উইকিপিডিয়া bpywiki https://bpy.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B2%E0%A6%BE_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.8 first-letter মিডিয়া বিশেষ য়্যারী আতাকুরা আতাকুরার য়্যারী উইকিপিডিয়া উইকিপিডিয়া য়্যারী ছবি ছবি য়্যারী মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকির য়্যারী মডেল মডেলর য়্যারী পাংলাক পাংলাকর য়্যারী থাক থাকর য়্যারী হমিলদুৱার হমিলদুৱার য়্যারী TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা বাগমারা উত্তর ইউনিয়ন 0 27343 897151 891252 2026-06-28T10:32:09Z Mohammed Abraham 10 28305 /* */ 897151 wikitext text/x-wiki {{ইউনিয়নর পৌরঝাপি | ইউনিয়ন = বাগমারা | মানচিত্র = LaksamUpazila.png | উপজিলা = সদর দক্ষিণ উপজিলা | জিলা = কুমিল্লা জিলা | SL = 4055 | বিভাগ = চট্টগ্রাম বিভাগ | চেয়ারম্যানগ = | গাঙ = হান | মৌজা = হান | একর = ৬৯৭৫ | বর্গ_কিমি = | ঘর = ৫৯৮৭ | জনসংখ্যা = ৩৩,৭০১ | মানুলেহা বসর = ১৯৯১ | বেয়াপা = ১৬,৪৯৪ | মুনি = ১৬,৩২৮ | শিক্ষা = ৩০.৩ | লমনির কথা = }} '''বাগমারা ইউনিয়ন''' এগ [[সদর দক্ষিণ উপজিলা|সদর দক্ষিণ উপজিলার]] [[কুমিল্লা জিলা]]র বারো [[চট্টগ্রাম বিভাগ]]র [[বাংলাদেশর ইউনিয়নগি|ইউনিয়ন]] আগ। == ভৌগলিক উপাত্ত == আয়তনহান: ৬৯৭৫ [[একর]] ([[বর্গ কিলোমিটার]])। ইউনিয়ন এগত ৫৯৮৭ গ ঘরর ইউনিট আসে। === চৌদ্দাহান === মুঙেদে: --- ইউনিয়ন। পিছেদে: --- ইউনিয়ন। খায়েদে: --- ইউনিয়ন। ঔয়াঙেদে: --- ইউনিয়ন। == জনসংখ্যার উপাত্ত == বাংলাদেশর ১৯৯১ মারির মানুলেহা (লোক গননা) ইলয়া বাগমারা ইউনিয়নর জনসংখ্যা ইলাতাই ৩৩,৭০১ গ।<ref name="census">{{cite web | accessdate = জুন ২৮ | accessyear = মারি ২০০৭ | url = http://www.bbs.gov.bd | title = বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)}}</ref> অতার মা মুনি ৫১%, বারো জিলা/বেয়াপা ৪৯%। ইউনিয়ন এগত ১৮ বসরর গজে ১৬,৩২৮গ মানু আসি। লহঙ করিসিতা ৫৬৪৮গ বেয়াপা (১৫-৪৪ বসর) আসি। বাগমারা ইউনিয়নর সাক্ষরতার হারহান ৩০.৩%। == গাঙ বারো মৌজা == ইউনিয়ন এগত গাঙ: হান বারো মৌজা: হান আসে == পাসিতা == {{পাসিতা তালিকা}} {{লালমাই উপজিলা}} {{কুমিল্লা জিলার প্রশাসনিক লয়াগি}} {{বাংলাদেশর-ইউনিয়ন-লইনাসে}} [[থাক:লালমাই উপজিলার ইউনিয়নগি]] joac348vz4tekn0f1nsubm90giggau0 মহাস্থানগড় 0 56687 897148 897147 2026-06-28T06:11:45Z ~2026-37286-62 28301 /* মাজার শরীফ */ 897148 wikitext text/x-wiki [[Image:BD Mahasthangarh1.JPG|right|thumb|250px|মহাস্থানগড়]] মহাস্থানগড় [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশর]] পুরানা আমলর পুরাকীর্তি আহান। আগে এহার নাঙহান আসিল পুণ্ড্রনগর বা পুণ্ড্রবর্ধন। সময আহাত মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানীগো আসিল। এপেই [[মৌর্য রাজবংশ|মৌর্য]], [[গুপ্ত]], [[পাল রাজবংশ|পাল]], [[সেন রাজবংশ|সেন]] সাম্রাজ্যর আবকচা নিদর্শন বিসারিয়া পাসি। এগোর অবস্থান [[বগুড়া|বগুড়া জেলার]] [[শিবগঞ্জ থানা]] থানাত। বগুড়া টাউনেত্ত লামসাম ১০ কি.মি অয়াঙেদে মহাস্থানগড়র অবস্থান। ==ইতিহাস== বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ ৬৩৯ থেকে ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে পুন্ড্রনগরে এসেছিলেন। ভ্রমণের ধারাবিবরণীতে তিনি তখনকার প্রকৃতি ও জীবনযাত্রার উল্লেখ করে বর্ণনা দেন। বৌদ্ধ শিক্ষার জন্য প্রসিদ্ধ হওয়ায় চীন ও তিব্বত থেকে ভিক্ষুরা তখন মহাস্থানগড়ে আসতেন লেখাপড়া করতে ।এরপর তারা বেরিয়ে পড়তেন দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে।সেখানে গিয়ে তারা বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষার বিস্তার ঘটাতেন। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে,গৌতম বুদ্ধের সম্মানে সম্রাট অশোক এখানে স্তুপ নির্মাণ করেছিলেন। স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম সে স্তুপটিকে হিউয়েন সাঙ বর্ণিত অশোকস্তুপ হিসেবে শনাক্ত করেন। সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্যণসেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল। মহাস্থানের রাজা ছিলেন নল যার বিরোধ লেগে থাকত তার ভাই নীল এর সাথে। এসময় ভারতের দক্ষিণাত্যের শ্রীক্ষেত্র নামক স্থান থেকে এক অভিশপ্ত ব্রাহ্মণ এখানে আসেন। তিনি রাজা পরশুরাম। এই রাজা পরশুরাম রাম নামেও পরিচিত ছিলেন। ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠা করতে আসেন ফকির বেশি দরবেশ হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলেন (র:) এবং তার শিষ্য। ধর্ম প্রচারক শাহ সুলতান বলখী সম্পর্কে রয়েছে আশ্চর্য কিংবদন্তী। কথিত আছে, তিনি মহাস্থানগড় অর্থাৎ প্রাচীন পুন্ড্রনগরে প্রবেশ করার সময় করতোয়া নদী পার হয়েছিলেন একটা বিশাল মাছের আকৃতির নৌকার পিঠে চড়ে। ==দর্শনীয় জায়গা == ===মাজার শরীফ=== অনেক ঐতিহাসিক ও স্থানীয় লোকের মতে এটি হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী (র:) এর মাজার। মহাস্থান বাস স্ট্যান্ড থেকে কিছুটা পশ্চিমে এ মাজার শরীফ অবস্থিত। শাহ সুলতান বলখী (র:) ১৪শ শতাব্দীর একজন ইসলাম ধর্ম প্রচারক ছিলেন। কথিত আছে মাছ আকৃতির নৌকাতে করে তার শিষ্যদের নিয়ে বরেন্দ্র ভূমিতে আসেন। সেখান থেকে তার নাম এসেছে মাহিসাওয়ার (মাছের পিঠে করে আগমনকারী) এবং তিনি বল্যখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন বিধায় তাকে শাহ সুলতান বলখী ও বলা হয় । ===কালীদহ সাগর=== ===শীলাদেবীর ঘাট=== ===জিউৎকুন্ড=== ===মিউজিয়াম=== ===বেহুলার গরগো=== ==তথ্যমালা== [[থাক:ইতিহাস]] 26u17ll1ie9d30iysd1mcjrcg6s4zi6 897149 897148 2026-06-28T07:16:39Z ~2026-37277-48 28304 /* মাজার শরীফ */ 897149 wikitext text/x-wiki [[Image:BD Mahasthangarh1.JPG|right|thumb|250px|মহাস্থানগড়]] মহাস্থানগড় [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশর]] পুরানা আমলর পুরাকীর্তি আহান। আগে এহার নাঙহান আসিল পুণ্ড্রনগর বা পুণ্ড্রবর্ধন। সময আহাত মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানীগো আসিল। এপেই [[মৌর্য রাজবংশ|মৌর্য]], [[গুপ্ত]], [[পাল রাজবংশ|পাল]], [[সেন রাজবংশ|সেন]] সাম্রাজ্যর আবকচা নিদর্শন বিসারিয়া পাসি। এগোর অবস্থান [[বগুড়া|বগুড়া জেলার]] [[শিবগঞ্জ থানা]] থানাত। বগুড়া টাউনেত্ত লামসাম ১০ কি.মি অয়াঙেদে মহাস্থানগড়র অবস্থান। ==ইতিহাস== বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ ৬৩৯ থেকে ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে পুন্ড্রনগরে এসেছিলেন। ভ্রমণের ধারাবিবরণীতে তিনি তখনকার প্রকৃতি ও জীবনযাত্রার উল্লেখ করে বর্ণনা দেন। বৌদ্ধ শিক্ষার জন্য প্রসিদ্ধ হওয়ায় চীন ও তিব্বত থেকে ভিক্ষুরা তখন মহাস্থানগড়ে আসতেন লেখাপড়া করতে ।এরপর তারা বেরিয়ে পড়তেন দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে।সেখানে গিয়ে তারা বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষার বিস্তার ঘটাতেন। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে,গৌতম বুদ্ধের সম্মানে সম্রাট অশোক এখানে স্তুপ নির্মাণ করেছিলেন। স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম সে স্তুপটিকে হিউয়েন সাঙ বর্ণিত অশোকস্তুপ হিসেবে শনাক্ত করেন। সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্যণসেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল। মহাস্থানের রাজা ছিলেন নল যার বিরোধ লেগে থাকত তার ভাই নীল এর সাথে। এসময় ভারতের দক্ষিণাত্যের শ্রীক্ষেত্র নামক স্থান থেকে এক অভিশপ্ত ব্রাহ্মণ এখানে আসেন। তিনি রাজা পরশুরাম। এই রাজা পরশুরাম রাম নামেও পরিচিত ছিলেন। ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠা করতে আসেন ফকির বেশি দরবেশ হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলেন (র:) এবং তার শিষ্য। ধর্ম প্রচারক শাহ সুলতান বলখী সম্পর্কে রয়েছে আশ্চর্য কিংবদন্তী। কথিত আছে, তিনি মহাস্থানগড় অর্থাৎ প্রাচীন পুন্ড্রনগরে প্রবেশ করার সময় করতোয়া নদী পার হয়েছিলেন একটা বিশাল মাছের আকৃতির নৌকার পিঠে চড়ে। ==দর্শনীয় জায়গা == ===মাজার শরীফ=== অনেক ঐতিহাসিক ও স্থানীয় লোকের মতে এটি হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী (র:) এর মাজার। মহাস্থান বাস স্ট্যান্ড থেকে কিছুটা পশ্চিমে এ মাজার শরীফ অবস্থিত। শাহ সুলতান বলখী (র:) ১৪শ শতাব্দীর একজন ইসলাম ধর্ম প্রচারক ছিলেন। কথিত আছে মাছ আকৃতির নৌকাতে করে তার শিষ্যদের নিয়ে বরেন্দ্র ভূমিতে আসেন। সেখান থেকে তার নাম এসেছে মাহিসাওয়ার (মাছের পিঠে করে আগমনকারী) এবং তিনি বল্যখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন বিধায় তাকে শাহ সুলতান বলখী ও বলা হয় । ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আওরঙ্গজেব সৈয়দ রেজা, সৈয়দ তাহির, সৈয়দ আব্দুল রাম্মান (তিন ভাই) কে এই মাজারকে জামিনদার দেখাশোনার দায়িত্ব প্রদান করেন। স্থানীয় লোকজন শাহ সুলতান মাহিসাওয়ারকে খুব সম্মান করে। ===কালীদহ সাগর=== ===শীলাদেবীর ঘাট=== ===জিউৎকুন্ড=== ===মিউজিয়াম=== ===বেহুলার গরগো=== ==তথ্যমালা== [[থাক:ইতিহাস]] g85ezvio2i0izdw3nfy64c6dcah36tm 897150 897149 2026-06-28T07:41:51Z ~2026-37277-48 28304 /* মাজার শরীফ */ 897150 wikitext text/x-wiki [[Image:BD Mahasthangarh1.JPG|right|thumb|250px|মহাস্থানগড়]] মহাস্থানগড় [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশর]] পুরানা আমলর পুরাকীর্তি আহান। আগে এহার নাঙহান আসিল পুণ্ড্রনগর বা পুণ্ড্রবর্ধন। সময আহাত মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানীগো আসিল। এপেই [[মৌর্য রাজবংশ|মৌর্য]], [[গুপ্ত]], [[পাল রাজবংশ|পাল]], [[সেন রাজবংশ|সেন]] সাম্রাজ্যর আবকচা নিদর্শন বিসারিয়া পাসি। এগোর অবস্থান [[বগুড়া|বগুড়া জেলার]] [[শিবগঞ্জ থানা]] থানাত। বগুড়া টাউনেত্ত লামসাম ১০ কি.মি অয়াঙেদে মহাস্থানগড়র অবস্থান। ==ইতিহাস== বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ ৬৩৯ থেকে ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে পুন্ড্রনগরে এসেছিলেন। ভ্রমণের ধারাবিবরণীতে তিনি তখনকার প্রকৃতি ও জীবনযাত্রার উল্লেখ করে বর্ণনা দেন। বৌদ্ধ শিক্ষার জন্য প্রসিদ্ধ হওয়ায় চীন ও তিব্বত থেকে ভিক্ষুরা তখন মহাস্থানগড়ে আসতেন লেখাপড়া করতে ।এরপর তারা বেরিয়ে পড়তেন দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে।সেখানে গিয়ে তারা বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষার বিস্তার ঘটাতেন। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে,গৌতম বুদ্ধের সম্মানে সম্রাট অশোক এখানে স্তুপ নির্মাণ করেছিলেন। স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম সে স্তুপটিকে হিউয়েন সাঙ বর্ণিত অশোকস্তুপ হিসেবে শনাক্ত করেন। সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্যণসেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল। মহাস্থানের রাজা ছিলেন নল যার বিরোধ লেগে থাকত তার ভাই নীল এর সাথে। এসময় ভারতের দক্ষিণাত্যের শ্রীক্ষেত্র নামক স্থান থেকে এক অভিশপ্ত ব্রাহ্মণ এখানে আসেন। তিনি রাজা পরশুরাম। এই রাজা পরশুরাম রাম নামেও পরিচিত ছিলেন। ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠা করতে আসেন ফকির বেশি দরবেশ হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলেন (র:) এবং তার শিষ্য। ধর্ম প্রচারক শাহ সুলতান বলখী সম্পর্কে রয়েছে আশ্চর্য কিংবদন্তী। কথিত আছে, তিনি মহাস্থানগড় অর্থাৎ প্রাচীন পুন্ড্রনগরে প্রবেশ করার সময় করতোয়া নদী পার হয়েছিলেন একটা বিশাল মাছের আকৃতির নৌকার পিঠে চড়ে। ==দর্শনীয় জায়গা == ===মাজার শরীফ=== অনেক ঐতিহাসিক ও স্থানীয় লোকের মতে এটি হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী (র:) এর মাজার। মহাস্থান বাস স্ট্যান্ড থেকে কিছুটা পশ্চিমে এ মাজার শরীফ অবস্থিত। শাহ সুলতান বলখী (র:) ১৪শ শতাব্দীর একজন ইসলাম ধর্ম প্রচারক ছিলেন। কথিত আছে মাছ আকৃতির নৌকাতে করে তার শিষ্যদের নিয়ে বরেন্দ্র ভূমিতে আসেন। সেখান থেকে তার নাম এসেছে মাহিসাওয়ার (মাছের পিঠে করে আগমনকারী) এবং তিনি বল্যখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন বিধায় তাকে শাহ সুলতান বলখী ও বলা হয় । ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আওরঙ্গজেব সৈয়দ রেজা, সৈয়দ তাহির, সৈয়দ আব্দুল রাম্মান (তিন ভাই) কে এই মাজারকে জামিনদার দেখাশোনার দায়িত্ব প্রদান করেন। স্থানীয় লোকজন শাহ সুলতান মাহিসাওয়ারকে খুব সম্মান করে। ধর্মপ্রাণ হাজারো মুসলমান তাদের নানা সমস্যার সমাধান ও মানত করতে এই মাজারে আসেন। ===কালীদহ সাগর=== ===শীলাদেবীর ঘাট=== ===জিউৎকুন্ড=== ===মিউজিয়াম=== ===বেহুলার গরগো=== ==তথ্যমালা== [[থাক:ইতিহাস]] lnoe3geqcj45iw7s7lg8y31jtu4yvul