উইকিউক্তি bnwikiquote https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.20 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিউক্তি উইকিউক্তি আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা চরকা 0 5026 84454 72319 2026-09-18T14:49:54Z ROCKY 120 ভুল নিবন্ধে সংযোগ দেয়া ছিল 84454 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Charkha.jpg|thumb|300px|চরকা]] '''চরকা''' হলো তুলো থেকে সুতো তৈরির হস্তচালিত একরকম যন্ত্র। এটি একটি লৌকিক যন্ত্রবিশেষ। চৌদ্দ শতকের মাঝামাঝি উত্তর ভারতে চরকার ব্যাপক প্রচলন ছিল। তবে চৌদ্দ শতকের শেষ দিকে বাংলায় এ যন্ত্রটির প্রচলন হয়। পনেরো শতক থেকে বাংলায় মূলত মোটা সুতিবস্ত্র বয়নের জন্য যে সুতোর দরকার হতো তা চরকায় কাটা হতো। নানা সময়ে চরকার কাঠামোয় বেশ কিছু বিবর্তন হয়েছে। চরকা সাধারণত কাঠ দিয়ে তৈরি হয়।চরকার চাকাই হলো প্রধান অংশ। চাকার চক্কর বা ঘূর্ণনের দ্বারা সুতো তৈরি হয় বলেই এর নাম চরকা। চরকার চাকার সঙ্গে যুক্ত একটা হাতলের সাহায্যে হাত দিয়ে এই যন্ত্রটিকে ঘোরানো হয়। হাতের কুশলতায় তুলো থেকে তৈরি হয় মোটা সুতো। পরবর্তীকালে শিল্পবিপ্লবের পর থেকেই কাপড়ের কল আসায় ধীরে ধীরে কমে আসে চরকার ব্যবহার। এখন অধিকাংশ তাঁতিই কলের সুতো ব্যবহার করেন। চরকায় আর সুতো কাটা হয় না। ==উক্তি== * তখনকার সেই স্বদেশী যুগে ঘরে ঘরে চরকা কাটা, তাঁত বোনা, বাড়ির গিন্নি থেকে চাকরবাকর দাসদাসী কেউ বাদ ছিল না। মা দেখি একদিন ঘড়ঘড় করে চরকা কাটতে বসে গেছেন। মার চরকা কাটা দেখে হ্যাভেল সাহেব তাঁর দেশ থেকে মাকে একটা চরকা আনিয়ে দিলেন। বাড়িতে তাঁত বসে গেল, খটখট শব্দে তাঁত চলতে লাগল। মনে পড়ে এই বাগানেই সুতো রোদে দেওয়া হত। ছোটো ছোটো গামছা ধুতি তৈরি করে মা আমাদের দিলেন—সেই ছোটো ধুতি, হাঁটুর উপর উঠে যাচ্ছে, তাই প’রে আমাদের উৎসাহ কত। ** ঘরোয়া- [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭-২৮ * এক যে ছিল [[চাঁদ|চাঁদের]] কোণায়<br>চরকা-কাটা বুড়ি<br>পুরাণে তার বয়স লেখে<br>সাতশো হাজার কুড়ি।<br>সাদা সুতোয় জাল বোনে সে,<br>হয় না বুনোন সারা—<br>পণ ছিল তার ধরবে জালে<br>লক্ষ কোটি তারা। ** বুড়ি- [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিশু ভোলানাথ, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ (১৪০৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০ * আমি নিজে ক্ষুদ্রাকারে হইলেও একজন শিল্প ব্যবসায়ী, সুতরাং প্রথমতঃ আমি এই আদিম যুগের যন্ত্রটির প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশই করিয়াছিলাম। কিন্তু বিশেষ চিন্তার পর আমি বুঝিতে পারিলাম—প্রত্যেক গৃহস্থের পক্ষে এই চরকা কত উপকারী, অবসর সময়ে এই চরকায় কত কাজ হইতে পারে। ভারতের যে সব লক্ষ লক্ষ লোক অতি কষ্টে অনশনে অর্দ্ধাশনে জীবন যাপন করে, তাহাদের পক্ষে এই চরকা জীবিকার্জনের একমাত্র গৌণ উপায়। চরকাকে দরিদ্রের পক্ষে দুর্ভিক্ষের কবল হইতে আত্মরক্ষার উপায় বলা হইয়াছে। এ উক্তি সঙ্গত। খুলনা দুর্ভিক্ষ এবং উত্তরবঙ্গ বন্যা সম্পর্কে সেবাকার্যে কাজ করিবার সময় আমি বুঝিতে পারিয়াছি যে, যদি এক শতাব্দী পূর্বে চরকা পরিত্যক্ত না হইত, তবে উহা অনাহারক্লিষ্ট জনসাধারণের পক্ষে বিধাতার আশীর্বাদ স্বরূপ হইতে পারিত। ** [[প্রফুল্লচন্দ্র রায়]], চরকার বার্তা—কাটুনীর বিলাপ, দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ, আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪২ * রাজার [[মেয়ে]] আস্তে আস্তে দরজা ঠেল্‌তেই অমনি দরজা খুলে গেল। সেই ঘরের ভিতর এক বুড়ী ব’সে চরকায় সুত কাট্‌ছিল। রাজার মেয়ে কখন চরকা দেখেনি, সে আশ্চর্য্য হয়ে বুড়ীকে জিজ্ঞাসা কর্‌ল, “তুমি কি কর্‌ছ? ওটা কি অম্‌নি বন্ বন করে ঘুর্‌ছে?” বুড়ী বলল, “ওটা চরকা। আমি সুত কাটছি।” মেয়েটি বল্‌ল, “আমি দেখ্‌ব চরকা কি রকম?” বুড়ী তার হতে চরকা দিল। কিন্তু যেই সে চরকা ঘুরাতে গিয়েছে, অমনি কেমন করে সেই চরকার টেকো তার হাতে বিঁধে গেল, আর তখনি সে সেইখানে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়্‌ল। ** [[সুখলতা রাও]], ঘুমের দেশ, গল্পের বই - সুখলতা রাও, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক-ইউ, রায় এণ্ড সন্স্, কলকাতা, মুদ্রক- ব্রাহ্মমিশন প্রেস, প্রকাশসাল= ১৯১২ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৪ * নিয়ৎ-দেবীর চর্‌কা-সূতোর<br>ধ’র্‌তে পারি খেইটা আজ<br>ভাগ্য সাথে ষড়্ ক’রে তার<br>ঢুকতে পারি দুয়ার মাঝ, ** [[ওমর খৈয়াম]], রোবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম, লেখক- ওমর খৈয়াম, অনুবাদক- কান্তিচন্দ্র ঘোষ, প্রকাশক- কমলা বুক ডিপো, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭ * প্রফুল্ল মাথা তুলিয়া বলিল, “তা থাকিব—একটা কথা ঠাকুরকে জিজ্ঞাসা করিও। আমার মা চরকা কাটিয়া খায়, তাহাতে এক জন মানুষের এক বেলা আহার কুলায় না। জিজ্ঞাসা করিও—আমি কি করিয়া খাইব? আমি বাগ্দীই হই—মুচিই হই—তাঁহার পুত্রবধূ। তাঁহার পুত্ত্রবধূ কি করিয়া দিনপাত করিবে?” ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], দেবী চৌধুরাণী - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রথম খণ্ড, চতুর্থ পরিচ্ছেদ, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫ * আমরা এখানে এসে কয়েকদিন সূতা কাটি। তারপর চরকাটা ভেঙ্গে যায় এবং যাঁর খুব বেশী উৎসাহ ছিল তিনি এখান থেকে বদলী হয়ে যান। তাই এখন ভাঙ্গা চরকাটা আলমারীর উপর তোলা আছে। একবার ইচ্ছা হয়েছিল [[কলকাতা|কলকাতায়]] [[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়|ডাক্তার পি. সি. রায়কে]] লিখি একটা চরকা পাঠাতে। তারপর ভাবলাম যে হয়তো পথে আসতে ২ ভেঙ্গে যাবে, তাই লেখা হ’ল না। ** বিভাবতী বসুকে লিখিত [[সুভাষচন্দ্র বসু]]র পত্র, মান্দালয় জেল, ইং ১৬ই ডিসেম্বর (১৯২৫), পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২) - [[সুভাষচন্দ্র বসু]], প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৭ * এমনি করে তাঁরা কাঁদছেন এমন সময় আরেকটি পরী এগিয়ে এল। এটি সেই বারোজন পরীর একটি; তার এখনাে মেয়ে দেখা হয় নি। সে এসে বল্‌ল, “পনের বছরের সময় চরকাতে মেয়ের হাত কেটে যাবে বটে, কিন্তু সে একেবারে মর্‌বে না, শুধু ঘুমিয়ে পড়্‌বে। একশ বছর পরে তার ঘুম ভাঙ্গ্‌বে। এই কথা শুনে রাজারাণী একটু স্থির হ’লেন। তারপর রাজা হুকুম দিলেন যে দেশে যত চরকা আছে সব পুড়িয়ে ফেল্‌তে হবে। কেউ আর চরকা দিয়ে সুতো কাট্‌তে পার্‌বে না! ** [[সুখলতা রাও]], ঘুমের দেশ, গল্পের বই - সুখলতা রাও, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক-ইউ, রায় এণ্ড সন্স্, কলকাতা, মুদ্রক- ব্রাহ্মমিশন প্রেস, প্রকাশসাল= ১৯১২ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৩ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Charkha }} [[বিষয়শ্রেণী:আবহ]] 7459p2unrjgcwob8f10q7g88kd6di4c ফজলুর রহমান (কিশোরগঞ্জের রাজনীতিবিদ) 0 11651 84455 70058 2026-09-18T16:28:36Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84455 wikitext text/x-wiki '''[[w:ফজলুর রহমান (কিশোরগঞ্জের রাজনীতিবিদ)|ফজলুর রহমান]]''' বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ, আইনজীবী ও কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি বিএনপির চেয়ারপারর্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক উপদেষ্টা। == উক্তি == * মৃত্যু ছুঁয়েছি একাত্তর সনে, মব আর মৃত্যুভয় আমার নেই। ** ২০২৫ সালের ২৫ আগস্ট এক [https://www.facebook.com/61562416197255/posts/pfbid029PAfp7kaAaK9koqBpczXJ1vCeoe7Ui1QsHyT8dCdD4yhcPh26R6coprzSqFJubcHl/?app=fbl ফেইসবুক পোস্টে]। [https://www.kalerkantho.com/online/Politics/2025/08/25/1567992] * জামায়াত যেদিন থেকে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করেছে, সেদিন থেকেই আমি তাদের বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করেছি। মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে আমি কোনও কম্প্রোমাইজ করবো না। নিশ্চিতভাবে বলবো, আমি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষ। জামায়াত মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের মানুষ। ** ২০২৫ সালের ২৫ আগস্ট হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে। [https://www.banglatribune.com/politics/bnp/912549/%E2%80%98%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A7%AB-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%98%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A3-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87][https://www.ittefaq.com.bd/748685/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6] * ৫ই আগস্ট আন্দোলনে বিজয়ের মাধ্যমে শেখ হাসিনাসহ ফ্যাসিস্ট শক্তি পালিয়ে গেল এবং জনগণ বিজয়ী হলো আমি সেই সময়ে সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু এর কিছুদিন পরেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা সারজিস আলম ‘ইসলামী ছাত্রশিবিরের’ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সম্মেলনে দাঁড়িয়ে দৃপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা করল ‘জামায়াত-শিবিরই ছিল জুলাই আন্দোলনের মূল ভ্যানগার্ড’। আমি সেদিনই প্রমাদ গুণলাম এবং আন্দোলনের সমস্ত বিজয়কে তারা নিজেদের মধ্যে কুক্ষিগত করল। ** বিএনপির দেওয়া নোটিশের জবাবে ফজলুর রহমান। (২৬ আগস্ট ২০২৫) [https://www.prothomalo.com/politics/4l00vaghr9] * [[পাকিস্তান]] আমরা সবাই মিলেই বানাইছিলাম, আমরা তো অস্বীকার করি না। কিন্তু বানাইয়া যখন দেখলাম পাকিস্তান ভালো না, তখন ৫২ সালেই আমরা ফাইট শুরু করলাম। ** ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির [https://www.kalerkantho.com/online/Politics/2026/09/18/1740708 বক্তব্যে]। [https://www.jugantor.com/campuses/1156529] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মুক্তিবাহিনীর কর্মকর্তা]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে জড়িত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের স্বতন্ত্র রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ]] lu3e34zekpsw0xgd93c7qmdyq81o2lw