উইকিউক্তি
bnwikiquote
https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.3
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিউক্তি
উইকিউক্তি আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন
0
8323
83603
83601
2026-05-23T14:50:04Z
Oindrojalik Watch
4169
২০১৮ সালের কোটা সংস্কারের আন্দোলনে দেওয়া স্লোগান অপসারণ; উল্লেখ্য এই স্লোগান ২০২৪ এর আন্দোলনে ব্যবহার করা হয়নি। অনির্ভরযোগ্য সূত্র; সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে।
83603
wikitext
text/x-wiki
[[File:7.Bangladesh quota reform movement 2024.jpg|thumb|২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনের "বাংলা ব্লকেড", ৬ জুলাই ২০২৪]]
[[File:কোটা সংস্কার আন্দোলন, শাহবাগ, কাঁটাবন, সায়েন্স ল্যাব, জুলাই ২০২৪ (৮).jpg|thumb|কোটা (×) মেধা (√)]]
'''[[w:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]]''' হলো বাংলাদেশে সব ধরনের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটার ভিত্তিতে নিয়োগের প্রচলিত ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে সংগঠিত একটি আন্দোলন। ২০২৪ সালের ৫ জুন বাংলাদেশ হাইকোর্ট ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করার পর কোটা পদ্ধতির সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সালে নতুনভাবে আলোচনায় আসে।
== স্লোগান ==
*{{w|তুমি কে, আমি কে, রাজাকার রাজাকার}}, কে বলেছে কে বলেছে সরকার সরকার/স্বৈরাচার স্বৈরাচার
* চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার
*কোটা না মেধা, মেধা মেধা
* জাতির পিতা [[ইব্রাহিম (নবী)|ইব্রাহিম]], শেখ মুজিব ঘোড়ার ডিম
* [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধের]] বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই। [https://web.archive.org/web/20260322120118/https://museum.cu.ac.bd/?page_id=496]
* এই মুহুর্তে দরকার, সেনাবাহিনী সরকার [https://bn.observerbd.com/details.php?id=109955]
*লাখো শহীদের রক্তে কেনা <br />দেশটা কারো বাপের না।
*কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কি তোর বাপ-দাদার
* দফা এক, দাবি এক, শেখ হাসিনার পদত্যাগ [https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/news/one-demand-now-3668981]
* স্টেপ ডাউন হাসিনা (শেখ হাসিনা পদত্যাগ করুন) [https://scroll.in/latest/1071628/step-down-hasina-as-millions-take-to-the-streets-in-bangladesh-48-feared-dead]
* তোর কোটা তুই নে, আমার ভাই ফিরিয়ে দে’; ‘
* বন্দুকের নলের সাথে ঝাঁজালো বুকের সংলাপ হয় না’ এবং ‘লাশের ভেতর জীবন দে, নইলে গদি ছাইড়া দে.[https://www.prothomalo.com/bangladesh/145xh9480o]
* ইনকিলাব জিন্দাবাদ
* কে এসেছে কে এসেছে? পুলিশ এসেছে পুলিশ এসেছে, কি করছে কি করছে? স্বৈরাচারের পা চাটছে
* দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ
* আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম
* বুকের ভেতর অনেক ঝড় বুক পেতেছি গুলি কর
* মোদীর পোষা হাসিনা তোকে ভালবাসি না
* ছেলে হারা মায়ের ডাক স্বৈরাচার নিপাত যাক
* রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়
* হৈ হৈ রৈ রৈ ছাত্রলীগ গেলি কৈ
* এক দুই তিন চার শেখ হাসিনা গদি ছাড়
* উই ওয়ান্ট জাস্টিস (আমরা ন্যায়বিচার চাই)
* আবু সাঈদ/শহীদদের স্মরণে, ভয় করিনা মরণে
* আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে
* সামনে আসছে ফাগুন, আমরা হবো দ্বিগুণ
* স্বৈরাচারের গদিতে, আগুন জ্বালো একসাথে
* জ্বালোরে জ্বালো আগুন জ্বালো
* লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে
* শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না
* যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি তুমি রুখে দাঁড়াও, তবে তুমিই বাংলাদেশ
* ফর এভরি ফিরাউন, এ মূসা উইল বি বর্ন (প্রতিটি ফিরাউনের জন্য একজন করে মূসা (নবী)র জন্ম হয়[https://www.facebook.com/100086722715948/posts/pfbid02Dsx1mW9Zc87onVHgu7wNibbMvKZ1xurDEyFNHanuNaUcEuUQsCfQU1hPDx95Qu6rl/?app=fbl]
* বউতদিন হাইয়্যু, আর ন হাইয়্যু (চাটগাঁইয়া ভাষারীতি)
===আন্দোলনে জেন-জির ব্যবহৃত বাগধারা ও দেয়াললিখন===
* নাটক কম করো পিও
* তুই ছাত্র খুনি<ref>https://www.instagram.com/p/C-hGnT7Rd5h/</ref>
* ওই মামা না প্লিজ
* আমাকে ক্ষমা করে দাও পিলিজ
* Hasina Hasina you can’t hide, we charge you with genocide (হাসিনা, হাসিনা, লুকাতে পারবে না তুমি, আমরা তোমার বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ করছি।)
* ছাত্র যদি ভয় পাইতো বন্দুকের গুলি, উর্দু থাকতো রাষ্ট্রভাষা, উর্দু থাকতো বুলি’,
* ‘দেশ স্বাধীন হলে আমরা আবার ছাদে উঠব’,
*‘তুমি কে আমি কে, বিকল্প বিকল্প
* আমি মেট্রোরেল হতে চেয়েছিলাম, খোদা আমাকে ছাত্র বানালো
* স্বৈরাচারের হয়নি পতন, মুক্তিযুদ্ধ হয়নি শেষ, গর্জে ওঠো বীর জনতা, গর্জে ওঠো বাংলাদেশ’,
* ‘গেরিলা বসন্তে আমরাই বুনোফুল’
* আঙ্কেল, আমার বাবা মা কেউ বাড়ি নাই, আমার ছোট বোনটারে আমি ঘরে তালা দিয়ে রেখে আসছি [https://www.facebook.com/jra24bd/videos/1873197426749138/?app=fbl]
* মেধা শহীদ
* ‘কোন দেশি রাখাল তুমি, উড়াও কেনে ঘুড়ি?/আমার ঘুড়ি অনেক বড়, উড়বে আকাশ জুড়ি/নীলচে আকাশ আমার-নেই সীমানা, ভাগ করো না তুমি/ছোট লোকের-নয়কো আকাশ নয়কো মাতৃভূমি...
* লোহার টুপি মানুষের মগজ খায়
* আমার সাথে রাবিশ কথা বলবেন না
* আপনি উত্তেজিত হবেন না প্লিজ
* ইন্টারনেট বন্ধ করিনি, বন্ধ হয়ে গেছে
* হারুনের ভাতের হোটেল
* এখানে যে ময়লা ফেলবে সে একটা হাউন আঙ্কেল
* সোর্স: চালাই দেন
* স্বজন হারানোর বেদনা
* শেখ হাসিনা পালাই না
* আসছে ফাগুনে আমরা দ্বিগুণ হবো
* পা চাটলে সঙ্গী, না চাটলে জঙ্গী
* খেটে বড় হও চেটে নয়
* আমার বিচার তুমি করো, তোমার বিচার করবে কে?
* শোন মহাজন, আমরা অনেকজন
* পোস্ট ডিলিট করো, নাইলে সমস্যা হবে
* পোস্ট ডিলিট করে লাভ নাই, স্ক্রিনশট নেওয়া আছে, প্রিয় অভিভাবক
* পানি লাগবে, পানি
* আবু সাঈদ-মুগ্ধ, শেষ হয় নি যুদ্ধ
*শেখ হাসিনা পালায় না
* জার জার ওবস্তান থেকে পালাও
* শী হ্যাজ মেড আস ফ্লাই ফাস্টার
* বাতাবিলেবুর বাম্পার ফলন
* আওয়াজ উডা, কথা ক
* বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর
* বিকল্প কে? তুমি আমি আমরা
* স্বাধীনতা এনেছি, রক্ষাও করবো
* থামুন, দেশের সংস্কার চলছে
* ঘুষ চাইলেই কানের নিচে থাপ্পড়
* দিনে নাটক, রাতে আটক
* আম্মু, ঐ দেখো হেলিকপ্টার
* দড়ি ধরে মারো টান, রানী হবে খানখান
* আমার ছাওয়াল মারলি ক্যানে
* সুবোধ তুই পালিয়ে যা, সময় এখন পক্ষে না
* পিন্ডির জিঞ্জির ছিন্ন করেছি দিল্লির দাসত্ব করবার জন্য নয়
* লাইলাতুল গুজব
* র (RA&W) গুজব লীগ, তৈরি তো?
* নৌকা আর ধানের শীষ, দুই সাপের একই বিষ
* আমি ৭১ দেখিনি, ২৪ দেখেছি
* সত্য সমাগত, মিথ্যা বিলুপ্ত
* এখানে রাজনৈতিক আলাপ নিষিদ্ধ নয়, জরুরি
* বাঙালী আর আদিবাসী, একই বৃন্তের দুটি ফুল
* শুধু পদ্মার ইলিশ না, সারা বাংলাদেশটাই আমাদের গর্ব
* বিজয় ৩৬শে জুলাই
* রিয়েলিটি মাইনা নাও, বারোটা তোমার বেজে গেছে
* মুরুব্বি মুরুব্বি উহু উহু
* একটু অপেক্ষা করা যায় না,
*‘বলব না, একটা শব্দও বলব না’,
* ‘মাসুদ তুমি কি কোনোদিনই ভালো হবে না
* পালাব না। কোথায় পালাব! পালাব না, প্রয়োজনে ফখরুল সাহেবের বাসায় গিয়ে উঠব
* আমার মা পদত্যাগ করেছে/করেনি
* She has made us পলাতক
* আবেগ কাজ করেছে, বিবেক কাজ করেনি
* যে জীবন শাহাদাতে উদ্দীপ্ত, সে জীবন বাধা মানেনা
* যে হৃদয় শাহাদাতের উচ্চাকাঙ্ক্ষা লালন করে, সে হৃদয় কখনো হতাশ হয় না
* হর হর, হরি যা, বাপের লাখান মরি যা (সিলেটি ভাষারীতি)
== বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সম্পর্কে উক্তি ==
* বীর মুক্তিযোদ্ধা সবাই অনগ্রসর নন, তাই সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা রাখা সংবিধানসম্মত নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে বড় আকারে মুক্তিযোদ্ধা কোটা চিরস্থায়ী করলে স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্যকে ধ্বংস করা হয়।’
** [[জি এম কাদের]], বিরোধীদলীয় নেতা, ৩ জুলাই ২০২৪, জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্য
* ‘এত আন্দোলন কিসের রাস্তায় শুরু হয়েছে? আন্দোলনের চাপ দিয়ে কি হাইকোর্টের রায়, সুপ্রিম কোর্টের রায় পরিবর্তন করবেন?’
** ওবায়দুল হাসান, ৪ জুলাই ২০২৪, প্রধান বিচারপতি, হাইকোর্টের দেওয়া রায় নিয়ে আপিল বিভাগের শুনানিতে দেওয়া বক্তব্য
* ২০১৮ সালে গণ-আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছর নির্বাহী বিভাগ কোটা বাতিল করে যে পরিপত্র জারি করেছিল, আজকে বিচার বিভাগ দিয়ে সেই কোটাকে আবার পুনর্বহাল করা হলো। এটা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটা প্রহসন। রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যে এই সমন্বয়হীনতা ও অন্তর্দ্বন্দ্বের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করুক এবং শিক্ষার্থীদের দাবি বিবেচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সেগুলো পূরণ করুক।’
** নাহিদ ইসলাম, ৪ জুলাই, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক, শাহবাগ মোড় অবরোধ কর্মসূচিতে দেওয়া বক্তব্য
* রেল ট্রানজিটের নামে ভারতকে একতরফা করিডর দিলে দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করা ও বৈষম্যমূলক কোটা পুনঃপ্রবর্তনের মাধ্যমে ’৭১ পূর্ব পাকিস্তানি বৈষম্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হলে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ অনিবার্য হয়ে যাবে। এই সরকার দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একতরফাভাবে ভারতকে রেল করিডর দিয়েছে। এই ডামি সরকার মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে ভূলুণ্ঠিত করেছে। আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে আবার নতুন করে কোটা প্রথা চালু করতে চাইছে। ভারতকে করিডর দিয়ে, জনগণের সম্পদ লুটপাটকারীদের সুবিধা দিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আরও দীর্ঘায়িত করতে চায়। ডামি সরকারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং গণতন্ত্র উদ্ধার করে দেশকে এই ফ্যাসিবাদীদের কবল থেকে মুক্ত করতে হবে।
** আব্দুল ওহাব মিনার, ৬ জুলাই ২০২৪, যুগ্ম আহ্বায়ক, এবি পার্টি, ট্রানজিটের একতরফা রেল করিডর, কোটা পুনঃপ্রবর্তন বাতিল ও ডামি সরকারের পদত্যাগসহ চার দফা দাবিতে বিজয়নগরের বিজয়-৭১ চত্বরে অবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচিতে [https://samakal.com/politics/article/245267/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF:-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF]
* আমি একটা জরিপ করছিলাম এই যে কোটা আন্দোলন হচ্ছে এটা নিয়ে। প্রায় ১ লাখ লোক ভোট দিছে। এর মধ্যে ৯০% মানুষ মনে করে ট্রানজিট থেকে নজর ফেরানোর জন্য এই কোটা আন্দোলন হাসিনার নাটক। আর এই আন্দোলনের নেতারা সবাই ছাত্রলীগ। আমি খোঁজ নিছি, আপনারাও খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন।
** [[পিনাকী ভট্টাচার্য]]। ২০২৪ সালের ৮ জুলাই নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা [https://m.youtube.com/watch?v=JkZwaD6qWbo&t=15m38s ভিডিওতে]।
* আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ভুল বুঝিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মুখোমুখি করা হয়েছে এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আরেকটা খুবই ভুল ধারণা তৈরি করা হয়েছে যে, কোটা এবং মেধা, মনে হতে পারে যে, যারা কোটায় চাকরি করে তাদের কোন মেধা নেই। কিন্তু আবেদন করার ক্ষেত্রে কোটা লাগে না, প্রিলিমিনারিতে কোটা লাগেনা, লিখিততে কোটা লাগেনা। একদম শেষ মুহূর্তে গিয়ে কোটা এপ্লাই হয়। তখন মেধায় আসলে সবাই সমান। আমার সামনে যদি দুইটা অপশন থাকে যে, দুইজনই সমান মেধাবী, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও একজন রাজাকারের সন্তান, আমি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে চাকরি দিতে চাই। (শেখ হাসিনা: অবশ্যই) জ্বি। সেটা একটা। ফলে মেধা এবং কোটা খুব সহজেই মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাচ্ছে যে সব মেধাবীরা চাকরি না নিয়ে কোটার চাকরি। আপনাকে খুবই ধন্যবাদ যে আপনারা গত ১০-১২ দিন ধরে আন্দোলন করছে আপনারা অসীম ধৈর্যের সাথে আন্দোলন মোকাবেলা করছেন এবং যারা আন্দোলন করছে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে চাকরি না পেয়ে বঞ্চিত। তাদের ক্ষোভের সাথে আমি খুবই একমত। তাদের পেছনে কি অন্য কেউ ইন্ধন যুগিয়ে ভুল বুঝিয়ে বিভ্রান্ত করে মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোমুখি করছে কিনা। আমার আপনার কাছে আবেদন থাকবে যে আপনারা যে ধৈর্য দেখে যাচ্ছেন সেটা দেখিয়ে যদি তাদের সাথে কোন ভাবে তাদেরকে বুঝিয়ে শুনিয়ে, আগামী ৭ই আগস্ট পর্যন্ত কিছু করার নাই কারন সেদিন আপিল বিভাগের শুনানি হবে। তারপর আপিল বিভাগের রায়ের পর হয়তো নির্বাহী বিভাগ কি করবে না করবে। ততদিন তারা যাতে অন্তত বুঝতে পারে সেটা যদি আপনি অনেক সংবেদনশীলতার সাথে যদি বিষয়টা বিবেচনা করেন তাহলে ভালো হয় আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
** [[প্রভাষ আমিন]], ১৪ জুলাই ২০২৪, এটিএন নিউজে হেড অফ নিউজ, গনভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে
*মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরাও পাবে না? তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে। তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না। অপরাধটা কী? নিজের জীবনবাজি রেখে, সংসার সব ফেলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে। দিনরাত খেয়ে না খেয়ে, কাদামাটি ভেঙে, রোদ-বৃষ্টি-ঝড় মোকাবিলা করে যুদ্ধ করে এ দেশের বিজয় এনেছে। বিজয় এনে দিয়েছিল বলে সবাই উচ্চপদে আসীন। এখানে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করা একটা কৌশল। তার মানে হলো মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-নাতি-পুতিরা কেউ মেধাবী না, যত রাজাকারের বাচ্চারা-নাতি-পুতিরা হলো মেধাবী, তাই না? এটা ভুলে গেলে চলবে না যাদের মেধাবী না বলছে, তাদের হাতে ওনারা পরাজিত। যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা জয়ী হয়েছিল রাজাকারদের বিরুদ্ধে, এই কথাটা মনে রাখা উচিত। তাদের মেধাটা কোথায়? সেটা আমার প্রশ্ন। মেধা কার কত, সেটা পরীক্ষার প্রিলিমিনারিতে, লিখিত পরীক্ষায়, তারপর ভাইভা হয়। সেই সময় যেটা… সেটা বাস্তবতা তো যদি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয় সেই পাবে। আর সব সময় সব কোটা পূর্ণ হয় না। যেটা বাকি থাকে তা তালিকা থেকেই দেওয়া হয়। অনেক চাকরিতে মেধার তালিকা থেকে দেওয়া হচ্ছে। এ নির্দেশনা দেওয়া আছে। কিন্তু সেখানে অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা অগ্রাধিকার পাবে, এটা দিতে হবে।
** প্রধানমন্ত্রী [[শেখ হাসিনা]] ১৪ জুলাই ২০২৪ তারিখে গণভবনে এটিএন বাংলার সাংবাদিক [[প্রভাষ আমিন]]ের "আমরা আসলে মেধায় সবাই সমান। আমার কাছে যদি দুইটা অপশন থাকে, দুইজনই সমান মেধাবী, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও একজন রাজাকারের সন্তান, তাহলে আমি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বেছে নেব।" মন্তব্যে
*আমি লেখাটি লিখতে শুরু করেছিলাম। শেষ করার আগেই জানতে পারলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটাবিরোধী ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে ঘোষণা দিয়ে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রকম্পিত করেছে। এই লেখাটি শেষ করার আর কোনও প্রয়োজন নেই।’ ‘লেখাটি শেষ না করে নিচের অংশটুকু লিখেছি। ঘুমানোর আগে খবরটি দেখে মাথার মাঝে একটা বিস্ফোরণ হলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে দাবি করেছে। খবরটি নিজের চোখে দেখেও বিশ্বাস হয় না— এটি কি সত্যিই সম্ভব? বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র বা ছাত্রী কি সত্যিই নিজেকে রাজাকার হিসেবে দাবি করতে পারে? শুধুমাত্র একটা সরকারি চাকরির জন্য? কোন দেশের সরকার, বাংলাদেশ নাকি পাকিস্তান? এই ছাত্র-ছাত্রীরা কি জানে, চাকরি অনেক দূরের ব্যাপার, তাদের যে এই দেশের মাটিতে থাকার অধিকার নেই? ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমার বিশ্ববিদ্যালয়, আমার প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়। তবে আমি মনে হয় আর কোনোদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে চাইব না। ছাত্র-ছাত্রীদের দেখলেই মনে হবে, এরাই হয়তো সেই রাজাকার।’ ‘আর যে কয়দিন বেঁচে আছি, আমি কোনো রাজাকারের মুখ দেখতে চাই না। একটাই তো জীবন। সেই জীবনে আবার কেন নূতন করে রাজাকারদের দেখতে হবে?’ ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার কিছু চাইবার নেই, স্বাধীন একটা দেশ চেয়েছিলাম, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়েছিলাম। দু’টোই পেয়ে গেছি। এখন যদি আরও কিছু পাই সেটা হবে বোনাস। (তবে অস্বীকার করব না বেনজীর-আবেদ আলীদের সামলে-সুমলে রাখলে একটু আনন্দ পেতাম।)’ ‘আমরা সবাই জানি, একটা দেশে যদি সবাই সমান সুযোগ পায়, সুবিধা পায় আর সবার যদি সমান অধিকার থাকে, তাহলে কোটার কোনও প্রয়োজন নেই। যদি না থাকে তাহলে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য কোটা রাখা একটা মানবিক ব্যাপার। অবশ্য মানবিক ব্যাপার কথাটা একটু খানি বইয়ের ভাষা, সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত কয়জনের আর অন্যদের মানবিক ব্যাপার নিয়ে মাথা ব্যথা আছে?’ ‘যদি কোটার ব্যাপারটা সহজভাবে লিখি তাহলে বলা যায়, দুই রকম কোটা আছে একটা ভালো, অন্যটা খারাপ। প্রথমে খারাপটার কথা বলি, তার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হচ্ছে— পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ছেলেমেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার কোটা, যেটাকে পোষ্য কোটা বলে। আমি খুঁটিনাটি জানি না, সম্ভবত পোষ্য কোটা শুধু শিক্ষকদের জন্য না, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্যও খোলা, কিন্তু বাস্তবে শিক্ষকদের সন্তানদের ছাড়া আর কোনও সন্তান সেই সুযোগ ব্যবহার করতে পেরেছে বলে মনে হয় না। এই পোষ্য কোটা নিয়ে কখনও কোনও উচ্চবাচ্য হতে দেখিনি। যদিও পোষ্য কোটার ছাত্র-ছাত্রীরা পাস করার পর আবার তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক বানাবার একটি নতুন চাপ শুরু হয়, নিজের চোখে দেখা। আর ভালো কোটার উদাহরণ হচ্ছে—...
**মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ১৪ জুলাই ২০২৪, অধ্যাপক ও লেখক [https://www.jagonews24.com/amp/956143]
* কোটা সংস্কার আন্দোলনে যাঁরা ‘‘আমি রাজাকার’’ স্লোগান দিচ্ছেন, তাঁদের শেষ দেখিয়ে ছাড়ব।
** সাদ্দাম হোসেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ১৫ জুলাই ২০২৪
* কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কতিপয় নেতারা যে সব বক্তব্য রেখেছে, তার জবাব দেয়ার জন্য- আত্মস্বীকৃত রাজাকার, যারা নিজেদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ মানসিকতার প্রকাশ ঘটিয়েছে; তার জবাব দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। ছাত্রদের বিষয় ক্যাম্পাসের মধ্যেই সীমিত থাকবে। আমরা দেখি, রাজনৈতিকভাবে কারা প্রকাশ্যে আসে, তখন দেখা যাবে। আমরাও মোকাবেলা করতে প্রস্তুত।
** [[ওবায়দুল কাদের]], ১৫ জুলাই ২০২৪
*যারা নিজেদেরকে রাজাকার বলে পরিচয় দেয়, তাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদের রক্তস্নাত লাল সবুজের পতাকা হাতে নিয়ে বা সে পতাকা কপালে বেঁধে নিয়ে মিছিল করবার কোনো অধিকার থাকতে পারে না।’’
** [[দীপু মনি]], ১৫ জুলাই, [https://www.somoynews.tv/news/2024-07-15/2KvCG3uW]
* রক্তাক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়! আমার ক্যাম্পাসে রক্ত কেন? প্রতিবাদ জানাই।’
** আয়মান সাদিক, ১৫ জুলাই, টেন মিনিট স্কুলের স্বত্ত্বাধিকারী [https://www.jagonews24.com/social-media/news/955804]
*কথা বলার স্বাধীনতা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না আমি তাদের (আন্দোলনকারীদের) পূর্ণ সমর্থন করি। সহিংসতা দিয়ে সত্যকে কখনো থামানো যায় না। সত্য কখনো মরে না। বাংলাদেশের জন্য দোয়া করবেন।
** দাউদ কিম, ১৬ জুলাই ২০২৪, দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার, ফেসবুক স্ট্যাটাসে[https://www.somoynews.tv/news/2025-07-20/H3KVsSTV]
*বাংলাদেশে যা ঘটছে তা ভয়াবহ। কিন্তু মিডিয়া এত চুপ কেন? আর পুলিশ এখন কি করছে? এটি লজ্জার, ওরা আপনার ভাই! আপনি যখন নিরপরাধ ছাত্রদের সাথে সহিংস আচরণ করছেন, তখন আপনি কোন ন্যায়বিচারের কথা বলছেন? যারা সহিংসতার মাধ্যমে স্বাধীনতার জন্য লড়াইকারীদের থামানোর চেষ্টা করছেন; তাদের (শিক্ষার্থীদের) ইচ্ছাকে কখনোই থামাতে পারবেন না। আল্লাহ তাদের পথচলা সহজ করুন। যারা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আল্লাহ তাদের অসীম গৌরব ও বিশ্রাম দিন… আমিন।
** দাউদ কিম, ১৬ জুলাই ২০২৪, দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার, ফেসবুক স্ট্যাটাসে [https://www.somoynews.tv/news/2025-07-20/H3KVsSTV]
* ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করা হলো।
** আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ফেসবুক ওয়ালে ও শাবিপ্রবির বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081]
* মুহম্মদ জাফর ইকবালকে আমরা খুব শ্রদ্ধা করতাম। কিন্তু তার গতকালকের লেখাটি আমাদের হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে। তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। শিক্ষার্থীরা যখন খুন হচ্ছে, হামলার শিকার হচ্ছে তখন একজন শিক্ষক হয়ে তিনি এ ধরনের লেখা লিখতে পারেন না। তাই আমরা তাকে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে আজীবনের জন্যে নিষিদ্ধ করেছি। [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081]
* নাম না প্রকাশ করার শর্তে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এক শিক্ষার্থী, ১৭ জুলাই ২০২৪, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081]
* জাফর ইকবাল স্যার সম্পর্কে আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো কথা বলতে চাই না। আমার ধারণা উনার প্রচণ্ড বুদ্ধিসুদ্ধির অভাব আছে। হয় উনার মধ্যে প্রচণ্ড অপরাধবোধ কাজ করে যে ১৯৭১ সালে উনি কী করেছেন, এই অপরাধবোধ ঢাকার জন্য উনি অতিরিক্ত মুক্তিযোদ্ধা সাজার চেষ্টা করেন। অধ্যাপক জাফর ইকবালের কাছে তার একটাই প্রশ্ন- আপনি কী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বোঝেন? আপনি কি পড়াশোনা করেছেন? আপনি কি বাহাত্তর সনে গণপরিষদ বিতর্ক পড়েছেন? তার তো কোনো পড়াশোনাই নাই, সে তো শিক্ষাবিদ দূরের কথা উনি বুদ্ধিপ্রতিবন্ধক একজন মানুষ।
** আসিফ নজরুল, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.ittefaq.com.bd/694138/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2]
* আমাদের সাইট থেকে তার (মুহম্মদ জাফর ইকবালের) সব বই ‘নট অ্যাভেইলেবল’ করে দেওয়া হয়েছে।
** রকমারি ডট কম কর্তৃপক্ষ, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.rtvonline.com/bangladesh/283021]
* শুধু কোটা নয়; গোটা দেশটাই সংস্কারের প্রয়োজন।
** [[মিজানুর রহমান আজহারী]] ১৭ জুলাই ২০২৪ বুধবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে তিনি বলেন,[https://dainikamadershomoy.com/details/0190bf2b9c2f]
* ...পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা
** সানজিদা চৌধুরী, ১৭ জুলাই ২০২৪, আন্দোলনকারী [https://m.youtube.com/watch?v=f01wgCz4UIA] [https://www.somoynews.tv/news/2025-02-21/24NM1wYW]
* এই আন্দোলনের শুরু থেকেই সরকার যথেষ্ট ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন করেছে। বরং আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশ সহযোগিতা করে। মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে যখন আন্দোলনকারীরা স্মারকলিপি প্রদান করার ইচ্ছা প্রকাশ করে, সে ক্ষেত্রে তাদের সুযোগ করে দেওয়া হয় এবং নিরাপত্তারও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো- কিছু মহল এই আন্দোলনের সুযোগটা নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করার সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। এর ফলে এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে যে সব ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক। অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল। আপনজন হারাবার বেদনা যে কত কষ্টের, তা আমার থেকে আর কে বেশি জানে।
** [[শেখ হাসিনা]], ১৭ জুলাই ২০২৪, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে
* ভাই, পানি লাগবে কারও পানি?
** [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]], ১৮ জুলাই ২০২৪, ঢাকায় একটি আন্দোলনে পুলিশের লক্ষহীন এলোপাথাড়ি গুলিতে মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে ছাত্রদের মাঝে বিনামূল্যে পানি ও বিস্কুট বিতরণ করার সময় [https://www.jugantor.com/national/830891/%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%AB-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9F-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7]
* ‘এ আগুন থামান। এ আগুন নেভানোর দায়িত্ব সরকারের। কালবিলম্ব না করে সম্ভব হলে আজ-কালকের মধ্যেই স্পেশাল কোর্ট বসিয়ে সমস্যার সমাধান করুন। সময় খুব কম। আমরাও সরকারে (এরশাদের আমলে) ছিলাম। আমরাও এভাবে আন্দোলনকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিলাম। নূর হোসেন মারা যাওয়ার পর অনেকে বলেছিলেন, টোকাই মারা গেছে, কী হবে? কিন্তু আমি বলেছিলাম, না, এই নূর হোসেন একক কোনো ব্যক্তি নয়।’
**কাজী ফিরোজ রশীদ, ১৮ জুলাই ২০২৪, নির্বাহী চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টি (রওশন এরশাদপন্থী)
* ‘সব ধরনের সহিংসতা ও বলপ্রয়োগ, বিশেষ করে প্রাণহানির ঘটনার অবশ্যই তদন্ত করতে হবে এবং দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ মানুষের মৌলিক মানবাধিকার।’
**ভলকার টুর্ক, ১৮ জুলাই ২০২৪, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার, এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে
* আপনার কোনো অধিকার নেই আমাকে রাজাকারের বাচ্চা বলার! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আপনি কোন সাহসে আমাকে রাজাকারের বাচ্চা বলেন? আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান!
** দীপ্তি চৌধুরী, ১৮ জুলাই, আলোচনা সঞ্চালক, চ্যানেল আইএর টু দ্য পয়েন্ট নামক টকশোতে আলোচক সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক স্টুডিও ছাড়ার আগে তাকে ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে সম্বোধন করার প্রতিক্রিয়ায় [https://www.ntvbd.com/bangladesh/news-1435909]
* আমি ভারতের নাগরিক। বাংলাদেশ আমাদের প্রতিবেশী। তার বিষয় আসয়ে নাক গলানোর অধিকার আমার নেই। সেটা করতে চাইও না। তবু বাংলাদেশের অনেকের কাছ থেকে যে ভালবাসা আমি পেয়েছি তা ভুলে থাকতেও পারছি না। বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থায় চুপ করে বসে থাকতে পারি না। থেকেছি কয়েক দিন। আর পারছি না। কিন্তু অবস্থাটা যে ঠিক কী, কী কী কারণে যে এমন হল এবং হচ্ছে, কারা যে এতে জড়িত তাও তো ঠিকমতো জানি না। তাও পঁচাত্তর উত্তীর্ণ এই বাংলাভাষী করজোড়ে সব পক্ষকে মিনতি করছি: অনুগ্রহ করে হিংসা হানাহানি বন্ধ করুন। ঢাকা সরকারকে অনুরোধ করছি: বাংলা ভাষার কসম শান্তি রক্ষার চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। আপনাদের ছাত্রবাহিনী যেন হিংসার আশ্রয় না নেন।” “হানাহানি বন্ধ হোক। বন্ধ হোক উল্টোপালটা কথা বলে দেওয়া। বাঁচুক বাংলাদেশ। বাঁচুন বাংলাদেশের সকলে। জয় বাংলাদেশ। জয় মুক্তিযুদ্ধ। জয় অসংখ্য বাংলাদেশীর শাহাদাত ও অপূরণীয় ক্ষতিস্বীকার। জয় বীরাঙ্গনারা। জয় বাংলা ভাষা!”“বিরোধী হলেই রাজাকার!/ বলে দাও তবে দেশটা কার/ দেশটা কার দেশটা কার!”
** কবীর সুমন, ১৮ জুলাই ২০২৪, ফেসবুক পোস্টে [https://mzamin.com/news.php?news=119230]
* প্রায় এক মাস হলো আমি নিজের দেশে নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খবরের চ্যানেলে তৃতীয় বিশ্বের কোনো খবরই তেমন একটা চলেনা। আর আমি খুব একটা ফোনের পোকা নই তাই এত খারাপ একটা খবর কানে আসতে দেরি হলো। বাংলাদেশের স্মৃতি নিয়ে স্বস্তিকা লিখেন, ‘এই তো কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ গেলাম, খুব ইচ্ছে ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় যাওয়ার। চারুকলা যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল, জীবনের একটা স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। প্রতিবার আসি, ব্যস্ততায় যাওয়া হয়না, মা‘ও খুব যেতে চাইতেন বাংলাদেশ, নিয়ে যাওয়া হয়নি। কিন্তু আজ একটা ভিডিও দেখলাম, গুলির ধোঁয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা আক্রান্ত। ছাত্র বয়স গেছে সেই কবে, তবে জাহাঙ্গীরনগর আর আমার যাদবপুর খুব কাছাকাছি। কাঠ গোলাপের গাছগুলোও কেমন এক রকম। এক রকম আকাশের মেঘগুলোও। কেবল আজ ওখানে বারুদের গন্ধ।’‘ময়দান ভারী হয়ে নামে কুয়াশায়, দিগন্তের দিকে মিলিয়ে যায় রুটমার্চ, তার মাঝখানে পথে পড়ে আছে ও কি কৃষ্ণচূড়া? নিচু হয়ে বসে হাতে তুলে নিই, তোমার ছিন্ন শির, তিমির।’ এমন এক আপ্যায়নপ্রিয় জাতি দেখিনি, খাবারের নিমন্ত্রণ যেন শেষ হতেই চায় না, অমন সুন্দর করে সারা রাস্তা জুড়ে ভাষার আল্পনা আর কোথায় দেখবো? নয়নজুড়ানো দেওয়াল লেখা? এ বোধহয় মুক্তিযুদ্ধের শপথ নেওয়া একটা জাতির পক্ষেই সম্ভব। আজ অস্থির লাগছে। আমিও তো সন্তানের জননী। আশা করবো বাংলাদেশ শান্ত হবে। অনেকটা দূরে আছি, এই প্রার্থনাটুকুই করতে পারি। অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো, সেই আমাদের আলো, আলো হোক, ভাল হোক সকলের।
** স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, ১৮ জুলাই ২০২৪, কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত আবু সাঈদের আঁকা ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে, যার উপরে লেখা "বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর।" [https://www.ntvbd.com/entertainment/news-1430941] [https://www.bvnews24.com/entertainment/news/155975]
* বাংলাদেশে থাকা যেসব মানুষ ভোগান্তির মধ্যে আছেন, তাঁদের জন্য আমার প্রার্থনা ও সহমর্মিতা রইল।
** [[:w:এনসো ফের্নান্দেস|এনজো ফার্নান্দেজ]], ১৯ জুলাই ২০২৪, ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার, ফেসবুকের এক পোস্টে [https://www.prothomalo.com/sports/football/bbeqhr6be7]
*এটা অবশ্যই কারফিউ। এটা নিয়ম অনুযায়ীই হবে এবং সেটা শুট অ্যাট সাইট হবে।
** [[ওবায়দুল কাদের]], ২০ জুলাই ২০২৪, গণভবনে ১৪ দলের বৈঠকের পর কারফিউ জারি ও সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সাংবাদিকদের দেওয়া বক্তব্য [https://www.prothomalo.com/bangladesh/34df7itae8]
* দেশকে যখন আমরা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছি, তখন দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনের মধ্যে গুজব ছড়ানো হয়েছে, শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু বলে দিতে চাই, শেখ হাসিনা পালায়নি, পালায় না। আমি জানি ব্যবসা বানিজ্য সচল রাখতে হবে। এজন্য আপনাদের সহযোগিতা দরকার। যে ক্ষতি হয়েছে সেটি কারা করলো? এবার অতো সহজে ছাড়া হবে না। ধ্বংসযঞ্জে চালিয়ে দেশকে ধ্বংস করবে? আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই যাতে দেশের ভাবমূর্তি ঠিক থাকে। ভাবমূর্তি ঠিক না থাকলে ব্যবসা লাটে উঠবে।
** [[শেখ হাসিনা]], ২২ জুলাই ২০২৪, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে
* সরকার আগে থেকে আন্তরিক হলে মৃত্যু কমানো যেতো। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা যে দাবি করেছিল, সেটা তো শেষ পর্যন্ত মেনে নেওয়া হয়েছে। এটাই যদি শুরুতে উদ্যোগ নিয়ে করা হতো তাহলে তো এত প্রাণহানি হতো না। বরং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগকে উস্কানি দিয়ে আন্দোলনকারীদের উপর হামলা না করালে হয়ত পরিস্থিতি এ দিকে যেতো না। ফলে আমি মনে করি, সরকার আন্তরিক হলেই প্রাণহানি কমতো।
** সাখাওয়াত হোসেন ২৫ জুলাই ২০২৪, নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%BE/a-69767637]
* সরকার দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করেনি, ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গেছে।
**[[জুনাইদ আহমেদ পলক]], ২৭ জুলাই ২০২৪, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, ‘শান্তির জন্য বৃক্ষ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/34df7itae8]
* এখানে আমার তো কোনও চাওয়া-পাওয়া নেই। আমি তো ছেলে-মেয়েদের জন্যও কিছু করিনি। শুধু তাদের লেখাপড়া... নিজেরাই চাকরি করে লেখাপড়া করেছে। আমি কতটুকুইবা তাদের জন্য করতে পেরেছি। কিন্তু আমি দেশের মানুষের জন্য করেছি। আজ অন্তত মানুষের ভাত-কাপড়ের ব্যবস্থা, চিকিৎসার ব্যবস্থা, তাদের কাজের সংস্থান; সবই তো করে দিচ্ছিলাম। যখন আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেলাম, তখনই তাণ্ডব করে ঠিক যে জায়গাগুলো (প্রতিষ্ঠান) মানুষের সেবা করবে, সে জায়গাগুলোতে আঘাত করা হলো। সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার পরেও তাদের আর সেই শাটডাউন শেষ হয় না, কী কারণে আমি বুঝি না। আমরা তো সবগুলো দাবিই মেনে নিয়েছি। একটা মানলে আরেকটা, আরেকটা মানলে আরও একটা! আর এর ফল আজকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে সব একদিকে ছারখার, আর আজকে কত মানুষ জীবন হারালো! কতগুলো মানুষ পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে! কতগুলো মানুষ...।
** [[শেখ হাসিনা]], ২৭ জুলাই ২০২৪, আন্দোলনে আহতদের দেখতে শেরেবাংলা নগরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ট্রমাটোলজি অ্যান্ড অর্থোপেডিক রিহ্যাবিলিটেশন-নিটোর (পঙ্গু হাসপাতাল)-এ [https://www.banglatribune.com/national/855810/%E0%A6%8F%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B2-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80]
* মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের দিকেই যেন তাদের বেশি ক্ষোভ। আমার একটা কথা নিয়ে কত দিন প্রতিবাদ করল, কী কথা বলেছিলাম আমি? আমার কথাটাকে বিকৃত করা হয়েছিল। তাদের স্লোগানটা কী? ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার। তোমার বাবা, আমার বাবা, রাজাকার রাজাকার’। তার মানে তারা নিজেদেরই রাজাকার হিসেবে পরিচয় দিল। আমি তো তাদের রাজাকার বলিনি, তারা নিজেরাই স্লোগান দিয়ে নিজেদের রাজাকার হিসেবে পরিচিত করল সবার কাছে।”
** [[শেখ হাসিনা]], ২৭ জুলাই ২০২৪, বিটিভি ভবনের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শনকালে।
* আপনাদেরও সাহায্য চাই। যদি আপনারা কিছু জানেন, আমাদের জানাবেন। কারণ, এভাবে বারবার বাংলাদেশে সহিংসতা, এটা আর হতে দেওয়া হবে না। এ কারণে আপনাদের সাহায্য চাই। এমন জানোয়ারের মতো বর্বরতা কেউ কেউ করতে পারে? একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানের লাশ ঝুলিয়ে রাখতে পারে? যারা এগুলোর সাথে জড়িত, অবশ্যই এদের বিচার করতে হবে। তা না হলে মানুষের নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না। আমি তো বুঝি আপনাদের বেদনা। প্রতিনিয়ত বাপ-মা-ভাই-বোনদের হারানোর ব্যথা নিয়ে আমাদের চলতে হয়। লাশটাও দেখতে পারিনি, কাফন-দাফনটাও করতে পারিনি। দেশেও ফিরতে পারিনি। ছয় বছর দেশে ফিরতে দেয়নি আমাকে। যখন দেশে এসেছি, সারা দেশ ঘুরেছি। এই দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছি। সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছিলাম। কিন্তু বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটাবে, এই সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটাবে- এটা তো কাম্য না। আপনাদের কাছে শুধু এইটুকু বলবো, আপনারা সবুর করেন। আর আল্লাহকে ডাকেন যেন এই সমস্ত খুনি-জালেমের হাত থেকে আমাদের দেশটা রেহাই পায়। আমি আপনাদের সঙ্গে আছি, পাশে আছি। আমারও আপনাদের চোখের পানি দেখতে হচ্ছে। এটিই সবচেয়ে কষ্টের।
** [[শেখ হাসিনা]], ২৮ জুলাই ২০২৪, গণভবনে কোটা আন্দোলনে নিহত ছাত্রদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে
* কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মহাসচিব আন্তনিও গুতেরেস গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অত্যধিক বলপ্রয়োগের বিষয়ে সামনে আসা নানা প্রতিবেদনের বিষয়েও তিনি শঙ্কিত। যে-কোনো পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে জাতিসংঘ মহাসচিব তার ম্যান্ডেট অনুসারে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
** স্টিফেন ডুজাররিক, ২৯ জুলাই, জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র [https://www.ittefaq.com.bd/694840/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B2%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%AA-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87] [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8/a-69839456]
* দেশের সিভিল সার্ভিস থেকে শুরু করে সমস্ত সরকারি চাকরিতে সকলের বৈধভাবে প্রতিযোগিতা করার অধিকার থাকবে কিনা থাকবে না, এটি রাজনৈতিক প্রশ্ন। কিন্তু এর সমাধানের দিকে না গিয়ে দেশের সরকার প্রথমে উপেক্ষা করতে চেয়েছে, পরবর্তীতে দমননীতি অবলম্বন করেছে নিজের পেটোয়া বাহিনী দিয়ে। সেটা থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের শুরু। এখনো হত্যাকাণ্ডকে অস্বীকার করার জন্য চেষ্টা করছে। এই হত্যাকাণ্ড রাষ্ট্রীয় মদদে হয়েছে। এর বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের জন্য বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক তদন্ত দরকার। গতকাল (৩০ জুলাই ২০২৪) শোক দিবসের নামে একটা প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। সেখানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের জন্য শোক পালনের জন্য কালো ব্যাজ পরিধান করতে বলেছেন। আমরা সেটা প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা লাল ব্যাজ পরেছি। তারপরও তাঁদের তাঁরা শহীদ বলতে রাজি নন। তাহলে তাঁরা যদি শহীদ না হন, তাঁদের জন্য তাহলে প্রার্থনা করার দরকার কী? এ ধরনের অজস্র স্ববিরোধী আপনারা পাবেন। সরকার এখন এ হত্যাকাণ্ডকে জায়েজ করার জন্য অজুহাত দিচ্ছে। তারা মেট্রোরেল স্টেশনে হামলা করেছে, সেতু ভবনে হামলা করেছে অথবা বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনে হামলা করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, উন্নয়নের প্রতীকগুলো ধ্বংস করার জন্য বিরোধীরা এই আন্দোলনে ঢুকে পড়েছে। তবে দেশের মানুষ এটাকে মেনে নিল কেন? মানুষ যেটাকে দম্ভের প্রতীক মনে করে সেটিতে হামলা করে। এই সরকারের বৈধতার একমাত্র দাবি, তারা উন্নয়ন করেছে গত দেড় দশকে, আইয়ুব খানের এক দশক ছিল, শেখ হাসিনার দেড় দশক হয়েছে। এই শহরের মানুষ যে সরকারের উন্নয়নকে প্রত্যাখ্যান করেছে সেটা দেখা যায়। মানুষ যখন তথাকথিত উন্নয়নের প্রতীকে আক্রমণ করে তখন প্রথমে দেখে মনে হবে দুর্ঘটনা, কিন্তু না, এর পেছনে কারণ আছে। কেউ কি বিশ্বাস করেন এ সরকারের ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তারা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার করতে পারে? না। কারণ, তারা নিজেরাই হত্যাকারী। যারা নিজেরাই রাজাকার, খুনি, বিশ্বাসঘাতক তারা অপরকে বলে রাজাকার, খুনি, বিশ্বাসঘাতক। পৃথিবীতে এর চেয়ে বড় পরিহাস আর কী আছে। ক্ষমতার সর্বোচ্চ কেন্দ্রের চারদিকে আজ রাজাকারেরা বসে আছে। যখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরকারি বাহিনীর হামলার ফলে সাধারণ ছাত্ররা জেগে উঠল তাদের বিরুদ্ধে, তারা যখন পরাজয়ের মুখে, তখন তাদের সরিয়ে নিয়ে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ঢুকিয়ে দেওয়া হলো। তখনই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ল সারা দেশে। গুলিতে যাঁরা মারা গেছেন, তাঁরা আমাদের পথপ্রদর্শক। সংকটের উৎপত্তি কোথায়, সেদিকে না গিয়ে সরকার বলছে এই দল, সেই দলকে নিষিদ্ধ করব। সেটা সমস্যাকে আরও বাড়াবে। এজন্য এখন দরকার রাজনৈতিক সমাধান। বর্তমান সরকারকে ক্ষমা প্রার্থনা করে পদত্যাগ করতে হবে। পদত্যাগ ছাড়া নতুন কোনো ব্যবস্থা আমরা দিতে পারব না।
** সলিমুল্লাহ খান, ৩১ জুলাই ২০২৪, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের (ইউল্যাব) অধ্যাপক, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/5n7rtbmej1] [https://www.jugantor.com/national/others/832583/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0]
* আমি ঘুমাতে পারি না, যখন মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর গল্প পড়ি। যে ছেলেটা আন্দোলনে গিয়েছিল বিস্কুট ও পানি দেওয়ার জন্য। সে মারা যাওয়ার আগেও বলছিল, কারও পানি লাগবে, পানি লাগবে? এ অবস্থায় তাকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
** [[আসিফ নজরুল]], ৩১ জুলাই ২০২৪ [https://www.jugantor.com/national/832296/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%C2%A0]
* একটা জিনিস গেলে আবার গড়ে তোলা যায় কিন্তু একটা জীবন গেলে, প্রাণ গেলে তো আর ফিরে পাওয়া যায় না! যারা আপনজন হারিয়েছে, যে মা তার সন্তান হারিয়েছে, যে সন্তান তার বাবা হারিয়েছে, তাদের কষ্ট আর কেউ না বুঝুক, আমি তো বুঝি! কারণ আজকে এই আগস্ট মাস আমি তো বাবা-মা, ভাই সব হারিয়ে এই বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলাম নিজে ছোট ছোট বাচ্চাদের মাতৃস্নেহবঞ্চিত করে, কেন? বাংলাদেশের মানুষের জন্য। এই দেশের মানুষ সুন্দর জীবন পাবে, উন্নত জীবন পাবে, স্বাধীনতার সুফল পাবে। প্রত্যেকে পেট ভরে ভাত খাবে, প্রত্যেকে লেখাপড়া শিখবে, দারিদ্র্যের হাত থেকে মুক্তি পাবে। বাংলাদেশ উন্নত হবে, সমৃদ্ধশালী হবে, বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসন পাবে। যে মর্যাদা আমরা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর পেয়েছিলাম। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর যা আমরা হারিয়েছিলাম, আবার সেই মর্যাদা ফিরিয়ে নিয়ে আসব। আমি কিন্তু এনেছিলাম। বাংলাদেশ বিশ্বে সেই মর্যাদা পেয়েছে। সেই জায়গায় আমরা নিয়ে গিয়েছিলাম। আজকে বাংলাদেশ সম্পর্কে প্রতিটি জায়গায় নেতিবাচক একটা মনোভাব হয়ে গেছে। এই যে এতদিন এত শ্রম দিলাম, এত কষ্ট, নিজের দিকে তো তাকাইনি! নিজের ছেলে-মেয়ের তো কিছু করিনি! যেটুকু করেছি, এ দেশের মানুষের জন্য।
** [[শেখ হাসিনা]], ১ আগস্ট ২০২৪, জাতীয় শোক দিবস স্মরণে আলোচনাসভায় বক্তব্যে [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-601736]
*...আপনাদের দুজনের কাছেই প্রশ্ন, তবে, পানি লাগবে কিনা, পানির বোতল কিন্তু আছে, আপনার ওখানে? পানি লাগবে পানি? হ্যাঁ, এরকম একটা বোতল আছে। মুগ্ধ আমাদের জন্য অনেকগুলো পানির বোতল রেখে গিয়েছে। সেই পানি এখানেও আছে।... (কয়েক সেকেন্ডের জন্য আবেগআপ্লুত হয়ে বাকরুদ্ধ থেকে আবার স্বাভাবিক হয়ে ভারী গলায়)... অগাস্ট মাস আমাদের শোকের মাস... অগাস্ট এর আগে জুলাইতে এমন করে শোক পালন করতে হবে...(ক্রন্দনরত) আমরা কেউ ভাবি নি।.. কিছুক্ষণ আগে আপনাকে একটা ঘটনার কথা বললাম,.. আপনি শুনেছেন, আমি আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আপনি এই ঘটনা বলবেন। কি হয়েছে একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে।.. (ক্রন্দন).. প্লিজ দর্শক কেউ ভাববেন না আমি প্ল্যান করে এসেছি, আমি কোন ভিউ বাড়ানোর জন্য কান্নাকাটি করছি, প্লিজ কেউ ভাববেন না। আমি একজন এঙ্কর,.. আম.. আহ.. আমার আসলে এই মুহূর্তে ইমোশনাল হওয়ার কথা না।.. আমি মূল অনুষ্ঠানে যাচ্ছি।..(স্বাভাবিক কণ্ঠে) আজ বারবার বঙ্গবন্ধুর কথা মনে পড়ছে,.. বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোকের উপর হত্যা করা হয়, তিনি হুংকার দিয়েছিলেন পাকিস্তানি স্বৈরশাসককে।...(ক্রন্দনরত) আজ বঙ্গবন্ধু থাকলে এই অবস্থা হতো?..।
** রোকসানা আঞ্জুমান নিকোল, ১ আগস্ট ২০২৪, যমুনা টিভির সঞ্চালক, রাজনীতি নামক টকশোতে [https://m.youtube.com/watch?si=x4VxWYBBRrf5x78q&v=mWxbLBDydvE&feature=youtu.be] [https://m.youtube.com/watch?si=k_RceivO_6D3DqzU&v=GPJ1cBhZaxU&feature=youtu.be] [https://thedailycampus.com/struggle/148662/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD-%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE]
* আমরা সকল নির্যাতন, গোলাগুলি, হত্যা, রক্ত– এগুলো দেখতে চাই না। এসবের বাইরে থাকতে চাই। অনেক হাইপারটেনশনের রোগী হয়ে গেছি। এগুলো দেখতে আর ভালো লাগে না। আমরা শান্তি চাই, রক্তপাত চাই না...আমি তো অনেককে অনেক কিছুই বলতে পারি। কিন্তু বিষয়টি সিদ্ধ হতে হবে। এগুলো তো প্রমাণিত হওয়ার ব্যাপার। কোনো প্রমাণিত সত্য আমার হাতে না পেলে, এটা বলতে পারি না।
** [[মোশাররফ করিম]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেতা [https://ntvbd.com/entertainment/news-1435217]
* আমাদের যে ভাইরা, যে বন্ধুরা মারা যাচ্ছে, মারা গেল—যদি আপনি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হন, আপনি রাতের বেলা ঘুমাতে পারবেন না। আমার কানে এখনও বাজে যে ‘কারও পানি লাগবে?’ এটা যতদিন মাথায় থাকবে ততদিন আমরা শান্তিতে ঘুমাতে পারব না।
** [[সিয়াম আহমেদ]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেতা [https://www.itvbd.com/entertainment/dhallywood/161405/%E2%80%98%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E2%80%99]
* যেদিন থেকে এই ঘটনাগুলো শুরু হয়েছে, যেদিন থেকে গুলি চলেছে, সেদিন থেকে আমি দুই চোখের পাতা এক করতে পারিনি। কারণ ওই শিশুগুলোর মধ্যে আমার সন্তান থাকতে পারতো। ওই মানুষগুলোর মধ্যে আমি, আপনি থাকতে পারতাম।যে অন্যায়, অবিচার, নিপীড়ন করা হয়েছে বা করা হচ্ছে এখনো, যেভাবে গণগ্রেপ্তার করা হচ্ছে, যেভাবে গুলি করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, একটি গণতান্ত্রিক দেশে সেই দৃশ্য দেখার পর কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ যদি বাড়িতে বসে থাকতে পারে, তাহলে আমার বলার কিছু নেই। কারণ আমার একটি ১২ বছরের সন্তান আছে। আমি নিজে এ দেশের নাগরিক। আমার বিদেশি কোনো পাসপোর্ট নেই। আমি এই দেশেই থাকবো এবং এই দেশটি আমার। এই দেশটি আমরাই সংস্কার করবো। এটা কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি হতে পারে না। আমি এসব অন্যায়ের সুষ্ঠু তদন্ত চাই এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিচারের আওতায় আনা হোক। এর প্রকাশ্য-প্রয়োগ আমরা দেখতে চাই।
** [[আজমেরী হক বাঁধন]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেত্রী [https://www.jagonews24.com/entertainment/news/958484]
* বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।
** শমী কায়সার, ১ আগস্ট, আন্দোলনে ভাংচুরে ক্ষতিগ্রস্ত বিটিভি ভবন পরিদর্শনকালে, সাথে ছিলেন ফেরদৌস আহমেদ, রোকেয়া প্রাচী, জ্যোতিকা জ্যোতি, সোহানা সাবা, সুজাতা, রিয়াজ, অরুণা বিশ্বাস, নিপুণ, আজিজুল হাকিম, রোকেয়া প্রাচী, তানভীন সুইটি, হৃদি হক, সাজু খাদেম, সোহানা সাবা, চন্দন রেজা, শুভ্র দেব, মুশফিকুর রহমান গুলজার, এস এ হক অলিক, খোরশেদ আলম খসরু, শামীমা তুষ্টিসহ আরও অনেকে। [https://jamuna.tv/news/552593]
* শেম অন ইউ গাইজ। (লজ্জা হচ্ছে তোমাদের জন্য)।
** সাদিয়া আয়মান, ১ আগস্ট ২০২৪, ফেরদৌস-শমী কায়সারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শমী কায়সারের "বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।" মন্তব্যযুক্ত যমুনা টিভির কার্ড শেয়ার করে [https://www.jugantor.com/entertainment/833197/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%AE-%E0%A6%85%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%89-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9C-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%8C%E0%A6%B8%E0%A6%B6%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8]
* একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা বিটিভির প্রাঙ্গণে গিয়ে চোখের পানি ঝরিয়েছেন। অবশ্যই তাদের জীবন ও ক্যারিয়ারের সঙ্গে বিটিভি কেন্দ্রিক স্মৃতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের দুঃখ পাওয়াটা হয়তো স্বাভাবিক। কিন্তু! এত ছাত্র-ছাত্রী, শিশু, মা, বোন, সাধারণ মানুষ যে মারা গেল তা নিয়ে একবারও কিচ্ছু বললেন না! একবারো দুঃখ প্রকাশ করলেন না। একবারো এই মানুষগুলোর হত্যার বিচার চেয়ে কিছু বললেন না। কেন? কারণ যারা এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন তারা আপনাদের কেউ না। তাদের বা তাদের পরিবারের দ্বারা আপনাদের কোনো লাভ হবে না, স্বার্থ হাসিল হবে না এবং ক্ষমতাও পাবেন না। তাই কি? নিজেদের লাভ লস চিন্তা করে, ক্ষমতার স্বার্থে কিংবা কাউকে দেখানোর জন্য আপনারা যে কথাগুলো ক্যামেরার সামনে বলেছেন এগুলো সারাজীবন আর্কাইভে তো থাকবেই, আমাদের মনেও থেকে যাবে। জেনারেশন টু জেনারেশন জানবে ৯০ দশকের যাদের অভিনয় টিভি স্ক্রিনে দেখে আমরা মুগ্ধ হয়েছি এখন তাদের বাস্তব জীবনের কর্ম দেখে আমরা বিস্মিত এবং লজ্জিত! দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আপনাদের প্রতি শ্রদ্ধা হয়তো আর কখনো ফিরে আসবে না।
** সাদিয়া আয়মান, ২ আগস্ট ২০২৪, ১ আগস্ট দেওয়া ফেসবুক পোস্ট এর ব্যাখ্যা হিসেবে দেওয়া ফেসবুক পোস্টে [https://www.daily-sun.com/bangla/post/4042]
* আন্দোলন প্রত্যাহার করে ডিবি অফিস থেকে প্রচারিত ছয় সমন্বয়কের ভিডিও স্টেটমেন্টটি আমরা স্বেচ্ছায় দেইনি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো সিদ্ধান্ত ডিবি অফিস থেকে আসতে পারে না। সারাদেশের সকল সমন্বয়ক ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ব্যতীত কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গৃহীত হবে না। ডিবি অফিসে আমাদের জোর করে খাবার টেবিলে বসিয়ে ভিডিও করা হয়। আমাদের ছেড়ে দেবার আশ্বাস দিয়ে পরিবারকে ডেকে ১৩ ঘন্টা বসিয়ে রাখা হয় এবং মিডিয়ায় মিথ্যা স্টেটমেন্ট দেওয়ানো হয়। আমাদের শিক্ষকরা দেখা করতে আসলে, দেখা করতে দেওয়া হয়নি।
**কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৬ সমন্বয়ক, ২ আগস্ট ২০২৪ [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/quota-protest/news-601946]
* আমরা এখন রাস্তায়, কারণ আমাদের হাজারো ভাই-বোন মারা গেছেন, হাজারো মানুষকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। যার ফলে এখন, বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে, ছাত্রদের সঙ্গে কর্মজীবী মানুষ, সঙ্গীত ও অভিনয় শিল্পীরাও একাত্মতা পোষণ করেছেন। তারা সবাই রাস্তায় নেমে এসেছে, আন্দোলন করছে এবং একজন নাগরিক হিসেবে ও সাধারণ মানুষ হিসেবে তার অধিকার সম্পর্কে দাবি তুলছে। বাংলাদেশের পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনী ছাত্রদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে এই আন্দোলনের যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, আমাদের একজন সমন্বয়ক আরিফ সোহেলকে মিথ্যা মামলায় তুলে নেওয়া হয়েছে। ছাত্ররা রাস্তায় নামলেই তারা গণহারে গ্রেফতার করছে। রংপুরে আন্দোলন করার সময় অসংখ্য ছাত্রছাত্রীদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারা দিনদিন আরও কঠোর হচ্ছে। মনে হচ্ছে যেন যুদ্ধের মধ্যে আছি আমরা। বাস্তবে আমাদের এখানে কোনো যুদ্ধ চলছে না, তাহলে আমার প্রশ্ন যুদ্ধ আসলে কেমন হয়। সরকার এটির সমাধান করতে পারত রক্ত ঝরার আগেই। আমাদের ভাই ও বোনদের গুলি খেয়ে রক্ত ঝরার আগেই সমাধান করা উচিত ছিল তাদের। এটা এখন আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। সরকার হাজারের বেশি মানুষকে মেরেছে,হাজারের বেশি মানুষকে তুলে নিয়েছে। সব মিলিয়ে নয় হাজারের বেশি মানুষকে তুলে নিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং জেলে পাঠানো হয়েছে। কাজেই অবশ্যই আমরা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ ও আন্দোলন কারিদের পক্ষ থেকে করজোড়ে প্রত্যেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক কমিউনিটির কাছে সাহায্য চায়। তারা যেন সরকারকে প্রশ্ন করে, চাপ দেয়।’ আমাদের আন্দোলন এখন আর কোটায় সীমাবদ্ধ নেই। আমাদের হাজারো ভাই-বোন মারা গেছে। আমরা সেই নিহতের প্রকৃত সংখ্যাটি পর্যন্ত জানি না। সরকার বলছে তারা নিহতের সংখ্যা জানাবে। গণমাধ্যমে আমরা দেখছি আড়াইশর বেশি নিহতের কথা। বাংলাদেশি পুলিশ ও সরকারের বর্বরতা থেকে নিষ্পাপ শিশুরা পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না। ২ বছর ৪, ৬ ও ১১ বছরের শিশুরা পর্যন্ত মারা গেছে। এমনকি শিশুদের পর্যন্ত আদালতে দাঁড় করিয়েছে তারা। কাজেই এই আন্দোলন এখন আর কোটায় সীমাবদ্ধ নেই। এই আন্দোলন এখন আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের আন্দোলন। এই আন্দোলন এখন আমাদের মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার অধিকারের আন্দোলন। শুরুতে এটা ছাত্রদের আন্দোলন হলেও এখন এটা গণমানুষের আন্দোলন। বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। আন্দোলন দমাতে সরকার অনেকেই গ্রেফতার করেছে। আমাদের অনেক নেতাকে তুলে নিয়ে গেছে। কিন্তু আমরা এখন বিশ্বাস করি আমরা এখন সবাই নেতা। আমার এখন সবাই সমন্বয়ক। আর আমরা এই লড়াই চালিয়ে যাব স্বৈরাচার শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত। এক নায়কতন্ত্র বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত এবং আমাদের সব দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত।
** প্রাপ্তি তাপসী, কোটা আন্দোলনের পক্ষে অন্যতম সংবাদ প্রতিনিধি ছাত্রী, ২ আগস্ট ২০২৪ আল-জাজিরার দ্য স্ট্রিম অনুষ্ঠানে দেওয়া দীর্ঘ অনলাইন সাক্ষাৎকারে [https://www.jugantor.com/national/833516/%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87]
* নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর সহীহ হাদিস অনুসারে, যারা তাদের অধিকার চাওয়ার জন্য মৃত্যুবরণ করে তারা শহীদ (ইসলামে শহীদ)। এই ঘটনার অনুরূপ, বাংলাদেশে কোটা আন্দোলনে নিহত ছাত্র এবং প্রতিবাদকারীদের শহীদ বলা যেতে পারে।
** [[জাকির নায়েক]], ২ আগস্ট ২০২৪ [https://m.youtube.com/watch?si=yyEcVJgePz4KaCKf&v=PZj5iYTWR6I&feature=youtu.be]
* বাংলাদেশের আমার সব ভক্তকে বলছি, আমি তোমাদের কথা শুনছি, তোমাদের জন্য প্রার্থনা করছি।
** [[:w:এনসো ফের্নান্দেস|এনজো ফার্নান্দেজ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে লাল কাপড়ে চোখ ঢাকা পেছনে বাংলাদেশের পতাকাসহ প্রতীকি ছবি শেয়ার করা ফেসবুকের এক পোস্টের ক্যাপশনে [https://www.jagonews24.com/en/amp/75912]
* ইয়া আল্লাহ, তুমি যুদ্ধে আমার নবীকে যেভাবে সাহায্য করেছ! সেভাবে আমাদের ভাইগুলোকে সাহায্য করো আমিন।
** ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তী, ৩ জুলাই, ২০২৪, অভিনেত্রী [https://www.rtvonline.com/amp/entertainment/284946]
* তাদের সাথে আলোচনার কোন পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের দাবি অত্যন্ত সুস্পষ্ট, তাদের কোন বক্তব্য থাকলে দেশবাসীর সামনেই মিডিয়া মারফত তা রাখতে পারেন। আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার সিদ্ধান্তই আমাদের সিদ্ধান্ত। গুলি আর সন্ত্রাসের সাথে কোন সংলাপ হয় না।
** [[আসিফ মাহমুদ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, কোটা আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক, বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://www.bbc.com/bengali/live/cgrlrjlj9drt#asset:2d5e6283-ba9d-4c26-b7e1-118dc3956d52]
* চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে দেশব্যাপী চলা অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে অনেক ইমাম-খতীবকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। কোনো কোনো খতীবকে কারণ ছাড়াই ছুটিতে রাখা হয়েছে। যারা এগুলো করেছেন, ঘোরতর অন্যায় ও নীতিবহির্ভূত কাজ করেছেন। এদেশে সবচেয়ে কম সুযোগ সুবিধায় দায়িত্ব পালন করেন ইমাম-মুয়াজ্জিনগণ। তারা স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পান খুবই কম। অথচ তাদের ওপর খবরদারি করা হয় সব থেকে বেশি। ইমাম মানে নেতা। তাদের ওপর খবরদারি করা মুসলিমসুলভ আচরণ হতে পারে না। কোনো ইমাম সত্য উচ্চারণ করতে গিয়ে জুলুমের শিকার হলে সবাইকে তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান করছি। ইমাম-খতীবগণ যত স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারবেন, আমাদের সমাজ ততই ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে এগোবে।
** [[শায়খ আহমাদুল্লাহ|আহমদুল্লাহ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশী আলিম (মুসলিম ইসলামী পণ্ডিত), ঈমাম, খতীব, ইসলাম ধর্ম প্রচারক ও বক্তা, নিজস্ব ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে কোটা আন্দোলনের পক্ষে কথা বলায় দেশব্যাপী ঈমাম খতীবদের চাকরিচ্যুত করা প্রসঙ্গে [https://www.jugantor.com/national/833757/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9]
* আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য গণভবনের দরজা খোলা। কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আমি বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। আমি সংঘাত চাই না। আমি আবারও বলছি, আন্দোলনকারীরা চাইলে আমি এখনো আলোচনায় রাজি। তারা যেকোনো সময় (গণভবনে) আসতে পারে। দরকার হলে তারা তাদের অভিভাবকদের নিয়েও আসতে পারে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে।
** [[শেখ হাসিনা]], ৩ আগস্ট, গণভবনে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/bm5xcpuqwg]
* কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে কেউ মারা যায়নি। গুলির যে তথ্য পাওয়া গেছে তার অনেকগুলোই পুলিশের রাইফেলের গুলি নয়। কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। হয়তো দুই-একজন কিশোর মারা গিয়ে থাকতে পারে। তাদেরককে ঢাল হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছিল। শিশুদের আড়ালে অন্য একটি শক্তি ছিল। পেছনের শক্তিকে রুখতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। (পদত্যাগের প্রশ্নে) এরকম কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে এবং প্রধানমন্ত্রী যদি মনে করা তাহলে আমরা সেটা করব।
** [[আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল]], ৩ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী [https://jamuna.tv/news/553165]
* কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরুটা দেশবাসী দেখেছেন। সরকার গুণ্ডা-পাণ্ডা দিয়ে সন্ত্রাস চালালো এবং পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিজিবি নামিয়ে, আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত শিশুকিশোর ও তরুণের তাজা প্রাণ হরণ করল, তা দেশবাসী কি এত সহজে এই অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যাবে। এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না।’ শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। সারাদেশের শিশু কিশোর ও তরুণরা শত উসকানি, হামলা ও নির্যাতনের মধ্যেও ধৈর্য ধরে শৃঙ্খলার সঙ্গে আস্তে আস্তে আইন মেনে সামনে পা বাড়াচ্ছিল। বিপরীতে দ্বিতীয় পক্ষ যে উপর্যুপুরি উসকানি দিল, গুণ্ডাপাণ্ডা দিয়ে সন্ত্রাস চালালো এবং পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিজিবি নামিয়ে, আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত শিশু কিশোর ও তরুণের তাজা প্রাণ হরণ করল, তা দেশবাসী কি এত সহজে এই অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যাবে।’ দ্রুত বিজিবি ও সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী তিন দশক ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের মাধ্যমে যে সম্মান মর্যাদা ও গৌরব অর্জন করেছে তা আজ কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। সার্বজনীন মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক সর্বোচ্চ মান রক্ষা করেই আপনাদের সকলকে নিজ দেশের জনগণের পক্ষে দাঁড়াতে হবে। চোখের সামনে আমরা নিজেদের মাতৃভূমিকে ধ্বংস হতে দিতে পারি না। আক্রমণকারীরা গণঅভ্যুত্থানের প্রতিরোধের মধ্যে পিছপা হতে বাধ্য হলে পরবর্তী পর্যায়ে ব্যবহার করা হলো বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে। তাদেরকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কখনও সম্মুখভাবে, কখনো পেছনে ও পাশে দাঁড় করিয়ে অন্যান্য বাহিনীগুলো এই গণ-আন্দোলনের ওপর তাদের জুলুম অত্যাচার নির্যাতন অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। কোনোভাবেই এমন পরিস্থিতির দায় দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর নেওয়া উচিত নয়। বাংলাদেশের স্বশস্ত্র বাহিনী অতীতে কখনো দেশবাসী বা সাধারণ জনগণের মুখোমুখি দাঁড়ায়নি, তাদের মুখে বন্দুক তাক করেনি।
** ইকবাল করিম ভূঁইয়া, ৪ আগস্ট ২০২৪, সাবেক সেনাপ্রধান, সংবাদ সম্মেলনে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/g77bbharbn]
* রিট করার নেপথ্যে অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে। কেননা তারা দেশকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দিতে চায়।
** আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন, ৪ আগস্ট ২০২৪, অ্যার্টনি জেনারেল, আন্দোলনের সময় সরাসরি গুলি না করার নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ করার প্রসঙ্গে [https://jamuna.tv/news/553225]
* আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন। আমি পদত্যাগ করবো না। আপনি গুলি চালান।
** শেখ হাসিনা, ৫ আগস্ট ২০২৪, সেনাপ্রধান শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে বললে রাগান্বিত হয়ে প্রতিউত্তরে [https://www.dailyjanakantha.com/national/news/750744]
* এখানে কেউ থাকবেন না। (নো ওয়ান স্টে হেয়ার।)
** শেখ হাসিনা, ৫ আগস্ট ২০২৪, তার আত্মীয়দের কাছে শেষ হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় [https://english.khaborerkagoj.com/special-report/799212]
* শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা গণভবন থেকে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। শেখ হাসিনা যাওয়ার আগে একটি ভাষণ রেকর্ড করে যেতে চেয়েছিলেন। তিনি সে সুযোগ পাননি।
** বার্তা সংস্থা এএফপি, ৫ আগস্ট ২০২৪, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dn4yfsve75]
* জার জার ওবস্তান থেকে পালাও।
** নুরুল আজিম রনি, ৫ আগস্ট ২০২৪, চট্টগ্রামের ছাত্রলীগ নেতা [https://www.facebook.com/photo.php?fbid=546352834395915&id=100070636098946&set=a.213473031017232]
* আপনাদের আমি কথা দিচ্ছি। আপনারা আশাহত হবেন না। আপনাদের যত দাবি আছে আমরা পূরণ করবো। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবো। আপনারা আমাকে সহযোগিতা করেন। দয়া করে ভাঙচুর, মারামারি, হত্যা, সংঘর্ষ এগুলো থেকে বিরত হন।”
** [[ওয়াকার-উজ-জামান]], ৫ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল, দুপুরে জাতির উদ্দেশে ভাষণে [https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/83477/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A4]
* দেশে আজকে যা ঘটল, এটাই হওয়ার কথা ছিল। গণ-অভ্যুত্থান কখনো ঠেকানো যায় না। শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন সহজেই সমাধান করা যেত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জেদের কারণে এত মানুষ মারা গেল। গণমাধ্যমে প্রাণহানির যে চিত্র উঠে এসেছে, বাস্তবে এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি। আরও কত মরদেহ কোথায় পড়ে আছে, কত গণকবর হয়েছে, কতগুলো নিরীহ মানুষের প্রাণ ঝরেছে! তিনি তো চলে গেলেন। এখন এর জবাব দেবে কে? ১৫ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেননি। দিনের পর দিন ভোট চুরি করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। শেখ হাসিনার বোঝা উচিত ছিল, তিনি ও তাঁর দল কতটা অজনপ্রিয়। এই যে এত প্রাণহানি, এর জবাব দেবে কে? দেশে সুশাসনের মারাত্মক অভাব। তিনি সুশাসন দিতে পারেননি। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ওপর হাজার হাজার গুলি ছোড়া হয়েছে। হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে। এর আগে আমরা সবাই এইচ এম এরশাদকে স্বৈরাচার বলেছি। তখন মাত্র ছয়জন মানুষ মারা যাওয়ায় তাঁকে স্বৈরশাসক বলছি। কিন্তু গত ১৫ বছরে কত মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। ২০০৯ সালে পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা মারা গেছেন। এখন এর জবাব দেবে কে? যাঁকে জাতির পিতা বলা হয়, তাঁর পরিবারের সদস্যদের এত করুণ পরিণতি কেন হবে? তাঁর এমন পরিণতি আমাদের দেখতে হলো। এসব হয়েছে, তাঁর দম্ভ ও অহমিকার কারণে। প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, দেশে সুশাসন নিশ্চিত করেন। বিভিন্ন সভা–সেমিনারে বলেছি। যা হচ্ছে, তা স্বৈরতন্ত্র। এসব বলার কারণে আমাদের ভিন্ন দলের এজেন্ট বলা হতো। এই যে গণভবন লুটপাট হচ্ছে, ভাঙচুর হচ্ছে—এ জন্য জনগণকে দোষ দেবেন কীভাবে? শ্রীলঙ্কা থেকে হাসিনার সরকার শিক্ষা নেয়নি। তিউনিসিয়া থেকে শিক্ষা নেয়নি। মিসরে কীভাবে হোসনে মোবারক জনরোষে উড়ে গেছে, সেখান থেকে সরকার শিক্ষা নেয়নি। জনগণের সরকার না হলে এমন পরিণতি হয়। এরশাদের চেয়ে শেখ হাসিনা ১০০ গুণ বেশি খারাপ হয়ে বিদায় নিয়েছেন। এরশাদ পালিয়ে যাননি। তিনি পালিয়ে গেছেন। তিনি পালিয়ে গেছেন, কিন্তু আওয়ামী লীগ দলটাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেলেন। তাঁর হিংসা, দম্ভ, অহংকার দলটাকে ধ্বংস করল।
** এম সাখাওয়াত হোসেন, ৫ আগস্ট ২০২৪, নির্বাচন বিশ্লেষক ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তা [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dvds7trgt6]
* ভারত হল তার আশেপাশের সকল মুসলিম রাষ্ট্রের আসল মাতৃভূমি। আমরা গর্বিত এবং সম্মানিত যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতে সুরক্ষিতবোধ করেন। কিন্তু যারা ভারতে থাকে তারা বারেবারে প্রশ্ন করে কেন হিন্দু রাষ্ট্র? কেন রাম রাজ্য? কেন সেটা তো বোঝাই যাচ্ছে!!’ ‘মুসলিম দেশে তো মুসলমানরাও সুরক্ষিত নয়। আফগানিস্তান, পাকিস্তান,বাংলাদেশ, ব্রিটেনে যা ঘটছে সেটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা সৌভাগ্যবান যে রাম রাজ্যে থাকি। জয় শ্রী রাম'।
** কঙ্গনা রানাউত, ৫ আগস্ট ২০২৪, অভিনেত্রী, এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে [https://bangla.hindustantimes.com/entertainment/even-muslims-are-not-safe-in-muslim-countries-kangana-ranaut-reacts-as-ex-bangladesh-pm-sheikh-hasina-flees-to-india/amp-31722867132738.html]
* অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের রূপরেখা দিতে আমরা ২৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছিলাম। কিন্তু জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় এখনই রূপরেখা ঘোষণা করছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ড. [[মুহাম্মদ ইউনূস|মুহাম্মদ ইউনূসকে]] প্রধান উপদেষ্টা করে ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে। তার সাথে আমাদের কথা হয়েছে, তিনি দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছেন। আমরা সকালের মধ্যে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দেখতে চাই। রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ থাকবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হোক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাকি সদস্যদের নামও আমরা সকালের মধ্যে ঘোষণা করব।
**নাহিদ ইসলাম, ৬ আগস্ট ২০২৪, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক, ভোর ৪টার পর ফেসবুকে দেয়া ভিডিও বার্তায় [https://www.dailynayadiganta.com/politics/853517/%E0%A6%A1.-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE]
* মানুষের মনে হয়েছে যে, শেখ মুজিবের নাম নিয়ে যে পরিমাণ এ্যাট্রোসিটি করা হয়েছে, তাতে ঐ ভাষ্কর্য ভাঙা আটকানোর জন্য আমি ঐ এফোর্টটা দিবো না।
** মেগমল্লার বসু, সমন্বয়ক, ৬ আগস্ট ২০২৪, জি ২৪ ঘন্টাকে দেওয়া এক প্রশ্নোত্তর সাক্ষাৎকার আলোচনা অনুষ্ঠানে [https://m.youtube.com/watch?si=n1BIu7Cjcl0ESnCr&v=1HfbAlPJqyM&feature=youtu.be]
* মূলত দুইটি কারণে ভারত শেখ হাসিনাকে রাখতে চায় না। প্রথম বিষয়টি অবশ্যই তার নিরাপত্তা সংক্রান্ত। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, বাংলাদেশে যে সরকারই আসুক, ভারত তার সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়। আর বাংলাদেশে হাসিনা-বিরোধী মনোভাব তুঙ্গে। ভারত চায় না, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেয়ার ঘটনা ছায়াপাত করুক। এর আগে সেনা সরকার যখন ছিল, তখন ভারতের অসুবিধা ছিল। কিন্তু এবার সেনা সম্ভবত পিছনে থাকবে, বাংলাদেশে নতুন কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু হবে বলে মনে হচ্ছে। ফলে তাদের সঙ্গে ভারতের আলোচনা করতে কোনো অসুবিধা হবে না। বাংলাদেশের ঘটনা ভারতকে একটা বড় চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ভারত চায় না, বাংলাদেশের ঘটনার অভিঘাত দেশের মধ্যে পড়ুক। বাংলাদেশে ভারতের যে সম্পদ ও বিনিয়োগ আছে, ভারত সেগুলিকে নিরাপদ রাখতে চায়। সেদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা চায়।
** শ্রীরাধা দত্ত, ৬ আগস্ট ২০২৪, ও পি জিন্দল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক ডয়চে ভেলেকে [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%A8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F/a-69864559]
* কুখ্যাত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে অবিলম্বে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে গ্রেপ্তার করতে হবে। বাংলাদেশে গুম-খুনের আসল কারিগর সে শুধু তা না, ফোন ট্যাপিংয়ের নামে মানুষের প্রাইভেসি ধ্বংস করেছে সে। এবং প্রাউডলি সেই সব রেকর্ডিং এই পারভার্ট লোকটা মিডিয়াতে সরবরাহ করত এবং আমাদের স্পাইনলেস মিডিয়া সেগুলো প্রচার করত। এই লোককে এখনই নিউট্রালাইজ করতে হবে। এছাড়া ডিবি’র হারুনসহ কুখ্যাত যারা আছে তাদের সরিয়ে দিয়ে পুলিশ বাহিনীর উপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করতে হবে এখনই।’
** [[মোস্তফা সরয়ার ফারুকী]], ৬ আগস্ট ২০২৪, চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা, ফেসবুক পোস্টে [https://www.dainikamadershomoy.com/details/019126708d76?fbclid=IwY2xjawEezI1leHRuA2FlbQIxMQABHUwvttoTLSYm-ujxLPWY6H74ytr489ZvM2g_crax_H2Sl9kPKwgMYif4HA_aem_1wbabngYpoCavI2lyWYF9w]
* গুলি করে করে লাশ নামানো লাগছে স্যার। গুলি করি, মরে একটা, আহত হয় একটা। একটাই যায় স্যার, বাকিডি যায় না। এইটা হলো স্যার সবচেয়ে বড় আতঙ্কের এবং দুশ্চিন্তার বিষয়।
** ইকবাল, পুলিশ সদস্য, কোটা আন্দোলন চলাকালীন সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে, ১৩ ও ১৪ই আগস্ট ২০২৪ এর পর ফেসবুকের একটি ভাইরাল ভিডিওতে বলতে দেখা যায় [https://www.kalerkantho.com/online/national/2024/08/13/1414550] [https://dailyinqilab.com/index.php/national/news/678022#google_vignette]
* (মহাইমিন পাটোয়ারী: ইন্ডিয়ান পুলিশ যাকে ধরছো কেমনে বুঝছো ইন্ডিয়ান পুলিশ?) ওরে ধরসি ওর নাম ছিলো ইউসুফ, আমার যতদুর খেয়াল আছে মানে যেটারে যেটাকে নিয়ে গেছে তারা আধ মরা অবস্থায় ওর নাম ছিল ইউসুফ। ওরে বাংলায় বললে বাংলায় বলতে পারেনা। (নামও বলতে পারেনা?) কিচ্ছু বলতে পারেনা। তখন যখন গণধোলাই দিছে মানুষ, গণ ধোলাই দেওয়ার পর বলতেছে হাম বাঙালি নেহিহে। হামতো ইন্ডিয়ান আর্মি হ্যায়। তো যতটুকু জানামতে কোবরা আর্মির মনে হয় ফোর্স এরকম একটাই বলছে আর কি, ইন্ডিয়ান। তখন লোক আরও.. এই বলার মানেই ওরে মারার এক থেকে দেড় মিনিটের ভিতর হঠাৎ হামলা। (মহাইমিন পাটোয়ারী: তোমাদের সবাইরে মেরে ফেলছে গুলি করে?) আমি যেই হসপিটালে ছিলাম ওই হসপিটালে আমরা মানে আমার সাথে একসাথে ৩২ জন ঢুকাইছে। ৩২ জনের মধ্যে ৩০ জন ডেড। এটা আব্দুল্লাহ হসপিটাল কাজলাদি। আপনি খুঁজলে এখনো পাইবেন। (ওই ইন্ডিয়ান আর্মির এত বড় ফোর্স ছিল যাত্রাবাড়ীতে) হ্যাঁ হ্যাঁ। (সেইজন্য এই কাজ করছে) আমাদের শহীদি ভাই একসাথে ৩২ জন ঢুকাইছে। ৩২ জনের মধ্যে আমি একমাত্র ছাড়া বুকে গুলি খেয়ে কন্ডিশন খারাপ। ৩০ জন অলরেডি ডেড ছিল একজনকে নিয়ে গেছে।
** ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪, মোহাইমিন পাটোয়ারীকে দেওয়া সাক্ষাৎকার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনকারী এক যুবক [https://www.facebook.com/mohaimin1/videos/1587263528488093/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v]
* একজন আমার সামনে ইনস্ট্যান্ট কথা বলতেছে কনসে রাস্তেসে আয়ে হো, আমারেই তো জিজ্ঞেস করতেসিলো, (মোহাইমিন পাটোয়ারী: বিজিবি?) হ্যা, বিজিবি, আমি তো বুঝতেই পারসি এগুলো বিজিবি না, এগুলো বিএসএফ আসছিলো।... কারণ যখন সে বলেছে ভাগযাও, নেহিতো শুট কারুঙ্গা, তার মানে আসলেই এরা বিএসএফ।
** ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪,মোহাইমিন পাটোয়ারীর নেয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে রামপুরায় আন্দোলনকারী দুই ছাত্র [https://www.facebook.com/share/v/18Nd3yUGkE/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v]
* শিক্ষার্থী যারা যাত্রাবাড়ীতে এবং গাজীপুরে বা মাওনাতে যারা ছিল, এদের জায়গা থেকে আমরা যে প্রমাণটা পাচ্ছি, তারা বলেছে যে, তাদের কাছে এসে গুলি করেছে যে পুলিশগুলো, তারা বাংলা ভাষায় কথা বলেনি, তারা অধিকাংশই হিন্দি ভাষায় কথা বলেছে। হিন্দিতে গালাগালি করেছে এবং এই তাদের আচরণ ছিল অসম্ভব ব্রুটাল। তারা কোন দেশীয় কোন মানুষ বাংলাদেশের উপরে নিষ্ঠুরতা করেছে, সেই দৃষ্টান্ত আছে, কিন্তু তাদের নিষ্ঠুরতার মাত্রাটা অনেক বেশি ছিল, এইটা বেশ কয়েকজন সাক্ষীর কাছ থেকে আমরা পেয়েছি।
** তাজুল ইসলাম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের প্রধান প্রসিকিউটর [https://m.youtube.com/watch?v=WtmEnw3ai1g]
* এখন থেকে লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে, যেটারে পাবে সেটারে গুলি করবে। যেখানে গেদারিং দেখবে সেখানে ওপর থেকে.. হেলিকপ্টার থেকে গুলি করবে, এখন ওপর থেকে করাচ্ছি (গুলি), অলরেডি শুরু হয়ে গেছে, র্যাবকে আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে।
** [[শেখ হাসিনা]], ১৮ জুলাই ২০২৪, ভাইরাল অডিও, "ফেস দ্য পিপল" এর উইটিউব পাতায় ৮ ই মার্চ ২০২৫ এ প্রকাশিত [https://m.youtube.com/watch?si=-H1TVU7QFcJflQ4E&v=HXV57sEsQMc][https://www.facebook.com/reel/2654604558070616?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v][https://www.jugantor.com/national/926561]
* যদি সরকারি দল ভায়োলেন্স চায়, সেটাকেই একমাত্র রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে নিতে চায়, তাহলে এটা যে আমাদের থেকে বেশি কেউ পারবে না, সেটা ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি।
** [[আসিফ মাহমুদ]], ২২ মে ২০২৬ ঝিনাইদহে [[নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী|নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর]] ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায়। [https://www.prothomalo.com/politics/org6cq83pw]
== ৭১ বনাম ২৪ বিতর্ক ==
* [[জাতি]] একবারই স্বাধীন হয়, [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|একাত্তরের]] সঙ্গে চব্বিশের তুলনা চলে না।
** [[নুরুল হক নুর]]। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীর আল-রাজি কমপ্লেক্সে এক সংবাদ সম্মেলনে। [https://www.dhakatimes24.com/2024/12/31/375976][https://www.jugantor.com/politics/897510]
* পৃথিবীর যেকোনো স্বাধীনতা যুদ্ধের জয়লাভ সেই দেশের পরবর্তী ঘটনার যত বড় ইভেন্টই হোক না কেন সেটার সঙ্গে তুলনীয় হয় না। লক্ষ লক্ষ মানুষ আত্মদান করেছে, ২৩ বছর ধরে সংগ্রাম করেছে। একটা দেশের থেকে সশস্ত্র যুদ্ধ করে আরেকটা দেশ জন্ম হয়েছে সেটার সাথে অন্য কিছুর তুলনা হয় না।
** [[নূরুল কবীর]]। ২০২৫ সালের ১৭ জুলাই যমুনা টিভির এক [https://m.youtube.com/watch?v=MiAII6BdTzU&t=32m45s টকশোতে]। [https://m.youtube.com/watch?v=kNUdLFQLjG0&t=1m]
* [[যুদ্ধ]] হলো একটা সশস্ত্র সংগ্রাম। দুই গ্রুপের মধ্যে অস্ত্র থাকে, দুই গ্রুপে যুদ্ধ করে। সেই যুদ্ধটা কী জন্য হয়? দেশকে স্বাধীন করার জন্য হয় বা অন্য দেশকে দখল করার জন্য হয়। এখানে তো এরকম কোনো ব্যাপার ছিল না। দেশকে স্বাধীন করার ব্যাপারও ছিল না, অধিকার কবার ব্যাপারও ছিল না। এখানে ব্যাপারটা ছিল হাসিনামুক্ত বাংলাদেশ করার, আওয়ামী লীগমুক্ত বাংলাদেশ করার। সুতরাং বিপ্লব বা এক দফার আন্দোলন ও [[মুক্তিযুদ্ধ]] একই জিনিস না। এ সমস্ত মাথায় যারা টুপি দিয়ে কিছু পাগল ছেলেদেরকে বুঝাচ্ছে, তাদেরকে আমি অনুরোধ করব পাগলামি ছাড়ো। [[গাঁজা]] খেলে খাও কিন্তু মানুষকে গাঁজা খাওয়ানোর চেষ্টা করো না।
** [[অলি আহমেদ]]। ২০২৫ সালের ১৭ জুলাই ঢাকার আইডিইবি মিলনায়তনে এক [https://m.youtube.com/watch?v=LtS78aMApGM বক্তৃতায়]। [https://www.kalerkantho.com/multimedia/Politics/2025/07/19/1548928]
== আরও দেখুন ==
* [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]]
* [[আবু সাঈদ]]
* [[অসহযোগ আন্দোলন (২০২৪)]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ প্রতিবাদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ এশিয়া]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ইতিহাস]]
8mlbm0zcqxacojll8i2jx0oq7kqqt8e
83604
83603
2026-05-23T15:01:09Z
Oindrojalik Watch
4169
সংশোধন, রচনাশৈলী
83604
wikitext
text/x-wiki
[[File:7.Bangladesh quota reform movement 2024.jpg|thumb|২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনের "বাংলা ব্লকেড", ৬ জুলাই ২০২৪]]
[[File:কোটা সংস্কার আন্দোলন, শাহবাগ, কাঁটাবন, সায়েন্স ল্যাব, জুলাই ২০২৪ (৮).jpg|thumb|কোটা (×) মেধা (√)]]
'''[[w:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]]''' হলো বাংলাদেশে সব ধরনের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটার ভিত্তিতে নিয়োগের প্রচলিত ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে সংগঠিত একটি আন্দোলন। ২০২৪ সালের ৫ জুন বাংলাদেশ হাইকোর্ট ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করার পর কোটা পদ্ধতির সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সালে নতুনভাবে আলোচনায় আসে।
== স্লোগান ==
*{{w|আমি কে, তুমি কে—রাজাকার রাজাকার}}, কে বলেছে কে বলেছে, স্বৈরাচার স্বৈরাচার/সরকার সরকার
* চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার
*কোটা না মেধা—মেধা মেধা
* জাতির পিতা [[ইব্রাহিম (নবী)|ইব্রাহিম]], শেখ মুজিব ঘোড়ার ডিম
* [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধের]] বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই [https://web.archive.org/web/20260322120118/https://museum.cu.ac.bd/?page_id=496]
* এই মুহুর্তে দরকার, সেনাবাহিনী সরকার [https://bn.observerbd.com/details.php?id=109955]
*লাখো শহীদের রক্তে কেনা, <br />দেশটা কারো বাপের না
*কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কি তোর বাপ-দাদার
* দফা এক, দাবি এক—শেখ হাসিনার পদত্যাগ [https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/news/one-demand-now-3668981]
* স্টেপ ডাউন হাসিনা (শেখ হাসিনা পদত্যাগ করুন) [https://scroll.in/latest/1071628/step-down-hasina-as-millions-take-to-the-streets-in-bangladesh-48-feared-dead]
* 'তোর কোটা তুই নে, আমার ভাইকে ফিরিয়ে দে'
* বন্দুকের নলের সাথে ঝাঁজালো বুকের সংলাপ হয় না
* 'লাশের ভেতর জীবন দে, নইলে গদি ছাইড়া দে' [https://www.prothomalo.com/bangladesh/145xh9480o]
* ইনকিলাব জিন্দাবাদ
* কে এসেছে, কে এসেছে? পুলিশ এসেছে, পুলিশ এসেছে; কি করছে কি করছে? —স্বৈরাচারের পা চাটছে
* দালালি না রাজপথ—রাজপথ রাজপথ
* আপস না সংগ্রাম—সংগ্রাম সংগ্রাম
* বুকের ভেতর অনেক ঝড়—বুক পেতেছি গুলি কর
* মোদীর পোষা হাসিনা—তোকে ভালবাসি না
* ছেলে হারা মায়ের ডাক—স্বৈরাচার নিপাত যাক
* রক্তের বন্যায়—ভেসে যাবে অন্যায়
* হৈ হৈ রৈ রৈ—ছাত্রলীগ গেলি কৈ
* এক দুই তিন চার—শেখ হাসিনা গদি ছাড়
* উই ওয়ান্ট জাস্টিস (আমরা ন্যায়বিচার চাই)
* আবু সাঈদ/শহীদদের স্মরণে, ভয় করিনা মরণে
* আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে
* সামনে আসছে ফাগুন, আমরা হবো দ্বিগুণ
* স্বৈরাচারের গদিতে, আগুন জ্বালো একসাথে
* জ্বালোরে জ্বালো আগুন জ্বালো
* লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে
* শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না
* যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি তুমি রুখে দাঁড়াও—তবে তুমিই বাংলাদেশ
* ফর এভরি ফিরাউন, এ মূসা উইল বি বর্ন (প্রতিটি ফিরাউনের জন্য একজন করে মূসা নবীর জন্ম হয়)[https://www.facebook.com/100086722715948/posts/pfbid02Dsx1mW9Zc87onVHgu7wNibbMvKZ1xurDEyFNHanuNaUcEuUQsCfQU1hPDx95Qu6rl/?app=fbl]
* বউতদিন হাইয়্যু, আর ন হাইয়্যু (চাটগাঁইয়া ভাষারীতি)
===আন্দোলনে জেন-জির ব্যবহৃত বাগধারা ও দেয়াললিখন===
* নাটক কম করো পিও
* তুই ছাত্র খুনি<ref>https://www.instagram.com/p/C-hGnT7Rd5h/</ref>
* ওই মামা না প্লিজ
* আমাকে ক্ষমা করে দাও পিলিজ
* Hasina, Hasina you can’t hide, we charge you with genocide (হাসিনা, হাসিনা, লুকাতে পারবে না তুমি, আমরা তোমার বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ করছি।)
* ছাত্র যদি ভয় পাইতো বন্দুকের গুলি, উর্দু থাকতো রাষ্ট্রভাষা, উর্দু থাকতো বুলি
* ‘দেশ স্বাধীন হলে আমরা আবার ছাদে উঠব’
*তুমি আমি আমরা, বিকল্প বিকল্প
* আমি মেট্রোরেল হতে চেয়েছিলাম, খোদা আমাকে ছাত্র বানালো
* স্বৈরাচারের হয়নি পতন, মুক্তিযুদ্ধ হয়নি শেষ, গর্জে ওঠো বীর জনতা, গর্জে ওঠো বাংলাদেশ
* ‘গেরিলা বসন্তে আমরাই বুনোফুল’
* আঙ্কেল, আমার বাবা মা কেউ বাড়ি নাই, আমার ছোট বোনটারে আমি ঘরে তালা দিয়ে রেখে আসছি [https://www.facebook.com/jra24bd/videos/1873197426749138/?app=fbl]
* মেধা শহীদ
* ‘কোন দেশি রাখাল তুমি, উড়াও কেনে ঘুড়ি?/আমার ঘুড়ি অনেক বড়, উড়বে আকাশ জুড়ি/নীলচে আকাশ আমার-নেই সীমানা, ভাগ করো না তুমি/ছোট লোকের-নয়কো আকাশ নয়কো মাতৃভূমি...
* লোহার টুপি মানুষের মগজ খায়
* আমার সাথে রাবিশ কথা বলবেন না
* আপনি উত্তেজিত হবেন না প্লিজ
* ইন্টারনেট বন্ধ করিনি, বন্ধ হয়ে গেছে
* হারুনের ভাতের হোটেল
* এখানে যে ময়লা ফেলবে সে একটা হাউন আঙ্কেল
* সোর্স: চালাই দেন
* স্বজন হারানোর বেদনা
* শেখ হাসিনা পালায় না
* আসছে ফাগুন—আমরা দ্বিগুণ হবো
* পা চাটলে সঙ্গী, না চাটলে জঙ্গী
* খেটে বড় হও চেটে নয়
* আমার বিচার তুমি করো—তোমার বিচার করবে কে? (গানের লাইন)
* শোন মহাজন, আমরা অনেকজন
* পোস্ট ডিলিট করো, নাইলে সমস্যা হবে
* পোস্ট ডিলিট করে লাভ নাই, স্ক্রিনশট নেওয়া আছে, প্রিয় অভিভাবক
* পানি লাগবে, পানি
* আবু সাঈদ-মুগ্ধ, শেষ হয় নি যুদ্ধ
*শেখ হাসিনা পালায় না
* জার জার ওবস্তান থেকে পালাও
* শী হ্যাজ মেড আস ফ্লাই ফাস্টার (ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের অংশ)
* বাতাবি-লেবুর বাম্পার ফলন
* আওয়াজ উডা, কথা ক
* বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর
* বিকল্প কে? তুমি আমি আমরা
* স্বাধীনতা এনেছি, রক্ষাও করবো
* থামুন, দেশের সংস্কার চলছে
* ঘুষ চাইলেই কানের নিচে থাপ্পড়
* দিনে নাটক, রাতে আটক
* আম্মু, ঐ দেখো হেলিকপ্টার
* দড়ি ধরে মারো টান, রানী হবে খানখান
* আমার ছাওয়াল মারলি ক্যানে
* সুবোধ তুই পালিয়ে যা, সময় এখন পক্ষে না
* পিন্ডির জিঞ্জির ছিন্ন করেছি দিল্লির দাসত্ব করবার জন্য নয়
* লাইলাতুল গুজব
* র (RA&W) গুজব লীগ, তৈরি তো?
* নৌকা আর ধানের শীষ, দুই সাপের একই বিষ
* আমি ৭১ দেখিনি, ২৪ দেখেছি
* সত্য সমাগত, মিথ্যা বিলুপ্ত
* এখানে রাজনৈতিক আলাপ নিষিদ্ধ নয়, জরুরি
* বাঙালী আর আদিবাসী, একই বৃন্তের দুটি ফুল
* শুধু পদ্মার ইলিশ না, সারা বাংলাদেশটাই আমাদের গর্ব
* বিজয় ৩৬শে জুলাই
* রিয়েলিটি মাইনা নাও, বারোটা তোমার বেজে গেছে
* মুরুব্বি মুরুব্বি উহু উহু
* একটু অপেক্ষা করা যায় না,
*‘বলব না, একটা শব্দও বলব না’
* মাসুদ তুমি কি কোনোদিনই ভালো হবে না
* পালাব না। কোথায় পালাব! পালাব না, প্রয়োজনে ফখরুল সাহেবের বাসায় গিয়ে উঠব
* আমার মা পদত্যাগ করেছে/করেনি
* She has made us পলাতক
* তখন আমার আবেগ কাজ করেছে, বিবেক কাজ করেনি
* যে জীবন শাহাদাতে উদ্দীপ্ত, সে জীবন বাধা মানেনা
* যে হৃদয় শাহাদাতের উচ্চাকাঙ্ক্ষা লালন করে, সে হৃদয় কখনো হতাশ হয় না
* হর হর, হরি যা, বাপের লাখান মরি যা (সিলেটি ভাষারীতি)
== বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সম্পর্কে উক্তি ==
* বীর মুক্তিযোদ্ধা সবাই অনগ্রসর নন, তাই সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা রাখা সংবিধানসম্মত নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে বড় আকারে মুক্তিযোদ্ধা কোটা চিরস্থায়ী করলে স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্যকে ধ্বংস করা হয়।’
** [[জি এম কাদের]], বিরোধীদলীয় নেতা, ৩ জুলাই ২০২৪, জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্য
* ‘এত আন্দোলন কিসের রাস্তায় শুরু হয়েছে? আন্দোলনের চাপ দিয়ে কি হাইকোর্টের রায়, সুপ্রিম কোর্টের রায় পরিবর্তন করবেন?’
** ওবায়দুল হাসান, ৪ জুলাই ২০২৪, প্রধান বিচারপতি, হাইকোর্টের দেওয়া রায় নিয়ে আপিল বিভাগের শুনানিতে দেওয়া বক্তব্য
* ২০১৮ সালে গণ-আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছর নির্বাহী বিভাগ কোটা বাতিল করে যে পরিপত্র জারি করেছিল, আজকে বিচার বিভাগ দিয়ে সেই কোটাকে আবার পুনর্বহাল করা হলো। এটা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটা প্রহসন। রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যে এই সমন্বয়হীনতা ও অন্তর্দ্বন্দ্বের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করুক এবং শিক্ষার্থীদের দাবি বিবেচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সেগুলো পূরণ করুক।’
** নাহিদ ইসলাম, ৪ জুলাই, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক, শাহবাগ মোড় অবরোধ কর্মসূচিতে দেওয়া বক্তব্য
* রেল ট্রানজিটের নামে ভারতকে একতরফা করিডর দিলে দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করা ও বৈষম্যমূলক কোটা পুনঃপ্রবর্তনের মাধ্যমে ’৭১ পূর্ব পাকিস্তানি বৈষম্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হলে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ অনিবার্য হয়ে যাবে। এই সরকার দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একতরফাভাবে ভারতকে রেল করিডর দিয়েছে। এই ডামি সরকার মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে ভূলুণ্ঠিত করেছে। আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে আবার নতুন করে কোটা প্রথা চালু করতে চাইছে। ভারতকে করিডর দিয়ে, জনগণের সম্পদ লুটপাটকারীদের সুবিধা দিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আরও দীর্ঘায়িত করতে চায়। ডামি সরকারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং গণতন্ত্র উদ্ধার করে দেশকে এই ফ্যাসিবাদীদের কবল থেকে মুক্ত করতে হবে।
** আব্দুল ওহাব মিনার, ৬ জুলাই ২০২৪, যুগ্ম আহ্বায়ক, এবি পার্টি, ট্রানজিটের একতরফা রেল করিডর, কোটা পুনঃপ্রবর্তন বাতিল ও ডামি সরকারের পদত্যাগসহ চার দফা দাবিতে বিজয়নগরের বিজয়-৭১ চত্বরে অবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচিতে [https://samakal.com/politics/article/245267/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF:-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF]
* আমি একটা জরিপ করছিলাম এই যে কোটা আন্দোলন হচ্ছে এটা নিয়ে। প্রায় ১ লাখ লোক ভোট দিছে। এর মধ্যে ৯০% মানুষ মনে করে ট্রানজিট থেকে নজর ফেরানোর জন্য এই কোটা আন্দোলন হাসিনার নাটক। আর এই আন্দোলনের নেতারা সবাই ছাত্রলীগ। আমি খোঁজ নিছি, আপনারাও খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন।
** [[পিনাকী ভট্টাচার্য]]। ২০২৪ সালের ৮ জুলাই নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা [https://m.youtube.com/watch?v=JkZwaD6qWbo&t=15m38s ভিডিওতে]।
* আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ভুল বুঝিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মুখোমুখি করা হয়েছে এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আরেকটা খুবই ভুল ধারণা তৈরি করা হয়েছে যে, কোটা এবং মেধা, মনে হতে পারে যে, যারা কোটায় চাকরি করে তাদের কোন মেধা নেই। কিন্তু আবেদন করার ক্ষেত্রে কোটা লাগে না, প্রিলিমিনারিতে কোটা লাগেনা, লিখিততে কোটা লাগেনা। একদম শেষ মুহূর্তে গিয়ে কোটা এপ্লাই হয়। তখন মেধায় আসলে সবাই সমান। আমার সামনে যদি দুইটা অপশন থাকে যে, দুইজনই সমান মেধাবী, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও একজন রাজাকারের সন্তান, আমি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে চাকরি দিতে চাই। (শেখ হাসিনা: অবশ্যই) জ্বি। সেটা একটা। ফলে মেধা এবং কোটা খুব সহজেই মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাচ্ছে যে সব মেধাবীরা চাকরি না নিয়ে কোটার চাকরি। আপনাকে খুবই ধন্যবাদ যে আপনারা গত ১০-১২ দিন ধরে আন্দোলন করছে আপনারা অসীম ধৈর্যের সাথে আন্দোলন মোকাবেলা করছেন এবং যারা আন্দোলন করছে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে চাকরি না পেয়ে বঞ্চিত। তাদের ক্ষোভের সাথে আমি খুবই একমত। তাদের পেছনে কি অন্য কেউ ইন্ধন যুগিয়ে ভুল বুঝিয়ে বিভ্রান্ত করে মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোমুখি করছে কিনা। আমার আপনার কাছে আবেদন থাকবে যে আপনারা যে ধৈর্য দেখে যাচ্ছেন সেটা দেখিয়ে যদি তাদের সাথে কোন ভাবে তাদেরকে বুঝিয়ে শুনিয়ে, আগামী ৭ই আগস্ট পর্যন্ত কিছু করার নাই কারন সেদিন আপিল বিভাগের শুনানি হবে। তারপর আপিল বিভাগের রায়ের পর হয়তো নির্বাহী বিভাগ কি করবে না করবে। ততদিন তারা যাতে অন্তত বুঝতে পারে সেটা যদি আপনি অনেক সংবেদনশীলতার সাথে যদি বিষয়টা বিবেচনা করেন তাহলে ভালো হয় আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
** [[প্রভাষ আমিন]], ১৪ জুলাই ২০২৪, এটিএন নিউজে হেড অফ নিউজ, গনভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে
*মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরাও পাবে না? তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে। তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না। অপরাধটা কী? নিজের জীবনবাজি রেখে, সংসার সব ফেলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে। দিনরাত খেয়ে না খেয়ে, কাদামাটি ভেঙে, রোদ-বৃষ্টি-ঝড় মোকাবিলা করে যুদ্ধ করে এ দেশের বিজয় এনেছে। বিজয় এনে দিয়েছিল বলে সবাই উচ্চপদে আসীন। এখানে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করা একটা কৌশল। তার মানে হলো মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-নাতি-পুতিরা কেউ মেধাবী না, যত রাজাকারের বাচ্চারা-নাতি-পুতিরা হলো মেধাবী, তাই না? এটা ভুলে গেলে চলবে না যাদের মেধাবী না বলছে, তাদের হাতে ওনারা পরাজিত। যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা জয়ী হয়েছিল রাজাকারদের বিরুদ্ধে, এই কথাটা মনে রাখা উচিত। তাদের মেধাটা কোথায়? সেটা আমার প্রশ্ন। মেধা কার কত, সেটা পরীক্ষার প্রিলিমিনারিতে, লিখিত পরীক্ষায়, তারপর ভাইভা হয়। সেই সময় যেটা… সেটা বাস্তবতা তো যদি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয় সেই পাবে। আর সব সময় সব কোটা পূর্ণ হয় না। যেটা বাকি থাকে তা তালিকা থেকেই দেওয়া হয়। অনেক চাকরিতে মেধার তালিকা থেকে দেওয়া হচ্ছে। এ নির্দেশনা দেওয়া আছে। কিন্তু সেখানে অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা অগ্রাধিকার পাবে, এটা দিতে হবে।
** প্রধানমন্ত্রী [[শেখ হাসিনা]] ১৪ জুলাই ২০২৪ তারিখে গণভবনে এটিএন বাংলার সাংবাদিক [[প্রভাষ আমিন]]ের "আমরা আসলে মেধায় সবাই সমান। আমার কাছে যদি দুইটা অপশন থাকে, দুইজনই সমান মেধাবী, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও একজন রাজাকারের সন্তান, তাহলে আমি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বেছে নেব।" মন্তব্যে
*আমি লেখাটি লিখতে শুরু করেছিলাম। শেষ করার আগেই জানতে পারলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটাবিরোধী ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে ঘোষণা দিয়ে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রকম্পিত করেছে। এই লেখাটি শেষ করার আর কোনও প্রয়োজন নেই।’ ‘লেখাটি শেষ না করে নিচের অংশটুকু লিখেছি। ঘুমানোর আগে খবরটি দেখে মাথার মাঝে একটা বিস্ফোরণ হলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে দাবি করেছে। খবরটি নিজের চোখে দেখেও বিশ্বাস হয় না— এটি কি সত্যিই সম্ভব? বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র বা ছাত্রী কি সত্যিই নিজেকে রাজাকার হিসেবে দাবি করতে পারে? শুধুমাত্র একটা সরকারি চাকরির জন্য? কোন দেশের সরকার, বাংলাদেশ নাকি পাকিস্তান? এই ছাত্র-ছাত্রীরা কি জানে, চাকরি অনেক দূরের ব্যাপার, তাদের যে এই দেশের মাটিতে থাকার অধিকার নেই? ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমার বিশ্ববিদ্যালয়, আমার প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়। তবে আমি মনে হয় আর কোনোদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে চাইব না। ছাত্র-ছাত্রীদের দেখলেই মনে হবে, এরাই হয়তো সেই রাজাকার।’ ‘আর যে কয়দিন বেঁচে আছি, আমি কোনো রাজাকারের মুখ দেখতে চাই না। একটাই তো জীবন। সেই জীবনে আবার কেন নূতন করে রাজাকারদের দেখতে হবে?’ ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার কিছু চাইবার নেই, স্বাধীন একটা দেশ চেয়েছিলাম, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়েছিলাম। দু’টোই পেয়ে গেছি। এখন যদি আরও কিছু পাই সেটা হবে বোনাস। (তবে অস্বীকার করব না বেনজীর-আবেদ আলীদের সামলে-সুমলে রাখলে একটু আনন্দ পেতাম।)’ ‘আমরা সবাই জানি, একটা দেশে যদি সবাই সমান সুযোগ পায়, সুবিধা পায় আর সবার যদি সমান অধিকার থাকে, তাহলে কোটার কোনও প্রয়োজন নেই। যদি না থাকে তাহলে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য কোটা রাখা একটা মানবিক ব্যাপার। অবশ্য মানবিক ব্যাপার কথাটা একটু খানি বইয়ের ভাষা, সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত কয়জনের আর অন্যদের মানবিক ব্যাপার নিয়ে মাথা ব্যথা আছে?’ ‘যদি কোটার ব্যাপারটা সহজভাবে লিখি তাহলে বলা যায়, দুই রকম কোটা আছে একটা ভালো, অন্যটা খারাপ। প্রথমে খারাপটার কথা বলি, তার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হচ্ছে— পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ছেলেমেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার কোটা, যেটাকে পোষ্য কোটা বলে। আমি খুঁটিনাটি জানি না, সম্ভবত পোষ্য কোটা শুধু শিক্ষকদের জন্য না, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্যও খোলা, কিন্তু বাস্তবে শিক্ষকদের সন্তানদের ছাড়া আর কোনও সন্তান সেই সুযোগ ব্যবহার করতে পেরেছে বলে মনে হয় না। এই পোষ্য কোটা নিয়ে কখনও কোনও উচ্চবাচ্য হতে দেখিনি। যদিও পোষ্য কোটার ছাত্র-ছাত্রীরা পাস করার পর আবার তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক বানাবার একটি নতুন চাপ শুরু হয়, নিজের চোখে দেখা। আর ভালো কোটার উদাহরণ হচ্ছে—...
**মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ১৪ জুলাই ২০২৪, অধ্যাপক ও লেখক [https://www.jagonews24.com/amp/956143]
* কোটা সংস্কার আন্দোলনে যাঁরা ‘‘আমি রাজাকার’’ স্লোগান দিচ্ছেন, তাঁদের শেষ দেখিয়ে ছাড়ব।
** সাদ্দাম হোসেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ১৫ জুলাই ২০২৪
* কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কতিপয় নেতারা যে সব বক্তব্য রেখেছে, তার জবাব দেয়ার জন্য- আত্মস্বীকৃত রাজাকার, যারা নিজেদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ মানসিকতার প্রকাশ ঘটিয়েছে; তার জবাব দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। ছাত্রদের বিষয় ক্যাম্পাসের মধ্যেই সীমিত থাকবে। আমরা দেখি, রাজনৈতিকভাবে কারা প্রকাশ্যে আসে, তখন দেখা যাবে। আমরাও মোকাবেলা করতে প্রস্তুত।
** [[ওবায়দুল কাদের]], ১৫ জুলাই ২০২৪
*যারা নিজেদেরকে রাজাকার বলে পরিচয় দেয়, তাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদের রক্তস্নাত লাল সবুজের পতাকা হাতে নিয়ে বা সে পতাকা কপালে বেঁধে নিয়ে মিছিল করবার কোনো অধিকার থাকতে পারে না।’’
** [[দীপু মনি]], ১৫ জুলাই, [https://www.somoynews.tv/news/2024-07-15/2KvCG3uW]
* রক্তাক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়! আমার ক্যাম্পাসে রক্ত কেন? প্রতিবাদ জানাই।’
** আয়মান সাদিক, ১৫ জুলাই, টেন মিনিট স্কুলের স্বত্ত্বাধিকারী [https://www.jagonews24.com/social-media/news/955804]
*কথা বলার স্বাধীনতা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না আমি তাদের (আন্দোলনকারীদের) পূর্ণ সমর্থন করি। সহিংসতা দিয়ে সত্যকে কখনো থামানো যায় না। সত্য কখনো মরে না। বাংলাদেশের জন্য দোয়া করবেন।
** দাউদ কিম, ১৬ জুলাই ২০২৪, দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার, ফেসবুক স্ট্যাটাসে[https://www.somoynews.tv/news/2025-07-20/H3KVsSTV]
*বাংলাদেশে যা ঘটছে তা ভয়াবহ। কিন্তু মিডিয়া এত চুপ কেন? আর পুলিশ এখন কি করছে? এটি লজ্জার, ওরা আপনার ভাই! আপনি যখন নিরপরাধ ছাত্রদের সাথে সহিংস আচরণ করছেন, তখন আপনি কোন ন্যায়বিচারের কথা বলছেন? যারা সহিংসতার মাধ্যমে স্বাধীনতার জন্য লড়াইকারীদের থামানোর চেষ্টা করছেন; তাদের (শিক্ষার্থীদের) ইচ্ছাকে কখনোই থামাতে পারবেন না। আল্লাহ তাদের পথচলা সহজ করুন। যারা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আল্লাহ তাদের অসীম গৌরব ও বিশ্রাম দিন… আমিন।
** দাউদ কিম, ১৬ জুলাই ২০২৪, দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার, ফেসবুক স্ট্যাটাসে [https://www.somoynews.tv/news/2025-07-20/H3KVsSTV]
* ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করা হলো।
** আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ফেসবুক ওয়ালে ও শাবিপ্রবির বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081]
* মুহম্মদ জাফর ইকবালকে আমরা খুব শ্রদ্ধা করতাম। কিন্তু তার গতকালকের লেখাটি আমাদের হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে। তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। শিক্ষার্থীরা যখন খুন হচ্ছে, হামলার শিকার হচ্ছে তখন একজন শিক্ষক হয়ে তিনি এ ধরনের লেখা লিখতে পারেন না। তাই আমরা তাকে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে আজীবনের জন্যে নিষিদ্ধ করেছি। [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081]
* নাম না প্রকাশ করার শর্তে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এক শিক্ষার্থী, ১৭ জুলাই ২০২৪, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081]
* জাফর ইকবাল স্যার সম্পর্কে আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো কথা বলতে চাই না। আমার ধারণা উনার প্রচণ্ড বুদ্ধিসুদ্ধির অভাব আছে। হয় উনার মধ্যে প্রচণ্ড অপরাধবোধ কাজ করে যে ১৯৭১ সালে উনি কী করেছেন, এই অপরাধবোধ ঢাকার জন্য উনি অতিরিক্ত মুক্তিযোদ্ধা সাজার চেষ্টা করেন। অধ্যাপক জাফর ইকবালের কাছে তার একটাই প্রশ্ন- আপনি কী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বোঝেন? আপনি কি পড়াশোনা করেছেন? আপনি কি বাহাত্তর সনে গণপরিষদ বিতর্ক পড়েছেন? তার তো কোনো পড়াশোনাই নাই, সে তো শিক্ষাবিদ দূরের কথা উনি বুদ্ধিপ্রতিবন্ধক একজন মানুষ।
** আসিফ নজরুল, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.ittefaq.com.bd/694138/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2]
* আমাদের সাইট থেকে তার (মুহম্মদ জাফর ইকবালের) সব বই ‘নট অ্যাভেইলেবল’ করে দেওয়া হয়েছে।
** রকমারি ডট কম কর্তৃপক্ষ, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.rtvonline.com/bangladesh/283021]
* শুধু কোটা নয়; গোটা দেশটাই সংস্কারের প্রয়োজন।
** [[মিজানুর রহমান আজহারী]] ১৭ জুলাই ২০২৪ বুধবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে তিনি বলেন,[https://dainikamadershomoy.com/details/0190bf2b9c2f]
* ...পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা
** সানজিদা চৌধুরী, ১৭ জুলাই ২০২৪, আন্দোলনকারী [https://m.youtube.com/watch?v=f01wgCz4UIA] [https://www.somoynews.tv/news/2025-02-21/24NM1wYW]
* এই আন্দোলনের শুরু থেকেই সরকার যথেষ্ট ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন করেছে। বরং আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশ সহযোগিতা করে। মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে যখন আন্দোলনকারীরা স্মারকলিপি প্রদান করার ইচ্ছা প্রকাশ করে, সে ক্ষেত্রে তাদের সুযোগ করে দেওয়া হয় এবং নিরাপত্তারও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো- কিছু মহল এই আন্দোলনের সুযোগটা নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করার সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। এর ফলে এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে যে সব ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক। অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল। আপনজন হারাবার বেদনা যে কত কষ্টের, তা আমার থেকে আর কে বেশি জানে।
** [[শেখ হাসিনা]], ১৭ জুলাই ২০২৪, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে
* ভাই, পানি লাগবে কারও পানি?
** [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]], ১৮ জুলাই ২০২৪, ঢাকায় একটি আন্দোলনে পুলিশের লক্ষহীন এলোপাথাড়ি গুলিতে মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে ছাত্রদের মাঝে বিনামূল্যে পানি ও বিস্কুট বিতরণ করার সময় [https://www.jugantor.com/national/830891/%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%AB-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9F-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7]
* ‘এ আগুন থামান। এ আগুন নেভানোর দায়িত্ব সরকারের। কালবিলম্ব না করে সম্ভব হলে আজ-কালকের মধ্যেই স্পেশাল কোর্ট বসিয়ে সমস্যার সমাধান করুন। সময় খুব কম। আমরাও সরকারে (এরশাদের আমলে) ছিলাম। আমরাও এভাবে আন্দোলনকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিলাম। নূর হোসেন মারা যাওয়ার পর অনেকে বলেছিলেন, টোকাই মারা গেছে, কী হবে? কিন্তু আমি বলেছিলাম, না, এই নূর হোসেন একক কোনো ব্যক্তি নয়।’
**কাজী ফিরোজ রশীদ, ১৮ জুলাই ২০২৪, নির্বাহী চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টি (রওশন এরশাদপন্থী)
* ‘সব ধরনের সহিংসতা ও বলপ্রয়োগ, বিশেষ করে প্রাণহানির ঘটনার অবশ্যই তদন্ত করতে হবে এবং দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ মানুষের মৌলিক মানবাধিকার।’
**ভলকার টুর্ক, ১৮ জুলাই ২০২৪, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার, এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে
* আপনার কোনো অধিকার নেই আমাকে রাজাকারের বাচ্চা বলার! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আপনি কোন সাহসে আমাকে রাজাকারের বাচ্চা বলেন? আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান!
** দীপ্তি চৌধুরী, ১৮ জুলাই, আলোচনা সঞ্চালক, চ্যানেল আইএর টু দ্য পয়েন্ট নামক টকশোতে আলোচক সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক স্টুডিও ছাড়ার আগে তাকে ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে সম্বোধন করার প্রতিক্রিয়ায় [https://www.ntvbd.com/bangladesh/news-1435909]
* আমি ভারতের নাগরিক। বাংলাদেশ আমাদের প্রতিবেশী। তার বিষয় আসয়ে নাক গলানোর অধিকার আমার নেই। সেটা করতে চাইও না। তবু বাংলাদেশের অনেকের কাছ থেকে যে ভালবাসা আমি পেয়েছি তা ভুলে থাকতেও পারছি না। বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থায় চুপ করে বসে থাকতে পারি না। থেকেছি কয়েক দিন। আর পারছি না। কিন্তু অবস্থাটা যে ঠিক কী, কী কী কারণে যে এমন হল এবং হচ্ছে, কারা যে এতে জড়িত তাও তো ঠিকমতো জানি না। তাও পঁচাত্তর উত্তীর্ণ এই বাংলাভাষী করজোড়ে সব পক্ষকে মিনতি করছি: অনুগ্রহ করে হিংসা হানাহানি বন্ধ করুন। ঢাকা সরকারকে অনুরোধ করছি: বাংলা ভাষার কসম শান্তি রক্ষার চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। আপনাদের ছাত্রবাহিনী যেন হিংসার আশ্রয় না নেন।” “হানাহানি বন্ধ হোক। বন্ধ হোক উল্টোপালটা কথা বলে দেওয়া। বাঁচুক বাংলাদেশ। বাঁচুন বাংলাদেশের সকলে। জয় বাংলাদেশ। জয় মুক্তিযুদ্ধ। জয় অসংখ্য বাংলাদেশীর শাহাদাত ও অপূরণীয় ক্ষতিস্বীকার। জয় বীরাঙ্গনারা। জয় বাংলা ভাষা!”“বিরোধী হলেই রাজাকার!/ বলে দাও তবে দেশটা কার/ দেশটা কার দেশটা কার!”
** কবীর সুমন, ১৮ জুলাই ২০২৪, ফেসবুক পোস্টে [https://mzamin.com/news.php?news=119230]
* প্রায় এক মাস হলো আমি নিজের দেশে নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খবরের চ্যানেলে তৃতীয় বিশ্বের কোনো খবরই তেমন একটা চলেনা। আর আমি খুব একটা ফোনের পোকা নই তাই এত খারাপ একটা খবর কানে আসতে দেরি হলো। বাংলাদেশের স্মৃতি নিয়ে স্বস্তিকা লিখেন, ‘এই তো কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ গেলাম, খুব ইচ্ছে ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় যাওয়ার। চারুকলা যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল, জীবনের একটা স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। প্রতিবার আসি, ব্যস্ততায় যাওয়া হয়না, মা‘ও খুব যেতে চাইতেন বাংলাদেশ, নিয়ে যাওয়া হয়নি। কিন্তু আজ একটা ভিডিও দেখলাম, গুলির ধোঁয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা আক্রান্ত। ছাত্র বয়স গেছে সেই কবে, তবে জাহাঙ্গীরনগর আর আমার যাদবপুর খুব কাছাকাছি। কাঠ গোলাপের গাছগুলোও কেমন এক রকম। এক রকম আকাশের মেঘগুলোও। কেবল আজ ওখানে বারুদের গন্ধ।’‘ময়দান ভারী হয়ে নামে কুয়াশায়, দিগন্তের দিকে মিলিয়ে যায় রুটমার্চ, তার মাঝখানে পথে পড়ে আছে ও কি কৃষ্ণচূড়া? নিচু হয়ে বসে হাতে তুলে নিই, তোমার ছিন্ন শির, তিমির।’ এমন এক আপ্যায়নপ্রিয় জাতি দেখিনি, খাবারের নিমন্ত্রণ যেন শেষ হতেই চায় না, অমন সুন্দর করে সারা রাস্তা জুড়ে ভাষার আল্পনা আর কোথায় দেখবো? নয়নজুড়ানো দেওয়াল লেখা? এ বোধহয় মুক্তিযুদ্ধের শপথ নেওয়া একটা জাতির পক্ষেই সম্ভব। আজ অস্থির লাগছে। আমিও তো সন্তানের জননী। আশা করবো বাংলাদেশ শান্ত হবে। অনেকটা দূরে আছি, এই প্রার্থনাটুকুই করতে পারি। অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো, সেই আমাদের আলো, আলো হোক, ভাল হোক সকলের।
** স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, ১৮ জুলাই ২০২৪, কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত আবু সাঈদের আঁকা ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে, যার উপরে লেখা "বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর।" [https://www.ntvbd.com/entertainment/news-1430941] [https://www.bvnews24.com/entertainment/news/155975]
* বাংলাদেশে থাকা যেসব মানুষ ভোগান্তির মধ্যে আছেন, তাঁদের জন্য আমার প্রার্থনা ও সহমর্মিতা রইল।
** [[:w:এনসো ফের্নান্দেস|এনজো ফার্নান্দেজ]], ১৯ জুলাই ২০২৪, ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার, ফেসবুকের এক পোস্টে [https://www.prothomalo.com/sports/football/bbeqhr6be7]
*এটা অবশ্যই কারফিউ। এটা নিয়ম অনুযায়ীই হবে এবং সেটা শুট অ্যাট সাইট হবে।
** [[ওবায়দুল কাদের]], ২০ জুলাই ২০২৪, গণভবনে ১৪ দলের বৈঠকের পর কারফিউ জারি ও সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সাংবাদিকদের দেওয়া বক্তব্য [https://www.prothomalo.com/bangladesh/34df7itae8]
* দেশকে যখন আমরা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছি, তখন দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনের মধ্যে গুজব ছড়ানো হয়েছে, শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু বলে দিতে চাই, শেখ হাসিনা পালায়নি, পালায় না। আমি জানি ব্যবসা বানিজ্য সচল রাখতে হবে। এজন্য আপনাদের সহযোগিতা দরকার। যে ক্ষতি হয়েছে সেটি কারা করলো? এবার অতো সহজে ছাড়া হবে না। ধ্বংসযঞ্জে চালিয়ে দেশকে ধ্বংস করবে? আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই যাতে দেশের ভাবমূর্তি ঠিক থাকে। ভাবমূর্তি ঠিক না থাকলে ব্যবসা লাটে উঠবে।
** [[শেখ হাসিনা]], ২২ জুলাই ২০২৪, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে
* সরকার আগে থেকে আন্তরিক হলে মৃত্যু কমানো যেতো। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা যে দাবি করেছিল, সেটা তো শেষ পর্যন্ত মেনে নেওয়া হয়েছে। এটাই যদি শুরুতে উদ্যোগ নিয়ে করা হতো তাহলে তো এত প্রাণহানি হতো না। বরং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগকে উস্কানি দিয়ে আন্দোলনকারীদের উপর হামলা না করালে হয়ত পরিস্থিতি এ দিকে যেতো না। ফলে আমি মনে করি, সরকার আন্তরিক হলেই প্রাণহানি কমতো।
** সাখাওয়াত হোসেন ২৫ জুলাই ২০২৪, নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%BE/a-69767637]
* সরকার দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করেনি, ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গেছে।
**[[জুনাইদ আহমেদ পলক]], ২৭ জুলাই ২০২৪, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, ‘শান্তির জন্য বৃক্ষ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/34df7itae8]
* এখানে আমার তো কোনও চাওয়া-পাওয়া নেই। আমি তো ছেলে-মেয়েদের জন্যও কিছু করিনি। শুধু তাদের লেখাপড়া... নিজেরাই চাকরি করে লেখাপড়া করেছে। আমি কতটুকুইবা তাদের জন্য করতে পেরেছি। কিন্তু আমি দেশের মানুষের জন্য করেছি। আজ অন্তত মানুষের ভাত-কাপড়ের ব্যবস্থা, চিকিৎসার ব্যবস্থা, তাদের কাজের সংস্থান; সবই তো করে দিচ্ছিলাম। যখন আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেলাম, তখনই তাণ্ডব করে ঠিক যে জায়গাগুলো (প্রতিষ্ঠান) মানুষের সেবা করবে, সে জায়গাগুলোতে আঘাত করা হলো। সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার পরেও তাদের আর সেই শাটডাউন শেষ হয় না, কী কারণে আমি বুঝি না। আমরা তো সবগুলো দাবিই মেনে নিয়েছি। একটা মানলে আরেকটা, আরেকটা মানলে আরও একটা! আর এর ফল আজকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে সব একদিকে ছারখার, আর আজকে কত মানুষ জীবন হারালো! কতগুলো মানুষ পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে! কতগুলো মানুষ...।
** [[শেখ হাসিনা]], ২৭ জুলাই ২০২৪, আন্দোলনে আহতদের দেখতে শেরেবাংলা নগরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ট্রমাটোলজি অ্যান্ড অর্থোপেডিক রিহ্যাবিলিটেশন-নিটোর (পঙ্গু হাসপাতাল)-এ [https://www.banglatribune.com/national/855810/%E0%A6%8F%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B2-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80]
* মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের দিকেই যেন তাদের বেশি ক্ষোভ। আমার একটা কথা নিয়ে কত দিন প্রতিবাদ করল, কী কথা বলেছিলাম আমি? আমার কথাটাকে বিকৃত করা হয়েছিল। তাদের স্লোগানটা কী? ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার। তোমার বাবা, আমার বাবা, রাজাকার রাজাকার’। তার মানে তারা নিজেদেরই রাজাকার হিসেবে পরিচয় দিল। আমি তো তাদের রাজাকার বলিনি, তারা নিজেরাই স্লোগান দিয়ে নিজেদের রাজাকার হিসেবে পরিচিত করল সবার কাছে।”
** [[শেখ হাসিনা]], ২৭ জুলাই ২০২৪, বিটিভি ভবনের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শনকালে।
* আপনাদেরও সাহায্য চাই। যদি আপনারা কিছু জানেন, আমাদের জানাবেন। কারণ, এভাবে বারবার বাংলাদেশে সহিংসতা, এটা আর হতে দেওয়া হবে না। এ কারণে আপনাদের সাহায্য চাই। এমন জানোয়ারের মতো বর্বরতা কেউ কেউ করতে পারে? একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানের লাশ ঝুলিয়ে রাখতে পারে? যারা এগুলোর সাথে জড়িত, অবশ্যই এদের বিচার করতে হবে। তা না হলে মানুষের নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না। আমি তো বুঝি আপনাদের বেদনা। প্রতিনিয়ত বাপ-মা-ভাই-বোনদের হারানোর ব্যথা নিয়ে আমাদের চলতে হয়। লাশটাও দেখতে পারিনি, কাফন-দাফনটাও করতে পারিনি। দেশেও ফিরতে পারিনি। ছয় বছর দেশে ফিরতে দেয়নি আমাকে। যখন দেশে এসেছি, সারা দেশ ঘুরেছি। এই দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছি। সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছিলাম। কিন্তু বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটাবে, এই সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটাবে- এটা তো কাম্য না। আপনাদের কাছে শুধু এইটুকু বলবো, আপনারা সবুর করেন। আর আল্লাহকে ডাকেন যেন এই সমস্ত খুনি-জালেমের হাত থেকে আমাদের দেশটা রেহাই পায়। আমি আপনাদের সঙ্গে আছি, পাশে আছি। আমারও আপনাদের চোখের পানি দেখতে হচ্ছে। এটিই সবচেয়ে কষ্টের।
** [[শেখ হাসিনা]], ২৮ জুলাই ২০২৪, গণভবনে কোটা আন্দোলনে নিহত ছাত্রদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে
* কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মহাসচিব আন্তনিও গুতেরেস গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অত্যধিক বলপ্রয়োগের বিষয়ে সামনে আসা নানা প্রতিবেদনের বিষয়েও তিনি শঙ্কিত। যে-কোনো পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে জাতিসংঘ মহাসচিব তার ম্যান্ডেট অনুসারে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
** স্টিফেন ডুজাররিক, ২৯ জুলাই, জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র [https://www.ittefaq.com.bd/694840/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B2%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%AA-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87] [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8/a-69839456]
* দেশের সিভিল সার্ভিস থেকে শুরু করে সমস্ত সরকারি চাকরিতে সকলের বৈধভাবে প্রতিযোগিতা করার অধিকার থাকবে কিনা থাকবে না, এটি রাজনৈতিক প্রশ্ন। কিন্তু এর সমাধানের দিকে না গিয়ে দেশের সরকার প্রথমে উপেক্ষা করতে চেয়েছে, পরবর্তীতে দমননীতি অবলম্বন করেছে নিজের পেটোয়া বাহিনী দিয়ে। সেটা থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের শুরু। এখনো হত্যাকাণ্ডকে অস্বীকার করার জন্য চেষ্টা করছে। এই হত্যাকাণ্ড রাষ্ট্রীয় মদদে হয়েছে। এর বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের জন্য বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক তদন্ত দরকার। গতকাল (৩০ জুলাই ২০২৪) শোক দিবসের নামে একটা প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। সেখানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের জন্য শোক পালনের জন্য কালো ব্যাজ পরিধান করতে বলেছেন। আমরা সেটা প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা লাল ব্যাজ পরেছি। তারপরও তাঁদের তাঁরা শহীদ বলতে রাজি নন। তাহলে তাঁরা যদি শহীদ না হন, তাঁদের জন্য তাহলে প্রার্থনা করার দরকার কী? এ ধরনের অজস্র স্ববিরোধী আপনারা পাবেন। সরকার এখন এ হত্যাকাণ্ডকে জায়েজ করার জন্য অজুহাত দিচ্ছে। তারা মেট্রোরেল স্টেশনে হামলা করেছে, সেতু ভবনে হামলা করেছে অথবা বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনে হামলা করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, উন্নয়নের প্রতীকগুলো ধ্বংস করার জন্য বিরোধীরা এই আন্দোলনে ঢুকে পড়েছে। তবে দেশের মানুষ এটাকে মেনে নিল কেন? মানুষ যেটাকে দম্ভের প্রতীক মনে করে সেটিতে হামলা করে। এই সরকারের বৈধতার একমাত্র দাবি, তারা উন্নয়ন করেছে গত দেড় দশকে, আইয়ুব খানের এক দশক ছিল, শেখ হাসিনার দেড় দশক হয়েছে। এই শহরের মানুষ যে সরকারের উন্নয়নকে প্রত্যাখ্যান করেছে সেটা দেখা যায়। মানুষ যখন তথাকথিত উন্নয়নের প্রতীকে আক্রমণ করে তখন প্রথমে দেখে মনে হবে দুর্ঘটনা, কিন্তু না, এর পেছনে কারণ আছে। কেউ কি বিশ্বাস করেন এ সরকারের ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তারা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার করতে পারে? না। কারণ, তারা নিজেরাই হত্যাকারী। যারা নিজেরাই রাজাকার, খুনি, বিশ্বাসঘাতক তারা অপরকে বলে রাজাকার, খুনি, বিশ্বাসঘাতক। পৃথিবীতে এর চেয়ে বড় পরিহাস আর কী আছে। ক্ষমতার সর্বোচ্চ কেন্দ্রের চারদিকে আজ রাজাকারেরা বসে আছে। যখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরকারি বাহিনীর হামলার ফলে সাধারণ ছাত্ররা জেগে উঠল তাদের বিরুদ্ধে, তারা যখন পরাজয়ের মুখে, তখন তাদের সরিয়ে নিয়ে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ঢুকিয়ে দেওয়া হলো। তখনই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ল সারা দেশে। গুলিতে যাঁরা মারা গেছেন, তাঁরা আমাদের পথপ্রদর্শক। সংকটের উৎপত্তি কোথায়, সেদিকে না গিয়ে সরকার বলছে এই দল, সেই দলকে নিষিদ্ধ করব। সেটা সমস্যাকে আরও বাড়াবে। এজন্য এখন দরকার রাজনৈতিক সমাধান। বর্তমান সরকারকে ক্ষমা প্রার্থনা করে পদত্যাগ করতে হবে। পদত্যাগ ছাড়া নতুন কোনো ব্যবস্থা আমরা দিতে পারব না।
** সলিমুল্লাহ খান, ৩১ জুলাই ২০২৪, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের (ইউল্যাব) অধ্যাপক, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/5n7rtbmej1] [https://www.jugantor.com/national/others/832583/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0]
* আমি ঘুমাতে পারি না, যখন মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর গল্প পড়ি। যে ছেলেটা আন্দোলনে গিয়েছিল বিস্কুট ও পানি দেওয়ার জন্য। সে মারা যাওয়ার আগেও বলছিল, কারও পানি লাগবে, পানি লাগবে? এ অবস্থায় তাকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
** [[আসিফ নজরুল]], ৩১ জুলাই ২০২৪ [https://www.jugantor.com/national/832296/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%C2%A0]
* একটা জিনিস গেলে আবার গড়ে তোলা যায় কিন্তু একটা জীবন গেলে, প্রাণ গেলে তো আর ফিরে পাওয়া যায় না! যারা আপনজন হারিয়েছে, যে মা তার সন্তান হারিয়েছে, যে সন্তান তার বাবা হারিয়েছে, তাদের কষ্ট আর কেউ না বুঝুক, আমি তো বুঝি! কারণ আজকে এই আগস্ট মাস আমি তো বাবা-মা, ভাই সব হারিয়ে এই বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলাম নিজে ছোট ছোট বাচ্চাদের মাতৃস্নেহবঞ্চিত করে, কেন? বাংলাদেশের মানুষের জন্য। এই দেশের মানুষ সুন্দর জীবন পাবে, উন্নত জীবন পাবে, স্বাধীনতার সুফল পাবে। প্রত্যেকে পেট ভরে ভাত খাবে, প্রত্যেকে লেখাপড়া শিখবে, দারিদ্র্যের হাত থেকে মুক্তি পাবে। বাংলাদেশ উন্নত হবে, সমৃদ্ধশালী হবে, বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসন পাবে। যে মর্যাদা আমরা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর পেয়েছিলাম। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর যা আমরা হারিয়েছিলাম, আবার সেই মর্যাদা ফিরিয়ে নিয়ে আসব। আমি কিন্তু এনেছিলাম। বাংলাদেশ বিশ্বে সেই মর্যাদা পেয়েছে। সেই জায়গায় আমরা নিয়ে গিয়েছিলাম। আজকে বাংলাদেশ সম্পর্কে প্রতিটি জায়গায় নেতিবাচক একটা মনোভাব হয়ে গেছে। এই যে এতদিন এত শ্রম দিলাম, এত কষ্ট, নিজের দিকে তো তাকাইনি! নিজের ছেলে-মেয়ের তো কিছু করিনি! যেটুকু করেছি, এ দেশের মানুষের জন্য।
** [[শেখ হাসিনা]], ১ আগস্ট ২০২৪, জাতীয় শোক দিবস স্মরণে আলোচনাসভায় বক্তব্যে [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-601736]
*...আপনাদের দুজনের কাছেই প্রশ্ন, তবে, পানি লাগবে কিনা, পানির বোতল কিন্তু আছে, আপনার ওখানে? পানি লাগবে পানি? হ্যাঁ, এরকম একটা বোতল আছে। মুগ্ধ আমাদের জন্য অনেকগুলো পানির বোতল রেখে গিয়েছে। সেই পানি এখানেও আছে।... (কয়েক সেকেন্ডের জন্য আবেগআপ্লুত হয়ে বাকরুদ্ধ থেকে আবার স্বাভাবিক হয়ে ভারী গলায়)... অগাস্ট মাস আমাদের শোকের মাস... অগাস্ট এর আগে জুলাইতে এমন করে শোক পালন করতে হবে...(ক্রন্দনরত) আমরা কেউ ভাবি নি।.. কিছুক্ষণ আগে আপনাকে একটা ঘটনার কথা বললাম,.. আপনি শুনেছেন, আমি আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আপনি এই ঘটনা বলবেন। কি হয়েছে একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে।.. (ক্রন্দন).. প্লিজ দর্শক কেউ ভাববেন না আমি প্ল্যান করে এসেছি, আমি কোন ভিউ বাড়ানোর জন্য কান্নাকাটি করছি, প্লিজ কেউ ভাববেন না। আমি একজন এঙ্কর,.. আম.. আহ.. আমার আসলে এই মুহূর্তে ইমোশনাল হওয়ার কথা না।.. আমি মূল অনুষ্ঠানে যাচ্ছি।..(স্বাভাবিক কণ্ঠে) আজ বারবার বঙ্গবন্ধুর কথা মনে পড়ছে,.. বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোকের উপর হত্যা করা হয়, তিনি হুংকার দিয়েছিলেন পাকিস্তানি স্বৈরশাসককে।...(ক্রন্দনরত) আজ বঙ্গবন্ধু থাকলে এই অবস্থা হতো?..।
** রোকসানা আঞ্জুমান নিকোল, ১ আগস্ট ২০২৪, যমুনা টিভির সঞ্চালক, রাজনীতি নামক টকশোতে [https://m.youtube.com/watch?si=x4VxWYBBRrf5x78q&v=mWxbLBDydvE&feature=youtu.be] [https://m.youtube.com/watch?si=k_RceivO_6D3DqzU&v=GPJ1cBhZaxU&feature=youtu.be] [https://thedailycampus.com/struggle/148662/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD-%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE]
* আমরা সকল নির্যাতন, গোলাগুলি, হত্যা, রক্ত– এগুলো দেখতে চাই না। এসবের বাইরে থাকতে চাই। অনেক হাইপারটেনশনের রোগী হয়ে গেছি। এগুলো দেখতে আর ভালো লাগে না। আমরা শান্তি চাই, রক্তপাত চাই না...আমি তো অনেককে অনেক কিছুই বলতে পারি। কিন্তু বিষয়টি সিদ্ধ হতে হবে। এগুলো তো প্রমাণিত হওয়ার ব্যাপার। কোনো প্রমাণিত সত্য আমার হাতে না পেলে, এটা বলতে পারি না।
** [[মোশাররফ করিম]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেতা [https://ntvbd.com/entertainment/news-1435217]
* আমাদের যে ভাইরা, যে বন্ধুরা মারা যাচ্ছে, মারা গেল—যদি আপনি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হন, আপনি রাতের বেলা ঘুমাতে পারবেন না। আমার কানে এখনও বাজে যে ‘কারও পানি লাগবে?’ এটা যতদিন মাথায় থাকবে ততদিন আমরা শান্তিতে ঘুমাতে পারব না।
** [[সিয়াম আহমেদ]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেতা [https://www.itvbd.com/entertainment/dhallywood/161405/%E2%80%98%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E2%80%99]
* যেদিন থেকে এই ঘটনাগুলো শুরু হয়েছে, যেদিন থেকে গুলি চলেছে, সেদিন থেকে আমি দুই চোখের পাতা এক করতে পারিনি। কারণ ওই শিশুগুলোর মধ্যে আমার সন্তান থাকতে পারতো। ওই মানুষগুলোর মধ্যে আমি, আপনি থাকতে পারতাম।যে অন্যায়, অবিচার, নিপীড়ন করা হয়েছে বা করা হচ্ছে এখনো, যেভাবে গণগ্রেপ্তার করা হচ্ছে, যেভাবে গুলি করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, একটি গণতান্ত্রিক দেশে সেই দৃশ্য দেখার পর কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ যদি বাড়িতে বসে থাকতে পারে, তাহলে আমার বলার কিছু নেই। কারণ আমার একটি ১২ বছরের সন্তান আছে। আমি নিজে এ দেশের নাগরিক। আমার বিদেশি কোনো পাসপোর্ট নেই। আমি এই দেশেই থাকবো এবং এই দেশটি আমার। এই দেশটি আমরাই সংস্কার করবো। এটা কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি হতে পারে না। আমি এসব অন্যায়ের সুষ্ঠু তদন্ত চাই এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিচারের আওতায় আনা হোক। এর প্রকাশ্য-প্রয়োগ আমরা দেখতে চাই।
** [[আজমেরী হক বাঁধন]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেত্রী [https://www.jagonews24.com/entertainment/news/958484]
* বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।
** শমী কায়সার, ১ আগস্ট, আন্দোলনে ভাংচুরে ক্ষতিগ্রস্ত বিটিভি ভবন পরিদর্শনকালে, সাথে ছিলেন ফেরদৌস আহমেদ, রোকেয়া প্রাচী, জ্যোতিকা জ্যোতি, সোহানা সাবা, সুজাতা, রিয়াজ, অরুণা বিশ্বাস, নিপুণ, আজিজুল হাকিম, রোকেয়া প্রাচী, তানভীন সুইটি, হৃদি হক, সাজু খাদেম, সোহানা সাবা, চন্দন রেজা, শুভ্র দেব, মুশফিকুর রহমান গুলজার, এস এ হক অলিক, খোরশেদ আলম খসরু, শামীমা তুষ্টিসহ আরও অনেকে। [https://jamuna.tv/news/552593]
* শেম অন ইউ গাইজ। (লজ্জা হচ্ছে তোমাদের জন্য)।
** সাদিয়া আয়মান, ১ আগস্ট ২০২৪, ফেরদৌস-শমী কায়সারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শমী কায়সারের "বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।" মন্তব্যযুক্ত যমুনা টিভির কার্ড শেয়ার করে [https://www.jugantor.com/entertainment/833197/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%AE-%E0%A6%85%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%89-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9C-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%8C%E0%A6%B8%E0%A6%B6%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8]
* একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা বিটিভির প্রাঙ্গণে গিয়ে চোখের পানি ঝরিয়েছেন। অবশ্যই তাদের জীবন ও ক্যারিয়ারের সঙ্গে বিটিভি কেন্দ্রিক স্মৃতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের দুঃখ পাওয়াটা হয়তো স্বাভাবিক। কিন্তু! এত ছাত্র-ছাত্রী, শিশু, মা, বোন, সাধারণ মানুষ যে মারা গেল তা নিয়ে একবারও কিচ্ছু বললেন না! একবারো দুঃখ প্রকাশ করলেন না। একবারো এই মানুষগুলোর হত্যার বিচার চেয়ে কিছু বললেন না। কেন? কারণ যারা এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন তারা আপনাদের কেউ না। তাদের বা তাদের পরিবারের দ্বারা আপনাদের কোনো লাভ হবে না, স্বার্থ হাসিল হবে না এবং ক্ষমতাও পাবেন না। তাই কি? নিজেদের লাভ লস চিন্তা করে, ক্ষমতার স্বার্থে কিংবা কাউকে দেখানোর জন্য আপনারা যে কথাগুলো ক্যামেরার সামনে বলেছেন এগুলো সারাজীবন আর্কাইভে তো থাকবেই, আমাদের মনেও থেকে যাবে। জেনারেশন টু জেনারেশন জানবে ৯০ দশকের যাদের অভিনয় টিভি স্ক্রিনে দেখে আমরা মুগ্ধ হয়েছি এখন তাদের বাস্তব জীবনের কর্ম দেখে আমরা বিস্মিত এবং লজ্জিত! দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আপনাদের প্রতি শ্রদ্ধা হয়তো আর কখনো ফিরে আসবে না।
** সাদিয়া আয়মান, ২ আগস্ট ২০২৪, ১ আগস্ট দেওয়া ফেসবুক পোস্ট এর ব্যাখ্যা হিসেবে দেওয়া ফেসবুক পোস্টে [https://www.daily-sun.com/bangla/post/4042]
* আন্দোলন প্রত্যাহার করে ডিবি অফিস থেকে প্রচারিত ছয় সমন্বয়কের ভিডিও স্টেটমেন্টটি আমরা স্বেচ্ছায় দেইনি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো সিদ্ধান্ত ডিবি অফিস থেকে আসতে পারে না। সারাদেশের সকল সমন্বয়ক ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ব্যতীত কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গৃহীত হবে না। ডিবি অফিসে আমাদের জোর করে খাবার টেবিলে বসিয়ে ভিডিও করা হয়। আমাদের ছেড়ে দেবার আশ্বাস দিয়ে পরিবারকে ডেকে ১৩ ঘন্টা বসিয়ে রাখা হয় এবং মিডিয়ায় মিথ্যা স্টেটমেন্ট দেওয়ানো হয়। আমাদের শিক্ষকরা দেখা করতে আসলে, দেখা করতে দেওয়া হয়নি।
**কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৬ সমন্বয়ক, ২ আগস্ট ২০২৪ [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/quota-protest/news-601946]
* আমরা এখন রাস্তায়, কারণ আমাদের হাজারো ভাই-বোন মারা গেছেন, হাজারো মানুষকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। যার ফলে এখন, বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে, ছাত্রদের সঙ্গে কর্মজীবী মানুষ, সঙ্গীত ও অভিনয় শিল্পীরাও একাত্মতা পোষণ করেছেন। তারা সবাই রাস্তায় নেমে এসেছে, আন্দোলন করছে এবং একজন নাগরিক হিসেবে ও সাধারণ মানুষ হিসেবে তার অধিকার সম্পর্কে দাবি তুলছে। বাংলাদেশের পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনী ছাত্রদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে এই আন্দোলনের যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, আমাদের একজন সমন্বয়ক আরিফ সোহেলকে মিথ্যা মামলায় তুলে নেওয়া হয়েছে। ছাত্ররা রাস্তায় নামলেই তারা গণহারে গ্রেফতার করছে। রংপুরে আন্দোলন করার সময় অসংখ্য ছাত্রছাত্রীদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারা দিনদিন আরও কঠোর হচ্ছে। মনে হচ্ছে যেন যুদ্ধের মধ্যে আছি আমরা। বাস্তবে আমাদের এখানে কোনো যুদ্ধ চলছে না, তাহলে আমার প্রশ্ন যুদ্ধ আসলে কেমন হয়। সরকার এটির সমাধান করতে পারত রক্ত ঝরার আগেই। আমাদের ভাই ও বোনদের গুলি খেয়ে রক্ত ঝরার আগেই সমাধান করা উচিত ছিল তাদের। এটা এখন আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। সরকার হাজারের বেশি মানুষকে মেরেছে,হাজারের বেশি মানুষকে তুলে নিয়েছে। সব মিলিয়ে নয় হাজারের বেশি মানুষকে তুলে নিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং জেলে পাঠানো হয়েছে। কাজেই অবশ্যই আমরা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ ও আন্দোলন কারিদের পক্ষ থেকে করজোড়ে প্রত্যেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক কমিউনিটির কাছে সাহায্য চায়। তারা যেন সরকারকে প্রশ্ন করে, চাপ দেয়।’ আমাদের আন্দোলন এখন আর কোটায় সীমাবদ্ধ নেই। আমাদের হাজারো ভাই-বোন মারা গেছে। আমরা সেই নিহতের প্রকৃত সংখ্যাটি পর্যন্ত জানি না। সরকার বলছে তারা নিহতের সংখ্যা জানাবে। গণমাধ্যমে আমরা দেখছি আড়াইশর বেশি নিহতের কথা। বাংলাদেশি পুলিশ ও সরকারের বর্বরতা থেকে নিষ্পাপ শিশুরা পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না। ২ বছর ৪, ৬ ও ১১ বছরের শিশুরা পর্যন্ত মারা গেছে। এমনকি শিশুদের পর্যন্ত আদালতে দাঁড় করিয়েছে তারা। কাজেই এই আন্দোলন এখন আর কোটায় সীমাবদ্ধ নেই। এই আন্দোলন এখন আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের আন্দোলন। এই আন্দোলন এখন আমাদের মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার অধিকারের আন্দোলন। শুরুতে এটা ছাত্রদের আন্দোলন হলেও এখন এটা গণমানুষের আন্দোলন। বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। আন্দোলন দমাতে সরকার অনেকেই গ্রেফতার করেছে। আমাদের অনেক নেতাকে তুলে নিয়ে গেছে। কিন্তু আমরা এখন বিশ্বাস করি আমরা এখন সবাই নেতা। আমার এখন সবাই সমন্বয়ক। আর আমরা এই লড়াই চালিয়ে যাব স্বৈরাচার শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত। এক নায়কতন্ত্র বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত এবং আমাদের সব দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত।
** প্রাপ্তি তাপসী, কোটা আন্দোলনের পক্ষে অন্যতম সংবাদ প্রতিনিধি ছাত্রী, ২ আগস্ট ২০২৪ আল-জাজিরার দ্য স্ট্রিম অনুষ্ঠানে দেওয়া দীর্ঘ অনলাইন সাক্ষাৎকারে [https://www.jugantor.com/national/833516/%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87]
* নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর সহীহ হাদিস অনুসারে, যারা তাদের অধিকার চাওয়ার জন্য মৃত্যুবরণ করে তারা শহীদ (ইসলামে শহীদ)। এই ঘটনার অনুরূপ, বাংলাদেশে কোটা আন্দোলনে নিহত ছাত্র এবং প্রতিবাদকারীদের শহীদ বলা যেতে পারে।
** [[জাকির নায়েক]], ২ আগস্ট ২০২৪ [https://m.youtube.com/watch?si=yyEcVJgePz4KaCKf&v=PZj5iYTWR6I&feature=youtu.be]
* বাংলাদেশের আমার সব ভক্তকে বলছি, আমি তোমাদের কথা শুনছি, তোমাদের জন্য প্রার্থনা করছি।
** [[:w:এনসো ফের্নান্দেস|এনজো ফার্নান্দেজ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে লাল কাপড়ে চোখ ঢাকা পেছনে বাংলাদেশের পতাকাসহ প্রতীকি ছবি শেয়ার করা ফেসবুকের এক পোস্টের ক্যাপশনে [https://www.jagonews24.com/en/amp/75912]
* ইয়া আল্লাহ, তুমি যুদ্ধে আমার নবীকে যেভাবে সাহায্য করেছ! সেভাবে আমাদের ভাইগুলোকে সাহায্য করো আমিন।
** ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তী, ৩ জুলাই, ২০২৪, অভিনেত্রী [https://www.rtvonline.com/amp/entertainment/284946]
* তাদের সাথে আলোচনার কোন পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের দাবি অত্যন্ত সুস্পষ্ট, তাদের কোন বক্তব্য থাকলে দেশবাসীর সামনেই মিডিয়া মারফত তা রাখতে পারেন। আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার সিদ্ধান্তই আমাদের সিদ্ধান্ত। গুলি আর সন্ত্রাসের সাথে কোন সংলাপ হয় না।
** [[আসিফ মাহমুদ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, কোটা আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক, বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://www.bbc.com/bengali/live/cgrlrjlj9drt#asset:2d5e6283-ba9d-4c26-b7e1-118dc3956d52]
* চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে দেশব্যাপী চলা অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে অনেক ইমাম-খতীবকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। কোনো কোনো খতীবকে কারণ ছাড়াই ছুটিতে রাখা হয়েছে। যারা এগুলো করেছেন, ঘোরতর অন্যায় ও নীতিবহির্ভূত কাজ করেছেন। এদেশে সবচেয়ে কম সুযোগ সুবিধায় দায়িত্ব পালন করেন ইমাম-মুয়াজ্জিনগণ। তারা স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পান খুবই কম। অথচ তাদের ওপর খবরদারি করা হয় সব থেকে বেশি। ইমাম মানে নেতা। তাদের ওপর খবরদারি করা মুসলিমসুলভ আচরণ হতে পারে না। কোনো ইমাম সত্য উচ্চারণ করতে গিয়ে জুলুমের শিকার হলে সবাইকে তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান করছি। ইমাম-খতীবগণ যত স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারবেন, আমাদের সমাজ ততই ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে এগোবে।
** [[শায়খ আহমাদুল্লাহ|আহমদুল্লাহ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশী আলিম (মুসলিম ইসলামী পণ্ডিত), ঈমাম, খতীব, ইসলাম ধর্ম প্রচারক ও বক্তা, নিজস্ব ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে কোটা আন্দোলনের পক্ষে কথা বলায় দেশব্যাপী ঈমাম খতীবদের চাকরিচ্যুত করা প্রসঙ্গে [https://www.jugantor.com/national/833757/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9]
* আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য গণভবনের দরজা খোলা। কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আমি বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। আমি সংঘাত চাই না। আমি আবারও বলছি, আন্দোলনকারীরা চাইলে আমি এখনো আলোচনায় রাজি। তারা যেকোনো সময় (গণভবনে) আসতে পারে। দরকার হলে তারা তাদের অভিভাবকদের নিয়েও আসতে পারে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে।
** [[শেখ হাসিনা]], ৩ আগস্ট, গণভবনে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/bm5xcpuqwg]
* কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে কেউ মারা যায়নি। গুলির যে তথ্য পাওয়া গেছে তার অনেকগুলোই পুলিশের রাইফেলের গুলি নয়। কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। হয়তো দুই-একজন কিশোর মারা গিয়ে থাকতে পারে। তাদেরককে ঢাল হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছিল। শিশুদের আড়ালে অন্য একটি শক্তি ছিল। পেছনের শক্তিকে রুখতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। (পদত্যাগের প্রশ্নে) এরকম কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে এবং প্রধানমন্ত্রী যদি মনে করা তাহলে আমরা সেটা করব।
** [[আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল]], ৩ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী [https://jamuna.tv/news/553165]
* কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরুটা দেশবাসী দেখেছেন। সরকার গুণ্ডা-পাণ্ডা দিয়ে সন্ত্রাস চালালো এবং পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিজিবি নামিয়ে, আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত শিশুকিশোর ও তরুণের তাজা প্রাণ হরণ করল, তা দেশবাসী কি এত সহজে এই অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যাবে। এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না।’ শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। সারাদেশের শিশু কিশোর ও তরুণরা শত উসকানি, হামলা ও নির্যাতনের মধ্যেও ধৈর্য ধরে শৃঙ্খলার সঙ্গে আস্তে আস্তে আইন মেনে সামনে পা বাড়াচ্ছিল। বিপরীতে দ্বিতীয় পক্ষ যে উপর্যুপুরি উসকানি দিল, গুণ্ডাপাণ্ডা দিয়ে সন্ত্রাস চালালো এবং পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিজিবি নামিয়ে, আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত শিশু কিশোর ও তরুণের তাজা প্রাণ হরণ করল, তা দেশবাসী কি এত সহজে এই অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যাবে।’ দ্রুত বিজিবি ও সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী তিন দশক ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের মাধ্যমে যে সম্মান মর্যাদা ও গৌরব অর্জন করেছে তা আজ কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। সার্বজনীন মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক সর্বোচ্চ মান রক্ষা করেই আপনাদের সকলকে নিজ দেশের জনগণের পক্ষে দাঁড়াতে হবে। চোখের সামনে আমরা নিজেদের মাতৃভূমিকে ধ্বংস হতে দিতে পারি না। আক্রমণকারীরা গণঅভ্যুত্থানের প্রতিরোধের মধ্যে পিছপা হতে বাধ্য হলে পরবর্তী পর্যায়ে ব্যবহার করা হলো বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে। তাদেরকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কখনও সম্মুখভাবে, কখনো পেছনে ও পাশে দাঁড় করিয়ে অন্যান্য বাহিনীগুলো এই গণ-আন্দোলনের ওপর তাদের জুলুম অত্যাচার নির্যাতন অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। কোনোভাবেই এমন পরিস্থিতির দায় দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর নেওয়া উচিত নয়। বাংলাদেশের স্বশস্ত্র বাহিনী অতীতে কখনো দেশবাসী বা সাধারণ জনগণের মুখোমুখি দাঁড়ায়নি, তাদের মুখে বন্দুক তাক করেনি।
** ইকবাল করিম ভূঁইয়া, ৪ আগস্ট ২০২৪, সাবেক সেনাপ্রধান, সংবাদ সম্মেলনে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/g77bbharbn]
* রিট করার নেপথ্যে অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে। কেননা তারা দেশকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দিতে চায়।
** আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন, ৪ আগস্ট ২০২৪, অ্যার্টনি জেনারেল, আন্দোলনের সময় সরাসরি গুলি না করার নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ করার প্রসঙ্গে [https://jamuna.tv/news/553225]
* আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন। আমি পদত্যাগ করবো না। আপনি গুলি চালান।
** শেখ হাসিনা, ৫ আগস্ট ২০২৪, সেনাপ্রধান শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে বললে রাগান্বিত হয়ে প্রতিউত্তরে [https://www.dailyjanakantha.com/national/news/750744]
* এখানে কেউ থাকবেন না। (নো ওয়ান স্টে হেয়ার।)
** শেখ হাসিনা, ৫ আগস্ট ২০২৪, তার আত্মীয়দের কাছে শেষ হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় [https://english.khaborerkagoj.com/special-report/799212]
* শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা গণভবন থেকে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। শেখ হাসিনা যাওয়ার আগে একটি ভাষণ রেকর্ড করে যেতে চেয়েছিলেন। তিনি সে সুযোগ পাননি।
** বার্তা সংস্থা এএফপি, ৫ আগস্ট ২০২৪, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dn4yfsve75]
* জার জার ওবস্তান থেকে পালাও।
** নুরুল আজিম রনি, ৫ আগস্ট ২০২৪, চট্টগ্রামের ছাত্রলীগ নেতা [https://www.facebook.com/photo.php?fbid=546352834395915&id=100070636098946&set=a.213473031017232]
* আপনাদের আমি কথা দিচ্ছি। আপনারা আশাহত হবেন না। আপনাদের যত দাবি আছে আমরা পূরণ করবো। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবো। আপনারা আমাকে সহযোগিতা করেন। দয়া করে ভাঙচুর, মারামারি, হত্যা, সংঘর্ষ এগুলো থেকে বিরত হন।”
** [[ওয়াকার-উজ-জামান]], ৫ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল, দুপুরে জাতির উদ্দেশে ভাষণে [https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/83477/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A4]
* দেশে আজকে যা ঘটল, এটাই হওয়ার কথা ছিল। গণ-অভ্যুত্থান কখনো ঠেকানো যায় না। শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন সহজেই সমাধান করা যেত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জেদের কারণে এত মানুষ মারা গেল। গণমাধ্যমে প্রাণহানির যে চিত্র উঠে এসেছে, বাস্তবে এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি। আরও কত মরদেহ কোথায় পড়ে আছে, কত গণকবর হয়েছে, কতগুলো নিরীহ মানুষের প্রাণ ঝরেছে! তিনি তো চলে গেলেন। এখন এর জবাব দেবে কে? ১৫ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেননি। দিনের পর দিন ভোট চুরি করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। শেখ হাসিনার বোঝা উচিত ছিল, তিনি ও তাঁর দল কতটা অজনপ্রিয়। এই যে এত প্রাণহানি, এর জবাব দেবে কে? দেশে সুশাসনের মারাত্মক অভাব। তিনি সুশাসন দিতে পারেননি। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ওপর হাজার হাজার গুলি ছোড়া হয়েছে। হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে। এর আগে আমরা সবাই এইচ এম এরশাদকে স্বৈরাচার বলেছি। তখন মাত্র ছয়জন মানুষ মারা যাওয়ায় তাঁকে স্বৈরশাসক বলছি। কিন্তু গত ১৫ বছরে কত মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। ২০০৯ সালে পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা মারা গেছেন। এখন এর জবাব দেবে কে? যাঁকে জাতির পিতা বলা হয়, তাঁর পরিবারের সদস্যদের এত করুণ পরিণতি কেন হবে? তাঁর এমন পরিণতি আমাদের দেখতে হলো। এসব হয়েছে, তাঁর দম্ভ ও অহমিকার কারণে। প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, দেশে সুশাসন নিশ্চিত করেন। বিভিন্ন সভা–সেমিনারে বলেছি। যা হচ্ছে, তা স্বৈরতন্ত্র। এসব বলার কারণে আমাদের ভিন্ন দলের এজেন্ট বলা হতো। এই যে গণভবন লুটপাট হচ্ছে, ভাঙচুর হচ্ছে—এ জন্য জনগণকে দোষ দেবেন কীভাবে? শ্রীলঙ্কা থেকে হাসিনার সরকার শিক্ষা নেয়নি। তিউনিসিয়া থেকে শিক্ষা নেয়নি। মিসরে কীভাবে হোসনে মোবারক জনরোষে উড়ে গেছে, সেখান থেকে সরকার শিক্ষা নেয়নি। জনগণের সরকার না হলে এমন পরিণতি হয়। এরশাদের চেয়ে শেখ হাসিনা ১০০ গুণ বেশি খারাপ হয়ে বিদায় নিয়েছেন। এরশাদ পালিয়ে যাননি। তিনি পালিয়ে গেছেন। তিনি পালিয়ে গেছেন, কিন্তু আওয়ামী লীগ দলটাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেলেন। তাঁর হিংসা, দম্ভ, অহংকার দলটাকে ধ্বংস করল।
** এম সাখাওয়াত হোসেন, ৫ আগস্ট ২০২৪, নির্বাচন বিশ্লেষক ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তা [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dvds7trgt6]
* ভারত হল তার আশেপাশের সকল মুসলিম রাষ্ট্রের আসল মাতৃভূমি। আমরা গর্বিত এবং সম্মানিত যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতে সুরক্ষিতবোধ করেন। কিন্তু যারা ভারতে থাকে তারা বারেবারে প্রশ্ন করে কেন হিন্দু রাষ্ট্র? কেন রাম রাজ্য? কেন সেটা তো বোঝাই যাচ্ছে!!’ ‘মুসলিম দেশে তো মুসলমানরাও সুরক্ষিত নয়। আফগানিস্তান, পাকিস্তান,বাংলাদেশ, ব্রিটেনে যা ঘটছে সেটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা সৌভাগ্যবান যে রাম রাজ্যে থাকি। জয় শ্রী রাম'।
** কঙ্গনা রানাউত, ৫ আগস্ট ২০২৪, অভিনেত্রী, এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে [https://bangla.hindustantimes.com/entertainment/even-muslims-are-not-safe-in-muslim-countries-kangana-ranaut-reacts-as-ex-bangladesh-pm-sheikh-hasina-flees-to-india/amp-31722867132738.html]
* অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের রূপরেখা দিতে আমরা ২৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছিলাম। কিন্তু জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় এখনই রূপরেখা ঘোষণা করছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ড. [[মুহাম্মদ ইউনূস|মুহাম্মদ ইউনূসকে]] প্রধান উপদেষ্টা করে ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে। তার সাথে আমাদের কথা হয়েছে, তিনি দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছেন। আমরা সকালের মধ্যে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দেখতে চাই। রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ থাকবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হোক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাকি সদস্যদের নামও আমরা সকালের মধ্যে ঘোষণা করব।
**নাহিদ ইসলাম, ৬ আগস্ট ২০২৪, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক, ভোর ৪টার পর ফেসবুকে দেয়া ভিডিও বার্তায় [https://www.dailynayadiganta.com/politics/853517/%E0%A6%A1.-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE]
* মানুষের মনে হয়েছে যে, শেখ মুজিবের নাম নিয়ে যে পরিমাণ এ্যাট্রোসিটি করা হয়েছে, তাতে ঐ ভাষ্কর্য ভাঙা আটকানোর জন্য আমি ঐ এফোর্টটা দিবো না।
** মেগমল্লার বসু, সমন্বয়ক, ৬ আগস্ট ২০২৪, জি ২৪ ঘন্টাকে দেওয়া এক প্রশ্নোত্তর সাক্ষাৎকার আলোচনা অনুষ্ঠানে [https://m.youtube.com/watch?si=n1BIu7Cjcl0ESnCr&v=1HfbAlPJqyM&feature=youtu.be]
* মূলত দুইটি কারণে ভারত শেখ হাসিনাকে রাখতে চায় না। প্রথম বিষয়টি অবশ্যই তার নিরাপত্তা সংক্রান্ত। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, বাংলাদেশে যে সরকারই আসুক, ভারত তার সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়। আর বাংলাদেশে হাসিনা-বিরোধী মনোভাব তুঙ্গে। ভারত চায় না, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেয়ার ঘটনা ছায়াপাত করুক। এর আগে সেনা সরকার যখন ছিল, তখন ভারতের অসুবিধা ছিল। কিন্তু এবার সেনা সম্ভবত পিছনে থাকবে, বাংলাদেশে নতুন কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু হবে বলে মনে হচ্ছে। ফলে তাদের সঙ্গে ভারতের আলোচনা করতে কোনো অসুবিধা হবে না। বাংলাদেশের ঘটনা ভারতকে একটা বড় চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ভারত চায় না, বাংলাদেশের ঘটনার অভিঘাত দেশের মধ্যে পড়ুক। বাংলাদেশে ভারতের যে সম্পদ ও বিনিয়োগ আছে, ভারত সেগুলিকে নিরাপদ রাখতে চায়। সেদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা চায়।
** শ্রীরাধা দত্ত, ৬ আগস্ট ২০২৪, ও পি জিন্দল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক ডয়চে ভেলেকে [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%A8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F/a-69864559]
* কুখ্যাত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে অবিলম্বে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে গ্রেপ্তার করতে হবে। বাংলাদেশে গুম-খুনের আসল কারিগর সে শুধু তা না, ফোন ট্যাপিংয়ের নামে মানুষের প্রাইভেসি ধ্বংস করেছে সে। এবং প্রাউডলি সেই সব রেকর্ডিং এই পারভার্ট লোকটা মিডিয়াতে সরবরাহ করত এবং আমাদের স্পাইনলেস মিডিয়া সেগুলো প্রচার করত। এই লোককে এখনই নিউট্রালাইজ করতে হবে। এছাড়া ডিবি’র হারুনসহ কুখ্যাত যারা আছে তাদের সরিয়ে দিয়ে পুলিশ বাহিনীর উপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করতে হবে এখনই।’
** [[মোস্তফা সরয়ার ফারুকী]], ৬ আগস্ট ২০২৪, চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা, ফেসবুক পোস্টে [https://www.dainikamadershomoy.com/details/019126708d76?fbclid=IwY2xjawEezI1leHRuA2FlbQIxMQABHUwvttoTLSYm-ujxLPWY6H74ytr489ZvM2g_crax_H2Sl9kPKwgMYif4HA_aem_1wbabngYpoCavI2lyWYF9w]
* গুলি করে করে লাশ নামানো লাগছে স্যার। গুলি করি, মরে একটা, আহত হয় একটা। একটাই যায় স্যার, বাকিডি যায় না। এইটা হলো স্যার সবচেয়ে বড় আতঙ্কের এবং দুশ্চিন্তার বিষয়।
** ইকবাল, পুলিশ সদস্য, কোটা আন্দোলন চলাকালীন সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে, ১৩ ও ১৪ই আগস্ট ২০২৪ এর পর ফেসবুকের একটি ভাইরাল ভিডিওতে বলতে দেখা যায় [https://www.kalerkantho.com/online/national/2024/08/13/1414550] [https://dailyinqilab.com/index.php/national/news/678022#google_vignette]
* (মহাইমিন পাটোয়ারী: ইন্ডিয়ান পুলিশ যাকে ধরছো কেমনে বুঝছো ইন্ডিয়ান পুলিশ?) ওরে ধরসি ওর নাম ছিলো ইউসুফ, আমার যতদুর খেয়াল আছে মানে যেটারে যেটাকে নিয়ে গেছে তারা আধ মরা অবস্থায় ওর নাম ছিল ইউসুফ। ওরে বাংলায় বললে বাংলায় বলতে পারেনা। (নামও বলতে পারেনা?) কিচ্ছু বলতে পারেনা। তখন যখন গণধোলাই দিছে মানুষ, গণ ধোলাই দেওয়ার পর বলতেছে হাম বাঙালি নেহিহে। হামতো ইন্ডিয়ান আর্মি হ্যায়। তো যতটুকু জানামতে কোবরা আর্মির মনে হয় ফোর্স এরকম একটাই বলছে আর কি, ইন্ডিয়ান। তখন লোক আরও.. এই বলার মানেই ওরে মারার এক থেকে দেড় মিনিটের ভিতর হঠাৎ হামলা। (মহাইমিন পাটোয়ারী: তোমাদের সবাইরে মেরে ফেলছে গুলি করে?) আমি যেই হসপিটালে ছিলাম ওই হসপিটালে আমরা মানে আমার সাথে একসাথে ৩২ জন ঢুকাইছে। ৩২ জনের মধ্যে ৩০ জন ডেড। এটা আব্দুল্লাহ হসপিটাল কাজলাদি। আপনি খুঁজলে এখনো পাইবেন। (ওই ইন্ডিয়ান আর্মির এত বড় ফোর্স ছিল যাত্রাবাড়ীতে) হ্যাঁ হ্যাঁ। (সেইজন্য এই কাজ করছে) আমাদের শহীদি ভাই একসাথে ৩২ জন ঢুকাইছে। ৩২ জনের মধ্যে আমি একমাত্র ছাড়া বুকে গুলি খেয়ে কন্ডিশন খারাপ। ৩০ জন অলরেডি ডেড ছিল একজনকে নিয়ে গেছে।
** ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪, মোহাইমিন পাটোয়ারীকে দেওয়া সাক্ষাৎকার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনকারী এক যুবক [https://www.facebook.com/mohaimin1/videos/1587263528488093/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v]
* একজন আমার সামনে ইনস্ট্যান্ট কথা বলতেছে কনসে রাস্তেসে আয়ে হো, আমারেই তো জিজ্ঞেস করতেসিলো, (মোহাইমিন পাটোয়ারী: বিজিবি?) হ্যা, বিজিবি, আমি তো বুঝতেই পারসি এগুলো বিজিবি না, এগুলো বিএসএফ আসছিলো।... কারণ যখন সে বলেছে ভাগযাও, নেহিতো শুট কারুঙ্গা, তার মানে আসলেই এরা বিএসএফ।
** ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪,মোহাইমিন পাটোয়ারীর নেয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে রামপুরায় আন্দোলনকারী দুই ছাত্র [https://www.facebook.com/share/v/18Nd3yUGkE/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v]
* শিক্ষার্থী যারা যাত্রাবাড়ীতে এবং গাজীপুরে বা মাওনাতে যারা ছিল, এদের জায়গা থেকে আমরা যে প্রমাণটা পাচ্ছি, তারা বলেছে যে, তাদের কাছে এসে গুলি করেছে যে পুলিশগুলো, তারা বাংলা ভাষায় কথা বলেনি, তারা অধিকাংশই হিন্দি ভাষায় কথা বলেছে। হিন্দিতে গালাগালি করেছে এবং এই তাদের আচরণ ছিল অসম্ভব ব্রুটাল। তারা কোন দেশীয় কোন মানুষ বাংলাদেশের উপরে নিষ্ঠুরতা করেছে, সেই দৃষ্টান্ত আছে, কিন্তু তাদের নিষ্ঠুরতার মাত্রাটা অনেক বেশি ছিল, এইটা বেশ কয়েকজন সাক্ষীর কাছ থেকে আমরা পেয়েছি।
** তাজুল ইসলাম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের প্রধান প্রসিকিউটর [https://m.youtube.com/watch?v=WtmEnw3ai1g]
* এখন থেকে লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে, যেটারে পাবে সেটারে গুলি করবে। যেখানে গেদারিং দেখবে সেখানে ওপর থেকে.. হেলিকপ্টার থেকে গুলি করবে, এখন ওপর থেকে করাচ্ছি (গুলি), অলরেডি শুরু হয়ে গেছে, র্যাবকে আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে।
** [[শেখ হাসিনা]], ১৮ জুলাই ২০২৪, ভাইরাল অডিও, "ফেস দ্য পিপল" এর উইটিউব পাতায় ৮ ই মার্চ ২০২৫ এ প্রকাশিত [https://m.youtube.com/watch?si=-H1TVU7QFcJflQ4E&v=HXV57sEsQMc][https://www.facebook.com/reel/2654604558070616?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v][https://www.jugantor.com/national/926561]
* যদি সরকারি দল ভায়োলেন্স চায়, সেটাকেই একমাত্র রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে নিতে চায়, তাহলে এটা যে আমাদের থেকে বেশি কেউ পারবে না, সেটা ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি।
** [[আসিফ মাহমুদ]], ২২ মে ২০২৬ ঝিনাইদহে [[নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী|নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর]] ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায়। [https://www.prothomalo.com/politics/org6cq83pw]
== ৭১ বনাম ২৪ বিতর্ক ==
* [[জাতি]] একবারই স্বাধীন হয়, [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|একাত্তরের]] সঙ্গে চব্বিশের তুলনা চলে না।
** [[নুরুল হক নুর]]। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীর আল-রাজি কমপ্লেক্সে এক সংবাদ সম্মেলনে। [https://www.dhakatimes24.com/2024/12/31/375976][https://www.jugantor.com/politics/897510]
* পৃথিবীর যেকোনো স্বাধীনতা যুদ্ধের জয়লাভ সেই দেশের পরবর্তী ঘটনার যত বড় ইভেন্টই হোক না কেন সেটার সঙ্গে তুলনীয় হয় না। লক্ষ লক্ষ মানুষ আত্মদান করেছে, ২৩ বছর ধরে সংগ্রাম করেছে। একটা দেশের থেকে সশস্ত্র যুদ্ধ করে আরেকটা দেশ জন্ম হয়েছে সেটার সাথে অন্য কিছুর তুলনা হয় না।
** [[নূরুল কবীর]]। ২০২৫ সালের ১৭ জুলাই যমুনা টিভির এক [https://m.youtube.com/watch?v=MiAII6BdTzU&t=32m45s টকশোতে]। [https://m.youtube.com/watch?v=kNUdLFQLjG0&t=1m]
* [[যুদ্ধ]] হলো একটা সশস্ত্র সংগ্রাম। দুই গ্রুপের মধ্যে অস্ত্র থাকে, দুই গ্রুপে যুদ্ধ করে। সেই যুদ্ধটা কী জন্য হয়? দেশকে স্বাধীন করার জন্য হয় বা অন্য দেশকে দখল করার জন্য হয়। এখানে তো এরকম কোনো ব্যাপার ছিল না। দেশকে স্বাধীন করার ব্যাপারও ছিল না, অধিকার কবার ব্যাপারও ছিল না। এখানে ব্যাপারটা ছিল হাসিনামুক্ত বাংলাদেশ করার, আওয়ামী লীগমুক্ত বাংলাদেশ করার। সুতরাং বিপ্লব বা এক দফার আন্দোলন ও [[মুক্তিযুদ্ধ]] একই জিনিস না। এ সমস্ত মাথায় যারা টুপি দিয়ে কিছু পাগল ছেলেদেরকে বুঝাচ্ছে, তাদেরকে আমি অনুরোধ করব পাগলামি ছাড়ো। [[গাঁজা]] খেলে খাও কিন্তু মানুষকে গাঁজা খাওয়ানোর চেষ্টা করো না।
** [[অলি আহমেদ]]। ২০২৫ সালের ১৭ জুলাই ঢাকার আইডিইবি মিলনায়তনে এক [https://m.youtube.com/watch?v=LtS78aMApGM বক্তৃতায়]। [https://www.kalerkantho.com/multimedia/Politics/2025/07/19/1548928]
== আরও দেখুন ==
* [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]]
* [[আবু সাঈদ]]
* [[অসহযোগ আন্দোলন (২০২৪)]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ প্রতিবাদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ এশিয়া]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ইতিহাস]]
8muhju5yrki0cxzxh3flz840r784n9s
ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch
2
11968
83605
83494
2026-05-24T04:19:36Z
Oindrojalik Watch
4169
83605
wikitext
text/x-wiki
<div style="padding: 20px; border: 2px solid #2e8b57; background-color: #f0fff0; border-radius: 15px; box-shadow: 5px 5px 15px rgba(0,0,0,0.1); font-family: 'Segoe UI', Tahoma, Geneva, Verdana, sans-serif; line-height: 1.6;">
<p style="font-size: 16px; color: #333;">আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ (রহমানের শান্তি ও শুভ্রতা বর্ষিত হোক আপনার ওপর),</p>
এই সাইটে নবাগত।
আমি,
তরুণ। সুবহে সাদিককালীন ছাত্র।
এবং মাশরেক থেকে মাগরেব পর্যন্ত ভ্রমণকারী হতে ইচ্ছুক! আজাদীর সিলসিলা বাস্তবায়নে অগ্রপ্থে বহমান''—''হতে চাই!
<p style="font-size: 16px; font-style: color: #2e8b57; text-align: center;">'এবং শুধু একান্ত নীরবতায় উইকিপিডিয়াকে সমৃদ্ধ করে মানবতায় কল্যাণের ফল্গু-ধারা প্রণয়ন করে যেতে চাই।'</p>
<div style="text-align: right; margin-top: 15px;">
'''আল-বিদা!'''<br>
</div>-
* ''সরল বোধের ওপর নেই তব আধিপত্যের অধিকার,<br>হোক না সেটা রাজকীয় বেড়ার এপার ও ওপার!<br>ভিন্ আদর্শ, তবু কোটি প্রাণের একই সন্তরণ!<br>হৃদয় পেতে শোনো, যা করি বর্ণন—<br>আশায় থাকি, রুশরা যেন প্রজন্মদের আগলে রাখে সারাক্ষণ!''
** '''''[[:w:স্টিং (সঙ্গীতজ্ঞ)|স্টিং]]''''', রূপান্তর: '''মাহমুদ''', '''[[w:Russians (song)|"রাশিয়ানস"]]''', অ্যালবাম: ''দ্য ড্রিম অফ দ্য ব্লু টার্টলস'' (১৯৮৫)
*** ——''''''[[পারমাণবিক যুদ্ধ]]'''''' পাতায় করা আমার একটি সাধারণ অনুবাদ। জানা নেই, কেমন হলো। তবুও ক্লান্ত পথিকের মত জিরুতে চাই না। শুধু আশীর্বাদে আশান্বিত হতে চাই—মহাকাল '''.''' '''.''' '''.'''
</div>
[[বিষয়শ্রেণী:ব্যবহারকারী টেমপ্লেট/বঙ্গ]]
6d7bq7yrlymnd9sdzkgoiz4dixq03wk
পারমাণবিক যুদ্ধ
0
12198
83606
83222
2026-05-24T04:21:42Z
Oindrojalik Watch
4169
83606
wikitext
text/x-wiki
[[File:AtomicWar0101.jpg|thumb|আমরা এখন বিধাতার করুণার ওপর নির্ভরশীল। তবে তিনি কখনোই '[[:w:ব্যাবিলনের টাওয়ার|ব্যাবিলন-টাওয়ার]]' নির্মাতাদের সদয় দৃষ্টিতে দেখেন না।<br>—'''''জে. আর. আর. টলকিন''''']]
'''[[:w:পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]]''', যা আণবিক যুদ্ধ নামেও পরিচিত; এটি এমন এক সামরিক সংঘাত বা সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক কৌশল যেখানে [[:w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্রের]] প্রয়োগ ঘটানো হয়।
== উক্তি ==
=== পূর্বাভাস ===
* মানুষ বিজ্ঞানের পিঠে চড়েছে ঠিকই, কিন্তু বিজ্ঞানই এখন তাকে নিয়ে দিগ্বিদিক ছুটে চলেছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আগামী কয়েক শতাব্দীর মধ্যে বিজ্ঞানই মানুষের ভাগ্যবিধাতা হয়ে দাঁড়াবে। মানুষ যেসব যন্ত্র উদ্ভাবন করবে, তা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তার সাধ্যের বাইরে চলে যাবে। কোনো একদিন বিজ্ঞান হয়তো মানবজাতির অস্তিত্বকেই নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে নেবে এবং পৃথিবীটাকে স্রেফ উড়িয়ে দিয়ে মানুষ নিজেই নিজের আত্মহননের পথ বেছে নেবে!
** '''''[[:w:হেনরি অ্যাডামস|হেনরি অ্যাডামস]]''''', চার্লস ফ্রান্সিস অ্যাডামস জুনিয়রের কাছে লেখা চিঠি (লন্ডন, ১১ এপ্রিল, ১৮৬২); জে. সি. লেভেনসন, ই. স্যামুয়েলস, সি. ভ্যান্ডারসি এবং ভি. হপকিন্স উইনার সম্পাদিত, দ্য ''লেটারস অফ হেনরি অ্যাডামস'': ১৮৫৮-১৮৬৮ (১৯৮২), খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২৯০।
* বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের মানচিত্রেই তিন-চারটি বা তারও বেশি লাল বৃত্ত দেখা যায়। প্রায় কুড়ি মাইল ব্যাসার্ধের এই চিহ্নগুলো মূলত একেকটি মৃত পারমাণবিক বোমার অবস্থান এবং সেই অভিশপ্ত মৃত্যুপুরীর সাক্ষ্য দেয়, যা মানুষ পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে। এই ধ্বংসস্তূপের ভেতরেই চিরতরে হারিয়ে গেছে অমূল্য সব জাদুঘর, ক্যাথেড্রাল, রাজপ্রাসাদ, গ্রন্থাগার আর শ্রেষ্ঠ শিল্পকর্মের গ্যালারি আর সহস্র বছরের অর্জনের এক বিশাল স্তূপ! এই দগ্ধ অবশিষ্টাংশ আজ মাটির নিচে সমাহিত, যা কি না এক বিচিত্র ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার হিসেবে কেবল ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পরীক্ষা-নিরীক্ষার অপেক্ষায় পড়ে আছে।
** '''''[[:w:এইচ. জি. ওয়েলস|এইচ. জি. ওয়েলস']]''''', ''দ্য ওয়ার্ল্ড সেট ফ্রি'' (১৯১৪), পৃষ্ঠা ২২২।
=== ১৯৪০-এর দশক ===
[[File:Nagasakibomb.jpg|thumb|৯ আগস্ট, ১৯৪৫-এ [[:w:নাগাসাকি|নাগাসাকিতে]] পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের পর আকাশে উড্ডীয়মান সেই ভয়ংকর মাশরুম মেঘ বা পারমাণবিক ধোঁয়া!]]
* তারা যদি এখনই আমাদের শর্তগুলো মেনে না নেয়, তবে তারা আকাশ থেকে ধ্বংসের এমন এক বৃষ্টির আশঙ্কা করতে পারে যা এই পৃথিবীতে এর আগে কখনো দেখা যায়নি।
** '''''[[:w:হ্যারি এস. ট্রুম্যান|হ্যারি এস. ট্রুম্যান]]''''', [[:w:হিরোশিমা|হিরোশিমায়]] পারমাণবিক বোমা হামলার ঘোষণা সম্বলিত [[:w:হোয়াইট হাউস|হোয়াইট হাউসের]] সংবাদ বিজ্ঞপ্তি (৬ আগস্ট, ১৯৪৫); এই ঘোষণাটি মূলত ৩১ জুলাই যুদ্ধ সচিব হেনরি স্টিমসনের তৈরি করা একটি খসড়ার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছিল।
* প্রকৃতির গোপন রহস্যের এই যে উন্মোচন—যা এতদিন পরম করুণাময় স্রষ্টা মানুষের কাছ থেকে আড়াল করে রেখেছিলেন। তা বোধশক্তি সম্পন্ন প্রতিটি মানুষের মন ও বিবেককে গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলবে। আমাদের অবশ্যই প্রার্থনা করতে হবে যে, এই ভয়াবহ শক্তি যেন জাতিগুলোর মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হয়; এবং সারা বিশ্বে সীমাহীন ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পরিবর্তে তা যেন বিশ্ব সমৃদ্ধির এক চিরস্থায়ী উৎসে পরিণত হয়।
** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা হামলার পর প্রস্তুত করা বিবৃতি। সরকার পরিবর্তনের কারণে বিবৃতিটি ক্লিমেন্ট অ্যাটলি কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছিল (৬ আগস্ট, ১৯৪৫)। তথ্যসূত্র: ''ভিক্টরি: ওয়ার স্পিচেস বাই দ্য রাইট অনারেবল উইনস্টন চার্চিল'' (১৯৪৬), পৃষ্ঠা ২৮৯।
* "পারমাণবিক বোমা" সম্পর্কে আজকের খবরগুলো এতটাই ভয়াবহ যে মানুষ স্তব্ধ হয়ে যায়। মানুষের নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মান যখন নিম্নমুখী, তখন তাদের হাতে এমন শক্তিশালী বিস্ফোরক তুলে দেওয়া আর কারাগারের কয়েদিদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে "শান্তি বজায় থাকবে" বলে আশা করা একই কথা। তবে যদি এই খবরগুলো অতিরঞ্জিত না হয়, তবে এর থেকে একটি ভালো ফল আসতে পারে—জাপানের নতিস্বীকার করা উচিত। আমরা এখন বিধাতার করুণার ওপর নির্ভরশীল। তবে তিনি কখনোই ''[[:w:ব্যাবিলনের টাওয়ার|ব্যাবিলন-টাওয়ার]]'' নির্মাতাদের সদয় দৃষ্টিতে দেখেন না।
** '''''[[:w:জে. আর. আর. টলকিন|জে. আর. আর. টলকিন]]''''', তাঁর পুত্র ক্রিস্টোফারের কাছে লেখা একটি চিঠি থেকে (৯ আগস্ট, ১৯৪৫); ''দ্য লেটারস অফ জে. আর. আর. টলকিন'' (১৯৮১) বইয়ে সংকলিত।
* ...শত্রুপক্ষ এখন এক নতুন এবং অত্যন্ত নিষ্ঠুর বোমা ব্যবহার করতে শুরু করেছে, যার ধ্বংসক্ষমতা প্রকৃতপক্ষে অভাবনীয় এবং যা অসংখ্য নিরপরাধ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। আমরা যদি যুদ্ধ চালিয়ে যাই, তবে তা কেবল জাপানি জাতির চূড়ান্ত পতন ও বিলুপ্তিই ঘটাবে না, বরং তা সমগ্র মানব সভ্যতার সম্পূর্ণ বিনাশের দিকে নিয়ে যাবে।
** '''''[[:w:হিরোহিতো|হিরোহিতো]]''''', ''ইম্পেরিয়াল রেস্ক্রিপ্ট অন দ্য টারমিনেশন অফ দ্য ওয়ার'' (১৫ আগস্ট, ১৯৪৫); পটসডাম ঘোষণা গ্রহণের সময়।
[[File:US_and_USSR_nuclear_stockpiles.png|thumb|স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মোট পারমাণবিক অস্ত্রের মজুত। এটি মূলত দুই পরাশক্তির মধ্যে চলা সেই উন্মাদনাপূর্ণ আণবিক প্রতিযোগিতার একটি তুলনামূলক চিত্র।]]
* [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] এবং [[:w:সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নের]] মধ্যে এমন এক যুদ্ধের আশঙ্কা করা হচ্ছে যা লন্ডনের সম্পূর্ণ ধ্বংসের মধ্য দিয়ে শুরু হবে। আমার মনে হয় এই যুদ্ধ অন্তত ৩০ বছর স্থায়ী হবে এবং বিশ্বে কোনো সভ্য মানুষ অবশিষ্ট থাকবে না। সেখান থেকে সবকিছু আবার নতুন করে গড়ে তুলতে হবে, যা হয়তো (ধরা নেওয়া যাক) আরও ৫০০ বছর সময় নেবে!
** '''''[[:w:বারট্রান্ড রাসেল|বারট্রান্ড রাসেল]]''''', গ্যামেল ব্রেনানকে লেখা চিঠি (১ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫)। নিকোলাস গ্রিফিন সম্পাদিত, ''সিলেক্টেড লেটারস'' (২০০২), পৃষ্ঠা ৪১০।
* কী এক অদ্ভুত পরিহাষের বিষয়! বিধাতার সৃষ্টি এই শ্রেষ্ঠ জীব '[[:w:মানুষ|হোমো সেপিয়েন্স]]' আজ নিজেরই বোকামির পরিণাম থেকে বাঁচতে মাটির নিচে আশ্রয় নেওয়ার কথা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে! সামান্যতম প্রজ্ঞা আর দূরদর্শিতা থাকলেও এই নির্মল বাতাস আর সূর্যের উষ্ণ আলোয় ঘেরা জীবনকে এভাবে ত্যাগ করার কোনো প্রয়োজনই পড়ত না। বিজ্ঞানে আমাদের এই চতুরতা যদি শেষ পর্যন্ত [[:w:পাতি গেছো ছুঁচো|ছুঁচোদের]] মতো মাটির নিচে বাস করতে বাধ্য করে, তবে তার চেয়ে বড় বৈপরীত্য এবং পরিহাসের বিষয় আর কী হতে পারে!
** '''''জে. উইলিয়াম ফুলব্রাইট''''', [[:w:নিউ ইয়র্ক শহর|নিউইয়র্ক সিটিতে]] ফরেন পলিসি অ্যাসোসিয়েশনে দেওয়া ভাষণ (২০ অক্টোবর, ১৯৪৫); ''ফুলব্রাইট অফ আরকানসাস: দ্য পাবলিক পজিশনস অফ আ প্রাইভেট থিংকার'' (১৯৬৩) বইয়ে সংকলিত।
* [[:w:জার্মানি|জার্মানরা]] পারমাণবিক বোমা তৈরিতে আর সফল হবে না। এটা যদি আগে জানতাম, তবে আমি এই কাজে একটি আঙুলও নাড়াতাম না।
** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', রুজভেল্টের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে লেখা চিঠির প্রসঙ্গে; ''[[:w:নিউজউইক|নিউজউইক সাময়িকী]]'' (১০ মার্চ, ১৯৪৭), "অ্যাটম: আইনস্টাইন, দ্য ম্যান হু স্টার্টেড ইট অল" নিবন্ধে।
* আমাদের কাছে বৈজ্ঞানিক মানুষের ভিড় প্রচুর, কিন্তু বিবেকবান মানুষের বড়ই অভাব। আমরা পরমাণুর রহস্য উন্মোচন করেছি ঠিকই, কিন্তু যিশুর সেই 'পাহাড়ের চূড়ায় দেওয়া আলোকিত উপদেশ' ([[:w:পর্বতে ধর্মাপদেশ|সারমন অন দ্য মাউন্ট]]) উপেক্ষা করেছি। পৃথিবী আজ এক বিবেকহীন উজ্জ্বলতা অর্জন করেছে! আমাদের এই জগত এখন পারমাণবিক দানব আর 'নৈতিক-শিশুদের' (যারা ক্ষমতাধর কিন্তু নৈতিক চরিত্রহীন) বাসভূমি। আমরা শান্তি সম্পর্কে যতটুকু জানি, তার চেয়ে অনেক বেশি জানি যুদ্ধ সম্পর্কে। জীবন সম্পর্কে জানার চেয়ে অনেক বেশি জানি নিধন সম্পর্কে। আমরা যদি প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতা ছাড়া আমাদের এই প্রযুক্তির উন্নয়ন চালিয়ে যেতে চাই, তবে এই দাস তথা প্রযুক্তিগুলোই একদিন আমাদের জন্য ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়াবে!
** '''''[[:w:ওমর ব্র্যাডলি|ওমর ব্র্যাডলি]]''''', যুদ্ধবিরতি দিবসের ভাষণ (১১ নভেম্বর, ১৯৪৭); ''কালেক্টেড রাইটিংস'', খণ্ড ১ (১৯৬৭) বইয়ে সংকলিত।
* [[:w:তাপ-পারমাণবিক অস্ত্র|হাইড্রোজেন বোমার]] আরও একটি বিশেষ সুবিধা আছে। এই গ্রহে [[:w:ইউরেনিয়াম|ইউরেনিয়ামের]] মজুদ খুবই সীমিত, তাই একটা ভয় ছিল যে মানবজাতি পুরোপুরি বিলুপ্ত হওয়ার আগেই এই জ্বালানি হয়তো ফুরিয়ে যাবে। কিন্তু এখন যেহেতু হাইড্রোজেনের কার্যত সীমাহীন সরবরাহ ব্যবহার করা সম্ভব। তাই আশা করার যথেষ্ট কারণ আছে যে, 'হোমো সেপিয়েন্স' বা মানবজাতি নিজেই নিজেদের ভবলীলা সাঙ্গ করে দেবে! আর এটি হবে বেঁচে থাকা অন্যান্য কম হিংস্র প্রাণীকুলের জন্য এক পরম আশীর্বাদ। তবে এখন বরং কম আনন্দদায়ক বিষয়গুলোতে ফিরে আসা যাক।
** '''''[[:w:বারট্রান্ড রাসেল|বারট্রান্ড রাসেল]]''''', ''হিউম্যান নলেজ: ইটস স্কোপ অ্যান্ড লিমিটস'' (১৯৪৮), প্রথম অংশ, তৃতীয় অধ্যায়।
* তৃতীয় [[:w:বিশ্বযুদ্ধ|বিশ্বযুদ্ধ]] কোন অস্ত্র দিয়ে লড়া হবে তা আমি জানি না, তবে চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধ লড়া হবে লাঠি আর পাথর দিয়ে!
** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', আলফ্রেড ওয়ার্নারের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে; ''লিবারেল জুডাইজম'', সংখ্যা ১৬ (এপ্রিল-মে ১৯৪৯), আইনস্টাইন আর্কাইভ ৩০-১১০৪; অ্যালিস ক্যালাপ্রিস সম্পাদিত ''দ্য নিউ কোটেবল আইনস্টাইন'' (২০০৫) হতে সংকলিত, পৃষ্ঠা ১৭৩।
** ১৯৪৮ সালের প্রথম দিকেও এমন বক্তব্যের বিভিন্ন সংস্করণ লক্ষ্য করা যায়। যেমনঃ ''দ্য রোটারিয়ান'', খণ্ড ৭২, সংখ্যা ৬ (জুন ১৯৪৮), পৃষ্ঠা ৯: "আমি জানি না। তবে আমি আপনাকে বলতে পারি চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধে তারা কী ব্যবহার করবে। তারা পাথর ব্যবহার করবে!"। [[:w:হ্যারি এস. ট্রুম্যানকে|হ্যারি এস. ট্রুম্যানকে]] লেখা একটি অজ্ঞাত পত্রেও এর ভিন্ন রূপ পাওয়া যায়: "আমি জানি না তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কোন অস্ত্র দিয়ে লড়া হবে, তবে চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধ লড়া হবে লাঠি আর পাথর দিয়ে।" (সূত্র: ''এমএসএনবিসি'', ১৮ এপ্রিল ২০০৫)। যদিও ১৯৪৮ সালের আগে প্রায় একই ধরণের উক্তি জনৈক আর্মি লেফটেন্যান্টের নামেও প্রচলিত ছিল।
=== ১৯৫০-এর দশক ===
* এখন কেবল একটাই প্রশ্ন অবশিষ্ঠ—আমাকে ঠিক কবে উড়িয়ে দেওয়া হবে?
** '''''[[:w:উইলিয়াম ফকনার|উইলিয়াম ফকনার]]''''', সাহিত্যে [[:w:নোবেল পুরস্কার|নোবেল পুরস্কার]] গ্রহণকালীন ভাষণ (১০ ডিসেম্বর, ১৯৫০), তাঁর প্রজন্মের "এক সর্বজনীন এবং বিশ্বজনীন জাগতিক ভীতি" প্রসঙ্গে। জেমস বেকার কর্তৃক "আমেরিকা অ্যান্ড দ্য কলাপস অফ দ্য সোভিয়েত এম্পায়ার: হোয়াট হ্যাজ টু বি ডান" (১২ ডিসেম্বর, ১৯৯১) ভাষণে উদ্ধৃত; ''ভাইটাল স্পিচেস অফ দ্য ডে'', খণ্ড ৫৮, সংখ্যা ৬ (১ জানুয়ারি, ১৯৯২)।
[[File:Bert2.png|thumb|...বার্টের মতো যদি তুমিও মাথা নিচু করে নিজেকে গুম করে ফেল, তবে তুমি অনেকটাই নিরাপদে থাকবে!]]
* যদি তুমি প্রস্তুত না থাকো এবং না জানো যে ঠিক কী করতে হবে, তবে এটি তোমাকে বিভিন্নভাবে ক্ষতি করতে পারে। এটি তোমাকে সজোরে নিচে ফেলে দিতে পারে কিংবা আছড়ে ফেলতে পারে কোনো গাছ অথবা দেয়ালের ওপর। এটি এতটাই ''বিশাল'' এক বিস্ফোরণ যে, তা ঘরবাড়ি ''চুরমার'' করে দিতে পারে, বিজ্ঞাপনী ফলকগুলো ''গুঁড়িয়ে'' দিতে পারে এবং পুরো শহরটার জানালার কাচ ভেঙে ফেলতে পারে! কিন্তু বার্টের মতো যদি তুমিও মাথা নিচু করে নিজেকে গুম করে ফেল, তবে তুমি অনেকটাই নিরাপদে থাকবে।
** ''ডাক অ্যান্ড কভার'' (১৯৫১ সালের একটি সামাজিক সচেতনতামূলক চলচ্চিত্র), বার্ট দ্য টার্টল।
* যা-ই হোক, এক দিক দিয়ে আমি খুশিই যে তারা পারমাণবিক বোমাটা অন্তত আবিষ্কার করেছে। যদি কখনো আবার যুদ্ধ বাঁধে, তবে আমি সেই নারকীয় বোমাটার ঠিক ওপরেই গিয়ে জেঁকে বসব! খোদার কসম, আমি নিজেই এর জন্য স্বেচ্ছাসেবী হব!
** '''''[[:w:জে. ডি. সালিঞ্জার|জে. ডি. সালিঞ্জার]]''''', ''দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই'' (১৯৫১), পৃষ্ঠা ১৮৩ (হোল্ডেন কলফিল্ডের উক্তি)।
* পরমাণুর মাঝে কোনো অশুভ নেই অশুভ কেবল মানুষের আত্মায়।
** '''''আদলাই স্টিভেনসন II''''', "দ্য অ্যাটমিক ফিউচার", হার্টফোর্ড, কানেকটিকাটে দেওয়া ভাষণ (১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৫২); ''স্পিচেস অফ আদলাই স্টিভেনসন'' (১৯৫২) বইয়ে সংকলিত।
* সবচেয়ে ভয়ের বিষয় এবং সবচেয়ে ভালো প্রত্যাশাটুকু খুব সহজভাবে বলা যায়। সবচেয়ে খারাপ বিষয় হলো পারমাণবিক যুদ্ধ। আর সবচেয়ে ভালোটি হতে পারে চিরস্থায়ী ভয় আর উত্তেজনায় পূর্ণ এক জীবন!<br>এই অস্ত্রটি এমন এক বোঝা যা প্রতিটি জাতির সম্পদ ও শ্রমকে নিঃশেষ করে দিতে পারে। এটি শক্তির এমন এক অপচয় যা আমেরিকান [[:w:পুঁজিবাদ|ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থা]], সোভিয়েত [[:w:সমাজতন্ত্র|সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা]] কিংবা পৃথিবীর কোনো প্রকার ব্যবস্থাকেই মানুষের জন্য প্রকৃত প্রাচুর্য আর সুখের নিশ্চয়তা দিতে পারছে না। যে বন্দুকই তৈরি করা হোক, যে [[:w:যুদ্ধ জাহাজ |যুদ্ধজাহাজই]] ভাসানো হোক কিংবা যে রকেটই ছোঁড়া হোক না কেন, তার চূড়ান্ত লক্ষ্যই হলো সেই ক্ষুধার্তদের কাছ থেকে চুরি করা যাদের অন্ন জোটেনি, সেই শীতার্তদের কাছ থেকে চুরি করা যাদের বস্ত্র জোটেনি!<br>এই সশস্ত্র পৃথিবী কেবল অর্থই ব্যয় করছে না; এটি ব্যয় করছে তার শ্রমিকের ঘাম, বিজ্ঞানীদের মগজ আর শিশুদের স্বপ্ন এবং অমোঘ প্রতিভা! একটি আধুনিক ভারী [[:w: যুদ্ধ বিমান|বোমারু বিমানের]] মূল্য ৩০টিরও বেশি শহরে থাকা আধুনিক ইটের তৈরি স্কুল ভবনের থেকেও বেশি! এটি দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সমন্বিত শক্তির সমান, যার একটি ৬০,০০০ মানুষ সম্বলিত শহরকে আলোকিত করতে পারত! এটি দুটি চমৎকার এবং সম্পূর্ণ সুসজ্জিত হাসপাতালের সমান। এটি প্রায় পঞ্চাশ মাইল দীর্ঘ কংক্রিটের রাস্তার সমান!<br>একটি মাত্র যুদ্ধবিমান কিনতে আমাদের পাঁচ লক্ষ বুশেল গম গচ্চা দিতে হয়। একটি মাত্র ডেস্ট্রয়ার জাহাজ তৈরি করতে আমাদের সেই অর্থ ব্যয় করতে হয়, যা দিয়ে ৮,০০০ মানুষের নতুন আবাসন তৈরি করা সম্ভব ছিল!<br>আমি আবারও বলছি, পৃথিবী যে পথে এগোচ্ছে, এটিই তার সেরা সময়কাল। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি কোনো জীবনই নয়। যুদ্ধের আশঙ্কার কালো মেঘের নিচে এটি যেন এক লৌহ ক্রুশবিদ্ধ মানবতা! ... পৃথিবী কি আর অন্য কোনো উপায়ে বেঁচে থাকতে পারে না?
** '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]''''', "দ্য চান্স ফর পিস", ''আমেরিকান সোসাইটি অফ নিউজপেপার এডিটরসের'' সামনে দেওয়া এক ভাষণ (১৬ এপ্রিল, ১৯৫৩)।
[[File:Imagination 195403 (cropped).jpg|thumb|ধরা যাক পারমাণবিক বোমার আঘাতে পৃথিবীর জনসংখ্যা একদম কমে কেবল এক ভাই এবং এক বোনে এসে ঠেকেছে, তবে কি তাদের মানবজাতিকে বিলুপ্ত হতে দেওয়া উচিত? </br> —'''''[[:w:বারট্রান্ড রাসেল|বারট্রান্ড রাসেল]]''''']]
* ধরা যাক পারমাণবিক বোমার আঘাতে পৃথিবীর জনসংখ্যা কমে কেবল মাত্র এক ভাই এবং এক বোনে এসে ঠেকেছে! তবে কি তাদের উচিত মানবজাতিকে বিলুপ্ত হতে দেওয়া? এর আমি উত্তর জানি না, তবে আমার মনে হয় না যে কেবল রক্তসম্পর্কীয় অজাচার পাপের যুক্তিতে উত্তরটি ইতিবাচক হওয়া উচিত।
** '''''[[:w:বারট্রান্ড রাসেল|বারট্রান্ড রাসেল]]''''', ''হিউম্যান সোসাইটি ইন এথিক্স অ্যান্ড পলিটিক্স'' (১৯৫৪)।
* 安らかに眠って下さい 過ちは 繰返しませぬから
** শান্তিতে ঘুমান। এই ভুলের পুনরাবৃত্তি আর হবে না।
** [[w:হিরোশিমা শান্তি স্মৃতিসৌধ|হিরোশিমা শান্তি স্মৃতি উদ্যানের]] স্মৃতিফলকে খোদাই করা এপিটাফ (১ এপ্রিল, ১৯৫৪)। অ্যালান এল. ম্যাকে-র 'দ্য হার্ভেস্ট অফ আ কোয়ায়েট আই' (১৯৭৭) বইয়ে উদ্ধৃত। [[:w:রবার্ট মিলিকান|রবার্ট অ্যান্ড্রুস মিলিকানের]] 'ফেমাস লাইনস: আ কলম্বিয়া ডিকশনারি অফ ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস' (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ৩৪০।
[[File:Nuclear artillery test Grable Event - Part of Operation Upshot-Knothole.jpg|thumb|আমার মতে, বর্তমান সময়ে একটি প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ অসম্ভব! এখন এটি কল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়। </br> —'''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]''''']]
* আমার মতে, বর্তমান সময়ে একটি প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ অসম্ভব এক কল্পনা! এটি কীভাবে সম্ভব যখন এই যুদ্ধের একটি অনিবার্য বৈশিষ্ট্যই হবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া একেকটি শহর। যেখানে হাজার হাজার মানুষ মৃত, আহত কিংবা ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ে থাকবে? যেখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে, স্যানিটেশন বা স্বাস্থ্যব্যবস্থা বলতে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না? একে আর যাই হোক প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ বলা যায় না। এটি স্রেফ যুদ্ধ!
** '''''[[:w:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]]''''', প্রেসিডেন্টের সংবাদ সম্মেলন (১১ আগস্ট, ১৯৫৪); এলসি গলাঘের সম্পাদিত ''দ্য কোটেবল ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার'' (১৯৬৭), পৃষ্ঠা ২১৯-এ প্রকাশিত।
* শ্রেষ্ঠ বিশেষজ্ঞরা একমত যে, হাইড্রোজেন বোমা বা [[:w:তাপ-পারমাণবিক অস্ত্র|এইচ-বোমার]] মাধ্যমে সংঘটিত যুদ্ধ সম্ভবত মানবজাতির অস্তিত্বই মিটিয়ে দিতে পারে। আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, যদি প্রচুর পরিমাণে এইচ-বোমা ব্যবহার করা হয়, তবে সারা বিশ্বে এক সর্বজনীন মৃত্যু নেমে আসবে! যা অল্প কিছু মানুষের জন্য হবে তাৎক্ষণিক, কিন্তু বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের জন্য তা হবে রোগ-ব্যাধি আর শারীরিক বিপর্যয়ের এক ধীর ও যন্ত্রণাদায়ক তিল তিল মৃত্যু!
** '''''[[:w:বারট্রান্ড রাসেল|বারট্রান্ড রাসেল]]''''', ''রাসেল-আইনস্টাইন ইশতেহার'' (১৯৫৫)।
* পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের পেছনে তেমন কোনো বড়ো সিদ্ধান্ত ছিল না। এটি যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং তথ্যের জন্য আপনাকে জানিয়ে রাখি, হিরোশিমার আণবিক বোমার চেয়েও টোকিওতে অগ্নিবোমা হামলায় অনেক বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল। এটি ছিল তাদের অস্ত্রাগারে থাকা আরও একটি শক্তিশালী অস্ত্র মাত্র। এই বোমা নিক্ষেপ যুদ্ধ থামিয়ে দিয়েছিল এবং লক্ষ লক্ষ প্রাণ বাঁচিয়েছিল।
** '''''[[:w:হ্যারি এস. ট্রুম্যান|হ্যারি এস. ট্রুম্যান]]''''', নিউ ইয়র্ক সিটির [[:w:কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়|কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে]] একটি সিম্পোজিয়ামে প্রশ্নের উত্তরে (২৮ এপ্রিল, ১৯৫৯); ''ট্রুম্যান স্পিকস'' (১৯৬০), পৃষ্ঠা ৬৭।
=== ১৯৬০-এর দশক ===
* এই 'ডুমসডে মেশিন' বা কেয়ামতের যন্ত্রের অগ্রহণযোগ্যতা এমন কিছু অস্বস্তিকর, অপ্রীতিকর এবং জটিল প্রশ্ন উত্থাপন করে যা নীতি-নির্ধারক এবং প্রযুক্তিবিদ, উভয়কেই গভীরভাবে বিবেচনা করতে হবে। যদি অতর্কিত আক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য পৃথিবীর তিনশ কোটি মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলা অগ্রহণযোগ্য হয়, তবে ঠিক কতজন মানুষের জীবন বাজি ধরতে আমরা রাজি আছি? আমি বিশ্বাস করি, যদি 'টাইপ-১ ডিটারেন্স' বা প্রথম স্তরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ব্যর্থ হওয়ার ফলে একটি সর্বাত্মক তাপ-পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র এবং [[:w:ন্যাটো|ন্যাটো]] অনিচ্ছাসত্ত্বেও তাৎক্ষণিক প্রভাবে এক থেকে বিশ কোটি মানুষের মৃত্যুর সম্ভাবনাকে মেনে নিতে প্রস্তুত থাকবে! এমনকি এর দীর্ঘমেয়াদী [[:w:তেজস্ক্রিয়তা|তেজস্ক্রিয়তার]] প্রভাব বিবেচনা না করলেও। কিছুটা বিতর্ক থাকলেও 'টাইপ-২ ডিটারেন্স' বা দ্বিতীয় স্তরের প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও একই সংখ্যা প্রযোজ্য হবে। আমরা এই ভয়ংকর পরিস্থিতির সাথে বেঁচে থাকতে রাজি আছি মূলত দুটি কারণে। প্রথমত, আমরা একে একটি দূরবর্তী সম্ভাবনা বলে মনে করি। দ্বিতীয়ত, আমাদের বিশ্বাস যে এই প্রতিরোধ ব্যবস্থা কখনোই ব্যর্থ হবে না এবং এটি যদি কখনো ব্যর্থ হয়, তবে তার ফলাফল এতটা বিপর্যয়কর হবে না।
** '''''হারমান কান''''', ''অন থার্মোনিউক্লিয়ার ওয়ার'' (১৯৬০)।
* কেউ হয়তো প্রশ্ন তুলতে পারেন যে [[:w:চীন|চীন]] কি পারমাণবিক বোমা অর্জন বা নিক্ষেপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবে? না, চীন বা সোভিয়েত ইউনিয়ন—কেউই কখনোই এই বোমা ব্যবহার করবে না, যদি না তারা তাদের দ্বারা আক্রান্ত হয় যাদের রক্তে রয়েছে আগ্রাসন আর যুদ্ধ। যদি সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে এই বোমা না থাকত, তবে সাম্রাজ্যবাদীরা আমাদের সাথে অন্য ভাষায় কথা বলত। আমরা কখনোই পারমাণবিক বোমা দিয়ে আক্রমণ করব না, আমরা যুদ্ধ বিরোধী। আমরা এই বোমা ধ্বংস করতে প্রস্তুত, কিন্তু কেবল আত্মরক্ষার স্বার্থে আমরা এটি নিজেদের কাছে রেখেছি।<br>আমাদের দেশে একটি প্রবাদ আছে, '''''"Frika ruan vreshtin"''''' (''ভয়ই আঙুর বাগান রক্ষা করে'' বা ''চোরের মন পুলিশ পুলিশ'')। সাম্রাজ্যবাদীদের উচিত আমাদের ভয় পাওয়া এবং সেই ভয়টি হওয়া উচিত চরম মাত্রার।
** '''''[[:w:এনভার হোজা|এনভার হোজা]]''''', মস্কোতে ৮১টি [[:w:সাম্যবাদ|কমিউনিস্ট]] ও [[:w:ওয়ার্কার্স পার্টি|ওয়ার্কার্স পার্টির]] সভায় আলবেনীয় প্রতিনিধি দলের প্রধান হিসেবে দেওয়া ভাষণ (১৬ নভেম্বর, ১৯৬০)।
* [[:w:মহান আলেকজান্ডার|আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট]], [[:w:জুলিয়াস সিজার|জুলিয়াস সিজার]] এবং [[:w:নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|নেপোলিয়নের]] ঐতিহ্যে [[:w:অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]] সম্ভবত মহান দুঃসাহসী বিজয়ে বিশ্বাসী যোদ্ধাদের মধ্যে শেষ ব্যক্তি। 'থার্ড রাইখ' হলো রোম বা [[:w:ম্যাসেডোনিয়া|ম্যাসেডোনিয়ার]] পথে হাঁটা সাম্রাজ্যগুলোর মধ্যে সর্বশেষ। ইতিহাসের সেই অধ্যায়ের ওপর পর্দা নেমে গেছে মূলত হাইড্রোজেন বোমা, ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং চাঁদে আঘাত হানতে সক্ষম রকেটের আকস্মিক উদ্ভাবনের মাধ্যমে। আমাদের এই নতুন যুগের ভয়ংকর আর প্রাণঘাতী মারণাস্ত্রগুলো এত দ্রুত পুরনো পদ্ধতিকে হটিয়ে দিয়েছে। যদি কখনো প্রথম কোনো বড় আগ্রাসনী যুদ্ধ শুরু হয়, তবে তা শুরু হবে কোনো এক আত্মঘাতী উন্মাদ ছোট মানুষের ইলেকট্রনিক বোতামে চাপ দেওয়ার মাধ্যমে। সেখানে কোনো বিজয়ী থাকবে না, থাকবে না কোনো বিজয়! শুধু এক জনহীন গ্রহে পড়ে থাকবে কেবল মৃতদের দগ্ধ হাড়গোড়।
** '''''উইলিয়াম এল. শিরার''''', ''দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য থার্ড রাইখ'' (১৯৬০), পৃষ্ঠা ১২।
* মনে করুন, আমাদের আগে জার্মানি দুটি পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছিল। আর ধরুন, তারা একটি বোমা [[:w:রচেস্টার, নিউ ইয়র্ক|রচেস্টার]] এবং অন্যটি [[:w:বাফালো, নিউ ইয়র্ক|বাফেলোতে]] নিক্ষেপ করল। কিন্তু এরপর বোমার মজুদ ফুরিয়ে যাওয়ায় তারা যুদ্ধে হেরে গেল। কেউ কি তখন সন্দেহ প্রকাশ করবেন যে, শহরগুলোতে এই পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপকে আমরা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করতাম না? আমরা কি তখন [[:w:নুরেমবার্গ|নুরেমবার্গে]] এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে জার্মানদের মৃত্যুদণ্ড দিতাম না এবং তাদের ফাঁসিতে ঝোলাতাম না? ... এখান থেকে আমরা একমাত্র এই সিদ্ধান্তেই পৌঁছাতে পারি যে, সংকটের সময় সরকারগুলো কেবল সুযোগ-সুবিধার প্রশ্ন দ্বারা পরিচালিত হয়। সেখানে নৈতিকতার খুব একটা বালাই নেই। আর এই দিক থেকে আমেরিকার সাথে অন্য কোনো জাতির কোনো পার্থক্য নেই।
** '''''[[:w:লিও জিলার্ড|লিও জিলার্ড]]''''', সাক্ষাৎকার: "[[:w:হ্যারি এস. ট্রুম্যান|প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান]] বুঝতে পারেননি", ''ইউ.এস. নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট'' (১৫ আগস্ট, ১৯৬০)।
* বৈজ্ঞানিক বিনাশের এই চরম বিজয়, আবিষ্কারের এই চরম সাফল্য—আসলে আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যম হিসেবে যুদ্ধের সম্ভাবনাকেই ঠিক করে দিয়েছে। সমানে-সমান দুই প্রতিপক্ষের ভয়াবহ ধ্বংসক্ষমতা বিজয়ী পক্ষের জয়কেও এক মহাবিপর্যয়ে রূপান্তর করতে বাধ্য করে। বিশ্বযুদ্ধ এখন এমন এক 'ফ্রাঙ্কেনস্টাইন' হয়ে দাঁড়িয়েছে যা উভয় পক্ষকেই ধ্বংস করে দেবে। এটি এখন আর আন্তর্জাতিক ক্ষমতা দখলের কোনো রোমাঞ্চকর পথ বা সংক্ষিপ্ত রাস্তা নয়। বরং যুদ্ধে হারলে আপনি নিঃশেষ হবেন আর জিতলে কেবল হারানো ছাড়া আর কিছুই পাওয়ার থাকবে না। এটি এখন আর কোনো দ্বৈরথ বা দ্বন্দ্বযুদ্ধ নয় যেখানে জেতার সামান্য সুযোগ থাকে। এটি এখন শুধুই এক যৌথ আত্মহননের বীজ বহন করছে!
** '''''[[:w:ডগলাস ম্যাকআর্থার|ডগলাস ম্যাকার্থার]]''''', [[:w:ফিলিপাইন|ফিলিপাইন প্রজাতন্ত্রের]] কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণ (৫ জুলাই, ১৯৬১); ''রিপ্রেজেন্টেটিভ স্পিচেস অফ জেনারেল অফ দ্য আর্মি ডগলাস ম্যাকার্থার'' (১৯৬৪), পৃষ্ঠা ৯৮।
[[File:DavyCrockettBomb.jpg|thumb|যুদ্ধের অস্ত্রগুলো আমাদের ধ্বংস করার আগেই আমাদের উচিত সেগুলোকে চিরতরে নির্মূল করা। </br> —'''''[[:w:জন এফ. কেনেডি|জন এফ. কেনেডি]]''''']]
* এই গ্রহের প্রতিটি বাসিন্দাকে অবশ্যই সেই দিনটির কথা ভাবতে হবে যখন এই পৃথিবী আর বসবাসের উপযোগী থাকবে না। প্রতিটি পুরুষ, নারী এবং শিশু আজ ড্যামোক্লিসের তলোয়ারের নিচে বসবাস করছে! যা অতি সূক্ষ্ম একটি সুতোয় ঝুলছে এবং যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা, ভুল হিসেব-নিকেশ কিংবা কোনো উন্মাদনার ফলে ছিঁড়ে যেতে পারে। যুদ্ধের অস্ত্রগুলো আমাদের ধ্বংস করার আগেই আমাদের উচিত সেগুলোকে চিরতরে নির্মূল করা।
** '''''[[:w:জন এফ. কেনেডি|জন এফ. কেনেডি]]''''', [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণ (২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১)।
* এই শতাব্দী শেষ হওয়ার আগেই হয়তো মানবজাতি বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। একজন গণিতবিদ হিসেবে যদি বলি, তবে আমি বলব আমাদের টিকে থাকার সম্ভাবনা চার ভাগের এক ভাগ মাত্র (অর্থাৎ, বিলুপ্তির সম্ভাবনা ৩:১)!
** '''''[[:w:বারট্রান্ড রাসেল|বারট্রান্ড রাসেল]]''''', ''প্লেবয়'' সাময়িকীকে দেওয়া সাক্ষাৎকার (মার্চ ১৯৬৩)। কেনেথ রোজের 'ওয়ান নেশন আন্ডারগ্রাউন্ড: দ্য ফলআউট শেল্টার ইন আমেরিকান কালচার' (২০০৪) বইয়ে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৯।
* মানুষের এই জটিল প্রযুক্তি যে পরিবেশ তৈরি করেছে, তা সম্ভবত সবচাইতে অস্থিতিশিল এবং নড়বড়ে। আমাদের বর্তমান সমাজ কাঠামোর বয়স এখনো দুই শতাব্দীও পার হয়নি। মাত্র কয়েকটি পারমাণবিক বোমাই একে ধূলিসাৎ করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। বিবর্তন খুব দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে এবং হোমো টেকনিকোস তৈরির জন্য দুই শতাব্দী মোটেও যথেষ্ট নয়। পারমাণবিক রেষারেষির বশবর্তী হয়ে আমাদের এই প্রযুক্তিগত সমাজ ধ্বংস হয়ে গেলে তা এক মহাবিপর্যয় ডেকে আনবে। এমনকি যদি তাৎক্ষণিকভাবে লক্ষ লক্ষ মানুষ বেঁচেও থাকে, তবুও। যে পরিবেশের সাথে তারা খাপ খাইয়ে নিয়েছিল তা চিরতরে হারিয়ে যাবে এবং ডারউইনের সেই রাক্ষুসে প্রাকৃতিক নির্বাচন কোনো প্রকার অনুশোচনা বা পিছুটান ছাড়াই নির্মমভাবে তাদের নিশ্চিহ্ন করে দেবে।
** '''''[[:w:আইজাক আসিমভ|আইজাক আসিমভ]]''''', ''ভিউ ফ্রম আ হাইট'' (১৯৬৩), পৃষ্ঠা ১৬৪। এছাড়া ''আসিমভ অন ফিজিক্স'' (১৯৭৬) এবং ''আইজ্যাক আসিমভ'স বুক অফ সায়েন্স অ্যান্ড নেচার কোটেশনস'' (১৯৮৮) বইয়েও সংকলিত।
* বাজি এখন এগুলোই! হয় আমাদের এমন এক পৃথিবী গড়তে হবে যেখানে বিধাতার সব সন্তান মিলেমিশে বাস করতে পারবে, নয়তো আমাদের সেই অন্ধকারের অতলে তলিয়ে যেতে হবে। আমাদের হয় একে অপরকে ভালোবাসতে হবে, নয়তো আমাদের মৃত্যু অবধারিত!
** '''''[[:w:লিন্ডন বি. জনসন|লিন্ডন বি. জনসন]]''''', ''ডেইজি'' (রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন), ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৪।
* মিস্টার প্রেসিডেন্ট, আমি বলছি না যে আমাদের গায়ে আঁচড়টুকুও লাগবে না। তবে আমি নিশ্চিত যে ১০ থেকে ২০ মিলিয়নের (১-২ কোটি) বেশি মানুষ মারা যাবে না, ব্যস! তবে হ্যাঁ, ভাগ্য সহায় থাকলে সংখ্যাটা এমনই থাকবে।
** '''''[[:w:জর্জ সি. স্কট|জেনারেল 'বাক' টারগিডসন]]''''', ''ডক্টর স্ট্রেঞ্জলাভ'' (১৯৬৪ সালের চলচ্চিত্র); স্ট্যানলি কুবরিক, টেরি সাউদার্ন এবং পিটার জর্জের লেখা, যা পিটার জর্জের 'রেড অ্যালার্ট' উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত।
* প্রেসিডেন্টের যদি নিজের ইচ্ছায় চলত, তবে আমরা প্রতি সপ্তাহেই একটা করে পারমাণবিক যুদ্ধ বাধিয়ে দিতাম।
** '''''[[:w:হেনরি কিসিঞ্জার|হেনরি কিসিঞ্জার]]''''', রিচার্ড নিক্সন প্রসঙ্গে; জি. জে. ব্যাসের ''দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, কিসিঞ্জার, অ্যান্ড আ ফরগটেন জেনোসাইড'' (২০১৪), অধ্যায় ১৯-এ উদ্ধৃত।
* জীবিতরা মৃতদের হিংসা করবে।
** '''''[[:w:নিকিতা খ্রুশ্চেভ|নিকিতা খ্রুশ্চেভ]]''''', পারমাণবিক যুদ্ধ প্রসঙ্গে। এড জুকারম্যানের "হাইডিং ফ্রম দ্য বোম্ব—অ্যাগেইন", ''হার্পার'স'' (আগস্ট ১৯৭৯), পৃষ্ঠা ৩৬; যেখানে ক্রুশ্চেভের উদ্ধৃতি হিসেবে বলা হয়েছে "বেঁচে থাকা ব্যক্তিরা মৃতদের হিংসা করবে"। ১৯৭৯ সালে মার্কিন সেনেট কমিটির শুনানিতেও এই উক্তিটি ক্রুশ্চেভের নামে বহুবার উদ্ধৃত হয়েছে। যদিও অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, এর আদি উৎস জন এফ কেনেডি এবং ক্রুশ্চেভের মধ্যকার আলোচনা থেকে উদ্ভূত হতে পারে, তবে এটি ক্রুশ্চেভের উক্তি হিসেবেই বিশ্বজুড়ে সমধিক পরিচিত।
=== ১৯৭০-এর দশক ===
* ধরুন যদি যুদ্ধ লেগেই যায়, তবে কত মানুষ মারা যেতে পারে তা একটু কল্পনা করা যাক।<br>বিশ্বে এখন প্রায় ২৭০ কোটি মানুষ আছে, যার এক-তৃতীয়াংশ (প্রায় ১৮০ কোটি) হয়তো বিলীন হয়ে যেতে পারে। আর যদি সংখ্যাটা একটু বেশিও হয়, তবে তা হয়তো অর্ধেক হতে পারে! আমি বলছি যদি পরিস্থিতি সবচাইতে খারাপের দিকেও যায় এবং অর্ধেক মানুষও মারা যায়, তবুও তো বাকি অর্ধেক মানুষ টিকে থাকবে! কিন্তু [[:w:সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদ]] চিরতরে ধূলিসাৎ হয়ে যাবে এবং গোটা বিশ্ব [[:w:সমাজতন্ত্র|সমাজতান্ত্রিক]] হয়ে উঠবে। এরপর মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই পৃথিবীতে আবারও ২৭০ কোটি মানুষের সমাগম হবে।
** '''''[[:w:মাও ৎসে-তুং|মাও ৎসে-তুং]]''''' (মৃত্যু: ১৯৭৬); ফ্রাঙ্ক ডিকোটার সম্পাদিত, ''মাও'স গ্রেট ফেমিন: দ্য হিস্ট্রি অফ চায়না'স মোস্ট ডেভাস্টেটিং ক্যাটাস্ট্রফি, ১৯৫৮–৬২'' (২০১০), পৃষ্ঠা ১৩।
* জাপানের সেই দুটি শহরের নাম আমার হৃদয়ে এক দারুন বিভীষিকা হয়ে গেঁথে গিয়েছিল! একদিকে ছিল এক বিষাক্ত সচেতনতা যে আমার এই দেশ, মাত্র পাঁচ বছর আগে যার নাগরিকত্ব আমি পেয়েছি, সেই যুক্তরাষ্ট্র আসলে কী বীভৎস ধ্বংসলীলা চালাতে সক্ষম! অন্যদিকে ছিল প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের এই সংহারী গতিপথ দেখে এক বমিভাব জাগানিয়া আতঙ্ক! পৃথিবীর বিনাশী রূপটি আমার কাছে কখনোই খুব দূরের কোনো বিষয় ছিল না। আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলাম মানবতার শাশ্বত সত্তার পতন ঘনিয়ে আসছে। আর এই সর্বনাশকে সম্ভব করেছে আমার নিজের এই পেশা। আমার দু'নয়নে বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখা আসলে একই অভিন্ন সত্তা। যদি বিজ্ঞানের একটি শাখা তার নিষ্কলঙ্ক হওয়ার দাবি হারিয়ে ফেলে, তবে অন্য কোনো শাখার নিজেকে নির্দোষ বলার আর কোনো পথ থাকে না।
* ১৯৪৫ সালের সেই বিভীষিকা পূর্ণ সময়ে নিজেকে এক আবেগীয় বেকুব হিসেবে প্রমাণ করেছিলাম! প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান চাইলে আমাকেও সেই সব বিলাপকারী নির্বোধদের তালিকায় স্বচ্ছন্দে ফেলে দিতে পারতেন, যাঁদের তিনি আপন অফিসে প্রবেশের ন্যূনতম অধিকারটুকু দিতেও নারাজ ছিলেন। কারণ আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেছিলাম, এত বিপুল যাতনা বা কষ্টের পরোয়ানা জারি করার অধিকার কোনো মানুষের নেই। বিজ্ঞান এখানে ঘাতকের ছুরিতে শাণ দিয়েছে, তাকে পথ দেখিয়েছে! আর এভাবেই বিজ্ঞান এমন এক কলঙ্ক বা পাপের ভাগীদার হয়েছে যার হাত থেকে তার মুক্তি নেই। ঠিক সেই মুহূর্তেই বিজ্ঞান এবং হত্যাকাণ্ডের মধ্যকার সেই অশুভ যোগসূত্রটি আমার কাছে দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। সেই বিষাদময় ঘটনার পরবর্তী কয়েক বছর, ১৯৪৭ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত আমি মরিয়া হয়ে তথাকথিত শান্ত-শীতল সুইজারল্যান্ডে একটু আশ্রয় খুঁজেছিলাম। কিন্তু আমি সফল হ্তে পারিনি।
** '''''[[:w:আরউইন শার্গাফ|আরউইন শার্গাফ]]''''', ''হেরাক্লিটিয়ান ফায়ার: স্কেচেস ফ্রম এ লাইফ বিফোর নেচার'' (১৯৭৮)
=== ১৯৮০-এর দশক ===
* [[:w:হিরোশিমা|হিরোশিমায়]] প্রথম পারমাণবিক বোমা পড়ার পর এখন প্রায় ৩৫ বছর পার হয়ে গেছে। বিশ্বের বিশাল সংখ্যক মানুষ এখন আর এমন কোনো সময়ের কথা মনে করতে পারে না, যখন এই পৃথিবী পারমাণবিক ছায়ায় ঢাকা ছিল না। আমাদের মন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছে, ঠিক যেমন দীর্ঘক্ষণ অন্ধকারে থাকলে আমাদের চোখ সেই আঁধারেই অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। অথচ পারমাণবিক অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি এক বিন্দুও কমেনি বরং বেড়েছে। ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতা, যে এটি এখনও ঘটেনি। কিন্তু তাতে স্বস্তির অবকাশ খুবই কম, কারণ এটি কেবল একবার ঘটতে পারলেই তা যথেষ্ট! বিপদ দিনের দিন আরো ঘনীভূত হচ্ছে। পরাশক্তিগুলোর অস্ত্রভাণ্ডার এখন আকার ও আধুনিকতায় আরো বিশাল হচ্ছে এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোও যখন এসব মারণাস্ত্রের মালিক হচ্ছে—তখন উন্মাদনা, হতাশা, লোভ কিংবা ভুল হিসাবের কারণে এই ভয়ংকর দানবটির শৃঙ্খলমুক্ত হয়ে পড়া কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র! একটি পূর্ণাঙ্গ পারমাণবিক যুদ্ধে, [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] সমপরিমাণ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা প্রতিটি সেকেন্ডে উগড়ে দেওয়া হবে!যতক্ষণ না সব ক্ষেপণাস্ত্র আর বোমা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে। ভাবুন তো, প্রতি সেকেন্ডে একটি করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ! ইতিহাসের সব যুদ্ধে মিলে যত মানুষ মারা গেছে, তার চেয়ে বেশি মানুষ প্রাণ হারাবে প্রথম কয়েক ঘণ্টায়। আর যদি কেউ বেঁচেও থাকে, তবে তারা বেঁচে থাকবে এক বিষাক্ত ধ্বংসস্তূপের মাঝে। যে সভ্যতা নিজেই নিজের আত্মাহুতির পথ বেছে নিয়েছিল।
** '''''[[:w:জিমি কার্টার|জিমি কার্টার]]''''', জাতির উদ্দেশ্যে বিদায়ী ভাষণ (১৪ জানুয়ারি, ১৯৮১)
* কল্পনা করুন [[:w:পেট্রোল|পেট্রোলে]] ভাসছে এমন একটি ঘর, যেখানে দুজন আপসহীন শত্রু দাঁড়িয়ে আছে। তাদের একজনের হাতে আছে নয় হাজার [[:w:দিয়াশলাই|দেশলাই কাঠি]], আর অন্যজনের হাতে সাত হাজার। প্রত্যেকেই এই চিন্তায় অস্থির যে কে কার চেয়ে এগিয়ে আছে, কার শক্তি বেশি! ঠিক এই পরিস্থিতির মধ্যেই আমরা এখন বাস করছি। এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর সোভিয়েত ইউনিয়নের হাতে মজুদ অস্ত্রের পরিমাণ এতটাই স্ফীত এবং প্রতিরোধের প্রয়োজনে যা দরকার তার চেয়ে এতটাই অবিশ্বাস্য রকম বেশি যে পুরো বিষয়টি [[:w:বিয়োগান্ত নাটক|ট্র্যাজিক]] না হলে একে হাস্যকর বলা যেত। এখন যেটা প্রয়োজন তা হলো, হাতের দেশলাই কাঠির সংখ্যা কমানো এবং নিচে গলার কাঁটা হয়ে থাকা পেট্রোলটুকু পরিষ্কার করা।
** '''''[[:w:কার্ল সেগান|কার্ল সেগান]]''''', এবিসি নিউজ ভিউপয়েন্ট প্যানেল আলোচনায় (২০ নভেম্বর, ১৯৮৩)
[[File:Opening chess position from black side.jpg|thumb|এ এক অদ্ভুত খেলা।<br>জেতার একমাত্র উপায় হচ্ছে—না খেলা! এ খেলা থেকে বিরত থাকায় হলো আসল জিত!]]
* এ এক অদ্ভুত খেলা।<br>জেতার একমাত্র উপায় হচ্ছে—না খেলা! তার চেয়ে বরং এক রাউন্ড দাবা খেললে কেমন হয়?
** '''''ওয়ারগেমস''''' (১৯৮৩ সালের চলচ্চিত্র)
* প্রিয় দেশবাসী, আজ আমি আপনাদেরকে এই সংবাদটি দিতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে এমন একটি আইনে স্বাক্ষর করেছি যা রাশিয়াকে চিরকালের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করবে। আমরা আগামী পাঁচ মিনিটের মধ্যেই বোমা বর্ষণ শুরু করতে যাচ্ছি!
** '''''[[:w:রোনাল্ড রেগন|রোনাল্ড রেগন]]''''', স্নায়ুযুদ্ধের সময় করা একটি অফ-দ্য-রেকর্ড রসিকতা। ১১ আগস্ট, ১৯৮৪ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় তাঁর অবকাশ যাপনের বাড়িতে একটি নির্ধারিত রেডিও ভাষণের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের সাথে তিনি এই রসিকতা করেন। এটি সরাসরি সম্প্রচারিত না হলেও রেকর্ড করা হয়েছিল তবে পরবর্তীতে তা জনসমক্ষে ফাঁস হয়ে যায়।
* ''সরল বোধের ওপর নেই তব আধিপত্যের অধিকার,<br>হোক না সেটা রাজকীয় বেড়ার এপার ও ওপার!<br>ভিন্ আদর্শ, তবু কোটি প্রাণের একই সন্তরণ!<br>হৃদয় পেতে শোনো, যা করি বর্ণন—<br>আশায় থাকি, রুশরা যেন প্রজন্মদের আগলে রাখে সারাক্ষণ!''
** '''''[[:w:স্টিং (সঙ্গীতজ্ঞ)|স্টিং]]''''', ''"রাশিয়ানস"'', অ্যালবাম: ''দ্য ড্রিম অফ দ্য ব্লু টার্টলস'' (১৯৮৫); ''রূপান্তর:'' '''মাহমুদ''' (১৩ এপ্রিল, ২০২৬)
* একটি পারমাণবিক যুদ্ধ কোনো দেশকে রক্ষা করতে পারে না, এমনকি কোনো আদর্শ বা ব্যবস্থাকেও রক্ষা করতে পারে না!<br>আমি বহুবার একটি কথা বলেছি—এমনকি বিশ্বের সবচাইতে ঝানু তাত্ত্বিকও পুঁজিবাদের ছাই আর কমিউনিজমের ছাইয়ের মাঝে কোনো পার্থক্য খুঁজে বের করতে পারলাম না!
** '''''[[:w:জন কেনেথ গলব্রেথ|জন কেনেথ গলব্রেথ]]''''', "দ্য অ্যাশেস অফ ক্যাপিটালিজম অ্যান্ড দ্য অ্যাশেস অফ কমিউনিজম", জন এম হোয়াইটলিকে দেওয়া সাক্ষাৎকার (তারিখবিহীন), ''কোয়েস্ট ফর পিস: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন'' (১৯৮৬)
* ''যুদ্ধ শুধুই একটি খেলা,<br>খাস-মকসুদ মাতালদের জন্য মেলা!<br>কিন্তু তাদের বিনাশের হুমকি দাও—<br>রবেনা এই ভুবনে, পালাতে দেবে নাও!<br>যদি এটাই হয় শান্তনামূলক মানবতাবাদ,<br>তবে বোমার জন্য 'ঈশ্বর জিন্দাবাদ'!''
** '''''[[:w:ওজি অসবোর্ন|ওজি অসবোর্ন]]''''', ''বব ডেইসলি'', ''জেক ই. লি'', "থ্যাঙ্ক গড ফর দ্য বোম্ব", ''দ্য আল্টিমেট সিন'' অ্যালবাম থেকে (১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৬); ''বাংলায় রূপান্তর:'' '''মাহমুদ''' (১৩ এপ্রিল, ২০২৬)
[[File:Typhoon iced.jpg|thumb|চার মহাসাগর আর সাত সমুদ্রের নিচে, আমেরিকান এবং সোভিয়েত সাবমেরিনগুলো বছরের প্রতিটি দিন এক যুদ্ধের কাছাকাছি লড়াইয়ে লিপ্ত থাকে।<br>—'''''রিচার্ড হ্যালোজান''''']]
* চার মহাসাগর আর সাত দরিয়ার তলদেশে, আমেরিকান এবং সোভিয়েত [[:w:সাবমেরিন|সাবমেরিনগুলো]] বছরের প্রতিটি দিন এক প্রায়-যুদ্ধে লিপ্ত থাকে। বিরামহীনভাবে তারা একে অপরকে খুঁজে বেড়ায়, সুযোগ পেলেই শত্রুর পিছু নেয় আর ধরা পড়লে পালানোর চেষ্টা করে। কেবল গুলি চালানো ছাড়া আসল যুদ্ধের প্রতিটি চালই তারা দেয়। যদি কখনো সত্যিকারের যুদ্ধ শুরু হয়, তবে অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, সাবমেরিনগুলোই হবে আমেরিকান এবং সোভিয়েত নৌবহরের প্রধান শক্তি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যেমন যুদ্ধজাহাজ অনেক আধিপত্য দেখিয়েছিল আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিমানবাহী [[:W:যুদ্ধ জাহাজ|রণতরীগুলো]] সমুদ্রজয় নিশ্চিত করেছিল। ভবিষ্যৎ দ্বন্দ্বে [[:w:পারমাণবিক ডুবোজাহাজ|পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিনই]] হবে জয়ের তুরুপের তাস।
** '''''রিচার্ড হ্যালোজান''''', [https://www.nytimes.com/1986/12/07/magazine/a-silent-battle-surfaces.html "এ সাইলেন্ট ব্যাটল সারফেসেস"], ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৭ ডিসেম্বর, ১৯৮৬)
* ''আমরা যদি যুদ্ধের ওপর বিশ্বাস নাই-ই করি—<br>তবে কেউ কি বলতে পারো, কেন অস্ত্রের এই সাজ-পসরি?<br>শুনে নাও আমার কথা,<br>একবার জেগে ওঠে যদি তারা, পালাবে তুমি কোথা?<br>দৈত্যরা ঘুমায় আর বারবার হয় জিৎ—<br>স্বপ্নে বাজছে দামামা, কাঁপছে মাটির ভিত!<br>যতক্ষণ না তাদের ঘুম ভাঙছে,<br>ততক্ষণ-ই ঈশ্বরদ্রোহিতা চালাচ্ছে!''
** '''''[[:w:ওজি অসবোর্ন|ওজি অসবোর্ন]]''''', ''বব ডেইসলি'', ''জেক ই. লি'', "কিলার অফ জায়ান্টস", ''দ্য আল্টিমেট সিন'' অ্যালবাম থেকে (১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৬); ''বাংলায় কাব্যিক-রূপান্তর:'' যোবায়ের আল-'''মাহমুদ''' (১৩ এপ্রিল, ২০২৬)
* পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের একমাত্র উস্কানি কী হতে পারে? উত্তরটি হলো 'পারমাণবিক অস্ত্র'। পারমাণবিক অস্ত্রের প্রধান লক্ষ্যবস্তু কী? সেটিও পারমাণবিক অস্ত্র। পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠিত একমাত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কোনটি? তা-ও হলো পারমাণবিক বোমা!<br>আমরা কীভাবে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ করতে পারি? পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পাল্টা হুমকি দিয়ে। আর আমরা এই পারমাণবিক অস্ত্র থেকে মুক্তিও পাচ্ছি না কেন? সেই একই খোদ পারমাণবিক অস্ত্রের কারণেই!<br>মনে হচ্ছে, এই একগুঁয়েমি যেন খোদ ওই মারণাস্ত্রগুলোরই এক অদ্ভুত কারসাজি!
* এই প্রতিযোগিতার দৌড় মূলত পারমাণবিক অস্ত্র বনাম আমাদের নিজেদের অস্তিত্বের মধ্যে।
** '''''[[:w:মার্টিন এমিস|মার্টিন এমিস]]''''', ''আইনস্টাইন'স মনস্টারস'' (১৯৮৭), ভূমিকা
* আমরা স্রেফ জানি না যে পারমাণবিক অস্ত্র আদৌ প্রতিরোধক হিসেবে কার্যকর হয়েছে কিনা। কিংবা এগুলো আজ কার্যকর কিনা অথবা ভবিষ্যতে কার্যকর হবে বলে আশা করা যায় কি না। বছরের পর বছর ধরে পারমাণবিক নীতিগুলো এমন সব তথ্যের অজ্ঞানতার ওপর ভিত্তি করে সৃষ্টি করা হয়েছে, যা এই নীতির ন্যায্যতা প্রমাণের জন্য সবচেয়ে প্রধান বিষয় ছিল।
** '''''রবার্ট এল. হোমস''''', [https://www.nytimes.com/1988/01/17/opinion/l-what-we-don-t-know-about-nuclear-policy-016788.html ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', "পারমাণবিক নীতি সম্পর্কে আমরা যা জানি না" (১৭ জানুয়ারি, ১৯৮৮)], পৃষ্ঠা ২৬
* কেবল পারমাণবিক বোমার সহিংসতাই মানবজাতির জন্য একমাত্র হুমকি নয়। বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমাদের সহকর্মী মানুষদের, নির্দোষ অথবা দোষী উভয়কেই—হত্যা করার এই যে নিচু মানসিকতা, সেটিই হলো বড় হুমকি! যতক্ষণ না আমরা আমাদের সময়, শক্তি এবং সম্পদকে যেকোনো ধরনের ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পথ থেকে সরিয়ে এনে যুদ্ধের অহিংস বিকল্প খোঁজার কাজে নিয়োজিত করছি, ততক্ষণ পারমাণবিক যুদ্ধের হুমকি মোকাবিলার আমাদের সমস্ত প্রচেষ্টা সম্ভবত কোনো কাজেই আসবে না অর্থাৎ এটি শুধুই বৃথা যাবে!
** '''''রবার্ট এল. হোমস''''', ''অন ওয়ার অ্যান্ড মোরালিটি'' (১৯৮৯), ভূমিকা পৃষ্ঠা ১০
=== ১৯৯০-এর দশক ===
* পারমাণবিক হামলার জবাব দেওয়ার জন্য আমাদের অনেক জরুরি কিছু পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সবকিছু এত দ্রুত ঘটে যেত যে আমি ভাবতাম, এমন সংকটে পরিকল্পনা বা যুক্তির কতটা প্রয়োগ করা সম্ভব। [[:w:রাশিয়া|রাশিয়ানরা]] মাঝেমধ্যেই আমাদের পূর্ব উপকূলে এমন সব পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিন রাখত, যা মাত্র ছয় থেকে আট মিনিটের মধ্যে [[:w:হোয়াইট হাউস|হোয়াইট হাউসকে]] একদম পারমাণবীয় [[:w:তেজস্ক্রিয়তা|তেজস্ক্রিয়]] ধ্বংসস্তূপে পরিণত করতে পারত! [[:w:রাডার|রাডার]] স্কোপের ওপর ভেসে ওঠা একটা বিন্দুর ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিতে মাত্র ছয় মিনিট সময় পাওয়া যেত; যে আপনি কি ''আরমাগেডন'' (বাইবেল অনুসারে শেষ যুগে দুনিয়া ধ্বংসের পূর্বে সত্য ও মিথ্যার মাঝে চূড়ান্ত মহাযুদ্ধ) শুরু করবেন কি না! এমন সময়ে কীভাবে যুক্তি প্রয়োগ করতে পারা যায়? [[:w:পেন্টাগন|পেন্টাগনের]] কিছু লোক ছিল যারা পারমাণবিক যুদ্ধ করা এবং তাতে জেতার কথা ভাবত। আমার কাছে এটি ছিল সাধারণ কাণ্ডজ্ঞান। পারমাণবিক যুদ্ধে কোনো পক্ষই জিততে পারে না। তাই এটি কখনোই লড়া উচিত নয়।
** '''''[[:w:রোনাল্ড রেগন|রোনাল্ড রেগন]]''''', ''অ্যান আমেরিকান লাইফ'' (১৯৯০)
* পারমাণবিক বোমার এই [[:w:স্নায়ুযুদ্ধ|শীতল-যুদ্ধের]] ভবিষ্যদ্বাণী অবশ্যই বৈশ্বিক পারমাণবিক যুদ্ধের পরিণতির কোনো সরাসরি অভিজ্ঞতা থেকে নেওয়া হয়নি। বরং এটি করা হয়েছে [[:w:পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিজ্ঞানের]] নিয়মগুলো অনুসন্ধানের মাধ্যমে। (এই সমস্যাটি পূর্ণ পরীক্ষামূলক যাচাইকরণের সুযোগ দেয় না। অন্তত একবারের বেশি তো কখনই নয়।)
** '''''[[:w:কার্ল সেগান|কার্ল সেগান]]''''' এবং ''রিচার্ড পি. টারকো'', ''এ পাথ হোয়্যার নো ম্যান থট: নিউক্লিয়ার উইন্টার অ্যান্ড দ্য এন্ড অফ দ্য আর্মস রেস'' (১৯৯০), পৃষ্ঠা ২৬
* ''[[গ্যালিলিও গ্যালিলেই|গ্যালিলিও]] এর মাথা যখন ছিন্ন করতে চায় জল্লাদ—<br>তখন,<br>সত্য খুঁজতে আরশের দিকে তাকানোই ছিল তাঁর অপরাধ!...<br>জাগবেই জাগবে সেই পুনর্জন্ম...<br>পেতেই হবে আত্মার সঠিক ধর্ম...<br>কোনো মানুষ কী মাখতে পারে না সেই আলোড়ন?...<br>যেথায় গ্যালিলিওরা করে বিচরণ—<br>ছিলেন তিনি নিশার রাজা, দৃষ্টি-গভীর সম্রাট...<br>এ তো রসিকতা নয়, ছিলেন যে সত্যের লৌহ কপাট!<br>আমি সবকিছুই খুব চেখে দেখি;<br>দেখে যাই সঠিক পথ, বেড়ে যায় হিম্মত।<br>মানবতা যেন হৃদয়ে রাখি, হই না যেন আণবিক ধ্বংসলীলা—<br>কিন্তু চিনেছি কী সেই সত্যকে, যা ছিল দুনিয়া ভোলা?''
** '''''[[w:ইন্ডিগো গার্লস|ইন্ডিগো গার্লস]]''''', "গ্যালিলিও", ''জিনিয়াস'' অ্যালবাম থেকে (১২ মে, ১৯৯২); ''বাংলায় রূপান্তর:'' '''মাহমুদ''' (১৩ এপ্রিল, ২০২৬)
* যুদ্ধ। যুদ্ধ কখনোই বদলায় না।
** ''ফলআউট'', (১৯৯৭ ভিডিও গেম), প্রারম্ভিক বর্ণনা: '''''[[:w::রন পার্লম্যান|রন পার্লম্যান]]''''
=== ২০০০-এর দশক ===
* ঈশ্বরের দোহাই, আপনাদের সন্তানদের প্রতি ভালোবাসার দোহাই, আপনারা যে সভ্যতার অংশ তার দোহাই - আপনারা দয়া করে এই উন্মাদনা বন্ধ করুন! আপনারা মরণশীল মানুষ। আপনাদের ভুল হতে পারে। আপনাদের হাতে এমন ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা রাখার কোনো অধিকার নেই। এমন কোনো বিজ্ঞ বা শক্তিশালী মানুষ নেই যার হাতে আমাদের গ্রহের একটি বিশাল অংশের সভ্য জীবন শেষ করে দেওয়ার মতো ক্ষমতা থাকা উচিত।
** '''''জর্জ এফ কেনান''''', তাঁর মৃত্যুসংবাদে উদ্ধৃত, "১০১ বছর বয়সে জর্জ কেনানের মৃত্যু; কোল্ড ওয়ার বা স্নায়ুযুদ্ধের নীতি প্রণয়নকারী", ''দ্য বোস্টন গ্লোব'' (১৮ মার্চ, ২০০৫); এছাড়াও জেমস ক্যারল, ''হাউস অফ ওয়ার'' (বোস্টন এবং নিউ ইয়র্ক: হটন মিফলিন কোং, ২০০৬), "আপস্ট্রিম", পৃষ্ঠা ৫৮১, নোট ১৪০। ISBN 0618187804.
=== ২০১০-এর দশক ===
* ...ঠিক রাশিয়ান সীমান্তে অত্যন্ত চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, যা যেকোনো সময় বিস্ফোরিত হতে পারে এবং এমন একটি পারমাণবিক যুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে যা মূলত পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব এবং প্রজাতির জন্য চূড়ান্ত বিনাশ ডেকে আনতে পারে! আমরা এর খুব কাছাকাছিই রয়েছি।<br>প্রথমত, এটি প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য আমাদের কিছু করা উচিত। দ্বিতীয়ত, আমাদের জিজ্ঞাসা করা উচিত কেন এমনটা হলো। এর কারণ হলো সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর [[:w:মিখাইল গর্বাচেভ|মিখাইল গর্বাচেভকে]] দেওয়া মৌখিক প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করে [[:w:ন্যাটো|ন্যাটোর]] বিস্তার। মূলত [[:w:বিল ক্লিনটন|ক্লিনটনের]] অধীনে এটি শুরু হয়, আংশিকভাবে প্রথম [[:w:জর্জ ডব্লিউ. বুশ|জর্জ ডব্লিউ. বুশ]] এবং তারপর ক্লিনটন একে সরাসরি রাশিয়ান সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত করেন, যা [[:w:বারাক ওবামা|বারাক ওবামার]] অধীনে আরও প্রসারিত হয়। সুসংগঠিত মানব সমাজের ভাগ্য, এমনকি প্রজাতির টিকে থাকাও এর ওপর নির্ভর করছে! [[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]] কোনো বিষয়ে মিথ্যা বলেছেন কি না; তার তুলনায় এই বিষয়গুলোতে কতটা মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে?
** '''''[[:w:নোম চম্স্কি|নোম চম্স্কি]]''''', [https://www.democracynow.org/2018/7/27/noam_chomsky_on_mass_media_obsession "Noam Chomsky on Mass Media Obsession with Russia & the Stories Not Being Covered in the Trump Era"], ''ডেমোক্রেসি নাও'' (২৭ জুলাই, ২০১৮)
=== ২০২০-এর দশক ===
* পারমাণবিক অস্ত্রগুলো নাটকের মঞ্চে দেয়ালে ঝুলে থাকা একটি [[:w:রাইফেল|রাইফেলের]] মতো! আমরা সেই নাটকটি লিখিনি, আমরা এটি মঞ্চস্থ করছি না এবং নাট্যকার কী চান তাও আমরা জানি না। যে কেউ যেকোনো সময় দেয়াল থেকে রাইফেলটি তুলে নিতে পারে।
** '''''[[:w:মিখাইল গর্বাচেভ|মিখাইল গর্বাচেভ]]''''', ''হোয়াট ইজ অ্যাট স্টেক নাউ'' (২০২০), জেসিকা স্পেংলার কর্তৃক [[:w:রুশ ভাষা|রুশ ভাষা]] থেকে অনূদিত
* আমেরিকার একটি মাত্র 'ট্রাইডেন্ট' সাবমেরিন, যা এখন আরও শক্তিশালী সাবমেরিন দিয়ে প্রতিস্থাপিত হচ্ছে। এখন এটি তার পারমাণবিক অস্ত্র দিয়ে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের প্রায় ২০০টি শহর ধ্বংস করে দিতে সক্ষম! [[:w:দক্ষিণ চীন সাগর|দক্ষিণ চীন সাগরে]] চীনের মাত্র চারটি পুরনো ও শব্দ সৃষ্টিকারী সাবমেরিন রয়েছে, যা আমেরিকা ও তার মিত্র বাহিনীর শ্রেষ্ঠত্বের কারণে ঠিকমতো বের হতেই পারে না। এর বিপরীতে, যুক্তরাষ্ট্র [[:w:অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়ায়]] পারমাণবিক সাবমেরিনের একটি বহর পাঠাচ্ছে। এটিই হলো সেই 'AUKUS' বা অকাস চুক্তি(অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র সমন্বিত) যার আসলে কোনো কৌশলগত উদ্দেশ্যই নেই। এগুলো এমনকি আগামী ১৫ বছরের মধ্যেও সচল হবে না, কিন্তু এগুলো চীনকে তাদের পিছিয়ে থাকা সামরিক শক্তি বাড়িয়ে তুলতে এবং সংঘাতের মাত্রা তীব্র করতে নিশ্চিতভাবেই উস্কানি দিচ্ছে। দক্ষিণ চীন সাগরে যেসব সমস্যা রয়েছে তা আঞ্চলিক শক্তির নেতৃত্বে কূটনীতি ও আলোচনার মাধ্যমে মেটানো সম্ভব, আমি চাইলে এর গভীরে যেতে পারি। কিন্তু সঠিক পদক্ষেপ কখনোই উস্কানি বাড়ানো হতে পারে না, কিংবা এমন কোনো দুর্ঘটনাবশত পরিস্থিতির ঝুঁকি বাড়ানো নয় যা ধ্বংসাত্মক হতে পারে। এমনকি এই ধরনের পদক্ষেপ পৃথিবীর জন্য চূড়ান্ত পারমাণবিক যুদ্ধ ডেকে আনতে পারে! কিন্তু [[:w:বাইডেন|জো বাইডেন]] প্রশাসন ট্রাম্পের কর্মসূচিগুলো সম্প্রসারণের মাধ্যমে সেই পথেই হাঁটছে। এটিই তাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি।
** '''''[[:w:নোম চমস্কি|নোম চমস্কি]]''''', [https://www.democracynow.org/2021/11/23/noam_chomsky_on_bidens_foreign_policy "চীন কি আসলেই একটি হুমকি?"], ''ডেমোক্রেসি নাও'' (২৩ নভেম্বর, ২০২১)
== আরও দেখুন ==
* [[পারমাণবিক শক্তি]]
* [[পারমাণবিক অস্ত্র]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
* [https://history.state.gov/search?q=atomic%20bomb&within=documents&start-date=1945-01-01&end-date=1952-12-31&sort-by=relevance ১৯৪৫ –১৯৫২: পারমাণবিক বোমার ইতিহাস] মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অফিসিয়াল আর্কাইভ।
* [https://nsarchive.gwu.edu/ ন্যাশনাল সিকিউরিটি আর্কাইভ] জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি।
* [https://www.atomicarchive.com/ অ্যাটমিক আর্কাইভ]: পারমাণবিক অস্ত্রের বিজ্ঞান ও ইতিহাস।
* [https://disarmament.unoda.org/en জাতিসংঘ: নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক কার্যালয় (UNODA)]
* [https://www.iaea.org/ আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA)]
* [https://thebulletin.org/doomsday-clock/ domsday ক্লক (Doomsday Clock)] বর্তমান পারমাণবিক ঝুঁকির সূচক।
* [https://peace-tourism.com/en/spot/entry-40.html হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল মিউজিয়াম]
* [https://nuclearsecrecy.com/nukemap/ নিউক ম্যাপ (NUKEMAP)]: পারমাণবিক বিস্ফোরণ সিমুলেটর।
[[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারমাণবিক অস্ত্র]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারমাণবিক যুদ্ধ]]
eyf5fnpfyi5r38b6mr0d01aon4o4snu
গোলাম মোস্তফা
0
14105
83607
83573
2026-05-24T04:26:23Z
Oindrojalik Watch
4169
83607
wikitext
text/x-wiki
[[w:গোলাম মোস্তফা|গোলাম মোস্তফা]] (জন্ম: ১৮৯৭ - মৃত্যু: ১৩ অক্টোবর ১৯৬৪) একজন [[বাঙালি]] লেখক এবং কবি। তার কাব্যের মূল বিষয়বস্তু ছিল [[ইসলাম]] ও প্রেম।
==উক্তি==
* ওরে মুসলিম ভীরু কাপুরুষ<br/>ভয় কেন আজ করিস রণে?<br/>কিসের সংঘাত ছুটে চল আজি<br/>জীবন পাবি রণাঙ্গনে।<br/>আরব মরুর সন্তান মোরা<br/>তলোয়ার দেখে কভু কি ডরি?<br/>আঘাতে আঘাতে জীবন মোদের<br/>গর্জে ওঠে নতুন করি।<br/>বক্ষে আগুন আজো আছে মোর<br/>আমি যে অগ্নি গিরি,<br/>সে অগ্নি শিখা ভীষণ আত্ম<br/>বিস্মৃতি রেখেছে ঘিরি।<br/>পাষান হয়ে পড়ে আছো আজ<br/>হায়রে আত্ম ভোলা,<br/>তোমরা জাগিলে সারা পৃথিবী<br/>খাইবে ভীষণ দোলা।
** ওরে মুসলিম [https://books.google.com.bd/books?id=po1GAQAAIAAJ&q=%E0%A6%93%E0%A6%B0%E0%A7%87+%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE+%E0%A6%AD%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%81+%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B7+%E0%A6%AD%E0%A6%AF%E0%A6%BC+%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8+%E0%A6%86%E0%A6%9C+%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B8+%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87?&dq=%E0%A6%93%E0%A6%B0%E0%A7%87+%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE+%E0%A6%AD%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%81+%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B7+%E0%A6%AD%E0%A6%AF%E0%A6%BC+%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8+%E0%A6%86%E0%A6%9C+%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B8+%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87?&hl=bn&newbks=1&newbks_redir=0&source=gb_mobile_search&sa=X&ved=2ahUKEwi8qsSa6qOUAxXRRmwGHfy5OOMQ6AF6BAgIEAM] [https://books.google.com.bd/books?id=BOgRAQAAIAAJ&q=%E0%A6%93%E0%A6%B0%E0%A7%87+%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE+%E0%A6%AD%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%81+%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B7+%E0%A6%AD%E0%A7%9F+%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8+%E0%A6%86%E0%A6%9C+%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B8+%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87?&dq=%E0%A6%93%E0%A6%B0%E0%A7%87+%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE+%E0%A6%AD%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%81+%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B7+%E0%A6%AD%E0%A7%9F+%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8+%E0%A6%86%E0%A6%9C+%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B8+%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87?&hl=bn&newbks=1&newbks_redir=0&source=gb_mobile_search&sa=X&ved=2ahUKEwi9zcnv6aOUAxUBUGcHHfd3ElsQ6AF6BAgHEAM]
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৮৭-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি মুসলিম]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা ভাষার কবি]]
nn76pzmri1ctwmakga5hgasooldama8
আলাপ:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন
1
14115
83608
2026-05-24T10:45:59Z
ফারদিন
52
/* "বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই" স্লোগান অপসারণের কারণ? */ নতুন অনুচ্ছেদ
83608
wikitext
text/x-wiki
== "বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই" স্লোগান অপসারণের কারণ? ==
@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] @[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনি ''বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই'' স্লোগানটি অপসারণ করেছেন এবং কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, "''...'''এই স্লোগান ২০২৪ এর আন্দোলনে ব্যবহার করা হয়নি। অনির্ভরযোগ্য সূত্র; সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে।'''''" এই অংশটুকুর ব্যাখ্যা দিবেন? [[w:দৈনিক ইত্তেফাক|দৈনিক ইত্তেফাক]] ও [[w:সময় টিভি|সময় টিভিকে]] অনির্ভরযোগ্য বলার কারণ উল্লেখ করবেন? আর "''সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে'' " এই অংশটার ব্যাখ্যা একটু স্পষ্টভাবে বলুন। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১০:৪৫, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
71hn17ehnc4s1lere6bepxk3p9068s1
83609
83608
2026-05-24T10:46:39Z
ফারদিন
52
83609
wikitext
text/x-wiki
== "বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই" স্লোগান অপসারণের কারণ? ==
@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনি ''বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই'' স্লোগানটি অপসারণ করেছেন এবং কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, "''...'''এই স্লোগান ২০২৪ এর আন্দোলনে ব্যবহার করা হয়নি। অনির্ভরযোগ্য সূত্র; সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে।'''''" এই অংশটুকুর ব্যাখ্যা দিবেন? [[w:দৈনিক ইত্তেফাক|দৈনিক ইত্তেফাক]] ও [[w:সময় টিভি|সময় টিভিকে]] অনির্ভরযোগ্য বলার কারণ উল্লেখ করবেন? আর "''সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে'' " এই অংশটার ব্যাখ্যা একটু স্পষ্টভাবে বলুন। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১০:৪৫, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
cgea73q4n07hrt8bpuqx8ik588hq8zf
83610
83609
2026-05-24T11:06:59Z
Oindrojalik Watch
4169
/* "বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই" স্লোগান অপসারণের কারণ? */ উত্তর
83610
wikitext
text/x-wiki
== "বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই" স্লোগান অপসারণের কারণ? ==
@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনি ''বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই'' স্লোগানটি অপসারণ করেছেন এবং কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, "''...'''এই স্লোগান ২০২৪ এর আন্দোলনে ব্যবহার করা হয়নি। অনির্ভরযোগ্য সূত্র; সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে।'''''" এই অংশটুকুর ব্যাখ্যা দিবেন? [[w:দৈনিক ইত্তেফাক|দৈনিক ইত্তেফাক]] ও [[w:সময় টিভি|সময় টিভিকে]] অনির্ভরযোগ্য বলার কারণ উল্লেখ করবেন? আর "''সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে'' " এই অংশটার ব্যাখ্যা একটু স্পষ্টভাবে বলুন। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১০:৪৫, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:দেখলাম সেখানে কোনো এক অজানা ফেসবুক পোস্টের লিংক দেওয়া ছিল, যেটা সাধারণত অনির্ভরযোগ্য সূত্র হয়। এছাড়া, এটি সত্য যে ২০১৩ সালের কোটা আন্দোলনের পর সর্বপ্রথম ২০১৮ সালের উক্ত স্লোগানটি ব্যবহৃত হয়।
:'কিন্তু যদি দেখাতে পারেন যে ২০২৪ সালের কোটা আন্দোলনে এটি ব্যবহার করা হয়েছে, তবে স্লোগানটি যুক্ত করতে আর দ্বিধা নেই।' (যদিও বাস্তবে ২০২৪ সালের আন্দোলনে এটা কখনো শুনিনি!!)
:[[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:০৬, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
07y5vqsdsthlsvy4vwctc97t320hryf
83611
83610
2026-05-24T11:08:40Z
Oindrojalik Watch
4169
83611
wikitext
text/x-wiki
== "বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই" স্লোগান অপসারণের কারণ? ==
@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনি ''বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই'' স্লোগানটি অপসারণ করেছেন এবং কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, "''...'''এই স্লোগান ২০২৪ এর আন্দোলনে ব্যবহার করা হয়নি। অনির্ভরযোগ্য সূত্র; সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে।'''''" এই অংশটুকুর ব্যাখ্যা দিবেন? [[w:দৈনিক ইত্তেফাক|দৈনিক ইত্তেফাক]] ও [[w:সময় টিভি|সময় টিভিকে]] অনির্ভরযোগ্য বলার কারণ উল্লেখ করবেন? আর "''সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে'' " এই অংশটার ব্যাখ্যা একটু স্পষ্টভাবে বলুন। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১০:৪৫, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]],
দেখলাম সেখানে কোনো এক অজানা ফেসবুক পোস্টের লিংক দেওয়া ছিল, যেটা সাধারণত অনির্ভরযোগ্য সূত্র হয়। এছাড়া, এটি সত্য যে ২০১৩ সালের কোটা আন্দোলনের পর সর্বপ্রথম ২০১৮ সালের উক্ত স্লোগানটি ব্যবহৃত হয়।
:'কিন্তু যদি দেখাতে পারেন যে ২০২৪ সালের কোটা আন্দোলনে এটি ব্যবহার করা হয়েছে, তবে স্লোগানটি যুক্ত করতে আর দ্বিধা নেই।' (যদিও বাস্তবে ২০২৪ সালের আন্দোলনে এটা কখনো শুনিনি!!)
:[[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:০৬, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
f45tukupr2630hiksro9nzu824w6myp
83612
83611
2026-05-24T11:09:14Z
Oindrojalik Watch
4169
83612
wikitext
text/x-wiki
== "বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই" স্লোগান অপসারণের কারণ? ==
@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনি ''বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই'' স্লোগানটি অপসারণ করেছেন এবং কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, "''...'''এই স্লোগান ২০২৪ এর আন্দোলনে ব্যবহার করা হয়নি। অনির্ভরযোগ্য সূত্র; সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে।'''''" এই অংশটুকুর ব্যাখ্যা দিবেন? [[w:দৈনিক ইত্তেফাক|দৈনিক ইত্তেফাক]] ও [[w:সময় টিভি|সময় টিভিকে]] অনির্ভরযোগ্য বলার কারণ উল্লেখ করবেন? আর "''সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে'' " এই অংশটার ব্যাখ্যা একটু স্পষ্টভাবে বলুন। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১০:৪৫, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]], দেখলাম সেখানে কোনো এক অজানা ফেসবুক পোস্টের লিংক দেওয়া ছিল, যেটা সাধারণত অনির্ভরযোগ্য সূত্র হয়। এছাড়া, এটি সত্য যে ২০১৩ সালের কোটা আন্দোলনের পর সর্বপ্রথম ২০১৮ সালের উক্ত স্লোগানটি ব্যবহৃত হয়।
:'কিন্তু যদি দেখাতে পারেন যে ২০২৪ সালের কোটা আন্দোলনে এটি ব্যবহার করা হয়েছে, তবে স্লোগানটি যুক্ত করতে আর দ্বিধা নেই।' (যদিও বাস্তবে ২০২৪ সালের আন্দোলনে এটা কখনো শুনিনি!!)
:[[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:০৬, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
j8w6sxoaguw12u1lpjpjowrzh9do73p
83613
83612
2026-05-24T11:10:00Z
Oindrojalik Watch
4169
83613
wikitext
text/x-wiki
== "বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই" স্লোগান অপসারণের কারণ? ==
@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনি ''বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই'' স্লোগানটি অপসারণ করেছেন এবং কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, "''...'''এই স্লোগান ২০২৪ এর আন্দোলনে ব্যবহার করা হয়নি। অনির্ভরযোগ্য সূত্র; সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে।'''''" এই অংশটুকুর ব্যাখ্যা দিবেন? [[w:দৈনিক ইত্তেফাক|দৈনিক ইত্তেফাক]] ও [[w:সময় টিভি|সময় টিভিকে]] অনির্ভরযোগ্য বলার কারণ উল্লেখ করবেন? আর "''সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে'' " এই অংশটার ব্যাখ্যা একটু স্পষ্টভাবে বলুন। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১০:৪৫, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]], দেখলাম সেখানে কোনো এক অজানা ফেসবুক পোস্টের লিংক দেওয়া ছিল, যেটা সাধারণত অনির্ভরযোগ্য সূত্র হয়। এছাড়া, এটি সত্য যে ২০১৩ সালের কোটা আন্দোলনের পর সর্বপ্রথম ২০১৮ সালে উক্ত স্লোগানটি ব্যবহৃত হয়।
:'কিন্তু যদি দেখাতে পারেন যে ২০২৪ সালের কোটা আন্দোলনে এটি ব্যবহার করা হয়েছে, তবে স্লোগানটি যুক্ত করতে আর দ্বিধা নেই।' (যদিও বাস্তবে ২০২৪ সালের আন্দোলনে এটা কখনো শুনিনি!!)
:[[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:০৬, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
kpjcfpdehdxr9s0z39v0qsiizaz683q
83614
83613
2026-05-24T11:18:15Z
Oindrojalik Watch
4169
83614
wikitext
text/x-wiki
== "বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই" স্লোগান অপসারণের কারণ? ==
@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনি ''বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই'' স্লোগানটি অপসারণ করেছেন এবং কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, "''...'''এই স্লোগান ২০২৪ এর আন্দোলনে ব্যবহার করা হয়নি। অনির্ভরযোগ্য সূত্র; সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে।'''''" এই অংশটুকুর ব্যাখ্যা দিবেন? [[w:দৈনিক ইত্তেফাক|দৈনিক ইত্তেফাক]] ও [[w:সময় টিভি|সময় টিভিকে]] অনির্ভরযোগ্য বলার কারণ উল্লেখ করবেন? আর "''সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে'' " এই অংশটার ব্যাখ্যা একটু স্পষ্টভাবে বলুন। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১০:৪৫, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]], দেখলাম সেখানে কোনো এক অজানা ফেসবুক পোস্টের লিংক দেওয়া ছিল, যেটা সাধারণত অনির্ভরযোগ্য সূত্র হয়। এছাড়া, এটি সত্য যে ২০১৩ সালের কোটা আন্দোলনের পর সর্বপ্রথম ২০১৮ সালে উক্ত স্লোগানটি ব্যবহৃত হয়।
:'কিন্তু যদি দেখাতে পারেন যে ওভারঅল ২০২৪ সালের কোটা আন্দোলনে এটি ব্যবহার করা হয়েছে, তবে স্লোগানটি যুক্ত করতে আর দ্বিধা নেই।' (যদিও বাস্তবে ২০২৪ সালের আন্দোলনে এটা কখনো শুনিনি!!)
:[[User:Oindrojalik Watch|<span style="color:#ff0;background:#000;font-family:'Impact',Arial Black,sans-serif;text-shadow:3px 3px 5px#ff0;border-radius:9em;">- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽</span>]] ১১:০৬, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
inhs6debiryvkfejmq7a178504chmjb