উইকিবই bnwikibooks https://bn.wikibooks.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.20 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিবই উইকিবই আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা উইকিশৈশব উইকিশৈশব আলাপ বিষয় বিষয় আলাপ রন্ধনপ্রণালী রন্ধনপ্রণালী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা উইকিশৈশব:বিখ্যাত ভারতীয়/আকবর 100 2514 107318 37255 2026-09-18T14:38:49Z ~2026-50438-08 13906 সংশোধন, সম্প্রসারণ, তথ্যসূত্র যোগ, বিষয়বস্তু যোগ 107318 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; font-size: 200%;">'''আকবর'''</div> <div style="text-align: center; font-size: 150%;">(১৫৪২-১৬০৫)</div> [[চিত্র:Kaiser Akbar bändigt einen Elefanten.jpg|থাম্ব|200px|হাতির পিঠে আকবর]] জালালুদ্দিন মহম্মদ আকবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট। তিনি কেবলমাত্র এক দিগ্বিজয়ী বীরই ছিলেন না, বরং তার অধীনস্থ হিন্দু প্রজাবর্গের বিশ্বাস ও সমর্থন অর্জনেও তিনি সফল হয়েছিলেন। ১৫৪২ সালে সিন্ধুর অমরকোটে এক রাজপুত দুর্গে তার জন্ম হয়েছিল। জৌহর প্রণীত 'তারিখ-ই-হুমায়নী' গ্রন্থ থেকে জানা যায় যে, মাত্র বারো মাস বয়সে সম্রাট আকবর নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলেন। শের শাহ দ্বারা রাজ্যচ্যুত হয়ে সম্রাট হুমায়ুন যখন বোলান গিরিপথ দিয়ে চলেছেন সেই সময় আমীর বৈরাম খাঁ তাঁকে তাঁর বৈমাত্রেয় ভ্রাতৃদ্বয় কামরান ও আসকারি মির্জার জিঘাংসা থেকে বাঁচানোর জন্যে আড়ালে চলে যেতে বলেন। নিজেদের বাঁচার তাগিদে আকবরের মা হামিদা বানু ও বাবা হুমায়ুন তখন তাঁকে ধাত্রীমা মাহম অনাঘ-এর হাতে সঁপে দেন। এই ধাত্রীমা মাহম অনাঘই সেই সময় ভাবী মুঘল সম্রাটকে বুদ্ধিবলে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। পরবর্তীতে কাকিমা সুলতান বেগম ও মুহতারিম বেগমের কোল ঘুরে মা হামিদা বানুর কোলে ফিরে আসেন ভাবী মুঘল সম্রাট আকবর! ১৫৫৬ সালে মাত্র চোদ্দো বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন তিনি। তাঁর অভিভাবক বৈরাম খাঁ ছিলেন তাঁর বিশ্বস্ত মন্ত্রী ও শিক্ষক। শের শাহের ভাগনে আদিল শাহের হিন্দু মন্ত্রী তথা সেনাপতি হিমু মুঘলদের পরাজিত করে আগ্রা ও দিল্লি দখল করে নিয়েছিলেন। ১৫৫৬ সালে বৈরাম খাঁর সাহায্যে আকবর পানিপথের যুদ্ধক্ষেত্রে হিমুকে পরাজিত ও নিহত করেন। এই যুদ্ধ দ্বিতীয় পানিপথের যুদ্ধ নামে ইতিহাসখ্যাত। এই জয়ের পর আকবর ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য পুনরায় প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ পান। তিনি ভারতের নানা অঞ্চল জয় করে তাঁর সাম্রাজ্য বিস্তৃত করেন। জয় করেন মালোয়া ও চুনার। অম্বরের (জয়পুর) রাজা বিহারীমল্ল তাঁর আনুগত্য স্বীকার করে নেন। এরপর রানি দুর্গাবতী শাসিত রাজপুত রাজ্য গন্ডোয়ানা জয় করেন আকবর। একে একে অধিকার করেন মেবার, রণথম্বোর, কালিঞ্জর, বিকানীর, জয়সলমীর ও যোধপুর। পূর্বে বাংলা ও বিহার এবং পশ্চিমে কাবুল, কাশ্মীর, সিন্ধু ও কান্দাহার তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত হয়। এইভাবে পূর্বে বাংলা থেকে পশ্চিমে আফগানিস্তান এবং উত্তরে হিমালয় থেকে দক্ষিণে গোলকোন্ডা পর্যন্ত বিস্তৃত হয় আকবরের সাম্রাজ্য। রাজপুতদের সাহস ও সততাকে আকবর সম্মান করতেন। এই কারণে রাজপুতদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখাকে তিনি বিশেষ মূল্য দিতেন। জয়পুরের রাজকুমারী যোধাবাইকে তিনি বিয়ে করেছিলেন। বিকানীর ও জয়সলমীরের শাসকেরাও নিজ নিজ কন্যার সঙ্গে আকবরের বিয়ে দেন। রাজপুতদের সহায়তা অর্জন করার জন্য আকবর তাঁদের বিশ্বাস অর্জনে বিশেষ সচেষ্ট ছিলেন। রাজা মানসিংহ, রাজা ভগবান দাস প্রমুখ রাজপুত নেতাদের তাই নিজ দরবারের উচ্চ পদে বসিয়েছিলেন তিনি। বীরবল ও রাজা টোডরমল্লের মতো হিন্দু নেতৃবর্গও তার রাজসভায় উচ্চ পদ অলংকৃত করতেন। হিন্দু ও অমুসলমানদের কাছ থেকে যে জিজিয়া ও অন্যান্য তীর্থকর আদায় করা হত, তা আকবর বিলুপ্ত করেন। অমুসলমানদের মন্দির নির্মাণ ও নিজ নিজ উৎসব পালনের অনুমতিও দেন তিনি। আকবরের বাবা ছিলেন সুন্নি মুসলমান, কিন্তু তার মা ছিলেন শিয়া। ছেলেবেলায় কিছুকাল তিনি এক হিন্দু পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেছিলেন। শেখ মুবারক নামে এক উদারপন্থী চিন্তাবিদের মতবাদ তাঁকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছিল। এই সব কারণে ধর্ম ব্যাপারে আকবর ছিলেন পরমতসহিষ্ণু। ‘দিন-ই-ইলাহি’ নামে তিনি এক নতুন ধর্মমতও প্রবর্তন করেন। আকবর আবুল ফৈজি ও আবুল ফজলের মতো লেখকদের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। বিখ্যাত ঐতিহাসিক বদাউনি, ফেরিস্তা ও নিজামুদ্দিন তাঁর সমসাময়িক ছিলেন। ১৬০৫ সালে পঞ্চাশ বছরের গৌরবময় শাসনের শেষে আকবরের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পূর্বে তিনি তার পুত্র সেলিমকে উত্তরসূরি নির্বাচিত করে যান। সেলিম ‘জাহাঙ্গির’ নাম নিয়ে সিংহাসনে বসেছিলেন। {{বইয়ের বিষয়শ্রেণী}} nm02oupm01qx2q2bzl6auxxwj8xwbu2 রন্ধনপ্রণালী:কুনাফা 104 6630 107320 52187 2026-09-18T16:58:01Z ~2026-50731-72 13907 /* */ 107320 wikitext text/x-wiki খুব সহজে লাচ্ছা সেমাই ও মজেরেলা চিজ দিয়ে মজাদার এরাবিয়ান কুনাফা তৈরি করতে পারেন। ১ কাপ চিনি ও ১ কাপ পানি ফুটিয়ে শিরা তৈরি করুন। ২০০ গ্রাম সেমাই ভেঙে ১/২ কাপ গলানো মাখন মিশিয়ে প্যানে দুই ভাগে চেপে বসান। মাঝে চিজ ও ক্রিমের পুর দিয়ে চুলায় বা ওভেনে বেক করুন। গরম কুনাফায় ঠান্ডা শিরা ঢেলে পরিবেশন করুন। প্রয়োজনীয় উপকরণ: সেমাই: লাচ্ছা সেমাই ১ প্যাকেট (বা কুনাফা ডো) মাখন: আধা কাপ (গলানো) চিজ ও ক্রিম: গ্রেট করা মজেরেলা চিজ ১ কাপ ও ক্রিম আধা কাপ সিরাপ বা শিরা: চিনি ২ কাপ, পানি ১ কাপ, লেবুর রস কয়েক ফোঁটা সাজসাজর জন্য: কুচানো পেস্তা বাদামতৈরির ধাপ: সিরা তৈরি: প্যানে চিনি ও পানি জ্বাল দিয়ে সিরা বানান। নামানোর আগে লেবুর রস দিন। সিরা ঠান্ডা হতে রাখুন। সেমাই প্রস্তুত: সেমাই হাত দিয়ে বা ব্লেন্ডারে মিহি করে গুঁড়ো করুন। এর সাথে গলানো মাখন ভালো করে মাখিয়ে নিন। লেয়ার করা: বেকিং প্যান বা ফ্রাইপ্যানে মাখন ব্রাশ করুন। অর্ধেক সেমাই প্যানে শক্ত করে চেপে বসান। পুর দেওয়া: সেমাইয়ের ওপর চিজ ও ক্রিমের স্তর দিন। বাকি সেমাই দিয়ে চিজ ঢেকে দিন এবং হালকা হাতে চেপে দিন।সেঁকে নেওয়া: ওভেনে ১৮০° সেলসিয়াসে ৪০ মিনিট অথবা চুলায় মৃদু আঁচে ঢাকনা দিয়ে সোনালী ও মচমচে হওয়া পর্যন্ত বেক করুন। সিরা ঢালা: চুলা থেকে নামিয়ে গরম কুনাফার ওপর ঠান্ডা চিনির সিরা সমানভাবে ছড়িয়ে দিন। পেস্তা বাদাম কুচি দিয়ে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। == কুনাফা == ==== উপকরণ ==== {|class="wikitable" ! উপকরণ !! পরিমাপ |- | লাচ্ছা সিমাই || ১ প্যাকেট |- | মাখন (গোলানো) || সিকি কাপ |- | তরল দুধ || সিকি কাপ |- | কনডেন্সড মিল্ক || ৩ টেবিল চামচ |- | ছানা || দেড় কাপ |- | ক্রিম || ১ টেবিল চামচ |- | চিনি || ১ কাপ |- | পানি || ১ কাপের ৩/২ ভাগ |- | কমলা লেবুর রস || ১ টেবিল চামচ |- | লেবুর রস || ১ চা চামচ |- | চেরি বা বাদাম কুচি || সাজানোর জন্য |- | বাদাম কুচি || সাজানোর জন্য |- | ফুড কালার || ১ ফোঁটা |} === প্রণালী === # পানিতে চিনি দিয়ে জ্বাল দিয়ে হাল্কা আঠালো হলে কমলা ও লেবুর রস দিয়ে শিরা তৈরী করে রাখুন। # অন্যদিকে, সেমাইতে মাখন ও ধাপে ধাপে দুধ মিশিয়ে নিন যেন সেমাই দলা না পাকিয়ে যায়। হাত দিয়ে সেমাই ঝুর ঝুরে করে নিন। # এবার ছানা ভালমতো ময়ান দিয়ে মিহি করে তাতে কনডেন্সড মিল্ক ও ক্রিম মিশিয়ে নিন। একটি প্যানে কিছু মাখন ও ফুড কালার ব্রাশ করুন চারপাশে। # এবার প্রথমে সেমাইয়ের ১ ইঞ্চি পুরু একটা স্তর করুন। এ সময় প্যানের ভেতরে ধারগুলোতেও সেমাইয়ের স্তর করুন। # এবার ছানার পুর দিন। ভালোমতো চেপে বসিয়ে দিন। সবশেষে আবার সেমাইয়ের স্তর দিয়ে ১৭০ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপে বেক করুন ৩০মিনিট। # নামিয়ে প্লেটে পরিবেশন করুন করে শিরা ঢেলে দিন। এবার সাজিয়ে পরিবেশন করুন কুনাফা। {{বর্ণানুক্রমিক|ক}} [[বিষয়শ্রেণী:মিষ্টান্ন রন্ধনপ্রণালী]] ig4g2n5h3giawum6njkhpso6kb27eaf আলাপ:হিন্দি ভাষা শিক্ষা/প্রাথমিক হিন্দি 1 22100 107321 87228 2026-09-18T17:52:37Z PmProsenjit mondal 13908 /* */ 107321 wikitext text/x-wiki আপনার নাম কি == স্বাধীনতা লাভ == স্বাধীনতা [[বিশেষ:অবদান/180.148.210.34|180.148.210.34]] ১০:২৪, ১৭ নভেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) mivdsiwxkop763pim546grcl11cyi3r ব্যবহারকারী আলাপ:ᱯᱨᱚᱯᱷᱮᱥᱥᱚᱨ 3 33743 107319 2026-09-18T14:40:26Z KanikBot 8129 স্বাগতম! 107319 wikitext text/x-wiki == বাংলা উইকিবইয়ে স্বাগত == {{স্বাগত/২য় সংস্করণ}} ১৪:৪০, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (ইউটিসি) hnpjvu5hw2shvqluve1ezonh2unm2jz ব্যবহারকারী আলাপ:PmProsenjit mondal 3 33744 107322 2026-09-18T18:40:05Z KanikBot 8129 স্বাগতম! 107322 wikitext text/x-wiki == বাংলা উইকিবইয়ে স্বাগত == {{স্বাগত/২য় সংস্করণ}} ১৮:৪০, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (ইউটিসি) o3ezdor5bpat9tq1bx0yb8h4ibyozd2 ব্যবহারকারী আলাপ:এম আর আফ্রিদি মজুমদার 3 33745 107323 2026-09-18T18:40:16Z KanikBot 8129 স্বাগতম! 107323 wikitext text/x-wiki == বাংলা উইকিবইয়ে স্বাগত == {{স্বাগত/২য় সংস্করণ}} ১৮:৪০, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (ইউটিসি) o3ezdor5bpat9tq1bx0yb8h4ibyozd2 ব্যবহারকারী:এম আর আফ্রিদি মজুমদার 2 33746 107324 2026-09-18T19:01:34Z এম আর আফ্রিদি মজুমদার 13909 "'''আফ্রিদি মজুমদার''' পিতা মৃত্যু ব্রিগেডিয়ার এম আর মজুমদার মাতা মেরি সুলতানা জন্ম ২৯/১১/১৯৯৬ ইংরেজি জেলা সিলেট থানা জকিগঞ্জ কসকনক পুর ইউনিয়ন গ্রাম বলরামের চক ঐতিহ্য..." দিয়ে পাতা তৈরি 107324 wikitext text/x-wiki '''আফ্রিদি মজুমদার''' পিতা মৃত্যু ব্রিগেডিয়ার এম আর মজুমদার মাতা মেরি সুলতানা জন্ম ২৯/১১/১৯৯৬ ইংরেজি জেলা সিলেট থানা জকিগঞ্জ কসকনক পুর ইউনিয়ন গ্রাম বলরামের চক ঐতিহ্যবাহী মজুমদার বাড়ি শিক্ষাগত যোগ্যতা অনার্স পেশা একজন রাজনীতিবিদ maq7wmqyqx0lld5kulcmfp6e1m9navi উইকিশৈশব:বিখ্যাত ভারতীয়/ইন্দিরা গান্ধি 100 33747 107325 2026-09-19T10:47:29Z Sumasa 5130 নতুন পাতা তৈরি হল 107325 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[File:Indira Gandhi official portrait.png|thumb|center|200px]] '''ইন্দিরা গান্ধি''' হলেন একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী। আবার, তিনি ভারতের একমাত্র মহিলা প্রধানমন্ত্রী এবং ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ মেয়াদ উত্তীর্ণ করা প্রধানমন্ত্রী। ===জন্ম ও ব্যক্তিগত জীবন=== ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দের ১৯ নভেম্বর এলাহাবাদ শহরে ইন্দিরা গান্ধির জন্ম হয়। তাঁর পিতা ছিলেন জওহরলাল নেহরু, যিনি ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের এক অগ্রণী ব্যক্তি, যিনি পরবর্তীকালে স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন। তাঁর মায়ের নাম কমলা নেহরু। ইন্দিরা ছিলেন মা-বাবার একমাত্র সন্তান (তাঁর একমাত্র ছোটো ভাই শৈশবেই মারা যান)। প্রাথমিকভাবে ইন্দিরা বাড়িতে গৃহশিক্ষকের কাছে শিক্ষালাভ করেন। তিনি পড়াশোনা করেন দিল্লির মডার্ন স্কুল, এলাহাবাদের সেন্ট সিসিলিয়া'জ ও সেন্ট মেরি'জ ক্রিশ্চিয়ান কনভেন্ট স্কুল, জেনেভার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, সেক্সের একোল নউভেল এবং অধুনা মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত পুণা ও মুম্বইয়ের পিউপিল'স অন স্কুলে। তিনি তাঁর মা কমলা নেহরুর সঙ্গে কিছুকাল রামকৃষ্ণ মিশনের প্রধান কার্যালয় বেলুড় মঠে বাস করেন। সেখানে ইন্দিরার অভিভাবক ছিলেন স্বামী রঙ্গনাথানন্দ। এছাড়া কিছুকাল তিনি শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীতেও পড়াশোনা করেন। শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় তিনি ইন্দিরার নাম রাখেন 'প্রিয়দর্শিনী নেহরু'। ওই নামেই তিনি সমধিক প্রসিদ্ধ। মায়ের মৃত্যু, নিজের স্বাস্থ্যভঙ্গ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির আগ্রাসন--এই সমস্ত কারণে ইন্দিরা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা অসমাপ্ত রেখে ভারতে ফিরে আসেন। পরবর্তীতে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সাম্মানিক ডিগ্রি প্রদান করে। ২০১০ খ্রিস্টাব্দে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে দশজন অক্সেশিয়ানের (অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকারী বিশিষ্ট এশীয়) তালিকাভুক্ত করে। ইংল্যান্ডে থাকাকালীন সময়ে ইন্দিরার গুজরাতের এক জরথুস্ট্রবাদী পার্সি পরিবারের সন্তান ফিরোজ শা-এর পরিচয় হয় এবং ভালোবাসা জন্মে। ফিরোজ সেই সময় লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সে পাঠরত ছিলেন। এলাহাবাদে দুজনে ব্রাহ্ম মতে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। ফিরোজ ও ইন্দিরা গান্ধির দুই পুত্র রাজীব গান্ধি (১৯৪৪-১৯৯১) এবং সঞ্জয় গান্ধি (১৯৪৬-১৯৮০)। awxyq7p0w4hm2zrdv0usrex1sf0kmve 107326 107325 2026-09-19T11:06:33Z Sumasa 5130 সংশোধন, সম্প্রসারণ 107326 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} <div style="text-align: center; font-size: 200%;">''' ইন্দিরা গান্ধি '''</div> <div style="text-align: center; font-size: 150%;">(১৯১৭ - ১৯৮৪)</div> [[File:Indira Gandhi official portrait.png|thumb|center|200px]] '''ইন্দিরা গান্ধি''' হলেন একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী। আবার, তিনি ভারতের একমাত্র মহিলা প্রধানমন্ত্রী এবং ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ মেয়াদ উত্তীর্ণ করা প্রধানমন্ত্রী। ===জন্ম ও ব্যক্তিগত জীবন=== ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দের ১৯ নভেম্বর এলাহাবাদ শহরে ইন্দিরা গান্ধির জন্ম হয়। তাঁর পিতা ছিলেন জওহরলাল নেহরু, যিনি ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের এক অগ্রণী ব্যক্তি, যিনি পরবর্তীকালে স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন। তাঁর মায়ের নাম কমলা নেহরু। ইন্দিরা ছিলেন মা-বাবার একমাত্র সন্তান (তাঁর একমাত্র ছোটো ভাই শৈশবেই মারা যান)। প্রাথমিকভাবে ইন্দিরা বাড়িতে গৃহশিক্ষকের কাছে শিক্ষালাভ করেন। তিনি পড়াশোনা করেন দিল্লির মডার্ন স্কুল, এলাহাবাদের সেন্ট সিসিলিয়া'জ ও সেন্ট মেরি'জ ক্রিশ্চিয়ান কনভেন্ট স্কুল, জেনেভার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, সেক্সের একোল নউভেল এবং অধুনা মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত পুণা ও মুম্বইয়ের পিউপিল'স অন স্কুলে। তিনি তাঁর মা কমলা নেহরুর সঙ্গে কিছুকাল রামকৃষ্ণ মিশনের প্রধান কার্যালয় বেলুড় মঠে বাস করেন। সেখানে ইন্দিরার অভিভাবক ছিলেন স্বামী রঙ্গনাথানন্দ। এছাড়া কিছুকাল তিনি শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীতেও পড়াশোনা করেন। শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় তিনি ইন্দিরার নাম রাখেন 'প্রিয়দর্শিনী নেহরু'। ওই নামেই তিনি সমধিক প্রসিদ্ধ। মায়ের মৃত্যু, নিজের স্বাস্থ্যভঙ্গ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির আগ্রাসন--এই সমস্ত কারণে ইন্দিরা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা অসমাপ্ত রেখে ভারতে ফিরে আসেন। পরবর্তীতে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সাম্মানিক ডিগ্রি প্রদান করে। ২০১০ খ্রিস্টাব্দে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে দশজন অক্সেশিয়ানের (অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকারী বিশিষ্ট এশীয়) তালিকাভুক্ত করে। ইংল্যান্ডে থাকাকালীন সময়ে ইন্দিরার গুজরাতের এক জরথুস্ট্রবাদী পার্সি পরিবারের সন্তান ফিরোজ শা-এর পরিচয় হয় এবং ভালোবাসা জন্মে। ফিরোজ সেই সময় লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সে পাঠরত ছিলেন। এলাহাবাদে দুজনে ব্রাহ্ম মতে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। ফিরোজ ও ইন্দিরা গান্ধির দুই পুত্র রাজীব গান্ধি (১৯৪৪-১৯৯১) এবং সঞ্জয় গান্ধি (১৯৪৬-১৯৮০)। j0k84b6rxtnttub2pk3z1q7d6qeajgo