উইকিউক্তি bnwikiquote https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.5 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিউক্তি উইকিউক্তি আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা শেখ মুজিবুর রহমান 0 474 83725 81239 2026-06-05T16:26:24Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 83725 wikitext text/x-wiki [[চিত্র: Sheikh Mujibur Rahman portrait (PID-h0066).jpg|thumb|বিশ্ব দুই শিবিরে বিভক্ত-শোষক আর শোষিত। আমি নিঃসন্দেহে শোষিতের পক্ষে।‌‍ ~ শেখ মুজিবুর রহমান]] '''[[:w:শেখ মুজিবুর রহমান|শেখ মুজিবুর রহমান]]''' (১৭ মার্চ ১৯২০ – ১৫ আগস্ট ১৯৭৫) বাংলাদেশী রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তার উপাধি হলো ''বঙ্গবন্ধু''। তিনি জনগণের কাছে ''শেখ সাহেব'' অথবা ''শেখ মুজিব'' হিসেবে পরিচিত। তার কন্যা [[শেখ হাসিনা]] [[বাংলাদেশ]] আওয়ামীলীগের সভানেত্রী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী। ==উক্তি== *'''এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা!''' **[[s:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বিতীয় খণ্ড)/১৭৮|১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে]], [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ]] দলিলপত্র- দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭০৬ *সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। আমরা যখন মরতে শিখেছি, তখন কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবা না। **[[s:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (দ্বিতীয় খণ্ড)/১৭৮|১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে]], বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭০৫ *[[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] সব বাড়ীই আমার বাড়ী। **বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬৩ *আমাদের মনে এই [[বিশ্বাস]] আছে, '''পূর্ববঙ্গে''' যদি '''অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র''' প্রতিষ্ঠা করতে পারি তাহলে হিন্দিভাষীদের দ্বারা শাসিত এবং '''নির্যাতিত [[পশ্চিমবঙ্গ]], আসাম, ত্রিপুরাও''' একসময় স্বাধীন বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হতে ইচ্ছুক হবে। **বাংলাদেশ বিপ্লবী পরিষদের আঁকা স্বাধীন বাংলার পতাকা প্রসঙ্গে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ [[মুজিবুর রহমান]] [https://samakal.com/editorial-subeditorial/article/220295604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8] *এটা ১৯৪৭ সালের কথা। তখন আমি মিস্টার [[হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী|সোহরাওয়ার্দীর]] দলে ছিলাম। তিনি এবং শরৎচন্দ্র বসু একটি অখন্ড বাংলা চান। আমিও চাই সকল বাঙালির জন্য একটি দেশ। [[বাঙালি জাতি|বাঙালিরা]] ঐক্যবদ্ধ থাকলে কী না করতে পারত! তারা বিশ্ব জয় করতে পারত। **অন্নদাশঙ্কর রায়ের এক প্রশ্নের উত্তরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এটি বলেছিলেন।[https://www.thedailystar.net/opinion/views/news/47th-death-anniversary-bangabandhu-cry-o-beloved-country-3095476] *মানুষকে ভালোবাসলে মানুষও ভালোবাসে। যদিও সামান্য ত্যাগ স্বীকার করেন, তবে জনসাধারণ আপনার জন্য জীবন দিতেও পারে।{{fact}} *আমার সবচেয়ে বড় শক্তি আমার দেশের মানুষকে ভালবাসি, সবচেয়ে বড় দূর্বলতা আমি তাদেরকে খুব বেশি ভালবাসি।{{fact}} *প্রধানমন্ত্রী হবার কোন ইচ্ছা আমার নেই। প্রধানমন্ত্রী আসে এবং যায়। কিন্তু, যে [[ভালোবাসা]] ও সম্মান দেশবাসী আমাকে দিয়েছেন, তা আমি সারাজীবন মনে রাখব। **[https://www.jugantor.com/everyday/257627/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A7%A6-%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF উৎস দেখতে চাইলে এখানে দেখুন] *সাত কোটি বাঙ্গালির ভালোবাসার কাঙ্গাল আমি। আমি সব হারাতে পারি, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা হারাতে পারবনা।{{fact}} *পাট, চা ইত্যাদিসহ আমাদের যা প্রয়োজন বাংলাদেশেই তা আছে। **বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬৩ *বিশ্ব দুই শিবিরে বিভক্ত-শোষক আর শোষিত। আমি নিঃসন্দেহে শোষিতের পক্ষে।{{fact}} *এই স্বাধীন দেশে মানুষ যখন পেট ভর খেতে পাবে, পাবে মর্যাদাপূর্ণ জীবন: তখনই শুধু এই লাখো শহীদের আত্মা তৃপ্তি পাবে।{{fact}} *দেশ থেকে সর্বপ্রকার অন্যায়, অবিচার ও শোষণ উচ্ছেদ করার জন্য দরকার হলে আমি আমার জীবন উৎসর্গ করব।{{fact}} *আমি যদি বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে না পারি, আমি যদি দেখি বাংলার মানুষ দুঃখী, আর যদি দেখি বাংলার মানুষ পেট ভরে খায় নাই, তাহলে আমি শান্তিতে মরতে পারব না।{{fact}} *এ স্বাধীনতা আমার ব্যর্থ হয়ে যাবে যদি আমার বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত না খায়। এই স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি বাংলার মা-বোনেরা কাপড় না পায়। এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি এদেশের মানুষ যারা আমর যুবক শ্রেণী আছে তারচ চাকরি না পায় বা কাজ না পায়।{{fact}} *আমাদের চাষিরা হল সবচেয়ে দুঃখী ও নির্যাতিত শ্রেণী এবং তাদের অবস্থার উন্নতির জন্যে আমাদের বিরাট অংশ অবশ্যই তাদের পেছনে নিয়োজিত করতে হবে।{{fact}} *যিনি যেখানে রয়েছেন, তিনি সেখানে আপন কর্তব্য পালন করলে দেশের মধ্যে বিশৃঙ্গলা সৃষ্টি হতে পারেনা।{{fact}} *সরকারি কর্মচারীদের জনগণের সাথে মিশে যেতে হবে। তারা জনগণের খাদেম, সেবক, ভাই। তার জনগণের বাপ, জনগণের ছেলে, জনগণের সন্তান। তাদের এই মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে।{{fact}} *সমস্ত সরকারী কর্মচারীকেই আমি অনুরোধ করি, যাদের অর্থে আমাদের সংসার চলে তাদের সেবা করুন।{{fact}} *গরীবের উপর অত্যাচার করলে আল্লাহর কাছে তার জবাব দিতে হবে।{{fact}} **[https://www.jugantor.com/everyday/257627/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A7%A6-%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF উৎস দেখতে চাইলে এখানে দেখুন] *জীবন অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী। এই কথা মনে রাখতে হবে। আমি বা আপনারা সবাই মৃত্যুর পর সামান্য কয়েক গজ কাপড় ছাড়া সাথে আর কিছুই নিয়ে যাব না।তবে কেন আপনার মানুষকে শোষণ করবেন, মানুষের উপর অত্যাচার করবেন?{{fact}} *গণ-আন্দোলন ছাড়া, গণ-বিপ্লব ছাড়া বিপ্লব হয়না। **[https://www.jugantor.com/everyday/257627/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A7%A6-%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF উৎস দেখতে চাইলে এখানে দেখুন] *পবিত্র ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।{{fact}} *আমাদেরকে সোনার দেশের সোনার মানুষ হতে হবে। *আমাদের আদর্শ পরিষ্কার। আদর্শের ভিত্তিতে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। এই আদর্শের ভিত্তিতে এদেশ চলবে। *মানুষের উপর মানুষের শোষণ, অঞ্চলের উপর অঞ্চলের শোষণের অবসান ঘটাতে হবে। *আমরা যেন পশু না হই। লেখাপড়া শিখে যেন মানুষ হই। *আমি বাঙালি,বাংলা আমার ভাষা। এই বাংলায় যেন জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে পারি। *দুর্নীতিবাজদের যদি খতম করতে পারেন তা হলে বাংলাদেশের শতকরা ২৫ থেকে ৩০ ভাগ [[দুঃখ]] চলে যাবে। *বাঙালি জাতীয়তাবাদ না থাকলে আমাদের স্বাধীনতার অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। *আপনাদের জন্য চব্বিশ ঘণ্টা কাজ করেও আমি ক্লান্ত বোধ করি না। *এই রাষ্ট্রের মানুষ হবে বাঙালি। তাদের মূলমন্ত্র '''সবার উপরে মানুষ সত্য,তাহার উপরে নাই'''। *রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের চারটি জিনিসের প্রয়োজন,তা হচ্ছে: '''নেতৃত্ব, ম্যানিফেস্টো বা আদর্শ, নিঃস্বার্থ কর্মী এবং সংগঠন'''। *বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই। *ভিক্ষুক জাতির অস্তিত্ব থাকে না। বিদেশ থেকে ভিক্ষা করে এনে দেশকে গড়া যাবে না। দেশের মধ্যেই পয়সা করতে হবে। *সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ছাড়া রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্থহীন।{{fact}} *যে মানুষ মৃত্যুর জন্য প্রস্তত, কেউ তাকে মারতে পারে না। **[https://www.jugantor.com/everyday/257627/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A7%A6-%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF উৎস দেখতে চাইলে এখানে দেখুন] *আপনি চাকরি করেন, আপনার মাইনে দেয় গরিব কৃষক, আপনার মাইনে দেয় ঐ গরিব শ্রমিক। আপনার সংসার চলে ঐ টাকায়। আমরা গাড়ি চড়ি ঐ টাকায়। ওদের সম্মান করে কথা বলুন। ইজ্জত করে কথা বলুন। ওরাই মালিক, ওদের দ্বারাই আপনাদের সংসার চলে। **১৯৭৫ সালের ২৬শে মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ। * আমরা তাকাব এমন এক পৃথিবীর দিকে, যেখানে বিজ্ঞান ও কারিগরি জ্ঞানের বিস্ময়কর অগ্রগতির যুগে মানুষের সৃষ্টি ক্ষমতা ও বিরাট সাফল্য আমাদের জন্য এক শঙ্কামুক্ত উন্নত ভবিষ্যৎ গঠনে সক্ষম। ** ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে প্রদত্ত ভাষণে। [https://www.ekushey-tv.com/national/88889] * স্বাধীনতা পাওয়া যেমন কষ্টকর, স্বাধীনতা রক্ষা করাও তেমন কষ্টকর। ষড়যন্ত্র চলছে, কিন্তু তারা জানে না বাংলাদেশের মানুষকে, তারা জানে না আমার গণবাহিনীর লোকদের, তারা জানে না আমার মুজিব বাহিনীর লোকদের, তারা জানে না আমার এই বাংলার জনসাধারণকে। কী করবে? আমার স্বাধীনতা হরণ করার চেষ্টা করবে? ষড়যন্ত্র করবে? ভুলে যাও। সাত কোটি মানুষ গুণে গুণে জান দিবে, বাংলার স্বাধীনতা কেউ নেবার পারবে না।  ** ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকা স্টেডিয়ামে মুক্তিবাহিনীর অস্ত্র সমর্পণ অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান। [https://shuddhoshor.com/2020/01/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%B0/] * পশ্চিম পাকিস্তানের নেতাদের তিনটা আদর্শ ছিল, যে আদর্শ এ সভ্য জগতে চলতে পারে না। কী ছিল তাদের আদর্শ? '''‘এসলাম খতরা মে হ্যায়’, ‘কাশ্মীরকো ফতে করনে পরে গা’, ‘হিন্দু হামারা দুশমন হ্যায়’।''' আর কোনো স্লোগান নাই। আর কোনো আদর্শ নাই। মানুষ না খেয়ে মরছে, তার কথা বলবে না। ** ৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২, কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রদত্ত এক [https://web.archive.org/web/20260605155233/https://www.kalerkantho.com/print-edition/tenth-anniversary-special%20/2020/01/11/860908?hl=en-GB ভাষণে]। == মুজিব সম্পর্কে উক্তি == * আমি হিমালয় দেখিনি। কিন্তু আমি শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্বে এবং সাহসে, এই মানুষটি হিমালয়। এইভাবে হিমালয় প্রত্যক্ষ করার অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে। ** কিউবার নেতা [[ফিদেল কাস্ত্রো]] [http://www.thedailystar.net/magazine/2008/08/04/chintito.htm ১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ শীর্ষ সম্মেলনে] * যতকাল রবে পদ্মা যমুনা গৌরী মেঘনা বহমান ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান। ** [[অন্নদাশঙ্কর রায়]]{{fact}} * শেখ মুজিব [[জর্জ ওয়াশিংটন]], [[মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী|গান্ধী]] এবং দ্য ভ্যালেরার থেকেও মহান নেতা ছিলেন। ** ব্রিটিশ লর্ড ফেন্যার ব্রোকওয়ে [https://web.archive.org/web/20250815084804/https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * মুজিব না থাকলে [[বাংলাদেশ]] কখনই জন্ম নিত না। ** শেখ মুজিব হত্যার প্রতিক্রিয়ায় ফিন্যান্সিয়াল টাইমস্। [https://web.archive.org/web/20250815084804/https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * যাদের নেতৃত্বে ভারত স্বাধীনতা পেয়েছে,বঙ্গবন্ধু তাদের চেয়েও বড় নেতা। ** [[অটল বিহারী বাজপেয়ী]]{{fact}} * অতিদর্প [[নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|নেপোলিয়নের]]<nowiki/>ও ছিল, [[জুলিয়াস সিজার|জুলিয়াস সীজারের]]<nowiki/>ও ছিল। লোকে সে দোষ ভুলে গেছে। মনে রেখেছে শুধু এই উপকথা যে নেপোলিয়নের যুগটাই ছিল ফরাসীদের সব চেয়ে গর্বের যুগ। আর জুলিয়াস সীজারের যুগটাই ছিল রোমানদের সব চেয়ে গৌরবের যুগ। তেমনি বাংলাদেশের নাগরিকরাও মনে রাখবে এই উপকথা যে মুজিবের যুগটাই ছিল তাদের সব চেয়ে পৌরুষের যুগ। … মুজিব ছিলেন বাংলাদেশের আত্মা। তিনি রেখে গেছেন একটা ষবমবহফ। বাংলাদেশ চিরকাল সেটা স্মরণ রাখবে। ** [[অন্নদাশঙ্কর রায়]]।[https://www.kaliokalam.com/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%B0/] * ১৯৪৬ সালে ভারত ভাগের সময় তৎকালীন মুসলিম লীগ নেতা আবুল হাশেম এবং কংগ্রেস নেতা [[শরৎচন্দ্র বসু]] মিলে এই [[যুক্তবঙ্গ|স্বাধীন যুক্ত বাংলা]] গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের নেতাদের চাপে তা সফল হয়নি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাফল্য এই, তিনি বাংলাদেশের অর্ধাংশকে স্বাধীন করেছেন। কিন্তু [[বাঙালি জাতীয়তাবাদ|বাঙালি জাতীয়তাবাদের]] ভিত্তিতে তার খণ্ডিত দেশটিকে গড়ে তোলার আগেই তাকে হত্যা করা হয়। ** [[আবদুল গাফফার চৌধুরী]]। [https://samakal.com/editorial-subeditorial/article/95604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8] * তারপর ছয় দফার আন্দোলনকে শেষ পর্যন্ত স্বাধীনতা আন্দোলনে পরিণত করায় বঙ্গবন্ধু আজ বিশ শতকের শ্রেষ্ঠ বাঙালি। কিন্তু [[যুক্তবঙ্গ|যে স্বাধীন বাংলার]] কল্পনা তার মনে ছিল তা আজ পর্যন্ত পূর্ণ হয়নি। পূর্ব পাকিস্তানে অনবরত [[সাম্প্রদায়িকতা|সাম্প্রদায়িক]] দাঙ্গা-হাঙ্গামা দেখে [[পশ্চিমবঙ্গ]] ও [[আসাম|আসামের]] বাঙালিদের মনে ভয় ঢুকে গেছে এবং তারাও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামায় রত হয়েছে। ** আবদুল গাফফার চৌধুরী। [https://samakal.com/editorial-subeditorial/article/95604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8] {{কবিতা |মূল =রাজভয় আর কারাশৃঙ্কল হেলায় করেছ জয়। ফাঁসির মঞ্চে-মহত্ব তব কখনো হয়নি ক্ষয়। বাঙলাদেশের মুকুটবিহীন তুমি প্রমুর্ত রাজ, প্রতি বাঙালীর হৃদয়ে হৃদয়ে তোমার তক্ত-তাজ। তোমার একটি আঙ্গুল হেলনে অচল যে সরকার। অফিসে অফিসে তালা লেগে গেছে-স্তব্ধ হুকুমদার। এই বাঙলায় শুনেছি আমরা সকল করিয়া ত্যাগ, সন্ন্যাসী বেশে দেশ-বন্ধুর শান্ত-মধুর ডাক। শুনেছি আমরা [[মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী|গান্ধীর]] বাণী-জীবন করিয়া দান, মিলাতে পারেনি প্রেম-বন্ধনে [[হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক|হিন্দু-মুসলমান]]। তারা যা পারেনি তুমি তা করেছ, ধর্মে ধর্মে আর, জাতিতে জাতিতে ভুলিয়াছে ভেদ সন্তান বাঙলার। |উৎস = "ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে" - [[জসীম উদ্‌দীন]], প্রথম সংস্করণ: ২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮, সংস্করণ: দ্বিতীয়, প্রকাশক: পলাশ প্রকাশনী, "বঙ্গ-বন্ধু" কবিতার অংশ, পৃষ্ঠা:১০ }} * '''বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে দুইবার স্বাধীন করেছেন। একবার পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে। আরেকবার [[ভারত|ভারতের]] সেনাবাহিনীকে বাংলদেশ থেকে নিয়ে যেতে বলে।''' এটা আরেকটা স্বাধীনতার সমান। [[জিয়াউর রহমান|জিয়া]] স্বাধীনতাযুদ্ধে যা-ই করুক না কেন, বঙ্গবন্ধু দেশে না এলে ইন্ডিয়ান আর্মিদের তাড়াতে পারত না। সে নিজেই বিদেশে পালিয়ে যেত। ** [[আবদুল গাফফার চৌধুরী]], ২০১৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায়। [https://web.archive.org/web/20251220100710/https://www.prothomalo.com/politics/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E2%80%98%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E2%80%99-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80] * বাঙলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধে পৌঁছে দিয়েছিলেন মুজিব, বন্দী থেকেও তিনিই নিয়ন্ত্রণ করছিলেন মুক্তিযুদ্ধকে, তিনিই সৃষ্টি ক'রে চলছিলেন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। মুজিবকে আমরা প্রচণ্ড সমালোচনা করতে পারি, তিনি সমালোচনার উর্ধ্বে নন, অনেক সীমাবদ্ধতা তাঁর ছিলো; কয়েক দশক ধ'রে তো কোটি কোটি বামন প্রাণভ'রে তাঁর সমালোচনা করছে। কিন্তু সত্য হচ্ছে তিনি মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক, বাঙলাদেশের মহাস্থপতি। '''মুজিব ছাড়া হাজার হাজার [[জিয়াউর রহমান|জিয়া]] বা অন্য কেউ মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিলেও মুক্তিযুদ্ধ ঘটতো না, তখন সেটা হতো হাস্যকর হঠকারিতা ও পরিণতিতে শোকাবহ; মুক্তিযোদ্ধারা এগিয়ে আসতো না, এবং বিশ্ব আমাদের পক্ষ নিতো না, সাড়া দিতো না। এটা ঘটেছিলো মুজিবের জন্যেই।''' মুজিব বাঙলাদেশের স্থপতি, মহাস্থপতি; তিনি সৃষ্টি ক'রে চলছিলেন বাঙলাদেশ। তাঁকে ছাড়া বাঙলাদেশের কথা ভাবাই যায় না। ** [[হুমায়ুন আজাদ]]। ''আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম'', প্রকাশক: আগামী প্রকাশনী, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০০৬, পৃষ্ঠা: ৩০-৩১ * সবাইকে মহান স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা। ফ্যাক্ট: স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিতর্কের একটি কারণ হচ্ছে আমরা আমাদের ইতিহাসকে যে যার মত করে ব্যবহার করেছি নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য। ফ্যাক্ট: আমাদের স্বাধীনতা এসেছে একটি রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এবং সেই মুক্তিযুদ্ধের আগে ২৩ বছরের একটি স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে যার রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধুই ছিলেন মানুষের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক। ফ্যাক্ট: ২৫শে মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন, কিন্তু গ্রেফতারের পূর্বে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রে সাক্ষর করেননি এবং তাজউদ্দীন আহমদের নিয়ে যাওয়া টেইপ রেকর্ডারে ঘোষণা দিতে রাজি হননি। এর ফলে সাময়িক ভাবে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয় এবং পুরো জাতি দিশেহারা হয়ে পরে। এমতাবস্থায় মেজর জিয়াউর রহমান নিজ উদ্যোগে নিজের নামে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং পরবর্তীতে আরেকবার ঘোষণা সংশোধন করে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণা দেন। মেজর জিয়াউর রহমানের কন্ঠে স্বাধীনতার ঘোষণা সকলকে অনুপ্রাণিত করে। পাশাপাশি এম এ হান্নান সহ কয়েকজন ঘোষণা দেন কিন্তু মেজর জিয়াউর রহমান এর ঘোষণা অনেক বেশি মানুষের কাছে পৌঁছায় আর তিনি সামরিক অফিসার হবার কারণে ভিন্ন তাৎপর্য বহন করে বিশেষ করে বাঙালি সেনা, ই পি আর সেনা এবং পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের জন্য। এরই ধারাবাহিকতায় তাজউদ্দীন আহমদ এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন হয় ১০ই এপ্রিল ১৯৭১ এবং শপথ নেয় ১৭ই এপ্রিল ১৯৭১। এই সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্বেই সামরিক যুদ্ধ, কূটনীতি, প্রশাসন সহ সকল কার্যকলাপ পরিচালিত হয় এবং দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা আমাদের স্বাধীনতা অর্জন করি ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১। ** {{w|সোহেল তাজ}}, ২৬ মার্চ ২০২৫, ফেসবুক পোস্টে [https://www.dailyjanakantha.com/national/news/786565] * বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান লাভ করেছে। এ বিষয়ে তার অবদানকে অস্বীকার করার সাধ্য কারো নেই। ভারতের সরাসরি হস্তক্ষেপে যে পদ্ধতিতে দেশটি স্বাধীন হয়েছে আমার ধারণা যে, তিনি এভাবে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করার পরিকল্পনা করেননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ক্রমান্বয়ে বাংলাদেশকে পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে বিচ্ছিন্ন করতে অবশ্যই সচেষ্ট হতেন। সে উদ্দেশ্যেই তিনি ‘৭০ সালেই পূর্ব-পাকিস্তানের বদলে বাংলাদেশ নামকরণ করেন। তাই '''স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধান স্থপতি হিসেবে ইতিহাস [[শেখ মুজিবুর রহমান]]কেই স্বীকৃতি দেবে'''। ** [[গোলাম আযম]], জীবনে যা দেখলাম, কামিয়াব প্রকাশন লিমিটেড, প্রথম প্রকাশ: মে, ২০০৭, ৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা নং ১৮৩ *মুজিব কিসের জাতির পিতা? এ দেশের জনগণ দুবার তাঁর (মুজিব) বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁকে হত্যা করার পর একজন লোকও তাঁর পক্ষে রাস্তায় আসেনি। স্বাধীনতার পর সাড়ে তিন বছরে শেখ মুজিব কী করলেন, যাঁর জন্য মানুষ এটা করল, তা হিসাব করতে হবে। তাঁর আসল পরিচয় পাওয়া যায় যখন ক্ষমতায় আসেন। তখন এই দেশের জনগণকে তিনি কী দিয়েছেন? তারপর গত ৫ আগস্ট (২০২৪ সালের ৫ আগস্ট) সারা দেশের জনগণ শেখ মুজিবের মূর্তি ভেঙে ফেলল। তাঁর বাড়িতে আগুন দিল। এটা শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে একটা রায়। **'জুলাই গণঅভ্যুত্থান: জনগণের হাতে ক্ষমতা চাই, জনগণের সরকার-সংবিধান-রাষ্ট্র চাই’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে [[বদরুদ্দীন উমর]], ১৯ অক্টোবর,২০২৫ [https://www.bssnews.net/bangla/national/157519] * ২৫ জানুয়ারি বাকশাল প্রতিষ্ঠা দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান দেশে একদলীয় বাকশাল শাসন-পদ্ধতি কায়েম করেন। সংসদে কোনো আলোচনা বা বিতর্কের সুযোগ না দিয়ে মাত্র ১১ মিনিটে একটি বিল পাশের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সংবিধানের মৌলিক রদবদল করা হয়। এটি চতুর্থ সংশোধনী নামে পরিচিত। [...] এই পরিবর্তনে দেশে একটি মাত্র দল বাকশাল ছাড়া সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হয়। এই বাকশালকে জাতীয় দল বলে উল্লেখ করা হয়। [...]<br><br>'''বাকশাল ব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ অবাধ নির্বাচন ব্যবস্থা এবং নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের পদ্ধতিও বিলুপ্ত হয়ে যায়। মিলিটারি, পুলিশ, বিডিআর, আমলাতন্ত্রের লোকদেরও বাধ্যতামূলকভাবে বাকশাল সদস্য করা হয়। জেলায় জেলায় একদলীয় বাকশাল মনোনীত ব্যক্তিকে গভর্নর পদে বসিয়ে নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থা চালু হয়। জনগণের নাগরিক স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রহিত করা হয়। সব সংবাদপত্র নিষিদ্ধ করে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত কেবল চারটি মাত্র দৈনিক পত্রিকা প্রকাশের ব্যবস্থা করা হয়। বাকশালে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানানো সাংবাদিকদের চাকরি চলে যায়।''' ** মারুফ কামাল খান সোহেল, সাবেক প্রধানমন্ত্রী [[:w:খালেদা জিয়া|খালেদা জিয়ার]] সাবেক প্রেস সচিব, ২৫ জানুয়ারি ২০২৫; [https://www.jugantor.com/viewers-opinion/908221 মুজিবের নাকি হাসিনার অঘোষিত বাকশাল বেশি ভয়ঙ্কর?] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী}} [[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২০-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মুসলিম লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতির জনক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:রাষ্ট্রপ্রধান]] [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক নেতা]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি জাতীয়তাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমান]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] bx5b6uu9f4o6f2sm0fol45mzhrbgrdo