উইকিউক্তি
bnwikiquote
https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.6
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিউক্তি
উইকিউক্তি আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন
0
8323
83746
83679
2026-06-09T17:00:54Z
Oindrojalik Watch
4169
/* স্লোগান */ উক্তি যোগ, সম্প্রসারণ, সংশোধন, তথ্যসূত্র যোগ
83746
wikitext
text/x-wiki
{{npov}}
[[File:7.Bangladesh quota reform movement 2024.jpg|thumb|২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনের "বাংলা ব্লকেড", ৬ জুলাই ২০২৪]]
[[File:কোটা সংস্কার আন্দোলন, শাহবাগ, কাঁটাবন, সায়েন্স ল্যাব, জুলাই ২০২৪ (৮).jpg|thumb|কোটা (×) মেধা (√)]]
'''[[w:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]]''' হলো বাংলাদেশে সব ধরনের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটার ভিত্তিতে নিয়োগের প্রচলিত ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে সংগঠিত একটি আন্দোলন। ২০২৪ সালের ৫ জুন বাংলাদেশ হাইকোর্ট ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করার পর কোটা পদ্ধতির সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সালে নতুনভাবে আলোচনায় আসে।
== স্লোগান ==
* {{w|আমি কে, তুমি কে—রাজাকার রাজাকার}}, কে বলেছে কে বলেছে, স্বৈরাচার স্বৈরাচার/সরকার সরকার
* আপস না সংগ্রাম? সংগ্রাম সংগ্রাম
** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই
** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* আঁর ন হাঁইয়্যে, বৌতদিন হাঁইয়্য’ (আর খেয়ো না, অনেক দিন খেয়েছ)
** চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার একটি স্লোগান, [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* এই মুহুর্তে দরকার, সেনাবাহিনী সরকার
** [https://bn.observerbd.com/details.php?id=109955 অবজার্ভারবিডি]
* এক দফা, এক দাবি স্বৈরাচার তুই কবে যাবি
** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* এক দুই তিন চার, শেখ হাসিনা, গদি ছাড়
** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* এক দফা দাবি এক, কোটা নট কামব্যাক
** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* কোটা না মেধা? মেধা, মেধা
** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* তুমি কে? আমি কে? বিকল্প, বিকল্প
** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* তোর কোটা তুই নে, আমার ভাই ফিরিয়ে দে
** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* দালালি না রাজপথ? রাজপথ, রাজপথ
** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* দফা এক, দাবি এক—শেখ হাসিনার পদত্যাগ
** [https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/news/one-demand-now-3668981 দ্য ডেইলি স্টারে] উদ্ধৃত।
* পালাইছে রে পালাইছে, হাসিনা পালাইছে
** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* বুকের ভেতর অনেক ঝড় বুক পেতেছি গুলি কর
** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* [[শেখ মুজিবুর রহমান|বঙ্গবন্ধুর]] বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই
** দৈনিক ইত্তেফাকের সংবাদ, [https://web.archive.org/web/20250514081515/https://www.ittefaq.com.bd/692965/%E2%80%98%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A7%E0%A6%BE-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E2%80%99 আর্কাইভকৃত]
* [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধের]] বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই
** [https://web.archive.org/web/20260322120118/https://museum.cu.ac.bd/?page_id=496]
* লাখো শহীদের দামে কেনা, দেশটা কারও বাপের না
** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* লাশের ভেতর জীবন দে, নইলে গদি ছাইড়া দে
** [https://www.prothomalo.com/bangladesh/145xh9480o প্রথম আলো]তে উদ্ধৃত
* ঢাকায় আসো জনতা, ছাড়তে হবে ক্ষমতা
** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* চাইলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার!
** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* জনে জনে খবর দে, ছাত্রলীগের কবর দে।
** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* সংবিধানের মূল কথা, সবার জন্য সমতা
** [https://www.dhakapost.com/campus/290575 ঢাকাপোস্ট] ও [https://rtvonline.com/national/281749 আরটিভি অনলাইন]
* স্বৈরাচার, স্বৈরাচার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়
** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে], ''প্রথম আলো''
* স্টেপ ডাউন হাসিনা (হাসিনা পদত্যাগ কর)
** [https://scroll.in/latest/1071628/step-down-hasina-as-millions-take-to-the-streets-in-bangladesh-48-feared-dead]
== বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সম্পর্কে উক্তি ==
* বীর মুক্তিযোদ্ধা সবাই অনগ্রসর নন, তাই সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা রাখা সংবিধানসম্মত নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে বড় আকারে মুক্তিযোদ্ধা কোটা চিরস্থায়ী করলে স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্যকে ধ্বংস করা হয়।’
** [[জি এম কাদের]], বিরোধীদলীয় নেতা, ৩ জুলাই ২০২৪, জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্য
* ‘এত আন্দোলন কিসের রাস্তায় শুরু হয়েছে? আন্দোলনের চাপ দিয়ে কি হাইকোর্টের রায়, সুপ্রিম কোর্টের রায় পরিবর্তন করবেন?’
** ওবায়দুল হাসান, ৪ জুলাই ২০২৪, প্রধান বিচারপতি, হাইকোর্টের দেওয়া রায় নিয়ে আপিল বিভাগের শুনানিতে দেওয়া বক্তব্য
* ২০১৮ সালে গণ-আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছর নির্বাহী বিভাগ কোটা বাতিল করে যে পরিপত্র জারি করেছিল, আজকে বিচার বিভাগ দিয়ে সেই কোটাকে আবার পুনর্বহাল করা হলো। এটা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটা প্রহসন। রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যে এই সমন্বয়হীনতা ও অন্তর্দ্বন্দ্বের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করুক এবং শিক্ষার্থীদের দাবি বিবেচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সেগুলো পূরণ করুক।’
** নাহিদ ইসলাম, ৪ জুলাই, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক, শাহবাগ মোড় অবরোধ কর্মসূচিতে দেওয়া বক্তব্য
* রেল ট্রানজিটের নামে ভারতকে একতরফা করিডর দিলে দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করা ও বৈষম্যমূলক কোটা পুনঃপ্রবর্তনের মাধ্যমে ’৭১ পূর্ব পাকিস্তানি বৈষম্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হলে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ অনিবার্য হয়ে যাবে। এই সরকার দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একতরফাভাবে ভারতকে রেল করিডর দিয়েছে। এই ডামি সরকার মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে ভূলুণ্ঠিত করেছে। আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে আবার নতুন করে কোটা প্রথা চালু করতে চাইছে। ভারতকে করিডর দিয়ে, জনগণের সম্পদ লুটপাটকারীদের সুবিধা দিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আরও দীর্ঘায়িত করতে চায়। ডামি সরকারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং গণতন্ত্র উদ্ধার করে দেশকে এই ফ্যাসিবাদীদের কবল থেকে মুক্ত করতে হবে।
** আব্দুল ওহাব মিনার, ৬ জুলাই ২০২৪, যুগ্ম আহ্বায়ক, এবি পার্টি, ট্রানজিটের একতরফা রেল করিডর, কোটা পুনঃপ্রবর্তন বাতিল ও ডামি সরকারের পদত্যাগসহ চার দফা দাবিতে বিজয়নগরের বিজয়-৭১ চত্বরে অবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচিতে [https://samakal.com/politics/article/245267/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF:-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF]
* আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ভুল বুঝিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মুখোমুখি করা হয়েছে এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আরেকটা খুবই ভুল ধারণা তৈরি করা হয়েছে যে, কোটা এবং মেধা, মনে হতে পারে যে, যারা কোটায় চাকরি করে তাদের কোন মেধা নেই। কিন্তু আবেদন করার ক্ষেত্রে কোটা লাগে না, প্রিলিমিনারিতে কোটা লাগেনা, লিখিততে কোটা লাগেনা। একদম শেষ মুহূর্তে গিয়ে কোটা এপ্লাই হয়। তখন মেধায় আসলে সবাই সমান। আমার সামনে যদি দুইটা অপশন থাকে যে, দুইজনই সমান মেধাবী, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও একজন রাজাকারের সন্তান, আমি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে চাকরি দিতে চাই। (শেখ হাসিনা: অবশ্যই) জ্বি। সেটা একটা। ফলে মেধা এবং কোটা খুব সহজেই মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাচ্ছে যে সব মেধাবীরা চাকরি না নিয়ে কোটার চাকরি। আপনাকে খুবই ধন্যবাদ যে আপনারা গত ১০-১২ দিন ধরে আন্দোলন করছে আপনারা অসীম ধৈর্যের সাথে আন্দোলন মোকাবেলা করছেন এবং যারা আন্দোলন করছে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে চাকরি না পেয়ে বঞ্চিত। তাদের ক্ষোভের সাথে আমি খুবই একমত। তাদের পেছনে কি অন্য কেউ ইন্ধন যুগিয়ে ভুল বুঝিয়ে বিভ্রান্ত করে মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোমুখি করছে কিনা। আমার আপনার কাছে আবেদন থাকবে যে আপনারা যে ধৈর্য দেখে যাচ্ছেন সেটা দেখিয়ে যদি তাদের সাথে কোন ভাবে তাদেরকে বুঝিয়ে শুনিয়ে, আগামী ৭ই আগস্ট পর্যন্ত কিছু করার নাই কারন সেদিন আপিল বিভাগের শুনানি হবে। তারপর আপিল বিভাগের রায়ের পর হয়তো নির্বাহী বিভাগ কি করবে না করবে। ততদিন তারা যাতে অন্তত বুঝতে পারে সেটা যদি আপনি অনেক সংবেদনশীলতার সাথে যদি বিষয়টা বিবেচনা করেন তাহলে ভালো হয় আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
** [[প্রভাষ আমিন]], ১৪ জুলাই ২০২৪, এটিএন নিউজে হেড অফ নিউজ, গনভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে
*মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরাও পাবে না? তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে। তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না। অপরাধটা কী? নিজের জীবনবাজি রেখে, সংসার সব ফেলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে। দিনরাত খেয়ে না খেয়ে, কাদামাটি ভেঙে, রোদ-বৃষ্টি-ঝড় মোকাবিলা করে যুদ্ধ করে এ দেশের বিজয় এনেছে। বিজয় এনে দিয়েছিল বলে সবাই উচ্চপদে আসীন। এখানে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করা একটা কৌশল। তার মানে হলো মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-নাতি-পুতিরা কেউ মেধাবী না, যত রাজাকারের বাচ্চারা-নাতি-পুতিরা হলো মেধাবী, তাই না? এটা ভুলে গেলে চলবে না যাদের মেধাবী না বলছে, তাদের হাতে ওনারা পরাজিত। যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা জয়ী হয়েছিল রাজাকারদের বিরুদ্ধে, এই কথাটা মনে রাখা উচিত। তাদের মেধাটা কোথায়? সেটা আমার প্রশ্ন। মেধা কার কত, সেটা পরীক্ষার প্রিলিমিনারিতে, লিখিত পরীক্ষায়, তারপর ভাইভা হয়। সেই সময় যেটা… সেটা বাস্তবতা তো যদি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয় সেই পাবে। আর সব সময় সব কোটা পূর্ণ হয় না। যেটা বাকি থাকে তা তালিকা থেকেই দেওয়া হয়। অনেক চাকরিতে মেধার তালিকা থেকে দেওয়া হচ্ছে। এ নির্দেশনা দেওয়া আছে। কিন্তু সেখানে অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা অগ্রাধিকার পাবে, এটা দিতে হবে।
** প্রধানমন্ত্রী [[শেখ হাসিনা]] ১৪ জুলাই ২০২৪ তারিখে গণভবনে এটিএন বাংলার সাংবাদিক [[প্রভাষ আমিন]]ের "আমরা আসলে মেধায় সবাই সমান। আমার কাছে যদি দুইটা অপশন থাকে, দুইজনই সমান মেধাবী, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও একজন রাজাকারের সন্তান, তাহলে আমি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বেছে নেব।" মন্তব্যে
*আমি লেখাটি লিখতে শুরু করেছিলাম। শেষ করার আগেই জানতে পারলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটাবিরোধী ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে ঘোষণা দিয়ে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রকম্পিত করেছে। এই লেখাটি শেষ করার আর কোনও প্রয়োজন নেই।’ ‘লেখাটি শেষ না করে নিচের অংশটুকু লিখেছি। ঘুমানোর আগে খবরটি দেখে মাথার মাঝে একটা বিস্ফোরণ হলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে দাবি করেছে। খবরটি নিজের চোখে দেখেও বিশ্বাস হয় না— এটি কি সত্যিই সম্ভব? বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র বা ছাত্রী কি সত্যিই নিজেকে রাজাকার হিসেবে দাবি করতে পারে? শুধুমাত্র একটা সরকারি চাকরির জন্য? কোন দেশের সরকার, বাংলাদেশ নাকি পাকিস্তান? এই ছাত্র-ছাত্রীরা কি জানে, চাকরি অনেক দূরের ব্যাপার, তাদের যে এই দেশের মাটিতে থাকার অধিকার নেই? ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমার বিশ্ববিদ্যালয়, আমার প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়। তবে আমি মনে হয় আর কোনোদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে চাইব না। ছাত্র-ছাত্রীদের দেখলেই মনে হবে, এরাই হয়তো সেই রাজাকার।’ ‘আর যে কয়দিন বেঁচে আছি, আমি কোনো রাজাকারের মুখ দেখতে চাই না। একটাই তো জীবন। সেই জীবনে আবার কেন নূতন করে রাজাকারদের দেখতে হবে?’ ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার কিছু চাইবার নেই, স্বাধীন একটা দেশ চেয়েছিলাম, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়েছিলাম। দু’টোই পেয়ে গেছি। এখন যদি আরও কিছু পাই সেটা হবে বোনাস। (তবে অস্বীকার করব না বেনজীর-আবেদ আলীদের সামলে-সুমলে রাখলে একটু আনন্দ পেতাম।)’ ‘আমরা সবাই জানি, একটা দেশে যদি সবাই সমান সুযোগ পায়, সুবিধা পায় আর সবার যদি সমান অধিকার থাকে, তাহলে কোটার কোনও প্রয়োজন নেই। যদি না থাকে তাহলে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য কোটা রাখা একটা মানবিক ব্যাপার। অবশ্য মানবিক ব্যাপার কথাটা একটু খানি বইয়ের ভাষা, সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত কয়জনের আর অন্যদের মানবিক ব্যাপার নিয়ে মাথা ব্যথা আছে?’ ‘যদি কোটার ব্যাপারটা সহজভাবে লিখি তাহলে বলা যায়, দুই রকম কোটা আছে একটা ভালো, অন্যটা খারাপ। প্রথমে খারাপটার কথা বলি, তার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হচ্ছে— পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ছেলেমেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার কোটা, যেটাকে পোষ্য কোটা বলে। আমি খুঁটিনাটি জানি না, সম্ভবত পোষ্য কোটা শুধু শিক্ষকদের জন্য না, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্যও খোলা, কিন্তু বাস্তবে শিক্ষকদের সন্তানদের ছাড়া আর কোনও সন্তান সেই সুযোগ ব্যবহার করতে পেরেছে বলে মনে হয় না। এই পোষ্য কোটা নিয়ে কখনও কোনও উচ্চবাচ্য হতে দেখিনি। যদিও পোষ্য কোটার ছাত্র-ছাত্রীরা পাস করার পর আবার তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক বানাবার একটি নতুন চাপ শুরু হয়, নিজের চোখে দেখা। আর ভালো কোটার উদাহরণ হচ্ছে—...
**মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ১৪ জুলাই ২০২৪, অধ্যাপক ও লেখক [https://www.jagonews24.com/amp/956143]
* কোটা সংস্কার আন্দোলনে যাঁরা ‘‘আমি রাজাকার’’ স্লোগান দিচ্ছেন, তাঁদের শেষ দেখিয়ে ছাড়ব।
** সাদ্দাম হোসেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ১৫ জুলাই ২০২৪
* কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কতিপয় নেতারা যে সব বক্তব্য রেখেছে, তার জবাব দেয়ার জন্য- আত্মস্বীকৃত রাজাকার, যারা নিজেদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ মানসিকতার প্রকাশ ঘটিয়েছে; তার জবাব দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। ছাত্রদের বিষয় ক্যাম্পাসের মধ্যেই সীমিত থাকবে। আমরা দেখি, রাজনৈতিকভাবে কারা প্রকাশ্যে আসে, তখন দেখা যাবে। আমরাও মোকাবেলা করতে প্রস্তুত।
** [[ওবায়দুল কাদের]], ১৫ জুলাই ২০২৪
*যারা নিজেদেরকে রাজাকার বলে পরিচয় দেয়, তাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদের রক্তস্নাত লাল সবুজের পতাকা হাতে নিয়ে বা সে পতাকা কপালে বেঁধে নিয়ে মিছিল করবার কোনো অধিকার থাকতে পারে না।’’
** [[দীপু মনি]], ১৫ জুলাই, [https://www.somoynews.tv/news/2024-07-15/2KvCG3uW]
* রক্তাক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়! আমার ক্যাম্পাসে রক্ত কেন? প্রতিবাদ জানাই।’
** আয়মান সাদিক, ১৫ জুলাই, টেন মিনিট স্কুলের স্বত্ত্বাধিকারী [https://www.jagonews24.com/social-media/news/955804]
*কথা বলার স্বাধীনতা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না আমি তাদের (আন্দোলনকারীদের) পূর্ণ সমর্থন করি। সহিংসতা দিয়ে সত্যকে কখনো থামানো যায় না। সত্য কখনো মরে না। বাংলাদেশের জন্য দোয়া করবেন।
** দাউদ কিম, ১৬ জুলাই ২০২৪, দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার, ফেসবুক স্ট্যাটাসে[https://www.somoynews.tv/news/2025-07-20/H3KVsSTV]
*বাংলাদেশে যা ঘটছে তা ভয়াবহ। কিন্তু মিডিয়া এত চুপ কেন? আর পুলিশ এখন কি করছে? এটি লজ্জার, ওরা আপনার ভাই! আপনি যখন নিরপরাধ ছাত্রদের সাথে সহিংস আচরণ করছেন, তখন আপনি কোন ন্যায়বিচারের কথা বলছেন? যারা সহিংসতার মাধ্যমে স্বাধীনতার জন্য লড়াইকারীদের থামানোর চেষ্টা করছেন; তাদের (শিক্ষার্থীদের) ইচ্ছাকে কখনোই থামাতে পারবেন না। আল্লাহ তাদের পথচলা সহজ করুন। যারা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আল্লাহ তাদের অসীম গৌরব ও বিশ্রাম দিন… আমিন।
** দাউদ কিম, ১৬ জুলাই ২০২৪, দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার, ফেসবুক স্ট্যাটাসে [https://www.somoynews.tv/news/2025-07-20/H3KVsSTV]
* ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করা হলো।
** আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ফেসবুক ওয়ালে ও শাবিপ্রবির বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081]
* মুহম্মদ জাফর ইকবালকে আমরা খুব শ্রদ্ধা করতাম। কিন্তু তার গতকালকের লেখাটি আমাদের হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে। তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। শিক্ষার্থীরা যখন খুন হচ্ছে, হামলার শিকার হচ্ছে তখন একজন শিক্ষক হয়ে তিনি এ ধরনের লেখা লিখতে পারেন না। তাই আমরা তাকে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে আজীবনের জন্যে নিষিদ্ধ করেছি। [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081]
* নাম না প্রকাশ করার শর্তে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এক শিক্ষার্থী, ১৭ জুলাই ২০২৪, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081]
* জাফর ইকবাল স্যার সম্পর্কে আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো কথা বলতে চাই না। আমার ধারণা উনার প্রচণ্ড বুদ্ধিসুদ্ধির অভাব আছে। হয় উনার মধ্যে প্রচণ্ড অপরাধবোধ কাজ করে যে ১৯৭১ সালে উনি কী করেছেন, এই অপরাধবোধ ঢাকার জন্য উনি অতিরিক্ত মুক্তিযোদ্ধা সাজার চেষ্টা করেন। অধ্যাপক জাফর ইকবালের কাছে তার একটাই প্রশ্ন- আপনি কী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বোঝেন? আপনি কি পড়াশোনা করেছেন? আপনি কি বাহাত্তর সনে গণপরিষদ বিতর্ক পড়েছেন? তার তো কোনো পড়াশোনাই নাই, সে তো শিক্ষাবিদ দূরের কথা উনি বুদ্ধিপ্রতিবন্ধক একজন মানুষ।
** আসিফ নজরুল, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.ittefaq.com.bd/694138/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2]
* আমাদের সাইট থেকে তার (মুহম্মদ জাফর ইকবালের) সব বই ‘নট অ্যাভেইলেবল’ করে দেওয়া হয়েছে।
** রকমারি ডট কম কর্তৃপক্ষ, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.rtvonline.com/bangladesh/283021]
* শুধু কোটা নয়; গোটা দেশটাই সংস্কারের প্রয়োজন।
** [[মিজানুর রহমান আজহারী]] ১৭ জুলাই ২০২৪ বুধবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে তিনি বলেন,[https://dainikamadershomoy.com/details/0190bf2b9c2f]
* ...পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা
** সানজিদা চৌধুরী, ১৭ জুলাই ২০২৪, আন্দোলনকারী [https://www.somoynews.tv/news/2025-02-21/24NM1wYW]
* এই আন্দোলনের শুরু থেকেই সরকার যথেষ্ট ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন করেছে। বরং আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশ সহযোগিতা করে। মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে যখন আন্দোলনকারীরা স্মারকলিপি প্রদান করার ইচ্ছা প্রকাশ করে, সে ক্ষেত্রে তাদের সুযোগ করে দেওয়া হয় এবং নিরাপত্তারও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো- কিছু মহল এই আন্দোলনের সুযোগটা নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করার সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। এর ফলে এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে যে সব ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক। অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল। আপনজন হারাবার বেদনা যে কত কষ্টের, তা আমার থেকে আর কে বেশি জানে।
** [[শেখ হাসিনা]], ১৭ জুলাই ২০২৪, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে
* ভাই, পানি লাগবে কারও পানি?
** [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]], ১৮ জুলাই ২০২৪, ঢাকায় একটি আন্দোলনে পুলিশের লক্ষহীন এলোপাথাড়ি গুলিতে মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে ছাত্রদের মাঝে বিনামূল্যে পানি ও বিস্কুট বিতরণ করার সময় [https://www.jugantor.com/national/830891/%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%AB-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9F-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7]
* ‘এ আগুন থামান। এ আগুন নেভানোর দায়িত্ব সরকারের। কালবিলম্ব না করে সম্ভব হলে আজ-কালকের মধ্যেই স্পেশাল কোর্ট বসিয়ে সমস্যার সমাধান করুন। সময় খুব কম। আমরাও সরকারে (এরশাদের আমলে) ছিলাম। আমরাও এভাবে আন্দোলনকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিলাম। নূর হোসেন মারা যাওয়ার পর অনেকে বলেছিলেন, টোকাই মারা গেছে, কী হবে? কিন্তু আমি বলেছিলাম, না, এই নূর হোসেন একক কোনো ব্যক্তি নয়।’
**কাজী ফিরোজ রশীদ, ১৮ জুলাই ২০২৪, নির্বাহী চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টি (রওশন এরশাদপন্থী)
* ‘সব ধরনের সহিংসতা ও বলপ্রয়োগ, বিশেষ করে প্রাণহানির ঘটনার অবশ্যই তদন্ত করতে হবে এবং দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ মানুষের মৌলিক মানবাধিকার।’
**ভলকার টুর্ক, ১৮ জুলাই ২০২৪, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার, এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে
* আপনার কোনো অধিকার নেই আমাকে রাজাকারের বাচ্চা বলার! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আপনি কোন সাহসে আমাকে রাজাকারের বাচ্চা বলেন? আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান!
** দীপ্তি চৌধুরী, ১৮ জুলাই, আলোচনা সঞ্চালক, চ্যানেল আইএর টু দ্য পয়েন্ট নামক টকশোতে আলোচক সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক স্টুডিও ছাড়ার আগে তাকে ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে সম্বোধন করার প্রতিক্রিয়ায় [https://www.ntvbd.com/bangladesh/news-1435909]
* আমি ভারতের নাগরিক। বাংলাদেশ আমাদের প্রতিবেশী। তার বিষয় আসয়ে নাক গলানোর অধিকার আমার নেই। সেটা করতে চাইও না। তবু বাংলাদেশের অনেকের কাছ থেকে যে ভালবাসা আমি পেয়েছি তা ভুলে থাকতেও পারছি না। বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থায় চুপ করে বসে থাকতে পারি না। থেকেছি কয়েক দিন। আর পারছি না। কিন্তু অবস্থাটা যে ঠিক কী, কী কী কারণে যে এমন হল এবং হচ্ছে, কারা যে এতে জড়িত তাও তো ঠিকমতো জানি না। তাও পঁচাত্তর উত্তীর্ণ এই বাংলাভাষী করজোড়ে সব পক্ষকে মিনতি করছি: অনুগ্রহ করে হিংসা হানাহানি বন্ধ করুন। ঢাকা সরকারকে অনুরোধ করছি: বাংলা ভাষার কসম শান্তি রক্ষার চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। আপনাদের ছাত্রবাহিনী যেন হিংসার আশ্রয় না নেন।” “হানাহানি বন্ধ হোক। বন্ধ হোক উল্টোপালটা কথা বলে দেওয়া। বাঁচুক বাংলাদেশ। বাঁচুন বাংলাদেশের সকলে। জয় বাংলাদেশ। জয় মুক্তিযুদ্ধ। জয় অসংখ্য বাংলাদেশীর শাহাদাত ও অপূরণীয় ক্ষতিস্বীকার। জয় বীরাঙ্গনারা। জয় বাংলা ভাষা!”“বিরোধী হলেই রাজাকার!/ বলে দাও তবে দেশটা কার/ দেশটা কার দেশটা কার!”
** কবীর সুমন, ১৮ জুলাই ২০২৪, ফেসবুক পোস্টে [https://mzamin.com/news.php?news=119230]
* প্রায় এক মাস হলো আমি নিজের দেশে নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খবরের চ্যানেলে তৃতীয় বিশ্বের কোনো খবরই তেমন একটা চলেনা। আর আমি খুব একটা ফোনের পোকা নই তাই এত খারাপ একটা খবর কানে আসতে দেরি হলো। বাংলাদেশের স্মৃতি নিয়ে স্বস্তিকা লিখেন, ‘এই তো কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ গেলাম, খুব ইচ্ছে ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় যাওয়ার। চারুকলা যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল, জীবনের একটা স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। প্রতিবার আসি, ব্যস্ততায় যাওয়া হয়না, মা‘ও খুব যেতে চাইতেন বাংলাদেশ, নিয়ে যাওয়া হয়নি। কিন্তু আজ একটা ভিডিও দেখলাম, গুলির ধোঁয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা আক্রান্ত। ছাত্র বয়স গেছে সেই কবে, তবে জাহাঙ্গীরনগর আর আমার যাদবপুর খুব কাছাকাছি। কাঠ গোলাপের গাছগুলোও কেমন এক রকম। এক রকম আকাশের মেঘগুলোও। কেবল আজ ওখানে বারুদের গন্ধ।’‘ময়দান ভারী হয়ে নামে কুয়াশায়, দিগন্তের দিকে মিলিয়ে যায় রুটমার্চ, তার মাঝখানে পথে পড়ে আছে ও কি কৃষ্ণচূড়া? নিচু হয়ে বসে হাতে তুলে নিই, তোমার ছিন্ন শির, তিমির।’ এমন এক আপ্যায়নপ্রিয় জাতি দেখিনি, খাবারের নিমন্ত্রণ যেন শেষ হতেই চায় না, অমন সুন্দর করে সারা রাস্তা জুড়ে ভাষার আল্পনা আর কোথায় দেখবো? নয়নজুড়ানো দেওয়াল লেখা? এ বোধহয় মুক্তিযুদ্ধের শপথ নেওয়া একটা জাতির পক্ষেই সম্ভব। আজ অস্থির লাগছে। আমিও তো সন্তানের জননী। আশা করবো বাংলাদেশ শান্ত হবে। অনেকটা দূরে আছি, এই প্রার্থনাটুকুই করতে পারি। অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো, সেই আমাদের আলো, আলো হোক, ভাল হোক সকলের।
** স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, ১৮ জুলাই ২০২৪, কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত আবু সাঈদের আঁকা ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে, যার উপরে লেখা "বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর।" [https://www.ntvbd.com/entertainment/news-1430941] [https://www.bvnews24.com/entertainment/news/155975]
* বাংলাদেশে থাকা যেসব মানুষ ভোগান্তির মধ্যে আছেন, তাঁদের জন্য আমার প্রার্থনা ও সহমর্মিতা রইল।
** [[:w:এনসো ফের্নান্দেস|এনজো ফার্নান্দেজ]], ১৯ জুলাই ২০২৪, ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার, ফেসবুকের এক পোস্টে [https://www.prothomalo.com/sports/football/bbeqhr6be7]
*এটা অবশ্যই কারফিউ। এটা নিয়ম অনুযায়ীই হবে এবং সেটা শুট অ্যাট সাইট হবে।
** [[ওবায়দুল কাদের]], ২০ জুলাই ২০২৪, গণভবনে ১৪ দলের বৈঠকের পর কারফিউ জারি ও সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সাংবাদিকদের দেওয়া বক্তব্য [https://www.prothomalo.com/bangladesh/34df7itae8]
* দেশকে যখন আমরা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছি, তখন দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনের মধ্যে গুজব ছড়ানো হয়েছে, শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু বলে দিতে চাই, শেখ হাসিনা পালায়নি, পালায় না। আমি জানি ব্যবসা বানিজ্য সচল রাখতে হবে। এজন্য আপনাদের সহযোগিতা দরকার। যে ক্ষতি হয়েছে সেটি কারা করলো? এবার অতো সহজে ছাড়া হবে না। ধ্বংসযঞ্জে চালিয়ে দেশকে ধ্বংস করবে? আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই যাতে দেশের ভাবমূর্তি ঠিক থাকে। ভাবমূর্তি ঠিক না থাকলে ব্যবসা লাটে উঠবে।
** [[শেখ হাসিনা]], ২২ জুলাই ২০২৪, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে
* সরকার আগে থেকে আন্তরিক হলে মৃত্যু কমানো যেতো। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা যে দাবি করেছিল, সেটা তো শেষ পর্যন্ত মেনে নেওয়া হয়েছে। এটাই যদি শুরুতে উদ্যোগ নিয়ে করা হতো তাহলে তো এত প্রাণহানি হতো না। বরং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগকে উস্কানি দিয়ে আন্দোলনকারীদের উপর হামলা না করালে হয়ত পরিস্থিতি এ দিকে যেতো না। ফলে আমি মনে করি, সরকার আন্তরিক হলেই প্রাণহানি কমতো।
** সাখাওয়াত হোসেন ২৫ জুলাই ২০২৪, নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%BE/a-69767637]
* সরকার দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করেনি, ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গেছে।
**[[জুনাইদ আহমেদ পলক]], ২৭ জুলাই ২০২৪, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, ‘শান্তির জন্য বৃক্ষ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/34df7itae8]
* এখানে আমার তো কোনও চাওয়া-পাওয়া নেই। আমি তো ছেলে-মেয়েদের জন্যও কিছু করিনি। শুধু তাদের লেখাপড়া... নিজেরাই চাকরি করে লেখাপড়া করেছে। আমি কতটুকুইবা তাদের জন্য করতে পেরেছি। কিন্তু আমি দেশের মানুষের জন্য করেছি। আজ অন্তত মানুষের ভাত-কাপড়ের ব্যবস্থা, চিকিৎসার ব্যবস্থা, তাদের কাজের সংস্থান; সবই তো করে দিচ্ছিলাম। যখন আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেলাম, তখনই তাণ্ডব করে ঠিক যে জায়গাগুলো (প্রতিষ্ঠান) মানুষের সেবা করবে, সে জায়গাগুলোতে আঘাত করা হলো। সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার পরেও তাদের আর সেই শাটডাউন শেষ হয় না, কী কারণে আমি বুঝি না। আমরা তো সবগুলো দাবিই মেনে নিয়েছি। একটা মানলে আরেকটা, আরেকটা মানলে আরও একটা! আর এর ফল আজকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে সব একদিকে ছারখার, আর আজকে কত মানুষ জীবন হারালো! কতগুলো মানুষ পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে! কতগুলো মানুষ...।
** [[শেখ হাসিনা]], ২৭ জুলাই ২০২৪, আন্দোলনে আহতদের দেখতে শেরেবাংলা নগরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ট্রমাটোলজি অ্যান্ড অর্থোপেডিক রিহ্যাবিলিটেশন-নিটোর (পঙ্গু হাসপাতাল)-এ [https://www.banglatribune.com/national/855810/%E0%A6%8F%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B2-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80]
* মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের দিকেই যেন তাদের বেশি ক্ষোভ। আমার একটা কথা নিয়ে কত দিন প্রতিবাদ করল, কী কথা বলেছিলাম আমি? আমার কথাটাকে বিকৃত করা হয়েছিল। তাদের স্লোগানটা কী? ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার। তোমার বাবা, আমার বাবা, রাজাকার রাজাকার’। তার মানে তারা নিজেদেরই রাজাকার হিসেবে পরিচয় দিল। আমি তো তাদের রাজাকার বলিনি, তারা নিজেরাই স্লোগান দিয়ে নিজেদের রাজাকার হিসেবে পরিচিত করল সবার কাছে।”
** [[শেখ হাসিনা]], ২৭ জুলাই ২০২৪, বিটিভি ভবনের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শনকালে।
* আপনাদেরও সাহায্য চাই। যদি আপনারা কিছু জানেন, আমাদের জানাবেন। কারণ, এভাবে বারবার বাংলাদেশে সহিংসতা, এটা আর হতে দেওয়া হবে না। এ কারণে আপনাদের সাহায্য চাই। এমন জানোয়ারের মতো বর্বরতা কেউ কেউ করতে পারে? একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানের লাশ ঝুলিয়ে রাখতে পারে? যারা এগুলোর সাথে জড়িত, অবশ্যই এদের বিচার করতে হবে। তা না হলে মানুষের নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না। আমি তো বুঝি আপনাদের বেদনা। প্রতিনিয়ত বাপ-মা-ভাই-বোনদের হারানোর ব্যথা নিয়ে আমাদের চলতে হয়। লাশটাও দেখতে পারিনি, কাফন-দাফনটাও করতে পারিনি। দেশেও ফিরতে পারিনি। ছয় বছর দেশে ফিরতে দেয়নি আমাকে। যখন দেশে এসেছি, সারা দেশ ঘুরেছি। এই দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছি। সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছিলাম। কিন্তু বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটাবে, এই সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটাবে- এটা তো কাম্য না। আপনাদের কাছে শুধু এইটুকু বলবো, আপনারা সবুর করেন। আর আল্লাহকে ডাকেন যেন এই সমস্ত খুনি-জালেমের হাত থেকে আমাদের দেশটা রেহাই পায়। আমি আপনাদের সঙ্গে আছি, পাশে আছি। আমারও আপনাদের চোখের পানি দেখতে হচ্ছে। এটিই সবচেয়ে কষ্টের।
** [[শেখ হাসিনা]], ২৮ জুলাই ২০২৪, গণভবনে কোটা আন্দোলনে নিহত ছাত্রদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে
* কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মহাসচিব আন্তনিও গুতেরেস গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অত্যধিক বলপ্রয়োগের বিষয়ে সামনে আসা নানা প্রতিবেদনের বিষয়েও তিনি শঙ্কিত। যে-কোনো পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে জাতিসংঘ মহাসচিব তার ম্যান্ডেট অনুসারে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
** স্টিফেন ডুজাররিক, ২৯ জুলাই, জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র [https://www.ittefaq.com.bd/694840/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B2%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%AA-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87] [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8/a-69839456]
* দেশের সিভিল সার্ভিস থেকে শুরু করে সমস্ত সরকারি চাকরিতে সকলের বৈধভাবে প্রতিযোগিতা করার অধিকার থাকবে কিনা থাকবে না, এটি রাজনৈতিক প্রশ্ন। কিন্তু এর সমাধানের দিকে না গিয়ে দেশের সরকার প্রথমে উপেক্ষা করতে চেয়েছে, পরবর্তীতে দমননীতি অবলম্বন করেছে নিজের পেটোয়া বাহিনী দিয়ে। সেটা থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের শুরু। এখনো হত্যাকাণ্ডকে অস্বীকার করার জন্য চেষ্টা করছে। এই হত্যাকাণ্ড রাষ্ট্রীয় মদদে হয়েছে। এর বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের জন্য বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক তদন্ত দরকার। গতকাল (৩০ জুলাই ২০২৪) শোক দিবসের নামে একটা প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। সেখানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের জন্য শোক পালনের জন্য কালো ব্যাজ পরিধান করতে বলেছেন। আমরা সেটা প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা লাল ব্যাজ পরেছি। তারপরও তাঁদের তাঁরা শহীদ বলতে রাজি নন। তাহলে তাঁরা যদি শহীদ না হন, তাঁদের জন্য তাহলে প্রার্থনা করার দরকার কী? এ ধরনের অজস্র স্ববিরোধী আপনারা পাবেন। সরকার এখন এ হত্যাকাণ্ডকে জায়েজ করার জন্য অজুহাত দিচ্ছে। তারা মেট্রোরেল স্টেশনে হামলা করেছে, সেতু ভবনে হামলা করেছে অথবা বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনে হামলা করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, উন্নয়নের প্রতীকগুলো ধ্বংস করার জন্য বিরোধীরা এই আন্দোলনে ঢুকে পড়েছে। তবে দেশের মানুষ এটাকে মেনে নিল কেন? মানুষ যেটাকে দম্ভের প্রতীক মনে করে সেটিতে হামলা করে। এই সরকারের বৈধতার একমাত্র দাবি, তারা উন্নয়ন করেছে গত দেড় দশকে, আইয়ুব খানের এক দশক ছিল, শেখ হাসিনার দেড় দশক হয়েছে। এই শহরের মানুষ যে সরকারের উন্নয়নকে প্রত্যাখ্যান করেছে সেটা দেখা যায়। মানুষ যখন তথাকথিত উন্নয়নের প্রতীকে আক্রমণ করে তখন প্রথমে দেখে মনে হবে দুর্ঘটনা, কিন্তু না, এর পেছনে কারণ আছে। কেউ কি বিশ্বাস করেন এ সরকারের ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তারা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার করতে পারে? না। কারণ, তারা নিজেরাই হত্যাকারী। যারা নিজেরাই রাজাকার, খুনি, বিশ্বাসঘাতক তারা অপরকে বলে রাজাকার, খুনি, বিশ্বাসঘাতক। পৃথিবীতে এর চেয়ে বড় পরিহাস আর কী আছে। ক্ষমতার সর্বোচ্চ কেন্দ্রের চারদিকে আজ রাজাকারেরা বসে আছে। যখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরকারি বাহিনীর হামলার ফলে সাধারণ ছাত্ররা জেগে উঠল তাদের বিরুদ্ধে, তারা যখন পরাজয়ের মুখে, তখন তাদের সরিয়ে নিয়ে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ঢুকিয়ে দেওয়া হলো। তখনই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ল সারা দেশে। গুলিতে যাঁরা মারা গেছেন, তাঁরা আমাদের পথপ্রদর্শক। সংকটের উৎপত্তি কোথায়, সেদিকে না গিয়ে সরকার বলছে এই দল, সেই দলকে নিষিদ্ধ করব। সেটা সমস্যাকে আরও বাড়াবে। এজন্য এখন দরকার রাজনৈতিক সমাধান। বর্তমান সরকারকে ক্ষমা প্রার্থনা করে পদত্যাগ করতে হবে। পদত্যাগ ছাড়া নতুন কোনো ব্যবস্থা আমরা দিতে পারব না।
** সলিমুল্লাহ খান, ৩১ জুলাই ২০২৪, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের (ইউল্যাব) অধ্যাপক, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/5n7rtbmej1] [https://www.jugantor.com/national/others/832583/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0]
* আমি ঘুমাতে পারি না, যখন মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর গল্প পড়ি। যে ছেলেটা আন্দোলনে গিয়েছিল বিস্কুট ও পানি দেওয়ার জন্য। সে মারা যাওয়ার আগেও বলছিল, কারও পানি লাগবে, পানি লাগবে? এ অবস্থায় তাকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
** [[আসিফ নজরুল]], ৩১ জুলাই ২০২৪ [https://www.jugantor.com/national/832296/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%C2%A0]
* একটা জিনিস গেলে আবার গড়ে তোলা যায় কিন্তু একটা জীবন গেলে, প্রাণ গেলে তো আর ফিরে পাওয়া যায় না! যারা আপনজন হারিয়েছে, যে মা তার সন্তান হারিয়েছে, যে সন্তান তার বাবা হারিয়েছে, তাদের কষ্ট আর কেউ না বুঝুক, আমি তো বুঝি! কারণ আজকে এই আগস্ট মাস আমি তো বাবা-মা, ভাই সব হারিয়ে এই বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলাম নিজে ছোট ছোট বাচ্চাদের মাতৃস্নেহবঞ্চিত করে, কেন? বাংলাদেশের মানুষের জন্য। এই দেশের মানুষ সুন্দর জীবন পাবে, উন্নত জীবন পাবে, স্বাধীনতার সুফল পাবে। প্রত্যেকে পেট ভরে ভাত খাবে, প্রত্যেকে লেখাপড়া শিখবে, দারিদ্র্যের হাত থেকে মুক্তি পাবে। বাংলাদেশ উন্নত হবে, সমৃদ্ধশালী হবে, বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসন পাবে। যে মর্যাদা আমরা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর পেয়েছিলাম। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর যা আমরা হারিয়েছিলাম, আবার সেই মর্যাদা ফিরিয়ে নিয়ে আসব। আমি কিন্তু এনেছিলাম। বাংলাদেশ বিশ্বে সেই মর্যাদা পেয়েছে। সেই জায়গায় আমরা নিয়ে গিয়েছিলাম। আজকে বাংলাদেশ সম্পর্কে প্রতিটি জায়গায় নেতিবাচক একটা মনোভাব হয়ে গেছে। এই যে এতদিন এত শ্রম দিলাম, এত কষ্ট, নিজের দিকে তো তাকাইনি! নিজের ছেলে-মেয়ের তো কিছু করিনি! যেটুকু করেছি, এ দেশের মানুষের জন্য।
** [[শেখ হাসিনা]], ১ আগস্ট ২০২৪, জাতীয় শোক দিবস স্মরণে আলোচনাসভায় বক্তব্যে [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-601736]
*...আপনাদের দুজনের কাছেই প্রশ্ন, তবে, পানি লাগবে কিনা, পানির বোতল কিন্তু আছে, আপনার ওখানে? পানি লাগবে পানি? হ্যাঁ, এরকম একটা বোতল আছে। মুগ্ধ আমাদের জন্য অনেকগুলো পানির বোতল রেখে গিয়েছে। সেই পানি এখানেও আছে।... (কয়েক সেকেন্ডের জন্য আবেগআপ্লুত হয়ে বাকরুদ্ধ থেকে আবার স্বাভাবিক হয়ে ভারী গলায়)... অগাস্ট মাস আমাদের শোকের মাস... অগাস্ট এর আগে জুলাইতে এমন করে শোক পালন করতে হবে...(ক্রন্দনরত) আমরা কেউ ভাবি নি।.. কিছুক্ষণ আগে আপনাকে একটা ঘটনার কথা বললাম,.. আপনি শুনেছেন, আমি আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আপনি এই ঘটনা বলবেন। কি হয়েছে একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে।.. (ক্রন্দন).. প্লিজ দর্শক কেউ ভাববেন না আমি প্ল্যান করে এসেছি, আমি কোন ভিউ বাড়ানোর জন্য কান্নাকাটি করছি, প্লিজ কেউ ভাববেন না। আমি একজন এঙ্কর,.. আম.. আহ.. আমার আসলে এই মুহূর্তে ইমোশনাল হওয়ার কথা না।.. আমি মূল অনুষ্ঠানে যাচ্ছি।..(স্বাভাবিক কণ্ঠে) আজ বারবার বঙ্গবন্ধুর কথা মনে পড়ছে,.. বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোকের উপর হত্যা করা হয়, তিনি হুংকার দিয়েছিলেন পাকিস্তানি স্বৈরশাসককে।...(ক্রন্দনরত) আজ বঙ্গবন্ধু থাকলে এই অবস্থা হতো?..।
** রোকসানা আঞ্জুমান নিকোল, ১ আগস্ট ২০২৪, যমুনা টিভির সঞ্চালক, রাজনীতি নামক টকশোতে [https://thedailycampus.com/struggle/148662/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD-%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE]
* আমরা সকল নির্যাতন, গোলাগুলি, হত্যা, রক্ত– এগুলো দেখতে চাই না। এসবের বাইরে থাকতে চাই। অনেক হাইপারটেনশনের রোগী হয়ে গেছি। এগুলো দেখতে আর ভালো লাগে না। আমরা শান্তি চাই, রক্তপাত চাই না...আমি তো অনেককে অনেক কিছুই বলতে পারি। কিন্তু বিষয়টি সিদ্ধ হতে হবে। এগুলো তো প্রমাণিত হওয়ার ব্যাপার। কোনো প্রমাণিত সত্য আমার হাতে না পেলে, এটা বলতে পারি না।
** [[মোশাররফ করিম]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেতা [https://ntvbd.com/entertainment/news-1435217]
* আমাদের যে ভাইরা, যে বন্ধুরা মারা যাচ্ছে, মারা গেল—যদি আপনি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হন, আপনি রাতের বেলা ঘুমাতে পারবেন না। আমার কানে এখনও বাজে যে ‘কারও পানি লাগবে?’ এটা যতদিন মাথায় থাকবে ততদিন আমরা শান্তিতে ঘুমাতে পারব না।
** [[সিয়াম আহমেদ]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেতা [https://www.itvbd.com/entertainment/dhallywood/161405/%E2%80%98%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E2%80%99]
* যেদিন থেকে এই ঘটনাগুলো শুরু হয়েছে, যেদিন থেকে গুলি চলেছে, সেদিন থেকে আমি দুই চোখের পাতা এক করতে পারিনি। কারণ ওই শিশুগুলোর মধ্যে আমার সন্তান থাকতে পারতো। ওই মানুষগুলোর মধ্যে আমি, আপনি থাকতে পারতাম।যে অন্যায়, অবিচার, নিপীড়ন করা হয়েছে বা করা হচ্ছে এখনো, যেভাবে গণগ্রেপ্তার করা হচ্ছে, যেভাবে গুলি করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, একটি গণতান্ত্রিক দেশে সেই দৃশ্য দেখার পর কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ যদি বাড়িতে বসে থাকতে পারে, তাহলে আমার বলার কিছু নেই। কারণ আমার একটি ১২ বছরের সন্তান আছে। আমি নিজে এ দেশের নাগরিক। আমার বিদেশি কোনো পাসপোর্ট নেই। আমি এই দেশেই থাকবো এবং এই দেশটি আমার। এই দেশটি আমরাই সংস্কার করবো। এটা কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি হতে পারে না। আমি এসব অন্যায়ের সুষ্ঠু তদন্ত চাই এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিচারের আওতায় আনা হোক। এর প্রকাশ্য-প্রয়োগ আমরা দেখতে চাই।
** [[আজমেরী হক বাঁধন]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেত্রী [https://www.jagonews24.com/entertainment/news/958484]
* বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।
** শমী কায়সার, ১ আগস্ট, আন্দোলনে ভাংচুরে ক্ষতিগ্রস্ত বিটিভি ভবন পরিদর্শনকালে, সাথে ছিলেন ফেরদৌস আহমেদ, রোকেয়া প্রাচী, জ্যোতিকা জ্যোতি, সোহানা সাবা, সুজাতা, রিয়াজ, অরুণা বিশ্বাস, নিপুণ, আজিজুল হাকিম, রোকেয়া প্রাচী, তানভীন সুইটি, হৃদি হক, সাজু খাদেম, সোহানা সাবা, চন্দন রেজা, শুভ্র দেব, মুশফিকুর রহমান গুলজার, এস এ হক অলিক, খোরশেদ আলম খসরু, শামীমা তুষ্টিসহ আরও অনেকে। [https://jamuna.tv/news/552593]
* শেম অন ইউ গাইজ। (লজ্জা হচ্ছে তোমাদের জন্য)।
** সাদিয়া আয়মান, ১ আগস্ট ২০২৪, ফেরদৌস-শমী কায়সারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শমী কায়সারের "বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।" মন্তব্যযুক্ত যমুনা টিভির কার্ড শেয়ার করে [https://www.jugantor.com/entertainment/833197/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%AE-%E0%A6%85%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%89-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9C-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%8C%E0%A6%B8%E0%A6%B6%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8]
* একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা বিটিভির প্রাঙ্গণে গিয়ে চোখের পানি ঝরিয়েছেন। অবশ্যই তাদের জীবন ও ক্যারিয়ারের সঙ্গে বিটিভি কেন্দ্রিক স্মৃতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের দুঃখ পাওয়াটা হয়তো স্বাভাবিক। কিন্তু! এত ছাত্র-ছাত্রী, শিশু, মা, বোন, সাধারণ মানুষ যে মারা গেল তা নিয়ে একবারও কিচ্ছু বললেন না! একবারো দুঃখ প্রকাশ করলেন না। একবারো এই মানুষগুলোর হত্যার বিচার চেয়ে কিছু বললেন না। কেন? কারণ যারা এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন তারা আপনাদের কেউ না। তাদের বা তাদের পরিবারের দ্বারা আপনাদের কোনো লাভ হবে না, স্বার্থ হাসিল হবে না এবং ক্ষমতাও পাবেন না। তাই কি? নিজেদের লাভ লস চিন্তা করে, ক্ষমতার স্বার্থে কিংবা কাউকে দেখানোর জন্য আপনারা যে কথাগুলো ক্যামেরার সামনে বলেছেন এগুলো সারাজীবন আর্কাইভে তো থাকবেই, আমাদের মনেও থেকে যাবে। জেনারেশন টু জেনারেশন জানবে ৯০ দশকের যাদের অভিনয় টিভি স্ক্রিনে দেখে আমরা মুগ্ধ হয়েছি এখন তাদের বাস্তব জীবনের কর্ম দেখে আমরা বিস্মিত এবং লজ্জিত! দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আপনাদের প্রতি শ্রদ্ধা হয়তো আর কখনো ফিরে আসবে না।
** সাদিয়া আয়মান, ২ আগস্ট ২০২৪, ১ আগস্ট দেওয়া ফেসবুক পোস্ট এর ব্যাখ্যা হিসেবে দেওয়া ফেসবুক পোস্টে [https://www.daily-sun.com/bangla/post/4042]
* আন্দোলন প্রত্যাহার করে ডিবি অফিস থেকে প্রচারিত ছয় সমন্বয়কের ভিডিও স্টেটমেন্টটি আমরা স্বেচ্ছায় দেইনি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো সিদ্ধান্ত ডিবি অফিস থেকে আসতে পারে না। সারাদেশের সকল সমন্বয়ক ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ব্যতীত কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গৃহীত হবে না। ডিবি অফিসে আমাদের জোর করে খাবার টেবিলে বসিয়ে ভিডিও করা হয়। আমাদের ছেড়ে দেবার আশ্বাস দিয়ে পরিবারকে ডেকে ১৩ ঘন্টা বসিয়ে রাখা হয় এবং মিডিয়ায় মিথ্যা স্টেটমেন্ট দেওয়ানো হয়। আমাদের শিক্ষকরা দেখা করতে আসলে, দেখা করতে দেওয়া হয়নি।
**কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৬ সমন্বয়ক, ২ আগস্ট ২০২৪ [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/quota-protest/news-601946]
* আমরা এখন রাস্তায়, কারণ আমাদের হাজারো ভাই-বোন মারা গেছেন, হাজারো মানুষকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। যার ফলে এখন, বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে, ছাত্রদের সঙ্গে কর্মজীবী মানুষ, সঙ্গীত ও অভিনয় শিল্পীরাও একাত্মতা পোষণ করেছেন। তারা সবাই রাস্তায় নেমে এসেছে, আন্দোলন করছে এবং একজন নাগরিক হিসেবে ও সাধারণ মানুষ হিসেবে তার অধিকার সম্পর্কে দাবি তুলছে। বাংলাদেশের পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনী ছাত্রদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে এই আন্দোলনের যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, আমাদের একজন সমন্বয়ক আরিফ সোহেলকে মিথ্যা মামলায় তুলে নেওয়া হয়েছে। ছাত্ররা রাস্তায় নামলেই তারা গণহারে গ্রেফতার করছে। রংপুরে আন্দোলন করার সময় অসংখ্য ছাত্রছাত্রীদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারা দিনদিন আরও কঠোর হচ্ছে। মনে হচ্ছে যেন যুদ্ধের মধ্যে আছি আমরা। বাস্তবে আমাদের এখানে কোনো যুদ্ধ চলছে না, তাহলে আমার প্রশ্ন যুদ্ধ আসলে কেমন হয়। সরকার এটির সমাধান করতে পারত রক্ত ঝরার আগেই। আমাদের ভাই ও বোনদের গুলি খেয়ে রক্ত ঝরার আগেই সমাধান করা উচিত ছিল তাদের। এটা এখন আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। সরকার হাজারের বেশি মানুষকে মেরেছে,হাজারের বেশি মানুষকে তুলে নিয়েছে। সব মিলিয়ে নয় হাজারের বেশি মানুষকে তুলে নিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং জেলে পাঠানো হয়েছে। কাজেই অবশ্যই আমরা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ ও আন্দোলন কারিদের পক্ষ থেকে করজোড়ে প্রত্যেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক কমিউনিটির কাছে সাহায্য চায়। তারা যেন সরকারকে প্রশ্ন করে, চাপ দেয়।’ আমাদের আন্দোলন এখন আর কোটায় সীমাবদ্ধ নেই। আমাদের হাজারো ভাই-বোন মারা গেছে। আমরা সেই নিহতের প্রকৃত সংখ্যাটি পর্যন্ত জানি না। সরকার বলছে তারা নিহতের সংখ্যা জানাবে। গণমাধ্যমে আমরা দেখছি আড়াইশর বেশি নিহতের কথা। বাংলাদেশি পুলিশ ও সরকারের বর্বরতা থেকে নিষ্পাপ শিশুরা পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না। ২ বছর ৪, ৬ ও ১১ বছরের শিশুরা পর্যন্ত মারা গেছে। এমনকি শিশুদের পর্যন্ত আদালতে দাঁড় করিয়েছে তারা। কাজেই এই আন্দোলন এখন আর কোটায় সীমাবদ্ধ নেই। এই আন্দোলন এখন আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের আন্দোলন। এই আন্দোলন এখন আমাদের মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার অধিকারের আন্দোলন। শুরুতে এটা ছাত্রদের আন্দোলন হলেও এখন এটা গণমানুষের আন্দোলন। বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। আন্দোলন দমাতে সরকার অনেকেই গ্রেফতার করেছে। আমাদের অনেক নেতাকে তুলে নিয়ে গেছে। কিন্তু আমরা এখন বিশ্বাস করি আমরা এখন সবাই নেতা। আমার এখন সবাই সমন্বয়ক। আর আমরা এই লড়াই চালিয়ে যাব স্বৈরাচার শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত। এক নায়কতন্ত্র বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত এবং আমাদের সব দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত।
** প্রাপ্তি তাপসী, কোটা আন্দোলনের পক্ষে অন্যতম সংবাদ প্রতিনিধি ছাত্রী, ২ আগস্ট ২০২৪ আল-জাজিরার দ্য স্ট্রিম অনুষ্ঠানে দেওয়া দীর্ঘ অনলাইন সাক্ষাৎকারে [https://www.jugantor.com/national/833516/%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87]
* বাংলাদেশের আমার সব ভক্তকে বলছি, আমি তোমাদের কথা শুনছি, তোমাদের জন্য প্রার্থনা করছি।
** [[:w:এনসো ফের্নান্দেস|এনজো ফার্নান্দেজ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে লাল কাপড়ে চোখ ঢাকা পেছনে বাংলাদেশের পতাকাসহ প্রতীকি ছবি শেয়ার করা ফেসবুকের এক পোস্টের ক্যাপশনে [https://www.jagonews24.com/en/amp/75912]
* ইয়া আল্লাহ, তুমি যুদ্ধে আমার নবীকে যেভাবে সাহায্য করেছ! সেভাবে আমাদের ভাইগুলোকে সাহায্য করো আমিন।
** ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তী, ৩ জুলাই, ২০২৪, অভিনেত্রী [https://www.rtvonline.com/amp/entertainment/284946]
* তাদের সাথে আলোচনার কোন পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের দাবি অত্যন্ত সুস্পষ্ট, তাদের কোন বক্তব্য থাকলে দেশবাসীর সামনেই মিডিয়া মারফত তা রাখতে পারেন। আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার সিদ্ধান্তই আমাদের সিদ্ধান্ত। গুলি আর সন্ত্রাসের সাথে কোন সংলাপ হয় না।
** [[আসিফ মাহমুদ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, কোটা আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক, বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://www.bbc.com/bengali/live/cgrlrjlj9drt#asset:2d5e6283-ba9d-4c26-b7e1-118dc3956d52]
* চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে দেশব্যাপী চলা অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে অনেক ইমাম-খতীবকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। কোনো কোনো খতীবকে কারণ ছাড়াই ছুটিতে রাখা হয়েছে। যারা এগুলো করেছেন, ঘোরতর অন্যায় ও নীতিবহির্ভূত কাজ করেছেন। এদেশে সবচেয়ে কম সুযোগ সুবিধায় দায়িত্ব পালন করেন ইমাম-মুয়াজ্জিনগণ। তারা স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পান খুবই কম। অথচ তাদের ওপর খবরদারি করা হয় সব থেকে বেশি। ইমাম মানে নেতা। তাদের ওপর খবরদারি করা মুসলিমসুলভ আচরণ হতে পারে না। কোনো ইমাম সত্য উচ্চারণ করতে গিয়ে জুলুমের শিকার হলে সবাইকে তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান করছি। ইমাম-খতীবগণ যত স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারবেন, আমাদের সমাজ ততই ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে এগোবে।
** [[শায়খ আহমাদুল্লাহ|আহমদুল্লাহ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশী আলিম (মুসলিম ইসলামী পণ্ডিত), ঈমাম, খতীব, ইসলাম ধর্ম প্রচারক ও বক্তা, নিজস্ব ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে কোটা আন্দোলনের পক্ষে কথা বলায় দেশব্যাপী ঈমাম খতীবদের চাকরিচ্যুত করা প্রসঙ্গে [https://www.jugantor.com/national/833757/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9]
* আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য গণভবনের দরজা খোলা। কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আমি বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। আমি সংঘাত চাই না। আমি আবারও বলছি, আন্দোলনকারীরা চাইলে আমি এখনো আলোচনায় রাজি। তারা যেকোনো সময় (গণভবনে) আসতে পারে। দরকার হলে তারা তাদের অভিভাবকদের নিয়েও আসতে পারে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে।
** [[শেখ হাসিনা]], ৩ আগস্ট, গণভবনে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/bm5xcpuqwg]
* কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে কেউ মারা যায়নি। গুলির যে তথ্য পাওয়া গেছে তার অনেকগুলোই পুলিশের রাইফেলের গুলি নয়। কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। হয়তো দুই-একজন কিশোর মারা গিয়ে থাকতে পারে। তাদেরককে ঢাল হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছিল। শিশুদের আড়ালে অন্য একটি শক্তি ছিল। পেছনের শক্তিকে রুখতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। (পদত্যাগের প্রশ্নে) এরকম কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে এবং প্রধানমন্ত্রী যদি মনে করা তাহলে আমরা সেটা করব।
** [[আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল]], ৩ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী [https://jamuna.tv/news/553165]
* কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরুটা দেশবাসী দেখেছেন। সরকার গুণ্ডা-পাণ্ডা দিয়ে সন্ত্রাস চালালো এবং পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিজিবি নামিয়ে, আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত শিশুকিশোর ও তরুণের তাজা প্রাণ হরণ করল, তা দেশবাসী কি এত সহজে এই অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যাবে। এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না।’ শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। সারাদেশের শিশু কিশোর ও তরুণরা শত উসকানি, হামলা ও নির্যাতনের মধ্যেও ধৈর্য ধরে শৃঙ্খলার সঙ্গে আস্তে আস্তে আইন মেনে সামনে পা বাড়াচ্ছিল। বিপরীতে দ্বিতীয় পক্ষ যে উপর্যুপুরি উসকানি দিল, গুণ্ডাপাণ্ডা দিয়ে সন্ত্রাস চালালো এবং পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিজিবি নামিয়ে, আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত শিশু কিশোর ও তরুণের তাজা প্রাণ হরণ করল, তা দেশবাসী কি এত সহজে এই অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যাবে।’ দ্রুত বিজিবি ও সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী তিন দশক ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের মাধ্যমে যে সম্মান মর্যাদা ও গৌরব অর্জন করেছে তা আজ কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। সার্বজনীন মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক সর্বোচ্চ মান রক্ষা করেই আপনাদের সকলকে নিজ দেশের জনগণের পক্ষে দাঁড়াতে হবে। চোখের সামনে আমরা নিজেদের মাতৃভূমিকে ধ্বংস হতে দিতে পারি না। আক্রমণকারীরা গণঅভ্যুত্থানের প্রতিরোধের মধ্যে পিছপা হতে বাধ্য হলে পরবর্তী পর্যায়ে ব্যবহার করা হলো বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে। তাদেরকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কখনও সম্মুখভাবে, কখনো পেছনে ও পাশে দাঁড় করিয়ে অন্যান্য বাহিনীগুলো এই গণ-আন্দোলনের ওপর তাদের জুলুম অত্যাচার নির্যাতন অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। কোনোভাবেই এমন পরিস্থিতির দায় দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর নেওয়া উচিত নয়। বাংলাদেশের স্বশস্ত্র বাহিনী অতীতে কখনো দেশবাসী বা সাধারণ জনগণের মুখোমুখি দাঁড়ায়নি, তাদের মুখে বন্দুক তাক করেনি।
** ইকবাল করিম ভূঁইয়া, ৪ আগস্ট ২০২৪, সাবেক সেনাপ্রধান, সংবাদ সম্মেলনে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/g77bbharbn]
* রিট করার নেপথ্যে অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে। কেননা তারা দেশকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দিতে চায়।
** আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন, ৪ আগস্ট ২০২৪, অ্যার্টনি জেনারেল, আন্দোলনের সময় সরাসরি গুলি না করার নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ করার প্রসঙ্গে [https://jamuna.tv/news/553225]
* আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন। আমি পদত্যাগ করবো না। আপনি গুলি চালান।
** শেখ হাসিনা, ৫ আগস্ট ২০২৪, সেনাপ্রধান শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে বললে রাগান্বিত হয়ে প্রতিউত্তরে [https://www.dailyjanakantha.com/national/news/750744]
* এখানে কেউ থাকবেন না। (নো ওয়ান স্টে হেয়ার।)
** শেখ হাসিনা, ৫ আগস্ট ২০২৪, তার আত্মীয়দের কাছে শেষ হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় [https://english.khaborerkagoj.com/special-report/799212]
* শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা গণভবন থেকে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। শেখ হাসিনা যাওয়ার আগে একটি ভাষণ রেকর্ড করে যেতে চেয়েছিলেন। তিনি সে সুযোগ পাননি।
** বার্তা সংস্থা এএফপি, ৫ আগস্ট ২০২৪, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dn4yfsve75]
* আপনাদের আমি কথা দিচ্ছি। আপনারা আশাহত হবেন না। আপনাদের যত দাবি আছে আমরা পূরণ করবো। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবো। আপনারা আমাকে সহযোগিতা করেন। দয়া করে ভাঙচুর, মারামারি, হত্যা, সংঘর্ষ এগুলো থেকে বিরত হন।”
** [[ওয়াকার-উজ-জামান]], ৫ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল, দুপুরে জাতির উদ্দেশে ভাষণে [https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/83477/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A4]
* দেশে আজকে যা ঘটল, এটাই হওয়ার কথা ছিল। গণ-অভ্যুত্থান কখনো ঠেকানো যায় না। শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন সহজেই সমাধান করা যেত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জেদের কারণে এত মানুষ মারা গেল। গণমাধ্যমে প্রাণহানির যে চিত্র উঠে এসেছে, বাস্তবে এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি। আরও কত মরদেহ কোথায় পড়ে আছে, কত গণকবর হয়েছে, কতগুলো নিরীহ মানুষের প্রাণ ঝরেছে! তিনি তো চলে গেলেন। এখন এর জবাব দেবে কে? ১৫ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেননি। দিনের পর দিন ভোট চুরি করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। শেখ হাসিনার বোঝা উচিত ছিল, তিনি ও তাঁর দল কতটা অজনপ্রিয়। এই যে এত প্রাণহানি, এর জবাব দেবে কে? দেশে সুশাসনের মারাত্মক অভাব। তিনি সুশাসন দিতে পারেননি। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ওপর হাজার হাজার গুলি ছোড়া হয়েছে। হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে। এর আগে আমরা সবাই এইচ এম এরশাদকে স্বৈরাচার বলেছি। তখন মাত্র ছয়জন মানুষ মারা যাওয়ায় তাঁকে স্বৈরশাসক বলছি। কিন্তু গত ১৫ বছরে কত মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। ২০০৯ সালে পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা মারা গেছেন। এখন এর জবাব দেবে কে? যাঁকে জাতির পিতা বলা হয়, তাঁর পরিবারের সদস্যদের এত করুণ পরিণতি কেন হবে? তাঁর এমন পরিণতি আমাদের দেখতে হলো। এসব হয়েছে, তাঁর দম্ভ ও অহমিকার কারণে। প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, দেশে সুশাসন নিশ্চিত করেন। বিভিন্ন সভা–সেমিনারে বলেছি। যা হচ্ছে, তা স্বৈরতন্ত্র। এসব বলার কারণে আমাদের ভিন্ন দলের এজেন্ট বলা হতো। এই যে গণভবন লুটপাট হচ্ছে, ভাঙচুর হচ্ছে—এ জন্য জনগণকে দোষ দেবেন কীভাবে? শ্রীলঙ্কা থেকে হাসিনার সরকার শিক্ষা নেয়নি। তিউনিসিয়া থেকে শিক্ষা নেয়নি। মিসরে কীভাবে হোসনে মোবারক জনরোষে উড়ে গেছে, সেখান থেকে সরকার শিক্ষা নেয়নি। জনগণের সরকার না হলে এমন পরিণতি হয়। এরশাদের চেয়ে শেখ হাসিনা ১০০ গুণ বেশি খারাপ হয়ে বিদায় নিয়েছেন। এরশাদ পালিয়ে যাননি। তিনি পালিয়ে গেছেন। তিনি পালিয়ে গেছেন, কিন্তু আওয়ামী লীগ দলটাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেলেন। তাঁর হিংসা, দম্ভ, অহংকার দলটাকে ধ্বংস করল।
** এম সাখাওয়াত হোসেন, ৫ আগস্ট ২০২৪, নির্বাচন বিশ্লেষক ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তা [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dvds7trgt6]
* ভারত হল তার আশেপাশের সকল মুসলিম রাষ্ট্রের আসল মাতৃভূমি। আমরা গর্বিত এবং সম্মানিত যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতে সুরক্ষিতবোধ করেন। কিন্তু যারা ভারতে থাকে তারা বারেবারে প্রশ্ন করে কেন হিন্দু রাষ্ট্র? কেন রাম রাজ্য? কেন সেটা তো বোঝাই যাচ্ছে!!’ ‘মুসলিম দেশে তো মুসলমানরাও সুরক্ষিত নয়। আফগানিস্তান, পাকিস্তান,বাংলাদেশ, ব্রিটেনে যা ঘটছে সেটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা সৌভাগ্যবান যে রাম রাজ্যে থাকি। জয় শ্রী রাম'।
** কঙ্গনা রানাউত, ৫ আগস্ট ২০২৪, অভিনেত্রী, এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে [https://bangla.hindustantimes.com/entertainment/even-muslims-are-not-safe-in-muslim-countries-kangana-ranaut-reacts-as-ex-bangladesh-pm-sheikh-hasina-flees-to-india/amp-31722867132738.html]
* অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের রূপরেখা দিতে আমরা ২৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছিলাম। কিন্তু জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় এখনই রূপরেখা ঘোষণা করছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ড. [[মুহাম্মদ ইউনূস|মুহাম্মদ ইউনূসকে]] প্রধান উপদেষ্টা করে ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে। তার সাথে আমাদের কথা হয়েছে, তিনি দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছেন। আমরা সকালের মধ্যে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দেখতে চাই। রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ থাকবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হোক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাকি সদস্যদের নামও আমরা সকালের মধ্যে ঘোষণা করব।
**নাহিদ ইসলাম, ৬ আগস্ট ২০২৪, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক, ভোর ৪টার পর ফেসবুকে দেয়া ভিডিও বার্তায় [https://www.dailynayadiganta.com/politics/853517/%E0%A6%A1.-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE]
* মূলত দুইটি কারণে ভারত শেখ হাসিনাকে রাখতে চায় না। প্রথম বিষয়টি অবশ্যই তার নিরাপত্তা সংক্রান্ত। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, বাংলাদেশে যে সরকারই আসুক, ভারত তার সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়। আর বাংলাদেশে হাসিনা-বিরোধী মনোভাব তুঙ্গে। ভারত চায় না, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেয়ার ঘটনা ছায়াপাত করুক। এর আগে সেনা সরকার যখন ছিল, তখন ভারতের অসুবিধা ছিল। কিন্তু এবার সেনা সম্ভবত পিছনে থাকবে, বাংলাদেশে নতুন কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু হবে বলে মনে হচ্ছে। ফলে তাদের সঙ্গে ভারতের আলোচনা করতে কোনো অসুবিধা হবে না। বাংলাদেশের ঘটনা ভারতকে একটা বড় চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ভারত চায় না, বাংলাদেশের ঘটনার অভিঘাত দেশের মধ্যে পড়ুক। বাংলাদেশে ভারতের যে সম্পদ ও বিনিয়োগ আছে, ভারত সেগুলিকে নিরাপদ রাখতে চায়। সেদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা চায়।
** শ্রীরাধা দত্ত, ৬ আগস্ট ২০২৪, ও পি জিন্দল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক ডয়চে ভেলেকে [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%A8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F/a-69864559]
* কুখ্যাত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে অবিলম্বে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে গ্রেপ্তার করতে হবে। বাংলাদেশে গুম-খুনের আসল কারিগর সে শুধু তা না, ফোন ট্যাপিংয়ের নামে মানুষের প্রাইভেসি ধ্বংস করেছে সে। এবং প্রাউডলি সেই সব রেকর্ডিং এই পারভার্ট লোকটা মিডিয়াতে সরবরাহ করত এবং আমাদের স্পাইনলেস মিডিয়া সেগুলো প্রচার করত। এই লোককে এখনই নিউট্রালাইজ করতে হবে। এছাড়া ডিবি’র হারুনসহ কুখ্যাত যারা আছে তাদের সরিয়ে দিয়ে পুলিশ বাহিনীর উপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করতে হবে এখনই।’
** [[মোস্তফা সরয়ার ফারুকী]], ৬ আগস্ট ২০২৪, চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা, ফেসবুক পোস্টে [https://www.dainikamadershomoy.com/details/019126708d76?fbclid=IwY2xjawEezI1leHRuA2FlbQIxMQABHUwvttoTLSYm-ujxLPWY6H74ytr489ZvM2g_crax_H2Sl9kPKwgMYif4HA_aem_1wbabngYpoCavI2lyWYF9w]
* গুলি করে করে লাশ নামানো লাগছে স্যার। গুলি করি, মরে একটা, আহত হয় একটা। একটাই যায় স্যার, বাকিডি যায় না। এইটা হলো স্যার সবচেয়ে বড় আতঙ্কের এবং দুশ্চিন্তার বিষয়।
** ইকবাল, পুলিশ সদস্য, কোটা আন্দোলন চলাকালীন সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে, ১৩ ও ১৪ই আগস্ট ২০২৪ এর পর ফেসবুকের একটি ভাইরাল ভিডিওতে বলতে দেখা যায় [https://www.kalerkantho.com/online/national/2024/08/13/1414550] [https://dailyinqilab.com/index.php/national/news/678022#google_vignette]
* এখন থেকে লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে, যেটারে পাবে সেটারে গুলি করবে। যেখানে গেদারিং দেখবে সেখানে ওপর থেকে.. হেলিকপ্টার থেকে গুলি করবে, এখন ওপর থেকে করাচ্ছি (গুলি), অলরেডি শুরু হয়ে গেছে, র্যাবকে আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে।
** [[শেখ হাসিনা]], ১৮ জুলাই ২০২৪, ভাইরাল অডিও, "ফেস দ্য পিপল" এর ইউটিউব পাতায় ৮ ই মার্চ ২০২৫ এ প্রকাশিত [https://www.jugantor.com/national/926561]
* যদি সরকারি দল ভায়োলেন্স চায়, সেটাকেই একমাত্র রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে নিতে চায়, তাহলে এটা যে আমাদের থেকে বেশি কেউ পারবে না, সেটা ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি।
** [[আসিফ মাহমুদ]], ২২ মে ২০২৬ ঝিনাইদহে [[নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী|নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর]] ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায়। [https://www.prothomalo.com/politics/org6cq83pw]
== ৭১ বনাম ২৪ বিতর্ক ==
* [[জাতি]] একবারই স্বাধীন হয়, [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|একাত্তরের]] সঙ্গে চব্বিশের তুলনা চলে না।
** [[নুরুল হক নুর]]। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীর আল-রাজি কমপ্লেক্সে এক সংবাদ সম্মেলনে। [https://www.dhakatimes24.com/2024/12/31/375976][https://www.jugantor.com/politics/897510]
* [[যুদ্ধ]] হলো একটা সশস্ত্র সংগ্রাম। দুই গ্রুপের মধ্যে অস্ত্র থাকে, দুই গ্রুপে যুদ্ধ করে। সেই যুদ্ধটা কী জন্য হয়? দেশকে স্বাধীন করার জন্য হয় বা অন্য দেশকে দখল করার জন্য হয়। এখানে তো এরকম কোনো ব্যাপার ছিল না। দেশকে স্বাধীন করার ব্যাপারও ছিল না, অধিকার কবার ব্যাপারও ছিল না। এখানে ব্যাপারটা ছিল হাসিনামুক্ত বাংলাদেশ করার, আওয়ামী লীগমুক্ত বাংলাদেশ করার। সুতরাং বিপ্লব বা এক দফার আন্দোলন ও [[মুক্তিযুদ্ধ]] একই জিনিস না। এ সমস্ত মাথায় যারা টুপি দিয়ে কিছু পাগল ছেলেদেরকে বুঝাচ্ছে, তাদেরকে আমি অনুরোধ করব পাগলামি ছাড়ো। [[গাঁজা]] খেলে খাও কিন্তু মানুষকে গাঁজা খাওয়ানোর চেষ্টা করো না।
** [[অলি আহমেদ]]। ২০২৫ সালের ১৭ জুলাই ঢাকার আইডিইবি মিলনায়তনে এক [https://www.kalerkantho.com/multimedia/Politics/2025/07/19/1548928 বক্তৃতায়]।
== আরও দেখুন ==
* [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]]
* [[আবু সাঈদ]]
* [[অসহযোগ আন্দোলন (২০২৪)]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ প্রতিবাদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ এশিয়া]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ইতিহাস]]
8rq28xwgy2pvuf29clvwu47g5cdm2v6
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ
0
12321
83747
83265
2026-06-09T17:06:25Z
Oindrojalik Watch
4169
83747
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধ|ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধ]]''' ছিল মূলত [[:w:ইরান|ইরান]] এবং [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলের]] মধ্যে সংঘটিত একটি যুদ্ধ, যা ১৩ জুন ২০২৫ তারিখে শুরু হয়; যখন ইসরায়েল ইরানের প্রধান সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে অতর্কিত হামলা চালায়। পরে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
[[File:President Trump answering reporters on June 24, 2025 - Quote 15.wav|thumb|center|শুনুন, এই দুই দেশ এতো দীর্ঘ সময় ধরে এবং এতোটাই ভয়াবহভাবে লড়াই করছে যে, তারা নিজেরাও জানে না তারা আসলে কী করছে! আপনারা কি সেটা বুঝতে পারছেন?]]
[[চিত্র:Pictures of the Israeli attack on Tehran 1 Mehr (2).jpg|thumb|২০২৫ সালের ১৩ জুন, শুক্রবার ভোরে তেহরানের বিভিন্ন অংশে ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর হামলা।]]
[[চিত্র:Iranian missile strike in Bat Yam, 15 June 2025. IV.jpg|thumb|২০২৫ সালের ১৫ জুন ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলের বাত ইয়াম শহরে ধ্বংসযজ্ঞ।]]
[[File:Iran provinces and counties 1956 English.svg|thumb|ইরানকে বাঁচানোর একমাত্র পথ হলো দেশটিকে তার জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া।<br>[https://www.bbc.com/persian/articles/cedvzdz5wxpo]]]
[[File:State flag of Iran (1964–1980).svg|thumb|আমি যাই করি না কেন—হোক তা রাশিয়া/ইউক্রেন কিংবা ইসরায়েল/ইরান সমস্যা সমাধান। আমি কোনো [[:w:শান্তিতে নোবেল পুরস্কার|নোবেল শান্তি পুরস্কার]] পাব না। ফলাফল যাই হোক। কিন্তু জনগণ আসল সত্যটা জানে, আর আমার কাছে সেটাই বড় কথা।~<br>[https://www.yahoo.com/news/global-leaders-daddy-strategy-flatter-160000526.html]ডোনাল্ড ট্রাম্প]]]
[[File:Donald Trump official portrait.jpg|thumb|আমি সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই, বিশেষ করে ঈশ্বরকে। আমি শুধু বলতে চাই, ‘ঈশ্বর, আমরা আপনাকে ভালোবাসি। আমাদের মহান সামরিক বাহিনীকে রক্ষা করুন—আমরা তাদেরকেও ভালোবাসি। ঈশ্বর মধ্যপ্রাচ্যের মঙ্গল করুন, ইসরায়েলকে আশীর্বাদ করুন এবং আমেরিকার সহায় হোন।’ ~<br>[https://www.aljazeera.com/amp/opinions/2025/7/2/did-god-want-trump-to-bomb-iran ডোনাল্ড ট্রাম্প]]]
[[চিত্র:2025 Hoisting the flag of Hosseini's mourning over the dome of the shrine of Our Lady of Dignity 20 Mehr.jpg|thumb|যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইরানের তথাকথিত "সর্বোচ্চ নেতা" আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কেন এমন নির্লজ্জ এবং বোকার মতো দাবি করছেন যে তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হয়েছেন? তিনি ভালো করেই জানেন তার এই বক্তব্য একটি ডাহা মিথ্যা। একজন মহান ধর্মপ্রাণ মানুষ হিসেবে তার মিথ্যা বলা সাজে না। তার দেশ ধ্বংস হয়ে গেছে, তার তিনটি অশুভ পারমাণবিক কেন্দ্র পুরোপুরি ধূলিসাৎ হয়েছে। আমি ঠিক জানতাম তিনি কোথায় লুকিয়ে আছেন। কিন্তু আমি ইসরায়েল বা মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীকে—যারা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী—তাকে হত্যা করার অনুমতি দিইনি। আমি তাকে এক অত্যন্ত কদর্য এবং অসম্মানজনক মৃত্যু থেকে বাঁচিয়েছি। আর এর জন্য তাকে "ধন্যবাদ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প!" বলতে হবে না।<br>প্রকৃতপক্ষে, যুদ্ধের একদম শেষ মুহূর্তে আমি ইসরায়েলকে এক বিশাল যুদ্ধবিমানের বহর ফিরিয়ে আনতে বাধ্য করেছিলাম। যারা সরাসরি তেহরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল একটি বড় কোনো লক্ষ্য হাসিলে যাচ্ছিল। সম্ভবত সেটিই হতে পারত চূড়ান্ত আঘাত! এতে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হতো এবং বহু ইরানি প্রাণ হারাত। এটি হতে পারত এই যুদ্ধের সবচেয়ে বড় আক্রমণ। গত কয়েকদিন ধরে আমি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং অন্যান্য বিষয়ে কাজ করছিলাম, যা ইরানকে দ্রুত পূর্ণ পুনরুদ্ধারের একটি সুযোগ করে দিত।কারণ এই নিষেধাজ্ঞাগুলো তাদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে! কিন্তু না, বিনিময়ে আমি পেলাম শুধুই একটি ক্রোধ, ঘৃণায় আর বিতৃষ্ণায় ভরা বিবৃতি! আমি সাথে সাথে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সব কাজও বন্ধ করে দিলাম। ইরানকে হয় বিশ্বব্যবস্থার ধারায় ফিরতে হবে, নতুবা তাদের অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে যাবে। তারা সবসময়ই রাগান্বিত, শত্রুভাবাপন্ন এবং অসুখী থাকে। আর দেখুন এর ফল তারা কী পেয়েছে। একটি ভস্মীভূত, বিধ্বস্ত দেশ যার কোনো ভবিষ্যৎ-ই নেই! একটি তছনছ হয়ে যাওয়া সেনাবাহিনী, ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং চারদিকে শুধুই মৃত্যু মিছিল। তাদের আর কোনো আশা বেছে নেই এবং পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ খারাপ হবে! আমি আশা করছি যে বর্তমান ইরান নেতৃত্বের উপলব্ধি করা উচিত যে, তেতো কথার চেয়ে মিষ্টি কথায় কাজ আরো বেশি হয়। শান্তি!!!<br>—[https://truthsocial.com/@realDonaldTrump/posts/114756430889057942 ট্রাম্প]]][[File:Crown_Prince_of_IRAN_Reza_PAHLAVI_(3x4_cropped).jpg|thumb|আমরা লড়ব, আমরা মরব, ইরানকে ফিরিয়ে আনবই।~<br>[https://web.archive.org/web/https://www.iranintl.com/202508228257][https://web.archive.org/web/iranopasmigirim.com/fa]]]
== উক্তি ==
* কমান্ডাররা ভাবতেও পারেননি যে [[:W:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] সরাসরি তাদের ঘরবাড়িতে হানা দেবে। তারা ভেবেছিল যুদ্ধ বাধলে বুঝি ইসরায়েল পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতেই শুধু আক্রমণ করবে। কিন্তু প্রথম সারির কমান্ডারদের অন্দরমহলে ঢুকে আঘাত হানবে, এটা তাদের কল্পনারও বাইরে ছিল! আমি নিজেই ১৪০৩ হিজরি শামসির (ইরানি ক্যালেন্ডার অনুসারে) এপ্রিলে সরদার রশিদ এবং [[:w:মোহাম্মদ বাঘেরি (ইরানি কমান্ডার)|সরদার বাঘেরিকে]] বলেছিলাম যে, আমার মতে ইসরায়েল সব কমান্ডারকে নির্মূল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরদার রশিদ—রাহিমাহুল্লাহ '''('''আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)—একজন অত্যন্ত বিচক্ষণ, প্রভাবশালী এবং জ্ঞানপিপাসু মানুষ ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আমরা যদি বুঝতে পারি তারা এমন কিছু করতে চায়, তবে আমরা এমন সব জায়গায় সরে যাব যেখানে সে পৌঁছাতে পারবে না। আমি বলেছিলাম, সরদার রশিদ, সমস্যাটা এখানেই যে আগে সে আঘাত হানবে, তারপর আমরা বুঝতে পারব।
** [https://web.archive.org/web/20251017154958/https://www.tabnak.ir/fa/news/1334802/%D8%A8%D9%87-%D8%B3%D8%B1%D8%AF%D8%A7%D8%B1-%D8%B1%D8%B%DB%8C%D8%AF-%D9%88-%D8%B3%D8%B1%D8%AF%D8%A7%D8%B1-%D8%A8%D8%A7%D9%82%D8%B1%DB%8C-%DA%AF%D9%81%D8%AA%D9%85-%D8%A7%D8%B3%D8%B1%D8%A7%D8%A6%DB%8C%D9%84-%D9%85%DB%8C%E2%80%8C%D8%AE%D9%88%D8%A7%D9%87%D8%AF-%D9%87%D9%85%D9%87-%D9%81%D8%B1%D9%85%D8%A7%D9%86%D8%AF%D9%87%D8%A7%D9%86-%D8%B1%D8%A7-%D8%A8%D8%B2%D9%86%D8%AF সোর্স: তাবনাক]
* তেহরানের উচিত দুশ্চিন্তা ঝেড়ে ফেলে এবার [[:w:পারমাণবিক বোমা|পারমাণবিক বোমা]] তৈরি করা শুরু করা!
** ইরানি [[:w:সংসদ সদস্য|সংসদ সদস্য]] [https://www.iranintl.com/en/202509107879 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল]
* আজ ইরান কেবল টিকে থাকার লড়াই করছে। দুই সপ্তাহ আগে যখন রিপোর্টগুলো শুনলাম, ইরান তখন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ফন্দি আঁটছিল। আমি বললাম, এটা নিয়ে ঘাবড়ানোর কোনো কিছুই নেই। আমরা যদি ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতাকে ধূলিসাৎ না করতাম, তবে সেই চুক্তি (আব্রাহাম অ্যাকর্ড বা আব্রাহাম চুক্তি) কোনোদিন সম্ভব হতো না। আসলে দুটি কারণে। প্রথমত, আরব দেশগুলো তখন এতখানি সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার সাহস পেত না, কারণ তখন ইরান ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী; যা এখন আর নেই। আর দ্বিতীয়ত, তারা যদি পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর কাছাকাছিও পৌঁছাত, তবে সেই মুহূর্তেই তাদের সেই স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়ে এই পৃথিবী থেকেই মুছে ফেলা হতো!
** [[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]] [https://www.iranintl.com/en/202510158814 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল]
* আমরা মাত্র ২০টি একেবারে নয়া B-2 বোমারু বিমানের অর্ডার দিয়েছি। আমি যখন [[:w:ভ্লাদিমির পুতিন|ভ্লাদিমির পুতিনের]] সাথে [[:w:আলাস্কা|আলাস্কায়]] যাচ্ছিলাম, তখন আমরা এমন অনেক বিমানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম এবং পুতিন মন্তব্য করেছিলেন, 'এগুলো সত্যিই জাদুর মতো কাজ করেছে।' আমি বললাম, 'হ্যাঁ, সত্যিই তাই।'
** [https://www.themirror.com/news/politics/donald-trump-claims-no-president-1450138 সোর্স: দ্য মিরর]
* আমরা এখন পর্যন্ত যা দেখিয়েছি তা প্রতিরোধের সামান্য কম্পন মাত্র। আসল [[:w:ভূমিকম্প|ভূমিকম্প]] তো এখনও আসতেই বাকি!
** খুজেস্তান ইমাম [https://www.irna.ir/amp/85969831/ সোর্স: ইরনা]
* [[:w:ইসলামী প্রজাতন্ত্র|ইসলামী প্রজাতন্ত্র]] চায় ইসরায়েলকে ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলতে।
** তেহরানের ইমাম [https://web.archive.org/web/www.iranintl.com/202509294214 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল আর্কাইভ]
* আমেরিকানদের মনে যা আছে তা-ই তাদের করতে দিন। তবে তারা যেন ভালো করে দেখে নেয় যে তারা আসলে কাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে নেমেছে।
** আলি লারিজানি [https://web.archive.org/web/www.entekhab.ir/fa/news/887745/%D9%BE%DB%8C%D8%B4%D9%86%D9%87%D8%A7%D8%AF-%D9%85%D9%86-%D8%AF%D8%B1-%D8%A8%D8%B1%D8%AC%D8%A7%D9%85-%D8%A7%DB%8C%D9%86-%D8%A8%D9%88%D8%AF-%DA%A9%D9%87-%5B%D8%A8%D9%87-%D8%AC%D8%A7%DB%8C-%D8%A7%D8%B3%D9%86%D9%BE%E2%80%8C%D8%A8%DA%A9%5D-%D8%A8%D8%B1%D8%A7%DB%8C-%D8%AD%D9%84-%D8%A7%D8%AE%D8%AA%D9%84%D8%A7%D9%81-%D9%86%D8%B8%D8%B1%D9%87%D8%A7-%DB%8C%DA%A9-%D9%86%D9%85%D8%A7%DB%8C%D9%86%D8%AF%D9%87-%D8%A7%D8%B2-%D8%A7%DB%8C%D8%B1%D8%A7%D9%86-%DB%8C%DA%A9-%D9%86%D9%85%D8%A7%DB%8C%D9%86%D8%AF%D9%87-%D8%A7%D8%B2-%DB%B1-%DB%B5-%D9%88-%DB%8C%DA%A9-%D9%85%D8%B1%D8%B6%DB%8C%E2%80%8C%D8%A7%D9%84%D8%B7%D8%B1%D9%81%DB%8C%D9%86-%D8%AA%D8%B5%D9%85%DB%8C%D9%85%E2%80%8C%DA%AF%DB%8C%D8%B1%DB%8C-%DA%A9%D9%86%D9%86%D8%AF-%D9%87%D8%B1-%D8%AF%D9%88-%D8%B7%D8%B1%D9%81-%D9%86%D9%BE%D8%B0%DB%8C%D8%B1%D9%81%D8%AA%D9%86%D8%AF-%DA%AF%D9%81%D8%AA%D9%86%D8%AF-%D8%B4%D8%A7%DB%8C%D8%AF-%D9%85%D8%B1%D8%B6%DB%8C%E2%80%8C%D8%A7%D9%84%D8%B7%D8%B1%D9%81%DB%8C%D9%86-%D8%AA%D8%AD%D8%AA-%D9%81%D8%B4%D8%A7%D8%B1-%D9%82%D8%B1%D8%A7%D8%B1-%D8%A8%DA%AF%DB%8C%D8%B1%D8%AF-%D9%88-%D8%A8%D9%87-%D8%B3%D9%85%D8%AA-%D8%B7%D8%B1%D9%81-%D9%85%D9%82%D8%A7%D8%A8%D9%84-%D8%A8%D8%BA%D9%84%D8%AA%D8%AF-%D8%A2%D9%85%D8%B1%DB%8C%DA%A9%D8%A7%DB%8C%DB%8C%E2%80%8C%D9%87%D8%A7-%D8%A2%D9%86%DA%86%D9%87-%D8%AF%D8%B1-%D8%B0%D9%87%D9%86-%D8%AF%D8%A7%D8%B1%D9%86%D8%AF-%D8%B1%D8%A7-%D9%87%D9%85-%D8%A7%D9%86%D8%AC%D8%A7%D9%85-%D8%AF%D9%87%D9%86%D8%AF-%D8%AA%D8%A7-%D8%A8%D9%81%D9%87%D9%85%D9%86%D8%AF-%D9%85%D9%82%D8%A7%D8%A8%D9%84-%DA%86%D9%87-%D9%85%D9%84%D8%AA%DB%8C-%D9%82%D8%B1%D8%A7%D8%B1-%D8%AF%D8%A7%D8%B1%D9%86%D8%AF সোর্স: ইন্তেখাব আর্কাইভ]
* এই সরকার দুর্বল এবং শতধা বিভক্ত। এটি ইতিমধ্যেই তার অবধারিত মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছে এবং অভ্যন্তরীণভাবে একদম ভঙ্গুর হয়ে পড়ছে। এর হাজার হাজার নেতা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দলত্যাগ করার জন্য এখন প্রস্তুত। এর প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো—[[:w:হামাস|হামাস]], [[:w:হিজবুল্লাহ|হিজবুল্লাহ]] এবং [[:w:হুতি আন্দোলন|হুতিরা]] এখন এক প্রকার কানাগলিতে এসে যেন ঠেকেছে। [[:w:বাশার আল-আসাদ|আসাদের]] পতন হয়েছে। আধুনিক ইতিহাসের যেকোনো সময়ের চেয়ে এই ইরানি সরকার এখন অনেক বেশি আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন।
** [https://www.iranintl.com/202509095461 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল]
* ইরানিরা ইসরায়েলকে এই শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই এবং আমাদের দেশ পুনরুদ্ধারের যুদ্ধের এক কৌশলগত অংশীদার হিসেবে দেখে।
** ইরান প্রসপারিটি প্রজেক্ট [https://www.jns.org/iranian-dissidents-visit-israel-to-promote-future-regional-cooperation/ সোর্স: জেএনএস]
* ইরান এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের টিকে থাকাই হলো এখন প্রধান বিষয়। আমেরিকানদের তবূ কিছু সমস্যা রয়ে গেছে এবং তারা আদতে আলোচনার পথ-ই খুঁজছে না।
** সিকিউরিটি কাউন্সিল [https://www.tasnimnews.com/fa/news/1404/06/11/3390759/%D9%84%D8%A7%D8%B1%DB%8C%D8%AC%D8%A7%D9%86%DB%8C-%D8%A2%D9%85%D8%B1%DB%8C%DA%A9%D8%A7%DB%8C%DB%8C-%D9%87%D8%A7-%D8%A8%D8%A7-%D8%B7%D8%B1%D8%AD-%D9%85%D8%B3%D8%A7%D8%A6%D9%84%DB%8C-%D9%86%D9%85%DB%8C-%D8%AE%D9%88%D8%A7%D9%87%D9%86%D8%AF-%D9%85%D8%B0%D8%A7%DA%A9%D8%B1%D9%87-%D8%B4%DA%A9%D9%84-%D8%A8%DA%AF%DB%8C%D8%B1%D8%AF সোর্স: তাসনিম নিউজ]
* শত্রু এখন ইরানের সাধারণ মানুষের ওপর তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার পথ খুঁজছে।
** আইআরজিসি [https://www.tasnimnews.com/fa/news/1404/06/11/3390791/%D9%86%D8%A7%D8%A6%DB%8C%D9%86%DB%8C-%D8%AF%D8%B4%D9%85%D9%86-%D8%A8%D8%AF%D9%86%D8%A8%D8%A7%D9%84-%D8%A7%D9%86%D8%AA%D9%82%D8%A7%D9%85-%D8%B4%DA%A9%D8%B3%D8%AA-%D8%A7%D8%B2-%D9%85%D8%B1%D8%AF%D9%85-%D8%A7%DB%8C%D8%B1%D8%A7%D9%86-%D8%A7%D8%B3%D8%AA সোর্স: তাসনিম নিউজ]
* আমি অন্তত সাতটি যুদ্ধ থামিয়েছি এবং একটি [[:w:পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] রুখে দিয়েছি যা ইরানের সাথে সম্ভবত ঘটতে যাচ্ছিল! ওটা একদম অবধারিত ছিল। ইসরায়েলের জন্য আমার চেয়ে বেশি কেউ কিছু করেনি। এমনকি ইরানের ওপর সাম্প্রতিক এই হামলাগুলোও আমিই করিয়েছি, আমি ওই বিপদটাকে সমূলে উপড়ে ফেলেছি।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প [https://web.archive.org/web/www.iranintl.com/en/202509026235 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল আর্কাইভ]
* আমি অনেক আত্মবিশ্বাসী যে ইরানি বিশেষজ্ঞরা তাদের ইসরায়েলি সমকক্ষদের সহযোগিতায় কেবল এই শাসনব্যবস্থার তৈরি করা সমস্যাগুলোর সমাধানই করবে না, বরং ভবিষ্যতে ইসরায়েল এবং একটি স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ ইরানের মধ্যে 'সাইরাস চুক্তি'র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবে। এটি এমন এক চুক্তি যা দুই জাতির মধ্যকার গভীর ও ঐতিহাসিক বন্ধনকে পুনরুজ্জীবিত করবে, ঠিক যেমন ২৫০০ বছর আগে মহান সাইরাস দ্য গ্রেট করেছিলেন।
** [[:w:রেজা পাহলভি|রেজা পাহলভি]], [https://persianepochtimes.com/prince-reza-pahlavis-emphasis-on-the-conclusion-of-the-cyrus-treaty-between-iran-and-israel/ সোর্স: পার্সিয়ান ইপোচ টাইমস]
* তাবরিজ, তেহরান এবং ইস্ফাহান হলো [[:w:তুরস্কের ইতিহাস|তুর্কি সভ্যতার]] অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু।
** [[:W:রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান|রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান]], [https://web.archive.org/web/20250902154203/https://www.sharghdaily.com/%D8%A8%D8%AE%D8%B4-%D8%AC%D9%87%D8%A7%D9%86-219/1029810-%D8%A7%D8%B1%D8%AF%D9%88%D8%BA%D8%A7%D9%86-%D8%AA%D8%A8%D8%B1%DB%8C%D8%B2-%D8%A7%D8%B5%D9%81%D9%87%D8%A7%D9%86-%D8%B1%DB%8C-%D8%B1%D8%A7-%D8%A7%D8%B2-%D9%85%D8%B1%D8%A7%DA%A9%D8%B2-%D8%AA%D9%85%D8%AF%D9%86-%D8%AA%D8%B1%DA%A9-%D9%87%D8%A7-%D8%A8%D8%B1%D8%B4%D9%85%D8%B1%D8%AF-%D9%88%DB%8C%D8%AF%D8%A6%D9%88 সোর্স: শারঘ ডেইলি আর্কাইভ]
* ইরান কর্তৃক তিনটি দ্বীপের ([[:w:আবু মুসা দ্বীপ|আবু মুসা]] ও [[:w:টার্কস ও কেইকোস দ্বীপপুঞ্জ|তুর্কি দ্বীপপুঞ্জ]]) ব্যাপারে নেওয়া যেকোনো সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ অকার্যকর এবং তা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সার্বভৌমত্বের ঐতিহাসিক ও আইনি সত্যকে পরিবর্তন করতে পারবে না।
** জিসিসি, [http://www.iranintl.com/en/202509019044 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল]
* আমরা যখন প্রথম পারমাণবিক কার্যক্রম শুরু করি, তখন আমাদের প্রকৃত লক্ষ্যই ছিল একটি বোমা তৈরি করা।
** মুতাহার, [https://ir.voanews.com/a/8059388.html সোর্স: ভিওএ নিউজ]
* আমেরিকা চলে গেছে; এখন আর কতজন বাকি আছে? মাত্র ছয়জন রয়ে গেছে। এর অর্থ হলো সেখানে এখন ইরান, [[:w:রাশিয়া|রাশিয়া]], [[:w:চীন|চীন]] এবং তিনটি ইউরোপীয় দেশ আছে। তার মানে এটি এখন 'তিন বনাম তিন' এর লড়াই হয়ে গেছে। আপনারা কীভাবে সিদ্ধান্ত নিতে চান? যদি সাতটি দেশ থাকত, তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতার একটি বিষয় থাকত; কিন্তু এখন যেহেতু পরিস্থিতি তিনে-তিনে! তাই তারা যদি নিয়ম অনুসরণ করতে চায়, তবে বিষয়টি মোটেও এত সহজ হবে না।
** সিকিউরিটি কাউন্সিল, [https://web.archive.org/web/20250901184824/https://farsi.khamenei.ir/others-dialog?id=60963 সোর্স: খামেনি ডট আইআর আর্কাইভ]
* মন্ত্রিপরিষদ ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা মন্ত্রী ও গভর্নরদের হাতে অর্পণ করা প্রচলিত আইনের পরিপন্থী, বিধায় এটি [[:W:ভেটো|ভেটো]] (বাতিল) করা হয়েছে।
** সরকার, [https://www.bartarinha.ir/بخش-اخبار-روز-20/1541104-قالیবাব-تصمیم-پزشکیان-را-وتو-کرد সোর্স: বারতারিনহা]
* ইরান ও চীন হলো এশিয়ার দুই প্রান্তের প্রাচীন সভ্যতার দুটি দেশ, যাদের অঞ্চল ও বিশ্বে এক বৈপ্লবিক রূপান্তর ঘটানোর ক্ষমতা রয়েছে। কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তির সকল দিক বাস্তবায়ন করা এই লক্ষ্য অর্জনের পথ প্রশস্ত করতে সাহায্য করবে।
** আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, [https://www.indiatoday.in/world/story/supreme-leader-ayatollah-ali-khamenei-strategic-partnership-iran-china-power-to-transform-the-world-2779658-2025-08-31 সোর্স: ইন্ডিয়া টুডে]
* তারা তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে অপরাধী এবং সংগঠিত অপরাধী চক্রের সদস্যদের 'ছদ্মবেশ' হিসেবে ব্যবহার করছে।
** মাইক বার্গেস (একজন বিশিষ্ট অস্ট্রেলীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তা, যিনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নিরাপত্তা সংস্থা অস্ট্রেলিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজেশনের (ASIO) ডিরেক্টর-জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন), [[:w:অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়ান]] কোশার রেস্তোরাঁয় [[:w:ইসলামি বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী|আইআরজিসির]] হামলা প্রসঙ্গে [https://www.bbc.com/news/articles/c9d085n75q3o সোর্স: বিবিসি নিউজ]
* বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে যে ইরানি জনগণের মধ্যে সুখ-সন্তুষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত কম।
** আরদাবিল শহরের ইমাম, খামেনির প্রতিনিধি [https://www.didbaniran.ir/%D8%A8%D8%AE%D8%B4-%D8%B3%DB%8C%D8%A7%D8%B3%DB%8C-3/237357-%D8%A2%DB%8C%D8%AA-%D8%A7%D9%84%D9%84%D9%87-%D8%B9%D8%A7%D9%85%D9%84%DB%8C-%D8%A8%D9%87-%D9%86%D8%AA%D8%A7%D9%86%DB%8C%D8%A7%D9%87%D9%88-%DA%AF%D8%B2%D8%A7%D8%B1%D8%B4-%D8%BA%D9%84%D8%B7-%D8%AF%D8%A7%D8%AF%D9%86%D8%AF-%DA%A9%D9%87-%D9%86%D8%A7%D8%B1%D8%B6%D8%A7%DB%8C%D8%AA%DB%8C-%D8%AF%D8%B1-%D8%A7%DB%8C%D8%B1%D8%A7%D9%86-%D8%B2%DB%8C%D8%A7%D8%AF-%D8%A7%D8%B3%D8%AA সোর্স: দিদবান ইরান]
* [[:w:সিরিয়া|সিরিয়ার]] যুবসমাজ তাদের জন্মভূমি মুক্ত করতে সর্বদা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
** হাজ আলিকবারি, তেহরানের ইমাম [https://www.didbaniran.ir/%D8%A8%D8%AE%D8%B4-%D8%B3%DB%8C%D8%A7%D8%B3%DB%8C-3/237345-%D8%A2%D9%85%D8%A7%D9%85-%D8%AC%D9%85%D8%B9%D9%87-%D8%AA%D9%87%D8%B1%D8%A7%D9%86-%D8%AC%D9%88%D8%A7%D9%86%D8%A7%D9%86-%D8%B3%D9%88%D8%B1%DB%8C%D9%87-%D8%A2%D9%85%D8%A7%D8%AF%D9%87-%D8%A7%D9%86%D8%AF-%D8%AA%D8%A7-%D8%AF%D8%B1-%D8%A2%DB%8C%D9%86%D8%AF%D9%87-%D9%86%D8%B2%D8%AF%DB%8C%DA%A9-%D8%B3%D8%B1%D8%B2%D9%85%DB%8C%D9%86-%D8%B4%D8%A7%D9%86-%D8%B1%D8%A7-%D8%A2%D8%B2%D8%A7%D8%AF-%DA%A9%D9%86%D9%86%D8%AF-%D8%A7%D9%82%D8%AF%D8%A7%D9%85-%D8%B3%D9%87-%DA%A9%D8%B4%D9%88%D8%B1-%D8%A7%D8%B1%D9%88%D9%BE%D8%A7%DB%8C%DB%8C-%D9%84%DA%A9%D9%87-%D9%86%D9%86%DA%AF-%D8%A8%D9%88%D8%AF সোর্স: দিদবান ইরান]
* পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, বুঝে নিবেন [[:w:মুহম্মদ আল-মাহদী|মসিহ—মাহদী হুজ্জাতুল হাসানের]] দ্বিতীয় আগমনের সময় ততই সন্নিকটে।
** শিরাজ শহরের জুমার ইমাম, খামেনির প্রতিনিধি [https://www.didbaniran.ir/%D8%A8%D8%AE%D8%B4-%D8%B3%DB%8C%D8%A7%D8%B3%DB%8C-3/237351-%D8%A7%D9%85%D8%A7%D9%85-%D8%AC%D9%85%D8%B9%D9%87-%D8%B4%DB%8C%D8%B1%D8%A7%D8%B2-%D9%87%D8%B1%DA%86%D9%87-%D8%B4%D8%B1%D8%A7%DB%8C%D8%B7-%D8%B3%D8%AE%D8%AA-%D8%AA%D8%B1-%D8%B4%D9%88%D8%AF-%D8%B8%D9%87%D9%88%D8%B1-%D9%86%D8%B2%D8%AF%DB%8C%DA%A9-%D9%85%DB%8C-%D8%B4%D9%88%D8%AF-%D8%A7%D8%B1%D9%88%D9%BE%D8%A7-%D8%B1%D9%88-%D8%B3%DB%8C%D8%A7%D9%87-%D9%85%D8%A7-%D8%AF%D8%B1-%D8%B1%DA%A9%D8%A7%D8%A8-%D8%A7%D9%85%D8%A7%D9%85-%D8%B2%D9%85%D8%A7%D9%86-%D9%BE%DB%8C%D8%B1%D9%88%D8%B2-%D9%85%DB%8C-%D8%B4%D9%88%DB%8C%D9%85 সোর্স: দিদবান ইরান]
* যদি [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের 'স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম' কার্যকর করা হয়, তবে এক ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হবে। পরবর্তী এই নতুন যুদ্ধে কেবল ইরানের স্বার্থই বিঘ্নিত হবে না, বরং এই অঞ্চলের বহু দেশও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ...আমরা '[[:w:পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ চুক্তি|পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ চুক্তি]]' ত্যাগ করব এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাব।
** সিকিউরিটি কমিশন, [https://www.iranintl.com/202508290825 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল] [https://tejaratnews.com/%D8%B9%D8%B6%D9%88-%DA%A9%D9%85%DB%8C%D8%B3%DB%8C%D9%88%D9%86-%D8%A7%D9%85%D9%86%DB%8C%D8%AA-%D9%85%D9%84%DB%8C-%D8%A7%DA%AF%D8%B1-%D8%A7%D8%B1%D9%88%D9%BE%D8%A7-%D9%85%DA%A9%D8%A7%D9%86%DB%8C%D8%B3 সোর্স: তেজারত নিউজ]
* আমাদের এই সরকারের বড় দুর্বলতা হলো যে আমরা গত চার দশকে এদেশের মানুষের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ ও সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করতে পারিনি।
** রেজা সালেহি আমিরি, পর্যটন ও ইসলামি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী, [https://web.archive.org/web/20250828024700/https://www.entekhab.ir/fa/news/881606/%D9%88%D8%B2%DB%8C%D8%B1-%D9%85%DB%8C%D8%B1%D8%A7%D8%AB-%D9%81%D8%B1%D9%87%D9%86%DA%AF%DB%8C-%D9%86%D9%82%D8%B7%D9%87-%D8%B6%D8%B9%D9%81-%D8%AD%D8%A7%DA%A9%D9%85%DB%8C%D8%AA-%D8%A7%D8%B3%D8%AA-%DA%A9%D9%87-%D9%85%D8%A7-%D8%AF%D8%B1-%DB%B4-%D8%AF%D9%87%D9%87-%DA%AF%D8%B0%D8%B4%D8%AA%D9%87-%D9%86%D8%AA%D9%88%D8%A7%D9%86%D8%B3%D8%AA%D9%87%E2%80%8C%D8%A7%DB%8C%D9%85-%D8%B2%DB%8C%D8%B3%D8%AA-%D8%B4%D8%B1%D8%A7%D9%81%D8%AA%D9%85%D9%86%D8%AF%D8%A7%D9%86%D9%87-%D8%B1%D8%A7-%D8%A8%D8%B1%D8%A7%DB%8C-%D9%85%D8%B1%D8%AF%D9%85-%D1%81%D8%B1%D8%A7%D9%87%D9%85-%DA%A9%D9%86%DB%8C%D9%85 সোর্স: ইন্তেখাব আর্কাইভ]
* এটি [[:w:মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদ]] এবং [[:w: রাজনৈতিক ইসলাম|রাজনৈতিক ইসলাম]] এই দুই মতাদর্শের এক জগাখিচুড়ি দৃষ্টিভঙ্গির ফল। যা বর্তমানে 'বেলায়েত-ই-ফকিহ' বা ইসলামী প্রজাতন্ত্রের রূপ নিয়েছে এবং গত ৪৭ বছর ধরে বিভিন্ন ভুল চিন্তা, দর্শন ও বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরে আছে। এই শাসনব্যবস্থা ইরানি জাতির [[:W:সার্বভৌমত্ব|সার্বভৌমত্বকে]] জবরদখল করে রেখেছে।
** [[:w:রাজনৈতিক বন্দি|রাজনৈতিক বন্দিদের]] লেখা চিঠি, [https://kayhan.london/1404/06/04/385183/ সোর্স: কায়হান লন্ডন]
* ইউনাইটেড কিংডম বা [[:w:যুক্তরাজ্য|যুক্তরাজ্য]], [[:w:জার্মানি|জার্মানি]] এবং [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]]—এই তিনটি ইউরোপীয় দেশকে অবশ্যই আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে। কোনো আলোচনা দিয়েই এই শাসনের পরিবর্তন সম্ভব নয়, কারণ ইসলামিক রিপাবলিক বর্তমান বিশ্বের জন্য এক চরম হুমকি।
** [https://www.iranintl.com/202508269729 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল]
* আমি বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সাথে একটি বিষয়ে একমত যে [[অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়ার]] প্রধানমন্ত্রী [[:w:অ্যান্টনি অ্যালবানিজ|অ্যান্টনি অ্যালবানিজ]] প্রকৃতপক্ষে একজন দুর্বল রাজনীতিবিদ।
** ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, [https://web.archive.org/web/www.afr.com/politics/federal/iran-s-foreign-minister-calls-albanese-a-weak-politician-20250827-p5mq3n সোর্স: এএফআর আর্কাইভ]
* ইরানের জন্য এনপিটি বা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির কোনো উপযোগিতা নেই।
** আলি লারিজানি, [https://web.archive.org/web/www.ettelaat.com/news/109054 সোর্স: ইত্তেলাত আর্কাইভ]
* আমরা লড়ব, আমরা মরব, তবুও ইরানকে আমরা ফিরিয়ে আনব।
** পূর্বও নয়, পশ্চিমও নয়—আমরা এখন অন্ধকারে (ব্ল্যাকআউটে) ডুবে আছি।
** ইরান সরকার বিরোধী স্লোগান, [https://web.archive.org/web/https://www.iranintl.com/202508228257 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল আর্কাইভ]
* রাশিয়া ইসরায়েলকে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংক্রান্ত গোপন তথ্য সরবরাহ করেছে।
** [https://english.alarabiya.net/News/middle-east/2025/08/25/iranian-official-accuses-russia-of-providing-intel-on-air-defense-sites-to-israel- সোর্স: আল আরাবিয়া ইংরেজি]
* হঠাৎ করেই সব ভুয়া প্রোফাইল থেকে পোস্ট করা বন্ধ হয়ে গেল! দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে তারা অদৃশ্য! কোনো পোস্ট নেই, কোনো শোরগোল নেই, চারদিকে শুধুই এক ডিজিটাল নিস্তব্ধতা।
** [https://ukdefencejournal.org.uk/figures-claim-26-of-recent-scot-independence-posts-by-iran/ সোর্স: ইউকে ডিফেন্স জার্নাল]
* [[:w:ইউরোপে|ইউরোপের]] রাজধানীতে যুদ্ধ চলাকালীন একদিন তারা ইরানের ইসলামিক রিপাবলিক সরকারের পতন এবং বিকল্প হিসেবে ইরানের একজন রাজার রাজ্যাভিষেক নিয়ে আলোচনা করেছিল। তাদের মধ্যে একজন ইরানিও উপস্থিত ছিল, ধিক্কার জানাই সেই ইরানিকে।
** [https://web.archive.org/web/www.etemadonline.com/بخش-سیاسی-9/731544-رهبر-انقلاب সোর্স: এতেমাদ অনলাইন আর্কাইভ]
* আমার মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এই সমস্যাটির কোনো সমাধান নেই।
** আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, [https://www.al-monitor.com/originals/2025/08/iran-will-not-be-obedient-us-demands-supreme-leader-says সোর্স: আল-মনিটর]
* আমরা বেশ কয়েকটি দেশে অস্ত্র তৈরির কারখানা গড়ে তুলেছি, তবে কৌশলগত কারণে আপাতত আমরা সেই দেশগুলোর নাম প্রকাশ করছি না।
** [https://www.iranintl.com/en/202508238927 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল]
* আমি ইরানের একনায়ক খামেনিকে পরামর্শ দিচ্ছি—তিনি যখনই তার বাংকার থেকে বের হবেন, যেন আকাশের দিকে তাকান এবং প্রতিটি গুঞ্জন গভীর মনোযোগ দিয়ে শোনেন। 'রেড ওয়েডিং' এর কুশীলবরা সেখানেই তার জন্য অপেক্ষা করছে।
** ইসরায়েল কাটজ, [https://www.iranintl.com/en/202508116593 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল]
* এমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি করবেন না যা আমাদের ক্ষয়িষ্ণু করে তোলে এবং শত্রুকে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে প্রলুব্ধ করে।
** সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল, [https://www.etemadonline.com/بخش-سیاسی-9/731274-لاریجانی-شورায়-عالی-امنیت-ملی সোর্স: এতেমাদ অনলাইন]
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র লক্ষ্য হলো [[:w:ইসলাম|ইসলাম]] এবং [[:w:মানবাধিকার|মানবাধিকারকে]] ধ্বংস করা।
** আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, [https://web.archive.org/web/20250822160248/https://donya-e-eqtesad.com/%D8%A8%D8%AE%D8%B4-%D9%81%DB%8C%D8%AF-%D8%B3%DB%8C%D8%A7%D8%B3%DB%8C-81/4206753-%D8%A7%D8%Bظ%D9%87%D8%A7%D8%B1%D8%A7%D8%AA-%D8%A7%D9%85%D8%A7%D9%85-%D8%AC%D9%85%D8%B9%D9%87-%D9%82%D9%85-%D8%AF%D8%B1%D8%A8%D8%A7%D8%B1%D9%87-%D9%85%D8%B0%D8%A7%DA%A9%D8%B1%D9%87-%D8%A8%D8%A7-%D8%A2%D9%85%D8%B1%DB%8C%DA%A9%D8%A7-%D8%A7%D9%85%D8%B1%D9%88%D8%B2-%D9%85%D9%84%D8%AA-%D8%A7%DB%8C%D8%B1%D8%A7%D9%86-%D8%A8%D8%A7%DB%8C%D8%AF-%D8%AF%D8%B1-%D8%A8%D8%B1%D8%A7%D8%A8%D8%B1-%DB%8C%D8%B2%DB%8C%D8%AF%DB%8C%D8%A7%D9%86-%D8%B2%D9%85%D8%A7%D9%86-%D8%A8%D8%A7%DB%8C%D8%AF-%D8%A8%D8%A7%DB%8C%D8%B3%D8%AA%D8%AF সোর্স: দোনিয়া-এ-একতেসাদ আর্কাইভ]
* যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইরানের তথাকথিত "সর্বোচ্চ নেতা" আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কেন এমন নির্লজ্জ এবং বোকার মতো দাবি করছেন যে তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হয়েছেন? তিনি ভালো করেই জানেন তার এই বক্তব্য একটি ডাহা মিথ্যা। একজন মহান ধর্মপ্রাণ মানুষ হিসেবে তার মিথ্যা বলা সাজে না। তার দেশ ধ্বংস হয়ে গেছে, তার তিনটি অশুভ পারমাণবিক কেন্দ্র পুরোপুরি ধূলিসাৎ হয়েছে। আমি ঠিক জানতাম তিনি কোথায় লুকিয়ে আছেন। কিন্তু আমি ইসরায়েল বা মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীকে—যারা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী—তাকে হত্যা করার অনুমতি দিইনি। আমি তাকে এক অত্যন্ত কদর্য এবং অসম্মানজনক মৃত্যু থেকে বাঁচিয়েছি। আর এর জন্য তাকে "ধন্যবাদ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প!" বলতে হবে না।<br>প্রকৃতপক্ষে, যুদ্ধের একদম শেষ মুহূর্তে আমি ইসরায়েলকে এক বিশাল যুদ্ধবিমানের বহর ফিরিয়ে আনতে বাধ্য করেছিলাম। যারা সরাসরি তেহরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল একটি বড় কোনো লক্ষ্য হাসিলে যাচ্ছিল। সম্ভবত সেটিই হতে পারত চূড়ান্ত আঘাত! এতে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হতো এবং বহু ইরানি প্রাণ হারাত। এটি হতে পারত এই যুদ্ধের সবচেয়ে বড় আক্রমণ। গত কয়েকদিন ধরে আমি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং অন্যান্য বিষয়ে কাজ করছিলাম, যা ইরানকে দ্রুত পূর্ণ পুনরুদ্ধারের একটি সুযোগ করে দিত।কারণ এই নিষেধাজ্ঞাগুলো তাদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে! কিন্তু না, বিনিময়ে আমি পেলাম শুধুই একটি ক্রোধ, ঘৃণায় আর বিতৃষ্ণায় ভরা বিবৃতি! আমি সাথে সাথে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সব কাজও বন্ধ করে দিলাম। ইরানকে হয় বিশ্বব্যবস্থার ধারায় ফিরতে হবে, নতুবা তাদের অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে যাবে। তারা সবসময়ই রাগান্বিত, শত্রুভাবাপন্ন এবং অসুখী থাকে। আর দেখুন এর ফল তারা কী পেয়েছে। একটি ভস্মীভূত, বিধ্বস্ত দেশ যার কোনো ভবিষ্যৎ-ই নেই! একটি তছনছ হয়ে যাওয়া সেনাবাহিনী, ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং চারদিকে শুধুই মৃত্যু মিছিল। তাদের আর কোনো আশা বেছে নেই এবং পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ খারাপ হবে! আমি আশা করছি যে বর্তমান ইরান নেতৃত্বের উপলব্ধি করা উচিত যে, 'তেতো কথার চেয়ে মিষ্টি কথায় কাজ আরো বেশি হয়'। শান্তি!!!
** [https://truthsocial.com/@realDonaldTrump/posts/114756430889057942 ডোনাল্ড ট্রাম্প]
* যখন আমরা বিশ্বাস করি যে তাদের (ইউরোপীয় দেশগুলোর) 'স্ন্যাপব্যাক' (কোনো নিষেধাজ্ঞা পুনরায় কার্যকর করার একটি প্রক্রিয়া) কার্যকর করার কোনো অধিকার নেই, তখন এটা বলাই বাহুল্য যে তারা এর সময়সীমা বাড়ানোরও কোনো অধিকার রাখে না।
** [[:w:আব্বাস আরাগচি|আব্বাস আরাগচি]], [https://english.alarabiya.net/News/middle-east/2025/08/20/iran-says-europe-has-no-right-to-extend-deadline-for-snapback-sanctions সোর্স: আল-আরাবিয়া]
* নেতানিয়াহু একজন ভালো মানুষ এবং তিনি সম্মুখ সমরে লড়ে যাচ্ছেন। তিনি অবিরাম লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, অথচ দেখুন তারা তাকে জেলের ঘানি টানানোর সবরকম চেষ্টা করছে। একবার ভাবা যায়? তিনি একজন সত্যিকারের 'ওয়ার হিরো', কারণ আমরা একসাথে কাজ করেছি। তিনি যুদ্ধনায়ক, আর আমার মনে হয় আমিও তাই। কেউ হয়তো পাত্তা দেয় না, কিন্তু আমি নিজেও একজন যুদ্ধনায়ক। কারণ শেষ পর্যন্ত ওই বিমানগুলো তো আমিই পাঠিয়েছিলাম।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, [https://www.nytimes.com/2025/08/20/world/middleeast/trump-war-hero-netanyahu-iran.html সোর্স: নিউ ইয়র্ক টাইমস]
* হয়তো আমাদের পরবর্তী ক্ষেপণাস্ত্রটি সরাসরি আমেরিকার ওয়াশিংটনে গিয়েই আঘাত হানবে!
** [https://nationalsecurityjournal.org/iran-makes-new-threat-perhaps-our-next-missile-will-hit-washington-directly/ সোর্স: ন্যাশনাল সিকিউরিটি জার্নাল]
* আমেরিকানরা এবং [[:w:জায়নবাদ|জায়নবাদীরা]] বলে যে তারা পেশি শক্তির মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা করবে। সুতরাং ইরানকেও শক্তিশালী হতে হবে, কারণ প্রকৃতির নিয়মে দুর্বলেরা সবসময়-ই পদদলিত হয়। আমার মনে হয় সামনে আরও একটি যুদ্ধ হতে পারে, আর সেই যুদ্ধের পর হয়তো পৃথিবীতে আর কোনো যুদ্ধই থাকবে না!
** [https://www.iranintl.com/en/202508177421 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল ইংরেজি]
* এই মুহূর্তে ইউরোপের সব দেশই আমাদের নাগালের মধ্যে। আমরা আমাদের যুদ্ধজাহাজগুলোকে আমেরিকার ২,০০০ কিলোমিটারের মধ্যে নিয়ে যেতে পারি এবং সেখান থেকে ওয়াশিংটন, নিউ ইয়র্কসহ অন্যান্য শহরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারি।
** [https://www.jpost.com/middle-east/iran-news/article-864512 সোর্স: জেরুজালেম পোস্ট]
* MAKE IRAN GREAT AGAIN! ( বা ইরানকে আবারো মহান করে তুলুন) ।
** [https://m.economictimes.com/news/international/us/trump-declares-miga-make-iran-great-again-these-are-the-leaders-he-might-back-to-replace-the-current-regime/articleshow/122027181.cms সোর্স: ইকোনমিক টাইমস]
* নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে আমরা যেকোনো চড়া মূল্য দিতে প্রস্তুত।
** [https://www.aa.com.tr/en/middle-east/israeli-army-chief-alludes-to-another-strike-on-iran/3659795 সোর্স: আনাদোলু এজেন্সি]
* [[:w:লেবানন|লেবাননের]] অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ? ইরানের এমন কোনো অভিপ্রায় নেই।
** আলি লারিজানি, [https://farsi.alarabiya.net/middle-east/2025/08/14/توییت-لاریجانی-جنجالی-شد-وزیر-خارجه-لبنان-اگر-هم-وقت-داشتم-حاضر-به-دیدارش-نبودم সোর্স: আল আরাবিয়া ফারসি]
* আমরা এখনো অনিশ্চিত, তবে বাইরের শত্রু কর্তৃক আমাদের ওপর আক্রমণের সম্ভাবনা অত্যন্ত প্রবল।
** আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, [https://web.archive.org/web/20250814165711/https://parsi.euronews.com/2025/03/31/irans-leaders-response-to-trumps-threats সোর্স: ইউরোনিউজ আর্কাইভ] [https://web.archive.org/web/20250814165711/https://www.iranintl.com/202503312897 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল আর্কাইভ]
* জনসাধারণের আশ্বস্ত হওয়া উচিত যে, আর কোনো যুদ্ধ ঘটতে যাচ্ছে না।
** ইরান সরকারের মুখপাত্র [https://jahanesanat.ir/%D9%85%D8%B1%D8%AF%D9%85-%D9%85%D8%B7%D9%85%D8%A6%D9%86-%D8%A8%D8%A7%D8%B4%D9%86%D8%AF-%DA%A9%D9%87-%D8%AC%D9%85%DA%AF-%D9%86%D9%85%DB%8C%D8%B4%D9%88%D8%AF/ সোর্স: জাহান-এ-সানাত]
* আমাদের সবার জন্য জনগণের সেবক হওয়া ছাড়া এই দেশকে বাঁচানোর আর কোনো পথ খোলা নেই।
** হাসান রুহানি, [https://www.iranintl.com/en/202508140489 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল]
* (ইসলামী প্রজাতন্ত্র) তাদের 'যুদ্ধও নয়, আলোচনাও নয়'—এই অনড় অবস্থানের মাধ্যমে দেশের 'মর্যাদা ও প্রজ্ঞা' ধূলিসাৎ করেছে। অথচ পরিণামে যুদ্ধ এবং আলোচনা উভয়ই ঘটেছে। আর এখন তারা খোদ ইরানকে রক্ষা করতেই হিমশিম খাচ্ছে।
** [https://www.iranintl.com/en/202508140489 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল]
* আগামী সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরের মধ্যে বাঁধগুলোতে আর কোনো পানি অবশিষ্ট থাকবে না। তিনি ঠিকই বলেছেন যে সবকিছুই ভেঙে পড়ছে। এই প্রচণ্ড গ্রীষ্মের দাবদাহে আপনাদের সন্তানদের দেওয়ার মতো এক ফোঁটা স্বচ্ছ ও শীতল পানিও নেই। কী এক চরম ভণ্ডামি! ইরানি জনগণের প্রতি কী প্রবল অবজ্ঞা! ইরানে পানির জন্য যে তৃষ্ণা, তা কেবল স্বাধীনতার তৃষ্ণার সাথেই তুলনা করা চলে। আপনারা এমন নেতাদের পাওয়ার যোগ্য নন, যারা যুদ্ধের এই কঠিন সময়ে আপনাদের একা ফেলে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। একবার ভাবুন, উত্তর-পশ্চিম ইরানের সেই এক সময়ের নয়নাভিরাম উরমিয়া লেক আবারও পুনরুজ্জীবিত করার কথা!
** [https://www.ynetnews.com/article/hyekhwtdee সোর্স: ওয়াইনেট নিউজ] [https://www.yahoo.com/news/articles/netanyahu-vows-israeli-help-water-205743787.html সোর্স: ইয়াহু নিউজ]
* আমরা মার্কিন আলোচনাকারীদের জানিয়েছিলাম যে আমরা আস্থা তৈরি করতে ইচ্ছুক, কিন্তু মনে হচ্ছে তারা যেন ঘুমের ভান করে আছে।
** [https://www.iranintl.com/en/202508120328 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল]
* পারমাণবিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অনুমোদনের জন্য আমাদের মাত্র ২৪ ঘণ্টা সময় প্রয়োজন। ট্রিগারে এখন আমাদের আঙুল রাখা আছে।
** [https://www.newsweek.com/nuclear-war-program-threat-nato-countries-iran-sanctions-2113137 সোর্স: নিউজউইক]
* আপনারা কি যুদ্ধ করতে চান? বেশ, আপনারা তো লড়েছিলেন, কিন্তু তারা আমাদের ওপর আঘাত হেনেছে। আমরা যদি আবারও পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পুনর্নির্মাণ করি, তারা আবারও সেগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে। এমতাবস্থায় আলোচনা ছাড়া আমাদের আর করারই বা কী আছে?
** [https://www.iranintl.com/en/202508119542 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল ইংরেজি]
* [[:w:মাসুদ পেজেশকিয়ান|মাসুদ পজেশকিয়ানের]] "মুখ ফসকে ভুল কথা বলার" প্রবণতা ইদানীং বেড়েছে।
** জেনারেল আহমাদ ওয়াহিদি, আইআরজিসি পলিটব্যুরো প্রধান, [https://iranwire.com/en/news/143949-irgc-official-criticizes-iranian-presidents-public-statements/ সোর্স: ইরান অয়্যার]
* ইরান ছিল ঘৃণার মদদদাতা এবং এক অতিশয় অশুভ স্থান! তাদের জন্য এমনটা করা অত্যন্ত বিপজ্জনক হবে, কারণ তারা শুরু করা মাত্রই আমরা ফিরে আসব। আমরা ফিরে আসবই। আর আমার মনে হয় তারা সেটা বোঝে। আমরা ইরানের সাথে যা করেছি তা যদি ভেবে দেখেন... তবে দেখবেন আগামী বছরগুলোতে পরিস্থিতি অনেক ভিন্ন হতে চলেছে।
** প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, [https://www.iranintl.com/en/202508072310 সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল ইংরেজি]
* আপনারা যদি চান, তবে একটি স্বাধীন ইরান আর স্বপ্ন হয়ে থাকবে না। তাহলে রাজপথে নেমে আসুন। এই ধর্মান্ধদের আর এক মুহূর্তের জন্যও আপনাদের জীবন ধ্বংস করতে দেবেন না। মহান সাইরাসের বংশধর হিসেবে আপনারা এর চেয়ে অনেক বেশি কিছু পাওয়ার যোগ্য।
** বিবি (বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু), [https://www.i24news.tv/en/news/middle-east/artc-take-to-the-streets-a-free-iran-is-not-a-dream-israeli-pm-addresses-iranian-people সোর্স: আই-২৪ নিউজ]
* এমন কোনো করিডোর মার্কিন প্রেসিডেন্টের মালিকানাধীন রুট হবে না, বরং তা ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাড়াটে সৈন্যদের কবরস্থানে পরিণত হবে। ফলস্বরূপ, ইরান এই বিষয়ে অটল যে তারা দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের নিরাপত্তার স্বার্থে রাশিয়ার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি নির্বিশাজেই পদক্ষেপ নেবে।
** ইরান শাসন ব্যবস্থার কর্মকর্তা, [https://www.newsweek.com/iran-threatens-donald-trump-armenia-azerbaijan-deal-2111615 সোর্স: নিউজউইক]
* [[:w:মহান কুরুশ|সাইরাস]] দ্য গ্রেট একদা ইহুদিদের মুক্ত করেছিলেন, আর আজ হয়তো এই [[:w:ইহুদি|ইহুদি]] রাষ্ট্রই পারস্যবাসীদের মুক্ত করবে!
** বিবি (বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু), [https://nypost.com/2025/06/17/us-news/netanyahu-calls-khamenei-modern-hitler-vows-to-free-the-persians-as-irans-exiled-crown-prince-pushes-for-uprising/ সোর্স: নিউ ইয়র্ক পোস্ট]
* ইরান সরকার দেশত্যাগ করা ইরানিদের বিকল্প হিসেবে শূন্যস্থান পূরণে প্রায় ৬০ থেকে ১০০ লক্ষ [[:w:আফগান|আফগান]] নাগরিককে দেশে আমদানি করেছে।
** আইআরএমপি, [https://web.archive.org/web/20250727021936/https://www.entekhab.ir/fa/news/877082/ সোর্স: এন্তেখাব আর্কাইভ]
* আমরা তাদের পারমাণবিক সক্ষমতাকে পুরোপুরি ধূলিসাৎ করে দিয়েছি। তারা চাইলে আবার শুরু করতে পারে; তবে যদি তারা তা করে, তবে চোখের পলক ফেলার আগেই আমরা তা আবারও গুঁড়িয়ে দেব।
* ইরান অত্যন্ত শোচনীয়ভাবে মার খেয়েছে। তবু তারা এখনও [[:w:সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম|ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ]] নিয়ে কথা বলে। আমি বলতে চাইছি, এমন পাগলামিটা কে করে? আপনি মাত্রই ভয়াবহ এক ধ্বংসযজ্ঞ থেকে বেরিয়ে এলেন এবং এসেই বলা শুরু করলেন, 'আমরা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চালিয়ে যেতে চাই'! কার বুদ্ধিশুদ্ধি এত কম হতে পারে যে সে এই কথা বলবে?
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, [https://usa.news-pravda.com/world/2025/07/27/394153.html সোর্স: নিউজ-প্রাভদা]
* ইসলামী প্রজাতন্ত্রের এই ইরান-বিরোধী শাসনব্যবস্থা এবং তার সর্পতুল্য নেতা, যারা কয়েক দশক ধরে পরজীবীর মতো ইরানের রক্ত চুষে বেঁচে আছে, তারা এখন পতনের দ্বারপ্রান্তে এসে নিজেদের কুৎসিত মুখে দেশপ্রেমের মুখোশ পরেছে। তারা চরম ধৃষ্টতার সাথে আমাদের '''"ও ইরান'''" (ইরানের একটি জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক সংগীত) সংগীতটিকে বিকৃত করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে। এই সেই শাসনব্যবস্থা, যারা শুরু থেকেই তাদের নিপীড়ন আর নৃশংস অপরাধকে বৈধতা দিতে ইসলাম ও শিয়া মতবাদকে আঁকড়ে ধরেছিল।যাদের প্রতিটি কাজের মূল ভিত্তিই ছিল ইরান, তার সংস্কৃতি, সভ্যতা, ভূমি, জাতি এবং জাতীয় স্বার্থের প্রতি চরম শত্রুতা। এখন ধ্বংসের কিনারে দাঁড়িয়ে তারা নিজেদের ইরানের রক্ষক হিসেবে জাহির করছে। অথচ লক্ষণীয় যে, তাদের সেই ত্রাস সৃষ্টিকারী ও দমনকারী বাহিনী 'রেভল্যুশনারি গার্ড কর্প্সের' নামের কোথাও 'ইরান' শব্দটি পর্যন্ত নেই! আর এটাই তাদের জন্য সবচেয়ে মানানসই।
** রেজা পাহলভি, [https://iranwire.com/fa/news-1/143174-%D8%B4%D8%A7%D9%87%D8%B2%D8%A7%D8%AF%D9%87-%D8%B1%D8%B6%D8%A7-%D9%BE%D9%87%D9%84%D9%88%DB%8C-%D8%AC%D9%85%D9%87%D9%88%D8%B1%DB%8C-%D8%A7%D8%B3%D9%84%D8%A7%D9%85%DB%8C-%D8%A8%D9%87-%DA%86%D9%87%D8%B1%D9%87-%D9%BE%D9%84%DB%8C%D8%AF%D8%B4-%D9%8核心%D8%A7%D8%A8-%D8%A7%DB%8C%D8%B1%D8%A7%D9%86%DA%AF%D8%B1%D8%A7%DB%8C%DB%8C-%D8%B2%D8%AF%D9%87-%D8%A7%D8%B3%D8%AA/ সোর্স: ইরানওয়্যার]
* ইরান-বিরোধী এই ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বেপরোয়া নেতা আলী খামেনি আবারও আমাদের দেশকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। এটি ইরানের যুদ্ধ নয়, এটি ইরানি জনগণেরও যুদ্ধ নয়। এটি খামেনির যুদ্ধ এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের যুদ্ধ। পতনের পরবর্তী প্রথম ১০০ দিন, অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায় এবং ইরানি জনগণের দ্বারা গঠিত একটি জাতীয় ও গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ইরানি জনগণকে এই শাসনব্যবস্থার অবসান ঘটাতে এবং নিজেদের দেশ পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করুন।
** রেজা পাহলভি, [https://allisraelnews.com/crown-prince-pahlavi-announces-european-summit-on-iran-future-of-iranian-democracy সোর্স: অল ইসরায়েল নিউজ]
* আমেরিকা কি কেবল বড় শয়তান, নাকি সবথেকে বড় শয়তান (অথবা ইবলীশ)?
** [[:w:ইলন মাস্ক|ইলন মাস্ক]] [https://inshorts.com/en/amp_news/-is-america-great-satan-or-greatest-satan---musk-asks-iran-s-supreme-leader-khamenei-1751000559962 সোর্স: ইনশর্টস]
* ইরানি জনগণ বর্তমান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শাসনব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন এবং আশীর্বাদপুষ্ট ইহুদি জাতির প্রতি তাদের মনে কখনোই কোনো বিদ্বেষ ছিল না। ইসলামিক রিপাবলিক আজ তার এমন এক শেষ সীমায় পৌঁছে গেছে এবং পতনের মুখে দাঁড়িয়েছে। আলী খামেনি এখন ভীতুর মতো আত্মগোপন করে আছেন এবং পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছেন।
** রেজা পাহলভী, [https://www.msn.com/en-gb/news/other/crown-prince-pahlavi-s-warning-comes-true-as-regime-strongholds-burn/ar-AA1HPeBZ সোর্স: এমএসএন]
* ইরানের বিরুদ্ধে আমরা অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছি। এখন মোটেও তারা সুখে নেই... বরং বোমায় বিধ্বস্ত। আসলে জায়গাটি পুরো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কেউ সেখানে যাওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হতেও কয়েক বছর লেগে যাবে। তবে ইরান থেকে আমরা যা চাই, তা-ই আদায় করে নেব। এটি হতে যাচ্ছে এক দ্রুত উদযাপনের মুহূর্ত। আমাদের আঘাত ছিল একদম নিখুঁত পুরো যা নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার মতো।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প
* ক্ষেপণাস্ত্রগুলো [[:w:পারমাণবিক কেন্দ্র|পারমাণবিক স্থাপনা]] গুলোকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে, বোমাগুলো স্থাপনার ভেতরে এমনভাবে ঢুকে গিয়েছিল তা একদম যেন ছুরি দিয়ে মোম কাটছে, এমন অবলীলায় তা ভেতরে ঢুকে গেল।।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, [https://www.msn.com/en-us/news/world/trump-iran-s-nuclear-program-obliterated-bombs-penetrated-fordo-like-it-was-butter/ar-AA1HDIAU সোর্স: এমএসএন]
* নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পূর্ণ অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য এটাই হওয়া উচিত যাতে ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।
** [[:w:ফ্রিডরিখ মেরৎস|ফ্রিডরিখ মেরৎস]], [https://www.lemonde.fr/en/international/article/2025/06/14/europe-s-paradoxical-support-for-israel-s-attack-against-iran_6742340_4.html সোর্স: ল্য মঁদ]
* আমি ইরানের সাথে কোনো কথা বলছি না, এমনকি তাদের কোনো প্রস্তাবও দিচ্ছি না।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, [https://www.timesofisrael.com/trump-im-not-talking-to-iran-nor-offering-it-anything-after-us-struck-nuke-sites/amp/ সোর্স: টাইমস অফ ইসরায়েল]
* এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আমার গায়ের কাঁটা দিয়ে উঠছে!
** মেজর জেনারেল কেইন, [https://www.defense.gov/News/News-Stories/Article/Article/4227082/ সোর্স: ইউএস ডিফেন্স ডিপার্টমেন্ট ও নিউজ১৮]
* আমার পুরো প্রশাসনকে ইরানের সাথে আলোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা একটি মহান দেশ হয়ে উঠতে পারে, তবে তার আগে তাদের অবশ্যই পারমাণবিক অস্ত্র পুরোপুরি ত্যাগ করতে হবে।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, [https://www.reuters.com/world/middle-east/trump-says-us-remains-committed-diplomatic-solution-iran-nuclear-issue-2025-06-12/ সোর্স: রয়টার্স]
* ইরানের কিছু কট্টরপন্থী নেতা খুব সাহসের সাথে বড় বড় কথা বলেছিলেন, কিন্তু তারা জানতেন না যে কী ঘটতে চলেছে। তারা এখন সবাই মৃত, এবং পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। অনেক দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই পদক্ষেপ নিন। একসময়ের সেই ঐতিহ্যবাহী [[:w:পারস্য|পারস্য সাম্রাজ্যকে]] রক্ষা করুন।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, [https://www.axios.com/2025/06/13/trump-iran-israel-war-nuclear-talks সোর্স: অ্যাক্সিওস]
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেছেন যে ইরানকে অবশ্যই আত্মসমর্পণ করতে হবে। এই বক্তব্যটি মার্কিন প্রেসিডেন্টের মুখ দিয়ে বের হওয়ার জন্য বড্ড বেশি বড় হয়ে গেছে। আগের কোনো প্রশাসনই এভাবে প্রকাশ্যে এমন কথা বলেনি কারণ এটি একটি অগ্রহণযোগ্য বিষয়। প্রতিবারই তারা হরেক রকম অজুহাত নিয়ে আসে। কখনো সেটি মানবাধিকার, কখনো গণতন্ত্রের সুরক্ষা, আবার কখনো বা নারী অধিকার। কখনো তো তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে পড়ে থাকে, আবার কখনো পারমাণবিক ইস্যু বা ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নকে সামনে আনে। তারা আসলে কেবল নানা ধরনের অজুহাতই তৈরি করাতেই ব্যস্ত।
** সর্বোচ্চ নেতা সাইয়্যেদ আলী খামেনি, [https://english.khamenei.ir/news/11751/Statement-Iran-must-surrender-is-too-big-for-the-US-president-s সোর্স: khamenei.ir]
* আমরা খুব ভালো করেই জানি যে এই 'সর্বোচ্চ নেতা' কোথায় লুকিয়ে রয়েছেন। তিনি এখন একটি অত্যন্ত সহজ লক্ষ্যবস্তু, তবে আপাতত সেখানে নিরাপদেই আছেন। হয়তো আমরা তাকে অন্তত এই মুহূর্তের জন্য বেঁচে থাকতে দিচ্ছি।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, [https://www.reuters.com/world/middle-east/succession-plans-irans-khamenei-hit-top-gear-2025-06-23/ সোর্স: রয়টার্স]
* এটি আমাদের জন্য '[[:w:বার্লিন প্রাচীর|বার্লিন প্রাচীর]]' পতনের মতো একটি মুহূর্ত।
** রেজা পাহলভি, [https://www.reuters.com/business/media-telecom/regime-change-is-only-solution-iran-shahs-son-says-2025-06-23/ সোর্স: রয়টার্স]
* ওই একটি আঘাতই যুদ্ধ শেষ করে দিয়েছে। আমি [[:w:হিরোশিমা|হিরোশিমার]] উদাহরণ দিতে চাই না, আমি [[:w:নাগাসাকি|নাগাসাকির]] উদাহরণও দিতে চাই না, তবে ওটি ছিল মূলত একই জিনিস। যা যুদ্ধকে একদম থামিয়ে দিয়েছিল। এই আঘাতটিই যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছে। আমরা যদি সেটিকে ধ্বংস না করতাম, তবে তারা এখনও যুদ্ধ চালিয়ে যেত।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, [https://nymag.com/intelligencer/article/trump-iran-strike-hiroshima-bombing.html সোর্স: এনওয়াই ম্যাগ]
[[চিত্র:Demonstrations and protests against United States recognition of Jerusalem in Tehran 032.jpg|thumb|দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে ইরান কেবল 'আমেরিকা ধ্বংস হোক, ইসরায়েল নিপাত যাক'—এসবই বলে এসেছে। ~ ডোনাল্ড ট্রাম্প। [https://www.lemonde.fr/en/international/article/2025/06/22/trump-s-full-remarks-after-us-strikes-on-iran_6742597_4.html ২২ জুন, ২০২৫]]]
* [[:w:মধ্যপ্রাচ্য|মধ্যপ্রাচ্যের]] ত্রাস এই ইরানকে এখন অবশ্যই শান্তি স্থাপন করতে হবে। যদি তারা তা না করে, তবে ভবিষ্যতে আক্রমণগুলো হবে আরও ভয়াবহ এবং আমাদের জন্য অনেক বেশি সহজ।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, [https://www.lemonde.fr/en/international/article/2025/06/22/trump-s-full-remarks-after-us-strikes-on-iran_6742597_4.html ২২ জুন, ২০২৫, সোর্স: লে মন্দে]
* তারা জানেই না যে কী চুলটা ছিড়েছে!
** ডোনাল্ড ট্রাম্প [https://www.cnn.com/2025/06/24/politics/video/trump-israel-iran-ceasfire-reaction-ldn-digvid সোর্স: সিএনএন]
* আমরা জায়নবাদীদের প্রতি বিন্দুমাত্রও করুণা দেখাব না।
** আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, [https://www.aljazeera.com/news/liveblog/2025/6/17/live-israel-iran-trade-attacks-trump-orders-residents-of-tehran-to-flee ১৭ জুন, ২০২৫, সোর্স: আল জাজিরা]
* '''Beams are on''' (ইন্টারনেটের সিগন্যাল প্রেরণ করা হচ্ছে; ইরানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট চলাকালীন ইলন মাস্ক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম X এ ছোট করে লিখেছিলেন, "The beams are on" । এর মানে ছিল, ইরানের আকাশে এখন স্টারলিংকের সিগন্যাল সক্রিয় এবং মানুষ বিশেষ টার্মিনালের মাধ্যমে সেখান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে)
** ইলন মাস্ক, [https://theconversation.com/in-the-sky-over-iran-elon-musk-and-starlink-step-into-geopolitics-not-for-the-first-time-259833 সোর্স: দ্য কনভারসেশন]
* ওই বোমাগুলো আর ফেলো না।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, [https://www.ndtv.com/world-news/israel-iran-conflict-ceasefire-donald-trump-trump-tells-israel-dont-drop-bombs-then-drops-an-f-bomb-8749636 সোর্স: এনডিটিভি]
[[বিষয়শ্রেণী:ইরান]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েল]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলের ইতিহাস]]
1fp1ulv45hj3uxisr8035ywedn2mjgb
প্যানডিজম
0
12591
83745
79867
2026-06-09T14:17:18Z
Huntster
5933
([[c:GR|GR]]) [[File:Eagle nebula pillars complete.jpg]] → [[File:Pillars of Creation.jpeg]]
83745
wikitext
text/x-wiki
[[File:Pillars of Creation.jpeg|thumb|আমরা হলাম '''''[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বরের]]'''''-ই একটি অবশিষ্টাংশ। ~ '''''[[:w:স্কট অ্যাডামস|স্কট অ্যাডামস]]''''' ]]
[[File:Planetary nebula & white dwarf formation.gif|thumb|"প্যানডিজম" শব্দটি ব্যবহার করেন এটা জোর দেওয়ার জন্য যে—প্রকৃতিবাদীদের মতো তারাও বিশ্বাস করেন যে ঈশ্বর কোনো ব্যক্তিসত্তা নন যিনি উপাসনা পাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন। ~ '''''জন আর্মস্ট্রং''''']]'''[[:w:প্যানডিজম|প্যানডিজম]]''' (বা '''প্যান-ডিইজম''') হলো একটি ধর্মতাত্ত্বিক মতবাদ যা [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদ]] এবং [[w:প্রকৃতিবাদ_(দর্শন)|প্রকৃতিবাদের]] (ডিইজম) এক অনন্য সমন্বয়। এই মতবাদ অনুসারে, মহাবিশ্বের স্রষ্টা প্রকৃতপক্ষে নিজেই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন, এবং এর ফলে একটি পৃথক ও সচেতন সত্তা হিসেবে তাঁর পূর্বতন অস্তিত্বের অবসান ঘটেছে। প্রকৃতিবাদের প্রেক্ষিতে ঈশ্বর কেন মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে তা পরিত্যাগ করবেন এবং সর্বেশ্বরবাদের প্রেক্ষিতে এই জগতের উৎপত্তি ও উদ্দেশ্য কী—তা ব্যাখ্যা করতেই প্যানডিজমের অবতারণা করা হয়। প্যানডিজম শব্দটি মূলত সর্বেশ্বরবাদ এবং প্রকৃতিবাদের মূল শব্দদ্বয়ের একটি সংকর রূপ, যা প্রাচীন গ্রীক শব্দ 'প্যান' ('''πᾶν'''; যার অর্থ 'সকল') এবং ল্যাটিন শব্দ 'ডিউস' ('''deus'''; যার অর্থ 'ঈশ্বর') এর সমন্বয়ে গঠিত।
[[চিত্র:Hs-2001-16-p-full jpg.jpg|thumb|প্যানডিজম হলো এমন একটি [[:w:বিশ্বাস|বিশ্বাস]] যে, কোনো এক [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] মহাবিশ্বে পরিণত হওয়ার জন্য নিজের ঈশ্বরত্ব বিসর্জন দিয়েছেন; এবং এই ধারণাটি মূলত [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদের]] [[:w:আদর্শ|আদর্শের]] ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ~ '''''অ্যালেক্স অ্যাশম্যান''''' ]]
[[চিত্র:Bbrot225x225x24.PNG|thumb|[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] নিজেকে অসংখ্য খণ্ডে বিভক্ত করেছেন যেন তিনি কিছু [[:w:বন্ধু|বন্ধু]] পেতে পারেন। এটি হয়তো সত্য নয়, তবে শুনতে বেশ ভালো লাগে—এবং অন্য যেকোনো [[:w:ধর্মতত্ত্ব|ধর্মতত্ত্বের]] মতোই এটি সমান অর্থবহ। ~ '''''রবার্ট এ. হাইনলাইন''''' ]]
[[চিত্র:Uvsun trace big.jpg|thumb|[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] সমগ্র [[:w:মহাবিশ্ব|মহাবিশ্বে]] রূপান্তরিত হয়েছেন। ''ঈশ্বরই হলেন এই মহাবিশ্ব'', এবং এর মধ্যকার সবকিছু। কিন্তু মহাবিশ্ব তা [[:w:জ্ঞান|জানে]] না, কারণ জানলে এই মহাকাব্যিক রহস্যের রোমাঞ্চ নষ্ট হয়ে যেত। এই মহাবিশ্ব হলো ঈশ্বরের এক বিশাল নাটক; আর ঈশ্বর নিজেই এখানে মঞ্চ, অভিনেতা এবং দর্শক। ~ '''''ওয়ারেন বি. শার্প''''' ]]
[[চিত্র:Exploding planet.jpg|thumb|[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] নিজেকে জাগতিক রূপে সার্থক করতে এবং এক [[:w:শাশ্বত|শাশ্বত]] ও [[:w:অসীম|অসীম]] লক্ষ্য পূরণ করতে এই [[:w:পৃথিবী|জগৎ]] হয়ে উঠেছেন। তাঁর সেই মহিমান্বিত লক্ষ্য অনুধাবনের উদ্দেশ্যেই তিনি এই মহাবিশ্বের রূপ ধারণ করেছেন। ~ '''''[[:w:হ্যারি ওয়াটন|হ্যারি ওয়াটন]]''''' ]]
[[চিত্র:Hong Kong Budha.jpg|thumb|আমাদের এই জন্ম কেবলই এক সুপ্তাবস্থা আর বিস্মৃতি বৈ কিছু নয়... ~ '''''উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ''''' ]]
== উক্তি ==
* আমি জিজ্ঞেস করলাম, "আচ্ছা তাহলে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যটা আসলে কী? আপনার কাছে কি আদৌ এই প্রশ্নের কোনো উত্তর আছে নাকি শুধুই আপনি আমার সাথে তামাশাগিরি করছেন?"<br>"একজন সর্বশক্তিমান সত্তার জন্য আমি কেবল একটিই চ্যালেঞ্জ কল্পনা করতে পারি—আর তা হলো নিজেকে ধ্বংস করার চ্যালেঞ্জ!"<br>"আপনি কি মনে করেন ঈশ্বর কখনো আত্মহত্যা করে ফেলতে চাইবেন?" আমি আবারো জানতে চাইলাম।<br>"আমি বলছি না যে তিনি চাইবেন। আমি বলছি যে এটিই হয়তো একমাত্র সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ।"<br>"আমার মনে হয় একদম অস্তিত্বহীন হওয়ার চেয়ে ঈশ্বর বিদ্যমান থাকাকেই বেশি পছন্দ করবেন।"<br>"সেটা তুমি একজন মানব-প্রাণীর মতো করে ভাবছ, ঈশ্বরের মতো করে নয়। তোমারও আজরাঈলের ভয় রয়েছে, তাই তুমি ধরে নিচ্ছ যে ঈশ্বরও তোমার মতোই পছন্দ অপছন্দ ভাগ করে নেবেন। কিন্তু ঈশ্বরের তো কোনো ভয়ই নেই। বিদ্যমান থাকাটা তাঁর কাছে স্রেফ একটা পছন্দ ছাড়া আর কিছু নয়। আর সেখানে মৃত্যুর কোনো যন্ত্রণা নেই, নেই কোনো অপরাধবোধ, নেই অনুশোচনা কিংবা '''স্বজন হারানোর বেদনা'''! এগুলো শুধুই মানুষের অনুভূতি, ঈশ্বরের নয়। ঈশ্বর খুব সহজেই অস্তিত্ব বিলীন করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।"<br>আমিও ঘটাঘট করে বলে ফেললাম, "আপনার চিন্তা করার ধরন অনুযায়ী এখানে একটি সূক্ষ্ম যৌক্তিক সমস্যা আছে, ঈশ্বর যদি ভবিষ্যৎ জেনেই থাকেন, তবে তিনি ইতিমধ্যেই জানেন যে তিনি তাঁর অস্তিত্ব শেষ করার সিদ্ধান্ত নেবেন কি না, এবং তিনি এ কাজে সফলকাম হবেন কি না। ফলে এখানেও তো কোনো চ্যালেঞ্জ দেখতে পারছিনা।"<br>"তোমার চিন্তাশক্তি এখন স্বচ্ছ হচ্ছে," তিনি বললেন। "হ্যাঁ, স্বাভাবিক অবস্থায় তিনি তাঁর নিজের অস্তিত্বের ভবিষ্যৎ জানবেন। কিন্তু তাঁর সর্বশক্তিমান হওয়ার মধ্যে কি এটাও অন্তর্ভুক্ত যে তাঁর ক্ষমতা হারানোর পর কী ঘটবে—নাকি তাঁর ভবিষ্যতের জ্ঞান ঠিক সেই বিন্দুতেই শেষ হয়ে যাবে?"<br>আমি বললাম, "এটি পুরোপুরি একটি বাকহীন প্রশ্ন বলেই মনে হচ্ছে। আমার মনে হয় আপনি একটি কানাগলিতে এসে ঠেকেছেন!"<br>"হয়তো। কিন্তু এটি একটু চিন্তা করে দেখো তো। মহাপ্রাজ্ঞবান ঈশ্বর, যিনি এই প্রশ্নের উত্তর জানেন, তিনি প্রকৃতপক্ষে সকল কিছুই জানেন এবং তাঁর সবকিছুই নখদর্পনে রয়েছে। সে কারণেই তিনি কোনো কিছু করতে বা সৃষ্টি করতে অনুপ্রাণিত হবেন না। কোনোভাবেই কাজ করার কোনো উদ্দেশ্য থাকবে না। কিন্তু দয়ালু ঈশ্বর যার মনে একটি মাত্র প্রশ্ন খচখচ করছে—আমি যদি অস্তিত্বহীন হয়েই যাই তবে কী অকাল কান্ড ঘটবে? তিনি হয়তো তাঁর জ্ঞান পূর্ণ করার জন্য উত্তরটি খুঁজে পেতে উৎসাহিত হতে পারেন। আর যেহেতু তাঁর কোনো ভয়ই নেই এবং বিদ্যমান থাকার কোনো বিশেষ কারণও নেই, তাই তিনি এটি করে দেখতে পারেন।"<br>"আমরা এটিই বা কীভাবে জানব?"<br>"আমাদের কাছে উত্তরটি রয়েছে। সেটি হলো আমাদের এই 'অস্তিত্ব'। আমরা যে বিদ্যমান আছি, এটিই প্রমাণ করে যে ঈশ্বর কোনো না কোনোভাবে সেই কাজ করতে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। আর যেহেতু কেবল আত্মধ্বংসের চ্যালেঞ্জই একজন সর্বশক্তিমান ঈশ্বরকে আগ্রহী করতে পারে, তাই এটা যুক্তিযুক্ত যে আমরা ঈ. . ."<br>আমি এবার মাঝপথেই বুইড়া ব্যাটার কথা থামিয়ে দিলাম এবং রকিং চেয়ার থেকে সোজা ওঠে দাঁড়ালাম। মনে হলো যেন আমার মেরুদণ্ড দিয়ে শীতল প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আমার ফুসফুসকে, ত্বককে শুধুই শিহরিত করে তুলছে! এমনকি আমার ঘাড়ের লোমগুলোও খাড়া হয়ে গেল! আমি আগুন পোহাতে আগুনের কুন্ডলীর আরও কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম, যদিও তার উত্তাপ শুষে নেওয়ার ক্ষমতা আমার ছিল না।<br>"আপনি কি তাই বলছেন যা আমি ভাবছি?" আমার মগজ যেন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্ঞান গ্রহণ করে ওভারলোডেড হয়ে গেছিল! তথ্যের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে আমার শরীর ঝাঁকিয়ে-বাকিয়ে নেওয়ার একটু প্রয়োজন পড়ল।<br>বৃদ্ধ শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল, "আমরা আসলে ঈশ্বরের-ই একেকটি অংশমাত্র।"
**'''''স্কট অ্যাডামস''''', ''গডস ডেব্রি'' (২০০১) পৃ. ৪২-৪৪। {{ISBN|0740721909}}।
* [[:w:হিন্দুধর্ম|হিন্দুধর্ম]] হলো চিন্তাধারার এক বৈচিত্র্যময় জগত যেখানে [[:w:একেশ্বরবাদ|একেশ্বরবাদ]], [[:w:বহুদেববাদ|বহুদেববাদ]], [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদ]], প্যানডিজম, [[:w:অদ্বৈতবাদ|অদ্বৈতবাদ]] এবং [[:w:নিরীশ্বরবাদ|নিরীশ্বরবাদসহ]] আরও নানা বিশ্বাস বিদ্যমান। আর এখানে [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] ধারণা অত্যন্ত জটিল যা প্রতিটি ব্যক্তি এবং তাদের অনুসৃত ঐতিহ্য ও দর্শনের ওপর নির্ভর করে।
** '''''এডওয়ার্ড ডি. অ্যান্ড্রুস''''', ''রিজনিং উইথ দ্য ওয়ার্ল্ডস ভেরিয়াস রিলিজিয়নস: এক্সামিনিং অ্যান্ড ইভানজেলাইজিং আদার ফেইথস'' (২০১৮), পৃ. ৭১।
* প্রথম অংশটি জীবন সম্পর্কে মনস্তাত্ত্বিক-ধর্মীয় বিশ্ববীক্ষার ঐতিহাসিক বিকাশের প্রকৃতি নিয়ে একটি প্রাথমিক আলোচনা। দ্বিতীয় অংশে প্রাচীন মিশরীয় ও ভারতীয়দের প্যানডিজম থেকে শুরু করে [[w:গটফ্রিড_ভিলহেল্ম_লাইবনিৎস|গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎসের]] পূর্ব-স্থাপিত সামঞ্জস্য (প্রি-এস্টাবলিশড হারমনি; যা একটি একটি মেটাফিজিক্যাল তত্ত্ব) এবং বস্তুগত বাস্তবতার কঠোর স্বরূপ সংক্রান্ত দার্শনিক ঈশ্বরবাদী ও থিওসফিস্ট মতামতের ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে। তৃতীয় ও চূড়ান্ত অংশটি সেইসব অধি-ভৌতিক এবং ভৌত বিশ্ববীক্ষাকে একত্রিত করে, যা ভারতীয়দের মাধ্যমে [[:w:আদর্শবাদ|আদর্শবাদের]] সূচনা থেকে শুরু করে [[w:আর্টুর_শোপনহাউয়ার|আর্টুর শোপনহাউয়ার]], [[w:ফ্রিডরিখ_নিচে|ফ্রিডরিখ নিচে]], ইভি হার্টম্যান এবং ক্রিস্টোফ ইউকেন পর্যন্ত বিস্তৃত, যা স্পিনোজাবাদ থেকে সর্বাধুনিক নব্য-স্পিনোজাবাদ ও নব্য-আদর্শবাদ পর্যন্ত ধাবিত হয়েছে এবং পরিশেষে [[:w:অভিজ্ঞতাবাদ|অভিজ্ঞতাবাদ]] ও [[:w:দৃষ্টবাদ|দৃষ্টবাদের]] মধ্য দিয়ে প্রকৃত ভৌত মতবাদসমূহের (বস্তুবাদ, পরমাণুবাদ, শক্তি-সংক্রান্ত মতবাদ ইত্যাদি) আলোচনায় উপনীত হয়েছে।
** '''''আন্নালেন ডার ফিজিক''''' ("অ্যানালস অফ ফিজিক্স") (১৯১১) পৃ. ৫৮।
* কখনো কখনো [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদীরা]] "প্যানডিজম" শব্দটি ব্যবহার করেন এটা জোর দেওয়ার জন্য যে—প্রকৃতিবাদীদের মতো তারাও এই ধারণায় বিশ্বাসী যে, [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] কোনো ব্যক্তিসত্তা নন যিনি উপাসনা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেন।
** '''''জন আর্মস্ট্রং''''', ''[http://www.godvsthebible.com/chapter14.htm গড বনাম দ্য বাইবেল: হাউ গড'স ক্রিয়েশন ডিসক্রেডিট ক্রিশ্চিয়ান স্ক্রিপচার]'' (২০০৭)। ডিসেম্বর ২০০৭ সংখ্যায় আলেকজান্ডার সিউরানা (এম.টি.এস.) কর্তৃক উদ্ধৃত, "দ্য সুপিরিওরিটি অব আ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ার্ল্ডভিউ," অ্যাক্টস ম্যাগাজিন, চার্চেস অব গড সেভেন্থ ডে, খণ্ড ৫৭, সংখ্যা ১০, পৃষ্ঠা ১১।
* প্রকৃতিবাদ এবং সর্বেশ্বরবাদ—উভয় মতবাদেই তাঁর অবস্থান থাকায়, [[w:আলবার্ট_আইনস্টাইন|আইনস্টাইনকে]] সম্ভবত একজন প্যানডিজম পন্থী হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। এটি মূলত সর্বেশ্বরবাদ ও প্রকৃতিবাদের একটি সংকর রূপকে নির্দেশ করে, যা ২০১৩ সালে রাফায়েল লাটাস্টার অত্যন্ত নিপুণভাবে বর্ণনা করেছিলেন।
** '''''ডা. মাইকেল আরনহেইম''''', ''দ্য গড বুক'', ২০১৫, পৃষ্ঠা ৭২।
* এই "পরিকল্পিত নিয়ম" বা "নির্ধারিত নিয়ম", যা তিনি অন্য জায়গায় উল্লেখ করেছেন। এগুলো কোথা থেকে এল? [[w:চার্লস_ডারউইন|চার্লস ডারউইন]] তাঁর এই বিশ্বাসকে গোপন করেননি যে, এগুলো একজন "সর্বজ্ঞ স্রষ্টা" দ্বারা নকশা করা হয়েছে। তাঁর ব্যবহৃত "ভালো কিংবা মন্দ যাই হোক" বাক্যাংশটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং এটি ডারউইনকে এমন এক অবস্থানে দাঁড় করায় যা একজন নির্লিপ্ত ও নৈতিকতা-নিরপেক্ষ ঈশ্বরে বিশ্বাসী ব্যক্তির চেয়ে খুব একটা আলাদা নয়। তাই, ডারউইন হয়তো স্পষ্টভাবে প্রকৃতিবাদ সম্পর্কে সচেতন ছিলেন না, কিন্তু তাঁর নিজস্ব ধর্মীয় বিশ্বাসগুলো প্রকৃতিবাদ বা সম্ভবত প্যানডিজমের (যা এই অধ্যায়ে আগেও আলোচিত হয়েছে) সাথে চমৎকারভাবে মিলে যায়।
** '''''ডা. মাইকেল আরনহেইম''''', ''দ্য গড বুক'', ২০১৫, পৃষ্ঠা ১০৩-১০৪।
* [[w:চার্লস_ডারউইন|চার্লস ডারউইন]] মাঝে মাঝে নিজেকে একজন [[:w:অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদী]] হিসেবে বর্ণনা করতেন, তবে তাঁর প্রকাশিত ধর্মীয় বিশ্বাসগুলো সাধারণভাবে [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদের]] সাথে, অথবা সম্ভবত প্যানডিজমের সাথে অধিকতর সামঞ্জস্যপূর্ণ।
** '''''ডা. মাইকেল আর্নহেইম''''', ''দ্য গড বুক'' (২০১৫), পৃষ্ঠা ১০৫।
* প্যানডিজম হলো এমন একটি [[:w:বিশ্বাস|বিশ্বাস]] যে, কোনো এক [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] মহাবিশ্বে পরিণত হওয়ার জন্য নিজের ঈশ্বরত্ব বিসর্জন দিয়েছেন। এবং এই ধারণাটি মূলত [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদের]] [[:w:আদর্শ|আদর্শের]] ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।
** '''''অ্যালেক্স অ্যাশম্যান''''', বিবিসি নিউজ, ''মেটাফিজিক্যাল ইজমস'' (৫ সেপ্টেম্বর ২০০৭)।
* এটি দেখা যাবে যে, [[:w:বাস্তবতা|বাস্তবতার]] এই 'অপরিবর্তনীয়তা'র বিষয়টি যখন স্পষ্টভাবে অনুধাবন করা হয়, তখন তা অবশ্যই [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদের]] কিছু নির্দিষ্ট শাখার ত্রুটিপূর্ণ তত্ত্বগুলোকে খণ্ডন ও প্রত্যাখ্যান করতে সাহায্য করবে, যারা মনে করে যে "ঈশ্বর মহাবিশ্বে পরিবর্তিত হওয়ার মাধ্যমে নিজেই মহাবিশ্ব হয়ে ওঠেন।" এভাবে প্রকৃতিকে ঈশ্বরের সাথে অভিন্ন করার চেষ্টা করা হয়, যার ফলে [[w:আর্টুর_শোপনহাউয়ার|আর্টুর শোপনহাউয়ারের]] ভাষায়, "আপনি ঈশ্বরকেই বিদায় জানাচ্ছেন!" ঈশ্বর যদি নিজেকে এই বিস্তীর্ণ মহাবিশ্বে পরিবর্তিত করেন, তবে ঈশ্বর আর বিদ্যমান থাকেন না এবং তাঁকে নিয়ে আমাদের আর উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন পড়বে না! কারণ তিনি পরিবর্তনের মাধ্যমে আত্মহত্যা করে ফেলেছেন!
** '''''উইলিয়াম ওয়াকার অ্যাটকিনসন''''', ''মাস্টারি অফ বিয়িং'' (১৯১১), পৃষ্ঠা ৫৬।
* হিগিন্স একটি প্রাচীন সর্বজনীন ধর্মের অস্তিত্ব উন্মোচনের দাবি করেছিলেন (যাকে তিনি প্যানডিজম নামেই অভিহিত করেছিলেন), যা থেকে নাকি জগতের সকল ধর্মীয় মতবাদের উৎপত্তি হয়েছিল। তাঁর মতে, এই ধর্মটি আজও একটি গোপন ও খণ্ডিত গোষ্ঠী হিসেবে টিকে আছে, যারা [[w:গ্রিস|গ্রিস]], [[w:মধ্যপ্রাচ্য|মধ্যপ্রাচ্য]] এবং বিশেষ করে [[w:ভারতীয়_উপমহাদেশ|ভারতীয় উপমহাদেশ]]—যেখানে এর আদি উৎস নিহিত। সেখানকার বিভিন্ন প্রান্তে তাদের সেই প্রাচীন বার্তাগুলো বহন করে চলেছে।
** '''''অ্যান্থনি অ্যাভেনি''''', ''অ্যাপোক্যালিপ্টিক এনজাইটি: রিলিজিয়ন, সায়েন্স, অ্যান্ড আমেরিকাস অবসেশন উইথ দ্য এন্ড অব দ্য ওয়ার্ল্ড'' (ইউনিভার্সিটি অফ কলোরাডো প্রেস, ২০১৬), পৃষ্ঠা ৯৮, ISBN 1607324717।
* আজ আমরা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ঐক্য এবং সাম্যের এক প্রবল জোয়ার প্রত্যক্ষ করছি। বাণিজ্যিক দুনিয়ায় আমরা দেখছি বিশাল সব ব্যবসায়িক একত্রীকরণ। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গোটা জাতিগুলো একজোট হচ্ছে। [[w:শ্রমিক_সংঘ|শ্রমজীবী মানুষের মাঝে ইউনিয়নগুলো]] উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। আর্থিক বিশ্বে একচেটিয়া [[w:একচেটিয়া_বাজার|একচেটিয়া আধিপত্যের]] প্রবণতা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। ধর্মীয় জগতেও ঐক্যের এক মহাপ্রয়াসে অনেক বড় বড় আন্দোলন চলছে এই সময়ে এবং এটি কেবল খ্রিস্টীয় জগতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। রোমান গির্জা (চার্চ অফ রোম) তাদের বর্তমান কার্যক্রমকে বর্ণনা করতে "প্যানডিজম" শব্দটি ব্যবহার করে, যার লক্ষ্য হলো বিশ্বের অ-খ্রিস্টান ধর্মগুলোকে নিজেদের ছত্রছায়ায় নিয়ে আসা। রোম শেষ পর্যন্ত এই কাজে সফল হবে, কারণ সেই ভবিষ্যৎবাণীতে বলা আছে, '''"আর সমস্ত জগৎ সেই পশুর পশ্চাৎবর্ত্তী হইয়া আশ্চৰ্য্য জ্ঞান করিল!"''' (বাইবেল, অ্যাপোক্যালিপ্স ১৩:৩)
** '''''কনরাড বেকার''''', ''[https://web.archive.org/web/20060909220410/http://maranathamedia.com.au/start/index.php?option=com_docman&task=doc_view&gid=997 দ্য থ্রি পাওয়ার্স অব আর্মাগেডন: অ্যান এক্সপজিশন অব রিভিলেশন ১৬:১৩-১৬]'' (আর্কাইভ), পৃষ্ঠা ৭, ১২ আগস্ট, ২০০৫ (পিডিএফ)।
* লেখক যেভাবে গ্রীক এবং খ্রিস্টীয় পৌরাণিক কাহিনীকে একত্রিত করেছেন তা বেশ সন্দেহজনক। যা শেষ পর্যন্ত এক ধরণের প্যানডিজমে রূপ নিয়েছে, যদিও সেই প্যানডিজম সর্বদা ঐশ্বরিক বিধাতার বা ডিভাইন প্রভিডেন্স উপস্থিতির মাধ্যমে সীমাবদ্ধ থাকে।
** '''''জোয়াকিন আলভারেজ বারিয়েন্টোস''''', ''লা নভেলা ডেল সিগলো XVIII'', পৃষ্ঠা ২৫৭ (১৯৯১)।
* পাশ্চাত্য [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদ]] প্রসঙ্গে কেউ কেউ মনে করেন যে, "প্যানথেইজম" বা সর্বেশ্বরবাদ শব্দটি ভুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যেহেতু থিওলজি হলো ধর্মতত্ত্বের অধ্যয়ন এবং "প্যান" অর্থ "সব", তাই প্যানথেইজম বলতে মূলত সকল ধর্মকে অনুসরণ করাকে বোঝায়। ফলে সমস্ত নামাঙ্কিত দেবতাকে অনুসরণ করার এই নীতিকে বরং "প্যান-ডি-ইজম" [Pan-De-ism] বলা উচিত। সুতরাং, প্যানথেইস্ট না কি প্যানডেইস্ট? সিদ্ধান্ত আপনার।
** '''''মাইলস ব্যাটি''''', ''টিচিং উইচক্র্যাফট: এ গাইড ফর টিচার্স অ্যান্ড স্টুডেন্টস অফ দ্য ওল্ড রিলিজিয়ন'' (২০০৯) পৃ. ৩৮।
* [[:w:বাইবেল|বাইবেল]] যদি কেবল মানুষের লোকগাথা হয় এবং কোনো ঐশ্বরিক সত্য না হয়, তবে যারা বলে, "চলুন সব ধর্ম থেকে সেরাটা বেছে নিয়ে সেগুলোকে একীভূত করে প্যান-ডেইজম (Pan-Deism) বানাই। একক ঈশ্বর যেখানে অনেককে নিয়ে গঠিত একটি বৈশ্বিক ধর্ম", তাদের দেওয়ার মতো কোনো প্রকৃত উত্তর আমাদের কাছে থাকবে না।
** '''''জে. সিডলো ব্যাক্সটার''''', ''আওয়ার বাইবেল: দ্য মোস্ট ক্রিটিক্যাল ইস্যু'' (১৯৯১)।
* অত্যন্ত মজার বিষয় হলো, ভ্যাটিকান কাউন্সিলের সময় 'ইকুমেনিকাল' (বিশ্বজনীন ঐক্য) শব্দটিকে এমনকি এর ধারণাটিকেও অ-খ্রিস্টান ধর্মগুলোর সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রসারিত করার এই ক্যাথলিক সদিচ্ছার বিরুদ্ধে ডব্লিউসিসি / WCC মহল থেকে সমালোচনা ধেয়ে এসেছিল। তখন মনে করা হয়েছিল যে, এই বিশ্বজনীন ঐক্যের ধারণাটি "প্যান-ডিইস্ট" (সর্ব-প্রকৃতিবাদী) এবং বিভিন্ন ধর্মীয় মতবাদের সংমিশ্রণজনিত প্রবণতা দ্বারা কলুষিত হচ্ছে।
** '''''বার্ট বেভারলি বিচ''''', ''ইকুমেনিজম: বুন অর বেন?'' (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ২৫৯ (জর্জ এইচ. উইলিয়ামসের ''ডাইমেনশনস অব রোমান ক্যাথলিক ইকুমেনিজম'' (১৯৬৫), পৃষ্ঠা ৩১-৩২ থেকে উদ্ধৃত)।
* হাইস্কুলের এক শিক্ষক একবার আমাকে বলেছিলেন যে, [[w:আদি_শঙ্কর|আদি শঙ্করাচার্য]] মনে করতেন ঈশ্বরই এই জগতে পরিণত হয়েছেন। শুরুতে কেবল ঈশ্বরই ছিলেন এবং তারপর তিনি নিজের থেকেই এই জগৎ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং, ঈশ্বরই জগতে রূপান্তরিত হয়েছেন। আর এখন ঈশ্বরের পৃথক কোনো অস্তিত্ব নেই। এটি অনেকটা চাল দিয়ে ইডলি (দক্ষিণ ভারতের একটি খাবার; যা আমাদের অনেকটা বাঙালিয়ানা '''[[w:চিতই_পিঠা|<nowiki/>'চিতই পিঠা]]'''<nowiki/>'র মতো) বানানোর মতো! চাল ফুরিয়ে গেছে, এখন কেবলি ইডলি পড়ে আছে। পরবর্তীতে, আমি যখন কারো কাছে আদি শঙ্করাচার্যের [[w:দর্শন|দর্শন]] হিসেবে এটি পুনরায় বললাম, তখন তিনি এত জোরে হেসে উঠলেন যে আমি বুঝতে পারলাম আমার কথায় কোথাও কোনো ভুল ছিল। কিন্তু ভুলটি কোথায় ছিল তা আমি জানতাম না, আর তিনিও আমাকে তা শুধরে দেননি।
** ''[[:w:ভগবদ্গীতা|ভগবদ্গীতা]] হোম স্টাডি'', ২০০০।
* [[w:ক্যাথলিক_মণ্ডলী|রোমান ক্যাথলিক]] পণ্ডিতদের মধ্যে, যারা মূলত রোমান, [[w:পূর্বদেশীয়_সনাতনপন্থী_মণ্ডলী|অর্থোডক্স]] এবং অ্যাংলিকান গির্জাগুলোর পুনর্মিলনে আগ্রহী ছিলেন—তাদের মাঝেই আমি প্রথম এই বিশ্বজনীন ঐক্যের ধারণাকে 'প্যান-ডিইজম'-এ রূপান্তর হতে দেখি। [...] আমরা হয়তো প্রশ্ন করতে পারি যে, এই প্যান-ডিইস্ট আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করার পেছনে রোমান কিউরিয়ার চূড়ান্ত লক্ষ্য আসলে কী। তারা রোমের এই বিশ্বজনীন ঐক্য এবং প্যান-ডিইজমের মাঝে বিশ্ব আধিপত্য বিস্তারের কোনো সুদূরপ্রসারী প্রকল্পকে সম্ভবত স্পষ্টভাবে শনাক্ত করতে পারেনি।
** ফাদার '''''চার্লস এ. বোল্টন''''', "বিয়ন্ড দ্য ইকুমেনিকাল: প্যান-ডিইজম?" শীর্ষক নিবন্ধ, ''ক্রিশ্চিয়ানিটি টুডে'', ১৯৬৩, পৃষ্ঠা ২১।
* ফ্রান্সের প্রবীণ প্রজন্মের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি [[w:ভিক্টর_হুগো|ভিক্টর হুগোর]] মধ্যে এক ধরণের দুর্বল প্যানথেইস্টিক ডিইজম বা সর্বেশ্বরবাদী ঈশ্বরবাদ পরিলক্ষিত হয়, যা তাঁর প্রবল [[:w:যুক্তিবাদ|যুক্তিবাদের]] বিপরীতে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আমরা এখনও তাঁর মধ্যে পূর্ববর্তী শতাব্দীর প্রভাব খুঁজে পাই। যেখানে ধর্মের ঊর্ধ্বে গিয়ে আধ্যাত্মিকতাকে মহিমান্বিত করা হয়েছে এবং বিশ্বাসের সেই ভালোবাসাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যা মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে, সেইসব গোঁড়ামির বিপরীতে যা মানুষকে বিভক্ত ও বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
** '''''জর্জ এম. ব্র্যান্ডেস''''', ''হেনরিক ইবসেন'' (১৯৯৯) পৃ. ৬৮।
* একটি একক সত্তায় বিশ্বাস বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে যতক্ষণ পর্যন্ত সেই বিশ্বাসটি কেবল একটি 'আদি কারণ' (ফার্স্ট কজ) হিসেবে থাকে, যিনি পরবর্তীতে প্রাকৃতিক নিয়মের কোনো পরিবর্তন বা হস্তক্ষেপ করেন না। পাঠক এবং লেখক উভয়েরই নিজস্ব ব্যক্তিগত পছন্দ থাকতে পারে, তবে পরবর্তী বিশ্ববীক্ষা এবং চিন্তাধারার জন্য যা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো—একদিকে একটি "পরম সত্তায়" বিশ্বাস করার ব্যাপক আকাঙ্ক্ষাকে জায়গা দেওয়া, আবার একই সাথে এমন কিছু গ্রহণ না করা যা প্রাকৃতিক শৃঙ্খলা ও কার্যকারণ সম্পর্ককে বিঘ্নিত করতে পারে। পরবর্তী বিশ্বাস ব্যবস্থাটি এমন একটি ছাতার মতো হওয়া উচিত যা [[:w:নিরীশ্বরবাদ|নিরীশ্বরবাদ]], [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদ]], [[:w:অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদ]] এবং সর্বেশ্বর প্রকৃতবাদকে (অর্থাৎ, প্যান-ডিইজম) একই আবরণে ঢেকে নিতে পারে। কেবল এভাবেই আমরা মানবতাকে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের প্রকৃত যুগে নিয়ে আসতে পারি, একটি নতুন সভ্যতা গড়তে পারি এবং শেষ পর্যন্ত মানবজাতিকে এই সংকীর্ণ গ্রহের সীমানা ছাড়িয়ে মহাবিশ্বের সুদূর প্রান্তরে ছড়িয়ে দিতে পারি।
** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''আনটুইস্টিং দ্য সোশ্যাল সায়েন্সেস'' (২০০৬), পৃ. ১৪২।
* পরবর্তী [বিশ্ববীক্ষা] বিশ্বাস ব্যবস্থাটি এমন একটি ছাতার মতো হতে পারে যা নিরীশ্বরবাদ, ঈশ্বরবাদ, অজ্ঞেয়বাদ এবং প্যান-ডিইজমকে অন্তর্ভুক্ত করবে। কারণ এই বিভিন্ন বিশ্বাসের মধ্যকার পার্থক্যগুলো তখন ম্লান হয়ে যায় যখন আমরা এমন কোনো "রহস্যময় সত্তার" প্রতি অসহিষ্ণু হই যে কার্যকারণ সম্পর্ক পরিবর্তন করতে পারে, যার ফলে আমাদের সেই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে হস্তক্ষেপ ঘটে যা এই প্রাচীন সভ্যতাকে বদলে দেওয়ার জন্য এখন অত্যন্ত জরুরি।
** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''ডেস্টিনি অ্যান্ড সিভিলাইজেশন: দ্য ইভোল্যুশনারি এক্সপ্লানেশন অফ রিলিজিয়ন অ্যান্ড হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃ. ২১০।
* মুক্তচিন্তক, সেই সকল মানুষ যাদের "আত্মা" সংক্রান্ত বিশ্বাস আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদ]] (ডিইজম), প্যান-ডিইজম, [[:w:অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদ]] এবং [[:w:নিরীশ্বরবাদ|নিরীশ্বরবাদ]] বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ; কিন্তু [[:w:আস্তিক্যবাদ|সেব্য-ঈশ্বরবাদ]] (থেইজম) নয়।
** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''ডেস্টিনি অ্যান্ড সিভিলাইজেশন: দ্য ইভোল্যুশনারি এক্সপ্লানেশন অফ রিলিজিয়ন অ্যান্ড হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃ. ২৯৫।
* ঈশ্বরবাদ (ডিইজম) ও প্যান-ডিইজম এবং সেই সাথে অজ্ঞেয়বাদ ও নিরীশ্বরবাদ, এই সবই হলো 'অ-সেব্য-ঈশ্বরবাদী' (নন-থেইজম) মতবাদ!
** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''দ্য লাস্ট সিভিলাইজেশন'' (২০১০), পৃ. ২৪৬।
* ঈশ্বরবাদের (ডিইজম) মতো প্যানডিজমেরও কোনো সুনির্দিষ্ট সেব্য-ঈশ্বরবাদী ধর্মবিশ্বাস বা ধর্মগ্রন্থ নেই যা এই বিশ্বাসকে একটি 'প্রথা' হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে। তাই এখানে এমন এক ঈশ্বরকে কল্পনা করার স্বাধীনতা রয়েছে যিনি এই 'চেতনাসম্পন্ন' মহাবিশ্ব, অথবা এমন এক ঈশ্বর যিনি এই 'চেতনাভিহীন' মহাবিশ্ব। অথবা ন্যূনতম প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্যের সাথে সাংঘর্ষিক নয় এমন গুণাবলি আরোপ করে ঈশ্বরকে আরও নির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করার প্রচেষ্টাও চালানো সম্ভব।
** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন, পিএইচডি''''', "প্যানডিজম," ''এ থিওরেম কনসার্নিং গড'' (২০০৯)।
* বেদান্তিক হিন্দুধর্ম হলো একটি সুসংগঠিত অদ্বৈতবাদী প্যানডিজম এবং এটি শুরুতেই স্বীকার করে নেয় যে এর ধর্মগ্রন্থগুলো মূলত উপকথা ও কিংবদন্তি, যা থেকে রূপক অন্তর্দৃষ্টি আহরণ করতে হয়, এগুলো কোনো "ঐশ্বরিক সত্য" নয়। আর বৌদ্ধধর্ম কোনো ধর্ম নয়, বরং এটি মূলত একটি নিরীশ্বরবাদী মনস্তাত্ত্বিক-সামাজিক দর্শন যা দুর্ভাগ্যবশত বৈদিক হিন্দুধর্মের কিছু ধর্মীয় বিশ্বতত্ত্বকে অন্তর্ভুক্ত করে ফেলেছে। বিশেষ করে ক্রমিক পুনর্জন্মের ধারণাটি, যা সম্ভবত সত্য নয়।
** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন, পিএইচডি''''', "এ পিউরলি গ্র্যাচুইটাস পোলেমিক অ্যাগেইনস্ট থেইজম," ''এ থিওরেম কনসার্নিং গড'' (২০০৯)।
* আসুন অবশেষে আমরা সেই মৌলিক উপপাদ্যটি ব্যক্ত করি।<br><br>''যদি ঈশ্বরের অস্তিত্ব থাকে, তবে ঈশ্বর এবং এই মহাবিশ্ব অভিন্ন।''<br><br>অর্থাৎ, এই উপপাদ্যটি শর্তাধীন প্যানডিজমের একটি ঘোষণা। যদি আদৌ ঈশ্বরের কোনো অস্তিত্ব থেকে থাকে, তবে অস্তিত্বমান জাগতিক সবকিছুর সমষ্টিই হতে হবে সেই ঈশ্বর।
** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node6.html দ্য পান্ডিস্ট থিওরেম]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯।
* উপনিষদে বিশেষভাবে বর্ণিত খাঁটি বৈদান্তিক হিন্দুধর্ম হলো অদ্বৈতবাদী এবং এটি হয় প্যানডিজম নয়তো প্যানেন-ডিজমের অনুসারী, যেখানে ব্রহ্মই হলেন এই মহাবিশ্ব। আমরা (আত্মা বা "ঈশ্বর-আত্মা" হিসেবে) ব্রহ্মেরই অংশ এবং স্বয়ং ব্রহ্ম! যা মূলত পূর্ণতাকে উপলব্ধি করার জন্য সেই পূর্ণ সত্তা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া কিছু অংশ মাত্র, যারা সর্বদা পুনরায় সেই পূর্ণতার সাথে মিলিত হতে এবং সর্বস্ব হিসেবে অস্তিত্বের এক পরম অবস্থায় ফিরে যেতে ব্যাকুল। উপনিষদে বর্ণিত ব্রহ্ম এমন কোনো সত্তা নন যাকে উপাসনা করা হয়, সেখানে এটি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ব্রহ্ম উপাসনার প্রতি উদাসীন এবং তিনি উপাসনার কোনো বস্তু নন।
** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node14.html হিন্দুইজম]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯।
* একজন প্রকৃতিবাদী বা ডিইস্ট যিনি এমন এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন যিনি নিজেই মহাবিশ্ব, তিনি মূলত একজন প্যান্ডিস্ট (বা প্যান্ডিজম-বাদী)। এটি কেবল এই উপপাদ্যের সাথেই সংগতিপূর্ণ নয়, বরং তথ্য-তত্ত্বের (মানে ইনফরমেশন থিওরি) একটি প্রমাণিত উপপাদ্য হিসেবে এখন তাঁদের সেই শর্তাধীন বিশ্বাসকে নিশ্চিতভাবে সমর্থন করে।
** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node26.html ডিইজম]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯।
* মহাবিশ্ব নিয়ে গবেষণারত একজন প্যান্ডিস্ট বিজ্ঞানী বা দার্শনিক যে অপরিহার্যভাবে অযৌক্তিক হবেন—তা নয়। এমনকি নিজের কাজকে গভীরভাবে ভালোবাসেন এমন একজন নাস্তিক বিজ্ঞানী বা দার্শনিকের চেয়েও তাকে খুব একটা আলাদাভাবে শনাক্ত করা কঠিন।
** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node29.html কনসিস্টেন্সি উইথ ফিজিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্স]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯।
* আমাদের মধ্যে কেউ কেউ মনে করেন যে, উত্তর-আধুনিকতা বা পোস্ট-মডার্নিটি মূলত প্রচলিত বিশ্ববীক্ষার এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের প্রতিনিধিত্ব করে। যা জেমস এবং ওয়েবারের এক বিস্ময়কর সংমিশ্রণ হয়ে ওঠার মাধ্যমে আধুনিকতার মতোই অনন্য হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। যদি আমাদের এই ধারণা সঠিক হয়, তবে পরিবর্তিত দৃষ্টিভঙ্গি, পূর্বানুমান এবং মূল্যবোধগুলো একত্রে আমাদের জীবনযাত্রাকে এমনভাবে বদলে দিতে পারে, যা আমাদের মনন ও অস্তিত্বের ভূগোলকে রূপান্তরিত করবে। অর্থাৎ, আমরা যে বাস্তব ভৌগোলিক দৃশ্যপট এবং মানসিক মূল্যবোধের জগতে বসবাস করি, উভয়ই পরিবর্তিত হবে। এই চলমান রূপান্তরের একটি ক্রমবর্ধমান সাধারণ ফলাফল হলো, যা সম্ভবত উত্তর-শিল্পায়ন যুগের ধর্মনিরপেক্ষ সমাজগুলোর একটি লক্ষণ। আত্ম-অস্বীকৃতি থেকে অতিপ্রাকৃতকে অস্বীকার করার দিকে অগ্রসর হওয়া। এই বিবর্তনটি ভবিষ্যতের মনন ও অস্তিত্বের ভূগোলকে আমূল বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। কারণ এটি কার্যকারণের কেন্দ্রবিন্দুকে এক মহিমান্বিত দেবত্ব থেকে প্রকৃতির রাজত্বের দিকে সরিয়ে নিয়ে যায়। এই 'প্রকৃতি' শেষ পর্যন্ত কীভাবে সংজ্ঞায়িত হবে, তার ওপর ধর্মীয় এবং ধর্মনিরপেক্ষ বিশ্ববীক্ষার মধ্যকার কৃত্রিম পার্থক্যের এক ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। লেভিনের মতে, "ধর্মনিরপেক্ষতা একটি ইতিবাচক বিষয়, নেতিবাচক নয়। এটি আধ্যাত্মিক জগত বা ধর্মের অস্বীকার নয়, বরং আমরা এখন যে জগতে বাস করছি তারই এক দৃঢ় স্বীকৃতি... এমন একটি জগত আমাদের সেই 'পূর্ণতা' এনে দিতে সক্ষম যা ধর্ম সর্বদা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছে।" অন্যদের কাছে এই "পূর্ণতা" আরও বেশি ধর্মীয়-ঘেঁষা সর্বেশ্বরবাদ (প্যানথেইজম) বা প্যানডিজমের মাঝে বিদ্যমান। প্যানডিজমের ক্ষেত্রে ঈশ্বর হলেন একটি জটিল মহাবিশ্বের চির-উন্মোচিত এক অভিব্যক্তি, যার একটি শনাক্তযোগ্য শুরু থাকলেও কোনো সুনির্দিষ্ট চূড়ান্ত লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যমূলক গন্তব্যের (টেলিওলজিক্যাল ডিরেকশন) উপস্থিতি অপরিহার্য নয়।
** '''''মাইকেল এস. ব্রুনার''''', '''''জন ড্যাভেনপোর্ট''''', '''''জিম নরউইন''''', "অ্যান ইভলভিং ওয়ার্ল্ডভিউ: কালচার-শিফট ইন ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস", জিম নরউইন সম্পাদিত, ''আ ওয়ার্ল্ড আফটার ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড কালচার-শিফট'' (স্প্রিঙ্গার, ২০১৩), পৃষ্ঠা ৪৬।
* সৃষ্ট বুদ্ধিবৃত্তিক সত্তাসমূহের সকল কাজই কেবল ঈশ্বরের কাজ নয়। তিনি এমন এক মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন যেখানে প্রাণীরা তাদের নিজস্ব নৈতিক কাজের নিকটতম কারণ (প্রক্সিমেট কজ) হিসেবে স্বাধীনভাবে এবং দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে বলে গণ্য হয়। যখন কোনো ব্যক্তি মন্দ কাজ করে, তখন সেখানে স্রষ্টা ও রক্ষক হিসেবে ঈশ্বর সক্রিয় থাকেন না। ঈশ্বর যদি প্রতিটি কাজের নিকটতম কারণ হতেন, তবে তা প্রতিটি ঘটনাকেই "ঈশ্বরের গতিশীল রূপ" (গড ইন মোশন) বানিয়ে দিত। যা প্রকৃতপক্ষে সর্বেশ্বরবাদ বা আরও নিখুঁতভাবে বললে প্যানডিজম ছাড়া আর কিছুই নয়। [তবে] স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এই দ্বিতীয় পর্যায়ের কারণগুলোর (সেকেন্ডারি কজেস) বাস্তবতা বা অস্তিত্বই খ্রিস্টীয় [[:w:আস্তিক্যবাদ|সেব্য-ঈশ্বরবাদকে]] প্যানডিজম থেকে পৃথক করে।
** '''''পাস্টর বব বারিজে''''', ''থিওলজি প্রোপার - লেসন ৪: দ্য ডিক্রিস অফ গড'' (১৯৯৭)।
* কেন ঈশ্বরকে [[:w:পাপ|পাপের]] রচয়িতা হিসেবে অভিহিত করলে মহাবিশ্বের একটি প্যানডিস্টিক ধারণার প্রয়োজন পড়ে, যা কার্যত পাপ এবং নৈতিক আইনের বাস্তবতাকে বিলীন করে দেয়?
** '''''পাস্টর বব বারিজে''''', ''থিওলজি প্রোপার - লেসন ৪: দ্য ডিক্রিস অফ গড'' (১৯৯৭)।
* [[w:জর্দানো_ব্রুনো|জর্দানো ব্রুনোর]] বিপরীতে, জোসেফ র্যাটজিঙ্গার সেই মতবাদটির সমালোচনা করেছেন যেটিকে অন্যান্য ভাষ্যকারগণ ব্রুনোর প্যানডিজম হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
** '''''ড্যানিয়েল কার্ডো''''' এবং '''''উই মাইকেল ল্যাং''''', ''দ্য ক্যামব্রিজ কম্প্যানিয়ন টু জোসেফ র্যাটজিঙ্গার'' (২০২৩), পৃ. ২৬৬।
* [[w:ম্যাথু_আর্নল্ড|ম্যাথু আর্নল্ডের]] ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে সন্তুষ্ট করা সেই সত্তাটি যা-ই হোক না কেন, তিনি তাঁর 'লিটারেচার অ্যান্ড ডগমা' এবং 'গড অ্যান্ড দ্য বাইবেল' গ্রন্থে আমাদের যে ধর্মের কথা বলেছেন তা ঈশ্বরবাদ (ডিইজম) বা নিছক প্যান-ডিইজম নয়, বরং এক ধরণের লঘু [[:w:দৃষ্টবাদ|দৃষ্টবাদ]] বা পজিটিভিজম। একটি নৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে এটি তাত্ত্বিকভাবে চমৎকার, তবে এর বাস্তব মূল্য অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ। [[w:র্যনে_দেকার্ত|রেনে দেকার্তের]] দার্শনিক অনুসন্ধান থেকে বেরিয়ে আসা ঈশ্বর সম্পর্কে '''[[w:ব্লেজ_পাস্কাল|ব্লেজ পাস্কাল]]''' মন্তব্য করেছিলেন যে— তিনি ছিলেন একজন অপ্রয়োজনীয় ঈশ্বর। আর কেউ আরও বেশি সত্যের সাথে বলতে পারে যে, আর্নল্ড যে ধর্মের প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করার এবং সেই অনুযায়ী চলার সামর্থ্য যে মানুষের আছে, তার আসলে সেই ধর্মের সাহায্য বা উদ্দীপনার কোনো প্রয়োজন নেই। একটি [[:w:আদর্শবাদ|নৈতিক আদর্শবাদের]] মূল্যায়ন করতে হলে মানুষকে নিজেকেই আগে একজন নৈতিক আদর্শবাদী হতে হয়।
** '''''[[w:উইলিয়াম_হার্বার্ট_(উদ্ভিদবিজ্ঞানী)|উইলিয়াম হার্বাট ডসন]]''''', ''মাস্টারি অফ বিয়িং'' (১৯০৪, পুনর্মুদ্রিত ১৯৭৭), পৃষ্ঠা ২৫৬।
* ঈশ্বর ''হলেন'' প্রবৃদ্ধি, ঈশ্বর ''হলেন'' কাঠামো বা জ্ঞান, ঈশ্বর একই সাথে সবকিছু আবার কিছুই নন। আর ইব্রাহিমীয় ধর্মগুলোর জন্য কিছুটা ধর্মদ্রোহী মনে হলেও উপলব্ধি করা, অর্থাৎ জ্ঞানার্জন করা, অর্থাৎ পদার্থের অংশ হওয়া, অর্থাৎ একটি মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র তৈরি করা কাঠামোগত শক্তি হওয়া হলো আলোর মাধ্যমে ঈশ্বরের এক সত্তার সাথে অন্য সত্তার সম্পর্কিত হওয়ারই একটি দিক। আর সেই আলো অবশ্যই ঈশ্বর। এই বিচারে, এর অন্তর্নিহিত অধিবিদ্যা নিশ্চিতভাবেই প্যানডিস্টিক।
** '''''নিল ডগলাস''''', ''ফ্রিয়িং গ্রোথ - এ নিও-ক্যাপিটালিস্ট ম্যানিফেস্টো'' (২০০৯), পৃষ্ঠা ৮।
* 'থার্ড টেস্টামেন্টের' বৈপ্লবিক প্যানডিস্টিক ধারণাগুলো কি কেবল একটি দানবের উদ্ভাবিত একগুচ্ছ মিথ্যা ছিল? ডামারাসের চ্যাম্পিয়ন করা ঈশ্বরবাদ (ডিইজম) এবং সর্বেশ্বরবাদের (প্যানথেইজম) মধ্যকার সেই সমন্বয় কি আসলেও কাল্পনিক ছিল, যেমনটি অ্যামল্ড প্যারামো সমর্থন করেছিলেন?
** '''''ম্যাথু জে. ড্রুরি''''', ''ইডেন²'' (২০১১), পৃষ্ঠা ২২৯।
* এম্পু (উচ্চপদস্থ পুরোহিতের পদবি) সাধারণত একটি ঐতিহ্যবাহী 'পেদান্ডা কেতু' বা লাল রঙের লম্বা মুকুট এবং একটি গোলক ব্যবহার করেন। দ্বীপে অন্য এক ব্যক্তি পান্ডে অনুষ্ঠানগুলো পরিচালনা করেন। তিনি বৌদ্ধধর্ম, হিন্দুধর্ম এবং যদি একে এভাবে অভিহিত করা যায়—"প্যানডিজমের" এক অদ্ভুত সংমিশ্রণের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রায় ত্রিশ বছর আগে সিঙ্গরাজা পান্ডে সম্প্রদায়ের কিছু নেতা নিজেদের হিন্দুধর্ম থেকে ভিন্ন কিছু হিসেবে ঘোষণা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন। কারণ তারা মনে করতেন যে তাদের মৌলিক বিশ্বাসগুলো হিন্দুধর্ম থেকে এতটাই আলাদা যে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় গঠন করা সমীচীন।
** '''''ফ্রেড বি. আইজম্যান, জুনিয়র''''', ''বালি: সেকালা অ্যান্ড নিস্কালা: এসেস অন রিলিজিয়ন, রিচুয়াল, অ্যান্ড আর্ট'' (১৯৮৯), পৃষ্ঠা ৮৯। {{ISBN|0945971036}}।
* নিউ এজ মুভমেন্টের মধ্যে পুরোনো আধ্যাত্মিক এবং ধর্মীয় ঐতিহ্যের নানাবিধ উপাদান বিদ্যমান, যার বিস্তৃতি নাস্তিক্যবাদ ও একেশ্বরবাদ থেকে শুরু করে ধ্রুপদী সর্বেশ্বরবাদ, প্রাকৃতিক সর্বেশ্বরবাদ, প্যানডিজম এবং প্যানেনথিজম হয়ে বহুঈশ্বরবাদ পর্যন্ত, যা বিজ্ঞান এবং গায়া দর্শনের সাথে সমন্বিত। এর মধ্যে বিশেষভাবে [[w:পুরাজ্যোতির্বিদ্যা|প্রত্ন-জ্যোতির্বিদ্যা]], [[w:জ্যোতির্বিজ্ঞান|জ্যোতির্বিদ্যা]], বাস্তুসংস্থান, পরিবেশবাদ, গায়া হাইপোথিসিস, [[w:মনোবিজ্ঞান|মনোবিজ্ঞান]] এবং [[w:পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিদ্যা]] অন্তর্ভুক্ত।
** '''''হেনরি হ্যারিসন এপস, জুনিয়র''''', ''এন্ড টাইমস অর্গানাইজেশনস, ডকট্রিনস অ্যান্ড বিলিফস'' (২০১২), পৃষ্ঠা ২২০।
* ঈশ্বর যদি সবটুকু হন, সবকিছুকে ধারণ করেন, প্রতিটি শব্দকে গভীর কোনো শব্দ কিংবা ভালোবাসা নামক শব্দটিকেও আপন করে নেন, তবে ঈশ্বর সত্যিই মহান, বিশাল ও অসীম। আর এমন এক ঈশ্বরের ধারণায় নেজারের প্যানডিজম হলো কাব্যজগতের অন্যতম শক্তিশালী একটি কাব্যিক চিন্তা যা আমরা পেয়েছি। এই কবির কাছ থেকে, এই কাব্যিক স্রষ্টার কাছ থেকে আর কী-ই বা প্রত্যাশা করা যায়, যিনি বিশ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এমন মহান এক কাব্যিক আলোকবর্তিকার সান্নিধ্য পেয়েছেন?
** '''''ওটাভিও ডি ফারিয়া''''', "প্যানডিজমো এম কার্লোস নেজার", ''উলতিমা হোরা'', রিও ডি জেনিরো (১৭ মে, ১৯৭৮)।
* এমন এক মতবাদ যা তার হঠকারী [[:w:আদর্শবাদ|আদর্শবাদের]] কারণে কেবল বিশ্বাসকেই নয়, বরং স্বয়ং যুক্তিকেও আঘাত করে ([[w:ইমানুয়েল_কান্ট|'''ইমানুয়েল কান্টের''']] ব্যবস্থা): সেই ফরাসি মনোবিদের বিপজ্জনক ভুলগুলো উন্মোচিত করা ধর্ম ও নৈতিকতা উভয়ের জন্যই জরুরি হবে, যিনি মানুষের মনকে প্রলুব্ধ করেছেন (ভিক্টর কাজিন); তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে তাঁর দুঃসাহসিক দর্শন পবিত্র ধর্মতত্ত্বের দেয়াল ভেঙে নিজের কর্তৃত্বকে সবার উপরে স্থান দেয়। তিনি রহস্যময় বিষয়গুলোকে অপবিত্র করেন, কখনও সেগুলোকে অর্থহীন ঘোষণা করে, আবার কখনও সেগুলোকে সাধারণ ইঙ্গিত বা নিছক রূপকে পরিণত করে। একজন বিদগ্ধ সমালোচক যেমনটি লক্ষ্য করেছেন, এই দর্শন প্রত্যাদেশকে (রেভেলেশন) সহজাত চিন্তা ও বিচারহীন স্বীকৃতির সাথে স্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য করে। এটি যুক্তিকে মানুষের ব্যক্তিত্বের বাইরে স্থাপন করে মানুষকে ঈশ্বরেরই এক খণ্ডাংশ হিসেবে ঘোষণা করে; যা এক ধরণের আধ্যাত্মিক প্যানডিজমের সূচনা করে। আমাদের কাছে এটি যেমন অযৌক্তিক, তেমনি সেই পরম সত্তার জন্যও অবমাননাকর, যা কি না তাঁর স্বাধীনতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করে।
** '''''লুইগি ফেরারিজে''''', ''মেমোরি রিসগুয়ার্দান্টি লা ডটরিনা ফ্রেনোলজিকা'' (১৮৩৮), পৃ. ১৬।
* গতকালের সেই 'প্যান-ডিইস্ট' বা প্যান্ডিস্টরা, যারা বৃক্ষ আর ঝরনার উপাসনা করত। আজ তারা বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের সদস্য হয়ে মূলত একই কাজ করে চলেছে। [[w:আল_গোর|আল গোর]] বা তাঁর মতো অন্যান্যরা, এমনকি সম্ভবত বনায়ন কর্মসূচিতে আগ্রহী বারাক ওবামা, হয়ে উঠেছেন তাদের বর্তমান যুগের ওঝা বা শামান।
** '''''মার্ক ফিঙ্কেলস্টেইন''''', [http://finkelblog.com/index.php/2009/04/11/happy-pan-deism-day-from-gail-collins/ "হ্যাপি প্যান-ডিইজম ডে ফ্রম গেইল কলিন্স"], (১১ এপ্রিল ২০০৯)।
* প্যানডিজম হলো অন্য এক ধরনের বিশ্বাস যা দাবি করে যে, ঈশ্বর এবং মহাবিশ্ব অভিন্ন। তবে ঈশ্বর এখন আর এমন কোনো অবস্থায় বিদ্যমান নেই যেখানে তাঁর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব। ফলস্বরূপ, এই তত্ত্বটি কেবল যুক্তির মাধ্যমেই প্রমাণ করা সম্ভব। প্যানডিজম পুরো মহাবিশ্বকে ঈশ্বরেরই অংশ হিসেবে দেখে এবং এখন এই মহাবিশ্বই হলো ঈশ্বরের পূর্ণ রূপ। তবে সময়ের কোনো এক পর্যায়ে এই মহাবিশ্ব পুনরায় সংকুচিত হয়ে সেই একক সত্তায় বিলীন হয়ে যাবে, যিনি স্বয়ং ঈশ্বর এবং যা কিছু আছে সবকিছুর স্রষ্টা। প্যানডিজম এই প্রশ্ন উত্থাপন করে যে ঈশ্বর কেন একটি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে তারপর তা পরিত্যাগ করবেন? যেহেতু এটি সর্বেশ্বরবাদের সাথে সম্পর্কিত, তাই এটি এই প্রশ্নটিও তোলে যে, এই মহাবিশ্বের উৎপত্তি কীভাবে হলো এবং এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যই বা কী?
** '''''অ্যালান আর. ফুলার''''', ''থট: দ্য অনলি রিয়েলিটি''। ২০১০। পৃষ্ঠা ৭৯।
* তদুপরি, তাঁর কর্ম থেকে এক ধরনের সর্বেশ্বরবাদ, বা বলা ভালো "প্যানডিজম" উন্মোচিত হয়। যেখানে [[w:নয়াপ্লাতোবাদ|নব্য-প্লেটোবাদী বা নয়াপ্লাতোবাদ]] অনুপ্রেরণা কঠোর খ্রিস্টীয় অর্থোডক্সির সাথে এক নিখুঁত পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।
** '''''জঁ-জাক গাবুত''''', [[:w:জন স্কটাস এরিউজেনা|এরিউজেনা]] প্রসঙ্গে, "[https://books.google.com/books?id=50FDDwAAQBAJ&pg=PT23&dq=pand%C3%A9isme&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwiByZ3owbveAhULxVkKHQRbBscQ6AEINTAC#v=onepage&q=pand%C3%A9isme&f=false ওরিজিনস এত ফন্দামেন্ট স্পিরিচুয়েলস এত সোসিওলজিকস দে লা মেসোনেরি একোসাইস]" (২০১৭)।
* আঠারো শতক এবং উনিশ শতকের শুরুর দিকে, [[:w:গোটে|গোটে]], [[:w:শেলিং|শেলিং]] এবং [[:w:কোলরিজ|কোলরিজের]] মতো লেখকদের কাছে [[w:বারুখ_স্পিনোজা|বারুখ স্পিনোজা]] এক প্রকার রহস্যময় সর্বেশ্বরবাদী প্রকৃতিবাদের (প্যানথেইস্ট ডিইজম) এক ধর্মনিরপেক্ষ সন্তে পরিণত হয়েছিলেন।
** '''''অ্যারন ভি. গ্যারেট''''', ''মিনিং ইন স্পিনোজা'স মেথড'' (২০০৩), পৃষ্ঠা ২।
* তারপরও, যদি অর্ধ-দেবতা প্যান-এর আবির্ভাব ঘটে, তবে এর ফলাফল হবে 'প্যান-ডিইজম', যা মূলত প্যান্ডোরার বাক্স উন্মুক্ত করারই নামান্তর।
** ২০০৩, '''''জন জি''''', ''দ্য মেটাফিজিশিয়ানস ডেস্ক রেফারেন্স: ইনক্লুডিং দ্য রিভাইজড ফরমাল সিস্টেম অফ মেটাফিজিক্স'', পৃষ্ঠা ১৬৪।
* [[:w:সর্বপ্রাণবাদ|সর্বপ্রাণবাদ]] সংক্রান্ত ধারণাগুলোর মধ্যে এমন কিছু বৈচিত্র্য খুঁজে পাওয়া যায় যা মানব চিন্তার ইতিহাসে নিজস্ব স্থান করে নিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, [[:w:হিন্দুধর্ম|হিন্দুধর্মে]] বর্ণিত ''[[:w:লীলা|লীলা]]''-র ধারণাটি প্যানডিজমের ধারণার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
** '''''জেমস বি. গ্ল্যাটফেল্ডার''''', '''ইনফরমেশন—কনশাসনেস—রিয়ালিটি': হাউ এ নিউ আন্ডারস্ট্যান্ডিং অফ দ্য ইউনিভার্স ক্যান হেল্প আনসার এজ-ওল্ড কোশ্চেনস অফ এক্সিস্টেন্স'' (২০১৯), পৃ. ৫৩৪।
* কিন্তু ব্রুনো পুরোপুরি নাস্তিক বা সর্বেশ্বরবাদী ছিলেন না। তিনি সম্ভবত একটি নেতিবাচক ধর্মতত্ত্ব বা 'অ্যাপোফ্যাটিক ক্রিড' (''[[:w:নেতি-নেতি|ভিয়া নেগাটিভা]]'') অনুসরণ করতেন, যা তাঁকে একজন প্যানডেইস্ট হিসেবে অধিকতর গ্রহণযোগ্য করে তোলে।
** '''''তারিক গডার্ড''''', ''দ্য রিপিটার বুক অফ হিরোইজম'' (২০২২), পৃ. ২৫।
* যদিও 'প্যান-' (pan-) শব্দাংশ দিয়ে গঠিত প্যানথেইজম, প্যানডিজম বা প্যানকুবার্নিজম—এর যেকোনোটিই অ্যানাক্সিম্যান্ডারকে বর্ণনা করার জন্য যথেষ্ট; তবুও এখানে আরও একটি বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এই বর্ণনাটি কি টেকনিক্যালি অ্যানাক্সিম্যান্ডারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য? এখানে মূল বিষয় হলো সেই 'অ্যাপাইরন (গ্রিক দার্শনিক [[w:আনাক্সিমান্দ্রোস|আনাক্সিমান্দ্রোসের]] অ্যাপাইরন তত্ত্ব), যা সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে রাখে এবং সবকিছুকে চালনা করে, আর এই 'অ্যাপাইরন'ই হলো ঐশ্বরিক। তাহলে 'কসমস' বা মহাবিশ্বের অবস্থান কী? স্পষ্টতই, কসমস সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে থাকে না, কিন্তু এটি কি ঐশ্বরিক নয়? এটি কি কোনো চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে না?
** '''''অ্যান্ড্রু গ্রেগরি''''', ''অ্যানাক্সিম্যান্ডার: এ রি-অ্যাসেসমেন্ট'' (২০১৬), পৃ. ১০০।
* [[w:প্লিনি_দ্য_এল্ডার|প্লিনি দ্য এল্ডারের]] ক্ষেত্রে, যাঁকে স্পিনোজাপন্থী না হলেও অন্তত একজন 'পান্ডিস্ট' হিসেবে অভিহিত করা যেতে পারে, প্রকৃতি হলো এমন কোনো সত্তা নয় যা জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন বা পৃথক। তাঁর দর্শনে প্রকৃতি হলো সমগ্র সৃষ্টিজগতের এক মূর্ত রূপ, এবং তাঁর দেবত্বের ধারণাটিও ঠিক একই উপাদানে গঠিত বলে প্রতীয়মান হয়।
** '''''গটফ্রিড গ্রোসে''''', ''[http://books.google.com/books?id=6ro9AAAAcAAJ&pg=PA165&dq=pandeisten&ei=YiknS8ydDo3iyATjvZnbCA&cd=2#v=onepage&q=pandeisten&f=false নাটুরগেশিখতে: মিট এরলাউটারনডেন আনমেরকুঙ্গেন]'' (প্রাকৃতিক ইতিহাস: টীকা সহ; [[:w:জ্যেষ্ঠ প্লিনি|জ্যেষ্ঠ প্লিনি]]-র 'প্রাকৃতিক ইতিহাস'-এর অনুবাদ ও ব্যাখ্যা), ১৭৮৭, পৃষ্ঠা ১৬৫। এটি এখন পর্যন্ত পাওয়া প্যানডিজমের প্রাচীনতম বিদ্যমান বর্ণনা।
* আমরা গ্রিক এবং রোমান দার্শনিকদের সম্পর্কে কিছু বলতে পারি এবং তাঁদের প্যান্ডিস্ট ধর্মগুলোকে আমাদের বর্তমান ধর্মগুলোর সাথে তুলনা করতে পারি। উদাহরণস্বরূপ, [[w:এরিস্টটল|অ্যারিস্টটল]], [[w:প্লেটো|প্লেটো]], প্লটিনাস এবং অরেলিয়াস, তাঁরা সেন্ট অগাস্টিন এবং থমাস অ্যাকুইনাসের দেওয়া বিধানের বিপরীতে গিয়ে পুরুষ ও মহিলাদের আনন্দ অন্বেষণের অনুমতি দিয়েছিলেন। যাতে তাঁরা এই পৃথিবীতেই ব্যক্তিগত সুখ অর্জন করতে পারেন এবং স্রেফ যুক্তির চর্চাকেই পরম লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন।
** '''''ওয়াল্টার গ্রুয়েন''''', পিএইচ.ডি., ''দ্য প্রমিস অফ হিউম্যান অটোনমি'' (২০১৭), পৃষ্ঠা ৩১।
* ভারত ত্রিশ কোটি দেব-দেবীর পূজা করে। তার কাছে ঈশ্বরই সবকিছু, এবং সবকিছুই ঈশ্বর। আর তাই, সবকিছুই আরাধ্য হতে পারে। সাপ এবং দানবরা তার বিশেষ উপাস্য। ভারতের এই প্যান-ডিইজম মূলত এক বিশৃঙ্খল নরককুন্ড (প্যান্ডেমোনিয়াম)।
** '''''রেভারেন্ড হেনরি গ্র্যাটান গিনেস''''', "ফার্স্ট ইমপ্রেশনস অফ ইন্ডিয়া", ''দ্য মেডিকেল মিশনারি'' (১৮৯৭), পৃষ্ঠা ১২৫-১২৭।
* সত্যি বলতে, একজন প্যানডেইস্ট এবং একজন নিরীশ্বরবাদীর মধ্যে পার্থক্য করার মতো সিনট্যাক্স, সেমান্টিক্স, প্রযুক্তিগত দিক বা আনুষ্ঠানিকতা (এবং সম্ভবত দাম্ভিকতা) ছাড়া আর কিছুই নেই। সকল "নিরীশ্বরবাদী" মূলত সেই একই ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন যাতে প্যানডেইস্টরা বিশ্বাস করেন; কিন্তু অধিকাংশ ধর্মের চোখে তাঁদের সেই ব্যক্তিসত্ত্বাহীন 'ঈশ্বর' আদতে কোনো 'ঈশ্বরই' নন।
** '''''রেভ. কাইল লোগান হ্যামলিন''''', ''বেটার এ কম্প্যাশনেট অ্যাথিস্ট, দ্যান অ্যান অ্যাপাথেটিক ক্রিশ্চিয়ান'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ১০।
* আমরা কি কেবল আইনের শিকল দিয়ে আবদ্ধ থাকি বলেই পুণ্যবান? আমরা মানুষকে ভবিষ্যদ্বাণী করতে শুনি যে, এই যুদ্ধ মানেই খ্রিস্টধর্মের মৃত্যু এবং প্যানডিজমের যুগের সূচনা, অথবা সম্ভবত আমাদের আধুনিক সভ্যতা ও সংস্কৃতির ধ্বংস। আবার আমরা অনেককে এমন ভবিষ্যদ্বাণী করতেও শুনি যে, এই যুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফল মানবজাতির জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনবে।
** '''''লুই এস. হার্ডিন''''', "দ্য কাইমেরিক্যাল অ্যাপ্লিকেশন অফ ম্যাকিয়াভেলি'স প্রিন্সিপলস", [[:w:ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়|''ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়'']] (মে ১৯১৫), পৃষ্ঠা ৪৬৩।
* মুসলমানরা বড় শহরগুলোতে তাদের নিজস্ব ছোট জগত তৈরি করতে চাইলেও হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ সমাজের সাথে বারবার তাদের সংঘাত তৈরি হতো: হিন্দুদের বর্ণপ্রথা বনাম মুসলমানদের সমতাকামী সমাজ, হিন্দুদের নিরামিষভোজী বনাম মুসলমানদের মাংসাহার, এবং হিন্দুদের প্যানডিজম ও পীর-পূজার (সাধু ভক্তি) বিপরীতে মুসলমানদের একেশ্বরবাদ।
** '''''ইয়ুর্গেন হার্টম্যান''''', ''রিলিজিয়ন ইন ডার পলিটিক: ইউডেনটাম, ক্রিস্টেনটাম, ইসলাম'' (২০১৪), পৃষ্ঠা ২৩৭।
* ঈশ্বর এই জগতকে তাঁর অস্তিত্বের বাইরে রাখেন। তিনি কেবল জগতের আদি কারণ হিসেবে গণ্য হন, কিন্তু কোনো অর্থেই তিনি নিজে কোনো কিছুর ফলাফল বা কার্যের বহিঃপ্রকাশ নন, তা সে নিজের পক্ষ থেকেই হোক কিংবা অন্য কিছুর। সর্বেশ্বরবাদ (যার চেয়ে "প্যানডিজম" শব্দটিই অধিকতর জুতসই, কারণ এখানে প্রকৃত অর্থে কোনো ব্যক্তিসত্তা বা 'থিয়স'-কে বর্ণনা করা হচ্ছে না) মূলত এটিই বোঝায় যে—ঈশ্বর হলেন সাধারণ কার্যকারণের এক অখণ্ড ও অবিভাজ্য সমষ্টি; যেখানে সাধারণ কার্যকারণের এই শৃঙ্খলের ঊর্ধ্বে স্বাধীন কোনো 'পরতম-কারণ' বা বিশেষ কোনো উচ্চতর শক্তির অস্তিত্ব নেই।
** প্রফেসর '''''[[:w:চার্লস হার্টশর্ন|চার্লস হার্টশর্ন]]''''', ''ম্যান'স ভিশন অফ গড অ্যান্ড দ্য লজিক অফ থেইজম'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৩৪৭। {{ISBN|020800498X}}।
* ঈশ্বর এভাবে সমগ্র বিশ্বকে নিজের সত্তার অন্তরালে ধারণ করেন। প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন মহাবিশ্বের সেই সমস্ত খণ্ডাংশের এক পূর্ণাঙ্গ সমষ্টি, যা নির্বিশেষে কার্য এবং কারণের সমন্বয় হিসেবে বিদ্যমান। এখন এ-আর বা এমন এক ধারণা যা কিছু ক্ষেত্রে পরম নিখুঁত এবং অন্য সব ক্ষেত্রে আপেক্ষিক পরিপূর্ণতাকে বোঝায়, তা এই প্রচলিত মতবাদগুলোর চেয়ে সমদূরত্বে অবস্থান করে। ঈশ্বরের দ্বিমুখী স্বরূপের এই দৃষ্টিভঙ্গির কল্যাণে, এটি প্রকৃতিবাদ (ডিইজম) বা প্যানডিজমের মধ্যকার ইতিবাচক সমস্ত উপাদানকে সুসংগতভাবে আলিঙ্গন করতে সক্ষম। এ-আর বলতে বোঝায় যে, ঈশ্বর তাঁর সত্তার এক দিক থেকে সমস্ত সাধারণ কার্যকারণের এক অখণ্ড সামগ্রিকতা। কিন্তু তাঁর সত্তার অন্য দিকটি হলো তাঁর সারমর্ম (যাকে 'এ' বা পরম নিখুঁত বলা হয়েছে), যা যেকোনো নির্দিষ্ট বা আকস্মিক অস্তিত্বের গোষ্ঠী থেকে বিমূর্তভাবে কল্পনা করা সম্ভব, যদিও এটি সেই আবশ্যকতা এবং শক্তি থেকে বিচ্যুত নয় যা প্রতিটি মুহূর্তে তাঁকে একীভূত পূর্ণতার মধ্য দিয়ে তাঁর নিজস্ব স্বরূপ প্রকাশে পর্যাপ্ত উপাদান সরবরাহ করে।
** প্রফেসর '''''[[:w:চার্লস হার্টশর্ন|চার্লস হার্টশর্ন]]''''', ''ম্যান'স ভিশন অফ গড অ্যান্ড দ্য লজিক অফ থেইজম'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৩৪৮। {{ISBN|020800498X}}।
* এই সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো কেবল তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে যখন এ-আর (কিছু ক্ষেত্রে পরম এবং অন্য ক্ষেত্রে আপেক্ষিক) ধারণাটিকে স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে ধরে নেওয়া হয় (যেখানে স্পিনোজা ব্যর্থ হয়েছিলেন, কারণ তিনি কেবল পরম বা 'এ' অংশটিকে বিবেচনা করেছিলেন)। ঠিক যেভাবে এ-আর ধারণাটি পরিপূর্ণতার ইতিবাচক নির্যাসটুকু ধারণ করে, ঠিক তেমনি সি-ডব্লিউ /CW বা 'স্রষ্টা এবং তাঁর সৃষ্টি'-কে একই প্রাণের অংশ হিসেবে বিবেচনা করার ধারণাটি এক ‘পরম-পূর্ণতা’ গঠন করে। এই পরমসর্বেশ্বরবাদ বা প্যানেনথিজম মতবাদটি প্রকৃতিবাদ ওপ্যানডিজমের সেই স্বেচ্ছাচারী নেতিবাচক অংশগুলো বাদ দিয়ে তাদের সমস্ত নির্যাস ধারণ করে। সুতরাং, এই পরম-আপেক্ষিক পরমসর্বেশ্বরবাদ হলো সেই অনন্য মতবাদ যা প্রকৃতপক্ষে ঈশ্বরবাদী এবং ক্ষেত্রবিশেষে নাস্তিকদের অবচেতন আলোচনার সেই পূর্ণাঙ্গ রূপটিকে স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করে।
** প্রফেসর '''''[[:w:চার্লস হার্টশর্ন|চার্লস হার্টশর্ন]]''''', ''ম্যান'স ভিশন অফ গড অ্যান্ড দ্য লজিক অফ থেইজম'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৩৪৮। {{ISBN|020800498X}}।
* [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] নিজেকে অসংখ্য খণ্ডে বিভক্ত করেছেন যেন তিনি কিছু [[:w:বন্ধু|বন্ধু]] পেতে পারেন। এটি হয়তো সত্য নয়, তবে শুনতে বেশ ভালো লাগে এবং অন্য যেকোনো [[:w:ধর্মতত্ত্ব|ধর্মতত্ত্বের]] মতোই এটি সমান অর্থবহ।
** '''''রবার্ট এ. হাইনলাইন''''', অ্যাফোরিজমস অফ লাজারাস লং, ''টাইম এনাফ ফর লাভ'' (১৯৭৩), পৃষ্ঠা ২১৬।
* ঈশ্বরকে সমস্ত কিছুর এক ঊর্ধ্বগামী সমষ্টি হিসেবে ভাবা যেতে পারে, যেখানে সেই 'সমগ্রতা' তার অংশগুলোর সমষ্টিকেও ছাড়িয়ে যায়, ঠিক একটি 'গেস্টাল্ট' বা পূর্ণাঙ্গ অবয়বের মতো। যদি 'দেব-দেবী' (বহুবচনে) বিদ্যমান থাকেন, তবে তাঁরা অস্তিত্বশীল হবেন সমস্ত কিছুর সেই সমষ্টিগত বহিঃপ্রকাশের উপ-বিভাগ হিসেবে। আমি মাঝে মাঝে নিজেকে একজন 'প্যানডেইস্ট' হিসেবে উল্লেখ করেছি, তবে মূলধারা বা এমনকি কোনো প্রযুক্তিগত শ্রেণীকরণও এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। কারণ লোকে তখন মনে করে যে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বুঝে ফেলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এর অর্থ হলো—কারো ধর্মীয় পরিচয়কে খ্রিস্টধর্মের সাথে পার্থক্যের মানদণ্ডে সংজ্ঞায়িত করা হয়, যাকে সেখানে আদর্শ ধর্মীয় মাপকাঠি হিসেবে ধরা হয়। আমি মনে করি এটি আদিবাসী আমেরিকানদের ঐতিহ্যগত পথকে বস্তুনিষ্ঠ করে তোলে এবং অধস্তন করে রাখে। তাই আমি প্রায়ই প্রকাশ্যে নিজেকে ঐতিহ্যগত সাধক বা 'প্যান-ডেইস্ট' হিসেবে পরিচয় দিই না। বরং আমি প্রায়ই 'নিরীশ্বরবাদী' তকমাটি পছন্দ করি, কারণ আমি মনে করি না যে আমার দৃষ্টিভঙ্গি মূলধারার আমেরিকার খ্রিস্টীয় 'ঈশ্বর' ধারণার সাথে মিলে যায়। তবুও, 'প্যান-ডিইজম'-এর মতো কিছু একটা আমার অনুভূত ঈশ্বরের স্বরূপকে কিছুটা হলেও ধারণ করতে পারে। সবকিছুই ঈশ্বর, ঈশ্বরের যেকোনো অংশই সেই সর্বজনীন ঐশ্বরিক প্রকৃতির অংশীদার।
** '''''থারম্যান 'লি' হেস্টার জুনিয়র''''', "নেটিভ আমেরিকান স্পিরিচুয়ালিটি", ইন গ্রাহাম অপ্পি, এন.এন. ট্রাকাকিস, ''ইন্টাররিলিজিয়াস ফিলোসফিক্যাল ডায়ালগস - ভলিউম ৩'' (২০১৭), পৃষ্ঠা ৪৬।
* আমার স্থির বিশ্বাস এই যে, প্যানডিজম প্রকৃতপক্ষে একটি সুসংগঠিত ব্যবস্থা বা মতাদর্শ ছিল; এবং আমি যখন 'পান্ডিয়া দেশ' বা 'পান্ডিয়া সাম্রাজ্য' শব্দগুলো ব্যবহার করি, তখন আমি মূলত নিজেকে এমন এক ভঙ্গিতে প্রকাশ করি যা অনেকটা 'পোপীয় সাম্রাজ্য' বা 'পোপতন্ত্রের রাজ্য' বলার সমতুল্য। ঠিক যেভাবে আমরা বলে থাকি যে, গ্রিকদের চার্চে অনেক অসার আচার-অনুষ্ঠান প্রচলিত আছে, যার মাধ্যমে মূলত সমস্ত জাতির গ্রিক ধর্মাবলম্বীদের বোঝানো হয়। অথবা যেভাবে বলা হয় যে পোপের শাসনাধীন দেশগুলো কুসংস্কারে আচ্ছন্ন। একই সাথে, আমি বিনীতভাবে এটিও স্পষ্ট করতে চাই যে—আমি কৃষ্ণ-কন্যা পান্ডিয়ার সেই প্রাচীন সাম্রাজ্যের অস্তিত্বকে মোটেও অস্বীকার করছি না। এটি ঠিক তেমনই সত্য, যেমনটি অস্বীকার করা অসম্ভব যে ফ্রান্স নামক একটি রাজ্য ছিল যা চার্চের বা পোপের জ্যেষ্ঠ পুত্রের দ্বারা শাসিত হতো।
** '''''গডফ্রি হিগিন্স''''', ''[[:w:অ্যানাক্যালিপসিস|অ্যানাক্যালিপসিস: অ্যান অ্যাটেম্পট টু ড্র অ্যাসাইড দ্য ভেইল অফ দ্য সাইটিক আইসিস: অর অ্যান ইনকোয়ারি ইনটু দ্য অরিজিন অফ ল্যাঙ্গুয়েজেস, নেশনস অ্যান্ড রিলিজিয়নস]]'' (১৮৩৩), পৃষ্ঠা ৪৩৯। খণ্ড ১ {{ISBN|0766126439}}; খণ্ড ২ {{ISBN|0766126447}}; (১৯৭২ সংস্করণ) - ASIN: B0006Y9FEM।
**(দ্রষ্টব্য: এই অংশটি মূলত '''''[[:w:জন ব্যালু নিউব্রো|জন ব্যালু নিউব্রো]]'''''-র ''[[:w:ওয়াস্পে বাইবেল|ওয়াস্পে বাইবেল]]'' (১৮৮২, পুনর্মুদ্রিত ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৮৭৪-এ ব্যাপকভাবে পুনরুৎপাদন করা হয়েছে)।
* আমরা ইতিপূর্বে প্রত্যক্ষ করেছি যে, শ্রীকৃষ্ণের অনেক পুত্র সন্তান থাকা সত্ত্বেও তিনি তাঁর সেই সুবিশাল সাম্রাজ্যটি তাঁর কন্যা পান্ডিয়ার হাতে ন্যস্ত করে গিয়েছিলেন, যে সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ছিল সিন্ধু নদের উৎস মুখ থেকে শুরু করে কুমারিকা অন্তরীপ পর্যন্ত (যেহেতু আমরা এই বিন্দুর সন্নিকটেই 'রেজিও পান্ডিওনিস' এর অস্তিত্ব খুঁজে পাই)। তবে, বুদ্ধের মূর্তিকে নিরন্তর নয়টি ফণা তোলা সাপের ছায়াতলে সযত্নে রক্ষিত হতে দেখে আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে বাধ্য হচ্ছি যে এই প্যানডিজম মূলত এমন একটি গূঢ় মতবাদ ছিল, যা বৌদ্ধ এবং ব্রাহ্মণ উভয় সম্প্রদায়ের দ্বারাই পরম শ্রদ্ধায় গৃহীত হয়েছিল।
** '''''[[:w:গডফ্রি হিগিন্স|গডফ্রি হিগিন্স]]''''', ''[[:w:অ্যানাক্যালিপসিস|অ্যানাক্যালিপসিস: অ্যান অ্যাটেম্পট টু ড্র অ্যাসাইড দ্য ভেইল অফ দ্য সাইটিক আইসিস: অর অ্যান ইনকোয়ারি ইনটু দ্য অরিজিন অফ ল্যাঙ্গুয়েজেস, নেশনস অ্যান্ড রিলিজিয়নস]]'' (১৮৩৩), পৃষ্ঠা ৪৩৯। খণ্ড ১। {{ISBN|0766126439}}; খণ্ড ২ {{ISBN|0766126447}}; (১৯৭২ সংস্করণ) - ASIN: B0006Y9FEM।
**(দ্রষ্টব্য: এই অংশটিও মূলত '''''[[:w:জন ব্যালু নিউব্রো|জন ব্যালু নিউব্রো]]'''''-র ''[[:w:ওয়াস্পে বাইবেল|ওয়াস্পে বাইবেল]]'' (১৮৮২, পুনর্মুদ্রিত ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৮৭৪-এ ব্যাপকভাবে পুনরুৎপাদন করা হয়েছে)।
* সেই অর্থে খ্রিস্টধর্মের সুপ্ত যুক্তিবাদ আধুনিক বিশ্বের প্রাত্যহিক অভিজ্ঞতায় গভীরভাবে মিশে গেছে।এর মূল্যবোধগুলো এখন পরিবার, সুশীল সমাজ এবং রাষ্ট্রের বিভিন্নরূপে মূর্ত হয়ে উঠেছে। [[:w:ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস|এঙ্গেলস]] বিশেষত এই সমস্ত কিছুর মধ্যে আধুনিক সর্বেশ্বরবাদের (বা বলা ভালো, প্যানডিজমের) একটি ধারণা খুঁজে পেয়েছিলেন। যেখানে দেবত্ব বা ঈশ্বরত্বের সাথে প্রগতিশীল মানবতার এক মিলন ঘটে। এটি ছিল একটি আনন্দময় দ্বান্দ্বিক সংশ্লেষণ, যা তাঁকে ধর্মপ্রাণ আকুতি এবং বিচ্ছিন্নতার সেই 'পিয়েটিস্ট' মানসিকতার স্থির বৈপরীত্য থেকে মুক্তি দিয়েছিল। গ্র্যাবার ভাইদের কাছে লেখা তাঁর শেষ চিঠিগুলোর একটিতে এঙ্গেলস লিখেছিলেন, "স্ট্রাউসের মাধ্যমে আমি এখন হেগেলীয়বাদের সোজা পথে প্রবেশ করেছি। হেগেলের ঈশ্বরের ধারণাটি ইতিমধ্যেই আমার হয়ে গেছে, আর এভাবেই আমি 'আধুনিক সর্বেশ্বরবাদীদের' দলে যোগ দিচ্ছি।"
** '''''ট্রিস্ট্রাম হান্ট''''', ''মার্ক্স'স জেনারেল: দ্য রিভোল্যুশনারি লাইফ অফ ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস'' (২০১০), পৃষ্ঠা ৪৩।
* আমি সবসময় ঈশ্বরের এমন এক ধারণা পছন্দ করি যা মানুষের চিন্তাশক্তির একদম ঊর্ধ্বে। আমার মনে হয় আমেরিকানদের জন্য সেখানে সর্বেশ্বরবাদী, ঈশ্বরবাদী এবং রেড ইন্ডিয়ানদের বিশ্বাসের সমন্বয়ে গঠিত একটি ধর্ম বিদ্যমান। এটি আমার কাছে অত্যন্ত সত্য বলে মনে হয়।
** '''''ফিল জ্যাকসন''''', ''শিকাগো ট্রিবিউনের'' মাইকেল হার্সলি কর্তৃক ধর্ম বিষয়ে সাক্ষাৎকার, “ফর বুলস কোচ, গড ইজ নো গেম,” ২৭ এপ্রিল ১৯৯০।
* এমনকি সেই সমস্ত [[:w:অটিজম|অটিস্টিক]] ব্যক্তিরা, যারা ধর্মের প্রতি অনুরাগী, তারাও তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসগুলোকে এমনভাবে গঠন করার প্রবণতা দেখান যা তাদের মূর্ত ও বাস্তবসম্মত চিন্তাধারার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। তারা মূলত ধর্মতত্ত্বের জটিল তাত্ত্বিক আলোচনার চেয়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এবং ঐতিহ্যের মাঝে মানসিক প্রশান্তি খুঁজতেই বেশি পছন্দ করেন। মহাবিশ্বের সৃষ্টি বা নৈতিক শাসনের সাথে জড়িত কোনো মানুষের মতো ঈশ্বরকে আলিঙ্গন করার পরিবর্তে, তারা প্রায়শই দেবত্বকে মহাজাগতিক নিয়মাবলির এক মূর্ত প্রকাশ হিসেবে কল্পনা করেন। যা মূলত ধ্রুপদী প্রকৃতিবাদের চেয়ে সর্বেশ্বরবাদ বা প্যানডিজমের দিকেই বেশি ঝুঁকে থাকে। তাঁদের ঈশ্বর সাধারণত কোনো সচেতন বা উদ্দেশ্যমূলক স্রষ্টা নন, বরং প্রকৃতি বা পদার্থবিজ্ঞানের অমোঘ নিয়মাবলিরই এক অনিবার্য বহিঃপ্রকাশ মাত্র।
** '''''মার্টিন ডি. জনসন''''', ''দ্য অ্যাথিস্ট'স সারভাইভাল গাইড'' (২০২৪), পৃষ্ঠা ৮৯, ISBN: ৯৭৯-৮-২১৮-৪৮৪৩১-৬।
* প্যান্ডিস্ট দৃষ্টিভঙ্গির সত্তাতাত্ত্বিক বৈধতাকে সরিয়ে রাখলেও, চেতনার সেই সুকঠিন সমস্যা বা "হার্ড প্রবলেম অফ কনশাসনেস" নিয়ে যে দীর্ঘস্থায়ী এবং উত্তপ্ত বিতর্ক চলছে, তার প্রতিটি পক্ষই যেন একই সাথে সঠিক বলে প্রতীয়মান হয়। এই ধারণাটি বাস্তবসম্মত হোক বা না হোক, স্রেফ এই সত্যটুকুই অত্যন্ত বিস্ময়কর যে, এমন একটি দার্শনিক ব্যবস্থার কথা কল্পনা করা সম্ভব যেখানে আপাতদৃষ্টিতে পরস্পরবিরোধী এই দৃষ্টিভঙ্গিগুলো আর একে অপরের সাথে কোনো দ্বন্দ্বে জড়ায় না।
** '''''বার্নার্ডো কাস্ট্রাপ''''', পিএইচ.ডি., ''[http://www.bernardokastrup.com/2010/03/consciousness-and-pandeism.html দ্য প্যারালালস অফ প্যানডিজম]'' (২০১০)।
* আর তুমি তো অনাদিকাল থেকেই ছিলে এবং অনন্তকাল ধরে থাকবে; নিরপরাধ আলমারির দরজায় তোমার পায়ের এই সমস্ত দুশ্চিন্তাগ্রস্ত আঘাত। এগুলো তো ছিল স্রেফ সেই 'শূন্যতা'-র এক মহাজাগতিক অভিনয়, যেখানে সে একজন মানুষের রূপ ধরে নিজেকেই না চেনার ভান করছিল।
** '''''[[w:জ্যাক_কেরোয়াক|জ্যাক কেরুয়াক]]''''', ''ডেসোলেশন অ্যাঞ্জেলস'', ১৯৬৫, পৃষ্ঠা ৬।
* লেখক দৃশ্যত ধর্মীয়, যুক্তিনির্ভর এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তি সম্পন্ন জীবনদর্শনগুলোকে আলাদাভাবে ভাগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁর সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের ভারে এতটাই অভিভূত হয়ে পড়েছিলেন যে, শেষ পর্যন্ত তাঁর শ্রেণীকরণের মূল নীতিটি কেবল অস্পষ্টভাবেই ফুটে উঠেছে। সম্ভবত এটাই সেই কদর্য গ্রীক-ল্যাটিন মিশ্র শব্দ প্যানডিজমের উৎস। ২২৮ নম্বর পৃষ্ঠায় তিনি এটিকে আরও বেশি অধিভৌতিক প্রকৃতির সর্বেশ্বরবাদ বা প্যানথেইজম থেকে আলাদা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন, একটি উন্নত ও একীভূত 'সর্বপ্রাণবাদ' বা অ্যানিমিজম হিসেবে, যা একটি জনপ্রিয় ধর্মীয় বিশ্বদর্শন। এই ধার করা শব্দটির কথা মনে রাখলে আমরা শব্দটির ব্যবহারের বিশাল ব্যাপ্তি দেখে বিস্মিত হই। ২৮৪ নম্বর পৃষ্ঠা অনুযায়ী জন স্কটাস এরিজেনা হলেন পুরোপুরি একজন প্যানডেইস্ট, ৩০০ নম্বর পৃষ্ঠায় আনসেলম অফ ক্যান্টারবেরিকে 'অর্ধ-প্যানডেইস্ট' বলা হয়েছে। এমনকি নিকোলাস অফ কুসা এবং জর্দানো ব্রুনো, এমনকি মেন্ডেলসোহন ও লেসিং-এর মধ্যেও এক ধরণের প্যানডিজম খুঁজে পাওয়া গেছে।
** '''''অটো কার্ন''''', পর্যালোচক, [[:w:এমিল শুরার|এমিল শুরার]] ও [[:w:আডলফ ফন হারনাক|আডলফ ফন হারনাক]] সম্পাদিত, ''থিওলজিশ লিতেরাaturজাইতুং'', খণ্ড ৩৫ (১৯১০)।
* জেনোফেনিস... তাঁর নিজস্ব ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে অত্যন্ত বিস্তারিতভাবে লিখেছিলেন, যা ছিল মূলত একটি প্যান্ডিস্ট চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। তাঁর এই দর্শনটি ছিল সেই সময়ে প্রচলিত ও প্রভাবশালী বহুবিধ নরত্বারোপিত দেব-দেবীর উপাসনা ও আরাধনার সম্পূর্ণ বিপরীত এক অনন্য চিন্তাধারা।
** '''''পিম দে ক্লার্ক''''', "[http://www.pimdeklerk-palynology.eu/2500_yr_palaeoecology_-_de_Klerk_2017.pdf ২৫০০ ইয়ার্স অব প্যালিয়েকোলজি: আ নোট অন দ্য ওয়ার্ক অব জেনোফেনিস অব কলোফন (আনুমানিক ৫৭০-৪৭৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)]," ''জার্নাল অব জিওগ্রাফি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স ইন্টারন্যাশনাল'' (৫ এপ্রিল ২০১৭)।
* সর্বেশ্বরবাদ ও প্যানডিজম, অদ্বৈতবাদ ও দ্বৈতবাদ - এই সমস্ত কিছুই মূলত সেই 'পরম জ্যোতি' বা দিব্য-আলোর বিভিন্ন রূপান্তর মাত্র। এগুলো সেই পরম সত্তারই মৌলিক ধারণার বিচিত্র সব আলোকচ্ছটা, যা মানুষের আত্মার গভীরে প্রতিফলিত হয়ে এক প্রতিবিম্ব তৈরি করে। এই প্রতিবিম্বের উপলব্ধি প্রতিটি ব্যক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, পারিবারিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক পরিবেশের দ্বারা নির্ধারিত বোধশক্তির মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন রূপে প্রকাশিত হয়।
** '''''পল ফ্রেডরিখ কোহলার''''', ''কুলতুরওয়েগ উন্ড এরকেন্টনিস: আইনি ক্রিটিশ উমশাউ ইন ডেন প্রবলেমেন ডেস রিলিজিয়াসেন উন্ড গেইস্টিগেন লেবেনস'' (১৯১৬), পৃষ্ঠা ১৯৩।
* "নিউ এজ" বা নতুন যুগের মহাজাগতিক তত্ত্বগুলো বস্তুবাদ, প্রকৃতিবাদ এবং ভৌতবাদকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে। এই তত্ত্বগুলো সাধারণত সর্বেশ্বরবাদী অথবা পান্ডিস্ট ঘরানার হয়ে থাকে। তারা প্রায়শই কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান এবং চেতনা বিষয়ক গবেষণাগুলোকে নিজেদের আয়ত্তে আনার চেষ্টা করে, যাতে মহাবিশ্ব সম্পর্কে তাদের নিজস্ব দার্শনিক ধারণাগুলোকে আরও জোরালোভাবে চিত্রিত করা যায়।
** '''''আল ক্রেস্তা''''', ''ডেঞ্জারস টু দ্য ফেইথ: রিকগনাইজিং ক্যাথলিকিজম'স টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি অপোনেন্টস'', "সায়েন্স অ্যান্ড ওয়ারফেয়ার উইথ রিলিজিয়ন" (২০১৩), পৃষ্ঠা ২৫৫-২৫৬, টীকা ৩০, {{ISBN|1592767257}}।
* [[w:বিশ্ব_স্বাস্থ্য_সংস্থা|WHO বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা]] এবং এমএসএফের মতো সংস্থাগুলো দারুণ কাজ করে, কিন্তু একটি টেকসই কর্মসূচি গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি এবং তৃণমূল পর্যায়ের সংগঠনের প্রায়ই তাদের অভাব থাকে। হলি ফ্যামিলির মতো [[:w:খ্রিস্টীয় ধর্মপ্রচারক|মিশনারি]] এবং হাসপাতালগুলোও অবদান রেখেছে এবং তারা অর্থনীতি-ভিত্তিক সহায়তা (যেমন কর্মসংস্থান খুঁজে দেওয়া) প্রদানের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে; কিন্তু সেন্ট স্টিফেনস সম্প্রদায়ের মতো তেজ ও উদ্দীপনার অভাব তাদের মধ্যে স্পষ্ট। সরকারও খুব সামান্যই কাজ করে, তবে অনুমোদন বা সম্মতির ক্ষেত্রে তারা সাধারণত সেন্ট স্টিফেনসকে সহযোগিতা করে, এর আংশিক কারণ হলো এই প্রতিষ্ঠানটি স্বয়ং [[:w:ভারত সরকার|ভারত সরকারের]] চেয়েও প্রাচীন, আর আংশিক কারণ হলো এর ধর্মনিরপেক্ষতার চমৎকার সুনাম। প্রকৃতপক্ষে, এখানকার অধিকাংশ কর্মীই হয় [[:w:হিন্দুধর্ম|হিন্দু]] নয়তো [[:w:ইসলাম|মুসলমান]], কিন্তু তাঁরা প্যান-ডেইস্ট ধারণায় পরিপূর্ণ। এমনকি জহির আমার সাথে কথা বলার সময় "আল্লাহ" শব্দের পরিবর্তে ইচ্ছাকৃতভাবে খ্রিস্টীয় শব্দ "গড" (ঈশ্বর) ব্যবহার করেছিলেন।
** '''''পল লা পোর্টে''''', ''সোশ্যাল ওয়ার্ক অ্যান্ড আদার এক্সপেরিয়েন্স ইন ইন্ডিয়া'' (২০০৩)।
* যদি ঐশ্বরিক বিবর্তন বা 'হয়ে ওঠা' সম্পূর্ণ হতো, তবে ঈশ্বরের ''কেনোসিস,''অর্থাৎ ভালোবাসার খাতিরে ঈশ্বরের নিজেকে শূন্য করে দেওয়া; তা হতো চূড়ান্ত। এই প্যানডিস্টিক দৃষ্টিভঙ্গিতে, ঈশ্বর যা হয়ে উঠবেন তার বাইরে তাঁর আর কিছুই আলাদা বা বিচ্ছিন্ন হিসেবে অবশিষ্ট থাকবে না। ঈশ্বরের যেকোনো পৃথক অস্তিত্ব মূলত বাস্তবায়িত প্রপঞ্চগুলোর (অ্যাকচুয়ালাইজড ফেনোমেনা) জীবন ও ভাগ্যে তাঁর নিঃশর্ত অংশগ্রহণের সাথে অসংগতিপূর্ণ হবে।
** '''''উইলিয়াম সি. লেন''''', "লাইবনিৎস'স বেস্ট ওয়ার্ল্ড ক্লেইম রিস্ট্রাকচারড", ''আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল জার্নাল'' (জানুয়ারি ২০১০), খণ্ড ৪৭, পৃষ্ঠা ৬৭।
* প্যানডিজম দর্শনে ঈশ্বর কোনো তদারকি বা রক্ষণাবেক্ষণকারী স্বর্গীয় শক্তি নন, যিনি পার্থিব জগতের দৈনন্দিন ও মুহূর্তের ঘটনাপ্রবাহে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা রাখেন। ঈশ্বর যেহেতু আর এই জগতের 'ঊর্ধ্বে' কোনো পৃথক সত্তা হিসেবে বিদ্যমান নেই, তাই তিনি উপর থেকে কোনো হস্তক্ষেপ করতে 'পারেন না' এবং তেমনটি করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য তাঁকে কোনোভাবেই দায়ী করা যায় না। বরং, সেই হরিণশাবক থেকে শুরু করে জগতের প্রতিটি প্রাণীর প্রতিটি দুঃখ ও যাতনা ঈশ্বর নিজেই নিজের সত্তার অভ্যন্তরে 'ধারণ' করেন।<br><br>তবুও, একজন সংশয়বাদী প্রশ্ন করতে পারেন, "কেন জগতে 'এত বেশি' দুঃখ-কষ্টের উপস্থিতি থাকতে হবে? কেন জগতের নকশাটি এমন হলো না যেখানে দুঃখের কারণ হওয়া ঘটনাগুলোকে বাদ দেওয়া যেত বা সংশোধন করা যেত?" প্যানডিজমে এর উত্তরটি অত্যন্ত স্বচ্ছঃ "একটি জগতকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হলে তথ্যের আদান-প্রদান বা লেনদেনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আর তথ্যের এই নির্ভরযোগ্য প্রবাহ বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন অপেক্ষাকৃত সরল এবং সুষম নিয়মাবলি। দুঃখদায়ক ঘটনাগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য অথবা তাদের প্রাকৃতিক ফলাফলগুলোকে (অর্থাৎ সরল নিয়মের অধীনে যে ফলাফল হওয়ার কথা ছিল) পরিবর্তন করার জন্য যদি কোনো বিশেষ নিয়ম তৈরি করা হতো, তবে সেই নিয়মাবলি হয়ে উঠত অত্যন্ত জটিল এবং সেখানে অগণিত ব্যতিক্রমের সৃষ্টি হতো যা মহাবিশ্বের স্বাভাবিক ছন্দকে ব্যাহত করত।"
** '''''উইলিয়াম সি. লেন''''', "[http://apq.press.illinois.edu/47/1/lane.html লাইবনিজ'স বেস্ট ওয়ার্ল্ড ক্লেইম রিস্ট্রাকচারড]," ''আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল জার্নাল'', জানুয়ারি ২০১০, খণ্ড ৪৭, সংখ্যা ১, পৃষ্ঠা ৭৬–৭৭।
* এই এক ঈশ্বর হতে পারেন প্রকৃতিবাদী কিংবা সর্বেশ্বরবাদী বা প্যানথেইস্ট ঘরানার। ঈশ্বর কেন আপাতদৃষ্টিতে আমাদের আমাদের ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন, তা ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে প্রকৃতিবাদ হয়তো শ্রেষ্ঠ হতে পারে। আবার অন্যদিকে সর্বেশ্বরবাদ হতে পারে অধিকতর যৌক্তিক বিকল্প, কারণ এটি সত্তাতাত্ত্বিক যুক্তির সেই 'সর্বোত্তম মহান সত্তা'র ধারণার সাথে চমৎকারভাবে মিলে যায় এবং 'শূন্য থেকে সৃষ্টি'র মতো অপ্রমাণিত কোনো ধারণার ওপর নির্ভর করে না। এই দুইয়ের সংমিশ্রণে গড়ে ওঠা "[[প্যানডিজম]]" হতে পারে সম্ভাব্য সকল ঈশ্বর-তত্ত্বের মধ্যে সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত ও শক্তিশালী ধারণা।
** '''''রাফায়েল লাটাস্টার''''', ''দেয়ার ওয়াজ নো জেসাস, দেয়ার ইজ নো গড: আ স্কলারলি এক্সামিনেশন অব দ্য সায়েন্টিফিক, হিস্টোরিক্যাল, অ্যান্ড ফিলোসফিক্যাল এভিডেন্স অ্যান্ড আর্গুমেন্টস ফর মনোহেইজম'', পৃষ্ঠা ১৬৫, ২০১৩।
* চিন্তাবিদদের ওপরই ছেড়ে দেওয়া হোক—তাঁরা [[w:আস্তিক্যবাদ|আস্তিক]], [[w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদী]], [[w:নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক]], [[w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদী]] (এবং কেন প্যানডেইস্ট নয়?) যা-ই হতে চান না কেন। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে ঈশ্বর কিংবা অমরত্ব নিয়ে কোনো প্রচারণা চালানো উচিত নয়।
** '''''মোরিৎজ লাজারাস''''' এবং '''''হেম্যান স্টাইনথাল''''', ''সাইটশ্রিফট ফুর ফোলকারপসাইকোলজি উন্ড স্প্রাখউইসেনশাফট'' (১৮৫৯), পৃ. ২৬২-৬৩।
* কায়রো প্রতীয়মান রূপ এবং তথাকথিত "দার্শনিক চিন্তাভাবনা" যা তার আড়ালে খুঁজতে চায়, এই দুইয়ের মধ্যকার পার্থক্যটি এড়িয়ে চলেন। জিনিসগুলো যেমন দেখায়, তাঁর কাছে সেগুলো ঠিক তেমনই। তাঁর প্যান-ডিইজম মূলত [[w:অধিবিদ্যা|বস্তু-অধিবিদ্যার বা থিং-মেটাফিজিক্সের]] ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত, যা বিংশ শতাব্দীর আধুনিক কাব্যের ধারায় একটি নতুন ঘরানা তৈরি করেছিল।
** '''''ফন মার্টিন লুডকে''''', "আইন মডার্নার হুটার ডার ডিঙ্গে; ডি এন্টডেকুং ডার গ্রোসেন পর্তুগিজেন গেট ওয়েইটার: ফার্নান্দো পেসোয়া হাট ইন ডার পোয়েজি আলবার্তো কায়রোস সাইনেন মিস্টার গেসেহেন", ''ফ্রাঙ্কফুর্টার রুন্ডশাউ'' (১৮ আগস্ট ২০০৪)।
* একবার কল্পনা করুন যে, আমরা প্রকৃতির সেই পরম ও সর্বজনীন নিয়মটির সন্ধান পেয়ে গিয়েছি যার অন্বেষণে আমরা নিরন্তর ছুটে চলেছি এবং শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত গর্বের সাথে আমরা এটি নিশ্চিত করতে পারলাম যে এই মহাবিশ্ব ঠিক এভাবেই গঠিত এবং অন্য কোনোভাবে নয়। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই একটি নতুন ও গভীরতর প্রশ্নের উদয় হবে। এই সুনির্দিষ্ট নিয়মের অন্তরালে আসলে কী লুকিয়ে আছে? কেন এই মহাবিশ্ব ঠিক এভাবেই সুসংগঠিত হলো, অন্য কোনো উপায়ে নয় কেন? এই 'কেন'-র উত্তর খুঁজতে গেলেই আমরা প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের সুনির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করে ধর্মের রহস্যময় জগতে প্রবেশ করি! একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে একজন [[w:পদার্থবিজ্ঞানী|পদার্থবিদের]] উত্তর দেওয়া উচিত, "আমরা জানি না, এবং হয়তো আমরা কোনোদিনই তা জানতে পারব না।" অনেকে হয়তো বলবেন যে, ঈশ্বরই এই অমোঘ নিয়মটি নির্ধারণ করেছেন এবং এভাবেই তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। তবে একজন প্যান্ডিস্ট হয়তো ভিন্নভাবে বলবেন যে, "প্রকৃতির এই সর্বজনীন ও সর্বব্যাপী নিয়মটিই হলো স্বয়ং ঈশ্বর!"
** সাওদ-অয়েস্ট ব্রডকাস্ট | SWR2 Aula - পাণ্ডুলিপি সেবা (একটি কথোপকথনের অনুলিপি) "গড প্লাস বিগ ব্যাং = এক্স: অ্যাস্ট্রোফিজিক্স অ্যান্ড ফেইথ (২)" আলোচক: প্রফেসর '''''হান্স কুং''''' এবং প্রফেসর '''''হারাল্ড লেশ''''', সম্পাদক: রালফ ক্যাসপারি, সম্প্রচারিত: ১৬ মে ২০১০, রবিবার। [http://swrmediathek.de/player.htm?show=73ab41a0-dac5-11df-950c-0026b975f2e6 ১৯৭০ সালের নোবেল বিজয়ী হানেস আলফভেনের উক্তিটি জ্যোতির্পদার্থবিদ হারাল্ড লেশ কর্তৃক উদ্ধৃত, ১:৩২ সেকেন্ডে]।
* সময়ের সাথে সাথে ঈশ্বরবাদের বা ডিইজমের ছত্রছায়ায় আরও কিছু মতবাদ গড়ে উঠেছে। যার মধ্যে রয়েছে [[w:খ্রিস্টধর্মে_ঈশ্বর|খ্রিস্টীয় ঈশ্বরবাদ]], যা ডিইজমের মূলনীতির সাথে [[:w:যিশু|নাজারেথের যিশুর]] নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় ঘটায়। এবং প্যানডিজম এমন একটি বিশ্বাস যা মনে করে ঈশ্বর স্বয়ং এই সমগ্র মহাবিশ্বে পরিণত হয়েছেন এবং পৃথক কোনো সত্তা হিসেবে তাঁর আর কোনো অস্তিত্ব নেই।
** ডগলাস ম্যাকগোয়ান, "[[:w:মাদার নেচার নেটওয়ার্ক|মাদার নেচার নেটওয়ার্ক]]", ২১ মে ২০১৫।
* এখানে যাকে "ঐশ্বরিক আধ্যাত্মিকতা" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তা আসলে পদার্থের নিজস্ব স্ব-সংগঠিত হওয়ার সহজাত প্রবণতা ও ঝোঁক ছাড়া আর কিছুই নয়। মহাবিশ্বের প্রসারণ যখন তার সীমায় পৌঁছাবে এবং 'বিগ ক্রাঞ্চ' বা চূড়ান্ত সংকোচনের দশা শুরু হবে, তখন অবশ্যই এর "মৃত্যু" ঘটা সম্ভব। এভাবেই গাইয়া মহাবিশ্বের সমাপ্তি ঘটে। এখানে আমি অবশ্যই [[:w:হেরাক্লিটাস|হেরাক্লিটাস]], [[w:বৈরাগ্যদর্শন|স্টোইকবাদী বা '''বৈরাগ্যদর্শন''']], [[w:জর্দানো_ব্রুনো|ব্রুনো]], [[:w:ইয়োহান গটলিব ফিকটে|ফিকটে]], শেলিং, [[:w:ইয়োহান ভল্ফগাং ফন গ্যোটে|গ্যোটে]] এবং হেগেলের পক্ষ নেব। মন শাশ্বত, মনের মৃত্যু নেই, মনই হলো মহাবিশ্ব। প্যানডিস্টিক ঈশ্বর অনেকটা স্যামন মাছের মতো, যিনি বংশবিস্তার (বা সৃষ্টির) পর মৃত্যুবরণ করেন। তাঁরা [[w:ফ্রিডরিখ_নিচে|ফ্রিডরিখ নিচের]] পক্ষ নেন—ঈশ্বর মৃত, পার্থক্য শুধু এটুকুই যে, ফ্রিডরিখ নিচের কাছে কোনো 'ঈশ্বর' কখনোই ছিল না!
** '''''প্রফেসর র্যামন জি. মেন্ডোজা''''', ''হিস্ট্রি অফ আইডিয়াস: প্যানথেইজম'' (১৯৯৬)।
* অলসনের মতে, কার্ল জ্যাসপার্সের 'সাইফার' বা সংকেত বিষয়ক ধারণাটি প্রতীক গঠনের ক্ষেত্রে ব্যক্তির অভিজ্ঞতা এবং সেই প্রতীক ব্যাখ্যার সাথে জড়িত সক্রিয়তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে। এটি খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের চেয়ে ভিন্ন, যেখানে ধর্মীয় প্রতীকী দিক এবং ব্যক্তির ভূমিকার ওপর গুরুত্বের ভারসাম্যটি অন্যভাবে নির্ধারিত হয়। অলসনের অভিমত হলো প্যানডিজমের ভীতি অথবা বিশ্বাসকে স্রেফ বাহ্যিক উপায়ের স্তরে নামিয়ে আনার প্রবণতা শেষ পর্যন্ত এই উপায়গুলোকে নিছক ব্যক্তিনিষ্ঠ এবং পরিবর্তনশীল বৈধতা হিসেবে দেখার দিকে ঠেলে দিতে পারে। মূলত এই আশঙ্কার কারণেই ক্যাথলিক চার্চ ব্যক্তির ধর্মীয় অভিজ্ঞতার তুলনায় প্রতীকের নিজস্ব বস্তুনিষ্ঠ সত্যতার ওপর অধিকতর জোর প্রদান করেছিল।
** '''''রনি মিরন''''', ''কার্ল জ্যাসপার্স: ফ্রম সেলফহুড টু বিয়িং'' (রডোপি ২০১২), পৃষ্ঠা ২৪৯, ISBN 9042035315।
* এই স্থানটি যেন এক অলৌকিক শক্তি নিংড়ে বের করে দিচ্ছে, মনে হচ্ছে আপনার চারপাশের প্রতিটি বস্তুর ভেতরে অগণিত আত্মার স্পন্দন বয়ে চলেছে। আমি জানি না এটি প্যানডিজম নাকি সর্বেশ্বরবাদের দর্শন, কিন্তু এই মুহূর্তের গভীর প্রশান্তিতে আমার তাতে খুব একটা কিছু আসে-যায় না।
** '''''পিটার মুর''''', ''ভালহাল্লা অ্যান্ড দ্য ফজর্ড: আ স্পিরিচুয়াল মোটরসাইকেল জার্নি'' (২০১৪), পৃষ্ঠা ১৯।
* একটি ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি আমি বেশ আকর্ষণীয় বলে মনে করি, আর তা হলো প্যানডিজম। এই মতবাদ অনুযায়ী ঈশ্বর এককালে অস্তিত্বমান ছিলেন এবং তিনিই ছিলেন একমাত্র সত্তা, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি নিজেকে এই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত করেছেন এবং ফলে এখন আর তাঁর পৃথক কোনো অস্তিত্ব নেই। ঈশ্বরের এমনটি করার মূল কারণ ছিল মূলত আনন্দ লাভ করা অথবা কী ঘটে তা প্রত্যক্ষ করা। আর সম্ভবত কোনো এক সময়ে এই মহাবিশ্ব পুনরায় নিজেকে ঈশ্বরে রূপান্তরিত করবে, যা অনেকটা নির্বাণ বা স্বর্গের মতো হবে। কিন্তু পরিশেষে ঈশ্বর আবারও একঘেয়েমিতে আক্রান্ত হবেন এবং পুনরায় এই চক্রের সূচনা করবেন। আমার বোধগম্যতায়, এটি হিন্দু মহাজাগতিক দর্শনের কিছু অংশের সাথে বেশ সাদৃশ্যপূর্ণ।
** '''''হেড্ডা হ্যাসেল মর্চ''''', "[https://blogs.scientificamerican.com/cross-check/beyond-physicalism/ বিয়ন্ড ফিজিকালিজম: ফিলোসফার হেড্ডা হ্যাসেল মর্চ ডিফেন্ডস দ্য আইডিয়া দ্যাট কনশাসনেস পারভেডস দ্য কসমস]", [[:w:জন হোরগান|জন হোরগান]], ''সায়েন্টিফিক আমেরিকান'', ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯।
* সকল [[w:অদ্বৈতবাদ_(অদ্বৈত_চেতনা)|অদ্বৈতবাদীই]] যে সর্বেশ্বরবাদী হবেন, এমন কোনো কথা নেই। একান্ত অদ্বৈতবাদীরা বিশ্বাস করেন যে, মহাবিশ্ব বা সর্বেশ্বরবাদীদের সেই ঈশ্বরের আদতে কোনো অস্তিত্বই নেই। এর বাইরেও, অদ্বৈতবাদীরা [[w:প্রকৃতিবাদ_(দর্শন)|প্রকৃতিবাদী]], প্যান্ডিস্ট, ঈশ্বরবাদী অথবা পরমসর্বেশ্বরবাদী বা প্যানেনথেইস্ট হতে পারেন। যারা এমন কোনো এক একক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন যিনি সর্বশক্তিমান ও সর্বব্যাপী এই দুনিয়াতে এবং যিনি একই সাথে সৃষ্টির ঊর্ধ্বে তথা ট্রান্সেন্ডেন্ট এবং সৃষ্টির ভেতরে বা ইম্যানেন্ট হিসেবে বিরাজমান!
** '''''থেরেসা জে. মরিস''''', ''নোয়িং কসমোলজি: অ্যাসেনশন এজ'' (২০১৪), পৃষ্ঠা ৮৫।
* '''Anacalypsis (অ্যানাক্যালিপসিস)''' গ্রন্থে উপস্থাপিত তত্ত্বটি হলো— একটি গোপন ধর্মীয় গোষ্ঠী, যাকে হিগিন্স 'প্যানডিজম' নামে অভিহিত করেছেন, তা প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত টিকে আছে; যা অন্তত [[:w:গ্রিস|গ্রিস]] থেকে [[:w:ভারত|ভারত]] পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এবং সম্ভবত সমগ্র বিশ্বকেই একসময় আবৃত করেছিল।
** '''''সুজান ওলসন''''', ''জিসাস ইন কাশ্মীর: দ্য লস্ট টম্ব'' (২০১৯), পৃ. ৩৯২।
* [[:w:দর্শনের ইতিহাস|দর্শনের]] পাইথাগোরীয় ঐতিহ্যের কেন্দ্রে এখানে 'Psyche' / সাইকি বা আত্মার অন্য একটি রূপ দেখা যায়। যা মাইলেসিয়ানদের উত্তরাধিকার হিসেবে প্রাপ্ত সর্বপ্রাণবাদ বা প্যান-ডিইজমের কাছে খুব সামান্যই ঋণী বলে মনে হয়।
** '''''প্রফেসর ফ্রান্সিস ই. পিটার্স''''', ''গ্রিক ফিলোসফিক্যাল টার্মস: এ হিস্টোরিক্যাল লেক্সিকন'' (১৯৬৭), পৃ. ১৬৯।
* ওল্ড টেস্টামেন্টের কিছু নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদে ব্যবিলনের ধারণাটি এই জগতের অহংকারী এবং ঈশ্বর-বিরোধী শক্তির একটি আদিপ্রতীক (আর্কিটাইপ) হিসেবে আবির্ভূত হয়। নিউ টেস্টামেন্টে এটি আরও স্পষ্টভাবে খ্রিস্টধর্ম এবং পৌত্তলিকতার (প্যাগানিজম) সমন্বয়ে গঠিত এক ধরণের প্যান-ডিইজম হিসেবে ফুটে ওঠে; যা পশুর পিঠে চড়ে থাকা মহিলার বর্ণনার মাধ্যমে প্রতীকিভাবে নির্দেশ করা হয়েছে।
** '''''চার্লস এফ. ফাইফার''''', '''''হাওয়ার্ড ফ্রেডেরিক ভস''''' এবং '''''জন রিম''''', ''দ্য ওয়াইক্লিফ বাইবেল এনসাইক্লোপিডিয়া'' (১৯৭৫), পৃষ্ঠা ১৯০।
* ওটাভিও দে ফারিয়া অত্যন্ত সঙ্গত কারণেই কার্লোস নেজারের রচনার মাঝে এক ধরনের প্যানডিজমের উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে পারতেন। এটি কোনো সাধারণ সর্বেশ্বরবাদী কবিতা নয়, বরং প্রকৃত অর্থেই একটি পান্ডিস্ট কাব্য। আমি বলতে চাইছি, এটি এমন এক মহাজাগতিক সৃষ্টিতত্ত্ব এবং এক সর্বজনীন গীতিমালা, যা একই সাথে মানবসত্তা এবং পবিত্র আত্মার জয়গান গায়। তবে এখানে সেই পবিত্র স্বর্গীয় সত্তার উপস্থিতি মূলত মানুষেরই অস্তিত্বের অভ্যন্তরে নিহিত।
** '''''জিওভানি পন্টিয়েরো''''', ''কার্লোস নেজার, পোয়েটা ই পেনসাডোর'', ১৯৮৩, পৃষ্ঠা ৩৪৯।
* অধিবিদ্যা বা মেটাফিজিক্স হলো প্রকৃতিবাদী (পান্ডিস্ট) ঘরানার একটি দর্শন, যা শেষ পর্যন্ত ভাববাদের (আইডিয়ালিজম) দিকে ধাবিত হয়ে নিজের মৌলিকত্ব হারায়।
** '''''কার্লোস উইসে পোর্টোকারেরো''''', ''সিস্টেমাস ফিলোসোফিকোস দে লা ইন্ডিয়া'' (ভারতের দার্শনিক পদ্ধতি), নভেম্বর ১৮৭৭, পঞ্চম খণ্ড।
* ব্রুনো কল্পনা করতেন যে প্রতিটি গ্রহ এবং নক্ষত্রের নিজস্ব আত্মা রয়েছে (যা মূলত তাদের সবার একই 'গাঠনিক উপাদানের' অন্তর্গত হওয়ার ধারণার একটি অংশ) এবং তিনি তাঁর এই মহাজাগতিক তত্ত্বকে একটি প্রাণবাদী (অ্যানিমিস্ট) অথবা পান্ডিস্ট ধর্মতত্ত্বকে এগিয়ে নেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন।
** '''''কোরি এস. পাওয়েল''''', "ডিফেন্ডিং জর্দানো ব্রুনো: আ রেসপন্স ফ্রম দ্য কো-রাইটার অব 'কসমস'", ডিসকভার, ১৩ মার্চ, ২০১৪।
* বর্তমান সময়ের একটি অত্যন্ত বিভ্রান্তিকর ধর্মীয় ধারণা, যা মূলত অসচেতন এবং মুক্তি না পাওয়া মানুষদের লক্ষ্য করে প্রচারিত হচ্ছে, তা হলো— 'প্যানডিজম'। এই শব্দটি মূলত প্যানথেইজম (সর্বেশ্বরবাদ) এবং ঈশ্বরবাদের সমন্বয়ে গঠিত। প্যানথেইজম প্রচার করে যে ঈশ্বর সবকিছুর মধ্যেই বিরাজমান। আর ডিইজম বা ঈশ্বরবাদ বলতে বোঝায় যে, ঈশ্বর কোনোভাবে তাঁর সৃষ্টির সাথে আর জড়িত নন। এই ভ্রান্ত ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই অনেকে বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন যে— মহাবিশ্বের স্রষ্টা ঈশ্বরের আর কোনো পৃথক অস্তিত্ব নেই, কারণ তিনি নিজেই মহাবিশ্বে পরিণত হয়েছেন এবং এখন তিনি নিজেই এই মহাবিশ্ব। অনেক মুক্তিহীন মানুষই এখন মনে করেন যে, এই মহাবিশ্বই মানুষের ব্যাপারে সমস্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
** '''''ব্রেন্ট প্রাইস, ডি.মিন.''''', ''বি প্রিপেয়ার্ড ইভানজেলিজম: দ্য পার্সোনাল ইভানজেলিজম গেম চেঞ্জার'' (২০২২), পৃষ্ঠা ১৩৭।
* রাজনৈতিক ধর্মতত্ত্বের মৌলিক প্রশ্নগুলো হলোঃ হেগেলীয় ধারার যেকোনো ধর্মতাত্ত্বিক ইমানেন্টিজম (অন্তর্নিহিত সত্তাবাদ) এবং প্যানডিজমের বিরুদ্ধে বিতর্ক। রাজনৈতিক বহুত্ববাদের সমার্থক হিসেবে পলিডিজম বা বহু-ঈশ্বরবাদের বিরুদ্ধে বিতর্ক এবং প্রতিটি নিরীশ্বরবাদসহ এর আধুনিক রূপ বস্তুবাদ ও সায়েন্টিজম বা বিজ্ঞানবাদের বিরুদ্ধে বিতর্ক।
** '''''ইউজেন পুসিচ''''', ''ফ্রানকুস্কা রেভোলুসিজা - লজুডস্কা প্রাভা ই পলিটিকা ডেমোক্রাসিজা'', পৃষ্ঠা ২৭০ (১৯৯১)।
* কিন্তু সেই দুঃস্বপ্নটি যদি সত্যের কোনো অলীক দর্শনও হয়ে থাকে, তবুও মিস্টার মন্ড ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখতে পারেন। কারণ তিনি দাবি করেন যে ঈশ্বরই একসময় এই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন। অতএব, এই মহাবিশ্বই হলো ঈশ্বর।<br>না। মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হওয়ার মাধ্যমে ঈশ্বর প্রকৃতপক্ষে তাঁর রাজকীয় ক্ষমতা বিসর্জন দিয়েছেন। ঈশ্বর হিসেবে তিনি নিজেকেই নিজে বিনাশ করেছেন। তিনি পূর্বে যা ছিলেন অর্থাৎ তাঁর সেই প্রকৃত সত্তা, তাকে তিনি শূন্যতায় পর্যবসিত করেছেন এবং এর ফলে তাঁর নিজের সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্ত ঈশ্বরীয় গুণাবলি চিরতরে হারিয়েছেন। যে মহাবিশ্বে তিনি আজ পরিণত হয়েছেন, তা একই সাথে তাঁর সমাধি হিসেবেও গণ্য। এই মহাবিশ্বের অভ্যন্তরে বা এর ওপর তাঁর এখন আর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ঈশ্বর হিসেবে সেই 'ঈশ্বর' আজ মৃত।
** '''''সাইমন রেভেন''''', ''দ্য সারভাইভারস (রেভেনের উপন্যাস)'', ১৯৭৬, পৃষ্ঠা ৯০।
* এই সহাবস্থানের প্রকৃত তাৎপর্য তখনই স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়, যখন কেউ সেই আমূল 'প্যান-সাইক' বা সর্ব-মনস্তাত্ত্বিক অবস্থানটি বিবেচনা করেন। যেখানে মনে করা হয় যে জড় পদার্থের প্রতিটি কণার একটি 'মনস্তাত্ত্বিক' গুণ রয়েছে। অথবা সেই পান্ডিস্ট অবস্থানটি গুরুত্ব পায় যেখানে কোনো এক 'পরম চেতনা' জগতের সমস্ত জড় পদার্থের সাথে নিরন্তর মিথস্ক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে।
** '''''মাইকেল পি. রেমলার''''', ''দ্য মেকানিজম, মেটাফিজিক্স, অ্যান্ড হিস্ট্রি অব কনশাসনেস ইন দ্য ওয়ার্ল্ড'', ২০২০, পৃষ্ঠা ৫০।
* প্যানডিজমের যুক্তিকাঠামো অনুযায়ী, এক সর্বশক্তিমান এবং পরম দয়ালু ঈশ্বর এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেন এবং সেই সৃষ্টিপ্রক্রিয়ার মাঝেই তিনি নিজেই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হন। আর এর ফলে মানুষের জাগতিক বিষয়াবলীতে হস্তক্ষেপ করার যাবতীয় ক্ষমতা তিনি চিরতরে হারিয়ে ফেলেন।
** '''''সাল রেস্টিভো''''', ''সোসাইটি অ্যান্ড দ্য ডেথ অব গড'', ২০২১, পৃষ্ঠা ১২৩।
* "পোপ পলের অবস্থান প্রায় একটি প্যান-ডিইজমের কাছাকাছি চলে এসেছিল। আর এই প্যান-ডিইজম হলো গ্রিক চিন্তাধারার ভাইরাসের এক যৌক্তিক পরিণতি।"
** '''''রৌসাস জন রাশদুনি''''', ''দ্য ওয়ান অ্যান্ড দ্য মেনি: স্টাডিজ ইন দ্য ফিলোসফি অফ অর্ডার অ্যান্ড আলটিমেসি'' (১৯৭১), অধ্যায় ৮-৭, পৃ. ১৪২।
* "কিন্তু একজন একনিষ্ঠ আদর্শবাদী, যিনি বিশ্বাসে অন্তর্নিহিতভাবে একজন প্যান-ডেইস্ট এবং পৃথিবী ও সময়ের সমস্যাগুলো নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি একজন গিবেলাইন পোপ হতে পারেন। আর শেষ পর্যন্ত দান্তের সেই গিবেলাইনরাই জয়ী হয়েছে!"
** '''''রৌসাস জন রাশদুনি''''', ''দ্য ওয়ান অ্যান্ড দ্য মেনি: স্টাডিজ ইন দ্য ফিলোসফি অফ অর্ডার অ্যান্ড আলটিমেসি'' (১৯৭১), অধ্যায় ৮-৭, পৃ. ১৪৩।
* মহাবিশ্ব কেবল ঈশ্বরই নয়, বরং একজন ব্যক্তিও এমন মতবাদকে বলা হয় "প্যানডিজম"। আপনি কি [[:w:উইলিয়াম জেমস|উইলিয়াম জেমসের]] সাথে একমত যে, মহাবিশ্বকে একজন ব্যক্তি হিসেবে দেখা আপনার জীবনকে অর্থবহ করে তুলতে সাহায্য করবে?
** '''''থিওডোর শিক''''' এবং '''''লুইস ভন''''', ''ডুইং ফিলোসফি: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন থ্রু থট এক্সপেরিমেন্টস'', ৫ম সংস্করণ (২০১৩), পৃ. ৫০৬।
* জুবাল—এই উপাসক গোষ্ঠী এবং আমলাতন্ত্রে ঠাসা পৃথিবীতে একজন একনিষ্ঠ ও প্রচণ্ড ব্যক্তিবাদী চরিত্র। উপন্যাসের সমাপ্তিলগ্নে দেখা যায় যে, জিল কিংবা মাইক নয়, বরং তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি আজও এক 'অচেনা আগন্তুক' হয়ে অবাস্তব সব লক্ষ্য বা ছায়ার সাথে লড়াই করে চলেছেন। তিনি তাঁর নিজস্ব স্বাধীন ইচ্ছাশক্তিতে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন, যা মাইক, জিল এবং ফস্টারপন্থীরা একটি পান্ডিস্ট আকাঙ্ক্ষা বা 'তুমিই ঈশ্বর!' এই বাণীর দ্বারা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন। অন্যদিকে মাইক, মানবীয় বিশ্বাসের সাথে তাঁর মার্সিয়ান বা মঙ্গলগ্রহীয় বিশ্বাসের এক সমন্বয় খুঁজে পাওয়ার দাবি করলেও, শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত সহজেই নিজের পুরনো বিশ্বাসগুলো ত্যাগ করে মানুষের বিশ্বাসকেই আপন করে নেন।
** '''''ড্যান স্নাইডার''''', ''[[:w:রবার্ট এ. হাইনলেইন|রবার্ট এ. হাইনলেইনের]] [[:w:স্ট্রেঞ্জার ইন আ স্ট্রেঞ্জ ল্যান্ড|স্ট্রেঞ্জার ইন আ স্ট্রেঞ্জ ল্যান্ড]] (দ্য আনকাট ভার্সন) এর পর্যালোচনা'' (২৯ জুলাই ২০০৫) [http://www.hackwriters.com/strangerH.htm]।
* নৈতিকতা সম্পর্কে প্রাচ্যের দৃষ্টিভঙ্গি মূলত বাস্তবতার এক মৌলিক ও সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা থেকে উৎসারিত হয়েছে। আমরা যারা পাশ্চাত্যবাসী, তারা মহাবিশ্বকে ঈশ্বরের একটি 'সৃষ্টি' হিসেবে গণ্য করি। যা অনেকটা কোনো আবিষ্কার বা পণ্যের মতো। মহাবিশ্ব সৃষ্টি করার পর, ঈশ্বর নিজেকে এর তদারকি ও ব্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত করেছেন। আমরা ঈশ্বরকে আমাদের 'অভিভাবক' বা 'মনিব' হিসেবে দেখি। তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন, তিনি এখানে উপস্থিত আছেন, তিনি এর প্রতিটি অংশ পরিচালনা করেন, কিন্তু তাসত্ত্বেও তিনি এর থেকে সম্পূর্ণ পৃথক। এটি অনেকটা এমন যে, তিনি পুরো মহাবিশ্বে ভিডিও ক্যামেরা স্থাপন করেছেন, যাতে তিনি যা কিছু ঘটছে সব দেখতে পান এবং নিজের ইচ্ছামতো যেকোনো ঘটনা ঘটাতে পারেন। কিন্তু নিজে সেই ঘটনার অংশ নন। তবে প্রাচ্যের দৃষ্টিভঙ্গি একেবারেই আলাদা। উদাহরণস্বরূপঃ একজন হিন্দুর কাছে ঈশ্বর মহাবিশ্ব 'সৃষ্টি' করেননি, বরং ঈশ্বর নিজেই মহাবিশ্বে 'রূপান্তরিত' হয়েছেন। এরপর তিনি ভুলে গিয়েছেন যে তিনি নিজেই এই মহাবিশ্ব হয়ে উঠেছেন। ঈশ্বর কেন এমনটি করবেন? মূলত আনন্দ এবং বিনোদনের জন্য! আপনি একটি মহাবিশ্ব তৈরি করলেন, যা নিজেই অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এক ব্যাপার। কিন্তু তারপর কী? আপনি কি স্রেফ হাত গুটিয়ে বসে থেকে আপনার সৃষ্টি করা মহাবিশ্বকে মজা করতে দেখবেন? নাকি আপনি নিজেই সেই সমস্ত আনন্দ উপভোগ করতে চাইবেন। আর এটি অর্জনের জন্যই ঈশ্বর স্বয়ং সমগ্র মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন। ঈশ্বরই হলেন এই মহাবিশ্ব এবং এর অন্তর্গত প্রতিটি অণু-পরমাণু। কিন্তু মহাবিশ্ব এই সত্যটি জানে না, কারণ তা জানলে এই নাটকের রহস্য ও উত্তেজনা নষ্ট হয়ে যাবে। এই মহাবিশ্ব হলো ঈশ্বরের এক মহাকাব্যিক নাটক, যেখানে ঈশ্বর নিজেই একাধারে মঞ্চ, অভিনেতা এবং দর্শক! এই মহাকাব্যিক নাটকের শিরোনাম হলো—"'''পরম অজানা পরিণতি"'''। এখানে আবেগ, প্রেম, ঘৃণা, ভালো-মন্দ এবং স্বাধীন ইচ্ছার মতো শক্তিশালী উপাদানগুলো যোগ করে দিন। তারপর দেখুন কী ঘটে! কেউই জানে না কী হবে, আর এই অনিশ্চয়তাই মহাবিশ্বকে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় করে রাখে। তবে পরিশেষে প্রত্যেকেই এক চমৎকার সময় অতিবাহিত করবে। এখানে প্রকৃতপক্ষে কোনো ভয় বা বিপদের অবকাশ নেই, কারণ প্রতিটি সত্তাই মূলত ঈশ্বর। আর ঈশ্বর আসলে স্রেফ খেলে যাচ্ছেন।
** '''''ওয়ারেন বি. শার্প''''', ''ফিলোসফি ফর দ্য সিরিয়াস হেরেটিক: দ্য লিমিটেশনস অব বিলিফ অ্যান্ড দ্য ডেরিভেশন অব ন্যাচারাল মোরাল প্রিন্সিপলস'' (২০০২), পৃষ্ঠা ৩৯৬ {{ISBN|0595215963}}।
* এটি নিশ্চিত যে, এই ধারণাটি বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষের ধর্মের অন্যতম মৌলিক নৈতিক ভিত্তি তৈরি করে। যেখানে প্রতিটি ধর্মের বিশেষ স্বভাবের দ্বারা এটি প্রভাবিত। যেমন খ্রিস্টধর্মে এক অতিমানবীয় [[:w:আদর্শবাদ|আদর্শবাদ]], বৌদ্ধধর্মে এক মানব-বিরোধী [[:w:শূন্যবাদ|নিহিলিজম]] বা শূন্যবাদ, এবং ভারতের ক্রমবর্ধমান [[w:ব্রাহ্মধর্ম|ব্রাহ্মধর্মে]] এক উদীয়মান অথচ সারগ্রাহী প্যানডিজম। আর যারা সর্বজনীন ভ্রাতৃত্বের এই আদর্শিক নীতি স্বীকার করেন, তাদের সাথে গ্রিক-রোমান এবং আধুনিক যুগের সেই নান্দনিক বৈজ্ঞানিক [[:w:প্রকৃতিবাদ|প্রকৃতিবাদকে]] যুক্ত করা প্রয়োজন যা মূলত সমগ্র ইউরোপীয় জনশিক্ষাকে অনুপ্রাণিত করে। আর যার বিরুদ্ধে পোপ দ্বিতীয় পল থেকে শুরু করে জোসেফ ডি মেস্ট্রের মতো গোঁড়া খ্রিস্টানরা সর্বদা অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে প্রতিবাদ করে এসেছেন।
** '''''[[:w:গুস্তাভো উজিয়েলি|গুস্তাভো উজিয়েলি]]''''', ''রিচেরচে ইন্তোর্নো আ লিওনার্দো দা ভিঞ্চি'' (১৮৯৬), পৃষ্ঠা ৩৫।
* '''在《撒忧的龙船河》里的撒忧文化, "撒忧"又叫"撒阳"、"撒野"、"撒尔嗬" ,就是生长在泛自然神论文化下的生殖崇拜符号, 撒野现象就是指土家情歌中那些强烈的生命冲动和人性张扬中所表现出来的野性美。'''
** "স্প্রেডিং ওরি অন দ্য ড্রাগন বোট রিভার" এ বর্ণিত 'S'''an Yu'''<nowiki/>' (যাকে san yang, san ye অথবা san er hu নামেও ডাকা হয়) বলতে মূলত প্যানডিজম বা সর্ব-প্রকৃতিবাদী সংস্কৃতির বলয়ে গড়ে ওঠা প্রজনন উপাসনাকে বোঝানো হয়েছে। যা মূলত গ্রাম্য জনপদগুলোর সেই রোমান্টিক প্রেমগীতিগুলোতে ফুটে ওঠা প্রাণের তীব্র স্পন্দন, গভীর মানবিকতা এবং আদিম বন্য সৌন্দর্যের এক বলিষ্ঠ বহিঃপ্রকাশ।
*** '''''ওয়াং জুনকাং''''' (Wang Junkang), 叶梅研究专集 ''Ye Mei Special Collection'' (2007), পৃষ্ঠা ১৭৭।
* '''在叶梅的早期小说里那种泛自然神论的浪漫精神随处可见,其目的是在张扬人性, 张扬泛自然神论下人性的自由'''。
** ইয়ে মেই-এর প্রাথমিক পর্যায়ের উপন্যাসগুলোতে প্যানডিজমের সেই রোমান্টিক আধ্যাত্মিকতা বা জীবনবোধ প্রতিটি পাতায় লক্ষ্য করা যায়; যার প্রধান লক্ষ্যই ছিল মানবিকতার জয়গান গাওয়া এবং প্যানডিজমের সেই উদার দর্শনের অধীনে মানুষের ব্যক্তিগত ও চারিত্রিক স্বাধীনতার সপক্ষে এক জোরালো আহ্বান জানানো।
** '''''ওয়াং জুনকাং''''' (Wang Junkang), 叶梅研究专集 ''Ye Mei Special Collection'' (2007), পৃষ্ঠা ১৮৮।
** যিশু খ্রিস্ট এবং পবিত্র আত্মার প্রতি ঐকান্তিক মনোযোগ আমাদের সর্বেশ্বরবাদ (প্যানথেইজম), প্যানডিজম এবং বিবর্তনশীল ধর্মতত্ত্ব বা প্রসেস থিওলজির মতো মতবাদগুলোর প্রভাব থেকে মুক্তি প্রদান করে এবং এক গভীর আধ্যাত্মিক স্তরে নিয়ে যায়।
** '''''গ্রাহাম ওয়ার্ড''''', ''হাউ দ্য লাইট গেটস ইন: এথিক্যাল লাইফ ১'', পৃষ্ঠা ৩১৩, ২০১৬।
* ঈশ্বর এই জগতকে সৃষ্টি করেননি, বরং তিনি নিজেই এই জগত বা মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন। ঈশ্বর এই জগতের রূপ পরিগ্রহ করেছেন মূলত এক শাশ্বত এবং অসীম লক্ষ্যকে বস্তুগত আকারে উপলব্ধি করার জন্য। আর এই অবিনশ্বর ও অনন্ত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের তাগিদেই তিনি স্বয়ং এই বিশ্ব চরাচরে পরিণত হয়েছেন। এখন একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়—এই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হওয়ার জন্য ঈশ্বরকে প্রথমে একটি আদি ও মৌলিক ধারণার কথা চিন্তা করতে হয়েছিল। ফলস্বরূপ, এই ভাব বা ধারণাটি জগতের আবির্ভাবের পূর্বেই বিদ্যমান ছিল। একেই মূলত কার্য এবং কারণের মধ্যকার সম্পর্ক হিসেবে গণ্য করা হয়। এখানে 'কারণ' বা স্রষ্টাকে মনে করা হয় কার্যের পূর্ববর্তী এবং স্বাধীন একটি সত্তা; অন্যদিকে 'কার্য' বা এই জগতকে মনে করা হয় কারণের পরবর্তী এবং তার ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল একটি রূপান্তর।
** রাব্বি '''''[[:w:হ্যারি ওয়াটন|হ্যারি ওয়াটন]]''''', ''এ ট্রু মোনিস্টিক ফিলোসফি: কমপ্রিহেন্ডিং দ্য অ্যাবসোলিউট, গড, এক্সিস্টেন্স, ম্যান, সোসাইটি অ্যান্ড হিস্ট্রি'' (১৯৪৭), পৃষ্ঠা ২৩২। ASIN: B0006ARGQ0।
* '''''Wenn auch nur durch einen Buchstaben (d statt th), unterscheiden wir grundsätzlich Pandeismus vom Pantheismus.'''''
** যদিও পার্থক্যটি কেবল একটিমাত্র বর্ণের (অর্থাৎ ''''th'''<nowiki/>' এর স্থলে ''''d'''<nowiki/>'), তবুও আমরা প্যানডিজমকে সর্বেশ্বরবাদ বা প্যানথেইজম থেকে মৌলিকভাবে পৃথক বলে গণ্য করি। এটি কেবল ব্যাকরণগত কোনো পরিবর্তন নয়, বরং দর্শনের এক গভীরতর স্তরের ভিন্নতা প্রকাশ করে।
** '''''ম্যাক্স বার্নহার্ড ওয়াইনস্টেইন''''', ''ওয়েল্ট- উন্ড লেবেনসানশাউউঙেন, হারভোরগেগাঙেন আউস রিলিজিয়ন, ফিলোসফি উন্ড নাটুর এরকেন্টনিস'' ("ধর্ম, দর্শন এবং প্রকৃতিজ্ঞান থেকে উদ্ভূত বিশ্ব ও জীবনদর্শন") (১৯১০), পৃষ্ঠা ২২৭।
* '''''Wir werden später sehen, daß die Indier auch den Pandeismus gelehrt haben. Der letzte Zustand besteht in dieser Lehre im Eingehen in die betreffende Gottheit, Brahma oder Wischnu. So sagt in der Bhagavad-Gîtâ Krishna-Wischnu, nach vielen Lehren über ein vollkommenes Dasein.'''''
** আমরা পরবর্তীতে এটি প্রত্যক্ষ করব যে, ভারতবর্ষের মানুষও প্যানডিজমের শিক্ষা প্রচার করেছিলেন। এই মতবাদ অনুযায়ী সৃষ্টির চূড়ান্ত অবস্থা বা পরিণতি হলো সংশ্লিষ্ট দেবতা, তা সে ব্রহ্মা হোক কিংবা বিষ্ণু। তাঁর সত্তার অভ্যন্তরে পুনরায় প্রবেশ করা বা লীন হওয়া। ভগবদ্গীতায় শ্রীকৃষ্ণ-বিষ্ণুও এক পরিপূর্ণ অস্তিত্ব সম্পর্কে বহুমুখী শিক্ষার পর ঠিক এই সত্যটিই ব্যক্ত করেছেন।
** '''''ম্যাক্স বার্নহার্ড ওয়াইনস্টেইন''''', ''ওয়েল্ট- উন্ড লেবেনসানশাউউঙেন, হারভোরগেগাঙেন আউস রিলিজিয়ন, ফিলোসফি উন্ড নাটুর এরকেন্টনিস'' ("ধর্ম, দর্শন এবং প্রকৃতিজ্ঞান থেকে উদ্ভূত বিশ্ব ও জীবনদর্শন"), পৃষ্ঠা ২১৩, ১৯১০।
* '''在在这里,人与天是平等和谐的,这就是说,它是泛自然神论或是无神论的,这是中国人文思想的一大特色。'''
** এখানে মানুষ এবং দৈব সত্তার মধ্যে এক অপূর্ব সাম্য ও সম্প্রীতি বিদ্যমান, যেখানে তারা একে অপরের সমকক্ষ। অর্থাৎ সহজ কথায় বলতে গেলে, এটি হয় প্যানডিজম অথবা [[w:নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক্যবাদের]] এক অনন্য প্রতিফলন। যা প্রকৃতপক্ষে চীনা দার্শনিক চিন্তাধারার অন্যতম একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে স্বীকৃত।
*** '''''ওয়েন চি''''' , 'লেকচারস অ্যাট পেকিং ইউনিভার্সিটি: থিংকিং অব অরা' (২০০২), পৃষ্ঠা ১২১।
* ''জন্ম—সে তো ঘুমন্ত, কিছুই নয় বিস্মৃতি ছাড়া—<br>যে জীবনে হয় আত্মিক জাগরণ, সে তো শুধুই জৈবিক ধ্রুবতারা!<br>ভীন-প্রানীতে ছিল হয়তো তার আদি-আধার, হয়তো ছিল অঞ্জান গহীন জায়গার।<br>তবুও সে পূর্ণ বিস্মৃতির অতলে নয়,<br>অসীম শূন্যতার মাঝেও নয়,<br>মহিমার জ্যোতিকে করেছি সঙ্গী, করেছি আপনা-আলোকায়ন!<br>সেই পরম সত্তা থেকেই, যিনি চির নিত্য-আবাসন।<br>স্বর্গ যেন ছেলেবেলাকে আগলে রাখে—চির আবরণ!...''
** '''''[[:w:উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ|উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ]]''''', ''[[:w:ওড: ইনটিমেশনস অফ ইমমর্টালিটি|ওড: ইনটিমেশনস অফ ইমমর্টালিটি ফ্রম রিকালেকশনস অফ আরলি চাইল্ডহুড]]'' (১৮০৭), স্তবক ৫, ''বাংলায় রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' ।
* ''Als Gesamtcharakteristik wählte H. sich die Bezeichnung eines neo-transzendentalen Subsistenz-Relationismus bzw. mehr inhaltlich: eines Hen-Pan-Deismus (nicht: -theismus); geschichtsphilosophisch schließt dies Atheismus, naturphilosophisch einen Quasi-Pantheismus - das Absolute als definitiver Prinzipiationsgrenzwert unter Gültigkeitsrücksichten - ein.''
** এইচ. হারল্ড হয তাঁর দর্শনের যে মৌলিক ভিত্তিটি স্থাপন করেছেন, তাকে তিনি একটি অনন্য চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন '''<nowiki/>'নিও-ট্রান্সেন্ডেন্টাল সাবসিস্টেন্স রিলেশনিজম'<nowiki/>'''। আরও গভীর ও সারবস্তুগতভাবে বিশ্লেষণ করলে এর মূল নির্যাসটি দাঁড়ায় একটি সূক্ষ্ম '''<nowiki/>'হেন-প্যান-ডিইজম'<nowiki/>''' হিসেবে, যা প্রচলিত 'প্যান-থেইজম' বা সর্বেশ্বরবাদ থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ও বিযুক্ত। ইতিহাসের দর্শনে এই মতবাদটি যথেষ্ট উদার, যা প্রয়োজনে নাস্তিক্যবাদ বা নিরীশ্বরবাদের যৌক্তিক উপাদানগুলোকেও নিজের ভেতরে ধারণ করতে সক্ষম। অন্যদিকে, যখন এটি প্রকৃতি-দর্শনের আলোকে ব্যাখ্যা করা হয়, তখন তা এক প্রকার '''Quasi-Pantheism''' বা '''<nowiki/>'কোয়াসি-প্যানথেইজম'''' বা আধা-সর্বেশ্বরবাদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এখানে 'পরম সত্তা' বা 'অ্যাবসলিউট' কে কেবল একটি বিমূর্ত ধারণা হিসেবে নয়, বরং যৌক্তিক বৈধতার নিরিখে একটি সুনির্দিষ্ট মূল নীতিগত সীমাবদ্ধতা কিংবা একটি অবিনশ্বর গাণিতিক ধ্রুবক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা মহাবিশ্বের অস্তিত্বের মূল ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করে।
** '''''কুর্ট ওয়াল্টার জেইডলার''''', [http://phaidon.philo.at/asp/hholz.htm আর্কাইভ ফ্যুর সিস্টেমেটিশ ফিলোসফি - হারাল্ড হোলজ] (২০০৩)।
* '''泛自然神论的浪漫精神三峡文化的艺术原素是一种独特的理想浪漫精神,是纯朴粗犷、绚丽诡竒的。'''
** এটি মূলত সেই গভীর রোমান্টিক নির্যাস এবং উচ্চমার্গীয় আধ্যাত্মিক চেতনার এক অনন্য কাব্যিক উপস্থাপনা, যেখানে '''প্যানডিজম''' বা সর্ব-প্রকৃতিবাদের মূল দর্শনটি মূর্ত হয়ে ওঠে। এখানে স্রষ্টা এবং সৃষ্টিকে আলাদা করে দেখা হয় না, বরং মনে করা হয় প্রকৃতির প্রতিটি ধূলিকণায় এবং অরণ্যের গহীন নিস্তব্ধতায় সেই পরম সত্তাই বিলীন হয়ে আছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই রূপটি মোটেও কৃত্রিম নয়; বরং তা রুক্ষ সরলতার এক নিবিড় ও অবিচ্ছেদ্য সংমিশ্রণের মাধ্যমে গড়ে ওঠে, যা মানুষের আত্মাকে এক অদ্ভুত প্রশান্তি দান করে। এই সৌন্দর্য যেমন আড়ম্বরহীন ও অকৃত্রিম, ঠিক তেমনি এটি এক গভীর এবং বৈচিত্র্যময় রহস্যময়তায় ঘেরা—যা লৌকিক জগতের উর্ধ্বে গিয়ে এক অলৌকিক অনুভূতির জন্ম দেয়। এটি যেন এক শান্ত অথচ শক্তিশালী আহ্বান, যেখানে প্রকৃতির অনাড়ম্বর রুক্ষতা আর আধ্যাত্মিক রহস্য মিলেমিশে একাকার হয়ে একটি অখণ্ড সত্যের প্রকাশ ঘটায়।
*** '''''ঝাং দাও কুই''''' (Zhang Dao Kui), 文化研究 ''কালচারাল স্টাডিজ'', ইস্যু ১-১২ (২০০১), পৃষ্ঠা ৬৫।
* প্যানডিজম হলো সর্বেশ্বরবাদেরই বা '''Pantheism''' এর এমন একটি বিশেষ রূপান্তর যা নিজের ভেতর প্রকৃতিবাদের একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোকে ধারণ করে। এই মতবাদটি এই বিশ্বাস পোষণ করে যে, বর্তমান মহাবিশ্ব এবং ঈশ্বর প্রকৃতপক্ষে এক ও অভিন্ন সত্তা। তবে একই সাথে এই দর্শন এটিও জোরালোভাবে দাবি করে যে, এই দৃশ্যমান জগৎ রূপ পরিগ্রহ করার পূর্বে ঈশ্বর কেবল একটি বিমূর্ত ধারণা ছিলেন না। বরং তিনি ছিলেন এক পরম সচেতন, সংবেদনশীল এবং অসীম বুদ্ধিমান এক মহাশক্তি। তিনি সেই আদি ও অনাদি সত্তা, যিনি অত্যন্ত নিপুণ কারিগরি এবং সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের প্রতিটি কণা ও নক্ষত্ররাজির সূক্ষ্ম নকশা প্রণয়ন করেছিলেন। তাঁর সেই বুদ্ধিদীপ্ত সৃজনশীলতার মাধ্যমেই বিশৃঙ্খল মহাশূন্য এক সুশৃঙ্খল ও প্রাণবন্ত মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছে, যা তাঁর অস্তিত্বের মহিমা ও নিপুণ শিল্পবোধেরই এক জীবন্ত প্রতিফলন। অর্থাৎ, সৃষ্টির আদিতে তিনি ছিলেন এক স্বতন্ত্র স্থপতি, যিনি পরবর্তীতে নিজ সৃষ্টির মাঝেই নিজেকে বিলীন করে দিয়েছেন।
** '''''রোনাল্ড আর. জলিঞ্জার''''', ''মেয়ার মরমনজম: ডিফেন্স অব মরমন থিওলজি'', পৃষ্ঠা ৬, ২০১০।
== বহিঃ সংযোগ ==
{{wikipedia|Pandeism|প্যানডিজম (ইংরেজি উইকিপিডিয়া)}}
{{wiktionary|pandeism|প্যানডিজম (উইকশনারি)}}
[[বিষয়শ্রেণী:দর্শন]]
[[বিষয়শ্রেণী:ধর্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্যানডিজম]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রকৃতিবাদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:সর্বেশ্বরবাদ]]
cr96alewsg3swbuqu1vau8ptavwdvcq