উইকিসংকলন bnwikisource https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%A8:%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.12 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিসংকলন উইকিসংকলন আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা লেখক লেখক আলাপ নির্ঘণ্ট নির্ঘণ্ট আলাপ পাতা পাতা আলাপ প্রবেশদ্বার প্রবেশদ্বার আলাপ প্রকাশক প্রকাশক আলোচনা রচনা রচনা আলাপ অনুবাদ অনুবাদ আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা টুনটুনির বই/টুনটুনি আর রাজার কথা 0 1276 1990807 1705181 2026-07-27T13:18:41Z ~2026-41897-43 22324 modern style 1990807 wikitext text/x-wiki {{No source}} {{header |title=[[টুনটুনির বই]] |section =টুনটুনি আর রাজার কথা |previous =[[টুনটুনি আর নাপিতের কথা]] |next = [[নরহরি দাস]] |notes = |author =উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী |year = |notes = |portal = |categories =টুনটুনির বই}} <div style="padding-left:2em;font-size:1.3em"> রাজার বাগানের কোণে টুনটুনির বাসা ছিল। রাজার সিন্দুকের টাকা রোদে শুকুতে দিয়েছিল, সন্ধ্যার সময় তার লোকেরা তার একটি taka ঘরে তুলতে ভুলে গেল। টুনটুনি সেই চকচকে টাকাটি দেখতে পেয়ে তার বাসায় এনে রেখে দিলে, আর ভাবলে, ‘ঈস! আমি কত বড়লোক হয়ে গেছি। রাজার ঘরে যে ধন আছে, আমার ঘরে সে ধন আছে!’ তারপর থেকে সে খালি এই কথাই ভাবে, আর বলে- রাজার ঘরে যে ধন আছে টুনির ঘরেও সে ধন আছে! রাজা তাঁর সভায় বসে সে কথা শুনতে পেয়ে জিগগেস করলেন, ‘হ্যাঁরে? পাখিটা কি বলছে রে?’ সকলে হাত জোড় করে বললে, ‘মহারাজ, পাখি বলছে, আপনার ঘরে যে ধন আছে, ওর ঘরেও নাকি সেই ধন আছে!’ শুনে রাজা খিলখিল করে হেসে বললেন, ‘দেখ তো ওর বাসায় কি আছে?’ তারা দেখে এসে বললে, ‘মহারাজ, বাসায় একটা টাকা আছে।’ শুনে রাজা বললেন, ‘সে তো আমারই টাকা, নিয়ে আয় সেটা।’ তখুনি লোক গিয়ে টুনটুনির বাসা থেকে টাকাটি নিয়ে এল। সে বেচারা আর কি করে, সে মনের দুঃখে বলতে লাগল- ‘রাজা বড় ধনে কাতর টুনির ধন নিলে বাড়ির ভিতর!’ শুনে রাজা আবার হেসে বললেন, ‘পাখিটা তো বড় ঠ্যাঁটা রে! যা ওর টাকা ফিরিয়ে দিয়ে আয়।’ টাকা ফিরে পেয়ে টুনির বড় আনন্দ হয়েছে। তখন সে বলছে- ‘রাজা ভারি ভয় পেল টুনির টাকা ফিরিয়ে দিল।’ রাজা জিগগেস করলেন, ‘আবার কি বলছে রে?’ সভার লোকেরা বললে, ‘বলছে যে মহারাজ নাকি বড্ড ভয় পেয়েছেন, তাই ওর টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন।’ শুনে তো রাজামশাই রেগে একেবারে অস্থির! বললেন, ‘কি, এত বড় কথা! আন তো ধরে, বেটাকে ভেজে খাই!’ যেই বলা, অমনি লোক গিয়ে টুনটুনি বেচারাকে ধরে আনলে। রাজা তাকে মুঠোয় করে নিয়ে বাড়ির ভিতর গিয়ে রানীদের বললেন, ‘এই পাখিটাকে ভেজে আজ আমাকে খেতে হবে!’ বলে তো রাজা চলে এসেছেন, আর রানীরা সাতজনে মিলে সেই পাখিটাকে দেখছেন। একজন বললেন, ‘কি সুন্দর পাখি! আমার হাতে দাও তো একবার দেখি।’ বলে তিনি তাকে হাতে নিলেন। তা দেখে আবার একজন দেখতে চাইলেন। তাঁর হাত থেকে যখন আর-একজন নিতে গেলেন, তখন টুনটুনি ফসকে গিয়ে উড়ে পালাল। কি সর্বনাশ! এখন উপায় কি হবে? রাজা জানতে পারলে তো রা থাকবে না। এমনি করে তাঁরা দুঃখ করছেন, এমন সময় ব্যাঙ সেইখান দিয়ে থপ-থপ করে যাচ্ছে। সাত রানী তাকে দেখতে পেয়ে খপ করে ধরে ফেললেন, আর বললেন, ‘চুপ চুপ! কেউ যেন জানতে না পারে। এইটেকে ভেজে দি, আর রাজামশাই খেয়ে ভাববেন টুনটুনিই খেয়েছেন!’ সেই ব্যাঙটার ছাল ছাড়িয়ে তাকে ভেজে রাজামশাইকে দিলে তিনি খেয়ে খুশি হলেন। তারপর সবে তিনি সভায় গিয়ে বসেছেন, আর ভাবছেন, ‘এবারে পাখির বাছাকে জব্দ করেছি।’ অমনি টুনি বলছে- ‘বড় মজা, বড় মজা, রাজা খেলেন ব্যাঙ ভাজা!’ শুনেই তো রাজামশাই লাফিয়ে উঠেছেন। তখন তিনি থুতু ফেলেন, ওয়াক তোলেন, মুখ ধোন, আরো কত কি করেন। তারপর রেগে বললেন, ‘সাত রানীর নাক কেটে ফেল।’ অমনি জল্লাদ গিয়ে সাত রানীক নাক কেটে ফেললে। তা দেখে টুনটুনি বললে- ‘এই টুনিতে টুনটুনাল সাত রানীর নাক কাটাল!’ তখন রাজা বললেন, ‘আন বেটাকে ধরে! এবার গিলে খাব! দেখি কেমন করে পালায়!’ টুনটুনিকে ধরে আনলে। রাজা বললেন, ‘আন জল!’ জল এল। রাজা মুখ ভরে জল নিয়ে টুনটুনিকে মুখে পুরেই চোখ বুজে ঢক করে গিলে ফেললেন। সবাই বললে, ‘এবারে পাখি জব্দ!’ বলতে বলতেই রাজামশাই ভোক্‌ করে মস্ত একটা ঢেকুর তুললেন। সভার লোক চমকে উঠল, আর টুনটুনি সেই ঢেকুরের সঙ্গে বেরিয়ে এসে উড়ে পালালো। রাজা বললেন, ‘গেল, গেল! ধর্‌ ধর্‌!’ অমনি দুশো লোক ছুটে গিয়ে আবার বেচারাকে ধরে আনলো। তারপর আবার জল নিয়ে এল, আর সিপাই এসে তলোয়ার নিয়ে রাজা মশায়ের কাছে দাঁড়াল, টুনটুনি বেরুলেই তাকে দু টুকরো করে ফেলবে। এবার টুনটুনিকে গিলেই রাজামশাই দুই হাতে মুখ চেপে বসে থাকলেন, যাতে টুনটুনি আর বেরুতে না পারে। সে বেচারা পেটের ভিতরে গিয়ে ভয়ানক ছটফট করতে লাগল! খানিক বাদে রাজামশাই নাক সিঁটকিয়ে বললেন, ‘ওয়াক্‌।’ অমনি টুনটুনিকে সুদ্ধ তাঁর পেটের ভিতরের সকল জিনিস বেরিয়ে এল। সবাই বললে, ‘সিপাই, সিপাই! মারো, মারো! পালালো!’ সিপাই তাতে থতমত খেয়ে তলোয়ার দিয়ে যেই টুনটুনিকে মারতে যাবে, অমনি সেই তলোয়ার টুনটুনির গায়ে না পড়ে, রাজামশায়ের নাকে পড়ল। রাজামশাই তো ভয়ানক চ্যাঁচালেন, সঙ্গে-সঙ্গে সভার সকল লোক চ্যাঁচাতে লাগল। তখন ডাক্তার এসে ওধুধ দিয়ে পটি বেঁধে অনেক কষ্টে রাজামশাইকে বাঁচাল। টুনটুনি তা দেখে বলতে লাগল- ‘নাক-কাটা রাজা রে। দেখ তো কেমন সাজা রে!’ বলেই সে উড়ে সে-দেশ থেকে চলে গেল। রাজার লোক ছুটে এসে দেখল, খালি বাসা পড়ে আছে। </div> [[বিষয়শ্রেণী:শিশু সাহিত্য]] [[বিষয়শ্রেণী:উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী]] 4z0tbxjyud88civ5mkx2yrrokt7u2g4 টেমপ্লেট:ALL PAGES 10 9621 1990813 1990804 2026-07-28T07:02:49Z SodiumBot 19245 বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে 1990813 wikitext text/x-wiki 561681 mvb71soi8kmsj3vl4hu4hr34314ermn টেমপ্লেট:PR TEXTS 10 9622 1990814 1990805 2026-07-28T07:02:59Z SodiumBot 19245 বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে 1990814 wikitext text/x-wiki 19670 ayo5nflwoh1nybolmc8wj7uw59b9lqq টেমপ্লেট:PR PERCENT 10 9624 1990815 1940658 2026-07-28T07:03:19Z SodiumBot 19245 বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে 1990815 wikitext text/x-wiki 99.99 rel33bd56zjfug9d2h2uvn5a4v84714 পাতা:শিশু-ভারতী - সপ্তম খণ্ড.djvu/৪১০ 104 269538 1990810 1253597 2026-07-28T05:14:28Z ~2026-41887-71 22331 য়ু ণ 1990810 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="202.134.14.141" /></noinclude>{{blockquote/s}}ণi শিশু-ভারতী দক্ষিণ আফিকার সোণার পনিতে সোণার যে দাম, KBB BBB BSJB BBBS BB BB BSB BB ন। এই ঃি সব দেখিলে রূপাপ তুলনায় সোণাই মুদ্রা শুইবার পেশী উপযোগী । সোণ-রূপ। কপু রাদিল মত উবিয়া যায় না ત્રા માછ-tt:નઃ મ" જાગ્મિા છે રેસા ગામ મા । তাই সোণার মূল্য কখন সময়ের সঙ্গে বাড়ে-কমে না । সোণায় মরিচ ধরে না যে কিছুকাল জমা বরির রাশিলে ৩াহার মূল্য কমিয়া যাইবে । তাই লঙ্কার তৈরীর জন্য সোণ এত অধিক ব্যবহৃত হুইগ থাকে। প্রায় ছয় সংস্র বৎসর পূৰ্ব্বে মিশর দেশে যে সকল স্বর্ণ নিৰ্ম্মিত অলঙ্কার প্রচলিত ছিল, আজ ও তাত সমান উজ্জল অ’ছে । এই গুণের জন্যই লোকে যখন ধন সঞ্চয় করিয়া মাটিতে পুতি পথে বা লোহার সিন্দুকে চাবি দিয়া রাখে, তখন সোণ-রূপারই আশয় লয়। বিভিন্ন পনির সোণার রং একটু আপটু পৃথক *ইতে পারে কিন্তু তার জষ্ঠ ধাতুব মূল্য পৃথক হয় না। ক্যালিফোৰ্ণিয়াব খনি চাইতে উঠান এক সের খাট সোণার বিনিময়-মুণ্য অষ্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ধ। দক্ষিণাত ইষ্টতে পাওয়া এক সের গট সোণার সমান হয়। অপর কোন পণ্যই 3: 2 || || -1 || এক ভরির একটা সোণার তাল পিটিয়া যতথাণি ইচ্ছ। লম্ব তার তৈরী করিতে পারা যায় ; সেই তারকে কাটিয়া কাটিয়া ক্ষুদ্রতম অংশে পি ভক্ত করা যায়। আবার সেই ক্ষুদ্র অংশগুলিকে গলষ্টয়া লইলে ঠিক সেই এক ভরি সোণাই পাওয়া খাই বে। সোণকে এইভাবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করিলেও তাছার মূল্যের পরিবর্তন ছয় না। একটা বড় সোণার তাচকে যদি দশ থগু করা যাস, তবে ঐ দশ খণ্ডের মূল্য শ বছৎ তালটির সমানষ্ট হইবে, খ গু করা হইয়াছে বলিয়৷ মূল্যের বে1ণ পরিপক্তন হইবে না এবং ঐ এক একটি খণ্ডের মুল্য দশ ভাগের একভাগ বে। কেহ কেহু চীরককে টাক; পড়ি প্রযাস পাইয়াছেন, কিন্তু হীরকের এই গুণটি নাই। দশ রতি ওজনের একটি টুকর ধারার মূল্য এক রতি ওজনের একটা হীরার মূল্যের দশগুণের অনেক বেশী। রাসায়নিক প্রক্রিয়া দ্বাবা যদি সোণ-রূপ। করিতে উৎপাদন সহজেই করা যাইত বা মাটি খুঁড়িয়া যদি শত সংস্র মণ সোণ! তোলা সম্ভব হুইত, তবে যোগান কম বেশী হওয়ার জন্য মূল্য বাড়িত বা কর্মিত। সোণ অতি মূল্যবান, দুষ্প্রাপ্য ধাতু এবং সোণ উৎপাদন করিতে খরচও হয় যথেষ্ট ; তাই মূলোর তারতম্য চওয়ার সম্ভাবনাও অল্প । থাটি সোণ বা রূপ দিয়া বখনে মুদ্র তৈয়ারী করা হয় না। সোণ-রূপার গহি৩ খাপ না মিশাইলে উচিত মত শক্ত হয় না, নরম পাকিয়া যায় এবং সহজে ক্ষয়প্রাপ্ত হইতে পারে । তাই সাধারণত: কিঞ্চিৎ পরিমাণ পদ মিলাইয়। মুদ। তৈয়ারী করা হয়। সোণার সঠিত রূপ ও তাম এবং রূপার সখিত তামার পদ দেওয়া হয় । যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণমুদ্রায পদ থাকে দশভাগের এক ভাগ আর যুক্ত পাজ্যে স্বর্ণমুদায় পদ থাকে বীর ভাগের এক ভাগ । મtમ સત્ર, 4 | જિમિ નકેરા નાકૃtb|કો করিতে কবিতে জলস্ত চুল্লীর মধ্যে পড়িয় গেল : যখন সেটিকে উদ্ধার করিলে দেখিলে গিনিট গলিয়া গিরা একট। তাল পাপ চয়ছে। এখন সোণার তালটি বিক্রয় করিতে চাচিলে যদি লোকে তোমায পনেরো টাকা দেয়, তাই ইলে এটা তুমি বুধিলে যে গিনি হিসাবে ঐ স্বর্ণখণ্ডটির যে মূল্য ছিল ধাতু হিসাবেও উহার সেই মূল্য বজায় আছে অর্থাৎ সংক্ষেপে বলিতে পারি যে গিনিটির ধাতুমূল্য এবং যুদধূলা সমান। প্রত্যেক দেশের গভর্ণমেণ্ট এমন সব মুদ্রা ছাড়েন যাহার মুদ্রা-মূল ধাতুমূলী অপেক্ষ অধিক । সাধারণতঃ তামার ও ব্রোঞ্জের তৈরী মুদ্রগুলি এই শ্রেণীতে পড়ে ; আমাদের দেশের টাকাও এই শ্রেণীর। একটা টাকার মূল্য শোল আনা হইলেও সেই টাকায় যে-পরিমাণ রূপা আছে তাহ মোল আনায় বিকাইবে না। যে সব মুদার ধাতুর পরি মাপের চেয়ে মুদ্র হিসালে মূল্য বেশী তাছাদের "গৌণ মুদ্রা" বা “টোকেন করেন" কছে। গৌণ মুদ্র’গুলির মূল্য যৎসামান্ত হইয়া পাকে। টমবাসের টিকিট, সিনেমার টিকট, এক কাপ চায়ের দাম.এমনি সব ছোট খাট কেনা বেচায় এই সব গৌণ মুদ্রা ব্যবহার হয়। এই ভাবে ধর যদি গভর্ণমেণ্ট সাত আনার রূপাকে মুদ্রায় পরিণত করিয়া ষোল আনা পয়সা २१७8<noinclude></noinclude> 1b9ehcsqtl9t0lqzth5txuhty7qs7ms পাতা:ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য - শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৬৫).pdf/২৩৬ 104 883395 1990808 2026-07-27T15:47:36Z Hrishikes 1618 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ 1990808 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Hrishikes" />{{rh|২২০|ভারতের শক্তি-সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য}}</noinclude>{{gap}}আগমনী-সঙ্গীতেও দেখি কৈলাস হইতে ফিরিয়া উমা আসিলে গিরিরাণী মেনকা— {{block center|<poem> অমনি উঠিয়ে পুলকিত হৈয়ে, ধাইল যেন পাগলিনী। চলিতে চঞ্চল, খসিল কুন্তল, অঞ্চল লোটায়ে ধরণী॥ আঙ্গিনার বাহিরে, হেরিয়ে গৌরীরে, দ্রুত কোলে নিল রাণী। অমিয় বরষি উমা-মুখ-শশী চুম্বয়ে যেন চকোরিণী॥<ref>কমলাকান্ত, শা. প. (ক. বি.)।</ref> </poem>}} কৃষ্ণের মথুরাগমনের বিচ্ছেদ-ব্যথা এবং উমার কৈলাসগমনের বিচ্ছেদ-ব্যথাও বাঙালী কবিগণের মনে খানিকটা সমজাতীয় অনভূতি সৃষ্টি করিয়াছে। আমরা কৃষ্ণের মথুরাগমনে যেমন দেখিতে পাই— কুসম তেজিয়া অলি ক্ষিতিতলে লণ্ঠেই তরগণ মলিন সমান। শারী শক পিক ময়ূরী না নাচত কোকিল না করতহি গান। ১ তেমনই উমার কৈলাস-গমনেও দেখিতে পাইরাণি গো, সাধ, তোমারি বেদনা ব'লে নয়। দেখ দেখি গিরিপরে, পশ, পক্ষী আদি ক'রে, উমার লাগিয়া ঝরে, সবে নিরানন্দময়॥২ কৃষ্ণ মথ রায় চলিয়া যাইবার পর রাত্রিতে কৃষ্ণের স্বপ্ন দেখিয়া নন্দরাণী যশোদা কাঁদিয়া উঠিতেন। এই জাতীয় চমৎকার একটি পদ দেখিতে পাই কৃষ্ণকমল গোস্বামীর 'ন-বিলাস' পালার মধ্যে। স্বপ্নে গোপাল আসিয়া দেখা দিয়া আবার কোথায় লুকাইয়াছে—সকালবেলা ব্রজরাণী কাঁদিয়া কাঁদিয়া সেই কথা রজরাজ নন্দকে বলিতেছেন। শোন ব্রজরাজ, স্বপনেতে আজ, দেখা দিয়ে গোপাল কোথা লকালে। অঞ্চল ধ'রে কাঁদে, যেন সে চঞ্চল চাঁদে “জননী, দে ননী, দে ননী” ব'লে । নীল কলেবর ধুলায় ধসের, বিধমুখে যেন কতই মধ সণ্ডারিয়া ডাকে “মা” ব'লে। যত কাঁদে বাছা বলি সর সর, আমি অভাগিনী বলি সর্ সর্ ০০ ০১ গোবিন্দদাস। ৩২ রমাপতি বন্দ্যোপাধ্যায়; শা. প. (ক. বি.)।<noinclude>{{rule|8em|align=left}} {{smallrefs|85%}}</noinclude> mv6apuezq0yjvlufx7ayea7241wi0hl 1990809 1990808 2026-07-27T16:14:14Z Hrishikes 1618 1990809 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Hrishikes" />{{rh|২২০|ভারতের শক্তি-সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য}}</noinclude>{{gap}}আগমনী-সঙ্গীতেও দেখি কৈলাস হইতে ফিরিয়া উমা আসিলে গিরিরাণী মেনকা— {{block center|<poem> অমনি উঠিয়ে পুলকিত হৈয়ে, ধাইল যেন পাগলিনী। চলিতে চঞ্চল, খসিল কুন্তল, অঞ্চল লোটায়ে ধরণী॥ আঙ্গিনার বাহিরে, হেরিয়ে গৌরীরে, দ্রুত কোলে নিল রাণী। অমিয় বরষি উমা-মুখ-শশী চুম্বয়ে যেন চকোরিণী॥<ref>কমলাকান্ত, শা. প. (ক. বি.)।</ref> </poem>}} {{gap}}কৃষ্ণের মথুরাগমনের বিচ্ছেদ-ব্যথা এবং উমার কৈলাসগমনের বিচ্ছেদ-ব্যথাও বাঙালী কবিগণের মনে খানিকটা সমজাতীয় অনুভূতি সৃষ্টি করিয়াছে। আমরা কৃষ্ণের মথুরাগমনে যেমন দেখিতে পাই— {{block center|<poem> কুসুম তেজিয়া অলি {{float right|2=-3em|ক্ষিতিতলে লুঠই}} ::::তরুগণ মলিন সমান। শারী শুক পিক {{float right|2=-3em|ময়ূরী না নাচত}} ::::কোকিল না করতহি গান।<ref>গোবিন্দদাস।</ref> </poem>}} তেমনই উমার কৈলাস-গমনেও দেখিতে পাই— {{block center|<poem> :::রাণি গো, সুধু তোমারি বেদনা ব’লে নয়। দেখ দেখি গিরিপুরে, {{float right|2=-3em|পশুপক্ষী আদি ক’রে,}} :::উমার লাগিয়া ঝুরে, সবে নিরানন্দময়॥<ref>রমাপতি বন্দ্যোপাধ্যায়; শা. প. (ক. বি.)।</ref> </poem>}} কৃষ্ণ মথ রায় চলিয়া যাইবার পর রাত্রিতে কৃষ্ণের স্বপ্ন দেখিয়া নন্দরাণী যশোদা কাঁদিয়া উঠিতেন। এই জাতীয় চমৎকার একটি পদ দেখিতে পাই কৃষ্ণকমল গোস্বামীর 'ন-বিলাস' পালার মধ্যে। স্বপ্নে গোপাল আসিয়া দেখা দিয়া আবার কোথায় লুকাইয়াছে—সকালবেলা ব্রজরাণী কাঁদিয়া কাঁদিয়া সেই কথা রজরাজ নন্দকে বলিতেছেন। শোন ব্রজরাজ, স্বপনেতে আজ, দেখা দিয়ে গোপাল কোথা লকালে। অঞ্চল ধ'রে কাঁদে, যেন সে চঞ্চল চাঁদে “জননী, দে ননী, দে ননী” ব'লে । নীল কলেবর ধুলায় ধসের, বিধমুখে যেন কতই মধ সণ্ডারিয়া ডাকে “মা” ব'লে। যত কাঁদে বাছা বলি সর সর, আমি অভাগিনী বলি সর্ সর্<noinclude>{{rule|8em|align=left}} {{smallrefs|85%}}</noinclude> 3vbu4qs4rx4icoqn0bhmbqk5e9eve1x 1990811 1990809 2026-07-28T06:49:35Z Hrishikes 1618 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1990811 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{rh|২২০|ভারতের শক্তি-সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য}}</noinclude>{{gap}}আগমনী-সঙ্গীতেও দেখি কৈলাস হইতে ফিরিয়া উমা আসিলে গিরিরাণী মেনকা— {{block center|<poem> অমনি উঠিয়ে পুলকিত হৈয়ে, ধাইল যেন পাগলিনী। চলিতে চঞ্চল, খসিল কুন্তল, অঞ্চল লোটায়ে ধরণী॥ আঙ্গিনার বাহিরে, হেরিয়ে গৌরীরে, দ্রুত কোলে নিল রাণী। অমিয় বরষি উমা-মুখ-শশী চুম্বয়ে যেন চকোরিণী॥<ref>কমলাকান্ত, শা. প. (ক. বি.)।</ref> </poem>}} {{gap}}কৃষ্ণের মথুরাগমনের বিচ্ছেদ-ব্যথা এবং উমার কৈলাসগমনের বিচ্ছেদ-ব্যথাও বাঙালী কবিগণের মনে খানিকটা সমজাতীয় অনুভূতি সৃষ্টি করিয়াছে। আমরা কৃষ্ণের মথুরাগমনে যেমন দেখিতে পাই— {{block center|<poem> কুসুম তেজিয়া অলি {{float right|2=-3em|ক্ষিতিতলে লুঠই}} ::::তরুগণ মলিন সমান। শারী শুক পিক {{float right|2=-3em|ময়ূরী না নাচত}} ::::কোকিল না করতহি গান।<ref>গোবিন্দদাস।</ref> </poem>}} তেমনই উমার কৈলাস-গমনেও দেখিতে পাই— {{block center|<poem> :::রাণি গো, সুধু তোমারি বেদনা ব’লে নয়। দেখ দেখি গিরিপুরে, {{float right|2=-3em|পশুপক্ষী আদি ক’রে,}} :::উমার লাগিয়া ঝুরে, সবে নিরানন্দময়॥<ref>রমাপতি বন্দ্যোপাধ্যায়; শা. প. (ক. বি.)।</ref> </poem>}} {{gap}}কৃষ্ণ মথুরায় চলিয়া যাইবার পর রাত্রিতে কৃষ্ণের স্বপ্ন দেখিয়া নন্দরাণী যশোদা কাঁদিয়া উঠিতেন। এই-জাতীয় চমৎকার একটি পদ দেখিতে পাই কৃষ্ণকমল গোস্বামীর ‘স্বপ্ন-বিলাস’ পালার মধ্যে। স্বপ্নে গোপাল আসিয়া দেখা দিয়া আবার কোথায় লুকাইয়াছে—সকালবেলা ব্রজরাণী কাঁদিয়া কাঁদিয়া সেই কথা ব্রজরাজ নন্দকে বলিতেছেন। {{block center/s}}<poem> শোন ব্রজরাজ, {{float right|2=-2em|স্বপনেতে আজ,}} ::দেখা দিয়ে গোপাল কোথা লুকালে। যেন সে চঞ্চল চাঁদে {{float right|2=-2em|অঞ্চল ধ’রে কাঁদে,}} ::“জননী, দে ননী, দে ননী” ব’লে॥</poem> <poem style=margin-left:2em>নীল কলেবর ধূলায় ধূসর, বিধুমুখে যেন কতই মধুস্বর সঞ্চারিয়া ডাকে “মা” ব’লে। যত কাঁদে বাছা বলি সর সর, আমি অভাগিনী বলি সর্ সর্ </poem><noinclude>{{block center/e}} {{rule|8em|align=left}} {{smallrefs|85%}}</noinclude> hpzkv9d6lxdy5m3j7rch5cd5pfmkmaj 1990812 1990811 2026-07-28T06:50:05Z Hrishikes 1618 1990812 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{rh|২২০|ভারতের শক্তি-সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য}}</noinclude>{{gap}}আগমনী-সঙ্গীতেও দেখি কৈলাস হইতে ফিরিয়া উমা আসিলে গিরিরাণী মেনকা— {{block center|<poem> অমনি উঠিয়ে পুলকিত হৈয়ে, ধাইল যেন পাগলিনী। চলিতে চঞ্চল, খসিল কুন্তল, অঞ্চল লোটায়ে ধরণী॥ আঙ্গিনার বাহিরে, হেরিয়ে গৌরীরে, দ্রুত কোলে নিল রাণী। অমিয় বরষি উমা-মুখ-শশী চুম্বয়ে যেন চকোরিণী॥<ref>কমলাকান্ত, শা. প. (ক. বি.)।</ref> </poem>}} {{gap}}কৃষ্ণের মথুরাগমনের বিচ্ছেদ-ব্যথা এবং উমার কৈলাসগমনের বিচ্ছেদ-ব্যথাও বাঙালী কবিগণের মনে খানিকটা সমজাতীয় অনুভূতি সৃষ্টি করিয়াছে। আমরা কৃষ্ণের মথুরাগমনে যেমন দেখিতে পাই— {{block center|<poem> কুসুম তেজিয়া অলি {{float right|2=-3em|ক্ষিতিতলে লুঠই}} ::::তরুগণ মলিন সমান। শারী শুক পিক {{float right|2=-3em|ময়ূরী না নাচত}} ::::কোকিল না করতহি গান।<ref>গোবিন্দদাস।</ref> </poem>}} তেমনই উমার কৈলাস-গমনেও দেখিতে পাই— {{block center|<poem> :::রাণি গো, সুধু তোমারি বেদনা ব’লে নয়। দেখ দেখি গিরিপুরে, {{float right|2=-3em|পশুপক্ষী আদি ক’রে,}} :::উমার লাগিয়া ঝুরে, সবে নিরানন্দময়॥<ref>রমাপতি বন্দ্যোপাধ্যায়; শা. প. (ক. বি.)।</ref> </poem>}} {{gap}}কৃষ্ণ মথুরায় চলিয়া যাইবার পর রাত্রিতে কৃষ্ণের স্বপ্ন দেখিয়া নন্দরাণী যশোদা কাঁদিয়া উঠিতেন। এই-জাতীয় চমৎকার একটি পদ দেখিতে পাই কৃষ্ণকমল গোস্বামীর ‘স্বপ্ন-বিলাস’ পালার মধ্যে। স্বপ্নে গোপাল আসিয়া দেখা দিয়া আবার কোথায় লুকাইয়াছে—সকালবেলা ব্রজরাণী কাঁদিয়া কাঁদিয়া সেই কথা ব্রজরাজ নন্দকে বলিতেছেন। {{block center/s}}<poem> শোন ব্রজরাজ, {{float right|2=-2em|স্বপনেতে আজ,}} ::দেখা দিয়ে গোপাল কোথা লুকালে। যেন সে চঞ্চল চাঁদে {{float right|2=-2em|অঞ্চল ধ’রে কাঁদে,}} ::“জননী, দে ননী, দে ননী” ব’লে॥</poem> <poem style=margin-left:2em>নীল কলেবর ধূলায় ধূসর, বিধুমুখে যেন কতই মধুস্বর সঞ্চারিয়া ডাকে “মা” ব’লে। যত কাঁদে বাছা বলি সর সর, আমি অভাগিনী বলি সর্ সর্, </poem><noinclude>{{block center/e}} {{rule|8em|align=left}} {{smallrefs|85%}}</noinclude> tlyecjuy6dhmezqbpl9ogtkbob9aw1e