উইকিবই
bnwikibooks
https://bn.wikibooks.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.21
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিবই
উইকিবই আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
উইকিশৈশব
উইকিশৈশব আলাপ
বিষয়
বিষয় আলাপ
রন্ধনপ্রণালী
রন্ধনপ্রণালী আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
বাংলা ব্যাকরণ/রূপতত্ত্ব/শব্দগঠন
0
4703
107391
107387
2026-09-28T08:38:22Z
Suadur Rahman
11082
/* ২.৩ সমাস প্রক্রিয়ায় শব্দগঠন */
107391
wikitext
text/x-wiki
== ২.১ উপসর্গযোগে শব্দগঠন ==
== ২.২ প্রত্যয়যোগে শব্দগঠন ==
== ২.৩ সমাস প্রক্রিয়ায় শব্দগঠন ==
<div style="padding:5px; font-size:80%; margin:1px 0; border:2px solid #4a904a; background-color: #c8f7c7; width:250px; text-align:center; float:right;">'''সমাস''' [সংস্কৃত] = সম্ + √অস্ + অ (ঘঞ্) <br>'''''অর্থ:''''' সংক্ষেপ, সংগ্রহ, মিলন; একাধিক পদের একপদে সংকোচন বা একপদীকরণ।</div>
বাক্যের মধ্যে পরস্পর সম্পর্কিত একাধিক পদের এক শব্দে পরিণত হওয়ার নাম '''সমাস'''। এটি আভিধানিক শব্দনির্মাণের একটি প্রক্রিয়া, যাতে একটি অখণ্ড শব্দ তৈরি হয়। এই শব্দটি প্রায় সবসময়ই একটি সম্মিলিত ধারণাকে প্রকাশ করে।
:উদাহরণস্বরূপ- ''হাতঘড়ি''-এ যেমন 'হাত' এবং 'ঘড়ি'-এর দুটি পৃথক ধারণাকে এক করে অখণ্ড বস্তুর একটি ধারণা সৃষ্টি করে।
; ✰ সমাস সংক্রান্ত পরিভাষা—
সংস্কৃত ভাষার ব্যাকরণেই সমাস সংক্রান্ত সমস্ত পরিভাষা— ব্যাসবাক্য, বিগ্রহবাক্য, পূর্বপদ, পরপদ, সমস্যমান, সমস্তপদ— থেকে শুরু করে সব সমাসের নানা চিত্রল নাম পর্যন্ত উদ্ভব হয়েছিল। দীর্ঘ সময়ের ব্যবধান ও অন্যান্য অনেক কারণে নামগুলি তাদের মূল্য হারিয়ে ফেলেছে।
নিচে পরিভাষাগুলি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:
:১. '''সমস্যমান পদ:''' যে সব পদ নিয়ে সমাস হয়, সেসব পদই হলো সমস্যমান পদ। সাধারণত দুটি, তবে দ্বন্দ্ব সমাসে আরও বেশি হতে পারে।
::ক. '''পূর্বপদ:''' সমস্যমান পদসমূহের মধ্যে প্রথম পদ।
::খ. '''পরপদ:''' সমস্যমান পদসমূহের মধ্যে শেষ পদ।
::গ. '''মধ্যপদ:''' দুইয়ের অধিক সমস্যমান পদ থাকলে পূর্বপদ ও পরপদের মাঝের পদটি/গুলো।
:২. '''সমাস শব্দ:''' সমাস-সাধিত শব্দ। অন্য নামগুলো হলো: '''সমস্তপদ''', '''সমাসবদ্ধ পদ''' ও '''সমাসবদ্ধ শব্দ'''। সমস্তপদ সাধারণত এক শব্দে লিখতে হয়। তবে, উচ্চারণ কিংবা অর্থের বিভ্রান্তি ঘটার আশঙ্কা থাকলে পূর্বপদ ও পরপদের মাঝে হাইফেন দিতে হয়। আবার কিছুক্ষেত্রে পদদ্বয়কে আলাদা করে লেখা হয়।
:৩. '''ব্যাসবাক্য:''' যে বাক্য বা বাক্যাংশ দ্বারা সমস্তপদকে ব্যাখ্যা করা হয়, তার নাম ব্যাসবাক্য। অপর নাম '''বিগ্রহবাক্য'''।
; ✰ সন্ধি ও সমাসের সম্পর্ক—
সংস্কৃত শব্দের বানান-শিক্ষার অংশ হিসাবে বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি-প্রকরণ শেখানো হয়। সন্ধিতে সন্নিহিত বর্ণের (=ধ্বনির) মিলন ঘটে; সমাসে মিলন ঘটে পাশাপাশি থাকা দুটি, তিনটি বা তারও বেশি সংখ্যক পদের। অর্থাৎ, সন্ধির কাজ ধ্বনিতে এবং সমাসের কাজ শব্দে।
সংস্কৃত সমাসে আবশ্যিকভাবে সন্ধি ঘটতো, বস্তুতপক্ষে সংস্কৃতে অধিকাংশ সন্ধি সমাসবদ্ধ শব্দেরই (সমস্তপদ) উদাহরণ! 'হিতাহিত' (হিত+অহিত) একটি সমাসবদ্ধ শব্দ। ধ্বনিতত্ত্বের দিক থেকে এটি সন্ধি এবং রূপতত্ত্বে তা সমাস।
বাংলা সমাসে এ ধরনের সন্ধি ঘটলেও তা লিপিতে সামান্যই প্রতিফলিত হয়। এই সন্ধির প্রক্রিয়াগুলি সঞ্জননী ধ্বনিতত্ত্ব অংশে আলোচনার বিষয়। যেমন- বাংলায় 'চার+জন' এর উচ্চারণ হয় 'চাজ্জন' তবে তা বানানে দেখানো হয় না!
; ✰ সমাসের প্রকারভেদ—
সংস্কৃত সমাসের ছকে বাংলা ভাষার সব সমাস-প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা যায় না এবং সংস্কৃত ব্যাকরণের কয়েকটি সমাস বাংলায় খাটে না। সমাস প্রধানত ছয় প্রকার: দ্বন্দ্ব, বহুব্রীহি, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, দ্বিগু এবং অব্যয়ীভাব। এছাড়া কিছু অপ্রধান সমাস আছে, যেমন- অলোপ বা অলুক, বাক্যাশ্রয়ী, নিত্য প্রভৃতি।
বর্তমানে দ্বিগু সমাসকে কর্মধারয় সমাসেরই একটি প্রকার হিসেবে গণ্য করা হয়। আবার, বাংলা ভাষায় যেহেতু সংস্কৃতের মতো অত অব্যয় নেই, এবং বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদকে পর্যন্ত বাদ দেওয়া হয়েছে; সুতরাং, বাংলায় অব্যয়ীভাব সমাস নেই বলা যায়। মজার কথা হলো, প্রাদি আর অব্যয়ীভাব সমাস সাধিত শব্দ এবং উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ (প্রায়শই?) একই! অর্থাৎ, বাংলা ভাষার সমাস বিশ্লেষণের জন্য মাত্র '''চার ধরনের''' প্রধান সমাস হলেই হয়: '''দ্বন্দ্ব''', '''কর্মধারয়''', '''তৎপুরুষ''' এবং '''বহুব্রীহি''' সমাস। এবং দ্বন্দ্ব, তৎপুরুষ ও বহুব্রীহিতে অলুক সমাস হয়।
=== দ্বন্দ্ব সমাস ===
<div style="padding:5px; font-size:80%; margin:1px 0; border:2px solid #4a904a; background-color: #c8f7c7; width:250px; text-align:center; float:right;">'''দ্বন্দ্ব''' [সংস্কৃত] = দ্বি + দ্বি (কর্মধারয় সমাস); <br>দ্বম্ + দ্ব (নিপাতনে) <br>'''''অর্থ:''''' বিরোধ; কলহ, ঝগড়া, বিবাদ; যুদ্ধ, মল্লযুদ্ধ; সমাসবিশেষ, সমপ্রাধান্যপূর্ণ উভয় পদের সমাস; পরস্পর বিরোধী দুই বিষয়; জোড়া, যুগল, মিথুন, স্ত্রী-পুরুষ।</div>
যে সমাসে সমস্যমান পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের (দুইয়ের অধিক পদ থাকলে প্রত্যেক পদের) অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। অর্থাৎ, দুই বা ততোধিক সমশ্রেণির শব্দ জুড়ে দ্বন্দ্ব সমাস সাধিত শব্দ তৈরি হয়। মনে হয় যেন সমস্যমান পদগুলোর মধ্যকার যোজক (যেমন- এবং, ও, আর) লুপ্ত হয়ে পদগুলোকে এক শব্দে বেঁধেছে। তাই এ সমাসকে '''বন্ধন সমাস'''ও বলা যায়। দ্বন্দ্বের একাধিক শ্রেণি শব্দগুলির অর্থ অনুযায়ী নির্ধারণ করা যায়। যেমন-
* '''সমসঙ্গী দ্বন্দ্ব:''' যেখানে একই ধরনের অর্থ বা অনুষঙ্গযুক্ত একাধিক শব্দের বন্ধন ঘটে। যেমন—
: হাত-পা, রাখঢাক, চলাফেরা, ঝড়বৃষ্টি, বোমাবারুদ, চোখ-মুখ, লাউকুমড়ো, ভাতকাপড়, ভাইবোন, বাপব্যাটা, বউ-ঝি, রাজাবাদশা, মাঝিমাল্লা, জামাকাপড়, চোখ-কান-নাক-গলা, আষাঢ়-শ্রাবণ, টাকাপয়সা, খাল-বিল-নদী-সাগর, কথাবার্তা, হাসিকান্না, ছেলেমেয়ে, তেল খুন লকড়ি, কাণ্ড-কারখানা, কাগজকলম, শাকসবজি, কোর্টকাছারি, ঝগড়া-বিবাদ, খাওয়া-দাওয়া, রাম-শ্যাম-যদু-মধু, বসন-ভূষণ, শয়ন-স্বপন, চিন্তা-ভাবনা, ঠাট্টা-ইয়ার্কি, রং-তামাশা, কান্নাকাটি, ওঠা-বসা ইত্যাদি।
* '''বিষমসঙ্গী দ্বন্দ্ব:''' যেখানে পাশাপাশি দুটি শব্দ অর্থের দিক থেকে পরস্পরের বিপরীত। যেমন—
: রাতদিন, জীবনমরণ, আলো-আঁধার, সুখদুঃখ, ভালোমন্দ, রোদবৃষ্টি, হাসিকান্না, দেশবিদেশ, জমাখরচ, রাজাপ্রজা, সকাল-বিকেল, ছেলেমেয়ে, আকাশ-পাতাল, উপরনীচ ইত্যাদি।
=== কর্মধারয় সমাস ===
বিশেষ্যের সাথে বিশেষণের সমাসকে কর্মধারয় সমাস বলে। যথাঃ নীল যে উৎপল = নীলোৎপল। কর্মধারয় সমাসে উত্তর পদের অর্থ প্রধানভাবে থাকে।
কর্মধারয় সমাস প্রধানত চার প্রকার। যথাঃ-
==== ১.মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস ====
কর্মধারয় সমাসে কোন কোন স্থানে মধ্যপদের লোপ হয়। সেজন্যেই একে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। যথাঃ হিমালয় নামক পবর্ত = হিমালয়পবর্ত। এখানে ‘নামক’ মধ্যপদের লোপ হয়েছে।
==== ২.উপমিত কর্মধারয় সমাস ====
সমান ধর্মবাচক পদের প্রয়োগ না থাকলে উপমেয় ও উপমান পদের যে সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। যেমনঃ মুখ চন্দ্রসদৃশ = মুখচন্দ্র।
==== ৩.রূপক কর্মধারয় সমাস ====
উপমেয় পদে উপমানের আরোপ করে যে সমাস হয়, তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। এতে উপমেয় পদে রূপ শব্দের যোগ থাকে। যেমনঃ বিদ্যারূপ ধন = বিদ্যাধন। এখানে ‘রূপ’ শব্দের যোগ রয়েছে।
==== ৪.উপমান কর্মধারয় সমাস ====
উপমানবাচক পদের সাথে সমান ধর্মবাচক পদের মিলনে যে সমাস হয়, তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে। যেমনঃ শশের (খরগোশের) ন্যায় ব্যস্ত = শশব্যস্ত।
=== তৎপুরুষ সমাস ===
দ্বিতীয়াদি বিভক্তান্ত পদ পূর্বে থেকে যে সমাস হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। এতে উত্তরপদের অর্থ প্রাধান্য থাকে। যেমনঃ লবণ দ্বারা অক্ত (যুক্ত) = লবণাক্ত। "'তৎপুরুষ"' শব্দটির অর্থ হল "তার পুরুষ"। তার পুরুষ এই শব্দ গুলির একপদীকরণে তৎপুরুষ শব্দটির সৃষ্টি হয়েছে। এখানে পূর্ব পদ থেকে সম্বন্ধ পদের বিভক্তি 'র' লোপ পেয়েছে ও উত্তর পদের অর্থ প্রাধান্য পাচ্ছে। এইভাবে এই সমাসের অধিকাংশ উদাহরণে পূর্ব পদের বিভক্তি লোপ পায় ও উত্তর পদের অর্থ প্রাধান্য থাকে এবং তৎপুরুষ শব্দটি হল এই রীতিতে নিষ্পন্ন সমাষের একটি বিশিষ্ট উদাহরণ।তাই উদাহরণের নামেই এর সাধারণ নামকরণ করা হয়েছে তৎপুরুষ সমাস।
তৎপুরুষ সমাস বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। যথাঃ-
==== ১. দ্বিতীয়া-তৎপুরুষ ====
দ্বিতীয়া-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে দ্বিতীয়া-তৎপুরুষ বলে। যেমনঃ স্বর্গকে গত = স্বর্গগত।
==== ২. তৃতীয়া-তৎপুরুষ ====
তৃতীয়া-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে তৃতীয়া-তৎপুরুষ বলে। যেমনঃ রজ্জু দ্বারা বন্ধ = রজ্জুবন্ধ।
==== ৩. চতুর্থী-তৎপুরুষ ====
চতুর্থী-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে চতুর্থী-তৎপুরুষ বলে। যেমনঃ যজ্ঞের নিমিত্ত ভূমি = যজ্ঞভূমি।
==== ৪. পঞ্চমী-তৎপুরুষ ====
পঞ্চমী-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে পঞ্চমী-তৎপুরুষ বলে। যেমনঃ মুখ হইতে ভ্রষ্ট = মুখভ্রষ্ট।
==== ৫. ষষ্ঠী-তৎপুরুষ ====
ষষ্ঠী-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে ষষ্ঠী-তৎপুরুষ বলে। যেমনঃ দীনের বন্ধু = দীনবন্ধু।
==== ৬. সপ্তমী-তৎপুরুষ ====
সপ্তমী-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে সপ্তমী-তৎপুরুষ বলে। যেমনঃ দিবাতে নিদ্রা = দিবানিদ্রা।
==== ৭. নঞ্ তৎপুরুষ ====
নঞ্ অব্যয় পূর্বে থেকে যে সমাস হয়, তাকে নঞ্তৎপুরুষ বলে। যেমনঃ ন উক্ত = অনুক্ত।
==== ৮. অলুক তৎপুরুষ ====
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্ব পদের দ্বিতীয়াদি বিভক্তি লোপ হয় না তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: ঘিয়ে ভাজা, গরুর গাড়ি, গায়েপড়া ইত্যাদি।
=== বহুব্রীহি সমাস ===
যে সমাসে মূখ্যভাবে সমস্যবান পদসমূহের অর্থপ্রতীতি না হয়ে অন্য পদের অর্থ মূখ্যরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যথাঃ পীত হইয়াছে অম্বর যাহার = পীতাম্বর (অর্থ শ্রীকৃষ্ণ)। এর ব্যাসবাক্যে একটি যদ্ শব্দের প্রয়োগ থাকে। দশভুজা=দশহাতের সমাহার যার।
=== দ্বিগু সমাস ===
তদ্ধিতার্থে, উত্তরপদ পরে ও সমাহার বুঝালে সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে থেকে যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। তদ্ধিতার্থে, যথাঃ পঞ্চ (পাঁচটি) গো দ্বারা ক্রীত = পঞ্চগু। উত্তরপদ পরে, যথাঃ পঞ্চ হস্ত প্রমাণ ইহার = পঞ্চহস্তপ্রমাণ। [এখানে প্রমাণ শব্দ উত্তরপদ পরে থাকায় পঞ্চ ও হস্ত এই দুই পদের দ্বিগু সমাস হয়েছে]। সমাহারে, যথাঃ ত্রি (তিন) লোকের সমাহার = ত্রিলোকী।দ্বিগু শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হল 'দুটি গরু' কিন্তু ব্যাকরণ সম্মত অর্থ হল 'দুটি গরুর মূল্যে কেনা।
=== অব্যয়ীভাব সমাস ===
অব্যয় পদ পূর্বে থেকে যে সমাস হয় এবং যাতে পূর্ব পদের অর্থেরই প্রাধান্য থাকে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। যেমনঃ আত্মাকে অধি (অধিকার করিয়া) = অধ্যাত্ম।
=== নিত্য সমাস ===
যে সমাসে সমস্যমান পদ দ্বারা সমাস-বাক্য হয় না, অন্য পদের দ্বারা সমস্ত পদের অর্থ প্রকাশ করতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। যেমনঃ অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর।
=== উপপদ সমাস ===
কৃদন্ত-পদের পূর্বে যে পদ থাকে, তাকে উপপদ বলে এবং উপপদের সাথে কৃদন্ত-পদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ সমাস বলে। যেমনঃ কুম্ভ করে যে = কুম্ভকার।
=== প্রাদি সমাস ===
প্র, পরা প্রভৃতি ২০টি উপসর্গের সাথে তৎপুরুষ সমাস হলে, তাকে প্রাদি সমাস বলে। যেমনঃ সম্ (সম্যক্) যে আদর = সমাদর।
=== বাক্যাশ্রয়ী সমাস ===
যে সমাসে সমাসবদ্ধ পদগুলি একমাত্রায় লেখা হয় না এমনকী সবসময় পদসংযোজক চিহ্ন দ্বারাও যুক্ত করে লেখা হয় না - বিচ্ছিন্নভাবে লিখিত এই সমাসকে বলা হয় বাক্যাশ্রয়ী সমাস।যেমন : 'বসে আঁকো প্রতিযোগিতা', 'সব পেয়েছির দেশ', ইত্যাদি।
== ২.৪ শব্দদ্বিত্ব ==
== ২.৫ বিশেষ আলোচনা: নরনারীবাচক শব্দ ==
== ২.৬ বিশেষ আলোচনা: সংখ্যাবাচক শব্দ ==
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ]]
{{বইয়ের বিষয়শ্রেণী}}
9pm2csu581js8f5ewd91mbe392hm4e0
ব্যবহারকারী:তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী
2
27709
107390
107076
2026-09-27T22:10:34Z
তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী
9680
/* লেখক */
107390
wikitext
text/x-wiki
==পরিচিতি==
'''তুষারকান্তি ষন্নিগ্রহী''', শিক্ষাবিদ, পত্রিকা সম্পাদক, গ্ৰন্থকার,লেখক, প্রবন্ধকার, রাজনীতিবিদ,ভারতীয় উইকিপিডিয়ান।প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক। উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য, পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষক সমিতি। পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদস্য।
== ষন্নিগ্রহী পদবির উৎস ==
কৃষ্টিকিরণ প্রতিবেদনঃ হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে ষড়রিপু বা ছয় শত্রু হল, কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য। এই রিপুগুলির নেতিবাচক বৈশিষ্ট্য মানুষের মোক্ষলাভে বাধা দেয় বলে বিশ্বাস। ষড়রিপু আত্মাকে জন্ম-মৃত্যু চক্রের সাথে আবদ্ধ করে। ষড়রিপু পরিত্যাগ বা এড়িয়ে চললে সুন্দর জীবন ও আধ্যাত্মিক মুক্তি বা মোক্ষলাভ মানুষের হয় বলে হিন্দু শাস্ত্রে বলা হয়েছে। ষড় রিপু যিনি নিগ্রহ বা দমন করেন তিনি হলেন 'যন্নিগ্রহী'। অনেকের ধারণা ষড়রিপুর দমন বা নিগ্রহ থেকেই 'যন্নিগ্রহী' পদবি এসেছে।
আবার অনেকের মতে প্রাচীনকালের রাজাদের বিশিষ্ট মন্ত্রী 'সন্ধিবিগ্রহিক' কথা থেকেই 'যন্নিগ্রহী' পদবির উৎপত্তি ঘটেছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ করা প্রয়োজন, 'সন্ধিবিগ্রহিক মহাপাত্র' একটি প্রাচীন ও খুবই গুরুত্বপূর্ণ পদ। এটি সাধারণত যুদ্ধ ও শান্তি বিষয়ের মন্ত্রী বোঝায়। 'মহাপাত্র' উপাধি উচ্চ পদ মর্যাদা নির্দেশ করে যা রাজসভার প্রধান অমাত্য বা মন্ত্রীর সমান। এঁরা রাজার আস্থাভাজন হয়ে বৈদেশিক নীতি ও যুদ্ধের কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন। পাল ও সেন রাজবংশের সময়ে এই পদ খুবই প্রচলিত ছিল।
পাল ও সেন রাজত্বের (৭৮০- ১১৬০) আমলে 'কুমারামাত্য' 'দণ্ডনায়ক' ইত্যাদির মতো উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে 'সন্ধিবিগ্রহিক' ও 'মহাপাত্র' -এর উল্লেখ আছে।
পাল রাজা রামপালের সময়ে (১০৮২-১১২৪) প্রজাপতি সন্ধি বিগ্রহিক ছিলেন। ত্রিপুরার রাজা দেবাদিত্য ও একজন 'সন্ধিবিগ্রহিক' ছিলেন বলে জানা যায়।
ভবদেব ভট্ট ছিলেন প্রাচীন বঙ্গদেশের একজন প্রখ্যাত ধর্মশাস্ত্র রচয়িতা। তিনি বর্মণ রাজ হরিবর্মার 'মহা সন্ধিবিগ্রহিক' মন্ত্রী ছিলেন। উল্লেখ্য, বর্মণ রাজবংশ (৩৫০-৬৫৫) পৃষ্যবর্মণ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কামরূপ রাজ্যের প্রথম ঐতিহাসিক রাজবংশ ছিল।
প্রসঙ্গত উল্লেখ করা প্রয়োজন বর্তমান ওড়িশার দক্ষিণ অংশ আগেকার দিনে কলিঙ্গ রাজ্য হিসেবে পরিচিত ছিল।
তখনকার দিনে বিশ্বনাথ কবিরাজ ছিলেন একজন সাহিত্যিক এবং সংস্কৃত আলঙ্কারিক। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ সাহিত্য দর্পণ। কলিঙ্গের গঙ্গাবংশীয় শাসকদের সাথে তাঁর খুবই ঘনিষ্ঠতা ছিল। বিশ্বনাথ কবিরাজের সঠিক জন্ম তারিখ জানা যায়নি। তবে তিনি পরপর দুজন গঙ্গাবংশীয় শাসক-রাজা চতুর্থ নরসিংদেব (১৩৭৮-১৪১৪) এবং রাজা চতুর্থ নিশঙ্ক ভানুদেবের (১৪১৪-১৪৩৪) আমলে বিশিষ্ট সাহিত্যিক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। ফলে দুজন শাসকের আমলকে বিশ্বনাথ কবিরাজের জীবনের অনেক অংশ কেটেছে বলে ধরা হয়। সময়টা ছিল ১৩৭৮ থেকে ১৪৩৪ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে।
উল্লেখ্য, বিশ্বনাথের পিতা চন্দ্রশেখর এবং বিশ্বনাথ নিজে কলিঙ্গের রাজ দরবারে যুদ্ধ ও শান্তি মন্ত্রীর উপাধি (সন্ধিবিগ্রহিকা মহাপাত্র) উপাধি লাভ করেছিলেন। এই সন্ধি বিগ্রহিকা উপাধি থেকেই কালক্রমে বন্নিগ্রহী / সন্নিগ্রহী পদবী এসেছে বলে মনে করা হয়।
==লেখক==
তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী একজন ভারতীয় শিক্ষাবিদ, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, বিশিষ্ট উইকিপিডিয়ান এবং 'কৃষ্টি কিরণ' পত্রিকার সম্পাদক। তিনি পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষক সমিতির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য এবং এই সমিতির মুখপত্র 'শিক্ষা ও শিক্ষক'-এর প্রাক্তন সম্পাদক ছিলেন । শিক্ষাক্ষেত্র ও উইকিপিডিয়ায় অবদান রাখার পাশাপাশি তিনি একজন সক্রিয় লেখক ও সম্পাদক।
বাংলা উইকিপিডিয়াতে তিনি ৬৩০ এর ওপর প্রবন্ধ লিখেছেন। তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী বাংলা উইকিপিডিয়ায় সম্পাদনা করেছেন ৭৮০০০+(সেপ্টেম্বর ২০২৬)
তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী একজন বিশিষ্ট অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবং লেখক, যিনি প্রধানত তাঁর সাহিত্যচর্চা এবং সমাজসেবামূলক কাজের জন্য পরিচিত। তাঁর সম্পর্কে কিছু মূল তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
পেশা ও অবদান: তিনি বাঁকুড়া জেলার সিমলাপাল এলাকার বাসিন্দা এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। বর্তমানে তিনি 'কৃষ্টি কিরণ' নামক একটি পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
উইকিপিডিয়ান: তিনি একজন সক্রিয় ভারতীয় উইকিপিডিয়ান এবং বিভিন্ন বাংলা উইকি প্রকল্পে (যেমন উইকিসংকলন, উইকিউক্তি) নিয়মিত অবদান রাখেন।
রাজনীতি: তিনি পশ্চিমবঙ্গের তালড্যাংরা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে (২০২৪) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের (INC) প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন।
পরিচয়: তাঁর জন্ম ১ মার্চ ১৯৫৩ সালে বাঁকুড়ার পুটিয়াদহ গ্রামে । তাঁর পদবি 'ষন্নিগ্রহী' শব্দটি মূলত হিন্দু শাস্ত্রের 'ষড়রিপু' দমনকারীর অর্থ বহন করে।
==জানা অজানা, ১০ এপ্রিল==
তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী, ভারতীয় উইকিপিডিয়ান
১০ এপ্রিল:
বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস: স্বাস্থ্যসেবায় হোমিওপ্যাথির অবদান তুলে ধরতে এবং ডক্টর হ্যানিম্যানের জন্মদিন স্মরণে প্রতি বছর ১০ এপ্রিল এই দিবসটি পালন করা হয়।
জাতীয় ভাইবোন দিবস: ভাইবোন ও পারিবারিক বন্ধন উদযাপনের একটি দিন।
অন্যান্য পালনীয় বিষয়সমূহ:
জাতীয় যুব এইচআইভি ও এইডস সচেতনতা দিবস: এর মূল লক্ষ্য হলো এইচআইভি/এইডস বিষয়ে তরুণদের শিক্ষিত ও ক্ষমতায়িত করা।
আন্তর্জাতিক শিশু যোগ দিবস: শিশুদের সুস্থতাকে উৎসাহিত করে।
জাতীয় খামার প্রাণী দিবস: খামারের পশুদের যত্নের গুরুত্ব তুলে ধরে।
জাতীয় কুকুরকে আলিঙ্গন দিবস: পোষ্য মালিকদের তাদের কুকুরদের উদযাপন করার একটি দিন।
জাতীয় সিনামন ক্রিসেন্ট দিবস: একটি মজাদার খাদ্য উৎসব।
ঐতিহাসিক তাৎপর্য (১০ এপ্রিল):
৮৩৭: হ্যালির ধূমকেতু পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে এসেছিল।
১৬৩৩: লন্ডনে প্রথম কলা বিক্রি শুরু হয়।
১৯৯৫: ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাই পরলোকগমন করেন।
প্রধান ব্যক্তিগণ:
জন্মদিন: অর্থনীতিবিদ ধনঞ্জয় রামচন্দ্র গাডগিল এবং গায়িকা কিশোরী আমনকার এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন।
মৃত্যু: জীবাশ্মবিদ বীরবল সাহনি (১৯৪৯) এবং প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাই (১৯৯৫)
==৪ মে ২০২৬==
।।এক নজরে।।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা সাধারণ নির্বাচন- ২০২৬
*ফলাফল*
সর্বভারতীয় ধর্মনিরপেক্ষ ফ্রন্ট : ১
সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস: ৮১ - ১
আম জনতা উন্নয়ন পার্টি: ২
ভারতীয় জনতা পার্টি: ২০৭ + ১(ফশতা পুনর্নির্বাচন)
ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী): ১
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস: ২
তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী, ভারতীয় উইকিপিডিয়ান কর্তৃক সংগৃহীত।
।।পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন - ২০২৬।।
২৫১ - তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্র।
*ফলাফল*
জিতেছেন
১২৪৫৩৭ (+ ৫০০৭৩)
সৌভিক পাত্র
ভারতীয় জনতা পার্টি
হারলেন
৭৪৪৬৪ ( -৫০০৭৩)
ফাল্গুনী সিংহবাবু
সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস
হারলেন
১৩৫৮৬ ( -১১০৯৫১)
দেবকান্তি মহন্তী
ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)
হারলেন
১৫৩২ ( -১২৩০০৫)
নয়ন দাস চক্রবর্তী
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস
হারলেন
১৪৮০ ( -১২৩০৫৭)
প্রসেনজিৎ সিংহ
নির্দল
হারলেন
১১২৮ ( -১২৩৪০৯)
শুভেন্দু মাহাত
এস ইউ সি আই (কমিউনিস্ট)
হারলেন
৯৫০ ( -১২৩৫৮৭)
এসকে সালাম হোসেন
গোন্দবন গান্তান্ট্রা পার্টি
হারলেন
৫৬০ ( -১২৩৯৭৭)
রাজু কর্মকার
নির্দল
১৬৯৯ ( -১২২৮৩৮)
নোটা
উপরের কোনোটিই নয়।
তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী, ভারতীয় উইকিপিডিয়ান কর্তৃক সংগৃহীত।
তারিখ: ভোট গ্ৰহণ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬
গণনা: ৪ মে ২০২৬
==২৫১ নম্বর তালডাংরা বিধানসভার নব নির্বাচিত বিধায়ক সৌভিক পাত্রকে সংবর্ধনা==
সিমলাপাল, বাঁকুড়া, ২৬ মে ২০২৬: দক্ষিণবঙ্গ উৎকল ব্রাহ্মণ কল্যাণ সমিতি, সিমলাপাল ব্লক শাখার পক্ষ থেকে তালডাংরার বিধায়ক সৌভিক পাত্রকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সিমলাপাল মদনমোহন হাই স্কুলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সিমলাপাল ব্লকের বহু উৎকল সম্প্রদায়ের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সিমলাপাল, লক্ষ্মীসাগর, বিক্রমপুর, দুবরাজপুর, মণ্ডলগ্রাম, মাচাতোড়া ও পার্শ্বলা এই সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েতের সংগঠনের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা ভাবে ফুল ও মালা দিয়ে নবনির্বাচিত বিধায়ককে বরণ করা হয়। সংবর্ধনা- মানপত্র পাঠ করে তা প্রদান করেন সিমলাপাল ব্লক শাখার সভাপতি তুষারকান্তি ষন্নিগ্রহী। বিধায়ক সৌভিক পাত্র তাঁর বক্তব্যে মা ও বোনেরা এবং যুব সম্প্রদায় যাতে সমাজ গঠনের কাজে অগ্রণী ভূমিকা নেন সে জন্য অনুরোধ জানান। এদিনের অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক তারাপদ মহাপাত্র, বাঁকুড়া জেলা শাখার সম্পাদক স্বদেশরঞ্জন পাত্র, সিমলাপাল মদনমোহন হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক তাপসকুমার সিংহমহাপাত্র প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিমলাপাল ব্লক শাখার সম্পাদক অজিতকুমার দাশ, সভাপতিত্ব করেন সিমলাপাল ব্লক শাখার সভাপতি তুষারকান্তি ষন্নিগ্রহী।
===সংবর্ধনা- মানপত্র===
।।দক্ষিণবঙ্গ উৎকল ব্রাহ্মণ কল্যাণ সমিতি।।
সিমলাপাল ব্লক শাখা
সিমলাপাল * বাঁকুড়া
"কর্মণ্যেবাধিকারস্তে মা ফলেষু কদাচন"
২৫১ নম্বর তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্রের নবনির্বাচিত বিধায়ক মাননীয় সৌভিক পাত্র মহাশয়কে প্রদত্ত-
।। সংবর্ধনা মানপত্র ।।
সুহৃদ ও শুভানুধ্যায়ীদের অকৃত্রিম ভালোবাসায় সিক্ত ও ধন্য হে গুণীজন!
আমরা আজ অত্যন্ত আনন্দের সাথে দক্ষিণবঙ্গ উৎকল ব্রাহ্মণ কল্যাণ সমিতি, সিমলাপাল ব্লক শাখার পক্ষ থেকে আপনাকে এই সুবর্ণ ও স্মরণীয় লগ্নে আন্তরিক সংবর্ধনা জ্ঞাপন করছি। আপনার কর্মময় জীবন, আদর্শ ও অনন্য ভবিষ্যৎ অবদানকে সম্মান জানাতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।
পশ্চিমবঙ্গের তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্র আজ নবপ্রাণে স্পন্দিত। এখান থেকেই শুরু হলো আপনার জীবনের এক মহত্তম সোপান। এই শুভ যাত্রালগ্নে আমাদের হৃদ নিংড়ানো অজস্র শুভেচ্ছা ও একরাশ স্নেহাশীষ গ্রহণ করুন। আমরা আপনাকে বরণ করছি এক বুক আশা আর নির্মল ভালোবাসা দিয়ে।
হে আগামীর স্থপতি!
উচ্ছল তারুণ্যের অফুরন্ত প্রাণশক্তি আপনার ধমনীতে প্রবহমান। আমরা যখন আপনাকে বরণ করছি, তখন আমাদের সমাজ দ্রুত বদলে যাচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির জোয়ারে। আমাদের প্রিয় স্বদেশ আজ যখন মূল্যবোধের অবক্ষয়, অশিক্ষা ও নানা সংকটের মুখোমুখি, তখন আপনাদের মতো প্রাণবন্ত তরুণদেরই নিতে হবে আরও দায়িত্ব।
হে সমাজসেবী!
বিধায়ক হিসেবে আপনার কর্মজগৎ প্রসারিত হয়েছে। আপনি উৎকল ব্রাহ্মণ পরিবারের সন্তান, এটিও আমাদের কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়।
সমাজের অগ্রগতি ও উন্নয়নমূলক কাজে আপনি সাহায্য, সহযোগিতা ও পরামর্শ নতুন উদ্যমে দিচ্ছেন, সেজন্য আপনাকে সাধুবাদ জানাই। ভবিষ্যতে আপনি আরও সক্রিয়ভাবে সমাজসেবায় অংশগ্রহণ করুন এই আমাদের প্রত্যাশা।
হে প্রিয় সাথী!
আপনাকে যথাযথ সম্বর্ধনা জ্ঞাপনের উপযুক্ত ক্ষমতা আমাদের নেই। আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও ভালোবাসাই আমাদের একমাত্র সম্বল। আমাদের চিন্তা - চেতনায় আপনি থাকবেন প্রোজ্জ্বল। আমাদের প্রত্যাশা, আপনার সান্নিধ্য ও শুভেচ্ছা থেকে আমরাও বঞ্চিত হব না।
পরিশেষে, ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা, আপনি সুস্থ থাকুন, সমাজ সেবার মহান ব্রতে এগিয়ে চলুন। সুদীর্ঘ আনন্দময় জীবন লাভ করুন।
ভবদীয়-
দক্ষিণবঙ্গ উৎকল ব্রাহ্মণ কল্যাণ সমিতি,
সিমলাপাল ব্লক শাখার সদস্য ও সদস্যাবৃন্দ। সিমলাপাল * বাঁকুড়া
লেখক: তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী, ভারতীয় উইকিপিডিয়ান।
== পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার==
২৭ মে ২০২৬:
অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার। ১১ পাতার সেই ফর্মে আবেদনকারী এবং তাঁর পরিবারের সকল সদস্যের খুঁটিনাটি চাওয়া হয়েছে। জমির কাগজ থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্যদের আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ব্যাঙ্কের নথি— যাবতীয় তথ্য জমা দিতে হবে। তবেই অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা মিলবে। তবেই মাসে তিন হাজার টাকা করে সরকারি আর্থিক সহায়তা পাবেন মহিলারা।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বুধবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম প্রকাশ করেছেন। নির্দিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইটে গেলে ওই ফর্ম পাওয়া যাচ্ছে। শুভেন্দু জানিয়েছেন, অনলাইন এবং অফলাইন মাধ্যমে ফর্মটি পূরণ করা যাবে। যাঁরা তা করতে পারবেন না, তাঁদের সহায়তার জন্য সরকারি আধিকারিকেরা বাড়ি বাড়ি ঘুরবেন। এমনকি, বিধায়কদেরও এ ক্ষেত্রে দায়িত্ব নিতে হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু। অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মের মাধ্যমেই নাগরিকদের পরিবার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সরকার সংগ্রহ করছে। শুভেন্দু জানিয়েছেন, সেই কারণে ফর্মটি দীর্ঘ হয়েছে। ভবিষ্যতে অন্য কোনও সরকারি প্রকল্পের আওতায় আনার জন্যেও এই ফর্মের নথি এবং তথ্য বিবেচনা করা হবে।
১১ পাতার যে ফর্মটি প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে প্রথমেই আবেদনকারীর পরিবারের প্রধানের নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা, আধার নম্বর, আধারের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বর চাওয়া হয়েছে। এর পর পরিবারের বাকি সদস্যদের এই সমস্ত তথ্য এবং গৃহকর্তা বা গৃহকর্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। পরিবারের প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ওই অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার নম্বর যুক্ত করা থাকতে হবে।
আবেদনকারীর পরিবারের প্রধান-সহ প্রত্যেক সদস্যের ভোটার কার্ডের নম্বর, বিধানসভা এবং পার্ট নম্বরও অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মে লিখতে হবে। ডিজিটাল রেশন কার্ড থাকলে সেই সংক্রান্ত তথ্য বিশদে উল্লেখ করতে হবে। ফর্মের তৃতীয় পর্যায়ে আবেদনকারীকে তাঁর সম্পত্তির খতিয়ান দিতে হবে। পাকা বাড়ি আছে কি না, আবেদনকারীর পরিবার কতটা জমির মালিক, মিউটেশন এবং রেজিস্ট্রেশনের নথি-সহ তা ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। পরিবারের কারও চার চাকার গাড়ি আছে কি না, তা-ও জানাতে হবে।
আবেদনকারী ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারি কোনও প্রকল্পের সুবিধা পান কি না, কোনও স্বাস্থ্যবিমা আছে কি না, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মে তা জানতে চেয়েছে সরকার। যদি থাকে, পরিবারের সকল সদস্যের প্যান কার্ডের নম্বরও ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। এ ছাড়া, পরিবারের প্রত্যেকের পেশা ফর্মে লিখতে হবে। বক্তব্যের সপক্ষে উপযুক্ত কাগজও জমা দিতে হবে।
পরিবারের প্রত্যেকের শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য এই ফর্মের মাধ্যমে সংগ্রহ করছে সরকার। তাই শিক্ষিত সদস্যদের প্রত্যেককে তাঁদের সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা ফর্মে উল্লেখ করতে হবে এবং সেই সংক্রান্ত নথি বা শংসাপত্র জমা দিতে হবে। জানাতে হবে পরিবারের মোট বার্ষিক আয়ের পরিমাণ। এ ছাড়া, কেউ সিএএ-তে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছেন কি না, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড বা অন্য কোনও সরকারি কার্ডের সুবিধা নিয়েছেন কি না, এসআইআর-এ নাম বাদ পড়েছে কি না, পড়লে ট্রাইবুনালে আবেদন করেছেন কি না, এই ফর্মে জানতে চেয়েছে সরকার। চাওয়া হয়েছে পরিবারের সকল শিশুর স্কুলের নাম এবং টীকাকরণের তথ্যও।
শুভেন্দু জানিয়েছেন, ১ জুন থেকে তিন মাস পর্যন্ত ফর্ম পূরণ প্রক্রিয়া চলবে। তাই তাড়াহুড়োর প্রয়োজন নেই। অনেকেই মনে করছেন, যে সমস্ত তথ্য এই ফর্মে চাওয়া হয়েছে, তাতে সকলে নির্বিঘ্নে নিজে থেকে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন না। অনেকেই সমস্যায় পড়তে পারেন। সে ক্ষেত্রে বাড়ি বাড়ি সরকারি কর্মচারীদের সহায়তা প্রয়োজন হবে। (সূত্র: আনন্দবাজার ডট কম)
তুষার কান্তি ষন্নিগ্রহী, ভারতীয় উইকিপিডিয়ান।
== বিশ্ব মহাসাগর দিবস==
প্রতি বছর ৮ জুন বিশ্ব মহাসাগর দিবস পালিত হয় । পৃথিবীতে জীবন টিকিয়ে রাখতে আমাদের মহাসাগরগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এবং এদের সুরক্ষার জন্য বৈশ্বিক পদক্ষেপকে উৎসাহিত করতে এই দিবস গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৮ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই আন্তর্জাতিক দিবসটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।
মহাসাগর হল লবণাক্ত জলের এক বিশাল ও অবিচ্ছিন্ন জলাশয় যা পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় ৭০.৮% জুড়ে রয়েছে। এটি জলমণ্ডলের প্রধান উপাদান, যেখানে পৃথিবীর ৯৭% জল রয়েছে। মহাসাগর আমাদের বৈশ্বিক জলবায়ু, কার্বন চক্র ও আবহাওয়ার মৌলিক নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে। পৃথিবীর জীবন সহায়ক ব্যবস্থা, পৃথিবীর সকল প্রাণের জন্য মহাসাগর অপরিহার্য এবং এটি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক কার্য সম্পাদন করে থাকে। সামুদ্রিক উদ্ভিদ এবং ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন আমাদের শ্বাসগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের অন্তত ৫০% উৎপন্ন করে। এটি বৈশ্বিক কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এবং বিপুল পরিমাণ সৌর তাপ শোষণ করে, যা বৈশ্বিক বায়ুপ্রবাহকে চালিত করে এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। মহাসাগর পৃথিবীর অধিকাংশ প্রাণী ও প্রটিস্ট জীবনের আবাসস্থল, যার মধ্যে আণুবীক্ষণিক প্ল্যাঙ্কটন থেকে শুরু করে বিশাল নীল তিমি পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত। বিশালতা সত্ত্বেও, মহাসাগর অতিরিক্ত মাছ ধরা, দূষণ, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা এবং অম্লীকরণের মতো গুরুতর হুমকির সম্মুখীন।
মহাসাগর জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ করে, শীতে উষ্ণতা এবং গ্রীষ্মে শীতল বাতাস প্রদান করে। এটি আমাদের খাদ্য, ঔষধ এবং পরিবহনেরও জোগান দেয়। এই গ্রহের যেখানেই বাস করুন না কেন, সমুদ্র থেকে যত দূরেই থাকুন না কেন, মানুষের জীবন মহাসাগরের উপর নির্ভরশীল।
এই মুহূর্তে মহাসাগরের সবচেয়ে জরুরি সমস্যা হলো প্লাস্টিক দূষণ। প্লাস্টিকের ব্যাগ ও বোতলসহ একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো বেশ কয়েক বছর ধরে বিশ্ব মহাসাগর দিবসের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। জলবায়ু পরিবর্তন এবং সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধিও একটি বিশাল সমস্যা। সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি আবহাওয়ার ধরনের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে এবং চরম আবহাওয়ার পরিস্থিতি বৃদ্ধির জন্য এটিকে আংশিকভাবে দায়ী বলে মনে করা হয়। কার্বন ডাই অক্সাইডের বৃদ্ধি সমুদ্রের জলের অম্লতার মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং অনেক সামুদ্রিক জীবকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।
২০২৬ সালের বিশ্ব মহাসাগর দিবসের প্রতিপাদ্য ‘পুনর্বিবেচনা’ যা আমাদের মহাসাগরকে দেখার ও এর যত্ন নেওয়ার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে আহ্বান জানায়। বহু দিন ধরে আমরা একে এক দূরবর্তী বস্তু হিসেবে দেখে এসেছি, অথচ প্রকৃতপক্ষে এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনেরই একটি অংশ। যে বাতাসে আমরা শ্বাস নিই, যে খাবার খাই, এবং যে জলবায়ু ভারসাম্য আমাদের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখে তা অনেকাংশে মহাসাগর নিয়ন্ত্রণ করে। আসুন, আমরা এর সম্পদের নিছক সুবিধাভোগী হওয়া বন্ধ করে এর ভবিষ্যতের প্রকৃত অভিভাবক হয়ে উঠি।
মহাসাগরগুলি পৃথিবীতে জীবন টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মহাসাগরের দূষণ ও বাস্তুতন্ত্রের সমস্যা হলে মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হবে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে মহাসাগরের গুরুত্ব আছে। সচেতনতা বৃদ্ধি করে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমাদের সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রকে রক্ষা করতেই হবে।
তুষারকান্তি ষন্নিগ্রহী, সিমলাপাল, বাঁকুড়া, পিন কোড নম্বর: ৭২২১৫১
মোবাইল ফোন নম্বর:+৯১ ৬২৯০০৬০৭৪৯
b0orri96xo0oatuq2osapal3qjivm26
ব্যবহারকারী আলাপ:আনহার হোসেন
3
33767
107388
2026-09-27T13:40:37Z
KanikBot
8129
স্বাগতম!
107388
wikitext
text/x-wiki
== বাংলা উইকিবইয়ে স্বাগত ==
{{স্বাগত/২য় সংস্করণ}} ১৩:৪০, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (ইউটিসি)
mgqf2yxy41pcet05koaja4q858btbet
ব্যবহারকারী আলাপ:8He
3
33768
107389
2026-09-27T16:40:26Z
KanikBot
8129
স্বাগতম!
107389
wikitext
text/x-wiki
== বাংলা উইকিবইয়ে স্বাগত ==
{{স্বাগত/২য় সংস্করণ}} ১৬:৪০, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (ইউটিসি)
66nr9cz1fhyniaorha783bjnp9u7vrw