উইকিউক্তি
bnwikiquote
https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.5
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিউক্তি
উইকিউক্তি আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
খালেদা জিয়া
0
289
83728
72349
2026-06-06T12:25:56Z
Dubro Sun
5931
83728
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Begum Zia Book-opening Ceremony, 1 Mar, 2010 cropped.jpg|thumb|205x205px|আমার এই স্বজনহীন জীবনে দেশবাসীই আমার স্বজন। আল্লাহ আমার একমাত্র ভরসা। আমি যেমন থাকি, যেখানেই থাকি, '''যতক্ষণ বেঁচে থাকব দেশবাসীকে ছেড়ে যাব না।''']]
'''[[W:খালেদা জিয়া|বেগম খালেদা জিয়া]]''' (১৫ আগস্ট ১৯৪৬ – ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫) ছিলেন একজন বাংলাদেশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যিনি ১৯৯১-১৯৯৬ সাল এবং ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বেনজির ভুট্টোর পর মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসন ও দলনেত্রী ছিলেন, যা তার স্বামী জিয়াউর রহমান কর্তৃক ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
==উক্তি==
* খালেদা জিয়ার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই, এইসব স্লোগান আমি মানিনা। যখন রাজপথে থাকার কথা, তখন থাকে নাই। রাজপথে, আমি কেন, অনেককেই বলবো, আমার নেতাদেরও বলবো, যে, রাজপথে থাকার কথা, থাকে নাই। স্লোগানগুলি দয়া করে আর দেবে না। ভালো স্লোগান শেখো। বস্তির ছেলে এনে দল আমার লাগবে না।
** নেতাকর্মীদের সম্মেলনে [https://www.facebook.com/share/r/1APExgy4mh/]
* আমি বলেছি আমার কিছু চাই না, আমি এখন জনগণের জন্য, দেশের জন্য, মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আমার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কোন শখ নেই। আমার অন্য কোন কিছু হওয়ার শখ নেই। আমার শুধু আছে, আমার এই দেশের এই ছেলেপেলেরা, যারা নতুন ভোটার হয়েছে, এবং জনগণ, যারা ভোট দিতে পারে নাই, আগামী ভোট দিয়ে, এই কুত্তার বা..হহম.. এইযে ভোটবিহীন সরকারকে তারা বিদায় করে, দেশের জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।
* জনসমাবেশ সম্মেলনে [https://m.youtube.com/watch?si=RIEmpOo9-urp0Ey4&v=u2sKPnZlQ-] [https://m.youtube.com/watch?si=ugBEJCiVT-0sAVQJ&v=oRc7ekfIgJ]
* এই মেয়ে, বাড়ি কোথায়? গোপালী? [[w:গোপালগঞ্জ|গোপালগঞ্জের]] নামই বদলিয়ে যাবে, বুঝছেন? বেয়াদব কোথাকার। দেশ কোথায়? গোপালী? গোপালগঞ্জের নামই বদলে যাবে। গোপালগঞ্জের নামই থাকবে না। যাঁরা এসব করছেন, আপনাদের ওপর আল্লাহর গজব পড়বে।’ , ‘আপনাদের অফিসার কোথায়? এতক্ষণ তো অনেক কথা বলেছেন....মুখটা বন্ধ কেন এখন? ... ৫৭ জন অফিসারকে হত্যা করল। সেদিন হাসিনা কোথায় ছিল? সেদিন হাসিনার এই ফোর্স কোথায় ছিল? কেন সে পাঠায়নি এই ফোর্সকে। কারণ সে নিজেই জড়িত ছিল এই হত্যাকাণ্ডে।’‘হাসিনার দালালি করে লাভ হবে না। বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে থাকুন। জনগণের সঙ্গে থাকেন। দেশের মানুষের সঙ্গে থাকেন। তবেই কাজে দেবে। দেশ বাঁচবে, মানুষ বাঁচবে। আজকে সবার দায়িত্ব হয়ে গেছে দেশ বাঁচানো। আর আপনারা এখন ঘরে ঘরে ঢুকে মানুষ হত্যা করছেন। মনে করেন এগুলোর হিসাব নাই? এই মা-বোনের কান্না ... বিডিআরের অফিসারদের ওয়াইফদের কান্না—এগুলো কি বৃথা যাবে? এগুলো কোনো দিন বৃথা যাবে না। [[:w:en:কাজী লেন্দুপ দর্জি|লেন্দুপ দর্জি]]র জীবনীটা পড়ে দেখেন। সেও কিন্তু ক্ষমতা ধরে রাখতে পারে নাই। আজকে যাঁরা এই জুলুম নির্যাতন করছেন, তাঁদেরকে একদিন এদের মতো চোখের পানি ফেলতে ফেলতে চোখ অন্ধ হয়ে যাবে। ‘ধাক্কাধাক্কি বন্ধ করেন। ধাক্কাধাক্কি করবেন না। আমরা কেউ ধাক্কাধাক্কি করতে আসিনি। আমাদের গায়ের ওপর উঠে পড়বেন না। দূরে থাকেন। আপনাদের জায়গা যেখানে, সেখানে। আপনাদের তো রাস্তায় থাকার কথা, বাড়িতে এসে গেছেন কেন? আপনাদের মেয়েরা এ রকম ঝগড়া করে কেন? এই মেয়েরা চুপ করো। কয়দিনের চাকরি হয়েছে, এত কথা বলো? কিসের জন্য এত কথা বলো। চুপ থাক। বেয়াদব কোথাকার। আপনারা হলেন গণতন্ত্রের রক্ষক। আর যে পুলিশ বাহিনী রয়েছে, এরা গণতন্ত্র রক্ষায়ও নেই, দেশ রক্ষায়ও নেই। দেশরক্ষা, গণতন্ত্র রক্ষার সৈনিক আপনারা। আমরা আছি আপনাদের সাথে। থাকব ইনশাআল্লাহ। তাই সাংবাদিক ভাইদের, আইনজীবী ভাইদের ... জনগণ যারা রাজপথে নেমেছে, নানাভাবে লাঞ্ছিত হয়েছে, তাদের প্রতি আমি জানাই সহানুভূতি। আন্তরিক ধন্যবাদ। আমাদের কর্মসূচি কালকেও চলবে।’ জনগণকে গণমাধ্যমের মাধ্যমে বলতে চাই, ‘গণতন্ত্র আজকে ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন গণতন্ত্র এবং দেশ রক্ষার যে ডাক আমি দিয়েছি, সেই ডাকে যেন তাঁরা সাড়া দেন। জনগণ সাড়া দিয়েছে। আজকে সরকার ভীত হয়ে সমস্ত রাস্তাঘাট বন্ধ করে দিয়েছে, যানবাহন বন্ধ করে দিয়েছে। যাতে জনগণ আসতে না পারে। কিন্তু এই কর্মসূচি চলবে। এই সরকার অবৈধ সরকার। এই সরকার অগণতান্ত্রিক, স্বৈরাচারী সরকার। এই সরকারের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নাই। এই সরকারের যদি লজ্জা থাকে তাহলে অবিলম্বে বিদায় নেবে।’
** ২০১৩ এর ২৯ শে ডিসেম্বর টানা দুই ঘণ্টা চেষ্টা করেও গুলশানের বাসা থেকে বের হতে না পেরে [https://dailyinqilab.com/politics/news/784376] [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE]
* আল্লামা শাফী বারবার বলেছেন যে তিনি জামায়াতে ইসলামী করেন না। তারপরও আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থক বুদ্ধিজীবীরা উনাকে জামায়াতে ইসলামী এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করার দায়ে অভিযুক্ত করে চলেছে। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে, আওয়ামী লীগের সমস্যাটা আসলে রাজাকার বা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নয়, সমস্যাটা হচ্ছে ইসলাম' নিয়ে। তা না হলে শেখ হাসিনা কেন ইসলামের নবী মুহাম্মদ (স:) নিয়ে অশ্লীল গল্প লেখক রাজিব হায়দার ওরফে 'থাবা বাবাকে দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ যোষণা করবেন? আর হেফাজতে ইসলামের কর্মসূচীতে এত দল থাকতে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী সেনাদের ক্যান্টিনে খাবারের ঠিকাদার শাহরিয়ার কবীর কেন হরতাল দিতে যাবে? এরা ভোটের রাজনীতির সময় মুখে ইসলামের কথা আর মাথায় হিজাব ও হাতে তববিহ নিয়ে ইসলাম হেফাজতের কথা বললেও বাস্তবে এরা ইসলামের শত্রু। এরা মোনাফেক। এদের বর্জন ও প্রতিরোধ করুন।
** ৪ এপ্রিল ২০১৩
* আমার এই স্বজনহীন জীবনে দেশবাসীই আমার স্বজন। আল্লাহ আমার একমাত্র ভরসা। আমি যেমন থাকি, যেখানেই থাকি, যতক্ষণ বেঁচে থাকব দেশবাসীকে ছেড়ে যাব না।
** [https://www.kalerkantho.com/print-edition/first-page/2018/02/08/599508 সুবিচার নিয়ে সংশয় খালেদা জিয়ার | কালেরকণ্ঠ] ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
*এদের পচতে আরো একটু সময় দিতে হবে। এজন্য আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। '''এই [[বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ|আওয়ামী লীগ]] একদিন পঁচে গলে দুর্গন্ধ ছড়াবে।''' ... আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন এই সরকার জনবিক্ষোভে ‘করুণভাবে’ বিদায় নেবে। সবাই যখন এদের বিরুদ্ধে ঘর থেকে বেরিয়ে আসবে, তখন তারা জনগণের কাছে এসে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হবে।
**[https://bangla.bdnews24.com/politics/article791651.bdnews আওয়ামী লীগকে ‘পচতে’ সময় দিলেন খালেদা | বিডি নিউজ ২৪]। ২৪ মে ২০১৪।[https://www.facebook.com/bnpbd.org/posts/pfbid07ohyMTQE5rPynoYFfytzdW28gWS4XwcXdx9rMmYWyM8Lr9rVQoYyJNWDgBnhedhal]
* তিনি (শেখ মুজিব) বাংলাদেশের [[স্বাধীনতা]] চাননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। [[জিয়াউর রহমান]] স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ হত না।
* ছাত্র, তরুণরা আমাদের ভবিষ্যৎ। তরুণরা যে স্বপ্ন নিয়ে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছে সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে মেধা, যোগ্যতা জ্ঞানভিত্তিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ি তুলতে হবে। শোষণহীন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। সকল ধর্ম গোত্রের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। শান্তি, প্রগতি আর সাম্যের ভিত্তিতে আধুনিক বাংলাদেশ নির্মাণে। আসুন আমরা তরুণদের হাত শক্তিশালী করি। ধ্বংস নয় প্রতিশোধ নয় , প্রতিহিংসা নয় ভালোবাসা শান্তি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলি।
** [https://www.dhakatimes24.com/2024/08/07/361520 হাসপাতাল থেকে নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তব্য দিলেন খালেদা জিয়া।] ঢাকা টাইমস। ০৭ আগস্ট ২০২৪।
* তখন আমার নামে ছিল ৪টা মামলা। আর [[শেখ হাসিনা|হাসিনার]] নামে ছিল ১৫টা মামলা। ক্ষমতায় আসার পর তাঁর ১৫টি মামলা হঠাৎ শেষ হয়ে গেল। কিন্তু আমার ৪টা বাড়তে বাড়তে এখন ৩৬টি। তাদের নেতা-কর্মীদের সাড়ে ৭ হাজার মামলা তুলে নিয়েছে প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে।
** [https://www.prothomalo.com/politics/%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%A8 খালেদার সাজা হলে শক্ত আন্দোলন | প্রথম আলো] ৩০ অক্টোবর ২০১৮।
*'''আন্দোলনের বাতাস শুরু হলে চুল তো থাকবেই না''', অস্তিত্বেও টান পড়তে পারে। জনগণের আন্দোলনের বাতাসে চুল এলোমেলো হয়ে যাবে। দিশেহারা হয়ে যাবেন।
**[https://www.bbc.com/bengali/news/2013/08/130818_sahasina সংবিধান থেকে একচুলও নড়বো না]: [[শেখ হাসিনা|শেখ হাসিনার]] এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ১৯ আগস্ট ২০১৩। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%93-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87 প্রথম আলো]।
* মুক্তিযুদ্ধকালে সত্যিকারে যারা সাধারণ মানুষকে অত্যাচার করেছিল বিএনপিও তাদের বিচার চায়। কিন্তু সেটি হতে হবে আন্তর্জাতিক মানসম্মত, স্বচ্ছ।
** একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে সবাইকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়ে এ কথা বলেন।
* বলা হয়, এত লক্ষ লোক শহীদ হয়েছে। এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে যে, আসলে কত শহীদ হয়েছে মুক্তিযুদ্ধে, এটা নিয়েও বিতর্ক আছে।
* পদ্মাসেতু জোড়া তালি দিয়ে বানানো হচ্ছে, এ সেতুতে কেউ উঠবেন না।
* দেশে আজ সত্যিকারের সংসদ নেই। নেই বিরোধী দল। শাসকদের কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই। সশস্ত্র বাহিনীর সর্ম্পকে বৈরী প্রচারণা ও ঘৃণা ছড়ানো হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের বিরুদ্ধে দাড় করানো হয়েছে।{{fact}}
* আমি সগৌরবে দেশবাসীকে জানাতে চাই, আমি কোনও দুর্নীতি করিনি, সঠিক বিচার হলে আমি বেকসুর খালাস পাব।{{fact}}
* ওদের হাতে গোলামীর জিঞ্জির আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা।{{fact}}
==সম্পর্কিত উক্তি==
* ''সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমি তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এবং আগামীকাল তাঁর নামাজে জানাজার দিনে একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছি।''
** [[মুহাম্মদ ইউনূস]], ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://www.itvbd.com/national/252284/%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%93]
* আজ আমাদের পুরো জাতি গভীর শোক ও বেদনায় নিস্তব্ধ। দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির শীর্ষ নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আর আমাদের মাঝে নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে আমরা গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। তাঁর মৃত্যুতে জাতি এক মহান অভিভাবককে হারিয়েছে। এই গভীর শোকের মুহূর্তে তিনি খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং অগণিত কর্মী-সমর্থকের প্রতি সমগ্র জাতির পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানান। তিনি বলেন ‘মহান আল্লাহর কাছে আমার প্রার্থনা—তিনি যেন আমাদের সবাইকে এই গভীর শোক কাটিয়ে ওঠার শক্তি দান করেন। খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক পরম মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব। গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর অসামান্য ভূমিকা ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব বারবার জাতিকে গণতন্ত্রহীন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথ দেখিয়েছে এবং মুক্তির প্রেরণা জুগিয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর সমুজ্জ্বল অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সমুন্নত রাখতে তাঁর অবিচল ভূমিকা অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এমন একজন মহান, দূরদর্শী ও নিখাদ দেশপ্রেমিক নেত্রীর শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়। এই শোকাবহ মুহূর্তে আপনাদের প্রতি আমার উদাত্ত আহ্বান—আসুন আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে মহান আল্লাহর দরবারে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। একই সঙ্গে জাতির এই কঠিন সময়ে আমরা যেন ঐক্যবদ্ধ থাকি। শোকের এই সময়ে কেউ যেন অস্থিতিশীলতা বা নাশকতার অপচেষ্টা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে আমি সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। এই সময়ে আমাদের সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা অত্যন্ত জরুরি। আমি জানি, আপনারা সবাই এই সময়ে অনেক আবেগাপ্লুত। আমি আশা করছি, শোকের এই সময়ে আপনারা ধৈর্যের পরিচয় দেবেন এবং তাঁর জানাজাসহ সব আনুষ্ঠানিকতা পালনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা করবেন। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে ধৈর্য, শক্তি ও ঐক্যবদ্ধ থাকার ক্ষমতা দিন।
** [[মুহাম্মদ ইউনূস]], ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://www.itvbd.com/national/252284/%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%93]
* সে (জিয়াউর রহমান) কী করেছে, আমি বলি। কর্নেল আসলাম বেগ, সে তখন ঢাকায় কর্মরত ছিল, পরবর্তীতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান হয়েছিল, সেই কর্নেল বেগ জিয়াকে একটা চিঠি দেয় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন, ’৭১ সালে। সেই চিঠিতে সে লিখেছিল, আপনি খুব ভালো কাজ করছেন। আমরা আপনার কাজে সন্তুষ্ট। আপনার স্ত্রী-পুত্রকে নিয়ে কোনো চিন্তা করবেন না। আপনাকে ভবিষ্যতে আরও কাজ দেয়া হবে।
** শেখ হাসিনা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ সংসদ অধিবেশনে [https://www.newsbangla24.com/news/157924/That-letter-from-Colonel-Beg]
* সূত্র: দৈনিক বাংলা, তারিখ: ২রা জানুয়ারি, ১৯৭২, শিরোনাম: মেজর জিয়ার পরিবারের উপর পাক বাহিনীর নির্যাতনের বিবরণ, মেজর জিয়া যখন দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন হানাদার খান সেনারা তখন তাঁর পরিবার পরিজনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। মনজুর আহমদ প্রদত্ত। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের বীর নায়ক মেজর (বর্তমানে কর্নেল) জিয়া যখন হানাদার পাক-বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলে তাদেরকে নাজেহাল করে তুলছিলেন, তখন তাঁর প্রতি আক্রোশ মেটাবার ঘৃণ্য পন্থা হিসেবে খান সেনারা নৃশংসভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তাঁর আত্মীয়স্বজন পরিবার-পরিজনদের ওপর। তাদের এই প্রতিহিংসার লালসা থেকে রেহাই পান নি কর্নেল জিয়ার ভায়রা শিল্পোন্নয়ন সংস্থার সিনিয়র কো-অর্ডিনেশন অফিসার জনাব মোজাম্মেল হক। ''চট্টগ্রাম শহর শত্রু কবলিত হবার পর বেগম খালেদা জিয়া যখন বোরখার আবরণে আত্মগোপন করে চট্টগ্রাম থেকে স্টিমারে পালিয়ে নারায়ণগঞ্জে এসে পৌঁছেন, তখন জনাব মোজাম্মেল হকই তাঁকে নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। সেদিন ছিল ১৬ই মে। ঢাকা শহরে কারফিউ। নারায়ণগঞ্জেও সন্ধ্যা থেকে কারফিউ জারি করা হয়েছিল। এরই মধ্যে তিনি তাঁর গাড়িতে রেডক্রস ছাপ এঁকে ছুটে গিয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জ টার্মিনালে। বেগম জিয়াকে নিয়ে আসার দিন দশেক পর ২৬শে মে শিল্পোন্নয়ন সংস্থায় হক নাম সংবলিত যত অফিসার আছেন সবাইকে ডেকে পাক সেনারা কর্নেল জিয়ার সঙ্গে কারোর কোনো আত্মীয়তা আছে কিনা জানতে চায়। জনাব মোজাম্মেল হক বুঝতে পারলেন বিপদ ঘনিয়ে আসছে। তিনি সেখানে কর্নেল জিয়ার সাথে তাঁর আত্মীয়তার কথা গোপন করে অসুস্থতার অজুহাতে বাসায় ফিরে আসেন এবং অবিলম্বে বেগম জিয়াকে তাঁর বাসা থেকে সরাবার ব্যবস্থা করতে থাকেন। কিন্তু উপযুক্ত কোনো স্থান না পেয়ে শেষপর্যন্ত ২৮শে মে তিনি তাঁকে ধানমণ্ডিতে তাঁর এক মামার বাসায় কয়েক দিনের জন্য রেখে আসেন এবং সেখান থেকে ৩রা জুন তাঁকে আবার জিওলজিক্যাল সার্ভের এসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর জনাব মুজিবুর রহমানের বাসা এবং এরও কদিন পরে জিওলজিক্যাল সার্ভের ডেপুটি ডিরেক্টর জনাব এস কে আব্দুল্লাহর বাসায় স্থানান্তরিত করা হয়। এরই মধ্যে ১৩ই জুন তারিখে পাক বাহিনীর লোকেরা এসে হানা দেয় জনাব মোজাম্মেল হকের বাড়িতে। জনৈক কর্নেল খান এই হানাদার দলের নেতৃত্ব করছিল। কর্নেল খান বেগম জিয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং জানায় যে, এই বাড়িতে তারা বেগম জিয়াকে দেখেছে। জনাব হকের কাছ থেকে কোনো সদুত্তর না পেয়ে তাঁর দশ বছরের ছেলে ডনকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ডন কর্নেল খানকে পরিষ্কারভাবে জানায় যে, গত তিন বছরে সে তার খালাকে দেখে নি। সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ হলে খান সেনারা তাঁর বাড়ি তল্লাশী করে। কিন্তু বেগম জিয়াকে সেখানে না পেয়ে হতোদ্যম হয়ে ফিরে যায়। যাবার আগে জানিয়ে যায়, সত্যি কথা না বললে আপনাকে ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপরই জনাব হক বুঝতে পারেন সর্বক্ষণ তাঁকে অনুসরণ করা হচ্ছে। যেখানেই যান সেখানেই তাঁর পেছনে লেগে থাকে ফেউ। এই অবস্থায় তিনি মায়ের অসুখের নাম করে ছুটি নেন অফিস থেকে এবং সপরিবারে ঢাকা ছেড়ে যাবার ব্যবস্থা করতে থাকেন। ব্যবস্থা অনুযায়ী ১লা জুলাই গাড়ি গ্যারেজে রেখে পেছন দরজা দিয়ে বেরিয়ে তাঁরা দুটি অটোরিকশায় গিয়ে ওঠেন। উদ্দেশ্য ছিল ধানমণ্ডিতে বেগম জিয়ার মামার বাসায় গিয়ে আপাতত ওঠা। কিন্তু সায়েন্স ল্যাবরেটরি পর্যন্ত আসতেই একটি অটোরিকশা তাঁদের বিকল হয়ে যায়। এই অবস্থায় তাঁরা কাছেই গ্রীনরোডে এক বন্ধুর বাসায় গিয়ে ওঠেন। কিন্তু এখানে তাঁদের জন্যে অপেক্ষা করছিল এক বিরাট বিস্ময়। জনাব হক এখানে গিয়ে উঠতেই তাঁর এই বিশিষ্ট বন্ধুর স্ত্রী তাঁকে জানান যে, কর্নেল জিয়ার লেখা চিঠি তাঁদের হাতে এসেছে। চিঠিটা জনাব হককেই লেখা এবং এটি তাঁর কাছে পাঠাবার জন্যে কয়েকদিন ধরেই তাঁকে খোঁজ করা হচ্ছে। তাঁর কাছে লেখা কর্নেল জিয়ার চিঠি এ বাড়িতে কেমন করে এলো তা বুঝতে না পেরে তিনি যারপরনাই বিস্মিত হন এবং চিঠিটা দেখতে চান। তাঁর বন্ধুর ছেলে চিঠিটা বের করে দেখায়। এটি সত্যই কর্নেল জিয়ার লেখা কিনা বেগম জিয়াকে দিয়ে তা পরীক্ষা করিয়ে নেবার জন্যে তিনি তাঁর বন্ধুর ছেলের হাতে দিয়েই এটি জিওলজিক্যাল সার্ভের জনাব মুজিবর রহমানের কাছে পাঠান। এদিকে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসায় জনাব হক তাঁর এই বন্ধুর বাসায় রাতের মতো আশ্রয় চান। তাঁদেরকে আরো নিরাপদ স্থানে রাখার আশ্বাস দিয়ে রাতে তাঁদেরকে পাঠানো হয় সূত্রাপুরের একটি ছোট্ট বাড়িতে। তাঁর বন্ধুর ছেলেই তাঁদেরকে গাড়িতে করে এই বাড়িতে নিয়ে আসে। এখানে ছোট্ট একটি ঘরে তাঁরা আশ্রয় করে নেন। কিন্তু পরদিনই তাঁরা দেখতে পেলেন পাক-বাহিনীর লোকেরা বাড়িটি ঘিরে ফেলেছে। জনাদশেক সশস্ত্র জওয়ান বাড়িটার সামনে দাঁড়িয়ে। এই দলের প্রধান ছিল ক্যাপ্টেন সাজ্জাদ আর ক্যাপ্টেন আরিফ। তারা ভেতরে ঢুকে কর্নেল জিয়া ও বেগম জিয়া সম্পর্কে তাঁদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জনাব হক ও তাঁর স্ত্রী জিয়ার সাথে তাদের সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে যান। কিন্তু ক্যাপ্টেন সাজ্জাদ জনাব ও বেগম হকের সাথে তোলা বেগম জিয়ার একটি গ্রুপ ছবি বের করে দেখালে তাঁরা জিয়ার সাথে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। তবে তাঁরা জানান কর্নেল ও বেগম জিয়া কোথায় আছেন তা তাঁরা জানেন না। এই পর্যায়ে বিকেল পাঁচটার দিকে জনাব হক ও তাঁর স্ত্রীকে সামরিক বাহিনীর একটি গাড়িতে তুলে মালিবাগের মোড়ে আনা হয় এবং এখানে মৌচাক মার্কেটের সামনে তাঁদেরকে সন্ধ্যে পর্যন্ত গাড়িতে বসিয়ে রাখা হয়। এখানেই তাঁদেরকে জানান হয় যে বেগম জিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর তাদেরকে দ্বিতীয় রাজধানী এলাকা ঘুরিয়ে আবার সূত্রাপুরের বাসায় এনে ছেড়ে দেয়া হয়। এখান থেকে রাতে তাঁরা গ্রীনরোডে জনাব হকের বন্ধুর বাসায় আসেন এবং সেখান থেকে ফিরে আসেন খিলগাঁয়ে তার নিজের বাসায়। উল্লেখযোগ্য যে এই দিনই জনাব এস কে আব্দুল্লাহর সিদ্ধেশ্বরীর বাসা থেকে বেগম জিয়া ও জনাব আব্দুল্লাহকে এবং একই সাথে জনাব মুজিবর রহমানকেও পাক-বাহিনী গ্রেফতার করে।'' এবং ৫ই জুলাই তারিখে জনাব মোজাম্মেল হক অফিসে কাজে যোগ দিলে সেই অফিস থেকেই ক্যাপ্টেন সাজ্জাদ তাঁকে গ্রেফতার করে ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যায়। ক্যান্টনমেন্টে তাঁকে এফ আই ইউ (ফিল্ড ইনভেস্টিগেশন ইউনিট) অফিসে রাত দশটা পর্যন্ত বসিয়ে রাখা হয় এবং দশটায় তাঁকে স্কুল রোডের সেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেলে প্রবেশের আগে তাঁর ঘড়ি, আংটি খুলে নেয়া হয় এবং মানিব্যাগটিও নিয়ে নেয়া হয়। সারাদিন অভুক্ত থাকা সত্ত্বেও তাঁকে কিছুই খেতে দেয়া হয় নি। পরদিন সকালে তাঁকে এক কাপ মাত্র ঠাণ্ডা চা খাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ক্যাপ্টেন সাজ্জাদের অফিসে। সাজ্জাদ তাঁর কাছে তাঁর পরিকল্পনার কথা জানতে চায়। তিনি তাঁর কোনো পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করেন। ক্যাপ্টেন সাজ্জাদ এতে তাঁকে মিথ্যাবাদী বলে অভিহিত করে এবং শাস্তি হিসেবে তাঁকে বৈদ্যুতিক শক দেবার হুমকি দেখায়। কিন্তু এরপরও কোনো কথা আদায় করতে না পেরে ক্যাপ্টেন সাজ্জাদ তাঁকে হাজার ওয়াটের উজ্জ্বল আলোর নিচে শুইয়ে রাখার হুকুম দেয়। হুকুম মতো রাতে তাঁকে তাঁর সেলে চিৎ করে শুইয়ে মাত্র হাত দেড়েক ওপরে ঝুলিয়ে দেয় পাঁচশ পাওয়ারের দুটি অত্যুজ্জ্বল বাল্ব। প্রায় চারঘণ্টা অসহ্য যন্ত্রণা তাঁকে ভোগ করতে হয়। পরদিন আবার তাঁকে ক্যাপ্টেন সাজ্জাদের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সাজ্জাদ আবার তাঁর পরিকল্পনার কথা জানতে চায়। জানতে চায় শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে তাঁর কী কী কথা হয়েছে, তিনি ভারতে চলে যাবার পরিকল্পনা করেছিলেন কিনা। জনাব হক এসব কিছুই অস্বীকার করলে ক্যাপ্টেন সাজ্জাদ তাঁর ঘাড়ে প্রচণ্ড আঘাত হানে। এরপর তাঁর সেলে চব্বিশ ঘণ্টা হাজার ওয়াটের বাতি জ্বালিয়ে রাখার হুকুম দেয়। বেলা একটায় তাঁকে সেলে এনেই বাতি জ্বালিয়ে দেয়া হয়। ঘণ্টা কয়েক পরেই তিনি অসহ্য যন্ত্রণায় চিৎকার করতে থাকেন। চিৎকার করে তিনি একটি কথাই বলতে থাকেন- আমাকে একবারেই মেরে ফেল। এভাবে তিলে তিলে মেরো না। তিনি যখন অসহ্য যন্ত্রণায় চিৎকার করছিলেন, তখন তাঁর দরজার সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল একজন পাঠান হাবিলদার। তাঁর এই করুণ আর্তি বোধ হয় হাবিলদারটি সইতে পারে নি। তারও হৃদয় বোধহয় বেদনায় ভারাক্রান্ত হয়ে উঠেছিল মানুষের ওপর মানুষের এই নিষ্ঠুর জুলুম দেখে। আর ভাই বোধহয় সে সেন্ট্রিকে ডেকে হুকুম দিয়েছিল বাতি নিভিয়ে দিতে। বলেছিল, কোনো জীপ আসায় শব্দ পেলেই যেন বাতি জ্বালিয়ে দেয়, আবার জীপটি চলে যাবার সাথে সাথেই যেন বাতি নিভিয়ে দেয়া হয়। এরপর ক্যাপ্টেন সাজ্জাদ তাঁকে আরো কয়েকদিন জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং নতুন ধরনের নির্যাতন চালায়। তাঁর কাছ থেকে সারাদিন ধরে একটির পর একটি বিবৃতি লিখিয়ে নেয়া হয় এবং তাঁর সামনেই সেগুলি ছিঁড়ে ফেলে আবার তাঁকে সেগুলি লিখতে বলা হয়। এবং যথারীতি আবার তা ছিঁড়ে ফেলে আবার সেই একই বিবৃতি তাঁকে লিখতে বলা হয়। এবং আবার তা ছিড়ে ফেলা হয়। এই অবস্থায় ক্লান্তি ও অবসন্নতায় তিনি লেখার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেন। এদিকে হাজার ওয়াটের উজ্জ্বল আলোর নিচে থাকার ফলে তিনি দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারিয়ে ফেলেন। দিন ও রাতের মধ্যে কোনো পার্থক্যই বুঝতে পারতেন না। ২৬শে জুলাই বিকেলে তাঁকে ইন্টার স্টেটসঞ্জিনীং কমিটির (আই এস এস সি) ছাউনিতে নিয়ে যাওয়া হয়। এখানে একটি ছোট্ট কামরায় তাঁরা মোট ১১০জন আটক ছিলেন। বিকেল পাঁচটার দিকে তাঁকে বের করে রান্নাঘরের বড় বড় পানির ড্রাম ভরার কাজ দেয়া হয়। এই কাজে আরো একজনকে তাঁর সাথে লাগানো হয়। তিনি হচ্ছেন, জিওলজিক্যাল সার্ভের জনাব এস কে আব্দুল্লাহ্। তাঁরা দুজনে প্রায় পোয়া মাইল দূরের ট্যাপ থেকে বড় বড় বালতিতে করে পানি টেনে তিনটি বড় ড্রাম ভরে দেন। রাতে লাইন করে দাঁড় করিয়ে তাঁদেরকে একজন একজন করে খাবার দেয়া হয়। এতদিন পরে এই প্রথম তিনি খেতে পান গরম ভাত ও গরম ডাল। পরদিন সকালে তাঁর এবং আরো অনেকের মাথার চুল সম্পূর্ণ কামিয়ে দেয়া হয়। এখানে বিভিন্ন কামরায় তাঁকে কয়েকদিন আটকে রাখার পর ৬ই আগস্ট নিয়ে যাওয়া হয় ফিল্ড ইনভেস্টিগেশন সেন্টারে (এফ আই সি)। মেজর ফারুকী ছিল এই কেন্দ্রের প্রধান এবং এখানে সকলের ওপর নির্যাতন করার দায়িত্বে নিযুক্ত ছিল সুবেদার মেজর নিয়াজী। ফারুকী এখানে তাঁকে আবার জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং তাকে বিবৃতি দিতে বলে। কিন্তু বিবৃতি লেখানোর নাম করে সেই পুরনো নির্যাতন আবার শুরু হয়। একটানা তিনদিন ধরে তিনি একই বিবৃতি একের পর এক লিখে গেছেন এবং তাঁর সামনে তা ছিঁড়ে ফেলে আবার এই একই বিবৃতি তাঁকে লিখতে বলা হয়েছে। ৯ই আগস্ট তাঁকে দ্বিতীয় রাজধানীতে স্থানান্তরিত করা হয় এবং এখানে বিভিন্ন কক্ষে তাঁকে প্রায় দেড়মাস আটক রাখার পর ২১শে সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। সেখান থেকে ৩০শে অক্টোবর তিনি মুক্তি পান। ইতিমধ্যে রাজাকাররা তিনদফা তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়ে সর্বস্ব লুটপাট করে নিয়ে যায়। সর্বশেষ গত ১৩ই ডিসেম্বর তারা তাঁর গাড়িটিও নিয়ে যায়। "সূত্র: বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র: ৮ম খণ্ড (পৃষ্ঠা: ৪৭৬) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, তথ্য মন্ত্রণালয়
** {{w|হুমায়ুন আহমেদ}}, {{w|জোছনা ও জননীর গল্প}}, ২০০৬, পৃ: ৪০৯-৪১৪
* '''প্রিয় জেনারেল জামশেদ, আমার স্ত্রী খালেদা আপনার হেফাজতে আছেন। যদি আপনি তার সাথে সম্মান ও শ্রদ্ধার সহিত আচরণ না করেন, তাহলে কোন একদিন আমি আপনাকে খুন করব। মেজর জিয়া'''
** {{w|হুমায়ুন আহমেদ}}, {{w|জোছনা ও জননীর গল্প}}, ২০০৬, পৃ: ৪০৭-৪০৮
* খালেদা জিয়া যখন বারবার পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত সেনানিবাস ছেড়ে যেতে অস্বীকৃতি জানান, তখন জেনারেল জিয়া আমাকে বলেছিলেন যে যুদ্ধের পর তিনি তাকে তালাক দেবেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর হস্তক্ষেপে তা হয়নি।
** [[:w:আবদুল গাফফার চৌধুরী|আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী]], ১৬ মে ২০১৭, লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের তৎকালীন প্রেস সচিব নাদিম কাদিরের "মুক্তিযুদ্ধ: অজানা অধ্যায়" উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখাকালে [https://www.dhakatribune.com/bangladesh/20548/abdul-gaffar-choudhury-zia-wanted-to-divorce]
* এদেশে লক্ষ কোটি টাকা লোপাট আর পাচার হয়। বহু চোর থাকে মহাদাপটে। জিয়ার নামে ট্রাষ্টে দুকোটি টাকা বেড়ে চার-পাচ কোটি টাকা হয়েছে। তবু খালেদা জিয়া শাস্তি পেয়েছেন। সেটিও মূলত তার কর্মর্তাদের গাফলতি আর ভুলের কারণে।<br/>এক টাকাও আত্নসাৎ করেননি খালেদা জিয়া। তবু তার নামে অপপ্রচার হয় এতিমের টাকা মেরে দেয়ার। কিন্তু কোন অপপ্রচার মুছতে পারবে না তার অতুলনীয় জনপ্রিয়তা, মুছে দিতে পারবে না তার আত্নত্যাগ।
** [[আসিফ নজরুল]]ের ফেসবুক পোস্ট। [https://www.dailynayadiganta.com/social%20media%20corner/478829/%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%97%E0%A6%98%E0%A6%A8-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B2 নয়া দিগন্ত।] ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
* তার লিভার নাকি পচে শেষ। কী খেলে তাড়াতাড়ি লিভার পচে সেটাতো সবাই জানে।
** শেখ হাসিনা, ৩০ আগস্ট ২০২২ [https://m.youtube.com/watch?si=jeaf1DSWDSMobwiI&v=RVJLb-vL0ik&feature=youtu.be]
* [[চঞ্চল চৌধুরী]]র অভিনয় প্রতিভা নিয়ে আমার কোন সে নেই, তিনি ও তার মত শিল্পীরা সবসময় বলেন, আমরা রাজনীতি বুঝি না; কিন্তু তার মত শিল্পীরা এ্যাপোলিটিকাল ব্যানারে এসে ফ্যাসিস্ট শক্তিকে দিনের পর দিন পলিটিকালি ডিফেন্ড ও সাপোর্ট করে গিয়েছেন, খালেদা জিয়ার বালুর ট্রাকের সামনে তিনি দ্রোহের মিছিল করেন, কিন্তু হাসিনার তিন তিনটা বিরোধী দল ছাড়া প্রহসনের নির্বাচন তিনি চোখে দেখতে পান না।
** [[ওসমান হাদি]], ১১ অক্টোবর ২০২৫
* [[ওসমান হাদি]] কে এজেন্সি হত্যা করাইছে দুটি কারণে, ১. [[তারেক রহমান]] (TR 10) % সাহেবের আসার জন্য। ভারতের সামনে তারেক ভিন্ন কোন অপশন ই নেই। ২. #বিএনপি গুম খুনে জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের বিচার না করার ঘোষণা দিয়েছে। এজেন্সি ক্রিমিনাল সেনা অফিসারদের বাচানোর জন্যই একজন দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসী কে ক্ষমতায় আনতে চায়। উল্লেখ্য বিএনপি মেগা প্রজেক্ট না করার ঘোষণা দিয়েছে শুধু তিস্তা প্রকল্প না করার জন্য। উল্লেখ্য হাদীর উপর গুলির দিনই তারেকের আসার ঘোষণা হয়। যাতে সে দেশে আসার আগেই প্রধানমন্ত্রীর মত নিরাপত্তা পায়। এছাড়া খালেদা জিয়া অনেক আগেই মারা যায় বর্তমানে হিমাগারে আছে। অন্যথায় কেন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কোন ছবি/ ভিডিও আসেনা।
** বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ফেসবুক পোস্ট, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1317012293786422&id=100064329923819]
* ৯৬তে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে চুপচাপ কাটিয়ে দেন ফালু। বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় বিএনপির রাজনীতি থেকে আবারও নিজেকে গুটিয়ে নেন তিনি। ২০০১ সালে বিএনপি পুনরায় ক্ষমতাসীন হলে ফালু বেগম জিয়ার কাছাকাছি থাকতে ব্যর্থ হন। ক্ষমতাসীন হওয়ার পরপরই বিএনপির নেতৃত্ব তারেক রহমানের হাতে। তখন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে ফালুর ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি ভালভাবে নেননি পুত্র তারেক রহমান। তারেক রহমানের হাতে ক্ষমতা যাওয়া পর ক্ষমতার শীর্ষস্থান থেকে ছিটকে পড়েন ফালু। একপর্যায়ে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ফালুর ঢোকাও বন্ধ হয়ে যায়। ২০০১ সরকারের শেষের দিকে বি. চৌধুরী-মেজর (অব) মান্নানের নেতৃত্বে বিএনপিতে ভাঙ্গন ধরে। এর আগে বিএনপির মনোনীতি রাষ্ট্রপতি বি. চৌধুরীকে মগবাজারের রেললাইন ধরে দৌড়ানি দেয় বিএনপি। বি. চৌধুরীর রেললাইন ধরে দৌড়ানোর দৃশ্য সামনে আসার নেপথ্যের কারিগর ছিলেন তারেক রহমান। বি. চৌধুরীর নেতৃত্বে বিএনপিতে ভাঙ্গন দেখা দেয়। শূন্য হয় ঢাকা-১০ আসন। অনেক প্রভাবশালী প্রার্থীকে টপকিয়ে তখন বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মনোনয়ন বাগিয়ে নেন ফালু। ভোটারবিহীন তুমুল বিতর্কিত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ফালু সাংসদ নির্বাচিত হন। সরকার পতনের পরে ওয়ান ইলেভেন এলে ফালু তখন আটক হন। ওয়ান ইলেভেন সরকারের কাছে ফালু তার সহায় সম্পত্তির বিবরণ দিলে চমকে যান দেশবাসী। তখনই প্রকাশ পায়, শাজাহানপুরের ফালু ছিলেন সামান্য একজন গোরখোদকের সন্তান। কিন্তু বেগম জিয়ার দু’দফা সরকারের সময়ে ফালু হাজার কোটি টাকার সহায় সম্পত্তির মালিক বনে গিয়ে সবাইকে চমকে দেন।
** শংকর কুমার দে, জনকণ্ঠ, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৫ [https://www.dailyjanakantha.com/national/news/108686]
* সময়টা তখন ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া লন্ডনে গেছেন। খুব কষ্ট করে নয়, অনায়াসেই খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করলেন পাকিস্তানি সিনেমার পরিচালক বিলোয়াল হোসাইন। বেগম খালেদা জিয়া এবং মোসাদ্দেক আলী ফালুকে নিয়ে একটা রোমান্টিক সিনেমা বানানোর প্রস্তাব নিয়ে সেদিন বিলোয়াল দেখা করেছিলেন। পকিস্তানি একটি চলচিত্র সংস্থার পক্ষ থেকে সিনেমাটির চিত্রনাট্য লেখার কাজ শেষ করেই খালেদা জিয়ার সামনে উপস্থাপন করেছিলেন পরিচালক। কিন্তু প্রায় ৬ বছর হয়ে গেছে। এখনো আলোর মুখ দেখেনি, খালেদা জিয়া এবং মোসাদ্দেক হোসেন ফালুকে নিয়ে রোমান্টিক সিনেমা। কারণ হিসাবে খালেদা জিয়ার কারবরণ এবং অসুস্থতা থাকলেও মূল যে জায়গাটিতে আটকে গেছে, সেটি হলো অর্থলগ্নিকারী সেই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটির পিছিয়ে যাওয়া। লন্ডনে খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করার পর আশাবাদী হয়ে পরিচালক বিলোয়াল বলেছিলেন, আমরা রোমান্টিক ছবির কাহিনীর জন্য কত জায়গায় ঘোরাঘুরি করি, রাধা-কৃষ্ণ, শিরি-ফরহাদ, চন্ডিদাস-রজকিনি, দেবদাস-পার্বতী। অথচ চোখের সামনেই কত চমৎকার একটা উজ্জ্বল প্রেমকাহিনী। এটা কারো চোখে পড়লোনা, বড়ই আফসোস! খালি কি প্রেম কাহিনী? এ কাহিনী আরব্য উপন্যাসের রয়্যাল প্রেম কাহিনীগুলোকেও হার মানায়। রাজনীতি ও ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও, প্রায় ছেলের বয়সী খুবই সাধারন ঘরের ছেলের সাথে প্রেম, এ কাহিনী বাঘা বাঘা চলচ্চিত্রকারদের কলম দিয়েও বের হবে না। আমি গ্যরান্টি দিয়া বলতে পারি, খালেদা-ফালুর এই প্রেম কাহিনী হাজার বছর ধরে অমর হয়ে বেঁচে থাকবে। আর তাই আমিই প্রথম এই অমর কাহিনী নিয়ে সিনেমা বানানোয় হাত দিয়েছি। তিনি তখন আরো বলেন, আমরা এখন ছবির চিত্রনাট্য অনুযায়ী বিভিন্ন লোকেশন ঘুরে ঘুরে দেখছি এবং যায়গা সিলেক্ট করার চেষ্টা করছি। আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে এই রোমান্টিক সিনেমাটিকে ঘিরে, যেন এমনভাবে বানাতে পারি যে যুগযুগ ধরে এই প্রেম কাহিনী অমর হয়ে থাকে। ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে কাকে দেখা যাবে এমন প্রশ্নের জবাবে বিলোয়াল হোসাইন তখন বলেছিলেন, এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খালেদা জিয়া এমন একটি চরিত্র যে চাইলেই এই চরিত্রে যে কাউকে দেয়া যায় না। আর ফালুর চরিত্রের জন্য প্রাথমিকভাবে দুইজনকে সিলেক্ট করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় চরিত্র ফাইনাল হলেই তাদের কাস্ট করা হবে। সিনেমাটির বিষয়ে খালেদার সঙ্গে কোন যোগাযোগ করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি তখন গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, "খালেদা জিয়ার সঙ্গে এই বিষয়ে অনেক আগেই যোগাযোগ করা হয়েছিল। উনি সিনেমাটির বিষয়ে বেশ আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। সেই জন্যই উনি আমাকে লন্ডনের হোটেলে উনার সঙ্গে দেখা করতে বলেন।” দেখা কি হয়েছে জানতে চাওয়া হলে বিলোয়াল হোসাইন বলেন, হ্যাঁ দেখা হয়েছে। ম্যাডামকে ছবির চিত্রনাট্য পড়ে শুনানোর পর তিনি তা পছন্দ করেছেন। শুধু তাইনা, উনি আমাদের সিনেমার স্বার্থে ফালু সাহেবের সঙ্গে উনার রিয়েল লাইফের কিছু রোম্যান্টিক ঘটনাও শেয়ার করেন। তবে তিনি ফালু সাহেবের চরিত্রে কাকে ফাইনাল করা হচ্ছে সেই বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। এখনো ফাইনাল করা হয়নি শুনে খালেদা জিয়া বলেন, ফাইনাল করার আগে অবশ্যই যেন তাকে জানানো হয়। তিনি নিজেই দেখে ফাইনাল করতে চান ফালুর ক্যারেক্টারটি। আর সিনেমায় খালেদা জিয়া ব্যাবহার না করে খালেদা মোসাদ্দেক নামটি ব্যাবহারের কথা বলেন। আমি সেই অনুযায়ী খালেদা জিয়ার চরিত্রের নাম বদলিয়ে খালেদা মোসাদ্দেক রেখেছি। ছবিটি কবে নাগাদ মুক্তি পাবে জানতে চাওয়া হলে পরিচালক বিলোয়াল হোসাইন বলেছিলেন, যতদ্রুত সম্ভব সিনেমার কাজ শুরু করতে চাচ্ছি। আশা করছি, ম্যাডামের নেক্সট জন্মদিনের দিনই ম্যাডামকে তার প্রেম কাহিনী উপহার দিতে পারব। কিন্তু প্রকৃত সত্য হচ্ছে, প্রস্তাব দেয়ার পর ৫ টি ভুয়া জন্মদিন চলে গেলেও খালেদা-ফালুর রোমান্টিক সিনেমার কাজ শুরুই হয়নি।
** দৈনিক ভোরের পাতা, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১ [https://www.dailyvorerpata.com/news/56330]
* ‘খালেদা জিয়ার মা লক্ষ্মী রানী মারমা দার্জিলিংয়ের চা-বাগানের মালিক উইলসনের চাকরানি ছিলেন। চা বাগানের মালিকের ছিল মদ ও নারীর প্রতি আসক্তি। লক্ষ্মী রানী গর্ভবতী হলে উইলসনের দারোয়ান মুরালী মোহন মারমার সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়া হয়। উইলসনের তত্ত্বাবধানে ১৯৪৫ সালের ১৩ আগস্ট খালেদা জিয়ার জন্ম হয়। খালেদা জিয়া ইহুদি ঔরসজাত। তাঁর গয়ের রং ও খাদ্যাভ্যাস তার প্রকৃত ইহুদি পিতার সঙ্গে মিল আছে। ১৯৬০ সালে জিয়াউর রহমান ফুর্তি করতে এসে ফেঁসে গিয়ে খালেদা জিয়াকে বিয়ে করেন। ১৯৭১ সালে তিনি পাকিস্তানের সেনা কর্মকর্তা জানজুয়ার সঙ্গে পরকীয়ায় মত্ত ছিলেন। লোকে বলে জানজুয়ার অবিকল চেহারা পেয়েছে কোকো।’
** অপু উকিল, [[:w:en:Siddique Salik|সিদ্দিক সালিকের]] ‘ইন্দো-পাকিস্তান ওয়ার অব ১৯৬৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৩, বাংলাদেশ সংসদ অধিবেশন [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%80-%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0%E2%80%98%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%83-%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%83%E2%80%99][https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%BE#:~:text=%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%20%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%20%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%20%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82%20%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%B0%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%B0,%E0%A6%85%E0%A6%AC%20%E0%A7%A7%E0%A7%AF%E0%A7%AC%E0%A7%AB%20%E0%A6%AC%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B0%20%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%20%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%20%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%AC]
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Khaleda Zia}}
[[বিষয়শ্রেণী:নারী রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৫-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৫-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী মুসলিম]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ]]
7acbuhtennqsmu4xugyqpkxl6i3ptzn
শেখ হাসিনা
0
476
83726
78402
2026-06-06T12:22:08Z
Dubro Sun
5931
পৃষ্ঠা ক্রম
83726
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Russia-Bangladeshi talks Moscow 2013-01-15 12.jpeg|thumb|এখন থেকে লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে, যেটারে পাবে সেটারে গুলি করবে। ~ শেখ হাসিনা]]
'''[[w:শেখ হাসিনা|শেখ হাসিনা ওয়াজেদ]]''' (জন্ম: ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭) বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদের সরকারদলীয় প্রধান ছিলেন এবং [[বাংলাদেশ]] আওয়ামী লীগের সভানেত্রী। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ [[সময়]] ধরে দায়িত্ব পালন করা প্রধানমন্ত্রী।
==উক্তি==
* '''এখন থেকে লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে, যেটারে পাবে সেটারে গুলি করবে।''' যেখানে গেদারিং দেখবে সেখানে ওপর থেকে.. হেলিকপ্টার থেকে গুলি করবে, এখন ওপর থেকে করাচ্ছি (গুলি), অলরেডি শুরু হয়ে গেছে, র্যাবকে আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে।
** কোটা আন্দোলনের সময় এক প্রতিরক্ষা বা পুলিশ অফিসারের সঙ্গে ফোনালাপে, ১৮ জুলাই ২০২৪, ভাইরাল অডিও, "ফেস দ্য পিপল" এর ইউটিউব পাতায় ৮ ই মার্চ ২০২৫ এ প্রকাশিত [https://m.youtube.com/watch?si=-H1TVU7QFcJflQ4E&v=HXV57sEsQMc][https://www.facebook.com/reel/2654604558070616?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v][https://www.jugantor.com/national/926561][https://m.youtube.com/watch?si=jYl9_so2sCanb7li&v=x5C0VJ-TqsM&feature=youtu.be]
* এখানে কেউ থাকবেন না। (নো ওয়ান স্টে হেয়ার।)
** ৫ আগস্ট ২০২৪, তার আত্মীয়দের কাছে শেষ হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় [https://english.khaborerkagoj.com/special-report/799212]
* আমি যা বলি শুনো, থোরাসা হাদিয়া দে দো।
** ২৪ জুলাই ২০২৪, নসরুল হামিদের সাথে ফোনালাপে [https://www.jugantor.com/politics/1010047]
* আমি কোনো প্রতিদান চাই না। প্রতিদানের কী আছে? আর কারও কাছে চাওয়ার অভ্যাস আমার একটু কম। দেয়ার অভ্যাস বেশি।’ আমরা ভারতকে যা দিয়েছি, সেটা ভারত সারা জীবন মনে রাখবে ‘প্রতিদিনের বোমাবাজি, গুলি, আমরা শান্তি ফিরিয়ে দিয়েছি। এটা তাদের মনে রাখতে হবে। কাজেই আমরা কোনো প্রতিদান চাই না।’ ‘ভারতে বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ড চলছিল। তখনকার সরকারগুলো এদেরকে মদদ দিয়েছে। আমরা সেটাও বন্ধ করেছি। আমার দেশের মাটি কোনো মতেই অন্য কোনো দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবহার হতে পারবে না। কারণ, তার প্রভাব আমার দেশেও পড়ে। আপনারা ভুলে যান ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান? এটা তো একটা কনসাইনমেন্ট ধরা পড়েছে। আরো কত যে এভাবে চোরাচালান হতো তার ঠিক আছে? এ জন্য আমার দেশের মানুষকে খেসারত দিতে হয়নি? কতবার ধরা পড়েছে?’ ‘আমরা হরতাল দিলাম ট্রাক নিতে পারে নাই। ট্রাকের নিচে হলো অস্ত্রশস্ত্র, গুলি, ওপরে ছিল আনারস। গরু আনারস টেনে খেতে গিয়ে আসল জিনিস বের হয়ে গেছে।’ ‘এই অস্ত্রের মালিক কে ছিল, কারা পাঠাচ্ছিল চিন্তা করে দেখেন একবার।’ ‘চরোকিয়াতেও ১৩ জন ধরা পড়ল। তারপর কীভাবে কীভাবে ছাড়া পেয়ে গেল।’ ‘আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে তারা যে সমর্থন দিয়েছে, আমাদের এক কোটি শরণার্থীকে তারা সাহায্য করেছে, লক্ষ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধাকে ট্রেইনিং দিয়েছে, একসথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধের ময়দানে একসাথে রক্ত দিয়েছে, আমরা কৃতজ্ঞতার সাথে সেটা স্বীকার করি।
** ৩০ মে ২০১৮, গণভবনে সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে করা সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের উত্তরে [https://www.bd24live.com/bangla/article/1527690240/167260/index.html]
* “এতো লাশ গেলো কোথায়? ওই হিসাব বিরোধীদলকে দিতে হবে।” বিএনপির পক্ষ থেকে আড়াই হাজার লোককে সেদিন হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করার হয়। আড়াই হাজার লোককে হত্যা করতে কতো গোলা-বারুদ দরকার হয়? কত হাজার গুলির প্রয়োজন হয়? আর কত মানুষ আহত হতো?” এত মানুষ নিহত হলে তাদের আত্মীয়-স্বজনরা কোথায়। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিরোধীদলের পক্ষ থেকে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তাদেরকে বলতে হবে একটা ট্রাকে কত লাশ ধরে। উনি (খালেদা জিয়া) তো আর্মি অফিসারের বউ। ওনার তো গোলা-বারুদ সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকা দরকার। আছরের নামাজের পর দোয়া পড়ে হেফাজতে ইসলাম শাপলা চত্বর ছেড়ে চলে যাবে বলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আশ্বাস দেওয়ায় তাদের সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়।
** ৯ মে ২০১৩, গণভবনে বৃহস্পতিবার ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে [https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article623379.bdnews]
* দেশকে যখন আমরা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছি, তখন দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনের মধ্যে গুজব ছড়ানো হয়েছে, শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু বলে দিতে চাই, '''শেখ হাসিনা পালায়নি, পালায় না'''।
** ২২ জুলাই ২০২৪, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে
* ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তোমাদের বাড়িঘরে যারা আগুন লাগিয়ে দিয়েছে, তাদের বাড়ি ঘর নেই? সব কথা কি বলে দিতে হয়? যারা এখন বেশি বেশি বাড়াবাড়ি করছে। বেশি ভালো থাকবেন না আপনি। দেখো ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই শত্রুরা টেকে কি না? কাউকে পালাতেও দেওয়া হবে না। যে কয়টা নাফরমানি করছে তাদের একটারও অস্ত্র থাকবে না। ঠিক আছে, আমি সবাইকে বলছি, তোমরা শুধু দুই মাস অপেক্ষা করো। কিছু বলো না। ‘ওরা ফেল করবে, আর আমরা যদি কিছু করি, তখন বলবে আমাদের জন্য করতে পারে নাই। সেটা আর বলার মুখ নেই। জাতীয় আন্তর্জাতিকভাবেও ওই যে সুদখোর ইউনুসের গুটি গুটি চেহারার দ্বার আটকে গেছে মানুষের কাছে। এখন ভয় পাওয়ার কিছু নেই, এখন ওদের ভয় দিতে হবে। আমি একটা কথা বলি, তোমাদের বাড়ি পোড়াই দিছে কে?’‘তাদের ঘর-বাড়ি নেই? ‘তাহলে, সবকিছু কি প্রকাশ্যে করতে হয়? ‘তোমাদের নাই, তাহলে কারো ঘর-বাড়ি থাকবে না।’, ‘মামলা, আমারতো শুধু গোবিন্দগঞ্জ না, '''আমারতো সারা বাংলাদেশে ২২৭টি মার্ডার কেস। আমি বলছি সবাই তালিকা কর। তোমরাও তালিকা কর। ২২৭ মার্ডারের লাইন্সেস পেয়ে গেছি। এক মামলায় যে শাস্তি, শোয়া দুইশো মামলায় একই শাস্তি। তাই না। ঠিক আছে সেই শাস্তি নেব। তার আগে শোয়া দুইশো হিসাব করে নেব। এটা যেন মাথায় থাকে।''' এবার একবার আসতে পারলে কেউ ফেলাইতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।
** গোবিন্দগঞ্জের সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাকিল আলম বুলবুলের সাথে প্রকাশিত ফোনালাপে, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ [https://www.jugantor.com/awami-league/871270]
* একটি বিল্ডিং ভেঙ্গে দিলেই ইতিহাস মুছা যায় না
** ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ি ভাঙ্গার প্রতিক্রিয়ায়
* '''মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরা না পেলে, তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে?''' আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে। রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না? অপরাধটা কী?
** [[w:bn:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|কোটা সংস্কার]] নিয়ে সাংবাদিকদের একটি প্রশ্নের জবাব{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন, কোটা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী |ইউআরএল=https://www.ajkerpatrika.com/346776/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8B%E0%A6%AD-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE |ওয়েবসাইট=[[আজকের পত্রিকা]] |সংগ্রহের-তারিখ=১৫ জুলাই ২০২৪}}
* আপনজন হারানোর বেদনা যে কত কষ্ট, আমার চেয়ে আর কেউ বেশি জানে না।
** [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] [https://en.prothomalo.com/bangladesh/hfn076m9r3]
*'''আর আমার পাওয়ার চাই''', আমি দেশের উন্নতি করতে চাই, সাফ কথা আমার। পাওয়ার চাই; আমি খালি ইলেকশন যেনো তেনো না, '''অ্যাবসুল্যুট পাওয়ার (নিরঙ্কুশ ক্ষমতা) নিয়ে আমি দেশের উন্নতি করব।''' এটাই আমার লক্ষ্য।
**১১ জুন ২০২২। [https://sarabangla.net/news/post-680972/] [https://www.youtube.com/watch?v=ogT0MAC3Hmc]
*'''আমাকে বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকব।''' ইলেকশনের পরে, যদি আসতে পারি, আবার করব। তারপর দেখি কে সাহস পায় নিতে...ক্ষমতা। সব গুছাইয়া-গাছাইয়া দেওয়ার পরে '''এখন ইলেকশনের কথা, ভোটের কথা, অর্থনীতির কথা, পাকা পাকা কথা শুনতে হয়। আমরা তো শুনতে রজি না।'''
**[https://www.prothomalo.com/politics/6nromi88s7 বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকব: প্রধানমন্ত্রী | প্রথম আলো] ০৬ অক্টোবর ২০২৩।[https://www.youtube.com/watch?v=rILoMXDDsxM]
*এই দেশ আমার দেশ, আমার নিজের দেশ, '''আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন।'''
**[https://www.youtube.com/shorts/NRSG3AEr4KA]
* আমি কিন্তু দেশের খুব কাছেই আছি। যেকোনো সময় চট করে ঢুকে পড়তে পারি।
** ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ [https://www.dhakapost.com/politics/306556]
* বেগুনের দাম ১১০ টাকার ওপরে চলে গেল। সেটা এখন কমে ৮০ টাকায় এসেছে। বেগুন দিয়ে বেগুনি না খেয়ে আরও যেসব সবজি সহজলভ্য আছে, সেটা দিয়ে খেলেই হয়। আমরা তো তাই খাই। '''বেগুনি না বানিয়ে মিষ্টিকুমড়া দিয়ে খুব ভালো বেগুনি বানানো যায়।''' আমরা এভাবে করি। সেভাবে করা যায়।
** ৬ এপ্রিল ২০২২ [https://www.somoynews.tv/news/2022-04-06/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A4%E0%A7%88%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0]
*'''পেঁয়াজ ছাড়াও রান্না করা যায়''', আমাদের বাসায় পেঁয়াজ ছাড়া রান্না করা হয়। পেঁয়াজ নিয়ে এত অস্থির হওয়ার কি আছে আমি জানি না।
**২৯ অক্টোবর, ২০১৯[https://m.dailyinqilab.com/article/244415/%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%9C-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80]
* ডিম যখন বেশি পাবেন সিদ্ধ করে ফ্রিজে রেখে দেবেন, বহুদিন থাকবে। নষ্ট হবে না। '''সবকিছুর বিকল্প আছে। ডিম সিদ্ধ করে ডিপে রেখে দেন, ডিম ভালো থাকবে।''' রান্না করে, ভর্তা করে খাওয়া যাবে। আমরা রাখি খাই। এগুলো নিজে থেকে শেখা
** ২৯ আগস্ট ২০২৩[https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-509711]
* বর্ষাকালে কাঁচা মরিচের ক্ষেতে কেউ মরিচ তুলতে যেতে পারে না। '''কাঁচা মরিচের দাম বাড়লে সবাই চিৎকার করে।''' সবাইকে আহ্বান করবো, '''এখন থেকে কাঁচা মরিচ কিনে রোদে শুকিয়ে রেখে দেন''', বর্ষাকালে যখন দাম বাড়বে তখন সেখান থেকে খাওয়া যাবে। একটু পানি লাগলেই তাজা হয়ে যায়, আবার রান্না করে খাওয়া যায়, সহজ বুদ্ধি।
** ২১ জুন ২০২৩। [https://www.ajkerpatrika.com/national/ajpDe2rMjC77F]
* একটি এমডি পদের জন্য পদ্মা সেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করেছে, তাকে '''পদ্মা নদীতে দুইটা চুবানি দিয়ে তোলা উচিত।''' মরে যাতে না যায়, পদ্মা নদীতে একটু চুবানি দিয়ে সেতুতে তুলে দেওয়া উচিত। তাহলে যদি শিক্ষা হয়। পদ্মা সেতুর অর্থ বন্ধ করাল [[মুহাম্মদ ইউনূস|ড. ইউনূস]]। কেন? গ্রামীণ ব্যাংকের একটি এমডি পদে তাকে থাকতে হবে।
** ১৮ মে ২০২২ [https://www.prothomalo.com/politics/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%B8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%89%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80]
* ‘[[খালেদা জিয়া]] বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে। সেতুতে যে স্প্যানগুলো বসাচ্ছে, এগুলো তার কাছে ছিল জোড়াতালি দেওয়া। বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, ওখানে চড়া যাবে না। চড়লে ভেঙে পড়বে। আবার তার সঙ্গে কিছু দোসরেরাও…তাদেরকে এখন কী করা উচিত? পদ্মা সেতুতে নিয়ে গিয়ে ওখান থেকে '''টুস করে নদীতে ফেলে দেওয়া উচিত'''।’
** ১৮ মে ২০২২ [https://www.prothomalo.com/politics/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%B8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%89%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80]
*অতিরিক্ত টমেটো হয়েছে, বলল কী করব? আমি বলেছি শুকিয়ে রেখে দেন। সানড্রাই টমেটো তো বিদেশে ভীষণভাবে চলে। আমরাও সবকিছু করব। পেঁয়াজেও তাই। যখন উৎপাদন বেড়েছে, তখন পেঁয়াজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করব।
**২১ জুন ২০২৩। [https://www.ajkerpatrika.com/national/ajpDe2rMjC77F]
* যদি বলেন যে রিজার্ভ রক্ষা করতে হবে, '''তাহলে আমি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেই, পানি দেওয়া বন্ধ করে দেই, সার বন্ধ করে দেই? সব বন্ধ করে বসায় রাখলে রিজার্ভ ভালো থাকবে।''' ... (রিজার্ভ নিয়ে) যদি এত বেশি কথা হয়, যখন সরকার গঠন করেছিলাম তখন যত ছিল ওইখানে এনে রেখে তারপর আবার ইলেকশন করব। করে আবার বাড়াব।
** ০৬ অক্টোবর ২০২৩।[https://www.youtube.com/watch?v=rILoMXDDsxM]
*বিদ্যুৎ শতভাগ থেকে কমিয়ে ওই ২৮ ভাগে নিয়ে আসব। সবাই একটু টের পাক যে কী ছিল। '''আমাদের বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে বলেছিলাম যেন প্রতিদিন একটু লোডশেডিং দেয়।''' তখন ঐ যে পয়সা দিয়ে তেল কিনে জেনারেটর চালাতে হবে, তখন আবার আক্কেলটা ঠিক হবে!
**০৬ অক্টোবর ২০২৩।[https://www.youtube.com/watch?v=rILoMXDDsxM]
*জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে। সংবিধান সংশোধন করেছি। '''যা হবে সংবিধান মোতাবেক হবে। তা থেকে একচুলও নড়া হবে না, ব্যাস।'''
** তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে [https://www.bbc.com/bengali/news/2013/08/130818_sahasina সংবিধান থেকে একচুলও নড়বো না: শেখ হাসিনা] - বিবিসি বাংলা। ১৮ অগাস্ট ২০১৩
*“আমার ৭২ বছর বয়সের ৬০ বছরই কেটেছে রাজনীতিতে। স্কুল থেকে রাজনীতি শুরু করেছি এখনো অব্যাহত আছে। রাজনীতিতে কে কী করেছে অনেক ঘটনা চোখে দেখেছি"।
* “আমি নিজে নিয়মিত [[নামাজ]] পড়ি, কোরান থেকে তিলওয়াত করে দিনের কাজ শুরু করি। আমি জানি, নবী করিম বলেছেন, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করা যাবে না”।
* ডাক্তাররা রোগীকে মেরে ফেলতে চান না। রোগীর জন্য অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন{{fact}}
* বিরোধী দলে গেলে কখনও হরতাল করব না{{fact}}
* আমি চাই বাংলার মানুষের মুক্তি। শোষণের মুক্তি। বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য বঙ্গবন্ধু সংগ্রাম করেছিলেন। আজ যদি বাংলার মানুষের মুক্তি না আসে, তবে আমার কাছে মৃত্যুই শ্রেয়।
** ১৭ মে ১৯৮১। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর মানিক মিয়া এভিনিউতে আয়োজিত গণ-সংবর্ধনায়।
* সর্বস্তরের মানুষের দুর্ভোগের একটাই কারণ। সেটা হলো [[হত্যা]] ও ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা বদলের পালা। ষড়যন্ত্র ও হত্যার মাধ্যমে রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে যেভাবে ক্ষমতা বদল হচ্ছে তারই জন্য আজকে মানুষের এই দুর্ভোগ।
**১৪ অক্টোবর ১৯৮৪। শেরে বাংলা নগরে ১৫ দলের জাতীয় সমাবেশ।
* মাটি আর মানুষের সাথে রাজনীতিকে একাত্ম করতে হবে। সমাজের গভীর থেকে গভীরতর স্তরে পৌঁছুতে হবে। জনগণের বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে সততা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে।
**১ জানুয়ারি ১৯৮৭। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলের উদ্বোধনী অধিবেশন।
*আমি একটা কথাই বলব, এই মাটিতে হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিস্টান সকল ধর্মের মানুষের বসবাস থাকবে অর্থাৎ আমরা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বলে অন্য ধর্মকে অবহেলার চোখে দেখবো না।
**২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় শেখ হাসিনা এটি বলেছিলেন।[https://bangla.bdnews24.com/opinion/comment/64875]
* যারা অস্ত্রের ভাষা বুঝে, তারা মুক্তির ভাষা মানে না। অস্ত্রকে সম্বল করে যারা ক্ষমতায় আসে, তারা যুক্তি বুঝে না, যু্ক্তি তাদের কাছে বোধগম্য নয়।
**৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭। জাতীয় সংসদ।
*স্বাধীন, নিরপেক্ষ, গণমুখী ও বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যম গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত। আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি।
**২৫ এপ্রিল ১৯৯১। জাতীয় সংসদ।
* আওয়ামী লীগের আদর্শ জনকল্যাণমুখী এক শোষণমুক্ত উন্নত সমাজব্যবস্থা কায়েম করা। আমাদের মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ ও অর্থনৈতিক মুক্তি এবং স্বনির্ভর অর্থনীতি।
**১১ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিশেষ কাউন্সল অধিবেশন।
* আজ সেই সোনার বাংলা গড়ার দায়িত্ব এসেছে। এ দায়িত্ব শুধু আওয়ামী লীগের একার হতে পারে না। এ দেশ স্বাধীন করেছিলাম আমরা সবাই মিলে যেমন এক ভয়ঙ্কর দুঃসময়ে, ঠিক তেমনি আজ সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃসময়ে, ঠিক তেমনি আজ সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের শৃঙ্খল থেকে দেশকে মুক্ত করার আরেক সংগ্রামে আবার আমরা একসাথে নিঃশ্বাস নেব, এক প্রত্যয়কে অবলম্বন করব, এক লক্ষ্যে হব পথের সাথী।
** ২৪ জুন ১৯৯৬। জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ।
* গণতন্ত্রের জন্য স্বাধীনতার চেয়ে বড় কোনো ভিত্তি নেই এবং সভ্যসমাজের আইন ও বিধান ছাড়া গণতন্ত্রের কোনো নিশ্চয়তা নেই।
**১৯৯৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়।
* ন্যায় ও সত্যের পথ কঠিন পথ, এই কঠিন পথ আমি বেছে নিয়েছি
**২৮ জানুয়ারি ১৯৯৯। শান্তিনিকেতন।
* শান্তি একটি মৌলিক মানবাধিকার যাকে অর্জন, লালন, উন্নয়ন করতে হবে এবং সর্বদা ভবিষ্যতের জন্য এগিয়ে নিতে হবে।
** ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯। [[জাতিসংঘ]] সাধারণ পরিষদের ৫৪তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
* শান্তি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে জনগণের ক্ষমতায়ন অপরিহার্য। ন্যায়বিচার হচ্ছে এর ভিত্তি।
**২৭ সেপ্টেম্বর ২০১২। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৭তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
*এই অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ শ্রমিক। এখানে সাধারণ মানুষের সংখ্যাই বেশি। তাদের চিকিৎসার কষ্ট লাঘব করা এবং চিকিৎসাসেবা দেওয়া আমাদের কর্তব্য। তা ছাড়া এই এলাকায় উন্নতমানের হাসপাতালের সংখ্যা কম। সেই চিন্তা থেকেই এখানে এ হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিই। আমি অসুস্থ হলে আমাকে বিদেশে নিবেন না, আমি দেশের মাটিতেই চিকিৎসা নিব।
**৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬। ফজিলাতুন্নেসা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পর।{{fix cite}}
*দারিদ্র্যমুক্ত [[বাংলাদেশ]] গড়তে হলে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।{{fact}}
*সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য যোগ্যতা অর্জন কর।{{fact}}
*‘নিঃস্ব আমি রিক্ত আমি দেবার কিছু নেই, আছে শুধু ভালোবাসা দিয়ে গেলাম তাই’
**২৫ জুন, ২০২২। জাজিরা প্রান্তে পদ্মা ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে।
* বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার চেষ্টা করুন, এক পা ভারতে আর এক পা বাংলাদেশে রাখবেন না। বাঙালি হওয়ার চেষ্টা করুন, অর্পিত সম্পত্তি আইন বাতিল করব না।
** ১৯৯৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতাদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা।
*** "বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনাপঞ্জি ১৯৭১-২০১১"-মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন, প্রকাশকাল: অক্টোবর ২০১৩, পৃষ্ঠা: ১১৫
* [[ইসলাম]] শান্তিতে বিশ্বাস করে। ইসলাম ধর্মেই মানুষের অধিকারের কথা, মানুষের জীবন মান উন্নয়নের কথা বার বার বলা হয়েছে। অথচ মাঝে মাঝে অমরা যেটা দেখি; আমাদের ধর্মকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে কিছু কিছু মানুষ এই ধর্মের মান নিয়ে যখন কোনো সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে তখন সারা বিশ্বের কাছে আমাদের এই ধর্ম প্রশ্নবিদ্ধ হয়। শুধু প্রশ্নবিদ্ধই হয় না.. আমরা মুসলমানরা বাইরে গেল অনেক সময় অনেক সমস্যাও ভোগ করতে হয়। অথচ পবিত্র ইসলাম ধর্মই হচ্ছে সব থেকে শান্তিপূর্ণ ধর্ম। ইসলাম ধর্মেই আছে সকল ধর্মের মানুষ তার নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে স্বাধীনভাবে।
** ২০১৮ সালের ১১ জুলাই হজ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। [https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1517446.bdnews]
==শেখ হাসিনাকে নিয়ে উক্তি==
* মতিউর রহমান রেন্টুর বই পড়লেই বোঝা যাবে স্বৈরাচার-পলাতক হাসিনার মানসিক অবস্থা কেমন ছিল। সে একজন সাইকোপ্যাথ কিলার। তার দলের কর্মীরা মারা গেল কিনা সেটা নিয়ে তার মাথাব্যথা নেই।
** [[ববি হাজ্জাজ]], শহিদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মালিবাগে অবস্থিত এনডিএম ঢাকা মহানগর কার্যালয়ে ‘রুখে দাও আওয়ামী ফ্যাসিবাদ’ শীর্ষক [https://www.jugantor.com/politics-others/876887 এক আলোচনা সভায়] বলেছেন। যুগান্তর,১০ নভেম্বর ২০২৪,
* '''''এই তিনটি অভিযোগের জন্য, আমরা তাকে কেবল একটি সাজাই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তা হল মৃত্যুদণ্ড।'''''
** ১৪:৪৭-৪৯, ১৭ নভেম্বর ২০২৫, [[:w:গোলাম মর্তুজা মজুমদার|গোলাম মর্তুজা মজুমদার]], [[:w:আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ)|আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ)]][https://m.youtube.com/live/kwVfdPi6-_4?si=TxLPoa8Aa-6jX47N]
* [[সজীব ওয়াজেদ|সজীব ওয়াজেদ জয়]]কে ফায়ার করে চক্ষুটা খুলে হাতে পড়ুক, সে দেখুক, সন্তানের চক্ষু উপড়ে ফেললে মায়ের অন্তরে কী রক্তক্ষরণ হয়।
** [[ওসমান হাদি]], ২৭ নভেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/share/r/184SiTCfui/]
* প্রিয়-অপ্রিয়, পছন্দ-অপছন্দের:- প্রিয় খাদ্য: গরুর ভুড়ী; প্রিয় গান: [[:w:en:Janam (1985 film)|জিন্দেগি জিন্দেগি]] [https://m.youtube.com/watch?si=rsQh7pAszG8o2R6d&v=mUOnfmOilIQ&feature=youtu.be] ; প্রিয় ব্যক্তিত্ব: মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু; সবচাইতে বেশি লোভ: টাকার প্রতি; সবচাইতে অপছন্দের: নামাজী মানুষ; সবচাইতে স্বস্তি এবং আনন্দের: মানুষের লাশ; সবচেয়ে বেশি পটু: মিথ্যে বলায়।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ২০৮
* পিএস শাকিলের (মাহবুবুর রহমান শাকিল) এবং আরও অনেকের সঙ্গে হাসিনার অবৈধ যৌন সম্পর্ক ছিল। স্বয়ং আওয়ামী লীগের নিজের লোকেরাই গোপনে আমাকে এসব তথ্য ও প্রমাণ সরবরাহ করেছিল। আমি এই গোপন কথা ফাঁস করেছিলাম, এজন্যই আওয়ামী লীগ আমাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে গুম করেছিল। আমাকে বলা হয়েছিল, তুমি যদি এসব বন্ধ না করো, তাহলে তোমার সাথে কী করা হবে তা তুমি কল্পনাও করতে পারবে না। শুধু শেখ হাসিনা নয়; রাষ্ট্রপতি, বেনজির সহ আরও অনেকের অবৈধ যৌনাচারের প্রমাণ আমার কাছে ছিল। আর গনভবন ছিল অবৈধ যৌনাচারের কেন্দ্রবিন্দু। তারা পাথরের গলায় মালা দিয়ে একে অপরের সাথে কানেক্ট করতো, যাকে আমার ধর্মে বলা হয় শিরক। আওয়ামী লীগকে আমি ব্যভিচার ও যৌনাচারের একটি ইনস্টিটিউট বলে মনে করি। এটি যৌনাচারের একটি দল।
** শফিকুল ইসলাম কাজল, ১৫ আগস্ট ২০২৪ [https://m.youtube.com/watch?si=cISvclOzs6EhY5xk&v=ViXT9uBiC-g&feature=youtu.be] [https://m.youtube.com/watch?si=VDh8o4LXI0jE6tr_&v=GskzQAmEfqg&feature=youtu.be]
* খেলা: জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজেকে একজন বড় খেলোয়াড় মনে করেন। তিনি মনে করেন, তিনি দুনিয়ার সবচাইতে দক্ষ খেলোয়াড় এবং তার মতো খেলোয়াড়ের সারা বিশ্বে জুড়ি নেই। তিনি খেলতে ভালবাসেন। বলতে গেলে খেলাই তার একমাত্র কাজ। তিনি সকলের সাথেই খেলেন। জনতার সাথে খেলেন। রাজনৈতিক নেতাদের সাথে খেলেন। নিজেদের দলের কর্মীদের সাথে খেলেন। স্বামীর সাথে খেলেন। আত্মীয়স্বজনের সাথেও খেলেন, তবে কম খেলেন। নিজের বোনের সাথে খেলেন, তবে পেরে ওঠেন না, ধরা পরে হেরে যান। ছেলে-মেয়ের সাথে খেলতে গিয়ে প্রচণ্ড মার খেয়ে যান। জননেত্রী শেখ হাসিনা মনে করেন তার মতো এতো বড় খেলোয়াড় আর নেই এবং তিনি যে খেলা খেলেন, এ খেলা ধরা বা বোঝার শক্তি কারো নেই। পৃথিবীর কেউই তার খেলা ধরতে পারবে না। বুঝতে পারবে না। এ খেলায় তিনি অনন্যা, অদ্বিতীয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যে খেলা খেলেন, সে খেলার নাম হচ্ছে, প্রতারণার খেলা। তিনি সকলের সাথেই প্রতারণার খেলা খেলেন।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ১২৮
* ক্ষমতায় থাকাকালে ফ্যাসিবাদের সব বৈশিষ্ট্যই দেখিয়েছে আওয়ামী লীগ। তাই নিকট ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করলে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট পার্টি আওয়ামী লীগের কোনো জায়গা নেই।
** [[মুহাম্মদ ইউনূস]], ৩০ অক্টোবর ২০২৪, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে [https://jamuna.tv/news/572999]
* বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রথম নির্দেশ মেরে ফেলো। মেরে লাশ ফেলে দাও। আওয়ামী লীগের কোনো নেতা, কর্মী কিংবা সমর্থক কথা প্রসঙ্গেও যদি বলে প্রশাসনের অথবা অন্য রাজনৈতিক দলের অমুক আমাদের বিপক্ষের, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রথমেই যে নির্দেশ বা আদেশ দেন তাহলো মেরে ফেলো, মেরে ফেলে দাও। আমি হুকুম দিলাম খুন করে ফেলো। যদি কোন কারণে উক্ত ব্যক্তিকে হত্যা করা না যায় তাহলে বলবেন, ঘুষ দাও, টাকা দাও। টাকা দিয়ে ওকে আমাদের পক্ষে নিয়ে আসো। ১৯৯৫ সালে মাওয়া রোড দিয়ে টুঙ্গিপাড়ায় যাওয়ার সময় ফেরিতে ৩০/৪০ বছর আগে দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে চলে যাওয়া, যুক্তরাজ্যের নাগরিক শেখ হাসিনা সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত শিল্প ঋণ সংস্থার পরিচালক প্রফেসর আবুল আসেম তার নিজ থানা নবাবগঞ্জ সম্পর্কে বললেন, নবাবগঞ্জে (ঢাকা জেলার) আওয়ামী লীগের প্রার্থী দেয়া না দেয়া সমান কথা। নবাবগঞ্জের মানুষ আওয়ামী লীগকে পছন্দ করে না, ভোটও দেয় না। এ কথা শুনে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বললেন, রাতের অন্ধকারে ঘরে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেন। আগুন লাগিয়ে ওদের পুরিয়ে মেরে ফেলেন।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ২০৮-২০৯
* ১৯৮১ সালের ২৩শে এবং ২৪শে মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসটি'র তিন তলায় সেমিনার কক্ষে '৭১ ও '৭৫ যোদ্ধাদের এবং সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সদস্যদের গোপন ও জরুরী বৈঠক বসে। এই বৈঠকে কর্নেল শওকত আলী (বর্তমানে আওয়ামী লীগের এমপি, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী) মুক্তিযোদ্ধা রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে হত্যার পরিকল্পনা এবং হত্যাকালীন ও হত্যা পরবর্তী সময়ে করণীয় সম্পর্কে অবহিত করেন। কর্নেল শওকত আলী বলেন, জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামে গেলে চট্টগ্রামের জিওসি মেজর জেনারেল মঞ্জুর বীর উত্তম-এর নেতৃত্বে জিয়াকে হত্যা করা হবে এবং এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে সভানেত্রী শেখ হাসিনা অবহিত আছেন। সভানেত্রী আমাদেরকে এই হত্যাকাণ্ডে সহায়তা ও ভূমিকা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা মাত্র কয়েক দিন হলো দেশে এসেছেন, এর মধ্যেই তিনি এমন একটি নির্দেশ কীভাবে দিতে পারেন? প্রশ্ন করা হলে কর্নেল শওকত আলী বলেন, শেখ হাসিনা দেশের বাইরে (ভারত) থাকতেই এ বিষয়ে অবহিত আছেন।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ৭৭
* তারপর মেয়র হানিফকে বঙ্গবন্ধু ভবনের অফিস কক্ষে এনে শেখ হাসিনা বললেন, এই মিষ্টি আনো, মিষ্টি আনো, হানিফ ভাইকে মিষ্টি খাওয়াও। মিষ্টি খেতে খেতে বঙ্গবন্ধু কন্যা বললেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন মহানায়ক, আর আপনি হলেন নায়ক। নায়ক না হলে কি চলে? সারা দেশ, জাতি এখন তাকিয়ে আছে নায়কের দিকে। মানে আপনার দিকে। নগরবাসী তাকিয়ে আছে আপনার দিকে। আমি এই পর্যন্ত এনে দিয়েছি, এখন আপনি ফিনিশিং দেন। এখন আপনার পালা। আপনি নায়ক, আপনার হাতেই সব। আমার হাতে আর কিছু নেই। আমার যা ছিল সব আমি করেছি। আপনি মেয়র, আপনিই নায়ক, এখন আপনি ফিনিশিং গোল করেন। আপনি ছাড়া ফিনিশিং হবে না। আপনার হাতেই ফিনিশিং হবে বলেই খেলা এখনও বাকি আছে। আপনারাই তো বঙ্গবন্ধুকে শেখ মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু বানিয়েছেন। আপনারা যদি সেদিন আমার পিতাকে আশ্রয় না দিতেন, সাহায্য-সহযোগিতা না করতেন তাহলে কি আমার পিতা শেখ মুজিব থেকে জাতির পিতা হতে পারতেন? এই আপনারা ঢাকার মানুষেরা বানিয়েছেন। আজ আমি তার মেয়ে, আমাকে যদি আপনি সাহায্য না করেন আমি কি করে বড় হবো? আমার ভাইয়েরা কেউ বেঁচে নেই। আপনিই আমার ভাই। আমি আপনার বোন। আমাকে আপনি সহযোগিতা করেন। আমি কখনোই আপনার কথা ভুলব না। আপনাকে ছাড়া চলব না। ঢাকার মেয়র মোহাম্মদ হানিফ বলল, হ্যাঁ নেত্রী, আমাকে এক মাস সময় দেন, আমি খালেদা জিয়াকে ফেলে দেব। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বললেন, না, না, একমাস সময় দেওয়া যাবে না। আপনি পনের দিনের মধ্যেই ফেলে দেন।এই বৈঠকেই ঠিক হল প্রেসক্লাবের সামনে স্থায়ী মঞ্চ তৈরী করে এখান থেকেই যতক্ষণ বেগম খালেদা জিয়ার পতন না হয়, দিন-রাত ২৪ ঘন্টা স্থায়ী ভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার। পরবর্তী সময়ে নাট্যশিল্পী ও টিভির খবর পাঠক রামেন্দু মজুমদার ও নাট্যশিল্পী পিযুষ বন্দোপাধ্যায় এই মঞ্চের নাম দেন জনতার মঞ্চ। প্রেসক্লাবের সামনের এবং সচিবালয়ের উত্তরের তোপখানা রোডের পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত অর্থাৎ পল্টনের মোড় থেকে হাইকোর্ট পর্যন্ত রাস্তা সম্পূর্ণ বন্ধ করে রাস্তার মাঝখানে বিশাল মঞ্চ তৈরী করে প্রতিদিন চলতে থাকলো গান-বাজনা, বক্তৃতা, আবৃত্তি ইত্যাদি। এক পর্যায়ে এই মঞ্চে এসে যোগ দিল সচিবালয়ের কিছুসংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী। এ সবই চলতে লাগল ঢাকার মেয়র শেখ হাসিনার ভাষায় নায়ক ও আগামী দিনের এল জি আর ডি মন্ত্রী মোহাম্মদ হানিফের নেতৃত্বে।
** মতিউর রহমান রেন্টু, [https://xeroxtree.com/pdf/amar_fasi_cai.pdf আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ৮৮]
*এটা খুবই আনন্দের বিষয় যে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী একজন নারী হওয়া সত্ত্বেও তিনি প্রকাশ্যে বলছেন যে সন্ত্রাসের প্রতি তার জিরো টলারেন্স আছে। হুমকি মোকাবেলায় দৃঢ়তার জন্য আমি শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাতে চাই।
** [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে]] ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী [[নরেন্দ্র মোদি]]।<ref>https://economictimes.indiatimes.com/news/politics-and-nation/pm-narendra-modi-draws-flak-for-despite-being-a-woman-remark-on-sheikh-hasina/articleshow/47588959.cms</ref> (জুন ০৮, ২০১৫)
* শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা গণভবন থেকে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। শেখ হাসিনা যাওয়ার আগে একটি ভাষণ রেকর্ড করে যেতে চেয়েছিলেন। তিনি সে সুযোগ পাননি।
** বার্তা সংস্থা এএফপি, ৫ আগস্ট ২০২৪, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dn4yfsve75]
*শেখ হাসিনা তো তখন খুবই ছোটো,তার সাথে তেমন একটা ইন্টারেকশন ছিল না। বিয়া হইয়া গেসে ওয়াজেদের সাথে। কিন্তু আমি দেখতাম যে প্রত্যেকদিন রাত্রেই মাইর খাইতে খাইতে আইতো...বেগম মুজিব খাওয়াইয়া টাওয়াইয়া আবার ফেরত পাঠায় দিত।
** ৫ জানুয়ারি ২০২৫-এ ইলিয়াস হোসাইনের ইউটিউব চ্যানেলে [https://www.youtube.com/watch?v=UFMuU-9w4jM&t লাইভ সাক্ষাৎকারে] [[শরিফুল হক ডালিম|মেজর ডালিম]]।
* আপনজন হারানোর বেদনা যে কত কষ্টের তা আমার চেয়ে আর কে ভালো জানে, বলোনা মোদি, তুমি বলোনা, বলোনা কাদের, তুমি বলোনা। মেট্রোরেলের মনিটর ভাঙার ক্ষতি, ক্ষমতা হারানোর গভীর ব্যথা, আরো মানুষ মেরে তুলব ভয়, কিন্তু আর পারছি না এ পথ ধরতে। শাড়ি বঙ্গভবন সব গেছে হাতছাড়া, আমার বুকে জমেছে কত আর্তনাদ, ক্ষমতা হারানোর কষ্ট বুকে চেপে আমি কি আর হাসতে পারি? ক্ষমতার মসনদ আজ অধরা, আমার ব্যথা কে করবে সান্তনা, শান্তির খোঁজে ক্ষমতার আশায় আমার মনে জমে কত ব্যথা।
** ১৭ আগস্ট ২০২৪, শেখ হাসিনার শোকবার্তা "আপনজন হারানোর বেদনা যে কত কষ্টের তা আমার চেয়ে আর কে ভালো জানে" কে উপহাস করে একটি অপেশাদার এআই প্রযুক্তিতে কাল্পনিক গান তৈরি করা হয় যা ফেসবুকে রাজিব জাহান ফেরদৌস নামে একটি পাতায় প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলাদেশে ভাইরাল হয় [https://m.facebook.com/story.php/?story_fbid=10162501584503338&id=670593337]
* ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য কাতান শাড়ি পরে সেজেগুজে বসেছিলেন। তিনি অপেক্ষা করছিলেন, বলছিলেন, আয় সন্ত্রাসী, আয় বাকশালি খুন করিতে যাই, লাশের মালা গলায় দিয়ে শপথ নিতে যাই।’
** "রেহানা আক্তার রানু" ২৩ জুন ২০১৩ জাতীয় সংসদ ভবণে রক্তপিপাসু এই সরকারের পতন চাই’ বলে তাঁর বক্তব্য শুরু করে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%85%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6 প্রথমআলো] বলেন
* ১৯৮৭ সালে [[:w:সরকারি হরগঙ্গা কলেজ|মুন্সিগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজ]] ছাত্র সংসদের ভিপি তরুণ যুবক [[:w:মৃণাল কান্তি দাস|মৃণাল কান্তি দাসের]] সাথে শেখ হাসিনার পরিচয় হয়। এবং পরিচয়ের পর থেকে মৃণাল কান্তি দাস [[:w:জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর|বত্রিশ নাম্বারে বঙ্গবন্ধু ভবনে]] থাকতে শুরু করেন। শেখ হাসিনা তখন ঐ বাড়িতেই থাকতেন। গভীর রাত পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু ভবনের লাইব্রেরি কক্ষে ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে মৃণাল কান্তি দাস আর শেখ হাসিনার কুটকুট করে কথা বলতেন এবং খিলখিল করে হাসতেন। শেখ হাসিনার কাছে মৃনালের গ্রহণযোগ্যতা এতটাই বেড়ে গেল যে তা সকলের ঈর্ষার কারণ হয়ে দাড়ালো। মৃণাল হয়ে উঠলো শেখ হাসিনার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি! তার ক্ষমতা এতটাই বেড়ে গেল যে, ১৯৯০ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির জেনারেল সেক্রেটারী [[:w:সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী|সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী]]কে অপমান-অপদস্ত করে বঙ্গবন্ধু ভবন থেকে বের করে দিলেন। একদিন বঙ্গবন্ধু ভবনে মৃণাল সহ চারজন তাস খেলছে। বেলা তখন তিনটা-সাড়ে তিনটা। এমন সময় শেখ হাসিনার একমাত্র আপন মামা আকরাম মামু এসে কুভঙ্গিতে কুইঙ্গিত করে বললেন, “এই মৃণাল যাওনা, তোমার জন্য না খেয়ে বসে আছে!” মৃণাল তার বন্ধুদের সামনে তার ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য জবাব দিল “ আরে থাক, থাকতে দেন কিছুক্ষণ না খেয়ে!” একদিন মৃণাল শেখ হাসিনার উপর রাগ করে চলে গেল। শেখ হাসিনা নিজে গিয়ে রাগ ভাঙ্গিয়ে মৃনাল কান্তি দাসকে বংগবন্ধু ভবনে নিয়ে এলেন। [[:w:পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ১৯৯১|১৯৯১ সালে শেখ হাসিনা নির্বাচনে হারার]] পর মৃণাল বিভিন্ন অসন্তুস্টির কারণে শেখ হাসিনাকে ছেড়ে চলে যায়। শেখ হাসিনা নিজে তিনবার মৃণালকে ফিরিয়ে আনতে যান কিন্তু সে ফিরে আসেনা। বরং শেখ হাসিনার সাথে তার দৈহিক সম্পর্কের কথা প্রচার করতে থাকে। কথায় কথায় মৃণাল হাসতে হাসতে বলতে থাকে, শেখ হাসিনা সাথে তার সম্পর্ক অনেক গভীর!
** মতিউর রহমান রেন্টু, "[[w:আমার ফাঁসি চাই|আমার ফাঁসি চাই]]", ২৬ মার্চ ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ১২৫-১২৭
* মাননীয় স্পিকার, যিনি আমাদের নেত্রীর ('''[[:w:খালেদা জিয়া|খালেদা জিয়া]]''') পরিবার নিয়ে এখানে কুৎসা রটনা করেছেন... (''সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া: (পাশে বসা অবস্থায় সরকার দলীয় (আওয়ামী লীগের) দাড়িয়ে যাওয়া উত্তেজিত সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে উচু গলায়) বসেন বসেন... অনেক বাড়াবাড়ি করেছেন..'') তিনি পলিটিক্যাল প্রস্টিটিউট মাননীয় স্পিকার। কলিকাতা সিভিল কোর্টের উকিল মি: চন্ডিদাস। তার এক মেয়ে ছিল যারনাম গৌরিবালা দাস। (''সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে উত্তেজিত শোরগোল'') চন্ডিদাসের সহকারী উকিল মি: অরণ্য কুমার চক্রবর্তী চন্ডিদাসের কলিকাতাস্থ বাসায় (''সৈয়দা পাপিয়া: (পাশ থেকে) পড়তে থাক.. হ্যা'') নিয়মিত যাতায়াত করত। এই সুযোগে গৌরিবালার সাথে অরণ্য কুমার চক্রবর্তীর অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠে। (''সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া: পড়তে থাক..'') গৌরিবালা গর্ভবর্তী হয়ে পড়েন। (''পানি খেয়ে নেন) (সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া: পড়তে থাক পড়তে থাক..পড়তে থা-ক) (সরকারদলীয় সদস্যরা আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠেন'') গৌরিবালা যখন বুঝতে পারলেন যে তিনি গর্ভবতী হয়েছেন তখন গৌরিবালা অরণ্য কুমারকে তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেয়। অরণ্য কুমার এতে রাজী না হয়ে অবৈধ সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন। এদিকে চন্ডিদাস বিষয়টি জানার জন্য চিন্তিত হয়ে পড়েন। এরই মধ্যে গৌরিবালা ১২/১২/১৯২০ ইং তারিখে একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেন। তার নাম রাখা হয় দেবদাস চক্রবর্তী। (''সৈয়দা পাপিয়া: (পাশ থেকে চিৎকার দিয়ে সমর্থন দিয়ে) ইয়োওওওও...(টেবিল চাপড়াতে থাকেন।)'') চন্ডিদাস অরণ্য কুমার চক্রবর্তীকে গৌরিবালাকে উঠিয়ে নেয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে, (''সৈয়দা পাপিয়া: (টেবিল চাপড়িয়ে সমর্থন দিয়ে) পড়তে থাক, পড়তে থাক...পড়তে থাকুন, ধরতে থাকুন...বাদ যাইসই না...হ্যা'') কিন্তু অরণ্য কুমার রাজি হন না। এরই মধ্যে দেবদাসের বয়স ২ বছরে উন্নীত হয়। চন্ডিদাস হতাশাগ্রস্থ হয়ে পরেন এবং ভীষণ ভাবে অসুস্থতা বোধ করেন। দেবদাসের (''শিরীন শারমিন চৌধুরী:(সরকারদলীয় উত্তেজিত সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে) মাননীয় সদস্যবৃন্দ আপনারা একটু শান্ত হন..(রেহানা আক্তার রানুকে উদ্দেশ্য করে) মাননীয় সদস্য'') বয়স যখন ৩ বছর তখন দেবদাসের মহুরী [[:w:শেখ লুৎফুর রহমান|শেখ লুৎফুর রহমান]] (শেখ হাসিনার পিতামহ) গৌরিবালাকে বিয়ে করেন... (''মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়) (শিরীন শারমিন চৌধুরী: মাননীয় সদস্য আমি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, মাননীয় সদস্যবৃন্দ আপনারা বসুন সবাই বসুন বসুন। মাননীয় সদস্য আমি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় সদস্য, আপনি ২৭০ বিধি অনুসরণে বাজেটের উপর বক্তব্য দিন। মাননীয় সদস্য। উনাকে মাইক দিন'') ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার, আপনি আমাকে বাজেটের উপর বক্তব্য দিতে বলেছেন। কিন্তু গত বিশ তারিখে যে বক্তৃতা দেওয়া হয়েছে আমি আপনার কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই এটা কি বাজেট বক্তৃতা ছিল?
** '''[[:w:রেহানা আক্তার রানু|রেহানা আক্তার রানু]]''', ২৩ জুন ২০১৩ সংসদে [https://m.youtube.com/watch?si=mls9GFkwrVJBBRJG&v=HV0Wvz_FX-s&feature=youtu.be] [https://www.facebook.com/story.php/?story_fbid=482930561368984&id=100089561311827]
* পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ঘটনায় সহযোগিতা করেছেন নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ আওয়ামী লীগের বেশ কিছু নেতা।
** আবদুল মতিন, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.), ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ [https://www.kalerkantho.com/print-edition/news/2024/09/06/1422565]
* কুত্তার জাত: মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বর্তমান এলজিআরডি মন্ত্রী জিল্লুর রহমান-এর স্ত্রী, আই ভি রহমান ১৯৯২ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে জনৈক মহিলার নাম উল্লেখ করে বললেন, নেত্রী ওর নামে অনেক স্ক্যান্ডেল আছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা সঙ্গে সঙ্গে বললেন, কি, বেশ্যা এই তো? কুত্তার (কুকুরের) জাতকে তো বেশ্যা দিয়েই নেতৃত্ব দেয়াবো। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার মুখে এই কথা শোনার পর আইভি রহমান 'থ' হয়ে যান। আর একটি কথাও না বাড়িয়ে বিদায় নেন।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ১২৩
* দশ টাকায় শেখ মুজিবের ছবি: এক শুক্রবার সকালে অর্থমন্ত্রী কিবরিয়ার পি এস ডঃ পারভেজ, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে এসে দশ টাকায় শেখ মুজিবের ছবির লেআউট ডিজাইনের খসড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখান। নতুন এই দশ টাকার লেআউট ডিজাইনের খসড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৌখিকভাবে অনুমোদন করে দিলে তবেই তা ছেপে নতুন দশ টাকার নোট হিসেবে বাজারে ছাড়া হবে। এই দশ টাকার খসড়া লেআউট ডিজাইনের উপরে ছিল আল্লাহর ঘর মসজিদের ছবি এবং পিছনে ছিল শেখ হাসিনার পিতা শেখ মুজিবের ছবি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লেআউট ডিজাইনে খসড়াটি দেখে অর্থ মন্ত্রীর পিএস ডঃ পারভেজকে ক্ষিপ্ত হয়ে বলে উঠলেন, একি! জাতির পিতার ছবি পিছনে কেন? অর্থমন্ত্রীর পি এস ডঃ পারভেজ কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে বললেন, বাজারে চালু বর্তমান দশ টাকার নোটের উপরে মসজিদের ছবি আছে। ধর্মীয় অনুভূতির কথা বিবেচনা করে উপরের মসজিদ এর ছবিটা ঠিক রেখে, পিছনে জাতির পিতার ছবি দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাগান্বিত কণ্ঠে বললেন, ওসব মসজিদ-টসজিদ বুঝি না, জাতির পিতার ছবি উপরে দিয়ে নতুন দশ টাকার নোট ছেপে বাজারে ছাড়বেন। আমার বাবা যে জাতির পিতা এটা শয়তানের জাতকে গিলাতে হবে। এরপর অন্য আর একদিন ডঃ পারভেজ শেখ মুজিবের ছবি উপরে এবং মসজিদের ছবি পিছনে দিয়ে করা লেআউট ডিজাইন নিয়ে এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা দেখেন ও খুশি হন এবং মৌখিক অনুমোদন করে দেন। বর্তমানে বাজারে শেখ মুজিবের ছবি সম্বলিত যে নতুন দশ টাকার নোট রয়েছে এটা সেটা।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ১১৯
* মসজিদ সরিয়ে ফেলুন: ১৯৮৬ সালের শুরু থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আবার ছাত্র আন্দোলনের জন্য নতুন করে তাগিদ দিতে থাকলেন। বহু চাপাচাপি, ধমকাধমকি এবং তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও যখন আন্দোলনের বিন্দুবিসর্গও হলো না তখন তিনি রেগে মে মাসের মাঝামাঝি তার জন্মভূমি এবং পিতার বাড়ি টুঙ্গিপাড়ায় চলে গেলেন এবং বেশ কিছুদিন টুঙ্গিপাড়ায় থাকলেন। এরই মধ্যে একদিন শেখ বাড়ির (শেখ হাসিনার নিজের বাড়ির) কিছু মুরব্বীসহ টুঙ্গিপাড়া গ্রামের ২০/৩০ জন মুরব্বী এসে শেখ হাসিনার অংশের একটি নারিকেল গাছ দ্বারা শেখ বাড়ির অন্য শরীকের জায়গায় নির্মিত মসজিদটি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে জানিয়ে সেই নারিকেল গাছটি কেটে ফেলার প্রস্তাব করলে, শেখ হাসিনা সরাসরি বলে দেন আমার নারিকেল গাছ কাটা হবে না। দরকার হলে মসজিদ সরিয়ে ফেলেন। তখন সকল মুরব্বী পবিত্র কুরআন পাকে মসজিদ সরানো নিষেধ আছে বলে মসজিদের দেয়াল ও স্থান ঘেঁষে থাকা শেখ হাসিনার জায়গায় অবস্থিত নারিকেল গাছটি কেটে ফেলার জন্য বারবার অনুনয়-বিনয় করতে থাকে। তখন শেখ হাসিনা বলেন, এই মসজিদ বন্ধ করে দেন। আমি আরো বড় মসজিদ বানিয়ে দেবো। মুরব্বীরা বলেন, একটু বাতাস হলেই নারিকেল গাছটি মসজিদের গায়ে এবং ছাদে লাগতে থাকে। এইভাবে চললে মসজিদের ছাদ এবং দেয়াল অচিরেই ভেঙ্গে যাবে। শেখ হাসিনা বলেন, ভেঙ্গে যায় যাক্, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আপনারা লক্ষ বছর কান্নাকাটি করলেও নারিকেল গাছ কাটব না।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৯৪ (এই অংশটি বইটির কিছু সংস্করণে উহ্য রাখা হয়েছে)
* আন্দোলন আন্দোলন খেলা: স্বৈরাচারী জেনারেল এরশাদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রেখে, বেগম খালেদা জিয়া একক আন্দোলন করলে কাঙ্খিত ফল আসবে না ভেবে, মটর সাইকেল আরোহী আন্দোলনের আন্তরিকতার বিষয়ে প্রশ্ন করলে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা জবাব দেন, "আমি (শেখ হাসিনা) আছি ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) পিছনে পিছনে। ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) যে কর্মসূচী দেবে, আমিও (শেখ হাসিনা) সেই কর্মসূচী দেব। যাতে মনে হয় আমি (শেখ হাসিনা) ও আন্দোলনে আছি। আন্দোলন সফল করে তোলার প্রশ্নে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বলিষ্ঠ ভূমিকা বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কর্মীদের বলে দেবে তারা যেন আন্দোলন আন্দোলন খেলা করে, কিন্তু আন্দোলন যেন না করে। অর্থাৎ আন্দোলনের সাথে থেকে আন্দোলনের পিঠে ছুরি মারতে হবে। ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) ব্যর্থ করে করে ঘরে বসিয়ে দিতে হবে, আর যাতে রাজনীতির নাম না নেয়। জনগণ এবং আওয়ামী লীগের মাঠকর্মীরা এরশাদ পতনের আন্দোলনের জন্য এতই উদগ্রীব যে, আন্দোলন প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তারা (আওয়ামী লীগ কর্মীরা) আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে থাকে। যখন আওয়ামী লীগের কর্মীদের কাছে জননেত্রী শেখ হাসিনার আন্দোলন না করার গোপন নির্দেশ পৌঁছানো হলো, তখন আওয়ামী লীগ কর্মীরা সভানেত্রী শেখ হাসিনার মুখ থেকে সরাসরি এই নির্দেশ শুনতে চাইলো। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার পক্ষে সরাসরি এই নির্দেশ দেওয়া সম্ভব হলো না। ফলে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে থাকলেন বেগম খালেদা জিয়া আর জীবন দিতে থাকলো নূর হোসেনসহ আওয়ামী লীগ কর্মীরা।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৫৭-৫৮
* দেশদ্রোহী অসভ্য বাহিনী: ৩রা মে ১৯৮৪ এর এক পড়ন্ত বিকেলে ধানমণ্ডি বঙ্গবন্ধু ভবনে বসে গল্প করছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ কয়েক জন। গল্পে গল্পে ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও পাকিস্তানী সেনাবাহিনী প্রসঙ্গ উঠলো। প্রসঙ্গ উঠলো '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে গড়ে ওঠা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কথা। জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পর্কে বললেন, এটা একটা সেনাবাহিনী হলো? এটা একটা বর্বর, নরপিশাচ, উচ্ছৃঙ্খল, লোভী, বেয়াদব বাহিনী। এই বাহিনীর আনুগত্য নেই, শৃঙ্খলা নেই, মানবিকতা নেই, মান্যগণ্য নেই, নেই দেশপ্রেম। এটা একটা দেশদ্রোহী অসভ্য হায়েনার বাহিনী। তোমরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কথা বল। সারা বিশ্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মতো এত ভদ্র, নম্র, সভ্য, বিনয়ী এবং আনুগত্যশীল বাহিনী খুঁজে পাওয়া যাবে না। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মানবিকতা বোধের কোন তুলনাই চলে না। কি অসম্ভব সভ্য আর নম্র তারা! পঁচিশে মার্চ রাতে তারা (পাকিস্তান আর্মি) এলো, এসে আব্বাকে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব) সেলুট করলো, মাকে সেলুট করলো, আমাকেও সেলুট করলো। সেলুট করে তারা বলল, স্যার আমরা এসেছি শুধু আপনাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য। অন্য কোন কিছুর জন্য নয়। আপনারা যখন খুশি, যেখানে খুশি যেতে পারবেন। যে কেউ আপনার এখানে আসতে পারবে। আমরা শুধু আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো। আপনারা বাইরে গেলে আপনাদের নিরাপত্তার জন্য আমরা আপনাদের সঙ্গে যাবো। কেউ আপনাদের এখানে এলে আমরা তাকে ভালভাবে তল্লাশি করে তারপর ঢুকতে দিব। এসবই করা হবে আপনাদের নিরাপত্তার জন্য। সত্যিই পাকিস্তানী সেনাবাহিনী যা করেছে তা সম্পূর্ণ আমাদের নিরাপত্তার জন্যই করেছে। ২৬শে মার্চ দুপুরে আব্বাকে (শেখ মুজিব) যখন পাকিস্তানী আর্মিরা নিয়ে যায়, তখন জেনারেল টিক্কা খান নিজে এসে আব্বাকে ও মাকে সেলুট দিয়ে, আদবের সাথে দাঁড়িয়ে বিনয়ের সাথে (শেখ মুজিবকে) বলে, স্যার আপনাকে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান আলোচনার জন্য নিয়ে যেতে বলেছেন। আমি আপনাকে নিয়ে যেতে এসেছি। আপনাকে নেওয়ার জন্য বিশেষ বিমান তৈরি (স্পেশাল ফ্লাইট রেডি) আপনি তৈরি হয়ে নেন এবং আপনি ইচ্ছে করলে ম্যাডাম (বেগম মুজিব) সহ যে কাউকে সঙ্গে নিতে পারেন। আব্বা-মা'র সঙ্গে আলোচনা করে একাই গেলেন। পাকিস্তান আর্মি যতদিন ডিউটি করেছে এসেই প্রথমে সেলুট দিয়েছে। শুধু তাই নয়, আমার দাদীর সামান্য জ্বর হলে পাকিস্তানীরা হেলিকপ্টার করে টুঙ্গিপাড়া থেকে দাদীকে ঢাকা এনে পি জি হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছে। জয় (শেখ হাসিনার ছেলে) তখন পেটে, আমাকে প্রতি সপ্তাহে সি এম এইচ (সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে) নিয়ে চেকআপ করাতো। জয় হওয়ার একমাস আগে আমাকে সি এম এইচ-এ ভর্তি করিয়েছে। '৭১ সালে জয়' জন্ম হওয়ার পর পাকিস্তান আর্মিরা খুশিতে মিষ্টি বাঁটোয়ারা করেছে এবং জয় হওয়ার সমস্ত খরচ পাকিস্তানীরাই বহন করেছে। আমরা যেখানে খুশি যেতাম। পাকিস্তানীরা দু'টি জীপ করে আমাদের সাথে যেতো। নিরাপত্তার জন্য পাহারা দিত। আর বাংলাদেশের আর্মিরা! জানোয়ারের দল, অমানুষের দল এই অমানুষ জানোয়ারেরা আমার বাবা-মা, ভাই সবাইকে মেরেছ-এদের যেন ধ্বংস হয়।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৫৩-৫৪
* শেখ হাসিনা ও গোলাম আযমের ২য় বৈঠক: ৩০শে জানুয়ারী ১৯৯৪ ঢাকা সিটি করপোরেশন-এর মেয়র ও কমিশনার নির্বাচন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগ ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফকে ঢাকার মেয়র পদে মনোনয়ন দিয়েছে। তোড়জোড়ে নির্বাচনী প্রচার-প্রপাগান্ডা এগিয়ে চলছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে দলের সকল নেতা-কর্মীই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে মেয়র পদে মাছ মার্কায় হানিফের জন্য ভোট চাইছে। অধিক রাত পর্যন্ত চলছে মিছিল এবং নির্বাচনী জনসভা। প্রতিটি পাড়া-মহল্লা, অলি-গলিতে চলছে মেয়র কমিশনার নির্বাচনের কাজ। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামাত, কমিউনিস্ট পার্টিসহ সকল রাজনৈতিক দল নির্বাচনী কাজে ভীষণ ব্যস্ত। ঢাকায় টানটান নির্বাচনী উত্তেজনা। নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। ২৫শে জানুয়ারী সন্ধ্যা বেলায় ধানমন্ডি ৮/এ রোডে বঙ্গবন্ধুর চাচাতো ভাই শেখ হাফিজুর রহমান টোকনের বাসায় (শেখ হাফিজুর রহমান টোকন বর্তমানে বঙ্গবন্ধু যাদুঘরের মহাসচিব) '৭১-এর যুদ্ধাপরাধী জামাত নেতা ঘাতক গোলাম আযমের সাথে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দ্বিতীয় বৈঠক হয়। এই বৈঠকে ঘাতক গোলাম আযম মেয়র নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন না দেওয়ার আশ্বাস দিলে শেখ হাসিনাও রাজনীতিতে জামাতকে আক্রমণ না করার আশ্বাস দেন।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৬৮
* রুমালে গ্লিসারিন: পরদিন সকালে লালবাগে নিহত সাত জনের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে দেখতে যাওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু কন্যা হাসিনা বলতে থাকেন, আমার (শেখ হাসিনা) রুমালে একটু গ্লিসারিন মেখে দাও, ঐ যে, নায়িকারা অভিনয়ের সময় গ্লিসারিন দিয়ে চোখের পানি বের করে কান্নার অভিনয় করে। আমার রুমালে ঐ রকমের গ্লিসারিন লাগিয়ে দাও, যাতে আমি লাশ দেখে রুমাল ধরতেই চোখে পানি এসে যায়। একজন বলল, গ্লিসারিনের দরকার নেই, শুধু চোখে রুমাল ধরে রাখবেন তাতেই মনে হবে আপনি কাঁদছেন। আর আমরা ফটো সাংবাদিক (ফটো সাংবাদিক) ভাইদের বলে দেব ছবির নীচে আপনি কাঁদছেন ক্যাপশন লাগিয়ে দিতে। হাসপাতালের মর্গে নিহত সাত জনের লাশ দেখে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা চোখে রুমাল ধরলে সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিকগণ অসংখ্য ছবি তুলতো। ছবি তোলা শেষে বঙ্গবন্ধু কন্যা গাড়িতে। উঠলেন। গাড়ি চলতে শুরু করলো। তখনও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার চোখে রুমাল। গাড়ির চালক ড্রাইভার জালাল বলল, আপা (শেখ হাসিনা) এখন রুমাল নামান ফটো সাংবাদিক নেই। গাড়ির সকল আরোহী হেসে উঠলো। জননেত্রী শেখ হাসিনা বললেন, ঠিক মতো দেখেছ তো, কোন ফটো সাংবাদিক নেই তো? না, নেই। তাহলে আমি (শেখ হাসিনা) এবার রুমাল নামাই।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৭১-৭২
* আজ আমি বেশি খাব: ২৯ নং মিন্টু রোডের বাসায় এসে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বললেন, ময়না (মিসেস মতিযুর রহমান রেন্টু) খাওয়া-দাওয়া বেশি করে এনেছ তো? লাশ দেখে এসেছি, লাশ। আজ আমি বেশি করে খাব। তারপর তিনি জিন্দেগী জিন্দেগী গাইতে গাইতে, নাচতে লাগলেন। সত্যি সত্যিই তিনি (শেখ হাসিনা) অস্বাভাবিক রকমের বেশি খেলেন। এমনিতেই তিনি (শেখ হাসিনা), বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নিহতদের লাশ দেখে এসে স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি খেতেন। কিন্তু আজ খেলেনত অস্বাভাবিকের চাইতেও অনেক বেশি।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৭২
* ১৯৯৪ সালের ২৬শে অথবা ২৭শে জুন সন্ধ্যাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি টেলিফোন করে ২৬শে জুন '৯৪ শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যু হয়েছে বলে সংবাদ দিলে, জননেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আনন্দে নাচতে থাকেন আর বলতে থাকেন মিষ্টি খাও, মিষ্টি। আমার একটা প্রতিদ্বন্দ্বী দুনিয়া থেকে বিদায় হয়েছে। আল্লাহ বাঁচাইছে। নেত্রী হতে চেয়েছিল। আমার জায়গা দখল করতে চেয়েছিল। জাহানারা ইমাম মরেছে আপদ গেছে। বাঁচা গেছে। আমার জায়গা দখল করতে চেয়েছিল। তোমরা জান না, ইন্ডিয়ান গোয়েন্দা এজেন্সি 'র' (ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার নাম 'র') আমার পরিবর্তে জাহানারা ইমামকে নেতৃত্বে বসাতে চেয়েছিল। বেটি মরছে, মিষ্টি খাও। ফকিরকে পয়সা দেও। এর কয়েকদিন পরে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লাশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর এলে, জননেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, চল, এয়ারপোর্টে যাই, আপদের লাশটা এনে কবরে ফেলি। এরপর জননেত্রী শেখ হাসিনা তার লাল রঙের নিশান পেট্রোল জীপে করে বিমান বন্দর-এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন। যেতে যেতে বলতে লাগলেন, বেটি (জাহানারা ইমাম) আমারে অসম্ভব জ্বালাইছে (জ্বালিয়েছে)। ওর মরা মুখও দেখতে ইচ্ছে করে না। কিন্তু না যেয়ে তো উপায় নেই। পলিটিক্স-এর (রাজনীতির) ব্যবসায় ইচ্ছে না থাকলেও করতে হয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বিমান বন্দরের রানওয়ে পর্যন্ত গেলেন ঠিকই, কিন্তু শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লাশের ধারে-কাছেও গেলেন না।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৭৩
* নৌকা: দুর্গা দেবীর বাহন: ১৯৯৬-এর ১২ই জুন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রার্থী মনোনয়ন দিল। আওয়ামী লীগও মনোনয়ন দিল। গোপালগঞ্জের তিনটি আসন এবং বাগেরহাটে দু'টি আসনের মোট ভোটারের প্রায় পঁয়ষট্টি শতাংশ ভোটার হিন্দু সম্প্রদায় হওয়ায় স্বাভাবিক কারণেই এই পাঁচটি আসনে আওয়ামী লীগ-এর নৌকামার্কা প্রার্থী ছাড়া অন্য কোন দলের অন্য কোন মার্কার প্রার্থী নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার কোনই সম্ভাবনা নেই এবং কোনকালেই বিজয়ী হয়নি এবং হবেও না। (১) মোকসেদপুর ও কাশিয়ানী, (২) গোপালগঞ্জ ও কাশিয়ানী (৩) টুঙ্গিপাড়া ও কোটালিপাড়া (৪) মোল্লার হাট ও ফকিরের হাট (৫) বইঠাঘাটা ও দাকোপ এই ৫টি (পাঁচ) আসনে যতদিন পর্যন্ত পঁয়ষট্টি শতাংশ হিন্দু সম্প্রদায় থাকবে ততদিন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ প্রার্থী নৌকা মার্কায় একচেটিয়াভাবে বিজয়ী হতে থাকবে। এই পাঁচটি আসনের প্রার্থীদের এলাকায় কোন কাজ করতে হয় না। যে কোন প্রকারেই হোক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা টিকিট নিলেই সে যে কেউই হোক ৭৫% ভোটে বিজয়ী হবে। এই ৫টি আসনকে বলা হয় ভিক্ষার আসন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দয়া করে যাকে এই অঞ্চলের আসন ভিক্ষা দেবেন, তিনিই এই অঞ্চলের জনপ্রতিনিধি বা জাতীয় সংসদ সদস্য অর্থাৎ এমপি। এই অঞ্চলের লেখাপড়া প্রায় অজানা একজন প্রবীণ বৃদ্ধ হিন্দু লোককে কেন আওয়ামী লীগকে ভোট দেন জানতে চাইলে, ঐ প্রবীণ বৃদ্ধ হিন্দু লোকটি বলেন, আমরা আওয়ামী লীগ টিগ বুঝি না। আওয়ামী লীগকে ভোটও দেই না। আমরা ভোট দেই নৌকায়। অর্থাৎ নৌকা মার্কায় ভোট দেই। নৌকা মার্কায় কেন ভোট দেন জানতে চাইলে তিনি বলেন বারে, নৌকায় ভোট দেব না? নৌকা যে দেবীর বাহন। মা দুর্গা দেবী এই বাহনে (নৌকা) চড়েই স্বর্গ থেকে ধরায় এসেছিলেন, অসুর (পাপিষ্ঠ) কে দমন করার জন্য। আর আমরা যদি মা দুর্গার বাহন নৌকায় ভোট না দেই, তাইলে দেবীর বাহনের অমর্যাদা হবে। মা দুর্গা অভিসম্পাত দেবে। এ জন্য দেখেন না, ভোটের সময় আমরা সকলেই গিয়ে, মা দুর্গা দেবীকে খুশি করার জন্য মা দুর্গা, মা দুর্গা বলে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আসি। একজনও বাদ যাই না। সকলে গিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট না দিলে মা দুর্গা অসন্তুষ্ট হবে। আমাদের অমঙ্গল হবে। তাই যত কাম থাকুক, যত ঝামেলাই থাকুক, কোন রকমে শুধু ভোটকেন্দ্রে যেতে পারলেই হলো। আমরা সকলেই গিয়া নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আসবো।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৮৯-৯০
* হিন্দুরাই আমার বল-ভরসা: বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যেদিন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ঘোষণা করলেন, সেদিন তিনি নিজে মোট ৪টি আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেন। গোপালগঞ্জের ১টি, বাগেরহাটের ২টি এবং ঢাকার ডেমরা থেকে ১টি। এই মোট ৪টি আসন থেকে শেখ হাসিনা নিজে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেওয়ার পরের দিনই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ঢাকার ডেমরা আসন থেকে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিলে, ঢাকার মেয়র মোহাম্মদ হানিফের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করে বলেন, আপনি গোপালগঞ্জ আর বাগেরহাটের (টুঙ্গিপাড়া মধুমতি নদীর অপরপার) ৩টি আসন থেকে দাঁড়ালেন অথচ ঢাকার একটি আসন থেকেও নির্বাচনে দাঁড়ালেন না। ৫টি আসন থেকে তো আপনি দাঁড়ালে পারেনই। খালেদা জিয়া ৫টি আসন থেকে দাঁড়িয়েছে; আপনিও ৫টি আসন থেকে দাঁড়ান। আপনি আমাদের নেত্রী, আপনি অন্তত ঢাকার দু'টি আসন থেকে নির্বাচনে দাঁড়ান। জবাবে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বললেন, গোপালগঞ্জে আর বাগেরহাটে তো ৭০% (সত্তর শতাংশ) হিন্দু আছে; ঢাকায় কত পার্সেন্ট হিন্দু আছে? হিন্দুরা ছাড়া মুসলমানরা আমাকে ভোট দেয় না। মুসলমানরা বেঈমান ও অকৃতজ্ঞ। হিন্দুরা ঈমানদার এবং কৃতজ্ঞ। আমি হিন্দুদের উপর ভরসা করতে পারি, বিশ্বাস রাখতে পারি। কিন্তু মুসলমানদের বিশ্বাস করা যায় না। ভরসা করা যায় না। এই জন্যই তো আমি সত্তর শতাংশ হিন্দুদের অঞ্চল গোপালগঞ্জ আর বাগেরহাট থেকে ৩টি (তিন) আসনে দাঁড়িয়েছি। কিন্তু ঢাকা থেকে ১টি (এক) আসনেও দাঁড়াইনি। যাও ডেমরা থেকে দাঁড়িয়েছিলাম খোঁজ খবর নিয়ে দেখলাম, ডেমরায় তেমন হিন্দু নে, তাই প্রত্যাহার করে নিয়েছি। ঢাকার মেয়র হানিফ বললেন, এটা আপনার ভুল ধারণা। মুসলমানরা ভোট না দিলে আপনার অন্যান্য প্রার্থীরা জিতে কিভাবে? বঙ্গবন্ধু কন্যা বললেন, মূলতঃ হিন্দুদের ব্যাংক ভোটটা পুরাটা পায়, বাকী আত্মীয়-স্বজন, নিজস্ব লোকলস্কর দিয়ে গুতিয়ে গাতিয়ে কোন রকমে বেরিয়ে আসে। হিন্দুরা না থাকলে আমি, আমার দল ১টি (এক) আসনেও জিততে পারতাম না। হিন্দুরা যাতে নিরাপদে-নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে এই জন্যই তো আমি এত আন্দোলন-সংগ্রাম করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আদায় করেছি। হিন্দুরাই আমার বল। হিন্দুরাই আমার ভরসা। নির্বাচনী প্রচারের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। সারা দেশ পোস্টার, প্লে-কার্ড ফেস্টুন, ব্যানার এবং দেয়াল লিখনে ছেয়ে গেছে। কোথাও এতটুকু খালি জায়গা নেই। প্রতিদিন রাতে চলছে মিটিং আর মিছিল।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৯১
* দুই বোনের ভাগাভাগি: বর্তমানে বাংলাদেশের যিনি সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী, যার অঙ্গুলী হেলনে এদেশের বড় বড় ব্যবসা-বাণিজ্য, উচ্চ পর্যায়ের চাকরী-বাকরী নিয়ন্ত্রিত হয়, সরকারের সামরিক-বেসামরিক আমলা, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়স্বজন যে যেখানেই আছেন তাদের মধ্যে সবচাইতে শক্তিশালী ক্ষমতাধর, সামরিক সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে যে কোন পর্যায় পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদোন্নতি পদাবনতি এবং বদলী যার মনোবাসনা বা ইচ্ছানুযায়ী হয়, সরকারী পর্যায়ে ব্যবসা-বাণিজ্য না পাওয়া যার উপর নির্ভর করে, এদেশের বৈধ-অবৈধ সমস্ত টাকা-পয়সা যার হাতে জমা হয়, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবারের ক্যাশিয়ার যিনি, একমাত্র রাজনীতি ছাড়া গোটা দেশের অর্থনীতি একক হস্তে পরিচালনা করেন যিনি, এদেশের মানুষের জন্য বিন্দুমাত্র ভালবাসা মায়া-মমতার লেশমাত্র নেই যার, এদেশের মানুষকে শিয়াল (শৃগাল) কুত্তার (কুকুরের) জাতি, নিমকহারামের জাত ছাড়া অন্য কিছু ভাবেন না, অন্য কিছু বলেন না যিনি, মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে অথবা রাত পোহালে যদি শুনতে পেতেন, এদেশের বারো কোটি মানুষ সকলেই মহাপ্রলয়ে নিহত হয়ে গেছে তাহলে খুশিতে আত্মহারা হয়ে যাবেন যিনি, সদাসর্বদত্র, এদেশের মানুষের অনিষ্ট-অমঙ্গল ছাড়া অন্য কিছু চিন্তা এবং কামনা করেন না যিনি, তিনি আর কেউ নন, তিনি হলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান-এর ২য় কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদরের ছোট বোন শেখ রেহানা। ৭ই জুলাই ১৯৯৬-এর অপরাহ্নে তিনি এলেন গণভবনে। তারই বড় বোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। এসেই সরাসরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিৎকার করে বললেন, এই, শেখ মুজিব কি একা তোমার বাপ? শেখ মুজিব কি আমার বাপ না? আমার ভাগ কই? আমি কি ভাগ পাই না? আমার ৫টা মন্ত্রী নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মন্ত্রী পাবি না। চালাইতেছি, চালাইতে দে। যত টাকা দরকার পাবি। সব তুই নে। দুই বোনের চিৎকারের চোটে প্রধানমন্ত্রীর ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌ-বাহিনীর ৬৪ (চৌষট্টি) জন অফিসার সমন্বয়ে ১৬শ (ষোলশ) সদস্যের একটি বিশেষ দল পিজি আর (প্রাইম মিনিস্টার গার্ড রেজিমেন্ট)-এর ঐ দিন ডিউটিরত সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালনে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চোখের ইশারায় তাদেরকে সরিয়ে এনে, এটা প্রধানমন্ত্রীর একান্তই নিজস্ব এবং পারিবারিক ব্যাপার বলে ওভারলুক (দৃষ্টি এড়িয়ে যাওয়া) করার পরামর্শ দেওয়া হয়। আজই যদি আমার পাঁচজনকে মন্ত্রী না করো, তবে আমি আমেরিকায় চলে যাব। যখন আসবো তখন সমান ভাগ নিয়ে আসবো। মনে রেখ। এ কথা বলে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা চলে গেলেন। পরবর্তী পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমেরিকায় যেয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে ভাগাভাগি এবং আপোষ রফা করে তার ছোট বোন শেখ রেহানাকে দেশে নিয়ে আসেন এই শর্তে যে, শেখ রেহানাই হবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্যাশিয়ার। সমস্ত টাকা-পয়সা শেখ রেহানার হাত দিয়ে আসতে হবে এবং শেখ হাসিনার পর শেখ রেহানাই হবেন শেখ মুজিবের উত্তরসূরী।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ১০২-১০৩
* কার কত টাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানার এখন একই একাউন্ট, একই হিসাব। দুই বোনের মধ্যে অনেক ঝগড়া-ঝাটির পর দু'জনে মিলে একটি একাউন্ট হওয়ার বিনিময়ে আপোষ করা হয়েছে। এই দুই বোনের বর্তমানে আমেরিকায় (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) তিনটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর হয়েছে। এর একটি চালায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে পুতুল ও তার স্বামী। অপরটি চালায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে জয় এবং তৃতীয়টি চালায় প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানার ছেলে ববি। এছাড়া এই দুই বোনের বিভিন্ন দেশে প্রায় তিন থেকে চার হাজার কোটি টাকা নগদ আছে। প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো ভাই শেখ হেলাল এমপি প্রায় হাজার কোটি কোটি টাকার উপরে মালিক। প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো বোন লুনা এবং মিনা শত শত কোটি টাকার মালিক। প্রধানমন্ত্রীর অপর চাচাতো ভাই রুবেল ও তার অন্যান্য ভাইয়েরা শত কোটি টাকার মালিক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী চাচাতো চাচা শেখ হাফিজুর রহমান টোকন প্রায় পাঁচশ কোটি টাকার মালিক। প্রধানমন্ত্রীর বাবার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে প্রধানমন্ত্রীর এ পি এস বাহাউদ্দিন নাসিম এবং তার চাচাতো ভাই প্রধানমন্ত্রীর চীফ সিকিউরিটি নজিব আহাম্মেদ নজিব ও তার ভাইয়েরা মিলে বর্তমানে কয়েক হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট এবং দূর সম্পর্কের আত্মীয়-স্বজনেরা এমন কেউ নেই, যিনি বর্তমানে শত কোটি টাকার মালিক হননি।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ১৩৪-১৩৫
* [[মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর|মির্জা ফখরুল]] ক্ষমতা দখল করার জন্য নেতাকর্মীদের অতিরিক্ত কাপড় নিয়ে ঢাকা আসতে বলেছেন। তো আমরা কি দাঁড়িয়ে ললিপপ খাবো? আমরাও প্রস্তুত আছি। অবরোধ করলে বিএনপি অবরোধ হয়ে যাবে। খেলা হবে। বিএনপির পরিণতি শাপলা চত্বরের থেকেও করুণ হবে। শেখ হাসিনা মাথা নত করবে না।”
** [[ওবায়দুল কাদের]] ১৬ অক্টোবর ২০২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী যুবলীগের এক [https://bangla.dhakatribune.com/politics/72076/%E2%80%98%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A3-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A3%E0%A6%A4%E0%A6%BF সমাবেশে] বলেছেন।
* আওয়ামী লীগের জুনিয়র সারির নেতারা একদিন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার পুত্র জয়কে বলছে, "আমরা আছি, আপনি যখন প্রধানমন্ত্রী হবেন তখন আপনার সাথে আমরা আছি।" জয় বলছে, “প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মানুষের কাছে ভোট ভিক্ষা করে। ভোট ভিক্ষা করে আমি কোনোদিন রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী হব না। যদি রাজা বানান তাহলে আছি, নইলে নাই।" বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সঙ্গে সঙ্গে বললেন, "বাবা আমরা তো রাজাই, আগামীতে তো তুমিই রাজা হবা। তোমার নানা তো এদেশের রাজাই ছিলেন, তোমার নানাই তো এই দেশ সৃষ্টি করেছে, এই দেশের মালিক ছিল। চাকর- বাকররা ষড়যন্ত্র করে তোমার নানাকে মেরে সিংহাসন দখল করেছে। আলীবর্দী খাঁ যেমন বাংলার নবাব ছিলেন, তারপরে তাঁর নাতি সিরাজদ্দৌলা নবাব হয়েছিল। তোমার নানা শেখ মুজিবর রহমানও বাংলাদেশের রাজা ছিল, আগামীতে তুমিই বাংলাদেশের রাজা হবে। রাজা বাদশাদের আধুনিক নামই রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী।
** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ২১০
==আরও দেখুন==
* [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]]
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:নারী রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:সরকার প্রধান]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী মুসলিম]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]]
qw44c1acuu7jarwpgsd6b5dxrgdnjx6
ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin
2
875
83730
81103
2026-06-06T22:02:49Z
Mehedi Abedin
50
/* */
83730
wikitext
text/x-wiki
[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin/common.js]]
তৈরিকৃত পাতা:
# [[মাতৃ ভাণ্ডার]]
# [[ডিটেকটিভ কোনান]]
# [[কারাগার (ওয়েব ধারাবাহিক)]]
# [[মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক]]
# [[দামাল]]
# [[মাটির ময়না]]
# [[মুরাদ টাকলা]]
# [[সুলতান সুলেমান (টিভি ধারাবাহিক)]]
# [[মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ]]
# [[সাদ্দাম হুসাইন]]
# [[শোলে]]
# [[উর্দু]]
# [[ঢাকা]]
# [[কলকাতা]]
# [[রায়হান রাফী]]
# [[চঞ্চল চৌধুরী]]
# [[শফিক রেহমান]]
# [[পঞ্চাশের মন্বন্তর]]
# [[ঘটক পাখি ভাই]]
# [[এ কে আব্দুল মোমেন]]
# [[সিংহ]]
# [[কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন]]
# [[জন্ম]]
# [[নারীর প্রতি সহিংসতা]]
# [[গর্ভধারণ]]
# [[ডিপজল]]
# [[জাফরুল্লাহ চৌধুরী]]
# [[কক্সবাজার]]
# [[মিঠুন চক্রবর্তী]]
# [[নতুন বছর]]
# [[বাংলা ভাষা আন্দোলন]]
# [[শাহরুখ খান]]
# [[সিলেট]]
# [[নির্মলেন্দু গুণ]]
# [[অসহযোগ আন্দোলন (১৯৭১)]]
# [[ইমরান খান]]
# [[ঢাকা মেট্রোরেল]]
# [[ফারুক]]
# [[রিক অ্যাস্টলি]]
# [[হাওয়া (চলচ্চিত্র)]]
# [[দুখাই]]
# [[শিল্পী কামরুল হাসান সড়ক]]
# [[সংগ্রাম (১৯৭৪-এর চলচ্চিত্র)]]
# [[খসরু]]
# [[সুকোমল বড়ুয়া]]
# [[মাজহারুল ইসলাম (কণ্ঠাভিনেতা)]]
# [[জাতীয় নাগরিক পার্টি]]
# [[মোহাম্মদ ইসহাক]]
# [[পাকিস্তান গণপরিষদ নির্বাচন, ১৯৫৫]]
# [[শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতারকাণ্ড]]
# [[ঢাকার হাঙ্গামা, ১৯৬৯]]
# [[রেজা কিবরিয়া]]
# [[এ টি এম মোস্তফা]]
# [[তাসমিয়া প্রধান]]
# [[দ্বারিকানাথ বারুরী]]
l980xetytel8subub8k7uhkhq0g7m9b
ব্যবহারকারী আলাপ:Ziv
3
11804
83743
72391
2026-06-07T10:46:42Z
Ziv
2755
/* Hello dear visitor */ corr
83743
wikitext
text/x-wiki
== Hello dear visitor ==
[[Image:Anna Purni.jpg|left|240px]]
<div style="text-align: center">''Welcome!''</div>
<div style="text-align: center">''Feel free to leave me a message here,<br />but you will get a quicker response if you visit my [[:Commons:User talk:Ziv|Commons Wikimedia]] user talk page.<br />Preferably in English, and I will be happy to answer your questions.''
''Have a nice day! Best regards,''</div>
<div style="text-align: center">[[ব্যবহারকারী:Ziv|Ziv]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Ziv#top|আলাপ]]) ০৭:৩৯, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)</div>
o9b0ywfkpopsn6kssuvxolewyonb2q3
ব্যবহারকারী:Dubro Sun
2
14134
83727
2026-06-06T12:22:55Z
Dubro Sun
5931
"হ্যালো, আমি ধুব্র।" দিয়ে পাতা তৈরি
83727
wikitext
text/x-wiki
হ্যালো, আমি ধুব্র।
1e2v3ry95f9zm35tcufw8m4xut3ow50
ব্যবহারকারী আলাপ:Dubro Sun
3
14135
83729
2026-06-06T13:13:02Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
83729
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Dubro Sun,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
১৩:১৩, ৬ জুন ২০২৬ (ইউটিসি)
fw1851spn7z2kcs75o6my8gm7ppzl3z
দ্বারিকানাথ বারুরী
0
14136
83731
2026-06-06T22:12:46Z
Mehedi Abedin
50
"{{bw|দ্বারিকানাথ বারুরী}} একজন বাংলাদেশী আইনজীবী ও তপশিলি রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ব্রিটিশ ভারতের [[বঙ্গ|বঙ্গ প্রদেশ]] ও পাকিস্তানের [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ববঙ্গের]] প্রাদেশিক মন্ত্র..." দিয়ে পাতা তৈরি
83731
wikitext
text/x-wiki
{{bw|দ্বারিকানাথ বারুরী}} একজন বাংলাদেশী আইনজীবী ও তপশিলি রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ব্রিটিশ ভারতের [[বঙ্গ|বঙ্গ প্রদেশ]] ও পাকিস্তানের [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ববঙ্গের]] প্রাদেশিক মন্ত্রী ছিলেন।
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
* ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাজনের ক্ষেত্রে [[মুসলিম লীগ|মুসলিম লীগের]] ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ এলাকার লোকজন মনে করে [[পাকিস্তান]] তথা [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্বপাকিস্তান]] সৃষ্টির জন্যে [[মাদারীপুর|মাদারীপুরের]] তফশিলী নেতা দ্বারকানাথ বারুরীরাই দায়ী। এ সম্পর্কে এ-এলাকায় প্রচলিত একটি ছড়ায় পরিবেশিত তথ্য থেকেও ঘটনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়—<br/>আল্লায় বানাইছে সাধের<br/>হিন্দু-মুসলমান<br/>দ্বারিকবাবু সৃষ্টি করছে<br/>পূর্ব পাকিস্তান।
** দ্বারিকানাথ বারুরী সম্পর্কে [[তপন বাগচী]], ২০০০ সালে প্রকাশিত আনন্দনাথ রায়ের "ফরিদপুরের ইতিহাস (১ম ও ২য় খণ্ড)"-এর ৩২৪ পৃষ্ঠা হতে উদ্ধৃত।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
ean3vjx2rq2d865j0vcttwmvxerap5f
83732
83731
2026-06-06T22:14:45Z
Mehedi Abedin
50
83732
wikitext
text/x-wiki
{{bw|দ্বারিকানাথ বারুরী}} একজন বাংলাদেশী আইনজীবী ও তপশিলি রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ব্রিটিশ ভারতের [[বঙ্গ|বঙ্গ প্রদেশ]] ও পাকিস্তানের [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ববঙ্গের]] প্রাদেশিক মন্ত্রী ছিলেন।
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
* ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাজনের ক্ষেত্রে [[মুসলিম লীগ|মুসলিম লীগের]] ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ এলাকার লোকজন মনে করে [[পাকিস্তান]] তথা [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্বপাকিস্তান]] সৃষ্টির জন্যে [[মাদারীপুর|মাদারীপুরের]] তফশিলী নেতা দ্বারকানাথ বারুরীরাই দায়ী। এ সম্পর্কে এ-এলাকায় প্রচলিত একটি ছড়ায় পরিবেশিত তথ্য থেকেও ঘটনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়—<br/>আল্লায় বানাইছে সাধের<br/>হিন্দু-মুসলমান<br/>দ্বারিকবাবু সৃষ্টি করছে<br/>পূর্ব পাকিস্তান।
** দ্বারিকানাথ বারুরী সম্পর্কে [[তপন বাগচী]], ২০০০ সালে প্রকাশিত আনন্দনাথ রায়ের "ফরিদপুরের ইতিহাস (১ম ও ২য় খণ্ড)"-এর ৩২৪ পৃষ্ঠা হতে উদ্ধৃত।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯০৭-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]]
11xdpj30o19vei15yf7st9tcu63tpsk
83733
83732
2026-06-06T22:19:59Z
Mehedi Abedin
50
83733
wikitext
text/x-wiki
{{bw|দ্বারিকানাথ বারুরী}} একজন বাংলাদেশী আইনজীবী ও তপশিলি রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ব্রিটিশ ভারতের [[বঙ্গ|বঙ্গ প্রদেশ]] ও পাকিস্তানের [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ববঙ্গের]] প্রাদেশিক মন্ত্রী ছিলেন।
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
* ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাজনের ক্ষেত্রে [[মুসলিম লীগ|মুসলিম লীগের]] ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ এলাকার লোকজন মনে করে [[পাকিস্তান]] তথা [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্বপাকিস্তান]] সৃষ্টির জন্যে [[মাদারীপুর|মাদারীপুরের]] তফশিলী নেতা দ্বারকানাথ বারুরীরাই দায়ী। এ সম্পর্কে এ-এলাকায় প্রচলিত একটি ছড়ায় পরিবেশিত তথ্য থেকেও ঘটনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়—<br/>আল্লায় বানাইছে সাধের<br/>হিন্দু-মুসলমান<br/>দ্বারিকবাবু সৃষ্টি করছে<br/>পূর্ব পাকিস্তান।
** দ্বারিকানাথ বারুরী সম্পর্কে [[তপন বাগচী]], ২০০০ সালে প্রকাশিত আনন্দনাথ রায়ের "ফরিদপুরের ইতিহাস (১ম ও ২য় খণ্ড)"-এর ৩২৪ পৃষ্ঠা হতে উদ্ধৃত।
* However, scheduled caste leaders such as Radhanath Das, whom Jogendra Mandal had defeated in the 1940 Calcutta Corporation elections, argued that “If we ask
our Namasudra brothers in Noakhali to come to West Bengal and the government of West and North Bengal will provide them with shelter and other economic requirements, then I am prepared to swear that Jogen babu [Jogendra Mandal] will not able to keep a single one of his caste brothers in Noakhali.” Further, he argued that it would be easy for the scheduled castes to move precisely because “ in terms of their homes, they only have
small huts, which they would not have much compunction or problem in leaving” and moving to western Bengal. In response to Das, Dwarikanath Barori, who sided with Mandal, argued, “it’s a novel discovery [on Das’s part] that the scheduled castes’ attachment to their home would be less because they lived in huts,” and added that in reality a majority of that community owned substantial property. Clearly, the main issue within this particular Partition debate was whether the new province in the west would be able to guarantee economic opportunities for the scheduled castes.
**
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯০৭-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]]
enoxtfih96xyv324f1nyonrzdzsfsxc
83734
83733
2026-06-06T22:20:13Z
Mehedi Abedin
50
83734
wikitext
text/x-wiki
{{bw|দ্বারিকানাথ বারুরী}} একজন বাংলাদেশী আইনজীবী ও তপশিলি রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ব্রিটিশ ভারতের [[বঙ্গ|বঙ্গ প্রদেশ]] ও পাকিস্তানের [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ববঙ্গের]] প্রাদেশিক মন্ত্রী ছিলেন।
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
* ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাজনের ক্ষেত্রে [[মুসলিম লীগ|মুসলিম লীগের]] ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ এলাকার লোকজন মনে করে [[পাকিস্তান]] তথা [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্বপাকিস্তান]] সৃষ্টির জন্যে [[মাদারীপুর|মাদারীপুরের]] তফশিলী নেতা দ্বারকানাথ বারুরীরাই দায়ী। এ সম্পর্কে এ-এলাকায় প্রচলিত একটি ছড়ায় পরিবেশিত তথ্য থেকেও ঘটনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়—<br/>আল্লায় বানাইছে সাধের<br/>হিন্দু-মুসলমান<br/>দ্বারিকবাবু সৃষ্টি করছে<br/>পূর্ব পাকিস্তান।
** দ্বারিকানাথ বারুরী সম্পর্কে [[তপন বাগচী]], ২০০০ সালে প্রকাশিত আনন্দনাথ রায়ের "ফরিদপুরের ইতিহাস (১ম ও ২য় খণ্ড)"-এর ৩২৪ পৃষ্ঠা হতে উদ্ধৃত।
* However, scheduled caste leaders such as Radhanath Das, whom Jogendra Mandal had defeated in the 1940 Calcutta Corporation elections, argued that “If we ask our Namasudra brothers in Noakhali to come to West Bengal and the government of West and North Bengal will provide them with shelter and other economic requirements, then I am prepared to swear that Jogen babu [Jogendra Mandal] will not able to keep a single one of his caste brothers in Noakhali.” Further, he argued that it would be easy for the scheduled castes to move precisely because “ in terms of their homes, they only have
small huts, which they would not have much compunction or problem in leaving” and moving to western Bengal. In response to Das, Dwarikanath Barori, who sided with Mandal, argued, “it’s a novel discovery [on Das’s part] that the scheduled castes’ attachment to their home would be less because they lived in huts,” and added that in reality a majority of that community owned substantial property. Clearly, the main issue within this particular Partition debate was whether the new province in the west would be able to guarantee economic opportunities for the scheduled castes.
**
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯০৭-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]]
5ir4ch5f1o4uuu0ht36x4ta2v2yk3ty
83735
83734
2026-06-06T22:20:28Z
Mehedi Abedin
50
83735
wikitext
text/x-wiki
{{bw|দ্বারিকানাথ বারুরী}} একজন বাংলাদেশী আইনজীবী ও তপশিলি রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ব্রিটিশ ভারতের [[বঙ্গ|বঙ্গ প্রদেশ]] ও পাকিস্তানের [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ববঙ্গের]] প্রাদেশিক মন্ত্রী ছিলেন।
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
* ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাজনের ক্ষেত্রে [[মুসলিম লীগ|মুসলিম লীগের]] ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ এলাকার লোকজন মনে করে [[পাকিস্তান]] তথা [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্বপাকিস্তান]] সৃষ্টির জন্যে [[মাদারীপুর|মাদারীপুরের]] তফশিলী নেতা দ্বারকানাথ বারুরীরাই দায়ী। এ সম্পর্কে এ-এলাকায় প্রচলিত একটি ছড়ায় পরিবেশিত তথ্য থেকেও ঘটনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়—<br/>আল্লায় বানাইছে সাধের<br/>হিন্দু-মুসলমান<br/>দ্বারিকবাবু সৃষ্টি করছে<br/>পূর্ব পাকিস্তান।
** দ্বারিকানাথ বারুরী সম্পর্কে [[তপন বাগচী]], ২০০০ সালে প্রকাশিত আনন্দনাথ রায়ের "ফরিদপুরের ইতিহাস (১ম ও ২য় খণ্ড)"-এর ৩২৪ পৃষ্ঠা হতে উদ্ধৃত।
* However, scheduled caste leaders such as Radhanath Das, whom Jogendra Mandal had defeated in the 1940 Calcutta Corporation elections, argued that “If we ask our Namasudra brothers in Noakhali to come to West Bengal and the government of West and North Bengal will provide them with shelter and other economic requirements, then I am prepared to swear that Jogen babu [Jogendra Mandal] will not able to keep a single one of his caste brothers in Noakhali.” Further, he argued that it would be easy for the scheduled castes to move precisely because “ in terms of their homes, they only have small huts, which they would not have much compunction or problem in leaving” and moving to western Bengal. In response to Das, Dwarikanath Barori, who sided with Mandal, argued, “it’s a novel discovery [on Das’s part] that the scheduled castes’ attachment to their home would be less because they lived in huts,” and added that in reality a majority of that community owned substantial property. Clearly, the main issue within this particular Partition debate was whether the new province in the west would be able to guarantee economic opportunities for the scheduled castes.
**
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯০৭-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]]
iwujbqk27c2yz16vqe4ykxpkx7p6my9
83736
83735
2026-06-06T22:24:25Z
Mehedi Abedin
50
83736
wikitext
text/x-wiki
{{bw|দ্বারিকানাথ বারুরী}} একজন বাংলাদেশী আইনজীবী ও তপশিলি রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ব্রিটিশ ভারতের [[বঙ্গ|বঙ্গ প্রদেশ]] ও পাকিস্তানের [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ববঙ্গের]] প্রাদেশিক মন্ত্রী ছিলেন।
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
* ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাজনের ক্ষেত্রে [[মুসলিম লীগ|মুসলিম লীগের]] ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ এলাকার লোকজন মনে করে [[পাকিস্তান]] তথা [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্বপাকিস্তান]] সৃষ্টির জন্যে [[মাদারীপুর|মাদারীপুরের]] তফশিলী নেতা দ্বারকানাথ বারুরীরাই দায়ী। এ সম্পর্কে এ-এলাকায় প্রচলিত একটি ছড়ায় পরিবেশিত তথ্য থেকেও ঘটনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়—<br/>আল্লায় বানাইছে সাধের<br/>হিন্দু-মুসলমান<br/>দ্বারিকবাবু সৃষ্টি করছে<br/>পূর্ব পাকিস্তান।
** দ্বারিকানাথ বারুরী সম্পর্কে [[তপন বাগচী]], ২০০০ সালে প্রকাশিত আনন্দনাথ রায়ের "ফরিদপুরের ইতিহাস (১ম ও ২য় খণ্ড)"-এর ৩২৪ পৃষ্ঠা হতে উদ্ধৃত।
* However, scheduled caste leaders such as Radhanath Das, whom Jogendra Mandal had defeated in the 1940 Calcutta Corporation elections, argued that “If we ask our Namasudra brothers in Noakhali to come to West Bengal and the government of West and North Bengal will provide them with shelter and other economic requirements, then I am prepared to swear that Jogen babu [Jogendra Mandal] will not able to keep a single one of his caste brothers in Noakhali.” Further, he argued that it would be easy for the scheduled castes to move precisely because “ in terms of their homes, they only have small huts, which they would not have much compunction or problem in leaving” and moving to western Bengal. In response to Das, Dwarikanath Barori, who sided with Mandal, argued, “it’s a novel discovery [on Das’s part] that the scheduled castes’ attachment to their home would be less because they lived in huts,” and added that in reality a majority of that community owned substantial property. Clearly, the main issue within this particular Partition debate was whether the new province in the west would be able to guarantee economic opportunities for the scheduled castes.
** '''অনুবাদ:''' তবে রাধানাথ দাসের মতো তফসিলি জাতির নেতাগণ, যাকে যোগেন্দ্র মণ্ডল ১৯৪০ সালের কলকাতা কর্পোরেশন নির্বাচনে পরাজিত করেছিলেন, যুক্তি দেন যে, “যদি আমরা আমাদের নোয়াখালীর নমশূদ্র ভাইদের পশ্চিমবঙ্গে আসতে বলি এবং পশ্চিম ও উত্তরবঙ্গের সরকার তাদের আশ্রয় ও অন্যান্য অর্থনৈতিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা করে, তাহলে আমি শপথ করে বলতে প্রস্তুত যে যোগেন বাবু [যোগেন্দ্র মণ্ডল] তার জাতিভাইদের একজনকেও নোয়াখালীতে ধরে রাখতে পারবেন না।” তিনি আরও যুক্তি দেন যে তফসিলি জাতির মানুষের অভিবাসন সহজ হবে কেননা “তাদের বসতবাড়ি বলতে কেবল ছোট ছোট কুঁড়েঘর রয়েছে, যেগুলো ছেড়ে যেতে তাদের খুব বেশি দ্বিধা বা অসুবিধা হবে না”, এবং তারা সহজেই পশ্চিমবঙ্গে চলে যেতে পারবে। দাসের এই বক্তব্যের জবাবে মণ্ডলের সমর্থক দ্বারিকানাথ বারুরী বলেন, “এটি [দাসের] একটি অভিনব উপলব্ধি যে তফসিলি জাতির মানুষেরা কুঁড়েঘরে বাস করে বলেই তাদের নিজের বাড়ির প্রতি মমত্ববোধ কম আছে।” তিনি আরও যোগ করেন যে বাস্তবে ওই সম্প্রদায়ের অধিকাংশ মানুষেরই যথেষ্ট পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি আছে। স্পষ্টতই, দেশভাগ-সংক্রান্ত এই বিশেষ বিতর্কে মূল প্রশ্ন ছিল, পশ্চিমে গঠিত নতুন প্রদেশটি তফসিলি জাতির মানুষের জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তা দিতে পারবে কি না।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯০৭-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]]
dmuwq93k9sstkm01l3lezyxj8vt66y4
83737
83736
2026-06-06T22:26:00Z
Mehedi Abedin
50
/* তার সম্পর্কে উক্তি */
83737
wikitext
text/x-wiki
{{bw|দ্বারিকানাথ বারুরী}} একজন বাংলাদেশী আইনজীবী ও তপশিলি রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ব্রিটিশ ভারতের [[বঙ্গ|বঙ্গ প্রদেশ]] ও পাকিস্তানের [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ববঙ্গের]] প্রাদেশিক মন্ত্রী ছিলেন।
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
* ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাজনের ক্ষেত্রে [[মুসলিম লীগ|মুসলিম লীগের]] ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ এলাকার লোকজন মনে করে [[পাকিস্তান]] তথা [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্বপাকিস্তান]] সৃষ্টির জন্যে [[মাদারীপুর|মাদারীপুরের]] তফশিলী নেতা দ্বারকানাথ বারুরীরাই দায়ী। এ সম্পর্কে এ-এলাকায় প্রচলিত একটি ছড়ায় পরিবেশিত তথ্য থেকেও ঘটনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়—<br/>আল্লায় বানাইছে সাধের<br/>হিন্দু-মুসলমান<br/>দ্বারিকবাবু সৃষ্টি করছে<br/>পূর্ব পাকিস্তান।
** দ্বারিকানাথ বারুরী সম্পর্কে [[তপন বাগচী]], ২০০০ সালে প্রকাশিত আনন্দনাথ রায়ের "ফরিদপুরের ইতিহাস (১ম ও ২য় খণ্ড)"-এর ৩২৪ পৃষ্ঠা হতে উদ্ধৃত।
* However, scheduled caste leaders such as Radhanath Das, whom Jogendra Mandal had defeated in the 1940 Calcutta Corporation elections, argued that “If we ask our Namasudra brothers in Noakhali to come to West Bengal and the government of West and North Bengal will provide them with shelter and other economic requirements, then I am prepared to swear that Jogen babu [Jogendra Mandal] will not able to keep a single one of his caste brothers in Noakhali.” Further, he argued that it would be easy for the scheduled castes to move precisely because “ in terms of their homes, they only have small huts, which they would not have much compunction or problem in leaving” and moving to western Bengal. In response to Das, Dwarikanath Barori, who sided with Mandal, argued, “it’s a novel discovery [on Das’s part] that the scheduled castes’ attachment to their home would be less because they lived in huts,” and added that in reality a majority of that community owned substantial property. Clearly, the main issue within this particular Partition debate was whether the new province in the west would be able to guarantee economic opportunities for the scheduled castes.
** '''অনুবাদ:''' তবে রাধানাথ দাসের মতো তফসিলি জাতির নেতাগণ, যাকে যোগেন্দ্র মণ্ডল ১৯৪০ সালের কলকাতা কর্পোরেশন নির্বাচনে পরাজিত করেছিলেন, যুক্তি দেন যে, “যদি আমরা আমাদের নোয়াখালীর নমশূদ্র ভাইদের পশ্চিমবঙ্গে আসতে বলি এবং পশ্চিম ও উত্তরবঙ্গের সরকার তাদের আশ্রয় ও অন্যান্য অর্থনৈতিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা করে, তাহলে আমি শপথ করে বলতে প্রস্তুত যে যোগেন বাবু [যোগেন্দ্র মণ্ডল] তার জাতিভাইদের একজনকেও নোয়াখালীতে ধরে রাখতে পারবেন না।” তিনি আরও যুক্তি দেন যে তফসিলি জাতির মানুষের অভিবাসন সহজ হবে কেননা “তাদের বসতবাড়ি বলতে কেবল ছোট ছোট কুঁড়েঘর রয়েছে, যেগুলো ছেড়ে যেতে তাদের খুব বেশি দ্বিধা বা অসুবিধা হবে না”, এবং তারা সহজেই পশ্চিমবঙ্গে চলে যেতে পারবে। দাসের এই বক্তব্যের জবাবে মণ্ডলের সমর্থক দ্বারিকানাথ বারুরী বলেন, “এটি [দাসের] একটি অভিনব উপলব্ধি যে তফসিলি জাতির মানুষেরা কুঁড়েঘরে বাস করে বলেই তাদের নিজের বাড়ির প্রতি মমত্ববোধ কম আছে।” তিনি আরও যোগ করেন যে বাস্তবে ওই সম্প্রদায়ের অধিকাংশ মানুষেরই যথেষ্ট পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি আছে। স্পষ্টতই, দেশভাগ-সংক্রান্ত এই বিশেষ বিতর্কে মূল প্রশ্ন ছিল, পশ্চিমে গঠিত নতুন প্রদেশটি তফসিলি জাতির মানুষের জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তা দিতে পারবে কি না।
*** HAIMANTI ROY (2009). A Partition of Contingency? Public Discourse in Bengal, 1946–1947. Modern Asian Studies, 43 , pp 30-31, doi:10.1017/S0026749X08003788
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯০৭-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]]
g6kmkfl39amyjoq1iwcfkz4mj3d6n65
83738
83737
2026-06-06T22:29:56Z
Mehedi Abedin
50
/* তার সম্পর্কে উক্তি */
83738
wikitext
text/x-wiki
{{bw|দ্বারিকানাথ বারুরী}} একজন বাংলাদেশী আইনজীবী ও তপশিলি রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ব্রিটিশ ভারতের [[বঙ্গ|বঙ্গ প্রদেশ]] ও পাকিস্তানের [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ববঙ্গের]] প্রাদেশিক মন্ত্রী ছিলেন।
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
* ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাজনের ক্ষেত্রে [[মুসলিম লীগ|মুসলিম লীগের]] ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ এলাকার লোকজন মনে করে [[পাকিস্তান]] তথা [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্বপাকিস্তান]] সৃষ্টির জন্যে [[মাদারীপুর|মাদারীপুরের]] তফশিলী নেতা দ্বারকানাথ বারুরীরাই দায়ী। এ সম্পর্কে এ-এলাকায় প্রচলিত একটি ছড়ায় পরিবেশিত তথ্য থেকেও ঘটনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়—<br/>আল্লায় বানাইছে সাধের<br/>হিন্দু-মুসলমান<br/>দ্বারিকবাবু সৃষ্টি করছে<br/>পূর্ব পাকিস্তান।
** দ্বারিকানাথ বারুরী সম্পর্কে [[তপন বাগচী]], ২০০০ সালে প্রকাশিত আনন্দনাথ রায়ের "ফরিদপুরের ইতিহাস (১ম ও ২য় খণ্ড)"-এর ৩২৪ পৃষ্ঠা হতে উদ্ধৃত।
* However, scheduled caste leaders such as Radhanath Das, whom Jogendra Mandal had defeated in the 1940 Calcutta Corporation elections, argued that “If we ask our Namasudra brothers in Noakhali to come to West Bengal and the government of West and North Bengal will provide them with shelter and other economic requirements, then I am prepared to swear that Jogen babu [Jogendra Mandal] will not able to keep a single one of his caste brothers in Noakhali.” Further, he argued that it would be easy for the scheduled castes to move precisely because “ in terms of their homes, they only have small huts, which they would not have much compunction or problem in leaving” and moving to western Bengal. In response to Das, Dwarikanath Barori, who sided with Mandal, argued, “it’s a novel discovery [on Das’s part] that the scheduled castes’ attachment to their home would be less because they lived in huts,” and added that in reality a majority of that community owned substantial property. Clearly, the main issue within this particular Partition debate was whether the new province in the west would be able to guarantee economic opportunities for the scheduled castes.
** '''অনুবাদ:''' তবে রাধানাথ দাসের মতো তফসিলি জাতির নেতাগণ, যাকে যোগেন্দ্র মণ্ডল ১৯৪০ সালের কলকাতা কর্পোরেশন নির্বাচনে পরাজিত করেছিলেন, যুক্তি দেন যে, “যদি আমরা আমাদের নোয়াখালীর নমশূদ্র ভাইদের পশ্চিমবঙ্গে আসতে বলি এবং পশ্চিম ও উত্তরবঙ্গের সরকার তাদের আশ্রয় ও অন্যান্য অর্থনৈতিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা করে, তাহলে আমি শপথ করে বলতে প্রস্তুত যে যোগেন বাবু [যোগেন্দ্র মণ্ডল] তার জাতিভাইদের একজনকেও নোয়াখালীতে ধরে রাখতে পারবেন না।” তিনি আরও যুক্তি দেন যে তফসিলি জাতির মানুষের অভিবাসন সহজ হবে কেননা “তাদের বসতবাড়ি বলতে কেবল ছোট ছোট কুঁড়েঘর রয়েছে, যেগুলো ছেড়ে যেতে তাদের খুব বেশি দ্বিধা বা অসুবিধা হবে না”, এবং তারা সহজেই পশ্চিমবঙ্গে চলে যেতে পারবে। দাসের এই বক্তব্যের জবাবে মণ্ডলের সমর্থক দ্বারিকানাথ বারুরী বলেন, “এটি [দাসের] একটি অভিনব উপলব্ধি যে তফসিলি জাতির মানুষেরা কুঁড়েঘরে বাস করে বলেই তাদের নিজের বাড়ির প্রতি মমত্ববোধ কম আছে।” তিনি আরও যোগ করেন যে বাস্তবে ওই সম্প্রদায়ের অধিকাংশ মানুষেরই যথেষ্ট পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি আছে। স্পষ্টতই, দেশভাগ-সংক্রান্ত এই বিশেষ বিতর্কে মূল প্রশ্ন ছিল, পশ্চিমে গঠিত নতুন প্রদেশটি তফসিলি জাতির মানুষের জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তা দিতে পারবে কি না।
*** HAIMANTI ROY (2009). A Partition of Contingency? Public Discourse in Bengal, 1946–1947. Modern Asian Studies, 43 , pp 30-31, doi:10.1017/S0026749X08003788
* At the same time, in a desperate move to gain support, upper caste Hindus in Sunamgaj arranged a festival for all Hindus, including Untouchables, which necessitated the unheard-of prospect of mass eating of cooked food, irrespective of caste. The vote was a mighty social leveller and Caste Hindus were compelled to eat with Untouchables off the same plates. At a critical moment, a Scheduled Caste leader, Dwarikanath Barori arrived and called to an Untouchable, ‘This is not food, this is poison, please do not eat.
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯০৭-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]]
o5lu1efy9v9sk7mc6qthr78cwyrkhgp
83739
83738
2026-06-06T22:34:01Z
Mehedi Abedin
50
83739
wikitext
text/x-wiki
{{bw|দ্বারিকানাথ বারুরী}} একজন বাংলাদেশী আইনজীবী ও তপশিলি রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ব্রিটিশ ভারতের [[বঙ্গ|বঙ্গ প্রদেশ]] ও পাকিস্তানের [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ববঙ্গের]] প্রাদেশিক মন্ত্রী ছিলেন।
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
* ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাজনের ক্ষেত্রে [[মুসলিম লীগ|মুসলিম লীগের]] ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ এলাকার লোকজন মনে করে [[পাকিস্তান]] তথা [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্বপাকিস্তান]] সৃষ্টির জন্যে [[মাদারীপুর|মাদারীপুরের]] তফশিলী নেতা দ্বারকানাথ বারুরীরাই দায়ী। এ সম্পর্কে এ-এলাকায় প্রচলিত একটি ছড়ায় পরিবেশিত তথ্য থেকেও ঘটনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়—<br/>আল্লায় বানাইছে সাধের<br/>হিন্দু-মুসলমান<br/>দ্বারিকবাবু সৃষ্টি করছে<br/>পূর্ব পাকিস্তান।
** দ্বারিকানাথ বারুরী সম্পর্কে [[তপন বাগচী]], ২০০০ সালে প্রকাশিত আনন্দনাথ রায়ের "ফরিদপুরের ইতিহাস (১ম ও ২য় খণ্ড)"-এর ৩২৪ পৃষ্ঠা হতে উদ্ধৃত।
* However, scheduled caste leaders such as Radhanath Das, whom Jogendra Mandal had defeated in the 1940 Calcutta Corporation elections, argued that “If we ask our Namasudra brothers in Noakhali to come to West Bengal and the government of West and North Bengal will provide them with shelter and other economic requirements, then I am prepared to swear that Jogen babu [Jogendra Mandal] will not able to keep a single one of his caste brothers in Noakhali.” Further, he argued that it would be easy for the scheduled castes to move precisely because “ in terms of their homes, they only have small huts, which they would not have much compunction or problem in leaving” and moving to western Bengal. In response to Das, Dwarikanath Barori, who sided with Mandal, argued, “it’s a novel discovery [on Das’s part] that the scheduled castes’ attachment to their home would be less because they lived in huts,” and added that in reality a majority of that community owned substantial property. Clearly, the main issue within this particular Partition debate was whether the new province in the west would be able to guarantee economic opportunities for the scheduled castes.
** '''অনুবাদ:''' তবে রাধানাথ দাসের মতো তফসিলি জাতির নেতাগণ, যাকে যোগেন্দ্র মণ্ডল ১৯৪০ সালের কলকাতা কর্পোরেশন নির্বাচনে পরাজিত করেছিলেন, যুক্তি দেন যে, “যদি আমরা আমাদের নোয়াখালীর নমশূদ্র ভাইদের পশ্চিমবঙ্গে আসতে বলি এবং পশ্চিম ও উত্তরবঙ্গের সরকার তাদের আশ্রয় ও অন্যান্য অর্থনৈতিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা করে, তাহলে আমি শপথ করে বলতে প্রস্তুত যে যোগেন বাবু [যোগেন্দ্র মণ্ডল] তার জাতিভাইদের একজনকেও নোয়াখালীতে ধরে রাখতে পারবেন না।” তিনি আরও যুক্তি দেন যে তফসিলি জাতির মানুষের অভিবাসন সহজ হবে কেননা “তাদের বসতবাড়ি বলতে কেবল ছোট ছোট কুঁড়েঘর রয়েছে, যেগুলো ছেড়ে যেতে তাদের খুব বেশি দ্বিধা বা অসুবিধা হবে না”, এবং তারা সহজেই পশ্চিমবঙ্গে চলে যেতে পারবে। দাসের এই বক্তব্যের জবাবে মণ্ডলের সমর্থক দ্বারিকানাথ বারুরী বলেন, “এটি [দাসের] একটি অভিনব উপলব্ধি যে তফসিলি জাতির মানুষেরা কুঁড়েঘরে বাস করে বলেই তাদের নিজের বাড়ির প্রতি মমত্ববোধ কম আছে।” তিনি আরও যোগ করেন যে বাস্তবে ওই সম্প্রদায়ের অধিকাংশ মানুষেরই যথেষ্ট পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি আছে। স্পষ্টতই, দেশভাগ-সংক্রান্ত এই বিশেষ বিতর্কে মূল প্রশ্ন ছিল, পশ্চিমে গঠিত নতুন প্রদেশটি তফসিলি জাতির মানুষের জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তা দিতে পারবে কি না।
*** HAIMANTI ROY (2009). A Partition of Contingency? Public Discourse in Bengal, 1946–1947. Modern Asian Studies, 43 , pp 30-31, doi:10.1017/S0026749X08003788
* At the same time, in a desperate move to gain support, upper caste Hindus in Sunamgaj arranged a festival for all Hindus, including Untouchables, which necessitated the unheard-of prospect of mass eating of cooked food, irrespective of caste. The vote was a mighty social leveller and Caste Hindus were compelled to eat with Untouchables off the same plates. At a critical moment, a Scheduled Caste leader, Dwarikanath Barori arrived and called to an Untouchable, ‘This is not food, this is poison, please do not eat.
** '''অনুবাদ:''' একই সময়ে সমর্থন অর্জনের জন্য মরিয়া হয়ে অস্পৃশ্যদেরও অন্তর্ভুক্ত করে সুনামগঞ্জের উচ্চবর্ণের হিন্দুরা সকল হিন্দুর জন্য একটি উৎসবের আয়োজন করে। এর ফলে এমন এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যেখানে জাতিভেদ নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে রান্না করা খাবার খেতে হয়। ভোটের রাজনীতি সেখানে এক শক্তিশালী সামাজিক সমতাকরণকারী শক্তি ছিল এবং অস্পৃশ্যদের সঙ্গে একই পাত্রে পরিবেশিত খাবার গ্রহণ করতে উচ্চবর্ণের হিন্দুরা বাধ্য হয়েছিল। ঠিক সেই সংকটময় মুহূর্তে তফসিলি নেতা দ্বারিকানাথ বারুরী সেখানে উপস্থিত হয়ে এক অস্পৃশ্য ব্যক্তিকে বলেন, “এটা খাবার নয়, বিষ; অনুগ্রহ করে খাবেন না।”
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯০৭-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]]
0gk7g28ko1jtom6bb9lmv0kkczd6y3r
83740
83739
2026-06-06T22:37:40Z
Mehedi Abedin
50
83740
wikitext
text/x-wiki
{{bw|দ্বারিকানাথ বারুরী}} একজন বাংলাদেশী আইনজীবী ও তপশিলি রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ব্রিটিশ ভারতের [[বঙ্গ|বঙ্গ প্রদেশ]] ও পাকিস্তানের [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ববঙ্গের]] প্রাদেশিক মন্ত্রী ছিলেন।
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
* ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাজনের ক্ষেত্রে [[মুসলিম লীগ|মুসলিম লীগের]] ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ এলাকার লোকজন মনে করে [[পাকিস্তান]] তথা [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্বপাকিস্তান]] সৃষ্টির জন্যে [[মাদারীপুর|মাদারীপুরের]] তফশিলী নেতা দ্বারকানাথ বারুরীরাই দায়ী। এ সম্পর্কে এ-এলাকায় প্রচলিত একটি ছড়ায় পরিবেশিত তথ্য থেকেও ঘটনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়—<br/>আল্লায় বানাইছে সাধের<br/>হিন্দু-মুসলমান<br/>দ্বারিকবাবু সৃষ্টি করছে<br/>পূর্ব পাকিস্তান।
** দ্বারিকানাথ বারুরী সম্পর্কে [[তপন বাগচী]], ২০০০ সালে প্রকাশিত আনন্দনাথ রায়ের "ফরিদপুরের ইতিহাস (১ম ও ২য় খণ্ড)"-এর ৩২৪ পৃষ্ঠা হতে উদ্ধৃত।
* However, scheduled caste leaders such as Radhanath Das, whom Jogendra Mandal had defeated in the 1940 Calcutta Corporation elections, argued that “If we ask our Namasudra brothers in Noakhali to come to West Bengal and the government of West and North Bengal will provide them with shelter and other economic requirements, then I am prepared to swear that Jogen babu [Jogendra Mandal] will not able to keep a single one of his caste brothers in Noakhali.” Further, he argued that it would be easy for the scheduled castes to move precisely because “ in terms of their homes, they only have small huts, which they would not have much compunction or problem in leaving” and moving to western Bengal. In response to Das, Dwarikanath Barori, who sided with Mandal, argued, “it’s a novel discovery [on Das’s part] that the scheduled castes’ attachment to their home would be less because they lived in huts,” and added that in reality a majority of that community owned substantial property. Clearly, the main issue within this particular Partition debate was whether the new province in the west would be able to guarantee economic opportunities for the scheduled castes.
** '''অনুবাদ:''' তবে রাধানাথ দাসের মতো তফসিলি জাতির নেতাগণ, যাকে যোগেন্দ্র মণ্ডল ১৯৪০ সালের কলকাতা কর্পোরেশন নির্বাচনে পরাজিত করেছিলেন, যুক্তি দেন যে, “যদি আমরা আমাদের নোয়াখালীর নমশূদ্র ভাইদের পশ্চিমবঙ্গে আসতে বলি এবং পশ্চিম ও উত্তরবঙ্গের সরকার তাদের আশ্রয় ও অন্যান্য অর্থনৈতিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা করে, তাহলে আমি শপথ করে বলতে প্রস্তুত যে যোগেন বাবু [যোগেন্দ্র মণ্ডল] তার জাতিভাইদের একজনকেও নোয়াখালীতে ধরে রাখতে পারবেন না।” তিনি আরও যুক্তি দেন যে তফসিলি জাতির মানুষের অভিবাসন সহজ হবে কেননা “তাদের বসতবাড়ি বলতে কেবল ছোট ছোট কুঁড়েঘর রয়েছে, যেগুলো ছেড়ে যেতে তাদের খুব বেশি দ্বিধা বা অসুবিধা হবে না”, এবং তারা সহজেই পশ্চিমবঙ্গে চলে যেতে পারবে। দাসের এই বক্তব্যের জবাবে মণ্ডলের সমর্থক দ্বারিকানাথ বারুরী বলেন, “এটি [দাসের] একটি অভিনব উপলব্ধি যে তফসিলি জাতির মানুষেরা কুঁড়েঘরে বাস করে বলেই তাদের নিজের বাড়ির প্রতি মমত্ববোধ কম আছে।” তিনি আরও যোগ করেন যে বাস্তবে ওই সম্প্রদায়ের অধিকাংশ মানুষেরই যথেষ্ট পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি আছে। স্পষ্টতই, দেশভাগ-সংক্রান্ত এই বিশেষ বিতর্কে মূল প্রশ্ন ছিল, পশ্চিমে গঠিত নতুন প্রদেশটি তফসিলি জাতির মানুষের জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তা দিতে পারবে কি না।
*** HAIMANTI ROY (2009). A Partition of Contingency? Public Discourse in Bengal, 1946–1947. Modern Asian Studies, 43 , pp 30-31, doi:10.1017/S0026749X08003788
* At the same time, in a desperate move to gain support, upper caste Hindus in Sunamgaj arranged a festival for all Hindus, including Untouchables, which necessitated the unheard-of prospect of mass eating of cooked food, irrespective of caste. The vote was a mighty social leveller and Caste Hindus were compelled to eat with Untouchables off the same plates. At a critical moment, a Scheduled Caste leader, Dwarikanath Barori arrived and called to an Untouchable, ‘This is not food, this is poison, please do not eat.
** '''অনুবাদ:''' একই সময়ে সমর্থন অর্জনের জন্য মরিয়া হয়ে অস্পৃশ্যদেরও অন্তর্ভুক্ত করে সুনামগঞ্জের উচ্চবর্ণের হিন্দুরা সকল হিন্দুর জন্য একটি উৎসবের আয়োজন করে। এর ফলে এমন এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যেখানে জাতিভেদ নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে রান্না করা খাবার খেতে হয়। ভোটের রাজনীতি সেখানে এক শক্তিশালী সামাজিক সমতাকরণকারী শক্তি ছিল এবং অস্পৃশ্যদের সঙ্গে একই পাত্রে পরিবেশিত খাবার গ্রহণ করতে উচ্চবর্ণের হিন্দুরা বাধ্য হয়েছিল। ঠিক সেই সংকটময় মুহূর্তে তফসিলি নেতা দ্বারিকানাথ বারুরী সেখানে উপস্থিত হয়ে এক অস্পৃশ্য ব্যক্তিকে বলেন, “এটা খাবার নয়, বিষ; অনুগ্রহ করে খাবেন না।”
*** রাজনীতিবিদ [[সুহাসিনী দাস]], ASHFAQUE HOSSAIN (2013). The Making and Unmaking of Assam-Bengal Borders and the Sylhet Referendum. Modern Asian Studies, 47, pp 276–277. doi:10.1017/S0026749X1200056X
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯০৭-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]]
csnbj76gomewf32lhcpvfvmmm1sjilo
83741
83740
2026-06-06T23:20:22Z
Mehedi Abedin
50
/* তার সম্পর্কে উক্তি */
83741
wikitext
text/x-wiki
{{bw|দ্বারিকানাথ বারুরী}} একজন বাংলাদেশী আইনজীবী ও তপশিলি রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ব্রিটিশ ভারতের [[বঙ্গ|বঙ্গ প্রদেশ]] ও পাকিস্তানের [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ববঙ্গের]] প্রাদেশিক মন্ত্রী ছিলেন।
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
* ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাজনের ক্ষেত্রে [[মুসলিম লীগ|মুসলিম লীগের]] ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ এলাকার লোকজন মনে করে [[পাকিস্তান]] তথা [[পূর্ব পাকিস্তান|পূর্বপাকিস্তান]] সৃষ্টির জন্যে [[মাদারীপুর|মাদারীপুরের]] তফশিলী নেতা দ্বারকানাথ বারুরীরাই দায়ী। এ সম্পর্কে এ-এলাকায় প্রচলিত একটি ছড়ায় পরিবেশিত তথ্য থেকেও ঘটনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়—<br/>''আল্লায় বানাইছে সাধের''<br/>''হিন্দু-মুসলমান''<br/>''দ্বারিকবাবু সৃষ্টি করছে''<br/>''পূর্ব পাকিস্তান।''
** দ্বারিকানাথ বারুরী সম্পর্কে [[তপন বাগচী]], ২০০০ সালে প্রকাশিত আনন্দনাথ রায়ের "ফরিদপুরের ইতিহাস (১ম ও ২য় খণ্ড)"-এর ৩২৪ পৃষ্ঠা হতে উদ্ধৃত।
* However, scheduled caste leaders such as Radhanath Das, whom Jogendra Mandal had defeated in the 1940 Calcutta Corporation elections, argued that “If we ask our Namasudra brothers in Noakhali to come to West Bengal and the government of West and North Bengal will provide them with shelter and other economic requirements, then I am prepared to swear that Jogen babu [Jogendra Mandal] will not able to keep a single one of his caste brothers in Noakhali.” Further, he argued that it would be easy for the scheduled castes to move precisely because “ in terms of their homes, they only have small huts, which they would not have much compunction or problem in leaving” and moving to western Bengal. In response to Das, Dwarikanath Barori, who sided with Mandal, argued, “it’s a novel discovery [on Das’s part] that the scheduled castes’ attachment to their home would be less because they lived in huts,” and added that in reality a majority of that community owned substantial property. Clearly, the main issue within this particular Partition debate was whether the new province in the west would be able to guarantee economic opportunities for the scheduled castes.
** '''অনুবাদ:''' তবে রাধানাথ দাসের মতো তফসিলি জাতির নেতাগণ, যাকে যোগেন্দ্র মণ্ডল ১৯৪০ সালের কলকাতা কর্পোরেশন নির্বাচনে পরাজিত করেছিলেন, যুক্তি দেন যে, “যদি আমরা আমাদের নোয়াখালীর নমশূদ্র ভাইদের পশ্চিমবঙ্গে আসতে বলি এবং পশ্চিম ও উত্তরবঙ্গের সরকার তাদের আশ্রয় ও অন্যান্য অর্থনৈতিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা করে, তাহলে আমি শপথ করে বলতে প্রস্তুত যে যোগেন বাবু [যোগেন্দ্র মণ্ডল] তার জাতিভাইদের একজনকেও নোয়াখালীতে ধরে রাখতে পারবেন না।” তিনি আরও যুক্তি দেন যে তফসিলি জাতির মানুষের অভিবাসন সহজ হবে কেননা “তাদের বসতবাড়ি বলতে কেবল ছোট ছোট কুঁড়েঘর রয়েছে, যেগুলো ছেড়ে যেতে তাদের খুব বেশি দ্বিধা বা অসুবিধা হবে না”, এবং তারা সহজেই পশ্চিমবঙ্গে চলে যেতে পারবে। দাসের এই বক্তব্যের জবাবে মণ্ডলের সমর্থক দ্বারিকানাথ বারুরী বলেন, “এটি [দাসের] একটি অভিনব উপলব্ধি যে তফসিলি জাতির মানুষেরা কুঁড়েঘরে বাস করে বলেই তাদের নিজের বাড়ির প্রতি মমত্ববোধ কম আছে।” তিনি আরও যোগ করেন যে বাস্তবে ওই সম্প্রদায়ের অধিকাংশ মানুষেরই যথেষ্ট পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি আছে। স্পষ্টতই, দেশভাগ-সংক্রান্ত এই বিশেষ বিতর্কে মূল প্রশ্ন ছিল, পশ্চিমে গঠিত নতুন প্রদেশটি তফসিলি জাতির মানুষের জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তা দিতে পারবে কি না।
*** HAIMANTI ROY (2009). A Partition of Contingency? Public Discourse in Bengal, 1946–1947. Modern Asian Studies, 43 , pp 30-31, doi:10.1017/S0026749X08003788
* At the same time, in a desperate move to gain support, upper caste Hindus in Sunamgaj arranged a festival for all Hindus, including Untouchables, which necessitated the unheard-of prospect of mass eating of cooked food, irrespective of caste. The vote was a mighty social leveller and Caste Hindus were compelled to eat with Untouchables off the same plates. At a critical moment, a Scheduled Caste leader, Dwarikanath Barori arrived and called to an Untouchable, ‘This is not food, this is poison, please do not eat.
** '''অনুবাদ:''' একই সময়ে সমর্থন অর্জনের জন্য মরিয়া হয়ে অস্পৃশ্যদেরও অন্তর্ভুক্ত করে সুনামগঞ্জের উচ্চবর্ণের হিন্দুরা সকল হিন্দুর জন্য একটি উৎসবের আয়োজন করে। এর ফলে এমন এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যেখানে জাতিভেদ নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে রান্না করা খাবার খেতে হয়। ভোটের রাজনীতি সেখানে এক শক্তিশালী সামাজিক সমতাকরণকারী শক্তি ছিল এবং অস্পৃশ্যদের সঙ্গে একই পাত্রে পরিবেশিত খাবার গ্রহণ করতে উচ্চবর্ণের হিন্দুরা বাধ্য হয়েছিল। ঠিক সেই সংকটময় মুহূর্তে তফসিলি নেতা দ্বারিকানাথ বারুরী সেখানে উপস্থিত হয়ে এক অস্পৃশ্য ব্যক্তিকে বলেন, “এটা খাবার নয়, বিষ; অনুগ্রহ করে খাবেন না।”
*** রাজনীতিবিদ [[সুহাসিনী দাস]], ASHFAQUE HOSSAIN (2013). The Making and Unmaking of Assam-Bengal Borders and the Sylhet Referendum. Modern Asian Studies, 47, pp 276–277. doi:10.1017/S0026749X1200056X
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯০৭-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]]
ecv3as8xweaj1cjbnass8y95y3sh4xi
ব্যবহারকারী:MM Tarif
2
14137
83742
2026-06-06T23:50:28Z
MM Tarif
4257
আমার সম্পর্কে
83742
wikitext
text/x-wiki
আমি মাহমুদুল মান্নান তারিফ (MM Tarif)—
শব্দের মাঝে খুঁজি অনুভূতির ঠিকানা।
কবিতা আর উক্তির ভুবনে ঘুরি,
মনের কথা সাজাই ভাষার কারুকাজে।
জ্ঞান আমার পথচলার আলো,
সৃজনই আমার নীরব পরিচয়।
বাড়ি আমার সিংচাপইড়, ছাতক উপজেলায়,
লেখাপড়া মাস্টার্স ফার্স্ট, দিন কাটে না হেলায়।
অধ্যাপক সহকারী আর, প্রাবন্ধিক- গীতিকার,
স্তুতিগান গাবো মালিকের, তিনি ছাড়া গাবো কার?
jnvyp4gekeov4ym0d84x25eycoppe5s