উইকিউক্তি bnwikiquote https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.23 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিউক্তি উইকিউক্তি আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী 0 9115 84541 83982 2026-10-12T06:28:20Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84541 wikitext text/x-wiki '''[[:w:বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী|বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী]]''' বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল। বাংলাদেশে ইসলামি শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন এই দলের উদ্দেশ্য। দলটি ''ইকামতে দ্বীন'' (ইসলাম প্রতিষ্ঠা) নামক মতাদর্শকে মূলভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং একে "রাষ্ট্রক্ষমতা লাভের মাধ্যমে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা" অর্থে দলীয় ও রাজনৈতিকভাবে ব্যাখ্যা করে থাকে। এটি পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামী এবং মিশরের মুসলিম ব্রাদারহুড (ইখওয়ানুল মুসলিমিন)-এর আদর্শ ধারণ করে। ২০১৩ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট জামায়াতের নিবন্ধন সম্পর্কিত একটি রুলের রায় দেয়। যা সংগঠনের নিবন্ধন অবৈধ এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করে। ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত স্বৈরাচার বিরোধী অসহযোগ আন্দোলনের প্রাক্কালে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছিল। তারপর ২৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জামায়াতের উপর অর্পিত নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে দেয়। == উক্তি == * পূর্ব পাকিস্তানে জামাতে ইসলামের কর্মীরা বেশিরভাগ [[রাজাকার (পাকিস্তান)|রেজাকার]], [[আল বদর|আলবদর]], আল শামস বাহিনী গঠন করে মুক্তিবাহিনীর সাথে যুদ্ধ করছে এবং প্রাণ দিচ্ছে। এখানে জামাতের অবদানই বেশি সুতরাং পূর্ব পাকিস্তান থেকে প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রী হলে জামায়েত থেকেই হতে হবে। ** [[গোলাম আযম]], বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস, চতুর্থ খন্ড, মুক্তিযুদ্ধ পর্ব [https://web.archive.org/web/20250510111459/https://bangla.bdnews24.com/blog/57666] * পাকিস্তান যদি না থাকে তাহলে জামাত কর্মীদের দুনিয়ায় বেঁচে থেকে লাভ নাই। ** [[গোলাম আযম]]। দৈনিক সংগ্রাম, ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ [https://web.archive.org/web/20250510111459/https://bangla.bdnews24.com/blog/57666] * নীল নদের পানি যেমন নীল নয়, তেমনি জামায়াতে ইসলামও [[ইসলাম]] নয়। ** [[আবদুল হামিদ খান ভাসানী]] [https://www.jugantor.com/tp-news/112915][https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2025/09/06/1573463] * যদি [[ঈমান|ঈমানকে]] হেফাজত করতে চাও, তাহলে জামায়াতে ইসলাম থেকে দূরে থাকো। ** [[মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী]]। ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির এক মাহফিলে তিনি এই মন্তব্য করেন। [https://web.archive.org/web/20260205122155/https://dailyinqilab.com/index.php/national/article/828314] * জামায়াতে ইসলামীর দ্বারা [[ইসলাম|ইসলামের]] যে ক্ষতি হয়েছে, কাদিয়ানিদের দ্বারাও সে ক্ষতি হয়নি। সবধরনের ভ্রান্ত ফেরকাসমূহের মধ্যে নিকৃষ্ট দল জামায়াতে ইসলামী। এমনকি তারা কাদিয়ানি সম্প্রদায় থেকেও নিকৃষ্ট। জামায়াত প্রকৃত ইসলামি দল নয়, তারা ভণ্ড ইসলামি দল। তারা প্রকৃত ইসলামকে ধারণ করে না। তারা মদিনার ইসলাম নয়, মওদুদীর ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আমরা জামায়াতকে ইসলামি দল মনে করি না। ** [[মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী]]। ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট ফটিকছড়ির নাজিরহাট পৌরসভার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এক আলোচনাসভায়। [https://dailyinqilab.com/bangladesh/news/792069][https://www.deshrupantor.com/611565/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%AD%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%B2-%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A4-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0] * জামায়াতে ইসলামী তখন [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধে]] অংশগ্রহণ করে নাই এটা সত্য। জামায়েতে ইসলামী এক পাকিস্তান, পাকিস্তানকে ঐক্যবদ্ধ রাখার পক্ষে ছিল এটা সত্য। আমি অস্বীকার করলেই অস্বীকার হয়ে যাবে না। জামায়াতে ইসলামের একটাই যুক্তি ছিল যে, ভারত একটা বৃহৎ প্রতিবেশী। যদি তাদের নিয়ন্ত্রণে এবং সহযোগিতায় বাংলাদেশ স্বাধীন হয় তাহলে এই স্বাধীনতার ফসল বাংলাদেশের জনগণের ঘরে উঠবে না। ** [https://m.youtube.com/watch?v=BvKaV3cAKoY&t=446s&pp=2AG-A5ACAQ%3D%3D চ্যানেল আই-এ দীপ্তি চৌধুরীর সাথে এক সাক্ষাৎকারে] বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর [[শফিকুর রহমান (রাজনীতিবিদ)|শফিকুর রহমান]], ১৫ নভেম্বর ২০২৪ * একাত্তরে আমরা কোনো ভুল করে থাকলে এবং তা যদি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়, আমি জাতির কাছে ক্ষমা চাইব। ** [[শফিকুর রহমান (রাজনীতিবিদ)|শফিকুর রহমান]], লন্ডনে বাংলাভাষী সংবাদমাধ্যমে সাংবাদিকদের সঙ্গে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে, ২০ নভেম্বর ২০২৪ [https://samakal.com/politics/article/266197/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AC:-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0%C2%A0] * আপনি যদি কোনো জামায়েতে ইসলামীর নেতার কথা শুনেন তাহলে তার মুনাফেকিটা বুঝবেন। তাদের মধ্যে অনেক শিক্ষিত লোক আছে। যেমন ধরুন তাদের যদি জিজ্ঞেস করেন তারা আরবের ইতিহাস বলতে পারবে, ইসলামের ইতিহাস বলতে পারবে অনেকের চাইতে ভালো করে বলতে পারবে। ভারতবর্ষের ইতিহাসের কথা জিজ্ঞেস করলে সে খুব সুন্দরভাবে বলতে পারবে। কিন্তু যখন ৭১ এর ইতিহাসের কথা বলবেন তখন দেখবেন তারা কী বলে: ‘আমি তখন শিশু ছিলাম’, ‘আমাদের পূর্বপুরুষরা করেছে’, ‘যদি কোনো অপরাধ আমরা করে থাকি দুঃখ প্রকাশ করব’। এরা মুনাফেকি করে, অপরাধ স্বীকার করার সৎ সাহস তাদের নাই। ** [[নূরুল কবীর]]। ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি জিটিভির এক [https://m.youtube.com/watch?v=A4caGGS6Czc&t=33m01s টক-শোতে]। * দেশে পরীক্ষিত দেশপ্রেমিক শক্তি দুটি, একটি সেনাবাহিনী আরেকটি জামায়াত। ** [[শফিকুর রহমান (রাজনীতিবিদ)|শফিকুর রহমান]], ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪ এ রাত ৯টায় রংপুরের পাগলাপীরে জামায়াত আয়োজিত পথসভায়। [https://www.ittefaq.com.bd/711816/%E2%80%98%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF] * জামায়াত-ই-ইসলামীর রাজনীতিতে বেশ কিছু ত্রুটি খুঁজে পাওয়া যায় (১) তারা রাজনীতিকে জিহাদ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এটি মাওলানা মওদুদী প্রথম করেন। (২) তারা ইকামতে দ্বীনের (ধর্ম প্রতিষ্ঠা) ধারণার অর্থকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় হ্রাস করে মারাত্মক ভুল করেছে; (৩) দলটি তার আদর্শের সাথে আপস করেছে এবং ক্ষমতার রাজনীতিতে আরও মনোনিবেশ করেছে এবং ক্ষমতার জন্য ধর্মনিরপেক্ষ দল এবং জনগণের সাথে জোট করেছে এবং (৪) মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াত এমন এক দলের সমর্থন করেছিল এবং তার পক্ষে অস্ত্র নিয়েছিল যাকে আগে এরা "অমুসলিম "তাগুতি" (অত্যাচারী) সরকার" বলে অভিহিত করেছিল।" এটাই ছিল তাদের সবচেয়ে বড় ভুল। ** [[খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর]] [https://books.google.com.bd/books?id=ci3YDwAAQBAJ&pg=PA271&dq=abdullah+jahangir&hl=bn&sa=X&ved=0ahUKEwjas4_H4fzpAhWb8HMBHettByYQ6AEILDAB#v=onepage&q=abdullah%20jahangir&f=false] * ১২ ভাতারি জামায়াতের নতুন ভাতার ভারত। ** [[ইলিয়াস হোসাইন]], ২০২৫ সালের ২৫ এপ্রিল ফেইসবুক [https://www.facebook.com/100069250740805/posts/pfbid02fwuXqANtDgaFtG4vdEDBxmGyCnQsxMAoyaxn5A58wonDCQQ3RDctE9GWJEXs6rDgl/?app=fbl পোস্টে] * কবে জানি ক্ষ'মতায় আসার লো'ভে আর ভারতের ভয়ে জামায়াত ইসলাম বলে বসে, "আমরা মু'ক্তিযু'দ্ধের পক্ষের শ'ক্তি ছিলাম, ৭১ আমাদের চেতনা আর শে'ক্স মুজিব আমাদের জাতির ফিতা৷" ** [[ইলিয়াস হোসাইন]], ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি [https://www.facebook.com/100069250740805/posts/pfbid024kYvStsZ8rvv8YLed1usCWrgnX2BBu7Qwo8ShiF9NYwQ7GfrMLwjZWXDJyohYk2hl/?app=fbl ফেইসবুক পোস্টে] * বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলামী, আজকের ভিডিওটা মূলত তাদেরকে নিয়েই, যারা পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ হোক সেটা চায়নি। মূলত তারা এই দেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এই দেশে বসবাসের অযোগ্য। তারা বাংলাদেশের একটা অপশক্তি, পাকিস্তানি অপশক্তি। তাদের এই দেশে রাজনীতি তো পরের কথা, আমি মনে করি তাদের মরণোত্তর নাগরিকত্ব বাতিল করা উচিত। তারা এই দেশের স্বাধীনতা চায় নাই। এখন আপনি হয়তো আজকে আমার এই কথা শুনার পর মনে করবেন যে এতদিন আমি নিজেই তো বলতাম। হ্যাঁ, আমি বলতাম তো। আমার তো ঐ সময় জন্মই হয়নি। আমার জন্ম হলে আমি দুই পাকিস্তানকে এক রাখতেই চাইতাম। যদি আমি তা না পারতাম তাহলে পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যেতাম। আপনি পশ্চিম পাকিস্তানের পক্ষ হয়ে যুদ্ধ করলেন, পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন হয়ে গেল। পূর্ব পাকিস্তানে থাকার জন্য আপনার আবার এত খায়েশ কেন? আবার পূর্ব পাকিস্তানে আপনি রাজনীতি করবেন, সেই (একই) দলেই রাজনীতি করবেন। এত ঘাড়ত্যাড়ামো কেন? আপনাদের এই ঘাড়ত্যাড়ামোর কারণে আজকের এই বাংলাদেশে অসংখ্য মানুষ গুম হয়, খুন হয়, ধর্ষিতা হয়, ধর্ম পালনে সমস্যা হয়, ইসলাম পালনে সমস্যা হয়, এই দেশে দাড়ি টুপি রাখতে সমস্যা হয়। ** [[ইলিয়াস হোসাইন]], ২০২৫ সালের ২৫ এপ্রিল নিজের [https://m.youtube.com/watch?v=YRXGQfETWT8 ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা ভিডিওতে]। * আপনি যদি আমাদেরকে শত্রু মনে করেন, তাহলে আপনি প্রকৃতপক্ষে কোরআনের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত হবেন। ** শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ২০২৫ সালের ৩১ মে কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলনে দেওয়া [https://m.youtube.com/watch?v=rV9Ft0i8ym0 বক্তব্যে]। [https://www.facebook.com/dbcnews.tv/videos/1039393721081248/?app=fbl] * জামাতে ইসলাম করাটা আপনার আমার নৈতিক দায়িত্ব। কী দায়িত্ব? নৈতিক দায়িত্ব। কী জন্য? যদি আপনি [[জান্নাত|জান্নাতে]] যেতে চান। আর জান্নাতে যেতে না চাইলে কোনো সমস্যা নেই। কারণ ৭২ কাতারের মধ্যে প্রথম কাতারে থাকতে চাইলে, জান্নাত পেতে চাইলে জামাতে ইসলাম করতে হবে। এর মধ্যে আর দ্বিতীয় কোনো অপশন নেই বাবা। ** ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবির। ২০২৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নওগাঁর আত্রাই উপজেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক [https://m.youtube.com/watch?v=WmOcBaanOJc&pp=0gcJCR4Bo7VqN5tD&t=12m57s সমাবেশে]। [https://rumorscanner.com/fact-check/shahriar-kabir-jamaat-jannat-speech-real/182382][https://archive.ph/XN5SL] * ইসলামের সাথে জামায়েতে ইসলামীর কোনো সম্পর্ক নেই। জামায়েতে ইসলাম একটা বিভ্রান্ত রাজনৈতিক দল, মুনাফিকিই যার অন্যতম প্রধান কৌশল। মুনাফেকিকে ইসলাম প্রথম থেকেই কবিরা গুনাহ অর্থাৎ সবচাইতে বড় গুনাহের মধ্যে একটা হিসেবে শনাক্ত করেছে। মুনাফেকি মানে হিপোক্রেসি: মনের মধ্যে এক আর বলে আরেক।জামায়েতে ইসলামীর বিভ্রান্তি এবং মুনাফেকি লক্ষ্য করুন। সম্প্রতি আজকেই বা গতকালকে ইসলামি ছাত্রশিবিরের একটা প্রকাশনার মধ্যে তাদের একজন লিখেছে যে, ১৯৭১ সালে নাকি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ছিল ইসলাম বিরোধী এবং সেই অর্বাচীন লেখক আল্লাহর কাছে প্রার্থনা জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধারা যে অপরাধ করেছিল ইসলামের বিরুদ্ধে আল্লাহ যেন তাদের ক্ষমা করেন। এটাকে আপনি কী বলবেন? ভারতবর্ষে আলাদা একটা ভূখণ্ড হওয়ার দরকার আছে কি নাই এই রাজনীতি হলো এবং মুসলিম লীগসহ যাবতীয় অপরাপর রাজনৈতিক দল এমনকি আম্বেদকরের মত মানুষও যখন বললেন পাকিস্তান হওয়া মুসলমান মাইনরিটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তখন এই জামায়েত ইসলামী পাকিস্তানের বিরোধীতা করেছে। আবার পশ্চিম পাকিস্তান ভিত্তিক শোষণ নিপীড়ন, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, বাংলাদেশের স্বায়ত্তশাসনের সংগ্রামের বিরুদ্ধে, এমনকি সর্বশেষে মানুষের বিরুদ্ধে গিয়ে যখন এই দেশে একটা বর্বর গণহত্যা চালু করে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ , সেইটার বিরুদ্ধে যখন একটা ন্যায়ের যুদ্ধ শুরু করে বাংলাদেশের মানুষ এবং সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ আকারে স্বাধীনতার যোদ্ধারা এই দেশের মানুষের জন্য সংগ্রাম করে সেটাকে তারা পাপ হিসেবে শনাক্ত করে। ** [[নূরুল কবীর]] ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি জিটিভির এক [https://m.youtube.com/watch?v=A4caGGS6Czc&t=29m54s টকশোতে]। * যে জামায়াত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিল, স্বাধীনতার ৪২ বছর পর সেই দল এখনো এ দেশে রাজনীতি করে কী করে? বাংলাদেশে জামায়াতের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। ** [[আবুল আ'লা মওদুদী|মওদুদীর]] ছেলে হায়দার ফারুক মওদুদী। ২০১৩ সালের অক্টোবরে ''ধর্ম ও রাজনীতি : দক্ষিণ এশিয়া'' শীর্ষক দুই দিনব্যাপী সেমিনারে যোগ দিতে এসে ঢাকায় তিনি এই কথা বলেন। [https://www.kalerkantho.com/print-edition/first-page/2013/10/06/9231] * মুক্তিযুদ্ধের সময় আলবদর ও আলশামস বাহিনীর মাধ্যমে যে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তার সঙ্গে জামায়াতের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তাই শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না, বিচারও চলমান রাখতে হবে।...পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের দলিলে ‘উইথ দেয়ার অল অক্সিলারি ফোর্স’ উল্লেখ ছিল, যার মধ্যে আলবদর ও আলশামস অন্তর্ভুক্ত। সেই বিবেচনায় জামায়াতে ইসলামীর বাংলাদেশের রাজনীতি করার অধিকার নেই। ** রুহিন হোসেন প্রিন্স। [https://www.banglatribune.com/politics/jamat-e-islam/954765/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E2%80%99-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8 বাংলা ট্রিবিউন] থেকে উদ্ধৃত, ১ জুলাই ২০২৬। * এখন আমাদের দাবি হতে পারে, জামায়াতে ইসলামী দলটার নামের সঙ্গে ‘ইসলামী’ শব্দটা তুলে দিতে হবে। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ধর্ম অবমাননা তারা এবং তাদের নেতাকর্মীরাই করে চলেছে। আমাদের বিশ্বাস, তারা ধারাবাহিকভাবে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে চলেছে। ** শামীম হোসেন (ডাকসুর স্বতন্ত্র ভিপিপ্রার্থী)। এক তরুণীর সঙ্গে জামায়াতের সংসদ সদস্য [[গাজী নজরুল ইসলাম|গাজী নজরুল ইসলামের]] ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার [https://web.archive.org/web/20260722120715/https://www.kalerkantho.com/online/social-media/2026/07/22/1714853 প্রতিক্রিয়ায়]। * বাংলাদেশ না চাওয়া জামায়াতে ইসলামী প্রতিবাদ করছে কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক#রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] চাননি। ** [[w:bn:রাশেদ খান|রাশেদ খান]]। ১১ অক্টোবর ২০২৬-এ এক [https://web.archive.org/web/20261012061803/https://www.jamuna.tv/national/665984 ফেসবুক পোস্টে]। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ইসলামি রাজনৈতিক দল]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসলামি রাজনৈতিক দল]] [[বিষয়শ্রেণী:উগ্র ডানপন্থী রাজনৈতিক দল]] df9anvhju92rob4zh2gh6tkoc26zdmp ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক 0 11631 84542 84192 2026-10-12T06:29:28Z ফারদিন 52 /* রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর */ উক্তি যোগ 84542 wikitext text/x-wiki '''[[w:ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]''' ('''ঢাবি''') ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারতে অক্সব্রিজ শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণে এটি স্থাপিত হয়। এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। সূচনালগ্নে বিভিন্ন প্রথিতযশা বৃত্তিধারী ও বিজ্ঞানীদের দ্বারা কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হবার প্রেক্ষাপটে এটি '''প্রাচ্যের অক্সফোর্ড''' নামে স্বীকৃতি পায়। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে]] কেন্দ্র করে নানা সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ভূমিদান এবং এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও বিতর্ক প্রচলিত আছে। == ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা == * [[বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫)|বঙ্গভঙ্গ]] রহিত হওয়ার ফলে পূর্ববঙ্গের মুসলমানেরা যখন ক্ষুব্ধ ও উত্তেজিত হইয়া উঠিলেন তখন বড়লাট [[w:bn:চার্লস হার্ডিঞ্জ, পেনশার্স্টের ১ম ব্যারন হার্ডিঞ্জ|লর্ড হার্ডিং]] তাঁহাদের সন্তোষবিধানের জন্য আশ্বাস দিলেন যে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হইবে। কিন্তু যুক্ত বাংলার হিন্দুগণ এই প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ করিলেন। হিন্দু নেতাগণ এই মত প্রকাশ করিলেন যে, ইহার ফলে রাজনীতিক বিভাগের পরিবর্তে [[সংস্কৃতি|সংস্কৃতির]] দিক হইতে [[বঙ্গ|বঙ্গদেশকে]] আবার দুই খণ্ডে বিভক্ত করা হইবে। সভা-সমিতিতে ও সংবাদপত্রে পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে তুমুল আন্দোলন চলিতে লাগিল। ইহাতে [[w:bn:কলিকাতা_বিশ্ববিদ্যালয়|কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অনিষ্ট হইবে এই আশঙ্কায় আশুতোষও এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ছিলেন। প্রকাশ্যে কোন সক্রিয় অংশ গ্রহণ না করিলেও [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়|আশুতোষই]] যে বিরোধী দলের প্রকৃত নেতা ছিলেন ইহা অনেকেই সন্দেহ করিত এবং গভর্নমেন্টও তাহা বিশ্বাস করিত। কিন্তু অকস্মাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন হ্রাস পাইল। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস'', চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)", প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশকাল: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২২ * বিভিন্নজন ভিন্ন ভিন্ন কারণে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। পশ্চিম বাংলা ও বিহার অঞ্চলের কিছু মুসলমানও বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল ভিন্নতর। তাঁদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়টি তাঁদের বা তাঁদের সন্তানসন্ততিদের কোনো কাজে আসবে না। যদি কোনো উপকার হয়, সেটা হবে পূর্ব বাংলার মানুষেরই। যে মুসলিম জনগোষ্ঠী এ রকম চিন্তা করত, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন [[w:bn:মোহাম্মদ_আকরম_খাঁ|মাওলানা আকরম খাঁ]], [[w:ব্যারিস্টার_আবদুর_রসুল|ব্যারিস্টার আবদুর রসুল]], মৌলভি আবুল কাশেম, মৌলভি লিয়াকত হোসেন প্রমুখ। তদানীন্তন পূর্ব বাংলারও বেশ কিছু মুসলমানের মধ্যে এমন ধারণা ছিল যে পূর্ব বাংলায় যথেষ্ট পরিমাণ ম্যাট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েট পাস ছাত্র নেই, যাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন না করে ওই টাকা দিয়ে পূর্ব বাংলায় আরও কিছু স্কুল ও কলেজ স্থাপন করলে এই অঞ্চলের মুসলিম ছেলেমেয়েদের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের লেখাপড়ার সুযোগের পরিধিটা বাড়বে। তাঁরা আরও ভাবতেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কারণে মুসলিম ছাত্রদের শিক্ষার জন্য যে বাজেট সরকার থেকে আসে, তা অনেকাংশেই কমে যাবে। ** প্রাবন্ধিক কুলদা রায় তাঁর ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং রবীন্দ্রনাথ’ প্রবন্ধে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5] * একদিন হাইকোর্টে এক জরুরী চিঠি পেলাম কোর্ট থেকে ফিরবার পথে [[w:bn:চার্লস_হার্ডিঞ্জ,_পেনশার্স্টের_১ম_ব্যারন_হার্ডিঞ্জ|বড়লাট হার্ডিং]] সাহেবের সঙ্গে যেন দেখা করি। যাওয়ামাত্রই বড়লাটের কাছে নিয়ে গেল। মামুলি দু'চার কথার পর লাটসাহেব বললেন, স্যার আশুতোষ, তুমি জান যে আমি কূটনীতি বিভাগে (Diplomatic Service) কাজ করেছি। তোমাকে খোলাখুলি বলছি, এই যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে তুমিই আছ তার পেছনে। অবশ্য, তার যুক্তিযুক্ত কারণ আছে তা আমি অস্বীকার কর্ব না। কিন্তু আমি তোমাকে বলছি, এ বিশ্ববিদ্যালয় আমি করবই—তার পেছনেও অনেক যুক্তিযুক্ত কারণ আছে। কিন্তু, আমি তোমার সঙ্গে বিরোধিতা কর্তে চাই না। কি মূল্য পেলে তোমার বিরোধিতা প্রত্যাহার কর্বে সেই কথা জানতে চাই। আমি বললাম, বড় বড় অনেক নেতারাই তো এর বিরুদ্ধে আন্দোলন কর্চ্ছেন। লাটসাহেব বললেন, ও সব আমি গ্রাহ্য করি না, কিন্তু আমি তোমার সঙ্গে বিবাদ কর্তে চাই না। সুতরাং আমি খোলাখুলি জিজ্ঞাসা কর্ছি, কি পেলে তুমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে আপত্তি কর্বে না—আমি এখনই সেটা জানতে চাই। আমি মনে মনে ভেবে দেখলাম, ওরা তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্বেই, তবে এই সুযোগে আমি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কিছু যদি আদায় কর্তে পারি, ক্ষতি কি? সুতরাং আমি বললাম, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের যদি চারটি অধ্যাপকের পদ সৃষ্টি করে গভর্নমেন্ট বরাবর তার খরচ বহন করেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্বন্ধে কোন আপত্তি কর্ব না। লাটসাহেব বললেন, আমি তোমার শর্ত মেনে নিলাম। আমাদের এই ব্যবস্থা 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তিপত্র' (Dacca University Pact) বলে ইতিহাসে অভিহিত হবে। হার্ডিং তাঁর কথা রেখেছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি অধ্যাপকের পদ তিনি সৃষ্টি করেছিলেন। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)''-রমেশচন্দ্র মজুমদার, প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২২-৫২৩ === রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর === [[চিত্র:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্রদের একাংশ.webp|থাম্ব|যাঁরা এই প্রপাগান্ডাটা করছেন, তাঁরা কি একবারও ভাবেন না যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করলে নিশ্চয়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছরের মধ্যেই ভাষণ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করা হতো না। — মোহাম্মদ আলী আরাফাত ]] * কেউ কেউ কোনো প্রমাণ উপস্থিত না করেই লিখিতভাবে জানাচ্ছেন যে, ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ মার্চ কলকাতায় গড়ের মাঠে রবীন্দ্রনাথের সভাপতিত্বে এক বিরাট জনসভা হয়। ও রকম একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল বটে, কিন্তু তাতে রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতি ছিল অসম্ভব, কেননা সেদিন তিনি কলকাতাতেই ছিলেন না। ১৯১২ সালের ১৯ মার্চ সিটি অব প্যারিস জাহাজযোগে রবীন্দ্রনাথের বিলাতযাত্রার কথা ছিল। তাঁর সফরসঙ্গী ডাক্তার দ্বিজেন্দ্রনাথ মিত্র জাহাজে উঠে পড়েছিলেন, কবির মালপত্রও তাতে তোলা হয়ে গিয়েছিল; কিন্তু আকস্মিকভাবে ওইদিন সকালে রবীন্দ্রনাথ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মাদ্রাজ থেকে তাঁর মালপত্র ফিরিয়ে আনা হয়। কলকাতায় কয়েক দিন বিশ্রাম করে ২৪ মার্চ রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহে চলে আসেন এবং ২৮ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিলের মধ্যে সেখানে বসে ১৮টি গান ও কবিতা রচনা করেন। ** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ। [https://www.bbc.com/bengali/news-44609891] * ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর—এ ধরনের একটি অভিযোগ প্রায়ই অনেকে করে থাকেন। তারা উল্লেখ করেন, ‘১৯১২ সালের ২৮ মার্চ কলকাতা গড়ের মাঠে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিবাদে এক বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়।’ অনেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই জনসভার রেফারেন্স হিসেবে দিয়েছেন নীরদচন্দ্র চৌধুরীর লেখা বই, আবার অনেকেই আবুল আসাদের ‘একশো বছরের রাজনীতি’ বইয়ের রেফারেন্সও দিয়েছেন। যদিও নীরদচন্দ্র চৌধুরীর বইয়ে এমন কিছু উল্লেখ নেই, আবার আবুল আসাদ কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই এ অভিযোগটি করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০০০ সালে আহমদ পাবলিশিং হাউস থেকে ‘আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিকতা এবং প্রাসঙ্গিক কিছু কথা’ নামে একটি বইয়ে মেজর জেনারেল (অব.) এম এ মতিন, কপি পেস্টের মাধ্যমে একই কথা উল্লেখ করেন কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কালি ও কলম পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য এ জেড এম আবদুল আলী একটি পত্রিকায় অভিযোগটির বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, যারা রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে এ অভিযোগটি করছেন, তারা তাদের রচনায় কোনো সূত্রের উল্লেখ করেননি। ** [[w:bn:মোহাম্মদ এ আরাফাত|মোহাম্মদ এ আরাফাত]] [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225] * যাঁরা এই প্রপাগান্ডাটা করছেন, তাঁরা কি একবারও ভাবেন না যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করলে নিশ্চয়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছরের মধ্যেই ভাষণ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করা হতো না। ১৯৩৬ সালে তাঁকে ডি.লিট উপাধি প্রদানের বিষয়েও বিরোধিতা হতো; বরং তাঁকে দুবারই মুসলমান-হিন্দু সব শ্রেণির ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান আন্তরিকভাবে সম্মাননা প্রদান করেছে। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আলী আরাফাত|মোহাম্মদ আলী আরাফাত]]। [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225 জাতীয় সংগীত ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: কিছু মিথ ও প্রকৃত ইতিহাস], ''কালের কণ্ঠ'', ২ অক্টোবর ২০১৯। * বাংলাদেশ না চাওয়া [[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী|জামায়াতে ইসলামী]] প্রতিবাদ করছে কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি। ** [[w:bn:রাশেদ খান|রাশেদ খান]]। ১১ অক্টোবর ২০২৬-এ এক [https://web.archive.org/web/20261012061803/https://www.jamuna.tv/national/665984 ফেসবুক পোস্টে]। * রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে এক কোটি আলাপের বিকল্প বাদ দিয়ে যারা শুধু তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছেন কিনা– এ বিষয়ে আলাপ তোলে, তারা এক অর্থে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। তাদের জন্য আমার আফসোস হয় এই ভেবে, তারা রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার রস আস্বাদনে চিরবঞ্চিত। দুনিয়ায় এত এত রস থাকতে এখানে কেবল রবীন্দ্রনাথের কথাই বলতে হলো। কারণ, এরা রবীন্দ্রনাথ নিয়ে লিপ্ত অথচ মজাটা লুটতে পারছে না। আমি মনে করি, যদি আবিষ্কৃত হয়– রবীন্দ্রনাথ কখনও সরাসরি ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে বলেছেন, তাতে রবীন্দ্রনাথের প্রতিষ্ঠা বা সততা বা সম্মান একবিন্দুও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এমনকি সে রকম কিছু হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রনাথের আদর-আপ্যায়ন ও মর্যাদা প্রদান সম্পূর্ণ বৈধ থাকত। আজকের দিনের সংকীর্ণ রাজনীতির উত্তেজনায় কিংবা সংকীর্ণ রাজনীতির বিরোধিতার প্রয়োজনে যারা ঠাকুরকে সহজ শিকার হিসেবে নাকাল করতে চায়, তারা ঠিক আলাপযোগ্য নয়। পুরো ব্যাপারকে একশ বছর আগের বাস্তবতার এক বড় পটভূমিতে স্থাপন করে দেখা নিশ্চয় তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু সে ক্ষমতা এ জাতীয় ব্যক্তিদের থাকার কথা নয়। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আজম|মোহাম্মদ আজম]]। সমকাল পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://samakal.com/opinion/article/236093/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87] == জমিদান == * কোনও মুসলমান ধনীর কাছ থেকেই ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডাইরেক্টলি কোনও ফাইন্যান্সিয়াল কন্ট্রিবিউশন পায় নাই। সলিমুল্লাহ হল যে তৈরি হল তা পুরোই সরকারের টাকায়। নওয়াব পরিবারের টাকায় নয়; জায়গাতেও নয়। রমনায় যে জায়গায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি, তা পুরোটাই খাসমহল এবং সরকারের জমি, সেটেলমেন্ট রিপোর্টে তাই আছে। ** [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আব্দুর রাজ্জাক]]। ''ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজ : ‘অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের আলাপচারিতা ও অন্যান্য'' বইয়ে। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go] * ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কল্পনা যখন হয় তখন হইতেই [[ভারত সরকার]] প্রতি বৎসর ইহার জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা একটি স্থায়ী তহবিলে জমা রাখিতেন। ভারতের নূতন শাসনবিধি প্রচলনের সময় এই তহবিলে যে ৫৫ লক্ষ টাকা জমা হইয়াছিল ভারত সরকার তাহা বাংলা গভর্নমেন্টের হাতে দিয়াছিলেন। [[w:bn:ফিলিপ_জোসেফ_হার্টগ|হার্টগ সাহেব]] এই টাকা দাবি করিলে প্রভাস মিত্র বলিলেন, ঢাকা শহরে রমনায় যে বাড়ীগুলি বিশ্ববিদ্যালয় দখল করিয়াছে তাহার মূল্যবাবদ বাংলা গভর্নমেন্ট ঐ টাকা নিয়াছেন। অতঃপর শিক্ষকদের প্রতিশ্রুত বেতনের হার কমাইতে হইল। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)'' প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২৪-৫২৫ * শতবর্ষের বইয়ের জন্য বিভিন্ন নথি ঘাঁটাঘাটি করেছি আমরা। ঢাকার নবাব ৬০০ একর জমি দিয়েছেন এমন কোনও তথ্য সরাসরি কোথাও উল্লেখ নেই।... তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় জমি পেল কোথা থেকে? তখন দেখতে পাই তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন সময় জমি লিজ নিয়েছে। এই লিজের বিনিময়ে যে পয়সা-কড়ি দেবার কথা সেটাও দিয়েছে।...এটি কি মিথ নাকি রিয়েলিটি? এটা আমাদের তালাশ করতে হবে। তাই কোনও উৎস থেকে শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে বলাটা ঠিক হবে না। যদি কোথাও না পাই তবে কীভাবে বলি নবাব সলিমুল্লাহ এই ৬০০ একর জমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়েছে?...বিষয়টি এমন হতে পারে ব্রিটিশ সরকার যখন ১৯০৫ সালে পূর্ববঙ্গে রাজধানী করে তখন নবাবরা হয়তো সরকারকে কোনও অনুদান দিয়ে থাকতে পারেন। ** “শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্য” নামক বইয়ের সহযোগী সম্পাদক মি. বাছির বিবিসি বাংলাকে এই কথা বলেন। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go] == আরও দেখুন == * [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] * [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আবদুর রাজ্জাক]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]] 1f5s3sslnf4on7451vcpz1p9jucyxh9