উইকিউক্তি
bnwikiquote
https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.17
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিউক্তি
উইকিউক্তি আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
বিপিনচন্দ্র পাল
0
6954
84394
48839
2026-08-31T19:00:47Z
ফারদিন
52
/* উক্তি */ উক্তি যোগ
84394
wikitext
text/x-wiki
'''[[:w:বিপিনচন্দ্র পাল|বিপিনচন্দ্র পাল]]''' (৭ নভেম্বর ১৮৫৮ - ২০ মে ১৯৩২) প্রখ্যাত বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামী, বাগ্মী, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও লেখক। তিনি ছিলেন তথাকথিত লাল-বাল-পাল ত্রয়ীর একজন। ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে তিনি অনলবর্ষী বক্তৃতা দিতেন, তার আহ্বানে হাজার হাজার যুবক স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
== উক্তি ==
* তোমরা কেউ ইংরেজের কাছে কিল খেয়ে কিল চুরি কোরো না, পথে-ঘাটে যদি আত্মসম্মান বজায় রাখতে চাও, তাহলে ঘুসির বদলে ঘুসি মারতে শেখো।
** বিডন গার্ডেনে দেওয়া একটি বক্তৃতা। উল্লেখিত হয়েছে: [[প্রসাদদাস রায়]], [[s:যাঁদের দেখেছি/বারো|"বিপিনচন্দ্র পাল"]], ''যাঁদের দেখেছি'', কলকাতা, ১৯৫১।
* সাদা পাঁঠা দেখলেই ধরে বলি দেবে।
** ইংরেজদের সম্পর্কে মন্তব্য; সাদা পাঁঠা মানে ইংরেজ। উক্তিটির উল্লেখ হয়েছে: [[প্রসাদদাস রায়]], [[s:যাঁদের দেখেছি/বারো|"বিপিনচন্দ্র পাল"]], ''যাঁদের দেখেছি'', কলকাতা, ১৯৫১।
* বাঙ্গালী বাংলার কথা ভুলিয়া গিয়াছে। [[রামমোহন রায়|রামমোহন]] হইতে আরম্ভ করিয়া [[স্বামী বিবেকানন্দ|বিবেকানন্দ]] পর্যন্ত বাংলার শ্রেষ্ঠতম মনীষিগণ বাংলায় যে চিন্তা ও ভাবকে তিলে তিলে গড়িয়া তুলিয়াছিলেন, আজিকার বাঙ্গালী যুবকেরা কেবল নহেন অনেক বৃদ্ধেরা পর্যন্ত সে বাংলাকে চেনেন না। বাংলার চিন্তারাজ্য আজ নিষ্পন্দ, ভাবের স্রোত বন্ধ।
** "বাংলার বৈশিষ্ট্য", ''নবযুগের বাংলা'', যুগযাত্রী প্রকাশক লিমিটেড, কলকাতা, ১৯৫৫।
* পুরুষের রূপ যেমন শৌর্য্যে ও বীর্য্যে, রমণীর মাধুর্য্য তেমনি মাতৃত্বে।
** জেলের খাতা - বিপিনচন্দ্র পাল, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- যুগযাত্রী প্রকাশক লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল= ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৩
* [[বাঙালি জাতি|বাঙ্গালী]] যদি বাংলাকে ভুলিয়া যায় তাহা হইলে তাহারও আর জীবনের উপরে কোনও দাবী থাকিবে না। সে বাঁচিল কি মরিল, ইহাতে কি ভারতের, কি জগতের কিছুই আসিয়া যাইবে না। এই কথাটাই আজ বাঙ্গালীকে সকলের আগে ভাল করিয়া বুঝিতে হইবে।
** ''নবযুগের বাংলা'', প্রকাশক: যুগযাত্রী প্রকাশক লিমিটেড, প্রকাশকাল: বৈশাখ ১৩৬২, পৃষ্ঠা: ৯-১০
== বিপিনচন্দ্র পাল সম্পর্কে উক্তি ==
* যে কোন লেখক বক্তা হতে পারেন না, কিন্তু যে কোন বক্তা লেখক হতে পারেন। বিখ্যাত বক্তারা প্রস্তুত হবার সময় পেলে বক্তব্য বিষয় নিয়ে আগে নিবন্ধ রচনা করেন। [[কেশবচন্দ্র সেন]] ও [[সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়]] প্রভৃতি ভালো লেখক ছিলেন। বিপিনচন্দ্রও তাই।
** [[প্রসাদদাস রায়]], [[s:যাঁদের দেখেছি/বারো|"বিপিনচন্দ্র পাল"]], ''যাঁদের দেখেছি'', কলকাতা, ১৯৫১।
* তিনি কেবল চিন্তাশীল নন, রীতিমত পণ্ডিত ব্যক্তি ছিলেন। কিন্তু দলাদলির আবর্তে পড়ে মাঝে মাঝে ঘুলিয়ে যেত তাঁর মনীষা।
** [[প্রসাদদাস রায়]], [[s:যাঁদের দেখেছি/বারো|"বিপিনচন্দ্র পাল"]], ''যাঁদের দেখেছি'', কলকাতা, ১৯৫১।
* চিত্তরঞ্জন ব্রাহ্ম, বিপিনচন্দ্রও ব্রাহ্ম, কিন্তু তাঁহাদের “নারায়ণ” পত্রিকায় নতুন এক হিন্দুত্বের আদর্শ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছিল। শেষ পর্যন্ত চিত্তরঞ্জন প্রায় হিন্দু হয়েই গিয়েছিলেন। কিন্তু বিপিনচন্দ্রের মন বরাবরই ছিল ব্রাহ্মভাবাপন্ন। তবু দলগত নীতি বা “পলিসি”র খাতিরে তিনি মনে যা ভাবতেন, সব সময়ে মুখে তা স্বীকার করতে পারতেন না। তাই যে বিপিনচন্দ্র একদিন গণিকা অভিনেত্রীর ছবি ছাপতে ও তাঁকে অভিনন্দন দিতে কুণ্ঠিত হন নি, তিনিই পরে গল্পের এক কল্পিত গণিকার মহত্বকে অকৃতজ্ঞ ব্রাহ্মণের ছুঁতমার্গের উপরে স্থান দিতে রাজি হন নি। দলগত নীতির খাতির রাখতে গিয়ে পরম উদার বিপিনচন্দ্র মাঝে মাঝে অত্যন্ত অনুদার হয়ে উঠেছেন। তারই ফল তাঁর যুক্তিহীন রবীন্দ্রবিদ্বেষ।
** [[প্রসাদদাস রায়]], [[s:যাঁদের দেখেছি/বারো|"বিপিনচন্দ্র পাল"]], ''যাঁদের দেখেছি'', কলকাতা, ১৯৫১।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিসংকলন লেখক}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৫৮-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩২-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় সক্রিয়কর্মী]]
mwtzjc09wy199zsajsj7t6cr50wrnor
অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়
0
7404
84395
68290
2026-09-01T07:45:07Z
ফারদিন
52
/* উক্তি */ উক্তি যোগ
84395
wikitext
text/x-wiki
'''অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়''' (১ মার্চ ১৮৬১ — ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৩০) হলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি ইতিহাসবেত্তা ও সমাজকর্মী। তিনি বাংলাদেশের [[রাজশাহী জেলা|রাজশাহী জেলার]] তৎকালীন নেতৃস্থানীয় আইনজীবী ছিলেন। মানবিক জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায়, বিশেষ করে [[ইতিহাস]], [[সাহিত্য]], [[ভাষা]], [[সংস্কৃতি]], [[চিত্রকলা]] এবং [[প্রত্নতত্ত্ব]] বিষয়ে তার উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। ধারণা করা হয় তার বিচক্ষণতায় প্রভাবিত হয়েই [[শরৎকুমার রায়]] [[বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি]] এবং [[বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর]] প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
==উক্তি==
*ভারতবর্ষ একটি অতিবিস্তৃত মহাদেশ, বহু সংখ্যক ভিন্ন ভিন্ন দেশের একত্র সমাবেশে অসীম রহস্যের আধার হইয়া, এতকাল নীরবে কাল যাপন করিতেছিল। তাহার অতি পুরাতন ভূস্তর নিহিত পূর্বতন কীর্তি চিহ্ন অনাবিস্কৃত এবং অনালোচিত থাকিয়া, প্রকৃত তথ্যের সন্ধান প্রদান করিতে পারিতনা। তজ্জন্য ইউরোপীয়গণ ভারত পুরাতত্ত্বের প্রাচীনত্ত্ব সম্বন্ধে অনেক অলীক অনুমানের অবতারণা করিয়া আসিতেছিল এবং কোণ স্থলে অকস্মাৎ কোণ পুরাকীর্তি আবিস্কৃত হইলে তাহার মূলানুসন্ধানের জন্য যথাযোগ্য আয়োজন না করিয়াই, তাহাকে হয় ব্যাবিলনের, না হয় মিশরের, না হয় গ্রীস, রোমের প্রভাবচিহ্ন বলিয়া ব্যাখা করিতে চাহিতেন। তথাপি কোণ কোণ মনিষী ভারত স্থাপত্যের মধ্যে কোনপ্রকার পরপ্রভাবের চিহ্ন লক্ষ্য করিতে না পারিয়া, ভারতবর্ষকে প্রহেলিকাময় মনে করিতে বাধ্য হইত।
**''অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ'' -এর ''বঙ্গভূমী ও বাঙ্গালি পরিচ্ছেদ'' -এর অন্তর্গত ''মানব সভ্যতার আদি উদ্ভবক্ষেত্র'' উপপরিচ্ছেদ থেকে সংগৃহীত। প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় -এর পত্রিকা ''মানসী ও মর্ম্মবাণী'' -র ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের ফাল্গুন সংখ্যায় রচনাটি প্রকাশিত হয়েছিল। [https://www.google.co.in/books/edition/%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9_Rachana/u7FUDwAAQBAJ?hl=bn&gbpv=1/ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ]
*অতীতের সহিত বর্তমানের সম্বন্ধ আকস্মিক সম্বন্ধ হইতে পারে না। এখন যে সকল লোক-ব্যবহার প্রচলিত আছে, তাহার কিছু কিছু নিতান্ত আধুনিক কালে উদ্ভাবিত হইয়া থাকিলেও, অধিকাংশ লোক ব্যবহার যে স্মরণাতীত পুরাকাল হইতে কালস্রোতের সঙ্গে প্রবাহিত হইয়া আসিয়াছে, তাহাতে সংশয় প্রকাশের কারণ নাই। তাহার যথাযোগ্য বিশ্লেষণ-কার্য্য সুসম্পাদিত হইলে, বর্তমানের মধ্যেই চির পুরাতনের অনেক সন্ধান প্রাপ্ত হওয়া যাইতে পারে।
**''অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ'' -এর ''বঙ্গভূমী ও বাঙ্গালি পরিচ্ছেদ'' -এর ''অন্তর্গত মানব সভ্যতার আদি উদ্ভবক্ষেত্র'' উপপরিচ্ছেদ থেকে সংগৃহীত। প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় -এর পত্রিকা ''মানসী ও মর্ম্মবাণী'' -র ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের ফাল্গুন সংখ্যায় রচনাটি প্রকাশিত হয়েছিল।[https://www.google.co.in/books/edition/%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9_Rachana/u7FUDwAAQBAJ?hl=bn&gbpv=1/ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ]
*দিবসের এক ভাগ ইতিহাসের এবং পুরাণের অনুশীলনে যাপন করিবার প্রাচীন ব্যবস্থার মধ্যে স্পষ্টই দেখিতে পাওয়া যায় যে ইতিহাস এবং পুরাণ দুইটি পৃথক বিষয় বলিয়া পরিচিত ছিল, নচেৎ পৃথক ভাবে দুইটি উল্লিখিত হইত না।
**''অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ'' -এর ''বঙ্গভূমী ও বাঙ্গালি পরিচ্ছেদ'' -এর অন্তর্গত ''মানব সভ্যতার আদি উদ্ভবক্ষেত্র'' উপপরিচ্ছেদ থেকে সংগৃহীত। প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় -এর পত্রিকা ''মানসী ও মর্ম্মবাণী'' -র ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের ফাল্গুন সংখ্যায় রচনাটি প্রকাশিত হয়েছিল।[https://www.google.co.in/books/edition/%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9_Rachana/u7FUDwAAQBAJ?hl=bn&gbpv=1/ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ]
*যাহারা বাংলা দেশে জন্মগ্রহণ করিয়াছে, তাহাদের মধ্যে অনেক বাঙ্গালী বলিয়া পরিচিত হইতে লজ্জাবোধ করে ; তাহারা বলে বাংলা দেশে জন্মগ্রহণ করিলেই বাঙ্গালী হয় না। যাহাদের মাতৃভাষা বাঙ্গালা, তাহাদের মধ্যেও কেহ কেহ বাঙ্গালী বলিয়া পরিচিত হইতে ইতস্ততঃ করিয়া থাকে ; তাহারা বলে বাংলা ভাষায় কথাবার্তা কহিলেই বাঙ্গালী হয় না। তবে কাহাকে বাঙ্গালী বলিব?
** ''অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ'' -এর ''বঙ্গভূমী ও বাঙ্গালি পরিচ্ছেদ'' -এর অন্তর্গত ''বাঙ্গালী'' উপপরিচ্ছেদ থেকে সংগৃহীত। প্রবাসী পত্রিকায় ১৩০৮ বঙ্গাব্দের জৈষ্ঠ্য সংখ্যায় রচনাটি প্রকাশিত হয়। [https://www.google.co.in/books/edition/%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9_Rachana/u7FUDwAAQBAJ?hl=bn&gbpv=1/ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ]
*যাহারা স্মরণাতীত কাল হইতে বাঙ্গালা দেশে বংশানুক্রমে বাস করিয়া আসিতেছে, কদাপি বাঙ্গালার চতুঃসীমার বাহিরে পদার্পণ করে নাই, কেবল তাহারাই কি বাঙ্গালী? সে হিসাবে গারো কুকী এবং সাঁওতালেরাই খাঁটি বাঙ্গালী! বঙ্গবাসী ব্রাহ্মণ কায়স্থ বৈদ্য প্রভৃতি সভ্যজাতি বিদেশাগত উপনিবেশনিবাসী মাত্র।
** ''অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ'' -এর ''বঙ্গভূমী ও বাঙ্গালি পরিচ্ছেদ'' -এর অন্তর্গত ''বাঙ্গালী'' উপপরিচ্ছেদ থেকে সংগৃহীত। প্রবাসী পত্রিকায় ১৩০৮ বঙ্গাব্দের জৈষ্ঠ্য সংখ্যায় রচনাটি প্রকাশিত হয়। [https://www.google.co.in/books/edition/%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9_Rachana/u7FUDwAAQBAJ?hl=bn&gbpv=1/ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ]
*জন্মস্থান এবং মাতৃভাষা লইয়া বিচার করিতে হইলে বঙ্গদেশপ্রসূত বঙ্গভাষাভাষী ব্যক্তিমাত্রকেই এখন বাঙ্গালী বলিয়া অভিহিত করিতে হইবে। কাহার পূর্বপুরুষ কোন অজ্ঞাত পুরাকালে বঙ্গদেশে প্রথম পদার্পণ করিয়াছিলেন, সে কথা এখন বিচার করিবার প্রয়োজন নাই।
** ''অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ'' -এর ''বঙ্গভূমী ও বাঙ্গালি পরিচ্ছেদ'' -এর অন্তর্গত ''বাঙ্গালী'' উপপরিচ্ছেদ থেকে সংগৃহীত। প্রবাসী পত্রিকায় ১৩০৮ বঙ্গাব্দের জৈষ্ঠ্য সংখ্যায় রচনাটি প্রকাশিত হয়। [https://www.google.co.in/books/edition/%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9_Rachana/u7FUDwAAQBAJ?hl=bn&gbpv=1/ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ]
*যাহারা সমুদ্রতীরে বাস করে, তাহারা কৌতূহল ও বিস্ময়ে অভিভূত হইয়াই প্রথমে সমুদ্রবেলায় বিচরণ করে, পরে কুলে কুলে পরিভ্রমণ ও ক্রমশঃ সমুদ্রবক্ষে বিচরণ করিবার জন্য ব্যস্ত হইয়া পোতাদি নির্ম্মাণ করিতে থাকে ; অবশেষে সমুদ্রই তাহাদের শৌর্য্য বীর্য্য ও ধনাগমের নিদান হইয়া পড়ে–স্থলপথ অপেক্ষা জলপথেই অধিক অনুরাগ বর্দ্ধিত হইতে থাকে। নিত্য নূতন দেশে পদার্পণ নিত্য অপরিজ্ঞাত পূর্ব্ব শোভাসন্দর্শন, নিত্য নবোৎসাহে ধনাহরণ, এবং নিত্য নবকীৰ্ত্তি সংস্থাপনের লোভে সমুদ্রকূলনিবাসী মানবসমাজ সমদ্রভ্রমণে সুদক্ষ হইয়া উঠে।
** ''অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ'' -এর ''বঙ্গভূমী ও বাঙ্গালি পরিচ্ছেদ'' -এর অন্তর্গত ''বাঙ্গালী'' উপপরিচ্ছেদ থেকে সংগৃহীত। প্রবাসী পত্রিকায় ১৩০৮ বঙ্গাব্দের জৈষ্ঠ্য সংখ্যায় রচনাটি প্রকাশিত হয়। [https://www.google.co.in/books/edition/%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9_Rachana/u7FUDwAAQBAJ?hl=bn&gbpv=1/ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ]
*অখণ্ড মহাকালকে খণ্ড খণ্ড করিয়া লইয়া তাহারই এক অংশকে অতীত বলি, এক অংশকে বর্তমান বলি, আর এক অংশকে ভবিষ্যৎ বলি। প্রকৃতপক্ষে, তাহাদের মধ্যে এক অখণ্ড যোগসূত্র বর্তমান আছে। ইতিহাস সেই যোগসূত্রের সন্ধান প্রদান করে।
** ''অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ'' -এর ''বঙ্গভূমী ও বাঙ্গালি পরিচ্ছেদ'' -এর অন্তর্গত ''বাঙ্গালীর আদর্শ'' উপপরিচ্ছেদ থেকে সংগৃহীত। ''সাহিত্য'' পত্রিকার ১৩২৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখ সংখ্যায় প্রকাশিত হয় রচনাটি। [https://www.google.co.in/books/edition/%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9_Rachana/u7FUDwAAQBAJ?hl=bn&gbpv=1/ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ]
*অধঃপতনের কাল প্রকৃত সঙ্কটকাল নয়; কিন্তু অভ্যুদয়ের কালই প্রকৃত সঙ্কটকাল। আমরা এক দিন না একদিন অবশ্যই উঠিব, জগতের জনসমাজের মধ্যে দশ জনের এক জন হইয়া উঠিব। কিন্তু কেমন হইয়া উঠিব? আমরা কি দৈত্যদানবের মতো ক্ষমাশূন্য বাহুবল লইয়া বসুন্ধরা হইতে সকল সভ্যতা, সকল শৃঙ্খলা, সকল উন্নতি চিরপদদলিত করিতে করিতে, প্রচণ্ড তাণ্ডবে জলস্থল কম্পান্বিত করিয়া উঠিব? অথবা জগতের সম্মুখে মানবতার মহান আদর্শ সুসংস্থাপিত করিবার জন্য ধর্ম্মের নামে, সত্যের নামে, প্রীতির নামে, পবিত্রতার নামে, মনুষ্যত্বের নামে, – প্রসন্ননয়নে প্রবুদ্ধ হইয়া উঠিব? আমরা কোন আদর্শের অনুগামী হইব, তাহার উপরই তাহা সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করিবে। তাই বলিয়াছি, অভ্যুদয়ের কালই প্রকৃত সঙ্কটকাল।
** ''অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ'' -এর ''বঙ্গভূমী ও বাঙ্গালি পরিচ্ছেদ'' -এর অন্তর্গত ''বাঙ্গালীর আদর্শ'' উপপরিচ্ছেদ থেকে সংগৃহীত। ''সাহিত্য'' পত্রিকার ১৩২৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখ সংখ্যায় প্রকাশিত হয় রচনাটি। [https://www.google.co.in/books/edition/%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9_Rachana/u7FUDwAAQBAJ?hl=bn&gbpv=1/ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ]
*ভাঙ্গা নহে, গড়া ; গড়া নহে, সংশোধন ; সংশোধন নহে, সংস্কার ; সংস্কার নহে, চিরাগতকে নবাগতের সঙ্গে সুসঙ্গতভাবে খাপ খাওয়াইয়া লওয়া, ইহাই যে যক্তিযুক্ত কার্য্য, বিচারবুদ্ধি তাহারই পক্ষ সমর্থন করিবে। তাহাই প্রকৃত লক্ষ্য বলিয়া সকলের নিকটেই প্রতিভাত হইবে।
** ''অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ'' -এর ''বঙ্গভূমী ও বাঙ্গালি পরিচ্ছেদ'' -এর অন্তর্গত ''বাঙ্গালীর আদর্শ'' উপপরিচ্ছেদ থেকে সংগৃহীত। ''সাহিত্য'' পত্রিকার ১৩২৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখ সংখ্যায় প্রকাশিত হয় রচনাটি। [https://www.google.co.in/books/edition/%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9_Rachana/u7FUDwAAQBAJ?hl=bn&gbpv=1/ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ]
*আজ যাহা ইতিহাসের কথা, একদিন তাহা প্রতিদিবসের শাসনতত্ত্বের কথা ছিল; আজ যাহা প্রতিদিবসের শাসনতত্ত্বের কথা, কালে তাহাই আবার ইতিহাসের কথা বলিয়া পরিচিত হইবে।
** ''অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ'' -এর ''বঙ্গভূমী ও বাঙ্গালি পরিচ্ছেদ'' -এর অন্তর্গত ''বাঙ্গালীর আদর্শ'' উপপরিচ্ছেদ থেকে সংগৃহীত। ''সাহিত্য'' পত্রিকার ১৩২৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখ সংখ্যায় প্রকাশিত হয় রচনাটি। [https://www.google.co.in/books/edition/%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9_Rachana/u7FUDwAAQBAJ?hl=bn&gbpv=1/ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ]
*অতীতের কথা ও বর্তমানের কথা, একই পর্যায়ের কথা; কেবল কালের পার্থক্যে একটির নাম ইতিহাস, অন্যটির নাম অন্য কিছু। সুতরাং অতীতকে বুঝিবার চেষ্টা বর্ত্তমানকে বুঝাইবার চেষ্টার নামান্তর মাত্র।
** ''অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ'' -এর ''বঙ্গভূমী ও বাঙ্গালি পরিচ্ছেদ'' -এর অন্তর্গত ''বাঙ্গালীর আদর্শ'' উপপরিচ্ছেদ থেকে সংগৃহীত। ''সাহিত্য'' পত্রিকার ১৩২৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখ সংখ্যায় প্রকাশিত হয় রচনাটি।[https://www.google.co.in/books/edition/%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9_Rachana/u7FUDwAAQBAJ?hl=bn&gbpv=1/ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রচনা সংগ্রহ]
* বাঙ্গালীর আধুনিক ইতিহাসেও স্বাতন্ত্র্যের অভাব নাই। ভারতবর্ষের অন্যান্য প্রদেশ যে পথে গিয়াছে, বাঙ্গালী সকল বিষয়ে, সকল সময়ে সে পথ অবলম্বন করিতে সম্মত হয় নাই। আধুনিক ইতিহাসে বাঙ্গালী ভীরু এবং কাপুরুষ বলিয়া তিরস্কৃত হইলেও, বাঙ্গালী স্বাতন্ত্র্যপ্রিয়—স্বাধীনতার উপাসক, —অপরাজিত পৃথক জাতি। বাঙ্গালী কখন বৌদ্ধ হইয়াছে, কখন হিন্দু হইয়াছে, কখন হিন্দুমুসলমান্ বিভক্ত হইয়া পড়িয়াছে; কিন্তু কদাচ দীর্ঘকাল পরাধীন থাকিতে সম্মত হয় নাই।
** ''ঐতিহাসিক চিত্র'' (সচিত্র মাসিক পত্র), ৩য় বর্ষ, ১ম সংখ্যা; প্রকাশকাল: বৈশাখ ১৩১৪; সম্পাদক: নিখিলনাথ রায়; পৃষ্ঠা: [https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%90%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0/%E0%A7%A7%E0%A7%A9%E0%A7%A7%E0%A7%AA/%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%96/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%B0_%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8 ৫]
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি ইতিহাসবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৬১-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩০-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]]
gq1q5l2fgl47fo7nic5rgtpt3jqii11
পান্তা ভাত
0
7810
84398
47757
2026-09-01T08:00:22Z
ফারদিন
52
[[c:Help:Gadget-Cat-a-lot/bn|ক্যাট-এ-লট]]: [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী সংস্কৃতি]] থেকে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের সংস্কৃতি]]-এ অনুলিপি
84398
wikitext
text/x-wiki
[[File:Panta_Ilish.jpg|thumb|
[[ইলিশ]] মাছের সাথে পান্তা ভাত ও শুঁটকি মাছ ভর্তা, আঁচার, ডাল ভর্তা, আলু ভর্তা, কাঁচা মরিচ, এবং পেঁয়াজ কুঁচির সংমিশ্রণের এই খাদ্যটি পহেলা বৈশাখ তথা নববর্ষের জনপ্রিয় খাদ্য।]]
'''[[:w:পান্তা ভাত|পান্তা ভাত]]''' গ্রামীণ বাঙালি জনগোষ্ঠীর একটি জনপ্রিয় খাবার। নৈশভোজের জন্য রান্না করা ভাত বেঁচে গেলে সংরক্ষণের জন্য জলে ভিজিয়ে রাখা হয়। পরদিন এই জলে ভিজিয়ে রাখা ভাত খাওয়া হয়। যাকে পান্তা ভাত বলা হয়। গ্রামীণ বাংলায় পান্তা ভাত সকালের খাবার হিসাবে খাওয়া হয়। সাধারণত লবণ, কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা ভাত খাওয়া হয় । অনেকেই আবার আলু ভর্তা,বেগুন ভর্তা,ডাল ভর্তা,শুটকি ভর্তা, সরিষার তেল, শুকনা মরিচ পোড়া ইত্যাদি সহযোগে পান্তা ভাত খেয়ে থাকেন। যা পান্তা ভাতের স্বাদ বৃদ্ধি করে।
== উক্তি ==
*ও বগী তুই খাস কি? <br/> পান্তা ভাত চাস কি? <br/> পান্তা আমি খাই না <br/> পুঁটি মাছ পাই না <br/> একটা যদি পাই <br/> অমনি ধরে গাপুস গুপুস খাই।
**কানা বগীর ছা, খান মুহাম্মদ মইনুদ্দীন [https://www.alkama.org/Classicpoems/KanaBogirChha.html]
*আগের দিন ভাতে জল দিয়ে রাখলে সেটা হত পান্তা ভাত। ভাত যাতে পচে না যায়, রাতের খাবার শেষে ভাত রয়ে গেলে ওটাকে পান্তা করে রাখা হত।
**একাত্তরের সাতসতেরো, বিজন সাহা, পৃষ্ঠা ৬৪[https://books.google.com.bd/books?id=NSY9EAAAQBAJ&pg=PT64]
*পান্তাভাত কিন্তু ছাইভস্ম নয়। পান্তাভাতের দারুণ ক্ষমতা। তাই বুঝি। ভাত তো শুধু কার্বোহাইড্রেট মশাই! আমি অবশ্য সায়েন্স জানি না। তবে পান্তাভাত খাই বলে আমি গায়ে বেশ জোর পাই।
**শীর্ষেন্দু ৭৫, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, পৃষ্ঠা ৫৫ [https://books.google.com.bd/books?id=HZekDwAAQBAJ&pg=PA97]
*গ্রাম বাংলার ধনী গরীব সনাতন কাল হতে পান্তাভাতে অভ্যস্ত। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খৃষ্টান এমনকি শাওতাল, মুন্ডার 'পান্তাভাত' প্রভাতের সঙ্গী। চরম দুর্দিনে কাঁচা মরিচ, লবন আর ঠান্ডা পানি মিশ্রিত ঠান্ডা ভাত বাঁচিয়ে রাখে গরীব অসহায় মানুষকে আকালে। এদের সাথে অবলীলায় হাসি মুখে পান্তাভাত খেয়ে নিজেকে সমর্পন করে দুঃখের দিনের বন্ধু হয়েছেন ঐশ্বর্য মন্ডিত সাধক প্রয়াত: মির্যা তাহের আহমদ সাহেব। খলিল জীবরানের ভাষায় যে খাদ্যে ভালোবাসা থাকে তা হয় মধুর। বাংলাদেশের গরীব মানুষের ভালোবাসার সুগন্ধ পেয়েছিলেন তিনি। তাই জীবনের শেষ অংশে বাংলাদেশের কথা ভুলেন নি। আহা! এ পান্তাভাতের দেশে তাঁর আসার বড় সখ ছিল।
**হযরত মির্যা তাহের আহমদ (রাহে.)-এর বাংলাদেশ সফর, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বাবুল, পৃষ্ঠা ৭২ [https://books.google.com.bd/books?id=gGFZEAAAQBAJ&pg=PT68]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রামীণ খাদ্যরীতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী সংস্কৃতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের সংস্কৃতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের খাদ্য]]
71yhtshpdb1budqxmp17mdeetm108rg
84400
84398
2026-09-01T08:02:39Z
ফারদিন
52
[[c:Help:Gadget-Cat-a-lot/bn|ক্যাট-এ-লট]]: [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী সংস্কৃতি]] সরানো হয়েছে
84400
wikitext
text/x-wiki
[[File:Panta_Ilish.jpg|thumb|
[[ইলিশ]] মাছের সাথে পান্তা ভাত ও শুঁটকি মাছ ভর্তা, আঁচার, ডাল ভর্তা, আলু ভর্তা, কাঁচা মরিচ, এবং পেঁয়াজ কুঁচির সংমিশ্রণের এই খাদ্যটি পহেলা বৈশাখ তথা নববর্ষের জনপ্রিয় খাদ্য।]]
'''[[:w:পান্তা ভাত|পান্তা ভাত]]''' গ্রামীণ বাঙালি জনগোষ্ঠীর একটি জনপ্রিয় খাবার। নৈশভোজের জন্য রান্না করা ভাত বেঁচে গেলে সংরক্ষণের জন্য জলে ভিজিয়ে রাখা হয়। পরদিন এই জলে ভিজিয়ে রাখা ভাত খাওয়া হয়। যাকে পান্তা ভাত বলা হয়। গ্রামীণ বাংলায় পান্তা ভাত সকালের খাবার হিসাবে খাওয়া হয়। সাধারণত লবণ, কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা ভাত খাওয়া হয় । অনেকেই আবার আলু ভর্তা,বেগুন ভর্তা,ডাল ভর্তা,শুটকি ভর্তা, সরিষার তেল, শুকনা মরিচ পোড়া ইত্যাদি সহযোগে পান্তা ভাত খেয়ে থাকেন। যা পান্তা ভাতের স্বাদ বৃদ্ধি করে।
== উক্তি ==
*ও বগী তুই খাস কি? <br/> পান্তা ভাত চাস কি? <br/> পান্তা আমি খাই না <br/> পুঁটি মাছ পাই না <br/> একটা যদি পাই <br/> অমনি ধরে গাপুস গুপুস খাই।
**কানা বগীর ছা, খান মুহাম্মদ মইনুদ্দীন [https://www.alkama.org/Classicpoems/KanaBogirChha.html]
*আগের দিন ভাতে জল দিয়ে রাখলে সেটা হত পান্তা ভাত। ভাত যাতে পচে না যায়, রাতের খাবার শেষে ভাত রয়ে গেলে ওটাকে পান্তা করে রাখা হত।
**একাত্তরের সাতসতেরো, বিজন সাহা, পৃষ্ঠা ৬৪[https://books.google.com.bd/books?id=NSY9EAAAQBAJ&pg=PT64]
*পান্তাভাত কিন্তু ছাইভস্ম নয়। পান্তাভাতের দারুণ ক্ষমতা। তাই বুঝি। ভাত তো শুধু কার্বোহাইড্রেট মশাই! আমি অবশ্য সায়েন্স জানি না। তবে পান্তাভাত খাই বলে আমি গায়ে বেশ জোর পাই।
**শীর্ষেন্দু ৭৫, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, পৃষ্ঠা ৫৫ [https://books.google.com.bd/books?id=HZekDwAAQBAJ&pg=PA97]
*গ্রাম বাংলার ধনী গরীব সনাতন কাল হতে পান্তাভাতে অভ্যস্ত। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খৃষ্টান এমনকি শাওতাল, মুন্ডার 'পান্তাভাত' প্রভাতের সঙ্গী। চরম দুর্দিনে কাঁচা মরিচ, লবন আর ঠান্ডা পানি মিশ্রিত ঠান্ডা ভাত বাঁচিয়ে রাখে গরীব অসহায় মানুষকে আকালে। এদের সাথে অবলীলায় হাসি মুখে পান্তাভাত খেয়ে নিজেকে সমর্পন করে দুঃখের দিনের বন্ধু হয়েছেন ঐশ্বর্য মন্ডিত সাধক প্রয়াত: মির্যা তাহের আহমদ সাহেব। খলিল জীবরানের ভাষায় যে খাদ্যে ভালোবাসা থাকে তা হয় মধুর। বাংলাদেশের গরীব মানুষের ভালোবাসার সুগন্ধ পেয়েছিলেন তিনি। তাই জীবনের শেষ অংশে বাংলাদেশের কথা ভুলেন নি। আহা! এ পান্তাভাতের দেশে তাঁর আসার বড় সখ ছিল।
**হযরত মির্যা তাহের আহমদ (রাহে.)-এর বাংলাদেশ সফর, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বাবুল, পৃষ্ঠা ৭২ [https://books.google.com.bd/books?id=gGFZEAAAQBAJ&pg=PT68]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রামীণ খাদ্যরীতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের সংস্কৃতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের খাদ্য]]
rhvozrq0wz8pfjf0gr27q4epth90y4f
পহেলা বৈশাখ
0
7812
84389
47756
2026-08-31T18:03:01Z
ফারদিন
52
হটক্যাটের মাধ্যমে +[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের উৎসব]]; +[[বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের উৎসব]]
84389
wikitext
text/x-wiki
'''[[:w:পহেলা বৈশাখ|পহেলা বৈশাখ]]''' বা পয়লা বৈশাখ (বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের ১ তারিখ) বঙ্গাব্দের প্রথম দিন, তথা বাংলা নববর্ষ। দিনটি সকল বাঙালি জাতির ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণের দিন। দিনটি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষ হিসেবে বিশেষ উৎসবের সাথে পালিত হয়। ত্রিপুরায় বসবাসরত বাঙালিরাও এই উৎসবে অংশ নিয়ে থাকে। পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশে জাতীয় উৎসব হিসেবে পালিত হয়ে থাকে। সে হিসেবে এটি বাঙালিদের একটি সর্বজনীন লোকউৎসব হিসাবে বিবেচিত। পহেলা বৈশাখ উদযাপনের শুরু হয়েছিল পুরান ঢাকার মুসলিম মাহিফরাস সম্প্রদায়ের হাতে।
[[চিত্র:Pohela boishakh 2.jpg|thumb|মঙ্গল শোভাযাত্রা, [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] এলাকা]]
[[চিত্র:PoheLaBoishakMongolSovaJatra5.JPG|thumb|মঙ্গল শোভাযাত্রা, টিএসসি]]
[[চিত্র:Pohela boishakh 10.jpg|thumb|বৈশাখী মেলা]]
== উক্তি ==
*পয়লা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ বাঙালির এক অনন্য উৎসব, তার অন্যতম জাতীয় উৎসব। এর ঐতিহ্য সুপ্রাচীন ও গৌরবমণ্ডিত।
**কবীর চৌধুরী, জয়তু পহেলা বৈশাখ, বাংলাদেশের উৎসব: নববর্ষ, পৃষ্ঠা ২০০
*এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ <br/> তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, <br/> বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক <br/> যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি, <br/> অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক। <br/> মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, <br/> অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।
**এসো হে বৈশাখ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [https://www.kobitacocktail.com/এসো-হে-বৈশাখ-রবীন্দ্রসঙ/]
*দিন চলে যায় ঋতুর খেয়ায়, আসে ও যায় বছর মাস কারো কাটে কষ্টে আবার কেউ বা করে সুখেই বাস বদল খেলায় রঙিন আলোয় সুবজ পাতায় লাগে দোল বছর ঘুরে বোশেখ আসে একতারা ও বাজে ঢোল।
**বোশেখ আসে, শাহনারা রশিদ[https://www.bangla-kobita.com/shahanara/poem20140414092911]
*বৈশাখ হে, মৌনী তাপস, কোন্ অতলের বাণী এমন কোথায় খুঁজে পেলে। তপ্ত ভালের দীপ্তি ঢাকি মন্থর মেঘখানি এল গভীর ছায়া ফেলে।
** রবীন্দ্র রচনাবলী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর , পৃষ্ঠা ২০
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি সংস্কৃতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের উৎসব]]
[[বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের উৎসব]]
fz7qhad8n607awbtvlypxwot0ikaqn5
ব্যবহারকারী:ফারদিন/common.js
2
8688
84396
84103
2026-09-01T07:54:59Z
ফারদিন
52
84396
javascript
text/javascript
mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/GadgetPreview.js&action=raw&ctype=text/javascript');
mw.loader.load('https://commons.wikimedia.org/w/index.php?title=MediaWiki:Gadget-HotCat.js&action=raw&ctype=text/javascript');
mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:Md.Farhan Mahmud/ট্যাগ_সংযোজন.js&action=raw&ctype=text/javascript');
mw.loader.load('//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:SHEIKH/Rollback.js&action=raw&ctype=text/javascript');
mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:Md.Farhan Mahmud/মিডিয়াউইকি:Gadget-markAdmins.js&action=raw&ctype=text/javascript');
if(!window.Morebits){
window.Morebits = mw.loader.load("//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=মিডিয়াউইকি:Gadget-morebits.js&action=raw&ctype=text/javascript");
}
var sidebarObj = {
vector: "mw-panel",
monobook: "globalWrapper",
timeless: "personal-inner",
"vector-2022": "mw-panel",
};
//xtools();
mw.loader.load("//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ মারুফ/বার্তাপ্রদান.js&action=raw&ctype=text/javascript");
mw.loader.load("//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:Md.Farhan Mahmud/welcome.js&action=raw&ctype=text/javascript");
mw.loader.load('//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:RiazACU/Restorer.js&action=raw&ctype=text/javascript');
/* mw.loader.load("//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ মারুফ/numTranslator.js&action=raw&ctype=text/javascript"); */
$( document ).ready( function() {
mw.util.addPortletLink(
'p-personal',
mw.util.getUrl( 'বিশেষ:লগ/newusers' ), //No need for a variable.
'স্বাগত বার্তা পাঠান',
'pt-স্বাগত বার্তা পাঠান',
'স্বাগত বার্তা পাঠান',
null,
'#pt-স্বাগত বার্তা পাঠান'
);
});
mw.loader.load('https://bn.wikipedia.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:Yahya/URLdecoder.js&action=raw&ctype=text/javascript');
// ক্যাট-অ্যা-লট
window.catALotPrefs = {editpages: true};
mw.loader.using(['mediawiki.util']).done(function(){
mw.loader.load('//commons.wikimedia.org/w/index.php?title=MediaWiki:Gadget-Cat-a-lot.js&action=raw&ctype=text/javascript');
mw.loader.load('//commons.wikimedia.org/w/index.php?title=MediaWiki:Gadget-Cat-a-lot.css&action=raw&ctype=text/css', 'text/css');
});
hgf7ytt7wj545v8skmizal1fiq9r6bn
নবান্ন
0
8940
84397
72225
2026-09-01T08:00:22Z
ফারদিন
52
[[c:Help:Gadget-Cat-a-lot/bn|ক্যাট-এ-লট]]: [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী সংস্কৃতি]] থেকে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের সংস্কৃতি]]-এ অনুলিপি
84397
wikitext
text/x-wiki
'''{{W|নবান্ন}}''' বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী ধানের বা পিঠার উৎসব। বাংলার কৃষিজীবী সমাজে শস্য উৎপাদনের বিভিন্ন পর্যায়ে যে সকল আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব পালিত হয়, নবান্ন তার মধ্যে অন্যতম। "নবান্ন" শব্দের অর্থ "নতুন অন্ন" বা "নব অন্ন"। নবান্ন উৎসব হলো নতুন আমন ধান কাটার পর সেই ধান থেকে প্রস্তুত চালের প্রথম রান্না উপলক্ষে আয়োজিত উৎসব। সাধারণত বাংলা অগ্রহায়ণ মাসে অর্থাৎ হেমন্তকালে আমন ধান পাকার পর এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। কোথাও কোথাও মাঘ মাসেও নবান্ন উদ্যাপনের প্রথা রয়েছে।
== উক্তি ==
* আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে—এই বাংলায়<br>হয়তো মানুষ নয়—হয়তো বা শঙ্খচিল শালিখের বেশে;<br>হয়তো ভোরের [[কাক]] হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে<br>কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল-ছায়ায়;
** রূপসী বাংলা - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* জননী, তোমার শুভ আহ্বান<br>গিয়েছে নিখিল ভুবনে--<br>নূতন ধান্যে হবে নবান্ন<br>তোমার ভবনে ভবনে।<br>অবসর আর নাহিকো তোমার--<br>আঁটি আঁটি ধান চলে ভারে ভার,<br>গ্রামপথে-পথে গন্ধ তাহার<br>ভরিয়া উঠিছে পবনে।<br>জননী, তোমার আহ্বান লিপি<br>পাঠায়ে দিয়েছ ভুবনে।
** কল্পনা - [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], প্রকাশক - বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), [https://bn.m.wikisource.org/wiki/পাতা:কল্পনা-রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর.djvu/৪৫ পৃষ্ঠা ৪৪]
* [[অগ্রহায়ণ|অঘ্রাণে]] নবান্ন দেয় নতুন ধান কেটে,<br/>পৌষ মাসে বাউনী বাঁধে ঘরে ঘরে পিঠে।<br/>মাঘ মাসে শ্রীপঞ্চমী ছেলের হাতে খড়ি,<br/>ফাগুন মাসে দোলযাত্রা ফাগ ছড়াছড়ি।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], [[s:বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী/সন্ধ্যার উৎসব|সন্ধ্যার উৎসব]]- বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৮
* আশ্বিনে অম্বিকা-পূজা বলি পড়ে পাঁঠা,<br/>কার্ত্তিকে কালিকা-পূজা ভাই-দ্বিতীয়ার ফোঁটা।<br/>অঘ্রাণে নবান্ন দেয় নূতন ধান কেটে,<br/>পৌষ মাসে বাউনী বাঁধে ঘরে ঘরে পিঠে।
** [[যোগীন্দ্রনাথ সরকার]], বারমেসে ছড়া, খুকুমণির ছড়া - যোগীন্দ্রনাথ সরকার, প্রকাশক- সিটি বুক সোসাইটি, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২৪
* মনে আছে একদিন তোমাদের ঘরে<br/>নবান্ন উজাড় ক’রে পাঠিয়েছি সোনার বছরে,<br/>নির্ভাবনার হাসি ছড়িয়েছি মুখে<br/>তৃপ্তির প্রগাঢ় চিহ্ন এনেছি সম্মুখে,<br/>সেদিনের অলক্ষ সেবার বিনিময়ে<br/>আজ শুধু কাস্তে দাও আমার এ হাতে।
** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], ফসলের ডাকঃ ১৩৫১, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮১
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি সংস্কৃতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী সংস্কৃতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের সংস্কৃতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের উৎসব]]
[[বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের উৎসব]]
cbysa4rmjvjzephcsiiapvk3wzpmjzd
84399
84397
2026-09-01T08:02:39Z
ফারদিন
52
[[c:Help:Gadget-Cat-a-lot/bn|ক্যাট-এ-লট]]: [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী সংস্কৃতি]] সরানো হয়েছে
84399
wikitext
text/x-wiki
'''{{W|নবান্ন}}''' বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী ধানের বা পিঠার উৎসব। বাংলার কৃষিজীবী সমাজে শস্য উৎপাদনের বিভিন্ন পর্যায়ে যে সকল আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব পালিত হয়, নবান্ন তার মধ্যে অন্যতম। "নবান্ন" শব্দের অর্থ "নতুন অন্ন" বা "নব অন্ন"। নবান্ন উৎসব হলো নতুন আমন ধান কাটার পর সেই ধান থেকে প্রস্তুত চালের প্রথম রান্না উপলক্ষে আয়োজিত উৎসব। সাধারণত বাংলা অগ্রহায়ণ মাসে অর্থাৎ হেমন্তকালে আমন ধান পাকার পর এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। কোথাও কোথাও মাঘ মাসেও নবান্ন উদ্যাপনের প্রথা রয়েছে।
== উক্তি ==
* আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে—এই বাংলায়<br>হয়তো মানুষ নয়—হয়তো বা শঙ্খচিল শালিখের বেশে;<br>হয়তো ভোরের [[কাক]] হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে<br>কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল-ছায়ায়;
** রূপসী বাংলা - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* জননী, তোমার শুভ আহ্বান<br>গিয়েছে নিখিল ভুবনে--<br>নূতন ধান্যে হবে নবান্ন<br>তোমার ভবনে ভবনে।<br>অবসর আর নাহিকো তোমার--<br>আঁটি আঁটি ধান চলে ভারে ভার,<br>গ্রামপথে-পথে গন্ধ তাহার<br>ভরিয়া উঠিছে পবনে।<br>জননী, তোমার আহ্বান লিপি<br>পাঠায়ে দিয়েছ ভুবনে।
** কল্পনা - [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], প্রকাশক - বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), [https://bn.m.wikisource.org/wiki/পাতা:কল্পনা-রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর.djvu/৪৫ পৃষ্ঠা ৪৪]
* [[অগ্রহায়ণ|অঘ্রাণে]] নবান্ন দেয় নতুন ধান কেটে,<br/>পৌষ মাসে বাউনী বাঁধে ঘরে ঘরে পিঠে।<br/>মাঘ মাসে শ্রীপঞ্চমী ছেলের হাতে খড়ি,<br/>ফাগুন মাসে দোলযাত্রা ফাগ ছড়াছড়ি।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], [[s:বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী/সন্ধ্যার উৎসব|সন্ধ্যার উৎসব]]- বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৮
* আশ্বিনে অম্বিকা-পূজা বলি পড়ে পাঁঠা,<br/>কার্ত্তিকে কালিকা-পূজা ভাই-দ্বিতীয়ার ফোঁটা।<br/>অঘ্রাণে নবান্ন দেয় নূতন ধান কেটে,<br/>পৌষ মাসে বাউনী বাঁধে ঘরে ঘরে পিঠে।
** [[যোগীন্দ্রনাথ সরকার]], বারমেসে ছড়া, খুকুমণির ছড়া - যোগীন্দ্রনাথ সরকার, প্রকাশক- সিটি বুক সোসাইটি, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২৪
* মনে আছে একদিন তোমাদের ঘরে<br/>নবান্ন উজাড় ক’রে পাঠিয়েছি সোনার বছরে,<br/>নির্ভাবনার হাসি ছড়িয়েছি মুখে<br/>তৃপ্তির প্রগাঢ় চিহ্ন এনেছি সম্মুখে,<br/>সেদিনের অলক্ষ সেবার বিনিময়ে<br/>আজ শুধু কাস্তে দাও আমার এ হাতে।
** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], ফসলের ডাকঃ ১৩৫১, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮১
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি সংস্কৃতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের সংস্কৃতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের উৎসব]]
[[বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের উৎসব]]
q2pzj58ja0nnkh6thytykngqafp32bl
বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী সংস্কৃতি
14
8942
84401
50366
2026-09-01T08:09:09Z
ফারদিন
52
/* */
84401
wikitext
text/x-wiki
#Redirect [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের সংস্কৃতি]]
{{একটি পুনর্নির্দেশ}}
s7kui5k0ndgr9g55m4pfn5k9nihkf1l
84403
84401
2026-09-01T08:42:46Z
ফারদিন
52
/* */
84403
wikitext
text/x-wiki
{{বিষয়শ্রেণী পুনর্নির্দেশ|বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের সংস্কৃতি}}
0lni2n9evi1242xn65xv2gy7cwlpaoy
বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের উৎসব
14
8945
84390
50369
2026-08-31T18:03:26Z
ফারদিন
52
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের উৎসব]] যোগ
84390
wikitext
text/x-wiki
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের উৎসব]]
m851up92hzvzbvgb7rd8gkco19i9mf1
বিষয়শ্রেণী:হিন্দু উৎসব
14
11498
84391
68940
2026-08-31T18:07:24Z
ফারদিন
52
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:উৎসব]] যোগ
84391
wikitext
text/x-wiki
[[বিষয়শ্রেণী:উৎসব]]
272qwet47mtte9mb42e4465ogau9ary
রামনবমী
0
13743
84393
81587
2026-08-31T18:54:39Z
ফারদিন
52
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:উৎসব]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু উৎসব]] যোগ
84393
wikitext
text/x-wiki
[[File:Rama Navami 17.jpg|thumb|মহারাষ্ট্রের চিনাওয়াল গ্রামের মন্দিরে দোলনায় শিশু রাম]]
'''[[w:রামনবমী|রামনবমী]]''' হলো বসন্তকালীন একটি [[হিন্দু]] উৎসব যা হিন্দু দেবতা ভগবান [[রাম|রামের]] জন্মদিন পালনের উদ্দেশ্যে উদ্যাপন করা হয়। ভগবান [[w:বিষ্ণু|বিষ্ণুর]] সপ্তম [[w:অবতার|অবতার]] হিসেবে তিনি [[হিন্দুধর্ম|হিন্দুধর্মের]] [[w:বৈষ্ণবধর্ম|বৈষ্ণব]] ঐতিহ্যে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই উৎসবের মাধ্যমে অযোধ্যায় রাজা [[w:দশরথ|দশরথ]] ও রানী [[w:কৌশল্যা|কৌশল্যার]] ঘরে শ্রীরাম অবতাররূপে বিষ্ণুর মর্ত্যে আগমনকে স্মরণ করা হয়। উৎসবটি বসন্তকালীন [[w:নবরাত্রি|নবরাত্রির]] একটি অংশ এবং এটি [[w:হিন্দু পঞ্জিকা|হিন্দু পঞ্জিকা]] অনুযায়ী চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের নবমী তিথিতে পড়ে। সাধারণত প্রতি বছর গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের মার্চ বা এপ্রিল মাসে এই তিথিটি আসে। রামনবমী ভারতে একটি ঐচ্ছিক সরকারি ছুটি হিসেবে গণ্য হয়।
== উক্তি ==
* “চৈত্র মাসের ২৪ তারিখে, সমগ্র ভারতে অত্যন্ত সুপরিচিত রামের জন্মদিন উদ্যাপনের জন্য এখানে মানুষের এক বিশাল সমাবেশ ঘটে।”
** জোসেফ টিফেনথ্যালার। ‘হিস্ট্রি অ্যান্ড জিওগ্রাফি অফ ইন্ডিয়া’ (পৃষ্ঠা ২৫২-৫৪), কিশোর কুণালের (২০১৬) ‘অযোধ্যা রিভিজিটেড’ গ্রন্থে উদ্ধৃত। এছাড়াও এটি মীনাক্ষী জৈনের ‘রাম অ্যান্ড অযোধ্যা’ (২০১৩, পৃষ্ঠা ১৬৬) বইতে পাওয়া যায়।
* রামনবমী উৎসবের মাহাত্ম্যে সরযূ নদীতে স্নান করে, ভগবান রামের মূর্তির দর্শন পেয়ে এবং জন্মভূমি স্বচক্ষে দেখে তারা সবাই বিমানে চড়ে সান্তানক লোকে গমন করেছিল।
* জন্মভূমি দর্শন, ভগবান রামের বিগ্রহের সান্নিধ্য লাভ, সরযূ নদীতে অবগাহন এবং রামনবমী উৎসবের (রামের জন্মদিন) প্রভাবে সবাই বিমানে করে সান্তানক লোকে গিয়েছিল।
* হে ঋষিশ্রেষ্ঠ! আমি রামনবমীর পুণ্য তিথিতে দর্শন সেরেছিলাম।
** ড. শৈলজা পাণ্ডে সম্পাদিত ‘সত্যোপাখ্যান’, রাষ্ট্রীয় সংস্কৃত সংস্থান, গঙ্গানাথ ঝা পরিসর, এলাহাবাদ, ২০০৩। কিশোর কুণালের (২০১৬) ‘অযোধ্যা রিভিজিটেড’ বইতে উদ্ধৃত।
* মানুষ যদি রামনবমীর দিনে উপবাস রাখে, সরযূতে স্নান করে এবং দানধ্যান করে, তবে তারা জন্মের বন্ধন থেকে মুক্তি পায়।
** ‘রুদ্র-যামলের’ অন্তর্গত ‘অযোধ্যা-মাহাত্ম্যের’ ‘দরিদ্র-ভঞ্জনদুর্লভো’ নামক ১২তম অধ্যায়। কিশোর কুণালের (২০১৬) ‘অযোধ্যা রিভিজিটেড’ বইতে উদ্ধৃত।
* “তখন মহাদেব দেবীকে বললেন, ‘আমি তোমাকে অযোধ্যা, সরযূ, জন্মস্থান এবং নবমী তিথির মাহাত্ম্য বর্ণনা করেছি। যে ব্যক্তি এগুলো শোনে বা অন্যদের কাছে বর্ণনা করে, সে ইহকালের সব সুখ ভোগ করার পর অবশেষে মোক্ষ লাভ করে’।”
** ১৮৭৫ সালে ‘জার্নাল অফ দ্য এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গল’ (খণ্ড ৪৪)-এ প্রকাশিত রাম নারায়ণের ‘অযোধ্যা-মাহাত্ম্য’ অনুবাদ থেকে। কিশোর কুণালের (২০১৬) ‘অযোধ্যা রিভিজিটেড’ বইতে উদ্ধৃত।
* কেবল এই স্থানটি দর্শন করলেই একজন মানুষ বারবার জঠরে আসার যন্ত্রণা (অর্থাৎ পুনর্জন্ম) থেকে নিষ্কৃতি পায়। এর জন্য আলাদা করে দান-খয়রাত, কঠোর তপস্যা, যজ্ঞ বা তীর্থ ভ্রমণের প্রয়োজন পড়ে না। নবমী তিথিতে মানুষের পবিত্র ব্রত পালন করা উচিত। পুণ্য স্নান ও দান করার ক্ষমতাবলে সে জন্মের মায়া থেকে মুক্তি পায়।
** মেসার্স খেমরাজ শ্রীকৃষ্ণদাস প্রকাশিত ‘স্কন্দ-পুরাণের’ ‘অযোধ্যা-মাহাত্ম্যে’ বর্ণিত জন্মস্থানের বিবরণ। নাগ পাবলিশার্স, নয়াদিল্লি থেকে ১৯৮৬ সালে পুনঃমুদ্রিত, খণ্ড ২, বৈষ্ণব-খণ্ড, অধ্যায় ১০, পৃষ্ঠা ২৯৩আর। কিশোর কুণালের (২০১৬) ‘অযোধ্যা রিভিজিটেড’ বইতে উদ্ধৃত।
* যে ব্যক্তি (রাম) নবমীতে উপবাস করে, স্নান সারে এবং দান করে, সে জন্মস্থান দর্শনের মাধ্যমে জন্ম-জন্মান্তরের সব বিপদ থেকে উদ্ধার পায়।
** অক্সফোর্ডের বোডলিয়ান লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত ‘স্কন্দ পুরাণ’ পাণ্ডুলিপি, যা হান্স ব্যাকার ‘ও’ (O) হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এটি সবচেয়ে বড় সংস্করণ এবং এতে ৩০টি অধ্যায় আছে। একই লেখা ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে রাম নারায়ণ ইংরেজিতে অনুবাদ করে ‘জার্নাল অফ এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গল’-এ প্রকাশ করেছিলেন। পরে পণ্ডিত রামনারায়ণদাস এটি সম্পাদনা করেন এবং ১৮৯৮ সালে মুরাদাবাদের লক্ষ্মীনারায়ণ প্রেস থেকে ছাপানো হয়। কিশোর কুণালের (২০১৬) ‘অযোধ্যা রিভিজিটেড’ (অধ্যায় ২) গ্রন্থে উদ্ধৃত।
* যে ব্যক্তি (রাম) নবমীতে উপবাস করে, স্নান সারে এবং দান করে, সে জন্মস্থান দর্শনের মাধ্যমে জন্ম-জন্মান্তরের সব বিপদ থেকে উদ্ধার পায়।
** বৃন্দাবন রিসার্চ ইনস্টিটিউটে সংরক্ষিত বাংলা হরফের ‘স্কন্দ পুরাণ’ পাণ্ডুলিপি, যা হান্স ব্যাকার ‘বি’ (B) হিসেবে চিহ্নিত করেছেন (অধ্যায় ৫, পত্র ১৩ভি.-১৪ভি.)। কিশোর কুণালের (২০১৬) ‘অযোধ্যা রিভিজিটেড’ (অধ্যায় ২) গ্রন্থে উদ্ধৃত।
* “সন্ধ্যার মধ্যেই আমরা শ্রীক্ষেত্র অযোধ্যায় পৌঁছে কালে রাম মন্দিরে উঠেছিলাম। রামনবমী উৎসব (যেদিন ভগবান রাম জন্মেছিলেন) আসতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি ছিল, তাই পুরো অযোধ্যা শহর সাত থেকে আট লাখ তীর্থযাত্রী ও সাধু-সন্ন্যাসীর ভিড়ে থিকথিক করছিল। আগে কখনো এত বিপুল সংখ্যক সাধু ও বৈরাগী একসাথে দেখার সুযোগ হয়নি। সেখানে দক্ষিণ ভারত থেকেও অনেক তীর্থযাত্রী এসেছিলেন।” (পৃষ্ঠা ১৭৭)
** ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে বিষ্ণু ভট্ট গোডসে ভারসাইকরের অযোধ্যা ভ্রমণ কাহিনী। ‘মাঝা প্রবাস’ (আমার ভ্রমণ), অর্থাৎ ‘১৮৫৮ দ্য রিয়েল স্টোরি অফ দ্য গ্রেট আপরাইজিং’। কিশোর কুণালের (২০১৬) ‘অযোধ্যা রিভিজিটেড’ (অধ্যায় ১১) গ্রন্থে উদ্ধৃত।
* রামনবমী বা রামের জন্ম স্মরণের উৎসবটি ১৮৭১ সালের ৩০শে মার্চ মহরমের অষ্টম দিনের সাথে একই সময়ে পড়েছিল। বেরিলিতে এই হিন্দু উৎসবের প্রকাশ্য রীতি হলো—রামের একটি বিগ্রহকে শহরের বাইরের একটি কুঞ্জে নিয়ে যাওয়া, সেখানে বিগ্রহকে স্নান করিয়ে ফুল দিয়ে সাজানো এবং ধর্মীয় আচার শেষে পুনরায় মন্দিরে ফিরিয়ে আনা। এই শোভাযাত্রার আসা-যাওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট পথ ঠিক করা হয়েছিল এবং বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। এই পথটি তাজিয়া নিয়ে বের হওয়া মোহামেডান শোভাযাত্রার রাস্তা থেকে অনেক দূরে ছিল; আর যেহেতু কোনো পক্ষকেই শহরের ভিড়যুক্ত প্রধান রাস্তা দিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি, তাই অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের কোনো ভয় ছিল না। কিন্তু পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ থেকে বোঝা যায় যে মোহামেডান সম্প্রদায়ের একটি অংশ যে কোনো মূল্যে হিন্দুদের এই উৎসবে বাধা দেওয়ার, শোভাযাত্রায় হামলা চালানোর এবং শহরের নানা প্রান্তে হিন্দুদের ধনসম্পদ লুণ্ঠন করার পরিকল্পনা করেছিল। শোভাযাত্রাটি বেশ বড় ছিল এবং এর সাথে ৪০০ পুলিশ ও জেলা পর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ছিলেন। এটি দুপুর ২টার দিকে শুরু হয়ে সূর্যাস্তের এক ঘণ্টা আগে ফেরার কথা ছিল। সময়মতো কুঞ্জে পৌঁছে সব আচারও পালন করা হয়। কিন্তু ফেরার পথে মন্দিরের কাছেই রাস্তার এক মোড়ে শোভাযাত্রার ওপর হামলা হয়। অনেক চেষ্টায় আক্রমণকারীদের হটিয়ে দিয়ে শোভাযাত্রাটি না ভেঙে বিগ্রহটিকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়। তবে ততক্ষণে মোহামেডান জনতা শোভাযাত্রায় হামলা করতে ব্যর্থ হয়ে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে শহরে ঢুকে পড়ে এবং লুটতরাজ ও রক্তপাতের উদ্দেশ্যে আক্রমণ চালায়।
** জর্জ স্মিথ সম্পাদিত ‘অ্যানালস অফ ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ইন ১৮৭১-৭২’—খণ্ড ১৭। [https://archive.org/details/dli.bengal.10689.3099/page/n345/mode/2up]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:ভারত]]
[[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু উৎসব]]
[[বিষয়শ্রেণী:হিন্দুধর্ম]]
e33kta7ggr89c5sns9qyuqtb3hfda5d
বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের সংস্কৃতি
14
14211
84408
84384
2026-09-01T10:11:40Z
ফারদিন
52
হটক্যাটের মাধ্যমে +[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ]]; +[[বিষয়শ্রেণী:দেশ অনুযায়ী সংস্কৃতি]]
84408
wikitext
text/x-wiki
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ]]
[[বিষয়শ্রেণী:দেশ অনুযায়ী সংস্কৃতি]]
61127mmkerrci52p8hcp8skfsjxhpsv
বিষয়শ্রেণী:উৎসব
14
14212
84392
84387
2026-08-31T18:07:56Z
ফারদিন
52
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ছুটির দিন]] যোগ
84392
wikitext
text/x-wiki
[[বিষয়শ্রেণী:ছুটির দিন]]
e0tm6l3b3c93mvtwnfz6lznyzbd0obw
টেমপ্লেট:বিষয়শ্রেণী পুনর্নির্দেশ
10
14213
84402
2026-09-01T08:41:37Z
ফারদিন
52
"__EXPECTUNUSEDCATEGORY__ {{Cmbox | type = move | image = [[File:Redirect arrow bn.svg|52px|link=]] | text = '''এই বিষয়শ্রেণীটির সঠিক অবস্থান হল <span id="softredirect">[[:{{#ifeq:{{NAMESPACE:{{{1}}}}}|বিষয়শ্রেণী||বিষয়শ্রেণী:}}{{{1}}}]]</span>।''' :'''লক্ষ করুন:''' এই বিষয়শ্রেণীটি খালি..." দিয়ে পাতা তৈরি
84402
wikitext
text/x-wiki
__EXPECTUNUSEDCATEGORY__
{{Cmbox
| type = move
| image = [[File:Redirect arrow bn.svg|52px|link=]]
| text =
'''এই বিষয়শ্রেণীটির সঠিক অবস্থান হল <span id="softredirect">[[:{{#ifeq:{{NAMESPACE:{{{1}}}}}|বিষয়শ্রেণী||বিষয়শ্রেণী:}}{{{1}}}]]</span>।'''
:'''লক্ষ করুন:''' এই বিষয়শ্রেণীটি খালি থাকা উচিত। যদি বিষয়শ্রেণীটি স্থানান্তরিত হয়ে থাকে, তবে পাতাগুলো পুনরায় সঠিক বিষয়শ্রেণীতে যুক্ত করা উচিত।
}}
<includeonly>[[বিষয়শ্রেণী:মৃদু পুনর্নির্দেশিত বিষয়শ্রেণী]]__EXPECTED_UNCONNECTED_PAGE__</includeonly><noinclude>
{{নথি}}
[[বিষয়শ্রেণী:মৃদু পুনর্নির্দেশের জন্য টেমপ্লেট]]
</noinclude>
1sw9whyzzvno7gx9atpa2s8umag76vw
টেমপ্লেট:ছুটি
10
14214
84404
2026-09-01T09:01:20Z
ফারদিন
52
"{{Tmbox | small = {{{small|}}} | image = {{{image|[[File:Avion silhouette.svg|50x40px]]}}} | imageright = [[File:Modern clock chris kemps 01.svg|50x40px]] | style = text-align: center; {{#if:{{{bgcol|}}}|background: {{{bgcol}}};}} | text = '''{{{1|এই ব্যবহারকারী}}}''' বর্তমানে {{#if:{{{2|{{{country|}}}}}}|'''{{{2|{{{country|}}}}}}''' অবস্থানে}} {{#if:{{{from|}}}|'''{{{f..." দিয়ে পাতা তৈরি
84404
wikitext
text/x-wiki
{{Tmbox
| small = {{{small|}}}
| image = {{{image|[[File:Avion silhouette.svg|50x40px]]}}}
| imageright = [[File:Modern clock chris kemps 01.svg|50x40px]]
| style = text-align: center; {{#if:{{{bgcol|}}}|background: {{{bgcol}}};}}
| text = '''{{{1|এই ব্যবহারকারী}}}''' বর্তমানে {{#if:{{{2|{{{country|}}}}}}|'''{{{2|{{{country|}}}}}}''' অবস্থানে}} {{#if:{{{from|}}}|'''{{{from}}}''' থেকে}} {{#if:{{{until|}}}|'''{{{until}}}''' পর্যন্ত}} '''ছুটিতে''' {{#ifeq:{{{will|}}}|yes|যেতে চান|রয়েছেন}} এবং সম্ভবত কোনো জিজ্ঞাসার ত্বরিত উত্তর দিবেন না। {{{cmt|}}}
}}<noinclude>
{{নথি}}
[[বিষয়শ্রেণী:ব্যবহারকারী টেমপ্লেট]]
</noinclude>
qji27lahkxwrwwbv8ig9hxxr23x9tr3
টেমপ্লেট:উইকিছুটি
10
14215
84405
2026-09-01T09:14:44Z
ফারদিন
52
"{{{{#ifeq: {{{spacetype|}}}|tmbox|tmbox|mbox}} |image = {{#ifeq:{{{noimage|}}}|{{{noimage|µ}}}|none|[[Image:{{{image|{{ #switch: {{{type}}} | exams = Nuvola apps bookcase.png | attempting | wikibreak | normal | short | #default = Sunset at Huntington Beach.jpg }}}}}|{{#if:{{{imagesize|}}}|{{{imagesize}}}|75x50px}}]]}} |text = {{{message|{{ #switch: {{{type}}} |exams = '''{{{name|{{{1|{{BASEPAGENAME}}}}}}}}''' পরীক্ষার প্র..." দিয়ে পাতা তৈরি
84405
wikitext
text/x-wiki
{{{{#ifeq: {{{spacetype|}}}|tmbox|tmbox|mbox}}
|image = {{#ifeq:{{{noimage|}}}|{{{noimage|µ}}}|none|[[Image:{{{image|{{ #switch: {{{type}}} | exams = Nuvola apps bookcase.png | attempting | wikibreak | normal | short | #default = Sunset at Huntington Beach.jpg }}}}}|{{#if:{{{imagesize|}}}|{{{imagesize}}}|75x50px}}]]}}
|text = {{{message|{{ #switch: {{{type}}} |exams = '''{{{name|{{{1|{{BASEPAGENAME}}}}}}}}''' পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কিছুদিন একটি ছোট '''উইকিছুটিতে''' থাকবেন এবং সম্ভবতঃ পরীক্ষা শেষে উনি {{#if: {{{back|{{{2|}}}}}} | {{{back|{{{2|}}}}}}|শীঘ্রই}} উইকিউক্তিতে ফিরে আসবেন।| attempting = '''{{{name|{{{1|{{BASEPAGENAME}}}}}}}}''' একটি '''উইকিছুটি''' নেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং সম্ভবত {{{back|{{{2|শীঘ্রই}}}}}} উইকিউক্তিতে ফিরে আসবেন। আবার হয়তো মাঝে মাঝে উইকিউক্তিতে আসবেন এবং কখনো ছোট খাটো সম্পাদনাও করবেন।| long | wikibreak | normal | short | #default = '''{{{name|{{{1|{{BASEPAGENAME}}}}}}}}''' একটি {{ #switch: {{{type}}} | long = দীর্ঘ | wikibreak | normal | short | #default = ছোট }} '''উইকিছুটি''' নেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং সম্ভবত {{{back|{{{2|{{ #switch: {{{type}}} | long = দীর্ঘ বিরতির পর | wikibreak | normal | short | #default = শীঘ্রই}}}}}}}} উইকিউক্তিতে ফিরে আসবেন। {{{3|}}}}}}}}
}}<includeonly>
[[বিষয়শ্রেণী:যে সকল ব্যবহারকারী সক্রিয় নন|{{PAGENAME}}]]
</includeonly><noinclude>
{{নথি}}
[[বিষয়শ্রেণী:ব্যবহারকারী আলাপ শিরোনাম টেমপ্লেট]]
[[বিষয়শ্রেণী:উইকিবিরতির টেমপ্লেট]]
</noinclude>
bk0jawt16r9oqg5ksspakeszi653z65
টেমপ্লেট:পরীক্ষা
10
14216
84406
2026-09-01T09:21:00Z
ফারদিন
52
"{{উইকিছুটি | message = {{#if: {{{2|}}} |{{{2|}}}|{{#titleparts:{{BASEPAGENAME}}|1}}}} পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য ছোট্ট [[উইকিপিডিয়া:উইকিছুটি|উইকিছুটি]] নিচ্ছেন এবং পরীক্ষা {{#if: {{{1|}}} |{{{1}}} তারিখে শেষ হলেই|শেষ হলেই}} উইক..." দিয়ে পাতা তৈরি
84406
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিছুটি
| message = {{#if: {{{2|}}} |{{{2|}}}|{{#titleparts:{{BASEPAGENAME}}|1}}}} পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য ছোট্ট [[উইকিপিডিয়া:উইকিছুটি|উইকিছুটি]] নিচ্ছেন এবং পরীক্ষা {{#if: {{{1|}}} |{{{1}}} তারিখে শেষ হলেই|শেষ হলেই}} উইকিপিডিয়ায় ফিরে আসবেন।
| image = Nuvola apps bookcase.png
}}<noinclude>
{{নথি}}
</noinclude>
edrkyuwvw1nndvir5qpl6hguxnugkta
84407
84406
2026-09-01T09:56:35Z
খাত্তাব হাসান
7
:(
84407
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিছুটি
| message = {{#if: {{{2|}}} |{{{2|}}}|{{#titleparts:{{BASEPAGENAME}}|1}}}} পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য ছোট্ট [[:w:উইকিপিডিয়া:উইকিছুটি|উইকিছুটি]] নিচ্ছেন এবং পরীক্ষা {{#if: {{{1|}}} |{{{1}}} তারিখে শেষ হলেই|শেষ হলেই}} উইকিউক্তিতে ফিরে আসবেন।
| image = Nuvola apps bookcase.png
}}<noinclude>
{{নথি}}
</noinclude>
b7c06uzh5ajv82qw3qfydj2ypcikqxd
বিষয়শ্রেণী:দেশ অনুযায়ী সংস্কৃতি
14
14217
84409
2026-09-01T10:14:55Z
ফারদিন
52
খালি পাতা তৈরি হয়েছে
84409
wikitext
text/x-wiki
phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1
84410
84409
2026-09-01T10:17:38Z
ফারদিন
52
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:সংস্কৃতি]] যোগ
84410
wikitext
text/x-wiki
[[বিষয়শ্রেণী:সংস্কৃতি]]
ij310087icbhcmc4xip0rfme5pk503o