উইকিউক্তি
bnwikiquote
https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.14
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিউক্তি
উইকিউক্তি আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
ব্যবহারকারী:ফারদিন/common.js
2
8688
84103
70584
2026-08-08T17:36:40Z
ফারদিন
52
84103
javascript
text/javascript
mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/GadgetPreview.js&action=raw&ctype=text/javascript');
mw.loader.load('https://commons.wikimedia.org/w/index.php?title=MediaWiki:Gadget-HotCat.js&action=raw&ctype=text/javascript');
mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:Md.Farhan Mahmud/ট্যাগ_সংযোজন.js&action=raw&ctype=text/javascript');
mw.loader.load('//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:SHEIKH/Rollback.js&action=raw&ctype=text/javascript');
mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:Md.Farhan Mahmud/মিডিয়াউইকি:Gadget-markAdmins.js&action=raw&ctype=text/javascript');
if(!window.Morebits){
window.Morebits = mw.loader.load("//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=মিডিয়াউইকি:Gadget-morebits.js&action=raw&ctype=text/javascript");
}
var sidebarObj = {
vector: "mw-panel",
monobook: "globalWrapper",
timeless: "personal-inner",
"vector-2022": "mw-panel",
};
//xtools();
mw.loader.load("//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ মারুফ/বার্তাপ্রদান.js&action=raw&ctype=text/javascript");
mw.loader.load("//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:Md.Farhan Mahmud/welcome.js&action=raw&ctype=text/javascript");
mw.loader.load('//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:RiazACU/Restorer.js&action=raw&ctype=text/javascript');
/* mw.loader.load("//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ মারুফ/numTranslator.js&action=raw&ctype=text/javascript"); */
$( document ).ready( function() {
mw.util.addPortletLink(
'p-personal',
mw.util.getUrl( 'বিশেষ:লগ/newusers' ), //No need for a variable.
'স্বাগত বার্তা পাঠান',
'pt-স্বাগত বার্তা পাঠান',
'স্বাগত বার্তা পাঠান',
null,
'#pt-স্বাগত বার্তা পাঠান'
);
});
mw.loader.load('https://bn.wikipedia.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:Yahya/URLdecoder.js&action=raw&ctype=text/javascript');
7mni7yresh2ct95b8u3j8okjhpnrra8
রবীন্দ্রনাথ ও ইসলাম
0
11483
84119
84099
2026-08-08T20:57:13Z
ফারদিন
52
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]] যোগ
84119
wikitext
text/x-wiki
'''[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]''' (৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১) ছিলেন একজন বাঙালি কবি, লেখক, নাট্যকার, সুরকার ও দার্শনিক, যিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তার সাহিত্যকর্মে ধর্ম, সমাজ ও মানুষের বহুমাত্রিক পরিচয় নানা প্রেক্ষাপটে উঠে এসেছে। ইসলাম ও মুসলমানদের সম্পর্কেও তিনি বিভিন্ন সময়ে মত প্রকাশ করেছেন, যা তার গল্প, প্রবন্ধ, চিঠিপত্র ও আলাপচারিতায় প্রতিফলিত হয়েছে। ‘‘কালান্তর’’ প্রবন্ধ গ্রন্থে হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক নিয়ে তার ভাবনা, ‘‘মুসলমান ছাত্রের বাংলা শিক্ষা’’ প্রবন্ধে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তার মন্তব্য, কিংবা ‘‘আবদুল মাঝির গল্প’’, ‘‘কাবুলিওয়ালা’’ এবং তার জীবনের শেষ গল্প ‘‘মুসলমানীর গল্প’’— এসব লেখায় ইসলাম ও মুসলমানদের প্রসঙ্গ বিভিন্নভাবে উঠে এসেছে।
== রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি ==
* ইসলাম পৃথিবীর মহত্তম ধর্মের মধ্যে একটি। এই কারণে তার অনুবর্তিগণের দায়িত্ব অসীম, যেহেতু আপন জীবনে এই ধর্মের মহত্ত্ব সম্বন্ধে তাঁদের সাক্ষ্য দিতে হবে। ভারতে যে-সকল বিভিন্ন ধর্মসমাজ আছে, তাদের পরস্পরের প্রতি সভ্যজাতিযোগ্য মনোভাব যদি উদ্ভাবিত করতে হয়, তাহলে কেবলমাত্র রাষ্ট্রিক স্বার্থবুদ্ধি দ্বারা তা সম্ভব হবে না, আমাদের নির্ভর করতে হবে সেই অনুপ্রেরণার প্রতি, যা ঈশ্বরের প্রিয়পাত্র ও মানবের বন্ধু সত্যদূতদের অমর জীবন থেকে চির-উৎসারিত। আজকের এই পুণ্য অনুষ্ঠান উপলক্ষে মুসলিম ভাইদের সঙ্গে একযোগে ইসলামের মহাঋষির উদ্দেশ্যে আমার ভক্তি উপহার অর্পণ করে উৎপীড়িত ভারতবর্ষের জন্য তাঁর আশীর্বাদ ও সান্ত্বনা কামনা করি।
** হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর জন্মদিন উপলক্ষে ১৯৩৪ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বাণী। বাণীটি ১৯৩৪ সালের ২৫ জুন বেতারে সম্প্রচারিত হয়।
*** "ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ/ অন্যান্য প্রসঙ্গ"-অমিতাভ চৌধুরী, প্রকাশক: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ, প্রথম প্রকাশ: মাঘ ১৪০০, পৃষ্ঠা: ৩
* জগতে যে সামান্য কয়েকটি মহান ধর্ম আছে, [[ইসলাম]] ধর্ম তাদেরই অন্যতম। মহান এই ধর্মমতের অনুগামীদের দায়িত্বও তাই বিপুল। ইসলামপন্থীদের মনে রাখা দরকার, ধর্মবিশ্বাসের মহত্ত্ব আর গভীরতা যেন তাঁদের প্রতিদিনের জীবনযাত্রার ওপরও ছাপ রেখে যায়। আসলে, এই দুর্ভাগা দেশের অধিবাসী দুটি সম্প্রদায়ের বোঝাপড়া শুধু তো জাতীয় স্বার্থের সপ্রতিভ উপলব্ধির ওপর নির্ভর করে না; সত্যদ্রষ্টাদের বাণীনিঃসৃত শাশ্বত প্রেরণার ওপরও তার নির্ভরতা। সত্য ও শাশ্বতকে যাঁরা জেনেছেন ও জানিয়েছেন, তাঁরা ঈশ্বরের ভালবাসার পাত্র। এবং মানুষকেও তাঁরা চিরকাল ভালবেসে এসেছেন।
** পয়গম্বর দিবস উদযাপন উপলক্ষে ১৯৩৩ সালের ২৬ নভেম্বর বোম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পাঠানো বাণী।
*** "ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ/ অন্যান্য প্রসঙ্গ"-অমিতাভ চৌধুরী, প্রকাশক: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ, প্রথম প্রকাশ: মাঘ ১৪০০, পৃষ্ঠা: ২-৩
* যিনি বিশ্বের মহত্তমদের অন্যতম, সেই পবিত্র পয়গম্বর [[মুহাম্মাদ|হজরত মহম্মদের]] উদ্দেশ্যে আমি আমার অন্তরের গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করি। মানুষের ইতিহাসে এক নতুন, সম্ভাবনাময় জীবনীশক্তির সঞ্চার করেছিলেন পয়গম্বর হজরত, এনেছিলেন নিখাদ, শুদ্ধ ধর্মাচরণের আদর্শ। সর্বান্তঃকরণে প্রার্থনা করি, পবিত্র পয়গম্বরের প্রদর্শিত পথ যাঁরা অনুসরণ করছেন, আধুনিক ভারতবর্ষের সুসভ্য ইতিহাস রচনা করে তাঁরা যেন জীবন সম্পর্কে তাঁদের গভীর আস্থা এবং পয়গম্বরের প্রদত্ত শিক্ষাকে যথাযথ মর্যাদা দেন। তাঁরা যেন এমনভাবে ইতিহাসকে গড়ে তোলেন যাতে আমাদের জাতীয় জীবনে শান্তি ও পারস্পরিক শুভেচ্ছার বাতাবরণটি অটুট থেকে যায়।
** নয়াদিল্লীর জামা মসজিদ প্রকাশিত পয়গম্বর সংখ্যার জন্য ১৯৩৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি শান্তিনিকেতন থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তা।
*** "ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ/ অন্যান্য প্রসঙ্গ"-অমিতাভ চৌধুরী, প্রকাশক: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ, প্রথম প্রকাশ: মাঘ ১৪০০, পৃষ্ঠা: ৩
* আমার অধিকাংশ প্রজাই মুসলমান। কোরবানি নিয়ে দেশে যখন একটা উত্তেজনা প্রবল তখন হিন্দু প্রজারা আমাদের এলাকায় সেটা সম্পূর্ণ রহিত করার জন্য আমার কাছে নালিশ করেছিল। সে নালিশ আমি সংগত বলে মনে করি নি, কিন্তু মুসলমান প্রজাদের ডেকে যখন বলে দিলুম কাজটা যেন এমনভাবে সম্পন্ন করা হয় যাতে হিন্দুদের মনে অকারণে আঘাত না লাগে, তারা তখনি তা মেনে নিলে। আমাদের সেখানে এ পর্যন্ত কোনাে উপদ্রব ঘটে নি। আমার বিশ্বাস তার প্রধান কারণ, আমার সঙ্গে আমার মুসলমান প্রজার সম্বন্ধ সহজ ও বাধাহীন।
** "কালান্তর"- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক: বিশ্বভারতী গ্রন্থালয়, প্রকাশসাল: বৈশাখ ১৩৪৪, [https://share.google/6W0QwgEUA1mkeQnG8 পৃষ্ঠা:৩৩৬-৩৩৭]
* না, এই শুভ অনুষ্ঠানে এ জিনিস চলবে না। সব আসন তুলে দিয়ে হিন্দু-মুসলমান ব্রাহ্মণ-চণ্ডাল—সবাইকে একই ধরনের আসনে বসার ব্যবস্থা করতে হবে।...প্রাচীন প্রথা আমি বুঝি না। সবার জন্যে একাসন করতে হবে। জমিদার হিসাবে এই আমার প্রথম হুকুম।...এই মিলন উৎসবে পরস্পরে ভেদ সৃষ্টি করে, মধুর সম্পর্ক নষ্ট করে দেওয়া চলবে না। আমার প্রিয় প্রজারা, তোমরা সব আলাদা আসন আলাদা ব্যবস্থা-সব সরিয়ে দিয়ে একসঙ্গে বস। আমিও তোমাদের সঙ্গেই বসব। আমি তোমাদেরি লোক।
** প্রথম জমিদার হয়ে শিলাইদহে পুণ্যাহ উৎসবে যোগ দিতে এসে হিন্দু ও মুসলিম প্রজাদের জন্য আলাদা আসনের ব্যবস্থা দেখে এর প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন।
*** "ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ/ অন্যান্য প্রসঙ্গ"-অমিতাভ চৌধুরী, প্রকাশক: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ, প্রথম প্রকাশ: মাঘ ১৪০০, পৃষ্ঠা: ৫
* সাহাদের হাত থেকে শেখদের বাঁচাতে হবে। এটাই আমার সর্বপ্রধান কাজ।
** প্রথম জমিদার হয়ে শিলাইদহে পুণ্যাহ উৎসবে যোগ দিতে এসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন।
*** "ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ/ অন্যান্য প্রসঙ্গ"-অমিতাভ চৌধুরী, প্রকাশক: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ, প্রথম প্রকাশ: মাঘ ১৪০০, পৃষ্ঠা: ৫
* ইংরাজি শিক্ষার যেরূপ প্রচলন হইয়াছে, তাহাতে ইংরাজের ইতিহাস, সমাজতত্ত্ব, আচার-বিচার আমাদের কাছে লেশমাত্র অগোচর থাকে না; অথচ তাহারা বহুদূরদেশী এবং মুসলমানরা আমাদের স্বদেশীয়, এবং মুসলমানদের সহিত বহুদিন হইতে আমাদের রীতিনীতি পরিচ্ছদ ভাষা ও শিল্পের আদান-প্রদান চলিয়া আসিয়াছে। অদ্য নূতন ইংরাজি শিক্ষার প্রভাবে আত্মীয়ের মধ্যে প্রতিবেশীর মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াইয়া গেলে পরম দুঃখের কারণ হইবে। বাঙালি মুসলমানের সহিত বাঙালি হিন্দুর রক্তের সম্বন্ধ আছে, এ কথা আমরা যেন কখনো না ভুলি।...[[অস্ত্র]] হস্তে ধর্মপ্রচার মুসলমানশাস্ত্রের অনুশাসন, এ কথা যদি [[সত্য]] না হয় তবে সে অসত্য আমরা শিশুকাল হইতে শিখিলাম কাহার কাছে? হিন্দু ও মুসলমানের ধর্মনীতি ও ইতিবৃত্ত সম্বন্ধে ইংরাজ লেখক যাহাই লিখিতেছে হিন্দু-মুসলমান ছাত্রগণ কি তাহাই নির্বিচারে কণ্ঠস্থ করিতেছে না? এবং বাংলা পাঠ্যপুস্তক কি তাহারই প্রতিধ্বনি মাত্র নহে?...কিন্তু ইংরাজ লেখকের সকল প্রকার ব্যক্তিগত ও জাতিগত সংস্কার আমরা শিরোধার্য করিয়া লইতে বাধ্য, এবং সেই-সকল সংস্কারের বিরুদ্ধে কোনো বাংলা বই রচিত হইলে তাহা কোনো বিদ্যালয়ে প্রচলিত হইবার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। ইংরাজ লেখকেরই মত বংলা বিদ্যালয়ের আদর্শ মত — সেই মত অনুসারে পরীক্ষা দিতে হইবে, নতুবা পরীক্ষার নম্বরেই দেখা যাইবে সমস্ত শিক্ষা ব্যর্থ হইয়াছে।...অনেক আধুনিক বাঙালি ঐতিহাসিক মুসলমান রাজত্বের ইতিহাসকে ইংরাজ-তুলিকার কালিমা হইতে মুক্ত করিবার জন্য চেষ্টা করিতেছেন। অক্ষয়বাবু তাঁহার সিরাজচরিতে অন্ধকূপহত্যাকে প্রায় অপ্রমাণ করিতে কৃতকার্য হইয়াছেন কিন্তু প্রমাণ যতই অমূলক বা তুচ্ছ হউক পরীক্ষাতিতীর্ষু বালক মাত্রই অন্ধকূপহত্যা ব্যাপারকে অসন্দিগ্ধ সত্য বলিয়া স্বীকার করিতে বাধ্য।
** "রবীন্দ্র রচনাবলী (সপ্তদশ খণ্ড)" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক: বিশ্বভারতী গ্রন্থনবিভাগ, প্রথম প্রকাশ: মাঘ ১৪০৭, পৃষ্ঠা: ৩৫০-৩৫১
* হিন্দুর কুয়ো থেকে মুসলমানে জল তুললে তাতে অপবিত্র করে। এটা বিষম মুশকিলের কথা। কেননা, পবিত্রতা হল আধ্যাত্মিক রাজ্যের আর কুয়োর জলটা হল বস্তুরাজ্যের। যদি বলা যেত, মুলমানকে ঘৃণা করলে মন অপবিত্র হয় তা হলে সে কথা বোঝা যেত; কেননা, সেটা আধ্যাত্মিক মহলের কথা। কিন্তু মুসলমানের ঘড়ার মধ্যে অপবিত্রতা আছে বললে তর্কের সীমানাগত জিনিসকে তর্কের সীমানার বাইরে নিয়ে গিয়ে বুদ্ধিকে ফাঁকি দেওয়া হয়।..."মুসলমানের ঘড়া হিন্দুর কুয়োর জল অপরিষ্কার করে" না ব'লে যেই বলা হয় '''অপবিত্র করে''', তখনই সত্যনির্ণয়ের সমস্ত পথ বন্ধ করা হয়। কেননা কোনো জিনিস কিছুকে অপরিষ্কার করে কি না-করে সেটা প্রমাণসাপেক্ষ। সে স্থলে হিন্দুর ঘড়া, মুসলমানের ঘড়া--হিন্দুর কুয়োর জল, মুসলমানের কুয়োর জল--হিন্দুপাড়ার স্বাস্থ্য, মুসলমানপাড়ার স্বাস্থ্য--যথানিয়মে ও যথেষ্ট পরিমাণে তুলনা করে পরীক্ষা করে দেখা চাই। পবিত্রতাঘটিত দোষ অন্তরের; কিন্তু স্বাস্থ্যঘটিত দোষ বাইরের, অতএব বাইরে থেকে তার প্রতিকার চলে। স্বাস্থ্য-তত্ত্ব হিসাবে ঘড়া পরিষ্কার রাখার নিয়ম বৈজ্ঞানিক নিয়ম; তা মুসলমানের পক্ষেও যেমন হিন্দুর পক্ষেও তেমনি; সেটা যাতে উভয় পক্ষে সমান গ্রহণ ক'রে উভয়ের কুয়ো উভয়েই ব্যবহার করতে পারে সেইটেই চেষ্টার বিষয়। কিন্তু বাহ্য বস্তুকে অপরিষ্কার না বলে অপবিত্র বলার দ্বারা চিরকালের জন্যেই এ সমস্যাকে সাধারণের বুদ্ধি ও চেষ্টার বাইরে নির্বাসিত করে রাখা হয়। এটা কি কাজ সারার পক্ষেও ভালো রাস্তা?
** রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, [https://www.tagoreweb.in/Essays/shikkha-73/shikkhar-milon-6279 শিক্ষার মিলন]
* আজ আমাদের দেশে মুসলমান স্বতন্ত্র থাকিয়া নিজের উন্নতিসাধনের চেষ্টা করিতেছে। তাহা আমাদের পক্ষে যতই অপ্রিয় এবং তাহাতে আপাতত আমাদের যতই অসুবিধা হউক, একদিন পরস্পরের যথার্থ মিলনসাধনের ইহাই প্রকৃত উপায়। ধনী না হইলে দান করা কষ্টকর; মানুষ যখন আপনাকে বড়ো করে তখনই আপনাকে ত্যাগ করিতে পারে। যত দিন তাহার অভাব ও ক্ষুদ্রতা ততদিনই তাহার ঈর্ষা ও বিরোধ। ততদিন যদি সে আর কাহারও সঙ্গে মেলে তবে দায়ে পড়িয়া মেলে--সে মিলন কৃত্রিম মিলন। ছোটো বলিয়া আত্মলোপ করাটা অকল্যাণ, বড়ো হইয়া আত্মবিসর্জন করাটাই শ্রেয়। আধুনিক কালের শিক্ষার প্রতি সময় থাকিতে মনোযোগ না করায় ভারতবর্ষের মুসলমান হিন্দুর চেয়ে অনেক বিষয়ে পিছাইয়া পড়িয়াছে। সেখানে তাহাকে সমান হইয়া লইতে হইবে। এই বৈষম্যটি দূর করিবার জন্য মুসলমান সকল বিষয়েই হিন্দুর চেয়ে বেশি দাবি করিতে আরম্ভ করিয়াছে। তাহাদের এই দাবিতে আমাদের আন্তরিক সম্মতি থাকাই উচিত। পদ-মান-শিক্ষায় তাহারা হিন্দুর সমান হইয়া উঠে ইহা হিন্দুরই পক্ষে মঙ্গলকর।
** রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, [https://www.tagoreweb.in/Essays/porichay-187/hindu-biswabidyalay-1561 হিন্দু-বিশ্ববিদ্যালয়]
== অন্যান্যদের উক্তি ==
* যারা ইসলামের নামে, [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথের]] উপর আক্রমণ চালাচ্ছেন, তারা আসলে ইসলামের সত্য ও সুন্দরের নীতিতে বিশ্বাসী নন।
** ১৯৬৭ সালের জুন মাসের দৈনিক পাকিস্তানে প্রকাশিত [[আবদুল হামিদ খান ভাসানী|মাওলানা ভাসানীর]] বিবৃতি।[https://bangla.bdnews24.com/arts/24689]
* আমাকে দেখিলেই কবি সাম্প্রদায়িক ব্যাপার লইয়া আলোচনা করিতেন। বলিতেন কেন যে মানুষ একের অপরাধের জন্যে অপরকে মারে ! ও-দেশের মুসলমানেরা হিন্দুদের মারল, তাই এদেশের হিন্দুরা এখানকার নিরীহ মুসলমানদের মেরে প্রতিবাদ জানাবে এই বর্বর মনোবৃত্তির হাত থেকে দেশ কিভাবে উদ্ধার পাবে বলতে পার? কী সামান্য ব্যাপার নিয়ে মারামারি হয় — গরু-কোরবানী নিয়ে, মসজিদের সামনে বাজনা নিয়ে। একটা পশুকে রক্ষা করতে মানুষ মানুষকে হত্যা করেছে।”<br>এই সব আলোচনা করিতে কবি মাঝে মাঝে বড়ই উত্তেজিত হইয়া উঠিতেন। একদিন আমি কবির সঙ্গে দেখা করিতে যাইতেছি, কবির পুত্র রথীন্দ্রনাথ আমাকে একান্তে ডাকিয়া বলিলেন, এখন বাবার শরীর অসুস্থ। আপনাকে দেখলেই তিনি হিন্দু-মুসলমান সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন। মাঝে মাঝে তাতে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। অসুস্থ শরীরে এই উত্তেজনা খুবই ক্ষতিকর । আপনি কিছুদিন বাবার সঙ্গে দেখা করবেন না।
** [[জসীম উদ্দীন]]। "ঠাকুর-বাড়ির আঙিনায়", প্রকাশক: গ্রন্থপ্রকাশ, কলকাতা, [https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.266107/page/n31/mode/1up?q=%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0 পৃষ্ঠা: ২৮]
* মুসলমানদের প্রতি কবির মনে কিছু ভুল ধারণা ছিল। তিনি সাধারণত হিন্দু পত্রিকাগুলিই পড়িতেন। মুসলমানি পত্রিকার এক-আধ টুকরা মাঝে মাঝে কবির হাতে পড়িত।<br>কবির ভুল ধারণার প্রতিবাদ করিয়া উপযুক্ত কারণ দেখাইলেই কবি তাঁহার ভুল সংশোধন করিয়া লইতেন। কবির মনে একদেশদর্শী হিন্দুত্বের স্থান ছিল না। মুসলমানদের মধ্যে যাঁহারা স্বাধীন মতবাদ লইয়া ধর্ম ও সমাজ-ব্যবস্থার সমালোচনা করিতেন, তাঁহাদের প্রতি কবির মনে প্রগাঢ় অনুরাগ ছিল। কিন্তু কবির নিকটে যাঁহারা আসিতেন, কবি শুধু তাঁহাদিগকেই জানিতেন। এই বয়সে ইহার বেশি খবরাখবর লওয়া কবির পক্ষে সম্ভবও ছিল না।
** [[জসীম উদ্দীন]]। "ঠাকুর-বাড়ির আঙিনায়", প্রকাশক: গ্রন্থপ্রকাশ, কলকাতা, [https://share.google/QzodDAT07Rk23JRrC পৃষ্ঠা: ২৮]
* কলিকাতায় হঠাৎ হিন্দু-মুসলমানে দাঙ্গা বাধল চৈত্র মাসের দারুণ গরমে (১৩৩২)।...'''কবি জোড়াসাঁকোর বাড়িতে আছেন; স্বচক্ষে দেখছেন ভীতত্রস্ত দীন-দরিদ্র [[মুসলমান|মুসলমানেরা]] প্রাণভয়ে তাঁদের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছে।''' কবি এই সব দেখে শুনে বিরক্ত হয়ে এক পত্রে লিখেছেন, ‘''এই মোহমুগ্ধ ধর্মবিভীষিকার চেয়ে সোজাসুজি নাস্তিকতা অনেক ভালো।...আজ মিছে ধর্মকে পুড়িয়ে ফেলে ভারত যদি খাঁটি ধর্ম, খাঁটি নাস্তিকতা পায়, তবে ভারত সত্যই নবজীবন লাভ করবে।''’
** [[প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়]]। "রবীন্দ্রজীবনকথা", প্রকাশক: বিশ্বভারতী, প্রকাশকাল: ভাদ্র ১৩৬৬, পৃষ্ঠা: [https://archive.org/details/20210604_20210604_1445/page/%E0%A7%A7%E0%A7%AD%E0%A7%AE/mode/1up?q=%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE ১৭৮]
[[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইসলাম]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]]
dxickme4v23hy23zmdwy90bghec2zd5
আমার সোনার বাংলা
0
11576
84104
81910
2026-08-08T17:37:23Z
ফারদিন
52
ফারদিন-এর করা 69485 নং সংস্করণ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে ([[:bn:ব্যবহারকারী:RiazACU/পুনরুদ্ধারকারী|পুনরুদ্ধারকারী]])
84104
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:আমার সোনার বাংলা|আমার সোনার বাংলা]]''' হলো বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। বঙ্গমাতা সম্পর্কে এই গানটি [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] কর্তৃক ১৯০৫ সালে রচিত হয়। বাউল গায়ক [[গগন হরকরা|গগন হরকরার]] গান "আমি কোথায় পাব তারে" থেকে এই গানের সুর ও সঙ্গীত উদ্ভূত।
== উক্তি ==
* ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে আমি যখন শেষবারের মতো জনসভা করি, যেখানে ১০ লাখ লোক হাজির হয়েছিল আর “স্বাধীন বাংলা স্বাধীন বাংলা” স্লোগান দিচ্ছিল, তখন ছেলেরা গানটা গাইতে শুরু করে। আমরা সবাই, ১০ লাখ লোক দাঁড়িয়ে গানটাকে শ্রদ্ধা জানাই। তখনই আমরা আমাদের বর্তমান জাতীয় সংগীতকে গ্রহণ করে নিই।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ১৯৭২ সালের ১৮ জানুয়ারি ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%A4-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E2%80%93%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A6%BE]
* সেদিন রাতে খেতে বসে বঙ্গবন্ধু একপর্যায়ে গম্ভীর হয়ে আমাদের উদ্দেশ করে বললেন, “দেশটা যদি কোনো দিন স্বাধীন হয়, তাহলে দেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে কবিগুরুর ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটিকে গ্রহণ করো।”
** [[w:bn:এম এ ওয়াজেদ মিয়া|এম এ ওয়াজেদ মিয়া]], তার বইয়ে এটি লিখেছেন [https://www.prothomalo.com/opinion/column/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF]
* পঞ্চাশ দশকে একবার আমার খুব ভাল করে মনে আছে- কার্জন হলে একটা অনুষ্ঠান হচ্ছিলো। আমাকে গান গাইতে বলা হয়েছিল। আমি খুব বিস্মিত হয়ে গেলাম গান গাইতে। কী গান গাইবো? এমন সময় দেখা গেল সেখানে বঙ্গবন্ধু। তখন তো তাকে কেউ বঙ্গবন্ধু বলে না- [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। তিনি লোক দিয়ে আমাকে বলে পাঠালেন আমি যেন ‘সোনার বাংলা’ গানটা গাই- ‘আমার সোনার বাংলা’। আমি খুব ঘাবড়ে গেলাম। এত লম্বা একটা গান। তখন তো আর এটা জাতীয় সঙ্গীত নয়। পুরো গানটা আমি কেমন করে শোনাবো? আমি তখন চেষ্টা করে গীতবিতান সংগ্রহ করে সে গান গেয়েছিলাম কোনমতে। জানি না কতটা শুদ্ধ গেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি এইভাবে গান শুনতে চাওয়ার একটা কারণ ছিল। তিনি যে অনুষ্ঠান করছিলেন, সেখানে পাকিস্তানীরাও ছিল। তিনি দেখাতে চেষ্টা করেছিলেন তাদেরকে ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি’ কথাটা আমরা কত সুন্দর করে উচ্চারণ করি। এই গানটার ভিতরে যে অনুভূতি সেটা তিনি তাদের কাছে পৌঁছাবার চেষ্টা করেছিলেন। এবং আমার তো মনে হয় তখনই তার মনে বোধহয় এটাকে জাতীয় সঙ্গীত করবার কথা মনে এসেছিল।
** [[w:bn:সনজীদা খাতুন|সনজীদা খাতুন]]। ‘বঙ্গবন্ধুর ভাবনায় আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক এক লেখায়। [https://www.channelionline.com/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%86/]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা ভাষার গান]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি জাতীয়তাবাদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]
0uatwivgymf2qa1ckbbsw5yrr6f4b1s
84105
84104
2026-08-08T17:38:21Z
ফারদিন
52
/* */
84105
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:আমার সোনার বাংলা|আমার সোনার বাংলা]]''' হলো বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। বঙ্গমাতা সম্পর্কে এই গানটি [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] কর্তৃক রচিত হয়। বাউল গায়ক [[গগন হরকরা|গগন হরকরার]] গান "আমি কোথায় পাব তারে" থেকে এই গানের সুর ও সঙ্গীত উদ্ভূত।
== উক্তি ==
* ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে আমি যখন শেষবারের মতো জনসভা করি, যেখানে ১০ লাখ লোক হাজির হয়েছিল আর “স্বাধীন বাংলা স্বাধীন বাংলা” স্লোগান দিচ্ছিল, তখন ছেলেরা গানটা গাইতে শুরু করে। আমরা সবাই, ১০ লাখ লোক দাঁড়িয়ে গানটাকে শ্রদ্ধা জানাই। তখনই আমরা আমাদের বর্তমান জাতীয় সংগীতকে গ্রহণ করে নিই।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ১৯৭২ সালের ১৮ জানুয়ারি ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%A4-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E2%80%93%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A6%BE]
* সেদিন রাতে খেতে বসে বঙ্গবন্ধু একপর্যায়ে গম্ভীর হয়ে আমাদের উদ্দেশ করে বললেন, “দেশটা যদি কোনো দিন স্বাধীন হয়, তাহলে দেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে কবিগুরুর ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটিকে গ্রহণ করো।”
** [[w:bn:এম এ ওয়াজেদ মিয়া|এম এ ওয়াজেদ মিয়া]], তার বইয়ে এটি লিখেছেন [https://www.prothomalo.com/opinion/column/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF]
* পঞ্চাশ দশকে একবার আমার খুব ভাল করে মনে আছে- কার্জন হলে একটা অনুষ্ঠান হচ্ছিলো। আমাকে গান গাইতে বলা হয়েছিল। আমি খুব বিস্মিত হয়ে গেলাম গান গাইতে। কী গান গাইবো? এমন সময় দেখা গেল সেখানে বঙ্গবন্ধু। তখন তো তাকে কেউ বঙ্গবন্ধু বলে না- [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। তিনি লোক দিয়ে আমাকে বলে পাঠালেন আমি যেন ‘সোনার বাংলা’ গানটা গাই- ‘আমার সোনার বাংলা’। আমি খুব ঘাবড়ে গেলাম। এত লম্বা একটা গান। তখন তো আর এটা জাতীয় সঙ্গীত নয়। পুরো গানটা আমি কেমন করে শোনাবো? আমি তখন চেষ্টা করে গীতবিতান সংগ্রহ করে সে গান গেয়েছিলাম কোনমতে। জানি না কতটা শুদ্ধ গেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি এইভাবে গান শুনতে চাওয়ার একটা কারণ ছিল। তিনি যে অনুষ্ঠান করছিলেন, সেখানে পাকিস্তানীরাও ছিল। তিনি দেখাতে চেষ্টা করেছিলেন তাদেরকে ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি’ কথাটা আমরা কত সুন্দর করে উচ্চারণ করি। এই গানটার ভিতরে যে অনুভূতি সেটা তিনি তাদের কাছে পৌঁছাবার চেষ্টা করেছিলেন। এবং আমার তো মনে হয় তখনই তার মনে বোধহয় এটাকে জাতীয় সঙ্গীত করবার কথা মনে এসেছিল।
** [[w:bn:সনজীদা খাতুন|সনজীদা খাতুন]]। ‘বঙ্গবন্ধুর ভাবনায় আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক এক লেখায়। [https://www.channelionline.com/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%86/]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা ভাষার গান]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি জাতীয়তাবাদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]
2jgnz4kgg179qkwfpj3hcclptk729s4
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক
0
11631
84116
83516
2026-08-08T19:57:46Z
ফারদিন
52
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]] যোগ
84116
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]''' ('''ঢাবি''') ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারতে অক্সব্রিজ শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণে এটি স্থাপিত হয়। এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। সূচনালগ্নে বিভিন্ন প্রথিতযশা বৃত্তিধারী ও বিজ্ঞানীদের দ্বারা কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হবার প্রেক্ষাপটে এটি '''প্রাচ্যের অক্সফোর্ড''' নামে স্বীকৃতি পায়। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে]] কেন্দ্র করে নানা সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ভূমিদান এবং এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও বিতর্ক প্রচলিত আছে।
== ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা ==
* বিভিন্নজন ভিন্ন ভিন্ন কারণে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। পশ্চিম বাংলা ও বিহার অঞ্চলের কিছু মুসলমানও বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল ভিন্নতর। তাঁদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়টি তাঁদের বা তাঁদের সন্তানসন্ততিদের কোনো কাজে আসবে না। যদি কোনো উপকার হয়, সেটা হবে পূর্ব বাংলার মানুষেরই। যে মুসলিম জনগোষ্ঠী এ রকম চিন্তা করত, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন [[w:bn:মোহাম্মদ_আকরম_খাঁ|মাওলানা আকরম খাঁ]], [[w:ব্যারিস্টার_আবদুর_রসুল|ব্যারিস্টার আবদুর রসুল]], মৌলভি আবুল কাশেম, মৌলভি লিয়াকত হোসেন প্রমুখ। তদানীন্তন পূর্ব বাংলারও বেশ কিছু মুসলমানের মধ্যে এমন ধারণা ছিল যে পূর্ব বাংলায় যথেষ্ট পরিমাণ ম্যাট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েট পাস ছাত্র নেই, যাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন না করে ওই টাকা দিয়ে পূর্ব বাংলায় আরও কিছু স্কুল ও কলেজ স্থাপন করলে এই অঞ্চলের মুসলিম ছেলেমেয়েদের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের লেখাপড়ার সুযোগের পরিধিটা বাড়বে। তাঁরা আরও ভাবতেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কারণে মুসলিম ছাত্রদের শিক্ষার জন্য যে বাজেট সরকার থেকে আসে, তা অনেকাংশেই কমে যাবে।
** প্রাবন্ধিক কুলদা রায় তাঁর ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং রবীন্দ্রনাথ’ প্রবন্ধে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5]
=== রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ===
[[চিত্র:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্রদের একাংশ.webp|থাম্ব|১৯৩৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।]]
* কেউ কেউ কোনো প্রমাণ উপস্থিত না করেই লিখিতভাবে জানাচ্ছেন যে, ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ মার্চ কলকাতায় গড়ের মাঠে রবীন্দ্রনাথের সভাপতিত্বে এক বিরাট জনসভা হয়। ও রকম একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল বটে, কিন্তু তাতে রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতি ছিল অসম্ভব, কেননা সেদিন তিনি কলকাতাতেই ছিলেন না। ১৯১২ সালের ১৯ মার্চ সিটি অব প্যারিস জাহাজযোগে রবীন্দ্রনাথের বিলাতযাত্রার কথা ছিল। তাঁর সফরসঙ্গী ডাক্তার দ্বিজেন্দ্রনাথ মিত্র জাহাজে উঠে পড়েছিলেন, কবির মালপত্রও তাতে তোলা হয়ে গিয়েছিল; কিন্তু আকস্মিকভাবে ওইদিন সকালে রবীন্দ্রনাথ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মাদ্রাজ থেকে তাঁর মালপত্র ফিরিয়ে আনা হয়। কলকাতায় কয়েক দিন বিশ্রাম করে ২৪ মার্চ রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহে চলে আসেন এবং ২৮ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিলের মধ্যে সেখানে বসে ১৮টি গান ও কবিতা রচনা করেন।
** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ। [https://www.bbc.com/bengali/news-44609891]
* ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর—এ ধরনের একটি অভিযোগ প্রায়ই অনেকে করে থাকেন। তারা উল্লেখ করেন, ‘১৯১২ সালের ২৮ মার্চ কলকাতা গড়ের মাঠে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিবাদে এক বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়।’ অনেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই জনসভার রেফারেন্স হিসেবে দিয়েছেন নীরদচন্দ্র চৌধুরীর লেখা বই, আবার অনেকেই আবুল আসাদের ‘একশো বছরের রাজনীতি’ বইয়ের রেফারেন্সও দিয়েছেন। যদিও নীরদচন্দ্র চৌধুরীর বইয়ে এমন কিছু উল্লেখ নেই, আবার আবুল আসাদ কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই এ অভিযোগটি করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০০০ সালে আহমদ পাবলিশিং হাউস থেকে ‘আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিকতা এবং প্রাসঙ্গিক কিছু কথা’ নামে একটি বইয়ে মেজর জেনারেল (অব.) এম এ মতিন, কপি পেস্টের মাধ্যমে একই কথা উল্লেখ করেন কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কালি ও কলম পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য এ জেড এম আবদুল আলী একটি পত্রিকায় অভিযোগটির বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, যারা রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে এ অভিযোগটি করছেন, তারা তাদের রচনায় কোনো সূত্রের উল্লেখ করেননি।
** [[w:bn:মোহাম্মদ এ আরাফাত|মোহাম্মদ এ আরাফাত]] [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225]
* রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে এক কোটি আলাপের বিকল্প বাদ দিয়ে যারা শুধু তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছেন কিনা– এ বিষয়ে আলাপ তোলে, তারা এক অর্থে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। তাদের জন্য আমার আফসোস হয় এই ভেবে, তারা রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার রস আস্বাদনে চিরবঞ্চিত। দুনিয়ায় এত এত রস থাকতে এখানে কেবল রবীন্দ্রনাথের কথাই বলতে হলো। কারণ, এরা রবীন্দ্রনাথ নিয়ে লিপ্ত অথচ মজাটা লুটতে পারছে না। আমি মনে করি, যদি আবিষ্কৃত হয়– রবীন্দ্রনাথ কখনও সরাসরি ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে বলেছেন, তাতে রবীন্দ্রনাথের প্রতিষ্ঠা বা সততা বা সম্মান একবিন্দুও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এমনকি সে রকম কিছু হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রনাথের আদর-আপ্যায়ন ও মর্যাদা প্রদান সম্পূর্ণ বৈধ থাকত। আজকের দিনের সংকীর্ণ রাজনীতির উত্তেজনায় কিংবা সংকীর্ণ রাজনীতির বিরোধিতার প্রয়োজনে যারা ঠাকুরকে সহজ শিকার হিসেবে নাকাল করতে চায়, তারা ঠিক আলাপযোগ্য নয়। পুরো ব্যাপারকে একশ বছর আগের বাস্তবতার এক বড় পটভূমিতে স্থাপন করে দেখা নিশ্চয় তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু সে ক্ষমতা এ জাতীয় ব্যক্তিদের থাকার কথা নয়।
** [[w:bn:মোহাম্মদ আজম|মোহাম্মদ আজম]]। সমকাল পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://samakal.com/opinion/article/236093/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87]
== জমিদান ==
* কোনও মুসলমান ধনীর কাছ থেকেই ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডাইরেক্টলি কোনও ফাইন্যান্সিয়াল কন্ট্রিবিউশন পায় নাই। সলিমুল্লাহ হল যে তৈরি হল তা পুরোই সরকারের টাকায়। নওয়াব পরিবারের টাকায় নয়; জায়গাতেও নয়। রমনায় যে জায়গায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি, তা পুরোটাই খাসমহল এবং সরকারের জমি, সেটেলমেন্ট রিপোর্টে তাই আছে।
** [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আব্দুর রাজ্জাক]]। ''ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজ : ‘অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের আলাপচারিতা ও অন্যান্য'' বইয়ে। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go]
* শতবর্ষের বইয়ের জন্য বিভিন্ন নথি ঘাঁটাঘাটি করেছি আমরা। ঢাকার নবাব ৬০০ একর জমি দিয়েছেন এমন কোনও তথ্য সরাসরি কোথাও উল্লেখ নেই।... তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় জমি পেল কোথা থেকে? তখন দেখতে পাই তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন সময় জমি লিজ নিয়েছে। এই লিজের বিনিময়ে যে পয়সা-কড়ি দেবার কথা সেটাও দিয়েছে।...এটি কি মিথ নাকি রিয়েলিটি? এটা আমাদের তালাশ করতে হবে। তাই কোনও উৎস থেকে শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে বলাটা ঠিক হবে না। যদি কোথাও না পাই তবে কীভাবে বলি নবাব সলিমুল্লাহ এই ৬০০ একর জমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়েছে?...বিষয়টি এমন হতে পারে ব্রিটিশ সরকার যখন ১৯০৫ সালে পূর্ববঙ্গে রাজধানী করে তখন নবাবরা হয়তো সরকারকে কোনও অনুদান দিয়ে থাকতে পারেন।
** “শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্য” নামক বইয়ের সহযোগী সম্পাদক মি. বাছির বিবিসি বাংলাকে এই কথা বলেন। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go]
== আরও দেখুন ==
* [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]
* [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আবদুর রাজ্জাক]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]
[[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]]
jk4odf2c1ezhwt9zekk153cyx0bia8i
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক
0
11873
84122
73039
2026-08-08T21:01:55Z
ফারদিন
52
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]] যোগ
84122
wikitext
text/x-wiki
{{সক্রিয়ভাবে সম্পাদিত হচ্ছে}}
পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতার ঘোষণা যিনি দিয়েছিলেন তাকে '''[[w:bn:বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক|বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক]]''' বলা হয়ে থাকে। এটি বাংলাদেশে একটি রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয়। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে [[শেখ মুজিবুর রহমান]] প্রথম বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন তাই তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক বলে মনে করা হয়। পরবর্তীকালে শেখ মুজিবের পক্ষে আওয়ামী লীগ নেতা এম. এ. হান্নান এবং তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান পুনরায় স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সনের শাসনামলের সকল কূটনৈতিক গোপন নথিতে শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা হয়েছে। এছাড়াও, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার পূর্বেই ২৬ মার্চে, আমেরিকান টিভি এবিসি নিউজে শেখ মুজিবের স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে সংবাদ পাঠ করা হয়। তবে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে মনে করে থাকে।
== ঘোষণা ==
* এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, আপনারা যেখানেই থাকুন, আপনাদের সর্বস্ব দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ চালিয়ে যান। বাংলাদেশের মাটি থেকে সর্বশেষ পাকিস্তানি সৈন্যটিকে উৎখাত করা এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের আগ পর্যন্ত আপনাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকুক।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]] কর্তৃক ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ সালের প্রথম প্রহরে প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা। [https://www.jagonews24.com/feature/news/931841]
* আজ বাংলাদেশ একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার রাতে পশ্চিম পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী হঠাৎ ঢাকার পিলখানার রাজারবাগ এবং ইপিআর সদর দপ্তরে হামলা চালায়। ঢাকা শহর এবং বাংলাদেশের অন্যান্য স্থানে, অনেক নিরপরাধ ও নিরস্ত্র মানুষ নিহত হয়েছে। একদিকে পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস এবং পুলিশের মধ্যে সহিংস সংঘর্ষ এবং অন্যদিকে পিন্ডি থেকে সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সহিংস সংঘর্ষ চলছে। বাঙালিরা স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত সাহসের সাথে শত্রুর সাথে লড়াই করছে। বাংলাদেশের প্রতিটি কোণায় বিশ্বাসঘাতক শত্রুদের প্রতিরোধ করুন। ঈশ্বর আমাদের স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ে সাহায্য করুন। "জয় বাংলা"
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]]
8zctub0buqhj1135brfks0h7zy0ssc8
84123
84122
2026-08-08T21:12:22Z
ফারদিন
52
/* ঘোষণা */
84123
wikitext
text/x-wiki
{{সক্রিয়ভাবে সম্পাদিত হচ্ছে}}
পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতার ঘোষণা যিনি দিয়েছিলেন তাকে '''[[w:bn:বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক|বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক]]''' বলা হয়ে থাকে। এটি বাংলাদেশে একটি রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয়। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে [[শেখ মুজিবুর রহমান]] প্রথম বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন তাই তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক বলে মনে করা হয়। পরবর্তীকালে শেখ মুজিবের পক্ষে আওয়ামী লীগ নেতা এম. এ. হান্নান এবং তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান পুনরায় স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সনের শাসনামলের সকল কূটনৈতিক গোপন নথিতে শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা হয়েছে। এছাড়াও, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার পূর্বেই ২৬ মার্চে, আমেরিকান টিভি এবিসি নিউজে শেখ মুজিবের স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে সংবাদ পাঠ করা হয়। তবে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে মনে করে থাকে।
== ঘোষণা ==
* এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, আপনারা যেখানেই থাকুন, আপনাদের সর্বস্ব দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ চালিয়ে যান। বাংলাদেশের মাটি থেকে সর্বশেষ পাকিস্তানি সৈন্যটিকে উৎখাত করা এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের আগ পর্যন্ত আপনাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকুক।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]] কর্তৃক ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ সালের প্রথম প্রহরে প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা। [https://www.jagonews24.com/feature/news/931841]
* আজ বাংলাদেশ একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার রাতে পশ্চিম পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী হঠাৎ ঢাকার পিলখানার রাজারবাগ এবং ইপিআর সদর দপ্তরে হামলা চালায়। ঢাকা শহর এবং বাংলাদেশের অন্যান্য স্থানে, অনেক নিরপরাধ ও নিরস্ত্র মানুষ নিহত হয়েছে। একদিকে পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস এবং পুলিশের মধ্যে সহিংস সংঘর্ষ এবং অন্যদিকে পিন্ডি থেকে সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সহিংস সংঘর্ষ চলছে। বাঙালিরা স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত সাহসের সাথে শত্রুর সাথে লড়াই করছে। বাংলাদেশের প্রতিটি কোণায় বিশ্বাসঘাতক শত্রুদের প্রতিরোধ করুন। ঈশ্বর আমাদের স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ে সাহায্য করুন। "জয় বাংলা"
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]
=== ঘোষণাপত্র পাঠ ===
* আমি, মেজর জিয়া, বাংলাদেশের মহান নেতা, সর্বাধিনায়ক শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি এবং জানাচ্ছি যে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সরকার ইতোমধ্যেই গঠিত হয়েছে।এছাড়াও ঘোষণা করা হচ্ছে যে, শেখ মুজিবুর রহমানই বাংলাদেশের ৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারই স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশের একমাত্র বৈধ সরকার। এই সরকার আইনসিদ্ধ ও সাংবিধানিকভাবে গঠিত হয়েছে এবং বিশ্ববাসীর স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য। আমি, তাই আমাদের মহান নেতা [[শেখ মুজিবুর রহমান|শেখ মুজিবুর রহমানের]] পক্ষ থেকে, বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সরকার, বিশেষ করে বৃহৎ শক্তিগুলো এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানাই—বাংলাদেশের বৈধ সরকারকে স্বীকৃতি দিন এবং পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর নির্মম গণহত্যা অবিলম্বে বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। আমাদের, সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের, বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে অভিহিত করা নিছক উপহাস ছাড়া কিছুই নয়, এবং এতে কেউ বিভ্রান্ত হবে না। নতুন রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো হবে—প্রথমত: নিরপেক্ষতা, দ্বিতীয়ত: শান্তি, তৃতীয়ত: সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি শত্রুতা নয়।<br>আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। '''[[জয় বাংলা]]'''!
** [[জিয়াউর রহমান]], ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা।[https://www.thedailystar.net/history-as-the-zias-see-it-17748] [https://bangla.thedailystar.net/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF/%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%90%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF/%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8/%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE-302391]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]]
f73l91gpbx670pyyll6ogq7it7hsww2
84124
84123
2026-08-08T21:12:58Z
ফারদিন
52
84124
wikitext
text/x-wiki
{{সক্রিয়ভাবে সম্পাদিত হচ্ছে}}
পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতার ঘোষণা যিনি দিয়েছিলেন তাকে '''[[w:bn:বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক|বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক]]''' বলা হয়ে থাকে। এটি বাংলাদেশে একটি রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয়। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে [[শেখ মুজিবুর রহমান]] প্রথম বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন তাই তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক বলে মনে করা হয়। পরবর্তীকালে শেখ মুজিবের পক্ষে আওয়ামী লীগ নেতা এম. এ. হান্নান এবং তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান পুনরায় স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সনের শাসনামলের সকল কূটনৈতিক গোপন নথিতে শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা হয়েছে। এছাড়াও, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার পূর্বেই ২৬ মার্চে, আমেরিকান টিভি এবিসি নিউজে শেখ মুজিবের স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে সংবাদ পাঠ করা হয়। তবে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে মনে করে থাকে।
== ঘোষণা ==
* এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, আপনারা যেখানেই থাকুন, আপনাদের সর্বস্ব দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ চালিয়ে যান। বাংলাদেশের মাটি থেকে সর্বশেষ পাকিস্তানি সৈন্যটিকে উৎখাত করা এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের আগ পর্যন্ত আপনাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকুক।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]] কর্তৃক ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ সালের প্রথম প্রহরে প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা। [https://www.jagonews24.com/feature/news/931841]
* আজ বাংলাদেশ একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার রাতে পশ্চিম পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী হঠাৎ ঢাকার পিলখানার রাজারবাগ এবং ইপিআর সদর দপ্তরে হামলা চালায়। ঢাকা শহর এবং বাংলাদেশের অন্যান্য স্থানে, অনেক নিরপরাধ ও নিরস্ত্র মানুষ নিহত হয়েছে। একদিকে পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস এবং পুলিশের মধ্যে সহিংস সংঘর্ষ এবং অন্যদিকে পিন্ডি থেকে সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সহিংস সংঘর্ষ চলছে। বাঙালিরা স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত সাহসের সাথে শত্রুর সাথে লড়াই করছে। বাংলাদেশের প্রতিটি কোণায় বিশ্বাসঘাতক শত্রুদের প্রতিরোধ করুন। ঈশ্বর আমাদের স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ে সাহায্য করুন। "জয় বাংলা"
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]
=== ঘোষণাপত্র পাঠ ===
* আমি, মেজর জিয়া, বাংলাদেশের মহান নেতা, সর্বাধিনায়ক শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি এবং জানাচ্ছি যে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সরকার ইতোমধ্যেই গঠিত হয়েছে।এছাড়াও ঘোষণা করা হচ্ছে যে, শেখ মুজিবুর রহমানই বাংলাদেশের ৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারই স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশের একমাত্র বৈধ সরকার। এই সরকার আইনসিদ্ধ ও সাংবিধানিকভাবে গঠিত হয়েছে এবং বিশ্ববাসীর স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য। আমি, তাই আমাদের মহান নেতা [[শেখ মুজিবুর রহমান|শেখ মুজিবুর রহমানের]] পক্ষ থেকে, বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সরকার, বিশেষ করে বৃহৎ শক্তিগুলো এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানাই—বাংলাদেশের বৈধ সরকারকে স্বীকৃতি দিন এবং পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর নির্মম গণহত্যা অবিলম্বে বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। আমাদের, সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের, বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে অভিহিত করা নিছক উপহাস ছাড়া কিছুই নয়, এবং এতে কেউ বিভ্রান্ত হবে না। নতুন রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো হবে—প্রথমত: নিরপেক্ষতা, দ্বিতীয়ত: শান্তি, তৃতীয়ত: সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি শত্রুতা নয়।<br>আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। '''[[জয় বাংলা]]'''!
** [[জিয়াউর রহমান]], ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা।[https://www.thedailystar.net/history-as-the-zias-see-it-17748] [https://bangla.thedailystar.net/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF/%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%90%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF/%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8/%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE-302391]
== উক্তি ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]]
9ijcjqlc3u7jyx758ozl80swaxevun5
84125
84124
2026-08-09T07:43:46Z
ফারদিন
52
84125
wikitext
text/x-wiki
{{সক্রিয়ভাবে সম্পাদিত হচ্ছে}}
পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতার ঘোষণা যিনি দিয়েছিলেন তাকে '''[[w:bn:বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক|বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক]]''' বলা হয়ে থাকে। এটি বাংলাদেশে একটি রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয়। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে [[শেখ মুজিবুর রহমান]] প্রথম বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন তাই তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক বলে মনে করা হয়। পরবর্তীকালে শেখ মুজিবের পক্ষে আওয়ামী লীগ নেতা এম. এ. হান্নান এবং তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান পুনরায় স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সনের শাসনামলের সকল কূটনৈতিক গোপন নথিতে শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা হয়েছে। এছাড়াও, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার পূর্বেই ২৬ মার্চে, আমেরিকান টিভি এবিসি নিউজে শেখ মুজিবের স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে সংবাদ পাঠ করা হয়। তবে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে মনে করে থাকে।
== ঘোষণা ==
* এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে [[বাংলাদেশ]] স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, আপনারা যেখানেই থাকুন, আপনাদের সর্বস্ব দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ চালিয়ে যান। বাংলাদেশের মাটি থেকে সর্বশেষ পাকিস্তানি সৈন্যটিকে উৎখাত করা এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের আগ পর্যন্ত আপনাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকুক।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]] কর্তৃক ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ সালের প্রথম প্রহরে প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা। [https://www.jagonews24.com/feature/news/931841]
* আজ বাংলাদেশ একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার রাতে [[পাকিস্তান|পশ্চিম পাকিস্তানের]] সশস্ত্র বাহিনী হঠাৎ ঢাকার পিলখানার রাজারবাগ এবং ইপিআর সদর দপ্তরে হামলা চালায়। ঢাকা শহর এবং বাংলাদেশের অন্যান্য স্থানে, অনেক নিরপরাধ ও নিরস্ত্র মানুষ নিহত হয়েছে। একদিকে পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস এবং পুলিশের মধ্যে সহিংস সংঘর্ষ এবং অন্যদিকে পিন্ডি থেকে সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সহিংস সংঘর্ষ চলছে। [[বাঙালি জাতি|বাঙালিরা]] স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত সাহসের সাথে শত্রুর সাথে লড়াই করছে। বাংলাদেশের প্রতিটি কোণায় বিশ্বাসঘাতক শত্রুদের প্রতিরোধ করুন। ঈশ্বর আমাদের স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ে সাহায্য করুন। "জয় বাংলা"
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]
=== ঘোষণাপত্র পাঠ ===
* আমি, মেজর জিয়া, বাংলাদেশের মহান নেতা, সর্বাধিনায়ক শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি এবং জানাচ্ছি যে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সরকার ইতোমধ্যেই গঠিত হয়েছে।এছাড়াও ঘোষণা করা হচ্ছে যে, শেখ মুজিবুর রহমানই বাংলাদেশের ৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারই স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশের একমাত্র বৈধ সরকার। এই সরকার আইনসিদ্ধ ও সাংবিধানিকভাবে গঠিত হয়েছে এবং বিশ্ববাসীর স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য। আমি, তাই আমাদের মহান নেতা [[শেখ মুজিবুর রহমান|শেখ মুজিবুর রহমানের]] পক্ষ থেকে, বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সরকার, বিশেষ করে বৃহৎ শক্তিগুলো এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানাই—বাংলাদেশের বৈধ সরকারকে স্বীকৃতি দিন এবং পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর নির্মম গণহত্যা অবিলম্বে বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। আমাদের, সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের, বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে অভিহিত করা নিছক উপহাস ছাড়া কিছুই নয়, এবং এতে কেউ বিভ্রান্ত হবে না। নতুন রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো হবে—প্রথমত: নিরপেক্ষতা, দ্বিতীয়ত: শান্তি, তৃতীয়ত: সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি শত্রুতা নয়।<br>আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। [[জয় বাংলা]]!
** [[জিয়াউর রহমান]], ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ।[https://www.thedailystar.net/history-as-the-zias-see-it-17748] [https://bangla.thedailystar.net/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF/%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%90%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF/%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8/%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE-302391]
== উক্তি ==
* বাঙলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধে পৌঁছে দিয়েছিলেন মুজিব, বন্দী থেকেও তিনিই নিয়ন্ত্রণ করছিলেন মুক্তিযুদ্ধকে, তিনিই সৃষ্টি ক'রে চলছিলেন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। মুজিবকে আমরা প্রচণ্ড সমালোচনা করতে পারি, তিনি সমালোচনার উর্ধ্বে নন, অনেক সীমাবদ্ধতা তাঁর ছিলো; কয়েক দশক ধ'রে তো কোটি কোটি বামন প্রাণভ'রে তাঁর সমালোচনা করছে। কিন্তু সত্য হচ্ছে তিনি মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক, বাঙলাদেশের মহাস্থপতি। মুজিব ছাড়া হাজার হাজার [[জিয়াউর রহমান|জিয়া]] বা অন্য কেউ মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিলেও [[মুক্তিযুদ্ধ]] ঘটতো না, তখন সেটা হতো হাস্যকর হঠকারিতা ও পরিণতিতে শোকাবহ; মুক্তিযোদ্ধারা এগিয়ে আসতো না, এবং বিশ্ব আমাদের পক্ষ নিতো না, সাড়া দিতো না। এটা ঘটেছিলো মুজিবের জন্যেই। মুজিব বাঙলাদেশের স্থপতি, মহাস্থপতি; তিনি সৃষ্টি ক'রে চলছিলেন বাঙলাদেশ। তাঁকে ছাড়া বাঙলাদেশের কথা ভাবাই যায় না।
** [[হুমায়ুন আজাদ]]। ''আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম'', প্রকাশক: আগামী প্রকাশনী, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০০৬, পৃষ্ঠা: ৩০-৩১
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]]
5bz5vjmp2rqmstbhau8xj86nico1f90
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক
0
14178
84106
2026-08-08T17:54:35Z
ফারদিন
52
ভূমিকাংশ উইকিপিডিয়া হতে যোগ
84106
wikitext
text/x-wiki
'''বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক''' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা সঙ্গীতকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা নিয়ে বিতর্ক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে গানটিকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়। তবে ১৯৭৫ সালের পর থেকেই গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়। পরবর্তী সময়ে এই সঙ্গীতের পক্ষে ও বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, কখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে গানটিকে বদলাবার চেষ্টা করা হয়েছে, কখনো বুদ্ধিজীবিরা গানটির জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণকে প্রশ্ন করেছেন।
opr0brkmx5pau9s631g3v423os5oj01
84107
84106
2026-08-08T17:54:57Z
ফারদিন
52
84107
wikitext
text/x-wiki
'''বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক''' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা সঙ্গীতকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা নিয়ে বিতর্ক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে গানটিকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়। তবে ১৯৭৫ সালের পর থেকেই গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়। পরবর্তী সময়ে এই সঙ্গীতের পক্ষে ও বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, কখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে গানটিকে বদলাবার চেষ্টা করা হয়েছে, কখনো বুদ্ধিজীবিরা গানটির জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণকে প্রশ্ন করেছেন।
== উক্তি ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
4r1v16wexcq44ta6rnlk2526j5tz61k
84108
84107
2026-08-08T17:55:43Z
ফারদিন
52
/* */
84108
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক|বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক]]''' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা সঙ্গীতকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা নিয়ে বিতর্ক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে গানটিকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়। তবে ১৯৭৫ সালের পর থেকেই গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়। পরবর্তী সময়ে এই সঙ্গীতের পক্ষে ও বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, কখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে গানটিকে বদলাবার চেষ্টা করা হয়েছে, কখনো বুদ্ধিজীবিরা গানটির জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণকে প্রশ্ন করেছেন।
== উক্তি ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
lhvxsl84vk9jvclcc4im1dr47ct1ck3
84109
84108
2026-08-08T17:59:09Z
ফারদিন
52
হটক্যাটের মাধ্যমে +[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]]; +[[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]; +[[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]]
84109
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক|বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক]]''' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা সঙ্গীতকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা নিয়ে বিতর্ক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে গানটিকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়। তবে ১৯৭৫ সালের পর থেকেই গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়। পরবর্তী সময়ে এই সঙ্গীতের পক্ষে ও বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, কখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে গানটিকে বদলাবার চেষ্টা করা হয়েছে, কখনো বুদ্ধিজীবিরা গানটির জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণকে প্রশ্ন করেছেন।
== উক্তি ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]]
[[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]
[[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]]
nnx3a3pfeodxy21wrfi2x959fgzpzux
84110
84109
2026-08-08T18:57:18Z
ফারদিন
52
84110
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক|বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক]]''' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা সঙ্গীতকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা নিয়ে বিতর্ক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে গানটিকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়। তবে ১৯৭৫ সালের পর থেকেই গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়। পরবর্তী সময়ে এই সঙ্গীতের পক্ষে ও বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, কখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে গানটিকে বদলাবার চেষ্টা করা হয়েছে, কখনো বুদ্ধিজীবিরা গানটির জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণকে প্রশ্ন করেছেন।
== উক্তি ==
== বিতর্ক ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]]
[[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]
[[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]]
q3wyhwom996emgzx65505lw9u8twtq6
84111
84110
2026-08-08T18:59:05Z
ফারদিন
52
/* উক্তি */ উক্তি যোগ
84111
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক|বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক]]''' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা সঙ্গীতকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা নিয়ে বিতর্ক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে গানটিকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়। তবে ১৯৭৫ সালের পর থেকেই গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়। পরবর্তী সময়ে এই সঙ্গীতের পক্ষে ও বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, কখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে গানটিকে বদলাবার চেষ্টা করা হয়েছে, কখনো বুদ্ধিজীবিরা গানটির জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণকে প্রশ্ন করেছেন।
== উক্তি ==
* আমি এই প্রথম একটি বাউল গান গভীর মনোযোগ সহকারে শুনেছিলাম, যা আমার মনে গভীর আলোড়ন তুলেছিল। এই গানের ভাষা এতটাই সরল যে, এটিকে আমি অন্য কোনো ভাষায় অনুবাদ করে সমালোচনামূলক দৃষ্টিতে উপস্থাপন করতে দ্বিধা বোধ করি।...এর প্রথম লাইন এইভাবে অনুবাদ করা যেতে পারে: 'আমি কোথায় পাব তারে, আমার মনের মানুষ যে রে?' এই "মনের মানুষ" — শব্দবন্ধটি শুধু এই গানেই নয়, বরং বাউল সম্প্রদায়ের গানে এটি প্রায়শই ব্যবহৃত হয়। '''এই গানটির রচয়িতা কবির নাম ছিল [[গগন হরকরা|গগন]]'''। তিনি প্রায় নিরক্ষর ছিলেন এবং তাঁর বাউল গুরুর কাছ থেকে পাওয়া ধারণাগুলো আধুনিক যুগের আত্মসচেতনতা দ্বারা প্রভাবিত হয়নি। তিনি গ্রামের একজন ডাকপিয়ন ছিলেন এবং মাসে প্রায় দশ শিলিং উপার্জন করতেন।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত [https://web.archive.org/web/20250807080509/https://sacred-traditions.org/articles/2016-08-13_an-indian-folk-religion/ ‘এন ইন্ডিয়ান ফোক রিলিজিয়ন’] শীর্ষক এক আলোচনা সভায়।
== বিতর্ক ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]]
[[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]
[[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]]
awfasxi2qe2zm6onc8ek6ebke7d30k7
84112
84111
2026-08-08T19:01:31Z
ফারদিন
52
84112
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক|বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক]]''' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা সঙ্গীতকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা নিয়ে বিতর্ক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে গানটিকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়। তবে ১৯৭৫ সালের পর থেকেই গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়। পরবর্তী সময়ে এই সঙ্গীতের পক্ষে ও বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, কখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে গানটিকে বদলাবার চেষ্টা করা হয়েছে, কখনো বুদ্ধিজীবিরা গানটির জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণকে প্রশ্ন করেছেন।
== উক্তি ==
* আমি এই প্রথম একটি বাউল গান গভীর মনোযোগ সহকারে শুনেছিলাম, যা আমার মনে গভীর আলোড়ন তুলেছিল। এই গানের ভাষা এতটাই সরল যে, এটিকে আমি অন্য কোনো ভাষায় অনুবাদ করে সমালোচনামূলক দৃষ্টিতে উপস্থাপন করতে দ্বিধা বোধ করি।...এর প্রথম লাইন এইভাবে অনুবাদ করা যেতে পারে: 'আমি কোথায় পাব তারে, আমার মনের মানুষ যে রে?' এই "মনের মানুষ" — শব্দবন্ধটি শুধু এই গানেই নয়, বরং বাউল সম্প্রদায়ের গানে এটি প্রায়শই ব্যবহৃত হয়। '''এই গানটির রচয়িতা কবির নাম ছিল [[গগন হরকরা|গগন]]'''। তিনি প্রায় নিরক্ষর ছিলেন এবং তাঁর বাউল গুরুর কাছ থেকে পাওয়া ধারণাগুলো আধুনিক যুগের আত্মসচেতনতা দ্বারা প্রভাবিত হয়নি। তিনি গ্রামের একজন ডাকপিয়ন ছিলেন এবং মাসে প্রায় দশ শিলিং উপার্জন করতেন।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত [https://web.archive.org/web/20250807080509/https://sacred-traditions.org/articles/2016-08-13_an-indian-folk-religion/ ‘এন ইন্ডিয়ান ফোক রিলিজিয়ন’] শীর্ষক এক আলোচনা সভায়।
== বিতর্ক ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]]
[[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]
[[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]]
jj1jspuotvy91pfh3acm3xhd3xgwjdi
84113
84112
2026-08-08T19:45:57Z
ফারদিন
52
/* বিতর্ক */
84113
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক|বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক]]''' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা সঙ্গীতকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা নিয়ে বিতর্ক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে গানটিকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়। তবে ১৯৭৫ সালের পর থেকেই গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়। পরবর্তী সময়ে এই সঙ্গীতের পক্ষে ও বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, কখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে গানটিকে বদলাবার চেষ্টা করা হয়েছে, কখনো বুদ্ধিজীবিরা গানটির জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণকে প্রশ্ন করেছেন।
== উক্তি ==
* আমি এই প্রথম একটি বাউল গান গভীর মনোযোগ সহকারে শুনেছিলাম, যা আমার মনে গভীর আলোড়ন তুলেছিল। এই গানের ভাষা এতটাই সরল যে, এটিকে আমি অন্য কোনো ভাষায় অনুবাদ করে সমালোচনামূলক দৃষ্টিতে উপস্থাপন করতে দ্বিধা বোধ করি।...এর প্রথম লাইন এইভাবে অনুবাদ করা যেতে পারে: 'আমি কোথায় পাব তারে, আমার মনের মানুষ যে রে?' এই "মনের মানুষ" — শব্দবন্ধটি শুধু এই গানেই নয়, বরং বাউল সম্প্রদায়ের গানে এটি প্রায়শই ব্যবহৃত হয়। '''এই গানটির রচয়িতা কবির নাম ছিল [[গগন হরকরা|গগন]]'''। তিনি প্রায় নিরক্ষর ছিলেন এবং তাঁর বাউল গুরুর কাছ থেকে পাওয়া ধারণাগুলো আধুনিক যুগের আত্মসচেতনতা দ্বারা প্রভাবিত হয়নি। তিনি গ্রামের একজন ডাকপিয়ন ছিলেন এবং মাসে প্রায় দশ শিলিং উপার্জন করতেন।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত [https://web.archive.org/web/20250807080509/https://sacred-traditions.org/articles/2016-08-13_an-indian-folk-religion/ ‘এন ইন্ডিয়ান ফোক রিলিজিয়ন’] শীর্ষক এক আলোচনা সভায়।
== বিতর্ক ==
* ৩টি কারণে এই জাতীয় সংগীত গ্রহণযোগ্য না। সেগুলো হলো: বাংলাদেশ নিয়ে এই গান রচিত নয়, রচয়িতা বাংলাদেশের নাগরিক নয় এবং সুর নকল করা।
** [[অলি আহমেদ]]। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ ঢাকার মগবাজারে এলডিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক [https://www.somoynews.tv/news/2024-09-10/tIQ6NUR9 সংবাদ সম্মেলনে]।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]]
[[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]
[[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]]
5wi1a1ewld82zl8smq1rbop2us21i42
84114
84113
2026-08-08T19:50:11Z
ফারদিন
52
/* বিতর্ক */ উক্তি যোগ
84114
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক|বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক]]''' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা সঙ্গীতকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা নিয়ে বিতর্ক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে গানটিকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়। তবে ১৯৭৫ সালের পর থেকেই গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়। পরবর্তী সময়ে এই সঙ্গীতের পক্ষে ও বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, কখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে গানটিকে বদলাবার চেষ্টা করা হয়েছে, কখনো বুদ্ধিজীবিরা গানটির জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণকে প্রশ্ন করেছেন।
== উক্তি ==
* আমি এই প্রথম একটি বাউল গান গভীর মনোযোগ সহকারে শুনেছিলাম, যা আমার মনে গভীর আলোড়ন তুলেছিল। এই গানের ভাষা এতটাই সরল যে, এটিকে আমি অন্য কোনো ভাষায় অনুবাদ করে সমালোচনামূলক দৃষ্টিতে উপস্থাপন করতে দ্বিধা বোধ করি।...এর প্রথম লাইন এইভাবে অনুবাদ করা যেতে পারে: 'আমি কোথায় পাব তারে, আমার মনের মানুষ যে রে?' এই "মনের মানুষ" — শব্দবন্ধটি শুধু এই গানেই নয়, বরং বাউল সম্প্রদায়ের গানে এটি প্রায়শই ব্যবহৃত হয়। '''এই গানটির রচয়িতা কবির নাম ছিল [[গগন হরকরা|গগন]]'''। তিনি প্রায় নিরক্ষর ছিলেন এবং তাঁর বাউল গুরুর কাছ থেকে পাওয়া ধারণাগুলো আধুনিক যুগের আত্মসচেতনতা দ্বারা প্রভাবিত হয়নি। তিনি গ্রামের একজন ডাকপিয়ন ছিলেন এবং মাসে প্রায় দশ শিলিং উপার্জন করতেন।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত [https://web.archive.org/web/20250807080509/https://sacred-traditions.org/articles/2016-08-13_an-indian-folk-religion/ ‘এন ইন্ডিয়ান ফোক রিলিজিয়ন’] শীর্ষক এক আলোচনা সভায়।
== বিতর্ক ==
* ৩টি কারণে এই জাতীয় সংগীত গ্রহণযোগ্য না। সেগুলো হলো: বাংলাদেশ নিয়ে এই গান রচিত নয়, রচয়িতা বাংলাদেশের নাগরিক নয় এবং সুর নকল করা।
** [[অলি আহমেদ]]। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ ঢাকার মগবাজারে এলডিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক [https://www.somoynews.tv/news/2024-09-10/tIQ6NUR9 সংবাদ সম্মেলনে]।
* ১৯০৫-এ বঙ্গভঙ্গ-রদ করার জন্য রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’। এই জাতীয় সংগীত দুই বাংলা এক করার জন্য জাতীয় সংগীত। আমরা কি [[যুক্তবঙ্গ|দুই বাংলা]] এক হতে চাচ্ছি?
** [[w:bn:আবদুল্লাহিল আমান আযমী|আবদুল্লাহিল আমান আযমী]]। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের [https://web.archive.org/web/20260522042733/https://www.jugantor.com/national/846997 জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে]।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]]
[[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]
[[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]]
d9dpuoi62hxsxt3mwqcqdnfx2bujzhq
84117
84114
2026-08-08T20:41:59Z
ফারদিন
52
উক্তি যোগ
84117
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক|বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক]]''' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা সঙ্গীতকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা নিয়ে বিতর্ক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে গানটিকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়। তবে ১৯৭৫ সালের পর থেকেই গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়। পরবর্তী সময়ে এই সঙ্গীতের পক্ষে ও বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, কখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে গানটিকে বদলাবার চেষ্টা করা হয়েছে, কখনো বুদ্ধিজীবিরা গানটির জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণকে প্রশ্ন করেছেন।
== উক্তি ==
* আমি এই প্রথম একটি বাউল গান গভীর মনোযোগ সহকারে শুনেছিলাম, যা আমার মনে গভীর আলোড়ন তুলেছিল। এই গানের ভাষা এতটাই সরল যে, এটিকে আমি অন্য কোনো ভাষায় অনুবাদ করে সমালোচনামূলক দৃষ্টিতে উপস্থাপন করতে দ্বিধা বোধ করি।...এর প্রথম লাইন এইভাবে অনুবাদ করা যেতে পারে: 'আমি কোথায় পাব তারে, আমার মনের মানুষ যে রে?' এই "মনের মানুষ" — শব্দবন্ধটি শুধু এই গানেই নয়, বরং বাউল সম্প্রদায়ের গানে এটি প্রায়শই ব্যবহৃত হয়। '''এই গানটির রচয়িতা কবির নাম ছিল [[গগন হরকরা|গগন]]'''। তিনি প্রায় নিরক্ষর ছিলেন এবং তাঁর বাউল গুরুর কাছ থেকে পাওয়া ধারণাগুলো আধুনিক যুগের আত্মসচেতনতা দ্বারা প্রভাবিত হয়নি। তিনি গ্রামের একজন ডাকপিয়ন ছিলেন এবং মাসে প্রায় দশ শিলিং উপার্জন করতেন।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত [https://web.archive.org/web/20250807080509/https://sacred-traditions.org/articles/2016-08-13_an-indian-folk-religion/ ‘এন ইন্ডিয়ান ফোক রিলিজিয়ন’] শীর্ষক এক আলোচনা সভায়।
== বিতর্ক ==
* ৩টি কারণে এই জাতীয় সংগীত গ্রহণযোগ্য না। সেগুলো হলো: বাংলাদেশ নিয়ে এই গান রচিত নয়, রচয়িতা বাংলাদেশের নাগরিক নয় এবং সুর নকল করা।
** [[অলি আহমেদ]]। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ ঢাকার মগবাজারে এলডিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক [https://www.somoynews.tv/news/2024-09-10/tIQ6NUR9 সংবাদ সম্মেলনে]।
* ১৯০৫-এ বঙ্গভঙ্গ-রদ করার জন্য রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’। এই জাতীয় সংগীত দুই বাংলা এক করার জন্য জাতীয় সংগীত। আমরা কি [[যুক্তবঙ্গ|দুই বাংলা]] এক হতে চাচ্ছি?
** [[w:bn:আবদুল্লাহিল আমান আযমী|আবদুল্লাহিল আমান আযমী]]। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের [https://web.archive.org/web/20260522042733/https://www.jugantor.com/national/846997 জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে]।
* রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি গান ভারতের জাতীয় সংগীত। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন। [[হিন্দু]] সম্প্রদায়ের একজন কবির লেখা গান জাতীয় সংগীত হওয়ায় [[মুসলমান|মুসলিম]] উম্মাহ উদ্বিগ্ন। এই গান আমাদের সংস্কৃতির চেতনার পরিপন্থী বিধায় জাতীয় সংগীত পরিবর্তন আবশ্যক।
** [[w:bn:শাহ আজিজুর রহমান|শাহ আজিজুর রহমান]]। এক গোপন [https://www.dhakatimes24.com/2019/08/06/131236/ চিঠিতে]।[https://web.archive.org/web/20190806054805/https://eisamay.indiatimes.com/entertainment/tv-news/not-onlt-noble-many-noted-public-figures-voiced-their-opinion-to-replace-sonar-bangla-penned-by-rabindranath-tagore-as-the-national-song-of-bangladesh-in-the-past/articleshow/70537992.cms]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]]
[[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]
[[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]]
5z0r65o7kozkahss8k4scj7lx2q8ywu
84118
84117
2026-08-08T20:45:40Z
ফারদিন
52
উক্তি যোগ
84118
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক|বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক]]''' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা সঙ্গীতকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা নিয়ে বিতর্ক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে গানটিকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়। তবে ১৯৭৫ সালের পর থেকেই গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়। পরবর্তী সময়ে এই সঙ্গীতের পক্ষে ও বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, কখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে গানটিকে বদলাবার চেষ্টা করা হয়েছে, কখনো বুদ্ধিজীবিরা গানটির জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণকে প্রশ্ন করেছেন।
== উক্তি ==
* আমি এই প্রথম একটি বাউল গান গভীর মনোযোগ সহকারে শুনেছিলাম, যা আমার মনে গভীর আলোড়ন তুলেছিল। এই গানের ভাষা এতটাই সরল যে, এটিকে আমি অন্য কোনো ভাষায় অনুবাদ করে সমালোচনামূলক দৃষ্টিতে উপস্থাপন করতে দ্বিধা বোধ করি।...এর প্রথম লাইন এইভাবে অনুবাদ করা যেতে পারে: 'আমি কোথায় পাব তারে, আমার মনের মানুষ যে রে?' এই "মনের মানুষ" — শব্দবন্ধটি শুধু এই গানেই নয়, বরং বাউল সম্প্রদায়ের গানে এটি প্রায়শই ব্যবহৃত হয়। '''এই গানটির রচয়িতা কবির নাম ছিল [[গগন হরকরা|গগন]]'''। তিনি প্রায় নিরক্ষর ছিলেন এবং তাঁর বাউল গুরুর কাছ থেকে পাওয়া ধারণাগুলো আধুনিক যুগের আত্মসচেতনতা দ্বারা প্রভাবিত হয়নি। তিনি গ্রামের একজন ডাকপিয়ন ছিলেন এবং মাসে প্রায় দশ শিলিং উপার্জন করতেন।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত [https://web.archive.org/web/20250807080509/https://sacred-traditions.org/articles/2016-08-13_an-indian-folk-religion/ ‘এন ইন্ডিয়ান ফোক রিলিজিয়ন’] শীর্ষক এক আলোচনা সভায়।
== বিতর্ক ==
* ৩টি কারণে এই জাতীয় সংগীত গ্রহণযোগ্য না। সেগুলো হলো: বাংলাদেশ নিয়ে এই গান রচিত নয়, রচয়িতা বাংলাদেশের নাগরিক নয় এবং সুর নকল করা।
** [[অলি আহমেদ]]। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ ঢাকার মগবাজারে এলডিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক [https://www.somoynews.tv/news/2024-09-10/tIQ6NUR9 সংবাদ সম্মেলনে]।
* ১৯০৫-এ বঙ্গভঙ্গ-রদ করার জন্য রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’। এই জাতীয় সংগীত দুই বাংলা এক করার জন্য জাতীয় সংগীত। আমরা কি [[যুক্তবঙ্গ|দুই বাংলা]] এক হতে চাচ্ছি?
** [[w:bn:আবদুল্লাহিল আমান আযমী|আবদুল্লাহিল আমান আযমী]]। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের [https://web.archive.org/web/20260522042733/https://www.jugantor.com/national/846997 জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে]।
* রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি গান ভারতের জাতীয় সংগীত। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন। [[হিন্দু]] সম্প্রদায়ের একজন কবির লেখা গান জাতীয় সংগীত হওয়ায় [[মুসলমান|মুসলিম]] উম্মাহ উদ্বিগ্ন। এই গান আমাদের সংস্কৃতির চেতনার পরিপন্থী বিধায় জাতীয় সংগীত পরিবর্তন আবশ্যক।
** [[w:bn:শাহ আজিজুর রহমান|শাহ আজিজুর রহমান]]। এক গোপন [https://www.dhakatimes24.com/2019/08/06/131236/ চিঠিতে]।[https://web.archive.org/web/20190806054805/https://eisamay.indiatimes.com/entertainment/tv-news/not-onlt-noble-many-noted-public-figures-voiced-their-opinion-to-replace-sonar-bangla-penned-by-rabindranath-tagore-as-the-national-song-of-bangladesh-in-the-past/articleshow/70537992.cms]
* সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে আমাদের ইসলামী মূল্যবোধ ও চেতনার আলোকে জাতীয় সংগীত সংশোধিত হওয়া প্রয়োজন।
** [[মতিউর রহমান নিজামী]] এবং [[আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ|আলী আহসান মুজাহিদ]]। যৌথভাবে ২০০২ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী [[খালেদা জিয়া|খালেদা জিয়ার]] কাছে পাঠানো [https://www.dhakatimes24.com/2019/08/06/131236/ অনুরোধপত্রে]। [https://web.archive.org/web/20190806054805/https://eisamay.indiatimes.com/entertainment/tv-news/not-onlt-noble-many-noted-public-figures-voiced-their-opinion-to-replace-sonar-bangla-penned-by-rabindranath-tagore-as-the-national-song-of-bangladesh-in-the-past/articleshow/70537992.cms]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]]
[[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]
[[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]]
fa16cvotspx25kdyb397k0fiwx4cvjr
বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক
14
14179
84115
2026-08-08T19:57:05Z
ফারদিন
52
খালি পাতা তৈরি হয়েছে
84115
wikitext
text/x-wiki
phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1
84120
84115
2026-08-08T20:57:43Z
ফারদিন
52
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বিতর্ক]] যোগ
84120
wikitext
text/x-wiki
[[বিষয়শ্রেণী:বিতর্ক]]
tif96j0js8llnc3xfzbh4u69g2d2fi7
বিষয়শ্রেণী:বিতর্ক
14
14180
84121
2026-08-08T20:57:55Z
ফারদিন
52
খালি পাতা তৈরি হয়েছে
84121
wikitext
text/x-wiki
phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1