উইকিউক্তি bnwikiquote https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.23 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিউক্তি উইকিউক্তি আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা আবু বকর 0 186 84528 84512 2026-10-08T23:07:40Z খাত্তাব হাসান 7 [[Special:Contributions/~2026-53324-64|~2026-53324-64]] ([[User talk:~2026-53324-64|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:~2025-34858-90|~2025-34858-90]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 70986 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:أبو_بكر_الصديق.gif|thumb|হে লোকসকল, আমাকে তোমাদের উপর কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছে, কিন্তু আমি তোমাদের সর্বোত্তম নই। সুতরাং যদি আমি সঠিক কাজ করি তবে আমাকে সাহায্য কর এবং যদি আমি ভুল করি তবে আমাকে সংশোধন করে দিও। ~ আবু বকর]] '''[[:w:আবু বকর|আবু বকর]]''' (জন্ম: ২৭ অক্টোবর ৫৭৩ খ্রিষ্টাব্দ — মৃত্যু: ২৩ আগস্ট ৬৩৪ খ্রিষ্টাব্দ) ছিলেন মুহাম্মাদের একজন প্রধান সাহাবি, ইসলামের প্রথম খলিফা এবং প্রথম মুসলিমদের মধ্যে অন্যতম। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে প্রথম ইসলাম গ্রহণের সম্মান তাকে দেওয়া হয়। এছাড়া তিনি রাসুল মুহাম্মাদের শ্বশুর ছিলেন।রাসুল মুহাম্মাদের মৃত্যুর পর তিনি খলিফা হন এবং মুসলিমদের নেতৃত্ব দেন। মুহাম্মাদের প্রতি অতুলনীয় বিশ্বাসের জন্য তাকে “সিদ্দিক” বা বিশ্বস্ত উপাধি প্রদান করা হয়েছে। মিরাজের ঘটনা এক ব্যক্তির নিকট শুনে বিশ্বাস করেছিলেন। তাই তাকে আবু বকর সিদ্দিক নামে সম্বোধন করা হয়। == উক্তি == *তোমাদের মধ্যে যারা মুহাম্মদ (সা:)-এর ইবাদত করত, তারা জেনে রাখো, মুহাম্মদ (সা:) মারা গেছেন, কিন্তু যারা আল্লাহর ইবাদত করত, তারা জেনে রাখো, আল্লাহ চিরঞ্জীব এবং কখনও মৃত্যুবরণ করবেন না। আল্লাহ বলেছেন: 'এবং মুহাম্মাদ রাসূল ব্যতীত কিছুই নয়, নিশ্চয়ই তার পূর্বে রাসূলগণ বিগত হয়েছে, অনন্তর যদি তার মৃত্যু হয় অথবা সে নিহত হয় তাহলে কি তোমরা পশ্চাদপদে ফিরে যাবে? এবং যে কেহ পশ্চাদপদে ফিরে যায় তাতে সে আল্লাহর কোনই অনিষ্ট করবেনা এবং আল্লাহ কৃতজ্ঞগণকে পুরস্কার প্রদান করেন।" (কুরআন ৩.১৪৪) ** নবী মুহাম্মাদ (সা:) এর মৃত্যুর পর *[[আবু বকর আল-সিদ্দিক]] [[খালিদ ইবনে আল-ওয়ালিদ]] কে বলেছেন: {{উক্তি| ''''মৃত্যুর জন্য আকুল হও, তাহলে তোমাকে জীবন উপহার দেওয়া হবে।''''<ref>[[আল-'ইক্বদ আল-ফারিদ]] লেখক [[ইবনে আব্দ রাব্বিহ]] (1/92)</ref>}} * হে লোকসকল, আমাকে তোমাদের উপর কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছে, কিন্তু আমি তোমাদের সর্বোত্তম নই। সুতরাং যদি আমি সঠিক কাজ করি তবে আমাকে সাহায্য কর এবং যদি আমি ভুল করি তবে আমাকে সংশোধন করে দিও। সততা একটি পবিত্র আমানত এবং মিথ্যা হচ্ছে বিশ্বাসঘাতকতা। তোমাদের দুর্বলরা ততক্ষণ পর্যন্ত সবল যতক্ষণ পযন্ত আমি তাকে তার অধিকার আদায় করে দেই ইনশাআল্লাহ এবং তোমাদের শক্তিশালীরা ততক্ষণ পর্যন্ত দুর্বল যতক্ষণ পর্যন্ত আমি তাদের কাছে থেকে পাওনা আদায় করে দেই ইনশাআল্লাহ। কোনো জাতি জিহাদ ত্যাগ করলে [[আল্লাহ]] তাকে লাঞ্ছিত না করে ছাড়বেন না। না কোনো জাতির মধ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়বে আর আল্লাহ তাকে পরীক্ষায় ফেলবেন না। আমাকে ততক্ষণ মেনে চল যতক্ষণ আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে মেনে চলি এবং যদি আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে মেনে না চলি, তাহলে আমার প্রতি তোমাদের আনুগত্যের কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না। সালাতের জন্য দাঁড়াও। আল্লাহ তোমাদের উপর রহম করুন। ** ''খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর।'' * যে লোক পরকালের জন্য এ দুনিয়াকে একেবারে ছেড়ে দেয়, সে লোক উত্তম নয়। বরং উত্তম সে লোক যে লোক দুনিয়া এবং আখিরাত উভয়টির হক্ব রক্ষা করে চলে। * আমরা তাকওয়ার মধ্যে বুজুর্গী পেয়েছি, বিশ্বাসের মধ্যে অমুখাপেক্ষীতা পেয়েছি। বিনয়ের মধ্যে মান—সম্মান পেয়েছি। যখন মানুষ দুনিয়ার কোনও বিষয়ের ওপর আসক্ত হয়ে পড়ে, তখন আল্লাহ তায়ালা তার ওপর অসন্তুষ্ট হন। যখন সে এই কাজ বা বিষয় থেকে দূরে সরে আসে তখন আল্লাহ তায়ালা তার ওপর সন্তুষ্ট হন। **মাওয়ায়েজে সাহাবা (সাহাবিদের অনুপম কথামালা) লেখক: সালেহ আহমেদ শামী, সূত্র [https://www.dhakapost.com/religion/137905 ঢাকা পোস্ট] * মৃত্যুকে খুঁজো (অর্থাৎ, সাহসী হও) তাহলে তোমাদেরকে জীবন দান করা হবে। **হযরত আবু বকর (রাঃ), [লা তাহযান – ড আইয আল কারনি, পৃ ১৫০] উদ্ধৃত: [https://kobita.banglakosh.com/archives/2509.html বাণী] * পরীক্ষার মুখোমুখি হয়ে সবর করার চেয়ে পরীক্ষা থেকে সুরক্ষিত থেকে কৃতজ্ঞ হওয়া আমার কাছে বেশি পছন্দের। ** হযরত আবু বকর (রাঃ), ইবনে বাত্তাল, ড বিলাল ফিলিপস – সূরা বুরুজ তাফসির উৎস: [https://kobita.banglakosh.com/archives/2509.html হযরত আবু বকর (রা.) এর গুরুত্বপূর্ণ বাণী] * আমি তোমার উপর কর্তৃত্ব পেয়েছি, এবং আমি তোমাদের মধ্যে সেরা নই। আমি যদি ভাল করি, আমাকে সাহায্য করুন; আর আমি যদি অন্যায় করি, তাহলে আমাকে ঠিক করিয়ে দিন। সত্যের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা হল আনুগত্য এবং সত্যের প্রতি অবজ্ঞা বিশ্বাসঘাতকতা। তোমাদের মধ্যে দুর্বলরা আমার সাথে দৃঢ় থাকবে যতক্ষণ না আমি তার অধিকার অর্জন করি, যদি আল্লাহ্‌ ইচ্ছা করেন; আর তোমাদের মধ্যে যারা শক্তিশালী তারা আমার প্রতি দুর্বল হবে যতক্ষণ না আমি তার কাছ থেকে অন্যদের অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছি, যদি আল্লাহ্‌ ইচ্ছা করেন। যতক্ষণ আমি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করি ততক্ষণ আমার আনুগত্য কর। কিন্তু আমি যদি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের অবাধ্য তা হলে তোমরা আমার কাছে কোন আনুগত্যের ঋণী নও। তোমার প্রার্থনার জন্য উত্থাপিত হও,আল্লাহ্‌ তোমার প্রতি করুণা করুন। **খলিফার দায়িত্ব পাবার পর দেয়া বাণী ,আল-বিদাইয়াহ ওয়ান-নিহাইয়াহ ৬:৩০৫, ৩০৬ উৎস *আল্লাহর কসম, রাসূলুল্লাহর যুগে উটের যে বাচ্চাটি যাকাত পাঠানো হতো এখন যদি কেউ তা দিতে অস্বীকার করে আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবো। ** হজরত মোহাম্মদের মৃত্যুর পর আবাস ও জুবইয়ান গোত্রদ্বয় যাকাত দিতে অস্বীকৃতি জানানোর প্রেক্ষাপটে। উদ্ধৃত: [https://alfirdaws.org/2022/02/19/55727/ যাকাত প্রদান] ==তাঁর সম্পর্কে উক্তি== *আমি যাকেই ইসলামের দাওয়াত দিয়েছি একমাত্র আবু বকর ছাড়া প্রত্যেকের মধ্যে কিছু না কিছু দ্বিধার ভাব লক্ষ্য করেছি। ** আবু বকর সম্পর্কে হজরত মোহাম্মদ (সাঃ); উদ্ধৃতঃ [https://imam.gov.bd/singlepost/2995 ইমাম বাতায়ন] *আমি প্রতিটি মানুষের ইহসান পরিশোধ করেছি। কিন্তু আবু বকরের ইহসানসমূহ এমন যে তা পরিশোধ করতে আমি অক্ষম। তার প্রতিদান আল্লাহ দেবেন। তার অর্থ আমার উপকারে যেমন এসেছে, অন্য কারো অর্থ তেমন আসেনি। **আবু বকর সম্পর্কে হজরত মোহাম্মদ (সাঃ); উদ্ধৃতঃ[https://m.somewhereinblog.net/mobile/blog/jigatola/30285821 সাহাবি পরিচিতি] == আরও দেখুন == * [[মুহাম্মাদ]] * [[উমর]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:৫৭৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:৬৩৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মক্কার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মীয় নেতা]] [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক নেতা]] [[বিষয়শ্রেণী:মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:সাহাবা]] [[বিষয়শ্রেণী:রাষ্ট্রপ্রধান]] 73bfxpgam6z95ct5nu6vzp74i9lm5v5 ইসলাম 0 214 84524 84516 2026-10-08T23:06:49Z খাত্তাব হাসান 7 [[Special:Contributions/~2026-53324-64|~2026-53324-64]] ([[User talk:~2026-53324-64|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:ফারদিন|ফারদিন]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 69446 wikitext text/x-wiki '''[[:w:ইসলাম|ইসলাম]]''' (আরবি: الإسلام‎‎) একটি একেশ্বরবাদী এবং ইব্রাহিমীয় ধর্মবিশ্বাস যার মূল [[শিক্ষা]] হল, এক [[আল্লাহ]] ছাড়া আর কোন স্রষ্টা নেই এবং [[মুহাম্মাদ]] হলেন আল্লাহর প্রেরিত সর্বশেষ ও চূড়ান্ত নবি ও রাসূল। এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল প্রধান ধর্ম, যার অনুসারী সংখ্যা ১.৯ বিলিয়ন এবং পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ২৪.৪%, যারা [[মুসলিম|মুসলমান]] নামে পরিচিত। মুসলমানরা ৫০ এর অধিক দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসমষ্টি। ইসলাম শিক্ষা দেয় যে [[আল্লাহ]] দয়ালু, করুনাময়, এক ও অদ্বিতীয় এবং একমাত্র ইবাদতযোগ্য অভিভাবক। ইসলামে প্রধান ধর্মগ্রন্থ হলো [[কুরআন|পবিত্র কুরআন]] যা এই [[ধর্ম]] গ্রন্থানুযায়ী স্বয়ং আল্লাহর বাণী। [[চিত্র:Kaaba at night.jpg|thumb|205px|নিশ্চয় আমি আল্লাহ, আমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই; সুতরাং আমার ইবাদাত কর এবং আমার স্মরণার্থে সালাত কায়েম কর। নিশ্চয়ই কিয়ামত আসবে; আমি তা গোপন রাখতে চাই যাতে প্রত্যেককে স্বীয় চেষ্টা-সাধনা অনুযায়ী প্রতিদান দেয়া যায়। ~ কুরআন, ২০:১৪-১৫]] == উক্তি == * ইসলামকে প্রায়শই একটি মনোলিথ হিসাবে দেখা হয়, যখন এটি অন্য যেকোন ঐতিহ্যের মতোই বৈচিত্র্যময়, যার অনুসারীরা আধুনিকতাবাদী থেকে ঐতিহ্যবাদীদের স্বরগ্রাম চালাচ্ছে। কিছু ভাষ্যকার এমনভাবে কথা বলেন যেন ইসলামের জগৎ আরব বিশ্বের সাথে কমবেশি অভিন্ন—যেখানে প্রকৃতপক্ষে মুসলমানদের অধিকাংশই স্থানীয় আরবি ভাষাভাষী নয়। সর্বাধিক জনবহুল মুসলিম দেশগুলি অ-আরব এশিয়ায় পাওয়া যায়—ইন্দোনেশিয়া থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এবং দক্ষিণ [[এশিয়া]] হয়ে মধ্য এশিয়া, [[ইরান]] এবং [[তুরস্ক]] পর্যন্ত, যা অবশ্যই এশিয়া এবং [[ইউরোপ]] উভয়েই। সাব-সাহারান আফ্রিকায় অনেকগুলো প্রধানত মুসলিম দেশ রয়েছে এবং প্রতিটি মহাদেশে মুসলমানদের বৃহৎ সংখ্যালঘুদের পাওয়া যায়। ** কফি আনান, [https://www.un.org/press/en/2004/sgsm9637.doc.htm "সেক্রেটারি-জেনারেল, ইসলামোফোবিয়ার মোকাবিলায় প্রধান কার্যালয় সেমিনারে ভাষণ দিচ্ছেন, নেতৃত্বের গুরুত্ব, দ্বিমুখী সংহতি, সংলাপের উপর জোর দিয়েছেন"] (৭ ডিসেম্বর, ২০০৪) * ইসলাম সফলতার ধর্ম। খ্রিস্টধর্মের বিপরীতে, যার মূল চিত্র রয়েছে, পশ্চিমে অন্তত, একজন মানুষ ধ্বংসাত্মক, অসম্মানজনক, অসহায় মৃত্যুতে মারা যাচ্ছে... মুহাম্মদ একটি আপাত [[ব্যর্থতা]] ছিল না। তিনি রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক দিক থেকে এক উজ্জ্বল সফলতা ছিলেন এবং ইসলাম শক্তি থেকে শক্তির দিকে এগিয়ে গিয়েছিল। ** কারেন আর্মস্ট্রং, [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/print/armstrong_print.html ময়েরস কারেন আর্মস্ট্রংয়ের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন] পিবিএস, ১লা মার্চ ২০০২ * জগতে যে সামান্য কয়েকটি মহান ধর্ম আছে, ইসলাম ধর্ম তাদেরই অন্যতম। মহান এই ধর্মমতের অনুগামীদের দায়িত্বও তাই বিপুল। ইসলামপন্থীদের মনে রাখা দরকার, ধর্মবিশ্বাসের মহত্ত্ব আর গভীরতা যেন তাঁদের প্রতিদিনের জীবনযাত্রার ওপরও ছাপ রেখে যায়। আসলে, এই দুর্ভাগা দেশের অধিবাসী দুটি সম্প্রদায়ের বোঝাপড়া শুধু তো জাতীয় স্বার্থের সপ্রতিভ উপলব্ধির ওপর নির্ভর করে না; সত্যদ্রষ্টাদের বাণীনিঃসৃত শাশ্বত প্রেরণার ওপরও তার নির্ভরতা। সত্য ও শাশ্বতকে যাঁরা জেনেছেন ও জানিয়েছেন, তাঁরা ঈশ্বরের ভালবাসার পাত্র। এবং মানুষকেও তাঁরা চিরকাল ভালবেসে এসেছেন। ** পয়গম্বর দিবস উদযাপন উপলক্ষে ১৯৩৩ সালের ২৬ নভেম্বর বোম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের]] পাঠানো বাণী। *** "ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ/ অন্যান্য প্রসঙ্গ"-অমিতাভ চৌধুরী, প্রকাশক: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ, প্রথম প্রকাশ: মাঘ ১৪০০, পৃষ্ঠা: ২-৩ * সারা পৃথিবীতে ইসলামের যখন জয় জয়কার হয় তখন মানুষ কীসের আকর্ষণে, কীসের টানে অন্য ধর্ম পরিত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেছিল? এক নম্বর কথা: সমতার চিন্তা, অন্যের প্রতি সহনশীলতা, অন্য ধর্মের প্রতি সহনশীলতার কারণে। ** [[নূরুল কবীর]]। ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি জিটিভির এক [https://m.youtube.com/watch?v=A4caGGS6Czc&t=30m08s টকশোতে]। == আরও দেখুন == * [[মুহাম্মাদ]] * [[খ্রিস্টধর্ম]] * [[ইহুদি ধর্ম]] * [[আব্রাহাম]] {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ইসলাম]] eptc6glx25sabsv2l3kxjyhh98r8nxf উসমান 0 264 84527 84513 2026-10-08T23:07:32Z খাত্তাব হাসান 7 [[Special:Contributions/~2026-53324-64|~2026-53324-64]] ([[User talk:~2026-53324-64|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:CommonsDelinker|CommonsDelinker]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 84494 wikitext text/x-wiki <noinclude>{{উৎসহীন}}</noinclude> '''উসমান ইবন আফ্‌ফান''' (আরবি: عثمان بن عفان}}; জন্ম: আনু. ৫৭৯ মৃত্যু: ১৭ জুন ৬৫৬) ছিলেন ইসলামের তৃতীয় খলিফা। ৬৪৪ থেকে ৬৫৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত খিলাফতে অধিষ্ঠিত ছিলেন। খলিফা হিসেবে তিনি চারজন খুলাফায়ে রাশিদুনের একজন। উসমান আস-সাবিকুনাল আওয়ালুনের (প্রথম পর্বে ইসলাম গ্রহণকারী) অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও তিনি আশারায়ে মুবাশ্‌শারা'র একজন এবং সেই ৬ জন সাহাবীর মধ্যে অন্যতম যাদের উপর মুহাম্মদ সন্তুষ্ট ছিলেন। তাকে সাধারণত হযরত উসমান হিসেবে উল্লেখ করা হয়। কুরাইশ গোত্রের বিশিষ্ট বংশ বনু উমাইয়ায় জন্মগ্রহণকারী। প্রথম দিকের ইসলামিক ইতিহাসে অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালনকারী এবং তিনি কুরআনের আদর্শ সংস্করণ সংকলনের আদেশ দেওয়ার জন্য পরিচিত ছিলেন। উসমানের নেতৃত্বে ৬৫০ সালে ইসলামী সাম্রাজ্য ফার্স (বর্তমান [[ইরান]]) এবং ৬৫১ সালে খোরাসান (বর্তমান [[আফগানিস্তান]]) এর কয়েকটি অঞ্চলে প্রসারিত হয়েছিল। ৬৪০ এর দশকের মধ্যে আর্মেনিয়া বিজয় শুরু হয়েছিল। == উক্তি == * যত দুরবস্থায় পতিত হও না কেনো, আদর্শের ক্ষেত্রে পরাজয় বরণ করো না। * নিজের বোঝা যত কমই হোক তা অন্যের উপর চাপাতে চেষ্টা করো না। * জান্নাত যথার্থ জানার পরও দুনিয়াতে আরাম আয়েশ তালাশ করে। শয়তান কে শত্রু জানার পরও তার অনুসরণ করে। * হে মানব সকল! আল্লাহপাক তোমাদিগকে তার আনুগত্যের জন্যই সৃষ্টি করেছেন, তোমরা কিনা অন্যের আনুগত্য করতে উৎসাহ বোধ কর। * অতিরিক্ত বিনয় কপটতার চিহ্ন। * দুনিয়াকে যে যত বেশী চিনেছে, সে এর দিক থেকে ততবেশী নিস্পৃহ হয়েছে। * পার্থিব জীবনের ভোগ বিলাশ অনন্ত জীবনের প্রাপ্য হ্রাস করে দেয়। * শান্তির সাথে জীবন যাপন করার পরও যে ব্যক্তির আকাঙ্খা মিটে না, তার পক্ষে তৃপ্ত হওয়া সম্ভব না। * কর্মবিহীন জ্ঞান অনেক সময় উপকারী হতে পারে, কিন্তু জ্ঞানবিহীন কর্ম কখনো উপকারী হয় বলে আমার জানা নেই। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:৫৭৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:৬৫৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:৭ম শতাব্দীর মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:খুলাফায়ে রাশেদীন]] [[বিষয়শ্রেণী:মক্কার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:আরব ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:সাহাবা]] [[বিষয়শ্রেণী:রাষ্ট্রপ্রধান]] [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মীয় নেতা]] [[বিষয়শ্রেণী:আরব]] 53zczzq4oug6sfn572ouu1w8ixr1uf0 মুহাম্মাদ 0 435 84529 84510 2026-10-08T23:07:59Z খাত্তাব হাসান 7 [[Special:Contributions/~2026-53324-64|~2026-53324-64]] ([[User talk:~2026-53324-64|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:~2026-20591-43|~2026-20591-43]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 73325 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Al-Masjid AL-Nabawi Door.jpg|thumb|মানুষ তার বন্ধুর আদর্শে গড়ে উঠে। সুতরাং তার বন্ধু নির্বাচনের [[সময়]] এ বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিত, সে কাকে বন্ধু নির্বাচন করছে ‍‍‍~ মুহাম্মাদ]] '''[[:w:মুহাম্মাদ|মুহাম্মাদ]]''' ([[w:আরবী|আরবী]]:مُحَمَّد; ২৯ আগস্ট ৫৭০ – ৮ জুন ৬৩২; '''মোহাম্মদ''' এবং '''মুহম্মদ''' নামেও পরিচিত), ছিলেন একজন [[w:আরব জাতি|আরবের]] ধর্মীয়, সামাজিক এবং রাজনৈতিক নেতা এবং [[w:ইসলাম|ইসলাম ধর্মের]] প্রতিষ্ঠাতা। ইসলামী মতবাদ অনুসারে, তিনি হলেন ঐশ্বরিকভাবে প্রেরিত ইসলামের সর্বশেষ [[w:নবী|নবী]] যার উপর ইসলামের প্রধান ধর্মগ্রন্থ [[w:কুরআন|কুরআন]] অবতীর্ণ হয়। [[w:আদম|আদম]], [[:bn:ইব্রাহিম (নবী)|ইব্রাহিম]], [[:bn:মুসা|মূসা]], [[:bn:যীশু|যীশু]] এবং অন্যান্য নবীদের মতোই মুহাম্মদ একেশ্বরবাদী [[শিক্ষা]] প্রচার করার জন্য প্রেরিত। অমুসলিমদের মতে, তিনি ইসলামি জীবনব্যবস্থার প্রবর্তক। == উক্তি == * রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ’’নিশ্চয় আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে জাহান্নামের জন্য হারাম করে দিয়েছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের কামনায় ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (আল্লাহ ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই) বলে।’ ** বুখারী ৭৭ * আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ ঘোষণা করেন, আমি সে রকমই, যে রকম বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে। আমি বান্দার সঙ্গে থাকি যখন সে আমাকে স্মরণ করে। যদি সে মনে মনে আমাকে স্মরণ করে; আমিও তাকে নিজে স্মরণ করি। আর যদি সে জন-সমাবেশে আমাকে স্মরণ করে, তবে আমিও তাদের চেয়ে উত্তম সমাবেশে তাকে স্মরণ করি। যদি সে আমার দিকে এক বিঘত এগিয়ে আসে, তবে আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে যাই, যদি সে আমার দিকে এক হাত অগ্রসর হয়; আমি তার দিকে দু’ হাত এগিয়ে যাই। আর সে যদি আমার দিকে হেঁটে আসে, আমি তার দিকে দৌড়ে যাই। ** বুখারী ৭৪০৫ * আববাস বিন আব্দুল মুত্তালিব (রাঃ) বলেন, ‘‘আমি একদা একদল সাহাবীর সাথে খোলা ময়দানে বসা ছিলাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও সেখানে ছিলেন। তখন তাদের উপর দিয়ে এক খন্ড মেঘ অতিক্রম করার সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেদিকে তাকিয়ে বললেনঃ তোমরা এটিকে কী বলো? তারা বললোঃ السحاب ‘‘এটিকে আমরা মেঘ বলি’’। তিনি তখন বললেনঃ والمزن (আলমুয্ন)। সাহাবীরা বললোঃ আমরা এটিকে মুয্নও বলি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ والعنان (আলআনান)। সাহাবীগণ বললোঃ আমরা আনানও বলি। ইমাম আবু দাউদ (রঃ) বলেনঃ আমি আনান শব্দটি ভালভাবে বুঝতে পারিনি। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ তোমরা কি জানো আকাশ ও পৃথিবীর মাঝখানের দূরত্ব কতটুকু? সাহাবীগণ বললোঃ আমরা জানিনা। তিনি বললেনঃ উভয়ের মধ্যে রয়েছে হয় একাত্তর বছরের, না হয় বাহাত্তর বছরের না হয় তেহাত্তর বছরের দূরত্ব। এমনি প্রত্যেক আকাশ ও তার পরবর্তী আকাশের মধ্যবর্তী দূরত্ব হচ্ছে একই রকম। এভাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাতটি আসমান গণনা করলেন। সপ্তম আকাশের উপর রয়েছে একটি সাগর। সাগরের উপর হতে নীচের দূরত্ব (গভীরতা) হচ্ছে এক আসমান থেকে অন্য আসমানের মধ্যকার দূরত্বের সমান। সাগরের উপরে রয়েছে আটটি ওয়াল (বিশাল আকারের আট ফেরেশতা)। তাদের হাঁটু থেকে পায়ের খুর পর্যন্ত দূরত্ব এক আসমান থেকে অন্য আসমানের মধ্যবর্তী দূরত্বের সমান। তাদের পিঠে রয়েছে আল্লাহর আরশ। আরশ এত বিশাল যে, তার নীচের অংশ হতে উপরের ছাদ পর্যন্ত দূরত্ব হচ্ছে এক আসমান থেকে অন্য আসমানের মধ্যবর্তী দূরত্বের সমান। আর আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আরশের উপরে’’। ** মুসনাদ আহমদ ১/২০৬ * মু’আয ইবনু জাবাল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদিন প্রত্যুষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সাথে ফজরের নামায আদায় করতে আসতে বাধাপ্রাপ্ত হন। এমনকি আমরা সূর্য উদিত হয়ে যাওয়ার আশংকা করলাম। তিনি তাড়াতাড়ি বের হয়ে এলে সালাতের জন্য ইকামাত দেয়া হল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংক্ষেপে সালাত আদায় করলেন। তিনি সালাম ফিরানোর পর উচ্চস্বরে আমাদেরকে ডেকে বললেনঃ তোমরা যেভাবে সারিবদ্ধ অবস্থায় আছ সেভাবেই থাক। তারপর তিনি আমাদের দিকে ফিরে বসলেন অতঃপর বললেনঃ সকালে তোমাদের নিকট আসতে আমাকে কিসে বাধাগ্রস্ত করেছে তা এখনই তোমাদেরকে বলছি। আমি রাত্রে উঠে উযূ করলাম এবং সামর্থ্যমত নামায পড়লাম। নামাযের মধ্যে আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লাম। '''''অতঃপর আমি ঘুমিয়ে পড়লাম, এমন সময় আমি আমার বারাকাতময় প্রভুকে খুব সুন্দর অবস্থায় (স্বপ্নে) দেখতে পেলাম।''''' তিনি বললেন, হে মুহাম্মাদ। আমি বললামঃ প্ৰভু! আমি উপস্থিত। তিনি বললেন, উর্ধ্বজগতের অধিবাসীগণ (শীর্ষস্থানীয় ফেরেশতাগণ) কি ব্যাপারে বিতর্ক করছে? আমি বললামঃ প্ৰভু! আমি জানি না। আল্লাহ তা’আলা এ কথা তিনবার বললেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ '''''আমি তাকে দেখলাম যে, তিনি তার হাতের তালু আমার দুই কাঁধের মাঝখানে রাখলেন। আমি আমার বক্ষস্থলে তার হাতের আঙ্গুলের শীতলতা অনুভব করলাম। ফলে প্রতিটি জিনিস আমার নিকট আলোকোদ্ভাসিত হয়ে উঠল এবং আমি তা জানতে পারলাম।''''' আল্লাহ তা’আলা বললেন, হে মুহাম্মাদ! আমি বললামঃ প্ৰভু! আমি আপনার নিকট হাযির। তিনি বললেন, উর্ধ্বজগতের বাসিন্দাগণ কি ব্যাপারে বিতর্ক করছে? আমি বললামঃ কাফফারাত প্রসঙ্গে (তারা বিতর্ক করছে)। তিনি বলেন, সেগুলো কি? আমি বললামঃ হেঁটে সালাতের জামা’আতসমূহে হাযির হওয়া, নামাযের পর মসজিদে বসে থাকা এবং কষ্টকর অবস্থায়ও উত্তমরূপে উযূ করা। তিনি বললেন, তারপর কি ব্যাপারে (তারা বিতর্ক করেছে)? আমি বললামঃ খাদ্যপ্রার্থীকে আহার্যদান, নম্রতার সাথে কথা বলা এবং রাতে মানুষ যখন ঘুমিয়ে পড়ে সেই সময় সালাত আদায় করা প্রসঙ্গে। আল্লাহ তা’আলা বললেন, তুমি কিছু চাও, বলঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ভাল ও কল্যাণকর কাজ সম্পাদনের, মন্দ কাজসমূহ বর্জনের, দরিদ্রজনদের ভালবাসার তাওফীক চাই, তুমি আমায় ক্ষমা কর ও দয়া কর। তুমি যখন কোন গোত্রকে বিপদে ফেলার ইচ্ছা কর তখন তুমি আমাকে বিপদমুক্ত রেখে তোমার কাছে তুলে নিও। আমি প্রার্থনা করি তোমার ভালবাসা, যে তোমায় ভালবাসে তার ভালবাসা এবং এমন কাজের ভালবাসা যা তোমার ভালবাসার নিকটবর্তী করে দেয়।” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ '''''স্বপ্লটি অবশ্যই সত্য। অতএব তা পড়, তারপর তা শিখে নাও।''''' ** তিরমিযী, ৩২৩৫, (সহীহ) * আমি তোমাদের মাঝে দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি, যতক্ষন তোমরা এই দুটিকে আকড়ে ধরে রাখবে ততক্ষন তোমরা কেউ পথভ্রষ্ট হবে না। আর তা হলো আল্লাহ তায়ালার [[কুরআন|কিতাব]] ও [[হাদিস|আমার সুন্নাহ]]। ** মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হাদিস নাম্বার ৩৩৩৮ * আমি তোমাদেরকে যেসব বিষয় নিষেধ করেছি, তা থেকে বিরত থাক। আর যেসব বিষয়ে আদেশ করেছি, যথাসম্ভব তা পালন কর। বেশী বেশী প্রশ্ন করা আর নবীদের সাথে মতবিরোধ করা তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ধ্বংস করে দিয়েছে। ** [[:w:সহীহ বুখারী|সহীহ বুখারী]]: ৭২৮৮, মুসলিম: ১৩৩৭ * আলক্বামাহ ইবনু ওয়াক্কাস আল-লায়সী (রহ.) হতে বর্ণিত। আমি ’উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ কাজ (এর প্রাপ্য হবে) নিয়্যাত অনুযায়ী। আর মানুষ তার নিয়্যাত অনুযায়ী প্রতিফল পাবে। তাই যার হিজরত হবে ইহকাল লাভের অথবা কোন মহিলাকে বিবাহ করার উদ্দেশে- তবে তার হিজরত সে উদ্দেশেই হবে, যে জন্যে, সে হিজরত করেছে।] ** বুখারী ১ (৫৪, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১) * আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “নিশ্চয় সর্বপ্রথম ব্যক্তি কিয়ামতের দিন যার ওপর ফয়সালা করা হবে, সে ব্যক্তি যে শহীদ হয়েছিল। তাকে আনা হবে, অতঃপর তাকে তার (আল্লাহর) নিয়ামতরাজি জানানো হবে, সে তা স্বীকার করবে। তিনি বলবেন: তুমি এতে কি আমল করেছ? সে বলবে: আপনার জন্য জিহাদ করে এমনকি শহীদ হয়েছি। তিনি বলবেন: মিথ্যা বলেছ, তবে তুমি এ জন্য জিহাদ করেছ যেন বলা হয়: বীর, অতএব বলা হয়েছে। অতঃপর তার ব্যাপারে নির্দেশ দেয়া হবে, তাকে তার চেহারার ওপর ভর করে টেনে-হিঁচড়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। আরও এক ব্যক্তি যে ইলম শিখেছে, শিক্ষা দিয়েছে ও কুরআন তিলাওয়াত করেছে, তাকে আনা হবে। অতঃপর তাকে তার নিয়ামতরাজি জানানো হবে, সে তা স্বীকার করবে। তিনি বলবেন: তুমি এতে কি আমল করেছ? সে বলবে: আমি ইলম শিখেছ, শিক্ষা দিয়েছি ও আপনার জন্য কুরআন তিলাওয়াত করেছি। তিনি বলবেন: মিথ্যা বলেছ, তবে তুমি ইলম শিক্ষা করেছ যেন বলা হয়: আলেম, কুরআন তিলাওয়াত করেছ যেন বলা হয়: সে কারী, অতএব বলা হয়েছে। অতঃপর তার ব্যাপারে নির্দেশ দেয়া হবে, তাকে চেহারার ওপর ভর করে টেনে-হিঁচড়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। আরও এক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ সচ্ছলতা দিয়েছেন ও সকল প্রকার সম্পদ দান করেছেন, তাকে আনা হবে। তাকে তার নিয়ামতরাজি জানানো হবে, সে তা স্বীকার করবে। তিনি বলবেন: তুমি এতে কি আমল করেছ? সে বলবে: এমন খাত নেই যেখানে খরচ করা আপনি পছন্দ করেন আমি তাতে আপনার জন্য খরচ করি নাই। তিনি বলবেন: মিথ্যা বলেছ, তবে তুমি করেছ যেন বলা হয়: সে দানশীল, অতএব বলা হয়েছে, অতঃপর তার ব্যাপারে নির্দেশ দেয়া হবে, তাকে তার চেহারার ওপর ভর করে টেনে-হিঁচড়ে অতঃপর জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে”। [মুসলিম ও নাসায়ি] হাদিসটি সহিহ। ** সহীহ হাদীসে কুদসি ৫ * আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহ তা’আলা বলেন: শরীকদের মধ্যে অংশীদারির অংশ (শির্ক) থেকে আমিই অধিক অমুখাপেক্ষী, যে কেউ এমন আমল করল যাতে আমার সাথে অপরকে শরিক করেছে, আমি তাকে ও তার শির্ককে প্রত্যাখ্যান করি”। ** সহীহ হাদীসে কুদসি ৬ * মাহমুদ ইবনু লাবিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আমি তোমাদের ওপর যা ভয় করি তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হচ্ছে শির্কে আসগর (ছোট শির্ক)। তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল শির্কে আসগর কি? তিনি বললেন: “রিয়া (লোক দেখানো আমল), আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন তাদেরকে (রিয়াকারীদের) বলবেন, যখন মানুষকে তাদের আমলের বিনিময় দেয়া হবে: তোমরা তাদের কাছে যাও যাদেরকে তোমরা দুনিয়াতে দেখাতে, দেখ তাদের কাছে কোন প্রতিদান পাও কিনা”। ** সহীহ হাদীসে কুদসি ৭ * হযরত জাবির ইবনে আবদ-আল্লাহ আল--সালামি এর দ্বারা বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সঃ) আমাদেরকে আমাদের কাজকর্মের ব্যাপারে ইস্তিখারা পড়ার নিয়ম এরুপ গুরুত্বসহকারে শিক্ষা দিতেন যেরুপ গুরুত্ব সহকারে আমাদেরকে কুরআন মজীদের কোন সূরা শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেন, যখন তোমাদের কেহ কোন কাজ করার ইচ্ছা করে (আর সে উহার পরিণতি সম্পর্কে চিন্তিত হয়, তখন তাহার এইভাবে ইস্তেখারা করা উচিত যে,) সে প্রথমে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করবে, এরপর এইভাবে দোয়া করবে- اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَخِيرُكَ بِعِلمِكَ وَأَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ ، وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ، فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلاَ أَقْدِرُ وَتَعْلَمُ وَلاَ أَعْلَمُ وَأَنْتَ عَلاَّمُ الغُيُوبِ ، اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ ثم تسميه بعينه خَيْرا لِي في عَاجِلِ أَمْرِي وَآجِلِهِ قال أو فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي فَاقْدُرْهُ لي وَيَسِّرْهُ لي ثُمَّ بَارِكْ لي فِيهِ ، اللهم وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّه شَرٌّ لي في ديني وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي أَوْ قَالَ في عَاجِلِ أمري وَآجِلِهِ ، فَاصْرِفْنِي عَنْهُ [واصْرِفْهُ عَنِّى]، وَاقْدُرْ لِي الخَيْرَ حَيْثُ كَانَ ثُمَّ رضِّنِي به، উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ইবি আস্‌তাখীরুকা বিইলমিকা অ আস্‌তাক্‌দিরুকা বি কুদরাতিকা অ আসআলুকা মিন ফায্বলিকাল আযীম, ফাইন্নাকা তাক্‌দিরু অলা আক্‌দিরু অতা’লামু অলা আ’লামু অ আন্তা আল্লা-মুল গুয়ূব। আল্লা-হুম্মা ইন কুন্তা তালামু আন্না হা-যাল আমরা ( ) খাইরুল লি লি দীনি অ মাআশি অ আকিবাতি আমরি অ আ-জিলিহি অ আ-জিলিহ, ফাক্‌দুরহু লি, অ য়্যাসসিরহু লি, সুম্মা বা-রিক লি ফিহ। অ ইন কুন্তা তালামু আন্না হা-যাল আমরা শাররুল লি ফি দীনি অ মাআশি অ আ’-কিবাতি আমরি অ আ’-জিলিহি অ আ-জিলিহ, ফাস্বরিফহু আন্নি অস্বরিফনি আনহু, অক্বদুর লিয়াল খাইরা হাইসু কা-না সুম্মা রায্বযিনি বিহ। অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার জ্ঞানের সাহায্যে আপনার কাছে কল্যাণ প্রার্থনা করছি। আমি আপনার শক্তির সাহায্যে শক্তি ও আপনার অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি। কেননা আপনিই ক্ষমতা রাখেন; আমি ক্ষমতা রাখি না। আপনি জ্ঞান রাখেন, আমার জ্ঞান নেই এবং আপনি অদৃশ্য বিষয়ে সম্পূর্ণ পরিজ্ঞাত। হে আল্লাহ! আপনার জ্ঞানে আমার এ কাজ (নিজের প্রয়োজনের নামোল্লেখ করবে) আমার বর্তমান ও ভবিষ্যত জীবনের জন্য কিংবা বলবে আমার দ্বীনদারি, জীবন-জীবিকা ও কর্মের পরিণামে কল্যাণকর হলে আপনি তা আমার জন্য নির্ধারণ করে দিন। সেটা আমার জন্য সহজ করে দিন এবং তাতে বরকত দিন। হে আল্লাহ্‌! আর যদি আপনার জ্ঞানে আমার এ কাজ আমার দ্বীনদারি, জীবন-জীবিকা ও কর্মের পরিণামে কিংবা বলবে, আমার বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য অকল্যাণকর হয়, তবে আপনি আমাকে তা থেকে ফিরিয়ে দিন এবং সেটাকেও আমার থেকে ফিরিয়ে রাখুন। আমার জন্য সর্বক্ষেত্রে কল্যাণ নির্ধারণ করে রাখুন এবং আমাকে সেটার প্রতি সন্তুষ্ট করে দিন।” ** সহিহ বুখারী (৬৮৪১) * মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... আবূ বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন কাজ করার ইচ্ছা করতেন তখন বলতেনঃ (اللَّهُمَّ خِرْ لِي وَاخْتَرْ لِي) - হে আল্লাহ! আমার কাজ কল্যাণমূলক করুন এবং কল্যাণমূলক কাজ আমার জন্য নির্ধারণ করুন। ** তিরমিযী ৩৫১৬, যঈফ, যঈফা ১৫১৫, হাদীসটি গরীব * নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) বলেছেন, "পুণ্য (الْبِرُّ, আল-বিররু) হল সদ্ব্যবহার, আর পাপ (الْإِثْمُ, আল-ইছ্মু) হলো যা সন্দেহ তৈরি করে এবং তুমি পছন্দ কর না যে লোকজন তা জেনে ফেলুক।"" ** সহীহ মুসলিম, ৩২:৬১৯৫ (ইংরেজি),সহীহ মুসলিম, ৩২:৬১৯৬ (ইংরেজি) *ওয়াবিসা বিন মাবাদ হতে বর্ণিত: “আমি আল্লাহর রাসুলের কাছে গেলাম এবং তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন: “তুমি কি পুণ্য সম্পর্কে জানতে এসেছ?” আমি ইতিবাচক উত্তর দিলাম। তখন তিনি বললেন: “তোমার হৃদয়কে জিজ্ঞাসা কর। পুণ্য হল যা আত্মাকে প্রশান্তি এবং হৃদয়কে প্রস্বস্তি দেয়, আর পাপ হল যা সন্দেহ সৃষ্টি করে এবং হৃদয়কে বিচলিত করে, এমনকি লোকে যদি তা বৈধ বলে এবং বারবার তা ন্যায়সঙ্গত বলে তোমাকে বোঝাতে থাকে তাঁর পরও।” ** আহমাদ আদ-দারমি, ৪০ হাদিস: নববী: ২৭ * রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন, "প্রত্যেক আদম সন্তানই পাপ করে, পাপীদের মধ্যে তারাই সর্বোত্তম যারা তওবা করে।"/রাসূলুল্লাহ বলেছেন, "প্রত্যেক আদম সন্তান ত্রুটিশীল ও অপরাধী, আর অপরাধীদের মধ্যে উত্তম লোক তারা যারা তওবা করে।" ** আহমাদ ১৩০৪৯, তিরমিযী ২৪৯৯, ইবনে মাজাহ ৪২৫১, দারেমী ২৭২৭, বাইহাক্বী ৭১২৭ * সহীহ মুসলিমে, আবু আইয়ুব আনসারি এবং আবু হুরায়রা বর্ণনা করেন: আল্লাহর রাসূল (সা:) বলেন, "সেই সত্ত্বার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ, মানুষ যদি পাপ না করতো তবে আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে উঠিয়ে নিয়ে এমন এক সম্প্রদায়ের অবতারণা করতেন, যারা পাপ করত এবং পরে (নিজের ভুল বুঝতে পেরে) আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতো এবং আল্লাহ তাদের ক্ষমা করে দিতেন।" ** সহীহ মুসলিম, ৩৭:৬৬২১ * ইবনে মা’কিল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পিতার সাথে আব্দুল্লাহ (রাঃ) -এর নিকট উপস্থিত হলাম। আমি তাকে বলতে শুনলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ’’অনুতপ্ত হওয়াই তওবা’’। আমার পিতা তাকে জিজ্ঞেস করেন, আপনি নিজে কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন যে, ’’অনুতপ্ত হওয়াই তওবা’’? তিনি বলেন, হাঁ। ** ইবনে মাজাহ, ৪২৫২ (সহীহ) * তোমরা পরস্পর হিংসা করো না, পরস্পরের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ পোষণ করো না, অপরের গোয়েন্দাগিরি করো না, অপরের গোপনীয় দোষ অনুসন্ধান করোনা, পরস্পরের পণ্যদ্রব্যের মূল্য বাড়িয়ে দিয়ো না। তোমরা আল্লাহর বান্দা, ভাই ভাই হয়ে যাও। ** ইমাম নববীর চল্লিশ হাদিস গ্রন্থে মুসলিম: ২৫৬৪ এর সূত্রে * যে কোন মুসলিম (ফলবান) গাছ লাগাবে তা থেকে যা কিছু খাওয়া হয় তা তার জন্য দান স্বরূপ, যা কিছু চুরি হয় তাও দান স্বরূপ, বন্য জন্তু যা খাবে তাও দান স্বরূপ। [[পাখি]] যা খাবে তাও দান স্বরূপ। আর কেউ যে কোন প্রকার ক্ষতি সাধন করলে তাও তার জন্য দান স্বরূপ। ** মুসলিম: ৩৮২৪ * তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম যে নিজের পরিবারের কাছে উত্তম। ** তিরমিজি:৩৮৯৫, মেশকাত:৩২৫২ * মানুষ তার বন্ধুর আদর্শে গড়ে উঠে। সুতরাং তার বন্ধু নির্বাচনের সময় এ বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিত, সে কাকে বন্ধু নির্বাচন করছে। ** তিরমিযী: ২৩৭৮, আবূ দাঊদ: ৪৮৩৩ * প্রকৃত মুজাহিদ সে ব্যক্তি, যে আল্লাহর আনুগত্য করার ব্যাপারে নিজের নফসের (কুপ্রবৃত্তির) সাথে জিহাদ করে। ** মুসনাদে আহমাদ * জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "প্রত্যেক সৎ কাজই সাদাকা।" **ইমাম আল-নওয়াবী রচিত রিয়াদ-আস-সালিহীন , ভলিউম ১, হাদিস নম্বর ১৩৪ *আবু যার (রাঃ) বলেন, "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেন, "তুমি কোন সঠিক বিষয়কে ছোট মনে করো না, এমনকি তোমার ভাইয়ের মুখের হাসি-খুশি ভাবনাকেও।" **ইমাম আল-নওয়াবী রচিত রিয়াদ-আস-সালিহীন , খণ্ড ৪, হাদিস নম্বর ৬৯৫ *আনাস (রাঃ) বলেন, "এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-এর কাছে এসে বলল, 'হে আল্লাহর রাসূল! আমি ভ্রমণ করতে চাই, তাই আমাকে রিযিক দিন।' তিনি বললেন, ' আল্লাহ আপনাকে তাকওয়ার রিযিক দিন।' তিনি বললেন, 'আমাকে আরও দিন।' তিনি বললেন, ' এবং তোমার ভুল ক্ষমা করো।' তিনি বললেন, 'আমাকে আরও দিন।' তিনি বললেন, ' আর তুমি যেখানেই থাকো না কেন তিনি তোমার জন্য কল্যাণ সহজ করে দিন।'" **ইমাম আল-নওয়াবী রচিত রিয়াদ-আস-সালিহীন , খণ্ড ৫, হাদীস নম্বর ৭১৭ * যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াবের উদ্দেশ্যে রমজান মাসে তারাবিহ নামাজ পড়বে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে ।’ ** [[মুহাম্মাদ]], বুখারি, হাদিস: ৩৬ * নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা তোমাদের প্রতি রোজা ফরজ করেছেন আর আমি তোমাদের জন্য তারাবির নামাজ সুন্নত করেছি; অতএব যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় রমজানে দিনে রোজা পালন করবে ও রাতে তারাবির নামাজ আদায় করবে, সে গুনাহ থেকে এমন পবিত্র হবে; যেমন নবজাতক মাতৃগর্ভ থেকে (নিষ্পাপ অবস্থায়) ভূমিষ্ঠ হয়। ** [[মুহাম্মাদ]], নাসায়ি, প্রথম খণ্ড, ২৩৯ পৃষ্ঠা [https://www.prothomalo.com/religion/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9C-%E0%A6%93-%E0%A6%96%E0%A6%A4%E0%A6%AE-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC] * "আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের দিকে এগিয়ে এসে বলেনঃ হে মুহাজিরগণ! তোমরা পাঁচটি বিষয়ে পরীক্ষার সম্মুখীন হবে। তবে আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি যেন তোমরা তার সম্মুখীন না হও। যখন কোন জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে তখন সেখানে মহামারী আকারে প্লেগরোগের প্রাদুর্ভাব হয়। তাছাড়া এমন সব ব্যাধির উদ্ভব হয়, যা পূর্বেকার লোকেদের মধ্যে কখনো দেখা যায়নি। যখন কোন জাতি ওযন ও পরিমাপে কারচুপি করে তখন তাদের উপর নেমে আসে দুর্ভিক্ষ, শাসকের তরফ থেকে অত্যাচার কঠিন বিপদ-মুসীবত এবং যখন যাকাত আদায় করে না তখন আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষণ বন্ধ করে দেয়া হয়। যদি ভূ-পৃষ্ঠে চতুস্পদ জন্তু ও নির্বাক প্রাণী না থাকতো তাহলে আর কখনো বৃষ্টিপাত হতো না। যখন কোন জাতি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অঙ্গীকার ভঙ্গ করে, তখন আল্লাহ তাদের উপর তাদের বিজাতীয় দুশমনকে ক্ষমতাশীন করেন এবং সে তাদের সহায়-সম্পদ কেড়ে নেয়। যখন তোমাদের শাসকবর্গ আল্লাহর কিতাব মোতাবেক মীমাংসা করে না এবং আল্লাহর নাযিলকৃত বিধানকে গ্রহণ করে না, তখন আল্লাহ তাদের পরস্পরের মধ্যে যুদ্ধ বাঁধিয়ে দেন। ** ইবনে মাজাহ, ৪০১৯ (হাসান বা নির্ভরযোগ্য) * আবূ হুরাইরাহ হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, নিশ্চয় দ্বীন সহজ। যে ব্যক্তি অহেতুক দ্বীনকে কঠিন বানাবে, তার উপর দ্বীন জয়ী হয়ে যাবে। (অর্থাৎ মানুষ পরাজিত হয়ে আমল ছেড়ে দিবে।) সুতরাং তোমরা সোজা পথে থাক এবং (ইবাদতে) মধ্যমপন্থা অবলম্বন কর(সাদ্দাদু ওয়া ক্বারিবু - সোজা পথে থাকো ও নিকটবর্তী হও)। তোমরা সুসংবাদ নাও। আর সকাল-সন্ধ্যা ও রাতের কিছু অংশে ইবাদত করার মাধ্যমে সাহায্য নাও।/দ্বীন (ইসলাম) সহজ, এবং যে ব্যক্তি ধর্মকে কঠোর করে, তা তাকে পরাভূত করবে। সুতরাং, একটি মধ্যবর্তী পন্থা অনুসরণ করো (ইবাদাতে); যদি তা করতে না পারো, তবে এর কাছাকাছি কিছু করো এবং সুসংবাদ দাও এবং সকাল-সন্ধ্যা এবং রাতের কিছু অংশে (আল্লাহর) সাহায্য প্রার্থনা করো। ** বুখারী: ৩৯ * আবদুল আযীয ইবনু আবদুল্লাহ ... আয়িশা থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা ঠিকভাবে ও মধ্যমপন্থায় (সাদ্দাদু ওয়া ক্বারিবু) নেক আমল করতে থাক। আর জেনে রাখ যে, তোমাদের কাউকে তার আমল বেহেশতে নেবে না এবং আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় আমল হলো, যা নিয়মিত করা হয়। তা অল্পই হোক না কেন। ** বুখারী, অধ্যায়: ৬৮, হাদীস: ৬০২০ * নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন,) ‘‘আমি কি এই সংবাদ পাইনি যে, তুমি দিনে রোযা রাখছ এবং রাতে নফল নামায পড়ছ?’’ আমি বললাম, ‘সম্পূর্ণ সত্য, হে আল্লাহর রাসূল!’ তিনি বললেন, ‘‘পুনরায় এ কাজ করো না। তুমি রোযাও রাখ এবং (কখনো) ছেড়েও দাও। নিদ্রাও যাও এবং নামাযও পড়। কারণ তোমার উপর তোমার দেহের অধিকার আছে। তোমার উপর তোমার চক্ষুদ্বয়ের অধিকার আছে। তোমার উপর তোমার স্ত্রীর অধিকার আছে এবং তোমার উপর তোমার অতিথির অধিকার আছে। ** সহীহ আল বুখারী, খণ্ড ৭, হাদীস ১২৭ * তোমরা সরল পথে থাকো, মধ্যমপন্থা অবলম্বন কর (সাদ্দাদু ওয়া ক্বারিবু) সকাল-সন্ধ্যায় চল (ইবাদত কর) এবং রাতের কিছু অংশে। আর তোমরা মধ্যমপন্থা অবলম্বন কর(ক্বাসদ), মধ্যমপন্থা অবলম্বন কর (ক্বাসদ), তাহলেই গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যাবে। ** সহীহ আল বুখারী, খণ্ড ৮, হাদীস ৪৭০ *আদম ... আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কস্মিনকালেও তোমাদের কাউকে নিজের আমল নাজাত দেবে না। তাঁরা বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনাকেও না? তিনি বললেনঃ আমাকেও না। তবে আল্লাহ তা'আলা আমাকে রহমাত দিয়ে ঢেকে রেখেছেন। তোমরা যথারীতি আমল কর, ঘনিষ্ঠ হও (সাদ্দাদু ওয়া ক্বারিবু)। তোমরা সকালে, বিকালে এবং রাতের শেষাংশে আল্লাহর কাজ কর। মধ্যমপন্থা অবলম্বন কর (ক্বাসদ)। আকড়ে ধর মধ্যমপন্থাকে (ক্বাসদ), অবশ্যই সফলকাম হবে।আর তোমাদের মধ্যে কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে। কেননা, সে ভাল লোক হলে (বয়স দ্বারা) তার নেক ‘আমাল বৃদ্ধি হতে পারে। আর খারাপ লোক হলে সে তাওবাহ করার সুযোগ পাবে। ** সহীহ আল বুখারী, খণ্ড ৭, হাদীস ৫৭৭ (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫৮) * আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস কর্তৃক বর্ণিত, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, নিশ্চয় উত্তম আদর্শ, সুন্দর বেশভূষা এবং মধ্যমপন্থা (ইক্বতিসাদ) নবুঅতের পঁচিশ ভাগের একটি ভাগ। ** আবূ দাঊদ ৪৭৭৮, তিরমিযী ২০১০ *হাকাম বিন হাযন কুলাফী থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে মানব সকল! তোমাদেরকে যে সকল কর্মের আদেশ করা হয়, তার প্রত্যেকটাই পালন করতে তোমরা কক্ষনই সক্ষম হবে না। তবে তোমরা মধ্যমপন্থা অবলম্বন কর (সাদ্দাদু ওয়া ক্বারিবু) এবং সুসংবাদ নাও। ** আহমাদ ১৭৮৫৬, আবূ দাঊদ ১০৯৮, সহীহুল জামে’ ৭৮৭১ *হান্নাদ (রহঃ) .... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন তোমাদের কেউ যখন সিজদা করবে তখন সে যেন মধ্যপন্থা অবলম্বন করে (ইয়া'তাদ্বিল) এবং কুকুরের মত কনুই পর্যন্ত হাত যেন বিছিয়ে না রাখে। ** ইবনু মাজাহ ৮৯১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৫ * রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘মধ্যপন্থা অবলম্বনকারী ব্যক্তি দরিদ্র হয় না। ** (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৪২৬৯) * আন-নু'মান বিন বাশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কে বলতে শুনেছি, 'হালাল ও হারাম উভয় বিষয়ই স্পষ্ট, কিন্তু এর মাঝখানে সন্দেহজনক (সন্দেহজনক) বিষয় রয়েছে এবং অধিকাংশ লোকই এ সম্পর্কে কোন জ্ঞান রাখে না। সুতরাং যে ব্যক্তি এই সন্দেহজনক বিষয়গুলি থেকে নিজেকে রক্ষা করে সে তার দ্বীন ও সম্মান রক্ষা করে। আর যে ব্যক্তি এই সন্দেহজনক বিষয়গুলিতে লিপ্ত হয় সে যেন একজন রাখালের মতো যে অন্যের সীহিমা (ব্যক্তিগত চারণভূমি) কাছে (তার পশু) চরে বেড়ায় এবং যে কোনও মুহূর্তে সে তাতে প্রবেশ করতে পারে। (হে মানুষ!) সাবধান! প্রত্যেক রাজারই হিমা থাকে এবং পৃথিবীতে আল্লাহর হিমা হল তার অবৈধ (নিষিদ্ধ) জিনিস। সাবধান! শরীরে একটি মাংসের টুকরো আছে যদি তা সুস্থ (সংস্কারিত) হয় তাহলে পুরো শরীর সুস্থ হয়ে ওঠে, কিন্তু যদি তা নষ্ট হয়ে যায় তাহলে পুরো শরীর নষ্ট হয়ে যায় এবং তা হল হৃদয়। ** বুখারী ৫২, মুসলিম ১৫৯৯, তিরমিযী ১২০৫, আবু দাউদ ৩৩৩০, আহমদ ১৮৩৭৪, মিশকাত ২৭৬২, দারিমি ২৫৭৩, তারগিবে সহীহ ১৭৩১ * আল-হাসান বিন 'আলী বলেন: "আমার মনে আছে আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছেন: 'যে বিষয়ে তোমার সন্দেহ হয়, তা ছেড়ে দিয়ে যাতে সন্দেহের সম্ভাবনা নেই তা গ্রহণ কর। যেহেতু, সত্য হলো শান্তি ও স্বস্তি এবং মিথ্যা হলো দ্বিধা-সন্দেহ।'" ** তিরমিযী ২৫১৮, এরওয়া (১২, ২০৭৪), আযিলাল (১৭৯), এবং রাউন নায়ের (১৫২) (গ্রেড: সহীহ) * "সালমান আল-ফারিসি থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে ঘি, পনির এবং বন্য গাধা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বললেন: 'যা হালাল তা-ই যা আল্লাহ তাঁর কিতাবে বৈধ করেছেন এবং যা হারাম তা-ই যা আল্লাহ তাঁর কিতাবে নিষিদ্ধ করেছেন। তিনি যা সম্পর্কে নীরব ছিলেন তা হল ক্ষমাপ্রাপ্ত।'" ** ইবনে মাজাহ ৩৩৬৭, তিরমিযী ১৭২৬, গায়াতুল মারাম ২, ৩, মিশকাত ৪২২৮, সহীহ আল-জামি' ৩১৯৫, আল মু'জামুল কাবীর লিল তাবারানী ৬০৩৬, আস সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী ২০২১৫ (গ্রেড: হাসান) * আবু সা’লাবাহ আল-কুশানী - জুরথুম বিন নাশির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা (ফরযীদ) নির্ধারণ করেছেন, তাই সেগুলোকে অবহেলা করো না; তিনি সীমা নির্ধারণ করেছেন, তাই সেগুলো লঙ্ঘন করো না; তিনি কিছু জিনিস নিষিদ্ধ করেছেন, তাই সেগুলো লঙ্ঘন করো না; এবং তিনি কিছু জিনিস সম্পর্কে নীরবতা অবলম্বন করেছেন, তোমাদের প্রতি করুণা থেকে, ভুলে যাওয়ার কারণে নয় - তাই সেগুলোর পিছনে তাড়া করো না। ** আদ-দারকুতনী: ৪/১৮৪, চল্লিশ হাদিস: ৩০, রিয়াদ আস-সালিহিন ১৮৩২ * গরুর দুধে সুস্থতা রয়েছে, ঘি তে নিরাময় রয়েছে এবং গোশতে ব্যাধি রয়েছে ** (সিলসিলা ছহীহাহ হা/১৫৩৩) * আবদুল্লাহ ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... খালিদ ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা (যুদ্ধের উদ্দেশ্যে) বের হলাম। আমাদের সংগে ছিলেন গালিব ইবনু আবযার। তিনি পথে অসুস্থ হয়ে পড়লেন। এরপর আমরা মদিনায় আসলাম তখনও তিনি অসুস্থ ছিলেন। তাকে দেখাশোনা করতে আসেন ইবনু আবূ আতীক। তিনি আমাদের বললেনঃ তোমরা এই কালো জিরা সংগে রেখো। এ থেকে পাঁচটি কিংবা সাতটি দানা নিয়ে পিষে খাবে, তারপর তন্মধ্যে যায়তুনের কয়েক ফোটা তৈল ঢেলে দিয়ে তার নাকের এ দিক-ওদিকের ছিদ্র পথে ফোটা ফোটা করে ঢ়ুকিয়ে দেবে। কেননা আয়িশা (রাঃ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেনঃ এই কালো জিরা ’সাম’ ব্যতিত সকল রোগের ঔষধ। আমি বললামঃ সাম- কি? তিনি বললেনঃ সাম- অর্থ মৃত্যু। ** বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাম্বারঃ ৫২৮৫ , আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ৫৬৮৭) * রাসূলুল্লাহ বলেছেন: "... আমার পরে অচিরেই তোমরা মারাত্মক মতভেদ লক্ষ্য করবে। তখন তোমরা আমার সুন্নাত ও হিদায়াতপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশিদীনের পন্থা অবশ্যই অবলম্বন করবে, তা দাঁত দিয়ে শক্তভাবে কামড়ে ধরবে।..." ** ইবন মাজাহ, আস-সুনান, হা.৪২। * আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি তার দোয়ায় বললো, “হে আসমানসমূহের সৃষ্টিকর্তা, হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী। আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি”। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সে কোন্ নামে (আল্লাহকে ডেকে) দোয়া করছে তা কি তোমরা জানো? সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ! সে আল্লাহর কাছে তাঁর এমন নামের উসীলায় দোয়া করেছে যে, সেই নামে কেউ তাকে ডাকলে তিনি তার ডাকে সাড়া দেন।/আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ তিনি রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে বসা ছিলেন। এসময় এক ব্যক্তি সলাত আদায় করে এই বলে দু’আ করলোঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করি। তুমিই তো সকল প্রশংসার মালিক, তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তুমি দয়াশীল। তুমিই আকাশসমূহ ও পৃথিবী একমাত্র সৃষ্টকর্তা! হে মহান সম্রাট ও সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী, হে চিরন্জ্ঞীব, হে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী”। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ ব্যক্তি আল্লাহর ইসমে আযম (سْمِهِ الْعَظِيمِ, মহাসম্মানিত নাম) দ্বারা দু’আ করেছে, যে নামে ডাকলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নামে তাঁর নিকট চাওয়া হলে তিনি দান করেন। * আদাবুল মুফরাদ ৭১০, ২৯৩ (আবু দাউদ ১৪৯৫ (সহীহ: আলবানী), তিরমিযী, আহমাদ) ==মুহাম্মাদ সম্পর্কিত উক্তি== * হিন্দুরা তাদের গ্রন্থ পরিমার্জনের সময়, ইসলামী শাসনামলে মুসলিম শাসকদের সন্তুষ্ট করতে হিন্দু ধর্মগ্রন্থসমূহে কল্কি অবতার, নরাশংস, মহমদ ও মামহ ঋষি নামে মুহাম্মাদ (সা:) এর নাম প্রবিষ্ট করে, শিবলি কলেজের সংস্কৃতের অধ্যাপক সুলতান মুবিনের মতে, এগুলো বানোয়াট ও হিন্দুদের পরবর্তী সংযোজন, মুসলিম শাসণামলে মুসলিম শাসকদের খুশি করার জন্য হিন্দুরা এগুলো অন্তর্ভূক্ত করেছে, যেমন কল্কি পুরাণ ও ভবিষ্যপুরাণ, যেগুলোতে ইসলামী বিষয়ে অনেক ভবিষ্যদ্বাণী আছে, এর পেছনে যুক্তি হলো, হিন্দুদের অধিকাংশ ধর্মগ্রন্থ খলিফা মামুন বিন আল রশীদের আমলে বায়তুল হিকমাহতে আরবিতে অনূদিত হয়, কিন্তু তখনকার কোন লেখকই তাদের কোন বইতে এ সকল ভবিষ্যদ্বাণী সম্পর্কে কোন কিছু উল্লেখ করেন নি। আরও উদাহরণস্বরূপ আল বিরুনি রচিত ভারততত্ত্ব ("তাহক্বীক মা লিলহিন্দ মিন ক্বাকুলাত মায়কুলাত ফী আলিয়াকল আউ মারযুলা", تحقيق ما للهند من مقولة معقولة في العقل أو مرذولة) ও আরও দুইটি হিন্দু ধর্মগ্রন্থের আরবি অনুবাদের ব্যাপারে বলেন, যেগুলোর কোনটিতে এসকল ভবিষ্যদ্বাণীর ব্যাপারে কিছু বলা হয় নি। ** ফুসুলুন ফী আদিয়ানিল হিন্দ, জিয়াউর রহমান আজমী * পবিত্র কোরান শরিফে সূরা তাকবীরে জীবন্ত সমাধিস্থ কন্যা বিষয়ে আয়াত নাজেল হলো। কেয়ামতের বর্ণনা দিতে দিতে পরম করুণাময় বললেন- "সূর্য যখন তার প্রভা হারাবে, যখন নক্ষত্র খসে পড়বে, পর্বতমালা অপসারিত হবে। যখন পূর্ণ গর্ভা উষ্ট্রী উপেক্ষিত হবে, যখন বন্যপশুরা একত্রিত হবে, যখন সমুদ্র স্ফীত হবে, দেহে যখন আত্মা পুনঃসংযোজিত হবে, তখন জীবন্ত সমাধিস্থ কন্যাকে জিজ্ঞাস করা হবে-কী অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল?" যে মহামানব করুণাময়ের এই বাণী আমাদের কাছে নিয়ে এসেছেন, আমি এক অকৃতী তাঁর জীবনী আপনাদের জন্যে লেখার বাসনা করেছি। সব মানুষের পিতৃঋণ-মাতৃঋণ থাকে। নবীজির কাছেও আমাদের ঋণ আছে। সেই বিপুল ঋণ শোধের অতি অক্ষম চেষ্টা। ভুলভ্রান্তি যদি কিছু করে ফেলি তার জন্যে ক্ষমা চাচ্ছি পরম করুণাময়ের কাছে। তিনি তো ক্ষমা করার জন্যেই আছেন। ক্ষমা প্রার্থনা করছি নবীজির কাছেও। তাঁর কাছেও আছে ক্ষমার অথৈ সাগর। ** হুমায়ূন আহমেদ, নবীজি, লীলাবতীর মৃত্যু * যিনি বিশ্বের মহত্তমদের অন্যতম, সেই পবিত্র পয়গম্বর [[মুহাম্মাদ|হজরত মহম্মদের]] উদ্দেশ্যে আমি আমার অন্তরের গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করি। মানুষের ইতিহাসে এক নতুন, সম্ভাবনাময় জীবনীশক্তির সঞ্চার করেছিলেন পয়গম্বর হজরত, এনেছিলেন নিখাদ, শুদ্ধ ধর্মাচরণের আদর্শ। সর্বান্তঃকরণে প্রার্থনা করি, পবিত্র পয়গম্বরের প্রদর্শিত পথ যাঁরা অনুসরণ করছেন, আধুনিক ভারতবর্ষের সুসভ্য ইতিহাস রচনা করে তাঁরা যেন জীবন সম্পর্কে তাঁদের গভীর আস্থা এবং পয়গম্বরের প্রদত্ত শিক্ষাকে যথাযথ মর্যাদা দেন। তাঁরা যেন এমনভাবে ইতিহাসকে গড়ে তোলেন যাতে আমাদের জাতীয় জীবনে শান্তি ও পারস্পরিক শুভেচ্ছার বাতাবরণটি অটুট থেকে যায়। ** নয়াদিল্লীর জামা মসজিদ প্রকাশিত পয়গম্বর সংখ্যার জন্য ১৯৩৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি শান্তিনিকেতন থেকে [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের]] পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তা। *** "ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ/ অন্যান্য প্রসঙ্গ"-অমিতাভ চৌধুরী, প্রকাশক: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ, প্রথম প্রকাশ: মাঘ ১৪০০, পৃষ্ঠা: ৩ *মুহাম্মদকে ভালোবাসার জন্য মুসলিম হওয়া কোন শর্ত নয়। হে কাউসারী, হিন্দুরাও মুহাম্মদের সন্ধানী। **দিল্লু রাম কৌসুরি, দিল্লু রাম কৌসারী: হিন্দু কবি যিনি নবী মুহাম্মদের জন্য স্তব রচনা করেছিলেন, ফার্স্টপোস্ট, ১ ডিসেম্বর , ২০১৭ দ্বারা প্রকাশিত। * তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে একটি খেজুর বাগান অতিক্রম করছিলাম। তিনি লোকেদেরকে দেখলেন যে, তারা নর খেজুর গাছের কেশর মাদী খেজুর গাছের কেশরের সাথে সংযোজন করছে। তিনি লোকেদের জিজ্ঞাসা করলেনঃ এরা কী করছে? তালহা (রাঃ) বলেন, তারা নর গাছের কেশর নিয়ে মাদী গাছের কেশরের সাথে সংযোজন করছে। তিনি বলেনঃ এটা কোন উপকারে আসবে বলে মনে হয় না। লোকজন তাঁর মন্তব্য অবহিত হয়ে উক্ত প্রক্রিয়া ত্যাগ করলো। ফলে খেজুরের উৎপদান হ্রাস পেলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিষয়টি অবহিত হয়ে বলেনঃ '''এটা তো ছিল একটা ধারণা মাত্র। ঐ প্রক্রিয়ায় কোন উপকার হলে তোমরা তা করো। আমি (এ বিষয়ে) তোমাদের মতই একজন মানুষ। ধারণা কখনো ভুলও হয়, কখনো ঠিকও হয়। কিন্তু আমি তোমাদের এভাবে যা বলি ’’আল্লাহ বলেছেন’’, সেক্ষেত্রে আমি কখনো আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপ করবো না।''' ** [[তালহা ইবনে উবাইদিল্লাহ|তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ]]। সুনান ইবনু মাজাহ, [https://www.hadithbd.com/hadith/link/?id=43086 হাদিস: ২৪৭০] * জব্বুর তওরাত ইঞ্জিল যাহার আসার বাণী, ঘোষিল যুগ-যুগান্ত পূর্বে, বেহেশত হইতে টানি', আনিল পীড়িতা মুক ধরণীর তপস্যা আজি তারে, ব্যথিত হৃদয়ে ফেলিয়া চরণ, অবতার এল দ্বারে। সকল কালের সকল গ্রন্থ, কেতাব, যোগী ও ধ্যানী,; মুনি, ঋষি, আউলিয়া, আম্বিয়া, দরবেশ মহাজ্ঞানী; প্রচারিল যার আসার খবর-আজি মন্থন-শেষ, বেদনা-সিন্ধু ভেদিয়া আসিল সেই নবী অমৃতেশ! হেরিল প্রাচীনা ধরণী আবার উদয় অভ্যুদয়, সব-শেষ ত্রাণকর্তা আসিল, ভয় নাই, গাহ জয়! যে সিদ্দিক ও আমিনে খুঁজেছে বাইবেল আর ঈসা, তওরাত দিল বারে বারে যেই মোহাম্মদের দিশা, পাপিয়া-কণ্ঠ দাউদ গাহিল যার অনাগত গীতি, যে 'মহামদে' অথর্ব-বেদ-গান খুঁজিয়াছে নিতি, সে অতিথি এল, কতকাল ওরে-আজি কতকাল পরে, ধেয়ানের মণি নয়নে আসিল। বিশ্ব উঠিল ভরে;-আলোকে, পুলকে, ফুলে ফলে, রূপে রসে, বর্ণ ও গন্ধে,; গ্রহতারা লোক পতিতা ধরায় আজি পূজা করে, বন্দে! আদি উপাসনালয়,; উঠিল আবার নূতন করিয়া ভূত প্রেত সমুদয়, তিন শত ষাট বিগ্রহ আর মূর্তি নূতন করি'; বসিল সোনার বেদীতে রে হায় আল্লার ঘর ভরি। সহিতে না পারি এ দৃশ্য, এই স্রষ্টার অপমান,; ধেয়ানে মুক্তি-পথ খোঁজে নবী, কাঁদিয়া ওঠে পরান। খদিজারে কন-'আল্লাতালার কসম, কা'বার ঐ; 'লোৎ' 'ওজ্জা'র করিব না পূজা, জানি না আল্লা বই। নিজ হাতে যারে করিল সৃষ্টি খড় আর মাটি দিয়া; কোন্ নির্বোধ পূজিবে তাহারে হায় স্রষ্টা বলিয়া!' সাধ্বী প্রতিব্রতা খদিজাও কহেন স্বামীর সনে-; 'দূর কর এ লাত্ মানাতেরে, পূজে যাহা সব-জনে। তব শুভ-বরে একেশ্বর সে জ্যোতির্ময়ের দিশা; পাইয়াছি প্রভু, কাটিয়া গিয়াছে আমার আঁধার নিশা।' ক্রমে ক্রমে সব কোরেশ জানিল মোহাম্মদ আমিন; করে না কো পূজা কাবার ভূতেরে ভাবিয়া তাদেরে হীন। ** কাজী নজরুল ইসলাম, মরু ভাস্কর == আরও দেখুন == * [[আল্লাহ]] * [[কুরআন]] * [[আবু বকর]] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিসংকলন}} {{উইকিভ্রমণ}} {{উইকিঅভিধান}} {{উইকিসংবাদ}} {{উইকিসংকলন}} {{উইকিবই}} {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|}} [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মীয় ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ধর্ম প্রবর্তক]] [[বিষয়শ্রেণী:রাষ্ট্রপ্রধান]] [[বিষয়শ্রেণী:মক্কার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:আধ্যাত্মিক শিক্ষক]] [[বিষয়শ্রেণী:নবি]] [[বিষয়শ্রেণী:আরব]] [[বিষয়শ্রেণী:মুহাম্মাদ]] rg8malmv2430wixnnpzx35eqrq87dj3 মুসলমান 0 708 84523 84517 2026-10-08T23:06:32Z খাত্তাব হাসান 7 [[Special:Contributions/~2026-53324-64|~2026-53324-64]] ([[User talk:~2026-53324-64|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:আফতাব বট|আফতাব বট]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 48229 wikitext text/x-wiki '''[[:w:মুসলমান|মুসলমান]]''' বা '''মুসলিম''' (আরবি:مسلم-অর্থ: স্ব ইচ্ছায় আত্মসমর্পণকারী, অনুগত) হলো সেই ব্যক্তি যে নিজের ইচ্ছাকে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে ৷ তবে বর্তমানে মুসলিম বলতে একেশ্বরবাদী ইব্রাহিমীয় ধর্ম ইসলামের অনুসারিদের বা ইসলাম পালনকারীদের বুঝানো হয় বা যারা ইসলামের অনুসরণ করে তাদের মুসলমান বা মুসলিম বলা হয়। == উক্তি == *প্রকৃত মুসলমান সেই ব্যক্তি, যার হাত ও জবান থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদে থাকে বা কষ্ট না পায়। **[[মুহাম্মাদ|হযরত মুহাম্মাদ (স.)]] *প্রত্যেক মুসলমানের জন্য [[জ্ঞান]] অর্জন করা ফরজ। **[[মুহাম্মাদ|হযরত মুহাম্মাদ (স.)]] (ইবনে মাজাহ) [https://www.rtvonline.com/amp/others/religion/192369/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8#amp_tf=From%20%251%24s&aoh=17277037100975&referrer=https%3A%2F%2Fwww.google.com] *কোনো মুসলমান যদি ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার ক্ষুন্ন করে কিংবা তাদের ওপর জুলুম করে, তবে কেয়ামতের দিন আমি [[মুহাম্মাদ|মুহাম্মদ]] ওই মুসলমানের বিরুদ্ধে [[আল্লাহ|আল্লাহর]] আদালতে লড়াই করব। **সুনানে আবু দাউদ : ৩০৫২ [https://banglanews24.com/islam/news/bd/534693.details] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ধর্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসলাম ধর্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:মুসলিম]] s3cu1l1wadofgskjo6bzva8i1r28efx আলী 0 4652 84526 84514 2026-10-08T23:07:23Z খাত্তাব হাসান 7 [[Special:Contributions/~2026-53324-64|~2026-53324-64]] ([[User talk:~2026-53324-64|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Yahya|Yahya]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 38828 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Rashidun Caliph Ali ibn Abi Talib - علي بن أبي طالب.svg|থাম্ব|যে আলো পেতে চায়, তার জন্য যথেষ্ট আলো রয়েছে। ~ আলী ইবনে আবী তালিব]] [[w:আলী|আলী ইবনে আবী তালিব]] (আরবি: علي ابن أبي طالب‎, প্রতিবর্ণী. ʿAlī ibn ʾAbī Ṭālib‎; আনু. ১৩ সেপ্টেম্বর ৬০১ – আনু. ২৯ জানুয়ারি ৬৬১) ছিলেন ইসলামের নবী মুহম্মদের চাচাতো ভাই, জামাতা ও সাহাবি যিনি ৬৫৬ থেকে ৬৬১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত খলিফা হিসেবে মুসলিম বিশ্ব শাসন করেন। সুন্নি ইসলাম অনুসারে তিনি চতুর্থ রাশিদুন খলিফা। শিয়া ইসলাম অনুসারে তিনি মুহম্মদের ন্যায্য স্থলাভিষিক্ত ও প্রথম ইমাম। তিনি ছিলেন আবু তালিব ইবনে আবদুল মুত্তালিব ও ফাতিমা বিনতে আসাদের পুত্র, ফাতিমার স্বামী এবং হাসান ও হোসাইনের পিতা। তিনি আহল আল-কিসা ও আহল আল-বাইতের একজন সদস্য। == উক্তি == === মালিক আশতারকে চিঠি === * এটি হল আল্লাহর সৃষ্টিকর্তা, আলী, পুত্র আবু তালিব মালিকের কাছে জারি করা আদেশ, আশতারের পুত্র মালিকের প্রতি যখন তিনি মালিককে মিশরের গভর্নর হিসাবে নিযুক্ত করেছিলেন সেখানে [[যাকাত]] আদায় করার জন্য, ইসলাম ও মিশরের শত্রুদের সাথে লড়াই করার জন্য, এর জনগণের কল্যাণের কাজ করার জন্য এবং তার সমৃদ্ধির দেখাশোনা করার জন্য। * '''ক্ষমা করতে এবং ভুলে যেতে লজ্জাবোধ করবেন না ।''' * '''শাস্তির জন্য তাড়াহুড়ো করবেন না এবং খুশি হবেন না এবং শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা নিয়ে গর্ব করবেন না।''' * আপনি যাদের উপর শাসন করেন তাদের ভুল এবং ব্যর্থতার জন্য রাগ করবেন না এবং দ্রুত আপনার মেজাজ হারাবেন না। বরং তাদের প্রতি ধৈর্যশীল ও সহানুভূতিশীল হোন। * ক্রোধ এবং প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষা আপনার প্রশাসনে খুব বেশি সাহায্য করবে না। * নিজেকে কখনই বলবেন না, "আমিই তাদের মালিক, তাদের শাসক এবং তাদের সর্বত্রই এবং আমাকে বাধ্যতামূলক এবং নম্রভাবে মানতে হবে" কারণ এই জাতীয় চিন্তা আপনার মনকে ভারসাম্যহীন করে তুলবে, আপনাকে অসার ও অহংকারী করে তুলবে , আপনার বিশ্বাসকে দুর্বল করে দেবে । ধর্ম এবং আপনাকে আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন শক্তির সমর্থন চাইবে । * আপনি যদি আপনার প্রজাদের উপর আপনার আধিপত্য এবং শাসনের কারণে কখনও গর্ব বা অহংকার অনুভব করেন তবে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের উপর প্রভুর সর্বোচ্চ ক্ষমতা এবং শাসন, তাঁর সৃষ্টির ব্যাপ্তি, তাঁর পরাক্রম ও মহিমার শ্রেষ্ঠত্ব, তাঁর ক্ষমতা সম্পর্কে চিন্তা করুন। এমন কিছু করুন যা আপনি স্বপ্নেও করতে পারেন না এবং আপনার উপর তাঁর নিয়ন্ত্রণ যা আপনার চারপাশের যে কোনও কিছুর উপর আপনি যা অর্জন করতে পারেন তার চেয়ে বেশি প্রভাবশালী। এই ধরনের চিন্তা আপনার মানসিক দুর্বলতা নিরাময় করবে, আপনাকে অহংকার ও বিদ্রোহ (আল্লাহর বিরুদ্ধে) থেকে দূরে রাখবে, আপনার অহংকার ও অহংকার কমিয়ে দেবে এবং আপনাকে সেই বিবেক ফিরে নিয়ে যাবে যা আপনি বোকামি করে ত্যাগ করেছিলেন... সাবধানে উপলব্ধি করার চেষ্টা করুন যে একজন শাসক তার প্রজাদের মনে সদিচ্ছা সৃষ্টি করতে পারে এবং তাদেরকে তার প্রতি বিশ্বস্ত ও আন্তরিক করে তুলতে পারে তখনই যখন তিনি তাদের প্রতি সদয় ও বিবেচনাশীল হন, যখন তিনি তাদের কষ্ট কমিয়ে দেন, যখন সে তাদের উপর অত্যাচার করে না এবং যখন সে তাদের ক্ষমতার বাইরে এমন কিছু চায় না। এগুলি হল সেই নীতিগুলি যা আপনার মনে রাখা উচিত এবং কাজ করা উচিত।" * মালিক ! আপনার মনের মধ্যে আপনার প্রজাদের জন্য দয়া, করুণা এবং ভালবাসা তৈরি করতে হবে। তাদের সাথে এমন আচরণ করবেন না যেন আপনি একটি ভোক্তা এবং হিংস্র পশু এবং তাদের গ্রাস করার মধ্যেই আপনার সাফল্য নিহিত। মনে রাখবেন, মালিক, আপনার প্রজাদের মধ্যে দুই ধরনের লোক রয়েছে: যারা আপনার মত একই ধর্মের অধিকারী; তারা আপনার ভাই, এবং যারা আপনার ধর্ম ছাড়া অন্য ধর্ম আছে তারা আপনার মত মানুষ। যে কোন শ্রেণীর পুরুষেরা একই দুর্বলতা ও অক্ষমতায় ভোগে যা মানুষের প্রতি ঝুঁকে পড়ে, তারা পাপ করে, ইচ্ছাকৃতভাবে বা মূর্খতার সাথে এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে তাদের কাজের বিশালতা উপলব্ধি না করে পাপ করে। আপনার করুণা ও করুণা তাদের উদ্ধারে আসতে দিন এবং একইভাবে এবং একই পরিমাণে সাহায্য করুন যেভাবে আপনি আশা করেন যে আল্লাহ আপনার প্রতি করুণা ও [[ক্ষমা]] প্রদর্শন করবেন। ** ''বৈকল্পিক অনুবাদ:'' *** '''আপনার হৃদয়কে মানুষের জন্য দয়া ও করুণা এবং তাদের জন্য ভালবাসা এবং কোমলতার প্রতি জাগ্রত করুন।''' কখনই, তাদের সাথে কখনই একটি শিকারী পশুর মতো আচরণ করবেন না যা তাদের খেয়ে পরিতৃপ্ত হতে চায়, কারণ লোকেরা দুটি বিভাগে পড়ে: তারা হয় বিশ্বাসে আপনার ভাই বা সৃষ্টিতে আপনার আত্মীয়। === সাধারণ উক্তি === * বুদ্ধি ও প্রজ্ঞার চেয়ে উপকারী আর কোন পুঁজি নেই এবং অজ্ঞতা ও অসচেতনতার চেয়ে ক্ষতিকর আর কোন হীনমন্যতা নেই। ** ''ইবনে শু’বা আল-হাররানী, '''তুহাফুল উকুল''' , পৃ. ১৯৮'' ** '''বৈকল্পিক অনুবাদ:''' জ্ঞানের মতো সম্পদ নেই, অজ্ঞতার মতো দারিদ্র্য নেই * চিন্তা ও চিন্তার মত জ্ঞান-বিজ্ঞান নেই; এবং [[জ্ঞান]] ও বিজ্ঞানের মত সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি নেই। ** মজলিসি, '''বিহারুল আনোয়ার''' , খণ্ড ১, পৃ. ১৭৯ * জ্ঞানী ও জ্ঞানী লোকদের সাথে মেলামেশা একজন ব্যক্তির প্রতিপত্তি বৃদ্ধি করে। ** মজলিসি, '''বিহারুল আনোয়ার''' , খণ্ড ৭৮, পৃ. ৬ * একজন সজাগ ও বিদ্বান মানুষ যেকোনো ঘটনা থেকে পরামর্শ নেবেন। ** মজলিসি, '''বিহারুল আনোয়ার''' , খণ্ড ১, পৃ. ১৬০ * জ্ঞানী ব্যক্তির তিনটি লক্ষণ: জ্ঞান, সহনশীলতা এবং নীরবতা। ** মজলিসি, '''বিহারুল আনোয়ার''' , খণ্ড ২, পৃ. ৫৯ * বই হল জ্ঞানীদের বাগান। ** আবদুল ওয়াহেদ তামিমি, '''ঘুরারুল হিকাম ওয়া দুরারুল কালিম''' , পৃ. ২৪৫ * এই দুনিয়ার প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণই সকল দুঃখের মুল! ** ইসলামের ৩য় খলিফা, [https://www.patrika52.com/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B7/ বিখ্যাত ব্যক্তি এবং মনীষীদের বাণী ও উক্তি] * অসৎ লোক কাউকেই সৎ মনে করে না! ** [https://www.patrika52.com/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B7/ বিখ্যাত ব্যক্তি এবং মনীষীদের বাণী ও উক্তি] * <b>পুণ্য অর্জনের চেয়ে পাপ বর্জন শ্রেষ্ঠতর</b> ** [https://www.patrika52.com/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B7/ বিখ্যাত ব্যক্তি এবং মনীষীদের বাণী ও উক্তি] == আরও দেখুন == * [[উসমান]] * [[উমর]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:সাহাবা]] [[বিষয়শ্রেণী:৭ম শতাব্দীতে জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:সরকার প্রধান]] [[বিষয়শ্রেণী:রাষ্ট্রপ্রধান]] [[বিষয়শ্রেণী:মক্কার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:দার্শনিক]] a6p04sl612zwwf3x2yr4erqqswosk9r আবু হুরাইরাহ 0 5549 84525 84515 2026-10-08T23:06:59Z খাত্তাব হাসান 7 [[Special:Contributions/~2026-53324-64|~2026-53324-64]] ([[User talk:~2026-53324-64|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Md. Rayan Alam Rifat|Md. Rayan Alam Rifat]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 41393 wikitext text/x-wiki '''[[w:আবু হুরাইরাহ|আবদুর রহমান ইবনে সখর আদ-দৌসি]]''' বা '''আবু হুরায়রা'''(আরবি : أبىْ هريْرة رضى الله عنْه) নবী [[মুহাম্মাদ]](সা:)এর একজন সাহাবা ও সেবক ছিলেন যার প্রকৃত নাম আবদুর রহমান ইবনে সাখর অথবা উমায়র ইবনে আমির। তিনি আহলে সুফফার একজন সদস্য ছিলেন এবং একনিষ্ঠ জ্ঞান পিপাসু ছিলেন। তিনি তিন বছর নবী মুহাম্মদের সান্নিধ্যে ছিলেন এবং বহুসংখ্যক হাদিস আত্মস্থ করেন এবং বর্ণনা করেন। হিসাব অনুযায়ী, ৫,৩৭৪ টি হাদিস তার কাছ থেকে লিপিবদ্ধ হয়েছে। বলা হত যে, উর্বর মস্তিষ্ক ও প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী ছিলেন তিনি। তার কাছ থেকে আটশত তাবেঈ হাদিস শিক্ষা লাভ করেছিলেন। == উক্তি == *এর একটি দিরহাম (তারপর সে তার কপালের ঘাম মুছে দেয়) যা আমি দান করি তা আমার কাছে অমুক টাকার এক লক্ষ, বা এক লক্ষ বা এক লক্ষ টাকার চেয়েও প্রিয়।" *আপনি বলেন যে আবু হুরায়রা আল্লাহর রাসূল সম্পর্কে অনেক কথা বলেন তার উপর শান্তি বর্ষিত হোকআর আপনি বলেন মুহাজির ও আনসাররা যা করে না! আমার অভিবাসী ভাইরা বাজারে ব্যবসায় ব্যস্ত ছিল, আর আমার আনসার ভাইরা তাদের টাকা নিয়ে ব্যস্ত ছিল। আমি সুফ্ফাহ গরীব লোকদের মধ্যে একজন দরিদ্র ব্যক্তি ছিলাম এবং আমি রসূলুল্লাহর (সাঃ) অনুগত ছিলামতার উপর শান্তি বর্ষিত হোকআমার পেট ভরতে হবে, তাই আমি উপস্থিত থাকি যখন তারা অনুপস্থিত থাকে, এবং যখন তারা ভুলে যায় তখন আমি ক্লান্ত হয়ে পড়ি, এবং আল্লাহর রাসূল বলেছেনতার উপর শান্তি বর্ষিত হোকএকদিন কথোপকথনে তিনি বলেছিলেন, "আমি আমার সমস্ত কাজ শেষ না করা পর্যন্ত কেউ তার পোশাক বিছিয়ে দেবে না, এবং তারপরে তার পোশাকটি তার কাছে জোগাড় করবে, যদি না সে জানে যে আমি যা বলছি।" তাই আমি আমার উপর একটি চিহ্ন ছড়িয়ে দিলাম, যাতে তিনি যখন তার কাজ শেষ করেন, আমি তা আমার বুকে জড়ো করি। আল্লাহর রাসূলের কথা আমি ভুলিনিতার উপর শান্তি বর্ষিত হোক"এইটা একটা জিনিস। *আবূ হুরাইরা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত:তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন স্থানের প্রতি সফর করা হবে না; আমার এই মসজিদ (নববী), মসজিদে হারাম এবং মসজিদে আকসা। **মুহাম্মদ (সা:) (বুখারী ১১৮৯, মুসলিম ৩৪৫০) *হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, কারো অঙ্গারের উপর বসা—যা তার কাপড় জ্বালিয়ে তার চামড়া পর্যন্ত পৌঁছে যায়—কবরের উপর বসা অপেক্ষা তার জন্য উত্তম। **মুহাম্মদ (সাঃ)(মুসলিম ২২৯২, আবূ দাউদ ৩২২৮, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, আহমাদ, ইবনে হিব্বান) == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মীয় ব্যক্তি]] j755xgxu2u7xnzijrf1oxzsm6e6mv8c রেলগাড়ি 0 7761 84519 50682 2026-10-08T13:25:40Z ফারদিন 52 /* */ 84519 wikitext text/x-wiki '''[[w:রেলগাড়ি|ট্রেন]]''' (বাংলাতে '''রেলগাড়ি''') হচ্ছে এক ধরনের রেল পরিবহন যা কিছু সংযুক্ত যানবাহনের একটি সারি নিয়ে গঠিত, এবং যা যাত্রী বা মালামাল পরিবহণের জন্য সাধারণত একটি রেলপথের উপর চলে। ''ট্রেন'' শব্দটি প্রাচীন ফরাসি শব্দ ''ট্রাহিনার'' থেকে এসেছে, যা ল্যাটিন শব্দ ''ট্রাহিয়ার'' থেকে উদ্ভূত (অর্থ টানা, টেনে আনা)। == উক্তি == * ঝক ঝকাঝক ট্রেন চলছে<br>রাত দুপুরে অই<br>ট্রেন চলেছে, ট্রেন চলেছে<br>ট্রেনের বাড়ি কই?<br>একটু জিরোয়, ফের ছুটে যায়<br>মাঠ পেরুলেই বন।<br>পুলের ওপর বাজনা বাজে<br>ঝন ঝনাঝন ঝন। ** [[শামসুর রাহমান]]। "ট্রেন" কবিতার অংশ। * ফিরে এসো সমুদ্রের ধারে,<br>ফিরে এসো প্রান্তরের পথে;<br>যেইখানে ট্রেন এসে থামে ** "জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)" - [[জীবনানন্দ দাশ]]। প্রকাশক: বেঙ্গল পাবলিশার্স, প্রকাশসাল: ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দ, [https://bn.m.wikisource.org/wiki/পাতা:জীবনানন্দ_দাশের_কাব্যগ্রন্থ_(প্রথম_খণ্ড).pdf/১০৪ পৃষ্ঠা ১০৪] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} 28y5t6a50lxkwwbe52kg9jmocb9z1x0 84521 84519 2026-10-08T13:34:36Z ফারদিন 52 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:যানবাহন]] যোগ 84521 wikitext text/x-wiki '''[[w:রেলগাড়ি|ট্রেন]]''' (বাংলাতে '''রেলগাড়ি''') হচ্ছে এক ধরনের রেল পরিবহন যা কিছু সংযুক্ত যানবাহনের একটি সারি নিয়ে গঠিত, এবং যা যাত্রী বা মালামাল পরিবহণের জন্য সাধারণত একটি রেলপথের উপর চলে। ''ট্রেন'' শব্দটি প্রাচীন ফরাসি শব্দ ''ট্রাহিনার'' থেকে এসেছে, যা ল্যাটিন শব্দ ''ট্রাহিয়ার'' থেকে উদ্ভূত (অর্থ টানা, টেনে আনা)। == উক্তি == * ঝক ঝকাঝক ট্রেন চলছে<br>রাত দুপুরে অই<br>ট্রেন চলেছে, ট্রেন চলেছে<br>ট্রেনের বাড়ি কই?<br>একটু জিরোয়, ফের ছুটে যায়<br>মাঠ পেরুলেই বন।<br>পুলের ওপর বাজনা বাজে<br>ঝন ঝনাঝন ঝন। ** [[শামসুর রাহমান]]। "ট্রেন" কবিতার অংশ। * ফিরে এসো সমুদ্রের ধারে,<br>ফিরে এসো প্রান্তরের পথে;<br>যেইখানে ট্রেন এসে থামে ** "জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)" - [[জীবনানন্দ দাশ]]। প্রকাশক: বেঙ্গল পাবলিশার্স, প্রকাশসাল: ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দ, [https://bn.m.wikisource.org/wiki/পাতা:জীবনানন্দ_দাশের_কাব্যগ্রন্থ_(প্রথম_খণ্ড).pdf/১০৪ পৃষ্ঠা ১০৪] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:যানবাহন]] 1e2r6rhdgl9ocw7kajwa8ilpgc5p914 ট্রেন 0 14227 84520 2026-10-08T13:30:31Z ফারদিন 52 [[রেলগাড়ি]]-এ পুনর্নির্দেশ করা হল 84520 wikitext text/x-wiki #Redirect [[রেলগাড়ি]] {{একটি পুনর্নির্দেশ}} smmwpilegpfy4uh0o0nsj96chneh29u বিষয়শ্রেণী:যানবাহন 14 14228 84522 2026-10-08T13:35:00Z ফারদিন 52 খালি পাতা তৈরি হয়েছে 84522 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1