উইকিবই bnwikibooks https://bn.wikibooks.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.23 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিবই উইকিবই আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা উইকিশৈশব উইকিশৈশব আলাপ বিষয় বিষয় আলাপ রন্ধনপ্রণালী রন্ধনপ্রণালী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা উইকিশৈশব:ছোটোদের শ্রীরামকৃষ্ণ/বিবাহ ও শ্রীমা সারদা দেবী 100 27419 107458 86490 2026-10-06T15:48:36Z Sumasa 5130 চিত্র যোগ, সম্প্রসারণ 107458 wikitext text/x-wiki রামকৃষ্ণ পরমহংস একজন মহান সাধক ছিলেন। তাঁর জীবন ছিল ভক্তি সাধনা আর ঈশ্বর চিন্তায় ভরা। যখন তিনি দক্ষিণেশ্বরে কালীমন্দিরে পুজোর কাজ করতেন তখন তাঁর পরিবারের ইচ্ছায় সারদা নামের এক শান্ত, ধার্মিক মেয়ের সঙ্গে বিবাহ হয়। সারদা দেবীর বয়স তখন মাত্র পাঁচ বছর। বড়ো হয়ে উঠতে উঠতে তিনি বুঝতে পারলেন শ্রীরামকৃষ্ণ দেব কতটা মহান ছিলেন। তিনি ঠাকুরকে শুধু স্বামী হিসেবে নয়, গুরু ও ঈশ্বর রূপে ভক্তি করতেন। আবার শ্রীরামকৃষ্ণ নিজেও সারদা মাকে একবার দেবীরূপে পুজো করেছিলেন। সারদা দেবী নিজেও ধীরে ধীরে এক মহীয়সী রমণীতে পরিণত হন এবং বহু মানুষের মাতৃরূপে পূজিতা হন। তাদের বন্ধন ছিল এক মহৎ আধ্যাত্মিক বন্ধন। এই শিক্ষা ছোটোদের শেখায় ভালোবাসা, ভক্তি আর আত্মত্যাগ। যে কারণে সারা বিশ্বে আজ শ্রীরামকৃষ্ণ এবং শ্রীমা সারদা দেবী পূজিত হন। [[File:IMG-20190317-WA0000 04.jpg|thumb|center|300px|''মিশিগান কালীবাড়ির ভিতরে শ্রীরামকৃষ্ণ ও শ্রীমা সারদা দেবীর মূর্তি'']] jaaek1bxeaectzc1e0zqejhvxnkrnzd উইকিশৈশব:ছোটোদের শ্রীরামকৃষ্ণ/সাধনা 100 27784 107459 91035 2026-10-06T16:20:38Z Sumasa 5130 সম্প্রসারণ, বিষয়বস্তু যোগ 107459 wikitext text/x-wiki সারদামণির সঙ্গে বিবাহের পর রামকৃষ্ণদেব দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে ফিরে আসেন। ওই সময় তাঁর ভাবতন্ময়তা বাড়তে থাকে। তিনি সকল জাতির মানুষকে সমান চোখে দেখতেন। ব্রাহ্মণের নানা আচার-বিচারে তৎকালীন সমাজে নীচু জাতিকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়। কিন্তু তিনি ইচ্ছা করেই নিম্নবর্গের মানুষের হাতে অবলীলায় খাদ্যগ্রহণ করতেন এবং তাদের নিজহাতে সেবাযত্ন করতেন। সম্পদের প্রতি তাঁর কোনো মোহ ছিল না। সোনা ও রুপোর মুদ্রাকে মাটির ঢেলার সঙ্গে তুলনা করতেন। বলতেন, "টাকা মাটি, মাটি টাকা"। এমনকি ঘুমন্ত অবস্থায় যদি কেউ তাঁর গায়ে মুদ্রা ছোঁয়াত, তাঁর দেহ কুঁকড়ে যেত। তাঁর ঘুম ভেঙে যেত। আশপাশের মানুষ ভাবত তিনি পাগল হয়ে গিয়েছেন। এমনকি তাঁকে 'পাগল ঠাকুর'ও বলা হত। এই অবস্থায় মন্দিরের ‌কাজে বিঘ্ন হওয়ায় তাঁকে ডাক্তার দেখানো হয়। ডাক্তার বলেন, এটা আধ্যাত্মিক উত্তেজনা, কোনো ওষুধ এতে কাজ করবে না। ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে যোগেশ্বরী নামে এক ভৈরবী ব্রাহ্মণী যোগিনী দক্ষিণেশ্বরে আসেন। শ্রীরামকৃষ্ণের ভারতন্ময়তা ও দৈহিক পীড়ার অবসানের জন্য তিনি তাঁকে তন্ত্রমতে সাধনা করতে নিদান দেন। ভৈরবীর সহায়তায় তিনি ৬৪ প্রকার সাধন অভ্যাস করেন এবং তাতে সিদ্ধিলাভ করেন। শ্রীরামকৃষ্ণ বৈষ্ণব ভক্তিশাস্ত্র অনুযায়ী শান্ত, দাস্য সখ্য ইত্যাদি ভাবের অভ্যাস করেন। রামকৃষ্ণদেব হিন্দু আধ্যাত্মিক ধর্মমতের বাইরে মুসলমান ও খ্রিস্টান ধর্ম সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হন। এর জন্য তিনি মসজিদ ও গির্জায় গিয়েছেন অনুসন্ধিৎসু মন নিয়ে। লুঙ্গি পরে মসজিদ ভ্রমণ করেছেন এবং গির্জায় গিয়ে উপাসনা করেছেন। বিভিন্ন ধর্মের অবস্থান বোঝাতে তিনি বলেছিলেন যে, "পাহাড়ের চূড়ায় ওঠার রাস্তা আলাদা আলাদা, কিন্তু আসল লক্ষ্য হল চূড়ায় পৌঁছানো। ঠিক তেমনই ধর্মমত আলাদা আলাদা, কিন্তু লক্ষ্য এক--ঈশ্বরলাভ!" তাঁরই উক্তি, "যত মত, তত পথ"। bonwctt3qzaxqbcwe3rozkawwd3lfs1 ব্যবহারকারী আলাপ:JIHAN AHAMMAD 3 33784 107456 2026-10-06T13:40:20Z KanikBot 8129 স্বাগতম! 107456 wikitext text/x-wiki == বাংলা উইকিবইয়ে স্বাগত == {{স্বাগত/২য় সংস্করণ}} ১৩:৪০, ৬ অক্টোবর ২০২৬ (ইউটিসি) ncgst8nm5sezvj41f7d6enzb5wz34hm ব্যবহারকারী আলাপ:Ishikasourav 3 33785 107457 2026-10-06T15:40:17Z KanikBot 8129 স্বাগতম! 107457 wikitext text/x-wiki == বাংলা উইকিবইয়ে স্বাগত == {{স্বাগত/২য় সংস্করণ}} ১৫:৪০, ৬ অক্টোবর ২০২৬ (ইউটিসি) 2742yl92i3j7zhiub79wtwmqlgcnfp4