উইকিউক্তি bnwikiquote https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.14 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিউক্তি উইকিউক্তি আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা শেখ হাসিনা 0 476 84151 84090 2026-08-10T16:22:57Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84151 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Russia-Bangladeshi talks Moscow 2013-01-15 12.jpeg|thumb|এখন থেকে লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে, যেটারে পাবে সেটারে গুলি করবে। ~ শেখ হাসিনা]] '''[[w:শেখ হাসিনা|শেখ হাসিনা ওয়াজেদ]]''' (জন্ম: ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭) বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদের সরকারদলীয় প্রধান ছিলেন এবং [[বাংলাদেশ]] আওয়ামী লীগের সভানেত্রী। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ [[সময়]] ধরে দায়িত্ব পালন করা প্রধানমন্ত্রী। ==উক্তি== * '''এখন থেকে লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে, যেটারে পাবে সেটারে গুলি করবে।''' যেখানে গেদারিং দেখবে সেখানে ওপর থেকে.. হেলিকপ্টার থেকে গুলি করবে, এখন ওপর থেকে করাচ্ছি (গুলি), অলরেডি শুরু হয়ে গেছে, র্যাবকে আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে। ** কোটা আন্দোলনের সময় এক প্রতিরক্ষা বা পুলিশ অফিসারের সঙ্গে ফোনালাপে, ১৮ জুলাই ২০২৪, ভাইরাল অডিও, "ফেস দ্য পিপল" এর ইউটিউব পাতায় ৮ ই মার্চ ২০২৫ এ প্রকাশিত [https://m.youtube.com/watch?si=-H1TVU7QFcJflQ4E&v=HXV57sEsQMc][https://www.facebook.com/reel/2654604558070616?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v][https://www.jugantor.com/national/926561][https://m.youtube.com/watch?si=jYl9_so2sCanb7li&v=x5C0VJ-TqsM&feature=youtu.be] * '''বঙ্গোপসাগরে একটি শক্তিশালী দেশ ঘাঁটি বানাতে চায়। যা হতে দিচ্ছি না বলেই কিছু সমস্যা হচ্ছে।'''...শক্তিশালী দেশটি (যুক্তরাষ্ট্র) আমাদের সেই সিদ্ধান্তকে ভালোভাবে নেয়নি। [২০০১ সালের নির্বাচনের আগে] গ্যাস বিক্রিতে রাজি হইনি বলে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয়নি। গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় বসার মতো দৈন্যতায় ছিলাম না কখনও। বাংলাদেশে এয়ার বেজ বানাতে দিলে, কারও কারও নির্বাচনে জিততে কোনো সমস্যা নেই- এমন প্রস্তাবও আমাকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাজি হইনি আমি। [[বঙ্গোপসাগর|বে অব বেঙ্গলে]] (বঙ্গোপসাগর) তারা (যুক্তরাষ্ট্র) ঘাঁটি বানাবে। ভারত মহাসগাগরের এই শান্তিপূর্ণ জায়গাটার ওপর তাদের নজর। এখানে বেজ বানিয়ে তারা কোথায় হামলা করতে চায়? আমি এটা করতে দিচ্ছি না বলেই খারাপ। চক্রান্ত এখনও চলমান রয়েছে। তবে জনগণ সঙ্গে রয়েছে। তারাই আমার সামনে চলার মূল শক্তি। ** ২৩ মে ২০২৪-এ গণভবনে ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে। [https://www.ittefaq.com.bd/688380/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%98%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC বঙ্গোপসাগরে বিমান ঘাঁটির বিনিময়ে সহজে ক্ষমতায় ফেরার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এক শ্বেতাঙ্গ: প্রধানমন্ত্রী] * এখানে কেউ থাকবেন না। (নো ওয়ান স্টে হেয়ার।) ** ৫ আগস্ট ২০২৪, তার আত্মীয়দের কাছে শেষ হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় [https://english.khaborerkagoj.com/special-report/799212] * আমি যা বলি শুনো, থোরাসা হাদিয়া দে দো। ** ২৪ জুলাই ২০২৪, নসরুল হামিদের সাথে ফোনালাপে [https://www.jugantor.com/politics/1010047] * আমি কোনো প্রতিদান চাই না। প্রতিদানের কী আছে? আর কারও কাছে চাওয়ার অভ্যাস আমার একটু কম। দেয়ার অভ্যাস বেশি।’ আমরা ভারতকে যা দিয়েছি, সেটা ভারত সারা জীবন মনে রাখবে ‘প্রতিদিনের বোমাবাজি, গুলি, আমরা শান্তি ফিরিয়ে দিয়েছি। এটা তাদের মনে রাখতে হবে। কাজেই আমরা কোনো প্রতিদান চাই না।’ ‘ভারতে বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ড চলছিল। তখনকার সরকারগুলো এদেরকে মদদ দিয়েছে। আমরা সেটাও বন্ধ করেছি। আমার দেশের মাটি কোনো মতেই অন্য কোনো দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবহার হতে পারবে না। কারণ, তার প্রভাব আমার দেশেও পড়ে। আপনারা ভুলে যান ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান? এটা তো একটা কনসাইনমেন্ট ধরা পড়েছে। আরো কত যে এভাবে চোরাচালান হতো তার ঠিক আছে? এ জন্য আমার দেশের মানুষকে খেসারত দিতে হয়নি? কতবার ধরা পড়েছে?’ ‘আমরা হরতাল দিলাম ট্রাক নিতে পারে নাই। ট্রাকের নিচে হলো অস্ত্রশস্ত্র, গুলি, ওপরে ছিল আনারস। গরু আনারস টেনে খেতে গিয়ে আসল জিনিস বের হয়ে গেছে।’ ‘এই অস্ত্রের মালিক কে ছিল, কারা পাঠাচ্ছিল চিন্তা করে দেখেন একবার।’ ‘চরোকিয়াতেও ১৩ জন ধরা পড়ল। তারপর কীভাবে কীভাবে ছাড়া পেয়ে গেল।’ ‘আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে তারা যে সমর্থন দিয়েছে, আমাদের এক কোটি শরণার্থীকে তারা সাহায্য করেছে, লক্ষ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধাকে ট্রেইনিং দিয়েছে, একসথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধের ময়দানে একসাথে রক্ত দিয়েছে, আমরা কৃতজ্ঞতার সাথে সেটা স্বীকার করি। ** ৩০ মে ২০১৮, গণভবনে সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে করা সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের উত্তরে [https://www.bd24live.com/bangla/article/1527690240/167260/index.html] * “এতো লাশ গেলো কোথায়? ওই হিসাব বিরোধীদলকে দিতে হবে।” বিএনপির পক্ষ থেকে আড়াই হাজার লোককে সেদিন হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করার হয়। আড়াই হাজার লোককে হত্যা করতে কতো গোলা-বারুদ দরকার হয়? কত হাজার গুলির প্রয়োজন হয়? আর কত মানুষ আহত হতো?” এত মানুষ নিহত হলে তাদের আত্মীয়-স্বজনরা কোথায়। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিরোধীদলের পক্ষ থেকে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তাদেরকে বলতে হবে একটা ট্রাকে কত লাশ ধরে। উনি (খালেদা জিয়া) তো আর্মি অফিসারের বউ। ওনার তো গোলা-বারুদ সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকা দরকার। আছরের নামাজের পর দোয়া পড়ে হেফাজতে ইসলাম শাপলা চত্বর ছেড়ে চলে যাবে বলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আশ্বাস দেওয়ায় তাদের সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়। ** ৯ মে ২০১৩, গণভবনে বৃহস্পতিবার ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে [https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article623379.bdnews] * দেশকে যখন আমরা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছি, তখন দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনের মধ্যে গুজব ছড়ানো হয়েছে, শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু বলে দিতে চাই, '''শেখ হাসিনা পালায়নি, পালায় না'''। ** ২২ জুলাই ২০২৪, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে * ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তোমাদের বাড়িঘরে যারা আগুন লাগিয়ে দিয়েছে, তাদের বাড়ি ঘর নেই? সব কথা কি বলে দিতে হয়? যারা এখন বেশি বেশি বাড়াবাড়ি করছে। বেশি ভালো থাকবেন না আপনি। দেখো ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই শত্রুরা টেকে কি না? কাউকে পালাতেও দেওয়া হবে না। যে কয়টা নাফরমানি করছে তাদের একটারও অস্ত্র থাকবে না। ঠিক আছে, আমি সবাইকে বলছি, তোমরা শুধু দুই মাস অপেক্ষা করো। কিছু বলো না। ‘ওরা ফেল করবে, আর আমরা যদি কিছু করি, তখন বলবে আমাদের জন্য করতে পারে নাই। সেটা আর বলার মুখ নেই। জাতীয় আন্তর্জাতিকভাবেও ওই যে সুদখোর ইউনুসের গুটি গুটি চেহারার দ্বার আটকে গেছে মানুষের কাছে। এখন ভয় পাওয়ার কিছু নেই, এখন ওদের ভয় দিতে হবে। আমি একটা কথা বলি, তোমাদের বাড়ি পোড়াই দিছে কে?’‘তাদের ঘর-বাড়ি নেই? ‘তাহলে, সবকিছু কি প্রকাশ্যে করতে হয়? ‘তোমাদের নাই, তাহলে কারো ঘর-বাড়ি থাকবে না।’, ‘মামলা, আমারতো শুধু গোবিন্দগঞ্জ না, '''আমারতো সারা বাংলাদেশে ২২৭টি মার্ডার কেস। আমি বলছি সবাই তালিকা কর। তোমরাও তালিকা কর। ২২৭ মার্ডারের লাইন্সেস পেয়ে গেছি। এক মামলায় যে শাস্তি, শোয়া দুইশো মামলায় একই শাস্তি। তাই না। ঠিক আছে সেই শাস্তি নেব। তার আগে শোয়া দুইশো হিসাব করে নেব। এটা যেন মাথায় থাকে।''' এবার একবার আসতে পারলে কেউ ফেলাইতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। ** গোবিন্দগঞ্জের সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাকিল আলম বুলবুলের সাথে প্রকাশিত ফোনালাপে, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ [https://www.jugantor.com/awami-league/871270] * একটি বিল্ডিং ভেঙ্গে দিলেই ইতিহাস মুছা যায় না ** ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ি ভাঙ্গার প্রতিক্রিয়ায় * '''মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরা না পেলে, তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে?''' আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে। রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না? অপরাধটা কী? ** [[w:bn:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|কোটা সংস্কার]] নিয়ে সাংবাদিকদের একটি প্রশ্নের জবাব{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন, কোটা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী |ইউআরএল=https://www.ajkerpatrika.com/346776/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8B%E0%A6%AD-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE |ওয়েবসাইট=[[আজকের পত্রিকা]] |সংগ্রহের-তারিখ=১৫ জুলাই ২০২৪}} * আপনজন হারানোর বেদনা যে কত কষ্ট, আমার চেয়ে আর কেউ বেশি জানে না। ** [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] [https://en.prothomalo.com/bangladesh/hfn076m9r3] *'''আর আমার পাওয়ার চাই''', আমি দেশের উন্নতি করতে চাই, সাফ কথা আমার। পাওয়ার চাই; আমি খালি ইলেকশন যেনো তেনো না, '''অ্যাবসুল্যুট পাওয়ার (নিরঙ্কুশ ক্ষমতা) নিয়ে আমি দেশের উন্নতি করব।''' এটাই আমার লক্ষ্য। **১১ জুন ২০২২। [https://sarabangla.net/news/post-680972/] [https://www.youtube.com/watch?v=ogT0MAC3Hmc] *'''আমাকে বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকব।''' ইলেকশনের পরে, যদি আসতে পারি, আবার করব। তারপর দেখি কে সাহস পায় নিতে...ক্ষমতা। সব গুছাইয়া-গাছাইয়া দেওয়ার পরে '''এখন ইলেকশনের কথা, ভোটের কথা, অর্থনীতির কথা, পাকা পাকা কথা শুনতে হয়। আমরা তো শুনতে রজি না।''' **[https://www.prothomalo.com/politics/6nromi88s7 বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকব: প্রধানমন্ত্রী | প্রথম আলো] ০৬ অক্টোবর ২০২৩।[https://www.youtube.com/watch?v=rILoMXDDsxM] *এই দেশ আমার দেশ, আমার নিজের দেশ, '''আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন।''' **[https://www.youtube.com/shorts/NRSG3AEr4KA] * আমি কিন্তু দেশের খুব কাছেই আছি। যেকোনো সময় চট করে ঢুকে পড়তে পারি। ** ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ [https://www.dhakapost.com/politics/306556] * বেগুনের দাম ১১০ টাকার ওপরে চলে গেল। সেটা এখন কমে ৮০ টাকায় এসেছে। বেগুন দিয়ে বেগুনি না খেয়ে আরও যেসব সবজি সহজলভ্য আছে, সেটা দিয়ে খেলেই হয়। আমরা তো তাই খাই। '''বেগুনি না বানিয়ে মিষ্টিকুমড়া দিয়ে খুব ভালো বেগুনি বানানো যায়।''' আমরা এভাবে করি। সেভাবে করা যায়। ** ৬ এপ্রিল ২০২২ [https://www.somoynews.tv/news/2022-04-06/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A4%E0%A7%88%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0] *'''পেঁয়াজ ছাড়াও রান্না করা যায়''', আমাদের বাসায় পেঁয়াজ ছাড়া রান্না করা হয়। পেঁয়াজ নিয়ে এত অস্থির হওয়ার কি আছে আমি জানি না। **২৯ অক্টোবর, ২০১৯[https://m.dailyinqilab.com/article/244415/%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%9C-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] * ডিম যখন বেশি পাবেন সিদ্ধ করে ফ্রিজে রেখে দেবেন, বহুদিন থাকবে। নষ্ট হবে না। '''সবকিছুর বিকল্প আছে। ডিম সিদ্ধ করে ডিপে রেখে দেন, ডিম ভালো থাকবে।''' রান্না করে, ভর্তা করে খাওয়া যাবে। আমরা রাখি খাই। এগুলো নিজে থেকে শেখা ** ২৯ আগস্ট ২০২৩[https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-509711] * বর্ষাকালে কাঁচা মরিচের ক্ষেতে কেউ মরিচ তুলতে যেতে পারে না। '''কাঁচা মরিচের দাম বাড়লে সবাই চিৎকার করে।''' সবাইকে আহ্বান করবো, '''এখন থেকে কাঁচা মরিচ কিনে রোদে শুকিয়ে রেখে দেন''', বর্ষাকালে যখন দাম বাড়বে তখন সেখান থেকে খাওয়া যাবে। একটু পানি লাগলেই তাজা হয়ে যায়, আবার রান্না করে খাওয়া যায়, সহজ বুদ্ধি। ** ২১ জুন ২০২৩। [https://www.ajkerpatrika.com/national/ajpDe2rMjC77F] * একটি এমডি পদের জন্য পদ্মা সেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করেছে, তাকে '''পদ্মা নদীতে দুইটা চুবানি দিয়ে তোলা উচিত।''' মরে যাতে না যায়, পদ্মা নদীতে একটু চুবানি দিয়ে সেতুতে তুলে দেওয়া উচিত। তাহলে যদি শিক্ষা হয়। পদ্মা সেতুর অর্থ বন্ধ করাল [[মুহাম্মদ ইউনূস|ড. ইউনূস]]। কেন? গ্রামীণ ব্যাংকের একটি এমডি পদে তাকে থাকতে হবে। ** ১৮ মে ২০২২ [https://www.prothomalo.com/politics/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%B8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%89%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] * ‘[[খালেদা জিয়া]] বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে। সেতুতে যে স্প্যানগুলো বসাচ্ছে, এগুলো তার কাছে ছিল জোড়াতালি দেওয়া। বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, ওখানে চড়া যাবে না। চড়লে ভেঙে পড়বে। আবার তার সঙ্গে কিছু দোসরেরাও…তাদেরকে এখন কী করা উচিত? পদ্মা সেতুতে নিয়ে গিয়ে ওখান থেকে '''টুস করে নদীতে ফেলে দেওয়া উচিত'''।’ ** ১৮ মে ২০২২ [https://www.prothomalo.com/politics/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%B8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%89%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] *অতিরিক্ত টমেটো হয়েছে, বলল কী করব? আমি বলেছি শুকিয়ে রেখে দেন। সানড্রাই টমেটো তো বিদেশে ভীষণভাবে চলে। আমরাও সবকিছু করব। পেঁয়াজেও তাই। যখন উৎপাদন বেড়েছে, তখন পেঁয়াজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করব। **২১ জুন ২০২৩। [https://www.ajkerpatrika.com/national/ajpDe2rMjC77F] * যদি বলেন যে রিজার্ভ রক্ষা করতে হবে, '''তাহলে আমি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেই, পানি দেওয়া বন্ধ করে দেই, সার বন্ধ করে দেই? সব বন্ধ করে বসায় রাখলে রিজার্ভ ভালো থাকবে।''' ... (রিজার্ভ নিয়ে) যদি এত বেশি কথা হয়, যখন সরকার গঠন করেছিলাম তখন যত ছিল ওইখানে এনে রেখে তারপর আবার ইলেকশন করব। করে আবার বাড়াব। ** ০৬ অক্টোবর ২০২৩।[https://www.youtube.com/watch?v=rILoMXDDsxM] *বিদ্যুৎ শতভাগ থেকে কমিয়ে ওই ২৮ ভাগে নিয়ে আসব। সবাই একটু টের পাক যে কী ছিল। '''আমাদের বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে বলেছিলাম যেন প্রতিদিন একটু লোডশেডিং দেয়।''' তখন ঐ যে পয়সা দিয়ে তেল কিনে জেনারেটর চালাতে হবে, তখন আবার আক্কেলটা ঠিক হবে! **০৬ অক্টোবর ২০২৩।[https://www.youtube.com/watch?v=rILoMXDDsxM] *জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে। সংবিধান সংশোধন করেছি। '''যা হবে সংবিধান মোতাবেক হবে। তা থেকে একচুলও নড়া হবে না, ব্যাস।''' ** তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে [https://www.bbc.com/bengali/news/2013/08/130818_sahasina সংবিধান থেকে একচুলও নড়বো না: শেখ হাসিনা] - বিবিসি বাংলা। ১৮ অগাস্ট ২০১৩ *“আমার ৭২ বছর বয়সের ৬০ বছরই কেটেছে রাজনীতিতে। স্কুল থেকে রাজনীতি শুরু করেছি এখনো অব্যাহত আছে। রাজনীতিতে কে কী করেছে অনেক ঘটনা চোখে দেখেছি"। * “আমি নিজে নিয়মিত [[নামাজ]] পড়ি, কোরান থেকে তিলওয়াত করে দিনের কাজ শুরু করি। আমি জানি, নবী করিম বলেছেন, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করা যাবে না”। * ডাক্তাররা রোগীকে মেরে ফেলতে চান না। রোগীর জন্য অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন{{fact}} * বিরোধী দলে গেলে কখনও হরতাল করব না{{fact}} * আমি চাই বাংলার মানুষের মুক্তি। শোষণের মুক্তি। বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য বঙ্গবন্ধু সংগ্রাম করেছিলেন। আজ যদি বাংলার মানুষের মুক্তি না আসে, তবে আমার কাছে মৃত্যুই শ্রেয়। ** ১৭ মে ১৯৮১। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর মানিক মিয়া এভিনিউতে আয়োজিত গণ-সংবর্ধনায়। * সর্বস্তরের মানুষের দুর্ভোগের একটাই কারণ। সেটা হলো [[হত্যা]] ও ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা বদলের পালা। ষড়যন্ত্র ও হত্যার মাধ্যমে রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে যেভাবে ক্ষমতা বদল হচ্ছে তারই জন্য আজকে মানুষের এই দুর্ভোগ। **১৪ অক্টোবর ১৯৮৪। শেরে বাংলা নগরে ১৫ দলের জাতীয় সমাবেশ। * মাটি আর মানুষের সাথে রাজনীতিকে একাত্ম করতে হবে। সমাজের গভীর থেকে গভীরতর স্তরে পৌঁছুতে হবে। জনগণের বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে সততা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে। **১ জানুয়ারি ১৯৮৭। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলের উদ্বোধনী অধিবেশন। *আমি একটা কথাই বলব, এই মাটিতে হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিস্টান সকল ধর্মের মানুষের বসবাস থাকবে অর্থাৎ আমরা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বলে অন্য ধর্মকে অবহেলার চোখে দেখবো না। **২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় শেখ হাসিনা এটি বলেছিলেন।[https://bangla.bdnews24.com/opinion/comment/64875] * যারা অস্ত্রের ভাষা বুঝে, তারা মুক্তির ভাষা মানে না। অস্ত্রকে সম্বল করে যারা ক্ষমতায় আসে, তারা যুক্তি বুঝে না, যু্ক্তি তাদের কাছে বোধগম্য নয়। **৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭। জাতীয় সংসদ। *স্বাধীন, নিরপেক্ষ, গণমুখী ও বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যম গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত। আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি। **২৫ এপ্রিল ১৯৯১। জাতীয় সংসদ। * আওয়ামী লীগের আদর্শ জনকল্যাণমুখী এক শোষণমুক্ত উন্নত সমাজব্যবস্থা কায়েম করা। আমাদের মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ ও অর্থনৈতিক মুক্তি এবং স্বনির্ভর অর্থনীতি। **১১ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিশেষ কাউন্সল অধিবেশন। * আজ সেই সোনার বাংলা গড়ার দায়িত্ব এসেছে। এ দায়িত্ব শুধু আওয়ামী লীগের একার হতে পারে না। এ দেশ স্বাধীন করেছিলাম আমরা সবাই মিলে যেমন এক ভয়ঙ্কর দুঃসময়ে, ঠিক তেমনি আজ সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃসময়ে, ঠিক তেমনি আজ সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের শৃঙ্খল থেকে দেশকে মুক্ত করার আরেক সংগ্রামে আবার আমরা একসাথে নিঃশ্বাস নেব, এক প্রত্যয়কে অবলম্বন করব, এক লক্ষ্যে হব পথের সাথী। ** ২৪ জুন ১৯৯৬। জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ। * গণতন্ত্রের জন্য স্বাধীনতার চেয়ে বড় কোনো ভিত্তি নেই এবং সভ্যসমাজের আইন ও বিধান ছাড়া গণতন্ত্রের কোনো নিশ্চয়তা নেই। **১৯৯৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়। * ন্যায় ও সত্যের পথ কঠিন পথ, এই কঠিন পথ আমি বেছে নিয়েছি **২৮ জানুয়ারি ১৯৯৯। শান্তিনিকেতন। * শান্তি একটি মৌলিক মানবাধিকার যাকে অর্জন, লালন, উন্নয়ন করতে হবে এবং সর্বদা ভবিষ্যতের জন্য এগিয়ে নিতে হবে। ** ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯। [[জাতিসংঘ]] সাধারণ পরিষদের ৫৪তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। * শান্তি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে জনগণের ক্ষমতায়ন অপরিহার্য। ন্যায়বিচার হচ্ছে এর ভিত্তি। **২৭ সেপ্টেম্বর ২০১২। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৭তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। *এই অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ শ্রমিক। এখানে সাধারণ মানুষের সংখ্যাই বেশি। তাদের চিকিৎসার কষ্ট লাঘব করা এবং চিকিৎসাসেবা দেওয়া আমাদের কর্তব্য। তা ছাড়া এই এলাকায় উন্নতমানের হাসপাতালের সংখ্যা কম। সেই চিন্তা থেকেই এখানে এ হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিই। আমি অসুস্থ হলে আমাকে বিদেশে নিবেন না, আমি দেশের মাটিতেই চিকিৎসা নিব। **৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬। ফজিলাতুন্নেসা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পর।{{fix cite}} *দারিদ্র্যমুক্ত [[বাংলাদেশ]] গড়তে হলে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।{{fact}} *সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য যোগ্যতা অর্জন কর।{{fact}} *‘নিঃস্ব আমি রিক্ত আমি দেবার কিছু নেই, আছে শুধু ভালোবাসা দিয়ে গেলাম তাই’ **২৫ জুন, ২০২২। জাজিরা প্রান্তে পদ্মা ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে। * বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার চেষ্টা করুন, এক পা ভারতে আর এক পা বাংলাদেশে রাখবেন না। বাঙালি হওয়ার চেষ্টা করুন, অর্পিত সম্পত্তি আইন বাতিল করব না। ** ১৯৯৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতাদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা। *** "বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনাপঞ্জি ১৯৭১-২০১১"-মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন, প্রকাশকাল: অক্টোবর ২০১৩, পৃষ্ঠা: ১১৫ * [[ইসলাম]] শান্তিতে বিশ্বাস করে। ইসলাম ধর্মেই মানুষের অধিকারের কথা, মানুষের জীবন মান উন্নয়নের কথা বার বার বলা হয়েছে। অথচ মাঝে মাঝে অমরা যেটা দেখি; আমাদের ধর্মকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে কিছু কিছু মানুষ এই ধর্মের মান নিয়ে যখন কোনো সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে তখন সারা বিশ্বের কাছে আমাদের এই ধর্ম প্রশ্নবিদ্ধ হয়। শুধু প্রশ্নবিদ্ধই হয় না.. আমরা মুসলমানরা বাইরে গেল অনেক সময় অনেক সমস্যাও ভোগ করতে হয়। অথচ পবিত্র ইসলাম ধর্মই হচ্ছে সব থেকে শান্তিপূর্ণ ধর্ম। ইসলাম ধর্মেই আছে সকল ধর্মের মানুষ তার নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে স্বাধীনভাবে। ** ২০১৮ সালের ১১ জুলাই হজ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। [https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1517446.bdnews] ==শেখ হাসিনাকে নিয়ে উক্তি== * মতিউর রহমান রেন্টুর বই পড়লেই বোঝা যাবে স্বৈরাচার-পলাতক হাসিনার মানসিক অবস্থা কেমন ছিল। সে একজন সাইকোপ্যাথ কিলার। তার দলের কর্মীরা মারা গেল কিনা সেটা নিয়ে তার মাথাব্যথা নেই। ** [[ববি হাজ্জাজ]], শহিদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মালিবাগে অবস্থিত এনডিএম ঢাকা মহানগর কার্যালয়ে ‘রুখে দাও আওয়ামী ফ্যাসিবাদ’ শীর্ষক [https://www.jugantor.com/politics-others/876887 এক আলোচনা সভায়] বলেছেন। যুগান্তর,১০ নভেম্বর ২০২৪, * '''''এই তিনটি অভিযোগের জন্য, আমরা তাকে কেবল একটি সাজাই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তা হল মৃত্যুদণ্ড।''''' ** ১৪:৪৭-৪৯, ১৭ নভেম্বর ২০২৫, [[:w:গোলাম মর্তুজা মজুমদার|গোলাম মর্তুজা মজুমদার]], [[:w:আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ)|আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ)]][https://m.youtube.com/live/kwVfdPi6-_4?si=TxLPoa8Aa-6jX47N] * [[সজীব ওয়াজেদ|সজীব ওয়াজেদ জয়]]কে ফায়ার করে চক্ষুটা খুলে হাতে পড়ুক, সে দেখুক, সন্তানের চক্ষু উপড়ে ফেললে মায়ের অন্তরে কী রক্তক্ষরণ হয়। ** [[ওসমান হাদি]], ২৭ নভেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/share/r/184SiTCfui/] * প্রিয়-অপ্রিয়, পছন্দ-অপছন্দের:- প্রিয় খাদ্য: গরুর ভুড়ী; প্রিয় গান: [[:w:en:Janam (1985 film)|জিন্দেগি জিন্দেগি]] [https://m.youtube.com/watch?si=rsQh7pAszG8o2R6d&v=mUOnfmOilIQ&feature=youtu.be] ; প্রিয় ব্যক্তিত্ব: মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু; সবচাইতে বেশি লোভ: টাকার প্রতি; সবচাইতে অপছন্দের: নামাজী মানুষ; সবচাইতে স্বস্তি এবং আনন্দের: মানুষের লাশ; সবচেয়ে বেশি পটু: মিথ্যে বলায়। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ২০৮ * পিএস শাকিলের (মাহবুবুর রহমান শাকিল) এবং আরও অনেকের সঙ্গে হাসিনার অবৈধ যৌন সম্পর্ক ছিল। স্বয়ং আওয়ামী লীগের নিজের লোকেরাই গোপনে আমাকে এসব তথ্য ও প্রমাণ সরবরাহ করেছিল। আমি এই গোপন কথা ফাঁস করেছিলাম, এজন্যই আওয়ামী লীগ আমাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে গুম করেছিল। আমাকে বলা হয়েছিল, তুমি যদি এসব বন্ধ না করো, তাহলে তোমার সাথে কী করা হবে তা তুমি কল্পনাও করতে পারবে না। শুধু শেখ হাসিনা নয়; রাষ্ট্রপতি, বেনজির সহ আরও অনেকের অবৈধ যৌনাচারের প্রমাণ আমার কাছে ছিল। আর গনভবন ছিল অবৈধ যৌনাচারের কেন্দ্রবিন্দু। তারা পাথরের গলায় মালা দিয়ে একে অপরের সাথে কানেক্ট করতো, যাকে আমার ধর্মে বলা হয় শিরক। আওয়ামী লীগকে আমি ব্যভিচার ও যৌনাচারের একটি ইনস্টিটিউট বলে মনে করি। এটি যৌনাচারের একটি দল। ** শফিকুল ইসলাম কাজল, ১৫ আগস্ট ২০২৪ [https://m.youtube.com/watch?si=cISvclOzs6EhY5xk&v=ViXT9uBiC-g&feature=youtu.be] [https://m.youtube.com/watch?si=VDh8o4LXI0jE6tr_&v=GskzQAmEfqg&feature=youtu.be] * খেলা: জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজেকে একজন বড় খেলোয়াড় মনে করেন। তিনি মনে করেন, তিনি দুনিয়ার সবচাইতে দক্ষ খেলোয়াড় এবং তার মতো খেলোয়াড়ের সারা বিশ্বে জুড়ি নেই। তিনি খেলতে ভালবাসেন। বলতে গেলে খেলাই তার একমাত্র কাজ। তিনি সকলের সাথেই খেলেন। জনতার সাথে খেলেন। রাজনৈতিক নেতাদের সাথে খেলেন। নিজেদের দলের কর্মীদের সাথে খেলেন। স্বামীর সাথে খেলেন। আত্মীয়স্বজনের সাথেও খেলেন, তবে কম খেলেন। নিজের বোনের সাথে খেলেন, তবে পেরে ওঠেন না, ধরা পরে হেরে যান। ছেলে-মেয়ের সাথে খেলতে গিয়ে প্রচণ্ড মার খেয়ে যান। জননেত্রী শেখ হাসিনা মনে করেন তার মতো এতো বড় খেলোয়াড় আর নেই এবং তিনি যে খেলা খেলেন, এ খেলা ধরা বা বোঝার শক্তি কারো নেই। পৃথিবীর কেউই তার খেলা ধরতে পারবে না। বুঝতে পারবে না। এ খেলায় তিনি অনন্যা, অদ্বিতীয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যে খেলা খেলেন, সে খেলার নাম হচ্ছে, প্রতারণার খেলা। তিনি সকলের সাথেই প্রতারণার খেলা খেলেন। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ১২৮ * ক্ষমতায় থাকাকালে ফ্যাসিবাদের সব বৈশিষ্ট্যই দেখিয়েছে আওয়ামী লীগ। তাই নিকট ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করলে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট পার্টি আওয়ামী লীগের কোনো জায়গা নেই। ** [[মুহাম্মদ ইউনূস]], ৩০ অক্টোবর ২০২৪, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে [https://jamuna.tv/news/572999] * বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রথম নির্দেশ মেরে ফেলো। মেরে লাশ ফেলে দাও। আওয়ামী লীগের কোনো নেতা, কর্মী কিংবা সমর্থক কথা প্রসঙ্গেও যদি বলে প্রশাসনের অথবা অন্য রাজনৈতিক দলের অমুক আমাদের বিপক্ষের, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রথমেই যে নির্দেশ বা আদেশ দেন তাহলো মেরে ফেলো, মেরে ফেলে দাও। আমি হুকুম দিলাম খুন করে ফেলো। যদি কোন কারণে উক্ত ব্যক্তিকে হত্যা করা না যায় তাহলে বলবেন, ঘুষ দাও, টাকা দাও। টাকা দিয়ে ওকে আমাদের পক্ষে নিয়ে আসো। ১৯৯৫ সালে মাওয়া রোড দিয়ে টুঙ্গিপাড়ায় যাওয়ার সময় ফেরিতে ৩০/৪০ বছর আগে দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে চলে যাওয়া, যুক্তরাজ্যের নাগরিক শেখ হাসিনা সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত শিল্প ঋণ সংস্থার পরিচালক প্রফেসর আবুল আসেম তার নিজ থানা নবাবগঞ্জ সম্পর্কে বললেন, নবাবগঞ্জে (ঢাকা জেলার) আওয়ামী লীগের প্রার্থী দেয়া না দেয়া সমান কথা। নবাবগঞ্জের মানুষ আওয়ামী লীগকে পছন্দ করে না, ভোটও দেয় না। এ কথা শুনে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বললেন, রাতের অন্ধকারে ঘরে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেন। আগুন লাগিয়ে ওদের পুরিয়ে মেরে ফেলেন। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ২০৮-২০৯ * ১৯৮১ সালের ২৩শে এবং ২৪শে মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসটি'র তিন তলায় সেমিনার কক্ষে '৭১ ও '৭৫ যোদ্ধাদের এবং সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সদস্যদের গোপন ও জরুরী বৈঠক বসে। এই বৈঠকে কর্নেল শওকত আলী (বর্তমানে আওয়ামী লীগের এমপি, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী) মুক্তিযোদ্ধা রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে হত্যার পরিকল্পনা এবং হত্যাকালীন ও হত্যা পরবর্তী সময়ে করণীয় সম্পর্কে অবহিত করেন। কর্নেল শওকত আলী বলেন, জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামে গেলে চট্টগ্রামের জিওসি মেজর জেনারেল মঞ্জুর বীর উত্তম-এর নেতৃত্বে জিয়াকে হত্যা করা হবে এবং এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে সভানেত্রী শেখ হাসিনা অবহিত আছেন। সভানেত্রী আমাদেরকে এই হত্যাকাণ্ডে সহায়তা ও ভূমিকা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা মাত্র কয়েক দিন হলো দেশে এসেছেন, এর মধ্যেই তিনি এমন একটি নির্দেশ কীভাবে দিতে পারেন? প্রশ্ন করা হলে কর্নেল শওকত আলী বলেন, শেখ হাসিনা দেশের বাইরে (ভারত) থাকতেই এ বিষয়ে অবহিত আছেন। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ৭৭ * তারপর মেয়র হানিফকে বঙ্গবন্ধু ভবনের অফিস কক্ষে এনে শেখ হাসিনা বললেন, এই মিষ্টি আনো, মিষ্টি আনো, হানিফ ভাইকে মিষ্টি খাওয়াও। মিষ্টি খেতে খেতে বঙ্গবন্ধু কন্যা বললেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন মহানায়ক, আর আপনি হলেন নায়ক। নায়ক না হলে কি চলে? সারা দেশ, জাতি এখন তাকিয়ে আছে নায়কের দিকে। মানে আপনার দিকে। নগরবাসী তাকিয়ে আছে আপনার দিকে। আমি এই পর্যন্ত এনে দিয়েছি, এখন আপনি ফিনিশিং দেন। এখন আপনার পালা। আপনি নায়ক, আপনার হাতেই সব। আমার হাতে আর কিছু নেই। আমার যা ছিল সব আমি করেছি। আপনি মেয়র, আপনিই নায়ক, এখন আপনি ফিনিশিং গোল করেন। আপনি ছাড়া ফিনিশিং হবে না। আপনার হাতেই ফিনিশিং হবে বলেই খেলা এখনও বাকি আছে। আপনারাই তো বঙ্গবন্ধুকে শেখ মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু বানিয়েছেন। আপনারা যদি সেদিন আমার পিতাকে আশ্রয় না দিতেন, সাহায্য-সহযোগিতা না করতেন তাহলে কি আমার পিতা শেখ মুজিব থেকে জাতির পিতা হতে পারতেন? এই আপনারা ঢাকার মানুষেরা বানিয়েছেন। আজ আমি তার মেয়ে, আমাকে যদি আপনি সাহায্য না করেন আমি কি করে বড় হবো? আমার ভাইয়েরা কেউ বেঁচে নেই। আপনিই আমার ভাই। আমি আপনার বোন। আমাকে আপনি সহযোগিতা করেন। আমি কখনোই আপনার কথা ভুলব না। আপনাকে ছাড়া চলব না। ঢাকার মেয়র মোহাম্মদ হানিফ বলল, হ্যাঁ নেত্রী, আমাকে এক মাস সময় দেন, আমি খালেদা জিয়াকে ফেলে দেব। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বললেন, না, না, একমাস সময় দেওয়া যাবে না। আপনি পনের দিনের মধ্যেই ফেলে দেন।এই বৈঠকেই ঠিক হল প্রেসক্লাবের সামনে স্থায়ী মঞ্চ তৈরী করে এখান থেকেই যতক্ষণ বেগম খালেদা জিয়ার পতন না হয়, দিন-রাত ২৪ ঘন্টা স্থায়ী ভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার। পরবর্তী সময়ে নাট্যশিল্পী ও টিভির খবর পাঠক রামেন্দু মজুমদার ও নাট্যশিল্পী পিযুষ বন্দোপাধ্যায় এই মঞ্চের নাম দেন জনতার মঞ্চ। প্রেসক্লাবের সামনের এবং সচিবালয়ের উত্তরের তোপখানা রোডের পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত অর্থাৎ পল্টনের মোড় থেকে হাইকোর্ট পর্যন্ত রাস্তা সম্পূর্ণ বন্ধ করে রাস্তার মাঝখানে বিশাল মঞ্চ তৈরী করে প্রতিদিন চলতে থাকলো গান-বাজনা, বক্তৃতা, আবৃত্তি ইত্যাদি। এক পর্যায়ে এই মঞ্চে এসে যোগ দিল সচিবালয়ের কিছুসংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী। এ সবই চলতে লাগল ঢাকার মেয়র শেখ হাসিনার ভাষায় নায়ক ও আগামী দিনের এল জি আর ডি মন্ত্রী মোহাম্মদ হানিফের নেতৃত্বে। ** মতিউর রহমান রেন্টু, [https://xeroxtree.com/pdf/amar_fasi_cai.pdf আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ৮৮] *এটা খুবই আনন্দের বিষয় যে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী একজন নারী হওয়া সত্ত্বেও তিনি প্রকাশ্যে বলছেন যে সন্ত্রাসের প্রতি তার জিরো টলারেন্স আছে। হুমকি মোকাবেলায় দৃঢ়তার জন্য আমি শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাতে চাই। ** [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে]] ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী [[নরেন্দ্র মোদি]]।<ref>https://economictimes.indiatimes.com/news/politics-and-nation/pm-narendra-modi-draws-flak-for-despite-being-a-woman-remark-on-sheikh-hasina/articleshow/47588959.cms</ref> (জুন ০৮, ২০১৫) * শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা গণভবন থেকে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। শেখ হাসিনা যাওয়ার আগে একটি ভাষণ রেকর্ড করে যেতে চেয়েছিলেন। তিনি সে সুযোগ পাননি। ** বার্তা সংস্থা এএফপি, ৫ আগস্ট ২০২৪, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dn4yfsve75] *শেখ হাসিনা তো তখন খুবই ছোটো,তার সাথে তেমন একটা ইন্টারেকশন ছিল না। বিয়া হইয়া গেসে ওয়াজেদের সাথে। কিন্তু আমি দেখতাম যে প্রত্যেকদিন রাত্রেই মাইর খাইতে খাইতে আইতো...বেগম মুজিব খাওয়াইয়া টাওয়াইয়া আবার ফেরত পাঠায় দিত। ** ৫ জানুয়ারি ২০২৫-এ ইলিয়াস হোসাইনের ইউটিউব চ্যানেলে [https://www.youtube.com/watch?v=UFMuU-9w4jM&t লাইভ সাক্ষাৎকারে] [[শরিফুল হক ডালিম|মেজর ডালিম]]। * আপনজন হারানোর বেদনা যে কত কষ্টের তা আমার চেয়ে আর কে ভালো জানে, বলোনা মোদি, তুমি বলোনা, বলোনা কাদের, তুমি বলোনা। মেট্রোরেলের মনিটর ভাঙার ক্ষতি, ক্ষমতা হারানোর গভীর ব্যথা, আরো মানুষ মেরে তুলব ভয়, কিন্তু আর পারছি না এ পথ ধরতে। শাড়ি বঙ্গভবন সব গেছে হাতছাড়া, আমার বুকে জমেছে কত আর্তনাদ, ক্ষমতা হারানোর কষ্ট বুকে চেপে আমি কি আর হাসতে পারি? ক্ষমতার মসনদ আজ অধরা, আমার ব্যথা কে করবে সান্তনা, শান্তির খোঁজে ক্ষমতার আশায় আমার মনে জমে কত ব্যথা। ** ১৭ আগস্ট ২০২৪, শেখ হাসিনার শোকবার্তা "আপনজন হারানোর বেদনা যে কত কষ্টের তা আমার চেয়ে আর কে ভালো জানে" কে উপহাস করে একটি অপেশাদার এআই প্রযুক্তিতে কাল্পনিক গান তৈরি করা হয় যা ফেসবুকে রাজিব জাহান ফেরদৌস নামে একটি পাতায় প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলাদেশে ভাইরাল হয় [https://m.facebook.com/story.php/?story_fbid=10162501584503338&id=670593337] * ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য কাতান শাড়ি পরে সেজেগুজে বসেছিলেন। তিনি অপেক্ষা করছিলেন, বলছিলেন, আয় সন্ত্রাসী, আয় বাকশালি খুন করিতে যাই, লাশের মালা গলায় দিয়ে শপথ নিতে যাই।’ ** "রেহানা আক্তার রানু" ২৩ জুন ২০১৩ জাতীয় সংসদ ভবণে রক্তপিপাসু এই সরকারের পতন চাই’ বলে তাঁর বক্তব্য শুরু করে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%85%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6 প্রথমআলো] বলেন * ১৯৮৭ সালে [[:w:সরকারি হরগঙ্গা কলেজ|মুন্সিগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজ]] ছাত্র সংসদের ভিপি তরুণ যুবক [[:w:মৃণাল কান্তি দাস|মৃণাল কান্তি দাসের]] সাথে শেখ হাসিনার পরিচয় হয়। এবং পরিচয়ের পর থেকে মৃণাল কান্তি দাস [[:w:জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর|বত্রিশ নাম্বারে বঙ্গবন্ধু ভবনে]] থাকতে শুরু করেন। শেখ হাসিনা তখন ঐ বাড়িতেই থাকতেন। গভীর রাত পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু ভবনের লাইব্রেরি কক্ষে ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে মৃণাল কান্তি দাস আর শেখ হাসিনার কুটকুট করে কথা বলতেন এবং খিলখিল করে হাসতেন। শেখ হাসিনার কাছে মৃনালের গ্রহণযোগ্যতা এতটাই বেড়ে গেল যে তা সকলের ঈর্ষার কারণ হয়ে দাড়ালো। মৃণাল হয়ে উঠলো শেখ হাসিনার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি! তার ক্ষমতা এতটাই বেড়ে গেল যে, ১৯৯০ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির জেনারেল সেক্রেটারী [[:w:সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী|সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী]]কে অপমান-অপদস্ত করে বঙ্গবন্ধু ভবন থেকে বের করে দিলেন। একদিন বঙ্গবন্ধু ভবনে মৃণাল সহ চারজন তাস খেলছে। বেলা তখন তিনটা-সাড়ে তিনটা। এমন সময় শেখ হাসিনার একমাত্র আপন মামা আকরাম মামু এসে কুভঙ্গিতে কুইঙ্গিত করে বললেন, “এই মৃণাল যাওনা, তোমার জন্য না খেয়ে বসে আছে!” মৃণাল তার বন্ধুদের সামনে তার ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য জবাব দিল “ আরে থাক, থাকতে দেন কিছুক্ষণ না খেয়ে!” একদিন মৃণাল শেখ হাসিনার উপর রাগ করে চলে গেল। শেখ হাসিনা নিজে গিয়ে রাগ ভাঙ্গিয়ে মৃনাল কান্তি দাসকে বংগবন্ধু ভবনে নিয়ে এলেন। [[:w:পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ১৯৯১|১৯৯১ সালে শেখ হাসিনা নির্বাচনে হারার]] পর মৃণাল বিভিন্ন অসন্তুস্টির কারণে শেখ হাসিনাকে ছেড়ে চলে যায়। শেখ হাসিনা নিজে তিনবার মৃণালকে ফিরিয়ে আনতে যান কিন্তু সে ফিরে আসেনা। বরং শেখ হাসিনার সাথে তার দৈহিক সম্পর্কের কথা প্রচার করতে থাকে। কথায় কথায় মৃণাল হাসতে হাসতে বলতে থাকে, শেখ হাসিনা সাথে তার সম্পর্ক অনেক গভীর! ** মতিউর রহমান রেন্টু, "[[w:আমার ফাঁসি চাই|আমার ফাঁসি চাই]]", ২৬ মার্চ ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ১২৫-১২৭ * মাননীয় স্পিকার, যিনি আমাদের নেত্রীর ('''[[:w:খালেদা জিয়া|খালেদা জিয়া]]''') পরিবার নিয়ে এখানে কুৎসা রটনা করেছেন... (''সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া: (পাশে বসা অবস্থায় সরকার দলীয় (আওয়ামী লীগের) দাড়িয়ে যাওয়া উত্তেজিত সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে উচু গলায়) বসেন বসেন... অনেক বাড়াবাড়ি করেছেন..'') তিনি পলিটিক্যাল প্রস্টিটিউট মাননীয় স্পিকার। কলিকাতা সিভিল কোর্টের উকিল মি: চন্ডিদাস। তার এক মেয়ে ছিল যারনাম গৌরিবালা দাস। (''সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে উত্তেজিত শোরগোল'') চন্ডিদাসের সহকারী উকিল মি: অরণ্য কুমার চক্রবর্তী চন্ডিদাসের কলিকাতাস্থ বাসায় (''সৈয়দা পাপিয়া: (পাশ থেকে) পড়তে থাক.. হ্যা'') নিয়মিত যাতায়াত করত। এই সুযোগে গৌরিবালার সাথে অরণ্য কুমার চক্রবর্তীর অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠে। (''সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া: পড়তে থাক..'') গৌরিবালা গর্ভবর্তী হয়ে পড়েন। (''পানি খেয়ে নেন) (সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া: পড়তে থাক পড়তে থাক..পড়তে থা-ক) (সরকারদলীয় সদস্যরা আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠেন'') গৌরিবালা যখন বুঝতে পারলেন যে তিনি গর্ভবতী হয়েছেন তখন গৌরিবালা অরণ্য কুমারকে তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেয়। অরণ্য কুমার এতে রাজী না হয়ে অবৈধ সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন। এদিকে চন্ডিদাস বিষয়টি জানার জন্য চিন্তিত হয়ে পড়েন। এরই মধ্যে গৌরিবালা ১২/১২/১৯২০ ইং তারিখে একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেন। তার নাম রাখা হয় দেবদাস চক্রবর্তী। (''সৈয়দা পাপিয়া: (পাশ থেকে চিৎকার দিয়ে সমর্থন দিয়ে) ইয়োওওওও...(টেবিল চাপড়াতে থাকেন।)'') চন্ডিদাস অরণ্য কুমার চক্রবর্তীকে গৌরিবালাকে উঠিয়ে নেয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে, (''সৈয়দা পাপিয়া: (টেবিল চাপড়িয়ে সমর্থন দিয়ে) পড়তে থাক, পড়তে থাক...পড়তে থাকুন, ধরতে থাকুন...বাদ যাইসই না...হ্যা'') কিন্তু অরণ্য কুমার রাজি হন না। এরই মধ্যে দেবদাসের বয়স ২ বছরে উন্নীত হয়। চন্ডিদাস হতাশাগ্রস্থ হয়ে পরেন এবং ভীষণ ভাবে অসুস্থতা বোধ করেন। দেবদাসের (''শিরীন শারমিন চৌধুরী:(সরকারদলীয় উত্তেজিত সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে) মাননীয় সদস্যবৃন্দ আপনারা একটু শান্ত হন..(রেহানা আক্তার রানুকে উদ্দেশ্য করে) মাননীয় সদস্য'') বয়স যখন ৩ বছর তখন দেবদাসের মহুরী [[:w:শেখ লুৎফুর রহমান|শেখ লুৎফুর রহমান]] (শেখ হাসিনার পিতামহ) গৌরিবালাকে বিয়ে করেন... (''মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়) (শিরীন শারমিন চৌধুরী: মাননীয় সদস্য আমি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, মাননীয় সদস্যবৃন্দ আপনারা বসুন সবাই বসুন বসুন। মাননীয় সদস্য আমি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় সদস্য, আপনি ২৭০ বিধি অনুসরণে বাজেটের উপর বক্তব্য দিন। মাননীয় সদস্য। উনাকে মাইক দিন'') ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার, আপনি আমাকে বাজেটের উপর বক্তব্য দিতে বলেছেন। কিন্তু গত বিশ তারিখে যে বক্তৃতা দেওয়া হয়েছে আমি আপনার কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই এটা কি বাজেট বক্তৃতা ছিল? ** '''[[:w:রেহানা আক্তার রানু|রেহানা আক্তার রানু]]''', ২৩ জুন ২০১৩ সংসদে [https://m.youtube.com/watch?si=mls9GFkwrVJBBRJG&v=HV0Wvz_FX-s&feature=youtu.be] [https://www.facebook.com/story.php/?story_fbid=482930561368984&id=100089561311827] * পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ঘটনায় সহযোগিতা করেছেন নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ আওয়ামী লীগের বেশ কিছু নেতা। ** আবদুল মতিন, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.), ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ [https://www.kalerkantho.com/print-edition/news/2024/09/06/1422565] * কুত্তার জাত: মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বর্তমান এলজিআরডি মন্ত্রী জিল্লুর রহমান-এর স্ত্রী, আই ভি রহমান ১৯৯২ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে জনৈক মহিলার নাম উল্লেখ করে বললেন, নেত্রী ওর নামে অনেক স্ক্যান্ডেল আছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা সঙ্গে সঙ্গে বললেন, কি, বেশ্যা এই তো? কুত্তার (কুকুরের) জাতকে তো বেশ্যা দিয়েই নেতৃত্ব দেয়াবো। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার মুখে এই কথা শোনার পর আইভি রহমান 'থ' হয়ে যান। আর একটি কথাও না বাড়িয়ে বিদায় নেন। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ১২৩ * দশ টাকায় শেখ মুজিবের ছবি: এক শুক্রবার সকালে অর্থমন্ত্রী কিবরিয়ার পি এস ডঃ পারভেজ, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে এসে দশ টাকায় শেখ মুজিবের ছবির লেআউট ডিজাইনের খসড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখান। নতুন এই দশ টাকার লেআউট ডিজাইনের খসড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৌখিকভাবে অনুমোদন করে দিলে তবেই তা ছেপে নতুন দশ টাকার নোট হিসেবে বাজারে ছাড়া হবে। এই দশ টাকার খসড়া লেআউট ডিজাইনের উপরে ছিল আল্লাহর ঘর মসজিদের ছবি এবং পিছনে ছিল শেখ হাসিনার পিতা শেখ মুজিবের ছবি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লেআউট ডিজাইনে খসড়াটি দেখে অর্থ মন্ত্রীর পিএস ডঃ পারভেজকে ক্ষিপ্ত হয়ে বলে উঠলেন, একি! জাতির পিতার ছবি পিছনে কেন? অর্থমন্ত্রীর পি এস ডঃ পারভেজ কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে বললেন, বাজারে চালু বর্তমান দশ টাকার নোটের উপরে মসজিদের ছবি আছে। ধর্মীয় অনুভূতির কথা বিবেচনা করে উপরের মসজিদ এর ছবিটা ঠিক রেখে, পিছনে জাতির পিতার ছবি দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাগান্বিত কণ্ঠে বললেন, ওসব মসজিদ-টসজিদ বুঝি না, জাতির পিতার ছবি উপরে দিয়ে নতুন দশ টাকার নোট ছেপে বাজারে ছাড়বেন। আমার বাবা যে জাতির পিতা এটা শয়তানের জাতকে গিলাতে হবে। এরপর অন্য আর একদিন ডঃ পারভেজ শেখ মুজিবের ছবি উপরে এবং মসজিদের ছবি পিছনে দিয়ে করা লেআউট ডিজাইন নিয়ে এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা দেখেন ও খুশি হন এবং মৌখিক অনুমোদন করে দেন। বর্তমানে বাজারে শেখ মুজিবের ছবি সম্বলিত যে নতুন দশ টাকার নোট রয়েছে এটা সেটা। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ১১৯ * মসজিদ সরিয়ে ফেলুন: ১৯৮৬ সালের শুরু থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আবার ছাত্র আন্দোলনের জন্য নতুন করে তাগিদ দিতে থাকলেন। বহু চাপাচাপি, ধমকাধমকি এবং তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও যখন আন্দোলনের বিন্দুবিসর্গও হলো না তখন তিনি রেগে মে মাসের মাঝামাঝি তার জন্মভূমি এবং পিতার বাড়ি টুঙ্গিপাড়ায় চলে গেলেন এবং বেশ কিছুদিন টুঙ্গিপাড়ায় থাকলেন। এরই মধ্যে একদিন শেখ বাড়ির (শেখ হাসিনার নিজের বাড়ির) কিছু মুরব্বীসহ টুঙ্গিপাড়া গ্রামের ২০/৩০ জন মুরব্বী এসে শেখ হাসিনার অংশের একটি নারিকেল গাছ দ্বারা শেখ বাড়ির অন্য শরীকের জায়গায় নির্মিত মসজিদটি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে জানিয়ে সেই নারিকেল গাছটি কেটে ফেলার প্রস্তাব করলে, শেখ হাসিনা সরাসরি বলে দেন আমার নারিকেল গাছ কাটা হবে না। দরকার হলে মসজিদ সরিয়ে ফেলেন। তখন সকল মুরব্বী পবিত্র কুরআন পাকে মসজিদ সরানো নিষেধ আছে বলে মসজিদের দেয়াল ও স্থান ঘেঁষে থাকা শেখ হাসিনার জায়গায় অবস্থিত নারিকেল গাছটি কেটে ফেলার জন্য বারবার অনুনয়-বিনয় করতে থাকে। তখন শেখ হাসিনা বলেন, এই মসজিদ বন্ধ করে দেন। আমি আরো বড় মসজিদ বানিয়ে দেবো। মুরব্বীরা বলেন, একটু বাতাস হলেই নারিকেল গাছটি মসজিদের গায়ে এবং ছাদে লাগতে থাকে। এইভাবে চললে মসজিদের ছাদ এবং দেয়াল অচিরেই ভেঙ্গে যাবে। শেখ হাসিনা বলেন, ভেঙ্গে যায় যাক্, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আপনারা লক্ষ বছর কান্নাকাটি করলেও নারিকেল গাছ কাটব না। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৯৪ (এই অংশটি বইটির কিছু সংস্করণে উহ্য রাখা হয়েছে) * আন্দোলন আন্দোলন খেলা: স্বৈরাচারী জেনারেল এরশাদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রেখে, বেগম খালেদা জিয়া একক আন্দোলন করলে কাঙ্খিত ফল আসবে না ভেবে, মটর সাইকেল আরোহী আন্দোলনের আন্তরিকতার বিষয়ে প্রশ্ন করলে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা জবাব দেন, "আমি (শেখ হাসিনা) আছি ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) পিছনে পিছনে। ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) যে কর্মসূচী দেবে, আমিও (শেখ হাসিনা) সেই কর্মসূচী দেব। যাতে মনে হয় আমি (শেখ হাসিনা) ও আন্দোলনে আছি। আন্দোলন সফল করে তোলার প্রশ্নে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বলিষ্ঠ ভূমিকা বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কর্মীদের বলে দেবে তারা যেন আন্দোলন আন্দোলন খেলা করে, কিন্তু আন্দোলন যেন না করে। অর্থাৎ আন্দোলনের সাথে থেকে আন্দোলনের পিঠে ছুরি মারতে হবে। ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) ব্যর্থ করে করে ঘরে বসিয়ে দিতে হবে, আর যাতে রাজনীতির নাম না নেয়। জনগণ এবং আওয়ামী লীগের মাঠকর্মীরা এরশাদ পতনের আন্দোলনের জন্য এতই উদগ্রীব যে, আন্দোলন প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তারা (আওয়ামী লীগ কর্মীরা) আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে থাকে। যখন আওয়ামী লীগের কর্মীদের কাছে জননেত্রী শেখ হাসিনার আন্দোলন না করার গোপন নির্দেশ পৌঁছানো হলো, তখন আওয়ামী লীগ কর্মীরা সভানেত্রী শেখ হাসিনার মুখ থেকে সরাসরি এই নির্দেশ শুনতে চাইলো। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার পক্ষে সরাসরি এই নির্দেশ দেওয়া সম্ভব হলো না। ফলে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে থাকলেন বেগম খালেদা জিয়া আর জীবন দিতে থাকলো নূর হোসেনসহ আওয়ামী লীগ কর্মীরা। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৫৭-৫৮ * দেশদ্রোহী অসভ্য বাহিনী: ৩রা মে ১৯৮৪ এর এক পড়ন্ত বিকেলে ধানমণ্ডি বঙ্গবন্ধু ভবনে বসে গল্প করছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ কয়েক জন। গল্পে গল্পে ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও পাকিস্তানী সেনাবাহিনী প্রসঙ্গ উঠলো। প্রসঙ্গ উঠলো '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে গড়ে ওঠা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কথা। জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পর্কে বললেন, এটা একটা সেনাবাহিনী হলো? এটা একটা বর্বর, নরপিশাচ, উচ্ছৃঙ্খল, লোভী, বেয়াদব বাহিনী। এই বাহিনীর আনুগত্য নেই, শৃঙ্খলা নেই, মানবিকতা নেই, মান্যগণ্য নেই, নেই দেশপ্রেম। এটা একটা দেশদ্রোহী অসভ্য হায়েনার বাহিনী। তোমরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কথা বল। সারা বিশ্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মতো এত ভদ্র, নম্র, সভ্য, বিনয়ী এবং আনুগত্যশীল বাহিনী খুঁজে পাওয়া যাবে না। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মানবিকতা বোধের কোন তুলনাই চলে না। কি অসম্ভব সভ্য আর নম্র তারা! পঁচিশে মার্চ রাতে তারা (পাকিস্তান আর্মি) এলো, এসে আব্বাকে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব) সেলুট করলো, মাকে সেলুট করলো, আমাকেও সেলুট করলো। সেলুট করে তারা বলল, স্যার আমরা এসেছি শুধু আপনাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য। অন্য কোন কিছুর জন্য নয়। আপনারা যখন খুশি, যেখানে খুশি যেতে পারবেন। যে কেউ আপনার এখানে আসতে পারবে। আমরা শুধু আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো। আপনারা বাইরে গেলে আপনাদের নিরাপত্তার জন্য আমরা আপনাদের সঙ্গে যাবো। কেউ আপনাদের এখানে এলে আমরা তাকে ভালভাবে তল্লাশি করে তারপর ঢুকতে দিব। এসবই করা হবে আপনাদের নিরাপত্তার জন্য। সত্যিই পাকিস্তানী সেনাবাহিনী যা করেছে তা সম্পূর্ণ আমাদের নিরাপত্তার জন্যই করেছে। ২৬শে মার্চ দুপুরে আব্বাকে (শেখ মুজিব) যখন পাকিস্তানী আর্মিরা নিয়ে যায়, তখন জেনারেল টিক্কা খান নিজে এসে আব্বাকে ও মাকে সেলুট দিয়ে, আদবের সাথে দাঁড়িয়ে বিনয়ের সাথে (শেখ মুজিবকে) বলে, স্যার আপনাকে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান আলোচনার জন্য নিয়ে যেতে বলেছেন। আমি আপনাকে নিয়ে যেতে এসেছি। আপনাকে নেওয়ার জন্য বিশেষ বিমান তৈরি (স্পেশাল ফ্লাইট রেডি) আপনি তৈরি হয়ে নেন এবং আপনি ইচ্ছে করলে ম্যাডাম (বেগম মুজিব) সহ যে কাউকে সঙ্গে নিতে পারেন। আব্বা-মা'র সঙ্গে আলোচনা করে একাই গেলেন। পাকিস্তান আর্মি যতদিন ডিউটি করেছে এসেই প্রথমে সেলুট দিয়েছে। শুধু তাই নয়, আমার দাদীর সামান্য জ্বর হলে পাকিস্তানীরা হেলিকপ্টার করে টুঙ্গিপাড়া থেকে দাদীকে ঢাকা এনে পি জি হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছে। জয় (শেখ হাসিনার ছেলে) তখন পেটে, আমাকে প্রতি সপ্তাহে সি এম এইচ (সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে) নিয়ে চেকআপ করাতো। জয় হওয়ার একমাস আগে আমাকে সি এম এইচ-এ ভর্তি করিয়েছে। '৭১ সালে জয়' জন্ম হওয়ার পর পাকিস্তান আর্মিরা খুশিতে মিষ্টি বাঁটোয়ারা করেছে এবং জয় হওয়ার সমস্ত খরচ পাকিস্তানীরাই বহন করেছে। আমরা যেখানে খুশি যেতাম। পাকিস্তানীরা দু'টি জীপ করে আমাদের সাথে যেতো। নিরাপত্তার জন্য পাহারা দিত। আর বাংলাদেশের আর্মিরা! জানোয়ারের দল, অমানুষের দল এই অমানুষ জানোয়ারেরা আমার বাবা-মা, ভাই সবাইকে মেরেছ-এদের যেন ধ্বংস হয়। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৫৩-৫৪ * শেখ হাসিনা ও গোলাম আযমের ২য় বৈঠক: ৩০শে জানুয়ারী ১৯৯৪ ঢাকা সিটি করপোরেশন-এর মেয়র ও কমিশনার নির্বাচন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগ ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফকে ঢাকার মেয়র পদে মনোনয়ন দিয়েছে। তোড়জোড়ে নির্বাচনী প্রচার-প্রপাগান্ডা এগিয়ে চলছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে দলের সকল নেতা-কর্মীই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে মেয়র পদে মাছ মার্কায় হানিফের জন্য ভোট চাইছে। অধিক রাত পর্যন্ত চলছে মিছিল এবং নির্বাচনী জনসভা। প্রতিটি পাড়া-মহল্লা, অলি-গলিতে চলছে মেয়র কমিশনার নির্বাচনের কাজ। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামাত, কমিউনিস্ট পার্টিসহ সকল রাজনৈতিক দল নির্বাচনী কাজে ভীষণ ব্যস্ত। ঢাকায় টানটান নির্বাচনী উত্তেজনা। নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। ২৫শে জানুয়ারী সন্ধ্যা বেলায় ধানমন্ডি ৮/এ রোডে বঙ্গবন্ধুর চাচাতো ভাই শেখ হাফিজুর রহমান টোকনের বাসায় (শেখ হাফিজুর রহমান টোকন বর্তমানে বঙ্গবন্ধু যাদুঘরের মহাসচিব) '৭১-এর যুদ্ধাপরাধী জামাত নেতা ঘাতক গোলাম আযমের সাথে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দ্বিতীয় বৈঠক হয়। এই বৈঠকে ঘাতক গোলাম আযম মেয়র নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন না দেওয়ার আশ্বাস দিলে শেখ হাসিনাও রাজনীতিতে জামাতকে আক্রমণ না করার আশ্বাস দেন। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৬৮ * রুমালে গ্লিসারিন: পরদিন সকালে লালবাগে নিহত সাত জনের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে দেখতে যাওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু কন্যা হাসিনা বলতে থাকেন, আমার (শেখ হাসিনা) রুমালে একটু গ্লিসারিন মেখে দাও, ঐ যে, নায়িকারা অভিনয়ের সময় গ্লিসারিন দিয়ে চোখের পানি বের করে কান্নার অভিনয় করে। আমার রুমালে ঐ রকমের গ্লিসারিন লাগিয়ে দাও, যাতে আমি লাশ দেখে রুমাল ধরতেই চোখে পানি এসে যায়। একজন বলল, গ্লিসারিনের দরকার নেই, শুধু চোখে রুমাল ধরে রাখবেন তাতেই মনে হবে আপনি কাঁদছেন। আর আমরা ফটো সাংবাদিক (ফটো সাংবাদিক) ভাইদের বলে দেব ছবির নীচে আপনি কাঁদছেন ক্যাপশন লাগিয়ে দিতে। হাসপাতালের মর্গে নিহত সাত জনের লাশ দেখে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা চোখে রুমাল ধরলে সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিকগণ অসংখ্য ছবি তুলতো। ছবি তোলা শেষে বঙ্গবন্ধু কন্যা গাড়িতে। উঠলেন। গাড়ি চলতে শুরু করলো। তখনও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার চোখে রুমাল। গাড়ির চালক ড্রাইভার জালাল বলল, আপা (শেখ হাসিনা) এখন রুমাল নামান ফটো সাংবাদিক নেই। গাড়ির সকল আরোহী হেসে উঠলো। জননেত্রী শেখ হাসিনা বললেন, ঠিক মতো দেখেছ তো, কোন ফটো সাংবাদিক নেই তো? না, নেই। তাহলে আমি (শেখ হাসিনা) এবার রুমাল নামাই। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৭১-৭২ * আজ আমি বেশি খাব: ২৯ নং মিন্টু রোডের বাসায় এসে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বললেন, ময়না (মিসেস মতিযুর রহমান রেন্টু) খাওয়া-দাওয়া বেশি করে এনেছ তো? লাশ দেখে এসেছি, লাশ। আজ আমি বেশি করে খাব। তারপর তিনি জিন্দেগী জিন্দেগী গাইতে গাইতে, নাচতে লাগলেন। সত্যি সত্যিই তিনি (শেখ হাসিনা) অস্বাভাবিক রকমের বেশি খেলেন। এমনিতেই তিনি (শেখ হাসিনা), বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নিহতদের লাশ দেখে এসে স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি খেতেন। কিন্তু আজ খেলেনত অস্বাভাবিকের চাইতেও অনেক বেশি। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৭২ * ১৯৯৪ সালের ২৬শে অথবা ২৭শে জুন সন্ধ্যাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি টেলিফোন করে ২৬শে জুন '৯৪ শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যু হয়েছে বলে সংবাদ দিলে, জননেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আনন্দে নাচতে থাকেন আর বলতে থাকেন মিষ্টি খাও, মিষ্টি। আমার একটা প্রতিদ্বন্দ্বী দুনিয়া থেকে বিদায় হয়েছে। আল্লাহ বাঁচাইছে। নেত্রী হতে চেয়েছিল। আমার জায়গা দখল করতে চেয়েছিল। জাহানারা ইমাম মরেছে আপদ গেছে। বাঁচা গেছে। আমার জায়গা দখল করতে চেয়েছিল। তোমরা জান না, ইন্ডিয়ান গোয়েন্দা এজেন্সি 'র' (ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার নাম 'র') আমার পরিবর্তে জাহানারা ইমামকে নেতৃত্বে বসাতে চেয়েছিল। বেটি মরছে, মিষ্টি খাও। ফকিরকে পয়সা দেও। এর কয়েকদিন পরে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লাশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর এলে, জননেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, চল, এয়ারপোর্টে যাই, আপদের লাশটা এনে কবরে ফেলি। এরপর জননেত্রী শেখ হাসিনা তার লাল রঙের নিশান পেট্রোল জীপে করে বিমান বন্দর-এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন। যেতে যেতে বলতে লাগলেন, বেটি (জাহানারা ইমাম) আমারে অসম্ভব জ্বালাইছে (জ্বালিয়েছে)। ওর মরা মুখও দেখতে ইচ্ছে করে না। কিন্তু না যেয়ে তো উপায় নেই। পলিটিক্স-এর (রাজনীতির) ব্যবসায় ইচ্ছে না থাকলেও করতে হয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বিমান বন্দরের রানওয়ে পর্যন্ত গেলেন ঠিকই, কিন্তু শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লাশের ধারে-কাছেও গেলেন না। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৭৩ * নৌকা: দুর্গা দেবীর বাহন: ১৯৯৬-এর ১২ই জুন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রার্থী মনোনয়ন দিল। আওয়ামী লীগও মনোনয়ন দিল। গোপালগঞ্জের তিনটি আসন এবং বাগেরহাটে দু'টি আসনের মোট ভোটারের প্রায় পঁয়ষট্টি শতাংশ ভোটার হিন্দু সম্প্রদায় হওয়ায় স্বাভাবিক কারণেই এই পাঁচটি আসনে আওয়ামী লীগ-এর নৌকামার্কা প্রার্থী ছাড়া অন্য কোন দলের অন্য কোন মার্কার প্রার্থী নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার কোনই সম্ভাবনা নেই এবং কোনকালেই বিজয়ী হয়নি এবং হবেও না। (১) মোকসেদপুর ও কাশিয়ানী, (২) গোপালগঞ্জ ও কাশিয়ানী (৩) টুঙ্গিপাড়া ও কোটালিপাড়া (৪) মোল্লার হাট ও ফকিরের হাট (৫) বইঠাঘাটা ও দাকোপ এই ৫টি (পাঁচ) আসনে যতদিন পর্যন্ত পঁয়ষট্টি শতাংশ হিন্দু সম্প্রদায় থাকবে ততদিন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ প্রার্থী নৌকা মার্কায় একচেটিয়াভাবে বিজয়ী হতে থাকবে। এই পাঁচটি আসনের প্রার্থীদের এলাকায় কোন কাজ করতে হয় না। যে কোন প্রকারেই হোক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা টিকিট নিলেই সে যে কেউই হোক ৭৫% ভোটে বিজয়ী হবে। এই ৫টি আসনকে বলা হয় ভিক্ষার আসন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দয়া করে যাকে এই অঞ্চলের আসন ভিক্ষা দেবেন, তিনিই এই অঞ্চলের জনপ্রতিনিধি বা জাতীয় সংসদ সদস্য অর্থাৎ এমপি। এই অঞ্চলের লেখাপড়া প্রায় অজানা একজন প্রবীণ বৃদ্ধ হিন্দু লোককে কেন আওয়ামী লীগকে ভোট দেন জানতে চাইলে, ঐ প্রবীণ বৃদ্ধ হিন্দু লোকটি বলেন, আমরা আওয়ামী লীগ টিগ বুঝি না। আওয়ামী লীগকে ভোটও দেই না। আমরা ভোট দেই নৌকায়। অর্থাৎ নৌকা মার্কায় ভোট দেই। নৌকা মার্কায় কেন ভোট দেন জানতে চাইলে তিনি বলেন বারে, নৌকায় ভোট দেব না? নৌকা যে দেবীর বাহন। মা দুর্গা দেবী এই বাহনে (নৌকা) চড়েই স্বর্গ থেকে ধরায় এসেছিলেন, অসুর (পাপিষ্ঠ) কে দমন করার জন্য। আর আমরা যদি মা দুর্গার বাহন নৌকায় ভোট না দেই, তাইলে দেবীর বাহনের অমর্যাদা হবে। মা দুর্গা অভিসম্পাত দেবে। এ জন্য দেখেন না, ভোটের সময় আমরা সকলেই গিয়ে, মা দুর্গা দেবীকে খুশি করার জন্য মা দুর্গা, মা দুর্গা বলে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আসি। একজনও বাদ যাই না। সকলে গিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট না দিলে মা দুর্গা অসন্তুষ্ট হবে। আমাদের অমঙ্গল হবে। তাই যত কাম থাকুক, যত ঝামেলাই থাকুক, কোন রকমে শুধু ভোটকেন্দ্রে যেতে পারলেই হলো। আমরা সকলেই গিয়া নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আসবো। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৮৯-৯০ * হিন্দুরাই আমার বল-ভরসা: বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যেদিন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ঘোষণা করলেন, সেদিন তিনি নিজে মোট ৪টি আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেন। গোপালগঞ্জের ১টি, বাগেরহাটের ২টি এবং ঢাকার ডেমরা থেকে ১টি। এই মোট ৪টি আসন থেকে শেখ হাসিনা নিজে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেওয়ার পরের দিনই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ঢাকার ডেমরা আসন থেকে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিলে, ঢাকার মেয়র মোহাম্মদ হানিফের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করে বলেন, আপনি গোপালগঞ্জ আর বাগেরহাটের (টুঙ্গিপাড়া মধুমতি নদীর অপরপার) ৩টি আসন থেকে দাঁড়ালেন অথচ ঢাকার একটি আসন থেকেও নির্বাচনে দাঁড়ালেন না। ৫টি আসন থেকে তো আপনি দাঁড়ালে পারেনই। খালেদা জিয়া ৫টি আসন থেকে দাঁড়িয়েছে; আপনিও ৫টি আসন থেকে দাঁড়ান। আপনি আমাদের নেত্রী, আপনি অন্তত ঢাকার দু'টি আসন থেকে নির্বাচনে দাঁড়ান। জবাবে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বললেন, গোপালগঞ্জে আর বাগেরহাটে তো ৭০% (সত্তর শতাংশ) হিন্দু আছে; ঢাকায় কত পার্সেন্ট হিন্দু আছে? হিন্দুরা ছাড়া মুসলমানরা আমাকে ভোট দেয় না। মুসলমানরা বেঈমান ও অকৃতজ্ঞ। হিন্দুরা ঈমানদার এবং কৃতজ্ঞ। আমি হিন্দুদের উপর ভরসা করতে পারি, বিশ্বাস রাখতে পারি। কিন্তু মুসলমানদের বিশ্বাস করা যায় না। ভরসা করা যায় না। এই জন্যই তো আমি সত্তর শতাংশ হিন্দুদের অঞ্চল গোপালগঞ্জ আর বাগেরহাট থেকে ৩টি (তিন) আসনে দাঁড়িয়েছি। কিন্তু ঢাকা থেকে ১টি (এক) আসনেও দাঁড়াইনি। যাও ডেমরা থেকে দাঁড়িয়েছিলাম খোঁজ খবর নিয়ে দেখলাম, ডেমরায় তেমন হিন্দু নে, তাই প্রত্যাহার করে নিয়েছি। ঢাকার মেয়র হানিফ বললেন, এটা আপনার ভুল ধারণা। মুসলমানরা ভোট না দিলে আপনার অন্যান্য প্রার্থীরা জিতে কিভাবে? বঙ্গবন্ধু কন্যা বললেন, মূলতঃ হিন্দুদের ব্যাংক ভোটটা পুরাটা পায়, বাকী আত্মীয়-স্বজন, নিজস্ব লোকলস্কর দিয়ে গুতিয়ে গাতিয়ে কোন রকমে বেরিয়ে আসে। হিন্দুরা না থাকলে আমি, আমার দল ১টি (এক) আসনেও জিততে পারতাম না। হিন্দুরা যাতে নিরাপদে-নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে এই জন্যই তো আমি এত আন্দোলন-সংগ্রাম করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আদায় করেছি। হিন্দুরাই আমার বল। হিন্দুরাই আমার ভরসা। নির্বাচনী প্রচারের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। সারা দেশ পোস্টার, প্লে-কার্ড ফেস্টুন, ব্যানার এবং দেয়াল লিখনে ছেয়ে গেছে। কোথাও এতটুকু খালি জায়গা নেই। প্রতিদিন রাতে চলছে মিটিং আর মিছিল। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৯১ * দুই বোনের ভাগাভাগি: বর্তমানে বাংলাদেশের যিনি সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী, যার অঙ্গুলী হেলনে এদেশের বড় বড় ব্যবসা-বাণিজ্য, উচ্চ পর্যায়ের চাকরী-বাকরী নিয়ন্ত্রিত হয়, সরকারের সামরিক-বেসামরিক আমলা, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়স্বজন যে যেখানেই আছেন তাদের মধ্যে সবচাইতে শক্তিশালী ক্ষমতাধর, সামরিক সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে যে কোন পর্যায় পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদোন্নতি পদাবনতি এবং বদলী যার মনোবাসনা বা ইচ্ছানুযায়ী হয়, সরকারী পর্যায়ে ব্যবসা-বাণিজ্য না পাওয়া যার উপর নির্ভর করে, এদেশের বৈধ-অবৈধ সমস্ত টাকা-পয়সা যার হাতে জমা হয়, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবারের ক্যাশিয়ার যিনি, একমাত্র রাজনীতি ছাড়া গোটা দেশের অর্থনীতি একক হস্তে পরিচালনা করেন যিনি, এদেশের মানুষের জন্য বিন্দুমাত্র ভালবাসা মায়া-মমতার লেশমাত্র নেই যার, এদেশের মানুষকে শিয়াল (শৃগাল) কুত্তার (কুকুরের) জাতি, নিমকহারামের জাত ছাড়া অন্য কিছু ভাবেন না, অন্য কিছু বলেন না যিনি, মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে অথবা রাত পোহালে যদি শুনতে পেতেন, এদেশের বারো কোটি মানুষ সকলেই মহাপ্রলয়ে নিহত হয়ে গেছে তাহলে খুশিতে আত্মহারা হয়ে যাবেন যিনি, সদাসর্বদত্র, এদেশের মানুষের অনিষ্ট-অমঙ্গল ছাড়া অন্য কিছু চিন্তা এবং কামনা করেন না যিনি, তিনি আর কেউ নন, তিনি হলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান-এর ২য় কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদরের ছোট বোন শেখ রেহানা। ৭ই জুলাই ১৯৯৬-এর অপরাহ্নে তিনি এলেন গণভবনে। তারই বড় বোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। এসেই সরাসরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিৎকার করে বললেন, এই, শেখ মুজিব কি একা তোমার বাপ? শেখ মুজিব কি আমার বাপ না? আমার ভাগ কই? আমি কি ভাগ পাই না? আমার ৫টা মন্ত্রী নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মন্ত্রী পাবি না। চালাইতেছি, চালাইতে দে। যত টাকা দরকার পাবি। সব তুই নে। দুই বোনের চিৎকারের চোটে প্রধানমন্ত্রীর ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌ-বাহিনীর ৬৪ (চৌষট্টি) জন অফিসার সমন্বয়ে ১৬শ (ষোলশ) সদস্যের একটি বিশেষ দল পিজি আর (প্রাইম মিনিস্টার গার্ড রেজিমেন্ট)-এর ঐ দিন ডিউটিরত সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালনে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চোখের ইশারায় তাদেরকে সরিয়ে এনে, এটা প্রধানমন্ত্রীর একান্তই নিজস্ব এবং পারিবারিক ব্যাপার বলে ওভারলুক (দৃষ্টি এড়িয়ে যাওয়া) করার পরামর্শ দেওয়া হয়। আজই যদি আমার পাঁচজনকে মন্ত্রী না করো, তবে আমি আমেরিকায় চলে যাব। যখন আসবো তখন সমান ভাগ নিয়ে আসবো। মনে রেখ। এ কথা বলে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা চলে গেলেন। পরবর্তী পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমেরিকায় যেয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে ভাগাভাগি এবং আপোষ রফা করে তার ছোট বোন শেখ রেহানাকে দেশে নিয়ে আসেন এই শর্তে যে, শেখ রেহানাই হবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্যাশিয়ার। সমস্ত টাকা-পয়সা শেখ রেহানার হাত দিয়ে আসতে হবে এবং শেখ হাসিনার পর শেখ রেহানাই হবেন শেখ মুজিবের উত্তরসূরী। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ১০২-১০৩ * কার কত টাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানার এখন একই একাউন্ট, একই হিসাব। দুই বোনের মধ্যে অনেক ঝগড়া-ঝাটির পর দু'জনে মিলে একটি একাউন্ট হওয়ার বিনিময়ে আপোষ করা হয়েছে। এই দুই বোনের বর্তমানে আমেরিকায় (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) তিনটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর হয়েছে। এর একটি চালায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে পুতুল ও তার স্বামী। অপরটি চালায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে জয় এবং তৃতীয়টি চালায় প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানার ছেলে ববি। এছাড়া এই দুই বোনের বিভিন্ন দেশে প্রায় তিন থেকে চার হাজার কোটি টাকা নগদ আছে। প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো ভাই শেখ হেলাল এমপি প্রায় হাজার কোটি কোটি টাকার উপরে মালিক। প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো বোন লুনা এবং মিনা শত শত কোটি টাকার মালিক। প্রধানমন্ত্রীর অপর চাচাতো ভাই রুবেল ও তার অন্যান্য ভাইয়েরা শত কোটি টাকার মালিক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী চাচাতো চাচা শেখ হাফিজুর রহমান টোকন প্রায় পাঁচশ কোটি টাকার মালিক। প্রধানমন্ত্রীর বাবার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে প্রধানমন্ত্রীর এ পি এস বাহাউদ্দিন নাসিম এবং তার চাচাতো ভাই প্রধানমন্ত্রীর চীফ সিকিউরিটি নজিব আহাম্মেদ নজিব ও তার ভাইয়েরা মিলে বর্তমানে কয়েক হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট এবং দূর সম্পর্কের আত্মীয়-স্বজনেরা এমন কেউ নেই, যিনি বর্তমানে শত কোটি টাকার মালিক হননি। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ১৩৪-১৩৫ * [[মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর|মির্জা ফখরুল]] ক্ষমতা দখল করার জন্য নেতাকর্মীদের অতিরিক্ত কাপড় নিয়ে ঢাকা আসতে বলেছেন। তো আমরা কি দাঁড়িয়ে ললিপপ খাবো? আমরাও প্রস্তুত আছি। অবরোধ করলে বিএনপি অবরোধ হয়ে যাবে। খেলা হবে। বিএনপির পরিণতি শাপলা চত্বরের থেকেও করুণ হবে। শেখ হাসিনা মাথা নত করবে না।” ** [[ওবায়দুল কাদের]] ১৬ অক্টোবর ২০২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী যুবলীগের এক [https://bangla.dhakatribune.com/politics/72076/%E2%80%98%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A3-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A3%E0%A6%A4%E0%A6%BF সমাবেশে] বলেছেন। * আওয়ামী লীগের জুনিয়র সারির নেতারা একদিন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার পুত্র জয়কে বলছে, "আমরা আছি, আপনি যখন প্রধানমন্ত্রী হবেন তখন আপনার সাথে আমরা আছি।" জয় বলছে, “প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মানুষের কাছে ভোট ভিক্ষা করে। ভোট ভিক্ষা করে আমি কোনোদিন রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী হব না। যদি রাজা বানান তাহলে আছি, নইলে নাই।" বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সঙ্গে সঙ্গে বললেন, "বাবা আমরা তো রাজাই, আগামীতে তো তুমিই রাজা হবা। তোমার নানা তো এদেশের রাজাই ছিলেন, তোমার নানাই তো এই দেশ সৃষ্টি করেছে, এই দেশের মালিক ছিল। চাকর- বাকররা ষড়যন্ত্র করে তোমার নানাকে মেরে সিংহাসন দখল করেছে। আলীবর্দী খাঁ যেমন বাংলার নবাব ছিলেন, তারপরে তাঁর নাতি সিরাজদ্দৌলা নবাব হয়েছিল। তোমার নানা শেখ মুজিবর রহমানও বাংলাদেশের রাজা ছিল, আগামীতে তুমিই বাংলাদেশের রাজা হবে। রাজা বাদশাদের আধুনিক নামই রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ২১০ ==আরও দেখুন== * [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:নারী রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:সরকার প্রধান]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:শেখ পরিবার]] 7z4pwgozxhrmmvuk03f9y1hn4zk4gxc 84152 84151 2026-08-10T16:25:35Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84152 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Russia-Bangladeshi talks Moscow 2013-01-15 12.jpeg|thumb|এখন থেকে লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে, যেটারে পাবে সেটারে গুলি করবে। ~ শেখ হাসিনা]] '''[[w:শেখ হাসিনা|শেখ হাসিনা ওয়াজেদ]]''' (জন্ম: ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭) বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদের সরকারদলীয় প্রধান ছিলেন এবং [[বাংলাদেশ]] আওয়ামী লীগের সভানেত্রী। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ [[সময়]] ধরে দায়িত্ব পালন করা প্রধানমন্ত্রী। ==উক্তি== * '''এখন থেকে লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে, যেটারে পাবে সেটারে গুলি করবে।''' যেখানে গেদারিং দেখবে সেখানে ওপর থেকে.. হেলিকপ্টার থেকে গুলি করবে, এখন ওপর থেকে করাচ্ছি (গুলি), অলরেডি শুরু হয়ে গেছে, র্যাবকে আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে। ** কোটা আন্দোলনের সময় এক প্রতিরক্ষা বা পুলিশ অফিসারের সঙ্গে ফোনালাপে, ১৮ জুলাই ২০২৪, ভাইরাল অডিও, "ফেস দ্য পিপল" এর ইউটিউব পাতায় ৮ ই মার্চ ২০২৫ এ প্রকাশিত [https://m.youtube.com/watch?si=-H1TVU7QFcJflQ4E&v=HXV57sEsQMc][https://www.facebook.com/reel/2654604558070616?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v][https://www.jugantor.com/national/926561][https://m.youtube.com/watch?si=jYl9_so2sCanb7li&v=x5C0VJ-TqsM&feature=youtu.be] * '''বঙ্গোপসাগরে একটি শক্তিশালী দেশ ঘাঁটি বানাতে চায়। যা হতে দিচ্ছি না বলেই কিছু সমস্যা হচ্ছে।'''...শক্তিশালী দেশটি (যুক্তরাষ্ট্র) আমাদের সেই সিদ্ধান্তকে ভালোভাবে নেয়নি। [২০০১ সালের নির্বাচনের আগে] গ্যাস বিক্রিতে রাজি হইনি বলে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয়নি। গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় বসার মতো দৈন্যতায় ছিলাম না কখনও। বাংলাদেশে এয়ার বেজ বানাতে দিলে, কারও কারও নির্বাচনে জিততে কোনো সমস্যা নেই- এমন প্রস্তাবও আমাকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাজি হইনি আমি। [[বঙ্গোপসাগর|বে অব বেঙ্গলে]] (বঙ্গোপসাগর) তারা (যুক্তরাষ্ট্র) ঘাঁটি বানাবে। ভারত মহাসগাগরের এই শান্তিপূর্ণ জায়গাটার ওপর তাদের নজর। এখানে বেজ বানিয়ে তারা কোথায় হামলা করতে চায়? আমি এটা করতে দিচ্ছি না বলেই খারাপ। চক্রান্ত এখনও চলমান রয়েছে। তবে জনগণ সঙ্গে রয়েছে। তারাই আমার সামনে চলার মূল শক্তি। ** ২৩ মে ২০২৪-এ গণভবনে ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে। [https://www.ittefaq.com.bd/688380/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%98%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC বঙ্গোপসাগরে বিমান ঘাঁটির বিনিময়ে সহজে ক্ষমতায় ফেরার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এক শ্বেতাঙ্গ: প্রধানমন্ত্রী] * [[w:bn:সেন্ট মার্টিন দ্বীপ|সেন্টমার্টিন দ্বীপ]] বা আমাদের দেশ কাউকে লিজ দিয়ে ক্ষমতায় থাকতে চাইলে, আমাদের কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু আমার দ্বারা সেটা হবে না। আমাদের দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আমি কাউকে খেলতে দেবো না। আমাদের দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অধিকার কারো নেই। আমার দেশের মাটি ব্যবহার করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাবে, কাউকে আক্রমণ করবে—এমন কাজ আমি হতে দেবো না। ** ২১ জুন ২০২৩-এ এক [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-489881 সংবাদ সম্মেলনে]। * এখানে কেউ থাকবেন না। (নো ওয়ান স্টে হেয়ার।) ** ৫ আগস্ট ২০২৪, তার আত্মীয়দের কাছে শেষ হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় [https://english.khaborerkagoj.com/special-report/799212] * আমি যা বলি শুনো, থোরাসা হাদিয়া দে দো। ** ২৪ জুলাই ২০২৪, নসরুল হামিদের সাথে ফোনালাপে [https://www.jugantor.com/politics/1010047] * আমি কোনো প্রতিদান চাই না। প্রতিদানের কী আছে? আর কারও কাছে চাওয়ার অভ্যাস আমার একটু কম। দেয়ার অভ্যাস বেশি।’ আমরা ভারতকে যা দিয়েছি, সেটা ভারত সারা জীবন মনে রাখবে ‘প্রতিদিনের বোমাবাজি, গুলি, আমরা শান্তি ফিরিয়ে দিয়েছি। এটা তাদের মনে রাখতে হবে। কাজেই আমরা কোনো প্রতিদান চাই না।’ ‘ভারতে বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ড চলছিল। তখনকার সরকারগুলো এদেরকে মদদ দিয়েছে। আমরা সেটাও বন্ধ করেছি। আমার দেশের মাটি কোনো মতেই অন্য কোনো দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবহার হতে পারবে না। কারণ, তার প্রভাব আমার দেশেও পড়ে। আপনারা ভুলে যান ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান? এটা তো একটা কনসাইনমেন্ট ধরা পড়েছে। আরো কত যে এভাবে চোরাচালান হতো তার ঠিক আছে? এ জন্য আমার দেশের মানুষকে খেসারত দিতে হয়নি? কতবার ধরা পড়েছে?’ ‘আমরা হরতাল দিলাম ট্রাক নিতে পারে নাই। ট্রাকের নিচে হলো অস্ত্রশস্ত্র, গুলি, ওপরে ছিল আনারস। গরু আনারস টেনে খেতে গিয়ে আসল জিনিস বের হয়ে গেছে।’ ‘এই অস্ত্রের মালিক কে ছিল, কারা পাঠাচ্ছিল চিন্তা করে দেখেন একবার।’ ‘চরোকিয়াতেও ১৩ জন ধরা পড়ল। তারপর কীভাবে কীভাবে ছাড়া পেয়ে গেল।’ ‘আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে তারা যে সমর্থন দিয়েছে, আমাদের এক কোটি শরণার্থীকে তারা সাহায্য করেছে, লক্ষ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধাকে ট্রেইনিং দিয়েছে, একসথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধের ময়দানে একসাথে রক্ত দিয়েছে, আমরা কৃতজ্ঞতার সাথে সেটা স্বীকার করি। ** ৩০ মে ২০১৮, গণভবনে সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে করা সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের উত্তরে [https://www.bd24live.com/bangla/article/1527690240/167260/index.html] * “এতো লাশ গেলো কোথায়? ওই হিসাব বিরোধীদলকে দিতে হবে।” বিএনপির পক্ষ থেকে আড়াই হাজার লোককে সেদিন হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করার হয়। আড়াই হাজার লোককে হত্যা করতে কতো গোলা-বারুদ দরকার হয়? কত হাজার গুলির প্রয়োজন হয়? আর কত মানুষ আহত হতো?” এত মানুষ নিহত হলে তাদের আত্মীয়-স্বজনরা কোথায়। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিরোধীদলের পক্ষ থেকে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তাদেরকে বলতে হবে একটা ট্রাকে কত লাশ ধরে। উনি (খালেদা জিয়া) তো আর্মি অফিসারের বউ। ওনার তো গোলা-বারুদ সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকা দরকার। আছরের নামাজের পর দোয়া পড়ে হেফাজতে ইসলাম শাপলা চত্বর ছেড়ে চলে যাবে বলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আশ্বাস দেওয়ায় তাদের সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়। ** ৯ মে ২০১৩, গণভবনে বৃহস্পতিবার ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে [https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article623379.bdnews] * দেশকে যখন আমরা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছি, তখন দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনের মধ্যে গুজব ছড়ানো হয়েছে, শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু বলে দিতে চাই, '''শেখ হাসিনা পালায়নি, পালায় না'''। ** ২২ জুলাই ২০২৪, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে * ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তোমাদের বাড়িঘরে যারা আগুন লাগিয়ে দিয়েছে, তাদের বাড়ি ঘর নেই? সব কথা কি বলে দিতে হয়? যারা এখন বেশি বেশি বাড়াবাড়ি করছে। বেশি ভালো থাকবেন না আপনি। দেখো ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই শত্রুরা টেকে কি না? কাউকে পালাতেও দেওয়া হবে না। যে কয়টা নাফরমানি করছে তাদের একটারও অস্ত্র থাকবে না। ঠিক আছে, আমি সবাইকে বলছি, তোমরা শুধু দুই মাস অপেক্ষা করো। কিছু বলো না। ‘ওরা ফেল করবে, আর আমরা যদি কিছু করি, তখন বলবে আমাদের জন্য করতে পারে নাই। সেটা আর বলার মুখ নেই। জাতীয় আন্তর্জাতিকভাবেও ওই যে সুদখোর ইউনুসের গুটি গুটি চেহারার দ্বার আটকে গেছে মানুষের কাছে। এখন ভয় পাওয়ার কিছু নেই, এখন ওদের ভয় দিতে হবে। আমি একটা কথা বলি, তোমাদের বাড়ি পোড়াই দিছে কে?’‘তাদের ঘর-বাড়ি নেই? ‘তাহলে, সবকিছু কি প্রকাশ্যে করতে হয়? ‘তোমাদের নাই, তাহলে কারো ঘর-বাড়ি থাকবে না।’, ‘মামলা, আমারতো শুধু গোবিন্দগঞ্জ না, '''আমারতো সারা বাংলাদেশে ২২৭টি মার্ডার কেস। আমি বলছি সবাই তালিকা কর। তোমরাও তালিকা কর। ২২৭ মার্ডারের লাইন্সেস পেয়ে গেছি। এক মামলায় যে শাস্তি, শোয়া দুইশো মামলায় একই শাস্তি। তাই না। ঠিক আছে সেই শাস্তি নেব। তার আগে শোয়া দুইশো হিসাব করে নেব। এটা যেন মাথায় থাকে।''' এবার একবার আসতে পারলে কেউ ফেলাইতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। ** গোবিন্দগঞ্জের সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাকিল আলম বুলবুলের সাথে প্রকাশিত ফোনালাপে, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ [https://www.jugantor.com/awami-league/871270] * একটি বিল্ডিং ভেঙ্গে দিলেই ইতিহাস মুছা যায় না ** ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ি ভাঙ্গার প্রতিক্রিয়ায় * '''মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরা না পেলে, তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে?''' আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে। রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না? অপরাধটা কী? ** [[w:bn:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|কোটা সংস্কার]] নিয়ে সাংবাদিকদের একটি প্রশ্নের জবাব{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন, কোটা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী |ইউআরএল=https://www.ajkerpatrika.com/346776/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8B%E0%A6%AD-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE |ওয়েবসাইট=[[আজকের পত্রিকা]] |সংগ্রহের-তারিখ=১৫ জুলাই ২০২৪}} * আপনজন হারানোর বেদনা যে কত কষ্ট, আমার চেয়ে আর কেউ বেশি জানে না। ** [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] [https://en.prothomalo.com/bangladesh/hfn076m9r3] *'''আর আমার পাওয়ার চাই''', আমি দেশের উন্নতি করতে চাই, সাফ কথা আমার। পাওয়ার চাই; আমি খালি ইলেকশন যেনো তেনো না, '''অ্যাবসুল্যুট পাওয়ার (নিরঙ্কুশ ক্ষমতা) নিয়ে আমি দেশের উন্নতি করব।''' এটাই আমার লক্ষ্য। **১১ জুন ২০২২। [https://sarabangla.net/news/post-680972/] [https://www.youtube.com/watch?v=ogT0MAC3Hmc] *'''আমাকে বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকব।''' ইলেকশনের পরে, যদি আসতে পারি, আবার করব। তারপর দেখি কে সাহস পায় নিতে...ক্ষমতা। সব গুছাইয়া-গাছাইয়া দেওয়ার পরে '''এখন ইলেকশনের কথা, ভোটের কথা, অর্থনীতির কথা, পাকা পাকা কথা শুনতে হয়। আমরা তো শুনতে রজি না।''' **[https://www.prothomalo.com/politics/6nromi88s7 বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকব: প্রধানমন্ত্রী | প্রথম আলো] ০৬ অক্টোবর ২০২৩।[https://www.youtube.com/watch?v=rILoMXDDsxM] *এই দেশ আমার দেশ, আমার নিজের দেশ, '''আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন।''' **[https://www.youtube.com/shorts/NRSG3AEr4KA] * আমি কিন্তু দেশের খুব কাছেই আছি। যেকোনো সময় চট করে ঢুকে পড়তে পারি। ** ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ [https://www.dhakapost.com/politics/306556] * বেগুনের দাম ১১০ টাকার ওপরে চলে গেল। সেটা এখন কমে ৮০ টাকায় এসেছে। বেগুন দিয়ে বেগুনি না খেয়ে আরও যেসব সবজি সহজলভ্য আছে, সেটা দিয়ে খেলেই হয়। আমরা তো তাই খাই। '''বেগুনি না বানিয়ে মিষ্টিকুমড়া দিয়ে খুব ভালো বেগুনি বানানো যায়।''' আমরা এভাবে করি। সেভাবে করা যায়। ** ৬ এপ্রিল ২০২২ [https://www.somoynews.tv/news/2022-04-06/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A4%E0%A7%88%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0] *'''পেঁয়াজ ছাড়াও রান্না করা যায়''', আমাদের বাসায় পেঁয়াজ ছাড়া রান্না করা হয়। পেঁয়াজ নিয়ে এত অস্থির হওয়ার কি আছে আমি জানি না। **২৯ অক্টোবর, ২০১৯[https://m.dailyinqilab.com/article/244415/%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%9C-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] * ডিম যখন বেশি পাবেন সিদ্ধ করে ফ্রিজে রেখে দেবেন, বহুদিন থাকবে। নষ্ট হবে না। '''সবকিছুর বিকল্প আছে। ডিম সিদ্ধ করে ডিপে রেখে দেন, ডিম ভালো থাকবে।''' রান্না করে, ভর্তা করে খাওয়া যাবে। আমরা রাখি খাই। এগুলো নিজে থেকে শেখা ** ২৯ আগস্ট ২০২৩[https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-509711] * বর্ষাকালে কাঁচা মরিচের ক্ষেতে কেউ মরিচ তুলতে যেতে পারে না। '''কাঁচা মরিচের দাম বাড়লে সবাই চিৎকার করে।''' সবাইকে আহ্বান করবো, '''এখন থেকে কাঁচা মরিচ কিনে রোদে শুকিয়ে রেখে দেন''', বর্ষাকালে যখন দাম বাড়বে তখন সেখান থেকে খাওয়া যাবে। একটু পানি লাগলেই তাজা হয়ে যায়, আবার রান্না করে খাওয়া যায়, সহজ বুদ্ধি। ** ২১ জুন ২০২৩। [https://www.ajkerpatrika.com/national/ajpDe2rMjC77F] * একটি এমডি পদের জন্য পদ্মা সেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করেছে, তাকে '''পদ্মা নদীতে দুইটা চুবানি দিয়ে তোলা উচিত।''' মরে যাতে না যায়, পদ্মা নদীতে একটু চুবানি দিয়ে সেতুতে তুলে দেওয়া উচিত। তাহলে যদি শিক্ষা হয়। পদ্মা সেতুর অর্থ বন্ধ করাল [[মুহাম্মদ ইউনূস|ড. ইউনূস]]। কেন? গ্রামীণ ব্যাংকের একটি এমডি পদে তাকে থাকতে হবে। ** ১৮ মে ২০২২ [https://www.prothomalo.com/politics/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%B8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%89%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] * ‘[[খালেদা জিয়া]] বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে। সেতুতে যে স্প্যানগুলো বসাচ্ছে, এগুলো তার কাছে ছিল জোড়াতালি দেওয়া। বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, ওখানে চড়া যাবে না। চড়লে ভেঙে পড়বে। আবার তার সঙ্গে কিছু দোসরেরাও…তাদেরকে এখন কী করা উচিত? পদ্মা সেতুতে নিয়ে গিয়ে ওখান থেকে '''টুস করে নদীতে ফেলে দেওয়া উচিত'''।’ ** ১৮ মে ২০২২ [https://www.prothomalo.com/politics/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%B8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%89%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] *অতিরিক্ত টমেটো হয়েছে, বলল কী করব? আমি বলেছি শুকিয়ে রেখে দেন। সানড্রাই টমেটো তো বিদেশে ভীষণভাবে চলে। আমরাও সবকিছু করব। পেঁয়াজেও তাই। যখন উৎপাদন বেড়েছে, তখন পেঁয়াজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করব। **২১ জুন ২০২৩। [https://www.ajkerpatrika.com/national/ajpDe2rMjC77F] * যদি বলেন যে রিজার্ভ রক্ষা করতে হবে, '''তাহলে আমি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেই, পানি দেওয়া বন্ধ করে দেই, সার বন্ধ করে দেই? সব বন্ধ করে বসায় রাখলে রিজার্ভ ভালো থাকবে।''' ... (রিজার্ভ নিয়ে) যদি এত বেশি কথা হয়, যখন সরকার গঠন করেছিলাম তখন যত ছিল ওইখানে এনে রেখে তারপর আবার ইলেকশন করব। করে আবার বাড়াব। ** ০৬ অক্টোবর ২০২৩।[https://www.youtube.com/watch?v=rILoMXDDsxM] *বিদ্যুৎ শতভাগ থেকে কমিয়ে ওই ২৮ ভাগে নিয়ে আসব। সবাই একটু টের পাক যে কী ছিল। '''আমাদের বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে বলেছিলাম যেন প্রতিদিন একটু লোডশেডিং দেয়।''' তখন ঐ যে পয়সা দিয়ে তেল কিনে জেনারেটর চালাতে হবে, তখন আবার আক্কেলটা ঠিক হবে! **০৬ অক্টোবর ২০২৩।[https://www.youtube.com/watch?v=rILoMXDDsxM] *জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে। সংবিধান সংশোধন করেছি। '''যা হবে সংবিধান মোতাবেক হবে। তা থেকে একচুলও নড়া হবে না, ব্যাস।''' ** তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে [https://www.bbc.com/bengali/news/2013/08/130818_sahasina সংবিধান থেকে একচুলও নড়বো না: শেখ হাসিনা] - বিবিসি বাংলা। ১৮ অগাস্ট ২০১৩ *“আমার ৭২ বছর বয়সের ৬০ বছরই কেটেছে রাজনীতিতে। স্কুল থেকে রাজনীতি শুরু করেছি এখনো অব্যাহত আছে। রাজনীতিতে কে কী করেছে অনেক ঘটনা চোখে দেখেছি"। * “আমি নিজে নিয়মিত [[নামাজ]] পড়ি, কোরান থেকে তিলওয়াত করে দিনের কাজ শুরু করি। আমি জানি, নবী করিম বলেছেন, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করা যাবে না”। * ডাক্তাররা রোগীকে মেরে ফেলতে চান না। রোগীর জন্য অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন{{fact}} * বিরোধী দলে গেলে কখনও হরতাল করব না{{fact}} * আমি চাই বাংলার মানুষের মুক্তি। শোষণের মুক্তি। বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য বঙ্গবন্ধু সংগ্রাম করেছিলেন। আজ যদি বাংলার মানুষের মুক্তি না আসে, তবে আমার কাছে মৃত্যুই শ্রেয়। ** ১৭ মে ১৯৮১। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর মানিক মিয়া এভিনিউতে আয়োজিত গণ-সংবর্ধনায়। * সর্বস্তরের মানুষের দুর্ভোগের একটাই কারণ। সেটা হলো [[হত্যা]] ও ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা বদলের পালা। ষড়যন্ত্র ও হত্যার মাধ্যমে রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে যেভাবে ক্ষমতা বদল হচ্ছে তারই জন্য আজকে মানুষের এই দুর্ভোগ। **১৪ অক্টোবর ১৯৮৪। শেরে বাংলা নগরে ১৫ দলের জাতীয় সমাবেশ। * মাটি আর মানুষের সাথে রাজনীতিকে একাত্ম করতে হবে। সমাজের গভীর থেকে গভীরতর স্তরে পৌঁছুতে হবে। জনগণের বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে সততা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে। **১ জানুয়ারি ১৯৮৭। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলের উদ্বোধনী অধিবেশন। *আমি একটা কথাই বলব, এই মাটিতে হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিস্টান সকল ধর্মের মানুষের বসবাস থাকবে অর্থাৎ আমরা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বলে অন্য ধর্মকে অবহেলার চোখে দেখবো না। **২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় শেখ হাসিনা এটি বলেছিলেন।[https://bangla.bdnews24.com/opinion/comment/64875] * যারা অস্ত্রের ভাষা বুঝে, তারা মুক্তির ভাষা মানে না। অস্ত্রকে সম্বল করে যারা ক্ষমতায় আসে, তারা যুক্তি বুঝে না, যু্ক্তি তাদের কাছে বোধগম্য নয়। **৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭। জাতীয় সংসদ। *স্বাধীন, নিরপেক্ষ, গণমুখী ও বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যম গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত। আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি। **২৫ এপ্রিল ১৯৯১। জাতীয় সংসদ। * আওয়ামী লীগের আদর্শ জনকল্যাণমুখী এক শোষণমুক্ত উন্নত সমাজব্যবস্থা কায়েম করা। আমাদের মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ ও অর্থনৈতিক মুক্তি এবং স্বনির্ভর অর্থনীতি। **১১ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিশেষ কাউন্সল অধিবেশন। * আজ সেই সোনার বাংলা গড়ার দায়িত্ব এসেছে। এ দায়িত্ব শুধু আওয়ামী লীগের একার হতে পারে না। এ দেশ স্বাধীন করেছিলাম আমরা সবাই মিলে যেমন এক ভয়ঙ্কর দুঃসময়ে, ঠিক তেমনি আজ সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃসময়ে, ঠিক তেমনি আজ সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের শৃঙ্খল থেকে দেশকে মুক্ত করার আরেক সংগ্রামে আবার আমরা একসাথে নিঃশ্বাস নেব, এক প্রত্যয়কে অবলম্বন করব, এক লক্ষ্যে হব পথের সাথী। ** ২৪ জুন ১৯৯৬। জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ। * গণতন্ত্রের জন্য স্বাধীনতার চেয়ে বড় কোনো ভিত্তি নেই এবং সভ্যসমাজের আইন ও বিধান ছাড়া গণতন্ত্রের কোনো নিশ্চয়তা নেই। **১৯৯৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়। * ন্যায় ও সত্যের পথ কঠিন পথ, এই কঠিন পথ আমি বেছে নিয়েছি **২৮ জানুয়ারি ১৯৯৯। শান্তিনিকেতন। * শান্তি একটি মৌলিক মানবাধিকার যাকে অর্জন, লালন, উন্নয়ন করতে হবে এবং সর্বদা ভবিষ্যতের জন্য এগিয়ে নিতে হবে। ** ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯। [[জাতিসংঘ]] সাধারণ পরিষদের ৫৪তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। * শান্তি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে জনগণের ক্ষমতায়ন অপরিহার্য। ন্যায়বিচার হচ্ছে এর ভিত্তি। **২৭ সেপ্টেম্বর ২০১২। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৭তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। *এই অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ শ্রমিক। এখানে সাধারণ মানুষের সংখ্যাই বেশি। তাদের চিকিৎসার কষ্ট লাঘব করা এবং চিকিৎসাসেবা দেওয়া আমাদের কর্তব্য। তা ছাড়া এই এলাকায় উন্নতমানের হাসপাতালের সংখ্যা কম। সেই চিন্তা থেকেই এখানে এ হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিই। আমি অসুস্থ হলে আমাকে বিদেশে নিবেন না, আমি দেশের মাটিতেই চিকিৎসা নিব। **৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬। ফজিলাতুন্নেসা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পর।{{fix cite}} *দারিদ্র্যমুক্ত [[বাংলাদেশ]] গড়তে হলে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।{{fact}} *সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য যোগ্যতা অর্জন কর।{{fact}} *‘নিঃস্ব আমি রিক্ত আমি দেবার কিছু নেই, আছে শুধু ভালোবাসা দিয়ে গেলাম তাই’ **২৫ জুন, ২০২২। জাজিরা প্রান্তে পদ্মা ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে। * বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার চেষ্টা করুন, এক পা ভারতে আর এক পা বাংলাদেশে রাখবেন না। বাঙালি হওয়ার চেষ্টা করুন, অর্পিত সম্পত্তি আইন বাতিল করব না। ** ১৯৯৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতাদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা। *** "বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনাপঞ্জি ১৯৭১-২০১১"-মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন, প্রকাশকাল: অক্টোবর ২০১৩, পৃষ্ঠা: ১১৫ * [[ইসলাম]] শান্তিতে বিশ্বাস করে। ইসলাম ধর্মেই মানুষের অধিকারের কথা, মানুষের জীবন মান উন্নয়নের কথা বার বার বলা হয়েছে। অথচ মাঝে মাঝে অমরা যেটা দেখি; আমাদের ধর্মকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে কিছু কিছু মানুষ এই ধর্মের মান নিয়ে যখন কোনো সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে তখন সারা বিশ্বের কাছে আমাদের এই ধর্ম প্রশ্নবিদ্ধ হয়। শুধু প্রশ্নবিদ্ধই হয় না.. আমরা মুসলমানরা বাইরে গেল অনেক সময় অনেক সমস্যাও ভোগ করতে হয়। অথচ পবিত্র ইসলাম ধর্মই হচ্ছে সব থেকে শান্তিপূর্ণ ধর্ম। ইসলাম ধর্মেই আছে সকল ধর্মের মানুষ তার নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে স্বাধীনভাবে। ** ২০১৮ সালের ১১ জুলাই হজ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। [https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1517446.bdnews] ==শেখ হাসিনাকে নিয়ে উক্তি== * মতিউর রহমান রেন্টুর বই পড়লেই বোঝা যাবে স্বৈরাচার-পলাতক হাসিনার মানসিক অবস্থা কেমন ছিল। সে একজন সাইকোপ্যাথ কিলার। তার দলের কর্মীরা মারা গেল কিনা সেটা নিয়ে তার মাথাব্যথা নেই। ** [[ববি হাজ্জাজ]], শহিদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মালিবাগে অবস্থিত এনডিএম ঢাকা মহানগর কার্যালয়ে ‘রুখে দাও আওয়ামী ফ্যাসিবাদ’ শীর্ষক [https://www.jugantor.com/politics-others/876887 এক আলোচনা সভায়] বলেছেন। যুগান্তর,১০ নভেম্বর ২০২৪, * '''''এই তিনটি অভিযোগের জন্য, আমরা তাকে কেবল একটি সাজাই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তা হল মৃত্যুদণ্ড।''''' ** ১৪:৪৭-৪৯, ১৭ নভেম্বর ২০২৫, [[:w:গোলাম মর্তুজা মজুমদার|গোলাম মর্তুজা মজুমদার]], [[:w:আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ)|আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ)]][https://m.youtube.com/live/kwVfdPi6-_4?si=TxLPoa8Aa-6jX47N] * [[সজীব ওয়াজেদ|সজীব ওয়াজেদ জয়]]কে ফায়ার করে চক্ষুটা খুলে হাতে পড়ুক, সে দেখুক, সন্তানের চক্ষু উপড়ে ফেললে মায়ের অন্তরে কী রক্তক্ষরণ হয়। ** [[ওসমান হাদি]], ২৭ নভেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/share/r/184SiTCfui/] * প্রিয়-অপ্রিয়, পছন্দ-অপছন্দের:- প্রিয় খাদ্য: গরুর ভুড়ী; প্রিয় গান: [[:w:en:Janam (1985 film)|জিন্দেগি জিন্দেগি]] [https://m.youtube.com/watch?si=rsQh7pAszG8o2R6d&v=mUOnfmOilIQ&feature=youtu.be] ; প্রিয় ব্যক্তিত্ব: মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু; সবচাইতে বেশি লোভ: টাকার প্রতি; সবচাইতে অপছন্দের: নামাজী মানুষ; সবচাইতে স্বস্তি এবং আনন্দের: মানুষের লাশ; সবচেয়ে বেশি পটু: মিথ্যে বলায়। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ২০৮ * পিএস শাকিলের (মাহবুবুর রহমান শাকিল) এবং আরও অনেকের সঙ্গে হাসিনার অবৈধ যৌন সম্পর্ক ছিল। স্বয়ং আওয়ামী লীগের নিজের লোকেরাই গোপনে আমাকে এসব তথ্য ও প্রমাণ সরবরাহ করেছিল। আমি এই গোপন কথা ফাঁস করেছিলাম, এজন্যই আওয়ামী লীগ আমাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে গুম করেছিল। আমাকে বলা হয়েছিল, তুমি যদি এসব বন্ধ না করো, তাহলে তোমার সাথে কী করা হবে তা তুমি কল্পনাও করতে পারবে না। শুধু শেখ হাসিনা নয়; রাষ্ট্রপতি, বেনজির সহ আরও অনেকের অবৈধ যৌনাচারের প্রমাণ আমার কাছে ছিল। আর গনভবন ছিল অবৈধ যৌনাচারের কেন্দ্রবিন্দু। তারা পাথরের গলায় মালা দিয়ে একে অপরের সাথে কানেক্ট করতো, যাকে আমার ধর্মে বলা হয় শিরক। আওয়ামী লীগকে আমি ব্যভিচার ও যৌনাচারের একটি ইনস্টিটিউট বলে মনে করি। এটি যৌনাচারের একটি দল। ** শফিকুল ইসলাম কাজল, ১৫ আগস্ট ২০২৪ [https://m.youtube.com/watch?si=cISvclOzs6EhY5xk&v=ViXT9uBiC-g&feature=youtu.be] [https://m.youtube.com/watch?si=VDh8o4LXI0jE6tr_&v=GskzQAmEfqg&feature=youtu.be] * খেলা: জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজেকে একজন বড় খেলোয়াড় মনে করেন। তিনি মনে করেন, তিনি দুনিয়ার সবচাইতে দক্ষ খেলোয়াড় এবং তার মতো খেলোয়াড়ের সারা বিশ্বে জুড়ি নেই। তিনি খেলতে ভালবাসেন। বলতে গেলে খেলাই তার একমাত্র কাজ। তিনি সকলের সাথেই খেলেন। জনতার সাথে খেলেন। রাজনৈতিক নেতাদের সাথে খেলেন। নিজেদের দলের কর্মীদের সাথে খেলেন। স্বামীর সাথে খেলেন। আত্মীয়স্বজনের সাথেও খেলেন, তবে কম খেলেন। নিজের বোনের সাথে খেলেন, তবে পেরে ওঠেন না, ধরা পরে হেরে যান। ছেলে-মেয়ের সাথে খেলতে গিয়ে প্রচণ্ড মার খেয়ে যান। জননেত্রী শেখ হাসিনা মনে করেন তার মতো এতো বড় খেলোয়াড় আর নেই এবং তিনি যে খেলা খেলেন, এ খেলা ধরা বা বোঝার শক্তি কারো নেই। পৃথিবীর কেউই তার খেলা ধরতে পারবে না। বুঝতে পারবে না। এ খেলায় তিনি অনন্যা, অদ্বিতীয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যে খেলা খেলেন, সে খেলার নাম হচ্ছে, প্রতারণার খেলা। তিনি সকলের সাথেই প্রতারণার খেলা খেলেন। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ১২৮ * ক্ষমতায় থাকাকালে ফ্যাসিবাদের সব বৈশিষ্ট্যই দেখিয়েছে আওয়ামী লীগ। তাই নিকট ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করলে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট পার্টি আওয়ামী লীগের কোনো জায়গা নেই। ** [[মুহাম্মদ ইউনূস]], ৩০ অক্টোবর ২০২৪, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে [https://jamuna.tv/news/572999] * বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রথম নির্দেশ মেরে ফেলো। মেরে লাশ ফেলে দাও। আওয়ামী লীগের কোনো নেতা, কর্মী কিংবা সমর্থক কথা প্রসঙ্গেও যদি বলে প্রশাসনের অথবা অন্য রাজনৈতিক দলের অমুক আমাদের বিপক্ষের, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রথমেই যে নির্দেশ বা আদেশ দেন তাহলো মেরে ফেলো, মেরে ফেলে দাও। আমি হুকুম দিলাম খুন করে ফেলো। যদি কোন কারণে উক্ত ব্যক্তিকে হত্যা করা না যায় তাহলে বলবেন, ঘুষ দাও, টাকা দাও। টাকা দিয়ে ওকে আমাদের পক্ষে নিয়ে আসো। ১৯৯৫ সালে মাওয়া রোড দিয়ে টুঙ্গিপাড়ায় যাওয়ার সময় ফেরিতে ৩০/৪০ বছর আগে দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে চলে যাওয়া, যুক্তরাজ্যের নাগরিক শেখ হাসিনা সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত শিল্প ঋণ সংস্থার পরিচালক প্রফেসর আবুল আসেম তার নিজ থানা নবাবগঞ্জ সম্পর্কে বললেন, নবাবগঞ্জে (ঢাকা জেলার) আওয়ামী লীগের প্রার্থী দেয়া না দেয়া সমান কথা। নবাবগঞ্জের মানুষ আওয়ামী লীগকে পছন্দ করে না, ভোটও দেয় না। এ কথা শুনে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বললেন, রাতের অন্ধকারে ঘরে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেন। আগুন লাগিয়ে ওদের পুরিয়ে মেরে ফেলেন। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ২০৮-২০৯ * ১৯৮১ সালের ২৩শে এবং ২৪শে মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসটি'র তিন তলায় সেমিনার কক্ষে '৭১ ও '৭৫ যোদ্ধাদের এবং সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সদস্যদের গোপন ও জরুরী বৈঠক বসে। এই বৈঠকে কর্নেল শওকত আলী (বর্তমানে আওয়ামী লীগের এমপি, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী) মুক্তিযোদ্ধা রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে হত্যার পরিকল্পনা এবং হত্যাকালীন ও হত্যা পরবর্তী সময়ে করণীয় সম্পর্কে অবহিত করেন। কর্নেল শওকত আলী বলেন, জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামে গেলে চট্টগ্রামের জিওসি মেজর জেনারেল মঞ্জুর বীর উত্তম-এর নেতৃত্বে জিয়াকে হত্যা করা হবে এবং এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে সভানেত্রী শেখ হাসিনা অবহিত আছেন। সভানেত্রী আমাদেরকে এই হত্যাকাণ্ডে সহায়তা ও ভূমিকা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা মাত্র কয়েক দিন হলো দেশে এসেছেন, এর মধ্যেই তিনি এমন একটি নির্দেশ কীভাবে দিতে পারেন? প্রশ্ন করা হলে কর্নেল শওকত আলী বলেন, শেখ হাসিনা দেশের বাইরে (ভারত) থাকতেই এ বিষয়ে অবহিত আছেন। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ৭৭ * তারপর মেয়র হানিফকে বঙ্গবন্ধু ভবনের অফিস কক্ষে এনে শেখ হাসিনা বললেন, এই মিষ্টি আনো, মিষ্টি আনো, হানিফ ভাইকে মিষ্টি খাওয়াও। মিষ্টি খেতে খেতে বঙ্গবন্ধু কন্যা বললেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন মহানায়ক, আর আপনি হলেন নায়ক। নায়ক না হলে কি চলে? সারা দেশ, জাতি এখন তাকিয়ে আছে নায়কের দিকে। মানে আপনার দিকে। নগরবাসী তাকিয়ে আছে আপনার দিকে। আমি এই পর্যন্ত এনে দিয়েছি, এখন আপনি ফিনিশিং দেন। এখন আপনার পালা। আপনি নায়ক, আপনার হাতেই সব। আমার হাতে আর কিছু নেই। আমার যা ছিল সব আমি করেছি। আপনি মেয়র, আপনিই নায়ক, এখন আপনি ফিনিশিং গোল করেন। আপনি ছাড়া ফিনিশিং হবে না। আপনার হাতেই ফিনিশিং হবে বলেই খেলা এখনও বাকি আছে। আপনারাই তো বঙ্গবন্ধুকে শেখ মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু বানিয়েছেন। আপনারা যদি সেদিন আমার পিতাকে আশ্রয় না দিতেন, সাহায্য-সহযোগিতা না করতেন তাহলে কি আমার পিতা শেখ মুজিব থেকে জাতির পিতা হতে পারতেন? এই আপনারা ঢাকার মানুষেরা বানিয়েছেন। আজ আমি তার মেয়ে, আমাকে যদি আপনি সাহায্য না করেন আমি কি করে বড় হবো? আমার ভাইয়েরা কেউ বেঁচে নেই। আপনিই আমার ভাই। আমি আপনার বোন। আমাকে আপনি সহযোগিতা করেন। আমি কখনোই আপনার কথা ভুলব না। আপনাকে ছাড়া চলব না। ঢাকার মেয়র মোহাম্মদ হানিফ বলল, হ্যাঁ নেত্রী, আমাকে এক মাস সময় দেন, আমি খালেদা জিয়াকে ফেলে দেব। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বললেন, না, না, একমাস সময় দেওয়া যাবে না। আপনি পনের দিনের মধ্যেই ফেলে দেন।এই বৈঠকেই ঠিক হল প্রেসক্লাবের সামনে স্থায়ী মঞ্চ তৈরী করে এখান থেকেই যতক্ষণ বেগম খালেদা জিয়ার পতন না হয়, দিন-রাত ২৪ ঘন্টা স্থায়ী ভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার। পরবর্তী সময়ে নাট্যশিল্পী ও টিভির খবর পাঠক রামেন্দু মজুমদার ও নাট্যশিল্পী পিযুষ বন্দোপাধ্যায় এই মঞ্চের নাম দেন জনতার মঞ্চ। প্রেসক্লাবের সামনের এবং সচিবালয়ের উত্তরের তোপখানা রোডের পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত অর্থাৎ পল্টনের মোড় থেকে হাইকোর্ট পর্যন্ত রাস্তা সম্পূর্ণ বন্ধ করে রাস্তার মাঝখানে বিশাল মঞ্চ তৈরী করে প্রতিদিন চলতে থাকলো গান-বাজনা, বক্তৃতা, আবৃত্তি ইত্যাদি। এক পর্যায়ে এই মঞ্চে এসে যোগ দিল সচিবালয়ের কিছুসংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী। এ সবই চলতে লাগল ঢাকার মেয়র শেখ হাসিনার ভাষায় নায়ক ও আগামী দিনের এল জি আর ডি মন্ত্রী মোহাম্মদ হানিফের নেতৃত্বে। ** মতিউর রহমান রেন্টু, [https://xeroxtree.com/pdf/amar_fasi_cai.pdf আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ৮৮] *এটা খুবই আনন্দের বিষয় যে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী একজন নারী হওয়া সত্ত্বেও তিনি প্রকাশ্যে বলছেন যে সন্ত্রাসের প্রতি তার জিরো টলারেন্স আছে। হুমকি মোকাবেলায় দৃঢ়তার জন্য আমি শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাতে চাই। ** [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে]] ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী [[নরেন্দ্র মোদি]]।<ref>https://economictimes.indiatimes.com/news/politics-and-nation/pm-narendra-modi-draws-flak-for-despite-being-a-woman-remark-on-sheikh-hasina/articleshow/47588959.cms</ref> (জুন ০৮, ২০১৫) * শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা গণভবন থেকে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। শেখ হাসিনা যাওয়ার আগে একটি ভাষণ রেকর্ড করে যেতে চেয়েছিলেন। তিনি সে সুযোগ পাননি। ** বার্তা সংস্থা এএফপি, ৫ আগস্ট ২০২৪, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dn4yfsve75] *শেখ হাসিনা তো তখন খুবই ছোটো,তার সাথে তেমন একটা ইন্টারেকশন ছিল না। বিয়া হইয়া গেসে ওয়াজেদের সাথে। কিন্তু আমি দেখতাম যে প্রত্যেকদিন রাত্রেই মাইর খাইতে খাইতে আইতো...বেগম মুজিব খাওয়াইয়া টাওয়াইয়া আবার ফেরত পাঠায় দিত। ** ৫ জানুয়ারি ২০২৫-এ ইলিয়াস হোসাইনের ইউটিউব চ্যানেলে [https://www.youtube.com/watch?v=UFMuU-9w4jM&t লাইভ সাক্ষাৎকারে] [[শরিফুল হক ডালিম|মেজর ডালিম]]। * আপনজন হারানোর বেদনা যে কত কষ্টের তা আমার চেয়ে আর কে ভালো জানে, বলোনা মোদি, তুমি বলোনা, বলোনা কাদের, তুমি বলোনা। মেট্রোরেলের মনিটর ভাঙার ক্ষতি, ক্ষমতা হারানোর গভীর ব্যথা, আরো মানুষ মেরে তুলব ভয়, কিন্তু আর পারছি না এ পথ ধরতে। শাড়ি বঙ্গভবন সব গেছে হাতছাড়া, আমার বুকে জমেছে কত আর্তনাদ, ক্ষমতা হারানোর কষ্ট বুকে চেপে আমি কি আর হাসতে পারি? ক্ষমতার মসনদ আজ অধরা, আমার ব্যথা কে করবে সান্তনা, শান্তির খোঁজে ক্ষমতার আশায় আমার মনে জমে কত ব্যথা। ** ১৭ আগস্ট ২০২৪, শেখ হাসিনার শোকবার্তা "আপনজন হারানোর বেদনা যে কত কষ্টের তা আমার চেয়ে আর কে ভালো জানে" কে উপহাস করে একটি অপেশাদার এআই প্রযুক্তিতে কাল্পনিক গান তৈরি করা হয় যা ফেসবুকে রাজিব জাহান ফেরদৌস নামে একটি পাতায় প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলাদেশে ভাইরাল হয় [https://m.facebook.com/story.php/?story_fbid=10162501584503338&id=670593337] * ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য কাতান শাড়ি পরে সেজেগুজে বসেছিলেন। তিনি অপেক্ষা করছিলেন, বলছিলেন, আয় সন্ত্রাসী, আয় বাকশালি খুন করিতে যাই, লাশের মালা গলায় দিয়ে শপথ নিতে যাই।’ ** "রেহানা আক্তার রানু" ২৩ জুন ২০১৩ জাতীয় সংসদ ভবণে রক্তপিপাসু এই সরকারের পতন চাই’ বলে তাঁর বক্তব্য শুরু করে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%85%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6 প্রথমআলো] বলেন * ১৯৮৭ সালে [[:w:সরকারি হরগঙ্গা কলেজ|মুন্সিগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজ]] ছাত্র সংসদের ভিপি তরুণ যুবক [[:w:মৃণাল কান্তি দাস|মৃণাল কান্তি দাসের]] সাথে শেখ হাসিনার পরিচয় হয়। এবং পরিচয়ের পর থেকে মৃণাল কান্তি দাস [[:w:জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর|বত্রিশ নাম্বারে বঙ্গবন্ধু ভবনে]] থাকতে শুরু করেন। শেখ হাসিনা তখন ঐ বাড়িতেই থাকতেন। গভীর রাত পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু ভবনের লাইব্রেরি কক্ষে ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে মৃণাল কান্তি দাস আর শেখ হাসিনার কুটকুট করে কথা বলতেন এবং খিলখিল করে হাসতেন। শেখ হাসিনার কাছে মৃনালের গ্রহণযোগ্যতা এতটাই বেড়ে গেল যে তা সকলের ঈর্ষার কারণ হয়ে দাড়ালো। মৃণাল হয়ে উঠলো শেখ হাসিনার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি! তার ক্ষমতা এতটাই বেড়ে গেল যে, ১৯৯০ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির জেনারেল সেক্রেটারী [[:w:সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী|সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী]]কে অপমান-অপদস্ত করে বঙ্গবন্ধু ভবন থেকে বের করে দিলেন। একদিন বঙ্গবন্ধু ভবনে মৃণাল সহ চারজন তাস খেলছে। বেলা তখন তিনটা-সাড়ে তিনটা। এমন সময় শেখ হাসিনার একমাত্র আপন মামা আকরাম মামু এসে কুভঙ্গিতে কুইঙ্গিত করে বললেন, “এই মৃণাল যাওনা, তোমার জন্য না খেয়ে বসে আছে!” মৃণাল তার বন্ধুদের সামনে তার ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য জবাব দিল “ আরে থাক, থাকতে দেন কিছুক্ষণ না খেয়ে!” একদিন মৃণাল শেখ হাসিনার উপর রাগ করে চলে গেল। শেখ হাসিনা নিজে গিয়ে রাগ ভাঙ্গিয়ে মৃনাল কান্তি দাসকে বংগবন্ধু ভবনে নিয়ে এলেন। [[:w:পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ১৯৯১|১৯৯১ সালে শেখ হাসিনা নির্বাচনে হারার]] পর মৃণাল বিভিন্ন অসন্তুস্টির কারণে শেখ হাসিনাকে ছেড়ে চলে যায়। শেখ হাসিনা নিজে তিনবার মৃণালকে ফিরিয়ে আনতে যান কিন্তু সে ফিরে আসেনা। বরং শেখ হাসিনার সাথে তার দৈহিক সম্পর্কের কথা প্রচার করতে থাকে। কথায় কথায় মৃণাল হাসতে হাসতে বলতে থাকে, শেখ হাসিনা সাথে তার সম্পর্ক অনেক গভীর! ** মতিউর রহমান রেন্টু, "[[w:আমার ফাঁসি চাই|আমার ফাঁসি চাই]]", ২৬ মার্চ ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ১২৫-১২৭ * মাননীয় স্পিকার, যিনি আমাদের নেত্রীর ('''[[:w:খালেদা জিয়া|খালেদা জিয়া]]''') পরিবার নিয়ে এখানে কুৎসা রটনা করেছেন... (''সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া: (পাশে বসা অবস্থায় সরকার দলীয় (আওয়ামী লীগের) দাড়িয়ে যাওয়া উত্তেজিত সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে উচু গলায়) বসেন বসেন... অনেক বাড়াবাড়ি করেছেন..'') তিনি পলিটিক্যাল প্রস্টিটিউট মাননীয় স্পিকার। কলিকাতা সিভিল কোর্টের উকিল মি: চন্ডিদাস। তার এক মেয়ে ছিল যারনাম গৌরিবালা দাস। (''সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে উত্তেজিত শোরগোল'') চন্ডিদাসের সহকারী উকিল মি: অরণ্য কুমার চক্রবর্তী চন্ডিদাসের কলিকাতাস্থ বাসায় (''সৈয়দা পাপিয়া: (পাশ থেকে) পড়তে থাক.. হ্যা'') নিয়মিত যাতায়াত করত। এই সুযোগে গৌরিবালার সাথে অরণ্য কুমার চক্রবর্তীর অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠে। (''সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া: পড়তে থাক..'') গৌরিবালা গর্ভবর্তী হয়ে পড়েন। (''পানি খেয়ে নেন) (সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া: পড়তে থাক পড়তে থাক..পড়তে থা-ক) (সরকারদলীয় সদস্যরা আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠেন'') গৌরিবালা যখন বুঝতে পারলেন যে তিনি গর্ভবতী হয়েছেন তখন গৌরিবালা অরণ্য কুমারকে তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেয়। অরণ্য কুমার এতে রাজী না হয়ে অবৈধ সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন। এদিকে চন্ডিদাস বিষয়টি জানার জন্য চিন্তিত হয়ে পড়েন। এরই মধ্যে গৌরিবালা ১২/১২/১৯২০ ইং তারিখে একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেন। তার নাম রাখা হয় দেবদাস চক্রবর্তী। (''সৈয়দা পাপিয়া: (পাশ থেকে চিৎকার দিয়ে সমর্থন দিয়ে) ইয়োওওওও...(টেবিল চাপড়াতে থাকেন।)'') চন্ডিদাস অরণ্য কুমার চক্রবর্তীকে গৌরিবালাকে উঠিয়ে নেয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে, (''সৈয়দা পাপিয়া: (টেবিল চাপড়িয়ে সমর্থন দিয়ে) পড়তে থাক, পড়তে থাক...পড়তে থাকুন, ধরতে থাকুন...বাদ যাইসই না...হ্যা'') কিন্তু অরণ্য কুমার রাজি হন না। এরই মধ্যে দেবদাসের বয়স ২ বছরে উন্নীত হয়। চন্ডিদাস হতাশাগ্রস্থ হয়ে পরেন এবং ভীষণ ভাবে অসুস্থতা বোধ করেন। দেবদাসের (''শিরীন শারমিন চৌধুরী:(সরকারদলীয় উত্তেজিত সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে) মাননীয় সদস্যবৃন্দ আপনারা একটু শান্ত হন..(রেহানা আক্তার রানুকে উদ্দেশ্য করে) মাননীয় সদস্য'') বয়স যখন ৩ বছর তখন দেবদাসের মহুরী [[:w:শেখ লুৎফুর রহমান|শেখ লুৎফুর রহমান]] (শেখ হাসিনার পিতামহ) গৌরিবালাকে বিয়ে করেন... (''মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়) (শিরীন শারমিন চৌধুরী: মাননীয় সদস্য আমি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, মাননীয় সদস্যবৃন্দ আপনারা বসুন সবাই বসুন বসুন। মাননীয় সদস্য আমি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় সদস্য, আপনি ২৭০ বিধি অনুসরণে বাজেটের উপর বক্তব্য দিন। মাননীয় সদস্য। উনাকে মাইক দিন'') ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার, আপনি আমাকে বাজেটের উপর বক্তব্য দিতে বলেছেন। কিন্তু গত বিশ তারিখে যে বক্তৃতা দেওয়া হয়েছে আমি আপনার কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই এটা কি বাজেট বক্তৃতা ছিল? ** '''[[:w:রেহানা আক্তার রানু|রেহানা আক্তার রানু]]''', ২৩ জুন ২০১৩ সংসদে [https://m.youtube.com/watch?si=mls9GFkwrVJBBRJG&v=HV0Wvz_FX-s&feature=youtu.be] [https://www.facebook.com/story.php/?story_fbid=482930561368984&id=100089561311827] * পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ঘটনায় সহযোগিতা করেছেন নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ আওয়ামী লীগের বেশ কিছু নেতা। ** আবদুল মতিন, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.), ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ [https://www.kalerkantho.com/print-edition/news/2024/09/06/1422565] * কুত্তার জাত: মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বর্তমান এলজিআরডি মন্ত্রী জিল্লুর রহমান-এর স্ত্রী, আই ভি রহমান ১৯৯২ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে জনৈক মহিলার নাম উল্লেখ করে বললেন, নেত্রী ওর নামে অনেক স্ক্যান্ডেল আছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা সঙ্গে সঙ্গে বললেন, কি, বেশ্যা এই তো? কুত্তার (কুকুরের) জাতকে তো বেশ্যা দিয়েই নেতৃত্ব দেয়াবো। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার মুখে এই কথা শোনার পর আইভি রহমান 'থ' হয়ে যান। আর একটি কথাও না বাড়িয়ে বিদায় নেন। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ১২৩ * দশ টাকায় শেখ মুজিবের ছবি: এক শুক্রবার সকালে অর্থমন্ত্রী কিবরিয়ার পি এস ডঃ পারভেজ, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে এসে দশ টাকায় শেখ মুজিবের ছবির লেআউট ডিজাইনের খসড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখান। নতুন এই দশ টাকার লেআউট ডিজাইনের খসড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৌখিকভাবে অনুমোদন করে দিলে তবেই তা ছেপে নতুন দশ টাকার নোট হিসেবে বাজারে ছাড়া হবে। এই দশ টাকার খসড়া লেআউট ডিজাইনের উপরে ছিল আল্লাহর ঘর মসজিদের ছবি এবং পিছনে ছিল শেখ হাসিনার পিতা শেখ মুজিবের ছবি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লেআউট ডিজাইনে খসড়াটি দেখে অর্থ মন্ত্রীর পিএস ডঃ পারভেজকে ক্ষিপ্ত হয়ে বলে উঠলেন, একি! জাতির পিতার ছবি পিছনে কেন? অর্থমন্ত্রীর পি এস ডঃ পারভেজ কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে বললেন, বাজারে চালু বর্তমান দশ টাকার নোটের উপরে মসজিদের ছবি আছে। ধর্মীয় অনুভূতির কথা বিবেচনা করে উপরের মসজিদ এর ছবিটা ঠিক রেখে, পিছনে জাতির পিতার ছবি দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাগান্বিত কণ্ঠে বললেন, ওসব মসজিদ-টসজিদ বুঝি না, জাতির পিতার ছবি উপরে দিয়ে নতুন দশ টাকার নোট ছেপে বাজারে ছাড়বেন। আমার বাবা যে জাতির পিতা এটা শয়তানের জাতকে গিলাতে হবে। এরপর অন্য আর একদিন ডঃ পারভেজ শেখ মুজিবের ছবি উপরে এবং মসজিদের ছবি পিছনে দিয়ে করা লেআউট ডিজাইন নিয়ে এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা দেখেন ও খুশি হন এবং মৌখিক অনুমোদন করে দেন। বর্তমানে বাজারে শেখ মুজিবের ছবি সম্বলিত যে নতুন দশ টাকার নোট রয়েছে এটা সেটা। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ১১৯ * মসজিদ সরিয়ে ফেলুন: ১৯৮৬ সালের শুরু থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আবার ছাত্র আন্দোলনের জন্য নতুন করে তাগিদ দিতে থাকলেন। বহু চাপাচাপি, ধমকাধমকি এবং তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও যখন আন্দোলনের বিন্দুবিসর্গও হলো না তখন তিনি রেগে মে মাসের মাঝামাঝি তার জন্মভূমি এবং পিতার বাড়ি টুঙ্গিপাড়ায় চলে গেলেন এবং বেশ কিছুদিন টুঙ্গিপাড়ায় থাকলেন। এরই মধ্যে একদিন শেখ বাড়ির (শেখ হাসিনার নিজের বাড়ির) কিছু মুরব্বীসহ টুঙ্গিপাড়া গ্রামের ২০/৩০ জন মুরব্বী এসে শেখ হাসিনার অংশের একটি নারিকেল গাছ দ্বারা শেখ বাড়ির অন্য শরীকের জায়গায় নির্মিত মসজিদটি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে জানিয়ে সেই নারিকেল গাছটি কেটে ফেলার প্রস্তাব করলে, শেখ হাসিনা সরাসরি বলে দেন আমার নারিকেল গাছ কাটা হবে না। দরকার হলে মসজিদ সরিয়ে ফেলেন। তখন সকল মুরব্বী পবিত্র কুরআন পাকে মসজিদ সরানো নিষেধ আছে বলে মসজিদের দেয়াল ও স্থান ঘেঁষে থাকা শেখ হাসিনার জায়গায় অবস্থিত নারিকেল গাছটি কেটে ফেলার জন্য বারবার অনুনয়-বিনয় করতে থাকে। তখন শেখ হাসিনা বলেন, এই মসজিদ বন্ধ করে দেন। আমি আরো বড় মসজিদ বানিয়ে দেবো। মুরব্বীরা বলেন, একটু বাতাস হলেই নারিকেল গাছটি মসজিদের গায়ে এবং ছাদে লাগতে থাকে। এইভাবে চললে মসজিদের ছাদ এবং দেয়াল অচিরেই ভেঙ্গে যাবে। শেখ হাসিনা বলেন, ভেঙ্গে যায় যাক্, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আপনারা লক্ষ বছর কান্নাকাটি করলেও নারিকেল গাছ কাটব না। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৯৪ (এই অংশটি বইটির কিছু সংস্করণে উহ্য রাখা হয়েছে) * আন্দোলন আন্দোলন খেলা: স্বৈরাচারী জেনারেল এরশাদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রেখে, বেগম খালেদা জিয়া একক আন্দোলন করলে কাঙ্খিত ফল আসবে না ভেবে, মটর সাইকেল আরোহী আন্দোলনের আন্তরিকতার বিষয়ে প্রশ্ন করলে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা জবাব দেন, "আমি (শেখ হাসিনা) আছি ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) পিছনে পিছনে। ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) যে কর্মসূচী দেবে, আমিও (শেখ হাসিনা) সেই কর্মসূচী দেব। যাতে মনে হয় আমি (শেখ হাসিনা) ও আন্দোলনে আছি। আন্দোলন সফল করে তোলার প্রশ্নে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বলিষ্ঠ ভূমিকা বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কর্মীদের বলে দেবে তারা যেন আন্দোলন আন্দোলন খেলা করে, কিন্তু আন্দোলন যেন না করে। অর্থাৎ আন্দোলনের সাথে থেকে আন্দোলনের পিঠে ছুরি মারতে হবে। ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) ব্যর্থ করে করে ঘরে বসিয়ে দিতে হবে, আর যাতে রাজনীতির নাম না নেয়। জনগণ এবং আওয়ামী লীগের মাঠকর্মীরা এরশাদ পতনের আন্দোলনের জন্য এতই উদগ্রীব যে, আন্দোলন প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তারা (আওয়ামী লীগ কর্মীরা) আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে থাকে। যখন আওয়ামী লীগের কর্মীদের কাছে জননেত্রী শেখ হাসিনার আন্দোলন না করার গোপন নির্দেশ পৌঁছানো হলো, তখন আওয়ামী লীগ কর্মীরা সভানেত্রী শেখ হাসিনার মুখ থেকে সরাসরি এই নির্দেশ শুনতে চাইলো। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার পক্ষে সরাসরি এই নির্দেশ দেওয়া সম্ভব হলো না। ফলে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে থাকলেন বেগম খালেদা জিয়া আর জীবন দিতে থাকলো নূর হোসেনসহ আওয়ামী লীগ কর্মীরা। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৫৭-৫৮ * দেশদ্রোহী অসভ্য বাহিনী: ৩রা মে ১৯৮৪ এর এক পড়ন্ত বিকেলে ধানমণ্ডি বঙ্গবন্ধু ভবনে বসে গল্প করছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ কয়েক জন। গল্পে গল্পে ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও পাকিস্তানী সেনাবাহিনী প্রসঙ্গ উঠলো। প্রসঙ্গ উঠলো '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে গড়ে ওঠা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কথা। জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পর্কে বললেন, এটা একটা সেনাবাহিনী হলো? এটা একটা বর্বর, নরপিশাচ, উচ্ছৃঙ্খল, লোভী, বেয়াদব বাহিনী। এই বাহিনীর আনুগত্য নেই, শৃঙ্খলা নেই, মানবিকতা নেই, মান্যগণ্য নেই, নেই দেশপ্রেম। এটা একটা দেশদ্রোহী অসভ্য হায়েনার বাহিনী। তোমরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কথা বল। সারা বিশ্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মতো এত ভদ্র, নম্র, সভ্য, বিনয়ী এবং আনুগত্যশীল বাহিনী খুঁজে পাওয়া যাবে না। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মানবিকতা বোধের কোন তুলনাই চলে না। কি অসম্ভব সভ্য আর নম্র তারা! পঁচিশে মার্চ রাতে তারা (পাকিস্তান আর্মি) এলো, এসে আব্বাকে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব) সেলুট করলো, মাকে সেলুট করলো, আমাকেও সেলুট করলো। সেলুট করে তারা বলল, স্যার আমরা এসেছি শুধু আপনাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য। অন্য কোন কিছুর জন্য নয়। আপনারা যখন খুশি, যেখানে খুশি যেতে পারবেন। যে কেউ আপনার এখানে আসতে পারবে। আমরা শুধু আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো। আপনারা বাইরে গেলে আপনাদের নিরাপত্তার জন্য আমরা আপনাদের সঙ্গে যাবো। কেউ আপনাদের এখানে এলে আমরা তাকে ভালভাবে তল্লাশি করে তারপর ঢুকতে দিব। এসবই করা হবে আপনাদের নিরাপত্তার জন্য। সত্যিই পাকিস্তানী সেনাবাহিনী যা করেছে তা সম্পূর্ণ আমাদের নিরাপত্তার জন্যই করেছে। ২৬শে মার্চ দুপুরে আব্বাকে (শেখ মুজিব) যখন পাকিস্তানী আর্মিরা নিয়ে যায়, তখন জেনারেল টিক্কা খান নিজে এসে আব্বাকে ও মাকে সেলুট দিয়ে, আদবের সাথে দাঁড়িয়ে বিনয়ের সাথে (শেখ মুজিবকে) বলে, স্যার আপনাকে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান আলোচনার জন্য নিয়ে যেতে বলেছেন। আমি আপনাকে নিয়ে যেতে এসেছি। আপনাকে নেওয়ার জন্য বিশেষ বিমান তৈরি (স্পেশাল ফ্লাইট রেডি) আপনি তৈরি হয়ে নেন এবং আপনি ইচ্ছে করলে ম্যাডাম (বেগম মুজিব) সহ যে কাউকে সঙ্গে নিতে পারেন। আব্বা-মা'র সঙ্গে আলোচনা করে একাই গেলেন। পাকিস্তান আর্মি যতদিন ডিউটি করেছে এসেই প্রথমে সেলুট দিয়েছে। শুধু তাই নয়, আমার দাদীর সামান্য জ্বর হলে পাকিস্তানীরা হেলিকপ্টার করে টুঙ্গিপাড়া থেকে দাদীকে ঢাকা এনে পি জি হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছে। জয় (শেখ হাসিনার ছেলে) তখন পেটে, আমাকে প্রতি সপ্তাহে সি এম এইচ (সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে) নিয়ে চেকআপ করাতো। জয় হওয়ার একমাস আগে আমাকে সি এম এইচ-এ ভর্তি করিয়েছে। '৭১ সালে জয়' জন্ম হওয়ার পর পাকিস্তান আর্মিরা খুশিতে মিষ্টি বাঁটোয়ারা করেছে এবং জয় হওয়ার সমস্ত খরচ পাকিস্তানীরাই বহন করেছে। আমরা যেখানে খুশি যেতাম। পাকিস্তানীরা দু'টি জীপ করে আমাদের সাথে যেতো। নিরাপত্তার জন্য পাহারা দিত। আর বাংলাদেশের আর্মিরা! জানোয়ারের দল, অমানুষের দল এই অমানুষ জানোয়ারেরা আমার বাবা-মা, ভাই সবাইকে মেরেছ-এদের যেন ধ্বংস হয়। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৫৩-৫৪ * শেখ হাসিনা ও গোলাম আযমের ২য় বৈঠক: ৩০শে জানুয়ারী ১৯৯৪ ঢাকা সিটি করপোরেশন-এর মেয়র ও কমিশনার নির্বাচন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগ ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফকে ঢাকার মেয়র পদে মনোনয়ন দিয়েছে। তোড়জোড়ে নির্বাচনী প্রচার-প্রপাগান্ডা এগিয়ে চলছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে দলের সকল নেতা-কর্মীই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে মেয়র পদে মাছ মার্কায় হানিফের জন্য ভোট চাইছে। অধিক রাত পর্যন্ত চলছে মিছিল এবং নির্বাচনী জনসভা। প্রতিটি পাড়া-মহল্লা, অলি-গলিতে চলছে মেয়র কমিশনার নির্বাচনের কাজ। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামাত, কমিউনিস্ট পার্টিসহ সকল রাজনৈতিক দল নির্বাচনী কাজে ভীষণ ব্যস্ত। ঢাকায় টানটান নির্বাচনী উত্তেজনা। নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। ২৫শে জানুয়ারী সন্ধ্যা বেলায় ধানমন্ডি ৮/এ রোডে বঙ্গবন্ধুর চাচাতো ভাই শেখ হাফিজুর রহমান টোকনের বাসায় (শেখ হাফিজুর রহমান টোকন বর্তমানে বঙ্গবন্ধু যাদুঘরের মহাসচিব) '৭১-এর যুদ্ধাপরাধী জামাত নেতা ঘাতক গোলাম আযমের সাথে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দ্বিতীয় বৈঠক হয়। এই বৈঠকে ঘাতক গোলাম আযম মেয়র নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন না দেওয়ার আশ্বাস দিলে শেখ হাসিনাও রাজনীতিতে জামাতকে আক্রমণ না করার আশ্বাস দেন। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৬৮ * রুমালে গ্লিসারিন: পরদিন সকালে লালবাগে নিহত সাত জনের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে দেখতে যাওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু কন্যা হাসিনা বলতে থাকেন, আমার (শেখ হাসিনা) রুমালে একটু গ্লিসারিন মেখে দাও, ঐ যে, নায়িকারা অভিনয়ের সময় গ্লিসারিন দিয়ে চোখের পানি বের করে কান্নার অভিনয় করে। আমার রুমালে ঐ রকমের গ্লিসারিন লাগিয়ে দাও, যাতে আমি লাশ দেখে রুমাল ধরতেই চোখে পানি এসে যায়। একজন বলল, গ্লিসারিনের দরকার নেই, শুধু চোখে রুমাল ধরে রাখবেন তাতেই মনে হবে আপনি কাঁদছেন। আর আমরা ফটো সাংবাদিক (ফটো সাংবাদিক) ভাইদের বলে দেব ছবির নীচে আপনি কাঁদছেন ক্যাপশন লাগিয়ে দিতে। হাসপাতালের মর্গে নিহত সাত জনের লাশ দেখে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা চোখে রুমাল ধরলে সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিকগণ অসংখ্য ছবি তুলতো। ছবি তোলা শেষে বঙ্গবন্ধু কন্যা গাড়িতে। উঠলেন। গাড়ি চলতে শুরু করলো। তখনও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার চোখে রুমাল। গাড়ির চালক ড্রাইভার জালাল বলল, আপা (শেখ হাসিনা) এখন রুমাল নামান ফটো সাংবাদিক নেই। গাড়ির সকল আরোহী হেসে উঠলো। জননেত্রী শেখ হাসিনা বললেন, ঠিক মতো দেখেছ তো, কোন ফটো সাংবাদিক নেই তো? না, নেই। তাহলে আমি (শেখ হাসিনা) এবার রুমাল নামাই। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৭১-৭২ * আজ আমি বেশি খাব: ২৯ নং মিন্টু রোডের বাসায় এসে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বললেন, ময়না (মিসেস মতিযুর রহমান রেন্টু) খাওয়া-দাওয়া বেশি করে এনেছ তো? লাশ দেখে এসেছি, লাশ। আজ আমি বেশি করে খাব। তারপর তিনি জিন্দেগী জিন্দেগী গাইতে গাইতে, নাচতে লাগলেন। সত্যি সত্যিই তিনি (শেখ হাসিনা) অস্বাভাবিক রকমের বেশি খেলেন। এমনিতেই তিনি (শেখ হাসিনা), বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নিহতদের লাশ দেখে এসে স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি খেতেন। কিন্তু আজ খেলেনত অস্বাভাবিকের চাইতেও অনেক বেশি। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৭২ * ১৯৯৪ সালের ২৬শে অথবা ২৭শে জুন সন্ধ্যাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি টেলিফোন করে ২৬শে জুন '৯৪ শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যু হয়েছে বলে সংবাদ দিলে, জননেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আনন্দে নাচতে থাকেন আর বলতে থাকেন মিষ্টি খাও, মিষ্টি। আমার একটা প্রতিদ্বন্দ্বী দুনিয়া থেকে বিদায় হয়েছে। আল্লাহ বাঁচাইছে। নেত্রী হতে চেয়েছিল। আমার জায়গা দখল করতে চেয়েছিল। জাহানারা ইমাম মরেছে আপদ গেছে। বাঁচা গেছে। আমার জায়গা দখল করতে চেয়েছিল। তোমরা জান না, ইন্ডিয়ান গোয়েন্দা এজেন্সি 'র' (ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার নাম 'র') আমার পরিবর্তে জাহানারা ইমামকে নেতৃত্বে বসাতে চেয়েছিল। বেটি মরছে, মিষ্টি খাও। ফকিরকে পয়সা দেও। এর কয়েকদিন পরে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লাশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর এলে, জননেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, চল, এয়ারপোর্টে যাই, আপদের লাশটা এনে কবরে ফেলি। এরপর জননেত্রী শেখ হাসিনা তার লাল রঙের নিশান পেট্রোল জীপে করে বিমান বন্দর-এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন। যেতে যেতে বলতে লাগলেন, বেটি (জাহানারা ইমাম) আমারে অসম্ভব জ্বালাইছে (জ্বালিয়েছে)। ওর মরা মুখও দেখতে ইচ্ছে করে না। কিন্তু না যেয়ে তো উপায় নেই। পলিটিক্স-এর (রাজনীতির) ব্যবসায় ইচ্ছে না থাকলেও করতে হয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বিমান বন্দরের রানওয়ে পর্যন্ত গেলেন ঠিকই, কিন্তু শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লাশের ধারে-কাছেও গেলেন না। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৭৩ * নৌকা: দুর্গা দেবীর বাহন: ১৯৯৬-এর ১২ই জুন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রার্থী মনোনয়ন দিল। আওয়ামী লীগও মনোনয়ন দিল। গোপালগঞ্জের তিনটি আসন এবং বাগেরহাটে দু'টি আসনের মোট ভোটারের প্রায় পঁয়ষট্টি শতাংশ ভোটার হিন্দু সম্প্রদায় হওয়ায় স্বাভাবিক কারণেই এই পাঁচটি আসনে আওয়ামী লীগ-এর নৌকামার্কা প্রার্থী ছাড়া অন্য কোন দলের অন্য কোন মার্কার প্রার্থী নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার কোনই সম্ভাবনা নেই এবং কোনকালেই বিজয়ী হয়নি এবং হবেও না। (১) মোকসেদপুর ও কাশিয়ানী, (২) গোপালগঞ্জ ও কাশিয়ানী (৩) টুঙ্গিপাড়া ও কোটালিপাড়া (৪) মোল্লার হাট ও ফকিরের হাট (৫) বইঠাঘাটা ও দাকোপ এই ৫টি (পাঁচ) আসনে যতদিন পর্যন্ত পঁয়ষট্টি শতাংশ হিন্দু সম্প্রদায় থাকবে ততদিন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ প্রার্থী নৌকা মার্কায় একচেটিয়াভাবে বিজয়ী হতে থাকবে। এই পাঁচটি আসনের প্রার্থীদের এলাকায় কোন কাজ করতে হয় না। যে কোন প্রকারেই হোক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা টিকিট নিলেই সে যে কেউই হোক ৭৫% ভোটে বিজয়ী হবে। এই ৫টি আসনকে বলা হয় ভিক্ষার আসন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দয়া করে যাকে এই অঞ্চলের আসন ভিক্ষা দেবেন, তিনিই এই অঞ্চলের জনপ্রতিনিধি বা জাতীয় সংসদ সদস্য অর্থাৎ এমপি। এই অঞ্চলের লেখাপড়া প্রায় অজানা একজন প্রবীণ বৃদ্ধ হিন্দু লোককে কেন আওয়ামী লীগকে ভোট দেন জানতে চাইলে, ঐ প্রবীণ বৃদ্ধ হিন্দু লোকটি বলেন, আমরা আওয়ামী লীগ টিগ বুঝি না। আওয়ামী লীগকে ভোটও দেই না। আমরা ভোট দেই নৌকায়। অর্থাৎ নৌকা মার্কায় ভোট দেই। নৌকা মার্কায় কেন ভোট দেন জানতে চাইলে তিনি বলেন বারে, নৌকায় ভোট দেব না? নৌকা যে দেবীর বাহন। মা দুর্গা দেবী এই বাহনে (নৌকা) চড়েই স্বর্গ থেকে ধরায় এসেছিলেন, অসুর (পাপিষ্ঠ) কে দমন করার জন্য। আর আমরা যদি মা দুর্গার বাহন নৌকায় ভোট না দেই, তাইলে দেবীর বাহনের অমর্যাদা হবে। মা দুর্গা অভিসম্পাত দেবে। এ জন্য দেখেন না, ভোটের সময় আমরা সকলেই গিয়ে, মা দুর্গা দেবীকে খুশি করার জন্য মা দুর্গা, মা দুর্গা বলে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আসি। একজনও বাদ যাই না। সকলে গিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট না দিলে মা দুর্গা অসন্তুষ্ট হবে। আমাদের অমঙ্গল হবে। তাই যত কাম থাকুক, যত ঝামেলাই থাকুক, কোন রকমে শুধু ভোটকেন্দ্রে যেতে পারলেই হলো। আমরা সকলেই গিয়া নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আসবো। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৮৯-৯০ * হিন্দুরাই আমার বল-ভরসা: বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যেদিন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ঘোষণা করলেন, সেদিন তিনি নিজে মোট ৪টি আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেন। গোপালগঞ্জের ১টি, বাগেরহাটের ২টি এবং ঢাকার ডেমরা থেকে ১টি। এই মোট ৪টি আসন থেকে শেখ হাসিনা নিজে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেওয়ার পরের দিনই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ঢাকার ডেমরা আসন থেকে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিলে, ঢাকার মেয়র মোহাম্মদ হানিফের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করে বলেন, আপনি গোপালগঞ্জ আর বাগেরহাটের (টুঙ্গিপাড়া মধুমতি নদীর অপরপার) ৩টি আসন থেকে দাঁড়ালেন অথচ ঢাকার একটি আসন থেকেও নির্বাচনে দাঁড়ালেন না। ৫টি আসন থেকে তো আপনি দাঁড়ালে পারেনই। খালেদা জিয়া ৫টি আসন থেকে দাঁড়িয়েছে; আপনিও ৫টি আসন থেকে দাঁড়ান। আপনি আমাদের নেত্রী, আপনি অন্তত ঢাকার দু'টি আসন থেকে নির্বাচনে দাঁড়ান। জবাবে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বললেন, গোপালগঞ্জে আর বাগেরহাটে তো ৭০% (সত্তর শতাংশ) হিন্দু আছে; ঢাকায় কত পার্সেন্ট হিন্দু আছে? হিন্দুরা ছাড়া মুসলমানরা আমাকে ভোট দেয় না। মুসলমানরা বেঈমান ও অকৃতজ্ঞ। হিন্দুরা ঈমানদার এবং কৃতজ্ঞ। আমি হিন্দুদের উপর ভরসা করতে পারি, বিশ্বাস রাখতে পারি। কিন্তু মুসলমানদের বিশ্বাস করা যায় না। ভরসা করা যায় না। এই জন্যই তো আমি সত্তর শতাংশ হিন্দুদের অঞ্চল গোপালগঞ্জ আর বাগেরহাট থেকে ৩টি (তিন) আসনে দাঁড়িয়েছি। কিন্তু ঢাকা থেকে ১টি (এক) আসনেও দাঁড়াইনি। যাও ডেমরা থেকে দাঁড়িয়েছিলাম খোঁজ খবর নিয়ে দেখলাম, ডেমরায় তেমন হিন্দু নে, তাই প্রত্যাহার করে নিয়েছি। ঢাকার মেয়র হানিফ বললেন, এটা আপনার ভুল ধারণা। মুসলমানরা ভোট না দিলে আপনার অন্যান্য প্রার্থীরা জিতে কিভাবে? বঙ্গবন্ধু কন্যা বললেন, মূলতঃ হিন্দুদের ব্যাংক ভোটটা পুরাটা পায়, বাকী আত্মীয়-স্বজন, নিজস্ব লোকলস্কর দিয়ে গুতিয়ে গাতিয়ে কোন রকমে বেরিয়ে আসে। হিন্দুরা না থাকলে আমি, আমার দল ১টি (এক) আসনেও জিততে পারতাম না। হিন্দুরা যাতে নিরাপদে-নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে এই জন্যই তো আমি এত আন্দোলন-সংগ্রাম করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আদায় করেছি। হিন্দুরাই আমার বল। হিন্দুরাই আমার ভরসা। নির্বাচনী প্রচারের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। সারা দেশ পোস্টার, প্লে-কার্ড ফেস্টুন, ব্যানার এবং দেয়াল লিখনে ছেয়ে গেছে। কোথাও এতটুকু খালি জায়গা নেই। প্রতিদিন রাতে চলছে মিটিং আর মিছিল। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৯১ * দুই বোনের ভাগাভাগি: বর্তমানে বাংলাদেশের যিনি সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী, যার অঙ্গুলী হেলনে এদেশের বড় বড় ব্যবসা-বাণিজ্য, উচ্চ পর্যায়ের চাকরী-বাকরী নিয়ন্ত্রিত হয়, সরকারের সামরিক-বেসামরিক আমলা, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়স্বজন যে যেখানেই আছেন তাদের মধ্যে সবচাইতে শক্তিশালী ক্ষমতাধর, সামরিক সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে যে কোন পর্যায় পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদোন্নতি পদাবনতি এবং বদলী যার মনোবাসনা বা ইচ্ছানুযায়ী হয়, সরকারী পর্যায়ে ব্যবসা-বাণিজ্য না পাওয়া যার উপর নির্ভর করে, এদেশের বৈধ-অবৈধ সমস্ত টাকা-পয়সা যার হাতে জমা হয়, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবারের ক্যাশিয়ার যিনি, একমাত্র রাজনীতি ছাড়া গোটা দেশের অর্থনীতি একক হস্তে পরিচালনা করেন যিনি, এদেশের মানুষের জন্য বিন্দুমাত্র ভালবাসা মায়া-মমতার লেশমাত্র নেই যার, এদেশের মানুষকে শিয়াল (শৃগাল) কুত্তার (কুকুরের) জাতি, নিমকহারামের জাত ছাড়া অন্য কিছু ভাবেন না, অন্য কিছু বলেন না যিনি, মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে অথবা রাত পোহালে যদি শুনতে পেতেন, এদেশের বারো কোটি মানুষ সকলেই মহাপ্রলয়ে নিহত হয়ে গেছে তাহলে খুশিতে আত্মহারা হয়ে যাবেন যিনি, সদাসর্বদত্র, এদেশের মানুষের অনিষ্ট-অমঙ্গল ছাড়া অন্য কিছু চিন্তা এবং কামনা করেন না যিনি, তিনি আর কেউ নন, তিনি হলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান-এর ২য় কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদরের ছোট বোন শেখ রেহানা। ৭ই জুলাই ১৯৯৬-এর অপরাহ্নে তিনি এলেন গণভবনে। তারই বড় বোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। এসেই সরাসরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিৎকার করে বললেন, এই, শেখ মুজিব কি একা তোমার বাপ? শেখ মুজিব কি আমার বাপ না? আমার ভাগ কই? আমি কি ভাগ পাই না? আমার ৫টা মন্ত্রী নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মন্ত্রী পাবি না। চালাইতেছি, চালাইতে দে। যত টাকা দরকার পাবি। সব তুই নে। দুই বোনের চিৎকারের চোটে প্রধানমন্ত্রীর ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌ-বাহিনীর ৬৪ (চৌষট্টি) জন অফিসার সমন্বয়ে ১৬শ (ষোলশ) সদস্যের একটি বিশেষ দল পিজি আর (প্রাইম মিনিস্টার গার্ড রেজিমেন্ট)-এর ঐ দিন ডিউটিরত সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালনে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চোখের ইশারায় তাদেরকে সরিয়ে এনে, এটা প্রধানমন্ত্রীর একান্তই নিজস্ব এবং পারিবারিক ব্যাপার বলে ওভারলুক (দৃষ্টি এড়িয়ে যাওয়া) করার পরামর্শ দেওয়া হয়। আজই যদি আমার পাঁচজনকে মন্ত্রী না করো, তবে আমি আমেরিকায় চলে যাব। যখন আসবো তখন সমান ভাগ নিয়ে আসবো। মনে রেখ। এ কথা বলে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা চলে গেলেন। পরবর্তী পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমেরিকায় যেয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে ভাগাভাগি এবং আপোষ রফা করে তার ছোট বোন শেখ রেহানাকে দেশে নিয়ে আসেন এই শর্তে যে, শেখ রেহানাই হবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্যাশিয়ার। সমস্ত টাকা-পয়সা শেখ রেহানার হাত দিয়ে আসতে হবে এবং শেখ হাসিনার পর শেখ রেহানাই হবেন শেখ মুজিবের উত্তরসূরী। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ১০২-১০৩ * কার কত টাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানার এখন একই একাউন্ট, একই হিসাব। দুই বোনের মধ্যে অনেক ঝগড়া-ঝাটির পর দু'জনে মিলে একটি একাউন্ট হওয়ার বিনিময়ে আপোষ করা হয়েছে। এই দুই বোনের বর্তমানে আমেরিকায় (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) তিনটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর হয়েছে। এর একটি চালায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে পুতুল ও তার স্বামী। অপরটি চালায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে জয় এবং তৃতীয়টি চালায় প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানার ছেলে ববি। এছাড়া এই দুই বোনের বিভিন্ন দেশে প্রায় তিন থেকে চার হাজার কোটি টাকা নগদ আছে। প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো ভাই শেখ হেলাল এমপি প্রায় হাজার কোটি কোটি টাকার উপরে মালিক। প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো বোন লুনা এবং মিনা শত শত কোটি টাকার মালিক। প্রধানমন্ত্রীর অপর চাচাতো ভাই রুবেল ও তার অন্যান্য ভাইয়েরা শত কোটি টাকার মালিক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী চাচাতো চাচা শেখ হাফিজুর রহমান টোকন প্রায় পাঁচশ কোটি টাকার মালিক। প্রধানমন্ত্রীর বাবার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে প্রধানমন্ত্রীর এ পি এস বাহাউদ্দিন নাসিম এবং তার চাচাতো ভাই প্রধানমন্ত্রীর চীফ সিকিউরিটি নজিব আহাম্মেদ নজিব ও তার ভাইয়েরা মিলে বর্তমানে কয়েক হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট এবং দূর সম্পর্কের আত্মীয়-স্বজনেরা এমন কেউ নেই, যিনি বর্তমানে শত কোটি টাকার মালিক হননি। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ১৩৪-১৩৫ * [[মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর|মির্জা ফখরুল]] ক্ষমতা দখল করার জন্য নেতাকর্মীদের অতিরিক্ত কাপড় নিয়ে ঢাকা আসতে বলেছেন। তো আমরা কি দাঁড়িয়ে ললিপপ খাবো? আমরাও প্রস্তুত আছি। অবরোধ করলে বিএনপি অবরোধ হয়ে যাবে। খেলা হবে। বিএনপির পরিণতি শাপলা চত্বরের থেকেও করুণ হবে। শেখ হাসিনা মাথা নত করবে না।” ** [[ওবায়দুল কাদের]] ১৬ অক্টোবর ২০২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী যুবলীগের এক [https://bangla.dhakatribune.com/politics/72076/%E2%80%98%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A3-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A3%E0%A6%A4%E0%A6%BF সমাবেশে] বলেছেন। * আওয়ামী লীগের জুনিয়র সারির নেতারা একদিন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার পুত্র জয়কে বলছে, "আমরা আছি, আপনি যখন প্রধানমন্ত্রী হবেন তখন আপনার সাথে আমরা আছি।" জয় বলছে, “প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মানুষের কাছে ভোট ভিক্ষা করে। ভোট ভিক্ষা করে আমি কোনোদিন রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী হব না। যদি রাজা বানান তাহলে আছি, নইলে নাই।" বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সঙ্গে সঙ্গে বললেন, "বাবা আমরা তো রাজাই, আগামীতে তো তুমিই রাজা হবা। তোমার নানা তো এদেশের রাজাই ছিলেন, তোমার নানাই তো এই দেশ সৃষ্টি করেছে, এই দেশের মালিক ছিল। চাকর- বাকররা ষড়যন্ত্র করে তোমার নানাকে মেরে সিংহাসন দখল করেছে। আলীবর্দী খাঁ যেমন বাংলার নবাব ছিলেন, তারপরে তাঁর নাতি সিরাজদ্দৌলা নবাব হয়েছিল। তোমার নানা শেখ মুজিবর রহমানও বাংলাদেশের রাজা ছিল, আগামীতে তুমিই বাংলাদেশের রাজা হবে। রাজা বাদশাদের আধুনিক নামই রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ২১০ ==আরও দেখুন== * [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:নারী রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:সরকার প্রধান]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:শেখ পরিবার]] nwzczti11mbtujdkdj7rrzmrymyc1hy 84153 84152 2026-08-10T16:27:42Z ফারদিন 52 84153 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Russia-Bangladeshi talks Moscow 2013-01-15 12.jpeg|thumb|এখন থেকে লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে, যেটারে পাবে সেটারে গুলি করবে। ~ শেখ হাসিনা]] '''[[w:শেখ হাসিনা|শেখ হাসিনা ওয়াজেদ]]''' (জন্ম: ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭) বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদের সরকারদলীয় প্রধান ছিলেন এবং [[বাংলাদেশ]] আওয়ামী লীগের সভানেত্রী। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ [[সময়]] ধরে দায়িত্ব পালন করা প্রধানমন্ত্রী। == উক্তি == * '''মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরা না পেলে, তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে?''' আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে। রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না? অপরাধটা কী? ** [[w:bn:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|কোটা সংস্কার]] নিয়ে সাংবাদিকদের একটি প্রশ্নের জবাব{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন, কোটা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী |ইউআরএল=https://www.ajkerpatrika.com/346776/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8B%E0%A6%AD-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE |ওয়েবসাইট=[[আজকের পত্রিকা]] |সংগ্রহের-তারিখ=১৫ জুলাই ২০২৪}} * '''এখন থেকে লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে, যেটারে পাবে সেটারে গুলি করবে।''' যেখানে গেদারিং দেখবে সেখানে ওপর থেকে.. হেলিকপ্টার থেকে গুলি করবে, এখন ওপর থেকে করাচ্ছি (গুলি), অলরেডি শুরু হয়ে গেছে, র্যাবকে আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে। ** কোটা আন্দোলনের সময় এক প্রতিরক্ষা বা পুলিশ অফিসারের সঙ্গে ফোনালাপে, ১৮ জুলাই ২০২৪, ভাইরাল অডিও, "ফেস দ্য পিপল" এর ইউটিউব পাতায় ৮ ই মার্চ ২০২৫ এ প্রকাশিত [https://m.youtube.com/watch?si=-H1TVU7QFcJflQ4E&v=HXV57sEsQMc][https://www.facebook.com/reel/2654604558070616?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v][https://www.jugantor.com/national/926561][https://m.youtube.com/watch?si=jYl9_so2sCanb7li&v=x5C0VJ-TqsM&feature=youtu.be] * '''বঙ্গোপসাগরে একটি শক্তিশালী দেশ ঘাঁটি বানাতে চায়। যা হতে দিচ্ছি না বলেই কিছু সমস্যা হচ্ছে।'''...শক্তিশালী দেশটি (যুক্তরাষ্ট্র) আমাদের সেই সিদ্ধান্তকে ভালোভাবে নেয়নি। [২০০১ সালের নির্বাচনের আগে] গ্যাস বিক্রিতে রাজি হইনি বলে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয়নি। গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় বসার মতো দৈন্যতায় ছিলাম না কখনও। বাংলাদেশে এয়ার বেজ বানাতে দিলে, কারও কারও নির্বাচনে জিততে কোনো সমস্যা নেই- এমন প্রস্তাবও আমাকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাজি হইনি আমি। [[বঙ্গোপসাগর|বে অব বেঙ্গলে]] (বঙ্গোপসাগর) তারা (যুক্তরাষ্ট্র) ঘাঁটি বানাবে। ভারত মহাসগাগরের এই শান্তিপূর্ণ জায়গাটার ওপর তাদের নজর। এখানে বেজ বানিয়ে তারা কোথায় হামলা করতে চায়? আমি এটা করতে দিচ্ছি না বলেই খারাপ। চক্রান্ত এখনও চলমান রয়েছে। তবে জনগণ সঙ্গে রয়েছে। তারাই আমার সামনে চলার মূল শক্তি। ** ২৩ মে ২০২৪-এ গণভবনে ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে। [https://www.ittefaq.com.bd/688380/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%98%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC বঙ্গোপসাগরে বিমান ঘাঁটির বিনিময়ে সহজে ক্ষমতায় ফেরার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এক শ্বেতাঙ্গ: প্রধানমন্ত্রী] * [[w:bn:সেন্ট মার্টিন দ্বীপ|সেন্টমার্টিন দ্বীপ]] বা আমাদের দেশ কাউকে লিজ দিয়ে ক্ষমতায় থাকতে চাইলে, আমাদের কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু আমার দ্বারা সেটা হবে না। আমাদের দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আমি কাউকে খেলতে দেবো না। আমাদের দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অধিকার কারো নেই। আমার দেশের মাটি ব্যবহার করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাবে, কাউকে আক্রমণ করবে—এমন কাজ আমি হতে দেবো না। ** ২১ জুন ২০২৩-এ এক [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-489881 সংবাদ সম্মেলনে]। * এখানে কেউ থাকবেন না। (নো ওয়ান স্টে হেয়ার।) ** ৫ আগস্ট ২০২৪, তার আত্মীয়দের কাছে শেষ হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় [https://english.khaborerkagoj.com/special-report/799212] * আমি যা বলি শুনো, থোরাসা হাদিয়া দে দো। ** ২৪ জুলাই ২০২৪, নসরুল হামিদের সাথে ফোনালাপে [https://www.jugantor.com/politics/1010047] * আমি কোনো প্রতিদান চাই না। প্রতিদানের কী আছে? আর কারও কাছে চাওয়ার অভ্যাস আমার একটু কম। দেয়ার অভ্যাস বেশি।’ আমরা ভারতকে যা দিয়েছি, সেটা ভারত সারা জীবন মনে রাখবে ‘প্রতিদিনের বোমাবাজি, গুলি, আমরা শান্তি ফিরিয়ে দিয়েছি। এটা তাদের মনে রাখতে হবে। কাজেই আমরা কোনো প্রতিদান চাই না।’ ‘ভারতে বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ড চলছিল। তখনকার সরকারগুলো এদেরকে মদদ দিয়েছে। আমরা সেটাও বন্ধ করেছি। আমার দেশের মাটি কোনো মতেই অন্য কোনো দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবহার হতে পারবে না। কারণ, তার প্রভাব আমার দেশেও পড়ে। আপনারা ভুলে যান ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান? এটা তো একটা কনসাইনমেন্ট ধরা পড়েছে। আরো কত যে এভাবে চোরাচালান হতো তার ঠিক আছে? এ জন্য আমার দেশের মানুষকে খেসারত দিতে হয়নি? কতবার ধরা পড়েছে?’ ‘আমরা হরতাল দিলাম ট্রাক নিতে পারে নাই। ট্রাকের নিচে হলো অস্ত্রশস্ত্র, গুলি, ওপরে ছিল আনারস। গরু আনারস টেনে খেতে গিয়ে আসল জিনিস বের হয়ে গেছে।’ ‘এই অস্ত্রের মালিক কে ছিল, কারা পাঠাচ্ছিল চিন্তা করে দেখেন একবার।’ ‘চরোকিয়াতেও ১৩ জন ধরা পড়ল। তারপর কীভাবে কীভাবে ছাড়া পেয়ে গেল।’ ‘আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে তারা যে সমর্থন দিয়েছে, আমাদের এক কোটি শরণার্থীকে তারা সাহায্য করেছে, লক্ষ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধাকে ট্রেইনিং দিয়েছে, একসথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধের ময়দানে একসাথে রক্ত দিয়েছে, আমরা কৃতজ্ঞতার সাথে সেটা স্বীকার করি। ** ৩০ মে ২০১৮, গণভবনে সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে করা সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের উত্তরে [https://www.bd24live.com/bangla/article/1527690240/167260/index.html] * “এতো লাশ গেলো কোথায়? ওই হিসাব বিরোধীদলকে দিতে হবে।” বিএনপির পক্ষ থেকে আড়াই হাজার লোককে সেদিন হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করার হয়। আড়াই হাজার লোককে হত্যা করতে কতো গোলা-বারুদ দরকার হয়? কত হাজার গুলির প্রয়োজন হয়? আর কত মানুষ আহত হতো?” এত মানুষ নিহত হলে তাদের আত্মীয়-স্বজনরা কোথায়। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিরোধীদলের পক্ষ থেকে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তাদেরকে বলতে হবে একটা ট্রাকে কত লাশ ধরে। উনি (খালেদা জিয়া) তো আর্মি অফিসারের বউ। ওনার তো গোলা-বারুদ সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকা দরকার। আছরের নামাজের পর দোয়া পড়ে হেফাজতে ইসলাম শাপলা চত্বর ছেড়ে চলে যাবে বলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আশ্বাস দেওয়ায় তাদের সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়। ** ৯ মে ২০১৩, গণভবনে বৃহস্পতিবার ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে [https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article623379.bdnews] * দেশকে যখন আমরা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছি, তখন দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনের মধ্যে গুজব ছড়ানো হয়েছে, শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু বলে দিতে চাই, '''শেখ হাসিনা পালায়নি, পালায় না'''। ** ২২ জুলাই ২০২৪, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে * ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তোমাদের বাড়িঘরে যারা আগুন লাগিয়ে দিয়েছে, তাদের বাড়ি ঘর নেই? সব কথা কি বলে দিতে হয়? যারা এখন বেশি বেশি বাড়াবাড়ি করছে। বেশি ভালো থাকবেন না আপনি। দেখো ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই শত্রুরা টেকে কি না? কাউকে পালাতেও দেওয়া হবে না। যে কয়টা নাফরমানি করছে তাদের একটারও অস্ত্র থাকবে না। ঠিক আছে, আমি সবাইকে বলছি, তোমরা শুধু দুই মাস অপেক্ষা করো। কিছু বলো না। ‘ওরা ফেল করবে, আর আমরা যদি কিছু করি, তখন বলবে আমাদের জন্য করতে পারে নাই। সেটা আর বলার মুখ নেই। জাতীয় আন্তর্জাতিকভাবেও ওই যে সুদখোর ইউনুসের গুটি গুটি চেহারার দ্বার আটকে গেছে মানুষের কাছে। এখন ভয় পাওয়ার কিছু নেই, এখন ওদের ভয় দিতে হবে। আমি একটা কথা বলি, তোমাদের বাড়ি পোড়াই দিছে কে?’‘তাদের ঘর-বাড়ি নেই? ‘তাহলে, সবকিছু কি প্রকাশ্যে করতে হয়? ‘তোমাদের নাই, তাহলে কারো ঘর-বাড়ি থাকবে না।’, ‘মামলা, আমারতো শুধু গোবিন্দগঞ্জ না, '''আমারতো সারা বাংলাদেশে ২২৭টি মার্ডার কেস। আমি বলছি সবাই তালিকা কর। তোমরাও তালিকা কর। ২২৭ মার্ডারের লাইন্সেস পেয়ে গেছি। এক মামলায় যে শাস্তি, শোয়া দুইশো মামলায় একই শাস্তি। তাই না। ঠিক আছে সেই শাস্তি নেব। তার আগে শোয়া দুইশো হিসাব করে নেব। এটা যেন মাথায় থাকে।''' এবার একবার আসতে পারলে কেউ ফেলাইতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। ** গোবিন্দগঞ্জের সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাকিল আলম বুলবুলের সাথে প্রকাশিত ফোনালাপে, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ [https://www.jugantor.com/awami-league/871270] * একটি বিল্ডিং ভেঙ্গে দিলেই ইতিহাস মুছা যায় না ** ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ি ভাঙ্গার প্রতিক্রিয়ায় * আপনজন হারানোর বেদনা যে কত কষ্ট, আমার চেয়ে আর কেউ বেশি জানে না। ** [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] [https://en.prothomalo.com/bangladesh/hfn076m9r3] *'''আর আমার পাওয়ার চাই''', আমি দেশের উন্নতি করতে চাই, সাফ কথা আমার। পাওয়ার চাই; আমি খালি ইলেকশন যেনো তেনো না, '''অ্যাবসুল্যুট পাওয়ার (নিরঙ্কুশ ক্ষমতা) নিয়ে আমি দেশের উন্নতি করব।''' এটাই আমার লক্ষ্য। **১১ জুন ২০২২। [https://sarabangla.net/news/post-680972/] [https://www.youtube.com/watch?v=ogT0MAC3Hmc] *'''আমাকে বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকব।''' ইলেকশনের পরে, যদি আসতে পারি, আবার করব। তারপর দেখি কে সাহস পায় নিতে...ক্ষমতা। সব গুছাইয়া-গাছাইয়া দেওয়ার পরে '''এখন ইলেকশনের কথা, ভোটের কথা, অর্থনীতির কথা, পাকা পাকা কথা শুনতে হয়। আমরা তো শুনতে রজি না।''' **[https://www.prothomalo.com/politics/6nromi88s7 বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকব: প্রধানমন্ত্রী | প্রথম আলো] ০৬ অক্টোবর ২০২৩।[https://www.youtube.com/watch?v=rILoMXDDsxM] *এই দেশ আমার দেশ, আমার নিজের দেশ, '''আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন।''' **[https://www.youtube.com/shorts/NRSG3AEr4KA] * আমি কিন্তু দেশের খুব কাছেই আছি। যেকোনো সময় চট করে ঢুকে পড়তে পারি। ** ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ [https://www.dhakapost.com/politics/306556] * বেগুনের দাম ১১০ টাকার ওপরে চলে গেল। সেটা এখন কমে ৮০ টাকায় এসেছে। বেগুন দিয়ে বেগুনি না খেয়ে আরও যেসব সবজি সহজলভ্য আছে, সেটা দিয়ে খেলেই হয়। আমরা তো তাই খাই। '''বেগুনি না বানিয়ে মিষ্টিকুমড়া দিয়ে খুব ভালো বেগুনি বানানো যায়।''' আমরা এভাবে করি। সেভাবে করা যায়। ** ৬ এপ্রিল ২০২২ [https://www.somoynews.tv/news/2022-04-06/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A4%E0%A7%88%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0] *'''পেঁয়াজ ছাড়াও রান্না করা যায়''', আমাদের বাসায় পেঁয়াজ ছাড়া রান্না করা হয়। পেঁয়াজ নিয়ে এত অস্থির হওয়ার কি আছে আমি জানি না। **২৯ অক্টোবর, ২০১৯[https://m.dailyinqilab.com/article/244415/%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%9C-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] * ডিম যখন বেশি পাবেন সিদ্ধ করে ফ্রিজে রেখে দেবেন, বহুদিন থাকবে। নষ্ট হবে না। '''সবকিছুর বিকল্প আছে। ডিম সিদ্ধ করে ডিপে রেখে দেন, ডিম ভালো থাকবে।''' রান্না করে, ভর্তা করে খাওয়া যাবে। আমরা রাখি খাই। এগুলো নিজে থেকে শেখা ** ২৯ আগস্ট ২০২৩[https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-509711] * বর্ষাকালে কাঁচা মরিচের ক্ষেতে কেউ মরিচ তুলতে যেতে পারে না। '''কাঁচা মরিচের দাম বাড়লে সবাই চিৎকার করে।''' সবাইকে আহ্বান করবো, '''এখন থেকে কাঁচা মরিচ কিনে রোদে শুকিয়ে রেখে দেন''', বর্ষাকালে যখন দাম বাড়বে তখন সেখান থেকে খাওয়া যাবে। একটু পানি লাগলেই তাজা হয়ে যায়, আবার রান্না করে খাওয়া যায়, সহজ বুদ্ধি। ** ২১ জুন ২০২৩। [https://www.ajkerpatrika.com/national/ajpDe2rMjC77F] * একটি এমডি পদের জন্য পদ্মা সেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করেছে, তাকে '''পদ্মা নদীতে দুইটা চুবানি দিয়ে তোলা উচিত।''' মরে যাতে না যায়, পদ্মা নদীতে একটু চুবানি দিয়ে সেতুতে তুলে দেওয়া উচিত। তাহলে যদি শিক্ষা হয়। পদ্মা সেতুর অর্থ বন্ধ করাল [[মুহাম্মদ ইউনূস|ড. ইউনূস]]। কেন? গ্রামীণ ব্যাংকের একটি এমডি পদে তাকে থাকতে হবে। ** ১৮ মে ২০২২ [https://www.prothomalo.com/politics/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%B8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%89%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] * ‘[[খালেদা জিয়া]] বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে। সেতুতে যে স্প্যানগুলো বসাচ্ছে, এগুলো তার কাছে ছিল জোড়াতালি দেওয়া। বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, ওখানে চড়া যাবে না। চড়লে ভেঙে পড়বে। আবার তার সঙ্গে কিছু দোসরেরাও…তাদেরকে এখন কী করা উচিত? পদ্মা সেতুতে নিয়ে গিয়ে ওখান থেকে '''টুস করে নদীতে ফেলে দেওয়া উচিত'''।’ ** ১৮ মে ২০২২ [https://www.prothomalo.com/politics/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%B8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%89%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] *অতিরিক্ত টমেটো হয়েছে, বলল কী করব? আমি বলেছি শুকিয়ে রেখে দেন। সানড্রাই টমেটো তো বিদেশে ভীষণভাবে চলে। আমরাও সবকিছু করব। পেঁয়াজেও তাই। যখন উৎপাদন বেড়েছে, তখন পেঁয়াজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করব। **২১ জুন ২০২৩। [https://www.ajkerpatrika.com/national/ajpDe2rMjC77F] * যদি বলেন যে রিজার্ভ রক্ষা করতে হবে, '''তাহলে আমি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেই, পানি দেওয়া বন্ধ করে দেই, সার বন্ধ করে দেই? সব বন্ধ করে বসায় রাখলে রিজার্ভ ভালো থাকবে।''' ... (রিজার্ভ নিয়ে) যদি এত বেশি কথা হয়, যখন সরকার গঠন করেছিলাম তখন যত ছিল ওইখানে এনে রেখে তারপর আবার ইলেকশন করব। করে আবার বাড়াব। ** ০৬ অক্টোবর ২০২৩।[https://www.youtube.com/watch?v=rILoMXDDsxM] *বিদ্যুৎ শতভাগ থেকে কমিয়ে ওই ২৮ ভাগে নিয়ে আসব। সবাই একটু টের পাক যে কী ছিল। '''আমাদের বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে বলেছিলাম যেন প্রতিদিন একটু লোডশেডিং দেয়।''' তখন ঐ যে পয়সা দিয়ে তেল কিনে জেনারেটর চালাতে হবে, তখন আবার আক্কেলটা ঠিক হবে! **০৬ অক্টোবর ২০২৩।[https://www.youtube.com/watch?v=rILoMXDDsxM] *জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে। সংবিধান সংশোধন করেছি। '''যা হবে সংবিধান মোতাবেক হবে। তা থেকে একচুলও নড়া হবে না, ব্যাস।''' ** তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে [https://www.bbc.com/bengali/news/2013/08/130818_sahasina সংবিধান থেকে একচুলও নড়বো না: শেখ হাসিনা] - বিবিসি বাংলা। ১৮ অগাস্ট ২০১৩ *“আমার ৭২ বছর বয়সের ৬০ বছরই কেটেছে রাজনীতিতে। স্কুল থেকে রাজনীতি শুরু করেছি এখনো অব্যাহত আছে। রাজনীতিতে কে কী করেছে অনেক ঘটনা চোখে দেখেছি"। * “আমি নিজে নিয়মিত [[নামাজ]] পড়ি, কোরান থেকে তিলওয়াত করে দিনের কাজ শুরু করি। আমি জানি, নবী করিম বলেছেন, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করা যাবে না”। * ডাক্তাররা রোগীকে মেরে ফেলতে চান না। রোগীর জন্য অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন{{fact}} * বিরোধী দলে গেলে কখনও হরতাল করব না{{fact}} * আমি চাই বাংলার মানুষের মুক্তি। শোষণের মুক্তি। বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য বঙ্গবন্ধু সংগ্রাম করেছিলেন। আজ যদি বাংলার মানুষের মুক্তি না আসে, তবে আমার কাছে মৃত্যুই শ্রেয়। ** ১৭ মে ১৯৮১। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর মানিক মিয়া এভিনিউতে আয়োজিত গণ-সংবর্ধনায়। * সর্বস্তরের মানুষের দুর্ভোগের একটাই কারণ। সেটা হলো [[হত্যা]] ও ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা বদলের পালা। ষড়যন্ত্র ও হত্যার মাধ্যমে রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে যেভাবে ক্ষমতা বদল হচ্ছে তারই জন্য আজকে মানুষের এই দুর্ভোগ। **১৪ অক্টোবর ১৯৮৪। শেরে বাংলা নগরে ১৫ দলের জাতীয় সমাবেশ। * মাটি আর মানুষের সাথে রাজনীতিকে একাত্ম করতে হবে। সমাজের গভীর থেকে গভীরতর স্তরে পৌঁছুতে হবে। জনগণের বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে সততা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে। **১ জানুয়ারি ১৯৮৭। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলের উদ্বোধনী অধিবেশন। *আমি একটা কথাই বলব, এই মাটিতে হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিস্টান সকল ধর্মের মানুষের বসবাস থাকবে অর্থাৎ আমরা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বলে অন্য ধর্মকে অবহেলার চোখে দেখবো না। **২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় শেখ হাসিনা এটি বলেছিলেন।[https://bangla.bdnews24.com/opinion/comment/64875] * যারা অস্ত্রের ভাষা বুঝে, তারা মুক্তির ভাষা মানে না। অস্ত্রকে সম্বল করে যারা ক্ষমতায় আসে, তারা যুক্তি বুঝে না, যু্ক্তি তাদের কাছে বোধগম্য নয়। **৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭। জাতীয় সংসদ। *স্বাধীন, নিরপেক্ষ, গণমুখী ও বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যম গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত। আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি। **২৫ এপ্রিল ১৯৯১। জাতীয় সংসদ। * আওয়ামী লীগের আদর্শ জনকল্যাণমুখী এক শোষণমুক্ত উন্নত সমাজব্যবস্থা কায়েম করা। আমাদের মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ ও অর্থনৈতিক মুক্তি এবং স্বনির্ভর অর্থনীতি। **১১ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিশেষ কাউন্সল অধিবেশন। * আজ সেই সোনার বাংলা গড়ার দায়িত্ব এসেছে। এ দায়িত্ব শুধু আওয়ামী লীগের একার হতে পারে না। এ দেশ স্বাধীন করেছিলাম আমরা সবাই মিলে যেমন এক ভয়ঙ্কর দুঃসময়ে, ঠিক তেমনি আজ সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃসময়ে, ঠিক তেমনি আজ সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের শৃঙ্খল থেকে দেশকে মুক্ত করার আরেক সংগ্রামে আবার আমরা একসাথে নিঃশ্বাস নেব, এক প্রত্যয়কে অবলম্বন করব, এক লক্ষ্যে হব পথের সাথী। ** ২৪ জুন ১৯৯৬। জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ। * গণতন্ত্রের জন্য স্বাধীনতার চেয়ে বড় কোনো ভিত্তি নেই এবং সভ্যসমাজের আইন ও বিধান ছাড়া গণতন্ত্রের কোনো নিশ্চয়তা নেই। **১৯৯৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়। * ন্যায় ও সত্যের পথ কঠিন পথ, এই কঠিন পথ আমি বেছে নিয়েছি **২৮ জানুয়ারি ১৯৯৯। শান্তিনিকেতন। * শান্তি একটি মৌলিক মানবাধিকার যাকে অর্জন, লালন, উন্নয়ন করতে হবে এবং সর্বদা ভবিষ্যতের জন্য এগিয়ে নিতে হবে। ** ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯। [[জাতিসংঘ]] সাধারণ পরিষদের ৫৪তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। * শান্তি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে জনগণের ক্ষমতায়ন অপরিহার্য। ন্যায়বিচার হচ্ছে এর ভিত্তি। **২৭ সেপ্টেম্বর ২০১২। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৭তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। *এই অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ শ্রমিক। এখানে সাধারণ মানুষের সংখ্যাই বেশি। তাদের চিকিৎসার কষ্ট লাঘব করা এবং চিকিৎসাসেবা দেওয়া আমাদের কর্তব্য। তা ছাড়া এই এলাকায় উন্নতমানের হাসপাতালের সংখ্যা কম। সেই চিন্তা থেকেই এখানে এ হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিই। আমি অসুস্থ হলে আমাকে বিদেশে নিবেন না, আমি দেশের মাটিতেই চিকিৎসা নিব। **৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬। ফজিলাতুন্নেসা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পর।{{fix cite}} *দারিদ্র্যমুক্ত [[বাংলাদেশ]] গড়তে হলে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।{{fact}} *সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য যোগ্যতা অর্জন কর।{{fact}} *‘নিঃস্ব আমি রিক্ত আমি দেবার কিছু নেই, আছে শুধু ভালোবাসা দিয়ে গেলাম তাই’ **২৫ জুন, ২০২২। জাজিরা প্রান্তে পদ্মা ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে। * বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার চেষ্টা করুন, এক পা ভারতে আর এক পা বাংলাদেশে রাখবেন না। বাঙালি হওয়ার চেষ্টা করুন, অর্পিত সম্পত্তি আইন বাতিল করব না। ** ১৯৯৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতাদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা। *** "বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনাপঞ্জি ১৯৭১-২০১১"-মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন, প্রকাশকাল: অক্টোবর ২০১৩, পৃষ্ঠা: ১১৫ * [[ইসলাম]] শান্তিতে বিশ্বাস করে। ইসলাম ধর্মেই মানুষের অধিকারের কথা, মানুষের জীবন মান উন্নয়নের কথা বার বার বলা হয়েছে। অথচ মাঝে মাঝে অমরা যেটা দেখি; আমাদের ধর্মকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে কিছু কিছু মানুষ এই ধর্মের মান নিয়ে যখন কোনো সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে তখন সারা বিশ্বের কাছে আমাদের এই ধর্ম প্রশ্নবিদ্ধ হয়। শুধু প্রশ্নবিদ্ধই হয় না.. আমরা মুসলমানরা বাইরে গেল অনেক সময় অনেক সমস্যাও ভোগ করতে হয়। অথচ পবিত্র ইসলাম ধর্মই হচ্ছে সব থেকে শান্তিপূর্ণ ধর্ম। ইসলাম ধর্মেই আছে সকল ধর্মের মানুষ তার নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে স্বাধীনভাবে। ** ২০১৮ সালের ১১ জুলাই হজ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। [https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1517446.bdnews] ==শেখ হাসিনাকে নিয়ে উক্তি== * মতিউর রহমান রেন্টুর বই পড়লেই বোঝা যাবে স্বৈরাচার-পলাতক হাসিনার মানসিক অবস্থা কেমন ছিল। সে একজন সাইকোপ্যাথ কিলার। তার দলের কর্মীরা মারা গেল কিনা সেটা নিয়ে তার মাথাব্যথা নেই। ** [[ববি হাজ্জাজ]], শহিদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মালিবাগে অবস্থিত এনডিএম ঢাকা মহানগর কার্যালয়ে ‘রুখে দাও আওয়ামী ফ্যাসিবাদ’ শীর্ষক [https://www.jugantor.com/politics-others/876887 এক আলোচনা সভায়] বলেছেন। যুগান্তর,১০ নভেম্বর ২০২৪, * '''''এই তিনটি অভিযোগের জন্য, আমরা তাকে কেবল একটি সাজাই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তা হল মৃত্যুদণ্ড।''''' ** ১৪:৪৭-৪৯, ১৭ নভেম্বর ২০২৫, [[:w:গোলাম মর্তুজা মজুমদার|গোলাম মর্তুজা মজুমদার]], [[:w:আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ)|আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ)]][https://m.youtube.com/live/kwVfdPi6-_4?si=TxLPoa8Aa-6jX47N] * [[সজীব ওয়াজেদ|সজীব ওয়াজেদ জয়]]কে ফায়ার করে চক্ষুটা খুলে হাতে পড়ুক, সে দেখুক, সন্তানের চক্ষু উপড়ে ফেললে মায়ের অন্তরে কী রক্তক্ষরণ হয়। ** [[ওসমান হাদি]], ২৭ নভেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/share/r/184SiTCfui/] * প্রিয়-অপ্রিয়, পছন্দ-অপছন্দের:- প্রিয় খাদ্য: গরুর ভুড়ী; প্রিয় গান: [[:w:en:Janam (1985 film)|জিন্দেগি জিন্দেগি]] [https://m.youtube.com/watch?si=rsQh7pAszG8o2R6d&v=mUOnfmOilIQ&feature=youtu.be] ; প্রিয় ব্যক্তিত্ব: মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু; সবচাইতে বেশি লোভ: টাকার প্রতি; সবচাইতে অপছন্দের: নামাজী মানুষ; সবচাইতে স্বস্তি এবং আনন্দের: মানুষের লাশ; সবচেয়ে বেশি পটু: মিথ্যে বলায়। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ২০৮ * পিএস শাকিলের (মাহবুবুর রহমান শাকিল) এবং আরও অনেকের সঙ্গে হাসিনার অবৈধ যৌন সম্পর্ক ছিল। স্বয়ং আওয়ামী লীগের নিজের লোকেরাই গোপনে আমাকে এসব তথ্য ও প্রমাণ সরবরাহ করেছিল। আমি এই গোপন কথা ফাঁস করেছিলাম, এজন্যই আওয়ামী লীগ আমাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে গুম করেছিল। আমাকে বলা হয়েছিল, তুমি যদি এসব বন্ধ না করো, তাহলে তোমার সাথে কী করা হবে তা তুমি কল্পনাও করতে পারবে না। শুধু শেখ হাসিনা নয়; রাষ্ট্রপতি, বেনজির সহ আরও অনেকের অবৈধ যৌনাচারের প্রমাণ আমার কাছে ছিল। আর গনভবন ছিল অবৈধ যৌনাচারের কেন্দ্রবিন্দু। তারা পাথরের গলায় মালা দিয়ে একে অপরের সাথে কানেক্ট করতো, যাকে আমার ধর্মে বলা হয় শিরক। আওয়ামী লীগকে আমি ব্যভিচার ও যৌনাচারের একটি ইনস্টিটিউট বলে মনে করি। এটি যৌনাচারের একটি দল। ** শফিকুল ইসলাম কাজল, ১৫ আগস্ট ২০২৪ [https://m.youtube.com/watch?si=cISvclOzs6EhY5xk&v=ViXT9uBiC-g&feature=youtu.be] [https://m.youtube.com/watch?si=VDh8o4LXI0jE6tr_&v=GskzQAmEfqg&feature=youtu.be] * খেলা: জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজেকে একজন বড় খেলোয়াড় মনে করেন। তিনি মনে করেন, তিনি দুনিয়ার সবচাইতে দক্ষ খেলোয়াড় এবং তার মতো খেলোয়াড়ের সারা বিশ্বে জুড়ি নেই। তিনি খেলতে ভালবাসেন। বলতে গেলে খেলাই তার একমাত্র কাজ। তিনি সকলের সাথেই খেলেন। জনতার সাথে খেলেন। রাজনৈতিক নেতাদের সাথে খেলেন। নিজেদের দলের কর্মীদের সাথে খেলেন। স্বামীর সাথে খেলেন। আত্মীয়স্বজনের সাথেও খেলেন, তবে কম খেলেন। নিজের বোনের সাথে খেলেন, তবে পেরে ওঠেন না, ধরা পরে হেরে যান। ছেলে-মেয়ের সাথে খেলতে গিয়ে প্রচণ্ড মার খেয়ে যান। জননেত্রী শেখ হাসিনা মনে করেন তার মতো এতো বড় খেলোয়াড় আর নেই এবং তিনি যে খেলা খেলেন, এ খেলা ধরা বা বোঝার শক্তি কারো নেই। পৃথিবীর কেউই তার খেলা ধরতে পারবে না। বুঝতে পারবে না। এ খেলায় তিনি অনন্যা, অদ্বিতীয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যে খেলা খেলেন, সে খেলার নাম হচ্ছে, প্রতারণার খেলা। তিনি সকলের সাথেই প্রতারণার খেলা খেলেন। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ১২৮ * ক্ষমতায় থাকাকালে ফ্যাসিবাদের সব বৈশিষ্ট্যই দেখিয়েছে আওয়ামী লীগ। তাই নিকট ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করলে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট পার্টি আওয়ামী লীগের কোনো জায়গা নেই। ** [[মুহাম্মদ ইউনূস]], ৩০ অক্টোবর ২০২৪, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে [https://jamuna.tv/news/572999] * বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রথম নির্দেশ মেরে ফেলো। মেরে লাশ ফেলে দাও। আওয়ামী লীগের কোনো নেতা, কর্মী কিংবা সমর্থক কথা প্রসঙ্গেও যদি বলে প্রশাসনের অথবা অন্য রাজনৈতিক দলের অমুক আমাদের বিপক্ষের, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রথমেই যে নির্দেশ বা আদেশ দেন তাহলো মেরে ফেলো, মেরে ফেলে দাও। আমি হুকুম দিলাম খুন করে ফেলো। যদি কোন কারণে উক্ত ব্যক্তিকে হত্যা করা না যায় তাহলে বলবেন, ঘুষ দাও, টাকা দাও। টাকা দিয়ে ওকে আমাদের পক্ষে নিয়ে আসো। ১৯৯৫ সালে মাওয়া রোড দিয়ে টুঙ্গিপাড়ায় যাওয়ার সময় ফেরিতে ৩০/৪০ বছর আগে দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে চলে যাওয়া, যুক্তরাজ্যের নাগরিক শেখ হাসিনা সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত শিল্প ঋণ সংস্থার পরিচালক প্রফেসর আবুল আসেম তার নিজ থানা নবাবগঞ্জ সম্পর্কে বললেন, নবাবগঞ্জে (ঢাকা জেলার) আওয়ামী লীগের প্রার্থী দেয়া না দেয়া সমান কথা। নবাবগঞ্জের মানুষ আওয়ামী লীগকে পছন্দ করে না, ভোটও দেয় না। এ কথা শুনে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বললেন, রাতের অন্ধকারে ঘরে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেন। আগুন লাগিয়ে ওদের পুরিয়ে মেরে ফেলেন। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ২০৮-২০৯ * ১৯৮১ সালের ২৩শে এবং ২৪শে মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসটি'র তিন তলায় সেমিনার কক্ষে '৭১ ও '৭৫ যোদ্ধাদের এবং সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সদস্যদের গোপন ও জরুরী বৈঠক বসে। এই বৈঠকে কর্নেল শওকত আলী (বর্তমানে আওয়ামী লীগের এমপি, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী) মুক্তিযোদ্ধা রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে হত্যার পরিকল্পনা এবং হত্যাকালীন ও হত্যা পরবর্তী সময়ে করণীয় সম্পর্কে অবহিত করেন। কর্নেল শওকত আলী বলেন, জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামে গেলে চট্টগ্রামের জিওসি মেজর জেনারেল মঞ্জুর বীর উত্তম-এর নেতৃত্বে জিয়াকে হত্যা করা হবে এবং এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে সভানেত্রী শেখ হাসিনা অবহিত আছেন। সভানেত্রী আমাদেরকে এই হত্যাকাণ্ডে সহায়তা ও ভূমিকা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা মাত্র কয়েক দিন হলো দেশে এসেছেন, এর মধ্যেই তিনি এমন একটি নির্দেশ কীভাবে দিতে পারেন? প্রশ্ন করা হলে কর্নেল শওকত আলী বলেন, শেখ হাসিনা দেশের বাইরে (ভারত) থাকতেই এ বিষয়ে অবহিত আছেন। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ৭৭ * তারপর মেয়র হানিফকে বঙ্গবন্ধু ভবনের অফিস কক্ষে এনে শেখ হাসিনা বললেন, এই মিষ্টি আনো, মিষ্টি আনো, হানিফ ভাইকে মিষ্টি খাওয়াও। মিষ্টি খেতে খেতে বঙ্গবন্ধু কন্যা বললেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন মহানায়ক, আর আপনি হলেন নায়ক। নায়ক না হলে কি চলে? সারা দেশ, জাতি এখন তাকিয়ে আছে নায়কের দিকে। মানে আপনার দিকে। নগরবাসী তাকিয়ে আছে আপনার দিকে। আমি এই পর্যন্ত এনে দিয়েছি, এখন আপনি ফিনিশিং দেন। এখন আপনার পালা। আপনি নায়ক, আপনার হাতেই সব। আমার হাতে আর কিছু নেই। আমার যা ছিল সব আমি করেছি। আপনি মেয়র, আপনিই নায়ক, এখন আপনি ফিনিশিং গোল করেন। আপনি ছাড়া ফিনিশিং হবে না। আপনার হাতেই ফিনিশিং হবে বলেই খেলা এখনও বাকি আছে। আপনারাই তো বঙ্গবন্ধুকে শেখ মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু বানিয়েছেন। আপনারা যদি সেদিন আমার পিতাকে আশ্রয় না দিতেন, সাহায্য-সহযোগিতা না করতেন তাহলে কি আমার পিতা শেখ মুজিব থেকে জাতির পিতা হতে পারতেন? এই আপনারা ঢাকার মানুষেরা বানিয়েছেন। আজ আমি তার মেয়ে, আমাকে যদি আপনি সাহায্য না করেন আমি কি করে বড় হবো? আমার ভাইয়েরা কেউ বেঁচে নেই। আপনিই আমার ভাই। আমি আপনার বোন। আমাকে আপনি সহযোগিতা করেন। আমি কখনোই আপনার কথা ভুলব না। আপনাকে ছাড়া চলব না। ঢাকার মেয়র মোহাম্মদ হানিফ বলল, হ্যাঁ নেত্রী, আমাকে এক মাস সময় দেন, আমি খালেদা জিয়াকে ফেলে দেব। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বললেন, না, না, একমাস সময় দেওয়া যাবে না। আপনি পনের দিনের মধ্যেই ফেলে দেন।এই বৈঠকেই ঠিক হল প্রেসক্লাবের সামনে স্থায়ী মঞ্চ তৈরী করে এখান থেকেই যতক্ষণ বেগম খালেদা জিয়ার পতন না হয়, দিন-রাত ২৪ ঘন্টা স্থায়ী ভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার। পরবর্তী সময়ে নাট্যশিল্পী ও টিভির খবর পাঠক রামেন্দু মজুমদার ও নাট্যশিল্পী পিযুষ বন্দোপাধ্যায় এই মঞ্চের নাম দেন জনতার মঞ্চ। প্রেসক্লাবের সামনের এবং সচিবালয়ের উত্তরের তোপখানা রোডের পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত অর্থাৎ পল্টনের মোড় থেকে হাইকোর্ট পর্যন্ত রাস্তা সম্পূর্ণ বন্ধ করে রাস্তার মাঝখানে বিশাল মঞ্চ তৈরী করে প্রতিদিন চলতে থাকলো গান-বাজনা, বক্তৃতা, আবৃত্তি ইত্যাদি। এক পর্যায়ে এই মঞ্চে এসে যোগ দিল সচিবালয়ের কিছুসংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী। এ সবই চলতে লাগল ঢাকার মেয়র শেখ হাসিনার ভাষায় নায়ক ও আগামী দিনের এল জি আর ডি মন্ত্রী মোহাম্মদ হানিফের নেতৃত্বে। ** মতিউর রহমান রেন্টু, [https://xeroxtree.com/pdf/amar_fasi_cai.pdf আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ৮৮] *এটা খুবই আনন্দের বিষয় যে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী একজন নারী হওয়া সত্ত্বেও তিনি প্রকাশ্যে বলছেন যে সন্ত্রাসের প্রতি তার জিরো টলারেন্স আছে। হুমকি মোকাবেলায় দৃঢ়তার জন্য আমি শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাতে চাই। ** [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে]] ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী [[নরেন্দ্র মোদি]]।<ref>https://economictimes.indiatimes.com/news/politics-and-nation/pm-narendra-modi-draws-flak-for-despite-being-a-woman-remark-on-sheikh-hasina/articleshow/47588959.cms</ref> (জুন ০৮, ২০১৫) * শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা গণভবন থেকে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। শেখ হাসিনা যাওয়ার আগে একটি ভাষণ রেকর্ড করে যেতে চেয়েছিলেন। তিনি সে সুযোগ পাননি। ** বার্তা সংস্থা এএফপি, ৫ আগস্ট ২০২৪, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dn4yfsve75] *শেখ হাসিনা তো তখন খুবই ছোটো,তার সাথে তেমন একটা ইন্টারেকশন ছিল না। বিয়া হইয়া গেসে ওয়াজেদের সাথে। কিন্তু আমি দেখতাম যে প্রত্যেকদিন রাত্রেই মাইর খাইতে খাইতে আইতো...বেগম মুজিব খাওয়াইয়া টাওয়াইয়া আবার ফেরত পাঠায় দিত। ** ৫ জানুয়ারি ২০২৫-এ ইলিয়াস হোসাইনের ইউটিউব চ্যানেলে [https://www.youtube.com/watch?v=UFMuU-9w4jM&t লাইভ সাক্ষাৎকারে] [[শরিফুল হক ডালিম|মেজর ডালিম]]। * আপনজন হারানোর বেদনা যে কত কষ্টের তা আমার চেয়ে আর কে ভালো জানে, বলোনা মোদি, তুমি বলোনা, বলোনা কাদের, তুমি বলোনা। মেট্রোরেলের মনিটর ভাঙার ক্ষতি, ক্ষমতা হারানোর গভীর ব্যথা, আরো মানুষ মেরে তুলব ভয়, কিন্তু আর পারছি না এ পথ ধরতে। শাড়ি বঙ্গভবন সব গেছে হাতছাড়া, আমার বুকে জমেছে কত আর্তনাদ, ক্ষমতা হারানোর কষ্ট বুকে চেপে আমি কি আর হাসতে পারি? ক্ষমতার মসনদ আজ অধরা, আমার ব্যথা কে করবে সান্তনা, শান্তির খোঁজে ক্ষমতার আশায় আমার মনে জমে কত ব্যথা। ** ১৭ আগস্ট ২০২৪, শেখ হাসিনার শোকবার্তা "আপনজন হারানোর বেদনা যে কত কষ্টের তা আমার চেয়ে আর কে ভালো জানে" কে উপহাস করে একটি অপেশাদার এআই প্রযুক্তিতে কাল্পনিক গান তৈরি করা হয় যা ফেসবুকে রাজিব জাহান ফেরদৌস নামে একটি পাতায় প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলাদেশে ভাইরাল হয় [https://m.facebook.com/story.php/?story_fbid=10162501584503338&id=670593337] * ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য কাতান শাড়ি পরে সেজেগুজে বসেছিলেন। তিনি অপেক্ষা করছিলেন, বলছিলেন, আয় সন্ত্রাসী, আয় বাকশালি খুন করিতে যাই, লাশের মালা গলায় দিয়ে শপথ নিতে যাই।’ ** "রেহানা আক্তার রানু" ২৩ জুন ২০১৩ জাতীয় সংসদ ভবণে রক্তপিপাসু এই সরকারের পতন চাই’ বলে তাঁর বক্তব্য শুরু করে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%85%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6 প্রথমআলো] বলেন * ১৯৮৭ সালে [[:w:সরকারি হরগঙ্গা কলেজ|মুন্সিগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজ]] ছাত্র সংসদের ভিপি তরুণ যুবক [[:w:মৃণাল কান্তি দাস|মৃণাল কান্তি দাসের]] সাথে শেখ হাসিনার পরিচয় হয়। এবং পরিচয়ের পর থেকে মৃণাল কান্তি দাস [[:w:জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর|বত্রিশ নাম্বারে বঙ্গবন্ধু ভবনে]] থাকতে শুরু করেন। শেখ হাসিনা তখন ঐ বাড়িতেই থাকতেন। গভীর রাত পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু ভবনের লাইব্রেরি কক্ষে ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে মৃণাল কান্তি দাস আর শেখ হাসিনার কুটকুট করে কথা বলতেন এবং খিলখিল করে হাসতেন। শেখ হাসিনার কাছে মৃনালের গ্রহণযোগ্যতা এতটাই বেড়ে গেল যে তা সকলের ঈর্ষার কারণ হয়ে দাড়ালো। মৃণাল হয়ে উঠলো শেখ হাসিনার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি! তার ক্ষমতা এতটাই বেড়ে গেল যে, ১৯৯০ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির জেনারেল সেক্রেটারী [[:w:সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী|সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী]]কে অপমান-অপদস্ত করে বঙ্গবন্ধু ভবন থেকে বের করে দিলেন। একদিন বঙ্গবন্ধু ভবনে মৃণাল সহ চারজন তাস খেলছে। বেলা তখন তিনটা-সাড়ে তিনটা। এমন সময় শেখ হাসিনার একমাত্র আপন মামা আকরাম মামু এসে কুভঙ্গিতে কুইঙ্গিত করে বললেন, “এই মৃণাল যাওনা, তোমার জন্য না খেয়ে বসে আছে!” মৃণাল তার বন্ধুদের সামনে তার ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য জবাব দিল “ আরে থাক, থাকতে দেন কিছুক্ষণ না খেয়ে!” একদিন মৃণাল শেখ হাসিনার উপর রাগ করে চলে গেল। শেখ হাসিনা নিজে গিয়ে রাগ ভাঙ্গিয়ে মৃনাল কান্তি দাসকে বংগবন্ধু ভবনে নিয়ে এলেন। [[:w:পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ১৯৯১|১৯৯১ সালে শেখ হাসিনা নির্বাচনে হারার]] পর মৃণাল বিভিন্ন অসন্তুস্টির কারণে শেখ হাসিনাকে ছেড়ে চলে যায়। শেখ হাসিনা নিজে তিনবার মৃণালকে ফিরিয়ে আনতে যান কিন্তু সে ফিরে আসেনা। বরং শেখ হাসিনার সাথে তার দৈহিক সম্পর্কের কথা প্রচার করতে থাকে। কথায় কথায় মৃণাল হাসতে হাসতে বলতে থাকে, শেখ হাসিনা সাথে তার সম্পর্ক অনেক গভীর! ** মতিউর রহমান রেন্টু, "[[w:আমার ফাঁসি চাই|আমার ফাঁসি চাই]]", ২৬ মার্চ ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ১২৫-১২৭ * মাননীয় স্পিকার, যিনি আমাদের নেত্রীর ('''[[:w:খালেদা জিয়া|খালেদা জিয়া]]''') পরিবার নিয়ে এখানে কুৎসা রটনা করেছেন... (''সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া: (পাশে বসা অবস্থায় সরকার দলীয় (আওয়ামী লীগের) দাড়িয়ে যাওয়া উত্তেজিত সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে উচু গলায়) বসেন বসেন... অনেক বাড়াবাড়ি করেছেন..'') তিনি পলিটিক্যাল প্রস্টিটিউট মাননীয় স্পিকার। কলিকাতা সিভিল কোর্টের উকিল মি: চন্ডিদাস। তার এক মেয়ে ছিল যারনাম গৌরিবালা দাস। (''সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে উত্তেজিত শোরগোল'') চন্ডিদাসের সহকারী উকিল মি: অরণ্য কুমার চক্রবর্তী চন্ডিদাসের কলিকাতাস্থ বাসায় (''সৈয়দা পাপিয়া: (পাশ থেকে) পড়তে থাক.. হ্যা'') নিয়মিত যাতায়াত করত। এই সুযোগে গৌরিবালার সাথে অরণ্য কুমার চক্রবর্তীর অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠে। (''সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া: পড়তে থাক..'') গৌরিবালা গর্ভবর্তী হয়ে পড়েন। (''পানি খেয়ে নেন) (সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া: পড়তে থাক পড়তে থাক..পড়তে থা-ক) (সরকারদলীয় সদস্যরা আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠেন'') গৌরিবালা যখন বুঝতে পারলেন যে তিনি গর্ভবতী হয়েছেন তখন গৌরিবালা অরণ্য কুমারকে তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেয়। অরণ্য কুমার এতে রাজী না হয়ে অবৈধ সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন। এদিকে চন্ডিদাস বিষয়টি জানার জন্য চিন্তিত হয়ে পড়েন। এরই মধ্যে গৌরিবালা ১২/১২/১৯২০ ইং তারিখে একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেন। তার নাম রাখা হয় দেবদাস চক্রবর্তী। (''সৈয়দা পাপিয়া: (পাশ থেকে চিৎকার দিয়ে সমর্থন দিয়ে) ইয়োওওওও...(টেবিল চাপড়াতে থাকেন।)'') চন্ডিদাস অরণ্য কুমার চক্রবর্তীকে গৌরিবালাকে উঠিয়ে নেয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে, (''সৈয়দা পাপিয়া: (টেবিল চাপড়িয়ে সমর্থন দিয়ে) পড়তে থাক, পড়তে থাক...পড়তে থাকুন, ধরতে থাকুন...বাদ যাইসই না...হ্যা'') কিন্তু অরণ্য কুমার রাজি হন না। এরই মধ্যে দেবদাসের বয়স ২ বছরে উন্নীত হয়। চন্ডিদাস হতাশাগ্রস্থ হয়ে পরেন এবং ভীষণ ভাবে অসুস্থতা বোধ করেন। দেবদাসের (''শিরীন শারমিন চৌধুরী:(সরকারদলীয় উত্তেজিত সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে) মাননীয় সদস্যবৃন্দ আপনারা একটু শান্ত হন..(রেহানা আক্তার রানুকে উদ্দেশ্য করে) মাননীয় সদস্য'') বয়স যখন ৩ বছর তখন দেবদাসের মহুরী [[:w:শেখ লুৎফুর রহমান|শেখ লুৎফুর রহমান]] (শেখ হাসিনার পিতামহ) গৌরিবালাকে বিয়ে করেন... (''মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়) (শিরীন শারমিন চৌধুরী: মাননীয় সদস্য আমি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, মাননীয় সদস্যবৃন্দ আপনারা বসুন সবাই বসুন বসুন। মাননীয় সদস্য আমি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় সদস্য, আপনি ২৭০ বিধি অনুসরণে বাজেটের উপর বক্তব্য দিন। মাননীয় সদস্য। উনাকে মাইক দিন'') ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার, আপনি আমাকে বাজেটের উপর বক্তব্য দিতে বলেছেন। কিন্তু গত বিশ তারিখে যে বক্তৃতা দেওয়া হয়েছে আমি আপনার কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই এটা কি বাজেট বক্তৃতা ছিল? ** '''[[:w:রেহানা আক্তার রানু|রেহানা আক্তার রানু]]''', ২৩ জুন ২০১৩ সংসদে [https://m.youtube.com/watch?si=mls9GFkwrVJBBRJG&v=HV0Wvz_FX-s&feature=youtu.be] [https://www.facebook.com/story.php/?story_fbid=482930561368984&id=100089561311827] * পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ঘটনায় সহযোগিতা করেছেন নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ আওয়ামী লীগের বেশ কিছু নেতা। ** আবদুল মতিন, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.), ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ [https://www.kalerkantho.com/print-edition/news/2024/09/06/1422565] * কুত্তার জাত: মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বর্তমান এলজিআরডি মন্ত্রী জিল্লুর রহমান-এর স্ত্রী, আই ভি রহমান ১৯৯২ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে জনৈক মহিলার নাম উল্লেখ করে বললেন, নেত্রী ওর নামে অনেক স্ক্যান্ডেল আছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা সঙ্গে সঙ্গে বললেন, কি, বেশ্যা এই তো? কুত্তার (কুকুরের) জাতকে তো বেশ্যা দিয়েই নেতৃত্ব দেয়াবো। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার মুখে এই কথা শোনার পর আইভি রহমান 'থ' হয়ে যান। আর একটি কথাও না বাড়িয়ে বিদায় নেন। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ১২৩ * দশ টাকায় শেখ মুজিবের ছবি: এক শুক্রবার সকালে অর্থমন্ত্রী কিবরিয়ার পি এস ডঃ পারভেজ, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে এসে দশ টাকায় শেখ মুজিবের ছবির লেআউট ডিজাইনের খসড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখান। নতুন এই দশ টাকার লেআউট ডিজাইনের খসড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৌখিকভাবে অনুমোদন করে দিলে তবেই তা ছেপে নতুন দশ টাকার নোট হিসেবে বাজারে ছাড়া হবে। এই দশ টাকার খসড়া লেআউট ডিজাইনের উপরে ছিল আল্লাহর ঘর মসজিদের ছবি এবং পিছনে ছিল শেখ হাসিনার পিতা শেখ মুজিবের ছবি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লেআউট ডিজাইনে খসড়াটি দেখে অর্থ মন্ত্রীর পিএস ডঃ পারভেজকে ক্ষিপ্ত হয়ে বলে উঠলেন, একি! জাতির পিতার ছবি পিছনে কেন? অর্থমন্ত্রীর পি এস ডঃ পারভেজ কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে বললেন, বাজারে চালু বর্তমান দশ টাকার নোটের উপরে মসজিদের ছবি আছে। ধর্মীয় অনুভূতির কথা বিবেচনা করে উপরের মসজিদ এর ছবিটা ঠিক রেখে, পিছনে জাতির পিতার ছবি দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাগান্বিত কণ্ঠে বললেন, ওসব মসজিদ-টসজিদ বুঝি না, জাতির পিতার ছবি উপরে দিয়ে নতুন দশ টাকার নোট ছেপে বাজারে ছাড়বেন। আমার বাবা যে জাতির পিতা এটা শয়তানের জাতকে গিলাতে হবে। এরপর অন্য আর একদিন ডঃ পারভেজ শেখ মুজিবের ছবি উপরে এবং মসজিদের ছবি পিছনে দিয়ে করা লেআউট ডিজাইন নিয়ে এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা দেখেন ও খুশি হন এবং মৌখিক অনুমোদন করে দেন। বর্তমানে বাজারে শেখ মুজিবের ছবি সম্বলিত যে নতুন দশ টাকার নোট রয়েছে এটা সেটা। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ১১৯ * মসজিদ সরিয়ে ফেলুন: ১৯৮৬ সালের শুরু থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আবার ছাত্র আন্দোলনের জন্য নতুন করে তাগিদ দিতে থাকলেন। বহু চাপাচাপি, ধমকাধমকি এবং তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও যখন আন্দোলনের বিন্দুবিসর্গও হলো না তখন তিনি রেগে মে মাসের মাঝামাঝি তার জন্মভূমি এবং পিতার বাড়ি টুঙ্গিপাড়ায় চলে গেলেন এবং বেশ কিছুদিন টুঙ্গিপাড়ায় থাকলেন। এরই মধ্যে একদিন শেখ বাড়ির (শেখ হাসিনার নিজের বাড়ির) কিছু মুরব্বীসহ টুঙ্গিপাড়া গ্রামের ২০/৩০ জন মুরব্বী এসে শেখ হাসিনার অংশের একটি নারিকেল গাছ দ্বারা শেখ বাড়ির অন্য শরীকের জায়গায় নির্মিত মসজিদটি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে জানিয়ে সেই নারিকেল গাছটি কেটে ফেলার প্রস্তাব করলে, শেখ হাসিনা সরাসরি বলে দেন আমার নারিকেল গাছ কাটা হবে না। দরকার হলে মসজিদ সরিয়ে ফেলেন। তখন সকল মুরব্বী পবিত্র কুরআন পাকে মসজিদ সরানো নিষেধ আছে বলে মসজিদের দেয়াল ও স্থান ঘেঁষে থাকা শেখ হাসিনার জায়গায় অবস্থিত নারিকেল গাছটি কেটে ফেলার জন্য বারবার অনুনয়-বিনয় করতে থাকে। তখন শেখ হাসিনা বলেন, এই মসজিদ বন্ধ করে দেন। আমি আরো বড় মসজিদ বানিয়ে দেবো। মুরব্বীরা বলেন, একটু বাতাস হলেই নারিকেল গাছটি মসজিদের গায়ে এবং ছাদে লাগতে থাকে। এইভাবে চললে মসজিদের ছাদ এবং দেয়াল অচিরেই ভেঙ্গে যাবে। শেখ হাসিনা বলেন, ভেঙ্গে যায় যাক্, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আপনারা লক্ষ বছর কান্নাকাটি করলেও নারিকেল গাছ কাটব না। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৯৪ (এই অংশটি বইটির কিছু সংস্করণে উহ্য রাখা হয়েছে) * আন্দোলন আন্দোলন খেলা: স্বৈরাচারী জেনারেল এরশাদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রেখে, বেগম খালেদা জিয়া একক আন্দোলন করলে কাঙ্খিত ফল আসবে না ভেবে, মটর সাইকেল আরোহী আন্দোলনের আন্তরিকতার বিষয়ে প্রশ্ন করলে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা জবাব দেন, "আমি (শেখ হাসিনা) আছি ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) পিছনে পিছনে। ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) যে কর্মসূচী দেবে, আমিও (শেখ হাসিনা) সেই কর্মসূচী দেব। যাতে মনে হয় আমি (শেখ হাসিনা) ও আন্দোলনে আছি। আন্দোলন সফল করে তোলার প্রশ্নে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বলিষ্ঠ ভূমিকা বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কর্মীদের বলে দেবে তারা যেন আন্দোলন আন্দোলন খেলা করে, কিন্তু আন্দোলন যেন না করে। অর্থাৎ আন্দোলনের সাথে থেকে আন্দোলনের পিঠে ছুরি মারতে হবে। ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) ব্যর্থ করে করে ঘরে বসিয়ে দিতে হবে, আর যাতে রাজনীতির নাম না নেয়। জনগণ এবং আওয়ামী লীগের মাঠকর্মীরা এরশাদ পতনের আন্দোলনের জন্য এতই উদগ্রীব যে, আন্দোলন প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তারা (আওয়ামী লীগ কর্মীরা) আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে থাকে। যখন আওয়ামী লীগের কর্মীদের কাছে জননেত্রী শেখ হাসিনার আন্দোলন না করার গোপন নির্দেশ পৌঁছানো হলো, তখন আওয়ামী লীগ কর্মীরা সভানেত্রী শেখ হাসিনার মুখ থেকে সরাসরি এই নির্দেশ শুনতে চাইলো। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার পক্ষে সরাসরি এই নির্দেশ দেওয়া সম্ভব হলো না। ফলে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে থাকলেন বেগম খালেদা জিয়া আর জীবন দিতে থাকলো নূর হোসেনসহ আওয়ামী লীগ কর্মীরা। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৫৭-৫৮ * দেশদ্রোহী অসভ্য বাহিনী: ৩রা মে ১৯৮৪ এর এক পড়ন্ত বিকেলে ধানমণ্ডি বঙ্গবন্ধু ভবনে বসে গল্প করছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ কয়েক জন। গল্পে গল্পে ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও পাকিস্তানী সেনাবাহিনী প্রসঙ্গ উঠলো। প্রসঙ্গ উঠলো '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে গড়ে ওঠা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কথা। জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পর্কে বললেন, এটা একটা সেনাবাহিনী হলো? এটা একটা বর্বর, নরপিশাচ, উচ্ছৃঙ্খল, লোভী, বেয়াদব বাহিনী। এই বাহিনীর আনুগত্য নেই, শৃঙ্খলা নেই, মানবিকতা নেই, মান্যগণ্য নেই, নেই দেশপ্রেম। এটা একটা দেশদ্রোহী অসভ্য হায়েনার বাহিনী। তোমরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কথা বল। সারা বিশ্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মতো এত ভদ্র, নম্র, সভ্য, বিনয়ী এবং আনুগত্যশীল বাহিনী খুঁজে পাওয়া যাবে না। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মানবিকতা বোধের কোন তুলনাই চলে না। কি অসম্ভব সভ্য আর নম্র তারা! পঁচিশে মার্চ রাতে তারা (পাকিস্তান আর্মি) এলো, এসে আব্বাকে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব) সেলুট করলো, মাকে সেলুট করলো, আমাকেও সেলুট করলো। সেলুট করে তারা বলল, স্যার আমরা এসেছি শুধু আপনাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য। অন্য কোন কিছুর জন্য নয়। আপনারা যখন খুশি, যেখানে খুশি যেতে পারবেন। যে কেউ আপনার এখানে আসতে পারবে। আমরা শুধু আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো। আপনারা বাইরে গেলে আপনাদের নিরাপত্তার জন্য আমরা আপনাদের সঙ্গে যাবো। কেউ আপনাদের এখানে এলে আমরা তাকে ভালভাবে তল্লাশি করে তারপর ঢুকতে দিব। এসবই করা হবে আপনাদের নিরাপত্তার জন্য। সত্যিই পাকিস্তানী সেনাবাহিনী যা করেছে তা সম্পূর্ণ আমাদের নিরাপত্তার জন্যই করেছে। ২৬শে মার্চ দুপুরে আব্বাকে (শেখ মুজিব) যখন পাকিস্তানী আর্মিরা নিয়ে যায়, তখন জেনারেল টিক্কা খান নিজে এসে আব্বাকে ও মাকে সেলুট দিয়ে, আদবের সাথে দাঁড়িয়ে বিনয়ের সাথে (শেখ মুজিবকে) বলে, স্যার আপনাকে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান আলোচনার জন্য নিয়ে যেতে বলেছেন। আমি আপনাকে নিয়ে যেতে এসেছি। আপনাকে নেওয়ার জন্য বিশেষ বিমান তৈরি (স্পেশাল ফ্লাইট রেডি) আপনি তৈরি হয়ে নেন এবং আপনি ইচ্ছে করলে ম্যাডাম (বেগম মুজিব) সহ যে কাউকে সঙ্গে নিতে পারেন। আব্বা-মা'র সঙ্গে আলোচনা করে একাই গেলেন। পাকিস্তান আর্মি যতদিন ডিউটি করেছে এসেই প্রথমে সেলুট দিয়েছে। শুধু তাই নয়, আমার দাদীর সামান্য জ্বর হলে পাকিস্তানীরা হেলিকপ্টার করে টুঙ্গিপাড়া থেকে দাদীকে ঢাকা এনে পি জি হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছে। জয় (শেখ হাসিনার ছেলে) তখন পেটে, আমাকে প্রতি সপ্তাহে সি এম এইচ (সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে) নিয়ে চেকআপ করাতো। জয় হওয়ার একমাস আগে আমাকে সি এম এইচ-এ ভর্তি করিয়েছে। '৭১ সালে জয়' জন্ম হওয়ার পর পাকিস্তান আর্মিরা খুশিতে মিষ্টি বাঁটোয়ারা করেছে এবং জয় হওয়ার সমস্ত খরচ পাকিস্তানীরাই বহন করেছে। আমরা যেখানে খুশি যেতাম। পাকিস্তানীরা দু'টি জীপ করে আমাদের সাথে যেতো। নিরাপত্তার জন্য পাহারা দিত। আর বাংলাদেশের আর্মিরা! জানোয়ারের দল, অমানুষের দল এই অমানুষ জানোয়ারেরা আমার বাবা-মা, ভাই সবাইকে মেরেছ-এদের যেন ধ্বংস হয়। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৫৩-৫৪ * শেখ হাসিনা ও গোলাম আযমের ২য় বৈঠক: ৩০শে জানুয়ারী ১৯৯৪ ঢাকা সিটি করপোরেশন-এর মেয়র ও কমিশনার নির্বাচন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগ ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফকে ঢাকার মেয়র পদে মনোনয়ন দিয়েছে। তোড়জোড়ে নির্বাচনী প্রচার-প্রপাগান্ডা এগিয়ে চলছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে দলের সকল নেতা-কর্মীই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে মেয়র পদে মাছ মার্কায় হানিফের জন্য ভোট চাইছে। অধিক রাত পর্যন্ত চলছে মিছিল এবং নির্বাচনী জনসভা। প্রতিটি পাড়া-মহল্লা, অলি-গলিতে চলছে মেয়র কমিশনার নির্বাচনের কাজ। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামাত, কমিউনিস্ট পার্টিসহ সকল রাজনৈতিক দল নির্বাচনী কাজে ভীষণ ব্যস্ত। ঢাকায় টানটান নির্বাচনী উত্তেজনা। নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। ২৫শে জানুয়ারী সন্ধ্যা বেলায় ধানমন্ডি ৮/এ রোডে বঙ্গবন্ধুর চাচাতো ভাই শেখ হাফিজুর রহমান টোকনের বাসায় (শেখ হাফিজুর রহমান টোকন বর্তমানে বঙ্গবন্ধু যাদুঘরের মহাসচিব) '৭১-এর যুদ্ধাপরাধী জামাত নেতা ঘাতক গোলাম আযমের সাথে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দ্বিতীয় বৈঠক হয়। এই বৈঠকে ঘাতক গোলাম আযম মেয়র নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন না দেওয়ার আশ্বাস দিলে শেখ হাসিনাও রাজনীতিতে জামাতকে আক্রমণ না করার আশ্বাস দেন। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৬৮ * রুমালে গ্লিসারিন: পরদিন সকালে লালবাগে নিহত সাত জনের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে দেখতে যাওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু কন্যা হাসিনা বলতে থাকেন, আমার (শেখ হাসিনা) রুমালে একটু গ্লিসারিন মেখে দাও, ঐ যে, নায়িকারা অভিনয়ের সময় গ্লিসারিন দিয়ে চোখের পানি বের করে কান্নার অভিনয় করে। আমার রুমালে ঐ রকমের গ্লিসারিন লাগিয়ে দাও, যাতে আমি লাশ দেখে রুমাল ধরতেই চোখে পানি এসে যায়। একজন বলল, গ্লিসারিনের দরকার নেই, শুধু চোখে রুমাল ধরে রাখবেন তাতেই মনে হবে আপনি কাঁদছেন। আর আমরা ফটো সাংবাদিক (ফটো সাংবাদিক) ভাইদের বলে দেব ছবির নীচে আপনি কাঁদছেন ক্যাপশন লাগিয়ে দিতে। হাসপাতালের মর্গে নিহত সাত জনের লাশ দেখে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা চোখে রুমাল ধরলে সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিকগণ অসংখ্য ছবি তুলতো। ছবি তোলা শেষে বঙ্গবন্ধু কন্যা গাড়িতে। উঠলেন। গাড়ি চলতে শুরু করলো। তখনও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার চোখে রুমাল। গাড়ির চালক ড্রাইভার জালাল বলল, আপা (শেখ হাসিনা) এখন রুমাল নামান ফটো সাংবাদিক নেই। গাড়ির সকল আরোহী হেসে উঠলো। জননেত্রী শেখ হাসিনা বললেন, ঠিক মতো দেখেছ তো, কোন ফটো সাংবাদিক নেই তো? না, নেই। তাহলে আমি (শেখ হাসিনা) এবার রুমাল নামাই। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৭১-৭২ * আজ আমি বেশি খাব: ২৯ নং মিন্টু রোডের বাসায় এসে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বললেন, ময়না (মিসেস মতিযুর রহমান রেন্টু) খাওয়া-দাওয়া বেশি করে এনেছ তো? লাশ দেখে এসেছি, লাশ। আজ আমি বেশি করে খাব। তারপর তিনি জিন্দেগী জিন্দেগী গাইতে গাইতে, নাচতে লাগলেন। সত্যি সত্যিই তিনি (শেখ হাসিনা) অস্বাভাবিক রকমের বেশি খেলেন। এমনিতেই তিনি (শেখ হাসিনা), বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নিহতদের লাশ দেখে এসে স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি খেতেন। কিন্তু আজ খেলেনত অস্বাভাবিকের চাইতেও অনেক বেশি। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৭২ * ১৯৯৪ সালের ২৬শে অথবা ২৭শে জুন সন্ধ্যাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি টেলিফোন করে ২৬শে জুন '৯৪ শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যু হয়েছে বলে সংবাদ দিলে, জননেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আনন্দে নাচতে থাকেন আর বলতে থাকেন মিষ্টি খাও, মিষ্টি। আমার একটা প্রতিদ্বন্দ্বী দুনিয়া থেকে বিদায় হয়েছে। আল্লাহ বাঁচাইছে। নেত্রী হতে চেয়েছিল। আমার জায়গা দখল করতে চেয়েছিল। জাহানারা ইমাম মরেছে আপদ গেছে। বাঁচা গেছে। আমার জায়গা দখল করতে চেয়েছিল। তোমরা জান না, ইন্ডিয়ান গোয়েন্দা এজেন্সি 'র' (ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার নাম 'র') আমার পরিবর্তে জাহানারা ইমামকে নেতৃত্বে বসাতে চেয়েছিল। বেটি মরছে, মিষ্টি খাও। ফকিরকে পয়সা দেও। এর কয়েকদিন পরে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লাশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর এলে, জননেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, চল, এয়ারপোর্টে যাই, আপদের লাশটা এনে কবরে ফেলি। এরপর জননেত্রী শেখ হাসিনা তার লাল রঙের নিশান পেট্রোল জীপে করে বিমান বন্দর-এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন। যেতে যেতে বলতে লাগলেন, বেটি (জাহানারা ইমাম) আমারে অসম্ভব জ্বালাইছে (জ্বালিয়েছে)। ওর মরা মুখও দেখতে ইচ্ছে করে না। কিন্তু না যেয়ে তো উপায় নেই। পলিটিক্স-এর (রাজনীতির) ব্যবসায় ইচ্ছে না থাকলেও করতে হয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বিমান বন্দরের রানওয়ে পর্যন্ত গেলেন ঠিকই, কিন্তু শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লাশের ধারে-কাছেও গেলেন না। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৭৩ * নৌকা: দুর্গা দেবীর বাহন: ১৯৯৬-এর ১২ই জুন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রার্থী মনোনয়ন দিল। আওয়ামী লীগও মনোনয়ন দিল। গোপালগঞ্জের তিনটি আসন এবং বাগেরহাটে দু'টি আসনের মোট ভোটারের প্রায় পঁয়ষট্টি শতাংশ ভোটার হিন্দু সম্প্রদায় হওয়ায় স্বাভাবিক কারণেই এই পাঁচটি আসনে আওয়ামী লীগ-এর নৌকামার্কা প্রার্থী ছাড়া অন্য কোন দলের অন্য কোন মার্কার প্রার্থী নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার কোনই সম্ভাবনা নেই এবং কোনকালেই বিজয়ী হয়নি এবং হবেও না। (১) মোকসেদপুর ও কাশিয়ানী, (২) গোপালগঞ্জ ও কাশিয়ানী (৩) টুঙ্গিপাড়া ও কোটালিপাড়া (৪) মোল্লার হাট ও ফকিরের হাট (৫) বইঠাঘাটা ও দাকোপ এই ৫টি (পাঁচ) আসনে যতদিন পর্যন্ত পঁয়ষট্টি শতাংশ হিন্দু সম্প্রদায় থাকবে ততদিন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ প্রার্থী নৌকা মার্কায় একচেটিয়াভাবে বিজয়ী হতে থাকবে। এই পাঁচটি আসনের প্রার্থীদের এলাকায় কোন কাজ করতে হয় না। যে কোন প্রকারেই হোক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা টিকিট নিলেই সে যে কেউই হোক ৭৫% ভোটে বিজয়ী হবে। এই ৫টি আসনকে বলা হয় ভিক্ষার আসন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দয়া করে যাকে এই অঞ্চলের আসন ভিক্ষা দেবেন, তিনিই এই অঞ্চলের জনপ্রতিনিধি বা জাতীয় সংসদ সদস্য অর্থাৎ এমপি। এই অঞ্চলের লেখাপড়া প্রায় অজানা একজন প্রবীণ বৃদ্ধ হিন্দু লোককে কেন আওয়ামী লীগকে ভোট দেন জানতে চাইলে, ঐ প্রবীণ বৃদ্ধ হিন্দু লোকটি বলেন, আমরা আওয়ামী লীগ টিগ বুঝি না। আওয়ামী লীগকে ভোটও দেই না। আমরা ভোট দেই নৌকায়। অর্থাৎ নৌকা মার্কায় ভোট দেই। নৌকা মার্কায় কেন ভোট দেন জানতে চাইলে তিনি বলেন বারে, নৌকায় ভোট দেব না? নৌকা যে দেবীর বাহন। মা দুর্গা দেবী এই বাহনে (নৌকা) চড়েই স্বর্গ থেকে ধরায় এসেছিলেন, অসুর (পাপিষ্ঠ) কে দমন করার জন্য। আর আমরা যদি মা দুর্গার বাহন নৌকায় ভোট না দেই, তাইলে দেবীর বাহনের অমর্যাদা হবে। মা দুর্গা অভিসম্পাত দেবে। এ জন্য দেখেন না, ভোটের সময় আমরা সকলেই গিয়ে, মা দুর্গা দেবীকে খুশি করার জন্য মা দুর্গা, মা দুর্গা বলে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আসি। একজনও বাদ যাই না। সকলে গিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট না দিলে মা দুর্গা অসন্তুষ্ট হবে। আমাদের অমঙ্গল হবে। তাই যত কাম থাকুক, যত ঝামেলাই থাকুক, কোন রকমে শুধু ভোটকেন্দ্রে যেতে পারলেই হলো। আমরা সকলেই গিয়া নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আসবো। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৮৯-৯০ * হিন্দুরাই আমার বল-ভরসা: বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যেদিন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ঘোষণা করলেন, সেদিন তিনি নিজে মোট ৪টি আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেন। গোপালগঞ্জের ১টি, বাগেরহাটের ২টি এবং ঢাকার ডেমরা থেকে ১টি। এই মোট ৪টি আসন থেকে শেখ হাসিনা নিজে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেওয়ার পরের দিনই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ঢাকার ডেমরা আসন থেকে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিলে, ঢাকার মেয়র মোহাম্মদ হানিফের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করে বলেন, আপনি গোপালগঞ্জ আর বাগেরহাটের (টুঙ্গিপাড়া মধুমতি নদীর অপরপার) ৩টি আসন থেকে দাঁড়ালেন অথচ ঢাকার একটি আসন থেকেও নির্বাচনে দাঁড়ালেন না। ৫টি আসন থেকে তো আপনি দাঁড়ালে পারেনই। খালেদা জিয়া ৫টি আসন থেকে দাঁড়িয়েছে; আপনিও ৫টি আসন থেকে দাঁড়ান। আপনি আমাদের নেত্রী, আপনি অন্তত ঢাকার দু'টি আসন থেকে নির্বাচনে দাঁড়ান। জবাবে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বললেন, গোপালগঞ্জে আর বাগেরহাটে তো ৭০% (সত্তর শতাংশ) হিন্দু আছে; ঢাকায় কত পার্সেন্ট হিন্দু আছে? হিন্দুরা ছাড়া মুসলমানরা আমাকে ভোট দেয় না। মুসলমানরা বেঈমান ও অকৃতজ্ঞ। হিন্দুরা ঈমানদার এবং কৃতজ্ঞ। আমি হিন্দুদের উপর ভরসা করতে পারি, বিশ্বাস রাখতে পারি। কিন্তু মুসলমানদের বিশ্বাস করা যায় না। ভরসা করা যায় না। এই জন্যই তো আমি সত্তর শতাংশ হিন্দুদের অঞ্চল গোপালগঞ্জ আর বাগেরহাট থেকে ৩টি (তিন) আসনে দাঁড়িয়েছি। কিন্তু ঢাকা থেকে ১টি (এক) আসনেও দাঁড়াইনি। যাও ডেমরা থেকে দাঁড়িয়েছিলাম খোঁজ খবর নিয়ে দেখলাম, ডেমরায় তেমন হিন্দু নে, তাই প্রত্যাহার করে নিয়েছি। ঢাকার মেয়র হানিফ বললেন, এটা আপনার ভুল ধারণা। মুসলমানরা ভোট না দিলে আপনার অন্যান্য প্রার্থীরা জিতে কিভাবে? বঙ্গবন্ধু কন্যা বললেন, মূলতঃ হিন্দুদের ব্যাংক ভোটটা পুরাটা পায়, বাকী আত্মীয়-স্বজন, নিজস্ব লোকলস্কর দিয়ে গুতিয়ে গাতিয়ে কোন রকমে বেরিয়ে আসে। হিন্দুরা না থাকলে আমি, আমার দল ১টি (এক) আসনেও জিততে পারতাম না। হিন্দুরা যাতে নিরাপদে-নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে এই জন্যই তো আমি এত আন্দোলন-সংগ্রাম করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আদায় করেছি। হিন্দুরাই আমার বল। হিন্দুরাই আমার ভরসা। নির্বাচনী প্রচারের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। সারা দেশ পোস্টার, প্লে-কার্ড ফেস্টুন, ব্যানার এবং দেয়াল লিখনে ছেয়ে গেছে। কোথাও এতটুকু খালি জায়গা নেই। প্রতিদিন রাতে চলছে মিটিং আর মিছিল। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ৯১ * দুই বোনের ভাগাভাগি: বর্তমানে বাংলাদেশের যিনি সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী, যার অঙ্গুলী হেলনে এদেশের বড় বড় ব্যবসা-বাণিজ্য, উচ্চ পর্যায়ের চাকরী-বাকরী নিয়ন্ত্রিত হয়, সরকারের সামরিক-বেসামরিক আমলা, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়স্বজন যে যেখানেই আছেন তাদের মধ্যে সবচাইতে শক্তিশালী ক্ষমতাধর, সামরিক সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে যে কোন পর্যায় পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদোন্নতি পদাবনতি এবং বদলী যার মনোবাসনা বা ইচ্ছানুযায়ী হয়, সরকারী পর্যায়ে ব্যবসা-বাণিজ্য না পাওয়া যার উপর নির্ভর করে, এদেশের বৈধ-অবৈধ সমস্ত টাকা-পয়সা যার হাতে জমা হয়, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবারের ক্যাশিয়ার যিনি, একমাত্র রাজনীতি ছাড়া গোটা দেশের অর্থনীতি একক হস্তে পরিচালনা করেন যিনি, এদেশের মানুষের জন্য বিন্দুমাত্র ভালবাসা মায়া-মমতার লেশমাত্র নেই যার, এদেশের মানুষকে শিয়াল (শৃগাল) কুত্তার (কুকুরের) জাতি, নিমকহারামের জাত ছাড়া অন্য কিছু ভাবেন না, অন্য কিছু বলেন না যিনি, মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে অথবা রাত পোহালে যদি শুনতে পেতেন, এদেশের বারো কোটি মানুষ সকলেই মহাপ্রলয়ে নিহত হয়ে গেছে তাহলে খুশিতে আত্মহারা হয়ে যাবেন যিনি, সদাসর্বদত্র, এদেশের মানুষের অনিষ্ট-অমঙ্গল ছাড়া অন্য কিছু চিন্তা এবং কামনা করেন না যিনি, তিনি আর কেউ নন, তিনি হলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান-এর ২য় কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদরের ছোট বোন শেখ রেহানা। ৭ই জুলাই ১৯৯৬-এর অপরাহ্নে তিনি এলেন গণভবনে। তারই বড় বোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। এসেই সরাসরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিৎকার করে বললেন, এই, শেখ মুজিব কি একা তোমার বাপ? শেখ মুজিব কি আমার বাপ না? আমার ভাগ কই? আমি কি ভাগ পাই না? আমার ৫টা মন্ত্রী নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মন্ত্রী পাবি না। চালাইতেছি, চালাইতে দে। যত টাকা দরকার পাবি। সব তুই নে। দুই বোনের চিৎকারের চোটে প্রধানমন্ত্রীর ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌ-বাহিনীর ৬৪ (চৌষট্টি) জন অফিসার সমন্বয়ে ১৬শ (ষোলশ) সদস্যের একটি বিশেষ দল পিজি আর (প্রাইম মিনিস্টার গার্ড রেজিমেন্ট)-এর ঐ দিন ডিউটিরত সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালনে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চোখের ইশারায় তাদেরকে সরিয়ে এনে, এটা প্রধানমন্ত্রীর একান্তই নিজস্ব এবং পারিবারিক ব্যাপার বলে ওভারলুক (দৃষ্টি এড়িয়ে যাওয়া) করার পরামর্শ দেওয়া হয়। আজই যদি আমার পাঁচজনকে মন্ত্রী না করো, তবে আমি আমেরিকায় চলে যাব। যখন আসবো তখন সমান ভাগ নিয়ে আসবো। মনে রেখ। এ কথা বলে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা চলে গেলেন। পরবর্তী পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমেরিকায় যেয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে ভাগাভাগি এবং আপোষ রফা করে তার ছোট বোন শেখ রেহানাকে দেশে নিয়ে আসেন এই শর্তে যে, শেখ রেহানাই হবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্যাশিয়ার। সমস্ত টাকা-পয়সা শেখ রেহানার হাত দিয়ে আসতে হবে এবং শেখ হাসিনার পর শেখ রেহানাই হবেন শেখ মুজিবের উত্তরসূরী। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ১০২-১০৩ * কার কত টাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানার এখন একই একাউন্ট, একই হিসাব। দুই বোনের মধ্যে অনেক ঝগড়া-ঝাটির পর দু'জনে মিলে একটি একাউন্ট হওয়ার বিনিময়ে আপোষ করা হয়েছে। এই দুই বোনের বর্তমানে আমেরিকায় (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) তিনটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর হয়েছে। এর একটি চালায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে পুতুল ও তার স্বামী। অপরটি চালায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে জয় এবং তৃতীয়টি চালায় প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানার ছেলে ববি। এছাড়া এই দুই বোনের বিভিন্ন দেশে প্রায় তিন থেকে চার হাজার কোটি টাকা নগদ আছে। প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো ভাই শেখ হেলাল এমপি প্রায় হাজার কোটি কোটি টাকার উপরে মালিক। প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো বোন লুনা এবং মিনা শত শত কোটি টাকার মালিক। প্রধানমন্ত্রীর অপর চাচাতো ভাই রুবেল ও তার অন্যান্য ভাইয়েরা শত কোটি টাকার মালিক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী চাচাতো চাচা শেখ হাফিজুর রহমান টোকন প্রায় পাঁচশ কোটি টাকার মালিক। প্রধানমন্ত্রীর বাবার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে প্রধানমন্ত্রীর এ পি এস বাহাউদ্দিন নাসিম এবং তার চাচাতো ভাই প্রধানমন্ত্রীর চীফ সিকিউরিটি নজিব আহাম্মেদ নজিব ও তার ভাইয়েরা মিলে বর্তমানে কয়েক হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট এবং দূর সম্পর্কের আত্মীয়-স্বজনেরা এমন কেউ নেই, যিনি বর্তমানে শত কোটি টাকার মালিক হননি। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃঃ ১৩৪-১৩৫ * [[মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর|মির্জা ফখরুল]] ক্ষমতা দখল করার জন্য নেতাকর্মীদের অতিরিক্ত কাপড় নিয়ে ঢাকা আসতে বলেছেন। তো আমরা কি দাঁড়িয়ে ললিপপ খাবো? আমরাও প্রস্তুত আছি। অবরোধ করলে বিএনপি অবরোধ হয়ে যাবে। খেলা হবে। বিএনপির পরিণতি শাপলা চত্বরের থেকেও করুণ হবে। শেখ হাসিনা মাথা নত করবে না।” ** [[ওবায়দুল কাদের]] ১৬ অক্টোবর ২০২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী যুবলীগের এক [https://bangla.dhakatribune.com/politics/72076/%E2%80%98%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A3-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A3%E0%A6%A4%E0%A6%BF সমাবেশে] বলেছেন। * আওয়ামী লীগের জুনিয়র সারির নেতারা একদিন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার পুত্র জয়কে বলছে, "আমরা আছি, আপনি যখন প্রধানমন্ত্রী হবেন তখন আপনার সাথে আমরা আছি।" জয় বলছে, “প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মানুষের কাছে ভোট ভিক্ষা করে। ভোট ভিক্ষা করে আমি কোনোদিন রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী হব না। যদি রাজা বানান তাহলে আছি, নইলে নাই।" বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সঙ্গে সঙ্গে বললেন, "বাবা আমরা তো রাজাই, আগামীতে তো তুমিই রাজা হবা। তোমার নানা তো এদেশের রাজাই ছিলেন, তোমার নানাই তো এই দেশ সৃষ্টি করেছে, এই দেশের মালিক ছিল। চাকর- বাকররা ষড়যন্ত্র করে তোমার নানাকে মেরে সিংহাসন দখল করেছে। আলীবর্দী খাঁ যেমন বাংলার নবাব ছিলেন, তারপরে তাঁর নাতি সিরাজদ্দৌলা নবাব হয়েছিল। তোমার নানা শেখ মুজিবর রহমানও বাংলাদেশের রাজা ছিল, আগামীতে তুমিই বাংলাদেশের রাজা হবে। রাজা বাদশাদের আধুনিক নামই রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী। ** মতিউর রহমান রেন্টু, আমার ফাঁসি চাই, পৃষ্ঠা ২১০ ==আরও দেখুন== * [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:নারী রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:সরকার প্রধান]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:শেখ পরিবার]] 5fe4lm6hqxc4kx7z8zylg5kcetvdhyk বিষয়শ্রেণী:অনুভব 14 528 84158 9194 2026-08-10T23:50:43Z Jjaa1111 6017 84158 wikitext text/x-wiki গেমের আইডি [[বিষয়শ্রেণী:প্রধান পাতা]] feg9gpnp6cci8o4n05lua471j5p0l7p 84160 84158 2026-08-11T02:14:28Z খাত্তাব হাসান 7 সংশোধন 84160 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:আবহ]] gp3yv0an3gntmp5593gpf17nvlsjfpr ২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন 0 8323 84146 83948 2026-08-10T15:47:42Z ফারদিন 52 84146 wikitext text/x-wiki {{npov}} [[File:7.Bangladesh quota reform movement 2024.jpg|thumb|...পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা ‍~ সানজিদা চৌধুরী]] [[File:কোটা সংস্কার আন্দোলন, শাহবাগ, কাঁটাবন, সায়েন্স ল্যাব, জুলাই ২০২৪ (৮).jpg|thumb|কোটা না মেধা? মেধা, মেধা ~ বহুল প্রচলিত স্লোগান]] '''[[w:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]]''' হলো বাংলাদেশে সব ধরনের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটার ভিত্তিতে নিয়োগের প্রচলিত ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে সংগঠিত একটি আন্দোলন। ২০২৪ সালের ৫ জুন বাংলাদেশ হাইকোর্ট ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করার পর কোটা পদ্ধতির সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সালে নতুনভাবে আলোচনায় আসে। == স্লোগান == * এই মুহুর্তে দরকার, সেনাবাহিনী সরকার ** [https://bn.observerbd.com/details.php?id=109955 অবজার্ভারবিডি] *{{w|তুমি কে? আমি কে? রাজাকার রাজাকার}}, কে বলেছে কে বলেছে, স্বৈরাচার স্বৈরাচার/সরকার সরকার * দফা এক, দাবি এক, শেখ হাসিনার পদত্যাগ ** [https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/news/one-demand-now-3668981 দ্য ডেইলি স্টারে] উদ্ধৃত। * [[শেখ মুজিবুর রহমান|বঙ্গবন্ধুর]] বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই ** দৈনিক ইত্তেফাকের সংবাদ, [https://web.archive.org/web/20250514081515/https://www.ittefaq.com.bd/692965/%E2%80%98%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A7%E0%A6%BE-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E2%80%99 আর্কাইভকৃত] * [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধের]] বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই ** চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাদুঘরে [https://museum.cu.ac.bd/?page_id=496 উদ্ধৃত] [https://web.archive.org/web/20260322120118/https://museum.cu.ac.bd/?page_id=496 (আর্কাইভে সংরক্ষিত]) * লাশের ভেতর জীবন দে, নইলে গদি ছাইড়া দে ** [https://www.prothomalo.com/bangladesh/145xh9480o প্রথম আলো]তে উদ্ধৃত * সংবিধানের মূল কথা, সবার জন্য সমতা ** [https://www.dhakapost.com/campus/290575 ঢাকাপোস্ট] ও [https://rtvonline.com/national/281749 আরটিভি অনলাইন] * স্টেপ ডাউন হাসিনা (হাসিনা পদত্যাগ কর) ** [https://scroll.in/latest/1071628/step-down-hasina-as-millions-take-to-the-streets-in-bangladesh-48-feared-dead স্ক্রল.ইনে প্রকাশিত] === প্রথম আলোর "বিদ্রোহে-বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে হতে" এ উদ্ধৃত === প্রথম আলোর ২৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে প্রকাশিত কলাম [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে] ([https://web.archive.org/web/20251012120631/https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao আর্কাইভকৃত]) উদ্ধৃত স্লোগান: * আপস না সংগ্রাম? সংগ্রাম সংগ্রাম * আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই * আঁর ন হাঁইয়্যে, বৌতদিন হাঁইয়্য’ ** চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার একটি স্লোগান, অনুবাদ: আর খেয়ো না, অনেক দিন খেয়েছ। * এক দফা, এক দাবি স্বৈরাচার তুই কবে যাবি * এক দুই তিন চার, শেখ হাসিনা, গদি ছাড় * এক দফা দাবি এক, কোটা নট কামব্যাক * '''কোটা না মেধা? মেধা, মেধা''' * চাইলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার! * জনে জনে খবর দে, ছাত্রলীগের কবর দে। * ঢাকায় আসো জনতা, ছাড়তে হবে ক্ষমতা। * তুমি কে? আমি কে? বিকল্প, বিকল্প * তোর কোটা তুই নে, আমার ভাই ফিরিয়ে দে। * দালালি না রাজপথ? রাজপথ, রাজপথ। * পালাইছে রে পালাইছে, হাসিনা পালাইছে। * লাখো শহীদের দামে কেনা, দেশটা কারও বাপের না। * স্বৈরাচার, স্বৈরাচার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়। * বুকের ভেতর অনেক ঝড় বুক পেতেছি গুলি কর। == বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সম্পর্কে উক্তি == * বীর মুক্তিযোদ্ধা সবাই অনগ্রসর নন, তাই সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা রাখা সংবিধানসম্মত নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে বড় আকারে মুক্তিযোদ্ধা কোটা চিরস্থায়ী করলে স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্যকে ধ্বংস করা হয়।’ ** [[জি এম কাদের]], বিরোধীদলীয় নেতা, ৩ জুলাই ২০২৪, জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্য * ‘এত আন্দোলন কিসের রাস্তায় শুরু হয়েছে? আন্দোলনের চাপ দিয়ে কি হাইকোর্টের রায়, সুপ্রিম কোর্টের রায় পরিবর্তন করবেন?’ ** ওবায়দুল হাসান, ৪ জুলাই ২০২৪, প্রধান বিচারপতি, হাইকোর্টের দেওয়া রায় নিয়ে আপিল বিভাগের শুনানিতে দেওয়া বক্তব্য * ২০১৮ সালে গণ-আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছর নির্বাহী বিভাগ কোটা বাতিল করে যে পরিপত্র জারি করেছিল, আজকে বিচার বিভাগ দিয়ে সেই কোটাকে আবার পুনর্বহাল করা হলো। এটা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটা প্রহসন। রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যে এই সমন্বয়হীনতা ও অন্তর্দ্বন্দ্বের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করুক এবং শিক্ষার্থীদের দাবি বিবেচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সেগুলো পূরণ করুক।’ ** নাহিদ ইসলাম, ৪ জুলাই, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক, শাহবাগ মোড় অবরোধ কর্মসূচিতে দেওয়া বক্তব্য * রেল ট্রানজিটের নামে ভারতকে একতরফা করিডর দিলে দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করা ও বৈষম্যমূলক কোটা পুনঃপ্রবর্তনের মাধ্যমে ’৭১ পূর্ব পাকিস্তানি বৈষম্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হলে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ অনিবার্য হয়ে যাবে। এই সরকার দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একতরফাভাবে ভারতকে রেল করিডর দিয়েছে। এই ডামি সরকার মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে ভূলুণ্ঠিত করেছে। আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে আবার নতুন করে কোটা প্রথা চালু করতে চাইছে। ভারতকে করিডর দিয়ে, জনগণের সম্পদ লুটপাটকারীদের সুবিধা দিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আরও দীর্ঘায়িত করতে চায়। ডামি সরকারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং গণতন্ত্র উদ্ধার করে দেশকে এই ফ্যাসিবাদীদের কবল থেকে মুক্ত করতে হবে। ** আব্দুল ওহাব মিনার, ৬ জুলাই ২০২৪, যুগ্ম আহ্বায়ক, এবি পার্টি, ট্রানজিটের একতরফা রেল করিডর, কোটা পুনঃপ্রবর্তন বাতিল ও ডামি সরকারের পদত্যাগসহ চার দফা দাবিতে বিজয়নগরের বিজয়-৭১ চত্বরে অবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচিতে [https://samakal.com/politics/article/245267/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF:-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF] * আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ভুল বুঝিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মুখোমুখি করা হয়েছে এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আরেকটা খুবই ভুল ধারণা তৈরি করা হয়েছে যে, কোটা এবং মেধা, মনে হতে পারে যে, যারা কোটায় চাকরি করে তাদের কোন মেধা নেই। কিন্তু আবেদন করার ক্ষেত্রে কোটা লাগে না, প্রিলিমিনারিতে কোটা লাগেনা, লিখিততে কোটা লাগেনা। একদম শেষ মুহূর্তে গিয়ে কোটা এপ্লাই হয়। তখন মেধায় আসলে সবাই সমান। আমার সামনে যদি দুইটা অপশন থাকে যে, দুইজনই সমান মেধাবী, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও একজন রাজাকারের সন্তান, আমি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে চাকরি দিতে চাই। (শেখ হাসিনা: অবশ্যই) জ্বি। সেটা একটা। ফলে মেধা এবং কোটা খুব সহজেই মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাচ্ছে যে সব মেধাবীরা চাকরি না নিয়ে কোটার চাকরি। আপনাকে খুবই ধন্যবাদ যে আপনারা গত ১০-১২ দিন ধরে আন্দোলন করছে আপনারা অসীম ধৈর্যের সাথে আন্দোলন মোকাবেলা করছেন এবং যারা আন্দোলন করছে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে চাকরি না পেয়ে বঞ্চিত। তাদের ক্ষোভের সাথে আমি খুবই একমত। তাদের পেছনে কি অন্য কেউ ইন্ধন যুগিয়ে ভুল বুঝিয়ে বিভ্রান্ত করে মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোমুখি করছে কিনা। আমার আপনার কাছে আবেদন থাকবে যে আপনারা যে ধৈর্য দেখে যাচ্ছেন সেটা দেখিয়ে যদি তাদের সাথে কোন ভাবে তাদেরকে বুঝিয়ে শুনিয়ে, আগামী ৭ই আগস্ট পর্যন্ত কিছু করার নাই কারন সেদিন আপিল বিভাগের শুনানি হবে। তারপর আপিল বিভাগের রায়ের পর হয়তো নির্বাহী বিভাগ কি করবে না করবে। ততদিন তারা যাতে অন্তত বুঝতে পারে সেটা যদি আপনি অনেক সংবেদনশীলতার সাথে যদি বিষয়টা বিবেচনা করেন তাহলে ভালো হয় আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ** [[প্রভাষ আমিন]], ১৪ জুলাই ২০২৪, এটিএন নিউজে হেড অফ নিউজ, গনভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে *মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরাও পাবে না? তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে। তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না। অপরাধটা কী? নিজের জীবনবাজি রেখে, সংসার সব ফেলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে। দিনরাত খেয়ে না খেয়ে, কাদামাটি ভেঙে, রোদ-বৃষ্টি-ঝড় মোকাবিলা করে যুদ্ধ করে এ দেশের বিজয় এনেছে। বিজয় এনে দিয়েছিল বলে সবাই উচ্চপদে আসীন। এখানে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করা একটা কৌশল। তার মানে হলো মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-নাতি-পুতিরা কেউ মেধাবী না, যত রাজাকারের বাচ্চারা-নাতি-পুতিরা হলো মেধাবী, তাই না? এটা ভুলে গেলে চলবে না যাদের মেধাবী না বলছে, তাদের হাতে ওনারা পরাজিত। যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা জয়ী হয়েছিল রাজাকারদের বিরুদ্ধে, এই কথাটা মনে রাখা উচিত। তাদের মেধাটা কোথায়? সেটা আমার প্রশ্ন। মেধা কার কত, সেটা পরীক্ষার প্রিলিমিনারিতে, লিখিত পরীক্ষায়, তারপর ভাইভা হয়। সেই সময় যেটা… সেটা বাস্তবতা তো যদি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয় সেই পাবে। আর সব সময় সব কোটা পূর্ণ হয় না। যেটা বাকি থাকে তা তালিকা থেকেই দেওয়া হয়। অনেক চাকরিতে মেধার তালিকা থেকে দেওয়া হচ্ছে। এ নির্দেশনা দেওয়া আছে। কিন্তু সেখানে অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা অগ্রাধিকার পাবে, এটা দিতে হবে। ** প্রধানমন্ত্রী [[শেখ হাসিনা]] ১৪ জুলাই ২০২৪ তারিখে গণভবনে এটিএন বাংলার সাংবাদিক [[প্রভাষ আমিন]]ের "আমরা আসলে মেধায় সবাই সমান। আমার কাছে যদি দুইটা অপশন থাকে, দুইজনই সমান মেধাবী, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও একজন রাজাকারের সন্তান, তাহলে আমি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বেছে নেব।" মন্তব্যে *আমি লেখাটি লিখতে শুরু করেছিলাম। শেষ করার আগেই জানতে পারলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটাবিরোধী ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে ঘোষণা দিয়ে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রকম্পিত করেছে। এই লেখাটি শেষ করার আর কোনও প্রয়োজন নেই।’ ‘লেখাটি শেষ না করে নিচের অংশটুকু লিখেছি। ঘুমানোর আগে খবরটি দেখে মাথার মাঝে একটা বিস্ফোরণ হলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে দাবি করেছে। খবরটি নিজের চোখে দেখেও বিশ্বাস হয় না— এটি কি সত্যিই সম্ভব? বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র বা ছাত্রী কি সত্যিই নিজেকে রাজাকার হিসেবে দাবি করতে পারে? শুধুমাত্র একটা সরকারি চাকরির জন্য? কোন দেশের সরকার, বাংলাদেশ নাকি পাকিস্তান? এই ছাত্র-ছাত্রীরা কি জানে, চাকরি অনেক দূরের ব্যাপার, তাদের যে এই দেশের মাটিতে থাকার অধিকার নেই? ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমার বিশ্ববিদ্যালয়, আমার প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়। তবে আমি মনে হয় আর কোনোদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে চাইব না। ছাত্র-ছাত্রীদের দেখলেই মনে হবে, এরাই হয়তো সেই রাজাকার।’ ‘আর যে কয়দিন বেঁচে আছি, আমি কোনো রাজাকারের মুখ দেখতে চাই না। একটাই তো জীবন। সেই জীবনে আবার কেন নূতন করে রাজাকারদের দেখতে হবে?’ ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার কিছু চাইবার নেই, স্বাধীন একটা দেশ চেয়েছিলাম, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়েছিলাম। দু’টোই পেয়ে গেছি। এখন যদি আরও কিছু পাই সেটা হবে বোনাস। (তবে অস্বীকার করব না বেনজীর-আবেদ আলীদের সামলে-সুমলে রাখলে একটু আনন্দ পেতাম।)’ ‘আমরা সবাই জানি, একটা দেশে যদি সবাই সমান সুযোগ পায়, সুবিধা পায় আর সবার যদি সমান অধিকার থাকে, তাহলে কোটার কোনও প্রয়োজন নেই। যদি না থাকে তাহলে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য কোটা রাখা একটা মানবিক ব্যাপার। অবশ্য মানবিক ব্যাপার কথাটা একটু খানি বইয়ের ভাষা, সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত কয়জনের আর অন্যদের মানবিক ব্যাপার নিয়ে মাথা ব্যথা আছে?’ ‘যদি কোটার ব্যাপারটা সহজভাবে লিখি তাহলে বলা যায়, দুই রকম কোটা আছে একটা ভালো, অন্যটা খারাপ। প্রথমে খারাপটার কথা বলি, তার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হচ্ছে— পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ছেলেমেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার কোটা, যেটাকে পোষ্য কোটা বলে। আমি খুঁটিনাটি জানি না, সম্ভবত পোষ্য কোটা শুধু শিক্ষকদের জন্য না, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্যও খোলা, কিন্তু বাস্তবে শিক্ষকদের সন্তানদের ছাড়া আর কোনও সন্তান সেই সুযোগ ব্যবহার করতে পেরেছে বলে মনে হয় না। এই পোষ্য কোটা নিয়ে কখনও কোনও উচ্চবাচ্য হতে দেখিনি। যদিও পোষ্য কোটার ছাত্র-ছাত্রীরা পাস করার পর আবার তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক বানাবার একটি নতুন চাপ শুরু হয়, নিজের চোখে দেখা। আর ভালো কোটার উদাহরণ হচ্ছে—... **মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ১৪ জুলাই ২০২৪, অধ্যাপক ও লেখক [https://www.jagonews24.com/amp/956143] * কোটা সংস্কার আন্দোলনে যাঁরা ‘‘আমি রাজাকার’’ স্লোগান দিচ্ছেন, তাঁদের শেষ দেখিয়ে ছাড়ব। ** সাদ্দাম হোসেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ১৫ জুলাই ২০২৪ * কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কতিপয় নেতারা যে সব বক্তব্য রেখেছে, তার জবাব দেয়ার জন্য- আত্মস্বীকৃত রাজাকার, যারা নিজেদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ মানসিকতার প্রকাশ ঘটিয়েছে; তার জবাব দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। ছাত্রদের বিষয় ক্যাম্পাসের মধ্যেই সীমিত থাকবে। আমরা দেখি, রাজনৈতিকভাবে কারা প্রকাশ্যে আসে, তখন দেখা যাবে। আমরাও মোকাবেলা করতে প্রস্তুত। ** [[ওবায়দুল কাদের]], ১৫ জুলাই ২০২৪ *যারা নিজেদেরকে রাজাকার বলে পরিচয় দেয়, তাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদের রক্তস্নাত লাল সবুজের পতাকা হাতে নিয়ে বা সে পতাকা কপালে বেঁধে নিয়ে মিছিল করবার কোনো অধিকার থাকতে পারে না।’’ ** [[দীপু মনি]], ১৫ জুলাই, [https://www.somoynews.tv/news/2024-07-15/2KvCG3uW] * রক্তাক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়! আমার ক্যাম্পাসে রক্ত কেন? প্রতিবাদ জানাই।’ ** আয়মান সাদিক, ১৫ জুলাই, টেন মিনিট স্কুলের স্বত্ত্বাধিকারী [https://www.jagonews24.com/social-media/news/955804] *কথা বলার স্বাধীনতা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না আমি তাদের (আন্দোলনকারীদের) পূর্ণ সমর্থন করি। সহিংসতা দিয়ে সত্যকে কখনো থামানো যায় না। সত্য কখনো মরে না। বাংলাদেশের জন্য দোয়া করবেন। ** দাউদ কিম, ১৬ জুলাই ২০২৪,‌ দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার‌, ফেসবুক স্ট্যাটাসে[https://www.somoynews.tv/news/2025-07-20/H3KVsSTV] *বাংলাদেশে যা ঘটছে তা ভয়াবহ। কিন্তু মিডিয়া এত চুপ কেন? আর পুলিশ এখন কি করছে? এটি লজ্জার, ওরা আপনার ভাই! আপনি যখন নিরপরাধ ছাত্রদের সাথে সহিংস আচরণ করছেন, তখন আপনি কোন ন্যায়বিচারের কথা বলছেন? যারা সহিংসতার মাধ্যমে স্বাধীনতার জন্য লড়াইকারীদের থামানোর চেষ্টা করছেন; তাদের (শিক্ষার্থীদের) ইচ্ছাকে কখনোই থামাতে পারবেন না। আল্লাহ তাদের পথচলা সহজ করুন। যারা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আল্লাহ তাদের অসীম গৌরব ও বিশ্রাম দিন… আমিন। ** দাউদ কিম, ১৬ জুলাই ২০২৪,‌ দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার‌, ফেসবুক স্ট্যাটাসে [https://www.somoynews.tv/news/2025-07-20/H3KVsSTV] * ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করা হলো। ** আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ফেসবুক ওয়ালে ও শাবিপ্রবির বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081] * মুহম্মদ জাফর ইকবালকে আমরা খুব শ্রদ্ধা করতাম। কিন্তু তার গতকালকের লেখাটি আমাদের হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে। তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। শিক্ষার্থীরা যখন খুন হচ্ছে, হামলার শিকার হচ্ছে তখন একজন শিক্ষক হয়ে তিনি এ ধরনের লেখা লিখতে পারেন না। তাই আমরা তাকে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে আজীবনের জন্যে নিষিদ্ধ করেছি। [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081] * নাম না প্রকাশ করার শর্তে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এক শিক্ষার্থী, ১৭ জুলাই ২০২৪, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081] * জাফর ইকবাল স্যার সম্পর্কে আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো কথা বলতে চাই না। আমার ধারণা উনার প্রচণ্ড বুদ্ধিসুদ্ধির অভাব আছে। হয় উনার মধ্যে প্রচণ্ড অপরাধবোধ কাজ করে যে ১৯৭১ সালে উনি কী করেছেন, এই অপরাধবোধ ঢাকার জন্য উনি অতিরিক্ত মুক্তিযোদ্ধা সাজার চেষ্টা করেন। অধ্যাপক জাফর ইকবালের কাছে তার একটাই প্রশ্ন- আপনি কী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বোঝেন? আপনি কি পড়াশোনা করেছেন? আপনি কি বাহাত্তর সনে গণপরিষদ বিতর্ক পড়েছেন? তার তো কোনো পড়াশোনাই নাই, সে তো শিক্ষাবিদ দূরের কথা উনি বুদ্ধিপ্রতিবন্ধক একজন মানুষ। ** আসিফ নজরুল, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.ittefaq.com.bd/694138/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2] * আমাদের সাইট থেকে তার (মুহম্মদ জাফর ইকবালের) সব বই ‘নট অ্যাভেইলেবল’ করে দেওয়া হয়েছে। ** রকমারি ডট কম কর্তৃপক্ষ, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.rtvonline.com/bangladesh/283021] * শুধু কোটা নয়; গোটা দেশটাই সংস্কারের প্রয়োজন। ** [[মিজানুর রহমান আজহারী]] ১৭ জুলাই ২০২৪ বুধবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে তিনি বলেন,[https://dainikamadershomoy.com/details/0190bf2b9c2f] * '''...পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা''' ** সানজিদা চৌধুরীর উক্তি, ১৭ জুলাই ২০২৪, [https://www.somoynews.tv/news/2025-02-21/24NM1wYW সময়টিভিতে উদ্ধৃত] * এই আন্দোলনের শুরু থেকেই সরকার যথেষ্ট ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন করেছে। বরং আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশ সহযোগিতা করে। মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে যখন আন্দোলনকারীরা স্মারকলিপি প্রদান করার ইচ্ছা প্রকাশ করে, সে ক্ষেত্রে তাদের সুযোগ করে দেওয়া হয় এবং নিরাপত্তারও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো- কিছু মহল এই আন্দোলনের সুযোগটা নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করার সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। এর ফলে এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে যে সব ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক। অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল। আপনজন হারাবার বেদনা যে কত কষ্টের, তা আমার থেকে আর কে বেশি জানে। ** [[শেখ হাসিনা]], ১৭ জুলাই ২০২৪, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে * ভাই, পানি লাগবে কারও পানি? ** [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]], ১৮ জুলাই ২০২৪, ঢাকায় একটি আন্দোলনে পুলিশের লক্ষহীন এলোপাথাড়ি গুলিতে মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে ছাত্রদের মাঝে বিনামূল্যে পানি ও বিস্কুট বিতরণ করার সময় [https://www.jugantor.com/national/830891/%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%AB-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9F-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7] * ‘এ আগুন থামান। এ আগুন নেভানোর দায়িত্ব সরকারের। কালবিলম্ব না করে সম্ভব হলে আজ-কালকের মধ্যেই স্পেশাল কোর্ট বসিয়ে সমস্যার সমাধান করুন। সময় খুব কম। আমরাও সরকারে (এরশাদের আমলে) ছিলাম। আমরাও এভাবে আন্দোলনকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিলাম। নূর হোসেন মারা যাওয়ার পর অনেকে বলেছিলেন, টোকাই মারা গেছে, কী হবে? কিন্তু আমি বলেছিলাম, না, এই নূর হোসেন একক কোনো ব্যক্তি নয়।’ **কাজী ফিরোজ রশীদ, ১৮ জুলাই ২০২৪, নির্বাহী চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টি (রওশন এরশাদপন্থী) * ‘সব ধরনের সহিংসতা ও বলপ্রয়োগ, বিশেষ করে প্রাণহানির ঘটনার অবশ্যই তদন্ত করতে হবে এবং দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ মানুষের মৌলিক মানবাধিকার।’ **ভলকার টুর্ক, ১৮ জুলাই ২০২৪, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার, এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে * আপনার কোনো অধিকার নেই আমাকে রাজাকারের বাচ্চা বলার! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আপনি কোন সাহসে আমাকে রাজাকারের বাচ্চা বলেন? আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! ** দীপ্তি চৌধুরী, ১৮ জুলাই, আলোচনা সঞ্চালক, চ্যানেল আইএর টু দ্য পয়েন্ট নামক টকশোতে আলোচক সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক স্টুডিও ছাড়ার আগে তাকে ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে সম্বোধন করার প্রতিক্রিয়ায় [https://www.ntvbd.com/bangladesh/news-1435909] * আমি ভারতের নাগরিক। বাংলাদেশ আমাদের প্রতিবেশী। তার বিষয় আসয়ে নাক গলানোর অধিকার আমার নেই। সেটা করতে চাইও না। তবু বাংলাদেশের অনেকের কাছ থেকে যে ভালবাসা আমি পেয়েছি তা ভুলে থাকতেও পারছি না। বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থায় চুপ করে বসে থাকতে পারি না। থেকেছি কয়েক দিন। আর পারছি না। কিন্তু অবস্থাটা যে ঠিক কী, কী কী কারণে যে এমন হল এবং হচ্ছে, কারা যে এতে জড়িত তাও তো ঠিকমতো জানি না। তাও পঁচাত্তর উত্তীর্ণ এই বাংলাভাষী করজোড়ে সব পক্ষকে মিনতি করছি: অনুগ্রহ করে হিংসা হানাহানি বন্ধ করুন। ঢাকা সরকারকে অনুরোধ করছি: বাংলা ভাষার কসম শান্তি রক্ষার চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। আপনাদের ছাত্রবাহিনী যেন হিংসার আশ্রয় না নেন।” “হানাহানি বন্ধ হোক। বন্ধ হোক উল্টোপালটা কথা বলে দেওয়া। বাঁচুক বাংলাদেশ। বাঁচুন বাংলাদেশের সকলে। জয় বাংলাদেশ। জয় মুক্তিযুদ্ধ। জয় অসংখ্য বাংলাদেশীর শাহাদাত ও অপূরণীয় ক্ষতিস্বীকার। জয় বীরাঙ্গনারা। জয় বাংলা ভাষা!”“বিরোধী হলেই রাজাকার!/ বলে দাও তবে দেশটা কার/ দেশটা কার দেশটা কার!” ** কবীর সুমন, ১৮ জুলাই ২০২৪, ফেসবুক পোস্টে [https://mzamin.com/news.php?news=119230] * প্রায় এক মাস হলো আমি নিজের দেশে নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খবরের চ্যানেলে তৃতীয় বিশ্বের কোনো খবরই তেমন একটা চলেনা। আর আমি খুব একটা ফোনের পোকা নই তাই এত খারাপ একটা খবর কানে আসতে দেরি হলো। বাংলাদেশের স্মৃতি নিয়ে স্বস্তিকা লিখেন, ‘এই তো কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ গেলাম, খুব ইচ্ছে ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় যাওয়ার। চারুকলা যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল, জীবনের একটা স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। প্রতিবার আসি, ব্যস্ততায় যাওয়া হয়না, মা‘ও খুব যেতে চাইতেন বাংলাদেশ, নিয়ে যাওয়া হয়নি। কিন্তু আজ একটা ভিডিও দেখলাম, গুলির ধোঁয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা আক্রান্ত। ছাত্র বয়স গেছে সেই কবে, তবে জাহাঙ্গীরনগর আর আমার যাদবপুর খুব কাছাকাছি। কাঠ গোলাপের গাছগুলোও কেমন এক রকম। এক রকম আকাশের মেঘগুলোও। কেবল আজ ওখানে বারুদের গন্ধ।’‘ময়দান ভারী হয়ে নামে কুয়াশায়, দিগন্তের দিকে মিলিয়ে যায় রুটমার্চ, তার মাঝখানে পথে পড়ে আছে ও কি কৃষ্ণচূড়া? নিচু হয়ে বসে হাতে তুলে নিই, তোমার ছিন্ন শির, তিমির।’ এমন এক আপ্যায়নপ্রিয় জাতি দেখিনি, খাবারের নিমন্ত্রণ যেন শেষ হতেই চায় না, অমন সুন্দর করে সারা রাস্তা জুড়ে ভাষার আল্পনা আর কোথায় দেখবো? নয়নজুড়ানো দেওয়াল লেখা? এ বোধহয় মুক্তিযুদ্ধের শপথ নেওয়া একটা জাতির পক্ষেই সম্ভব। আজ অস্থির লাগছে। আমিও তো সন্তানের জননী। আশা করবো বাংলাদেশ শান্ত হবে। অনেকটা দূরে আছি, এই প্রার্থনাটুকুই করতে পারি। অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো, সেই আমাদের আলো, আলো হোক, ভাল হোক সকলের। ** স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, ১৮ জুলাই ২০২৪, কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত আবু সাঈদের আঁকা ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে, যার উপরে লেখা "বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর।" [https://www.ntvbd.com/entertainment/news-1430941] [https://www.bvnews24.com/entertainment/news/155975] * বাংলাদেশে থাকা যেসব মানুষ ভোগান্তির মধ্যে আছেন, তাঁদের জন্য আমার প্রার্থনা ও সহমর্মিতা রইল। ** [[:w:এনসো ফের্নান্দেস|এনজো ফার্নান্দেজ]], ১৯ জুলাই ২০২৪, ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার, ফেসবুকের এক পোস্টে [https://www.prothomalo.com/sports/football/bbeqhr6be7] *এটা অবশ্যই কারফিউ। এটা নিয়ম অনুযায়ীই হবে এবং সেটা শুট অ্যাট সাইট হবে। ** [[ওবায়দুল কাদের]], ২০ জুলাই ২০২৪, গণভবনে ১৪ দলের বৈঠকের পর কারফিউ জারি ও সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সাংবাদিকদের দেওয়া বক্তব্য [https://www.prothomalo.com/bangladesh/34df7itae8] * দেশকে যখন আমরা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছি, তখন দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনের মধ্যে গুজব ছড়ানো হয়েছে, শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু বলে দিতে চাই, শেখ হাসিনা পালায়নি, পালায় না। আমি জানি ব্যবসা বানিজ্য সচল রাখতে হবে। এজন্য আপনাদের সহযোগিতা দরকার। যে ক্ষতি হয়েছে সেটি কারা করলো? এবার অতো সহজে ছাড়া হবে না। ধ্বংসযঞ্জে চালিয়ে দেশকে ধ্বংস করবে? আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই যাতে দেশের ভাবমূর্তি ঠিক থাকে। ভাবমূর্তি ঠিক না থাকলে ব্যবসা লাটে উঠবে। ** [[শেখ হাসিনা]], ২২ জুলাই ২০২৪, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে * সরকার আগে থেকে আন্তরিক হলে মৃত্যু কমানো যেতো। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা যে দাবি করেছিল, সেটা তো শেষ পর্যন্ত মেনে নেওয়া হয়েছে। এটাই যদি শুরুতে উদ্যোগ নিয়ে করা হতো তাহলে তো এত প্রাণহানি হতো না। বরং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগকে উস্কানি দিয়ে আন্দোলনকারীদের উপর হামলা না করালে হয়ত পরিস্থিতি এ দিকে যেতো না। ফলে আমি মনে করি, সরকার আন্তরিক হলেই প্রাণহানি কমতো। ** সাখাওয়াত হোসেন ২৫ জুলাই ২০২৪, নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%BE/a-69767637] * সরকার দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করেনি, ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গেছে। **[[জুনাইদ আহমেদ পলক]], ২৭ জুলাই ২০২৪, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, ‘শান্তির জন্য বৃক্ষ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/34df7itae8] * এখানে আমার তো কোনও চাওয়া-পাওয়া নেই। আমি তো ছেলে-মেয়েদের জন্যও কিছু করিনি। শুধু তাদের লেখাপড়া... নিজেরাই চাকরি করে লেখাপড়া করেছে। আমি কতটুকুইবা তাদের জন্য করতে পেরেছি। কিন্তু আমি দেশের মানুষের জন্য করেছি। আজ অন্তত মানুষের ভাত-কাপড়ের ব্যবস্থা, চিকিৎসার ব্যবস্থা, তাদের কাজের সংস্থান; সবই তো করে দিচ্ছিলাম। যখন আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেলাম, তখনই তাণ্ডব করে ঠিক যে জায়গাগুলো (প্রতিষ্ঠান) মানুষের সেবা করবে, সে জায়গাগুলোতে আঘাত করা হলো। সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার পরেও তাদের আর সেই শাটডাউন শেষ হয় না, কী কারণে আমি বুঝি না। আমরা তো সবগুলো দাবিই মেনে নিয়েছি। একটা মানলে আরেকটা, আরেকটা মানলে আরও একটা! আর এর ফল আজকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে সব একদিকে ছারখার, আর আজকে কত মানুষ জীবন হারালো! কতগুলো মানুষ পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে! কতগুলো মানুষ...। ** [[শেখ হাসিনা]], ২৭ জুলাই ২০২৪, আন্দোলনে আহতদের দেখতে শেরেবাংলা নগরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ট্রমাটোলজি অ্যান্ড অর্থোপেডিক রিহ্যাবিলিটেশন-নিটোর (পঙ্গু হাসপাতাল)-এ [https://www.banglatribune.com/national/855810/%E0%A6%8F%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B2-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] * মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের দিকেই যেন তাদের বেশি ক্ষোভ। আমার একটা কথা নিয়ে কত দিন প্রতিবাদ করল, কী কথা বলেছিলাম আমি? আমার কথাটাকে বিকৃত করা হয়েছিল। তাদের স্লোগানটা কী? ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার। তোমার বাবা, আমার বাবা, রাজাকার রাজাকার’। তার মানে তারা নিজেদেরই রাজাকার হিসেবে পরিচয় দিল। আমি তো তাদের রাজাকার বলিনি, তারা নিজেরাই স্লোগান দিয়ে নিজেদের রাজাকার হিসেবে পরিচিত করল সবার কাছে।” ** [[শেখ হাসিনা]], ২৭ জুলাই ২০২৪, বিটিভি ভবনের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শনকালে। * আপনাদেরও সাহায্য চাই। যদি আপনারা কিছু জানেন, আমাদের জানাবেন। কারণ, এভাবে বারবার বাংলাদেশে সহিংসতা, এটা আর হতে দেওয়া হবে না। এ কারণে আপনাদের সাহায্য চাই। এমন জানোয়ারের মতো বর্বরতা কেউ কেউ করতে পারে? একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানের লাশ ঝুলিয়ে রাখতে পারে? যারা এগুলোর সাথে জড়িত, অবশ্যই এদের বিচার করতে হবে। তা না হলে মানুষের নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না। আমি তো বুঝি আপনাদের বেদনা। প্রতিনিয়ত বাপ-মা-ভাই-বোনদের হারানোর ব্যথা নিয়ে আমাদের চলতে হয়। লাশটাও দেখতে পারিনি, কাফন-দাফনটাও করতে পারিনি। দেশেও ফিরতে পারিনি। ছয় বছর দেশে ফিরতে দেয়নি আমাকে। যখন দেশে এসেছি, সারা দেশ ঘুরেছি। এই দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছি। সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছিলাম। কিন্তু বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটাবে, এই সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটাবে- এটা তো কাম্য না। আপনাদের কাছে শুধু এইটুকু বলবো, আপনারা সবুর করেন। আর আল্লাহকে ডাকেন যেন এই সমস্ত খুনি-জালেমের হাত থেকে আমাদের দেশটা রেহাই পায়। আমি আপনাদের সঙ্গে আছি, পাশে আছি। আমারও আপনাদের চোখের পানি দেখতে হচ্ছে। এটিই সবচেয়ে কষ্টের। ** [[শেখ হাসিনা]], ২৮ জুলাই ২০২৪, গণভবনে কোটা আন্দোলনে নিহত ছাত্রদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে * কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মহাসচিব আন্তনিও গুতেরেস গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অত্যধিক বলপ্রয়োগের বিষয়ে সামনে আসা নানা প্রতিবেদনের বিষয়েও তিনি শঙ্কিত। যে-কোনো পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে জাতিসংঘ মহাসচিব তার ম্যান্ডেট অনুসারে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। ** স্টিফেন ডুজাররিক, ২৯ জুলাই, জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র [https://www.ittefaq.com.bd/694840/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B2%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%AA-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87] [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8/a-69839456] * দেশের সিভিল সার্ভিস থেকে শুরু করে সমস্ত সরকারি চাকরিতে সকলের বৈধভাবে প্রতিযোগিতা করার অধিকার থাকবে কিনা থাকবে না, এটি রাজনৈতিক প্রশ্ন। কিন্তু এর সমাধানের দিকে না গিয়ে দেশের সরকার প্রথমে উপেক্ষা করতে চেয়েছে, পরবর্তীতে দমননীতি অবলম্বন করেছে নিজের পেটোয়া বাহিনী দিয়ে। সেটা থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের শুরু। এখনো হত্যাকাণ্ডকে অস্বীকার করার জন্য চেষ্টা করছে। এই হত্যাকাণ্ড রাষ্ট্রীয় মদদে হয়েছে। এর বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের জন্য বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক তদন্ত দরকার। গতকাল (৩০ জুলাই ২০২৪) শোক দিবসের নামে একটা প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। সেখানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের জন্য শোক পালনের জন্য কালো ব্যাজ পরিধান করতে বলেছেন। আমরা সেটা প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা লাল ব্যাজ পরেছি। তারপরও তাঁদের তাঁরা শহীদ বলতে রাজি নন। তাহলে তাঁরা যদি শহীদ না হন, তাঁদের জন্য তাহলে প্রার্থনা করার দরকার কী? এ ধরনের অজস্র স্ববিরোধী আপনারা পাবেন। সরকার এখন এ হত্যাকাণ্ডকে জায়েজ করার জন্য অজুহাত দিচ্ছে। তারা মেট্রোরেল স্টেশনে হামলা করেছে, সেতু ভবনে হামলা করেছে অথবা বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনে হামলা করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, উন্নয়নের প্রতীকগুলো ধ্বংস করার জন্য বিরোধীরা এই আন্দোলনে ঢুকে পড়েছে। তবে দেশের মানুষ এটাকে মেনে নিল কেন? মানুষ যেটাকে দম্ভের প্রতীক মনে করে সেটিতে হামলা করে। এই সরকারের বৈধতার একমাত্র দাবি, তারা উন্নয়ন করেছে গত দেড় দশকে, আইয়ুব খানের এক দশক ছিল, শেখ হাসিনার দেড় দশক হয়েছে। এই শহরের মানুষ যে সরকারের উন্নয়নকে প্রত্যাখ্যান করেছে সেটা দেখা যায়। মানুষ যখন তথাকথিত উন্নয়নের প্রতীকে আক্রমণ করে তখন প্রথমে দেখে মনে হবে দুর্ঘটনা, কিন্তু না, এর পেছনে কারণ আছে। কেউ কি বিশ্বাস করেন এ সরকারের ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তারা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার করতে পারে? না। কারণ, তারা নিজেরাই হত্যাকারী। যারা নিজেরাই রাজাকার, খুনি, বিশ্বাসঘাতক তারা অপরকে বলে রাজাকার, খুনি, বিশ্বাসঘাতক। পৃথিবীতে এর চেয়ে বড় পরিহাস আর কী আছে। ক্ষমতার সর্বোচ্চ কেন্দ্রের চারদিকে আজ রাজাকারেরা বসে আছে। যখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরকারি বাহিনীর হামলার ফলে সাধারণ ছাত্ররা জেগে উঠল তাদের বিরুদ্ধে, তারা যখন পরাজয়ের মুখে, তখন তাদের সরিয়ে নিয়ে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ঢুকিয়ে দেওয়া হলো। তখনই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ল সারা দেশে। গুলিতে যাঁরা মারা গেছেন, তাঁরা আমাদের পথপ্রদর্শক। সংকটের উৎপত্তি কোথায়, সেদিকে না গিয়ে সরকার বলছে এই দল, সেই দলকে নিষিদ্ধ করব। সেটা সমস্যাকে আরও বাড়াবে। এজন্য এখন দরকার রাজনৈতিক সমাধান। বর্তমান সরকারকে ক্ষমা প্রার্থনা করে পদত্যাগ করতে হবে। পদত্যাগ ছাড়া নতুন কোনো ব্যবস্থা আমরা দিতে পারব না। ** সলিমুল্লাহ খান, ৩১ জুলাই ২০২৪, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের (ইউল্যাব) অধ্যাপক, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/5n7rtbmej1] [https://www.jugantor.com/national/others/832583/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0] * আমি ঘুমাতে পারি না, যখন মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর গল্প পড়ি। যে ছেলেটা আন্দোলনে গিয়েছিল বিস্কুট ও পানি দেওয়ার জন্য। সে মারা যাওয়ার আগেও বলছিল, কারও পানি লাগবে, পানি লাগবে? এ অবস্থায় তাকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ** [[আসিফ নজরুল]], ৩১ জুলাই ২০২৪ [https://www.jugantor.com/national/832296/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%C2%A0] * একটা জিনিস গেলে আবার গড়ে তোলা যায় কিন্তু একটা জীবন গেলে, প্রাণ গেলে তো আর ফিরে পাওয়া যায় না! যারা আপনজন হারিয়েছে, যে মা তার সন্তান হারিয়েছে, যে সন্তান তার বাবা হারিয়েছে, তাদের কষ্ট আর কেউ না বুঝুক, আমি তো বুঝি! কারণ আজকে এই আগস্ট মাস আমি তো বাবা-মা, ভাই সব হারিয়ে এই বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলাম নিজে ছোট ছোট বাচ্চাদের মাতৃস্নেহবঞ্চিত করে, কেন? বাংলাদেশের মানুষের জন্য। এই দেশের মানুষ সুন্দর জীবন পাবে, উন্নত জীবন পাবে, স্বাধীনতার সুফল পাবে। প্রত্যেকে পেট ভরে ভাত খাবে, প্রত্যেকে লেখাপড়া শিখবে, দারিদ্র্যের হাত থেকে মুক্তি পাবে। বাংলাদেশ উন্নত হবে, সমৃদ্ধশালী হবে, বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসন পাবে। যে মর্যাদা আমরা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর পেয়েছিলাম। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর যা আমরা হারিয়েছিলাম, আবার সেই মর্যাদা ফিরিয়ে নিয়ে আসব। আমি কিন্তু এনেছিলাম। বাংলাদেশ বিশ্বে সেই মর্যাদা পেয়েছে। সেই জায়গায় আমরা নিয়ে গিয়েছিলাম। আজকে বাংলাদেশ সম্পর্কে প্রতিটি জায়গায় নেতিবাচক একটা মনোভাব হয়ে গেছে। এই যে এতদিন এত শ্রম দিলাম, এত কষ্ট, নিজের দিকে তো তাকাইনি! নিজের ছেলে-মেয়ের তো কিছু করিনি! যেটুকু করেছি, এ দেশের মানুষের জন্য। ** [[শেখ হাসিনা]], ১ আগস্ট ২০২৪, জাতীয় শোক দিবস স্মরণে আলোচনাসভায় বক্তব্যে [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-601736] *...আপনাদের দুজনের কাছেই প্রশ্ন, তবে, পানি লাগবে কিনা, পানির বোতল কিন্তু আছে, আপনার ওখানে? পানি লাগবে পানি? হ্যাঁ, এরকম একটা বোতল আছে। মুগ্ধ আমাদের জন্য অনেকগুলো পানির বোতল রেখে গিয়েছে। সেই পানি এখানেও আছে।... (কয়েক সেকেন্ডের জন্য আবেগআপ্লুত হয়ে বাকরুদ্ধ থেকে আবার স্বাভাবিক হয়ে ভারী গলায়)... অগাস্ট মাস আমাদের শোকের মাস... অগাস্ট এর আগে জুলাইতে এমন করে শোক পালন করতে হবে...(ক্রন্দনরত) আমরা কেউ ভাবি নি।.. কিছুক্ষণ আগে আপনাকে একটা ঘটনার কথা বললাম,.. আপনি শুনেছেন, আমি আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আপনি এই ঘটনা বলবেন। কি হয়েছে একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে।.. (ক্রন্দন).. প্লিজ দর্শক কেউ ভাববেন না আমি প্ল্যান করে এসেছি, আমি কোন ভিউ বাড়ানোর জন্য কান্নাকাটি করছি, প্লিজ কেউ ভাববেন না। আমি একজন এঙ্কর,.. আম.. আহ.. আমার আসলে এই মুহূর্তে ইমোশনাল হওয়ার কথা না।.. আমি মূল অনুষ্ঠানে যাচ্ছি।..(স্বাভাবিক কণ্ঠে) আজ বারবার বঙ্গবন্ধুর কথা মনে পড়ছে,.. বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোকের উপর হত্যা করা হয়, তিনি হুংকার দিয়েছিলেন পাকিস্তানি স্বৈরশাসককে।...(ক্রন্দনরত) আজ বঙ্গবন্ধু থাকলে এই অবস্থা হতো?..। ** রোকসানা আঞ্জুমান নিকোল, ১ আগস্ট ২০২৪, যমুনা টিভির সঞ্চালক, রাজনীতি নামক টকশোতে [https://thedailycampus.com/struggle/148662/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD-%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE] * আমরা সকল নির্যাতন, গোলাগুলি, হত্যা, রক্ত– এগুলো দেখতে চাই না। এসবের বাইরে থাকতে চাই। অনেক হাইপারটেনশনের রোগী হয়ে গেছি। এগুলো দেখতে আর ভালো লাগে না। আমরা শান্তি চাই, রক্তপাত চাই না...আমি তো অনেককে অনেক কিছুই বলতে পারি। কিন্তু বিষয়টি সিদ্ধ হতে হবে। এগুলো তো প্রমাণিত হওয়ার ব্যাপার। কোনো প্রমাণিত সত্য আমার হাতে না পেলে, এটা বলতে পারি না। ** [[মোশাররফ করিম]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেতা [https://ntvbd.com/entertainment/news-1435217] * আমাদের যে ভাইরা, যে বন্ধুরা মারা যাচ্ছে, মারা গেল—যদি আপনি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হন, আপনি রাতের বেলা ঘুমাতে পারবেন না। আমার কানে এখনও বাজে যে ‘কারও পানি লাগবে?’ এটা যতদিন মাথায় থাকবে ততদিন আমরা শান্তিতে ঘুমাতে পারব না। ** [[সিয়াম আহমেদ]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেতা [https://www.itvbd.com/entertainment/dhallywood/161405/%E2%80%98%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E2%80%99] * যেদিন থেকে এই ঘটনাগুলো শুরু হয়েছে, যেদিন থেকে গুলি চলেছে, সেদিন থেকে আমি দুই চোখের পাতা এক করতে পারিনি। কারণ ওই শিশুগুলোর মধ্যে আমার সন্তান থাকতে পারতো। ওই মানুষগুলোর মধ্যে আমি, আপনি থাকতে পারতাম।যে অন্যায়, অবিচার, নিপীড়ন করা হয়েছে বা করা হচ্ছে এখনো, যেভাবে গণগ্রেপ্তার করা হচ্ছে, যেভাবে গুলি করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, একটি গণতান্ত্রিক দেশে সেই দৃশ্য দেখার পর কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ যদি বাড়িতে বসে থাকতে পারে, তাহলে আমার বলার কিছু নেই। কারণ আমার একটি ১২ বছরের সন্তান আছে। আমি নিজে এ দেশের নাগরিক। আমার বিদেশি কোনো পাসপোর্ট নেই। আমি এই দেশেই থাকবো এবং এই দেশটি আমার। এই দেশটি আমরাই সংস্কার করবো। এটা কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি হতে পারে না। আমি এসব অন্যায়ের সুষ্ঠু তদন্ত চাই এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিচারের আওতায় আনা হোক। এর প্রকাশ্য-প্রয়োগ আমরা দেখতে চাই। ** [[আজমেরী হক বাঁধন]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেত্রী [https://www.jagonews24.com/entertainment/news/958484] * বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। ** শমী কায়সার, ১ আগস্ট, আন্দোলনে ভাংচুরে ক্ষতিগ্রস্ত বিটিভি ভবন পরিদর্শনকালে, সাথে ছিলেন ফেরদৌস আহমেদ, রোকেয়া প্রাচী, জ্যোতিকা জ্যোতি, সোহানা সাবা, সুজাতা, রিয়াজ, অরুণা বিশ্বাস, নিপুণ, আজিজুল হাকিম, রোকেয়া প্রাচী, তানভীন সুইটি, হৃদি হক, সাজু খাদেম, সোহানা সাবা, চন্দন রেজা, শুভ্র দেব, মুশফিকুর রহমান গুলজার, এস এ হক অলিক, খোরশেদ আলম খসরু, শামীমা তুষ্টিসহ আরও অনেকে। [https://jamuna.tv/news/552593] * শেম অন ইউ গাইজ। (লজ্জা হচ্ছে তোমাদের জন্য)। ** সাদিয়া আয়মান, ১ আগস্ট ২০২৪, ফেরদৌস-শমী কায়সারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শমী কায়সারের "বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।" মন্তব্যযুক্ত যমুনা টিভির কার্ড শেয়ার করে [https://www.jugantor.com/entertainment/833197/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%AE-%E0%A6%85%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%89-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9C-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%8C%E0%A6%B8%E0%A6%B6%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8] * একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা বিটিভির প্রাঙ্গণে গিয়ে চোখের পানি ঝরিয়েছেন। অবশ্যই তাদের জীবন ও ক্যারিয়ারের সঙ্গে বিটিভি কেন্দ্রিক স্মৃতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের দুঃখ পাওয়াটা হয়তো স্বাভাবিক। কিন্তু! এত ছাত্র-ছাত্রী, শিশু, মা, বোন, সাধারণ মানুষ যে মারা গেল তা নিয়ে একবারও কিচ্ছু বললেন না! একবারো দুঃখ প্রকাশ করলেন না। একবারো এই মানুষগুলোর হত্যার বিচার চেয়ে কিছু বললেন না। কেন? কারণ যারা এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন তারা আপনাদের কেউ না। তাদের বা তাদের পরিবারের দ্বারা আপনাদের কোনো লাভ হবে না, স্বার্থ হাসিল হবে না এবং ক্ষমতাও পাবেন না। তাই কি? নিজেদের লাভ লস চিন্তা করে, ক্ষমতার স্বার্থে কিংবা কাউকে দেখানোর জন্য আপনারা যে কথাগুলো ক্যামেরার সামনে বলেছেন এগুলো সারাজীবন আর্কাইভে তো থাকবেই, আমাদের মনেও থেকে যাবে। জেনারেশন টু জেনারেশন জানবে ৯০ দশকের যাদের অভিনয় টিভি স্ক্রিনে দেখে আমরা মুগ্ধ হয়েছি এখন তাদের বাস্তব জীবনের কর্ম দেখে আমরা বিস্মিত এবং লজ্জিত! দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আপনাদের প্রতি শ্রদ্ধা হয়তো আর কখনো ফিরে আসবে না। ** সাদিয়া আয়মান, ২ আগস্ট ২০২৪, ১ আগস্ট দেওয়া ফেসবুক পোস্ট এর ব্যাখ্যা হিসেবে দেওয়া ফেসবুক পোস্টে [https://www.daily-sun.com/bangla/post/4042] * আন্দোলন প্রত্যাহার করে ডিবি অফিস থেকে প্রচারিত ছয় সমন্বয়কের ভিডিও স্টেটমেন্টটি আমরা স্বেচ্ছায় দেইনি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো সিদ্ধান্ত ডিবি অফিস থেকে আসতে পারে না। সারাদেশের সকল সমন্বয়ক ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ব্যতীত কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গৃহীত হবে না। ডিবি অফিসে আমাদের জোর করে খাবার টেবিলে বসিয়ে ভিডিও করা হয়। আমাদের ছেড়ে দেবার আশ্বাস দিয়ে পরিবারকে ডেকে ১৩ ঘন্টা বসিয়ে রাখা হয় এবং মিডিয়ায় মিথ্যা স্টেটমেন্ট দেওয়ানো হয়। আমাদের শিক্ষকরা দেখা করতে আসলে, দেখা করতে দেওয়া হয়নি। **কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৬ সমন্বয়ক, ২ আগস্ট ২০২৪ [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/quota-protest/news-601946] * আমরা এখন রাস্তায়, কারণ আমাদের হাজারো ভাই-বোন মারা গেছেন, হাজারো মানুষকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। যার ফলে এখন, বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে, ছাত্রদের সঙ্গে কর্মজীবী মানুষ, সঙ্গীত ও অভিনয় শিল্পীরাও একাত্মতা পোষণ করেছেন। তারা সবাই রাস্তায় নেমে  এসেছে, আন্দোলন করছে এবং একজন নাগরিক হিসেবে ও সাধারণ মানুষ হিসেবে তার অধিকার সম্পর্কে দাবি তুলছে। বাংলাদেশের পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনী ছাত্রদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে এই আন্দোলনের যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, আমাদের একজন সমন্বয়ক আরিফ সোহেলকে মিথ্যা মামলায় তুলে নেওয়া হয়েছে। ছাত্ররা রাস্তায় নামলেই তারা গণহারে গ্রেফতার করছে। রংপুরে আন্দোলন করার সময় অসংখ্য ছাত্রছাত্রীদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারা দিনদিন আরও কঠোর হচ্ছে। মনে হচ্ছে যেন যুদ্ধের মধ্যে আছি আমরা। বাস্তবে আমাদের এখানে কোনো যুদ্ধ চলছে না, তাহলে আমার প্রশ্ন যুদ্ধ আসলে কেমন হয়। সরকার এটির সমাধান করতে পারত রক্ত ঝরার আগেই। আমাদের ভাই ও বোনদের গুলি খেয়ে রক্ত ঝরার আগেই সমাধান করা উচিত ছিল তাদের। এটা এখন আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। সরকার হাজারের বেশি মানুষকে মেরেছে,হাজারের বেশি মানুষকে তুলে নিয়েছে। সব মিলিয়ে নয় হাজারের বেশি মানুষকে তুলে নিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং জেলে পাঠানো হয়েছে। কাজেই অবশ্যই আমরা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ ও আন্দোলন কারিদের পক্ষ থেকে করজোড়ে প্রত্যেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক কমিউনিটির কাছে সাহায্য চায়। তারা যেন সরকারকে প্রশ্ন করে, চাপ দেয়।’ আমাদের আন্দোলন এখন আর কোটায় সীমাবদ্ধ নেই। আমাদের হাজারো ভাই-বোন মারা গেছে। আমরা সেই নিহতের প্রকৃত সংখ্যাটি পর্যন্ত জানি না। সরকার বলছে তারা নিহতের সংখ্যা জানাবে। গণমাধ্যমে আমরা দেখছি আড়াইশর বেশি নিহতের কথা। বাংলাদেশি পুলিশ ও সরকারের বর্বরতা থেকে নিষ্পাপ শিশুরা পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না। ২ বছর ৪, ৬ ও ১১ বছরের শিশুরা পর্যন্ত মারা গেছে। এমনকি শিশুদের পর্যন্ত আদালতে দাঁড় করিয়েছে তারা। কাজেই এই আন্দোলন এখন আর কোটায় সীমাবদ্ধ নেই। এই আন্দোলন এখন আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের আন্দোলন। এই আন্দোলন এখন আমাদের মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার অধিকারের আন্দোলন। শুরুতে এটা ছাত্রদের আন্দোলন হলেও এখন এটা গণমানুষের আন্দোলন। বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। আন্দোলন দমাতে সরকার অনেকেই গ্রেফতার করেছে। আমাদের অনেক নেতাকে তুলে নিয়ে গেছে। কিন্তু আমরা এখন বিশ্বাস করি আমরা এখন সবাই নেতা। আমার এখন সবাই সমন্বয়ক। আর আমরা এই লড়াই চালিয়ে যাব স্বৈরাচার শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত। এক নায়কতন্ত্র বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত এবং আমাদের সব দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত। ** প্রাপ্তি তাপসী, কোটা আন্দোলনের পক্ষে অন্যতম সংবাদ প্রতিনিধি ছাত্রী, ২ আগস্ট ২০২৪ আল-জাজিরার দ্য স্ট্রিম অনুষ্ঠানে দেওয়া দীর্ঘ অনলাইন সাক্ষাৎকারে [https://www.jugantor.com/national/833516/%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87] * বাংলাদেশের আমার সব ভক্তকে বলছি, আমি তোমাদের কথা শুনছি, তোমাদের জন্য প্রার্থনা করছি। ** [[:w:এনসো ফের্নান্দেস|এনজো ফার্নান্দেজ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে লাল কাপড়ে চোখ ঢাকা পেছনে বাংলাদেশের পতাকাসহ প্রতীকি ছবি শেয়ার করা ফেসবুকের এক পোস্টের ক্যাপশনে [https://www.jagonews24.com/en/amp/75912] * ইয়া আল্লাহ, তুমি যুদ্ধে আমার নবীকে যেভাবে সাহায্য করেছ! সেভাবে আমাদের ভাইগুলোকে সাহায্য করো আমিন। ** ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তী, ৩ জুলাই, ২০২৪, অভিনেত্রী [https://www.rtvonline.com/amp/entertainment/284946] * তাদের সাথে আলোচনার কোন পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের দাবি অত্যন্ত সুস্পষ্ট, তাদের কোন বক্তব্য থাকলে দেশবাসীর সামনেই মিডিয়া মারফত তা রাখতে পারেন। আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার সিদ্ধান্তই আমাদের সিদ্ধান্ত। গুলি আর সন্ত্রাসের সাথে কোন সংলাপ হয় না। ** [[আসিফ মাহমুদ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, কোটা আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক, বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://www.bbc.com/bengali/live/cgrlrjlj9drt#asset:2d5e6283-ba9d-4c26-b7e1-118dc3956d52] * চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে দেশব্যাপী চলা অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে অনেক ইমাম-খতীবকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। কোনো কোনো খতীবকে কারণ ছাড়াই ছুটিতে রাখা হয়েছে। যারা এগুলো করেছেন, ঘোরতর অন্যায় ও নীতিবহির্ভূত কাজ করেছেন। এদেশে সবচেয়ে কম সুযোগ সুবিধায় দায়িত্ব পালন করেন ইমাম-মুয়াজ্জিনগণ। তারা স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পান খুবই কম। অথচ তাদের ওপর খবরদারি করা হয় সব থেকে বেশি। ইমাম মানে নেতা। তাদের ওপর খবরদারি করা মুসলিমসুলভ আচরণ হতে পারে না। কোনো ইমাম সত্য উচ্চারণ করতে গিয়ে জুলুমের শিকার হলে সবাইকে তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান করছি। ইমাম-খতীবগণ যত স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারবেন, আমাদের সমাজ ততই ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে এগোবে। ** [[শায়খ আহমাদুল্লাহ|আহমদুল্লাহ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশী আলিম (মুসলিম ইসলামী পণ্ডিত), ঈমাম, খতীব, ইসলাম ধর্ম প্রচারক ও বক্তা, নিজস্ব ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে কোটা আন্দোলনের পক্ষে কথা বলায় দেশব্যাপী ঈমাম খতীবদের চাকরিচ্যুত করা প্রসঙ্গে [https://www.jugantor.com/national/833757/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9] * আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য গণভবনের দরজা খোলা। কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আমি বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। আমি সংঘাত চাই না। আমি আবারও বলছি, আন্দোলনকারীরা চাইলে আমি এখনো আলোচনায় রাজি। তারা যেকোনো সময় (গণভবনে) আসতে পারে। দরকার হলে তারা তাদের অভিভাবকদের নিয়েও আসতে পারে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে। ** [[শেখ হাসিনা]], ৩ আগস্ট, গণভবনে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/bm5xcpuqwg] * কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে কেউ মারা যায়নি। গুলির যে তথ্য পাওয়া গেছে তার অনেকগুলোই পুলিশের রাইফেলের গুলি নয়। কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। হয়তো দুই-একজন কিশোর মারা গিয়ে থাকতে পারে। তাদেরককে ঢাল হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছিল। শিশুদের আড়ালে অন্য একটি শক্তি ছিল। পেছনের শক্তিকে রুখতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। (পদত্যাগের প্রশ্নে) এরকম কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে এবং প্রধানমন্ত্রী যদি মনে করা তাহলে আমরা সেটা করব। ** [[আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল]], ৩ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী [https://jamuna.tv/news/553165] * কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরুটা দেশবাসী দেখেছেন। সরকার গুণ্ডা-পাণ্ডা দিয়ে সন্ত্রাস চালালো এবং পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিজিবি নামিয়ে, আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত শিশুকিশোর ও তরুণের তাজা প্রাণ হরণ করল, তা দেশবাসী কি এত সহজে এই অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যাবে। এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না।’ শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। সারাদেশের শিশু কিশোর ও তরুণরা শত উসকানি, হামলা ও নির্যাতনের মধ্যেও ধৈর্য ধরে শৃঙ্খলার সঙ্গে আস্তে আস্তে আইন মেনে সামনে পা বাড়াচ্ছিল। বিপরীতে দ্বিতীয় পক্ষ যে উপর্যুপুরি উসকানি দিল, গুণ্ডাপাণ্ডা দিয়ে সন্ত্রাস চালালো এবং পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিজিবি নামিয়ে, আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত শিশু কিশোর ও তরুণের তাজা প্রাণ হরণ করল, তা দেশবাসী কি এত সহজে এই অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যাবে।’ দ্রুত বিজিবি ও সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী তিন দশক ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের মাধ্যমে যে সম্মান মর্যাদা ও গৌরব অর্জন করেছে তা আজ কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। সার্বজনীন মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক সর্বোচ্চ মান রক্ষা করেই আপনাদের সকলকে নিজ দেশের জনগণের পক্ষে দাঁড়াতে হবে। চোখের সামনে আমরা নিজেদের মাতৃভূমিকে ধ্বংস হতে দিতে পারি না। আক্রমণকারীরা গণঅভ্যুত্থানের প্রতিরোধের মধ্যে পিছপা হতে বাধ্য হলে পরবর্তী পর্যায়ে ব্যবহার করা হলো বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে। তাদেরকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কখনও সম্মুখভাবে, কখনো পেছনে ও পাশে দাঁড় করিয়ে অন্যান্য বাহিনীগুলো এই গণ-আন্দোলনের ওপর তাদের জুলুম অত্যাচার নির্যাতন অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। কোনোভাবেই এমন পরিস্থিতির দায় দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর নেওয়া উচিত নয়। বাংলাদেশের স্বশস্ত্র বাহিনী অতীতে কখনো দেশবাসী বা সাধারণ জনগণের মুখোমুখি দাঁড়ায়নি, তাদের মুখে বন্দুক তাক করেনি। ** ইকবাল করিম ভূঁইয়া, ৪ আগস্ট ২০২৪, সাবেক সেনাপ্রধান, সংবাদ সম্মেলনে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/g77bbharbn] * রিট করার নেপথ্যে অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে। কেননা তারা দেশকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দিতে চায়। ** আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন, ৪ আগস্ট ২০২৪, অ্যার্টনি জেনারেল, আন্দোলনের সময় সরাসরি গুলি না করার নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ করার প্রসঙ্গে [https://jamuna.tv/news/553225] * আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন। আমি পদত্যাগ করবো না। আপনি গুলি চালান। ** শেখ হাসিনা, ৫ আগস্ট ২০২৪, সেনাপ্রধান শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে বললে রাগান্বিত হয়ে প্রতিউত্তরে [https://www.dailyjanakantha.com/national/news/750744] * এখানে কেউ থাকবেন না। (নো ওয়ান স্টে হেয়ার।) ** শেখ হাসিনা, ৫ আগস্ট ২০২৪, তার আত্মীয়দের কাছে শেষ হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় [https://english.khaborerkagoj.com/special-report/799212] * শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা গণভবন থেকে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। শেখ হাসিনা যাওয়ার আগে একটি ভাষণ রেকর্ড করে যেতে চেয়েছিলেন। তিনি সে সুযোগ পাননি। ** বার্তা সংস্থা এএফপি, ৫ আগস্ট ২০২৪, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dn4yfsve75] * আপনাদের আমি কথা দিচ্ছি। আপনারা আশাহত হবেন না। আপনাদের যত দাবি আছে আমরা পূরণ করবো। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবো। আপনারা আমাকে সহযোগিতা করেন। দয়া করে ভাঙচুর, মারামারি, হত্যা, সংঘর্ষ এগুলো থেকে বিরত হন।” ** [[ওয়াকার-উজ-জামান]], ৫ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল, দুপুরে জাতির উদ্দেশে ভাষণে [https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/83477/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A4] * দেশে আজকে যা ঘটল, এটাই হওয়ার কথা ছিল। গণ-অভ্যুত্থান কখনো ঠেকানো যায় না। শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন সহজেই সমাধান করা যেত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জেদের কারণে এত মানুষ মারা গেল। গণমাধ্যমে প্রাণহানির যে চিত্র উঠে এসেছে, বাস্তবে এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি। আরও কত মরদেহ কোথায় পড়ে আছে, কত গণকবর হয়েছে, কতগুলো নিরীহ মানুষের প্রাণ ঝরেছে! তিনি তো চলে গেলেন। এখন এর জবাব দেবে কে? ১৫ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেননি। দিনের পর দিন ভোট চুরি করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। শেখ হাসিনার বোঝা উচিত ছিল, তিনি ও তাঁর দল কতটা অজনপ্রিয়। এই যে এত প্রাণহানি, এর জবাব দেবে কে? দেশে সুশাসনের মারাত্মক অভাব। তিনি সুশাসন দিতে পারেননি। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ওপর হাজার হাজার গুলি ছোড়া হয়েছে। হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে। এর আগে আমরা সবাই এইচ এম এরশাদকে স্বৈরাচার বলেছি। তখন মাত্র ছয়জন মানুষ মারা যাওয়ায় তাঁকে স্বৈরশাসক বলছি। কিন্তু গত ১৫ বছরে কত মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। ২০০৯ সালে পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা মারা গেছেন। এখন এর জবাব দেবে কে? যাঁকে জাতির পিতা বলা হয়, তাঁর পরিবারের সদস্যদের এত করুণ পরিণতি কেন হবে? তাঁর এমন পরিণতি আমাদের দেখতে হলো। এসব হয়েছে, তাঁর দম্ভ ও অহমিকার কারণে। প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, দেশে সুশাসন নিশ্চিত করেন। বিভিন্ন সভা–সেমিনারে বলেছি। যা হচ্ছে, তা স্বৈরতন্ত্র। এসব বলার কারণে আমাদের ভিন্ন দলের এজেন্ট বলা হতো। এই যে গণভবন লুটপাট হচ্ছে, ভাঙচুর হচ্ছে—এ জন্য জনগণকে দোষ দেবেন কীভাবে? শ্রীলঙ্কা থেকে হাসিনার সরকার শিক্ষা নেয়নি। তিউনিসিয়া থেকে শিক্ষা নেয়নি। মিসরে কীভাবে হোসনে মোবারক জনরোষে উড়ে গেছে, সেখান থেকে সরকার শিক্ষা নেয়নি। জনগণের সরকার না হলে এমন পরিণতি হয়। এরশাদের চেয়ে শেখ হাসিনা ১০০ গুণ বেশি খারাপ হয়ে বিদায় নিয়েছেন। এরশাদ পালিয়ে যাননি। তিনি পালিয়ে গেছেন। তিনি পালিয়ে গেছেন, কিন্তু আওয়ামী লীগ দলটাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেলেন। তাঁর হিংসা, দম্ভ, অহংকার দলটাকে ধ্বংস করল। ** এম সাখাওয়াত হোসেন, ৫ আগস্ট ২০২৪, নির্বাচন বিশ্লেষক ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তা [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dvds7trgt6] * ভারত হল তার আশেপাশের সকল মুসলিম রাষ্ট্রের আসল মাতৃভূমি। আমরা গর্বিত এবং সম্মানিত যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতে সুরক্ষিতবোধ করেন। কিন্তু যারা ভারতে থাকে তারা বারেবারে প্রশ্ন করে কেন হিন্দু রাষ্ট্র? কেন রাম রাজ্য? কেন সেটা তো বোঝাই যাচ্ছে!!’ ‘মুসলিম দেশে তো মুসলমানরাও সুরক্ষিত নয়। আফগানিস্তান, পাকিস্তান,বাংলাদেশ, ব্রিটেনে যা ঘটছে সেটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা সৌভাগ্যবান যে রাম রাজ্যে থাকি। জয় শ্রী রাম'। ** কঙ্গনা রানাউত, ৫ আগস্ট ২০২৪, অভিনেত্রী, এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে [https://bangla.hindustantimes.com/entertainment/even-muslims-are-not-safe-in-muslim-countries-kangana-ranaut-reacts-as-ex-bangladesh-pm-sheikh-hasina-flees-to-india/amp-31722867132738.html] * অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের রূপরেখা দিতে আমরা ২৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছিলাম। কিন্তু জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় এখনই রূপরেখা ঘোষণা করছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ড. [[মুহাম্মদ ইউনূস|মুহাম্মদ ইউনূসকে]] প্রধান উপদেষ্টা করে ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে। তার সাথে আমাদের কথা হয়েছে, তিনি দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছেন। আমরা সকালের মধ্যে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দেখতে চাই। রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ থাকবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হোক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাকি সদস্যদের নামও আমরা সকালের মধ্যে ঘোষণা করব। **নাহিদ ইসলাম, ৬ আগস্ট ২০২৪, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক, ভোর ৪টার পর ফেসবুকে দেয়া ভিডিও বার্তায় [https://www.dailynayadiganta.com/politics/853517/%E0%A6%A1.-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE] * মূলত দুইটি কারণে ভারত শেখ হাসিনাকে রাখতে চায় না। প্রথম বিষয়টি অবশ্যই তার নিরাপত্তা সংক্রান্ত। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, বাংলাদেশে যে সরকারই আসুক, ভারত তার সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়। আর বাংলাদেশে হাসিনা-বিরোধী মনোভাব তুঙ্গে। ভারত চায় না, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেয়ার ঘটনা ছায়াপাত করুক। এর আগে সেনা সরকার যখন ছিল, তখন ভারতের অসুবিধা ছিল। কিন্তু এবার সেনা সম্ভবত পিছনে থাকবে, বাংলাদেশে নতুন কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু হবে বলে মনে হচ্ছে। ফলে তাদের সঙ্গে ভারতের আলোচনা করতে কোনো অসুবিধা হবে না। বাংলাদেশের ঘটনা ভারতকে একটা বড় চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ভারত চায় না, বাংলাদেশের ঘটনার অভিঘাত দেশের মধ্যে পড়ুক। বাংলাদেশে ভারতের যে সম্পদ ও বিনিয়োগ আছে, ভারত সেগুলিকে নিরাপদ রাখতে চায়। সেদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা চায়। ** শ্রীরাধা দত্ত, ৬ আগস্ট ২০২৪, ও পি জিন্দল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক ডয়চে ভেলেকে [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%A8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F/a-69864559] * কুখ্যাত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে অবিলম্বে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে গ্রেপ্তার করতে হবে। বাংলাদেশে গুম-খুনের আসল কারিগর সে শুধু তা না, ফোন ট্যাপিংয়ের নামে মানুষের প্রাইভেসি ধ্বংস করেছে সে। এবং প্রাউডলি সেই সব রেকর্ডিং এই পারভার্ট লোকটা মিডিয়াতে সরবরাহ করত এবং আমাদের স্পাইনলেস মিডিয়া সেগুলো প্রচার করত। এই লোককে এখনই নিউট্রালাইজ করতে হবে। এছাড়া ডিবি’র হারুনসহ কুখ্যাত যারা আছে তাদের সরিয়ে দিয়ে পুলিশ বাহিনীর উপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করতে হবে এখনই।’ ** [[মোস্তফা সরয়ার ফারুকী]], ৬ আগস্ট ২০২৪, চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা, ফেসবুক পোস্টে [https://www.dainikamadershomoy.com/details/019126708d76?fbclid=IwY2xjawEezI1leHRuA2FlbQIxMQABHUwvttoTLSYm-ujxLPWY6H74ytr489ZvM2g_crax_H2Sl9kPKwgMYif4HA_aem_1wbabngYpoCavI2lyWYF9w] * গুলি করে করে লাশ নামানো লাগছে স্যার। গুলি করি, মরে একটা, আহত হয় একটা। একটাই যায় স্যার, বাকিডি যায় না। এইটা হলো স্যার সবচেয়ে বড় আতঙ্কের এবং দুশ্চিন্তার বিষয়। ** ইকবাল, পুলিশ সদস্য, কোটা আন্দোলন চলাকালীন সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে, ১৩ ও ১৪ই আগস্ট ২০২৪ এর পর ফেসবুকের একটি ভাইরাল ভিডিওতে বলতে দেখা যায় [https://www.kalerkantho.com/online/national/2024/08/13/1414550] [https://dailyinqilab.com/index.php/national/news/678022#google_vignette] * এখন থেকে লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে, যেটারে পাবে সেটারে গুলি করবে। যেখানে গেদারিং দেখবে সেখানে ওপর থেকে.. হেলিকপ্টার থেকে গুলি করবে, এখন ওপর থেকে করাচ্ছি (গুলি), অলরেডি শুরু হয়ে গেছে, র্যাবকে আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে। ** [[শেখ হাসিনা]], ১৮ জুলাই ২০২৪, ভাইরাল অডিও, "ফেস দ্য পিপল" এর ইউটিউব পাতায় ৮ ই মার্চ ২০২৫ এ প্রকাশিত [https://www.jugantor.com/national/926561] * যদি সরকারি দল ভায়োলেন্স চায়, সেটাকেই একমাত্র রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে নিতে চায়, তাহলে এটা যে আমাদের থেকে বেশি কেউ পারবে না, সেটা ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি। ** [[আসিফ মাহমুদ]], ২২ মে ২০২৬ ঝিনাইদহে [[নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী|নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর]] ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায়। [https://www.prothomalo.com/politics/org6cq83pw] * গণ-অভ্যুত্থানে যে স্বপ্ন ছিল চব্বিশে, শেষবারের মতো মানুষ তার জীবন বাজি রেখেছিল। তারপর যখন দেখল, এটা কতিপয় মানুষের নিজস্ব সম্পত্তি, এটা বাংলাদেশে উগ্রবাদের নতুন উত্থান, অদ্ভুতভাবে কিছু নেই থেকে শতকোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়ার একটা প্রকল্প, তখন স্বাভাবিকভাবেই গণমানুষ হাজারবার, লক্ষবার, কোটিবার চিন্তা করবে এ রকম গণ-অভ্যুত্থানে যাওয়ার আগে।...চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে হিজাব পরা ও হিজাব ছাড়া নারীরা যেভাবে অংশ নিয়েছিলেন, গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে সেই পরিবেশ কেন রক্ষা হলো না? চব্বিশের অভ্যুত্থানের ঠিক পরেই মুক্তিযুদ্ধের মুর‍্যাল ও ভাস্কর্যগুলো কারা ভাঙল? একাত্তর আর চব্বিশকে কেন মুখোমুখি করা হলো?...গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে দেশে ‘ভয়াবহ উগ্রবাদের উত্থান হয়েছে’। সেটা আগে জানলে কয়জন রাস্তায় আন্দোলনে নামতেন? ** [[রুমিন ফারহানা]]। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল আয়োজিত [https://www.prothomalo.com/politics/vpp1t809ks আলোচনা সভায়], জাতীয় প্রেসক্লাব, ১১ জুলাই ২০২৬। [https://www.ittefaq.com.bd/797952/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A7%A7%E0%A7%A6%E0%A7%A6-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E2%80%93%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE] == ৭১ বনাম ২৪ বিতর্ক == * [[জাতি]] একবারই স্বাধীন হয়, [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|একাত্তরের]] সঙ্গে চব্বিশের তুলনা চলে না। ** [[নুরুল হক নুর]]। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীর আল-রাজি কমপ্লেক্সে এক সংবাদ সম্মেলনে। [https://www.dhakatimes24.com/2024/12/31/375976][https://www.jugantor.com/politics/897510] * [[যুদ্ধ]] হলো একটা সশস্ত্র সংগ্রাম। দুই গ্রুপের মধ্যে অস্ত্র থাকে, দুই গ্রুপে যুদ্ধ করে। সেই যুদ্ধটা কী জন্য হয়? দেশকে স্বাধীন করার জন্য হয় বা অন্য দেশকে দখল করার জন্য হয়। এখানে তো এরকম কোনো ব্যাপার ছিল না। দেশকে স্বাধীন করার ব্যাপারও ছিল না, অধিকার কবার ব্যাপারও ছিল না। এখানে ব্যাপারটা ছিল হাসিনামুক্ত বাংলাদেশ করার, আওয়ামী লীগমুক্ত বাংলাদেশ করার। সুতরাং বিপ্লব বা এক দফার আন্দোলন ও [[মুক্তিযুদ্ধ]] একই জিনিস না। এ সমস্ত মাথায় যারা টুপি দিয়ে কিছু পাগল ছেলেদেরকে বুঝাচ্ছে, তাদেরকে আমি অনুরোধ করব পাগলামি ছাড়ো। [[গাঁজা]] খেলে খাও কিন্তু মানুষকে গাঁজা খাওয়ানোর চেষ্টা করো না। ** [[অলি আহমেদ]]। ২০২৫ সালের ১৭ জুলাই ঢাকার আইডিইবি মিলনায়তনে এক [https://www.kalerkantho.com/multimedia/Politics/2025/07/19/1548928 বক্তৃতায়]। === বৈদেশিক ভূমিকা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ === == আরও দেখুন == * [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]] * [[আবু সাঈদ]] * [[অসহযোগ আন্দোলন (২০২৪)]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ প্রতিবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ এশিয়া]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ইতিহাস]] 8lv4tuny5ujc3hedqlrr7ch25b95eus 84147 84146 2026-08-10T15:48:02Z ফারদিন 52 /* বৈদেশিক ভূমিকা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ */ 84147 wikitext text/x-wiki {{npov}} [[File:7.Bangladesh quota reform movement 2024.jpg|thumb|...পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা ‍~ সানজিদা চৌধুরী]] [[File:কোটা সংস্কার আন্দোলন, শাহবাগ, কাঁটাবন, সায়েন্স ল্যাব, জুলাই ২০২৪ (৮).jpg|thumb|কোটা না মেধা? মেধা, মেধা ~ বহুল প্রচলিত স্লোগান]] '''[[w:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]]''' হলো বাংলাদেশে সব ধরনের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটার ভিত্তিতে নিয়োগের প্রচলিত ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে সংগঠিত একটি আন্দোলন। ২০২৪ সালের ৫ জুন বাংলাদেশ হাইকোর্ট ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করার পর কোটা পদ্ধতির সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সালে নতুনভাবে আলোচনায় আসে। == স্লোগান == * এই মুহুর্তে দরকার, সেনাবাহিনী সরকার ** [https://bn.observerbd.com/details.php?id=109955 অবজার্ভারবিডি] *{{w|তুমি কে? আমি কে? রাজাকার রাজাকার}}, কে বলেছে কে বলেছে, স্বৈরাচার স্বৈরাচার/সরকার সরকার * দফা এক, দাবি এক, শেখ হাসিনার পদত্যাগ ** [https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/news/one-demand-now-3668981 দ্য ডেইলি স্টারে] উদ্ধৃত। * [[শেখ মুজিবুর রহমান|বঙ্গবন্ধুর]] বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই ** দৈনিক ইত্তেফাকের সংবাদ, [https://web.archive.org/web/20250514081515/https://www.ittefaq.com.bd/692965/%E2%80%98%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A7%E0%A6%BE-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E2%80%99 আর্কাইভকৃত] * [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধের]] বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই ** চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাদুঘরে [https://museum.cu.ac.bd/?page_id=496 উদ্ধৃত] [https://web.archive.org/web/20260322120118/https://museum.cu.ac.bd/?page_id=496 (আর্কাইভে সংরক্ষিত]) * লাশের ভেতর জীবন দে, নইলে গদি ছাইড়া দে ** [https://www.prothomalo.com/bangladesh/145xh9480o প্রথম আলো]তে উদ্ধৃত * সংবিধানের মূল কথা, সবার জন্য সমতা ** [https://www.dhakapost.com/campus/290575 ঢাকাপোস্ট] ও [https://rtvonline.com/national/281749 আরটিভি অনলাইন] * স্টেপ ডাউন হাসিনা (হাসিনা পদত্যাগ কর) ** [https://scroll.in/latest/1071628/step-down-hasina-as-millions-take-to-the-streets-in-bangladesh-48-feared-dead স্ক্রল.ইনে প্রকাশিত] === প্রথম আলোর "বিদ্রোহে-বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে হতে" এ উদ্ধৃত === প্রথম আলোর ২৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে প্রকাশিত কলাম [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে] ([https://web.archive.org/web/20251012120631/https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao আর্কাইভকৃত]) উদ্ধৃত স্লোগান: * আপস না সংগ্রাম? সংগ্রাম সংগ্রাম * আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই * আঁর ন হাঁইয়্যে, বৌতদিন হাঁইয়্য’ ** চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার একটি স্লোগান, অনুবাদ: আর খেয়ো না, অনেক দিন খেয়েছ। * এক দফা, এক দাবি স্বৈরাচার তুই কবে যাবি * এক দুই তিন চার, শেখ হাসিনা, গদি ছাড় * এক দফা দাবি এক, কোটা নট কামব্যাক * '''কোটা না মেধা? মেধা, মেধা''' * চাইলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার! * জনে জনে খবর দে, ছাত্রলীগের কবর দে। * ঢাকায় আসো জনতা, ছাড়তে হবে ক্ষমতা। * তুমি কে? আমি কে? বিকল্প, বিকল্প * তোর কোটা তুই নে, আমার ভাই ফিরিয়ে দে। * দালালি না রাজপথ? রাজপথ, রাজপথ। * পালাইছে রে পালাইছে, হাসিনা পালাইছে। * লাখো শহীদের দামে কেনা, দেশটা কারও বাপের না। * স্বৈরাচার, স্বৈরাচার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়। * বুকের ভেতর অনেক ঝড় বুক পেতেছি গুলি কর। == বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সম্পর্কে উক্তি == * বীর মুক্তিযোদ্ধা সবাই অনগ্রসর নন, তাই সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা রাখা সংবিধানসম্মত নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে বড় আকারে মুক্তিযোদ্ধা কোটা চিরস্থায়ী করলে স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্যকে ধ্বংস করা হয়।’ ** [[জি এম কাদের]], বিরোধীদলীয় নেতা, ৩ জুলাই ২০২৪, জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্য * ‘এত আন্দোলন কিসের রাস্তায় শুরু হয়েছে? আন্দোলনের চাপ দিয়ে কি হাইকোর্টের রায়, সুপ্রিম কোর্টের রায় পরিবর্তন করবেন?’ ** ওবায়দুল হাসান, ৪ জুলাই ২০২৪, প্রধান বিচারপতি, হাইকোর্টের দেওয়া রায় নিয়ে আপিল বিভাগের শুনানিতে দেওয়া বক্তব্য * ২০১৮ সালে গণ-আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছর নির্বাহী বিভাগ কোটা বাতিল করে যে পরিপত্র জারি করেছিল, আজকে বিচার বিভাগ দিয়ে সেই কোটাকে আবার পুনর্বহাল করা হলো। এটা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটা প্রহসন। রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যে এই সমন্বয়হীনতা ও অন্তর্দ্বন্দ্বের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করুক এবং শিক্ষার্থীদের দাবি বিবেচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সেগুলো পূরণ করুক।’ ** নাহিদ ইসলাম, ৪ জুলাই, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক, শাহবাগ মোড় অবরোধ কর্মসূচিতে দেওয়া বক্তব্য * রেল ট্রানজিটের নামে ভারতকে একতরফা করিডর দিলে দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করা ও বৈষম্যমূলক কোটা পুনঃপ্রবর্তনের মাধ্যমে ’৭১ পূর্ব পাকিস্তানি বৈষম্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হলে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ অনিবার্য হয়ে যাবে। এই সরকার দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একতরফাভাবে ভারতকে রেল করিডর দিয়েছে। এই ডামি সরকার মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে ভূলুণ্ঠিত করেছে। আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে আবার নতুন করে কোটা প্রথা চালু করতে চাইছে। ভারতকে করিডর দিয়ে, জনগণের সম্পদ লুটপাটকারীদের সুবিধা দিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আরও দীর্ঘায়িত করতে চায়। ডামি সরকারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং গণতন্ত্র উদ্ধার করে দেশকে এই ফ্যাসিবাদীদের কবল থেকে মুক্ত করতে হবে। ** আব্দুল ওহাব মিনার, ৬ জুলাই ২০২৪, যুগ্ম আহ্বায়ক, এবি পার্টি, ট্রানজিটের একতরফা রেল করিডর, কোটা পুনঃপ্রবর্তন বাতিল ও ডামি সরকারের পদত্যাগসহ চার দফা দাবিতে বিজয়নগরের বিজয়-৭১ চত্বরে অবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচিতে [https://samakal.com/politics/article/245267/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF:-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF] * আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ভুল বুঝিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মুখোমুখি করা হয়েছে এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আরেকটা খুবই ভুল ধারণা তৈরি করা হয়েছে যে, কোটা এবং মেধা, মনে হতে পারে যে, যারা কোটায় চাকরি করে তাদের কোন মেধা নেই। কিন্তু আবেদন করার ক্ষেত্রে কোটা লাগে না, প্রিলিমিনারিতে কোটা লাগেনা, লিখিততে কোটা লাগেনা। একদম শেষ মুহূর্তে গিয়ে কোটা এপ্লাই হয়। তখন মেধায় আসলে সবাই সমান। আমার সামনে যদি দুইটা অপশন থাকে যে, দুইজনই সমান মেধাবী, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও একজন রাজাকারের সন্তান, আমি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে চাকরি দিতে চাই। (শেখ হাসিনা: অবশ্যই) জ্বি। সেটা একটা। ফলে মেধা এবং কোটা খুব সহজেই মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাচ্ছে যে সব মেধাবীরা চাকরি না নিয়ে কোটার চাকরি। আপনাকে খুবই ধন্যবাদ যে আপনারা গত ১০-১২ দিন ধরে আন্দোলন করছে আপনারা অসীম ধৈর্যের সাথে আন্দোলন মোকাবেলা করছেন এবং যারা আন্দোলন করছে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে চাকরি না পেয়ে বঞ্চিত। তাদের ক্ষোভের সাথে আমি খুবই একমত। তাদের পেছনে কি অন্য কেউ ইন্ধন যুগিয়ে ভুল বুঝিয়ে বিভ্রান্ত করে মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোমুখি করছে কিনা। আমার আপনার কাছে আবেদন থাকবে যে আপনারা যে ধৈর্য দেখে যাচ্ছেন সেটা দেখিয়ে যদি তাদের সাথে কোন ভাবে তাদেরকে বুঝিয়ে শুনিয়ে, আগামী ৭ই আগস্ট পর্যন্ত কিছু করার নাই কারন সেদিন আপিল বিভাগের শুনানি হবে। তারপর আপিল বিভাগের রায়ের পর হয়তো নির্বাহী বিভাগ কি করবে না করবে। ততদিন তারা যাতে অন্তত বুঝতে পারে সেটা যদি আপনি অনেক সংবেদনশীলতার সাথে যদি বিষয়টা বিবেচনা করেন তাহলে ভালো হয় আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ** [[প্রভাষ আমিন]], ১৪ জুলাই ২০২৪, এটিএন নিউজে হেড অফ নিউজ, গনভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে *মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরাও পাবে না? তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে। তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না। অপরাধটা কী? নিজের জীবনবাজি রেখে, সংসার সব ফেলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে। দিনরাত খেয়ে না খেয়ে, কাদামাটি ভেঙে, রোদ-বৃষ্টি-ঝড় মোকাবিলা করে যুদ্ধ করে এ দেশের বিজয় এনেছে। বিজয় এনে দিয়েছিল বলে সবাই উচ্চপদে আসীন। এখানে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করা একটা কৌশল। তার মানে হলো মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-নাতি-পুতিরা কেউ মেধাবী না, যত রাজাকারের বাচ্চারা-নাতি-পুতিরা হলো মেধাবী, তাই না? এটা ভুলে গেলে চলবে না যাদের মেধাবী না বলছে, তাদের হাতে ওনারা পরাজিত। যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা জয়ী হয়েছিল রাজাকারদের বিরুদ্ধে, এই কথাটা মনে রাখা উচিত। তাদের মেধাটা কোথায়? সেটা আমার প্রশ্ন। মেধা কার কত, সেটা পরীক্ষার প্রিলিমিনারিতে, লিখিত পরীক্ষায়, তারপর ভাইভা হয়। সেই সময় যেটা… সেটা বাস্তবতা তো যদি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয় সেই পাবে। আর সব সময় সব কোটা পূর্ণ হয় না। যেটা বাকি থাকে তা তালিকা থেকেই দেওয়া হয়। অনেক চাকরিতে মেধার তালিকা থেকে দেওয়া হচ্ছে। এ নির্দেশনা দেওয়া আছে। কিন্তু সেখানে অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা অগ্রাধিকার পাবে, এটা দিতে হবে। ** প্রধানমন্ত্রী [[শেখ হাসিনা]] ১৪ জুলাই ২০২৪ তারিখে গণভবনে এটিএন বাংলার সাংবাদিক [[প্রভাষ আমিন]]ের "আমরা আসলে মেধায় সবাই সমান। আমার কাছে যদি দুইটা অপশন থাকে, দুইজনই সমান মেধাবী, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও একজন রাজাকারের সন্তান, তাহলে আমি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বেছে নেব।" মন্তব্যে *আমি লেখাটি লিখতে শুরু করেছিলাম। শেষ করার আগেই জানতে পারলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটাবিরোধী ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে ঘোষণা দিয়ে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রকম্পিত করেছে। এই লেখাটি শেষ করার আর কোনও প্রয়োজন নেই।’ ‘লেখাটি শেষ না করে নিচের অংশটুকু লিখেছি। ঘুমানোর আগে খবরটি দেখে মাথার মাঝে একটা বিস্ফোরণ হলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে দাবি করেছে। খবরটি নিজের চোখে দেখেও বিশ্বাস হয় না— এটি কি সত্যিই সম্ভব? বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র বা ছাত্রী কি সত্যিই নিজেকে রাজাকার হিসেবে দাবি করতে পারে? শুধুমাত্র একটা সরকারি চাকরির জন্য? কোন দেশের সরকার, বাংলাদেশ নাকি পাকিস্তান? এই ছাত্র-ছাত্রীরা কি জানে, চাকরি অনেক দূরের ব্যাপার, তাদের যে এই দেশের মাটিতে থাকার অধিকার নেই? ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমার বিশ্ববিদ্যালয়, আমার প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়। তবে আমি মনে হয় আর কোনোদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে চাইব না। ছাত্র-ছাত্রীদের দেখলেই মনে হবে, এরাই হয়তো সেই রাজাকার।’ ‘আর যে কয়দিন বেঁচে আছি, আমি কোনো রাজাকারের মুখ দেখতে চাই না। একটাই তো জীবন। সেই জীবনে আবার কেন নূতন করে রাজাকারদের দেখতে হবে?’ ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার কিছু চাইবার নেই, স্বাধীন একটা দেশ চেয়েছিলাম, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়েছিলাম। দু’টোই পেয়ে গেছি। এখন যদি আরও কিছু পাই সেটা হবে বোনাস। (তবে অস্বীকার করব না বেনজীর-আবেদ আলীদের সামলে-সুমলে রাখলে একটু আনন্দ পেতাম।)’ ‘আমরা সবাই জানি, একটা দেশে যদি সবাই সমান সুযোগ পায়, সুবিধা পায় আর সবার যদি সমান অধিকার থাকে, তাহলে কোটার কোনও প্রয়োজন নেই। যদি না থাকে তাহলে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য কোটা রাখা একটা মানবিক ব্যাপার। অবশ্য মানবিক ব্যাপার কথাটা একটু খানি বইয়ের ভাষা, সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত কয়জনের আর অন্যদের মানবিক ব্যাপার নিয়ে মাথা ব্যথা আছে?’ ‘যদি কোটার ব্যাপারটা সহজভাবে লিখি তাহলে বলা যায়, দুই রকম কোটা আছে একটা ভালো, অন্যটা খারাপ। প্রথমে খারাপটার কথা বলি, তার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হচ্ছে— পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ছেলেমেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার কোটা, যেটাকে পোষ্য কোটা বলে। আমি খুঁটিনাটি জানি না, সম্ভবত পোষ্য কোটা শুধু শিক্ষকদের জন্য না, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্যও খোলা, কিন্তু বাস্তবে শিক্ষকদের সন্তানদের ছাড়া আর কোনও সন্তান সেই সুযোগ ব্যবহার করতে পেরেছে বলে মনে হয় না। এই পোষ্য কোটা নিয়ে কখনও কোনও উচ্চবাচ্য হতে দেখিনি। যদিও পোষ্য কোটার ছাত্র-ছাত্রীরা পাস করার পর আবার তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক বানাবার একটি নতুন চাপ শুরু হয়, নিজের চোখে দেখা। আর ভালো কোটার উদাহরণ হচ্ছে—... **মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ১৪ জুলাই ২০২৪, অধ্যাপক ও লেখক [https://www.jagonews24.com/amp/956143] * কোটা সংস্কার আন্দোলনে যাঁরা ‘‘আমি রাজাকার’’ স্লোগান দিচ্ছেন, তাঁদের শেষ দেখিয়ে ছাড়ব। ** সাদ্দাম হোসেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ১৫ জুলাই ২০২৪ * কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কতিপয় নেতারা যে সব বক্তব্য রেখেছে, তার জবাব দেয়ার জন্য- আত্মস্বীকৃত রাজাকার, যারা নিজেদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ মানসিকতার প্রকাশ ঘটিয়েছে; তার জবাব দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। ছাত্রদের বিষয় ক্যাম্পাসের মধ্যেই সীমিত থাকবে। আমরা দেখি, রাজনৈতিকভাবে কারা প্রকাশ্যে আসে, তখন দেখা যাবে। আমরাও মোকাবেলা করতে প্রস্তুত। ** [[ওবায়দুল কাদের]], ১৫ জুলাই ২০২৪ *যারা নিজেদেরকে রাজাকার বলে পরিচয় দেয়, তাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদের রক্তস্নাত লাল সবুজের পতাকা হাতে নিয়ে বা সে পতাকা কপালে বেঁধে নিয়ে মিছিল করবার কোনো অধিকার থাকতে পারে না।’’ ** [[দীপু মনি]], ১৫ জুলাই, [https://www.somoynews.tv/news/2024-07-15/2KvCG3uW] * রক্তাক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়! আমার ক্যাম্পাসে রক্ত কেন? প্রতিবাদ জানাই।’ ** আয়মান সাদিক, ১৫ জুলাই, টেন মিনিট স্কুলের স্বত্ত্বাধিকারী [https://www.jagonews24.com/social-media/news/955804] *কথা বলার স্বাধীনতা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না আমি তাদের (আন্দোলনকারীদের) পূর্ণ সমর্থন করি। সহিংসতা দিয়ে সত্যকে কখনো থামানো যায় না। সত্য কখনো মরে না। বাংলাদেশের জন্য দোয়া করবেন। ** দাউদ কিম, ১৬ জুলাই ২০২৪,‌ দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার‌, ফেসবুক স্ট্যাটাসে[https://www.somoynews.tv/news/2025-07-20/H3KVsSTV] *বাংলাদেশে যা ঘটছে তা ভয়াবহ। কিন্তু মিডিয়া এত চুপ কেন? আর পুলিশ এখন কি করছে? এটি লজ্জার, ওরা আপনার ভাই! আপনি যখন নিরপরাধ ছাত্রদের সাথে সহিংস আচরণ করছেন, তখন আপনি কোন ন্যায়বিচারের কথা বলছেন? যারা সহিংসতার মাধ্যমে স্বাধীনতার জন্য লড়াইকারীদের থামানোর চেষ্টা করছেন; তাদের (শিক্ষার্থীদের) ইচ্ছাকে কখনোই থামাতে পারবেন না। আল্লাহ তাদের পথচলা সহজ করুন। যারা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আল্লাহ তাদের অসীম গৌরব ও বিশ্রাম দিন… আমিন। ** দাউদ কিম, ১৬ জুলাই ২০২৪,‌ দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার‌, ফেসবুক স্ট্যাটাসে [https://www.somoynews.tv/news/2025-07-20/H3KVsSTV] * ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করা হলো। ** আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ফেসবুক ওয়ালে ও শাবিপ্রবির বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081] * মুহম্মদ জাফর ইকবালকে আমরা খুব শ্রদ্ধা করতাম। কিন্তু তার গতকালকের লেখাটি আমাদের হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে। তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। শিক্ষার্থীরা যখন খুন হচ্ছে, হামলার শিকার হচ্ছে তখন একজন শিক্ষক হয়ে তিনি এ ধরনের লেখা লিখতে পারেন না। তাই আমরা তাকে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে আজীবনের জন্যে নিষিদ্ধ করেছি। [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081] * নাম না প্রকাশ করার শর্তে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এক শিক্ষার্থী, ১৭ জুলাই ২০২৪, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081] * জাফর ইকবাল স্যার সম্পর্কে আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো কথা বলতে চাই না। আমার ধারণা উনার প্রচণ্ড বুদ্ধিসুদ্ধির অভাব আছে। হয় উনার মধ্যে প্রচণ্ড অপরাধবোধ কাজ করে যে ১৯৭১ সালে উনি কী করেছেন, এই অপরাধবোধ ঢাকার জন্য উনি অতিরিক্ত মুক্তিযোদ্ধা সাজার চেষ্টা করেন। অধ্যাপক জাফর ইকবালের কাছে তার একটাই প্রশ্ন- আপনি কী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বোঝেন? আপনি কি পড়াশোনা করেছেন? আপনি কি বাহাত্তর সনে গণপরিষদ বিতর্ক পড়েছেন? তার তো কোনো পড়াশোনাই নাই, সে তো শিক্ষাবিদ দূরের কথা উনি বুদ্ধিপ্রতিবন্ধক একজন মানুষ। ** আসিফ নজরুল, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.ittefaq.com.bd/694138/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2] * আমাদের সাইট থেকে তার (মুহম্মদ জাফর ইকবালের) সব বই ‘নট অ্যাভেইলেবল’ করে দেওয়া হয়েছে। ** রকমারি ডট কম কর্তৃপক্ষ, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.rtvonline.com/bangladesh/283021] * শুধু কোটা নয়; গোটা দেশটাই সংস্কারের প্রয়োজন। ** [[মিজানুর রহমান আজহারী]] ১৭ জুলাই ২০২৪ বুধবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে তিনি বলেন,[https://dainikamadershomoy.com/details/0190bf2b9c2f] * '''...পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা''' ** সানজিদা চৌধুরীর উক্তি, ১৭ জুলাই ২০২৪, [https://www.somoynews.tv/news/2025-02-21/24NM1wYW সময়টিভিতে উদ্ধৃত] * এই আন্দোলনের শুরু থেকেই সরকার যথেষ্ট ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন করেছে। বরং আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশ সহযোগিতা করে। মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে যখন আন্দোলনকারীরা স্মারকলিপি প্রদান করার ইচ্ছা প্রকাশ করে, সে ক্ষেত্রে তাদের সুযোগ করে দেওয়া হয় এবং নিরাপত্তারও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো- কিছু মহল এই আন্দোলনের সুযোগটা নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করার সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। এর ফলে এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে যে সব ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক। অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল। আপনজন হারাবার বেদনা যে কত কষ্টের, তা আমার থেকে আর কে বেশি জানে। ** [[শেখ হাসিনা]], ১৭ জুলাই ২০২৪, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে * ভাই, পানি লাগবে কারও পানি? ** [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]], ১৮ জুলাই ২০২৪, ঢাকায় একটি আন্দোলনে পুলিশের লক্ষহীন এলোপাথাড়ি গুলিতে মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে ছাত্রদের মাঝে বিনামূল্যে পানি ও বিস্কুট বিতরণ করার সময় [https://www.jugantor.com/national/830891/%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%AB-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9F-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7] * ‘এ আগুন থামান। এ আগুন নেভানোর দায়িত্ব সরকারের। কালবিলম্ব না করে সম্ভব হলে আজ-কালকের মধ্যেই স্পেশাল কোর্ট বসিয়ে সমস্যার সমাধান করুন। সময় খুব কম। আমরাও সরকারে (এরশাদের আমলে) ছিলাম। আমরাও এভাবে আন্দোলনকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিলাম। নূর হোসেন মারা যাওয়ার পর অনেকে বলেছিলেন, টোকাই মারা গেছে, কী হবে? কিন্তু আমি বলেছিলাম, না, এই নূর হোসেন একক কোনো ব্যক্তি নয়।’ **কাজী ফিরোজ রশীদ, ১৮ জুলাই ২০২৪, নির্বাহী চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টি (রওশন এরশাদপন্থী) * ‘সব ধরনের সহিংসতা ও বলপ্রয়োগ, বিশেষ করে প্রাণহানির ঘটনার অবশ্যই তদন্ত করতে হবে এবং দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ মানুষের মৌলিক মানবাধিকার।’ **ভলকার টুর্ক, ১৮ জুলাই ২০২৪, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার, এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে * আপনার কোনো অধিকার নেই আমাকে রাজাকারের বাচ্চা বলার! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আপনি কোন সাহসে আমাকে রাজাকারের বাচ্চা বলেন? আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! ** দীপ্তি চৌধুরী, ১৮ জুলাই, আলোচনা সঞ্চালক, চ্যানেল আইএর টু দ্য পয়েন্ট নামক টকশোতে আলোচক সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক স্টুডিও ছাড়ার আগে তাকে ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে সম্বোধন করার প্রতিক্রিয়ায় [https://www.ntvbd.com/bangladesh/news-1435909] * আমি ভারতের নাগরিক। বাংলাদেশ আমাদের প্রতিবেশী। তার বিষয় আসয়ে নাক গলানোর অধিকার আমার নেই। সেটা করতে চাইও না। তবু বাংলাদেশের অনেকের কাছ থেকে যে ভালবাসা আমি পেয়েছি তা ভুলে থাকতেও পারছি না। বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থায় চুপ করে বসে থাকতে পারি না। থেকেছি কয়েক দিন। আর পারছি না। কিন্তু অবস্থাটা যে ঠিক কী, কী কী কারণে যে এমন হল এবং হচ্ছে, কারা যে এতে জড়িত তাও তো ঠিকমতো জানি না। তাও পঁচাত্তর উত্তীর্ণ এই বাংলাভাষী করজোড়ে সব পক্ষকে মিনতি করছি: অনুগ্রহ করে হিংসা হানাহানি বন্ধ করুন। ঢাকা সরকারকে অনুরোধ করছি: বাংলা ভাষার কসম শান্তি রক্ষার চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। আপনাদের ছাত্রবাহিনী যেন হিংসার আশ্রয় না নেন।” “হানাহানি বন্ধ হোক। বন্ধ হোক উল্টোপালটা কথা বলে দেওয়া। বাঁচুক বাংলাদেশ। বাঁচুন বাংলাদেশের সকলে। জয় বাংলাদেশ। জয় মুক্তিযুদ্ধ। জয় অসংখ্য বাংলাদেশীর শাহাদাত ও অপূরণীয় ক্ষতিস্বীকার। জয় বীরাঙ্গনারা। জয় বাংলা ভাষা!”“বিরোধী হলেই রাজাকার!/ বলে দাও তবে দেশটা কার/ দেশটা কার দেশটা কার!” ** কবীর সুমন, ১৮ জুলাই ২০২৪, ফেসবুক পোস্টে [https://mzamin.com/news.php?news=119230] * প্রায় এক মাস হলো আমি নিজের দেশে নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খবরের চ্যানেলে তৃতীয় বিশ্বের কোনো খবরই তেমন একটা চলেনা। আর আমি খুব একটা ফোনের পোকা নই তাই এত খারাপ একটা খবর কানে আসতে দেরি হলো। বাংলাদেশের স্মৃতি নিয়ে স্বস্তিকা লিখেন, ‘এই তো কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ গেলাম, খুব ইচ্ছে ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় যাওয়ার। চারুকলা যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল, জীবনের একটা স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। প্রতিবার আসি, ব্যস্ততায় যাওয়া হয়না, মা‘ও খুব যেতে চাইতেন বাংলাদেশ, নিয়ে যাওয়া হয়নি। কিন্তু আজ একটা ভিডিও দেখলাম, গুলির ধোঁয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা আক্রান্ত। ছাত্র বয়স গেছে সেই কবে, তবে জাহাঙ্গীরনগর আর আমার যাদবপুর খুব কাছাকাছি। কাঠ গোলাপের গাছগুলোও কেমন এক রকম। এক রকম আকাশের মেঘগুলোও। কেবল আজ ওখানে বারুদের গন্ধ।’‘ময়দান ভারী হয়ে নামে কুয়াশায়, দিগন্তের দিকে মিলিয়ে যায় রুটমার্চ, তার মাঝখানে পথে পড়ে আছে ও কি কৃষ্ণচূড়া? নিচু হয়ে বসে হাতে তুলে নিই, তোমার ছিন্ন শির, তিমির।’ এমন এক আপ্যায়নপ্রিয় জাতি দেখিনি, খাবারের নিমন্ত্রণ যেন শেষ হতেই চায় না, অমন সুন্দর করে সারা রাস্তা জুড়ে ভাষার আল্পনা আর কোথায় দেখবো? নয়নজুড়ানো দেওয়াল লেখা? এ বোধহয় মুক্তিযুদ্ধের শপথ নেওয়া একটা জাতির পক্ষেই সম্ভব। আজ অস্থির লাগছে। আমিও তো সন্তানের জননী। আশা করবো বাংলাদেশ শান্ত হবে। অনেকটা দূরে আছি, এই প্রার্থনাটুকুই করতে পারি। অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো, সেই আমাদের আলো, আলো হোক, ভাল হোক সকলের। ** স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, ১৮ জুলাই ২০২৪, কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত আবু সাঈদের আঁকা ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে, যার উপরে লেখা "বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর।" [https://www.ntvbd.com/entertainment/news-1430941] [https://www.bvnews24.com/entertainment/news/155975] * বাংলাদেশে থাকা যেসব মানুষ ভোগান্তির মধ্যে আছেন, তাঁদের জন্য আমার প্রার্থনা ও সহমর্মিতা রইল। ** [[:w:এনসো ফের্নান্দেস|এনজো ফার্নান্দেজ]], ১৯ জুলাই ২০২৪, ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার, ফেসবুকের এক পোস্টে [https://www.prothomalo.com/sports/football/bbeqhr6be7] *এটা অবশ্যই কারফিউ। এটা নিয়ম অনুযায়ীই হবে এবং সেটা শুট অ্যাট সাইট হবে। ** [[ওবায়দুল কাদের]], ২০ জুলাই ২০২৪, গণভবনে ১৪ দলের বৈঠকের পর কারফিউ জারি ও সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সাংবাদিকদের দেওয়া বক্তব্য [https://www.prothomalo.com/bangladesh/34df7itae8] * দেশকে যখন আমরা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছি, তখন দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনের মধ্যে গুজব ছড়ানো হয়েছে, শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু বলে দিতে চাই, শেখ হাসিনা পালায়নি, পালায় না। আমি জানি ব্যবসা বানিজ্য সচল রাখতে হবে। এজন্য আপনাদের সহযোগিতা দরকার। যে ক্ষতি হয়েছে সেটি কারা করলো? এবার অতো সহজে ছাড়া হবে না। ধ্বংসযঞ্জে চালিয়ে দেশকে ধ্বংস করবে? আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই যাতে দেশের ভাবমূর্তি ঠিক থাকে। ভাবমূর্তি ঠিক না থাকলে ব্যবসা লাটে উঠবে। ** [[শেখ হাসিনা]], ২২ জুলাই ২০২৪, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে * সরকার আগে থেকে আন্তরিক হলে মৃত্যু কমানো যেতো। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা যে দাবি করেছিল, সেটা তো শেষ পর্যন্ত মেনে নেওয়া হয়েছে। এটাই যদি শুরুতে উদ্যোগ নিয়ে করা হতো তাহলে তো এত প্রাণহানি হতো না। বরং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগকে উস্কানি দিয়ে আন্দোলনকারীদের উপর হামলা না করালে হয়ত পরিস্থিতি এ দিকে যেতো না। ফলে আমি মনে করি, সরকার আন্তরিক হলেই প্রাণহানি কমতো। ** সাখাওয়াত হোসেন ২৫ জুলাই ২০২৪, নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%BE/a-69767637] * সরকার দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করেনি, ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গেছে। **[[জুনাইদ আহমেদ পলক]], ২৭ জুলাই ২০২৪, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, ‘শান্তির জন্য বৃক্ষ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/34df7itae8] * এখানে আমার তো কোনও চাওয়া-পাওয়া নেই। আমি তো ছেলে-মেয়েদের জন্যও কিছু করিনি। শুধু তাদের লেখাপড়া... নিজেরাই চাকরি করে লেখাপড়া করেছে। আমি কতটুকুইবা তাদের জন্য করতে পেরেছি। কিন্তু আমি দেশের মানুষের জন্য করেছি। আজ অন্তত মানুষের ভাত-কাপড়ের ব্যবস্থা, চিকিৎসার ব্যবস্থা, তাদের কাজের সংস্থান; সবই তো করে দিচ্ছিলাম। যখন আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেলাম, তখনই তাণ্ডব করে ঠিক যে জায়গাগুলো (প্রতিষ্ঠান) মানুষের সেবা করবে, সে জায়গাগুলোতে আঘাত করা হলো। সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার পরেও তাদের আর সেই শাটডাউন শেষ হয় না, কী কারণে আমি বুঝি না। আমরা তো সবগুলো দাবিই মেনে নিয়েছি। একটা মানলে আরেকটা, আরেকটা মানলে আরও একটা! আর এর ফল আজকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে সব একদিকে ছারখার, আর আজকে কত মানুষ জীবন হারালো! কতগুলো মানুষ পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে! কতগুলো মানুষ...। ** [[শেখ হাসিনা]], ২৭ জুলাই ২০২৪, আন্দোলনে আহতদের দেখতে শেরেবাংলা নগরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ট্রমাটোলজি অ্যান্ড অর্থোপেডিক রিহ্যাবিলিটেশন-নিটোর (পঙ্গু হাসপাতাল)-এ [https://www.banglatribune.com/national/855810/%E0%A6%8F%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B2-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] * মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের দিকেই যেন তাদের বেশি ক্ষোভ। আমার একটা কথা নিয়ে কত দিন প্রতিবাদ করল, কী কথা বলেছিলাম আমি? আমার কথাটাকে বিকৃত করা হয়েছিল। তাদের স্লোগানটা কী? ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার। তোমার বাবা, আমার বাবা, রাজাকার রাজাকার’। তার মানে তারা নিজেদেরই রাজাকার হিসেবে পরিচয় দিল। আমি তো তাদের রাজাকার বলিনি, তারা নিজেরাই স্লোগান দিয়ে নিজেদের রাজাকার হিসেবে পরিচিত করল সবার কাছে।” ** [[শেখ হাসিনা]], ২৭ জুলাই ২০২৪, বিটিভি ভবনের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শনকালে। * আপনাদেরও সাহায্য চাই। যদি আপনারা কিছু জানেন, আমাদের জানাবেন। কারণ, এভাবে বারবার বাংলাদেশে সহিংসতা, এটা আর হতে দেওয়া হবে না। এ কারণে আপনাদের সাহায্য চাই। এমন জানোয়ারের মতো বর্বরতা কেউ কেউ করতে পারে? একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানের লাশ ঝুলিয়ে রাখতে পারে? যারা এগুলোর সাথে জড়িত, অবশ্যই এদের বিচার করতে হবে। তা না হলে মানুষের নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না। আমি তো বুঝি আপনাদের বেদনা। প্রতিনিয়ত বাপ-মা-ভাই-বোনদের হারানোর ব্যথা নিয়ে আমাদের চলতে হয়। লাশটাও দেখতে পারিনি, কাফন-দাফনটাও করতে পারিনি। দেশেও ফিরতে পারিনি। ছয় বছর দেশে ফিরতে দেয়নি আমাকে। যখন দেশে এসেছি, সারা দেশ ঘুরেছি। এই দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছি। সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছিলাম। কিন্তু বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটাবে, এই সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটাবে- এটা তো কাম্য না। আপনাদের কাছে শুধু এইটুকু বলবো, আপনারা সবুর করেন। আর আল্লাহকে ডাকেন যেন এই সমস্ত খুনি-জালেমের হাত থেকে আমাদের দেশটা রেহাই পায়। আমি আপনাদের সঙ্গে আছি, পাশে আছি। আমারও আপনাদের চোখের পানি দেখতে হচ্ছে। এটিই সবচেয়ে কষ্টের। ** [[শেখ হাসিনা]], ২৮ জুলাই ২০২৪, গণভবনে কোটা আন্দোলনে নিহত ছাত্রদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে * কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মহাসচিব আন্তনিও গুতেরেস গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অত্যধিক বলপ্রয়োগের বিষয়ে সামনে আসা নানা প্রতিবেদনের বিষয়েও তিনি শঙ্কিত। যে-কোনো পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে জাতিসংঘ মহাসচিব তার ম্যান্ডেট অনুসারে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। ** স্টিফেন ডুজাররিক, ২৯ জুলাই, জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র [https://www.ittefaq.com.bd/694840/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B2%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%AA-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87] [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8/a-69839456] * দেশের সিভিল সার্ভিস থেকে শুরু করে সমস্ত সরকারি চাকরিতে সকলের বৈধভাবে প্রতিযোগিতা করার অধিকার থাকবে কিনা থাকবে না, এটি রাজনৈতিক প্রশ্ন। কিন্তু এর সমাধানের দিকে না গিয়ে দেশের সরকার প্রথমে উপেক্ষা করতে চেয়েছে, পরবর্তীতে দমননীতি অবলম্বন করেছে নিজের পেটোয়া বাহিনী দিয়ে। সেটা থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের শুরু। এখনো হত্যাকাণ্ডকে অস্বীকার করার জন্য চেষ্টা করছে। এই হত্যাকাণ্ড রাষ্ট্রীয় মদদে হয়েছে। এর বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের জন্য বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক তদন্ত দরকার। গতকাল (৩০ জুলাই ২০২৪) শোক দিবসের নামে একটা প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। সেখানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের জন্য শোক পালনের জন্য কালো ব্যাজ পরিধান করতে বলেছেন। আমরা সেটা প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা লাল ব্যাজ পরেছি। তারপরও তাঁদের তাঁরা শহীদ বলতে রাজি নন। তাহলে তাঁরা যদি শহীদ না হন, তাঁদের জন্য তাহলে প্রার্থনা করার দরকার কী? এ ধরনের অজস্র স্ববিরোধী আপনারা পাবেন। সরকার এখন এ হত্যাকাণ্ডকে জায়েজ করার জন্য অজুহাত দিচ্ছে। তারা মেট্রোরেল স্টেশনে হামলা করেছে, সেতু ভবনে হামলা করেছে অথবা বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনে হামলা করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, উন্নয়নের প্রতীকগুলো ধ্বংস করার জন্য বিরোধীরা এই আন্দোলনে ঢুকে পড়েছে। তবে দেশের মানুষ এটাকে মেনে নিল কেন? মানুষ যেটাকে দম্ভের প্রতীক মনে করে সেটিতে হামলা করে। এই সরকারের বৈধতার একমাত্র দাবি, তারা উন্নয়ন করেছে গত দেড় দশকে, আইয়ুব খানের এক দশক ছিল, শেখ হাসিনার দেড় দশক হয়েছে। এই শহরের মানুষ যে সরকারের উন্নয়নকে প্রত্যাখ্যান করেছে সেটা দেখা যায়। মানুষ যখন তথাকথিত উন্নয়নের প্রতীকে আক্রমণ করে তখন প্রথমে দেখে মনে হবে দুর্ঘটনা, কিন্তু না, এর পেছনে কারণ আছে। কেউ কি বিশ্বাস করেন এ সরকারের ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তারা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার করতে পারে? না। কারণ, তারা নিজেরাই হত্যাকারী। যারা নিজেরাই রাজাকার, খুনি, বিশ্বাসঘাতক তারা অপরকে বলে রাজাকার, খুনি, বিশ্বাসঘাতক। পৃথিবীতে এর চেয়ে বড় পরিহাস আর কী আছে। ক্ষমতার সর্বোচ্চ কেন্দ্রের চারদিকে আজ রাজাকারেরা বসে আছে। যখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরকারি বাহিনীর হামলার ফলে সাধারণ ছাত্ররা জেগে উঠল তাদের বিরুদ্ধে, তারা যখন পরাজয়ের মুখে, তখন তাদের সরিয়ে নিয়ে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ঢুকিয়ে দেওয়া হলো। তখনই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ল সারা দেশে। গুলিতে যাঁরা মারা গেছেন, তাঁরা আমাদের পথপ্রদর্শক। সংকটের উৎপত্তি কোথায়, সেদিকে না গিয়ে সরকার বলছে এই দল, সেই দলকে নিষিদ্ধ করব। সেটা সমস্যাকে আরও বাড়াবে। এজন্য এখন দরকার রাজনৈতিক সমাধান। বর্তমান সরকারকে ক্ষমা প্রার্থনা করে পদত্যাগ করতে হবে। পদত্যাগ ছাড়া নতুন কোনো ব্যবস্থা আমরা দিতে পারব না। ** সলিমুল্লাহ খান, ৩১ জুলাই ২০২৪, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের (ইউল্যাব) অধ্যাপক, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/5n7rtbmej1] [https://www.jugantor.com/national/others/832583/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0] * আমি ঘুমাতে পারি না, যখন মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর গল্প পড়ি। যে ছেলেটা আন্দোলনে গিয়েছিল বিস্কুট ও পানি দেওয়ার জন্য। সে মারা যাওয়ার আগেও বলছিল, কারও পানি লাগবে, পানি লাগবে? এ অবস্থায় তাকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ** [[আসিফ নজরুল]], ৩১ জুলাই ২০২৪ [https://www.jugantor.com/national/832296/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%C2%A0] * একটা জিনিস গেলে আবার গড়ে তোলা যায় কিন্তু একটা জীবন গেলে, প্রাণ গেলে তো আর ফিরে পাওয়া যায় না! যারা আপনজন হারিয়েছে, যে মা তার সন্তান হারিয়েছে, যে সন্তান তার বাবা হারিয়েছে, তাদের কষ্ট আর কেউ না বুঝুক, আমি তো বুঝি! কারণ আজকে এই আগস্ট মাস আমি তো বাবা-মা, ভাই সব হারিয়ে এই বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলাম নিজে ছোট ছোট বাচ্চাদের মাতৃস্নেহবঞ্চিত করে, কেন? বাংলাদেশের মানুষের জন্য। এই দেশের মানুষ সুন্দর জীবন পাবে, উন্নত জীবন পাবে, স্বাধীনতার সুফল পাবে। প্রত্যেকে পেট ভরে ভাত খাবে, প্রত্যেকে লেখাপড়া শিখবে, দারিদ্র্যের হাত থেকে মুক্তি পাবে। বাংলাদেশ উন্নত হবে, সমৃদ্ধশালী হবে, বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসন পাবে। যে মর্যাদা আমরা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর পেয়েছিলাম। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর যা আমরা হারিয়েছিলাম, আবার সেই মর্যাদা ফিরিয়ে নিয়ে আসব। আমি কিন্তু এনেছিলাম। বাংলাদেশ বিশ্বে সেই মর্যাদা পেয়েছে। সেই জায়গায় আমরা নিয়ে গিয়েছিলাম। আজকে বাংলাদেশ সম্পর্কে প্রতিটি জায়গায় নেতিবাচক একটা মনোভাব হয়ে গেছে। এই যে এতদিন এত শ্রম দিলাম, এত কষ্ট, নিজের দিকে তো তাকাইনি! নিজের ছেলে-মেয়ের তো কিছু করিনি! যেটুকু করেছি, এ দেশের মানুষের জন্য। ** [[শেখ হাসিনা]], ১ আগস্ট ২০২৪, জাতীয় শোক দিবস স্মরণে আলোচনাসভায় বক্তব্যে [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-601736] *...আপনাদের দুজনের কাছেই প্রশ্ন, তবে, পানি লাগবে কিনা, পানির বোতল কিন্তু আছে, আপনার ওখানে? পানি লাগবে পানি? হ্যাঁ, এরকম একটা বোতল আছে। মুগ্ধ আমাদের জন্য অনেকগুলো পানির বোতল রেখে গিয়েছে। সেই পানি এখানেও আছে।... (কয়েক সেকেন্ডের জন্য আবেগআপ্লুত হয়ে বাকরুদ্ধ থেকে আবার স্বাভাবিক হয়ে ভারী গলায়)... অগাস্ট মাস আমাদের শোকের মাস... অগাস্ট এর আগে জুলাইতে এমন করে শোক পালন করতে হবে...(ক্রন্দনরত) আমরা কেউ ভাবি নি।.. কিছুক্ষণ আগে আপনাকে একটা ঘটনার কথা বললাম,.. আপনি শুনেছেন, আমি আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আপনি এই ঘটনা বলবেন। কি হয়েছে একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে।.. (ক্রন্দন).. প্লিজ দর্শক কেউ ভাববেন না আমি প্ল্যান করে এসেছি, আমি কোন ভিউ বাড়ানোর জন্য কান্নাকাটি করছি, প্লিজ কেউ ভাববেন না। আমি একজন এঙ্কর,.. আম.. আহ.. আমার আসলে এই মুহূর্তে ইমোশনাল হওয়ার কথা না।.. আমি মূল অনুষ্ঠানে যাচ্ছি।..(স্বাভাবিক কণ্ঠে) আজ বারবার বঙ্গবন্ধুর কথা মনে পড়ছে,.. বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোকের উপর হত্যা করা হয়, তিনি হুংকার দিয়েছিলেন পাকিস্তানি স্বৈরশাসককে।...(ক্রন্দনরত) আজ বঙ্গবন্ধু থাকলে এই অবস্থা হতো?..। ** রোকসানা আঞ্জুমান নিকোল, ১ আগস্ট ২০২৪, যমুনা টিভির সঞ্চালক, রাজনীতি নামক টকশোতে [https://thedailycampus.com/struggle/148662/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD-%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE] * আমরা সকল নির্যাতন, গোলাগুলি, হত্যা, রক্ত– এগুলো দেখতে চাই না। এসবের বাইরে থাকতে চাই। অনেক হাইপারটেনশনের রোগী হয়ে গেছি। এগুলো দেখতে আর ভালো লাগে না। আমরা শান্তি চাই, রক্তপাত চাই না...আমি তো অনেককে অনেক কিছুই বলতে পারি। কিন্তু বিষয়টি সিদ্ধ হতে হবে। এগুলো তো প্রমাণিত হওয়ার ব্যাপার। কোনো প্রমাণিত সত্য আমার হাতে না পেলে, এটা বলতে পারি না। ** [[মোশাররফ করিম]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেতা [https://ntvbd.com/entertainment/news-1435217] * আমাদের যে ভাইরা, যে বন্ধুরা মারা যাচ্ছে, মারা গেল—যদি আপনি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হন, আপনি রাতের বেলা ঘুমাতে পারবেন না। আমার কানে এখনও বাজে যে ‘কারও পানি লাগবে?’ এটা যতদিন মাথায় থাকবে ততদিন আমরা শান্তিতে ঘুমাতে পারব না। ** [[সিয়াম আহমেদ]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেতা [https://www.itvbd.com/entertainment/dhallywood/161405/%E2%80%98%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E2%80%99] * যেদিন থেকে এই ঘটনাগুলো শুরু হয়েছে, যেদিন থেকে গুলি চলেছে, সেদিন থেকে আমি দুই চোখের পাতা এক করতে পারিনি। কারণ ওই শিশুগুলোর মধ্যে আমার সন্তান থাকতে পারতো। ওই মানুষগুলোর মধ্যে আমি, আপনি থাকতে পারতাম।যে অন্যায়, অবিচার, নিপীড়ন করা হয়েছে বা করা হচ্ছে এখনো, যেভাবে গণগ্রেপ্তার করা হচ্ছে, যেভাবে গুলি করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, একটি গণতান্ত্রিক দেশে সেই দৃশ্য দেখার পর কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ যদি বাড়িতে বসে থাকতে পারে, তাহলে আমার বলার কিছু নেই। কারণ আমার একটি ১২ বছরের সন্তান আছে। আমি নিজে এ দেশের নাগরিক। আমার বিদেশি কোনো পাসপোর্ট নেই। আমি এই দেশেই থাকবো এবং এই দেশটি আমার। এই দেশটি আমরাই সংস্কার করবো। এটা কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি হতে পারে না। আমি এসব অন্যায়ের সুষ্ঠু তদন্ত চাই এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিচারের আওতায় আনা হোক। এর প্রকাশ্য-প্রয়োগ আমরা দেখতে চাই। ** [[আজমেরী হক বাঁধন]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেত্রী [https://www.jagonews24.com/entertainment/news/958484] * বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। ** শমী কায়সার, ১ আগস্ট, আন্দোলনে ভাংচুরে ক্ষতিগ্রস্ত বিটিভি ভবন পরিদর্শনকালে, সাথে ছিলেন ফেরদৌস আহমেদ, রোকেয়া প্রাচী, জ্যোতিকা জ্যোতি, সোহানা সাবা, সুজাতা, রিয়াজ, অরুণা বিশ্বাস, নিপুণ, আজিজুল হাকিম, রোকেয়া প্রাচী, তানভীন সুইটি, হৃদি হক, সাজু খাদেম, সোহানা সাবা, চন্দন রেজা, শুভ্র দেব, মুশফিকুর রহমান গুলজার, এস এ হক অলিক, খোরশেদ আলম খসরু, শামীমা তুষ্টিসহ আরও অনেকে। [https://jamuna.tv/news/552593] * শেম অন ইউ গাইজ। (লজ্জা হচ্ছে তোমাদের জন্য)। ** সাদিয়া আয়মান, ১ আগস্ট ২০২৪, ফেরদৌস-শমী কায়সারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শমী কায়সারের "বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।" মন্তব্যযুক্ত যমুনা টিভির কার্ড শেয়ার করে [https://www.jugantor.com/entertainment/833197/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%AE-%E0%A6%85%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%89-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9C-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%8C%E0%A6%B8%E0%A6%B6%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8] * একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা বিটিভির প্রাঙ্গণে গিয়ে চোখের পানি ঝরিয়েছেন। অবশ্যই তাদের জীবন ও ক্যারিয়ারের সঙ্গে বিটিভি কেন্দ্রিক স্মৃতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের দুঃখ পাওয়াটা হয়তো স্বাভাবিক। কিন্তু! এত ছাত্র-ছাত্রী, শিশু, মা, বোন, সাধারণ মানুষ যে মারা গেল তা নিয়ে একবারও কিচ্ছু বললেন না! একবারো দুঃখ প্রকাশ করলেন না। একবারো এই মানুষগুলোর হত্যার বিচার চেয়ে কিছু বললেন না। কেন? কারণ যারা এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন তারা আপনাদের কেউ না। তাদের বা তাদের পরিবারের দ্বারা আপনাদের কোনো লাভ হবে না, স্বার্থ হাসিল হবে না এবং ক্ষমতাও পাবেন না। তাই কি? নিজেদের লাভ লস চিন্তা করে, ক্ষমতার স্বার্থে কিংবা কাউকে দেখানোর জন্য আপনারা যে কথাগুলো ক্যামেরার সামনে বলেছেন এগুলো সারাজীবন আর্কাইভে তো থাকবেই, আমাদের মনেও থেকে যাবে। জেনারেশন টু জেনারেশন জানবে ৯০ দশকের যাদের অভিনয় টিভি স্ক্রিনে দেখে আমরা মুগ্ধ হয়েছি এখন তাদের বাস্তব জীবনের কর্ম দেখে আমরা বিস্মিত এবং লজ্জিত! দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আপনাদের প্রতি শ্রদ্ধা হয়তো আর কখনো ফিরে আসবে না। ** সাদিয়া আয়মান, ২ আগস্ট ২০২৪, ১ আগস্ট দেওয়া ফেসবুক পোস্ট এর ব্যাখ্যা হিসেবে দেওয়া ফেসবুক পোস্টে [https://www.daily-sun.com/bangla/post/4042] * আন্দোলন প্রত্যাহার করে ডিবি অফিস থেকে প্রচারিত ছয় সমন্বয়কের ভিডিও স্টেটমেন্টটি আমরা স্বেচ্ছায় দেইনি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো সিদ্ধান্ত ডিবি অফিস থেকে আসতে পারে না। সারাদেশের সকল সমন্বয়ক ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ব্যতীত কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গৃহীত হবে না। ডিবি অফিসে আমাদের জোর করে খাবার টেবিলে বসিয়ে ভিডিও করা হয়। আমাদের ছেড়ে দেবার আশ্বাস দিয়ে পরিবারকে ডেকে ১৩ ঘন্টা বসিয়ে রাখা হয় এবং মিডিয়ায় মিথ্যা স্টেটমেন্ট দেওয়ানো হয়। আমাদের শিক্ষকরা দেখা করতে আসলে, দেখা করতে দেওয়া হয়নি। **কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৬ সমন্বয়ক, ২ আগস্ট ২০২৪ [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/quota-protest/news-601946] * আমরা এখন রাস্তায়, কারণ আমাদের হাজারো ভাই-বোন মারা গেছেন, হাজারো মানুষকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। যার ফলে এখন, বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে, ছাত্রদের সঙ্গে কর্মজীবী মানুষ, সঙ্গীত ও অভিনয় শিল্পীরাও একাত্মতা পোষণ করেছেন। তারা সবাই রাস্তায় নেমে  এসেছে, আন্দোলন করছে এবং একজন নাগরিক হিসেবে ও সাধারণ মানুষ হিসেবে তার অধিকার সম্পর্কে দাবি তুলছে। বাংলাদেশের পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনী ছাত্রদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে এই আন্দোলনের যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, আমাদের একজন সমন্বয়ক আরিফ সোহেলকে মিথ্যা মামলায় তুলে নেওয়া হয়েছে। ছাত্ররা রাস্তায় নামলেই তারা গণহারে গ্রেফতার করছে। রংপুরে আন্দোলন করার সময় অসংখ্য ছাত্রছাত্রীদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারা দিনদিন আরও কঠোর হচ্ছে। মনে হচ্ছে যেন যুদ্ধের মধ্যে আছি আমরা। বাস্তবে আমাদের এখানে কোনো যুদ্ধ চলছে না, তাহলে আমার প্রশ্ন যুদ্ধ আসলে কেমন হয়। সরকার এটির সমাধান করতে পারত রক্ত ঝরার আগেই। আমাদের ভাই ও বোনদের গুলি খেয়ে রক্ত ঝরার আগেই সমাধান করা উচিত ছিল তাদের। এটা এখন আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। সরকার হাজারের বেশি মানুষকে মেরেছে,হাজারের বেশি মানুষকে তুলে নিয়েছে। সব মিলিয়ে নয় হাজারের বেশি মানুষকে তুলে নিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং জেলে পাঠানো হয়েছে। কাজেই অবশ্যই আমরা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ ও আন্দোলন কারিদের পক্ষ থেকে করজোড়ে প্রত্যেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক কমিউনিটির কাছে সাহায্য চায়। তারা যেন সরকারকে প্রশ্ন করে, চাপ দেয়।’ আমাদের আন্দোলন এখন আর কোটায় সীমাবদ্ধ নেই। আমাদের হাজারো ভাই-বোন মারা গেছে। আমরা সেই নিহতের প্রকৃত সংখ্যাটি পর্যন্ত জানি না। সরকার বলছে তারা নিহতের সংখ্যা জানাবে। গণমাধ্যমে আমরা দেখছি আড়াইশর বেশি নিহতের কথা। বাংলাদেশি পুলিশ ও সরকারের বর্বরতা থেকে নিষ্পাপ শিশুরা পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না। ২ বছর ৪, ৬ ও ১১ বছরের শিশুরা পর্যন্ত মারা গেছে। এমনকি শিশুদের পর্যন্ত আদালতে দাঁড় করিয়েছে তারা। কাজেই এই আন্দোলন এখন আর কোটায় সীমাবদ্ধ নেই। এই আন্দোলন এখন আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের আন্দোলন। এই আন্দোলন এখন আমাদের মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার অধিকারের আন্দোলন। শুরুতে এটা ছাত্রদের আন্দোলন হলেও এখন এটা গণমানুষের আন্দোলন। বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। আন্দোলন দমাতে সরকার অনেকেই গ্রেফতার করেছে। আমাদের অনেক নেতাকে তুলে নিয়ে গেছে। কিন্তু আমরা এখন বিশ্বাস করি আমরা এখন সবাই নেতা। আমার এখন সবাই সমন্বয়ক। আর আমরা এই লড়াই চালিয়ে যাব স্বৈরাচার শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত। এক নায়কতন্ত্র বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত এবং আমাদের সব দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত। ** প্রাপ্তি তাপসী, কোটা আন্দোলনের পক্ষে অন্যতম সংবাদ প্রতিনিধি ছাত্রী, ২ আগস্ট ২০২৪ আল-জাজিরার দ্য স্ট্রিম অনুষ্ঠানে দেওয়া দীর্ঘ অনলাইন সাক্ষাৎকারে [https://www.jugantor.com/national/833516/%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87] * বাংলাদেশের আমার সব ভক্তকে বলছি, আমি তোমাদের কথা শুনছি, তোমাদের জন্য প্রার্থনা করছি। ** [[:w:এনসো ফের্নান্দেস|এনজো ফার্নান্দেজ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে লাল কাপড়ে চোখ ঢাকা পেছনে বাংলাদেশের পতাকাসহ প্রতীকি ছবি শেয়ার করা ফেসবুকের এক পোস্টের ক্যাপশনে [https://www.jagonews24.com/en/amp/75912] * ইয়া আল্লাহ, তুমি যুদ্ধে আমার নবীকে যেভাবে সাহায্য করেছ! সেভাবে আমাদের ভাইগুলোকে সাহায্য করো আমিন। ** ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তী, ৩ জুলাই, ২০২৪, অভিনেত্রী [https://www.rtvonline.com/amp/entertainment/284946] * তাদের সাথে আলোচনার কোন পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের দাবি অত্যন্ত সুস্পষ্ট, তাদের কোন বক্তব্য থাকলে দেশবাসীর সামনেই মিডিয়া মারফত তা রাখতে পারেন। আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার সিদ্ধান্তই আমাদের সিদ্ধান্ত। গুলি আর সন্ত্রাসের সাথে কোন সংলাপ হয় না। ** [[আসিফ মাহমুদ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, কোটা আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক, বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://www.bbc.com/bengali/live/cgrlrjlj9drt#asset:2d5e6283-ba9d-4c26-b7e1-118dc3956d52] * চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে দেশব্যাপী চলা অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে অনেক ইমাম-খতীবকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। কোনো কোনো খতীবকে কারণ ছাড়াই ছুটিতে রাখা হয়েছে। যারা এগুলো করেছেন, ঘোরতর অন্যায় ও নীতিবহির্ভূত কাজ করেছেন। এদেশে সবচেয়ে কম সুযোগ সুবিধায় দায়িত্ব পালন করেন ইমাম-মুয়াজ্জিনগণ। তারা স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পান খুবই কম। অথচ তাদের ওপর খবরদারি করা হয় সব থেকে বেশি। ইমাম মানে নেতা। তাদের ওপর খবরদারি করা মুসলিমসুলভ আচরণ হতে পারে না। কোনো ইমাম সত্য উচ্চারণ করতে গিয়ে জুলুমের শিকার হলে সবাইকে তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান করছি। ইমাম-খতীবগণ যত স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারবেন, আমাদের সমাজ ততই ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে এগোবে। ** [[শায়খ আহমাদুল্লাহ|আহমদুল্লাহ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশী আলিম (মুসলিম ইসলামী পণ্ডিত), ঈমাম, খতীব, ইসলাম ধর্ম প্রচারক ও বক্তা, নিজস্ব ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে কোটা আন্দোলনের পক্ষে কথা বলায় দেশব্যাপী ঈমাম খতীবদের চাকরিচ্যুত করা প্রসঙ্গে [https://www.jugantor.com/national/833757/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9] * আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য গণভবনের দরজা খোলা। কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আমি বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। আমি সংঘাত চাই না। আমি আবারও বলছি, আন্দোলনকারীরা চাইলে আমি এখনো আলোচনায় রাজি। তারা যেকোনো সময় (গণভবনে) আসতে পারে। দরকার হলে তারা তাদের অভিভাবকদের নিয়েও আসতে পারে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে। ** [[শেখ হাসিনা]], ৩ আগস্ট, গণভবনে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/bm5xcpuqwg] * কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে কেউ মারা যায়নি। গুলির যে তথ্য পাওয়া গেছে তার অনেকগুলোই পুলিশের রাইফেলের গুলি নয়। কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। হয়তো দুই-একজন কিশোর মারা গিয়ে থাকতে পারে। তাদেরককে ঢাল হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছিল। শিশুদের আড়ালে অন্য একটি শক্তি ছিল। পেছনের শক্তিকে রুখতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। (পদত্যাগের প্রশ্নে) এরকম কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে এবং প্রধানমন্ত্রী যদি মনে করা তাহলে আমরা সেটা করব। ** [[আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল]], ৩ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী [https://jamuna.tv/news/553165] * কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরুটা দেশবাসী দেখেছেন। সরকার গুণ্ডা-পাণ্ডা দিয়ে সন্ত্রাস চালালো এবং পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিজিবি নামিয়ে, আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত শিশুকিশোর ও তরুণের তাজা প্রাণ হরণ করল, তা দেশবাসী কি এত সহজে এই অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যাবে। এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না।’ শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। সারাদেশের শিশু কিশোর ও তরুণরা শত উসকানি, হামলা ও নির্যাতনের মধ্যেও ধৈর্য ধরে শৃঙ্খলার সঙ্গে আস্তে আস্তে আইন মেনে সামনে পা বাড়াচ্ছিল। বিপরীতে দ্বিতীয় পক্ষ যে উপর্যুপুরি উসকানি দিল, গুণ্ডাপাণ্ডা দিয়ে সন্ত্রাস চালালো এবং পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিজিবি নামিয়ে, আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত শিশু কিশোর ও তরুণের তাজা প্রাণ হরণ করল, তা দেশবাসী কি এত সহজে এই অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যাবে।’ দ্রুত বিজিবি ও সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী তিন দশক ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের মাধ্যমে যে সম্মান মর্যাদা ও গৌরব অর্জন করেছে তা আজ কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। সার্বজনীন মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক সর্বোচ্চ মান রক্ষা করেই আপনাদের সকলকে নিজ দেশের জনগণের পক্ষে দাঁড়াতে হবে। চোখের সামনে আমরা নিজেদের মাতৃভূমিকে ধ্বংস হতে দিতে পারি না। আক্রমণকারীরা গণঅভ্যুত্থানের প্রতিরোধের মধ্যে পিছপা হতে বাধ্য হলে পরবর্তী পর্যায়ে ব্যবহার করা হলো বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে। তাদেরকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কখনও সম্মুখভাবে, কখনো পেছনে ও পাশে দাঁড় করিয়ে অন্যান্য বাহিনীগুলো এই গণ-আন্দোলনের ওপর তাদের জুলুম অত্যাচার নির্যাতন অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। কোনোভাবেই এমন পরিস্থিতির দায় দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর নেওয়া উচিত নয়। বাংলাদেশের স্বশস্ত্র বাহিনী অতীতে কখনো দেশবাসী বা সাধারণ জনগণের মুখোমুখি দাঁড়ায়নি, তাদের মুখে বন্দুক তাক করেনি। ** ইকবাল করিম ভূঁইয়া, ৪ আগস্ট ২০২৪, সাবেক সেনাপ্রধান, সংবাদ সম্মেলনে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/g77bbharbn] * রিট করার নেপথ্যে অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে। কেননা তারা দেশকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দিতে চায়। ** আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন, ৪ আগস্ট ২০২৪, অ্যার্টনি জেনারেল, আন্দোলনের সময় সরাসরি গুলি না করার নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ করার প্রসঙ্গে [https://jamuna.tv/news/553225] * আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন। আমি পদত্যাগ করবো না। আপনি গুলি চালান। ** শেখ হাসিনা, ৫ আগস্ট ২০২৪, সেনাপ্রধান শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে বললে রাগান্বিত হয়ে প্রতিউত্তরে [https://www.dailyjanakantha.com/national/news/750744] * এখানে কেউ থাকবেন না। (নো ওয়ান স্টে হেয়ার।) ** শেখ হাসিনা, ৫ আগস্ট ২০২৪, তার আত্মীয়দের কাছে শেষ হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় [https://english.khaborerkagoj.com/special-report/799212] * শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা গণভবন থেকে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। শেখ হাসিনা যাওয়ার আগে একটি ভাষণ রেকর্ড করে যেতে চেয়েছিলেন। তিনি সে সুযোগ পাননি। ** বার্তা সংস্থা এএফপি, ৫ আগস্ট ২০২৪, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dn4yfsve75] * আপনাদের আমি কথা দিচ্ছি। আপনারা আশাহত হবেন না। আপনাদের যত দাবি আছে আমরা পূরণ করবো। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবো। আপনারা আমাকে সহযোগিতা করেন। দয়া করে ভাঙচুর, মারামারি, হত্যা, সংঘর্ষ এগুলো থেকে বিরত হন।” ** [[ওয়াকার-উজ-জামান]], ৫ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল, দুপুরে জাতির উদ্দেশে ভাষণে [https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/83477/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A4] * দেশে আজকে যা ঘটল, এটাই হওয়ার কথা ছিল। গণ-অভ্যুত্থান কখনো ঠেকানো যায় না। শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন সহজেই সমাধান করা যেত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জেদের কারণে এত মানুষ মারা গেল। গণমাধ্যমে প্রাণহানির যে চিত্র উঠে এসেছে, বাস্তবে এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি। আরও কত মরদেহ কোথায় পড়ে আছে, কত গণকবর হয়েছে, কতগুলো নিরীহ মানুষের প্রাণ ঝরেছে! তিনি তো চলে গেলেন। এখন এর জবাব দেবে কে? ১৫ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেননি। দিনের পর দিন ভোট চুরি করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। শেখ হাসিনার বোঝা উচিত ছিল, তিনি ও তাঁর দল কতটা অজনপ্রিয়। এই যে এত প্রাণহানি, এর জবাব দেবে কে? দেশে সুশাসনের মারাত্মক অভাব। তিনি সুশাসন দিতে পারেননি। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ওপর হাজার হাজার গুলি ছোড়া হয়েছে। হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে। এর আগে আমরা সবাই এইচ এম এরশাদকে স্বৈরাচার বলেছি। তখন মাত্র ছয়জন মানুষ মারা যাওয়ায় তাঁকে স্বৈরশাসক বলছি। কিন্তু গত ১৫ বছরে কত মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। ২০০৯ সালে পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা মারা গেছেন। এখন এর জবাব দেবে কে? যাঁকে জাতির পিতা বলা হয়, তাঁর পরিবারের সদস্যদের এত করুণ পরিণতি কেন হবে? তাঁর এমন পরিণতি আমাদের দেখতে হলো। এসব হয়েছে, তাঁর দম্ভ ও অহমিকার কারণে। প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, দেশে সুশাসন নিশ্চিত করেন। বিভিন্ন সভা–সেমিনারে বলেছি। যা হচ্ছে, তা স্বৈরতন্ত্র। এসব বলার কারণে আমাদের ভিন্ন দলের এজেন্ট বলা হতো। এই যে গণভবন লুটপাট হচ্ছে, ভাঙচুর হচ্ছে—এ জন্য জনগণকে দোষ দেবেন কীভাবে? শ্রীলঙ্কা থেকে হাসিনার সরকার শিক্ষা নেয়নি। তিউনিসিয়া থেকে শিক্ষা নেয়নি। মিসরে কীভাবে হোসনে মোবারক জনরোষে উড়ে গেছে, সেখান থেকে সরকার শিক্ষা নেয়নি। জনগণের সরকার না হলে এমন পরিণতি হয়। এরশাদের চেয়ে শেখ হাসিনা ১০০ গুণ বেশি খারাপ হয়ে বিদায় নিয়েছেন। এরশাদ পালিয়ে যাননি। তিনি পালিয়ে গেছেন। তিনি পালিয়ে গেছেন, কিন্তু আওয়ামী লীগ দলটাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেলেন। তাঁর হিংসা, দম্ভ, অহংকার দলটাকে ধ্বংস করল। ** এম সাখাওয়াত হোসেন, ৫ আগস্ট ২০২৪, নির্বাচন বিশ্লেষক ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তা [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dvds7trgt6] * ভারত হল তার আশেপাশের সকল মুসলিম রাষ্ট্রের আসল মাতৃভূমি। আমরা গর্বিত এবং সম্মানিত যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতে সুরক্ষিতবোধ করেন। কিন্তু যারা ভারতে থাকে তারা বারেবারে প্রশ্ন করে কেন হিন্দু রাষ্ট্র? কেন রাম রাজ্য? কেন সেটা তো বোঝাই যাচ্ছে!!’ ‘মুসলিম দেশে তো মুসলমানরাও সুরক্ষিত নয়। আফগানিস্তান, পাকিস্তান,বাংলাদেশ, ব্রিটেনে যা ঘটছে সেটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা সৌভাগ্যবান যে রাম রাজ্যে থাকি। জয় শ্রী রাম'। ** কঙ্গনা রানাউত, ৫ আগস্ট ২০২৪, অভিনেত্রী, এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে [https://bangla.hindustantimes.com/entertainment/even-muslims-are-not-safe-in-muslim-countries-kangana-ranaut-reacts-as-ex-bangladesh-pm-sheikh-hasina-flees-to-india/amp-31722867132738.html] * অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের রূপরেখা দিতে আমরা ২৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছিলাম। কিন্তু জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় এখনই রূপরেখা ঘোষণা করছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ড. [[মুহাম্মদ ইউনূস|মুহাম্মদ ইউনূসকে]] প্রধান উপদেষ্টা করে ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে। তার সাথে আমাদের কথা হয়েছে, তিনি দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছেন। আমরা সকালের মধ্যে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দেখতে চাই। রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ থাকবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হোক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাকি সদস্যদের নামও আমরা সকালের মধ্যে ঘোষণা করব। **নাহিদ ইসলাম, ৬ আগস্ট ২০২৪, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক, ভোর ৪টার পর ফেসবুকে দেয়া ভিডিও বার্তায় [https://www.dailynayadiganta.com/politics/853517/%E0%A6%A1.-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE] * মূলত দুইটি কারণে ভারত শেখ হাসিনাকে রাখতে চায় না। প্রথম বিষয়টি অবশ্যই তার নিরাপত্তা সংক্রান্ত। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, বাংলাদেশে যে সরকারই আসুক, ভারত তার সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়। আর বাংলাদেশে হাসিনা-বিরোধী মনোভাব তুঙ্গে। ভারত চায় না, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেয়ার ঘটনা ছায়াপাত করুক। এর আগে সেনা সরকার যখন ছিল, তখন ভারতের অসুবিধা ছিল। কিন্তু এবার সেনা সম্ভবত পিছনে থাকবে, বাংলাদেশে নতুন কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু হবে বলে মনে হচ্ছে। ফলে তাদের সঙ্গে ভারতের আলোচনা করতে কোনো অসুবিধা হবে না। বাংলাদেশের ঘটনা ভারতকে একটা বড় চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ভারত চায় না, বাংলাদেশের ঘটনার অভিঘাত দেশের মধ্যে পড়ুক। বাংলাদেশে ভারতের যে সম্পদ ও বিনিয়োগ আছে, ভারত সেগুলিকে নিরাপদ রাখতে চায়। সেদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা চায়। ** শ্রীরাধা দত্ত, ৬ আগস্ট ২০২৪, ও পি জিন্দল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক ডয়চে ভেলেকে [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%A8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F/a-69864559] * কুখ্যাত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে অবিলম্বে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে গ্রেপ্তার করতে হবে। বাংলাদেশে গুম-খুনের আসল কারিগর সে শুধু তা না, ফোন ট্যাপিংয়ের নামে মানুষের প্রাইভেসি ধ্বংস করেছে সে। এবং প্রাউডলি সেই সব রেকর্ডিং এই পারভার্ট লোকটা মিডিয়াতে সরবরাহ করত এবং আমাদের স্পাইনলেস মিডিয়া সেগুলো প্রচার করত। এই লোককে এখনই নিউট্রালাইজ করতে হবে। এছাড়া ডিবি’র হারুনসহ কুখ্যাত যারা আছে তাদের সরিয়ে দিয়ে পুলিশ বাহিনীর উপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করতে হবে এখনই।’ ** [[মোস্তফা সরয়ার ফারুকী]], ৬ আগস্ট ২০২৪, চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা, ফেসবুক পোস্টে [https://www.dainikamadershomoy.com/details/019126708d76?fbclid=IwY2xjawEezI1leHRuA2FlbQIxMQABHUwvttoTLSYm-ujxLPWY6H74ytr489ZvM2g_crax_H2Sl9kPKwgMYif4HA_aem_1wbabngYpoCavI2lyWYF9w] * গুলি করে করে লাশ নামানো লাগছে স্যার। গুলি করি, মরে একটা, আহত হয় একটা। একটাই যায় স্যার, বাকিডি যায় না। এইটা হলো স্যার সবচেয়ে বড় আতঙ্কের এবং দুশ্চিন্তার বিষয়। ** ইকবাল, পুলিশ সদস্য, কোটা আন্দোলন চলাকালীন সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে, ১৩ ও ১৪ই আগস্ট ২০২৪ এর পর ফেসবুকের একটি ভাইরাল ভিডিওতে বলতে দেখা যায় [https://www.kalerkantho.com/online/national/2024/08/13/1414550] [https://dailyinqilab.com/index.php/national/news/678022#google_vignette] * এখন থেকে লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে, যেটারে পাবে সেটারে গুলি করবে। যেখানে গেদারিং দেখবে সেখানে ওপর থেকে.. হেলিকপ্টার থেকে গুলি করবে, এখন ওপর থেকে করাচ্ছি (গুলি), অলরেডি শুরু হয়ে গেছে, র্যাবকে আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে। ** [[শেখ হাসিনা]], ১৮ জুলাই ২০২৪, ভাইরাল অডিও, "ফেস দ্য পিপল" এর ইউটিউব পাতায় ৮ ই মার্চ ২০২৫ এ প্রকাশিত [https://www.jugantor.com/national/926561] * যদি সরকারি দল ভায়োলেন্স চায়, সেটাকেই একমাত্র রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে নিতে চায়, তাহলে এটা যে আমাদের থেকে বেশি কেউ পারবে না, সেটা ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি। ** [[আসিফ মাহমুদ]], ২২ মে ২০২৬ ঝিনাইদহে [[নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী|নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর]] ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায়। [https://www.prothomalo.com/politics/org6cq83pw] * গণ-অভ্যুত্থানে যে স্বপ্ন ছিল চব্বিশে, শেষবারের মতো মানুষ তার জীবন বাজি রেখেছিল। তারপর যখন দেখল, এটা কতিপয় মানুষের নিজস্ব সম্পত্তি, এটা বাংলাদেশে উগ্রবাদের নতুন উত্থান, অদ্ভুতভাবে কিছু নেই থেকে শতকোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়ার একটা প্রকল্প, তখন স্বাভাবিকভাবেই গণমানুষ হাজারবার, লক্ষবার, কোটিবার চিন্তা করবে এ রকম গণ-অভ্যুত্থানে যাওয়ার আগে।...চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে হিজাব পরা ও হিজাব ছাড়া নারীরা যেভাবে অংশ নিয়েছিলেন, গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে সেই পরিবেশ কেন রক্ষা হলো না? চব্বিশের অভ্যুত্থানের ঠিক পরেই মুক্তিযুদ্ধের মুর‍্যাল ও ভাস্কর্যগুলো কারা ভাঙল? একাত্তর আর চব্বিশকে কেন মুখোমুখি করা হলো?...গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে দেশে ‘ভয়াবহ উগ্রবাদের উত্থান হয়েছে’। সেটা আগে জানলে কয়জন রাস্তায় আন্দোলনে নামতেন? ** [[রুমিন ফারহানা]]। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল আয়োজিত [https://www.prothomalo.com/politics/vpp1t809ks আলোচনা সভায়], জাতীয় প্রেসক্লাব, ১১ জুলাই ২০২৬। [https://www.ittefaq.com.bd/797952/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A7%A7%E0%A7%A6%E0%A7%A6-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E2%80%93%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE] == ৭১ বনাম ২৪ বিতর্ক == * [[জাতি]] একবারই স্বাধীন হয়, [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|একাত্তরের]] সঙ্গে চব্বিশের তুলনা চলে না। ** [[নুরুল হক নুর]]। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীর আল-রাজি কমপ্লেক্সে এক সংবাদ সম্মেলনে। [https://www.dhakatimes24.com/2024/12/31/375976][https://www.jugantor.com/politics/897510] * [[যুদ্ধ]] হলো একটা সশস্ত্র সংগ্রাম। দুই গ্রুপের মধ্যে অস্ত্র থাকে, দুই গ্রুপে যুদ্ধ করে। সেই যুদ্ধটা কী জন্য হয়? দেশকে স্বাধীন করার জন্য হয় বা অন্য দেশকে দখল করার জন্য হয়। এখানে তো এরকম কোনো ব্যাপার ছিল না। দেশকে স্বাধীন করার ব্যাপারও ছিল না, অধিকার কবার ব্যাপারও ছিল না। এখানে ব্যাপারটা ছিল হাসিনামুক্ত বাংলাদেশ করার, আওয়ামী লীগমুক্ত বাংলাদেশ করার। সুতরাং বিপ্লব বা এক দফার আন্দোলন ও [[মুক্তিযুদ্ধ]] একই জিনিস না। এ সমস্ত মাথায় যারা টুপি দিয়ে কিছু পাগল ছেলেদেরকে বুঝাচ্ছে, তাদেরকে আমি অনুরোধ করব পাগলামি ছাড়ো। [[গাঁজা]] খেলে খাও কিন্তু মানুষকে গাঁজা খাওয়ানোর চেষ্টা করো না। ** [[অলি আহমেদ]]। ২০২৫ সালের ১৭ জুলাই ঢাকার আইডিইবি মিলনায়তনে এক [https://www.kalerkantho.com/multimedia/Politics/2025/07/19/1548928 বক্তৃতায়]। == বৈদেশিক ভূমিকা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ == == আরও দেখুন == * [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]] * [[আবু সাঈদ]] * [[অসহযোগ আন্দোলন (২০২৪)]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ প্রতিবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ এশিয়া]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ইতিহাস]] 2i210gtlm4yb186kp9kp23n7db50eni 84148 84147 2026-08-10T16:01:03Z ফারদিন 52 /* বৈদেশিক ভূমিকা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ */ উক্তি যোগ 84148 wikitext text/x-wiki {{npov}} [[File:7.Bangladesh quota reform movement 2024.jpg|thumb|...পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা ‍~ সানজিদা চৌধুরী]] [[File:কোটা সংস্কার আন্দোলন, শাহবাগ, কাঁটাবন, সায়েন্স ল্যাব, জুলাই ২০২৪ (৮).jpg|thumb|কোটা না মেধা? মেধা, মেধা ~ বহুল প্রচলিত স্লোগান]] '''[[w:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]]''' হলো বাংলাদেশে সব ধরনের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটার ভিত্তিতে নিয়োগের প্রচলিত ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে সংগঠিত একটি আন্দোলন। ২০২৪ সালের ৫ জুন বাংলাদেশ হাইকোর্ট ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করার পর কোটা পদ্ধতির সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সালে নতুনভাবে আলোচনায় আসে। == স্লোগান == * এই মুহুর্তে দরকার, সেনাবাহিনী সরকার ** [https://bn.observerbd.com/details.php?id=109955 অবজার্ভারবিডি] *{{w|তুমি কে? আমি কে? রাজাকার রাজাকার}}, কে বলেছে কে বলেছে, স্বৈরাচার স্বৈরাচার/সরকার সরকার * দফা এক, দাবি এক, শেখ হাসিনার পদত্যাগ ** [https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/news/one-demand-now-3668981 দ্য ডেইলি স্টারে] উদ্ধৃত। * [[শেখ মুজিবুর রহমান|বঙ্গবন্ধুর]] বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই ** দৈনিক ইত্তেফাকের সংবাদ, [https://web.archive.org/web/20250514081515/https://www.ittefaq.com.bd/692965/%E2%80%98%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A7%E0%A6%BE-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E2%80%99 আর্কাইভকৃত] * [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধের]] বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই ** চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাদুঘরে [https://museum.cu.ac.bd/?page_id=496 উদ্ধৃত] [https://web.archive.org/web/20260322120118/https://museum.cu.ac.bd/?page_id=496 (আর্কাইভে সংরক্ষিত]) * লাশের ভেতর জীবন দে, নইলে গদি ছাইড়া দে ** [https://www.prothomalo.com/bangladesh/145xh9480o প্রথম আলো]তে উদ্ধৃত * সংবিধানের মূল কথা, সবার জন্য সমতা ** [https://www.dhakapost.com/campus/290575 ঢাকাপোস্ট] ও [https://rtvonline.com/national/281749 আরটিভি অনলাইন] * স্টেপ ডাউন হাসিনা (হাসিনা পদত্যাগ কর) ** [https://scroll.in/latest/1071628/step-down-hasina-as-millions-take-to-the-streets-in-bangladesh-48-feared-dead স্ক্রল.ইনে প্রকাশিত] === প্রথম আলোর "বিদ্রোহে-বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে হতে" এ উদ্ধৃত === প্রথম আলোর ২৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে প্রকাশিত কলাম [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে] ([https://web.archive.org/web/20251012120631/https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao আর্কাইভকৃত]) উদ্ধৃত স্লোগান: * আপস না সংগ্রাম? সংগ্রাম সংগ্রাম * আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই * আঁর ন হাঁইয়্যে, বৌতদিন হাঁইয়্য’ ** চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার একটি স্লোগান, অনুবাদ: আর খেয়ো না, অনেক দিন খেয়েছ। * এক দফা, এক দাবি স্বৈরাচার তুই কবে যাবি * এক দুই তিন চার, শেখ হাসিনা, গদি ছাড় * এক দফা দাবি এক, কোটা নট কামব্যাক * '''কোটা না মেধা? মেধা, মেধা''' * চাইলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার! * জনে জনে খবর দে, ছাত্রলীগের কবর দে। * ঢাকায় আসো জনতা, ছাড়তে হবে ক্ষমতা। * তুমি কে? আমি কে? বিকল্প, বিকল্প * তোর কোটা তুই নে, আমার ভাই ফিরিয়ে দে। * দালালি না রাজপথ? রাজপথ, রাজপথ। * পালাইছে রে পালাইছে, হাসিনা পালাইছে। * লাখো শহীদের দামে কেনা, দেশটা কারও বাপের না। * স্বৈরাচার, স্বৈরাচার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়। * বুকের ভেতর অনেক ঝড় বুক পেতেছি গুলি কর। == বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সম্পর্কে উক্তি == * বীর মুক্তিযোদ্ধা সবাই অনগ্রসর নন, তাই সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা রাখা সংবিধানসম্মত নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে বড় আকারে মুক্তিযোদ্ধা কোটা চিরস্থায়ী করলে স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্যকে ধ্বংস করা হয়।’ ** [[জি এম কাদের]], বিরোধীদলীয় নেতা, ৩ জুলাই ২০২৪, জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্য * ‘এত আন্দোলন কিসের রাস্তায় শুরু হয়েছে? আন্দোলনের চাপ দিয়ে কি হাইকোর্টের রায়, সুপ্রিম কোর্টের রায় পরিবর্তন করবেন?’ ** ওবায়দুল হাসান, ৪ জুলাই ২০২৪, প্রধান বিচারপতি, হাইকোর্টের দেওয়া রায় নিয়ে আপিল বিভাগের শুনানিতে দেওয়া বক্তব্য * ২০১৮ সালে গণ-আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছর নির্বাহী বিভাগ কোটা বাতিল করে যে পরিপত্র জারি করেছিল, আজকে বিচার বিভাগ দিয়ে সেই কোটাকে আবার পুনর্বহাল করা হলো। এটা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটা প্রহসন। রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যে এই সমন্বয়হীনতা ও অন্তর্দ্বন্দ্বের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করুক এবং শিক্ষার্থীদের দাবি বিবেচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সেগুলো পূরণ করুক।’ ** নাহিদ ইসলাম, ৪ জুলাই, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক, শাহবাগ মোড় অবরোধ কর্মসূচিতে দেওয়া বক্তব্য * রেল ট্রানজিটের নামে ভারতকে একতরফা করিডর দিলে দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করা ও বৈষম্যমূলক কোটা পুনঃপ্রবর্তনের মাধ্যমে ’৭১ পূর্ব পাকিস্তানি বৈষম্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হলে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ অনিবার্য হয়ে যাবে। এই সরকার দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একতরফাভাবে ভারতকে রেল করিডর দিয়েছে। এই ডামি সরকার মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে ভূলুণ্ঠিত করেছে। আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে আবার নতুন করে কোটা প্রথা চালু করতে চাইছে। ভারতকে করিডর দিয়ে, জনগণের সম্পদ লুটপাটকারীদের সুবিধা দিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আরও দীর্ঘায়িত করতে চায়। ডামি সরকারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং গণতন্ত্র উদ্ধার করে দেশকে এই ফ্যাসিবাদীদের কবল থেকে মুক্ত করতে হবে। ** আব্দুল ওহাব মিনার, ৬ জুলাই ২০২৪, যুগ্ম আহ্বায়ক, এবি পার্টি, ট্রানজিটের একতরফা রেল করিডর, কোটা পুনঃপ্রবর্তন বাতিল ও ডামি সরকারের পদত্যাগসহ চার দফা দাবিতে বিজয়নগরের বিজয়-৭১ চত্বরে অবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচিতে [https://samakal.com/politics/article/245267/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF:-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF] * আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ভুল বুঝিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মুখোমুখি করা হয়েছে এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আরেকটা খুবই ভুল ধারণা তৈরি করা হয়েছে যে, কোটা এবং মেধা, মনে হতে পারে যে, যারা কোটায় চাকরি করে তাদের কোন মেধা নেই। কিন্তু আবেদন করার ক্ষেত্রে কোটা লাগে না, প্রিলিমিনারিতে কোটা লাগেনা, লিখিততে কোটা লাগেনা। একদম শেষ মুহূর্তে গিয়ে কোটা এপ্লাই হয়। তখন মেধায় আসলে সবাই সমান। আমার সামনে যদি দুইটা অপশন থাকে যে, দুইজনই সমান মেধাবী, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও একজন রাজাকারের সন্তান, আমি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে চাকরি দিতে চাই। (শেখ হাসিনা: অবশ্যই) জ্বি। সেটা একটা। ফলে মেধা এবং কোটা খুব সহজেই মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাচ্ছে যে সব মেধাবীরা চাকরি না নিয়ে কোটার চাকরি। আপনাকে খুবই ধন্যবাদ যে আপনারা গত ১০-১২ দিন ধরে আন্দোলন করছে আপনারা অসীম ধৈর্যের সাথে আন্দোলন মোকাবেলা করছেন এবং যারা আন্দোলন করছে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে চাকরি না পেয়ে বঞ্চিত। তাদের ক্ষোভের সাথে আমি খুবই একমত। তাদের পেছনে কি অন্য কেউ ইন্ধন যুগিয়ে ভুল বুঝিয়ে বিভ্রান্ত করে মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোমুখি করছে কিনা। আমার আপনার কাছে আবেদন থাকবে যে আপনারা যে ধৈর্য দেখে যাচ্ছেন সেটা দেখিয়ে যদি তাদের সাথে কোন ভাবে তাদেরকে বুঝিয়ে শুনিয়ে, আগামী ৭ই আগস্ট পর্যন্ত কিছু করার নাই কারন সেদিন আপিল বিভাগের শুনানি হবে। তারপর আপিল বিভাগের রায়ের পর হয়তো নির্বাহী বিভাগ কি করবে না করবে। ততদিন তারা যাতে অন্তত বুঝতে পারে সেটা যদি আপনি অনেক সংবেদনশীলতার সাথে যদি বিষয়টা বিবেচনা করেন তাহলে ভালো হয় আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ** [[প্রভাষ আমিন]], ১৪ জুলাই ২০২৪, এটিএন নিউজে হেড অফ নিউজ, গনভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে *মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরাও পাবে না? তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে। তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না। অপরাধটা কী? নিজের জীবনবাজি রেখে, সংসার সব ফেলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে। দিনরাত খেয়ে না খেয়ে, কাদামাটি ভেঙে, রোদ-বৃষ্টি-ঝড় মোকাবিলা করে যুদ্ধ করে এ দেশের বিজয় এনেছে। বিজয় এনে দিয়েছিল বলে সবাই উচ্চপদে আসীন। এখানে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করা একটা কৌশল। তার মানে হলো মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-নাতি-পুতিরা কেউ মেধাবী না, যত রাজাকারের বাচ্চারা-নাতি-পুতিরা হলো মেধাবী, তাই না? এটা ভুলে গেলে চলবে না যাদের মেধাবী না বলছে, তাদের হাতে ওনারা পরাজিত। যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা জয়ী হয়েছিল রাজাকারদের বিরুদ্ধে, এই কথাটা মনে রাখা উচিত। তাদের মেধাটা কোথায়? সেটা আমার প্রশ্ন। মেধা কার কত, সেটা পরীক্ষার প্রিলিমিনারিতে, লিখিত পরীক্ষায়, তারপর ভাইভা হয়। সেই সময় যেটা… সেটা বাস্তবতা তো যদি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয় সেই পাবে। আর সব সময় সব কোটা পূর্ণ হয় না। যেটা বাকি থাকে তা তালিকা থেকেই দেওয়া হয়। অনেক চাকরিতে মেধার তালিকা থেকে দেওয়া হচ্ছে। এ নির্দেশনা দেওয়া আছে। কিন্তু সেখানে অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা অগ্রাধিকার পাবে, এটা দিতে হবে। ** প্রধানমন্ত্রী [[শেখ হাসিনা]] ১৪ জুলাই ২০২৪ তারিখে গণভবনে এটিএন বাংলার সাংবাদিক [[প্রভাষ আমিন]]ের "আমরা আসলে মেধায় সবাই সমান। আমার কাছে যদি দুইটা অপশন থাকে, দুইজনই সমান মেধাবী, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও একজন রাজাকারের সন্তান, তাহলে আমি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বেছে নেব।" মন্তব্যে *আমি লেখাটি লিখতে শুরু করেছিলাম। শেষ করার আগেই জানতে পারলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটাবিরোধী ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে ঘোষণা দিয়ে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রকম্পিত করেছে। এই লেখাটি শেষ করার আর কোনও প্রয়োজন নেই।’ ‘লেখাটি শেষ না করে নিচের অংশটুকু লিখেছি। ঘুমানোর আগে খবরটি দেখে মাথার মাঝে একটা বিস্ফোরণ হলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে দাবি করেছে। খবরটি নিজের চোখে দেখেও বিশ্বাস হয় না— এটি কি সত্যিই সম্ভব? বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র বা ছাত্রী কি সত্যিই নিজেকে রাজাকার হিসেবে দাবি করতে পারে? শুধুমাত্র একটা সরকারি চাকরির জন্য? কোন দেশের সরকার, বাংলাদেশ নাকি পাকিস্তান? এই ছাত্র-ছাত্রীরা কি জানে, চাকরি অনেক দূরের ব্যাপার, তাদের যে এই দেশের মাটিতে থাকার অধিকার নেই? ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমার বিশ্ববিদ্যালয়, আমার প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়। তবে আমি মনে হয় আর কোনোদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে চাইব না। ছাত্র-ছাত্রীদের দেখলেই মনে হবে, এরাই হয়তো সেই রাজাকার।’ ‘আর যে কয়দিন বেঁচে আছি, আমি কোনো রাজাকারের মুখ দেখতে চাই না। একটাই তো জীবন। সেই জীবনে আবার কেন নূতন করে রাজাকারদের দেখতে হবে?’ ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার কিছু চাইবার নেই, স্বাধীন একটা দেশ চেয়েছিলাম, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়েছিলাম। দু’টোই পেয়ে গেছি। এখন যদি আরও কিছু পাই সেটা হবে বোনাস। (তবে অস্বীকার করব না বেনজীর-আবেদ আলীদের সামলে-সুমলে রাখলে একটু আনন্দ পেতাম।)’ ‘আমরা সবাই জানি, একটা দেশে যদি সবাই সমান সুযোগ পায়, সুবিধা পায় আর সবার যদি সমান অধিকার থাকে, তাহলে কোটার কোনও প্রয়োজন নেই। যদি না থাকে তাহলে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য কোটা রাখা একটা মানবিক ব্যাপার। অবশ্য মানবিক ব্যাপার কথাটা একটু খানি বইয়ের ভাষা, সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত কয়জনের আর অন্যদের মানবিক ব্যাপার নিয়ে মাথা ব্যথা আছে?’ ‘যদি কোটার ব্যাপারটা সহজভাবে লিখি তাহলে বলা যায়, দুই রকম কোটা আছে একটা ভালো, অন্যটা খারাপ। প্রথমে খারাপটার কথা বলি, তার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হচ্ছে— পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ছেলেমেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার কোটা, যেটাকে পোষ্য কোটা বলে। আমি খুঁটিনাটি জানি না, সম্ভবত পোষ্য কোটা শুধু শিক্ষকদের জন্য না, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্যও খোলা, কিন্তু বাস্তবে শিক্ষকদের সন্তানদের ছাড়া আর কোনও সন্তান সেই সুযোগ ব্যবহার করতে পেরেছে বলে মনে হয় না। এই পোষ্য কোটা নিয়ে কখনও কোনও উচ্চবাচ্য হতে দেখিনি। যদিও পোষ্য কোটার ছাত্র-ছাত্রীরা পাস করার পর আবার তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক বানাবার একটি নতুন চাপ শুরু হয়, নিজের চোখে দেখা। আর ভালো কোটার উদাহরণ হচ্ছে—... **মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ১৪ জুলাই ২০২৪, অধ্যাপক ও লেখক [https://www.jagonews24.com/amp/956143] * কোটা সংস্কার আন্দোলনে যাঁরা ‘‘আমি রাজাকার’’ স্লোগান দিচ্ছেন, তাঁদের শেষ দেখিয়ে ছাড়ব। ** সাদ্দাম হোসেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ১৫ জুলাই ২০২৪ * কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কতিপয় নেতারা যে সব বক্তব্য রেখেছে, তার জবাব দেয়ার জন্য- আত্মস্বীকৃত রাজাকার, যারা নিজেদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ মানসিকতার প্রকাশ ঘটিয়েছে; তার জবাব দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। ছাত্রদের বিষয় ক্যাম্পাসের মধ্যেই সীমিত থাকবে। আমরা দেখি, রাজনৈতিকভাবে কারা প্রকাশ্যে আসে, তখন দেখা যাবে। আমরাও মোকাবেলা করতে প্রস্তুত। ** [[ওবায়দুল কাদের]], ১৫ জুলাই ২০২৪ *যারা নিজেদেরকে রাজাকার বলে পরিচয় দেয়, তাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদের রক্তস্নাত লাল সবুজের পতাকা হাতে নিয়ে বা সে পতাকা কপালে বেঁধে নিয়ে মিছিল করবার কোনো অধিকার থাকতে পারে না।’’ ** [[দীপু মনি]], ১৫ জুলাই, [https://www.somoynews.tv/news/2024-07-15/2KvCG3uW] * রক্তাক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়! আমার ক্যাম্পাসে রক্ত কেন? প্রতিবাদ জানাই।’ ** আয়মান সাদিক, ১৫ জুলাই, টেন মিনিট স্কুলের স্বত্ত্বাধিকারী [https://www.jagonews24.com/social-media/news/955804] *কথা বলার স্বাধীনতা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না আমি তাদের (আন্দোলনকারীদের) পূর্ণ সমর্থন করি। সহিংসতা দিয়ে সত্যকে কখনো থামানো যায় না। সত্য কখনো মরে না। বাংলাদেশের জন্য দোয়া করবেন। ** দাউদ কিম, ১৬ জুলাই ২০২৪,‌ দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার‌, ফেসবুক স্ট্যাটাসে[https://www.somoynews.tv/news/2025-07-20/H3KVsSTV] *বাংলাদেশে যা ঘটছে তা ভয়াবহ। কিন্তু মিডিয়া এত চুপ কেন? আর পুলিশ এখন কি করছে? এটি লজ্জার, ওরা আপনার ভাই! আপনি যখন নিরপরাধ ছাত্রদের সাথে সহিংস আচরণ করছেন, তখন আপনি কোন ন্যায়বিচারের কথা বলছেন? যারা সহিংসতার মাধ্যমে স্বাধীনতার জন্য লড়াইকারীদের থামানোর চেষ্টা করছেন; তাদের (শিক্ষার্থীদের) ইচ্ছাকে কখনোই থামাতে পারবেন না। আল্লাহ তাদের পথচলা সহজ করুন। যারা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আল্লাহ তাদের অসীম গৌরব ও বিশ্রাম দিন… আমিন। ** দাউদ কিম, ১৬ জুলাই ২০২৪,‌ দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার‌, ফেসবুক স্ট্যাটাসে [https://www.somoynews.tv/news/2025-07-20/H3KVsSTV] * ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করা হলো। ** আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ফেসবুক ওয়ালে ও শাবিপ্রবির বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081] * মুহম্মদ জাফর ইকবালকে আমরা খুব শ্রদ্ধা করতাম। কিন্তু তার গতকালকের লেখাটি আমাদের হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে। তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। শিক্ষার্থীরা যখন খুন হচ্ছে, হামলার শিকার হচ্ছে তখন একজন শিক্ষক হয়ে তিনি এ ধরনের লেখা লিখতে পারেন না। তাই আমরা তাকে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে আজীবনের জন্যে নিষিদ্ধ করেছি। [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081] * নাম না প্রকাশ করার শর্তে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এক শিক্ষার্থী, ১৭ জুলাই ২০২৪, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081] * জাফর ইকবাল স্যার সম্পর্কে আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো কথা বলতে চাই না। আমার ধারণা উনার প্রচণ্ড বুদ্ধিসুদ্ধির অভাব আছে। হয় উনার মধ্যে প্রচণ্ড অপরাধবোধ কাজ করে যে ১৯৭১ সালে উনি কী করেছেন, এই অপরাধবোধ ঢাকার জন্য উনি অতিরিক্ত মুক্তিযোদ্ধা সাজার চেষ্টা করেন। অধ্যাপক জাফর ইকবালের কাছে তার একটাই প্রশ্ন- আপনি কী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বোঝেন? আপনি কি পড়াশোনা করেছেন? আপনি কি বাহাত্তর সনে গণপরিষদ বিতর্ক পড়েছেন? তার তো কোনো পড়াশোনাই নাই, সে তো শিক্ষাবিদ দূরের কথা উনি বুদ্ধিপ্রতিবন্ধক একজন মানুষ। ** আসিফ নজরুল, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.ittefaq.com.bd/694138/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2] * আমাদের সাইট থেকে তার (মুহম্মদ জাফর ইকবালের) সব বই ‘নট অ্যাভেইলেবল’ করে দেওয়া হয়েছে। ** রকমারি ডট কম কর্তৃপক্ষ, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.rtvonline.com/bangladesh/283021] * শুধু কোটা নয়; গোটা দেশটাই সংস্কারের প্রয়োজন। ** [[মিজানুর রহমান আজহারী]] ১৭ জুলাই ২০২৪ বুধবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে তিনি বলেন,[https://dainikamadershomoy.com/details/0190bf2b9c2f] * '''...পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা''' ** সানজিদা চৌধুরীর উক্তি, ১৭ জুলাই ২০২৪, [https://www.somoynews.tv/news/2025-02-21/24NM1wYW সময়টিভিতে উদ্ধৃত] * এই আন্দোলনের শুরু থেকেই সরকার যথেষ্ট ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন করেছে। বরং আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশ সহযোগিতা করে। মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে যখন আন্দোলনকারীরা স্মারকলিপি প্রদান করার ইচ্ছা প্রকাশ করে, সে ক্ষেত্রে তাদের সুযোগ করে দেওয়া হয় এবং নিরাপত্তারও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো- কিছু মহল এই আন্দোলনের সুযোগটা নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করার সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। এর ফলে এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে যে সব ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক। অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল। আপনজন হারাবার বেদনা যে কত কষ্টের, তা আমার থেকে আর কে বেশি জানে। ** [[শেখ হাসিনা]], ১৭ জুলাই ২০২৪, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে * ভাই, পানি লাগবে কারও পানি? ** [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]], ১৮ জুলাই ২০২৪, ঢাকায় একটি আন্দোলনে পুলিশের লক্ষহীন এলোপাথাড়ি গুলিতে মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে ছাত্রদের মাঝে বিনামূল্যে পানি ও বিস্কুট বিতরণ করার সময় [https://www.jugantor.com/national/830891/%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%AB-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9F-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7] * ‘এ আগুন থামান। এ আগুন নেভানোর দায়িত্ব সরকারের। কালবিলম্ব না করে সম্ভব হলে আজ-কালকের মধ্যেই স্পেশাল কোর্ট বসিয়ে সমস্যার সমাধান করুন। সময় খুব কম। আমরাও সরকারে (এরশাদের আমলে) ছিলাম। আমরাও এভাবে আন্দোলনকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিলাম। নূর হোসেন মারা যাওয়ার পর অনেকে বলেছিলেন, টোকাই মারা গেছে, কী হবে? কিন্তু আমি বলেছিলাম, না, এই নূর হোসেন একক কোনো ব্যক্তি নয়।’ **কাজী ফিরোজ রশীদ, ১৮ জুলাই ২০২৪, নির্বাহী চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টি (রওশন এরশাদপন্থী) * ‘সব ধরনের সহিংসতা ও বলপ্রয়োগ, বিশেষ করে প্রাণহানির ঘটনার অবশ্যই তদন্ত করতে হবে এবং দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ মানুষের মৌলিক মানবাধিকার।’ **ভলকার টুর্ক, ১৮ জুলাই ২০২৪, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার, এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে * আপনার কোনো অধিকার নেই আমাকে রাজাকারের বাচ্চা বলার! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আপনি কোন সাহসে আমাকে রাজাকারের বাচ্চা বলেন? আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! ** দীপ্তি চৌধুরী, ১৮ জুলাই, আলোচনা সঞ্চালক, চ্যানেল আইএর টু দ্য পয়েন্ট নামক টকশোতে আলোচক সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক স্টুডিও ছাড়ার আগে তাকে ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে সম্বোধন করার প্রতিক্রিয়ায় [https://www.ntvbd.com/bangladesh/news-1435909] * আমি ভারতের নাগরিক। বাংলাদেশ আমাদের প্রতিবেশী। তার বিষয় আসয়ে নাক গলানোর অধিকার আমার নেই। সেটা করতে চাইও না। তবু বাংলাদেশের অনেকের কাছ থেকে যে ভালবাসা আমি পেয়েছি তা ভুলে থাকতেও পারছি না। বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থায় চুপ করে বসে থাকতে পারি না। থেকেছি কয়েক দিন। আর পারছি না। কিন্তু অবস্থাটা যে ঠিক কী, কী কী কারণে যে এমন হল এবং হচ্ছে, কারা যে এতে জড়িত তাও তো ঠিকমতো জানি না। তাও পঁচাত্তর উত্তীর্ণ এই বাংলাভাষী করজোড়ে সব পক্ষকে মিনতি করছি: অনুগ্রহ করে হিংসা হানাহানি বন্ধ করুন। ঢাকা সরকারকে অনুরোধ করছি: বাংলা ভাষার কসম শান্তি রক্ষার চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। আপনাদের ছাত্রবাহিনী যেন হিংসার আশ্রয় না নেন।” “হানাহানি বন্ধ হোক। বন্ধ হোক উল্টোপালটা কথা বলে দেওয়া। বাঁচুক বাংলাদেশ। বাঁচুন বাংলাদেশের সকলে। জয় বাংলাদেশ। জয় মুক্তিযুদ্ধ। জয় অসংখ্য বাংলাদেশীর শাহাদাত ও অপূরণীয় ক্ষতিস্বীকার। জয় বীরাঙ্গনারা। জয় বাংলা ভাষা!”“বিরোধী হলেই রাজাকার!/ বলে দাও তবে দেশটা কার/ দেশটা কার দেশটা কার!” ** কবীর সুমন, ১৮ জুলাই ২০২৪, ফেসবুক পোস্টে [https://mzamin.com/news.php?news=119230] * প্রায় এক মাস হলো আমি নিজের দেশে নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খবরের চ্যানেলে তৃতীয় বিশ্বের কোনো খবরই তেমন একটা চলেনা। আর আমি খুব একটা ফোনের পোকা নই তাই এত খারাপ একটা খবর কানে আসতে দেরি হলো। বাংলাদেশের স্মৃতি নিয়ে স্বস্তিকা লিখেন, ‘এই তো কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ গেলাম, খুব ইচ্ছে ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় যাওয়ার। চারুকলা যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল, জীবনের একটা স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। প্রতিবার আসি, ব্যস্ততায় যাওয়া হয়না, মা‘ও খুব যেতে চাইতেন বাংলাদেশ, নিয়ে যাওয়া হয়নি। কিন্তু আজ একটা ভিডিও দেখলাম, গুলির ধোঁয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা আক্রান্ত। ছাত্র বয়স গেছে সেই কবে, তবে জাহাঙ্গীরনগর আর আমার যাদবপুর খুব কাছাকাছি। কাঠ গোলাপের গাছগুলোও কেমন এক রকম। এক রকম আকাশের মেঘগুলোও। কেবল আজ ওখানে বারুদের গন্ধ।’‘ময়দান ভারী হয়ে নামে কুয়াশায়, দিগন্তের দিকে মিলিয়ে যায় রুটমার্চ, তার মাঝখানে পথে পড়ে আছে ও কি কৃষ্ণচূড়া? নিচু হয়ে বসে হাতে তুলে নিই, তোমার ছিন্ন শির, তিমির।’ এমন এক আপ্যায়নপ্রিয় জাতি দেখিনি, খাবারের নিমন্ত্রণ যেন শেষ হতেই চায় না, অমন সুন্দর করে সারা রাস্তা জুড়ে ভাষার আল্পনা আর কোথায় দেখবো? নয়নজুড়ানো দেওয়াল লেখা? এ বোধহয় মুক্তিযুদ্ধের শপথ নেওয়া একটা জাতির পক্ষেই সম্ভব। আজ অস্থির লাগছে। আমিও তো সন্তানের জননী। আশা করবো বাংলাদেশ শান্ত হবে। অনেকটা দূরে আছি, এই প্রার্থনাটুকুই করতে পারি। অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো, সেই আমাদের আলো, আলো হোক, ভাল হোক সকলের। ** স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, ১৮ জুলাই ২০২৪, কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত আবু সাঈদের আঁকা ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে, যার উপরে লেখা "বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর।" [https://www.ntvbd.com/entertainment/news-1430941] [https://www.bvnews24.com/entertainment/news/155975] * বাংলাদেশে থাকা যেসব মানুষ ভোগান্তির মধ্যে আছেন, তাঁদের জন্য আমার প্রার্থনা ও সহমর্মিতা রইল। ** [[:w:এনসো ফের্নান্দেস|এনজো ফার্নান্দেজ]], ১৯ জুলাই ২০২৪, ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার, ফেসবুকের এক পোস্টে [https://www.prothomalo.com/sports/football/bbeqhr6be7] *এটা অবশ্যই কারফিউ। এটা নিয়ম অনুযায়ীই হবে এবং সেটা শুট অ্যাট সাইট হবে। ** [[ওবায়দুল কাদের]], ২০ জুলাই ২০২৪, গণভবনে ১৪ দলের বৈঠকের পর কারফিউ জারি ও সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সাংবাদিকদের দেওয়া বক্তব্য [https://www.prothomalo.com/bangladesh/34df7itae8] * দেশকে যখন আমরা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছি, তখন দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনের মধ্যে গুজব ছড়ানো হয়েছে, শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু বলে দিতে চাই, শেখ হাসিনা পালায়নি, পালায় না। আমি জানি ব্যবসা বানিজ্য সচল রাখতে হবে। এজন্য আপনাদের সহযোগিতা দরকার। যে ক্ষতি হয়েছে সেটি কারা করলো? এবার অতো সহজে ছাড়া হবে না। ধ্বংসযঞ্জে চালিয়ে দেশকে ধ্বংস করবে? আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই যাতে দেশের ভাবমূর্তি ঠিক থাকে। ভাবমূর্তি ঠিক না থাকলে ব্যবসা লাটে উঠবে। ** [[শেখ হাসিনা]], ২২ জুলাই ২০২৪, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে * সরকার আগে থেকে আন্তরিক হলে মৃত্যু কমানো যেতো। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা যে দাবি করেছিল, সেটা তো শেষ পর্যন্ত মেনে নেওয়া হয়েছে। এটাই যদি শুরুতে উদ্যোগ নিয়ে করা হতো তাহলে তো এত প্রাণহানি হতো না। বরং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগকে উস্কানি দিয়ে আন্দোলনকারীদের উপর হামলা না করালে হয়ত পরিস্থিতি এ দিকে যেতো না। ফলে আমি মনে করি, সরকার আন্তরিক হলেই প্রাণহানি কমতো। ** সাখাওয়াত হোসেন ২৫ জুলাই ২০২৪, নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%BE/a-69767637] * সরকার দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করেনি, ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গেছে। **[[জুনাইদ আহমেদ পলক]], ২৭ জুলাই ২০২৪, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, ‘শান্তির জন্য বৃক্ষ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/34df7itae8] * এখানে আমার তো কোনও চাওয়া-পাওয়া নেই। আমি তো ছেলে-মেয়েদের জন্যও কিছু করিনি। শুধু তাদের লেখাপড়া... নিজেরাই চাকরি করে লেখাপড়া করেছে। আমি কতটুকুইবা তাদের জন্য করতে পেরেছি। কিন্তু আমি দেশের মানুষের জন্য করেছি। আজ অন্তত মানুষের ভাত-কাপড়ের ব্যবস্থা, চিকিৎসার ব্যবস্থা, তাদের কাজের সংস্থান; সবই তো করে দিচ্ছিলাম। যখন আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেলাম, তখনই তাণ্ডব করে ঠিক যে জায়গাগুলো (প্রতিষ্ঠান) মানুষের সেবা করবে, সে জায়গাগুলোতে আঘাত করা হলো। সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার পরেও তাদের আর সেই শাটডাউন শেষ হয় না, কী কারণে আমি বুঝি না। আমরা তো সবগুলো দাবিই মেনে নিয়েছি। একটা মানলে আরেকটা, আরেকটা মানলে আরও একটা! আর এর ফল আজকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে সব একদিকে ছারখার, আর আজকে কত মানুষ জীবন হারালো! কতগুলো মানুষ পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে! কতগুলো মানুষ...। ** [[শেখ হাসিনা]], ২৭ জুলাই ২০২৪, আন্দোলনে আহতদের দেখতে শেরেবাংলা নগরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ট্রমাটোলজি অ্যান্ড অর্থোপেডিক রিহ্যাবিলিটেশন-নিটোর (পঙ্গু হাসপাতাল)-এ [https://www.banglatribune.com/national/855810/%E0%A6%8F%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B2-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] * মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের দিকেই যেন তাদের বেশি ক্ষোভ। আমার একটা কথা নিয়ে কত দিন প্রতিবাদ করল, কী কথা বলেছিলাম আমি? আমার কথাটাকে বিকৃত করা হয়েছিল। তাদের স্লোগানটা কী? ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার। তোমার বাবা, আমার বাবা, রাজাকার রাজাকার’। তার মানে তারা নিজেদেরই রাজাকার হিসেবে পরিচয় দিল। আমি তো তাদের রাজাকার বলিনি, তারা নিজেরাই স্লোগান দিয়ে নিজেদের রাজাকার হিসেবে পরিচিত করল সবার কাছে।” ** [[শেখ হাসিনা]], ২৭ জুলাই ২০২৪, বিটিভি ভবনের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শনকালে। * আপনাদেরও সাহায্য চাই। যদি আপনারা কিছু জানেন, আমাদের জানাবেন। কারণ, এভাবে বারবার বাংলাদেশে সহিংসতা, এটা আর হতে দেওয়া হবে না। এ কারণে আপনাদের সাহায্য চাই। এমন জানোয়ারের মতো বর্বরতা কেউ কেউ করতে পারে? একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানের লাশ ঝুলিয়ে রাখতে পারে? যারা এগুলোর সাথে জড়িত, অবশ্যই এদের বিচার করতে হবে। তা না হলে মানুষের নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না। আমি তো বুঝি আপনাদের বেদনা। প্রতিনিয়ত বাপ-মা-ভাই-বোনদের হারানোর ব্যথা নিয়ে আমাদের চলতে হয়। লাশটাও দেখতে পারিনি, কাফন-দাফনটাও করতে পারিনি। দেশেও ফিরতে পারিনি। ছয় বছর দেশে ফিরতে দেয়নি আমাকে। যখন দেশে এসেছি, সারা দেশ ঘুরেছি। এই দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছি। সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছিলাম। কিন্তু বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটাবে, এই সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটাবে- এটা তো কাম্য না। আপনাদের কাছে শুধু এইটুকু বলবো, আপনারা সবুর করেন। আর আল্লাহকে ডাকেন যেন এই সমস্ত খুনি-জালেমের হাত থেকে আমাদের দেশটা রেহাই পায়। আমি আপনাদের সঙ্গে আছি, পাশে আছি। আমারও আপনাদের চোখের পানি দেখতে হচ্ছে। এটিই সবচেয়ে কষ্টের। ** [[শেখ হাসিনা]], ২৮ জুলাই ২০২৪, গণভবনে কোটা আন্দোলনে নিহত ছাত্রদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে * কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মহাসচিব আন্তনিও গুতেরেস গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অত্যধিক বলপ্রয়োগের বিষয়ে সামনে আসা নানা প্রতিবেদনের বিষয়েও তিনি শঙ্কিত। যে-কোনো পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে জাতিসংঘ মহাসচিব তার ম্যান্ডেট অনুসারে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। ** স্টিফেন ডুজাররিক, ২৯ জুলাই, জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র [https://www.ittefaq.com.bd/694840/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B2%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%AA-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87] [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8/a-69839456] * দেশের সিভিল সার্ভিস থেকে শুরু করে সমস্ত সরকারি চাকরিতে সকলের বৈধভাবে প্রতিযোগিতা করার অধিকার থাকবে কিনা থাকবে না, এটি রাজনৈতিক প্রশ্ন। কিন্তু এর সমাধানের দিকে না গিয়ে দেশের সরকার প্রথমে উপেক্ষা করতে চেয়েছে, পরবর্তীতে দমননীতি অবলম্বন করেছে নিজের পেটোয়া বাহিনী দিয়ে। সেটা থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের শুরু। এখনো হত্যাকাণ্ডকে অস্বীকার করার জন্য চেষ্টা করছে। এই হত্যাকাণ্ড রাষ্ট্রীয় মদদে হয়েছে। এর বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের জন্য বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক তদন্ত দরকার। গতকাল (৩০ জুলাই ২০২৪) শোক দিবসের নামে একটা প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। সেখানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের জন্য শোক পালনের জন্য কালো ব্যাজ পরিধান করতে বলেছেন। আমরা সেটা প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা লাল ব্যাজ পরেছি। তারপরও তাঁদের তাঁরা শহীদ বলতে রাজি নন। তাহলে তাঁরা যদি শহীদ না হন, তাঁদের জন্য তাহলে প্রার্থনা করার দরকার কী? এ ধরনের অজস্র স্ববিরোধী আপনারা পাবেন। সরকার এখন এ হত্যাকাণ্ডকে জায়েজ করার জন্য অজুহাত দিচ্ছে। তারা মেট্রোরেল স্টেশনে হামলা করেছে, সেতু ভবনে হামলা করেছে অথবা বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনে হামলা করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, উন্নয়নের প্রতীকগুলো ধ্বংস করার জন্য বিরোধীরা এই আন্দোলনে ঢুকে পড়েছে। তবে দেশের মানুষ এটাকে মেনে নিল কেন? মানুষ যেটাকে দম্ভের প্রতীক মনে করে সেটিতে হামলা করে। এই সরকারের বৈধতার একমাত্র দাবি, তারা উন্নয়ন করেছে গত দেড় দশকে, আইয়ুব খানের এক দশক ছিল, শেখ হাসিনার দেড় দশক হয়েছে। এই শহরের মানুষ যে সরকারের উন্নয়নকে প্রত্যাখ্যান করেছে সেটা দেখা যায়। মানুষ যখন তথাকথিত উন্নয়নের প্রতীকে আক্রমণ করে তখন প্রথমে দেখে মনে হবে দুর্ঘটনা, কিন্তু না, এর পেছনে কারণ আছে। কেউ কি বিশ্বাস করেন এ সরকারের ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তারা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার করতে পারে? না। কারণ, তারা নিজেরাই হত্যাকারী। যারা নিজেরাই রাজাকার, খুনি, বিশ্বাসঘাতক তারা অপরকে বলে রাজাকার, খুনি, বিশ্বাসঘাতক। পৃথিবীতে এর চেয়ে বড় পরিহাস আর কী আছে। ক্ষমতার সর্বোচ্চ কেন্দ্রের চারদিকে আজ রাজাকারেরা বসে আছে। যখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরকারি বাহিনীর হামলার ফলে সাধারণ ছাত্ররা জেগে উঠল তাদের বিরুদ্ধে, তারা যখন পরাজয়ের মুখে, তখন তাদের সরিয়ে নিয়ে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ঢুকিয়ে দেওয়া হলো। তখনই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ল সারা দেশে। গুলিতে যাঁরা মারা গেছেন, তাঁরা আমাদের পথপ্রদর্শক। সংকটের উৎপত্তি কোথায়, সেদিকে না গিয়ে সরকার বলছে এই দল, সেই দলকে নিষিদ্ধ করব। সেটা সমস্যাকে আরও বাড়াবে। এজন্য এখন দরকার রাজনৈতিক সমাধান। বর্তমান সরকারকে ক্ষমা প্রার্থনা করে পদত্যাগ করতে হবে। পদত্যাগ ছাড়া নতুন কোনো ব্যবস্থা আমরা দিতে পারব না। ** সলিমুল্লাহ খান, ৩১ জুলাই ২০২৪, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের (ইউল্যাব) অধ্যাপক, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/5n7rtbmej1] [https://www.jugantor.com/national/others/832583/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0] * আমি ঘুমাতে পারি না, যখন মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর গল্প পড়ি। যে ছেলেটা আন্দোলনে গিয়েছিল বিস্কুট ও পানি দেওয়ার জন্য। সে মারা যাওয়ার আগেও বলছিল, কারও পানি লাগবে, পানি লাগবে? এ অবস্থায় তাকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ** [[আসিফ নজরুল]], ৩১ জুলাই ২০২৪ [https://www.jugantor.com/national/832296/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%C2%A0] * একটা জিনিস গেলে আবার গড়ে তোলা যায় কিন্তু একটা জীবন গেলে, প্রাণ গেলে তো আর ফিরে পাওয়া যায় না! যারা আপনজন হারিয়েছে, যে মা তার সন্তান হারিয়েছে, যে সন্তান তার বাবা হারিয়েছে, তাদের কষ্ট আর কেউ না বুঝুক, আমি তো বুঝি! কারণ আজকে এই আগস্ট মাস আমি তো বাবা-মা, ভাই সব হারিয়ে এই বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলাম নিজে ছোট ছোট বাচ্চাদের মাতৃস্নেহবঞ্চিত করে, কেন? বাংলাদেশের মানুষের জন্য। এই দেশের মানুষ সুন্দর জীবন পাবে, উন্নত জীবন পাবে, স্বাধীনতার সুফল পাবে। প্রত্যেকে পেট ভরে ভাত খাবে, প্রত্যেকে লেখাপড়া শিখবে, দারিদ্র্যের হাত থেকে মুক্তি পাবে। বাংলাদেশ উন্নত হবে, সমৃদ্ধশালী হবে, বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসন পাবে। যে মর্যাদা আমরা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর পেয়েছিলাম। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর যা আমরা হারিয়েছিলাম, আবার সেই মর্যাদা ফিরিয়ে নিয়ে আসব। আমি কিন্তু এনেছিলাম। বাংলাদেশ বিশ্বে সেই মর্যাদা পেয়েছে। সেই জায়গায় আমরা নিয়ে গিয়েছিলাম। আজকে বাংলাদেশ সম্পর্কে প্রতিটি জায়গায় নেতিবাচক একটা মনোভাব হয়ে গেছে। এই যে এতদিন এত শ্রম দিলাম, এত কষ্ট, নিজের দিকে তো তাকাইনি! নিজের ছেলে-মেয়ের তো কিছু করিনি! যেটুকু করেছি, এ দেশের মানুষের জন্য। ** [[শেখ হাসিনা]], ১ আগস্ট ২০২৪, জাতীয় শোক দিবস স্মরণে আলোচনাসভায় বক্তব্যে [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-601736] *...আপনাদের দুজনের কাছেই প্রশ্ন, তবে, পানি লাগবে কিনা, পানির বোতল কিন্তু আছে, আপনার ওখানে? পানি লাগবে পানি? হ্যাঁ, এরকম একটা বোতল আছে। মুগ্ধ আমাদের জন্য অনেকগুলো পানির বোতল রেখে গিয়েছে। সেই পানি এখানেও আছে।... (কয়েক সেকেন্ডের জন্য আবেগআপ্লুত হয়ে বাকরুদ্ধ থেকে আবার স্বাভাবিক হয়ে ভারী গলায়)... অগাস্ট মাস আমাদের শোকের মাস... অগাস্ট এর আগে জুলাইতে এমন করে শোক পালন করতে হবে...(ক্রন্দনরত) আমরা কেউ ভাবি নি।.. কিছুক্ষণ আগে আপনাকে একটা ঘটনার কথা বললাম,.. আপনি শুনেছেন, আমি আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আপনি এই ঘটনা বলবেন। কি হয়েছে একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে।.. (ক্রন্দন).. প্লিজ দর্শক কেউ ভাববেন না আমি প্ল্যান করে এসেছি, আমি কোন ভিউ বাড়ানোর জন্য কান্নাকাটি করছি, প্লিজ কেউ ভাববেন না। আমি একজন এঙ্কর,.. আম.. আহ.. আমার আসলে এই মুহূর্তে ইমোশনাল হওয়ার কথা না।.. আমি মূল অনুষ্ঠানে যাচ্ছি।..(স্বাভাবিক কণ্ঠে) আজ বারবার বঙ্গবন্ধুর কথা মনে পড়ছে,.. বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোকের উপর হত্যা করা হয়, তিনি হুংকার দিয়েছিলেন পাকিস্তানি স্বৈরশাসককে।...(ক্রন্দনরত) আজ বঙ্গবন্ধু থাকলে এই অবস্থা হতো?..। ** রোকসানা আঞ্জুমান নিকোল, ১ আগস্ট ২০২৪, যমুনা টিভির সঞ্চালক, রাজনীতি নামক টকশোতে [https://thedailycampus.com/struggle/148662/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD-%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE] * আমরা সকল নির্যাতন, গোলাগুলি, হত্যা, রক্ত– এগুলো দেখতে চাই না। এসবের বাইরে থাকতে চাই। অনেক হাইপারটেনশনের রোগী হয়ে গেছি। এগুলো দেখতে আর ভালো লাগে না। আমরা শান্তি চাই, রক্তপাত চাই না...আমি তো অনেককে অনেক কিছুই বলতে পারি। কিন্তু বিষয়টি সিদ্ধ হতে হবে। এগুলো তো প্রমাণিত হওয়ার ব্যাপার। কোনো প্রমাণিত সত্য আমার হাতে না পেলে, এটা বলতে পারি না। ** [[মোশাররফ করিম]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেতা [https://ntvbd.com/entertainment/news-1435217] * আমাদের যে ভাইরা, যে বন্ধুরা মারা যাচ্ছে, মারা গেল—যদি আপনি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হন, আপনি রাতের বেলা ঘুমাতে পারবেন না। আমার কানে এখনও বাজে যে ‘কারও পানি লাগবে?’ এটা যতদিন মাথায় থাকবে ততদিন আমরা শান্তিতে ঘুমাতে পারব না। ** [[সিয়াম আহমেদ]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেতা [https://www.itvbd.com/entertainment/dhallywood/161405/%E2%80%98%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E2%80%99] * যেদিন থেকে এই ঘটনাগুলো শুরু হয়েছে, যেদিন থেকে গুলি চলেছে, সেদিন থেকে আমি দুই চোখের পাতা এক করতে পারিনি। কারণ ওই শিশুগুলোর মধ্যে আমার সন্তান থাকতে পারতো। ওই মানুষগুলোর মধ্যে আমি, আপনি থাকতে পারতাম।যে অন্যায়, অবিচার, নিপীড়ন করা হয়েছে বা করা হচ্ছে এখনো, যেভাবে গণগ্রেপ্তার করা হচ্ছে, যেভাবে গুলি করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, একটি গণতান্ত্রিক দেশে সেই দৃশ্য দেখার পর কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ যদি বাড়িতে বসে থাকতে পারে, তাহলে আমার বলার কিছু নেই। কারণ আমার একটি ১২ বছরের সন্তান আছে। আমি নিজে এ দেশের নাগরিক। আমার বিদেশি কোনো পাসপোর্ট নেই। আমি এই দেশেই থাকবো এবং এই দেশটি আমার। এই দেশটি আমরাই সংস্কার করবো। এটা কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি হতে পারে না। আমি এসব অন্যায়ের সুষ্ঠু তদন্ত চাই এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিচারের আওতায় আনা হোক। এর প্রকাশ্য-প্রয়োগ আমরা দেখতে চাই। ** [[আজমেরী হক বাঁধন]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেত্রী [https://www.jagonews24.com/entertainment/news/958484] * বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। ** শমী কায়সার, ১ আগস্ট, আন্দোলনে ভাংচুরে ক্ষতিগ্রস্ত বিটিভি ভবন পরিদর্শনকালে, সাথে ছিলেন ফেরদৌস আহমেদ, রোকেয়া প্রাচী, জ্যোতিকা জ্যোতি, সোহানা সাবা, সুজাতা, রিয়াজ, অরুণা বিশ্বাস, নিপুণ, আজিজুল হাকিম, রোকেয়া প্রাচী, তানভীন সুইটি, হৃদি হক, সাজু খাদেম, সোহানা সাবা, চন্দন রেজা, শুভ্র দেব, মুশফিকুর রহমান গুলজার, এস এ হক অলিক, খোরশেদ আলম খসরু, শামীমা তুষ্টিসহ আরও অনেকে। [https://jamuna.tv/news/552593] * শেম অন ইউ গাইজ। (লজ্জা হচ্ছে তোমাদের জন্য)। ** সাদিয়া আয়মান, ১ আগস্ট ২০২৪, ফেরদৌস-শমী কায়সারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শমী কায়সারের "বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।" মন্তব্যযুক্ত যমুনা টিভির কার্ড শেয়ার করে [https://www.jugantor.com/entertainment/833197/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%AE-%E0%A6%85%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%89-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9C-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%8C%E0%A6%B8%E0%A6%B6%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8] * একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা বিটিভির প্রাঙ্গণে গিয়ে চোখের পানি ঝরিয়েছেন। অবশ্যই তাদের জীবন ও ক্যারিয়ারের সঙ্গে বিটিভি কেন্দ্রিক স্মৃতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের দুঃখ পাওয়াটা হয়তো স্বাভাবিক। কিন্তু! এত ছাত্র-ছাত্রী, শিশু, মা, বোন, সাধারণ মানুষ যে মারা গেল তা নিয়ে একবারও কিচ্ছু বললেন না! একবারো দুঃখ প্রকাশ করলেন না। একবারো এই মানুষগুলোর হত্যার বিচার চেয়ে কিছু বললেন না। কেন? কারণ যারা এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন তারা আপনাদের কেউ না। তাদের বা তাদের পরিবারের দ্বারা আপনাদের কোনো লাভ হবে না, স্বার্থ হাসিল হবে না এবং ক্ষমতাও পাবেন না। তাই কি? নিজেদের লাভ লস চিন্তা করে, ক্ষমতার স্বার্থে কিংবা কাউকে দেখানোর জন্য আপনারা যে কথাগুলো ক্যামেরার সামনে বলেছেন এগুলো সারাজীবন আর্কাইভে তো থাকবেই, আমাদের মনেও থেকে যাবে। জেনারেশন টু জেনারেশন জানবে ৯০ দশকের যাদের অভিনয় টিভি স্ক্রিনে দেখে আমরা মুগ্ধ হয়েছি এখন তাদের বাস্তব জীবনের কর্ম দেখে আমরা বিস্মিত এবং লজ্জিত! দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আপনাদের প্রতি শ্রদ্ধা হয়তো আর কখনো ফিরে আসবে না। ** সাদিয়া আয়মান, ২ আগস্ট ২০২৪, ১ আগস্ট দেওয়া ফেসবুক পোস্ট এর ব্যাখ্যা হিসেবে দেওয়া ফেসবুক পোস্টে [https://www.daily-sun.com/bangla/post/4042] * আন্দোলন প্রত্যাহার করে ডিবি অফিস থেকে প্রচারিত ছয় সমন্বয়কের ভিডিও স্টেটমেন্টটি আমরা স্বেচ্ছায় দেইনি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো সিদ্ধান্ত ডিবি অফিস থেকে আসতে পারে না। সারাদেশের সকল সমন্বয়ক ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ব্যতীত কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গৃহীত হবে না। ডিবি অফিসে আমাদের জোর করে খাবার টেবিলে বসিয়ে ভিডিও করা হয়। আমাদের ছেড়ে দেবার আশ্বাস দিয়ে পরিবারকে ডেকে ১৩ ঘন্টা বসিয়ে রাখা হয় এবং মিডিয়ায় মিথ্যা স্টেটমেন্ট দেওয়ানো হয়। আমাদের শিক্ষকরা দেখা করতে আসলে, দেখা করতে দেওয়া হয়নি। **কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৬ সমন্বয়ক, ২ আগস্ট ২০২৪ [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/quota-protest/news-601946] * আমরা এখন রাস্তায়, কারণ আমাদের হাজারো ভাই-বোন মারা গেছেন, হাজারো মানুষকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। যার ফলে এখন, বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে, ছাত্রদের সঙ্গে কর্মজীবী মানুষ, সঙ্গীত ও অভিনয় শিল্পীরাও একাত্মতা পোষণ করেছেন। তারা সবাই রাস্তায় নেমে  এসেছে, আন্দোলন করছে এবং একজন নাগরিক হিসেবে ও সাধারণ মানুষ হিসেবে তার অধিকার সম্পর্কে দাবি তুলছে। বাংলাদেশের পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনী ছাত্রদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে এই আন্দোলনের যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, আমাদের একজন সমন্বয়ক আরিফ সোহেলকে মিথ্যা মামলায় তুলে নেওয়া হয়েছে। ছাত্ররা রাস্তায় নামলেই তারা গণহারে গ্রেফতার করছে। রংপুরে আন্দোলন করার সময় অসংখ্য ছাত্রছাত্রীদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারা দিনদিন আরও কঠোর হচ্ছে। মনে হচ্ছে যেন যুদ্ধের মধ্যে আছি আমরা। বাস্তবে আমাদের এখানে কোনো যুদ্ধ চলছে না, তাহলে আমার প্রশ্ন যুদ্ধ আসলে কেমন হয়। সরকার এটির সমাধান করতে পারত রক্ত ঝরার আগেই। আমাদের ভাই ও বোনদের গুলি খেয়ে রক্ত ঝরার আগেই সমাধান করা উচিত ছিল তাদের। এটা এখন আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। সরকার হাজারের বেশি মানুষকে মেরেছে,হাজারের বেশি মানুষকে তুলে নিয়েছে। সব মিলিয়ে নয় হাজারের বেশি মানুষকে তুলে নিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং জেলে পাঠানো হয়েছে। কাজেই অবশ্যই আমরা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ ও আন্দোলন কারিদের পক্ষ থেকে করজোড়ে প্রত্যেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক কমিউনিটির কাছে সাহায্য চায়। তারা যেন সরকারকে প্রশ্ন করে, চাপ দেয়।’ আমাদের আন্দোলন এখন আর কোটায় সীমাবদ্ধ নেই। আমাদের হাজারো ভাই-বোন মারা গেছে। আমরা সেই নিহতের প্রকৃত সংখ্যাটি পর্যন্ত জানি না। সরকার বলছে তারা নিহতের সংখ্যা জানাবে। গণমাধ্যমে আমরা দেখছি আড়াইশর বেশি নিহতের কথা। বাংলাদেশি পুলিশ ও সরকারের বর্বরতা থেকে নিষ্পাপ শিশুরা পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না। ২ বছর ৪, ৬ ও ১১ বছরের শিশুরা পর্যন্ত মারা গেছে। এমনকি শিশুদের পর্যন্ত আদালতে দাঁড় করিয়েছে তারা। কাজেই এই আন্দোলন এখন আর কোটায় সীমাবদ্ধ নেই। এই আন্দোলন এখন আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের আন্দোলন। এই আন্দোলন এখন আমাদের মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার অধিকারের আন্দোলন। শুরুতে এটা ছাত্রদের আন্দোলন হলেও এখন এটা গণমানুষের আন্দোলন। বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। আন্দোলন দমাতে সরকার অনেকেই গ্রেফতার করেছে। আমাদের অনেক নেতাকে তুলে নিয়ে গেছে। কিন্তু আমরা এখন বিশ্বাস করি আমরা এখন সবাই নেতা। আমার এখন সবাই সমন্বয়ক। আর আমরা এই লড়াই চালিয়ে যাব স্বৈরাচার শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত। এক নায়কতন্ত্র বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত এবং আমাদের সব দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত। ** প্রাপ্তি তাপসী, কোটা আন্দোলনের পক্ষে অন্যতম সংবাদ প্রতিনিধি ছাত্রী, ২ আগস্ট ২০২৪ আল-জাজিরার দ্য স্ট্রিম অনুষ্ঠানে দেওয়া দীর্ঘ অনলাইন সাক্ষাৎকারে [https://www.jugantor.com/national/833516/%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87] * বাংলাদেশের আমার সব ভক্তকে বলছি, আমি তোমাদের কথা শুনছি, তোমাদের জন্য প্রার্থনা করছি। ** [[:w:এনসো ফের্নান্দেস|এনজো ফার্নান্দেজ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে লাল কাপড়ে চোখ ঢাকা পেছনে বাংলাদেশের পতাকাসহ প্রতীকি ছবি শেয়ার করা ফেসবুকের এক পোস্টের ক্যাপশনে [https://www.jagonews24.com/en/amp/75912] * ইয়া আল্লাহ, তুমি যুদ্ধে আমার নবীকে যেভাবে সাহায্য করেছ! সেভাবে আমাদের ভাইগুলোকে সাহায্য করো আমিন। ** ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তী, ৩ জুলাই, ২০২৪, অভিনেত্রী [https://www.rtvonline.com/amp/entertainment/284946] * তাদের সাথে আলোচনার কোন পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের দাবি অত্যন্ত সুস্পষ্ট, তাদের কোন বক্তব্য থাকলে দেশবাসীর সামনেই মিডিয়া মারফত তা রাখতে পারেন। আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার সিদ্ধান্তই আমাদের সিদ্ধান্ত। গুলি আর সন্ত্রাসের সাথে কোন সংলাপ হয় না। ** [[আসিফ মাহমুদ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, কোটা আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক, বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://www.bbc.com/bengali/live/cgrlrjlj9drt#asset:2d5e6283-ba9d-4c26-b7e1-118dc3956d52] * চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে দেশব্যাপী চলা অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে অনেক ইমাম-খতীবকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। কোনো কোনো খতীবকে কারণ ছাড়াই ছুটিতে রাখা হয়েছে। যারা এগুলো করেছেন, ঘোরতর অন্যায় ও নীতিবহির্ভূত কাজ করেছেন। এদেশে সবচেয়ে কম সুযোগ সুবিধায় দায়িত্ব পালন করেন ইমাম-মুয়াজ্জিনগণ। তারা স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পান খুবই কম। অথচ তাদের ওপর খবরদারি করা হয় সব থেকে বেশি। ইমাম মানে নেতা। তাদের ওপর খবরদারি করা মুসলিমসুলভ আচরণ হতে পারে না। কোনো ইমাম সত্য উচ্চারণ করতে গিয়ে জুলুমের শিকার হলে সবাইকে তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান করছি। ইমাম-খতীবগণ যত স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারবেন, আমাদের সমাজ ততই ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে এগোবে। ** [[শায়খ আহমাদুল্লাহ|আহমদুল্লাহ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশী আলিম (মুসলিম ইসলামী পণ্ডিত), ঈমাম, খতীব, ইসলাম ধর্ম প্রচারক ও বক্তা, নিজস্ব ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে কোটা আন্দোলনের পক্ষে কথা বলায় দেশব্যাপী ঈমাম খতীবদের চাকরিচ্যুত করা প্রসঙ্গে [https://www.jugantor.com/national/833757/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9] * আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য গণভবনের দরজা খোলা। কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আমি বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। আমি সংঘাত চাই না। আমি আবারও বলছি, আন্দোলনকারীরা চাইলে আমি এখনো আলোচনায় রাজি। তারা যেকোনো সময় (গণভবনে) আসতে পারে। দরকার হলে তারা তাদের অভিভাবকদের নিয়েও আসতে পারে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে। ** [[শেখ হাসিনা]], ৩ আগস্ট, গণভবনে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/bm5xcpuqwg] * কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে কেউ মারা যায়নি। গুলির যে তথ্য পাওয়া গেছে তার অনেকগুলোই পুলিশের রাইফেলের গুলি নয়। কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। হয়তো দুই-একজন কিশোর মারা গিয়ে থাকতে পারে। তাদেরককে ঢাল হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছিল। শিশুদের আড়ালে অন্য একটি শক্তি ছিল। পেছনের শক্তিকে রুখতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। (পদত্যাগের প্রশ্নে) এরকম কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে এবং প্রধানমন্ত্রী যদি মনে করা তাহলে আমরা সেটা করব। ** [[আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল]], ৩ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী [https://jamuna.tv/news/553165] * কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরুটা দেশবাসী দেখেছেন। সরকার গুণ্ডা-পাণ্ডা দিয়ে সন্ত্রাস চালালো এবং পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিজিবি নামিয়ে, আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত শিশুকিশোর ও তরুণের তাজা প্রাণ হরণ করল, তা দেশবাসী কি এত সহজে এই অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যাবে। এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না।’ শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। সারাদেশের শিশু কিশোর ও তরুণরা শত উসকানি, হামলা ও নির্যাতনের মধ্যেও ধৈর্য ধরে শৃঙ্খলার সঙ্গে আস্তে আস্তে আইন মেনে সামনে পা বাড়াচ্ছিল। বিপরীতে দ্বিতীয় পক্ষ যে উপর্যুপুরি উসকানি দিল, গুণ্ডাপাণ্ডা দিয়ে সন্ত্রাস চালালো এবং পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিজিবি নামিয়ে, আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত শিশু কিশোর ও তরুণের তাজা প্রাণ হরণ করল, তা দেশবাসী কি এত সহজে এই অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যাবে।’ দ্রুত বিজিবি ও সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী তিন দশক ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের মাধ্যমে যে সম্মান মর্যাদা ও গৌরব অর্জন করেছে তা আজ কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। সার্বজনীন মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক সর্বোচ্চ মান রক্ষা করেই আপনাদের সকলকে নিজ দেশের জনগণের পক্ষে দাঁড়াতে হবে। চোখের সামনে আমরা নিজেদের মাতৃভূমিকে ধ্বংস হতে দিতে পারি না। আক্রমণকারীরা গণঅভ্যুত্থানের প্রতিরোধের মধ্যে পিছপা হতে বাধ্য হলে পরবর্তী পর্যায়ে ব্যবহার করা হলো বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে। তাদেরকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কখনও সম্মুখভাবে, কখনো পেছনে ও পাশে দাঁড় করিয়ে অন্যান্য বাহিনীগুলো এই গণ-আন্দোলনের ওপর তাদের জুলুম অত্যাচার নির্যাতন অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। কোনোভাবেই এমন পরিস্থিতির দায় দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর নেওয়া উচিত নয়। বাংলাদেশের স্বশস্ত্র বাহিনী অতীতে কখনো দেশবাসী বা সাধারণ জনগণের মুখোমুখি দাঁড়ায়নি, তাদের মুখে বন্দুক তাক করেনি। ** ইকবাল করিম ভূঁইয়া, ৪ আগস্ট ২০২৪, সাবেক সেনাপ্রধান, সংবাদ সম্মেলনে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/g77bbharbn] * রিট করার নেপথ্যে অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে। কেননা তারা দেশকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দিতে চায়। ** আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন, ৪ আগস্ট ২০২৪, অ্যার্টনি জেনারেল, আন্দোলনের সময় সরাসরি গুলি না করার নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ করার প্রসঙ্গে [https://jamuna.tv/news/553225] * আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন। আমি পদত্যাগ করবো না। আপনি গুলি চালান। ** শেখ হাসিনা, ৫ আগস্ট ২০২৪, সেনাপ্রধান শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে বললে রাগান্বিত হয়ে প্রতিউত্তরে [https://www.dailyjanakantha.com/national/news/750744] * এখানে কেউ থাকবেন না। (নো ওয়ান স্টে হেয়ার।) ** শেখ হাসিনা, ৫ আগস্ট ২০২৪, তার আত্মীয়দের কাছে শেষ হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় [https://english.khaborerkagoj.com/special-report/799212] * শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা গণভবন থেকে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। শেখ হাসিনা যাওয়ার আগে একটি ভাষণ রেকর্ড করে যেতে চেয়েছিলেন। তিনি সে সুযোগ পাননি। ** বার্তা সংস্থা এএফপি, ৫ আগস্ট ২০২৪, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dn4yfsve75] * আপনাদের আমি কথা দিচ্ছি। আপনারা আশাহত হবেন না। আপনাদের যত দাবি আছে আমরা পূরণ করবো। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবো। আপনারা আমাকে সহযোগিতা করেন। দয়া করে ভাঙচুর, মারামারি, হত্যা, সংঘর্ষ এগুলো থেকে বিরত হন।” ** [[ওয়াকার-উজ-জামান]], ৫ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল, দুপুরে জাতির উদ্দেশে ভাষণে [https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/83477/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A4] * দেশে আজকে যা ঘটল, এটাই হওয়ার কথা ছিল। গণ-অভ্যুত্থান কখনো ঠেকানো যায় না। শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন সহজেই সমাধান করা যেত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জেদের কারণে এত মানুষ মারা গেল। গণমাধ্যমে প্রাণহানির যে চিত্র উঠে এসেছে, বাস্তবে এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি। আরও কত মরদেহ কোথায় পড়ে আছে, কত গণকবর হয়েছে, কতগুলো নিরীহ মানুষের প্রাণ ঝরেছে! তিনি তো চলে গেলেন। এখন এর জবাব দেবে কে? ১৫ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেননি। দিনের পর দিন ভোট চুরি করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। শেখ হাসিনার বোঝা উচিত ছিল, তিনি ও তাঁর দল কতটা অজনপ্রিয়। এই যে এত প্রাণহানি, এর জবাব দেবে কে? দেশে সুশাসনের মারাত্মক অভাব। তিনি সুশাসন দিতে পারেননি। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ওপর হাজার হাজার গুলি ছোড়া হয়েছে। হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে। এর আগে আমরা সবাই এইচ এম এরশাদকে স্বৈরাচার বলেছি। তখন মাত্র ছয়জন মানুষ মারা যাওয়ায় তাঁকে স্বৈরশাসক বলছি। কিন্তু গত ১৫ বছরে কত মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। ২০০৯ সালে পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা মারা গেছেন। এখন এর জবাব দেবে কে? যাঁকে জাতির পিতা বলা হয়, তাঁর পরিবারের সদস্যদের এত করুণ পরিণতি কেন হবে? তাঁর এমন পরিণতি আমাদের দেখতে হলো। এসব হয়েছে, তাঁর দম্ভ ও অহমিকার কারণে। প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, দেশে সুশাসন নিশ্চিত করেন। বিভিন্ন সভা–সেমিনারে বলেছি। যা হচ্ছে, তা স্বৈরতন্ত্র। এসব বলার কারণে আমাদের ভিন্ন দলের এজেন্ট বলা হতো। এই যে গণভবন লুটপাট হচ্ছে, ভাঙচুর হচ্ছে—এ জন্য জনগণকে দোষ দেবেন কীভাবে? শ্রীলঙ্কা থেকে হাসিনার সরকার শিক্ষা নেয়নি। তিউনিসিয়া থেকে শিক্ষা নেয়নি। মিসরে কীভাবে হোসনে মোবারক জনরোষে উড়ে গেছে, সেখান থেকে সরকার শিক্ষা নেয়নি। জনগণের সরকার না হলে এমন পরিণতি হয়। এরশাদের চেয়ে শেখ হাসিনা ১০০ গুণ বেশি খারাপ হয়ে বিদায় নিয়েছেন। এরশাদ পালিয়ে যাননি। তিনি পালিয়ে গেছেন। তিনি পালিয়ে গেছেন, কিন্তু আওয়ামী লীগ দলটাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেলেন। তাঁর হিংসা, দম্ভ, অহংকার দলটাকে ধ্বংস করল। ** এম সাখাওয়াত হোসেন, ৫ আগস্ট ২০২৪, নির্বাচন বিশ্লেষক ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তা [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dvds7trgt6] * ভারত হল তার আশেপাশের সকল মুসলিম রাষ্ট্রের আসল মাতৃভূমি। আমরা গর্বিত এবং সম্মানিত যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতে সুরক্ষিতবোধ করেন। কিন্তু যারা ভারতে থাকে তারা বারেবারে প্রশ্ন করে কেন হিন্দু রাষ্ট্র? কেন রাম রাজ্য? কেন সেটা তো বোঝাই যাচ্ছে!!’ ‘মুসলিম দেশে তো মুসলমানরাও সুরক্ষিত নয়। আফগানিস্তান, পাকিস্তান,বাংলাদেশ, ব্রিটেনে যা ঘটছে সেটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা সৌভাগ্যবান যে রাম রাজ্যে থাকি। জয় শ্রী রাম'। ** কঙ্গনা রানাউত, ৫ আগস্ট ২০২৪, অভিনেত্রী, এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে [https://bangla.hindustantimes.com/entertainment/even-muslims-are-not-safe-in-muslim-countries-kangana-ranaut-reacts-as-ex-bangladesh-pm-sheikh-hasina-flees-to-india/amp-31722867132738.html] * অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের রূপরেখা দিতে আমরা ২৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছিলাম। কিন্তু জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় এখনই রূপরেখা ঘোষণা করছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ড. [[মুহাম্মদ ইউনূস|মুহাম্মদ ইউনূসকে]] প্রধান উপদেষ্টা করে ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে। তার সাথে আমাদের কথা হয়েছে, তিনি দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছেন। আমরা সকালের মধ্যে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দেখতে চাই। রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ থাকবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হোক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাকি সদস্যদের নামও আমরা সকালের মধ্যে ঘোষণা করব। **নাহিদ ইসলাম, ৬ আগস্ট ২০২৪, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক, ভোর ৪টার পর ফেসবুকে দেয়া ভিডিও বার্তায় [https://www.dailynayadiganta.com/politics/853517/%E0%A6%A1.-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE] * মূলত দুইটি কারণে ভারত শেখ হাসিনাকে রাখতে চায় না। প্রথম বিষয়টি অবশ্যই তার নিরাপত্তা সংক্রান্ত। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, বাংলাদেশে যে সরকারই আসুক, ভারত তার সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়। আর বাংলাদেশে হাসিনা-বিরোধী মনোভাব তুঙ্গে। ভারত চায় না, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেয়ার ঘটনা ছায়াপাত করুক। এর আগে সেনা সরকার যখন ছিল, তখন ভারতের অসুবিধা ছিল। কিন্তু এবার সেনা সম্ভবত পিছনে থাকবে, বাংলাদেশে নতুন কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু হবে বলে মনে হচ্ছে। ফলে তাদের সঙ্গে ভারতের আলোচনা করতে কোনো অসুবিধা হবে না। বাংলাদেশের ঘটনা ভারতকে একটা বড় চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ভারত চায় না, বাংলাদেশের ঘটনার অভিঘাত দেশের মধ্যে পড়ুক। বাংলাদেশে ভারতের যে সম্পদ ও বিনিয়োগ আছে, ভারত সেগুলিকে নিরাপদ রাখতে চায়। সেদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা চায়। ** শ্রীরাধা দত্ত, ৬ আগস্ট ২০২৪, ও পি জিন্দল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক ডয়চে ভেলেকে [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%A8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F/a-69864559] * কুখ্যাত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে অবিলম্বে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে গ্রেপ্তার করতে হবে। বাংলাদেশে গুম-খুনের আসল কারিগর সে শুধু তা না, ফোন ট্যাপিংয়ের নামে মানুষের প্রাইভেসি ধ্বংস করেছে সে। এবং প্রাউডলি সেই সব রেকর্ডিং এই পারভার্ট লোকটা মিডিয়াতে সরবরাহ করত এবং আমাদের স্পাইনলেস মিডিয়া সেগুলো প্রচার করত। এই লোককে এখনই নিউট্রালাইজ করতে হবে। এছাড়া ডিবি’র হারুনসহ কুখ্যাত যারা আছে তাদের সরিয়ে দিয়ে পুলিশ বাহিনীর উপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করতে হবে এখনই।’ ** [[মোস্তফা সরয়ার ফারুকী]], ৬ আগস্ট ২০২৪, চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা, ফেসবুক পোস্টে [https://www.dainikamadershomoy.com/details/019126708d76?fbclid=IwY2xjawEezI1leHRuA2FlbQIxMQABHUwvttoTLSYm-ujxLPWY6H74ytr489ZvM2g_crax_H2Sl9kPKwgMYif4HA_aem_1wbabngYpoCavI2lyWYF9w] * গুলি করে করে লাশ নামানো লাগছে স্যার। গুলি করি, মরে একটা, আহত হয় একটা। একটাই যায় স্যার, বাকিডি যায় না। এইটা হলো স্যার সবচেয়ে বড় আতঙ্কের এবং দুশ্চিন্তার বিষয়। ** ইকবাল, পুলিশ সদস্য, কোটা আন্দোলন চলাকালীন সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে, ১৩ ও ১৪ই আগস্ট ২০২৪ এর পর ফেসবুকের একটি ভাইরাল ভিডিওতে বলতে দেখা যায় [https://www.kalerkantho.com/online/national/2024/08/13/1414550] [https://dailyinqilab.com/index.php/national/news/678022#google_vignette] * এখন থেকে লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে, যেটারে পাবে সেটারে গুলি করবে। যেখানে গেদারিং দেখবে সেখানে ওপর থেকে.. হেলিকপ্টার থেকে গুলি করবে, এখন ওপর থেকে করাচ্ছি (গুলি), অলরেডি শুরু হয়ে গেছে, র্যাবকে আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে। ** [[শেখ হাসিনা]], ১৮ জুলাই ২০২৪, ভাইরাল অডিও, "ফেস দ্য পিপল" এর ইউটিউব পাতায় ৮ ই মার্চ ২০২৫ এ প্রকাশিত [https://www.jugantor.com/national/926561] * যদি সরকারি দল ভায়োলেন্স চায়, সেটাকেই একমাত্র রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে নিতে চায়, তাহলে এটা যে আমাদের থেকে বেশি কেউ পারবে না, সেটা ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি। ** [[আসিফ মাহমুদ]], ২২ মে ২০২৬ ঝিনাইদহে [[নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী|নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর]] ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায়। [https://www.prothomalo.com/politics/org6cq83pw] * গণ-অভ্যুত্থানে যে স্বপ্ন ছিল চব্বিশে, শেষবারের মতো মানুষ তার জীবন বাজি রেখেছিল। তারপর যখন দেখল, এটা কতিপয় মানুষের নিজস্ব সম্পত্তি, এটা বাংলাদেশে উগ্রবাদের নতুন উত্থান, অদ্ভুতভাবে কিছু নেই থেকে শতকোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়ার একটা প্রকল্প, তখন স্বাভাবিকভাবেই গণমানুষ হাজারবার, লক্ষবার, কোটিবার চিন্তা করবে এ রকম গণ-অভ্যুত্থানে যাওয়ার আগে।...চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে হিজাব পরা ও হিজাব ছাড়া নারীরা যেভাবে অংশ নিয়েছিলেন, গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে সেই পরিবেশ কেন রক্ষা হলো না? চব্বিশের অভ্যুত্থানের ঠিক পরেই মুক্তিযুদ্ধের মুর‍্যাল ও ভাস্কর্যগুলো কারা ভাঙল? একাত্তর আর চব্বিশকে কেন মুখোমুখি করা হলো?...গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে দেশে ‘ভয়াবহ উগ্রবাদের উত্থান হয়েছে’। সেটা আগে জানলে কয়জন রাস্তায় আন্দোলনে নামতেন? ** [[রুমিন ফারহানা]]। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল আয়োজিত [https://www.prothomalo.com/politics/vpp1t809ks আলোচনা সভায়], জাতীয় প্রেসক্লাব, ১১ জুলাই ২০২৬। [https://www.ittefaq.com.bd/797952/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A7%A7%E0%A7%A6%E0%A7%A6-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E2%80%93%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE] == ৭১ বনাম ২৪ বিতর্ক == * [[জাতি]] একবারই স্বাধীন হয়, [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|একাত্তরের]] সঙ্গে চব্বিশের তুলনা চলে না। ** [[নুরুল হক নুর]]। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীর আল-রাজি কমপ্লেক্সে এক সংবাদ সম্মেলনে। [https://www.dhakatimes24.com/2024/12/31/375976][https://www.jugantor.com/politics/897510] * [[যুদ্ধ]] হলো একটা সশস্ত্র সংগ্রাম। দুই গ্রুপের মধ্যে অস্ত্র থাকে, দুই গ্রুপে যুদ্ধ করে। সেই যুদ্ধটা কী জন্য হয়? দেশকে স্বাধীন করার জন্য হয় বা অন্য দেশকে দখল করার জন্য হয়। এখানে তো এরকম কোনো ব্যাপার ছিল না। দেশকে স্বাধীন করার ব্যাপারও ছিল না, অধিকার কবার ব্যাপারও ছিল না। এখানে ব্যাপারটা ছিল হাসিনামুক্ত বাংলাদেশ করার, আওয়ামী লীগমুক্ত বাংলাদেশ করার। সুতরাং বিপ্লব বা এক দফার আন্দোলন ও [[মুক্তিযুদ্ধ]] একই জিনিস না। এ সমস্ত মাথায় যারা টুপি দিয়ে কিছু পাগল ছেলেদেরকে বুঝাচ্ছে, তাদেরকে আমি অনুরোধ করব পাগলামি ছাড়ো। [[গাঁজা]] খেলে খাও কিন্তু মানুষকে গাঁজা খাওয়ানোর চেষ্টা করো না। ** [[অলি আহমেদ]]। ২০২৫ সালের ১৭ জুলাই ঢাকার আইডিইবি মিলনায়তনে এক [https://www.kalerkantho.com/multimedia/Politics/2025/07/19/1548928 বক্তৃতায়]। == বৈদেশিক ভূমিকা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ == * [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] দূতাবাস কিছু সেফ হাউজ তৈরি করেছে। মনে রাখেন, এগুলোতে মগজধলাই হয়েছে। যারা সেফ হাউজে ছিল, তারা আমাকে ফোন করেছিল। তারা বলতেছে, আমাদের ওপর চাপ দিতেছে যে, আমরা যেন [[শেখ হাসিনা|শেখ হাসিনার]] পদত্যাগের কথা বলি। ফলে তরুণ ছাত্রদের যারা তখন জীবনের বাঁচাবার জন্য, তাদের সেই অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে আপনি তাদের বিভিন্ন সেফ হাউজে রেখেছেন এবং প্রতিদিন তাদের আপনি বলছেন যে তোমরা খালি পদত্যাগ চাইবে। [এসময় সঞ্চালক জানতে চান, যুক্তরাষ্ট্র কি শেখ হাসিনার পদত্যাগ চেয়েছিল? জবাবে তিনি বলেন,] হ্যাঁ, যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছে। ** [[ফরহাদ মজহার]]। অনলাইন গণমাধ্যম ''আলাপ''-এর সঙ্গে এক পডকাস্ট [https://www.banglatribune.com/politics/961619/%E2%80%98%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AB-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%9F%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%97%E0%A6%9C%E0%A6%A7%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E2%80%99-%E0%A6%95%E0%A7%80 সাক্ষাৎকারে]। == আরও দেখুন == * [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]] * [[আবু সাঈদ]] * [[অসহযোগ আন্দোলন (২০২৪)]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ প্রতিবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ এশিয়া]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ইতিহাস]] 0y7x3co8e0o2p2w6ujyxdrz6y03qehh 84149 84148 2026-08-10T16:04:46Z ফারদিন 52 /* বৈদেশিক ভূমিকা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ */ উক্তি যোগ 84149 wikitext text/x-wiki {{npov}} [[File:7.Bangladesh quota reform movement 2024.jpg|thumb|...পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা ‍~ সানজিদা চৌধুরী]] [[File:কোটা সংস্কার আন্দোলন, শাহবাগ, কাঁটাবন, সায়েন্স ল্যাব, জুলাই ২০২৪ (৮).jpg|thumb|কোটা না মেধা? মেধা, মেধা ~ বহুল প্রচলিত স্লোগান]] '''[[w:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]]''' হলো বাংলাদেশে সব ধরনের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটার ভিত্তিতে নিয়োগের প্রচলিত ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে সংগঠিত একটি আন্দোলন। ২০২৪ সালের ৫ জুন বাংলাদেশ হাইকোর্ট ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করার পর কোটা পদ্ধতির সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সালে নতুনভাবে আলোচনায় আসে। == স্লোগান == * এই মুহুর্তে দরকার, সেনাবাহিনী সরকার ** [https://bn.observerbd.com/details.php?id=109955 অবজার্ভারবিডি] *{{w|তুমি কে? আমি কে? রাজাকার রাজাকার}}, কে বলেছে কে বলেছে, স্বৈরাচার স্বৈরাচার/সরকার সরকার * দফা এক, দাবি এক, শেখ হাসিনার পদত্যাগ ** [https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/news/one-demand-now-3668981 দ্য ডেইলি স্টারে] উদ্ধৃত। * [[শেখ মুজিবুর রহমান|বঙ্গবন্ধুর]] বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই ** দৈনিক ইত্তেফাকের সংবাদ, [https://web.archive.org/web/20250514081515/https://www.ittefaq.com.bd/692965/%E2%80%98%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A7%E0%A6%BE-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E2%80%99 আর্কাইভকৃত] * [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধের]] বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই ** চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাদুঘরে [https://museum.cu.ac.bd/?page_id=496 উদ্ধৃত] [https://web.archive.org/web/20260322120118/https://museum.cu.ac.bd/?page_id=496 (আর্কাইভে সংরক্ষিত]) * লাশের ভেতর জীবন দে, নইলে গদি ছাইড়া দে ** [https://www.prothomalo.com/bangladesh/145xh9480o প্রথম আলো]তে উদ্ধৃত * সংবিধানের মূল কথা, সবার জন্য সমতা ** [https://www.dhakapost.com/campus/290575 ঢাকাপোস্ট] ও [https://rtvonline.com/national/281749 আরটিভি অনলাইন] * স্টেপ ডাউন হাসিনা (হাসিনা পদত্যাগ কর) ** [https://scroll.in/latest/1071628/step-down-hasina-as-millions-take-to-the-streets-in-bangladesh-48-feared-dead স্ক্রল.ইনে প্রকাশিত] === প্রথম আলোর "বিদ্রোহে-বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে হতে" এ উদ্ধৃত === প্রথম আলোর ২৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে প্রকাশিত কলাম [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে] ([https://web.archive.org/web/20251012120631/https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao আর্কাইভকৃত]) উদ্ধৃত স্লোগান: * আপস না সংগ্রাম? সংগ্রাম সংগ্রাম * আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই * আঁর ন হাঁইয়্যে, বৌতদিন হাঁইয়্য’ ** চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার একটি স্লোগান, অনুবাদ: আর খেয়ো না, অনেক দিন খেয়েছ। * এক দফা, এক দাবি স্বৈরাচার তুই কবে যাবি * এক দুই তিন চার, শেখ হাসিনা, গদি ছাড় * এক দফা দাবি এক, কোটা নট কামব্যাক * '''কোটা না মেধা? মেধা, মেধা''' * চাইলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার! * জনে জনে খবর দে, ছাত্রলীগের কবর দে। * ঢাকায় আসো জনতা, ছাড়তে হবে ক্ষমতা। * তুমি কে? আমি কে? বিকল্প, বিকল্প * তোর কোটা তুই নে, আমার ভাই ফিরিয়ে দে। * দালালি না রাজপথ? রাজপথ, রাজপথ। * পালাইছে রে পালাইছে, হাসিনা পালাইছে। * লাখো শহীদের দামে কেনা, দেশটা কারও বাপের না। * স্বৈরাচার, স্বৈরাচার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়। * বুকের ভেতর অনেক ঝড় বুক পেতেছি গুলি কর। == বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সম্পর্কে উক্তি == * বীর মুক্তিযোদ্ধা সবাই অনগ্রসর নন, তাই সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা রাখা সংবিধানসম্মত নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে বড় আকারে মুক্তিযোদ্ধা কোটা চিরস্থায়ী করলে স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্যকে ধ্বংস করা হয়।’ ** [[জি এম কাদের]], বিরোধীদলীয় নেতা, ৩ জুলাই ২০২৪, জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্য * ‘এত আন্দোলন কিসের রাস্তায় শুরু হয়েছে? আন্দোলনের চাপ দিয়ে কি হাইকোর্টের রায়, সুপ্রিম কোর্টের রায় পরিবর্তন করবেন?’ ** ওবায়দুল হাসান, ৪ জুলাই ২০২৪, প্রধান বিচারপতি, হাইকোর্টের দেওয়া রায় নিয়ে আপিল বিভাগের শুনানিতে দেওয়া বক্তব্য * ২০১৮ সালে গণ-আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছর নির্বাহী বিভাগ কোটা বাতিল করে যে পরিপত্র জারি করেছিল, আজকে বিচার বিভাগ দিয়ে সেই কোটাকে আবার পুনর্বহাল করা হলো। এটা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটা প্রহসন। রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যে এই সমন্বয়হীনতা ও অন্তর্দ্বন্দ্বের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করুক এবং শিক্ষার্থীদের দাবি বিবেচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সেগুলো পূরণ করুক।’ ** নাহিদ ইসলাম, ৪ জুলাই, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক, শাহবাগ মোড় অবরোধ কর্মসূচিতে দেওয়া বক্তব্য * রেল ট্রানজিটের নামে ভারতকে একতরফা করিডর দিলে দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করা ও বৈষম্যমূলক কোটা পুনঃপ্রবর্তনের মাধ্যমে ’৭১ পূর্ব পাকিস্তানি বৈষম্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হলে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ অনিবার্য হয়ে যাবে। এই সরকার দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একতরফাভাবে ভারতকে রেল করিডর দিয়েছে। এই ডামি সরকার মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে ভূলুণ্ঠিত করেছে। আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে আবার নতুন করে কোটা প্রথা চালু করতে চাইছে। ভারতকে করিডর দিয়ে, জনগণের সম্পদ লুটপাটকারীদের সুবিধা দিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আরও দীর্ঘায়িত করতে চায়। ডামি সরকারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং গণতন্ত্র উদ্ধার করে দেশকে এই ফ্যাসিবাদীদের কবল থেকে মুক্ত করতে হবে। ** আব্দুল ওহাব মিনার, ৬ জুলাই ২০২৪, যুগ্ম আহ্বায়ক, এবি পার্টি, ট্রানজিটের একতরফা রেল করিডর, কোটা পুনঃপ্রবর্তন বাতিল ও ডামি সরকারের পদত্যাগসহ চার দফা দাবিতে বিজয়নগরের বিজয়-৭১ চত্বরে অবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচিতে [https://samakal.com/politics/article/245267/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF:-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF] * আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ভুল বুঝিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মুখোমুখি করা হয়েছে এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আরেকটা খুবই ভুল ধারণা তৈরি করা হয়েছে যে, কোটা এবং মেধা, মনে হতে পারে যে, যারা কোটায় চাকরি করে তাদের কোন মেধা নেই। কিন্তু আবেদন করার ক্ষেত্রে কোটা লাগে না, প্রিলিমিনারিতে কোটা লাগেনা, লিখিততে কোটা লাগেনা। একদম শেষ মুহূর্তে গিয়ে কোটা এপ্লাই হয়। তখন মেধায় আসলে সবাই সমান। আমার সামনে যদি দুইটা অপশন থাকে যে, দুইজনই সমান মেধাবী, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও একজন রাজাকারের সন্তান, আমি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে চাকরি দিতে চাই। (শেখ হাসিনা: অবশ্যই) জ্বি। সেটা একটা। ফলে মেধা এবং কোটা খুব সহজেই মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাচ্ছে যে সব মেধাবীরা চাকরি না নিয়ে কোটার চাকরি। আপনাকে খুবই ধন্যবাদ যে আপনারা গত ১০-১২ দিন ধরে আন্দোলন করছে আপনারা অসীম ধৈর্যের সাথে আন্দোলন মোকাবেলা করছেন এবং যারা আন্দোলন করছে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে চাকরি না পেয়ে বঞ্চিত। তাদের ক্ষোভের সাথে আমি খুবই একমত। তাদের পেছনে কি অন্য কেউ ইন্ধন যুগিয়ে ভুল বুঝিয়ে বিভ্রান্ত করে মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোমুখি করছে কিনা। আমার আপনার কাছে আবেদন থাকবে যে আপনারা যে ধৈর্য দেখে যাচ্ছেন সেটা দেখিয়ে যদি তাদের সাথে কোন ভাবে তাদেরকে বুঝিয়ে শুনিয়ে, আগামী ৭ই আগস্ট পর্যন্ত কিছু করার নাই কারন সেদিন আপিল বিভাগের শুনানি হবে। তারপর আপিল বিভাগের রায়ের পর হয়তো নির্বাহী বিভাগ কি করবে না করবে। ততদিন তারা যাতে অন্তত বুঝতে পারে সেটা যদি আপনি অনেক সংবেদনশীলতার সাথে যদি বিষয়টা বিবেচনা করেন তাহলে ভালো হয় আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ** [[প্রভাষ আমিন]], ১৪ জুলাই ২০২৪, এটিএন নিউজে হেড অফ নিউজ, গনভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে *মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরাও পাবে না? তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে। তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না। অপরাধটা কী? নিজের জীবনবাজি রেখে, সংসার সব ফেলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে। দিনরাত খেয়ে না খেয়ে, কাদামাটি ভেঙে, রোদ-বৃষ্টি-ঝড় মোকাবিলা করে যুদ্ধ করে এ দেশের বিজয় এনেছে। বিজয় এনে দিয়েছিল বলে সবাই উচ্চপদে আসীন। এখানে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করা একটা কৌশল। তার মানে হলো মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-নাতি-পুতিরা কেউ মেধাবী না, যত রাজাকারের বাচ্চারা-নাতি-পুতিরা হলো মেধাবী, তাই না? এটা ভুলে গেলে চলবে না যাদের মেধাবী না বলছে, তাদের হাতে ওনারা পরাজিত। যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা জয়ী হয়েছিল রাজাকারদের বিরুদ্ধে, এই কথাটা মনে রাখা উচিত। তাদের মেধাটা কোথায়? সেটা আমার প্রশ্ন। মেধা কার কত, সেটা পরীক্ষার প্রিলিমিনারিতে, লিখিত পরীক্ষায়, তারপর ভাইভা হয়। সেই সময় যেটা… সেটা বাস্তবতা তো যদি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয় সেই পাবে। আর সব সময় সব কোটা পূর্ণ হয় না। যেটা বাকি থাকে তা তালিকা থেকেই দেওয়া হয়। অনেক চাকরিতে মেধার তালিকা থেকে দেওয়া হচ্ছে। এ নির্দেশনা দেওয়া আছে। কিন্তু সেখানে অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা অগ্রাধিকার পাবে, এটা দিতে হবে। ** প্রধানমন্ত্রী [[শেখ হাসিনা]] ১৪ জুলাই ২০২৪ তারিখে গণভবনে এটিএন বাংলার সাংবাদিক [[প্রভাষ আমিন]]ের "আমরা আসলে মেধায় সবাই সমান। আমার কাছে যদি দুইটা অপশন থাকে, দুইজনই সমান মেধাবী, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও একজন রাজাকারের সন্তান, তাহলে আমি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বেছে নেব।" মন্তব্যে *আমি লেখাটি লিখতে শুরু করেছিলাম। শেষ করার আগেই জানতে পারলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটাবিরোধী ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে ঘোষণা দিয়ে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রকম্পিত করেছে। এই লেখাটি শেষ করার আর কোনও প্রয়োজন নেই।’ ‘লেখাটি শেষ না করে নিচের অংশটুকু লিখেছি। ঘুমানোর আগে খবরটি দেখে মাথার মাঝে একটা বিস্ফোরণ হলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে দাবি করেছে। খবরটি নিজের চোখে দেখেও বিশ্বাস হয় না— এটি কি সত্যিই সম্ভব? বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র বা ছাত্রী কি সত্যিই নিজেকে রাজাকার হিসেবে দাবি করতে পারে? শুধুমাত্র একটা সরকারি চাকরির জন্য? কোন দেশের সরকার, বাংলাদেশ নাকি পাকিস্তান? এই ছাত্র-ছাত্রীরা কি জানে, চাকরি অনেক দূরের ব্যাপার, তাদের যে এই দেশের মাটিতে থাকার অধিকার নেই? ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমার বিশ্ববিদ্যালয়, আমার প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়। তবে আমি মনে হয় আর কোনোদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে চাইব না। ছাত্র-ছাত্রীদের দেখলেই মনে হবে, এরাই হয়তো সেই রাজাকার।’ ‘আর যে কয়দিন বেঁচে আছি, আমি কোনো রাজাকারের মুখ দেখতে চাই না। একটাই তো জীবন। সেই জীবনে আবার কেন নূতন করে রাজাকারদের দেখতে হবে?’ ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার কিছু চাইবার নেই, স্বাধীন একটা দেশ চেয়েছিলাম, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়েছিলাম। দু’টোই পেয়ে গেছি। এখন যদি আরও কিছু পাই সেটা হবে বোনাস। (তবে অস্বীকার করব না বেনজীর-আবেদ আলীদের সামলে-সুমলে রাখলে একটু আনন্দ পেতাম।)’ ‘আমরা সবাই জানি, একটা দেশে যদি সবাই সমান সুযোগ পায়, সুবিধা পায় আর সবার যদি সমান অধিকার থাকে, তাহলে কোটার কোনও প্রয়োজন নেই। যদি না থাকে তাহলে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য কোটা রাখা একটা মানবিক ব্যাপার। অবশ্য মানবিক ব্যাপার কথাটা একটু খানি বইয়ের ভাষা, সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত কয়জনের আর অন্যদের মানবিক ব্যাপার নিয়ে মাথা ব্যথা আছে?’ ‘যদি কোটার ব্যাপারটা সহজভাবে লিখি তাহলে বলা যায়, দুই রকম কোটা আছে একটা ভালো, অন্যটা খারাপ। প্রথমে খারাপটার কথা বলি, তার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হচ্ছে— পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ছেলেমেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার কোটা, যেটাকে পোষ্য কোটা বলে। আমি খুঁটিনাটি জানি না, সম্ভবত পোষ্য কোটা শুধু শিক্ষকদের জন্য না, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্যও খোলা, কিন্তু বাস্তবে শিক্ষকদের সন্তানদের ছাড়া আর কোনও সন্তান সেই সুযোগ ব্যবহার করতে পেরেছে বলে মনে হয় না। এই পোষ্য কোটা নিয়ে কখনও কোনও উচ্চবাচ্য হতে দেখিনি। যদিও পোষ্য কোটার ছাত্র-ছাত্রীরা পাস করার পর আবার তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক বানাবার একটি নতুন চাপ শুরু হয়, নিজের চোখে দেখা। আর ভালো কোটার উদাহরণ হচ্ছে—... **মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ১৪ জুলাই ২০২৪, অধ্যাপক ও লেখক [https://www.jagonews24.com/amp/956143] * কোটা সংস্কার আন্দোলনে যাঁরা ‘‘আমি রাজাকার’’ স্লোগান দিচ্ছেন, তাঁদের শেষ দেখিয়ে ছাড়ব। ** সাদ্দাম হোসেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ১৫ জুলাই ২০২৪ * কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কতিপয় নেতারা যে সব বক্তব্য রেখেছে, তার জবাব দেয়ার জন্য- আত্মস্বীকৃত রাজাকার, যারা নিজেদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ মানসিকতার প্রকাশ ঘটিয়েছে; তার জবাব দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। ছাত্রদের বিষয় ক্যাম্পাসের মধ্যেই সীমিত থাকবে। আমরা দেখি, রাজনৈতিকভাবে কারা প্রকাশ্যে আসে, তখন দেখা যাবে। আমরাও মোকাবেলা করতে প্রস্তুত। ** [[ওবায়দুল কাদের]], ১৫ জুলাই ২০২৪ *যারা নিজেদেরকে রাজাকার বলে পরিচয় দেয়, তাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদের রক্তস্নাত লাল সবুজের পতাকা হাতে নিয়ে বা সে পতাকা কপালে বেঁধে নিয়ে মিছিল করবার কোনো অধিকার থাকতে পারে না।’’ ** [[দীপু মনি]], ১৫ জুলাই, [https://www.somoynews.tv/news/2024-07-15/2KvCG3uW] * রক্তাক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়! আমার ক্যাম্পাসে রক্ত কেন? প্রতিবাদ জানাই।’ ** আয়মান সাদিক, ১৫ জুলাই, টেন মিনিট স্কুলের স্বত্ত্বাধিকারী [https://www.jagonews24.com/social-media/news/955804] *কথা বলার স্বাধীনতা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না আমি তাদের (আন্দোলনকারীদের) পূর্ণ সমর্থন করি। সহিংসতা দিয়ে সত্যকে কখনো থামানো যায় না। সত্য কখনো মরে না। বাংলাদেশের জন্য দোয়া করবেন। ** দাউদ কিম, ১৬ জুলাই ২০২৪,‌ দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার‌, ফেসবুক স্ট্যাটাসে[https://www.somoynews.tv/news/2025-07-20/H3KVsSTV] *বাংলাদেশে যা ঘটছে তা ভয়াবহ। কিন্তু মিডিয়া এত চুপ কেন? আর পুলিশ এখন কি করছে? এটি লজ্জার, ওরা আপনার ভাই! আপনি যখন নিরপরাধ ছাত্রদের সাথে সহিংস আচরণ করছেন, তখন আপনি কোন ন্যায়বিচারের কথা বলছেন? যারা সহিংসতার মাধ্যমে স্বাধীনতার জন্য লড়াইকারীদের থামানোর চেষ্টা করছেন; তাদের (শিক্ষার্থীদের) ইচ্ছাকে কখনোই থামাতে পারবেন না। আল্লাহ তাদের পথচলা সহজ করুন। যারা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আল্লাহ তাদের অসীম গৌরব ও বিশ্রাম দিন… আমিন। ** দাউদ কিম, ১৬ জুলাই ২০২৪,‌ দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার‌, ফেসবুক স্ট্যাটাসে [https://www.somoynews.tv/news/2025-07-20/H3KVsSTV] * ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করা হলো। ** আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ফেসবুক ওয়ালে ও শাবিপ্রবির বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081] * মুহম্মদ জাফর ইকবালকে আমরা খুব শ্রদ্ধা করতাম। কিন্তু তার গতকালকের লেখাটি আমাদের হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে। তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। শিক্ষার্থীরা যখন খুন হচ্ছে, হামলার শিকার হচ্ছে তখন একজন শিক্ষক হয়ে তিনি এ ধরনের লেখা লিখতে পারেন না। তাই আমরা তাকে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে আজীবনের জন্যে নিষিদ্ধ করেছি। [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081] * নাম না প্রকাশ করার শর্তে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এক শিক্ষার্থী, ১৭ জুলাই ২০২৪, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081] * জাফর ইকবাল স্যার সম্পর্কে আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো কথা বলতে চাই না। আমার ধারণা উনার প্রচণ্ড বুদ্ধিসুদ্ধির অভাব আছে। হয় উনার মধ্যে প্রচণ্ড অপরাধবোধ কাজ করে যে ১৯৭১ সালে উনি কী করেছেন, এই অপরাধবোধ ঢাকার জন্য উনি অতিরিক্ত মুক্তিযোদ্ধা সাজার চেষ্টা করেন। অধ্যাপক জাফর ইকবালের কাছে তার একটাই প্রশ্ন- আপনি কী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বোঝেন? আপনি কি পড়াশোনা করেছেন? আপনি কি বাহাত্তর সনে গণপরিষদ বিতর্ক পড়েছেন? তার তো কোনো পড়াশোনাই নাই, সে তো শিক্ষাবিদ দূরের কথা উনি বুদ্ধিপ্রতিবন্ধক একজন মানুষ। ** আসিফ নজরুল, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.ittefaq.com.bd/694138/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2] * আমাদের সাইট থেকে তার (মুহম্মদ জাফর ইকবালের) সব বই ‘নট অ্যাভেইলেবল’ করে দেওয়া হয়েছে। ** রকমারি ডট কম কর্তৃপক্ষ, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.rtvonline.com/bangladesh/283021] * শুধু কোটা নয়; গোটা দেশটাই সংস্কারের প্রয়োজন। ** [[মিজানুর রহমান আজহারী]] ১৭ জুলাই ২০২৪ বুধবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে তিনি বলেন,[https://dainikamadershomoy.com/details/0190bf2b9c2f] * '''...পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা''' ** সানজিদা চৌধুরীর উক্তি, ১৭ জুলাই ২০২৪, [https://www.somoynews.tv/news/2025-02-21/24NM1wYW সময়টিভিতে উদ্ধৃত] * এই আন্দোলনের শুরু থেকেই সরকার যথেষ্ট ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন করেছে। বরং আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশ সহযোগিতা করে। মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে যখন আন্দোলনকারীরা স্মারকলিপি প্রদান করার ইচ্ছা প্রকাশ করে, সে ক্ষেত্রে তাদের সুযোগ করে দেওয়া হয় এবং নিরাপত্তারও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো- কিছু মহল এই আন্দোলনের সুযোগটা নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করার সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। এর ফলে এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে যে সব ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক। অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল। আপনজন হারাবার বেদনা যে কত কষ্টের, তা আমার থেকে আর কে বেশি জানে। ** [[শেখ হাসিনা]], ১৭ জুলাই ২০২৪, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে * ভাই, পানি লাগবে কারও পানি? ** [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]], ১৮ জুলাই ২০২৪, ঢাকায় একটি আন্দোলনে পুলিশের লক্ষহীন এলোপাথাড়ি গুলিতে মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে ছাত্রদের মাঝে বিনামূল্যে পানি ও বিস্কুট বিতরণ করার সময় [https://www.jugantor.com/national/830891/%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%AB-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9F-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7] * ‘এ আগুন থামান। এ আগুন নেভানোর দায়িত্ব সরকারের। কালবিলম্ব না করে সম্ভব হলে আজ-কালকের মধ্যেই স্পেশাল কোর্ট বসিয়ে সমস্যার সমাধান করুন। সময় খুব কম। আমরাও সরকারে (এরশাদের আমলে) ছিলাম। আমরাও এভাবে আন্দোলনকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিলাম। নূর হোসেন মারা যাওয়ার পর অনেকে বলেছিলেন, টোকাই মারা গেছে, কী হবে? কিন্তু আমি বলেছিলাম, না, এই নূর হোসেন একক কোনো ব্যক্তি নয়।’ **কাজী ফিরোজ রশীদ, ১৮ জুলাই ২০২৪, নির্বাহী চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টি (রওশন এরশাদপন্থী) * ‘সব ধরনের সহিংসতা ও বলপ্রয়োগ, বিশেষ করে প্রাণহানির ঘটনার অবশ্যই তদন্ত করতে হবে এবং দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ মানুষের মৌলিক মানবাধিকার।’ **ভলকার টুর্ক, ১৮ জুলাই ২০২৪, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার, এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে * আপনার কোনো অধিকার নেই আমাকে রাজাকারের বাচ্চা বলার! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আপনি কোন সাহসে আমাকে রাজাকারের বাচ্চা বলেন? আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! ** দীপ্তি চৌধুরী, ১৮ জুলাই, আলোচনা সঞ্চালক, চ্যানেল আইএর টু দ্য পয়েন্ট নামক টকশোতে আলোচক সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক স্টুডিও ছাড়ার আগে তাকে ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে সম্বোধন করার প্রতিক্রিয়ায় [https://www.ntvbd.com/bangladesh/news-1435909] * আমি ভারতের নাগরিক। বাংলাদেশ আমাদের প্রতিবেশী। তার বিষয় আসয়ে নাক গলানোর অধিকার আমার নেই। সেটা করতে চাইও না। তবু বাংলাদেশের অনেকের কাছ থেকে যে ভালবাসা আমি পেয়েছি তা ভুলে থাকতেও পারছি না। বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থায় চুপ করে বসে থাকতে পারি না। থেকেছি কয়েক দিন। আর পারছি না। কিন্তু অবস্থাটা যে ঠিক কী, কী কী কারণে যে এমন হল এবং হচ্ছে, কারা যে এতে জড়িত তাও তো ঠিকমতো জানি না। তাও পঁচাত্তর উত্তীর্ণ এই বাংলাভাষী করজোড়ে সব পক্ষকে মিনতি করছি: অনুগ্রহ করে হিংসা হানাহানি বন্ধ করুন। ঢাকা সরকারকে অনুরোধ করছি: বাংলা ভাষার কসম শান্তি রক্ষার চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। আপনাদের ছাত্রবাহিনী যেন হিংসার আশ্রয় না নেন।” “হানাহানি বন্ধ হোক। বন্ধ হোক উল্টোপালটা কথা বলে দেওয়া। বাঁচুক বাংলাদেশ। বাঁচুন বাংলাদেশের সকলে। জয় বাংলাদেশ। জয় মুক্তিযুদ্ধ। জয় অসংখ্য বাংলাদেশীর শাহাদাত ও অপূরণীয় ক্ষতিস্বীকার। জয় বীরাঙ্গনারা। জয় বাংলা ভাষা!”“বিরোধী হলেই রাজাকার!/ বলে দাও তবে দেশটা কার/ দেশটা কার দেশটা কার!” ** কবীর সুমন, ১৮ জুলাই ২০২৪, ফেসবুক পোস্টে [https://mzamin.com/news.php?news=119230] * প্রায় এক মাস হলো আমি নিজের দেশে নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খবরের চ্যানেলে তৃতীয় বিশ্বের কোনো খবরই তেমন একটা চলেনা। আর আমি খুব একটা ফোনের পোকা নই তাই এত খারাপ একটা খবর কানে আসতে দেরি হলো। বাংলাদেশের স্মৃতি নিয়ে স্বস্তিকা লিখেন, ‘এই তো কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ গেলাম, খুব ইচ্ছে ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় যাওয়ার। চারুকলা যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল, জীবনের একটা স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। প্রতিবার আসি, ব্যস্ততায় যাওয়া হয়না, মা‘ও খুব যেতে চাইতেন বাংলাদেশ, নিয়ে যাওয়া হয়নি। কিন্তু আজ একটা ভিডিও দেখলাম, গুলির ধোঁয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা আক্রান্ত। ছাত্র বয়স গেছে সেই কবে, তবে জাহাঙ্গীরনগর আর আমার যাদবপুর খুব কাছাকাছি। কাঠ গোলাপের গাছগুলোও কেমন এক রকম। এক রকম আকাশের মেঘগুলোও। কেবল আজ ওখানে বারুদের গন্ধ।’‘ময়দান ভারী হয়ে নামে কুয়াশায়, দিগন্তের দিকে মিলিয়ে যায় রুটমার্চ, তার মাঝখানে পথে পড়ে আছে ও কি কৃষ্ণচূড়া? নিচু হয়ে বসে হাতে তুলে নিই, তোমার ছিন্ন শির, তিমির।’ এমন এক আপ্যায়নপ্রিয় জাতি দেখিনি, খাবারের নিমন্ত্রণ যেন শেষ হতেই চায় না, অমন সুন্দর করে সারা রাস্তা জুড়ে ভাষার আল্পনা আর কোথায় দেখবো? নয়নজুড়ানো দেওয়াল লেখা? এ বোধহয় মুক্তিযুদ্ধের শপথ নেওয়া একটা জাতির পক্ষেই সম্ভব। আজ অস্থির লাগছে। আমিও তো সন্তানের জননী। আশা করবো বাংলাদেশ শান্ত হবে। অনেকটা দূরে আছি, এই প্রার্থনাটুকুই করতে পারি। অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো, সেই আমাদের আলো, আলো হোক, ভাল হোক সকলের। ** স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, ১৮ জুলাই ২০২৪, কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত আবু সাঈদের আঁকা ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে, যার উপরে লেখা "বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর।" [https://www.ntvbd.com/entertainment/news-1430941] [https://www.bvnews24.com/entertainment/news/155975] * বাংলাদেশে থাকা যেসব মানুষ ভোগান্তির মধ্যে আছেন, তাঁদের জন্য আমার প্রার্থনা ও সহমর্মিতা রইল। ** [[:w:এনসো ফের্নান্দেস|এনজো ফার্নান্দেজ]], ১৯ জুলাই ২০২৪, ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার, ফেসবুকের এক পোস্টে [https://www.prothomalo.com/sports/football/bbeqhr6be7] *এটা অবশ্যই কারফিউ। এটা নিয়ম অনুযায়ীই হবে এবং সেটা শুট অ্যাট সাইট হবে। ** [[ওবায়দুল কাদের]], ২০ জুলাই ২০২৪, গণভবনে ১৪ দলের বৈঠকের পর কারফিউ জারি ও সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সাংবাদিকদের দেওয়া বক্তব্য [https://www.prothomalo.com/bangladesh/34df7itae8] * দেশকে যখন আমরা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছি, তখন দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনের মধ্যে গুজব ছড়ানো হয়েছে, শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু বলে দিতে চাই, শেখ হাসিনা পালায়নি, পালায় না। আমি জানি ব্যবসা বানিজ্য সচল রাখতে হবে। এজন্য আপনাদের সহযোগিতা দরকার। যে ক্ষতি হয়েছে সেটি কারা করলো? এবার অতো সহজে ছাড়া হবে না। ধ্বংসযঞ্জে চালিয়ে দেশকে ধ্বংস করবে? আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই যাতে দেশের ভাবমূর্তি ঠিক থাকে। ভাবমূর্তি ঠিক না থাকলে ব্যবসা লাটে উঠবে। ** [[শেখ হাসিনা]], ২২ জুলাই ২০২৪, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে * সরকার আগে থেকে আন্তরিক হলে মৃত্যু কমানো যেতো। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা যে দাবি করেছিল, সেটা তো শেষ পর্যন্ত মেনে নেওয়া হয়েছে। এটাই যদি শুরুতে উদ্যোগ নিয়ে করা হতো তাহলে তো এত প্রাণহানি হতো না। বরং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগকে উস্কানি দিয়ে আন্দোলনকারীদের উপর হামলা না করালে হয়ত পরিস্থিতি এ দিকে যেতো না। ফলে আমি মনে করি, সরকার আন্তরিক হলেই প্রাণহানি কমতো। ** সাখাওয়াত হোসেন ২৫ জুলাই ২০২৪, নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%BE/a-69767637] * সরকার দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করেনি, ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গেছে। **[[জুনাইদ আহমেদ পলক]], ২৭ জুলাই ২০২৪, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, ‘শান্তির জন্য বৃক্ষ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/34df7itae8] * এখানে আমার তো কোনও চাওয়া-পাওয়া নেই। আমি তো ছেলে-মেয়েদের জন্যও কিছু করিনি। শুধু তাদের লেখাপড়া... নিজেরাই চাকরি করে লেখাপড়া করেছে। আমি কতটুকুইবা তাদের জন্য করতে পেরেছি। কিন্তু আমি দেশের মানুষের জন্য করেছি। আজ অন্তত মানুষের ভাত-কাপড়ের ব্যবস্থা, চিকিৎসার ব্যবস্থা, তাদের কাজের সংস্থান; সবই তো করে দিচ্ছিলাম। যখন আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেলাম, তখনই তাণ্ডব করে ঠিক যে জায়গাগুলো (প্রতিষ্ঠান) মানুষের সেবা করবে, সে জায়গাগুলোতে আঘাত করা হলো। সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার পরেও তাদের আর সেই শাটডাউন শেষ হয় না, কী কারণে আমি বুঝি না। আমরা তো সবগুলো দাবিই মেনে নিয়েছি। একটা মানলে আরেকটা, আরেকটা মানলে আরও একটা! আর এর ফল আজকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে সব একদিকে ছারখার, আর আজকে কত মানুষ জীবন হারালো! কতগুলো মানুষ পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে! কতগুলো মানুষ...। ** [[শেখ হাসিনা]], ২৭ জুলাই ২০২৪, আন্দোলনে আহতদের দেখতে শেরেবাংলা নগরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ট্রমাটোলজি অ্যান্ড অর্থোপেডিক রিহ্যাবিলিটেশন-নিটোর (পঙ্গু হাসপাতাল)-এ [https://www.banglatribune.com/national/855810/%E0%A6%8F%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B2-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] * মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের দিকেই যেন তাদের বেশি ক্ষোভ। আমার একটা কথা নিয়ে কত দিন প্রতিবাদ করল, কী কথা বলেছিলাম আমি? আমার কথাটাকে বিকৃত করা হয়েছিল। তাদের স্লোগানটা কী? ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার। তোমার বাবা, আমার বাবা, রাজাকার রাজাকার’। তার মানে তারা নিজেদেরই রাজাকার হিসেবে পরিচয় দিল। আমি তো তাদের রাজাকার বলিনি, তারা নিজেরাই স্লোগান দিয়ে নিজেদের রাজাকার হিসেবে পরিচিত করল সবার কাছে।” ** [[শেখ হাসিনা]], ২৭ জুলাই ২০২৪, বিটিভি ভবনের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শনকালে। * আপনাদেরও সাহায্য চাই। যদি আপনারা কিছু জানেন, আমাদের জানাবেন। কারণ, এভাবে বারবার বাংলাদেশে সহিংসতা, এটা আর হতে দেওয়া হবে না। এ কারণে আপনাদের সাহায্য চাই। এমন জানোয়ারের মতো বর্বরতা কেউ কেউ করতে পারে? একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানের লাশ ঝুলিয়ে রাখতে পারে? যারা এগুলোর সাথে জড়িত, অবশ্যই এদের বিচার করতে হবে। তা না হলে মানুষের নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না। আমি তো বুঝি আপনাদের বেদনা। প্রতিনিয়ত বাপ-মা-ভাই-বোনদের হারানোর ব্যথা নিয়ে আমাদের চলতে হয়। লাশটাও দেখতে পারিনি, কাফন-দাফনটাও করতে পারিনি। দেশেও ফিরতে পারিনি। ছয় বছর দেশে ফিরতে দেয়নি আমাকে। যখন দেশে এসেছি, সারা দেশ ঘুরেছি। এই দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছি। সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছিলাম। কিন্তু বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটাবে, এই সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটাবে- এটা তো কাম্য না। আপনাদের কাছে শুধু এইটুকু বলবো, আপনারা সবুর করেন। আর আল্লাহকে ডাকেন যেন এই সমস্ত খুনি-জালেমের হাত থেকে আমাদের দেশটা রেহাই পায়। আমি আপনাদের সঙ্গে আছি, পাশে আছি। আমারও আপনাদের চোখের পানি দেখতে হচ্ছে। এটিই সবচেয়ে কষ্টের। ** [[শেখ হাসিনা]], ২৮ জুলাই ২০২৪, গণভবনে কোটা আন্দোলনে নিহত ছাত্রদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে * কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মহাসচিব আন্তনিও গুতেরেস গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অত্যধিক বলপ্রয়োগের বিষয়ে সামনে আসা নানা প্রতিবেদনের বিষয়েও তিনি শঙ্কিত। যে-কোনো পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে জাতিসংঘ মহাসচিব তার ম্যান্ডেট অনুসারে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। ** স্টিফেন ডুজাররিক, ২৯ জুলাই, জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র [https://www.ittefaq.com.bd/694840/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B2%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%AA-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87] [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8/a-69839456] * দেশের সিভিল সার্ভিস থেকে শুরু করে সমস্ত সরকারি চাকরিতে সকলের বৈধভাবে প্রতিযোগিতা করার অধিকার থাকবে কিনা থাকবে না, এটি রাজনৈতিক প্রশ্ন। কিন্তু এর সমাধানের দিকে না গিয়ে দেশের সরকার প্রথমে উপেক্ষা করতে চেয়েছে, পরবর্তীতে দমননীতি অবলম্বন করেছে নিজের পেটোয়া বাহিনী দিয়ে। সেটা থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের শুরু। এখনো হত্যাকাণ্ডকে অস্বীকার করার জন্য চেষ্টা করছে। এই হত্যাকাণ্ড রাষ্ট্রীয় মদদে হয়েছে। এর বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের জন্য বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক তদন্ত দরকার। গতকাল (৩০ জুলাই ২০২৪) শোক দিবসের নামে একটা প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। সেখানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের জন্য শোক পালনের জন্য কালো ব্যাজ পরিধান করতে বলেছেন। আমরা সেটা প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা লাল ব্যাজ পরেছি। তারপরও তাঁদের তাঁরা শহীদ বলতে রাজি নন। তাহলে তাঁরা যদি শহীদ না হন, তাঁদের জন্য তাহলে প্রার্থনা করার দরকার কী? এ ধরনের অজস্র স্ববিরোধী আপনারা পাবেন। সরকার এখন এ হত্যাকাণ্ডকে জায়েজ করার জন্য অজুহাত দিচ্ছে। তারা মেট্রোরেল স্টেশনে হামলা করেছে, সেতু ভবনে হামলা করেছে অথবা বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনে হামলা করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, উন্নয়নের প্রতীকগুলো ধ্বংস করার জন্য বিরোধীরা এই আন্দোলনে ঢুকে পড়েছে। তবে দেশের মানুষ এটাকে মেনে নিল কেন? মানুষ যেটাকে দম্ভের প্রতীক মনে করে সেটিতে হামলা করে। এই সরকারের বৈধতার একমাত্র দাবি, তারা উন্নয়ন করেছে গত দেড় দশকে, আইয়ুব খানের এক দশক ছিল, শেখ হাসিনার দেড় দশক হয়েছে। এই শহরের মানুষ যে সরকারের উন্নয়নকে প্রত্যাখ্যান করেছে সেটা দেখা যায়। মানুষ যখন তথাকথিত উন্নয়নের প্রতীকে আক্রমণ করে তখন প্রথমে দেখে মনে হবে দুর্ঘটনা, কিন্তু না, এর পেছনে কারণ আছে। কেউ কি বিশ্বাস করেন এ সরকারের ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তারা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার করতে পারে? না। কারণ, তারা নিজেরাই হত্যাকারী। যারা নিজেরাই রাজাকার, খুনি, বিশ্বাসঘাতক তারা অপরকে বলে রাজাকার, খুনি, বিশ্বাসঘাতক। পৃথিবীতে এর চেয়ে বড় পরিহাস আর কী আছে। ক্ষমতার সর্বোচ্চ কেন্দ্রের চারদিকে আজ রাজাকারেরা বসে আছে। যখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরকারি বাহিনীর হামলার ফলে সাধারণ ছাত্ররা জেগে উঠল তাদের বিরুদ্ধে, তারা যখন পরাজয়ের মুখে, তখন তাদের সরিয়ে নিয়ে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ঢুকিয়ে দেওয়া হলো। তখনই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ল সারা দেশে। গুলিতে যাঁরা মারা গেছেন, তাঁরা আমাদের পথপ্রদর্শক। সংকটের উৎপত্তি কোথায়, সেদিকে না গিয়ে সরকার বলছে এই দল, সেই দলকে নিষিদ্ধ করব। সেটা সমস্যাকে আরও বাড়াবে। এজন্য এখন দরকার রাজনৈতিক সমাধান। বর্তমান সরকারকে ক্ষমা প্রার্থনা করে পদত্যাগ করতে হবে। পদত্যাগ ছাড়া নতুন কোনো ব্যবস্থা আমরা দিতে পারব না। ** সলিমুল্লাহ খান, ৩১ জুলাই ২০২৪, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের (ইউল্যাব) অধ্যাপক, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/5n7rtbmej1] [https://www.jugantor.com/national/others/832583/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0] * আমি ঘুমাতে পারি না, যখন মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর গল্প পড়ি। যে ছেলেটা আন্দোলনে গিয়েছিল বিস্কুট ও পানি দেওয়ার জন্য। সে মারা যাওয়ার আগেও বলছিল, কারও পানি লাগবে, পানি লাগবে? এ অবস্থায় তাকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ** [[আসিফ নজরুল]], ৩১ জুলাই ২০২৪ [https://www.jugantor.com/national/832296/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%C2%A0] * একটা জিনিস গেলে আবার গড়ে তোলা যায় কিন্তু একটা জীবন গেলে, প্রাণ গেলে তো আর ফিরে পাওয়া যায় না! যারা আপনজন হারিয়েছে, যে মা তার সন্তান হারিয়েছে, যে সন্তান তার বাবা হারিয়েছে, তাদের কষ্ট আর কেউ না বুঝুক, আমি তো বুঝি! কারণ আজকে এই আগস্ট মাস আমি তো বাবা-মা, ভাই সব হারিয়ে এই বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলাম নিজে ছোট ছোট বাচ্চাদের মাতৃস্নেহবঞ্চিত করে, কেন? বাংলাদেশের মানুষের জন্য। এই দেশের মানুষ সুন্দর জীবন পাবে, উন্নত জীবন পাবে, স্বাধীনতার সুফল পাবে। প্রত্যেকে পেট ভরে ভাত খাবে, প্রত্যেকে লেখাপড়া শিখবে, দারিদ্র্যের হাত থেকে মুক্তি পাবে। বাংলাদেশ উন্নত হবে, সমৃদ্ধশালী হবে, বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসন পাবে। যে মর্যাদা আমরা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর পেয়েছিলাম। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর যা আমরা হারিয়েছিলাম, আবার সেই মর্যাদা ফিরিয়ে নিয়ে আসব। আমি কিন্তু এনেছিলাম। বাংলাদেশ বিশ্বে সেই মর্যাদা পেয়েছে। সেই জায়গায় আমরা নিয়ে গিয়েছিলাম। আজকে বাংলাদেশ সম্পর্কে প্রতিটি জায়গায় নেতিবাচক একটা মনোভাব হয়ে গেছে। এই যে এতদিন এত শ্রম দিলাম, এত কষ্ট, নিজের দিকে তো তাকাইনি! নিজের ছেলে-মেয়ের তো কিছু করিনি! যেটুকু করেছি, এ দেশের মানুষের জন্য। ** [[শেখ হাসিনা]], ১ আগস্ট ২০২৪, জাতীয় শোক দিবস স্মরণে আলোচনাসভায় বক্তব্যে [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-601736] *...আপনাদের দুজনের কাছেই প্রশ্ন, তবে, পানি লাগবে কিনা, পানির বোতল কিন্তু আছে, আপনার ওখানে? পানি লাগবে পানি? হ্যাঁ, এরকম একটা বোতল আছে। মুগ্ধ আমাদের জন্য অনেকগুলো পানির বোতল রেখে গিয়েছে। সেই পানি এখানেও আছে।... (কয়েক সেকেন্ডের জন্য আবেগআপ্লুত হয়ে বাকরুদ্ধ থেকে আবার স্বাভাবিক হয়ে ভারী গলায়)... অগাস্ট মাস আমাদের শোকের মাস... অগাস্ট এর আগে জুলাইতে এমন করে শোক পালন করতে হবে...(ক্রন্দনরত) আমরা কেউ ভাবি নি।.. কিছুক্ষণ আগে আপনাকে একটা ঘটনার কথা বললাম,.. আপনি শুনেছেন, আমি আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আপনি এই ঘটনা বলবেন। কি হয়েছে একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে।.. (ক্রন্দন).. প্লিজ দর্শক কেউ ভাববেন না আমি প্ল্যান করে এসেছি, আমি কোন ভিউ বাড়ানোর জন্য কান্নাকাটি করছি, প্লিজ কেউ ভাববেন না। আমি একজন এঙ্কর,.. আম.. আহ.. আমার আসলে এই মুহূর্তে ইমোশনাল হওয়ার কথা না।.. আমি মূল অনুষ্ঠানে যাচ্ছি।..(স্বাভাবিক কণ্ঠে) আজ বারবার বঙ্গবন্ধুর কথা মনে পড়ছে,.. বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোকের উপর হত্যা করা হয়, তিনি হুংকার দিয়েছিলেন পাকিস্তানি স্বৈরশাসককে।...(ক্রন্দনরত) আজ বঙ্গবন্ধু থাকলে এই অবস্থা হতো?..। ** রোকসানা আঞ্জুমান নিকোল, ১ আগস্ট ২০২৪, যমুনা টিভির সঞ্চালক, রাজনীতি নামক টকশোতে [https://thedailycampus.com/struggle/148662/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD-%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE] * আমরা সকল নির্যাতন, গোলাগুলি, হত্যা, রক্ত– এগুলো দেখতে চাই না। এসবের বাইরে থাকতে চাই। অনেক হাইপারটেনশনের রোগী হয়ে গেছি। এগুলো দেখতে আর ভালো লাগে না। আমরা শান্তি চাই, রক্তপাত চাই না...আমি তো অনেককে অনেক কিছুই বলতে পারি। কিন্তু বিষয়টি সিদ্ধ হতে হবে। এগুলো তো প্রমাণিত হওয়ার ব্যাপার। কোনো প্রমাণিত সত্য আমার হাতে না পেলে, এটা বলতে পারি না। ** [[মোশাররফ করিম]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেতা [https://ntvbd.com/entertainment/news-1435217] * আমাদের যে ভাইরা, যে বন্ধুরা মারা যাচ্ছে, মারা গেল—যদি আপনি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হন, আপনি রাতের বেলা ঘুমাতে পারবেন না। আমার কানে এখনও বাজে যে ‘কারও পানি লাগবে?’ এটা যতদিন মাথায় থাকবে ততদিন আমরা শান্তিতে ঘুমাতে পারব না। ** [[সিয়াম আহমেদ]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেতা [https://www.itvbd.com/entertainment/dhallywood/161405/%E2%80%98%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E2%80%99] * যেদিন থেকে এই ঘটনাগুলো শুরু হয়েছে, যেদিন থেকে গুলি চলেছে, সেদিন থেকে আমি দুই চোখের পাতা এক করতে পারিনি। কারণ ওই শিশুগুলোর মধ্যে আমার সন্তান থাকতে পারতো। ওই মানুষগুলোর মধ্যে আমি, আপনি থাকতে পারতাম।যে অন্যায়, অবিচার, নিপীড়ন করা হয়েছে বা করা হচ্ছে এখনো, যেভাবে গণগ্রেপ্তার করা হচ্ছে, যেভাবে গুলি করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, একটি গণতান্ত্রিক দেশে সেই দৃশ্য দেখার পর কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ যদি বাড়িতে বসে থাকতে পারে, তাহলে আমার বলার কিছু নেই। কারণ আমার একটি ১২ বছরের সন্তান আছে। আমি নিজে এ দেশের নাগরিক। আমার বিদেশি কোনো পাসপোর্ট নেই। আমি এই দেশেই থাকবো এবং এই দেশটি আমার। এই দেশটি আমরাই সংস্কার করবো। এটা কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি হতে পারে না। আমি এসব অন্যায়ের সুষ্ঠু তদন্ত চাই এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিচারের আওতায় আনা হোক। এর প্রকাশ্য-প্রয়োগ আমরা দেখতে চাই। ** [[আজমেরী হক বাঁধন]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেত্রী [https://www.jagonews24.com/entertainment/news/958484] * বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। ** শমী কায়সার, ১ আগস্ট, আন্দোলনে ভাংচুরে ক্ষতিগ্রস্ত বিটিভি ভবন পরিদর্শনকালে, সাথে ছিলেন ফেরদৌস আহমেদ, রোকেয়া প্রাচী, জ্যোতিকা জ্যোতি, সোহানা সাবা, সুজাতা, রিয়াজ, অরুণা বিশ্বাস, নিপুণ, আজিজুল হাকিম, রোকেয়া প্রাচী, তানভীন সুইটি, হৃদি হক, সাজু খাদেম, সোহানা সাবা, চন্দন রেজা, শুভ্র দেব, মুশফিকুর রহমান গুলজার, এস এ হক অলিক, খোরশেদ আলম খসরু, শামীমা তুষ্টিসহ আরও অনেকে। [https://jamuna.tv/news/552593] * শেম অন ইউ গাইজ। (লজ্জা হচ্ছে তোমাদের জন্য)। ** সাদিয়া আয়মান, ১ আগস্ট ২০২৪, ফেরদৌস-শমী কায়সারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শমী কায়সারের "বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।" মন্তব্যযুক্ত যমুনা টিভির কার্ড শেয়ার করে [https://www.jugantor.com/entertainment/833197/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%AE-%E0%A6%85%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%89-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9C-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%8C%E0%A6%B8%E0%A6%B6%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8] * একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা বিটিভির প্রাঙ্গণে গিয়ে চোখের পানি ঝরিয়েছেন। অবশ্যই তাদের জীবন ও ক্যারিয়ারের সঙ্গে বিটিভি কেন্দ্রিক স্মৃতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের দুঃখ পাওয়াটা হয়তো স্বাভাবিক। কিন্তু! এত ছাত্র-ছাত্রী, শিশু, মা, বোন, সাধারণ মানুষ যে মারা গেল তা নিয়ে একবারও কিচ্ছু বললেন না! একবারো দুঃখ প্রকাশ করলেন না। একবারো এই মানুষগুলোর হত্যার বিচার চেয়ে কিছু বললেন না। কেন? কারণ যারা এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন তারা আপনাদের কেউ না। তাদের বা তাদের পরিবারের দ্বারা আপনাদের কোনো লাভ হবে না, স্বার্থ হাসিল হবে না এবং ক্ষমতাও পাবেন না। তাই কি? নিজেদের লাভ লস চিন্তা করে, ক্ষমতার স্বার্থে কিংবা কাউকে দেখানোর জন্য আপনারা যে কথাগুলো ক্যামেরার সামনে বলেছেন এগুলো সারাজীবন আর্কাইভে তো থাকবেই, আমাদের মনেও থেকে যাবে। জেনারেশন টু জেনারেশন জানবে ৯০ দশকের যাদের অভিনয় টিভি স্ক্রিনে দেখে আমরা মুগ্ধ হয়েছি এখন তাদের বাস্তব জীবনের কর্ম দেখে আমরা বিস্মিত এবং লজ্জিত! দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আপনাদের প্রতি শ্রদ্ধা হয়তো আর কখনো ফিরে আসবে না। ** সাদিয়া আয়মান, ২ আগস্ট ২০২৪, ১ আগস্ট দেওয়া ফেসবুক পোস্ট এর ব্যাখ্যা হিসেবে দেওয়া ফেসবুক পোস্টে [https://www.daily-sun.com/bangla/post/4042] * আন্দোলন প্রত্যাহার করে ডিবি অফিস থেকে প্রচারিত ছয় সমন্বয়কের ভিডিও স্টেটমেন্টটি আমরা স্বেচ্ছায় দেইনি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো সিদ্ধান্ত ডিবি অফিস থেকে আসতে পারে না। সারাদেশের সকল সমন্বয়ক ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ব্যতীত কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গৃহীত হবে না। ডিবি অফিসে আমাদের জোর করে খাবার টেবিলে বসিয়ে ভিডিও করা হয়। আমাদের ছেড়ে দেবার আশ্বাস দিয়ে পরিবারকে ডেকে ১৩ ঘন্টা বসিয়ে রাখা হয় এবং মিডিয়ায় মিথ্যা স্টেটমেন্ট দেওয়ানো হয়। আমাদের শিক্ষকরা দেখা করতে আসলে, দেখা করতে দেওয়া হয়নি। **কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৬ সমন্বয়ক, ২ আগস্ট ২০২৪ [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/quota-protest/news-601946] * আমরা এখন রাস্তায়, কারণ আমাদের হাজারো ভাই-বোন মারা গেছেন, হাজারো মানুষকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। যার ফলে এখন, বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে, ছাত্রদের সঙ্গে কর্মজীবী মানুষ, সঙ্গীত ও অভিনয় শিল্পীরাও একাত্মতা পোষণ করেছেন। তারা সবাই রাস্তায় নেমে  এসেছে, আন্দোলন করছে এবং একজন নাগরিক হিসেবে ও সাধারণ মানুষ হিসেবে তার অধিকার সম্পর্কে দাবি তুলছে। বাংলাদেশের পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনী ছাত্রদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে এই আন্দোলনের যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, আমাদের একজন সমন্বয়ক আরিফ সোহেলকে মিথ্যা মামলায় তুলে নেওয়া হয়েছে। ছাত্ররা রাস্তায় নামলেই তারা গণহারে গ্রেফতার করছে। রংপুরে আন্দোলন করার সময় অসংখ্য ছাত্রছাত্রীদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারা দিনদিন আরও কঠোর হচ্ছে। মনে হচ্ছে যেন যুদ্ধের মধ্যে আছি আমরা। বাস্তবে আমাদের এখানে কোনো যুদ্ধ চলছে না, তাহলে আমার প্রশ্ন যুদ্ধ আসলে কেমন হয়। সরকার এটির সমাধান করতে পারত রক্ত ঝরার আগেই। আমাদের ভাই ও বোনদের গুলি খেয়ে রক্ত ঝরার আগেই সমাধান করা উচিত ছিল তাদের। এটা এখন আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। সরকার হাজারের বেশি মানুষকে মেরেছে,হাজারের বেশি মানুষকে তুলে নিয়েছে। সব মিলিয়ে নয় হাজারের বেশি মানুষকে তুলে নিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং জেলে পাঠানো হয়েছে। কাজেই অবশ্যই আমরা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ ও আন্দোলন কারিদের পক্ষ থেকে করজোড়ে প্রত্যেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক কমিউনিটির কাছে সাহায্য চায়। তারা যেন সরকারকে প্রশ্ন করে, চাপ দেয়।’ আমাদের আন্দোলন এখন আর কোটায় সীমাবদ্ধ নেই। আমাদের হাজারো ভাই-বোন মারা গেছে। আমরা সেই নিহতের প্রকৃত সংখ্যাটি পর্যন্ত জানি না। সরকার বলছে তারা নিহতের সংখ্যা জানাবে। গণমাধ্যমে আমরা দেখছি আড়াইশর বেশি নিহতের কথা। বাংলাদেশি পুলিশ ও সরকারের বর্বরতা থেকে নিষ্পাপ শিশুরা পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না। ২ বছর ৪, ৬ ও ১১ বছরের শিশুরা পর্যন্ত মারা গেছে। এমনকি শিশুদের পর্যন্ত আদালতে দাঁড় করিয়েছে তারা। কাজেই এই আন্দোলন এখন আর কোটায় সীমাবদ্ধ নেই। এই আন্দোলন এখন আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের আন্দোলন। এই আন্দোলন এখন আমাদের মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার অধিকারের আন্দোলন। শুরুতে এটা ছাত্রদের আন্দোলন হলেও এখন এটা গণমানুষের আন্দোলন। বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। আন্দোলন দমাতে সরকার অনেকেই গ্রেফতার করেছে। আমাদের অনেক নেতাকে তুলে নিয়ে গেছে। কিন্তু আমরা এখন বিশ্বাস করি আমরা এখন সবাই নেতা। আমার এখন সবাই সমন্বয়ক। আর আমরা এই লড়াই চালিয়ে যাব স্বৈরাচার শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত। এক নায়কতন্ত্র বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত এবং আমাদের সব দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত। ** প্রাপ্তি তাপসী, কোটা আন্দোলনের পক্ষে অন্যতম সংবাদ প্রতিনিধি ছাত্রী, ২ আগস্ট ২০২৪ আল-জাজিরার দ্য স্ট্রিম অনুষ্ঠানে দেওয়া দীর্ঘ অনলাইন সাক্ষাৎকারে [https://www.jugantor.com/national/833516/%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87] * বাংলাদেশের আমার সব ভক্তকে বলছি, আমি তোমাদের কথা শুনছি, তোমাদের জন্য প্রার্থনা করছি। ** [[:w:এনসো ফের্নান্দেস|এনজো ফার্নান্দেজ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে লাল কাপড়ে চোখ ঢাকা পেছনে বাংলাদেশের পতাকাসহ প্রতীকি ছবি শেয়ার করা ফেসবুকের এক পোস্টের ক্যাপশনে [https://www.jagonews24.com/en/amp/75912] * ইয়া আল্লাহ, তুমি যুদ্ধে আমার নবীকে যেভাবে সাহায্য করেছ! সেভাবে আমাদের ভাইগুলোকে সাহায্য করো আমিন। ** ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তী, ৩ জুলাই, ২০২৪, অভিনেত্রী [https://www.rtvonline.com/amp/entertainment/284946] * তাদের সাথে আলোচনার কোন পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের দাবি অত্যন্ত সুস্পষ্ট, তাদের কোন বক্তব্য থাকলে দেশবাসীর সামনেই মিডিয়া মারফত তা রাখতে পারেন। আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার সিদ্ধান্তই আমাদের সিদ্ধান্ত। গুলি আর সন্ত্রাসের সাথে কোন সংলাপ হয় না। ** [[আসিফ মাহমুদ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, কোটা আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক, বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://www.bbc.com/bengali/live/cgrlrjlj9drt#asset:2d5e6283-ba9d-4c26-b7e1-118dc3956d52] * চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে দেশব্যাপী চলা অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে অনেক ইমাম-খতীবকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। কোনো কোনো খতীবকে কারণ ছাড়াই ছুটিতে রাখা হয়েছে। যারা এগুলো করেছেন, ঘোরতর অন্যায় ও নীতিবহির্ভূত কাজ করেছেন। এদেশে সবচেয়ে কম সুযোগ সুবিধায় দায়িত্ব পালন করেন ইমাম-মুয়াজ্জিনগণ। তারা স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পান খুবই কম। অথচ তাদের ওপর খবরদারি করা হয় সব থেকে বেশি। ইমাম মানে নেতা। তাদের ওপর খবরদারি করা মুসলিমসুলভ আচরণ হতে পারে না। কোনো ইমাম সত্য উচ্চারণ করতে গিয়ে জুলুমের শিকার হলে সবাইকে তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান করছি। ইমাম-খতীবগণ যত স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারবেন, আমাদের সমাজ ততই ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে এগোবে। ** [[শায়খ আহমাদুল্লাহ|আহমদুল্লাহ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশী আলিম (মুসলিম ইসলামী পণ্ডিত), ঈমাম, খতীব, ইসলাম ধর্ম প্রচারক ও বক্তা, নিজস্ব ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে কোটা আন্দোলনের পক্ষে কথা বলায় দেশব্যাপী ঈমাম খতীবদের চাকরিচ্যুত করা প্রসঙ্গে [https://www.jugantor.com/national/833757/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9] * আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য গণভবনের দরজা খোলা। কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আমি বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। আমি সংঘাত চাই না। আমি আবারও বলছি, আন্দোলনকারীরা চাইলে আমি এখনো আলোচনায় রাজি। তারা যেকোনো সময় (গণভবনে) আসতে পারে। দরকার হলে তারা তাদের অভিভাবকদের নিয়েও আসতে পারে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে। ** [[শেখ হাসিনা]], ৩ আগস্ট, গণভবনে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/bm5xcpuqwg] * কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে কেউ মারা যায়নি। গুলির যে তথ্য পাওয়া গেছে তার অনেকগুলোই পুলিশের রাইফেলের গুলি নয়। কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। হয়তো দুই-একজন কিশোর মারা গিয়ে থাকতে পারে। তাদেরককে ঢাল হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছিল। শিশুদের আড়ালে অন্য একটি শক্তি ছিল। পেছনের শক্তিকে রুখতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। (পদত্যাগের প্রশ্নে) এরকম কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে এবং প্রধানমন্ত্রী যদি মনে করা তাহলে আমরা সেটা করব। ** [[আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল]], ৩ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী [https://jamuna.tv/news/553165] * কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরুটা দেশবাসী দেখেছেন। সরকার গুণ্ডা-পাণ্ডা দিয়ে সন্ত্রাস চালালো এবং পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিজিবি নামিয়ে, আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত শিশুকিশোর ও তরুণের তাজা প্রাণ হরণ করল, তা দেশবাসী কি এত সহজে এই অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যাবে। এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না।’ শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। সারাদেশের শিশু কিশোর ও তরুণরা শত উসকানি, হামলা ও নির্যাতনের মধ্যেও ধৈর্য ধরে শৃঙ্খলার সঙ্গে আস্তে আস্তে আইন মেনে সামনে পা বাড়াচ্ছিল। বিপরীতে দ্বিতীয় পক্ষ যে উপর্যুপুরি উসকানি দিল, গুণ্ডাপাণ্ডা দিয়ে সন্ত্রাস চালালো এবং পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিজিবি নামিয়ে, আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত শিশু কিশোর ও তরুণের তাজা প্রাণ হরণ করল, তা দেশবাসী কি এত সহজে এই অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যাবে।’ দ্রুত বিজিবি ও সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী তিন দশক ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের মাধ্যমে যে সম্মান মর্যাদা ও গৌরব অর্জন করেছে তা আজ কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। সার্বজনীন মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক সর্বোচ্চ মান রক্ষা করেই আপনাদের সকলকে নিজ দেশের জনগণের পক্ষে দাঁড়াতে হবে। চোখের সামনে আমরা নিজেদের মাতৃভূমিকে ধ্বংস হতে দিতে পারি না। আক্রমণকারীরা গণঅভ্যুত্থানের প্রতিরোধের মধ্যে পিছপা হতে বাধ্য হলে পরবর্তী পর্যায়ে ব্যবহার করা হলো বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে। তাদেরকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কখনও সম্মুখভাবে, কখনো পেছনে ও পাশে দাঁড় করিয়ে অন্যান্য বাহিনীগুলো এই গণ-আন্দোলনের ওপর তাদের জুলুম অত্যাচার নির্যাতন অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। কোনোভাবেই এমন পরিস্থিতির দায় দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর নেওয়া উচিত নয়। বাংলাদেশের স্বশস্ত্র বাহিনী অতীতে কখনো দেশবাসী বা সাধারণ জনগণের মুখোমুখি দাঁড়ায়নি, তাদের মুখে বন্দুক তাক করেনি। ** ইকবাল করিম ভূঁইয়া, ৪ আগস্ট ২০২৪, সাবেক সেনাপ্রধান, সংবাদ সম্মেলনে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/g77bbharbn] * রিট করার নেপথ্যে অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে। কেননা তারা দেশকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দিতে চায়। ** আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন, ৪ আগস্ট ২০২৪, অ্যার্টনি জেনারেল, আন্দোলনের সময় সরাসরি গুলি না করার নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ করার প্রসঙ্গে [https://jamuna.tv/news/553225] * আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন। আমি পদত্যাগ করবো না। আপনি গুলি চালান। ** শেখ হাসিনা, ৫ আগস্ট ২০২৪, সেনাপ্রধান শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে বললে রাগান্বিত হয়ে প্রতিউত্তরে [https://www.dailyjanakantha.com/national/news/750744] * এখানে কেউ থাকবেন না। (নো ওয়ান স্টে হেয়ার।) ** শেখ হাসিনা, ৫ আগস্ট ২০২৪, তার আত্মীয়দের কাছে শেষ হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় [https://english.khaborerkagoj.com/special-report/799212] * শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা গণভবন থেকে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। শেখ হাসিনা যাওয়ার আগে একটি ভাষণ রেকর্ড করে যেতে চেয়েছিলেন। তিনি সে সুযোগ পাননি। ** বার্তা সংস্থা এএফপি, ৫ আগস্ট ২০২৪, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dn4yfsve75] * আপনাদের আমি কথা দিচ্ছি। আপনারা আশাহত হবেন না। আপনাদের যত দাবি আছে আমরা পূরণ করবো। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবো। আপনারা আমাকে সহযোগিতা করেন। দয়া করে ভাঙচুর, মারামারি, হত্যা, সংঘর্ষ এগুলো থেকে বিরত হন।” ** [[ওয়াকার-উজ-জামান]], ৫ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল, দুপুরে জাতির উদ্দেশে ভাষণে [https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/83477/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A4] * দেশে আজকে যা ঘটল, এটাই হওয়ার কথা ছিল। গণ-অভ্যুত্থান কখনো ঠেকানো যায় না। শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন সহজেই সমাধান করা যেত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জেদের কারণে এত মানুষ মারা গেল। গণমাধ্যমে প্রাণহানির যে চিত্র উঠে এসেছে, বাস্তবে এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি। আরও কত মরদেহ কোথায় পড়ে আছে, কত গণকবর হয়েছে, কতগুলো নিরীহ মানুষের প্রাণ ঝরেছে! তিনি তো চলে গেলেন। এখন এর জবাব দেবে কে? ১৫ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেননি। দিনের পর দিন ভোট চুরি করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। শেখ হাসিনার বোঝা উচিত ছিল, তিনি ও তাঁর দল কতটা অজনপ্রিয়। এই যে এত প্রাণহানি, এর জবাব দেবে কে? দেশে সুশাসনের মারাত্মক অভাব। তিনি সুশাসন দিতে পারেননি। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ওপর হাজার হাজার গুলি ছোড়া হয়েছে। হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে। এর আগে আমরা সবাই এইচ এম এরশাদকে স্বৈরাচার বলেছি। তখন মাত্র ছয়জন মানুষ মারা যাওয়ায় তাঁকে স্বৈরশাসক বলছি। কিন্তু গত ১৫ বছরে কত মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। ২০০৯ সালে পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা মারা গেছেন। এখন এর জবাব দেবে কে? যাঁকে জাতির পিতা বলা হয়, তাঁর পরিবারের সদস্যদের এত করুণ পরিণতি কেন হবে? তাঁর এমন পরিণতি আমাদের দেখতে হলো। এসব হয়েছে, তাঁর দম্ভ ও অহমিকার কারণে। প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, দেশে সুশাসন নিশ্চিত করেন। বিভিন্ন সভা–সেমিনারে বলেছি। যা হচ্ছে, তা স্বৈরতন্ত্র। এসব বলার কারণে আমাদের ভিন্ন দলের এজেন্ট বলা হতো। এই যে গণভবন লুটপাট হচ্ছে, ভাঙচুর হচ্ছে—এ জন্য জনগণকে দোষ দেবেন কীভাবে? শ্রীলঙ্কা থেকে হাসিনার সরকার শিক্ষা নেয়নি। তিউনিসিয়া থেকে শিক্ষা নেয়নি। মিসরে কীভাবে হোসনে মোবারক জনরোষে উড়ে গেছে, সেখান থেকে সরকার শিক্ষা নেয়নি। জনগণের সরকার না হলে এমন পরিণতি হয়। এরশাদের চেয়ে শেখ হাসিনা ১০০ গুণ বেশি খারাপ হয়ে বিদায় নিয়েছেন। এরশাদ পালিয়ে যাননি। তিনি পালিয়ে গেছেন। তিনি পালিয়ে গেছেন, কিন্তু আওয়ামী লীগ দলটাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেলেন। তাঁর হিংসা, দম্ভ, অহংকার দলটাকে ধ্বংস করল। ** এম সাখাওয়াত হোসেন, ৫ আগস্ট ২০২৪, নির্বাচন বিশ্লেষক ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তা [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dvds7trgt6] * ভারত হল তার আশেপাশের সকল মুসলিম রাষ্ট্রের আসল মাতৃভূমি। আমরা গর্বিত এবং সম্মানিত যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতে সুরক্ষিতবোধ করেন। কিন্তু যারা ভারতে থাকে তারা বারেবারে প্রশ্ন করে কেন হিন্দু রাষ্ট্র? কেন রাম রাজ্য? কেন সেটা তো বোঝাই যাচ্ছে!!’ ‘মুসলিম দেশে তো মুসলমানরাও সুরক্ষিত নয়। আফগানিস্তান, পাকিস্তান,বাংলাদেশ, ব্রিটেনে যা ঘটছে সেটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা সৌভাগ্যবান যে রাম রাজ্যে থাকি। জয় শ্রী রাম'। ** কঙ্গনা রানাউত, ৫ আগস্ট ২০২৪, অভিনেত্রী, এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে [https://bangla.hindustantimes.com/entertainment/even-muslims-are-not-safe-in-muslim-countries-kangana-ranaut-reacts-as-ex-bangladesh-pm-sheikh-hasina-flees-to-india/amp-31722867132738.html] * অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের রূপরেখা দিতে আমরা ২৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছিলাম। কিন্তু জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় এখনই রূপরেখা ঘোষণা করছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ড. [[মুহাম্মদ ইউনূস|মুহাম্মদ ইউনূসকে]] প্রধান উপদেষ্টা করে ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে। তার সাথে আমাদের কথা হয়েছে, তিনি দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছেন। আমরা সকালের মধ্যে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দেখতে চাই। রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ থাকবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হোক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাকি সদস্যদের নামও আমরা সকালের মধ্যে ঘোষণা করব। **নাহিদ ইসলাম, ৬ আগস্ট ২০২৪, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক, ভোর ৪টার পর ফেসবুকে দেয়া ভিডিও বার্তায় [https://www.dailynayadiganta.com/politics/853517/%E0%A6%A1.-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE] * মূলত দুইটি কারণে ভারত শেখ হাসিনাকে রাখতে চায় না। প্রথম বিষয়টি অবশ্যই তার নিরাপত্তা সংক্রান্ত। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, বাংলাদেশে যে সরকারই আসুক, ভারত তার সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়। আর বাংলাদেশে হাসিনা-বিরোধী মনোভাব তুঙ্গে। ভারত চায় না, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেয়ার ঘটনা ছায়াপাত করুক। এর আগে সেনা সরকার যখন ছিল, তখন ভারতের অসুবিধা ছিল। কিন্তু এবার সেনা সম্ভবত পিছনে থাকবে, বাংলাদেশে নতুন কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু হবে বলে মনে হচ্ছে। ফলে তাদের সঙ্গে ভারতের আলোচনা করতে কোনো অসুবিধা হবে না। বাংলাদেশের ঘটনা ভারতকে একটা বড় চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ভারত চায় না, বাংলাদেশের ঘটনার অভিঘাত দেশের মধ্যে পড়ুক। বাংলাদেশে ভারতের যে সম্পদ ও বিনিয়োগ আছে, ভারত সেগুলিকে নিরাপদ রাখতে চায়। সেদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা চায়। ** শ্রীরাধা দত্ত, ৬ আগস্ট ২০২৪, ও পি জিন্দল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক ডয়চে ভেলেকে [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%A8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F/a-69864559] * কুখ্যাত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে অবিলম্বে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে গ্রেপ্তার করতে হবে। বাংলাদেশে গুম-খুনের আসল কারিগর সে শুধু তা না, ফোন ট্যাপিংয়ের নামে মানুষের প্রাইভেসি ধ্বংস করেছে সে। এবং প্রাউডলি সেই সব রেকর্ডিং এই পারভার্ট লোকটা মিডিয়াতে সরবরাহ করত এবং আমাদের স্পাইনলেস মিডিয়া সেগুলো প্রচার করত। এই লোককে এখনই নিউট্রালাইজ করতে হবে। এছাড়া ডিবি’র হারুনসহ কুখ্যাত যারা আছে তাদের সরিয়ে দিয়ে পুলিশ বাহিনীর উপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করতে হবে এখনই।’ ** [[মোস্তফা সরয়ার ফারুকী]], ৬ আগস্ট ২০২৪, চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা, ফেসবুক পোস্টে [https://www.dainikamadershomoy.com/details/019126708d76?fbclid=IwY2xjawEezI1leHRuA2FlbQIxMQABHUwvttoTLSYm-ujxLPWY6H74ytr489ZvM2g_crax_H2Sl9kPKwgMYif4HA_aem_1wbabngYpoCavI2lyWYF9w] * গুলি করে করে লাশ নামানো লাগছে স্যার। গুলি করি, মরে একটা, আহত হয় একটা। একটাই যায় স্যার, বাকিডি যায় না। এইটা হলো স্যার সবচেয়ে বড় আতঙ্কের এবং দুশ্চিন্তার বিষয়। ** ইকবাল, পুলিশ সদস্য, কোটা আন্দোলন চলাকালীন সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে, ১৩ ও ১৪ই আগস্ট ২০২৪ এর পর ফেসবুকের একটি ভাইরাল ভিডিওতে বলতে দেখা যায় [https://www.kalerkantho.com/online/national/2024/08/13/1414550] [https://dailyinqilab.com/index.php/national/news/678022#google_vignette] * এখন থেকে লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে, যেটারে পাবে সেটারে গুলি করবে। যেখানে গেদারিং দেখবে সেখানে ওপর থেকে.. হেলিকপ্টার থেকে গুলি করবে, এখন ওপর থেকে করাচ্ছি (গুলি), অলরেডি শুরু হয়ে গেছে, র্যাবকে আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে। ** [[শেখ হাসিনা]], ১৮ জুলাই ২০২৪, ভাইরাল অডিও, "ফেস দ্য পিপল" এর ইউটিউব পাতায় ৮ ই মার্চ ২০২৫ এ প্রকাশিত [https://www.jugantor.com/national/926561] * যদি সরকারি দল ভায়োলেন্স চায়, সেটাকেই একমাত্র রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে নিতে চায়, তাহলে এটা যে আমাদের থেকে বেশি কেউ পারবে না, সেটা ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি। ** [[আসিফ মাহমুদ]], ২২ মে ২০২৬ ঝিনাইদহে [[নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী|নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর]] ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায়। [https://www.prothomalo.com/politics/org6cq83pw] * গণ-অভ্যুত্থানে যে স্বপ্ন ছিল চব্বিশে, শেষবারের মতো মানুষ তার জীবন বাজি রেখেছিল। তারপর যখন দেখল, এটা কতিপয় মানুষের নিজস্ব সম্পত্তি, এটা বাংলাদেশে উগ্রবাদের নতুন উত্থান, অদ্ভুতভাবে কিছু নেই থেকে শতকোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়ার একটা প্রকল্প, তখন স্বাভাবিকভাবেই গণমানুষ হাজারবার, লক্ষবার, কোটিবার চিন্তা করবে এ রকম গণ-অভ্যুত্থানে যাওয়ার আগে।...চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে হিজাব পরা ও হিজাব ছাড়া নারীরা যেভাবে অংশ নিয়েছিলেন, গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে সেই পরিবেশ কেন রক্ষা হলো না? চব্বিশের অভ্যুত্থানের ঠিক পরেই মুক্তিযুদ্ধের মুর‍্যাল ও ভাস্কর্যগুলো কারা ভাঙল? একাত্তর আর চব্বিশকে কেন মুখোমুখি করা হলো?...গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে দেশে ‘ভয়াবহ উগ্রবাদের উত্থান হয়েছে’। সেটা আগে জানলে কয়জন রাস্তায় আন্দোলনে নামতেন? ** [[রুমিন ফারহানা]]। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল আয়োজিত [https://www.prothomalo.com/politics/vpp1t809ks আলোচনা সভায়], জাতীয় প্রেসক্লাব, ১১ জুলাই ২০২৬। [https://www.ittefaq.com.bd/797952/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A7%A7%E0%A7%A6%E0%A7%A6-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E2%80%93%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE] == ৭১ বনাম ২৪ বিতর্ক == * [[জাতি]] একবারই স্বাধীন হয়, [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|একাত্তরের]] সঙ্গে চব্বিশের তুলনা চলে না। ** [[নুরুল হক নুর]]। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীর আল-রাজি কমপ্লেক্সে এক সংবাদ সম্মেলনে। [https://www.dhakatimes24.com/2024/12/31/375976][https://www.jugantor.com/politics/897510] * [[যুদ্ধ]] হলো একটা সশস্ত্র সংগ্রাম। দুই গ্রুপের মধ্যে অস্ত্র থাকে, দুই গ্রুপে যুদ্ধ করে। সেই যুদ্ধটা কী জন্য হয়? দেশকে স্বাধীন করার জন্য হয় বা অন্য দেশকে দখল করার জন্য হয়। এখানে তো এরকম কোনো ব্যাপার ছিল না। দেশকে স্বাধীন করার ব্যাপারও ছিল না, অধিকার কবার ব্যাপারও ছিল না। এখানে ব্যাপারটা ছিল হাসিনামুক্ত বাংলাদেশ করার, আওয়ামী লীগমুক্ত বাংলাদেশ করার। সুতরাং বিপ্লব বা এক দফার আন্দোলন ও [[মুক্তিযুদ্ধ]] একই জিনিস না। এ সমস্ত মাথায় যারা টুপি দিয়ে কিছু পাগল ছেলেদেরকে বুঝাচ্ছে, তাদেরকে আমি অনুরোধ করব পাগলামি ছাড়ো। [[গাঁজা]] খেলে খাও কিন্তু মানুষকে গাঁজা খাওয়ানোর চেষ্টা করো না। ** [[অলি আহমেদ]]। ২০২৫ সালের ১৭ জুলাই ঢাকার আইডিইবি মিলনায়তনে এক [https://www.kalerkantho.com/multimedia/Politics/2025/07/19/1548928 বক্তৃতায়]। == বৈদেশিক ভূমিকা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ == * [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] দূতাবাস কিছু সেফ হাউজ তৈরি করেছে। মনে রাখেন, এগুলোতে মগজধলাই হয়েছে। যারা সেফ হাউজে ছিল, তারা আমাকে ফোন করেছিল। তারা বলতেছে, আমাদের ওপর চাপ দিতেছে যে, আমরা যেন [[শেখ হাসিনা|শেখ হাসিনার]] পদত্যাগের কথা বলি। ফলে তরুণ ছাত্রদের যারা তখন জীবনের বাঁচাবার জন্য, তাদের সেই অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে আপনি তাদের বিভিন্ন সেফ হাউজে রেখেছেন এবং প্রতিদিন তাদের আপনি বলছেন যে তোমরা খালি পদত্যাগ চাইবে। [এসময় সঞ্চালক জানতে চান, যুক্তরাষ্ট্র কি শেখ হাসিনার পদত্যাগ চেয়েছিল? জবাবে তিনি বলেন,] হ্যাঁ, যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছে। ** [[ফরহাদ মজহার]]। অনলাইন গণমাধ্যম ''আলাপ''-এর সঙ্গে এক পডকাস্ট [https://www.banglatribune.com/politics/961619/%E2%80%98%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AB-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%9F%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%97%E0%A6%9C%E0%A6%A7%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E2%80%99-%E0%A6%95%E0%A7%80 সাক্ষাৎকারে]। * ডিপস্টেট সমস্ত পৃথিবীতে প্রতিটা ঘটনার সঙ্গেই জড়িত থাকে। পৃথিবীতে প্রতিটি ঘটনাতেই ডিপস্টেট কোনো না কোনোভাবে জড়িত থাকে। ডিপস্টেট ইনভলভ হয় তবে স্রোতের বিপরীতে না। তারপর তারা সেটা ম্যানপুলেট করবে। ** [[w:bn:মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন|মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন]]। ২৫ মে ২০২৬-এ যমুনা টেলিভিশনে প্রকাশিত হওয়া এক সাক্ষাৎকারে ''জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ডিপস্টেট সক্রিয় ছিল কি না''—এমন [https://www.jugantor.com/national/1106605 প্রশ্নের জবাবে]। [https://www.tbsnews.net/bangladesh/kitchen-cabinet-drove-key-decisions-interim-govt-claims-ex-adviser-touhid-1448986] == আরও দেখুন == * [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]] * [[আবু সাঈদ]] * [[অসহযোগ আন্দোলন (২০২৪)]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ প্রতিবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ এশিয়া]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ইতিহাস]] 5mee9jyr50tmdd2fcqi957lprt0xxnb 84150 84149 2026-08-10T16:11:46Z ফারদিন 52 /* বৈদেশিক ভূমিকা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ */ উক্তি যোগ 84150 wikitext text/x-wiki {{npov}} [[File:7.Bangladesh quota reform movement 2024.jpg|thumb|...পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা ‍~ সানজিদা চৌধুরী]] [[File:কোটা সংস্কার আন্দোলন, শাহবাগ, কাঁটাবন, সায়েন্স ল্যাব, জুলাই ২০২৪ (৮).jpg|thumb|কোটা না মেধা? মেধা, মেধা ~ বহুল প্রচলিত স্লোগান]] '''[[w:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]]''' হলো বাংলাদেশে সব ধরনের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটার ভিত্তিতে নিয়োগের প্রচলিত ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে সংগঠিত একটি আন্দোলন। ২০২৪ সালের ৫ জুন বাংলাদেশ হাইকোর্ট ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করার পর কোটা পদ্ধতির সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সালে নতুনভাবে আলোচনায় আসে। == স্লোগান == * এই মুহুর্তে দরকার, সেনাবাহিনী সরকার ** [https://bn.observerbd.com/details.php?id=109955 অবজার্ভারবিডি] *{{w|তুমি কে? আমি কে? রাজাকার রাজাকার}}, কে বলেছে কে বলেছে, স্বৈরাচার স্বৈরাচার/সরকার সরকার * দফা এক, দাবি এক, শেখ হাসিনার পদত্যাগ ** [https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/news/one-demand-now-3668981 দ্য ডেইলি স্টারে] উদ্ধৃত। * [[শেখ মুজিবুর রহমান|বঙ্গবন্ধুর]] বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই ** দৈনিক ইত্তেফাকের সংবাদ, [https://web.archive.org/web/20250514081515/https://www.ittefaq.com.bd/692965/%E2%80%98%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A7%E0%A6%BE-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E2%80%99 আর্কাইভকৃত] * [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধের]] বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই ** চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাদুঘরে [https://museum.cu.ac.bd/?page_id=496 উদ্ধৃত] [https://web.archive.org/web/20260322120118/https://museum.cu.ac.bd/?page_id=496 (আর্কাইভে সংরক্ষিত]) * লাশের ভেতর জীবন দে, নইলে গদি ছাইড়া দে ** [https://www.prothomalo.com/bangladesh/145xh9480o প্রথম আলো]তে উদ্ধৃত * সংবিধানের মূল কথা, সবার জন্য সমতা ** [https://www.dhakapost.com/campus/290575 ঢাকাপোস্ট] ও [https://rtvonline.com/national/281749 আরটিভি অনলাইন] * স্টেপ ডাউন হাসিনা (হাসিনা পদত্যাগ কর) ** [https://scroll.in/latest/1071628/step-down-hasina-as-millions-take-to-the-streets-in-bangladesh-48-feared-dead স্ক্রল.ইনে প্রকাশিত] === প্রথম আলোর "বিদ্রোহে-বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে হতে" এ উদ্ধৃত === প্রথম আলোর ২৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে প্রকাশিত কলাম [https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao বিদ্রোহে–বিপ্লবে জাগরণ, স্লোগানে স্লোগানে] ([https://web.archive.org/web/20251012120631/https://www.prothomalo.com/onnoalo/znx8mjyqao আর্কাইভকৃত]) উদ্ধৃত স্লোগান: * আপস না সংগ্রাম? সংগ্রাম সংগ্রাম * আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই * আঁর ন হাঁইয়্যে, বৌতদিন হাঁইয়্য’ ** চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার একটি স্লোগান, অনুবাদ: আর খেয়ো না, অনেক দিন খেয়েছ। * এক দফা, এক দাবি স্বৈরাচার তুই কবে যাবি * এক দুই তিন চার, শেখ হাসিনা, গদি ছাড় * এক দফা দাবি এক, কোটা নট কামব্যাক * '''কোটা না মেধা? মেধা, মেধা''' * চাইলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার! * জনে জনে খবর দে, ছাত্রলীগের কবর দে। * ঢাকায় আসো জনতা, ছাড়তে হবে ক্ষমতা। * তুমি কে? আমি কে? বিকল্প, বিকল্প * তোর কোটা তুই নে, আমার ভাই ফিরিয়ে দে। * দালালি না রাজপথ? রাজপথ, রাজপথ। * পালাইছে রে পালাইছে, হাসিনা পালাইছে। * লাখো শহীদের দামে কেনা, দেশটা কারও বাপের না। * স্বৈরাচার, স্বৈরাচার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়। * বুকের ভেতর অনেক ঝড় বুক পেতেছি গুলি কর। == বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সম্পর্কে উক্তি == * বীর মুক্তিযোদ্ধা সবাই অনগ্রসর নন, তাই সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা রাখা সংবিধানসম্মত নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে বড় আকারে মুক্তিযোদ্ধা কোটা চিরস্থায়ী করলে স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্যকে ধ্বংস করা হয়।’ ** [[জি এম কাদের]], বিরোধীদলীয় নেতা, ৩ জুলাই ২০২৪, জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্য * ‘এত আন্দোলন কিসের রাস্তায় শুরু হয়েছে? আন্দোলনের চাপ দিয়ে কি হাইকোর্টের রায়, সুপ্রিম কোর্টের রায় পরিবর্তন করবেন?’ ** ওবায়দুল হাসান, ৪ জুলাই ২০২৪, প্রধান বিচারপতি, হাইকোর্টের দেওয়া রায় নিয়ে আপিল বিভাগের শুনানিতে দেওয়া বক্তব্য * ২০১৮ সালে গণ-আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছর নির্বাহী বিভাগ কোটা বাতিল করে যে পরিপত্র জারি করেছিল, আজকে বিচার বিভাগ দিয়ে সেই কোটাকে আবার পুনর্বহাল করা হলো। এটা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটা প্রহসন। রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যে এই সমন্বয়হীনতা ও অন্তর্দ্বন্দ্বের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করুক এবং শিক্ষার্থীদের দাবি বিবেচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সেগুলো পূরণ করুক।’ ** নাহিদ ইসলাম, ৪ জুলাই, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক, শাহবাগ মোড় অবরোধ কর্মসূচিতে দেওয়া বক্তব্য * রেল ট্রানজিটের নামে ভারতকে একতরফা করিডর দিলে দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করা ও বৈষম্যমূলক কোটা পুনঃপ্রবর্তনের মাধ্যমে ’৭১ পূর্ব পাকিস্তানি বৈষম্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হলে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ অনিবার্য হয়ে যাবে। এই সরকার দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একতরফাভাবে ভারতকে রেল করিডর দিয়েছে। এই ডামি সরকার মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে ভূলুণ্ঠিত করেছে। আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে আবার নতুন করে কোটা প্রথা চালু করতে চাইছে। ভারতকে করিডর দিয়ে, জনগণের সম্পদ লুটপাটকারীদের সুবিধা দিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আরও দীর্ঘায়িত করতে চায়। ডামি সরকারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং গণতন্ত্র উদ্ধার করে দেশকে এই ফ্যাসিবাদীদের কবল থেকে মুক্ত করতে হবে। ** আব্দুল ওহাব মিনার, ৬ জুলাই ২০২৪, যুগ্ম আহ্বায়ক, এবি পার্টি, ট্রানজিটের একতরফা রেল করিডর, কোটা পুনঃপ্রবর্তন বাতিল ও ডামি সরকারের পদত্যাগসহ চার দফা দাবিতে বিজয়নগরের বিজয়-৭১ চত্বরে অবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচিতে [https://samakal.com/politics/article/245267/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF:-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF] * আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ভুল বুঝিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মুখোমুখি করা হয়েছে এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আরেকটা খুবই ভুল ধারণা তৈরি করা হয়েছে যে, কোটা এবং মেধা, মনে হতে পারে যে, যারা কোটায় চাকরি করে তাদের কোন মেধা নেই। কিন্তু আবেদন করার ক্ষেত্রে কোটা লাগে না, প্রিলিমিনারিতে কোটা লাগেনা, লিখিততে কোটা লাগেনা। একদম শেষ মুহূর্তে গিয়ে কোটা এপ্লাই হয়। তখন মেধায় আসলে সবাই সমান। আমার সামনে যদি দুইটা অপশন থাকে যে, দুইজনই সমান মেধাবী, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও একজন রাজাকারের সন্তান, আমি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে চাকরি দিতে চাই। (শেখ হাসিনা: অবশ্যই) জ্বি। সেটা একটা। ফলে মেধা এবং কোটা খুব সহজেই মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাচ্ছে যে সব মেধাবীরা চাকরি না নিয়ে কোটার চাকরি। আপনাকে খুবই ধন্যবাদ যে আপনারা গত ১০-১২ দিন ধরে আন্দোলন করছে আপনারা অসীম ধৈর্যের সাথে আন্দোলন মোকাবেলা করছেন এবং যারা আন্দোলন করছে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে চাকরি না পেয়ে বঞ্চিত। তাদের ক্ষোভের সাথে আমি খুবই একমত। তাদের পেছনে কি অন্য কেউ ইন্ধন যুগিয়ে ভুল বুঝিয়ে বিভ্রান্ত করে মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোমুখি করছে কিনা। আমার আপনার কাছে আবেদন থাকবে যে আপনারা যে ধৈর্য দেখে যাচ্ছেন সেটা দেখিয়ে যদি তাদের সাথে কোন ভাবে তাদেরকে বুঝিয়ে শুনিয়ে, আগামী ৭ই আগস্ট পর্যন্ত কিছু করার নাই কারন সেদিন আপিল বিভাগের শুনানি হবে। তারপর আপিল বিভাগের রায়ের পর হয়তো নির্বাহী বিভাগ কি করবে না করবে। ততদিন তারা যাতে অন্তত বুঝতে পারে সেটা যদি আপনি অনেক সংবেদনশীলতার সাথে যদি বিষয়টা বিবেচনা করেন তাহলে ভালো হয় আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ** [[প্রভাষ আমিন]], ১৪ জুলাই ২০২৪, এটিএন নিউজে হেড অফ নিউজ, গনভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে *মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরাও পাবে না? তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে। তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না। অপরাধটা কী? নিজের জীবনবাজি রেখে, সংসার সব ফেলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে। দিনরাত খেয়ে না খেয়ে, কাদামাটি ভেঙে, রোদ-বৃষ্টি-ঝড় মোকাবিলা করে যুদ্ধ করে এ দেশের বিজয় এনেছে। বিজয় এনে দিয়েছিল বলে সবাই উচ্চপদে আসীন। এখানে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করা একটা কৌশল। তার মানে হলো মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-নাতি-পুতিরা কেউ মেধাবী না, যত রাজাকারের বাচ্চারা-নাতি-পুতিরা হলো মেধাবী, তাই না? এটা ভুলে গেলে চলবে না যাদের মেধাবী না বলছে, তাদের হাতে ওনারা পরাজিত। যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা জয়ী হয়েছিল রাজাকারদের বিরুদ্ধে, এই কথাটা মনে রাখা উচিত। তাদের মেধাটা কোথায়? সেটা আমার প্রশ্ন। মেধা কার কত, সেটা পরীক্ষার প্রিলিমিনারিতে, লিখিত পরীক্ষায়, তারপর ভাইভা হয়। সেই সময় যেটা… সেটা বাস্তবতা তো যদি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয় সেই পাবে। আর সব সময় সব কোটা পূর্ণ হয় না। যেটা বাকি থাকে তা তালিকা থেকেই দেওয়া হয়। অনেক চাকরিতে মেধার তালিকা থেকে দেওয়া হচ্ছে। এ নির্দেশনা দেওয়া আছে। কিন্তু সেখানে অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা অগ্রাধিকার পাবে, এটা দিতে হবে। ** প্রধানমন্ত্রী [[শেখ হাসিনা]] ১৪ জুলাই ২০২৪ তারিখে গণভবনে এটিএন বাংলার সাংবাদিক [[প্রভাষ আমিন]]ের "আমরা আসলে মেধায় সবাই সমান। আমার কাছে যদি দুইটা অপশন থাকে, দুইজনই সমান মেধাবী, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও একজন রাজাকারের সন্তান, তাহলে আমি অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বেছে নেব।" মন্তব্যে *আমি লেখাটি লিখতে শুরু করেছিলাম। শেষ করার আগেই জানতে পারলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটাবিরোধী ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে ঘোষণা দিয়ে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রকম্পিত করেছে। এই লেখাটি শেষ করার আর কোনও প্রয়োজন নেই।’ ‘লেখাটি শেষ না করে নিচের অংশটুকু লিখেছি। ঘুমানোর আগে খবরটি দেখে মাথার মাঝে একটা বিস্ফোরণ হলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে দাবি করেছে। খবরটি নিজের চোখে দেখেও বিশ্বাস হয় না— এটি কি সত্যিই সম্ভব? বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র বা ছাত্রী কি সত্যিই নিজেকে রাজাকার হিসেবে দাবি করতে পারে? শুধুমাত্র একটা সরকারি চাকরির জন্য? কোন দেশের সরকার, বাংলাদেশ নাকি পাকিস্তান? এই ছাত্র-ছাত্রীরা কি জানে, চাকরি অনেক দূরের ব্যাপার, তাদের যে এই দেশের মাটিতে থাকার অধিকার নেই? ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমার বিশ্ববিদ্যালয়, আমার প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়। তবে আমি মনে হয় আর কোনোদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে চাইব না। ছাত্র-ছাত্রীদের দেখলেই মনে হবে, এরাই হয়তো সেই রাজাকার।’ ‘আর যে কয়দিন বেঁচে আছি, আমি কোনো রাজাকারের মুখ দেখতে চাই না। একটাই তো জীবন। সেই জীবনে আবার কেন নূতন করে রাজাকারদের দেখতে হবে?’ ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার কিছু চাইবার নেই, স্বাধীন একটা দেশ চেয়েছিলাম, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়েছিলাম। দু’টোই পেয়ে গেছি। এখন যদি আরও কিছু পাই সেটা হবে বোনাস। (তবে অস্বীকার করব না বেনজীর-আবেদ আলীদের সামলে-সুমলে রাখলে একটু আনন্দ পেতাম।)’ ‘আমরা সবাই জানি, একটা দেশে যদি সবাই সমান সুযোগ পায়, সুবিধা পায় আর সবার যদি সমান অধিকার থাকে, তাহলে কোটার কোনও প্রয়োজন নেই। যদি না থাকে তাহলে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য কোটা রাখা একটা মানবিক ব্যাপার। অবশ্য মানবিক ব্যাপার কথাটা একটু খানি বইয়ের ভাষা, সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত কয়জনের আর অন্যদের মানবিক ব্যাপার নিয়ে মাথা ব্যথা আছে?’ ‘যদি কোটার ব্যাপারটা সহজভাবে লিখি তাহলে বলা যায়, দুই রকম কোটা আছে একটা ভালো, অন্যটা খারাপ। প্রথমে খারাপটার কথা বলি, তার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হচ্ছে— পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ছেলেমেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার কোটা, যেটাকে পোষ্য কোটা বলে। আমি খুঁটিনাটি জানি না, সম্ভবত পোষ্য কোটা শুধু শিক্ষকদের জন্য না, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্যও খোলা, কিন্তু বাস্তবে শিক্ষকদের সন্তানদের ছাড়া আর কোনও সন্তান সেই সুযোগ ব্যবহার করতে পেরেছে বলে মনে হয় না। এই পোষ্য কোটা নিয়ে কখনও কোনও উচ্চবাচ্য হতে দেখিনি। যদিও পোষ্য কোটার ছাত্র-ছাত্রীরা পাস করার পর আবার তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক বানাবার একটি নতুন চাপ শুরু হয়, নিজের চোখে দেখা। আর ভালো কোটার উদাহরণ হচ্ছে—... **মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ১৪ জুলাই ২০২৪, অধ্যাপক ও লেখক [https://www.jagonews24.com/amp/956143] * কোটা সংস্কার আন্দোলনে যাঁরা ‘‘আমি রাজাকার’’ স্লোগান দিচ্ছেন, তাঁদের শেষ দেখিয়ে ছাড়ব। ** সাদ্দাম হোসেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ১৫ জুলাই ২০২৪ * কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কতিপয় নেতারা যে সব বক্তব্য রেখেছে, তার জবাব দেয়ার জন্য- আত্মস্বীকৃত রাজাকার, যারা নিজেদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ মানসিকতার প্রকাশ ঘটিয়েছে; তার জবাব দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। ছাত্রদের বিষয় ক্যাম্পাসের মধ্যেই সীমিত থাকবে। আমরা দেখি, রাজনৈতিকভাবে কারা প্রকাশ্যে আসে, তখন দেখা যাবে। আমরাও মোকাবেলা করতে প্রস্তুত। ** [[ওবায়দুল কাদের]], ১৫ জুলাই ২০২৪ *যারা নিজেদেরকে রাজাকার বলে পরিচয় দেয়, তাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদের রক্তস্নাত লাল সবুজের পতাকা হাতে নিয়ে বা সে পতাকা কপালে বেঁধে নিয়ে মিছিল করবার কোনো অধিকার থাকতে পারে না।’’ ** [[দীপু মনি]], ১৫ জুলাই, [https://www.somoynews.tv/news/2024-07-15/2KvCG3uW] * রক্তাক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়! আমার ক্যাম্পাসে রক্ত কেন? প্রতিবাদ জানাই।’ ** আয়মান সাদিক, ১৫ জুলাই, টেন মিনিট স্কুলের স্বত্ত্বাধিকারী [https://www.jagonews24.com/social-media/news/955804] *কথা বলার স্বাধীনতা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না আমি তাদের (আন্দোলনকারীদের) পূর্ণ সমর্থন করি। সহিংসতা দিয়ে সত্যকে কখনো থামানো যায় না। সত্য কখনো মরে না। বাংলাদেশের জন্য দোয়া করবেন। ** দাউদ কিম, ১৬ জুলাই ২০২৪,‌ দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার‌, ফেসবুক স্ট্যাটাসে[https://www.somoynews.tv/news/2025-07-20/H3KVsSTV] *বাংলাদেশে যা ঘটছে তা ভয়াবহ। কিন্তু মিডিয়া এত চুপ কেন? আর পুলিশ এখন কি করছে? এটি লজ্জার, ওরা আপনার ভাই! আপনি যখন নিরপরাধ ছাত্রদের সাথে সহিংস আচরণ করছেন, তখন আপনি কোন ন্যায়বিচারের কথা বলছেন? যারা সহিংসতার মাধ্যমে স্বাধীনতার জন্য লড়াইকারীদের থামানোর চেষ্টা করছেন; তাদের (শিক্ষার্থীদের) ইচ্ছাকে কখনোই থামাতে পারবেন না। আল্লাহ তাদের পথচলা সহজ করুন। যারা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আল্লাহ তাদের অসীম গৌরব ও বিশ্রাম দিন… আমিন। ** দাউদ কিম, ১৬ জুলাই ২০২৪,‌ দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার‌, ফেসবুক স্ট্যাটাসে [https://www.somoynews.tv/news/2025-07-20/H3KVsSTV] * ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করা হলো। ** আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ফেসবুক ওয়ালে ও শাবিপ্রবির বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081] * মুহম্মদ জাফর ইকবালকে আমরা খুব শ্রদ্ধা করতাম। কিন্তু তার গতকালকের লেখাটি আমাদের হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে। তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। শিক্ষার্থীরা যখন খুন হচ্ছে, হামলার শিকার হচ্ছে তখন একজন শিক্ষক হয়ে তিনি এ ধরনের লেখা লিখতে পারেন না। তাই আমরা তাকে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে আজীবনের জন্যে নিষিদ্ধ করেছি। [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081] * নাম না প্রকাশ করার শর্তে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এক শিক্ষার্থী, ১৭ জুলাই ২০২৪, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236081] * জাফর ইকবাল স্যার সম্পর্কে আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো কথা বলতে চাই না। আমার ধারণা উনার প্রচণ্ড বুদ্ধিসুদ্ধির অভাব আছে। হয় উনার মধ্যে প্রচণ্ড অপরাধবোধ কাজ করে যে ১৯৭১ সালে উনি কী করেছেন, এই অপরাধবোধ ঢাকার জন্য উনি অতিরিক্ত মুক্তিযোদ্ধা সাজার চেষ্টা করেন। অধ্যাপক জাফর ইকবালের কাছে তার একটাই প্রশ্ন- আপনি কী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বোঝেন? আপনি কি পড়াশোনা করেছেন? আপনি কি বাহাত্তর সনে গণপরিষদ বিতর্ক পড়েছেন? তার তো কোনো পড়াশোনাই নাই, সে তো শিক্ষাবিদ দূরের কথা উনি বুদ্ধিপ্রতিবন্ধক একজন মানুষ। ** আসিফ নজরুল, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.ittefaq.com.bd/694138/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2] * আমাদের সাইট থেকে তার (মুহম্মদ জাফর ইকবালের) সব বই ‘নট অ্যাভেইলেবল’ করে দেওয়া হয়েছে। ** রকমারি ডট কম কর্তৃপক্ষ, ১৭ জুলাই ২০২৪ [https://www.rtvonline.com/bangladesh/283021] * শুধু কোটা নয়; গোটা দেশটাই সংস্কারের প্রয়োজন। ** [[মিজানুর রহমান আজহারী]] ১৭ জুলাই ২০২৪ বুধবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে তিনি বলেন,[https://dainikamadershomoy.com/details/0190bf2b9c2f] * '''...পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা''' ** সানজিদা চৌধুরীর উক্তি, ১৭ জুলাই ২০২৪, [https://www.somoynews.tv/news/2025-02-21/24NM1wYW সময়টিভিতে উদ্ধৃত] * এই আন্দোলনের শুরু থেকেই সরকার যথেষ্ট ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন করেছে। বরং আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশ সহযোগিতা করে। মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে যখন আন্দোলনকারীরা স্মারকলিপি প্রদান করার ইচ্ছা প্রকাশ করে, সে ক্ষেত্রে তাদের সুযোগ করে দেওয়া হয় এবং নিরাপত্তারও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো- কিছু মহল এই আন্দোলনের সুযোগটা নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করার সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। এর ফলে এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে যে সব ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক। অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল। আপনজন হারাবার বেদনা যে কত কষ্টের, তা আমার থেকে আর কে বেশি জানে। ** [[শেখ হাসিনা]], ১৭ জুলাই ২০২৪, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে * ভাই, পানি লাগবে কারও পানি? ** [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]], ১৮ জুলাই ২০২৪, ঢাকায় একটি আন্দোলনে পুলিশের লক্ষহীন এলোপাথাড়ি গুলিতে মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে ছাত্রদের মাঝে বিনামূল্যে পানি ও বিস্কুট বিতরণ করার সময় [https://www.jugantor.com/national/830891/%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%AB-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9F-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7] * ‘এ আগুন থামান। এ আগুন নেভানোর দায়িত্ব সরকারের। কালবিলম্ব না করে সম্ভব হলে আজ-কালকের মধ্যেই স্পেশাল কোর্ট বসিয়ে সমস্যার সমাধান করুন। সময় খুব কম। আমরাও সরকারে (এরশাদের আমলে) ছিলাম। আমরাও এভাবে আন্দোলনকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিলাম। নূর হোসেন মারা যাওয়ার পর অনেকে বলেছিলেন, টোকাই মারা গেছে, কী হবে? কিন্তু আমি বলেছিলাম, না, এই নূর হোসেন একক কোনো ব্যক্তি নয়।’ **কাজী ফিরোজ রশীদ, ১৮ জুলাই ২০২৪, নির্বাহী চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টি (রওশন এরশাদপন্থী) * ‘সব ধরনের সহিংসতা ও বলপ্রয়োগ, বিশেষ করে প্রাণহানির ঘটনার অবশ্যই তদন্ত করতে হবে এবং দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ মানুষের মৌলিক মানবাধিকার।’ **ভলকার টুর্ক, ১৮ জুলাই ২০২৪, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার, এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে * আপনার কোনো অধিকার নেই আমাকে রাজাকারের বাচ্চা বলার! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আপনি কোন সাহসে আমাকে রাজাকারের বাচ্চা বলেন? আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! আমি একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান! ** দীপ্তি চৌধুরী, ১৮ জুলাই, আলোচনা সঞ্চালক, চ্যানেল আইএর টু দ্য পয়েন্ট নামক টকশোতে আলোচক সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক স্টুডিও ছাড়ার আগে তাকে ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে সম্বোধন করার প্রতিক্রিয়ায় [https://www.ntvbd.com/bangladesh/news-1435909] * আমি ভারতের নাগরিক। বাংলাদেশ আমাদের প্রতিবেশী। তার বিষয় আসয়ে নাক গলানোর অধিকার আমার নেই। সেটা করতে চাইও না। তবু বাংলাদেশের অনেকের কাছ থেকে যে ভালবাসা আমি পেয়েছি তা ভুলে থাকতেও পারছি না। বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থায় চুপ করে বসে থাকতে পারি না। থেকেছি কয়েক দিন। আর পারছি না। কিন্তু অবস্থাটা যে ঠিক কী, কী কী কারণে যে এমন হল এবং হচ্ছে, কারা যে এতে জড়িত তাও তো ঠিকমতো জানি না। তাও পঁচাত্তর উত্তীর্ণ এই বাংলাভাষী করজোড়ে সব পক্ষকে মিনতি করছি: অনুগ্রহ করে হিংসা হানাহানি বন্ধ করুন। ঢাকা সরকারকে অনুরোধ করছি: বাংলা ভাষার কসম শান্তি রক্ষার চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। আপনাদের ছাত্রবাহিনী যেন হিংসার আশ্রয় না নেন।” “হানাহানি বন্ধ হোক। বন্ধ হোক উল্টোপালটা কথা বলে দেওয়া। বাঁচুক বাংলাদেশ। বাঁচুন বাংলাদেশের সকলে। জয় বাংলাদেশ। জয় মুক্তিযুদ্ধ। জয় অসংখ্য বাংলাদেশীর শাহাদাত ও অপূরণীয় ক্ষতিস্বীকার। জয় বীরাঙ্গনারা। জয় বাংলা ভাষা!”“বিরোধী হলেই রাজাকার!/ বলে দাও তবে দেশটা কার/ দেশটা কার দেশটা কার!” ** কবীর সুমন, ১৮ জুলাই ২০২৪, ফেসবুক পোস্টে [https://mzamin.com/news.php?news=119230] * প্রায় এক মাস হলো আমি নিজের দেশে নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খবরের চ্যানেলে তৃতীয় বিশ্বের কোনো খবরই তেমন একটা চলেনা। আর আমি খুব একটা ফোনের পোকা নই তাই এত খারাপ একটা খবর কানে আসতে দেরি হলো। বাংলাদেশের স্মৃতি নিয়ে স্বস্তিকা লিখেন, ‘এই তো কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ গেলাম, খুব ইচ্ছে ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় যাওয়ার। চারুকলা যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল, জীবনের একটা স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। প্রতিবার আসি, ব্যস্ততায় যাওয়া হয়না, মা‘ও খুব যেতে চাইতেন বাংলাদেশ, নিয়ে যাওয়া হয়নি। কিন্তু আজ একটা ভিডিও দেখলাম, গুলির ধোঁয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা আক্রান্ত। ছাত্র বয়স গেছে সেই কবে, তবে জাহাঙ্গীরনগর আর আমার যাদবপুর খুব কাছাকাছি। কাঠ গোলাপের গাছগুলোও কেমন এক রকম। এক রকম আকাশের মেঘগুলোও। কেবল আজ ওখানে বারুদের গন্ধ।’‘ময়দান ভারী হয়ে নামে কুয়াশায়, দিগন্তের দিকে মিলিয়ে যায় রুটমার্চ, তার মাঝখানে পথে পড়ে আছে ও কি কৃষ্ণচূড়া? নিচু হয়ে বসে হাতে তুলে নিই, তোমার ছিন্ন শির, তিমির।’ এমন এক আপ্যায়নপ্রিয় জাতি দেখিনি, খাবারের নিমন্ত্রণ যেন শেষ হতেই চায় না, অমন সুন্দর করে সারা রাস্তা জুড়ে ভাষার আল্পনা আর কোথায় দেখবো? নয়নজুড়ানো দেওয়াল লেখা? এ বোধহয় মুক্তিযুদ্ধের শপথ নেওয়া একটা জাতির পক্ষেই সম্ভব। আজ অস্থির লাগছে। আমিও তো সন্তানের জননী। আশা করবো বাংলাদেশ শান্ত হবে। অনেকটা দূরে আছি, এই প্রার্থনাটুকুই করতে পারি। অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো, সেই আমাদের আলো, আলো হোক, ভাল হোক সকলের। ** স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, ১৮ জুলাই ২০২৪, কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত আবু সাঈদের আঁকা ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে, যার উপরে লেখা "বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর।" [https://www.ntvbd.com/entertainment/news-1430941] [https://www.bvnews24.com/entertainment/news/155975] * বাংলাদেশে থাকা যেসব মানুষ ভোগান্তির মধ্যে আছেন, তাঁদের জন্য আমার প্রার্থনা ও সহমর্মিতা রইল। ** [[:w:এনসো ফের্নান্দেস|এনজো ফার্নান্দেজ]], ১৯ জুলাই ২০২৪, ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার, ফেসবুকের এক পোস্টে [https://www.prothomalo.com/sports/football/bbeqhr6be7] *এটা অবশ্যই কারফিউ। এটা নিয়ম অনুযায়ীই হবে এবং সেটা শুট অ্যাট সাইট হবে। ** [[ওবায়দুল কাদের]], ২০ জুলাই ২০২৪, গণভবনে ১৪ দলের বৈঠকের পর কারফিউ জারি ও সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সাংবাদিকদের দেওয়া বক্তব্য [https://www.prothomalo.com/bangladesh/34df7itae8] * দেশকে যখন আমরা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছি, তখন দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনের মধ্যে গুজব ছড়ানো হয়েছে, শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু বলে দিতে চাই, শেখ হাসিনা পালায়নি, পালায় না। আমি জানি ব্যবসা বানিজ্য সচল রাখতে হবে। এজন্য আপনাদের সহযোগিতা দরকার। যে ক্ষতি হয়েছে সেটি কারা করলো? এবার অতো সহজে ছাড়া হবে না। ধ্বংসযঞ্জে চালিয়ে দেশকে ধ্বংস করবে? আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই যাতে দেশের ভাবমূর্তি ঠিক থাকে। ভাবমূর্তি ঠিক না থাকলে ব্যবসা লাটে উঠবে। ** [[শেখ হাসিনা]], ২২ জুলাই ২০২৪, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে * সরকার আগে থেকে আন্তরিক হলে মৃত্যু কমানো যেতো। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা যে দাবি করেছিল, সেটা তো শেষ পর্যন্ত মেনে নেওয়া হয়েছে। এটাই যদি শুরুতে উদ্যোগ নিয়ে করা হতো তাহলে তো এত প্রাণহানি হতো না। বরং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগকে উস্কানি দিয়ে আন্দোলনকারীদের উপর হামলা না করালে হয়ত পরিস্থিতি এ দিকে যেতো না। ফলে আমি মনে করি, সরকার আন্তরিক হলেই প্রাণহানি কমতো। ** সাখাওয়াত হোসেন ২৫ জুলাই ২০২৪, নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%BE/a-69767637] * সরকার দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করেনি, ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গেছে। **[[জুনাইদ আহমেদ পলক]], ২৭ জুলাই ২০২৪, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, ‘শান্তির জন্য বৃক্ষ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/34df7itae8] * এখানে আমার তো কোনও চাওয়া-পাওয়া নেই। আমি তো ছেলে-মেয়েদের জন্যও কিছু করিনি। শুধু তাদের লেখাপড়া... নিজেরাই চাকরি করে লেখাপড়া করেছে। আমি কতটুকুইবা তাদের জন্য করতে পেরেছি। কিন্তু আমি দেশের মানুষের জন্য করেছি। আজ অন্তত মানুষের ভাত-কাপড়ের ব্যবস্থা, চিকিৎসার ব্যবস্থা, তাদের কাজের সংস্থান; সবই তো করে দিচ্ছিলাম। যখন আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেলাম, তখনই তাণ্ডব করে ঠিক যে জায়গাগুলো (প্রতিষ্ঠান) মানুষের সেবা করবে, সে জায়গাগুলোতে আঘাত করা হলো। সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার পরেও তাদের আর সেই শাটডাউন শেষ হয় না, কী কারণে আমি বুঝি না। আমরা তো সবগুলো দাবিই মেনে নিয়েছি। একটা মানলে আরেকটা, আরেকটা মানলে আরও একটা! আর এর ফল আজকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে সব একদিকে ছারখার, আর আজকে কত মানুষ জীবন হারালো! কতগুলো মানুষ পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে! কতগুলো মানুষ...। ** [[শেখ হাসিনা]], ২৭ জুলাই ২০২৪, আন্দোলনে আহতদের দেখতে শেরেবাংলা নগরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ট্রমাটোলজি অ্যান্ড অর্থোপেডিক রিহ্যাবিলিটেশন-নিটোর (পঙ্গু হাসপাতাল)-এ [https://www.banglatribune.com/national/855810/%E0%A6%8F%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B2-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] * মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের দিকেই যেন তাদের বেশি ক্ষোভ। আমার একটা কথা নিয়ে কত দিন প্রতিবাদ করল, কী কথা বলেছিলাম আমি? আমার কথাটাকে বিকৃত করা হয়েছিল। তাদের স্লোগানটা কী? ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার। তোমার বাবা, আমার বাবা, রাজাকার রাজাকার’। তার মানে তারা নিজেদেরই রাজাকার হিসেবে পরিচয় দিল। আমি তো তাদের রাজাকার বলিনি, তারা নিজেরাই স্লোগান দিয়ে নিজেদের রাজাকার হিসেবে পরিচিত করল সবার কাছে।” ** [[শেখ হাসিনা]], ২৭ জুলাই ২০২৪, বিটিভি ভবনের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শনকালে। * আপনাদেরও সাহায্য চাই। যদি আপনারা কিছু জানেন, আমাদের জানাবেন। কারণ, এভাবে বারবার বাংলাদেশে সহিংসতা, এটা আর হতে দেওয়া হবে না। এ কারণে আপনাদের সাহায্য চাই। এমন জানোয়ারের মতো বর্বরতা কেউ কেউ করতে পারে? একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানের লাশ ঝুলিয়ে রাখতে পারে? যারা এগুলোর সাথে জড়িত, অবশ্যই এদের বিচার করতে হবে। তা না হলে মানুষের নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না। আমি তো বুঝি আপনাদের বেদনা। প্রতিনিয়ত বাপ-মা-ভাই-বোনদের হারানোর ব্যথা নিয়ে আমাদের চলতে হয়। লাশটাও দেখতে পারিনি, কাফন-দাফনটাও করতে পারিনি। দেশেও ফিরতে পারিনি। ছয় বছর দেশে ফিরতে দেয়নি আমাকে। যখন দেশে এসেছি, সারা দেশ ঘুরেছি। এই দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছি। সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছিলাম। কিন্তু বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটাবে, এই সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটাবে- এটা তো কাম্য না। আপনাদের কাছে শুধু এইটুকু বলবো, আপনারা সবুর করেন। আর আল্লাহকে ডাকেন যেন এই সমস্ত খুনি-জালেমের হাত থেকে আমাদের দেশটা রেহাই পায়। আমি আপনাদের সঙ্গে আছি, পাশে আছি। আমারও আপনাদের চোখের পানি দেখতে হচ্ছে। এটিই সবচেয়ে কষ্টের। ** [[শেখ হাসিনা]], ২৮ জুলাই ২০২৪, গণভবনে কোটা আন্দোলনে নিহত ছাত্রদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে * কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মহাসচিব আন্তনিও গুতেরেস গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অত্যধিক বলপ্রয়োগের বিষয়ে সামনে আসা নানা প্রতিবেদনের বিষয়েও তিনি শঙ্কিত। যে-কোনো পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে জাতিসংঘ মহাসচিব তার ম্যান্ডেট অনুসারে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। ** স্টিফেন ডুজাররিক, ২৯ জুলাই, জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র [https://www.ittefaq.com.bd/694840/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B2%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%AA-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87] [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8/a-69839456] * দেশের সিভিল সার্ভিস থেকে শুরু করে সমস্ত সরকারি চাকরিতে সকলের বৈধভাবে প্রতিযোগিতা করার অধিকার থাকবে কিনা থাকবে না, এটি রাজনৈতিক প্রশ্ন। কিন্তু এর সমাধানের দিকে না গিয়ে দেশের সরকার প্রথমে উপেক্ষা করতে চেয়েছে, পরবর্তীতে দমননীতি অবলম্বন করেছে নিজের পেটোয়া বাহিনী দিয়ে। সেটা থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের শুরু। এখনো হত্যাকাণ্ডকে অস্বীকার করার জন্য চেষ্টা করছে। এই হত্যাকাণ্ড রাষ্ট্রীয় মদদে হয়েছে। এর বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের জন্য বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক তদন্ত দরকার। গতকাল (৩০ জুলাই ২০২৪) শোক দিবসের নামে একটা প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। সেখানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের জন্য শোক পালনের জন্য কালো ব্যাজ পরিধান করতে বলেছেন। আমরা সেটা প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা লাল ব্যাজ পরেছি। তারপরও তাঁদের তাঁরা শহীদ বলতে রাজি নন। তাহলে তাঁরা যদি শহীদ না হন, তাঁদের জন্য তাহলে প্রার্থনা করার দরকার কী? এ ধরনের অজস্র স্ববিরোধী আপনারা পাবেন। সরকার এখন এ হত্যাকাণ্ডকে জায়েজ করার জন্য অজুহাত দিচ্ছে। তারা মেট্রোরেল স্টেশনে হামলা করেছে, সেতু ভবনে হামলা করেছে অথবা বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনে হামলা করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, উন্নয়নের প্রতীকগুলো ধ্বংস করার জন্য বিরোধীরা এই আন্দোলনে ঢুকে পড়েছে। তবে দেশের মানুষ এটাকে মেনে নিল কেন? মানুষ যেটাকে দম্ভের প্রতীক মনে করে সেটিতে হামলা করে। এই সরকারের বৈধতার একমাত্র দাবি, তারা উন্নয়ন করেছে গত দেড় দশকে, আইয়ুব খানের এক দশক ছিল, শেখ হাসিনার দেড় দশক হয়েছে। এই শহরের মানুষ যে সরকারের উন্নয়নকে প্রত্যাখ্যান করেছে সেটা দেখা যায়। মানুষ যখন তথাকথিত উন্নয়নের প্রতীকে আক্রমণ করে তখন প্রথমে দেখে মনে হবে দুর্ঘটনা, কিন্তু না, এর পেছনে কারণ আছে। কেউ কি বিশ্বাস করেন এ সরকারের ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তারা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার করতে পারে? না। কারণ, তারা নিজেরাই হত্যাকারী। যারা নিজেরাই রাজাকার, খুনি, বিশ্বাসঘাতক তারা অপরকে বলে রাজাকার, খুনি, বিশ্বাসঘাতক। পৃথিবীতে এর চেয়ে বড় পরিহাস আর কী আছে। ক্ষমতার সর্বোচ্চ কেন্দ্রের চারদিকে আজ রাজাকারেরা বসে আছে। যখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরকারি বাহিনীর হামলার ফলে সাধারণ ছাত্ররা জেগে উঠল তাদের বিরুদ্ধে, তারা যখন পরাজয়ের মুখে, তখন তাদের সরিয়ে নিয়ে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ঢুকিয়ে দেওয়া হলো। তখনই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ল সারা দেশে। গুলিতে যাঁরা মারা গেছেন, তাঁরা আমাদের পথপ্রদর্শক। সংকটের উৎপত্তি কোথায়, সেদিকে না গিয়ে সরকার বলছে এই দল, সেই দলকে নিষিদ্ধ করব। সেটা সমস্যাকে আরও বাড়াবে। এজন্য এখন দরকার রাজনৈতিক সমাধান। বর্তমান সরকারকে ক্ষমা প্রার্থনা করে পদত্যাগ করতে হবে। পদত্যাগ ছাড়া নতুন কোনো ব্যবস্থা আমরা দিতে পারব না। ** সলিমুল্লাহ খান, ৩১ জুলাই ২০২৪, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের (ইউল্যাব) অধ্যাপক, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/5n7rtbmej1] [https://www.jugantor.com/national/others/832583/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0] * আমি ঘুমাতে পারি না, যখন মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর গল্প পড়ি। যে ছেলেটা আন্দোলনে গিয়েছিল বিস্কুট ও পানি দেওয়ার জন্য। সে মারা যাওয়ার আগেও বলছিল, কারও পানি লাগবে, পানি লাগবে? এ অবস্থায় তাকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ** [[আসিফ নজরুল]], ৩১ জুলাই ২০২৪ [https://www.jugantor.com/national/832296/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%C2%A0] * একটা জিনিস গেলে আবার গড়ে তোলা যায় কিন্তু একটা জীবন গেলে, প্রাণ গেলে তো আর ফিরে পাওয়া যায় না! যারা আপনজন হারিয়েছে, যে মা তার সন্তান হারিয়েছে, যে সন্তান তার বাবা হারিয়েছে, তাদের কষ্ট আর কেউ না বুঝুক, আমি তো বুঝি! কারণ আজকে এই আগস্ট মাস আমি তো বাবা-মা, ভাই সব হারিয়ে এই বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলাম নিজে ছোট ছোট বাচ্চাদের মাতৃস্নেহবঞ্চিত করে, কেন? বাংলাদেশের মানুষের জন্য। এই দেশের মানুষ সুন্দর জীবন পাবে, উন্নত জীবন পাবে, স্বাধীনতার সুফল পাবে। প্রত্যেকে পেট ভরে ভাত খাবে, প্রত্যেকে লেখাপড়া শিখবে, দারিদ্র্যের হাত থেকে মুক্তি পাবে। বাংলাদেশ উন্নত হবে, সমৃদ্ধশালী হবে, বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসন পাবে। যে মর্যাদা আমরা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর পেয়েছিলাম। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর যা আমরা হারিয়েছিলাম, আবার সেই মর্যাদা ফিরিয়ে নিয়ে আসব। আমি কিন্তু এনেছিলাম। বাংলাদেশ বিশ্বে সেই মর্যাদা পেয়েছে। সেই জায়গায় আমরা নিয়ে গিয়েছিলাম। আজকে বাংলাদেশ সম্পর্কে প্রতিটি জায়গায় নেতিবাচক একটা মনোভাব হয়ে গেছে। এই যে এতদিন এত শ্রম দিলাম, এত কষ্ট, নিজের দিকে তো তাকাইনি! নিজের ছেলে-মেয়ের তো কিছু করিনি! যেটুকু করেছি, এ দেশের মানুষের জন্য। ** [[শেখ হাসিনা]], ১ আগস্ট ২০২৪, জাতীয় শোক দিবস স্মরণে আলোচনাসভায় বক্তব্যে [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-601736] *...আপনাদের দুজনের কাছেই প্রশ্ন, তবে, পানি লাগবে কিনা, পানির বোতল কিন্তু আছে, আপনার ওখানে? পানি লাগবে পানি? হ্যাঁ, এরকম একটা বোতল আছে। মুগ্ধ আমাদের জন্য অনেকগুলো পানির বোতল রেখে গিয়েছে। সেই পানি এখানেও আছে।... (কয়েক সেকেন্ডের জন্য আবেগআপ্লুত হয়ে বাকরুদ্ধ থেকে আবার স্বাভাবিক হয়ে ভারী গলায়)... অগাস্ট মাস আমাদের শোকের মাস... অগাস্ট এর আগে জুলাইতে এমন করে শোক পালন করতে হবে...(ক্রন্দনরত) আমরা কেউ ভাবি নি।.. কিছুক্ষণ আগে আপনাকে একটা ঘটনার কথা বললাম,.. আপনি শুনেছেন, আমি আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আপনি এই ঘটনা বলবেন। কি হয়েছে একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে।.. (ক্রন্দন).. প্লিজ দর্শক কেউ ভাববেন না আমি প্ল্যান করে এসেছি, আমি কোন ভিউ বাড়ানোর জন্য কান্নাকাটি করছি, প্লিজ কেউ ভাববেন না। আমি একজন এঙ্কর,.. আম.. আহ.. আমার আসলে এই মুহূর্তে ইমোশনাল হওয়ার কথা না।.. আমি মূল অনুষ্ঠানে যাচ্ছি।..(স্বাভাবিক কণ্ঠে) আজ বারবার বঙ্গবন্ধুর কথা মনে পড়ছে,.. বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোকের উপর হত্যা করা হয়, তিনি হুংকার দিয়েছিলেন পাকিস্তানি স্বৈরশাসককে।...(ক্রন্দনরত) আজ বঙ্গবন্ধু থাকলে এই অবস্থা হতো?..। ** রোকসানা আঞ্জুমান নিকোল, ১ আগস্ট ২০২৪, যমুনা টিভির সঞ্চালক, রাজনীতি নামক টকশোতে [https://thedailycampus.com/struggle/148662/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD-%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE] * আমরা সকল নির্যাতন, গোলাগুলি, হত্যা, রক্ত– এগুলো দেখতে চাই না। এসবের বাইরে থাকতে চাই। অনেক হাইপারটেনশনের রোগী হয়ে গেছি। এগুলো দেখতে আর ভালো লাগে না। আমরা শান্তি চাই, রক্তপাত চাই না...আমি তো অনেককে অনেক কিছুই বলতে পারি। কিন্তু বিষয়টি সিদ্ধ হতে হবে। এগুলো তো প্রমাণিত হওয়ার ব্যাপার। কোনো প্রমাণিত সত্য আমার হাতে না পেলে, এটা বলতে পারি না। ** [[মোশাররফ করিম]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেতা [https://ntvbd.com/entertainment/news-1435217] * আমাদের যে ভাইরা, যে বন্ধুরা মারা যাচ্ছে, মারা গেল—যদি আপনি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হন, আপনি রাতের বেলা ঘুমাতে পারবেন না। আমার কানে এখনও বাজে যে ‘কারও পানি লাগবে?’ এটা যতদিন মাথায় থাকবে ততদিন আমরা শান্তিতে ঘুমাতে পারব না। ** [[সিয়াম আহমেদ]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেতা [https://www.itvbd.com/entertainment/dhallywood/161405/%E2%80%98%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E2%80%99] * যেদিন থেকে এই ঘটনাগুলো শুরু হয়েছে, যেদিন থেকে গুলি চলেছে, সেদিন থেকে আমি দুই চোখের পাতা এক করতে পারিনি। কারণ ওই শিশুগুলোর মধ্যে আমার সন্তান থাকতে পারতো। ওই মানুষগুলোর মধ্যে আমি, আপনি থাকতে পারতাম।যে অন্যায়, অবিচার, নিপীড়ন করা হয়েছে বা করা হচ্ছে এখনো, যেভাবে গণগ্রেপ্তার করা হচ্ছে, যেভাবে গুলি করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, একটি গণতান্ত্রিক দেশে সেই দৃশ্য দেখার পর কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ যদি বাড়িতে বসে থাকতে পারে, তাহলে আমার বলার কিছু নেই। কারণ আমার একটি ১২ বছরের সন্তান আছে। আমি নিজে এ দেশের নাগরিক। আমার বিদেশি কোনো পাসপোর্ট নেই। আমি এই দেশেই থাকবো এবং এই দেশটি আমার। এই দেশটি আমরাই সংস্কার করবো। এটা কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি হতে পারে না। আমি এসব অন্যায়ের সুষ্ঠু তদন্ত চাই এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিচারের আওতায় আনা হোক। এর প্রকাশ্য-প্রয়োগ আমরা দেখতে চাই। ** [[আজমেরী হক বাঁধন]], ১ আগস্ট ২০২৪, অভিনেত্রী [https://www.jagonews24.com/entertainment/news/958484] * বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। ** শমী কায়সার, ১ আগস্ট, আন্দোলনে ভাংচুরে ক্ষতিগ্রস্ত বিটিভি ভবন পরিদর্শনকালে, সাথে ছিলেন ফেরদৌস আহমেদ, রোকেয়া প্রাচী, জ্যোতিকা জ্যোতি, সোহানা সাবা, সুজাতা, রিয়াজ, অরুণা বিশ্বাস, নিপুণ, আজিজুল হাকিম, রোকেয়া প্রাচী, তানভীন সুইটি, হৃদি হক, সাজু খাদেম, সোহানা সাবা, চন্দন রেজা, শুভ্র দেব, মুশফিকুর রহমান গুলজার, এস এ হক অলিক, খোরশেদ আলম খসরু, শামীমা তুষ্টিসহ আরও অনেকে। [https://jamuna.tv/news/552593] * শেম অন ইউ গাইজ। (লজ্জা হচ্ছে তোমাদের জন্য)। ** সাদিয়া আয়মান, ১ আগস্ট ২০২৪, ফেরদৌস-শমী কায়সারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শমী কায়সারের "বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।" মন্তব্যযুক্ত যমুনা টিভির কার্ড শেয়ার করে [https://www.jugantor.com/entertainment/833197/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%AE-%E0%A6%85%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%89-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9C-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%8C%E0%A6%B8%E0%A6%B6%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8] * একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা বিটিভির প্রাঙ্গণে গিয়ে চোখের পানি ঝরিয়েছেন। অবশ্যই তাদের জীবন ও ক্যারিয়ারের সঙ্গে বিটিভি কেন্দ্রিক স্মৃতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের দুঃখ পাওয়াটা হয়তো স্বাভাবিক। কিন্তু! এত ছাত্র-ছাত্রী, শিশু, মা, বোন, সাধারণ মানুষ যে মারা গেল তা নিয়ে একবারও কিচ্ছু বললেন না! একবারো দুঃখ প্রকাশ করলেন না। একবারো এই মানুষগুলোর হত্যার বিচার চেয়ে কিছু বললেন না। কেন? কারণ যারা এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন তারা আপনাদের কেউ না। তাদের বা তাদের পরিবারের দ্বারা আপনাদের কোনো লাভ হবে না, স্বার্থ হাসিল হবে না এবং ক্ষমতাও পাবেন না। তাই কি? নিজেদের লাভ লস চিন্তা করে, ক্ষমতার স্বার্থে কিংবা কাউকে দেখানোর জন্য আপনারা যে কথাগুলো ক্যামেরার সামনে বলেছেন এগুলো সারাজীবন আর্কাইভে তো থাকবেই, আমাদের মনেও থেকে যাবে। জেনারেশন টু জেনারেশন জানবে ৯০ দশকের যাদের অভিনয় টিভি স্ক্রিনে দেখে আমরা মুগ্ধ হয়েছি এখন তাদের বাস্তব জীবনের কর্ম দেখে আমরা বিস্মিত এবং লজ্জিত! দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আপনাদের প্রতি শ্রদ্ধা হয়তো আর কখনো ফিরে আসবে না। ** সাদিয়া আয়মান, ২ আগস্ট ২০২৪, ১ আগস্ট দেওয়া ফেসবুক পোস্ট এর ব্যাখ্যা হিসেবে দেওয়া ফেসবুক পোস্টে [https://www.daily-sun.com/bangla/post/4042] * আন্দোলন প্রত্যাহার করে ডিবি অফিস থেকে প্রচারিত ছয় সমন্বয়কের ভিডিও স্টেটমেন্টটি আমরা স্বেচ্ছায় দেইনি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো সিদ্ধান্ত ডিবি অফিস থেকে আসতে পারে না। সারাদেশের সকল সমন্বয়ক ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ব্যতীত কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গৃহীত হবে না। ডিবি অফিসে আমাদের জোর করে খাবার টেবিলে বসিয়ে ভিডিও করা হয়। আমাদের ছেড়ে দেবার আশ্বাস দিয়ে পরিবারকে ডেকে ১৩ ঘন্টা বসিয়ে রাখা হয় এবং মিডিয়ায় মিথ্যা স্টেটমেন্ট দেওয়ানো হয়। আমাদের শিক্ষকরা দেখা করতে আসলে, দেখা করতে দেওয়া হয়নি। **কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৬ সমন্বয়ক, ২ আগস্ট ২০২৪ [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/quota-protest/news-601946] * আমরা এখন রাস্তায়, কারণ আমাদের হাজারো ভাই-বোন মারা গেছেন, হাজারো মানুষকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। যার ফলে এখন, বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে, ছাত্রদের সঙ্গে কর্মজীবী মানুষ, সঙ্গীত ও অভিনয় শিল্পীরাও একাত্মতা পোষণ করেছেন। তারা সবাই রাস্তায় নেমে  এসেছে, আন্দোলন করছে এবং একজন নাগরিক হিসেবে ও সাধারণ মানুষ হিসেবে তার অধিকার সম্পর্কে দাবি তুলছে। বাংলাদেশের পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনী ছাত্রদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে এই আন্দোলনের যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, আমাদের একজন সমন্বয়ক আরিফ সোহেলকে মিথ্যা মামলায় তুলে নেওয়া হয়েছে। ছাত্ররা রাস্তায় নামলেই তারা গণহারে গ্রেফতার করছে। রংপুরে আন্দোলন করার সময় অসংখ্য ছাত্রছাত্রীদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারা দিনদিন আরও কঠোর হচ্ছে। মনে হচ্ছে যেন যুদ্ধের মধ্যে আছি আমরা। বাস্তবে আমাদের এখানে কোনো যুদ্ধ চলছে না, তাহলে আমার প্রশ্ন যুদ্ধ আসলে কেমন হয়। সরকার এটির সমাধান করতে পারত রক্ত ঝরার আগেই। আমাদের ভাই ও বোনদের গুলি খেয়ে রক্ত ঝরার আগেই সমাধান করা উচিত ছিল তাদের। এটা এখন আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। সরকার হাজারের বেশি মানুষকে মেরেছে,হাজারের বেশি মানুষকে তুলে নিয়েছে। সব মিলিয়ে নয় হাজারের বেশি মানুষকে তুলে নিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং জেলে পাঠানো হয়েছে। কাজেই অবশ্যই আমরা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ ও আন্দোলন কারিদের পক্ষ থেকে করজোড়ে প্রত্যেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক কমিউনিটির কাছে সাহায্য চায়। তারা যেন সরকারকে প্রশ্ন করে, চাপ দেয়।’ আমাদের আন্দোলন এখন আর কোটায় সীমাবদ্ধ নেই। আমাদের হাজারো ভাই-বোন মারা গেছে। আমরা সেই নিহতের প্রকৃত সংখ্যাটি পর্যন্ত জানি না। সরকার বলছে তারা নিহতের সংখ্যা জানাবে। গণমাধ্যমে আমরা দেখছি আড়াইশর বেশি নিহতের কথা। বাংলাদেশি পুলিশ ও সরকারের বর্বরতা থেকে নিষ্পাপ শিশুরা পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না। ২ বছর ৪, ৬ ও ১১ বছরের শিশুরা পর্যন্ত মারা গেছে। এমনকি শিশুদের পর্যন্ত আদালতে দাঁড় করিয়েছে তারা। কাজেই এই আন্দোলন এখন আর কোটায় সীমাবদ্ধ নেই। এই আন্দোলন এখন আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের আন্দোলন। এই আন্দোলন এখন আমাদের মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার অধিকারের আন্দোলন। শুরুতে এটা ছাত্রদের আন্দোলন হলেও এখন এটা গণমানুষের আন্দোলন। বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। আন্দোলন দমাতে সরকার অনেকেই গ্রেফতার করেছে। আমাদের অনেক নেতাকে তুলে নিয়ে গেছে। কিন্তু আমরা এখন বিশ্বাস করি আমরা এখন সবাই নেতা। আমার এখন সবাই সমন্বয়ক। আর আমরা এই লড়াই চালিয়ে যাব স্বৈরাচার শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত। এক নায়কতন্ত্র বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত এবং আমাদের সব দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত। ** প্রাপ্তি তাপসী, কোটা আন্দোলনের পক্ষে অন্যতম সংবাদ প্রতিনিধি ছাত্রী, ২ আগস্ট ২০২৪ আল-জাজিরার দ্য স্ট্রিম অনুষ্ঠানে দেওয়া দীর্ঘ অনলাইন সাক্ষাৎকারে [https://www.jugantor.com/national/833516/%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87] * বাংলাদেশের আমার সব ভক্তকে বলছি, আমি তোমাদের কথা শুনছি, তোমাদের জন্য প্রার্থনা করছি। ** [[:w:এনসো ফের্নান্দেস|এনজো ফার্নান্দেজ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে লাল কাপড়ে চোখ ঢাকা পেছনে বাংলাদেশের পতাকাসহ প্রতীকি ছবি শেয়ার করা ফেসবুকের এক পোস্টের ক্যাপশনে [https://www.jagonews24.com/en/amp/75912] * ইয়া আল্লাহ, তুমি যুদ্ধে আমার নবীকে যেভাবে সাহায্য করেছ! সেভাবে আমাদের ভাইগুলোকে সাহায্য করো আমিন। ** ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তী, ৩ জুলাই, ২০২৪, অভিনেত্রী [https://www.rtvonline.com/amp/entertainment/284946] * তাদের সাথে আলোচনার কোন পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের দাবি অত্যন্ত সুস্পষ্ট, তাদের কোন বক্তব্য থাকলে দেশবাসীর সামনেই মিডিয়া মারফত তা রাখতে পারেন। আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার সিদ্ধান্তই আমাদের সিদ্ধান্ত। গুলি আর সন্ত্রাসের সাথে কোন সংলাপ হয় না। ** [[আসিফ মাহমুদ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, কোটা আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক, বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://www.bbc.com/bengali/live/cgrlrjlj9drt#asset:2d5e6283-ba9d-4c26-b7e1-118dc3956d52] * চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে দেশব্যাপী চলা অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে অনেক ইমাম-খতীবকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। কোনো কোনো খতীবকে কারণ ছাড়াই ছুটিতে রাখা হয়েছে। যারা এগুলো করেছেন, ঘোরতর অন্যায় ও নীতিবহির্ভূত কাজ করেছেন। এদেশে সবচেয়ে কম সুযোগ সুবিধায় দায়িত্ব পালন করেন ইমাম-মুয়াজ্জিনগণ। তারা স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পান খুবই কম। অথচ তাদের ওপর খবরদারি করা হয় সব থেকে বেশি। ইমাম মানে নেতা। তাদের ওপর খবরদারি করা মুসলিমসুলভ আচরণ হতে পারে না। কোনো ইমাম সত্য উচ্চারণ করতে গিয়ে জুলুমের শিকার হলে সবাইকে তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান করছি। ইমাম-খতীবগণ যত স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারবেন, আমাদের সমাজ ততই ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে এগোবে। ** [[শায়খ আহমাদুল্লাহ|আহমদুল্লাহ]], ৩ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশী আলিম (মুসলিম ইসলামী পণ্ডিত), ঈমাম, খতীব, ইসলাম ধর্ম প্রচারক ও বক্তা, নিজস্ব ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে কোটা আন্দোলনের পক্ষে কথা বলায় দেশব্যাপী ঈমাম খতীবদের চাকরিচ্যুত করা প্রসঙ্গে [https://www.jugantor.com/national/833757/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9] * আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য গণভবনের দরজা খোলা। কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আমি বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। আমি সংঘাত চাই না। আমি আবারও বলছি, আন্দোলনকারীরা চাইলে আমি এখনো আলোচনায় রাজি। তারা যেকোনো সময় (গণভবনে) আসতে পারে। দরকার হলে তারা তাদের অভিভাবকদের নিয়েও আসতে পারে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে। ** [[শেখ হাসিনা]], ৩ আগস্ট, গণভবনে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/bm5xcpuqwg] * কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে কেউ মারা যায়নি। গুলির যে তথ্য পাওয়া গেছে তার অনেকগুলোই পুলিশের রাইফেলের গুলি নয়। কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। হয়তো দুই-একজন কিশোর মারা গিয়ে থাকতে পারে। তাদেরককে ঢাল হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছিল। শিশুদের আড়ালে অন্য একটি শক্তি ছিল। পেছনের শক্তিকে রুখতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। (পদত্যাগের প্রশ্নে) এরকম কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে এবং প্রধানমন্ত্রী যদি মনে করা তাহলে আমরা সেটা করব। ** [[আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল]], ৩ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী [https://jamuna.tv/news/553165] * কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরুটা দেশবাসী দেখেছেন। সরকার গুণ্ডা-পাণ্ডা দিয়ে সন্ত্রাস চালালো এবং পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিজিবি নামিয়ে, আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত শিশুকিশোর ও তরুণের তাজা প্রাণ হরণ করল, তা দেশবাসী কি এত সহজে এই অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যাবে। এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না।’ শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। সারাদেশের শিশু কিশোর ও তরুণরা শত উসকানি, হামলা ও নির্যাতনের মধ্যেও ধৈর্য ধরে শৃঙ্খলার সঙ্গে আস্তে আস্তে আইন মেনে সামনে পা বাড়াচ্ছিল। বিপরীতে দ্বিতীয় পক্ষ যে উপর্যুপুরি উসকানি দিল, গুণ্ডাপাণ্ডা দিয়ে সন্ত্রাস চালালো এবং পুলিশ, র্যাব, আনসার ও বিজিবি নামিয়ে, আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে নির্বিচারে গুলি করে অগণিত শিশু কিশোর ও তরুণের তাজা প্রাণ হরণ করল, তা দেশবাসী কি এত সহজে এই অল্প সময়ের মধ্যেই ভুলে যাবে।’ দ্রুত বিজিবি ও সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী তিন দশক ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের মাধ্যমে যে সম্মান মর্যাদা ও গৌরব অর্জন করেছে তা আজ কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। সার্বজনীন মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক সর্বোচ্চ মান রক্ষা করেই আপনাদের সকলকে নিজ দেশের জনগণের পক্ষে দাঁড়াতে হবে। চোখের সামনে আমরা নিজেদের মাতৃভূমিকে ধ্বংস হতে দিতে পারি না। আক্রমণকারীরা গণঅভ্যুত্থানের প্রতিরোধের মধ্যে পিছপা হতে বাধ্য হলে পরবর্তী পর্যায়ে ব্যবহার করা হলো বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে। তাদেরকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কখনও সম্মুখভাবে, কখনো পেছনে ও পাশে দাঁড় করিয়ে অন্যান্য বাহিনীগুলো এই গণ-আন্দোলনের ওপর তাদের জুলুম অত্যাচার নির্যাতন অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। কোনোভাবেই এমন পরিস্থিতির দায় দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর নেওয়া উচিত নয়। বাংলাদেশের স্বশস্ত্র বাহিনী অতীতে কখনো দেশবাসী বা সাধারণ জনগণের মুখোমুখি দাঁড়ায়নি, তাদের মুখে বন্দুক তাক করেনি। ** ইকবাল করিম ভূঁইয়া, ৪ আগস্ট ২০২৪, সাবেক সেনাপ্রধান, সংবাদ সম্মেলনে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/g77bbharbn] * রিট করার নেপথ্যে অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে। কেননা তারা দেশকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দিতে চায়। ** আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন, ৪ আগস্ট ২০২৪, অ্যার্টনি জেনারেল, আন্দোলনের সময় সরাসরি গুলি না করার নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ করার প্রসঙ্গে [https://jamuna.tv/news/553225] * আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন। আমি পদত্যাগ করবো না। আপনি গুলি চালান। ** শেখ হাসিনা, ৫ আগস্ট ২০২৪, সেনাপ্রধান শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে বললে রাগান্বিত হয়ে প্রতিউত্তরে [https://www.dailyjanakantha.com/national/news/750744] * এখানে কেউ থাকবেন না। (নো ওয়ান স্টে হেয়ার।) ** শেখ হাসিনা, ৫ আগস্ট ২০২৪, তার আত্মীয়দের কাছে শেষ হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় [https://english.khaborerkagoj.com/special-report/799212] * শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা গণভবন থেকে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। শেখ হাসিনা যাওয়ার আগে একটি ভাষণ রেকর্ড করে যেতে চেয়েছিলেন। তিনি সে সুযোগ পাননি। ** বার্তা সংস্থা এএফপি, ৫ আগস্ট ২০২৪, [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dn4yfsve75] * আপনাদের আমি কথা দিচ্ছি। আপনারা আশাহত হবেন না। আপনাদের যত দাবি আছে আমরা পূরণ করবো। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবো। আপনারা আমাকে সহযোগিতা করেন। দয়া করে ভাঙচুর, মারামারি, হত্যা, সংঘর্ষ এগুলো থেকে বিরত হন।” ** [[ওয়াকার-উজ-জামান]], ৫ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল, দুপুরে জাতির উদ্দেশে ভাষণে [https://bangla.dhakatribune.com/bangladesh/83477/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A4] * দেশে আজকে যা ঘটল, এটাই হওয়ার কথা ছিল। গণ-অভ্যুত্থান কখনো ঠেকানো যায় না। শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন সহজেই সমাধান করা যেত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জেদের কারণে এত মানুষ মারা গেল। গণমাধ্যমে প্রাণহানির যে চিত্র উঠে এসেছে, বাস্তবে এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি। আরও কত মরদেহ কোথায় পড়ে আছে, কত গণকবর হয়েছে, কতগুলো নিরীহ মানুষের প্রাণ ঝরেছে! তিনি তো চলে গেলেন। এখন এর জবাব দেবে কে? ১৫ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেননি। দিনের পর দিন ভোট চুরি করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। শেখ হাসিনার বোঝা উচিত ছিল, তিনি ও তাঁর দল কতটা অজনপ্রিয়। এই যে এত প্রাণহানি, এর জবাব দেবে কে? দেশে সুশাসনের মারাত্মক অভাব। তিনি সুশাসন দিতে পারেননি। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ওপর হাজার হাজার গুলি ছোড়া হয়েছে। হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে। এর আগে আমরা সবাই এইচ এম এরশাদকে স্বৈরাচার বলেছি। তখন মাত্র ছয়জন মানুষ মারা যাওয়ায় তাঁকে স্বৈরশাসক বলছি। কিন্তু গত ১৫ বছরে কত মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। ২০০৯ সালে পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা মারা গেছেন। এখন এর জবাব দেবে কে? যাঁকে জাতির পিতা বলা হয়, তাঁর পরিবারের সদস্যদের এত করুণ পরিণতি কেন হবে? তাঁর এমন পরিণতি আমাদের দেখতে হলো। এসব হয়েছে, তাঁর দম্ভ ও অহমিকার কারণে। প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, দেশে সুশাসন নিশ্চিত করেন। বিভিন্ন সভা–সেমিনারে বলেছি। যা হচ্ছে, তা স্বৈরতন্ত্র। এসব বলার কারণে আমাদের ভিন্ন দলের এজেন্ট বলা হতো। এই যে গণভবন লুটপাট হচ্ছে, ভাঙচুর হচ্ছে—এ জন্য জনগণকে দোষ দেবেন কীভাবে? শ্রীলঙ্কা থেকে হাসিনার সরকার শিক্ষা নেয়নি। তিউনিসিয়া থেকে শিক্ষা নেয়নি। মিসরে কীভাবে হোসনে মোবারক জনরোষে উড়ে গেছে, সেখান থেকে সরকার শিক্ষা নেয়নি। জনগণের সরকার না হলে এমন পরিণতি হয়। এরশাদের চেয়ে শেখ হাসিনা ১০০ গুণ বেশি খারাপ হয়ে বিদায় নিয়েছেন। এরশাদ পালিয়ে যাননি। তিনি পালিয়ে গেছেন। তিনি পালিয়ে গেছেন, কিন্তু আওয়ামী লীগ দলটাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেলেন। তাঁর হিংসা, দম্ভ, অহংকার দলটাকে ধ্বংস করল। ** এম সাখাওয়াত হোসেন, ৫ আগস্ট ২০২৪, নির্বাচন বিশ্লেষক ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তা [https://www.prothomalo.com/bangladesh/dvds7trgt6] * ভারত হল তার আশেপাশের সকল মুসলিম রাষ্ট্রের আসল মাতৃভূমি। আমরা গর্বিত এবং সম্মানিত যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতে সুরক্ষিতবোধ করেন। কিন্তু যারা ভারতে থাকে তারা বারেবারে প্রশ্ন করে কেন হিন্দু রাষ্ট্র? কেন রাম রাজ্য? কেন সেটা তো বোঝাই যাচ্ছে!!’ ‘মুসলিম দেশে তো মুসলমানরাও সুরক্ষিত নয়। আফগানিস্তান, পাকিস্তান,বাংলাদেশ, ব্রিটেনে যা ঘটছে সেটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা সৌভাগ্যবান যে রাম রাজ্যে থাকি। জয় শ্রী রাম'। ** কঙ্গনা রানাউত, ৫ আগস্ট ২০২৪, অভিনেত্রী, এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে [https://bangla.hindustantimes.com/entertainment/even-muslims-are-not-safe-in-muslim-countries-kangana-ranaut-reacts-as-ex-bangladesh-pm-sheikh-hasina-flees-to-india/amp-31722867132738.html] * অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের রূপরেখা দিতে আমরা ২৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছিলাম। কিন্তু জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় এখনই রূপরেখা ঘোষণা করছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ড. [[মুহাম্মদ ইউনূস|মুহাম্মদ ইউনূসকে]] প্রধান উপদেষ্টা করে ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে। তার সাথে আমাদের কথা হয়েছে, তিনি দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছেন। আমরা সকালের মধ্যে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দেখতে চাই। রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ থাকবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হোক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাকি সদস্যদের নামও আমরা সকালের মধ্যে ঘোষণা করব। **নাহিদ ইসলাম, ৬ আগস্ট ২০২৪, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক, ভোর ৪টার পর ফেসবুকে দেয়া ভিডিও বার্তায় [https://www.dailynayadiganta.com/politics/853517/%E0%A6%A1.-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE] * মূলত দুইটি কারণে ভারত শেখ হাসিনাকে রাখতে চায় না। প্রথম বিষয়টি অবশ্যই তার নিরাপত্তা সংক্রান্ত। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, বাংলাদেশে যে সরকারই আসুক, ভারত তার সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়। আর বাংলাদেশে হাসিনা-বিরোধী মনোভাব তুঙ্গে। ভারত চায় না, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেয়ার ঘটনা ছায়াপাত করুক। এর আগে সেনা সরকার যখন ছিল, তখন ভারতের অসুবিধা ছিল। কিন্তু এবার সেনা সম্ভবত পিছনে থাকবে, বাংলাদেশে নতুন কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু হবে বলে মনে হচ্ছে। ফলে তাদের সঙ্গে ভারতের আলোচনা করতে কোনো অসুবিধা হবে না। বাংলাদেশের ঘটনা ভারতকে একটা বড় চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ভারত চায় না, বাংলাদেশের ঘটনার অভিঘাত দেশের মধ্যে পড়ুক। বাংলাদেশে ভারতের যে সম্পদ ও বিনিয়োগ আছে, ভারত সেগুলিকে নিরাপদ রাখতে চায়। সেদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা চায়। ** শ্রীরাধা দত্ত, ৬ আগস্ট ২০২৪, ও পি জিন্দল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক ডয়চে ভেলেকে [https://www.dw.com/bn/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%A8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F/a-69864559] * কুখ্যাত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে অবিলম্বে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে গ্রেপ্তার করতে হবে। বাংলাদেশে গুম-খুনের আসল কারিগর সে শুধু তা না, ফোন ট্যাপিংয়ের নামে মানুষের প্রাইভেসি ধ্বংস করেছে সে। এবং প্রাউডলি সেই সব রেকর্ডিং এই পারভার্ট লোকটা মিডিয়াতে সরবরাহ করত এবং আমাদের স্পাইনলেস মিডিয়া সেগুলো প্রচার করত। এই লোককে এখনই নিউট্রালাইজ করতে হবে। এছাড়া ডিবি’র হারুনসহ কুখ্যাত যারা আছে তাদের সরিয়ে দিয়ে পুলিশ বাহিনীর উপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করতে হবে এখনই।’ ** [[মোস্তফা সরয়ার ফারুকী]], ৬ আগস্ট ২০২৪, চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা, ফেসবুক পোস্টে [https://www.dainikamadershomoy.com/details/019126708d76?fbclid=IwY2xjawEezI1leHRuA2FlbQIxMQABHUwvttoTLSYm-ujxLPWY6H74ytr489ZvM2g_crax_H2Sl9kPKwgMYif4HA_aem_1wbabngYpoCavI2lyWYF9w] * গুলি করে করে লাশ নামানো লাগছে স্যার। গুলি করি, মরে একটা, আহত হয় একটা। একটাই যায় স্যার, বাকিডি যায় না। এইটা হলো স্যার সবচেয়ে বড় আতঙ্কের এবং দুশ্চিন্তার বিষয়। ** ইকবাল, পুলিশ সদস্য, কোটা আন্দোলন চলাকালীন সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে, ১৩ ও ১৪ই আগস্ট ২০২৪ এর পর ফেসবুকের একটি ভাইরাল ভিডিওতে বলতে দেখা যায় [https://www.kalerkantho.com/online/national/2024/08/13/1414550] [https://dailyinqilab.com/index.php/national/news/678022#google_vignette] * এখন থেকে লেথাল উইপন (প্রাণঘাতী মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে, যেটারে পাবে সেটারে গুলি করবে। যেখানে গেদারিং দেখবে সেখানে ওপর থেকে.. হেলিকপ্টার থেকে গুলি করবে, এখন ওপর থেকে করাচ্ছি (গুলি), অলরেডি শুরু হয়ে গেছে, র্যাবকে আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে। ** [[শেখ হাসিনা]], ১৮ জুলাই ২০২৪, ভাইরাল অডিও, "ফেস দ্য পিপল" এর ইউটিউব পাতায় ৮ ই মার্চ ২০২৫ এ প্রকাশিত [https://www.jugantor.com/national/926561] * যদি সরকারি দল ভায়োলেন্স চায়, সেটাকেই একমাত্র রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে নিতে চায়, তাহলে এটা যে আমাদের থেকে বেশি কেউ পারবে না, সেটা ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি। ** [[আসিফ মাহমুদ]], ২২ মে ২০২৬ ঝিনাইদহে [[নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী|নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর]] ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায়। [https://www.prothomalo.com/politics/org6cq83pw] * গণ-অভ্যুত্থানে যে স্বপ্ন ছিল চব্বিশে, শেষবারের মতো মানুষ তার জীবন বাজি রেখেছিল। তারপর যখন দেখল, এটা কতিপয় মানুষের নিজস্ব সম্পত্তি, এটা বাংলাদেশে উগ্রবাদের নতুন উত্থান, অদ্ভুতভাবে কিছু নেই থেকে শতকোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়ার একটা প্রকল্প, তখন স্বাভাবিকভাবেই গণমানুষ হাজারবার, লক্ষবার, কোটিবার চিন্তা করবে এ রকম গণ-অভ্যুত্থানে যাওয়ার আগে।...চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে হিজাব পরা ও হিজাব ছাড়া নারীরা যেভাবে অংশ নিয়েছিলেন, গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে সেই পরিবেশ কেন রক্ষা হলো না? চব্বিশের অভ্যুত্থানের ঠিক পরেই মুক্তিযুদ্ধের মুর‍্যাল ও ভাস্কর্যগুলো কারা ভাঙল? একাত্তর আর চব্বিশকে কেন মুখোমুখি করা হলো?...গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে দেশে ‘ভয়াবহ উগ্রবাদের উত্থান হয়েছে’। সেটা আগে জানলে কয়জন রাস্তায় আন্দোলনে নামতেন? ** [[রুমিন ফারহানা]]। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল আয়োজিত [https://www.prothomalo.com/politics/vpp1t809ks আলোচনা সভায়], জাতীয় প্রেসক্লাব, ১১ জুলাই ২০২৬। [https://www.ittefaq.com.bd/797952/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A7%A7%E0%A7%A6%E0%A7%A6-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E2%80%93%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE] == ৭১ বনাম ২৪ বিতর্ক == * [[জাতি]] একবারই স্বাধীন হয়, [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|একাত্তরের]] সঙ্গে চব্বিশের তুলনা চলে না। ** [[নুরুল হক নুর]]। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীর আল-রাজি কমপ্লেক্সে এক সংবাদ সম্মেলনে। [https://www.dhakatimes24.com/2024/12/31/375976][https://www.jugantor.com/politics/897510] * [[যুদ্ধ]] হলো একটা সশস্ত্র সংগ্রাম। দুই গ্রুপের মধ্যে অস্ত্র থাকে, দুই গ্রুপে যুদ্ধ করে। সেই যুদ্ধটা কী জন্য হয়? দেশকে স্বাধীন করার জন্য হয় বা অন্য দেশকে দখল করার জন্য হয়। এখানে তো এরকম কোনো ব্যাপার ছিল না। দেশকে স্বাধীন করার ব্যাপারও ছিল না, অধিকার কবার ব্যাপারও ছিল না। এখানে ব্যাপারটা ছিল হাসিনামুক্ত বাংলাদেশ করার, আওয়ামী লীগমুক্ত বাংলাদেশ করার। সুতরাং বিপ্লব বা এক দফার আন্দোলন ও [[মুক্তিযুদ্ধ]] একই জিনিস না। এ সমস্ত মাথায় যারা টুপি দিয়ে কিছু পাগল ছেলেদেরকে বুঝাচ্ছে, তাদেরকে আমি অনুরোধ করব পাগলামি ছাড়ো। [[গাঁজা]] খেলে খাও কিন্তু মানুষকে গাঁজা খাওয়ানোর চেষ্টা করো না। ** [[অলি আহমেদ]]। ২০২৫ সালের ১৭ জুলাই ঢাকার আইডিইবি মিলনায়তনে এক [https://www.kalerkantho.com/multimedia/Politics/2025/07/19/1548928 বক্তৃতায়]। == বৈদেশিক ভূমিকা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ == * [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] দূতাবাস কিছু সেফ হাউজ তৈরি করেছে। মনে রাখেন, এগুলোতে মগজধলাই হয়েছে। যারা সেফ হাউজে ছিল, তারা আমাকে ফোন করেছিল। তারা বলতেছে, আমাদের ওপর চাপ দিতেছে যে, আমরা যেন [[শেখ হাসিনা|শেখ হাসিনার]] পদত্যাগের কথা বলি। ফলে তরুণ ছাত্রদের যারা তখন জীবনের বাঁচাবার জন্য, তাদের সেই অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে আপনি তাদের বিভিন্ন সেফ হাউজে রেখেছেন এবং প্রতিদিন তাদের আপনি বলছেন যে তোমরা খালি পদত্যাগ চাইবে। [এসময় সঞ্চালক জানতে চান, যুক্তরাষ্ট্র কি শেখ হাসিনার পদত্যাগ চেয়েছিল? জবাবে তিনি বলেন,] হ্যাঁ, যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছে। ** [[ফরহাদ মজহার]]। অনলাইন গণমাধ্যম ''আলাপ''-এর সঙ্গে এক পডকাস্ট [https://www.banglatribune.com/politics/961619/%E2%80%98%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AB-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%9F%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%97%E0%A6%9C%E0%A6%A7%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E2%80%99-%E0%A6%95%E0%A7%80 সাক্ষাৎকারে]। * গণঅভ্যুত্থান হয়ে গিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় ‘রেজিম চেঞ্জ’। মার্কিন অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষক জেফরি স্যাকস ১৮ আগস্ট দাবি করলেন, ‘দ্য ভেরি স্ট্রং এভিডেন্স অব দ্য ইউএস রোল ইন টপলিং দ্য গভর্নমেন্ট অব [[ইমরান খান]] ইন [[পাকিস্তান]] রেইজেজ দ্য লাইকলিহুড দ্যাট সামথিং সিমিলার মে হ্যাভ অকারড ইন বাংলাদেশ’ (পাকিস্তানে ইমরান খানের সরকার পতনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার খুবই শক্ত প্রমাণ রয়েছে। এ থেকে ধারণা তৈরি হয়, একই রকম কিছু বাংলাদেশে ঘটে থাকতে পারে)। কথাটা তো ফেলে দেওয়া যাচ্ছে না। ** [[ফরহাদ মজহার]]। ২ জুলাই ২০২৫-এ সমকাল পত্রিকায় প্রকাশিত [https://samakal.com/opinion/article/303351/ সাক্ষাৎকারে]। * ডিপস্টেট সমস্ত পৃথিবীতে প্রতিটা ঘটনার সঙ্গেই জড়িত থাকে। পৃথিবীতে প্রতিটি ঘটনাতেই ডিপস্টেট কোনো না কোনোভাবে জড়িত থাকে। ডিপস্টেট ইনভলভ হয় তবে স্রোতের বিপরীতে না। তারপর তারা সেটা ম্যানপুলেট করবে। ** [[w:bn:মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন|মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন]]। ২৫ মে ২০২৬-এ যমুনা টেলিভিশনে প্রকাশিত হওয়া এক সাক্ষাৎকারে ''জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ডিপস্টেট সক্রিয় ছিল কি না''—এমন [https://www.jugantor.com/national/1106605 প্রশ্নের জবাবে]। [https://www.tbsnews.net/bangladesh/kitchen-cabinet-drove-key-decisions-interim-govt-claims-ex-adviser-touhid-1448986] == আরও দেখুন == * [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]] * [[আবু সাঈদ]] * [[অসহযোগ আন্দোলন (২০২৪)]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ প্রতিবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ এশিয়া]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ইতিহাস]] hmrxpfjv77rml3pn8ojtit86h5c3a12 আসিফ মাহমুদ 0 8456 84154 71287 2026-08-10T16:37:37Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84154 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Youth_and_Sports_Advisor_Asif_Mahmud_Sajib_Bhuiyan_Press_Briefing_on_One_Hundred_Days_of_Interim_Government_2024-11-17.jpg|থাম্ব|অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১০০তম দিনে গণমাধ্যমের সামনে কথা বলছেন আসিফ মাহমুদ (২০২৪)]] [[W:আসিফ মাহমুদ|আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া]] হচ্ছেন একজন বাংলাদেশী আন্দোলনকর্মী ও বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা। এছাড়া তিনি [[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন|বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের]] অন্যতম একজন সমন্বয়ক, যার মাধ্যমে তিনি ২০২৪ সালে সংগঠিত [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|কোটা সংস্কার আন্দোলন]] ও [[অসহযোগ আন্দোলন (২০২৪)|অসহযোগ আন্দোলনে]] নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ==উক্তি == * আগামীকাল এই জাতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। কর্মসূচি সফলে দেশবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। মুক্তির বার্তা শহীদ মিনার থেকেই ছড়িয়ে পড়বে সারা দেশে।’ ** ফেসবুক পোস্ট [https://www.kalbela.com/national/108552] * গুলির সাথে কোন সংলাপ হয় না। এই রক্তের সাথে বেইমানি করার থেকে আমার মৃত্যু শ্রেয়। ** ১৮ জুলাই ২০২৪ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে বলেছেন [https://dailyinqilab.com/national/news/672283] * একজনকে পুনর্বাসন না করায় সহস্র গালি দিয়েছেন আপনারা আমাকে। বাট আই ওয়াজ রাইট। এন্ড অব দ্য ডিসকাশন। [কিন্তু আমি সঠিক ছিলাম। আলোচনার শেষ।] ** ক্রিকেটার [[সাকিব আল হাসান]]কে ইঙ্গিত করে ফেসবুক পোস্ট। [https://www.prothomalo.com/sports/cricket/kr2gitf2js ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফকে জবাব দিলেন সাকিব], প্রথম আলো, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫। * ডিপ স্টেটে বৈদেশিকসহ অনেকগুলো পক্ষ ছিল। তাই সুনির্দিষ্ট করে কারও নাম আমি উল্লেখ করতে চাই না।...অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম তিন-চার-পাঁচ মাসে বিভিন্ন আলোচনায় ডিপ স্টেটের দিক থেকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল যে তাদের কিছু স্বার্থ রক্ষা করলে তারা অন্তর্বর্তী সরকারকে দীর্ঘদিন রাখতে আগ্রহী। দেন-দরবারের অংশ হিসেবে আমাদের অ্যাপ্রোচ করা হয়েছিল, হয়তো অন্য উপদেষ্টাদের সঙ্গেও তারা কথা বলেছিল। ** ২৭ মার্চ ২০২৬-এ ডিপ স্টেট সম্পর্কে সাংবাদিকদের [https://www.jugantor.com/national/1081563 প্রশ্নের জবাবে]। [https://www.prothomalo.com/politics/ikcdtlv4q9] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:কুমিল্লা জেলার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক]] k7rwor76bdpcibkhah8t14bcq3iv3nk 84155 84154 2026-08-10T16:38:00Z ফারদিন 52 /* */ 84155 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Youth_and_Sports_Advisor_Asif_Mahmud_Sajib_Bhuiyan_Press_Briefing_on_One_Hundred_Days_of_Interim_Government_2024-11-17.jpg|থাম্ব|অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১০০তম দিনে গণমাধ্যমের সামনে কথা বলছেন আসিফ মাহমুদ (২০২৪)]] '''[[W:আসিফ মাহমুদ|আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া]]''' হচ্ছেন একজন বাংলাদেশী আন্দোলনকর্মী ও বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা। এছাড়া তিনি [[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন|বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের]] অন্যতম একজন সমন্বয়ক, যার মাধ্যমে তিনি ২০২৪ সালে সংগঠিত [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|কোটা সংস্কার আন্দোলন]] ও [[অসহযোগ আন্দোলন (২০২৪)|অসহযোগ আন্দোলনে]] নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ==উক্তি == * আগামীকাল এই জাতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। কর্মসূচি সফলে দেশবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। মুক্তির বার্তা শহীদ মিনার থেকেই ছড়িয়ে পড়বে সারা দেশে।’ ** ফেসবুক পোস্ট [https://www.kalbela.com/national/108552] * গুলির সাথে কোন সংলাপ হয় না। এই রক্তের সাথে বেইমানি করার থেকে আমার মৃত্যু শ্রেয়। ** ১৮ জুলাই ২০২৪ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে বলেছেন [https://dailyinqilab.com/national/news/672283] * একজনকে পুনর্বাসন না করায় সহস্র গালি দিয়েছেন আপনারা আমাকে। বাট আই ওয়াজ রাইট। এন্ড অব দ্য ডিসকাশন। [কিন্তু আমি সঠিক ছিলাম। আলোচনার শেষ।] ** ক্রিকেটার [[সাকিব আল হাসান]]কে ইঙ্গিত করে ফেসবুক পোস্ট। [https://www.prothomalo.com/sports/cricket/kr2gitf2js ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফকে জবাব দিলেন সাকিব], প্রথম আলো, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫। * ডিপ স্টেটে বৈদেশিকসহ অনেকগুলো পক্ষ ছিল। তাই সুনির্দিষ্ট করে কারও নাম আমি উল্লেখ করতে চাই না।...অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম তিন-চার-পাঁচ মাসে বিভিন্ন আলোচনায় ডিপ স্টেটের দিক থেকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল যে তাদের কিছু স্বার্থ রক্ষা করলে তারা অন্তর্বর্তী সরকারকে দীর্ঘদিন রাখতে আগ্রহী। দেন-দরবারের অংশ হিসেবে আমাদের অ্যাপ্রোচ করা হয়েছিল, হয়তো অন্য উপদেষ্টাদের সঙ্গেও তারা কথা বলেছিল। ** ২৭ মার্চ ২০২৬-এ ডিপ স্টেট সম্পর্কে সাংবাদিকদের [https://www.jugantor.com/national/1081563 প্রশ্নের জবাবে]। [https://www.prothomalo.com/politics/ikcdtlv4q9] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:কুমিল্লা জেলার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক]] ltsexbzqrj0rk6nigleuvdvf1jybf75 ফরহাদ মজহার 0 8520 84156 69085 2026-08-10T17:11:14Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ 84156 wikitext text/x-wiki '''[[:w:ফরহাদ মজহার|ফরহাদ মজহার]]''' (জন্ম: ৯ আগস্ট ১৯৪৭) একজন বাংলাদেশি কবি, লেখক, গবেষক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, দার্শনিক ও বুদ্ধিজীবী, সমাজ ও মানবাধিকার কর্মী, ঔষধশাস্ত্রবিদ এবং পরিবেশবাদী। ==উক্তি== *আমাকে যারা নিন্দা করেন, আমি তাদের উপভোগ করি। **ফরহাদ মজহার [https://www.bbc.com/bengali/news-40491576] * গণঅভ্যুত্থান হয়ে গিয়েছে [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সহায়তায় ‘রেজিম চেঞ্জ’। মার্কিন অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষক জেফরি স্যাকস ১৮ আগস্ট দাবি করলেন, ‘দ্য ভেরি স্ট্রং এভিডেন্স অব দ্য ইউএস রোল ইন টপলিং দ্য গভর্নমেন্ট অব [[ইমরান খান]] ইন [[পাকিস্তান]] রেইজেজ দ্য লাইকলিহুড দ্যাট সামথিং সিমিলার মে হ্যাভ অকারড ইন বাংলাদেশ’ (পাকিস্তানে ইমরান খানের সরকার পতনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার খুবই শক্ত প্রমাণ রয়েছে। এ থেকে ধারণা তৈরি হয়, একই রকম কিছু বাংলাদেশে ঘটে থাকতে পারে)। কথাটা তো ফেলে দেওয়া যাচ্ছে না। ** জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে। ২০২৫ সালের ২ জুলাই সমকাল পত্রিকায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে। [https://samakal.com/opinion/article/303351/%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E2%80%98%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AE-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E2%80%99] * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কিছু সেফ হাউজ তৈরি করেছে। মনে রাখেন, এগুলোতে মগজধলাই হয়েছে। যারা সেফ হাউজে ছিল, তারা আমাকে ফোন করেছিল। তারা বলতেছে, আমাদের ওপর চাপ দিতেছে যে, আমরা যেন [[শেখ হাসিনা|শেখ হাসিনার]] পদত্যাগের কথা বলি। ফলে তরুণ ছাত্রদের যারা তখন জীবনের বাঁচাবার জন্য, তাদের সেই অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে আপনি তাদের বিভিন্ন সেফ হাউজে রেখেছেন এবং প্রতিদিন তাদের আপনি বলছেন যে তোমরা খালি পদত্যাগ চাইবে। [এসময় সঞ্চালক জানতে চান, যুক্তরাষ্ট্র কি শেখ হাসিনার পদত্যাগ চেয়েছিল? জবাবে তিনি বলেন,] হ্যাঁ, যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছে। ** অনলাইন গণমাধ্যম ''আলাপ''-এর সঙ্গে এক পডকাস্ট [https://www.banglatribune.com/politics/961619/%E2%80%98%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AB-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%9F%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%97%E0%A6%9C%E0%A6%A7%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E2%80%99-%E0%A6%95%E0%A7%80 সাক্ষাৎকারে]। ==সম্পর্কিত উক্তি== * “আমাদের একজন স্বনামধন্য ''আঁতেল'' ‍গুম হয়ে গেলেন। পরে দেখা গেল উনি গুম হননি। উনি নিজে নিজেই খুলনায় গেলেন। পরে তাকে খুঁজে পাওয়া গেল। এর দোষটা আমাদের৷ এ ধরনের আরও অনেক ঘটনা তো ঘটে যাচ্ছে৷ আমি তার নামধাম বলতে চাই না।“ ** ২০১৭ সালে নিখোঁজ হওয়ার পর উদ্ধার হওয়া ফরহাদ মজহারের দিকে ইঙ্গিত করে বাংলাদেশের সমসাময়িক প্রধানমন্ত্রী [[শেখ হাসিনা]] সংসদ অধিবেশনে{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=গুম আমেরিকায় আরও ভয়াবহ: হাসিনা|ইউআরএল=https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1425340.bdnews|সংগ্রহের-তারিখ=১৮ মে ২০১৮|প্রকাশক=বিডিনিউজটুয়েন্টিফোর|তারিখ=২৩ নভেম্বর ২০১৭|আর্কাইভের-তারিখ=২১ মে ২০১৮|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20180521021110/https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1425340.bdnews|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=সংসদে গুম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য কী ইঙ্গিত দেয়?|ইউআরএল=http://www.dw.com/bn/সংসদে-গুম-নিয়ে-প্রধানমন্ত্রীর-বক্তব্য-কী-ইঙ্গিত-দেয়/a-41519468|সংগ্রহের-তারিখ=১৮ মে ২০১৮|এজেন্সি=ডয়চে ভেলে|তারিখ=২৪ নভেম্বর ২০১৭}} ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের দার্শনিক]] l2wic78bqb8h8sjhr758djt8ku4uuyr 84157 84156 2026-08-10T17:36:24Z ফারদিন 52 উক্তি যোগ 84157 wikitext text/x-wiki '''[[:w:ফরহাদ মজহার|ফরহাদ মজহার]]''' (জন্ম: ৯ আগস্ট ১৯৪৭) একজন বাংলাদেশি কবি, লেখক, গবেষক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, দার্শনিক ও বুদ্ধিজীবী, সমাজ ও মানবাধিকার কর্মী, ঔষধশাস্ত্রবিদ এবং পরিবেশবাদী। ==উক্তি== *আমাকে যারা নিন্দা করেন, আমি তাদের উপভোগ করি। **ফরহাদ মজহার [https://www.bbc.com/bengali/news-40491576] * গণঅভ্যুত্থান হয়ে গিয়েছে [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সহায়তায় ‘রেজিম চেঞ্জ’। মার্কিন অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষক জেফরি স্যাকস ১৮ আগস্ট দাবি করলেন, ‘দ্য ভেরি স্ট্রং এভিডেন্স অব দ্য ইউএস রোল ইন টপলিং দ্য গভর্নমেন্ট অব [[ইমরান খান]] ইন [[পাকিস্তান]] রেইজেজ দ্য লাইকলিহুড দ্যাট সামথিং সিমিলার মে হ্যাভ অকারড ইন বাংলাদেশ’ (পাকিস্তানে ইমরান খানের সরকার পতনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার খুবই শক্ত প্রমাণ রয়েছে। এ থেকে ধারণা তৈরি হয়, একই রকম কিছু বাংলাদেশে ঘটে থাকতে পারে)। কথাটা তো ফেলে দেওয়া যাচ্ছে না। ** জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে। ২০২৫ সালের ২ জুলাই সমকাল পত্রিকায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে। [https://samakal.com/opinion/article/303351/%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E2%80%98%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AE-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E2%80%99] * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কিছু সেফ হাউজ তৈরি করেছে। মনে রাখেন, এগুলোতে মগজধলাই হয়েছে। যারা সেফ হাউজে ছিল, তারা আমাকে ফোন করেছিল। তারা বলতেছে, আমাদের ওপর চাপ দিতেছে যে, আমরা যেন [[শেখ হাসিনা|শেখ হাসিনার]] পদত্যাগের কথা বলি। ফলে তরুণ ছাত্রদের যারা তখন জীবনের বাঁচাবার জন্য, তাদের সেই অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে আপনি তাদের বিভিন্ন সেফ হাউজে রেখেছেন এবং প্রতিদিন তাদের আপনি বলছেন যে তোমরা খালি পদত্যাগ চাইবে। [এসময় সঞ্চালক জানতে চান, যুক্তরাষ্ট্র কি শেখ হাসিনার পদত্যাগ চেয়েছিল? জবাবে তিনি বলেন,] হ্যাঁ, যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছে। ** অনলাইন গণমাধ্যম ''আলাপ''-এর সঙ্গে এক পডকাস্ট [https://www.banglatribune.com/politics/961619/%E2%80%98%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AB-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%9F%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%97%E0%A6%9C%E0%A6%A7%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E2%80%99-%E0%A6%95%E0%A7%80 সাক্ষাৎকারে]। * আমি সবসময় একই ধরনের কথা বলেছি। বিগত দিনে শেখ হাসিনা যদি বুঝতো, তাহলে তো ফ্যাসিবাদী আচরণ করতেন না। অতীতে [[মোসাদ|মোসাদের]] সঙ্গে সম্পৃক্ত কেউ কেউ [[w:bn:তারেক রহমানের মন্ত্রিসভা|এখন মন্ত্রিসভার]] সদস্য। আমি এগুলো বললেই অনেকে প্রশ্ন তোলেন। ** অনলাইন গণমাধ্যম ''আলাপ''-এর পডকাস্টে করা মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া অভিযোগের বিষয়ে বাংলা ট্রিবিউনের প্রশ্নের [https://www.banglatribune.com/politics/961619/ জবাবে]। ==সম্পর্কিত উক্তি== * “আমাদের একজন স্বনামধন্য ''আঁতেল'' ‍গুম হয়ে গেলেন। পরে দেখা গেল উনি গুম হননি। উনি নিজে নিজেই খুলনায় গেলেন। পরে তাকে খুঁজে পাওয়া গেল। এর দোষটা আমাদের৷ এ ধরনের আরও অনেক ঘটনা তো ঘটে যাচ্ছে৷ আমি তার নামধাম বলতে চাই না।“ ** ২০১৭ সালে নিখোঁজ হওয়ার পর উদ্ধার হওয়া ফরহাদ মজহারের দিকে ইঙ্গিত করে বাংলাদেশের সমসাময়িক প্রধানমন্ত্রী [[শেখ হাসিনা]] সংসদ অধিবেশনে{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=গুম আমেরিকায় আরও ভয়াবহ: হাসিনা|ইউআরএল=https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1425340.bdnews|সংগ্রহের-তারিখ=১৮ মে ২০১৮|প্রকাশক=বিডিনিউজটুয়েন্টিফোর|তারিখ=২৩ নভেম্বর ২০১৭|আর্কাইভের-তারিখ=২১ মে ২০১৮|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20180521021110/https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1425340.bdnews|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর}}{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=সংসদে গুম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য কী ইঙ্গিত দেয়?|ইউআরএল=http://www.dw.com/bn/সংসদে-গুম-নিয়ে-প্রধানমন্ত্রীর-বক্তব্য-কী-ইঙ্গিত-দেয়/a-41519468|সংগ্রহের-তারিখ=১৮ মে ২০১৮|এজেন্সি=ডয়চে ভেলে|তারিখ=২৪ নভেম্বর ২০১৭}} ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের দার্শনিক]] 678d66fwk4tfjeomojx6f33gxpo8yqp ব্যবহারকারী আলাপ:Jjaa1111 3 14181 84159 2026-08-11T00:13:05Z অভ্যর্থনা কমিটি বট 1112 উইকিউক্তিতে স্বাগত! 84159 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Jjaa1111,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ০০:১৩, ১১ আগস্ট ২০২৬ (ইউটিসি) 909ctrmg8bhwkqfbom0w5uypmr36oau