উইকিউক্তি bnwikiquote https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.13 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিউক্তি উইকিউক্তি আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা কাজী নজরুল ইসলাম 0 276 84071 83597 2026-07-31T18:04:33Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84071 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Nazrul Colorize.jpg|thumb|মহা - বিদ্রোহী রণক্লান্ত<br />আমি সেই [[দিন]] হব শান্ত।<br />যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে-বাতাসে ধ্বনিবে না,<br /> অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ, রণ-ভূমে রণিবে না ~ নজরুল]] '''[[:w:কাজী নজরুল ইসলাম|কাজী নজরুল ইসলাম]]''' (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ [[জ্যৈষ্ঠ]] ১৩০৬ – ১২ [[ভাদ্র]] ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) রাঢ় বাংলায় [[জন্ম]] নেওয়া একজন [[বাঙালি]] কবি এবং পরবর্তী কালে বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ ও দার্শনিক যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকা রাখার পাশাপাশি প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত।তিনি বৃটিশ বিরোধীও ছিলেন।আজও তার ঐতিহ্য মানুষ ধরে রাখে। ==উক্তি== * আনোয়ার! আনোয়ার! :সব যদি সুম্‌সাম, তুমি কেন কাঁদো আর? :দুনিয়াতে মুসলিম আজ পোষা জানোয়ার! : আনোয়ার! আর না!– : দিল্ কাঁপে কার না? :তল্‌ওয়ারে তেজ নাই! –তুচ্ছ স্মার্ণা, :ঐ কাঁপে থরথর মদিনার দ্বার না? : আনোয়ার! আর না! :* আনোয়ার * জব্বুর তওরাত ইঞ্জিল যাহার আসার বাণী, :ঘোষিল যুগ-যুগান্ত পূর্বে, বেহেশত হইতে টানি', :আনিল পীড়িতা মুক ধরণীর তপস্যা আজি তারে, :ব্যথিত হৃদয়ে ফেলিয়া চরণ, অবতার এল দ্বারে। :সকল কালের সকল গ্রন্থ, কেতাব, যোগী ও ধ্যানী,; :মুনি, ঋষি, আউলিয়া, আম্বিয়া, দরবেশ মহাজ্ঞানী; :প্রচারিল যার আসার খবর-আজি মন্থন-শেষ, :বেদনা-সিন্ধু ভেদিয়া আসিল সেই নবী অমৃতেশ! :হেরিল প্রাচীনা ধরণী আবার উদয় অভ্যুদয়, :সব-শেষ ত্রাণকর্তা আসিল, ভয় নাই, গাহ জয়! :যে সিদ্দিক ও আমিনে খুঁজেছে বাইবেল আর ঈসা, : তওরাত দিল বারে বারে যেই মোহাম্মদের দিশা, :পাপিয়া-কণ্ঠ দাউদ গাহিল যার অনাগত গীতি, :যে 'মহামদে' অথর্ব-বেদ-গান খুঁজিয়াছে নিতি, :সে অতিথি এল, কতকাল ওরে-আজি কতকাল পরে, :ধেয়ানের মণি নয়নে আসিল। বিশ্ব উঠিল ভরে; :-আলোকে, পুলকে, ফুলে ফলে, রূপে রসে, বর্ণ ও গন্ধে,; :গ্রহতারা লোক পতিতা ধরায় আজি পূজা করে, বন্দে! :আদি উপাসনালয়,; :উঠিল আবার নূতন করিয়া ভূত প্রেত সমুদয়, :তিন শত ষাট বিগ্রহ আর মূর্তি নূতন করি'; :বসিল সোনার বেদীতে রে হায় আল্লার ঘর ভরি। : সহিতে না পারি এ দৃশ্য, এই স্রষ্টার অপমান,; :ধেয়ানে মুক্তি-পথ খোঁজে নবী, কাঁদিয়া ওঠে পরান। :খদিজারে কন-'আল্লাতালার কসম, কা'বার ঐ; : 'লোৎ' 'ওজ্জা'র করিব না পূজা, জানি না আল্লা বই। :নিজ হাতে যারে করিল সৃষ্টি খড় আর মাটি দিয়া; :কোন্ নির্বোধ পূজিবে তাহারে হায় স্রষ্টা বলিয়া!' :সাধ্বী প্রতিব্রতা খদিজাও কহেন স্বামীর সনে-; :'দূর কর এ লাত্ মানাতেরে, পূজে যাহা সব-জনে। :তব শুভ-বরে একেশ্বর সে জ্যোতির্ময়ের দিশা; :পাইয়াছি প্রভু, কাটিয়া গিয়াছে আমার আঁধার নিশা।' :ক্রমে ক্রমে সব কোরেশ জানিল মোহাম্মদ আমিন; :করে না কো পূজা কাবার ভূতেরে ভাবিয়া তাদেরে হীন। :* মরু ভাস্কর * মস‍্জিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই,<br />যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শ‍ুন‍্তে পাই॥<br /> আমার গোরের পাশ দিয়ে ভাই নামাজীরা যাবে,<br /> পবিত্র সেই পায়ের ধ্বনি এ বান্দা শুনতে পাবে।<br /> গোর আজাব থেকে এ গুনাহ্‌গার পাইবে রেহাই॥ ** নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দশম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ২১৫ * শ্যাম-সুন্দর-গিরিধারী। :মানস মধু-বনে মধুমাধবী সুরে মুরলী বাজাও বনচারী।। :মধুরাতে হে হৃদয়েশ মাধবী চাঁদ হয়ে এসো, :হৃদয়ে তুলিও ভাবেরই উজান রস-যমুনা-বিহারী।। :অন্তর মন্দিরে প্রীতি ফুলশয্যায় বিলাস কর লীলা-বিলাসী, :আঁখির প্রদীপ জ্বালি' শিয়রে জাগিয়া রব শ্যাম, তব রূপ-পিয়াসি। :যত সাধ আশা গেল ঝরিয়া, পর তাই গলে মালা করিয়া; :নূপুর করিব তব চরণে গাঁথি' মম নয়নের বারি।। :* শ্যাম-সুন্দর-গিরিধারী * খড়ের প্রতিমা পূজিস্‌ রে তোরা, মাকে ত’ তোরা পূজিস্‌নে! :প্রতি মা’র মাঝে প্রতিমা বিরাজে (ঘরে ঘরে ওরে) : হায় রে অন্ধ, বুঝিস্‌নে।। :বছর বছর মাতৃ পূজার ক’রে যাস্‌ অভিনয় :ভীরু সন্তানে হেরি লজ্জায় মাও যে পাষাণময়, :মাকে জিনিতে সাধন-সমরে সাধক ত’কেহ বুঝিস্‌নে। :মাটির প্রতিমা গ’লে যায় জলে, বিজয়ায় ভেসে যায়, :আকাশে-বাতাসে মা’র স্নেহ জাগে অতন্দ্র করুণায়। :তোরই আশে-পাশে তাঁর কৃপা হাসে — : কেন সেই পথে তাঁরে খুঁজিস্‌নে।। :* খড়ের প্রতিমা * 'বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে ,মৃত্যুকে আকড়াইয়া পড়িয়া থাকে' ** 'যৌবনের গান ' * মিথ্যা শুনিনি ভাই,<br>এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনো মন্দির-কাবা নাই। ** ‘সাম্যবাদী’ কবিতা, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮০ * পূজিছে গ্রন্থ ভণ্ডের দল!– মূর্খরা সব শোনো,<br>মানুষ এনেছে গ্রন্থ;– গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো! ** ‘মানুষ’ কবিতা, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮২ * বল বীর—<br>বল উন্নত মম শির!<br>শির নেহারি আমারি, নত-শির ওই শিখর হিমাদ্রির! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫ *[[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] যেদিন ঐক্যবদ্ধ হয়ে বলতে পারবে ‘'''বাঙালির বাংলা'''’ সেদিন তারা অসাধ্য সাধন করবে। ** ‘বাঙালির বাংলা’ প্রবন্ধ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, সপ্তম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৫৬ ***{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=বাঙালির ঐক্যের প্রতীক নজরুল|ইউআরএল=https://www.bhorerkagoj.com/print-edition/2022/05/27/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%90%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%9c/|সংগ্রহের-তারিখ=2022-10-10|ওয়েবসাইট=[[w:bn:ভোরের কাগজ|ভোরের কাগজ]]}} * কারার ঐ লৌহ-কবাট<br> ভেঙে ফেল, কর রে লোপাট<br>রক্ত-জমাট<br>শিকল পূজোর পাষাণ-বেদী! **''ভাঙ্গার গান'' কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, প্রথম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১৫৯ * ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান,<br>আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান? ** ‘সর্বহারা’ কাব্যের ‘কান্ডারী হুঁশিয়ার’, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১২৩ * আমি বন্ধন-হারা কুমারীর বেণী, তন্বি-নয়নে বহ্নি,<br> আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম-উদ্দাম, আমি ধন্যি! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮ *নিজে নিষ্ক্রিয় থেকে অন্য একজন মহাপুরুষকে প্রাণপণে ভক্তি করলেই যদি দেশ উদ্ধার হয়ে যেত,তাহলে এই দেশ এতদিন পরাধীন থাকত না। **''আমার পথ'' প্রবন্ধ, ''রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২১ * ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়। ** ''আমার পথ'' প্রবন্ধ, ''রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২২ * আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে। ** ''আমার পথ'' প্রবন্ধ, ''রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২১ * যার নিজের [[ধর্ম|ধর্মে]] [[বিশ্বাস]] আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না। ** ''আমার পথ'' প্রবন্ধ'', রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২২ * আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান-বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১ * আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস্,<br>আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭ * মহা– বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত<br>আমি সেই দিন হব শান্ত,<br>যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না,<br>অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না,<br>বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত<br>আমি সেই দিন হব শান্ত! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০–১১ * কত মোহররম এলো, গেল চলে বহু কাল—<br>ভুলি নি গো আজো সেই শহীদের লোহু লাল!<br>মুস্‌লিম! তোরা আজ ‘জয়নাল আবেদীন,’<br>‘ওয়া হোসেনা—ওয়া হোসেন।’ কেঁদে তাই যাবে দিন।<br>ফিরে এল আজ সেই মহরম মাহিনা<br>ত্যাগ চাই মর্সিয়া-ক্রন্দন চাহি না! ** ‘মোহররম’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৭–৫৮ * আমার যাবার সময় হল<br>দাও বিদায়।<br>মোছ আঁখি দুয়ার খোলো<br>দাও বিদায়। ** নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, সপ্তম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১৫৬ * যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে!<br>অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে—<br>বুঝবে সেদিন বুঝবে। ** ‘অভিশাপ’ কবিতা, দোলন-চাঁপা কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, প্রথম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮৫ * তুমি সুন্দর, তাই চেয়ে থাকি প্রিয়, সে কি মোর অপরাধ?<br>চাঁদেরে হেরিয়া কাঁদে চকোরিণী, বলে না তো কিছু চাঁদ।৷ ** বুলবুল কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, ষষ্ঠ খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ২৭৩ * হয়তো তোমার পাব দেখা,<br>যেখানে ঐ নত [[আকাশ]] চুমছে বনের সবুজ রেখা।৷ ** ‘আশা’ কবিতা, ‘ছায়ানট’ কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৩৪ * হেথা সবে সম পাপী<br> আপন পাপের বাটখারা দিয়ে অন্যের পাপ মাপি! ** ‘পাপ’ কবিতা, ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮৪ * আমি পরশুরামের কঠোর কুঠার,<br> নিঃক্ষত্রিয় করিব বিশ্ব, আনিব শান্তি শান্ত উদার!<br>আমি হল বলরাম-স্কন্ধে,<br>আমি উপাড়ি' ফেলিব অধীন বিশ্ব অবহেলে নব-সৃষ্টির মহানন্দে। ** ''অগ্নি-বীণা'', প্রকাশক: আর্য্য পাবলিশিং হাউস, প্রকাশকাল: ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ, পৃষ্ঠা: [https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE:%E0%A6%85%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A3%E0%A6%BE_-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE_-%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A3.djvu/%E0%A7%A8%E0%A7%A9 ১০] * [[ভালোবাসা]] দিয়ে [[ভালোবাসা]] না পেলে তার [[জীবন]] দুঃখের ও জড়তার। * ভালোবাসাকে যে জীবনে অপমান করে সে জীবনে আর ভালোবাসা পায় না। * তোমারে যে চাহিয়াছে ভুলে একদিন, সে জানে তোমারে ভোলা কি কঠিন। * মৃত্যুর যন্ত্রণার চেয়ে বিরহের যন্ত্রণা যে কতো কঠিন,<br>কতো ভয়ানক তা একমাত্র ভুক্তভোগীই অনুভব করতে পারে। *একটা ধর্ম কখনো সঙ্কীর্ণ, অনুদার হইতে পারে না। ধর্ম সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত এবং সত্য চিরদিনই বিশ্বের সকলের কাছে সমান সত্য। কোন ধর্ম শুধু কোন এক বিশিষ্ট সম্প্রদায়ের জন্য নয়। তাহা বিশ্বের। **‘ছুঁৎমার্গ’ প্রবন্ধ ==কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে উক্তি== * কবি নজরুল যে-স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেটা শুধু তার নিজের স্বপ্ন নয় —সমগ্র বাঙালী জাতির স্বপ্ন। **[[সুভাষচন্দ্র বসু]], নজরুল স্মৃতি- বিশ্বনাথ দে সম্পাদিত, প্রকাশক- সাহিত্যম্, কলিকাতা, পৃষ্ঠা ২ * কবিরা সাধারণত কোমল ও ভীরু, কিন্তু নজরুল তা নন। কারাগারে শৃঙ্খল পরে বুকের রক্ত দিয়ে তিনি যা লিখেছেন, তা বাঙালীর প্রাণে এক নৃতন স্পন্দন জাগিয়ে তুলেছে। **[[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়]], নজরুল স্মৃতি- বিশ্বনাথ দে সম্পাদিত, প্রকাশক- সাহিত্যম্, কলিকাতা, পৃষ্ঠা ৪ * ভুল হয়ে গেছে বিলকুল<br> আর সব কিছু ভাগ হয়ে গেছে<br>ভাগ হয়নিকো নজরুল। **অন্নদাশঙ্কর রায় * [[জীবনানন্দ দাশ]] বলতেন নজরুল ইসলামের আত্মপ্রত্যয় ছিল। পরিকীর্তিত সৎ প্রেরণাই মানুষের ও শেষ বিশ্লেষণে মানুষ সমাজের মর্মকথা এই ঘোষণায় তার অপূর্ব বিশ্বাস ছিল। মনুষ্যজীবনের পরিবর্তিত অমূল্য জিনিসগুলোর উত্তরোত্তর মূল্যনাশের [[ব্যথা]] তাঁকে সন্তপ্ত করেছিল। .. তাঁর জনপ্রেম, দেশপ্রেম পূর্বোক্ত শতাব্দীর বৃহৎ ধারার সঙ্গে সত্যিই একাত্ম। পরবর্তী কবিরা এ সৌভাগ্য থেকে অনেকটা বঞ্চিত বলে আজ পর্যন্ত নজরুলকেই সত্যিকারের দেশ ও দেশীয়দের বন্ধু কবি বলে জনসাধারণ চিনে নিবে। ” “জন ও জনতার বন্ধু ও দেশপ্রেমিক কবি নজরুল। ” == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী| Kazi Nazrul Islam}} * [https://archive.org/search.php?query=%28%28subject%3A%22Islam%2C%20Kazi%20Nazrul%22%20OR%20subject%3A%22Islam%2C%20Kazi%20N%2E%22%20OR%20subject%3A%22Islam%2C%20K%2E%20N%2E%22%20OR%20subject%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20subject%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20subject%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20subject%3A%22Islam%2C%20Kazi%22%20OR%20subject%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22K%2E%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20Kazi%20Nazrul%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20Kazi%20N%2E%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20K%2E%20N%2E%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20K%2E%20Nazrul%22%20OR%20creator%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20Kazi%22%20OR%20title%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20title%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20title%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20title%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20description%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Islam%2C%20Kazi%20Nazrul%22%20OR%20description%3A%22Islam%2C%20Kazi%20N%2E%22%20OR%20description%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Islam%2C%20Kazi%22%29%20OR%20%28%221899-1976%22%20AND%20Islam%29%29%20AND%20%28-mediatype:software%29 ইন্টারনেট আর্কাইভে নজরুল ইসলাম] * [https://books.google.com/books?&as_auth=%22Nazrul+Islam+%28Kazi%29%22 নজরুল ইসলাম, গুগল বুকসে] * [http://www.kazinazrulislam.org/ কাজী নজরুল [[ইসলাম]] প্রোফাইল (বাংলায়)] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের গায়ক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সঙ্গীতজ্ঞ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বিপ্লবী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক সক্রিয়কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:অনুবাদক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় প্রাবন্ধিক]] 2kkkv3en0lccl07p6acsjyl7jvv49rw 84073 84071 2026-07-31T18:07:52Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ 84073 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Nazrul Colorize.jpg|thumb|মহা - বিদ্রোহী রণক্লান্ত<br />আমি সেই [[দিন]] হব শান্ত।<br />যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে-বাতাসে ধ্বনিবে না,<br /> অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ, রণ-ভূমে রণিবে না ~ নজরুল]] '''[[:w:কাজী নজরুল ইসলাম|কাজী নজরুল ইসলাম]]''' (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ [[জ্যৈষ্ঠ]] ১৩০৬ – ১২ [[ভাদ্র]] ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) রাঢ় বাংলায় [[জন্ম]] নেওয়া একজন [[বাঙালি]] কবি এবং পরবর্তী কালে বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ ও দার্শনিক যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকা রাখার পাশাপাশি প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত।তিনি বৃটিশ বিরোধীও ছিলেন।আজও তার ঐতিহ্য মানুষ ধরে রাখে। ==উক্তি== * আনোয়ার! আনোয়ার! :সব যদি সুম্‌সাম, তুমি কেন কাঁদো আর? :দুনিয়াতে মুসলিম আজ পোষা জানোয়ার! : আনোয়ার! আর না!– : দিল্ কাঁপে কার না? :তল্‌ওয়ারে তেজ নাই! –তুচ্ছ স্মার্ণা, :ঐ কাঁপে থরথর মদিনার দ্বার না? : আনোয়ার! আর না! :* আনোয়ার * জব্বুর তওরাত ইঞ্জিল যাহার আসার বাণী, :ঘোষিল যুগ-যুগান্ত পূর্বে, বেহেশত হইতে টানি', :আনিল পীড়িতা মুক ধরণীর তপস্যা আজি তারে, :ব্যথিত হৃদয়ে ফেলিয়া চরণ, অবতার এল দ্বারে। :সকল কালের সকল গ্রন্থ, কেতাব, যোগী ও ধ্যানী,; :মুনি, ঋষি, আউলিয়া, আম্বিয়া, দরবেশ মহাজ্ঞানী; :প্রচারিল যার আসার খবর-আজি মন্থন-শেষ, :বেদনা-সিন্ধু ভেদিয়া আসিল সেই নবী অমৃতেশ! :হেরিল প্রাচীনা ধরণী আবার উদয় অভ্যুদয়, :সব-শেষ ত্রাণকর্তা আসিল, ভয় নাই, গাহ জয়! :যে সিদ্দিক ও আমিনে খুঁজেছে বাইবেল আর ঈসা, : তওরাত দিল বারে বারে যেই মোহাম্মদের দিশা, :পাপিয়া-কণ্ঠ দাউদ গাহিল যার অনাগত গীতি, :যে 'মহামদে' অথর্ব-বেদ-গান খুঁজিয়াছে নিতি, :সে অতিথি এল, কতকাল ওরে-আজি কতকাল পরে, :ধেয়ানের মণি নয়নে আসিল। বিশ্ব উঠিল ভরে; :-আলোকে, পুলকে, ফুলে ফলে, রূপে রসে, বর্ণ ও গন্ধে,; :গ্রহতারা লোক পতিতা ধরায় আজি পূজা করে, বন্দে! :আদি উপাসনালয়,; :উঠিল আবার নূতন করিয়া ভূত প্রেত সমুদয়, :তিন শত ষাট বিগ্রহ আর মূর্তি নূতন করি'; :বসিল সোনার বেদীতে রে হায় আল্লার ঘর ভরি। : সহিতে না পারি এ দৃশ্য, এই স্রষ্টার অপমান,; :ধেয়ানে মুক্তি-পথ খোঁজে নবী, কাঁদিয়া ওঠে পরান। :খদিজারে কন-'আল্লাতালার কসম, কা'বার ঐ; : 'লোৎ' 'ওজ্জা'র করিব না পূজা, জানি না আল্লা বই। :নিজ হাতে যারে করিল সৃষ্টি খড় আর মাটি দিয়া; :কোন্ নির্বোধ পূজিবে তাহারে হায় স্রষ্টা বলিয়া!' :সাধ্বী প্রতিব্রতা খদিজাও কহেন স্বামীর সনে-; :'দূর কর এ লাত্ মানাতেরে, পূজে যাহা সব-জনে। :তব শুভ-বরে একেশ্বর সে জ্যোতির্ময়ের দিশা; :পাইয়াছি প্রভু, কাটিয়া গিয়াছে আমার আঁধার নিশা।' :ক্রমে ক্রমে সব কোরেশ জানিল মোহাম্মদ আমিন; :করে না কো পূজা কাবার ভূতেরে ভাবিয়া তাদেরে হীন। :* মরু ভাস্কর * মস‍্জিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই,<br />যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শ‍ুন‍্তে পাই॥<br /> আমার গোরের পাশ দিয়ে ভাই নামাজীরা যাবে,<br /> পবিত্র সেই পায়ের ধ্বনি এ বান্দা শুনতে পাবে।<br /> গোর আজাব থেকে এ গুনাহ্‌গার পাইবে রেহাই॥ ** নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দশম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ২১৫ * শ্যাম-সুন্দর-গিরিধারী। :মানস মধু-বনে মধুমাধবী সুরে মুরলী বাজাও বনচারী।। :মধুরাতে হে হৃদয়েশ মাধবী চাঁদ হয়ে এসো, :হৃদয়ে তুলিও ভাবেরই উজান রস-যমুনা-বিহারী।। :অন্তর মন্দিরে প্রীতি ফুলশয্যায় বিলাস কর লীলা-বিলাসী, :আঁখির প্রদীপ জ্বালি' শিয়রে জাগিয়া রব শ্যাম, তব রূপ-পিয়াসি। :যত সাধ আশা গেল ঝরিয়া, পর তাই গলে মালা করিয়া; :নূপুর করিব তব চরণে গাঁথি' মম নয়নের বারি।। :* শ্যাম-সুন্দর-গিরিধারী * খড়ের প্রতিমা পূজিস্‌ রে তোরা, মাকে ত’ তোরা পূজিস্‌নে! :প্রতি মা’র মাঝে প্রতিমা বিরাজে (ঘরে ঘরে ওরে) : হায় রে অন্ধ, বুঝিস্‌নে।। :বছর বছর মাতৃ পূজার ক’রে যাস্‌ অভিনয় :ভীরু সন্তানে হেরি লজ্জায় মাও যে পাষাণময়, :মাকে জিনিতে সাধন-সমরে সাধক ত’কেহ বুঝিস্‌নে। :মাটির প্রতিমা গ’লে যায় জলে, বিজয়ায় ভেসে যায়, :আকাশে-বাতাসে মা’র স্নেহ জাগে অতন্দ্র করুণায়। :তোরই আশে-পাশে তাঁর কৃপা হাসে — : কেন সেই পথে তাঁরে খুঁজিস্‌নে।। :* খড়ের প্রতিমা * 'বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে ,মৃত্যুকে আকড়াইয়া পড়িয়া থাকে' ** 'যৌবনের গান ' * মিথ্যা শুনিনি ভাই,<br>এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনো মন্দির-কাবা নাই। ** ‘সাম্যবাদী’ কবিতা, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮০ * পূজিছে গ্রন্থ ভণ্ডের দল!– মূর্খরা সব শোনো,<br>মানুষ এনেছে গ্রন্থ;– গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো! ** ‘মানুষ’ কবিতা, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮২ * বল বীর—<br>বল উন্নত মম শির!<br>শির নেহারি আমারি, নত-শির ওই শিখর হিমাদ্রির! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫ *[[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] যেদিন ঐক্যবদ্ধ হয়ে বলতে পারবে ‘'''বাঙালির বাংলা'''’ সেদিন তারা অসাধ্য সাধন করবে। ** ‘বাঙালির বাংলা’ প্রবন্ধ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, সপ্তম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৫৬ ***{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=বাঙালির ঐক্যের প্রতীক নজরুল|ইউআরএল=https://www.bhorerkagoj.com/print-edition/2022/05/27/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%90%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%9c/|সংগ্রহের-তারিখ=2022-10-10|ওয়েবসাইট=[[w:bn:ভোরের কাগজ|ভোরের কাগজ]]}} * কারার ঐ লৌহ-কবাট<br> ভেঙে ফেল, কর রে লোপাট<br>রক্ত-জমাট<br>শিকল পূজোর পাষাণ-বেদী! **''ভাঙ্গার গান'' কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, প্রথম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১৫৯ * ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান,<br>আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান? ** ‘সর্বহারা’ কাব্যের ‘কান্ডারী হুঁশিয়ার’, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১২৩ * আমি বন্ধন-হারা কুমারীর বেণী, তন্বি-নয়নে বহ্নি,<br> আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম-উদ্দাম, আমি ধন্যি! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮ *নিজে নিষ্ক্রিয় থেকে অন্য একজন মহাপুরুষকে প্রাণপণে ভক্তি করলেই যদি দেশ উদ্ধার হয়ে যেত,তাহলে এই দেশ এতদিন পরাধীন থাকত না। **''আমার পথ'' প্রবন্ধ, ''রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২১ * ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়। ** ''আমার পথ'' প্রবন্ধ, ''রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২২ * আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে। ** ''আমার পথ'' প্রবন্ধ, ''রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২১ * যার নিজের [[ধর্ম|ধর্মে]] [[বিশ্বাস]] আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না। ** ''আমার পথ'' প্রবন্ধ'', রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২২ * আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান-বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১ * আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস্,<br>আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭ * মহা– বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত<br>আমি সেই দিন হব শান্ত,<br>যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না,<br>অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না,<br>বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত<br>আমি সেই দিন হব শান্ত! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০–১১ * কত মোহররম এলো, গেল চলে বহু কাল—<br>ভুলি নি গো আজো সেই শহীদের লোহু লাল!<br>মুস্‌লিম! তোরা আজ ‘জয়নাল আবেদীন,’<br>‘ওয়া হোসেনা—ওয়া হোসেন।’ কেঁদে তাই যাবে দিন।<br>ফিরে এল আজ সেই মহরম মাহিনা<br>ত্যাগ চাই মর্সিয়া-ক্রন্দন চাহি না! ** ‘মোহররম’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৭–৫৮ * আমার যাবার সময় হল<br>দাও বিদায়।<br>মোছ আঁখি দুয়ার খোলো<br>দাও বিদায়। ** নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, সপ্তম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১৫৬ * যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে!<br>অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে—<br>বুঝবে সেদিন বুঝবে। ** ‘অভিশাপ’ কবিতা, দোলন-চাঁপা কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, প্রথম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮৫ * তুমি সুন্দর, তাই চেয়ে থাকি প্রিয়, সে কি মোর অপরাধ?<br>চাঁদেরে হেরিয়া কাঁদে চকোরিণী, বলে না তো কিছু চাঁদ।৷ ** বুলবুল কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, ষষ্ঠ খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ২৭৩ * হয়তো তোমার পাব দেখা,<br>যেখানে ঐ নত [[আকাশ]] চুমছে বনের সবুজ রেখা।৷ ** ‘আশা’ কবিতা, ‘ছায়ানট’ কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৩৪ * হেথা সবে সম পাপী<br> আপন পাপের বাটখারা দিয়ে অন্যের পাপ মাপি! ** ‘পাপ’ কবিতা, ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮৪ * আমি পরশুরামের কঠোর কুঠার,<br> নিঃক্ষত্রিয় করিব বিশ্ব, আনিব শান্তি শান্ত উদার!<br>আমি হল বলরাম-স্কন্ধে,<br>আমি উপাড়ি' ফেলিব অধীন বিশ্ব অবহেলে নব-সৃষ্টির মহানন্দে। ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, ''অগ্নি-বীণা'', প্রকাশক: আর্য্য পাবলিশিং হাউস, প্রকাশকাল: ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ, পৃষ্ঠা: [https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE:%E0%A6%85%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A3%E0%A6%BE_-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE_-%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A3.djvu/%E0%A7%A8%E0%A7%A9 ১০] * [[ভালোবাসা]] দিয়ে [[ভালোবাসা]] না পেলে তার [[জীবন]] দুঃখের ও জড়তার। * ভালোবাসাকে যে জীবনে অপমান করে সে জীবনে আর ভালোবাসা পায় না। * তোমারে যে চাহিয়াছে ভুলে একদিন, সে জানে তোমারে ভোলা কি কঠিন। * মৃত্যুর যন্ত্রণার চেয়ে বিরহের যন্ত্রণা যে কতো কঠিন,<br>কতো ভয়ানক তা একমাত্র ভুক্তভোগীই অনুভব করতে পারে। *একটা ধর্ম কখনো সঙ্কীর্ণ, অনুদার হইতে পারে না। ধর্ম সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত এবং সত্য চিরদিনই বিশ্বের সকলের কাছে সমান সত্য। কোন ধর্ম শুধু কোন এক বিশিষ্ট সম্প্রদায়ের জন্য নয়। তাহা বিশ্বের। **‘ছুঁৎমার্গ’ প্রবন্ধ ==কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে উক্তি== * কবি নজরুল যে-স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেটা শুধু তার নিজের স্বপ্ন নয় —সমগ্র বাঙালী জাতির স্বপ্ন। **[[সুভাষচন্দ্র বসু]], নজরুল স্মৃতি- বিশ্বনাথ দে সম্পাদিত, প্রকাশক- সাহিত্যম্, কলিকাতা, পৃষ্ঠা ২ * কবিরা সাধারণত কোমল ও ভীরু, কিন্তু নজরুল তা নন। কারাগারে শৃঙ্খল পরে বুকের রক্ত দিয়ে তিনি যা লিখেছেন, তা বাঙালীর প্রাণে এক নৃতন স্পন্দন জাগিয়ে তুলেছে। **[[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়]], নজরুল স্মৃতি- বিশ্বনাথ দে সম্পাদিত, প্রকাশক- সাহিত্যম্, কলিকাতা, পৃষ্ঠা ৪ * ভুল হয়ে গেছে বিলকুল<br> আর সব কিছু ভাগ হয়ে গেছে<br>ভাগ হয়নিকো নজরুল। **অন্নদাশঙ্কর রায় * [[জীবনানন্দ দাশ]] বলতেন নজরুল ইসলামের আত্মপ্রত্যয় ছিল। পরিকীর্তিত সৎ প্রেরণাই মানুষের ও শেষ বিশ্লেষণে মানুষ সমাজের মর্মকথা এই ঘোষণায় তার অপূর্ব বিশ্বাস ছিল। মনুষ্যজীবনের পরিবর্তিত অমূল্য জিনিসগুলোর উত্তরোত্তর মূল্যনাশের [[ব্যথা]] তাঁকে সন্তপ্ত করেছিল। .. তাঁর জনপ্রেম, দেশপ্রেম পূর্বোক্ত শতাব্দীর বৃহৎ ধারার সঙ্গে সত্যিই একাত্ম। পরবর্তী কবিরা এ সৌভাগ্য থেকে অনেকটা বঞ্চিত বলে আজ পর্যন্ত নজরুলকেই সত্যিকারের দেশ ও দেশীয়দের বন্ধু কবি বলে জনসাধারণ চিনে নিবে। ” “জন ও জনতার বন্ধু ও দেশপ্রেমিক কবি নজরুল। ” == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী| Kazi Nazrul Islam}} * [https://archive.org/search.php?query=%28%28subject%3A%22Islam%2C%20Kazi%20Nazrul%22%20OR%20subject%3A%22Islam%2C%20Kazi%20N%2E%22%20OR%20subject%3A%22Islam%2C%20K%2E%20N%2E%22%20OR%20subject%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20subject%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20subject%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20subject%3A%22Islam%2C%20Kazi%22%20OR%20subject%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22K%2E%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20Kazi%20Nazrul%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20Kazi%20N%2E%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20K%2E%20N%2E%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20K%2E%20Nazrul%22%20OR%20creator%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20Kazi%22%20OR%20title%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20title%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20title%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20title%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20description%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Islam%2C%20Kazi%20Nazrul%22%20OR%20description%3A%22Islam%2C%20Kazi%20N%2E%22%20OR%20description%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Islam%2C%20Kazi%22%29%20OR%20%28%221899-1976%22%20AND%20Islam%29%29%20AND%20%28-mediatype:software%29 ইন্টারনেট আর্কাইভে নজরুল ইসলাম] * [https://books.google.com/books?&as_auth=%22Nazrul+Islam+%28Kazi%29%22 নজরুল ইসলাম, গুগল বুকসে] * [http://www.kazinazrulislam.org/ কাজী নজরুল [[ইসলাম]] প্রোফাইল (বাংলায়)] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের গায়ক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সঙ্গীতজ্ঞ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বিপ্লবী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক সক্রিয়কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:অনুবাদক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় প্রাবন্ধিক]] i635w1eq16w0scgy6gkgw6ptdys3h97 84074 84073 2026-07-31T18:21:54Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ 84074 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Nazrul Colorize.jpg|thumb|মহা - বিদ্রোহী রণক্লান্ত<br />আমি সেই [[দিন]] হব শান্ত।<br />যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে-বাতাসে ধ্বনিবে না,<br /> অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ, রণ-ভূমে রণিবে না ~ নজরুল]] '''[[:w:কাজী নজরুল ইসলাম|কাজী নজরুল ইসলাম]]''' (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ [[জ্যৈষ্ঠ]] ১৩০৬ – ১২ [[ভাদ্র]] ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) রাঢ় বাংলায় [[জন্ম]] নেওয়া একজন [[বাঙালি]] কবি এবং পরবর্তী কালে বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ ও দার্শনিক যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকা রাখার পাশাপাশি প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত।তিনি বৃটিশ বিরোধীও ছিলেন।আজও তার ঐতিহ্য মানুষ ধরে রাখে। ==উক্তি== * আনোয়ার! আনোয়ার! :সব যদি সুম্‌সাম, তুমি কেন কাঁদো আর? :দুনিয়াতে মুসলিম আজ পোষা জানোয়ার! : আনোয়ার! আর না!– : দিল্ কাঁপে কার না? :তল্‌ওয়ারে তেজ নাই! –তুচ্ছ স্মার্ণা, :ঐ কাঁপে থরথর মদিনার দ্বার না? : আনোয়ার! আর না! :* আনোয়ার * জব্বুর তওরাত ইঞ্জিল যাহার আসার বাণী, :ঘোষিল যুগ-যুগান্ত পূর্বে, বেহেশত হইতে টানি', :আনিল পীড়িতা মুক ধরণীর তপস্যা আজি তারে, :ব্যথিত হৃদয়ে ফেলিয়া চরণ, অবতার এল দ্বারে। :সকল কালের সকল গ্রন্থ, কেতাব, যোগী ও ধ্যানী,; :মুনি, ঋষি, আউলিয়া, আম্বিয়া, দরবেশ মহাজ্ঞানী; :প্রচারিল যার আসার খবর-আজি মন্থন-শেষ, :বেদনা-সিন্ধু ভেদিয়া আসিল সেই নবী অমৃতেশ! :হেরিল প্রাচীনা ধরণী আবার উদয় অভ্যুদয়, :সব-শেষ ত্রাণকর্তা আসিল, ভয় নাই, গাহ জয়! :যে সিদ্দিক ও আমিনে খুঁজেছে বাইবেল আর ঈসা, : তওরাত দিল বারে বারে যেই মোহাম্মদের দিশা, :পাপিয়া-কণ্ঠ দাউদ গাহিল যার অনাগত গীতি, :যে 'মহামদে' অথর্ব-বেদ-গান খুঁজিয়াছে নিতি, :সে অতিথি এল, কতকাল ওরে-আজি কতকাল পরে, :ধেয়ানের মণি নয়নে আসিল। বিশ্ব উঠিল ভরে; :-আলোকে, পুলকে, ফুলে ফলে, রূপে রসে, বর্ণ ও গন্ধে,; :গ্রহতারা লোক পতিতা ধরায় আজি পূজা করে, বন্দে! :আদি উপাসনালয়,; :উঠিল আবার নূতন করিয়া ভূত প্রেত সমুদয়, :তিন শত ষাট বিগ্রহ আর মূর্তি নূতন করি'; :বসিল সোনার বেদীতে রে হায় আল্লার ঘর ভরি। : সহিতে না পারি এ দৃশ্য, এই স্রষ্টার অপমান,; :ধেয়ানে মুক্তি-পথ খোঁজে নবী, কাঁদিয়া ওঠে পরান। :খদিজারে কন-'আল্লাতালার কসম, কা'বার ঐ; : 'লোৎ' 'ওজ্জা'র করিব না পূজা, জানি না আল্লা বই। :নিজ হাতে যারে করিল সৃষ্টি খড় আর মাটি দিয়া; :কোন্ নির্বোধ পূজিবে তাহারে হায় স্রষ্টা বলিয়া!' :সাধ্বী প্রতিব্রতা খদিজাও কহেন স্বামীর সনে-; :'দূর কর এ লাত্ মানাতেরে, পূজে যাহা সব-জনে। :তব শুভ-বরে একেশ্বর সে জ্যোতির্ময়ের দিশা; :পাইয়াছি প্রভু, কাটিয়া গিয়াছে আমার আঁধার নিশা।' :ক্রমে ক্রমে সব কোরেশ জানিল মোহাম্মদ আমিন; :করে না কো পূজা কাবার ভূতেরে ভাবিয়া তাদেরে হীন। :* মরু ভাস্কর * মস‍্জিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই,<br />যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শ‍ুন‍্তে পাই॥<br /> আমার গোরের পাশ দিয়ে ভাই নামাজীরা যাবে,<br /> পবিত্র সেই পায়ের ধ্বনি এ বান্দা শুনতে পাবে।<br /> গোর আজাব থেকে এ গুনাহ্‌গার পাইবে রেহাই॥ ** নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দশম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ২১৫ * শ্যাম-সুন্দর-গিরিধারী। :মানস মধু-বনে মধুমাধবী সুরে মুরলী বাজাও বনচারী।। :মধুরাতে হে হৃদয়েশ মাধবী চাঁদ হয়ে এসো, :হৃদয়ে তুলিও ভাবেরই উজান রস-যমুনা-বিহারী।। :অন্তর মন্দিরে প্রীতি ফুলশয্যায় বিলাস কর লীলা-বিলাসী, :আঁখির প্রদীপ জ্বালি' শিয়রে জাগিয়া রব শ্যাম, তব রূপ-পিয়াসি। :যত সাধ আশা গেল ঝরিয়া, পর তাই গলে মালা করিয়া; :নূপুর করিব তব চরণে গাঁথি' মম নয়নের বারি।। :* শ্যাম-সুন্দর-গিরিধারী * খড়ের প্রতিমা পূজিস্‌ রে তোরা, মাকে ত’ তোরা পূজিস্‌নে! :প্রতি মা’র মাঝে প্রতিমা বিরাজে (ঘরে ঘরে ওরে) : হায় রে অন্ধ, বুঝিস্‌নে।। :বছর বছর মাতৃ পূজার ক’রে যাস্‌ অভিনয় :ভীরু সন্তানে হেরি লজ্জায় মাও যে পাষাণময়, :মাকে জিনিতে সাধন-সমরে সাধক ত’কেহ বুঝিস্‌নে। :মাটির প্রতিমা গ’লে যায় জলে, বিজয়ায় ভেসে যায়, :আকাশে-বাতাসে মা’র স্নেহ জাগে অতন্দ্র করুণায়। :তোরই আশে-পাশে তাঁর কৃপা হাসে — : কেন সেই পথে তাঁরে খুঁজিস্‌নে।। :* খড়ের প্রতিমা * 'বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে ,মৃত্যুকে আকড়াইয়া পড়িয়া থাকে' ** 'যৌবনের গান ' * মিথ্যা শুনিনি ভাই,<br>এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনো মন্দির-কাবা নাই। ** ‘সাম্যবাদী’ কবিতা, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮০ * পূজিছে গ্রন্থ ভণ্ডের দল!– মূর্খরা সব শোনো,<br>মানুষ এনেছে গ্রন্থ;– গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো! ** ‘মানুষ’ কবিতা, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮২ * বল বীর—<br>বল উন্নত মম শির!<br>শির নেহারি আমারি, নত-শির ওই শিখর হিমাদ্রির! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫ *[[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] যেদিন ঐক্যবদ্ধ হয়ে বলতে পারবে ‘'''বাঙালির বাংলা'''’ সেদিন তারা অসাধ্য সাধন করবে। ** ‘বাঙালির বাংলা’ প্রবন্ধ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, সপ্তম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৫৬ ***{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=বাঙালির ঐক্যের প্রতীক নজরুল|ইউআরএল=https://www.bhorerkagoj.com/print-edition/2022/05/27/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%90%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%9c/|সংগ্রহের-তারিখ=2022-10-10|ওয়েবসাইট=[[w:bn:ভোরের কাগজ|ভোরের কাগজ]]}} * কারার ঐ লৌহ-কবাট<br> ভেঙে ফেল, কর রে লোপাট<br>রক্ত-জমাট<br>শিকল পূজোর পাষাণ-বেদী! **''ভাঙ্গার গান'' কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, প্রথম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১৫৯ * ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান,<br>আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান? ** ‘সর্বহারা’ কাব্যের ‘কান্ডারী হুঁশিয়ার’, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১২৩ * আমি বন্ধন-হারা কুমারীর বেণী, তন্বি-নয়নে বহ্নি,<br> আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম-উদ্দাম, আমি ধন্যি! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮ *নিজে নিষ্ক্রিয় থেকে অন্য একজন মহাপুরুষকে প্রাণপণে ভক্তি করলেই যদি দেশ উদ্ধার হয়ে যেত,তাহলে এই দেশ এতদিন পরাধীন থাকত না। **''আমার পথ'' প্রবন্ধ, ''রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২১ * ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়। ** ''আমার পথ'' প্রবন্ধ, ''রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২২ * আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে। ** ''আমার পথ'' প্রবন্ধ, ''রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২১ * যার নিজের [[ধর্ম|ধর্মে]] [[বিশ্বাস]] আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না। ** ''আমার পথ'' প্রবন্ধ'', রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২২ * আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান-বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১ * আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস্,<br>আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭ * মহা– বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত<br>আমি সেই দিন হব শান্ত,<br>যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না,<br>অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না,<br>বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত<br>আমি সেই দিন হব শান্ত! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০–১১ * কত মোহররম এলো, গেল চলে বহু কাল—<br>ভুলি নি গো আজো সেই শহীদের লোহু লাল!<br>মুস্‌লিম! তোরা আজ ‘জয়নাল আবেদীন,’<br>‘ওয়া হোসেনা—ওয়া হোসেন।’ কেঁদে তাই যাবে দিন।<br>ফিরে এল আজ সেই মহরম মাহিনা<br>ত্যাগ চাই মর্সিয়া-ক্রন্দন চাহি না! ** ‘মোহররম’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৭–৫৮ * আমার যাবার সময় হল<br>দাও বিদায়।<br>মোছ আঁখি দুয়ার খোলো<br>দাও বিদায়। ** নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, সপ্তম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১৫৬ * যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে!<br>অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে—<br>বুঝবে সেদিন বুঝবে। ** ‘অভিশাপ’ কবিতা, দোলন-চাঁপা কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, প্রথম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮৫ * তুমি সুন্দর, তাই চেয়ে থাকি প্রিয়, সে কি মোর অপরাধ?<br>চাঁদেরে হেরিয়া কাঁদে চকোরিণী, বলে না তো কিছু চাঁদ।৷ ** বুলবুল কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, ষষ্ঠ খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ২৭৩ * হয়তো তোমার পাব দেখা,<br>যেখানে ঐ নত [[আকাশ]] চুমছে বনের সবুজ রেখা।৷ ** ‘আশা’ কবিতা, ‘ছায়ানট’ কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৩৪ * হেথা সবে সম পাপী<br> আপন পাপের বাটখারা দিয়ে অন্যের পাপ মাপি! ** ‘পাপ’ কবিতা, ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮৪ * আমি পরশুরামের কঠোর কুঠার,<br> নিঃক্ষত্রিয় করিব বিশ্ব, আনিব শান্তি শান্ত উদার!<br>আমি হল বলরাম-স্কন্ধে,<br>আমি উপাড়ি' ফেলিব অধীন বিশ্ব অবহেলে নব-সৃষ্টির মহানন্দে। ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, ''অগ্নি-বীণা'', প্রকাশক: আর্য্য পাবলিশিং হাউস, প্রকাশকাল: ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ, পৃষ্ঠা: ১০ * [[ভালোবাসা]] দিয়ে [[ভালোবাসা]] না পেলে তার [[জীবন]] দুঃখের ও জড়তার। * ভালোবাসাকে যে জীবনে অপমান করে সে জীবনে আর ভালোবাসা পায় না। * তোমারে যে চাহিয়াছে ভুলে একদিন, সে জানে তোমারে ভোলা কি কঠিন। * মৃত্যুর যন্ত্রণার চেয়ে বিরহের যন্ত্রণা যে কতো কঠিন,<br>কতো ভয়ানক তা একমাত্র ভুক্তভোগীই অনুভব করতে পারে। *একটা ধর্ম কখনো সঙ্কীর্ণ, অনুদার হইতে পারে না। ধর্ম সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত এবং সত্য চিরদিনই বিশ্বের সকলের কাছে সমান সত্য। কোন ধর্ম শুধু কোন এক বিশিষ্ট সম্প্রদায়ের জন্য নয়। তাহা বিশ্বের। **‘ছুঁৎমার্গ’ প্রবন্ধ ==কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে উক্তি== * কবি নজরুল যে-স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেটা শুধু তার নিজের স্বপ্ন নয় —সমগ্র বাঙালী জাতির স্বপ্ন। **[[সুভাষচন্দ্র বসু]], নজরুল স্মৃতি- বিশ্বনাথ দে সম্পাদিত, প্রকাশক- সাহিত্যম্, কলিকাতা, পৃষ্ঠা ২ * কবিরা সাধারণত কোমল ও ভীরু, কিন্তু নজরুল তা নন। কারাগারে শৃঙ্খল পরে বুকের রক্ত দিয়ে তিনি যা লিখেছেন, তা বাঙালীর প্রাণে এক নৃতন স্পন্দন জাগিয়ে তুলেছে। **[[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়]], নজরুল স্মৃতি- বিশ্বনাথ দে সম্পাদিত, প্রকাশক- সাহিত্যম্, কলিকাতা, পৃষ্ঠা ৪ * ভুল হয়ে গেছে বিলকুল<br> আর সব কিছু ভাগ হয়ে গেছে<br>ভাগ হয়নিকো নজরুল। **অন্নদাশঙ্কর রায় * [[জীবনানন্দ দাশ]] বলতেন নজরুল ইসলামের আত্মপ্রত্যয় ছিল। পরিকীর্তিত সৎ প্রেরণাই মানুষের ও শেষ বিশ্লেষণে মানুষ সমাজের মর্মকথা এই ঘোষণায় তার অপূর্ব বিশ্বাস ছিল। মনুষ্যজীবনের পরিবর্তিত অমূল্য জিনিসগুলোর উত্তরোত্তর মূল্যনাশের [[ব্যথা]] তাঁকে সন্তপ্ত করেছিল। .. তাঁর জনপ্রেম, দেশপ্রেম পূর্বোক্ত শতাব্দীর বৃহৎ ধারার সঙ্গে সত্যিই একাত্ম। পরবর্তী কবিরা এ সৌভাগ্য থেকে অনেকটা বঞ্চিত বলে আজ পর্যন্ত নজরুলকেই সত্যিকারের দেশ ও দেশীয়দের বন্ধু কবি বলে জনসাধারণ চিনে নিবে। ” “জন ও জনতার বন্ধু ও দেশপ্রেমিক কবি নজরুল। ” == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী| Kazi Nazrul Islam}} * [https://archive.org/search.php?query=%28%28subject%3A%22Islam%2C%20Kazi%20Nazrul%22%20OR%20subject%3A%22Islam%2C%20Kazi%20N%2E%22%20OR%20subject%3A%22Islam%2C%20K%2E%20N%2E%22%20OR%20subject%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20subject%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20subject%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20subject%3A%22Islam%2C%20Kazi%22%20OR%20subject%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22K%2E%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20Kazi%20Nazrul%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20Kazi%20N%2E%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20K%2E%20N%2E%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20K%2E%20Nazrul%22%20OR%20creator%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20Kazi%22%20OR%20title%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20title%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20title%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20title%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20description%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Islam%2C%20Kazi%20Nazrul%22%20OR%20description%3A%22Islam%2C%20Kazi%20N%2E%22%20OR%20description%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Islam%2C%20Kazi%22%29%20OR%20%28%221899-1976%22%20AND%20Islam%29%29%20AND%20%28-mediatype:software%29 ইন্টারনেট আর্কাইভে নজরুল ইসলাম] * [https://books.google.com/books?&as_auth=%22Nazrul+Islam+%28Kazi%29%22 নজরুল ইসলাম, গুগল বুকসে] * [http://www.kazinazrulislam.org/ কাজী নজরুল [[ইসলাম]] প্রোফাইল (বাংলায়)] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের গায়ক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সঙ্গীতজ্ঞ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বিপ্লবী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক সক্রিয়কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:অনুবাদক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় প্রাবন্ধিক]] c2mp4kzktv4wm8gkwoc25m842cey9x7 বাঙালি জাতীয়তাবাদ 0 5382 84059 75471 2026-07-31T12:38:41Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84059 wikitext text/x-wiki [[File:Pir Gazi and his tiger in Sundarbans.jpg|thumb|[[:w:পীর গাজী|পীর গাজী]] ও তার বাঘ ([[:W:রয়েল বেঙ্গল টাইগার|রয়েল বেঙ্গল টাইগার]]), [[:w:সুন্দরবন|সুন্দরবন]], [[:w:বঙ্গ|বঙ্গ]], ১৮০০ শতাব্দী]] '''[[w:বাঙালি জাতীয়তাবাদ|বাঙালি জাতীয়তাবাদ]]''' বা বাঙালিয়ানা হলো এক রাজনৈতিক অভিব্যক্তি বা জাতীয়তাবাদ যার মাধ্যমে প্রাচীন কাল থেকে দক্ষিণ এশিয়াতে বসবাসরত বাঙালি জাতি, তথা বাংলা ভাষাগত অঞ্চলের অধিবাসীদের বুঝানো হয়ে থাকে। বাঙালিরা মূলত বাংলাদেশ ও ভারতের ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বসবাস করে। বাংলাদেশের সংবিধানের আসল সংস্করণের চারটি মূল স্তম্ভের মধ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদ অন্যতম যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ সৃষ্টির পেছনে প্রধান অনুপ্রেরণা হিসাবে কাজ করছে। == উক্তি == *বাঙালি জাতীয়তাবাদ নিয়ে [[দিল্লি|দিল্লীর]] শিরঃপীড়ার কারণ আমি আগেই উল্লেখ করেছি। তারা ভয় করেছিলেন [[ধর্মনিরপেক্ষতা|সেক্যুলার]] ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারতের [[পশ্চিমবঙ্গ]], [[ত্রিপুরা]] রাজ্যসহ সকল বাংলা ভাষাভাষী এলাকায় এই জাতীয়তাবাদের ঢেউ গিয়ে পৌঁছাবে এবং অবশিষ্ট অখণ্ড ভারতের ঐক্যেও চিড় ধরাবে।...তারা চাচ্ছিলেন, ভারতের পূর্বাঞ্চলে একটি দুর্বল মুসলিম স্টেট প্রতিবেশী হিসেবে থাকুক, যে রাষ্ট্রের প্রতি পশ্চিমবঙ্গ বা ত্রিপুরার অমুসলিম বাঙালিরা কোনো অনুরাগ বা আনুগত্য পোষণ করবে না; বরং মুসলিম জাতীয়তা ও মুসলিম গরিষ্ঠতার সঙ্গে যুক্ত হতে তারা ভয় পাবে; পাকিস্তানী শাসনামলের কথা স্মরণ করবে। ** [[আবদুল গাফফার চৌধুরী]]। "আমরা বাংলাদেশী না বাঙালি?", প্রকাশক: অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনী, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩, পৃষ্ঠা: ৩৪-৩৫ *সংবিধানে নিজের জনসাধারণকে '[[বাঙালি জাতি|বাঙালী]]' হিসেবে আখ্যা দিয়ে [[শেখ মুজিবুর রহমান|শেখ মুজিব]] ৭২ সালে [[দিল্লি|দিল্লীর]] বিরক্তির কারণ হয়েছিলেন। ভারতীয়দের মনে হয়েছিলো, "[[বাঙালি জাতীয়তাবাদ|বাঙালী জাতীয়তাবাদ]]” এর এই আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনী ভবিষ্যতে কোনো এক সময় তাদের "[[পশ্চিমবঙ্গ]]” রাজ্য নিয়েও অযাচিত ঝামেলা সৃষ্টি করতে পারে। তাই [[জিয়াউর রহমান|জিয়া]] কর্তৃক '[[বাংলাদেশী]]' নামকরণের ব্যাপারটি তাদের কাছে স্বাদরে গৃহীত হয়েছিলো এবং সংবিধানের ইসলামিকরণের প্রচেষ্টাকে এর ভারসাম্য হিসেবে তাদেরকে মেনে নিতে সাহায্য করেছিলো। **এন্থনি মাস্কারেনহাস। Bangladesh: A legacy of blood, পৃষ্ঠা ১২৫ * বাঙালি জাতীয়তাবাদের স্বপ্ন হওয়া উচিত সব বাঙালির জন্য একটি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা। এ ধরনের সমালোচকেরা মনে করেন যে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ [[যুক্তবঙ্গ|যুক্ত বাংলা]] চায় না। কাজেই বাঙালি জাতীয়তাবাদ নামকরণ মোটেও যুক্তিযুক্ত নয়। এই ঘরানার রাজনীতিবিদেরা তাই বাঙালি জাতীয়তাবাদের বদলে [[বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ|বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ]] প্রতিস্থাপন করতে চান। ** [[আকবর আলি খান]]। ''অবাক বাংলাদেশ: বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি'', প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন, প্রকাশকাল: অক্টোবর ২০১৮, পৃষ্ঠা: ৬৫ * ওটা নিয়ে ভারতে বেশ উদ্বেগ ছিল। বাংলাদেশের [[মুক্তিযুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধে]] সমর্থন দেওয়ায় ভারতে অনেকেই [[ইন্দিরা গান্ধী|ইন্দিরা গান্ধীর]] সমালোচনা করেছিলেন। তাঁদের মতে, [[বাঙালি]] পরিচয়টি খুব বেশি শক্তিশালী হলে [[পশ্চিমবঙ্গ|পশ্চিমবঙ্গও]] এ রকম কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার চিন্তা করতে পারে। এই প্রেক্ষাপটেই পরিচয়ের প্রশ্নটি তখন সামনে চলে এসেছিল। ** ভেদ মারওয়া, ভারতীয় কূটনীতিক। বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভারতের অভ্যন্তরীণ উদ্বেগ প্রসঙ্গে; ২০০৮ সালে দেওয়া এক [https://web.archive.org/web/20250524215724/https://www.prothomalo.com/special-supplement/%E2%80%98%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E2%80%99 সাক্ষাৎকারে]। * বাঙলা আজো অনেকের অস্বস্তি। কোনদিন আবারো যেন বাঙালি জেগে না ওঠে। [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] চাইতে বাঙলা [[ভারত|ভারতের]] কাছে বেশী অসস্তির। কারণ বাঙলা তাঁদের জন্য ইডিওলজিক্যাল থ্র্যাট। বাংলাদেশ সম্পদে, মর্যাদায়, উন্নয়নে, গনতান্ত্রিক চেতনায়, বিজ্ঞানে, শিল্পে, খেলায় যদি তাক লাগিয়ে দিতে পারে তবে সেটা বহু ভাষাভাষী, বহু জাতির এই ফেডারেশনের জন্য অশনি সংকেত। [[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম নৃভাষিক জাতি এবং নিঃসন্দেহে ভারতীয় উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ জাতি। ইতিহাসের কোন মহা লগ্নে যদি বাঙালী তার স্টেইক ও স্টেইটাস দাবী করে বসে তাহলে কার বিপদ? আপনারাই ভেবে দেখুন। এই বিপদ যেন না ঘটে তাই এতো অসংখ্য বিভক্তিকে উস্কে দিয়ে জিয়িয়ে রেখে বাংলাকে দুর্বল করা হয়েছে এবং হচ্ছে। বাঙালি যেদিন বুঝতে পারবে সে কেন বিভক্ত, সেটাই ইতিহাসের সেই মহালগ্ন। ** [[পিনাকী ভট্টাচার্য]], ২০১৮ সালের ১৩ অক্টোবর নিজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক লেখায়। [https://web.archive.org/web/20250315103719/https://pbhattacharya.com/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9D%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87/] *খণ্ডিত বাংলাদেশে বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে না। বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করতে হলে দুই বাংলায় মিলন ঘটাতে হবে এবং খণ্ডিত বাঙালি সংস্কৃতিকেও ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। **[[সত্যজিৎ রায়]]।[https://samakal.com/editorial-subeditorial/article/95604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8] *বাঙালি জাতীয়তাবাদ না থাকলে আমাদের স্বাধীনতার অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। **[[শেখ মুজিবুর রহমান]] [https://www.jugantor.com/todays-paper/tutorials/255355/%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF--%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8] *জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে বাঙালি জাতি ঝাঁপিয়ে পড়েছিল অসম মরণ সংগ্রামে। জাতীয়তাবাদ না হলে কোন জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। এই মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে আমরা এগিয়ে গিয়েছি। ... এই যে জাতীয়তাবাদ, সে সম্পর্কে আমি একটা কথা বলতে চাই। ভাষাই বলুন, শিক্ষাই বলুন, সভ্যতাই বলুন আর কৃষ্টিই বলুন, সকলের সাথে একটা জিনিস রয়েছে, সেটা হলো অনুভূতি। ... অনেক দেশ আছে একই ভাষা, একই ধর্ম, একই সবকিছু, কিন্তু সেখানে বিভিন্ন জাতি গড়ে উঠেছে, তারা একটি জাতিতে পরিণত হতে পারে নাই। জাতীয়তাবাদ নির্ভর করে অনুভূতির ওপর। আজ বাঙ্গালি জাতি রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, এই সংগ্রাম হয়েছিল যার ওপর ভিত্তি করে সেই অনুভূতি আছে বলেই আজকে আমি বাঙালি, আমার বাঙালি জাতীয়তাবাদ। **গণপরিষদে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক প্রদত্ত ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বরের ভাষণ। * পাকিস্তান সৃষ্টির পর পরই ঐতিহাসিক ঢাকা নগরীতে [[মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ|মি. জিন্না]] যেদিন ঘোষণা করলেন, [[উর্দু]] এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা— আমার মতে, ঠিক সে দিনই বাঙালি হৃদয়ে অংকুরিত হয়েছিল [[বাঙালি জাতীয়তাবাদ]]। জন্ম হয়েছিল [[বাঙালি জাতি|বাঙালি জাতির]]। পাকিস্তানের স্রষ্টা নিজেই ঠিক সেদিনই অস্বাভাবিক রাষ্ট্র পাকিস্তানের ধ্বংসের বীজটাও বপন করে গিয়েছিলেন— এই ঢাকার ময়দানেই। এই ঐতিহসিক নগরী ঢাকাতেই মি. জিন্না অত্যন্ত নগ্নভবে পদদলিত করেছিলেন আমাদের জনগণের জন্মগত অধিকার। আর এই ঐতিহাসিক ঢাকা নগরীতেই চূড়ান্তভাবে খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে গেলো তার সাধের [[পাকিস্তান]]। ** [[জিয়াউর রহমান]]। "একটি জাতির জন্ম", জিয়া স্টাডি সেল কর্তৃক প্রকাশিত, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০০২, পৃষ্ঠা: ৩ * বাঙালির জীবন-বিকাশের ইতিহাস দীর্ঘকালের। সুলতানী আমলে বাংলাভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্মেষ ঘটে। এই সুলতানী আমলেই 'বাঙালি জাতীয়তাবাদ'-এর 'অঙ্কুর' রোপিত হয়। এ সময়েই বাংলা 'রাজকীয় ভাষা' হিসেবে ব্যবহৃত হতে আমরা দেখি। ** [[সিরাজুল আলম খান]]। "বাঙালির জাতীয় রাষ্ট্র", প্রকাশক: ইন্টারন্যাশনাল হিস্টোরিক্যাল নেটওয়ার্ক (আইএইচএন), প্রথম প্রকাশ: জুলাই ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৫ * ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু আদিবাসীদের যে অর্থে বাঙালি হয়ে যেতে আহ্বান জানিয়েছিলেন সেটারও ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। এখানে মনে রাখতে হবে ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সাংসদদের গণশপথ অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু একই আহ্বান জানিয়েছিলেন এই দেশে বসবাসরত বিহারী ও অবাঙালিদের প্রতিও। তাদের বলেছিলেন- "আপনারা [[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] হয়ে যান, নিজেদের পাকিস্তানিদের মতো না ভেবে মিশে যান এ দেশের মানুষের সঙ্গে। এই মাটিকে আপন ভাবতে শিখুন, এই দেশের মানুষকে আপন ভাবতে শিখুন। তারাও আপনাদের আপন করে নেবে।"...'''মোদ্দাকথা হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর যে আহ্বান বাঙালি হওয়ার, সেখানে উপজাতিদের রাজনৈতিক বাঙালি হতে বলা হয়েছে। নৃতাত্ত্বিক বাঙালি না'''।...পৃথক জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চেয়ে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা এই সংবিধানে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করার পর তার সেই ভুল ভাঙ্গে। তিনি নিশ্চিত হয়েছিলেন বাঙালি জাতীয়তাবাদের আওতায় তাদের নৃগোষ্ঠির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য বিপন্ন হবে না। সেসময় জাতীয় প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশ বেতারে চাকমা ও মারমা ভাষায় খবর পাঠ ও প্রতিবেদন প্রচার শুরু হয়েছিল। লারমা বাকশালে যোগ দিয়েছিলেন চাকমাদের ওপর যুগ যুগ ধরে চলে আসা নিপীড়ণ, বৈষম্য দূর করার জন্য বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করার শপথ নিয়ে। ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে পাহাড়ে কি [[বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ|বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে]] সমর্থন দিয়েছিল চাকমারা? সেবার বিজয়ী উপেন্দ্রলাল চাকমা এবং অংশু প্রু চৌধুরীর বিপরীতে সর্বনিম্ন অবস্থানে ছিল এই জাতীয়তাবাদের প্রার্থী। তারপরই শুরু পাহাড়ে বাঙালি সেটলারদের আগ্রাসন। [[জিয়াউর রহমান|জিয়ার]] জানা হয়ে গিয়েছিল পাহাড়ের জনমত। বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তিই যেখানে [[অসাম্প্রদায়িকতাবাদ|অসাম্প্রদায়িকতা]] সেখানে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ পুরোপুরি সাম্প্রদায়িক একটি উপাখ্যান মাত্র। [[ধর্মনিরপেক্ষতা|ধর্ম নিরেপক্ষতা]] বাদ দিয়ে রাষ্ট্রকে ধর্মীয় রূপ দিয়ে সকল অমুসলিম নাগরিককে দ্বিতীয় শ্রেণির বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ** অমি রহমান পিয়াল। [https://web.archive.org/web/20250315103157/https://bangla.bdnews24.com/opinion/57947 প্রসঙ্গ বাঙালি জাতীয়তাবাদ] , বিডিনিউজ ২৪ ডটকম, ২৭ ডিসেম্বর ২০১১। == আরও দেখুন == * [[বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ]] [[বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গ]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয়তাবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি জাতীয়তাবাদ]] 4tlqji3vglvmw0n3bxydm6u3b6f1g68 84060 84059 2026-07-31T12:58:27Z ফারদিন 52 84060 wikitext text/x-wiki [[File:Map of Bengal.svg|thumb|বাঙালি জাতীয়তাবাদের স্বপ্ন হওয়া উচিত সব বাঙালির জন্য একটি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা।<br> — আকবর আলি খান]] '''[[w:বাঙালি জাতীয়তাবাদ|বাঙালি জাতীয়তাবাদ]]''' বা বাঙালিয়ানা হলো এক রাজনৈতিক অভিব্যক্তি বা জাতীয়তাবাদ যার মাধ্যমে প্রাচীন কাল থেকে দক্ষিণ এশিয়াতে বসবাসরত বাঙালি জাতি, তথা বাংলা ভাষাগত অঞ্চলের অধিবাসীদের বুঝানো হয়ে থাকে। বাঙালিরা মূলত বাংলাদেশ ও ভারতের ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বসবাস করে। বাংলাদেশের সংবিধানের আসল সংস্করণের চারটি মূল স্তম্ভের মধ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদ অন্যতম যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ সৃষ্টির পেছনে প্রধান অনুপ্রেরণা হিসাবে কাজ করছে। == উক্তি == *বাঙালি জাতীয়তাবাদ নিয়ে [[দিল্লি|দিল্লীর]] শিরঃপীড়ার কারণ আমি আগেই উল্লেখ করেছি। তারা ভয় করেছিলেন [[ধর্মনিরপেক্ষতা|সেক্যুলার]] ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারতের [[পশ্চিমবঙ্গ]], [[ত্রিপুরা]] রাজ্যসহ সকল বাংলা ভাষাভাষী এলাকায় এই জাতীয়তাবাদের ঢেউ গিয়ে পৌঁছাবে এবং অবশিষ্ট অখণ্ড ভারতের ঐক্যেও চিড় ধরাবে।...তারা চাচ্ছিলেন, ভারতের পূর্বাঞ্চলে একটি দুর্বল মুসলিম স্টেট প্রতিবেশী হিসেবে থাকুক, যে রাষ্ট্রের প্রতি পশ্চিমবঙ্গ বা ত্রিপুরার অমুসলিম বাঙালিরা কোনো অনুরাগ বা আনুগত্য পোষণ করবে না; বরং মুসলিম জাতীয়তা ও মুসলিম গরিষ্ঠতার সঙ্গে যুক্ত হতে তারা ভয় পাবে; পাকিস্তানী শাসনামলের কথা স্মরণ করবে। ** [[আবদুল গাফফার চৌধুরী]]। "আমরা বাংলাদেশী না বাঙালি?", প্রকাশক: অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনী, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩, পৃষ্ঠা: ৩৪-৩৫ *সংবিধানে নিজের জনসাধারণকে '[[বাঙালি জাতি|বাঙালী]]' হিসেবে আখ্যা দিয়ে [[শেখ মুজিবুর রহমান|শেখ মুজিব]] ৭২ সালে [[দিল্লি|দিল্লীর]] বিরক্তির কারণ হয়েছিলেন। ভারতীয়দের মনে হয়েছিলো, "[[বাঙালি জাতীয়তাবাদ|বাঙালী জাতীয়তাবাদ]]” এর এই আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনী ভবিষ্যতে কোনো এক সময় তাদের "[[পশ্চিমবঙ্গ]]” রাজ্য নিয়েও অযাচিত ঝামেলা সৃষ্টি করতে পারে। তাই [[জিয়াউর রহমান|জিয়া]] কর্তৃক '[[বাংলাদেশী]]' নামকরণের ব্যাপারটি তাদের কাছে স্বাদরে গৃহীত হয়েছিলো এবং সংবিধানের ইসলামিকরণের প্রচেষ্টাকে এর ভারসাম্য হিসেবে তাদেরকে মেনে নিতে সাহায্য করেছিলো। **এন্থনি মাস্কারেনহাস। Bangladesh: A legacy of blood, পৃষ্ঠা ১২৫ * বাঙালি জাতীয়তাবাদের স্বপ্ন হওয়া উচিত সব বাঙালির জন্য একটি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা। এ ধরনের সমালোচকেরা মনে করেন যে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ [[যুক্তবঙ্গ|যুক্ত বাংলা]] চায় না। কাজেই বাঙালি জাতীয়তাবাদ নামকরণ মোটেও যুক্তিযুক্ত নয়। এই ঘরানার রাজনীতিবিদেরা তাই বাঙালি জাতীয়তাবাদের বদলে [[বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ|বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ]] প্রতিস্থাপন করতে চান। ** [[আকবর আলি খান]]। ''অবাক বাংলাদেশ: বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি'', প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন, প্রকাশকাল: অক্টোবর ২০১৮, পৃষ্ঠা: ৬৫ * ওটা নিয়ে ভারতে বেশ উদ্বেগ ছিল। বাংলাদেশের [[মুক্তিযুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধে]] সমর্থন দেওয়ায় ভারতে অনেকেই [[ইন্দিরা গান্ধী|ইন্দিরা গান্ধীর]] সমালোচনা করেছিলেন। তাঁদের মতে, [[বাঙালি]] পরিচয়টি খুব বেশি শক্তিশালী হলে [[পশ্চিমবঙ্গ|পশ্চিমবঙ্গও]] এ রকম কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার চিন্তা করতে পারে। এই প্রেক্ষাপটেই পরিচয়ের প্রশ্নটি তখন সামনে চলে এসেছিল। ** ভেদ মারওয়া, ভারতীয় কূটনীতিক। বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভারতের অভ্যন্তরীণ উদ্বেগ প্রসঙ্গে; ২০০৮ সালে দেওয়া এক [https://web.archive.org/web/20250524215724/https://www.prothomalo.com/special-supplement/%E2%80%98%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E2%80%99 সাক্ষাৎকারে]। * বাঙলা আজো অনেকের অস্বস্তি। কোনদিন আবারো যেন বাঙালি জেগে না ওঠে। [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] চাইতে বাঙলা [[ভারত|ভারতের]] কাছে বেশী অসস্তির। কারণ বাঙলা তাঁদের জন্য ইডিওলজিক্যাল থ্র্যাট। বাংলাদেশ সম্পদে, মর্যাদায়, উন্নয়নে, গনতান্ত্রিক চেতনায়, বিজ্ঞানে, শিল্পে, খেলায় যদি তাক লাগিয়ে দিতে পারে তবে সেটা বহু ভাষাভাষী, বহু জাতির এই ফেডারেশনের জন্য অশনি সংকেত। [[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম নৃভাষিক জাতি এবং নিঃসন্দেহে ভারতীয় উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ জাতি। ইতিহাসের কোন মহা লগ্নে যদি বাঙালী তার স্টেইক ও স্টেইটাস দাবী করে বসে তাহলে কার বিপদ? আপনারাই ভেবে দেখুন। এই বিপদ যেন না ঘটে তাই এতো অসংখ্য বিভক্তিকে উস্কে দিয়ে জিয়িয়ে রেখে বাংলাকে দুর্বল করা হয়েছে এবং হচ্ছে। বাঙালি যেদিন বুঝতে পারবে সে কেন বিভক্ত, সেটাই ইতিহাসের সেই মহালগ্ন। ** [[পিনাকী ভট্টাচার্য]], ২০১৮ সালের ১৩ অক্টোবর নিজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক লেখায়। [https://web.archive.org/web/20250315103719/https://pbhattacharya.com/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9D%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87/] *খণ্ডিত বাংলাদেশে বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে না। বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করতে হলে দুই বাংলায় মিলন ঘটাতে হবে এবং খণ্ডিত বাঙালি সংস্কৃতিকেও ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। **[[সত্যজিৎ রায়]]।[https://samakal.com/editorial-subeditorial/article/95604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8] *বাঙালি জাতীয়তাবাদ না থাকলে আমাদের স্বাধীনতার অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। **[[শেখ মুজিবুর রহমান]] [https://www.jugantor.com/todays-paper/tutorials/255355/%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF--%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8] *জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে বাঙালি জাতি ঝাঁপিয়ে পড়েছিল অসম মরণ সংগ্রামে। জাতীয়তাবাদ না হলে কোন জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। এই মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে আমরা এগিয়ে গিয়েছি। ... এই যে জাতীয়তাবাদ, সে সম্পর্কে আমি একটা কথা বলতে চাই। ভাষাই বলুন, শিক্ষাই বলুন, সভ্যতাই বলুন আর কৃষ্টিই বলুন, সকলের সাথে একটা জিনিস রয়েছে, সেটা হলো অনুভূতি। ... অনেক দেশ আছে একই ভাষা, একই ধর্ম, একই সবকিছু, কিন্তু সেখানে বিভিন্ন জাতি গড়ে উঠেছে, তারা একটি জাতিতে পরিণত হতে পারে নাই। জাতীয়তাবাদ নির্ভর করে অনুভূতির ওপর। আজ বাঙ্গালি জাতি রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, এই সংগ্রাম হয়েছিল যার ওপর ভিত্তি করে সেই অনুভূতি আছে বলেই আজকে আমি বাঙালি, আমার বাঙালি জাতীয়তাবাদ। **গণপরিষদে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক প্রদত্ত ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বরের ভাষণ। * পাকিস্তান সৃষ্টির পর পরই ঐতিহাসিক ঢাকা নগরীতে [[মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ|মি. জিন্না]] যেদিন ঘোষণা করলেন, [[উর্দু]] এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা— আমার মতে, ঠিক সে দিনই বাঙালি হৃদয়ে অংকুরিত হয়েছিল [[বাঙালি জাতীয়তাবাদ]]। জন্ম হয়েছিল [[বাঙালি জাতি|বাঙালি জাতির]]। পাকিস্তানের স্রষ্টা নিজেই ঠিক সেদিনই অস্বাভাবিক রাষ্ট্র পাকিস্তানের ধ্বংসের বীজটাও বপন করে গিয়েছিলেন— এই ঢাকার ময়দানেই। এই ঐতিহসিক নগরী ঢাকাতেই মি. জিন্না অত্যন্ত নগ্নভবে পদদলিত করেছিলেন আমাদের জনগণের জন্মগত অধিকার। আর এই ঐতিহাসিক ঢাকা নগরীতেই চূড়ান্তভাবে খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে গেলো তার সাধের [[পাকিস্তান]]। ** [[জিয়াউর রহমান]]। "একটি জাতির জন্ম", জিয়া স্টাডি সেল কর্তৃক প্রকাশিত, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০০২, পৃষ্ঠা: ৩ * বাঙালির জীবন-বিকাশের ইতিহাস দীর্ঘকালের। সুলতানী আমলে বাংলাভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্মেষ ঘটে। এই সুলতানী আমলেই 'বাঙালি জাতীয়তাবাদ'-এর 'অঙ্কুর' রোপিত হয়। এ সময়েই বাংলা 'রাজকীয় ভাষা' হিসেবে ব্যবহৃত হতে আমরা দেখি। ** [[সিরাজুল আলম খান]]। "বাঙালির জাতীয় রাষ্ট্র", প্রকাশক: ইন্টারন্যাশনাল হিস্টোরিক্যাল নেটওয়ার্ক (আইএইচএন), প্রথম প্রকাশ: জুলাই ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৫ * ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু আদিবাসীদের যে অর্থে বাঙালি হয়ে যেতে আহ্বান জানিয়েছিলেন সেটারও ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। এখানে মনে রাখতে হবে ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সাংসদদের গণশপথ অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু একই আহ্বান জানিয়েছিলেন এই দেশে বসবাসরত বিহারী ও অবাঙালিদের প্রতিও। তাদের বলেছিলেন- "আপনারা [[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] হয়ে যান, নিজেদের পাকিস্তানিদের মতো না ভেবে মিশে যান এ দেশের মানুষের সঙ্গে। এই মাটিকে আপন ভাবতে শিখুন, এই দেশের মানুষকে আপন ভাবতে শিখুন। তারাও আপনাদের আপন করে নেবে।"...'''মোদ্দাকথা হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর যে আহ্বান বাঙালি হওয়ার, সেখানে উপজাতিদের রাজনৈতিক বাঙালি হতে বলা হয়েছে। নৃতাত্ত্বিক বাঙালি না'''।...পৃথক জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চেয়ে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা এই সংবিধানে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করার পর তার সেই ভুল ভাঙ্গে। তিনি নিশ্চিত হয়েছিলেন বাঙালি জাতীয়তাবাদের আওতায় তাদের নৃগোষ্ঠির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য বিপন্ন হবে না। সেসময় জাতীয় প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশ বেতারে চাকমা ও মারমা ভাষায় খবর পাঠ ও প্রতিবেদন প্রচার শুরু হয়েছিল। লারমা বাকশালে যোগ দিয়েছিলেন চাকমাদের ওপর যুগ যুগ ধরে চলে আসা নিপীড়ণ, বৈষম্য দূর করার জন্য বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করার শপথ নিয়ে। ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে পাহাড়ে কি [[বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ|বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে]] সমর্থন দিয়েছিল চাকমারা? সেবার বিজয়ী উপেন্দ্রলাল চাকমা এবং অংশু প্রু চৌধুরীর বিপরীতে সর্বনিম্ন অবস্থানে ছিল এই জাতীয়তাবাদের প্রার্থী। তারপরই শুরু পাহাড়ে বাঙালি সেটলারদের আগ্রাসন। [[জিয়াউর রহমান|জিয়ার]] জানা হয়ে গিয়েছিল পাহাড়ের জনমত। বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তিই যেখানে [[অসাম্প্রদায়িকতাবাদ|অসাম্প্রদায়িকতা]] সেখানে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ পুরোপুরি সাম্প্রদায়িক একটি উপাখ্যান মাত্র। [[ধর্মনিরপেক্ষতা|ধর্ম নিরেপক্ষতা]] বাদ দিয়ে রাষ্ট্রকে ধর্মীয় রূপ দিয়ে সকল অমুসলিম নাগরিককে দ্বিতীয় শ্রেণির বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ** অমি রহমান পিয়াল। [https://web.archive.org/web/20250315103157/https://bangla.bdnews24.com/opinion/57947 প্রসঙ্গ বাঙালি জাতীয়তাবাদ] , বিডিনিউজ ২৪ ডটকম, ২৭ ডিসেম্বর ২০১১। == আরও দেখুন == * [[বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ]] [[বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গ]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয়তাবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি জাতীয়তাবাদ]] 0wqr1x5luq43q0jhjmgsdou8ubm4nyx ব্যবহারকারী:ফারদিন/খেলাঘর 2 8643 84069 72259 2026-07-31T17:24:01Z ফারদিন 52 84069 wikitext text/x-wiki <pre>{{কবিতা |মূল = |উৎস = }}</pre> <inputbox> type=create width=30 placeholder=শিরোনাম লিখুন (উদা: কাজী নজরুল ইসলাম) </inputbox> <inputbox> width=30 type=search</inputbox> == প্রয়োজনীয় লিঙ্ক == * [https://ytools.toolforge.org/wc/ শব্দ গণনা] * [https://tools.wmflabs.org/userviews/?project=bn.wikipedia.org একজন ব্যবহারকারী কর্তৃক তৈরিকৃত সব পাতার পাতা পরিদর্শনের বিশ্লেষণ] *[https://xtools.wmcloud.org/pageinfo/bn.wikiquote.org Contributors] – সম্পাদনার তালিকা তৈরী করে অনেকটা History পাতার মত, বিশেষ সুবিধা হল অংশগ্রহনকারীর অবদানের পরিমান অনুযায়ী তালিকা তৈরী করে , বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে দল তৈরী করা যায় *[https://bnwikiquote.wikiscan.org/ wikiscan] * [https://xtools.wmflabs.org/ xtools] * [https://bn.m.wikipedia.org/wiki/ব্যবহারকারী:ফারদিন/পরীক্ষাগার পরীক্ষাগার] * [https://web.archive.org/save আর্কাইভ] * [https://xtools.wmcloud.org/pages/bn.wikiquote.org/ তৈরিকৃত নিবন্ধ] * [[উইকিউক্তি:টহলঘর]] * [[উইকিউক্তি:উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫]] * [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]] <!--== তারিখের সাথে মিল রেখে/বিশেষ সময়ে আমার তৈরিকৃত নিবন্ধ == # [[লাহোর প্রস্তাব]], ২৩ মার্চ ২০২৫ # [[বদরের যুদ্ধ]], ১৭ রমজান ২০২৫ # [[শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন]] ১৭ মার্চ ২০২৫ # [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা]] # [[এপ্রিল ফুল]] ১ এপ্রিল ২০২৫ # [[আকাশগঙ্গা ছায়াপথ]] ২৫০০ তম সম্পাদনা এই নিবন্ধটি তৈরির মাধ্যমে # [[পোপ ফ্রান্সিস]] # [[রথযাত্রা]] ২০২৫ সালের রথযাত্রার দিন # [[ভারতে বাঙালি বিরোধী মনোভাব]] - [https://bn.m.wikiquote.org/w/index.php?title=ভারতে_বাঙালি_বিরোধী_মনোভাব&oldid=69173 ১০০০০ তম] বৈশ্বিক সম্পাদনা, ২৯০০ তম bnwikiquote # [[ঈদে মিলাদুন্নবী]] #বদরুদ্দীন উমর--> == নতুন উক্তির পাতা তৈরি করা == আপনি যে পাতাটি তৈরি করতে চাইছেন, সেই পাতাটির নাম নিচের বাক্সে লিখুন। তারপর '''পাতা তৈরি করুন''' ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর, আপনাকে একটি নতুন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে ও তাতে একটি বাক্স দেওয়া থাকবে। বাক্সে উক্তি লিখুন ও উক্ত পাতাটি প্রকাশ করুন। নতুন উক্তির পাতা প্রকাশের পর, উক্ত পাতায় থাকা কলম আইকনে ক্লিক করে আপনি উক্ত পাতাটি আবার সম্পাদনা করতে পারবেন।<inputbox> type=create Preload=টেমপ্লেট:নতুন_পাতা_তৈরি width=30 placeholder=শিরোনাম লিখুন (উদা: কাজী নজরুল ইসলাম) </inputbox> <inputbox> type=create width=30 placeholder=শিরোনাম লিখুন (উদা: কাজী নজরুল ইসলাম) </inputbox> {{প্রতিযোগিতা শব্দগণনা ছক |1= পূর্ববঙ্গ |2= 800 |3= শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় |4= 680 |5= যুক্তবঙ্গ |6= 500 |7= কার্ল সেগান |8= 850 |9= আর্কিমিডিস |10= |11= সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় |12= |13= কবিতা |14=... এভাবে যতখুশি যোগ করা যাবে}} https://www.etvbharat.com/english/state/telangana/if-we-lose-to-pakistan-ghazwa-e-hind-will-come-to-india-balochistan-pm-in-exile-naela-quadri/na20230802180644613613699 7et5mvxrjcp8zwe7oq4g40skojsogu3 84072 84069 2026-07-31T18:05:45Z ফারদিন 52 [[Special:Contributions/ফারদিন|ফারদিন]] ([[User talk:ফারদিন|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/84069|84069]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে 84072 wikitext text/x-wiki <pre>{{কবিতা |মূল = |উৎস = }}</pre> <inputbox> type=create width=30 placeholder=শিরোনাম লিখুন (উদা: কাজী নজরুল ইসলাম) </inputbox> <inputbox> width=30 type=search</inputbox> == প্রয়োজনীয় লিঙ্ক == * [https://ytools.toolforge.org/wc/ শব্দ গণনা] * [https://tools.wmflabs.org/userviews/?project=bn.wikipedia.org একজন ব্যবহারকারী কর্তৃক তৈরিকৃত সব পাতার পাতা পরিদর্শনের বিশ্লেষণ] *[https://xtools.wmcloud.org/pageinfo/bn.wikiquote.org Contributors] – সম্পাদনার তালিকা তৈরী করে অনেকটা History পাতার মত, বিশেষ সুবিধা হল অংশগ্রহনকারীর অবদানের পরিমান অনুযায়ী তালিকা তৈরী করে , বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে দল তৈরী করা যায় *[https://bnwikiquote.wikiscan.org/ wikiscan] * [https://xtools.wmflabs.org/ xtools] * [https://bn.m.wikipedia.org/wiki/ব্যবহারকারী:ফারদিন/পরীক্ষাগার পরীক্ষাগার] * [https://web.archive.org/save আর্কাইভ] * [https://xtools.wmcloud.org/pages/bn.wikiquote.org/ তৈরিকৃত নিবন্ধ] * [[উইকিউক্তি:টহলঘর]] * [[উইকিউক্তি:উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫]] * [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]] <!--== তারিখের সাথে মিল রেখে/বিশেষ সময়ে আমার তৈরিকৃত নিবন্ধ == # [[লাহোর প্রস্তাব]], ২৩ মার্চ ২০২৫ # [[বদরের যুদ্ধ]], ১৭ রমজান ২০২৫ # [[শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন]] ১৭ মার্চ ২০২৫ # [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা]] # [[এপ্রিল ফুল]] ১ এপ্রিল ২০২৫ # [[আকাশগঙ্গা ছায়াপথ]] ২৫০০ তম সম্পাদনা এই নিবন্ধটি তৈরির মাধ্যমে # [[পোপ ফ্রান্সিস]] # [[রথযাত্রা]] ২০২৫ সালের রথযাত্রার দিন # [[ভারতে বাঙালি বিরোধী মনোভাব]] - [https://bn.m.wikiquote.org/w/index.php?title=ভারতে_বাঙালি_বিরোধী_মনোভাব&oldid=69173 ১০০০০ তম] বৈশ্বিক সম্পাদনা, ২৯০০ তম bnwikiquote # [[ঈদে মিলাদুন্নবী]] #বদরুদ্দীন উমর--> == নতুন উক্তির পাতা তৈরি করা == আপনি যে পাতাটি তৈরি করতে চাইছেন, সেই পাতাটির নাম নিচের বাক্সে লিখুন। তারপর '''পাতা তৈরি করুন''' ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর, আপনাকে একটি নতুন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে ও তাতে একটি বাক্স দেওয়া থাকবে। বাক্সে উক্তি লিখুন ও উক্ত পাতাটি প্রকাশ করুন। নতুন উক্তির পাতা প্রকাশের পর, উক্ত পাতায় থাকা কলম আইকনে ক্লিক করে আপনি উক্ত পাতাটি আবার সম্পাদনা করতে পারবেন।<inputbox> type=create Preload=টেমপ্লেট:নতুন_পাতা_তৈরি width=30 placeholder=শিরোনাম লিখুন (উদা: কাজী নজরুল ইসলাম) </inputbox> <inputbox> type=create width=30 placeholder=শিরোনাম লিখুন (উদা: কাজী নজরুল ইসলাম) </inputbox> {{প্রতিযোগিতা শব্দগণনা ছক |1= পূর্ববঙ্গ |2= 800 |3= শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় |4= 680 |5= যুক্তবঙ্গ |6= 500 |7= কার্ল সেগান |8= 850 |9= আর্কিমিডিস |10= |11= সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় |12= |13= কবিতা |14=... এভাবে যতখুশি যোগ করা যাবে}} d4u4wongr1gzz16oxnlfgznf5j9xwa8 বেলুচিস্তান (পাকিস্তান) 0 9038 84070 54424 2026-07-31T17:36:17Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ 84070 wikitext text/x-wiki '''[[w:বেলুচিস্তান|বেলুচিস্তান]]''' (উর্দু: بلوچستان, বেলুচি: بلۏچستان) দক্ষিণ-পশ্চিম পাকিস্তানের একটি প্রদেশ। ভৌগোলিক দিক থেকে পাকিস্তানের বৃহত্তম এই প্রদেশটির আয়তন ৩,৪৭,১৯০ বর্গকিলোমিটার এবং এটি পাকিস্তানের মোট আয়তনের প্রায় ৪৮% গঠন করেছে। বালুচ জাতির লোকদের নামে অঞ্চলটির নামকরণ করা হয়েছে। এটি উত্তর-পূর্বে খাইবার পাখতুনখোয়া, পূর্বে পাঞ্জাব এবং দক্ষিণ-পূর্বে সিন্ধু পাকিস্তানের প্রদেশগুলির দ্বারা সীমাবদ্ধ; পশ্চিমে ইরান (ইরানি বেলুচিস্তান) এবং উত্তরে আফগানিস্তানের সাথে আন্তর্জাতিক সীমানা ভাগ করে; এবং দক্ষিণে আরব সাগর দ্বারা আবদ্ধ। == উক্তি == * তারা ([[বাংলাদেশ]]) স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্র পাকিস্তান থেকে তাদের স্বাধীনতা অর্জন করেছিল সাহসী সংগ্রাম আর আত্মত্যাগের মাধ্যমে। বালুচ জাতি একই ধরণের বিজয়ের প্রত্যাশা করে এবং আমরা আশা করি শীঘ্রই এই বিজয় আমরা অর্জন করবো। ** ২০১৭ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বালুচিস্তান রিপাবলিকান পার্টির নেতা, ব্রহুমদাগ বুগটি এক টুইটে বাংলাদেশকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে। [https://www.bbc.com/bengali/news-53226152] * বেলুচিস্তান একটি স্বাধীন দেশ ছিল এবং আমরা আমাদের সেই স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনবই। তাতে ১০০ বছর লাগুক বা ১,০০০ বছর, বেলুচরা তাদের দেশ ফিরিয়ে নেবেই—আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি। আমরা আর কারও গোলামি মেনে নিতে পারি না। ** নায়েলা কাদরি বেলুচ। রাকেশ ত্রিপাঠীর সঙ্গে [https://ghostarchive.org/archive/FBoYj সাক্ষাৎকারে], ইটিভি ভারত (২ আগস্ট ২০২৩) * বালুচিস্তান কিন্তু কোনোভাবেই পাকিস্তানে যোগদানের পক্ষে ছিল না। পাকিস্তান তো জোর করে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেছে। কালাতের খান (শাসক) চেয়েছিলেন স্বাধীন '''কালাত''', কিন্তু পাকিস্তান তা চায়নি। ছোট ছোট স্বাধীন রাজ্যগুলোর পক্ষে স্বাধীন থাকা এত সহজ ছিল না। ** পাকিস্তানের ইতিহাসবিদ মোবারক আলী [https://www.bbc.com/bengali/articles/cqlyggg67lro] *** {{ছোট|ভারতবর্ষ ভাগ হওয়ার পর ২২৭ দিন পর্যন্ত একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র ছিল '''স্টেট অফ কালাত''' বা '''বালুচিস্তান'''।}} * ১৯৪৭ সালে কালাত স্টেট ন্যাশানাল পার্টির সদস্য ছিলেন মীর গৌস বখশ বাইজেনজো। ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে আয়োজিত পরিষদের দিওয়ান-ই সভায় তিনি বলেছিলেন, আমাদের সংস্কৃতি ইরান ও আফগানিস্তানের মতোই আলাদা।..."মুসলমান হওয়ার কারণেই যদি আমাদের পাকিস্তানে যোগ দিতে হয়, তাহলে ইরান ও আফগানিস্তানেরও পাকিস্তানের অংশ হিসাবে যোগ দেওয়া উচিত।"...আমাদের বলা হচ্ছে যে পারমাণবিক অস্ত্রের যুগে আমরা নিজেদের রক্ষা করতে পারব না। আমার প্রশ্ন হলো আফগানিস্তান, ইরান এবং এমনকি পাকিস্তানও কি পরাশক্তির বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম? ** তাজ মহম্মদ ব্রেসিগ তার "বালুচ ন্যাশানালিজম: ইটস অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট আপটু ১৯৮০" বইয়ে। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cqlyggg67lro] * আমি পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ, সিন্ধু ও বেলুচিস্তানকে একক রাষ্ট্রে একীভূত দেখতে চাই। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভেতরে অথবা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বাইরে স্বায়ত্তশাসন, এক ঐক্যবদ্ধ উত্তর-পশ্চিম ভারতীয় মুসলিম রাষ্ট্রগঠন, আমার কাছে মুসলমানদের, অন্তত উত্তর-পশ্চিম ভারতের মুসলমানদের চূড়ান্ত ভাগ্য বলে মনে হয়। ** [http://www.columbia.edu/itc/mealac/pritchett/00islamlinks/txt_iqbal_1930.html স্যার মুহাম্মদ ইকবালের ১৯৩০ সালের রাষ্ট্রপতির ভাষণ], কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাইট থেকে-আল্লামা ইকবাল == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান]] i1x929b7fc2uohty0rly82xq7w39rxo দক্ষিণ এশিয়া 0 12788 84075 78232 2026-08-01T05:32:26Z ফারদিন 52 /* অ */ 84075 wikitext text/x-wiki '''[[w:দক্ষিণ এশিয়া|দক্ষিণ এশিয়া]]''' হলো [[এশিয়া]]র দক্ষিণাঞ্চলীয় [[w:উপঅঞ্চল#এশিয়া|উপঅঞ্চল]], যা ভৌগোলিক এবং নৃতাত্ত্বিক সাংস্কৃতিক উভয় অর্থেই সংজ্ঞায়িত। এই অঞ্চলটি [[আফগানিস্তান]], [[বাংলাদেশ]], [[ভুটান]], [[ভারত]], [[মালদ্বীপ]], [[নেপাল]], [[পাকিস্তান]] এবং [[শ্রীলঙ্কা]] দেশগুলো নিয়ে গঠিত। ভূ-সংস্থানিকভাবে এটি [[w:ভারতীয় উপমহাদেশ|ভারতীয় উপমহাদেশ]] দ্বারা শাসিত এবং মূলত দক্ষিণে ভারত মহাসাগর এবং উত্তরে [[হিমালয়]], [[w:কারাকোরাম|কারাকোরাম]] ও [[w:পামির পর্বতমালা|পামির]] পর্বতমালা দ্বারা সীমাবদ্ধ। [[w:আমু দরিয়া|আমু দরিয়া]], যা [[হিন্দুুকুশ|হিন্দুুকুশের]] উত্তরে উৎপন্ন হয়েছে, তা উত্তর-পশ্চিম সীমান্তের অংশ গঠন করে। স্থলপথে (ঘড়ির কাঁটার দিকে), দক্ষিণ এশিয়া পশ্চিম এশিয়া, মধ্য এশিয়া, পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া দ্বারা বেষ্টিত। == অ == * [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] জন্ম দক্ষিণ এশীয় উপমহাদেশে জাতিসত্তার ধারণা সম্পর্কে মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। বাংলাদেশের অভ্যুদয় প্রকাশ করে যে দক্ষিণ এশিয়ায় একটি বা দুটি জাতি নয় বরং অনেক [[জাতি]] রয়েছে। বাংলাদেশ তাই এই উপমহাদেশে প্রকাশিত হওয়া শেষ লুকানো জাতি নাও হতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ায় "অংশ" এবং "সমগ্র"-এর মধ্যকার সম্পর্ক কোনো মীমাংসিত বিষয় নাও হতে পারে, ভবিষ্যতে তাদের নিজ নিজ ভূমিকা নিয়ে আবারও আলোচনা করতে হতে পারে। ** ''"ডিসকভারি অফ বাংলাদেশ: এক্সপ্লোরেশনস ইনটু ডায়নামিকস অফ এ হিডেন নেশন"''- [[আকবর আলি খান]], সংশোধিত সংস্করণ, তৃতীয় মুদ্রণ ২০০৯, দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, পৃ. ১৫৬। * বাঙালির জাতীয়তাবাদ নিয়ে দিল্লির মাথাব্যথার কারণ আমি আগেই উল্লেখ করেছি। তারা ভয় পেয়েছিল যে একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও স্বাধীন [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] প্রতিষ্ঠার ফলে এই জাতীয়তাবাদের ঢেউ পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা রাজ্যসহ ভারতের সমস্ত বাংলাভাষী অঞ্চলে পৌঁছে যাবে এবং অবশিষ্ট অখণ্ড [[ভারত|ভারতের]] ঐক্যেও ফাটল সৃষ্টি করবে... ভারত তার পূর্ব প্রতিবেশী হিসেবে একটি দুর্বল [[মুসলিম]] রাষ্ট্র থাকাই পছন্দ করে। এমন একটি রাষ্ট্র যার প্রতি পশ্চিমবঙ্গ বা [[ত্রিপুরা|ত্রিপুরার]] অমুসলিম [[বাঙালি|বাঙালিদের]] কোনো আকর্ষণ বা আনুগত্য থাকবে না। বরং তারা পাকিস্তানি শাসনের স্মৃতি মনে করে মুসলিম জাতীয়তা এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠদের সাথে মেলামেশা করতে ভয় পাবে। তদুপরি, এই দেশটি নামে একটি মুসলিম রাষ্ট্র হলেও এটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে ভারত দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং ধর্মীয় জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে খণ্ডিত হবে, ফলে এই দুর্বল দেশটিকে [[দক্ষিণ এশিয়া|দক্ষিণ এশীয়]] রাজনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে ভারতের পক্ষে ব্যবহার করা সহজ হবে। উপরন্তু, ভারতের বড় ব্যবসায়ীরা সেখানে কোনো বাধা ছাড়াই একচেটিয়া বাজার প্রতিষ্ঠার সুযোগ পাবে। দেখা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে [[দিল্লি]] ও [[ইসলামাবাদ|ইসলামাবাদের]] মধ্যে মতপার্থক্য ও শত্রুতা থাকলেও, ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ এবং [[বাঙালি জাতীয়তাবাদ|ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালি জাতীয়তাবাদের]] প্রতি তাদের মনোভাব প্রায় অভিন্ন। ** [[আবদুল গাফফার চৌধুরী]], ‘আমরা বাংলাদেশি না বাঙালি?’, অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩, পৃ. ৩৪–৩৫। [https://doc.liberationwarbangladesh.net/books/cumk/?fbclid=IwAR0tFqdvbi0ZodMLaP6ZnxENiqcovk_rDF7Jh4nk-6lXqSwm9p3Dr7Z-DWE#p=34] * সংখ্যালঘু হিসেবে আপনার কাঁধে থাকা একটি বোঝা বা তকমা বয়ে বেড়াতে শিখতে না শিখতেই তা আপনার কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে অন্য একটির সাথে বদলে দেওয়া হয়। আপনার সংগ্রামের অলঙ্কারগুলো [[w:কোহিনূর|কোহিনূরের]] মতো চিরকাল ধারের ওপর থাকে। আপনাকে মাঝেমধ্যে আপনার গলায় ঝোলানোর জন্য এই লেবেলের মালা হাতে তুলে দেওয়া হয়। ** রিজ আহমেদ, ‘দ্য গুড ইমিগ্র্যান্ট’ (২০১৬)-এ "এয়ারপোর্টস অ্যান্ড অডিশনস" == ই == * "দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞরা" পদ্ধতিগতভাবে "প্রাচীন ভারত"-কে "দক্ষিণ এশিয়া" দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে চেয়েছিলেন। অথচ "ইন্ডিয়া" নামটি নিজেই প্রাচীন এবং গ্রিকরা এটি ব্যবহার করত। তদুপরি, নামগুলো অন্যত্রও অতীতের ওপর অবাধে প্রয়োগ করা হয়, যেমন ২৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের আগে "চীন" অস্তিত্বহীন ছিল এবং এমনকি পরেও তা কেবল বিদেশিরা ব্যবহার করত, তবুও আমরা ১৮০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের শিয়া রাজবংশকে "প্রাচীন চীনা" বলি... সুতরাং, "ইন্ডিয়া" (ভারত) মুছে ফেলার এই উদ্দীপনা স্পষ্টতই এই বিশেষ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ থেকে উদ্ভূত হয়েছে। ** ড. এলস্ট, কে., [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2019/03/interview-to-hindu-post.html ইন্টারভিউ, ২০১৯] থেকে উদ্ধৃত। == র == * [[পাকিস্তানি পাঠ্যপুস্তক বিতর্ক|পাকিস্তানি পাঠ্যপুস্তকে]] ভৌগোলিক স্থান সংজ্ঞায়িত করার ক্ষেত্রে একটি বিশেষ সমস্যা রয়েছে। "দক্ষিণ এশিয়া" এবং "উপমহাদেশ" শব্দগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ ভারত নামে পরিচিত এলাকার ভূ-ঐতিহাসিক পরিচয়ের এই সমস্যা সমাধানে আংশিকভাবে সাহায্য করেছে। তবে পাকিস্তানি পাঠ্যপুস্তক লেখকদের পক্ষে এই উপমহাদেশে ইসলামি বীর এবং মুসলিম নিদর্শনগুলো আলোচনা করার সময় বর্তমানে ভারত নামে পরিচিত ভূমিকে উপেক্ষা করা বেশ কঠিন। ভারতের কোনো গুরুত্ব স্বীকার করার ক্ষেত্রে এই অনীহা। যা পাঠ্যপুস্তকের ইংরেজি এবং উর্দু উভয় সংস্করণেই প্রায়শই "ভারত" হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এটি মুঘল রাজবংশ সম্পর্কে ইতিহাস রচয়িতাদের জন্য একটি কঠিন দ্বিধা তৈরি করে। ** [[ইভেট রোসার]], ''ইসলামাইজেশন অফ পাকিস্তানি সোশ্যাল স্টাডিজ টেক্সটবুকস'', ২০০৩ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়া]] [[বিষয়শ্রেণী:অঞ্চল]] [[বিষয়শ্রেণী:দক্ষিণ এশিয়া| ]] n81kfwaedfqomgot7uvj25e8w8e7o4g গাজী নজরুল ইসলাম 0 14156 84066 83991 2026-07-31T15:54:08Z ফারদিন 52 /* গাজী নজরুল ইসলাম সম্পর্কে */ উক্তি যোগ 84066 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:গাজী নজরুল ইসলাম|গাজী নজরুল ইসলাম]]''' (জন্ম: ২১ মে ১৯৫১) একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা যিনি তৎকালীন সাতক্ষীরা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন এবং ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে দ্বিতীয় বারের মতো সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য। == উক্তি == * মেয়েরা শালীনভাবে চলবে। মাথার যে কাপড়টা, একটা পর্দা মাথার ওপরে রাখবে। আমরা চাই মেয়েরা শালীনভাবে চলুক। যাতে করে তাদের শরীরটা বাইরে বের না হয়।...মেয়েরা সব কাজ করতে পারবে। তবে মেয়েরা একটু দূরে গেলে রক্তের সম্পর্কের কাউকে অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে। একা চলাটা ঠিকও না। রক্তের সম্পর্কের পুরুষ হলে ভালো, তবে মেয়ে হলেও সমস্যা নেই। ** নারীদের চলাফেরা ও পোশাক নিয়ে দেওয়া একটি [https://web.archive.org/web/20260722075649/https://rtvonline.com/politics/393293 বক্তব্যে]। * মাননীয় স্পিকার আপনি জানেন, আমি একজন [[মুক্তিযোদ্ধা]]। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ আমরা একসঙ্গে সংসদে ছিলাম। আবার ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্তও আপনার সঙ্গে সংসদে ছিলাম। এবার আমার তৃতীয়বার সংসদে আসা।...২০০৬ সালের পর যে নির্বাচনে [[বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ|আওয়ামী লীগ]] ক্ষমতায় এসেছিল, তখন আমার নাম মুক্তিযোদ্ধার খাতা থেকে কেটে দেওয়া হয়। সেখান থেকে আজ পর্যন্ত আমি এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত আছি। বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যে গৌরব, সেটা থেকেও বঞ্চিত। এলাকার সবাই আমাকে মুক্তিযোদ্ধা বলে জানে, আপনিও জানেন মাননীয় স্পিকার। ** ৩১ মার্চ ২০২৬-এ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এক সম্পূরক প্রশ্ন করার সময় তিনি এই কথা বলেন। [https://www.banglatribune.com/others/939877/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97] == বিতর্ক == === গাজী নজরুল ইসলাম === * গত ১৩ জুলাই, ২০২৬ ইং তারিখে আমার প্রথমা ও দ্বিতীয় স্ত্রী, যথাক্রমে মোছা. মাকছুদা বেগম ও মোছা. মরিয়াম বেগমকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিসে যাই। সেখানে আমরা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করি।...পরবর্তীতে, হিংসা ও ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে ওবায়দুল্লাহ আমাদের স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে ও ফেইসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিওটিকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ঘটনা হিসেবে প্রচার করছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রকৃতপক্ষে, ১৭ জুন, ২০২৬ তারিখে পারিবারিকভাবে এবং আমার প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে আমার দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়াম বেগমের সঙ্গে তার পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর বাসভবনে আমাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। ফলে আমাদের বিরুদ্ধে প্রচারিত অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের কোনো সত্যতা নেই। ** সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ২১ জুলাই ২০২৬-এ এক [https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/61736103f65a ফেসবুক পোস্টে]। === গাজী নজরুল ইসলাম সম্পর্কে === * এমপি গাজী নজরুল ইসলাম নিয়ে সাতক্ষীরায় কী চলতাছে। সাতক্ষীরা মেয়ের বয়স ১৪, মেয়ের বাপের বয়স ৩৬ আর ওনার বয়স হলো ৭৪, না কত? কী হিসাব-নিকাশ। ধরা পড়ার আগে রোমান্টিক, ধরা পড়লে কয় বউ। এগুলো বিকৃত মানসিকতা। এসব ঘটনা এআই বলে চালিয়ে দেওয়া বিকৃত যৌনাচার। আবার ধরা খাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে বলে চালিয়ে দেওয়া পাক্কা মিথ্যাচার। প্রশাসনকে বলব, সঠিক তদন্ত করেন।...এই লোকটা দেখলাম নির্বাচনের সময় সাদা পর্দা লাগাইছে। একপাশে মেয়েরা আর একপাশে উনি, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পর্দার কাছে যায় আর বলে —আপনারা ভালো করে চলবেন, পর্দা করবেন। ** [[গিয়াস উদ্দিন তাহেরী]]। গাজী নজরুল ইসলামের সমালোচনা করে একটি ওয়াজ মাহফিলে তিনি এই কথা বলেন। [https://www.kalerkantho.com/online/social-media/2026/07/22/1714754] * ভিডিও ধারণ হওয়ার সময় দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি না করে, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করা নিশ্চয়ই বিরোধীদলের ফতোয়া মোতাবেক ইসলামিক?...এই এমপিকে কি মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে ইমপিচমেন্ট করার জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করবেন, নাকি তাকে দায়মুক্তি দেওয়ার জন্য শিগগিরই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে বিবৃতি দেবেন?...সবকিছুর জন্য আমাদের, আপনাদের অপেক্ষা করতে হবে। নিশ্চয়ই দলের গঠনতন্ত্রে উল্লেখিত [[শরিয়ত|শরিয়া]] আইনের ভিত্তিতেই মাননীয় এমপি মহোদয়ের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা। ** [[w:bn:রাশেদ খাঁন|রাশেদ খাঁন]]। ২১ জুলাই ২০২৬-এ নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক [https://rtvonline.com/politics/393313 পোস্টে]। * জামাত নেতার এমন অনৈতিক কাজ নিয়ে বেশি মাতামাতি হতো না, যদি না তারা নিজেদেরকে অন্যান্যদের তুলনায় সৎ এবং চরিত্রবান রূপে আলাদা সত্তা হিসেবে প্রচার করতেন।...আপনি নিজেকে [[ইসলাম|ইসলামের]] একমাত্র ধারক-বাহক এবং গতানুগতিক কালচারের বাইরে সৎ হিসেবে প্রচার করবেন, আর তলে তলে মানুষের টাকা আত্মসাৎ করবেন, [[নারী|নারীদের]] নানান কায়দায়-প্রলোভনে [[ধর্ষণ]] করবেন, ধরা খেয়ে দ্বিতীয় [[বিয়ে|বিয়ের]] নাটক সাজাবেন; সেটা কেমন চরিত্র আর হেকমত? ** আব্দুল কাদের (বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক)। ২২ জুলাই ২০২৬-এ এক [https://web.archive.org/web/20260722145905/https://www.jugantor.com/politics/1130246 ফেসবুক পোস্টে]। * কারণ যে সম্ভাবনাটা এখন আমাদের সামনে, সেটা কোনো সাধারণ কেলেঙ্কারি না। সম্ভাবনাটা হলো, [[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী|জামায়াতে ইসলামীর]] একজন সংসদ সদস্য তার পদের জোর খাটিয়ে একটা অসহায় মেয়েকে একা রুমে নিয়ে গেছেন। চাকরির প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে। সম্ভাবনা মানে প্রমাণ না, জানি। কিন্তু এই প্রশ্নটা সংসদের এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। যথেষ্ট প্রাথমিক প্রমাণ আমাদের সামনে এসেছে। ** [[w:bn:তাসনিম জারা|তাসনিম জারা]]। ২২ জুলাই ২০২৬-এ ফেসবুকে দেওয়া এক [https://www.ittefaq.com.bd/799910/%E2%80%98%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E2%80%99-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%A5-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87 পোস্টে]।[https://www.jugantor.com/politics/1130250] * তিনি (গাজী নজরুল ইসলাম) যে পর্যায়ে ভুল করেছেন, এই পর্যায়ের ব্যক্তির এই ভুল করা সম্ভব না। অন্য একজন ব্যক্তি হলে হয়তো ভুল মনে করতাম। মসজিদের একজন ইমাম ও একজন সাধারণ ব্যক্তি একই ভুল করলেন; ইমাম সাহেব ও একজন বাইরের লোক দুজনের ভুল কি একই রকম? কিন্তু ইমাম সাহেব করার কারণে ভুলের মাত্রাটা বেশি। ** [[w:bn:মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক|মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক]]। ২৩ জুলাই ২০২৬-এ নিজ নির্বাচনী এলাকায় এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/9wa8te6ffj] * উচিত হচ্ছে আমার গাজী নজরুল ইসলাম ভাই আরও দুইটা বিয়ে করা। হালাল জিনিস, এটাতে কোনো শরম নেই। যারা এ ধরনের ভিডিও ভাইরাল করছেন, তাদের একদিন আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।...দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসা ও আন্তরিকতা ইসলামের স্বাভাবিক শিক্ষা এবং বিবাহ একটি পবিত্র সম্পর্ক। স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে কাউকে হেয় করা বা বিব্রত করা কোনোভাবেই ঠিক নয়।...গাজী নজরুল ইসলাম ভাই, সাতক্ষীরা শহরের সম্মানিত এমপি, একামতে দ্বিনের অতন্দ্র প্রহরী, কোটি কোটি মুসলমানের কলিজা। তাদের স্বামী-স্ত্রীর ভিডিও ভাইরাল করে কী শান্তিটা পেলেন?...বিষয়টি এমনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে যেন এটি কোনো বড় অপরাধ। যারা এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত, তাদের আল্লাহর দরবারে জবাবদিহি করতে হবে। ** রফিক উল্লাহ আফসারী (ইসলামী বক্তা)। ২১ জুলাই ২০২৬-এ এক [https://rtvonline.com/social-media/393337 ভিডিও বার্তায়]। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিবিদ]] aum482eolkegq53enrppntc3zp1ncf7 আকবর আলি খান 0 14168 84061 2026-07-31T13:06:34Z ফারদিন 52 ভূমিকাংশ উইকিপিডিয়া হতে যোগ 84061 wikitext text/x-wiki '''আকবর আলি খান''' (১৯৪৪ - ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২) ছিলেন একজন বাংলাদেশি সরকারি আমলা, অর্থনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশাসক বা এসডিও ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সাথে কাজ করেন। মুক্তিযুদ্ধ কালে পাকিস্তান সরকার তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার করে এবং ১৪ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। দেশ স্বাধীন হবার পর তিনি সরকারি চাকরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সাথে যুক্ত ছিলেন। ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সাথে একযোগে পদত্যাগ করেন। তিনি বাংলাদেশের ১৩তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন। তিনি রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। 7z2nepcbhf1xr45xe0yrvady97h47cc 84062 84061 2026-07-31T13:06:55Z ফারদিন 52 84062 wikitext text/x-wiki '''আকবর আলি খান''' (১৯৪৪ - ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২) ছিলেন একজন বাংলাদেশি সরকারি আমলা, অর্থনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশাসক বা এসডিও ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সাথে কাজ করেন। মুক্তিযুদ্ধ কালে পাকিস্তান সরকার তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার করে এবং ১৪ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। দেশ স্বাধীন হবার পর তিনি সরকারি চাকরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সাথে যুক্ত ছিলেন। ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সাথে একযোগে পদত্যাগ করেন। তিনি বাংলাদেশের ১৩তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন। তিনি রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। == উক্তি == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} ewbimf7pllm221ip8cnxn0k5ynicm6z 84063 84062 2026-07-31T13:13:52Z ফারদিন 52 /* */ 84063 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:আকবর আলি খান|আকবর আলি খান]]''' (১৯৪৪ - ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২) ছিলেন একজন বাংলাদেশি সরকারি আমলা, অর্থনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশাসক বা এসডিও ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সাথে কাজ করেন। মুক্তিযুদ্ধ কালে পাকিস্তান সরকার তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার করে এবং ১৪ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। দেশ স্বাধীন হবার পর তিনি সরকারি চাকরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সাথে যুক্ত ছিলেন। ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সাথে একযোগে পদত্যাগ করেন। তিনি বাংলাদেশের ১৩তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন। তিনি রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। == উক্তি == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} euugik38nhd2g43axh5ntgvuk2giga2 84064 84063 2026-07-31T13:19:11Z ফারদিন 52 হটক্যাটের মাধ্যমে + 5টি বিষয়শ্রেণী 84064 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:আকবর আলি খান|আকবর আলি খান]]''' (১৯৪৪ - ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২) ছিলেন একজন বাংলাদেশি সরকারি আমলা, অর্থনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশাসক বা এসডিও ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সাথে কাজ করেন। মুক্তিযুদ্ধ কালে পাকিস্তান সরকার তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার করে এবং ১৪ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। দেশ স্বাধীন হবার পর তিনি সরকারি চাকরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সাথে যুক্ত ছিলেন। ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সাথে একযোগে পদত্যাগ করেন। তিনি বাংলাদেশের ১৩তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন। তিনি রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। == উক্তি == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] 3fktzc5ka7wr3yf2hlib6p6nzh3mqos 84065 84064 2026-07-31T13:22:51Z ফারদিন 52 উক্তি যোগ 84065 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:আকবর আলি খান|আকবর আলি খান]]''' (১৯৪৪ - ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২) ছিলেন একজন বাংলাদেশি সরকারি আমলা, অর্থনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশাসক বা এসডিও ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সাথে কাজ করেন। মুক্তিযুদ্ধ কালে পাকিস্তান সরকার তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার করে এবং ১৪ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। দেশ স্বাধীন হবার পর তিনি সরকারি চাকরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সাথে যুক্ত ছিলেন। ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সাথে একযোগে পদত্যাগ করেন। তিনি বাংলাদেশের ১৩তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন। তিনি রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। == উক্তি == * আক্ষরিক অর্থে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদ' হচ্ছে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদ। এই ধারণামতে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের ভিত্তি ধরা হয় বাংলা ভাষাকে। বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিপরীতে '[[বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ|বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদকে]]' একটি ভূখণ্ডভিত্তিক জাতীয়তাবাদ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। যুক্তি দেয়া হয় যে, '[[বাঙালি জাতীয়তাবাদ]]' হচ্ছে একটি অতি-জাতীয়তাবাদ যার লক্ষ্য [[ভারত]] ও [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] বাংলাভাষা-ভাষী জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা। ** আকবর আলি খান। ''বাংলাদেশের সত্তার অন্বেষা'', অনুবাদ: আমিনুল ইসলাম ভুইয়া, প্রকাশক: বাংলা একাডেমী, প্রকাশকাল: ডিসেম্বর ২০০৪, পৃষ্ঠা: ১৩৭-১৩৮ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] nquyrom4rzgk9tjo00shd8n1l6gsbdv 84067 84065 2026-07-31T16:01:03Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84067 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:আকবর আলি খান|আকবর আলি খান]]''' (১৯৪৪ - ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২) ছিলেন একজন বাংলাদেশি সরকারি আমলা, অর্থনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশাসক বা এসডিও ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সাথে কাজ করেন। মুক্তিযুদ্ধ কালে পাকিস্তান সরকার তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার করে এবং ১৪ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। দেশ স্বাধীন হবার পর তিনি সরকারি চাকরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সাথে যুক্ত ছিলেন। ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সাথে একযোগে পদত্যাগ করেন। তিনি বাংলাদেশের ১৩তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন। তিনি রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। == উক্তি == * [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] জন্ম দক্ষিণ এশীয় উপমহাদেশে জাতিসত্তার ধারণাটি নিয়েই কিছু মৌলিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশের অভ্যুদয় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, দক্ষিণ এশিয়ায় কেবল একটি বা দুটি [[জাতি]] নয়, বরং অনেকগুলো জাতি রয়েছে। তাই বলা যায়, এই উপমহাদেশে সুপ্ত বা আড়ালে থাকা কোনো জাতির আত্মপ্রকাশের মিছিলে বাংলাদেশই হয়তো শেষ নাম নয়। দক্ষিণ এশিয়ার 'অখণ্ড' সত্তা এবং এর 'খণ্ড'গুলোর মধ্যকার সম্পর্কটি এখনো চূড়ান্তভাবে মীমাংসিত বিষয় নয়; ভবিষ্যতে হয়তো তাদের এই পারস্পরিক ভূমিকা নতুন করে পুনর্নির্ধারণ করতে হবে। ** ''ডিসকভারি অফ বাংলাদেশ: এক্সপ্লোরেশনস ইনটু ডায়নামিকস অফ আ হিডেন নেশন'', প্রকাশক: দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: ২০০৯ (তৃতীয় মুদ্রণ) , পৃষ্ঠা: ১৫৬ * আক্ষরিক অর্থে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদ' হচ্ছে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদ। এই ধারণামতে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের ভিত্তি ধরা হয় বাংলা ভাষাকে। বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিপরীতে '[[বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ|বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদকে]]' একটি ভূখণ্ডভিত্তিক জাতীয়তাবাদ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। যুক্তি দেয়া হয় যে, '[[বাঙালি জাতীয়তাবাদ]]' হচ্ছে একটি অতি-জাতীয়তাবাদ যার লক্ষ্য [[ভারত]] ও [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] বাংলাভাষা-ভাষী জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা। ** আকবর আলি খান। ''বাংলাদেশের সত্তার অন্বেষা'', অনুবাদ: আমিনুল ইসলাম ভুইয়া, প্রকাশক: বাংলা একাডেমী, প্রকাশকাল: ডিসেম্বর ২০০৪, পৃষ্ঠা: ১৩৭-১৩৮ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] 6skwiwt7xmbvf0pmvrha2jxn0lvrw41 84068 84067 2026-07-31T16:03:54Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ 84068 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:আকবর আলি খান|আকবর আলি খান]]''' (১৯৪৪ - ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২) ছিলেন একজন বাংলাদেশি সরকারি আমলা, অর্থনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশাসক বা এসডিও ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সাথে কাজ করেন। মুক্তিযুদ্ধ কালে পাকিস্তান সরকার তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার করে এবং ১৪ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। দেশ স্বাধীন হবার পর তিনি সরকারি চাকরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সাথে যুক্ত ছিলেন। ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সাথে একযোগে পদত্যাগ করেন। তিনি বাংলাদেশের ১৩তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন। তিনি রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। == উক্তি == * [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] জন্ম [[দক্ষিণ এশিয়া|দক্ষিণ এশীয় উপমহাদেশে]] জাতিসত্তার ধারণাটি নিয়েই কিছু মৌলিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশের অভ্যুদয় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, দক্ষিণ এশিয়ায় কেবল একটি বা দুটি [[জাতি]] নয়, বরং অনেকগুলো জাতি রয়েছে। তাই বলা যায়, এই উপমহাদেশে সুপ্ত বা আড়ালে থাকা কোনো জাতির আত্মপ্রকাশের মিছিলে বাংলাদেশই হয়তো শেষ নাম নয়। দক্ষিণ এশিয়ার 'অখণ্ড' সত্তা এবং এর 'খণ্ড'গুলোর মধ্যকার সম্পর্কটি এখনো চূড়ান্তভাবে মীমাংসিত বিষয় নয়; ভবিষ্যতে হয়তো তাদের এই পারস্পরিক ভূমিকা নতুন করে পুনর্নির্ধারণ করতে হবে। ** ''ডিসকভারি অফ বাংলাদেশ: এক্সপ্লোরেশনস ইনটু ডায়নামিকস অফ আ হিডেন নেশন'', প্রকাশক: দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: ২০০৯ (তৃতীয় মুদ্রণ) , পৃষ্ঠা: ১৫৬ * আক্ষরিক অর্থে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদ' হচ্ছে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদ। এই ধারণামতে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের ভিত্তি ধরা হয় বাংলা ভাষাকে। বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিপরীতে '[[বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ|বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদকে]]' একটি ভূখণ্ডভিত্তিক জাতীয়তাবাদ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। যুক্তি দেয়া হয় যে, '[[বাঙালি জাতীয়তাবাদ]]' হচ্ছে একটি অতি-জাতীয়তাবাদ যার লক্ষ্য [[ভারত]] ও [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] বাংলাভাষা-ভাষী জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা। ** আকবর আলি খান। ''বাংলাদেশের সত্তার অন্বেষা'', অনুবাদ: আমিনুল ইসলাম ভুইয়া, প্রকাশক: বাংলা একাডেমী, প্রকাশকাল: ডিসেম্বর ২০০৪, পৃষ্ঠা: ১৩৭-১৩৮ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] idocmf21jwb0ofe5u1asgykam462oje 84076 84068 2026-08-01T07:20:26Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84076 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:আকবর আলি খান|আকবর আলি খান]]''' (১৯৪৪ - ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২) ছিলেন একজন বাংলাদেশি সরকারি আমলা, অর্থনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশাসক বা এসডিও ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সাথে কাজ করেন। মুক্তিযুদ্ধ কালে পাকিস্তান সরকার তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার করে এবং ১৪ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। দেশ স্বাধীন হবার পর তিনি সরকারি চাকরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সাথে যুক্ত ছিলেন। ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সাথে একযোগে পদত্যাগ করেন। তিনি বাংলাদেশের ১৩তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন। তিনি রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। == উক্তি == * [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] জন্ম [[দক্ষিণ এশিয়া|দক্ষিণ এশীয় উপমহাদেশে]] জাতিসত্তার ধারণাটি নিয়েই কিছু মৌলিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশের অভ্যুদয় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, দক্ষিণ এশিয়ায় কেবল একটি বা দুটি [[জাতি]] নয়, বরং অনেকগুলো জাতি রয়েছে। তাই বলা যায়, এই উপমহাদেশে সুপ্ত বা আড়ালে থাকা কোনো জাতির আত্মপ্রকাশের মিছিলে বাংলাদেশই হয়তো শেষ নাম নয়। দক্ষিণ এশিয়ার 'অখণ্ড' সত্তা এবং এর 'খণ্ড'গুলোর মধ্যকার সম্পর্কটি এখনো চূড়ান্তভাবে মীমাংসিত বিষয় নয়; ভবিষ্যতে হয়তো তাদের এই পারস্পরিক ভূমিকা নতুন করে পুনর্নির্ধারণ করতে হবে। ** ''ডিসকভারি অফ বাংলাদেশ: এক্সপ্লোরেশনস ইনটু ডায়নামিকস অফ আ হিডেন নেশন'', প্রকাশক: দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: ২০০৯ (তৃতীয় মুদ্রণ) , পৃষ্ঠা: ১৫৬ * আক্ষরিক অর্থে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদ' হচ্ছে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদ। এই ধারণামতে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের ভিত্তি ধরা হয় বাংলা ভাষাকে। বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিপরীতে '[[বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ|বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদকে]]' একটি ভূখণ্ডভিত্তিক জাতীয়তাবাদ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। যুক্তি দেয়া হয় যে, '[[বাঙালি জাতীয়তাবাদ]]' হচ্ছে একটি অতি-জাতীয়তাবাদ যার লক্ষ্য [[ভারত]] ও [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] বাংলাভাষা-ভাষী জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা। ** আকবর আলি খান। ''বাংলাদেশের সত্তার অন্বেষা'', অনুবাদ: আমিনুল ইসলাম ভুইয়া, প্রকাশক: বাংলা একাডেমী, প্রকাশকাল: ডিসেম্বর ২০০৪, পৃষ্ঠা: ১৩৭-১৩৮ * বাংলা ভাষা বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রধান ভিত্তি। তবু সব বাংলাভাষী নিয়ে দক্ষিণ এশিয়াতে একটি বাঙালি রাষ্ট্রের উদ্ভবের সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। এর প্রধান কারণ, পশ্চিম বাংলার হিন্দুরা তাদের হিন্দু ঐতিহ্যের প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল এবং তারা কোনোমতেই ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় রাজি হবেন না। ** আকবর আলি খান। অবাক বাংলাদেশ: বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি, প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন, প্রকাশকাল: অক্টোবর ২০১৮, পৃষ্ঠা: ৮০ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] 5z4qjiuqj3rg6zj9gvpifn4lhucdfho 84077 84076 2026-08-01T07:22:37Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ 84077 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:আকবর আলি খান|আকবর আলি খান]]''' (১৯৪৪ - ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২) ছিলেন একজন বাংলাদেশি সরকারি আমলা, অর্থনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশাসক বা এসডিও ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সাথে কাজ করেন। মুক্তিযুদ্ধ কালে পাকিস্তান সরকার তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার করে এবং ১৪ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। দেশ স্বাধীন হবার পর তিনি সরকারি চাকরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সাথে যুক্ত ছিলেন। ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সাথে একযোগে পদত্যাগ করেন। তিনি বাংলাদেশের ১৩তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন। তিনি রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। == উক্তি == * [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] জন্ম [[দক্ষিণ এশিয়া|দক্ষিণ এশীয় উপমহাদেশে]] জাতিসত্তার ধারণাটি নিয়েই কিছু মৌলিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশের অভ্যুদয় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, দক্ষিণ এশিয়ায় কেবল একটি বা দুটি [[জাতি]] নয়, বরং অনেকগুলো জাতি রয়েছে। তাই বলা যায়, এই উপমহাদেশে সুপ্ত বা আড়ালে থাকা কোনো জাতির আত্মপ্রকাশের মিছিলে বাংলাদেশই হয়তো শেষ নাম নয়। দক্ষিণ এশিয়ার 'অখণ্ড' সত্তা এবং এর 'খণ্ড'গুলোর মধ্যকার সম্পর্কটি এখনো চূড়ান্তভাবে মীমাংসিত বিষয় নয়; ভবিষ্যতে হয়তো তাদের এই পারস্পরিক ভূমিকা নতুন করে পুনর্নির্ধারণ করতে হবে। ** ''ডিসকভারি অফ বাংলাদেশ: এক্সপ্লোরেশনস ইনটু ডায়নামিকস অফ আ হিডেন নেশন'', প্রকাশক: দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: ২০০৯ (তৃতীয় মুদ্রণ) , পৃষ্ঠা: ১৫৬ * আক্ষরিক অর্থে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদ' হচ্ছে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদ। এই ধারণামতে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের ভিত্তি ধরা হয় বাংলা ভাষাকে। বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিপরীতে '[[বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ|বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদকে]]' একটি ভূখণ্ডভিত্তিক জাতীয়তাবাদ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। যুক্তি দেয়া হয় যে, '[[বাঙালি জাতীয়তাবাদ]]' হচ্ছে একটি অতি-জাতীয়তাবাদ যার লক্ষ্য [[ভারত]] ও [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] বাংলাভাষা-ভাষী জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা। ** আকবর আলি খান। ''বাংলাদেশের সত্তার অন্বেষা'', অনুবাদ: আমিনুল ইসলাম ভুইয়া, প্রকাশক: বাংলা একাডেমী, প্রকাশকাল: ডিসেম্বর ২০০৪, পৃষ্ঠা: ১৩৭-১৩৮ * বাংলা ভাষা বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রধান ভিত্তি। তবু সব বাংলাভাষী নিয়ে দক্ষিণ এশিয়াতে [[যুক্তবঙ্গ|একটি বাঙালি রাষ্ট্রের]] উদ্ভবের সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। এর প্রধান কারণ, [[পশ্চিমবঙ্গ|পশ্চিম বাংলার]] হিন্দুরা তাদের হিন্দু ঐতিহ্যের প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল এবং তারা কোনোমতেই [[ভারত]] থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় রাজি হবেন না। ** আকবর আলি খান। ''অবাক বাংলাদেশ: বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি'', প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন, প্রকাশকাল: অক্টোবর ২০১৮, পৃষ্ঠা: ৮০ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] 30ezsqlksr44mr0ny1fcevkm8lo6xvw