উইকিউক্তি
bnwikiquote
https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.3
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিউক্তি
উইকিউক্তি আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
আলাওল
0
196
83589
68019
2026-05-19T19:42:56Z
~2026-30142-94
5905
83589
wikitext
text/x-wiki
'''আলাওল''', পূর্ণনাম '''সৈয়দ আলাওল''' (১৬০৭-১৬৭৩), ছিলেন মধ্যযুগের একজন বাঙালি কবি। তিনি আরাকান রাজসভার অন্যতম কবি ছিলেন। তিনি মধ্যযুগের সমগ্র বাঙালি কবির মধ্যে 'শিরোমণি আলাওল' রূপে শীর্ষস্থান অধিকারী। আরবি ফার্সি ও সংস্কৃত ভাষায় তিনি সুপণ্ডিত ছিলেন। ব্রজবুলি ও মঘী ভাষাও তার আয়ত্তে ছিল। প্রাকৃতপৈঙ্গল, যোগশাস্ত্র, কামশাস্ত্র, অধ্যাত্মবিদ্যা, ইসলাম ও হিন্দু ধর্মশাস্ত্র-ক্রিয়াপদ্ধতি, যুদ্ধবিদ্যা, [[নৌকা]] ও অশ্ব চালনা প্রভৃতিতে বিশেষ পারদর্শী হয়ে আলাওল মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য প্রতিভার পরিচয় দিয়েছন।
== উক্তি ==
* প্রেম বিনে ভাব নাই ভাব বিনে রস<br>ত্রিভূবনে যাহা দেখি প্রেম হুনতে (হতে) বশ<br>যার হূদে জন্মিলেক প্রেমের অঙ্কুর<br>মুক্তি পাইল সে প্রেমের ঠাকুর
** পদ্মাবতী কাব্যের একটি অন্তরা
* আদ্যেতি নিরুপ ছিল প্রভূর নির্বাকার।<br>চেতন স্বরুপ যদি হইল প্রচার।।<br>অতি ঘোরতর তমঃআকার বর্জিত।<br>মহা জ্যোতিমংয় হৈল আল্লার-ঈঙ্গিত।।<br>জ্যোতি সমুদ্রে আদ্যি নুর মহাম্মদ।<br>জগৎ বিজয়ী হৈতে পাইল সম্পদ।।<br>সপ্ত স্বর্গ উদ্যানের আদ্য নব ফুল।<br>বৃদ্ধি বাক্যে শিরোমণি ভূবনে অতুল।।<br>সেই পুস্প হৈতে আদ্যে আদম উজ্জল।<br>সকল কদর্মপূর্ণ সে-ই নির্মল।
** সপ্তপয়কর কাব্য
* উত্তরে পর্বত হীমা দক্ষিণে সাগর সীমা<br/>মধ্যে যত পর্বত কানন।
** তৎকালীন রোসাঙ্গ, বর্তমান আরাকানের সীমা বর্ণনা করেছেন আলাওল।
*কদাচ কবিরা নহে সামান্য মনুষ্য,নিশ্চয়ই জানিও কবি আল্লাহর শিষ্য
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিসংকলন লেখক}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৫৯৭-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৬৭৩-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:মধ্যযুগের কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের কবি]]
ts3rtbccg4cgo69ssjxd95m1i5awfwi
83594
83589
2026-05-19T20:48:12Z
Mehedi Abedin
50
[[Special:Contributions/~2026-30142-94|~2026-30142-94]] ([[User talk:~2026-30142-94|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/83589|83589]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে
83594
wikitext
text/x-wiki
'''আলাওল''', পূর্ণনাম '''সৈয়দ আলাওল''' (১৬০৭-১৬৭৩), ছিলেন মধ্যযুগের একজন বাঙালি কবি। তিনি আরাকান রাজসভার অন্যতম কবি ছিলেন। তিনি মধ্যযুগের সমগ্র বাঙালি কবির মধ্যে 'শিরোমণি আলাওল' রূপে শীর্ষস্থান অধিকারী। আরবি ফার্সি হিন্দি ও সংস্কৃত ভাষায় তিনি সুপণ্ডিত ছিলেন। ব্রজবুলি ও মঘী ভাষাও তার আয়ত্তে ছিল। প্রাকৃতপৈঙ্গল, যোগশাস্ত্র, কামশাস্ত্র, অধ্যাত্মবিদ্যা, ইসলাম ও হিন্দু ধর্মশাস্ত্র-ক্রিয়াপদ্ধতি, যুদ্ধবিদ্যা, [[নৌকা]] ও অশ্ব চালনা প্রভৃতিতে বিশেষ পারদর্শী হয়ে আলাওল মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য প্রতিভার পরিচয় দিয়েছন।
== উক্তি ==
* প্রেম বিনে ভাব নাই ভাব বিনে রস<br>ত্রিভূবনে যাহা দেখি প্রেম হুনতে (হতে) বশ<br>যার হূদে জন্মিলেক প্রেমের অঙ্কুর<br>মুক্তি পাইল সে প্রেমের ঠাকুর
** পদ্মাবতী কাব্যের একটি অন্তরা
* আদ্যেতি নিরুপ ছিল প্রভূর নির্বাকার।<br>চেতন স্বরুপ যদি হইল প্রচার।।<br>অতি ঘোরতর তমঃআকার বর্জিত।<br>মহা জ্যোতিমংয় হৈল আল্লার-ঈঙ্গিত।।<br>জ্যোতি সমুদ্রে আদ্যি নুর মহাম্মদ।<br>জগৎ বিজয়ী হৈতে পাইল সম্পদ।।<br>সপ্ত স্বর্গ উদ্যানের আদ্য নব ফুল।<br>বৃদ্ধি বাক্যে শিরোমণি ভূবনে অতুল।।<br>সেই পুস্প হৈতে আদ্যে আদম উজ্জল।<br>সকল কদর্মপূর্ণ সে-ই নির্মল।
** সপ্তপয়কর কাব্য
* উত্তরে পর্বত হীমা দক্ষিণে সাগর সীমা<br/>মধ্যে যত পর্বত কানন।
** তৎকালীন রোসাঙ্গ, বর্তমান আরাকানের সীমা বর্ণনা করেছেন আলাওল।
*কদাচ কবিরা নহে সামান্য মনুষ্য,নিশ্চয়ই জানিও কবি আল্লাহর শিষ্য
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিসংকলন লেখক}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৫৯৭-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৬৭৩-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:মধ্যযুগের কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের কবি]]
f1thblyxiz1mdxbqdeswf2de5hzf9cj
83595
83594
2026-05-19T20:48:28Z
Mehedi Abedin
50
/* */
83595
wikitext
text/x-wiki
'''আলাওল''', পূর্ণনাম '''সৈয়দ আলাওল''' (১৬০৭-১৬৭৩), ছিলেন মধ্যযুগের একজন বাঙালি কবি। তিনি আরাকান রাজসভার অন্যতম কবি ছিলেন। তিনি মধ্যযুগের সমগ্র বাঙালি কবির মধ্যে 'শিরোমণি আলাওল' রূপে শীর্ষস্থান অধিকারী। আরবি ফার্সি হিন্দুস্তানি ও সংস্কৃত ভাষায় তিনি সুপণ্ডিত ছিলেন। ব্রজবুলি ও মঘী ভাষাও তার আয়ত্তে ছিল। প্রাকৃতপৈঙ্গল, যোগশাস্ত্র, কামশাস্ত্র, অধ্যাত্মবিদ্যা, ইসলাম ও হিন্দু ধর্মশাস্ত্র-ক্রিয়াপদ্ধতি, যুদ্ধবিদ্যা, [[নৌকা]] ও অশ্ব চালনা প্রভৃতিতে বিশেষ পারদর্শী হয়ে আলাওল মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য প্রতিভার পরিচয় দিয়েছন।
== উক্তি ==
* প্রেম বিনে ভাব নাই ভাব বিনে রস<br>ত্রিভূবনে যাহা দেখি প্রেম হুনতে (হতে) বশ<br>যার হূদে জন্মিলেক প্রেমের অঙ্কুর<br>মুক্তি পাইল সে প্রেমের ঠাকুর
** পদ্মাবতী কাব্যের একটি অন্তরা
* আদ্যেতি নিরুপ ছিল প্রভূর নির্বাকার।<br>চেতন স্বরুপ যদি হইল প্রচার।।<br>অতি ঘোরতর তমঃআকার বর্জিত।<br>মহা জ্যোতিমংয় হৈল আল্লার-ঈঙ্গিত।।<br>জ্যোতি সমুদ্রে আদ্যি নুর মহাম্মদ।<br>জগৎ বিজয়ী হৈতে পাইল সম্পদ।।<br>সপ্ত স্বর্গ উদ্যানের আদ্য নব ফুল।<br>বৃদ্ধি বাক্যে শিরোমণি ভূবনে অতুল।।<br>সেই পুস্প হৈতে আদ্যে আদম উজ্জল।<br>সকল কদর্মপূর্ণ সে-ই নির্মল।
** সপ্তপয়কর কাব্য
* উত্তরে পর্বত হীমা দক্ষিণে সাগর সীমা<br/>মধ্যে যত পর্বত কানন।
** তৎকালীন রোসাঙ্গ, বর্তমান আরাকানের সীমা বর্ণনা করেছেন আলাওল।
*কদাচ কবিরা নহে সামান্য মনুষ্য,নিশ্চয়ই জানিও কবি আল্লাহর শিষ্য
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিসংকলন লেখক}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৫৯৭-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৬৭৩-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:মধ্যযুগের কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের কবি]]
ae94gooctkcwc3rrcwq0juwl4i4aq99
শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতারকাণ্ড
0
11567
83590
69771
2026-05-19T20:38:33Z
Mehedi Abedin
50
/* উক্তি */
83590
wikitext
text/x-wiki
২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে রাত ১.৩০ মিনিটে ([[:w:ইউটিসি+৬|ইউটিসি+৬]]) [[:w:নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ|নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের]] সভাপতি এবং [[পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন, ১৯৭০|সদ্য অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে]] নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী [[শেখ মুজিবুর রহমান]]কে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর {{w|স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ}} [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্ব পাকিস্তানের]] ঢাকায় অবস্থিত [[:w:বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর|তার ব্যক্তিগত বাসভবন]] থেকে গ্রেফতার করে। এই গ্রেফতার অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল {{bw|অপারেশন বিগ বার্ড}} যা [[অপারেশন সার্চলাইট|অপারেশন সার্চলাইটের]] সাথে ঘটেছিল। গ্রেফতারের পর তাকে লায়ালপুর কারাগারে পাঠানো হয় এবং ২ আগস্টে [[:w:সামরিক আদালত (পাকিস্তান)|সামরিক আদালতে]] তার বিচার গোপনে করার ঘোষণা দেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে [[রাষ্ট্রদ্রোহিতা]]র অভিযোগ এনেছিল।
== উক্তি ==
* সংবাদ নিয়ে জানা গেল আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মীরা বেশীর ভাগই রাতের অন্ধকারে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, আর শেখ মুজীব ২৫শে মার্চের রাতেই পাকিস্তান বাহিনীর হাতে ধরা দিয়েছেন। মনে হয় তিনি ধরা দেয়ার জন্যে প্রস্তুত হয়েই ছিলেন। একটা বিপ্লবের নেতৃত্ব যিনি দেবেন তিনি কখনও স্বেচ্ছায় ধরা দেন না। নেতাহীন বিপ্লব কোন-কালেই পূর্ণ সাফল্য আনতে পারে না, বরং অনেক ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি আনে, নীতিহীন হয়ে পড়ে। তাই বাঙালী তরুণদের মনে এই চিন্তাই আলোড়ন সৃষ্টি করতে লাগলো যে, শেখ মুজীব কি বিপ্লবকে এড়িয়ে যেতে চান? তিনি কি বাংলাদেশের স্বাধীনতা চান না?
** সাংবাদিক [[মোহাম্মদ মোদাব্বের]], ''ইতিহাস কথা কয়'' (১৯৮১), পৃষ্ঠা ২৭১ হতে উদ্ধৃত।
* একই রাতে শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয়। শেষ কয়েকটি ঘণ্টা তিনি কাটিয়েছিলেন ঢাকার বিপুল জনগোষ্ঠীকে চরম আত্মদানের জন্য প্রণোদিত করে। সমঝোতার সকল সম্ভাবনা যখন তিরোহিত হলো, তিনি তখন পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পূর্ব অংশকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য একাদিক্রমে তাঁর চূড়ান্ত আদেশগুলো জারি করলেন এবং যাত্রা করলেন বাড়ির উদ্দেশ্যে গ্রেফতার হওয়ার জন্য অপেক্ষাকল্পে।
** লেখক [[আহমদ সালিম]], ''পাকিস্তানের কারাগারে শেখ মুজিবের বন্দিজীবন'' (১৯৯৮), পৃষ্ঠা ২৭ হতে উদ্ধৃত।
* কথা ছিল চট্টগ্রাম থেকেই যুদ্ধটা শুরু হবে এবং তার নেতৃত্ব দেবেন স্বয়ং বঙ্গবন্ধু। কিন্তু পাকিস্তানী সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালী সেনা সদস্যদের একটি অংশ পাকিস্তানী আর্মি ইন্টেলিজেন্সের গোপন একটি তথ্য ঠিক সময়মতোই জানতে পারে যে শেখ মুজিবুর রহমান চট্টগ্রাম যাওয়ার চেষ্টা করলেই যেভাবেই হোক তাকে পাকিস্তানী আর্মি মেরে ফেলবে এবং সম্ভাব্য হত্যার জায়গাটি ছিল কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার কাছাকাছি। পরবর্তীতে জেনেছি বঙ্গবন্ধু তার একান্ত ঘনিষ্ঠজনদের বলেছেন যে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার ক্ষণটির আগেই যদি তাকে মেরে ফেলা যায় তাহলে দেশ নেতৃত্বহীন হয়ে পড়বে, মনোবল পুরোপুরি ভেঙে যাবে যোদ্ধাদের। কিন্তু পুরোদমে যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবার পর তাকে মেরে ফেললেও তখন দেশের জনগণ আরও মরিয়া হয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। এই কারণে তিনি চট্টগ্রাম আর যাননি এবং পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর হাতে বন্দী হবার পর তার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের অভিযোগের বিচারকালে তিনি মৃত্যুর জন্য মানসিকভাবে পুরোপুরি তৈরি ছিলেন এবং তার অটল বিশ্বাস ছিল, বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতার যুদ্ধে জয়ী হবেই।
** সঙ্গীতশিল্পী [[:w:নয়ীম গহর|নয়ীম গহর]], "প্রসঙ্গ ।। ২৫ মার্চে বঙ্গবন্ধুর চট্টগ্রামে পাঠানো নির্দেশ", পৃষ্ঠা ৭, ১৯ আগস্ট ২০০৪, জনকণ্ঠ
* আওয়ামী লীগের লোকেরা এবং তাদের বুদ্ধিজীবীরা বলে শেখ মুজিবকে পাকিস্তানি বাহিনী গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে, তিনি আত্মসমর্পণ করেননি। আমি বলেছি, তিনি আত্মসমর্পণ করেছেন। আমি বারবার বিভিন্ন লেখায় এ কথা লেখায় আমার বিরুদ্ধে তারা ক্ষুব্ধ। সবাইকে শেখ মুজিব পালিয়ে যেতে বলছেন, আর তিনি বাড়িতে বসে থাকেন, তার মানেই হলো তিনি আত্মসমর্পণের জন্য অপেক্ষা করছেন এবং পাকিস্তানি বাহিনী এসে তাকে তুলে নিয়ে গেল। এটা গ্রেপ্তার নয়, এটা আত্মসমর্পণ।
** ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে প্রকাশিত {{w|বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা}}কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঐতিহাসিক [[বদরুদ্দীন উমর]], [https://www.deshrupantor.com/559088/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A7%AF%E0%A7%A6-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97 দেশ রূপান্তর] হতে উদ্ধৃত।
* মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ইচ্ছাকৃতভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে বন্দি হয়ে বিজয়ের পর পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের জেলে বন্দি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের পূর্বে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকলেও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তিনি সরাসরি মাঠে ছিলেন না।
** ৪ জুন ২০২৫ সালে ফেসবুকে রাজনীতিবিদ [[সারজিস আলম]], [https://sarabangla.net/news/post-1013870/ সারাবাংলা.নেট] হতে উদ্ধৃত।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭১]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭২]]
[[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ]]
[[বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমান]]
5f31o2a60u1po97vzgkptjb9u28s928
83591
83590
2026-05-19T20:40:15Z
Mehedi Abedin
50
83591
wikitext
text/x-wiki
২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে রাত ১.৩০ মিনিটে ([[:w:ইউটিসি+৬|ইউটিসি+৬]]) [[:w:নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ|নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের]] সভাপতি এবং [[পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন, ১৯৭০|সদ্য অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে]] নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী [[শেখ মুজিবুর রহমান]]কে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর {{w|স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ}} [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্ব পাকিস্তানের]] ঢাকায় অবস্থিত [[:w:বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর|তার ব্যক্তিগত বাসভবন]] থেকে গ্রেফতার করে। এই গ্রেফতার অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল {{bw|অপারেশন বিগ বার্ড}} যা [[অপারেশন সার্চলাইট|অপারেশন সার্চলাইটের]] সাথে ঘটেছিল। গ্রেফতারের পর তাকে লায়ালপুর কারাগারে পাঠানো হয় এবং ২ আগস্টে [[:w:সামরিক আদালত (পাকিস্তান)|সামরিক আদালতে]] তার বিচার গোপনে করার ঘোষণা দেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে [[রাষ্ট্রদ্রোহিতা]]র অভিযোগ এনেছিল।
== উক্তি ==
* সংবাদ নিয়ে জানা গেল আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মীরা বেশীর ভাগই রাতের অন্ধকারে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, আর শেখ মুজীব ২৫শে মার্চের রাতেই পাকিস্তান বাহিনীর হাতে ধরা দিয়েছেন। মনে হয় তিনি ধরা দেয়ার জন্যে প্রস্তুত হয়েই ছিলেন। একটা বিপ্লবের নেতৃত্ব যিনি দেবেন তিনি কখনও স্বেচ্ছায় ধরা দেন না। নেতাহীন বিপ্লব কোন-কালেই পূর্ণ সাফল্য আনতে পারে না, বরং অনেক ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি আনে, নীতিহীন হয়ে পড়ে। তাই বাঙালী তরুণদের মনে এই চিন্তাই আলোড়ন সৃষ্টি করতে লাগলো যে, শেখ মুজীব কি বিপ্লবকে এড়িয়ে যেতে চান? তিনি কি বাংলাদেশের স্বাধীনতা চান না?
** সাংবাদিক [[মোহাম্মদ মোদাব্বের]], ''ইতিহাস কথা কয়'' (১৯৮১), পৃষ্ঠা ২৭১ হতে উদ্ধৃত।
* একই রাতে শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয়। শেষ কয়েকটি ঘণ্টা তিনি কাটিয়েছিলেন ঢাকার বিপুল জনগোষ্ঠীকে চরম আত্মদানের জন্য প্রণোদিত করে। সমঝোতার সকল সম্ভাবনা যখন তিরোহিত হলো, তিনি তখন পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পূর্ব অংশকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য একাদিক্রমে তাঁর চূড়ান্ত আদেশগুলো জারি করলেন এবং যাত্রা করলেন বাড়ির উদ্দেশ্যে গ্রেফতার হওয়ার জন্য অপেক্ষাকল্পে।
** লেখক [[আহমদ সালিম]], ''পাকিস্তানের কারাগারে শেখ মুজিবের বন্দিজীবন'' (১৯৯৮), পৃষ্ঠা ২৭ হতে উদ্ধৃত।
* কথা ছিল চট্টগ্রাম থেকেই যুদ্ধটা শুরু হবে এবং তার নেতৃত্ব দেবেন স্বয়ং বঙ্গবন্ধু। কিন্তু পাকিস্তানী সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালী সেনা সদস্যদের একটি অংশ পাকিস্তানী আর্মি ইন্টেলিজেন্সের গোপন একটি তথ্য ঠিক সময়মতোই জানতে পারে যে শেখ মুজিবুর রহমান চট্টগ্রাম যাওয়ার চেষ্টা করলেই যেভাবেই হোক তাকে পাকিস্তানী আর্মি মেরে ফেলবে এবং সম্ভাব্য হত্যার জায়গাটি ছিল কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার কাছাকাছি। পরবর্তীতে জেনেছি বঙ্গবন্ধু তার একান্ত ঘনিষ্ঠজনদের বলেছেন যে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার ক্ষণটির আগেই যদি তাকে মেরে ফেলা যায় তাহলে দেশ নেতৃত্বহীন হয়ে পড়বে, মনোবল পুরোপুরি ভেঙে যাবে যোদ্ধাদের। কিন্তু পুরোদমে যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবার পর তাকে মেরে ফেললেও তখন দেশের জনগণ আরও মরিয়া হয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। এই কারণে তিনি চট্টগ্রাম আর যাননি এবং পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর হাতে বন্দী হবার পর তার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের অভিযোগের বিচারকালে তিনি মৃত্যুর জন্য মানসিকভাবে পুরোপুরি তৈরি ছিলেন এবং তার অটল বিশ্বাস ছিল, বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতার যুদ্ধে জয়ী হবেই।
** সঙ্গীতশিল্পী [[নয়ীম গহর]], "প্রসঙ্গ ।। ২৫ মার্চে বঙ্গবন্ধুর চট্টগ্রামে পাঠানো নির্দেশ", পৃষ্ঠা ৭, ১৯ আগস্ট ২০০৪, জনকণ্ঠ
* আওয়ামী লীগের লোকেরা এবং তাদের বুদ্ধিজীবীরা বলে শেখ মুজিবকে পাকিস্তানি বাহিনী গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে, তিনি আত্মসমর্পণ করেননি। আমি বলেছি, তিনি আত্মসমর্পণ করেছেন। আমি বারবার বিভিন্ন লেখায় এ কথা লেখায় আমার বিরুদ্ধে তারা ক্ষুব্ধ। সবাইকে শেখ মুজিব পালিয়ে যেতে বলছেন, আর তিনি বাড়িতে বসে থাকেন, তার মানেই হলো তিনি আত্মসমর্পণের জন্য অপেক্ষা করছেন এবং পাকিস্তানি বাহিনী এসে তাকে তুলে নিয়ে গেল। এটা গ্রেপ্তার নয়, এটা আত্মসমর্পণ।
** ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে প্রকাশিত {{w|বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা}}কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঐতিহাসিক [[বদরুদ্দীন উমর]], [https://www.deshrupantor.com/559088/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A7%AF%E0%A7%A6-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97 দেশ রূপান্তর] হতে উদ্ধৃত।
* মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ইচ্ছাকৃতভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে বন্দি হয়ে বিজয়ের পর পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের জেলে বন্দি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের পূর্বে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকলেও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তিনি সরাসরি মাঠে ছিলেন না।
** ৪ জুন ২০২৫ সালে ফেসবুকে রাজনীতিবিদ [[সারজিস আলম]], [https://sarabangla.net/news/post-1013870/ সারাবাংলা.নেট] হতে উদ্ধৃত।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭১]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭২]]
[[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ]]
[[বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমান]]
g2tzusp0qn43xlmizgmk189jo89vwq1
83592
83591
2026-05-19T20:44:52Z
Mehedi Abedin
50
83592
wikitext
text/x-wiki
২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে রাত ১.৩০ মিনিটে ([[:w:ইউটিসি+৬|ইউটিসি+৬]]) [[:w:নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ|নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের]] সভাপতি এবং [[পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন, ১৯৭০|সদ্য অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে]] নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী [[শেখ মুজিবুর রহমান]]কে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর {{w|স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ}} [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্ব পাকিস্তানের]] ঢাকায় অবস্থিত [[:w:বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর|তার ব্যক্তিগত বাসভবন]] থেকে গ্রেফতার করে। এই গ্রেফতার অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল {{bw|অপারেশন বিগ বার্ড}} যা [[অপারেশন সার্চলাইট|অপারেশন সার্চলাইটের]] সাথে ঘটেছিল। গ্রেফতারের পর তাকে লায়ালপুর কারাগারে পাঠানো হয় এবং ২ আগস্টে [[:w:সামরিক আদালত (পাকিস্তান)|সামরিক আদালতে]] তার বিচার গোপনে করার ঘোষণা দেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে [[রাষ্ট্রদ্রোহিতা]]র অভিযোগ এনেছিল।
== উক্তি ==
* সংবাদ নিয়ে জানা গেল [[আওয়ামী লীগ|আওয়ামী লীগের]] নেতা ও কর্মীরা বেশীর ভাগই রাতের অন্ধকারে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, আর [[শেখ মুজিবুর রহমান|শেখ মুজীব]] ২৫শে মার্চের রাতেই [[পাকিস্তান সেনাবাহিনী|পাকিস্তান বাহিনীর]] হাতে ধরা দিয়েছেন। মনে হয় তিনি ধরা দেয়ার জন্যে প্রস্তুত হয়েই ছিলেন। একটা বিপ্লবের নেতৃত্ব যিনি দেবেন তিনি কখনও স্বেচ্ছায় ধরা দেন না। নেতাহীন বিপ্লব কোন-কালেই পূর্ণ সাফল্য আনতে পারে না, বরং অনেক ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি আনে, নীতিহীন হয়ে পড়ে। তাই বাঙালী তরুণদের মনে এই চিন্তাই আলোড়ন সৃষ্টি করতে লাগলো যে, শেখ মুজীব কি বিপ্লবকে এড়িয়ে যেতে চান? তিনি কি [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা]] চান না?
** সাংবাদিক [[মোহাম্মদ মোদাব্বের]], ''ইতিহাস কথা কয়'' (১৯৮১), পৃষ্ঠা ২৭১ হতে উদ্ধৃত।
* একই রাতে শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয়। শেষ কয়েকটি ঘণ্টা তিনি কাটিয়েছিলেন [[ঢাকা]]র বিপুল জনগোষ্ঠীকে চরম আত্মদানের জন্য প্রণোদিত করে। সমঝোতার সকল সম্ভাবনা যখন তিরোহিত হলো, তিনি তখন [[পশ্চিম পাকিস্তান]] থেকে [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্ব অংশকে]] বিচ্ছিন্ন করার জন্য একাদিক্রমে তাঁর চূড়ান্ত আদেশগুলো জারি করলেন এবং যাত্রা করলেন বাড়ির উদ্দেশ্যে গ্রেফতার হওয়ার জন্য অপেক্ষাকল্পে।
** লেখক [[আহমদ সালিম]], ''পাকিস্তানের কারাগারে শেখ মুজিবের বন্দিজীবন'' (১৯৯৮), পৃষ্ঠা ২৭ হতে উদ্ধৃত।
* কথা ছিল [[চট্টগ্রাম]] থেকেই [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|যুদ্ধটা]] শুরু হবে এবং তার নেতৃত্ব দেবেন স্বয়ং বঙ্গবন্ধু। কিন্তু পাকিস্তানী সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালী সেনা সদস্যদের একটি অংশ পাকিস্তানী আর্মি ইন্টেলিজেন্সের গোপন একটি তথ্য ঠিক সময়মতোই জানতে পারে যে শেখ মুজিবুর রহমান চট্টগ্রাম যাওয়ার চেষ্টা করলেই যেভাবেই হোক তাকে পাকিস্তানী আর্মি মেরে ফেলবে এবং সম্ভাব্য হত্যার জায়গাটি ছিল কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার কাছাকাছি। পরবর্তীতে জেনেছি বঙ্গবন্ধু তার একান্ত ঘনিষ্ঠজনদের বলেছেন যে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার ক্ষণটির আগেই যদি তাকে মেরে ফেলা যায় তাহলে [[বাংলাদেশ|দেশ]] নেতৃত্বহীন হয়ে পড়বে, মনোবল পুরোপুরি ভেঙে যাবে যোদ্ধাদের। কিন্তু পুরোদমে যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবার পর তাকে মেরে ফেললেও তখন দেশের জনগণ আরও মরিয়া হয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। এই কারণে তিনি চট্টগ্রাম আর যাননি এবং পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর হাতে বন্দী হবার পর তার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের অভিযোগের বিচারকালে তিনি মৃত্যুর জন্য মানসিকভাবে পুরোপুরি তৈরি ছিলেন এবং তার অটল বিশ্বাস ছিল, বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতার যুদ্ধে জয়ী হবেই।
** সঙ্গীতশিল্পী [[নয়ীম গহর]], "প্রসঙ্গ ।। ২৫ মার্চে বঙ্গবন্ধুর চট্টগ্রামে পাঠানো নির্দেশ", পৃষ্ঠা ৭, ১৯ আগস্ট ২০০৪, জনকণ্ঠ
* আওয়ামী লীগের লোকেরা এবং তাদের বুদ্ধিজীবীরা বলে শেখ মুজিবকে পাকিস্তানি বাহিনী গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে, তিনি আত্মসমর্পণ করেননি। আমি বলেছি, তিনি আত্মসমর্পণ করেছেন। আমি বারবার বিভিন্ন লেখায় এ কথা লেখায় আমার বিরুদ্ধে তারা ক্ষুব্ধ। সবাইকে শেখ মুজিব পালিয়ে যেতে বলছেন, আর তিনি বাড়িতে বসে থাকেন, তার মানেই হলো তিনি আত্মসমর্পণের জন্য অপেক্ষা করছেন এবং পাকিস্তানি বাহিনী এসে তাকে তুলে নিয়ে গেল। এটা গ্রেপ্তার নয়, এটা আত্মসমর্পণ।
** ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে প্রকাশিত {{w|বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা}}কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঐতিহাসিক [[বদরুদ্দীন উমর]], [https://www.deshrupantor.com/559088/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A7%AF%E0%A7%A6-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97 দেশ রূপান্তর] হতে উদ্ধৃত।
* মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ইচ্ছাকৃতভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে বন্দি হয়ে বিজয়ের পর পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের জেলে বন্দি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের পূর্বে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকলেও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তিনি সরাসরি মাঠে ছিলেন না।
** ৪ জুন ২০২৫ সালে ফেসবুকে রাজনীতিবিদ [[সারজিস আলম]], [https://sarabangla.net/news/post-1013870/ সারাবাংলা.নেট] হতে উদ্ধৃত।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭১]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭২]]
[[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ]]
[[বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমান]]
pmtadddahl3y9ipevzg4ngnneworhkp
83593
83592
2026-05-19T20:46:55Z
Mehedi Abedin
50
83593
wikitext
text/x-wiki
২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে রাত ১.৩০ মিনিটে ([[:w:ইউটিসি+৬|ইউটিসি+৬]]) [[:w:নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ|নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের]] সভাপতি এবং [[পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন, ১৯৭০|সদ্য অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে]] নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী [[শেখ মুজিবুর রহমান]]কে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর {{w|স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ}} [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্ব পাকিস্তানের]] ঢাকায় অবস্থিত [[:w:বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর|তার ব্যক্তিগত বাসভবন]] থেকে গ্রেফতার করে। এই গ্রেফতার অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল {{bw|অপারেশন বিগ বার্ড}} যা [[অপারেশন সার্চলাইট|অপারেশন সার্চলাইটের]] সাথে ঘটেছিল। গ্রেফতারের পর তাকে লায়ালপুর কারাগারে পাঠানো হয় এবং ২ আগস্টে [[:w:সামরিক আদালত (পাকিস্তান)|সামরিক আদালতে]] তার বিচার গোপনে করার ঘোষণা দেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে [[রাষ্ট্রদ্রোহিতা]]র অভিযোগ এনেছিল।
== উক্তি ==
* সংবাদ নিয়ে জানা গেল [[আওয়ামী লীগ|আওয়ামী লীগের]] নেতা ও কর্মীরা বেশীর ভাগই রাতের অন্ধকারে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, আর [[শেখ মুজিবুর রহমান|শেখ মুজীব]] ২৫শে মার্চের রাতেই [[পাকিস্তান সেনাবাহিনী|পাকিস্তান বাহিনীর]] হাতে ধরা দিয়েছেন। মনে হয় তিনি ধরা দেয়ার জন্যে প্রস্তুত হয়েই ছিলেন। একটা বিপ্লবের নেতৃত্ব যিনি দেবেন তিনি কখনও স্বেচ্ছায় ধরা দেন না। নেতাহীন বিপ্লব কোন-কালেই পূর্ণ সাফল্য আনতে পারে না, বরং অনেক ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি আনে, নীতিহীন হয়ে পড়ে। তাই বাঙালী তরুণদের মনে এই চিন্তাই আলোড়ন সৃষ্টি করতে লাগলো যে, '''শেখ মুজীব কি বিপ্লবকে এড়িয়ে যেতে চান? তিনি কি [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা]] চান না'''?
** সাংবাদিক [[মোহাম্মদ মোদাব্বের]], ''ইতিহাস কথা কয়'' (১৯৮১), পৃষ্ঠা ২৭১ হতে উদ্ধৃত।
* একই রাতে শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয়। শেষ কয়েকটি ঘণ্টা তিনি কাটিয়েছিলেন [[ঢাকা]]র বিপুল জনগোষ্ঠীকে চরম আত্মদানের জন্য প্রণোদিত করে। '''সমঝোতার সকল সম্ভাবনা যখন তিরোহিত হলো, তিনি তখন [[পশ্চিম পাকিস্তান]] থেকে [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্ব অংশকে]] বিচ্ছিন্ন করার জন্য একাদিক্রমে তাঁর চূড়ান্ত আদেশগুলো জারি করলেন এবং যাত্রা করলেন বাড়ির উদ্দেশ্যে গ্রেফতার হওয়ার জন্য অপেক্ষাকল্পে'''।
** লেখক [[আহমদ সালিম]], ''পাকিস্তানের কারাগারে শেখ মুজিবের বন্দিজীবন'' (১৯৯৮), পৃষ্ঠা ২৭ হতে উদ্ধৃত।
* কথা ছিল [[চট্টগ্রাম]] থেকেই [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|যুদ্ধটা]] শুরু হবে এবং তার নেতৃত্ব দেবেন স্বয়ং বঙ্গবন্ধু। কিন্তু পাকিস্তানী সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালী সেনা সদস্যদের একটি অংশ পাকিস্তানী আর্মি ইন্টেলিজেন্সের গোপন একটি তথ্য ঠিক সময়মতোই জানতে পারে যে শেখ মুজিবুর রহমান চট্টগ্রাম যাওয়ার চেষ্টা করলেই যেভাবেই হোক তাকে পাকিস্তানী আর্মি মেরে ফেলবে এবং সম্ভাব্য হত্যার জায়গাটি ছিল কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার কাছাকাছি। পরবর্তীতে জেনেছি বঙ্গবন্ধু তার একান্ত ঘনিষ্ঠজনদের বলেছেন যে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার ক্ষণটির আগেই যদি তাকে মেরে ফেলা যায় তাহলে [[বাংলাদেশ|দেশ]] নেতৃত্বহীন হয়ে পড়বে, মনোবল পুরোপুরি ভেঙে যাবে যোদ্ধাদের। কিন্তু পুরোদমে যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবার পর তাকে মেরে ফেললেও তখন দেশের জনগণ আরও মরিয়া হয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। এই কারণে তিনি চট্টগ্রাম আর যাননি এবং '''পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর হাতে বন্দী হবার পর তার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের অভিযোগের বিচারকালে তিনি মৃত্যুর জন্য মানসিকভাবে পুরোপুরি তৈরি ছিলেন এবং তার অটল বিশ্বাস ছিল, বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতার যুদ্ধে জয়ী হবেই'''।
** সঙ্গীতশিল্পী [[নয়ীম গহর]], "প্রসঙ্গ ।। ২৫ মার্চে বঙ্গবন্ধুর চট্টগ্রামে পাঠানো নির্দেশ", পৃষ্ঠা ৭, ১৯ আগস্ট ২০০৪, জনকণ্ঠ
* আওয়ামী লীগের লোকেরা এবং তাদের বুদ্ধিজীবীরা বলে শেখ মুজিবকে পাকিস্তানি বাহিনী গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে, তিনি আত্মসমর্পণ করেননি। আমি বলেছি, তিনি আত্মসমর্পণ করেছেন। আমি বারবার বিভিন্ন লেখায় এ কথা লেখায় আমার বিরুদ্ধে তারা ক্ষুব্ধ। সবাইকে শেখ মুজিব পালিয়ে যেতে বলছেন, আর তিনি বাড়িতে বসে থাকেন, তার মানেই হলো '''তিনি আত্মসমর্পণের জন্য অপেক্ষা করছেন এবং পাকিস্তানি বাহিনী এসে তাকে তুলে নিয়ে গেল'''। এটা গ্রেপ্তার নয়, এটা আত্মসমর্পণ।
** ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে প্রকাশিত {{w|বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা}}কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঐতিহাসিক [[বদরুদ্দীন উমর]], [https://www.deshrupantor.com/559088/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A7%AF%E0%A7%A6-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97 দেশ রূপান্তর] হতে উদ্ধৃত।
* '''মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ইচ্ছাকৃতভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে বন্দি হয়ে বিজয়ের পর পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের জেলে বন্দি ছিলেন'''। মুক্তিযুদ্ধের পূর্বে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকলেও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তিনি সরাসরি মাঠে ছিলেন না।
** ৪ জুন ২০২৫ সালে ফেসবুকে রাজনীতিবিদ [[সারজিস আলম]], [https://sarabangla.net/news/post-1013870/ সারাবাংলা.নেট] হতে উদ্ধৃত।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭১]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭২]]
[[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ]]
[[বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমান]]
qwtn0nkzdmpbamgzb0lz2ry7jjqunfr
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬
0
11809
83588
72464
2026-05-19T18:16:00Z
Tuhin
172
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:নির্বাচন]] যোগ
83588
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন|ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন]]''' বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সদস্যদের নির্বাচনের জন্য ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য একটি সাধারণ নির্বাচন। এই নির্বাচন বাংলাদেশের পরবর্তী সরকার নির্ধারণ করবে। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে দেশ পরিচালনা করা, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদের উপর একটি সাংবিধানিক গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।
== উক্তি ==
* আগামী ১২ তারিখে নির্বাচন। এই নির্বাচনে ইনশা আল্লাহ বাংলাদেশের মানুষ আবারও ভোট দেবেন। ভোট দিয়ে তাঁদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। কিন্তু শুধু ভোট দিলেই চলবে না। আমাদের এই নির্বাচনটাকে দেশ গঠনের নির্বাচন হিসেবে চিন্তা করতে হবে। দেশটাকে গড়ে তুলতে হবে। এই দেশ যদি আমরা গড়ে তুলতে না পাড়ি, তাহলে আমরা কোথায় যাব? আমাদের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। আমাদের প্রথম ঠিকানা বাংলাদেশ, শেষ ঠিকানা বাংলাদেশ।
** [[তারেক রহমান]]। ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নীলফামারীতে বিএনপির এক নির্বাচনী জনসভায়। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/kguno5y4iw]
* কে কী বলল, তা বিবেচ্য নয়। ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে—এর এক দিন আগে বা পরে নয়। নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে। নির্বাচনের সময় [[মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার|অন্তর্বর্তী সরকার]] সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে। প্রশাসন থাকবে পক্ষপাতমুক্ত এবং সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
** [[মুহাম্মদ ইউনূস]]। ২০২৬ সালের ১৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুক্তরাষ্ট্রের দুই সাবেক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে। [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-731736]
* সমস্ত [[মুসলমান|মুসলমানদের]] বলুন, তাদের ([[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী|জামায়াতকে]]) ভোট দেওয়া জায়েজ হবে না। হারাম। আমরা উনাকে (বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরকে ইঙ্গিত করে) ভোট দিচ্ছি তা নয়, উনাকে সামনে রেখে উনার মাধ্যমে [[জিহাদ|জেহাদ]] করছি। কার সঙ্গে; [[আবুল আ'লা মওদুদী|মওদুদির]] জামায়াতের সঙ্গে। আমি ইলেকশন-টিলেকশন বুঝি না; এটা জিহাদ। আমরা যদি কঠোরভাবে ভোট থেকে তাদের বঞ্চিত করতে না পারি, তারা যদি বাংলদেশে আসে, তাহলে [[ইসলাম|ইসলামের]] গোড়া কেটে ফেলবে; মুসলমানের গোড়া কেটে দিবে; রগ কাটার গোষ্ঠী তারা।
** [[মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী]]। ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাজীর হাট বড় মাদ্রাসায় এক বক্তব্যে। [https://bangla.bdnews24.com/politics/7cf1b02e4323][https://www.prothomalo.com/politics/2z61x1gxfv?utm_source=facebook&utm_medium=social&utm_campaign&utm_content=ap_00l0thvygk][https://www.ittefaq.com.bd/773518]
* আপনারা যদি [[ইসলাম|ইসলামের]] পক্ষে, পবিত্র কোরআনের পক্ষে, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন; আপনারা কী কী কারণে সওয়াবের ভাগি হবেন—এই দেওয়ার কারণে, আপনারা [[আল্লাহ|আল্লাহর]] পক্ষে দিছেন, পবিত্র কোরআনের পক্ষে দিছেন; আপনাদের জন্য [[জান্নাত]] অবধারিত। আর আমি বলি, যারা পবিত্র [[কুরআন|কোরআনের]] বিরুদ্ধ ভোট দিবে, তারা [[গুনাহ|গুনাহগার]] হবে।
** এ আর হাফিজ উল্যাহ (লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের জামায়াত প্রার্থী)। ২০২৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি গণসংযোগের সময় ভোটারদের উদ্দেশে তিনি এমন বক্তব্য দিয়েছেন। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/rgkmb1i84c?utm_source=facebook&utm_medium=social&utm_campaign&utm_content=ap_co0gxiom5x][https://www.ittefaq.com.bd/773797/%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A7%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4]
* আল্লাহর কাজ বান্দা করতে চায়—নাউজুবিল্লাহ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি, কেউ কেউ বলছেন ভোট দিলে জান্নাতে যাওয়া যাবে। তাহলে আগে যারা মারা গেছেন তাদের কী হবে? একটি ভোটের জন্য যা খুশি বলা হচ্ছে—এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।
** [[w:bn:সালাহউদ্দিন আহমেদ (রাজনীতিবিদ)|সালাহউদ্দিন আহমেদ]]। ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায়। [https://www.ittefaq.com.bd/773773?fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTEAc3J0YwZhcHBfaWQPMjc1MjU0NjkyNTk4Mjc5AAEeTyoKWnPkEQyC2aqXrxPAt5uEtfyeJV2OlIwyHt-f6T6PZnfc4UVj7y1Pnq4_aem_Si8Le8C7iAye-ekRTnsAwQ]
* গানকে [[হারাম]] বলা দলটাও [[গান|গানে]] গানে ভোট খুঁজছে।
** [[w:bn:কুদ্দুস বয়াতি|কুদ্দুস বয়াতি]]। ২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি ফেসবুক পোস্টে। [https://web.archive.org/web/20260209180718/https://rtvonline.com/entertainment/368559]
* ২৪-এর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর অনলাইন-অফলাইনে জামায়াত-[[বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির|শিবিরের]] উগ্রতা এবং জাতীয় নেতৃবৃন্দ, দেশের সর্বজনশ্রদ্ধেয় শীর্ষ আলেমদের বিরুদ্ধে মারাত্মক বিষোদগার ও নেগেটিভ মন্তব্য করে আসছে। এ ছাড়া [[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী|জামায়াত]] সাধারণ জনগণের কাছে নিজেদের ইসলামী শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করলেও রাষ্ট্রীয় এবং কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের [[ধর্মনিরপেক্ষতা|সেক্যুলার]] হিসেবে দাবি করছে ‘ এ জন্য জামায়াত জোটের প্রার্থীদের ভোট না দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল [[বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল|বিএনপির]] প্রতীক ধানের শীষকে সমর্থন জানান বিভিন্ন ঘরানার আলেমরা। যারা বিএনপি ও ধানের শীষকে সমর্থন করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা [[মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী|মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী]], বেফাক ও হাইয়্যার চেয়ারম্যান [[w:bn:মাহমুদুল হাসান|আল্লামা শায়েখ মাহমুদুল হাসান]], বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি মাওলানা এ কে এম আশরাফুল হক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব [[w:bn:সাজিদুর রহমান|মাওলানা সাজিদুর রহমান]], ফুলতলী দরবার, [[w:bn:ছারছিনা দরবার শরীফ|ছারছিনার দরবার]], [[w:bn:মাইজভান্ডার দরবার শরীফ|মাইজভান্ডার দরবার]], জৈনপুরের দরবারে পীর মুফতি এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী, ঢালকানগর পীর সাহেব শায়েখ আব্দুল মতিন ও মুফতি জাফর আহমদ, মুফতি মনসুরুল হক, মাওলানা শওকত হোসেন সরকার, [[w:bn:ইসলামী ঐক্যজোট|ইসলামী ঐক্যজোট]] ও [[w:bn:জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ|জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের]] দুই অংশ।
** মাওলানা মুমিনুল ইসলাম (বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব)। ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে। [https://www.kalerkantho.com/online/Politics/2026/02/10/1645393][https://www.somoynews.tv/news/2026-02-10/MH4xsK1H]
* নির্বাচনের ফলাফলের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিষয় প্রভাবক হিসেবে কাজ করবে। এর মধ্যে জেন–জি ভোটারদের ভোট রয়েছে। মোট ভোটারের প্রায় এক–চতুর্থাংশ জেন–জি। নির্বাচনের ফলাফলে এসব ভোটারের পছন্দ–অপছন্দ যথেষ্ট গুরুত্ব পাবে।
** পারভেজ করিম আব্বাসী, সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/2egf9azzj9]
== আরও দেখুন ==
* [[বাংলাদেশের সাংবিধানিক গণভোট, ২০২৬]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৬-এ বাংলাদেশ]]
[[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সংসদ নির্বাচন]]
[[বিষয়শ্রেণী:ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের পরিণাম]]
[[বিষয়শ্রেণী:মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:নির্বাচন]]
8yio63x0fij8d0xvsc1rp2re03gp1sb