উইকিসংকলন
bnwikisource
https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%A8:%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.9
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিসংকলন
উইকিসংকলন আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
লেখক
লেখক আলাপ
নির্ঘণ্ট
নির্ঘণ্ট আলাপ
পাতা
পাতা আলাপ
প্রবেশদ্বার
প্রবেশদ্বার আলাপ
প্রকাশক
প্রকাশক আলোচনা
রচনা
রচনা আলাপ
অনুবাদ
অনুবাদ আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
টেমপ্লেট:PAGES NOT PROOFREAD
10
9620
1988498
1988397
2026-07-05T07:02:31Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1988498
wikitext
text/x-wiki
449916
d1df2zifil25y7cw3x44jt1jgyuikel
টেমপ্লেট:ALL PAGES
10
9621
1988499
1988398
2026-07-05T07:02:41Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1988499
wikitext
text/x-wiki
562693
2343dk9dlb7emyqqu7dstbqztl4yq5q
টেমপ্লেট:PR TEXTS
10
9622
1988500
1988399
2026-07-05T07:02:51Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1988500
wikitext
text/x-wiki
19604
oaqqfmg5hn5t67aswzcr1wliws729p6
টেমপ্লেট:ALL TEXTS
10
9623
1988501
1988400
2026-07-05T07:03:01Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1988501
wikitext
text/x-wiki
19604
oaqqfmg5hn5t67aswzcr1wliws729p6
নির্ঘণ্ট:মায়া-মৃগ - কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf
102
735539
1988487
1929260
2026-07-04T17:23:45Z
Bodhisattwa
2549
1988487
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q110548948
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=C
|Pages=<pagelist 1="প্রচ্ছদ" 2="প্রকাশক" 3="উৎসর্গ" 4="—" 5to6="ভূমিকা" 7=পাত্র 8=সংশোধন 9="1" 119to125="—" />
|Volumes=
|Remarks={{AuxTOC|
{{c|{{xx-larger|'''সূচীপত্র'''}}}}
{{Table| title=[[মায়া-মৃগ (কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়)/প্রস্তাবনা|প্রস্তাবনা]]| page=[[পাতা:মায়া-মৃগ - কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৯|১]]}}
{{Table| title=[[মায়া-মৃগ (কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়)/প্রথম দৃশ্য|প্রথম দৃশ্য]]| page=[[পাতা:মায়া-মৃগ - কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১৭|৯]]}}
{{Table| title=[[মায়া-মৃগ (কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়)/দ্বিতীয় দৃশ্য|দ্বিতীয় দৃশ্য]]| page=[[পাতা:মায়া-মৃগ - কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৩৩|২৫]]}}
{{Table| title=[[মায়া-মৃগ (কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়)/তৃতীয় দৃশ্য|তৃতীয় দৃশ্য]]| page=[[পাতা:মায়া-মৃগ - কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৪৭|৩৯]]}}
{{Table| title=[[মায়া-মৃগ (কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়)/চতুর্থ দৃশ্য|চতুর্থ দৃশ্য]]| page=[[পাতা:মায়া-মৃগ - কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৫৭|৪৯]]}}
{{Table| title=[[মায়া-মৃগ (কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়)/পঞ্চম দৃশ্য|পঞ্চম দৃশ্য]]| page=[[পাতা:মায়া-মৃগ - কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৬৫|৫৭]]}}
{{Table| title=[[মায়া-মৃগ/ষষ্ঠ দৃশ্য|ষষ্ঠ দৃশ্য]]| page=[[পাতা:মায়া-মৃগ - কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৭৭|৬৯]]}}
{{Table| title=[[মায়া-মৃগ (কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়)/সপ্তম দৃশ্য|সপ্তম দৃশ্য]]| page=[[পাতা:মায়া-মৃগ - কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৮৪|৭৬]]}}
{{Table| title=[[মায়া-মৃগ (কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়)/অষ্টম দৃশ্য|অষ্টম দৃশ্য]]| page=[[পাতা:মায়া-মৃগ - কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৯৯|৯১]]}}
{{Table| title=[[মায়া-মৃগ (কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়)/নবম দৃশ্য|নবম দৃশ্য]]| page=[[পাতা:মায়া-মৃগ - কাশীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১০৮|১০০]]}}
}}
|Notes=
|Header=
|Footer=
}}
ihc99oc0m30if2px2pg6iqisrjec4tj
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৭৮
104
774434
1988451
1423990
2026-07-04T16:32:07Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988451
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh|৭৬|সীতার বনবাস।|}}</noinclude>সীতার সমক্ষে মধুর স্বরে আবৃত্তি করিয়া, তাঁহার শোকনিবৃত্তি করিতে লাগিল। একাদশ বর্ষে, মহর্ষি, তাহাদের উপনয়নসংস্কার সম্পন্ন করিয়া, বেদ পড়াইতে আরম্ভ করিলেন। বালকেরা সংবৎসর কালেই, সমগ্র বেদশাস্ত্রে সম্পূর্ণ অধিকারলাভ করিল।
{{ফাঁক}}কুশ ও লবের বয়ঃক্রম পূর্ণ দ্বাদশ বৎসর হইল; কিন্তু তাহারা, কে, এ পর্য্যন্ত তাহারা তাহার কিছুমাত্র জানিতে পারিল না। তাহারা ঋষিকুমার ও তাহাদের জননী ঋষিপত্নী, তাহাদের এই সংস্কার জন্মিয়াছিল। ফলতঃ, জানকী যে ভাবে তপোবনে কালযাপন করিতেন; তাঁহাকে দেখিলে, কেহ ঋষিপত্নী ব্যতীত আর কিছুই বোধ করিতে পারিত না; এবং তাহাদেরও দুই সহোদরের আচার ও অনুষ্ঠান নয়নগোচর করিলে, ঋষিকুমার ব্যতিরিক্ত অন্যবিধ বোধ জন্মিবার সম্ভাবনা ছিল না। তাহারা জানকীকে জননী বলিয়া জানিত; কিন্তু তিনি যে মিথিলাধিপতির তনয়া, অথবা কোশলাধিপতির মহিষী, তাহা জানিতে পারে নাই। বাল্মীকি, যত্নপূর্ব্বক, এই বিষয় তাহাদের বোধবিষয় হইতে সঙ্গোপিত করিয়া রাখিয়াছিলেন; এবং তপোবনবাসীদিগকে এরূপ সাবধান করিয়া দিয়াছিলেন যে, কেহ, ভ্রমক্রমেও, তাহাদের সমক্ষে, এ বিষয়ের প্রসঙ্গ করিত না; আর, সীতাকেও বিশেষ করিয়া বলিয়া দিয়াছিলেন যে, তিনিও<noinclude></noinclude>
cow9ir761tgi7p09gfv3jv6p7od08rk
চিত্র:রবীন্দ্র-রচনাবলী (সপ্তদশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf
6
791672
1988502
1775640
2026-07-05T09:10:21Z
Bodhisattwa
2549
Bodhisattwa [[চিত্র:রবীন্দ্র-রচনাবলী (সপ্তদশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf]]-এর একটি নতুন সংস্করণ আপলোড করেছেন
1775640
wikitext
text/x-wiki
{{Book
| Wikidata = Q109997380
}}
== লাইসেন্স প্রদান ==
{{PD-India}}
bltqnifugm4hlokrnuj954eo59i5qb0
পাতা:পথে-বিপথে - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৮).pdf/৫
104
853421
1988459
1893971
2026-07-04T16:55:56Z
Bodhisattwa
2549
1988459
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="S.Mukherjee24" /></noinclude>{{dhr|3em}}
{{কেন্দ্র|{{x-larger|পথে-বিপথে}}}}
{{custom rule|lo|283}}
{{কেন্দ্র|{{larger|মোহিনী}}}}
{{ফাঁক}}ফেরি-ষ্টীমারে অবিনের সঙ্গে অনেক বছরের পর দেখা হতেই সে আমাকে একেবারে একখানা ছবি দেখিয়ে বল্লে—“দেখতে পাচ্ছ?” তোমার-আমার মতো হলে প্রথম প্রশ্ন হতো— তুমি কে হে? বা তোমাকে তো চিন্লেম না! কিন্তু অবিন, সে কোনোদিনই আমাদের মতো সাধারণ-একটা-কিছু ছিল না; সুতরাং সে আমাকে না চিনলেও, সে যে অবিন, এটার প্রমাণ পেতে আমার একটুও দেরী হল না। ছবিটার সবটা দেখ্লেম অন্ধকার; কেবল নীচে একটা পিতলের ফলকে বড়-বড়-করে লেখা ছিল—“মোহিনী”। আমি সেইটে দেখিয়ে বল্লেম—“মোহিনী বুঝি?”
{{ফাঁক}}অবিন খানিকটা নিশ্বাস ফেলে বল্লে— “পেলে না। তবে শানো!”—বলেই আমাকে টেনে মাঝের বেঞ্চে বসালে। তখন শীতের সকাল; কুয়াশা ঠেলে জাহাজখানা খুব আস্তে-আস্তে জল—কেটে চলেছে। অবিন শুরু কল্লে—
{{nop}}<noinclude></noinclude>
5i5fuwtjw6o17r019sjs0z7oqn3ee7b
পাতা:পথে-বিপথে - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৮).pdf/৬
104
853422
1988460
1871883
2026-07-04T16:56:21Z
Bodhisattwa
2549
1988460
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="S.Mukherjee24" />{{বাম|পথে-বিপথে}}</noinclude>{{ফাঁক}}"কলকাতায় আমাদের বাসা-বাড়িখানা অনেক-দিনের। এখন সেটা আমাদের বসত-বাড়ি হয়েছে বটে, কিন্তু সেকালে কর্ত্তারা সে-বাসাটা কেবল গঙ্গাস্নান আর কালীঘাট করবার জন্যেই বানিয়ে ছিলেন। খুবই পুরোনো এই বাসাবাড়ির ঘরগুলো, ঝাড়লণ্ঠন কৌচ-কেদারা ওয়াটার-পেণ্টিং অয়েল-পেণ্টিং বড়-বড় আয়না এবং সোনার ঝালর-দেওয়া মখমলের ভারি ভারি পর্দা দিয়ে যতদূর সম্ভব জাঁকালো এবং মানুষের প্রতিদিন বসবাসের পক্ষে সম্পূর্ণ অনুপযোগী করে কর্ত্তারা সাজিয়ে গিয়েছিলেন। আমাকে সেকালের সেই ধূলোয় ভরা, পুরোনো মদের ছোপ্ধরা, সাবেকী আতরের গন্ধমাখানো এই সব ফারনিচার তখন কতক বিক্রি করে, কতক ঝেড়ে-ঝুড়ে মেরামত করে, আর কতক-বা একেবারে ফেলে দিয়ে বাড়িখানাকে একালের বসবাসের মতো করে নিতে হচ্ছিল। আমি এখনো যেমন, তখনো অবিবাহিত। সেই সময় একদিন এই ছবিটা আমার হাতে পড়ল। খানিকটা কালো-অন্ধকারের রং লেপা;—কেবলমাত্র দুটি সুন্দর চোখ—তাও অনেকক্ষণ ধরে ছবিটার দিকে চেয়ে থাকলে তবে দেখা যেত।”
{{ফাঁক}}জাহাজ এসে কাশীপুরের জেটিতে লাগল। একদল থার্ড ক্লাস যাত্রী মাড়োয়ারী নেমে গেল, এবং তার চেয়ে আরও বড় একদল কলের কুলী, মিলের চিনে-মিস্ত্রী উঠে এল। অবিন ডেকের এধার থেকে ওধারে একবার পায়চারি করে নিয়ে ফিরে এসে বল্লে—
{{ফাঁক}}“এই ছবিটা রাবিস্ বলে নিশ্চয়ই বৌবাজারে পুরোনো জিনিষের<noinclude>{{বাম|২}}</noinclude>
b7uipbcaznrahek9ttbxse6qdeqjcdo
পাতা:পথে-বিপথে - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৮).pdf/৬৮
104
853459
1988464
1858043
2026-07-04T16:59:18Z
Bodhisattwa
2549
1988464
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{বাম|পথে-বিপথে}}</noinclude><section begin="A" />সেই ফাঁক দিয়ে দেখা যাচ্ছে কুলীর দল পাটের বোঝা বে পিঁপড়ের মতো সার দিয়ে মালখানার দিকে চলেছে; আর একটা সোলার টুপি-মাথায় সাহেব ছড়ি-হাতে তদারক করে বেড়াচ্ছে।
{{rule|3em}}
<section end="A" />
<section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{xx-larger|'''শেমুষী'''}}}}
{{ফাঁক}}সেদিন মান্থ্লি-টিকিট রিনিউ করবার দিন; তার উপর সাগরযাত্রীর ভিড়; ষ্টীমার—ঘাটে বিষম গোলমাল লেগেছে। জাহাজ ছাড়তে বিলম্ব দেখে ব্রীজের ধারে ফুটপাতের উপর যেখানে অনেকগুলো নাগা সন্ন্যাসী ধূনী-জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছে সেইখানে অশথগাছের তলায় আমি একটু দাঁড়িয়েছি, এমন সময় রাস্তার ওপার থেকে অবিন টিকিট কিনে হন্হ—ন্ করে আমার কাছে ছুটে এসে বল্লে—“ওহে শোমুষী দেখবে তো এসো।”
{{ফাঁক}}লোকের ভিড়-ঠেলে জাহাজে উঠে দেখি ফার্স্ট ক্লাসে রোজ অবিন যেখানটায় বসে, সেইখানে একটা লোক;—চেহারাটা বেশ গম্ভীর, পরণে লুঙ্গী, গায়ে বেরালের লোমের একটা আলখাল্লা। আর তার মাথায় একটা অদ্ভুত টুপি—তেমন টুপি আমি কখনো দেখিনি—কতকটা টোপর, কতক পাগড়ী, কতকটা যেন বিলাতী ষ্ট্র-হ্যাট!
{{nop}}<section end="B" /><noinclude>{{বাম|৬৪}}</noinclude>
33tv2y94ynektdsaa21v1bpwkjeawwl
পাতা:পথে-বিপথে - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৮).pdf/৮৮
104
853514
1988461
1858304
2026-07-04T16:58:02Z
Bodhisattwa
2549
1988461
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{বাম|পথে-বিপথে}}</noinclude>যে-আড়িটা দিয়েছিল, চিরদিন সে-কথা আমার মনে থাকবে। এখন সে-কথা অবিন ভুলে গেছে; কিন্তু পক্ষীরাজ তার সেই যৌবনের দুঃসাহস বোধ হয় ভোলেনি; তাই হঠাৎ আজ তার স্থুল-শরীর কাশীপুরের ঘাট থেকে জাহাজে আমাদের দর্শন দিতে এসে উপস্থিত। গোছা-গোছা ময়ূরের পালক-হাতে সে লোকটা! কী অদ্ভুত যে দেখতে তাকে, তা আর কী বল্ব! ভণ্ডামির যত-রকম পালক হতে পারে সব-ক’টা দিয়ে সে আপনাকে সাজিয়েছে।
{{ফাঁক}}ছোট ছেলে পাখীর ছানা হাতে পেলে টিপে-টুপে পালক—ছিঁড়ে যেমন করে, অবিন ঠিক তেমনি এ-লোকটাকে ব্যতিব্যস্ত করে তুল্লে। অবিনের গায়ে তূলো-ভরা ছিটের কালো কোট। এ-লোকটাকে ময়ূর-পুচ্ছে বিচিত্র দেখে আমার কথামালার দাঁড়কাকের গল্পটা মনে পড়ল। আমার তুলনাটা ইংরিজিতে অবিনকে শুনিয়ে দিতেই সে-লোকটা আমার দিকে চেয়ে বলে উঠলো— “তোমার বন্ধুর কোটের নক্সাটা ভালো করে কি দেখা হয়েছে? ওটা যে আগাগোড়া ময়ূর-পালকে ভরা!”—বলেই লোকটা উত্তরপাড়ার ঘাটে লাফিয়ে পড়লো—গাঁজার বিকট গন্ধে জাহাজ ভরে দিয়ে। আমি অবিনের কোটের দিকে চেয়েই একেবারে ঘাড়হেঁট কল্লেম।
{{ফাঁক}}আকাশে একটা রাম-ধনুক ময়ূরের পালকের রং-ধরে দেখা দিয়েছে। আবার যখন মুখ—তুলে চাইলুম তখন সর্বপ্রথম ঐটেই আমার চোখে পড়লো। আমি অবিনকে সেটা দেখাবো বলে<noinclude>{{বাম|৮৪}}</noinclude>
h6ny55chswm3b398z7rukhhsq8v25mx
পাতা:পথে-বিপথে - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৮).pdf/৮৯
104
853515
1988469
1858305
2026-07-04T17:03:49Z
Bodhisattwa
2549
1988469
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{ডান|পর্-ঈ-তাউস্}}</noinclude>ডাক্তে গিয়ে দেখি অবিন সেখানে নেই। আশে-পাশে কোনো সহযাত্রী দেখলেম না। জাহাজের ডেক্ সমস্তটা খালি পড়ে আছে। তারি এককোণে আমাদের বায়া-তবলা-জোড়া পড়েছিল। হঠাৎ সে-দুটো দেখি, দুখানা কোরে পালকের ডানা বের কোরে পাথীর মতো উড়ে পালালো। সঙ্গে-সঙ্গে জাহাজের খালি বেঞ্চিগুলো একে-একে পালক গজিয়ে পক্ষীরাজের মতো লাফাতে লাফাতে ডেক্ময় ছুটোছুটি করতে-করতে একে-একে জলে ঝাঁপিয়ে পড়ে চম্পট দিলে।
{{ফাঁক}}আমাকে না-জানিয়ে বন্ধুরা সবাই হয় মাছের মতো, নয় পাথীর মতো পাখা না-গজিয়ে কেমন করে এই মাঝ—গঙ্গা থেকে সরে পড়লেন, বেঞ্চগুলো আর ডুগ্ডুগি দুটো কেন এমন অদ্ভুত কাণ্ড করতে লাগলো—একথা যেমন আমার মনে উদয় হয়েছে অমনি দেখি স্টীমারখানা দুপাশে দুটো প্রকাণ্ড ডানা ছড়িয়ে দিয়ে সোজা সেই আকাশ—জোড়া ময়ূর-পুচ্ছের মতো রামধনুকের ফাটকটার দিকে উঠে চল্লো।
{{ফাঁক}}জল ছেড়ে শূন্যে খানিক ওঠবার পর দেখছি অবিন উপরতলার সারেঙের কুট্রী থেকে উঁকি মেরে আমার দিকে চেয়ে হাস্ছে। তার পাশে সেই ময়ূরের পালক-ওয়ালা অদ্ভুত মানুষটা আমাদের! আমি এদের কোনো কথা বলেছিলেম কিনা মনে নেই, উত্তরে একটা খুব গম্ভীর গলায় শুনলেম—“পালকের যাদুঘরে চলেছি,— ময়ূর-পুচ্ছধারীদের সপ্তম স্বর্গে!”
{{nop}}<noinclude>{{ডান|৮৫}}</noinclude>
i1900k2bbbkte908q0swgj2fegm1i7o
1988474
1988469
2026-07-04T17:06:42Z
Bodhisattwa
2549
1988474
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{ডান|পর্-ঈ-তাউস্}}</noinclude>ডাক্তে গিয়ে দেখি অবিন সেখানে নেই। আশে-পাশে কোনো সহযাত্রী দেখলেম না। জাহাজের ডেক্ সমস্তটা খালি পড়ে আছে। তারি এককোণে আমাদের বায়া-তবলা-জোড়া পড়েছিল। হঠাৎ সে-দুটো দেখি, দুখানা কোরে পালকের ডানা বের কোরে পাথীর মতো উড়ে পালালো। সঙ্গে-সঙ্গে জাহাজের খালি বেঞ্চিগুলো একে-একে পালক গজিয়ে পক্ষীরাজের মতো লাফাতে লাফাতে ডেক্ময় ছুটোছুটি করতে-করতে একে-একে জলে ঝাঁপিয়ে পড়ে চম্পট দিলে।
{{ফাঁক}}আমাকে না-জানিয়ে বন্ধুরা সবাই হয় মাছের মতো, নয় পাথীর মতো পাখা না-গজিয়ে কেমন করে এই মাঝ—গঙ্গা থেকে সরে পড়লেন, বেঞ্চগুলো আর ডুগ্ডুগি দুটো কেন এমন অদ্ভুত কাণ্ড করতে লাগলো—একথা যেমন আমার মনে উদয় হয়েছে অমনি দেখি স্টীমারখানা দুপাশে দুটো প্রকাণ্ড ডানা ছড়িয়ে দিয়ে সোজা সেই আকাশ—জোড়া ময়ূর-পুচ্ছের মতো রামধনুকের ফাটকটার দিকে উঠে চল্লো।
{{ফাঁক}}জল ছেড়ে শূন্যে খানিক ওঠবার পর দেখছি অবিন উপরতলার সারেঙের কুট্রী থেকে উঁকি মেরে আমার দিকে চেয়ে হাস্ছে। তার পাশে সেই ময়ূরের পালক-ওয়ালা অদ্ভুত মানুষটা আমাদের! আমি এদের কোনো কথা বলেছিলেম কিনা মনে নেই, উত্তরে একটা খুব গম্ভীর গলায় শুনলেম—“পালকের যাদুঘরে চলেছি,—ময়ূর-পুচ্ছধারীদের সপ্তম স্বর্গে!”
{{nop}}<noinclude>{{ডান|৮৫}}</noinclude>
71flgimvycfdh0ra9jhm2atgmuuek9j
পাতা:পথে-বিপথে - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৮).pdf/৯১
104
853517
1988463
1860610
2026-07-04T16:58:33Z
Bodhisattwa
2549
1988463
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{ডান|পর্-ঈ-তাউস্}}</noinclude>তপোবনের শকুন্তলার মতো। আমি অবিনের গা টিপে বল্লেম—“ওহে, এরাই হচ্ছে পরী।”
{{ফাঁক}}পাণ্ডা একটু হেসে বল্লেন—“আজ্ঞে না। এরা হলো রামধনুকের প্রাণ। এরা আছে বলেই রামধনুকে রং আছে। পরী দেখতে চান্ তো ঐ দিকটায়—যে দিকটায় পালকের যাদুঘর—যেখানে পালকের দাম আছে।”—এই বলে তিনি দক্ষিণে— প্রায় দক্ষিণ-দুয়ারের কাছাকাছি একটা জায়গা দেখিয়ে বল্লেন—“ওই যে দেখছেন দুখানা ডানা বেঁধে হাত—দুটি বুকে রেখে, ওঁরা হলেন মানুষ, কেবল ডানার খাতিরে আমরা বলি ওঁদের এন্জেল্;—আরকোনা তফাৎ মানুষের সঙ্গে নেই। আর ঐ দেখুন গরুড়কে। শুধু ডানা নয়, পাখীর ঠোঁটটা পর্য্যন্ত মুখোস কোরে পোরে দাস্যরসের রাজসিংহাসন আপনার রামা-চাকরের হাত থেকে বেদখল করে নিয়ে বসে আছেন। ওই ঠোঁট আর ডানা বাদ দিলে উনি মানুষমাত্র। আর ওই দেখুন বৃন্দাবনের শুক-সারি। এঁদের রাজা গরুড় তবু প্রভুর সেবার জন্যে মানুষের হাত-দুখানা রেখেছেন; কিন্তু এই গরুড়ের চেলা—সেবাদাস সেবাদাসীগুলি নিজেদের টিয়াপাখীর খোলসে সম্পূর্ণ মুড়ে ফেলে আসলটাকে একেবারেই গোপন কোরে দিব্যি সুখে বিচরণ করছে। মানুষ যখন পালকের শিল্পে খুব বিচক্ষণ হয়ে ওঠেনি—অর্থাৎ তাদের গোঁজা পালক ও পাখ্না সহজেই লোকের কাছে ধরা পড়তো—এরা তখনকার জীবের আদর্শ। এ অংশটাকে যাদুঘরের পুরানো অংশ বলা যায়।<noinclude>{{ডান|৮৭}}</noinclude>
ei3ttylz2q9y51b78xl4ebtax128e9v
1988470
1988463
2026-07-04T17:04:34Z
Bodhisattwa
2549
1988470
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{ডান|পর্-ঈ-তাউস্}}</noinclude>তপোবনের শকুন্তলার মতো। আমি অবিনের গা টিপে বল্লেম—“ওহে, এরাই হচ্ছে পরী।”
{{ফাঁক}}পাণ্ডা একটু হেসে বল্লেন—“আজ্ঞে না। এরা হলো রামধনুকের প্রাণ। এরা আছে বলেই রামধনুকে রং আছে। পরী দেখতে চান্ তো ঐ দিকটায়—যে দিকটায় পালকের যাদুঘর—যেখানে পালকের দাম আছে।”—এই বলে তিনি দক্ষিণে— প্রায় দক্ষিণ-দুয়ারের কাছাকাছি একটা জায়গা দেখিয়ে বল্লেন—“ওই যে দেখছেন দুখানা ডানা বেঁধে হাত—দুটি বুকে রেখে, ওঁরা হলেন মানুষ, কেবল ডানার খাতিরে আমরা বলি ওঁদের এন্জেল্;—আরকোনা তফাৎ মানুষের সঙ্গে নেই। আর ঐ দেখুন গরুড়কে। শুধু ডানা নয়, পাখীর ঠোঁটটা পর্য্যন্ত মুখোস কোরে পোরে দাস্যরসের রাজসিংহাসন আপনার রামা-চাকরের হাত থেকে বেদখল করে নিয়ে বসে আছেন। ওই ঠোঁট আর ডানা বাদ দিলে উনি মানুষমাত্র। আর ওই দেখুন বৃন্দাবনের শুক-সারি। এঁদের রাজা গরুড় তবু প্রভুর সেবার জন্যে মানুষের হাত-দুখানা রেখেছেন; কিন্তু এই গরুড়ের চেলা—সেবাদাস সেবাদাসীগুলি নিজেদের টিয়াপাখীর খোলসে সম্পূর্ণ মুড়ে ফেলে আসলটাকে একেবারেই গোপন কোরে দিব্যি সুখে বিচরণ করছে। মানুষ যখন পালকের শিল্পে খুব বিচক্ষণ হয়ে ওঠেনি—অর্থাৎ তাদের গোঁজা পালক ও পাখ্না সহজেই লোকের কাছে ধরা পড়তো—এরা তখনকার জীবের আদর্শ। এ অংশটাকে যাদুঘরের পুরানো অংশ বলা যায়।
{{nop}}<noinclude>{{ডান|৮৭}}</noinclude>
9r75i0aqb9vr8tfrxrrm8iqd3lsquya
1988473
1988470
2026-07-04T17:05:58Z
Bodhisattwa
2549
1988473
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{ডান|পর্-ঈ-তাউস্}}</noinclude>তপোবনের শকুন্তলার মতো। আমি অবিনের গা টিপে বল্লেম—“ওহে, এরাই হচ্ছে পরী।”
{{ফাঁক}}পাণ্ডা একটু হেসে বল্লেন—“আজ্ঞে না। এরা হলো রামধনুকের প্রাণ। এরা আছে বলেই রামধনুকে রং আছে। পরী দেখতে চান্ তো ঐ দিকটায়—যে দিকটায় পালকের যাদুঘর—যেখানে পালকের দাম আছে।”—এই বলে তিনি দক্ষিণে— প্রায় দক্ষিণ-দুয়ারের কাছাকাছি একটা জায়গা দেখিয়ে বল্লেন—“ওই যে দেখছেন দুখানা ডানা বেঁধে হাত—দুটি বুকে রেখে, ওঁরা হলেন মানুষ, কেবল ডানার খাতিরে আমরা বলি ওঁদের এন্জেল্;—আরকোনা তফাৎ মানুষের সঙ্গে নেই। আর ঐ দেখুন গরুড়কে। শুধু ডানা নয়, পাখীর ঠোঁটটা পর্য্যন্ত মুখোস কোরে পোরে দাস্যরসের রাজসিংহাসন আপনার রামা-চাকরের হাত থেকে বেদখল করে নিয়ে বসে আছেন। ওই ঠোঁট আর ডানা বাদ দিলে উনি মানুষমাত্র। আর ওই দেখুন বৃন্দাবনের শুক-সারি। এঁদের রাজা গরুড় তবু প্রভুর সেবার জন্যে মানুষের হাত-দুখানা রেখেছেন; কিন্তু এই গরুড়ের চেলা—সেবাদাস সেবাদাসীগুলি নিজেদের টিয়াপাখীর খোলসে সম্পূর্ণ মুড়ে ফেলে আসলটাকে একেবারেই গোপন কোরে দিব্যি সুখে বিচরণ করছে। মানুষ যখন পালকের শিল্পে খুব বিচক্ষণ হয়ে ওঠেনি—অর্থাৎ তাদের গোঁজা পালক ও পাখ্না সহজেই লোকের কাছে ধরা পড়তো—এরা তখনকার জীবের আদর্শ। এ অংশটাকে যাদুঘরের পুরানো অংশ বলা যায়।<noinclude>{{ডান|৮৭}}</noinclude>
d0f47dpput14fzaiqhti168v835uk5j
পাতা:পথে-বিপথে - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৮).pdf/৯২
104
853518
1988471
1858308
2026-07-04T17:04:53Z
Bodhisattwa
2549
1988471
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{বাম|পথে-বিপথে}}</noinclude>এর পরেই ওদিকে ঐতিহাসিক যুগের জীবগুলো। ক্রুজেডারদের মতো পালক তারা কেবল মাথার ঝুঁটিতে রেখেছে, বাকি সমস্তদেহ লোহার সাঁজোয়া দিয়ে অনেকটা পার্থীর ধরণে নিজেদের সাজিয়েছে। এইসময় থেকে ডানার চাল উঠে গিয়ে পালকের ঝুঁটি বাহাদুর-লোকমাত্রেরই মধ্যে ফ্যাসন হয়ে উঠলো। টুপিতে, পাগড়ীতে, মুকুটে, ঘোড়ার মাথায় পালক-গোঁজার যুগ এটা! ময়ূরের পালক, বকের পালক, কাকের পালক, চিলের পালক, উটপাখী, ঘোড়াপাখী, সবার পুচ্ছ এরা বহন করেছে,—নিজেদের পুচ্ছ খসিয়ে রেখে। তার পর আধুনিক যুগের জীব দেখ। এখানে একদল শিরে-পুচ্ছ দেখা যায়; একদল দেখা যায় পালকের কলম-পেশা; আর-একদল সম্পূর্ণ পালক গোপন কোরে পালকধারীর রাজা হয়ে কেবল পালকের রং—গেরুয়া সাদা কালো ইত্যাদি গায়ে মেখে রাজত্ব করছে—কেউ আদালতে, কেউ বিদ্যালয়ে, কেউ ছাপাখানায়, কেউ ডাক্তারখানায়—প্রকাণ্ড পালকধারীদের কন্গ্রেসে কন্ফারন্সে স্ব-স্ব দেশে। এর পরে যে-যুগ আসবে তার সোনার ডিম পালকের গদীর উত্তাপে এখনো সিদ্ধ হচ্ছে। এই ডিম ফুটে যে বার হবে, তার পালক পিঁপড়ের পিঠের দুখানি ডানার মতো হঠাৎ গজাবে —এইরূপই পণ্ডিতরা বলেন। আর সেই অদ্ভুত জীবের জন্মদিনের ‘শোকোচ্ছ্বাস গাথা’ লেখবার জন্যে ময়ূরের ডানার গেরুয়া রঙের পালকের কলমটা কাণে গুঁজে যে আসবে তার স্মৃতিসভার বিজ্ঞাপন এখন হতে বিলি আরম্ভ হয়েছে দেখ।”
{{nop}}<noinclude>{{বাম|৮৮}}</noinclude>
00zs4qmahm6nig0602si8sfwufa98rz
পাতা:পথে-বিপথে - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৮).pdf/৯৩
104
853519
1988472
1858309
2026-07-04T17:05:10Z
Bodhisattwa
2549
1988472
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{ডান|পর্-ঈ-তাউস্}}</noinclude>{{ফাঁক}}বড়-বড় শিল, পালক, ধূলো-বালি মুঠো-মুঠো ঝুড়ি—ঝুড়ি আমাদের মাথায় মুখে-চোখে পড়ছে। রামধনুক আঁকড়ে আর থাকা চলে না। এরি মধ্যেই তার সাত—রং ফিকে হতে শুরু হয়েছে—সম্পূর্ণ গল্তে সাত-সেকেণ্ডও লাগবে না। এই ঝড়ের মুখে অবিন তার পালক-ছাপা কোটের বোতাম এঁটে, পাণ্ডাজী তাঁর ময়ূরপালকের চামর বাগিয়ে, উড়ে-পড়বার জোগাড় কচ্ছে দেখে আমি বল্লেম—“ওহে আমার উপায়? আমার ত পালক নেই। আছে মাত্র গায়ে এই কাশ্মীরের ‘পরীতোষ’ শাল। এর নাম পরী বটে কিন্তু এর পালক মোটেই নেই! একে নিয়ে তো ওড়া চলবে না?”
{{ফাঁক}}“খুব চলবে। ওকে বুঝি বলে পরীতোষ? ওর ফার্সি নাম হচ্ছে পর্-ঈ-তাউস্। ময়ূরের পেখমের গোড়াতে যে ছাই-রঙের নরম পালক লুকোনো থাকে, তাই দিয়ে এটা প্রস্তুত। বাদশারা তক্ততাউসে এই শালের বিছানা লাগাতেন; এখন আমরা গায়ে দিয়ে থাকি। ভয় নেই, উড়ে পড়।”
{{ফাঁক}}মাথা-থেকে-পা-পর্য্যন্ত শালখানা মুড়ি দিয়ে রামধনুকের মট্কা থেকে ঝুপ করে’ আবার যে-জাহাজ সেই-জাহাজেই নেমে পড়লেম। চোখ খুলে দেখলেম যেখানকার সেইখানেই আছি—পূর্ব্বের মতো শ্রীঅবনীন্দ্র। রামধনুক আর পক্ষীরাজের সঙ্গে অবিনটা পালিয়েছে।
{{nop}}
{{rule|3em}}<noinclude>{{ডান|৮৯}}</noinclude>
fm9nmpt3w2csy5vu8gdqrkdtkd3vgox
পাতা:পথে-বিপথে - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৮).pdf/৯৬
104
853522
1988475
1858312
2026-07-04T17:07:51Z
Bodhisattwa
2549
1988475
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{বাম|পথে-বিপথে}}</noinclude>বারে নৈমিষারণ্যের দিকে বেরিয়ে পড়লেন—“বিফল জনম, বিফল জীবন।”— একতারাতে এই গান গাইতে গাইতে। ঘোড়দৌড়ের ঘোড়াটা কিম্বা তার ডানার একটুক্রো কাগজও যদি তখন —যাক্ সে দুঃখের: কথায় আর কাজ নেই।
{{ফাঁক}}কাশীর দশাশ্বমেধের ঘাটে সবে ডুবটি দিয়ে উঠেছি, এমন সময় এক সন্ন্যাসী এসে হাত ধরে বল্লেন— “ব্যাস্ করো বেটা, চলো হর-দোয়ারমে কুম্ভকা অস্নান্ করেঙ্গে।” কি জানি সন্ন্যাসীঠাকুরের কি শক্তি ছিল, আমি জড়ভরতের মতো জল থেকে উঠে তাঁকে প্রণাম করে পায়ের ধূলো নিতে গিয়ে দেখি পায়ে ধূলো নেই! আমি তখনি বুঝলেন ঠিক— লোক পেয়েছি। একেবারে তাঁর পা জড়িয়ে বল্লেন—“ছলনা করছ ঠাকুর? এখান থেকে হরিদ্বার একদিন-এক-রাত্তিরের পথ; আর পাঁজিতে লিখছে আজ একটা-উনপঞ্চাশে হল কুম্ভ!” সন্ন্যাসী হেসে বল্লেন—“বেটা, কুম্ভকা অর্থ ক্যা আগে তো সমঝ লেও!”
{{ফাঁক}}ঘাট থেকে সন্ন্যাসীর আস্তানা-মণিকর্ণিকার শ্মশান— বেশীদূর হবে না; কিন্তু ঐটুকুর মধ্যে ঘটাকাশ যে অর্থে ভরা— পূর্ণকুম্ভর ঘড়ার মতো শুধু গঙ্গাজলে ভরা নয়—সেটা ঠাকুর যেন চোখে-আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিলেন। যিনি ঘটাকাশ এক-নিমেষে অর্থে ভরিয়ে দিতে পারেন, আকাশকুসুমের মতো দেখালেও ডার্বি খেলার ঘড়াভরা অর্থলাভের সদুপায় যে তাঁরি দ্বারা হতে পারবে— আর কারু দ্বারা নয়—এটা আমার বিশ্বাস হলো। আমি ভক্তি-<noinclude>{{বাম|৯২}}</noinclude>
3ze8i6fovtj9r11dzto883rwq9dgfka
পাতা:পথে-বিপথে - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৮).pdf/১০৬
104
853806
1988476
1859566
2026-07-04T17:08:23Z
Bodhisattwa
2549
1988476
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{বাম|পথে-বিপথে}}</noinclude>হ্যেজ্ নো বিজ্নেস টু ডাই হোয়েন্ বজেট প্রেসার ইজ গোয়িং অন্!” দেখো-দেখি, বাপ্ মরে, তাকে কিনা এই কথা! সেকালের সাহেব দু’একটা ভালোও ছিলো। টুনি—সে বড় মজার সাহেব ছিল। ধুতি পোরে সে কালীপূজোর যাত্রা শুনতে যেত। তার পাথী শিকারে ভারি সথ। সেটার এক রোগ ছিল এই যে পাখীটাকে মেরেই আগে তার ল্যাজটা কেটে নেবে! সেইজন্য তার নামই হয়ে গিয়েছিল ল্যাজকাটা-টুণ্টুনি। সে প্রথম আসে ১৮৩৫ সালে ফৌজের ডাক্তার হয়ে। তারপর মিউটিনির কিছুআগে একটা নীলকরের মেয়েকে বিয়ে কোরে কোন্ বড় মিলিটারি পোষ্টে বহাল হয়ে সাংহাই চলে যায়। সেইখেনে বসে লোকটা সাংহাই টু ইণ্ডিয়া একটা রেল খোলবার প্ল্যান হোম গর্ভমেণ্টকে পাঠায়। তখন চীনে মিস্ত্রী আসতো জাহাজে কোরে, আমরা দেখেছি।—ঐ বেণ্টিঙ্ক স্ট্রীটের দুধারে জুতোওয়ালা। সন্ধ্যাবেলা ছুরি—হাতে তারা ঘুরে বেড়াতো। যত সেলার আর চীনের আড্ডা ছিল ওই খানটায়! ব্যাটারা যে জুতো বানাতো বাপু, তেমন জুতো এখন পাওয়াই যায় না। ওই ‘আচীন্’—ওর অনেক দিনের দোকান। আমার জ্যাঠার মামাশ্বশুর—তিনি ওই দোকান থেকে জুতো নিতেন। সেকালে তাঁর মতো সৌখিন ছিলনা। ওই যেখানটায় এখন রিপন্ কালেজ হয়েছে, ওইটে ছিল তাঁর বৈঠকখানা। তাঁর বাগানে একটা সাদা চাঁপার গাছ ছিল; তাই থেকে ও-পাড়াটার নাম হয়েছিল চাঁপাতলা। শুনেছি সেই চাঁপাফুলে তাঁর<noinclude>{{বাম|১০২}}</noinclude>
ryilc0fiutns83dytdtjasbg7zy1dlz
পাতা:পথে-বিপথে - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৮).pdf/১৩৯
104
853887
1988477
1859709
2026-07-04T17:09:14Z
Bodhisattwa
2549
1988477
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{ডান|বিচরণ}}</noinclude>সাদা কাগজে এরি নকল নিচ্ছেন অমোদের এই মহিলা আর্টিষ্ট!
{{ফাঁক}}উপহাসকে সেদিন আর পুরু পাহাড়ী-চোগার মধ্যে ঢেকে রাখা গেলনা। সে একটা অকাল-বাদলের আকার ধোরে বাতাসে কুয়াসায় ও জলের ঝাপ্টায় চিত্র-কারিণীর রং, তুলি, কাগজপত্র উড়িয়ে নিয়ে, অবশেষে তাঁর অতি-আবশ্যকীয় রং-মেশাবার জল-পাত্রটি পর্য্যন্ত উল্টে দিয়ে, দুরন্ত একটা পাহাড়ী-ছাগলের পিছনে-পিছনে পলায়ন করলে একেবারে গিরিশৃঙ্গে।
{{ফাঁক}}এই দলের এক আর্টিস্টের কতকগুলো ছবি নিয়ে একটা লোক কোন্-একটা পাহাড়ে শিল্প প্রদর্শনী খুলেছে! যিনি কবি, যিনি কর্ম্মী তিনি ঐ নীল আকাশ-পটে আলো-অন্ধকারের টান্ দিয়ে ছবি সৃষ্টি করছেন; আর আমরা যারা কবিও নই, শিল্পীও নই, ঐ আসল ছবিগুলো দেখে একটা-একটা জাল দলিল প্রস্তুত কোরে নিজেদের নামের মোহরটা খুব বড়-কোরেই তাতে লাগিয়ে দিচ্ছি —নির্লজ্জভাবে।
{{ফাঁক}}মানুষ সে মানুষই, বিধাতা তো নয় যে তার সৃষ্টিটা বিধাতারই সমান কোরে তুলতে হবে? মানুষের শিল্প মানুষকে আগাগোড়া স্বীকার কোরে বিশহাত দশমুণ্ডু অথবা বিধাতার গড়া নরনারীমূর্ত্তির চেয়ে সুন্দর হয়ে যদি দেখা দেয় দিক্, তার মধ্যে প্রবঞ্চনার পাপ তো ফুটে ওঠে না! কিন্তু তুষার— পর্ব্বত না হয়েও যেটা তুষারের<noinclude>{{ডান|১৩৫}}</noinclude>
rgao9zeolxyo09oql2e580pavf65fo8
পাতা:পথে-বিপথে - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৮).pdf/১৪৭
104
853895
1988478
1859845
2026-07-04T17:09:52Z
Bodhisattwa
2549
1988478
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{ডান|বিচরণ}}</noinclude>ঐযে ভাঙা বাংলাটা ঐটেই যে এ-বাগান প্রথম বানিয়েছিল তার; ওদিকে আরো অনেকটা বাগান ছিল, বরফে ধ্বসিয়ে দিয়েছে; আমি ছোটবেলায় সেই বাগান দেখেছি। মালী যেদিক দেখালে সেদিকে তুষার-পর্ব্বত পর্য্যন্ত নির্ম্মল একটি শূন্যতা ছাড়া আর কিছুই নেই। এরি ধারটিতে সেই ভাঙা বাংলা; ভাঙনের গা-বেয়ে একটি গোলাপ-লতা ভাঙা ঘরখানার চালের উপর দিয়ে একেবারে তুষার-পর্ব্বতের দিকে ঢলে পড়েছে—ফুলের একটা উৎস! এর কাটায়-কাঁটায় ফুল, গাঁটে গাঁটে ফুল,—পর্ব্বতের শিখরে এ যেন একটা ফুলের স্বপ্ন! বসন্তের বুল্বুল্ নয়, তুষারের সাদা পাথী একে ডেকেছে— শূন্যতার ঐ ওপার থেকে!
{{***|4|4em}}
{{কেন্দ্র|{{x-larger|'''অবরোহণ'''}}}}
{{ফাঁক}}চলা-বলা সব বন্ধ কোরে যা-কিছু কুড়োবার কুড়িয়ে, যা-কিছু গুড়োবার গুড়িয়ে বসেছি। পাহাড়ের নীচে থেকে কুলীর সর্দার চীৎকার কোরে ডাক্ছে—‘ফাল্তো, ফাল্তো! হারেরে বেগার কুলী।’
{{কেন্দ্র|{{x-larger|'''সমাপ্ত'''}}}}<noinclude>{{ডান|১৪৩}}</noinclude>
ig8l8ohxywkum8e5o2eu4lrdix1waun
পাতা:পথে-বিপথে - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৮).pdf/৫৩
104
854155
1988465
1873441
2026-07-04T17:00:22Z
Bodhisattwa
2549
1988465
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{ডান|দোশালা}}</noinclude>মস্ত সেলাম-বাজি করে রবাবের সঙ্গে একটা কাবুলী গান আরম্ভ করলে
{{Block center|<poem>সুমিওসী পমঙ্গল সুমিওসী
পদম্কেনা পমঙ্গল সুমিওসী-ঈ-ঈ—</poem>}}
{{ফাঁক}}সুরও যেমন, কথাও তেমনি বিদ্ঘুটে! পমঙ্গল পমঙ্গল যেন মশার ঝাঁকের মতো কানের কাছে কেবলি ভন্ভন্ করছে আর মাঝে-মাঝে সুমিওসী সে-গুলোকে ফুঁ-দিয়ে উড়িয়ে দিচ্ছে। আশ্চর্য্য এই যে অবিন বেশ মশ্গুল হয়ে এই ভন্ভনানির মাঝে সুখে বসে রয়েছে। কানে কম্ফরটার এবং তার উপর সাতপুরু চাদর জড়িয়ে একটি রোগা ছেলে—এর কম্ফরটার ছাড়াবার জন্যে আমি তাকে রোজ ধমকাতে ছাড়িনে কিন্তু আজ তাকে দিব্য হাস্যমুখে সাম্নের বেঞ্চে বসে থাকতে দেখে আমার কি হিংসেই না হচ্ছিল! শ্রবণের দরজায় আগল টেনে ছোকরা আজ কি সুখেই আছে—সুর-বেসুর সবার থেকে দূরে! নিবিড় নীরবতার অন্দরে আপনাকে ডুবিয়ে রাখবার আমার প্রার্থনাটা বোধ হয় বিনা-তারের টেলিগ্রাফের মতো মা-গঙ্গার কাছে পৌঁছে থাকবে, তাই রবাবের সুরটা বালির ঘাটে পৌঁছবার কিছু আগেই একটা তার-কাটার শব্দের সঙ্গে-সঙ্গে বন্ধ হল—কাবুলী গানের মাথায় যেন বজ্রাঘাত করে। অমনি হুস্ করে একটা হাওয়ায় চারিদিক থেকে শোনা গেল—বস্! অবিন একটা মিলিটারিরকম সেলাম দিয়ে আগা—সাহেবকে বল্লে—“তাগা তো টুটা; অব্?” “অব্ শুনিয়ে”——বলেই আগা-সাহেব আরম্ভ<noinclude>{{ডান|৪৯}}</noinclude>
8rrzrlzpdk96qvvikafnk9a8dcgf4qx
1988467
1988465
2026-07-04T17:00:36Z
Bodhisattwa
2549
1988467
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{ডান|দোশালা}}</noinclude>মস্ত সেলাম-বাজি করে রবাবের সঙ্গে একটা কাবুলী গান আরম্ভ করলে
{{Block center|<poem>সুমিওসী পমঙ্গল সুমিওসী
পদম্কেনা পমঙ্গল সুমিওসী-ঈ-ঈ—</poem>}}
{{ফাঁক}}সুরও যেমন, কথাও তেমনি বিদ্ঘুটে! পমঙ্গল পমঙ্গল যেন মশার ঝাঁকের মতো কানের কাছে কেবলি ভন্ভন্ করছে আর মাঝে-মাঝে সুমিওসী সে-গুলোকে ফুঁ-দিয়ে উড়িয়ে দিচ্ছে। আশ্চর্য্য এই যে অবিন বেশ মশ্গুল হয়ে এই ভন্ভনানির মাঝে সুখে বসে রয়েছে। কানে কম্ফরটার এবং তার উপর সাতপুরু চাদর জড়িয়ে একটি রোগা ছেলে—এর কম্ফরটার ছাড়াবার জন্যে আমি তাকে রোজ ধমকাতে ছাড়িনে কিন্তু আজ তাকে দিব্য হাস্যমুখে সাম্নের বেঞ্চে বসে থাকতে দেখে আমার কি হিংসেই না হচ্ছিল! শ্রবণের দরজায় আগল টেনে ছোকরা আজ কি সুখেই আছে—সুর-বেসুর সবার থেকে দূরে! নিবিড় নীরবতার অন্দরে আপনাকে ডুবিয়ে রাখবার আমার প্রার্থনাটা বোধ হয় বিনা-তারের টেলিগ্রাফের মতো মা-গঙ্গার কাছে পৌঁছে থাকবে, তাই রবাবের সুরটা বালির ঘাটে পৌঁছবার কিছু আগেই একটা তার-কাটার শব্দের সঙ্গে-সঙ্গে বন্ধ হল—কাবুলী গানের মাথায় যেন বজ্রাঘাত করে। অমনি হুস্ করে একটা হাওয়ায় চারিদিক থেকে শোনা গেল—বস্! অবিন একটা মিলিটারিরকম সেলাম দিয়ে আগা—সাহেবকে বল্লে—“তাগা তো টুটা; অব্?” “অব্ শুনিয়ে”—বলেই আগা-সাহেব আরম্ভ<noinclude>{{ডান|৪৯}}</noinclude>
1t4hbyar82h2aeremevj4rx945oqkqy
পাতা:পথে-বিপথে - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৮).pdf/৫৪
104
854156
1988468
1860527
2026-07-04T17:00:56Z
Bodhisattwa
2549
1988468
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Majumdar Amit" />{{বাম|পথে-বিপথে}}</noinclude>কল্লেন পোস্ত উর্দ্ধ আর হিন্দি ভাষার খিচুড়ি;—একটা আজগুবি গাঁজাখুরি গল্প—সেই শালখানার আদ্যন্ত কাহিনী। গল্পটা খুব গুরুপাক করেই আগা—সাহেব আমাদের উপহার দিলেন—ভাষায় পেঁয়াজ রুসুন আর হিং তিনেরই বুক্নি দিয়ে। কিন্তু দুঃখের বিষয় অবিন গল্পটার খুব তারিফ করলেও আমি সেটা থেকে বড়—কিছু রস গ্রহণ করতে পারলেম না। মাথা তখনো আমার কাবুলীর সেই বেসুরো গান আর রবাবের ঝন্ঝনানিতে বিগড়ে ছিল; সুতরাং গল্পের সঙ্গে গল্পকর্ত্তাকেও জাহান্নামে পাঠাতে আমি কিছুমাত্র ইতস্ততঃ কল্পেম না; কিন্তু মনে মনে! কারণ কাবুলীমাত্রেরই যেটা চিরসহচর মোটা সেই লাঠি, তার সামনে মুখ-ফুটে কিছু বলা একেবারেই আমার মতবিরুদ্ধ।
{{ফাঁক}}সকালের গঙ্গার পরিস্কার পটথানির উপর হিজিবিজির মতো এই লোকটার গল্প আর গান! সেটা শেষ করে সে যখন কটা দাড়ির আড়াল থেকে বত্রিশপাটি দাঁত বের করে বল্লে—“বাবু, শাল দেও, অব্ হাম চলে।”—তখন অবিন খুসির সঙ্গে তাকে সত্যিই সে শালখানা দিয়ে দেয় দেখে আমি আর রাগ সামলাতে পারলুম না। ঝাঁ করে অবিনের হাত থেকে শালখানা টেনে নিম্নে বল্লেম —“তুমি কেমন হে! কার শাল তুমি কাকে দাও? কোথাকার একটা জোচ্চোর মিথ্যে বকর্-বকর্ করে ফাঁকি দিয়ে এই দামী শালটা নিয়ে যাবে, এ হতেই পারে না।”
{{ফাঁক}}অবিন আমার ব্যবহার দেখে একটু থতমত খেয়ে গেল।<noinclude>{{বাম|৫০}}</noinclude>
7z523dkdy3nyl65pip4pfrh5xr6js9g
নির্ঘণ্ট:ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf
102
881669
1988417
1988304
2026-07-04T13:24:48Z
Bodhisattwa
2549
1988417
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q140302931
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=7
|Progress=C
|Pages=<pagelist 1="মলাট" 2to12="—" 7="প্রচ্ছদ" 8="প্রকাশক" 9="ভূমিকা" 11to12="প্রমাণ-পঞ্জী" 13="1" 119to124="—" />
|Volumes=
|Remarks={{AuxTOC|
{{c|{{xx-larger|'''সূচীপত্র'''}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্|ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্]]| page={{pli|1|12}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/কমিউনিজ্ম্ কী?|কমিউনিজ্ম্ কী?]]| page={{pli|4|12}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/কমিউনিজ্মের ইতিহাস|কমিউনিজ্মের ইতিহাস]]| page={{pli|9|12}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/কমিউনিস্ট্ এশতেহার|কমিউনিস্ট্ এশতেহার]]| page={{pli|11|12}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/রাশিয়ায় কমিউনিজ্ম্|রাশিয়ায় কমিউনিজ্ম্]]| page={{pli|16|12}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/সোভিয়েট রাশিয়ার পরিচয়|সোভিয়েট রাশিয়ার পরিচয়]]| page={{pli|20|12}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/সোভিয়েট রাশিয়ার বৈশিষ্ট্য|সোভিয়েট রাশিয়ার বৈশিষ্ট্য]]| page={{pli|27|12}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/কমিউনিজ্মের স্বাভাবিকতা|কমিউনিজ্মের স্বাভাবিকতা]]| page={{pli|33|12}}}}
}}
|Notes={{RPL}}
|Header={{rvh|{{{pagenum}}}|ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্}}
|Footer=
}}
djgjgxjsp86g8hhkaqhta7kjb6dr61b
1988485
1988417
2026-07-04T17:20:43Z
Bodhisattwa
2549
1988485
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q140302931
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=7
|Progress=C
|Pages=<pagelist 1="মলাট" 2to12="—" 7="প্রচ্ছদ" 8="প্রকাশক" 9="ভূমিকা" 11to12="প্রমাণ-পঞ্জী" 13="1" 119to124="—" />
|Volumes=
|Remarks={{AuxTOC|
{{c|{{xx-larger|'''সূচীপত্র'''}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্|ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্]]| page={{pli|1|12}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/কমিউনিজ্ম্ কী?|কমিউনিজ্ম্ কী?]]| page={{pli|4|12}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/কমিউনিজ্মের ইতিহাস|কমিউনিজ্মের ইতিহাস]]| page={{pli|9|12}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/কমিউনিস্ট্ এশতেহার|কমিউনিস্ট্ এশতেহার]]| page={{pli|11|12}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/রাশিয়ায় কমিউনিজ্ম্|রাশিয়ায় কমিউনিজ্ম্]]| page={{pli|16|12}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/সোভিয়েট রাশিয়ার পরিচয়|সোভিয়েট রাশিয়ার পরিচয়]]| page={{pli|20|12}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/সোভিয়েট রাশিয়ার বৈশিষ্ট্য|সোভিয়েট রাশিয়ার বৈশিষ্ট্য]]| page={{pli|27|12}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/কমিউনিজ্মের স্বাভাবিকতা|কমিউনিজ্মের স্বাভাবিকতা]]| page={{pli|33|12}}}}
{{Table| title=[[ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/কমিউনিজ্মের দার্শনিকতা|কমিউনিজ্মের দার্শনিকতা]]| page={{pli|45|12}}}}
}}
|Notes={{RPL}}
|Header={{rvh|{{{pagenum}}}|ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্}}
|Footer=
}}
dp4tbidvby2v0au3w7b3rl8hp92bxcp
নির্ঘণ্ট:ইংরেজ ডাকাত (শেষ অংশ) - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায় (১৮৯৪).pdf
102
882127
1988484
1980282
2026-07-04T17:19:18Z
Bodhisattwa
2549
1988484
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q140356376
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=OCR
|Pages=<pagelist 1to2="প্রচ্ছদ" 3="প্রকাশক" 4="49" 60to62="বিজ্ঞাপন" />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{BL-TCIP}}
|Header=
|Footer=
}}
mdq552l1trrni0fx7z3xb8ea3d2278v
পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৫৭
104
882200
1988489
1987002
2026-07-05T04:28:49Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988489
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪২|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>করগ্রহণপূর্ব্বক রঙ্গ হইতে নিষ্ক্রান্ত হইলেন। এদিকে পাণ্ডবেরা দ্রোণ, কৃপ ও ভীষ্ম সমভিব্যাহারে রঙ্গভূমি পরিত্যাগ করিলেন। দর্শকগণমধ্যে কেহ অৰ্জ্জুনের, কেহ কর্ণের, কেহ দুর্য্যোধনের, কেহ ভীমসেনের পরাক্রমের প্রশংসা করিতে করিতে স্ব স্ব আলয়ে প্রস্থান করিলেন।
{{ফাঁক}}অনন্তর দ্রোণাচার্য্য রাজকুমারগণকে সমরকুশল অবলোকন করিয়া গুরুদক্ষিণা গ্রহণ করিবার বাসনা করিলেন। দ্রুপদের মর্ম্মান্তিক নিষ্ঠুর বাক্যে দগ্ধ হইয়া তিনি তাঁহাকে সমুচিত শিক্ষা দিবার মানসে যে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাপাশে বদ্ধ হইয়াছিলেন, তাহা স্মরণ করিয়া তিনি শিষ্যগণকে সম্মুখে আহ্বানপূর্ব্বক কহিলেন, “হে শিষ্যগণ! তোমরা পাঞ্চালরাজ দ্রুপদকে পরাজয় কয়িরা রণক্ষেত্র হইতে আনয়ন কর, ইহাই তোমাদিগের গুরুদক্ষিণাস্বরূপ হইবে।” শিষ্যগণ গুরুবাক্যে অঙ্গীকার করিয়া তৎক্ষণাৎ অস্ত্রশস্ত্র গ্রহণপূর্ব্বক আচার্য্য দ্রোণের সহিত রথারোহণে সত্বর রাজধানী হইতে বহির্গত হইলেন। অনতিবিলম্বে পাঞ্চালদেশে উপনীত হইয়া রাজধানী আক্রমণপূর্ব্বক সমরানল প্রজ্বালিত করিলেন। দুর্য্যোধন কর্ণ, যুযুৎসু, দুঃশাসন, বিকর্ণ, জলসন্ধ, সুলোচন প্রভৃতি রাজকুমারগণ 'আমিই অগ্রে যুদ্ধে প্রবৃত্ত হইব' বলিয়া আস্ফালন করিতে লাগিলেন এবং সদর্পে নগরীমধ্যে প্রবিষ্ট হইয়া রাজপুরী বিধ্বস্ত করিতে প্রবৃত্ত হইলেন। তখন পাঞ্চালরাজ দ্রুপদ সেই অসংখ্য সৈন্যসন্দর্শন ও তাহাদিগের তুমুল কলরব শ্রবণ করিয়া ভ্রাতৃগণসহ প্রাসাদ হইতে নির্গত হইলেন, এবং অবিলম্বে সুবর্ণময় বর্ম্ম পরিধান ও শুভ্রবর্ণ রথে আরোহণপূর্ব্বক যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ণ হইলেন।
{{ফাঁক}}ইতিমধ্যে মহাবীর অর্জ্জন রাজকুমারদিগের দর্পোদ্রেকদর্শনে দ্রোণাচার্য্যকে কহিলেন, “হে বিজেন্দ্র! কুমারগণ আত্মানুরূপ পরাক্রম প্রদর্শন করুন, পশ্চাৎ আমরা সাহস প্রকাশ করিব। আমার নিশ্চয় বোধ হইতেছে, ইহারা দ্রুপদরাজকে রণে পরাজিত করিতে পারিবেন<noinclude></noinclude>
7gbpqt5b87qgnuiw9099xojayny6xsk
পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৫৮
104
882201
1988490
1987003
2026-07-05T04:36:19Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988490
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪৩|দ্রোণের দৃঢ়প্রভিজ্ঞতা ও ক্ষমা।}}</noinclude>না।” এই বলিয়া অৰ্জ্জুন ভ্রাতৃগণের সহিত নগরীর বহির্ভাগে অর্দ্ধক্রোশ অন্তরে অবস্থান করিতে লাগিলেন। এ দিকে রাগ যজ্ঞসেন কৌরবদিগকে লক্ষ্য করিয়া চতুর্দ্দিকে আক্রমণ করিলেন এবং শরজাল বিকীর্ণ করিয়া কৌরবী সেনাকে মোহাবিষ্ট করিলেন। কৌরবগণ রথারোহণপূর্ব্বক যুদ্ধোদ্যত লঘুহস্ত একমাত্র দ্রুপদরাজকে ভয়প্রযুক্ত বহু বোধ করিতে লাগিলেন। তাঁহারা দ্রুপদের দুর্জ্জয় শরবর্ষণে জর্জ্জরিত হইয়া রণে ভঙ্গ দিয়া পলায়ন করিতে লাগিলেন। তৎপরে পৌরগণ, কৌরবদিগকে মুষল ও যষ্টি দ্বারা প্রহার করিতে আরম্ভ করিলেন। তখন পাণ্ডবেরা কর্ণসহ কৌরবগণের তাদৃশ পরাভব দর্শনে ক্রুদ্ধ হইয়া আচার্য্য দ্রোণকে অভিবাদনপূর্ব্বক রথে আরোহণ করিলেন। অৰ্জ্জুন যুধিষ্ঠিরকে যুদ্ধ করিতে নিষেধ করিয়া মাদ্রীসুত নকুল ও সহদেবকে চক্ররক্ষায় নিযুক্ত করিলেন। গদাধারী ভীমসেন সেনামুখে সঞ্চরণ করিতে করিতে পাঞ্চাল রাজের উচ্ছ্বলিত সৈন্যসাগরে অবগাহন করিয়া দণ্ডধারী কৃতান্তের ন্যায় পদাঘাতে কুঞ্জরবল চূর্ণ করিতে প্রবৃত্ত হইলেন। মহাবীর অর্জ্জুন দ্রোণাচার্য্যের প্রিয়কার্য্য-সম্পাদনার্থ শরজালে পাঞ্চাল ও সৃঞ্জয়দেশীয় বীরগণকে আচ্ছন্ন ও বিমুগ্ধ করিয়া অসংখ্য হস্তী, অশ্ব ও পদাতিগণকে সংহার করিতে লাগিলেন। তিনি এরূপ লঘুহস্তে উপর্যুপরি শরবর্ষণ করিতে লাগিলেন যে, বিপক্ষেরা তাঁহার গাত্রে আঘাত করিতে অসমর্থ হইলেন। তদ্দর্শনে দ্রুপদরাজ সত্যজিতের সহিত সত্বর অর্জ্জুনের প্রতি ধাবমান হইলেন। সত্যজিৎ দৃঢ়পরাক্রমে অর্জ্জুনের সহিত ক্ষণকাল যুদ্ধ করিয়া পরাস্ত হইলে, দ্রুপদরাজ প্রবলবেগে অর্জ্জুনের প্রতি বাণবর্ষণ করিতে লাগিলেন। অৰ্জ্জুনও দ্রুপদের সহিত ঘোরতর যুদ্ধে প্রবৃত্ত হইলেন। কিয়ৎকাল পরে অর্জ্জুন দ্রুপদের ধনুঃ ও ধ্বজা ছেদনপূর্ব্বক ভূতলে পাতিত করিয়া সুতীক্ষ্ণ পঞ্চ শরে তদীয় অশ্ব ও সারথিকে বিদ্ধ করি<noinclude></noinclude>
96sxupfel93y6slyx8e2bk8ubjbh70f
পাতা:মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf/৫৯
104
882202
1988491
1987004
2026-07-05T04:41:20Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988491
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৪৪|মহাভারতীয় নীতিকথা।}}</noinclude>-লেন। তৎপরে ধনুর্ব্বাণ পরিত্যাগ করিয়া করবাল ধারণপূর্ব্বক সিংহনাদ করিতে লাগিলেন এবং অকুতোভয়ে স্বীয় রথ হইতে লম্ফপ্রদানপূর্ব্বক দ্রুপদের রথে আরোহণ করিয়া তাঁহাকে আক্রমণ করিলেন। “ তদ্দর্শনে পাঞ্চালদেশীয় বীরপুরুষগণ ইতস্ততঃ পলায়ন করিতে লাগিলেন।
{{ফাঁক}}রাজকুমারগণ সব্যসাচীর হস্তে দ্রুপদকে বন্দীকৃত দেখিয়া সকলে সমবেত হইয়া দ্রুপদনগরী: মর্দন করিতে আরম্ভ করিলেন। তদ্দর্শনে অৰ্জ্জুন ভীমকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন, “আর্য্য! রাজসত্তম দ্রুপদ কুরুবীরদিগের আত্মীয়, তাঁহার সৈন্য সংহার না করিয়া গুরুদক্ষিণা প্রদানের চেষ্টা করুন।” মহাবল ভীমসেন এইরূপে নিবারিত হইয়া সৈন্যাবমৰ্দ্দ হইতে ক্ষান্ত হইলেন, কিন্তু উপস্থিত যুদ্ধে কিছুমাত্র তৃপ্তিলাভ করিতে পারিলেন না। পরিশেষে রাজকুমারগণ রণস্থল হইতে দ্রুপদরাজ ও তাঁহার সচিবকে গ্রহণ করিয়া আচার্য্য দ্রোণ-সন্নিধানে উপহার প্রদান করিলেন। দ্রোণাচার্য্য দ্রুপদরাজকে ভগ্নদর্প হৃতসর্ব্বস্ব ও বশতাপন্ন দেখিয়া পূর্ব্ববৈর স্মরণপূর্ব্বক কহিলেন, “হে দ্রুপদরাজ ! আমার আদেশানুসারে তোমার রাষ্ট্র ও নগরী বিমদিত এবং তোমার জীবনও বিপক্ষপক্ষের হস্তগত হইয়াছে। এক্ষণে তুমি সখ্যসহকারে কি বাসনা কর, বল, আমি তাহা সফল করিব।” এই কথা বলিয়া দ্রোণ হাস্যমুখে পুনর্ব্বার কহিলেন, “হে যজ্ঞসেন! তুমি প্রাণনাশের আশঙ্কা করিও না। আমরা ক্ষমাশীল ব্রাহ্মণ, বিশেষতঃ শৈশবাবস্থায় তোমার সহিত এক আশ্রমে ক্রীড়া করিয়াছিলাম। সেই জন্য তোমার প্রতি আমার প্রীতি সঞ্চারিত হইয়াছে। এক্ষণে তোমার সহিত পুনরায় সখ্যভাব সংস্থাপন করিবার বাসনা করি। তুমি পূর্ব্বে কহিয়াছিলে যে, যে ব্যক্তি রাজা নহে, সে রাজার সখা হইতে পারে না। এই জন্য তোমাকে পুনরায় রাজ্যার্দ্ধ প্রদান করিলাম।<noinclude></noinclude>
cxxc49kr5rc8s01ljjjisja2j0mckz5
চিত্র:কাশীখণ্ড (পুরাণ)-সীতানাথ বসু মল্লিক (১৮৮৪).pdf
6
882286
1988512
1987172
2026-07-05T10:16:21Z
Amit Paid Scan
21002
Amit Paid Scan [[চিত্র:কাশীখণ্ড (পুরাণ)-সীতানাথ বসু মল্লিক (১৮৮৪).pdf]]-এর একটি নতুন সংস্করণ আপলোড করেছেন
1987172
wikitext
text/x-wiki
== সারাংশ ==
{{Book= কাশীখণ্ড (পুরাণ)
|Author= সীতানাথ বসু মল্লিক
|Translator=
|Editor=
|Date= ১৮৮৪
}}
=={{int:license-header}}==
{{PD-India}}
irp86eaw9fn7hang8o3xjtuoshrpted
পাতা:ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf/৫৫
104
882452
1988479
1988394
2026-07-04T17:13:56Z
ROCKY
2687
1988479
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" />{{rvh|৪৩|কমিউনিজ্মের স্বাভাবিকতা}}</noinclude>{{কেন্দ্র|'''(৭)'''}}
{{ফাঁক}}যেরূপ চলিতেছে, সেইরূপই চলুক—এ নীতিও যুক্তিযুক্ত নয়। ইচ্ছা করিলেই সব সময়ে সব কাজ হয় না। যেরূপ চলিতেছে সেইরূপই চলুক, কিন্তু দুনিয়া আমি ইচ্ছা করিলাম যে সেভাবে চলে না। ঘটনাপ্রবাহ কাহারও কথা মানে না, সে তার নিজের পথ কাটিয়া চলে। কাজেই চুপ করিয়া বসিয়া থাকার নীতি গ্রহণযোগ্য নহে। সময় মত হস্তক্ষেপ করিতে পারিলে কোন ঘটনার মোড় ফিরাইয়া দেওয়া বরং সম্ভব, কিন্তু সুযোগ ছাড়িয়া দিলে স্বভাবের টানে ঘটনা প্রবাহ এমন জটিল আকার ধারণ করে যে, তখন আর কোন-কিছু করা সম্ভব হয় না। জগতের কোন জিনিসই একভাবে পড়িয়া থাকে না, একটা প্রতিক্রিয়া আরম্ভ হয়ই হয়। কাজেই চুপচাপ বসিয়া থাকিলেই যে ঝঞ্ঝাট এড়ান যায়, এমন নয়। ঘরের দাওয়ায় বিড়াল ঘুমাইতেছে দেখিয়া গৃহিনী যদি মনে করেন যে, ও যেমন আছে, তেমনি থাকিবে, একঘণ্টা পরেই আমি ফিরিয়া আসিব,—এই বলিয়া রান্নাঘরের দরজা খুলিয়া রাখিয়াই পাড়া বেড়াইতে যান, তবে তিনি পস্তাইবেন! এক ঘণ্টা পরে ফিরিয়া আসিয়া তিনি দেখিবেন, বিড়ালও ঘুমাইয়া নাই, রান্নাঘরের দুধটুকুও নাই!
{{কেন্দ্র|'''(৮)'''}}
{{ফাঁক}}উপরে যে সাতটী উপায়ের কথা আলোচনা করা হইল, আমরা দেখিলাম, তাহার একটাও সন্তোষজনক ভাবে ধনবণ্টন-সমস্যার সমাধান করিতে পারে না। একটীমাত্র উপায়ই এখন আমাদের বাকী আছে, সেটী হইতেছে সাম্যবাদ বা কমিউনিজম্। কমিউনিজম্ বলেঃ উপরের কোন নীতিই যখন পুরাপুরি ভাবে গ্রহণযোগ্য নয়, তখন ধন-সম্পদকে সকল মানুষের মধ্যে তুল্যরূপে বিভাগ করিয়া দেওয়াই উচিত। কোনরূপ তারতম্য করা যখন সম্ভবপর নয়, অথবা করিলেও যখন অবিচার দূর<noinclude></noinclude>
kl1qizc6q5u1tdjst3t4b624psnixb8
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৬৭
104
882454
1988406
2026-07-04T12:04:08Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988406
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|পঞ্চম পরিচ্ছেদ।}}}}
সীতাকে বনবাস দিয়া, রাম যার পর নাই অধৈর্য্য ও শোকাভিভূত হইলেন; এবং, আহার, বিহার, রাজকার্য্যপর্য্যালোচনা প্রভৃতি সমস্ত ব্যাপার একবারে বিসর্জন দিয়া, অন্যের প্রবেশপ্রতিষেধ পূর্ব্বক, একাকী, আপন বাসভবনে অবস্থিতি করিতে লাগিলেন। তিনি সীতাকে নিতান্ত পতিপ্রাণা ও একান্ত শুদ্ধচারিণী বলিয়া জানিতেন; এবং, পৃথিবীতে যত প্রিয় পদার্থ আছে, সর্ব্বাপেক্ষা তাঁহাকে অধিক ভাল বাসিতেন। বস্তুতঃ, উভয়ের এক মন, এক প্রাণ; কেবল, শরীর মাত্র বিভিন্ন ছিল। সীতা যেরূপ সাধুশীলা ও সরলান্তঃকরণা, রামও সর্ব্বাংশে তদনুরূপ ছিলেন; সীতা যেরূপ পতিপ্রাণা,; পতিহিতৈষিণী, পতিসুখে সুখিনী; রামও সেইরূপ সীতাগতপ্রাণ, সীতাহিতাকাঙ্ক্ষী ও সীতাসুখে সুখী ছিলেন। গৃহে রাজভোগে থাকিলে, তাঁহাদের যেরূপ সুখে সময় অতিবাহিত হইত; বনবাসে, পরস্পর সন্নিধান বশতঃ, বরং তদপেক্ষা অধিক সুখে কালযাপন হইয়াছিল। বনবাস হইতে বিনিবৃত্ত হইলে, তাঁহাদের পরস্পর প্রণয় ও অনুরাগ শত গুণে প্রগাঢ় হইয়া উঠে। উভয়েই উভয়কে, এক<noinclude></noinclude>
mjdydl2oei3eweykc0f7tilw7azbiem
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৬৮
104
882455
1988407
2026-07-04T12:06:45Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988407
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৬৬|সীতার বনবাস।}}</noinclude>মুহূর্ত্তের নিমিত্ত, নয়নের অন্তরাল করিতে পারিতেন না। রাম, কেবল লোকবিরাগসংগ্রহের ভয়ে সীতাকে নির্বাসিত করিয়াছিলেন; সুতরাং, সীতানির্বাসনশোক তাঁহার একান্ত অসহ্য হইয়া উঠিল।
{{ফাঁক}}রামের আন্তরিক অসুখের সীমা ছিল না। কেনই আমি রাজবংশে জন্মগ্রহণ করিয়াছিলাম; কেনই আমি বনবাস হইতে প্রতিনিবৃত্ত হইলাম; কেনই আমি পুনরায় রাজ্যের ভারগ্রহণ করিলাম; কেনই আমি দুর্মুখকে, পৌরগণের ও জানপদবর্গের অভিপ্রায়পরিজ্ঞানের নিমিত্ত, নিয়োজিত করিলাম; কেনই আমি লক্ষ্মণের উপদেশ অনুসারে না চলিলাম; কেনই আমি, নিতান্ত নৃশংস হইয়া, সীতারে বনবাস দিলাম; কেনই আমি, নিরতিশয় ক্লেশকর অকিঞ্চিৎকর রাজ্যভারবিসর্জন দিয়া, সীতার সমভিব্যাহারী না হইলাম; কি বলিয়া মনকে প্রবোধ দিব; কেমন করিয়া প্রাণধারণ করিব; প্রিয়ারে বনবাস দেওয়া অপেক্ষা, আমার আত্মঘাতী হওয়া সহস্র গুণে শ্রেয়ঃকল্প ছিল; ইত্যাদি প্রকারে, তিনি, অহোরাত্র, বিলাপ ও পরিতাপ করিতে লাগিলেন। দুঃসহ শোকানলে নিরন্তর জ্বলিত হইয়া, তাঁহার শরীর, অল্প দিনের মধ্যেই, অর্দ্ধাবশিষ্ট হইল।
{{ফাঁক}}তৃতীয় দিবস, মধ্যাহ্ন সময়ে, লক্ষ্মণ, নিতান্ত দীনভাবাপন্ন মনে, অযোধ্যায় প্রবেশ করিলেন; এবং, সর্ব্বাগ্রে রামচন্দ্রের<noinclude></noinclude>
6zr21ltp3r8ag2e2ltaogv4cwfhczum
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৬৯
104
882456
1988408
2026-07-04T12:10:38Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988408
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৬৭|পঞ্চম পরিচ্ছেদ।}}</noinclude>বাসভবনে গমন করিয়া, কৃতাঞ্জলিপুটে তাঁহার সম্মুখদেশে দণ্ডায়মান হইয়া, গলদশ্রু লোচনে, গদ্গদ বচনে নিবেদন করিলেন, আর্য্য, দুরাত্মা লক্ষ্মণ আপনকার আজ্ঞাপ্রতিপালন করিয়া আসিল। রাম, অবলোকন ও আকর্ণনমাত্র, হা প্রেয়সি! বলিয়া, মূর্চ্ছিত ও ভূতলে পতিত হইলেন। লক্ষ্মণ, একান্ত শোকভারাক্রান্ত হইয়াও, বহু যত্নে, তাঁহার চৈতন্যসম্পাদন করিলেন। তখন তিনি, কিয়ৎ ক্ষণ শূন্য নয়নে লক্ষ্মণের মুখনিরীক্ষণ করিয়া, হাহাকার ও অতিদীর্ঘনিশ্বাসভারপরিত্যাগ পূর্ব্বক, ভাই লক্ষ্মণ! তুমি জানকীরে কোথায় রাখিয়া আসিলে; আমি, তাঁহার বিরহে, কেমন করিয়া প্রাণধারণ করিব; আর যে যাতনা সহ্য হয় না; এই বলিয়া, লক্ষ্মণের গলায় ধরিয়া, উচ্চৈঃ স্বরে রোদন করিতে লাগিলেন। উভয়েই, অধৈর্য্য হইয়া, কিয়ৎ ক্ষণ বাষ্পবিসর্জন করিলেন। অনন্তর লক্ষ্মণ, অতি কষ্টে, স্বীয় শোকাবেগের সংবরণ করিয়া, রামের সান্ত্বনার চেষ্টা করিতে লাগিলেন। রাম, কিঞ্চিৎ শান্তচিত্ত হইয়া, লক্ষ্মণের মুখে সীতাবিলাপান্ত’ সমস্ত বৃত্তান্ত অবগত হইলেন। নয়নজলে বক্ষঃস্থল ভাসিয়া গেল; ঘন ঘন নিশ্বাস বহিতে লাগিল; কণ্ঠরোধ হইয়া, তিনি বাক্শক্তিরহিত হইয়া রহিলেন; এবং, পূর্ব্বাপর সমস্ত ব্যাপারের আলোচনা করিতে করিতে, দুঃসহ শোকভার আর সহ্য করিতে না পারিয়া, পুনরায় মূর্চ্ছিত হইলেন।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
kloqw4nwk0lusbktlj0bx64vd0pqyp6
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৭০
104
882457
1988409
2026-07-04T12:13:27Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988409
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৬৮|সীতার বনবাস।}}</noinclude>{{ফাঁক}}লক্ষ্মণ, পুনরায় পরম যত্নে, রামচন্দ্রের চৈতন্যসম্পাদন করিলেন; এবং, তাঁহার তাদৃশী দশা দেখিয়া, মনে মনে বিবেচনা করিতে লাগিলেন, আর্য্য যে দুস্তর শোকসাগরে পরিক্ষিপ্ত হইলেন, তাহাতে এ জন্মে আর সুস্থচিত্ত হইতে পারিবেন না। শোকাপনোদনের কোনও উপায় দেখিতেছি না। যাহা হউক, সান্ত্বনার চেষ্টা করা আবশ্যক। তিনি, এইরূপ আলোচনা করিয়া, বিনয়পূর্ণ প্রণয়গর্ভ বচনে বলিলেন, আর্য্য, শোকে ও মোহে এরূপ অভিভূত হওয়া, ভবাদৃশ মহানুভাবের পক্ষে, কদাচ উচিত নহে। আপনি সকলই বুঝিতে পারেন। যাদৃশ বিধিনির্বন্ধ ছিল, ঘটিয়াছে; নতুবা আপনি, অকারণে, অথবা সামান্য কারণে, আর্য্যাকে বিসর্জন দিবেন, ইহা কাহার মনে ছিল! বিবেচনা করিয়া দেখুন, সংসারে কিছুই চির দিনের জন্য নহে। বৃদ্ধি হইলেই ক্ষয় আছে; উন্নতি হইলেই পতন হয়; সংযোগ হইলেই বিয়োগ ঘটে; জীবন হইলেই মরণ হইয়া থাকে। এই চিরপরিচিত সাংসারিক নিয়মের, কোনও কালে, অন্যভাব দেখিতে পাওয়া যায় না। এই সমুদয়ের আলোচনা করিয়া, আপনকার শোকসংবরণ করা উচিত, বিশেষতঃ, আপনি সকল লোকের হিতানুশাসন কার্য্যের ভার গ্রহণ করিয়াছেন; সে জন্যও আপনকার শোকাভিভূত হওয়া বিধেয় নহে। প্রিয়বিয়োগ ও অপ্রিয়সংযোগ শোকের কারণ, তাহার সন্দেহ নাই; কিন্তু ভবাদৃশ মহানুভাবদিগের একান্ত<noinclude></noinclude>
3o80rh5y4fm6fraymhqgw5r6die53ar
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৭১
104
882458
1988410
2026-07-04T12:15:53Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988410
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৬৯|পঞ্চম পরিচ্ছেদ।}}</noinclude>শোকাভিভূত হওয়া কদাচ উচিত হয় না। প্রাকৃত লোকেই শোকে ও মোহে বিচেতন হইয়া থাকে। অতএব, ধৈর্য্য অবলম্বন করুন; এবং, অন্তঃকরণ হইতে অকিঞ্চিৎকর শোককে নিষ্কাশিত করিয়া, রাজকার্য্যে মনোনিবেশ করুন। আর, আপনকার ইহারও অনুধাবন করা আবশ্যক, আপনি, কেবল লোকবিরাগসংগ্রহের ভয়ে, আর্য্যারে নির্বাসিত করিয়াছেন। আর্য্যাকে গৃহে রাখিলে, প্রজালোকে বিরাগ প্রদর্শন করিবে, কেবল এই আশঙ্কায়, আপনি তাঁহাকে বনবাস দিয়াছেন। এক্ষণে, তাঁহার নিমিত্ত শোকাকুল হইলে, সে আশঙ্কার নিরাস হইতেছে না। সুতরাং, যে দোষের পরিহারমানসে, আপনি ঈদৃশ দুষ্কর কর্ম্ম করিলেন, সেই দোষ পূর্ব্ববৎ প্রবল রহিতেছে; আর্য্যার পরিত্যাগে কোনও ফলোদয় হইতেছে না। আর, ইহারও অনুধাবন করা আবশ্যক, আপনি যত দিন শোকাভিভূত থাকিবেন, রাজকার্য্যে মনোনিবেশ করিতে পারিবেন না। প্রজাপালনকার্য্য উপেক্ষিত হইলে, রাজধর্ম্মপ্রতিপালন হয় না। অতএব, সকল বিষয়ের সবিশেষ পর্য্যালোচনা করিয়া, ধৈর্য্য অবলম্বন করুন; আর অধিক শোক ও মনস্তাপ করা কোনও ক্রমেই শ্রেয়স্কর নহে। অতীত বিষয়ের অনুশোচনায় কালহরণ করা সদ্বিবেচনার কার্য্য নয়।
{{ফাঁক}}লক্ষ্মণ এই বলিয়া বিরত হইলে, রাম কিয়ৎ ক্ষণ মৌনাবলম্বন করিয়া রহিলেন; অনন্তর, সস্নেহ সম্ভাষণ পূর্ব্বক<noinclude></noinclude>
2ous67ud25trk23wp58pqvnc6nimqzq
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৭২
104
882459
1988411
2026-07-04T12:18:17Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988411
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৭০|সীতার বনবাস।}}</noinclude>বলিলেন, বৎস, তোমার উপদেশবাক্য শুনিয়া, আমার জ্ঞানোদয় হইল। তুমি যথার্থ বলিয়াছ, আমি, যে উদ্দেশে, জানকীরে বনবাস দিয়া, রাক্ষসের ন্যায়, নিরতিশয় নৃশংস আচরণ করিলাম; এক্ষণে তাঁহার জন্য শোকাকুল হইলে, তাহা বিফল হইয়া যায়। বিশেষতঃ, শোকের ধর্ম্মই এই, তাহাতে অভিভূত হইলে, উত্তরোত্তর বৃদ্ধিই প্রাপ্ত হইতে থাকে। শোকাভিভূত ব্যক্তি অভীষ্টলাভ করিতে পারে না, কেবল কর্ত্তব্য কর্ম্মে উপেক্ষা বশতঃ প্রত্যবায়গ্রস্ত হয়। অতএব, এই মুহূর্ত্ত অবধি, আমি শোকসংবরণে যত্নবান্ হইলাম। প্রতিজ্ঞা করিতেছি, আর আমি শোকে অভিভূত হইব না। প্রজালোকে, কোনও ক্রমে, আমায় শোকাভিভূত বোধ করিতে পারিবে না। অমাত্যদিগকে বল, কল্য অবধি, রীতিমত রাজকার্য্যপর্য্যালোচনায় প্রবৃত্ত হইব; তাঁহারা যেন, যথাকালে সমস্ত আয়োজন করিয়া, কার্য্যালয়ে উপস্থিত থাকেন।
{{ফাঁক}}এই বলিয়া, রামচন্দ্র, অবনত বদনে, কিয়ৎ ক্ষণ মৌনাবলম্বন করিয়া রহিলেন; অনন্তর, অশ্রুপূর্ণ লোচনে, আকুল বচনে বলিতে লাগিলেন, হায়! রাজত্ব কি বিষম অসুখের ও বিপদের আস্পদ! লোকে, কি সুখভোগের লোভে, রাজ্যাধিকারলাভের কামনা করে, কিছুই বুঝিতে পারিতেছি না। রাজ্যের ভার গ্রহণ করিয়া, আমায়, এ জন্মের মত, সকল সুখে জলাঞ্জলি দিতে হইল। যার পর নাই, নৃশংস<noinclude></noinclude>
e00lrhfudx3fl4ra3mb8s1j39uz2ny9
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৭৩
104
882460
1988412
2026-07-04T12:20:49Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988412
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৭১|পঞ্চম পরিচ্ছেদ।}}</noinclude>হইয়া, নিতান্ত নিরপরাধে, প্রিয়ারে বনবাস দিলাম। এক্ষণে, তাঁহার জন্য যে অশ্রুপাত করিব, তাহারও পথ নাই। রাজত্বলাভে এই ফল দর্শিয়াছে যে, আমাকে স্নেহ, দয়া, মমতা, ও ভদ্রতার বিসর্জ্জন দিতে হইল। উত্তরকালীন লোকেরা, নিতান্ত নৃশংস অথবা নিতান্ত অপদার্থ বলিয়া, আমায় গণনা ও কলঙ্কঘোষণা করিবে।
{{ফাঁক}}এইরূপ আক্ষেপ করিয়া, রাম, কিয়ৎ ক্ষণ পরে, লক্ষ্মণকে বিদায় দিলেন; এবং, ধৈর্য্যাবলম্বন ও শোকাবেগসংবরণ পূর্ব্বক, পর দিন প্রভাত অবধি, যথানিয়মে রাজকার্য্যপর্য্যালোচনায় প্রবৃত্ত হইলেন। এই রূপে, তিনি রাজকার্য্যপর্যবেক্ষণে মনোনিবেশ করিলেন বটে; এবং লোকেও, বাহ্য আকার দর্শনে, বোধ করিতে লাগিল, রামচন্দ্র বড় ধৈর্য্যশীল, অনায়াসেই দুঃসহ শোকের সংবরণ করিলেন। কিন্তু, তাঁহার কোমল অন্তঃকরণ নিরন্তর দুর্বিষহ শোকদহনে দগ্ধ হইতে লাগিল। নিতান্ত নিরপরাধে প্রিয়ারে বনবাস দিয়াছি, এই শোক ও ক্ষোভ, বিষদিগ্ধ শল্যের ন্যায়, তাঁহাকে সতত মর্ম্মবেদনা প্রদান করিতে লাগিল। কেবল লোকবিরাগসংগ্রহের ভয়ে, তিনি জানকীরে নির্বাসিত করেন; এক্ষণেও, কেবল সেই লোকবিরাগসংগ্রহের ভয়েই, বাহ্য আকারে শোকসংবরণ করিলেন। যৎকালে, তিনি, নৃপাসনে আসীন হইয়া, মুর্ত্তিমান্ ধর্ম্মের ন্যায়, স্থির চিত্তে রাজকার্য্যপর্য্যা-<noinclude></noinclude>
fgs9rtr6am8qt9xw7vmpu1wqr5d17wa
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৭৪
104
882461
1988413
2026-07-04T12:23:58Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988413
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৭২|সীতার বনবাস।}}</noinclude>লোচনা করিতেন, তখন তাঁহাকে দেখিয়া লোকে রোধ করিত, ভূমণ্ডলে তাঁহার তুল্য ধৈর্য্যশীল পুরুষ আর নাই। কিন্তু, রাজকার্য্য হইতে অবসৃত হইয়া, বিশ্রামভবনে প্রবেশ করিলেই, তিনি যৎপরোনাস্তি বিকলচিত্ত হইতেন। লক্ষ্মণ সদা সন্নিহিত থাকিতেন, এবং সান্ত্বনা করিবার নিমিত্ত অশেষবিধ প্রয়াস পাইতেন। কিন্তু, লক্ষ্মণের সান্ত্বনাবাক্যে, তাঁহার শোকানল প্রবল বেগে প্রজ্বলিত হইয়া উঠিত। ফলতঃ, তিনি, কেবল হাহাকার, বাষ্পমোচন, আত্মভর্ৎসন, ও সীতার গুণকীর্ত্তন করিয়া, বিশ্রামসময় অতিবাহিত করিতেন। এই রূপে দুর্নিবার সীতাবিবাসনশোকে একান্ত আক্রান্ত হইয়া, তিনি দিন দিন কৃশ, মলিন, দুর্বল, ও সর্ব্ব বিষয়ে নিতান্ত নিরুৎসাহ হইতে লাগিলেন। বস্তুতঃ, রাজকার্য্য ব্যতীত, আর কোনও বিষয়েই তাঁহার প্রবৃত্তি ও উৎসাহ রহিল না।
{{ফাঁক}}এ দিকে, কিয়ৎ দিন পরে, জানকী দুই যমল কুমার প্রসব করিলেন। মহর্ষি বাল্মীকি, যথাবিধানে জাতকর্ম্মপ্রভৃতি ক্রিয়াকলাপ সম্পন্ন করিয়া, জ্যেষ্ঠের নাম কুশ ও কনিষ্ঠের নাম নাম লব রাখিলেন। মুনিতনয়ারা, সীতার সন্তান প্রসব দর্শনে, যার পর নাই, হর্ষ প্রদর্শন করিতে লাগিলেন। সমস্ত আশ্রমে অতি মহান্ আনন্দকোলাহল হইতে লাগিল। সীতা, দুঃসহ প্রসববেদনায় অভিভূত হইয়া,<noinclude></noinclude>
pp6w2zcw5rzuflppzjyohck3kt38ung
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৭৫
104
882462
1988414
2026-07-04T12:26:52Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988414
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৭৩|পঞ্চম পরিচ্ছেদ।}}</noinclude>কিয়ৎ ক্ষণ অচেতনপ্রায় ছিলেন। তিনি অপেক্ষাকৃত সাচ্ছন্দ্যলাভ করিলে, মুনিতনয়ারা, উল্লসিত মনে, প্রীতিপূর্ণ বচনে বলিলেন, জানকি, আজ বড় আনন্দের দিন; সৌভাগ্যক্রমে, তুমি পরম সুন্দর কুমারযুগল প্রসব করিয়াছ। সীতা, শ্রবণমাত্র, অতিমাত্র প্রফুল্ল ও আহ্লাদসাগরে মগ্ন হইলেন; কিন্তু, কিয়ৎ ক্ষণ পরে, শোকভরে নিতান্ত অভিভূত হইয়া, অবিরল ধারায় অশ্রুবিসর্জন করিতে লাগিলেন। তদ্দর্শনে মুনিকন্যারা, সস্নেহ সম্ভাষণ সহকারে, জিজ্ঞাসা করিলেন, অয়ি জানকি, এমন আনন্দের সময় শোকাকুল হইলে কেন? বাষ্পভরে জানকীর কণ্ঠরোধ হইয়াছিল; এজন্য, তিনি কিয়ৎ ক্ষণ কোনও উত্তর করিতে পারিলেন না; অনন্তর, উচ্ছলিত শোকাবেগের কিঞ্চিৎ সংবরণ করিয়া, বলিলেন, অয়ি প্রিয়সখিগণ, তোমরা কি কিছুই জান না, যে আমি, এমন আনন্দের সময়, কি জন্য শোকাকুল হইলাম, জিজ্ঞাসা করিতেছ? পুত্ত্রপ্রসব করিলে, স্ত্রীলোকের আহ্লাদের একশেষ হয়, যথার্থ বটে; কিন্তু, কেমন অবস্থায়, আমার সেই আহ্লাদের সময় উপস্থিত হইয়াছে। আমার যে, এ জন্মের মত, সকল সুখ, সকল সাধ, সকল আহ্লাদ ফুরাইয়া গিয়াছে। যদি এই হতভাগ্যেরা আমার গর্ভে না থাকিত, তাহা হইলে, যে মুহূর্ত্তে লক্ষ্মণ পরিত্যাগবাক্য শুনাইলেন, সেই মুহূর্ত্তে আমি, জাহ্নবীজলে প্রবেশ করিয়া,<noinclude></noinclude>
6hk8r8pz0ovofg7ide8qidbqsltmhkb
পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/৬৬
104
882463
1988415
2026-07-04T12:39:42Z
JyotiPN
12378
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988415
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" /></noinclude>{{c|{{xx-larger|অষ্টম পরিচ্ছেদ।}}}}
{{custom rule|sp|50|tl|20|sp|50}}
{{c|{{larger|চোয়াড় সৈন্য।}}}}
{{ফাঁক}}চোয়াড়গণ সাধারণতঃ তীর, ধনুক, তরবারি ও বল্লম লইয়া যুদ্ধ করিত। বন্দুকের ব্যবহার ও তাহাদের নিকট অপরিজ্ঞাত ছিল না। পদস্থ সৈন্যগণ প্রাচীন প্রথায় নির্ম্মিত পলিতাদার বন্দুক লইয়া যুদ্ধ করিতে জানিত। সাধারণ সৈনিকের বন্দুক ক্রয় করিবার সামর্থ্য হইত না। বিষ্ণুপুরের ন্যায় এই সকল স্থানে কামান ব্যবহারের কোন চিহ্ন প্রাপ্ত হওয়া যায় না। কামানের ব্যবহার প্রচলিত থাকিলে রাজা বা সর্দ্দারগণের গড়ে তাহার কিছু না কিছু নিদর্শন প্রাপ্ত হওয়া যাইত, তৎপক্ষে সন্দেহ নাই। বিষ্ণুপুর রাজবংশের গৌরবসূর্য্য বহুকাল অস্তমিত হইয়াছে, কিন্তু অদ্যাপি বিষ্ণুপুরের গড়ে স্থানে স্থানে কামানের ভগ্নাবিশিষ্ট অংশ দেখিতে পাওয়া যায়। চোয়াড়গণ যে কখনও কামান ব্যবহার করিয়াছিল, তাহার কোন প্রমাণ বা নিদর্শন প্রাপ্ত হওয়া যায় না।
{{ফাঁক}}সাধারণ সৈনিকগণ পদব্রজে অসি, তীর ও বল্লম লইয়া যুদ্ধে অবতীর্ণ হইত। তীরধনুক নিম্নশ্রেণীর সৈন্যগণের সর্ব্বপ্রধান অস্ত্র ছিল। ধনুকের দণ্ড বংশনির্ম্মিত এবং তাহার গুণ বাশের ছালে প্রস্তুত হইত। বেত্র, শর বা কঞ্চির অগ্রভাগে লৌহফলাকা সংযুক্ত করিয়া তাহারা তীর প্রস্তুত করিত। চর্ম্ম-<noinclude></noinclude>
79flmnhe0piy2fdqxkrcb1uloowpao7
পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/৬৭
104
882464
1988416
2026-07-04T12:44:42Z
JyotiPN
12378
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988416
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{rh||অষ্টম পরিচ্ছেদ।|৫৯}}</noinclude>নির্ম্মিত দুইটি তুণে শতাধিক তীর লইয়া ধনুকহস্তে চোয়াড়গণ যুদ্ধযাত্রা করিত। শিক্ষাগুণে চোরাড়েরা অ্যাবধি এক তীরে চারি পাঁচ রসি দূর হইতে ভীষণ ব্যাঘ্র ও বন্য-হস্তী পর্য্যন্ত শীকার করিয়া থাকে। শিক্ষিত ভূমিজ ও সাঁওতাল তিন চারি রসি দূর হইতে তীরের দ্বারা উচ্চস্থানে রক্ষিত সুপারিফল বিদ্ধ করিয়া থাকে। এই তীর ও ধনুক তাহাদের শ্রেষ্ঠ অস্ত্র এবং যুদ্ধের প্রধান উপকরণ ছিল। চোয়াড়গণের অদম্য সাহস, ক্ষিপ্রগতিতে পর্ব্বত আরোহণ ও অধিরোহণে পটুতা তাহাদিগকে দুর্জ্জয় করিয়া তুলিয়াছিল। শিক্ষিত ব্যক্তির হস্তে তীর ধনুক, বন্দুকের তুল্য কার্য্যকারী হইয়া থাকে। বরাহবাজারের বিদ্রোহী রাজকুমার গঙ্গানারায়ণের প্রধান পৃষ্ঠপোষক জিরপা লায়ার তীর-চালনা-নৈপুণ্যের প্রবাদ অদ্যাপি শতমুখে এই সকল স্থানে পরিকীর্ত্তিত হইয়া থাকে। অপেক্ষাকৃত পদস্থ সৈনিকেরা অশ্বপৃষ্ঠে বন্দুক হস্তে সৈন্যদলের অগ্রবর্ত্তী হইতেন।
{{ফাঁক}}সাধারণ সৈনিকগণের বেশভূষা অতি সামান্যরূপ ছিল। স্বল্পপরিসর মোটা ধুতি ও ঐরূপ বস্ত্রের পাগড়ী ব্যতীত তাহাদের অপর কোন পরিচ্ছদ ছিল না। অপেক্ষাকৃত পদস্থ সৈনিকগণ ধুতি ও পাগড়ী ব্যতীত কোর্ত্তা বা হাতকাটা জামা ব্যবহার করিত। কোন কোন যোদ্ধা লৌহনির্ম্মিত-বর্ম্মে দেহরক্ষা করিতেন এ প্রকার প্রবাদ ও শ্রুত হইয়া থাকে। মোটের উপর চোয়াড়গণের অস্ত্র শস্ত্র ও তাহাদের পরিচ্ছদ নিতান্ত মোটামুটি রকমের ছিল।
{{ফাঁক}}ভূমিজদিগকে পূর্ব্বে নিকটবর্ত্তী লোকে ঘৃণাসূচক চোয়াড় আখ্যায় অভিহিত করিত। নিকটবর্ত্তী স্থানসকলের অধিবাসীগণ<noinclude></noinclude>
dkza7xb9bibwp13l1hcy2gioargzgbs
ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/সোভিয়েট রাশিয়ার বৈশিষ্ট্য
0
882465
1988418
2026-07-04T13:24:53Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf" from=39 to=44 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
1988418
wikitext
text/x-wiki
<pages index="ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf" from=39 to=44 header=1/>
5mvf7yhsz4aysas3s12o9llvktp47fb
ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্/কমিউনিজ্মের স্বাভাবিকতা
0
882466
1988419
2026-07-04T13:25:18Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf" from=45 to=56 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
1988419
wikitext
text/x-wiki
<pages index="ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf" from=45 to=56 header=1/>
bbwlnohue2y0ffogbkagx2cw2rz9mor
লাল সিংহ/নবম পরিচ্ছেদ
0
882467
1988420
2026-07-04T13:26:08Z
Bodhisattwa
2549
"<pages index="লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf" from=77 to=82 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
1988420
wikitext
text/x-wiki
<pages index="লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf" from=77 to=82 header=1/>
dl26o0nn3wr2igjhii44b0qscfl0s5b
নির্ঘণ্ট:ভারতবর্ষ (দ্বাদশ বর্ষ, দ্বিতীয় খণ্ড).pdf
102
882468
1988422
2026-07-04T14:00:04Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1988422
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q140428549
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{RLFRR}}
|Header=
|Footer=
}}
4tclvzhtkmqvq97s5tdwplnmtir5ykz
ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Tanvir Rahat Siam
3
882471
1988435
2026-07-04T14:46:17Z
Bodhisattwa
2549
/* অপ্রকাশিত রচনা */ নতুন অনুচ্ছেদ
1988435
wikitext
text/x-wiki
== অপ্রকাশিত রচনা ==
সুধী, উইকিসংকলনে অপ্রকাশিত রচনা রাখা হয় না। আপনার আপলোড করা ফাইলটি কোথাও কোন প্রতিষ্ঠিত প্রকাশক দ্বারা প্রকাশিত নয়, তাই উইকিসংকলনে দয়া করে সেই ফাইল আনবেন না। ধন্যবাদান্তে, -- [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ৪ জুলাই ২০২৬ (ইউটিসি)
7prh4iqy6zb9sm99ilzskmj86r84gd9
1988436
1988435
2026-07-04T14:48:20Z
Md. Tanvir Rahat Siam
22227
/* অপ্রকাশিত রচনা */ উত্তর
1988436
wikitext
text/x-wiki
== অপ্রকাশিত রচনা ==
সুধী, উইকিসংকলনে অপ্রকাশিত রচনা রাখা হয় না। আপনার আপলোড করা ফাইলটি কোথাও কোন প্রতিষ্ঠিত প্রকাশক দ্বারা প্রকাশিত নয়, তাই উইকিসংকলনে দয়া করে সেই ফাইল আনবেন না। ধন্যবাদান্তে, -- [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ৪ জুলাই ২০২৬ (ইউটিসি)
:কোনো প্রকশনায় দেওয়া হয় নাই। শুধু pdf আকারে তৈরী করে রাখছি, আর চাচ্ছি উইকিসংকলনে তা প্রকাশ করতে [[ব্যবহারকারী:Md. Tanvir Rahat Siam|Md. Tanvir Rahat Siam]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Tanvir Rahat Siam#top|আলাপ]]) ১৪:৪৮, ৪ জুলাই ২০২৬ (ইউটিসি)
emwqa06hxg2ikh56s8latjgsdpxs8hz
1988437
1988436
2026-07-04T15:06:31Z
Bodhisattwa
2549
/* অপ্রকাশিত রচনা */ উত্তর
1988437
wikitext
text/x-wiki
== অপ্রকাশিত রচনা ==
সুধী, উইকিসংকলনে অপ্রকাশিত রচনা রাখা হয় না। আপনার আপলোড করা ফাইলটি কোথাও কোন প্রতিষ্ঠিত প্রকাশক দ্বারা প্রকাশিত নয়, তাই উইকিসংকলনে দয়া করে সেই ফাইল আনবেন না। ধন্যবাদান্তে, -- [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ৪ জুলাই ২০২৬ (ইউটিসি)
:কোনো প্রকশনায় দেওয়া হয় নাই। শুধু pdf আকারে তৈরী করে রাখছি, আর চাচ্ছি উইকিসংকলনে তা প্রকাশ করতে [[ব্যবহারকারী:Md. Tanvir Rahat Siam|Md. Tanvir Rahat Siam]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Tanvir Rahat Siam#top|আলাপ]]) ১৪:৪৮, ৪ জুলাই ২০২৬ (ইউটিসি)
::সেটা উইকিসংকলনে সম্ভব নয়। উইকিসংকলনে কোন কিছু নতুন প্রকাশ করা হয় না। -- [[ব্যবহারকারী:Bodhisattwa|বোধিসত্ত্ব]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bodhisattwa|আলাপ]]) ১৫:০৬, ৪ জুলাই ২০২৬ (ইউটিসি)
j0a4lr07jj746lsxuxs1sl2txx54jxn
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৭৬
104
882472
1988449
2026-07-04T16:23:09Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988449
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৭৪|সীতার বনবাস।}}</noinclude>প্রাণত্যাগ করিতাম; অথবা, অন্য কোনও প্রকারে, আত্মঘাতিনী হইতাম। আমায় কি আবার প্রাণ রাখিতে হয়, না লোকালয়ে মুখ দেখাইতে হয়।
{{ফাঁক}}এই রলিয়া, একান্ত শোকভারাক্রান্ত হইয়া, জানকী, অনিবার্য্য বেগে, বাষ্পবারি বিসর্জন করিতে লাগিলেন। মুনিকন্যারা, সীতার ঈদৃশ হৃদয়বিদারণ বিলাপবাক্য শ্রবণগোচর করিয়া, নিরতিশয় দুঃখিত হইলেন, এবং প্রণয়পূর্ণ বচনে বলিতে লাগিলেন, প্রিয়সখি, শোকাবেগের সংবরণ কর; যাহা বলিতেছ, যথার্থ বটে; কিন্তু, অধিক দিন, তোমায় এ অবস্থায় কালযাপন করিতে হইবে না। রাজা রামচন্দ্রের বুদ্ধিবিপর্য্যয় ঘটিয়াছিল; তাহাতেই তিনি, কিংকর্ত্তব্যবিমূঢ় হইয়া, ঈদৃশ অদৃষ্টচর অশ্রুতপূর্ব্ব নৃশংস আচরণ করিয়াছেন। আমরা পিতার মুখে শুনিয়াছি, তুমি অচিরে পরিগৃহীতা হইবে; অতএব শোকসংবরণ কর। মুনিতনয়াদিগের সান্ত্বনাবাদ শ্রবণে, সীতার নয়নযুগল হইতে, প্রবল বেগে, বাষ্পবারি বিগলিত হইতে লাগিল। তদ্দর্শনে মুনিতনয়াদিগের কোমল হৃদয় দ্রবীভূত হইল; তাঁহারাও, শোকাভিভূত হইয়া, প্রভূত বাষ্পবারি বিমোচন করিতে লাগিলেন।
{{ফাঁক}}এই সময়ে, সদ্যঃপ্রসূত বালকেরা রোদন করিয়া উঠিল। স্নেহের এমনই মহিমা ও মোহিনী শক্তি যে, তাহাদের ক্রন্দনশব্দ কর্ণকুহরে প্রবিষ্ট হইবামাত্র, জানকী এককালে সকল শোক<noinclude></noinclude>
sit2jj6s7mp7t5ksmdf8tj0bxef633j
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৭৭
104
882473
1988450
2026-07-04T16:26:41Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988450
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৭৫|পঞ্চম পরিচ্ছেদ।}}</noinclude>বিস্মৃত হইলেন, এবং স্নেহভরে তাহাদের সান্ত্বনা করিতে লাগিলেন।
{{ফাঁক}}কুমারেরা, শুক্লপক্ষীয় শশধরের ন্যায়, দিন দিন বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইয়া, জানকীর নয়নের ও মনের অনির্বচনীয় আনন্দসম্পাদন করিতে লাগিল। যখন তাহারা, আধ আধ কথায়, মা মা বলিয়া আহ্বান করিত; যখন তাহাদের সন্নিবেশিতমুক্তাকলাপসদৃশ দন্তগুলি দৃষ্টিগোচর হইত; যখন তাহাদের অর্দ্ধোচ্চারিত মৃদু মধুর বচনপরম্পরা তাঁহার কর্ণকুহরে প্রবেশ করিত; যখন তিনি, তাহাদিগকে ক্রোড়ে লইয়া, স্নেহভরে তাহাদের মুখচুম্বন করিতেন; তখন তিনি সকল শোক বিস্মৃত হইতেন; তাঁহার সর্ব্ব শরীর, অমৃতাভিষিক্তের ন্যায়, শীতল, ও নয়নযুগল আনন্দাশ্রুসলিলে পরিপ্লুত হইত।
{{ফাঁক}}কুশ ও লব পঞ্চমবর্ষীয় হইলে, মহর্ষি বাল্মীকি, তাহাদের চূড়াকর্ম্মসম্পাদন করিয়া, বিদ্যারম্ভ করাইলেন। বালকেরা, অসাধারণ বুদ্ধি, মেধা, ও প্রতিভার প্রভাবে, অল্প কাল মধ্যেই, বিবিধ বিদ্যায় বিলক্ষণ ব্যুৎপন্ন হইয়া উঠিল। ইতঃপূর্বে বাল্মীকি, রাবণবধ পর্য্যন্ত লোকোত্তর রামচরিত অবলম্বন করিয়া, রামায়ণ নামে বহুবিস্তৃত মহাকাব্যের রচনা করিয়াছিলেন। সর্ব্বপ্রথম, তিনি সেই অমৃতরসবর্ষী অপূর্ব্ব মহাকাব্য, রামচন্দ্রের পুত্রদিগকে অধ্যয়ন করাইলেন। তাহারা, স্বল্প সময়েই, সেই বিচিত্র গ্রন্থ আদ্যন্ত কণ্ঠস্থ করিল; এবং,<noinclude></noinclude>
mw5gc1kjmln2kgnuyylym9wov1891v3
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৭৯
104
882474
1988452
2026-07-04T16:34:31Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988452
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৭৭|পঞ্চম পরিচ্ছেদ।}}</noinclude>যেন, কোনও ক্রমে, তনয়দিগের নিকট আত্মপরিচয়প্রদান না করেন; তদনুসারে, সীতাও, তাহাদের নিকট, কখনও স্বসংক্রান্ত কোনও কথার উল্লেখ করেন নাই। তাহারা রামায়ণে রামের ও সীতার সবিশেষ বৃত্তান্ত অবগত হইয়াছিল; কিন্তু তাহাদের জননী যে জনকনন্দিনী, অথবা রামের সহধর্ম্মিণী, তাহা জানিতে পারে নাই; সুতরাং, ঐ মহাকাব্যে নিজ জনক জননীর বৃত্তান্ত বর্ণিত হইয়াছে, তাহা বুঝিতে পারে নাই। এই রূপে, এতাবৎ কাল পর্য্যন্ত কুশ ও লব আত্মস্বরূপপরিজ্ঞানে সম্পূর্ণরূপ অনধিকারী ছিল।
{{ফাঁক}}জননীর অনির্বচনীয়স্নেহসহকৃত প্রযত্ন ব্যতিরেকে, যত দিন পর্য্যন্ত, সন্তানের জীবনরক্ষা সম্ভাবিত নয়; তাবৎ কাল জানকী, সর্ব্বশোকবিস্মরণ পূর্ব্বক, অনন্যমনা ও অনন্যকর্ম্মা হইয়া, কুশ ও লবের লালন পালনে ব্যাপৃত ছিলেন। তাহাদের শৈশবকাল অতিক্রান্ত হইলে, মাতৃত্বের তাদৃশী অপেক্ষা রহিল না। তখন তিনি, তাহাদের বিষয়ে এক প্রকারে নিশ্চিন্ত হইয়া, ঋষিপত্নীদিগের ন্যায়, তপস্যায় মনোনিবেশ করিলেন। রামচন্দ্রের সর্ব্বাঙ্গীণমঙ্গলকামনাই তদীয় তপস্যার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল। যদিও রাম নিতান্ত নিরপরাধে পরিত্যাগ করিয়াছিলেন; তথাপি, এক ক্ষণের জন্য, সীতার অন্তঃকরণে তাঁহার প্রতি রোষ বা বিরাগের উদয় হয় নাই। তিনি যে দুস্তর শোকসাগরে পরিক্ষিপ্ত হইয়াছিলেন, তাহা<noinclude></noinclude>
dx5ohz5xhke9yzj4jnixrd965g74637
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৮০
104
882475
1988453
2026-07-04T16:36:53Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988453
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৭৮|সীতার বনবাস।}}</noinclude>কেবল তাঁহার নিজের ভাগ্যদোষেই ঘটিয়াছে, এই বিবেচনা করিতেন; ভ্রমক্রমেও ভাবিতেন না যে, সে বিষয়ে রামচন্দ্রের কোনও অংশে কিছুমাত্র দোষ আছে। বস্তুতঃ, রামচন্দ্রের প্রতি তাঁহার যেরূপ অবিচলিত ভক্তি ও ঐকান্তিক অনুরক্তি ছিল, তাহার কিঞ্চিন্মাত্র ব্যতিক্রম ঘটে নাই। তিনি দেবতাদিগের নিকট, কায়মনোবাক্যে, নিয়ত এই প্রার্থনা করিতেন, যেন রামচন্দ্র কুশলে থাকেন; এবং জন্মান্তরে, তিনি যেন রামচন্দ্রেরই সহধর্ম্মিণী হয়েন। তিনি, দিবাভাগে, তপস্যাকার্য্যে ব্যাপৃত ও সখীভাবাপন্ন ঋষিকন্যাগণে পরিবৃত থাকিয়া, কথঞ্চিৎ কালযাপন করিতেন। কিন্তু, যামিনীযোগে একাকিনী হইলেই, তাঁহার দুর্নিবার শোকসিন্ধু উথলিয়া উঠিত। তিনি, কেবল রামচন্দ্রের চিন্তায় মগ্ন হইয়া, ও অবিশ্রান্ত অশ্রুপাত করিয়া, যামিনীযাপন করিতেন। ফলকথা এই, সীতা যেরূপ পতিপ্রাণা ছিলেন, তাহাতে অকাতরে বিরহযাতনা সহ্য করিতে পারিবেন, ইহা কোনও ক্রমে সম্ভাবিত নহে। কালসহকারে, সকলেরই শোক শিথিল হইয়া যায়; কিন্তু জানকীর শোক সর্ব্ব ক্ষণ নবীভাবাপন্ন ছিল। এই রূপে, ক্রমাগত দ্বাদশ বৎসর, দুর্বিষহ শোকদহনে নিরন্তর অন্তর্দাহ হওয়াতে, জানকীর অলৌকিক রূপ ও লাবণ্য এককালে অন্তর্হিত, এবং কলেবর চর্ম্মাবৃত কঙ্কাল মাত্রে পর্য্যবসিত হইল।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
fd87zc0ekmgep483qr2dy81u6llyjha
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৮১
104
882476
1988454
2026-07-04T16:39:59Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988454
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ।}}}}
রাজা রামচন্দ্র, অশ্বমেধ যজ্ঞের অনুষ্ঠানে কৃতসঙ্কল্প হইয়া, বশিষ্ঠ, জাবালি, কাশ্যপ, বামদেব প্রভৃতি মহর্ষিবর্গের নিকট স্বীয় অভিপ্রায় ব্যক্ত করিলেন। বশিষ্ঠদেব, শ্রবণমাত্র, সাধুবাদপ্রদান পূর্ব্বক বলিলেন, মহারাজ, উত্তম সঙ্কল্প করিয়াছেন। আপনি সসাগরা সদ্বীপা পৃথিবীর অদ্বিতীয় অধিপতি; অখণ্ড ভূমণ্ডলে যেরূপ একাধিপত্য প্রতিষ্ঠিত করিয়াছেন, পূর্ব্বতন কোনও নরপতি সেরূপ করিতে পারেন নাই। রামরাজ্যে প্রজালোকে যেরূপ সুখে ও স্বচ্ছন্দে কালযাপন করিতেছে, তাহা অদৃষ্টচর ও অশ্রুতপূর্ব্ব। রাজ্যভার গ্রহণ করিয়া, যে বিষয়ের অনুষ্ঠান করিতে হয়, আপনি তাহার কিছুই অসম্পাদিত রাখেন নাই; রাজকর্ত্তব্যের মধ্যে অশ্বমেধ মাত্র অবশিষ্ট আছে; তাহা সম্পাদিত হইলেই, আপনকার রাজ্যাধিকার আর কোনও অংশে অঙ্গহীন থাকে না। আমরা ইতঃপূর্ব্বে ভাবিয়াছিলাম, এ বিষয়ে মহারাজের নিকট প্রস্তাব করিব। যাহা হউক, যখন মহারাজ স্বয়ং সেই অভিলষিত বিষয়ের অনুষ্ঠানে উদযুক্ত হইয়াছেন, তখন আর তদ্বিষয়ে বিলম্ব করা বিধেয় নহে; অবিলম্বে তদুপযোগী আয়োজনের আদেশ প্রদান করুন।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
hi15r2oryr0mvd6vs1hupriyfnl4zb5
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৮২
104
882477
1988455
2026-07-04T16:43:25Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988455
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৮০|সীতার বনবাস।}}</noinclude>{{ফাঁক}}বশিষ্ঠদেব বিরত হইবামাত্র, রামচন্দ্র পার্শ্বোপবিষ্ট অনুজদিগের প্রতি দৃষ্টিপাত করিয়া বলিলেন, ভ্রাতৃগণ, ইনি যাহা বলিলেন, শ্রবণ করিলে; এক্ষণে, তোমাদের অভিপ্রায় অবগত হইলেই, কর্ত্তব্যনিরূপণ করি। আজ্ঞানুবর্ত্তী অনুজেরা, তৎক্ষণাৎ, আন্তরিক অনুমোদন প্রদর্শন করিলেন। তখন রাম বশিষ্ঠদেরকে সম্বোধিয়া বলিলেন, ভগবন্, যখন আমার অভিলাষ আপনাদের অভিমত ও অনুজদিগের অনুমোদিত হইতেছে, তখন আর তদনুযায়ী অনুষ্ঠানের কর্ত্তব্যতাবিষয়ে কোনও সংশয় নাই। এক্ষণে আমার বাসনা এই, নৈমিষারণ্যে অভিপ্রেত মহাযজ্ঞের অনুষ্ঠান হয়। নৈমিষারণ্য পরম পবিত্র যজ্ঞক্ষেত্র। এ বিষয়ে আপনকার কি অনুমতি হয়। বশিষ্ঠদেব তৎক্ষণাৎ সম্মতি প্রদান করিলেন।
{{ফাঁক}}অনন্তর, রামচন্দ্র অনুজদিগকে বলিলেন, দেখ, যখন কর্ত্তব্য স্থির হইল, তখন আর অনর্থক কালহরণ করা বিধেয় নহে। তোমরা সত্বর সমস্ত আয়োজন কর। অনুগত, শরণাগত, ও মিত্রভাবাপন্ন নৃপতিদিগের নিমন্ত্রণ কর। সময়নির্দেশ পূর্ব্বক, সমস্ত নগরে ও জনপদে এ বিষয়ের ঘোষণা করিয়া দাও। লঙ্কাসমরসহায় সুহৃদ্বর্গের পরম সমাদরে আহ্বান কর; তাঁহারা আমাদের যথার্থ বন্ধু, আমাদের জন্য, অকাতরে কত ক্লেশ সহ্য করিয়াছেন; তাঁহারা আসিলে, আমি পরম সুখী হইব। এতদতিরিক্ত, যাবতীয় ঋষিদিগের নিমন্ত্রণ কর; তাঁহারা<noinclude></noinclude>
2xxrx4iq6fu01f8xd6akeh6uv9dl3vk
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৮৩
104
882478
1988456
2026-07-04T16:46:55Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988456
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৮১|ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ।}}</noinclude>যজ্ঞক্ষেত্রে আগমন করিলে, আমি আপনাকে চরিতার্থ জ্ঞান করিব। ভরত, তুমি, অবিলম্বে নৈমিষক্ষেত্রে গিয়া, যজ্ঞভূমিনির্ম্মাণের উদ্যোগ কর। লক্ষ্মণ, তুমি, আবশ্যক সমস্ত দ্রব্যের যথোচিত আয়োজন করিয়া, তৎসমুদয় সত্ত্বর তথায় পাঠাইয়া দাও। দেখ, যজ্ঞ দেখিবার নিমিত্ত, নৈমিষে অসংখ্য লোকের সমাগম হইবে; অতএব, যত্নপূর্ব্বক, সমস্ত বিষয়ের এরূপ আয়োজন করিবে, যেন, কোনও বিষয়ের অসঙ্গতি নিবন্ধন, কাহারও কোনও অংশে ক্লেশ বা অসুবিধা না ঘটে। তুমি সকল বিষয়ে পারদর্শী; তোমায় অধিক উপদেশ দিবার প্রয়োজন নাই।
{{ফাঁক}}এই বলিয়া রাম বিরত হইলে, বশিষ্ঠদেব বলিলেন, মহারাজ, সকল বিষয়েরই উচিতাধিক আয়োজন হইবে, সন্দেহ নাই; কিন্তু, আমি এক বিষয়ের একান্ত অসঙ্গতি দেখিতেছি। তখন রাম বলিলেন, আপনি কোন বিষয়ে অসঙ্গতির আশঙ্কা করিতেছেন, বলুন। বশিষ্ঠ বলিলেন, মহারাজ, শাস্ত্রকারেরা বলেন, সস্ত্রীক হইয়া ধর্ম্মকার্য্যের অনুষ্ঠান করিতে হয়। অতএব, জিজ্ঞাসা করি; সে বিষয়ের কি ব্যবস্থা হইবে। শ্রবণমাত্র, রামের মুখকমল ম্লান ও নয়নযুগল অশ্রুজলে পরিপ্লুত হইয়া উঠিল। তিনি, কিয়ৎ ক্ষণ, অবনত বদনে, মৌনাবলম্বন করিয়া রহিলেন; অনন্তর, দীর্ঘনিশ্বাসপরিত্যাগ পূর্ব্বক, নয়নের অশ্রুমার্জ্জন ও উচ্ছলিত<noinclude></noinclude>
kdqmta3mdc62wk08qj0p8lsnhe209zc
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৮৪
104
882479
1988457
2026-07-04T16:50:36Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988457
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৮২|সীতার বনবাস।}}</noinclude>শোকাবেগের সংবরণ করিয়া বলিলেন, ভগবন্, ইতঃপূর্বে এ বিষয়ে আমার উদ্বোধ মাত্র হয় নাই; এক্ষণে, কি কর্ত্তব্য, উপদেশ করুন। বশিষ্ঠদেব, অনেক ক্ষণ একাগ্র চিত্তে চিন্তা করিয়া, বলিলেন, মহারাজ, পুনরায় দারপরিগ্রহ ব্যতিরেকে, আর কোনও উপায় দেখিতেছি না।
{{ফাঁক}}বশিষ্ঠবাক্য শ্রবণগোচর করিয়া, সকলেই এককালে মৌনাবলম্বন করিয়া রহিলেন। রাম নিতান্ত সীতাগতপ্রাণ; কেবল লোকবিরাগসংগ্রহভয়ে সীতাকে বনবাস দিয়া, জীবন্মৃত হইয়া ছিলেন। তাঁহার প্রতি রামের যে অবিচলিত স্নেহ ও ঐকান্তিক অনুরাগ ছিল; এ পর্য্যন্ত তাহার কিছুমাত্র ব্যতিক্রম হয় নাই। সীতার মোহিনী মূর্ত্তি অহোরাত্র তাঁহার অন্তঃকরণে জাগরূক ছিল। তিনি যে, উপস্থিত কার্য্যের অনুরোধে, পুনরার দারপরিগ্রহে সম্মত হইবেন, তাহার কোনও সম্ভাবনা ছিল না। যাহা হউক, বশিষ্ঠদেব দারপরিগ্রহ বিষয়ে বারংবার অনুরোধ করিতে লাগিলেন। কিন্তু রামচন্দ্র, সে বিষয়ে ঐকান্তিকী অনিচ্ছা প্রদর্শিত করিয়া, মৌন ভাবে, অবনত বদনে, অবস্থিত রহিলেন। অনন্তর, বহুবিধ বাদানুবাদের পর, সীতার হিরণ্ময়ী প্রতিকৃতি সমভিব্যাহারে যজ্ঞ সম্পন্ন করাই সর্ব্বাংশে শ্রেয়ঃকল্প বলিয়া মীমাংসিত হইল।
{{ফাঁক}}এই রূপে সমুদয় স্থিরীকৃত হইলে, ভরত সর্ব্বাগ্রে<noinclude></noinclude>
jz12ym01iafhcwq48jtvugqzra8abkd
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৮৫
104
882480
1988458
2026-07-04T16:54:38Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988458
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৮৩|ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ।}}</noinclude>নৈমিষক্ষেত্রে প্রস্থান করিলেন; এবং, সমুচিত স্থানে যজ্ঞ ভূমির নিরূপণ করিয়া, অনুরূপ অন্তরে, পৃথক্ পৃথক্ প্রদেশে, এক এক শ্রেণীর লোকের জন্য, তাহাদের অবস্থোচিত অবস্থিতিস্থান নির্ম্মিত করাইলেন। লক্ষ্মণও, অনতিবিলম্বে, অশেষবিধ অপর্য্যাপ্ত আহারসামগ্রী ও শয্যা বান প্রভৃতির সমবধান করিয়া, যজ্ঞক্ষেত্রে পাঠাইয়া দিলেন। অনন্তর, রামচন্দ্র লক্ষ্মণকে রক্ষক নিযুক্ত করিয়া, যথাবিধানে যজ্ঞীয় অশ্বের মোচন পূর্ব্বক, মাতৃগণ ও অপরাপর পরিবারবর্গ সমভিব্যাহারে সসৈন্যে নৈমিষারণ্য প্রস্থান করিলেন।
{{ফাঁক}}কিয়ৎ দিন পরেই, নিমন্ত্রিতগণের সমাগম হইতে লাগিল। শত শত নৃপতি, বহুবিধ মহামুল্য উপহার লইয়া, অনুচরগণ ও পরিচারকবর্গ সমভিব্যাহারে, উপস্থিত হইতে আরম্ভ করিলেন; সহস্র সহস্র ঋষি, যজ্ঞদর্শনমানসে, ক্রমে ক্রমে, নৈমিষে আগমন করিতে লাগিলেন; অসংখ্য নগরবাসী ও জনপদবাসীরাও সমাগত হইলেন। ভরত ও শত্রুঘ্ন নরপতিগণের পরিচর্য্যার ভার গ্রহণ করিলেন; বিভীষণ ঋষিগণের কিঙ্করকার্য্যে নিযুক্ত হইলেন; সুগ্রীর অপরাপর নিমন্ত্রিত বর্গের তত্ত্বাবধানে ব্যাপৃত রহিলেন।
{{ফাঁক}}এ দিকে মহর্ষি বাল্মীকি, সীতার অবস্থা প্রত্যক্ষ করিয়া, এবং কুশ ও লবের বয়ঃক্রম দ্বাদশবৎসরপূর্ণ দেখিয়া, মনে মনে সর্ব্বদা এই আন্দোলন করেন যে, সীতার যেরূপ<noinclude></noinclude>
55j309xzl7gl9s0tvmdcohypzlz7hzr
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৮৬
104
882481
1988462
2026-07-04T16:58:06Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988462
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৮৪|সীতার বনবাস।}}</noinclude>অবস্থা দেখিতেছি, তাহাতে তিনি অধিক দিন জীবিত থাকিবেন, এরূপ বোধ হয় না; আর, কুশ ও লব, রাজাধিরাজতনয় হইয়া, যাবজ্জীবন তপোবনে কালযাপন করিবে, ইহাও কোনও মতে উচিত নহে; তাহাদের ধনুর্বেদ ও রাজধর্ম্ম, এ উভয়ের শিক্ষার সময় বহিয়া যাইতেছে। অতএব, যাহাতে সপুত্ত্রা সীতা পুনরায় পরিগৃহীতা হন, আশু তাহার কোনও উপায় উদ্ভাবিত করা আবশ্যক। অথবা, অন্য উপায় উদ্ভাবিত করিবার প্রয়োজন কি? শিষ্য দ্বারা সংবাদ দিয়া রামচন্দ্রকে আমার আশ্রমে আনাইয়া, অথবা স্বয়ং রাজধানীতে গিয়া তাঁহার সহিত সাক্ষাৎ করিয়া, সপুত্ত্রা সীতার পরিগ্রহপ্রার্থনা করি। রামচন্দ্র অবশ্যই আমার অনুরোধরক্ষা করিবেন। এই স্থির করিয়া, ক্ষণকাল মৌন ভাবে থাকিয়া, মহর্ষি বিবেচনা করিতে লাগিলেন, কিন্তু তিনি অত্যন্ত লোকানুরাগপ্রিয়; কেবল লোকবিরাগসংগ্রহের ভয়ে, পূর্ণগর্ভা অবস্থায়, নিতান্ত নিরপরাধে, জানকীরে নির্বাসিত করিয়াছেন এখন, আমার কথায়, তাঁহারে সহজে গৃহে লইবেন, তাহাও সম্পূর্ণ সন্দেহস্থল। যাহা হউক, কোনও সংবাদ না দিয়া নিশ্চিন্ত থাকা, কোনও মতে, উচিত কল্প হইতেছে না। এই দুই বালক, উত্তর কালে, অবশ্যই কোশলসিংহাসনে অধিরোহণ করিবে; এই সময়ে, পিতৃসমীপে নীত হইয়া, রাজনীতি<noinclude></noinclude>
o2amwqmxh0e228s75koxnqjdxhgderv
পাতা:সীতার বনবাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর.pdf/৮৭
104
882482
1988466
2026-07-04T17:00:23Z
Nettime Sujata
5470
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988466
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rvh|৮৫|ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ।}}</noinclude>বিষয়ে বিধিপূর্ব্বক উপদিষ্ট না হইলে, রাজকার্য্যনির্বাহে একান্ত অপটু ও রাজমর্য্যাদারক্ষণে নিতান্ত অক্ষম হইবে। বিশেষতঃ, রাজা রামচন্দ্র, আমায় কোশলরাজ্যের হিতসাধনে যত্নবিহীন বলিয়া, অনুযোগ করিতে পারেন। অতএব, এ বিষয়ে আর উপেক্ষা বা কালক্ষেপ করা বিধেয় নহে। রামচন্দ্রের নিকট সকল বিষয়ের সবিশেষ সংবাদ পাঠান উচিত। অথবা, একবারেই তাঁহার নিকটে সংবাদ না পাঠাইয়া, বশিষ্ঠ বা লক্ষ্মণের সহিত পরামর্শ করা কর্ত্তব্য; তাঁহারাই বা কিরূপ বলেন, দেখা আবশ্যক।
{{ফাঁক}}এক দিন, মহর্ষি, সায়ংসন্ধ্যা ও সন্ধ্যাকালীন হোমবিধির সমাধান করিয়া, আসনে উপবেশন পূর্ব্বক, একাকী এই চিন্তায় মগ্ন আছেন; এমন সময়ে, এক রাজভৃত্য আসিয়া রামনামাঙ্কিত নিমন্ত্রণপত্র তদীয় হস্তে সমর্পিত করিল। মহর্ষি, পত্রপাঠ করিয়া, পরমপ্রীতি প্রদর্শন পূর্ব্বক, সেই লোককে বিশ্রাম করিবার নিমিত্ত বিদায় দিলেন; এবং এক শিষ্যের উপর তাহার আহারাদিসমাধানের ভার প্রদান করিয়া, মনে মনে বলিতে লাগিলেন, আমি যে বিষয়ের নিমিত্ত উৎকণ্ঠিত হইয়াছি, দৈব অনুকূল হইয়া তাহার সিদ্ধির বিলক্ষণ উপায় করিয়া দিলেন। এক্ষণে, বিনা প্রার্থনায় কার্য্যসাধন করিতে পারিব। কুশ ও লবকে শিষ্যভাবে সমভিব্যাহারে লইয়া যাই। রামের ও উহাদের দুই সহোদরের<noinclude></noinclude>
27a3wdpcjvd1a89n2pn64o8r1b2pm2j
পাতা:ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf/৫৭
104
882483
1988480
2026-07-04T17:16:32Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988480
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{{dhr|3em}}
{{কেন্দ্র|{{xx-larger|কমিউনিজ্মের দার্শনিকতা}}}}
{{কেন্দ্র|'''দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ'''}}
{{ফাঁক}}কমিউনিজমের পৃষ্ঠপটে কোন দার্শনিকতা আছে কি? না কি ইহা কেবলই একটা নিছক স্বপ্ন-বিলাস?
{{ফাঁক}}শুনিলে আশ্চর্য লাগে, এমন একটা বস্তুতান্ত্রিক ব্যাপারের পিছনেও আছে একটা মস্তবড় দার্শনিক মতবাদ। Dialectic Materialism + অর্থাৎ ‘দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ’ই হইতেছে সেই পশ্চাভূমি। এই পটভূমির উপরেই কমিউনিজমের বিরাট সৌধ দাড়াইয়া আছে।
{{ফাঁক}}বলা বাহুল্য, কার্ল মার্কসই এই নব দার্শনিক মতবাদের জন্মদাতা।
{{ফাঁক}}দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ কী?
{{ফাঁক}}পাশ্চাত্য দর্শন সম্বন্ধে যাহারা একটুও জ্ঞান রাখেন, তাহারাই জানেন, এই বিশ্বপ্রকৃতির মূলে যে জড় ও চৈতন্যের নানা রূপ প্রকাশ পাইতেছে, তাহার ব্যাখ্যা করিতে গিয়া ইউরোপীয় পণ্ডিতেরা মোটামুটি ভাবে দুই ভাগে বিভক্ত হইয়া পড়িয়াছেন। যাহারা চৈত্যকে প্রাধান্য দিয়াছেন, তাহারা অধ্যাত্মবাদী বা ভাববাদী (Idealists), আর যাহারা জড়কে প্রাধান্য দিয়াছেন, তাহারা জড়বাদী বা বস্তুবাদী (Materialists)। ভাববাদীরা বলেনঃ এই বস্তু-জগতের কোন প্রকৃত সত্তা নাই, আমাদের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের অতীতে আর একটা অশরীরী ভাবজগৎ আছে; বস্তুজগৎ তাহারই রূপান্তর মাত্র; অর্থাৎঃ যাহাকিছু আমরা বস্তুজগতে ঘটিতে দেখি, তাহা পূর্ব্বেই আমাদের মনোজগতে ঘটে। আমাদের মনে যে-সব চৈতন্য-চিত্র খেলা করে, তাহাই বাহিরের জগতে রূপ পায়। কাজেই বিশ্বজগতের সমস্ত ঘটনারই মূল কারণ ও উৎস থাকে আমাদের মনে। বাহিরের জগতের কোথাও কোন বিপর্য্যয়<noinclude></noinclude>
6addv1t34uqrrsk5ww4i64v0xn7n5hf
1988481
1988480
2026-07-04T17:17:10Z
ROCKY
2687
1988481
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{{dhr|3em}}
{{কেন্দ্র|{{xx-larger|কমিউনিজ্মের দার্শনিকতা}}}}
{{কেন্দ্র|'''দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ'''}}
{{ফাঁক}}কমিউনিজমের পৃষ্ঠপটে কোন দার্শনিকতা আছে কি? না কি ইহা কেবলই একটা নিছক স্বপ্ন-বিলাস?
{{ফাঁক}}শুনিলে আশ্চর্য লাগে, এমন একটা বস্তুতান্ত্রিক ব্যাপারের পিছনেও আছে একটা মস্তবড় দার্শনিক মতবাদ। Dialectic Materialism + অর্থাৎ ‘দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ’ই হইতেছে সেই পশ্চাভূমি। এই পটভূমির উপরেই কমিউনিজমের বিরাট সৌধ দাড়াইয়া আছে।
{{ফাঁক}}বলা বাহুল্য, কার্ল মার্কসই এই নব দার্শনিক মতবাদের জন্মদাতা।
{{ফাঁক}}দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ কী?
{{ফাঁক}}পাশ্চাত্য দর্শন সম্বন্ধে যাহারা একটুও জ্ঞান রাখেন, তাহারাই জানেন, এই বিশ্বপ্রকৃতির মূলে যে জড় ও চৈতন্যের নানা রূপ প্রকাশ পাইতেছে, তাহার ব্যাখ্যা করিতে গিয়া ইউরোপীয় পণ্ডিতেরা মোটামুটি ভাবে দুই ভাগে বিভক্ত হইয়া পড়িয়াছেন। যাহারা চৈত্যকে প্রাধান্য দিয়াছেন, তাহারা অধ্যাত্মবাদী বা ভাববাদী (Idealists), আর যাহারা জড়কে প্রাধান্য দিয়াছেন, তাহারা জড়বাদী বা বস্তুবাদী (Materialists)। ভাববাদীরা বলেনঃ এই বস্তু-জগতের কোন প্রকৃত সত্তা নাই, আমাদের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের অতীতে আর একটা অশরীরী ভাবজগৎ আছে; বস্তুজগৎ তাহারই রূপান্তর মাত্র; অর্থাৎঃ যাহাকিছু আমরা বস্তুজগতে ঘটিতে দেখি, তাহা পূর্ব্বেই আমাদের মনোজগতে ঘটে। আমাদের মনে যে-সব চৈতন্য-চিত্র খেলা করে, তাহাই বাহিরের জগতে রূপ পায়। কাজেই বিশ্বজগতের সমস্ত ঘটনারই মূল কারণ ও উৎস থাকে আমাদের মনে। বাহিরের জগতের কোথাও কোন বিপর্য্যয়<noinclude></noinclude>
iwfh4nvu6qgbuwcs9e7zh00yamd8z6b
পাতা:ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf/১১৯
104
882484
1988482
2026-07-04T17:19:12Z
ROCKY
2687
/* লেখাবিহীন */
1988482
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="0" user="ROCKY" />{{rvh|—|ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্}}</noinclude><noinclude></noinclude>
0djz69wcadynsl7ncvpgs3pkfw31ice
পাতা:ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf/১২০
104
882485
1988483
2026-07-04T17:19:17Z
ROCKY
2687
/* লেখাবিহীন */
1988483
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="0" user="ROCKY" />{{rvh|—|ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্}}</noinclude><noinclude></noinclude>
0djz69wcadynsl7ncvpgs3pkfw31ice
পাতা:ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf/৫৮
104
882486
1988486
2026-07-04T17:21:37Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988486
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" />{{rvh|৪৬|ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্}}</noinclude>দেখিলে ভাবিতে হইবে, এই বিপর্য্যয় পূর্ব্বেই আমাদের মনে আসিয়াছে। এক কথায়ঃ Idea-ই হইতেছে সত্য বস্তু, Matter তাহার প্রতিবিম্ব মাত্র। কোন্ সুদূর হইতে Idea-র লীলাখেল। বিশ্বপ্রকৃতির চিত্রপটে ছায়া ফেলিতেছে, তাহারই ফলে এই দৃশ্য-জগৎ আমাদের নয়ন-কোণে উদ্ভাসিত হইয়া উঠিতেছে। আসল বস্তু দেখিতেছি না। আমরা শুধু ছায়াচিত্রই দেখিতেছি, আসল বস্তুটা যে কী (what is the thing-in-itself) তাহা আমরা জানিনা, বস্তুর আসল সত্তা অজ্ঞেয়। আমাদের ইন্দ্রিয়-জ্ঞানের অতীতে আছে সেই ধ্রুবলোক (world of noumena), কাজেই বস্তুজগৎ মায়াময়, মিথ্যা, আর ধ্যান-জগৎই একমাত্র সত্য।
{{ফাঁক}}বিখ্যাত জার্মান দার্শনিক ক্যাণ্ট (Kant) ছিলেন এই মতবলম্বী। Idea বা ভাবকেই তিনি মুখ্য বলিয়া মনে করিতেন, বস্তুকে দিতেন গৌণ স্থান। এই জন্যই তাঁহার দর্শনকে অধ্যাত্মবাদ অথবা Idealism বলে।
{{ফাঁক}}ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে হেগেল এই মতকে আরও পরিবর্দ্ধিত করিয়া বলেন যে, আমাদের জ্ঞান জন্মে দ্বন্দ্বমূলক ধারণা হইতে। সমস্ত ধারণাই দ্বন্দ্বমূলক, অর্থাৎ কোন একটি ধারণার মধ্যে তাহার বিরুদ্ধ ধারণাটাও নিহিত থাকে। এই পরস্পর বিরোধী ধারণার মধ্যে প্রতিনয়ত সংঘর্ষ চলিতেছে এবং পরিণামে উভয়ের মধ্যে একটা আপোষ বা মিলন ঘটিতেছে। এইরূপেই আমাদের চিন্তা ও ধারণা পরস্পরের ঘাতপ্রতিঘাতে পরিবর্তিত ও পরিবন্ধিত হইয়া আমাদের জ্ঞানের সীমানাকে বাড়াইয়া দিতেছে। কোন ধারণাই বিচ্ছিন্ন অবস্থায় নাই। কাজেই কোন একটি বিষয়ে ধারণা করিতে গেলে, তার সঙ্গে তার বিপরীত ধারণাটীও জড়াইয়া যায়। ধরুন সুখ। সুখ বলিলেই দুঃখের ধারণা আমাদের মনের মধ্যে জাগিয়া যায়। সেইরূপ আলো বলিলেই অন্ধকারের ধারণা সঙ্গে<noinclude></noinclude>
8lpxey8xz5ltnh7a04hhfrwnu24o3dq
পাতা:ইসলাম ও কমিউনিজ্ম্ - গোলাম মোস্তফা (১৯৪৬).pdf/৫৯
104
882487
1988488
2026-07-04T17:25:29Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988488
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" />{{rvh|৪৭|কমিউনিজ্মের দার্শনিকতা}}</noinclude>সঙ্গেই মনে জাগে। ধারণায়-ধারণায় এই যে বিরোধ ও সংঘর্ষ এবং পরে পরস্পরের মধ্যে সমন্বয়, ইহাকে বলা হইয়াছে “Dialectic Process” বা দ্বন্দ্বমূলক পদ্ধতি। Dialectic শব্দটি গ্রীক দর্শন হইতে আসিয়াছে, উহার ধাতুগত অর্থ হইল প্রশ্নোত্তরে কথোপকথন (dialogue) বিখ্যাত গ্রীক দার্শনিক পণ্ডিত সক্রেটিস্ এই পদ্ধতিতেই তর্ক করিতেন। কেহ কোন কথা জিজ্ঞাসা করিলে তিনি সেই বিষয়টির অন্তর্নিহিত সঙ্গতি-অসঙ্গতিগুলি প্রশ্নোত্তর দ্বারা বাহির করিয়া আনিতেন এবং পরে সেই বিষয়টি সম্বন্ধে প্রকৃত তথ্য নিরূপণ করিয়া দিতেন। হেগেল এই পদ্ধতিকেই গ্রহণ করিয়া বলিলেন, ধারণা সমূহ এই উপায়েই পরিবর্তিত ও পরিবর্দ্ধিত হয় এবং এই ঘাত-প্রতিঘাতের ফলে বস্তু জগতেও পরিবর্ত্তন ও পরিবর্দ্ধন আসে। আমাদের বস্তু-জগতের পরিবর্ত্তন ও বিকাশ তাই আমাদের বিশ্বপ্রকৃতির অন্তর্নিহিত সেই বৈষম্য ও পরস্পর বিরোধী শক্তির ঘাত-প্রতিঘাতেরই ফল।
{{ফাঁক}}কোন বিষয় সম্বন্ধে আমাদের মনে প্রথম যে ধারণাটি জন্মে, তাহাকে বলা হয় ‘thesis’ বা হাঁ-মূলক ধারণা; তাহার বিপরীত ধারণাটিকে বলা হয় ‘antithesis’ বা না-মূলক ধারণা, আর উভয়ের সমন্বয়কে বলা হয় ‘synthesis’ বা মিলনাত্মক ধারণা। প্রত্যেক বিষয়েই এইরূপ thesis, antithesis ও synthesis এর ক্রিয়া চলিতেছে।
{{ফাঁক}}একটি দৃষ্টান্ত লওয়া যাক। দিন বলিলে রাতের ধারণাও সঙ্গে সঙ্গে মনে আসে, কারণ রাতকে না বুঝিলে দিনকে বুঝা যায় না। এখন এই দুই বিরুদ্ধ ধারণাকে আর একটা বৃহত্তর ধারণার মধ্যে আনিয়া মিলানো যায়; সেটি হইতেছে সময়। সময় বলিলে দিন ও রাত—দুইটিকেই বুঝায়। এখানে দিন হইল thesis, রাত হইল antithesis, আর সময় হইল synthesis.
{{ফাঁক}}তাহা হইল দেখা যাইতেছে, মানবীয় ইতিহাসে যে-সমস্ত ঘটনা ও<noinclude></noinclude>
aespyk83f6zhy1miyefd13a0xtu7n4f
পাতা:ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য - শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৬৫).pdf/২২৬
104
882488
1988492
2026-07-05T04:41:39Z
Hrishikes
1618
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988492
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{rh|২১০|ভারতের শক্তি-সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য}}</noinclude>করিতেছেন তাহা চণ্ডীর পৌরাণিক বর্ণনা; সেই অসুরনাশিনী চণ্ডীকেই যেন কবিগণের একান্তভাবে ‘স্নেহের দুলালী’ উমার সঙ্গে মিশ্রিত করিয়া লইতে আপত্তি। পদের শেষে কবিরা একটা আপোস-রফা করিয়া লইবার চেষ্টা করিয়াছেন বটে, কিন্তু বুঝিতে মোটেই কষ্ট হয় না যে এ আপোস-রফার চেষ্টা তাঁহাদের তত্ত্ববুদ্ধিজাত—কিন্তু হৃদয়ের প্রবণতা অন্য দিকে।
{{gap}}পূর্বেই বলিয়াছি যুগে যুগে সাহিত্যে, চিত্রে ও ভাস্কর্যে রূপায়িত মধুররূপিণী উমাকে অসুরনাশিনী চণ্ডীর সহিত মিলাইয়া লইতে একটা প্রাচীন ধারাগত আপত্তি স্বাভাবিক হইতে পারে, কিন্তু বাঙালী কবিগণ এই আপত্তি জানাইয়াই ক্ষান্ত হন নাই, তাঁহারা অসুরনাশিনী ভয়ঙ্করী কালী-মূর্তিকে নিজেদের হৃদয়-পদ্মে স্থাপিত করিয়া যে রূপান্তর ঘটাইয়াছেন তাহাই বিশেষভাবে লক্ষণীয়। কালীকে এইভাবে রূপান্তরিত করিবার চেষ্টা অষ্টাদশ শতাব্দীর বাঙালী কবিগণের ভিতরেই প্রথম পাই না; চতুর্দশ বা পঞ্চদশ শতকের মৈথিলী কবি বিদ্যাপতি ‘অসুর-ভয়াউনী’ ‘পশুপতি-ভামিনী’ ভৈরবী কালীর বর্ণনা করিতেছেন—
{{block center|width=250px|<poem>
বাসর রৈনি {{float right|সবাসন সোভিত}}
:::চরণ, চন্দ্রমনি চূড়া।
কতওক দৈত্য {{float right|মারি মুঁহ মেলল,}}
:::কতও উগিল কৈল কূড়া॥
সামর বরণ, {{float right|নয়ন অনুরঞ্জিত}}
:::জলদ-জোগ ফুল কোকা।
কট কট বিকট {{float right|ওঠ-পুট পাঁড়রি}}
:::লিধুর-ফেন উঠ ফোকা॥<ref>বিদ্যাপতি, শ্রীখগেন্দ্রনাথ মিত্র ও ডক্টর বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত, ৭৬৬ সং পদ।</ref>
</poem>}}
দিন-রজনী তোমার চরণ শবাসন-শোভিত, তোমার চূড়ায় শোভে চন্দ্রমণি; কত দৈত্যকে মারিয়া মুখে ফেলিলে, কত না উদ্গীরণ করিয়া জড় করিয়াছ। শ্যামল তোমার বর্ণ, তাহাতে রক্তিম নয়ন, যেন কালো মেঘে লাল পদ্ম; তোমার পাটল ওষ্ঠপুটে বিকট ধ্বনি, রুধিরের ফেনায় বুদ্বুদ উঠিতেছে।
{{gap}}এই বিকট মূর্তির মধ্যেই শ্যামার শ্যাম বর্ণের মধ্যে রক্তিম নয়নের শোভা কবির মনে আনিয়াছে শ্যাম জলদের গায়ে রক্তপদ্মের শোভার কথা। রামপ্রসাদের কালীমূর্তির একটি অনুরূপ বর্ণনায় দেখিতেছি—
{{block center/s}}<poem>
ঢলিয়ে ঢলিয়ে কে আসে, গলিত চিকুর আসব আবেশে,
বামা রণে দ্রুতগতি চলে, দলে দানবদলে,
:::::::::ধরি করতলে গজগরাসে॥
</poem><noinclude>{{rule|8em|align=left}}
{{smallrefs|85%}}</noinclude>
mx4n7m9pqeam4u3w1jii29btjyfqckc
1988494
1988492
2026-07-05T04:43:26Z
Hrishikes
1618
1988494
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{rh|২১০|ভারতের শক্তি-সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য}}</noinclude>করিতেছেন তাহা চণ্ডীর পৌরাণিক বর্ণনা; সেই অসুরনাশিনী চণ্ডীকেই যেন কবিগণের একান্তভাবে ‘স্নেহের দুলালী’ উমার সঙ্গে মিশ্রিত করিয়া লইতে আপত্তি। পদের শেষে কবিরা একটা আপোস-রফা করিয়া লইবার চেষ্টা করিয়াছেন বটে, কিন্তু বুঝিতে মোটেই কষ্ট হয় না যে এ আপোস-রফার চেষ্টা তাঁহাদের তত্ত্ববুদ্ধিজাত—কিন্তু হৃদয়ের প্রবণতা অন্য দিকে।
{{gap}}পূর্বেই বলিয়াছি যুগে যুগে সাহিত্যে, চিত্রে ও ভাস্কর্যে রূপায়িত মধুররূপিণী উমাকে অসুরনাশিনী চণ্ডীর সহিত মিলাইয়া লইতে একটা প্রাচীন ধারাগত আপত্তি স্বাভাবিক হইতে পারে, কিন্তু বাঙালী কবিগণ এই আপত্তি জানাইয়াই ক্ষান্ত হন নাই, তাঁহারা অসুরনাশিনী ভয়ঙ্করী কালী-মূর্তিকে নিজেদের হৃদয়-পদ্মে স্থাপিত করিয়া যে রূপান্তর ঘটাইয়াছেন তাহাই বিশেষভাবে লক্ষণীয়। কালীকে এইভাবে রূপান্তরিত করিবার চেষ্টা অষ্টাদশ শতাব্দীর বাঙালী কবিগণের ভিতরেই প্রথম পাই না; চতুর্দশ বা পঞ্চদশ শতকের মৈথিলী কবি বিদ্যাপতি ‘অসুর-ভয়াউনী’ ‘পশুপতি-ভামিনী’ ভৈরবী কালীর বর্ণনা করিতেছেন—
{{block center|width=250px|<poem>
বাসর রৈনি {{float right|সবাসন সোভিত}}
:::চরণ, চন্দ্রমনি চূড়া।
কতওক দৈত্য {{float right|মারি মুঁহ মেলল,}}
:::কতও উগিল কৈল কূড়া॥
সামর বরণ, {{float right|নয়ন অনুরঞ্জিত}}
:::জলদ-জোগ ফুল কোকা।
কট কট বিকট {{float right|ওঠ-পুট পাঁড়রি}}
:::লিধুর-ফেন উঠ ফোকা॥<ref>বিদ্যাপতি, শ্রীখগেন্দ্রনাথ মিত্র ও ডক্টর বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত, ৭৬৬ সং পদ।</ref>
</poem>}}
দিন-রজনী তোমার চরণ শবাসন-শোভিত, তোমার চূড়ায় শোভে চন্দ্রমণি; কত দৈত্যকে মারিয়া মুখে ফেলিলে, কত না উদ্গীরণ করিয়া জড় করিয়াছ। শ্যামল তোমার বর্ণ, তাহাতে রক্তিম নয়ন, যেন কালো মেঘে লাল পদ্ম; তোমার পাটল ওষ্ঠপুটে বিকট ধ্বনি, রুধিরের ফেনায় বুদ্বুদ উঠিতেছে।
{{gap}}এই বিকট মূর্তির মধ্যেই শ্যামার শ্যাম বর্ণের মধ্যে রক্তিম নয়নের শোভা কবির মনে আনিয়াছে শ্যাম জলদের গায়ে রক্তপদ্মের শোভার কথা। রামপ্রসাদের কালীমূর্তির একটি অনুরূপ বর্ণনায় দেখিতেছি—
{{block center/s}}<poem>
ঢলিয়ে ঢলিয়ে কে আসে, গলিত চিকুর আসব আবেশে,
বামা রণে দ্রুতগতি চলে, দলে দানবদলে,
:::::::::ধরি করতলে গজগরাসে॥
</poem><noinclude>{{block center/e}}
{{rule|8em|align=left}}
{{smallrefs|85%}}</noinclude>
iyicnbay4gsgt5dse16l61paytzyee5
মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড)/প্রথম পরিচ্ছেদ/দ্রোণের দৃঢ়প্রতিজ্ঞতা ও ক্ষমা
0
882489
1988493
2026-07-05T04:42:35Z
BabulB
2144
"<pages index="মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf" from=44 to=60 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
1988493
wikitext
text/x-wiki
<pages index="মহাভারতীয় নীতিকথা (প্রথম খণ্ড) - রাজেন্দ্রনাথ কাঞ্জিলাল (১৯২৪).pdf" from=44 to=60 header=1/>
6bqhkifbbhk73i5huvh71p6wk6fgjm0
পাতা:বৌ-রাণী - বিজয়রত্ন মজুমদার (১৯২০).pdf/৫
104
882490
1988495
2026-07-05T05:02:03Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988495
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xxxx-larger|বৌ-রাণী}}}}
{{Custom rule|tl|40|do|7|tr|40}}
{{কেন্দ্র|{{x-larger|প্রথম পরিচ্ছেদ}}}}
{{ফাঁক}}সোণা-গাঁয়ের জমিদারের শ্রাদ্ধ—যথেষ্ট সমারোহ হইতেছে। স্বর্গীয় জমিদার হরকান্ত বসুর অগাধ বিষয় সম্পত্তির এবং শ্রাদ্ধের অধিকারী পুত্র নিখিলনাথ দেশের ভিক্ষুককে অকাতরে অর্থ এবং বস্ত্র দান করিয়াছেন। কেহই অস্বীকার করে নাই যে, এত বড় একটা শ্রাদ্ধ দেখিবার সৌভাগ্য পূর্ব্বে তাহাদের হইয়াছিল।
{{ফাঁক}}হরকাত্ত বসু জীবদ্দশায় প্রভূত অর্থশালী হইলেও মনঃসুখে দিন কাটাইতে পারেন নাই। নিখিলনাথের দুশ্চরিত্রতার কথা গ্রামের ইতর ভদ্র সকলেরই জানা ছিল। সে ক্বচিৎ গৃহে আসিত। আসিলেও দুই একদিন থাকিয়া কলিকাতায় চলিয়া যাইত। হরকাস্ত বসুর ইচ্ছা না থাকিলেও, পুত্ত্রের খরচের খাতায় সমান<noinclude></noinclude>
d9qw8vfabqrazmgb6z35lfi18mlgn1y
1988496
1988495
2026-07-05T05:02:41Z
BabulB
2144
1988496
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xxxx-larger|বৌ-রাণী}}}}
{{Custom rule|tl|40|do|7|tr|40}}
{{কেন্দ্র|{{x-larger|প্রথম পরিচ্ছেদ}}}}
{{ফাঁক}}সোণা-গাঁয়ের জমিদারের শ্রাদ্ধ—যথেষ্ট সমারোহ হইতেছে। স্বর্গীয় জমিদার হরকান্ত বসুর অগাধ বিষয় সম্পত্তির এবং শ্রাদ্ধের অধিকারী পুত্র নিখিলনাথ দেশের ভিক্ষুককে অকাতরে অর্থ এবং বস্ত্র দান করিয়াছেন। কেহই অস্বীকার করে নাই যে, এত বড় একটা শ্রাদ্ধ দেখিবার সৌভাগ্য পূর্ব্বে তাহাদের হইয়াছিল।
{{ফাঁক}}হরকাত্ত বসু জীবদ্দশায় প্রভূত অর্থশালী হইলেও মনঃসুখে দিন কাটাইতে পারেন নাই। নিখিলনাথের দুশ্চরিত্রতার কথা গ্রামের ইতর ভদ্র সকলেরই জানা ছিল। সে ক্বচিৎ গৃহে আসিত। আসিলেও দুই একদিন থাকিয়া কলিকাতায় চলিয়া যাইত। হরকাস্ত বসুর ইচ্ছা না থাকিলেও, পুৎত্রের খরচের খাতায় সমান<noinclude></noinclude>
6xu0iqszz6ylthwzw25muftu7dnraay
পাতা:বৌ-রাণী - বিজয়রত্ন মজুমদার (১৯২০).pdf/৬
104
882491
1988497
2026-07-05T05:07:59Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988497
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{বাম|বৌ-রাণী}}</noinclude>অঙ্কেই খরচ পড়িতে লাগিল। তাই অষ্টাত্তর বর্ষ বয়সে যখন বুকে বেদনা এবং কাশির সূত্রপাত দেখা গেল, তখন হরকান্ত বড়ই চিন্তিত হইয়া পড়িলেন, কে তাঁহার মুখাগ্নি করিবে! তাঁহার পত্নী নিখিলকে সংবাদ পাঠাইয়াছিলেন, তাহা শুনিয়া নিরাশার মধ্যে একটুখানি আশার সঞ্চার হইয়াছিল, হয়ত বা এত বড় একটা সংবাদে সে কিছুতেই স্থির থাকিতে পারিবে না। কিন্তু সংবাদ পাঠানোর দিন হইতে চারদিন চলিয়া গেল, তখন আর বৃদ্ধ কোনমতেই আশা পোষণ করিতে পারিলেন না। প্রতি প্রভাতে সূর্য্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই আশার আলোক-রশ্মি কম্পমান বক্ষপঞ্জরের মধ্যে পুঞ্জীভূত হইয়া উঠিত, আবার সন্ধ্যার স্নান ধূসর ছায়াতেই তাহা মিলাইয়া যাইত। বড় দুঃখেই সৌদামিনী ভগবানের কাছে প্রার্থনা করিয়াছিলেন যে, পুত্র আসিবেই। সে প্রার্থনা যখন বিফল হইল, তখন তিনি পুনরায় অন্য প্রার্থনা করিলেন—হে ভগবান, সাতজন্ম যেন বন্ধ্যা হই।
{{ফাঁক}}ভগবান কোন্ প্রার্থনাটি মঞ্জুর করিয়াছিলেন, জানি না। নিখিলনাথ দার্জ্জিলিঙ হইতে কলিকাতায় নিজের বাসায় ফিরিয়া যেমন পত্র পাঠ করিল, অমনই গাড়ী ডাকিতে বলিয়া দিল এবং বৃদ্ধের মহাপ্রস্থানের পূর্ব্বদিনই বাড়ী আসিয়া হাজির হইল।
{{ফাঁক}}হরকান্ত বসুর মৃত্যুর পর যখন সৌদামিনী পুৎত্রকে বুকের কাছে জড়াইয়া ধরিয়া বলিলেন—“আর ত বাবা তোমায় আমি<noinclude></noinclude>
sfgbjpy9wuop95fb6ivmn2a0vrb1abi
পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/৬৯
104
882492
1988503
2026-07-05T09:23:24Z
JyotiPN
12378
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988503
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{rh||অষ্টম পরিচ্ছেদ।|৬১}}</noinclude>{{ফাঁক}}সর্দ্দারগণের অধীনে অপেক্ষাকৃত অল্পসংখ্যক নির্দিষ্ট বেতনভোগী সৈন্য থাকিত। তদ্ব্যতীত তিন শ্রেণীর সৈন্য এই সর্দ্দারগণের প্রধান আশ্রয় ছিল। সর্দ্দারের অধীনস্থ প্রকৃতিপুঞ্জ শেষোক্ত তিন শ্রেণীর সৈন্য সরবরাহ করিত। ঐ তিন শ্রেণীর সৈন্যগণের বংশধরগণ বর্ত্তমান সময়ে যথাক্রমে সদিয়াল গ্রাম্যসর্দ্দার ও তাঁবেদার আখ্যায় কথিত হইয়া থাকে। এক্ষণে উক্ত ব্যক্তিগণের জাতীয় প্রভুতা নষ্ট হইয়াছে। বিশেষতঃ সুসভ্য ইংরাজ শাসন দেশে বদ্ধমূল হওয়ায় তাহাদিগকে আর সর্দ্দারের অধীনে যুদ্ধযাত্রা করিতে হয় না। তাহারা নির্দিষ্ট পঞ্চককর আদায় দিয়া এবং আবশ্যক অনুসারে সরকার বাহাদুরের অধীনে পুলিশের চাকরী করিয়া আপনাদের পূর্ব্বপুরুষার্জিত ভূমিসম্পত্তি ভোগ করিয়া থাকে। মহামান্য রিজ্লি সাহেব সর্দ্দারগণকে লক্ষ্য করিয়া বলিয়াছেন যে,—
{{ফাঁক}}The latter (Sirdirs) I think, are merely overgrown mankis who have lost their tribal status and with it their hold over their subordinates.
{{ফাঁক}}অর্থাৎ “সর্দ্দারগণ লোহারডাগা অঞ্চলের মানকি উপাধিধারী প্রভুতাশালী ভূস্বামীগণের ন্যায় পদস্থ ব্যক্তি। বর্ত্তমান সময়ে তাহারা আপনাদের জাতীয় প্রভুতা চ্যুত হইয়া তাহাদের অধীনস্থ ব্যক্তিগণের উপর {{SIC|কত্তৃত্ব|কর্ত্তৃত্ব|}} হারাইয়াছে।”
{{Rule}}
and it was sometimes to oppose the Government in a policy that they did not approve, though they may have had very little personal interest in the matter. {{right|Dalton, p 174.}}<noinclude>{{left|{{ফাঁক}}৬}}</noinclude>
hz0nbth6y40x99zmncialpxqmmcwwwt
1988504
1988503
2026-07-05T09:25:01Z
JyotiPN
12378
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হোৱা নাই */
1988504
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="JyotiPN" />{{rh||অষ্টম পরিচ্ছেদ।|৬১}}</noinclude>{{ফাঁক}}সর্দ্দারগণের অধীনে অপেক্ষাকৃত অল্পসংখ্যক নির্দিষ্ট বেতনভোগী সৈন্য থাকিত। তদ্ব্যতীত তিন শ্রেণীর সৈন্য এই সর্দ্দারগণের প্রধান আশ্রয় ছিল। সর্দ্দারের অধীনস্থ প্রকৃতিপুঞ্জ শেষোক্ত তিন শ্রেণীর সৈন্য সরবরাহ করিত। ঐ তিন শ্রেণীর সৈন্যগণের বংশধরগণ বর্ত্তমান সময়ে যথাক্রমে সদিয়াল গ্রাম্যসর্দ্দার ও তাঁবেদার আখ্যায় কথিত হইয়া থাকে। এক্ষণে উক্ত ব্যক্তিগণের জাতীয় প্রভুতা নষ্ট হইয়াছে। বিশেষতঃ সুসভ্য ইংরাজ শাসন দেশে বদ্ধমূল হওয়ায় তাহাদিগকে আর সর্দ্দারের অধীনে যুদ্ধযাত্রা করিতে হয় না। তাহারা নির্দিষ্ট পঞ্চককর আদায় দিয়া এবং আবশ্যক অনুসারে সরকার বাহাদুরের অধীনে পুলিশের চাকরী করিয়া আপনাদের পূর্ব্বপুরুষার্জিত ভূমিসম্পত্তি ভোগ করিয়া থাকে। মহামান্য রিজ্লি সাহেব সর্দ্দারগণকে লক্ষ্য করিয়া বলিয়াছেন যে,—
{{ফাঁক}}The latter (Sirdirs) I think, are merely overgrown mankis who have lost their tribal status and with it their hold over their subordinates.
{{ফাঁক}}অর্থাৎ “সর্দ্দারগণ লোহারডাগা অঞ্চলের মানকি উপাধিধারী প্রভুতাশালী ভূস্বামীগণের ন্যায় পদস্থ ব্যক্তি। বর্ত্তমান সময়ে তাহারা আপনাদের জাতীয় প্রভুতা চ্যুত হইয়া তাহাদের অধীনস্থ ব্যক্তিগণের উপর {{SIC|কত্তৃত্ব|কর্ত্তৃত্ব|}} হারাইয়াছে।”
{{Rule}}
and it was sometimes to oppose the Government in a policy that they did not approve, though they may have had very little personal interest in the matter. {{right|Dalton, p 174.}}<noinclude>{{left|{{ফাঁক}}৬}}</noinclude>
98w1c68w7id227qiy25padanoy54jx4
পাতা আলাপ:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/৬৯
105
882493
1988505
2026-07-05T09:28:40Z
JyotiPN
12378
/* regarding the reference */ নতুন অনুচ্ছেদ
1988505
wikitext
text/x-wiki
== regarding the reference ==
The reference continues from page 68. I am facing difficulty combining the reference lines of both the pages. [[ব্যবহারকারী:JyotiPN|JyotiPN]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JyotiPN|আলাপ]]) ০৯:২৮, ৫ জুলাই ২০২৬ (ইউটিসি)
aaio7wu8dk5da2klau3ssdm60noaf32
পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/৭০
104
882494
1988506
2026-07-05T09:40:09Z
JyotiPN
12378
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988506
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{rh|৬২|লাল সিংহ|}}</noinclude>{{ফাঁক}}আমরা যে সময়ের কথা লিপিবদ্ধ করিতেছি, তৎকালে সর্দ্দারগণের জাতীয় গৌরব ও প্রভুতা অক্ষুণ্ণ ছিল; এবং সদিয়ালগণ আপনাদের অধীনস্থ গ্রাম্যসর্দ্দার ও তাঁবেদারগণকে লইয়া সর্দ্দারের অধীনে যুদ্ধ করিত। প্রত্যেক সদিয়ালের অধীনে নির্দ্দিষ্ট দ্বাদশ কি পঞ্চদশ গ্রাম ছিল; এবং প্রত্যেক গ্রামে এক একজ গ্রাম্যসর্দ্দার ছিল। পরন্তু প্রত্যেক গ্রাম্যসর্দ্দারের অধীনে নির্দিষ্টসংখ্যক তাঁবেদার বা সর্ব্বনিম্নশ্রেণীর সৈনিক ছিল। এই সকল সৈন্যগণ প্রভুতা স্বীকারের নিদর্শনস্বরূপ উপরস্থ ব্যক্তিকে সামান্য নির্দিষ্ট পঞ্চককর আদায় দিত। পরন্তু যুদ্ধবিগ্রহ ঘটিলে, তাহারাই সর্দ্দারের প্রধান পৃষ্ঠপোষকরূপে যুদ্ধ করিত।
{{ফাঁক}}সদিয়ালগণ পদমর্য্যাদা ও বিক্রমে সর্দ্দারের অধীনস্থ হইলেও, সর্দ্দারকে অনেক সময়ে সদিয়ালগণের মুখাপেক্ষা করিতে হইত। সদিয়ালগণ {{SIC|সদ্দারের| সর্দ্দারের}} দরবারে বিশেষ সম্মানপ্রাপ্তির দাবি রাখিত; এবং অনেক বিষয়ে সর্দ্দারকে সদিয়ালগণের পরামর্শ লইয়া কার্য্য করিতে হইত। সদিয়ালগণ সময়ে সময়ে সর্দ্দারের বিরুদ্ধেও অভিযান করিত। রিজ্লী সাহেব তাঁহার কৃত ঘাটোয়ালিরিপোর্টের একস্থানে লিখিয়াছেন যে
{{ফাঁক}}“One of these men (the Sadial of Katjore) seems to have been practically independent in 1800. Their position is a very strong one as against the Taraf Sarders.”
{{ফাঁক}}এবম্প্রকার সৈন্যবিভাগের সহিত ভূমিজদিগের আচরিত মুণ্ডারি উপনিবেশ প্রথার বিশেষ সম্বন্ধ আছে। এই প্রকার সৈন্য বা প্রজাবিভাগ মুণ্ডা জাতীয় ঔপনিবেশিকগণের বিশেষ<noinclude></noinclude>
iqx6hr70393leelasjqhqynojbypadf
1988507
1988506
2026-07-05T09:40:43Z
JyotiPN
12378
1988507
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{rh|৬২|লাল সিংহ|}}</noinclude>{{ফাঁক}}আমরা যে সময়ের কথা লিপিবদ্ধ করিতেছি, তৎকালে সর্দ্দারগণের জাতীয় গৌরব ও প্রভুতা অক্ষুণ্ণ ছিল; এবং সদিয়ালগণ আপনাদের অধীনস্থ গ্রাম্যসর্দ্দার ও তাঁবেদারগণকে লইয়া সর্দ্দারের অধীনে যুদ্ধ করিত। প্রত্যেক সদিয়ালের অধীনে নির্দ্দিষ্ট দ্বাদশ কি পঞ্চদশ গ্রাম ছিল; এবং প্রত্যেক গ্রামে এক একজ গ্রাম্যসর্দ্দার ছিল। পরন্তু প্রত্যেক গ্রাম্যসর্দ্দারের অধীনে নির্দিষ্টসংখ্যক তাঁবেদার বা সর্ব্বনিম্নশ্রেণীর সৈনিক ছিল। এই সকল সৈন্যগণ প্রভুতা স্বীকারের নিদর্শনস্বরূপ উপরস্থ ব্যক্তিকে সামান্য নির্দিষ্ট পঞ্চককর আদায় দিত। পরন্তু যুদ্ধবিগ্রহ ঘটিলে, তাহারাই সর্দ্দারের প্রধান পৃষ্ঠপোষকরূপে যুদ্ধ করিত।
{{ফাঁক}}সদিয়ালগণ পদমর্য্যাদা ও বিক্রমে সর্দ্দারের অধীনস্থ হইলেও, সর্দ্দারকে অনেক সময়ে সদিয়ালগণের মুখাপেক্ষা করিতে হইত। সদিয়ালগণ {{SIC|সদ্দারের| সর্দ্দারের}} দরবারে বিশেষ সম্মানপ্রাপ্তির দাবি রাখিত; এবং অনেক বিষয়ে সর্দ্দারকে সদিয়ালগণের পরামর্শ লইয়া কার্য্য করিতে হইত। সদিয়ালগণ সময়ে সময়ে সর্দ্দারের বিরুদ্ধেও অভিযান করিত। রিজ্লী সাহেব তাঁহার কৃত ঘাটোয়ালিরিপোর্টের একস্থানে লিখিয়াছেন যে−
{{ফাঁক}}“One of these men (the Sadial of Katjore) seems to have been practically independent in 1800. Their position is a very strong one as against the Taraf Sarders.”
{{ফাঁক}}এবম্প্রকার সৈন্যবিভাগের সহিত ভূমিজদিগের আচরিত মুণ্ডারি উপনিবেশ প্রথার বিশেষ সম্বন্ধ আছে। এই প্রকার সৈন্য বা প্রজাবিভাগ মুণ্ডা জাতীয় ঔপনিবেশিকগণের বিশেষ<noinclude></noinclude>
0y7vla43kzjmew0nnxvo6uurddl6g05
পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/১৩১
104
882495
1988508
2026-07-05T09:49:51Z
JyotiPN
12378
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988508
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{rh||পরিশিষ্ট।|১২৩}}</noinclude>ব্যতিরেকে লালসিংহ কদাপি কথিতরূপে আত্মপ্রতিষ্ঠা লাভ করিতে সমর্থ হইতেন না। চরিত্রের ঔদার্য্য ব্যতিরেকে কেবলমাত্র সাহস ও বাহুবলে পিতৃহীন, অসহায় শিশু বয়োবৃদ্ধি সহকারে কখনই এতাদৃশ প্রতিষ্ঠা ও আত্মগৌরব স্থাপন করিতে পারিতেন না।
{{ফাঁক}}যুদ্ধবিশারদ বীর মাত্রেই সন্ধি ও শান্তি স্থাপনে কৃতিত্বের পরিচয় দিতে পারেন না। সাধারণতঃ শান্তি সংস্থাপন কার্য্য অনেক সময়ে বীরধর্ম্মের বিরোধী। লালসিংহের চরিত্রে একাধারে এই উভয় গুণ বিদ্যমান ছিল। তিনি যে প্রকার বীরত্বের পরিচয় দিয়াছেন, দেশের শান্তি সংস্থাপন কার্য্যেও সেই প্রকার তীক্ষ্ণ-বুদ্ধি ও নীতিকুশলতার পরিচয় দিয়াছেন। তিনি অসাধারণ প্রতিভাবলে রাজ্যের অশান্তি বিদূরিত করিয়া তাহার স্থানে শান্তি সংস্থাপনের প্রধান অবলম্বন হইয়াছিলেন। ইহা তাঁহার জীবনের সর্ব্ব প্রধান গৌরব তৎপক্ষে সন্দেহ নাই।
{{ফাঁক}}লালসিংহের তীক্ষ্ণ-বুদ্ধি ও নীতিকুশলতার অপরাপর দৃষ্টান্ত ইতিপূর্ব্বে প্রদত্ত হইয়াছে। বরাহরাজবংশে ভ্রাতৃবিরোধ উপস্থিত হইলে রাজ্যের ন্যায্য অধিকারী জ্যেষ্ঠ গঙ্গাগোবিন্দের পক্ষাবলম্বন ও চিরন্তন প্রথানুসারে বিবাদকালে ও রাজসরকারে কর প্রদান ইত্যাদির বিবরণ ইতিপূর্ব্বে লিপিবদ্ধ হইয়াছে। তদ্দৃষ্টে লালসিংহের মেধা ও কূটবুদ্ধির পরিচয় প্রাপ্ত হওয়া যায়।
{{ফাঁক}}লালসিংহের চরিত্রের যে অংশ বিবৃত হইল, তদৃষ্টে জানা যায় যে লালসিংহ একজন কর্ম্মঠ, দৃঢ়চেতা, রণকুশল, তীক্ষ্ণবুদ্ধি, নীতিজ্ঞ, শান্তি ও সন্ধিস্থাপনে প্রতিভাশালী, এবং আত্মগৌরবে গরীয়ান পুরুষ ছিলেন। এই প্রকার চরিত্রের আলোচনা বোধ হয় কেহু নিরর্থক বলিয়া মনে করিবেন না।<noinclude></noinclude>
tne3w73246ubw69kg7y1jc84izm0j6b
পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/৭১
104
882496
1988509
2026-07-05T09:56:22Z
JyotiPN
12378
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988509
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{rh||অষ্টম পরিচ্ছেদ।|৬৩}}</noinclude>প্রথা। তরফ সর্দ্দারের অধীনস্থ সদিয়াল বা ক্ষুদ্র সর্দ্দারগণ প্রকৃতপক্ষে তাঁহাদের অধীনস্থ প্রজা নহে। তাহাদেরই সাহায্যে এবং তাহাদেরই পৃষ্ঠপোষকতায় তরফসর্দ্দারগণ আপনাদের অধিকারও প্রভূত্ব সংস্থাপনে সমর্থ হইয়াছিলেন। তাহাদের অধিকৃত ভূমির উপর তরফ সর্দ্দারের যে প্রকার অধিকার; তাহাদেরও সেই প্রকার জাতীয় অধিকার আছে। মুণ্ডা জাতীয় ব্যক্তিগণের চিরন্তন প্রথা অনুসারে—ভূমিজ জাতীয় সদিয়াল বা {{SIC|গ্রাম্যসদ্দারগণও|গ্রাম্যসর্দ্দারগণও}} স্বাধিকারের মধ্যে প্রভু। তাহাদের অবস্থা পর্য্যালোচনা করিয়া মহামান্য রিজলী সাহেব যে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করিয়াছিলেন, তাহার এক অংশে আছে,−
{{ফাঁক}}“The Village-Sarder answers to this Munda, the Tabedars to the privileged Bhuinbari rayats. The Sadial at the group of 12 or 15 villages clearly corresponds to the MANKI of the Mundari parcha. As for the Sarder-Ghatwals of the larger tarafs it seems to me the most likely that they were originally Mankis of the cut-lying parchas, and in course of time fresh villages being created, new parchagroups were added under new Mankis (Sadials) who are now only nominally subordinate to the land-Manki (Sarder-Ghatwais) of the taraf, At any rate there can be no question that in Panch-Sardari and Satrakhani tarafs, Sadials occupy well-defined Ghats of 12 or 15 villages<noinclude></noinclude>
gz7cecnlq8d545ydxugl87az2rfx59m
পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/৭২
104
882497
1988510
2026-07-05T10:04:24Z
JyotiPN
12378
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988510
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" /></noinclude>লাল সিংহ। and pay to the Taraf Sarder nothing but a fixed rent.”
{{ফাঁক}}অর্থাৎ “গ্রাম্য সর্দ্দার মুণ্ডারিপ্রথাসম্মত প্রধান ব্যক্তি; এবং তাঁবেদারগণ সাধারণ জমীপ্রস্তুতকারী প্রজা। দ্বাদশ বা পঞ্চদশ গ্রামের উপরে যে এক একজন সদিয়াল আখ্যাধারী ব্যক্তি আছেন, তিনি মুণ্ডাদেশীয় মান্কি। তরফসর্দ্দারগণ ও ক্ষুদ্র মানকিগণের উপরিস্থিত প্রধান মান্কি। সময়ক্রমে যত নূতন গ্রামের সৃষ্টি হইতে লাগিল, ততই সদিয়াল ও গ্রাম্য সর্দ্দারের সংখ্যা বৃদ্ধি হইতে লাগিল। ঐ সকল সদিয়ালগণ বর্ত্তমান সময়ে কেবলমাত্র নামে তরফ সর্দ্দারের অধীনস্থ। পঞ্চসর্দ্দারি ও সতেরখানি তরফে লদিয়ালগণ নির্দিষ্ট দ্বাদশ কি পঞ্চদশ সংখ্যক গ্রাম অধিকার করিয়া থাকে।”
{{ফাঁক}}এই মন্তব্য দৃষ্টে ছোটনাগপুর বিভাগের তৎকালীন কমিশনার মিঃ হিউএট লিখিয়াছেন,−
{{ফাঁক}}“The ancestors of the subordinate division (Sadials & village Sarders) were probably younger brothers or descendants of the younger brothers of the original tribal leaders, while the Sarder-Ghatwals and Tabedars represented the Manki and Munda families. * * * Their holdings were their ancestral property dating from the time when the tribe to which they belonged took possession of the territory.”
{{ফাঁক}}অর্থাৎ “সদিয়াল ও গ্রাম্যসর্দ্দারগণের পূর্ব্বপুরুষ তরফ সর্দ্দারের<noinclude></noinclude>
bezlrq2ssix08l8g4cthk8j5xiexh8r
1988511
1988510
2026-07-05T10:13:09Z
JyotiPN
12378
1988511
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{rh|৬৪|লাল সিংহ।|}}</noinclude>and pay to the Taraf Sarder nothing but a fixed rent.”
{{ফাঁক}}অর্থাৎ “গ্রাম্য সর্দ্দার মুণ্ডারিপ্রথাসম্মত প্রধান ব্যক্তি; এবং তাঁবেদারগণ সাধারণ জমীপ্রস্তুতকারী প্রজা। দ্বাদশ বা পঞ্চদশ গ্রামের উপরে যে এক একজন সদিয়াল আখ্যাধারী ব্যক্তি আছেন, তিনি মুণ্ডাদেশীয় মান্কি। তরফসর্দ্দারগণ ও ক্ষুদ্র মানকিগণের উপরিস্থিত প্রধান মান্কি। সময়ক্রমে যত নূতন গ্রামের সৃষ্টি হইতে লাগিল, ততই সদিয়াল ও গ্রাম্য সর্দ্দারের সংখ্যা বৃদ্ধি হইতে লাগিল। ঐ সকল সদিয়ালগণ বর্ত্তমান সময়ে কেবলমাত্র নামে তরফ সর্দ্দারের অধীনস্থ। পঞ্চসর্দ্দারি ও সতেরখানি তরফে লদিয়ালগণ নির্দিষ্ট দ্বাদশ কি পঞ্চদশ সংখ্যক গ্রাম অধিকার করিয়া থাকে।”
{{ফাঁক}}এই মন্তব্য দৃষ্টে ছোটনাগপুর বিভাগের তৎকালীন কমিশনার মিঃ হিউএট লিখিয়াছেন,−
{{ফাঁক}}“The ancestors of the subordinate division (Sadials & village Sarders) were probably younger brothers or descendants of the younger brothers of the original tribal leaders, while the Sarder-Ghatwals and Tabedars represented the Manki and Munda families. * * * Their holdings were their ancestral property dating from the time when the tribe to which they belonged took possession of the territory.”
{{ফাঁক}}অর্থাৎ “সদিয়াল ও গ্রাম্যসর্দ্দারগণের পূর্ব্বপুরুষ তরফ সর্দ্দারের<noinclude></noinclude>
tlj83pvx0da706e45dwg7rv0kvtma04
পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/৭৩
104
882500
1988515
2026-07-05T10:25:41Z
JyotiPN
12378
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988515
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{rh||অষ্টম পরিচ্ছেদ।|৬৫}}</noinclude>কনিষ্ঠ ভ্রাতা কিম্বা ঐ সকল ভ্রাতার বংশধর। তরফ সর্দ্দার মুণ্ডারি ঔপনিবেশিক-প্রথা-সম্মত মান্কি এবং তাঁবেদারগণ সাধারণ মুণ্ডা পরিবার। এই সকল ব্যক্তিগণের পূর্ব্বপুরুষগণ যে সময়ে এই সকল স্থান অধিকার করিয়াছিল, তাহাদের অধিকৃত ভুমি সকল সেই সময় হইতে বিমান আছে।”
{{ফাঁক}}বিভিন্ন শ্রেণীর ভূমিজ ঔপনিবেশিকগণের জাতীয় অধিকারের বিষয় বিবেচনা করিয়া মিঃ ডাল্টন লিখিয়াছেন,—
{{ফাঁক}}“The headmen had no superior rights in the land cultivated by other villagers; they were not landlords but chiefs; and, they and the people acknowledging them, held the soil they cultivated in virtue of their being the heirs of those who first utilised it, and when it became necessary to distinguish such men from cultivators of inferior title, the former were called Bhuinhars, breakers of the soil. {{right|Dalton, p 168.}}
{{ফাঁক}}অর্থাৎ “তরফ সর্দ্দার প্রভৃতি ভূমিজদিগের জাতীয় প্রভুগণ ভূমিজ কৃষকগণের অধিকৃত ভূমির উপর কোন প্রাধান্যের দাবি করিতে পারে না। তরফ সর্দ্দারগণ ভূমিজ কৃষকগণের অধিকৃত স্থানের প্রভু নহে। তাহারা ভূমিজজাতির রাজা। রাজা এবং তদধীন কৃষকগণ নিজ নিজ অধিকৃত ভূমি, তাহাদের পূর্ব্বপুৰুষগণ সর্ব্বপ্রথমে প্রস্তুত করিয়াছিল, এই অধিকারে ভোগ {{দুষ্পাঠ্য|করিয়া থাকে}}। যখন এই শ্রেণীর কৃষক ও অপর সাধারণ {{দুষ্পাঠ্য|কৃষকগণের মধ্যে}} নির্দ্দেশের প্রয়োজন হইল, তখন প্রথম শ্রেণীর {{দুষ্পাঠ্য|কৃষকগণ}} ভূমিছার<noinclude></noinclude>
ik1k2y0h7oghfq26gwayxty5rfsl9vx
পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/৭৪
104
882501
1988516
2026-07-05T10:32:37Z
JyotiPN
12378
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988516
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{rh||লাল সিংহ। |}}</noinclude>(ভূঁইয়া) অর্থাৎ ‘কৃষিযোগ্য স্থান প্রস্তুতকারী’ আখ্যা প্রাপ্ত হইল।”
{{ফাঁক}}এই মুণ্ডা জাতির বিবরণ এবং তাহাদের রাজ্যশাসন প্রণালী ও তৎসংক্রান্ত নিয়মাবলী পর্যালোচনা করিলে, অনেক বিস্ময়কর প্রথা লোকলোচনের পথবর্ত্তী হইয়া থাকে। আমরা পূর্ব্বে বলিয়াছি যে ক্ষুদ্র ভূস্বামীগণ তরফ সর্দ্দারকে সামান্য নির্দ্দিষ্ট পঞ্চককর আদায় দিয়া থাকে। হিউয়েট সাহেব প্রমুখ মুণ্ডারিপ্রথাভিজ্ঞ ব্যক্তিগণের মতে তাহা প্রকৃতপক্ষে কর নহে। তরফ সর্দ্দার প্রকৃতপক্ষে আদিম উপনিবেশ স্থাপনকালে রাজা ছিলেন। তাঁহার রাজ্যশাসন সংক্রান্ত আবশ্যকীয় ব্যয়ভার বহন করা প্রকৃতিপুঞ্জ কর্ত্তব্য বলিয়া বিবেচনা করিত। এবং সেই ব্যয়ভার নির্ব্বাহ জন্য এই কর প্রদত্ত হইত। ইহা প্রকৃতপক্ষে ভূমির কর নহে। পরন্তু যদি কখন রাজ্যশাসনজন্য অধিক অর্থের প্রয়োজন হইত, তাহা হইলে তরফসর্দ্দার অধীনস্থ সদিয়াল, গ্রাম্যসর্দ্দার ও তাঁবেদারগণকে দরবারে আহ্বান করিতেন। সেই দরবারে সাধারণের মতামত লইয়া যে প্রকার অবধারিত হইত, প্রত্যেককে তদনুসারে কার্য্যানুবর্ত্তী হইতে হইত। হিডয়েট সাহেব তাঁহার রিপোর্টের একস্থানে লিখিয়াছেন,—
{{ফাঁক}}“When the income received by the Taraf-Sarder from the tenure-holders and from his own lands was considered according to Mundari ideas, and if the total contribution given by the Mankis did not suffice for State-expenses, he would have called upon them to pay more, and they would have<noinclude></noinclude>
21n3427kyeduzkrix5t7nyzhym06vdk
পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/৭৫
104
882503
1988518
2026-07-05T10:44:25Z
JyotiPN
12378
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988518
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{rh||অষ্টম পরিচ্ছেদ।|৬৭}}</noinclude>applied to their Mundas, the whole business being settled by public decision.”
{{ফাঁক}}অর্থাৎ “তরফসর্দ্দার অধীনস্থ ব্যক্তিগণের নিকট যে কর পাইতেন তাহা এবং তাঁহার নিজের দখলী জায়গার আয় বিবেচনা করিয়া, যদি তাঁহার অধিক অর্থের প্রয়োজন হইত, তাহা হইলে তিনি মান্কিদিগকে এবং মান্কিগণ মুণ্ডাদিগকে অধিক কর দিবার জন্য জানাইতেন। এবং এই সকল যাবতীয় কার্য সাধারণের বিচার দ্বারা সমাহিত হইত।”
{{ফাঁক}}সম্ভবতঃ সর্দ্দারগণ যুদ্ধে যে সকল সম্পত্তি লুণ্ঠন করিতেন, তাহাও উপরোক্ত নিয়মে জাতীয় ব্যক্তিগণের মধ্যে বিভক্ত হইত। মুক্তাগণের এই প্রকার জাতীয় প্রথা তাহাদিগকে অজেয় করিয়া তুলিয়াছিল। তরফের প্রত্যেক অধিবাসী বিশেষভাবে অবগত ছিল, যে সে রাজ্যের একটি আবশ্যকীয় অংশ। রাজ্যের উন্নতি অবনতিতে তাহাদের ব্যক্তিগত লাভ-লোকসান ছিল। বীরত্বাভিমান তাহাদের প্রকৃতির একাংশ ছিল। রাজ্যের গৌরবে তাহারা আপনাদিগকে গৌরবান্বিত মনে করিত। চোয়াড়গণের বীরত্বাভিমান ও তাহাদের আত্মগৌরব রাজ্যসংক্রান্ত যাবতীয় কার্য্য নির্ব্বাহ জন্য তাহাদিগকে স্বেচ্ছায় প্রাণোদিত করিত। সতেরখানির সর্দ্দারগণ সকলেই বলশালী ও বীর প্রকৃতি; এবং তাঁহারা বিবিধ যুদ্ধে সতেরখানির মুখ উজ্জ্বল করিয়াছিলেন। সুতরাং প্রকৃতিপুঞ্জ ও সন্তোষসহকারে সর্দ্দারের অধীনে যুদ্ধযাত্রা করিত। লালসিংহের ন্যায় বীরপ্রকৃতি ও প্রতিভাশালী {{SIC|সদ্দারের|সর্দ্দারের}} গৌরবে মুণ্ডাবংশীয় প্রকৃতিপুঞ্জ আপনাদিগকে গৌরবান্বিত মনে করিত, সুতরাং তাহারা যথাসাধ্য সর্দ্দারের পৃষ্ঠপোষকস্বরূপে কার্য্য<noinclude></noinclude>
pq9frjiigvdrra2v27yti5jllq0gpxc
চিত্র:কর্ম্মদেবী-রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়(১৮৬২ ).pdf
6
882504
1988519
2026-07-05T10:47:10Z
Amit Paid Scan
21002
== সারাংশ ==
{{Book= কর্ম্মদেবী
|Author= রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
|Translator=
|Editor=
|Date= ১৮৬২
}}
=={{int:license-header}}==
{{PD-India}}
1988519
wikitext
text/x-wiki
== সারাংশ ==
{{Book= কর্ম্মদেবী
|Author= রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
|Translator=
|Editor=
|Date= ১৮৬২
}}
=={{int:license-header}}==
{{PD-India}}
dvt83nng8ok43rf44pqw6mdl9z8fl4p
চিত্র:পদ্যপাঠ (তৃতীয় ভাগ)-যদুগোপাল চট্টোপাধ্যায় (১৯১৩).pdf
6
882505
1988520
2026-07-05T10:53:05Z
Amit Paid Scan
21002
== সারাংশ ==
{{Book= পদ্যপাঠ
|Author= যদুগোপাল চট্টোপাধ্যায়
|Translator=
|Editor=
|Date= ১৯১৩
}}
=={{int:license-header}}==
{{PD-India}}
1988520
wikitext
text/x-wiki
== সারাংশ ==
{{Book= পদ্যপাঠ
|Author= যদুগোপাল চট্টোপাধ্যায়
|Translator=
|Editor=
|Date= ১৯১৩
}}
=={{int:license-header}}==
{{PD-India}}
jzhckftv7nl3oor79xi2pnbah69qsxb
চিত্র:প্রবাস-চিত্র (দ্বিতীয় সংস্করণ)-জলধর সেন(১৯০৫).pdf
6
882506
1988521
2026-07-05T10:57:12Z
Amit Paid Scan
21002
== সারাংশ ==
{{Book= প্রবাস চিত্র(দ্বিতীয় সংস্করণ)
|Author= জলধর সেন
|Translator=
|Editor=
|Date= ১৯০৫
}}
=={{int:license-header}}==
{{PD-India}}
1988521
wikitext
text/x-wiki
== সারাংশ ==
{{Book= প্রবাস চিত্র(দ্বিতীয় সংস্করণ)
|Author= জলধর সেন
|Translator=
|Editor=
|Date= ১৯০৫
}}
=={{int:license-header}}==
{{PD-India}}
j7qxgimdwnmyga7x0q6894no5j55r3v
পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/৭৬
104
882507
1988522
2026-07-05T11:02:40Z
JyotiPN
12378
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988522
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{rh|৬৮|লাল সিংহ। |}}</noinclude>করিত। এই শ্রেণীর সৈন্যগণ বেতনভোগী সৈন্য অপেক্ষা বহুগুণে অধিকতর কার্য্যকারী হইয়া থাকে। আত্মগৌরব ও মর্য্যাদা যে প্রকার মনুষ্যের কার্য্যকারী-শক্তি প্রবুদ্ধ করে, অন্য কিছুতেই সেরূপ পারে না। সেইজন্য আমরা পরিচ্ছেদের প্রথমাংশে বলিয়াছি যে এই শ্রেণীর সৈন্যগণ সর্দ্দারের প্রধান আশ্রয় ও পৃষ্ঠপোষক ছিল।
{{ফাঁক}}অনার্য্য, বর্ণজ্ঞানহীন মুণ্ডাগণ যে প্রথা ও প্রণালীর অনুসরণ করিয়া প্রতিষ্ঠালাভে সমর্থ হইয়াছিল, তাহা সুসভ্য জাতিগণের ও অনুকরণীয়। তাহাদের কর্ত্তব্যবুদ্ধি ও আত্মসন্মান তাহাদিগকে ক্ষুদ্র স্বার্থপরতা হইতে রক্ষা করিত। এবং এই আত্মসম্মান ও গৌরব তাহাদিগকে দুর্দ্ধর্ষ ও অজেয় করিয়াছিল। এই চোয়াড়গণকে সংযত রাখিয়া তাহাদের সাহায্যে রাজ্যবিস্তার ও প্রতিষ্ঠা অর্জ্জন করা লালসিংহের জীবনের অন্যতম গৌরব, তৎপক্ষে সন্দেহ নাই।
{{dhr|1em}}
{{rule|5em}}
{{dhr|1em}}
{{Img float
| file =লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩) (page 14 crop).jpg
| width =400px
| align = center
| cap =}}<noinclude></noinclude>
epfxxo9c0jpp5i03980ju8l5ajdw5uq
1988523
1988522
2026-07-05T11:03:14Z
JyotiPN
12378
1988523
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{rh|৬৮|লাল সিংহ। |}}</noinclude>করিত। এই শ্রেণীর সৈন্যগণ বেতনভোগী সৈন্য অপেক্ষা বহুগুণে অধিকতর কার্য্যকারী হইয়া থাকে। আত্মগৌরব ও মর্য্যাদা যে প্রকার মনুষ্যের কার্য্যকারী-শক্তি প্রবুদ্ধ করে, অন্য কিছুতেই সেরূপ পারে না। সেইজন্য আমরা পরিচ্ছেদের প্রথমাংশে বলিয়াছি যে এই শ্রেণীর সৈন্যগণ সর্দ্দারের প্রধান আশ্রয় ও পৃষ্ঠপোষক ছিল।
{{ফাঁক}}অনার্য্য, বর্ণজ্ঞানহীন মুণ্ডাগণ যে প্রথা ও প্রণালীর অনুসরণ করিয়া প্রতিষ্ঠালাভে সমর্থ হইয়াছিল, তাহা সুসভ্য জাতিগণের ও অনুকরণীয়। তাহাদের কর্ত্তব্যবুদ্ধি ও আত্মসন্মান তাহাদিগকে ক্ষুদ্র স্বার্থপরতা হইতে রক্ষা করিত। এবং এই আত্মসম্মান ও গৌরব তাহাদিগকে দুর্দ্ধর্ষ ও অজেয় করিয়াছিল। এই চোয়াড়গণকে সংযত রাখিয়া তাহাদের সাহায্যে রাজ্যবিস্তার ও প্রতিষ্ঠা অর্জ্জন করা লালসিংহের জীবনের অন্যতম গৌরব, তৎপক্ষে সন্দেহ নাই।
{{dhr|1em}}
{{rule|5em}}
{{dhr|1em}}
{{Img float
| file =লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩) (page 14 crop).jpg
| width =250px
| align = center
| cap =}}<noinclude></noinclude>
i8cp5d5gdp7zgd5isala26woedlrsum
পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/১১৩
104
882508
1988524
2026-07-05T11:11:47Z
JyotiPN
12378
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988524
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{rh||ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ।|১০৫}}</noinclude>যাইবে না। স্থানীয় অবস্থা দৃষ্টে, ও পর্ব্বত সঙ্কুল স্থানে গতায়াতে তাহারা যে প্রকার অভ্যস্ত তাহাতে, মনে হয় যে তাহারা সৈন্যগণের দৃষ্টি এড়াইয়া পলাইয়া যাইবে; এবং সময় বুঝিয়া পুনরাগমন করতঃ পূর্ব্ববৎ লুণ্ঠন ও অন্যান্য অত্যাচারের অনুষ্ঠান করিবে। এবং তাহাদিগের দাবি পরিপূর্ণ না করিলে তাহারা প্রকৃতিপুঞ্জের উপর যথেচ্ছ অত্যাচার করিবে। কেবল মাত্র ভয় প্রদর্শন দ্বারা তাহারা বিস্তৃত স্থানে আপনাদের অধিকার প্রবল রাখিয়াছে। সৈন্যবলের সাহায্যে ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেব তাহাদের গতিরোধ করিতে সমর্থ নহেন।”
{{dhr|1em}}
{{Rule|5em}}
{{dhr|1em}}
{{Img float
| file =লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩) (page 52 crop).jpg
| width = 400px
| align = center
| cap =}}<noinclude></noinclude>
jea6fq4wib50qnvzwaypeau2uqiuopm
পাতা:ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য - শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৬৫).pdf/২২৭
104
882509
1988525
2026-07-05T11:28:45Z
Hrishikes
1618
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1988525
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{rh||বাঙলা শাক্ত-সাহিত্য|২১১}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>
কে রে কালীয় শরীরে, রুধির শোভিছে,
:::::::::কালিন্দীর জলে কিংশুক ভাসে।
কে রে নীলকমল, শ্রীমুখমণ্ডল,
:::::::::অর্ধচন্দ্র ভালে প্রকাশে॥
কে রে নীলকান্ত মণি নিতান্ত,
:::::::::নগর-নিকর তিমির নাশে;
কে রে রূপের ছটায় তড়িত ঘটায়,
:::::::::ঘন ঘোর রবে উঠে আকাশে॥<ref>শাক্ত পদাবলী (কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়)।</ref>
</poem>}}
পদটির পশ্চাতে যে কবি-মানস রহিয়াছে তাহাকে ভাল করিয়া বুঝিয়া লইতে হইলে পদটির একটু ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ দরকার। কালী আসব-আবেশে—অর্থাৎ সুরাপানে বিহ্বলা হইয়া এলোকেশে ঢলিয়া ঢলিয়া রণক্ষেত্রে আসিতেছেন; কিন্তু ঢলিয়া ঢলিয়াও দানব-দলনে তাঁহার চরণের ক্ষিপ্রগতি—এবং রণক্ষেত্রে তিনি দানবপক্ষের গজগুলিকে করে ধরিয়া গ্রাস করিতেছেন, রণোন্মাদিনী দেবীর সর্বাঙ্গে রুধিরচিহ্ন। এই পর্যন্ত কালীর পৌরাণিক রূপ; কিন্তু সাধকের মনের মাধুরীর স্পর্শে এই রূপও ভয়ঙ্করী হইয়া উঠিতেছে না; কালীর কালো দেহে রুধিরের ছটা যেন কালিন্দীর কালো জলে ভাসিয়া-যাওয়া কিংশুকের ছটা। আবার মনে হইতেছে, মায়ের মুখখানি যেন নীলকমল—চূড়ার অর্ধচন্দ্র এই নীলকমলের উপরেই অপূর্ব শোভা ধারণ করিয়াছে। নীলচরণের নখরগুলি হইতে যেন নীলকান্তমণির দ্যুতি বিচ্ছুরিত হইয়া অন্ধকার নাশ করিতেছে; নীলবর্ণের উপরে রূপের ছটায় যেন বিদ্যুৎ খেলিতেছে—দেবী যে ঘোর রবে রণে লম্ফ দিতেছেন, তাহাতে মনে হয় আকাশে গর্জনকারী নীলনবীন মেঘে যেন বিদ্যুৎ খেলিতেছে।
{{gap}}এই বর্ণনাটি কাব্যের দিক্ হইতে নিখুঁত না হইতে পারে—অতিরেক দোষে দুষ্ট হইতে পারে—কিন্তু লক্ষ্য করিতে হইবে, পৌরাণিক ভয়ঙ্করী দেবীর কোনও লক্ষণকে বাদ না দিয়া তাহাকেই হৃদয়মধ্যে কতখানি মধুর করিয়া লওয়া যাইতে পারে তাহার কি একটি ব্যাকুল প্রয়াস রহিয়াছে কবির সবটুকু বর্ণনার মধ্যে।
{{gap}}মহারাজ যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের একটি অপূর্ব বর্ণনায় দেখি—
{{block center|<poem>
তুষার ধবল হ্রদে নীলিম নলিনী।
হর-হৃদি-মাঝে আমার শ্যামা মা জননী॥
রূপ সে তিমিররাশি, অথচ তিমির নাশি’
উজলিছে ত্রিভুবন জিনি সৌদামিনী॥<ref>ঐ।</ref>
</poem>}}<noinclude>{{rule|8em|align=left}}
{{smallrefs|85%}}</noinclude>
iqkxx38jj3r85brmz3mjz32njqz85xi
1988526
1988525
2026-07-05T11:29:18Z
Hrishikes
1618
1988526
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{rh||বাঙলা শাক্ত-সাহিত্য|২১১}}
{{block center/s}}</noinclude><poem>
কে রে কালীয় শরীরে, রুধির শোভিছে,
:::::::::কালিন্দীর জলে কিংশুক ভাসে।
কে রে নীলকমল, শ্রীমুখমণ্ডল,
:::::::::অর্ধচন্দ্র ভালে প্রকাশে॥
কে রে নীলকান্ত মণি নিতান্ত,
:::::::::নগর-নিকর তিমির নাশে;
কে রে রূপের ছটায় তড়িত ঘটায়,
:::::::::ঘন ঘোর রবে উঠে আকাশে॥<ref>শাক্ত পদাবলী (কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়)।</ref>
</poem>{{block center/e}}
পদটির পশ্চাতে যে কবি-মানস রহিয়াছে তাহাকে ভাল করিয়া বুঝিয়া লইতে হইলে পদটির একটু ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ দরকার। কালী আসব-আবেশে—অর্থাৎ সুরাপানে বিহ্বলা হইয়া এলোকেশে ঢলিয়া ঢলিয়া রণক্ষেত্রে আসিতেছেন; কিন্তু ঢলিয়া ঢলিয়াও দানব-দলনে তাঁহার চরণের ক্ষিপ্রগতি—এবং রণক্ষেত্রে তিনি দানবপক্ষের গজগুলিকে করে ধরিয়া গ্রাস করিতেছেন, রণোন্মাদিনী দেবীর সর্বাঙ্গে রুধিরচিহ্ন। এই পর্যন্ত কালীর পৌরাণিক রূপ; কিন্তু সাধকের মনের মাধুরীর স্পর্শে এই রূপও ভয়ঙ্করী হইয়া উঠিতেছে না; কালীর কালো দেহে রুধিরের ছটা যেন কালিন্দীর কালো জলে ভাসিয়া-যাওয়া কিংশুকের ছটা। আবার মনে হইতেছে, মায়ের মুখখানি যেন নীলকমল—চূড়ার অর্ধচন্দ্র এই নীলকমলের উপরেই অপূর্ব শোভা ধারণ করিয়াছে। নীলচরণের নখরগুলি হইতে যেন নীলকান্তমণির দ্যুতি বিচ্ছুরিত হইয়া অন্ধকার নাশ করিতেছে; নীলবর্ণের উপরে রূপের ছটায় যেন বিদ্যুৎ খেলিতেছে—দেবী যে ঘোর রবে রণে লম্ফ দিতেছেন, তাহাতে মনে হয় আকাশে গর্জনকারী নীলনবীন মেঘে যেন বিদ্যুৎ খেলিতেছে।
{{gap}}এই বর্ণনাটি কাব্যের দিক্ হইতে নিখুঁত না হইতে পারে—অতিরেক দোষে দুষ্ট হইতে পারে—কিন্তু লক্ষ্য করিতে হইবে, পৌরাণিক ভয়ঙ্করী দেবীর কোনও লক্ষণকে বাদ না দিয়া তাহাকেই হৃদয়মধ্যে কতখানি মধুর করিয়া লওয়া যাইতে পারে তাহার কি একটি ব্যাকুল প্রয়াস রহিয়াছে কবির সবটুকু বর্ণনার মধ্যে।
{{gap}}মহারাজ যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের একটি অপূর্ব বর্ণনায় দেখি—
{{block center|<poem>
তুষার ধবল হ্রদে নীলিম নলিনী।
হর-হৃদি-মাঝে আমার শ্যামা মা জননী॥
রূপ সে তিমিররাশি, অথচ তিমির নাশি’
উজলিছে ত্রিভুবন জিনি সৌদামিনী॥<ref>ঐ।</ref>
</poem>}}<noinclude>{{rule|8em|align=left}}
{{smallrefs|85%}}</noinclude>
hxeh8wadq07ait5hiw4f2nvq2z7sc6k
পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/১০৪
104
882510
1988527
2026-07-05T11:30:41Z
JyotiPN
12378
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1988527
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="JyotiPN" />{{rh|৯৬|লাল সিংহ।|}}</noinclude>সেই বিদ্বেষের চরম পরিণতি। পরবর্ত্তী বিপ্লবে গঙ্গানারায়ণ যে অদ্ভুত সামরিক প্রতিভা ও বিচ্ছিন্ন প্রজাশক্তি সমবেত করিবার অসাধারণ ক্ষমতা প্রদর্শন করিয়াছিলেন, বরাহভূমের বর্ত্তমান গৃহবিবাদ তাঁহাকে সেই প্রতিভা পরিপুষ্ট করিবার অবসর প্রদান করিল। পরবর্ত্তী বিপ্লবে {{SIC|গঙ্গারানায়ণের|গঙ্গানারায়ণের}} যে অসি পরিণত বয়স্ক মাধো সিংহের রক্তে রঞ্জিত ও স্নাত হইয়াছিল, সেই অসি বালক মাধো সিংহের সাহায্যের জন্য কোষমুক্ত হইল।
{{ফাঁক}}আমরা পূর্ব্বেই বলিয়াছি, বরাহভূমের জনসাধারণ রাজ্যে প্রধানা মহিষীর গর্ভজাত সন্তানের দাবি ন্যায্য বলিয়া মনে করিত। সেই জন্য অধিকাংশ সর্দ্দার মাধো সিংহের পক্ষাবলম্বন করিলেন। পঞ্চসর্দ্দারির সমরকুশল সর্দ্দার কিশন্ পাথর ও ধাদকা তরফের সর্দ্দার গুমানগঞ্জন সিংহ ভুঞা মাধো সিংহের পক্ষাবলম্বন করিলেন। সমস্ত বিষয় বিবেচনা করিয়া কেবলমাত্র প্রতাপশালী সর্দ্দার লালসিংহ ভুঞা জ্যেষ্ঠ গঙ্গাগোবিন্দকে আশ্রয় দিলেন। লালসিংহ তৎকালীন যাবতীয় সর্দ্দারগণ অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী ছিলেন। স্বয়ং ষ্ট্ৰাচি সাহেব একহলে লিখিয়াছেন,−
{{ফাঁক}}“Lalsing appears to be the most powerful of the Sarders.”
{{ফাঁক}}অর্থাৎ ‘লালসিংহ সর্দ্দারগণের মধ্যে সর্ব্বাপেক্ষা অধিক শক্তিশালী।’ তাঁহার আশ্রয়লাভে গঙ্গাগোবিন্দ অন্যান্য সর্দ্দারগণকে উপেক্ষা করিতে সমর্থ হইয়াছিলেন।
{{dhr}}
{{Custom rule|sp|20|col|6|str|10|col|6|sp|20}}<noinclude></noinclude>
tfcdu72b753krwm9c84ehi4akxivs2b
পাতা:লাল সিংহ - হরিনাথ ঘোষ (১৯১৩).pdf/১২২
104
882511
1988528
2026-07-05T11:34:10Z
JyotiPN
12378
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "ষ্ট্রাচি সাহেবের মন্তব্য সমীচীন বলিয়া গৃহীত হইল। মন্তব্যের প্রকাশিত প্রস্তাব অনুসারে সদারগণের পূর্ব্বাপরাধের জন্ত তাঁহাদিগকে মার্জ্জনা করা হইল; এবং তাঁহাদের সাহায্..." দিয়ে পাতা তৈরি
1988528
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="JyotiPN" />{{rh|১১৪|লাল সিংহ।|}}</noinclude>ষ্ট্রাচি সাহেবের মন্তব্য সমীচীন বলিয়া গৃহীত হইল। মন্তব্যের প্রকাশিত প্রস্তাব অনুসারে সদারগণের পূর্ব্বাপরাধের জন্ত তাঁহাদিগকে মার্জ্জনা করা হইল; এবং তাঁহাদের সাহায্যে রাজ্যে শান্তি স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদিত হইল। উপরোক্ত পত্রের অপরাংশে আছে,
{{ফাঁক}}The Governor General in Council টাকার সাহেবের * * * is of opinion that no retrospect should be had of the conduct, either of the Zemindar, or the Sirder Pikes of Burrabhum, His Lordship accordingly desires that you will admit them all to the benifit of a general pardon, under an express provision however that their conduct be unuexceptionable in future, and that should they recur to their former practices this pardon is to be forfeited and of no effect.”
{{ফাঁক}}অর্থাৎ “মন্ত্রী-সভাধিষ্ঠিত গবর্ণর জেনারেল সাহেব বাহাদুর মত প্রকাশ করিতেছেন যে, জমীদার ও সদারগণকে পূর্ব্বাচরিত কার্য্যের জন্য ক্ষমা করা হউক। তাহাদের সকলকে বিশেষভাবে বুঝাইয়া দিবেন যে, যদি তাহারা ভবিষ্যতে পুনরায় পূর্ব্বাচরিত নীতির অনুসরণ করে তাহা হইলে এই ক্ষমার আদেশ রহিত করিয়া তাহাদিগকে দণ্ডিত করা যাইবে।”
{{ফাঁক}}উপরোক্ত মর্ম্মে মিঃ টাকার রেভিনিউবোর্ডে এবং রেভিনিউ বোর্ডের সেক্রেটারী ডাউডেওয়েল কালেক্টার ইরাষ্ট্র সাহেবকে পত্র দ্বারা লাটদরবারের অভিমত বিজ্ঞাপিত করিলেন; এবং ইংরাজ সরকারের অনুসৃত সাম্যনীতি মূলে বরাহভূমে শান্তি সংস্থাপিত করিবার আয়োজন হইতে লাগিল।
{{rule|5em}}<noinclude></noinclude>
lmmg4qizwsr2snm5ojyn8vfeyak1mwl