উইকিবই
bnwikibooks
https://bn.wikibooks.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.22
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিবই
উইকিবই আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
উইকিশৈশব
উইকিশৈশব আলাপ
বিষয়
বিষয় আলাপ
রন্ধনপ্রণালী
রন্ধনপ্রণালী আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
উইকিশৈশব:বিখ্যাত ভারতীয়/অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
100
27812
107449
91229
2026-10-05T09:57:46Z
Sumasa
5130
সংশোধন
107449
wikitext
text/x-wiki
<div style="text-align: center; font size: 300%;"> '''অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়''' </div>
<div style="text-align: center; font size: 150%;"> '''(জন্ম: ১৯৬১)''' </div>
'''অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়''' হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন-বাঙালি অর্থনীতিবিদ। তাঁর জন্ম ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দের ২১ ফেব্রুয়ারি মুম্বইতে। তাঁর বাবার নাম দীপক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পিতা ছিলেন কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজের অর্থনীতির বিভাগীয় প্রধান, অধ্যাপক; আর মা ছিলেন কলকাতার সেন্টার ফর সোশ্যাল সায়েন্সের অর্থনীতির অধ্যাপক। কলকাতার সঙ্গে ছিল তাঁর আত্মিক যোগ। কলকাতার সাউথ পয়েন্ট স্কুল এবং প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা করেছেন। দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ সম্পন্ন করেন। জেএনইউতে পড়ার সময় তৎকালীন উপাচার্য পিএন শ্রীবাস্তবকে ঘেরাও করে বিদ্রোহ করার অপরাধে তাঁকে তিহার জেলে বন্দি করা হয়। পরবর্তীকালে জামিনে মুক্ত হন এবং ছাত্রদের ওপর থেকে সমস্ত অভিযোগ তুলে নেওয়া হয়। এর পর অর্থনীতিতে পিএইচডি করার জন্য তিনি হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে যান এবং 'এসেজ ইন ইনফর্মেশন ইকোনমিক্স'এ পিএইচডি সম্পূর্ণ করেন।
[[File:Abhijit Banerjee close-up (cropped).jpg|thumb|left|100px|''অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়'']]
২০১২ খ্রিস্টাব্দে 'পুয়োর ইকোনমিক্স' বইয়ের জন্য এস্তার দুফ্লো এবং অভিজিৎ যুগ্মভাবে জেরাল্ড লুয়েব অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি কিইল ইন্সটিটিউট ফর দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমি থেকে বার্নহার্ড হামস পুরস্কার পান। ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব বান কি মুন কর্তৃক সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার বিশেষজ্ঞ প্যানেলে কাজের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। ২০১৭ খ্রিস্টাব্দেই তিনি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পান। বৈশ্বিক দারিদ্রতা দূরীকরণে অসামান্য অবদানের জন্য অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, স্ত্রী এস্তার দুফ্লো এবং মাইকেল ক্রেমার সঙ্গে ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে অর্থনীতিতে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান।
এমআইটির সাহিত্য বিভাগের প্রভাষক ড. অরুন্ধতী তুলি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হন। পরবর্তীতে এমআইটির অর্থনীতির অধ্যাপক এস্তার দুফ্লোকে বিবাহ করেন; যিনি ছিলেন তাঁর অর্থনৈতিক গবেষণায় সঙ্গীও। এবং যাঁকে সঙ্গে নিয়ে একাধিক অর্থনীতির বই লিখেছেন অথবা সম্পাদনা করেছেন।
r2d3ejfhl26m2pqsivhsx43lpsmhfkd
107450
107449
2026-10-05T10:12:06Z
Sumasa
5130
সংশোধন
107450
wikitext
text/x-wiki
<div style="text-align: center; font size: 300%;"> '''অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়''' </div>
<div style="text-align: center; font size: 150%;"> '''(জন্ম: ১৯৬১)''' </div>
[[File:Abhijit Banerjee close-up (cropped).jpg|thumb|center|200px]]
'''অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়''' হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন-বাঙালি অর্থনীতিবিদ। তাঁর জন্ম ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দের ২১ ফেব্রুয়ারি মুম্বইতে। তাঁর বাবার নাম দীপক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পিতা ছিলেন কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজের অর্থনীতির বিভাগীয় প্রধান, অধ্যাপক; আর মা ছিলেন কলকাতার সেন্টার ফর সোশ্যাল সায়েন্সের অর্থনীতির অধ্যাপক। কলকাতার সঙ্গে ছিল তাঁর আত্মিক যোগ। কলকাতার সাউথ পয়েন্ট স্কুল এবং প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা করেছেন। দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ সম্পন্ন করেন। জেএনইউতে পড়ার সময় তৎকালীন উপাচার্য পিএন শ্রীবাস্তবকে ঘেরাও করে বিদ্রোহ করার অপরাধে তাঁকে তিহার জেলে বন্দি করা হয়। পরবর্তীকালে জামিনে মুক্ত হন এবং ছাত্রদের ওপর থেকে সমস্ত অভিযোগ তুলে নেওয়া হয়। এর পর অর্থনীতিতে পিএইচডি করার জন্য তিনি হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে যান এবং 'এসেজ ইন ইনফর্মেশন ইকোনমিক্স'এ পিএইচডি সম্পূর্ণ করেন।
২০১২ খ্রিস্টাব্দে 'পুয়োর ইকোনমিক্স' বইয়ের জন্য এস্তার দুফ্লো এবং অভিজিৎ যুগ্মভাবে জেরাল্ড লুয়েব অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি কিইল ইন্সটিটিউট ফর দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমি থেকে বার্নহার্ড হামস পুরস্কার পান। ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব বান কি মুন কর্তৃক সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার বিশেষজ্ঞ প্যানেলে কাজের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। ২০১৭ খ্রিস্টাব্দেই তিনি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পান। বৈশ্বিক দারিদ্রতা দূরীকরণে অসামান্য অবদানের জন্য অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, স্ত্রী এস্তার দুফ্লো এবং মাইকেল ক্রেমার সঙ্গে ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে অর্থনীতিতে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান।
এমআইটির সাহিত্য বিভাগের প্রভাষক ড. অরুন্ধতী তুলি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হন। পরবর্তীতে এমআইটির অর্থনীতির অধ্যাপক এস্তার দুফ্লোকে বিবাহ করেন; যিনি ছিলেন তাঁর অর্থনৈতিক গবেষণায় সঙ্গীও। এবং যাঁকে সঙ্গে নিয়ে একাধিক অর্থনীতির বই লিখেছেন অথবা সম্পাদনা করেছেন।
i4syeaifq6a0pt7tl21obio6w9nc5b9
উইকিশৈশব:বিখ্যাত ভারতীয়/অমর্ত্য সেন
100
27822
107447
91281
2026-10-04T16:59:26Z
Sumasa
5130
সংশোধন
107447
wikitext
text/x-wiki
<div style="text-align: center; font size: 300%;"> '''অমর্ত্য সেন''' </div>
<div style="text-align: center; font size: 150%;"> '''(জন্ম: ১৯৩৩)''' </div>
[[File:Amartya Sen, c2000 (4379246038).jpg|thumb|center|200px]]
'''ভারতরত্ন অমর্ত্য সেন''' হলেন এশিয়ার প্রথম নোবেলজয়ী বাঙালি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পর দ্বিতীয় বাঙালি নোবেল পুরস্কার প্রাপক। অমর্ত্য সেনের জন্ম ৩ নভেম্বর ১৯৩৩, শান্তিনিকেতনে। তাঁর বাবার নাম আশুতোষ সেন এবং মা অমিতা সেন। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর নামকরণ করেছিলেন অমর্ত্য, যার অর্থ অমর। তাঁর বাবা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নের অধ্যাপক; তাঁর দাদামশাই সেযুগের প্রখ্যাত সংস্কৃত পণ্ডিত ক্ষিতিমোহন সেন ছিলেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় উপাচার্য (১৯৫৩-৫৪)।
অমর্ত্য সেন পাঠ শুরু করেছিলেন ঢাকার গ্রেগরিজ স্কুল এবং শান্তিনিকেতনের পাঠভবন থেকে। ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে অর্থনীতিতে প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। প্রেসিডেন্সি কলেজে পাঠরত অবস্থাতেই তাঁর মুখে মারণরোগ ক্যান্সার ধরা পড়ে এবং পাঁচ বছর বাঁচার ১৫ শতাংশ সম্ভাবনা দেখা দেয়। তবে বিকিরণ চিকিৎসা পদ্ধতির কল্যাণে তিনি রোগমুক্ত হন এবং ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে কেমব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে পড়তে যান। ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি অর্থনীতিতে প্রথম বিভাগে শীর্ষ স্থান দখল করেন। কেমব্রিজে পাঠকালীন সময়েই অমর্ত্য সেন কলকাতার নবপ্রতিষ্ঠিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রধান অধ্যাপকের পদ সামলানোর দায়িত্ব পান। আর সেটাও মাত্র ২৩ বছর বয়সে! ১৯৫৬ থেকে ১৯৫৮ পর্যন্ত তিনি ওই পদে ছিলেন।
প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা করার সময়ই অমর্ত্য সেনের দর্শনশাস্ত্রের প্রতি ভালো লাগার শুরু। ঘটনাচক্রে, ট্রিনিটি কলেজে তাঁকে ফেলোশিপ প্রদান করা হয়। যার ফলে তিনি সেখানে দর্শনশাস্ত্রে চার বছরের পাঠ নেন। এটা তাঁর ভবিষ্যৎ ভাবনা-চিন্তার বিকাশের ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা নিয়েছিল।
অমর্ত্য সেন ছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা-প্রধান অধ্যাপক, ভারতের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ। ১৯৬০-৬১ খ্রিস্টাব্দে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাট বার্কলেতে ভিজিটিং অধ্যাপক ছিলেন; হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যামন্ট প্রফেসর; কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছেন।
অমর্ত্য সেন ২০টির বেশি বই লিখেছেন এবং তাঁর গ্রন্থাবলি বিশ্বের ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
অমর্ত্য সেন স্বীকার করেন যে, ১৯৫২-৫৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়ার সময় কলেজ ইউনিয়নে বামপন্থী রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন।
অমর্ত্য সেন ১০২টি সম্মানসূচক ডিগ্রি লাভ করেছেন। তিনি ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন এবং ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে ভারত সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান 'ভারতরত্ন' প্রদান করে।
১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দে অমর্ত্য সেন ভারতীয় লেখিকা নবনীতা দেবকে বিবাহ করেন। তাঁদের দুই কন্যাসন্তান অন্তরা আর নন্দনা। ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি ইতালীয় অর্থনীতিবিদ ইভা কলর্নিকে বিবাহ করেন। তাঁদের এক কন্যা ইন্দ্রানী এবং এক পুত্র কবির। ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইভার মৃত্যু হয়। ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপক এমা জর্জিনা রথসচাইল্ডকে বিবাহ করেন।
শান্তিনিকেতনে অমর্ত্য সেনের বাড়িটার নাম 'প্রতীচী'। আর এই নামেই তিনি 'প্রতীচী ট্রাস্ট' একটি এনজিও প্রতিষ্ঠা করেছেন, যেটা সমাজের কল্যাণে উৎসর্গিত।
j425tu56l9jjscy4xd09rki5216cawp
উইকিশৈশব:বিখ্যাত ভারতীয়/শচীন তেন্ডুলকর
100
33778
107451
107441
2026-10-05T11:17:02Z
Sumasa
5130
সম্প্রসারণ, বিষয়বস্তু যোগ
107451
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
<div style="text-align: center; font size: 300%;"> '''শচীন তেন্ডুলকর''' </div>
<div style="text-align: center; font size: 150%;"> '''(জন্ম: ১৯৭৩)''' </div>
[[File:Sachin-Tendulkar (cropped).jpg|thumb|center|200px]]
'''শচীন রমেশ তেন্ডুলকর''' হলেন একজন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার এবং রাজ্যসভার সদস্য। তিনি ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ মানের ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। মাত্র ষোলো বছর বয়সে শচীনের ক্রিকেট খেলায় অভিষেক হয় এবং দীর্ঘ চব্বিশ বছর তিনি আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন। বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তিনি একদিনের আন্তর্জাতিক ও টেস্ট ক্রিকেট মিলিয়ে শততম শতরানের মালিক। শচীন একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম দ্বিশত রান করেন। তিনি সমস্ত ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ভারতীয় হিসেবে মোট ৫০,০০০ রান করেন।
== জন্ম ও ব্যক্তিগত জীবন ==
শচীন তেন্ডুলকর ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দের ২০ এপ্রিল মুম্বইতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা রমেশ তেন্ডুলকর একজন মারাঠি ঔপন্যাসিক ছিলেন। তাঁর মা রজনী তেন্ডুলকর বিমা কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। প্রখ্যাত ভারতীয় সংগীতজ্ঞ শচীন দেববর্মণের নামানুসারে শচীনের নাম রাখা হয়। ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দের ২৪ মে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. অঞ্জলি মেহতার সঙ্গে শচীন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের কন্যা সারা এবং পুত্র অর্জুন।
ছোটোবেলায় শচীন টেনিস খেলার প্রতি আকৃষ্ট হলেন তাঁর দাদা অজিত তাঁকে বিখ্যাত ক্রিকেট কোচ রমাকান্ত আচরেকরের কাছে নিয়ে যান। গুরু আচরেকর তাঁকে ক্রিকেট খেলায় শিক্ষাদান শুরু করেন। ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিটি ইনিংসে তিনি শতরান করেন। লর্ড হ্যারিস আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতায় বন্ধু বিনোদ কাম্বলির সঙ্গে পার্টনারশিপে ৬৬৪ রান করেন। ওই খেলায় শচীন ইনিংসে অপরাজিত ৩২৬ রান করেন।
== আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ==
১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে করাচিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাত্র ১৬ বছর ২২৩ দিন বয়সে তাঁর টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয়। ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ড সফরে জীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক টেস্ট শতরান করেন। ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে শ্রীলঙ্কায় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একদিনের আন্তর্জাতিকে প্রথম শতরান করেন। টেস্টে প্রথম দ্বিশতরান করেন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে। ২০১০ খ্রিস্টাব্দে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের আন্তর্জাতিকে দ্বিশতরান করেন। বিশ্ব টেস্ট ক্রিকেটে শচীন ২০০ ম্যাচ খেলে ৫১টি শতরানসহ সর্বাধিক ১৫,৯২১ রান করেন। একদিনের আন্তর্জাতিকে ৪৬৩ ম্যাচ খেলে ৪৯টি শতরানসহ ১৮,৪২৬ রান করেন। ২০১২ খ্রিস্টাব্দে এশিয়া কাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শচীন বিশ্বের বিরল কৃতিত্ব আন্তর্জাতিক শততম শতরান অর্জন করেন।
== সাংসদ ==
শচীন তেন্ডুলকর ২৭ এপ্রিল ২০১২ থেকে ২৬ এপ্রিল ২০১৮ পর্যন্ত ভারতীয় সংসদের উচ্চ কক্ষ রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন।
q6w39zz077py0sun2vxeuuole8oorh6
ব্যবহারকারী আলাপ:Mohammad Youzarsif
3
33783
107448
2026-10-04T19:40:17Z
KanikBot
8129
স্বাগতম!
107448
wikitext
text/x-wiki
== বাংলা উইকিবইয়ে স্বাগত ==
{{স্বাগত/২য় সংস্করণ}} ১৯:৪০, ৪ অক্টোবর ২০২৬ (ইউটিসি)
jrysvpscoatfip3li0kzf5wyn0w7met