উইকিউক্তি bnwikiquote https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.23 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিউক্তি উইকিউক্তি আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা বঙ্গভঙ্গ (১৯৪৭) 0 5276 84540 84179 2026-10-10T15:31:28Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ 84540 wikitext text/x-wiki [[File:Bengal partition 1947.jpg|thumb|তেলের শিশি ভাঙল বলে<br>খুকুর পরে রাগ করো<br> তোমরা যে সব বুড়ো খোকা<br> বাংলা ভেঙে ভাগ করো!<br> তার বেলা? - অন্নদাশঙ্কর রায়]] ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতকে ধর্মের ভিত্তিতে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ফলে [[ভারত]] ও [[পাকিস্তান]] নামক দুটি দেশের জন্ম হয়। এই বিভাজনের অংশ হিসেবে বাংলাকেও ভাগ করা হয়।ফলে [[হিন্দু]] অধ্যুষিত [[পশ্চিমবঙ্গ]] ভারতের সাথে যুক্ত হয় এবং [[মুসলমান|মুসলিম]] অধ্যুষিত পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের সাথে যুক্ত হয়। ==উক্তি== * তেলের শিশি ভাঙল বলে<br> খুকুর পরে রাগ করো<br> তোমরা যে সব বুড়ো খোকা<br> বাংলা ভেঙে ভাগ করো!<br> তার বেলা? **[[অন্নদাশঙ্কর রায়]]।'খুকু ও খোকা' ছড়া। "ছড়া-সমগ্র" - অন্নদাশঙ্কর রায়। প্রকাশক- বাণীশিল্প, প্রকাশকাল ১৯৮৫, পৃষ্ঠা- ৩৬ * প্ররোচনায় বিভ্রান্ত হয়ে কেউ কেউ হয়তো ভেবেছেন, বিভক্ত বাংলার হিন্দু-বাঙালি হয়তো স্বাধীনভাবে আত্মপ্রকাশের সুযোগ পাবে, কিন্তু এ স্বপ্ন মরীচিকা মাত্র। আইন পরিষদের হিন্দু সদস্যদের ও বাংলা কংগ্রেসের স্বাধীন মত ব্যক্ত করার অধিকার দিলে তাদের অধিকাংশ বাংলা বিভাগের রোয়েদাদ প্রত্যাখ্যান করতেন। [[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] হিন্দুর বুকের উপর হুকুম নামার পিস্তল ধরে [[মৃত্যু]] পরোয়ানা সই করে নেয়া হচ্ছে অথচ হিন্দু বাংলা টু শব্দটি করতে পারছেনা। সুরেন্দ্রনাথ, [[চিত্তরঞ্জন দাশ|দেশবন্ধু]], দেশপ্রিয় ও [[সুভাষচন্দ্র বসু|নেতাজীর]] জাতির কি সত্যিই এমনি অধঃপতন হয়েছে। ** ১৯৪৭ সালে জাগরণ পত্রিকায় [[শরৎচন্দ্র বসু]] এটি লিখেছিলেন।"বাংলা যেভাবে ভাগ হলো" - মুহাম্মদ আসাদ। কৃষ্ণচূড়া প্রকাশনী, প্রকাশকাল-২০০৯, পৃষ্ঠা-৫ * এটা ১৯৪৭ সালের কথা। তখন আমি মিস্টার সোহরাওয়ার্দীর দলে ছিলাম। তিনি এবং শরৎচন্দ্র বসু একটি অখন্ড বাংলা চান। আমিও চাই সকল বাঙালির জন্য একটি দেশ। [[বাঙালি জাতি|বাঙালিরা]] ঐক্যবদ্ধ থাকলে কী না করতে পারত! তারা বিশ্ব জয় করতে পারত। ** অন্নদাশঙ্কর রায়ের এক প্রশ্নের উত্তরে [[শেখ মুজিবুর রহমান|বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান]] এটি বলেছিলেন।[https://www.thedailystar.net/opinion/views/news/47th-death-anniversary-bangabandhu-cry-o-beloved-country-3095476] * যারা আমাদের এই সোনার দেশকে দুভাগ করেছে - তারা দেশের দুশমন। ** [[আবুল কাশেম ফজলুল হক]]।[https://archive.org/details/joy-bangla-joy-mujib/page/n42/mode/1up?view=theater] * [[দেশ]] তো রাজনৈতিকভাবে ভাগ হয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের সংস্কৃতি অখণ্ড ও অবিভাজ্য। গঙ্গার পানির অধিকার যেমন দুই বাংলার মানুষ চায়, তেমনি বাংলা সংস্কৃতির অধিকারও দুই বাংলার মানুষের। এই ঐতিহ্য-চেতনা যদি সারা পৃথিবীর বাংলাভাষী মানুষের মধ্যে জাগানো যায় ও সাম্প্রদায়িকতামুক্ত হতে পারে, হাজার বছরের অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতির ভিত্তিতে একটি কালচারাল নেশন বা সাংস্কৃতিক জাতি গড়ে তুলতে পারে, তাহলে তারা হয়তো [[বাঙালি জাতি|বাঙালির]] মুক্তি আনতে পারে। এই অসাম্প্রদায়িক বাঙালি সাংস্কৃতিক জাতি পরবর্তীকালে অবিভক্ত স্বাধীন বাংলাদেশের সীমানা চিহ্নিত করবে। ** [[আবদুল গাফফার চৌধুরী|আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর]] সাথে [[সত্যজিৎ রায়]] বলেছিলেন।[https://samakal.com/editorial-subeditorial/article/95604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8] * বাংলা দু-ভাগ হবার দুঃখ আমরা অনেকেই কোনওদিন ভুলব না, কিন্তু মেনে নেব। ইতিহাসের গতি আঁকাবাঁকা হলেও জোর করে বদলানো যায় না। ** [[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]]। ''আমি কি বাঙালি'', প্রকাশক: পত্র ভারতী, পৃষ্ঠা: ৫০ * [[ভারত]] ভাগ না হলেও বাংলাকে অবশ্যই ভাগ করতে হবে। ** [[শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়|শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি]]।১৯৪৭ সালের মে মাসে, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে উদ্দেশ্য করে একটি চিঠিতে এটি লিখেন।[https://www.madhyom.com/state/shyama-prasad-mukherjee-tribute-to-bharat-keshari-1642] * নেতারা যদি নেতৃত্ব দিতে ভুল করে, জনগণকে তার খেসারত দিতে হয়। যে কলকাতা [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ব বাংলার]] টাকায় গড়ে উঠেছিল, সেই [[কলকাতা]] আমরা স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিলাম। কেন্দ্রীয় লীগের কিছু কিছু লোক কলকাতা ভারতে চলে যাক এটা চেয়েছিল বলে আমার মনে হয়। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান|বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান]]। [[অসমাপ্ত আত্মজীবনী]], পৃষ্ঠা: ৭৯ * ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগকালে সাবেক পাঞ্জাব প্রদেশও বিভক্ত হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল হিসেবে পশ্চিম পাঞ্জাব (পাকিস্তানভুক্ত পাঞ্জাব) রাজধানী লাহোর তার ভাগে পায়। এই বাবতে ভারতভুক্ত সংখ্যালঘিষ্ঠ পূর্ব পাঞ্জাবকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া ঠিক হয়। জানা যায়, এই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ছিল তখনকার ৯ কোটি টাকা। কলকাতার বিনিময়ে যে ক্ষতিপূরণের টাকা পূর্ববঙ্গের প্রাপ্য ছিল, জিন্না সেই টাকার সঙ্গে এই টাকার বিনিময় করেন। অর্থাৎ কলিকাতার জন্য পূর্ববঙ্গ কোন ক্ষতিপূরণ পাবে না এবং তার বিনিময়ে লাহোরের জন্য ভারতকে কোন ক্ষতিপূরণের টাকাও পাকিস্তান ভারতকে দিবে না। ** [[আবদুল গাফফার চৌধুরী]]। ''আমরা বাংলাদেশী না বাঙালি?'', প্রকাশক: অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনী, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩, পৃষ্ঠা: ৫১ * এদিকে [[সিলেট গণভোট|সিলেটে গণভোটে]] জয়লাভ করা সত্ত্বেও মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ [[করিমগঞ্জ জেলা|করিমগঞ্জ]] মহকুমা ভারতবর্ষকে দিয়েছিল। আমরা আশা করেছিলাম, আসামের কাছাড় জেলা ও [[সিলেট]] জেলা পাকিস্তানের ভাগে না দিয়ে পারবে না। আমার বেশি দুঃখ হয়েছিল করিমগঞ্জ নিয়ে। কারণ, করিমগঞ্জে আমি কাজ করেছিলাম গণভোটের সময়। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। [[অসমাপ্ত আত্মজীবনী]], পৃষ্ঠা: ৭৮-৭৯ * কলকাতা ছাড়া বাংলার কি মূল্য আছে? তারা অর্থাৎ বাঙালিরা স্বাধীন ও অখন্ড থাকলেই ভালো। ** মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। "বাংলা যেভাবে ভাগ হলো" - মুহাম্মদ আসাদ। কৃষ্ণচূড়া প্রকাশনী, প্রকাশকাল-২০০৯, পৃষ্ঠা-৫ * মুসলিম লীগ ও কংগ্রেস বঙ্গবিভাগের প্রস্তাব গ্রহণ করিলে স্থির হইল যে, বঙ্গদেশের বিধানসভায় ভারতীয় সদস্যগণ দুইভাগে বিভক্ত হইবে। যে সব জিলায় মুসলমানদের সংখ্যা বেশী এবং অন্য সব জিলার সদস্যগণ-এই দুই দল পৃথকভাবে মিলিত হইয়া ভোট দিবে–তাহারা বঙ্গদেশকে বিভক্ত করার পক্ষে কি বিপক্ষে। যদি ইহার যে কোন দলের অধিকসংখ্যক সদস্য দেশ বিভাগ করার পক্ষে ভোট দেয়, তাহা হইলে বঙ্গদেশ দুই ভাগ করা হইবে। তদনুসারে ২০শে জুন, ১৯৪৭ বঙ্গদেশের যে অংশে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ তাহার সদস্যদের মধ্যে ৫৮ জন বঙ্গবিভাগে সপক্ষে এবং ২১ জন বিপক্ষে ভোট দিল। অন্য অংশের সদস্যদের মধ্যে ১০৬ জন বঙ্গবিভাগের বিপক্ষে এবং ৩৫ জন ইহার সপক্ষে ভোট দিল। ১৯৪৭ সনের ১৫ই ও ১৬ই জুলাই ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সাধারণ ও লর্ডসভা ভারত-স্বাধীনতার বিল পাশ করিল এবং ১৮ই ইহা আইনে পরিণত হইল। স্থির হইল যে, ১৫ই অগষ্ট (১৯৪৭) তারিখ হইতে ভারত স্বাধীন হইবে। অখণ্ড বঙ্গ বা বাংলাদেশ ভারতের মানচিত্র হইতে মুছিয়া গেল, তাহার পরিবর্তে হইল পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। "বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)", প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৪৬৩-৪৬৪ * ১৯৪৭-এ মুসলিম লীগ বাংলাভাগ চাচ্ছে না, কিন্তু ভারতভাগ চাচ্ছে। কংগ্রেস [[ভারত বিভাজন|ভারতভাগ]] চায় না, কিন্তু ভারতভাগ যদি ঘটেই তাহলে অবশ্যই বাংলাকে ভাগ করতে হবে। কমিউনিস্ট পার্টি বাংলাভাগের বিপক্ষে, কিন্তু তাদের সাংগঠনিক শক্তি দুর্বল। ভরসা দিতে পারতেন [[আবুল কাশেম ফজলুল হক|ফজলুল হক]]। কিন্তু তা তিনি দেন নি। দেবার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু ক্ষমতা ছিল না।...তাঁর নবযুগ পত্রিকা বাংলাকে সার্বভৌম রাষ্ট্র করার পক্ষে মত দিয়েছে। পত্রিকার সম্পাদক [[কাজী নজরুল ইসলাম]] [[পাকিস্তান|পাকিস্তানকে]] ফাঁকিস্তান বলে ঠাট্টা করেছেন। কিন্তু সেসব কথা কে শোনে। কৃষক প্রজা পার্টির এক শতজন বিশিষ্ট নেতা (১৩ মে ১৯৪৭) বিবৃতি দিয়ে বলেছেন যে, তাঁরা ভারতভাগ ও বাংলাভাগ উভয়েরই বিরুদ্ধে। ** [[সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী]]। ''জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি ১৯০৫-১৯৪৭'', প্রকাশক: সংহতি প্রকাশন, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০১৬, পৃষ্ঠা: ৫২০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীতে পাকিস্তান]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭]] 2h3b38zzj6l0rasqgrc33yfhfbiqemv গোলাম আযম 0 9129 84538 83618 2026-10-10T12:30:13Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84538 wikitext text/x-wiki [[File:Ghulam_Azam_meets_Tikka_Khan.jpg|thumb|পূর্ব পাকিস্তানে জামাতে ইসলামের কর্মীরা বেশিরভাগ রেজাকার, আলবদর, আল শামস বাহিনী গঠন করে মুক্তিবাহিনীর সাথে যুদ্ধ করছে এবং প্রাণ দিচ্ছে। এখানে জামাতের অবদানই বেশি সুতরাং পূর্ব পাকিস্তান থেকে প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রী হলে জামায়েত থেকেই হতে হবে।<br>— গোলাম আযম]] '''[[:w:গোলাম আযম|অধ্যাপক গোলাম আযম]]''' (৭ নভেম্বর ১৯২২ – ২৩ অক্টোবর ২০১৪) ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এর একজন রাজনীতিবীদ এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দন্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী। তিনি ২০০০ সাল পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর আমির ছিলেন। গোলাম আযম ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলেন। তিনি ২০০০ সাল পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। == উক্তি == * পূর্ব পাকিস্তানে জামাতে ইসলামের কর্মীরা বেশিরভাগ রেজাকার, আলবদর, আল শামস বাহিনী গঠন করে মুক্তিবাহিনীর সাথে যুদ্ধ করছে এবং প্রাণ দিচ্ছে। এখানে জামাতের অবদানই বেশি সুতরাং পূর্ব পাকিস্তান থেকে প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রী হলে জামায়েত থেকেই হতে হবে। ** বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস, চতুর্থ খন্ড, মুক্তিযুদ্ধ পর্ব [https://web.archive.org/web/20250510111459/https://bangla.bdnews24.com/blog/57666] * দুষ্কৃতিকারীদের (মুক্তিযুদ্ধাদের) মোকাবেলা করার উদ্দেশ্যে দেশের আদর্শ ও সংহতিতে বিশ্বাসী লোকদের হাতে অস্ত্র সরবরাহ করার জন্য আবেদন করছি। ** দৈনিক সংগ্রাম, ১৯৭১ [https://web.archive.org/web/20250510111459/https://bangla.bdnews24.com/blog/57666] * তথাকথিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনকারীরা ইসলাম ও পাকিস্তানের শত্রু। ** "মাওলানা মাদানীর শাহাদত মুসলমানদের সচেতন করার জন্য যথেষ্ট - গোলাম আযম"। দৈনিক সংগ্রাম। আগস্ট ১২, ১৯৭১। * ২৫ মার্চের পর পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে পদক্ষেপ গ্রহণ করে তা ছিল এদেশের মাটিকে রক্ষা করার জন্য। এর আগেই অনুরূপ পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন ছিল না কি’? ** লাহোরের সাপ্তাহিক জিন্দেগীকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে। [https://web.archive.org/web/20250323120547/https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E2%80%99-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%86%E0%A6%AF%E0%A6%AE] * পাকিস্তান যদি না থাকে তাহলে জামাত কর্মীদের দুনিয়ায় বেঁচে থেকে লাভ নাই। ** দৈনিক সংগ্রাম, ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ [https://web.archive.org/web/20250510111459/https://bangla.bdnews24.com/blog/57666] * বাংলাদেশ নামের কিছু হলে আমি আত্মহত্যা করবো। ** ১৯৭১ সালে গোলাম আযম বলেছিলেন। (নাগরিকত্ব মামলার শুনানিতে এটর্নি জেনারেল/ ভোরের কাগজ, ৯ মে ১৯৯৪) [https://web.archive.org/web/20250510111459/https://bangla.bdnews24.com/blog/57666] * তোমরা অভ্যন্তরীণ দুশমনদের দমন করার কাজে যত তাড়াতাড়ি এগিয়ে আসতে পারবে, ততই তাড়াতাড়ি সেনাবাহিনী দেশকে শত্রুমুক্ত করার কাজে ফিরে যেতে পারবে। ** ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ এ মোহাম্মদপুরে ফিজিক্যাল ট্রেইনিং কলেজে আলবদর হেড কোয়ার্টারে এবং রাজাকার বাহিনীর প্রশিক্ষণ শিবির পরিদর্শনকালে রাজাকার ও আলবদরদের উদ্দেশে। [https://web.archive.org/web/20250323120547/https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E2%80%99-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%86%E0%A6%AF%E0%A6%AE] * দুষ্কৃতকারীরা (মুক্তিযুদ্ধারা) এখনও ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত রয়েছে। ত্রাস সৃষ্টি এবং বিশৃংখলা অব্যাহত রাখাই তাদের উদ্দেশ্য। দুষ্কৃতকারীরা নকশালপন্থী ও বামপন্থী শক্তি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। জনগণ পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীকে পূর্ণ সাহায্য সহযোগিতা দানে ইচ্ছুক, কিন্তু জীবন নাশের জন্য দুষ্কৃতকারী হুমকি দেয়ায় তারা এ ব্যাপারে পূর্ণ সাহায্য দান করতে পারছে না। ** ১৮ জুন লাহোর বিমান বন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে [https://web.archive.org/web/20250323120547/https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E2%80%99-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%86%E0%A6%AF%E0%A6%AE] * জামায়াতের কর্মীরা শাহাদাৎবরণ করে পাকিস্তানের দুষমনদের বুঝিয়ে দিয়েছে যে তারা মরতে রাজী তবুও পাকিস্তানকে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করতে রাজী নয়। ** ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১। হোটেল এম্পায়ারে ঢাকা শহর জামায়াত কর্তৃক আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। (দৈনিক পাকিস্তান, ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭১) [https://web.archive.org/web/20250323153108/https://bangla.bdnews24.com/opinion/4655929c416c] * বিচ্ছিন্নতাবাদীরা জামায়াতকে মনে করতো পহেলা নম্বরের দুশমন। তারা তালিকা তৈরি করেছে এবং জামায়াতের লোকদের বেছে বেছে হত্যা করছে, তাদের বাড়িঘর লুট করছে জ্বালিয়ে দিয়েছে এবং দিচ্ছে। এতদসত্বেও জামায়াত কর্মীরা রাজাকারে ভর্তি হয়ে দেশের প্রতিরক্ষায় বাধ্য। কেননা তারা জানে '[[বাংলাদেশ]]' ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য কোন স্থান হতে পারে না। জামায়াত কর্মীরা শহীদ হতে পারে কিন্তু পরিবর্তিত হতে পারে না। ** ১৯৭১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর দৈনিক সংগ্রামে গোলাম আযমের পশ্চিম পাকিস্তান সফরকালের একটি সাক্ষাৎকারে। ** Ghulam Azam calls for an all out war". The Pakistan Observer. November 26, 1971. * জামায়াতে ইসলামী এবং মাও. মওদূদী এক ও অভিন্ন। মানবজাতির পথ নির্দেশিকার জন্যে যে কুরআন নাজেল হয়েছিল তাকে বর্তমান যুগোপযোগীরূপে উপস্থাপন করেছেন মাও. মওদূদী। কাজেই ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করার ইচ্ছে থাকলে অবশ্যই মাও. মওদূদীর বইপত্র পড়তে ও বুঝতে হবে। ** দৈনিক ইনকিলাব, ০১ অক্টোবর ১৯৯১ * বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান লাভ করেছে। এ বিষয়ে তার অবদানকে অস্বীকার করার সাধ্য কারো নেই। ভারতের সরাসরি হস্তক্ষেপে যে পদ্ধতিতে দেশটি স্বাধীন হয়েছে আমার ধারণা যে, তিনি এভাবে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করার পরিকল্পনা করেননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ক্রমান্বয়ে বাংলাদেশকে পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে বিচ্ছিন্ন করতে অবশ্যই সচেষ্ট হতেন। সে উদ্দেশ্যেই তিনি ‘৭০ সালেই পূর্ব-পাকিস্তানের বদলে বাংলাদেশ নামকরণ করেন। তাই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধান স্থপতি হিসেবে ইতিহাস [[শেখ মুজিবুর রহমান]]কেই স্বীকৃতি দেবে। ** জীবনে যা দেখলাম, কামিয়াব প্রকাশন লিমিটেড, প্রথম প্রকাশ: মে, ২০০৭, ৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা নং ১৮৩ * আপনি ইসলামী আন্দোলনের সক্রিয় হোন বা না হোন, আখিরাতে মুক্তি কামনা তো নিশ্চয়ই করেন। তাহলে মনটাকে ইতিবাচক কাজ দিন। মনকে ইবলিশের বেগার কর্মচারী হতে দিবেন না। ইবলিশ থেকে মনকে রক্ষা করতে সক্ষম হলে দুনিয়া ও আখিরাতের সাফল্য অনিবার্য। ** মনটাকে কাজ দিন, কামিয়াব প্রকাশন, পৃষ্ঠা নং ২৪ * আমরা যদি আওয়ামী লীগের বর্তমান আন্দোলনে শামিল হই তাহলে আমাদের সকল দায়িত্বশীলকেই [[ভারত|ভারতে]] আশ্রয় নিতে হবে। আমরা ভারতবিরোধী হিসেবে পরিচিত বলে ভারতে যাবার পথও আমাদের জন্য বন্ধ। ** ১৯৭১ সালের [[মুক্তিযুদ্ধ]] ও [[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী|জামায়াতে ইসলামী]] প্রসঙ্গে। ''জীবনে যা দেখলাম (তৃতীয় খণ্ড)'', প্রকাশক: কামিয়াব প্রকাশন লিমিটেড, প্রকাশকাল: ডিসেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ১৪৩ == গোলাম আযম সম্পর্কে উক্তি == * তিনি (গোলাম আযম) সর্বদা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছেন এবং এখনো করছেন; বিশেষ করে, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭৮ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সশরীরে উপস্থিত থেকে, বক্তৃতা ও আলোচনার মাধ্যমে, স্মারকলিপি ও বিবৃতির দ্বারা, মুদ্রিত ও প্রকাশিত প্রচারপত্র ও প্রবন্ধের মধ্য দিয়ে এবং সাংগঠনিক উদ্যোগ গ্রহণ করে নিজে এবং অপরের দ্বারা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে দুর্বল ও সহায়হীন, বিচ্ছিন্ন ও বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্র করেছেন। বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে এতে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। ** [[আনিসুজ্জামান (অধ্যাপক)|আনিসুজ্জামান]], ১৯৯২ সালে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গণআদালতে গোলাম আযমের বিরুদ্ধে উত্থাপন করা অভিযোগনামায়। [https://web.archive.org/web/20250323130006/https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article647133.bdnews] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী যুদ্ধাপরাধী]] [[বিষয়শ্রেণী:রাজাকার]] [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে দণ্ডপ্রাপ্ত]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭১ বাংলাদেশে পরিকল্পিত গণহত্যা]] fqgonbjele7armvl858wc6eny9fhh5l নোয়াখালী দাঙ্গা 0 14190 84539 84268 2026-10-10T15:30:11Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84539 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:নোয়াখালী দাঙ্গা|নোয়াখালী দাঙ্গা]]''' ব্রিটিশ ভারতে ১৯৪৬ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে সংগঠিত তৎকালীন পূর্ববঙ্গের নোয়াখালী ও ত্রিপুরা জেলার স্থানীয়দের দ্বারা সংঘটিত ধারাবাহিক গণহত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, হিন্দুদের জোরপূর্বক ধর্মান্তর, লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা। কলকাতা দাঙ্গার রেশ ধরে এই ভয়াবহ দাঙ্গা ঘটে। যদিও এর পূর্ববর্তী কলকাতা দাঙ্গা ও পরবর্তী বিহার দাঙ্গার থেকে হতাহত সংখ্যা অপেক্ষাকৃত কম। নোয়াখালী জেলার রামগঞ্জ, বেগমগঞ্জ, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর, ছাগলনাইয়া ও সন্দ্বীপ থানা এবং ত্রিপুরা (বর্তমান বৃহত্তর কুমিল্লা) জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর, লাকসাম ও চৌদ্দগ্রাম থানার অধীনে সর্বমোট প্রায় ২০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। == উক্তি == * কলকাতার দাঙ্গা বন্ধ হতে না হতেই আবার দাঙ্গা শুরু হল নোয়াখালীতে। মুসলমানরা সেখানে হিন্দুদের ঘরবাড়ি লুট করল এবং আগুন লাগিয়ে দিল। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৮ * [[কলকাতা দাঙ্গা|কলিকাতায়]] স্বভাবতঃই হিন্দুর চেয়ে মুসলমানের জান-মালের ক্ষতি হইয়াছিল অনেক বেশি। এই খবর অতিরঞ্জিত আকারে পূর্ব বাংলায় পৌঁছিলে নোয়াখালি জিলায় হিন্দুরা নিষ্ঠুরভাবে নিহত হয়। ** [[আবুল মনসুর আহমদ]]। ''আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর'', প্রকাশক: খোশরোজ কিতাব মহল, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৩, পৃষ্ঠা: ১৯৮ * ৭ই সেপ্টেম্বর মৌলানা [[w:bn:গোলাম_সারোয়ার_হুসেইনী|গোলাম সারওয়ারের]] নেতৃত্বে নোয়াখালীর মৌলবীদের এক সভায় ঘোষণা করা হয় যে কলকাতা হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মুসলমানদের যথাযথ ব্যবস্থা অবলম্বন করতে হবে। [[নোয়াখালী]] এবং [[কুমিল্লা]] জেলার সর্বত্র দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ল এবং সময়োচিত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ববঙ্গের]] সমস্ত জেলাব্যাপী দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ত। সুহরাওয়ার্দী আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার আপ্রাণ প্রচেষ্টা করেছিলেন। [[মহাত্মা গান্ধী|গান্ধী]] নোয়াখালী জেলার দত্তপাড়ায় ১৪ই নভেম্বর (১৯৪৬) পৌঁছলেন।...[[হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী|সুহরাওয়ার্দী]] দত্তপাড়ায় গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। গান্ধী পদব্রজে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ঘুরে হিন্দুদের মনোবল পুনরুজ্জীবিত করেন। সুহরাওয়ার্দী প্রত্যেক বিপজ্জনক জায়গায় শান্তি ও শৃঙ্খলা আনয়নের জন্য সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করেন। জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে শরণার্থী শিবির খোলা হয় এবং দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।...গান্ধীর নোয়াখালী সফর নোয়াখালী ও কুমিল্লা এই দুই জেলায় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর মুসলমানদের নিষ্ঠুর আচরণের ব্যাপারে পৃথিবীর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছিলো। ** [[আবুল হাশিম]]। ''আমার জীবন ও বিভাগপূর্ব বাংলাদেশের রাজনীতি'', প্রকাশক: চিরায়ত প্রকাশন প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ১৯৭৮, পৃষ্ঠা: ১০৮ * ১০ই অক্টোবর (১৯৪৬) লক্ষ্মীপূজার দিন স্থানীয় একজন মুসলমান বিধান সভার সদস্য আব্দুস সারওয়ারের নেতৃত্বে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ব্যাপকভাবে হত্যা, লুণ্ঠন, গৃহদাহ, শত শত হিন্দুনারী অপহরণ, ধর্ষণ ও অকথ্য লাঞ্ছনা ও নির্যাতনসহ মুসলমানের গৃহে আটক রাখা, হিন্দু নারী ও পুরুষের মুসলমান ধর্মগ্রহণে বাধ্যকরণ প্রভৃতি এবং কোন কোন স্থানে ধনী সম্ভ্রান্ত গৃহস্থ তাহার গৃহ-আক্রমণকারী মুসলমানদের বাধা দেওয়ায় ঐ হিন্দুর সমস্ত পরিবারকে হত্যা করার ঘটনা মধ্যযুগের ব্যাপক বর্বরতা ও নিষ্ঠুরতার কাহিনীকেও হার মানাইয়াছে। প্রায় এক সপ্তাহকাল সুরাওয়ার্দির মন্ত্রীসভা অথবা বাংলা সরকারের নির্দেশে এই নির্মম অত্যাচারের কাহিনী একেবারে গোপন করিয়া রাখা হইয়াছিল। ১৭ই অক্টোবর সর্বপ্রথম ইহা প্রকাশিত হইতে লাগিল। সংবাদ-পত্রের বিবরণ অনুসারে পাঁচ হাজার লোক হত ও ইহার বহুগুণ নিহত, এবং প্রায় দেড় লক্ষ লোকের গৃহ বিধ্বস্ত হয়। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭),'' প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৪১৮ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:দাঙ্গা]] [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মীয় সহিংসতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ধর্মীয়ভাবে অনুপ্রাণিত সহিংসতা]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি গণহত্যা]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]] 7sfgcfyxg4g5m9m16dl491dp8ex8jtw