উইকিউক্তি bnwikiquote https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.21 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিউক্তি উইকিউক্তি আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা উসমান 0 264 84494 38825 2026-09-28T20:29:09Z CommonsDelinker 63 [[c:File:Uthman.png|Uthman.png]] সরানো হলো। এটি [[c:User:ChemSim|ChemSim]] কর্তৃক কমন্স থেকে অপসারিত হয়েছে, কারণ: per [[:c:Commons:Deletion requests/Files uploaded by Ibrahim ebi|]]। 84494 wikitext text/x-wiki <noinclude>{{উৎসহীন}}</noinclude> '''উসমান ইবন আফ্‌ফান''' (আরবি: عثمان بن عفان}}; জন্ম: আনু. ৫৭৯ মৃত্যু: ১৭ জুন ৬৫৬) ছিলেন ইসলামের তৃতীয় খলিফা। ৬৪৪ থেকে ৬৫৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত খিলাফতে অধিষ্ঠিত ছিলেন। খলিফা হিসেবে তিনি চারজন খুলাফায়ে রাশিদুনের একজন। উসমান আস-সাবিকুনাল আওয়ালুনের (প্রথম পর্বে ইসলাম গ্রহণকারী) অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও তিনি আশারায়ে মুবাশ্‌শারা'র একজন এবং সেই ৬ জন সাহাবীর মধ্যে অন্যতম যাদের উপর মুহাম্মদ সন্তুষ্ট ছিলেন। তাকে সাধারণত হযরত উসমান হিসেবে উল্লেখ করা হয়। কুরাইশ গোত্রের বিশিষ্ট বংশ বনু উমাইয়ায় জন্মগ্রহণকারী। প্রথম দিকের ইসলামিক ইতিহাসে অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালনকারী এবং তিনি কুরআনের আদর্শ সংস্করণ সংকলনের আদেশ দেওয়ার জন্য পরিচিত ছিলেন। উসমানের নেতৃত্বে ৬৫০ সালে ইসলামী সাম্রাজ্য ফার্স (বর্তমান [[ইরান]]) এবং ৬৫১ সালে খোরাসান (বর্তমান [[আফগানিস্তান]]) এর কয়েকটি অঞ্চলে প্রসারিত হয়েছিল। ৬৪০ এর দশকের মধ্যে আর্মেনিয়া বিজয় শুরু হয়েছিল। == উক্তি == * যত দুরবস্থায় পতিত হও না কেনো, আদর্শের ক্ষেত্রে পরাজয় বরণ করো না। * নিজের বোঝা যত কমই হোক তা অন্যের উপর চাপাতে চেষ্টা করো না। * জান্নাত যথার্থ জানার পরও দুনিয়াতে আরাম আয়েশ তালাশ করে। শয়তান কে শত্রু জানার পরও তার অনুসরণ করে। * হে মানব সকল! আল্লাহপাক তোমাদিগকে তার আনুগত্যের জন্যই সৃষ্টি করেছেন, তোমরা কিনা অন্যের আনুগত্য করতে উৎসাহ বোধ কর। * অতিরিক্ত বিনয় কপটতার চিহ্ন। * দুনিয়াকে যে যত বেশী চিনেছে, সে এর দিক থেকে ততবেশী নিস্পৃহ হয়েছে। * পার্থিব জীবনের ভোগ বিলাশ অনন্ত জীবনের প্রাপ্য হ্রাস করে দেয়। * শান্তির সাথে জীবন যাপন করার পরও যে ব্যক্তির আকাঙ্খা মিটে না, তার পক্ষে তৃপ্ত হওয়া সম্ভব না। * কর্মবিহীন জ্ঞান অনেক সময় উপকারী হতে পারে, কিন্তু জ্ঞানবিহীন কর্ম কখনো উপকারী হয় বলে আমার জানা নেই। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:৫৭৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:৬৫৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:৭ম শতাব্দীর মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:খুলাফায়ে রাশেদীন]] [[বিষয়শ্রেণী:মক্কার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:আরব ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:সাহাবা]] [[বিষয়শ্রেণী:রাষ্ট্রপ্রধান]] [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মীয় নেতা]] [[বিষয়শ্রেণী:আরব]] 53zczzq4oug6sfn572ouu1w8ixr1uf0 মুসা 0 6477 84496 37719 2026-09-28T22:13:40Z CommonsDelinker 63 [[c:File:Musa_(Moses)1.png|Musa_(Moses)1.png]] সরানো হলো। এটি [[c:User:ChemSim|ChemSim]] কর্তৃক কমন্স থেকে অপসারিত হয়েছে, কারণ: per [[:c:Commons:Deletion requests/Files uploaded by Ibrahim ebi|]]। 84496 wikitext text/x-wiki [[w:মুসা|মুসা বিন ʿইমরান (আঃ)]] ( যিনি [[যিহূদীয়-খ্রীষ্টীয়]] ঐতিহ্যে '''[[মোশি]]''' নামে পরিচিত, হলেন [[ইসলাম]] অনুসারে [[আল্লাহ]]র একজন [[ইসলামের নবি ও রাসুল|নবী ও রসুল]] যিনি পবিত্র [[কুরআন]]ে সর্বাধিকবার আলোচিত হয়েছেন এবং তার নাম ১৩৬ বার উদ্ধৃত হয়েছে। [[কুরআন]] মুসা (আলাইহিস সালাম) নাম অন্য নবীদের তুলনায় বেশি উল্লেখ করা হয়েছে। ধারণা করা হয় যে মুসা (আলাইহিস সালাম) ১২০ বছর বেচে ছিলেন। হযরত মুসা আলাইহিস সালামের সম্প্রদায়ের নাম ছিল [[ইস্রায়েলীয়|বনী ইসরাঈল]]। বলা হয় তার মোজেজাসমূহ বিগত অন্যান্য [[রাসূল|নবী-রসূলগণের]] তুলনায় সংখ্যায় বেশি, প্রকাশের বলিষ্ঠতার দিক দিয়েও ছিল অধিক। ==উক্তি== * আমি মুসাকে প্রেরণ করি আমার নিদর্শন ও সুস্পষ্ট সনদসহ। পাঠিয়েছিলাম ফেরাউন ও তার পারিষদবর্গের কাছে। তবু তারা ফেরাউনের জাতি ফেরাউনের নির্দেশমতো চলতে থাকে। অথচ ফেরাউনের কোনো কথা ন্যায়সংগত ছিল না তার কার্যকলাপ ভালো ছিল না। ** সুরা : হুদ, আয়াত : ৯৬-৯৭ * আমি তাকে ডেকেছিলাম [মুসা (আ.)] তুর পাহাড়ের ডান দিক থেকে এবং অন্তরঙ্গ আলাপে তাকে নৈকট্য দান করেছি। ** সূরা মারিয়াম, আয়াত, ৫২ ==মুসা নিয়ে উক্তি== * যখন সে আগুনের কাছে আসল তখন তাকে আহবান করা হল, ‘হে মূসা’।নিশ্চয় আমি তোমার রব; সুতরাং তোমার জুতা জোড়া খুলে ফেল, নিশ্চয় তুমি পবিত্র ‘তুওয়া’ উপত্যকায় রয়েছ’। ‘আর আমি তোমাকে মনোনীত করেছি, সুতরাং যা ওহীরূপে পাঠানো হচ্ছে তা মনোযোগ দিয়ে শুন’। ‘নিশ্চয় আমি আল্লাহ, আমি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই; সুতরাং আমার ইবাদাত কর এবং আমার স্মরণার্থে সালাত কায়েম কর’। ‘নিশ্চয় কিয়ামত আসবে; আমি তা গোপন রাখতে চাই যাতে প্রত্যেককে স্বীয় চেষ্টা-সাধনা অনুযায়ী প্রতিদান দেয়া যায়’। অতএব যে ব্যক্তি তার প্রতি ঈমান রাখে না এবং স্বীয় প্রবৃত্তির অনুসরণ করে সে যেন কিছুতেই তাতে ঈমান আনয়নে তোমাকে বাধা দিতে না পারে; অন্যথায় তুমি ধ্বংস হয়ে যাবে। আর ‘হে মূসা, তোমার ডান হাতে ওটা কি’? ** সূরা ত্বহা, আয়াত, ১১-১৭) ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ইহুদি ধর্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টধর্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসলামের নবি]] [[বিষয়শ্রেণী:কুরআনে উল্লেখিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মুসা]] [[বিষয়শ্রেণী:কুরআন]] t9omi8bpcojw0d4kjrfgcjhs254a8qh বিদায় হজ্জের ভাষণ 0 9093 84495 51136 2026-09-28T21:27:08Z CommonsDelinker 63 [[c:File:Muhammad2.png|Muhammad2.png]] সরানো হলো। এটি [[c:User:ChemSim|ChemSim]] কর্তৃক কমন্স থেকে অপসারিত হয়েছে, কারণ: per [[:c:Commons:Deletion requests/Files uploaded by Ibrahim ebi|]]। 84495 wikitext text/x-wiki [[File:Calligraphic representation of Muhammad's name.jpg|250px|thumb|আমি তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কিতাব রেখে যাচ্ছি, যদি এটিকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করো, তাহলে কখনো পথভ্রষ্ট হবে না।]] [[File:Al-Masjid AL-Nabawi Door.jpg|250px|thumb|হে মানুষ, নিঃসন্দেহে শয়তান এই ভূমিতে পূজিত হওয়ার আশা পরিত্যাগ করেছে। তবে, সে তৃপ্ত থাকবে যদি তাকে এমন বিষয়ে অনুসরণ করা হয়, যা তোমরা গুরুত্ব দাও না।]] [[File:Muhammad Salat.svg|250px|thumb|হে মানুষ, আমার কথা শুনো। আমি জানি না, এই বছরের পর তোমাদের সঙ্গে এই স্থানে আবার সাক্ষাৎ হবে কি না।]] '''[[w:বিদায় হজ্জের ভাষণ|বিদায় হজের ভাষণ]]''' (আরবি: '''خطبة الوداع'''‎, খুতবাতুল বিদা), যা [[মুহাম্মদ|মুহাম্মদের]] শেষ ভাষণ বা চূড়ান্ত ভাষণ নামেও পরিচিত, এটি ইসলামের নবী মুহাম্মদ কর্তৃক প্রদত্ত একটি ধর্মীয় ভাষণ। তিনি এটি প্রদান করেন ১০ হিজরি, ৯ জিলহজ (৬ মার্চ ৬৩২ খ্রিস্টাব্দ) তারিখে, হজের সময় আরাফাতের ময়দানের উরানাহ উপত্যকায়। ==উক্তি== * "নিশ্চয়ই তোমাদের রক্ত, তোমাদের সম্পদ এই দিন, এই মাস এবং এই শহরের পবিত্রতার মতোই পবিত্র ও অবিচ্ছেদ্য। জেনে রাখো! অজ্ঞতার যুগের সমস্ত কিছু আমার পদতলে সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত। অজ্ঞতার যুগের প্রতিশোধ গ্রহণও বিলুপ্ত। প্রথম যে প্রতিশোধ আমি বাতিল করছি, তা হলো রাবিয়া বিন হারিসের পুত্রের হত্যার প্রতিশোধ, যাকে সাদ গোত্রের মধ্যে লালিত-পালিত করা হয়েছিল এবং হুযাইল গোত্র কর্তৃক নিহত হয়েছিল। এবং অজ্ঞতার যুগের সুদও বিলুপ্ত। প্রথম যে সুদ আমি বাতিল করছি, তা হলো আমার চাচা আব্বাস বিন আবদুল মুত্তালিবের সুদ, যা সম্পূর্ণরূপে বাতিল। আল্লাহকে ভয় করো নারীদের বিষয়ে! তোমরা তাদের আল্লাহর নিরাপত্তার অধীনে গ্রহণ করেছ এবং আল্লাহর আদেশে তাদের সঙ্গে বৈধ সম্পর্ক স্থাপন করেছ। তোমাদেরও তাদের ওপর অধিকার রয়েছে, তারা যেন তোমাদের ঘরে এমন কাউকে প্রবেশ করতে না দেয় যাকে তোমরা অপছন্দ করো। তবে, যদি তারা তা করে, তাহলে তাদের শাস্তি দিতে পারো, তবে তা যেন কঠোর না হয়। তাদের ওপর তোমাদের দায়িত্ব হলো যথাযথভাবে তাদের খাদ্য ও বস্ত্রের ব্যবস্থা করা। আমি তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কিতাব রেখে যাচ্ছি, যদি এটিকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করো, তাহলে কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। কিয়ামতের দিন তোমাদের আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। এখন বলো, তোমরা কী বলবে?" ** ''সহিহ মুসলিম''; কিতাবুল হজ, বই ১৫, হাদিস ১৫৯ * "আমি তোমাদের নারীদের সঙ্গে সদয় আচরণের নির্দেশ দিচ্ছি, কারণ তারা তোমাদের কাছে বন্দিনীর মতো। তাদের প্রতি তোমাদের কোনো ক্ষমতা নেই, যদি না তারা প্রকাশ্য অশ্লীলতা করে। যদি তারা তা করে, তবে তাদের শয্যা থেকে আলাদা হয়ে যাও এবং হালকা মার দাও যা ক্ষতিকর নয়। যদি তারা তোমাদের আনুগত্য করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কিছু করো না। তোমাদের নারীদের ওপর অধিকার রয়েছে, যেমন তারা যেন তোমাদের অনুমতি ছাড়া অন্য কাউকে তোমাদের গৃহে প্রবেশ করাতে না পারে। একইভাবে, তাদেরও তোমাদের ওপর অধিকার রয়েছে—তোমরা তাদের যথাযথভাবে খাদ্য ও বস্ত্র প্রদান করবে।" ** ''সুনান আত-তিরমিজি''; খণ্ড ১, বই ৭, হাদিস ১১৬৩ ==ইবনে ইসহাকের উদ্ধৃতি== * "হে মানুষ, আমার কথা শুনো! আমি জানি না, এই বছরের পর তোমাদের সঙ্গে এই স্থানে আবার সাক্ষাৎ হবে কি না। হে মানুষ, তোমাদের রক্ত এবং সম্পদ পবিত্র, যেমন এই দিন, এই মাস এবং এই শহর পবিত্র। তোমরা অবশ্যই তোমাদের প্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে এবং তিনি তোমাদের কাজের হিসাব নেবেন। আমি এটি তোমাদের জানিয়ে দিচ্ছি। কারও আমানত থাকলে, তা তার মালিকের কাছে ফিরিয়ে দাও। সব সুদ বিলুপ্ত করা হয়েছে, তবে তোমাদের মূলধন তোমাদের থাকবে। অন্যায় কোরো না এবং তোমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হবে না। আল্লাহ স্থির করেছেন যে আর সুদ থাকবে না, এবং আমার চাচা আব্বাস বিন আবদুল মুত্তালিবের সমস্ত সুদ বাতিল ঘোষণা করা হলো। অজ্ঞতার যুগের সব রক্তক্ষয় বন্ধ থাকবে, এবং আমি প্রথম যে রক্তক্ষয় নিষিদ্ধ করছি, তা হলো রাবিয়া বিন হারিসের পুত্রের রক্ত, যাকে হুযাইল গোত্র হত্যা করেছিল। হে মানুষ, শয়তান এই ভূমিতে পূজিত হওয়ার আশা পরিত্যাগ করেছে, তবে সে খুশি হবে যদি তাকে এমন বিষয়ে অনুসরণ করা হয় যা তোমরা তুচ্ছ মনে করো। কাজেই, তোমরা তোমাদের দ্বিনের ব্যাপারে সতর্ক হও। সময়ের চক্র সম্পূর্ণ হয়েছে, যেমনটি আল্লাহ আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করার দিনে নির্ধারণ করেছিলেন। আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা বারোটি, যার মধ্যে চারটি পবিত্র। তিনটি ধারাবাহিক এবং চতুর্থটি হলো রজব, যা মুদার গোত্রের মাস, যা জুমাদাল আখির ও শাবান মাসের মধ্যে অবস্থিত। হে মানুষ, তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের ওপর অধিকার রাখে এবং তোমাদেরও তাদের ওপর অধিকার রয়েছে। তোমাদের অধিকার হলো, তারা যেন তোমাদের অনুমতি ছাড়া অন্য কাউকে তোমাদের গৃহে প্রবেশ করতে না দেয়, এবং কোনো স্পষ্ট অশ্লীলতা না করে। যদি তারা তা করে, তবে আল্লাহ তোমাদের অনুমতি দিয়েছেন তাদের শয্যা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং হালকা শাস্তি দেওয়া, তবে তা যেন কঠোর না হয়। যদি তারা সততা অবলম্বন করে, তবে তাদের যথাযথভাবে খাদ্য ও বস্ত্র প্রদান করা তোমাদের দায়িত্ব। নারীদের সঙ্গে সদয় আচরণ করো, কারণ তারা তোমাদের কাছে বন্দিনীর মতো। আল্লাহর নামে তাদের গ্রহণ করেছ এবং আল্লাহর বিধানে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছ। আমি তোমাদের কাছে এমন কিছু রেখে যাচ্ছি, যা যদি তোমরা দৃঢ়ভাবে ধারণ করো, তবে কখনো পথভ্রষ্ট হবে না—তা হলো আল্লাহর কিতাব এবং তাঁর নবীর সুন্নাহ। হে মানুষ, আমি বার্তা পৌঁছে দিয়েছি। আল্লাহর কাছে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি।" ** [https://books.google.com.pk/books?id=SWPQfmdf5J4C&pg=112&redir_esc=y#v=onepage&q&f=false পুনাওয়ালা, ইসমাইল কে. (১৯৯০): ''আল-তাবারির ইতিহাস'', খণ্ড ৯, পৃ. ১১২–১১৪] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} *[https://books.google.com.pk/books?id=SWPQfmdf5J4C&pg=112&redir_esc=y#v=onepage&q&f=false পুনাওয়ালা, ইসমাইল কে. (১৯৯০): ''আল-তাবারির ইতিহাস'', খণ্ড ৯, পৃ. ১১২–১১৪] [[বিষয়শ্রেণী:মুহাম্মাদ]] [[Category:ইসলামিক গ্রন্থ]] [[Category:ঐতিহাসিক দলিল]] 39l00fdklunsqlm94x36domejn2n8me