটি মিত্র জাতির বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও মার্চেন্ট মেরিনে থাকা তাঁর সমকক্ষ সহযোদ্ধারা। ~ ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]] * '''তোমার নাম অজানা। তবে তোমার কীর্তি চির অমর।''' (রাশিয়ান: "Имя твоё неизвестно, подвиг твой бессмертен"/Imya tvoyo neizvestno, podvig tvoy bessmerten) ** মস্কোর অজানা সৈনিকের সমাধিতে খোদাই করা এক চিরকালীন শোকগাথা। * কানাডিয়ান, ফরাসি, আমেরিকান এবং ব্রিটিশ বাহিনীর আমার প্রধান সমর্থকদের নাম উল্লেখ করা মানেই দক্ষতা, কৌশল, আনুগত্য এবং কর্তব্যের প্রতি পরম একনিষ্ঠতার এক অনন্য আলেখ্য তুলে ধরা। জাতিসংঘ আজীবন কৃতজ্ঞতার সাথে টেথার, মন্টগোমারি, স্পটস, ব্র্যাডলি, বিলেট, ক্রেরে এবং আরও অনেকের নাম স্মরণ রাখবে।<br>'''কিন্তু এই যুদ্ধের প্রকৃত বীর কে—তা বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে আমার এই সকল সহযোদ্ধারা আমার সাথে সম্পূর্ণ একমত হবেন। তিনি হলেন আমাদের সেই অকুতোভয় সাধারণ সৈনিক 'জি.আই. জো', এবং প্রতিটি মিত্র জাতির বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও মার্চেন্ট মেরিনে থাকা তাঁর সমকক্ষ সহযোদ্ধারা।''' তিনি সেই ভয়ঙ্কর সমুদ্রের বিপদ মোকাবিলা করেছেন যা ইউ-বোটের উপদ্রবে ছিল তটস্থ। তিনি অসীম সাহসিকতায় সেই সব সৈকতে আক্রমণ শাণিত করেছেন যেখানে শত্রুরা অত্যন্ত মরিয়া হয়ে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলেছিল। তিনি কেল্লাবন্দি দুর্ভেদ্য এলাকাগুলোর মধ্য দিয়ে অত্যন্ত ধৈর্য ও তিতিক্ষার সাথে লড়াই করে তাঁর ত্যাগের পথটি প্রশস্ত করেছেন। তিনি হাড়কাঁপানো শীত, ক্ষুধা আর দুঃসহ ক্লান্তি হাসিমুখে সহ্য করেছেন। প্রতিটি পদক্ষেপে মৃত্যু তাঁর পিছু নিলেও বিপদকেই তিনি নিত্যসঙ্গী করেছেন। তিনি এবং তাঁর প্লাটুন কমান্ডাররা আমাদের সামনে আনুগত্য, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং অদম্য সাহসের এমন এক প্রদীপ্ত উদাহরণ স্থাপন করেছেন। যা আমাদের হৃদয়ে ততদিন প্রজ্জ্বলিত থাকবে যতদিন আমরা মানুষের এই মহৎ গুণাবলিকে শ্রদ্ধা জানাব। ** ১৯৪৫ সালের ভি-ই ডে উপলক্ষে দেওয়া জেনারেল '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]]''''' ভাষণ। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না কিংবা এটি নির্দিষ্ট কোনো রাষ্ট্রনায়কের ভুলের কারণে শুরু হয়েছিল—এমনটা ভাবা হবে চরম ভ্রান্তি; যদিও সেখানে বেশ কিছু বড় ভুল অবশ্যই সংঘটিত হয়েছিল। '''প্রকৃতপক্ষে, এই যুদ্ধ ছিল বর্তমান যুগের একচেটিয়া পুঁজিবাদের ভিত্তিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তিগুলোর বিকাশের এক অনিবার্য এবং অবধারিত পরিণতি।''' [[:w:মার্ক্সবাদ|মার্কসবাদীরা]] বারংবার একটি সত্য উচ্চারণ করেছেন যে, বিশ্ব অর্থনীতির পুঁজিবাদী ব্যবস্থাটি তার গর্ভেই সাধারণ সংকট এবং সামরিক সংঘাতের বীজ বহন করে। সেই নিরিখে বলা যায়, বর্তমান সময়ে বিশ্ব পুঁজিবাদের বিকাশ সরলরেখায় বা সমানভাবে ঘটে না। বরং এটি প্রতিটি গভীর সংকট এবং বিপর্যয়কর মহাযুদ্ধের ঘূর্ণাবর্তের মধ্য দিয়ে সামনে অগ্রসর হয়। মূল সত্যটি হলো, পুঁজিবাদী দেশগুলোর অসম বিকাশ সময়ের সাথে সাথে পুঁজিবাদী বিশ্বব্যবস্থার অভ্যন্তরীণ ভারসাম্যকে নিদারুণভাবে বিঘ্নিত করে। এর ফলে পুঁজিবাদের যে অংশটি নিজেদের কাঁচামাল এবং বাজারের দিক থেকে কম সুরক্ষিত বলে অনুধাবন করে, তারা সাধারণত সেই পরিস্থিতির মোড় ঘটাতে এবং সশস্ত্র শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থে 'প্রভাব বলয়' নতুন করে বন্টন করার চেষ্টায় মেতে ওঠে। এর ফলেই পুঁজিবাদী বিশ্ব দুটি পরস্পরবিরোধী শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং তাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয়। '''হয়তো এমন বিপর্যয়কর যুদ্ধগুলো এড়ানো সম্ভব হতো যদি দেশগুলোর অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে কাঁচামাল এবং বাজারগুলো শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে পুনর্বন্টন করা যেত। কিন্তু বর্তমান পুঁজিবাদী বিশ্ব অর্থনীতির বিকাশের প্রেক্ষাপটে তা একেবারেই অসম্ভব।''' ** — ১৯৪৬ সালে সোভিয়েত নেতা '''''জোসেফ স্ট্যালিনের''''' সেই ঐতিহাসিক নির্বাচনী ভাষণ। * '''দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মানুষের সাথে মানুষের প্রতিটি আত্মিক বন্ধন ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল'''। হিটলারের দোর্দণ্ড প্রতাপের অধীনে জার্মানরা এমন সব নৃশংস অপরাধ করেছিল—যার ব্যপ্তি এবং পৈশাচিকতা মানব ইতিহাসের প্রতিটি কৃষ্ণতম অধ্যায়কে ম্লান করে দেয়। জার্মানির কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ষাট থেকে সত্তর লক্ষ নারী, পুরুষ এবং শিশুকে যে পাইকারি হারে গণহত্যা করা হয়েছিল—তা ভয়াবহতায় চেঙ্গিস খানের নিষ্ঠুরতাকেও বহুগুণ ছাড়িয়ে যায়। '''পূর্বাঞ্চলীয় রণাঙ্গনে জার্মানি এবং রাশিয়া উভয় দেশই পুরো জনসংখ্যাকে পরিকল্পিতভাবে নির্মূল করার এক ঘৃণ্য লক্ষ্য তাড়া করেছিল এবং তা বাস্তবায়নও করেছিল।''' আকাশ থেকে খোলামেলা জনবহুল শহরগুলোতে নির্বিচারে বোমা বর্ষণের যে কুৎসিত সংস্কৃতি জার্মানরা শুরু করেছিল, মিত্রশক্তি তাদের ক্রমবর্ধমান বিধ্বংসী ক্ষমতা দিয়ে তার বিশগুণ বেশি প্রতিশোধ গ্রহণ করেছিল। যার চূড়ান্ত পরিণতি আমরা দেখেছি হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমার ভয়াবহ প্রয়োগের মধ্য দিয়ে। আমরা এক দীর্ঘ ও রক্তপিচ্ছিল সংগ্রাম শেষে এমন এক বস্তুগত ধ্বংসযজ্ঞ এবং নৈতিক বিপর্যয়ের ভগ্নস্তূপ থেকে বেরিয়ে এসেছি, যা পূর্ববর্তী শতকের মানুষের কল্পনাকেও কোনোদিন স্পর্শ করতে পারেনি। '''আমরা যা কিছু সহ্য করেছি এবং যা কিছু অর্জন করেছি—অবশেষে আজ আমরা নিজেদের এমন সব জটিল সমস্যার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখছি, যা আমাদের ফেলে আসা সংকটের চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়, বরং অনেক বেশি দুস্তর।''' ** উইনস্টন চার্চিল, ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার: ভলিউম ১: দ্য গ্যাদারিং স্টর্ম'' (১৯৪৮), পৃষ্ঠা ১৪। * '''যাইহোক, সবই তো শেষ হলো। ভাবছি কাল আমি কী করতে যাচ্ছি।''' ** ফ্লিট অ্যাডমিরাল '''''আর্নেস্ট কিঙের''''', ৯ম চিফ অফ নেভাল অপারেশনস; ১৪ আগস্ট ১৯৪৫ তারিখে নীল কে. ডায়েটরিচের কাছে করা একটি মন্তব্য। কিং এইমাত্র জানতে পেরেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান মিত্রবাহিনীর কাছে জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে যাচ্ছেন। থমাস বি. বুয়েল রচিত 'মাস্টার অফ সি পাওয়ার: এ বায়োগ্রাফি অফ ফ্লিট অ্যাডমিরাল আর্নেস্ট জে. কিং' (১৯৮০), ৪৯৮ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রতি বর্তমানের যে প্রবল আকর্ষণ, তার পেছনে। বিশেষ করে মিত্রশক্তির পক্ষ থেকে একটি সুপ্ত অনুভূতি কাজ করে যে, এটিই ছিল ইতিহাসের সর্বশেষ নৈতিকভাবে দ্ব্যর্থহীন ও ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ। জার্মান নাৎসি, ইতালীয় ফ্যাসিস্ট এবং জাপানি সামরিক শাসকরা এতটাই স্পষ্টভাবে মন্দ লোক ছিলেন যে তাঁদের পরাজিত করাটা ছিল অনিবার্য। (তবে আমরা যে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক স্বৈরশাসক জোসেফ স্ট্যালিনের সাথে জোট বেঁধেছিলাম, সেই চরম সত্যটি এখানে সবসময়ই এড়িয়ে যাওয়া হয়।) এরপর থেকে সংঘটিত যুদ্ধগুলো আর আগের মতো অতটা স্বচ্ছ বা পরিষ্কার ছিল না। সত্য যে, সোভিয়েত সম্প্রসারণবাদ রুখতে [[:w:কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধ]] ছিল প্রয়োজনীয়; কিন্তু জেনারেল '''''[[w:ডগলাস_ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকআর্থারের]]''''' সেই লড়াইকে চীনা কমিউনিজমের বিরুদ্ধে একটি ধর্মযুদ্ধে রূপান্তরের প্রচেষ্টা আমেরিকানদের নিজেদের মধ্যে এবং তাদের মিত্রদের সাথে এক গভীর বিভেদ তৈরি করে দিয়েছিল। [[:w:ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধ]] ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক চরম বিপর্যয়, আর এখন [[:w:ইরাক যুদ্ধ|ইরাক দখলও]] অনেকটা সেরকম আরেকটি বিপর্যয়ের মতোই মনে হচ্ছে। ** '''''মার্গারেট ম্যাকমিলান''''', 'দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি' (২০০৮)। == যুদ্ধের লক্ষ্য এবং যুদ্ধের কূটনীতি == === ১৯৪৫ === * যুদ্ধের পর আমেরিকাকে তিনটি পথের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতেই হবেঃ প্রথমত, সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদ, যার অনিবার্য পরিণাম হলো শেষ পর্যন্ত আমাদের নিজেদের স্বাধীনতা হারানো।<br>দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদ, যার অর্থ হলো অন্য কোনো জাতির স্বাধীনতাকে বিসর্জন দেওয়া; অথবা তৃতীয়ত, এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলা যেখানে প্রতিটি জাতি এবং প্রতিটি বর্ণের মানুষের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত থাকবে। আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে, আমেরিকান জনগণের এক বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ এই শেষ পথটিই বেছে নেবে। এই পছন্দকে কার্যকর করতে হলে আমাদের কেবল যুদ্ধেই জিতলে চলবে না, আমাদের শান্তিকেও জয় করতে হবে এবং সেই জয়ের সূচনা আমাদের এখনই করতে হবে।<br>এই শান্তি জয়ের জন্য আমার কাছে তিনটি বিষয় অত্যন্ত প্রয়োজনীয় মনে হয়—প্রথমত, আমাদের এখন থেকেই বিশ্বব্যাপী শান্তির একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা করতে হবে।<br>দ্বিতীয়ত, বিশ্বে প্রকৃত শান্তি বজায় রাখার জন্য প্রতিটি জাতি ও প্রতিটি মানুষকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন হতে হবে। এবং তৃতীয়ত, বিশ্বে সেই স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা ও তা রক্ষা করার জন্য আমেরিকাকে একটি সক্রিয় ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।<br>আমাদের নেতাদের দেওয়া আটলান্টিক চার্টারের মতো নিছক ঘোষণা দিয়ে এটি সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এর প্রকৃত সাফল্য মূলত নির্ভর করে বিশ্বের সাধারণ মানুষের স্বীকৃতির ওপর। ... ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের দ্বারা এই 'চারটি স্বাধীনতা' অর্জন করা সম্ভব হবে না। এগুলো কেবল তখনই বাস্তবে ধরা দেবে যখন বিশ্বের সাধারণ মানুষ এগুলোকে নিজেদের প্রচেষ্টায় বাস্তবে রূপদান করবে। ** '''''ওয়েন্ডেল উইলি''''', ১৯৪০ সালের রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী; তাঁর 'ওয়ান ওয়ার্ল্ড' (১৯৪৩) গ্রন্থের ১৪ অধ্যায়ে। * এই বছর শেষ হওয়ার আগেই বিশ্ববাসীর কাছে কথার চেয়ে কাজের মাধ্যমে এটি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে যে, কাসাব্লাঙ্কা কনফারেন্স প্রচুর গুরুত্বপূর্ণ খবর তৈরি করেছে। আর সেই খবরগুলো জার্মান, ইতালীয় এবং জাপানিদের জন্য হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। ...<br>আসন্ন এবং অনিবার্য বিপর্যয় এড়ানোর নেশায়, অক্ষশক্তির প্রোপাগান্ডাকারীরা জাতিসংঘকে বিভক্ত করার জন্য তাদের সেই পুরনো সব নোংরা কৌশল অবলম্বন করছে। তারা এই ধারণা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে যে আমরা যদি এই যুদ্ধে জয়ী হই, তবে রাশিয়া, ইংল্যান্ড, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি শুরু করবে।<br>তাদের করা অপরাধের চরম পরিণাম থেকে বাঁচার এই আতঙ্কিত প্রচেষ্টার জবাবে আমরা বলি, জাতিসংঘের সকলেই একবাক্যে ঘোষণা করে। অক্ষশক্তির কোনো সরকার বা কোনো গোষ্ঠীর সাথে আমাদের আলোচনার একমাত্র শর্ত হলো কাসাব্লাঙ্কায় ঘোষিত সেই চূড়ান্ত নীতি: 'নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ'। আমাদের এই আপসহীন নীতির অর্থ অক্ষশক্তির দেশগুলোর সাধারণ মানুষের কোনো ক্ষতি করা নয়। তবে এর অর্থ হলো তাদের সেই পৈশাচিক ও বর্বর নেতাদের ওপর পূর্ণ শাস্তি এবং প্রতিশোধ নিশ্চিত করা। ** প্রেসিডেন্ট '''''রুজভেল্ট''''', প্রধানমন্ত্রী চার্চিলের সাথে কাসাব্লাঙ্কা কনফারেন্স থেকে ফেরার পর। হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে ওয়াশিংটন ডি.সি.-র হোটেল স্ট্যাটলার থেকে সম্প্রচারিত ভাষণ। ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩ তারিখে 'ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট বুলেটিন', খণ্ড ৮, সংখ্যা ১৯০ (১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩), ১৪৫–৪৬ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত। === ১৯৪৫ === * ইউরোপে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশগুলোর জাতীয় অর্থনৈতিক জীবনের পুনর্গঠন অবশ্যই এমন কিছু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্জন করতে হবে, যা মুক্ত হওয়া প্রতিটি দেশের মানুষকে নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদের শেষ চিহ্নটুকুও চিরতরে মুছে ফেলতে এবং তাদের নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সক্ষম করে তুলবে। ** ইয়াল্টা কনফারেন্সের ওপর স্টেট ডিপার্টমেন্টের একটি রিপোর্ট। যেখানে ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ রাশিয়ার একটি রিসোর্টে 'বিগ থ্রি' (তিন প্রধান নেতা) নাৎসি জার্মানিকে পরাজিত করার চূড়ান্ত পরিকল্পনা এবং ইউরোপের পুনর্গঠন শুরু করার বিষয়ে মিলিত হয়েছিলেন। উইলিয়াম অ্যাপলম্যান উইলিয়ামস (সম্পাদিত) 'দ্য শেপিং অফ আমেরিকান ডিপ্লোমাসি' (শিকাগো: র‍্যান্ড ম্যাকনালি অ্যান্ড কোং, ১৯৫৬), পৃষ্ঠা ৯৩০। == [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য]] সুরক্ষা == [[File:Ghent_altarpiece_at_Altaussee.jpg|thumb|তাঁরা মার্কিন সামরিক ইউনিটগুলোকে অনুসরণ করে মুক্ত হওয়া শহরগুলোতে প্রবেশ করতেন এবং সেখানে চুরি হওয়া শিল্পকর্মগুলোর লুকানো জায়গাগুলো খুঁজে বের করতেন। এরপর সেগুলো ভবিষ্যতে প্রত্যাবাসন বা স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করতেন এবং সুরক্ষিত স্থানে জমা রাখতেন। এছাড়াও, 'মনুমেন্টস মেন' বা এই বিশেষ রক্ষক দলের কাছে পশ্চিমা শিল্প বিশেষজ্ঞদের তৈরি করা অমূল্য সম্পদের তালিকা থাকত। যদি তালিকায় থাকা কোনো [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] বা স্মৃতিস্তম্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হতো, তবে তাঁরা সেই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব রাখতেন, মেরামত কাজ তত্ত্বাবধান করতেন এবং সাংস্কৃতিক সম্পদের আরও ক্ষতি হওয়া রোধ করতেন। ~ গ্রেগরি জে. ফেরার]] [[File:Monuments_Men_Congressional_Gold_Medal_(reverse).jpg|thumb|ভাস্কর্য, [[:w:ঐতিহাসিক|ঐতিহাসিক]] [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শনগুলোর রক্ষক হিসেবে তাঁদের প্রাথমিক ভূমিকার কারণেই তাঁরা এই নাম অর্জন করেছিলেন। এটি ছিল এক বিশাল ও দুঃসাধ্য কাজ, যার আওতায় ইউরোপীয় মহাদেশের ৫,৬০,০০০ বর্গমাইল এলাকার মধ্যে তালিকাভুক্ত ৩,৪১৫টি স্মৃতিস্তম্ভ অন্তর্ভুক্ত ছিল। ~ গ্রেগরি জে. ফেরার]] * [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের]] নিদর্শনগুলোর সাথে সম্পর্কিত সূক্ষ্ম সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত [[:w:জ্ঞান|জ্ঞান]] সাধারণত [[:w:শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলো|শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলো]] থেকেই পাওয়া সম্ভব। সাংস্কৃতিক সম্পদ রক্ষার ক্ষেত্রে [[:w:পণ্ডিত|পণ্ডিত]], [[:w:অধ্যাপক|অধ্যাপক]] এবং [[:w:জাদুঘর|জাদুঘর]] বিশেষজ্ঞরা হলেন সম্মুখসারির অভিজ্ঞ ব্যক্তি যাদের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য। এই ব্যক্তিরা ঝুঁকির মুখে থাকা শিল্পকর্মগুলো শনাক্ত করতে পারেন এবং সেগুলো সংরক্ষণ ও যত্নের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা সম্পর্কে সম্যক অবগত থাকেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ কর্মজীবনে নিজেদের বিশেষ দক্ষতাকে শাণিত করেছেন এবং সামরিক পরিকল্পনাকারীদের জন্য তাঁরা অত্যন্ত মূল্যবান যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে গণ্য হন। এই নিবন্ধে শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে [[:w:কলেজ|কলেজ]] বা [[:w:বিশ্ববিদ্যালয়|বিশ্ববিদ্যালয়]], জাদুঘর, আর্ট গ্যালারি এবং অলাভজনক বিদ্বৎ সমাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।<br>দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] এবং [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সামরিক বাহিনী তাঁদের নিজস্ব শিল্প রক্ষা সংস্থাগুলো পরিচালনার জন্য উচ্চশিক্ষা সংশ্লিষ্ট এই সম্প্রদায় থেকেই ব্যক্তিদের নির্বাচন করেছিল। জার্মান এবং আমেরিকান উভয় বাহিনীর কমান্ডাররা সাংস্কৃতিক সম্পদের ওপর অগাধ জ্ঞানসম্পন্ন পেশাদারদের খুঁজতেন, যারা সেগুলো শনাক্তকরণ এবং পরিচালনার কৌশল জানতেন। সাংস্কৃতিক সুরক্ষার কঠোর চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম এমন যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মূল সামরিক কাঠামোর অধীনে পরিষেবার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে সংশ্লিষ্ট সামরিক বাহিনীতে অফিসারের পদমর্যাদাও দেওয়া হয়েছিল যাতে তাঁদের নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং সামরিক কর্মপদ্ধতিতে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা নীতির প্রভাব আরও শক্তিশালী হয়। ** গ্রেগরি জে. ফেরার, [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ৯। * [[:w:আমেরিকান|আমেরিকান]] শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় [[:w:ইউরোপে|ইউরোপে]] স্থলযুদ্ধে যোগ দেওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ সাংস্কৃতিক স্থানগুলো সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের সাথে বিস্তারিত পরামর্শ করেছিল। আর্কিওলজিক্যাল ইনস্টিটিউট অফ আমেরিকা, নিউ ইয়র্ক মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট, হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ফগ মিউজিয়াম অফ ফাইন আর্টস এবং ওয়াশিংটন ডি.সি.-র ন্যাশনাল গ্যালারি অফ আর্টের প্রতিনিধিরা ১৯৪২ সালের শরতে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের সাথে একটি সমন্বিত গ্রুপ হিসেবে বৈঠক করেন। এরপর ১৯৪৩ সালের জানুয়ারিতে আমেরিকান কাউন্সিল অফ লার্নড সোসাইটিজের একটি কমিটি এই বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করে। এই সচেতন পণ্ডিতরা ১৯৪৩ সালের জুলাই মাসে সিসিলিতে মার্কিন সৈন্যদের অবতরণ এবং ১৯৪৪ সালের জুনে নরমান্ডি আক্রমণের অনেক আগেই—যা ছিল ইউরোপীয় রণাঙ্গন অভিযানের অংশ। ফেডারেল সরকারের কাছে তাঁদের প্রস্তাবনা নিয়ে গিয়েছিলেন।<br>এই বিশেষজ্ঞরা অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে, হিটলারের ফোট্রেস ইউরোপ যখন মিত্রবাহিনী অনিবার্যভাবে আক্রমণ চালাবে, তখন দখলকৃত দেশগুলোতে থাকা শিল্পকর্ম এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্থানগুলো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। আমেরিকার প্রধান শিল্প [[:w:জাদুঘর|জাদুঘর]], গ্যালারি এবং বুদ্ধিজীবী সমাজগুলোর এই আন্তরিক প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তিনি জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের সাথে শিক্ষায়তনিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতার অনুমোদন দেন, যেখানে [[w:সেনাবাহিনী|সেনাবাহিনী]], [[w:নৌবাহিনী|নৌবাহিনী]] এবং আর্মি এয়ার কোরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা সামরিক বিষয়ে ফেডারেল বিভাগগুলোকে পরামর্শ দিতেন। এছাড়াও রুজভেল্ট ১৯৪২ সালের আগস্ট মাসে রবার্টস কমিশন (যার দাপ্তরিক নাম ছিল "আমেরিকান কমিশন ফর দ্য প্রটেকশন অ্যান্ড স্যালভেজ অফ আর্টিস্টিক অ্যান্ড হিস্টোরিক মনুমেন্টস ইন ওয়ার এরিয়াস") তৈরির অনুমতি প্রদান করেন। রুজভেল্টের এই রবার্টস কমিশন গঠনের অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতেই মার্কিন সামরিক বাহিনী তাঁদের নিজস্ব একটি সংগঠন তৈরি করে, যার নাম দেওয়া হয় মনুমেন্টস, ফাইন আর্টস অ্যান্ড আর্কাইভস সার্ভিস (MFA&A)। এই অভিভাবক সংস্থা থেকেই পরবর্তীতে বিশ্ববিখ্যাত মনুমেন্টস মেনদের উদ্ভব ঘটেছিল। ** গ্রেগরি জে. ফেরার, [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (স্প্রিং ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ১৯-২০। * মনুমেন্টস মেনদের ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের কমান্ডাধীন সুপ্রিম হেডকোয়ার্টার্স অ্যালাইড এক্সপেডিশনারি ফোর্সের বা SHAEF এর একটি বিভাগ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। আইজেনহাওয়ার উপলব্ধি করেছিলেন যে, মিত্রবাহিনীর অগ্রগতি সমগ্র মানবতার অভিন্ন [[:w:সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য|সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের]] জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। [[:w:রোমের|রোমের]] দিকে অগ্রসরমান সৈন্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছিলেন, "আজ আমরা এমন একটি দেশে লড়াই করছি যা আমাদের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারে বিশাল অবদান রেখেছে; এই দেশ এমন সব স্মৃতিস্তম্ভে সমৃদ্ধ যা আমাদের সভ্যতার বিকাশকে ফুটিয়ে তোলে। যুদ্ধ যতটুকু সুযোগ দেয়, সেই সীমার মধ্যে থেকে ওই স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে শ্রদ্ধা জানাতে আমরা বাধ্য।" সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার হিসেবে [[:w:আইজেনহাওয়ার|আইজেনহাওয়ার]] ১৯৪৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে [[:w:ইতালীয়|ইতালীয়]] সাংস্কৃতিক স্থান মন্টে ক্যাসিনো ধ্বংস হওয়ার পর 'মনুমেন্টস মেন'দের অভিযানের প্রতি সমর্থন আরও বৃদ্ধি করেন এবং ইউরোপীয় পৈতৃক সম্পদ রক্ষাকে যুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করেন। ১৯৪৪ সালের ১৫ আগস্ট ফ্রান্সের দক্ষিণ উপকূলে মিত্রবাহিনীর অবতরণের পর মনুমেন্টস মেনরা [[:w:ইউরোপে|ইউরোপে]] পৌঁছান। তাঁরা ইউনাইটেড স্টেটস আর্মির ইউনিটগুলোকে অনুসরণ করে মুক্ত হওয়া শহরগুলোতে প্রবেশ করতেন এবং সেখানে চুরি হওয়া শিল্পকর্মগুলোর লুকানো জায়গাগুলো তন্নতন্ন করে খুঁজতেন; এরপর সেগুলো ভবিষ্যতে প্রত্যাবাসন বা স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করতেন এবং সুরক্ষিত স্থানে জমা রাখতেন। এছাড়াও, মনুমেন্টস মেনদের কাছে পশ্চিমা শিল্প বিশেষজ্ঞদের তৈরি করা অমূল্য [[:w:সম্পদের|সম্পদের]] তালিকা থাকত। যদি তালিকায় থাকা কোনো স্থাপত্য বা স্মৃতিস্তম্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হতো, তবে তাঁরা সেই ক্ষয়ক্ষতির হিসাব রাখতেন, মেরামত কাজ তত্ত্বাবধান করতেন এবং সাংস্কৃতিক সম্পদের আরও ক্ষতি হওয়া রোধ করতেন। ১৯৪৬ সালের জুনে MFA&A বিলুপ্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত যুদ্ধ পরবর্তী ইউরোপেও মনুমেন্টস মেনরা তাঁদের কার্যক্রম চালিয়ে গিয়েছিলেন। ** [[w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের]] উক্তি; যা গ্রেগরি জে. ফেরার রচিত [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (বসন্ত ৫-২০১৩), ২১-২২ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত ও বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। * মনুমেন্টস মেনদের লক্ষ্য ও সুদূরপ্রসারী উদ্দেশ্য অনেকটা [[:w:নাৎসি জার্মানির|নাৎসি জার্মানির]] সমকক্ষ সংস্থা 'কুন্সটশুৎসের' কর্মপদ্ধতির মতোই ছিল। তবে তাঁদের মহান দায়িত্বে একটি বিশেষ বৈপ্লবিক অধ্যায় যুক্ত হয়েছিল। আর তা হলো লুণ্ঠিত শিল্প ও অমূল্য সম্পদসমূহকে উদ্ধার করে পুনরায় প্রকৃত মালিকের কাছে স্বদেশে ফিরিয়ে দেওয়া বা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা। মনুমেন্টস মেনদের অপরিহার্য কর্তব্যের মধ্যে শিল্প সুরক্ষা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা আদায়ের মতো নীতিগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা অনেকটা কুন্সটশুৎসের আদলেই পরিচালিত হতো। তবে তাঁদের মূল তৎপরতা চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল:<br>(১) মিত্রশক্তির অধিকারে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত স্মৃতিস্তম্ভগুলো বৈজ্ঞানিক ও শৈল্পিক উপায়ে মেরামত করা,<br>(২) মিত্রবাহিনীর সৈন্যদের নিজেদের হাতে যেন কোনো ঐতিহাসিক স্থাপনার অবমাননা, ক্ষতি বা অপব্যবহার না হয় তা কঠোরভাবে নিশ্চিত করা,<br>(৩) শত্রু-অধিকৃত অঞ্চলগুলোতে যুদ্ধের চরম ডামাডোলের মাঝেও অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষয়ক্ষতি থেকে স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে রক্ষা করা এবং<br>(৪) শত্রুসেনাদের দ্বারা সংঘটিত প্রতিটি চুরির ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নথিবদ্ধ করা ও উদ্ধার প্রক্রিয়াকে বেগবান করতে সম্ভাব্য সকল তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা। ভাস্কর্য, [[:w:ঐতিহাসিক|ঐতিহাসিক]] [[:w:স্থাপত্য|স্থাপত্য]] এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শনগুলোর অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে তাঁদের এই অবিস্মরণীয় ভূমিকার কারণেই তাঁরা ইতিহাসে 'মনুমেন্টস মেন' নামে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। এটি ছিল এক অভাবনীয় ও দুঃসাধ্য মহাযজ্ঞ, যার আওতায় ইউরোপীয় [[:w:মহাদেশের|মহাদেশের]] প্রায় ৫,৬০,০০০ বর্গমাইল বিশাল ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে তালিকাভুক্ত ৩,৪১৫টি স্মৃতিস্তম্ভের সুরক্ষার গুরুভার তাঁদের ওপর ন্যস্ত ছিল।<br>এই বিশাল ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য মিত্রবাহিনীর চেইন অফ কমান্ডের প্রতিটি স্তরে যথাযথ তথ্য আদান-প্রদান ও সক্রিয় পেশাদার সহযোগিতার প্রয়োজন ছিল। মনুমেন্টস মেনরা বিভিন্ন প্রকাশনা ও নির্দেশিকা তৈরির মাধ্যমে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের এবং ইউনাইটেড স্টেটস আর্মির [[w:নেতৃত্ব|নেতৃত্বের]] মধ্যে এই শৈল্পিক সচেতনতা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তাঁরা আর্মি এয়ার কোর এবং পদাতিক গোলন্দাজ ইউনিটগুলোকে এমন সব শিল্প সম্পদের তালিকা সরবরাহ করতেন, যা প্রচণ্ড বোমা বর্ষণ বা গোলাগুলির সময় সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে এড়িয়ে চলা আবশ্যক ছিল। যাতে সর্বাত্মক আক্রমণের সময়ও ওই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর কোনো স্থায়ী ক্ষতি না হয়। প্রতিটি শিল্পকর্ম বা স্থাপনাকে তাদের প্রাচীনত্ব, সংরক্ষণের বর্তমান অবস্থা এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সেগুলোর গুরুত্ব অনুযায়ী একটি সহজবোধ্য তারকা (স্টার) পদ্ধতির মাধ্যমে রেটিং বা মানদণ্ড দেওয়া হতো। এই পদ্ধতিতে তিন তারকা (৩/৩) ছিল আভিজাত্য ও গুরুত্বের বিচারে সর্বোচ্চ মানের স্বীকৃতি। ** গ্রেগরি জে. ফেরার; [https://pdfs.semanticscholar.org/2cc6/852f5804c8695caf26e06663d61d4694725f.pdf “মিউজিয়াম ট্রেজারস ইন দ্য ফগ অফ ওয়ার: এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস অফ কালচারাল হেরিটেজ প্রোটেকশন ডিউরিং এ টাইম অফ ওয়ার”], সেটন হল ইউনিভার্সিটি, (বসন্ত ৫-২০১৩), পৃষ্ঠা ২২-২৩। == অর্থনৈতিক প্রভাব == [[File:Seizure_of_the_Zaibatsu_families_assets.JPG|thumb|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান এবং জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের পর, জাপানি শক্তিশালী ব্যবসায়িক গোষ্ঠী 'জাইবাৎসু' গুলোকে সমূলে বিলুপ্ত করার এক চূড়ান্ত ও কঠোর প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট এবং [[w:হ্যারি_এস._ট্রুম্যান|হ্যারি এস ট্রুম্যানের]] তৎকালীন আমেরিকান অর্থনৈতিক উপদেষ্টারা এই একচেটিয়া আধিপত্য এবং ব্যবসায়িক একাধিপত্যের নীতির প্রতি অত্যন্ত সন্দিহান ছিলেন; তাঁরা মনে করতেন এই পদ্ধতিটি অর্থনৈতিকভাবে কেবল অদক্ষই নয়, বরং এটি কর্পোরেটবাদের একটি কদর্য রূপ। ~ জেনিফার বিমার]] * ১৯০০ শতকের শেষভাগ থেকে [[:w:জাপানের|জাপানের]] অর্থনৈতিক ও শিল্পোদ্যোগের প্রতিটি ক্ষেত্রে জাইবাৎসু গোষ্ঠীগুলো অত্যন্ত প্রভাবশালী ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে আসছিল। এই জাইবাৎসু গোষ্ঠীগুলো মূলত একটি কেন্দ্রীয় হোল্ডিং কোম্পানি নিয়ে গঠিত ছিল, যার মালিকানা থাকত একটি নিয়ন্ত্রণকারী পরিবারের হাতে এবং তারাই প্রধান সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার নিয়ন্ত্রণ করত। যদিও এই ধরণের পিরামিড সদৃশ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পশ্চিমা দেশগুলোতেও প্রচলিত ছিল, কিন্তু জাইবাৎসুদের অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিল এই যে, তারা সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেবল সংখ্যালঘু শেয়ার ধারণ করেও অন্যান্য কৌশলের মাধ্যমে সেগুলোকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখত। এই নিয়ন্ত্রণ কৌশলের অন্যতম হাতিয়ার ছিল সম্মিলিত ব্যাংকিং, জাহাজ চলাচল এবং বাণিজ্যিক সুবিধার ওপর নির্ভরশীলতা। তবে তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল গ্রুপের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি কর্মকর্তাদের অটল ব্যক্তিগত আনুগত্য। জাপানের চারটি বৃহত্তম জাইবাৎসু গোষ্ঠীর খনি, রাসায়নিক এবং ধাতু শিল্পের ৩০ শতাংশের বেশি অংশের ওপর সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছিল; যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের বাজারের ওপর ছিল প্রায় ৫০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ; বাণিজ্যিক স্টক এক্সচেঞ্জের ৬০ শতাংশ এবং রপ্তানি পণ্যবাহী জাহাজ বহরের এক বিশাল অংশ তারা নিয়ন্ত্রণ করত। ** জেনিফার বিমার; [https://scholarspace.manoa.hawaii.edu/bitstream/10125/32822/4/Beamer%20Zaibatsu.pdf “জাপানিজ জাইবাৎসু”], হাওয়াই.এডু, (২০১২), পৃষ্ঠা ৩০১। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান এবং জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের পর, জাইবাৎসুগুলোকে সমূলে বিলুপ্ত করার একটি জোরালো প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট এবং [[w:হ্যারি_এস._ট্রুম্যান|হ্যারি ট্রুম্যানের]] আমেরিকান অর্থনৈতিক উপদেষ্টারা এই একচেটিয়া আধিপত্য এবং বাধানিষেধমূলক ব্যবসায়িক পদ্ধতির প্রতি গভীর সন্দেহ পোষণ করতেন; তাঁদের মতে এই পদ্ধতিটি ছিল চরম অদক্ষ এবং কর্পোরেটবাদের একটি কদর্য রূপ। দখলদারিত্বের সময় কেবল ১৬টি জাইবাৎসুক সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং আরও ২৬টি গোষ্ঠীকে পুনর্গঠনের তালিকায় রাখা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে নিয়ন্ত্রণকারী জাইবাৎসু পরিবারগুলোর সকল সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়, হোল্ডিং কোম্পানিগুলো বিলুপ্ত করা হয় এবং পুরনো ব্যবস্থায় কোম্পানিগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের জন্য অপরিহার্য 'ইন্টারলকিং ডিরেক্টটরশিপ' বা আন্তঃকোম্পানি পরিচালক পদগুলোকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। তা সত্ত্বেও, জাইবাৎসুগুলোর সম্পূর্ণ বিলুপ্তি কোনোদিন অর্জিত হয়নি। কারণ এশিয়ার অন্যান্য প্রান্ত থেকে ধেয়ে আসা [[w:সাম্যবাদ|সাম্যবাদের]] বিরুদ্ধে জাপানে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা দেয়াল বা শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পুনরায় শিল্পায়নের লক্ষে মার্কিন সরকার তাদের পূর্বের অবস্থান পরিবর্তন করেছিল। এমতাবস্থায় জাইবাৎসুগুলোকে জাপানের [[:w:অর্থনীতি|অর্থনীতি]] এবং [[w:সরকার|সরকারের]] জন্য হিতকর বলে বিবেচনা করা হয়েছিল। তবে জাপানি সাধারণ জনগণের মতামত ছিল এর সম্পূর্ণ বিপরীত। তাঁদের মনোভাব ছিল চরম উদাসীনতা থেকে গভীর অসন্তোষের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ** জেনিফার বিমার; [https://scholarspace.manoa.hawaii.edu/bitstream/10125/32822/4/Beamer%20Zaibatsu.pdf “জাপানিজ জাইবাৎসু”], হাওয়াই.এডু, (২০১২), পৃষ্ঠা ৩০১। == নিজ দেশে যুদ্ধের আবহ == ; ১৯৪১ * পার্ল হারবারে সেই অতর্কিত আক্রমণ আমাদের সামনে ধেয়ে আসা চ্যালেঞ্জের ভয়াবহতাকে স্পষ্ট করে দিয়েছিল এবং আমাদের অন্তরাত্মা এক ন্যায়সঙ্গত ক্রোধে এমনভাবে প্রজ্জ্বলিত হয়েছিল ও দেশপ্রেমে এমনভাবে উদ্বেলিত হয়েছিল যে, আমাদের মধ্যকার সকল ভেদাভেদ, বিভাজন আর ঘৃণা এক অভূতপূর্ব ঐক্যে গলে মিশে গিয়েছিল। যা এই দেশে আগে কখনো প্রত্যক্ষ করা যায়নি। ** ভার্জিনিয়ার প্রতিনিধি '''''জন ডব্লিউ. ফ্ল্যানাগান জুনিয়রের''''' মন্তব্য; মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে (১৬ ডিসেম্বর ১৯৪১); 'কংগ্রেশনাল রেকর্ড', খণ্ড ৮৭, অংশ ১৪, পরিশিষ্ট (৯ অক্টোবর ১৯৪১ – ২ জানুয়ারি ১৯৪২), পৃষ্ঠা এ৫৬০৯। ; ১৯৪২ * অসংযত বাক্যই বিপদকে ডেকে আনে। ** যুদ্ধকালীন একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় স্লোগান যা সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলা থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত করত; কারণ শত্রুশৈন্য বা গুপ্তচররা সবসময় আড়ি পেতে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হতো। * এই চরম জাতীয় সংকটের সময়ে, যখন আমাদের অর্জিত সকল অতিরিক্ত আয় যুদ্ধ জয়ের কাজে ব্যয় হওয়া উচিত, তখন কর প্রদানের পর কোনো আমেরিকান নাগরিকের বার্ষিক নিট আয় ২৫,০০০ ডলারের বেশি হওয়া মোটেও উচিত নয়। ** প্রেসিডেন্ট '''''[[w:ফ্রাঙ্কলিন_ডি._রুজভেল্ট|ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের]]''''' কংগ্রেসে পাঠানো বার্তা (২৭ এপ্রিল ১৯৪২); 'দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪২' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ২২১। * এই প্রয়োজনটি অত্যন্ত জরুরি — প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধের ফলে দূরপ্রাচ্য থেকে আমাদের উদ্ভিজ্জ চর্বির সরবরাহ ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। তাই সেগুলোর বিকল্প খুঁজে বের করা এখন সময়ের দাবি। চর্বি থেকে গ্লিসারিন তৈরি হয়, আর সেই গ্লিসারিন আমাদের এবং আমাদের মিত্রদের জন্য বিস্ফোরক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। যা অক্ষশক্তির বিমান ভূপাতিত করতে, তাদের ট্যাঙ্ক থামাতে এবং তাদের জাহাজ ডুবিয়ে দিতে অপরিহার্য। আমাদের লক্ষ লক্ষ পাউন্ড গ্লিসারিন প্রয়োজন এবং আপনারা গৃহিণীরাই তা সরবরাহ করতে পারেন।<br>রান্নার কাজে ব্যবহৃত চর্বি, মাংসের চর্বি বা ভাজাভুজির তেলের একটি ফোঁটাও দয়া করে ফেলে দেবেন না। আপনারা যা কিছুই ব্যবহার করেন না কেন। রান্নায় সেগুলোর ব্যবহার শেষ হয়ে গেলে একটি ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে পরিষ্কার ও চওড়া মুখের একটি কৌটায় ঢেলে রাখুন। কৌটাটি ঠান্ডা ও অন্ধকার জায়গায় সংরক্ষণ করুন<br>যখন এক পাউন্ড বা তার বেশি চর্বি জমে যাবে, তখন তা নিকটস্থ মাংস বিক্রেতার কাছে নিয়ে যান। তিনি অত্যন্ত দেশপ্রেমের সাথে এই কাজে সহযোগিতা করছেন। তিনি আপনার সেই ব্যবহৃত চর্বির ন্যায্য মূল্য পরিশোধ করবেন এবং সেগুলোকে যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট শিল্পকারখানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন। ** সাধারণ নাগরিকদের যুদ্ধ প্রচেষ্টায় সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে ফেডারেল সরকারের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি প্রচারপত্র; স্ট্যান কোহেন রচিত 'ভি ফর ভিক্টরি: আমেরিকাস হোম ফ্রন্ট ডিউরিং ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু' (মিসৌলা, এমটি: পিক্টোরিয়াল হিস্টোরিস, ১৯৯১), পৃষ্ঠা ১১১। ; ১৯৪৩ * 'ডক্টর নিউ ডিল' এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন 'ডক্টর উইন দ্য ওয়ার' বা 'যুদ্ধজয়ী চিকিৎসক' দ্বারা। সর্বপ্রথম ও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত এই যুদ্ধের উপর জয়লাভের ওপর। ** ফেডারেল সরকারের অগ্রাধিকারের পরিবর্তন প্রসঙ্গে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট '''''[[w:ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট|ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্টের]]''''' উক্তি (২৮ ডিসেম্বর ১৯৪৩); 'দ্য পাবলিক পেপারস অ্যান্ড অ্যাড্রেসেস অফ ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ১৯৪৩' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ১৪০। * একজন সৎমনা উদারপন্থীও আজ নির্দ্বিধায় স্বীকার করবেন যে, একজন সাধারণ মানুষ সেই 'নিউ ডিলের' সময়ের তুলনায় [বর্তমানে] অনেক বেশি সুযোগ ও উন্নত জীবন অতিবাহিত করছেন। ** 'কমন সেন্স' নামক সাময়িকীর একজন লেখকের পর্যবেক্ষণ (সেপ্টেম্বর ১৯৪৩); 'ওয়ার অ্যান্ড সোসাইটি: দ্য ইউনাইটেড স্টেটস, ১৯৪১–১৯৪৫' (জে. বি. লিপিনকট কোং, ১৯৭২), পৃষ্ঠা ৯৩। * দেশের অভ্যন্তরে যুদ্ধকালীন মনোবলকে আরও সুদৃঢ় ও কঠোর করতে সামরিক বাহিনী এখন এক নতুন নীতি গ্রহণ করেছে; তারা এখন আলোকচিত্রের মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের দেখাতে চায় যে রণক্ষেত্রের এই ভয়াবহ যুদ্ধ সম্মুখপানে লড়াই করা বীর সেনাদের কী নিদারুণ পরিণতির দিকে ঠেলে দেয়। ** জনগণের অতি-আত্মবিশ্বাস রোধ করার লক্ষ্যে মার্কিন সেনাদের ক্ষয়ক্ষতির ছবি প্রকাশের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে 'নিউজউইক পত্রিকার' সম্পাদকদের অভিমত; সুসান ডি. মোয়েলার রচিত 'শুটিং ওয়ার: ফটোগ্রাফি অ্যান্ড দ্য আমেরিকান এক্সপেরিয়েন্স অফ কমব্যাট' (নিউ ইয়র্ক: বেসিক বুকস, ১৯৮৯), পৃষ্ঠা ২৪১। === নিজ দেশে যুদ্ধ: জাপানি-আমেরিকানদের জীবন === ==== ১৯৪২ ==== * আজ পর্যন্ত কোনো অন্তর্ঘাতমূলক ঘটনা না ঘটাটাই একটি উদ্বেগজনক এবং নিশ্চিত ইঙ্গিত যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ** পার্ল হারবারে আক্রমণের পর পশ্চিম উপকূলে বসবাসরত জাপানি অভিবাসী এবং জাপানি-আমেরিকানদের সম্পর্কে যুদ্ধ দপ্তরের একটি রিপোর্ট। ইউজিন ভি. রোস্টো রচিত "আওয়ার ওর্স্ট ওয়ারটাইম মিস্টেক", 'হার্পারস' (সেপ্টেম্বর ১৯৪৫), ১৯৬ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত। * আমাদের চুল বা গায়ের রং যেমনই হোক না কেন, আমাদের চোখের গড়ন যেমনই হোক না কেন, এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই ছিল আমাদের আপন মাতৃভূমি। আমার বাবা-মা আমাদের সেই সত্যটি কীভাবে বারবার স্মরণ করিয়ে দিতেন, তা আজও আমার স্মৃতিতে অমলিন। আমাদের পুরো পরিবারকে যখন জোরপূর্বক অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল, তার ঠিক আগমুহূর্তে আমার বাবা বলেছিলেন, "যা-ই ঘটুক না কেন, এই মাটিই তোমাদের চিরস্থায়ী আবাস।" ** মার্কিন পরিবহন সচিব '''''নরম্যান মিনেটার''''' স্মৃতিচারণ; যাকে শৈশবে একটি বন্দিশিবিরে (ইন্টার্নমেন্ট ক্যাম্প) নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। রবার্ট জেমস ম্যাডক্স (সম্পাদিত) 'আমেরিকান হিস্ট্রি', ৯ম সংস্করণ (গিলফোর্ড, সিটি: দুশকিন পাবলিশিং গ্রুপ, ১৯৮৭), খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৬৪। * ১৯৪২ সালের সেই বিষাদময় বসন্তকালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে বসবাসরত জাপানি এবং জাপানি-আমেরিকানদের আকস্মিকভাবে আটক করে দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত বিভিন্ন শিবিরে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। এভাবে ১,০০,০০০ এরও বেশি পুরুষ, নারী এবং শিশুকে তাঁদের নিজেদের ভিটেমাটি থেকে নির্বাসিত ও কারারুদ্ধ করা হয়। যাঁদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি ছিলেন জন্মসূত্রে আমেরিকার প্রকৃত নাগরিক। * সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে এই মানুষগুলোকে কেবল এই আশঙ্কায় আটক করা হয়েছিল যে, জাপানি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের কাছ থেকে গুপ্তচরবৃত্তি এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রবল ভয় রয়েছে। পশ্চিম উপকূল থেকে এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কারণ সামরিক কর্তৃপক্ষের ধারণা ছিল যে, ঘটনাস্থলে প্রত্যেকের আলাদাভাবে তদন্ত করা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ হবে। তাঁদের কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই অনির্দিষ্টকাল আটকে রাখা হয়েছিল। পুনর্বাসন কর্মকর্তাদের সৎ উদ্দেশ্য থাকা সত্ত্বেও, ওই কেন্দ্রগুলো নাৎসিদের কনসেনট্রেশন ক্যাম্প বা নির্যাতন শিবিরের চেয়ে খুব একটা উন্নত ছিল না। * যদি সেই নির্বাসিত ব্যক্তিদের 'অনুগত' হিসেবে পাওয়া যেত, তবে তাঁদের কেবল তখনই মুক্তি দেওয়া হতো যদি তাঁরা কোনো কাজ এবং থাকার জায়গা খুঁজে নিতে পারতেন। আর তা-ও হতে হতো এমন এক সমাজে যেখানে রাতের আঁধারে কোনো দুষ্কৃতকারী এসে জাপানি-বিরোধী স্লোগান লিখবে না, জানালার কাঁচ ভাঙবে না বা দাঙ্গা সৃষ্টির হুমকি দেবে না। অন্যদিকে, যুদ্ধের প্রতি তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি 'অবিশ্বস্ত' বলে প্রতীত হতো, তবে তাঁদের অনির্দিষ্টকালের জন্য শিবিরে বন্দি রাখা হতো। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (অন্তত শ্বেতাঙ্গদের জন্য) শত্রুর প্রতি কেবল সহানুভূতি পোষণ করা কোনো অপরাধ নয়, যতক্ষণ না সেটি কোনো সরাসরি নাশকতামূলক কাজে বা দৃশ্যমান হুমকিতে রূপ নেয়। ** '''''ইউজিন ভি. রোস্টো''''', "আওয়ার ওর্স্ট ওয়ারটাইম মিস্টেক", 'হার্পারস', খণ্ড ১৯১, সংখ্যা ১১৪৪ (সেপ্টেম্বর ১৯৪৫), পৃষ্ঠা ১৯৩–২০১। * সেখানে কোনো আলো, উনুন বা জানালার কাঁচ ছিল না। আমরা পরনের কাপড়সহই সেনাবাহিনীর খাটিয়ার ওপর ঘুমাতাম। ... শিবিরের চারপাশ ঘিরে থাকা সেই কাঁটাতারের বেড়া তুষারে ঢাকা সিয়েরা পর্বতমালাই যেন আমাদের বন্দিত্বের সেই ভয়াবহ পটভূমিকে আরও স্পষ্ট করে তুলত। ** ক্যালিফোর্নিয়ার মানজানার বন্দিশিবিরে জাপানি অভিবাসী ও জাপানি-আমেরিকানদের মানবেতর অবস্থা সম্পর্কে '''''কার্ল ইয়োনেডার''''' স্মৃতিচারণ; 'গানবাত্তে: সিক্সটি-ইয়ার স্ট্রাগল অফ এ কিবেই ওয়ার্কার' (ইউসিএলএ, ১৯৮৩), পৃষ্ঠা ১২৬। ==== ১৯৪৪ ==== * এতগুলো বছর পার করার পর, সারাটা জীবন কঠোর পরিশ্রম করে একটি স্বপ্নের ইমারত গড়ে তোলার পর সবকিছুই চোখের পলকে কেড়ে নেওয়া হলো.... তিনি এক বুক ভাঙা কষ্ট -হাহাকার নিয়ে মৃত্যুবরণ করলেন। ** পিটার ওটা, যাঁর পরিবারকে কলোরাডোর একটি শিবিরে বন্দি করা হয়েছিল। স্টাডস টারকেল রচিত '"দ্য গুড ওয়ার": এন ওরাল হিস্ট্রি অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু' (নিউ ইয়র্ক: প্যান্থিয়ন বুকস, ১৯৮৪), ৩২ পৃষ্ঠায় বর্ণিত। * যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি এবং অপরাধ দমনের মতো বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করার সময়, আমাদের অবশ্যই সেই সামরিক কর্তৃপক্ষের বিচারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও বিবেচনা প্রদর্শন করতে হবে যারা সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে উপস্থিত থাকেন এবং সামরিক তথ্যাদি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। তবে একই সাথে এটিও অপরিহার্য যে, সামরিক বিবেচনার একটি সুনির্দিষ্ট সীমা থাকতে হবে, বিশেষ করে যেখানে সামরিক আইন (মার্শাল ল) জারি করা হয়নি। কেবল সামরিক প্রয়োজনের দোহাই দিয়ে। যার কোনো বাস্তব ভিত্তি বা প্রমাণ নেই। একজন ব্যক্তিকে তাঁর সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ও নিঃস্ব করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ** সুপ্রিম কোর্টের সহযোগী বিচারক '''''ফ্র্যাঙ্ক মারফি'''''; তিনি 'কোরেমাতসু বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র' (৩২৩ ইউ.এস. ২১৪, ১৯৪৪) মামলায় ভিন্নমত পোষণকারী তিন বিচারকের একজন ছিলেন। উল্লেখ্য যে, আদালতের ছয় বিচারকের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ জাপানি এবং জাপানি-আমেরিকানদের বন্দি করার সামরিক সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিল। === নিজ দেশে যুদ্ধ: আফ্রিকান-আমেরিকানদের লড়াই === * আমার ব্যক্তিগত অভিমত ছিল এই যে, কৃষ্ণাঙ্গরা তাদের অসামান্য অর্জনের মাধ্যমেই বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গিকে জয় করতে পারে। যদিও সেই অর্জনগুলোকে সগৌরবে ছিনিয়ে আনতে হয়েছিল বর্ণবৈষম্যের এক চরম বিদ্বেষপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়েই।<br>এই যুদ্ধ আমাদের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল।<br>আমরা তখন আমাদের নিজস্ব একটি যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রনের মালিক ছিলাম—যা মাত্র অল্প কিছুকাল আগেও ছিল এক অকল্পনীয় অলীক কল্পনা। সেটি ছিল একান্তই আমাদের নিজেদের। তাছাড়া, আমাদের সেই সময়কার নিজস্ব সমস্যাগুলো বিশ্লেষণ করতে এবং আমাদের নিজস্ব দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সেগুলোর সমাধান খুঁজে পেতে আমরা বদ্ধপরিকর ছিলাম। ** জেনারেল '''''বেঞ্জামিন ও. ডেভিস'''''; যিনি বিমান বাহিনীর প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান জেনারেল এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বিখ্যাত টাস্কগি এয়ারমেনদের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন। * আমি জানতাম ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধের প্রতি আমার এক প্রবল আবেগ রয়েছে। কিন্তু, একটি বর্ণবৈষম্যমূলক বা পৃথকীকৃত সামরিক বাহিনীর হয়ে লড়াই করার বিষয়েও আমার মনে গভীর ক্ষোভ ছিল। আমি প্রশ্ন করি, একজন কৃষ্ণাঙ্গ যুদ্ধফেরত সৈনিক হওয়ার অনুভূতি আসলে কেমন? আপনি যদি একজন কৃষ্ণাঙ্গ ভেটেরান হন, তবে আপনি লড়াই করেছেন জার্মানিতে "ইহুদিদের প্রবেশ নিষেধ" এমন সাইনবোর্ডগুলো উপড়ে ফেলতে, অথচ নিজ দেশ আমেরিকায় ফিরে আপনি দেখতে পেলেন সেই একইরকম উদ্ধত সাইনবোর্ড,"কৃষ্ণাঙ্গদের প্রবেশ নিষেধ"। আপনি লড়াই করেছেন জার্মানি আর জাপানের ফাঁসির দড়ি আর চাবুকের দাপট মুছে দিতে, অথচ ফিরে এসে জর্জিয়া আর লুইসিয়ানায় নিজের পিঠেই সেই চাবুক আর ফাঁসির দড়িকে ফিরে পেতে! আমি আপনাদের একটি সৎ প্রশ্ন করতে চাই যে কেন আজ স্পেন আর যুগোস্লাভিয়া নিয়ে এত কথা হচ্ছে? ফিলিস্তিন আর গ্রিস নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, অথচ দক্ষিণ ক্যারোলিনার এইকেন কাউন্টি নিয়ে টুঁ শব্দটিও হচ্ছে না? ** '''''অলি হ্যারিংটনের''''' 'হোয়াই আই লেফট আমেরিকা অ্যান্ড আদার এসেস' (১৯৯৩) গ্রন্থে বর্ণিত। * এটি হলো মানুষকে মুক্ত রাখার এক মহান যুদ্ধ। স্বাধীনতার এই পথকে, আমাদের নিজেদের স্বাধীনতার পথকে—আমেরিকার বুকে আরও প্রশস্ত ও দীর্ঘায়িত করার সেই সংগ্রামটি না হয় তোলা থাকল তোলা থাকল ভবিষ্যতের জন্য। আমেরিকার অভ্যন্তরীণ এই ব্যক্তিগত লড়াইটি যে জারি থাকবে এবং শেষ পর্যন্ত আমরাই জয়ী হবো। কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে যুদ্ধে যাওয়ার পেছনে আমাদের কাছে এটিই একমাত্র প্রকৃত কারণ। আমাদের সেই লড়াইয়ের পথটি উন্মুক্ত রাখতে হবে।<br>একজন কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে আমি যে আমেরিকার ভেতরের এই অশুভ শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারছি। কেবল এই সত্যটুকুই যুদ্ধের ময়দানে লড়াই করার জন্য যথেষ্ট। যে অন্যায়কে মানুষ ঘৃণা করে, তার বিরুদ্ধে এই প্রকাশ্যে লড়াই চালিয়ে যাওয়াই হলো গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার প্রধান চিহ্ন এবং শেষ আশা। ** জে. সন্ডার্স রেডিং; 'দ্য আমেরিকান মারকারি' সাময়িকীতে প্রকাশিত “এ নিগ্রো লুকস অ্যাট দিস ওয়ার” (নভেম্বর ১৯৪২), পৃষ্ঠা ৫৮৫-৫৯২। == যুদ্ধে নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত ভূমিকা == ; ১৯৪২ * দিন আর রাতগুলো ছিল এক অন্তহীন দুঃস্বপ্নের মতো, যতক্ষণ না আমাদের মনে হতো যে আমরা আর তা সহ্য করতে পারব না। শত শত রোগী প্রতিনিয়ত আসছিলেন, আর চিকিৎসক ও নার্সরা মশা-মাছি, সেই অসহ্য গরম, ধুলিকণার মধ্যে তাঁবুর নিচে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছিলেন। প্রতিদিন আমাদের কাছে প্রায় আট থেকে নয়শ পর্যন্ত রোগী আসতেন। ** '''''ইউনিস হ্যাচিট'''''; ''ফিলিপাইনের বাতানে দায়িত্বরত একজন আর্মি নার্স।'' ; ১৯৪৩ * যুদ্ধ জয়ের লক্ষ্যে অবদান রাখতে, কিছু অর্থ উপার্জন করতে এবং কোনো পেশাদার কাজ শিখতে। নারী ও পুরুষেরা গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এই শহরে অ্যালাবামার মোবাইল শহর পঙ্গপালের মতো ছুটে আসছেন। ** ''ঔপন্যাসিক '''জন ডস প্যাসোসের''' পর্যবেক্ষণ।'' ; ১৯৪৩ * আমি শিখতে একজন খুব আগ্রহী ছিলাম এবং খুব দ্রুতই আমি একজন অসামান্য রিভেটার (ধাতব পাত জোড়া দেওয়ার কারিগর) হয়ে উঠেছিলাম। রোহরে কাজ করার সময় আমি পি-৩৮ যুদ্ধবিমানের বুম ডোরগুলো রিভেটিং করতাম। এই যুদ্ধ প্রকৃতপক্ষে নারীদের জন্য এক বিশাল সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল। এটিই ছিল প্রথমবার যখন আমরা এটি প্রমাণ করার সুযোগ পেয়েছিলাম যে, আমরা এমন অনেক কাজ করতে পারি যা আগে কেবল গুটিকয়েক লোকের পক্ষেই সম্ভব বলে মনে করা হতো। ** '''''উইনোনা এসপিনোসা'''''; ''একজন বিমান নির্মাণ কর্মী।'' ; ১৯৪৩ * এমন কিছু ঘটছে যা অ্যাডলফ হিটলার বোধগম্য করতে পারছেন না। আর তা হলো আমাদের উৎপাদনের এই অবিশ্বাস্য অলৌকিক ক্ষমতা। ** ''মার্কিন শিল্পকারখানাগুলোতে বিপুল সংখ্যক বিমান, জাহাজ এবং ট্যাঙ্ক উৎপাদনের বিষয়ে 'টাইম' ম্যাগাজিনের মন্তব্য। প্রকৃতপক্ষে, জার্মান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন ক্ষমতা সম্পর্কে একদম সঠিক অনুমান করতে পেরেছিল, কিন্তু হিটলার সেই রিপোর্টটিকে অবজ্ঞা করার সিদ্ধান্ত নেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।'' ; ১৯৪৩ * কেক কাটার পরিবর্তে, এই নারী এখন বিমানের যন্ত্রাংশের নকশা কাটছেন। কেক তৈরি করার পরিবর্তে, এই নারী এখন যন্ত্রপাতির গিয়ারগুলোকে উত্তপ্ত করছেন যাতে ব্যবহারের পর সেগুলোর মধ্যকার টান বা চাপ হ্রাস পায়। ** ''একটি বিমান কারখানায় নারীদের কাজের দৃশ্য সম্বলিত একটি নিউজ ভিডিওর ধারা বর্ণনা।'' ; ১৯৪৪ * জাহাজ নির্মাণ কারখানার সেই অসহ্য ও কান ফাটানো প্রচণ্ড শব্দের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার মতো কোনো প্রশিক্ষণ আসলে আগে থেকে দেওয়া সম্ভব নয়। যাদের অন্তরাত্মা এই পরিস্থিতির সাথে লড়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নয়, তারা মুহূর্তের মধ্যেই রণভঙ্গ দিয়ে হারিয়ে যাবে। আর কেবল পেশি শক্ত করলেই চলে না, এই কাজে টিকে থাকতে হলে নিজের স্নায়ুগুলোকেও পাথরের মতো শক্ত করে গড়ে তুলতে হয়। ** ''একজন নারী জাহাজ নির্মাণ কর্মী'' । * আমার সাথে কথা বলার সময় তোমার বরং একটু বেশিই সাবধান হওয়া উচিত, কারণ আমি ইতোমধ্যেই আমার ডান হাতে বেশ বড় এক মাংসপেশি তৈরি করে ফেলেছি এবং বাম হাতটিও এখন যথেষ্ট শক্তিশালী। তাই বাপু, একটু বুঝেশুনে চলো! ** '''''মার্গারেট হুপার''' (বয়স ২০); প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরে (প্যাসিফিক ফ্লিট) দায়িত্বরত এক বন্ধুর কাছে লেখা চিঠিতে। মার্গারেট ক্যালিফোর্নিয়ার সান পেড্রোতে অবস্থিত একটি বিমান কারখানায় কাঁচামাল পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।'' * "রোজি দ্য রিভেটার" ** ''এটি ছিল যুদ্ধে নারীদের সমর্থন ও সহায়তা আদায়ের লক্ষে তৈরিকৃত একজন দৃঢ়চেতা, দেশপ্রেমী কাল্পনিক নারী কার্টুন চরিত্রের নাম, যা যুদ্ধকালীন জনমত গঠনে এক অসামান্য ভূমিকা রেখেছিল''। * সাইরেন বেজে ওঠল প্রবল শব্দে, আর মৃত্যুর হাতছানিতে বাতাস তখন হিমশীতল!<br>তবুও সেই বিশ্বস্ত ক্যাপ্টেনের নির্ভয় অটল সেই অধীর কর্মস্থল,<br>হাতের খুচরো পয়সাগুলো গুনে নিয়ে সে ক্ষিপ্র গতিতে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে যায়,<br>রাজার আজ্ঞাবহ নাবিকের মতোই এমন সাহসী অদম্য সৈনিক আর পাবে কোথায়? ** '''''এ. পি. হার্বার্ট'''''; লন্ডন ট্রান্সপোর্ট পোস্টারে প্রকাশিত "সিয়িং ইট থ্রু" কবিতা থেকে, ''বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''; ''এখানে "ক্যাপ্টেন" বলতে লন্ডনের একজন বাস কন্ডাক্ট্রেসকে বোঝানো হয়েছে।'' ; ১৯৪৫ * এটি আমার জীবনে একটি ভালো সূচনা এনে দিয়েছিল। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, যদি আমি একজন পুরুষের মতোই নিখুঁতভাবে ওয়েল্ডিং বা ঝালাইয়ের কাজ শিখতে পারি, তবে জীবনধারণের জন্য যা যা প্রয়োজন, তার সবই আমি করে যেতে পারব। ** '''''নোভা লি হলব্রুক'''; যুদ্ধকালীন কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনে কতটা অমূল্য ছিল, সে প্রসঙ্গে।'' == দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংক্রান্ত উক্তি == [[File:The British Army in the United Kingdom 1939-45 H41966.jpg|thumb|মেজর-জেনারেল জে. এফ. সি. ফুলার, ১৯২০ এর দশকে আধুনিক সাঁজোয়া যুদ্ধ কৌশলের বিকাশে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য, তিনি এই রণকৌশল ব্যবহারে ব্যর্থতাকে "পুরো যুদ্ধের সবচেয়ে বড় ভুল" হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। তিনি এমনকি এটিও আভাস দিয়েছিলেন যে যদি সঠিকভাবে সামরিক মোতায়েন করা হতো, তবে [[:w:ব্রিটিশ|ব্রিটিশ]] এবং [[:w:আমেরিকান|আমেরিকান]] ট্যাঙ্ক ডিভিশনগুলো রুশদের আগেই [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] দখল করে নিতে পারত। ~ ডেভিড হ্যাম্বলিং]] * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক শুরুর দিকে, [[:w:জাপান|জাপান]] ছিল প্রায় সাত কোটি জনসংখ্যার এক সমৃদ্ধশালী শিল্পোন্নত শক্তি। দেশটি ইতোমধ্যেই ভোক্তা পণ্যের এক প্রধান উৎপাদনকারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। কিন্তু ১৯৩০ এর দশকের শুরুর দিকে সামরিক বাহিনী নিয়ন্ত্রিত কেন্দ্রীয় সরকার ক্রমান্বয়ে বাজার অর্থনীতিকে একটি সর্বগ্রাসী [[:w:অর্থনীতি|নির্দেশিত অর্থনীতির]] বৈশিষ্ট্য দ্বারা প্রতিস্থাপন করতে শুরু করে, যার মধ্যে উৎপাদনের ওপর সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত ছিল। উৎপাদনের একটি ক্রমবর্ধমান অংশ তখন যুদ্ধ-সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলোর জন্য উৎসর্গ করা হচ্ছিল। তদুপরি, ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৬ সালের মধ্যে [[:w:বিদ্যুৎ|বিদ্যুৎ]] এবং [[:w:তেল|তেল]] শিল্পগুলোকে জাতীয়করণ করা হয় এবং ১৯৩৯ সালে চালের রেশনিং পদ্ধতি চালু করা হয়। সেই দশকের শেষ নাগাদ, জাপান সম্পূর্ণভাবে একটি যুদ্ধকালীন অর্থনীতির দ্বারা চালিত যুদ্ধের প্রস্তুতিতে লিপ্ত ছিল। ** অ্যালান অ্যাক্সেলরড; [https://books.google.com/books/about/The_Real_History_of_World_War_II.html?id=GqYWmUae5h8C&printsec=frontcover&source=kp_read_button ''দ্য রিয়েল হিস্ট্রি অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু: এ নিউ লুক অ্যাট দ্য পাস্ট''], (৬ মে ২০০৮), স্টার্লিং। পৃষ্ঠা ১৩৮-১৩৯। * সেই সমস্ত আমেরিকান, যারা ফ্রাঙ্কোর বিরুদ্ধে লড়তে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে রুখে দিতে স্পেনে গিয়েছিলেন, তাঁদের "অপরিণত ফ্যাসিবাদ-বিরোধী" (প্রিম্যাচিউর অ্যান্টি-ফ্যাসিস্ট) হিসেবে অভিহিত করায় তাঁরা কোনোদিন কিছু মনে করেননি। বরং তাঁরা এই তকমাটি বহন করতে গর্ববোধ করতেন। ** আলভা বেসি; ''<nowiki/>'মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন''' (১৯৩৯), ১৯৫৪ সালের পুনর্মুদ্রণের মুখবন্ধ। * আমাদের স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত প্রখর। আমাদের ওপর বছরের পর বছর ধরে যে অন্তহীন অপপ্রচার, কুৎসা আর ডাহা মিথ্যার আক্রমণ চালানো হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আমরা এক ধরণের আপেক্ষিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা অনাক্রম্যতা তৈরি করে ফেলেছি। বিশেষ করে, আমরা সেই 'মহা-মিথ্যা' (দ্য বিগ লাই) থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত যা একসময় স্পেনকে ধ্বংস করেছিল এবং যাকে হিটলার পূর্ণতার এমন এক চরম শিখরে নিয়ে গিয়েছিলেন যে, অক্ষশক্তির সেই বিষদাঁত ভাঙতে শেষ পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণহানির প্রয়োজন হয়েছিল। আক্ষেপের বিষয় এই যে, সেই 'মহা-মিথ্যা' আজও টিকে আছে এবং আমাদের নিজেদের দেশেই তা প্রবল প্রতাপে বিকশিত হচ্ছে। যেহেতু প্রতিটি যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিদিন, প্রতি ঘণ্টায় এমনকি প্রতি মিনিটে এটি প্রচার করা হচ্ছে, তাই আমাদের জনগণ যতক্ষণ না এর আসল রূপটি বুঝতে পারছেন এবং একে সম্পূর্ণভাবে নস্যাৎ করে দিচ্ছেন। ততক্ষণ পর্যন্ত এই মিথ্যার দাঁতভাঙা জবাব দিয়ে যাওয়া আমাদের একান্ত কর্তব্য। ** '''''আলভা বেসি'''''; ''<nowiki/>'মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন''' (১৯৩৯), ১৯৫৪ সালের পুনর্মুদ্রণের মুখবন্ধ। : যখনই আমরা শুনতে পাই যে [[:w:সাম্যবাদ|সাম্যবাদ]] আমাদের ভেতর এবং বাহির থেকে হুমকির মুখে ফেলছে। যখনই আমাদের বলা হয় যে সোভিয়েত ইউনিয়ন আমাদের জীবনযাত্রার ধরনকে বিপন্ন করছে এবং বিশ্ব জয় করতে চায়। যখনই আমাদের এমন এক 'পবিত্র ধর্মযুদ্ধে' (হলি [[ক্রুসেড]]) যোগ দিতে আহ্বান জানানো হয়, যা শুরু হলে সমগ্র পৃথিবীকে ছারখার করে দেবে। ঠিক তখনই আমরা ইতিহাসের কিছু সহজ ও অমোঘ সত্য স্মরণ করিঃ :সাম্যবাদের হুমকির দোহাই দিয়ে মুসোলিনি ইতালিতে বিদ্যমান গণতন্ত্রের টুঁটি চেপে ধরেছিলেন; :একই অস্ত্র ব্যবহার করে হিটলার জার্মান ভেইমার প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করেছিলেন; :একই তত্ত্ব কাজে লাগিয়ে হিদেকি তোজো জাপানের সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেঙে চুরমার করেছিলেন। :তথাকথিত '''"'''লাল সন্ত্রাসীর'''"''' (কমিউনিস্ট জুজু) নামে [[:w:দ্বিতীয় স্পেনীয় প্রজাতন্ত্র|স্পেনীয় দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রকে]] হত্যা করেছিলেন ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো; :বিশ্বকে সাম্যবাদ (কমিউনিজম) থেকে রক্ষার সস্তা স্লোগান দিয়েই শেষ পর্যন্ত অক্ষশক্তি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দাবানল জ্বালিয়েছিল। ** '''''আলভা বেসি'''''; ''<nowiki/>'মেন ইন ব্যাটেল: এ স্টোরি অফ আমেরিকানস ইন স্পেন''' (১৯৩৯), ১৯৫৪ সালের পুনর্মুদ্রণের মুখবন্ধ। * বিস্ময়কর ভাবে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রণকৌশল মূলত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর সহকারী সচিব হিসেবে প্রেসিডেন্ট [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের]] অর্জিত অভিজ্ঞতারই এক প্রতিফলন। সেই সময়টিই তাঁকে শিখিয়েছিল কীভাবে যান্ত্রিক শক্তির প্রচণ্ড আঘাতে শত্রুকে পর্যুদস্ত করা যায় এবং পদাতিক বা স্থলযুদ্ধের ঝুঁকিগুলো কতটা ভয়াবহ হতে পারে। ১৯১৮ সালে যখন তিনি সম্মুখ সমর পরিদর্শনের জন্য [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্সে]] গিয়েছিলেন, তখন যুদ্ধক্ষেত্রের সেই বীভৎস দৃশ্য তাঁকে চরমভাবে ব্যথিত করেছিল। সৈন্যদের বসবাসের সেই ঘিঞ্জি পরিবেশ এবং ডায়েরিতে লেখা তাঁর নিজের ভাষায় "মৃত ঘোড়ার উৎকট গন্ধ" তাঁর সংবেদনশীল নৌ নাসিকাকে আঘাত করেছিল। ফলস্বরূপ, তিনি স্থলযুদ্ধের পরিবর্তে রসদ সরবরাহ এবং যুদ্ধ সরঞ্জামের ওপর বেশি মনোযোগী হয়েছিলেন: যেমন ট্রেনের কামরায় করে বিশাল নৌ-কামানগুলো স্থলপথে নিয়ে গিয়ে [[:w:জার্মানি|জার্মান]] বাহিনীকে নাস্তানাবুদ করা কিংবা বিমান ও বোমা প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতির জন্য চাপ দেওয়া। মিত্রপক্ষের জাহাজগুলোকে ঝুঁকির মুখে না ফেলে পুরো [[:w:উত্তর সাগর|উত্তর সাগর]] জুড়ে মাইন বিছিয়ে দিয়ে জার্মান ইউ-বোট আক্রমণ নস্যাৎ করার একটি পরিকল্পনাও তিনি ত্বরান্বিত করেছিলেন (যদিও যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ায় সেই পরিকল্পনাটি তখন পুরোপুরি সম্পন্ন করা যায়নি)। এই সময়েই রুজভেল্ট [[:w:ব্রিটেন|ব্রিটেন]] এবং ফ্রান্সের মতো বিশ্বস্ত আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করার গুরুত্ব অনুধাবন করেছিলেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, আধুনিক যুদ্ধে জয়লাভের চাবিকাঠি হলো শক্তিশালী জোট গঠন।<br>অনেক [[:w:আমেরিকান|আমেরিকানদের]] মতো রুজভেল্ট প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর [[w:বিচ্ছিন্নতাবাদ|বিচ্ছিন্নতাবাদী]] হয়ে পড়েননি। তিনি জানতেন যে উগ্র [[:w:একনায়কতন্ত্র|একনায়কতান্ত্রিক]] শাসন ব্যবস্থাকে অবশ্যই রুখতে হবে এবং তিনি বিশ্বাস করতেন যে উন্নত [[:w:যন্ত্র|যন্ত্রপাতি]] এবং মজবুত মিত্রজোটের মাধ্যমেই আমেরিকা তার স্বার্থ রক্ষা করতে পারবে। তিনি এই দুটি ধারণার প্রতি এতটাই অনুগত ছিলেন যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেন এবং [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়নকে|সোভিয়েত ইউনিয়নকে]] কোনো প্রতিদান ছাড়াই বিশাল পরিমাণ সাহায্য প্রদান করেছিলেন। রুজভেল্ট মনে করতেন, মার্কিন মিত্রদের শক্তিশালী করে তোলা এবং তাদের দিয়েই স্থলযুদ্ধের অধিকাংশ লড়াই করানোই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। এই দূরদর্শী কৌশলই শেষ পর্যন্ত একজন যুদ্ধকালীন [[:w:নেতা|নেতা]] হিসেবে তাঁকে ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাফল্য এনে দিয়েছিল। ** ফিলিপস পেসন ও'ব্রায়েন; [https://www.theatlantic.com/ideas/archive/2024/08/president-personal-preference-defines-national-interest/679642/ “দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ইজ হোয়াট দ্য প্রেসিডেন্ট সেজ ইট ইজ”], ''<nowiki/>'দি আটলান্টিক''<nowiki/>', (২৯ আগস্ট ২০২৪)। * এটি হতে পারত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সবচেয়ে আলোচিত এক হারিয়ে যাওয়া [[:w:অস্ত্র|অস্ত্র]]। মেজর-জেনারেল জে. এফ. সি. ফুলার, ১৯২০ সালের দশকে আধুনিক সাঁজোয়া যুদ্ধের রণকৌশল প্রবর্তনে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য, তিনি এই অস্ত্রের ব্যবহারে ব্যর্থতাকে "পুরো যুদ্ধের সবচেয়ে বড় ভুল" হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। তিনি এমনকি এটিও দাবি করেছিলেন যে, যদি এই অস্ত্রটি সঠিকভাবে মোতায়েন করা হতো, তবে [[:w:ব্রিটিশ|ব্রিটিশ]] এবং আমেরিকান ট্যাঙ্ক ডিভিশনগুলো রুশদের আগেই [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] দখল করে নিতে পারত। ** জে. এফ. সি. ফুলারের উক্তি; ডেভিড হ্যাম্বলিং রচিত [https://www.wired.com/2008/05/wwii-strobe-t-1/ "সিক্রেট স্ট্রোবলাইট ওয়েপনস অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু"], '''ওয়ার্ড''<nowiki/>', ২২ অক্টোবর ২০১২ তারিখে উদ্ধৃত। * আমি সেখানে তখন উপস্থিত ছিলাম। ** '''''উইলিয়াম ডি. লেহির''''' , ''<nowiki/>'আই ওয়াজ দেয়ার''' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ১। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, অন্তত ইউরোপীয় রণাঙ্গনের ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও নৈতিক ন্যায্যতা থাকতে পারে; যদিও আমেরিকার নিজের স্বাধীনতা বা অস্তিত্ব আদৌ কখনও হুমকির মুখে পড়েছিল কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট যৌক্তিক বিতর্কের অবকাশ রয়েছে। তবুও, যে সমস্ত আমেরিকান এই যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের অনেকেই নিজেদের এই সংগ্রামকে মহৎ উদ্দেশ্য বলে মনে করতেন; তাই আমরা অন্তত পরিষ্কার বিবেক নিয়ে তাঁদের এই মৃত্যুকে সম্মান জানাতে পারি। ** '''''ডেভ ডি লিনডর্ফ'''''; ''[https://www.counterpunch.org/2010/05/31/the-glorification-of-war/ “দ্য গ্লোরিফিকেশন অফ ওয়ার”],'' 'কাউন্টারপাঞ্চ', (৩১ মে ২০১০)। * প্রথম বিশ্বযুদ্ধের তুলনায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, যা মূলত 'হিটলারের যুদ্ধ' হিসেবে পরিচিত। ছিল এক প্রায়-সার্বজনীন অভিজ্ঞতা। এটি দীর্ঘকাল স্থায়ী হয়েছিল। বিশেষ করে [[:w:ব্রিটেন|ব্রিটেন]] এবং [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] মতো দেশগুলোর জন্য, যারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধের সাথে জড়িত ছিল, তাদের ক্ষেত্রে এই সময়কাল ছিল প্রায় ছয় বছর। [[w:চেকোস্লোভাকিয়া|চেকোস্লোভাকিয়ায়]] এটার সূচনা হয়েছিল আরও আগে, ১৯৩৮ সালের অক্টোবরে নাৎসিদের সুডেটেনল্যান্ড দখলের মধ্য দিয়ে। অন্যদিকে, [[:w:পূর্ব ইউরোপ|পূর্ব ইউরোপ]] এবং [[:w:বলকান অঞ্চল|বলকান অঞ্চলে]] হিটলারের পরাজয়ের মাধ্যমেও এই সংঘাত শেষ হয়নি; কারণ সোভিয়েত সেনাবাহিনী কর্তৃক দখল এবং গৃহযুদ্ধ জার্মানি ব্যবচ্ছেদের অনেক পর পর্যন্তও সেখানে অব্যাহত ছিল। ** '''''টোনি জাট'''''; ''<nowiki/>'পোস্টওয়ার: এ হিস্ট্রি অফ ইউরোপ সিন্স ১৯৪৫''' (২০০৫), অধ্যায় ১: দ্য লিগ্যাসি অফ ওয়ার। * যে বিশ্বযুদ্ধ হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে তার নৃশংসতম পরিণতির মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছিল, তা মূলত পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী এবং শক্তিশালী দেশগুলোর মধ্যেই সংগঠিত হয়েছিল। তাঁদের সভ্যতা পৃথিবীকে বড় বড় শহর আর চমৎকার শিল্পকলা উপহার দিয়েছিল। তাঁদের চিন্তাবিদগণ ন্যায়বিচার, সম্প্রীতি আর সত্যের মতো উন্নত ধারণাগুলো বিকশিত করেছিলেন। তবুও, এই যুদ্ধটি আধিপত্য বিস্তার বা বিজয়ের সেই আদিম প্রবৃত্তি থেকেই জন্ম নিয়েছিল। যা একসময় সাধারণ আদিবাসী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যেও সংঘাতের সৃষ্টি করত। এটি ছিল এমন এক পুরনো ধরন বা বিন্যাস যা নতুন সক্ষমতার মাধ্যমে বহুগুণ শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল এবং যেখানে কোনো আধুনিক বা নতুন বাধা ছিল না। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৬ কোটি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল।<br>পুরুষ, নারী আর শিশুরা, যারা আমাদের চেয়ে মোটেও আলাদা ছিল না। তাঁদের গুলি করে, পিটিয়ে, বন্দি করে, বোমায় উড়িয়ে, কারাগারে নিক্ষেপ করে, অনাহারে রেখে এবং বিষাক্ত গ্যাসে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছিল। ** '''''[[w:বারাক_ওবামা|বারাক ওবামা]]'''''; [https://obamawhitehouse.archives.gov/the-press-office/2016/05/27/remarks-president-obama-and-prime-minister-abe-japan-hiroshima-peace “হিরোশিমা পিস মেমোরিয়ালে প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে-র বক্তব্য”]; হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল, হিরোশিমা, জাপান, (২৭ মে ২০১৬)। * সারা বিশ্বে এমন অনেক স্থান রয়েছে যা এই যুদ্ধের ইতিহাসকে ধারণ করে আছে। স্মৃতিস্তম্ভগুলো বীরত্ব ও সাহসিকতার গল্প বলে। আবার সমাধি এবং পরিত্যক্ত বন্দি শিবিরগুলো অবর্ণনীয় পৈশাচিকতার প্রতিধ্বনি তুলে ধরে। তবুও, এই আকাশজুড়ে যে পারমাণবিক মাশরুম মেঘ বা ছাতা সদৃশ ধোঁয়ার কুণ্ডলী তৈরি হয়েছিল, তা আমাদের মানবজাতির মূল অন্তর্দ্বন্দ্বের কথা সবচেয়ে রূঢ়ভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়। একটি প্রজাতি হিসেবে যা আমাদের অনন্য করে তোলে আমাদের চিন্তা, কল্পনা, ভাষা, যন্ত্র তৈরির দক্ষতা, প্রকৃতি থেকে নিজেকে আলাদা করার ক্ষমতা এবং প্রকৃতিকে নিজের ইচ্ছামতো পরিচালিত করার শক্তি। সেই একই বৈশিষ্ট্যগুলো আমাদের এমন অকল্পনীয় ধ্বংসযজ্ঞের সক্ষমতাও দান করে যার কোনো তুলনা হয় না। ** '''''[[w:বারাক_ওবামা|বারাক ওবামা]]'''''; [https://obamawhitehouse.archives.gov/the-press-office/2016/05/27/remarks-president-obama-and-prime-minister-abe-japan-hiroshima-peace “হিরোশিমা পিস মেমোরিয়ালে প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবের বক্তব্য”]; হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল, হিরোশিমা, জাপান, (২৭ মে ২০১৬)। * যুদ্ধের শেষলগ্নে, [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নের]] জনগণের প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখে। ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট [[:w:জার্মানি|জার্মানির]] আগ্রাসনে ২ কোটি ৭০ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, পিটিয়ে মারা হয়েছে, অনাহারে রাখা হয়েছে অথবা জোরপূর্বক শ্রমের অমানুষিক চাপে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১ কোটি ৪০ লাখই ছিলেন নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিক। এই যুদ্ধে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের জনগণের চেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি আর কাউকে সইতে হয়নি। তবুও, এই কোটি কোটি মানুষের আত্মত্যাগ আমাদের সামষ্টিক স্মৃতিতে ততটা গভীরভাবে খোদাই করা নেই—যতটা তাঁদের ভোগান্তি এবং আমাদের দায়বদ্ধতা দাবি করে। এই যুদ্ধটি ছিল এক জঘন্য অপরাধ—আগ্রাসন এবং নির্মূল করার এক পৈশাচিক ও অপরাধমূলক যুদ্ধ। ** '''''ফ্রাঙ্ক-ওয়াল্টার স্টেইনমায়ার'''''; [https://www.bundespraesident.de/SharedDocs/Reden/EN/Frank-Walter-Steinmeier/Reden/2021/210618-Invasion-SovietUnion.html সোভিয়েত ইউনিয়নে জার্মানির আক্রমণের বার্ষিকী উপলক্ষে প্রদত্ত ভাষণ] (১৮ জুন ২০২১)। === আর্নেস্ট কিং এবং ওয়াল্টার এম. হোয়াইটহিল, ''<nowiki/>'ফ্লিট অ্যাডমিরাল কিং: এ নাভাল রেকর্ড''' (১৯৫২) === * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের ডুবে যাওয়া ১০,৫৮৩,৭৫৫ টন নৌ ও বাণিজ্যিক জাহাজের মধ্যে ৯,৭৩৬,০৬৮ টন জাহাজই ডুবিয়েছিল মার্কিন বাহিনী; যার মধ্যে কেবল মার্কিন সাবমেরিনগুলোই ৫,৩২০,০৯৪ টন জাহাজের সলিলসমাধি ঘটিয়েছিল। আটলান্টিকে জার্মান ইউ-বোটগুলো মিত্রশক্তির জাহাজ চলাচলের সাথে যা করছিল, আমাদের সাবমেরিনগুলো প্রশান্ত মহাসাগরে জাপানিদের সাথে ঠিক তাই করছিল। তবে পার্থক্য ছিল এই যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প শক্তি ছিল প্রায় অসীম, যেখানে জাপানের তা ছিল না। ১৯৪২ সালের শেষ মাসগুলো পর্যন্ত জার্মান সাবমেরিনগুলো মিত্রশক্তির মোট জাহাজের পরিমাণ ক্রমাগত হ্রাস করে চলেছিল, কিন্তু পরবর্তীতে সাবমেরিন-বিরোধী ব্যবস্থার উন্নত কার্যকারিতা এবং আমেরিকান ও ব্রিটিশ শিপইয়ার্ডগুলোর অভাবনীয় উৎপাদনের ফলে মিত্রশক্তির জাহাজের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকে। যদিও ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে জার্মান ইউ-বোটগুলো মিত্রশক্তির প্রায় ২৩,৩৫১,০০০ টন জাহাজ ডুবিয়েছিল, কিন্তু একই সময়ে নতুন জাহাজ নির্মাণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ৪২,৪৮৫,০০০ টনে। ফলে আটলান্টিকে শেষ পর্যন্ত ১৯,১৩৪,০০০ টন জাহাজের নিট লাভ দেখা যায়। জাপানিদের ক্ষয়ক্ষতি যেহেতু নতুন জাহাজ নির্মাণের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব হয়নি, তাই তাঁদের ক্ষতিগুলো ছিল অপূরণীয় ও চূড়ান্ত। এভাবে একদিকে আমাদের সাবমেরিনগুলো যখন প্রশান্ত মহাসাগরে শত্রুদের যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং রসদ সরবরাহের উৎসগুলোকে দুর্বল করে দিচ্ছিল, অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প উৎপাদন ক্ষমতা তখন তাঁদের বিজিত অঞ্চলগুলোর ওপর তাঁদের কর্তৃত্বকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছিল। ** পৃষ্ঠা ৫৩০ * ১৯৪৪ সালের শেষ সাত মাস ইউরোপ এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় রণাঙ্গন উভয় ক্ষেত্রেই এক অবিশ্বাস্য অগ্রগতির সাক্ষী ছিল। বহু প্রতীক্ষিত নরমান্ডি আক্রমণ সংঘটিত হয়েছিল। মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জ আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং আমরা অত্যন্ত আশাবাদী সময়সূচীর অনেক আগেই ফিলিপাইনে ফিরে গিয়েছিলাম। ফিলিপাইন সাগরের যুদ্ধ এবং লেয়ত উপসাগরের যুদ্ধে জাপানি নৌবহরের এক বিশাল অংশ চিরতরে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল এবং অবশিষ্ট অংশ দীর্ঘ সময়ের জন্য অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। যদিও যুদ্ধ জয়ের লক্ষ্য তখনও অনেক দূরে ছিল, তবুও পৃথিবীর উভয় প্রান্তেই সংঘাতটি অন্তত তার চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে ধাবিত হচ্ছিল। ** পৃষ্ঠা ৫৮২ * কিং, লেহি, নিমিৎস এবং সাধারণ নৌ-কর্মকর্তাদের কাছে সবসময়ই এটি মনে হয়েছে যে, জাপানের মূল ভূখণ্ডে পদাতিক সৈন্য পাঠিয়ে সরাসরি আক্রমণের প্রয়োজন ছাড়াই কেবল সমুদ্র এবং আকাশশক্তির মাধ্যমেই জাপানের পরাজয় নিশ্চিত করা সম্ভব। ১৯৪২, ১৯৪৩ এবং ১৯৪৪ সালে, যখন অধিকাংশ মিত্র রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের মনোযোগ ইউরোপের ওপর নিবদ্ধ ছিল এবং জাপানের সাথে যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব মূলত কিংয়ের ওপর ন্যস্ত ছিল, তখন প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধ মূলত এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই পরিচালিত হয়েছিল। ইউরোপে বিজয় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে সেই সব মানুষের মনোযোগও প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে নিবদ্ধ হয় যারা আগে এই যুদ্ধের সমস্যাগুলো নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন ছিলেন না। [[:w:তেহরান|তেহরান]] কনফারেন্সের সময় থেকেই জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সোভিয়েত হস্তক্ষেপের একটি রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করছিল এবং সেনাবাহিনী নিশ্চিত ছিল যে স্থল সৈন্যের ব্যবহার অনিবার্য হবে। মার্শালের জোরালো দাবির প্রেক্ষিতে (যা ম্যাকআর্থারের দৃষ্টিভঙ্গিরও প্রতিফলন ছিল), জয়েন্ট চিফরা কিউশু এবং শেষ পর্যন্ত টোকিও সমতলে অবতরণের পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন। কিং এবং লেহি এই ধারণাটি পছন্দ করেননি। তবে জয়েন্ট চিফদের বৈঠকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রয়োজনে তাঁরা অনিচ্ছাসত্ত্বেও এতে সম্মতি দেন। যদিও তাঁদের মনে মনে এই বিশ্বাস ছিল যে,শেষ পর্যন্ত নৌ-শক্তিই জাপানের পরাজয় নিশ্চিত করবে এবং বাস্তবেও তা-ই প্রমাণিত হয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ৫৯৮ * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অ্যাডমিরাল কিংকে তাঁর আরেকটি দীর্ঘদিনের বিশ্বাস কাজে লাগানোর সুযোগ করে দিয়েছিল। নেপোলিয়নিক যুদ্ধের ওপর তাঁর প্রাথমিক পড়াশোনা থেকে তিনি বুঝেছিলেন যে সেই আমলের ফরাসি সামরিক ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল প্রতিটি ছোটখাটো বিষয়ে স্বয়ং নেপোলিয়নের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানের প্রয়োজনীয়তা। কিংয়ের বিপরীত নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন; তিনি মনে করতেন অধীনস্থদের স্বাধীনভাবে কাজ করার জন্য প্রস্তুত করা উচিত। অ্যাডমিরাল মেয়োর সাথে দীর্ঘদিনের সাহচর্যে তাঁর এই বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কিং কৌতুক করে বলতেন যে, তিনি "অন্যকে দিয়ে করানো যায় এমন কোনো কাজ নিজে না করে" সুস্থ ও সচল আছেন। কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বলতে গেলে। অধীনস্থ কমান্ডারদের হাতে ক্ষমতার এই বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া তিনি যুদ্ধের ওই চার বছর টিকে থাকতে পারতেন না। ওই কমান্ডারদের ততক্ষণ পর্যন্ত যোগ্য বলে বিবেচনা করা হতো যতক্ষণ না তাঁরা নিজেদের অযোগ্য প্রমাণ করছেন এবং তাঁদের কাছ থেকে আশা করা হতো যে তাঁরা নিজেদের বিচারবুদ্ধি অনুযায়ী চিন্তা করবেন, সিদ্ধান্ত নেবেন এবং কাজ করবেন। প্রশান্ত মহাসাগরে নিমিৎস, ওয়াশিংটনে এডওয়ার্ডস, কুক এবং হর্ন, আটলান্টিকে ইঙ্গারসোল, লন্ডনে স্টার্ক এবং সমুদ্রে হ্যালসি, স্প্রুয়েন্স, কিনকাইড, হিউইট ও ইনগ্রামের মতো আরও অনেক ফ্ল্যাগ অফিসারের ওপর কিং গভীর আস্থা রেখেছিলেন এবং তাঁরা তাঁকে হতাশ করেননি। ** পৃষ্ঠা ৬৪৫ === জেমস বি. রেস্টন, ''প্রিলিউড টু ভিক্টরি'' (১৯৪২) === * যখন আমি শুনি যে মানুষ 'ফোর ফ্রিডমস' বা চারটি স্বাধীনতা নিয়ে উপহাস করছে এবং ভাবছে যে যুদ্ধ আসলে আদৌ কোনো কিছুর সমাধান করে কি না, তখন আমি অবাক হই। আমরা কি আজও এই যুদ্ধের বৈপ্লবিক প্রকৃতি বুঝতে পেরেছি? আমরা কি আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপকে এই পরীক্ষায় ফেলছি যে, এটি কি যুদ্ধ জয়ে সাহায্য করবে? আমাদের সামনে থাকা কাজের বিশালতা সম্পর্কে কি আমরা স্পষ্ট? আমরা কি উপলব্ধি করতে পারছি এই লড়াইয়ের বাজি কতটা বড়? ** পৃষ্ঠা ২৪ * আমরা এই সত্যগুলোকে স্বতঃসিদ্ধ বলে ধরে নিই যে সকল মানুষ সমানভাবে সৃষ্টি হয়েছে; তাদের স্রষ্টা তাদের কিছু সহজাত ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার প্রদান করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে জীবন, স্বাধীনতা এবং সুখ অন্বেষণের অধিকার।" এই দর্শনের চেয়ে বড় কোনো বৈপরীত্য কি সর্বগ্রাসী রাষ্ট্রগুলোর মৌলিক দর্শনের সাথে হতে পারে? এই রাষ্ট্রগুলো অনুচ্ছেদটির একটি সত্যকেও স্বীকার করে না। তারা অত্যন্ত জোরালোভাবে এগুলো অস্বীকার করে এবং তারা তরবারি হাতে তুলে নিয়েছে এটি প্রমাণ করতে যে, সকল মানুষ সমানভাবে সৃষ্টি হয়নি। বরং তারা মনে করে, তারা 'উন্নত জাতি' বা মাস্টার রেসেস এবং নিম্নতর মানুষদের শাসন ও নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার ও দায়িত্ব কেবল তাদেরই। তারা মানুষের কোনো "অবিচ্ছেদ্য অধিকারে" বিশ্বাস করে না। কেবল অস্ত্র ধারণ করা এবং 'ঈশ্বর-তুল্য রাষ্ট্র' বা গড-স্টেটের ইচ্ছা পূরণ করা ছাড়া। তারা মানুষকে কেবল তার স্বাধীনতা বা সুখ অন্বেষণ থেকেই বঞ্চিত করে না, বরং তার জীবনকেও তুচ্ছ জ্ঞান করে। ** পৃষ্ঠা ২৪-২৫ * স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে আরও বলা হয়েছেঃ "এই অধিকারগুলো নিশ্চিত করার লক্ষে মানুষের মধ্যে সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, যা শাসিতদের সম্মতির ভিত্তিতে তাদের ন্যায্য ক্ষমতা লাভ করে। যখনই কোনো শাসনব্যবস্থা এই লক্ষ্যগুলো ধ্বংস করতে উদ্যত হয়, তখনই জনগণের অধিকার থাকে সেই সরকারকে পরিবর্তন বা বিলুপ্ত করার এবং নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা করার। যার ভিত্তি হবে এমন সব মূলনীতি এবং যার ক্ষমতার বিন্যাস হবে এমন এক রূপে, যা জনগণের নিরাপত্তা ও সুখ নিশ্চিত করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে হবে।" এটি স্পষ্টতই সর্বগ্রাসী বিশ্বাসের সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর এক দর্শন। সেই সব একনায়কতান্ত্রিক সরকারগুলো তাদের জনগণের ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়নি। নাৎসি, জাপানি সামরিক জান্তা কিংবা ইতালির ফ্যাসিবাদীরা, কেউ-ই "শাসিতদের সম্মতির ভিত্তিতে তাদের ন্যায্য ক্ষমতা" লাভ করেনি। তাদের কনসেনট্রেশন ক্যাম্প এবং গণকবরগুলো এমন সব মানুষের লাশে পূর্ণ যারা বিদ্যমান শাসনব্যবস্থাকে পরিবর্তন বা বিলুপ্ত করা তো দূরের কথা, কেবল সমালোচনা করার দুঃসাহস দেখিয়েছিল। ** পৃষ্ঠা ২৫ * আমরা যখন "আমাদের জীবনযাত্রার ধরন" তথা ''আওয়ার ওয়ে অফ লাইফ'' নিয়ে কথা বলি, তখন মূলত এই বিষয়গুলোই বোঝাতে চাই। আর এই যুদ্ধে ঠিক এই জিনিসগুলোই আজ চরম ঝুঁকির মুখে। কারণ জার্মানরা প্রতিটি গণতান্ত্রিক এবং [[:w:খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টীয়]] আদর্শকে অস্বীকার করেছে যা আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এবং এই মহান প্রজাতন্ত্রে সংরক্ষিত ও বিকশিত। গ্রিকরা আমাদের দিয়েছিল বৌদ্ধিক উদারতাবাদের ধারণা, [[:w:প্লেটো|প্লেটো]] দিয়েছিলেন যুক্তিবোধের ধারণা; অথচ নাৎসিরা তাদের বেঁচে থাকার অধিকারটুকুও স্বীকার করে না। যিশু আমাদের শিখিয়েছেন প্রেম ও দয়ার মতবাদ, কিন্তু জার্মানরা [[:w:যিশু|যিশুকে]] একজন ইহুদি হিসেবে তুচ্ছজ্ঞান করে এবং প্রেম ও দয়াকে নিয়ে বিদ্রূপ করে। ফরাসিরা ''স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের'' স্লোগানের মাধ্যমে গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের বিশ্বাসকে সুদৃঢ় করেছিল। অথচ জার্মানরা একে একটি ভণ্ডামিভরা স্লোগান হিসেবে প্রত্যাখ্যান করে। যেমনটি হিটলারের সহচর হ্যান্স ফন বুলো বলেছিলেন যে, এই স্লোগানকে তাদের "পদাতিক, অশ্বারোহী এবং গোলন্দাজ বাহিনীর প্রুশীয় বাস্তবতা" দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। রোমান এবং ব্রিটিশরা আমাদের শিখিয়েছিল "আইনের শাসন এবং চুক্তির পবিত্রতা"। আর এই মৌলিক গুণাবলি সম্পর্কে সর্বগ্রাসী একনায়ক শাসকরা কী ধারণা পোষণ করে, তা আমরা বহু বছর ধরেই জানি। আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই সকল সম্মানজনক আদর্শকে এক যোগ্য আবাস দিয়েছি এবং বিশ্বকে প্রমাণ করেছি যে, মুক্ত মনের নির্ভীক মানুষরা যখন সত্যের অন্বেষণ করে এবং ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে, তখন তারা কী অসামান্য অর্জন করতে পারে। ** পৃষ্ঠা ৩৫ * তবে আমাদের বুঝতে হবে যে, এই অর্জনগুলো কোনো চিরস্থায়ী বিষয় নয়। গণতন্ত্র কোনো পারিবারিক উত্তরাধিকার নয় যে একবার লাভ করলেই তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে গবর্নর উইনথ্রপ ডেস্কের মতো অবলীলায় হস্তান্তর করা যাবে। এটি "জীবনের মতোই এক সম্পদ যা প্রতিটি প্রজন্মকে নতুন করে অর্জন বা ক্রয় করতে হয়।" সহানুভূতি, যুক্তি এবং প্রকৃত গণতন্ত্র রাতারাতি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। নরওয়ের মতো এটি কোনো বিজেতা বা দখলদার দ্বারা ধ্বংস হতে পারে। আবার ফ্রান্সের মতো আমাদের নিজেদের স্বার্থপরতার কারণেও এটি আমাদের হাতছাড়া হতে পারে। প্রতিটি আমলা যারা সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে। প্রতিটি সংবাদপত্র প্রকাশক যারা ইচ্ছাকৃতভাবে সত্যকে গোপন, বিকৃত বা খাটো করে দেখায়। প্রতিটি কাণ্ডজ্ঞানহীন নাগরিক যারা নিজেদের কুসংস্কারকে লালন করে এবং অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি সহানুভূতি দিয়ে শুনতে অস্বীকার করে। তাদের প্রত্যেকের জানা উচিত যে, তারা প্রকৃতপক্ষে সেই আদর্শগুলোকেই বিপন্ন করছে যার জন্য আমরা লড়াই করছি। প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে এর আগে কখনো এই সত্যটি বোঝা এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেনি। কারণ যুদ্ধের সময় এই নীতিগুলো প্রায়শই ওপরমহলে একদল কর্মকর্তার মাধ্যমে হুমকির মুখে পড়ে যারা আমাদের জানার স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চায় এবং তৃণমূল পর্যায়ে এমন কিছু মানুষের দ্বারা যারা শত্রুর সামনে দাঁড়িয়েও নিজেদের কুসংস্কার বা গোষ্ঠীগত স্বার্থ ত্যাগ করতে পারে না। ** পৃষ্ঠা ৩৫–৩৬ * আমার মনে হয় এই সমস্যার মূল কারণ নিহিত রয়েছে সামরিক পরিস্থিতির মধ্যে। আমরা এই নজিরবিহীন দুঃসংবাদের মিছিল মোটেও পছন্দ করছি না; সারা বিশ্বে এভাবে কোণঠাসা হওয়াটাও আমাদের ভালো লাগছে না; তাই আমরা তিক্ততার সাথে প্রায় সব কিছু নিয়ে অভিযোগ করছি। কিন্তু ব্রিটিশরা কি এটি পছন্দ করছে? কিংবা রুশ, চীনা বা ডাচরা - যাদের আমাদের চেয়েও অনেক বেশি ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে? আমাদের মিত্রদের প্রতিকূল সমালোচনা আমাদের সামরিক পরিস্থিতির কোনো উন্নতি ঘটাবে না। সিঙ্গাপুরের পতন নিয়ে এখন অভিযোগ করে কোনো লাভ নেই; সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেছে। রাজা তৃতীয় জর্জ, বা গত বিশ্বযুদ্ধ, বা যুদ্ধের ঋণ, কিংবা হোয়াইটহল থেকে পাঠানো কিছু কর্মকর্তার অদ্ভুত বাচনভঙ্গি ও আচার-ব্যবহার নিয়ে পড়ে থাকাটা হবে আরও বেশি নিরর্থক। আমি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে পার্ল হারবার নিয়ে কোনো নেতিবাচক সমালোচনা দেখিনি (আমরা কী বলতাম যদি আলেকজান্দ্রিয়া বা জিব্রাল্টার বা স্কেপা ফ্লোতে তাদের এভাবে অপ্রস্তুত অবস্থায় ধরা হতো?); আমি ব্রিটিশ হাউজ অফ কমন্সে আমাদের নৌ-বিন্যাস বা আমাদের সেনাদলের আকার নিয়ে কোনো আক্রমণাত্মক কথা শুনিনি। ব্রিটিশদের অপ্রস্তুত অবস্থা নিয়ে বছরের পর বছর আমাদের সমালোচনা সত্ত্বেও, আমরা যে যুদ্ধের জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না—তা নিয়ে তাদের মধ্যে খুব কমই অভিযোগ দেখেছি। ** পৃষ্ঠা ১৬২–১৬৩ * তাহলে এখানে এত সমালোচনা কেন? আমরা এই যুদ্ধে কারো উপকার করছি না। এটি কোনো বীরত্ব প্রদর্শনের নিছক মহড়া নয়। রুশ এবং ব্রিটিশরা আমাদের জন্য ঠিক ততটাই করছে যতটা আমরা তাদের জন্য করছি। তাদের আমাদের অস্ত্র এবং সৈন্য প্রয়োজন। আর এই যুদ্ধে জয়ী হতে হলে আমাদের তাদের সাহায্য অত্যন্ত মরিয়াভাবে প্রয়োজন। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে যারা সবচেয়ে বেশি অভিযোগ করছে, তাদের কথা শুনলে আজ হয়তো আমাদের কোনো মিত্রই থাকত না। আমরা যদি চীন, [[:w:নেদারল্যান্ডস ইস্ট ইন্ডিজ|নেদারল্যান্ডস ইস্ট ইন্ডিজ]] (অথবা ডাচ ইস্ট ইন্ডিজ) এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ধ্বংসের বিষয়ে জাপানিদের সাথে হাত মেলাতে না চাইতাম, তবে আমাদের অবশ্যই পার্ল হারবারে আক্রান্ত হতে হতো। ৭ই ডিসেম্বরে আমাদের সামনে কেবল একটিই সম্মানজনক পথ খোলা ছিল এবং আমরা সেটিই বেছে নিয়েছি। আর এখন আমাদের সামনে কেবল একটিই সম্মানজনক পথ খোলা আছে—হয় সহায়ক হওয়া, নয়তো চুপ থাকা। ** পৃষ্ঠা ১৬৩ * আমি প্রায়ই শুনে এসেছি যে, ইউরোপের বিজিত জনগণ যদি আমাদের গণতন্ত্রকে তার বর্তমান রূপে পছন্দ না করে, তবে তারা জাহান্নামে যেতে পারে। এটা একান্তই সত্য যে, আমাদের অধিকাংশের কাছেই সেই পুরোনো জীবনটাই খুব আরামদায়ক ছিল এবং আমরা সেই স্বাভাবিকতায়-ই ফিরে যেতে চাই যা তা তৈরি করেছিল; কিন্তু... আমরা নিজেদের জীবন বাঁচাতে গিয়ে সেই স্বাভাবিকতাকে ধ্বংস করে ফেলেছি এবং এখন আর তাতে ফিরে যেতে পারি না, ঠিক যেমন আমরা ১৯৪৩ সালকে ১৯৩৮ সালে ফিরিয়ে আনতে পারব না। তেমনি, ইউরোপের বিজিত জনগণ যদি আমাদের গণতন্ত্রকে পছন্দ না করে, তবে আমরা তাদের জাহান্নামে যেতেও বলতে পারি না, কারণ আমাদেরকে তাদের সহায়তা প্রয়োজন এবং যুদ্ধের ইতি টানার আগেই তা অত্যন্ত জরুরত হয়ে পড়বে, আর সেটা পাওয়ার জন্য আমাদেরকে তাদের মন থেকে সন্দেহের উদ্রেক দূরীভূত করতে হবে। এর অর্থ হলো, আমেরিকার জনগণকে সামনের দিকেই তাকাতে হবে, পিছনের দিকে নয়। এর অর্থ হলো, আমাদের প্রমাণ করতে হবে যে আমাদের গণতন্ত্র আমাদের শত্রুদের স্বৈরাচারী মতবাদের মতোই কার্যকর। এর অর্থ হলো, আমাদের গণতন্ত্রকে তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ীই কাজ করাতে হবে। [[:w:আব্রাহাম লিঙ্কন|আব্রাহাম লিঙ্কন]] বলেছিলেন, "অধিকাংশ সরকারই মানুষের সমান অধিকার অস্বীকার করার উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে; আমাদের সরকার সেই অধিকারগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমেই সূচনা করেছিল। আমরা পরীক্ষাটি চালিয়েছিলাম, এবং তার ফলাফল তো আমাদের একদম সামনেই রয়েছে। এর দিকে তাকান—এ নিয়ে চিন্তা করে দেখুন।" লিঙ্কনের গণতন্ত্র মুর্দা নয়। এটি তার বিপ্লবী উদ্দীপনা হারায়নি। বিশ্ববাসীর কাছে এর আবেদনও হারায়নি। আমাদের কাজ হলো এটাই প্রমাণ করা যে, আমরা সত্যিই এতে বিশ্বাস করি। ** পৃষ্ঠা ২১৪–২১৫ * এই দেশের বহু মানুষ আটলান্টিক চার্টারকে আর গুরুত্বই দেয় না। তারা মনে করে, এটি রুজভেল্ট ও চার্চিলের ১৯৪১ সালের সমুদ্রসফরের প্রচারণার জন্য বানানো এক ধরনের ভেলকিবাজি। তারা এটিকে এর আসল রূপে দেখে না: এটি মূলত মানবাধিকারের একটি সম্প্রসারণ এবং এই জাতির উদ্দেশ্য পূরণের পথে আরেকটি যৌক্তিক পদক্ষেপ। আটলান্টিক চার্টার এবং আমাদের উদ্দেশ্য বিবৃত করার অন্য সকল প্রচেষ্টাকে অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখলে চলবে না। কারণ, এই ঘোষণাপত্রগুলোর পেছনে যদি জনগণের চেতনাই না থাকে, তবে সেগুলোর কোনো প্রকৃত মূল্য থাকবে না। দেশপ্রেমের সারমর্ম হলো আমেরিকার নীতিগুলোতে বিশ্বাস করা। আপনি হয় এই প্রজাতন্ত্রের পেছনের সমতাভিত্তিক ধারণায় বিশ্বাস করেন, অথবা করেন না। আপনি হয় লিংকনের "জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা এবং জনগণের জন্য" এতে বিশ্বাস করেন, অথবা করেন না। আপনি হয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং সঠিকতায় বিশ্বাস করেন, অথবা করেন না। যদি তা করেন, তবে এই বিশ্বের বিপ্লবী চেতনার প্রতি আমাদের মিবেদন শ্রবণ করা যাবে, কিন্তু যদি তা না করেন, তবে বিশ্বের এই সমস্ত আটলান্টিক সনদও বিজিত জাতিগুলোকে এমন সব নীতির জন্য লড়াই করতে অনুপ্রাণিত করতে পারবে না, যেগুলোর কথা আমরা ঘোষণা করি কিন্তু অনুসরণ করি না। ** পৃষ্ঠা ২১৫-২১৬ {{Misattributed begin}} == ভুলভাবে আরোপিত উক্তি == * আমাদের কাছে আরও জাপানি পাঠাও! ** মিডিয়ার মাধ্যমে এই উক্তিটি লেফটেন্যান্ট কর্নেল জেমস পি. এস. ডেভোরোর ওপর আরোপ করা হয়েছিল, যখন তিনি ওয়েক দ্বীপের যুদ্ধে লড়ছিলেন। পল এফ. বোলার জুনিয়র এবং জন জর্জ রচিত 'দে নেভার সেইড ইট: এ বুক অফ ফেইক কোটস, মিসকোটস, অ্যান্ড মিসলিডিং অ্যাট্রিবিউশনস' (১৯৮৯), ২০ পৃষ্ঠাতে এটি বর্ণিত হয়েছে। ডেভোরো নিজে এই ধরণের কোনো উক্তি করার কথা অস্বীকার করে বলেছিলেন, "আমি এই ধরণের কোনো বার্তা পাঠাইনি। যতদূর আমি জানি, এমন কোনো বার্তা আদৌ পাঠানো হয়নি। আমাদের মধ্যে কেউ এমন আহম্মক ছিল না যে এইসব কথা বলবে। সেখানে আমাদের সামলানোর সামর্থ্যের চেয়েও অনেক বেশি জাপানি ছিল।" {{Misattributed end}} == আরও দেখুন == * [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]] * [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] * [[:w:পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] * [[:w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্র]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.fallen.io/ww2/ দ্য ফলেন অফ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু] — যুদ্ধের প্রাণহানি ও পরিসংখ্যানের আধুনিক ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন প্রজেক্ট। * [https://avalon.law.yale.edu/subject_menus/wwii.asp দ্য অ্যাভালন প্রজেক্ট (ইয়েল ল স্কুল)] - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দাপ্তরিক নথিপত্র ও কূটনৈতিক পত্রাবলির ডিজিটাল আর্কাইভ। * [https://www.americanrhetoric.com/speeches/phildavidsonWWII75thanniversary.htm আমেরিকান রেটরিক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ] - যুদ্ধের বিখ্যাত সব বক্তৃতাসমূহের অডিও এবং পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি। * [https://artsandculture.google.com/project/second-world-war গুগল আর্টস অ্যান্ড কালচার: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ] - উচ্চ গুণসম্পন্ন নথিসমূহ, আলোকচিত্র এবং ভার্চুয়াল মিউজিয়াম ট্যুর। * [https://www.worldwar2.org.uk/ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ মেমোরিয়াল আর্কাইভ] - আধুনিক ডিজিটাল ইন্টারফেসে সাজানো যুদ্ধের উক্তি ও ঘটনার সংকলন। * [https://www.theatlantic.com/photo/categories/world-war-ii/ দি আটলান্টিস আর্কাইভ] - যুদ্ধের অডিও এবং ধারাবাহিকতার একটি আধুনিক অনলাইন ল্যাব। * [https://ww2db.com/ ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু ডাটাবেজ (WW2DB) ] - ঐতিহাসিক ঘটনা, ব্যক্তি এবং যুদ্ধকালীন উক্তির একটি কালানুক্রমিক সংগ্রহশালা। * [https://www.iwm.org.uk/collections ইম্পেরিয়াল ওয়ার মিউজিয়াম কালেকশন] - সৈনিকদের ব্যক্তিগত ডায়েরি, চিঠি এবং বিরল আলোকচিত্রের ভাণ্ডার। * [https://encyclopedia.ushmm.org/ দ্য হলোকাস্ট এনসাইক্লোপিডিয়া] - হলোকাস্ট বা ইহুদি গণহত্যা এবং নাৎসি জার্মানির মানবিক বিপর্যয় সংক্রান্ত প্রামাণ্য দলিল ও জবানবন্দি। * [https://search.archives.gov/search?query=2nd+world+war&submit=&utf8=&affiliate=national-archives মার্কিন জাতীয় আর্কাইভ] - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক দলিলসমূহ। [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বযুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] ahdx2ygimfgg3hqjbcqghj2qboih3rc ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/bnwq-tools-admin-test.js 2 13623 83846 81190 2026-07-03T04:38:05Z খাত্তাব হাসান 7 সংশোধন 83846 javascript text/javascript // <nowiki> /** * ToolBox Admin Extension. * Contains Sysop-only functions: Mass Delete, Mass Protect, Direct Delete, Direct Protect, Board Close. */ (function ($, mw) { 'use strict'; if (window.ToolBoxAdminLoaded) return; window.ToolBoxAdminLoaded = true; // Wait until core is available var waitForCore = setInterval(function() { if (window.ToolBoxCore) { clearInterval(waitForCore); initAdmin(window.ToolBoxCore); } }, 100); function initAdmin(core) { var msg = core.msg; var uiLang = core.uiLang; var showModal = core.showModal; var withSummarySuffix = core.withSummarySuffix; var GLOBAL_FONT = core.GLOBAL_FONT; var cleanPageName = core.cleanPageName; var currentPage = core.currentPage; var BOARD_PAGE = core.BOARD_PAGE; function fetchCSDReason(pageName) { return new mw.Api().get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: pageName }).then(function(data) { var wikitext = data.query.pages[Object.keys(data.query.pages)[0]].revisions[0]['*'] || ''; var match = wikitext.match(new RegExp('\\{\\{(?:' + core.CSD_TEMPLATE + '|delete)\\|([^}]+)\\}\\}', 'i')); return match ? match[1].trim() : null; }).catch(function() { return null; }); } function openAdminDirectDeleteDialog() { var csdCriteriaLists = (window.ToolBoxMessages.csdCriteriaLists && window.ToolBoxMessages.csdCriteriaLists[uiLang]) || window.ToolBoxMessages.csdCriteriaLists['bn'] || {}; var api = new mw.Api(); mw.notify(msg('checking_page'), { autoHide: true }); api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: currentPage }).then(function(data) { var wikitext = data.query.pages[Object.keys(data.query.pages)[0]].revisions[0]['*'] || ''; var match = wikitext.match(new RegExp('\\{\\{(?:' + core.CSD_TEMPLATE + '|delete)\\|([^}]+)\\}\\}', 'i')); var extractedReason = match ? match[1].trim() : ''; var optionsHtml = '<option value="">' + msg('admin_del_reason_opt') + '</option>'; for (var group in csdCriteriaLists) { optionsHtml += '<optgroup label="' + group + '">'; csdCriteriaLists[group].forEach(function(reason) { optionsHtml += '<option value="' + reason + '">' + reason + '</option>'; }); optionsHtml += '</optgroup>'; } var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('admin_del_reason_sel') + '</label><br><select id="admin-del-reason-sel" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + optionsHtml + '</select><br><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('admin_del_reason_txt') + '</label><br><input type="text" id="admin-del-reason-txt" value="' + extractedReason + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';"><br><br>' + '<label style="display:block; margin-bottom:10px;"><input type="checkbox" id="admin-del-talk" checked> ' + msg('admin_del_talk') + '</label>' + '<label style="display:block; font-weight:bold; cursor:pointer;"><input type="checkbox" id="admin-notify-cb" checked> ' + msg('notify_creator') + '</label>' + '<div id="admin-notify-box" style="margin-bottom:10px;"><label style="font-weight:bold;">' + msg('notify_preview') + '</label><br><textarea id="admin-notify-text" style="width:100%; height:130px; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';"></textarea></div>'; showModal(msg('menu_del'), formHtml, function($c) { function updatePreview() { var nMsgs = (window.ToolBoxMessages.notifyMessages && window.ToolBoxMessages.notifyMessages[uiLang]) || window.ToolBoxMessages.notifyMessages['bn'] || {}; var tmpl = nMsgs.deleted || 'Deleted: $REASON'; $c.find('#admin-notify-text').val(tmpl.replace(/\$PAGE_NAME/g, cleanPageName).replace(/\$REASON/g, $c.find('#admin-del-reason-txt').val().trim())); } $c.find('#admin-del-reason-sel').on('change', function() { if ($(this).val()) { $c.find('#admin-del-reason-txt').val($(this).val()); updatePreview(); }}); $c.find('#admin-del-reason-txt').on('input', updatePreview); $c.find('#admin-notify-cb').on('change', function() { $c.find('#admin-notify-box').toggle($(this).is(':checked')); }); updatePreview(); }, function($c, close, enableBtn) { var finalReason = $c.find('#admin-del-reason-txt').val().trim() || msg('cat_csd_reason'); var delTalk = $c.find('#admin-del-talk').is(':checked'); var doNotify = $c.find('#admin-notify-cb').is(':checked'); var notifyText = $c.find('#admin-notify-text').val().trim(); api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', titles: currentPage, rvprop: 'user', rvdir: 'newer', rvlimit: 1, formatversion: 2 }).then(function(creatorData) { var creator = creatorData.query.pages[0] && creatorData.query.pages[0].revisions ? creatorData.query.pages[0].revisions[0].user : null; return api.postWithToken('csrf', { action: 'delete', title: currentPage, reason: withSummarySuffix(finalReason) }).then(function() { if (delTalk) return core.deleteTalkPage(currentPage, withSummarySuffix(finalReason)); return $.Deferred().resolve(); }).then(function() { if (doNotify && notifyText) return core.notifyCreator(currentPage, 'deleted', notifyText, creator); return $.Deferred().resolve(); }); }).then(function() { mw.notify(msg('success_deleted')); close(); setTimeout(function() { location.reload(); }, 1200); }) .catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); }); } function openAdminDirectProtectDialog() { var formHtml = core.getProtDropdownsHtml(false) + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('prot_reason_req') + '</label><br><input type="text" id="prot-reason" placeholder="' + msg('prot_placeholder') + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('protect_page'), formHtml, function ($c) { core.bindProtDropdownEvents($c); }, function ($c, close, enableBtn) { var selLevel = $c.find('#prot-level').val(); var expiryVal = $c.find('#prot-expiry').val(); var protExpiryReq = expiryVal === 'othertime' ? $c.find('#prot-other-time').val().trim() : expiryVal; if (expiryVal === 'othertime' && !protExpiryReq) { alert(msg('alert_custom_expiry')); enableBtn(); return; } new mw.Api().postWithToken('csrf', { action: 'protect', title: currentPage, protections: 'edit=' + selLevel + '|move=' + selLevel, expiry: protExpiryReq, reason: withSummarySuffix($c.find('#prot-reason').val().trim() || msg('prot_def_reason')) }) .then(function () { return core.removeProtectionTemplate(currentPage); }) .then(function () { mw.notify(msg('success_protected')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }) .catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }); } function openAdminDialog() { var formHtml = '<div style="margin-bottom: 10px;"><label style="font-weight: bold; display: block; margin-bottom: 5px;">' + msg('select_task') + '</label><div style="margin-bottom: 15px;">' + '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="radio" name="admin-action" value="cat_csd" checked> ' + msg('task_cat_csd') + '</label>' + '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="radio" name="admin-action" value="manual_delete"> ' + msg('task_manual_del') + '</label>' + '</div><div id="admin-manual-inputs" style="display:none;"><label style="font-weight: bold; display: block; margin-bottom: 5px;">' + msg('page_list') + '</label>' + '<textarea id="admin-pages" style="width: 100%; height: 120px; padding: 8px; margin-top:8px; box-sizing: border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';" placeholder="' + msg('page_list_placeholder') + '"></textarea></div>' + '<div id="admin-cat-inputs" style="max-height: 200px; overflow-y: auto; border: 1px solid #ccc; padding: 8px; margin-bottom: 15px; background: #f8f9fa;"><em>' + msg('loading') + '</em></div>' + '<label style="font-weight: bold; display: block; margin-bottom: 5px;">' + msg('reason_summary') + '</label><input type="text" id="admin-reason" style="width: 100%; padding: 8px; margin-top:8px; box-sizing: border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';"></div>'; showModal(msg('admin_tasks'), formHtml, function($c) { var api = new mw.Api(); var csdCatName = (window.ToolBoxMessages.csdCategoryName && window.ToolBoxMessages.csdCategoryName[uiLang]) || window.ToolBoxMessages.csdCategoryName || 'বিষয়শ্রেণী:দ্রুত অপসারণের যোগ্য'; function loadCategory(catName) { var $catBox = $c.find('#admin-cat-inputs').html('<em>' + msg('loading') + '</em>'); api.get({ action: 'query', list: 'categorymembers', cmtitle: catName, cmlimit: 'max' }).then(function(data) { if (data.query.categorymembers.length === 0) { $catBox.html('<em>' + msg('cat_empty') + '</em>'); return; } var html = ''; data.query.categorymembers.forEach(function(p) { html += '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="checkbox" class="admin-cat-cb" value="' + p.title + '" checked> <a href="' + mw.util.getUrl(p.title) + '" target="_blank" style="text-decoration:none; color:#0645ad; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + p.title + '</a></label>'; }); $catBox.html(html); $c.find('.admin-cat-cb').first().trigger('change'); }); } loadCategory(csdCatName); $c.find('input[name="admin-action"]').on('change', function() { if ($(this).val() === 'manual_delete') { $c.find('#admin-manual-inputs').show(); $c.find('#admin-cat-inputs').hide(); } else { $c.find('#admin-manual-inputs').hide(); $c.find('#admin-cat-inputs').show(); loadCategory(csdCatName); } }); $c.find('#admin-cat-inputs').on('change', '.admin-cat-cb', async function() { var $checked = $c.find('.admin-cat-cb:checked'); if ($checked.length === 1 && $c.find('input[name="admin-action"]:checked').val() === 'cat_csd') { var csdReason = await fetchCSDReason($checked.val()); $c.find('#admin-reason').val(csdReason || ''); } else { $c.find('#admin-reason').val(''); } }); }, async function($c, close, enableBtn) { var isManual = $c.find('input[name="admin-action"]:checked').val() === 'manual_delete'; var pages = isManual ? $c.find('#admin-pages').val().split('\n').map(function(p) { return p.trim(); }).filter(function(p) { return p !== ''; }) : []; if (!isManual) $c.find('.admin-cat-cb:checked').each(function() { pages.push($(this).val()); }); if (pages.length === 0) { alert(msg('alert_no_pages')); enableBtn(); return; } var reason = $c.find('#admin-reason').val().trim(); mw.notify(msg('admin_start', pages.length), { autoHide: false }); var api = new mw.Api(), successCount = 0; for (var i = 0; i < pages.length; i++) { try { var delReason = reason || (isManual ? msg('mass_del') : msg('cat_csd_reason')); await api.postWithToken('csrf', { action: 'delete', title: pages[i], reason: withSummarySuffix(delReason) }); await core.deleteTalkPage(pages[i], withSummarySuffix(delReason)); successCount++; } catch (e) { console.error('Failed on ' + pages[i], e); } } mw.notify(msg('admin_success', successCount)); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }); } function openDecisionDialog(sectionId, targetPageName) { var defSum = msg('decision_def_summary', targetPageName); var formHtml = '<div style="margin-bottom:15px; font-weight:bold;">' + msg('decision_instruction') + '</div>' + '<div style="margin-bottom:15px;"><label style="margin-right:15px; cursor:pointer;"><input type="radio" name="ctype" value="deleted" required> ' + msg('deleted') + '</label><label style="cursor:pointer;"><input type="radio" name="ctype" value="kept"> ' + msg('kept') + '</label></div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('comment_opt') + '</label><br><input type="text" id="close-comment" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '<br><br><label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br><input type="text" id="edit-summary" value="' + defSum + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('decision_title', targetPageName), formHtml, function ($c, $b) { if ($b) $b.prop('disabled', true).css('opacity', '0.5'); $c.find('input[name="ctype"]').on('change', function () { if ($b) $b.prop('disabled', false).css('opacity', '1'); }); }, function ($c, close, enableBtn) { var ctype = $c.find('input[name="ctype"]:checked').val(), comment = $c.find('#close-comment').val().trim(); var api = new mw.Api(), newRevId = null; api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', rvsection: sectionId, titles: BOARD_PAGE }).then(function (data) { var wikitext = data.query.pages[Object.keys(data.query.pages)[0]].revisions[0]['*']; var resultText = (ctype === 'deleted' ? msg('deleted') : msg('kept')) + (comment ? '। ' + comment : '।'); var newText = wikitext.replace(/^(==[^=]+==[ \t]*\r?\n)/, '$1' + core.ATOPR_TMPL.replace('$1', resultText) + '\n') + '\n' + core.ABOT_TMPL; return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: BOARD_PAGE, section: sectionId, text: newText, summary: withSummarySuffix($c.find('#edit-summary').val().trim() || defSum) }); }).then(function (editData) { newRevId = editData.edit.newrevid; if (ctype === 'deleted') return api.postWithToken('csrf', { action: 'delete', title: targetPageName, reason: withSummarySuffix(msg('deleted_diff', newRevId)) }); return api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: targetPageName }).then(function (tData) { var pId = Object.keys(tData.query.pages)[0]; if (pId === '-1') return $.Deferred().resolve(); var updatedTargetText = tData.query.pages[pId].revisions[0]['*'].replace(new RegExp('\\{\\{' + core.DELETE_TEMPLATE.replace(/[{}]/g, '') + '\\}\\}\\n?', 'gi'), ''); return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: targetPageName, text: updatedTargetText, summary: withSummarySuffix(msg('temp_removed_close')) }); }); }).then(function () { mw.notify(msg('success_decision')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); }) .catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }); } // Export admin tools window.ToolBoxAdmin = { openAdminDialog: openAdminDialog, openAdminDirectDeleteDialog: openAdminDirectDeleteDialog, openAdminDirectProtectDialog: openAdminDirectProtectDialog, openDecisionDialog: openDecisionDialog }; // Admin UI Hooks (CSD Delete Button & Board Close Button) mw.hook('wikipage.content').add(function ($content) { if (core.currentPage === BOARD_PAGE) { $content.find('.mw-editsection').each(function () { var $editLink = $(this).find('a[href*="section="]').first(); var $heading = $(this).closest('h2, .mw-heading2'); if ($editLink.length === 0 || $heading.length === 0 || $heading.find('button:contains("' + msg('decision_btn') + '")').length > 0) return; var targetPageName = ($heading.find('.mw-headline').length > 0 ? $heading.find('.mw-headline') : $heading).clone().find('[class*="editsection"], [class*="discussiontools"], [class*="mw-headline-number"]').remove().end().text().trim(); targetPageName = targetPageName.replace(/^\[\s*(?:অনুসরণ কর(?:ুন|বেন না)|Subscribe|Unsubscribe|Follow|Unfollow)?\s*\]\s*/gi, '').replace(/\s*\[\s*(?:অনুসরণ কর(?:ুন|বেন না)|Subscribe|Unsubscribe|Follow|Unfollow)?\s*\]\s*$/gi, '').replace(/^\[\s*\]\s*/, '').replace(/\s*\[\s*\]$/, '').trim(); var secMatch = ($editLink.attr('href') || '').match(/[&?]section=([^&]+)/); if (targetPageName && secMatch) { var $wrapper = $heading.next('.del-script-btns').length > 0 ? $heading.next('.del-script-btns') : $('<div>').addClass('del-script-btns').css({ 'display': 'flex', 'gap': '8px', 'margin-top': '8px', 'margin-bottom': '12px' }).insertAfter($heading); $wrapper.append($('<button>').text(msg('decision_btn')).addClass('mw-ui-button mw-ui-destructive').css({ 'font-size': '12px', 'padding': '2px 8px', fontFamily: GLOBAL_FONT }).on('click', function () { openDecisionDialog(secMatch[1], targetPageName); })); } }); } else if (mw.config.get('wgNamespaceNumber') >= 0) { var isCSDCandidate = (mw.config.get('wgCategories') || []).indexOf(((window.ToolBoxMessages.csdCategoryName && window.ToolBoxMessages.csdCategoryName[uiLang]) || window.ToolBoxMessages.csdCategoryName || 'দ্রুত অপসারণের যোগ্য').replace(/^(বিষয়শ্রেণী|Category):/i, '')) !== -1; if (isCSDCandidate && $content.find('.toolbox-csd-admin-btn').length === 0) { var $csdBox = $content.find('.ambox-speedy, .mbox-speedy, .ambox-delete, .ambox, .mbox, table[class*="mbox"], div[class*="mbox"]').filter(function() { return $(this).text().indexOf('দ্রুত অপসারণ') !== -1 || $(this).text().indexOf('Speedy') !== -1; }).first(); var $btnWrapper = $('<div>').css({ 'margin-top': '10px', 'padding': '10px', 'background-color': '#fee7e6', 'border': '1px solid #d33', 'display': 'inline-block', 'border-radius': '2px' }); $btnWrapper.append($('<button>').text(msg('admin_csd_btn')).addClass('mw-ui-button mw-ui-destructive toolbox-csd-admin-btn').css({ 'font-weight': 'bold', 'cursor': 'pointer', fontFamily: GLOBAL_FONT }).on('click', openAdminDirectDeleteDialog)); if ($csdBox.length > 0) { if ($csdBox.find('.mbox-text').length > 0) $csdBox.find('.mbox-text').append($btnWrapper); else $csdBox.append($btnWrapper); } else { ($content.find('.mw-parser-output').length > 0 ? $content.find('.mw-parser-output') : $content).prepend($btnWrapper); } } } }); } })(jQuery, mediaWiki); // </nowiki> 2i7h5kdun6ewhi33ai6nasvo2ygrqk8 আলাপ:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ 1 14149 83854 2026-07-03T10:39:45Z Oindrojalik Watch 4169 /* সূত্রহীন উক্তিসমূহ */ নতুন অনুচ্ছেদ 83854 wikitext text/x-wiki == সূত্রহীন উক্তিসমূহ == নিচের তথ্যসূত্রবিহীন উক্তিগুলো মূল পাতা থেকে অপসারণ করা হয়েছে; সূত্র ছাড়া পুনরায় স্থানান্তর না করার অনুরোধ- <br>{{ *আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে দেশের উন্নয়ন করে। **[[শেখ হাসিনা]] *আওয়ামী লীগ কোন রাজনৈতিক দল ভাঙ্গা-গড়ায় বিশ্বাসী নয়। আওয়ামী লীগের অতীত ইতিহাস কখনো একে সমর্থন করে না। **[[মাহবুব উল আলম হানিফ]] *আওয়ামী লীগ শুধু রাজনৈতিক দল নয় এটি একটি অনুভূতি **[[সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম]] *আওয়ামী লীগের নেতারা কথা বললে মিথ্যা বলে, প্রতিজ্ঞা করলে তা ভঙ্গ করে, এবং জনগনের আমানতের খেয়ানত করে। **[[সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী]] }}<br> [[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১০:৩৯, ৩ জুলাই ২০২৬ (ইউটিসি) 3vwrw1m8jdixy1jtubs8whslwmnmhxl