উইকিসংকলন
bnwikisource
https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%A8:%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.3
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিসংকলন
উইকিসংকলন আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
লেখক
লেখক আলাপ
নির্ঘণ্ট
নির্ঘণ্ট আলাপ
পাতা
পাতা আলাপ
প্রবেশদ্বার
প্রবেশদ্বার আলাপ
প্রকাশক
প্রকাশক আলোচনা
রচনা
রচনা আলাপ
অনুবাদ
অনুবাদ আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
টেমপ্লেট:ALL PAGES
10
9621
1949567
1949492
2026-05-22T07:01:16Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1949567
wikitext
text/x-wiki
562936
mqswdlf159vuf467dhrv922y25qq05i
টেমপ্লেট:PR TEXTS
10
9622
1949568
1949493
2026-05-22T07:01:26Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1949568
wikitext
text/x-wiki
19527
0wvnrl12zomqu4qfqsje509h6w5m7xs
টেমপ্লেট:ALL TEXTS
10
9623
1949569
1949494
2026-05-22T07:01:36Z
SodiumBot
19245
বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে
1949569
wikitext
text/x-wiki
19527
0wvnrl12zomqu4qfqsje509h6w5m7xs
টেমপ্লেট:CategoryTOC
10
11958
1949506
1948970
2026-05-21T13:29:39Z
Bodhisattwa
2549
1949506
wikitext
text/x-wiki
{| class="toccolours plainlinks" align="center" |
|-
! বিষয়শ্রেণী :
|[{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}}} সব] – [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=০}} ০–৯] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=অ}} অ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=আ}} আ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ই}} ই] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ঈ}} ঈ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=উ}} উ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ঊ}} ঊ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ঋ}} ঋ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=এ}} এ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ঐ}} ঐ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ও}} ও] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ঔ}} ঔ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ক}} ক] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=খ}} খ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=গ}} গ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ঘ}} ঘ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ঙ}} ঙ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=চ}} চ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ছ}} ছ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=জ}} জ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ঝ}} ঝ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ঞ}} ঞ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ট}} ট] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ঠ}} ঠ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ড}} ড] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ঢ}} ঢ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ণ}} ণ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ত}} ত] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=থ}} থ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=দ}} দ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ধ}} ধ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ন}} ন] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=প}} প] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ফ}} ফ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ব}} ব] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ভ}} ভ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ম}} ম] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=য}} য] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=র}} র] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ল}} ল] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=শ}} শ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=ষ}} ষ] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=স}} স] [{{fullurl:{{FULLPAGENAME}}|from=হ}} হ]
|}<noinclude>{{documentation}}</noinclude>
nh2ire8n7d1cx9u6f7lqosew9lv4bo4
উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/ব্রিটিশ লাইব্রেরি - ভারতীয় মুদ্রণের দুই শতক
4
788315
1949538
1942510
2026-05-22T02:35:02Z
Bodhisattwa
2549
1949538
wikitext
text/x-wiki
{{tGLAM
<!-- STRUCTURAL AND STYLE ELEMENTS -->
| background_color = <!-- Hexadecimal code. example: FFFFFF -->
| top_color = FF0000
| top_color2 = FFFFFF
| top_color3 = FF0000
| height_top = 8px
| width_left = 60
<!-- HEADER -->
| image = BritishLibrary.svg
| image_size = 100px
| GLAM_name = ব্রিটিশ লাইব্রেরি - ভারতীয় মুদ্রণের দুই শতক গ্ল্যাম
| presentation_text = [https://www.bl.uk/ ব্রিটিশ লাইব্রেরির] [https://web.archive.org/web/20231001055233/https://www.bl.uk/projects/two-centuries-of-indian-print ভারতীয় মুদ্রণের দুই শতক] প্রকল্প বাংলা উইকিসংকলনে একটী গ্ল্যাম প্রকল্প সংগঠিত করেছে। ভারতীয় মুদ্রণের দুই শতক প্রকল্পের অন্তর্গত পাবলিক ডোমেইন বাংলা বইগুলিকে উইকিসংকলনে ইউনিকোডে রূপান্তর ও মুদ্রণ সংশোধন করা হল এই সহযোগিতা কার্যক্রমের উদ্দেশ্য।
<!--PARTNERSHIP DETAILS -->
| partners_list =
| partner_logo1 =
| glam_institutions = [https://www.bl.uk/ ব্রিটিশ লাইব্রেরি]
| commons_category = Two Centuries of Indian Print
| wikisource_category = ভারতীয় মুদ্রণের দুই শতক প্রকল্প হতে
<!-- WIKI PROJECTS -->
| wikipedia = yes
| commons = yes
| wikidata = yes
| wikibook =
| wikisource = yes
| wikispecies =
| wikinews =
| wikiversity =
| wikivoyage =
| entry_example =
| image_example =
| source_example =
| data_example =
| book_example =
<!-- TIMELINE -->
| timeline = yes
<!-- DISCLOSURE -->
| presentation_1 = Wikisource and the Two Centuries of Indian Print Project (2CIP) at the British Library.webm
| presentation_2 =
| presentation_3 =
| publication_1 =
| publication_2 =
| publication_3 =
| report_1 = [https://blogs.bl.uk/digital-scholarship/2021/03/wikisource-competition-to-proofread-indian-books.html ২০২১ সালের মার্চ মাসে ব্রিটিশ লাইব্রেরির ব্লগ]
| report_2 = [[:outreach:GLAM/Newsletter/April 2021/Single|২০২১ সালের এপ্রিল মাসের গ্ল্যাম নিউজলেটার]]
| report_3 = [[:outreach:GLAM/Newsletter/May 2021/Single|২০২১ সালের মে মাসের গ্ল্যাম নিউজলেটার]]
| report_4 = [[:outreach:GLAM/Newsletter/July 2021/Single|২০২১ সালের জুলাই মাসের গ্ল্যাম নিউজলেটার]]
| report_5 = [[:outreach:GLAM/Newsletter/August 2021/Single|২০২১ সালের আগস্ট মাসের গ্ল্যাম নিউজলেটার]]
| report_6 = [[:outreach:GLAM/Newsletter/November 2021/Single|২০২১ সালের নভেম্বর মাসের গ্ল্যাম নিউজলেটার]]
| report_7 = [[:m:West Bengal Wikimedians/Reports/Annual Activities/2021|পশ্চিমবঙ্গ উইকিমিডিয়া ব্যবহারকারী দলের ২০২১ সালের বার্ষিক কার্যকলাপের রিপোর্ট]]
| report_8 = [[:outreach:GLAM/Newsletter/March 2026/Single|২০২৬ সালের মার্চ মাসের গ্ল্যাম নিউজলেটার]]
<!-- PROGRESS -->
| key = BL-TCIP
<!-- EVENTS AND RESOURCES PRODUCED IN GLAM -->
| activity_1 = [[উইকিসংকলন:ব্রিটিশ লাইব্রেরি - ভারতীয় মুদ্রণের দুই শতক প্রতিযোগিতা ২০২১ (মার্চ-এপ্রিল)|প্রথম মুদ্রণ সংশোধন প্রতিযোগিতা]]
| activity_2 = [[উইকিসংকলন:ব্রিটিশ লাইব্রেরি - ভারতীয় মুদ্রণের দুই শতক প্রতিযোগিতা ২০২১ (সেপ্টেম্বর-নভেম্বর)|দ্বিতীয় মুদ্রণ সংশোধন প্রতিযোগিতা]]
| activity_3 =
| resource_1 = [[উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/ব্রিটিশ লাইব্রেরি - ভারতীয় মুদ্রণের দুই শতক/আপলোড স্ক্রিপ্ট|আপলোড স্ক্রিপ্ট]]
| resource_2 =
| resource_3 =
<!-- CONTACT INFORMATION AND PAGE WIKIFICATION -->
| contact_wiki = Bodhisattwa
| contact_institution = [https://web.archive.org/web/20230610184413/https://www.bl.uk/people/experts/adi-keinan-schoonbaert/ Adi Keinan-Schoonbaert]</br> <s>[[User:Tderrick|Tderrick]]</s>
| contact_email_institution = <s>Tom.Derrick@bl.uk</s>
| institution_website = https://www.bl.uk
| department_webpage = https://web.archive.org/web/20231001055233/https://www.bl.uk/projects/two-centuries-of-indian-print
| include_cat =
| shortcut = WS:TCIP
}}
kttgwshtbmams6majsh6bssch28c3jr
পাতা:সঞ্চয়িতা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৮২৫
104
811148
1949505
1816013
2026-05-21T13:27:27Z
Bodhisattwa
2549
1949505
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{rh||জন্মদিনে|৮২১}}
{{block center/s}}</noinclude><section begin="A" /><poem>:::মর্তজীবনের কাজে।
::::সে পথের ’পরে
:::ক্ষণে ক্ষণে অগোচরে
সকল পাওয়ার মধ্যে পেয়েছি অমূল্য উপাদেয়
এমন সম্পদ যাহা হবে মোর অক্ষয় পাথেয়।
:::মন বলে, আমি চলিলাম,
::::রেখে যাই আমার প্রণাম
::তাঁদের উদ্দেশে যাঁরা জীবনের আলো
ফেলেছেন পথে যাহা বারে বারে সংশয় ঘুচালো।</poem>
{{block center/e}}
{{block left|{{center|{{smaller|শান্তিনিকেতন</br>
১৯ জানুয়ারি ১৯৪১}}}}}}
<section end="A" />
<section begin="B" />{{C|{{larger|ঐকতান}}}}
{{block center/s}}
<poem>::বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি!
::দেশে দেশে কত-না নগর রাজধানী—
মানুষের কত কীর্তি, কত নদী গিরি সিন্ধু মরু,
কত-না অজানা জীব, কত-না অপরিচিত তরু
রয়ে গেল অগোচরে। বিশাল বিশ্বের আয়োজন;
মন মোর জুড়ে থাকে অতিক্ষুদ্র তারি এক কোণ।
সেই ক্ষোভে পড়ি গ্রন্থ ভ্রমণবৃত্তান্ত আছে যাহে
::::::অক্ষয় উৎসাহে—
::যেথা পাই চিত্রময়ী বর্ণনার বাণী
::::::কুড়াইয়া আনি।
::জ্ঞানের দীনতা এই আপনার মনে
পূরণ করিয়া লই যত পারি ভিক্ষালব্ধ ধনে।
আমি পৃথিবীর কবি, যেথা তার যত উঠে ধ্বনি
আমার বাঁশির সুরে সাড়া তার জাগিবে তখনি—</poem>
<section end="B" /><noinclude>{{block center/e}}</noinclude>
2oud6zyhdka0kstgwedw43cxusa9x23
সঞ্চয়িতা/ঐকতান
0
812086
1949504
1949502
2026-05-21T13:26:34Z
Bodhisattwa
2549
[[Special:Contributions/Rabiji|Rabiji]] ([[User talk:Rabiji|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Bodhisattwa|Bodhisattwa]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে
1692958
wikitext
text/x-wiki
<pages index="সঞ্চয়িতা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf" from=825 to=828 fromsection=B tosection=A header=1/>
4cdldqsws2kwxthyjpqys3rjlld2u9t
লেখক:সিদ্ধেশ্বর বসু
100
832308
1949522
1895851
2026-05-21T15:53:47Z
Bodhisattwa
2549
1949522
wikitext
text/x-wiki
{{লেখক}}
{{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}}
=== অন্যান্য ===
{{লেখক রচনা সারি|work = ''[[d:Q123994659|হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সার-সংগ্রহ]]''|item = Q123994659}}
{{লেখক সংস্করণ সারি|item = Q120482719|label = ''[[d:Q120482719|হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সার-সংগ্রহ (প্রথম খণ্ড)]]''|p1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসা_সার-সংগ্রহ_(প্রথম_খণ্ড)_-_সিদ্ধেশ্বর_বসু.pdf|p577 = 1924}}{{Talikak list end}}
{{PD-India}}
1zk799gq9hremoumj8vpqzkqcsjpyf9
উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/তালিকা
4
842953
1949547
1939365
2026-05-22T05:37:44Z
ROCKY
2687
রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার যোগ
1949547
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/শীর্ষক}}
{{গ্ল্যাম তালিকা | imagefile=2010-08-03 British Library exterior 01.jpg | flag = Flag of the United Kingdom (1-2).svg | glamlink=উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/ব্রিটিশ লাইব্রেরি - ভারতীয় মুদ্রণের দুই শতক | title= ব্রিটিশ লাইব্রেরি}}
{{গ্ল্যাম তালিকা | imagefile=Biblioteca de Evora (1).jpg | flag = Flag of Portugal.svg | glamlink=উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/বিব্লিওতেকা পুব্লিকা দে এভোরা | title= বিব্লিওতেকা পুব্লিকা দে এভোরা}}
{{গ্ল্যাম তালিকা | imagefile=Rammohun Library and Free Reading Room.jpg | flag = Flag of India.svg | glamlink=উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/রামমোহন লাইব্রেরি অ্যাণ্ড ফ্রি রিডিং রুম | title= রামমোহন লাইব্রেরি অ্যাণ্ড ফ্রি রিডিং রুম}}
{{গ্ল্যাম তালিকা | imagefile=Federation_Hall.jpg | flag = Flag of India.svg | glamlink=উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/ফেডারেশন হল লাইব্রেরি | title= ফেডারেশন হল লাইব্রেরি}}
{{গ্ল্যাম তালিকা | imagefile=Front side of Shah Makhdum Institute Public Library.jpg | flag = Flag of Bangladesh.svg | glamlink=উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/শাহ্ মখদুম ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি | title= শাহ্ মখদুম ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি}}
{{গ্ল্যাম তালিকা | imagefile=বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ শিলং (2).jpg | flag = Flag of India.svg | glamlink=উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ, শিলং | title= বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ, শিলং}}
{{গ্ল্যাম তালিকা | imagefile=Asam Sahitya Sabha Jorhat Office.jpg | flag = Flag of India.svg | glamlink=উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/অসম সাহিত্য সভা | title= অসম সাহিত্য সভা}}
{{গ্ল্যাম তালিকা | imagefile= Logo of Ghoshaldanga Bishnubati Adibasi Trust.svg | flag = Flag of India.svg | glamlink=উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/ঘোষালডাঙ্গা বিষ্ণুবাটী আদিবাসী ট্রাস্ট | title= ঘোষালডাঙ্গা বিষ্ণুবাটি আদিবাসী ট্রাস্ট}}
{{গ্ল্যাম তালিকা | imagefile= Panihar Public Library, Godagari, Rajshahi.jpg | flag = Flag of Bangladesh.svg | glamlink=উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/পানিহার পাবলিক লাইব্রেরি | title= পানিহার পাবলিক লাইব্রেরি}}
{{গ্ল্যাম তালিকা | imagefile= Rajshahi General Library 01.jpg | flag = Flag of Bangladesh.svg | glamlink=উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার | title= রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার}}
fljmlcdd6hhtrl2jepzzyhsmug1tctx
ব্যবহারকারী:BabulB/খেলাঘর
2
878555
1949507
1949347
2026-05-21T14:02:38Z
BabulB
2144
1949507
wikitext
text/x-wiki
;Templates
* Fraction Template: [[টেমপ্লেট:Sfrac]]
*[[টেমপ্লেট:Img float]]
;মুদ্ৰণ সংশোধন
*আমেরিকার স্বাধীনতা
*বড়বউ
*[[নির্ঘণ্ট:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf]]
* [[প্রহাসিনী]]
;অন্যান্য
*সূচী: [[নির্ঘণ্ট:ভ্রান্তিবিলাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮৯০).pdf]]
* Poem right alignment: [[পাতা:ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য - শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৬৫).pdf/২০৭]]
* [[পাতা:গোপাল ভাঁড় - প্রচার পুস্তিকা (১৯৫৩).pdf/২]]
*[[পাতা:প্রহাসিনী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/১০১]]
mw3ogn896jy7duwgh20eskk8qqn599h
1949572
1949507
2026-05-22T07:18:14Z
BabulB
2144
1949572
wikitext
text/x-wiki
;Templates
* Fraction Template: [[টেমপ্লেট:Sfrac]]
*[[টেমপ্লেট:Img float]]
;মুদ্ৰণ সংশোধন
*আমেরিকার স্বাধীনতা
*বড়বউ
*[[নির্ঘণ্ট:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf]]
* nopt: [[প্রহাসিনী]]
;অন্যান্য
*সূচী: [[নির্ঘণ্ট:ভ্রান্তিবিলাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮৯০).pdf]]
* Poem right alignment: [[পাতা:ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য - শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৬৫).pdf/২০৭]]
* [[পাতা:গোপাল ভাঁড় - প্রচার পুস্তিকা (১৯৫৩).pdf/২]]
*[[পাতা:প্রহাসিনী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/১০১]]
ovodg6gs39u68yxs66b0o2wbfezdk16
1949573
1949572
2026-05-22T07:18:44Z
BabulB
2144
1949573
wikitext
text/x-wiki
;Templates
* Fraction Template: [[টেমপ্লেট:Sfrac]]
*[[টেমপ্লেট:Img float]]
;মুদ্ৰণ সংশোধন
*আমেরিকার স্বাধীনতা
*বড়বউ
*[[নির্ঘণ্ট:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf]]
* [[প্রহাসিনী]]
;অন্যান্য
*সূচী: [[নির্ঘণ্ট:ভ্রান্তিবিলাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮৯০).pdf]]
* Poem right alignment: [[পাতা:ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য - শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৬৫).pdf/২০৭]]
* [[পাতা:গোপাল ভাঁড় - প্রচার পুস্তিকা (১৯৫৩).pdf/২]]
*nopt: [[পাতা:প্রহাসিনী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/১০১]]
1powgof1fjmk7njb1op0q82nnrn1kf9
1949580
1949573
2026-05-22T10:18:01Z
BabulB
2144
1949580
wikitext
text/x-wiki
;Templates
* Fraction Template: [[টেমপ্লেট:Sfrac]]
*[[টেমপ্লেট:Img float]]
;মুদ্ৰণ সংশোধন
*আমেরিকার স্বাধীনতা
*বড়বউ
*[[নির্ঘণ্ট:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf]]
* [[প্রহাসিনী]]
;অন্যান্য
*সূচী: [[নির্ঘণ্ট:ভ্রান্তিবিলাস - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮৯০).pdf]]
* Poem right alignment: [[পাতা:ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য - শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৬৫).pdf/২০৭]]
* [[পাতা:গোপাল ভাঁড় - প্রচার পুস্তিকা (১৯৫৩).pdf/২]]
*nopt: [[পাতা:প্রহাসিনী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫).pdf/১০১]]
* [[পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/১১]]
pb495065nlts8kdlf7utk06vk3koacm
পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/৯
104
878558
1949577
1943907
2026-05-22T09:57:14Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1949577
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|'''ভূমি-বণ্টন সংস্কার'''}}}}
{{ফাঁক}}কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির দিক থেকে ভূমি-ব্যবস্থার সংস্কার অনেককাল থেকেই একটি মৌলিক প্রয়োজন বলে গণ্য ছিল। এই সংস্কার ব্যাপারে পূর্ব পাকিস্তানই অগ্রণী হয়ে ১৯৫১ সালে আইন পাশ করে এবং ১৯৫৬ সালে তা কার্যকরী করে। বিপ্লবী সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর পশ্চিম পাকিস্তানেও এই অতিপ্রয়োজনীয় সংস্কার-কার্য সমাধা করেন। পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৫১ সালের 'এষ্টেট এ্যাকুইজিশন' আইনটি সংশোধিত করে সর্বোচ্চ মালিকানার পরিমাণ ১১০ একরে আনা হয়। এতে চার লক্ষ একর জমি সরকার উদ্ধার করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ১৯৬১-৬২ সালের মধ্যে ৩.৩ লক্ষ একর উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্য সমস্ত জমির মালিক ও সরকারের মধ্যেকার মধ্যস্বত্ব সরকার নিজের আয়ত্তে এনেছেন। পূর্ব পাকিস্তানের আইনে জমি একত্রীকরণের (Consolidation of holding) ধারাও আছে। এই ধারার প্রয়োগ দ্বারা জমির ক্ষতিকর খণ্ড বিখণ্ডকরণ প্রক্রিয়ার গতিরোধ করা সম্ভব হবে।
{{কেন্দ্র|{{larger|'''খাদ্য ও কৃষি কমিশন'''}}}}
{{ফাঁক}}কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির নানাবিধ সমস্যা সমাধানের পথা নির্দেশের জন্য বিপ্লবী সরকার ১৯৫৯ সালের মাঝামাঝি একটি 'খাদ্য ও কৃষি কমিশন' নিয়োগ করেন। বিশ্ব ব্যাংক ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংগঠন শাখার একজন বিশেষজ্ঞ এই কমিশনের উপদেষ্টা হিসাবে সাহায্য করেন। ১৯৬০ সালের শেষ দিকে এই কমিশন চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করেন। সরকার এই রিপোর্টের অধিকাংশ সুপারিশই গ্রহণ এবং কার্যকরী করেছেন।
{{ফাঁক}}এই কমিশন সমস্যাটিকে পাঁচটি আঞ্চলিক ভাগে ভাগ করে বিচার করেছেন; যেমন, বর্তমান আবাদী জমি, নতুন কলোনী গঠনের জমি, গোচারণ জমি, পার্বত্য জমি এবং বিশিষ্ট জমি। পূর্ব পাকিস্তানের ক্ষেত্রে বর্তমান আবাদী জমির বিবেচনাই সবচেয়ে বেশী বর্তমান আবাদী জমি অঞ্চলের জন্যে কমিশন দুই শ্রেণীর পদ্ধতিসমন্বয় অন,মোদন করেছেন—(ক) যে সব পদ্ধতি বর্তমান ভূমি ব্যবহার ধারাকে অব্যাহত রেখে অবলম্বন করা চলে, এবং (খ) যে সব পদ্ধতি প্রয়োগ বর্তমান ভূমিব্যবহার ধারার পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল। প্রথম শ্রেণীর পদ্ধতিসমন্বয়ে কমিশন পাঁচটি প্রয়োগের উল্লেখ করেছেন—উত্তমবীজ, কৃত্রিম সার, শস্যের প্রতিরক্ষা, উৎকৃষ্ট জমিকর্ষণ এবং স্বল্পমেয়াদী ও মাঝারীমেয়াদী ঋণ। এই পাঁচটি প্রয়োগকে “প্রথম পাঁচ” আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
{{ফাঁক}}(১) '''উত্তমবীজ'''—উত্তমবীজ প্রয়োগের তাৎপর্য হলো, প্রধানতঃ জমির উপযোগিতা অনসারে উৎকৃষ্ট ধরণের শস্য উৎপাদন।
{{nop}}<noinclude>{{right|৫}}</noinclude>
edtdmvdnm4fd9rhbsr965t56hakmbaw
পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/১৭
104
878561
1949597
1943791
2026-05-22T10:54:41Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1949597
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>শ্রেণীর বীজ উৎপাদন ও বিতরণের জন্যে কর্পোরেশন বর্তমানে 'বীজ সার্টিফিকেট' কার্য-ক্রম গ্রহণ করেছে যাতে উৎপন্ন বীজ পরীক্ষা করে' সার্টিফিকেট দেওয়া যেতে পারে ও চাষীদের হাতে বা ব্যবসায়ীদের হাতে বিতরণ করা যেতে পারে। কর্পোরেশন ২৩টি বীজ প্রজনন ফার্ম' নিজের নিয়ন্ত্রণাধীনে এনে এগুলোকে উন্নতমানের উৎপাদনশীল ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে প্রয়াসী হয়েছে। এভাবে লাভজনক করা সম্ভব হলেই বীজ উৎপাদন ক্ষেত্রে বেসরকারী উদ্যম যথেষ্ট উৎসাহিত হবে। তখন এজন্যে কর্পোরেশন রেজেষ্ট্রীকরা বীজ-উৎপাদক চাষীর ওপরই বেশী নির্ভর করবে।
{{ফাঁক}}কর্পোরেশনের নিজস্ব বীজ প্রজনন ফার্মগুলোতে বীজ উৎপাদনের বার্ষিক লক্ষ্য এরুপঃ আউস ধান—৩৯,২০০ মণ, আমন ধান-৬২,৬০০ মণ, ইক্ষু— ১৮৭,১৭০ মণ, সরিষা—৩,৮৫০ মণ, গম—৫,৯১০ মণ, ডাল-৫,০৩২ মণ, আলু—৩০,২৫০ মণ, চিনাবাদাম-৪,৭৩০ মণ।
{{ফাঁক}}রেজেষ্ট্রি করা বীজ উৎপাদক চাষীদের সাহায্যে ১৯৬৩ সালের মধ্যে যে বীজ উৎপাদন আশা করা যায়, তা এইঃ ধান ১৭,৮০০ মণ পাট ৬,৩০০ মণ, কলা চারা ১২,৪৮৭,৫০০টি আনারস চারা ৩,৩৭৫,০০০টি।
{{ফাঁক}}১৯৬২ সালের জুলাই মাস থেকে কর্পোরেশনের সরবরাহ শাখা সার সংগ্রহ ও বিতরণের ব্যবস্থা অবলম্বন করেছে। এই চলতি বছর থেকে শুরু করে দ্বিতীয় পরিকল্পনা মেয়াদের অবশিষ্ট বৎসরগুলোতে যে পরিমাণ সার সংগ্রহ ও বিতরণের প্রস্তাব আছে তা নীচের তালিকায় দেওয়া হলো।
{{কেন্দ্র|'''বিভিন্ন সার সংগ্রহ ও বিতরণের হিসাব'''}}
{{কেন্দ্র|[টনের হিসাবে]}}
{| class=''wikitable sortable''!'''বছর'''!'''ইউরিয়া'''!'''এমোনিয়াম সালফেট'''!'''ট্রিপল সুপার ফসফেট'''!'''মুরিয়েট অব পটাশ'''
|-
|১৯৬২-৬৩
|১,২৪,০০০
|১৫,০০০
|
|
|-
|১৯৬৩-৬৪
|১১৭,০০০
|২৫,০০০
|৩৬,০০০
|৩৩,০০০
|-
|১৯৬৪-৬৫
|১১৭,০০০
|২০,০০০
|৮০,০০০
|৪০,০০০
|}
{{ফাঁক}}ইউরিয়া প্রধানতঃ সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ কারখানা থেকে এবং অন্যান্য সার বিদেশ থেকে আমদানী মারফত সংগ্রহ করা হবে! উল্লিখিত সার বিতরণের সাহায্যে, আশা করা যায়, ১৯৬৪-৬৫ সালের মধ্যে বিভিন্ন শস্যের নিম্নরূপ পরিমাণ জমি সার প্রয়োগের আওতায় আসবে, যথা—আউস ধান ২,০০৫,০০০ একর, আমন ধান ৩,৮৪১,২০০ একর, ইক্ষু ৪২৬,০০০ একর, বোরো ধান ৪১৮,০০০ একর, আলু ৩৩৪,০০০ একর, পাট ১০০,০০০
{{rh|||৯}}<noinclude></noinclude>
p3zujpeul3y984x9nck5igm03c23hgu
1949598
1949597
2026-05-22T11:01:40Z
ROCKY
2687
1949598
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>শ্রেণীর বীজ উৎপাদন ও বিতরণের জন্যে কর্পোরেশন বর্তমানে 'বীজ সার্টিফিকেট' কার্য-ক্রম গ্রহণ করেছে যাতে উৎপন্ন বীজ পরীক্ষা করে' সার্টিফিকেট দেওয়া যেতে পারে ও চাষীদের হাতে বা ব্যবসায়ীদের হাতে বিতরণ করা যেতে পারে। কর্পোরেশন ২৩টি বীজ প্রজনন ফার্ম' নিজের নিয়ন্ত্রণাধীনে এনে এগুলোকে উন্নতমানের উৎপাদনশীল ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে প্রয়াসী হয়েছে। এভাবে লাভজনক করা সম্ভব হলেই বীজ উৎপাদন ক্ষেত্রে বেসরকারী উদ্যম যথেষ্ট উৎসাহিত হবে। তখন এজন্যে কর্পোরেশন রেজেষ্ট্রীকরা বীজ-উৎপাদক চাষীর ওপরই বেশী নির্ভর করবে।
{{ফাঁক}}কর্পোরেশনের নিজস্ব বীজ প্রজনন ফার্মগুলোতে বীজ উৎপাদনের বার্ষিক লক্ষ্য এরুপঃ আউস ধান—৩৯,২০০ মণ, আমন ধান-৬২,৬০০ মণ, ইক্ষু— ১৮৭,১৭০ মণ, সরিষা—৩,৮৫০ মণ, গম—৫,৯১০ মণ, ডাল-৫,০৩২ মণ, আলু—৩০,২৫০ মণ, চিনাবাদাম-৪,৭৩০ মণ।
{{ফাঁক}}রেজেষ্ট্রি করা বীজ উৎপাদক চাষীদের সাহায্যে ১৯৬৩ সালের মধ্যে যে বীজ উৎপাদন আশা করা যায়, তা এইঃ ধান ১৭,৮০০ মণ পাট ৬,৩০০ মণ, কলা চারা ১২,৪৮৭,৫০০টি আনারস চারা ৩,৩৭৫,০০০টি।
{{ফাঁক}}১৯৬২ সালের জুলাই মাস থেকে কর্পোরেশনের সরবরাহ শাখা সার সংগ্রহ ও বিতরণের ব্যবস্থা অবলম্বন করেছে। এই চলতি বছর থেকে শুরু করে দ্বিতীয় পরিকল্পনা মেয়াদের অবশিষ্ট বৎসরগুলোতে যে পরিমাণ সার সংগ্রহ ও বিতরণের প্রস্তাব আছে তা নীচের তালিকায় দেওয়া হলো।
{{কেন্দ্র|'''বিভিন্ন সার সংগ্রহ ও বিতরণের হিসাব'''</br>
[টনের হিসাবে]}}
{| {{ts|mc|w80}}
|-
|{{ts|ar|bb}} |বছর
|{{ts|ar|bb}} |ইউরিয়া
|{{ts|ar|bb}} |এমোনিয়াম সালফেট
|{{ts|ar|bb}} |ট্রিপল সুপার ফসফেট
|{{ts|ar|bb}} | মুরিয়েট অব পটাশ
|-
|{{ts|ar}} |১৯৬২-৬৩
|{{ts|ar}} |১,২৪,০০০
|{{ts|ar}} |১৫,০০০
| {{কেন্দ্র|—}}
| {{কেন্দ্র|—}}
|-
|{{ts|ar}} |১৯৬৩-৬৪
|{{ts|ar}} |১১৭,০০০
|{{ts|ar}} |২৫,০০০
|{{ts|ar}} |৩৬,০০০
|{{ts|ar}} |৩৩,০০০
|-
|{{ts|ar}} |১৯৬৪-৬৫
|{{ts|ar}} |১১৭,০০০
|{{ts|ar}} |২০,০০০
|{{ts|ar}} |৮০,০০০
|{{ts|ar}} |৪০,০০০
|}
{{ফাঁক}}ইউরিয়া প্রধানতঃ সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ কারখানা থেকে এবং অন্যান্য সার বিদেশ থেকে আমদানী মারফত সংগ্রহ করা হবে! উল্লিখিত সার বিতরণের সাহায্যে, আশা করা যায়, ১৯৬৪-৬৫ সালের মধ্যে বিভিন্ন শস্যের নিম্নরূপ পরিমাণ জমি সার প্রয়োগের আওতায় আসবে, যথা—আউস ধান ২,০০৫,০০০ একর, আমন ধান ৩,৮৪১,২০০ একর, ইক্ষু ৪২৬,০০০ একর, বোরো ধান ৪১৮,০০০ একর, আলু ৩৩৪,০০০ একর, পাট ১০০,০০০
{{rh|||৯}}<noinclude></noinclude>
ctjr584mylmocbfm28g8s4zym0kseau
পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/১১
104
878563
1949578
1943788
2026-05-22T10:06:40Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */
1949578
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Tahmid" /></noinclude>{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
|-
|মোট আয়তন
|{{ts|ar}} | ৩৫৪
|{{ts|ar}} | লক্ষ
|{{ts|ar}} | একর
|-
|আবাদী জমি
|{{ts|ar}} | ২২২
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|বন
|{{ts|ar}} | ৫৫
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|চাষের অপ্রাপ্য জমি
|{{ts|ar}} | ৫০
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|অন্য অকর্ষিত জমি</br>{{ফাঁক}}(চল্তি জমি ব্যতীত)
|{{ts|ar}} | ২০
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|}
পূর্ব পাকিস্তানে এই ভূমিব্যবহারধারার পরিবর্তন করতে হলে অকর্ষিত জমি পুনরুদ্ধার এবং পানিসেচ সাহায্যে নতুন জমি চাষ ও পরোতন জমির উৎকর্ষ বৃদ্ধির ওপর প্রধানতঃ নির্ভর করতে হবে। পরিকল্পনায় দেখানো হয়েছে যে বিভিন্ন বড় সেচ পরিকল্পনার মাধ্যমে ২ লক্ষ ৩০ হাজার একর নতুন জমিতে ও ১১ লক্ষ ২৭ হাজার পুরাতন জমিতে পানি সেচের ব্যবস্থা করা হবে। পরিকল্পনাগুলো সংশোধিত হওয়ার পরে অবশ্য এসব জমির পরিমাণ আরো বেড়ে যাবে।
বিনিয়োগ ১৯০০ কোটি এই সামগ্রিক বিনিয়োগের এতে অবশ্য পানিসেচ সংশোধিত দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা ও কৃষি দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা সংশোধিত হয়ে পাজি টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৩০০ কোটি টাকায় পরিণত হয়েছে। মধ্যে কৃষিক্ষেত্রে সারাদেশে ৩৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ক্ষেত্রের বিনিয়োগ ধরা হয়নি। পানি ও বিজলী বাবদ আলাদাভাবে যে ৪৩৯ কোটি টাকার বরাদ্দ আছে, তার অধিকাংশই পানিসেচ পরিকল্পনা বাবদ ধরা যেতে পারে। যা হোক, কৃষির ৩৪২ কোটি টাকার ৯০.৫ কোটি বেসরকারী বিনিয়োগ বলে হিসাব করা হয়েছে; অবশিষ্ট ২৫১.৫ কোটি সরকারী বিনিয়োগ। এই সরকারী বিনিয়োগের ১১৬-৩ কোটি টাকা পূর্ব পাকিস্তানের জন্যে বরাদ্দ হয়েছে। প্রাদেশিক সরকার তাঁদের পরিকল্পনা ও কার্যক্রম মাধ্যমে ৯২.৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবেন এবং কেন্দ্রীয় সরকার ২৩.৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। এই ২৩.৫ কোটি টাকার অন্তর্গত কতকগুলো পরিকল্পনা কেন্দ্র থেকে প্রদেশে হস্তান্তরিত হয়েছে ও হবে; তাই প্রাদেশিক বরাদ্দ আরোও বাড়বে। পরিকল্পনায় নির্ধারিত বরাদ্দ অনুসারে প্রাদেশিক সরকার যেসব বিভিন্ন ক্ষেত্রে প’জিবিনিয়োগ করবেন, সেগুলো নিম্নের তালিকায় দেওয়া হলো। (ক) কর্পোরেশন সংগঠন [ লক্ষ টাকার হিসাবে ] ১। কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন— (গ) ফসল প্রতিরক্ষা (খ) সার (ঘ) বীজ প্রজনন ও বিতরণ ১০০৭-০ মোট ৩৯৮৯.০ লক্ষ টাকা<noinclude></noinclude>
acc79rcjqanra9w16i4s5srmrvqql3f
1949579
1949578
2026-05-22T10:14:50Z
ROCKY
2687
1949579
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="Tahmid" /></noinclude>{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
|-
|মোট আয়তন
|{{ts|ar}} | ৩৫৪
|{{ts|ar}} | লক্ষ
|{{ts|ar}} | একর
|-
|আবাদী জমি
|{{ts|ar}} | ২২২
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|বন
|{{ts|ar}} | ৫৫
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|চাষের অপ্রাপ্য জমি
|{{ts|ar}} | ৫০
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|অন্য অকর্ষিত জমি</br>{{ফাঁক}}(চল্তি জমি ব্যতীত)
|{{ts|ar}} | ২০
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|}
{{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানে এই ভূমিব্যবহারধারার পরিবর্তন করতে হলে অকর্ষিত জমি পুনরুদ্ধার এবং পানিসেচ সাহায্যে নতুন জমি চাষ ও পরোতন জমির উৎকর্ষ বৃদ্ধির ওপর প্রধানতঃ নির্ভর করতে হবে। পরিকল্পনায় দেখানো হয়েছে যে বিভিন্ন বড় সেচ পরিকল্পনার মাধ্যমে ২ লক্ষ ৩০ হাজার একর নতুন জমিতে ও ১১ লক্ষ ২৭ হাজার পুরাতন জমিতে পানি সেচের ব্যবস্থা করা হবে। পরিকল্পনাগুলো সংশোধিত হওয়ার পরে অবশ্য এসব জমির পরিমাণ আরো বেড়ে যাবে।
{{কেন্দ্র|'''সংশোধিত দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা ও কৃষি'''}}
{{ফাঁক}}দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা সংশোধিত হয়ে পুঁজি বিনিয়োগ ১৯০০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৩০০ কোটি টাকায় পরিণত হয়েছে। এই সামগ্রিক বিনিয়োগের মধ্যে কৃষিক্ষেত্রে সারাদেশে ৩৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এতে অবশ্য পানিসেচ ক্ষেত্রের বিনিয়োগ ধরা হয়নি। পানি ও বিজলী বাবদ আলাদাভাবে যে ৪৩৯ কোটি টাকার বরাদ্দ আছে, তার অধিকাংশই পানিসেচ পরিকল্পনা বাবদ ধরা যেতে পারে। যা হোক, কৃষির ৩৪২ কোটি টাকার ৯০.৫ কোটি বেসরকারী বিনিয়োগ বলে হিসাব করা হয়েছে; অবশিষ্ট ২৫১.৫ কোটি সরকারী বিনিয়োগ। এই সরকারী বিনিয়োগের ১১৬-৩ কোটি টাকা পূর্ব পাকিস্তানের জন্যে বরাদ্দ হয়েছে। প্রাদেশিক সরকার তাঁদের পরিকল্পনা ও কার্যক্রম মাধ্যমে ৯২.৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবেন এবং কেন্দ্রীয় সরকার ২৩.৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। এই ২৩.৫ কোটি টাকার অন্তর্গত কতকগুলো পরিকল্পনা কেন্দ্র থেকে প্রদেশে হস্তান্তরিত হয়েছে ও হবে; তাই প্রাদেশিক বরাদ্দ আরোও বাড়বে। পরিকল্পনায় নির্ধারিত বরাদ্দ অনুসারে প্রাদেশিক সরকার যেসব বিভিন্ন ক্ষেত্রে প’জিবিনিয়োগ করবেন, সেগুলো নিম্নের তালিকায় দেওয়া হলো।
{{কেন্দ্র|[ লক্ষ টাকার হিসাবে ]</br>'''১। কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন—'''}}
(ক) কর্পোরেশন সংগঠন (গ) ফসল প্রতিরক্ষা (খ) সার (ঘ) বীজ প্রজনন ও বিতরণ ১০০৭-০ মোট ৩৯৮৯.০ লক্ষ টাকা<noinclude></noinclude>
h8gm5igeh844ieiwb8mdd2tfravs2rc
1949581
1949579
2026-05-22T10:19:08Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1949581
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
|-
|মোট আয়তন
|{{ts|ar}} | ৩৫৪
|{{ts|ar}} | লক্ষ
|{{ts|ar}} | একর
|-
|আবাদী জমি
|{{ts|ar}} | ২২২
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|বন
|{{ts|ar}} | ৫৫
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|চাষের অপ্রাপ্য জমি
|{{ts|ar}} | ৫০
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|অন্য অকর্ষিত জমি</br>{{ফাঁক}}(চল্তি জমি ব্যতীত)
|{{ts|ar}} | ২০
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|}
{{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানে এই ভূমিব্যবহারধারার পরিবর্তন করতে হলে অকর্ষিত জমি পুনরুদ্ধার এবং পানিসেচ সাহায্যে নতুন জমি চাষ ও পরোতন জমির উৎকর্ষ বৃদ্ধির ওপর প্রধানতঃ নির্ভর করতে হবে। পরিকল্পনায় দেখানো হয়েছে যে বিভিন্ন বড় সেচ পরিকল্পনার মাধ্যমে ২ লক্ষ ৩০ হাজার একর নতুন জমিতে ও ১১ লক্ষ ২৭ হাজার পুরাতন জমিতে পানি সেচের ব্যবস্থা করা হবে। পরিকল্পনাগুলো সংশোধিত হওয়ার পরে অবশ্য এসব জমির পরিমাণ আরো বেড়ে যাবে।
{{কেন্দ্র|'''সংশোধিত দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা ও কৃষি'''}}
{{ফাঁক}}দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা সংশোধিত হয়ে পুঁজি বিনিয়োগ ১৯০০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৩০০ কোটি টাকায় পরিণত হয়েছে। এই সামগ্রিক বিনিয়োগের মধ্যে কৃষিক্ষেত্রে সারাদেশে ৩৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এতে অবশ্য পানিসেচ ক্ষেত্রের বিনিয়োগ ধরা হয়নি। পানি ও বিজলী বাবদ আলাদাভাবে যে ৪৩৯ কোটি টাকার বরাদ্দ আছে, তার অধিকাংশই পানিসেচ পরিকল্পনা বাবদ ধরা যেতে পারে। যা হোক, কৃষির ৩৪২ কোটি টাকার ৯০.৫ কোটি বেসরকারী বিনিয়োগ বলে হিসাব করা হয়েছে; অবশিষ্ট ২৫১.৫ কোটি সরকারী বিনিয়োগ। এই সরকারী বিনিয়োগের ১১৬-৩ কোটি টাকা পূর্ব পাকিস্তানের জন্যে বরাদ্দ হয়েছে। প্রাদেশিক সরকার তাঁদের পরিকল্পনা ও কার্যক্রম মাধ্যমে ৯২.৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবেন এবং কেন্দ্রীয় সরকার ২৩.৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। এই ২৩.৫ কোটি টাকার অন্তর্গত কতকগুলো পরিকল্পনা কেন্দ্র থেকে প্রদেশে হস্তান্তরিত হয়েছে ও হবে; তাই প্রাদেশিক বরাদ্দ আরোও বাড়বে। পরিকল্পনায় নির্ধারিত বরাদ্দ অনুসারে প্রাদেশিক সরকার যেসব বিভিন্ন ক্ষেত্রে প’জিবিনিয়োগ করবেন, সেগুলো নিম্নের তালিকায় দেওয়া হলো।
{{কেন্দ্র|[ লক্ষ টাকার হিসাবে ]</br>'''১। কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন—'''}}
{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
|-
|(ক) কর্পোরেশন সংগঠন
| ১০০০.০
|(গ) ফসল প্রতিরক্ষা
| ১৮২.২০
|-
|(খ) সার
| ১৮০০.০
|(ঘ) বীজ প্রজনন ও বিতরণ
|১০০৭.০
|}
{{কেন্দ্র|'''মোট ৩৯৮৯.০ লক্ষ টাকা'''}}<noinclude></noinclude>
6pkliyj1q1aq0n60pysme6u4c2l7j09
1949582
1949581
2026-05-22T10:22:07Z
ROCKY
2687
1949582
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{| {{ts|mc|w60}}
|-{{ts|ac}}
|-
|মোট আয়তন
|{{ts|ar}} | ৩৫৪
|{{ts|ar}} | লক্ষ
|{{ts|ar}} | একর
|-
|আবাদী জমি
|{{ts|ar}} | ২২২
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|বন
|{{ts|ar}} | ৫৫
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|চাষের অপ্রাপ্য জমি
|{{ts|ar}} | ৫০
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|অন্য অকর্ষিত জমি</br>{{ফাঁক}}(চল্তি জমি ব্যতীত)
|{{ts|ar}} | ২০
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|}
{{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানে এই ভূমিব্যবহারধারার পরিবর্তন করতে হলে অকর্ষিত জমি পুনরুদ্ধার এবং পানিসেচ সাহায্যে নতুন জমি চাষ ও পরোতন জমির উৎকর্ষ বৃদ্ধির ওপর প্রধানতঃ নির্ভর করতে হবে। পরিকল্পনায় দেখানো হয়েছে যে বিভিন্ন বড় সেচ পরিকল্পনার মাধ্যমে ২ লক্ষ ৩০ হাজার একর নতুন জমিতে ও ১১ লক্ষ ২৭ হাজার পুরাতন জমিতে পানি সেচের ব্যবস্থা করা হবে। পরিকল্পনাগুলো সংশোধিত হওয়ার পরে অবশ্য এসব জমির পরিমাণ আরো বেড়ে যাবে।
{{কেন্দ্র|'''সংশোধিত দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা ও কৃষি'''}}
{{ফাঁক}}দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা সংশোধিত হয়ে পুঁজি বিনিয়োগ ১৯০০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৩০০ কোটি টাকায় পরিণত হয়েছে। এই সামগ্রিক বিনিয়োগের মধ্যে কৃষিক্ষেত্রে সারাদেশে ৩৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এতে অবশ্য পানিসেচ ক্ষেত্রের বিনিয়োগ ধরা হয়নি। পানি ও বিজলী বাবদ আলাদাভাবে যে ৪৩৯ কোটি টাকার বরাদ্দ আছে, তার অধিকাংশই পানিসেচ পরিকল্পনা বাবদ ধরা যেতে পারে। যা হোক, কৃষির ৩৪২ কোটি টাকার ৯০.৫ কোটি বেসরকারী বিনিয়োগ বলে হিসাব করা হয়েছে; অবশিষ্ট ২৫১.৫ কোটি সরকারী বিনিয়োগ। এই সরকারী বিনিয়োগের ১১৬-৩ কোটি টাকা পূর্ব পাকিস্তানের জন্যে বরাদ্দ হয়েছে। প্রাদেশিক সরকার তাঁদের পরিকল্পনা ও কার্যক্রম মাধ্যমে ৯২.৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবেন এবং কেন্দ্রীয় সরকার ২৩.৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। এই ২৩.৫ কোটি টাকার অন্তর্গত কতকগুলো পরিকল্পনা কেন্দ্র থেকে প্রদেশে হস্তান্তরিত হয়েছে ও হবে; তাই প্রাদেশিক বরাদ্দ আরোও বাড়বে। পরিকল্পনায় নির্ধারিত বরাদ্দ অনুসারে প্রাদেশিক সরকার যেসব বিভিন্ন ক্ষেত্রে প’জিবিনিয়োগ করবেন, সেগুলো নিম্নের তালিকায় দেওয়া হলো।
{{কেন্দ্র|[ লক্ষ টাকার হিসাবে ]</br>'''১। কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন—'''}}
{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
|-
|(ক) কর্পোরেশন সংগঠন
|{{ts|ar}} | ১০০০.০
|(গ) ফসল প্রতিরক্ষা
|{{ts|ar}} | ১৮২.২০
|-
|(খ) সার
|{{ts|ar}} | ১৮০০.০
|(ঘ) বীজ প্রজনন ও বিতরণ
|{{ts|ar}} |১০০৭.০
|}
{{কেন্দ্র|'''মোট ৩৯৮৯.০ লক্ষ টাকা'''}}<noinclude></noinclude>
br231hmfmcn5zioq0roswoiw649jay7
1949583
1949582
2026-05-22T10:22:59Z
ROCKY
2687
1949583
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{| {{ts|mc|w60}}
|-{{ts|ac}}
|-
|মোট আয়তন
|{{ts|ar}} | ৩৫৪
|{{ts|ar}} | লক্ষ
|{{ts|ar}} | একর
|-
|আবাদী জমি
|{{ts|ar}} | ২২২
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|বন
|{{ts|ar}} | ৫৫
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|চাষের অপ্রাপ্য জমি
|{{ts|ar}} | ৫০
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|অন্য অকর্ষিত জমি</br>{{ফাঁক}}(চল্তি জমি ব্যতীত)
|{{ts|ar}} | ২০
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|}
{{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানে এই ভূমিব্যবহারধারার পরিবর্তন করতে হলে অকর্ষিত জমি পুনরুদ্ধার এবং পানিসেচ সাহায্যে নতুন জমি চাষ ও পরোতন জমির উৎকর্ষ বৃদ্ধির ওপর প্রধানতঃ নির্ভর করতে হবে। পরিকল্পনায় দেখানো হয়েছে যে বিভিন্ন বড় সেচ পরিকল্পনার মাধ্যমে ২ লক্ষ ৩০ হাজার একর নতুন জমিতে ও ১১ লক্ষ ২৭ হাজার পুরাতন জমিতে পানি সেচের ব্যবস্থা করা হবে। পরিকল্পনাগুলো সংশোধিত হওয়ার পরে অবশ্য এসব জমির পরিমাণ আরো বেড়ে যাবে।
{{কেন্দ্র|'''সংশোধিত দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা ও কৃষি'''}}
{{ফাঁক}}দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা সংশোধিত হয়ে পুঁজি বিনিয়োগ ১৯০০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৩০০ কোটি টাকায় পরিণত হয়েছে। এই সামগ্রিক বিনিয়োগের মধ্যে কৃষিক্ষেত্রে সারাদেশে ৩৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এতে অবশ্য পানিসেচ ক্ষেত্রের বিনিয়োগ ধরা হয়নি। পানি ও বিজলী বাবদ আলাদাভাবে যে ৪৩৯ কোটি টাকার বরাদ্দ আছে, তার অধিকাংশই পানিসেচ পরিকল্পনা বাবদ ধরা যেতে পারে। যা হোক, কৃষির ৩৪২ কোটি টাকার ৯০.৫ কোটি বেসরকারী বিনিয়োগ বলে হিসাব করা হয়েছে; অবশিষ্ট ২৫১.৫ কোটি সরকারী বিনিয়োগ। এই সরকারী বিনিয়োগের ১১৬-৩ কোটি টাকা পূর্ব পাকিস্তানের জন্যে বরাদ্দ হয়েছে। প্রাদেশিক সরকার তাঁদের পরিকল্পনা ও কার্যক্রম মাধ্যমে ৯২.৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবেন এবং কেন্দ্রীয় সরকার ২৩.৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। এই ২৩.৫ কোটি টাকার অন্তর্গত কতকগুলো পরিকল্পনা কেন্দ্র থেকে প্রদেশে হস্তান্তরিত হয়েছে ও হবে; তাই প্রাদেশিক বরাদ্দ আরোও বাড়বে। পরিকল্পনায় নির্ধারিত বরাদ্দ অনুসারে প্রাদেশিক সরকার যেসব বিভিন্ন ক্ষেত্রে প’জিবিনিয়োগ করবেন, সেগুলো নিম্নের তালিকায় দেওয়া হলো।
{{কেন্দ্র|[ লক্ষ টাকার হিসাবে ]</br>'''১। কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন—'''}}
{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
|-
|(ক) কর্পোরেশন সংগঠন
|{{ts|ar}} | ১০০০.০
|(গ) ফসল প্রতিরক্ষা
|{{ts|ar}} | ১৮২.২০
|-
|(খ) সার
|{{ts|ar}} | ১৮০০.০
|(ঘ) বীজ প্রজনন ও বিতরণ
|{{ts|ar}} |১০০৭.০
|}
{{কেন্দ্র|'''মোট ৩৯৮৯.০ লক্ষ টাকা'''}}<noinclude>{{ডান|৭}}</noinclude>
p288szd77tlj4vde7qfcogree7d8xkf
1949584
1949583
2026-05-22T10:24:11Z
ROCKY
2687
1949584
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{| {{ts|mc|w60}}
|-{{ts|ac}}
|-
|মোট আয়তন
|{{ts|ar}} | ৩৫৪
|{{ts|ar}} | লক্ষ
|{{ts|ar}} | একর
|-
|আবাদী জমি
|{{ts|ar}} | ২২২
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|বন
|{{ts|ar}} | ৫৫
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|চাষের অপ্রাপ্য জমি
|{{ts|ar}} | ৫০
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|অন্য অকর্ষিত জমি</br>{{ফাঁক}}(চল্তি জমি ব্যতীত)
|{{ts|ar}} | ২০
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|}
{{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানে এই ভূমিব্যবহারধারার পরিবর্তন করতে হলে অকর্ষিত জমি পুনরুদ্ধার এবং পানিসেচ সাহায্যে নতুন জমি চাষ ও পরোতন জমির উৎকর্ষ বৃদ্ধির ওপর প্রধানতঃ নির্ভর করতে হবে। পরিকল্পনায় দেখানো হয়েছে যে বিভিন্ন বড় সেচ পরিকল্পনার মাধ্যমে ২ লক্ষ ৩০ হাজার একর নতুন জমিতে ও ১১ লক্ষ ২৭ হাজার পুরাতন জমিতে পানি সেচের ব্যবস্থা করা হবে। পরিকল্পনাগুলো সংশোধিত হওয়ার পরে অবশ্য এসব জমির পরিমাণ আরো বেড়ে যাবে।
{{কেন্দ্র|'''সংশোধিত দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা ও কৃষি'''}}
{{ফাঁক}}দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা সংশোধিত হয়ে পুঁজি বিনিয়োগ ১৯০০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৩০০ কোটি টাকায় পরিণত হয়েছে। এই সামগ্রিক বিনিয়োগের মধ্যে কৃষিক্ষেত্রে সারাদেশে ৩৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এতে অবশ্য পানিসেচ ক্ষেত্রের বিনিয়োগ ধরা হয়নি। পানি ও বিজলী বাবদ আলাদাভাবে যে ৪৩৯ কোটি টাকার বরাদ্দ আছে, তার অধিকাংশই পানিসেচ পরিকল্পনা বাবদ ধরা যেতে পারে। যা হোক, কৃষির ৩৪২ কোটি টাকার ৯০.৫ কোটি বেসরকারী বিনিয়োগ বলে হিসাব করা হয়েছে; অবশিষ্ট ২৫১.৫ কোটি সরকারী বিনিয়োগ। এই সরকারী বিনিয়োগের ১১৬-৩ কোটি টাকা পূর্ব পাকিস্তানের জন্যে বরাদ্দ হয়েছে। প্রাদেশিক সরকার তাঁদের পরিকল্পনা ও কার্যক্রম মাধ্যমে ৯২.৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবেন এবং কেন্দ্রীয় সরকার ২৩.৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। এই ২৩.৫ কোটি টাকার অন্তর্গত কতকগুলো পরিকল্পনা কেন্দ্র থেকে প্রদেশে হস্তান্তরিত হয়েছে ও হবে; তাই প্রাদেশিক বরাদ্দ আরোও বাড়বে। পরিকল্পনায় নির্ধারিত বরাদ্দ অনুসারে প্রাদেশিক সরকার যেসব বিভিন্ন ক্ষেত্রে প’জিবিনিয়োগ করবেন, সেগুলো নিম্নের তালিকায় দেওয়া হলো।
{{কেন্দ্র|[ লক্ষ টাকার হিসাবে ]</br>'''১। কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন—'''}}
{| {{ts|mc|w40}}
|-{{ts|ac}}
|-
|(ক) কর্পোরেশন সংগঠন
|{{ts|ar}} | ১০০০.০
|(গ) ফসল প্রতিরক্ষা
|{{ts|ar}} | ১৮২.২০
|-
|(খ) সার
|{{ts|ar}} | ১৮০০.০
|(ঘ) বীজ প্রজনন ও বিতরণ
|{{ts|ar}} |১০০৭.০
|}
{{কেন্দ্র|'''মোট ৩৯৮৯.০ লক্ষ টাকা'''}}<noinclude>{{ডান|৭}}</noinclude>
8efpbmlmsbkciw3l7guc0q3zsi38ehh
1949585
1949584
2026-05-22T10:24:43Z
ROCKY
2687
1949585
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{| {{ts|mc|w60}}
|-{{ts|ac}}
|-
|মোট আয়তন
|{{ts|ar}} | ৩৫৪
|{{ts|ar}} | লক্ষ
|{{ts|ar}} | একর
|-
|আবাদী জমি
|{{ts|ar}} | ২২২
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|বন
|{{ts|ar}} | ৫৫
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|চাষের অপ্রাপ্য জমি
|{{ts|ar}} | ৫০
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|-
|অন্য অকর্ষিত জমি</br>{{ফাঁক}}(চল্তি জমি ব্যতীত)
|{{ts|ar}} | ২০
|{{ts|ar}} | ”
|{{ts|ar}} | ”
|}
{{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানে এই ভূমিব্যবহারধারার পরিবর্তন করতে হলে অকর্ষিত জমি পুনরুদ্ধার এবং পানিসেচ সাহায্যে নতুন জমি চাষ ও পরোতন জমির উৎকর্ষ বৃদ্ধির ওপর প্রধানতঃ নির্ভর করতে হবে। পরিকল্পনায় দেখানো হয়েছে যে বিভিন্ন বড় সেচ পরিকল্পনার মাধ্যমে ২ লক্ষ ৩০ হাজার একর নতুন জমিতে ও ১১ লক্ষ ২৭ হাজার পুরাতন জমিতে পানি সেচের ব্যবস্থা করা হবে। পরিকল্পনাগুলো সংশোধিত হওয়ার পরে অবশ্য এসব জমির পরিমাণ আরো বেড়ে যাবে।
{{কেন্দ্র|'''সংশোধিত দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা ও কৃষি'''}}
{{ফাঁক}}দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা সংশোধিত হয়ে পুঁজি বিনিয়োগ ১৯০০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৩০০ কোটি টাকায় পরিণত হয়েছে। এই সামগ্রিক বিনিয়োগের মধ্যে কৃষিক্ষেত্রে সারাদেশে ৩৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এতে অবশ্য পানিসেচ ক্ষেত্রের বিনিয়োগ ধরা হয়নি। পানি ও বিজলী বাবদ আলাদাভাবে যে ৪৩৯ কোটি টাকার বরাদ্দ আছে, তার অধিকাংশই পানিসেচ পরিকল্পনা বাবদ ধরা যেতে পারে। যা হোক, কৃষির ৩৪২ কোটি টাকার ৯০.৫ কোটি বেসরকারী বিনিয়োগ বলে হিসাব করা হয়েছে; অবশিষ্ট ২৫১.৫ কোটি সরকারী বিনিয়োগ। এই সরকারী বিনিয়োগের ১১৬-৩ কোটি টাকা পূর্ব পাকিস্তানের জন্যে বরাদ্দ হয়েছে। প্রাদেশিক সরকার তাঁদের পরিকল্পনা ও কার্যক্রম মাধ্যমে ৯২.৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবেন এবং কেন্দ্রীয় সরকার ২৩.৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। এই ২৩.৫ কোটি টাকার অন্তর্গত কতকগুলো পরিকল্পনা কেন্দ্র থেকে প্রদেশে হস্তান্তরিত হয়েছে ও হবে; তাই প্রাদেশিক বরাদ্দ আরোও বাড়বে। পরিকল্পনায় নির্ধারিত বরাদ্দ অনুসারে প্রাদেশিক সরকার যেসব বিভিন্ন ক্ষেত্রে প’জিবিনিয়োগ করবেন, সেগুলো নিম্নের তালিকায় দেওয়া হলো।
{{কেন্দ্র|[ লক্ষ টাকার হিসাবে ]</br>'''১। কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন—'''}}
{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
|-
|(ক) কর্পোরেশন সংগঠন
|{{ts|ar}} | ১০০০.০
|(গ) ফসল প্রতিরক্ষা
|{{ts|ar}} | ১৮২.২০
|-
|(খ) সার
|{{ts|ar}} | ১৮০০.০
|(ঘ) বীজ প্রজনন ও বিতরণ
|{{ts|ar}} |১০০৭.০
|}
{{কেন্দ্র|'''মোট ৩৯৮৯.০ লক্ষ টাকা'''}}<noinclude>{{ডান|৭}}</noinclude>
p288szd77tlj4vde7qfcogree7d8xkf
পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/১৯
104
878579
1949600
1943904
2026-05-22T11:02:44Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1949600
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>দের কাছে বিতরণ করা হবে এবং প্রয়োজনমত আরো ট্রাক্টরও আনা যেতে পারে। জাপানী পদ্ধতির চাষযন্ত্র (Tiller) আমদানী করে বিতরণ করার পরিকল্পনাও নতুন করে তৈরী হচ্ছে। তেমনি আবার ‘হাওর' অঞ্চলের উন্নয়ন সাধন করার জন্যে বিশেষ পরি-কল্পনা তৈরী করা হচ্ছে।
{{ফাঁক}}যান্ত্রিক পদ্ধতিতে কৃষি উন্নয়নের প্রগতি নীচের তালিকাটি থেকে বোঝা যাবেঃ —
{| {{ts|mc|w80}}
|-
|
|{{ts|ar|bb}} | ১৯৫৯-৬০
|{{ts|ar|bb}} | ১৯৬০-৬১
|{{ts|ar|bb}} | ১৯৬১-৬২
|-
|সরকার কর্তৃক ব্যবহৃত ট্রাক্টার (সংখ্যা)
|{{ts|ar}} | ৬৬
|{{ts|ar}} | ৯২
|{{ts|ar}} | ১২৫
|-
|পুনরদ্ধারিত জমি (একর)
|{{ts|ar}} | ৭,৩০০
|{{ts|ar}} | ৯,০০০
|{{ts|ar}} | ৮,১০০
|-
|ব্যবহৃত পাম্প (সংখ্যা)
|{{ts|ar}} | ১,১৫০
|{{ts|ar}} | ১,৪০০
|{{ts|ar}} | ১,৫৩৫
|-
|পাম্প পানি সেচ প্রাপ্য জমি (একর)
|{{ts|ar}} | ৪৭,৪০০
|{{ts|ar}} | ৬২,০০০
|{{ts|ar}} | ৭৩,৯০০
|}
{{কেন্দ্র|'''কৃষি উৎপাদন ও পরিকল্পনার লক্ষ্য'''}}
{{ফাঁক}} পূর্ব পাকিস্তানে বন্যা ও ঝড়ঝঞ্ঝায় ফসলের যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে। ১৯৬২ সালের জুন-জুলাই মাসের বন্যার ফলে পূর্ব পাকিস্তান সরকারের হিসাবে প্রায় ৭ লক্ষ টন আমন ধানের ক্ষতি হয়েছে। কতক অঞ্চলে অনাবৃষ্টির জন্যেও ফসলের কিছুটা ঘাটতি হয়েছে। তাই চলতি ১৯৬২-৬৩ সালে খাদ্যের উৎপাদন পূর্ব পাকিস্তানে কম হয়েছে এবং বাজারে চাউলের মূল্য বৃদ্ধি স্পষ্ট হয়ে দেখা দিয়েছে। সরকার সেই পরিস্থিতি মওজুদ চাউল এবং আমদানীকৃত গম বিতরণ করে' আয়ত্তে রেখেছেন। ১৯৬১-৬২ সাল পর্যন্ত যে হিসাব পাওয়া যায় তাতে দেখা যায় পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উৎপাদন ক্ষেত্রে পরিকল্পনার বাস্তব লক্ষ্যসম,হের দিকে সাফল্যের সঙ্গেই অগ্রসর হচ্ছে। লক্ষ্যগুলোর তুলনায় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি নিম্নের তালিকাটিতে দেখানো হলোঃ
{{কেন্দ্র|'''লক্ষ্যগুলোর তুলনায় ফসল'''}}
{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
| {{ts|bb}} | শস্য'''
| {{ts|bb}} | ১৯৫৯-৬০
| {{ts|bb}} | ১৯৬১-৬২
| {{ts|bb}} | বৃদ্ধি </br> (শতকরা)
| {{ts|bb}} | পরিকল্পনা লক্ষ্য </br> (শতকরা)
|-
| চাউল
|{{ts|ar}} | ৮৪.৮ লক্ষ টন
|{{ts|ar}} | ৯৪.৬ লক্ষ টন
|{{ts|ar}} | ১১.৬
|{{ts|ar}} | ১৭
|-
| ডাল
|{{ts|ar}} | ১.৭ {{ditto|লক্ষ|”}} {{ditto|টন|”}}
|{{ts|ar}} | ২.৩ {{ditto|লক্ষ|”}} {{ditto|টন|”}}
|{{ts|ar}} | ১৯.৬
|{{ts|ar}} | ৩
|-
| তৈল বীজ
|{{ts|ar}} | ১.৮ {{ditto|লক্ষ|”}} {{ditto|টন|”}}
|{{ts|ar}} | ১৯.৬ {{ditto|লক্ষ|”}} {{ditto|টন|”}}
|{{ts|ar}} | ৭.৮
|{{ts|ar}} | ৪৫
|-
|পাট
|{{ts|ar}} | ৫৩.৬ লক্ষ বেল
|{{ts|ar}} | ৬৯.৬ লক্ষ বেল
|{{ts|ar}} | ২৯.৯
|{{ts|ar}} | ২২
|-
|ইক্ষু
|{{ts|ar}} | ৩৬.১ লক্ষ টন
|{{ts|ar}} | ৪৪.২ লক্ষ টা
|{{ts|ar}} | ২২.৩
|{{ts|ar}} | ৪২
|-
|চা
|{{ts|ar}} | ৫.৭ কোটি পাউণ্ড
|{{ts|ar}} | ৫.৯ কোটি পাউণ্ড
|{{ts|ar}} | ৩.১
|{{ts|ar}} | ১৮
|-
|তামাক
|{{ts|ar}} | ২৭.০ হাজার টন
|{{ts|ar}} | ৩১.০ হাজার টন
|{{ts|ar}} | ২২.২
|{{ts|ar}} | ১৪
|}<noinclude>{{right|১১}}</noinclude>
b8j9rt7ur4l6rih2f8o7jzyf8d3hdu2
পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/২০
104
878580
1949599
1943861
2026-05-22T11:02:05Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1949599
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" />{{কেন্দ্র|'''খাদ্য ও খাদ্যের গুদাম'''}}</noinclude>{{ফাঁক}}দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা শরু হওয়ার আগে পূর্ব পাকিস্তানে ন্যূনাধিক ৫ লক্ষ টন খাদ্যের দাম নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছিল। পরিকল্পনার অধীনে আরোও ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টনের দাম নির্মাণ বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দের মধ্যে ৭৫,০০০ টন মওজুদের গুদাম ইতিমধ্যে প্রাদেশিক সরকার নির্মাণ করেছেন। আবার কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যমে খুলনায় ৪০,০০০ টন মওজদের গুদাম নির্মাণ প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার চট্টগ্রামেও ৬০,০০০ টন মওজুদের গুদাম নির্মাণে হাত দিয়েছেন। পূর্ব পাকিস্তান সরকার ইদানীং যুক্তরাষ্ট্রের (পি, এল, ৪৮০ আইনের অন্তর্ভুক্ত) গম ও অন্যান্য উদ্বৃত্ত কৃষিজাত দ্রব্যাদির আমদানী গুদামজাত করার জন্যে নতুন ২৫০,০০০ টনের দাম নির্মাণের পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছেন।
{{ফাঁক}}বন্যা, অনাবৃষ্টি এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক কারণে ধানের উৎপাদন কম হওয়ার জন্যে চাউলের মূল্য ১৯৬২ সালের শেষের দিকে বাড়তে শুরু করে; বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ১৯৬৩ সালের চলতি সময়ে এই মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে। এই অবস্থার মোকাবিলার জন্য পূর্ব পাকিস্তান সরকার বিদেশ থেকে ৩৫০,০০০ টন চাউল আমদানীর অনুরোধ জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার এই আমদানীর ব্যবস্থা করেছেন। বার্মা সর-কারের সঙ্গে পাকিস্তান সরকারের চুক্তি মোতাবেক ১৯৬২ সালে বার্মা পূর্ব পাকিস্তানে ২ লক্ষ টন চাউল সরবরাহ করে; এই পরিমাণের অতিরিক্ত আরো ৫০,০০০ টন চাউল সরবরাহ করার জন্যে পাকিস্তান সরকার অনুরোধ জানিয়েছেন। পশ্চিম পাকিস্তানের সিন্ধু অঞ্চল থেকেও ১০,০০০ টন চাউল সরবরাহ করা হয়েছে।
{{ফাঁক}}অন্যদিকে পূর্ব পাকিস্তানে গমের ব্যবহার উৎসাহিত করা হয়েছে ও হচ্ছে। খাদ্যরূপে গমের ব্যবহার ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ছিল মাত্র ৩৭,০০০ টন; সে স্থলে ১৯৬১ সালে এই ব্যবহার দাঁড়িয়েছে ১৪০,০০০ টনে।
{{Block center|'''কৃষি গবেষণা'''}}
{{ফাঁক}}কৃষির নানা সমস্যার সমাধানের জন্যে গবেষণার কার্যক্রম যথেষ্ট ব্যাপক। কেন্দ্রীয় সরকারই এই ব্যাপারে অগ্রনী। কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যমে পাট, তুলা ও চা সম্পর্কিত গবেষণার প্রতিষ্ঠান পূর্ব পাকিস্তানে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কাজ করে যাচ্ছে।
{{ফাঁক}}এসব ছাড়া কীট পতঙ্গ ধ্বংসের পদ্ধতি, রেডিও আইসোটোপ প্রয়োগ, জীবতত্ব-মূলক নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি গবেষণা ও নানা প্রকার জরীপ কেন্দ্রীয় সরকার করছেন। কৃষির সমস্যাদি সম্পর্কে অর্থনৈতিক অনুসন্ধান ও অধ্যয়নও কেন্দ্রীয় কৃষি গবেষণা কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত।<noinclude>{{rh|১২||}}</noinclude>
lnne3n2nwytzsajxg4gfy9zks38phey
পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/২৪
104
878585
1949592
1943846
2026-05-22T10:48:31Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1949592
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>ব্যবস্থাদি গ্রহণ করছে। কেন্দ্রীয় সরকারের লেবরেটরীর গবেষণা ফল থেকে কর্পোরেশনের উদ্যম আরোও শক্তিশালী হবে, আশা করা যায়।- ইতিমধ্যে এই কর্পোরেশন পার্বত্য চট্টগ্রামে রবার চাষের ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন: আবার সিলেটের নল খাগড়াকে কাগজ তৈরীর কাজে লাগাবার পরিকল্পনাও কার্যকরী করতে যাচ্ছেন।
{{Block center|'''পশু পালন'''}}
{{ফাঁক}}পশু পালন ক্ষেত্রে গবাদি পশুর সংখ্যা বৃদ্ধি ও পশ, সম্পদের উৎকর্ষ বৃদ্ধির উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। পশরে ব্যাধি দূরীকরণের জন্যে এবং পশ,খাদ্যের উপযোগী গবেষণা ও সরবরাহ ব্যবস্থা করার নানা পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ধৃত্ত কৃষিজাত দ্রব্য আমদানীর অন্তর্গত ভূট্টার সাহায্যে গবাদির নতুন পুষ্টিকর খাদ্য তৈরী ও বিতরণ ব্যবস্থা তার মধ্যে অন্যতম। পশম ও চামড়ার ‘গ্রেডিং' ব্যবস্থা পশু পালন ক্ষেত্রে উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করবে। জাতিসংঘের 'ইউনিসেফের' (UNICEF) বিশেষজ্ঞ ও অর্থসাহায্যে সরকার প্রধান শহরগুলোতে দুধের ঘাটতি তদন্ত করে' স্থানীয় উদ্ধৃত্ত দুধ সংগ্রহ ও আমদানীকৃত দুধের পাউডার নিয়ে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে বিশুদ্ধ দুধ প্রস্তুত ও সরবরাহের জন্যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকার পরিকল্পনাটি অনেকদর অগ্রসর হয়েছে; কিছুকাল পরে চট্টগ্রাম শহরের পরিকল্পনা তৈরী হবে। ইতিমধ্যে সাভারের পশ, উন্নয়ন পরিকল্পনাটি দ্রুতগতিতে অগ্রসর হচ্ছে; এই পরিকল্পনার অধীনে ১৯৬১-৬২ সালে দুই লক্ষ পাউণ্ডেরও বেশী দুধ উৎপাদন সম্ভব হয়েছে। এসব ছাড়া, কেন্দ্রীয় সরকার গবাদি পশুর উন্নয়ন এবং ব্যাধি দূরীকরণ ও ব্যাধি রোধের ক্ষেত্রে নানা প্রকার গবেষণা পরিচালনা ক'রে ব্যাপকভাবে সাহায্য করছেন।
{{Block center|'''মাছের চাষ উন্নয়ন'''}}
{{ফাঁক}}বীজ মাছ উৎপাদন থেকে শুরু করে মাছের উৎপাদন-উৎসের সংস্কার, পরিকল্পিত উৎপাদন, সমবায় পদ্ধতি অনুসরণ, মাছের বাজার, মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন ও উৎপাদন সম্পর্কে গবেষণা ইত্যাদি নানা স্তরে অনেকগুলো পরিকল্পনা পূর্ব পাকিস্তানে অগ্রসর হচ্ছে। দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনার প্রথম দুই বৎসরে ২২,০০০ একর পরিমাণ মাছ চাষের জলাশয় সংস্কার করা হয়েছে, ১০৫টি প্রদর্শনীকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, ১৭টি মাছ-বীজ প্রজনন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এবং ১ কোটি ৩০ লক্ষ মাছের পোনা বিতরণ করা হয়েছে।
{{ফাঁক}}উন্নয়ন ব্যবস্থার জন্যেই দেশের আভ্যন্তরীণ ও সামদ্রিক মাছ উৎপাদন বেড়ে চলেছে। সমবায় পদ্ধতিতে জেলেদের সংগঠনকে পূর্ব পাকিস্তানে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সরকারী উদ্যমে সমবায় সমিতি গঠন করা হয়েছে। এই সময়ে সমিতিগুলোকে জাল, সুতা, নৌকা<noinclude>{{rh|১৪||}}</noinclude>
gpnol2lvxyifld3awc5yacxpbyf04on
পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/২৫
104
878587
1949594
1943849
2026-05-22T10:50:03Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1949594
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>ধা লঞ্চ ইত্যাদি দিয়ে এবং অর্থ ঋণ দিয়ে সাহায্য করা হচ্ছে। মাছ ধরার জন্যে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারকেও উৎসাহিত করা হচ্ছে। যন্ত্রচালিত নদীযান বা সমুদ্রযান তৈরী ও বিতরণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পরিকল্পিত ব্যবস্থা-সমূহের অন্যতম। চাঁদপারে একটি মৎস্য-শিল্পের গবেষণাগার স্থাপিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে চট্টগ্রামে সামুদ্রিক মাছের গবেষণাগার স্থাপন করা হচ্ছে।
{{Block center|'''কৃষি ঋণ'''}}
{{ফাঁক}}চাষীরা বিভিন্ন মেয়াদের ঋণ লাভ করে' পাজিরূপে ব্যবহার করে। এসব ঋণ স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী আখ্যা লাভ করে থাকে। এক বছর পর্যন্ত মেয়াদের ঋণকে স্বল্প মেয়াদী, ১৫ মাস থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত মেয়াদের ঋণকে মধ্যম মেয়াদী এবং পাঁচ বছরের বেশী মেয়াদের ঋণকে দীর্ঘ মেয়াদী বলা হয়। চাষের জন্যে বীজ, সার ও শ্রমিক প্রয়োগ এবং সঙ্গে সঙ্গে চাষীর নিজের ও পরিবার পোষণের ব্যবস্থা না হলে চাষাবাদ সম্ভব হয় না এবং ফসল উৎপন্ন হলে বাজারজাত করে বিক্রয় না করা পর্যন্ত ঋণও শোধ দেওয়া সম্ভব নয়; তাই স্বল্পমেয়াদী ঋণের মারফতে বিপুল সংখ্যক চাষী এসব ব্যবস্থাদি করে থাকে। অন্যদিকে মধ্যমমেয়াদী ঋণের প্রয়োজন হয় উন্নত ধরনের লাঙ্গল, ট্রাকটার, পাম্প, কখনও বা বলদ ইত্যাদি ক্রয় করার জন্যে। দীর্ঘমেয়াদী ঋণের প্রয়োজন হয় দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন কাজে প্রয়োগ করার জন্যে; চাষাবাদের ইউনিট যথেষ্ট বড় না হলে এই দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন কাজে হাত দেওয়া সম্ভবপর হয় না। কাজেই ক্ষুদ্র জমির মালিক চাষীদের কাছে এই জাতীয় ঋণের তাৎপর্য তেমন কিছু নেই। চা বাগানের মালিকরা সাধারণতঃ এই দীর্ঘমেয়াদী ঋণের সংযোগ গ্রহণ করে' থাকে। ভবিষ্যতে রবার উৎপাদন বেসরকারী উদ্যোগে শুরু হলে এই ঋণের ব্যবহার প্রসারিত হবে। সমবায় সমিতি গঠন মাধ্যমে চাষাবাদের ইউনিট উপযোগী পরিমাণে বাড়াতে পারলেও এই ঋণের চাহিদা বাড়বে। বর্তমানে 'কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক' এবং সমবায় জমি বন্ধকী ব্যাংক দীর্ঘ-মেয়াদী ঋণের চাহিদা মিটিয়ে আসছে। তবে প্রয়োজনীয় ঋণের খুব সামান্য অংশই এভাবে সরবরাহ হয়ে থাকে। এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার সমবায় পদ্ধতির ব্যাপক সম্প্রসারণ এবং সমবায় প্রতিষ্ঠান মারফতে ঋণ সরবরাহ ভবিষ্যতে বিশেষভাবে বাড়াবার নীতি অবলম্বন করছেন।
{{Block center|'''আদর্শ পরিকল্পনা (Cash Programme)'''}}
{{ফাঁক}}পূর্বে পাকিস্তানের জেলাসমূহের কতকগুলো নির্দিষ্ট মহকুমায় বিশিষ্ট ধরনের কেন্দ্রীভূত প্রচেষ্টা চালিয়ে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্যে একটি আদর্শ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ত্বরিত গতিতে বীজ, সার ও উন্নত প্রণালীর কৃষি-ব্যবস্থার প্রয়োগে<noinclude>{{rh|||১৫}}</noinclude>
hznen3wl7wwei0wty9ubr3pym8zmv7h
পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/২৬
104
878589
1949595
1943851
2026-05-22T10:51:01Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1949595
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>উল্লেখযোগ্য ফল প্রদর্শন করাই এই পরিকল্পনার উদ্দেশ্য। সংকীর্ণ অর্থে কৃষি ছাড়াও পশু, পালন, মাছ চাষ উন্নয়ন ও বনজ উন্নয়ন ইত্যাদি ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অঞ্চলে এই আদর্শ পরিকল্পনার অধীনে সরকারী উন্নয়ন প্রচেষ্টা চলে আসছে।
{{ফাঁক}}১০টি মহকুমায় ধান ও অন্যান্য খাদ্যশস্য এবং অর্থকরী ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে শক্তিশালী অভিযান চালানো হয়। ১৯৬২ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ২ লক্ষ ৯৭ হাজার মণ সার এবং প্রায় ৩৪ হাজার মণ বীজ এসব নির্দিষ্ট অঞ্চলে বিতরণ করা হয়; তাছাড়া ৪০ হাজার একরেরও বেশী জমিকে পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করা হয়। অন্য- দিকে এসব অঞ্চলে প্রায় ২২ হাজার প্রদর্শনী জমি ও ৩ হাজারের মতো প্রদর্শনী ফার্ম শহর করা হয়। এসব উদ্যমের ফলে রোপা আমন ধানের গড় উৎপাদন একর প্রতি ৩-৭ মণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
{{ফাঁক}}পরিকল্পনাটি প্রথমে দুই বৎসরের জন্যে গৃহীত হয়েছিল। দুই বৎসরের প্রচেষ্টায় সফল দেখা গেলেও বিশেষজ্ঞদের মতে এমনি ঘনীভূত চেষ্টা আরও কয়েক বৎসর না চালালে পূর্ণ পরিণতির সম্ভাবনা বোঝা যাবে না। তাই পূর্ব পাকিস্তান সরকার পরি-কল্পনাটিকে কিছুটা পরিবর্ধিত ও সংশোধিত আকারে চলতি বছর থেকে আরও দু' বছর কার্যকরী করার ব্যবস্থা অবলম্বন করেছেন।<noinclude>{{বাম|GPPD-S-1-12 (Information) 62-10-10-63-25,000.}}</noinclude>
hqxe0sptruzm9wbvvr65b9g36da0yul
পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/২৭
104
878591
1949601
1943853
2026-05-22T11:17:06Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1949601
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{{Img float
| file = পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি (page 27 crop).jpg
| width = 400px
| align = center
| cap = ঢাকার সদরঘাটে নানারকম ফলের বাজার।
}}<noinclude></noinclude>
tees3hj273ksjq4dffwr24kznpjudhm
পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/২৩
104
878598
1949593
1943868
2026-05-22T10:49:16Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1949593
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" />{{কেন্দ্র|'''কৃষির বাজার সমস্যা ও তথ্য সরবরাহ'''}}</noinclude>{{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানে কৃষিজাত দ্রব্যাদির বাজার ব্যবস্থাকে উন্নত ও উপযোগী করার জন্যে কেন্দ্রীয় সরকার কতকগুলো পরিকল্পনা কার্যকরী করছেন। এ সবের মধ্যে পাট, তুলা, চামড়া, ডিম, পশম, চাউল, শণ ও ধনিয়া বীজ ইত্যাদি প্রধান প্রধান দ্রব্যের বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিভাগকরণ (Grading) উল্লেখযোগ্য। বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে এসব দ্রব্যের মান নির্ণীত না থাকাতে উৎপাদনকারী ন্যায্য মূল্য লাভ করতে পারে না; তাই মাননির্ণয় করে দ্রব্যগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বা 'গ্রেডে' ভাগ করার নামই ‘গ্রেডিং'। এই ‘গ্রেডিং' অভাবে পূর্ব পাকিস্তানের কতকগুলো প্রধান রফতানীদ্রব্য প্রতি বছর বেশ কিছু পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা হারায়। চামড়ার ‘গ্রেডিং'-এর জন্যে চট্টগ্রামে একটি পরীক্ষাগার নির্মাণ অনেকখানি অগ্রসর হয়েছে। খুলনায় একই জাতীয় পরীক্ষাগার নির্মাণের কাজ শীঘ্রই শুরু হচ্ছে। কেন্দ্রীয় পাট গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাটের 'গ্রেডিং'-এর ব্যাপারে গবেষণা করছে। শণ ও ধনিয়া বীজ গ্রেডিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে; সরকার এসব জিনিষের রফতানীকে বাধ্যতামূলক গ্রেডিংয়ের অধীন করছেন। তেমনি ডিম রফতানীতেও গ্রেডিং কার্যকরী করা হবে।
{{ফাঁক}}অন্যদিকে প্রাদেশিক সরকার বিভিন্ন জিনিষের বাজার জরীপ ও উপযোগী ব্যবস্থা অবলম্বনে মনোনিবেশ করেছেন। এসব জিনিষের মধ্যে মরিচ, তামাক, দুধ, দুধের প্রস্তুত জিনিষ, ডিম, আম, আনারস ও নানা জাতীয় বীজ উল্লেখযোগ্য। চামড়ার গণ বাড়াবার জন্যে ১৯৬১-৬২ সালে পাঁচ হাজারেরও বেশী প্রদর্শনমূলক কাজ চালানো হয়েছে; তেমনি পশম সংগ্রহের পদ্ধতিও প্রদর্শন করা হয়েছে। আবার অসংখ্য কসাই, চামড়া সংগ্রহকারী ও ব্যবসায়ীকে ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে।
{{ফাঁক}}প্রাদেশিক সরকারের ব্যুরো অব এগ্রিকালচারাল ষ্ট্যাটিস্টিকস' ১৬টি জেলায় ১৪০০ গ্রামে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান প্রধান ফসলগুলো সম্পর্কে একটি নমুনা তদন্ত চালায়; এর তথ্য নানাপ্রকার গবেষণা কাজে সাহায্য করবে।
{{Block center|'''বনজ উৎপাদন'''}}
{{ফাঁক}}বনজ উন্নয়ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রগতি লাভ সম্ভব হয়েছে। ১৯৬০ সাল থেকে কাষ্ঠ আহরণ প্রতি বছর ২০,০০০ টন পরিমাণ বেড়েছে এবং এই বৃদ্ধির অধিকাংশই এসেছে পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চল থেকে। এ অঞ্চলে বনজ সম্পদের অনুসন্ধান চলছে। কেন্দ্রীয় সরকার চট্টগ্রামে একটি বনজ গবেষণা লেবরেটরী স্থাপন করেছেন। ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করার জন্যে অধনা পরিকল্পনাটিকে বিশেষভাবে পরিবর্ধিত করা হয়েছে। পূর্ব পাকিস্তান বনজ শিল্পোন্নয়ন কর্পোরেশন বনজ উৎপাদন বৃদ্ধির ব্যাপারে পরিকল্পনা ও এর কার্যক্রম<noinclude>{{rh|||১৩}}</noinclude>
0ucavzzdz2xmt2jjse5c3laqirt6yaj
পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/৫
104
879088
1949548
1947665
2026-05-22T06:09:05Z
ROCKY
2687
1949548
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানের সোনার মাটিতে সোনার ফসল জন্মে; কিন্তু সনাতনী পন্থায় লাঙ্গল, বলদ, মই, নিড়ানী সবল করে' বীজ ছড়িয়ে আকাশের বৃষ্টির ওপর নির্ভর করেই চলে আসছিল চাষীর চাষ। উন্নত ধরণের যন্ত্রপাতি, কৃত্রিম সার ও সেচের পানি ব্যবহারের রীতি ছিল না এবং এখনও এই ধারার বিশেষ পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপে খাদ্যের চাহিদা এবং সাধারণ উন্নয়নের উদ্দেশ্যে কৃষিজাত ফসলের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে চলেছে। এই সমস্যার মোকাবিলা করার জন্যে জমির পরিমাণ বাড়ানোর উপায় নেই। কাজেই পাজি ও উন্নত ধরণের চাষাবাদের ওপর নির্ভর করা ছাড়া গত্যন্তর নেই। এই নীতিকেই Intensive farming বা ঘনীভূত চাষাবাদ বলা হয়। পরিকল্পনা মারফতে কৃষি উন্নয়নের কর্মপন্থায় তাই অনাবাদী জমি পনেরদ্ধার ও বেশী পরিমাণ জমিতে সেচপানি সরবরাহের সঙ্গে আবাদী জমির ঘনীভূত চাষাবাদের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
{{ফাঁক}}প্রথম পাঁচসালা পরিকল্পনায় প্রাদেশিক খাতে ২২ কোটি টাকা ব্যয় কৃষি উন্নয়নে। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে মোট ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ের এক বিশেষ অংশও পূর্ব পাকিস্তানের কৃষিতে নিযুক্ত হয়। সেই তুলনায় দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনায় কৃষি পর্যায়ে সরকারী পাজি বিনিয়োগ অনেক বাড়ানো হয়েছে। সংশোধিত দ্বিতীয় পাঁচশালা পরিকল্পনায় সারা দেশের জন্যে কৃষিক্ষেত্রে পাঁজিবিনিয়োগের পরিমাণ (সেচ ব্যবস্থা ছাড়া) ২৫২ কোটি টাকা। এই অংক প্রথম পাঁচসালা পরিকল্পনায় সারাদেশের কৃষি উন্নয়নের ব্যয়ের (৮৫ কোটি টাকা) তুলনায় প্রায় তিনগুণ। এর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের খাতে ৯৩ কোটি টাকার পুঁজিবিনিয়োগ পরিকল্পিত হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় খাতে এ প্রদেশের আরো ৫৩ কোটি টাকার অংশ রাখা হয়েছে।
{{ফাঁক}}কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বৃদ্ধির প্রয়োজন বিবেচনা করে পরিকল্পনায় কতকগুলি বিশিষ্ট বাস্তব লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানে উৎপাদন সংক্রান্ত লক্ষ্যসমূহ গরুত্বপূর্ণ। নিম্নের তালিকা দৃষ্টে এই গুরুত্বের হদিস পাওয়া যাবে;
{{কেন্দ্র|'''দ্বিতীয় পাঁচ-সালা পরিকল্পনায় কৃষি উৎপাদন লক্ষ্য'''</br> (১৯৫৯-৬০ সালের তুলনায় ১৯৬৪-৬৫ সালে বৃদ্ধি)}}
{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
| {{ts|bb}} | শস্য
| {{ts|bb}} | সারাদেশে বৃদ্ধি</br>(শতকরা)
| {{ts|bb}} | পূর্ব পাকিস্তানে বৃদ্ধি</br>(শতকরা)
|-
|চাল
|{{ts|ar}} | ২২
|{{ts|ar}} | ১৭
|-
|পাট
|{{ts|ar}} | ২২
|{{ts|ar}} | ২২
|-
|চা
|{{ts|ar}} | ১৮
|{{ts|ar}} | ১৮<noinclude>{{right|৩}}</noinclude>
jjtkh9izv0zsl3zz3fp7qol29zxl0uf
1949549
1949548
2026-05-22T06:17:57Z
Bodhisattwa
2549
1949549
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানের সোনার মাটিতে সোনার ফসল জন্মে; কিন্তু সনাতনী পন্থায় লাঙ্গল, বলদ, মই, নিড়ানী সবল করে' বীজ ছড়িয়ে আকাশের বৃষ্টির ওপর নির্ভর করেই চলে আসছিল চাষীর চাষ। উন্নত ধরণের যন্ত্রপাতি, কৃত্রিম সার ও সেচের পানি ব্যবহারের রীতি ছিল না এবং এখনও এই ধারার বিশেষ পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপে খাদ্যের চাহিদা এবং সাধারণ উন্নয়নের উদ্দেশ্যে কৃষিজাত ফসলের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে চলেছে। এই সমস্যার মোকাবিলা করার জন্যে জমির পরিমাণ বাড়ানোর উপায় নেই। কাজেই পাজি ও উন্নত ধরণের চাষাবাদের ওপর নির্ভর করা ছাড়া গত্যন্তর নেই। এই নীতিকেই Intensive farming বা ঘনীভূত চাষাবাদ বলা হয়। পরিকল্পনা মারফতে কৃষি উন্নয়নের কর্মপন্থায় তাই অনাবাদী জমি পনেরদ্ধার ও বেশী পরিমাণ জমিতে সেচপানি সরবরাহের সঙ্গে আবাদী জমির ঘনীভূত চাষাবাদের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
{{ফাঁক}}প্রথম পাঁচসালা পরিকল্পনায় প্রাদেশিক খাতে ২২ কোটি টাকা ব্যয় কৃষি উন্নয়নে। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে মোট ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ের এক বিশেষ অংশও পূর্ব পাকিস্তানের কৃষিতে নিযুক্ত হয়। সেই তুলনায় দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনায় কৃষি পর্যায়ে সরকারী পাজি বিনিয়োগ অনেক বাড়ানো হয়েছে। সংশোধিত দ্বিতীয় পাঁচশালা পরিকল্পনায় সারা দেশের জন্যে কৃষিক্ষেত্রে পাঁজিবিনিয়োগের পরিমাণ (সেচ ব্যবস্থা ছাড়া) ২৫২ কোটি টাকা। এই অংক প্রথম পাঁচসালা পরিকল্পনায় সারাদেশের কৃষি উন্নয়নের ব্যয়ের (৮৫ কোটি টাকা) তুলনায় প্রায় তিনগুণ। এর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের খাতে ৯৩ কোটি টাকার পুঁজিবিনিয়োগ পরিকল্পিত হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় খাতে এ প্রদেশের আরো ৫৩ কোটি টাকার অংশ রাখা হয়েছে।
{{ফাঁক}}কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বৃদ্ধির প্রয়োজন বিবেচনা করে পরিকল্পনায় কতকগুলি বিশিষ্ট বাস্তব লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানে উৎপাদন সংক্রান্ত লক্ষ্যসমূহ গরুত্বপূর্ণ। নিম্নের তালিকা দৃষ্টে এই গুরুত্বের হদিস পাওয়া যাবে;
{{কেন্দ্র|'''দ্বিতীয় পাঁচ-সালা পরিকল্পনায় কৃষি উৎপাদন লক্ষ্য'''</br> (১৯৫৯-৬০ সালের তুলনায় ১৯৬৪-৬৫ সালে বৃদ্ধি)}}
{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
| {{ts|bb}} | শস্য
| {{ts|bb}} | সারাদেশে বৃদ্ধি</br>(শতকরা)
| {{ts|bb}} | পূর্ব পাকিস্তানে বৃদ্ধি</br>(শতকরা)
|-
|চাল
|{{ts|ar}} | ২২
|{{ts|ar}} | ১৭
|-
|পাট
|{{ts|ar}} | ২২
|{{ts|ar}} | ২২
|-
|চা
|{{ts|ar}} | ১৮
|{{ts|ar}} | ১৮<noinclude>{{nopt}}
|}
{{right|৩}}</noinclude>
1c8jwduzx80mrvhkgx54ksr8xlkwtan
1949550
1949549
2026-05-22T06:18:21Z
Bodhisattwa
2549
1949550
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানের সোনার মাটিতে সোনার ফসল জন্মে; কিন্তু সনাতনী পন্থায় লাঙ্গল, বলদ, মই, নিড়ানী সবল করে' বীজ ছড়িয়ে আকাশের বৃষ্টির ওপর নির্ভর করেই চলে আসছিল চাষীর চাষ। উন্নত ধরণের যন্ত্রপাতি, কৃত্রিম সার ও সেচের পানি ব্যবহারের রীতি ছিল না এবং এখনও এই ধারার বিশেষ পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপে খাদ্যের চাহিদা এবং সাধারণ উন্নয়নের উদ্দেশ্যে কৃষিজাত ফসলের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে চলেছে। এই সমস্যার মোকাবিলা করার জন্যে জমির পরিমাণ বাড়ানোর উপায় নেই। কাজেই পাজি ও উন্নত ধরণের চাষাবাদের ওপর নির্ভর করা ছাড়া গত্যন্তর নেই। এই নীতিকেই Intensive farming বা ঘনীভূত চাষাবাদ বলা হয়। পরিকল্পনা মারফতে কৃষি উন্নয়নের কর্মপন্থায় তাই অনাবাদী জমি পনেরদ্ধার ও বেশী পরিমাণ জমিতে সেচপানি সরবরাহের সঙ্গে আবাদী জমির ঘনীভূত চাষাবাদের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
{{ফাঁক}}প্রথম পাঁচসালা পরিকল্পনায় প্রাদেশিক খাতে ২২ কোটি টাকা ব্যয় কৃষি উন্নয়নে। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে মোট ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ের এক বিশেষ অংশও পূর্ব পাকিস্তানের কৃষিতে নিযুক্ত হয়। সেই তুলনায় দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনায় কৃষি পর্যায়ে সরকারী পাজি বিনিয়োগ অনেক বাড়ানো হয়েছে। সংশোধিত দ্বিতীয় পাঁচশালা পরিকল্পনায় সারা দেশের জন্যে কৃষিক্ষেত্রে পাঁজিবিনিয়োগের পরিমাণ (সেচ ব্যবস্থা ছাড়া) ২৫২ কোটি টাকা। এই অংক প্রথম পাঁচসালা পরিকল্পনায় সারাদেশের কৃষি উন্নয়নের ব্যয়ের (৮৫ কোটি টাকা) তুলনায় প্রায় তিনগুণ। এর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের খাতে ৯৩ কোটি টাকার পুঁজিবিনিয়োগ পরিকল্পিত হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় খাতে এ প্রদেশের আরো ৫৩ কোটি টাকার অংশ রাখা হয়েছে।
{{ফাঁক}}কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বৃদ্ধির প্রয়োজন বিবেচনা করে পরিকল্পনায় কতকগুলি বিশিষ্ট বাস্তব লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানে উৎপাদন সংক্রান্ত লক্ষ্যসমূহ গরুত্বপূর্ণ। নিম্নের তালিকা দৃষ্টে এই গুরুত্বের হদিস পাওয়া যাবে;
{{কেন্দ্র|'''দ্বিতীয় পাঁচ-সালা পরিকল্পনায় কৃষি উৎপাদন লক্ষ্য'''
(১৯৫৯-৬০ সালের তুলনায় ১৯৬৪-৬৫ সালে বৃদ্ধি)}}
{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
| {{ts|bb}} | শস্য
| {{ts|bb}} | সারাদেশে বৃদ্ধি</br>(শতকরা)
| {{ts|bb}} | পূর্ব পাকিস্তানে বৃদ্ধি</br>(শতকরা)
|-
|চাল
|{{ts|ar}} | ২২
|{{ts|ar}} | ১৭
|-
|পাট
|{{ts|ar}} | ২২
|{{ts|ar}} | ২২
|-
|চা
|{{ts|ar}} | ১৮
|{{ts|ar}} | ১৮<noinclude>{{nopt}}
|}
{{right|৩}}</noinclude>
kg8yaqmicxd4wfqbvo6wpwpf50dmzl0
1949553
1949550
2026-05-22T06:23:53Z
Bodhisattwa
2549
1949553
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানের সোনার মাটিতে সোনার ফসল জন্মে; কিন্তু সনাতনী পন্থায় লাঙ্গল, বলদ, মই, নিড়ানী সবল করে' বীজ ছড়িয়ে আকাশের বৃষ্টির ওপর নির্ভর করেই চলে আসছিল চাষীর চাষ। উন্নত ধরণের যন্ত্রপাতি, কৃত্রিম সার ও সেচের পানি ব্যবহারের রীতি ছিল না এবং এখনও এই ধারার বিশেষ পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপে খাদ্যের চাহিদা এবং সাধারণ উন্নয়নের উদ্দেশ্যে কৃষিজাত ফসলের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে চলেছে। এই সমস্যার মোকাবিলা করার জন্যে জমির পরিমাণ বাড়ানোর উপায় নেই। কাজেই পাজি ও উন্নত ধরণের চাষাবাদের ওপর নির্ভর করা ছাড়া গত্যন্তর নেই। এই নীতিকেই Intensive farming বা ঘনীভূত চাষাবাদ বলা হয়। পরিকল্পনা মারফতে কৃষি উন্নয়নের কর্মপন্থায় তাই অনাবাদী জমি পনেরদ্ধার ও বেশী পরিমাণ জমিতে সেচপানি সরবরাহের সঙ্গে আবাদী জমির ঘনীভূত চাষাবাদের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
{{ফাঁক}}প্রথম পাঁচসালা পরিকল্পনায় প্রাদেশিক খাতে ২২ কোটি টাকা ব্যয় কৃষি উন্নয়নে। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে মোট ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ের এক বিশেষ অংশও পূর্ব পাকিস্তানের কৃষিতে নিযুক্ত হয়। সেই তুলনায় দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনায় কৃষি পর্যায়ে সরকারী পাজি বিনিয়োগ অনেক বাড়ানো হয়েছে। সংশোধিত দ্বিতীয় পাঁচশালা পরিকল্পনায় সারা দেশের জন্যে কৃষিক্ষেত্রে পাঁজিবিনিয়োগের পরিমাণ (সেচ ব্যবস্থা ছাড়া) ২৫২ কোটি টাকা। এই অংক প্রথম পাঁচসালা পরিকল্পনায় সারাদেশের কৃষি উন্নয়নের ব্যয়ের (৮৫ কোটি টাকা) তুলনায় প্রায় তিনগুণ। এর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের খাতে ৯৩ কোটি টাকার পুঁজিবিনিয়োগ পরিকল্পিত হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় খাতে এ প্রদেশের আরো ৫৩ কোটি টাকার অংশ রাখা হয়েছে।
{{ফাঁক}}কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বৃদ্ধির প্রয়োজন বিবেচনা করে পরিকল্পনায় কতকগুলি বিশিষ্ট বাস্তব লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানে উৎপাদন সংক্রান্ত লক্ষ্যসমূহ গরুত্বপূর্ণ। নিম্নের তালিকা দৃষ্টে এই গুরুত্বের হদিস পাওয়া যাবে;
{{কেন্দ্র|'''দ্বিতীয় পাঁচ-সালা পরিকল্পনায় কৃষি উৎপাদন লক্ষ্য'''
(১৯৫৯-৬০ সালের তুলনায় ১৯৬৪-৬৫ সালে বৃদ্ধি)}}
{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
| {{ts|bb}} | শস্য
| {{ts|bb}} | সারাদেশে বৃদ্ধি</br>(শতকরা)
| {{ts|bb}} | পূর্ব পাকিস্তানে বৃদ্ধি</br>(শতকরা)
|-
|চাল
|{{ts|ar}} | ২২
|{{ts|ar}} | ১৭
|-
|পাট
|{{ts|ar}} | ২২
|{{ts|ar}} | ২২
|-
|চা
|{{ts|ar}} | ১৮
|{{ts|ar}} | ১৮
|-<noinclude>{{nopt}}
|}
{{right|৩}}</noinclude>
ajdo373mmn9uzeo655n6pvgcl4atgff
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৩৭
104
880037
1949519
1948998
2026-05-21T15:03:09Z
BabulB
2144
1949519
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|'''চতুর্থ পরিচ্ছেদ।'''}}}}
{{Custom rule|sp|40|co|6|sp|40}}
{{কেন্দ্র|{{larger|'''বৌদ্ধ যুগ।'''}}}}
{{ফাঁক}}{{larger|বুদ্ধের জীবন—}}৫৫৭ খৃঃ পূঃ অব্দের একদিন ভারতের পক্ষে, ভারতের কেন, সমুদার জগতের পক্ষে এক বিশেষ দিন গিয়াছে। ২৫এ ডিসেম্বরকে লোকে বড় দিন বলে, কেন না সে দিনে যীশুখৃষ্ট পৃথিবীতে আসিয়াছিলেন, সেইরূপ বুদ্ধ যে দিনে পৃথিবীতে আসিয়াছিলেন, সে দিনও এক বড় দিন। সেই দিন কপিলবাস্তু নগরের অদূরে লুম্বিনীর স্নিগ্ধ শ্যামল নিকুঞ্জে কপিলবাস্তুর রাজার অনেক তপস্যার ধন পুত্র সিদ্ধার্থ ভূমিষ্ট হইলেন।<ref>ভারতবর্ষের মানচিত্রে এখন যেখানে গোরক্ষপুর নামক নগর দেখা যায়, তাহার ৫০ মাইল উত্তরে কপিলবাস্তু নামক এক নগর ছিল। খৃষ্টের সাড়ে পাঁচশত বৎসর পূৰ্ব্বে শুদ্ধোদন নামে এক রাজা তথায় রাজত্ব করিতেন। তাহার রাণীর নাম মায়াদেবী।</ref> মহারাজ শুদ্ধোদন ও মায়াদেবী পুত্র-লাভের জন্য অনেক তপস্যা, অনেক দান ধ্যান করিয়াছিলেন, তথাপি বহুকাল পর্য্যন্ত তাঁহাদের ঘর শূন্য ছিল। রাজা ও রাণী বড়ই মনের কষ্টে ধর্ম্ম কৰ্ম্ম লইয়া দিন কাটাইতেন। এমন সময়ে তাঁহাদের নিরানন্দ মনে আশার সঞ্চার হইল। মায়াদেবী পিতৃগৃহে যাইতেছিলেন, পথে লুম্বিনীর নিকুঞ্জে তাঁহার একটা সুন্দর শিশু ভুমিষ্ঠ হইল। রাজা শুদ্ধোদনের নিকট সংবাদ গেল। তিনি স্ত্রী ও পুত্ৰকে মহা সমারোহে কপিলবাস্তুতে লইয়া গেলেন । প্রজাদের নৃত্য, গীত, বাদ্য ও আনন্দ-কোলাহলে রাজধানী কাপিয়া উঠিল। শুদ্ধোদন ভাবিলেন তাঁহার বংশধর জন্মিয়াছে। কিন্তু তাঁহার বংশধর জন্মে নাই। দেবতাদের বংশধর তাঁহার তপস্যার ফলে তাঁহাদের ঘরে<noinclude>{{rule}}</noinclude>
9vj4izoas36t5nv9xejdixwve9hiqip
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৪০
104
880110
1949503
1949476
2026-05-21T12:11:30Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949503
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২০|ভারতবর্ষের ইতিহাস।}}</noinclude>তপস্যা আরম্ভ করিলেন । অনাহারে, অনিদ্রায় শরীর ক্ষীণ হইতে লাগিল। গ্রীষ্মের প্রথর রৌদ্রে অগ্নি জ্বালিয়া, তন্মধ্যে বসিয়া জপ করিতেন, শীতের রাত্রে নিরঞ্জন নদীর জলে আকণ্ঠ মগ্ন হইয়া ধ্যান করিতেন। ক্রমে শরীর ভাঙ্গিয়া যাইতে লাগিল। এইরূপে ছয় বৎসর কাটিয়া গেল। অবশেষে একদিন অচেতন হইয়া পড়িলেন। এই সময়ে তাঁহার সঙ্গে যে পাঁচজন শিষ্য ছিল, তাহারা ভাবিল তাঁহার মৃত্যু হইয়াছে। চেতনা পাইয়া তিনি মনে করিলেন, ছয় বৎসর ধরিয়া কত যে তপস্য়া করিলাম, তবুও প্রাণে আরাম পাইলাম না কেন? এইরূপ কথিত আছে যে, তিনি এই সময় হইতে কঠোর তপস্যাকে বৃথা জানিয়া তাহা পরিত্যাগ করিলেন। তাহাতে তাঁহার পাঁচজন শিষ্য তাঁহাকে পরিত্যাগ করিয়া গেল। তিনি পুনরায় একাকী সেই অরণ্যমধ্যে ঘোর সাধনাতে প্রবৃত্ত হইলেন। ভাবিলেন, প্ৰাণ যাক্ আর থাক্, একবার দেখি, মানবের মুক্তির কোন উপায় আছে কি না ? এইবার যে বসিব, জ্ঞানালোক না পাইলে উঠিব না। আমার অঙ্গ সকল শরীর হইতে খসিয়া পড়ুক, কীটে আমার শরীরকে মাটী করিয়া ফেলুক, তথাপি জ্ঞানলোক না পাইলে উঠিব না। এই প্রতিজ্ঞা করিয়া বৃক্ষতলে ধ্যানে বসিলেন । জগতে সেই বৃক্ষ বোধিবৃক্ষ নামে বিখ্যাত হইয়াছে। এই বৃক্ষতলে তিনি সিদ্ধিলাভ করিলেন। যাহার অনুসন্ধান করিতেছিলেন, তাহা পাইলেন। সেই দিব্যজ্ঞান পাইয়া, আপনাকে বুদ্ধ অর্থাৎ জ্ঞানী বলিয়া ঘোষণা করিলেন। জগদ্বাসীকে শান্তির পথ দেখাইবার জন্য মহানন্দে লোকের নিকট ছুটিলেন। বুদ্ধদেব যখন বৌদ্ধধর্ম্ম প্রচার করিলেন, তখন মগধ রাজ্য ভারতের প্রধান রাজ্য ছিল। মহারাজ বিম্বিসার সেই রাজ্যের রাজা ছিলেন। তিনি বুদ্ধদেবকে আপনার রাজধানী, রাজ-<noinclude></noinclude>
9qcc9hx5g3kji40m6l28f9fzq7qwpg3
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৪১
104
880111
1949520
1949498
2026-05-21T15:40:44Z
Bodhisattwa
2549
1949520
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২১|হিন্দু রাজত্ব।}}</noinclude>{{Img float
| file = ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩) (page 41 crop).jpg
| width = 500px
| align = center
| cap = বুদ্ধদেব।}}
গৃহে ডাকিলেন; এবং বুদ্ধ সেখানে গিয়া আপনার ধর্ম প্রচার করিলেন। বুদ্ধ দেশে দেশে ফিরিয়া ধনী দরিদ্র, ব্রাহ্মণ শূদ্র, পণ্ডিত ও মূর্খ সকলের নিকট নূতন ধর্ম্ম ঘোষণা করিলেন। অচিরে তাঁহার অনেক শিষ্য জুটিল। যে তাঁহার কথা শুনিল, সেই মোহিত হইল। বৌদ্ধধর্ম্ম প্রচার করিবার বার বৎসর পরে তিনি একবার স্বদেশে গেলেন; এবং<noinclude></noinclude>
k13nve2t61u90nfu7b15hwhfbrmgq26
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৪২
104
880112
1949508
1949478
2026-05-21T14:09:08Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949508
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২২|ভারতবর্ষের ইতিহাস।}}</noinclude>স্বীয় পিতা, পুত্র ও প্রজাদের নিকট নূতন ধর্ম্মের কথা বলিলেন। তাঁহার পুত্র রাহুল ও তাঁহার স্ত্রী যশোধরা সৰ্ব্বত্যাগী হইয়া তাঁহার শিষ্য হইলেন। এইরূপে দেশে দেশে বৌদ্ধধর্ম প্রচার করিয়া, প্রায় আশী বৎসর বয়সে কুশীনগরের নিকট এক বনে তাঁহার মৃত্যু হয়।
{{ফাঁক}}{{larger|বৌদ্ধধর্ম কি?—}}বুদ্ধের প্রধান উপদেশ দুইটী ;—বাসনাবিলয় ও সৰ্ব্বভূতে মৈত্রী। পবিত্র জীবন লাভ করা এবং বাসনাশূন্য হওয়া এই ধর্ম্মের উদ্দেশ্য। মানুষ এক জন্মে না হউক, জন্মে জন্মে ক্রমশঃ নিৰ্ম্মল হইয়া, অবশেষে মুক্তি বা নির্ব্বাণ পাইতে পারে, তখন আর জন্ম হয় না। বৌদ্ধধর্ম্মের আর এক মূলমন্ত্র সৰ্ব্বজীবে দয়া। সকল জীবের সেবা করা বৌদ্ধধর্মের মহং উপদেশ। এমন কি বৌদ্ধগণ পশুদিগের জন্ম চিকিৎসালয় স্থাপিত করিয়াছিলেন। জগতের স্রষ্টা ও বিধাতা পুরুষ যে একজন আছেন, বুদ্ধ সে সম্বন্ধে বিশেষ কিছু বলেন নাই। বৌদ্ধধর্মের জন্ম যে হিন্দুধৰ্ম্ম হইতে, তাহাতে সন্দেহ নাই। কিন্তু বুদ্ধদেব যেরূপ ভাবে এই ধৰ্ম্ম প্রচার করিয়া গিয়াছেন তাহা এদেশের পক্ষে কিছু নূতন; বিশেষতঃ বিহার স্থাপন, এবং দেশে বিদেশে ধর্ম-প্রচারের ভাব আমাদের দেশে ছিল না। ইহা বৌদ্ধধর্ম্মের এক নূতনত্ব। বৌদ্ধ-প্রচারকদিগকে ভিক্ষু আর স্ত্রীলোকদিগকে ভিক্ষুণী বলিত। ভিক্ষু ও ভিক্ষুণীগণ চিরজীবন মঠে বাস করিরা বৈরাগ্য-ব্রত পালন করিতেন।
{{ফাঁক}}{{larger|অশোকের জীবন—}}বুদ্ধদেব বৌদ্ধধর্ম্ম প্রচার করিয়াছিলেন বটে, কিন্তু মগধরাজ অশোকের চেষ্টাতেই তাহা ভারতে এবং দেশ দেশান্তরে বিশেষ ভাবে প্রচারিত হইয়াছিল। এই অশোকের মত প্রতাপশালী রাজা আর কেহ ভারতে রাজত্ব করিয়াছিলেন কি না সন্দেহ। ইহার জীবনের কাহিনী বড়ই সুন্দর।
{{ফাঁক}}আমরা পূর্ব্বে যে মগধরাজ চন্দ্রগুপ্তের কথা বলিয়াছি, অশোক<noinclude></noinclude>
bx58stf00ynfluw5jps62o2qheinefa
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৪৩
104
880115
1949509
2026-05-21T14:15:44Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949509
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৩|হিন্দু রাজত্ব।}}</noinclude>তাঁহারই পৌত্র। অশোকের পিতা বিন্দুসারের অনেকগুলি পুত্র ছিল তন্মধ্যে অশোক অত্যন্ত কুৎসিত ছিলেন। সেই জন্য তাঁহার, পিতা তাঁহাকে ভালবাসিতেন না। এক দিন মহারাজ বিন্দুসার পুত্রদের শিক্ষক পিঙ্গলকে বলিলেন, “আমি জানিতে চাই পুত্রদের মধ্যে কে আমার সিংহাসন পাইবার উপযুক্ত।” সেই কথা অনুসারে পিঙ্গল একদিন রাজকুমারদিগকে ডাকিলেন; সকলে নানা বেশ-ভূষা করিয়া বড় বড় গাড়ীতে চড়িয়া আসিল ও ভাল ভাল আসনে আসিয়া বসিল। কুৎসিত অশোককে কেহ দেখিতে পারে না, যে সামান্য পোষাক পরিয়া পিতার বৃদ্ধ হাতীতে চড়িয়া আসিয়া, মাটীতে বসিল। রাজপুত্রেরা কত কি আহার করিল; অশোক মাতৃদত্ত চিড়া আর সামান্য জল পান করিল। বিন্দুসার যখন পুত্রদিগকে দেখিতে আসিলেন, তখন পিঙ্গল বলিলেন, “মহারাজ! ইহাদের মধ্যে যাহার ভাল আসন, ভাল বাহন ও ভাল পানীয় সেই রাজা হইবে।” সকল রাজপুত্রই ভাবিল সেই রাজা হইবে। অশোক<ref>২৭২ খৃঃ পূঃ অশোক রাজা হন। ২৩১ খৃঃ পুঃ তাঁহার মৃত্যু হয়।</ref> আসিয়া মাকে বলিল, “মা, আমিই রাজা হইব। আমি পিতার বৃদ্ধ হাতীতে চড়িয়া গিয়াছি, তাহার অপেক্ষা ভাল বাহন আর কাহার? আমি পৃথিবীর উপর বসিয়াছিলাম, তার অপেক্ষা ভাল আসন আর কাহার? আমি নিৰ্ম্মল জল পান করিয়াছি, তার চেয়ে ভাল পানীয় আর কাহার?” যাহা হউক পরে অশোকের কথাই ঠিক্ হইল। অশোক দেখিতে যে শুদ্ধ কদাকার ছিলেন তাহা নহে, তাঁহার প্রকৃতিও অতি ভয়ানক ছিল। রাজা হইবার পর তাঁহার দৌরাত্ম্যে প্রজারা অস্থির হইয়া উঠিল; তাঁহার অত্যাচার ও নিষ্ঠুরতার সীমা পরিসীমা ছিল না। একবার ভাবিলেন, তিনি স্বয়ং ইন্দ্র আর তাঁহার রাজধানী স্বর্গ। এই ভাবিয়া<noinclude>{{rule}}</noinclude>
oro98jntjjy8dm3cuw3f3ykeernh0jp
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৪৪
104
880116
1949510
2026-05-21T14:22:27Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949510
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৪|ভারতবর্ষের ইতিহাস।}}</noinclude>একটা দুর্গন্ধময় স্থান করিয়া তাহার নাম 'নরক' দিলেন। সেখানে একজন ভয়ঙ্কর যমদূতের মত লোককে রাখিয়া বলিলেন, এখানে যে আসিবে তাহাকে অশেষ কষ্ট দিয়া মারিবে। একদিন একজন বৌদ্ধভিক্ষু সেখানে ভিক্ষা করিতে আসিল; তাহার আশ্চৰ্য্য ভাব দেখিয়া যমদূত মহারাজকে গিয়া জানাইল। তাহার মুখে বুদ্ধ বৌদ্ধধর্ম্মের কথা শুনিয়া অশোক মুগ্ধ হইলেন। অশোক বৌদ্ধধর্ম্মের জন্য যাহা করিয়াছেন, তাহার দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে অতি বিরল। বৌদ্ধধৰ্ম্ম গ্রহণ করিয়াই অশোক তাঁহার রাজধানীতে বৌদ্ধ দিগের এক মহাসভা ডাকিলেন; তাহার পর দেশদেশান্তরে প্রচারক পাঠাইতে লাগিলেন। কোথায় গ্রীস্, কোথায় চীন, কোথায় জাপান, কোথায় সিংহল, চারিদিকে প্রচারক পাঠাইলেন। তিনি সমগ্র আর্য্যাবর্তের অদ্বিতীয় অধীশ্বর ছিলেন; তাঁহার বিরুদ্ধে কথা বলে, এমন সাহস ভারতের কোনও রাজার ছিল না। তিনি ভারতের সহরে সহরে ৮০,০০০ স্তূপ অর্থাৎ পাষাণ ও মৃত্তিকাময় ক্ষুদ্র গিরি করিয়া বুদ্ধের দেহভস্ম রাখিলেন। ভারতের এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত, পৰ্ব্বতে, পৰ্ব্বতে, ধর্ম্মের আদেশ সকল লিখিয়া রাখিলেন। ইহা ছাড়া কত পান্থশালা, কত চিকিৎসালয়, কত বিহার, কত মঠ করিয়াছিলেন, তাহার সংখ্যা নাই ৷ অশোকের অনুশাসন সকল পড়িলে বুঝা যায়, কি মহৎ ভাবে তাঁহার হৃদয় পূর্ণ ছিল। তাঁহার রাজ্যে কেহ জীবহত্যা করিতে পারিত না। বৌদ্ধভিক্ষু ও ব্রাহ্মণদিগকে অশোক দুই হস্তে দান করিতেন। তাঁহার অসীম রাজ-শক্তি ও প্রভূত ঐশ্বর্য্য কেবল বৌদ্ধধর্ম্ম প্রচার, বৌদ্ধভিক্ষু ও ভিক্ষুণীদের পালনের জন্য অকাতরে ব্যয় করিয়াছেন। এত দান করিয়াও তিনি তৃপ্ত হন নাই। শেষে রাজ্য পর্য্যন্ত দান করিয়া স্বয়ং ভিক্ষু হইয়াছিলেন। অশোক একস্থানে লিখিয়াছিলেন যে, যতদিন চন্দ্র সূর্য্য<noinclude></noinclude>
rjvi06yjutf9zqk1jdea8xrd2ej1uk5
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৪৫
104
880117
1949511
2026-05-21T14:29:52Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949511
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৫|হিন্দু রাজত্ব।}}</noinclude>হিন্দু রাজত্ব।
{{dhr}}
{{Img float
| file = ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩) (page 45 crop).jpg
| width = 370px
| align = center
| cap = বৌদ্ধ স্তূপ।}}
থাকিবে ও যতদিন পৃথিবী থাকিবে, ততদিন তাঁহার ধৰ্ম্ম ও তাঁহার নাম এ জগতে থাকিবে। হায়! ভারতের কয়জনে এখন অশোকের নাম জানে! কোথায় গেল অশোকের অগণ্য কীৰ্ত্তি কোথায় গেল বৌদ্ধবিহার সকল, কোথায় বা ভারতে বৌদ্ধধৰ্ম্ম! যে ধর্ম্ম হাজার বৎসর ধরিয়া এদেশে আধিপত্য করিল, আজ তাহা ভারতের কোথাও খুঁজিয়া পাওয়া যায় না। বৌদ্ধধৰ্ম্ম ভারত হইতে একেবারে নির্ব্বাসিত; তাহার সকল কীর্তিকলাপ একেবারে লুপ্ত। ইতিহাসে ইহা এক আশ্চর্য্য কথা।
{{ফাঁক}}{{larger|ভারতে বৌদ্ধধর্ম্মের বিস্তৃতি ও লয়—}}বুদ্ধ বৌদ্ধধৰ্ম্ম সম্বন্ধে<noinclude></noinclude>
t53z0d91m2l2z83wamv3q9g36ind31e
1949512
1949511
2026-05-21T14:30:25Z
BabulB
2144
1949512
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৫|হিন্দু রাজত্ব।}}</noinclude>{{dhr}}
{{Img float
| file = ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩) (page 45 crop).jpg
| width = 300px
| align = center
| cap = বৌদ্ধ স্তূপ।}}
থাকিবে ও যতদিন পৃথিবী থাকিবে, ততদিন তাঁহার ধৰ্ম্ম ও তাঁহার নাম এ জগতে থাকিবে। হায়! ভারতের কয়জনে এখন অশোকের নাম জানে! কোথায় গেল অশোকের অগণ্য কীৰ্ত্তি কোথায় গেল বৌদ্ধবিহার সকল, কোথায় বা ভারতে বৌদ্ধধৰ্ম্ম! যে ধর্ম্ম হাজার বৎসর ধরিয়া এদেশে আধিপত্য করিল, আজ তাহা ভারতের কোথাও খুঁজিয়া পাওয়া যায় না। বৌদ্ধধৰ্ম্ম ভারত হইতে একেবারে নির্ব্বাসিত; তাহার সকল কীর্তিকলাপ একেবারে লুপ্ত। ইতিহাসে ইহা এক আশ্চর্য্য কথা।
{{ফাঁক}}{{larger|ভারতে বৌদ্ধধর্ম্মের বিস্তৃতি ও লয়—}}বুদ্ধ বৌদ্ধধৰ্ম্ম সম্বন্ধে<noinclude></noinclude>
qbny8jbdopyuvel3jqovr4w5yrvmdxd
1949521
1949512
2026-05-21T15:41:07Z
Bodhisattwa
2549
1949521
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৫|হিন্দু রাজত্ব।}}</noinclude>{{Img float
| file = ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩) (page 45 crop).jpg
| width = 400px
| align = center
| cap = বৌদ্ধ স্তূপ।}}
থাকিবে ও যতদিন পৃথিবী থাকিবে, ততদিন তাঁহার ধৰ্ম্ম ও তাঁহার নাম এ জগতে থাকিবে। হায়! ভারতের কয়জনে এখন অশোকের নাম জানে! কোথায় গেল অশোকের অগণ্য কীৰ্ত্তি কোথায় গেল বৌদ্ধবিহার সকল, কোথায় বা ভারতে বৌদ্ধধৰ্ম্ম! যে ধর্ম্ম হাজার বৎসর ধরিয়া এদেশে আধিপত্য করিল, আজ তাহা ভারতের কোথাও খুঁজিয়া পাওয়া যায় না। বৌদ্ধধৰ্ম্ম ভারত হইতে একেবারে নির্ব্বাসিত; তাহার সকল কীর্তিকলাপ একেবারে লুপ্ত। ইতিহাসে ইহা এক আশ্চর্য্য কথা।
{{ফাঁক}}{{larger|ভারতে বৌদ্ধধর্ম্মের বিস্তৃতি ও লয়—}}বুদ্ধ বৌদ্ধধৰ্ম্ম সম্বন্ধে<noinclude></noinclude>
ofwb9xvmdmfx580lji6pmutspwtazvr
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৪৬
104
880118
1949513
2026-05-21T14:36:17Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949513
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৬|ভারতবর্ষের ইতিহাস।}}</noinclude>যত কিছু উপদেশ দিয়াছিলেন, সকলি মুখে মুখে; লিখিত কোন শাস্ত্ৰ ছিল না। বুদ্ধের মৃত্যুর পরেই তাঁহার পাঁচ শত শিষ্য রাজগৃহের সপ্তপর্ণীর গুহায় মিলিত হন। সেই সভায় তাঁহার উপদেশ সকল আবৃত্তি করা হয়। তাহার একশত বৎসরের ভিতর বৌদ্ধভিক্ষুদিগের মধ্যে মতভেদ হওয়াতে বৈশালী নগরে দ্বিতীয় সভা হয়। মহারাজ অশোকের সময়ে তাঁহার রাজধানীতে তৃতীয় সভা হয়। তাহাতে এক সহস্র বৌদ্ধভিক্ষু একত্র হইয়া, বৌদ্ধশাস্ত্র লিপিবদ্ধ করেন। বৌদ্ধশাস্ত্রকে ত্রিপিটক বলে। অশোকের সময় ত্রিপিটক যে আকারে লেখা হয়, আজও তাহা সেই আকারেই আছে। বৌদ্ধদিগের ভিতর আবার দুইটী দল আছে। উত্তরদেশীয় এবং দক্ষিণদেশীয়। তিব্বত, চীন, জাপান প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধদিগকে উত্তরদেশীয়, এবং ব্রহ্মদেশ, সিংহল প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধদিগকে দক্ষিণদেশীয় বৌদ্ধ বলে। দক্ষিণের বৌদ্ধেরা অশোকের ত্রিপিটক মতে চলে ; আর উত্তরের বৌদ্ধেরা খ্রীষ্টের এক শত বৎসরের মধ্যে কাশ্মীরের রাজা কণিষ্কের সময় চতুর্থ সভায় ত্রিপিটকের যে ব্যাখ্যা হয়, তাহারই অনুসরণ করে। অশোকের রাজত্ব সময় ভারতে বৌদ্ধধর্ম্মের গৌরবের চরমসীমা বলিলেও হয়। তাহার পরও অনেক যুগ ধরিয়া এদেশে বৌদ্ধধর্ম্মের খুব আদর ছিল। কিন্তু বৌদ্ধধৰ্ম্ম কোন দিনই হিন্দুধৰ্ম্মকে সম্পূর্ণ পরাভব করিতে পারে নাই ৷ দুই ধর্ম্মের প্রভাব সমান ভাবে ছিল। হিন্দু রাজারা বৌদ্ধদিগকে শ্রদ্ধা ভক্তি করিতেন এবং সাহায্য করিতে ত্রুটি করিতেন না। আবার বৌদ্ধ রাজারাও ব্রাহ্মণপণ্ডিতদিগকে যথেষ্ট সম্মান করিতেন। পরস্পরের ভিতর কোনও বিদ্বেষের ভাব ছিল না। ৪০০ খৃষ্টাব্দে চীন ভ্রমণকারী হিয়ান্ যখন এদেশে আসেন তখন দুই ধর্ম্মেরই সমান আদর দেখেন; কিন্তু ৬২৯ খৃঃ অব্দে হোয়েনসাং আসিয়া দেখেন, হিন্দুধৰ্ম্ম<noinclude></noinclude>
pnsicl96lr1sduwlunromc0dsu1negv
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৪৭
104
880119
1949514
2026-05-21T14:44:10Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "জাঁকিয়া উঠিতেছে, আর বৌদ্ধধৰ্ম্ম ম্লান হইয়া আসিতেছে।<ref>কিন্তু তখন তিনি গয়ার সন্নিকটে নলন্দা নামক স্থানে বৌদ্ধ-বিহার, বৌদ্ধ পাঠশালা ও বৌদ্ধমঠ দেখিয়াছিলেন। ঐ পাঠশালাত..." দিয়ে পাতা তৈরি
1949514
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|২৭|হিন্দু রাজত্ব।}}</noinclude>জাঁকিয়া উঠিতেছে, আর বৌদ্ধধৰ্ম্ম ম্লান হইয়া আসিতেছে।<ref>কিন্তু তখন তিনি গয়ার সন্নিকটে নলন্দা নামক স্থানে বৌদ্ধ-বিহার, বৌদ্ধ পাঠশালা ও বৌদ্ধমঠ দেখিয়াছিলেন। ঐ পাঠশালাতে সহস্র সহস্র ছাত্র বাস করিত। হোয়েন সাং কিছুদিন সেখানে বাস করিয়া বৌদ্ধধর্ম্ম শিক্ষা করিয়াছিলেন।</ref> রাজা বিক্রমাদিত্যের সময় হিন্দুধর্ম্ম আবার নূতন তেজে জাগিয়া উঠিল ৷ তাহার পর কুমারিল ভট্ট, শঙ্করাচার্য্য প্রভৃতি পণ্ডিতগণ নাস্তিক বৌদ্ধধৰ্ম্মকে ভয়ঙ্কররূপে আক্রমণ করিলেন। রাজপুতবীরগণও ভীম গর্জ্জনে বৌদ্ধগণকে আক্রমণ করিলেন; এবং তাঁহাদের হস্তে বৌদ্ধধর্ম্মের যেটুকু লাঞ্ছনা বাকী ছিল, মুসলমানেরা সেটুকু সাধিল। বৌদ্ধবিহার ভাঙ্গিয়া হিন্দুরা মন্দির করিলেন; যেখানে যেখানে বৌদ্ধধৰ্ম্মের প্রধান তীর্থ ছিল, তৎতৎস্থলেই বৌদ্ধধৰ্ম্মকে পরাজয় করিয়া হিন্দুতীর্থ স্থাপিত হইল। বৌদ্ধধর্ম্মের বাহিরের চিহ্ন সকল এই প্রকারে লয় পাইল বটে, কিন্তু একভাবে বৌদ্ধধৰ্ম্ম লয় পাইল না, তাহার অনেক ভাব হিন্দুধৰ্ম্মের অস্থিমজ্জাগত হইয়া রহিল ৷ হিন্দুধৰ্ম্ম বৌদ্ধধৰ্ম্মকে এদেশ হইতে একবারে নির্ব্বাসিত করিয়া দিল না বলিয়া, হিন্দুধৰ্ম্ম বৌদ্ধধর্ম্মকে গ্রাস করিল বলাই ভাল।
{{ফাঁক}}{{larger|মহাবীর ও জৈনধর্ম্ম—}}জৈনধর্ম্ম বলিয়া আজ কাল এদেশে যে ধর্ম্মের নাম শুনিতে পাওয়া যায়, বৌদ্ধধর্ম্মের সহিত তাহার অনেক সাদৃশ্য আছে ৷ বিশেষতঃ জৈনেরাও বৌদ্ধদিগের ন্যায় অহিংসা পরমধর্ম্ম এই কথা প্রচার করে। এই হেতু জৈনধর্ম্ম যে বৌদ্ধধর্ম্মের শাখা এইরূপ ভ্রান্তি হওয়া কিছু বিচিত্র নহে। কিন্তু বস্তুতঃ তাহা নহে। জৈনধর্ম্ম বৌদ্ধধর্ম্মের পূর্ব্বে প্রচারিত হইয়াছিল এমন কথাও কেহ কেহ বলিয়া থাকেন। জৈনধর্ম্ম প্রবৰ্ত্তক মহাবীর, বুদ্ধদেবের সমসাময়িক ছিলেন। তিনি বৈশালীনগরে কোন এক সম্ভ্রান্ত ক্ষত্রিয় পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মহাবীর গৃহত্যাগী সন্ন্যাসী ছিলেন। তাঁহার শিষ্যগণ জৈন বলিয়া পরিচিত। জৈনদিগের<noinclude>{{rule}}</noinclude>
0yocrwqtia7nb60d8wphuhin81zwah7
1949515
1949514
2026-05-21T14:44:23Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949515
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৭|হিন্দু রাজত্ব।}}</noinclude>জাঁকিয়া উঠিতেছে, আর বৌদ্ধধৰ্ম্ম ম্লান হইয়া আসিতেছে।<ref>কিন্তু তখন তিনি গয়ার সন্নিকটে নলন্দা নামক স্থানে বৌদ্ধ-বিহার, বৌদ্ধ পাঠশালা ও বৌদ্ধমঠ দেখিয়াছিলেন। ঐ পাঠশালাতে সহস্র সহস্র ছাত্র বাস করিত। হোয়েন সাং কিছুদিন সেখানে বাস করিয়া বৌদ্ধধর্ম্ম শিক্ষা করিয়াছিলেন।</ref> রাজা বিক্রমাদিত্যের সময় হিন্দুধর্ম্ম আবার নূতন তেজে জাগিয়া উঠিল ৷ তাহার পর কুমারিল ভট্ট, শঙ্করাচার্য্য প্রভৃতি পণ্ডিতগণ নাস্তিক বৌদ্ধধৰ্ম্মকে ভয়ঙ্কররূপে আক্রমণ করিলেন। রাজপুতবীরগণও ভীম গর্জ্জনে বৌদ্ধগণকে আক্রমণ করিলেন; এবং তাঁহাদের হস্তে বৌদ্ধধর্ম্মের যেটুকু লাঞ্ছনা বাকী ছিল, মুসলমানেরা সেটুকু সাধিল। বৌদ্ধবিহার ভাঙ্গিয়া হিন্দুরা মন্দির করিলেন; যেখানে যেখানে বৌদ্ধধৰ্ম্মের প্রধান তীর্থ ছিল, তৎতৎস্থলেই বৌদ্ধধৰ্ম্মকে পরাজয় করিয়া হিন্দুতীর্থ স্থাপিত হইল। বৌদ্ধধর্ম্মের বাহিরের চিহ্ন সকল এই প্রকারে লয় পাইল বটে, কিন্তু একভাবে বৌদ্ধধৰ্ম্ম লয় পাইল না, তাহার অনেক ভাব হিন্দুধৰ্ম্মের অস্থিমজ্জাগত হইয়া রহিল ৷ হিন্দুধৰ্ম্ম বৌদ্ধধৰ্ম্মকে এদেশ হইতে একবারে নির্ব্বাসিত করিয়া দিল না বলিয়া, হিন্দুধৰ্ম্ম বৌদ্ধধর্ম্মকে গ্রাস করিল বলাই ভাল।
{{ফাঁক}}{{larger|মহাবীর ও জৈনধর্ম্ম—}}জৈনধর্ম্ম বলিয়া আজ কাল এদেশে যে ধর্ম্মের নাম শুনিতে পাওয়া যায়, বৌদ্ধধর্ম্মের সহিত তাহার অনেক সাদৃশ্য আছে ৷ বিশেষতঃ জৈনেরাও বৌদ্ধদিগের ন্যায় অহিংসা পরমধর্ম্ম এই কথা প্রচার করে। এই হেতু জৈনধর্ম্ম যে বৌদ্ধধর্ম্মের শাখা এইরূপ ভ্রান্তি হওয়া কিছু বিচিত্র নহে। কিন্তু বস্তুতঃ তাহা নহে। জৈনধর্ম্ম বৌদ্ধধর্ম্মের পূর্ব্বে প্রচারিত হইয়াছিল এমন কথাও কেহ কেহ বলিয়া থাকেন। জৈনধর্ম্ম প্রবৰ্ত্তক মহাবীর, বুদ্ধদেবের সমসাময়িক ছিলেন। তিনি বৈশালীনগরে কোন এক সম্ভ্রান্ত ক্ষত্রিয় পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মহাবীর গৃহত্যাগী সন্ন্যাসী ছিলেন। তাঁহার শিষ্যগণ জৈন বলিয়া পরিচিত। জৈনদিগের<noinclude>{{rule}}</noinclude>
5nqvqzojs3ff5xak68wvoggqxbkm68t
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৪৮
104
880120
1949516
2026-05-21T14:52:52Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949516
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|২৮|ভারতবর্ষের ইতিহাস।}}</noinclude>ভিতর জাতিভেদ প্রথা প্রচলিত আছে। তাঁহারা জৈন সাধু বা জীনদিগের উপাসক। জৈনদিগের ভিতর জীবে দয়া অত্যন্ত প্রবল। তাহারা পশুদিগের জন্য হাসপাতাল, পিঞ্জরাপোল প্রভৃতি স্থাপন করিয়া জীবের প্রতি দয়ার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখাইতেছেন। জৈনগণ প্রায় ব্যবসায়ী এবং ধনী। তাহাদিগের ভিতর শ্বেতাম্বর এবং দিগাম্বর নামে দুই সম্প্রদায় আছে।
{{ফাঁক}}{{larger|সিংহলে উপনিবেশ স্থাপন; বিজয় সিংহের বিবরণ—}}আমরা রামায়ণে প্রথমে সিংহলদ্বীপের উল্লেখ দেখিতে পাই। তখন সিংহলদ্বীপের নাম ছিল লঙ্কা। ভারতবর্ষের লোকেরা জানিত লঙ্কা রাক্ষসের বাস। কিন্তু বুদ্ধদেব যখন বিহারের গ্রামে গ্রামে সহরে সহরে বৌদ্ধধর্ম্ম-প্রচার করিয়া বেড়াইতেছিলেন তখন বঙ্গদেশে সিংহবাহু নামে এক পরমধার্ম্মিক রাজা রাজত্ব করিতেন। সিংহবাহুর জ্যেষ্ঠপুত্র বিজয়সিংহ পিতার ঠিক বিপরীত প্রকৃতির ছিলেন। তাঁহার অত্যাচারে প্রজাগণ অস্থির হইয়া পড়িয়াছিলেন। সিংহবাহু পুত্রকে দমন করিয়া সুপথে আনিবার জন্য অনেক চেষ্টা করেন, কিন্তু তাঁহার কোন চেষ্টাই সফল হইল না । তখন তিনি অগত্যা পুত্রকে রাজ্য হইতে নির্ব্বাসিত করিয়া দিলেন। বিজয়সিংহ যেমন দুর্দান্ত তেমনি সাহসী ছিলেন। তিনি বিস্তর নৌকার অনেক সৈন্য সামন্ত বন্ধুবান্ধব লইয়া দক্ষিণে সমুদ্রপথে যাত্রা করিলেন এবং অবশেষে লঙ্কাদ্বীপে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। ৫৩৪ খৃঃ পুঃ লঙ্কাদ্বীপ জয় করিয়া তথায় সিংহ বংশের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করিলেন। তখন হইতে লঙ্কাদ্বীপের নাম হইল সিংহল অথবা সিংহ বংশের রাজ্য। বিজয় সিংহের মৃত্যুর পর তাঁহার ভ্রাতুষ্পুত্র পাণ্ডুবাস সিংহলের রাজা হন। এই সিংহবংশ বহুদিন সিংহলে রাজত্ব করিয়াছিলেন এবং এই রাজবংশের দ্বারা সিংহলে হিন্দু সভ্যতা বিস্তৃত হয়। ইহার প্রায় দুই শত বৎসর পরে সম্রাট অশোকের পুত্র মহেন্দ্র এবং তাঁহার কন্যা সংঘমিত্রা<noinclude></noinclude>
3296y2hb8d908ppcdb9s127hj0kj6eb
ভারতবর্ষের ইতিহাস (হেমলতা দেবী)/চতুর্থ পরিচ্ছেদ
0
880121
1949517
2026-05-21T14:58:09Z
BabulB
2144
"<pages index="ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf" from=37 to=49 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি
1949517
wikitext
text/x-wiki
<pages index="ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf" from=37 to=49 header=1/>
12q2gggtjhdfi1d8277lc2i38swymaf
1949518
1949517
2026-05-21T15:02:31Z
BabulB
2144
1949518
wikitext
text/x-wiki
<pages index="ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf" from=37 to=49 header=1/>
{{page break|label=}}
{{smallrefs|85%}}
ljb4o1gu3r4wuw8t5saqbxi25kh4vgu
লেখক:সীতানাথ দত্ত
100
880122
1949523
2026-05-21T16:37:46Z
Bodhisattwa
2549
"{{লেখক}} {{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}} {{Talikak list end}} {{PD-India}}" দিয়ে পাতা তৈরি
1949523
wikitext
text/x-wiki
{{লেখক}}
{{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}}
{{Talikak list end}}
{{PD-India}}
kzijlajw0x8y0roj6h1yqedm4fjroyi
1949524
1949523
2026-05-21T16:38:31Z
Bodhisattwa
2549
1949524
wikitext
text/x-wiki
{{লেখক}}
{{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}}
=== অন্যান্য ===
{{লেখক রচনা সারি|work = ''[[d:Q139885416|ব্রহ্মজিজ্ঞাসা]]''|item = Q139885416}}
{{লেখক সংস্করণ সারি|item = Q139885414|label = ''[[d:Q139885414|ব্রহ্মজিজ্ঞাসা]]''|p1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:ব্রহ্মজিজ্ঞাসা_-_সীতানাথ_দত্ত_(১৮৮৯).pdf|p577 = 1889}}{{Talikak list end}}
{{PD-India}}
knpun83xrr0sbp8rkriqafi225bgjad
নির্ঘণ্ট:ব্রহ্মজিজ্ঞাসা - সীতানাথ দত্ত (১৮৮৯).pdf
102
880123
1949525
2026-05-21T16:39:14Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1949525
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q139885414
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes=
|Header=
|Footer=
}}
enajru1utz37gvelrd1bk03m6fj75tc
নির্ঘণ্ট:ব্রহ্মজিজ্ঞাসা - সীতানাথ দত্ত (১৯১১).pdf
102
880124
1949526
2026-05-21T16:43:30Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1949526
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q139885440
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=3
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes=
|Header=
|Footer=
}}
jobys2qsc65eaueae2jewppxc5oc8f5
নির্ঘণ্ট:সাধন-বিন্দু - সীতানাথ দত্ত (১৮৮৪).pdf
102
880125
1949527
2026-05-21T16:47:40Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1949527
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q139885454
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes=
|Header=
|Footer=
}}
dz4igmdwx3o1jlr7rotmi78uyzobpwx
নির্ঘণ্ট:বেদান্ত গ্রন্থ - রামমোহন রায় (১৯২৪).pdf
102
880126
1949531
2026-05-21T16:58:43Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1949531
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q139885481
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes=
|Header=
|Footer=
}}
i7ooigt9riwjskzao2mlctipwauyb2p
লেখক:সীতানাথ বসু মল্লিক
100
880127
1949532
2026-05-21T17:00:31Z
Bodhisattwa
2549
"{{লেখক}} {{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}} {{Talikak list end}} {{PD-India}}" দিয়ে পাতা তৈরি
1949532
wikitext
text/x-wiki
{{লেখক}}
{{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}}
{{Talikak list end}}
{{PD-India}}
kzijlajw0x8y0roj6h1yqedm4fjroyi
1949535
1949532
2026-05-21T17:21:10Z
Bodhisattwa
2549
1949535
wikitext
text/x-wiki
{{লেখক}}
{{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}}
=== অন্যান্য ===
{{লেখক রচনা সারি|work = ''[[d:Q139885528|অথ কাশীখণ্ড]]''|item = Q139885528}}
{{লেখক সংস্করণ সারি|item = Q139885524|label = ''[[d:Q139885524|অথ কাশীখণ্ড]]''|p1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:অথ_কাশীখণ্ড_-_সীতানাথ_বসু_মল্লিক_(১৮৫৮).pdf|p577 = 1858}}{{Talikak list end}}
{{PD-India}}
3us79fnx2805v9mvwy10l1r2agi78j8
নির্ঘণ্ট:অথ কাশীখণ্ড - সীতানাথ বসু মল্লিক (১৮৫৮).pdf
102
880128
1949533
2026-05-21T17:08:19Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1949533
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q139885524
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes=
|Header=
|Footer=
}}
1xn1nv8libh8byl141ycrln8cg3frhu
লেখক:সীতানাথ নন্দী
100
880129
1949534
2026-05-21T17:12:08Z
Bodhisattwa
2549
"{{লেখক}} {{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}} {{Talikak list end}} {{PD-India}}" দিয়ে পাতা তৈরি
1949534
wikitext
text/x-wiki
{{লেখক}}
{{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}}
{{Talikak list end}}
{{PD-India}}
kzijlajw0x8y0roj6h1yqedm4fjroyi
1949537
1949534
2026-05-21T17:27:15Z
Bodhisattwa
2549
1949537
wikitext
text/x-wiki
{{লেখক}}
{{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}}
=== অন্যান্য ===
{{লেখক রচনা সারি|work = ''[[d:Q139885652|বঙ্গগৃহ]]''|item = Q139885652}}
{{লেখক সংস্করণ সারি|item = Q139885647|label = ''[[d:Q139885647|বঙ্গগৃহ]]''|p1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:বঙ্গগৃহ_-_সীতানাথ_নন্দী_(১৮৮৪).pdf|p577 = 1884}}{{Talikak list end}}
{{PD-India}}
drcis2tzexnzdqk1bwqdcdsdalrippy
নির্ঘণ্ট:বঙ্গগৃহ - সীতানাথ নন্দী (১৮৮৪).pdf
102
880130
1949536
2026-05-21T17:24:17Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1949536
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q139885647
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes=
|Header=
|Footer=
}}
im4vijfc12ub8r3xqt8fkgfaxgduu3x
নির্ঘণ্ট:বিপ্রভক্তি চন্দ্রিকা - মতিলাল শীল (১৮৩২).pdf
102
880131
1949539
2026-05-22T03:03:49Z
Bodhisattwa
2549
"" দিয়ে পাতা তৈরি
1949539
proofread-index
text/x-wiki
{{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template
|wikidata_item=Q139889479
|Title=
|Subtitle=
|Volume=
|Issue=
|Edition=
|Author=
|Foreword_Author=
|Translator=
|Editor=
|Illustrator=
|Publisher=
|Address=
|Printer=
|Year=
|Source=pdf
|Image=1
|Progress=X
|Pages=<pagelist />
|Volumes=
|Remarks=
|Notes={{BL-TCIP}}
|Header=
|Footer=
}}
6kzouqueripfpahrhszed9vz7mzux64
লেখক:মতিলাল শীল
100
880132
1949540
2026-05-22T03:04:19Z
Bodhisattwa
2549
"{{লেখক}} {{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}} {{Talikak list end}} {{PD-old}}" দিয়ে পাতা তৈরি
1949540
wikitext
text/x-wiki
{{লেখক}}
{{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}}
{{Talikak list end}}
{{PD-old}}
l9713gmspii2pfr7op9ty60r90f99gu
1949541
1949540
2026-05-22T03:06:55Z
Bodhisattwa
2549
1949541
wikitext
text/x-wiki
{{লেখক}}
{{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}}
=== অন্যান্য ===
{{লেখক রচনা সারি|work = ''[[d:Q139889494|বিপ্রভক্তি চন্দ্রিকা]]''|item = Q139889494}}
{{লেখক সংস্করণ সারি|item = Q139889479|label = ''[[d:Q139889479|বিপ্রভক্তি চন্দ্রিকা]]''|p1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:বিপ্রভক্তি_চন্দ্রিকা_-_মতিলাল_শীল_(১৮৩২).pdf|p577 = 1832}}{{Talikak list end}}
{{PD-old}}
1ua690i5t1ajpty242v0v0p3autg5o3
উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার
4
880133
1949542
2026-05-22T05:02:39Z
ROCKY
2687
তৈরি
1949542
wikitext
text/x-wiki
{{tGLAM
<!-- STRUCTURAL AND STYLE ELEMENTS -->
| background_color = <!-- Hexadecimal code. example: FFFFFF -->
| top_color = d33b33
| top_color2 = FFFFFF
| top_color3 = d33b33
| height_top = 8px
| width_left = 60
<!-- HEADER -->
| image = Rajshahi General Library 01.jpg
| image_size = 200px
| GLAM_name = রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার
| presentation_text = '''রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার''' ১৮৮৪ সালে [[:w:bn:রাজশাহী|রাজশাহী]] শহরে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রাচীন পাঠাগার। এই গ্রন্থাগারে বহু দুষ্প্রাপ্য বই রয়েছে, যার মধ্যে কপিরাইট মুক্ত সংগ্রহগুলিকে স্ক্যান করে [[:wmbd:রাজশাহী উইকিমিডিয়া সম্প্রদায়|রাজশাহী উইকিমিডিয়া সম্প্রদায়ের]] পক্ষ থেকে উইকিসংকলনের জন্য আপলোড করছে এবং ভবিষ্যতে লেখাগুলিকে ইউনিকোডে রূপান্তরিত করে মুদ্রণ সংশোধন করা হবে।
<!--PARTNERSHIP DETAILS -->
| partners_list = [[:wmbd:রাজশাহী উইকিমিডিয়া সম্প্রদায়|রাজশাহী উইকিমিডিয়া সম্প্রদায়]]
| partner_logo1 = Rajshahi Wikimedia Community logo-vertical-bn.svg
| partner_logo2 =
| glam_institutions = রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার
| commons_category = Media contributed by Rajshahi Public Library
| wikisource_category = রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার হতে
<!-- WIKI PROJECTS -->
| wikipedia =
| commons = yes
| wikidata = yes
| wikibook =
| wikisource = yes
| wikispecies =
| wikinews =
| wikiversity =
| wikivoyage =
| entry_example =
| image_example =
| source_example =
| data_example =
| book_example =
| digitization_image = Book scanning at Rajshahi Public Library.jpg
<!-- TIMELINE -->
| timeline = yes
<!-- DISCLOSURE -->
| publication_1 =
| publication_2 =
| publication_3 =
| report_1 =
| report_2 =
| report_3 =
| report_4 =
| report_5 =
| report_6 =
<!-- PROGRESS -->
| key = RPL
<!-- EVENTS AND RESOURCES PRODUCED IN GLAM -->
| activity_1 =
| activity_2 =
| activity_3 =
| resource_1 =
| resource_2 =
| resource_3 =
<!-- CONTACT INFORMATION AND PAGE WIKIFICATION -->
| contact_wiki = ROCKY
| contact_institution = [[:m:Wikimedia Bangladesh|Wikimedia Bangladesh]]
| contact_email_institution = info@wikimedia.org.bd
| institution_website =
| department_webpage =
| include_cat =
| shortcut = WS:PPL
}}
jl3bkf0egtxn0c53wf67d2cw3489031
1949543
1949542
2026-05-22T05:13:34Z
ROCKY
2687
ROCKY [[উইকিসংকলন:রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার]] কে [[উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার]] শিরোনামে স্থানান্তর করেছেন
1949542
wikitext
text/x-wiki
{{tGLAM
<!-- STRUCTURAL AND STYLE ELEMENTS -->
| background_color = <!-- Hexadecimal code. example: FFFFFF -->
| top_color = d33b33
| top_color2 = FFFFFF
| top_color3 = d33b33
| height_top = 8px
| width_left = 60
<!-- HEADER -->
| image = Rajshahi General Library 01.jpg
| image_size = 200px
| GLAM_name = রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার
| presentation_text = '''রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার''' ১৮৮৪ সালে [[:w:bn:রাজশাহী|রাজশাহী]] শহরে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রাচীন পাঠাগার। এই গ্রন্থাগারে বহু দুষ্প্রাপ্য বই রয়েছে, যার মধ্যে কপিরাইট মুক্ত সংগ্রহগুলিকে স্ক্যান করে [[:wmbd:রাজশাহী উইকিমিডিয়া সম্প্রদায়|রাজশাহী উইকিমিডিয়া সম্প্রদায়ের]] পক্ষ থেকে উইকিসংকলনের জন্য আপলোড করছে এবং ভবিষ্যতে লেখাগুলিকে ইউনিকোডে রূপান্তরিত করে মুদ্রণ সংশোধন করা হবে।
<!--PARTNERSHIP DETAILS -->
| partners_list = [[:wmbd:রাজশাহী উইকিমিডিয়া সম্প্রদায়|রাজশাহী উইকিমিডিয়া সম্প্রদায়]]
| partner_logo1 = Rajshahi Wikimedia Community logo-vertical-bn.svg
| partner_logo2 =
| glam_institutions = রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার
| commons_category = Media contributed by Rajshahi Public Library
| wikisource_category = রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার হতে
<!-- WIKI PROJECTS -->
| wikipedia =
| commons = yes
| wikidata = yes
| wikibook =
| wikisource = yes
| wikispecies =
| wikinews =
| wikiversity =
| wikivoyage =
| entry_example =
| image_example =
| source_example =
| data_example =
| book_example =
| digitization_image = Book scanning at Rajshahi Public Library.jpg
<!-- TIMELINE -->
| timeline = yes
<!-- DISCLOSURE -->
| publication_1 =
| publication_2 =
| publication_3 =
| report_1 =
| report_2 =
| report_3 =
| report_4 =
| report_5 =
| report_6 =
<!-- PROGRESS -->
| key = RPL
<!-- EVENTS AND RESOURCES PRODUCED IN GLAM -->
| activity_1 =
| activity_2 =
| activity_3 =
| resource_1 =
| resource_2 =
| resource_3 =
<!-- CONTACT INFORMATION AND PAGE WIKIFICATION -->
| contact_wiki = ROCKY
| contact_institution = [[:m:Wikimedia Bangladesh|Wikimedia Bangladesh]]
| contact_email_institution = info@wikimedia.org.bd
| institution_website =
| department_webpage =
| include_cat =
| shortcut = WS:PPL
}}
jl3bkf0egtxn0c53wf67d2cw3489031
উইকিসংকলন:রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার
4
880134
1949544
2026-05-22T05:13:34Z
ROCKY
2687
ROCKY [[উইকিসংকলন:রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার]] কে [[উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার]] শিরোনামে স্থানান্তর করেছেন
1949544
wikitext
text/x-wiki
#পুনর্নির্দেশ [[উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার]]
ldej973g2up56dcm80qn9m0jnyhvfp3
উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার/সময়ক্রম
4
880135
1949545
2026-05-22T05:29:07Z
ROCKY
2687
তৈরি
1949545
wikitext
text/x-wiki
* ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ - রাজশাহী উইকিমিডিয়া সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারে গ্ল্যাম প্রকল্প চালুর সম্ভাব্যতা নির্ণয়ের জন্য পরিদর্শন।
* ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ - গ্রন্থাগারে গ্ল্যাম প্রকল্প চালুর জন্য রাজশাহী উইকিমিডিয়া সম্প্রদায়ের সাথে গ্রন্থাগারের কোষাধ্যক্ষের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে গ্ল্যাম শুরুর করার জন্য আবেদন করা হয়।
* ০২ মে, ২০২৬ - গ্রন্থাগারের পক্ষ থেকে গ্ল্যাম শুরুর জন্য অনুমতি লাভ।
* ০৬ মে, ২০২৬ - বই স্ক্যান শুরু।
0n7xl0ugpkwekwuo01htmuc910c65md
উইকিসংকলন:গ্ল্যাম/রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার/সদস্য
4
880136
1949546
2026-05-22T05:31:16Z
ROCKY
2687
শুরু
1949546
wikitext
text/x-wiki
<noinclude><big><center>আপনার ব্যবহারকারী নাম যোগ করুন<code># <nowiki>[[User:ব্যবহারকারী নাম|]]</nowiki></code> যোগ করে আপনার ব্যবহারকারী নাম যোগ করুন</center></big></noinclude>
; দায়িত্বে
{{Div col|cols=2}}
# [[User:ROCKY|রকি]]
# [[user:Mmrsafy|সাফি]]
{{Div col end}}
;আগ্রহী
{{Div col|cols=2}}
{{Div col end}}
n4nfbdrw50v6fqxnt60he8eztins7pj
পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/৬
104
880137
1949551
2026-05-22T06:22:06Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1949551
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
| {{ts|bb}} | শস্য
| {{ts|bb}} | সারাদেশে বৃদ্ধি</br>(শতকরা)
| {{ts|bb}} | পূর্ব পাকিস্তানে বৃদ্ধি</br>(শতকরা)
|-
|তামাক
|{{ts|ar}} | ১৪
|{{ts|ar}} | ১৪
|-
|ডাল
|{{ts|ar}} | ১১
|{{ts|ar}} | ৩
|-{{ts|vam}}
|তৈলবীজ
|{{ts|ar}} | ৩২
|{{ts|ar}} | ৪৫
|-
|ফল ও শব্জী
|{{ts|ar}} | ১২
|{{ts|ar}} | ৯
|-
|ইক্ষু
|{{ts|ar}} | ৩৫
|{{ts|ar}} | ৪২
|-
|মাছ
|{{ts|ar}} | ২৪
|{{ts|ar}} | ১৭
|-
|কাঠ
|{{ts|ar}} | ২৫
|{{ts|ar}} | ২৯
|}
{{ফাঁক}}সামগ্রিকভাবে কৃষি উন্নয়নের কতকগুলি প্রধান লক্ষ্য ধরা হয়েছে, যেমন—
{{ফাঁক}}(ক) কৃষি-নির্ভর জনসংখ্যা ও অসম ভূমি বণ্টন ব্যবস্থা থেকে উদ্ভুত সামাজিক সমস্যার হ্রাস সাধন;
{{ফাঁক}}(খ) বিদেশ থেকে খাদ্য শস্য আমদানীর প্রয়োজনীয়তা দূরীভূত করে দেশকে মূল্যবান বিদেশী মুদ্রার অপচয় থেকে রক্ষা করা;
{{ফাঁক}}(গ) কৃষির উৎপাদন যথাসম্ভব বৃদ্ধি করে চাষীদের গড় আয় বৃদ্ধি করা— যাতে শহরের অধিবাসী ও পল্লীর অধিবাসীর মধ্যেকার আয়ের ব্যবধান হ্রাস পায়;
{{ফাঁক}}(ঘ) সনাতনী অবৈজ্ঞানিক কৃষিপদ্ধতির পরিবর্তে বৈজ্ঞানিক কৃষিপদ্ধতি প্রচলনের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালান;
{{ফাঁক}}(ঙ) পল্লী অঞ্চলে পজিবিনিয়োগ ও উদ্যমকে উৎসাহিত করা;
{{ফাঁক}}(চ) সংগঠনী ব্যবস্থার উন্নতি, গবেষণার সংযোগ সবিধা বৃদ্ধি গবেষণাফলের ব্যবহারিক প্রয়োগ, কৃষি উন্নয়নের উপযোগী আধুনিক শিক্ষা, উন্নয়নের সাষ্ঠ, পরিকল্পনা ইত্যাদি ব্যাপারে উপযুক্ত ব্যবস্থা অবলম্বন করা; এবং
{{ফাঁক}}(ছ) বিদেশী মদ্রা উপার্জনকারী ফসলের উৎপাদন এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা মেটানোর জন্য কাঁচামাল উৎপাদন যথেষ্ট বৃদ্ধি করা।
{{ফাঁক}}উল্লেখিত সকল পর্যায়ে পরিকল্পিত কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। অবশ্য এর মধ্যে কতকগুলো লক্ষ্য অনিবার্যভাবেই দীর্ঘমেয়াদী ব্যাপার এবং যথারীতিই সেগুলোর কাজ এগিয়ে চলেছে।<noinclude>{{left|৪}}</noinclude>
3k14tt4z6n8imr0vacwj78jty15lxc6
1949552
1949551
2026-05-22T06:23:01Z
Bodhisattwa
2549
1949552
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" />{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
| {{ts|bb}} | শস্য
| {{ts|bb}} | সারাদেশে বৃদ্ধি</br>(শতকরা)
| {{ts|bb}} | পূর্ব পাকিস্তানে বৃদ্ধি</br>(শতকরা)</noinclude>{{nopt}}
|-
|তামাক
|{{ts|ar}} | ১৪
|{{ts|ar}} | ১৪
|-
|ডাল
|{{ts|ar}} | ১১
|{{ts|ar}} | ৩
|-{{ts|vam}}
|তৈলবীজ
|{{ts|ar}} | ৩২
|{{ts|ar}} | ৪৫
|-
|ফল ও শব্জী
|{{ts|ar}} | ১২
|{{ts|ar}} | ৯
|-
|ইক্ষু
|{{ts|ar}} | ৩৫
|{{ts|ar}} | ৪২
|-
|মাছ
|{{ts|ar}} | ২৪
|{{ts|ar}} | ১৭
|-
|কাঠ
|{{ts|ar}} | ২৫
|{{ts|ar}} | ২৯
|}
{{ফাঁক}}সামগ্রিকভাবে কৃষি উন্নয়নের কতকগুলি প্রধান লক্ষ্য ধরা হয়েছে, যেমন—
{{ফাঁক}}(ক) কৃষি-নির্ভর জনসংখ্যা ও অসম ভূমি বণ্টন ব্যবস্থা থেকে উদ্ভুত সামাজিক সমস্যার হ্রাস সাধন;
{{ফাঁক}}(খ) বিদেশ থেকে খাদ্য শস্য আমদানীর প্রয়োজনীয়তা দূরীভূত করে দেশকে মূল্যবান বিদেশী মুদ্রার অপচয় থেকে রক্ষা করা;
{{ফাঁক}}(গ) কৃষির উৎপাদন যথাসম্ভব বৃদ্ধি করে চাষীদের গড় আয় বৃদ্ধি করা— যাতে শহরের অধিবাসী ও পল্লীর অধিবাসীর মধ্যেকার আয়ের ব্যবধান হ্রাস পায়;
{{ফাঁক}}(ঘ) সনাতনী অবৈজ্ঞানিক কৃষিপদ্ধতির পরিবর্তে বৈজ্ঞানিক কৃষিপদ্ধতি প্রচলনের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালান;
{{ফাঁক}}(ঙ) পল্লী অঞ্চলে পজিবিনিয়োগ ও উদ্যমকে উৎসাহিত করা;
{{ফাঁক}}(চ) সংগঠনী ব্যবস্থার উন্নতি, গবেষণার সংযোগ সবিধা বৃদ্ধি গবেষণাফলের ব্যবহারিক প্রয়োগ, কৃষি উন্নয়নের উপযোগী আধুনিক শিক্ষা, উন্নয়নের সাষ্ঠ, পরিকল্পনা ইত্যাদি ব্যাপারে উপযুক্ত ব্যবস্থা অবলম্বন করা; এবং
{{ফাঁক}}(ছ) বিদেশী মদ্রা উপার্জনকারী ফসলের উৎপাদন এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা মেটানোর জন্য কাঁচামাল উৎপাদন যথেষ্ট বৃদ্ধি করা।
{{ফাঁক}}উল্লেখিত সকল পর্যায়ে পরিকল্পিত কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। অবশ্য এর মধ্যে কতকগুলো লক্ষ্য অনিবার্যভাবেই দীর্ঘমেয়াদী ব্যাপার এবং যথারীতিই সেগুলোর কাজ এগিয়ে চলেছে।<noinclude>{{left|৪}}</noinclude>
ncc342cvuvwol23o4b6ba44bp4581e7
1949554
1949552
2026-05-22T06:24:54Z
Bodhisattwa
2549
1949554
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" />{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
| {{ts|bb}} | শস্য
| {{ts|bb}} | সারাদেশে বৃদ্ধি</br>(শতকরা)
| {{ts|bb}} | পূর্ব পাকিস্তানে বৃদ্ধি</br>(শতকরা)</noinclude>{{nopt}}
|-
|তামাক
|{{ts|ar}} | ১৪
|{{ts|ar}} | ১৪
|-
|ডাল
|{{ts|ar}} | ১১
|{{ts|ar}} | ৩
|-{{ts|vam}}
|তৈলবীজ
|{{ts|ar}} | ৩২
|{{ts|ar}} | ৪৫
|-
|ফল ও শব্জী
|{{ts|ar}} | ১২
|{{ts|ar}} | ৯
|-
|ইক্ষু
|{{ts|ar}} | ৩৫
|{{ts|ar}} | ৪২
|-
|মাছ
|{{ts|ar}} | ২৪
|{{ts|ar}} | ১৭
|-
|কাঠ
|{{ts|ar}} | ২৫
|{{ts|ar}} | ২৯
|}
{{ফাঁক}}সামগ্রিকভাবে কৃষি উন্নয়নের কতকগুলি প্রধান লক্ষ্য ধরা হয়েছে, যেমন—
{{ফাঁক}}(ক) কৃষি-নির্ভর জনসংখ্যা ও অসম ভূমি বণ্টন ব্যবস্থা থেকে উদ্ভুত সামাজিক সমস্যার হ্রাস সাধন;
{{ফাঁক}}(খ) বিদেশ থেকে খাদ্য শস্য আমদানীর প্রয়োজনীয়তা দূরীভূত করে দেশকে মূল্যবান বিদেশী মুদ্রার অপচয় থেকে রক্ষা করা;
{{ফাঁক}}(গ) কৃষির উৎপাদন যথাসম্ভব বৃদ্ধি করে চাষীদের গড় আয় বৃদ্ধি করা— যাতে শহরের অধিবাসী ও পল্লীর অধিবাসীর মধ্যেকার আয়ের ব্যবধান হ্রাস পায়;
{{ফাঁক}}(ঘ) সনাতনী অবৈজ্ঞানিক কৃষিপদ্ধতির পরিবর্তে বৈজ্ঞানিক কৃষিপদ্ধতি প্রচলনের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালান;
{{ফাঁক}}(ঙ) পল্লী অঞ্চলে পজিবিনিয়োগ ও উদ্যমকে উৎসাহিত করা;
{{ফাঁক}}(চ) সংগঠনী ব্যবস্থার উন্নতি, গবেষণার সংযোগ সবিধা বৃদ্ধি গবেষণাফলের ব্যবহারিক প্রয়োগ, কৃষি উন্নয়নের উপযোগী আধুনিক শিক্ষা, উন্নয়নের সাষ্ঠ, পরিকল্পনা ইত্যাদি ব্যাপারে উপযুক্ত ব্যবস্থা অবলম্বন করা; এবং
{{ফাঁক}}(ছ) বিদেশী মদ্রা উপার্জনকারী ফসলের উৎপাদন এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা মেটানোর জন্য কাঁচামাল উৎপাদন যথেষ্ট বৃদ্ধি করা।
{{ফাঁক}}উল্লেখিত সকল পর্যায়ে পরিকল্পিত কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। অবশ্য এর মধ্যে কতকগুলো লক্ষ্য অনিবার্যভাবেই দীর্ঘমেয়াদী ব্যাপার এবং যথারীতিই সেগুলোর কাজ এগিয়ে চলেছে।
{{nop}}<noinclude>{{left|৪}}</noinclude>
6cz36efbg35zb8ug9e4wnjc97nmdvzr
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৫৯
104
880138
1949555
2026-05-22T06:26:48Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949555
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৯|হিন্দু রাজত্ব।}}</noinclude>পারিয়া, মুসলমানদিগকে ডাকিলেন । দেশের ও স্বজাতির সর্ব্বনাশ করিলেন। প্রথম যুদ্ধে<ref>ইহাকে তিরৌরীর যুদ্ধ বলে। ১২৯১ খৃষ্টাব্দে হয় ৷</ref> পৃথ্বীরায় মুসলমানদিগকে পরাজিত করেন, কিন্তু শেষ যুদ্ধে<ref>১২৯৩ খৃষ্টাব্দে থানেশ্বরের যুদ্ধ হয়।</ref> স্বয়ং হারিয়া যান ও প্রাণ হারান। মুসলমানেরা দিল্লী ও ও আজমীঢ় কাড়িয়া লইলেন। তাহার পর বৎসর আসিয়া জয়চন্দ্রকে মারিয়া কান্যকুব্জ কাড়িয়া লইলেন। জয়চন্দ্র জব্দ হইলেন, ভারত স্বাধীনতা হারাইল, মুসলমানেরা আসিয়া সকল অধিকার করিল। এই খানেই হিন্দুদিগের স্বাধীনতার সূর্য্য অস্ত গেল।
{{dhr}}
{{rule|5em}}<noinclude>{{rule}}</noinclude>
gbpkk1rfhen4xrn0wa4rk2tn0lc64ng
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৫০
104
880139
1949556
2026-05-22T06:37:08Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949556
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|'''পঞ্চম পরিচ্ছেদ।'''}}}}
{{ফাঁক}}{{larger|শকজাতির আক্রমণ ও কণিষ্ক—}} ভারতের হিন্দু সম্রাটদিগের মধ্যে অশোক অদ্বিতীয়। কিন্তু কি আশ্চর্য্যের বিষয় অশোকের মৃত্যুর পর ৫০ বৎসর গত হইতে না হইতেই মৌর্য্যবংশের পতন হইল। তখন সেই মগধ রাজ্যই আর এক প্রতাপশালী রাজবংশের লীলাভূমি হইল। ইতিহাসে ইহারা অন্ধ্র বংশ নামে বিখ্যাত। মৌর্য্যদিগের ন্যায় ইহারাও বৌদ্ধ ছিলেন। অন্ধ্র গণ প্রথমে দাক্ষিণাত্যে রাজ্য বিস্তার করিয়া ক্রমে উত্তরাভিমুখী হইয়া মগধ পৰ্যন্ত তাঁহাদের রাজ্য বিস্তৃত করিয়াছিলেন। অন্ধ্র গণ যখন মগধে প্রবল তখন ভারতের পশ্চিমদিকে কুশাণবংশীয় শকগণ প্রবল হইয়া উঠিয়াছিলেন। পারস্য হইতে পাঞ্জাব ও কাশ্মীর পর্য্যন্ত ইহাদের রাজ্য বিস্তৃত হয় ৷ শকগণ খ্ৰীষ্টীয় প্রথম শতাব্দীতে ভারতের উত্তর পশ্চিম দিক হইতে আসিয়া পাঞ্জাবে ও কাশ্মীরে নূতনরাজ্য স্থাপন করেন। শক নৃপতিদিগের মধ্যে কনিষ্ক সৰ্ব্বাপেক্ষা প্রসিদ্ধ। তিনি বৌদ্ধধৰ্ম্ম গ্রহণ করেন এবং তাঁহার সময়ে বৌদ্ধদিগের চতুর্থ সভা আহূত হয়। ৭৮ খৃষ্টাব্দে কনিষ্ক সিংহাসনে আরোহণ করেন; তখন হইতে আমাদের দেশে প্রচলিত শকাব্দের গণনা হইয়া আসিতেছে। শকদিগের সময়ে হুন পারসী প্রভৃতি অনেক বিদেশীয়, জাতি ভারতবর্ষের পশ্চিম দিক আচ্ছন্ন করিয়া ফেলেন। অন্ধ্র গণ প্রায় দেড়শত বৎসর মগধে রাজ্য করিয়া ছিলেন। তৎপরে তাঁহাদিগের পতন হয়। অনন্তর খ্রীষ্টীয় তৃতীয় শতাব্দীতে মগধে গুপ্তনামধেয় এক প্রবল পরাক্রান্ত হিন্দুরাজবংশ প্রতিষ্ঠিত হন।
{{ফাঁক}}{{larger|গুপ্তরাজবংশ ও বিক্রমাদিত্য—}}ভারতের ইতিহাসে এই গুপ্তরাজগণ অত্যন্ত প্রসিদ্ধ ইহাদের সময়ে হিন্দুধর্ম্মের পুনরুত্থান হয়।<noinclude></noinclude>
ihu0xer7adccjn8jg4s1t4us6bh9rd5
1949558
1949556
2026-05-22T06:38:02Z
BabulB
2144
1949558
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|'''পঞ্চম পরিচ্ছেদ।'''}}}}
{{ফাঁক}}{{larger|শকজাতির আক্রমণ ও কণিষ্ক—}}ভারতের হিন্দু সম্রাটদিগের মধ্যে অশোক অদ্বিতীয়। কিন্তু কি আশ্চর্য্যের বিষয় অশোকের মৃত্যুর পর ৫০ বৎসর গত হইতে না হইতেই মৌর্য্যবংশের পতন হইল। তখন সেই মগধ রাজ্যই আর এক প্রতাপশালী রাজবংশের লীলাভূমি হইল। ইতিহাসে ইহারা অন্ধ্র বংশ নামে বিখ্যাত। মৌর্য্যদিগের ন্যায় ইহারাও বৌদ্ধ ছিলেন। অন্ধ্র গণ প্রথমে দাক্ষিণাত্যে রাজ্য বিস্তার করিয়া ক্রমে উত্তরাভিমুখী হইয়া মগধ পৰ্যন্ত তাঁহাদের রাজ্য বিস্তৃত করিয়াছিলেন। অন্ধ্র গণ যখন মগধে প্রবল তখন ভারতের পশ্চিমদিকে কুশাণবংশীয় শকগণ প্রবল হইয়া উঠিয়াছিলেন। পারস্য হইতে পাঞ্জাব ও কাশ্মীর পর্য্যন্ত ইহাদের রাজ্য বিস্তৃত হয় ৷ শকগণ খ্ৰীষ্টীয় প্রথম শতাব্দীতে ভারতের উত্তর পশ্চিম দিক হইতে আসিয়া পাঞ্জাবে ও কাশ্মীরে নূতনরাজ্য স্থাপন করেন। শক নৃপতিদিগের মধ্যে কনিষ্ক সৰ্ব্বাপেক্ষা প্রসিদ্ধ। তিনি বৌদ্ধধৰ্ম্ম গ্রহণ করেন এবং তাঁহার সময়ে বৌদ্ধদিগের চতুর্থ সভা আহূত হয়। ৭৮ খৃষ্টাব্দে কনিষ্ক সিংহাসনে আরোহণ করেন; তখন হইতে আমাদের দেশে প্রচলিত শকাব্দের গণনা হইয়া আসিতেছে। শকদিগের সময়ে হুন পারসী প্রভৃতি অনেক বিদেশীয়, জাতি ভারতবর্ষের পশ্চিম দিক আচ্ছন্ন করিয়া ফেলেন। অন্ধ্র গণ প্রায় দেড়শত বৎসর মগধে রাজ্য করিয়া ছিলেন। তৎপরে তাঁহাদিগের পতন হয়। অনন্তর খ্রীষ্টীয় তৃতীয় শতাব্দীতে মগধে গুপ্তনামধেয় এক প্রবল পরাক্রান্ত হিন্দুরাজবংশ প্রতিষ্ঠিত হন।
{{ফাঁক}}{{larger|গুপ্তরাজবংশ ও বিক্রমাদিত্য—}}ভারতের ইতিহাসে এই গুপ্তরাজগণ অত্যন্ত প্রসিদ্ধ ইহাদের সময়ে হিন্দুধর্ম্মের পুনরুত্থান হয়।<noinclude></noinclude>
ph1u1kpglxs1s1yukqevogr06fa6wme
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৫১
104
880141
1949559
2026-05-22T06:45:34Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949559
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩১|হিন্দু রাজত্ব।}}</noinclude>বৌদ্ধপ্রভাব পরিহার করিয়া, নূতন ভাবে এবং নূতন তেজে হিন্দুধৰ্ম্ম আবার দেশমধ্যে প্রবল হইল। গুপ্তরাজাদিগের সময় জাতীয় জীবনের সকল বিভাগেই নূতন উদ্দীপনা দেখা ছিল। সাহিত্য ললিতকলা সকলেরই শ্রীবৃদ্ধি সাধিত হইল। গুপ্তদিগের প্রথম রাজা চন্দ্রগুপ্ত। তাঁহার পুত্র সমুদ্রগুপ্ত একজন প্রতাপশালী রাজা ছিলেন। তিনি বীর যোদ্ধা সুকবি, সুগায়ক ছিলেন। সমুদ্রগুপ্তের সময়ের কয়েকটা মুদ্রা পাওয়া গিয়াছে তাহাতে তিনি বীণা হন্তে বসিয়া আছেন এইরূপ চিত্রিত আছে। সমুদ্রগুপ্ত দিগ্বিজয় করিয়া অশ্বমেধ যজ্ঞ করিয়াছিলেন। অহিংসাবাদী বৌদ্ধদিগের সময় এ সকল যাগযজ্ঞ একেবারে বন্ধ হইয়া গিয়াছিল। গুপ্তরাজদিগের সময় আবার সকলই নবভাবে দেখা ছিল। সমুদ্রগুপ্তের পুত্র দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত “বিক্রমাদিত্য” উপাধি গ্রহণ করেন এই সময় হইতে শকদিগের সহিত গুপ্তদিগের যুদ্ধ আরম্ভ হয়। ইতিহাসে যে বিখ্যাত বিক্রমাদিত্যের নাম শুনিতে পাওয়া যায়, অনেকে বলেন এই বিক্রমাদিত্য কিম্বা তাঁহার পুত্রই সেই বিক্রমাদিত্য। বিক্রমাদিত্য কোন ব্যক্তিবিশেষের নাম নয়। ইহা এক গৌরবজনক উপাধি; এই সময় হইতে আরম্ভ করিয়া অনেকে বিক্রমাদিত্য উপাধি ধারণ করিয়াছিলেন। গুপ্তরাজা বিক্রমাদিতের সময় সংস্কৃতভাষার অত্যন্ত শ্রীবৃদ্ধি হয় এবং ভবভূতি কালিদাস প্রভৃতি যে নবরত্নের নাম শ্রবণ করা যায় তাঁহারাও এই সময় উদিত হন। পশ্চিম ভারতে শকগণ এরূপ প্রবল হইয়া উঠিয়াছিলেন যে গুপ্তরাজগণ বারম্বার চেষ্টা করিয়াও তাঁহাদিগকে দূরীভূত করিতে পারেন নাই। অবশেষে ৫৩৩ খ্রীষ্টাব্দে যশোধর্ম্মণ, নামে গুপ্তরাজাদিগের এক প্রধান সেনাপতি কোরারের যুদ্ধে শকদিগকে একেবারে বিধ্বস্ত করেন। কথিত আছে, যশোধর্ম্মণ শেষে স্বাধীনভাবে রাজ্য স্থাপন করেন। ইতিহাসে ইহার অতি উচ্চ স্থান। অনেকে ইহাকেই শক-বিজয়ী উজ্জয়িনীরাজ বিক্রমাদিত্য কহেন।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
6920q12xzfs23las202ndpr7m8lntvs
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৫২
104
880142
1949560
2026-05-22T06:47:18Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "{{ফাঁক}}{{larger|কালিদাস—}}গুপ্তরাজাদিগের সময়ে যদি কালিদাস ভবভূতি প্রভৃতি সংস্কৃত লেখক, আর্যভট্ট বরাহমিহির প্রভৃতি পণ্ডিতগণ আবির্ভূত না হইতেন, তাহা হইলে “উজ্জয়িনীরাজ বিক্র..." দিয়ে পাতা তৈরি
1949560
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|৩২|ভারতবর্ষের ইতিহাস।}}</noinclude>{{ফাঁক}}{{larger|কালিদাস—}}গুপ্তরাজাদিগের সময়ে যদি কালিদাস ভবভূতি
প্রভৃতি সংস্কৃত লেখক, আর্যভট্ট বরাহমিহির প্রভৃতি পণ্ডিতগণ আবির্ভূত
না হইতেন, তাহা হইলে “উজ্জয়িনীরাজ বিক্রমাদিত্যের” নাম আজ পর্যন্ত
অমর হইয়া থাকিত না ।
কত রাজবংশের এই ভারত ভূমিতে উত্থান
পতন হইয়াছে কয় জনের নামই বা লোকে স্মরণ করিয়া রাখিয়াছে; কিন্তু
কালিদাসের ন্যায় কবি অমর। এমন কবি যে দেশে জন্ম গ্রহণ করে
সে দেশ ধন্য! কালিদাস যে বিক্রমাদিত্যের সভা উজ্জ্বল করিয়াছিলেন
তাহার ব্যক্তিত্ত্ব সম্বন্ধে নত ভেদ থাকিতে পারে কিন্তু কালিদাসের কীর্ত্তি
অক্ষয়। যতদিন পৃথিবীতে মনুষ্যজাতি বাস করিবে ততদিন কালিদাসের
“মেঘদূত ও শকুন্তলার সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ হইয়া থাকিবে। কালিদাসের ন্যায় আর
দুই এক জন কবি এই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করিয়াছেন কিনা সন্দেহ।
কালিদাসের জীবনের কথা বিশেষ কিছু জানা যায় না তবে তিনি বোধহয়
উজ্জয়িনীবাসী ছিলেন । তাঁহার গ্রন্থই তাঁহার জীবনের অপূর্ব্ব
-ইতিহাস ৷
{{ফাঁক}}{{larger|হর্ষবর্দ্ধন—}}থানেশ্বরের নিকটবর্ত্তী স্থানে ষষ্ঠ শতাব্দীর শেষ ভাগে
প্রভাকর বর্দ্ধন নামে জনৈক রাজা বিশেষ ক্ষমতাশালী হন। ইতিহাস প্রসিদ্ধ
“মহারাজ হর্ষ বা শিলাদিত্য ইহারই পুত্র । প্রভাকর বর্দ্ধনের রাজ্যবর্দ্ধন
ও হর্ষবৰ্দ্ধন নামে দুই পুত্র এবং রাজ্যশ্রী নাম্নী একটা বিদূষী কন্যা ছিলেন ।
কান্যকুব্জের রাজার সহিত রাজ্যশ্রীর বিবাহ হইয়াছিল। কর্ণ সুবর্ণের রাজা
শশাঙ্ক কান্যকুব্জের রাজাকে নিহত করেন, তখন রাজ্যবর্দ্ধন পাঞ্জাবে হুন-
দিগের সহিত যুদ্ধে লিপ্ত ছিলেন। দেশে ফিরিয়া দেখেন রাজ্যশ্রী শত্রুর
হস্ত হইতে নিষ্কৃতি পাইবার জন্য কোথায় পলাইয়া গিয়াছেন । অনেক
অনুসন্ধান করিয়া ভগ্নীকে উদ্ধার করিলেন বটে, কিন্তু শশাঙ্ক তাঁহাকে
ছলনা পূর্ব্বক হত্যা করে। রাজ্যবর্দ্ধনের মৃত্যুর পর হর্ষবর্দ্ধন রাজা হন ৷<noinclude></noinclude>
llsy5uvusqtm58fkztnvvup9zlltzn7
1949575
1949560
2026-05-22T07:32:50Z
BabulB
2144
1949575
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|৩২|ভারতবর্ষের ইতিহাস।}}</noinclude>{{ফাঁক}}{{larger|কালিদাস—}}গুপ্তরাজাদিগের সময়ে যদি কালিদাস ভবভূতি প্রভৃতি সংস্কৃত লেখক, আর্যভট্ট বরাহমিহির প্রভৃতি পণ্ডিতগণ আবির্ভূত না হইতেন, তাহা হইলে “উজ্জয়িনীরাজ বিক্রমাদিত্যের” নাম আজ পর্যন্ত অমর হইয়া থাকিত না। কত রাজবংশের এই ভারত ভূমিতে উত্থান পতন হইয়াছে কয় জনের নামই বা লোকে স্মরণ করিয়া রাখিয়াছে; কিন্তু কালিদাসের ন্যায় কবি অমর। এমন কবি যে দেশে জন্ম গ্রহণ করে সে দেশ ধন্য! কালিদাস যে বিক্রমাদিত্যের সভা উজ্জ্বল করিয়াছিলেন তাহার ব্যক্তিত্ত্ব সম্বন্ধে মত ভেদ থাকিতে পারে কিন্তু কালিদাসের কীর্ত্তি অক্ষয়। যতদিন পৃথিবীতে মনুষ্যজাতি বাস করিবে ততদিন কালিদাসের মেঘদূত ও শকুন্তলার সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ হইয়া থাকিবে। কালিদাসের ন্যায় আর দুই এক জন কবি এই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করিয়াছেন কিনা সন্দেহ। কালিদাসের জীবনের কথা বিশেষ কিছু জানা যায় না তবে তিনি বোধহয় উজ্জয়িনীবাসী ছিলেন। তাঁহার গ্রন্থই তাঁহার জীবনের অপূর্ব্ব ইতিহাস ৷
{{ফাঁক}}{{larger|হর্ষবর্দ্ধন—}}থানেশ্বরের নিকটবর্ত্তী স্থানে ষষ্ঠ শতাব্দীর শেষ ভাগে প্রভাকর বর্দ্ধন নামে জনৈক রাজা বিশেষ ক্ষমতাশালী হন। ইতিহাস প্রসিদ্ধ মহারাজ হর্ষ বা শিলাদিত্য ইহারই পুত্র। প্রভাকর বর্দ্ধনের রাজ্যবর্দ্ধন ও হর্ষবৰ্দ্ধন নামে দুই পুত্র এবং রাজ্যশ্রী নাম্নী একটা বিদূষী কন্যা ছিলেন। কান্যকুব্জের রাজার সহিত রাজ্যশ্রীর বিবাহ হইয়াছিল। কর্ণ সুবর্ণের রাজা শশাঙ্ক কান্যকুব্জের রাজাকে নিহত করেন, তখন রাজ্যবর্দ্ধন পাঞ্জাবে হুনদিগের সহিত যুদ্ধে লিপ্ত ছিলেন। দেশে ফিরিয়া দেখেন রাজ্যশ্রী শত্রুর হস্ত হইতে নিষ্কৃতি পাইবার জন্য কোথায় পলাইয়া গিয়াছেন। অনেক অনুসন্ধান করিয়া ভগ্নীকে উদ্ধার করিলেন বটে, কিন্তু শশাঙ্ক তাঁহাকে ছলনা পূর্ব্বক হত্যা করে। রাজ্যবর্দ্ধনের মৃত্যুর পর হর্ষবর্দ্ধন রাজা হন ৷<noinclude></noinclude>
4x8ttva4dv8v13pri9qpffymj02k26d
1949576
1949575
2026-05-22T07:33:05Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949576
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩২|ভারতবর্ষের ইতিহাস।}}</noinclude>{{ফাঁক}}{{larger|কালিদাস—}}গুপ্তরাজাদিগের সময়ে যদি কালিদাস ভবভূতি প্রভৃতি সংস্কৃত লেখক, আর্যভট্ট বরাহমিহির প্রভৃতি পণ্ডিতগণ আবির্ভূত না হইতেন, তাহা হইলে “উজ্জয়িনীরাজ বিক্রমাদিত্যের” নাম আজ পর্যন্ত অমর হইয়া থাকিত না। কত রাজবংশের এই ভারত ভূমিতে উত্থান পতন হইয়াছে কয় জনের নামই বা লোকে স্মরণ করিয়া রাখিয়াছে; কিন্তু কালিদাসের ন্যায় কবি অমর। এমন কবি যে দেশে জন্ম গ্রহণ করে সে দেশ ধন্য! কালিদাস যে বিক্রমাদিত্যের সভা উজ্জ্বল করিয়াছিলেন তাহার ব্যক্তিত্ত্ব সম্বন্ধে মত ভেদ থাকিতে পারে কিন্তু কালিদাসের কীর্ত্তি অক্ষয়। যতদিন পৃথিবীতে মনুষ্যজাতি বাস করিবে ততদিন কালিদাসের মেঘদূত ও শকুন্তলার সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ হইয়া থাকিবে। কালিদাসের ন্যায় আর দুই এক জন কবি এই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করিয়াছেন কিনা সন্দেহ। কালিদাসের জীবনের কথা বিশেষ কিছু জানা যায় না তবে তিনি বোধহয় উজ্জয়িনীবাসী ছিলেন। তাঁহার গ্রন্থই তাঁহার জীবনের অপূর্ব্ব ইতিহাস ৷
{{ফাঁক}}{{larger|হর্ষবর্দ্ধন—}}থানেশ্বরের নিকটবর্ত্তী স্থানে ষষ্ঠ শতাব্দীর শেষ ভাগে প্রভাকর বর্দ্ধন নামে জনৈক রাজা বিশেষ ক্ষমতাশালী হন। ইতিহাস প্রসিদ্ধ মহারাজ হর্ষ বা শিলাদিত্য ইহারই পুত্র। প্রভাকর বর্দ্ধনের রাজ্যবর্দ্ধন ও হর্ষবৰ্দ্ধন নামে দুই পুত্র এবং রাজ্যশ্রী নাম্নী একটা বিদূষী কন্যা ছিলেন। কান্যকুব্জের রাজার সহিত রাজ্যশ্রীর বিবাহ হইয়াছিল। কর্ণ সুবর্ণের রাজা শশাঙ্ক কান্যকুব্জের রাজাকে নিহত করেন, তখন রাজ্যবর্দ্ধন পাঞ্জাবে হুনদিগের সহিত যুদ্ধে লিপ্ত ছিলেন। দেশে ফিরিয়া দেখেন রাজ্যশ্রী শত্রুর হস্ত হইতে নিষ্কৃতি পাইবার জন্য কোথায় পলাইয়া গিয়াছেন। অনেক অনুসন্ধান করিয়া ভগ্নীকে উদ্ধার করিলেন বটে, কিন্তু শশাঙ্ক তাঁহাকে ছলনা পূর্ব্বক হত্যা করে। রাজ্যবর্দ্ধনের মৃত্যুর পর হর্ষবর্দ্ধন রাজা হন ৷<noinclude></noinclude>
r2hpntb708gahxkch0y6y1fhilidzkp
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৫৩
104
880143
1949561
2026-05-22T06:48:46Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "তিনিই ভারতের শেষ হিন্দু-সম্রাট। মহারাজ হর্ষ সমুদায় আর্য্যাবৰ্ত্ত জয় করিয়া দক্ষিণে নৰ্ম্মদা নদী পর্য্যন্ত রাজ্য বিস্তার করেন। হর্ষ বৌদ্ধধৰ্ম্ম গ্রহণ করিয়াছিলেন। ত..." দিয়ে পাতা তৈরি
1949561
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|৩৩|হিন্দুরাজত্ব।}}</noinclude>তিনিই ভারতের শেষ হিন্দু-সম্রাট। মহারাজ হর্ষ সমুদায় আর্য্যাবৰ্ত্ত জয়
করিয়া দক্ষিণে নৰ্ম্মদা নদী পর্য্যন্ত রাজ্য বিস্তার করেন। হর্ষ বৌদ্ধধৰ্ম্ম
গ্রহণ করিয়াছিলেন। তিনি একজন সুলেখক ছিলেন। কাদম্বরী রচয়িতা
বাণভট্ট তাঁহারই সভায় ছিলেন। হর্ষবন্ধনের সময় প্রসিদ্ধ চীনভ্রমণকারী
হোয়েয়াংসাং ভারতবর্ষে আসেন৷ তাঁহার লিখিত বিবরণ হইতে সেই
সময়কার ভারতবর্ষের বিবরণ অনেক জানিতে পারা যায় ৷ ৬৪৮ খৃষ্টাব্দে
হর্ষবন্ধনের মৃত্যু হয় ।
{{কেন্দ্র|{{larger|বঙ্গদেশ, আদিশূর, বল্লাল ও লক্ষ্মণসেন।}}}}
{{ফাঁক}}মহারাজ হর্ষের সহিত কর্ণ সুবর্ণের ( অর্থাৎ বাঙ্গলার ) রাজা শশাঙ্ক
অতিশয় শত্রুতাচরণ করিয়াছিলেন। ইনি বৌদ্ধধর্ম্মের ঘোর বিদ্বেষী ও
হিন্দুধর্ম্মের পরিপোষক ছিলেন। এই সময় হইতেই বঙ্গদেশে হিন্দুধৰ্ম্মের
প্রভাব দেখা যায়। বৌদ্ধযুগে বঙ্গদেশে পালবংশীয় রাজারা রাজত্
করিতেন। তাঁহারা বৌদ্ধ ছিলেন বটে, কিন্তু হিন্দুদিগের প্রতি কোন
অত্যাচার করিতেন না। বঙ্গদেশে গৌড়ে ইহাদের রাজধানী ছিল।
পালরাজারা প্রজাদিগের পরম হিতৈষী ছিলেন। তাঁহাদের অনেক কীৰ্ত্তি
এখনও দেখা যায় ৷ পাল রাজারা বিক্রমশিলায় এক মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা
করেন। দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান নামে বিক্রমশিলার একজন বৌদ্ধ ছাত্র তীব্বতে
বৌদ্ধধর্ম প্রচার করিয়া চিরস্মরণীয় হইয়াছেন ৷
{{ফাঁক}}শশাঙ্কের পর বাঙ্গালার ইতিহাসে আদিশূর নামে একজন বিখ্যাত
হিন্দু রাজার নাম শুনিতে পাওয়া যায় । আদিশূর পরম হিন্দু ছিলেন ।
ঢাকা জেলার অন্তঃপাতী রামপালে তাঁহার রাজধানী ছিল। আদিশূর
পুত্রেষ্ঠিযজ্ঞ করিবার জন্য কাণ্যকুব্জ হইতে পাঁচজন বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ আনিয়া-
ছিলেন। কারণ বৌদ্ধধর্ম্মের প্রভাবে বাঙ্গালার ব্রাহ্মণেরা যাগযজ্ঞ করিতে<noinclude></noinclude>
5foxik1lbe8c9bozy5cuhe7511fhwxg
1949586
1949561
2026-05-22T10:26:36Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949586
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৩|হিন্দুরাজত্ব।}}</noinclude>তিনিই ভারতের শেষ হিন্দু-সম্রাট। মহারাজ হর্ষ সমুদায় আর্য্যাবৰ্ত্ত জয় করিয়া দক্ষিণে নৰ্ম্মদা নদী পর্য্যন্ত রাজ্য বিস্তার করেন। হর্ষ বৌদ্ধধৰ্ম্ম গ্রহণ করিয়াছিলেন। তিনি একজন সুলেখক ছিলেন। কাদম্বরী রচয়িতা বাণভট্ট তাঁহারই সভায় ছিলেন। হর্ষবর্দ্ধনের সময় প্রসিদ্ধ চীনভ্রমণকারী হোয়েয়াংসাং ভারতবর্ষে আসেন। তাঁহার লিখিত বিবরণ হইতে সেই সময়কার ভারতবর্ষের বিবরণ অনেক জানিতে পারা যায়। ৬৪৮ খৃষ্টাব্দে হর্ষবর্দ্ধনের মৃত্যু হয়।
{{কেন্দ্র|{{larger|বঙ্গদেশ, আদিশূর, বল্লাল ও লক্ষ্মণসেন।}}}}
{{ফাঁক}}মহারাজ হর্ষের সহিত কর্ণ সুবর্ণের (অর্থাৎ বাঙ্গলার) রাজা শশাঙ্ক অতিশয় শত্রুতাচরণ করিয়াছিলেন। ইনি বৌদ্ধধর্ম্মের ঘোর বিদ্বেষী ও হিন্দুধর্ম্মের পরিপোষক ছিলেন। এই সময় হইতেই বঙ্গদেশে হিন্দুধৰ্ম্মের প্রভাব দেখা যায়। বৌদ্ধযুগে বঙ্গদেশে পালবংশীয় রাজারা রাজত্ব করিতেন। তাঁহারা বৌদ্ধ ছিলেন বটে, কিন্তু হিন্দুদিগের প্রতি কোন অত্যাচার করিতেন না। বঙ্গদেশে গৌড়ে ইহাদের রাজধানী ছিল। পালরাজারা প্রজাদিগের পরম হিতৈষী ছিলেন। তাঁহাদের অনেক কীৰ্ত্তি এখনও দেখা যায় ৷ পাল রাজারা বিক্রমশিলায় এক মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান নামে বিক্রমশিলার একজন বৌদ্ধ ছাত্র তীব্বতে বৌদ্ধধর্ম প্রচার করিয়া চিরস্মরণীয় হইয়াছেন ৷
{{ফাঁক}}শশাঙ্কের পর বাঙ্গালার ইতিহাসে আদিশূর নামে একজন বিখ্যাত হিন্দু রাজার নাম শুনিতে পাওয়া যায় । আদিশূর পরম হিন্দু ছিলেন। ঢাকা জেলার অন্তঃপাতী রামপালে তাঁহার রাজধানী ছিল। আদিশূর পুত্রেষ্ঠিযজ্ঞ করিবার জন্য কাণ্যকুব্জ হইতে পাঁচজন বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ আনিয়াছিলেন। কারণ বৌদ্ধধর্ম্মের প্রভাবে বাঙ্গালার ব্রাহ্মণেরা যাগযজ্ঞ করিতে<noinclude></noinclude>
g39uhx1p6pj3zfvqic58wlotp4ffm7b
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৫৪
104
880144
1949562
2026-05-22T06:49:50Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "ভুলিয়া গিয়াছিল । এই পাঁচজন ব্রাহ্মণের সঙ্গে পাঁচজন কায়স্থও আসিয়া- ছিলেন । বঙ্গদেশের সমুদায় কুলীন ব্রাহ্মণ এবং কায়স্থ ইহাদেরই বংশধর । আদিশূরের পরবর্ত্তী বল্লাল সে..." দিয়ে পাতা তৈরি
1949562
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|৩৪|ভারতবর্ষের ইতিহাস।}}</noinclude>ভুলিয়া গিয়াছিল । এই পাঁচজন ব্রাহ্মণের সঙ্গে পাঁচজন কায়স্থও আসিয়া-
ছিলেন । বঙ্গদেশের সমুদায় কুলীন ব্রাহ্মণ এবং কায়স্থ ইহাদেরই বংশধর ।
আদিশূরের পরবর্ত্তী বল্লাল সেন বাঙ্গালা দেশের ব্রাহ্মণ ও কায়স্থদিগের
ভিতর কৌলীন্য প্রথার সৃষ্টি করেন। আদিশূরের আনীত ব্রাহ্মণ কায়স্থ-
দিগের তখন অনেক বংশাবলী হইয়াছিল, তাহাদের ভিতর গুণী ও বিদ্বান
দেখিয়া বল্লালসেন কুলীন করেন। কিন্তু কুলীনের পুত্রও কুলীন হইবে এই
নিয়ম করাতে বঙ্গদেশের বড়ই অনিষ্ট হইল। বল্লালসেনের এই কৌলিন্য
প্রথার অত্যন্ত কুফল দাঁড়াইল। বল্লালসেনের রাজধানীও রামপালেই
ছিল—কিন্তু তিনি গৌড় এবং নবদ্বীপে বাস করিতেন। বল্লালসেনের পুত্র
লক্ষ্মণসেন বঙ্গদেশের শেষ হিন্দু রাজা ৷ নিতান্ত বৃদ্ধ বয়সে ইনি গৌড় এবং
নবদ্বীপেই বাস করিতেন—তখন সহসা নহম্মদই বকতিয়ার খিলিজি নামক
একজন মুসলমান সেনাপতি লক্ষ্মণ সেনকে আক্রমণ করিলেন। (১২৯৮
খৃঃ অঃ ) কথিত আছে মহম্মদই বকতিয়ার খিলিজি সতের জনমাত্র অশ্বা-
রোহী লইয়া রাজবাটী আক্রমণ করিয়াছিলেন। পথে কেহ তাঁহার গতিরোধ
করে নাই। লক্ষ্মণ সেন সপরিবারে পূর্ব্ববঙ্গে পলাইয়া যান এবং তাঁহার
বংশধরেরা তথায় আরও কিছু দিন সামান্যভাবে রাজত্ব করিয়াছিল ।
তখন হইতে বঙ্গদেশে হিন্দু রাজা আর কেহ হয় নাই।
{{ফাঁক}}{{larger|দাক্ষিণাত্য—}}বিন্ধ্যাচলের দক্ষিণে ভারতবর্ষের যে অংশ,
তাহাকে দাক্ষিণাত্য বা দক্ষিণাপথ বলে ৷ দক্ষিণাপথেও অসভ্যজাতিরা
বাস করিত। রামায়ণে প্রথমে দাক্ষিণাত্যের কথা শুনিতে পাই। রামায়ণে
যে বানর ও রাক্ষসের কথা শুনি, তাহারই দাক্ষিণাত্য ও সিংহলের
অসভ্যজাতি ; এবং বোধ হয়, সেই সময় হইতেই দাক্ষিণাত্য হিন্দুদিগের
পরিচিত হয় ৷
{{ফাঁক}}অতি প্রাচীন সময়ে আমরা ভারতবর্ষের অতি দক্ষিণে পাণ্ড্য, চোল<noinclude></noinclude>
tl887zvxebpe15237y3nuex26dnp301
1949587
1949562
2026-05-22T10:31:17Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949587
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৪|ভারতবর্ষের ইতিহাস।}}</noinclude>ভুলিয়া গিয়াছিল । এই পাঁচজন ব্রাহ্মণের সঙ্গে পাঁচজন কায়স্থও আসিয়াছিলেন। বঙ্গদেশের সমুদায় কুলীন ব্রাহ্মণ এবং কায়স্থ ইহাদেরই বংশধর। আদিশূরের পরবর্ত্তী বল্লাল সেন বাঙ্গালা দেশের ব্রাহ্মণ ও কায়স্থদিগের ভিতর কৌলীন্য প্রথার সৃষ্টি করেন। আদিশূরের আনীত ব্রাহ্মণ কায়স্থদিগের তখন অনেক বংশাবলী হইয়াছিল, তাহাদের ভিতর গুণী ও বিদ্বান দেখিয়া বল্লালসেন কুলীন করেন। কিন্তু কুলীনের পুত্রও কুলীন হইবে এই নিয়ম করাতে বঙ্গদেশের বড়ই অনিষ্ট হইল। বল্লালসেনের এই কৌলিন্য প্রথার অত্যন্ত কুফল দাঁড়াইল। বল্লালসেনের রাজধানীও রামপালেই ছিল—কিন্তু তিনি গৌড় এবং নবদ্বীপে বাস করিতেন। বল্লালসেনের পুত্র লক্ষ্মণসেন বঙ্গদেশের শেষ হিন্দু রাজা। নিতান্ত বৃদ্ধ বয়সে ইনি গৌড় এবং নবদ্বীপেই বাস করিতেন—তখন সহসা মহম্মদই বকতিয়ার খিলিজি নামক একজন মুসলমান সেনাপতি লক্ষ্মণ সেনকে আক্রমণ করিলেন। (১২৯৮ খৃঃ অঃ) কথিত আছে মহম্মদই বকতিয়ার খিলিজি সতের জনমাত্র অশ্বারোহী লইয়া রাজবাটী আক্রমণ করিয়াছিলেন। পথে কেহ তাঁহার গতিরোধ করে নাই। লক্ষ্মণ সেন সপরিবারে পূর্ব্ববঙ্গে পলাইয়া যান এবং তাঁহার বংশধরেরা তথায় আরও কিছু দিন সামান্যভাবে রাজত্ব করিয়াছিল। তখন হইতে বঙ্গদেশে হিন্দু রাজা আর কেহ হয় নাই।
{{ফাঁক}}{{larger|দাক্ষিণাত্য—}}বিন্ধ্যাচলের দক্ষিণে ভারতবর্ষের যে অংশ, তাহাকে দাক্ষিণাত্য বা দক্ষিণাপথ বলে। দক্ষিণাপথেও অসভ্যজাতিরা বাস করিত। রামায়ণে প্রথমে দাক্ষিণাত্যের কথা শুনিতে পাই। রামায়ণে যে বানর ও রাক্ষসের কথা শুনি, তাহারই দাক্ষিণাত্য ও সিংহলের অসভ্যজাতি; এবং বোধ হয়, সেই সময় হইতেই দাক্ষিণাত্য হিন্দুদিগের পরিচিত হয়।
{{ফাঁক}}অতি প্রাচীন সময়ে আমরা ভারতবর্ষের অতি দক্ষিণে পাণ্ড্য, চোল<noinclude></noinclude>
71ug337o35vq3384yc3g92o1svhow2p
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৫৫
104
880145
1949563
2026-05-22T06:51:38Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "ও চের রাজ্যের কথা শুনিতে পাই ; তাহাতে বোধ হয়, অতি দক্ষিণে হিন্দুরা প্রথমে রাজ্য স্থাপন করিয়াছিলেন। এখন যেখানে মাছরা ও ত্রিনেল্লুবলি জেলা দেখা যায়, আগে সেখানেই পাণ্ড্য র..." দিয়ে পাতা তৈরি
1949563
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|৩৫|হিন্দুরাজত্ব।}}</noinclude>ও চের রাজ্যের কথা শুনিতে পাই ; তাহাতে বোধ হয়, অতি দক্ষিণে
হিন্দুরা প্রথমে রাজ্য স্থাপন করিয়াছিলেন। এখন যেখানে মাছরা ও
ত্রিনেল্লুবলি জেলা দেখা যায়, আগে সেখানেই পাণ্ড্য রাজ্য ছিল ৷
পাণ্ড্য রাজ্যের রাজধানী মাদুরা এখনও আছে । এখন যে সকল দেশে
তামিলভাষা প্রচলিত আছে সেই সকল দেশে চোল রাজ্য ছিল। চোল
রাজ্যের রাজধানী কাঞ্চী, এখন কাঞ্চীবরন হইয়াছে ৷ ইহা কাঞ্চীপুরম্
এই শব্দের অপভ্রংশ মাত্র। বিক্রমাদিত্যের সময়ে এ সকল রাজ্যও খুব
প্রতাপশালী ছিল।
{{ফাঁক}}{{larger|চেররাজ্য—}}পাণ্ড্যরাজ্যের পশ্চিমে ও আরবসাগরের উপকূলে
চের রাজ্য ছিল, এখন সেখানে কোয়েম্বাটুর, ত্রিবাঙ্কুর ও মালবার দেশ ৷
উত্তরে নর্মদা নদী ও দক্ষিণে কৃষ্ণা নদী, ইহার মধ্যে দুইটী রাজ্য
ছিল। একটী পূৰ্ব্বে, তাহার রাজধানীর নাম ওয়ারঙ্গল ; আর একটী
পশ্চিমে ছিল, যাহাকে এখন আমরা মহারাষ্ট্র ও কঙ্কণ দেশ বলি ।
নর্মদা নদীর তীর হইতে কৃষ্ণা নদীর তীর পর্যন্ত অন্ধ্র বংশীয় রাজগণ আর
একটী রাজ্য স্থাপন করেন; এক সময়ে সে রাজ্যের ক্ষমতা এত অধিক
হইয়াছিল যে, তাহার সমকক্ষ রাজ্য তখন ভারতবর্ষে আর ছিল না,
মগধেও তাঁহারা রাজ্য বিস্তার করিয়াছিলেন ।
{{ফাঁক}}{{larger|উড়িষ্যা—}}উড়িষ্যাদেশেও অতি প্রাচীনকালে আর্য্যগণ প্রবেশ
করিয়াছিলেন; এবং প্রায় সে দিন পর্য্যন্ত ( ১৫৫০ খৃষ্টাব্দে ) হিন্দু রাজারা
উড়িষ্যাতে রাজত্ব করিতেছিলেন। এখন যে ভুবনেশ্বরের সুন্দর মন্দির
দেখা যায়, তাহা কেশরীবংশের রাজারা নির্মাণ করিয়াছিলেন, এবং তাহার
অনেক পরে গঙ্গাবংশীয় রাজাদিগের সময়ে উড়িষ্যার বিখ্যাত জগন্নাথের
মন্দির নির্ম্মিত হয় । জগন্নাথ ক্ষেত্র এখন হিন্দুদিগের একটা প্রধান তীর্থ।
দাক্ষিণাত্যেও অনেক বড় বড় রাজ্য ছিল, তাহাদের এক এক রাজ্য এক<noinclude></noinclude>
1xhdqgpyjbsu6vte5kh7f062re373rc
1949588
1949563
2026-05-22T10:35:49Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949588
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৫|হিন্দুরাজত্ব।}}</noinclude>ও চের রাজ্যের কথা শুনিতে পাই; তাহাতে বোধ হয়, অতি দক্ষিণে হিন্দুরা প্রথমে রাজ্য স্থাপন করিয়াছিলেন। এখন যেখানে মাদুরা ও ত্রিনেল্লুবলি জেলা দেখা যায়, আগে সেখানেই পাণ্ড্য রাজ্য ছিল। পাণ্ড্য রাজ্যের রাজধানী মাদুরা এখনও আছে । এখন যে সকল দেশে তামিলভাষা প্রচলিত আছে সেই সকল দেশে চোল রাজ্য ছিল। চোল রাজ্যের রাজধানী কাঞ্চী, এখন কাঞ্চীবরম হইয়াছে ৷ ইহা কাঞ্চীপুরম্ এই শব্দের অপভ্রংশ মাত্র। বিক্রমাদিত্যের সময়ে এ সকল রাজ্যও খুব প্রতাপশালী ছিল।
{{ফাঁক}}{{larger|চেররাজ্য—}}পাণ্ড্যরাজ্যের পশ্চিমে ও আরবসাগরের উপকূলে চের রাজ্য ছিল, এখন সেখানে কোয়েম্বাটুর, ত্রিবাঙ্কুর ও মালবার দেশ। উত্তরে নর্মদা নদী ও দক্ষিণে কৃষ্ণা নদী, ইহার মধ্যে দুইটী রাজ্য ছিল। একটী পূৰ্ব্বে, তাহার রাজধানীর নাম ওয়ারঙ্গল; আর একটী পশ্চিমে ছিল, যাহাকে এখন আমরা মহারাষ্ট্র ও কঙ্কণ দেশ বলি। নর্মদা নদীর তীর হইতে কৃষ্ণা নদীর তীর পর্যন্ত অন্ধ্র বংশীয় রাজগণ আর একটী রাজ্য স্থাপন করেন; এক সময়ে সে রাজ্যের ক্ষমতা এত অধিক হইয়াছিল যে, তাহার সমকক্ষ রাজ্য তখন ভারতবর্ষে আর ছিল না, মগধেও তাঁহারা রাজ্য বিস্তার করিয়াছিলেন ।
{{ফাঁক}}{{larger|উড়িষ্যা—}}উড়িষ্যাদেশেও অতি প্রাচীনকালে আর্য্যগণ প্রবেশ করিয়াছিলেন; এবং প্রায় সে দিন পর্য্যন্ত (১৫৫০ খৃষ্টাব্দে) হিন্দু রাজারা উড়িষ্যাতে রাজত্ব করিতেছিলেন। এখন যে ভুবনেশ্বরের সুন্দর মন্দির দেখা যায়, তাহা কেশরীবংশের রাজারা নির্মাণ করিয়াছিলেন, এবং তাহার অনেক পরে গঙ্গাবংশীয় রাজাদিগের সময়ে উড়িষ্যার বিখ্যাত জগন্নাথের মন্দির নির্ম্মিত হয়। জগন্নাথ ক্ষেত্র এখন হিন্দুদিগের একটা প্রধান তীর্থ। দাক্ষিণাত্যেও অনেক বড় বড় রাজ্য ছিল, তাহাদের এক এক রাজ্য এক<noinclude></noinclude>
3g9muu0c7nyj851v0olmdyvlfii6t80
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৫৬
104
880146
1949564
2026-05-22T06:58:38Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "এক সময়ে প্রধান হইয়া, অন্য রাজ্য সকলকে অধীন করিয়া লইত। এইরূপে ভারতবর্ষে কত শত রাজ্য স্থাপিত হইয়াছিল। {{Img float | file = ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩) (page 23 crop).jpg | width = 500px | align = center |..." দিয়ে পাতা তৈরি
1949564
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|৩৬|ভারতবর্ষের ইতিহাস।}}</noinclude>এক সময়ে প্রধান হইয়া, অন্য রাজ্য সকলকে অধীন করিয়া লইত। এইরূপে ভারতবর্ষে কত শত রাজ্য স্থাপিত হইয়াছিল।
{{Img float
| file = ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩) (page 23 crop).jpg
| width = 500px
| align = center
| cap = ভুবনেশ্বরের মন্দির।}}
{{ফাঁক}}{{larger|হিন্দুদিগের সভ্যতা ও পাণ্ডিত্য—}}হিন্দুদিগের বিশ্বাসযোগ্য কোন ইতিহাস নাই বটে, কিন্তু ইহারা সেই ঋগ্বেদের সময় হইতে যে সকল অমূল্য গ্রন্থ রচনা করিয়া আসিতেছেন, তাহা হইতে ইতিহাসের<noinclude></noinclude>
8pkm39eh18xr6xlx4yt9shoconq3j4f
1949565
1949564
2026-05-22T06:59:56Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949565
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৬|ভারতবর্ষের ইতিহাস।}}</noinclude>এক সময়ে প্রধান হইয়া, অন্য রাজ্য সকলকে অধীন করিয়া লইত। এইরূপে ভারতবর্ষে কত শত রাজ্য স্থাপিত হইয়াছিল।
{{Img float
| file = ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩) (page 56 crop).jpg
| width = 500px
| align = center
| cap = ভুবনেশ্বরের মন্দির।}}
{{ফাঁক}}{{larger|হিন্দুদিগের সভ্যতা ও পাণ্ডিত্য—}}হিন্দুদিগের বিশ্বাসযোগ্য কোন ইতিহাস নাই বটে, কিন্তু ইহারা সেই ঋগ্বেদের সময় হইতে যে সকল অমূল্য গ্রন্থ রচনা করিয়া আসিতেছেন, তাহা হইতে ইতিহাসের<noinclude></noinclude>
jt1lprfbyh6hds538579382wht2xvxe
1949566
1949565
2026-05-22T07:00:15Z
BabulB
2144
1949566
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৬|ভারতবর্ষের ইতিহাস।}}</noinclude>এক সময়ে প্রধান হইয়া, অন্য রাজ্য সকলকে অধীন করিয়া লইত। এইরূপে ভারতবর্ষে কত শত রাজ্য স্থাপিত হইয়াছিল।
{{Img float
| file = ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩) (page 56 crop).jpg
| width = 400px
| align = center
| cap = ভুবনেশ্বরের মন্দির।}}
{{ফাঁক}}{{larger|হিন্দুদিগের সভ্যতা ও পাণ্ডিত্য—}}হিন্দুদিগের বিশ্বাসযোগ্য কোন ইতিহাস নাই বটে, কিন্তু ইহারা সেই ঋগ্বেদের সময় হইতে যে সকল অমূল্য গ্রন্থ রচনা করিয়া আসিতেছেন, তাহা হইতে ইতিহাসের<noinclude></noinclude>
3o71oaz4jiicn6ln4r4cnrlrnmtzmi6
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৫৭
104
880147
1949570
2026-05-22T07:08:24Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949570
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৭|হিন্দু রাজত্ব।}}</noinclude>কথা অনেক জানিতে পারা যায়। হিন্দুদিগের ন্যায় পুরাতন সুসভ্য জাতি পৃথিবীতে আর নাই। গ্রীক, রোমীয় প্রভৃতি জাতীয়েরা পুরাকালের সভ্য জাতি বলিয়া খ্যাত; হিন্দুরা তাঁহাদের অপেক্ষাও পুরাতন জাতি ৷ এমন একদিন ছিল, যখন জগতের লোক শ্রদ্ধা ও বিস্ময়ের সহিত ভারতের দিকে চাহিয়া থাকিত। জগতে কিছুই চিরদিন এক ভাবে থাকে না। হিন্দুরা দর্শনশাস্ত্র এমন জানিতেন যে, এখন ইউরোপীয়েরা তাহা দেখিয়া বিস্মিত হইতেছেন; জ্যোতির্বিদ্যাও হিন্দুরা বেশ জানিতেন; আর অঙ্ক ও বীজগণিতে হিন্দুরা অদ্বিতীয় ছিলেন। এখন আমরা যে দশমিক নিয়মে অঙ্ক কসি, হিন্দুরা কত সহস্র বৎসর পূর্ব্বে তাহা আবিষ্কার করেন। এখন সেই নিয়মেই সভ্য-জগতের লোক অঙ্ক কসিতেছে। ত্রিকোণমিতি, জ্যামিতি সবই এদেশে ছিল। হিন্দুরা এই সকল বিদ্যা অন্য জাতির নিকট শিখেন নাই; জগতের লোক তাঁহাদিগের নিকট শিখিয়াছে। হিন্দুদিগের মত ভাষা ও ব্যাকরণ (অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষা ও সংস্কৃত ব্যাকরণ) পৃথিবীর আর কোন জাতির নাই। এমন ভাষায় যাঁহারা মনের ভাব ব্যক্ত করিতেন, তাঁহাদিগকে শতবার প্রণাম করিতে হয়। কি প্ৰতিভা! কি পাণ্ডিত্য! সুন্দর অট্টালিকায় বাস ও সুন্দর পোষাক পরিলেই সুসভ্য জাতি হয় না; যাঁহাদের মনের ভাব উচ্চ, যাঁহাদের ধৰ্ম্মভাব সুন্দর তাঁহারাই সুসভ্য। হিন্দুজাতির আর এক গৌরবের বিষয় এই—হিন্দুরা বড়ই ধৰ্ম্মপ্রিয়; জীবনটাকে তাঁহারা আমোদ আহ্লাদ করিয়া কাটাইবার জিনিস ভাবিতেন না, ধৰ্ম্মলাভ করিবার জন্যই এই জীবন; পৃথিবীতে দুদিনের বাস, ইহা তাঁহারা সর্ব্বদা মনে করিতেন। তাঁহারা পৃথিবীর সকলই মিথ্যা ও মায়া ভাবিতেন। পৃথিবীর সুখ সুবিধাকে তুচ্ছ ভাবিতেন বলিয়াই, তাঁহারা ঐহিক বিষয়ে মন দেন নাই। সভ্যতার প্রধান লক্ষণ যেগুলি সেই অনুসারে হিন্দুরা অতি সভ্য।
{{nop}}<noinclude></noinclude>
9dtyuwax7ar3v9hmjx3twrb28r5409s
পাতা:ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf/৫৮
104
880148
1949571
2026-05-22T07:09:31Z
BabulB
2144
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "{{ফাঁক}}{{larger|মুসলমানদিগের ভারতবর্ষে আসিবার প্রাক্কালে রাজপুতজাতির উত্থান—}}মুসলমানগণ যখন এদেশে প্রথম আসেন, তখন তাঁহারা আর্য্যাবর্তে, রাজপুতানা অঞ্চলে রাজপুত নামে এক জাতি..." দিয়ে পাতা তৈরি
1949571
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="BabulB" />{{rvh|৩৮|ভারতবর্ষের ইতিহাস।}}</noinclude>{{ফাঁক}}{{larger|মুসলমানদিগের ভারতবর্ষে আসিবার প্রাক্কালে রাজপুতজাতির উত্থান—}}মুসলমানগণ যখন এদেশে প্রথম আসেন, তখন
তাঁহারা আর্য্যাবর্তে, রাজপুতানা অঞ্চলে রাজপুত নামে এক জাতি
দেখেন। হাহারাও হিন্দু, এবং ইহাদিগের তুল্য বীর জগতে ছিল না ।
অনেকে অনুমান করেন, ইহারা আর্য্য-সন্তান নহেন ; ভারতবর্ষে
সময়ে সময়ে শক প্রভৃতি যে সকল বিজাতীয়েরা আসিয়া বাস করিয়া-
ছিলেন, ইাহারা বোধ হয় সেই শক জাতি ৷ ৭৫০ হইতে ১০০০ খৃঃ
অব্দের মধ্যে রাজপুতেরা আর্য্যাবর্তের সকল পুরাতন রাজাকে পরাস্ত
করিয়া সর্ব্বে সৰ্ব্বা হইয়া উঠিলেন। মুসলমানেরা যখন এদেশে আসিলেন
তখন পাঞ্জাবে, দিল্লীতে, আজমীঢ়ে, কান্যকুব্জে, বারাণসীতে সৰ্ব্বত্রই
রাজপুতেরা রাজত্ব করিতেছিলেন। এত বড় বীরজাতি থাকিতে মুসল-
মানেরা এদেশ কিরূপে জয় করিলেন তাহা ভাবিলে আশ্চর্য্য বোধ হয় ৷
যদি রাজপুত জাতিসকলের মধ্যে একতা থাকিত, তাহা হইলে তাঁহারা এত
সহজে কখন পরাজিত হইতেন না ।
যখন মুসলমানেরা প্রথম এদেশে
আসিলেন, তখন পৃথ্বীরায় দিল্লী ও আজমীঢ়ের রাজা ছিলেন । কা-
কুব্জের রাজা জয়চন্দ্রের সহিত কোনও কারণে পৃথ্বীরায়ের বিবাদ ছিল।
কান্যকুব্জের রাজার কন্যা সংযুক্তার স্বয়ম্বর উপস্থিত হইল । দেশ বিদেশের
রাজারা বিবাহের জন্য আসিলেন, পৃথ্বীরায় আসিলেন না । জয়চন্দ্র পৃথ্বী-
রায়কে অপমানিত করিবার জন্য তাহার এক মূর্ত্তি গড়িয়া, দ্বারদেশে
দ্বারবান্ করিয়া রাখিলেন। স্বয়ম্বর সভায় সংযুক্তা মালা হাতে করিয়া,
একে একে সকল রাজাকে ছাড়িয়া পৃথ্বীরায়ের মূর্ত্তির গলায় মালা
এরূপ কথিত আছে, পৃথ্বীরায় কাছেই লুকাইয়াছিলেন, তিনি
দিলেন ৷
সংযুক্তাকে হরণ করিয়া লইয়া গেলেন ৷
দুই রাজায় ঘোর শত্রুতা বাধিয়া গেল ৷
জয়চন্দ্র তাঁহাকে ছাড়িলেন না ।
জয়চন্দ্র পৃথ্বীরায়ের সঙ্গে একা না<noinclude></noinclude>
rid502azhkuhnd82r2x3p1xay7nu4n5
1949574
1949571
2026-05-22T07:27:43Z
BabulB
2144
/* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */
1949574
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="BabulB" />{{rvh|৩৮|ভারতবর্ষের ইতিহাস।}}</noinclude>{{ফাঁক}}{{larger|মুসলমানদিগের ভারতবর্ষে আসিবার প্রাক্কালে রাজপুতজাতির উত্থান—}}মুসলমানগণ যখন এদেশে প্রথম আসেন, তখন তাঁহারা আর্য্যাবর্তে, রাজপুতানা অঞ্চলে রাজপুত নামে এক জাতি দেখেন। {{SIC|ইাহারাও|ইহারাও}} হিন্দু, এবং ইহাদিগের তুল্য বীর জগতে ছিল না। অনেকে অনুমান করেন, ইহারা আর্য্য-সন্তান নহেন; ভারতবর্ষে সময়ে সময়ে শক প্রভৃতি যে সকল বিজাতীয়েরা আসিয়া বাস করিয়াছিলেন, ইাহারা বোধ হয় সেই শক জাতি ৷ ৭৫০ হইতে ১০০০ খৃঃ অব্দের মধ্যে রাজপুতেরা আর্য্যাবর্তের সকল পুরাতন রাজাকে পরাস্ত করিয়া সর্ব্বে সৰ্ব্বা হইয়া উঠিলেন। মুসলমানেরা যখন এদেশে আসিলেন তখন পাঞ্জাবে, দিল্লীতে, আজমীঢ়ে, কান্যকুব্জে, বারাণসীতে সৰ্ব্বত্রই রাজপুতেরা রাজত্ব করিতেছিলেন। এত বড় বীরজাতি থাকিতে মুসলমানেরা এদেশ কিরূপে জয় করিলেন তাহা ভাবিলে আশ্চর্য্য বোধ হয় ৷ যদি রাজপুত জাতিসকলের মধ্যে একতা থাকিত, তাহা হইলে তাঁহারা এত সহজে কখন পরাজিত হইতেন না। যখন মুসলমানেরা প্রথম এদেশে আসিলেন, তখন পৃথ্বীরায় দিল্লী ও আজমীঢ়ের রাজা ছিলেন। কান্যকুব্জের রাজা জয়চন্দ্রের সহিত কোনও কারণে পৃথ্বীরায়ের বিবাদ ছিল। কান্যকুব্জের রাজার কন্যা সংযুক্তার স্বয়ম্বর উপস্থিত হইল। দেশ বিদেশের রাজারা বিবাহের জন্য আসিলেন, পৃথ্বীরায় আসিলেন না। জয়চন্দ্র পৃথ্বীরায়কে অপমানিত করিবার জন্য তাহার এক মূর্ত্তি গড়িয়া, দ্বারদেশে দ্বারবান্ করিয়া রাখিলেন। স্বয়ম্বর সভায় সংযুক্তা মালা হাতে করিয়া, একে একে সকল রাজাকে ছাড়িয়া পৃথ্বীরায়ের মূর্ত্তির গলায় মালা দিলেন। এরূপ কথিত আছে, পৃথ্বীরায় কাছেই লুকাইয়াছিলেন, তিনি সংযুক্তাকে হরণ করিয়া লইয়া গেলেন। জয়চন্দ্র তাঁহাকে ছাড়িলেন না। দুই রাজায় ঘোর শত্রুতা বাধিয়া গেল। জয়চন্দ্র পৃথ্বীরায়ের সঙ্গে একা না<noinclude></noinclude>
4cbxc6lhfaoc2cunql4g27dq7ya7bos
ভারতবর্ষের ইতিহাস (হেমলতা দেবী)/পঞ্চম পরিচ্ছেদ
0
880149
1949589
2026-05-22T10:37:16Z
BabulB
2144
"<pages index="ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf" from=50 to=59 header=1/> {{page break|label=}} {{smallrefs|85%}}" দিয়ে পাতা তৈরি
1949589
wikitext
text/x-wiki
<pages index="ভারতবর্ষের ইতিহাস - হেমলতা দেবী (১৯১৩).pdf" from=50 to=59 header=1/>
{{page break|label=}}
{{smallrefs|85%}}
l3oulxu0gvimm81guior7kc4i8hujez
পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/১২
104
880150
1949590
2026-05-22T10:37:55Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "{{কেন্দ্র|'''২। সরকারী বিভাগের কার্যক্রম—'''}} {| {{ts|mc|w80}} |-{{ts|ac}} |- |(ক) যান্ত্রিক পদ্ধতিতে কৃষি |{{ts|ar}} | ৩৬২.৪ |(ঝ) মাটি সংরক্ষণ |{{ts|ar}} | ২৩.৪ |- |(খ) মাটি |{{ts|ar}} |৩৫.০ |(ঞ) খাদ্যশস্যের গুদামব্যবস্থা |{{ts|ar}} |৮..." দিয়ে পাতা তৈরি
1949590
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="1" user="ROCKY" /></noinclude>{{কেন্দ্র|'''২। সরকারী বিভাগের কার্যক্রম—'''}}
{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
|-
|(ক) যান্ত্রিক পদ্ধতিতে কৃষি
|{{ts|ar}} | ৩৬২.৪
|(ঝ) মাটি সংরক্ষণ
|{{ts|ar}} | ২৩.৪
|-
|(খ) মাটি
|{{ts|ar}} |৩৫.০
|(ঞ) খাদ্যশস্যের গুদামব্যবস্থা
|{{ts|ar}} |৮২৭.২
|-
|(গ) কৃষিগত অর্থ নীতি ও সংখ্যাতত্ত্ব
|{{ts|ar}} |১৮.৩
|(ট) কলোনী গঠন
|{{ts|ar}} |৫৯.০
|-
|(ঘ) কৃষিদ্রব্যের বাজার
|{{ts|ar}} |৫.৯
|(ঠ) পশুপালন
|{{ts|ar}} |৪১৯.২
|-
|(ঙ) কৃষিগবেষণার জমিপ্রয়োগ
|{{ts|ar}} | ১২৫.৫০
|(ড) বনোন্নয়ন
|{{ts|ar}} |৭৪১.৪
|-
|(চ) কৃষি গবেষণা
|{{ts|ar}} | ১৩৯.৩
|(ঢ) মাছ
|{{ts|ar}} |২৫৮.২
|-
|(ছ) কৃষি শিক্ষা
|{{ts|ar}} | ১৭.৫
|(ণ) ভূমিব্যবস্থা সংস্কার
|{{ts|ar}} |৫২৮.০
|-
|(জ) কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
|{{ts|ar}} |৫২১.৬
|(ত) সমবায় ও কৃষি ঋণ
|{{ts|ar}} |৭৫.০
|}
{{কেন্দ্র|'''মোট ৩৬৫.০ লক্ষ টাকা'''}}
{{কেন্দ্র|৩। আঞ্চলিক কার্যক্রম—}}
(ক) অনুন্নত অঞ্চল
১৮°০ (খ) আদর্শ পরিকল্পনা
989°0
মোট
৩৬৫.০ লক্ষ টাকা
হয়।
৪। নিয়াদী গণতন্ত্রের মাধ্যমে পল্লী উন্নয়ন—৭৭০.০
সর্বমোট —৯২৮০.৬ লক্ষ টাকা
পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
১৯৬১ সালের অক্টোবর মাসে পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন সংগঠিত
সরবরাহ শাখা ও 'ফিল্ড' শাখা গঠনের জন্য উপযোগী কর্মচারী সংগ্রহ করতে
স্বভাবতই কিছুটা সময় ব্যয়িত হয়। দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মীর অভাব দূর করবার উদ্দেশ্যে
কর্পোরেশন একটি ট্রেনিং কার্যক্রম গ্রহণ করেন। এই কার্যক্রম অনুযায়ী ২০ জন কর্মচারীকে
বিদেশে পাঠিয়ে ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে ; সঙ্গে সঙ্গে কর্পোরেশন ২৪ জন কর্মচারীকে বিভিন্ন
শাখায় দেশেই ট্রেনিং দিচ্ছে। বিশেষ করে বৈদ্যুতিক পাম্প ব্যবহারের জন্যে এক হাজার
কর্মীর ট্রেনিংও শরু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বিদেশী বিশেষজ্ঞও সংগৃহীত হয়েছে ও
হচ্ছে। কৃষি উন্নয়নের সমস্যার বৈশিষ্ট্যের জন্যেই এই জাতীয় কর্পোরেশনের সংগঠন
দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করা প্রয়োজন। সরকার সে ব্যাপারে অর্থবরাদ্দ ও বিশেষজ্ঞ সংগ্রহ
করে' সাহায্য করছেন।
সরবরাহ শাখা—কর্পোরেশন সরবরাহ শাখার মারফতে সারা প্রদেশে বীজ, সার
ইত্যাদি বিতরণ করবে। কর্পোরেশন এই কাজের পরিধি ক্রমশ বাড়িয়ে পাঁচ থেকে দশ
বৎসরের মধ্যেই প্রদেশব্যাপী সরবরাহের দায়িত্ব সম্পাদন করার আশা করছে। উত্তম<noinclude>{{বাম|৮}}</noinclude>
oqqk0e8whdmegcl2jlz0vm98w2qwazq
1949591
1949590
2026-05-22T10:44:51Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1949591
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{{কেন্দ্র|'''২। সরকারী বিভাগের কার্যক্রম—'''}}
{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
|-
|(ক) যান্ত্রিক পদ্ধতিতে কৃষি
|{{ts|ar}} | ৩৬২.৪
|(ঝ) মাটি সংরক্ষণ
|{{ts|ar}} | ২৩.৪
|-
|(খ) মাটি
|{{ts|ar}} |৩৫.০
|(ঞ) খাদ্যশস্যের গুদামব্যবস্থা
|{{ts|ar}} |৮২৭.২
|-
|(গ) কৃষিগত অর্থ নীতি ও সংখ্যাতত্ত্ব
|{{ts|ar}} |১৮.৩
|(ট) কলোনী গঠন
|{{ts|ar}} |৫৯.০
|-
|(ঘ) কৃষিদ্রব্যের বাজার
|{{ts|ar}} |৫.৯
|(ঠ) পশুপালন
|{{ts|ar}} |৪১৯.২
|-
|(ঙ) কৃষিগবেষণার জমিপ্রয়োগ
|{{ts|ar}} | ১২৫.৫০
|(ড) বনোন্নয়ন
|{{ts|ar}} |৭৪১.৪
|-
|(চ) কৃষি গবেষণা
|{{ts|ar}} | ১৩৯.৩
|(ঢ) মাছ
|{{ts|ar}} |২৫৮.২
|-
|(ছ) কৃষি শিক্ষা
|{{ts|ar}} | ১৭.৫
|(ণ) ভূমিব্যবস্থা সংস্কার
|{{ts|ar}} |৫২৮.০
|-
|(জ) কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
|{{ts|ar}} |৫২১.৬
|(ত) সমবায় ও কৃষি ঋণ
|{{ts|ar}} |৭৫.০
|}
{{কেন্দ্র|'''মোট ৩৬৫.০ লক্ষ টাকা'''}}
{{কেন্দ্র|৩। আঞ্চলিক কার্যক্রম—}}
{| {{ts|mc|w80}}
|-{{ts|ac}}
|-
|(ক) অনুন্নত অঞ্চল
|{{ts|ar}} | ১৮.০
|(খ) আদর্শ পরিকল্পনা
|{{ts|ar}} | ৩৪৭.০
|}
{{কেন্দ্র|মোট ৩৬৫.০ লক্ষ টাকা</br>
৪। নিয়াদী গণতন্ত্রের মাধ্যমে পল্লী উন্নয়ন—৭৭০.০</br>
সর্বমোট—৯২৮০.৬ লক্ষ টাকা}}
{{কেন্দ্র|'''পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন'''}}
{{ফাঁক}}১৯৬১ সালের অক্টোবর মাসে পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন সংগঠিত হয়। সরবরাহ শাখা ও 'ফিল্ড' শাখা গঠনের জন্য উপযোগী কর্মচারী সংগ্রহ করতে স্বভাবতই কিছুটা সময় ব্যয়িত হয়। দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মীর অভাব দূর করবার উদ্দেশ্যে কর্পোরেশন একটি ট্রেনিং কার্যক্রম গ্রহণ করেন। এই কার্যক্রম অনুযায়ী ২০ জন কর্মচারীকে বিদেশে পাঠিয়ে ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে; সঙ্গে সঙ্গে কর্পোরেশন ২৪ জন কর্মচারীকে বিভিন্ন শাখায় দেশেই ট্রেনিং দিচ্ছে। বিশেষ করে বৈদ্যুতিক পাম্প ব্যবহারের জন্যে এক হাজার কর্মীর ট্রেনিংও শরু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বিদেশী বিশেষজ্ঞও সংগৃহীত হয়েছে ও হচ্ছে। কৃষি উন্নয়নের সমস্যার বৈশিষ্ট্যের জন্যেই এই জাতীয় কর্পোরেশনের সংগঠন দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করা প্রয়োজন। সরকার সে ব্যাপারে অর্থবরাদ্দ ও বিশেষজ্ঞ সংগ্রহ করে' সাহায্য করছেন। সরবরাহ শাখা—কর্পোরেশন সরবরাহ শাখার মারফতে সারা প্রদেশে বীজ, সার ইত্যাদি বিতরণ করবে। কর্পোরেশন এই কাজের পরিধি ক্রমশ বাড়িয়ে পাঁচ থেকে দশ বৎসরের মধ্যেই প্রদেশব্যাপী সরবরাহের দায়িত্ব সম্পাদন করার আশা করছে। উত্তম<noinclude>{{বাম|৮}}</noinclude>
64v84vbk7r6ivb4gfccrrftbd4qzedb
পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/২৮
104
880151
1949596
2026-05-22T10:53:26Z
ROCKY
2687
/* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */
1949596
proofread-page
text/x-wiki
<noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{{dhr|20em}}
{{Block center|{{কেন্দ্র|রিজিওনাল ইনফরমেশন অফিস,</br>
গভর্ণমেন্ট অব পাকিস্তান, ঢাকা</br>
কর্তৃক প্রকাশিত।}}}}<noinclude>{{nop}}</noinclude>
7ehdt15xit0umv9xyp4tjxmjegr585t