উইকিসংকলন
bnwikisource
https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%A8:%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.8
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিসংকলন
উইকিসংকলন আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
লেখক
লেখক আলাপ
নির্ঘণ্ট
নির্ঘণ্ট আলাপ
পাতা
পাতা আলাপ
প্রবেশদ্বার
প্রবেশদ্বার আলাপ
প্রকাশক
প্রকাশক আলোচনা
রচনা
রচনা আলাপ
অনুবাদ
অনুবাদ আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
উইকিসংকলন:লিপিশালা
4
140
1980206
1979735
2026-06-25T13:30:58Z
MediaWiki message delivery
2648
/* Deployment of Legal and Safety Contacts Link in the Footer of Your Wiki */ নতুন অনুচ্ছেদ
1980206
wikitext
text/x-wiki
{{প্রক্রিয়ার শীর্ষক
| শিরোনাম = লিপিশালা
| অনুচ্ছেদ =
| পূর্ববর্তী = [[উইকিসংকলন:সম্প্রদায়ের প্রবেশদ্বার|সম্প্রদায়ের প্রবেশদ্বার]]
| পরবর্তী = [[উইকিসংকলন:লিপিশালা/মহাফেজখানা|মহাফেজখানা]]
| সংক্ষিপ্ত = [[WS:S]]<br/>[[WS:আলোচনাসভা]]
| টীকা = লিপিশালা উইকিসংকলন সম্প্রদায় আলোচনা পৃষ্ঠা। যে কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা মন্তব্য করুন মুক্ত মনে। আপনি যেকোন বর্তমান আলোচনায় মন্তব্য করতে পারেন অথবা একটি নতুন শুরু করতে পারেন।<!--প্রকল্প সদস্যরা প্রায়ই #wikisource IRC চ্যানেল webclient পাওয়া যাবে।--> এছাড়া এটি উইকিসংকলনের প্রশাসন সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনার জন্য নিবেদিত পাতা। এখানে প্রশাসন সংক্রান্ত বিষয়ে যেকোনো প্রসঙ্গ তুলে ধরতে পারেন। উইকিসংকলনের যেকোন সদস্য প্রশাসন সংক্রান্ত বিষয়ে এখানে মন্তব্য রাখতে পারেন।
}}
{{উইকিসংকলন:লিপিশালা/দিকনির্দেশ}}
__TOC__
__NEWSECTIONLINK__
[[বিষয়শ্রেণী:উইকিসংকলন প্রশাসন]]
== সার্বজনীন আচরণবিধি ও প্রয়োগ নির্দেশিকার বার্ষিক পর্যালোচনা ==
<section begin="announcement-content" />
আপনাকে জানানো হচ্ছে যে, সার্বজনীন আচরণবিধি ও প্রয়োগ নির্দেশিকার বার্ষিক পর্যালোচনার সময়কাল শুরু হয়েছে। আপনি ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত যেকোন পরিবর্তনের প্রস্তাব দিতে পারেন। বার্ষিক পর্যালোচনার নির্ধারিত ধাপগুলোর মধ্যে এটিই প্রথম। [[m:Special:MyLanguage/Universal Code of Conduct/Annual review/2026|আরও বিস্তারিত জানতে এবং মেটা-উইকির UCoC পাতায় চলমান আলোচনায় অংশ গ্রহণ করতে এখানে ক্লিক করুন]]।
[[m:Special:MyLanguage/Universal Code of Conduct/Coordinating Committee|সার্বজনীন আচরণবিধি সমন্বয় কমিটি]] (ইউ৪সি) একটি বৈশ্বিক দল, যা সার্বজনীন আচরণবিধির ন্যায্য ও ধারাবাহিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে কাজ করে। এই বার্ষিক পর্যালোচনাটি ইউ৪সি কর্তৃক পরিকল্পিত ও বাস্তবায়িত হচ্ছে। ইউ৪সি এবং এর দায়িত্বসমূহ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে, আপনি [[m:Special:MyLanguage/Universal Code of Conduct/Coordinating Committee/Charter|ইউ৪সি সনদ দেখতে পারেন]]।
দয়া করে এই তথ্যটি আপনার সম্প্রদায়ের অন্যান্য সদস্যদের সাথে এবং অন্য যে কোনও উপযুক্ত স্থানে শেয়ার করুন।
-- ইউ৪সি-এর সহযোগিতায়, [[m:User:Keegan (WMF)|কিগান (WMF)]] ([[m:User talk:Keegan (WMF)|আলাপ]])<section end="announcement-content" />
২১:০২, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Distribution_list/Global_message_delivery&oldid=29905753-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Keegan (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== PageImages এক্সটেনশন যোগ ==
{{tracked|T416800}}
সুধী, উইকিসংকলনে [[:mw:Extension:PageImages|PageImages এক্সটেনশন]] যোগ করার জন্য সম্প্রদায়ের মতামত ও সমর্থন চাওয়া হচ্ছে। এই এক্সটেনশন যোগ করলে উইকিসংকলনের পাতায় যুক্ত ছবির থাম্বনেল তৈরি করে বাইরের বিভিন্ন ওয়েবসাইটে তা প্রদর্শিত হবে। উল্লেখ্য সকল উইকিপিডিয়া প্রকল্পে এই এক্সটেনশন ইতিমধ্যে অনেকদিন ধরেই যুক্ত। -- [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ১৫:০৩, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} -- [[ব্যবহারকারী:Hrishikes|হৃষীকেশ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Hrishikes|আলাপ]]) ১৫:২০, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{support}} - [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ১৫:৫৫, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:জয়শ্রীরাম সরকার|জয়শ্রীরাম সরকার]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:জয়শ্রীরাম সরকার|আলাপ]]) ১৬:৫১, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:Nettime Sujata|Nettime Sujata]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Nettime Sujata|আলাপ]]) ১১:১৪, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:Mahir256|মাহির২৫৬]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mahir256|আলাপ]]) ১৪:৫৩, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} – [[User:Tarunno|<span style="display:inline-block;color:#008329;font-weight:bold; transform: scale(-1,1);text-shadow:0 1px 2px #ddd">তারুণ্য</span>]]<span style="font-size:10px;vertical-align:text-top;"> [[ব্যবহারকারী আলাপ:Tarunno|আলাপ]]</span> • ১৫:০৬, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:Tausheef Hassan|Tausheef Hassan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tausheef Hassan|আলাপ]]) ১৫:৩৭, ১৭ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
== ২০০০-পূর্ব বাংলাদেশি কর্মের কপিরাইট মেয়াদ ==
সুধী,
আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন। বাংলাদেশে <small>(ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে)</small> প্রকাশিত কর্ম এবং বাংলাদেশি <small>(ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানি)</small> লেখকদের কপিরাইট মেয়াদ সম্পর্কিত একটি প্রস্তাবনা আমরা উত্থাপন করছি।
প্রস্তাবনা: বাংলাদেশি/পূর্ব পাকিস্তানি নাগরিকের বা বাংলাদেশে/পূর্ব পাকিস্তানে প্রকাশিত কর্মের ক্ষেত্রে
# ২০০০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে প্রকাশিত '''সাহিত্যিক''' কর্মের ক্ষেত্রে কপিরাইট মেয়াদ: '''লেখকের মৃত্যু + ৫০ বছর''';
# ২০০০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে প্রকাশিত '''সরকারি''' কর্মের ক্ষেত্রে: '''প্রকাশ + ৫০ বছর''';
# ২০০০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে প্রকাশিত '''ছবি''' কর্মের ক্ষেত্রে: '''প্রকাশ + ৫০ বছর''';
# এবং ২০০০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে প্রকাশিত কর্মের ক্ষেত্রে [https://www.wipo.int/wipolex/en/legislation/details/5047 কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২]-এর অধ্যায় ৩ কর্তৃক প্রণীত [[#মেয়াদ ৬২|অন্যান্য মেয়াদ সমূহ]]।
এই প্রস্তাবনা লিখিতভাবে উপস্থাপনে সার্বিক সহায়তার জন্য [[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]]কে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ।
=== আইনি বিশ্লেষণ ও যৌক্তিকতা ===
বর্তমান বাংলাদেশি ভূখণ্ডে কপিরাইট আইনসমূহের ক্রম নিচে উল্লেখ করা হলো:
{| class="wikitable" style="margin: auto;"
!আইন
!সময়কাল
!সাধারণ মেয়াদ
|-
|[https://www.wipo.int/wipolex/en/legislation/details/15848 ভারতীয় কপিরাইট আইন ১৯১৪]
|১৯১৪ - ১৯৬২
|৫০ বছর
|-
|[https://www.wipo.int/wipolex/en/legislation/details/5047 কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২]<br>(১৯৭৮ সাল পর্যন্ত সংশোধিত)
|১৯৬২ - ২০০০
|৫০ বছর
|-
|[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-846.html কপিরাইট আইন, ২০০০]<br>(২০০৫ সাল পর্যন্ত সংশোধিত)
|২০০০ - ২০২৩
|৬০ বছর
|-
|[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1452.html কপিরাইট আইন, ২০২৩]
|২০২৩ - বর্তমান
|৬০ বছর
|-
| colspan="3" |যেকোনো আইন রহিতকরণের ক্ষেত্রে:<br>[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-73.html দ্য জেনেরাল ক্লজেজ অ্যাক্ট, ১৮৯৬]<br>(২০১৮ সাল পর্যন্ত সংশোধিত)
|}
অর্থাৎ ২০০০ সালের আইনে কপিরাইটের সাধারণ মেয়াদ প্রথমবারের মতো ৫০ বছর থেকে বৃদ্ধি করে ৬০ বছরে উন্নীত করা হয় এবং ২০২৩ সালের আইনেও তা চলমান থাকে।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগতে পারে যে, ২০০০ সালের পূর্বে প্রকাশিত যে কর্মগুলোর কপিরাইট মেয়াদ তখনো শেষ হয়নি (যেমন, ১৯৯০ সালের একটি প্রকাশনা), সেগুলো কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই বর্ধিত ৬০ বছরের মেয়াদের আওতায় চলে আসবে? শুরুতে মনে হতে পারে, যেহেতু নতুন আইনে সাধারণ মেয়াদ ৬০ বছর, তাই পুরনো সব বিদ্যমান কর্মও হয়তো এই সুবিধা পাবে। কিন্তু আইনের '''আক্ষরিক ব্যাখ্যা''' অনুসরণ করলে আমরা বিপরীত চিত্র দেখতে পাওয়া যায়।
[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-73.html দ্য জেনেরাল ক্লজেজ অ্যাক্ট, ১৮৯৬] ও সাধারণ আইনি কর্যধারা অনুযায়ী, কোনো আইনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে নতুন কোনো বিধান ভূতাপেক্ষভাবে (Retroactively) পেছনের কর্মের ওপর কার্যকর হয় না। ২০০০ সালের আইনের কোথাও স্পষ্টভাবে বলা নেই যে, পূর্বের কর্মগুলোর মেয়াদও ভূতাপেক্ষভাবে বৃদ্ধি পাবে। বরং এই <mark>আইনের ১০৫ নং ধারা অনুযায়ী ১৮ জুলাই, ২০০০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে যেকোনো কর্মের মেয়াদ বর্ধিত করা হয়নি।</mark>
<div style="float: right; margin-left: 15px; margin-bottom: 5px; border: 2px solid yellow">
{{show
|1= আইন দেখুন
|2={{Collapse top|{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-846/section-30242.html|ধারা ১০৪|}}<br>ইংরেজীতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ<br>{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-846.html|কপিরাইট আইন, ২০০০}}}}
১০৪। এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজীতে অনূদিত একটি পাঠ প্রকাশ করিবে যাহা এই আইনের অনূদিত ইংরেজী পাঠ (Authentic English Text) নামে অভিহিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন ও উক্ত ইংরেজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে এই আইন প্রাধান্য পাইবে।
{{Collapse bottom|}}
}}
</div>
উল্লেখ্য, ধারা ১০৪ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার একটি নির্ভরযোগ্য অনূদিত পাঠ প্রদান করেছে। ইংরেজি ও বাংলা পাঠের সাথে সংঘর্ষ হলে, বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাবে। সেক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত বাংলা পাঠ হতে আসতে হবে। তবে ইংরেজি পাঠ সংযুক্ত রাখা হয়েছে বোঝার সুবিধার্থে এবং আইনের ইন্টেন্ট বা উদ্দেশ্য পরিষ্কার করার জন্য।
<div style="display:flex; flex-wrap:wrap; gap:10px;">
<div style="flex:1; min-width:300px; padding:10px;">
{{Collapse top|{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-846/section-30242.html|ধারা ১০৫|}}<br>রহিতকরণ, হেফাজত এবং ক্রান্তিকালীন বিধান<br>{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-846.html|কপিরাইট আইন, ২০০০}}}}
১০৫। (১) The Copyright Ordinance, 1962 (Ordinance no XXXIV of 1962) এতদ্বারা রহিত করা হইল।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি এই আইন কার্যকর হওয়ার পূর্বে এমন কোন কাজ করিয়া থাকেন যা দ্বারা তিনি সংশ্লিষ্ট সময়ে আইন মোতাবেক কোন কর্মের পুনরুৎপাদন বা সম্পাদনের জন্য অথবা এই আইন কার্যকর না হইলে ঐরূপ পুনরুৎপাদন বা সম্পাদন বৈধ হইত এমন কোন কর্মের পুনরুৎপাদন বা সম্পাদনের জন্য কোন প্রকার ব্যয় বা দায় এর জন্য দায়ী হন, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন কিছুই ঐরূপ কাজ হইতে বা তৎসূত্রে উদ্ভূত কোন অধিকার বা স্বার্থ খর্ব বা ক্ষুণ্ণ করিবে না, যদি না এই আইনবলে পুনরুৎপাদন বা সম্পাদন করিবার অধিকারী ব্যক্তি চুক্তিভঙ্গের দরুণ বোর্ড যেরূপ নির্ধারণ করে ঐরূপ ক্ষতিপূরণ প্রদান করিতে সম্মত না হন।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিত আইনের অধীন কোন কর্মের কপিরাইট ছিল না এমন কোন কর্মের ক্ষেত্রে এই আইনের অধীন কপিরাইট থাকিবে না।
(৪) এই আইন কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে যেক্ষেত্রে কোন কর্মের কপিরাইট বিদ্যমান ছিল ঐরূপ কপিরাইটের অন্তর্ভুক্ত অধিকার, এই আইন কার্যকর হওয়ার তারিখ হইতে, কর্মটি যে শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ঐ শ্রেণী সম্বন্ধে ধারা ১৪-এ উলি্লখিত অধিকার হইবে এবং যদি উক্ত ধারা দ্বারা কোন নতুন অধিকার প্রদত্ত হয়, তাহা হইলে উক্ত অধিকারের মালিক-
:(ক) এই আইন কার্যকর হওয়ার পূর্বে কর্মটির কপিরাইটের সম্পূর্ণ স্বত্ব-নিয়োগ হইয়া থাকিলে, উক্ত নিয়োগপ্রাপ্ত স্বত্বাধিকারী স্বার্থের উত্তরাধিকারী হইবেন।
:(খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে, ঐ ব্যক্তি হইবেন যিনি উপ-ধারা (১) এর অধীন বাতিলকৃত আইনে কর্মটির কপিরাইটের প্রথম স্বত্বাধিকারী ছিলেন।
<mark>(৫) এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে, কোন ব্যক্তি এই আইন কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে কোন কর্মের কপিরাইট অথবা কোন অধিকার বা অধিকারের অন্তর্গত কোন স্বার্থের অধিকারী থাকিলে, তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতেন তাহা অব্যাহত থাকিবে।</mark>
<br>(৬) এই আইনের কোন কিছুই উহা কার্যকর হওয়ার পূর্বে কৃত কোন কাজ কপিরাইট লঙ্ঘনজনিত কাজ হিসাবে ব্যাখ্যায়িত হিসাবে গণ্য হইবে না, যদি ঐ কাজ অন্যভাবে ঐরূপ অধিকারলঙ্ঘন গঠন না করিয়া থাকে।
<br>(৭) এই ধারায় ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, রহিতকরণের ফলাফলের বিষয়ে ১৮৯৭ সনের জেনারেল ক্লজেস এ্যাক্ট (১৮৯৭ সনের ১০নং আইন) প্রযোজ্য হইবে।
{{Collapse bottom|}}
</div>
<div style="flex:1; min-width:300px; padding:10px;">
{{Collapse top|Section 105<br>Repeals, savings and transitional provisions<br>{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/upload/act/2021-11-17-10-44-05-32.-The-Copyright-Act-2000.pdf|Authentic English Text of Copyright Act, 2000 }}}}
105. (1) The Copyright Ordinance, 1962, (Ordinance no XXXIV of 1962) is hereby repealed.
(2) Where any person has, before the commencement of this Act, taken any action whereby he has incurred any expenditure or liabilities in connection with the reproduction or performance of any work in a manner which at that time was lawful or for the purpose of or with a view to the reproduction or performance of a work at a time when such reproduction or performance would, but for the coming into force of this Act, have been lawful, nothing in this section shall diminish or prejudice any rights or interests arising from or in connection with such action which are subsisting and valuable at the said date, unless the person who, by virtue of this Act, becomes entitled to restrain such reproduction or performance agrees to pay such compensation as, failing agreement, may be determined by the Board.
(3) Copyright shall not subsist by virtue of this Act in any work in which copyright did not subsist immediately before the commencement of this Act under any Act or Ordinance repealed by sub-section (1).
(4) Where copyright subsisted in any work immediately before the commencement of this Act, the rights comprising such copyright shall, as from the date of such commencement, be the rights specified in section 14 in relation to the class of works to which such work belongs, and where any new rights are conferred by that section, the owner of such rights shall be⎯
:(a) in any case where copyright in the work was wholly assigned before the commencement of this Act, the appointed assignee; and
:(b) in any other case, the person who was the first owner of the copyright in the work under any Act or Ordinance repealed by sub-section (1) or his legal representatives.
<mark>(5) Except as otherwise provided in this Act, where any person was entitled immediately before the commencement of this Act to copyright in any work or any right in such copyright or to an interest in any such right, he shall continue to be entitled to such right or interest for the period for which he would have been entitled thereto, if this Act had not come into force.</mark>
(6) Nothing contained in this Act shall be deemed to render any act done before its commencement an infringement of copyright if that act would not otherwise have constituted such an infringement.
(7) If there is nothing otherwise provided by this section, the General Clauses Act, 1897 (Act X of 1897) shall apply with respect to the effect of repeals.
{{Collapse bottom|}}
</div>
</div>
উপরের ধারা ১০৫(৫) অনুসারে সিদ্ধান্তে আসা যায়, নতুন আইন প্রবর্তনের পূর্বে যে কর্মগুলোর কপিরাইট বহাল ছিল, সেগুলোর মেয়াদকাল নির্ধারণের ক্ষেত্রে ধরে নিতে হবে যেন ২০০০ সালের আইনটি পাসই হয়নি। অর্থাৎ, পুরোনো কর্মগুলোর ক্ষেত্রে ১৯৬২ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী পূর্বনির্ধারিত ৫০ বছরের মেয়াদই বলবৎ থাকবে।
ধারা ১০৫(৫) এর একটি ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
{| class="wikitable"
|+
!বিষয়
!বাংলা
!ইংরেজি
!ব্যাখ্যা
|-
|'''দ্বন্দ্ব'''
|এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে
|Except as otherwise provided in this Act
|সাধারণ হেফাজত। আইনে ভিন্ন কিছু উল্লেখ নেই।
|-
|'''কে?'''
|কোন ব্যক্তি
|where any person
|বাংলাদেশি কর্মের প্রণেতা
|-
|'''কখনকার কর্ম?'''
|এই আইন কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে
|was entitled immediately before the commencement of this Act
|১৮ জুলাই, ২০০০ এর পূর্বে
|-
|'''কী?'''
|কোন কর্মের কপিরাইট অথবা কোন অধিকার বা অধিকারের অন্তর্গত কোন স্বার্থের অধিকারী থাকিলে
|to copyright in any work or any right in such copyright or to an interest in any such right
|কপিরাইট সুরক্ষা
|-
|'''সময়কাল'''
|তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতেন
|such right or interest for the period for which he would have been entitled thereto, if this Act had not come into force.
|২০০০ এর আইন না থাকলে ৫০ বছর মেয়াদি সুরক্ষা থাকতো।
|-
|'''ক্রিয়া'''
|তাহা অব্যাহত থাকিবে
|he shall continue to be entitled to
|৫০ বছর সুরক্ষা পাবে
|}
১. '''দ্বন্দ্ব''': ''"এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে"'' - এই বাক্যাংশটি "দ্বন্দ্ব নিরোধ" হিসেবে পরিচিত। বাক্যাংশটি মূলত একই বা ভিন্ন আইনের সাথে দ্বন্দ্ব রোধে ঢালাওভাবে ব্যবহৃত হয়। ধারা ১০৫(৫) চাচ্ছে পূর্বের প্রদত্ত আইনি সুরক্ষার মেয়াদ অব্যাহত রাখতে। এই মেয়াদের অব্যাহতি ঢালাওভাবে সকল বাংলাদেশি কর্মের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কিন্তু এই ঢালাওভাবে প্রয়োগ সহজেই অপ্রত্যাশিত দ্বন্দ্ব তৈরি করতে পারে। এই দ্বন্দ্ব বর্তমানে প্রতীয়মান না হলেও, ভবিষ্যতে কোনো মামলায় আবিষ্কৃত হতে পারে। ফলে আপাত দৃষ্টিতে দ্বন্দ্ব না থাকলেও, সুরক্ষার খাতিরে এই দ্বন্দ্ব নিরোধ অংশ যুক্ত করেন আইন প্রণেতারা।
এখন প্রশ্ন হতে পারে দ্বন্দ্ব আছে নাকি নেই? এই উপধারার সাথে কী প্রকারের দ্বন্দ্ব হওয়ার সুযোগ আছে? উদাহরণ স্বরূপ ধরি, ৬২-এর আইনে লোকসংস্কৃতির মেয়াদ ছিল ২৫ বছর কিন্তু নতুন আইন সেটাকে অসীম সুরক্ষা দিয়েছে। যেহেতু লোক সংস্কৃতির প্রকাশকাল নেই বা থাকলেও সেটি ২০০০ সালের পরে প্রকাশিত হলে সেটি আর লোকসংস্কৃতি বলে বিবেচিত হবে না। তাহলে এখানে দ্বন্দ্ব প্রতীয়মান হওয়ার সুযোগ আছে। পুরাতন আইনের অধীনে থাকলে, আইনের ইচ্ছা অনুযায়ী এরা অসীম সুরক্ষা পাবে না। তাই এক্ষেত্রে আইনের মূল অংশ প্রাধান্য পাবে। উল্লেখ্য এটি একটু উদাহরণ মাত্র এবং বাস্তবতার সাথে মিল নেই।
আমাদের আলোচ্য বিষয় হলো সাধারণ সাহিত্যকর্ম, ছবি, সরকারি কর্ম ইত্যাদি। এই বিষয়সমূহে এরূপ কোনো দ্বন্দ্ব নেই আইনে।
এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, আইনে তো নতুন ৬০ বছর মেয়াদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই ধারা চাচ্ছে আগের মেয়াদ অব্যাহত রাখতে, তাহলে এটা কি দ্বন্দ্ব?
আইনি ব্যাখ্যার সুপ্রতিষ্ঠিত 'অপ্রয়োজনীয়তার বিরুদ্ধে নীতি' (Rule Against Redundancy) অনুযায়ী এই ধারণাটি পুরোপুরি যৌক্তিক নয়। আইনে কখনোই কোনো অর্থহীন বা অপ্রয়োজনীয় ধারা যুক্ত করা হয় না। যদি ২৪ থেকে ৩৩ ধারার সাধারণ ৬০ বছরের নিয়মটিকেই ১০৫(৫) ধারায় উল্লেখকৃত 'ভিন্নরূপ বিধান' হিসেবে ধরে নেওয়া হয়, তবে ১০৫(৫) ধারাটির কোনো প্রয়োগই অবশিষ্ট থাকে না। আইনশাস্ত্রে একটি প্রতিষ্ঠিত নীতি হলো, 'বিশেষ বিধান সাধারণ বিধানের ওপর প্রাধান্য পায়' (Lex specialis derogat legi generali)। আইনের ২৪ থেকে ৩৩ ধারা হলো কপিরাইট মেয়াদের একটি General Provision, যা আইন পাসের পর থেকে নতুন কর্মের জন্য প্রযোজ্য। অন্যদিকে ১০৫(৫) ধারা হলো পুরোনো কর্মের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট বিশেষ বিধান।
প্রকৃতপক্ষে <mark>এখানে "ভিন্নরূপ বিধান" বলতে বোঝানো হয়েছে: যদি আইনের অন্য কোথাও স্পষ্টভাবে লেখা থাকত যে "পুরোনো 'কোনও' কর্মের মেয়াদও ভূতাপেক্ষভাবে বৃদ্ধি পাবে", কেবল তখনই সেটি কার্যকর হতো।</mark>
২. '''কে?''': ''"কোন ব্যক্তি"'' - বাংলাদেশি কর্মের প্রণেতাকে বুঝানো হয়েছে। কপিরাইট আইন, ২০০০ এর ২(২৭) ধারা অনুযায়ী:
(২৭) "বাংলাদেশী কর্ম" অর্থ এমন সাহিত্য, নাট্য, সংগীত বা শিল্প কর্ম-
(ক) যাহার প্রণেতা বাংলাদেশের নাগরিক; বা
(খ) যাহা প্রথম বাংলাদেশে প্রকাশিত হইয়াছে; বা
(গ) অপ্রকাশিত কর্মের ক্ষেত্রে, যাহার প্রণেতা উহা তৈরীর সময় বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন;
৩. '''কখনকার কর্ম?''': ''"এই আইন কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে"'' - কপিরাইট আইন, ২০০০ কার্যকর হয়েছে ১৮ জুলাই, ২০০০ খ্রিস্টাব্দে। অর্থাৎ উক্ত তারিখের পূর্বে প্রকাশিত যেকোনো কর্মের ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য।
৪. '''কী?''': ''"কোন কর্মের কপিরাইট অথবা কোন অধিকার বা অধিকারের অন্তর্গত কোন স্বার্থের অধিকারী থাকিলে"'' - সাধারণ কপিরাইট সুরক্ষা।
৫. '''সময়কাল''': ''"তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতেন" / "such right or interest for the period for which he would have been entitled thereto, if this Act had not come into force."'' -
এই অংশে বলা আছে যে, ''এই আইন কার্যকর না হইলে'' কিন্তু আইন যেহেতু কার্যকর হয়েছে, এখানে প্রশ্ন উঠতে পারে যে, তাই এই অংশ প্রযোজ্য নয়। এখানে আমাদের পূর্ববর্তী 'অপ্রয়োজনীয়তার বিরুদ্ধে নীতি' যুক্তি প্রযোজ্য। আর এই বাক্যাংশটি শর্তমূলক (conditional clause) নয়। এখানে ''"এই আইন কার্যকর না হইলে"'' ("''if this Act had not come into force''") একটি counterfactual / irrealis / hypothetical / unreal conditional clause.
আরও নির্দিষ্টভাবে, এটি হলো:
* একটি শর্তবাচক উপবাক্য
* যা past perfect রূপে আছে
* এবং একটি অবাস্তব অতীত শর্ত প্রকাশ করছে
* ব্যাকরণ আলোচনায় একে প্রায়ই প্রতিবাস্তব (counterfactual), অবাস্তব (irrealis), বা কাল্পনিক (hypothetical) বলা হয়
এতে এই অর্থ নেই যে আইনটি সত্যিই কার্যকর হয়নি। এর অর্থ হলো যে এই অধিকার বা স্বার্থ নির্ধারণের উদ্দেশ্যে এমন একটি অবস্থা কল্পনা করতে হবে, যেখানে এই আইন কখনোই কার্যকর হয়নি; এবং সেই অবস্থায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কত সময়ের জন্য ওই অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হতেন, তা নির্ধারণ করতে হবে।
অতএব বাক্যটি একটি আইনগত-কাল্পনিক তুলনা ব্যবহার করছে:
বাস্তব অবস্থা: আইনটি কার্যকর আছে।
কল্পিত অবস্থা: আইনটি কার্যকর হয়নি।
তারপর আইনটি জিজ্ঞেস করছে: এই কল্পিত অবস্থায় ব্যক্তি কোন সময়কাল পর্যন্ত অধিকারী হতেন?
এটি আইন প্রণয়নে খুবই সাধারণ একটি কৌশল। এখানে “অসম্ভব” কথাটির অর্থ গোঁজামিল বা অযৌক্তিক নয়; বরং এটি অধিকার নির্ণয়ের জন্য একটি প্রতিবাস্তব মানদণ্ড।
৬. '''ক্রিয়া''': ''"তাহা অব্যাহত থাকিবে"'' (''"he shall continue to be entitled to"''): এখানে "আব্যাহত"কে বাংলাদেশ সরকার ইংরেজিতে continue শব্দ ব্যাবহার করা হয়েছে।
{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-1123.html|বাংলা একাডেমি আইন, ২০১৩}} দ্বারা কার্যরত বাংলা ভাষা বিষয়ক বাংলাদেশি রাষ্ট্রীয় সংস্থা বাংলা একাডেমি। বাংলাদেশ সরকার তার নিজের সরকারি কাজে বাংলা ব্যবহারে বাংলা একাডেমির নিয়ম মানতে নির্দেশনা দেয়।<sup>[https://file-rajshahi.portal.gov.bd/files/bscic.rajshahi.gov.bd/files/62628c74_11b2_48a4_98e3_e694fdb18021/604f94fbbfa1ac882cb826c1fe5a2784.pdf]</sup> তাদের প্রকাশিত [https://web.archive.org/web/20210117115141/https://xeroxtree.com/pdf/adhunik_bangla_ovidhan.pdf আধুনিক বাংলা অভিধান] অনুযায়ী নকশা, মডেল ও ডিজাইনের সংজ্ঞা নিচে দেওয়া হলো। উল্লেখ্য, এই সংজ্ঞাসমূহ মানতে আইন {{color|red|বাধ্য (binding) নয়}}।
অব্যাহত <small>/অব্ব্যাহতো/</small> [স. 7+| 17 + sqrt(27) + 5 ] বিণ, ১ অপ্রতিহত, অবাধ (অব্যাহত গতি)। ২ অব্যর্থ। ৩ অপ্রতিবন্ধ।
অপ্রতিহত অর্থ বাধাহীনভাবে।
অর্থাৎ, এই অংশ দ্বারা বলা হয়েছে। তার আগের মেয়াদ continue করবে। আগে যা ছিল তাই থাকবে। এবং তার মেয়াদে কোনো বাধা থাকবে না। অনেকে প্রায়োগিক অর্থ ভেবে বলতে পারেন যে, এই আইন শুধু চাচ্ছে যে অধিকার খর্বকারী মেয়াদ না কমাতে। কিন্তু অব্যাহত-এর বুৎপত্তিগত এবং সকল সংজ্ঞা অনুযায়ী, মেয়াদে বাধা দেবে না। এটি উভয়দিকে কাজ করে। শুধুমাত্র একদিকে নয়। সংজ্ঞার ক্ষেত্রে প্রয়োগ ভিন্ন মানুষ ভিন্নভাবে নিতে পারে। এজন্য বুৎপত্তিগত ব্যাখ্যা মেনে নেওয়া শ্রেয়। আইনের ইন্টেন্ট বুঝার জন্য ইংরেজি অনুবাদ ব্যাবহার করা যেতে পারে। ইংরেজিতে "continue" শব্দ ব্যাবহার করা হয়েছে। যা বুঝায়, আগে যা ছিল তাই থাকবে। অর্থাৎ আগের ৫০ বছর মেয়াদ বলবৎ থাকবে।
'''ধারা ১০৫(১)''': কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ রহিত করা হয়েছে। এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয়। ধারা ১০৫, আগের আইনের অধীন প্রকাশিত কর্মসমূহ নিজ নতুন আইনের আওতায় আত্তীকরণ করেনি, যেমনটা কপিরাইট আইন, ২০২৩ করেছে। অর্থাৎ, আগের কর্মসমূহের লাইসেন্স বিবেচনা কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ এর আলোকে করতে হবে।
'''ধারা ১০৫(২)''': কোন মামলা বা অপরাধ ২০০০ এর আগে সংঘটিত হলে, তা আগের আইনের অধীনে বিচার হবে।
'''ধারা ১০৫(৩)''': কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ এর অধীন বিবেচিত কপিরাইটহীন অসুরক্ষিত কর্ম নতুন করে সুরক্ষা পাবে না।
'''ধারা ১০৫(৪)''': এই ধারায় "অধিকারের পরিধি বা প্রকৃতি" ব্যাখ্যা করা হয়ছে; "মেয়াদ" নয়। ১০৫(৪)-এর আশ্রয় নিয়ে প্রস্তাবের আরেকটা বিরোধিতা করা যেতে পারে যে ''ধারা ১০৫(৪)-এ বলা হয়েছে, পুরোনো কর্মগুলো নতুন আইনের "ধারা ১৪-এ উল্লিখিত অধিকার" পাবে। ফলে, যেহেতু কর্মটি নতুন আইনের (১৪ ধারার) অধীনে চলে আসছে, তাই এর মেয়াদও নতুন আইনের ৬০ বছর হওয়া উচিত।''
উ: আইনের দৃষ্টিতে "অধিকারের পরিধি বা প্রকৃতি" এবং "অধিকারের মেয়াদ" সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি বিষয়। ধারা ১০৫(৪) অত্যন্ত সতর্কতার সাথে শুধুমাত্র "ধারা ১৪"-এর কথা উল্লেখ করেছে, যেখানে কপিরাইটের মেয়াদ নিয়ে একটি শব্দও নেই। ধারা ১৪ কেবল সংজ্ঞায়িত করেছে কপিরাইট বলতে কী কী 'কর্ম' বোঝায় এবং সেসব 'কর্ম'-এর কোন কোন অধিকার একচেটিয়াভাবে পাওয়া যায়। অর্থাৎ, ধারা ১০৫(৪) পুরোনো কর্মগুলোকে কেবল ধারা ১৪-তে থাকা নতুন ধরনের অধিকার ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে। কিন্তু সেই অধিকারটি কতদিন বজায় থাকবে, অর্থাৎ সময়কাল বা মেয়াদের বিষয়টি ঠিক তার পরের উপধারা ১০৫(৫)-এ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। <mark>১০৫(৫)-এ পরিষ্কার বলা হয়েছে, অধিকার যা-ই হোক না কেন, ব্যক্তি ঠিক সেই "সময়ের জন্য" অধিকার ভোগ করবেন, যা তিনি এই নতুন আইন না এলে পেতেন (অর্থাৎ ৫০ বছর)।</mark>
'''ধারা ১০৫(৫)''': ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
'''ধারা ১০৫(৬)''': ধরুন এক প্রকারের পুনঃব্যবহার অনুমতি ১৯৬২ সালের আইনে দেওয়া হলেও, ২০০০ সালের আইনে দেওয়া হয়নি। তাহলে ২০০০ সালের আগে সেই কর্ম কেউ পুনঃব্যবহার করে থাকলে, সেটি নতুন আইনের আওতায় দণ্ডনীয় নয়।
'''ধারা ১০৫(৭)''': [http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-73.html দ্য জেনেরাল ক্লজেজ অ্যাক্ট, ১৮৯৬] এর ৬ষ্ঠ ধারা বাংলাদেশের যেকোনো আইনের রহিতকরণের প্রভাব নির্ধারণ করে। কপিরাইট আইন, ২০০০-এর ১০৫(৭)-এ তা উল্লেখ করা আছে। ১০৫(৭)-এ উল্লেখ করা না থাকলেও, এই আইন বলবৎ থাকতো। কপিরাইট বাদেও এই ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশের সকল আইন অ-ভূতাপেক্ষ (Non-retroactive) যদিনা নতুন আইনে আলাদা করে উল্লেখ না থাকে।
[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-73.html দ্য জেনেরাল ক্লজেজ অ্যাক্ট, ১৮৯৬] এর ৬(গ) ধারা অনুযায়ী, নতুন আইনে অন্যথায় উল্লেখ না থাকলে, নতুন আইন নাগরিকের পূর্ব আইনের আওতায় প্রাপ্ত রাইট (অধিকার)কে প্রভাবিত করবে না। কপিরাইট এর নামানুসারেই একপ্রকারের রাইট বা অধিকার। কপিরাইট আইন, ২০০০ এর ধারা ১০৫ এই অংশের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। affect অর্থ প্রভাবিত করা। সেটা অধিকার বৃদ্ধি বা হ্রাস উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ১৯৬৩ সালের প্রকাশিত কোনো প্রকাশনার ক্ষেত্রে, কর্মের স্রষ্টা ৫০ বছরের অধিকার পেয়েছিলেন তার কর্মের উপর। আমি জনগণ, ৫০ বছর পর এটি মুক্তভাবে ব্যাবহারের অধিকার পেয়েছিলাম। নতুন আইন যেহেতু পূর্বের কর্মের ব্যাপারে কিছু বলেনি; শুধু নতুন কর্মের জন্য নতুন বর্ধিত অধিকার দিয়েছে। তাই এই আইন অনুযায়ী নতুন আইন আমার পূর্বে প্রাপ্ত অধিকারকে প্রভাবিত করবে না। সেটা যেকারো লাভ বা ক্ষতি যেজন্যই হোক না কেনো। ২০০০ এর আইনের ১০৫(৫)-এ এই আইনের নীতিমালাকে প্রয়োগ করা হয়েছে।
{{Collapse top|{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-73/section-19978.html|Section 6}}<br>Effect of repeal<br>{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-73.html|The General Clauses Act, 1897}}}}
6. Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not-
:(a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or
:(b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or
:<mark>(c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed;</mark> or
:(d) affect any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or
:(e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid;
and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
{{Collapse bottom|}}
'''কপিরাইট আইন, ২০২৩''':
এবার বর্তমানে বলবৎ 'কপিরাইট আইন, ২০২৩'-এ আসি। বলা যেতে পারে, নতুন আইনের ১২৭(২)(ক) ধারায় যেহেতু (২০০০-এর আইনে থাকা) পুরোনো অধিকারগুলো বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে, তাই পুরোনো কর্মগুলোও ৬০ বছর মেয়াদ পাবে। কিন্তু ১৮৯৭ সালের জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬(c) ধারা অনুযায়ী, রহিতকৃত আইনের অধীনে নির্ধারিত অধিকারের কাঠামো (যেমন ৫০ বছরের সীমা) অপরিবর্তিত থাকে। ফলে ২০২৩ সালের আইনটি কেবল সেই অবস্থাকেই সংরক্ষণ করে, যা ২০০০ সালের আইনের অধীনে অর্জিত হয়েছিল। যেহেতু ২০০০ সালের আইনটি ১০৫(৫) ধারার মাধ্যমে পুরোনো কর্মগুলোর মেয়াদকে সুনির্দিষ্টভাবে ৫০ বছরেই আটকে দিয়েছিল এবং অতিরিক্ত দশ বছর যুক্ত করার পক্ষে স্পষ্ট কোনও বিধান রাখেনি, তাই ২০২৩ সালের আইনও সেটিকে নতুন করে ৬০ বছরে উন্নীত করেনি। নিচে ২০২৩ সালের আইনের রহিতকরণ ধারাটি দেওয়া হলো:
{{Collapse top|{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1452/section-52753.html|ধারা ১২৭|}}<br>রহিতকরণ ও হেফাজত<br>{{url|http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-1452.html|কপিরাইট আইন, ২০২৩}}}}
১২৭। (১) কপিরাইট আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ২৮ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্বারা রহিত করা হইল।
(২) উক্তরূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও উক্ত আইনের অধীন-
:(ক) <mark>কৃত কোনো কাজ-কর্ম</mark>, গৃহীত কোনো ব্যবস্থা, প্রণীত কোনো বিধি, জারীকৃত প্রজ্ঞাপন বা নোটিশ বা বিজ্ঞপ্তি, প্রদত্ত আদেশ, স্বত্বনিয়োগ, <mark>নিবন্ধন বা লাইসেন্স</mark>, এই আইনের বিধানাবলির সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, রহিত বা সংশোধিত না হওয়া পর্যন্ত, বলবৎ থাকিবে, এবং এই আইনের সংশ্লিষ্ট ধারার অধীন কৃত, গৃহীত, প্রণীত, জারীকৃত বা প্রদত্ত বলিয়া গণ্য হইবে;
:(খ) উক্ত আইনের অধীন সূচিত কোনো কার্যধারা অসম্পূর্ণ থাকিলে উহা উক্ত আইন অনুযায়ী এইরূপে সমাপ্ত করা হইবে, যেন উক্ত আইন রহিত হয় নাই;
:(গ) দায়েরকৃত কোনো মামলা বা মোকদ্দমা কোনো আদালতে চলমান থাকিলে উহা এমনভাবে নিষ্পত্তি করিতে হইবে যেন উক্ত আইন রহিত হয় নাই;
:(ঘ) উক্ত আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত বোর্ড এইরূপে বহাল থাকিবে যেন উহা এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে; এবং
:(ঙ) কপিরাইট অফিসে নিযুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ এই আইন প্রবর্তনের অব্যবহিতপূর্বে যে শর্তাধীনে চাকুরিতে নিয়োজিত ছিলেন, এই আইনের বিধান অনুযায়ী পরিবর্তিত না হওয়া পর্যন্ত, সেই একই শর্তে চাকুরিতে নিয়োজিত থাকিবেন এবং পূর্বের নিয়মে বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি প্রাপ্য হইবেন।
{{Collapse bottom|}}
উল্লেখ্য যে কপিরাইট আইন, ২০২৩ তার পূর্বসূরী আইন (শুধুমাত্র ২০০০ এর আইন)-এর অধীন প্রকাশিত কর্ম ১২৭(২)(ক) দ্বারা নিজের মধ্যে আত্তীকরণ করে। কিন্তু ২০০০ এর আইন, তার পূর্বসূরি ১৯৬২এর আইনের জন্য তা করে না। ফলে ১৯৬২ এর অধীন প্রকাশিত কর্ম ২০০০ বা ২০২৩ এর আইন আত্তীকরণ করে না এবং উত্তরসূরি আইনসমূহ তাদের নিজ নিজ হেফাজত ধারা অনুযায়ী ১৯৬২ এর অধীন কর্মগুলোতে ১৯৬২ এর আইন বলবৎ রাখে। ১৯৬২ হতে ২০০০ এর আইনে মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছিল কিন্তু ২০০০ থেকে ২০২৩ এর আইনে করা হয়নি/ তাই পূর্ববর্তী কর্মের মেয়াদ অপরিবর্তিত রাখার বিষয়ে কোনো ধারা যুক্ত করা হয়নি বা যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা ছিল না। কিন্তু আইনের ইচ্ছা অনুযায়ী মেয়াদ বৃদ্ধি করতে হলে, তা আলাদা ভাবে যুক্ত করতে হতো, যা করা হয়নি।
<mark>নিরপেক্ষভাবে বিচার করলে, আইনের এই আক্ষরিক ও অ-ভূতাপেক্ষ (Non-retroactive) ব্যাখ্যাটিই আইনিভাবে অধিকতর নিরাপদ ও প্রচলিত।</mark> কারণ, কোনো অধিকারের মেয়াদ বা ব্যাপ্তি যদি পেছনের তারিখ থেকে বাড়াতে হয়, তবে আইনে তা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে লিখে দিতে হয়।
'''আন্তর্জাতিক উদাহরণ'''
আন্তর্জাতিক রীতির দিকে তাকালেও অ-ভূতাপেক্ষতার প্রমাণ মেলে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রের কপিরাইট মেয়াদ বৃদ্ধির আইন, ''Sonny Bono Copyright Term Extension Act ([https://www.copyright.gov/legislation/s505.pdf CTEA 1998]'')-এর 102(b) ধারায় বিদ্যমান কপিরাইটগুলোর মেয়াদও ভূতাপেক্ষভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা ছিল। একইভাবে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কপিরাইট মেয়াদ নির্দেশিকা '''('''[https://eur-lex.europa.eu/legal-content/en/TXT/?uri=CELEX:31993L0098#:~:text=regulating%20moral%20rights.-,Article%2010,-Application%20in%20time Directive 93/98/EEC]''')'''-এর Article 10-এ (Application in time) অত্যন্ত দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলা হয়েছিল যে, এই নির্দেশিকা পাসের দিন যেসব কর্ম কপিরাইট দ্বারা সুরক্ষিত আছে, সেগুলোর মেয়াদ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া, যুক্তরাজ্যের '[https://www.legislation.gov.uk/uksi/1995/3297/contents The Duration of Copyright and Rights in Performances Regulations 1995]-এ যখন মেয়াদ বাড়ানো হয়, তখন এর পার্ট-৩ (Transitional Provisions)-এ '[https://www.legislation.gov.uk/uksi/1995/3297/regulation/17 Extended and revived copyright]' শিরোনামে বিদ্যমান কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল। বাংলাদেশের আইনে বিদ্যমান কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির পক্ষে এমন কোনো স্পষ্ট ঘোষণা বা আইনি ভাষ্য নেই।
'''কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২''':
আমাদের চূড়ান্ত গন্তব্য ১৯৬২ সালের কপিরাইট অধ্যাদেশ। কপিরাইট আইন, ২০০০ পূর্ববর্তী আইনের মেয়াদসমূহ সংরক্ষণ করে। কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২-এর মেয়াদসমূহ নিচে দেওয়া হলো:
{{Collapse top|{{anchor|মেয়াদ ৬২}}CHAPTER III<br>TERM OF COPYRIGHT<br>{{url|https://www.wipo.int/wipolex/en/legislation/details/5047|The Copyright Ordinance, 1962}}}}
18. Term of copyright in published <mark>literary, dramatic, musical and artistic works.</mark>-
:Except as otherwise hereinafter provided, copyright shall subsist in any literary, dramatic, musical or artistic work (other than a photograph) published within the life-time of the author until <mark>fifty years</mark> from the beginning of the calendar year next following the year in which the <mark>author dies</mark>. Explanation-In this section, the reference to the author shall, in the case of a work of joint authorship, be construed as a reference to the author who dies last.
19. Term of copyright in posthumous work.-
:(1) In the case of a literary, dramatic or musical work or an engraving, in which copyright subsists at the date of the death of the author or, in the case of any such work of joint authorship, at or immediately before the date of the- death of the author who dies last, but which or any adaptation of which, has not been published before that date, copyright shall subsist until fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the work is first published or, where an adaptation of the work is published in any earlier year, from the beginning of the calendar year next following that year.
:(2) For this purposes of this section, a literary, dramatic or musical work or an adaptation of any such work shall be deemed to have been published, if it has been performed in public or if any records made in respect of the work have been sold, or offered for sale, to the public.
20. Term of copyright in cinematographic works, records and photographs.
:(1) In the case of a cinematographic work, copyright shall subsist until fifty years fro.n the beginning of the calendar year next following the year in which the work is published.
:(2) In the case of a record, copyright shall subsist until fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the record is published.
:(3) In the case of a photograph, copyright shall subsist until fifty years from "the beginning of the calendar year next following the year in which the photograph is published.
20A. Term of copyright in broadcast.-
:In the case of a broadcast, copyright shall subsist until twenty-five years from the beginning of the calendar year next following the year in which the broadcast first took place.
21. Term of copyright in anonymous and pseudonymous work.-
:(1) In the case of a literary, dramatic, musical or artistic work (other than a photograph), which is published anonymously or pseudonymously, copyright shall subsist until fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the work is first published.<br>Provided that where the identity of the author is disclosed before the expiry of the said period, copyright shall subsist until fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the author dies.
:(2) In sub-section (1), references to the author shall, in the case of an anonymous work of joint authorship be construed,
::(a) where the identity of one of the authors is disclosed as references to that author;
::(b) where the identity of more authors than one is disclosed, as references to the author who dies last from amongst such authors.
:(3) In sub-section (1), references to the author shall, in the case of a pseudonymous work of joint authorship, be construed,
::(a) where the names of one or more (but not all) of the authors are pseudonym and his or their identity is not disclosed, as references to the author whose name is not a pseudonym, or, if the names of two or more of the authors are not pseudonyms, as references to such one of those authors who dies last;
::(b) where the names of one or more (but not all ) of the authors are pseudonyms and the identity of one or more of them is disclosed, as references to the author who dies last from amongst the authors whose names are not pseudonyms and the authors whose names are pseudonyms and are disclosed; and
::(c) where the names of all the authors are pseudonyms and the identity of one of them is disclosed, as references to the author whose identity is disclosed or, if the identity of two or, more of such authors is disclosed as references to such one of those authors who dies last. Explanation-s-Pot the purposes of this section, the identity of an author shall be deemed to have been disclosed, if either the identity of the author is disclosed publicly by both the author and the publisher or is otherwise established to the satisfaction of the Board by that author.
22. Term of copyright in <mark>Government works</mark> and in works of International Organisations.-
:(l) Copyright in a Government work shall, where government is the first owner of the copyright therein, subsist until <mark>fifty years</mark> from the beginning of the calendar year next following the year in which the work is first published.
:(2) In the case of a work of an international organisation to which the provisions of section 53 apply, copyright shall subsist shall until fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the work is first published.
23. Term of copyright in unpublished work.-
:(1) If a work, whose author's identity is known, is not published posthumously within fifty years after the death of the author, such work shall fall into the public domain after fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the author dies.
:(2) If a work, whose author's identity is not known, is not published within fifty years of its creation, such work shall fall into the public domain after fifty years from the beginning of the calendar year next following the year in which the work is created.
{{Collapse bottom|}}
=== সংশোধন বনাম রহিতকরণ ===
কপিরাইটের মেয়াদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশ ভারতের একটি সুপরিচিত নজির রয়েছে, যা আপাতদৃষ্টিতে আমাদের প্রস্তাবনার বিরুদ্ধে যাচ্ছে বলে মনে হতে পারে। স্বাধীন ভারতে ১৯৯২ সালের সংশোধনী আইনের ([[:en:Indian_Copyright_Act_(3rd_Amendment)_1992|The Copyright Amendment Act, 1992]]) মাধ্যমে কপিরাইটের সাধারণ মেয়াদ ৫০ থেকে বাড়িয়ে ৬০ বছর করা হয়। এই সংশোধনী পাসের সময় ভারতে যে কর্মগুলোর কপিরাইট তখনো বিদ্যমান (Alive) ছিল, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন বর্ধিত ৬০ বছরের সুবিধা পেয়েছিল। প্রশ্ন আসতে পারে, ভারতে যদি বিদ্যমান কর্মের মেয়াদ বেড়ে থাকে, তবে বাংলাদেশে ২০০০ সালের নতুন আইন পাসের সময় বিদ্যমান কর্মগুলোর মেয়াদ কেন ৬০ বছর হবে না?
এর উত্তর লুকিয়ে আছে দুই দেশের আইন প্রণয়নের কাঠামোগত পার্থক্যের (''Amendment'' বনাম ''Repeal'') মধ্যে। ভারতের এই মেয়াদ বৃদ্ধির পেছনে সবচেয়ে বড় অনুঘটক ছিল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কর্মের কপিরাইট। ১৯৪১ সালে তাঁর মৃত্যু হওয়ায় তৎকালীন আইন অনুযায়ী তাঁর কর্মের কপিরাইট ১৯৯১ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। এই মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র তিন দিন আগে ভারত সরকার তড়িঘড়ি করে একটি অধ্যাদেশ জারি করে মেয়াদ [https://www.telegraphindia.com/india/tagore-copyright-freedom-at-midnight/cid/910127?utm_source=chatgpt.com ১০ বছর বাড়িয়ে দেয়]। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে যখন এটিকে স্থায়ী আইন হিসেবে পাস করা হয়, তখন ভারত ১৯৯১ সালের সাময়িক অধ্যাদেশটি রেটিফাই করা সাপেক্ষে রহিত করলেও তাদের ১৯৫৭ সালের মূল আইনটিকে রহিত (Repeal) করেনি, বরং কেবল মূল একটি 'সংশোধনী' (Amendment) এনেছিল।
এই সংশোধনীর মাধ্যমে মূল আইনের পঞ্চম অধ্যায়ে 'fifty years'-এর স্থলে 'sixty years' প্রতিস্থাপিত করা হয় এবং নতুন আইনটিকে ভূতাপেক্ষভাবে (Retroactively) ঠিক সেই ২৮ ডিসেম্বর ১৯৯১ তারিখ থেকেই কার্যকর ঘোষণা করা হয়। ফলে চলমান মূল আইন যখন 'সংশোধিত' হয়, তখন আইনের অধীনে থাকা সমস্ত বিদ্যমান বা 'অ্যালাইভ' অধিকারগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন সংশোধিত অবস্থার সুবিধা পায়।
বিপরীতে, বাংলাদেশ সরকার ১৯৬২ সালের মূল আইনটিকে (অধ্যাদেশ) 'সংশোধন' করেনি, বরং ২০০০ সালের আইনের ১০৫(১) ধারা দিয়ে তা সম্পূর্ণরূপে রহিত (Repeal) করে একটি নতুন আইন প্রবর্তন করে। যখন কোনো পুরোনো আইন বাতিল করে নতুন আইন আনা হয়, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুরোনো আইনের অধীনে থাকা কর্মগুলো নতুন আইনের সুবিধা পায় না। কারণ, '''The General Clauses Act, 1897'''-এর ধারা ৬(c) অনুযায়ী, কোনো আইন রহিত (Repeal) হলে নতুন আইনে স্পষ্ট 'ভিন্নরূপ কোনো উদ্দেশ্য' (Different intention) না থাকলে, বাতিলকৃত আইনের অধীন অর্জিত অধিকার বা মেয়াদের কাঠামো (যেমন- ৫০ বছরের সীমা) ক্ষুণ্ণ বা পরিবর্তিত হয় না।
বাংলাদেশ যদি ভারতের মতো শুধু "মৃত কর্মগুলো আর জ্যান্ত হবে না" (ধারা ১০৫(৩)) লিখেই ক্ষান্ত হতো, তবে হয়তো বিতর্কের সুযোগ থাকত। কিন্তু আইনে ১০৫(৫) ধারায় অত্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে বলা হয়েছে: ''"...তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতেন তাহা অব্যাহত থাকিবে।"''
অর্থাৎ, আইনসভা পরিষ্কার করে দিয়েছে যে, মেয়াদের ক্ষেত্রে নতুন আইনে তাদের 'ভিন্নরূপ কোনো উদ্দেশ্য' নেই। তারা পুরোনো আইনটি বাতিল করলেও, বিদ্যমান কর্মগুলোর মেয়াদ পুরোনো আইন (৫০ বছর) অনুসারেই চলবে। অধিকন্তু, ১০৫(৭) ধারায় 'জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট'-এর প্রয়োগ নিশ্চিত করে এই মেয়াদের সুরক্ষাকে সম্পূর্ণ নিশ্ছিদ্র করা হয়েছে।
=== সার্বিক উপসংহার ===
উপরের বিস্তারিত আইনি পর্যালোচনা, ভারত ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক নজিরের তুলনামূলক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় যে, ২০০০ সালের ১৮ জুলাইয়ের পূর্বে প্রকাশিত কোনো কর্ম নতুন আইনের সাধারণ ৬০ বছরের মেয়াদের সুবিধা পাবে না। ভারতের আইনটি ছিল চলমান আইনের একটি 'সংশোধনী' হওয়ায় আতা বাংলাদেশের ২০০০ সালের সম্পূর্ণ নতুন আইনের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক হয় না।) তাই ২০০০-এর আইনের ১০৫(৫) ধারার মাধ্যমে এবং ২০২৩ আইনে তা কন্টিনিউ করার মাধ্যমে ২০০০-পূর্ব কর্মের কপিরাইটের মেয়াদ '''প্রকাশ বা লেখকের মৃত্যু + ৫০ বছর''' হিসেবেই আইনিভাবে নির্ধারিত হবে। ফলে আজকের তারিখ: {{#time: j F Y}} হিসেবে ৫০ বছর তথা {{#time: j F Y | -50 years }}-এর আগের সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক কর্ম কিংবা মৃত্যুবরণকারী লেখকের কর্ম উইকিসংকলনে আপলোড দিয়ে মুদ্রণ সংশোধন করতে কোনও আইনি বাধা নেই। [[ব্যবহারকারী:Tausheef Hassan|Tausheef Hassan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tausheef Hassan|আলাপ]]) ১৫:০৯, ২০ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{সমর্থন}}: প্রস্তাবকারী হিসেবে। [[ব্যবহারকারী:Tausheef Hassan|Tausheef Hassan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tausheef Hassan|আলাপ]]) ১৭:০২, ২০ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:১৪, ২০ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
* সহ-প্রস্তাবক হিসেবে {{দৃঢ় সমর্থন}}। শুরুতে আমি বরং বিরোধিতাকারী হিসেবেই প্রস্তাবককে নানান যুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু দুজনে মিলে দীর্ঘ আলোচলা, ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ ও ক্রসচেক শেষে শেষপর্যন্ত এই ব্যাখ্যাতেই উপনীত হতে সক্ষম হই। ২০০০-পূর্ব প্রকাশনার জন্য এটাই এই আইনের সবচেয়ে যৌক্তিক ব্যাখ্যা। সবশেষে, বেশ কিছুদিন ধরে নিরলসভাবে বাংলাদেশের কপিরাইট আইনের খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ করে আইনে লুকিয়ে থাকা এই বিধান এবং কমন্সে [[C:Commons:Village pump/Copyright#FoP in Bangladesh|বাংলাদেশের ভবনের ছবির কপিরাইট-অযোগ্যতা]]র বিষয়টি খুঁজে বের করার জন্য প্রস্তাবকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[Special:Contributions/MS Sakib|📝]]</b> ১১:৩৮, ২১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{সমর্থন}} [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ০৭:০৫, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{Comment}} — উপরে দেওয়া ব্যাখ্যার সঙ্গে আমার কিছু মতপার্থক্য আছে। নিচে তার আলোচনা করছি:—
* '''ভূতাপেক্ষিতা''' — উপরে বলা হয়েছে যে নতুন আইনে পুরনো বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ বৃদ্ধি পেলে তা ভূতাপেক্ষ (retrospective), যা কিনা General Clauses Act অনুযায়ী হওয়ার কথা নয়; ফলে নতুন আইন দিয়ে পুরনো আইনের অধীনে প্রকাশিত বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ বাড়তে পারে না। আমার তা মনে হয় না। যে বইয়ের কপিরাইট জীবিত আছে, সেই জীবিত কপিরাইটের জীবৎকাল বাড়ানোকে ভূতাপেক্ষ বলা যায় কি? যদি তা হয়, তবে কবে থেকে ভূতাপেক্ষ? যদি পুরনো আইনের জন্মলগ্ন থেকে ভূতাপেক্ষ হয়, তবে যেসব বইয়ের কপিরাইট অধুনা শেষ হয়ে গেছে কিন্তু পুরনো আইনের আমলে কিছুকাল আগে কপিরাইটে ছিল, সেই বইগুলিও এই ভূতাপেক্ষিতার সুযোগ লাভ করত এবং তাদের কপিরাইট পুনর্জীবিত হত। কিন্তু তা হয় না। কপিরাইট শেষ হয়ে গেলে এই তথাকথিত ভূতাপেক্ষ প্রাবধান দিয়ে কপিরাইট আর ফিরে আসে না। এতেই প্রমাণিত হয় যে এটা ভূতাপেক্ষ নয়; নতুন আইনে পুরনো বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ বাড়লে তা ভূতকাল থেকে বাড়ে না, বরং বর্তমান কাল থেকে বাড়ে। সেজন্যেই বিগত-কপিরাইট বইগুলি এর সুবিধা পায় না। ফলে এর সঙ্গে General Clauses Act-এর কোনই সংঘাত নেই।
* '''রবীন্দ্রসাহিত্য ও ভারতীয় আইন''' — ১৯৯২ সালে ভারতীয় কপিরাইট আইন সংশোধন করে কপিরাইটের মেয়াদ লেখকের মরণোত্তর ৫০ বছর থেকে বাড়িয়ে ৬০ বছর করা হয়। সেসময় রবীন্দ্রসাহিত্যের কপিরাইট ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন বিশ্বভারতীর কাছে। তাই এই অতীব লাভজনক কপিরাইটের মেয়াদবৃদ্ধিই ছিল আইন-সংশোধনের মূল কারণ। প্রস্তাবকের মতে এমনটা হওয়া ভূতাপেক্ষ, তাহলে কিভাবে হল? প্রস্তাবকের দেওয়া ব্যাখ্যা অনুযায়ী ১৯৯২-তে নতুন আইন না বানিয়ে চলমান আইনের সংশোধন হয়েছিল, তাই এটা ভূতাপেক্ষ নয়; নতুন আইন বানালে ভূতাপেক্ষ হত। বেশ, কিন্তু রবীন্দ্রনাথের লেখাগুলো তো চলমান ১৯৫৭-এর আইনের অধীনে প্রকাশিতই হয় নি। রবীন্দ্রনাথের প্রথম দিককার লেখাগুলি প্রকাশিত হয়েছিল ১৮৪৭-এর আইনের অধীনে (তাতে লেখকের মরণোত্তর সাত বছর কপিরাইট থাকত), আর পরের দিকের বইগুলি প্রকাশিত হয় ১৯১৪-এর আইনের অধীনে (তাতে মরণোত্তর ৫০ বছরের বিধান ছিল)। ১৮৪৭ এবং ১৯১৪-এর সাপেক্ষে ১৯৫৭-এর আইন হচ্ছে নতুন আইন। এই নতুন আইন দিয়ে কিভাবে রবীন্দ্রসাহিত্যের মেয়াদবৃদ্ধি করা গেল? এটা কি ভূতাপেক্ষ হচ্ছে না? প্রস্তাবক দেখাতে চেয়েছেন যে বাংলাদেশের ২০০০-এর আইনের ১০৫(৫) ধারা একটা ভূতাপেক্ষিতা-প্রতিরোধক ব্যবস্থা, যার কারণে ২০০০-এর আইন দিয়ে আগের বইগুলির কপিরাইটের মেয়াদবৃদ্ধি ঘটেনি। কিন্তু একই ব্যবস্থা তো ভারতীয় আইনেও ছিল। ভারতের ১৯৫৭-এর আইনের ৭৯(৫) ধারা এবং বাংলাদেশের ২০০০-এর আইনের ১০৫(৫) ধারা অবিকল এক ধারা, শুধু ধারার নম্বর আলাদা। কাজেই একই নিয়মের উপস্থিতিতে ভারতে যদি কপিরাইটের মেয়াদবৃদ্ধি ঘটে থাকে, তবে বাংলাদেশে তা ঘটেনি বলে কেন আমরা ধরে নেব?
* '''ভারতীয় ও বাংলাদেশি আইনের তুলনাযোগ্যতা''' — এখানে মনে পারে, ভারতীয় ও বাংলাদেশি আইন ভিন্নপথগামী, তাই পরিণতিও ভিন্ন। কিন্তু ব্যাপারটা সেরকম নয়। দুদেশেরই আইনি পরিকাঠামো, বিভিন্ন স্থানীয় সংশোধনী সহ, কলোনিয়াল লেগ্যাসি। ব্রিটিশদের বানানো General Clauses Act, স্থানীয় সংশোধনী সহ, দুদেশেই চালু আছে। কাজেই একটার সঙ্গে অন্যটা তুলনাযোগ্য। কাজেই ভারতীয় আইনে যদি কপিরাইটের মেয়াদ বাড়তে পারে, তবে একই ব্যবস্থাযুক্ত বাংলাদেশি আইনে তা না বাড়ার কোন কারণ নেই। তাহলে ১০৫(৫) ধারার উপযোগিতা কী রইল? হ্যাঁ, উপযোগিতা আছে বৈকি, কিন্তু তা প্রস্তাবকের ব্যাখ্যার অনুসারী নয়। নিচে অন্যভাবে ব্যাখ্যার চেষ্টা করছি।
* '''রহিতকরণ ধারা ও তার তাৎপর্য''' — যখন পুরনো আইন বাতিল করে নতুন আইন রচিত হয়, তখন নতুন আইনের শেষদিকে একটা রহিতকরণ ধারা (repeal section) থাকে। ভারত ও বাংলাদেশ দুদেশেই এই দস্তুর। পুরনো আইনের সুবিধাপ্রাপকরা নতুন আইন দিয়ে যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেটা নিশ্চিত করতে এই ধারায় কয়েকটা উপধারা থাকে। নতুন আইনে কি সুবিধা পাওয়া যাবে বা যাবে না, সেসব এই ধারায় থাকে না, শুধু পুরনো আইনই এর ফোকাস। বাংলাদেশি আইনের ১০৫(৫) ধারা এই রহিতকরণ ধারার একটা উপধারা। এই ধারা দিয়ে পুরনো আইনের সুবিধাপ্রাপকদের লেখকের মরণোত্তর ৫০ বছর কপিরাইটের অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ নতুন আইনে মেয়াদ যদি ৫০ থেকে কমিয়ে ৪০ বছর করা হত, তাহলেও পুরনো আইনের সুবিধাপ্রাপকদের, এই ধারার কারণে, ৫০ বছরের অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকত। কিন্তু নতুন আইনের সুবিধা-অসুবিধার জন্য এই ধারা নয়। অর্থাৎ, পুরনো আইনের সুবিধাপ্রাপকরা এই ধারা অনুযায়ী ৫০ বছরের অধিকার পাওয়ার পর, নতুন আইনের উপযুক্ত ধারা অনুযায়ী আরও অতিরিক্ত ১০ বছর পেতে পারেন। তাতে কোনই বাধা নেই।
* '''নতুন আইনে পুরনো কপিরাইটের আত্তীকরণ''' — দেশে নতুন রাজা হলে পুরনো রাজার বিদ্যমান প্রজারা স্বতস্ক্রিয়ভাবে নতুন রাজার প্রজা হয়ে যায়। সেইরকম, নতুন কপিরাইট আইন হলে আগে থেকে কপিরাইটে থাকা বইগুলি স্বতস্ক্রিয়ভাবে নতুন আইনের আওতায় চলে আসে, ফলে তাদের কপিরাইটের মেয়াদ কমানো না গেলেও বাড়ানো যায়। এই কারণেই ভারতে রবীন্দ্রসাহিত্যের কপিরাইটের মেয়াদবৃদ্ধি ঘটেছিল।
* '''ব্যবহারিক উদাহরণ''' — এটা সবারই জানা যে বিখ্যাত বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ শেষ হওয়ামাত্রই অন্যান্য প্রকাশকরা সেগুলি ছেপে বাজারে ছাড়তে থাকে। রবীন্দ্রসাহিত্যের বেলাতেও এই ব্যাপার ঘটেছিল। যদি বাংলাদেশে ২০০০ সালের আইনে পুরনো বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ না বেড়ে থাকে, তবে ১৯৫০ ও পরবর্তীতে মৃত লেখকদের বইগুলি এর সুবিধা পায় নি। সেক্ষেত্রে লেখকমৃত্যুর পর ৫০ পেরোনো কিন্তু ৬০-অনুত্তীর্ণ বিভিন্ন বিখ্যাত বই অবশ্যই অন্যান্য প্রকাশকরা বাজারে ছেড়ে থাকবেন। প্রস্তাবকের কাছ থেকে এমন কিছু ব্যবহারিক উদাহরণ আশা করছি, যাতে এই কপিরাইট না বাড়াটা পরিষ্কারভাবে প্রতিপন্ন হয়। — [[ব্যবহারকারী:Hrishikes|হৃষীকেশ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Hrishikes|আলাপ]]) ১২:৪২, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
*:{{ping|Hrishikes}} প্রথমেই উপরোক্ত প্রস্তাবনাসমূহ সময় নিয়ে পড়ার এবং একটি গঠনমূলক সমালোচনার জন্য আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। শিক্ষাগত কারণে উত্তর দিতে দেরি হওয়ায় আমি দুঃখিত।
*:<br>১। '''ভূতাপেক্ষিতা''' — ভূতাপেক্ষিতা কী? ভূতাপেক্ষিতা বলতে সাধারণত যা বুঝায় যে, ধরুন "জনাব 'ক' কাউকে খুন করলো"। কিন্তু তৎকালীন সময়ে আইনানুযায়ী খুন করা অবৈধ ছিলো না। কিন্তু পরে নতুন আইন সৃষ্টির মাধ্যমে খুন করাকে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। যেহেতু খুন করার কার্য, আইন প্রণয়নের আগে সংঘটিত হয়েছিল, তাই জনাব 'ক'কে শাস্তি দেওয়া যাবে না। এখানে "জনাব 'ক' তো বেঁচে আছেন" বলে তাকে আদালতে নেওয়ার সুযোগ নেই।
*:<br>আমি মানছি যে, কপিরাইটের ক্ষেত্রে বিষয়টা একটু জটিল। একটি কর্মের কপিরাইট শুরু হয় তার প্রকাশকাল থেকে। একটি কর্মকে কপিরাইট অফিসে লাইসেন্স রেজিস্টার করা হয়, বা প্রকাশকাল থেকে একটি অটো লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদান করা হয় (রেজিস্টার করা না হলেও)। এই লাইসেন্সটি কপিরাইট মেয়াদ পর্যন্ত বৈধ অথবা লাইসেন্সে বলা আছে যে আপনি "X" বছর অধিকার পাবেন। এখন নতুন আইন এলো। ফলে আইনের পরবর্তী নতুন প্রকাশিত বই বা কর্মসমূহ নতুন আইনের অধীনে নতুন লাইসেন্স নতুন মেয়াদ সময়ের জন্য প্রাপ্ত হবে। কিন্তু পুরাতন কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আপনাকে সময়ে পিছনে যেতে হবে এবং সেই লাইসেন্সকে পরিবর্তন করতে হবে; অথবা বিদ্যমান লাইসেন্সকে আপডেট করতে হবে। এইটাই ভুতাপেক্ষতা। আইন সাধারণত সম্মুখমুখী বা তার সামনের কর্মে affect করে, পিছনের বা বিদ্যমান কর্মকে না। বিদ্যমান মামলা যেমন পুরাতন আইনেই চালাতে হয়।
*:<br>ধরুন বাংলাদেশের সংবিধানে ইন্টারনেট সংযোগ মৌলিক অধিকার বলে স্বীকৃত নয়। কিন্তু পরে সংশোধনী করে একে মৌলিক অধিকার ঘোষণা করা হয়েছে। এখন আপনার যুক্তি অনুসারে, আমি, তাওসীফ হাসান, তো জীবিত আছি। তাহলে কি আমাকে অনেককাল আগে ইন্টারনেট থেকে বঞ্চিত করার জন্য, আমি সরকারের বিরুদ্ধে এখন বর্তমানে মামলা দিতে পারব? কপিরাইটও এক প্রকার অধিকার। কপিরাইট জীবিত থাকে না; বরং তার লাইসেন্স চলমান থাকে। আর লাইসেন্সের পরিবর্তন করতে হলে, সেটি অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। স্পষ্ট উল্লেখ না থাকলে আইন শুধু সামনের কর্মকে affect করে।
*:<br>এখন মূল যুক্তিতে আসি। আমার উত্তরের প্রথমাংশের সব কথাই মোটামুটি অপ্রাসঙ্গিক। আপনি মূল প্রস্তাবনায় উদ্ধৃতিকৃত সকল আইন পড়ে দেখতে পারেন। কোথাও "ভূতাপেক্ষিতা" বা "retroactivity' শব্দটি উচ্চারিত হয়নি। আপনার সমালোচনা মূলত "ভূতাপেক্ষিতা" শব্দটি কেন্দ্র করে। এই শব্দ আইনের কোথাও নেই। বরং আইনে কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। এই শর্তের ভিত্তিতে আমরা আইনকে ভূতাপেক্ষ বলছি। এই উল্টো; "ভূতাপেক্ষিতা" শব্দের ভিত্তিতে আমরা শর্ত প্রতিপাদন করছি না। আইনে কি কি শর্ত আছে? ১০৫(২) বলে পূর্বের মামলা পূর্বের আইনে চলবে। ১০৫(৩) বলে কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ এর অধীন বিবেচিত কপিরাইটহীন অসুরক্ষিত কর্ম নতুন করে সুরক্ষা পাবে না। ১০৫(৪) বলে পূর্ববর্তী কর্ম নতুন অধিকার পাবে না। ১০৫(৫) মেয়াদ বৃদ্ধি আটকায়। ১০৫(৬) পুনঃব্যবহার অনুমতি বহাল রাখে। এই সকল শর্তের ভিত্তিতে আমরা বলছি আইনটি ভুতাপেক্ষ। এর উল্টোটি নয়।
*:<br>আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন যে, এই ধারাসমূহে বলা নেই যে মেয়াদ পার হয়ে যাওয়া পুরাতন কর্ম নতুন করে কপিরাইট পাবে না; কেননা ১০৫(৫) দ্বারা আগেই মেয়াদ বৃদ্ধি আটকানো হয়েছে। মূল প্রস্তাবনার 'অপ্রয়োজনীয়তার বিরুদ্ধে নীতি' (Rule Against Redundancy)-এর কারণেই তা আলাদা করে উল্লেখ করা হয়নি।
<div style="float: right; margin-left: 15px; margin-bottom: 5px; border: 2px solid yellow">
{{show
|1= আন্তর্জাতিক উদাহরণ
|2=আন্তর্জাতিক রীতির দিকে তাকালেও অ-ভূতাপেক্ষতার প্রমাণ মেলে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রের কপিরাইট মেয়াদ বৃদ্ধির আইন, ''Sonny Bono Copyright Term Extension Act ([https://www.copyright.gov/legislation/s505.pdf CTEA 1998]'')-এর 102(b) ধারায় বিদ্যমান কপিরাইটগুলোর মেয়াদও ভূতাপেক্ষভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা ছিল। একইভাবে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কপিরাইট মেয়াদ নির্দেশিকা '''('''[https://eur-lex.europa.eu/legal-content/en/TXT/?uri=CELEX:31993L0098#:~:text=regulating%20moral%20rights.-,Article%2010,-Application%20in%20time Directive 93/98/EEC]''')'''-এর Article 10-এ (Application in time) অত্যন্ত দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলা হয়েছিল যে, এই নির্দেশিকা পাসের দিন যেসব কর্ম কপিরাইট দ্বারা সুরক্ষিত আছে, সেগুলোর মেয়াদ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া, যুক্তরাজ্যের '[https://www.legislation.gov.uk/uksi/1995/3297/contents The Duration of Copyright and Rights in Performances Regulations 1995]-এ যখন মেয়াদ বাড়ানো হয়, তখন এর পার্ট-৩ (Transitional Provisions)-এ '[https://www.legislation.gov.uk/uksi/1995/3297/regulation/17 Extended and revived copyright]' শিরোনামে বিদ্যমান কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল। বাংলাদেশের আইনে বিদ্যমান কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির পক্ষে এমন কোনো স্পষ্ট ঘোষণা বা আইনি ভাষ্য নেই
}}</div>
*:<br>এই বিষয়ে আমি আন্তর্জাতিক উদাহরণ মূল প্রস্তাবনায় টেনেছি। আমি আবার উল্লেখ করছি।
*:<br>এই অংশে আমি বেশ কিছু দাবি করেছেন। যদিও আমি মনে করি দাবিসমূহ আইনের ভিত্তিতে নয়, আপনি চাইলে আপনার দাবির আইনি উৎস ব্যক্ত করতে পারেন।
*:<br>২। '''রবীন্দ্রসাহিত্য ও ভারতীয় আইন''': রবীন্দ্রনাথের কিছু কর্ম ১৮৬৭ সালের আইনের অধীন প্রকাশিত হয়েছে। ১৯১৪ এর আইনের [https://ipindia.gov.in/writereaddata/Portal/Images/pdf/The_Copyright_Act__1914.pdf সর্বশেষ পাতা] অনুযায়ী এটি স্পষ্টত অভূতাপেক্ষি। ১৯১৪-এর আইন নিজেই ১৮৬৭ সালের একটি রেজিস্ট্রেশনের আইনকে সংশোধন করে। যার মাধ্যমে রেজিস্টারকৃত সকল কর্মকে ১৯১৪-এর আইন আত্তীকরণ করে। উল্লেখ্য তৎকালীন যুগে শুধুমাত্র রেজিস্টারকৃত কর্ম কপিরাইট সুরক্ষা পেত। ১৯১৪-এর আইনে নতুন আইনের মতো ভুতাপেক্ষতার কোনো ধারা নেই। ফলে ১৮৪৭ সালের আইনের অধীনের যেসকল কর্ম যা প্রকাশিত হয়েছিল, ১৯১৪-এর আইন তাদের মেয়াদ বৃদ্ধি করে। সব কপিরাইট আইনকেই ভুতাপেক্ষ মনে করা একটি ভ্রান্ত ধারণা। ১৯৫৭ সালের আইনের ১৯৯২ সালের সংশোধন নিয়ে আমি নিচে আলোচনা করছি।
*:<br>৩। '''ভারতীয় ও বাংলাদেশি আইনের তুলনাযোগ্যতা''': বাংলাদেশ ''কপিরাইট আইন, ২০০০'' এবং ভারতীয় ''কপিরাইট আইন, ১৯৫৭'' তুলনাযোগ্য এটা সত্য, কিন্তু এদের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ আলাদা। বাংলাদেশের কপিরাইট সুরক্ষার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে, ''কপিরাইট আইন, ২০০০'' দ্বারা যা সরাসরি পূর্ববর্তী আইনকে রহিত করে। কিন্তু ভারতের কপিরাইট সুরক্ষার মেয়াদের বৃদ্ধি ''কপিরাইট আইন, ১৯৫৭'' দ্বারা করা হয়নি। ভারতে বৃদ্ধি করা হয়েছে ভিন্ন একটা সংশোধনী আইন দ্বারা। ১৯৯২ সালের ১৩ নং আইন - ''কপিরাইট (সংশোধনী) আইন, ১৯৯২'' দ্বারা ভারতের কপিরাইট মেয়াদ মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই আইনটি ''কপিরাইট আইন, ১৯৫৭'' থেকে আলাদা একটি আইন। ১৯৯২ সালের এই আইনের ভুতাপেক্ষিতার ব্যাপারে ধারা আছে। ''কপিরাইট (সংশোধনী) আইন, ১৯৯২''-এর ৩ নং ধারা শুধু পাবলিক ডোমেইনে চলে যাওয়া কর্মকে কপিরাইটেড হওয়া থেকে আটকায়। এই আইনে মেয়াদ বৃদ্ধি আটকানোর ব্যাপারে কিছু লেখা নেই। ফলে কপিরাইট মেয়াদ বৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশের মেয়াদ বৃদ্ধিকারী আইন ''কপিরাইট আইন, ২০০০'' পাবলিক ডোমেইনে চলে যাওয়া কর্মকে কপিরাইটেড হওয়া থেকে আটকানোর পাশাপাশি মেয়াদও আটকানো হয়েছে ১০৫(৫) দ্বারা।
*:<br>আমি আমার প্রস্তাবনায় যুক্তি দিয়েছি যে, ২০২৩-এর আইনের মতো করে স্পষ্ট করে না বলায়, কপিরাইট আইন, ২০০০ তার পূর্ববর্তী কর্মকে আত্তীকরণ করেনি। আমার কাছে সেটাই গ্রহণযোগ্য বেশি। তবে আপনি চাইলে ২০০০-এর আইনের ১০৫(৩) ও ১০৫(৪) এবং ভারতীয় বর্তমান আইনের ৭৯(৩) ও ৭৯(৪) দ্বারা বলার সুযোগ আছে যে এই আইন দুটি পূর্ববর্তী কর্মসমূহকে আংশিক আত্তীকরণ করেছে। যেহেতু ১০৫(৫) দ্বারা সরাসরি মেয়াদ বৃদ্ধি আটকানো হয়েছে, তাই এই নিয়ে আমি বেশি কিছু বলতে চাইনি। কিন্তু ভারতীয় আইনে আপনি চাইলে উক্ত ধারা সমূহকে সতর্কতার নীতিমালার দোহাই দিয়ে বলতে পারেন যে, বর্তমান ভারতীয় আইন তার পূর্ববর্তী কর্মকে আত্তীকরণ করেছে এবং পরবর্তীতে ''কপিরাইট (সংশোধনী) আইন, ১৯৯২'' এর মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে। ভারতীয় মেয়াদ বৃদ্ধিকারী আইনে বাংলাদেশি ১০৫(৫) বা ভারতীয় ৭৯(৫) এর মতো কোনো মেয়াদ আটকানোর ধারা নেই। বাংলাদেশি আইনে যা আছে।
*:<br>আইনের আদালতে আইনের হুবুহু বাক্য এবং পূর্ববর্তী মামলার উদাহরণ ব্যতীত কিছুই প্রামণ্য নয়। আপনার, আমার, আইনজীবীর, সংবাদপত্রের সাংবাদিকের, আইন প্রণেতার, সরকারি কর্মচারীর, কর্মের প্রকাশকের মতামতকে সাধারণত আমলে নেওয়া হয় না ([http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-24.html The Evidence Act, 1872]) এবং উচিতও না (বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার একটি বিশেষ ক্ষেত্র যেখানে এইসকল প্রকাশনাকে আলামত হিসেবে নেওয়া হয়েছিল<sup>[https://www.cambridge.org/core/books/abs/trials-for-international-crimes-in-asia/trials-for-international-crimes-in-bangladesh/995CD8AA54604F855E32F031EF19E2D4]</sup> <small><sub>[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-435/section-12495.html ধারা ১৯(৫) The International Crimes (Tribunals) Act, 1973])</sub></small>। ফলে ভারতীয় আইন প্রণয়নের ব্যাপারে শুধু আইনের মূল পাঠ্য ও আদালতের উদাহরণকে আমলে নিতে হবে। কারো মতামত বা ভিন্ন কোন মাধ্যমের তথ্য আমলে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নেই। সেকারণে আমি আমার প্রস্তাবনায় আইনের আক্ষরিক পাঠ্যের আশ্রয় নিয়েছি শুধু। আরেকটি বিষয় হলো, বিশ্বের বিচারব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সমালোচনা হলো, আদালতে রায় সত্যের পক্ষে যায় না; যায় তার পক্ষে যে সবচেয়ে ভালো যুক্তি উপস্থাপন করতে পেরেছে।
*:<br>সাধারণত কোনো দেশের কপিরাইট মেয়াদ বাড়ানোর জন্য প্রতিটি দেশ আলাদা করে আইন প্রণয়ন করে অথবা আইনে সরাসরি উল্লেখ করা থাকে যে, মেয়াদ বৃদ্ধি পূর্ববর্তী কর্মের উপর লাগু হবে। এই বিষয়ে আমি আগেই আন্তর্জাতিক উদাহরণ দিয়েছি। আমেরিকায় "মেয়াদ বৃদ্ধি" নাম দিয়েই আলাদা আইন পাশ করানো হয়েছে। মেয়াদ বৃদ্ধি একটি সংবেদনশীল, গুরুত্বপূর্ণ এবং delicate বিষয়। তাই প্রতিটি দেশ অনেক বিচার বিবেচনা করে আইন প্রণয়ন করে। একটি আইন সাধারণত কমপক্ষে এক থেকে দেড় বছর খসড়া পর্যায়ে থাকে। সরকার stakeholder-দের সাথে আলোচনা করে, আইনজীবীদের মতামত নেয়, আইন মন্ত্রণালয় শুদ্ধিকরণ করে ইত্যাদি। বাংলাদেশের "মুক্ত সরকারি তথ্য আইন"-এর খসড়া ২০১৫ সাল হতে লেখা হচ্ছে।<sup>[https://objectstorage.ap-dcc-gazipur-1.oraclecloud15.com/n/axvjbnqprylg/b/V2Ministry/o/office-sid/2024/12/bad818b033344c2faa5ad1276e9ad0d9.pdf]</sup> কিন্তু ভারতের তৎকালীন আইন প্রণয়নকারী সংস্থার অধিবেশনের বিতর্ক<sup>[https://obhanmason.com/blog/copyright-in-perpetuity/]</sup> ঘেঁটে বুঝা যায়, মাত্র তিন দিন আগে, আইন প্রণয়নকারী সংস্থা কার্যকর থাকা সত্ত্বেও, অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। এখানে উপরোক্ত আইন প্রণয়নের সাধারণ প্র্যাকটিস মানা হয়নি। ফলে অনেক সমস্যা থেকে গেছে আইনে। এইভাবে ৫০ এর বদলে ৬০ বসিয়ে মেয়াদ বৃদ্ধি করা sloppy কাজ, অনেক খুঁটিনাটি বিষয় বাকি থেকে যায়। মেয়াদ বৃদ্ধির মতো সূক্ষ্ম সংবেদনশীল কাজ আন্তর্জাতিক উদাহরণের মতে আলাদা আইনেই করা হয়। বাংলাদেশের বর্তমান আইনে সরকারের কর্তৃক একটি নির্দিষ্ট কর্মের মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ রাখা হয়েছে ([http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1452/section-52693.html ধারা ৬৭])। আমি যতদূর দেখলাম ভারতে সে ব্যবস্থা নেই। ফলে তাড়াহুড়ো হয়েছে বলে একটি যুক্তি দেওয়া সম্ভব। আমার মতে স্বল্প সময়ে সম্মানিত তৎকালীন ভারতীয় আইন প্রণেতাদের এই সিদ্ধান্তই সবচেয়ে উপযুক্ত ছিল। কিন্তু এই কারণে ভারতের এই মেয়াদ বৃদ্ধি মূল আইনের অনেক কিছুর সাথেই সাংঘর্ষিক। তাই আমার মূল প্রস্তাবনার ভারতীয় আইনে অংশকে তার মাতৃ উৎসের মতোই খানকিটা সাংঘর্ষিক মনে হওয়ার সুযোগ আছে। ফলে উপরোক্ত কারণসমূহের কারণে মেয়াদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে <u>বাংলাদেশেরসহ যেকোনো দেশের কপিরাইট আইনের ব্যাখ্যার নজির টানার ক্ষেত্রে ভারতীয় আইন ব্যবহার না করাই শ্রেয়;</u> কেননা যথাযথ কারণে এই নজির প্রশ্নবিদ্ধ। তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে, এই বিষয়ে ভারতে কোনো মামলা হয়নি কেনো? আমার মতে ভারতে কপিরাইটের সুবিধাভোগীদের লবিং অনেক বেশি। ধরুন কেউ মামলা করলো, ভারত সরকার আইনের সংশোধনী করে একটি ব্যাখ্যা যুক্ত করে দিলো। সংশোধনী করে আইনের Footer এ ব্যাখ্যা যুক্ত করা সাধারণ চর্চা। যেহেতু ৭৯(৫) এর শুরুতেই লেখা আছে ''"এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে"'', তাই সংঘর্ষ সৃষ্টি হবে না এবং মেয়াদ বৃদ্ধি বৈধ থাকবে। এই কারণে মামলা করা সময় ও শ্রমের অপচয় হবে শুধু। বাংলাদেশি আইনের মেয়াদ বৃদ্ধি rigid এবং সুগঠিত। ফলে বাংলাদেশি আলাদত আইনের আক্ষরিক ব্যাখ্যায় থেকে যেতে পারে। যদি আলাদা কোনো রায় না হয়, তাহলে শুধুমাত্র বাংলাদেশি আইনের আক্ষরিক ব্যাখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকাই শ্রেয়।
*:<br>৪। '''রহিতকরণ ধারা ও তার তাৎপর্য''': আমি আগে ভূতাপেক্ষিতা অংশে বলেছি, আইনের নাম, ধারার নাম অথবা ধারার সাধারণ নাম কোনো নীতি নির্ধারণ করতে পারে না। পারে শুধুমাত্র আইনের মূল পাঠ্য। আপনার প্রদত্ত মতামতে আইনের কোনো ধারা উল্লেখ করে তার আক্ষরিক বিশ্লেষণ নেই। বরং আপনার মতামত বাংলাদেশের আইনের ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমাদের আইনের প্রতিটি শব্দের থেকে এক চুলও নড়বার সুযোগ নেই। আমি ১০৫(৫) ধারা শব্দ ধরে ধরে ব্যাখ্যা করেছি। এই ধারার ব্যাখ্যায় আমার কোন যুক্তি কেন ভুল, তা তুলে ধরুন। ধারায় বলা আছে, ''"তাহা অব্যাহত থাকিবে"'' এবং এর ইংরেজি অনুবাদে বলা আছে, ''"shall continue to be entitled to".'' এখানে "অব্যাহত" এবং "continue" এর অর্থ কি কোনো অভিধানে বলা আছে যে, "কর্মের স্রষ্টার অধিকার কমলে নতুন নিয়ম চলবে এবং বেশি থাকলে আগের নিয়ম থাকবে"? কোনো অভিধানে এই ব্যাখ্যা পাবেন না আপনি। আমি মূল প্রস্তাবনায় অভিধানিক অর্ধ দিয়েছি। অব্যাহত এবং continue অর্থ, আগে যা ছিল, তাই থাকবে। এখানে লাভ-ক্ষতির বা কমা-বাড়ার কোনো হিসেব নেই এবং থাকারও সুযোগ নেই। অব্যাহত শব্দ দ্বারা আপনি যদি ভিন্ন কিছু বুঝে থাকেন তাহলে অনুগ্রহ করে তা ব্যক্ত করুন। উল্লেখ্য একটি শব্দ একেকজন একেকভাবে বুঝতে পারে। তাই অভিধানিক ব্যাখ্যা বেছে নেওয়া বেশি শ্রেয়। আবার এই ধারাটি সম্পূর্ণ হুবুহু ঔপনেবেশিক আইনের ইংরেজি বাক্যের অনুবাদ। এর উৎস ইংরেজিতে "continue" শব্দ ব্যাবহার করা হয়েছে, এর অর্থ universally accepted "আগে যা ছিল তা"; এর সাথে বাড়া-কমা বা লাভ-ক্ষতির হিসেব নেই। যদিও ১০৪নং ধারা অনুযায়ী বাংলা সংস্করণ থেকে সিদ্ধান্তে আসা উচিত, ইংরেজি এই উৎস আইনের ইচ্ছা বুঝতে সাহায্য করবে। আইনের বাহিরে গিয়ে আমরা কেউ মনগড়া ব্যাখ্যা দাড়া করাতে পারি না। কোনো ব্যাখ্যা দিতে হলে আইনের ধারার পাঠ্য ধরে শব্দ ধরে আক্ষরিক ব্যাখ্যা দিতে হবে। বস্তুত আপনার ব্যাখ্যা "শর্ত সাপেক্ষে অধিকারের মেয়াদ সংরক্ষণ" যদি আইন করতে চাইতো, তাহলে আইন আলাদা করে তা বলতে পারতো। কিন্তু তা করা হয়নি। অধিকারের ক্ষেত্রে ১০৪(৪) ধারা রয়েছে। এবং ১০৫(৫) দ্বারা মেয়াদ অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। শর্ত প্রয়োগ করলে তা উল্লেখ করে দিতো আইন। ১০৫(৪) সরাসরি ''সুবিধা-অসুবিধা'' (অধিকার স্থানান্তর)-এর কথা বলা আছে। তাই "এই ধারা ''সুবিধা-অসুবিধার'' জন্য না" বলাটা আইনের স্পষ্ট পরিপন্থী।
*:<br>৫। '''নতুন আইনে পুরনো কপিরাইটের আত্তীকরণ''': আপনি বারংবার আইনের পাঠ্য বাদ দিয়ে, আইনের নাম, সাধারণ নাম এবং কনসেপ্ট ধরে ব্যাখ্যা প্রকাশ করছেন। আপনার এই দাবির আইনি ভিত্তি কি? আমি আইনের লেখা ও আদালতের রায় ব্যতীত এক চুলও সরার পক্ষপাতি নই। আগের আইনের কর্ম নতুন আইনে আনতে হলে সেটা স্পষ্ট করে উল্লেখ করতে হবে, যেমনটি করেছে ভারতীয় ''কপিরাইট আইন, ১৯১৪''([https://ipindia.gov.in/writereaddata/Portal/Images/pdf/The_Copyright_Act__1914.pdf সর্বশেষ পাতা]) এবং বাংলাদেশ ''কপিরাইট আইন, ২০২৩'' ([http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1452/section-52753.html ধারা ১২৭])। নতুন আইনের আওতায় কী শর্তে পুরাতন কর্ম এসেছে, সেটাও উল্লেখ করা আছে এই আইন সমূহে।<sup>[http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1452/section-52753.html]</sup> আগের আইনের কী বহাল থাকবে এবং কী থাকবে না তাও বলা আছে। কপিরাইট আইন, ২০০০-ও বলে দিয়েছে আগের কর্মের কী কী হবে। তন্মদ্ধে ১০৫(৫) বলেছে মেয়াদ অক্ষুণ্ণ থাকবে।
*:<br>৬। '''ব্যবহারিক উদাহরণ''': অন্যান্য প্রকাশকরা লাইসেন্স ফির বিনিময়ে বই প্রকাশ করেছে নাকি পাবলিক ডোমেইন বলে বই প্রকাশ করেছে তা প্রমাণ করবেন কিভাবে। আমি লক্ষ লক্ষ বই উদাহরণ দিলাম। কিন্তু আপনার বলার সুযোগ থাকবে, এরা লাইসেন্স করে অর্থের বিনিময়ে পুনঃপ্রকাশ করেছে। আলাদা করে বইয়ের গায়ে লেখা থাকে না এই বিষয়। ব্যবহারিক উদাহরণ আইনের আদালতে কোনো সিধান্ত গ্রহণকারী ফ্যাক্টর হতে পারে না।([http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-details-24.html The Evidence Act, 1872]) কপিরাইট একটি কঠোর ও জটিল আইন। তাই এখানে ''Chilling Effect'' কাজ করতে পারে। Chilling Effect এমন একটি মানসিক বা সামাজিক অবস্থা যেখানে মানুষ আইনি জটিলতা বা কঠোর শাস্তির ভয়ে নিজের ওপর অঘোষিত বিধিনিষেধ আরোপ করে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাতে বর্তমানে এই পরিস্থিতি বিরাজমান।<sup>[https://www.npr.org/2022/03/30/1089462508/teachers-fear-the-chilling-effect-of-floridas-so-called-dont-say-gay-law]</sup> তাই আলদালতে ব্যবহারিক উদাহরণকে আমলে নেওয়া হয় না। আবার, যদি এই ১০ বছর সময়কালে কোন বিখ্যাত বা পুনঃপ্রকাশ যোগ্য কর্ম না থাকে বা প্রকাশকদের অনীহা থাকে তাহলে কি করবেন? তাও আমি উদাহরণ দিচ্ছি। [[:w:সৈয়দ মুজতবা আলী|সৈয়দ মুজতবা আলী]]র মৃত্যু ১৯৭৪ সালে বা ৫২ বছর আগে। তার বিখ্যাত গ্রন্থ [[:w:দেশে বিদেশে|দেশে বিদেশে]]। এই বইটি [https://www.rokomari.com/book/80412/deshe-bideshe বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র], [https://www.prothoma.com/shop/deshe-bideshe-31138 প্রথমা প্রকাশনা], [https://www.rokomari.com/book/25566/desh-bedeshe স্টুডেন্ট ওয়েজ], [https://www.rokomari.com/book/318056/deshe-bideshe নিউ এজ পাবলিশার্স] প্রকাশ করছে বর্তমানে। আমি নিশ্চিত যে আপনি খুঁজলে বা বইয়ের দোকানে গেলে আরও উদাহরণ পাবেন। কিন্তু এরা পাবলিক ডোমেইন বলে মুক্তভাবে প্রকাশ করছে নাকি লাইসেন্স ফির বিনময়ে তা জানার জন্য তাদের সাথে আলাদা আলাদ করে যোগাযোগ করতে হবে। যেহেতু আইনে স্পষ্টভাবে বলা আছে, তাই আলাদা কওরে যোগাযোগের প্রয়োজন নেই বলে মনে করি আমি।
*:<br>আমি আপনার মতামতের প্রতিটি বাক্য ধরে ধরে ব্যাখ্যা করেছি। এরপর মতবিরোধের জায়গা থাকলে আইনের পাঠ্য ধরে করুন এবং আমার যুক্তি কেন অসন্তোষজনক সেটি উল্লেখ করে আইনি ভিত্তিতে প্রতিযুক্তি দিন। ধন্যবাদ।
*:[[ব্যবহারকারী:Tausheef Hassan|Tausheef Hassan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tausheef Hassan|আলাপ]]) ০৭:০৩, ৩০ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
::আপনার যা বক্তব্য, “আইনের আদালতে আইনের হুবুহু বাক্য এবং পূর্ববর্তী মামলার উদাহরণ ব্যতীত কোনো কিছুর মূল্য নেই।”; এটা একটা ইজ্ম, যাকে বলে textualism. আইনের দুটো দিক, letter of law এবং spirit of law. শুধু letter of law আইনের সব কথা নয়, শেষ কথাও নয়। মার্কিন সংবিধানের ব্যাখ্যা নিয়ে লেটার-বাদী আর স্পিরিট-বাদীদের মধ্যে বিতর্ক আছে, তা ইংরেজি উইকিপিডিয়ায় পাবেন। তবে আমার পক্ষে ভারতীয় উদাহরণ দেওয়া সহজ। Spirit of law অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া ভাষ্য অনুযায়ী ভারতীয় সংবিধানের একটা spirit তথা basic tenets আছে, সংসদ এর বাইরে গিয়ে আইন বানালে সুপ্রিম কোর্ট তা নাকচ করে দিতে পারে। ভারতে Public Interest Litigation নামে একটা সিস্টেম আছে, সেটা সংসদে পাশ হওয়া কোন আইন থেকে আসে নি, বরং সুপ্রিম কোর্টের spirit of law বিষয়ক ভাষ্য থেকে এসেছে। সমলিঙ্গ সম্পর্কের ওপর “বেআইনি” তকমা (৩৭৭ IPC) আদালতের spirit of law ব্যাখ্যায় সরে গিয়েছিল। সেই কারণে আইনের হুবহু পাঠই শেষ কথা নয়, আইনের সাধারণ প্রবণতা, পরম্পরা, আইনের কোন্ অধ্যায়ে ধারা বা উপধারাটা আছে, ধারার হেডিং কি, এসবও গুরুত্বপূর্ণ।
* ভূতাপেক্ষ শব্দটা আলোচনায় আমি আমদানি করিনি, আপনার বক্তব্য থেকেই শব্দটা নেওয়া। এটা যে ব্যাখ্যামূলক শব্দ, এবং সরাসরি আইনে থাকে না, সেটাও আমার জানা আছে। কপিরাইটের জীবিত থাকার ব্যাপারটা যে biological অর্থে বলা হয় নি, সেটা বুঝতে সাধারণ কাণ্ডজ্ঞানই যথেষ্ট। যেসব আন্তর্জাতিক উদাহরণ আপনি দিয়েছেন, তার সবেতেই নতুন আইনে মেয়াদ বাড়লে কপিরাইটভুক্ত পুরনো বইগুলোরও মেয়াদ বেড়েছে। ঐসব আইনের বাচনভঙ্গি পুরনো ব্রিটিশ লেগ্যাসিভুক্ত উপমহাদেশীয় আইনগুলির বাচনভঙ্গি থেকে আলাদা হতেই পারে, কিন্তু ধারণাটা একই, যে, নতুন আইনে কপিরাইটভুক্ত পুরনো বইয়ের মেয়াদবৃদ্ধি ঘটে থাকে।
* আপনার বক্তব্য অনুযায়ী ১০৫(৫) দ্বারা সরাসরি মেয়াদ বৃদ্ধি আটকানো হয়েছে। আমার কাছে এমন কিছু প্রতিভাত হয় নি। অব্যাহত শব্দের অর্থ আপনি ভুল বুঝেছেন। অভিধান খুললে দেখবেন, ব্যাহত মানে বাধাপ্রাপ্ত। কোন কিছুর প্রবাহ আটকে দিলে তা ব্যাহত বা বাধাপ্রাপ্ত হয়। প্রবহমানতা বাড়িয়ে দিলে ব্যাহত হওয়ার কোন ব্যাপারই নেই। কাজেই ১০৫(৫)-এ শুধু মেয়াদ-হ্রাসই আটকানো হয়েছে, মেয়াদ-বৃদ্ধি নয় (এ-ব্যাপারটা নিচে বিশদে দেখাচ্ছি)।
* ভারতের আইনকে sloppy বলাটা শিষ্টাচার-বিরুদ্ধ হয়েছে। “আইন প্রণয়নকারী সংস্থা কার্যকর থাকা সত্ত্বেও, অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।” — এটা অজ্ঞতা-প্রসূত মন্তব্য। ভারতের এই সাময়িক অধ্যাদেশগুলি সংসদের অধিবেশন চলাকালীন জারি করা যায় না। সংসদ যখন অধিবেশনে থাকে না, তখন আইন প্রণয়ণ করার আপৎকালীন প্রয়োজন অনুভূত হলে অধ্যাদেশ জারি হয়। কিন্তু অধ্যাদেশ সাময়িক হওয়ায় এর সময়সীমার মধ্যে সংসদীয় আইন দিয়ে অধ্যাদেশ জারির দিন থেকে তা আত্তীকরণ করতে হয়, নইলে তা তামাদি হয়ে যায়। আপনি একটা ব্লগ থেকে সংসদীয় বিতর্কের যে আংশিক রূপ পেয়েছেন (সম্পূর্ণটা অফিসিয়াল সাইটে আছে) তা অধ্যাদেশ নিয়ে নয়, বরং পরবর্তী প্রতিস্থাপক আইন নিয়ে। সেটা সাংসদদের রাজনৈতিক বিতর্ক (সংসদে যেটা হয়ে থাকে), আইনের টেকনিক্যাল খুঁটিনাটি নিয়ে নয়। সেই আইনটা তার সংশোধন কার্য সম্পন্ন করার পর Repealing and Amending Act, 2001 দ্বারা রহিত হয়ে গেছে। যাই হোক, আইনটা জারি হয়েছে ১৯৯২-এর এপ্রিলে, কাজেই বিষয়বস্তু পর্যালোচনার জন্য আইন মন্ত্রকের বিশেষজ্ঞদের কাছে সময় ছিল। আপনার ভিন্নমত সত্ত্বেও, ১৯৫৭-র আইন সংশোধন করে যে পুরনো আইনের অধীনে প্রকাশিত কিন্তু তখনও কপিরাইটে থাকা বইয়ের মেয়াদ বাড়ানো সম্ভব, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ আইনবিদদের মনে সন্দেহ ছিল না বলেই বিল বানিয়ে সংসদে পাঠানো হয়েছিল, নইলে অধ্যাদেশটাকে তামাদি হতে দেওয়া হত। কাজেই এটা কোন sloppy কাজ নয়।
* বাংলাদেশের ২০২৩-এর আইন কিছুটা অন্য পথে গেছে ঠিকই, কিন্তু ২০০০-এর আইনটা গতানুগতিকতার মধ্যেই আছে। ভারতের ১৯৫৭-র আইন ও বাংলাদেশের ২০০০-এর আইন — এদুটোকে পাশাপাশি রেখে পড়লে স্বতই মনে হয় একটার অনুপ্রেরণায় অন্যটা রচিত (আসলেই কপি করা হয়েছে সেকথা বলছি না)। যেটাকে উইকিতে আমরা Edict-Gov বলি, অর্থাৎ ভারতীয় আইনের ধারা ৫২ আর বাংলাদেশের ধারা ৭২, এদুটো পাশাপাশি রাখলেই মিলটা বোঝা যাবে। সেজন্যেই ভারতীয় আইনকে sloppy বলে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশি আইনের ব্যাখ্যা মার্কিন আর ইউরোপীয় আইন দেখিয়ে করা যায় না।
* এবার আপনার “আইনের ধারার পাঠ্য ধরে শব্দ ধরে আক্ষরিক ব্যাখ্যা দিতে হবে” এই textualist দাবির বিষয়ে দেখছি।
** বাংলাদেশের ১০৫(৪) অনুসারে আগের বইগুলোর কপিরাইটের অধিকার নতুন আইন চালু হওয়ার পর থেকে নতুন আইনের ধারা ১৪ অনুসারে প্রযুক্ত হবে, এমনকি নতুন আইনে নতুন অধিকার থাকলে সেগুলিও পুরনো বইতে বর্তাবে। এতদ্বারা পুরনো বইগুলো নতুন আইনের আওতায় এসেছে। তবে এতে মেয়াদ সম্পর্কে কিছু বলা নেই।
** ১০৫(৩) অনুসারে নতুন আইন আগের আইনের অধীনে প্রকাশিত বিগত-কপিরাইট বইয়ের কপিরাইট পুনরুদ্ধার করবে না। বিগত-কপিরাইট বইয়ের জন্য এই exclusion principle থাকায় কপিরাইটভুক্ত বইগুলি স্বতই অন্তর্ভুক্ত হয়।
** ধারা ১৩ অনুসারে কপিরাইট শুধু নতুন আইন অনুসারেই চলতে পারবে। অর্থাৎ রহিত আইন অনুসারে কপিরাইট চলতে পারবে না (বলা বাহুল্য, আগে যা অধিকার দেওয়া হয়ে গেছে, সেটার কাটছাঁট না করে, তথা “অব্যাহত” রেখে)।
** কপিরাইট নতুন আইন অনুযায়ী চলতে হলে ধারা ২৪ অনুযায়ী মরণোত্তর ৬০ বছরের বিধানও লাগু হবে। এই ধারায় আগের বইগুলোর জন্য কোন exclusion principle দেওয়া নেই, ফলে এটা generic ভাবে সর্বত্র প্রযোজ্য।
** এবার General Clauses Act, যাকে পাশ কাটিয়ে উপমহাদেশে কোন আইন রচনা করা যায় না।
*** প্রথমে ৬ নম্বর ধারা দেখা যাক, যার বক্তব্য ২০০০-এর আইনের ১০৫ ধারায় বিধৃত। ১০৫(৩) এসেছে GC আইনের 6(a) থেকে। ১০৫-এর (২) এবং (৫) আগেকার অধিকার ও দায় (rights and liabilities) সম্পর্কিত, যা এসেছে GC আইনের 6(c) থেকে। ক্রিয়াপদ হিসাবে ১০৫(২)-তে আছে “খর্ব বা ক্ষুণ্ণ করিবে না” (nothing in this section shall diminish or prejudice) এবং ১০৫(৫)-এ আছে “অব্যাহত থাকিবে” (shall continue to be entitled to)। GC আইনের 6(b) থেকে 6(e)-তে একটাই ক্রিয়াপদ: to affect. আভিধানিক অর্থে বাড়ানো বা কমানো দুটোতেই affect হয়। কিন্তু এটা উনিশ শতকের শেষদিকের আইন। সেযুগে আইনের পরিভাষায় affect বলতে কি বোঝাত? ১৯১০ সালে প্রকাশিত [[:en:Page:Black's Law Dictionary (Second Edition).djvu/54|ব্ল্যাকের আইন অভিধান]] অনুসারে “This word is often used in the sense of acting injuriously upon persons and things.” অর্থাৎ সেযুগের আইনি ব্যবহারে affect দিয়ে কমানো বোঝায়, বাড়ানো নয়। সেজন্যেই ১০৫ ধারায় “খর্ব বা ক্ষুণ্ণ করিবে না” লিখেছে। “অব্যাহত থাকিবে”-কেও এভাবেই বুঝতে হবে, কারণ GC আইনে দুটোই affect.
*** এবার অন্য ধারা দেখা যাক। ধারা ২৪ অনুসারে এক আইন রহিত হয়ে একই বিষয়ে পরিবর্তনসহ বা অপরিবর্তিত ভাবে নতুন আইন হলে, পুরনো আইনের অধীনে জারি করা ব্যবস্থাগুলি চলতে থাকবে, যদি না তা নতুন আইনের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ (inconsistent) হয়, এবং ধরে নেওয়া হবে যে নতুন আইন অনুসারে এই ব্যবস্থাগুলি চলছে; এবং পরে নতুন আইনের কোন ব্যবস্থা পরিবর্তিত (superseded) হলে পুরনো ব্যবস্থাগুলিও পরিবর্তিত হবে।
*** GC আইনের ৬ ও ২৪ নং ধারা থেকে এই ব্যাখ্যাই দাঁড়ায় যে কপিরাইটের মেয়াদ সংক্রান্ত আগের আইনের ব্যবস্থা পুরনো বইয়ের জন্য নতুন আইন অনুসারে চলতে থাকবে কিন্তু সময়টা নতুন আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য ৫০-এর জায়গায় ৬০ বছর হবে।
* ব্যবহারিক উদাহরণ বিষয়ে লক্ষ লক্ষ উদাহরণের নামে আপনি দিয়েছেন শুধু ভারতীয় বইয়ের উদাহরণ (''দেশে বিদেশে'' ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে প্রথম প্রকাশিত)। বড় বড় প্রকাশকদের আইনি টিম থাকে, ফলে তারা আইনি পরামর্শ সহজেই পেতে পারে, chilling effect-এর কোন সম্ভাবনাই নেই। মূল কোম্পানি বইয়ের প্রকাশ ও বিক্রি চালাতে থাকলে একই দেশে অন্য কোম্পানিকে লাইসেন্স দেয় না, দিলেও একসঙ্গে অনেক কোম্পানিকে দেয় না। License fee, chilling effect, বিখ্যাত বই না থাকা, এসব শুধুই অযুক্তি। পুরনো বইয়ের কপিরাইটের মেয়াদ যে বাড়ে নি, সেটা বাংলাদেশের প্রকাশকরা বুঝতে পারল না, আর আপনি শুধু একাই বুঝতে পারলেন? আর এটা আদালত নয়, একটা আলোচনাসভা। এখানে এভিডেন্স অ্যাক্ট দেখিয়ে ব্যবহারিক উদাহরণকে পাশ কাটানো যায় না।
* যাক, প্রকাশকরা না হয় নাই বুঝল, বাংলাদেশের বিদ্বজ্জনরাও কি বোঝে নি? বাংলাপিডিয়া একটা সরকারি প্রকাশনা। সেখানে [https://en.banglapedia.org/index.php?title=Copyright কপিরাইট] নিবন্ধে লিখেছে “In the Bangladesh Copyright Act 2000, the period has been fixed at 60 years.” কপিরাইটের দুরকম ব্যবস্থা থাকলে এখানে লিখল না কেন? এছাড়া [https://www.universepg.com/public/img/storage/journal-pdf/Sketch%20of%20the%20copyright%20act,%202000%20in%20Bangladesh%20enforcement,%20impediments%20and%20solutions.pdf এই নিবন্ধটা] দেখুন। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়-স্তরের আইনবিদদের লেখা, ২০০০-এর আইনের ওপরে। এখানেও ৬০ বছর দিয়েছে, পুরনো বইয়ের জন্য আলাদা ব্যবস্থার কথা কিছু লেখেনি। এরকম আরও কিছু লেখা পড়লাম, কোথাও দুরকম ব্যবস্থার কথা (৬০ ও ৫০) লেখা নেই। বাংলাদেশের ৬০-অনুত্তীর্ণ পুরনো বইয়ের সংখ্যা এখনও বিশাল। সেইসব বইয়ের আলাদা কপিরাইট মেয়াদের কথা কেউ কিছু লিখছে না কেন? কেউ কি এটা জানে না?
সব দেখেশুনে আমি যা বুঝলাম, এই দুরকম কপিরাইট-মেয়াদের ব্যবস্থা শুধু আপনার কল্পনাতেই আছে, আর কোথাও নেই। উইকিমিডিয়া প্রকল্পগুলিতে বক্তব্য-প্রতিষ্ঠার জন্য secondary ও tertiary source-এর কদর আছে, কিন্তু আইনগুলি সবই primary source. কাজেই আপনার বক্তব্যটাকে অরিজিন্যাল রিসার্চের পর্যায়ে ফেলা যেতে পারে। আমি একজন সাধারণ বুদ্ধিসম্পন্ন সাধারণ সম্পাদক, কোন আইনজ্ঞ নই। কিন্তু এটুকু বলতে পারি যে অরিজিন্যাল রিসার্চের উপর ভিত্তি করে (যেটা আদৌ আমার কাছে convincing মনে হয়নি) কপিরাইটের মত জটিল বিষয়ে উইকিসংকলনে এত বড় একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে না। আপনি আপনার এই রিসার্চ কোন প্রতিষ্ঠিত আইনের জার্নালে প্রকাশ করতে পারেন। তারপর peer review-তে যদি দেখা যায় যে প্রতিষ্ঠিত আইন-বিশারদরা আপনার বক্তব্যকে সমর্থন করছেন, তখন আপনার নিবন্ধকে রেফারেন্স হিসেবে দেখিয়ে উইকিসংকলনে পরবর্তী পদক্ষেপ করা যেতে পারে।
আমাদের বিতর্ক অনেক হলো, এবার দেখা যাক, অন্য সম্পাদকরা কি বলেন। [[ব্যবহারকারী:Hrishikes|হৃষীকেশ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Hrishikes|আলাপ]]) ১৩:২৯, ৩০ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
:ব্যস্ততার জন্য শুধুমাত্র কিছু পয়েন্ট উল্লেখ করছি
:১। "অব্যাহত" এর সাথে এর সময়কালও বলা আছে "তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতেন", অর্থাৎ এইখানে সময়কাল দেওয়া আছে, যে পূর্বের সময়কাল বজায় থাকবে। আইনসভা যখন পরিষ্কার করে বলছে ‘আইন পাস না হলে যা হতো, তা-ই থাকবে’, তখন তারা মূলত একটি Time-lock বা মেয়াদের সীমা টেনে দিয়েছে।
:২। কপিরাইট কোনো ‘প্রাকৃতিক অধিকার’ বা ‘সংবিধানের মৌলিক কাঠামো’র অংশ নয়। এটি একটি Statutory Right বা আইন দ্বারা সৃষ্ট অধিকার। বিধিবদ্ধ আইনের ক্ষেত্রে বিচারিক ব্যাখ্যা তখনই ‘Spirit’ খোঁজে, যখন আইনের ভাষা অস্পষ্ট থাকে। বাংলাদেশের ২০০০ সালের আইনের ১০৫(৫) ধারার ভাষা অত্যন্ত গাণিতিক এবং স্বচ্ছ। যেখানে ভাষা স্পষ্ট, সেখানে ‘Spirit’-এর দোহাই দিয়ে অতিরিক্ত ১০ বছর যোগ করা আইনসভার ক্ষমতার ওপর হস্তক্ষেপের শামিল।
:৩। GCA-এর ২৪ নম্বর ধারা প্রযোজ্য হয় তখন, যখন নতুন আইন পুরোনো আইনের কোনো প্রবিধান বা আদেশ সম্পর্কে নীরব থাকে। কিন্তু বাংলাদেশের ২০০০ সালের আইনের ১০৫(৫) ধারাটি একটি Explicit Saving Clause। GCA-এর ৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী, যখন কোনো আইন রহিত হয়, তখন নতুন আইনে ‘ভিন্নরূপ উদ্দেশ্য’ (Different intention) না থাকলে পুরোনো মেয়াদের কাঠামোই বজায় থাকে। ১০৫(৫) ধারাটিই হলো সেই ‘ভিন্নরূপ উদ্দেশ্য’ যা নিশ্চিত করেছে যে পুরোনো কর্মগুলো নতুন আইনের ‘৬০ বছর’ মেয়াদের ছাঁচে পড়বে না।
:৪। একাডেমিক নিবন্ধ বা এনসাইক্লোপিডিয়া সাধারণত আইনের মূল সুর (General Rule) নিয়ে আলোচনা করে, তারা প্রতিটি আইনের Transitional Provisions বা ‘সংক্রমণকালীন বিধান’ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে না। ল জার্নালের সাধারণ আলোচনা কখনোই আইনের বিধিবদ্ধ ধারাকে বাতিল করতে পারে না। নীরবতা মানেই এই নয় যে আইনটি পরিবর্তিত হয়ে গেছে।
:৫। আইনের কোনো ধারা নিয়ে যদি দুটি ব্যাখ্যার সুযোগ থাকে, তবে আদালত সবসময় কোন ব্যাখ্যাটি বেছে নেবে? যা জনসাধারণের তথ্য পাওয়ার অধিকারকে (Public Access) প্রসারিত করে নাকি স্রষ্টার একচেটিয়া অধিকার। ১০৫(৫) ধারা যেহেতু পুরোনো মেয়াদের (৫০ বছর) দিকে সরাসরি নির্দেশ করছে, তাই একে টেনে বড় করার কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা বা যৌক্তিকতা নেই।
:৬। বাংলাদেশে কপিরাইট লঙ্ঘনের হাজারো মামলা কেন হচ্ছে না? কারণ কপিরাইট এনফোর্সমেন্ট এমনিতেই দুর্বল। এই দুর্বলতাকে আইনের ‘বৈধতা’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়া যায় না। আবার এই ১০ বছরের সময়কালের বাংলাদেশে প্রথম প্রকাশ বই খোঁজা কষ্টকর।
:৭। ভারতীয় মেয়াদ "সংশোধনী" আইন দ্বারা বেড়েছে। এই আলাদা আইনটি খুলে দেখতে পারেন। সেখানে ভুতাপেক্ষিতার যে ধারা আছে সেখানে মেয়াদের ধারাটি নেই।
:৮।আবার ১০৫(৫)কে যদি আপনি না মানেন তাহলে ১৯৯০-২০০০ যে বই পাবলিক ডোমেইনে ঢুকেছে, সেটা আবার ফেরত আসার কথা।
:আমার বাসা থেকে কপিরাইট অফিস দূরে নয়। এই মাসের মঝামাঝি সময়ে আবার যাবো। তবে তাদের থেকে লিখিত কিছু আশা করা বৃথা। [[ব্যবহারকারী:Tausheef Hassan|Tausheef Hassan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tausheef Hassan|আলাপ]]) ১৭:১০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::আপনার যুক্তিগুলো বেশিটাই অযুক্তি। কপিরাইট আইন আপনি বুঝতে পারেন নি, কারণ আপনি এই আইনের উদ্দেশ্যটাই জানেন না। কপিরাইট আইন ''জনসাধারণের তথ্য পাওয়ার অধিকার''-এর জন্য তৈরি হয় না, কপিরাইট-হোল্ডারদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং কপিরাইট-ভঙ্গকারীদের শাস্তির ব্যবস্থা করাই এই আইনগুলির লক্ষ্য। বাংলাদেশের কপিরাইট আইন নিয়ে লেখা [https://www.universepg.com/public/img/storage/journal-pdf/Sketch%20of%20the%20copyright%20act,%202000%20in%20Bangladesh%20enforcement,%20impediments%20and%20solutions.pdf এই নিবন্ধে] Objectives of the Copyright Law অনুচ্ছেদ লক্ষ্য করুন: The motive of this law is to save the proprietor of the work from an unlawful reproduction or exploitation of his work by others. অর্থাৎ এখানে জনসাধারণের অধিকারের কোন গল্পই নেই। বরং জনসাধারণকে কিভাবে অধিকার না দেওয়া যায় এবং দিলেও কিভাবে তাতে যতটা সম্ভব দেরি করা যায় সেটা দেখাই কপিরাইট আইনের লক্ষ্য। সেজন্যই সারা পৃথিবী জুড়ে দিন কে দিন কপিরাইটের মেয়াদ বেড়েই চলেছে। বার্ন কনভেনশনে মরণোত্তর অন্তত ৫০ বছরের ব্যবস্থা থাকলেও সদস্য দেশগুলি যে যতটা পারে বাড়িয়ে নিয়েছে। আমেরিকা করেছে ৭০ বছর, মেক্সিকো ১০০ বছর। WTO-র চুক্তির দরুণ যেসব দেশ বিদেশি বইয়ের কপিরাইট মানত না, তাদেরকেও মানতে হচ্ছে। বাংলাদেশ তো আরও এককাঠি ওপরে। সচরাচর অধিকাংশ দেশই সরকারি কর্মের ওপর কিছু না কিছু Edict-Gov provisions দিয়ে থাকে, কিন্তু বাংলাদেশ সেটাও তুলে নিয়েছে তাদের ২০২৩-এর আইনে।
* এই কারণেই কপিরাইট আইনের ব্যাখ্যা এমন ভাবে করতে হয় যাতে তা কপিরাইট-হোল্ডারদের পক্ষে যায়। তা না করলেই সেই ব্যাখ্যা ভুল পথে যাবে।
* ''বিধিবদ্ধ আইনের ক্ষেত্রে বিচারিক ব্যাখ্যা তখনই ‘Spirit’ খোঁজে, যখন আইনের ভাষা অস্পষ্ট থাকে।'' — এটাও ভুল কথা। এজন্যেই আপনাকে ওপরে ভারতের 377 IPC-র উদাহরণ দিয়েছি, যা ভারতের সুপ্রিম কোর্ট নাকচ করে দিয়েছে।
* ''GCA-এর ২৪ নম্বর ধারা প্রযোজ্য হয় তখন, যখন নতুন আইন পুরোনো আইনের কোনো প্রবিধান বা আদেশ সম্পর্কে নীরব থাকে।'' — এটাও ভুল কথা। কারণ ঐ ধারায় “unless it is otherwise expressly provided” — এই বাক্যবন্ধ আছে। ফলে শুধু নীরব থাকলে হবে না, বরং উল্টো কথা বলতে হবে।
* ১০৫(৫) ধারা কোন ''ভিন্নরূপ উদ্দেশ্য'' নয়, তার উদ্দেশ্য কপিরাইটভোগীর “অধিকার বা অধিকারের অন্তর্গত কোন স্বার্থের” বিষয়ে; ফলে এটা GCA 6(c)-এর “the repeal shall not affect any right, privilege,”-এর আওতায় পড়ে। বরং এই উপধারায় উক্ত “এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে” বক্তব্য অনুযায়ী ভিন্নরূপ বিধান আছে, তা হলো নতুন আইনের ধারা ২৪।
* ভারতীয় সংশোধনীী আইন অন্য আইনকে রহিত করেনি, কাজেই তাতে রহিতকরণ ধারা কারণ ছাড়া কেন থাকবে? শুধু মূল আইন চালু হওয়ার পর বিগত-কপিরাইট বইয়ের কপিরাইট ফেরত না আসার উপধারাটা দরকার ছিল, তাই আছে। বাকি ব্যবস্থা তো মূল আইনেই আছে।
* ভারতের ১৯৫৭ আর বাংলাদেশের ২০০০-এর আইনে যে ছত্রে ছত্রে মিল, তা পাশাপাশি পড়লেই বোঝা যায়। কাজেই সম্পূর্ণ একরকম ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও ভারতে কপিরাইটের মেয়াদ বাড়তে পারলে বাংলাদেশে না বাড়ার কোন কারণই নেই। এর ব্যাখ্যায় ভারতের ব্যবস্থাকে sloppy বলা আর সংশোধনী আইনে রহিতকরণ ধারা নেই বলে কপিরাইট বেড়েছে বলা অযুক্তি আর কুযুক্তি ছাড়া কিছু নয়।
* ''ল জার্নালের সাধারণ আলোচনা কখনোই আইনের বিধিবদ্ধ ধারাকে বাতিল করতে পারে না।'' — এটাও কুযুক্তি, কারণ আপনি প্রমাণই তো করতে পারেননি যে আপনার বক্তব্যটা বিধিবদ্ধ।
* এখন এই বিতর্কের যা পরিস্থিতি, আপনার একার বক্তব্যে আর এই প্রস্তাব দাঁড়াবে না। কাজেই এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের সমর্থন লাগবে, প্রকাশিত বই বা জার্নাল থেকে। আপনি যদি এই অবস্থান নেন যে বিশেষজ্ঞরা এ-জাতীয় ''চুলচেরা বিশ্লেষণ করে না'', তাহলে তো প্রস্তাবের সেখানেই ইতি।
[[ব্যবহারকারী:Hrishikes|হৃষীকেশ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Hrishikes|আলাপ]]) ১২:০৯, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== বাংলার প্রেমে উইকি ২০২৬ শুরু হয়েছে, এখনই অংশ নিন! ==
<div style="padding:15px; font-size:120%; line-height:1.6; margin:10px 0; border:2px solid #c90023; background-color:#FFFFFF; border-radius:8px;">
সুধী,
[[File:বাংলার প্রেমে উইকি লোগো.svg|right|100px|frameless|link=Commons:Wiki Loves Bangla 2025]]
আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে [[c:Commons:Wiki Loves Bangla 2026|বাংলার প্রেমে উইকি ২০২৬]] শুরু হয়েছে! এ বছরের প্রতিযোগিতার বিষয় '''বাংলার উৎসব''', যেখানে অংশগ্রহণকারীদের বাংলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসবের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে শেয়ার করার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।
'''[[c:Commons:Wiki Loves Bangla|বাংলার প্রেমে উইকি]]''' হলো উইকিমিডিয়া কমন্সে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা, যার লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নথিভুক্ত করা। এটি [[meta:Bangla Culture and Heritage Collation Program|বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ কর্মসূচীর]] অংশ হিসেবে প্রতি বছর নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত হয়।
'''আপনি কিভাবে অংশ নেবেন''', প্রক্রিয়াটি সহজ—আপনার প্রতিটি অবদান বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুক্ত জ্ঞানভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করবে:
[[File:পাতি মাছরাঙ্গা (Alcedo atthis), জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান ঢাকা.jpg|thumb|right|250px|link=Commons:Wiki Loves Bangla 2025|বাংলার প্রেমে উইকি ২০২৫-এর বিজয়ী ছবি]]
* '''ছবি তুলুন''': বাংলার উৎসবের ছবি তুলুন বা ভিডিও ধারণ করুন।
* '''আপলোড করুন''': আপনার ফাইলগুলো '''১৪ এপ্রিল থেকে ১৫ মে ২০২৬''' তারিখের মধ্যে উইকিমিডিয়া কমন্সে আপলোড করুন।
* '''জিতুন''': মোট '''১,১০০ মার্কিন ডলার''' পুরস্কার।
শুরু করতে প্রস্তুত? [https://commons.wikimedia.org/w/index.php?title=Special:UploadWizard&uselang=bn&campaign=Wlbangla এখানে ক্লিক করে আপনার মিডিয়া আপলোড করুন], অথবা বিস্তারিত জানতে [[c:Commons:Wiki Loves Bangla 2026|প্রতিযোগিতার মূল পাতা]] দেখুন।
আপনার অবদান বাংলার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিশ্বব্যাপী সংরক্ষণ ও উপস্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাদের ইমেইল করুন অথবা আমাদের [https://t.me/WikiLovesBangla টেলিগ্রাম গ্রুপে] যুক্ত হোন।
শুভেচ্ছান্তে,<br>
'''বাংলার প্রেমে উইকি দল'''<br>
<nowiki>#WikiLovesBangla</nowiki><br>
</div> [[User:Moheen Reeyad|<span style="text-shadow:#8b9dc3 3px 3px 2px;"><font color="#3b5998">~ <b>মহীন</b></font></span>]] [[User Talk:Moheen Reeyad|<span style="text-shadow:gray 3px 3px 2px;"><sup>(আলাপ)</sup></span>]] ২০:১৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Request for comment (global AI policy) ==
<bdi lang="en" dir="ltr" class="mw-content-ltr">
Apologies for writing in English. {{int:Please-translate}}
A [[:m:Requests for comment/Artificial intelligence policy|request for comment]] is currently being held to decide on a global AI policy. {{int:Feedback-thanks-title}}
[[ব্যবহারকারী:MediaWiki message delivery|MediaWiki message delivery]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MediaWiki message delivery|আলাপ]]) ০০:৫৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
</bdi>
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Distribution_list/Global_message_delivery&oldid=30424282-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Codename Noreste@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== [স্বেচ্ছাসেবক আহ্বান] বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬-এর আয়োজক দলে যোগ দিন! ==
সুপ্রিয় উইকিমিডিয়ান ও শুভানুধ্যায়ী,
আশা করি ভালো আছেন।
আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, আমরা আমাদের আসন্ন '''‘বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬’''' সফলভাবে আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছি। উইকিমিডিয়া আন্দোলনের এই বৃহত্তর আয়োজনকে সফল করতে আমরা একদল উৎসাহী এবং নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবক খুঁজছি।
আপনি যদি এই সম্মেলনের নেপথ্যে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে আগ্রহী হন, তবে আমরা আপনাকে নিচের যেকোনো একটি দলে যুক্ত হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি:
=== আমরা মূলত তিনটি দলের জন্য স্বেচ্ছাসেবক খুঁজছি: ===
# '''অনুষ্ঠান বিন্যাস দল:''' সেশন পরিকল্পনা, স্পিকারদের সাথে সমন্বয় এবং ইভেন্টের সার্বিক এজেন্ডা ব্যবস্থাপনা।
# '''কার্য পরিচালন দল:''' লজিস্টিকস, ভেন্যু ব্যবস্থাপনা, রেজিস্ট্রেশন এবং অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনা।
# '''বৃত্তি পর্যালোচনা দল:''' অংশগ্রহণকারীদের বৃত্তির আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই ও মূল্যায়ন।
=== আবেদন করবেন যেভাবে: ===
আপনি যদি এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকেন, তবে অনুগ্রহ করে আগামী '''২০ মে ২০২৬''' তারিখের মধ্যে নিচের লিঙ্কে গিয়ে আবেদন ফর্মটি পূরণ করুন: '''https://docs.google.com/forms/u/5/d/e/1FAIpQLSdlX3Bm-A2zyBDFbeawk5rSjYuGCGjdOcsSBeP_pd03BWZkJA/viewform?usp=send_form'''
আপনার শ্রম ও মেধা বাংলা উইকিসম্মেলনকে আরও প্রাণবন্ত ও সফল করে তুলবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
আয়োজক দলের পক্ষে, [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil|আলাপ]]) ০৬:২৬, ১১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== ২০২৬ সালের ইউ৪সি নির্বাচনে এখনই ভোট দিন ==
<section begin="announcement-content" />
যোগ্য ভোটারদের ২০২৬ সালের [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee|সর্বজনীন আচরণবিধি সমন্বয় কমিটির]] নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। যোগ্যতা যাচাই, ভোটদান প্রক্রিয়া, প্রার্থীদের তথ্য এবং ভোটদানের লিঙ্কসহ আরও তথ্য মেটার [[m:Special:MyLanguage/Universal_Code_of_Conduct/Coordinating_Committee/Election/2026|২০২৬ সালের নির্বাচনী তথ্যপাতায়]] পাওয়া যাবে। ভোটগ্রহণ ২০২৬ সালের ২ জুন [https://zonestamp.toolforge.org/1780358400 ০০:০০ ইউটিসিতে] শেষ হবে।
আপনার অ্যাকাউন্ট যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করে থাকলে অনুগ্রহ করে ভোট দিন। ফলাফল ১৪ জুন ২০২৬-এর মধ্যে প্রকাশ করা হবে। -- ইউ৪সির পক্ষে,<section end="announcement-content" />
[[m:User:Keegan (WMF)|Keegan (WMF)]] ([[m:User talk:Keegan (WMF)|talk]]) ১৭:১৫, ২৭ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Distribution_list/Global_message_delivery&oldid=30513860-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Keegan (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== [[Special:Import]] ==
*[[:en:Index:1865 Durgeshnandini.pdf]]
*[[:en:Page:1865 Durgeshnandini.pdf/1]]
*[[:en:Page:1865 Durgeshnandini.pdf/6]]
*[[:en:Page:1865 Durgeshnandini.pdf/7]]
Sorry for English. :/ [[ব্যবহারকারী:Koavf|Koavf]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Koavf|আলাপ]]) ০৯:২৬, ১১ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{ping|Koavf}}, we already have the same edition available here. You can delete the index and pages from English Wikisource. -- [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১১ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
::Thanks. I did check before I posted and [[নির্ঘণ্ট:1865 Durgeshnandini.pdf]] is a redlink and the file at [[:c:File:1865 Durgeshnandini.pdf]] is not used on bn.ws. Where is this work? [[ব্যবহারকারী:Koavf|Koavf]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Koavf|আলাপ]]) ১৩:০২, ১১ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
:::{{ping|Koavf}}, apologies for the delay to reply. I missed your second message. The file you are looking for is [[নির্ঘণ্ট:দুর্গেশনন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu|here]] on bn.ws. It is actually a 1924 edition and not 1865 edition as claimed in the title of the newly uploaded file. -- [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ০২:২৬, ১৭ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
::::<span lang="en-US">I see.</span> ধন্যবাদ. [[ব্যবহারকারী:Koavf|Koavf]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Koavf|আলাপ]]) ০৯:০৬, ১৭ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
== বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬: ভ্রমণ বৃত্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে! ==
[[File:Bangla WikiConference 2026 logo.svg|ডান|250px|link=]]
সুপ্রিয় সুধী,
আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের উদ্যোগে আগামী '''৩০ অক্টোবর - ১ নভেম্বর ২০২৬''' তারিখে বাংলাদেশে [[wmbd:বিশেষ:আমার_ভাষা/বাংলা_উইকিসম্মেলন_২০২৬|'''বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬''']] অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এই সম্মেলনকে সফল ও প্রাণবন্ত করে তুলতে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালে অবস্থানরত আগ্রহী উইকিমিডিয়ানদের জন্য ভ্রমণ বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই বৃত্তির অধীনে নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীদের যাতায়াত ভাতা এবং সম্মেলনে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। সম্মেলনে অংশগ্রহণে আগ্রহী প্রত্যেককেই এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে হবে এবং আবেদন সফল হওয়া অংশগ্রহণকারীগণই সম্মেলনে অংশ নিতে পারবেন।
=== বৃত্তি আবেদনের প্রাথমিক যোগ্যতা ===
নিম্নলিখিত শর্তাবলি পূরণ না করলে আবেদনটি সরাসরি অযোগ্য বলে গণ্য হবে:
# উইকিমিডিয়া অ্যাকাউন্টটি কমপক্ষে ৬ মাস পুরোনো হতে হবে (অর্থাৎ '''১৯ ডিসেম্বর ২০২৫''' বা এর পূর্বে তৈরি অ্যাকাউন্ট)।
# আবেদনকারীর বৈশ্বিক মোট সম্পাদনা সংখ্যা কমপক্ষে '''২৫০''' হতে হবে।
# আবেদনের সময় আবেদনকারীর অ্যাকাউন্ট কোনো বাংলা প্রকল্পে অবরুদ্ধ থাকা যাবে না।
=== কীভাবে বৃত্তির জন্য আবেদন করবেন? ===
বৃত্তির আবেদন করার জন্য আপনাকে একটি নির্দিষ্ট অনলাইন ফর্ম পূরণ করতে হবে। ফর্মটি বিস্তারিতভাবে পূরণ করতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় প্রয়োজন হতে পারে। আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃত্তি নির্ধারণী উপদল যাচাই করবেন আপনি বৃত্তির জন্য উপযুক্ত কি না। ফর্ম পূরণ ও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও জানার জন্য অনুগ্রহ করে [[wmbd:বাংলা_উইকিসম্মেলন_২০২৬/বৃত্তি|'''বৃত্তি সংক্রান্ত পাতাটি''']] পড়ে দেখুন।
=== গুরুত্বপূর্ণ সময়রেখা ===
* '''আবেদন শুরু:''' ১৯ জুন, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)
* '''আবেদন শেষ:''' ১৯ জুলাই, ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)
''নির্দিষ্ট সময়সীমার পর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। তাই শেষ মুহূর্তের জটিলতা এড়াতে সময়সীমার অন্তত কয়েক দিন পূর্বেই আবেদন জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।''
বৃত্তি সম্পর্কে আরও জানতে যেকোনো জিজ্ঞাসা বা পরামর্শের জন্য নির্দ্বিধায় আমাদের সাথে আলাপ পাতা কিংবা [mailto:bnwikiconference@wikimedia.org.bd bnwikiconference@wikimedia.org.bd] ঠিকানায় ইমেইল করার মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন।
শুভেচ্ছান্তে,<br>
বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬ আয়োজক দল<br>
১৮:১৫, ১৮ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
== RFC about AI-generated content in Wikimedia Commons ==
<bdi lang="en" dir="ltr">Apologies for writing in English, please help translate this message to your language. You are invited to participate in a [[c:Commons:Requests for comment/Policy update for AI content|request for comment on Wikimedia Commons about a policy update for AI content]]. This may affect files that are uploaded to Wikimedia Commons for use on this project. Thank you. [[m:User:Codename Noreste|Codename Noreste]] ([[m:User talk:Codename Noreste|আলোচনা]])</bdi> ১৭:১২, ২৩ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Distribution_list/Global_message_delivery&oldid=30513860-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Codename Noreste@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== <span lang="en" dir="ltr">Deployment of Legal and Safety Contacts Link in the Footer of Your Wiki</span> ==
<div lang="en" dir="ltr">
<section begin="Message"/>
'''Legal & Safety Contacts'''
Hello community, the Wikimedia Foundation has provided a [[wmf:Special:MyLanguage/Legal:Wikimedia Foundation Legal and Safety Contact Information|single legal and safety contact page]], to be linked in the footer of your wiki, to ensure access to accurate legal information. This is a regulatory requirement. We have already rolled out links to English, German, Italian, Spanish and other wikis and we will deploy to your wiki soon. [[m:Special:MyLanguage/Wikimedia_Foundation_Legal_and_Safety_Contacts_FAQ|Please read more on the project page]] and leave any comments in this thread or on the [[m:Special:MyLanguage/Talk:Wikimedia Foundation Legal and Safety Contacts FAQ|talk page]].
<section end="Message"/>
</div>
-- [[User:Sannita (WMF)|User:Sannita (WMF)]] ([[User talk:Sannita (WMF)|talk]]) ১৩:৩০, ২৫ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
(এই বার্তাটি [[:উইকিসংকলন:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় পাঠানো হয়েছিল ও একটি পুনর্নির্দেশের কারণে এখানে পোস্ট করা হচ্ছে।)
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=User:Sannita_(WMF)/Mass_sending_test&oldid=30731267-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Sannita (WMF)@metawiki পাঠিয়েছেন -->
hzk48lzzm04lrldgwu9ubuea5l8ggpn
টেমপ্লেট:PAGES NOT PROOFREAD
10
9620
1980327
1980164
2026-06-26T07:02:06Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1980327
wikitext
text/x-wiki
450189
pxywa4h3t8wwr411unc2u0lboe0nja4
টেমপ্লেট:ALL PAGES
10
9621
1980328
1980165
2026-06-26T07:02:16Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1980328
wikitext
text/x-wiki
562730
nn6m90u5h11dodrgu75hcojvtqulz7o
টেমপ্লেট:PR TEXTS
10
9622
1980329
1980166
2026-06-26T07:02:26Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1980329
wikitext
text/x-wiki
19562
k1doftuftp8vfh3djfktwlvkjwyn31k
টেমপ্লেট:ALL TEXTS
10
9623
1980330
1980167
2026-06-26T07:02:36Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1980330
wikitext
text/x-wiki
19562
k1doftuftp8vfh3djfktwlvkjwyn31k
পাতা:প্রান্তিক-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৬
104
20456
1980315
1795944
2026-06-26T05:07:09Z
Majantali
5855
1980315
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" /></noinclude>{{c|<big>'''১'''</big>}}
{{block center/s}}<poem>
বিশ্বের আলোকলুপ্ত তিমিরের অন্তরালে এল
মৃত্যুদূত চুপে চুপে, জীবনের দিগন্ত আকাশে
যত ছিল সূক্ষ্ম ধূলি স্তরে স্তরে দিল ধৌত করি
ব্যথার দ্রাবক রসে, দারুণ স্বপ্নের তলে তলে
চলেছিল পলে পলে দৃঢ়হস্তে নিঃশব্দে মার্জনা।
কোন্ক্ষণে নটলীলা-বিধাতার নব নাট্যভূমে
উঠে গেল যবনিকা। শূন্য হতে জ্যোতির তর্জনী
স্পর্শ দিল একপ্রান্তে স্তম্ভিত বিপুল অন্ধকারে,
আলোকের থরহর শিহরণ চমকি চমকি
ছুটিল বিদ্যুৎবেগে অসীম তন্দ্রার স্তূপে স্তূপে,
দীর্ণ দীর্ণ করি’ দিল তারে। গ্রীষ্মরিক্ত অবলুপ্ত
নদীপথে অকস্মাৎ প্লাবনের দুরন্ত ধারায়
বন্যার প্রথম নৃত্য শুষ্কতার বক্ষে বিসর্পিয়া
ধায় যথা শাখায় শাখায়;—সেইমতো জাগরণ</poem><noinclude>{{c|১}}</noinclude>
24fext2suez3yq0ppz7qlz1uyevyx32
পাতা:প্রান্তিক-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১১
104
20593
1980319
1795947
2026-06-26T05:27:25Z
Majantali
5855
1980319
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />প্রান্তিক</noinclude>{{c|<big>'''৪'''</big>}}
{{block center/s}}
<poem>সত্য মোর অবলিপ্ত সংসারের বিচিত্র প্রলেপে,
বিবিধের বহু হস্তক্ষেপে, অযত্নে অনবধানে
হারাল প্রথম রূপ, দেবতার আপন স্বাক্ষর
লুপ্ত প্রায়; ক্ষয়-ক্ষীণ জ্যোতির্ময় আদি মূল্য তার।
চতুষ্পথে দাঁড়াল সে ললাটে পণ্যের ছাপ নিয়ে
আপনারে বিকাইতে, অঙ্কিত হতেছে তার স্থান
পথে-চলা সহস্রের পরীক্ষা-চিহ্নিত তালিকায়।
হেনকালে একদিন আলো-আঁধারের সন্ধি-স্থলে
আরতি শঙ্খের ধ্বনি যে-লগ্নে বাজিল সিন্ধুপারে,
মনে হোলো, মুহূর্তেই থেমে গেল সব বেচাকেনা,
শান্ত হল আশা-প্রত্যাশার কোলাহল। মনে হোলো,
পরের মুখের মূল্য হতে মুক্ত, সব চিহ্ন-মোছা</poem><noinclude>{{c|৬}}</noinclude>
mzzb43svjpdatzvk4nto71huk3ssfcc
পাতা:প্রান্তিক-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১৬
104
20600
1980320
1632327
2026-06-26T05:35:01Z
Majantali
5855
1980320
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{right|প্রান্তিক}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>সন্ন্যাসীর গৈরিক বসন লুকায়েছে তৃণতলে
সর্ব আবর্জনাগ্রাসী বিরাট ধুলায়, জপমন্ত্র
মিলে গেছে পতঙ্গ-গুঞ্জনে। অনিঃশেষ যে-তপস্যা
প্রাণরসে উচ্ছ্বসিত, সব দিতে সব নিতে
যে বাড়াল কমণ্ডলু দ্যুলোকে ভূলোকে, তারি বর
পেয়েছি অন্তরে মোর, তাই সর্ব দেহমন প্রাণ
সূক্ষ্ম হয়ে প্রসারিল আজি ওই নিঃশব্দ প্রান্তরে
ছায়ারৌদ্রে হেথাহোথা যেথায় রোমন্থরত ধেনু
আলস্যে শিথিল অঙ্গ, তৃপ্তিরস-সম্ভোগ তাদের
সঞ্চারিছে ধীরে মোর পুলকিত সত্তার গভীরে।
দলে দলে প্রজাপতি রৌদ্র হতে নিতেছে কাঁপায়ে
নীরব আকাশবাণী শেফালীর কানে কানে বলা,
তাহারি বীজন আজি শিরায় শিরায় রক্তে মোর
মৃদু স্পর্শে শিহরিত তুলিছে হিল্লোল।
হে সংসার
আমাকে বারেক ফিরে চাও; পশ্চিমে যাবার মুখে
বর্জন কোরো না মোরে উপেক্ষিত ভিক্ষুকের মতো</poem><noinclude>{{block center/e}}
{{c|১১}}</noinclude>
oj1htecqboskx06wmsmopxprxx4xuuq
1980321
1980320
2026-06-26T05:38:13Z
Majantali
5855
1980321
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{right|প্রান্তিক}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>সন্ন্যাসীর গৈরিক বসন লুকায়েছে তৃণতলে
সর্ব আবর্জনাগ্রাসী বিরাট ধুলায়, জপমন্ত্র
মিলে গেছে পতঙ্গ-গুঞ্জনে। অনিঃশেষ যে-তপস্যা
প্রাণরসে উচ্ছ্বসিত, সব দিতে সব নিতে
যে বাড়াল কমণ্ডলু দ্যুলোকে ভূলোকে, তারি বর
পেয়েছি অন্তরে মোর, তাই সর্ব দেহমন প্রাণ
সূক্ষ্ম হয়ে প্রসারিল আজি ওই নিঃশব্দ প্রান্তরে
ছায়ারৌদ্রে হেথাহোথা যেথায় রোমন্থরত ধেনু
আলস্যে শিথিল অঙ্গ, তৃপ্তিরস-সম্ভোগ তাদের
সঞ্চারিছে ধীরে মোর পুলকিত সত্তার গভীরে।
দলে দলে প্রজাপতি রৌদ্র হতে নিতেছে কাঁপায়ে
নীরব আকাশবাণী শেফালীর কানে কানে বলা,
তাহারি বীজন আজি শিরায় শিরায় রক্তে মোর
মৃদু স্পর্শে শিহরিত তুলিছে হিল্লোল।
হে সংসার
আমাকে বারেক ফিরে চাও; পশ্চিমে যাবার মুখে
বর্জন কোরো না মোরে উপেক্ষিত ভিক্ষুকের মতো।</poem><noinclude>{{block center/e}}
{{c|১১}}</noinclude>
1jbhm5ziho69lcp8umgx5s7nb47k0rh
1980324
1980321
2026-06-26T06:11:28Z
Bodhisattwa
2549
1980324
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{right|প্রান্তিক}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>সন্ন্যাসীর গৈরিক বসন লুকায়েছে তৃণতলে
সর্ব আবর্জনাগ্রাসী বিরাট ধুলায়, জপমন্ত্র
মিলে গেছে পতঙ্গ-গুঞ্জনে। অনিঃশেষ যে-তপস্যা
প্রাণরসে উচ্ছ্বসিত, সব দিতে সব নিতে
যে বাড়াল কমণ্ডলু দ্যুলোকে ভূলোকে, তারি বর
পেয়েছি অন্তরে মোর, তাই সর্ব দেহমন প্রাণ
সূক্ষ্ম হয়ে প্রসারিল আজি ওই নিঃশব্দ প্রান্তরে
ছায়ারৌদ্রে হেথাহোথা যেথায় রোমন্থরত ধেনু
আলস্যে শিথিল অঙ্গ, তৃপ্তিরস-সম্ভোগ তাদের
সঞ্চারিছে ধীরে মোর পুলকিত সত্তার গভীরে।
দলে দলে প্রজাপতি রৌদ্র হতে নিতেছে কাঁপায়ে
নীরব আকাশবাণী শেফালীর কানে কানে বলা,
তাহারি বীজন আজি শিরায় শিরায় রক্তে মোর
মৃদু স্পর্শে শিহরিত তুলিছে হিল্লোল।
:::::::::::::::হে সংসার
আমাকে বারেক ফিরে চাও; পশ্চিমে যাবার মুখে
বর্জন কোরো না মোরে উপেক্ষিত ভিক্ষুকের মতো।</poem><noinclude>{{block center/e}}
{{c|১১}}</noinclude>
5txoiy7xjqt011y0ye8v5bokgdo6ca7
1980325
1980324
2026-06-26T06:11:51Z
Bodhisattwa
2549
1980325
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Bodhisattwa" />{{right|প্রান্তিক}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>সন্ন্যাসীর গৈরিক বসন লুকায়েছে তৃণতলে
সর্ব আবর্জনাগ্রাসী বিরাট ধুলায়, জপমন্ত্র
মিলে গেছে পতঙ্গ-গুঞ্জনে। অনিঃশেষ যে-তপস্যা
প্রাণরসে উচ্ছ্বসিত, সব দিতে সব নিতে
যে বাড়াল কমণ্ডলু দ্যুলোকে ভূলোকে, তারি বর
পেয়েছি অন্তরে মোর, তাই সর্ব দেহমন প্রাণ
সূক্ষ্ম হয়ে প্রসারিল আজি ওই নিঃশব্দ প্রান্তরে
ছায়ারৌদ্রে হেথাহোথা যেথায় রোমন্থরত ধেনু
আলস্যে শিথিল অঙ্গ, তৃপ্তিরস-সম্ভোগ তাদের
সঞ্চারিছে ধীরে মোর পুলকিত সত্তার গভীরে।
দলে দলে প্রজাপতি রৌদ্র হতে নিতেছে কাঁপায়ে
নীরব আকাশবাণী শেফালীর কানে কানে বলা,
তাহারি বীজন আজি শিরায় শিরায় রক্তে মোর
মৃদু স্পর্শে শিহরিত তুলিছে হিল্লোল।
:::::::::::::::হে সংসার
আমাকে বারেক ফিরে চাও; পশ্চিমে যাবার মুখে
বর্জন কোরো না মোরে উপেক্ষিত ভিক্ষুকের মতো</poem><noinclude>{{block center/e}}
{{c|১১}}</noinclude>
b094kqi6sg8swnig43bu9gip0oe97o0
পাতা:লয়লী-মজনু - বাঁশরীমোহন মুখোপাধ্যায়.pdf/৪০
104
459783
1980280
1218777
2026-06-25T16:33:56Z
~2026-36808-59
22180
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */
1980280
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="2409:40E1:516:3B25:8000:0:0:0" /></noinclude>তু’ টাকা সিরিজে আমাদের প্রকাশিত স্ত্রী-বর্জিত নাটক রাজদূত রচিত ফেৱিওয়ালা : পকেটমাৱ * দায়ী কে ? * নিম্পত্তি বেইমান * ৱক্তে ৱাঙা নকশাল * পিস্তল হিংসাৱ জবাব * মজদুৱ * পূজা বিভ্রাট ওস্তাদ * ফুটপাত * জবাব
fডক্ষুক (১টি স্ত্রী) ও সমাজের মৃত্যু(১টি স্ত্রী) ৩২
অরুণকুমার দে রচিত গৱীবের ছেলে ; তু মুঠো ভাত * ৱক্ত ঝৱছে ওৱা সব পাৱে # ভিক্ষাং (দহি প্রসাদকৃষ্ণ ভট্টাচার্য প্রণীত
ওয়াগন (ব্ৰকাৱ * ৱামদা’ৱ ৱেষ্ট ৱেণ্ট * শৱীক আমি শিক্ষিত হতে চাই না ৫ টাইগার পৱাজিত নায়ক অমলেন্দু বস্থ রচিত ৱক্তাক্ত বাংলা * এৱা মৱাব # বঁাচতে চাই অমিয় মুখোপাধ্যায় রচিত টাইপিষ্ট মিত। (২টি স্ত্রী চরিত্র ) ও
ডি এল রায় রচিত
সাজাহান * চন্দ্রগুপ্ত * মেবার পতন<noinclude></noinclude>
b5qofxc850r4k8h506162co3uioes9v
নির্ঘণ্ট:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf
102
734876
1980316
1762798
2026-06-26T05:24:30Z
Bodhisattwa
2549
1980316
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q120002291
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=5
|Progress=C
|Pages=<pagelist 1="মলাট" 2to6="—" 5="প্রচ্ছদ" 6="প্রকাশক" 7to10="সূচীপত্র" 9="নিবেদন" 10="—" 11="7" 14to15="—" 16="চিত্র" 17="11" 98to102="—" />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes=
|Header=
|Footer=
}}
b1vq26twgeg5qgtssr51pmi8lj2o858
1980318
1980316
2026-06-26T05:25:55Z
Bodhisattwa
2549
1980318
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q120002291
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=5
|Progress=C
|Pages=<pagelist 1="মলাট" 2to6="—" 5="প্রচ্ছদ" 6="প্রকাশক" 7to10="সূচীপত্র" 9="নিবেদন" 10="—" 11="7" 14to15="—" 16="চিত্র" 17="11" 98to102="—" />
|Volumes=
|Remarks={{Scrollpane|height=500px|
{{পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৭}}
{{পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/৮}}
}}
|Notes=
|Header=
|Footer=
}}
5as3t067wjabwo8i1pp59s5s32ndyeg
পাতা:শ্যামাপ্রসাদের কয়েকটি রচনা.pdf/১০
104
753961
1980317
919901
2026-06-26T05:24:47Z
Bodhisattwa
2549
/* লেখাবিহীন */
1980317
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="0" user="Bodhisattwa" /></noinclude><noinclude></noinclude>
mhvucatayupym9vt8m6pvshuwplk8s1
বিষয়শ্রেণী:উইকিউপাত্ত ভিত্তিক তালিকা
14
767180
1980264
1803842
2026-06-25T15:45:22Z
Bodhisattwa
2549
1980264
wikitext
text/x-wiki
{{রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়শ্রেণী}}
[[বিষয়শ্রেণী:উইকিউপাত্ত রক্ষণাবেক্ষণ]]
[[File:Wikidata Bots.svg|150px|right|উইকিউপাত্ত ভিত্তিক তালিকা]]
asyx8s0r5685dmkjb3rwa61vfhoe3m3
উইকিসংকলন:বার্ষিকী/জুলাই ১৪
4
831852
1980326
1979883
2026-06-26T06:14:45Z
Bodhisattwa
2549
1980326
wikitext
text/x-wiki
[[File:Mahendranath Gupta (Sri M).jpg|100px|right|class=pageimage|মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত]]
{{Talikak list|sparql=
SELECT DISTINCT ?item ?itemLabel ?pLabel (year(?tv) as ?year) {
?sitelink schema:about ?item ; schema:isPartOf <https://bn.wikisource.org/>.
{ ?item p:P569 ?date . ?date a wikibase:BestRank ; psv:P569 [ wikibase:timeValue ?tv ; wikibase:timePrecision "11"^^xsd:integer ] . bind(wd:P569 as ?p)}
UNION
{ ?item p:P570 ?date . ?date a wikibase:BestRank ; psv:P570 [ wikibase:timeValue ?tv ; wikibase:timePrecision "11"^^xsd:integer ] . bind(wd:P570 as ?p)}
filter(month(?tv) = 7 && day(?tv) = 14)
SERVICE wikibase:label { bd:serviceParam wikibase:language "bn". }
}
ORDER BY ?tv
LIMIT 10
|columns=label,?itemLabel,?pLabel,?year
|row_template=বার্ষিকী সারি
|skip_table=1
|freq=365
}}
{{বার্ষিকী সারি|label = [[লেখক:মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত|মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত]]|itemLabel = মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত|pLabel = জন্ম তারিখ|year = 1854}}
{{বার্ষিকী সারি|label = [[লেখক:শ্যামাচরণ সরকার|শ্যামাচরণ সরকার]]|itemLabel = শ্যামাচরণ সরকার|pLabel = মৃত্যু তারিখ|year = 1882}}
{{বার্ষিকী সারি|label = [[লেখক:সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী (১৯০০-১৯৭৩)|সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী]]|itemLabel = সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী|pLabel = জন্ম তারিখ|year = 1900}}
{{বার্ষিকী সারি|label = [[লেখক:শেখ আবদুর রহিম|শেখ আব্দুর রহিম]]|itemLabel = শেখ আব্দুর রহিম|pLabel = মৃত্যু তারিখ|year = 1931}}
{{Talikak list end}}
{{বার্ষিকী পাদটীকা|জুলাই ১৪}}
e8vddj6f531j12pp69wbi2pu4pu1jfm
পাতা:চিত্রে জয়দেব ও গীতগোবিন্দ.pdf/১৮০
104
846297
1980341
1834543
2026-06-26T11:03:35Z
Hrishikes
1618
1980341
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{c|গীতগোবিন্দ}}</noinclude>{{block center|
{{c|style=font-weight:bold|গীতম্<br/>
গোণ্ডাকিরীরাগেণ রূপকতালেনচ গীয়তে}}<br/>
<poem style="margin-left:6em; font-weight:bold">পশ্যতি দিশি দিশি রহসি ভবন্তম্।
তদধরমধুরমধুনি পিবন্তম্॥
:নাথ হরে সীদতি রাধা বাসগৃহে॥ ২ ॥
</poem>
{{dhr}}
{{c|[[চিত্র:চিত্রে জয়দেব ও গীতগোবিন্দ p145.jpg|450px]]}}
{{dhr}}
<poem style="margin-left:1em; font-size:120%">শ্রীকৃষ্ণের কাছে এসে সখী বলে,
হে নাথ, হে শ্রীহরি,
লতাগৃহে তোমারি জন্যে বিষাদে কাঁদছে শ্রীমতী।
তার মধুর অধরের সুধা তোমারই জন্য,
সেই তোমাকেই আকুলভাবে চারদিকে দেখছে॥ ২ ॥
</poem>}}
{{dhr}}
{{c|[[চিত্র:চিত্রে জয়দেব ও গীতগোবিন্দ p9b.jpg|80px]]}}
{{dhr}}
{{nop}}<noinclude>{{c|[একশ’ সাঁইত্রিশ]}}</noinclude>
pvm26i9afka0v27cy43l5qu85mop2hn
নির্ঘণ্ট:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf
102
855639
1980223
1980069
2026-06-25T13:54:32Z
Bodhisattwa
2549
1980223
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q133513596
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=7
|Progress=X
|Pages=<pagelist 1="মলাট" 2to4="—" 5="শিরোনাম" 6="—" 7="প্রচ্ছদ" 8="প্রকাশক" 9="চিত্র" 10="—" 11="নিবেদন" 12="—" 13="সূচীপত্র" 14="—" 15="1" 409to412="—" />
|Volumes=
|Remarks={{Scrollpane|height=1000px|
{{AuxTOC|
{{c|{{xx-larger|'''সূচীপত্র'''}}}}
{{Table| title=পরিচ্ছেদ| page=পৃষ্ঠা}}
{{c|{{larger|[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/ষোড়শী|ষোড়শী]]}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/ষোড়শী/প্রথম অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|প্রথম অঙ্ক — প্রথম দৃশ্য]]| page={{pli|4|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/ষোড়শী/প্রথম অঙ্ক/দ্বিতীয় দৃশ্য|প্রথম অঙ্ক — দ্বিতীয় দৃশ্য]]| page={{pli|8|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/ষোড়শী/প্রথম অঙ্ক/তৃতীয় দৃশ্য|প্রথম অঙ্ক — তৃতীয় দৃশ্য]]| page={{pli|25|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/ষোড়শী/প্রথম অঙ্ক/চতুর্থ দৃশ্য|প্রথম অঙ্ক — চতুর্থ দৃশ্য]]| page={{pli|30|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/ষোড়শী/দ্বিতীয় অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|দ্বিতীয় অঙ্ক — প্রথম দৃশ্য]]| page={{pli|43|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/ষোড়শী/দ্বিতীয় অঙ্ক/দ্বিতীয় দৃশ্য|দ্বিতীয় অঙ্ক — দ্বিতীয় দৃশ্য]]| page={{pli|59|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/ষোড়শী/দ্বিতীয় অঙ্ক/তৃতীয় দৃশ্য|দ্বিতীয় অঙ্ক — তৃতীয় দৃশ্য]]| page={{pli|60|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/ষোড়শী/তৃতীয় অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|তৃতীয় অঙ্ক — প্রথম দৃশ্য]]| page={{pli|71|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/ষোড়শী/চতুর্থ অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|চতুর্থ অঙ্ক — প্রথম দৃশ্য]]| page={{pli|85|14}}}}
{{c|{{larger|[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বৈকুণ্ঠের উইল|বৈকুণ্ঠের উইল]]}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বৈকুণ্ঠের উইল/১|১]]| page={{pli|105|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বৈকুণ্ঠের উইল/২|২]]| page={{pli|106|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বৈকুণ্ঠের উইল/৩|৩]]| page={{pli|110|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বৈকুণ্ঠের উইল/৪|৪]]| page={{pli|114|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বৈকুণ্ঠের উইল/৫|৫]]| page={{pli|116|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বৈকুণ্ঠের উইল/৬|৬]]| page={{pli|121|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বৈকুণ্ঠের উইল/৭|৭]]| page={{pli|126|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বৈকুণ্ঠের উইল/৮|৮]]| page={{pli|131|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বৈকুণ্ঠের উইল/৯|৯]]| page={{pli|136|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বৈকুণ্ঠের উইল/১০|১০]]| page={{pli|140|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বৈকুণ্ঠের উইল/১১|১১]]| page={{pli|145|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বৈকুণ্ঠের উইল/১২|১২]]| page={{pli|151|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বৈকুণ্ঠের উইল/১৩|১৩]]| page={{pli|156|14}}}}
{{c|{{larger|[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/অনুরাধা|অনুরাধা]]}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/অনুরাধা/এক|এক]]| page={{pli|165|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/অনুরাধা/দুই|দুই]]| page={{pli|170|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/অনুরাধা/তিন|তিন]]| page={{pli|175|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/অনুরাধা/চার|চার]]| page={{pli|179|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/অনুরাধা/পাঁচ|পাঁচ]]| page={{pli|185|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/অনুরাধা/ছয়|ছয়]]| page={{pli|190|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/অনুরাধা/সাত|সাত]]| page={{pli|194|14}}}}
{{c|{{larger|[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/হরিলক্ষ্মী|হরিলক্ষ্মী]]}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/হরিলক্ষ্মী/এক|এক]]| page={{pli|201|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/হরিলক্ষ্মী/দুই|দুই]]| page={{pli|208|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/হরিলক্ষ্মী/তিন|তিন]]| page={{pli|212|14}}}}
{{c|{{larger|[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/সতী|সতী]]}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/সতী/এক|এক]]| page={{pli|221|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/সতী/দুই|দুই]]| page={{pli|225|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/সতী/তিন|তিন]]| page={{pli|227|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/সতী/চার|চার]]| page={{pli|228|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/সতী/পাঁচ|পাঁচ]]| page={{pli|230|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/সতী/ছয়|ছয়]]| page={{pli|236|14}}}}
{{c|{{larger|[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/মামলার ফল|মামলার ফল]]}}}}
{{c|{{larger|[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বিলাসী|বিলাসী]]}}}}
{{c|{{larger|[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বাল্যকালের গল্প|বাল্যকালের গল্প]]}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বাল্যকালের গল্প/ছেলেধরা|ছেলেধরা]]| page={{pli|273|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বাল্যকালের গল্প/লালু|লালু]]| page={{pli|278|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বাল্যকালের গল্প/কলকাতার নূতন-দা|কলকাতার নূতন-দা]]| page={{pli|282|14}}}}
{{c|{{larger|[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বিভিন্ন রচনাবলী|বিভিন্ন রচনাবলী]]}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বিভিন্ন রচনাবলী/স্মৃতিকথা|স্মৃতিকথা]]| page={{pli|293|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বিভিন্ন রচনাবলী/আমার কথা|আমার কথা]]| page={{pli|303|14}}}}
{{Table| title=[[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বিভিন্ন রচনাবলী/শিক্ষার বিরোধ|শিক্ষার বিরোধ]]| page={{pli|310|14}}}}
}}}}
|Notes={{RLFRR}}
|Header={{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}
|Footer={{c|{{{pagenum}}}}}
}}
ro7q9t0sqbgpd413s2wexahki885lcr
নির্ঘণ্ট:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf
102
855644
1980249
1973273
2026-06-25T14:56:36Z
Bodhisattwa
2549
1980249
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q133514320
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=5
|Progress=V
|Pages=<pagelist 1="মলাট" 2to10="—" 5="প্রচ্ছদ" 6="প্রকাশক" 7="নিবেদন" 9="সূচীপত্র" 11="1" 146="—" />
|Volumes=
|Remarks={{পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৯}}
|Notes={{RLFRR}}
|Header=
|Footer={{কেন্দ্র|{{{pagenum}}}}}
}}
c311ahukh10ougcwmw3opi7gx341v3b
নির্ঘণ্ট:শুম্ভ-সংহার - প্রমথনাথ মিত্র (১৮৮৬).pdf
102
860020
1980332
1885205
2026-06-26T08:02:10Z
Integrity2020
13357
1980332
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q134697800
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=OCR
|Pages=<pagelist
1="প্রচ্ছদ"
2="—"
3="উৎসর্গ"
4="—"
5="পাত্র-পাত্রী"
6="—"
7="1"
106to107="—" />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes=
|Header={{rvh|{{{pagenum}}}|রাঘব-বিজয় কাব্য।| অঙ্ক।}}
|Footer=
}}
[[বিষয়শ্রেণী:নাটক]]
ixiap48lsp0pdyfqryws053p9b7iol4
1980333
1980332
2026-06-26T08:02:56Z
Integrity2020
13357
1980333
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q134697800
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=OCR
|Pages=<pagelist
1="প্রচ্ছদ"
2="—"
3="উৎসর্গ"
4="—"
5="পাত্র-পাত্রী"
6="—"
7="1"
106to107="—" />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes=
|Header={{rvh|{{{pagenum}}}|শুম্ভ-সংহার।| অঙ্ক।}}
|Footer=
}}
[[বিষয়শ্রেণী:নাটক]]
gfvl06a7dvkusbtfah3ih9jx06tatkp
1980338
1980333
2026-06-26T10:47:48Z
Integrity2020
13357
1980338
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q134697800
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=OCR
|Pages=<pagelist
1="প্রচ্ছদ"
2="—"
3="উৎসর্গ"
4="—"
5="পাত্র-পাত্রী"
6="—"
7="1"
106to107="—"
80="75"
81="75" />
|Volumes=
|Remarks={{AuxTOC|
{{c|'''সূচীপত্র'''}}
{{Table| title=অঙ্ক| page=পৃষ্ঠা}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/প্রথম অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|প্রথম অঙ্ক—প্রথম দৃশ্য]]|page={{pli|১|৭}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/প্রথম অঙ্ক/দ্বিতীয় দৃশ্য|প্রথম অঙ্ক—দ্বিতীয় দৃশ্য]]|page={{pli|৭|৭}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/প্রথম অঙ্ক/তৃতীয় দৃশ্য|প্রথম অঙ্ক—তৃতীয় দৃশ্য]]|page={{pli|১৪|৭}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/দ্বিতীয় অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|দ্বিতীয় অঙ্ক—প্রথম দৃশ্য]]|page={{pli|২০|৭}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/দ্বিতীয় অঙ্ক/দ্বিতীয় দৃশ্য|দ্বিতীয় অঙ্ক—দ্বিতীয় দৃশ্য]]|page={{pli|২৫|৭}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/দ্বিতীয় অঙ্ক/তৃতীয় দৃশ্য|দ্বিতীয় অঙ্ক—তৃতীয় দৃশ্য]]|page={{pli|৩০|৭}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/তৃতীয় অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|তৃতীয় অঙ্ক—প্রথম দৃশ্য]]|page={{pli|৩৫|৭}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/তৃতীয় অঙ্ক/দ্বিতীয় দৃশ্য|তৃতীয় অঙ্ক—দ্বিতীয় দৃশ্য]]|page={{pli|৪১|৭}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/চতুর্থ অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|চতুর্থ অঙ্ক—প্রথম দৃশ্য]]|page={{pli|৪৯|৭}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/চতুর্থ অঙ্ক/দ্বিতী দৃশ্য|চতুর্থ অঙ্ক—দ্বিতীয় দৃশ্য]]|page={{pli|৫৮|৭}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/পঞ্চম অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|পঞ্চম অঙ্ক—প্রথম দৃশ্য]]|page={{pli|৭৫|৬}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/পঞ্চম অঙ্ক/দ্বিতীয় দৃশ্য|পঞ্চম অঙ্ক—দ্বিতীয় দৃশ্য]]|page={{pli|৭৯|৬}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/ষষ্ঠ অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|ষষ্ঠ অঙ্ক—প্রথম দৃশ্য]]|page={{pli|৮৮|৬}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/ষষ্ঠ অঙ্ক/দ্বিতীয় দৃশ্য|ষষ্ঠ অঙ্ক—দ্বিতীয় দৃশ্য]]|page={{pli|৯৪|৬}}}}
}}
|Notes=
|Header={{rvh|{{{pagenum}}}|শুম্ভ-সংহার।| অঙ্ক।}}
|Footer=
}}
[[বিষয়শ্রেণী:নাটক]]
gp02utbdqw5k1yybs7r4a69vokfm4nw
1980343
1980338
2026-06-26T11:29:03Z
Integrity2020
13357
1980343
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q134697800
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=OCR
|Pages=<pagelist
1="প্রচ্ছদ"
2="—"
3="উৎসর্গ"
4="—"
5="পাত্র-পাত্রী"
6="—"
7="1"
106to107="—"
80="75"
81="75" />
|Volumes=
|Remarks={{AuxTOC|
{{c|'''সূচীপত্র'''}}
{{Table| title=অঙ্ক| page=পৃষ্ঠা}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/প্রথম অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|প্রথম অঙ্ক—প্রথম দৃশ্য]]|page={{pli|১|৬}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/প্রথম অঙ্ক/দ্বিতীয় দৃশ্য|প্রথম অঙ্ক—দ্বিতীয় দৃশ্য]]|page={{pli|৭|৬}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/প্রথম অঙ্ক/তৃতীয় দৃশ্য|প্রথম অঙ্ক—তৃতীয় দৃশ্য]]|page={{pli|১৪|৬}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/দ্বিতীয় অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|দ্বিতীয় অঙ্ক—প্রথম দৃশ্য]]|page={{pli|২০|৬}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/দ্বিতীয় অঙ্ক/দ্বিতীয় দৃশ্য|দ্বিতীয় অঙ্ক—দ্বিতীয় দৃশ্য]]|page={{pli|২৫|৬}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/দ্বিতীয় অঙ্ক/তৃতীয় দৃশ্য|দ্বিতীয় অঙ্ক—তৃতীয় দৃশ্য]]|page={{pli|৩০|৬}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/তৃতীয় অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|তৃতীয় অঙ্ক—প্রথম দৃশ্য]]|page={{pli|৩৫|৬}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/তৃতীয় অঙ্ক/দ্বিতীয় দৃশ্য|তৃতীয় অঙ্ক—দ্বিতীয় দৃশ্য]]|page={{pli|৪১|৬}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/চতুর্থ অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|চতুর্থ অঙ্ক—প্রথম দৃশ্য]]|page={{pli|৪৯|৬}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/চতুর্থ অঙ্ক/দ্বিতী দৃশ্য|চতুর্থ অঙ্ক—দ্বিতীয় দৃশ্য]]|page={{pli|৫৮|৬}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/পঞ্চম অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|পঞ্চম অঙ্ক—প্রথম দৃশ্য]]|page={{pli|৭৫|৫}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/পঞ্চম অঙ্ক/দ্বিতীয় দৃশ্য|পঞ্চম অঙ্ক—দ্বিতীয় দৃশ্য]]|page={{pli|৭৯|৫}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/ষষ্ঠ অঙ্ক/প্রথম দৃশ্য|ষষ্ঠ অঙ্ক—প্রথম দৃশ্য]]|page={{pli|৮৮|৫}}}}
{{Table| title=[[শুম্ভ-সংহার (১৮৮৬)/ষষ্ঠ অঙ্ক/দ্বিতীয় দৃশ্য|ষষ্ঠ অঙ্ক—দ্বিতীয় দৃশ্য]]|page={{pli|৯৪|৫}}}}
}}
|Notes=
|Header={{rvh|{{{pagenum}}}|শুম্ভ-সংহার।| অঙ্ক।}}
|Footer=
}}
[[বিষয়শ্রেণী:নাটক]]
ohondbs4g3cdyhpqigyu14461qnhgaz
ব্যবহারকারী:BabulB/খেলাঘর
2
878555
1980246
1976292
2026-06-25T14:44:27Z
BabulB
2144
1980246
wikitext
text/x-wiki
;Templates
* Fraction Template: [[টেমপ্লেট:Sfrac]]
*[[টেমপ্লেট:Img float]]
;মুদ্ৰণ সংশোধন
[[আমেরিকার স্বাধীনতা]], [[বড়বউ]], [[ভারতবর্ষের ইতিহাস (হেমলতা দেবী)]], [[প্রহাসিনী]], [[মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত (১৯৪৪)]], [[চিন্তাতরঙ্গিণী (হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)]], [[থার্ডক্লাশ (১৯৪১)]],[[নির্ঘণ্ট:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf|মহাভারতীয় নীতিকথা]], [[নির্ঘণ্ট:সুন্দরবনে ভ্রমণ-কাহিনী – শেখ হবিবর রহমান (১৯৪৫).pdf]]
;অন্যান্য
*সূচী: [[নির্ঘণ্ট:ভ্রান্তিবিলাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮৯০).pdf]]
* Poem right alignment: [[পাতা:ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য - শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৬৫).pdf/২০৭]]
* [[পাতা:গোপাল ভাঁড় - প্রচার পুস্তিকা (১৯৫৩).pdf/২]]
*nopt: [[পাতা:প্রহাসিনী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/১০১]]
* [[পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/১১]]
*[[উইকিসংকলন:কপিরাইট নীতিমালা]]
* Family tree: [[পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/১২১]]
* image float: [[পাতা:দুধ-ভাত - ইন্দিরা দেবী চৌধুরানী.pdf/৫৮]]
*[[পাতা:জাতক (দ্বিতীয় খণ্ড) - ঈশানচন্দ্র ঘোষ (১৯২০).pdf/১৭]]
* Pic right left: [[পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/২]]
* পরিচ্ছেদ (মূল গ্রন্থে নেই): [[নির্ঘণ্ট:সাম্য - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৮).pdf]]
* Blockquote:[[পাতা:চিন্তাতরঙ্গিণী - হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯৫৪).pdf/৩]]
* Blockcenter|width [[পাতা:বড়বউ - সত্যচরণ মিত্র (১৯১৭).pdf/৩]]
* Thick rule: [[পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/১]]
* Dropinitial [[পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৩০]]
* Block left [[পাতা:সুন্দরবনে ভ্রমণ-কাহিনী – শেখ হবিবর রহমান (১৯৪৫).pdf/২]]
* [[সাহায্য:টেমপ্লেট]]
* [https://bd.wikimedia.org/wiki/বাংলা_উইকিসম্মেলন_২০২৬/বৃত্তি বাংলা উইকিসম্মেলন ২০২৬]
tjxt5sbfuf84bhvwiizcgi09p3t614l
পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/১
104
881183
1980208
1973037
2026-06-25T13:32:46Z
কমলেশ মন্ডল
19152
1980208
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="কমলেশ মন্ডল" /></noinclude>{{dhr|2em}}
{{Img float
| file = লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩) (page 1 crop).jpg
| width = 400px
| align = center
| cap =}}
{{কেন্দ্র|<poem>{{xxx-larger|লাল সিংহ।}}
বা
{{x-larger|পশ্চিম বঙ্গের ইতিহাসের এক অধ্যায়।}}
{{Custom rule|sp|40|do|7|fcw|22|do|7|sp|40}}
{{x-larger|শ্রীহরিনাথ ঘোষ বি, এল কর্ত্তৃক}}
প্ৰণীত।
{{Custom rule|sp|40|fcw|22|sp|40}}
{{larger|শ্রী কিশোরীমোহন বসু দ্বারা}}
প্রকাশিত।
{{Custom rule|sp|20|fcw|22|sp|20}}
{{x-larger|পুরুলিয়া।}}
{{custom rule|sp|40}}
১৩২০ সাল।</poem>}}
{{Block right|[মূল্য ॥• আট আনা মাত্র।]}}<noinclude></noinclude>
6xrrspi96buthzxjnfnltiaefj3fji7
1980220
1980208
2026-06-25T13:51:11Z
কমলেশ মন্ডল
19152
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980220
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="কমলেশ মন্ডল" /></noinclude>{{dhr|2em}}
{{Img float
| file = লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩) (page 1 crop).jpg
| width = 400px
| align = center
| cap =}}
{{কেন্দ্র|<poem>{{xxx-larger|লাল সিংহ।}}
বা
{{x-larger|পশ্চিম বঙ্গের ইতিহাসের এক অধ্যায়।}}
{{Custom rule|sp|40|do|7|fcw|22|do|7|sp|40}}
{{x-larger|শ্রীহরিনাথ ঘোষ বি, এল কর্ত্তৃক}}
প্ৰণীত।
{{Custom rule|sp|40|fcw|22|sp|40}}
{{larger|শ্রী কিশোরীমোহন বসু দ্বারা}}
প্রকাশিত।
{{Custom rule|sp|20|fcw|22|sp|20}}
{{x-larger|পুরুলিয়া।}}
{{custom rule|sp|40}}
১৩২০ সাল।</poem>}}
{{Block right|[মূল্য ॥• আট আনা মাত্র।]}}<noinclude></noinclude>
2yzifaxw7ma4937vtcke8fdgdzpdkvn
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৫
104
881266
1980217
1973252
2026-06-25T13:49:52Z
Bodhisattwa
2549
1980217
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{dhr|3em}}
<poem>:::{{xxxx-larger|'''থার্ডক্লাশ'''}}
:::{{x-larger|'''রবীন্দ্রনাথ মৈত্র'''}}
{{dhr|25em}}
:::{{x-larger|'''ডি, এম্, লাইব্রেরী'''}}
:::{{x-larger|'''৪২, কর্ণওয়ালিশ ষ্ট্রীট'''}}
:::{{x-larger|'''কলিকাতা'''}}
</poem><noinclude></noinclude>
8nms0ety89gh4o3dcesjb29xvop13i1
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৬
104
881267
1980218
1977588
2026-06-25T13:50:41Z
Bodhisattwa
2549
1980218
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{dhr|3em}}
<poem>::প্রকাশক — শ্রী গোপালদাস মজুমদার
::{{larger|ডি, এম্, লাইব্রেরী}}
::৪২, কর্ণওয়ালিশ হীট, কলিকাতা</poem>
{{dhr|9em}}
{{কেন্দ্র|<poem>তৃতীয় সংস্করণ
আশ্বিন, ১৩৪৮</poem>}}
{{dhr|9em}}
{| {{ts|wa|mc}}
| width=50% |{{c|দেড় টাকা}}
| width=3% rowspan=2|
| {{ts|ar}} |{{center|প্রিণ্টার—শ্রীঅমূল্য চন্দ্র ভট্টাচার্য্য<br/>“নিউ সারদা প্রেস”<br/>২১, আতাবাগান স্ট্রীট, কলিকাতা}}{{gap|1em}}
|}<noinclude></noinclude>
qxa8vsxr3cw20zq3439rw7dmpgjr6gz
1980219
1980218
2026-06-25T13:51:00Z
Bodhisattwa
2549
1980219
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{dhr|3em}}
<poem>::প্রকাশক — শ্রী গোপালদাস মজুমদার
::{{larger|ডি, এম্, লাইব্রেরী}}
::৪২, কর্ণওয়ালিশ হীট, কলিকাতা</poem>
{{dhr|13em}}
{{কেন্দ্র|<poem>তৃতীয় সংস্করণ
আশ্বিন, ১৩৪৮</poem>}}
{{dhr|13em}}
{| {{ts|wa|mc}}
| width=50% |{{c|দেড় টাকা}}
| width=3% rowspan=2|
| {{ts|ar}} |{{center|প্রিণ্টার—শ্রীঅমূল্য চন্দ্র ভট্টাচার্য্য<br/>“নিউ সারদা প্রেস”<br/>২১, আতাবাগান স্ট্রীট, কলিকাতা}}{{gap|1em}}
|}<noinclude></noinclude>
jtubtl4guy7t57ff8o425bzndqmvjro
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৭
104
881268
1980221
1977589
2026-06-25T13:51:45Z
Bodhisattwa
2549
1980221
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{dhr|7em}}
{{কেন্দ্র|<poem>বিভিন্ন সাময়িক পত্রে প্রকাশিত
কাহিনীগুলির সমষ্টি মাত্র,
ভূমিকা নিষ্প্রয়োজন।</poem>}}
{{dhr|2em}}
{| {{ts|wa|mc}}
| width=20% |{{c|১২ ই পৌষ,<br/>সন ১৩৩৫।}}
| width=3% rowspan=2| {{brace2|3|r}}
| {{ts|ar}} |{{c|'''রবীন্দ্রনাথ মৈত্র'''}}{{gap|1em}}
|}
{{dhr|15em}}<noinclude></noinclude>
7h1l6w7o9cpti7btu0df6i3xen6q46z
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৪৫
104
881301
1980230
1973358
2026-06-25T14:15:35Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
1980230
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|চণ্ডীমণ্ডপ}}</noinclude>{{ফাঁক}}“গরীব মানুষ, আমি কি করব, বাবু? আপনারা একটা বিহিত করুন।”
{{ফাঁক}}“চৌকীদারকে বলিস নি?”
{{ফাঁক}}“বলেছিনু। সে গা’ করলে না। থানায় যেতে বলে। সে তো আবার দশ কোশ পথ, ঘর ফেলে যাই কি ক’রে? আপনারা আছেন বাপের মত—” হাউ হাউ করিয়া বিপিন মালী কাঁদিয়া উঠিল।
{{ফাঁক}}“এই তোমাদের গাঁয়ের একটা মস্ত ‘ড্রব্যাক’—কাছে থানা নেই।” বলিয়া মাষ্টার মহাশয় চায়ের পেয়ালায় চুমুক দিলেন।
{{ফাঁক}}“সেটা ঠিক! যে রকম অবস্থা থানা কাছে না থাক্লে চলবার আর উপায় নেই। কাগজে এসব নিয়ে লেখালেখি করবারও দরকার হ’য়ে পড়েছে দেখছি। শেষে কোনদিন গুণ্ডাগুলো আমাদেরই মাথা ফাটিয়ে দিয়ে যাবে। আচ্ছা তুমি যাও বিপিন, বাড়ীতেই থেকো, কোথাও যেয়ো না। মেয়েদের আর ঘাটে জল আনতে পাঠিও না। কাল সকালে একবার এসো। ভেবে-চিন্তে যা হয় করা যা’বে। হঠাৎ তো কিছু করা যায় না।”
{{ফাঁক}}বিপিন চলিয়া গেল। আধ ঘণ্টা পরে সমবেত কণ্ঠস্বরে সমস্ত পল্লী মুখর হইয়া উঠিল—
{{Block center|<poem>::“জ্বলিল যেখানে সেই দাবাগ্নি
:::—সে রূপ-বহ্নি পদ্মিনীর।
ঝাঁপিয়া পড়িল সে মহা আহবে
:::যবন-সৈন্য ক্ষত্রবীর।"</poem>}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৫}}</noinclude>
ab8em370kfobrzk6sn98llu93d61jtk
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৪০
104
881344
1980213
1977593
2026-06-25T13:43:09Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
1980213
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>দু’বেলা প্রসাদ পাবে। যা বেটারা! আজ রাত ভোর কীর্তন ক’রে কাল সকালে স্নান ক’রে আস্বি, একটু শান্তি দিয়ে দেব। রাঘব ঠাকুর লাঠি কোলের উপর রাখিয়া আসন লইলেন।
{{ফাঁক}}বৃন্দাবন বিশ্বাস আসিয়া দাঁড়াইল। অপরাধ গুরুতর। কায়স্থ পরিচয়ে পানীয় জল দিয়া সে এক সদ্ ব্রাহ্মণের ধর্ম্ম নষ্ট করিয়াছে, অভিযোগ এইরূপ। “পের্নাম হই—” বৃন্দাবন যুক্তকরে প্রণাম করিল।
{{ফাঁক}}“কি রে বেন্দা? বামুন কায়েতকে জল খাওয়াতে সাধ হয় কণ্ঠি নিলেই পারিস্। এসব দুর্ম্মতি কেন রে বেল্লিক!” রাঘব ঠাকুরের কথা শুনিয়া নতশিরে বৃন্দাবন দাঁড়াইয়া রহিল, জবাব দিল না।
{{ফাঁক}}‘বেটা! অধার্ম্মিক চণ্ডাল!’ ন্যায়রত্ন মহাশয় চীৎকার করিয়া খড়ম ছুঁড়িলেন। বাঁ হাতে ললাটের রক্তধারা চাপিয়া বৃন্দাবন বসিয়া পড়িল। পর মুহূর্ত্তেই উঠিয়া খড়মখানিতে মাথা ঠেকাইয়া সসম্ভ্রমে সেখানিকে চণ্ডীমণ্ডপের রোয়াকে তুলিয়া দিল।
{{ফাঁক}}“আর কে আছিস্?” রাঘব ঠাকুর হাঁকিলেন। প্রাঙ্গণের অন্ধকার কোণ হইতে জন কয়েক লোক উঠিয়া আসিল। তাহাদের অঙ্গ কম্পমান, মুখ পাংশু।
{{ফাঁক}}“বাবাঠাকুর! বাবাঠাকুর!! উন্মাদের মত একটি স্ত্রীলোক ছুটিয়া আসিল।
{{ফাঁক}}“বাবাঠাকুর!”
{{ফাঁক}}“আরে ছুঁস্নি, ছুস্নি, বাগ্দী-বৌ! হোথা থেকেই বল্।”
{{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৩০}}</noinclude>
r86n07gnhzb3yj5zm9xa36wndzddhyx
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৪১
104
881345
1980215
1975394
2026-06-25T13:49:04Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
1980215
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|চণ্ডীমণ্ডপ}}</noinclude>{{ফাঁক}}বাগ্দী-বৌ ছাড়িল না, রাঘব ঠাকুরের পা জড়াইয়া ধরিল। সমস্ত অঙ্গ অশুচি হইয়া গেল, রাঘব ঠাকুর ভ্রূকুঞ্চিত করিয়া উঠিয়া দাঁড়াইলেন। “দিলি ছুঁয়ে সন্ধ্যাবেলায়!”
{{ফাঁক}}বাগ্দী-বৌ তথাপি পা ছাড়িল না—“বাঁচান, বাবাঠাকুর!”
{{ফাঁক}}“আরে উৎপাৎ, হ’ল কি বল্ দেখি তোর?”
{{ফাঁক}}“মান-সরম্ভম সব গেল, বাবাঠাকুর! শেষ বেলায় ঘাঠে গিয়েছিল নারাণী। নেয়ে আস্বার পথে ও-গাঁয়ের রহিম সর্দ্দারের বেটা বলে কি না— মেয়ে তো আমার কলসী ফেলে পালিয়ে এসেছে। নজ্জায় মাথা কাটা গেল, বাবাঠাকুর।”
{{ফাঁক}}চণ্ডীমণ্ডপ শুদ্ধ সমাজপতিরা হুঁকা রাখিয়া উঠিয়া পড়িলেন। আঙ্গিনায় বংশী গোপের হাতের চিম্টা ঝন্ ঝন্ করিয়া বাজিয়া উঠিল। বৃদ্ধ সাধু মাঝির ন্যুব্জ দেহ সহসা ঋজু হইয়া গেল। ক্ষতস্থানে খানিকটা ছাই লেপিয়া বৃন্দাবন উঠিয়া দাঁড়াইল। বাম হস্তের বংশ-যষ্টি দক্ষিণ হস্তে ধরিয়া রক্তচক্ষু রাঘব ঠাকুর তিন লম্ফে প্রাঙ্গণ অতিক্রম করিয়া গেলেন, অপরাধীর দল বিনাবাক্যে তাঁহার অনুসরণ করিল, চণ্ডীমণ্ডপের অঙ্গন শূন্য হইয়া গেল।
{{ফাঁক}}ন্যায়রত্ন মহাশয় শ্যামা বাগ্দীনীর হাত ধরিয়া তুলিয়া কহিলেন—
{{ফাঁক}}ভয় করিসনে বাগ্দী-বৌ! আমরা আছি। কার ঘাড়ে ক’টা মাথা দেখে নেব। আজ রাতে দেওয়ানজীর বাড়ীতে নারাণীকে নিয়ে এসে শুয়ে থাক্বি। রামু, জগাই, বৈকুণ্ঠ যা<noinclude>{{কেন্দ্র|৩১}}</noinclude>
bpvow5wyforrpc13l7a8pzco5qk7u0n
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৪২
104
881346
1980225
1977594
2026-06-25T13:55:27Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
1980225
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>বাগদী-বৌয়ের সঙ্গে—মা-বেটিকে সাথে ক’রে দেওয়ান-বাড়ীতে পৌঁছে দে।”
{{কেন্দ্র|✶{{ফাঁক|6em}}✶{{ফাঁক|6em}}✶{{ফাঁক|6em}}✶}}
{{ফাঁক}}ইহার পর চল্লিশ বৎসর কাটিয়া গিয়াছে। মোহন ঠাকুরের চণ্ডীমণ্ডপ দেনার দায়ে কয়েক হাত ঘুরিয়া শেষে ‘দি মোহনপুর ড্রামেটিক ক্লাবে’ পরিণত হইয়াছে।
{{ফাঁক}}কোজাগরের পরের দিন সন্ধ্যা। আগামী দীপান্বিতার দিন। বারোয়ারী কালীতলায় মেবার-পতনের অভিনয় হইবে, তাহারই মহলা চলিতেছিল।
{{ফাঁক}}ক্লাব-ঘরে জন বিশেক লোক বালক এবং যুবক। কয়েক জোড়া তবলা, ডুগি, গুটি দুই হার্ম্মোনিয়াম, একখানা বেহালা ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত; বেড়ার গায়ে খানকয়েক স্বদেশী ও বিদেশী অভিনেতার বিচিত্র মুখভঙ্গীর ছবি, গুটিকয়েক বাবরী চুল, জরিদার চাপকান ও একখানা বড় আয়না।
{{ফাঁক}}হার্ম্মোনিয়ামে সুর দিয়া চপল কহিল, “আচ্ছা ‘সি-সার্পে’ ধ’রে দাওতো দেখি।” জনকয়েক বালক মুখের জ্বলন্ত বিড়ি মাটিতে নামাইয়া চীৎকার করিয়া উঠিল, ‘মেবার পাহাড়, মেবার পাহাড়, যুঝেছিল যেথা প্রতাপ বীর।
{{ফাঁক}}“ও কি হচ্ছে অনঙ্গ! চিতোর বলছ অমন ক’রে যে! তোমার ‘ফিলিং’ হচ্ছে না মোটে। চোখটা একটু বোঁজ—মিঠে রকমের। ঘাড়টা একটু কাৎ কর, বাঁ পা’টা একটু সাম্নে। ব্যাস্। অনেকটা<noinclude>{{কেন্দ্র|৩২}}</noinclude>
a9tgpuy0eflsv7qobriw1xx98iuap79
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৪৩
104
881347
1980226
1977595
2026-06-25T13:59:54Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
1980226
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|চণ্ডীমণ্ডপ}}</noinclude>হ’য়েছে! মনে ভাবতে থাক তুমি সত্যিকার অমরসিংহ, তা’হলে ঠিক ‘পস্চার’ আসবে। ওরে একটা সিগারেট দে।”
{{ফাঁক}}“মাষ্টার মশাইকে একটা সিগারেট দিয়ে যা কমল। আচ্ছা নাচগুলোতে আমাদের খুব সাক্সেস হবে, না? কি বলেন, মাষ্টার মশাই?” অনন্ত উত্তরের প্রতীক্ষায় ব্যাকুলভাবে মাষ্টারের দিকে চাহিল।
{{ফাঁক}}মাষ্টার আশ্বাস দিয়া একবার গা মোড়া দিতে দিতে বলিলেন, “খুব সম্ভব। আমরা কল্কাতায় ছোক্রা খুঁজতে খুঁজতে হয়রান, আর তোমাদের জেলে ছুতোর পাড়া থেকেই তিনটে প্লের নাচের ছেলে জুটে যায়, তাও বিনি পয়সায়! কি? ডাব? না, খাব না গলা ধ’রে যাবে, তার চেয়ে চা আনো।”
{{ফাঁক}}“ওরে চায়ের জল চাপিয়ে দে।” তিন চারজন সমস্বরে আদেশ দিল।
{{ফাঁক}}একটি যুবক হাঁপাইতে হাঁপাইতে আসিয়া উপস্থিত।
{{ফাঁক}}অনঙ্গ কহিল, “কি প্রেম-কোরক, হাঁফাতে হাঁফাতে আস্ছিস্ যে?”
{{ফাঁক}}“আর শুনো না, অনঙ্গ-দা! বুড়োরা সব বৈঠক বসিয়েছে, বল্ছে জাত গেল, ধর্ম্ম গেল! যত ছেলে মালী ছোট জাতের ছেলে নিয়ে নাকি আমাদের কারবার, তাদের হাতের জল খেয়ে চা খেয়ে উচ্ছন্ন যাচ্ছি! হাঃ! হাঃ!”
{{ফাঁক}}প্রেম-কোরক হাসিতে হাসিতে বসিয়া পড়িল।
{{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৩}}</noinclude>
ioythpt86mrva1sek9yggb2458slu7j
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৪৪
104
881348
1980227
1977596
2026-06-25T14:08:10Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
1980227
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>{{ফাঁক}}“ফুল্স্! ছোট জাত! আর ওরা সব বড় জাত! ওরাই তো সর্ব্বনাশ কর্লেন জাতটার! ও সব গোঁড়ামি—”
{{ফাঁক}}অনঙ্গ রুখিয়া উঠিল।
{{ফাঁক}}চপল হার্ম্মোনিয়ামে সুর দিয়া কহিল, “ছোট জাতই আমরা চাই, তারা থাকলেই জাত থাকবে।”
{{ফাঁক}}“ধা ধিঙ্গাড় ধা, ধিঙ্গাড় ধা ধা” বোল আওড়াইয়া সুধাংশু তবলায় চাটি দিয়া কহিল, “একবার তেরে কেটে তাক ক’রে দিতে পার না অনঙ্গ-দা?
{{ফাঁক}}“আর দু’টি বচ্ছর সবুর কর সুধাংশু, মোহনপুরের চেহারা একদম বদলে দেব, দেখে নিও।” অনঙ্গ সিগারেট ধরাইল।
{{ফাঁক}}অঙ্গনে আসিয়া দাঁড়াইল বিপিন মালী। তাহার দৃষ্টি শঙ্কিত।
{{ফাঁক}}“কিরে, বিপিন, অত শুকনো যে?”
{{ফাঁক}}“আজ্ঞে বাবু কি বলব, আপনাদের চরণে আছি।
{{ফাঁক}}“ব্যাপার কি বলতো দেখি। আবার বুঝি সমাজে ‘ঠেকা’ করেছে, না?”
{{ফাঁক}}“না, বাবু। বাড়ীর মেয়েদের তো ঘাটে যাওয়া বন্ধ হ’ল, বাবু। কাল আমার বোনকে ঘাটের পথে ইসারায় ও পাড়ার কবির সেখ ডাক্ছিল, আজ আমার মেয়ের হাত ধ’রে টেনেছে। আর ভয় দেখিয়েছে যদি বোনকে তাদের বাড়ী না পাঠাই তবে বাড়ীতে চড়াও করবে।”
{{ফাঁক}}“তুই কি করেছিস?”
{{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৪}}</noinclude>
pov100wnelhas3hhbpinx483hb74y9e
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৪৬
104
881353
1980232
1975423
2026-06-25T14:18:52Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
1980232
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{বাম|{{xx-larger|প্রত্যর্পণ}}}}
{{ফাঁক}}যে তাহার নাম চাঁপা রাখিয়াছিল, সে মোটেই ভুল করে নাই। ফুলটির বর্ণের সহিত দেহের বর্ণের কোনও পার্থক্য ছিল না; কিন্তু চাঁপার অদৃষ্ট ছিল মন্দ। দশ বছর বয়সে গোপাল বৈরাগীর সঙ্গে তাহার বিবাহ হইয়াছিল, তেরো বৎসরে সে বিধবা হইল। তখন চাঁপার মা বাঁচিয়াছিল; আর একবার চাঁপাকে পাত্রস্থ করিবার চেষ্টা বুড়ী অনেকবার করিয়াছিল কিন্তু কন্যা রাজী হইল না। তারপর মা মরিয়া গেল। চাঁপাও নিরুদ্বেগে দিন কাটাইয়া সবে বিশ বৎসরে আসিয়া পৌঁছিয়াছে।
{{ফাঁক}}একেবারেই নিরুদ্বেগে দিন কাটাইয়াছে বলিলে মিথ্যা বলা হইবে। তাহার রূপের পূজারীর অভাব ছিল না; নবীন গোয়ালা হইতে আরম্ভ করিয়া ছিদাম বৈষ্ণব পর্য্যন্ত সকলেই এক আধবার তাহার অনুগ্রহ প্রার্থনা করিয়া ধমক্ খাইয়া গেছে। আজকাল আর বড় কেহ চাঁপার কাছে বিবাহের প্রস্তাব লইয়া আসিত না। একে চাঁপার ধর্ম্মবাপ গ্রামের জমিদার রাজীববাবুর শাসন, তাহার উপর চাঁপার তিরস্কার, এই দুইটী পদার্থ পাণিপ্রার্থীদের আক্রমণ হইতে তাহাকে রক্ষা করিতেছিল।
{{ফাঁক}}চাঁপা লেখাপড়া কিছু জানিত। গ্রামের প্রাইমারী বালিকা বিদ্যালয়ে লব্ধ বিদ্যাকে সে ক্রমাগত রামায়ণ মহাভারত পড়িয়া<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৬}}</noinclude>
p12xquw0ve6e7uazjmwfg191omf7m0w
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৪৭
104
881411
1980234
1975756
2026-06-25T14:22:51Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
1980234
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|প্রত্যর্পণ}}</noinclude>অনেকদূর অগ্রসর করিয়া লইয়াছিল। সকালে মুড়ি ভাজিয়া বৈকালে রূপগাঁর বাজারে সে মুড়ি বেচিত। রাত্রে ফিরিয়া তাহার সঙ্গিনী জমিদার বাড়ীর ঝি লক্ষ্মীবুড়িকে শ্রোত্রীর আসনে বসাইয়া মহাভারত পড়িত, এইরূপে চাঁপার দিন কাটিয়া যাইতেছিল।
{{ফাঁক}}সেদিন শ্রাবণের মেঘ অপরাহ্নেই সন্ধ্যা ঘনাইয়া তুলিয়াছে। চাঁপা তাড়াতাড়ি মুড়ি বেচিয়া বাড়ী ফিরিল। গৃহের বাহিরের আঙ্গিনায় নিম গাছের ঘন ছায়া অন্ধকার রচনা করিয়া রাখিয়াছে। আঙ্গিনায় পা দিয়াই চাঁপা দেখিল কে যেন বারান্দায় শুইয়া। অন্ধকারে স্পষ্ট কিছু দেখিবার উপায় ছিল না, চাঁপা, প্রশ্ন করিল, “কে ও?” কোন উত্তর আসিল না। তখন মুড়ির ডালাটি রাখিয়া একটি প্রদীপ হাতে করিয়া সে বাহিরে আসিল।
{{ফাঁক}}যে শুইয়াছিল তাহাকে চাঁপা কোনও দিন দেখে নাই। কুড়ি বাইশ বছরের যুবক চক্ষু মুদিয়া শুইয়াছিল, চাঁপা তাহার কাছে দাঁড়াইয়া আবার প্রশ্ন করিতেই যুবক চক্ষু মেলিয়া কহিল, “জল”।
{{ফাঁক}}চাঁপা জিজ্ঞাসা করিল, “তুমি কে? কি হয়েছে?” যুবক শুধু কহিল, “জল! পিপাসা!” চাঁপা বুঝিল আগন্তুক অসুস্থ। ঘটীতে জল আনিয়া তাহাকে জলপান করাইয়া গায়ে হাত দিয়া দেখিল দারুণ জ্বর! জিজ্ঞাসা করিল, “কে তুমি? এখানে কি ক’রে এলে?”
{{ফাঁক}}যুবক যাহা বলিল, তাহার সংক্ষিপ্তসার এই যে, তাহার নাম বনমালী। মহেশতলায় যাইতে জ্বরের বেগ প্রবল হওয়াতে<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৭}}</noinclude>
k3qgjna02krn5p11y85vysmaz2cvgbw
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৪৮
104
881414
1980241
1975779
2026-06-25T14:30:16Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
1980241
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>এইখানে শুইয়া আছে, জ্বর কমিলেই চলিয়া যাইবে। মহেশতলা রূপগাঁ হইতে দুই ক্রোশ। আত্মীয় থাকিলে সেখানে সংবাদ পাঠাইবে ভাবিয়া চাঁপা প্রশ্ন করিল, “সেখানে তোমার কে আছে?” যুবক শুধু কহিল, “কেউ না। মন্দির দেখ্তে যাচ্ছিলাম।”
{{ফাঁক}}চাঁপা একটু বিব্রত হইয়া কহিল, “তাইতো! এখানে তোমাকে কে দেখ্বে? কোথা থেকে বা এলে!”
{{ফাঁক}}যুবক কহিল, “কাউকে দেখতে হবে না। জ্বর কম্লেই আমি চ’লে যাব। তুমি যাও।” স্বরে একটু তীব্রতা ছিল, চাঁপা তাহা অনুভব করিল। সে আর কিছু জিজ্ঞাসা করিল না, “মাথার কাছে ঘটিতে জল রৈল পিপাসা হ’লে খেও।” বলিয়া চাঁপা ভিতরে চলিয়া গেল।
{{ফাঁক}}রাত ন’টায় চাঁপা একবার বাহিরে আসিল। বনমালী তখন জ্বরের ঘোরে অস্ফুটস্বরে প্রলাপ বকিতেছিল। চাঁপা প্রমাদ গণিল। বাহিরে এই অবস্থায় একটা মানুষকে কি করিয়া ফেলিয়া রাখা যায়? আর ভিতরেই বা অপরিচিত যুবাকে স্থান দেয় কি করিয়া? মানসিক অবস্থা যখন এইরূপ সেই সময়ে লক্ষ্মী আসিয়া উপস্থিত হইল। সমস্ত দেখিয়া সে কহিল, “তা আর কি করবে?” ‘কৃষ্টের জীব’ ফেল্তে তো পারবে না! বাইরের ঘরে মাচার উপর বিছানা ক’রে দাও। আহা কার বাছা যেন!
{{ফাঁক}}সেইটিই সুযুক্তি বোধ হইল; বিছানা করিয়া দুইজনে ধরাধরি করিয়া আনিয়া বনমালীকে ভিতরে শোয়াইয়া দিল। সারা রাত্রি<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৮}}</noinclude>
a437b89fr9i7mli1zjz2fv6hcot3r6m
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/৫০
104
881417
1980242
1977597
2026-06-25T14:35:58Z
Salil Kumar Mukherjee
12643
1980242
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>{{ফাঁক}}চাঁপা কহিল, “সে সব আর এখন শুনতে পারিনে, হপ্তা ধরে দোকান বন্ধ, এখুনি যাব। তুমি বাইরে বেরিও না ঘরেই ব’সে থাক। আর এই ওষুধটা —” বলিয়া এক মোড়ক গুঁড়া তাহার হাতে দিয়া কহিল, “এটা দুপুরে তুলসী রস দিয়ে খেও। আমি স্নান সেরে তুলসী তুলে দিয়ে যাব’খন।”
{{ফাঁক}}সমস্ত দিন ধরিয়া বনমালী কত কি ভাবিল। এই দরিদ্র নারীর উপার্জ্জন সে কেবল বসিয়া বসিয়া ভোগ করিতেছে। এ অবস্থাটা সুখকর নহে। সন্ধ্যায় চাঁপা ফিরিয়া জিজ্ঞাসা করিল, "জ্বর আসে নি?” বনমালী কহিল, “না”। পরক্ষণেই কহিল, “দেখ আমি যেতে চাই!”
{{ফাঁক}}চাঁপার মুখখানা সহসা গম্ভীর হইয়া গেল। অন্ধকারে বনমালী তাহা দেখিতে পাইল না। কিছুক্ষণ নিস্তব্ধ থাকিয়া সে কহিল, “তা বেশ, যাও না। তা আর আমায় জিজ্ঞেস কেন?” কথাটি ঠিক অনুমতির মত শোনাইল না দেখিয়া বনমালী চুপ করিয়া গেল। এক প্রহর রাত্রে যখন দুধ বার্লি লইয়া চাঁপা উপস্থিত হইল, তখনও তাহার মুখের কালো ছায়াটি কাটিয়া যায় নাই। বনমালী এক চুমুকে পাত্রটি নিঃশেষ করিয়া কহিল, “দেখ তুমি গরীব। আর কতদিন আমাকে পুষ্বে? সেইজন্য যেতে চাইছি। এখন ভাল হ’য়েছি, বোধ করি যেতে পার্ব।”
{{ফাঁক}}চাঁপা একবার বনমালীর মুখের দিকে চাহিল। তাহার যে যাওয়াই উচিত তাহাতে চাঁপারও কোনও সন্দেহ ছিল না কিন্তু<noinclude>{{কেন্দ্র|৪০}}</noinclude>
r199ocdt9v2a145e4gs9y12j57nio1k
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১৩১
104
882075
1980247
1980175
2026-06-25T14:48:22Z
Bodhisattwa
2549
1980247
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|দেশদ্রোহী}}</noinclude>আসিত, তখন সে মৃদু হাসিয়া কহিত, “আমি কেউ নই। সেবা-ব্রতের দীক্ষা নিতে চাও, তবে আদর্শ পুরুষের শরণ লও।” এইরূপে ক্ষেত্র প্রস্তুত করিয়া বীজবপনের জন্য সে মিঃ দত্তকে সহর হইতে আহ্বান করিয়া আনিত। এইরূপে বৎসরের মধ্যে অমরেশ মিঃ দত্তকে লক্ষ লক্ষ লোকের রাষ্ট্রীয় গুরুপদে প্রতিষ্ঠিত করিয়া দিল।
{{ফাঁক}}সহসা একদিন পুলিশ আসিয়া বক্তৃতা-মঞ্চ হইতে অমরেশকে আপসারিত করিয়া লইয়া গেল। অমরেশ সমবেত বিক্ষুব্ধ জনমণ্ডলীকে সম্বোধন করিয়া কহিল, “ভাই সব, আমি চল্লাম। তোমরা যে ব্রত নিয়েছ, তা জীবন দিয়ে সফল কর! অভাব অভিযোগ প্রয়োজন সব মিঃ দত্তকে জানাবে। তাঁর উপদেশ ও নির্দ্দেশে চলবে, সিদ্ধি নিশ্চয় হবে।”
{{ফাঁক}}রাজদ্রোহের অপরাধে অমরেশের তিন বৎসর জেল হইল। অমরেশ মৃদু হাসিয়া কহিল, “বন্দেমাতরম্।” জেলে যাইবাব পূৰ্ব্বে একখানি কাগজের টুক্রায় মিঃ দত্তের উদ্দেশে লিখিল, “মাকে দেখবেন।” তাহার পর অমরেশ জেলের গাড়ীতে উঠিল। স্বেচ্ছাসেবকেরা জয়ধ্বনি করির৷ ফিরিয়া গেল।
{{***|4|5em|char=⁕}}
{{ফাঁক}}দীর্ঘ তিন বৎসর। ইহার মধ্যে কত পরিবর্ত্তন হইয়া গিয়াছে। দেশ-সেবার ধারা, দেশ-প্রেমের সংজ্ঞা সমস্ত বদলাইয়া গিয়াছে।<noinclude>{{কেন্দ্র|১২১}}</noinclude>
rxnfca7g1s6j418z6ivjagsbe96ieju
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১৩৩
104
882078
1980248
1980177
2026-06-25T14:48:28Z
Bodhisattwa
2549
1980248
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|দেশদ্রোহী}}</noinclude>বাস্তুভিটা বিক্রয় হইয়া গিয়াছে। ভট্টাচাৰ্য্য-গৃহিণী আঙ্গিনায় ছড়া-ঝাঁট দিতেছিলেন, অমরেশকে দেখিয়া ম্লান মুখে কহিলেন, “এস বাবা, কবে এলে?” অমরেশ প্রণাম করিয়া কহিল “আজই। মা কোথায়?”
{{ফাঁক}}ভট্টাচাৰ্য্য-গৃহিণী কহিলেন, হাত-মুখ ধোও, বিশ্রাম কর।” অমরেশের মনে শঙ্কা ঘনাইয়া আসিল, সে প্রশ্ন করিল “মা কোথায়।”
{{ফাঁক}}ভট্টাচার্য্য-গৃহিণী উচ্চৈস্বরে কাঁদিয়া উঠিয়া অমরেশের প্রশ্নের জবাব দিলেন। অমরেশ করতলে মুখ ঢাকিয়া আচ্ছন্নের মত বসিয়া রহিল।
{{ফাঁক}}দ্বিপ্রহরে মায়ের মৃত্যুর কাহিনী অমরেশ সমস্তই শুনিল। পুত্রের কারাদণ্ডের সংবাদ পাইয়া বিধবার মূর্ছারোগের সূত্রপাত হইতে আরম্ভ করিয়া পাওনাদারের তাগিদ, অবশেষে বাস্তুভিটা বিক্রয়, শেষে উন্মাদ প্রায় জননীর অন্নজল ত্যাগ এবং মৃত্যু সমস্ত কথাই ভট্টাচাৰ্য্য-গৃহিণী সবিস্তারে কহিয়৷ গেলেন। অমরেশ নীরবে শুনিয়া গেল মাত্র।
{{***|4|5em|char=⁕}}
{{ফাঁক}}অমরেশ কলিকাতায় আসিয়া দেখিল যে, সে দিনের সে কলিকাতা আর নাই। স্কুল কলেজে পূর্ব্বের মতন ছাত্রেরা যাতায়াত করিতেছে। যে বস্তুটির বিরুদ্ধে তিন-চার বৎসর পূর্ব্বে<noinclude>{{কেন্দ্র|১২৩}}</noinclude>
eacah10g7wqgj9cs3sapl9hzqx2rcnw
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১৩৬
104
882082
1980183
2026-06-25T12:18:10Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "{{বাম|{{xx-larger|শাঁখের করাত}}}} {{ফাঁক}}পনের বৎসর পর পশুপতি গ্রামে ফিরিল। এতদিন পাঞ্জাবে খুড়ার কাছে থাকিয়া পড়াশুনা করিয়াছে, গ্রামের খবর বড় জানিত না। সন্ধ্যাকালে গ্রামের প্রধ..." দিয়ে পাতা তৈরি
1980183
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" /></noinclude>{{বাম|{{xx-larger|শাঁখের করাত}}}}
{{ফাঁক}}পনের বৎসর পর পশুপতি গ্রামে ফিরিল। এতদিন পাঞ্জাবে খুড়ার কাছে থাকিয়া পড়াশুনা করিয়াছে, গ্রামের খবর বড় জানিত না। সন্ধ্যাকালে গ্রামের প্রধানেরা একত্র হইয়া গ্রামের এই কৃতবিদ্য সন্তানটির সঙ্গে সাক্ষাৎ করিতে আসিয়া, সংক্ষেপে গ্রামের সংবাদ তাহাকে জানাইলেন। সংবাদগুলি এই—
{{ফাঁক}}বিশ সনের ঝড়ে নৌকা ডুবিয়া জমিদার মধু মিত্র মহাশয় পরলোক গিয়াছেন। তদীয় পুত্র অনুকূল সম্পত্তি বন্ধক দিয়া বিলাত যাইবার নাম করিয়া বোম্বাইতে এক সাহেবী হোটেলে আছে।
{{ফাঁক}}রায়-বাড়ীতে রায়-গিন্নী আছেন। রায় মহাশয় ওলাউঠায় ও তাঁহার তিন পুত্র মরিয়াছে কালাজ্বরে।
{{ফাঁক}}কুণ্ডু-বাড়ীতে কেহ নাই; দুই সরিকে বৎসর দশেক ধরিয়া কাঁঠাল গাছের স্বত্ব লইয়া মামলা করিয়া সৰ্ব্বস্বান্ত হইয়া, শেষে এক সরিক বগুড়ায় মামাবাড়ী, অপর সরিক মালদয় মাসীবাড়ীতে গিয়াছে। বাড়ী খালি, তাহাতে বছিরদ্দি চৌকীদারের মুর্গী ও ধনাই দাসের গরু থাকে।
{{ফাঁক}}ছেলের অভাবে গ্রামের মাইনর ইস্কুলটি উঠিয়া গিয়াছে। ছেলেরা এক হাফ্ আখড়াইয়ের দল করিয়াছে, কদম বিশ্বাসের<noinclude>{{কেন্দ্র|১২৬}}</noinclude>
kgwjgwojdkmw2kh8osxy08oeclyvuan
1980184
1980183
2026-06-25T12:18:48Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1980184
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{বাম|{{xx-larger|শাঁখের করাত}}}}
{{ফাঁক}}পনের বৎসর পর পশুপতি গ্রামে ফিরিল। এতদিন পাঞ্জাবে খুড়ার কাছে থাকিয়া পড়াশুনা করিয়াছে, গ্রামের খবর বড় জানিত না। সন্ধ্যাকালে গ্রামের প্রধানেরা একত্র হইয়া গ্রামের এই কৃতবিদ্য সন্তানটির সঙ্গে সাক্ষাৎ করিতে আসিয়া, সংক্ষেপে গ্রামের সংবাদ তাহাকে জানাইলেন। সংবাদগুলি এই—
{{ফাঁক}}বিশ সনের ঝড়ে নৌকা ডুবিয়া জমিদার মধু মিত্র মহাশয় পরলোক গিয়াছেন। তদীয় পুত্র অনুকূল সম্পত্তি বন্ধক দিয়া বিলাত যাইবার নাম করিয়া বোম্বাইতে এক সাহেবী হোটেলে আছে।
{{ফাঁক}}রায়-বাড়ীতে রায়-গিন্নী আছেন। রায় মহাশয় ওলাউঠায় ও তাঁহার তিন পুত্র মরিয়াছে কালাজ্বরে।
{{ফাঁক}}কুণ্ডু-বাড়ীতে কেহ নাই; দুই সরিকে বৎসর দশেক ধরিয়া কাঁঠাল গাছের স্বত্ব লইয়া মামলা করিয়া সৰ্ব্বস্বান্ত হইয়া, শেষে এক সরিক বগুড়ায় মামাবাড়ী, অপর সরিক মালদয় মাসীবাড়ীতে গিয়াছে। বাড়ী খালি, তাহাতে বছিরদ্দি চৌকীদারের মুর্গী ও ধনাই দাসের গরু থাকে।
{{ফাঁক}}ছেলের অভাবে গ্রামের মাইনর ইস্কুলটি উঠিয়া গিয়াছে। ছেলেরা এক হাফ্ আখড়াইয়ের দল করিয়াছে, কদম বিশ্বাসের<noinclude>{{কেন্দ্র|১২৬}}</noinclude>
ihb8jh373epkg01sk1o5pzxsb1dsrao
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১৩৭
104
882083
1980185
2026-06-25T12:25:59Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1980185
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|শাঁখের করাত}}</noinclude>বাড়ীর দরদালানে দুপুর বেলায় তাস পিটিয়া, সন্ধ্যাকালে আখড়াই জুড়িয়া দেয়।
{{ফাঁক}}গ্রামের মেয়েরা দুপুরে নদীতে এবং সন্ধ্যায় মল্লিকদের এঁদো পুকুরে স্নান করেন। নদীর ঘাটে যাইবার উপায় নাই। নবিগঞ্জের চামড়ার গুদামওয়ালার মুন্সী সরকার আর একদল লোক রংদার লুঙ্গী ও ধোপদন্ত কামিজের উপর ওয়েষ্ট কোট আঁটিয়া মাঝ নদীতে বিশ্রী সারি গাহিয়া বাচ খেলে, কখনও কখনও ঘাটে বসিয়া নির্ভয়ে বিড়ি ফুঁকিতে থাকে।
{{ফাঁক}}এই কথা শুনিয়া পশুপতি একেবারে জ্বলিয়া উঠিল, কহিল, “আপনারা কি করেন?” নবিন রায় মহাশয় প্রাচীন ব্যক্তি অনেক দেখিয়াছেন। তিনি কহিলেন, “কি করব দাদা? টাকাই সব। টাকার জোরেই সব হয়। গত বৎসর রাধা বোষ্টমী আর এই বোশেখে মাখন মাঝির জলজ্যান্ত বৌকে ঘাট থেকে তুলে নিয়ে গেল, কে কি করল ? টাকায় সাক্ষী বোবা হয়, পুলিশ খোঁড়া হয়। আমরা যদি দু'কথা বলতে যাই, তা হ'লে আর হাটে যাওয়ার পথ থাকে না।” দাশু ঘোষ কহিলেন, “মান-ইজ্জৎ সব মধু মিত্তির মশাইয়ের সঙ্গেই গিয়েছে। জেলেপাড়া নবিগঞ্জের দালালের উৎপাতে সাফ্। বৌ-ঝি ঘরে রেখে জাল বাইতে যাবে কে? ভাবছি এই পোষ পেরুলে ঘর দু'খানা ভেঙ্গে নিয়ে সদরে গিয়ে ঘর তুলব।”
{{ফাঁক}}পশুপতি পূর্ব্ববৎ তীব্র স্বরে কহিল, “কোথাও যেতে হবে না !<noinclude>{{কেন্দ্র|১২৭}}</noinclude>
hc360y0ghfou6ypykg7e7sya2ref23g
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১৩৮
104
882084
1980186
2026-06-25T12:29:59Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "আমি দু'দিনে সব ঠিক্ ক'রে দিচ্ছি। নিশ্চিন্ত থাকুন! শুধু ছেলেগুলোকে একবার আমার কাছে ডেকে দেবেন।” {{কেন্দ্র|(২)}} {{ফাঁক}}একে বড় মানুষ তাহার পর এম এ পাশ। বহুকাল পর দেশে ফিরিয়াছে।..." দিয়ে পাতা তৈরি
1980186
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>আমি দু'দিনে সব ঠিক্ ক'রে দিচ্ছি। নিশ্চিন্ত থাকুন! শুধু
ছেলেগুলোকে একবার আমার কাছে ডেকে দেবেন।”
{{কেন্দ্র|(২)}}
{{ফাঁক}}একে বড় মানুষ তাহার পর এম এ পাশ। বহুকাল পর
দেশে ফিরিয়াছে। ছেলের দল তাহাকে বড় কেহ দেখে নাই,
কৌতূহলী হইয়া হা আখড়াইয়ের দলশুদ্ধ রাত্রি এক প্রহরে
পশুপতির বাড়ীর আঙ্গিনায় আসিয়া দাঁড়াইল।
{{ফাঁক}}পশুপতি মুগুর ভাঁজিতেছিল । মুগুর রাখিয়া ছেলেদের
পরিচয় লইয়া কহিল, “তোমরা বেঁচে থাকতে গাঁয়ে এই সব
অত্যাচার হয় ! কি কর তোমরা ?” দলের নেতা নরেন্দ্র চক্রবর্তীর
বয়স বছর বাইশ, কিন্তু এই বয়সেই সংসারের যাবতীয় অভিজ্ঞতা
সে লাভ করিয়া অত্যন্ত প্রবীণ হইয়া পড়িয়াছিল।
সে কহিল,
“করতে পারি সবই। কিন্তু পিছনে দাঁড়ায় কে বলুন ?
কাজেই টাকা চাই। টাকা পেলে দু'দশটা লাঠিয়াল – ”
সব
{{ফাঁক}}পশুপতি রুখিয়া উঠিল, “লাঠিয়াল দিয়ে মা-বোনের ইজ্জং
বাঁচাবে ? এ বুদ্ধি পেলে কোত্থেকে!”
{{ফাঁক}}আপনার সাঙ্গোপাঙ্গ পার্যদের সম্মুখে ধমক খাইয়া নরেন্দ্রের
নিতান্ত অপমান বোধ হইল । মনের ক্রোধ মনে চাপিয়া
মুখে হাসিয়া কহিল, “তা আপনি যখন এসেছেন যা বলবেন
করব।”
১২৮<noinclude>{{কেন্দ্র|১২৮}}</noinclude>
m8xo0r0hxry1k8iahbko0c7lq5gitx2
1980188
1980186
2026-06-25T12:32:15Z
BabulB
2144
1980188
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>আমি দু'দিনে সব ঠিক্ ক'রে দিচ্ছি। নিশ্চিন্ত থাকুন! শুধু
ছেলেগুলোকে একবার আমার কাছে ডেকে দেবেন।”
{{কেন্দ্র|(২)}}
{{ফাঁক}}একে বড় মানুষ তাহার পর এম এ পাশ। বহুকাল পর
দেশে ফিরিয়াছে। ছেলের দল তাহাকে বড় কেহ দেখে নাই,
কৌতূহলী হইয়া হা আখড়াইয়ের দলশুদ্ধ রাত্রি এক প্রহরে
পশুপতির বাড়ীর আঙ্গিনায় আসিয়া দাঁড়াইল।
{{ফাঁক}}পশুপতি মুগুর ভাঁজিতেছিল । মুগুর রাখিয়া ছেলেদের
পরিচয় লইয়া কহিল, “তোমরা বেঁচে থাকতে গাঁয়ে এই সব
অত্যাচার হয় ! কি কর তোমরা ?” দলের নেতা নরেন্দ্র চক্রবর্তীর
বয়স বছর বাইশ, কিন্তু এই বয়সেই সংসারের যাবতীয় অভিজ্ঞতা
সে লাভ করিয়া অত্যন্ত প্রবীণ হইয়া পড়িয়াছিল।
সে কহিল,
“করতে পারি সবই। কিন্তু পিছনে দাঁড়ায় কে বলুন ?
কাজেই টাকা চাই। টাকা পেলে দু'দশটা লাঠিয়াল – ”
সব
{{ফাঁক}}পশুপতি রুখিয়া উঠিল, “লাঠিয়াল দিয়ে মা-বোনের ইজ্জং
বাঁচাবে ? এ বুদ্ধি পেলে কোত্থেকে!”
{{ফাঁক}}আপনার সাঙ্গোপাঙ্গ পার্যদের সম্মুখে ধমক খাইয়া নরেন্দ্রের
নিতান্ত অপমান বোধ হইল । মনের ক্রোধ মনে চাপিয়া
মুখে হাসিয়া কহিল, “তা আপনি যখন এসেছেন যা বলবেন
করব।”
{{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|১২৮}}</noinclude>
fgn1m03f185ua3wqpfxtrofhu8a4arc
1980204
1980188
2026-06-25T13:24:30Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1980204
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>আমি দু'দিনে সব ঠিক্ ক'রে দিচ্ছি। নিশ্চিন্ত থাকুন! শুধু ছেলেগুলোকে একবার আমার কাছে ডেকে দেবেন।”
{{কেন্দ্র|(২)}}
{{ফাঁক}}একে বড় মানুষ তাহার পর এম এ পাশ। বহুকাল পর দেশে ফিরিয়াছে। ছেলের দল তাহাকে বড় কেহ দেখে নাই, কৌতূহলী হইয়া হা আখড়াইয়ের দলশুদ্ধ রাত্রি এক প্রহরে পশুপতির বাড়ীর আঙ্গিনায় আসিয়া দাঁড়াইল।
{{ফাঁক}}পশুপতি মুগুর ভাঁজিতেছিল। মুগুর রাখিয়া ছেলেদের পরিচয় লইয়া কহিল, “তোমরা বেঁচে থাকতে গাঁয়ে এই সব অত্যাচার হয়! কি কর তোমরা?” দলের নেতা নরেন্দ্র চক্রবর্ত্তীর বয়স বছর বাইশ, কিন্তু এই বয়সেই সংসারের যাবতীয় অভিজ্ঞতা সে লাভ করিয়া অত্যন্ত প্রবীণ হইয়া পড়িয়াছিল। সে কহিল, “করতে পারি সবই। কিন্তু পিছনে দাঁড়ায় কে বলুন? সব কাজেই টাকা চাই। টাকা পেলে দু'দশটা লাঠিয়াল—”
{{ফাঁক}}পশুপতি রুখিয়া উঠিল, “লাঠিয়াল দিয়ে মা-বোনের ইজ্জৎ বাঁচাবে? এ বুদ্ধি পেলে কোত্থেকে!”
{{ফাঁক}}আপনার সাঙ্গোপাঙ্গ পার্যদের সম্মুখে ধমক খাইয়া নরেন্দ্রের নিতান্ত অপমান বোধ হইল। মনের ক্রোধ মনে চাপিয়া মুখে হাসিয়া কহিল, “তা আপনি যখন এসেছেন যা বলবেন করব।”
{{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|১২৮}}</noinclude>
80t458odtfne8ew811h28fvq51zlnn8
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১৩৯
104
882085
1980187
2026-06-25T12:31:54Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "পশুপতি কহিল, “যা বলবার বলব কাল। যা করতে হবে তাও বলব কাল, বেলা দশটায় এসো।” “আজ্ঞে আচ্ছা” বলিয়া নরেন্দ্র চক্রবর্তি চলিয়া গেল এবং পথে বিড়ি ধরাইতে ধরাইতে পার্ষদবৃন্দের দি..." দিয়ে পাতা তৈরি
1980187
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{ডান|শাঁখের করাত}}</noinclude>পশুপতি কহিল, “যা বলবার বলব কাল। যা করতে হবে
তাও বলব কাল, বেলা দশটায় এসো।”
“আজ্ঞে আচ্ছা” বলিয়া নরেন্দ্র চক্রবর্তি চলিয়া গেল এবং পথে
বিড়ি ধরাইতে ধরাইতে পার্ষদবৃন্দের দিকে চাহিয়া কহিল, “হাতী
ঘোড়া গেল তল, ভেড়া বলেন কত জল । কেমন পাচকড়ি ?”
পাঁচকড়ি সূত্রধর একটু কাষ্ঠ হাসিয়া কহিল, “তা বৈকি প্রভু। *
এক প্রহর রাত্রে পশুপতি একাকী গ্রামের পথে বাহির হইল ৷
তখন হাফ আপড়াইয়ের গান পর্য্যন্ত শেষ হইয়া গিয়াছে । সমস্ত
গ্রাম নিঃঝুম। কাহারো বৈঠকখানায় প্রদীপ নাই। মল্লিকদের
চণ্ডীমণ্ডপে সারারাত্রি এককালে পাশা চলিত, সে কথা আবছায়ার
মত তাহার মনে ছিল। দেখিল সেখানে গুটিকতক কুকুর
জড়াজড়ি করিতেছে, পথে জনপ্রাণীর সাড়া শব্দ পাইল না, শুধু
নদীর ধারে বারোয়ারীতলার বাধানো বেলগাছের নীচে নবিগঞ্জের
জনকয়েক লোক তাশ পিটিতেছিল, আর একজন বাঁশের বাঁশীতে
আড়থেমটায় একটি পিলু বাঁরোয়ায় টপ্পা বাজাইতেছিল ।
ভোরে বাইক চাপিয়৷ প্রথমে পশুপতি গেল থানায় । দারোগা
বাবু অপাঙ্গে এই নবাগত যুবককে দেখিয়া লইলেন, কিন্তু তাহার
ভাব-ভঙ্গী দেখিয়া খুসী হইতে পারিলেন না। পশুপতি তাঁহাকে
গ্রামের অবস্থা জানাইয়া পুলিশের কথা কহিতেই দারোগাবাবু
কহিলেন, “পুলিশের সাধ্য কি মশাই! সব গাঁয়ের অবস্থাই এই
রকম, পুলিশ করে কি ? আপনারা লাগুন! সাক্ষী জোগাড়
১২৯<noinclude>{{কেন্দ্র|১২৯}}</noinclude>
0h6lc29vfoda9vq9aiv1folfmibjczq
1980189
1980187
2026-06-25T12:33:14Z
BabulB
2144
1980189
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{ডান|শাঁখের করাত}}</noinclude>{{ফাঁক}}পশুপতি কহিল, “যা বলবার বলব কাল। যা করতে হবে
তাও বলব কাল, বেলা দশটায় এসো।”
{{ফাঁক}}“আজ্ঞে আচ্ছা” বলিয়া নরেন্দ্র চক্রবর্তি চলিয়া গেল এবং পথে
বিড়ি ধরাইতে ধরাইতে পার্ষদবৃন্দের দিকে চাহিয়া কহিল, “হাতী
ঘোড়া গেল তল, ভেড়া বলেন কত জল । কেমন পাচকড়ি ?”
{{ফাঁক}}পাঁচকড়ি সূত্রধর একটু কাষ্ঠ হাসিয়া কহিল, “তা বৈকি প্রভু। *
{{ফাঁক}}এক প্রহর রাত্রে পশুপতি একাকী গ্রামের পথে বাহির হইল ৷
তখন হাফ আপড়াইয়ের গান পর্য্যন্ত শেষ হইয়া গিয়াছে । সমস্ত
গ্রাম নিঃঝুম। কাহারো বৈঠকখানায় প্রদীপ নাই। মল্লিকদের
চণ্ডীমণ্ডপে সারারাত্রি এককালে পাশা চলিত, সে কথা আবছায়ার
মত তাহার মনে ছিল। দেখিল সেখানে গুটিকতক কুকুর
জড়াজড়ি করিতেছে, পথে জনপ্রাণীর সাড়া শব্দ পাইল না, শুধু
নদীর ধারে বারোয়ারীতলার বাধানো বেলগাছের নীচে নবিগঞ্জের
জনকয়েক লোক তাশ পিটিতেছিল, আর একজন বাঁশের বাঁশীতে
আড়থেমটায় একটি পিলু বাঁরোয়ায় টপ্পা বাজাইতেছিল ।
{{ফাঁক}}ভোরে বাইক চাপিয়৷ প্রথমে পশুপতি গেল থানায় । দারোগা
বাবু অপাঙ্গে এই নবাগত যুবককে দেখিয়া লইলেন, কিন্তু তাহার
ভাব-ভঙ্গী দেখিয়া খুসী হইতে পারিলেন না। পশুপতি তাঁহাকে
গ্রামের অবস্থা জানাইয়া পুলিশের কথা কহিতেই দারোগাবাবু
কহিলেন, “পুলিশের সাধ্য কি মশাই! সব গাঁয়ের অবস্থাই এই
রকম, পুলিশ করে কি ? আপনারা লাগুন! সাক্ষী জোগাড়<noinclude>{{কেন্দ্র|১২৯}}</noinclude>
d09a8h42bdvqn6mmw2pwpittjppjib5
1980207
1980189
2026-06-25T13:31:38Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1980207
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|শাঁখের করাত}}</noinclude>{{ফাঁক}}পশুপতি কহিল, “যা বলবার বলব কাল। যা করতে হবে তাও বল্ব কাল, বেলা দশটায় এসো।”
{{ফাঁক}}“আজ্ঞে আচ্ছা” বলিয়া নরেন্দ্র চক্রবর্ত্তি চলিয়া গেল এবং পথে বিড়ি ধরাইতে ধরাইতে পার্ষদবৃন্দের দিকে চাহিয়া কহিল, “হাতী ঘোড়া গেল তল, ভেড়া বলেন কত জল। কেমন পাঁচকড়ি?”
{{ফাঁক}}পাঁচকড়ি সূত্রধর একটু কাষ্ঠ হাসিয়া কহিল, “তা বৈকি প্রভু।”
{{ফাঁক}}এক প্রহর রাত্রে পশুপতি একাকী গ্রামের পথে বাহির হইল। তখন হাফ্ আখড়াইয়ের গান পর্য্যন্ত শেষ হইয়া গিয়াছে। সমস্ত গ্রাম নিঃঝুম। কাহারো বৈঠকখানায় প্রদীপ নাই। মল্লিকদের চণ্ডীমণ্ডপে সারারাত্রি এককালে পাশা চলিত, সে কথা আব্ছায়ার মত তাহার মনে ছিল। দেখিল সেখানে গুটিকতক কুকুর জড়াজড়ি করিতেছে, পথে জনপ্রাণীর সাড়া শব্দ পাইল না, শুধু নদীর ধারে বারোয়ারীতলার বাধানো বেলগাছের নীচে নবিগঞ্জের জনকয়েক লোক তাশ পিটিতেছিল, আর একজন বাঁশের বাঁশীতে আড়খেমটায় একটি পিলু বাঁরোয়ায় টপ্পা বাজাইতেছিল ।
{{ফাঁক}}ভোরে বাইক চাপিয়৷ প্রথমে পশুপতি গেল থানায়। দারোগা বাবু অপাঙ্গে এই নবাগত যুবককে দেখিয়া লইলেন, কিন্তু তাহার ভাব-ভঙ্গী দেখিয়া খুসী হইতে পারিলেন না। পশুপতি তাঁহাকে গ্রামের অবস্থা জানাইয়া পুলিশের কথা কহিতেই দারোগাবাবু কহিলেন, “পুলিশের সাধ্য কি মশাই! সব গাঁয়ের অবস্থাই এই রকম, পুলিশ করে কি? আপনারা লাগুন! সাক্ষী জোগাড়<noinclude>{{কেন্দ্র|১২৯}}</noinclude>
mi3mx4s4qlgvdy9lm7malyamfi9du9j
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১৪০
104
882086
1980190
2026-06-25T12:37:01Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "করুন, আমরা পিছনে আছি। আপনারা নিজেরা কিছু করবেন না, মামলা করলে সাক্ষী জোটাতে পারবেন না; মামলা ফেঁসে গেলে খবরের কাগজে পুলিশকে গালাগাল করবেন!” পশুপতি এই প্রসঙ্গে দ্বিতীয় কথা..." দিয়ে পাতা তৈরি
1980190
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>করুন, আমরা পিছনে আছি। আপনারা নিজেরা কিছু করবেন
না, মামলা করলে সাক্ষী জোটাতে পারবেন না; মামলা ফেঁসে
গেলে খবরের কাগজে পুলিশকে গালাগাল করবেন!” পশুপতি
এই প্রসঙ্গে দ্বিতীয় কথা না বলিয়াই সদরের পথ ধরিল । সাত
ক্রোশ পথ অতিক্রম করিয়া মহকুমা হাকিমের কুঠীতে সে যখন
উপস্থিত হইল, সাহেব তখন বারান্দায় বসিয়া 'ব্রেকফাষ্ট করিতে-
ছিলেন। পশুপতি কাউদিয়া গ্রামের অবস্থা সংক্ষেপে কহিয়৷
গেল। সাহেব সাঃ বিলাত হইতে আসিয়াছেন, এই বলিষ্ঠ
যুবকটাকে তাঁহার ভালো লাগিল। ইংরাজীতে কহিলেন, “জানো বাবু, যে মানুষ আপনাকে সাহায্য করে, ভগবান তাকে সাহায্য করেন। তোমার গ্রামের ছেলেদের নিয়ে একটা 'পেট্রোল' আর ‘ডিফেন্স পার্টি' গ’ড়ে ক্লে, দেখবে আপনি উৎপাত কমে যাবে, গুড মর্নিং!”
{{ফাঁক}}পশুপতি ফিরিয়া আসিল। তাহার পূর্ব্ব আদেশ অনুযায়ী ছেলের দল আঙ্গিনায় অপেক্ষা করিতেছিল, পশুপতি তাহাদিগকে কহিল, “আমি কুস্তির আখড়া খুলছি, সেখানে লাঠি খেলাও চলবে তা ছাড়া সকল রকম খেলার সরঞ্জাম রাখব । তোমাদের সবাইকে আসতে হবে।” ছেলেরা স্বীকার করিয়া চলিয়া গেল ।
{{ফাঁক}}দ্বিপ্রহরে ঘাটে যাইবার পথে নবীন রায় মহাশয়কে ডাকিয়া পশুপতি কহিল, “প্রায় ক'রে তুলেছি দাদামশাই, দু'দিনে ঠিক ক'রে দেব, ভয় পাবেন না।”<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩০}}</noinclude>
skga56bgotelk6s8m8c33e7cnvwjf4o
1980192
1980190
2026-06-25T12:41:01Z
BabulB
2144
1980192
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>করুন, আমরা পিছনে আছি। আপনারা নিজেরা কিছু করবেন
না, মামলা করলে সাক্ষী জোটাতে পারবেন না; মামলা ফেঁসে
গেলে খবরের কাগজে পুলিশকে গালাগাল করবেন!” পশুপতি
এই প্রসঙ্গে দ্বিতীয় কথা না বলিয়াই সদরের পথ ধরিল । সাত
ক্রোশ পথ অতিক্রম করিয়া মহকুমা হাকিমের কুঠীতে সে যখন
উপস্থিত হইল, সাহেব তখন বারান্দায় বসিয়া 'ব্রেকফাষ্ট করিতে-
ছিলেন। পশুপতি কাউদিয়া গ্রামের অবস্থা সংক্ষেপে কহিয়৷
গেল। সাহেব সাঃ বিলাত হইতে আসিয়াছেন, এই বলিষ্ঠ
যুবকটাকে তাঁহার ভালো লাগিল। ইংরাজীতে কহিলেন, “জানো বাবু, যে মানুষ আপনাকে সাহায্য করে, ভগবান তাকে সাহায্য করেন। তোমার গ্রামের ছেলেদের নিয়ে একটা 'পেট্রোল' আর ‘ডিফেন্স পার্টি' গ’ড়ে ক্লে, দেখবে আপনি উৎপাত কমে যাবে, গুড মর্নিং!”
{{ফাঁক}}পশুপতি ফিরিয়া আসিল। তাহার পূর্ব্ব আদেশ অনুযায়ী ছেলের দল আঙ্গিনায় অপেক্ষা করিতেছিল, পশুপতি তাহাদিগকে কহিল, “আমি কুস্তির আখড়া খুলছি, সেখানে লাঠি খেলাও চলবে তা ছাড়া সকল রকম খেলার সরঞ্জাম রাখব । তোমাদের সবাইকে আসতে হবে।” ছেলেরা স্বীকার করিয়া চলিয়া গেল ।
{{ফাঁক}}দ্বিপ্রহরে ঘাটে যাইবার পথে নবীন রায় মহাশয়কে ডাকিয়া পশুপতি কহিল, “প্রায় ক'রে তুলেছি দাদামশাই, দু'দিনে ঠিক ক'রে দেব, ভয় পাবেন না।”
{{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩০}}</noinclude>
km77vta55pvk1kxbxg8qznno6qtoydt
1980210
1980192
2026-06-25T13:35:47Z
BabulB
2144
1980210
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>করুন, আমরা পিছনে আছি। আপনারা নিজেরা কিছু করবেন না, মামলা করলে সাক্ষী জোটাতে পারবেন না; মামলা ফেঁসে গেলে খবরের কাগজে পুলিশকে গালাগাল করবেন!” পশুপতি এই প্রসঙ্গে দ্বিতীয় কথা না বলিয়াই সদরের পথ ধরিল। সাত ক্রোশ পথ অতিক্রম করিয়া মহকুমা হাকিমের কুঠীতে সে যখন উপস্থিত হইল, সাহেব তখন বারান্দায় বসিয়া 'ব্রেকফাষ্ট করিতেছিলেন। পশুপতি কাউদিয়া গ্রামের অবস্থা সংক্ষেপে কহিয়া গেল। সাহেব সদ্যঃ বিলাত হইতে আসিয়াছেন, এই বলিষ্ঠ যুবকটীকে তাঁহার ভালো লাগিল। ইংরাজীতে কহিলেন, “জানো বাবু, যে মানুষ আপনাকে সাহায্য করে, ভগবান তাকে সাহায্য করেন। তোমার গ্রামের ছেলেদের নিয়ে একটা 'পেট্রোল' আর ‘ডিফেন্স পার্টি' গ’ড়ে ফেল; দেখবে আপনি উৎপাত কমে যাবে, গুড মর্নিং!”
{{ফাঁক}}পশুপতি ফিরিয়া আসিল। তাহার পূর্ব্ব আদেশ অনুযায়ী ছেলের দল আঙ্গিনায় অপেক্ষা করিতেছিল, পশুপতি তাহাদিগকে কহিল, “আমি কুস্তির আখ্ড়া খুল্ছি, সেখানে লাঠি খেলাও চলবে তা ছাড়া সকল রকম খেলার সরঞ্জাম রাখব। তোমাদের সবাইকে আস্তে হবে।” ছেলেরা স্বীকার করিয়া চলিয়া গেল।
{{ফাঁক}}দ্বিপ্রহরে ঘাটে যাইবার পথে নবীন রায় মহাশয়কে ডাকিয়া পশুপতি কহিল, “প্রায় ক'রে তুলেছি দাদামশাই, দু'দিনে ঠিক ক'রে দেব, ভয় পাবেন না।”
{{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩০}}</noinclude>
2e9a23tj8oyvmtbm7ul79cuiayjsej3
1980211
1980210
2026-06-25T13:35:57Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1980211
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>করুন, আমরা পিছনে আছি। আপনারা নিজেরা কিছু করবেন না, মামলা করলে সাক্ষী জোটাতে পারবেন না; মামলা ফেঁসে গেলে খবরের কাগজে পুলিশকে গালাগাল করবেন!” পশুপতি এই প্রসঙ্গে দ্বিতীয় কথা না বলিয়াই সদরের পথ ধরিল। সাত ক্রোশ পথ অতিক্রম করিয়া মহকুমা হাকিমের কুঠীতে সে যখন উপস্থিত হইল, সাহেব তখন বারান্দায় বসিয়া 'ব্রেকফাষ্ট করিতেছিলেন। পশুপতি কাউদিয়া গ্রামের অবস্থা সংক্ষেপে কহিয়া গেল। সাহেব সদ্যঃ বিলাত হইতে আসিয়াছেন, এই বলিষ্ঠ যুবকটীকে তাঁহার ভালো লাগিল। ইংরাজীতে কহিলেন, “জানো বাবু, যে মানুষ আপনাকে সাহায্য করে, ভগবান তাকে সাহায্য করেন। তোমার গ্রামের ছেলেদের নিয়ে একটা 'পেট্রোল' আর ‘ডিফেন্স পার্টি' গ’ড়ে ফেল; দেখবে আপনি উৎপাত কমে যাবে, গুড মর্নিং!”
{{ফাঁক}}পশুপতি ফিরিয়া আসিল। তাহার পূর্ব্ব আদেশ অনুযায়ী ছেলের দল আঙ্গিনায় অপেক্ষা করিতেছিল, পশুপতি তাহাদিগকে কহিল, “আমি কুস্তির আখ্ড়া খুল্ছি, সেখানে লাঠি খেলাও চলবে তা ছাড়া সকল রকম খেলার সরঞ্জাম রাখব। তোমাদের সবাইকে আস্তে হবে।” ছেলেরা স্বীকার করিয়া চলিয়া গেল।
{{ফাঁক}}দ্বিপ্রহরে ঘাটে যাইবার পথে নবীন রায় মহাশয়কে ডাকিয়া পশুপতি কহিল, “প্রায় ক'রে তুলেছি দাদামশাই, দু'দিনে ঠিক ক'রে দেব, ভয় পাবেন না।”
{{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩০}}</noinclude>
5w1qbzxi9hyo7ywurne0qzw95eftw2b
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১৪১
104
882087
1980191
2026-06-25T12:40:45Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "(৩) বৈকালে পশুপতি সরকার-বাড়ীর দোলমঞ্চের সন্মুখের মাঠের একবুক যে ট বন সাফ করিতে লাগিল। মাঠ সাফ হইলে পরদিন সেখানে কুস্তির আখড়া বসিল । নিজের জলপানির সঞ্চিত টাকা নিঃশেষ করিয..." দিয়ে পাতা তৈরি
1980191
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{ডান|শাঁখের করাত}}</noinclude>(৩)
বৈকালে পশুপতি সরকার-বাড়ীর দোলমঞ্চের সন্মুখের মাঠের
একবুক যে ট বন সাফ করিতে লাগিল। মাঠ সাফ হইলে পরদিন
সেখানে কুস্তির আখড়া বসিল ।
নিজের জলপানির সঞ্চিত টাকা নিঃশেষ করিয়া সহর হইতে
মুগুর ডালে প্রভৃতি ব্যায়ানের সর্ববিধ সরঞ্জাম কিনিয়া আনিল
এবং দশ টাকা বেতনে একজন লাঠিয়াল শিক্ষক রাখিতেও ত্রুটি
করিল না । প্রথম দুই-একদিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা
হাফ আখড়াইয়ের দলের বড় কেহ আসিল না।
বেশী হইল না।
কিন্তু ক্রমে যখন
ছেলেরা দেখিল যে, চাঁদা দিতে হয় না অথচ পেট ভরিয়া ছোলা
আর গুড় খাইতে পাওয়া যায়, তখন নরেন্দ্র চক্রবর্ত্তী শুদ্ধ আসিয়া
কুস্তি করিতে লাগিয়া গেল। সপ্তাহখানেক পর একদিন পশুপতি
লাঠি ঘাড়ে করিয়া তাহার বাছা বাছা কয়েকটি সাগরেদের সহিত
নবীগঞ্জ গিয়া উপস্থিত হইল। সেখানে চামড়ার আড়তদারের
সঙ্গে পশুপতির কি কথাবাৰ্ত্ত হইল জানি না, কিন্তু সেদিন হইতে
সন্ধ্যায় তাঁহার লোকজনের বাচখেলা বন্ধ হইয়া গেল, নদীর ঘাটে
বসিয়া বিড়ি ফুঁকিতেও কাহাকে দেখা গেল না।
ক্রমে ক্রমে সন্ধ্যায় নদীর ঘাট গ্রাম-বধূদের কলহাস্য ও কঙ্কণ-
বানৎকারে পুনরায় মুখর হইয়া উঠিতে লাগিল এবং জ্যোৎস্না
নিশীথে পল্লী-পথ নিঃশঙ্ক পদসঞ্চারে শব্দিত করিয়া গৃহিণীরা পূর্ব্বের
১৩১<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩১}}</noinclude>
ru62zcueqkvc6ihhv8s1o7h7ch4c2ba
1980193
1980191
2026-06-25T13:06:29Z
BabulB
2144
1980193
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{ডান|শাঁখের করাত}}</noinclude>{{কেন্দ্র|(৩)}}
{{ফাঁক}}বৈকালে পশুপতি সরকার-বাড়ীর দোলমঞ্চের সন্মুখের মাঠের
একবুক যে ট বন সাফ করিতে লাগিল। মাঠ সাফ হইলে পরদিন
সেখানে কুস্তির আখড়া বসিল ।
{{ফাঁক}}নিজের জলপানির সঞ্চিত টাকা নিঃশেষ করিয়া সহর হইতে
মুগুর ডালে প্রভৃতি ব্যায়ানের সর্ববিধ সরঞ্জাম কিনিয়া আনিল
এবং দশ টাকা বেতনে একজন লাঠিয়াল শিক্ষক রাখিতেও ত্রুটি
করিল না । প্রথম দুই-একদিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা
হাফ আখড়াইয়ের দলের বড় কেহ আসিল না।
বেশী হইল না।
কিন্তু ক্রমে যখন
ছেলেরা দেখিল যে, চাঁদা দিতে হয় না অথচ পেট ভরিয়া ছোলা
আর গুড় খাইতে পাওয়া যায়, তখন নরেন্দ্র চক্রবর্ত্তী শুদ্ধ আসিয়া
কুস্তি করিতে লাগিয়া গেল। সপ্তাহখানেক পর একদিন পশুপতি
লাঠি ঘাড়ে করিয়া তাহার বাছা বাছা কয়েকটি সাগরেদের সহিত
নবীগঞ্জ গিয়া উপস্থিত হইল। সেখানে চামড়ার আড়তদারের
সঙ্গে পশুপতির কি কথাবাৰ্ত্ত হইল জানি না, কিন্তু সেদিন হইতে
সন্ধ্যায় তাঁহার লোকজনের বাচখেলা বন্ধ হইয়া গেল, নদীর ঘাটে
বসিয়া বিড়ি ফুঁকিতেও কাহাকে দেখা গেল না।
{{ফাঁক}}ক্রমে ক্রমে সন্ধ্যায় নদীর ঘাট গ্রাম-বধূদের কলহাস্য ও কঙ্কণ-
বানৎকারে পুনরায় মুখর হইয়া উঠিতে লাগিল এবং জ্যোৎস্না
নিশীথে পল্লী-পথ নিঃশঙ্ক পদসঞ্চারে শব্দিত করিয়া গৃহিণীরা পূর্ব্বের<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩১}}</noinclude>
d61sldoznkl5czwseujrabzclscbico
1980231
1980193
2026-06-25T14:16:17Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1980231
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|শাঁখের করাত}}</noinclude>{{কেন্দ্র|(৩)}}
{{ফাঁক}}বৈকালে পশুপতি সরকার-বাড়ীর দোলমঞ্চের সন্মুখের মাঠের একবুক ঘেঁটুবন সাফ করিতে লাগিল। মাঠ সাফ হইলে পরদিন সেখানে কুস্তির আখড়া বসিল।
{{ফাঁক}}নিজের জলপানির সঞ্চিত টাকা নিঃশেষ করিয়া সহর হইতে মুগুর ডাম্বেল প্রভৃতি ব্যায়ানের সর্ববিধ সরঞ্জাম কিনিয়া আনিল এবং দশ টাকা বেতনে একজন লাঠিয়াল শিক্ষক রাখিতেও ত্রুটি করিল না। প্রথম দুই-একদিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশী হইল না। হাফ্আখড়াইয়ের দলের বড় কেহ আসিল না। কিন্তু ক্রমে যখন ছেলেরা দেখিল যে, চাঁদা দিতে হয় না অথচ পেট ভরিয়া ছোলা আর গুড় খাইতে পাওয়া যায়, তখন নরেন্দ্র চক্রবর্ত্তী শুদ্ধ আসিয়া কুস্তি করিতে লাগিয়া গেল। সপ্তাহখানেক পর একদিন পশুপতি লাঠি ঘাড়ে করিয়া তাহার বাছা বাছা কয়েকটি সাগ্রেদের সহিত নবীগঞ্জ গিয়া উপস্থিত হইল। সেখানে চামড়ার আড়তদারের সঙ্গে পশুপতির কি কথাবাৰ্ত্তা হইল জানি না, কিন্তু সেদিন হইতে সন্ধ্যায় তাঁহার লোকজনের বাচখেলা বন্ধ হইয়া গেল, নদীর ঘাটে বসিয়া বিড়ি ফুঁকিতেও কাহাকে দেখা গেল না।
{{ফাঁক}}ক্রমে ক্রমে সন্ধ্যায় নদীর ঘাট গ্রাম-বধূদের কলহাস্য ও কঙ্কণ-বানৎকারে পুনরায় মুখর হইয়া উঠিতে লাগিল এবং জ্যোৎস্না নিশীথে পল্লী-পথ নিঃশঙ্ক পদসঞ্চারে শব্দিত করিয়া গৃহিণীরা পূর্ব্বের<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩১}}</noinclude>
dkc2je3xa4jt4vdklzy2q7ngs42ffs4
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩১৮
104
882088
1980194
2026-06-25T13:08:25Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980194
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>আমার নেই। আমার একমাত্র চিন্তা অকপটে আপনাদের কাছে সমস্ত ব্যক্ত করা। কারণ, প্রতীকারের ইচ্ছা ও শক্তি আপনাদেরই হাতে। এই শেষ মুহূর্ত্তেও যদি একে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে চান, সে শুধু আপনারাই পারেন।
{{ফাঁক}}পাঞ্জাব অত্যাচার উপলক্ষে বছর দেড়েক পূর্ব্বে একদিন যখন দেশব্যাপী আন্দোলন উত্তাল হয়ে উঠেছিল, তখন আমরা আকাশজোড়া চীৎকারে চেয়েছিলাম স্বরাজ। মহাত্মাজীর জয়-জয়কার গলা ফাটিয়ে দিগ্বিদিকে প্রচার করে বলেছিলাম, স্বরাজ চাই-ই চাই। স্বাধীনতায় মানুষের জন্মগত অধিকার। এবং স্বরাজ ব্যতিরেকে কোন অন্যায়েরই কোনদিন প্রতিবিধান হতে পারবে না। কথাটা যে মূলতঃ সত্য, এ বোধ করি কেহই অস্বীকার করতে পারে না। বাস্তবিকই স্বাধীনতায় মানবের জন্মগত অধিকার, ভারতবর্ষের শাসনভার ভারতবর্ষীয়দের হাতেই থাকা চাই এবং এ দায়িত্ব থেকে যে কেউ তাদের বঞ্চিত করে রাখে, সে-ই অন্যায়কারী। এ সবই সত্য। কিন্তু এমনি আরও ত একটা কথা আছে, যাকে স্বীকার না করে পথ নেই,—সে হচ্ছে আমাদের কর্ত্তব্য।
{{ফাঁক}}Right এবং Duty এই দুটো অনুপূরক শব্দ ত সমস্ত আইনের গোড়ার কথা। সকল দেশের সকল সামাজিক বিধানে একটা ছাড়া যে আর একটা এক মুহূর্ত্তও দাঁড়াতে পারে না, এ তো অবিসম্বাদী সত্য। কেবল আমাদের দেশেই কি এই বিশ্বনিয়মের ব্যতিক্রম ঘটবে? স্বরাজ বা স্বাধীনতা যদি আমাদের জন্মস্বত্ব হয়, ঠিক ততখানি কর্ত্তব্যের দায় নিয়েও ত আমরা মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হয়েছি। একটাকে এড়িয়ে আর একটা পাব এতবড় অন্যায় অসঙ্গত দাবী,—এতবড় পাগলামী আর ত কিছু হতেই পারে না। ঘটনাক্রমে কেবলমাত্র ভারতবর্ষীয় হয়ে জন্মেছি বলেই ভারতের স্বাধীনতার অধিকার উচ্চকণ্ঠে দাবী করাও কোনমতেই সত্য হতে পারে না! এবং এ প্রার্থনা ইংরাজ কেন, স্বয়ং বিধাতাপুরুষও বোধ করি মঞ্জুর করতে পারেন না। এই সত্য, এই সনাতন বিধি, এই চিরনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা হৃদয় দিয়ে হৃদয়ঙ্গম করার দিন আজ আমাদের এসেছে। একে ফাঁকি দিয়ে স্বাধীনতার অধিকার শুধু আমরা কেন, পৃথিবীতে কেউ কখন পায়নি, পায় না, এবং আমার বিশ্বাস, কোনদিন কখনো কেউ পেতেও পারে না। কর্ত্তব্যহীন অধিকারও অনধিকারের সমীন। কাজ করব না, মূল্য দেব না, অথচ পাব, প্রার্থনার এই অদ্ভুত ধারাই যদি আমরা গ্রহণ করে থাকি, তা হলে নিশ্চয়ই বলছি আমি, কেবলমাত্র সমস্বরে ও প্রবলকণ্ঠে বন্দেমাতরম্ ও মহাত্মার জয়ধ্বনিতে গলা চিরে আমাদের রক্তই বার হবে, পরাধীনতার জগদ্দল শিলা তাতে সূচ্যগ্র ভূমিও নড়ে বসবে না।
{{nop}}<noinclude>{{c|৩০৪}}</noinclude>
mrqb5n00g1fv54sxi1iio6r82pieq4g
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১৪২
104
882089
1980195
2026-06-25T13:08:57Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "মতই পুনরায় রায়-গৃহিণীর নৈশ নারী-সভায় যোগদান করিতে থাকিলেন । {{ফাঁক}}সেদিন পশুপতি কি কাজে ঘাটের পথে চলিতেছিল; রায়-গৃহিণী কয়েকটি তরুণী বধূর পুরোবর্তিনী হইয়া সান্ধ্য-স..." দিয়ে পাতা তৈরি
1980195
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>মতই পুনরায় রায়-গৃহিণীর নৈশ নারী-সভায় যোগদান করিতে
থাকিলেন ।
{{ফাঁক}}সেদিন পশুপতি কি কাজে ঘাটের পথে চলিতেছিল;
রায়-গৃহিণী কয়েকটি তরুণী বধূর পুরোবর্তিনী হইয়া সান্ধ্য-স্নান
সারিয়া ফিরিতেছিলেন। পশুপতিকে দেখিয়া কহিলেন, “বেঁচে
থাক লক্ষ্মী দাদা আমার ! তোমার দৌলতে নেয়ে বাঁচছি।”
তরুণীরা কেহ কথা কহিলেন না, কিন্তু অবগুণ্ঠনের অন্তরাল
হইতে অনেকগুলি চক্ষু যুগপৎ তাহার প্রতি স্নিগ্ধ প্রসন্ন কৃতজ্ঞ
দৃষ্টিপাত করিল, পশুপতি তাহা দেখিল এবং রায়-গৃহিণীর
আশীর্ব্বাদের উত্তরে মাথা নীচু করিয়া নীরবে ঘাটের পথে চলিয়া
গেল।
{{ফাঁক}}পশুপতির উৎসাহে ক্রমে ক্রমে দূর গ্রাম হইতে ছেলেরাও
আসিয়। তাহার দলে যোগ দিতে আরম্ভ করিল। খুড়া মহাশয়
পাঞ্জাব হইতে লিখিলেন, “বেশ করিতেছ, যদি স্থায়ী করিতে পার,
তবে একটা কাজের মত কাজ হইবে।” পিতৃব্যের অনুজ্ঞাক্রমে
সে বৎসরের ফসল বিক্রয় করিয়া লব্ধ অর্থ তাহার আখড়ার
সৰ্ব্বাঙ্গীন উন্নতি-কল্পে ব্যয় করিল এবং মোটা মাহিনা দিয়া
কলিকাত৷ হইতে কুত্তি শিখাইবার জন্য ভোজপুরী পালোয়ান
লইয়া আসিল ৷
{{ফাঁক}}আখড়ার শিক্ষার্থীর সংখ্যা যখন একশত ছাড়াইয়া গিয়াছে
তখন একদিন সহসা পশুপতি দেখিল যে, ভিনগ্রামের জন-ত্রিশেক<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩২}}</noinclude>
9lksknuof15gt7xg2zynpozmbn3mnoy
1980233
1980195
2026-06-25T14:22:19Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1980233
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{বাম|থার্ডক্লাশ}}</noinclude>মতই পুনরায় রায়-গৃহিণীর নৈশ নারী-সভায় যোগদান করিতে থাকিলেন।
{{ফাঁক}}সেদিন পশুপতি কি কাজে ঘাটের পথে চলিতেছিল; রায়-গৃহিণী কয়েকটি তরুণী বধূর পুরোবর্ত্তিনী হইয়া সান্ধ্য-স্নান সারিয়া ফিরিতেছিলেন। পশুপতিকে দেখিয়া কহিলেন, “বেঁচে থাক লক্ষ্মী দাদা আমার! তোমার দৌলতে নেয়ে বাঁচছি।” তরুণীরা কেহ কথা কহিলেন না, কিন্তু অবগুণ্ঠনের অন্তরাল হইতে অনেকগুলি চক্ষু যুগপৎ তাহার প্রতি স্নিগ্ধ প্রসন্ন কৃতজ্ঞ দৃষ্টিপাত করিল, পশুপতি তাহা দেখিল এবং রায়-গৃহিণীর আশীর্ব্বাদের উত্তরে মাথা নীচু করিয়া নীরবে ঘাটের পথে চলিয়া গেল।
{{ফাঁক}}পশুপতির উৎসাহে ক্রমে ক্রমে দূর গ্রাম হইতে ছেলেরাও আসিয়া তাহার দলে যোগ দিতে আরম্ভ করিল। খুড়া মহাশয় পাঞ্জাব হইতে লিখিলেন, “বেশ করিতেছ, যদি স্থায়ী করিতে পার, তবে একটা কাজের মত কাজ হইবে।” পিতৃব্যের অনুজ্ঞাক্রমে সে বৎসরের ফসল বিক্রয় করিয়া লব্ধ অর্থ তাহার আখ্ড়ার সৰ্ব্বাঙ্গীন উন্নতি-কল্পে ব্যয় করিল এবং মোটা মাহিনা দিয়া কলিকাতা হইতে কুস্তি শিখাইবার জন্য ভোজপুরী পালোয়ান লইয়া আসিল।
{{ফাঁক}}আখ্ড়ার শিক্ষার্থীর সংখ্যা যখন একশত ছাড়াইয়া গিয়াছে তখন একদিন সহসা পশুপতি দেখিল যে, ভিনগ্রামের জন-ত্রিশেক<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩২}}</noinclude>
dy3ndiqca589r15wod5gt016h0dmkif
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১৪৩
104
882090
1980196
2026-06-25T13:10:18Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "ছাত্র অনুপস্থিত। কারণ অনুসন্ধানের জন্য লোক পাঠাইল, তাহারা অনুপস্থিতির কারণ কিছু জানাইল না, তবে বলিয়া দিল তাহারা আর আসিতে পারিবে না। পরদিন নরেন্দ্র চক্রবর্ত্তী ও তাহার দ..." দিয়ে পাতা তৈরি
1980196
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{ডান|শাঁখের করাত}}</noinclude>ছাত্র অনুপস্থিত। কারণ অনুসন্ধানের জন্য লোক পাঠাইল,
তাহারা অনুপস্থিতির কারণ কিছু জানাইল না, তবে বলিয়া দিল
তাহারা আর আসিতে পারিবে না। পরদিন নরেন্দ্র চক্রবর্ত্তী ও
তাহার দলের জনকয়েক লোককে দেখা গেল না । তাহাদের
সকলেরই অসুথ ৷
{{ফাঁক}}অকস্মাৎ এতগুলি লোকের একসঙ্গে অসুস্থ হইবার কারণ
কিছু পশুপতি আবিষ্কার করিয়া উঠিতে পারিল না, তবে
বুঝিল যে ভিতরে কিছু রহস্য আছে। তৃতীয় দিন প্রভাতে
থানা হইতে একজন হাওলদার আসিয়া পশুপতির উর্দ্ধতন
চতুর্দশ পুরুষের সংবাদ লিখিয়া লইয়া গেল এবং বৈকালে
নবীন রায় মহাশয় পাংশু-মলিন মুখে আসিয়া পশুপতির নিকট
শঙ্কিত মৃদুস্বরে যাহা বলিলেন, তাহাতেই সমস্ত রহস্তের উদ্ভেদ
হইল ।
{{ফাঁক}}কয়েকদিন হইতে জন-দুই আগন্তুক গ্রামে ঘোরা-ফেরা
করিতেছে। দফাদার আলিয়া সকলকে গোপনে জানাইয়া
গিয়াছে যে, কুস্তীর আখড়ায় যাহারা খেলা করে, তাহাদের উপর
কড়া নজর রাখিবার জন্য দারোগার উপর হুকুম আসিয়াছে।
সংবাদ দিয়া নবীন রায় কহিলেন, “তুমি ভাল কৰ্ত্তেই এসেছিলে
দাদা, কিন্তু আমাদের পোড়া কপালে সৈল না, তা' আর কি করে
বল ?”
{{ফাঁক}}পশুপতি কোনো কথা কহিল না ।<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩৩}}</noinclude>
qug1bzxxxxjakvx8ahzw07sth6ns823
1980198
1980196
2026-06-25T13:11:18Z
BabulB
2144
1980198
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{ডান|শাঁখের করাত}}</noinclude>ছাত্র অনুপস্থিত। কারণ অনুসন্ধানের জন্য লোক পাঠাইল,
তাহারা অনুপস্থিতির কারণ কিছু জানাইল না, তবে বলিয়া দিল
তাহারা আর আসিতে পারিবে না। পরদিন নরেন্দ্র চক্রবর্ত্তী ও
তাহার দলের জনকয়েক লোককে দেখা গেল না । তাহাদের
সকলেরই অসুথ ৷
{{ফাঁক}}অকস্মাৎ এতগুলি লোকের একসঙ্গে অসুস্থ হইবার কারণ
কিছু পশুপতি আবিষ্কার করিয়া উঠিতে পারিল না, তবে
বুঝিল যে ভিতরে কিছু রহস্য আছে। তৃতীয় দিন প্রভাতে
থানা হইতে একজন হাওলদার আসিয়া পশুপতির উর্দ্ধতন
চতুর্দশ পুরুষের সংবাদ লিখিয়া লইয়া গেল এবং বৈকালে
নবীন রায় মহাশয় পাংশু-মলিন মুখে আসিয়া পশুপতির নিকট
শঙ্কিত মৃদুস্বরে যাহা বলিলেন, তাহাতেই সমস্ত রহস্তের উদ্ভেদ
হইল ।
{{ফাঁক}}কয়েকদিন হইতে জন-দুই আগন্তুক গ্রামে ঘোরা-ফেরা
করিতেছে। দফাদার আলিয়া সকলকে গোপনে জানাইয়া
গিয়াছে যে, কুস্তীর আখড়ায় যাহারা খেলা করে, তাহাদের উপর
কড়া নজর রাখিবার জন্য দারোগার উপর হুকুম আসিয়াছে।
সংবাদ দিয়া নবীন রায় কহিলেন, “তুমি ভাল কৰ্ত্তেই এসেছিলে
দাদা, কিন্তু আমাদের পোড়া কপালে সৈল না, তা' আর কি করে
বল ?”
{{ফাঁক}}পশুপতি কোনো কথা কহিল না ।
{{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩৩}}</noinclude>
rxifhspkgzzbuwpxe91osrmjrhxmj0m
1980237
1980198
2026-06-25T14:27:41Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1980237
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{ডান|শাঁখের করাত}}</noinclude>ছাত্র অনুপস্থিত। কারণ অনুসন্ধানের জন্য লোক পাঠাইল, তাহারা অনুপস্থিতির কারণ কিছু জানাইল না, তবে বলিয়া দিল তাহারা আর আসিতে পারিবে না। পরদিন নরেন্দ্র চক্রবর্ত্তী ও তাহার দলের জনকয়েক লোককে দেখা গেল না। তাহাদের সকলেরই অসুখ৷
{{ফাঁক}}অকস্মাৎ এতগুলি লোকের একসঙ্গে অসুস্থ হইবার কারণ কিছু পশুপতি আবিষ্কার করিয়া উঠিতে পারিল না, তবে বুঝিল যে ভিতরে কিছু রহস্য আছে। তৃতীয় দিন প্রভাতে থানা হইতে একজন হাওলদার আসিয়া পশুপতির উর্দ্ধতন চতুর্দ্দশ পুরুষের সংবাদ লিখিয়া লইয়া গেল এবং বৈকালে নবীন রায় মহাশয় পাংশু-মলিন মুখে আসিয়া পশুপতির নিকট শঙ্কিত মৃদুস্বরে যাহা বলিলেন, তাহাতেই সমস্ত রহস্যের উদ্ভেদ হইল।
{{ফাঁক}}কয়েকদিন হইতে জন-দুই আগন্তুক গ্রামে ঘোরা-ফেরা করিতেছে। দফাদার আসিয়া সকলকে গোপনে জানাইয়া গিয়াছে যে, কুস্তীর আখ্ড়ায় যাহারা খেলা করে, তাহাদের উপর কড়া নজর রাখিবার জন্য দারোগার উপর হুকুম আসিয়াছে। সংবাদ দিয়া নবীন রায় কহিলেন, “তুমি ভাল কৰ্ত্তেই এসেছিলে দাদা, কিন্তু আমাদের পোড়া কপালে সৈল না, তা’ আর কি করে বল?”
{{ফাঁক}}পশুপতি কোনো কথা কহিল না ।
{{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩৩}}</noinclude>
r31ddt0v6wv0p9b914vs2ygkicjaava
পাতা:থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf/১৪৪
104
882091
1980197
2026-06-25T13:10:55Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "থার্ডক্লাশ ( 8 ) পরদিন আড়া একেবারে শূন্য হইয়া গেল । পশুপতি তাহার বাছা বাছা সাগরেদের বাড়ীতে নিজেই গিয়া উপস্থিত হইল। তাহাদের অধিকাংশই শারীরিক অস্বাস্থ্যের দোহাই দিয়া ব..." দিয়ে পাতা তৈরি
1980197
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" /></noinclude>থার্ডক্লাশ
( 8 )
পরদিন আড়া একেবারে শূন্য হইয়া গেল । পশুপতি তাহার
বাছা বাছা সাগরেদের বাড়ীতে নিজেই গিয়া উপস্থিত হইল।
তাহাদের অধিকাংশই শারীরিক অস্বাস্থ্যের দোহাই দিয়া বাড়ী
হইতে বাহির হইল না । দুই-চারিজন স্পষ্টই জানাইল যে, দারোগা-
বাবু আখড়ায় যাইতেই তাহাদিগকে নিষেধ করিয়া দিয়াছেন ।
পরদিন প্রভাতে পশুপতি সদরে গিয়া উপস্থিত হইল।
পুরাতন ম্যাজিষ্ট্রেট বদলী হইয়া গিয়াছেন, নূতন যিনি আসিয়াছেন
তিনি পাকা সিভিলিয়ান্, তাঁহার গোঁফ ও চুলেও পাক ধরিয়াছে।
পশুপতির নাম শুনিয়াই তিনি পরিষ্কার বাঙ্গলায় কহিলেন, “এসব
চালাকী ছেড়ে দাও বাবু। কুস্তির আখড়ার নামে ছেলে জড়
করে Loyalty undermine করছ তুমি, আমি শুনেছি।”
পশুপতি তীব্র স্বরে কহিল, “মিথ্যা কথা! গুণ্ডার হাত থেকে
গ্রামের লোকজনকে বিশেষ মেয়েদের বাঁচাবার জন্যই আমি ছেলে-
দের শিক্ষা দিচ্ছিলাম, তাহার সঙ্গে পলিটিক্সের কোন সম্বন্ধ নেই।”
ম্যাজিষ্ট্রেট টেবিলের কাগজের দিস্তায় নাম সই করিতে করিতে
বলিলেন, "গ্রানের লোকজনকে দেখবার জন্য গভর্ণমেন্ট আছে
পুলিশ আছে, তার জন্য তোমার কষ্ট করবার দরকার নাই।
অবশ্য তুমি যদি কিছু কর্ত্তে চাও, সে তোমার ইচ্ছা, তবে জানবে
গভর্ণমেন্ট বোকা নন। গুড মর্নিং।”<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩৪}}</noinclude>
4e8m428bmnkwkn9w3z2wbkum1z9ykb0
1980199
1980197
2026-06-25T13:12:38Z
BabulB
2144
1980199
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|(৪)}}
{{ফাঁক}}পরদিন আড়া একেবারে শূন্য হইয়া গেল । পশুপতি তাহার
বাছা বাছা সাগরেদের বাড়ীতে নিজেই গিয়া উপস্থিত হইল।
তাহাদের অধিকাংশই শারীরিক অস্বাস্থ্যের দোহাই দিয়া বাড়ী
হইতে বাহির হইল না । দুই-চারিজন স্পষ্টই জানাইল যে, দারোগা-
বাবু আখড়ায় যাইতেই তাহাদিগকে নিষেধ করিয়া দিয়াছেন ।
{{ফাঁক}}পরদিন প্রভাতে পশুপতি সদরে গিয়া উপস্থিত হইল।
পুরাতন ম্যাজিষ্ট্রেট বদলী হইয়া গিয়াছেন, নূতন যিনি আসিয়াছেন
তিনি পাকা সিভিলিয়ান্, তাঁহার গোঁফ ও চুলেও পাক ধরিয়াছে।
পশুপতির নাম শুনিয়াই তিনি পরিষ্কার বাঙ্গলায় কহিলেন, “এসব
চালাকী ছেড়ে দাও বাবু। কুস্তির আখড়ার নামে ছেলে জড়
করে Loyalty undermine করছ তুমি, আমি শুনেছি।”
{{ফাঁক}}পশুপতি তীব্র স্বরে কহিল, “মিথ্যা কথা! গুণ্ডার হাত থেকে
গ্রামের লোকজনকে বিশেষ মেয়েদের বাঁচাবার জন্যই আমি ছেলে-
দের শিক্ষা দিচ্ছিলাম, তাহার সঙ্গে পলিটিক্সের কোন সম্বন্ধ নেই।”
{{ফাঁক}}ম্যাজিষ্ট্রেট টেবিলের কাগজের দিস্তায় নাম সই করিতে করিতে
বলিলেন, "গ্রানের লোকজনকে দেখবার জন্য গভর্ণমেন্ট আছে
পুলিশ আছে, তার জন্য তোমার কষ্ট করবার দরকার নাই।
অবশ্য তুমি যদি কিছু কর্ত্তে চাও, সে তোমার ইচ্ছা, তবে জানবে
গভর্ণমেন্ট বোকা নন। গুড মর্নিং।”
{{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩৪}}</noinclude>
3oxjwbxkt0jzc7lspki0q1y49s6dvj5
1980243
1980199
2026-06-25T14:39:38Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1980243
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|(৪)}}
{{ফাঁক}}পরদিন আখ্ড়া একেবারে শূন্য হইয়া গেল। পশুপতি তাহার বাছা বাছা সাগ্রেদের বাড়ীতে নিজেই গিয়া উপস্থিত হইল। তাহাদের অধিকাংশই শারীরিক অস্বাস্থ্যের দোহাই দিয়া বাড়ী হইতে বাহির হইল না। দুই-চারিজন স্পষ্টই জানাইল যে, দারোগাবাবু আখ্ড়ায় যাইতেই তাহাদিগকে নিষেধ করিয়া দিয়াছেন।
{{ফাঁক}}পরদিন প্রভাতে পশুপতি সদরে গিয়া উপস্থিত হইল। পুরাতন ম্যাজিষ্ট্রেট বদলী হইয়া গিয়াছেন, নূতন যিনি আসিয়াছেন তিনি পাকা সিভিলিয়ান্, তাঁহার গোঁফ ও চুলেও পাক ধরিয়াছে। পশুপতির নাম শুনিয়াই তিনি পরিষ্কার বাঙ্গলায় কহিলেন, “এসব চালাকী ছেড়ে দাও বাবু। কুস্তির আখ্ড়ার নামে ছেলে জড় করে Loyalty undermine করছ তুমি, আমি শুনেছি।”
{{ফাঁক}}পশুপতি তীব্র স্বরে কহিল, “মিথ্যা কথা! গুণ্ডার হাত থেকে গ্রামের লোকজনকে বিশেষ মেয়েদের বাঁচাবার জন্যই আমি ছেলেদের শিক্ষা দিচ্ছিলাম, তাহার সঙ্গে পলিটিক্সের কোন সম্বন্ধ নেই।”
{{ফাঁক}}ম্যাজিষ্ট্রেট্ টেবিলের কাগজের দিস্তায় নাম সই করিতে করিতে বলিলেন, "গ্রামের লোকজনকে দেখ্বার জন্য গভর্ণমেন্ট আছে পুলিশ আছে, তার জন্য তোমার কষ্ট করবার দরকার নাই। অবশ্য তুমি যদি কিছু কর্ত্তে চাও, সে তোমার ইচ্ছা, তবে জানবে গভর্ণমেন্ট বোকা নন। গুড মর্নিং।”
{{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|১৩৪}}</noinclude>
i59jwjtx2je33gb8jscmnvr4w2aizs1
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩১৯
104
882092
1980200
2026-06-25T13:13:32Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980200
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|বিভিন্ন রচনাবলী}}</noinclude>{{ফাঁক}}একটুখানি অবিনয়ের অপবাদ নিয়েও বলতে হচ্ছে, বুড়ো হলেও চিরদিনের অভ্যাসে এ চোখের দৃষ্টি আমার আজও একেবারে ঝাপসা হয়ে যায়নি। যা যা দেখছি, (অন্ততঃ এই হাবড়া জেলায় যা দেখেছি) তা নিছক এই ভিক্ষার চাওয়া, দাম না দিয়ে চাওয়া, ফাঁকি দিয়ে চাওয়া। মানুষের কাজ-কর্ম্ম, লোক-লৌকিকতা, আহার-বিহার, আমোদ-আহ্লাদ, সর্ব্বপ্রকারের সুখ-সুবিধের কোথাও যেন কোন ত্রুটি না ঘটে, পান থেকে একবিন্দু চূণ পর্য্যন্ত যেন না খসতে পায়,—তার পরে স্বরাজ বল, স্বাধীনতা বল, চরকা বল, খদ্দর বল, মায় ইংরাজকে ভারত-সমুদ্র উত্তীর্ণ করে দিয়ে আসা পর্য্যন্ত বল, যা হয় তা হোক, কোন আপত্তি নেই। আপত্তি তাদের না থাকতে পারে, কিন্তু ইংরাজের আছে। শতকরা পঁচানব্বই জন লোকের এই হাস্যাস্পদ চাওয়াটাকে সে যদি হেসে উড়িয়ে দিয়ে বলে, ভারতবাসী স্বরাজ চায় না, সে কি এত বড়ই মিথ্যা কথা বলে? যে ইংরেজ পৃথিবীব্যাপী রাজত্ব বিস্তার করেছে, দেশের জন্য প্রাণ দিতে যে এক নিমেষ {{SIC|দিধা|দ্বিধা}} করে না, যে স্বাধীনতার স্বরূপ জানে, এবং পরাধীনতার লোহার শিকল মজবুত করে তৈরী করবার কৌশল যার চেয়ে বেশি কেউ জানে না,—তাকে কি কেবল ফাঁকি দিয়ে, চোখ রাঙ্গিয়ে, গলায় এবং কলমে গালিগালাজ করে, তার ত্রুটি ও বিচ্যুতির অজস্র প্রমাণ ছাপার অক্ষরে সংগ্রহ করে, তাকে লজ্জা দিয়েই এতবড় বস্তু পাওয়া যাবে? এ প্রশ্ন ত সকল তর্কের অতীত করে প্রমাণিত হয়ে গেছে, এই লজ্জাকর বাক্যের সাধনায় কেবল লজ্জাই বেড়ে উঠবে, সিদ্ধিলাভ কদাচ ঘটবে না।
{{ফাঁক}}আত্মবঞ্চনা অনেক করা গেছে, আর তাতে উদ্যম নেই। জড়ের মত নিশ্চল হয়ে জন্মগত অধিকারের দাবী জানাতেও আর যেমন আমার স্বর ফোটে না, পরের মুখেও তত্ত্বকথা শোনবার ধৈর্য্য আর আমার নেই। আমি নিশ্চয় জানি, স্বাধীনতার জন্মগত অধিকার যদি কারও থাকে, ত সে মনুষ্যত্বের, মানুষের নয়। অন্ধকারের মাঝে আলোকের জন্মগত অধিকার আছে দীপ-শিখার, দীপের নয়; নিবানো প্রদীপের এই দাবী তুলে হাঙ্গামা করতে যাওয়া শুধু অনর্থক নয়, অপরাধ,—সকল দাবী-দাওয়া উত্থাপনের আগে এ-কথা ভুলে গেলে, কেবল ইংরাজ নয়, পৃথিবী শুদ্ধ লোক আমোদ অনুভব করবে।
{{ফাঁক}}মহাত্মাজী আজ কারাগারে। তাঁর কারাবাসের প্রথমদিনে মারামারি কাটাকাটি বেধে গেল না, সমস্ত ভারতবর্ষ স্তব্ধ হয়ে রইল। দেশের লোকে সগর্ব্বে বললে, এ শুধু মহাত্মাজীর শিক্ষার ফল। Anglo-Indian কাগজওয়ালারা হেসে জবাব দিলে, এ শুধু নিছক indifference। আমার কিন্তু এ বিবাদে কোন পক্ষকেই প্রতিবাদ<noinclude>{{c|৩০৫}}</noinclude>
ow7evj3xz57aorhwxjzpikogjruyk82
থার্ডক্লাশ (১৯৪১)
0
882093
1980201
2026-06-25T13:17:48Z
BabulB
2144
"<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=1 to=1 header=প্রচ্ছদ/> {{ppb}} <pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=5 to=5 /> {{ppb}} <pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=6 to=6 /> {{ppb}} <pa..." দিয়ে পাতা তৈরি
1980201
wikitext
text/x-wiki
<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=1 to=1 header=প্রচ্ছদ/>
{{ppb}}
<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=5 to=5 />
{{ppb}}
<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=6 to=6 />
{{ppb}}
<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=7 to=7 />
{{ppb}}
<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=9 to=9 />
{{PD-India}}
eoluyfhk3zyddvdn1sqxoiad9a4pvxp
1980216
1980201
2026-06-25T13:49:05Z
Bodhisattwa
2549
1980216
wikitext
text/x-wiki
<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=1 to=4 header=প্রচ্ছদ/>
{{ppb}}
<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=5 to=5 />
{{ppb}}
<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=6 to=6 />
{{ppb}}
<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=7 to=8 />
{{ppb}}
<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=9 to=10 />
{{PD-India}}
iqoipj0s044buscmehjyykyxx0guek5
1980238
1980216
2026-06-25T14:28:28Z
Bodhisattwa
2549
Bodhisattwa [[থার্ডক্লাশ]] পাতাটিকে [[থার্ডক্লাশ (১৯৪১)]] শিরোনামে কোনো পুনর্নির্দেশনা ছাড়াই স্থানান্তর করেছেন
1980216
wikitext
text/x-wiki
<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=1 to=4 header=প্রচ্ছদ/>
{{ppb}}
<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=5 to=5 />
{{ppb}}
<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=6 to=6 />
{{ppb}}
<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=7 to=8 />
{{ppb}}
<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=9 to=10 />
{{PD-India}}
iqoipj0s044buscmehjyykyxx0guek5
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩২০
104
882094
1980202
2026-06-25T13:18:43Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980202
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>করতে মন সরে না। মনে হয়, যদি হয়েও থাকে ত দেশের লোকের এতে গর্ব্বের বস্তু কি আছে? Organised violence করবার আমাদের শক্তি নেই, প্রবৃত্তি নেই, সুযোগ নেই। আর হঠাৎ violence? সে ত কেবল একটা আকস্মিকতার ফল। এই যে আমরা এতগুলি ভদ্র ব্যক্তি একত্র হয়েছি, উপদ্রব করা আমাদের কারও ব্যবসা নয়, ইচ্ছাও নয়, অথচ এ-কথাও ত কেউ জোর করে বলতে পারিনে, আমাদের বাড়ি ফেরবার পথটুকুর মাঝেই হঠাৎ কিছু একটা বাধিয়ে না দিতে পারি। সঙ্গে সঙ্গে একটা মস্ত ফ্যাসাদ বেধে যাওয়াও ত অসম্ভব নয়। বাধেনি সে ভালই, এবং আমিও একে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে চাইনে, কিন্তু এ নিয়ে দাপাদাপি করে বেড়ানোরও হেতু নাই। একেই মস্ত কৃতিত্ব বলে সান্ত্বনা লাভ করতে যাওয়া আত্মপ্রবঞ্চনা। আর indifference? এ কথায় যদি কেউ এই ইঙ্গিত করে থাকে যে, মহাত্মার কারারোধে দেশের লোকের গভীর ব্যথা বাজেনি, ত তার বড় মিছে কথা আর হতেই পারে না। ব্যথা আমাদের মর্ম্মান্তিক হয়েই বেজেছে; কিন্তু তাকে নিঃশব্দে সহ্য করাই আমাদের স্বভাব, প্রতীকারের কল্পনা আমাদের মনেই আসে না।
{{ফাঁক}}প্রিয়তম পরমাত্মীয় কাউকে জনে নিলে শোকার্ত্ত মন যেমন উপায়হীন বেদনায় কাঁদতে থাকে, অথচ, যা অবশ্যম্ভাবী তার বিরুদ্ধে হাত নেই, এই বলে মনকে বুঝিয়ে আবার খাওয়া-পরা, আমোদ-আহ্লাদ, হাসি-তামাসা, কাজ-কর্ম্ম যথারীতি পূর্ব্বের মতই চলতে থাকে, মহাত্মার সম্বন্ধেও দেশের লোকের মনোভাব প্রায় তেমনি। তাদের রাগ গিয়ে পড়ল জজ্ সাহেবের উপর। কেউ বললে, তার প্রশংসা বাক্য কেবল ভণ্ডামি, কেউ বললে, তার দু’বছর জেল দেওয়া উচিত ছিল, কেউ বললে বড় জোর তিন বছর, কেউ বললে, না চার বছর, কিন্তু ছ’বছর জেল যখন হ’লো তখন আর উপায় কি? এখন গভর্নমেণ্ট যদি দয়া করে কিছু আগে ছাড়েন তবেই হয়। কিন্তু এই ভেবে তিনি জেলে যাননি। তাঁর একান্ত মনের আশা ছিল, হোক না জেল ছ’ বছর, হোক না জেল দশ বছর,—তাঁকে মুক্ত করা ত দেশের লোকেরই হাতে। যেদিন তারা চাইবে, তার একটা দিন বেশি কেউ তাকে জেলে ধরে রাখতে পারবে না, তা সে গভর্নমেণ্ট যতই কেন না শক্তিশালী হউন। কিন্তু সে {{SIC|আসা|আশা}} তাঁর একলারই ছিল, দেশের লোকের সে ভরসা করবার সাহস হলো না। তাদের অর্থোপার্জ্জন থেকে শুরু করে আহার-নিদ্রা অব্যাহত চলতে লাগল, তাদের ক্ষুদ্র স্বার্থে কোথাও এতটুকু বিঘ্ন হ’লো না, শুধু তিনি ও তাঁর পঁচিশ হাজার সহকর্ম্মী দেশের কাজে দেশের জেলেই পচতে লাগলেন। প্রতিবিধান করবে কি, এতবড় হীনতায় লজ্জা বোধ করবার শক্তি পর্য্যন্ত যেন এদের চলে গেছে। এরা বুদ্ধিমান, বুদ্ধির বিড়ম্বনায়<noinclude>{{c|৩০৬}}</noinclude>
377q4gf0f9kqtyrcwoiwbzszui4teex
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩২১
104
882095
1980203
2026-06-25T13:23:21Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980203
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|বিভিন্ন রচনাবলী}}</noinclude>ছুতো তুলেছে non-violence কি সম্ভব? Non-co-operation কি চলে? গান্ধীজীর movement কি practical? তাই ত আমরা·······। কিন্তু কে এদের বুঝিয়ে দেবে কোন movementই কিছু নয়, যে move করে সেই মানুষই সব। যে মানুষ, তার কাছে co-operation, non-co-operation, violence, nonviolence সবই সমান, সবই সমান ফলপ্রসূ।
{{ফাঁক}}Non-co-operation বস্তুটা ভিক্ষে চাওয়া নয়, ও একটা কাজ, সুতরাং এ-কথা কিছুতেই সত্য নয় যে, non-co-operation পন্থা এ-দেশে অচল,—মুক্তির পথ সেদিকে যায়নি। অন্ততঃ, এখনো একদল লোক আছে, তা সংখ্যায় যত অল্পই হোক, যারা সমস্ত অন্তর দিয়ে একে আজও বিশ্বাস করে। এরা কারা জানেন? একদিন যারা মহাত্মাজীর ব্যাকুল আহ্বানে স্বদেশ-ব্রতে জীবন উৎসর্গ করেছিল, উকীল তার ওকালতী ছেড়ে, শিক্ষক তার শিক্ষকতা ছেড়ে, বিদ্যার্থী তার বিদ্যালয় ছেড়ে, চারিদিকে তাঁকে ঘিরে দাঁড়িয়েছিল, যাঁদের অধিকাংশই আজ কারাগারে,—এরা তাঁদেরই অবশিষ্টাংশ। দেশের কল্যাণে, আপনার কল্যাণে, আমার কল্যাণে, সমস্ত নরনারীর কল্যাণে যারা ব্যক্তিগত স্বার্থে জলাঞ্জলি দিয়ে এসেছিল, সেই দেশের লোক আজ তাদের কি দাঁড় করিয়েছে জানেন? আজ তারা সম্মানহীন, প্রতিষ্ঠাহীন, লাঞ্ছিত, পীড়িত, ভিক্ষুকের দল। তাদের জীর্ণ মলিন বাস, তারা গৃহহীন, তারা মুষ্টিভিক্ষায় জীবন যাপন করে, যৎসামান্য তেল-নুনের পয়সার জন্য ষ্টেশনে দাঁড়িয়ে ভিক্ষে চাইতে বাধ্য হয়। অথচ স্বেচ্ছায় সে সমস্ত ত্যাগ করে এসেছে। যতটুকুতে তার প্রয়োজন, সেটুকু সমস্ত দেশের কাছে কতই না অকিঞ্চিৎকর! এইটুকু সে সসম্মানে সংগ্রহ করতে পারে না। অথচ এরাই আজও অন্তরে স্বরাজের আসন এবং দেশের বাহিরে সমস্ত ভারতের শ্রদ্ধা ও সম্মানের পতাকা বহন করে বেড়াচ্ছে। আশার প্রদীপ—তা সে যতই ক্ষীণ হোক, আজও এদেরই হাতে। এদের নির্য্যাতনের কাহিনী সংবাদপত্রের পাতায় পাতায়, কিন্তু সে কতটুকু—যে অব্যক্ত লাঞ্ছনা ও অপমান এদের দেশের লোকের কাছে সহ্য করতে হয়! মহাত্মাজীর আন্দোলন থাক্ বা যাক, এদের অশ্রদ্ধেয় করে আনবার, দীন হীন ব্যর্থ করে তোলবার মহাপাপের প্রায়শ্চিত্ত দেশের লোককে একদিন করতেই হবে, যদি ন্যায় ও ধর্ম্ম ও সত্যকার বিধি-বিধান কোথাও কোনখানে থাকে। হাবড়া জেলার পক্ষ থেকে আজ যদি আমি মুক্তকণ্ঠে বলি অন্ততঃ এ জেলার লোক স্বরাজ চায় না, তার তীব্র প্রতিবাদ হবে। কাগজে কাগজে আমাকে অনেক কটূক্তি, অনেক গালাগালি শুনতে হবে। কিন্তু তবুও এ-কথা সত্য। কেউ কিছু করব না, কোন ক্ষতি, কোন অসুবিধা, কোন সাহায্য কিছুই দেব না—আমার<noinclude>{{c|৩০৭}}</noinclude>
7ypb5a92f0vx9lz8xna92m3smatj4ev
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩২২
104
882096
1980205
2026-06-25T13:28:36Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980205
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>বাঁধা-ধরা সুনিয়ন্ত্রিত জীবন-যাত্রার এক তিল বাহিরে যেতে পারব না,—আমার টাকার উপর টাকা, বাড়ির উপর বাড়ি, গাড়ীর উপর গাড়ী, আমার দোতালার উপর তেতালা এবং তার উপর চৌতালা অবারিত এবং অব্যাহত উঠতে থাক্—কেবল এই গোটাকতক বুদ্ধিভ্রষ্ট লক্ষ্মীছাড়া লোক না খেয়ে না দেয়ে, খালি গায়ে খালি পায়ে ঘুরে ঘুরে যদি স্বরাজ এনে দিতে পারে ত দিক, তখন না হয় তাকে ধীরে-সুস্থে চোখ বুজে পরম আরামে রসগোল্লার মত চিবানো যাবে। কিন্তু এমন কাণ্ড কোথাও কখনো হয় না। আসল কথা, এরা বিশ্বাস করতেই পারে না, স্বরাজ নাকি আবার কখনও হতে পারে। তার জন্য আবার নাকি চেষ্টা করা যেতে পারে। কি হবে তাতে, কি হবে চরকার, কি হবে দেশাত্মবোধের চর্চ্চায়? নিবানো দীপ-শিখার মত মনুষত্ব ধুয়ে মুছে গেছে, একমাত্র হাত পেতে ভিক্ষের চেষ্টা ছাড়া কি হবে আর কিছুতে!
{{ফাঁক}}একটা নমুনা দিই:—
{{ফাঁক}}সেদিন নারী-কর্ম্মমন্দির থেকে জন-দুই মহিলা ও শ্রীযুক্ত ডাক্তার প্রফুল্লচন্দ্র রায় মহাশয়কে নিয়ে দুর্য্যোগের মধ্যেই আমতা অঞ্চলে বেড়িয়ে পড়েছিলাম, ভাবলাম ঋষিতুল্য ও সর্ব্বদেশপূজ্য ব্যক্তিটাকে সঙ্গে নেওয়ায় এ-যাত্রা আমার সুযাত্রা হবে। হয়েও ছিল। বন্দেমাতরম্ ও মহাত্মার ও তাঁর নিজের প্রবল জয়ধ্বনির কোন অভাব ঘটেনি এবং ওই রোগা মানুষটীকে স্থানীয় রায় বাহাদুরের ভাঙ্গা তাঞ্জামের মধ্যে সবলে প্রবেশ করানোরও আন্তরিক ও একান্ত উত্তম হয়েছিল। কিন্তু তার পরের ইতিহাস সংক্ষেপে এইরূপ—আমাদের যাতায়াতের ব্যয় হ’লো টাকা পঞ্চাশ। ঝড়ে, জলে আমাদের তত্ত্বাবধান করে বেড়াতে পুলিশেরও খরচা হয়ে গেল বোধ হয় এমনি একটা কিছু। বর্দ্ধিষ্ণু স্থান, উকীল মোক্তার ও বহু ধনশালী ব্যক্তির বাস, অতএব স্থানীয় তাঁত ও চরকার উন্নতিকল্পে চাঁদা প্রতিশ্রুত হ’লো তিন টাকা পাঁচ আনা। তার পর আচার্য্যদেব বহু পরিশ্রমে আবিষ্কার করলেন জন-দুই উকীল বিলাতী কাপড় কেনেন না, এবং একজন তাঁর বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে তৎক্ষণাৎ প্রতিজ্ঞা করলেন, ভবিষ্যতে তিনি আর কিনবেন না। ফেরবার পথে প্রফুল্লচন্দ্র প্রফুল্ল হয়ে আমার কানে কানে বললেন, হাঁ, জেলাটা উন্নতিশীল বটে! আর একটু লেগে থাকুন, civil disobedience বোধ হয় আপনারাই declare করতে পারবেন।
{{ফাঁক}}আর জনসাধারণ? সে তো সর্ব্বদা ভদ্রলোকেরই অনুগমন করে।
{{ফাঁক}}এ চিত্র দুঃখের চিত্র, বেদনার ইতিহাস, অন্ধকারের ছবি; কিন্তু এই কি শেষ কথা? এই অবস্থাই কি এ জেলার লোক নীরবে শিরোধার্য্য করে নেবে? কারও কোন কথা, কোন ত্যাগ, কোন কর্ত্তব্যই কি দেখা দেবে না? যারা দেশের সেবা-<noinclude>{{c|৩০৮}}</noinclude>
r94unyhc5kw1g2ar70fi1r3w52x4fnl
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩২৩
104
882097
1980209
2026-06-25T13:33:13Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980209
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|বিভিন্ন রচনাবলী}}</noinclude>ব্রতে জীবন উৎসর্গ করেছে, যারা কোন প্রতিকূল অবস্থাকেই স্বীকার করতে চায় না, যারা Governmentএর কাছেও পরাভব স্বীকার করেনি, তারা কি শেষে দেশের লোকের কাছেই হার মেনে ফিরে যাবে? আপনারা কি কোন সংবাদই নেবেন না?
{{ফাঁক}}এই প্রসঙ্গে আমার বাঙ্গলা দেশের Provincial Congress Committeeর কথা উল্লেখ করার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু আর লজ্জা বাড়িয়ে তুলতে আমার প্রবৃত্তি হয় না।
{{ফাঁক}}আমার এক আশা, সংসারে সমস্ত শক্তিই তরঙ্গ-গতিতে অগ্রসর হয়। তাই তার উত্থান-পতন আছে, চলার বেগে যে আজ নীচে পড়েছে, কাল সেই আবার উপরে উঠবে, নইলে চলা তার সম্পূর্ণ হবে না। পাহাড় গতিহীন, নিশ্চল, তাই তার শিখর দেশ একস্থানে উঁচু হয়েই থাকে, তাকে নামতে হয় না। কিন্তু বায়ু-তাড়িত সমুদ্রের সে ব্যবস্থা নয়—তার উঠা-পড়া আছে; সে তার লজ্জার হেতু নয়, সেই তার গতির চিহ্ন, তার শক্তির ধারা। তখন সে কেবল উঁচু হয়ে থাকতে চায় যখন জমে বরফ হয়ে উঠে। তেমনি আমাদের এও যদি একটা movement, পরাধীন দেশের একটা অভিনব গতিবেগ, তা হলে উঠা-নামার আইন একেও মেনে নিতে হবে, নইলে চলতেই পারবে না।
{{ফাঁক}}কিন্তু সঙ্গে যারা চলবে তাদের রসদ যোগানো চাই। রসদ না পেয়েও এতদিন কোনমতে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলেছি, কিন্তু এখন আমরা ক্ষুধিত, ক্লান্ত, পীড়িত,—আমাদের বিদায় দিয়ে নূতন যাত্রী আপনারা মনোনীত করে নিন।<ref>১৯১২ খ্রীঃ ৪ঠা জুলাই, হাওড়া জিলা কংগ্রেস কমিটির অধিবেশনে সভাপতিত্ব ত্যাগ করিয়া প্রদত্ত লিখিত ভাষণ।</ref><noinclude>{{rule}}
{{reflist}}{{c|৩০৯}}</noinclude>
1v5dthkun8fgir65d10wzsn2wui2w01
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩২৪
104
882098
1980212
2026-06-25T13:38:13Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980212
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|'''শিক্ষার বিরোধ'''}}}}
{{ফাঁক}}এতদিন এদেশে শিক্ষার ধারা একটা নির্ব্বিঘ্ন নিরুপদ্রব পথে চলে আসছিল। সেটা ভাল কি মন্দ এ-বিষয়ে কারও কোন উদ্বেগ ছিল না। আমার বাবা যা পড়ে গেছেন, তা আমিও পড়ব। এর থেকে তিনি যখন দু’পয়সা করে গেছেন, সাহেবসুবোর দরবারে চেয়ারে বসতে পেয়েছেন, হ্যাণ্ডশেক্ করতে পেয়েছেন, তখন আমিই বা কেন না পারব? মোটামুটি এই ছিল দেশের চিন্তার পদ্ধতি। হঠাৎ একটা ভীষণ ঝড় এল। কিছুদিন ধরে সমস্ত শিক্ষা-বিধানটাই বনিয়াদ-সমেত এমনি টল্মল্ করতে লাগল যে, একদল বললেন পড়ে যাবে। অন্যদল সভয়ে মাথা নেড়ে বললেন, না, ভয় নেই—পড়বে না। পড়লও না। এই নিয়ে প্রতিপক্ষকে তাঁরা কটু কথায় জর্জ্জরিত করে দিলেন। তার হেতু ছিল। মানুষের শক্তি যত কমে আসে মুখের বিষ তত উগ্র হয়ে ওঠে। বাইরে গাল তাঁরা ঢের দিলেন, কিন্তু অন্তরে ভরসা বিশেষ পেলেন না। ভয় তাঁদের মনের মধ্যেই রয়ে গেল, দৈবাৎ বাতাসে যদি আবার কোনদিন জোর ধরে ত এই গোড়া-হেলা নড়বড়ে অতিকায়টা হুমড়ি খেয়ে পড়তে মুহূর্ত্ত বিলম্ব করবে না।
{{ফাঁক}}এমনি যখন অবস্থা তখন শ্রীযুক্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিলেত থেকে ফিরে এলেন, এবং পূর্ব্ব ও পশ্চিমের শিক্ষার মিলন সম্বন্ধে উপর্য্যুপরি কয়েকটা বক্তৃতায় তাঁর মতামত ব্যক্ত করলেন।
{{ফাঁক}}রবীন্দ্রনাথ আমার গুরুতুল্য পূজনীয়। সুতরাং মতভেদ থাকলেও প্রকাশ করা কঠিন। কেবলি ভয় হয় পাছে অজ্ঞাতসারে তাঁর সম্মানে কোথাও লেশমাত্র আঘাত করে বসি। কিন্তু এ তো কেবলমাত্র ব্যক্তিগত মতামতের আলোচনা নয়,—যা তাঁরও বহুপূজ্য,—সেই দেশের সঙ্গে এ বিজড়িত। তাঁর কথা নিয়ে কয়েকটা Anglo-Indian কাগজ একেবারে উল্লসিত হয়ে উঠেছে। থেকে থেকে তাদের প্যাঁচালো উপদেশের আর বিরাম নেই। আর কিছু না হোক দেশের হিতাকাঙ্ক্ষায় এদের যখন বুক ফাটতে থাকে তখনি ভয় হয়, ভেতরে কোথাও একটা বড় রকমের গলদ আছে। বিশেষ করে বাঙ্গালী-পরিচালিত একখানা Anglo-Indian কাগজ। এর মুখের ত আর কামাই নেই। নিজের বুদ্ধি দিয়ে কবির কথাগুলো বিকৃত বিধ্বস্ত করে অবিশ্রাম বলছে—আমরা বলে বলে গলা ভেঙ্গে ফেলেছি,—ফল হয়নি,—এখন রবিবাবু এসে রক্ষে করে দিলেন। যথা—
{{nop}}<noinclude>{{c|৩১০}}</noinclude>
ciech1ifqmfbvsirbyeqg0v3q5a91qa
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩২৫
104
882099
1980214
2026-06-25T13:46:25Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980214
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|বিভিন্ন রচনাবলী}}</noinclude>{{ফাঁক}}“And if there were any among educated Bengalees, who were wavering and vacillating, knowing not what to do,—to exclude the West or to stick to the East—Rabindranath’s recent Calcutta lectures have gone a great way towards making up their minds. They have given up their sitting-on-the-fence posture. They have jumped off on the Western side.”
{{ফাঁক}}অর্থাৎ আমরা দেশের শিক্ষিত সমাজ বেড়ার ডগায় বসেছিলাম, পশ্চিম-প্রত্যাগত কবির ইঙ্গিতে ‘জয় রাম’ বলে পশ্চিম দিকেই লাফিয়ে পড়লাম! বাঁচা গেল! শিক্ষিত সমাজের এতদিনে একটা কিনারা হ’লো! কিন্তু শিক্ষিতের দল যা নিয়ে এতবড় রইরই করেন, যাঁদের অশিক্ষিত অজ্ঞ প্রভৃতি বিশেষণে অবিহিত করতে বিন্দুমাত্র সঙ্কোচ অনুভব করেন না,—তাঁদের যুক্তি-তর্কে এর কি মূল্য দাঁড়ায় একবার সেটাও ওজন করা ভাল। কিন্তু মোটের উপর পূর্ব্ব ও পশ্চিমের শিক্ষার মিলনে আসল কথা কবি কি বলেছেন?
{{ফাঁক}}প্রথম কথা বলেছেন এই যে, আজকের দিনে পশ্চিম জয়ী হয়েছে, সুতরাং সেই জয়ের কৌশলটা তাদের কাছে আমাদের শেখা চাই। বেশ। দ্বিতীয় কথা, লড়াইয়ের পরে পশ্চিম শোকাকুল হয়ে জিজ্ঞাসা করছে, ‘ভারতের বাণী কই’? অতএব তাদের সেটা বলে দেওয়া আবশ্যক। এও ভাল কথা। আমি যতদূর জানি অসহযোগপন্থীর কেউ এ-বিষয়ে কোন আপত্তি করে না। তৃতীয় দফায় কবি উপনিষদের ঋষিবাক্য উদ্ধৃত করে বলেছেন, ‘ঈশাবাস্যমিদং সর্ব্বম্’ অতএব ‘মা গৃধঃ’। চমৎকার কথা,—কারও কোন দ্বন্দ্ব নেই। এ যে একটা তত্ত্ব নয়, সমস্ত দুনিয়ায় এও কেউ লোকসমাজে অস্বীকার করে না, অথচ মানুষের এমন পোড়া স্বভাব যে, সে সরল ও সহজ সত্য কিছুতেই সোজা করে বলে মিটিয়ে নেবে না। আপন আপন স্বার্থ ও প্রয়োজনমত তার মধ্যে অসংখ্য sub-clause, অগণিত qualificationএর আমদানি করে তাকে এমনি ভারাক্রান্ত করে তুলবে যে, তত্ত্বকথা আপনি হেঁয়ালি হয়ে দাঁড়াবে। তখন অসঙ্কোচে তাকে সত্য বলে চিনে নেওয়াই কঠিন। শুধু এইজন্যই উপস্থিত factগুলোই সংসারে সত্যের মুখোস পরে, মানুষের কর্ম্ম ও চিন্তার ধারার মধ্যে অনধিকার প্রবেশ করে, অপরিমেয় অনর্থের সূচনা করে দেয়।
{{ফাঁক}}কবি প্রথমেই বলেছেন,
{{blockquote/s}}“এ-কথা মানতেই হবে যে, আজকার দিনে পৃথিবীতে পশ্চিমের লোক জয়ী হয়েছে। পৃথিবীকে তারা কামধেনুর মত দোহন করেছে, তাদের পাত্র ছাপিয়ে<noinclude>{{blockquote/e}}{{c|৩১১}}</noinclude>
3o6wxxxnd3w5st6d1u2ud8ve1cbaudm
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩২৬
104
882100
1980222
2026-06-25T13:52:37Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980222
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}
{{blockquote/s}}</noinclude>গেল······ অধিকার ওরা কেন পেয়েছে? নিশ্চয়ই সে কোন একটা সত্যের জোরে।”{{blockquote/e}}
{{ফাঁক}}আজকের দিনে এ-কথা অস্বীকার করবার যো নেই যে, পৃথিবীর বড় বড় ক্ষীরভাণ্ডেই সে মুখ জুবড়ে আছে,—তার পেট ভরে দুই কস বেয়ে দুধের ধারা নেমেছে—কিন্তু আমরা উপবাসী দাড়িয়ে আছি।
{{ফাঁক}}এ একটা fact; আজকের দিনে একে কিছুতেই ‘না’ বলবার পথ নেই, আমরা উপবাসী রয়েছি সত্যই, কিন্তু তাই বলেই কি এই কথা মানতেই হবে যে, এ অধিকার পেয়েছে তারা নিশ্চয়ই একটা সত্যের জোরে? এবং সেই সত্য তাদের কাছ থেকে আমাদের শিখতেই হবে? লোহা মাটিতে পড়ে, জলে ডোবে, এ একটা fact, কিন্তু একেই যদি মানুষে চরম সত্য মেনে নিয়ে নিশ্চিন্ত হয়ে থাকত ত আজকের দিনে নীচে, জলের উপর এবং উর্দ্ধে আকাশের মধ্যে লোহার জাহাজ ছুটে বেড়াতে পারত না। উপস্থিত কালে যা fact তাই কেবল শেষ কথা নয়। মাসের ১লা তারিখে যে লোকটা তার বিদ্যের জোরে আমার সারা মাসের মাইনে গাঁট কেটে নিয়ে ছেলেপুলে সমেত আমাকে অনাহারে রাখলে, কিংবা মাথায় একটা বাড়ি মেরে সমস্ত কেড়ে নিয়ে রাস্তার ওপরে চাটের দোকানে বসে ভোজ লাগালে—এ ঘটনা সত্য হলেও কোন সত্য অধিকারে বলতে পারব না, কিংবা এ দুটো মহাবিদ্যে শেখবার জন্যে তাদের শরণাপন্ন হতে হবে এও স্বীকার করতে পারব না। তা ছাড়া গাঁটকাটা কিছুতেই বলে দেবে না পয়সা কোথায় রাখলে কেটে নেওয়া যায় না, অথবা ঠেঙালেও শিখিয়ে দেবে না কি করে তার মাথায় উল্টে লাঠি মেরে আত্মরক্ষা করা যায়। এ যদি বা শিখতেই হয়, ত সে অন্য কোথাও—অন্ততঃ তাদের কাছে নয়। কবি জোর দিয়ে বলেছেন, এ-কথা মানতেই হবে পশ্চিম জয়ী হয়েছে এবং সে শুধু, তাদের সত্য বিদ্যার অধিকারে। হয়ত মানতেই হবে তাই। কারণ সম্প্রতি সেই রকমই দেখাচ্ছে। কিন্তু কেবলমাত্র জয় করেছে বলে এই জয় করার বিদ্যাটাও সত্য বিদ্যা, অতএব শেখা চাই-ই, এ-কথা কোনমতেই মেনে নেওয়া যায় না। গ্রীস একদিন পৃথিবীর রত্নভাণ্ডার লুটে নিয়ে গিয়েছিল, রোমও তাই করেছিল। আফগানেরাও বড় কম করেনি, কিন্তু সেটা সত্যের জোরেও নয়, সত্য হয়েও থাকেনি। দুর্য্যোধন একদিন শকুনির বিদ্যার জোরে জয়ী হয়ে পঞ্চপাণ্ডবকে দীর্ঘকাল ধরে বনে-জঙ্গলে উপবাস করতে বাধ্য করেছিল, সেদিন দুর্য্যোধনের পাত্র ছাপিয়ে গিয়েছিল, তার ভোগের অন্নে কোথাও একটা তিলও কম পড়েনি, কিন্তু তাকেই সত্য বলে মেনে নিলে যুধিষ্ঠিরকে ফিরে এসে সারাজীবন কেবল পাশাখেলা শিখেই কাটাতে হ’তো। সুতরাং সংসারে জয় করা<noinclude>{{c|৩১২}}</noinclude>
4irs1cqycr79qh7ws7ho7znr18tl7cp
শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বিভিন্ন রচনাবলী/আমার কথা
0
882101
1980224
2026-06-25T13:55:04Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf" from=317 to=323 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
1980224
wikitext
text/x-wiki
<pages index="শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf" from=317 to=323 header=1/>
cwy10l31mzqjv792qwjjsk70iiqzzrn
আমার কথা
0
882102
1980228
2026-06-25T14:11:40Z
Bodhisattwa
2549
"{{disambiguation}} {{Talikak list|sparql= select ?item with { select distinct ?work (sample(?edition) as ?edition_) (count(distinct ?edition) as ?editions) { values ?title { "{{PAGENAME}}"@bn } { ?title ^wdt:P1476 ?work } union { ?title ^wdt:P1476/wdt:P629 ?work } { ?work ^wdt:P629 ?edition . ?edition wdt:P1957 ?url . filter(contains(str(?url),"bn.wikisource.org")) } union { ?work ^wdt:P629 ?edition . ?edition wdt:P1433 ?larger..." দিয়ে পাতা তৈরি
1980228
wikitext
text/x-wiki
{{disambiguation}}
{{Talikak list|sparql=
select ?item
with {
select distinct ?work (sample(?edition) as ?edition_) (count(distinct ?edition) as ?editions) {
values ?title { "{{PAGENAME}}"@bn }
{ ?title ^wdt:P1476 ?work } union { ?title ^wdt:P1476/wdt:P629 ?work }
{ ?work ^wdt:P629 ?edition . ?edition wdt:P1957 ?url . filter(contains(str(?url),"bn.wikisource.org")) }
union
{ ?work ^wdt:P629 ?edition . ?edition wdt:P1433 ?largerwork . ?largerwork wdt:P1957 ?url . filter(contains(str(?url),"bn.wikisource.org")) }
} group by ?work
} as %editioncounts where {
include %editioncounts .
bind(if(?editions = 1,?edition_,?work) as ?item)
}
|columns=item,label,p577,p50,p655,p1957,p98,p1433,p123
|row_template=দ্ব্যর্থতা নিরসন সংস্করণ সারি
|skip_table=1
|sort=P577
}}
{{Talikak list end}}
ch1tdfjy42r1xnjercp3b28238hnsks
1980229
1980228
2026-06-25T14:11:49Z
Bodhisattwa
2549
1980229
wikitext
text/x-wiki
{{disambiguation}}
{{Talikak list|sparql=
select ?item
with {
select distinct ?work (sample(?edition) as ?edition_) (count(distinct ?edition) as ?editions) {
values ?title { "{{PAGENAME}}"@bn }
{ ?title ^wdt:P1476 ?work } union { ?title ^wdt:P1476/wdt:P629 ?work }
{ ?work ^wdt:P629 ?edition . ?edition wdt:P1957 ?url . filter(contains(str(?url),"bn.wikisource.org")) }
union
{ ?work ^wdt:P629 ?edition . ?edition wdt:P1433 ?largerwork . ?largerwork wdt:P1957 ?url . filter(contains(str(?url),"bn.wikisource.org")) }
} group by ?work
} as %editioncounts where {
include %editioncounts .
bind(if(?editions = 1,?edition_,?work) as ?item)
}
|columns=item,label,p577,p50,p655,p1957,p98,p1433,p123
|row_template=দ্ব্যর্থতা নিরসন সংস্করণ সারি
|skip_table=1
|sort=P577
}}
{{দ্ব্যর্থতা নিরসন সংস্করণ সারি|item = [[:d:Q107126444|Q107126444]]|label = [[আমার কথা (প্রথম খণ্ড)|আমার কথা (প্রথম খণ্ড)]]|p577 = 1913|p50 = [[লেখক:বিনোদিনী দাসী|বিনোদিনী দাসী]]|p1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:আমার_কথা_(প্রথম_খণ্ড)_-_বিনোদিনী_দাসী.pdf|p123 = [[প্রকাশক:গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স|গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স]]}}
{{দ্ব্যর্থতা নিরসন সংস্করণ সারি|item = [[:d:Q140355696|Q140355696]]|label = [[শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)/বিভিন্ন রচনাবলী/আমার কথা|আমার কথা]]|p50 = [[লেখক:শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়|শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]]|p1433 = ''[[d:Q133513596|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার)]]''}}
{{Talikak list end}}
dkfhqy9zusm64mlk94cdxtioo1t6j44
পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/৮
104
882107
1980244
2026-06-25T14:40:11Z
কমলেশ মন্ডল
19152
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980244
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="কমলেশ মন্ডল" /></noinclude>মিঃ স্যামন ‘মানভূমের’ তৎকালীন সম্পাদক শ্রীযুক্ত বাবু জহরলাল
বস্তুর নিকট সহানুভূতি ও আহ্লাদ প্রকাশ করিয়াছিলেন। মিঃ স্যামনের উৎসাহে ও জহরলাল বাবুর আগ্রহে ঐ সকল প্রবন্ধ পুনর্লিখিত ও পুস্তকাকারে প্রকাশিত হইল। সেই জন্য গ্রন্থকার শ্রীযুক্ত বাবু জহরলাল বসু এবং উপরোক্ত সরকারী কর্ম্মচারীগণের, বিশেষতঃ মিঃ {{SIC|স্যামানের}}, নিকট বিশেষভাবে ঋণী।
{{ফাঁক}}পুস্তকের প্রুফগুলি রীতিমতরূপে সংশোধিত না হওয়ার বিস্তর
বর্ণাশুদ্ধি ঘটিয়াছে। তজ্জন্য ও অন্যান্য ভ্রম প্রমাদাদির জন্য গ্রন্থকার স্বয়ং দায়ী। আশা করি সহৃদয় পাঠকবর্গ তজ্জনিত ত্রুটি মার্জনা করিবেন। ইতি—
{|
| {{কেন্দ্র|পুরুলিয়া</br>৫ই শ্রাবণ, ১৩২০ সাল৷}}
| {{brace2|2|right}}
|}
{{Block right|{{larger|গ্রন্থকার৷}}}}
{{Img float
| file = Ludzie i rzeczy 73.png
| width = 120px
| align = center
| cap =}}
{{dhr|12em}}<noinclude></noinclude>
60reyon4vl7ecvfpvxlg6ictz1sc6ks
থার্ডক্লাশ (১৯৪১)/শাঁখের করাত
0
882108
1980245
2026-06-25T14:41:36Z
BabulB
2144
"<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=136 to=145 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
1980245
wikitext
text/x-wiki
<pages index="থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৯৪১).pdf" from=136 to=145 header=1/>
duiwganihjloqtzln74j4tthfakuu89
নির্ঘণ্ট:কল্কিপুরাণম্ - পঞ্চানন তর্করত্ন (১৯০৮).pdf
102
882109
1980252
2026-06-25T15:09:40Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1980252
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q140356056
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{BSG}}
|Header=
|Footer=
}}
qs7emsj4bsupv4gc0ns7ymetimhr1dh
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩২৭
104
882110
1980253
2026-06-25T15:22:19Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980253
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|বিভিন্ন রচনাবলী}}</noinclude>বা পরের কেড়ে নেওয়ার বিদ্যাটাকেই একমাত্র সত্য ভেবে লুব্ধ হয়ে ওঠাই মানুষের বড় সার্থকতা নয়। তা ছাড়া, জয় কি কেবল নির্ভর করে বিজেতার উপরেই? আফগান যখন হিন্দুস্থান জয় করেছিল, সে কি তার নিজের গুণে? হিন্দুস্থান দেশ হারিয়েছিল তার নিজের দোষে। সেই ত্রুটি সংশোধন করার বিদ্যে তার নিজের মধ্যেই ছিল, বিজেতা আফগানের কাছে শেখবার কিছুই ছিল না। আবার এমন দৃষ্টান্তও ইতিহাসে দুষ্প্রাপ্য নয় যখন বিজেতাই পরাজিতের কাছে কি বিদ্যা, কি ধর্ম্ম, কি সভ্যতা, কি ভদ্রতা সমস্তই শিক্ষা করে আর একদিন মানুষ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কে বলেছে, সত্যকার বিদ্যা যদি কিছু তার থাকে তা শিখতে হবে না? কে বলেছে, তার দ্বার পশ্চিম-মুখো থাকায় তাকে অহিন্দু বলে বয়কট করতে হবে? কি পদার্থবিদ্যা, কি রসায়ন-শাস্ত্র, কি ধনবিজ্ঞান—এ-সকল পশ্চিমী বিশ্বে শেখবার আবশ্যক নেই বলে কে বিবাদ করছে? বিবাদ যদি কিছু থাকে সে তার বিদ্যার উপরে নয়—সে তার শেখানোর ভাণ করার ওপর, শিক্ষার বদলে কুশিক্ষার আয়তনের ওপর। এতকাল এই তামাসায় যোগ দিয়ে পাগলের মত সবাই নেচে বেড়াচ্ছিল, এখন হঠাৎ জন-কয়েক লোকের চৈতন্য হওয়ায় তারা পেছিয়ে দাঁড়িয়ে এই ফাঁকিটাকে কেবল আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেবার চেষ্টা করেছে—এই ত দেখি আসলে মতভেদের কারণ।
{{ফাঁক}}এই বস্তুটাকেই একটু বিশদ করে দেখবার চেষ্টা করা যাক। পশ্চিমের পদার্থবিদ ও রসায়ন-শাস্ত্র যতখানি বেড়ে উঠেছে গত যুদ্ধের সময়, এতখানি এইটুকু সময়ের মধ্যে বোধ করি আর কখনো হয়নি। মানুষ মারবার নব নব কৌশল এরা যত আবিষ্কার করেছে, ততই আনন্দে দম্ভে এদের বুক ভরে উঠেছে। এই বিজ্ঞানের সাহায্যে আগুন দিয়ে, বিষ দিয়ে পুড়িয়ে গ্রামকে গ্রাম, সহরকে সহর ধ্বংস করবার কত ফন্দিই না এরা বার করেছে এবং আরও কত বার করত এই যুদ্ধটা আরও কিছুদিন অগ্রসর হলে। সৌভাগ্য এবং সভ্যতার বোধ করি এদের এই একটামাত্র মাপকাঠি—কে কত অল্প পরিশ্রমে কত বেশি মানব হত্যা করতে পারে। এদের কাছে বিজ্ঞানের এইটাই হচ্ছে সর্ব্বাপেক্ষা বড় প্রয়োজন। এ যে দেখতে না পায় সে অন্ধ এবং এই বিদ্যাটা অপরকে এরা শেখাতে পারে, কিংবা শেখবার সুযোগ দিতে পারে, অতিবড় কবিকল্পনাতেও এ আমি ভাবতে পারি না। কথা উঠতে পারে, মানবের কল্যাণকর এমন কি কিছুই এর থেকে আবিষ্কৃত হয়নি? হয়েছে বৈ কি। কিন্তু সে নিতান্তই by-productএর মত বলা যেতে পারে। হোক by-product, কিন্তু সে যখন মানবের হিতার্থে, তখন সেই বিদ্যাগুলো আয়ত্ত করেও ত আমরা মানুষ হতে পারি? হয়ত পারি। কিন্তু ঠিক ও উপায়ে নয়। পশ্চিমের সভ্যতার অহঙ্কার অভ্রভেদী।<noinclude>{{c|৩১৩}}</noinclude>
3mcbdkncs3gyb5yz37ntntk75slot9l
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩২৮
104
882111
1980254
2026-06-25T15:25:33Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980254
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>আমাদের এবং আমাদের মত আরও অনেক দুর্ভাগা জাতির কাঁধে যখনই ওরা চেপে থাকে, তখনই ঘরে-বাইরে এই কৈফিয়ৎ দেয় যে, এগুলো দেখতে শুনতে মানুষের মত হলেও ঠিক মানুষ নয়। অন্ততঃ সাবালক মানুষ নয়, ছেলেমানুষ। বেলজিয়ম যখন রবারের জন্য নিগ্রোদের দেশে গিয়ে নিগ্রোদেরই হাত কেটে দিত, তখনও সেই অজুহাতই তারা দিয়েছিল যে, এরা আমাদের হুকুম মানতে চায় না। এরা অসভ্য। অতএব আমরা গায়ে পড়ে এদের সভ্য করবার, মানুষ করবার ভার যখন নিয়েছি, তখন মানুষ এদের করতেই হবে। অতএব শিক্ষার জন্য এদের কঠোর শাস্তি দেওয়া একান্তই আবশ্যক। তথাস্তু বলা ছাড়া ওর যে আর কি জবাব আছে আমি জানি না। আমাদের, অর্থাৎ ভারতবাসীর সম্পর্কে প্রশ্ন উঠলেও ইংরাজ ঠিক এই জবাবটাই দিয়ে আসছে যে, এরা অর্দ্ধ-সভ্য—ছেলেমানুষ। এদের দেশে প্রচুর অন্ন, কিন্তু পাছে অবোধ শিশুর মত বেশি খেয়ে পীড়িত হয়ে পড়ে, তাই এদের মুখের গ্রাস নিজেদের দেশে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছি—সে এদেরই ভালোর জন্যে। আবার টাকাকড়িগুলো পাছে অপব্যয় করে নষ্ট করে ফেলে, তাই সে-সমস্ত দয়া করে আমরাই খরচ করে দিচ্ছি; সেও এদেরই মঙ্গলের নিমিত্ত। এমনি সব ভাল করার কত কি অফুরন্ত কাহিনী ডেকে হেঁকে প্রচার করছেন—কত কষ্ট করে সাত সমুদ্র তের নদী পার হয়ে এদের মানুষ করতে এসেছি; কারণ মানুষ করার sacred duty যে আমাদেরই ওপরে। কিন্তু আঃ—গেলাম! By law established হয়ে এই ইণ্ডিয়ানগুলোকে মানুষ করতে করতেই হয়রান হয়ে মোলাম!
{{ফাঁক}}ভগবান জানেন কবে এরা আবার by law disestablished হবে! কবে আমরা মানুষ হয়ে এদের দুশ্চিন্তা-মুক্ত করতে পারব! দেড়শ বছর ধরে তালিম দেওয়া চলছে, কিন্তু মানুষ আর হলাম না। কবে যে হতে পারব সেও ওরাই জানে, আর জগদীশ্বর জানেন। কিন্তু ঐ দেড়শ বছরেও যদি ওই মোহ আমাদের ঘুচে না থাকে, যে এদের শিক্ষা-ব্যবস্থায় সত্যিই একদিন মানুষ হয়ে উঠব, সত্যি সত্যিই আমাদের মানুষ করে, নিজেদের মৃত্যুবাণ স্বেচ্ছায় আমাদের হাতে তুলে দিতে এরা ব্যাকুল, তা হলে আমি বলি আমাদের কোনকালে মানুষ না হওয়াই উচিত। ভগবান যেন কোনদিন এই দুর্ভাগাদের ’পরে প্রসন্ন না হন।
{{ফাঁক}}বস্তুতঃ, এ-কথা বোঝা কি এতই কঠিন যে বিজ্ঞানের যে শিক্ষায় মানুষ যথার্থ মানুষ হয়ে ওঠে, তার আত্মসম্মান জাগ্রত হয়ে দাঁড়ায়, সে উপলব্ধি করে সেও মানুষ, অতএব স্বদেশের দায়িত্ব শুধু তারই, আর কারও নয়,—পরাজিতের জন্য এমনি শিক্ষার ব্যবস্থা বিজেতা কি কখনও করতে পারে? তার বিদ্যালয়, তার শিক্ষার বিধি সে কি<noinclude>{{c|৩১৪}}</noinclude>
qfb9noe5n2va1nsqbbpp7ih89uj297q
লেখক:পূর্ণচন্দ্র মিত্র
100
882112
1980256
2026-06-25T15:31:35Z
Bodhisattwa
2549
"{{লেখক}} {{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}} {{Talikak list end}} {{PD-India}}" দিয়ে পাতা তৈরি
1980256
wikitext
text/x-wiki
{{লেখক}}
{{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}}
{{Talikak list end}}
{{PD-India}}
kzijlajw0x8y0roj6h1yqedm4fjroyi
1980262
1980256
2026-06-25T15:39:00Z
Bodhisattwa
2549
1980262
wikitext
text/x-wiki
{{লেখক}}
{{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}}
=== অন্যান্য ===
{{লেখক রচনা সারি|work = ''[[d:Q140356177|তত্ত্বদর্শন]]''|item = Q140356177}}
{{লেখক সংস্করণ সারি|item = Q140356173|label = ''[[d:Q140356173|তত্ত্বদর্শন]]''|p1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:তত্ত্বদর্শন_-_পূর্ণচন্দ্র_মিত্র_(১৮৭৭).pdf|p577 = 1877}}{{Talikak list end}}
{{PD-India}}
6u2w2s43hepidkq9gxycm1e7hmgxz1n
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩২৯
104
882113
1980257
2026-06-25T15:32:48Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980257
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|বিভিন্ন রচনাবলী}}</noinclude>নিজের সর্ব্বনাশের জন্যেই তৈরী করিয়ে দেবে? সে কেবলমাত্র এইটুকুই দিতে পারে যাতে তার নিজের কাজগুলি সুশৃঙ্খলায় চলে। তার আদালতে বিচারের বহুমূল্য অভিনয় করতে উকীল, মোক্তার, মুন্সেফ, হুকুম মত জেলে দিতে ডেপুটি, সব ডেপুটি, ধরে আনতে থানার ছোট-বড় পিয়াদা, ইস্কুলে ডুবালের পিতৃভক্তির গল্প পড়াতে দুর্ভিক্ষপীড়িত মাষ্টার, কলেজে ভারতের হীনতা বর্ব্বরতার লেক্চার দিতে নখদন্তহীন প্রফেসার, আফিসে খাতা লিখতে জীর্ণ শীর্ণ কেরানী, তার শিক্ষা-বিধান এর বেশি দিতে পারে এও যে {{SIC|আসা|আশা}} করতে পারে, সে যে পারে না কি আমি তাই শুধু ভাবি। অথচ কবি বলেছেন, বাঁচবার বিদ্যা কিংবা মানুষ হবার বিদ্যা আছে কেবল শুক্রাচার্য্যের হাতে, আজ তার বাড়ি গশ্চিমে। সুতরাং মানুষ হতে যদি চাই তার আশ্রমে আজ আমাদের দৌড়াতেই হবে, “নান্যঃ পন্থা বিদ্যতে অয়নায়”। অমৃতলোকের লোক হয়েও কচকে তার শিষ্যত্ব স্বীকার করতে হয়েছিল। হয়েছিল সত্য, কিন্তু বিদ্যা ত কচ সহজে আদায় করতে পারেনি, গুরুদেবের ভোজ্য পদার্থ পর্য্যন্ত হতে হয়েছিল। কিন্তু দিনকাল এখন বদলে গেছে,—আমাদের দুরদৃষ্টে যদি গুরুদেবের ভোজনপর্ব্ব পর্য্যন্ত হয়েই নাটক সমাপ্ত হয়ে যায়, তামাসার বাকী আর কিছু থাকবে না।
{{ফাঁক}}কিন্তু আমাদেরই বা এত দুঃখ, এত বেদনা কেন? কবি বলেছেন, সেটা একেবারে নিছক আমাদের নিজেরই অপরাধ। আমি কিন্তু এই উক্তিটাকে পুরোপুরি স্বীকার করতে পারিনে। আমার মনে হয় প্রত্যেক মানব-জীবনের দুঃখের অধ্যায়েই তার অপরাধ ছাড়াও একটা জিনিস আছে যা তার অদৃষ্ট, যে বস্তু তার দৃষ্টির বাহিরে, এবং যার ওপর তার কোন হাত নেই। তেমনি একটা সমগ্র জাতিরও দুঃখের মূলে তার দোষ ছাড়াও এমন বস্তু আছে যা তার সাধ্যের অতীত, যা তার দুর্ভাগ্য। আমাদের দেশের ইতিহাস যাঁরা আলোচনা করেছেন তাঁরা বোধ হয় সম্পূর্ণ অসত্য বলে এ-কথা উড়িয়ে দেবেন না। দুঃখ ও হীনতার মূলে আমাদের অদৃষ্ট বস্তুও অনেকটা দায়ী, যার ওপর আমাদের কর্ত্তৃত্ব ছিল না। কিন্তু কবি এ-কথা সম্পূর্ণ অশ্রদ্ধা করে উপমাচ্ছলে একটা গল্প বলেছেন। গল্পটা এই—
{{ফাঁক}}“মনে কর এক বাপের দুই ছেলে। বাপ স্বয়ং মোটর হাঁকিয়ে চলেন। তাঁর ভাবখানা এই, ছেলেদের মধ্যে মোটর চালাতে যে শিখবে মোটর তারই হবে। ওর মধ্যে একটি চালাক ছেলে আছে, তার কৌতূহলের অন্ত নেই। সে তন্ন তন্ন করে দেখে গাড়ী চলে কি করে। অন্য ছেলেটি ভালমানুষ, সে ভক্তি-ভরে বাপের পায়ের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে, তাঁর দুই হাত মোটরের<noinclude>{{c|৩১৫}}</noinclude>
ln7nhe42vlcyx3ccjmcn7eavnb0pl87
1980258
1980257
2026-06-25T15:35:07Z
Nettime Sujata
5470
1980258
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|বিভিন্ন রচনাবলী}}</noinclude>নিজের সর্ব্বনাশের জন্যেই তৈরী করিয়ে দেবে? সে কেবলমাত্র এইটুকুই দিতে পারে যাতে তার নিজের কাজগুলি সুশৃঙ্খলায় চলে। তার আদালতে বিচারের বহুমূল্য অভিনয় করতে উকীল, মোক্তার, মুন্সেফ, হুকুম মত জেলে দিতে ডেপুটি, সব ডেপুটি, ধরে আনতে থানার ছোট-বড় পিয়াদা, ইস্কুলে ডুবালের পিতৃভক্তির গল্প পড়াতে দুর্ভিক্ষপীড়িত মাষ্টার, কলেজে ভারতের হীনতা বর্ব্বরতার লেক্চার দিতে নখদন্তহীন প্রফেসার, আফিসে খাতা লিখতে জীর্ণ শীর্ণ কেরানী, তার শিক্ষা-বিধান এর বেশি দিতে পারে এও যে {{SIC|আসা|আশা}} করতে পারে, সে যে পারে না কি আমি তাই শুধু ভাবি। অথচ কবি বলেছেন, বাঁচবার বিদ্যা কিংবা মানুষ হবার বিদ্যা আছে কেবল শুক্রাচার্য্যের হাতে, আজ তার বাড়ি গশ্চিমে। সুতরাং মানুষ হতে যদি চাই তার আশ্রমে আজ আমাদের দৌড়াতেই হবে, “নান্যঃ পন্থা বিদ্যতে অয়নায়”। অমৃতলোকের লোক হয়েও কচকে তার শিষ্যত্ব স্বীকার করতে হয়েছিল। হয়েছিল সত্য, কিন্তু বিদ্যা ত কচ সহজে আদায় করতে পারেনি, গুরুদেবের ভোজ্য পদার্থ পর্য্যন্ত হতে হয়েছিল। কিন্তু দিনকাল এখন বদলে গেছে,—আমাদের দুরদৃষ্টে যদি গুরুদেবের ভোজনপর্ব্ব পর্য্যন্ত হয়েই নাটক সমাপ্ত হয়ে যায়, তামাসার বাকী আর কিছু থাকবে না।
{{ফাঁক}}কিন্তু আমাদেরই বা এত দুঃখ, এত বেদনা কেন? কবি বলেছেন, সেটা একেবারে নিছক আমাদের নিজেরই অপরাধ। আমি কিন্তু এই উক্তিটাকে পুরোপুরি স্বীকার করতে পারিনে। আমার মনে হয় প্রত্যেক মানব-জীবনের দুঃখের অধ্যায়েই তার অপরাধ ছাড়াও একটা জিনিস আছে যা তার অদৃষ্ট, যে বস্তু তার দৃষ্টির বাহিরে, এবং যার ওপর তার কোন হাত নেই। তেমনি একটা সমগ্র জাতিরও দুঃখের মূলে তার দোষ ছাড়াও এমন বস্তু আছে যা তার সাধ্যের অতীত, যা তার দুর্ভাগ্য। আমাদের দেশের ইতিহাস যাঁরা আলোচনা করেছেন তাঁরা বোধ হয় সম্পূর্ণ অসত্য বলে এ-কথা উড়িয়ে দেবেন না। দুঃখ ও হীনতার মূলে আমাদের অদৃষ্ট বস্তুও অনেকটা দায়ী, যার ওপর আমাদের কর্ত্তৃত্ব ছিল না। কিন্তু কবি এ-কথা সম্পূর্ণ অশ্রদ্ধা করে উপমাচ্ছলে একটা গল্প বলেছেন। গল্পটা এই—
{{blockquote/s}}“মনে কর এক বাপের দুই ছেলে। বাপ স্বয়ং মোটর হাঁকিয়ে চলেন। তাঁর ভাবখানা এই, ছেলেদের মধ্যে মোটর চালাতে যে শিখবে মোটর তারই হবে। ওর মধ্যে একটি চালাক ছেলে আছে, তার কৌতূহলের অন্ত নেই। সে তন্ন তন্ন করে দেখে গাড়ী চলে কি করে। অন্য ছেলেটি ভালমানুষ, সে ভক্তি-ভরে বাপের পায়ের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে, তাঁর দুই হাত মোটরের<noinclude>{{blockquote/e}}{{c|৩১৫}}</noinclude>
c2htr9l9kiqsygelh8lr1r5cxtfhjr3
1980260
1980258
2026-06-25T15:35:37Z
Nettime Sujata
5470
1980260
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|বিভিন্ন রচনাবলী}}</noinclude>নিজের সর্ব্বনাশের জন্যেই তৈরী করিয়ে দেবে? সে কেবলমাত্র এইটুকুই দিতে পারে যাতে তার নিজের কাজগুলি সুশৃঙ্খলায় চলে। তার আদালতে বিচারের বহুমূল্য অভিনয় করতে উকীল, মোক্তার, মুন্সেফ, হুকুম মত জেলে দিতে ডেপুটি, সব ডেপুটি, ধরে আনতে থানার ছোট-বড় পিয়াদা, ইস্কুলে ডুবালের পিতৃভক্তির গল্প পড়াতে দুর্ভিক্ষপীড়িত মাষ্টার, কলেজে ভারতের হীনতা বর্ব্বরতার লেক্চার দিতে নখদন্তহীন প্রফেসার, আফিসে খাতা লিখতে জীর্ণ শীর্ণ কেরানী, তার শিক্ষা-বিধান এর বেশি দিতে পারে এও যে {{SIC|আসা|আশা}} করতে পারে, সে যে পারে না কি আমি তাই শুধু ভাবি। অথচ কবি বলেছেন, বাঁচবার বিদ্যা কিংবা মানুষ হবার বিদ্যা আছে কেবল শুক্রাচার্য্যের হাতে, আজ তার বাড়ি গশ্চিমে। সুতরাং মানুষ হতে যদি চাই তার আশ্রমে আজ আমাদের দৌড়াতেই হবে, “নান্যঃ পন্থা বিদ্যতে অয়নায়”। অমৃতলোকের লোক হয়েও কচকে তার শিষ্যত্ব স্বীকার করতে হয়েছিল। হয়েছিল সত্য, কিন্তু বিদ্যা ত কচ সহজে আদায় করতে পারেনি, গুরুদেবের ভোজ্য পদার্থ পর্য্যন্ত হতে হয়েছিল। কিন্তু দিনকাল এখন বদলে গেছে,—আমাদের দুরদৃষ্টে যদি গুরুদেবের ভোজনপর্ব্ব পর্য্যন্ত হয়েই নাটক সমাপ্ত হয়ে যায়, তামাসার বাকী আর কিছু থাকবে না।
{{ফাঁক}}কিন্তু আমাদেরই বা এত দুঃখ, এত বেদনা কেন? কবি বলেছেন, সেটা একেবারে নিছক আমাদের নিজেরই অপরাধ। আমি কিন্তু এই উক্তিটাকে পুরোপুরি স্বীকার করতে পারিনে। আমার মনে হয় প্রত্যেক মানব-জীবনের দুঃখের অধ্যায়েই তার অপরাধ ছাড়াও একটা জিনিস আছে যা তার অদৃষ্ট, যে বস্তু তার দৃষ্টির বাহিরে, এবং যার ওপর তার কোন হাত নেই। তেমনি একটা সমগ্র জাতিরও দুঃখের মূলে তার দোষ ছাড়াও এমন বস্তু আছে যা তার সাধ্যের অতীত, যা তার দুর্ভাগ্য। আমাদের দেশের ইতিহাস যাঁরা আলোচনা করেছেন তাঁরা বোধ হয় সম্পূর্ণ অসত্য বলে এ-কথা উড়িয়ে দেবেন না। দুঃখ ও হীনতার মূলে আমাদের অদৃষ্ট বস্তুও অনেকটা দায়ী, যার ওপর আমাদের কর্ত্তৃত্ব ছিল না। কিন্তু কবি এ-কথা সম্পূর্ণ অশ্রদ্ধা করে উপমাচ্ছলে একটা গল্প বলেছেন। গল্পটা এই—
{{blockquote/s}}{{ফাঁক}}“মনে কর এক বাপের দুই ছেলে। বাপ স্বয়ং মোটর হাঁকিয়ে চলেন। তাঁর ভাবখানা এই, ছেলেদের মধ্যে মোটর চালাতে যে শিখবে মোটর তারই হবে। ওর মধ্যে একটি চালাক ছেলে আছে, তার কৌতূহলের অন্ত নেই। সে তন্ন তন্ন করে দেখে গাড়ী চলে কি করে। অন্য ছেলেটি ভালমানুষ, সে ভক্তি-ভরে বাপের পায়ের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে, তাঁর দুই হাত মোটরের<noinclude>{{blockquote/e}}{{c|৩১৫}}</noinclude>
5qvlrio9noyc2syhcd9gw2gmxgpqpub
নির্ঘণ্ট:তত্ত্বদর্শন - পূর্ণচন্দ্র মিত্র (১৮৭৭).pdf
102
882114
1980261
2026-06-25T15:37:38Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1980261
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q140356173
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{BSG}}
|Header=
|Footer=
}}
q6t4h3lk8484jn3lxnx2t7qoe1lqw06
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩৩০
104
882115
1980263
2026-06-25T15:40:35Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980263
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}
{{blockquote/s}}</noinclude>হাল যে কোন্দিকে কেমন করে ঘোরাচ্চে তার দিকেও খেয়াল নেই। চালাক ছেলেটি মোটরের কলকারখানা পুরোপুরি শিখে নিলে এবং একদিন গাড়ীখানা নিজের হাতে বাগিয়ে নিয়ে উর্দ্ধস্বরে বাঁশী বাজিয়ে দৌড় মারল। গাড়ী চালাবার সখ দিন রাত এমনি তাকে পেয়ে বসল যে, বাপ আছেন কি নেই সে হুসই তার রইল না। তাই বলেই তার বাপ যে তাকে তলব করে গালে চড় মেরে তার গাড়ীটা কেড়ে নিলেন তা নয়; তিনি স্বয়ং যে রথের রথী, ছেলেও সেই রথেরই রথী, এতে তিনি প্রসন্ন হলেন। ভালমানুষ ছেলেটি দেখলে ভায়াটি তার পাকা ফসলের ক্ষেত লণ্ডভণ্ড করে তার মধ্যে দিয়ে দিনে দুপুরে হাওয়া গাড়ী চালিয়ে বেড়াচ্চে, তাকে রোখে কার সাধ্য, তার সামনে দাঁড়িয়ে বাপের দোহাই পাড়লে ‘মরণং ধ্রুবম্’,—তখনও সে বাপের পায়ের দিকে তাকিয়ে রইল, আর বললে, আমার আর কিছুতে দরকার নেই।”{{blockquote/e}}
{{ফাঁক}}এই গল্পের স্বার্থকতা যে কি আমি বুঝতে পারিনি। ছেলে দুটি কে তা অনুমান করা শক্ত নয়; কিন্তু এক ছেলের প্রতি আর এক ছেলের অকারণ দৌরাত্ম্য দেখে যে বাপ প্রসন্ন হন, তিনি যে কিরূপ বাপ তা বোঝা যায় না। তবে এ-কথা বেশ বোঝা যায়, এমন বাপের পায়ের দিকে যে ছেলে তাকিয়ে থাকে, তা তিনি যত বড় রথেরই রথী হোন, তার ‘মরণং ধ্রুবম্’।
{{ফাঁক}}অতঃপর কবি এই দুটী ছেলের জীবন-বৃত্তান্তও দিয়েছেন। মোটর-হাঁকানো ছেলেটী ত ম্যাজিক থেকে বিজ্ঞানের ক্লাশে প্রমোশন পেলে, কিন্তু যে ছেলেটা ‘মরণং ধ্রুবম্’ সে তার ম্যাজিক ও তন্ত্র-মন্ত্র নিয়েই পড়ে রইল। এই তন্ত্র-মন্ত্রের ’পরে কঠোর কটাক্ষ কবি পূর্ব্বেও করেছেন। তাঁর ‘অচলায়তনে’ এ নিয়ে হাসি-তামাসা অনেক হয়ে গেছে, ধারা ওয়াকিফ্হাল তাঁরা এর মীমাংসা করবেন, কিন্তু আমার মনে হয় এখানে এ সম্পূর্ণ নিষ্প্রয়োজন।
{{ফাঁক}}বিশ্ববস্তুর পেছনে যে কোন একটা অজ্ঞেয় শক্তি আছে, মানব ইতিহাসে এ একটা প্রাচীন তথ্য। এবং আজ বিংশ শতাব্দীতেও কূল-কিনারা তার তেমনি অজ্ঞাত। সেই অজ্ঞেয় শক্তিকে প্রসন্ন করে কাজ আদায়ের চেষ্টা মানুষ চিরদিন করে আসছে,—আজও তার উপায় বার হয়নি, অথচ আজও তার অবসান নেই। এই উপায় আবিষ্কারের পথে কি করে যে প্রার্থনা একদিন ম্যাজিকে অর্থাৎ মন্ত্রতন্ত্রে এবং ম্যাজিক আর একদিন প্রার্থনায় চেহারা বদলে দাঁড়ায়, এ তর্ক তুলে পুঁথি বাড়াতে আমার সাধ নেই। ঈশ্বরের ধারণার অভিব্যক্তির ইতিহাসের এই অংশটা বিজ্ঞানের পরিণতির প্রশ্নে আমার অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়।
{{nop}}<noinclude>{{c|৩১৬}}</noinclude>
4dx451lsp72rzfl9loxs3zdr3bu9va2
1980281
1980263
2026-06-25T16:35:16Z
Nettime Sujata
5470
1980281
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}
{{blockquote/s}}</noinclude>হাল যে কোন্দিকে কেমন করে ঘোরাচ্চে তার দিকেও খেয়াল নেই। চালাক ছেলেটি মোটরের কলকারখানা পুরোপুরি শিখে নিলে এবং একদিন গাড়ীখানা নিজের হাতে বাগিয়ে নিয়ে উর্দ্ধস্বরে বাঁশী বাজিয়ে দৌড় মারল। গাড়ী চালাবার সখ দিন রাত এমনি তাকে পেয়ে বসল যে, বাপ আছেন কি নেই সে হুসই তার রইল না। তাই বলেই তার বাপ যে তাকে তলব করে গালে চড় মেরে তার গাড়ীটা কেড়ে নিলেন তা নয়; তিনি স্বয়ং যে রথের রথী, ছেলেও সেই রথেরই রথী, এতে তিনি প্রসন্ন হলেন। ভালমানুষ ছেলেটি দেখলে ভায়াটি তার পাকা ফসলের ক্ষেত লণ্ডভণ্ড করে তার মধ্যে দিয়ে দিনে দুপুরে হাওয়া গাড়ী চালিয়ে বেড়াচ্চে, তাকে রোখে কার সাধ্য, তার সামনে দাঁড়িয়ে বাপের দোহাই পাড়লে ‘মরণং ধ্রুবম্’,—তখনও সে বাপের পায়ের দিকে তাকিয়ে রইল, আর বললে, আমার আর কিছুতে দরকার নেই।”{{blockquote/e}}
{{ফাঁক}}এই গল্পের {{SIC|স্বার্থকতা|সার্থকতা}} যে কি আমি বুঝতে পারিনি। ছেলে দুটি কে তা অনুমান করা শক্ত নয়; কিন্তু এক ছেলের প্রতি আর এক ছেলের অকারণ দৌরাত্ম্য দেখে যে বাপ প্রসন্ন হন, তিনি যে কিরূপ বাপ তা বোঝা যায় না। তবে এ-কথা বেশ বোঝা যায়, এমন বাপের পায়ের দিকে যে ছেলে তাকিয়ে থাকে, তা তিনি যত বড় রথেরই রথী হোন, তার ‘মরণং ধ্রুবম্’।
{{ফাঁক}}অতঃপর কবি এই দুটী ছেলের জীবন-বৃত্তান্তও দিয়েছেন। মোটর-হাঁকানো ছেলেটী ত ম্যাজিক থেকে বিজ্ঞানের ক্লাশে প্রমোশন পেলে, কিন্তু যে ছেলেটা ‘মরণং ধ্রুবম্’ সে তার ম্যাজিক ও তন্ত্র-মন্ত্র নিয়েই পড়ে রইল। এই তন্ত্র-মন্ত্রের ’পরে কঠোর কটাক্ষ কবি পূর্ব্বেও করেছেন। তাঁর ‘অচলায়তনে’ এ নিয়ে হাসি-তামাসা অনেক হয়ে গেছে, ধারা ওয়াকিফ্হাল তাঁরা এর মীমাংসা করবেন, কিন্তু আমার মনে হয় এখানে এ সম্পূর্ণ নিষ্প্রয়োজন।
{{ফাঁক}}বিশ্ববস্তুর পেছনে যে কোন একটা অজ্ঞেয় শক্তি আছে, মানব ইতিহাসে এ একটা প্রাচীন তথ্য। এবং আজ বিংশ শতাব্দীতেও কূল-কিনারা তার তেমনি অজ্ঞাত। সেই অজ্ঞেয় শক্তিকে প্রসন্ন করে কাজ আদায়ের চেষ্টা মানুষ চিরদিন করে আসছে,—আজও তার উপায় বার হয়নি, অথচ আজও তার অবসান নেই। এই উপায় আবিষ্কারের পথে কি করে যে প্রার্থনা একদিন ম্যাজিকে অর্থাৎ মন্ত্রতন্ত্রে এবং ম্যাজিক আর একদিন প্রার্থনায় চেহারা বদলে দাঁড়ায়, এ তর্ক তুলে পুঁথি বাড়াতে আমার সাধ নেই। ঈশ্বরের ধারণার অভিব্যক্তির ইতিহাসের এই অংশটা বিজ্ঞানের পরিণতির প্রশ্নে আমার অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়।
{{nop}}<noinclude>{{c|৩১৬}}</noinclude>
mj5edz4j44w08exngo3rg4do0y3pkf4
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩৩১
104
882116
1980265
2026-06-25T15:45:41Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980265
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|বিভিন্ন রচনাবলী}}</noinclude>{{ফাঁক}}সে যাই হোক, এই মোটর-হাঁকানো ছেলেটার উন্নতির হেতুবাদ এবং সেই পায়ের-দিকে-তাকানো ভাল ছেলেটীর দুঃখের বিবরণ কবি এইখানে একবারে স্পষ্ট করে দিয়েছেন। যথা,—
{{blockquote|{{ফাঁক}}“পূর্ব্বদেশে আমরা যে সময় রোগ হলে ভূতের ওঝাকে ডাকচি, দৈন্য হলে গ্রহশান্তির জন্যে দৈবজ্ঞের দ্বারে দৌড়াচ্ছি, বসন্তমারীকে ঠেকিয়ে রাখবার ভার দিচ্চি শীতলা দেবীর ’পরে, আর শত্রুকে মারবার জন্যে মারণ উচ্চাটন মন্ত্র আওড়াতে বসেছি, ঠিক সেই সময় পশ্চিম মহাদেশে ভল্টেয়ারকে একজন মেয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, শুনেচি নাকি মন্ত্র-গুণে পালকে পাল ভেড়া মেরে ফেলা যায়, সে কি সত্য? ভল্টেয়ার জবাব দিয়েছিলেন, নিশ্চয় মেরে ফেলা যায়, কিন্তু তার সঙ্গে যথোচিত পরিমাণে সেঁকো বিষ চাই থাকা। ইউরোপের কোণে-কানাচে যাদুমন্ত্রের ’পরে বিশ্বাস কিছুমাত্র নেই এমন কথা বলা যায় না, কিন্তু এ সম্বন্ধে সেঁকো বিষটার প্রতি বিশ্বাস সেখানে প্রায় সর্ব্ববাদিসম্মত। এইজন্যেই ওরা ইচ্ছা করলেই মারতে পারে এবং আমরা ইচ্ছে না করলেও মরতে পারি।”}}
{{ফাঁক}}কবির এ অভিযোগ যদি সত্য হয়, তা হলে বলার আর কিছু নেই। আমাদের সব মরাই উচিত, এমন কি, সেঁকো বিষ খেতেও কারো আপত্তি করা কর্ত্তব্য নয়। কিন্তু এই কি সত্য? ভল্টেয়ার বেশিদিনের লোক নন, তাঁর মত পণ্ডিত ও জ্ঞানী তখন সে-দেশে বড় সুলভ ছিল না, অতএব এ-কথা তাঁর মুখে কিছুই অস্বাভাবিক বা অপ্রত্যাশিত নয়, কিন্তু তখনকার দিনে অজ্ঞান ও বর্ব্বরতায় কি এ দেশটা এতখানিই নীচের ধাপে নেবে গিয়েছিল যে, ঠিক এমনি কথা বলবার লোক এখানে কেউ ছিল না যে বলে, “বাপু, ভূতের ওঝা না ডাকিয়ে বৈদ্যের বাড়ি যাও। মারতে চাও ত অন্য পথ অবলম্বন কর, কেবল ঘরে বসে নিরালায় মারণ-মন্ত্র জপ করলেই কার্য্য সিদ্ধ হবে না?” ইউরোপের জয়গান করতে আমি নিষেধ করিনে, কিংবা যে হাতী দঁকে পড়ে গেছে, তাকে নিয়ে আস্ফালন করবারও আমার রুচি নেই, কিন্তু তাই বলে ভূতের ওঝা ও মারণ-উচ্চাটন মন্ত্র-তন্ত্রের ইঙ্গিতও নির্ব্বিবাদে হজম করতে পারিনে। ‘গোরা’ বলে বাঙলা সাহিত্যে একখানি অতি সুপ্রসিদ্ধ বই আছে; কবি যদি একবার সেখানি পড়ে দেখেন ত দেখতে পাবেন তার একান্ত স্বদেশভক্ত গ্রন্থকার গোরার মুখ দিয়ে বলেছেন,—“নিন্দা পাপ, মিথ্যা নিন্দা আরও পাপ, এবং স্বদেশের মিথ্যা নিন্দার মত পাপ সংসারে অল্পই আছে।”
{{ফাঁক}}কবি বলেছেন, যাদুমন্ত্রের পরিণতিই হচ্ছে বিজ্ঞানে। কোনও একটা বস্তু কত দিক থেকে যে পরিণত হয়ে ওঠে সে স্বতন্ত্র কথা, কিন্তু এই কি ঠিক যে ইউরোপ তার<noinclude>{{c|৩১৭}}</noinclude>
2ss8ktvij5uwr0xanauatm9kj6ylm7x
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩৩২
104
882117
1980268
2026-06-25T15:49:53Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980268
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>যাদুবিদ্বার নালা এক লাফে ডিঙ্গিয়ে গেল, আর আমরা দেশ শুদ্ধ লোক মিলে ঘাড়মোড় ভেঙে সেই পাকেই চিরকাল পুঁতে রইলাম! বাইরের দিকে বিশ্ববস্তু যে একটা প্রকাণ্ড কল, এর অখণ্ড অব্যাহত নিয়মের শৃঙ্খল যে যাদুবিদ্যায় ভাঙে না, সংসারে যা-কিছু ঘটে তারই একটা হেতু আছে, এবং সেই হেতু কঠোর আইন-কানুনে বাঁধা, অর্থাৎ, জ্ঞান-বিজ্ঞানের যথার্থ জনক-জননী বিশ্ব-জগতে কার্য্যকারণের সত্য ও নিত্য সম্বন্ধের ধারণা কি এই দুর্ভাগ্য পূর্ব্বদেশে কারও ছিল না? এবং এই তত্ত্ব প্রচারের চেষ্টা কি পশ্চিম হতে আমদানি না করতে পারলে আমাদের ভাগ্যে মারণ-উচ্চাটন মন্ত্র-তন্ত্রের বেশি আর কিছুই মিলতে পারে না? পশ্চিমের বিদ্যার অনেক গুণ থাকতে পারে, কিন্তু সে যদি আমাদের নিজেদের প্রতি কেবল অনাস্থাই এনে দিয়ে থাকে, আমাদের জ্ঞান, আমাদের ধর্ম্ম, আমাদের সমাজ-সংস্থান, আমাদের বিদ্যাবুদ্ধি সকলের প্রতি যদি শুধু অশ্রদ্ধাই জন্মিয়ে দিয়ে থাকে, ত মনে হয়, লুব্ধচিত্তে পশ্চিমের শুক্রাচার্য্যের পানে আমাদের না তাকানোই ভাল। বস্তুতঃ, এই ত নাস্তিকতা। আমি পূর্ব্বেই বলেছি, যে-শিক্ষায় মানুষ সত্যকারের মানুষ হয়ে উঠতে পারে—অন্ততঃ, তাদের মানুষের ধারণা যা, তা তারা আমাদের দেয়নি, দেবে না এবং আমার বিশ্বাস দিতে পারেও না। এই সুদীর্ঘকাল পশ্চিমের সংসর্গেও যে আমরা কি হয়ে আছি, মাত্র সেইটুকুই কি এ-বিষয়ে যথেষ্ট প্রমাণ নয়? পেয়েছি কেবল এই শিক্ষা—যাতে নিজেদের সর্ব্ববিষয়ে অবজ্ঞা এবং তাদের যা-কিছু সমস্তের ’পরেই আমাদের গভীর শ্রদ্ধা জন্মে গেছে। আর তাদের ভিতরের দ্বার এমন অবরুদ্ধ বলেই অবনতিও আজ আমাদের এত গভীর। সেটা তো জানবার পথ নেই, তাই শুধু তাদের বাহিরের সাজ-সজ্জা দেখে একদিকে নিজেদের প্রতি যেমন ঘৃণা, অন্য দিকে তাদের প্রতিও ভক্তির আবেগ একেবারে শতধারে উৎসারিত হয়ে উঠেছে। তাই, একদিন আমাদের দেশের একদল লোক নির্ব্বিচারে ঠিক করেছিলেন, ঠিক ওদের মত হতে না পারলে আর আমাদের মুক্তি নেই! ওদের জাতিভেদ নেই— অতএব সেটা ঘোচানো চাই, ওদের স্ত্রী-স্বাধীনতা আছে—অতএব সেটা না হলেই নয়, তাদের খাওয়া-দাওয়ার বাচ-বিচার নেই—সুতরাং ওটা না তুললেই আর রক্ষা নেই, তাদের মন্দির নেই—অতএব আমাদেরও গির্জ্জার ব্যবস্থা চাই, তারা ভাড়া করে ধর্ম্মপ্রচারক রাখে, সুতরাং আমাদেরও ওটা অত্যাবশক—এমনি কত কি! কেবল গায়ের চামড়াটা বদলাবার ফন্দি তাঁরা খুঁজে পাননি, নইলে আজ তাদের চেনাও যেত না। অথচ, আমি এর দোষ-গুণের বিচার করছিনে, আমি সরল-চিত্তে বলছি, কোন দল বা ব্যক্তিবিশেষকে আক্রমণ করবার আমার লেশমাত্র অভিরুচি নেই, আমি কেবল<noinclude>{{c|৩১৮}}</noinclude>
m81bbtimmdbb8aziivqto60c60zncu1
নির্ঘণ্ট:প্রার্থনা-গীতা (প্রথম বিভাগ) - অবধূত জ্ঞানানন্দ (১৯০৪).pdf
102
882118
1980269
2026-06-25T15:51:11Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1980269
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q140356206
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=3
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{BSG}}
|Header=
|Footer=
}}
r944kwtc1beq2dyz9jmm6gadyoz1wqo
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩৩৩
104
882119
1980270
2026-06-25T15:57:51Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980270
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|বিভিন্ন রচনাবলী}}</noinclude>এর mentalityটাই আপনাদের গোচর করবার প্রয়াস করচি। এই যে বিদেশের প্রতি অকৃত্রিম অনুরাগ ও স্বদেশের প্রতি নিদারুণ বিরাগ, এ শুধু সম্ভবপর হয়েছিল তাদের অন্দরের পথটা চিরদিন বন্ধ ছিল বলে। তাই এদের সংসর্গে যারা এসেছিলেন তাঁদের চোখে ওদের বাইরের মোহটা এমনি পেয়ে বসেছিল যে, এ তত্ত্ব আবিষ্কার করতে তাদের মুহূর্ত্ত বিলম্ব ঘটেনি যে, বাইরে থেকে যেটুকু দেখা যাচ্ছে, কেবল সেইটুকুর হুবহু নকল করলেই, তাঁরাও অমনি মানুষ হয়ে ওদের অন্তরে পংক্তিভোজনে সরাসর বসে যেতে পারবেন। সংসারে যা-কিছু অজ্ঞাত, গোপন, যার ভিতরে প্রবেশের পথ নেই, তার প্রতি বাইরের লোকের লোভের অবধি থাকে না। তাই এ-কথা তাঁদের স্বতঃসিদ্ধের মত মেনে নিতে কোথাও কিছুমাত্র বাধেনি যে, মানুষ হবার সত্যকার সজীব মন্ত্রটী কেবল ওদের এই নিগূঢ় মর্ম্মস্থানটীতেই চাপা দেওয়া আছে, কোনমতে ওর সন্ধান না পেলে আমাদের মনুষ্যজন্ম সার্থক করবার দ্বিতীয় পন্থা নেই। এই ভ্রান্তিটা চোখ মেলে দেখবার আজ দিন এসেছে।
{{ফাঁক}}শিক্ষার বিরোধ আসলে এইখানে। সে শুধু দেহের গঠনে নয়, সে অন্তরের আত্মায়। এই যে শিক্ষার প্রণালী নিয়ে বিবাদ-বিসম্বাদ চলেছে,—ওদের শিক্ষা অত্যন্ত মহার্ঘ্য, অত বড় বড় বাড়ি কি হবে? কি হবে টানা পাখায়? কাজ কি আমার টেবিল চেয়ারে,—দূর করে দাও মোটা মাইনের বিলিতী প্রফেসার—তার খরচ যোগাতেই যে দেশের বাপ-মা পাগল হয়ে গেল,—এমনি আরও কত শত। এর কোনটাই মিথ্যে নয়, কিন্তু এও আমার কাছে তুচ্ছ মনে হয়, যখন ভাবি পশ্চিম ও পূর্ব্বের শিক্ষার সংঘর্ষ ঠিক কোনখানে। এদের সত্য মিলনের যথার্থ অন্তরায় কোথায়? একি কেবল গোটা-কতক সাজ-গোজ বদলালেই হবে? টেবিল চেয়ারের বদলে লম্বা লম্বা মাদুর পেতে, ইলেকট্রিক ফ্যানের পরিবর্ত্তে তালপাখা এনে, কিংবা মোটা মাইনের প্রফেসারের বদলে রোগা মাইনের দেশী অধ্যাপক আমদানি করে কিংবা বড় জোর বিদেশী ভাষার মিডিয়মের স্থানে স্বদেশী ভাষায় লেক্চারের আইন করলেই দুঃখ দূর হবে? দুঃখ কিছুতেই ঘুচবে না, যতক্ষণ না সেই শিক্ষার ব্যবস্থা করা যায়, যাতে দেশের বহির্মুখী বীতশ্রদ্ধ মন আর একবার অন্তর্মুখী ও আত্মস্থ হয়। মনের মিলনই বা কি, আর শিক্ষার মিলনই বা কি, সে কেবল হতে পারে সমানে সমানে শ্রদ্ধার আদান-প্রদানে। এমন কাঙালের মত, ভিক্ষুকের মত কিছুতেই হবে না। হলেও সে শুধু একটা গোঁজামিল হবে,—তাতে কল্যাণ নেই, গৌরব নেই, দেশকে সে কেবল হীনতা ও লাঞ্ছনাই দেবে, কোনদিন মনুষ্যত্ব দেবে না।
{{nop}}<noinclude>{{c|৩১৯}}</noinclude>
ro93tz9cyz9603upsxxqnkivfbgr8dp
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩৩৪
104
882120
1980271
2026-06-25T16:03:53Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980271
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>{{ফাঁক}}আমার এ-সব কথার কথা নয়,—উদ্দীপনাপূর্ণ স্বদেশী লেক্চার নয়,—সত্য সত্যই যা আমি সত্য বলে বুঝেছি তাই কেবল আপনাদের কাছে বলছি। মানুষের এক প্রকার শিক্ষা আছে, যা কেবল নিছক ব্যক্তিগত সুখ ও সুবিধার খাতিরে মানুষে অর্জ্জন করতে চায়। যে mentality থেকে আমাদের এদেশে কেউ কেউ ইংরিজী ভাষাটা সাহেবের গলায় বলাটাকেই চরম উন্নতি জ্ঞান করে, এবং এই mentalityরই এক ধাপ নীচের লোকগুলো জাহাজে এবং রেলগাড়ীতে সাহেবি পোষাক ছাড়া কিছুতেই বেড়াতে চায় না। এবং এই জিনিসটা এত ইতর, এত ক্ষুদ্র যে, এ কেন হয়, এর কি উদ্দেশ্য এ বিষয় আলোচনা করতেও ঘৃণা বোধ হয়। কিন্তু আমি নিশ্চয় জানি এই ছদ্মবেশের হীনতা, এই আপনার কাছ থেকে আপনাকে লুকোবার পাপ, এবং গভীর লাঞ্ছনা আপনারা অনায়াসেই উপলব্ধি করতে পারবেন। এবং প্রসঙ্গক্রমে এ-কথা কেন যে উত্থাপিত করলাম তাও বুঝতে আপনাদের বাকি থাকবে না।
{{ফাঁক}}এইখানে জাপানের কথা স্মরণ করে কেউ কেউ বলতে পারেন, এই যদি সত্য তবে জাপান আজ এমন হ’লো কিসের জোরে? তার চল্লিশ পঞ্চাশ বছর আগেকার ইতিহাসটা একবার ভেবে দেখ! ভেবে আমি দেখেছি। পশ্চিমের শুক্রাচার্য্যের শিষ্যত্বের জোরেই যদি সে আজ বড় হয়ে থাকে, তবে বড়ত্বটাও মেপে দেখেছি আমরা শুক্রাচার্য্যেরই মাপকাঠি দিয়ে। কিন্তু মানবত্ব-বিকাশের সেই কি শেষ মানদণ্ড? জাতীয় জীবনে এই দু’শো পাঁচশো বছরের ঘটনাই কি তার চরম ইতিহাস?
{{ফাঁক}}আমি জাপানের ইতিহাস জানিনে। তার কি ছিল এবং কি হয়েছে এ-বিষয়ে আমি অনভিজ্ঞ, কিন্তু এই তার পার্থিব উন্নতির মূলে, পশ্চিমের সভ্যতার পদতলে যদি তার আত্মসমর্পণের সূচনাই করে থাকে ত তারস্বরে আনন্দধ্বনি করবার বোধ হয় বেশি কারণ নেই। এবং এমনি দুর্দ্দিন যদি কখনো ভারতের ভাগ্যে ঘটে, সে তার বিগত জীবনের সমস্ত tradition বিস্মৃত হয়ে ঠিক অতখানি উন্নত হয়েই ওঠে, এক কালো চামড়া ছাড়া পশ্চিমের সঙ্গে তার কোন প্রভেদই না থাকে ত ভারতের ভাগ্যবিধাতা উপরে বসে সেদিন হাসবেন কি নিজের চুল ছিঁড়বেন বলা কঠিন।
{{ফাঁক}}কোন বড় জিনিসই কখনো নিজের অতীতের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে নিজের শক্তির প্রতি বিশ্বাস হারিয়েই হয় না—হবার যো-ই নেই। তাদের যে বিদ্যাটার প্রতি আমাদের এত লোভ, তা তাদের মাথায় হাত বুলিয়েই শিখে নিই, বা পায়ে তেল মাখিয়েই অর্জ্জন করি—এর ফল অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী যদি না সে দেশের প্রতিভার ভিতর থেকে সৃষ্ট হয়ে ওঠে, এর মূল যদি না জাতির অতীতের মর্ম্মস্থল বিদীর্ণ করে এসে<noinclude>{{c|৩২০}}</noinclude>
0w14y0fd58clftr3jldj0x22lh8efev
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩৩৫
104
882121
1980272
2026-06-25T16:08:59Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980272
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|বিভিন্ন রচনাবলী}}</noinclude>থাকে। এই ফুল-সমেত বৃক্ষশাখা, তা সে বর্ণে ও গন্ধে যত দামীই হোক, একদিন শুধোবেই শুধোবে, কোন কৌশলই তাকে ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।
{{ফাঁক}}এই সত্যটা আজ আমাদের একান্তই বোঝবার দিন এসেচে যে, ঠকিয়ে-মজিয়েই হোক বা কেড়ে-বিকড়েই হোক, নানা দেশ থেকে টেনে এনে জমা করাটাই দেশের সম্পদ নয়। যথার্থ সম্পদ দেশের প্রয়োজনের মধ্যে থেকেই গড়ে ওঠে। তার অতিরিক্ত যা সে শুধুই ভার, নিছক আবর্জ্জনা। পরের দেখে আমরাও যেন ওই ঐশ্বর্য্যের প্রতি লুব্ধ হয়ে না উঠি। আমাদের জ্ঞান, আমাদের অতীত আমাদের এই শিক্ষাই দিয়েছিল, আজ অপরের শিক্ষার মোহে যদি নিজের শিক্ষাকে হেয় মনে করে থাকি ত সে পরম দুর্ভাগ্য। ঐ যে ট্রাম, ঐ যে মোটর পথের উপর দিয়ে বায়ুবেগে ছুটেছে, ঐ যে ঘরে ঘরে electric পাখা ঘুরছে, ঐ যে সহরের আলোর মালার আদি অন্ত নেই, ঐ যে শত-সহস্র বিদেশী সভ্যতার তোড়জোড় বিদেশ থেকে বয়ে এনে জমা করেছি, ওর কোনটাই কি আমাদের যথার্থ সম্পদ? বিগত যুদ্ধের দিনের মত আবার যদি কোনদিন ওর আমদানীর মূল শুকিয়ে যায় ত ভোজবাজির মত ওদের অস্তিত্ব এ-দেশ থেকে উঠে যেতে বিলম্ব হবে না। ও-সকল আমরা সৃষ্টি করিনি, করতেও জানিনে। পরের কাছ থেকে বয়ে আনা। আজ ও সকল আমাদের না হলেও নয়, অথচ, ওর কোনটাই আমাদের যথার্থ প্রয়োজনের ভিতর দিয়ে গড়ে ওঠেনি। এই যে দেখা-দেখি প্রয়োজন, এ যদি আমরা গড়তেও না পারি, ছাড়তেও না পারি, তা হলে দুষ্ট-ক্ষুধার মত ও কেবল আমাদের একদিকে প্রলুব্ধ এবং অন্যদিকে পীড়িতই করতে থাকবে। কিন্তু পশ্চিম ওদের সৃষ্টি করেছে নিজের গরজ থেকে। তাদের সভ্যতায় ও-সকল চাই-ই চাই। ঐ যে বড় বড় মানোয়ারী জাহাজ, ওই যে গোলাগুলি-কামান-বন্দুক গ্যাসের নল, ওই যে উড়ো এবং ডুবো জাহাজ ও সমস্তই ওদের সভ্যতার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, তাই কোনটাই ওদের বোঝা নয়, তাই ওদের পরিণতি, ওদের নিত্য নব আবির্ভাব দেশের প্রতিভার ভিতর থেকেই বিকশিত হয়ে উঠচে। দূর থেকে আমরা লোভ করতেও পারি, নিতান্ত নিরীহ গোছের বাবুয়ানীর সরঞ্জাম কিনেও আনতে পারি, কিন্তু বাণিজ্য-জাহাজই বল, আর মোটর-গাড়ীই বল, যতক্ষণ না সে নিজেদের প্রয়োজনে, নিজের দেশে, নিজের জিনিসের মধ্য দিয়ে জন্মলাভ করে, ততক্ষণ যেমন করে এবং যত টাকা দিয়েই না তাদের সংগ্রহ করে আনি, সে আমাদের সত্যকারের ঐশ্বর্য্য নয়। তাই ম্যানচেষ্টারের সূক্ষ্ম বস্ত্র, গ্লাসগো লিনেন এবং মসলিন, স্কটল্যাণ্ডের পশমী শীতবস্ত্র,—তা সে আমাদের যত শীতই নিবারণ করুক এবং দেহের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করুক, কোনটাই আমাদের যথার্থ সম্পদ নয় নিছক আবর্জ্জনা।
{{nop}}<noinclude>{{c|৩২১}}</noinclude>
jt3aczsx0ahq9lbxrsdczaa3qib1qho
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩৩৬
104
882122
1980274
2026-06-25T16:17:25Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980274
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>{{ফাঁক}}কিন্তু আমি একটু সরে গেছি। আমি বলছিলাম যে মানুষ কেবল সত্যকারের প্রয়োজনেই সৃষ্টি করতে পারে এবং সৃষ্টি করা ছাড়া সে কখনো সত্যকারের সম্পদও পায় না। কিন্তু পরের কাছে শিখে মানুষে বড় জোর সেইটুকুই তৈরি করতে পারে, কিন্তু তার বেশি সে সৃষ্টি করতে পারে না। সৃষ্টি করাটা শক্তি, সেটা দেখা যায় না,—এমন কি পশ্চিমের {{SIC|দারস্থ|দ্বারস্থ}} হয়েও না। এই শক্তির আধার নিজের প্রতি বিশ্বাস,—আত্মনির্ভরতা। কিন্তু যে শিক্ষা আমাদের আত্মস্থ হতে দেয় না, অতীতের গৌরবকাহিনী মুছে দিয়ে আত্মসম্মানে অবিশ্রাম আঘাত করে, কানের কাছে কেবলি শোনাতে থাকে, আমাদের পিতা-পিতামহেরা কেবল ভূতের ওঝা আর মন্ত্র-তন্ত্র, দৈবজ্ঞ নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন, তাঁদের কার্য্যকারণের সম্বন্ধ-জ্ঞান বা বিশ্বজগতের অব্যাহত নিয়মের ধারণাও ছিল না—তাই আমাদের এ দুর্দ্দশা, তা হলে সে শিক্ষার যত মজাই থাক্, তার সঙ্গে অবাধ কোলাকুলি একটু দেখে-শুনে করাই ভাল।
{{ফাঁক}}পশ্চিমের সভ্যতার আদর্শে মানুষ মারবার শত কোটী মন্ত্র-তন্ত্র, পরের দেশে তার মুখের গ্রাস অপহরণ করবার ততোধিক কলকারখানা, এ সমস্তই তার প্রয়োজনে তার নিজের মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছে,—কিন্তু ঠিক ঐ সকল আমাদের দেশের সভ্যতার আদর্শে প্রয়োজন কি-না আমি জানি না। কিন্তু কবি বলেছেন, এই সকল মহৎ কার্য্য করেছে তারা নিশ্চয় কোন একটা সত্যের জোরে। অতএব ওটা আমাদের শেখা চাই, কারণ বিদ্যাটা তাদের সত্য। এবং পরক্ষণেই বলেছেন, কিন্তু শুধু ত বিদ্যা নয়, বিদ্যার সঙ্গে সঙ্গে শয়তানীও আছে, সুতরাং শয়তানীর যোগেই ওদের মরণ।
{{ফাঁক}}হতেও পারে। কিন্তু যে লোক শুধু মারণ-উচ্চাটন বিদ্যে শিখে মন্ত্র জপতে শুরু করেছে, তার কোন্টা সত্য আর কোন্টা শয়তানী নির্ণয় করা কঠিন। কবি আমাদের মুখে একটা কথা গুঁজে দিয়ে বলেছেন,—
{{blockquote|{{ফাঁক}}“ঐ কথাটাই ত আমরা বার বার বলচি। ভেদবুদ্ধিটা যাদের (অর্থাৎ পশ্চিমের) এত উগ্র, বিশ্বটাকে তাল পাকিয়ে এক এক গ্রাসে গেলবার জন্যে যাদের লোভ এতবড় হাঁ করেচে, তাদের সঙ্গে আমাদের কোন কারবার চলতে পারে না, কেননা ওরা আধ্যাত্মিক নয়, আমরা আধ্যাত্মিক। ওরা অবিদ্যাকেই মানে, আমরা বিদ্যাকে, এমন অবস্থায় ওদের সমস্ত শিক্ষা-দীক্ষা বিশেষ মত পরিহার করা চাই।”}}
{{ফাঁক}}এমন কথা যদি কেউ বলেও থাকে ত খুব বেশি অন্যায় করেছে আমার মনে হয় না। Physics, Chemistry হিন্দু কি ম্লেচ্ছ এ-কথা কেউ বলে না। বিদ্যার জাত নেই এ-কথা সত্য, কিন্তু তাই বলে Culture জিনিসটারও জাত নেই এ-কথা<noinclude>{{c|৩২২}}</noinclude>
iyuzm37htp5e248i795z9p3tt03dtr7
নির্ঘণ্ট:তিনবন্ধু - দীনেশচন্দ্র সেন (১৯০৬).pdf
102
882123
1980276
2026-06-25T16:19:50Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1980276
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q140356306
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{BSG}}
|Header=
|Footer=
}}
6q8ftgom1m4jmwivamdemd2v6tneu3g
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩৩৭
104
882124
1980277
2026-06-25T16:23:17Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980277
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|বিভিন্ন রচনাবলী}}</noinclude>কিছুতেই সত্য নয়। এবং ওদের শিক্ষা যদি কেউ বিষের মত পরিহারের ব্যবস্থাই দিয়ে থাকে, ত সে কেবল এইজন্যেই, বিদ্যার জন্যে নয়। আর এই যদি ঠিক হয় যে, তারা কেবল অবিদ্যাকেই মানে এবং আমরা মানি বিদ্যাকে তা হলে এ দুটোর সমন্বয়ের উপায় বইয়ের মধ্যে, প্রবন্ধের মধ্যে শ্লোক তুলে তুলে হতেও পারে, কিন্তু একটাকে আর একটার গিলে না খেয়ে বাস্তব জগতে যে কিভাবে সমন্বয় হতে পারে আমি জানিনে। যাদের গেলবার মত বড় হাঁ আছে তারা গিলবেই—মনু বা উপনিষদের দোহাই মানবে না। অন্ততঃ এতকাল যে মানেনি সে ঠিক।
{{ফাঁক}}পশ্চিমের এতবড় লঙ্কাকাণ্ডের পরেও যে আজ সেই ল্যাজটার ওপরে মোড়কে মোড়কে সন্ধি-পত্রের স্নেহসিক্ত কাগজ জড়ান চলছে, এবং এত মারের পরেও যে তার নাড়ী বেশ তাজা আছে, তাতে আশ্চর্য্য হবার আছে কি? এই মহাযুদ্ধ যারা যথার্থ বাধিয়েছিল তাহাদের দু’পক্ষই চমৎকার সুস্থ দেহে ও বহাল তবিয়তে বেঁচে আছে। যারা মরবার তারা মরেছে; এবং ফের যদি আবশ্যক হয়, তাদেরই আবার মরবার জন্যে জড়ো করা হবে।
{{ফাঁক}}সুতরাং এদের মধ্যে আজ যদি কেউ শোকাকুল-চিত্তে কবিকে প্রশ্ন করে থাকে, ‘ভারতের বাণী কই’? তা হলে সন্দেহ হয় তারা কিঞ্চিৎ রসিকতা করছে; এবং এইজন্যেই তাদের নিমন্ত্রণ করে ঘরে ডেকে এনে নিভৃতে ‘মা গৃধঃ’ মন্ত্র দিয়ে বশ করা যাবে,—এ ভরসা কবির থাকলেও আমার নেই। কারণ, বাঘের কানে ‘বিষ্ণু-মন্ত্র’ ফুঁকলে বৈষ্ণব হয় কি না আমি ভেবে পাইনে।
{{ফাঁক}}আরও একটা কথা। পশ্চিমের সভ্যতার একটা মস্ত মূলমন্ত্র হচ্ছে standard of living বড় করা। আমাদের দেশের মূল নীতির সঙ্গে এর পার্থক্য আলোচনা করবার স্থান আমার নেই, কিন্তু ওদের সমাজ-নীতির যেমন interpretationই দেওয়া যাক, তার আসল কথা হচ্ছে ধনী হওয়ার। ওদের সামাজিক ব্যবস্থা, ওদের সভ্যতা, ওদের ধনবিজ্ঞান,—এর সঙ্গে যার সামান্য পরিচয়ও আছে এ সত্য সে অস্বীকার করবে না। এ ধনী হওয়ার অর্থ ত কেবল সংগ্রহ করাই নয়। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবেশীকেও তেমনি ধনহীন করে তোলাও এর অন্য উদ্দেশ্য। নইলে, শুধু নিজে ধনী হওয়ার কোন মানেই থাকে না। সুতরাং কোন একটা সমস্ত মহাদেশ যদি কেবল ধনী হতেই চায় ত অন্যান্য দেশগুলোকে সে ঠিক সেই পরিমাণে দরিদ্র না করেই পারে না। তবু এই একটা কথা নিত্য নিয়ত মনে রাখলে দুরূহ সমস্যার আপনি মীমাংসা হয়ে যায়। এই তার মেদ-মজ্জাগত সংস্কার, এই তার সমস্ত সভ্যতার ভিত্তি, এর ’পরেই তার বিরাট সৌধ অভ্রভেদী হয়ে উঠেছে। এরই জন্যে তার সমস্ত শিক্ষা, সমস্ত সাধনা নিয়োজিত।<noinclude>{{c|৩২৩}}</noinclude>
2638eg1uoy5wqkvwrdo0b1dus0ch87c
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩৩৮
104
882125
1980278
2026-06-25T16:28:51Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980278
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>আজ আমার কথায়, আমাদের ঋষিবাক্যে সে কি তার সমস্ত civilisationএর কেন্দ্র নড়িয়ে দেবে? আমাদের সংসর্গে তার বহু যুগ কেটে গেল, কিন্তু আমাদের সভ্যতার আঁচটুকু পর্য্যন্ত সে কখনো তার গায়ে লাগতে দেয়নি। আপনাকে এমনি সতর্ক, এমনি স্বতন্ত্র, এমনি শুচি করে রেখেছে যে, কোনদিন এর ছায়াটুকু মাড়ায়নি। এই সুদীর্ঘকালের মধ্যে এ-দেশের রাজার মাথার কোহিনুর থেকে পাতালের তলে কয়লা পর্য্যন্ত, যেখানে বা-কিছু আছে কিছুই তার দৃষ্টি এড়ায়নি। এটা বোঝা যায়, কারণ, এই তার সত্য, এই তার সভ্যতার মূল শিকড়। এই নিয়েই সে তার সমাজ-দেহের সমস্ত সভ্যতার রস শোষণ করে, কিন্তু আজ খামকা যদি সে ভারতের আধিভৌতিক সত্যবস্তুর বদলে ভারতের আধ্যাত্মিক তত্ত্ব-পদার্থের inquiry করে থাকে ত আনন্দ করব কি হুঁসিয়ার হব—চিন্তার কথা।
{{ফাঁক}}ইউরোপ ও ভারতের শিক্ষার বিরোধ আসলে এইখানে,—এই মূলে। আমাদের ঋষিবাক্য যত ভালই হোক তারা নেবে না, কারণ তাতে তাদের প্রয়োজন নেই। সে তাদের সভ্যতার বিরোধী। আর তাদের শিক্ষা তারা আমাদের দেবে না—কথাটা শুনতে খারাপ, কিন্তু সত্য। আর দিলেও তার যেটুকু ভিক্ষা সেটুকু না নেওয়াই ভাল। বাকিটুকু যদি আমাদের সভ্যতার অনুকূল না হয়, সে শুধু ব্যর্থ নয়, আবর্জ্জনা। তাদের মত পরকে মারতে যদি না চাই, পরের মুখের অন্ন কেড়ে খাওয়াটাই যদি সভ্যতার শেষ না মনে করি ত মারণ-মন্ত্র যত সত্যই হোক তার প্রতি নির্লোভ হওয়াই ভাল।
{{ফাঁক}}আর একটা কথা বলেই আমি এবার এ প্রবন্ধ শেষ করব। সময়ের অভাবে অনেক বিষয়ই বলা হ’লো না, কিন্তু এই অবান্তর কথাটা না বলেও থাকতে পারলাম না যে, বিদ্যা এবং বিদ্যালয় এক বস্তু নয়; শিক্ষা ও শিক্ষার প্রণালী এ দু’টো আলাদা জিনিস। সুতরাং কোন একটা ত্যাগ করাই অপরটা বর্জ্জন করা নয়। এমনও হতে পারে, বিদ্যালয় ছাড়াই বিদ্যালাভের বড় পথ। আপাতদৃষ্টিতে কথাটা উল্টো মনে হলেও সত্য হওয়া অসম্ভব নয়। তেলে জলে মেশে না, এ দু’টো পদার্থও একেবারে উল্টো, তবু তেলের সেজ আলাতে যে মানুষ জল ঢালে সে কেবল তেলটাকেই নিঃশেষে পুড়িয়ে নিতে। যারা এ তত্ত্ব জানে না, তাদের একটু ধৈর্য্য থাকা ভাল।<ref>১৩২৮ বঙ্গাব্দে ‘গৌড়ীয় সর্ব্ববিদ্যা আয়তনে’ পঠিত ভাষণ।</ref>
{{nop}}<noinclude>{{rule}}
{{reflist}}{{c|৩২৪}}</noinclude>
e1izgvy20de3noapygs9jw8v9xnife2
পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (দশম সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৫৬).pdf/৩৩৯
104
882126
1980279
2026-06-25T16:32:59Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980279
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|'''স্বরাজ-সাধনায় নারী'''}}}}
{{ফাঁক}}শাস্ত্রে ত্রিবিধ দুঃখের কথা আছে। পৃথিবীর যাবতীয় দুঃখকেই হয়ত ঐ তিনটীর পর্যায়েই ফেলা যায়, কিন্তু আমার আলোচনা আজ সে নয়। বর্ত্তমান কালে যে তিন প্রকার ভয়ানক দুঃখের মাঝখান দিয়ে জন্মভূমি আমাদের গড়িয়ে চলেছে, সেও তিন প্রকার সত্য, কিন্তু সে হচ্ছে রাজনৈতিক, আর্থিক এবং সামাজিক। রাজনীতি আমরা সবাই বুঝিনে, কিন্তু এ-কথা বোধ করি অনায়াসেই বুঝতে পারি এই তিনটাই একেবারে অচ্ছেদ্য বন্ধনে জড়িত। একটা কথা উঠেছে, একা রাজনীতির মধ্যেই আমাদের সকল কষ্টের, সকল দুঃখের অবসান। হয়ত এ-কথা সত্য, হয়ত নয়, হয়ত সত্যে মিথ্যায় জড়ানো, কিন্তু এ-কথাও কিছুতেই সত্য নয় যে, মানুষের কোন দিক দিয়েই দুঃখ দূর করার সত্যকার প্রচেষ্টা একেবারে ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে। যারা রাজনীতি নিয়ে আছেন তাঁরা সর্ব্বথা সর্ব্বকালে আমাদের নমস্য। কিন্তু আমরা সকলেই যদি তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করবার সুস্পষ্ট চিহ্ন খুঁজে নাও পাই, যে দাগগুলো কেবল স্থূল দৃষ্টিতেই দেখতে পাওয়া যায়—আমাদের আর্থিক এবং সামাজিক স্পষ্ট দুঃখগুলো—কেবল এইগুলিই যদি প্রতিকারের চেষ্টা করি, বোধ হয় মহাপ্রাণ রাজনৈতিক নেতাদের স্কন্ধ থেকে একটা মস্ত গুরুভারই সরিয়ে দিতে পারি।
{{ফাঁক}}তোমার দীর্ঘ অবকাশের প্রাক্কালে, তোমাদের এবং আমার পরমবন্ধু শ্রীযুক্ত সুরেন্দ্রনাথ মৈত্র মহাশয়, এই শেষের দিকের অসহ্য বেদনার গোটা-কয়েক কথা তোমাদের মনে করে দেবার জন্যে আমাকে আহ্বান করেছেন এবং আমিও সানন্দে তাঁর আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছি। এই সুযোগ এবং সম্মানের জন্য তোমাদের এবং গুরুস্থানীয়দের আমি আন্তরিক ধন্যবাদ দিই।
{{ফাঁক}}এই সভায় আমার ডাক পড়েছে দু’টো কারণে। একে ত মৈত্র মশাই আমার বয়সের সম্মান করেছেন, দ্বিতীয়তঃ একটা জনরব আছে, দেশের পল্লীতে পল্লীতে, গ্রামে গ্রামে আমি অনেকদিন ধরে অনেক ঘুরেছি। ছোট-বড়, উঁচু-নীচু, ধনী-নির্ধন, পণ্ডিত-মূর্খ বহু লোকের সঙ্গে মিশে মিশে, অনেক তত্ত্ব সংগ্রহ করে রেখেছি। জনরব কে রটিয়েছে খুঁজে পাওয়া শক্ত, কিন্তু কথাটা ঠিক সত্য না হলেও একেবারে মিথ্যাও বলা চলে না। দেশের নব্বই জন যেখানে বাস করে আছেন সেই পল্লীগ্রামেই আমার ঘর। মনের অনেক আগ্রহ, অনেক কৌতূহল দমন করতে না<noinclude>{{c|৩২৫}}</noinclude>
h3zadjpahd8mf6k7uizjx5738aip8t6
নির্ঘণ্ট:ইংরেজ ডাকাত (শেষ অংশ) - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায় (১৮৯৪).pdf
102
882127
1980282
2026-06-25T16:42:33Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1980282
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q140356376
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{BL-TCIP}}
|Header=
|Footer=
}}
7jgs6uhjtsfyhotkscszlm6m4qowln5
রচনা:ইংরেজ ডাকাত
110
882128
1980283
2026-06-25T16:44:50Z
Bodhisattwa
2549
"{{রচনা শীর্ষক}} ;সংস্করণ {{Talikak list|sparql= SELECT ?item WHERE { SERVICE wikibase:label { bd:serviceParam wikibase:language "bn". } ?item wdt:P31 wd:Q3331189; wdt:P629 wd:{{#invoke:Wikibase|id}}; wdt:P407 wd:Q9610. {?item wdt:P1957 [].} UNION {?item wdt:P1433 ?item2. ?item2 wdt:P1957 [].} optional { ?item rdfs:label ?label_ . filter(lang(?label_)="bn") bind(concat(":d:",strafter(str(?item),str(wd:)),"{","{!}..." দিয়ে পাতা তৈরি
1980283
wikitext
text/x-wiki
{{রচনা শীর্ষক}}
;সংস্করণ
{{Talikak list|sparql=
SELECT ?item WHERE {
SERVICE wikibase:label { bd:serviceParam wikibase:language "bn". }
?item wdt:P31 wd:Q3331189;
wdt:P629 wd:{{#invoke:Wikibase|id}};
wdt:P407 wd:Q9610.
{?item wdt:P1957 [].} UNION {?item wdt:P1433 ?item2. ?item2 wdt:P1957 [].}
optional { ?item rdfs:label ?label_ . filter(lang(?label_)="bn") bind(concat(":d:",strafter(str(?item),str(wd:)),"{","{!}","}",?label_) as ?label1) }
optional
{
[] schema:about ?item; schema:isPartOf <https://bn.wikisource.org/>; schema:name ?label__ .
?item rdfs:label ?label_ . filter(lang(?label_)="bn") bind(concat(?label__,"{","{!}","}",?label_) as ?label2)
}
bind(coalesce(?label2,?label1) as ?label)
}
|columns=item,label,P577,P655,P98,P1433,P1957,P123
|row_template=রচনা সংস্করণ সারি
|skip_table=1
|sort=P577
}}
{{Talikak list end}}
35i4rkupcvn2xevs30qu3lsz3v8na19
1980284
1980283
2026-06-25T16:45:09Z
Bodhisattwa
2549
1980284
wikitext
text/x-wiki
{{রচনা শীর্ষক}}
;সংস্করণ
{{Talikak list|sparql=
SELECT ?item WHERE {
SERVICE wikibase:label { bd:serviceParam wikibase:language "bn". }
?item wdt:P31 wd:Q3331189;
wdt:P629 wd:{{#invoke:Wikibase|id}};
wdt:P407 wd:Q9610.
{?item wdt:P1957 [].} UNION {?item wdt:P1433 ?item2. ?item2 wdt:P1957 [].}
optional { ?item rdfs:label ?label_ . filter(lang(?label_)="bn") bind(concat(":d:",strafter(str(?item),str(wd:)),"{","{!}","}",?label_) as ?label1) }
optional
{
[] schema:about ?item; schema:isPartOf <https://bn.wikisource.org/>; schema:name ?label__ .
?item rdfs:label ?label_ . filter(lang(?label_)="bn") bind(concat(?label__,"{","{!}","}",?label_) as ?label2)
}
bind(coalesce(?label2,?label1) as ?label)
}
|columns=item,label,P577,P655,P98,P1433,P1957,P123
|row_template=রচনা সংস্করণ সারি
|skip_table=1
|sort=P577
}}
{{রচনা সংস্করণ সারি|item = [[:d:Q106844757|Q106844757]]|label = [[ইংরেজ ডাকাত (প্রথম অংশ)|ইংরেজ ডাকাত (প্রথম অংশ)]]|P577 = 1894|P1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:ইংরেজ_ডাকাত_-_প্রিয়নাথ_মুখোপাধ্যায়.pdf|P123 = [[প্রকাশক:সিক্দার বাগান বান্ধব পুস্তকালয় ও সাধারণ পাঠাগার|সিক্দার বাগান বান্ধব পুস্তকালয় ও সাধারণ পাঠাগার]]}}
{{রচনা সংস্করণ সারি|item = [[:d:Q140356376|Q140356376]]|label = ''[[d:Q140356376|ইংরেজ ডাকাত (শেষ অংশ)]]''|P577 = 1894|P1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:ইংরেজ_ডাকাত_(শেষ_অংশ)_-_প্রিয়নাথ_মুখোপাধ্যায়_(১৮৯৪).pdf|P123 = [[প্রকাশক:সিক্দার বাগান বান্ধব পুস্তকালয় ও সাধারণ পাঠাগার|সিক্দার বাগান বান্ধব পুস্তকালয় ও সাধারণ পাঠাগার]]}}
{{Talikak list end}}
6u67kpn8qr1y6yvfjc7042grknwn5e9
পাতা:আধুনিক রবিন্হুড - হেমেন্দ্রকুমার রায় (১৯৪৪).djvu/৮২
104
882129
1980285
2026-06-25T18:33:15Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */
1980285
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭২|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>{{ফাঁক}}—“আজ্ঞে হ্যাঁ, আছে!”
{{ফাঁক}}—“বেশ। পুলিসের বড়-সাহেবকে ফোন্ ধরতে বলুন।”
{{ফাঁক}}বড়-সাহেব ফোন্ ধ’রে বললেন, “প্রফেসর, এ-সব কী শুনছি? ও রিভলভারটা পাওয়া গেছে লাসের ঠিক পাশেই, আর তা-থেকে যে একটা গুলি ছোঁড়া হয়েছে, সে প্রমাণও রয়েছে!”
{{ফাঁক}}—“হ’তে পারে। কিন্তু ও-রিভলভারটা মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর জন্যে দায়ী নয়, কারণ ওটা ছোড়া হয়েছে ঘটনার দেড়দিন থেকে পাঁচদিন আগে!”
{{ফাঁক}}—“তাহ’লে আমাদের ঠকাবার জন্যেই হত্যাকারী ওটা ওখানে ফেলে গেছে।”
{{ফাঁক}}—“আচ্ছা, আরেকটু পরখ করা যাক্। আচ্ছা, মৃতব্যক্তির দেহের ভিতর থেকে গুলি পাওয়া গেছে?”
{{ফাঁক}}—“হ্যাঁ, সেটা আমার টেবিলের উপরেই রয়েছে।”
{{ফাঁক}}—“গুলিটা পরীক্ষা করেছেন?”
{{ফাঁক}}—“এখনো করি নি।”
{{ফাঁক}}—“বেশ, এখন পরীক্ষা ক’রে দেখুন দেখি, গুলিটার মাপ কত?”
{{ফাঁক}}...... খানিক পরেই বড়-সাহেব অভিভূত কণ্ঠে বললেন, “প্রফেসর, প্রফেসর! আপনি যা বলেছেন, তাই! ও গুলিটা এ রিভলভারের ব্যাসের চেয়ে বড়! ওটা অন্য কোন রিভলভারের গুলি!”—
{{ফাঁক}}বড়-সাহেব প্রায় হতভম্ব! চোর-ডাকাত-খুনে ধরা তাঁর ব্যবসায়, ঘটনাস্থল তিনি স্বচক্ষে দেখেছেন, সমস্ত প্রমাণ তাঁরই হাতে রয়েছে এবং শত শত গোয়েন্দা তাঁকে সাহায্য করছে, অথচ একজন প্রফেসর<noinclude>{{c|{{smaller|৭২}}}}</noinclude>
19tdzlkcyk3vcbuedqrsjua0ducfru8
পাতা:আধুনিক রবিন্হুড - হেমেন্দ্রকুমার রায় (১৯৪৪).djvu/৮৪
104
882130
1980286
2026-06-25T18:36:35Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */
1980286
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৩|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>সাড়ে তিনশো মাইল দূরে ব’সে কোন-কিছু চোখে না দেখে এবং হাতে-নাতে পরীক্ষা না ক’রে অনায়াসেই রহস্যটা ধ’রে ফেললেন! তাঁর আত্মসম্মানে বোধহয় অত্যন্ত আঘাত লাগল।
{{ফাঁক}}প্রফেসর ‘এক্স্’ বললেন, “বড়-সাহেব, বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধতত্ত্বের সহকারী প্রফেসর ‘ওয়াই’ সম্প্রতি আমার এখানে আছেন । এইবারে আপনি ফোনে তাঁর সঙ্গে কথা বলুন।... হ্যাঁ, আর এক জিজ্ঞাসা। মৃত ব্যক্তির জামাটা নিশ্চয়ই আপনার কাছে আছে? দেখুন তো, জামায় যেখানে গুলি ঢুকেছে, সেখানে পোড়া বারুদের দাগ আছে কিনা?”
{{ফাঁক}}—“ আছে।”
{{ফাঁক}}—হুঁ। তাহ’লে বোঝা যাচ্ছে, মৃতের দেহের খুব কাছ থেকেই গুলি ছোড়া হয়েছে। আচ্ছা, প্রফেসর ‘ওয়াই’ কথা বলছেন।”
{{ফাঁক}}প্রফেসর ‘ওয়াই’ ফোন ধ’রে বললেন, “নমস্কার বড়-সাহেব । ভোগেলের মৃতদেহ থেকে আপনি কি কি জিনিষ পেয়েছেন, আর কি কি হারিয়েছে?”
{{ফাঁক}}প্রাপ্ত জিনিষের ফর্দ্দ দিয়ে বড় সাহেব বললেন, “কিন্তু ভোগেলের পকেটে তিনখানা গভর্মেণ্টের প্রমিসরি নোট ছিল, তা পাওয়া যাচ্ছে না।”
{{ফাঁক}}—“বড়-সাহেব, আসল ব্যাপার আমরা কতকটা আন্দাজ করতে পারছি। কিন্তু সেটা এখন আপনাকে বলতে পারব না। ঐ প্রমিসরি নোটগুলোর নম্বর আপনার কাছে আছে তো?
{{ফাঁক}}—“আছে।”<noinclude>{{c|{{smaller|৭৩}}}}</noinclude>
9cw5sgqo1luplif5zeeehey4m502r32
1980287
1980286
2026-06-25T18:37:06Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */
1980287
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৩|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>সাড়ে তিনশো মাইল দূরে ব’সে কোন-কিছু চোখে না দেখে এবং হাতে-নাতে পরীক্ষা না ক’রে অনায়াসেই রহস্যটা ধ’রে ফেললেন! তাঁর আত্মসম্মানে বোধহয় অত্যন্ত আঘাত লাগল।
{{ফাঁক}}প্রফেসর ‘এক্স্’ বললেন, “বড়-সাহেব, বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধতত্ত্বের সহকারী প্রফেসর ‘ওয়াই’ সম্প্রতি আমার এখানে আছেন । এইবারে আপনি ফোনে তাঁর সঙ্গে কথা বলুন।... হ্যাঁ, আর এক জিজ্ঞাসা। মৃত ব্যক্তির জামাটা নিশ্চয়ই আপনার কাছে আছে? দেখুন তো, জামায় যেখানে গুলি ঢুকেছে, সেখানে পোড়া বারুদের দাগ আছে কিনা?”
{{ফাঁক}}—“ আছে।”
{{ফাঁক}}—হুঁ। তাহ’লে বোঝা যাচ্ছে, মৃতের দেহের খুব কাছ থেকেই গুলি ছোড়া হয়েছে। আচ্ছা, প্রফেসর ‘ওয়াই’ কথা বলছেন।”
{{ফাঁক}}প্রফেসর ‘ওয়াই’ ফোন ধ’রে বললেন, “নমস্কার বড়-সাহেব । ভোগেলের মৃতদেহ থেকে আপনি কি কি জিনিষ পেয়েছেন, আর কি কি হারিয়েছে?”
{{ফাঁক}}প্রাপ্ত জিনিষের ফর্দ্দ দিয়ে বড় সাহেব বললেন, “কিন্তু ভোগেলের পকেটে তিনখানা গভর্মেণ্টের প্রমিসরি নোট ছিল, তা পাওয়া যাচ্ছে না।”
{{ফাঁক}}—“বড়-সাহেব, আসল ব্যাপার আমরা কতকটা আন্দাজ করতে পারছি। কিন্তু সেটা এখন আপনাকে বলতে পারব না। ঐ প্রমিসরি নোটগুলোর নম্বর আপনার কাছে আছে তো?
{{ফাঁক}}—“আছে।”
{{nop}}<noinclude>{{c|{{smaller|৭৩}}}}</noinclude>
4a53sh9dnf8x3nhqftdbxx26qlrgaj4
পাতা:আধুনিক রবিন্হুড - হেমেন্দ্রকুমার রায় (১৯৪৪).djvu/৮৫
104
882131
1980288
2026-06-25T18:41:05Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */
1980288
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৪|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>{{ফাঁক}}—“সরকারি ব্যাঙ্কের নামে খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দিন, যে ব্যক্তি ঐ নোটগুলো ফেরৎ দেবে, সে ওদের বর্ত্তমান দামের চেয়ে বেশী মূল্য পাবে!”
{{ফাঁক}}বড়-সাহেব বললেন, “প্রফেসর, আপনি কি খুনীকে এতই বোকা ভাবেন যে, সে এই বিজ্ঞাপনের উত্তরে ধরা দিয়ে আত্মহত্যা করবে?”
{{ফাঁক}}—“একবার বিজ্ঞাপন দিয়েই দেখুন না! আমাদেরিিবশ্বাস, অপরাধী নিজে না এসে অর্থলোভে অন্য কোন লোককে ব্যাঙ্কে পাঠিয়ে দেবে।”
গ
{{ফাঁক}}পরদিনেই প্রফেসরদের ঘরে পুলিসের বড়-সাহেব ফোনের ঘণ্টা বাজিয়ে বললেন, “আশ্চর্য্য প্রফেসর, আশ্চর্য্য ব্যাপার! আপনারা যা বলেছিলেন ঠিক তাই হয়েছে! একজন লোক সেই নোটগুলো নিয়ে সত্যি-সত্যিই ব্যাঙ্কে এসেছিল! তাকে যে পাঠিয়েছিল আমরা সে-ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করেছি!”
{{ফাঁক}}—“সে কি বলে?”
{{ফাঁক}}—“সে ভয়ে দিশেহারা হয়ে মহা কান্নাকাটি জুড়ে দিয়েছে! বলে, ভোগেল নিমন্ত্রণ খেয়ে মাতাল হয়ে ফেরবার পথে এক জায়গায় ব’সে ঘুমিয়ে পড়েছিল, সেই সময়ে সে তার পকেট কেটে নোট নিয়ে পালিয়ে এসেছে!”
{{ফাঁক}}—“আপনার কি মনে হয়?”<noinclude>{{c|{{smaller|৭৪}}}}</noinclude>
ehk47q58znoeipmxzgmazxluu2gfdam
1980289
1980288
2026-06-25T18:42:10Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */
1980289
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৪|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>{{ফাঁক}}—“সরকারি ব্যাঙ্কের নামে খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দিন, যে ব্যক্তি ঐ নোটগুলো ফেরৎ দেবে, সে ওদের বর্ত্তমান দামের চেয়ে বেশী মূল্য পাবে!”
{{ফাঁক}}বড়-সাহেব বললেন, “প্রফেসর, আপনি কি খুনীকে এতই বোকা ভাবেন যে, সে এই বিজ্ঞাপনের উত্তরে ধরা দিয়ে আত্মহত্যা করবে?”
{{ফাঁক}}—“একবার বিজ্ঞাপন দিয়েই দেখুন না! আমাদেরিিবশ্বাস, অপরাধী নিজে না এসে অর্থলোভে অন্য কোন লোককে ব্যাঙ্কে পাঠিয়ে দেবে।”
{{কেন্দ্র|{{larger|'''গ'''}}}}
{{ফাঁক}}পরদিনেই প্রফেসরদের ঘরে পুলিসের বড়-সাহেব ফোনের ঘণ্টা বাজিয়ে বললেন, “আশ্চর্য্য প্রফেসর, আশ্চর্য্য ব্যাপার! আপনারা যা বলেছিলেন ঠিক তাই হয়েছে! একজন লোক সেই নোটগুলো নিয়ে সত্যি-সত্যিই ব্যাঙ্কে এসেছিল! তাকে যে পাঠিয়েছিল আমরা সে-ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করেছি!”
{{ফাঁক}}—“সে কি বলে?”
{{ফাঁক}}—“সে ভয়ে দিশেহারা হয়ে মহা কান্নাকাটি জুড়ে দিয়েছে! বলে, ভোগেল নিমন্ত্রণ খেয়ে মাতাল হয়ে ফেরবার পথে এক জায়গায় ব’সে ঘুমিয়ে পড়েছিল, সেই সময়ে সে তার পকেট কেটে নোট নিয়ে পালিয়ে এসেছে!”
{{ফাঁক}}—“আপনার কি মনে হয়?”<noinclude>{{c|{{smaller|৭৪}}}}</noinclude>
g3ijxd8pnhhzjuvis1u64eubpwa6e4s
1980290
1980289
2026-06-25T18:43:00Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */
1980290
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৪|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>{{ফাঁক}}—“সরকারি ব্যাঙ্কের নামে খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দিন, যে ব্যক্তি ঐ নোটগুলো ফেরৎ দেবে, সে ওদের বর্ত্তমান দামের চেয়ে বেশী মূল্য পাবে!”
{{ফাঁক}}বড়-সাহেব বললেন, “প্রফেসর, আপনি কি খুনীকে এতই বোকা ভাবেন যে, সে এই বিজ্ঞাপনের উত্তরে ধরা দিয়ে আত্মহত্যা করবে?”
{{ফাঁক}}—“একবার বিজ্ঞাপন দিয়েই দেখুন না! আমাদেরিিবশ্বাস, অপরাধী নিজে না এসে অর্থলোভে অন্য কোন লোককে ব্যাঙ্কে পাঠিয়ে দেবে।”
{{কেন্দ্র|{{larger|'''গ'''}}}}
{{ফাঁক}}পরদিনেই প্রফেসরদের ঘরে পুলিসের বড়-সাহেব ফোনের ঘণ্টা বাজিয়ে বললেন, “আশ্চর্য্য প্রফেসর, আশ্চর্য্য ব্যাপার! আপনারা যা বলেছিলেন ঠিক তাই হয়েছে! একজন লোক সেই নোটগুলো নিয়ে সত্যি-সত্যিই ব্যাঙ্কে এসেছিল! তাকে যে পাঠিয়েছিল আমরা সে-ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করেছি!”
{{ফাঁক}}—“সে কি বলে?”
{{ফাঁক}}—“সে ভয়ে দিশেহারা হয়ে মহা কান্নাকাটি জুড়ে দিয়েছে! বলে, ভোগেল নিমন্ত্রণ খেয়ে মাতাল হয়ে ফেরবার পথে এক জায়গায় ব’সে ঘুমিয়ে পড়েছিল, সেই সময়ে সে তার পকেট কেটে নোট নিয়ে পালিয়ে এসেছে!”
{{ফাঁক}}—“আপনার কি মনে হয়?”
{{nop}}<noinclude>{{c|{{smaller|৭৪}}}}</noinclude>
ah79gsgcb1cyjq4xkwswqq9aft4taro
পাতা:আধুনিক রবিন্হুড - হেমেন্দ্রকুমার রায় (১৯৪৪).djvu/৮৬
104
882132
1980291
2026-06-25T18:46:51Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */
1980291
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৫|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>{{ফাঁক}}—“প্রফেসর, আমার বিশ্বাস সে খুন করেনি। যারা মানুষ খুন করে তাদের চেহারা, ভাবভঙ্গি, কথাবার্তা অন্যরকম হয়। আপাতত তাকে আমি গারদে পূরে রেখেছি।”
{{ফাঁক}}—“বেশ করেছেন। কারণ সে যে ভোগেলের পকেট কেটেছে, তাতে তো আর সন্দেহ নেই!........বড় সাহেব, এক কাজ করতে পারবেন?”
{{ফাঁক}}—“কি কাজ?”
{{ফাঁক}}—“সাঁকোর উপরে যেখানে ভোগেলের লাস পাওয়া গেছে, একবার সেইখানে যান। সাঁকোর ধারে যে লোহার রেলিং পাবেন, তার নীচে—মনে রাখবেন ভিতরদিকে—লোহার গায়ে কোন চটাওঠা দাগ আছে কিনা দেখে আসুন।”
{{ফাঁক}}প্রফেসরের অদ্ভুত অনুরোধ শুনে পুলিস সাহেব রীতিমত অবাক্ হয়ে গেলেন। রেলিংয়ের গায়ে দাগই বা থাকবে কেন, আর থাকলেও তার সঙ্গে এই খুনের সম্পর্ক কি?
{{ফাঁক}}........খানিকক্ষণ পরে টেলিফোনে আবার পুলিস-সাহেবের বিস্মিত কণ্ঠস্বর শোনা গেল: “হেলো প্রফেসর! আমি দেখতে গিয়েছিলুম! হ্যাঁ, নীচের রেলিংয়ের ভিতরদিকের রং এক জায়গা চ’টে গেছে বটে! নতুন দাগ! যেন সেখানে কোন একটা ভারি জিনিষ গিয়ে প’ড়েছিল! কিন্তু সেটা আপনি জানলেন কি ক’রে কেউ কি আপনাকে বলেছে?”
{{ফাঁক}}সশব্দে হাস্য ক’রে খুসি গলায় প্রফেসর বললেন, “না! আমরা দুই প্রফেসরে মাথা খাটিয়ে একটা সিদ্ধান্তে উপস্থিত হয়েছি। আমরা<noinclude>{{c|{{smaller|৭৫}}}}</noinclude>
gdnsizvm7m0m2gclbrmmaukwilcuzhg
পাতা:আধুনিক রবিন্হুড - হেমেন্দ্রকুমার রায় (১৯৪৪).djvu/৮৭
104
882133
1980292
2026-06-25T18:57:24Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */
1980292
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৬|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>যে গল্পটি তৈরি করেছি সেটা সত্য কি না, আপনারা খোঁজ নিলেই বুঝতে পারবেন। এই হচ্ছে আমাদের গল্প:
ঘ
{{ফাঁক}}ভোগেলের ব্যবসায়ে আজকাল খুব লোকসান হচ্ছিল, আর দুদিন পরেই হয়তো তাকে দেউলে হ’তে হ’ত এবং তার পরিবারবর্গ পথে বসত।
{{ফাঁক}}চোখের সামনে স্ত্রী-পুত্রকন্যার দারিদ্রের ছবি দেখতে দেখতে ভোগেল প্রায় পাগলের মতন হয়ে উঠল। দিন-রাত ভাবতে লাগল, এই দুর্ভাগ্যের দায় থেকে কি-উপায়ে সে পরিবারবর্গকে উদ্ধার করবে?
{{ফাঁক}}প্রথমে সে তিন লক্ষ টাকায় নিজের জীবন বীমা করলে। কিন্তু জীবন বীমার সর্ত্তে লেখা রইল, সে আত্মহত্যা করলে জীবন-বীমা কোম্পানী তার পরিবারবর্গকে টাকা দিতে বাধ্য থাকবে না। এ সর্ত্ত না থাকলে ভোগেলের খুবই সুবিধা হ’ত। কারণ সে স্থির করেছিল, এই উপায়েই পরিবারবর্গকে রক্ষা করবে।
{{ফাঁক}}প্রথমে সে একটি রিভলভারে ছয়টি গুলি পূরে একটি গুলি ছুঁড়লে। সেই রিভলভারের সঙ্গে আর-একটা গুলিভরা রিভলভার পকেটে পূরে ভোগেল নিমন্ত্রণ-বাড়ীতে গেল।
{{ফাঁক}}অনেক রাতে নিমন্ত্রণ খেয়ে সে পথে বেরুলো। দেখলে একটা চোরের মতন লোক তার পিছু নিয়েছে। তখন তার মাথায় আর এক বুদ্ধি জুটল। সে মাতলামির অভিনয় করতে করতে এক জায়গায়<noinclude>{{c|{{smaller|৭৬}}}}</noinclude>
gjt3botfdl96ow402cnyheqi1aeowqv
1980293
1980292
2026-06-25T18:58:27Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */
1980293
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৬|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>যে গল্পটি তৈরি করেছি সেটা সত্য কি না, আপনারা খোঁজ নিলেই বুঝতে পারবেন। এই হচ্ছে আমাদের গল্প:
{{কেন্দ্র|{{larger|'''ঘ'''}}}}
{{ফাঁক}}ভোগেলের ব্যবসায়ে আজকাল খুব লোকসান হচ্ছিল, আর দুদিন পরেই হয়তো তাকে দেউলে হ’তে হ’ত এবং তার পরিবারবর্গ পথে বসত।
{{ফাঁক}}চোখের সামনে স্ত্রী-পুত্রকন্যার দারিদ্রের ছবি দেখতে দেখতে ভোগেল প্রায় পাগলের মতন হয়ে উঠল। দিন-রাত ভাবতে লাগল, এই দুর্ভাগ্যের দায় থেকে কি-উপায়ে সে পরিবারবর্গকে উদ্ধার করবে?
{{ফাঁক}}প্রথমে সে তিন লক্ষ টাকায় নিজের জীবন বীমা করলে। কিন্তু জীবন বীমার সর্ত্তে লেখা রইল, সে আত্মহত্যা করলে জীবন-বীমা কোম্পানী তার পরিবারবর্গকে টাকা দিতে বাধ্য থাকবে না। এ সর্ত্ত না থাকলে ভোগেলের খুবই সুবিধা হ’ত। কারণ সে স্থির করেছিল, এই উপায়েই পরিবারবর্গকে রক্ষা করবে।
{{ফাঁক}}প্রথমে সে একটি রিভলভারে ছয়টি গুলি পূরে একটি গুলি ছুঁড়লে। সেই রিভলভারের সঙ্গে আর-একটা গুলিভরা রিভলভার পকেটে পূরে ভোগেল নিমন্ত্রণ-বাড়ীতে গেল।
{{ফাঁক}}অনেক রাতে নিমন্ত্রণ খেয়ে সে পথে বেরুলো। দেখলে একটা চোরের মতন লোক তার পিছু নিয়েছে। তখন তার মাথায় আর এক বুদ্ধি জুটল। সে মাতলামির অভিনয় করতে করতে এক জায়গায়<noinclude>{{c|{{smaller|৭৬}}}}</noinclude>
iqu5cafv6fvse26wlvmaz0etju3ls35
পাতা:আধুনিক রবিন্হুড - হেমেন্দ্রকুমার রায় (১৯৪৪).djvu/৮৮
104
882134
1980294
2026-06-25T19:04:05Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */
1980294
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৭|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>{{ফাঁক}}ব’সে প’ড়ে ঘুমের ভাণ করলে! চোর তার পকেট কাটলে, কিন্তু সজ্ঞানেও সে বাধা দিলে না!
{{ফাঁক}}তারপর ভোগেল উঠে সাঁকোর উপরে গেল। প্রথম রিভলভারটা বার ক’রে একটু তফাতে ফেলে দিলে। লোকে ভাববে, তাকে খুন ক’রে পালাবার সময়ে খুনী ঐ রিভলভারটা ফেলে গেছে। রিভলভারটা তার কাছে থাকলে পাছে কেউ ভাবে যে, ওর দ্বারা সে-ই আত্মহত্যা করেছে, তাই সেটাকে ফেলে দিলে খানিক তফাতে। দ্বিতীয় রিভলভারটা বার ক’রে একগাছা শক্ত দড়ির একপ্রান্তে বেঁধে ফেললে। এবং দড়ির অন্য প্রান্তে বাঁধলে একটা খুব ভারি জিনিষ— খুব-সম্ভব মস্ত একখানা পাথর। তারপর পাথরখানা রেলিং গলিয়ে সাকোর বাইরে ঝুলিয়ে দিলে। তারপর নিজের বুকে রিভলভার রেখে গুলি ছুঁড়লে।
{{ফাঁক}}হতভাগ্য ভোগেলের তখনি মৃত্যু হ’ল। এবং সঙ্গে সঙ্গে দড়িবাঁধা রিভলভারটা ছিনিয়ে নিয়ে সেই মস্ত-ভারি পাথরখানা ডানিউব নদীর ভিতরে গিয়ে পড়ল। কিন্তু রেলিংয়ের ভিতর দিয়ে গলবার সময়ে ভারি পাথরের টানে রিভলভারটা খুব জোরে রেলিংয়ের উপরে গিয়ে পড়ল—লোহার গায়ে তাই চটা-ওঠা দাগ হয়ে গেল।
{{ফাঁক}}বড়-সাহেব, আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, এই নাটকের দুরাত্মা ঐ পকেটমার বেচারা নয়, ভোগেল নিজেই! ডানিউব নদীতে ডুবুরী নামিয়ে খোঁজ করলেই দড়ির দুই প্রান্তে বাঁধা সেই রিভলভার ও পাথরখানা খুঁজে পাওয়া যাবে। ভোগেল ভেবেছিল, এত চালাকির পরেও তার মৃত্যুকে কেউ আত্মহত্যা ব’লে সন্দেহ করতে পারবে না,<noinclude>{{c|{{smaller|৭৭}}}}</noinclude>
pqesjutnlviuelhq0gfw7tfhwqbzcn5
1980295
1980294
2026-06-25T19:04:26Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */
1980295
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৭|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>ব’সে প’ড়ে ঘুমের ভাণ করলে! চোর তার পকেট কাটলে, কিন্তু সজ্ঞানেও সে বাধা দিলে না!
{{ফাঁক}}তারপর ভোগেল উঠে সাঁকোর উপরে গেল। প্রথম রিভলভারটা বার ক’রে একটু তফাতে ফেলে দিলে। লোকে ভাববে, তাকে খুন ক’রে পালাবার সময়ে খুনী ঐ রিভলভারটা ফেলে গেছে। রিভলভারটা তার কাছে থাকলে পাছে কেউ ভাবে যে, ওর দ্বারা সে-ই আত্মহত্যা করেছে, তাই সেটাকে ফেলে দিলে খানিক তফাতে। দ্বিতীয় রিভলভারটা বার ক’রে একগাছা শক্ত দড়ির একপ্রান্তে বেঁধে ফেললে। এবং দড়ির অন্য প্রান্তে বাঁধলে একটা খুব ভারি জিনিষ— খুব-সম্ভব মস্ত একখানা পাথর। তারপর পাথরখানা রেলিং গলিয়ে সাকোর বাইরে ঝুলিয়ে দিলে। তারপর নিজের বুকে রিভলভার রেখে গুলি ছুঁড়লে।
{{ফাঁক}}হতভাগ্য ভোগেলের তখনি মৃত্যু হ’ল। এবং সঙ্গে সঙ্গে দড়িবাঁধা রিভলভারটা ছিনিয়ে নিয়ে সেই মস্ত-ভারি পাথরখানা ডানিউব নদীর ভিতরে গিয়ে পড়ল। কিন্তু রেলিংয়ের ভিতর দিয়ে গলবার সময়ে ভারি পাথরের টানে রিভলভারটা খুব জোরে রেলিংয়ের উপরে গিয়ে পড়ল—লোহার গায়ে তাই চটা-ওঠা দাগ হয়ে গেল।
{{ফাঁক}}বড়-সাহেব, আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, এই নাটকের দুরাত্মা ঐ পকেটমার বেচারা নয়, ভোগেল নিজেই! ডানিউব নদীতে ডুবুরী নামিয়ে খোঁজ করলেই দড়ির দুই প্রান্তে বাঁধা সেই রিভলভার ও পাথরখানা খুঁজে পাওয়া যাবে। ভোগেল ভেবেছিল, এত চালাকির পরেও তার মৃত্যুকে কেউ আত্মহত্যা ব’লে সন্দেহ করতে পারবে না,<noinclude>{{c|{{smaller|৭৭}}}}</noinclude>
hf5d7pwvq1dxsvm26llqs6816wrn7k4
পাতা:আধুনিক রবিন্হুড - হেমেন্দ্রকুমার রায় (১৯৪৪).djvu/৮৯
104
882135
1980296
2026-06-25T19:07:18Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */
1980296
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৮|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>জীবন-বীমা-কোম্পানী তার পরিবারবর্গকে তিন লক্ষ টাকা দিতে
বাধ্য হবে এবং নম্বরী নোট ভাঙাতে গিয়ে তাকে হত্যা করবার
অপরাধে ধরা পড়বে ঐ পকেট-কাটাই !
{{ফাঁক}}কিন্তু নিজের স্ত্রী-পুত্রকন্যার সুখের জন্যে সে আর এক অভাগাকে
ফাঁসিকাঠে তুলে দিতে চেয়েছিল, আপন প্রাণ বিসর্জ্জন দিয়েও তাই
সে ভগবানের দয়া পেলে না।”
ঙ
{{ফাঁক}}প্রফেসরদের অনুমান সব দিক দিয়েই সত্যে পরিণত হ'ল ।
{{Missing image}}
{{ফাঁক}}ডানিউব নদীর গর্ভ থেকে দড়ি-বাধা পাথর ও রিভলভার দুইই
পাওয়া গেল ।<noinclude>{{c|{{smaller|৭৮}}}}</noinclude>
6itql9mw9lvy12uankmooi2vr4rm4as
1980297
1980296
2026-06-25T19:07:40Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */
1980297
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৮|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>জীবন-বীমা-কোম্পানী তার পরিবারবর্গকে তিন লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য হবে এবং নম্বরী নোট ভাঙাতে গিয়ে তাকে হত্যা করবার অপরাধে ধরা পড়বে ঐ পকেট-কাটাই!
{{ফাঁক}}কিন্তু নিজের স্ত্রী-পুত্রকন্যার সুখের জন্যে সে আর এক অভাগাকে ফাঁসিকাঠে তুলে দিতে চেয়েছিল, আপন প্রাণ বিসর্জ্জন দিয়েও তাই সে ভগবানের দয়া পেলে না।”
ঙ
{{ফাঁক}}প্রফেসরদের অনুমান সব দিক দিয়েই সত্যে পরিণত হ'ল।
{{Missing image}}
{{ফাঁক}}ডানিউব নদীর গর্ভ থেকে দড়ি-বাধা পাথর ও রিভলভার দুইই পাওয়া গেল।<noinclude>{{c|{{smaller|৭৮}}}}</noinclude>
40s8aoyzp7dar8x8k9fc5rxoluxflu5
1980298
1980297
2026-06-25T19:08:39Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */
1980298
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৮|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>জীবন-বীমা-কোম্পানী তার পরিবারবর্গকে তিন লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য হবে এবং নম্বরী নোট ভাঙাতে গিয়ে তাকে হত্যা করবার অপরাধে ধরা পড়বে ঐ পকেট-কাটাই!
{{ফাঁক}}কিন্তু নিজের স্ত্রী-পুত্রকন্যার সুখের জন্যে সে আর এক অভাগাকে ফাঁসিকাঠে তুলে দিতে চেয়েছিল, আপন প্রাণ বিসর্জ্জন দিয়েও তাই সে ভগবানের দয়া পেলে না।”
{{কেন্দ্র|{{larger|'''ঙ'''}}}}
{{ফাঁক}}প্রফেসরদের অনুমান সব দিক দিয়েই সত্যে পরিণত হ'ল।
{{Missing image}}
{{ফাঁক}}ডানিউব নদীর গর্ভ থেকে দড়ি-বাধা পাথর ও রিভলভার দুইই পাওয়া গেল।
{{nop}}<noinclude>{{c|{{smaller|৭৮}}}}</noinclude>
121bm3kim9a7wc9l0fbg1047x4hgkds
1980300
1980298
2026-06-25T19:11:55Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */ Image added
1980300
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৮|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>জীবন-বীমা-কোম্পানী তার পরিবারবর্গকে তিন লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য হবে এবং নম্বরী নোট ভাঙাতে গিয়ে তাকে হত্যা করবার অপরাধে ধরা পড়বে ঐ পকেট-কাটাই!
{{ফাঁক}}কিন্তু নিজের স্ত্রী-পুত্রকন্যার সুখের জন্যে সে আর এক অভাগাকে ফাঁসিকাঠে তুলে দিতে চেয়েছিল, আপন প্রাণ বিসর্জ্জন দিয়েও তাই সে ভগবানের দয়া পেলে না।”
{{কেন্দ্র|{{larger|'''ঙ'''}}}}
{{ফাঁক}}প্রফেসরদের অনুমান সব দিক দিয়েই সত্যে পরিণত হ'ল।
{{Img float
| file = আধুনিক রবিন্হুড - হেমেন্দ্রকুমার রায় (১৯৪৪) (page 89 crop).jpg
| width = 400px
| align = center
| cap =
}}
{{ফাঁক}}ডানিউব নদীর গর্ভ থেকে দড়ি-বাধা পাথর ও রিভলভার দুইই পাওয়া গেল।
{{nop}}<noinclude>{{c|{{smaller|৭৮}}}}</noinclude>
pjdjt9oo4txaas47xi0z179oe1a7rxl
1980301
1980300
2026-06-25T19:12:32Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */ Image size adjusted
1980301
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৮|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>জীবন-বীমা-কোম্পানী তার পরিবারবর্গকে তিন লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য হবে এবং নম্বরী নোট ভাঙাতে গিয়ে তাকে হত্যা করবার অপরাধে ধরা পড়বে ঐ পকেট-কাটাই!
{{ফাঁক}}কিন্তু নিজের স্ত্রী-পুত্রকন্যার সুখের জন্যে সে আর এক অভাগাকে ফাঁসিকাঠে তুলে দিতে চেয়েছিল, আপন প্রাণ বিসর্জ্জন দিয়েও তাই সে ভগবানের দয়া পেলে না।”
{{কেন্দ্র|{{larger|'''ঙ'''}}}}
{{ফাঁক}}প্রফেসরদের অনুমান সব দিক দিয়েই সত্যে পরিণত হ'ল।
{{Img float
| file = আধুনিক রবিন্হুড - হেমেন্দ্রকুমার রায় (১৯৪৪) (page 89 crop).jpg
| width = 450px
| align = center
| cap =
}}
{{ফাঁক}}ডানিউব নদীর গর্ভ থেকে দড়ি-বাধা পাথর ও রিভলভার দুইই পাওয়া গেল।
{{nop}}<noinclude>{{c|{{smaller|৭৮}}}}</noinclude>
qesdran2pf5uav7bm27i94zlehx4uxu
পাতা:আধুনিক রবিন্হুড - হেমেন্দ্রকুমার রায় (১৯৪৪).djvu/৯০
104
882136
1980299
2026-06-25T19:10:00Z
Zahinwadud
15552
/* Proofread */
1980299
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Zahinwadud" />{{c|{{rv|৭৯|টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি|আধুনিক রবিন্হুড্}}}}</noinclude>{{ফাঁক}}জীবন-বীমা-কোম্পানী তিন লক্ষ টাকা লোকসানের দায় থেকে
নিষ্কৃতি পেয়ে কৃতজ্ঞ হয়ে, অঙ্গীকৃত তিন হাজার টাকার চেয়েও বেশী
পুরস্কার দিয়ে প্রফেসরদের খুসি করলে।
{{ফাঁক}}এই ব্যাপারটি কি উপন্যাসের চেয়ে আশ্চর্য্য নয় ? কখনো কোন
উপন্যাসের ডিটেকটিভও কি ঐ দুই প্রফেসরের চেয়ে বেশী বুদ্ধির
পরিচয় দিতে পেরেছে ? কিন্তু তোমরা কেউ এই ব্যাপারটিকে
অবিশ্বাস করো না, কারণ এটি হচ্ছে অস্ট্রিয়া দেশের একটি বিখ্যাত
সত্য ঘটনা !
{{nop}}<noinclude>{{c|{{smaller|৭৯}}}}</noinclude>
eph3bcs6ix1rm1wj7io0evd7o8uma1e
পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৩৬
104
882138
1980303
2026-06-26T03:23:31Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1980303
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২১|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|অৰ্জ্জুনের একাগ্রতা।}}}}
{{Dropinitial|ম|margin-left =1em}}হাত্মা দ্রোণাচার্য্য কুরুপাণ্ডবদিগের অস্ত্রশিক্ষক ছিলেন। তাঁহার অদ্ভুত অস্ত্রশিক্ষাকৌশল শ্রবণ করিয়া সূতপুত্র কর্ণ এবং অন্ধক, বৃষ্ণি ও অন্যান্য রাজবংশীয় কুমারগণ দেশ-দেশান্তর হইতে অস্ত্রশিক্ষার্থে তাঁহার নিকট আগমন করিতেন। কর্ণ অৰ্জ্জুনের সহিত স্পর্দ্ধা করিয়া দুর্য্যোধনের সাহায্যে পাণ্ডবদিগের নানাপ্রকার অবমাননা করিতেন; কিন্তু সমাগত শিষ্যমণ্ডলীর মধ্যে অৰ্জ্জুন ভূজবলে, উদ্যোগে ও ধনুর্ব্বেদ-শিক্ষায় সকলের শ্রেষ্ঠ ছিলেন। দ্রোণাচার্য্য অৰ্জ্জুনকে অস্ত্রবিদ্যায় অনুরাগ, প্রয়োগ, লাঘব ও কৌশলে সৰ্ব্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ জানিয়া বিশেষ যত্নসহকারে উপদেশ দিতেন। অৰ্জ্জুনও শ্রদ্ধা ও ভক্তি সহকারে গুরুর আরাধনা করিতে তৎপর থাকিতেন এবং অস্ত্রশিক্ষায় সবিশেষ মনোনিবেশ করিতেন। এইজন্য তিনি আচার্য্য দ্রোণের অতিশয় প্রিয়পাত্র ছিলেন।
অৰ্জ্জুন ক্রমে ক্রমে চারিবার দ্রোণশিষ্যগণমধ্যে বিশেষ প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। তিনি বারুণাস্ত্র দ্বারা ক্ষুদ্রমুখ কমণ্ডলু-পরিপুরণ<ref>দ্রোণ রাজকুমারগণের পরীক্ষাচ্ছলে তাহাদিগের প্রত্যেককে একটি শাধিত বাণ ও একটা কমণ্ডুলু প্রদান করেন, কিন্তু নিজপুত্র অশ্বত্থামাকে একটা বিস্তীর্ণমুখ কলসী দেন। কমণ্ডলুর মুখ ক্ষুদ্র, সুতরাং তাহা জলপূর্ণ করা বিলম্বসাধ্য। রাজপুত্রগণ কমণ্ডলু জলপূর্ণ করিয়া আনিতে বিলম্ব করিতেন, কিন্তু অশ্বত্থামা এই অবসরে পিতার নিকট বিশেষ বিশেষ অস্ত্ৰ সমুদয়ের প্রয়োগাদি শিক্ষা করিয়া লইতেন। একদা অৰ্জ্জুন দ্রোণের এই চতুরতা বুঝিতে পারিয়া বারুণাস্ত্র দ্বারা কমণ্ডলু পূর্ণ করিয়া অশ্বত্থামার সহিত সমকালে শুরুসন্নিধানে উপস্থিত হইলেন। তদ্দর্শনে দ্রোণ অৰ্জ্জুনের ভুয়সী প্রশংসা করিতে লাগিলেন।</ref>, নিশাকালে<noinclude>{{rule}}</noinclude>
cy0x7acttekau39oi7p5lhz779lqacn
1980304
1980303
2026-06-26T03:24:45Z
BabulB
2144
1980304
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২১|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|অৰ্জ্জুনের একাগ্রতা।}}}}
{{Dropinitial|ম|margin-left =1em}}হাত্মা দ্রোণাচার্য্য কুরুপাণ্ডবদিগের অস্ত্রশিক্ষক ছিলেন। তাঁহার অদ্ভুত অস্ত্রশিক্ষাকৌশল শ্রবণ করিয়া সূতপুত্র কর্ণ এবং অন্ধক, বৃষ্ণি ও অন্যান্য রাজবংশীয় কুমারগণ দেশ-দেশান্তর হইতে অস্ত্রশিক্ষার্থে তাঁহার নিকট আগমন করিতেন। কর্ণ অৰ্জ্জুনের সহিত স্পর্দ্ধা করিয়া দুর্য্যোধনের সাহায্যে পাণ্ডবদিগের নানাপ্রকার অবমাননা করিতেন; কিন্তু সমাগত শিষ্যমণ্ডলীর মধ্যে অৰ্জ্জুন ভূজবলে, উদ্যোগে ও ধনুর্ব্বেদ-শিক্ষায় সকলের শ্রেষ্ঠ ছিলেন। দ্রোণাচার্য্য অৰ্জ্জুনকে অস্ত্রবিদ্যায় অনুরাগ, প্রয়োগ, লাঘব ও কৌশলে সৰ্ব্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ জানিয়া বিশেষ যত্নসহকারে উপদেশ দিতেন। অৰ্জ্জুনও শ্রদ্ধা ও ভক্তি সহকারে গুরুর আরাধনা করিতে তৎপর থাকিতেন এবং অস্ত্রশিক্ষায় সবিশেষ মনোনিবেশ করিতেন। এইজন্য তিনি আচার্য্য দ্রোণের অতিশয় প্রিয়পাত্র ছিলেন।
অৰ্জ্জুন ক্রমে ক্রমে চারিবার দ্রোণশিষ্যগণমধ্যে বিশেষ প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। তিনি বারুণাস্ত্র দ্বারা ক্ষুদ্রমুখ কমণ্ডলু-পরিপুরণ<ref>দ্রোণ রাজকুমারগণের পরীক্ষাচ্ছলে তাহাদিগের প্রত্যেককে একটি শাধিত বাণ ও একটা কমণ্ডুলু প্রদান করেন, কিন্তু নিজপুত্র অশ্বত্থামাকে একটা বিস্তীর্ণমুখ কলসী দেন। কমণ্ডলুর মুখ ক্ষুদ্র, সুতরাং তাহা জলপূর্ণ করা বিলম্বসাধ্য। রাজপুত্রগণ কমণ্ডলু জলপূর্ণ করিয়া আনিতে বিলম্ব করিতেন, কিন্তু অশ্বত্থামা এই অবসরে পিতার নিকট বিশেষ বিশেষ অস্ত্ৰ সমুদয়ের প্রয়োগাদি শিক্ষা করিয়া লইতেন। একদা অৰ্জ্জুন দ্রোণের এই চতুরতা বুঝিতে পারিয়া বারুণাস্ত্র দ্বারা কমণ্ডলু পূর্ণ করিয়া অশ্বত্থামার সহিত সমকালে {{SIC|গুরুসন্নিধানে|শুরুসন্নিধানে}} উপস্থিত হইলেন। তদ্দর্শনে দ্রোণ অৰ্জ্জুনের ভুয়সী প্রশংসা করিতে লাগিলেন।</ref>, নিশাকালে<noinclude>{{rule}}</noinclude>
or4q0bol34u0yx3eniv34atu0uo4601
1980305
1980304
2026-06-26T03:25:28Z
BabulB
2144
1980305
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২১|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|অৰ্জ্জুনের একাগ্রতা।}}}}
{{Dropinitial|ম|margin-left =1em}}হাত্মা দ্রোণাচার্য্য কুরুপাণ্ডবদিগের অস্ত্রশিক্ষক ছিলেন। তাঁহার অদ্ভুত অস্ত্রশিক্ষাকৌশল শ্রবণ করিয়া সূতপুত্র কর্ণ এবং অন্ধক, বৃষ্ণি ও অন্যান্য রাজবংশীয় কুমারগণ দেশ-দেশান্তর হইতে অস্ত্রশিক্ষার্থে তাঁহার নিকট আগমন করিতেন। কর্ণ অৰ্জ্জুনের সহিত স্পর্দ্ধা করিয়া দুর্য্যোধনের সাহায্যে পাণ্ডবদিগের নানাপ্রকার অবমাননা করিতেন; কিন্তু সমাগত শিষ্যমণ্ডলীর মধ্যে অৰ্জ্জুন ভূজবলে, উদ্যোগে ও ধনুর্ব্বেদ-শিক্ষায় সকলের শ্রেষ্ঠ ছিলেন। দ্রোণাচার্য্য অৰ্জ্জুনকে অস্ত্রবিদ্যায় অনুরাগ, প্রয়োগ, লাঘব ও কৌশলে সৰ্ব্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ জানিয়া বিশেষ যত্নসহকারে উপদেশ দিতেন। অৰ্জ্জুনও শ্রদ্ধা ও ভক্তি সহকারে গুরুর আরাধনা করিতে তৎপর থাকিতেন এবং অস্ত্রশিক্ষায় সবিশেষ মনোনিবেশ করিতেন। এইজন্য তিনি আচার্য্য দ্রোণের অতিশয় প্রিয়পাত্র ছিলেন।
অৰ্জ্জুন ক্রমে ক্রমে চারিবার দ্রোণশিষ্যগণমধ্যে বিশেষ প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। তিনি বারুণাস্ত্র দ্বারা ক্ষুদ্রমুখ কমণ্ডলু-পরিপুরণ<ref>দ্রোণ রাজকুমারগণের পরীক্ষাচ্ছলে তাহাদিগের প্রত্যেককে একটি শাধিত বাণ ও একটা কমণ্ডুলু প্রদান করেন, কিন্তু নিজপুত্র অশ্বত্থামাকে একটা বিস্তীর্ণমুখ কলসী দেন। কমণ্ডলুর মুখ ক্ষুদ্র, সুতরাং তাহা জলপূর্ণ করা বিলম্বসাধ্য। রাজপুত্রগণ কমণ্ডলু জলপূর্ণ করিয়া আনিতে বিলম্ব করিতেন, কিন্তু অশ্বত্থামা এই অবসরে পিতার নিকট বিশেষ বিশেষ অস্ত্ৰ সমুদয়ের প্রয়োগাদি শিক্ষা করিয়া লইতেন। একদা অৰ্জ্জুন দ্রোণের এই চতুরতা বুঝিতে পারিয়া বারুণাস্ত্র দ্বারা কমণ্ডলু পূর্ণ করিয়া অশ্বত্থামার সহিত সমকালে {{SIC|শুরুসন্নিধানে|গুরুসন্নিধানে}} উপস্থিত হইলেন। তদ্দর্শনে দ্রোণ অৰ্জ্জুনের ভুয়সী প্রশংসা করিতে লাগিলেন।</ref>, নিশাকালে<noinclude>{{rule}}</noinclude>
ng19gazqdnjb9t5bapl0yghgkadlyjn
1980307
1980305
2026-06-26T03:26:23Z
BabulB
2144
1980307
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|অৰ্জ্জুনের একাগ্রতা।}}}}
{{Dropinitial|ম|margin-left =1em}}হাত্মা দ্রোণাচার্য্য কুরুপাণ্ডবদিগের অস্ত্রশিক্ষক ছিলেন। তাঁহার অদ্ভুত অস্ত্রশিক্ষাকৌশল শ্রবণ করিয়া সূতপুত্র কর্ণ এবং অন্ধক, বৃষ্ণি ও অন্যান্য রাজবংশীয় কুমারগণ দেশ-দেশান্তর হইতে অস্ত্রশিক্ষার্থে তাঁহার নিকট আগমন করিতেন। কর্ণ অৰ্জ্জুনের সহিত স্পর্দ্ধা করিয়া দুর্য্যোধনের সাহায্যে পাণ্ডবদিগের নানাপ্রকার অবমাননা করিতেন; কিন্তু সমাগত শিষ্যমণ্ডলীর মধ্যে অৰ্জ্জুন ভূজবলে, উদ্যোগে ও ধনুর্ব্বেদ-শিক্ষায় সকলের শ্রেষ্ঠ ছিলেন। দ্রোণাচার্য্য অৰ্জ্জুনকে অস্ত্রবিদ্যায় অনুরাগ, প্রয়োগ, লাঘব ও কৌশলে সৰ্ব্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ জানিয়া বিশেষ যত্নসহকারে উপদেশ দিতেন। অৰ্জ্জুনও শ্রদ্ধা ও ভক্তি সহকারে গুরুর আরাধনা করিতে তৎপর থাকিতেন এবং অস্ত্রশিক্ষায় সবিশেষ মনোনিবেশ করিতেন। এইজন্য তিনি আচার্য্য দ্রোণের অতিশয় প্রিয়পাত্র ছিলেন।
অৰ্জ্জুন ক্রমে ক্রমে চারিবার দ্রোণশিষ্যগণমধ্যে বিশেষ প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। তিনি বারুণাস্ত্র দ্বারা ক্ষুদ্রমুখ কমণ্ডলু-পরিপুরণ<ref>দ্রোণ রাজকুমারগণের পরীক্ষাচ্ছলে তাহাদিগের প্রত্যেককে একটি শাধিত বাণ ও একটা কমণ্ডুলু প্রদান করেন, কিন্তু নিজপুত্র অশ্বত্থামাকে একটা বিস্তীর্ণমুখ কলসী দেন। কমণ্ডলুর মুখ ক্ষুদ্র, সুতরাং তাহা জলপূর্ণ করা বিলম্বসাধ্য। রাজপুত্রগণ কমণ্ডলু জলপূর্ণ করিয়া আনিতে বিলম্ব করিতেন, কিন্তু অশ্বত্থামা এই অবসরে পিতার নিকট বিশেষ বিশেষ অস্ত্ৰ সমুদয়ের প্রয়োগাদি শিক্ষা করিয়া লইতেন। একদা অৰ্জ্জুন দ্রোণের এই চতুরতা বুঝিতে পারিয়া বারুণাস্ত্র দ্বারা কমণ্ডলু পূর্ণ করিয়া অশ্বত্থামার সহিত সমকালে {{SIC|শুরুসন্নিধানে|গুরুসন্নিধানে}} উপস্থিত হইলেন। তদ্দর্শনে দ্রোণ অৰ্জ্জুনের ভুয়সী প্রশংসা করিতে লাগিলেন।</ref>, নিশাকালে<noinclude>{{rule}}</noinclude>
ocg6viw42chqf5j8fm6yrssrhnyg94g
1980309
1980307
2026-06-26T03:29:39Z
BabulB
2144
1980309
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|অৰ্জ্জুনের একাগ্রতা।}}}}
{{Dropinitial|ম|margin-left =1em}}হাত্মা দ্রোণাচার্য্য কুরুপাণ্ডবদিগের অস্ত্রশিক্ষক ছিলেন। তাঁহার অদ্ভুত অস্ত্রশিক্ষাকৌশল শ্রবণ করিয়া সূতপুত্র কর্ণ এবং অন্ধক, বৃষ্ণি ও অন্যান্য রাজবংশীয় কুমারগণ দেশ-দেশান্তর হইতে অস্ত্রশিক্ষার্থে তাঁহার নিকট আগমন করিতেন। কর্ণ অৰ্জ্জুনের সহিত স্পর্দ্ধা করিয়া দুর্য্যোধনের সাহায্যে পাণ্ডবদিগের নানাপ্রকার অবমাননা করিতেন; কিন্তু সমাগত শিষ্যমণ্ডলীর মধ্যে অৰ্জ্জুন ভূজবলে, উদ্যোগে ও ধনুর্ব্বেদ-শিক্ষায় সকলের শ্রেষ্ঠ ছিলেন। দ্রোণাচার্য্য অৰ্জ্জুনকে অস্ত্রবিদ্যায় অনুরাগ, প্রয়োগ, লাঘব ও কৌশলে সৰ্ব্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ জানিয়া বিশেষ যত্নসহকারে উপদেশ দিতেন। অৰ্জ্জুনও শ্রদ্ধা ও ভক্তি সহকারে গুরুর আরাধনা করিতে তৎপর থাকিতেন এবং অস্ত্রশিক্ষায় সবিশেষ মনোনিবেশ করিতেন। এইজন্য তিনি আচার্য্য দ্রোণের অতিশয় প্রিয়পাত্র ছিলেন।
{{ফাঁক}}অৰ্জ্জুন ক্রমে ক্রমে চারিবার দ্রোণশিষ্যগণমধ্যে বিশেষ প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। তিনি বারুণাস্ত্র দ্বারা ক্ষুদ্রমুখ কমণ্ডলু-পরিপুরণ<ref>দ্রোণ রাজকুমারগণের পরীক্ষাচ্ছলে তাহাদিগের প্রত্যেককে একটি শাধিত বাণ ও একটা কমণ্ডুলু প্রদান করেন, কিন্তু নিজপুত্র অশ্বত্থামাকে একটা বিস্তীর্ণমুখ কলসী দেন। কমণ্ডলুর মুখ ক্ষুদ্র, সুতরাং তাহা জলপূর্ণ করা বিলম্বসাধ্য। রাজপুত্রগণ কমণ্ডলু জলপূর্ণ করিয়া আনিতে বিলম্ব করিতেন, কিন্তু অশ্বত্থামা এই অবসরে পিতার নিকট বিশেষ বিশেষ অস্ত্ৰ সমুদয়ের প্রয়োগাদি শিক্ষা করিয়া লইতেন। একদা অৰ্জ্জুন দ্রোণের এই চতুরতা বুঝিতে পারিয়া বারুণাস্ত্র দ্বারা কমণ্ডলু পূর্ণ করিয়া অশ্বত্থামার সহিত সমকালে {{SIC|শুরুসন্নিধানে|গুরুসন্নিধানে}} উপস্থিত হইলেন। তদ্দর্শনে দ্রোণ অৰ্জ্জুনের ভুয়সী প্রশংসা করিতে লাগিলেন।</ref>, নিশাকালে<noinclude>{{rule}}</noinclude>
i061dpcpw57pc3nl1z1q2e1x8kuims4
পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৩৭
104
882139
1980306
2026-06-26T03:26:07Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "ধনুর্ব্বেদ-অনুশীলন,' ভাসচক্ষু-ভেদ এবং কুম্ভীরগ্রাস হইতে গুরু দ্রোণের উদ্ধারসাধনরূপ চতুর্ব্বিধ পরীক্ষায় কৃতকার্য হইয়া দ্রোণের চিত্ত হরণ করেন। তন্মধ্যে ভাসচক্ষু ভেদ-..." দিয়ে পাতা তৈরি
1980306
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|২২|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>ধনুর্ব্বেদ-অনুশীলন,' ভাসচক্ষু-ভেদ এবং কুম্ভীরগ্রাস হইতে গুরু দ্রোণের
উদ্ধারসাধনরূপ চতুর্ব্বিধ পরীক্ষায় কৃতকার্য হইয়া দ্রোণের চিত্ত হরণ
করেন। তন্মধ্যে ভাসচক্ষু ভেদ-প্রসঙ্গে তিনি নিম্নোক্তরূপ অসাধারণ
একাগ্রতা ও চিত্তসংযমের পরিচয় প্রদান করেন।
একদা দ্রোণাচার্য্য শিষ্যগণের পরীক্ষার্থ কুমারগণের অসমক্ষে শিল্পি-
দ্বারা একটা কৃত্রিম নীলপক্ষী নির্মাণ করাইয়া বৃক্ষের অগ্রশাখায় আরো-
পিত করিলেন। পরে সমবেত রাজকুমারদিগকে সম্বোধন করিয়া
কহিলেন, “হে কুমারগণ ! তোমরা সকলে শরাসনে শরসন্ধানপূর্ব্বক
আমার আদেশবাক্যের অপেক্ষা করিয়া থাক। আমি তোমাদিগকে
একে একে নিযুক্ত করিতেছি, মদীয় বাক্যের অবসান না হইতেই ঐ
লক্ষ্যের শিরশ্ছেদন করিয়া ভূতলে পাতিত কর।” প্রথমে যুধিষ্ঠিরকে
আদেশ করিলেন। যুধিষ্ঠির দ্রোণের নিদেশানুসারে ধনুগ্র হণপূর্ব্বক
একদ। অৰ্জ্জুন রাত্রিকালে ভোজন করিতেছিলেন, এমন সময়ে হঠাৎ বায়ুবেগে
দীপশিখা নিৰ্ব্বাণ হইল, তথাপি অভ্যাসবশতঃ তাঁহার হস্ত মুখমধ্যে প্রবিষ্ট হইতে
লাগিল। তখন তিনি মনে করিলেন “যাহা অভ্যান করা যায়, তাহাই স্বাভাবিক হইয়া
উঠে।” এইরূপ সিদ্ধাস্ত করিয়া রাত্রিকালে ধনুর্ব্বেদ অনুশীলনার্থ শরাসনে জ্যারোপণ
করিয়া বারংবার টঙ্কার দিতে লাগিলেন। অৰ্জ্জুনের জ্যা-নির্ঘোষ শ্রবণে দ্রোণ বিস্মিত
হইয়া তথায় আগমন করিলেন এবং শিষ্যের অভিনিবেশ দর্শনে মুগ্ধ হইয়া তাঁহাকে
-আলিঙ্গন পূর্ব্বক কহিলেন, "বৎস! আমি সত্য কহিতেছি, এই ধরাধামে যাহাতে
তুমি অদ্বিতীয় ধনুর্দ্ধর হইতে পার, আমি প্রাণপণে তাহার বিধান করিব।”
২। একদা দ্রোণাচার্য্য শিষ্যগণ সমভিব্যাহারে ভাগীরথীর সলিলে অবগাহন
করিতেছিলেন, ইত্যবসরে এক বিপুলকায় কুম্ভীর আসিয়া তাহার জাদেশে আক্রমণ
করিল। তিনি অবলীলাক্রমে কুত্তীরগ্রাস হইতে মুক্তিলাভ করিতে পারিতেন, কিন্তু
তাহা না করিয়া শিয্যগণলে পরীক্ষা করিবার নিমিত্ত তাঁহাদিগকে আপন বিপদের কথা
জানাইলেন ।
তচ্ছ বণে রাজকুমার-বৃন্দ কিংকৰ্ত্তব্যবিমুঢ় হইয়া চিত্রার্পিতের ন্যায়
দণ্ডায়মান রহিলেন। অৰ্জ্জুন অবিলম্বে পাঁচটা তীক্ষ্ণধার শরদ্বারা কুম্ভীরকে বিক্ষ
ফরিয়া ফেলিলেন। কিন্তু অৰ্জ্জুন এইরূপে গুরুর ইচ্ছানুরূপ কৃতকার্য্যতা লাভ করিলে,
: ড্রাণ শিষ্যমণ্ডলীর মধ্যে তাহাকেই সর্বোৎকৃষ্ট বিবেচনা করিলন<noinclude></noinclude>
kaeb95i7fxu0lsxkpofv1fxqb0cuvfz
1980308
1980306
2026-06-26T03:29:19Z
BabulB
2144
1980308
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|২২|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>ধনুর্ব্বেদ-অনুশীলন,<ref></ref> ভাসচক্ষু-ভেদ এবং কুম্ভীরগ্রাস<ref></ref> হইতে গুরু দ্রোণের
উদ্ধারসাধনরূপ চতুর্ব্বিধ পরীক্ষায় কৃতকার্য হইয়া দ্রোণের চিত্ত হরণ
করেন। তন্মধ্যে ভাসচক্ষু ভেদ-প্রসঙ্গে তিনি নিম্নোক্তরূপ অসাধারণ
একাগ্রতা ও চিত্তসংযমের পরিচয় প্রদান করেন।
{{ফাঁক}}একদা দ্রোণাচার্য্য শিষ্যগণের পরীক্ষার্থ কুমারগণের অসমক্ষে শিল্পি-
দ্বারা একটা কৃত্রিম নীলপক্ষী নির্মাণ করাইয়া বৃক্ষের অগ্রশাখায় আরো-
পিত করিলেন। পরে সমবেত রাজকুমারদিগকে সম্বোধন করিয়া
কহিলেন, “হে কুমারগণ ! তোমরা সকলে শরাসনে শরসন্ধানপূর্ব্বক
আমার আদেশবাক্যের অপেক্ষা করিয়া থাক। আমি তোমাদিগকে
একে একে নিযুক্ত করিতেছি, মদীয় বাক্যের অবসান না হইতেই ঐ
লক্ষ্যের শিরশ্ছেদন করিয়া ভূতলে পাতিত কর।” প্রথমে যুধিষ্ঠিরকে
আদেশ করিলেন। যুধিষ্ঠির দ্রোণের নিদেশানুসারে ধনুগ্র হণপূর্ব্বক
একদ। অৰ্জ্জুন রাত্রিকালে ভোজন করিতেছিলেন, এমন সময়ে হঠাৎ বায়ুবেগে
দীপশিখা নিৰ্ব্বাণ হইল, তথাপি অভ্যাসবশতঃ তাঁহার হস্ত মুখমধ্যে প্রবিষ্ট হইতে
লাগিল। তখন তিনি মনে করিলেন “যাহা অভ্যান করা যায়, তাহাই স্বাভাবিক হইয়া
উঠে।” এইরূপ সিদ্ধাস্ত করিয়া রাত্রিকালে ধনুর্ব্বেদ অনুশীলনার্থ শরাসনে জ্যারোপণ
করিয়া বারংবার টঙ্কার দিতে লাগিলেন। অৰ্জ্জুনের জ্যা-নির্ঘোষ শ্রবণে দ্রোণ বিস্মিত
হইয়া তথায় আগমন করিলেন এবং শিষ্যের অভিনিবেশ দর্শনে মুগ্ধ হইয়া তাঁহাকে
-আলিঙ্গন পূর্ব্বক কহিলেন, "বৎস! আমি সত্য কহিতেছি, এই ধরাধামে যাহাতে
তুমি অদ্বিতীয় ধনুর্দ্ধর হইতে পার, আমি প্রাণপণে তাহার বিধান করিব।”
২। একদা দ্রোণাচার্য্য শিষ্যগণ সমভিব্যাহারে ভাগীরথীর সলিলে অবগাহন
করিতেছিলেন, ইত্যবসরে এক বিপুলকায় কুম্ভীর আসিয়া তাহার জাদেশে আক্রমণ
করিল। তিনি অবলীলাক্রমে কুত্তীরগ্রাস হইতে মুক্তিলাভ করিতে পারিতেন, কিন্তু
তাহা না করিয়া শিয্যগণলে পরীক্ষা করিবার নিমিত্ত তাঁহাদিগকে আপন বিপদের কথা
জানাইলেন ।
তচ্ছ বণে রাজকুমার-বৃন্দ কিংকৰ্ত্তব্যবিমুঢ় হইয়া চিত্রার্পিতের ন্যায়
দণ্ডায়মান রহিলেন। অৰ্জ্জুন অবিলম্বে পাঁচটা তীক্ষ্ণধার শরদ্বারা কুম্ভীরকে বিক্ষ
ফরিয়া ফেলিলেন। কিন্তু অৰ্জ্জুন এইরূপে গুরুর ইচ্ছানুরূপ কৃতকার্য্যতা লাভ করিলে,
: ড্রাণ শিষ্যমণ্ডলীর মধ্যে তাহাকেই সর্বোৎকৃষ্ট বিবেচনা করিলন<noinclude>{{rule}}</noinclude>
j66tcvs8x6mzzzd7y5y0vcgp0lcahg6
1980310
1980308
2026-06-26T03:40:19Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1980310
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২২|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>ধনুর্ব্বেদ-অনুশীলন,<ref>একদা অৰ্জ্জুন রাত্রিকালে ভোজন করিতেছিলেন, এমন সময়ে হঠাৎ বায়ুবেগে দীপশিখা নিৰ্ব্বাণ হইল, তথাপি অভ্যাসবশতঃ তাঁহার হস্ত মুখমধ্যে প্রবিষ্ট হইতে লাগিল। তখন তিনি মনে করিলেন “যাহা অভ্যান করা যায়, তাহাই স্বাভাবিক হইয়া উঠে।” এইরূপ সিদ্ধাস্ত করিয়া রাত্রিকালে ধনুর্ব্বেদ অনুশীলনার্থ শরাসনে জ্যারোপণ করিয়া বারংবার টঙ্কার দিতে লাগিলেন। অৰ্জ্জুনের জ্যা-নির্ঘোষ শ্রবণে দ্রোণ বিস্মিত হইয়া তথায় আগমন করিলেন এবং শিষ্যের অভিনিবেশ দর্শনে মুগ্ধ হইয়া তাঁহাকে আলিঙ্গন পূর্ব্বক কহিলেন, "বৎস! আমি সত্য কহিতেছি, এই ধরাধামে যাহাতে তুমি অদ্বিতীয় ধনুর্দ্ধর হইতে পার, আমি প্রাণপণে তাহার বিধান করিব।”</ref> ভাসচক্ষু-ভেদ এবং কুম্ভীরগ্রাস<ref>একদা দ্রোণাচার্য্য শিষ্যগণ সমভিব্যাহারে ভাগীরথীর সলিলে অবগাহন করিতেছিলেন, ইত্যবসরে এক বিপুলকায় কুম্ভীর আসিয়া তাহার জঙ্ঘাদেশে আক্রমণ করিল। তিনি অবলীলাক্রমে কুম্ভীরগ্রাস হইতে মুক্তিলাভ করিতে পারিতেন, কিন্তু তাহা না করিয়া শিষ্যগণলে পরীক্ষা করিবার নিমিত্ত তাঁহাদিগকে আপন বিপদের কথা জানাইলেন। তচ্ছবণে রাজকুমার-বৃন্দ কিংকৰ্ত্তব্যবিমুঢ় হইয়া চিত্রার্পিতের ন্যায় দণ্ডায়মান রহিলেন। অৰ্জ্জুন অবিলম্বে পাঁচটা তীক্ষ্ণধার শরদ্বারা কুম্ভীরকে বিদ্ধ করিয়া ফেলিলেন। কিন্তু অৰ্জ্জুন এইরূপে গুরুর ইচ্ছানুরূপ কৃতকার্য্যতা লাভ করিলে, দ্ৰোণ শিষ্যমণ্ডলীর মধ্যে তাহাকেই সর্বোৎকৃষ্ট বিবেচনা করিলন</ref> হইতে গুরু দ্রোণের উদ্ধারসাধনরূপ চতুর্ব্বিধ পরীক্ষায় কৃতকার্য হইয়া দ্রোণের চিত্ত হরণ করেন। তন্মধ্যে ভাসচক্ষু ভেদ-প্রসঙ্গে তিনি নিম্নোক্তরূপ অসাধারণ একাগ্রতা ও চিত্তসংযমের পরিচয় প্রদান করেন।
{{ফাঁক}}একদা দ্রোণাচার্য্য শিষ্যগণের পরীক্ষার্থ কুমারগণের অসমক্ষে শিল্পিদ্বারা একটা কৃত্রিম নীলপক্ষী নির্মাণ করাইয়া বৃক্ষের অগ্রশাখায় আরোপিত করিলেন। পরে সমবেত রাজকুমারদিগকে সম্বোধন করিয়া কহিলেন, “হে কুমারগণ! তোমরা সকলে শরাসনে শরসন্ধানপূর্ব্বক আমার আদেশবাক্যের অপেক্ষা করিয়া থাক। আমি তোমাদিগকে একে একে নিযুক্ত করিতেছি, মদীয় বাক্যের অবসান না হইতেই ঐ লক্ষ্যের শিরশ্ছেদন করিয়া ভূতলে পাতিত কর।” প্রথমে যুধিষ্ঠিরকে আদেশ করিলেন। যুধিষ্ঠির দ্রোণের {{SIC|নিদেশানুসারে|নির্দেশানুসারে}} ধনুর্গ্রহণপূর্ব্বক<noinclude>{{rule}}</noinclude>
q7u8ygbj0c8p1dyqezaa6klbqei4gqj
পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৩৮
104
882140
1980311
2026-06-26T03:47:37Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1980311
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৩|অৰ্জ্জুনের একাগ্রতা।}}</noinclude>লক্ষ্য উদ্দেশ করিয়া দণ্ডায়মান হইলে, আচার্য দ্রোণ কহিলেন, “বৎস যুধিষ্ঠির! বৃক্ষের শিখরদেশে ঐ শকুন্তকে নিরীক্ষণ কর।” যুধিষ্ঠির কহিলেন, “হাঁ, দেখিতেছি।” দ্রোণ পুনরায় কহিলেন, “তুমি কি দেখিতেছ?” যুধিষ্ঠির কহিলেন, “ভগবন্! আমি এই বৃক্ষকে, আপনাকে ও বৃক্ষস্থিত পক্ষীকে নিরীক্ষণ করিতেছি।"
{{ফাঁক}}দ্রোণ যুধিষ্ঠিরের ঐ বাক্য শ্রবণ করিয়া অপ্রসন্নমনে কহিলেন,“তুমি এই লক্ষ্য বিদ্ধ করিতে পারিবে না, অতএব এ স্থান হইতে অপসৃত হও।” এইরূপে যুধিষ্ঠিরকে তিরস্কার করিয়া দ্ৰোণ ধৃতরাষ্ট্রনন্দন দুর্যোধন প্রভৃতি সকলকে পর্যায়ক্রমে পূর্ব্বোক্ত প্রকারে জিজ্ঞাসা করিলেন, কিন্তু তাঁহার মনোমত উত্তর প্রদান করিতে না পারায় সকলেই তিরষ্কৃত হইলেন।
.
{{ফাঁক}}অনন্তর অর্জুন গুরুর আদেশ অনুসারে শরাসনে শরসন্ধানপূর্ব্বক অগ্রশাখাস্থ পক্ষীকে লক্ষ্য করিয়া রহিলেন। দ্রোণ পূর্বোক্ত প্রকারে অৰ্জ্জুনকে জিজ্ঞাসা করিলে, অৰ্জ্জুন কহিলেন "ভগবন্! আমি বৃক্ষ বা আপনাকে নিরীক্ষণ করিতেছি না, কেবল শকুন্তকে অবলোকন করিতেছি।” দ্রোণ প্রীতমনে পুনর্ব্বার জিজ্ঞাসা করিলেন, “বৎস! শকুন্তকে সম্যকূরূপে নিরীক্ষণ করিতেছ কি?” অৰ্জ্জুন উত্তর করিলেন, “না, আমি কেবল উহার মস্তক দেখিতেছি।” তখন দ্রোণাচার্য্য অৰ্জ্জুনের বাক্যে সন্তুষ্ট হইয়া কহিলেন, "বৎস! তবে লক্ষ্যভেদ কর।” এই কথা বলিবামাত্র অৰ্জ্জুন লক্ষ্যে অস্ত্রক্ষেপ করিলেন। বৃক্ষশিখরস্থিত পক্ষী অৰ্জ্জুনের খরধার অস্ত্রদ্বারা ছিন্নমস্তক হইয়া ভূতলে নিপতিত হইল। দ্রোণ অৰ্জ্জুনকে তাদৃশ অসাধারণ কর্ম সাধন করিতে দেখিয়া প্রীতি-প্রফুল্ল চিত্তে তাঁহাকে বারংবার আলিঙ্গন করিতে লাগিলেন।
{{ফাঁক}}এই দৃশ্য হইতে শিক্ষার্থিগণ যথেষ্ট শিক্ষালাভ করিতে পারেন। একাগ্রচিত্তে কোন বিষয়ে মনোনিবেশ করিলে, সিদ্ধিলাভ যে অনায়াস-সাধ্য, অৰ্জ্জুনের একাগ্রতা তাহার উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
38ocrdr0rgv6uh1ifa6gq022yg68a63
পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৩৯
104
882141
1980312
2026-06-26T03:50:27Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "{{কেন্দ্র|{{xx-larger|একলব্যের গুরুভক্তি।}}}} {{Dropinitial|এ|margin-left =1em}}কলব্য নিষাদরাজ হিরণ্যধনুর পুত্র ছিলেন। তিনি একদা ধনু- র্ব্বেদশিক্ষার্থে আচার্য্য দ্রোণের সন্নিধানে সমাগত হন; কিন্তু ত..." দিয়ে পাতা তৈরি
1980312
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|একলব্যের গুরুভক্তি।}}}}
{{Dropinitial|এ|margin-left =1em}}কলব্য নিষাদরাজ হিরণ্যধনুর পুত্র ছিলেন। তিনি একদা ধনু-
র্ব্বেদশিক্ষার্থে আচার্য্য দ্রোণের সন্নিধানে সমাগত হন; কিন্তু তিনি অস্পৃশ্য
স্লেচ্ছজাতি, এজন্য কুরুকুমারগণের সতীর্থ ও সমকক্ষ হইবার অনুপযুক্ত,
এই বিবেচনায় দ্রোণ তাঁহাকে প্রত্যাখ্যান করেন। তখন একলব্য
বিষণ্নমনে দ্রোণের পাদবন্দনা করিয়া অরণ্যমধ্যে প্ররেশ করিলেন
এবং তথায় এক আশ্রম নির্মাণপূর্ব্বক তন্মধ্যে দ্রোণের মৃন্মরমূর্তি স্থাপন
করিয়া আচার্য্যভাবে তাঁহাকে পূজা করিতে লাগিলেন। এইরূপে ব্রত
ধারণপূর্ব্বক অস্ত্রশিক্ষা আরম্ভ করিয়া অচিরকালমধ্যে একলব্য অস্ত্রের
প্রয়োগ, সংহার ও সন্ধান বিষয়ে কৃতকার্য হইয়া উঠিলেন।
{{ফাঁক}}একদা কৌরব ও পাণ্ডবগণ দ্রোণের অ'জ্ঞানুসারে রথারোহণ
করিয়া রাজধানী হইতে মৃগয়ার্থ বহির্গত হইলেন ৷ একজন আপনার
কুক্কুর ও বাগুরা লইয়া যদৃচ্ছাক্রমে তাঁহাদিগের অনুগমন করিল।
ঘটনাক্রমে ঐ কুকুর মলিন কলেবর, কৃঞ্চাজিন জটাধারী নিষাদরাজতনয়
একলব্যকে নিরীক্ষণ করিয়া উচ্চৈঃস্বরে চীৎকার করিতে লাগিল।
একলব্য আপনার অস্ত্রপ্রয়োগলঘুতার পরীক্ষার্থে তাহার মুখবিবরে
এককালে সাতটি শর নিক্ষেপ করিলেন। কুক্কুর স্বীয় মুখমধ্যে শরপূরিত
হইয়া দ্রুতগমনে পাণ্ডবসন্নিধানে আগমন করিল । পাণ্ডবেরা ঐ
কুক্কুরের মুথমধ্যে প্রবিষ্ট সাতটী শর নিরীক্ষণ করিয়া অতিশয় বিস্ময়াবিষ্ট
হইলেন এবং শরের লঘুত্ব ও শব্দভেদিত্ব দর্শনে সকলেই আপনাদিগকে
নিকৃষ্ট বোধ করিয়া লজ্জিত হইলেন, পরে বনে বনে অনুসন্ধান করিয়া
বনবাসী এক মনুষ্যকে অবিরত শরবর্ষণ করিতে দেখিলেন। তাঁহারা<noinclude></noinclude>
2jybqyxwth6rwp7fpgs3x1tn4hm9evs
1980337
1980312
2026-06-26T10:41:33Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1980337
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|একলব্যের গুরুভক্তি।}}}}
{{Dropinitial|এ|margin-left =1em}}কলব্য নিষাদরাজ হিরণ্যধনুর পুত্র ছিলেন। তিনি একদা ধনুর্ব্বেদশিক্ষার্থে আচার্য্য দ্রোণের সন্নিধানে সমাগত হন; কিন্তু তিনি অস্পৃশ্য ম্লেচ্ছজাতি, এজন্য কুরুকুমারগণের সতীর্থ ও সমকক্ষ হইবার অনুপযুক্ত, এই বিবেচনায় দ্রোণ তাঁহাকে প্রত্যাখ্যান করেন। তখন একলব্য বিষণ্ণমনে দ্রোণের পাদবন্দনা করিয়া অরণ্যমধ্যে প্ররেশ করিলেন এবং তথায় এক আশ্রম নির্মাণপূর্ব্বক তন্মধ্যে দ্রোণের মৃন্মরমূর্ত্তি স্থাপন করিয়া আচার্য্যভাবে তাঁহাকে পূজা করিতে লাগিলেন। এইরূপে ব্রত ধারণপূর্ব্বক অস্ত্রশিক্ষা আরম্ভ করিয়া অচিরকালমধ্যে একলব্য অস্ত্রের প্রয়োগ, সংহার ও সন্ধান বিষয়ে কৃতকার্য হইয়া উঠিলেন।
{{ফাঁক}}একদা কৌরব ও পাণ্ডবগণ দ্রোণের আজ্ঞানুসারে রথারোহণ করিয়া রাজধানী হইতে মৃগয়ার্থ বহির্গত হইলেন ৷ একজন আপনার কুক্কুর ও বাগুরা লইয়া যদৃচ্ছাক্রমে তাঁহাদিগের অনুগমন করিল। ঘটনাক্রমে ঐ কুকুর মলিন কলেবর, কৃষ্ণাজিনজটাধারী নিষাদরাজতনয় একলব্যকে নিরীক্ষণ করিয়া উচ্চৈঃস্বরে চীৎকার করিতে লাগিল। একলব্য আপনার অস্ত্রপ্রয়োগলঘুতার পরীক্ষার্থে তাহার মুখবিবরে এককালে সাতটি শর নিক্ষেপ করিলেন। কুক্কুর স্বীয় মুখমধ্যে শরপূরিত হইয়া দ্রুতগমনে পাণ্ডবসন্নিধানে আগমন করিল। পাণ্ডবেরা ঐ কুক্কুরের মুখমধ্যে প্রবিষ্ট সাতটী শর নিরীক্ষণ করিয়া অতিশয় বিস্ময়াবিষ্ট হইলেন এবং শরের লঘুত্ব ও শব্দভেদিত্ব দর্শনে সকলেই আপনাদিগকে নিকৃষ্ট বোধ করিয়া লজ্জিত হইলেন, পরে বনে বনে অনুসন্ধান করিয়া বনবাসী এক মনুষ্যকে অবিরত শরবর্ষণ করিতে দেখিলেন। তাঁহারা<noinclude></noinclude>
90vb4oraucuj4909jwz7dc1ziyxrc32
মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড)/প্রথম পরিচ্ছেদ/অর্জ্জুনের একাগ্রতা
0
882142
1980313
2026-06-26T03:52:16Z
BabulB
2144
"<pages index="মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf" from=36 to=38 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
1980313
wikitext
text/x-wiki
<pages index="মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf" from=36 to=38 header=1/>
0jrjmxtj5hm45ogkaj0h4jg63qwmhv6
1980314
1980313
2026-06-26T03:53:56Z
BabulB
2144
1980314
wikitext
text/x-wiki
<pages index="মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf" from=36 to=38 header=1/>
{{ppb}}
{{smallrefs|85%}}
hvod21z9smhtat8l68fpqwa1w4cv7h8
পাতা:শুম্ভ-সংহার - প্রমথনাথ মিত্র (১৮৮৬).pdf/২
104
882143
1980322
2026-06-26T05:40:04Z
Integrity2020
13357
/* লেখাবিহীন */
1980322
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="0" user="Integrity2020" /></noinclude><noinclude></noinclude>
r40umm0dznfqtet2f5f5432pzmxvp73
পাতা:শুম্ভ-সংহার - প্রমথনাথ মিত্র (১৮৮৬).pdf/৩
104
882144
1980323
2026-06-26T05:40:45Z
Integrity2020
13357
/* লেখাবিহীন */
1980323
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="0" user="Integrity2020" /></noinclude><noinclude></noinclude>
r40umm0dznfqtet2f5f5432pzmxvp73
1980331
1980323
2026-06-26T07:15:40Z
Integrity2020
13357
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1980331
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Integrity2020" /></noinclude>{{em}}{{larger|নাট্যামোদী,}}<br>
{{em|4}}{{xx-larger|শ্রীযুক্ত বাবু ক্ষেত্রমোহন সা}}
{{r|{{larger|সুহৃদ্বরেষু—}}}}
{{em|2}}ভাই!
{{em|2}}শুম্ভ-নিশুম্ভের যুদ্ধ অবলম্বন করিয়া মিত্রাক্ষর পদ্যে একখানি নাটক লিখিবার জন্য তুমি আমাকে অনেক দিন হইতে বলিয়া আসিতেছ, সময়াভাবে ও মনের অস্থিরতার জন্য তাহা এত দিন পারি নাই। এক্ষণে এই “শুম্ভ-সংহার” অপার আনন্দের সহিত তোমার হস্তে অর্পণ করিলাম।
{{em|2}}এই বিষয় অবলম্বন করিয়া অমিত্রাক্ষর পদ্যে “দানব দলন” নামে একখানি কাব্য অনেক পূর্ব্বে প্রকাশিত হইয়াছিল,— “দানব-দলন” কাব্যের অনেক স্থানে সুন্দর ও উচ্চ উচ্চ ভাব আছে—কাব্যামোদী মাত্রেরই তাহা আদরের দ্রব্য। কিন্তু আক্ষেপের বিষয় যে, এরূপ উচ্চদরের কাব্য জনসমাজে সমুচিত খ্যাতি লাভ করিতে পারে নাই। স্থানে স্থানে উক্ত গ্রন্থকর্ত্তার সহিত আমার মতের অনৈক্য হইয়াছে; কিন্তু তথাপি কৃতজ্ঞতার সহিত স্বীকার করিতেছি যে, “শুম্ভ-{{SIC|সহার|সংহার}}” প্রণয়নে “দানব দলন” কাব্য হইতে আমি অনেক সাহায্য পাইয়াছি।
{{r|তোমার{{em}}}}
{{r|{{larger|প্রমথ—}}}}<noinclude></noinclude>
tn7wsnesbxnryhjmiv389ayjwe3hv0q
পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৪০
104
882145
1980334
2026-06-26T10:21:23Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "ঐ বিকভদর্শন পুরুষকে চিনিতে না পারিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, “হে বীরবর ! তুমি কে? কাহার পুত্র ?” একলব্য প্রত্যুত্তর করিলেন, “আমি নিষাদাধিপতি হিরণ্যধনুর পুত্র, দ্রোণের শিষ্য, এই আ..." দিয়ে পাতা তৈরি
1980334
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|২৫|একলব্যের গুরুভক্তি।}}</noinclude>ঐ বিকভদর্শন পুরুষকে চিনিতে না পারিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, “হে
বীরবর ! তুমি কে? কাহার পুত্র ?” একলব্য প্রত্যুত্তর করিলেন, “আমি
নিষাদাধিপতি হিরণ্যধনুর পুত্র, দ্রোণের শিষ্য, এই আশ্রমে একাকী
বলুর্ব্বেদ অনুশীলন করিতেছি।”
{{ফাঁক}}তখন পাণ্ডবেরা একলব্যের যথার্থ পরিচয় পাইয়া সত্বর রাজধানীতে
প্রত্যাগমন করিয়া দ্রোণসন্নিধানে সেই অদ্ভুত বৃত্তান্ত আদ্যোপান্ত সমুদয়
নিবেদন করিলেন। অৰ্জ্জুন বিনীতবচনে নির্জনে দ্রোণকে কহিলেন
“গুরো! আপনি অঙ্গীকার করিয়া ছিলেন যে, আমা অপেক্ষা আপনার
কোন শিষ্যই উৎকষ্ট হইবে না, কিন্তু এক্ষণে তাহার অন্যথা দেখা
যাইতেছে। নিষাদাধিপতির পুত্র মহাবল একলব্য আপনার এক
শিষ্য ।
সে ধনুৰ্ব্বেদে আমা অপেক্ষাও সমধিক উৎকর্ষ লাভ করিয়াছে।”
এই সংবাদ শ্রবণ করিয়া দ্রোণ ইহার বিশেষ কারণ কিছুই অনুধাবন
করিতে না পারিয়া অৰ্জ্জুন-সমভিব্যাহারে বনমধ্যে প্রবেশ করিয়া
দেখিলেন, জটাচীরধারী মলিনকলেবর নিষাদরাজকুমার একলব্য শরানন
আকর্ষণ করিয়া বারংবার বাণবর্ষণ করিতেছেন। তিনি দ্রোণকে সহসা
সমাগত দেখিয়া তাঁহার প্রত্যাগমন ও পাদবন্দনপূর্ব্বক আপনাকে
তাঁহার শিষ্য বলিয়া পরিচয় দিলেন এবং ভক্তিভরে পূজা করিয়া বসিতে
আসন প্রদান করিলেন। তখন দ্রোণ কহিলেন, “হে বীর! তুমি
যদি যথার্থ ই আমার শিষ্য হইয়া থাক, তবে দক্ষিণা প্রদান
কর।” একলব্য প্রীতবাক্যে কহিলেন, “ভগবন্ ! গুরুকে তাদেয়
কিছুই নাই, এক্ষণে কিরূপ দক্ষিণা আহরণ করিব, আজ্ঞা করুন।”
তখন দ্রোণ কহিলেন, “হে বীর! যদি সম্মত হইয়া থাক, তবে দক্ষিণ
হস্তের একটী অঙ্গুলি ছেদন করিয়া দক্ষিণাস্বরূপ আমাকে সম্প্রদান
কর। সত্যবাক্ একলব্য দ্রোণের বাক্য শ্রবণ করিয়া আপনার
প্রতিজ্ঞাপালনার্থে হৃষ্টমনে ও প্রসন্নবদনে দক্ষিণ হস্তের অঙ্গুষ্ঠ ছেদন
"<noinclude></noinclude>
plcdzez02plulh6r82oufhwdkjd1p5a
1980339
1980334
2026-06-26T10:47:53Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1980339
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৫|একলব্যের গুরুভক্তি।}}</noinclude>ঐ বিকৃতদর্শন পুরুষকে চিনিতে না পারিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, “হে বীরবর ! তুমি কে? কাহার পুত্র?” একলব্য প্রত্যুত্তর করিলেন, “আমি নিষাদাধিপতি হিরণ্যধনুর পুত্র, দ্রোণের শিষ্য, এই আশ্রমে একাকী ধনুর্ব্বেদ অনুশীলন করিতেছি।”
{{ফাঁক}}তখন পাণ্ডবেরা একলব্যের যথার্থ পরিচয় পাইয়া সত্বর রাজধানীতে প্রত্যাগমন করিয়া দ্রোণসন্নিধানে সেই অদ্ভুত বৃত্তান্ত আদ্যোপান্ত সমুদয় নিবেদন করিলেন। অৰ্জ্জুন বিনীতবচনে নির্জ্জনে দ্রোণকে কহিলেন “গুরো! আপনি অঙ্গীকার করিয়া ছিলেন যে, আমা অপেক্ষা আপনার কোন শিষ্যই উৎকষ্ট হইবে না, কিন্তু এক্ষণে তাহার অন্যথা দেখা যাইতেছে। নিষাদাধিপতির পুত্র মহাবল একলব্য আপনার এক শিষ্য। সে ধনুৰ্ব্বেদে আমা অপেক্ষাও সমধিক উৎকর্ষ লাভ করিয়াছে।” এই সংবাদ শ্রবণ করিয়া দ্রোণ ইহার বিশেষ কারণ কিছুই অনুধাবন করিতে না পারিয়া অৰ্জ্জুন-সমভিব্যাহারে বনমধ্যে প্রবেশ করিয়া দেখিলেন, জটাচীরধারী মলিনকলেবর নিষাদরাজকুমার একলব্য শরাসন আকর্ষণ করিয়া বারংবার বাণবর্ষণ করিতেছেন। তিনি দ্রোণকে সহসা সমাগত দেখিয়া তাঁহার প্রত্যাগমন ও পাদবন্দনপূর্ব্বক আপনাকে তাঁহার শিষ্য বলিয়া পরিচয় দিলেন এবং ভক্তিভরে পূজা করিয়া বসিতে আসন প্রদান করিলেন। তখন দ্রোণ কহিলেন, “হে বীর! তুমি যদি যথার্থ ই আমার শিষ্য হইয়া থাক, তবে দক্ষিণা প্রদান কর।” একলব্য প্রীতবাক্যে কহিলেন, “ভগবন্ ! গুরুকে তাদেয় কিছুই নাই, এক্ষণে কিরূপ দক্ষিণা আহরণ করিব, আজ্ঞা করুন।” তখন দ্রোণ কহিলেন, “হে বীর! যদি সম্মত হইয়া থাক, তবে দক্ষিণ হস্তের একটী অঙ্গুলি ছেদন করিয়া দক্ষিণাস্বরূপ আমাকে সম্প্রদান কর।” সত্যবাক্ একলব্য দ্রোণের বাক্য শ্রবণ করিয়া আপনার প্রতিজ্ঞাপালনার্থে হৃষ্টমনে ও প্রসন্নবদনে দক্ষিণ হস্তের অঙ্গুষ্ঠ ছেদন<noinclude></noinclude>
qdzxzzkckurybthisgt6q0xj2p4qgev
পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৪১
104
882146
1980335
2026-06-26T10:23:26Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "করিয়া অসঙ্কুচিতচিত্তে তৎক্ষণাৎ গুরুদক্ষিণা প্রদান করিলেন। তৎপরে অপর অঙ্গুলিদ্বারা শরক্ষেপ করিয়া দেখিলেন, পূর্ব্বাপেক্ষা শরের পঘুতার হ্রাস হইয়াছে। {{ফাঁক}}ধন্য একল..." দিয়ে পাতা তৈরি
1980335
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|২৬|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>করিয়া অসঙ্কুচিতচিত্তে তৎক্ষণাৎ গুরুদক্ষিণা প্রদান করিলেন। তৎপরে
অপর অঙ্গুলিদ্বারা শরক্ষেপ করিয়া দেখিলেন, পূর্ব্বাপেক্ষা শরের
পঘুতার হ্রাস হইয়াছে।
{{ফাঁক}}ধন্য একলব্য! ধন্য তোমার গুরুভক্তি! তুমি নিষাদ কুলসম্ভূত
হইয়াও অলৌকিক গুরুভক্তি প্রদর্শনপূর্ব্বক আভিজাত্যগৰ্ব্বিত গুরু
দ্রোণের নির্ঘুমতা স্পষ্টাক্ষরে প্রতিপন্ন করিয়া মহীয়সী কীৰ্ত্তি লাভ
করিয়াছ। তোমার গুরুভক্তি উপমন্যু<ref></ref> ও আরুণির<ref></ref> অপেক্ষা কোন
অংশেই ন্যূন নহে ৷
.
(১) উপমন্যু – আরে দধৌম্য ঋষিয়: শিষ্য। ঋষি ইহাকে স্বীয় গাভীগুলিয়
রক্ষণাবেক্ষণে নিযুক্ত করেন। ক্ষুধার্ত্ত শিষ্য ভিক্ষালব্ধ:তভুল দ্বারা প্রাণ ধারণ করিতেন।
তাহা শুনিয়া গুরু তাঁহাকে নিষেধ করেন। তখন শিষ্য গোদুগ্ধ পান করিয়া ক্ষুধা নিবৃত্তি
ক্ষরিতে লাগিলেন। কিন্তু গুরু তাots নিষেধ করায়, অগত্যা গোবৎসগণের মুখ--
নিঃসৃত ফেন পান করিয়া ক্ষুধার শাস্তি করিতেন গুরু উহা পান করিতে বারণ করায়,
উপমন্যু ক্ষুধাতৃষ্ণায় কাতর হইয়। প্রত্যহ অর্কপত্র ভক্ষণ করিতেন এবং তজ্জন্য তাহার।
চক্ষুদোষ জন্মে। এইরূপে বনমধ্যে ভ্রমণকালে দৈবাৎ একদিন কূপমধ্যে পতিত হন।
এদিকে উপাধ্যায় সায়ংকালে শিষ্যের কোন উদ্দেশ না পাইয়া অন্বেষণ করিতে : বহির্গত
তখন গুরু
হন এবং শিষ্যকে কূপমধ্যে পতিত দেখিয়া তাঁহার মনে দয়ার উদ্রেক হইল ।
তাঁহার চক্ষুদোষ অপনীত করিয়া দিয়া কহিলেন, "বস। তোমার সংযম ও গুরুভক্তি
ঘর্শনে মুগ্ধ হইলাম । তুমি আমার বরে সর্ব্বশাস্ত্রে সুপণ্ডিত হইবে।”
(২) আরুণি – আয়োদধৌম্য ঋষির অন্যতম শিষ্য। গুরুর আদেশক্রমে ইনি একদা
ক্ষেত্রের আলিবন্ধনে নিযুক্ত হইয়াছিলেন। বহু আয়াস সত্ত্বেও আলিনিৰ্ম্মাণে বিফল -
প্রযত্ন হইয়া জলনির্গম নিবারণার্থে অগত্যা তথায় শয়ন করেন। অনন্তর উপাধ্যায়
আলিনিৰ্মাণকাৰ্য্য পৰ্য্যবেক্ষণার্থ সশিষ্য ক্ষেত্রসমীপে সমাগত হইয়া উচ্চৈঃস্বরে আরুণিকে
আহ্বান করিলেন। শ্রবণমাত্র আরুণি ক্ষেত্র হইতে গাত্রোত্থান করিলেন এবং গুরুর
সমীপে উপস্থিত হইয়া সমস্ত বৃত্তাস্ত নিবেদন করিলেন। ঋষিবর ঐ অদ্ভুত ব্যাপার শ্রবণে
সাতিশয় প্রীত হইয়া সর্ব্বস্তিঃকরণে শিষ্যকে আশীর্ব্বাহ করিলেন। তদবধি আরুণি
"উদ্দালক” নামে অভিহিত হইলেন ।<noinclude>{{rule}}</noinclude>
l10i03qtz3exrh85y19qixdwjkiqf27
1980336
1980335
2026-06-26T10:34:32Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1980336
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৬|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>করিয়া অসঙ্কুচিতচিত্তে তৎক্ষণাৎ গুরুদক্ষিণা প্রদান করিলেন। তৎপরে অপর অঙ্গুলিদ্বারা শরক্ষেপ করিয়া দেখিলেন, পূর্ব্বাপেক্ষা শরের লঘুতার হ্রাস হইয়াছে।
{{ফাঁক}}ধন্য একলব্য! ধন্য তোমার গুরুভক্তি! তুমি নিষাদ কুলসম্ভূত হইয়াও অলৌকিক গুরুভক্তি প্রদর্শনপূর্ব্বক আভিজাত্যগৰ্ব্বিত গুরু দ্রোণের নির্ম্মমতা স্পষ্টাক্ষরে প্রতিপন্ন করিয়া মহীয়সী কীৰ্ত্তি লাভ করিয়াছ। তোমার গুরুভক্তি উপমন্যু<ref>উপমন্যু—আয়োদধৌম্য ঋষির শিষ্য। ঋষি ইঁহাকে স্বীয় গাভীগুলির রক্ষণাবেক্ষণে নিযুক্ত করেন। ক্ষুধার্ত্ত শিষ্য ভিক্ষালব্ধঃ তণ্ডুল দ্বারা প্রাণ ধারণ করিতেন। তাহা শুনিয়া গুরু তাঁহাকে নিষেধ করেন। তখন শিষ্য গোদুগ্ধ পান করিয়া ক্ষুধা নিবৃত্তি ক্ষরিতে লাগিলেন। কিন্তু গুরু তাহাও নিষেধ করায়, অগত্যা গোবৎসগণের মুখ-নিঃসৃত ফেন পান করিয়া ক্ষুধার শান্তি করিতেন। গুরু উহা পান করিতে বারণ করায়, উপমন্যু ক্ষুধাতৃষ্ণায় কাতর হইয়া প্রত্যহ অর্কপত্র ভক্ষণ করিতেন এবং তজ্জন্য তাহার চক্ষুদোষ জন্মে। এইরূপে বনমধ্যে ভ্রমণকালে দৈবাৎ একদিন কূপমধ্যে পতিত হন। এদিকে উপাধ্যায় সায়ংকালে শিষ্যের কোন উদ্দেশ না পাইয়া অন্বেষণ করিতে বহির্গত হন এবং শিষ্যকে কূপমধ্যে পতিত দেখিয়া তাঁহার মনে দয়ার উদ্রেক হইল। তখন গুরু তাঁহার চক্ষুদোষ অপনীত করিয়া দিয়া কহিলেন, "বৎস। তোমার সংযম ও গুরুভক্তি দর্শনে মুগ্ধ হইলাম। তুমি আমার বরে সর্ব্বশাস্ত্রে সুপণ্ডিত হইবে।”</ref> ও আরুণির<ref>আরুণি—আয়োদধৌম্য ঋষির অন্যতম শিষ্য। গুরুর আদেশক্রমে ইনি একদা ক্ষেত্রের আলিবন্ধনে নিযুক্ত হইয়াছিলেন। বহু আয়াস সত্ত্বেও আলিনিৰ্ম্মাণে বিফল প্রযত্ন হইয়া জলনির্গম নিবারণার্থে অগত্যা তথায় শয়ন করেন। অনন্তর উপাধ্যায় আলিনিৰ্ম্মাণকাৰ্য্য পৰ্য্যবেক্ষণার্থ সশিষ্য ক্ষেত্রসমীপে সমাগত হইয়া উচ্চৈঃস্বরে আরুণিকে আহ্বান করিলেন। শ্রবণমাত্র আরুণি ক্ষেত্র হইতে গাত্রোত্থান করিলেন এবং গুরুর সমীপে উপস্থিত হইয়া সমস্ত বৃত্তান্ত নিবেদন করিলেন। ঋষিবর ঐ অদ্ভুত ব্যাপার শ্রবণে সাতিশয় প্রীত হইয়া সর্ব্বান্তকরণে শিষ্যকে আশীর্ব্বাহ করিলেন। তদবধি আরুণি "উদ্দালক” নামে অভিহিত হইলেন।</ref> অপেক্ষা কোন অংশেই ন্যূন নহে।<noinclude>{{rule}}</noinclude>
4dtuxecz61v1x01yzsjktqp86jjpt43
মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড)/প্রথম পরিচ্ছেদ/একলব্যের গুরুভক্তি
0
882147
1980340
2026-06-26T10:48:57Z
BabulB
2144
"<pages index="মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf" from=39 to=41 header=1/> {{ppb}} {{smallrefs|85%}}" দিয়ে পাতা তৈরি
1980340
wikitext
text/x-wiki
<pages index="মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf" from=39 to=41 header=1/>
{{ppb}}
{{smallrefs|85%}}
j0qcnpv4n786y18rgsu4u85xr6rrr5h
পাতা:শুম্ভ-সংহার - প্রমথনাথ মিত্র (১৮৮৬).pdf/৮
104
882148
1980342
2026-06-26T11:26:07Z
Integrity2020
13357
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "<poem>তিলেক থাকিতে নারি বিনা দরশন, যেখানে সেখানে থাকি, আমার অন্তর ও রাঙ্গা চরণ ধ্যান করে অনুক্ষণ ৷ নারদ।—প্রণমি, জননি, আমি ও পদ-সরোজে ;- কৃপাদৃষ্টি রেখ' মাতঃ অভাগা সন্তানে, অচলা ভ..." দিয়ে পাতা তৈরি
1980342
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Integrity2020" />{{rvh|২|শুম্ভ-সংহার।|}}{{bc/s}}</noinclude><poem>তিলেক থাকিতে নারি বিনা দরশন,
যেখানে সেখানে থাকি, আমার অন্তর
ও রাঙ্গা চরণ ধ্যান করে অনুক্ষণ ৷
নারদ।—প্রণমি, জননি, আমি ও পদ-সরোজে ;-
কৃপাদৃষ্টি রেখ' মাতঃ অভাগা সন্তানে,
অচলা ভকতি যেন অন্তরে বিরাজে,
সদা যেন সুখে থাকি হরি-গুণ-গানে ।
বহু দিন স্বর্গ-ছাড়া তুমি, গো জননি,
কাঁদে এ ত্রিদিব-পুরী না হেরে তোমারে ;
দোর্দণ্ড-প্রতাপ সেই দৈত্য-কুল-মণি,
রাখিয়াছে তোমারে মা হৈম কারাগারে ।
হের, মাতঃ ত্রিদিবাম্বে! ত্রিদিব-দুর্গতি,
দৈত্যদল শাসিতেছে অমর-নিকরে ;
লাজে নতশিরা যম, অগ্নি, শচীপতি ;
নিস্তেজ সতেজতনু হের প্রভাকরে ।
বড় ভাগ্যবান্ সেই দৈত্য-কুলেশ্বর,
চঞ্চলা অচলা আজি তাহারি আগারে,
কমলার কৃপাদৃষ্টি দৈত্যের উপর,
উৎপীড়িতে চিরাশ্রিত যতেক অমরে ।
হতভাগ্য দেবগণে পালি’ছ, জননি,
করিতে কি দৈত্যদলচির-ক্রীতদাস ?
কেন বা অমরগণ অমর না জানি,—
অমরত্ব অমরের করে সর্ব্বনাশ !
{{float left|লক্ষ্মী।}}—বৃথায়, নারদ, তুমি দাও এ গঞ্জনা,</poem><noinclude>{{bc/e}}</noinclude>
llf21xpw4jky5ke2nhpa5d921oxitw1