উইকিবই bnwikibooks https://bn.wikibooks.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.22 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিবই উইকিবই আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা উইকিশৈশব উইকিশৈশব আলাপ বিষয় বিষয় আলাপ রন্ধনপ্রণালী রন্ধনপ্রণালী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা উইকিশৈশব:ছোটোদের শ্রীরামকৃষ্ণ/জন্ম ও ছোটোবেলা 100 18234 107455 86405 2026-10-06T11:20:11Z Sumasa 5130 চিত্র যোগ 107455 wikitext text/x-wiki শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্ম ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলি জেলার কামারপুকুর গ্রামে। দিনটি ছিল ১৮৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি। তাঁর পিতার নাম ক্ষুদিরাম চট্টোপাধ্যায়, মায়ের নাম চন্দ্রমণি দেবী। শ্রীরামকৃষ্ণ যখন মায়ের পেটে, সেই সময় তাঁর পিতা গদাধর বিষ্ণুকে স্বপ্নে দেখেছিলেন; তাই জন্মের পর মাবাবা তাঁর নাম রাখেন গদাধর। শিশুকালে গদাধর গাঁয়ের মানুষের খুবই আদরের ছিলেন। সাধারণ পুথিগত পড়াশোনায় গদাধরের আগ্রহ বিশেষ ছিল না। কিন্তু ছোটোবেলাতেই তিনি পুরাণ, রামায়ণ, ভাগবৎ ইত্যাদিতে জ্ঞান অর্জন করেছিলেন। ছবি আঁকা এবং মাটির প্রতিমা গড়াতে তাঁর ভালো হাত ছিল। গানবাজনা, কথকতা, পৌরাণিক যাত্রাপালায় তিনি অনায়াস দক্ষতা অর্জন করেছিলেন। ইতিহাস থেকে জানা যায় যে, ছয়-সাত বছর বয়স থেকেই তাঁর আধ্যাত্মিক ভাবতন্ময়তা বা ‘সমাধি’ হোত, সেই সময় তাঁর বাইরের কোনো জ্ঞান থাকত না। আর এই আধ্যাত্মিক ভাবতন্ময়তা থেকেই পরবর্তীকালে তিনি যোগসাধক অবতাররূপে পূজিত হন। [[File:Kamarpukur Ramakrishna Hut.jpg|thumb|center|300px|''রামকৃষ্ণের জন্মস্থান কামারপুকুর, হুগলি, ভারত'']] {{বইয়ের বিষয়শ্রেণী}} qwp8hr9f2vadqm5lnbum765ksbp08tj উইকিশৈশব:ছোটোদের শ্রীরামকৃষ্ণ/দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িতে পৌরোহিত্য 100 27381 107454 86403 2026-10-06T11:01:10Z Sumasa 5130 চিত্র যোগ, সম্প্রসারণ 107454 wikitext text/x-wiki রানি রাসমণি নামে একজন বিধবা ধনী জমিদার পত্নী স্বপ্নাদেশ পেয়ে কলকাতার দক্ষিণেশ্বরে ভবতারিণী কালীর মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। রানি রাসমণির কথায় দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ির সহকারী পুরোহিত হয়ে গদাধরের প্রবেশ। তাঁর কাজ ছিল মা কালীর সাজসজ্জায় সহায়তা করা। সেই থেকে গদাধর দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ির উত্তর-পশ্চিমে একটা ঘরে থাকতে শুরু করেন। এই কালীবাড়ির প্রধান পুরোহিত ছিলেন তাঁর দাদা রামকুমার। রামকুমার-এর মৃত্যুর পর ১৮৫৬ সালে গদাধর তাঁর স্হলাভিষিক্ত হন। তিনি পুরোপুরিভাবে নিজেকে মা কালীর নিকট সমর্পণ করেন, এই সময় থেকেই তাঁর ভাবতন্ময়তা বৃদ্ধি পায়। রানি রাসমণির জামাতা মথুরামোহন গদাধরকে 'রামকৃষ্ণ' নামটি দেন। পরবর্তীতে তিনি এই রামকৃষ্ণ নামেই পরিচিতি লাভ করেন। কালীমন্দিরের পূজার্চনা রামকৃষ্ণ তাঁর নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে করতেন। সেজন্য তৎকালীন গোঁড়া সমাজের পুরোহিতের কাছে অনেক সময় নানা পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হোত। বলা বাহুল্য যে, রামকৃষ্ণ সেই সব পরীক্ষায় অবলীলায় উৎরে যেতেন। রামকৃষ্ণের পূজাপদ্ধতিতে খোদ রানি রাসমণির অগাধ আস্থা ও বিশ্বাস ছিল, ফলে সেই সময় থেকেই আধুনিক কাল পর্যন্ত দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ির জনপ্রিয়তা অটুট রয়েছে। [[File:Dakshineswar Kali Temple, Dakshineswar, West Bengal, India (2007).jpg|thumb|center|300px|''দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দির'']] 98hrgphwkseb68fsvlnfbondvevl7vs উইকিশৈশব:বিখ্যাত ভারতীয়/শচীন তেন্ডুলকর 100 33778 107452 107451 2026-10-06T05:40:29Z Sumasa 5130 সম্প্রসারণ, বিষয়বস্তু যোগ 107452 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} <div style="text-align: center; font size: 300%;"> '''শচীন তেন্ডুলকর''' </div> <div style="text-align: center; font size: 150%;"> '''(জন্ম: ১৯৭৩)''' </div> [[File:Sachin-Tendulkar (cropped).jpg|thumb|center|200px]] '''শচীন রমেশ তেন্ডুলকর''' হলেন একজন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার এবং রাজ্যসভার সদস্য। তিনি ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ মানের ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। মাত্র ষোলো বছর বয়সে শচীনের ক্রিকেট খেলায় অভিষেক হয় এবং দীর্ঘ চব্বিশ বছর তিনি আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন। বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তিনি একদিনের আন্তর্জাতিক ও টেস্ট ক্রিকেট মিলিয়ে শততম শতরানের মালিক। শচীন একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম দ্বিশত রান করেন। তিনি সমস্ত ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ভারতীয় হিসেবে মোট ৫০,০০০ রান করেন। == জন্ম ও ব্যক্তিগত জীবন == শচীন তেন্ডুলকর ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দের ২০ এপ্রিল মুম্বইতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা রমেশ তেন্ডুলকর একজন মারাঠি ঔপন্যাসিক ছিলেন। তাঁর মা রজনী তেন্ডুলকর বিমা কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। প্রখ্যাত ভারতীয় সংগীতজ্ঞ শচীন দেববর্মণের নামানুসারে শচীনের নাম রাখা হয়। ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দের ২৪ মে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. অঞ্জলি মেহতার সঙ্গে শচীন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের কন্যা সারা এবং পুত্র অর্জুন। ছোটোবেলায় শচীন টেনিস খেলার প্রতি আকৃষ্ট হলেন তাঁর দাদা অজিত তাঁকে বিখ্যাত ক্রিকেট কোচ রমাকান্ত আচরেকরের কাছে নিয়ে যান। গুরু আচরেকর তাঁকে ক্রিকেট খেলায় শিক্ষাদান শুরু করেন। ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিটি ইনিংসে তিনি শতরান করেন। লর্ড হ্যারিস আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতায় বন্ধু বিনোদ কাম্বলির সঙ্গে পার্টনারশিপে ৬৬৪ রান করেন। ওই খেলায় শচীন ইনিংসে অপরাজিত ৩২৬ রান করেন। == আন্তর্জাতিক ক্রিকেট == ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে করাচিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাত্র ১৬ বছর ২২৩ দিন বয়সে তাঁর টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয়। ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ড সফরে জীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক টেস্ট শতরান করেন। ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে শ্রীলঙ্কায় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একদিনের আন্তর্জাতিকে প্রথম শতরান করেন। টেস্টে প্রথম দ্বিশতরান করেন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে। ২০১০ খ্রিস্টাব্দে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের আন্তর্জাতিকে দ্বিশতরান করেন। বিশ্ব টেস্ট ক্রিকেটে শচীন ২০০ ম্যাচ খেলে ৫১টি শতরানসহ সর্বাধিক ১৫,৯২১ রান করেন। একদিনের আন্তর্জাতিকে ৪৬৩ ম্যাচ খেলে ৪৯টি শতরানসহ ১৮,৪২৬ রান করেন। ২০১২ খ্রিস্টাব্দে এশিয়া কাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শচীন বিশ্বের বিরল কৃতিত্ব আন্তর্জাতিক শততম শতরান অর্জন করেন। == সাংসদ == শচীন তেন্ডুলকর ২৭ এপ্রিল ২০১২ থেকে ২৬ এপ্রিল ২০১৮ পর্যন্ত ভারতীয় সংসদের উচ্চ কক্ষ রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। উপস্থিতি কম থাকলেও তিনি সাংসদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেন। তাঁর এমপি ল্যাডের সব টাকাই বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে বরাদ্দ এবং ব্যবহৃত হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো যে, সাংসদ তহবিলের অর্থে তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের গ্রাম পুট্টামরাজু কান্দ্রিগড় দত্তক নিয়ে সার্বিক উন্নতি ঘটান। এছাড়া তাঁর সাংসদ থাকাকালীন সময়ের যাবতীয় সাম্মানিক অর্থ তিনি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দান করেন। == সমাজসেবা == শচীন তেন্ডুলকর ও তাঁর স্ত্রী ডা. অঞ্জলি তেন্ডুলকর তাঁদের নিজস্ব সংস্থা শচীন তেন্ডুলকর ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ভারতের ১৫টির বেশি রাজ্যে প্রায় ততোধিক এনজিও এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করছেন। == সম্মাননা ও পুরস্কার == খেলাধুলোয় ভারতের সর্বোচ্চ পুরস্কার রাজীব গান্ধি খেলরত্ন, অর্জুন পুরস্কার, পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ ছাড়াও এই জীবন্ত কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারকে ভারত সরকার দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্ন দিয়ে ভূষিত করে ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে। বিদেশে অন্যান্য পুরস্কারের মধ্যে লন্ডনে দ্য এশিয়ান অ্যাওয়ার্ড, আইসিসি হল অব ফেমে শচীনের নাম নথিভুক্ত হয়। obwtf8ldd5cvc13qm33ggnz230pkh89 107453 107452 2026-10-06T06:37:42Z Sumasa 5130 সম্প্রসারণ, চিত্র যোগ 107453 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; font size: 300%;"> '''শচীন তেন্ডুলকর''' </div> <div style="text-align: center; font size: 150%;"> '''(জন্ম: ১৯৭৩)''' </div> [[File:Sachin-Tendulkar (cropped).jpg|thumb|center|200px]] '''শচীন রমেশ তেন্ডুলকর''' হলেন একজন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার এবং রাজ্যসভার সদস্য। তিনি ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ মানের ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। মাত্র ষোলো বছর বয়সে শচীনের ক্রিকেট খেলায় অভিষেক হয় এবং দীর্ঘ চব্বিশ বছর তিনি আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন। বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তিনি একদিনের আন্তর্জাতিক ও টেস্ট ক্রিকেট মিলিয়ে শততম শতরানের মালিক। শচীন একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম দ্বিশত রান করেন। তিনি সমস্ত ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ভারতীয় হিসেবে মোট ৫০,০০০ রান করেন। == জন্ম ও ব্যক্তিগত জীবন == শচীন তেন্ডুলকর ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দের ২০ এপ্রিল মুম্বইতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা রমেশ তেন্ডুলকর একজন মারাঠি ঔপন্যাসিক ছিলেন। তাঁর মা রজনী তেন্ডুলকর বিমা কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। প্রখ্যাত ভারতীয় সংগীতজ্ঞ শচীন দেববর্মণের নামানুসারে শচীনের নাম রাখা হয়। ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দের ২৪ মে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. অঞ্জলি মেহতার সঙ্গে শচীন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের কন্যা সারা এবং পুত্র অর্জুন। ছোটোবেলায় শচীন টেনিস খেলার প্রতি আকৃষ্ট হলেন তাঁর দাদা অজিত তাঁকে বিখ্যাত ক্রিকেট কোচ রমাকান্ত আচরেকরের কাছে নিয়ে যান। গুরু আচরেকর তাঁকে ক্রিকেট খেলায় শিক্ষাদান শুরু করেন। ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিটি ইনিংসে তিনি শতরান করেন। লর্ড হ্যারিস আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতায় বন্ধু বিনোদ কাম্বলির সঙ্গে পার্টনারশিপে ৬৬৪ রান করেন। ওই খেলায় শচীন ইনিংসে অপরাজিত ৩২৬ রান করেন। == আন্তর্জাতিক ক্রিকেট == ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে করাচিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাত্র ১৬ বছর ২২৩ দিন বয়সে তাঁর টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয়। ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ড সফরে জীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক টেস্ট শতরান করেন। ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে শ্রীলঙ্কায় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একদিনের আন্তর্জাতিকে প্রথম শতরান করেন। টেস্টে প্রথম দ্বিশতরান করেন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে। ২০১০ খ্রিস্টাব্দে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের আন্তর্জাতিকে দ্বিশতরান করেন। বিশ্ব টেস্ট ক্রিকেটে শচীন ২০০ ম্যাচ খেলে ৫১টি শতরানসহ সর্বাধিক ১৫,৯২১ রান করেন। একদিনের আন্তর্জাতিকে ৪৬৩ ম্যাচ খেলে ৪৯টি শতরানসহ ১৮,৪২৬ রান করেন। ২০১২ খ্রিস্টাব্দে এশিয়া কাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শচীন বিশ্বের বিরল কৃতিত্ব আন্তর্জাতিক শততম শতরান অর্জন করেন। == সাংসদ == শচীন তেন্ডুলকর ২৭ এপ্রিল ২০১২ থেকে ২৬ এপ্রিল ২০১৮ পর্যন্ত ভারতীয় সংসদের উচ্চ কক্ষ রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। উপস্থিতি কম থাকলেও তিনি সাংসদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেন। তাঁর এমপি ল্যাডের সব টাকাই বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে বরাদ্দ এবং ব্যবহৃত হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো যে, সাংসদ তহবিলের অর্থে তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের গ্রাম পুট্টামরাজু কান্দ্রিগড় দত্তক নিয়ে সার্বিক উন্নতি ঘটান। এছাড়া তাঁর সাংসদ থাকাকালীন সময়ের যাবতীয় সাম্মানিক অর্থ তিনি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দান করেন। == সমাজসেবা == শচীন তেন্ডুলকর ও তাঁর স্ত্রী ডা. অঞ্জলি তেন্ডুলকর তাঁদের নিজস্ব সংস্থা শচীন তেন্ডুলকর ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ভারতের ১৫টির বেশি রাজ্যে প্রায় ততোধিক এনজিও এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করছেন। == সম্মাননা ও পুরস্কার == খেলাধুলোয় ভারতের সর্বোচ্চ পুরস্কার রাজীব গান্ধি খেলরত্ন, অর্জুন পুরস্কার, পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ ছাড়াও এই জীবন্ত কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারকে ভারত সরকার দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্ন দিয়ে ভূষিত করে ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে। বিদেশে অন্যান্য পুরস্কারের মধ্যে লন্ডনে দ্য এশিয়ান অ্যাওয়ার্ড, আইসিসি হল অব ফেমে শচীনের নাম নথিভুক্ত হয়। [[File:The President, Shri Pranab Mukherjee presenting the Bharat Ratna Awards 2014 to Shri Sachin Ramesh Tendulkar at a Investiture ceremony in New Delhi on February 4, 2014..jpg|thumb|center|300px|''ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় শচীন রমেশ তেন্ডুলকরকে 'ভারতরত্ন' মানপত্র প্রদান করছেন। ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪'']] crgsg32gpktce24agikv3sig8uk5pvb