উইকিপিডিয়া
bpywiki
https://bpy.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B2%E0%A6%BE_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.8
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
য়্যারী
আতাকুরা
আতাকুরার য়্যারী
উইকিপিডিয়া
উইকিপিডিয়া য়্যারী
ছবি
ছবি য়্যারী
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকির য়্যারী
মডেল
মডেলর য়্যারী
পাংলাক
পাংলাকর য়্যারী
থাক
থাকর য়্যারী
হমিলদুৱার
হমিলদুৱার য়্যারী
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
মহাস্থানগড়
0
56687
897161
897160
2026-06-30T05:51:03Z
~2026-37533-42
28310
/* জিয়ৎকুন্ড */
897161
wikitext
text/x-wiki
[[Image:BD Mahasthangarh1.JPG|right|thumb|250px|মহাস্থানগড়]]
মহাস্থানগড় [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশর]] পুরানা আমলর পুরাকীর্তি আহান। আগে এহার নাঙহান আসিল পুণ্ড্রনগর বা পুণ্ড্রবর্ধন। সময আহাত মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানীগো আসিল। এপেই [[মৌর্য রাজবংশ|মৌর্য]], [[গুপ্ত]], [[পাল রাজবংশ|পাল]], [[সেন রাজবংশ|সেন]] সাম্রাজ্যর আবকচা নিদর্শন বিসারিয়া পাসি। এগোর অবস্থান [[বগুড়া|বগুড়া জেলার]] [[শিবগঞ্জ থানা]] থানাত। বগুড়া টাউনেত্ত লামসাম ১০ কি.মি অয়াঙেদে মহাস্থানগড়র অবস্থান।
==ইতিহাস==
বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ ৬৩৯ থেকে ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে পুন্ড্রনগরে এসেছিলেন। ভ্রমণের ধারাবিবরণীতে তিনি তখনকার প্রকৃতি ও জীবনযাত্রার উল্লেখ করে বর্ণনা দেন। বৌদ্ধ শিক্ষার জন্য প্রসিদ্ধ হওয়ায় চীন ও তিব্বত থেকে ভিক্ষুরা তখন মহাস্থানগড়ে আসতেন লেখাপড়া করতে ।এরপর তারা বেরিয়ে পড়তেন দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে।সেখানে গিয়ে তারা বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষার বিস্তার ঘটাতেন। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে,গৌতম বুদ্ধের সম্মানে সম্রাট অশোক এখানে স্তুপ নির্মাণ করেছিলেন। স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম সে স্তুপটিকে হিউয়েন সাঙ বর্ণিত অশোকস্তুপ হিসেবে শনাক্ত করেন।
সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্যণসেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল। মহাস্থানের রাজা ছিলেন নল যার বিরোধ লেগে থাকত তার ভাই নীল এর সাথে। এসময় ভারতের দক্ষিণাত্যের শ্রীক্ষেত্র নামক স্থান থেকে এক অভিশপ্ত ব্রাহ্মণ এখানে আসেন। তিনি রাজা পরশুরাম। এই রাজা পরশুরাম রাম নামেও পরিচিত ছিলেন।
ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠা করতে আসেন ফকির বেশি দরবেশ হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলেন (র:) এবং তার শিষ্য। ধর্ম প্রচারক শাহ সুলতান বলখী সম্পর্কে রয়েছে আশ্চর্য কিংবদন্তী। কথিত আছে, তিনি মহাস্থানগড় অর্থাৎ প্রাচীন পুন্ড্রনগরে প্রবেশ করার সময় করতোয়া নদী পার হয়েছিলেন একটা বিশাল মাছের আকৃতির নৌকার পিঠে চড়ে।
==দর্শনীয় জায়গা ==
===মাজার শরীফ===
অনেক ঐতিহাসিক ও স্থানীয় লোকের মতে এটি হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী (র:) এর মাজার। মহাস্থান বাস স্ট্যান্ড থেকে কিছুটা পশ্চিমে এ মাজার শরীফ অবস্থিত। শাহ সুলতান বলখী (র:) ১৪শ শতাব্দীর একজন ইসলাম ধর্ম প্রচারক ছিলেন। কথিত আছে মাছ আকৃতির নৌকাতে করে তার শিষ্যদের নিয়ে বরেন্দ্র ভূমিতে আসেন। সেখান থেকে তার নাম এসেছে মাহিসাওয়ার (মাছের পিঠে করে আগমনকারী) এবং তিনি বল্যখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন বিধায় তাকে শাহ সুলতান বলখী ও বলা হয় ।
১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আওরঙ্গজেব সৈয়দ রেজা, সৈয়দ তাহির, সৈয়দ আব্দুল রাম্মান (তিন ভাই) কে এই মাজারকে জামিনদার দেখাশোনার দায়িত্ব প্রদান করেন। স্থানীয় লোকজন শাহ সুলতান মাহিসাওয়ারকে খুব সম্মান করে। ধর্মপ্রাণ হাজারো মুসলমান তাদের নানা সমস্যার সমাধান ও মানত করতে এই মাজারে আসেন।
===কালীদহ সাগর===
===শীলাদেবীর ঘাট===
===জিয়ৎকুন্ড===
এই ঘাটের পশ্চিমে জিয়ৎ কুন্ড নামে একটি বড় কুপ রয়েছে , যা বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। কথিত আছে এই কুপের পানি পান করে পরশুরামের আহত সৈন্যরা সুস্থ হয়ে যেত। যদিও এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
===জাদুঘর ===
বগুড়া থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তরে এবং মহাস্থানগড় থেকে সামান্য উত্তরে গোবিন্দ ভিটার ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থিত এই জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালে। প্রথমদিকে ৩ একর জায়গার উপর জাদুঘরের মূল অংশ টি থাকলে নানা সময়ে সম্প্রসারিত হয়ে বর্তমানে এর পরিধি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ একরে।
===বেহুলার গরগো===
==তথ্যমালা==
[[থাক:ইতিহাস]]
mdgfgl3f7pbtqzlv5iw46yfup1i3wts
897162
897161
2026-06-30T06:00:21Z
~2026-37533-42
28310
/* শীলাদেবীর ঘাট */
897162
wikitext
text/x-wiki
[[Image:BD Mahasthangarh1.JPG|right|thumb|250px|মহাস্থানগড়]]
মহাস্থানগড় [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশর]] পুরানা আমলর পুরাকীর্তি আহান। আগে এহার নাঙহান আসিল পুণ্ড্রনগর বা পুণ্ড্রবর্ধন। সময আহাত মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানীগো আসিল। এপেই [[মৌর্য রাজবংশ|মৌর্য]], [[গুপ্ত]], [[পাল রাজবংশ|পাল]], [[সেন রাজবংশ|সেন]] সাম্রাজ্যর আবকচা নিদর্শন বিসারিয়া পাসি। এগোর অবস্থান [[বগুড়া|বগুড়া জেলার]] [[শিবগঞ্জ থানা]] থানাত। বগুড়া টাউনেত্ত লামসাম ১০ কি.মি অয়াঙেদে মহাস্থানগড়র অবস্থান।
==ইতিহাস==
বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ ৬৩৯ থেকে ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে পুন্ড্রনগরে এসেছিলেন। ভ্রমণের ধারাবিবরণীতে তিনি তখনকার প্রকৃতি ও জীবনযাত্রার উল্লেখ করে বর্ণনা দেন। বৌদ্ধ শিক্ষার জন্য প্রসিদ্ধ হওয়ায় চীন ও তিব্বত থেকে ভিক্ষুরা তখন মহাস্থানগড়ে আসতেন লেখাপড়া করতে ।এরপর তারা বেরিয়ে পড়তেন দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে।সেখানে গিয়ে তারা বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষার বিস্তার ঘটাতেন। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে,গৌতম বুদ্ধের সম্মানে সম্রাট অশোক এখানে স্তুপ নির্মাণ করেছিলেন। স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম সে স্তুপটিকে হিউয়েন সাঙ বর্ণিত অশোকস্তুপ হিসেবে শনাক্ত করেন।
সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্যণসেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল। মহাস্থানের রাজা ছিলেন নল যার বিরোধ লেগে থাকত তার ভাই নীল এর সাথে। এসময় ভারতের দক্ষিণাত্যের শ্রীক্ষেত্র নামক স্থান থেকে এক অভিশপ্ত ব্রাহ্মণ এখানে আসেন। তিনি রাজা পরশুরাম। এই রাজা পরশুরাম রাম নামেও পরিচিত ছিলেন।
ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠা করতে আসেন ফকির বেশি দরবেশ হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলেন (র:) এবং তার শিষ্য। ধর্ম প্রচারক শাহ সুলতান বলখী সম্পর্কে রয়েছে আশ্চর্য কিংবদন্তী। কথিত আছে, তিনি মহাস্থানগড় অর্থাৎ প্রাচীন পুন্ড্রনগরে প্রবেশ করার সময় করতোয়া নদী পার হয়েছিলেন একটা বিশাল মাছের আকৃতির নৌকার পিঠে চড়ে।
==দর্শনীয় জায়গা ==
===মাজার শরীফ===
অনেক ঐতিহাসিক ও স্থানীয় লোকের মতে এটি হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী (র:) এর মাজার। মহাস্থান বাস স্ট্যান্ড থেকে কিছুটা পশ্চিমে এ মাজার শরীফ অবস্থিত। শাহ সুলতান বলখী (র:) ১৪শ শতাব্দীর একজন ইসলাম ধর্ম প্রচারক ছিলেন। কথিত আছে মাছ আকৃতির নৌকাতে করে তার শিষ্যদের নিয়ে বরেন্দ্র ভূমিতে আসেন। সেখান থেকে তার নাম এসেছে মাহিসাওয়ার (মাছের পিঠে করে আগমনকারী) এবং তিনি বল্যখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন বিধায় তাকে শাহ সুলতান বলখী ও বলা হয় ।
১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আওরঙ্গজেব সৈয়দ রেজা, সৈয়দ তাহির, সৈয়দ আব্দুল রাম্মান (তিন ভাই) কে এই মাজারকে জামিনদার দেখাশোনার দায়িত্ব প্রদান করেন। স্থানীয় লোকজন শাহ সুলতান মাহিসাওয়ারকে খুব সম্মান করে। ধর্মপ্রাণ হাজারো মুসলমান তাদের নানা সমস্যার সমাধান ও মানত করতে এই মাজারে আসেন।
===কালীদহ সাগর===
===শীলাদেবীর ঘাট===
গড়ের পূর্বপাশে রয়েছে করতোয়া নদী এর তীরে " শীলাদেবীর ঘাট "। শীলাদেবী ছিলেন পরশুরামের বোন। এখানে প্রতি বছর হিন্দুদের স্নান হয় এবং একদিনের একটি মেলা বসে।
===জিয়ৎকুন্ড===
এই ঘাটের পশ্চিমে জিয়ৎ কুন্ড নামে একটি বড় কুপ রয়েছে , যা বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। কথিত আছে এই কুপের পানি পান করে পরশুরামের আহত সৈন্যরা সুস্থ হয়ে যেত। যদিও এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
===জাদুঘর ===
বগুড়া থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তরে এবং মহাস্থানগড় থেকে সামান্য উত্তরে গোবিন্দ ভিটার ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থিত এই জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালে। প্রথমদিকে ৩ একর জায়গার উপর জাদুঘরের মূল অংশ টি থাকলে নানা সময়ে সম্প্রসারিত হয়ে বর্তমানে এর পরিধি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ একরে।
===বেহুলার গরগো===
==তথ্যমালা==
[[থাক:ইতিহাস]]
pkyrz1wbms0pbw87ll0r0jrkqa57sdx
897163
897162
2026-06-30T09:16:36Z
~2026-37432-30
28311
/* বেহুলার গরগো */
897163
wikitext
text/x-wiki
[[Image:BD Mahasthangarh1.JPG|right|thumb|250px|মহাস্থানগড়]]
মহাস্থানগড় [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশর]] পুরানা আমলর পুরাকীর্তি আহান। আগে এহার নাঙহান আসিল পুণ্ড্রনগর বা পুণ্ড্রবর্ধন। সময আহাত মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানীগো আসিল। এপেই [[মৌর্য রাজবংশ|মৌর্য]], [[গুপ্ত]], [[পাল রাজবংশ|পাল]], [[সেন রাজবংশ|সেন]] সাম্রাজ্যর আবকচা নিদর্শন বিসারিয়া পাসি। এগোর অবস্থান [[বগুড়া|বগুড়া জেলার]] [[শিবগঞ্জ থানা]] থানাত। বগুড়া টাউনেত্ত লামসাম ১০ কি.মি অয়াঙেদে মহাস্থানগড়র অবস্থান।
==ইতিহাস==
বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ ৬৩৯ থেকে ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে পুন্ড্রনগরে এসেছিলেন। ভ্রমণের ধারাবিবরণীতে তিনি তখনকার প্রকৃতি ও জীবনযাত্রার উল্লেখ করে বর্ণনা দেন। বৌদ্ধ শিক্ষার জন্য প্রসিদ্ধ হওয়ায় চীন ও তিব্বত থেকে ভিক্ষুরা তখন মহাস্থানগড়ে আসতেন লেখাপড়া করতে ।এরপর তারা বেরিয়ে পড়তেন দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে।সেখানে গিয়ে তারা বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষার বিস্তার ঘটাতেন। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে,গৌতম বুদ্ধের সম্মানে সম্রাট অশোক এখানে স্তুপ নির্মাণ করেছিলেন। স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম সে স্তুপটিকে হিউয়েন সাঙ বর্ণিত অশোকস্তুপ হিসেবে শনাক্ত করেন।
সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্যণসেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল। মহাস্থানের রাজা ছিলেন নল যার বিরোধ লেগে থাকত তার ভাই নীল এর সাথে। এসময় ভারতের দক্ষিণাত্যের শ্রীক্ষেত্র নামক স্থান থেকে এক অভিশপ্ত ব্রাহ্মণ এখানে আসেন। তিনি রাজা পরশুরাম। এই রাজা পরশুরাম রাম নামেও পরিচিত ছিলেন।
ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠা করতে আসেন ফকির বেশি দরবেশ হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলেন (র:) এবং তার শিষ্য। ধর্ম প্রচারক শাহ সুলতান বলখী সম্পর্কে রয়েছে আশ্চর্য কিংবদন্তী। কথিত আছে, তিনি মহাস্থানগড় অর্থাৎ প্রাচীন পুন্ড্রনগরে প্রবেশ করার সময় করতোয়া নদী পার হয়েছিলেন একটা বিশাল মাছের আকৃতির নৌকার পিঠে চড়ে।
==দর্শনীয় জায়গা ==
===মাজার শরীফ===
অনেক ঐতিহাসিক ও স্থানীয় লোকের মতে এটি হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী (র:) এর মাজার। মহাস্থান বাস স্ট্যান্ড থেকে কিছুটা পশ্চিমে এ মাজার শরীফ অবস্থিত। শাহ সুলতান বলখী (র:) ১৪শ শতাব্দীর একজন ইসলাম ধর্ম প্রচারক ছিলেন। কথিত আছে মাছ আকৃতির নৌকাতে করে তার শিষ্যদের নিয়ে বরেন্দ্র ভূমিতে আসেন। সেখান থেকে তার নাম এসেছে মাহিসাওয়ার (মাছের পিঠে করে আগমনকারী) এবং তিনি বল্যখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন বিধায় তাকে শাহ সুলতান বলখী ও বলা হয় ।
১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আওরঙ্গজেব সৈয়দ রেজা, সৈয়দ তাহির, সৈয়দ আব্দুল রাম্মান (তিন ভাই) কে এই মাজারকে জামিনদার দেখাশোনার দায়িত্ব প্রদান করেন। স্থানীয় লোকজন শাহ সুলতান মাহিসাওয়ারকে খুব সম্মান করে। ধর্মপ্রাণ হাজারো মুসলমান তাদের নানা সমস্যার সমাধান ও মানত করতে এই মাজারে আসেন।
===কালীদহ সাগর===
===শীলাদেবীর ঘাট===
গড়ের পূর্বপাশে রয়েছে করতোয়া নদী এর তীরে " শীলাদেবীর ঘাট "। শীলাদেবী ছিলেন পরশুরামের বোন। এখানে প্রতি বছর হিন্দুদের স্নান হয় এবং একদিনের একটি মেলা বসে।
===জিয়ৎকুন্ড===
এই ঘাটের পশ্চিমে জিয়ৎ কুন্ড নামে একটি বড় কুপ রয়েছে , যা বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। কথিত আছে এই কুপের পানি পান করে পরশুরামের আহত সৈন্যরা সুস্থ হয়ে যেত। যদিও এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
===জাদুঘর ===
বগুড়া থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তরে এবং মহাস্থানগড় থেকে সামান্য উত্তরে গোবিন্দ ভিটার ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থিত এই জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালে। প্রথমদিকে ৩ একর জায়গার উপর জাদুঘরের মূল অংশ টি থাকলে নানা সময়ে সম্প্রসারিত হয়ে বর্তমানে এর পরিধি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ একরে।
===বেহুলার বাসর ঘর ===
মহাস্থানগড় বাস স্ট্যান্ড থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে একটি বৌদ্ধ স্তম্ভ রয়েছে যা সম্রাট অশোক নির্মাণ করেছিলেন বলে মনে করা হয়। স্তম্ভের উচ্চতা প্রায় ৪৫ ফুট। স্তম্ভের পূর্বার্ধে রয়েছে ২৪ কোণ বিশিষ্ট চৌবাচ্চা সদৃশ একটি গোসল খানা। এটি
==তথ্যমালা==
[[থাক:ইতিহাস]]
gnwt792tuliakoxnq06soh6616s993c