উইকিবই bnwikibooks https://bn.wikibooks.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.22 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিবই উইকিবই আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা উইকিশৈশব উইকিশৈশব আলাপ বিষয় বিষয় আলাপ রন্ধনপ্রণালী রন্ধনপ্রণালী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা বাংলা ব্যাকরণ/রূপতত্ত্ব/শব্দগঠন 0 4703 107436 107435 2026-10-02T12:08:44Z Suadur Rahman 11082 /* (গ) অলুক বা অলোপ দ্বন্দ্ব সমাস */ 107436 wikitext text/x-wiki == ২.১ উপসর্গযোগে শব্দগঠন == === ২.১.১ বাংলা উপসর্গ === === ২.১.২ সংস্কৃত উপসর্গ === === ২.১.৩ বৈভাষিক উপসর্গ === == ২.২ প্রত্যয়যোগে শব্দগঠন == === ২.২.১ তদ্ধিত প্রত্যয় === === ২.২.২ কৃৎ প্রত্যয় === == ২.৩ সমাস প্রক্রিয়ায় শব্দগঠন == <div style="padding:5px; font-size:80%; margin:1px 0; border:2px solid #4a904a; background-color: #c8f7c7; width:250px; text-align:center; float:right;">'''সমাস''' [সংস্কৃত] = সম্ + √অস্ + অ (ঘঞ্) <br>'''''অর্থ:''''' সংক্ষেপ, সংগ্রহ, মিলন; একাধিক পদের একপদে সংকোচন বা একপদীকরণ।</div> বাক্যের মধ্যে পরস্পর সম্পর্কিত একাধিক পদের এক শব্দে পরিণত হওয়ার নাম '''সমাস'''। এটি আভিধানিক শব্দনির্মাণের একটি প্রক্রিয়া, যাতে একটি অখণ্ড শব্দ তৈরি হয়। এই শব্দটি প্রায় সবসময়ই একটি সম্মিলিত ধারণাকে প্রকাশ করে। :উদাহরণস্বরূপ- ''হাতঘড়ি''-এ যেমন 'হাত' এবং 'ঘড়ি'-এর দুটি পৃথক ধারণাকে এক করে অখণ্ড বস্তুর একটি ধারণা সৃষ্টি করে। ==== (ক) সমাস সংক্রান্ত পরিভাষা ==== সংস্কৃত ভাষার ব্যাকরণেই সমাস সংক্রান্ত সমস্ত পরিভাষা— ব্যাসবাক্য, বিগ্রহবাক্য, পূর্বপদ, পরপদ, সমস্যমান, সমস্তপদ— থেকে শুরু করে সব সমাসের নানা চিত্রল নাম পর্যন্ত উদ্ভব হয়েছিল। দীর্ঘ সময়ের ব্যবধান ও অন্যান্য অনেক কারণে নামগুলি তাদের মূল্য হারিয়ে ফেলেছে। নিচে পরিভাষাগুলি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো: :১. '''সমস্যমান পদ:''' যে সব পদ নিয়ে সমাস হয়, সেসব পদই হলো সমস্যমান পদ। সাধারণত দুটি, তবে দ্বন্দ্ব সমাসে আরও বেশি হতে পারে। ::ক. '''পূর্বপদ:''' সমস্যমান পদসমূহের মধ্যে প্রথম পদ। ::খ. '''পরপদ:''' সমস্যমান পদসমূহের মধ্যে শেষ পদ। অন্যনাম '''উত্তরপদ'''। ::গ. '''মধ্যপদ:''' দুইয়ের অধিক সমস্যমান পদ থাকলে পূর্বপদ ও পরপদের মাঝের পদটি/গুলো। :২. '''সমস্তপদ:''' সমাস-সাধিত শব্দ। অন্য নামগুলো হলো: '''সমাস শব্দ''', '''সমাসবদ্ধ পদ''' ও '''সমাসবদ্ধ শব্দ'''। সমস্তপদ সাধারণত এক শব্দে লিখতে হয়। তবে, উচ্চারণ কিংবা অর্থের বিভ্রান্তি ঘটার আশঙ্কা থাকলে পূর্বপদ ও পরপদের মাঝে হাইফেন দিতে হয়। আবার কিছুক্ষেত্রে পদদ্বয়কে আলাদা করে লেখা হয়। :৩. '''ব্যাসবাক্য:''' যে বাক্য বা বাক্যাংশ দ্বারা সমস্তপদকে ব্যাখ্যা করা হয়, তার নাম ব্যাসবাক্য। অপর নাম '''বিগ্রহবাক্য'''। ; উদাহরণস্বরূপ— ::: <big>হাত + ঘড়ি = হাতঘড়ি</big> : এখানে, ::: সমস্যমান পদ: ''হাত'' ও ''ঘড়ি'' :::: পূর্বপদ: ''হাত'' :::: পরপদ: ''ঘড়ি'' ::: সমস্তপদ: ''হাতঘড়ি'' ::: ব্যাসবাক্য: ''হাতে পরার ঘড়ি'' ==== (খ) সন্ধি ও সমাসের সম্পর্ক ও পার্থক্য ==== সংস্কৃত শব্দের বানান-শিক্ষার অংশ হিসাবে বাংলা ব্যাকরণে ''সন্ধি-প্রকরণ'' শেখানো হয়। সন্ধিতে সন্নিহিত বর্ণের (=ধ্বনির) মিলন ঘটে; সমাসে মিলন ঘটে পাশাপাশি থাকা দুটি, তিনটি বা তারও বেশি সংখ্যক পদের। অর্থাৎ, সন্ধির কাজ ধ্বনিতে এবং সমাসের কাজ শব্দে। সংস্কৃত সমাসে আবশ্যিকভাবে সন্ধি ঘটতো, বস্তুতপক্ষে সংস্কৃতে অধিকাংশ সন্ধি সমাসবদ্ধ শব্দেরই (সমস্তপদ) উদাহরণ! 'হিতাহিত' (হিত+অহিত) একটি সমাসবদ্ধ শব্দ। ধ্বনিতত্ত্বের দিক থেকে এটি সন্ধি এবং রূপতত্ত্বে তা সমাস। বাংলা সমাসে এ ধরনের সন্ধি ঘটলেও তা লিপিতে সামান্যই প্রতিফলিত হয়। এই সন্ধির প্রক্রিয়াগুলি ''সঞ্জননী ধ্বনিতত্ত্ব'' অংশে আলোচনার বিষয়। যেমন- বাংলায় 'চার+জন' এর উচ্চারণ হয় 'চাজ্জন' তবে তা বানানে দেখানো হয় না! সন্ধি ও সমাসের প্রধান পার্থক্যগুলো হলো— {| class="wikitable" style="margin: 0em; font-family: serif;" ! সন্ধি ! সমাস |- | সন্ধিতে সন্নিহিত ধ্বনিগুলির মিলন ঘটে। | সমাসে অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের মিলন ঘটে। |- | সন্ধিতে প্রতিটি পদের অর্থ অক্ষুণ্ণ থাকে। | সমাসে প্রতি পদের অর্থ অক্ষুণ্ণ থাকতে পারে (দ্বন্দ্ব); পরপদ (কর্মধারয়, তৎপুরুষ) কিংবা অন্যপদের (বহুব্রীহি) অর্থও প্রাধান্য পেতে পারে। |- | সন্ধিতে বিভক্তি লোপের বিষয়টিই নেই। | সমাসে অধিকাংশ ক্ষেত্রে পূর্বপদের বিভক্তি চিহ্ন লোপ পায়। |- | সন্ধিতে পদগুলির ক্রম অক্ষুন্ন থাকে। | সমাসে কিছুক্ষেত্রে পদদুটির স্থান পরিবর্তন হয়। |- | সন্ধিতে কখনোই এক শব্দের জায়গায় অন্য শব্দ আসে না। | সমাসে কিছুক্ষেত্রে এক শব্দের জায়গায় অন্য শব্দ আসে। |- |} ==== (গ) সমাসের শ্রেণিবিভাগ ==== সংস্কৃত সমাসের ছকে বাংলা ভাষার সব সমাস-প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা যায় না এবং সংস্কৃত ব্যাকরণের কয়েকটি সমাস বাংলায় খাটে না। সংস্কৃত ব্যাকরণে অর্থপ্রাধান্যের বিচারে সমাস চার প্রকার: অব্যয়ীভাব, তৎপুরুষ, দ্বন্দ্ব ও বহুব্রীহি। আবার দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ব্যাকরণের প্রচলিত আছে সমাস প্রধানত ছয় প্রকার: দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু এবং অব্যয়ীভাব (এছাড়া কিছু অপ্রধান সমাসও আছে, যেমন- অলোপ বা অলুক, বাক্যাশ্রয়ী, নিত্য প্রভৃতি)। কর্মধারয়, দ্বিগু ও তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান; দ্বন্দ্ব সমাসে উভয়পদের অর্থ; আর বহুব্রীহিতে সমস্যমান পদ ব্যতীত অন্য একটি বিশেষ অর্থ প্রাধান্য পায়। উত্তরপদের অর্থ প্রধান বলে কর্মধারয় ও দ্বিগু সমাসকে সংস্কৃত ব্যাকরণে তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে বাংলা ব্যাকরণে কর্মধারয় ও দ্বিগু পৃথক সমাস হিসেবে বিবেচিত হতো! বর্তমানকালে, দ্বিগু সমাসকে কর্মধারয় সমাসেরই একটি প্রকার হিসেবে গণ্য করা হয়। আবার, বাংলা যেহেতু সংস্কৃতের মতো অব্যয়পদবহুল ভাষা নয়, এবং বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদকেও বাদ দেওয়া হয়েছে; সুতরাং, বাংলায় অব্যয়ীভাব সমাস নেই-ই বলা যায়। মজার কথা হলো, প্রাদি আর অব্যয়ীভাব সমাস সাধিত শব্দ এবং উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ (প্রায়শই?) একই! অর্থাৎ, বাংলা ভাষার সমাস বিশ্লেষণের জন্য মাত্র '''চার ধরনের''' (তিন প্রকারও বলতে পারি, কর্মধারয়কে তৎপুরুষে অন্তভুক্ত করে!) প্রধান সমাস হলেই হয়: '''দ্বন্দ্ব''', '''কর্মধারয়''', '''তৎপুরুষ''' এবং '''বহুব্রীহি''' সমাস। এবং দ্বন্দ্ব, তৎপুরুষ ও বহুব্রীহিতে অলুক সমাস হয়। === ২.৩.১ দ্বন্দ্ব সমাস === <div style="padding:5px; font-size:80%; margin:1px 0; border:2px solid #4a904a; background-color: #c8f7c7; width:250px; text-align:center; float:right;">'''দ্বন্দ্ব''' [সংস্কৃত] = দ্বি + দ্বি (কর্মধারয় সমাস); <br>দ্বম্‌ + দ্ব (নিপাতনে) <br>'''''অর্থ:''''' বিরোধ; কলহ, ঝগড়া, বিবাদ; যুদ্ধ, মল্লযুদ্ধ; সমাসবিশেষ, সমপ্রাধান্যপূর্ণ উভয় পদের সমাস; পরস্পর বিরোধী দুটি বিষয়; জোড়া, যুগল, মিথুন, স্ত্রী-পুরুষ।</div> যে সমাসে সমস্যমান পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের (দুইয়ের অধিক পদ থাকলে প্রত্যেক পদের) অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে '''দ্বন্দ্ব সমাস''' বলে। অর্থাৎ, দুই বা ততোধিক সমশ্রেণির শব্দ জুড়ে দ্বন্দ্ব সমাস সাধিত শব্দ তৈরি হয়। মনে হয় যেন সমস্যমান পদগুলোর মধ্যকার যোজক (এবং, ও, আর) লুপ্ত হয়ে পদগুলোকে এক শব্দে বেঁধেছে। তাই এ সমাসকে '''বন্ধন সমাস'''ও বলা যায়। ==== (ক) দ্বন্দ্ব সমাসে শব্দ গঠন প্রক্রিয়া ==== সমজাতীয় বা সমশ্রণির শব্দ জুড়ে দ্বন্দ্ব সমাস-সাধিত শব্দ গঠিত হয়। নিচে কিছু উদাহরণের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে— ; ১. বিশেষ্য + বিশেষ্য : মা-বাবা, বাপ-মা, ভাই-বোন, মাসি-পিসি, চাচা-চাচি, মামা-মামি, জ্বিন-পরী, চা-বিস্কুট, দা-কুমড়া, পাপ-পুণ্য, স্বর্গ-নরক, স্বর্গমর্ত্য, অহিনকুল, জন্মমৃত্যু, ধর্মকর্ম, ঝড়বৃষ্টি, নরনারী, হাত-পা, নাক-মুখ, চোখ-কান, ক্রয়-বিক্রয়, জমা-খরচ, পড়ালেখা, লেখাপড়া, দিনরাত, দিবারাত্রি, দেশবিদেশ, হাতি-ঘোড়া, স্বর্ণ-রৌপ্য, সোনারূপা এবং কুশীলব (কুশ+লব) প্রভৃতি। ; ২. সর্বনাম + সর্বনাম : তুমি-আমি, তোমার-আমার, যে-সে, যাকে-তাকে, যা-তা, যিনি-তিনি প্রভৃতি। ; ৩. বিশেষণ + বিশেষণ : ভালো-মন্দ, ধনী-দরিদ্র, ছোট-বড়, ন্যায়-অন্যায়, সাদাকালো, নীললোহিত, কাঁচাপাকা এবং হতাহত (হত+আহত), হিতাহিত (হিত+অহিত) প্রভৃতি। ; ৪. ক্রিয়া + ক্রিয়া : ধীরেসুস্থে, হেসেখেলে, নেচে-গেয়ে, বেচা-কেনা, পড়াশুনা, হারজিত, ওঠ্-বস্, যাওয়া-আসা প্রভৃতি। ; ৫. ক্রিয়াবিশেষণ + ক্রিয়াবিশেষণ : ছলে-বলে, কলে-কৌশলে প্রভৃতি। ; ৬. সংখ্যাবাচক শব্দ + সংখ্যাবাচক শব্দ : দশ-বারো, সাতপাঁচ, উনিশবিশ, সাতসতেরো, নয়ছয় (?) প্রভৃতি। ==== (খ) দ্বন্দ্ব সমাসের শ্রেণি বিভাজন ==== দ্বন্দ্ব সমাসকে অর্থগতভাবে কিংবা গঠনগতভাবে কয়েকটি ভাগে বিন্যস্ত করা যায়। যেমন— ; ১. মিলনার্থক দ্বন্দ্ব : মা-বাবা, মামা-মামী, চাচা-চাচী, খালা-খালু এবং অন্যান্য (অন্য+অন্য) ইত্যাদি। ; ২. বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব : রাতদিন, আসা-যাওয়া, ক্রয়-বিক্রয়, স্বর্গ-নরক, সাদা-কালো, ওঠ্-বস্ ইত্যাদি। ; ৩. বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব : অহিনকুল, দা-কুমড়া ইত্যাদি। ; ৪. সমার্থক দ্বন্দ্ব : ঝড়বৃষ্টি, বনজঙ্গল, চিঠিপত্র, নদনদী ইত্যাদি। ; ৫. অনুরূপ দ্বন্দ্ব : সোনারূপা, স্বর্ণ-রৌপ্য, হাতি-ঘোড়া, নেচে-গেয়ে, খালবিল ইত্যাদি। ; ৬. বহুপদী দ্বন্দ্ব : সাহেব-বিবি-গোলাম, হাত-পা-চোখ-কান, রূপ-রস-গন্ধ-স্পর্শ, তেল-নুন-লকড়ি, চক্ষু-কর্ণ-নাসিকা-জিহ্বা-ত্বক, বাল-বৃদ্ধ-বণিতা (বালক+বৃদ্ধ+বণিতা) ইত্যাদি। ; ৭. একশেষ দ্বন্দ্ব : আমরা (আমি+তুমি+সে/তারা), তোমরা (তুমি+সে/তারা), তোরা (তুই+সে/তারা), আপনারা (আপনি+তিনি/তারা) ইত্যাদি। [বাংলা একাডেমি: দ্বন্দ্বের একাধিক শ্রেণি শব্দগুলির অর্থ অনুযায়ী নির্ধারণ করা যায়। যেমন- ; ☑ সমসঙ্গী দ্বন্দ্ব : যেখানে একই ধরনের অর্থ বা অনুষঙ্গযুক্ত একাধিক শব্দের বন্ধন ঘটে। যেমন— : হাত-পা, রাখঢাক, চলাফেরা, ঝড়বৃষ্টি, বোমাবারুদ, চোখ-মুখ, লাউকুমড়ো, ভাতকাপড়, ভাইবোন, বাপব্যাটা, বউ-ঝি, রাজাবাদশা, মাঝিমাল্লা, জামাকাপড়, চোখ-কান-নাক-গলা, আষাঢ়-শ্রাবণ, টাকাপয়সা, খাল-বিল-নদী-সাগর, কথাবার্তা, হাসিকান্না, ছেলেমেয়ে, তেল খুন লকড়ি, কাণ্ড-কারখানা, কাগজকলম, শাকসবজি, কোর্টকাছারি, ঝগড়া-বিবাদ, খাওয়া-দাওয়া, রাম-শ্যাম-যদু-মধু, বসন-ভূষণ, শয়ন-স্বপন, চিন্তা-ভাবনা, ঠাট্টা-ইয়ার্কি, রং-তামাশা, কান্নাকাটি, ওঠা-বসা ইত্যাদি। ; ☑ বিষমসঙ্গী দ্বন্দ্ব : যেখানে পাশাপাশি দুটি শব্দ অর্থের দিক থেকে পরস্পরের বিপরীত। যেমন— : রাতদিন, জীবনমরণ, আলো-আঁধার, সুখদুঃখ, ভালোমন্দ, রোদবৃষ্টি, হাসিকান্না, দেশবিদেশ, জমাখরচ, রাজাপ্রজা, সকাল-বিকেল, ছেলেমেয়ে, আকাশ-পাতাল, উপরনীচ ইত্যাদি।] ; ৮. অলুক বা অলোপ দ্বন্দ্ব সমাস : সমস্যমানপদের বিভক্তি লোপ না পেয়ে যে দ্বন্দ্ব সমাস হয়, তার নাম অলুক দ্বন্দ্ব সমাস। যেমন– : হাতে-কলমে, চোখে-মুখে, চলনে-বলনে, দেশে-বিদেশে, দুধে-ভাতে, ঘরে-বাইরে, জলে-স্থলে ইত্যাদি। === ২.৩.২ কর্মধারয় সমাস === বিশেষ্যের সাথে বিশেষণের সমাসকে কর্মধারয় সমাস বলে। যথাঃ নীল যে উৎপল = নীলোৎপল। কর্মধারয় সমাসে উত্তর পদের অর্থ প্রধানভাবে থাকে। কর্মধারয় সমাস প্রধানত চার প্রকার। যথাঃ- ==== ১.মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস ==== কর্মধারয় সমাসে কোন কোন স্থানে মধ্যপদের লোপ হয়। সেজন্যেই একে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। যথাঃ হিমালয় নামক পবর্ত = হিমালয়পবর্ত। এখানে ‘নামক’ মধ্যপদের লোপ হয়েছে। ==== ২.উপমিত কর্মধারয় সমাস ==== সমান ধর্মবাচক পদের প্রয়োগ না থাকলে উপমেয় ও উপমান পদের যে সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। যেমনঃ মুখ চন্দ্রসদৃশ = মুখচন্দ্র। ==== ৩.রূপক কর্মধারয় সমাস ==== উপমেয় পদে উপমানের আরোপ করে যে সমাস হয়, তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। এতে উপমেয় পদে রূপ শব্দের যোগ থাকে। যেমনঃ বিদ্যারূপ ধন = বিদ্যাধন। এখানে ‘রূপ’ শব্দের যোগ রয়েছে। ==== ৪.উপমান কর্মধারয় সমাস ==== উপমানবাচক পদের সাথে সমান ধর্মবাচক পদের মিলনে যে সমাস হয়, তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে। যেমনঃ শশের (খরগোশের) ন্যায় ব্যস্ত = শশব্যস্ত। === ২.৩.৩ তৎপুরুষ সমাস === দ্বিতীয়াদি বিভক্তান্ত পদ পূর্বে থেকে যে সমাস হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। এতে উত্তরপদের অর্থ প্রাধান্য থাকে। যেমনঃ লবণ দ্বারা অক্ত (যুক্ত) = লবণাক্ত। "'তৎপুরুষ"' শব্দটির অর্থ হল "তার পুরুষ"। তার পুরুষ এই শব্দ গুলির একপদীকরণে তৎপুরুষ শব্দটির সৃষ্টি হয়েছে। এখানে পূর্ব পদ থেকে সম্বন্ধ পদের বিভক্তি 'র' লোপ পেয়েছে ও উত্তর পদের অর্থ প্রাধান্য পাচ্ছে। এইভাবে এই সমাসের অধিকাংশ উদাহরণে পূর্ব পদের বিভক্তি লোপ পায় ও উত্তর পদের অর্থ প্রাধান্য থাকে এবং তৎপুরুষ শব্দটি হল এই রীতিতে নিষ্পন্ন সমাষের একটি বিশিষ্ট উদাহরণ।তাই উদাহরণের নামেই এর সাধারণ নামকরণ করা হয়েছে তৎপুরুষ সমাস। তৎপুরুষ সমাস বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। যথাঃ- ==== ১. দ্বিতীয়া-তৎপুরুষ ==== দ্বিতীয়া-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে দ্বিতীয়া-তৎপুরুষ বলে। যেমনঃ স্বর্গকে গত = স্বর্গগত। ==== ২. তৃতীয়া-তৎপুরুষ ==== তৃতীয়া-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে তৃতীয়া-তৎপুরুষ বলে। যেমনঃ রজ্জু দ্বারা বন্ধ = রজ্জুবন্ধ। ==== ৩. চতুর্থী-তৎপুরুষ ==== চতুর্থী-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে চতুর্থী-তৎপুরুষ বলে। যেমনঃ যজ্ঞের নিমিত্ত ভূমি = যজ্ঞভূমি। ==== ৪. পঞ্চমী-তৎপুরুষ ==== পঞ্চমী-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে পঞ্চমী-তৎপুরুষ বলে। যেমনঃ মুখ হইতে ভ্রষ্ট = মুখভ্রষ্ট। ==== ৫. ষষ্ঠী-তৎপুরুষ ==== ষষ্ঠী-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে ষষ্ঠী-তৎপুরুষ বলে। যেমনঃ দীনের বন্ধু = দীনবন্ধু। ==== ৬. সপ্তমী-তৎপুরুষ ==== সপ্তমী-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে সপ্তমী-তৎপুরুষ বলে। যেমনঃ দিবাতে নিদ্রা = দিবানিদ্রা। ==== ৭. নঞ্ তৎপুরুষ ==== নঞ্ অব্যয় পূর্বে থেকে যে সমাস হয়, তাকে নঞ্তৎপুরুষ বলে। যেমনঃ ন উক্ত = অনুক্ত। ==== ৮. অলুক তৎপুরুষ ==== যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্ব পদের দ্বিতীয়াদি বিভক্তি লোপ হয় না তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: ঘিয়ে ভাজা, গরুর গাড়ি, গায়েপড়া ইত্যাদি। === ২.৩.৪ বহুব্রীহি সমাস === যে সমাসে মূখ্যভাবে সমস্যবান পদসমূহের অর্থপ্রতীতি না হয়ে অন্য পদের অর্থ মূখ্যরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যথাঃ পীত হইয়াছে অম্বর যাহার = পীতাম্বর (অর্থ শ্রীকৃষ্ণ)। এর ব্যাসবাক্যে একটি যদ্ শব্দের প্রয়োগ থাকে। দশভুজা=দশহাতের সমাহার যার। === দ্বিগু সমাস === তদ্ধিতার্থে, উত্তরপদ পরে ও সমাহার বুঝালে সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে থেকে যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। তদ্ধিতার্থে, যথাঃ পঞ্চ (পাঁচটি) গো দ্বারা ক্রীত = পঞ্চগু। উত্তরপদ পরে, যথাঃ পঞ্চ হস্ত প্রমাণ ইহার = পঞ্চহস্তপ্রমাণ। [এখানে প্রমাণ শব্দ উত্তরপদ পরে থাকায় পঞ্চ ও হস্ত এই দুই পদের দ্বিগু সমাস হয়েছে]। সমাহারে, যথাঃ ত্রি (তিন) লোকের সমাহার = ত্রিলোকী।দ্বিগু শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হল 'দুটি গরু' কিন্তু ব্যাকরণ সম্মত অর্থ হল 'দুটি গরুর মূল্যে কেনা। === অব্যয়ীভাব সমাস === অব্যয় পদ পূর্বে থেকে যে সমাস হয় এবং যাতে পূর্ব পদের অর্থেরই প্রাধান্য থাকে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। যেমনঃ আত্মাকে অধি (অধিকার করিয়া) = অধ্যাত্ম। === নিত্য সমাস === যে সমাসে সমস্যমান পদ দ্বারা সমাস-বাক্য হয় না, অন্য পদের দ্বারা সমস্ত পদের অর্থ প্রকাশ করতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। যেমনঃ অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর। === উপপদ সমাস === কৃদন্ত-পদের পূর্বে যে পদ থাকে, তাকে উপপদ বলে এবং উপপদের সাথে কৃদন্ত-পদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ সমাস বলে। যেমনঃ কুম্ভ করে যে = কুম্ভকার। === প্রাদি সমাস === প্র, পরা প্রভৃতি ২০টি উপসর্গের সাথে তৎপুরুষ সমাস হলে, তাকে প্রাদি সমাস বলে। যেমনঃ সম্ (সম্যক্) যে আদর = সমাদর। === বাক্যাশ্রয়ী সমাস === যে সমাসে সমাসবদ্ধ পদগুলি একমাত্রায় লেখা হয় না এমনকী সবসময় পদসংযোজক চিহ্ন দ্বারাও যুক্ত করে লেখা হয় না - বিচ্ছিন্নভাবে লিখিত এই সমাসকে বলা হয় বাক্যাশ্রয়ী সমাস।যেমন : 'বসে আঁকো প্রতিযোগিতা', 'সব পেয়েছির দেশ', ইত্যাদি। == ২.৪ শব্দদ্বিত্ব == == ২.৫ বিশেষ আলোচনা: নরনারীবাচক শব্দ == == ২.৬ বিশেষ আলোচনা: সংখ্যাবাচক শব্দ == [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ]] {{বইয়ের বিষয়শ্রেণী}} 6dn3kp5mjrvmbk73usjalkougrvkik0 বাংলা ব্যাকরণ/রূপতত্ত্ব 0 27445 107437 91373 2026-10-02T12:10:07Z Suadur Rahman 11082 107437 wikitext text/x-wiki '''রূপতত্ত্ব''' (Morphology) হলো ব্যাকরণের একটি শাখা, যেখানে শব্দের গঠন, রূপান্তর এবং প্রকার নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাংলা রূপতত্ত্বে শব্দ ধাতু, উপসর্গ, প্রত্যয় ও বিভক্তি যোগে গঠিত হয়। == বিষয়বস্তু == বাংলা রূপতত্ত্বে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত: === শব্দের গঠন === * ধাতু, উপসর্গ ও প্রত্যয়ের মাধ্যমে নতুন শব্দের সৃষ্টি। * উদাহরণ: লিখ + ক → লিখক, শিক্ষা + ক → শিক্ষক। === ধাতু === ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। * উদাহরণ: খা, চল, কর। === উপসর্গ === শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে অর্থ পরিবর্তন করে। * উদাহরণ: উপ + কার → উপকার, আ + গমন → আগমন। === প্রত্যয় === শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। * উদাহরণ: বিদ্যা + আর্থী → বিদ্যার্থী, কর + মান → করমান। === বিভক্তি === শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে ব্যাকরণগত সম্পর্ক প্রকাশ করে। * উদাহরণ: ছেলে + কে, বই + তে। == বৈশিষ্ট্য == * বাংলা একটি ধাতুভিত্তিক ভাষা। * উপসর্গ ও প্রত্যয়ের মাধ্যমে নতুন শব্দ গঠনের প্রবণতা প্রবল। * বিভক্তি ব্যবহারে বাক্য সহজবোধ্য হয়। [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ]] {{বইয়ের বিষয়শ্রেণী}} fjyaf1kj7lbyc3jkxv1koxdkwvohf8m উইকিশৈশব:বিখ্যাত ভারতীয়/সত্যজিৎ রায় 100 28217 107439 107167 2026-10-02T15:29:26Z Sumasa 5130 সংশোধন 107439 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; font size: 300%;"> '''সত্যজিৎ রায়''' </div> <div style="text-align: center; font size: 150%;"> '''(১৯২১-১৯৯২)''' </div> [[File: Satyajit Ray in New York (cropped) (cropped).jpg|thumb|centre|300px|''নিউ ইয়র্কে সত্যজিৎ রায়'']] '''ভারতরত্ন সত্যজিৎ রায়''' হলেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের মোড় ঘোরানো এক পরিচালক। তিনি এমন এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বাংলা তথা ভারতের মানুষ এককথায় যাঁদের সম্বন্ধে পরিচিত। সত্যজিৎ রায় ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। প্রথম জীবনে তিনি ছিলেন বিজ্ঞাপন জগতের ছবি আঁকিয়ে। শুধু তুলির আঁচড়ে তিনি বুঝিয়ে দিতে পারতেন মনের ভাব। অন্যদিকে তাঁর কলম কথা বলত নানা ধরনের নতুন কাহিনি ও সমাজের নানা সমস্যাসংকুল দিক নিয়ে। তিনি ছিলেন চলচ্চিত্রকার, চিত্রশিল্পী, লেখক, সংগীতকার। সত্যজিৎ রায় কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন ১৯২১ খ্রিস্টাব্দের ২ মে। তার পিতা ছিলেন প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায় এবং মাতা সুপ্রভা দেবী। তাঁর পিতামহ ছিলেন স্বনামধন্য শিশুসাহিত্যিক এবং ভারতীয় মুদ্রণ কারিগরির জনক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর। তাঁর পিতা-পিতামহের আদি নিবাস ছিল (বর্তমান বাংলাদেশের) ব্রিটিশ ভারতের ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহাকুমার মসূয়া গ্রামে। সত্যজিৎ রায়ের বাবা সুকুমার রায় ছিলেন বাংলা শিশু সাহিত্যের সেরা লেখকদের মধ্যে একজন। সত্যজিৎ ছিলেন সুকুমার রায়ের একমাত্র সন্তান। কিন্তু তাঁর বয়স যখন মাত্র তিন বছর, সেই সময় তাঁর বাবা মারা যান এবং সুপ্রভা দেবী অনেক কষ্ট করে তাঁকে মানুষ করেন। কলকাতার বালিগঞ্জ রাষ্ট্রীয় বিদ্যালয়, প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং মায়ের ইচ্ছাতেই শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। শান্তিনিকেতন থেকে কলকাতায় ফিরে তিনি ডি জে কিমার কোম্পানিতে মাত্র ৮০ টাকা বেতনের 'জুনিয়র ভিসুয়ালাইজার' হিসেবে চাকরি করতেন। সেই সময় ডি কে গুপ্তের সিগনেট প্রেসে বইয়ের মোড়ক ও অন্যান্য ডিজাইনের কাজ করতে থাকেন। বিখ্যাত বইয়ের মধ্যে জিম করবেটের 'ম্যান ইটার্স অব কুমায়ুন' এবং জওহরলাল নেহরুর 'দ্য ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া' ছিল। ছবি আঁকিয়ে হিসেবে সত্যজিৎ রায়ের বিশেষত্ব হল ভবিষ্যৎ জীবনে তাঁর লেখা সমস্ত বইয়ের প্রচ্ছদ ও অলংকরণ এবং তাঁর নির্মিত সমস্ত চলচ্চিত্রের পোস্টার ও প্রচারের অন্যান্য উপকরণ তাঁর নিজের হাতে আঁকা। তিনি মোট ৩৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, প্রামাণ্য চিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র হল 'পথের পাঁচালী'। এছাড়া 'সোনার কেল্লা', 'জয় বাবা ফেলুনাথ', 'হীরক রাজার দেশে' ও 'গুপী গাইন ও বাঘা বাইন' এই চারটি শিশু চলচ্চিত্র তিনি নির্মাণ করেন। তিনি মোট ২১টি চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। দেশে-বিদেশে আটটি বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সাম্মানিক ডিলিট উপাধি প্রদান করেছিল। ফ্রান্সের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান 'লিজিওঁ দ্য নর' পেয়েছেন তিনি। ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ এবং ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান 'ভারতরত্ন' প্রদান করে। এছাড়া ভারত সরকার তাঁর এবং তাঁর চলচ্চিত্র 'পথের পাঁচালী' স্মরণে ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে দুটি ডাকটিকিট প্রকাশ করেছিল। সত্যজিৎ রায় রচিত বইয়ের সম্ভারে রয়েছে: ৩৫টি ফেলুদা সিরিজের গোয়েন্দা কাহিনি; প্রফেসর শঙ্কু সিরিজ; গল্প এবং সংকলন গ্রন্থ; চলচ্চিত্র নিয়ে বই 'Our Films Their Films', 'বিষয় চলচ্চিত্র' ইত্যাদি। কলকাতায় শেষ শয্যায় সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার অস্কার গ্রহণ করেন। ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দের ২৩ এপ্রিল ভারতমাতার এই মহান সন্তান শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। 604e1k2yqio75h3dfdk0jzvo7sv1hif ব্যবহারকারী আলাপ:Prattoy Routh pritu 3 33777 107438 2026-10-02T13:40:19Z KanikBot 8129 স্বাগতম! 107438 wikitext text/x-wiki == বাংলা উইকিবইয়ে স্বাগত == {{স্বাগত/২য় সংস্করণ}} ১৩:৪০, ২ অক্টোবর ২০২৬ (ইউটিসি) m6zimkibyd49hqdqfxckcefhj4mlywv উইকিশৈশব:বিখ্যাত ভারতীয়/শচীন তেন্ডুলকর 100 33778 107440 2026-10-02T16:07:18Z Sumasa 5130 নতুন পাতা তৈরি হল 107440 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} <div style="text-align: center; font size: 300%;"> '''শচীন তেন্ডুলকর''' </div> <div style="text-align: center; font size: 150%;"> '''(জন্ম: ১৯৭৩)''' </div> '''শচীন রমেশ তেন্ডুলকর''' হলেন একজন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার এবং রাজ্যসভার সদস্য। তিনি ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ মানের ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। মাত্র ষোলো বছর বয়সে শচীনের ক্রিকেট খেলায় অভিষেক হয় এবং দীর্ঘ চব্বিশ বছর তিনি আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন। বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তিনি একদিনের আন্তর্জাতিক ও টেস্ট ক্রিকেট মিলিয়ে শততম শতরানের মালিক। শচীন একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম দ্বিশত রান করেন। তিনি সমস্ত ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ভারতীয় হিসেবে মোট ৫০,০০০ রান করেন। == জন্ম ও ব্যক্তিগত জীবন == শচীন তেন্ডুলকর ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দের ২০ এপ্রিল মুম্বইতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা রমেশ তেন্ডুলকর একজন মারাঠি ঔপন্যাসিক ছিলেন। তাঁর মা রজনী তেন্ডুলকর বিমা কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। প্রখ্যাত ভারতীয় সংগীতজ্ঞ শচীন দেববর্মণের নামানুসারে শচীনের নাম রাখা হয়। ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দের ২৪ মে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. অঞ্জলি মেহতার সঙ্গে শচীন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের কন্যা সারা এবং পুত্র অর্জুন। o7cugcpx71qlnjvmruglq15ekvy1hh5 107441 107440 2026-10-02T16:15:55Z Sumasa 5130 চিত্র যোগ 107441 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} <div style="text-align: center; font size: 300%;"> '''শচীন তেন্ডুলকর''' </div> <div style="text-align: center; font size: 150%;"> '''(জন্ম: ১৯৭৩)''' </div> [[File:Sachin-Tendulkar (cropped).jpg|thumb|center|200px]] '''শচীন রমেশ তেন্ডুলকর''' হলেন একজন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার এবং রাজ্যসভার সদস্য। তিনি ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ মানের ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। মাত্র ষোলো বছর বয়সে শচীনের ক্রিকেট খেলায় অভিষেক হয় এবং দীর্ঘ চব্বিশ বছর তিনি আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন। বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তিনি একদিনের আন্তর্জাতিক ও টেস্ট ক্রিকেট মিলিয়ে শততম শতরানের মালিক। শচীন একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম দ্বিশত রান করেন। তিনি সমস্ত ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ভারতীয় হিসেবে মোট ৫০,০০০ রান করেন। == জন্ম ও ব্যক্তিগত জীবন == শচীন তেন্ডুলকর ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দের ২০ এপ্রিল মুম্বইতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা রমেশ তেন্ডুলকর একজন মারাঠি ঔপন্যাসিক ছিলেন। তাঁর মা রজনী তেন্ডুলকর বিমা কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। প্রখ্যাত ভারতীয় সংগীতজ্ঞ শচীন দেববর্মণের নামানুসারে শচীনের নাম রাখা হয়। ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দের ২৪ মে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. অঞ্জলি মেহতার সঙ্গে শচীন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের কন্যা সারা এবং পুত্র অর্জুন। tsgs23yfxeica45t9vqt23q7y00g5hn ব্যবহারকারী:মিরনিশার শহরে 2 33779 107442 2026-10-02T18:34:55Z মিরনিশার শহরে 13933 /* */ 107442 wikitext text/x-wiki আমি HM MIRON, মিরনিশার শহরে উপন্যাসের লেখক। উপন্যাস: মিরনিশার শহরে - একটি প্রেমের গল্প। লেখক: HM MIRON আমার গল্প Wattpad ও Pratilipi তে পাবেন। 0f3j3besg6grhaxvnr0v5hl6a29fjlf 107444 107442 2026-10-02T19:19:32Z মিরনিশার শহরে 13933 /* */ 107444 wikitext text/x-wiki == আমার সম্পর্কে == আমি বাংলা ভাষায় লেখালেখি করি এবং “মিরনিশার শহরে” নামে একটি ধারাবাহিক উপন্যাস নিয়ে কাজ করছি। == আমার উইকিবই কাজ == উইকিবইয়ের নিয়ম ও সম্পাদনা পদ্ধতি শেখার পাশাপাশি আমি বই লেখার কাঠামো ও বিষয়বস্তু নিয়ে কাজ করছি। ad3iijrvkpzpyu5ch1zfddve2szk9tz ব্যবহারকারী আলাপ:মিরনিশার শহরে 3 33780 107443 2026-10-02T18:40:21Z KanikBot 8129 স্বাগতম! 107443 wikitext text/x-wiki == বাংলা উইকিবইয়ে স্বাগত == {{স্বাগত/২য় সংস্করণ}} ১৮:৪০, ২ অক্টোবর ২০২৬ (ইউটিসি) ckfo5dvtygbrxc7prkqk82qn9wg6ban ব্যবহারকারী আলাপ:Làm Việc Thiện 3 33781 107445 2026-10-03T10:40:20Z KanikBot 8129 স্বাগতম! 107445 wikitext text/x-wiki == বাংলা উইকিবইয়ে স্বাগত == {{স্বাগত/২য় সংস্করণ}} ১০:৪০, ৩ অক্টোবর ২০২৬ (ইউটিসি) p4oyoasep2u1n2ghwgve3yppklvbsn9